বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

পিএসসির সিনিয়র স্টাফ নার্স পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩।

পদের নাম: সিনিয়র স্টাফ নার্স (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা
c ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
d ঈশ্বরচন্দ্র ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন বাংলা গদ্যের জনক এবং সমাজ সংস্কারক। - বন্দ্যোপাধ্যায় হলো তাঁর মূল পারিবারিক পদবি, যা জন্মসূত্রে তিনি লাভ করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮২০ সালে মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - সংস্কৃত কলেজ থেকে বিদ্যাসাগর উপাধি অর্জনের পর তিনি এই নামেই সমধিক পরিচিত হন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ব্যাখ্যা: এটি ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রকৃত পারিবারিক পদবি। উদাহরণ ২: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ব্যাখ্যা: এটি কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রকৃত পারিবারিক পদবি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি তাঁর প্রদত্ত উপাধিভিত্তিক নাম, প্রকৃত পারিবারিক নাম নয়। B) ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা — শর্মা তাঁর বংশগত উপাধি বা পদবি নয়। C) ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি তাঁর জন্মসূত্রে প্রাপ্ত প্রকৃত পারিবারিক নাম। D) ঈশ্বরচন্দ্র ভট্টাচার্য — এটি তাঁর পারিবারিক পদবি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: লেখকদের জন্মসূত্রে পাওয়া পদবি হলো তাঁদের প্রকৃত নাম। বিদ্যাসাগর হলো তাঁর অর্জন করা উপাধি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিখ্যাত লেখকদের প্রকৃত নাম ও উপাধি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। উপাধি এবং পারিবারিক পদবির পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a কাঁদো নদী কাঁদো
b দুই সৈনিক
c রাইফেল রোটি আওরাত
d যুদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাঁদো নদী কাঁদো ১. কেন সঠিক: - কাঁদো নদী কাঁদো সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যার মূল বিষয়বস্তু নদীভাঙন ও মানুষের জীবনের জটিল মানসিক দ্বন্দ্ব। - এই উপন্যাসের সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধের কোনো ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বা ঘটনার সরাসরি কোনো সংযোগ নেই। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক যিনি মূলত অস্তিত্ববাদ ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণধর্মী উপন্যাসের জন্য পরিচিত। - তার অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে লালসালু ও চাঁদের অমাবস্যা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন ব্যাখ্যা: জহির রায়হান রচিত এই উপন্যাসটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বা সংগ্রামভিত্তিক সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: রূঢ় উষ্ণতায় ব্যাখ্যা: শওকত আলী রচিত এই উপন্যাসটি মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা একটি অনবদ্য ঐতিহাসিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাঁদো নদী কাঁদো — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, বরং এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক ও নদীভিত্তিক উপন্যাস। B) দুই সৈনিক — এটি শওকত আলী রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোট উপন্যাস বা নভেলা। C) রাইফেল রোটি আওরাত — এটি আনোয়ার পাশা রচিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ইংরেজি ভাষার উপন্যাস যা পরে বাংলায় অনূদিত হয়। D) যুদ্ধ — এটি হাশেম খান রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ যা যুদ্ধের স্মৃতি ও দিনলিপি বহন করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসগুলো মূলত সমাজ ও মানুষের মনস্তত্ত্ব নিয়ে কাজ করে, তাই তার উপন্যাস দেখলে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয় বলে ধরে নেওয়া নিরাপদ। - লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা এবং কাঁদো নদী কাঁদো কোনোটিই মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের তালিকা থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - শওকত আলী, আনোয়ার পাশা ও জহির রায়হানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলোর নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে মুখস্থ রাখা উচিত।
a দূর
b দুর্গম
c দৃশ্য
d হ্রস্ব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হ্রস্ব ১. কেন সঠিক: 'দীর্ঘ' শব্দের অর্থ হলো যা আকারে বা পরিমাণে বড়, লম্বা বা দীর্ঘায়িত। এর বিপরীত অর্থ প্রকাশকারী শব্দ হলো 'হ্রস্ব', যার অর্থ ছোট, সংক্ষিপ্ত বা খর্ব। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের অর্থের গভীরতা ও ব্যাকরণগত মিল বিবেচনা করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন দুটি শব্দ যাদের অর্থ পরস্পরের সম্পূর্ণ বিপরীত। তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়। দীর্ঘ এবং হ্রস্ব উভয়ই তৎসম শব্দ এবং এরা পরিমাপ বা আকারের বিপরীত অবস্থা নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দীর্ঘশ্বাস ও হ্রস্বস্বর ব্যাখ্যা: স্বরবর্ণের উচ্চারণের দীর্ঘতা বোঝাতে দীর্ঘস্বর এবং কম সময় লাগলে হ্রস্বস্বর বলা হয়। উদাহরণ ২: দীর্ঘজীবী ও হ্রস্বকায় ব্যাখ্যা: দীর্ঘ জীবনের বিপরীতে হ্রস্বকায় শব্দের অর্থ ছোট বা খর্ব আকৃতির দেহ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দূর — দূর শব্দের বিপরীত শব্দ নিকট বা সকাশ, তাই এটি দীর্ঘ শব্দের বিপরীত নয়। B) দুর্গম — দুর্গম শব্দের বিপরীত শব্দ সুগম, যা যাতায়াতের সহজ অবস্থাকে বোঝায়। C) দৃশ্য — দৃশ্য শব্দের বিপরীত শব্দ অদৃশ্য বা অদৃশ্যের মতো শব্দ, যা দেখার যোগ্যতার সঙ্গে সম্পর্কিত। D) হ্রস্ব — হ্রস্ব হলো দীর্ঘ শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ যা আকার বা পরিমাণের বিপরীত বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: দীর্ঘ মানে লম্বা এবং হ্রস্ব মানে ছোট, এই দুটি পরিমাপবাচক শব্দ জোড়ায় জোড়ায় মনে রাখা সহজ। পরীক্ষার সময় তৎসম শব্দের বিপরীতে তৎসম শব্দ নির্বাচন করার নিয়ম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে শব্দের উৎসের দিকে খেয়াল রাখতে হবে যেমন তৎসম শব্দের বিপরীত তৎসম শব্দ হয়। বাংলা ব্যাকরণে এমন বহু শব্দ জোড় রয়েছে যা নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে আয়ত্ত করতে হয়।
a নিত্য সমাস
b অলুক তৎপুরুষ
c কর্মধারয় সমাস
d উপপদ তৎপুরুষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপপদ তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: যে তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদটি বিশেষ্য এবং পরপদটি কৃদন্ত পদ তথা ক্রিয়া নির্দেশক শব্দ হয় এবং সমস্ত পদে কৃদন্ত পদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে। এখানে কৃদন্ত পদটি ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যোগে গঠিত হয় এবং এর আগের বিশেষ্য পদটি সমাসবদ্ধ হয়ে নতুন অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: উপপদ তৎপুরুষ সমাসে কৃদন্ত পদের পূর্বে যে বিশেষ্য পদ বসে তাকে উপপদ বলা হয়। এই সমাসে ব্যাসবাক্য করার সময় পদের শেষে যে, যারা বা যা ইত্যাদি পদ যুক্ত করে বাক্য সম্প্রসারণ করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঙ্কে জন্মে যা = পঙ্কজ ব্যাখ্যা: এখানে পঙ্ক বিশেষ্য পদ এবং জন্মে ক্রিয়াজাত পদ মিলে উপপদ তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: জলে চরে যে = জলচর ব্যাখ্যা: এখানে জল বিশেষ্য পদ এবং চরে ক্রিয়াজাত পদ মিলে উপপদ তৎপুরুষ সমাস গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিত্য সমাস — যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না বা করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয় তাকে নিত্য সমাস বলে, যা বিশেষ্য ও ক্রিয়ার মিলনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) অলুক তৎপুরুষ — যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় না তাকে অলুক তৎপুরুষ বলে, যা বিশেষ্য ও ক্রিয়ার মিলনের নির্দিষ্ট সংজ্ঞা নয়। C) কর্মধারয় সমাস — যেখানে বিশেষণ বা বিশেষ্য পদের সঙ্গে পরপদের বিশেষ্য পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) উপপদ তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিশেষ্য পদের সঙ্গে কৃদন্ত বা ক্রিয়া পদ মিলে এই সমাস গঠিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: উপপদ চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের শেষে যে, যা বা যারা থাকে এবং কৃদন্ত পদের আগে একটি বিশেষ্য পদ বসে। মনে রাখার সূত্র হলো বিশেষ্য যোগ ক্রিয়া মিলে তৈরি হয় উপপদ তৎপুরুষ সমাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষায় পঙ্কজ, জলচর, পকেটমার বা পকেট মারে যে শব্দগুলো বারবার আসে এবং এগুলো উপপদ তৎপুরুষ সমাসের সবচেয়ে প্রচলিত উদাহরণ। কৃৎ প্রত্যয় সাধিত পদের সঙ্গে পূর্বপদের সম্পর্ক দেখলে দ্রুত উপপদ তৎপুরুষ সমাস চিহ্নিত করা যায়।
a সংস্কৃত ভাষা
b ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা
c প্রাকৃত ভাষা
d পারি ভাষা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষার জন্ম ও বিকাশ মূলধারার উৎস হলো ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবার। এই ভাষা পরিবার থেকেই বিবর্তনের মাধ্যমে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় এটি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের শততম শাখা থেকে উদ্ভূত। প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা থেকে বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে আজকের বাংলা ভাষার রূপ লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইংরেজি ভাষা ব্যাখ্যা: ইংরেজি ভাষাটিও ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের অন্তর্গত একটি প্রধান ভাষা। উদাহরণ ২: হিন্দি ভাষা ব্যাখ্যা: হিন্দি ভাষা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবার থেকে উদ্ভূত এবং বাংলার সঙ্গে এর উৎসগত মিল রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত ভাষা — সংস্কৃত ভাষা বাংলা ভাষার আদি উৎস নয়, বরং বাংলা ভাষার একটি প্রাচীন জননী বা পূর্বসূরি মাত্র। B) ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাংলা ভাষার মূল বংশধর বা আদি উৎস। C) প্রাকৃত ভাষা — প্রাকৃত ভাষা বাংলা ভাষার ইতিহাসের একটি মধ্যবর্তী পর্যায়, আদি উৎস নয়। D) পারি ভাষা — পারি ভাষা বৌদ্ধ ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ভাষা এবং এটি বাংলা ভাষার আদি উৎস হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাষা বংশের ক্ষেত্রে মনে রাখবে বাংলা ভাষার মূল শেকড় রয়েছে ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারে। প্রাচীনকাল থেকে ভাষা পরিবর্তনের ধারা মনে রাখলে এই ধরনের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার উৎস সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বাংলা ভাষার জন্ম কোন ভাষা থেকে হয়েছে তা মনে রাখতে ভাষা পরিবারের ক্রম মনে রাখা জরুরি।
a জীবনানন্দ দাশের
b সুকান্ত ভট্টাচার্যের
c সৈয়দ শামসুল হকের
d মাহবুব-উল-আলম চৌধুরীর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মাহবুব-উল-আলম চৌধুরীর ১. কেন সঠিক: - কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি বাংলা কবিতার ইতিহাসে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে রচিত প্রথম কবিতা। - মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে নিহতের খবর শুনে ২১ ফেব্রুয়ারি রাতেই এই কবিতাটি রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী ছিলেন একাধারে কবি, প্রাবন্ধিক ও ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক। - ভাষা আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোতে রচিত এই কবিতাটি বাঙালি জাতিকে স্বাধিকার আন্দোলনে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলাউদ্দিন আল আজাদের স্মৃতিসম্ভার কবিতা ব্যাখ্যা: এটিও ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও আবেগঘন কবিতা। উদাহরণ ২: মাহবুব উল আলম চৌধুরীর অমর একুশে প্রবন্ধ ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলন ও বাঙালির স্বাধিকার সংগ্রামের ইতিহাস জানতে এই ধরনের সাহিত্যকর্ম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবনানন্দ দাশের — জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলা ও জীবনচেতনার প্রধান কবি, ভাষা আন্দোলনের এই কবিতার রচয়িতা তিনি নন। B) সুকান্ত ভট্টাচার্যের — সুকান্ত ভট্টাচার্য কিশোর কবি ও মার্ক্সবাদী চেতনার সাহিত্যিক হলেও ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের আগেই তিনি মারা যান। C) সৈয়দ শামসুল হকের — সৈয়দ শামসুল হক বহুমুখী প্রতিভার লেখক হলেও এই ঐতিহাসিক প্রথম কবিতাটি তার লেখা নয়। D) মাহবুব-উল-আলম চৌধুরীর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ভাষা আন্দোলনের তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় এই কবিতাটি লিখেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতা মনে রাখতে চৌধুরী সাহেবের নাম এবং ফাঁসির দাবি স্মরণ করতে পারো। - বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারিতেই লেখা হয়েছিল এই বিখ্যাত কবিতাটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতার নাম এবং রচয়িতার নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - বাংলা সাহিত্যে ঐতিহাসিক ঘটনার তাৎক্ষণিক সাহিত্যিক রূপদানের এটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
a শ্রীকান্ত
b ঘরে-বাইরে
c পদ্মানদীর মাঝি
d খোয়াব নামা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পদ্মানদীর মাঝি ১. কেন সঠিক: পদ্ম নদীর মাঝি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত আঞ্চলিক উপন্যাস। এই উপন্যাসে পদ্মা নদীর তীরবর্তী জেলের সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনযাত্রা এবং তাদের সুখদুঃখ নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসের পটভূমি হলো বিক্রমপুর অঞ্চলের পদ্মা নদীর অববাহিকা এবং মৎস্যজীবী মানুষের জীবন। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কুবের ও মালা যার মাধ্যমে আঞ্চলিক মানুষের জীবনসংগ্রাম স্পষ্ট হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিতাস একটি নদীর নাম ব্যাখ্যা: এটি অদ্বৈত মল্লবর্মণ রচিত অপর একটি বিখ্যাত আঞ্চলিক উপন্যাস, যা তিতাস তীরবর্তী মালো সম্প্রদায়ের জীবনভিত্তিক। উদাহরণ ২: গঙ্গা ব্যাখ্যা: সমরেশ বসু রচিত এই উপন্যাসটিও নদীকেন্দ্রিক আঞ্চলিক উপন্যাসের একটি সার্থক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রীকান্ত — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস, যার পটভূমি আঞ্চলিক নয় বরং লেখকের জীবনদর্শনের ওপর প্রতিষ্ঠিত। B) ঘরে-বাইরে — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস, যা স্বদেশী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে। C) পদ্মানদীর মাঝি — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত আঞ্চলিক উপন্যাস, যা সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। D) খোয়াব নামা — এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস, যা তেভাগা আন্দোলন ও দেশভাগের প্রেক্ষাপটে রচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: নদীভিত্তিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মানদীর মাঝি নামটি সবার আগে মনে রাখতে হয়। উপন্যাসের মূল চরিত্র জেলের জীবন এবং পদ্মা নদী লেখকের আঞ্চলিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আঞ্চলিক উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে। তাই মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মানদীর মাঝি এবং অদ্বৈত মল্লবর্মণের তিতাস একটি নদীর নাম বিশেষভাবে মনে রাখা প্রয়োজন।
a কর্ম কারক
b করণ কারক
c অপাদান কারক
d কর্তৃকারক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কর্তৃকারক ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ক্রিয়া সম্পাদনকারীকে কর্তৃকারক বলে এবং এখানে 'পয়মন্তি' শব্দটি নিজে কাজ বা আগমন সম্পন্ন করছে। - বাক্যের ক্রিয়া হলো 'এলো' এবং কে বা কারা এলো প্রশ্ন করলে 'পয়মন্তি' উত্তর পাওয়া যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ যখন বাক্যের ক্রিয়া সম্পাদন করে, তখন তাকে কর্তৃকারক বলা হয়। - ক্রিয়ার সঙ্গে কে বা কারা যুক্ত করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর মেলে, তা-ই কর্তৃকারক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৃষ্টি নামে। ব্যাখ্যা: এখানে 'বৃষ্টি' হলো কর্তৃকারক কারণ নামার কাজটি বৃষ্টি নিজে করছে। উদাহরণ ২: পাখি গান গায়। ব্যাখ্যা: এখানে 'পাখি' হলো কর্তৃকারক কারণ গান গাওয়ার কাজটি পাখি সম্পাদন করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্ম কারক — কর্ম কারক হলো যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, কিন্তু এখানে 'পয়মন্তি' নিজে কাজটি করছে। B) করণ কারক — করণ কারক হলো যার দ্বারা বা মাধ্যমে ক্রিয়া সাধিত হয়, যা এই বাক্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) অপাদান কারক — অপাদান কারক হলো যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত বা ভীত হয়, কিন্তু এখানে তা বোঝায়নি। D) কর্তৃকারক — এটি সঠিক অপশন কারণ 'পয়মন্তি' নিজেই বাক্যের ক্রিয়া সম্পাদন করছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়ার কাছে কে বা কারা প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা কর্তৃকারক হিসেবে চিহ্নিত করবে। - কর্তা সব সময় বাক্যের মূল ক্রিয়াটি সম্পাদন করে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে বাক্যের ক্রিয়াকে চিহ্নিত করে কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করতে হবে। - এই নিয়মটি মনে রাখলে যেকোনো পরীক্ষার কর্তৃকারক সংক্রান্ত প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যাবে।
a মেঘনাদ বধ কাব্য
b চিলেকোঠার সিপাই
c জীবন স্মৃতি
d শেষ লেখা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চিলেকোঠার সিপাই ১. কেন সঠিক: - চিলেকোঠার সিপাই উপন্যাসটি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত আধুনিক বাংলা উপন্যাস। - উপন্যাসের মূল চরিত্র খোকা এবং উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের রাজনৈতিক ও সামাজিক আবহ এর মূল আলোচ্য বিষয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসটির রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। - এটি বাংলা কথাসাহিত্যে অনন্য রিয়ালিজম বা বাস্তবতার অনন্য দলিল হিসেবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খোয়াবনামা ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের অপর একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও আলোচিত উপন্যাস। উদাহরণ ২: মানুষের ঘরবাড়ি ব্যাখ্যা: এটিও আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি প্রখ্যাত উপন্যাস যা সমাজের গভীর বাস্তবচিত্র ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘনাদ বধ কাব্য — এটি কোনো উপন্যাস নয়, বরং মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। B) চিলেকোঠার সিপাই — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। C) জীবন স্মৃতি — এটি কোনো উপন্যাস নয়, বরং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত একটি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। D) শেষ লেখা — এটি কোনো উপন্যাস নয়, বরং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর পর প্রকাশিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তিনি খুব কম লিখেছেন কিন্তু মানের দিক থেকে অনন্য। চিলেকোঠার সিপাই ও খোয়াবনামা তাঁর দুটি প্রধান স্তম্ভ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় চিলেকোঠার সিপাই উপন্যাসের রচয়িতা কে, যার সঠিক উত্তর আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। - বিভিন্ন সাহিত্যকর্ম কাব্য, উপন্যাস নাকি নাটক তা ভালোভাবে চেনার জন্য লেখকের প্রধান কাজগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখা জরুরি।
a সুলভ জিনিস ভালো না
b সুলভ জিনিস কেনা খারাপ
c কমদামী জিনিস খারাপ
d সুলভ জিনিসের নানা দোষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সুলভ জিনিসের নানা দোষ ১. কেন সঠিক: - সস্তার তিন অবস্থা প্রবাদটির মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে কম মূল্যে প্রাপ্ত জিনিসের গুণগত মান সাধারণত ভালো হয় না এবং এতে নানা ধরনের ত্রুটি থাকে। - সুলভ শব্দটির অর্থ সহজেই লভ্য বা কম দামি, আর এই ধরনের জিনিসের স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা নিয়ে সমাজে দীর্ঘকাল ধরে এই অভিজ্ঞতাটি প্রবাদ আকারে প্রচলিত আছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রবাদ ও প্রবচন যার মাধ্যমে মানবজীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সমাজের লব্ধ জ্ঞান প্রকাশ পায়। - প্রবাদ হলো সংক্ষিপ্ত ও অর্থবহ বাক্য যা দীর্ঘ অভিজ্ঞতার সারসংক্ষেপ হিসেবে মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চ বর্জিত ছ ছাগলে খায় ব্যাখ্যা: এই প্রবাদটি দিয়ে যেমন কোনো বস্তুর অপূর্ণতা বোঝায়, তেমনি সস্তার তিন অবস্থা প্রবাদটি কম দামি জিনিসের ত্রুটি নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: যদুকুলে শ্রীকৃষ্ণ নাই ব্যাখ্যা: এই প্রবাদটি সব ক্ষেত্রে একরকম ফল না পাওয়ার একটি চমৎকার উদাহরণ যা প্রবাদ-প্রবচনের অন্তর্গত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুলভ জিনিস ভালো না — এই অপশনটি আংশিক সত্য প্রকাশ করলেও প্রবাদটির মূল ভাব অর্থাৎ নানা ধরনের ত্রুটির কথাটি সম্পূর্ণভাবে ফুটিয়ে তোলে না। B) সুলভ জিনিস কেনা খারাপ — কেনা খারাপ বলাটা প্রবাদটির মূল কাঠামোগত অর্থ বা ব্যাকরণগত প্রমিত রূপের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) কমদামী জিনিস খারাপ — কমদামী শব্দটির চেয়ে সুলভ শব্দের অন্তর্নিহিত অর্থ প্রবাদে বেশি ব্যাপক ও সঠিক হিসেবে গৃহিত হয়। D) সুলভ জিনিসের নানা দোষ — এই অপশনটি প্রবাদটির শাব্দিক ও ভাবগত অর্থকে পুরোপুরি এবং নির্ভুলভাবে প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সস্তা মানে কম দাম এবং তিন অবস্থা মানে তিন ধরনের সমস্যা বা দোষ, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। - পরীক্ষার হলে প্রবাদের ক্ষেত্রে যে অপশনে বহুমুখী ত্রুটি বা নানা দোষের কথা থাকবে, সেটি সাধারণত সঠিক উত্তর হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রবাদ-প্রবচনের অন্তর্নিহিত অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - প্রবাদগুলো মুখস্থ করার পাশাপাশি এগুলোর পেছনের বাস্তব অর্থ অনুধাবন করা জরুরি।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c রজনীকান্ত
d দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ১. কেন সঠিক: - এই সংগীতটির রচয়িতা বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। - গানটি তাঁর দেশাত্মবোধক গানের ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় একটি সৃষ্টি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দ্বিজেন্দ্রলাল রায় হলেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দেশাত্মবোধক গানের রচয়িতা। - তাঁর রচিত গীতিগুলো মূলত স্বদেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদের চেতনায় সমৃদ্ধ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গ আমার জননী আমার ব্যাখ্যা: এটিও দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত একটি জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান। উদাহরণ ২: ও আমার দেশের মাটি ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত অপর একটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি এই সংগীতটির রচয়িতা নন, তবে তাঁর রচিত অনেক দেশাত্মবোধক গান রয়েছে। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আমাদের জাতীয় কবি, তবে এই নির্দিষ্ট গানটির রচয়িতা তিনি নন। C) রজনীকান্ত — তিনি বিখ্যাত পদকর্তা ও গীতিকার হলেও এই গানটির রচয়িতা দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। D) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — এই অপশনটি সঠিক এবং গানটির রচয়িতা হিসেবে প্রমাণিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধন ধান্যে ভরা বসুন্ধরা দেখলে দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের নাম মনে রাখবে। - ডিএল রায় বা দ্বিজেন্দ্রলাল রায় মানেই কালজয়ী দেশাত্মবোধক গান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত গান ও কবিতার রচয়িতা প্রায়ই আসে। - সাহিত্যিকদের পরিচিতি ভালোভাবে পড়লে এমন প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a অক্ষয়কুমার দত্ত
b বুদ্ধদেব বসু
c প্রমথ চৌধুরী
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - সবুজ পত্র পত্রিকার সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী। - বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষারীতি প্রবর্তনে এই পত্রিকার ভূমিকা ছিল অনন্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামের প্রবক্তা। - ১৯১৪ সালের শ্রাবণ মাসে সবুজ পত্র পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরী নানা প্রবন্ধ লিখেছেন। ব্যাখ্যা: এটি তার সাহিত্যিক পরিচয় ও ছদ্মনাম স্পষ্ট করে। উদাহরণ ২: চার ইয়ারী কথা প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি তার রচিত কথাসাহিত্য বা ছোটগল্প সংকলনের পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষয়কুমার দত্ত — তিনি তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন কিন্তু সবুজ পত্রের সঙ্গে যুক্ত নন। B) বুদ্ধদেব বসু — তিনি আধুনিক যুগের বিখ্যাত কবি ও কবিতা পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বঙ্গদর্শন ও সাধনা পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তবে সবুজ পত্রের সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রমথ চৌধুরীর সবুজ পত্র মনে রাখার জন্য সবুজ পাতার বীরবল সূত্রটি স্মরণ রাখতে পারো। - বাংলা চলতি রীতির জনক প্রমথ চৌধুরী এই পত্রিকার মাধ্যমে নতুন ধারা আনেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় পত্রিকার সম্পাদক থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - পত্রিকার নাম দেখলেই তার সম্পাদক ও প্রকাশের সাল ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a বহুব্রীহি
b অব্যয়ীভাব
c দ্বিগু
d ব্যতিহার বহুব্রীহি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দ্বিগু ১. কেন সঠিক: যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে সমাহার বা মিলন অর্থে বিশেষ্য পদের মিলন ঘটে এবং সমাসবদ্ধ পদটি বিশেষ্য পদ বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। পঞ্চ পদের সমাহার সমান পঞ্চপদ, এখানে সমাহার বা সমষ্টি বোঝানোর কারণে এটি দ্বিগু সমাস হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: দ্বিগু সমাসে পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক হয় এবং পরপদটি বিশেষ্য হয়। সমস্তপদটি বিশেষ্য পদ হিসেবে গণ্য হয়। এটি মূলত তৎপুরুষ সমাসের একটি বিশেষ রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ত্রিফলের সমাহার সমান ত্রিফল। ব্যাখ্যা: এখানে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং সমস্তপদটি বিশেষ্য বোঝাচ্ছে। উদাহরণ ২: শতাব্দের সমাহার সমান শতাব্দী। ব্যাখ্যা: এটি শত বছরের সমষ্টি বুঝিয়ে দ্বিগু সমাস গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বহুব্রীহি — এই সমাসে পূর্ব বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) অব্যয়ীভাব — পূর্বপদের অর্থ প্রধান হয়ে অব্যয় পদ যোগে যে সমাস হয়, তাকে অব্যয়ীভাব বলে এবং এখানে তা নেই। D) ব্যতিহার বহুব্রীহি — ক্রিয়ার পারস্পরিক বোঝাবুঝিতে যে বহুব্রীহি সমাস হয়, পঞ্চপদ শব্দটিতে তা প্রকাশ পায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে বিশেষ্য পদের মিলন এবং সমাহার শব্দ থাকলে চোখ বন্ধ করে দ্বিগু সমাস দাগাবে। সমস্তপদটি সবসময় বিশেষ্য পদ হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বিগু ও সংখ্যাবাচক বহুব্রীহির পার্থক্য প্রায়ই আসে। সমাহার বা সমষ্টি বোঝালে দ্বিগু সমাস হয়।
a বিসর্জন
b তিরোভাব
c অপকর্ষ
d অবরোহণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিসর্জন ১. কেন সঠিক: 'আবাহন' শব্দের অর্থ আহ্বান বা কোনো কিছু সসম্মানে বরণ করে নেওয়া। এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে 'বিসর্জন' শব্দটি, যার অর্থ ত্যাগ করা বা বর্জন করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দ অংশের একটি প্রশ্ন। বিপরীত শব্দ চয়ন করার সময় শব্দের মূল অর্থ ও প্রসঙ্গের দিকে খেয়াল রাখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আবাহন সংগীত ব্যাখ্যা: কোনো অনুষ্ঠানের শুরুতে যে গান গেয়ে বরণ করা হয় তাকে আবাহন সংগীত বলে। উদাহরণ ২: প্রতিমা বিসর্জন ব্যাখ্যা: পূজার শেষে প্রতিমা জলে ফেলে দেওয়ার মাধ্যমে বিসর্জন সম্পন্ন হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিসর্জন — এটি আবাহন শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। B) তিরোভাব — এর অর্থ অদৃশ্য হওয়া বা লোকান্তরিত হওয়া, যা আবির্ভাব শব্দের বিপরীত। C) অপকর্ষ — এর অর্থ অবনতি বা নিকৃষ্ট হওয়া, যা উৎকর্ষ শব্দের বিপরীত। D) অবরোহণ — এর অর্থ নিচে নামা, যা আরোহণ শব্দের বিপরীত। ৫ মনে রাখার টিপস: কোনো কিছুকে ডেকে আনা বা বরণ করা হলো আবাহন এবং তাকে বিদায় দেওয়া বা ফেলে দেওয়া হলো বিসর্জন। এভাবে বরণ ও ত্যাগের সম্পর্ক দিয়ে এটি মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের উৎস ও মূল অর্থ অনুধাবন করা জরুরি। একই শব্দের একাধিক বিপরীত শব্দ থাকতে পারে, তবে প্রসঙ্গের ওপর ভিত্তি করে সবচেয়ে উপযুক্তটি নির্বাচন করতে হয়।
a নিজের মুখ উপরে তোলা
b অন্যের মুখ উপরে তুলে ধরা
c নষ্ট করা
d প্রসন্ন হওয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রসন্ন হওয়া ১. কেন সঠিক: - 'মুখতোলা' একটি বহুল ব্যবহৃত বাগধারা, যার মাধ্যমে মানুষের মন বা ভাবের পরিবর্তন প্রকাশ করা হয়। - অভিধান অনুযায়ী এই বাগধারাটির বিশেষ বা লক্ষ্যার্থ হলো কৃপা করা, মুখ ফিরিয়ে নেওয়া থেকে বিরত থাকা বা প্রসন্ন হওয়া। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের বাগধারা বা প্রবাদ-প্রবচনের অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ বা ভাবার্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজার প্রতি আকুতি জানালে অবশেষে রাজা মুখ তুললেন। ব্যাখ্যা: এখানে মুখ তুললেন বলতে রাজার প্রসন্ন হওয়া বা কৃপা করার ভাব বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে গুরুজন মুখ তুললেন। ব্যাখ্যা: এখানেও অভিমান ভেঙে প্রসন্ন হওয়ার ভাব প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিজের মুখ উপরে তোলা — এটি বাগধারার কোনো বিশেষ অর্থ নয়, বরং শব্দের আক্ষরিক অর্থ মাত্র। B) অন্যের মুখ উপরে তুলে ধরা — এটি সম্পূর্ণ অবাস্তব এবং এই বাগধারার প্রচলিত ভাবের সঙ্গে মিল নেই। C) নষ্ট করা — এই অর্থটি 'মুখতোলা' বাগধারার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। D) প্রসন্ন হওয়া — এটিই এই বাগধারার সঠিক ও প্রমিত ভাবার্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুখ তোলা মানে ওপরের দিকে তাকানো নয়, বরং কারো প্রতি মন ভালো করা বা প্রসন্ন হওয়া। - রাগ বা অভিমান ভুলে কৃপা করা অর্থে এই বাগধারাটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার আক্ষরিক অর্থ দাগানো থেকে সাবধান থাকতে হবে। - সবসময় মূল শব্দের অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা বিশেষ অর্থ খুঁজে বের করতে হবে।
a স্বরসন্ধি
b ব্যঞ্জন সন্ধি
c নিপাতনে সিদ্ধসন্ধি
d বিসর্গ সন্ধি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিপাতনে সিদ্ধসন্ধি ১. কেন সঠিক: সন্ধির সাধারণ নিয়ম বা ব্যাকরণের প্রচলিত সূত্র মেনে যে সন্ধিগুলো হয় না, বরং সাধারণ নিয়মের বাইরে কতিপয় শব্দে সরাসরি সাধিত হয়, তাকে নিপাতনে সিদ্ধসন্ধি বলে। প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে যে শব্দগুলো ব্যাকরণের নির্দিষ্ট কোনো সাধারণ নিয়মের অধীন নয় বরং নিয়মবহির্ভূতভাবে সাধিত হয়, তাকে কী বলে এবং এর সঠিক উত্তর হলো নিপাতনে সিদ্ধসন্ধি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি ও বিসর্গসন্ধির নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম ও সূত্র থাকে যা অনুসরণ করে শব্দ গঠিত হয়। কিন্তু কিছু শব্দ এমন রয়েছে যা কোনো নিয়মের তোয়াক্কা না করে প্রাকৃতিকভাবে বা নিপাতনে সিদ্ধ হয়ে প্রচলিত হয়েছে, সেগুলোকে ব্যাকরণের নিয়মে ভাঙা যায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোষ্পদ = গো + পদ ব্যাখ্যা: এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ যেখানে সাধারণ ব্যঞ্জনের নিয়মের বাইরে পদটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: পরস্পর = পর + পর ব্যাখ্যা: এটিও একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ যা নির্দিষ্ট কোনো সাধারণ সন্ধির নিয়ম মেনে সাধিত হয়নি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরসন্ধি — স্বরবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণের মিলনে যে সন্ধি হয় তাকে স্বরসন্ধি বলে, কিন্তু প্রশ্নে নিয়মের বাইরে হওয়ার কথা বলা হয়েছে। B) ব্যঞ্জন সন্ধি — স্বরবর্ণের সঙ্গে ব্যঞ্জনবর্ণ অথবা ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে ব্যঞ্জনবর্ণ বা স্বরবর্ণের মিলনে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে। C) নিপাতনে সিদ্ধসন্ধি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি নিয়মের বাইরে গঠিত সন্ধিকে নির্দেশ করে। D) বিসর্গ সন্ধি — বিসর্গের সঙ্গে স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে যে সন্ধি হয় তাকে বিসর্গ সন্ধি বলে, যা নিয়মাধীন। ৫ মনে রাখার টিপস: যে সন্ধিগুলো কোনো সাধারণ নিয়ম মানে না এবং ব্যতিক্রম হিসেবে সরাসরি মুখস্থ রাখতে হয়, সেটাই নিপাতনে সিদ্ধসন্ধি। পরীক্ষায় গোষ্পদ, পরস্পর, তস্কর, বৃহস্পতি এই শব্দগুলো দেখলে নিপাতনে সিদ্ধসন্ধি হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধসন্ধির শব্দগুলো থেকে বারবার প্রশ্ন আসে, তাই বিশেষ করে গো + পদ = গোষ্পদ এবং পর + পর = পরস্পর ভালোভাবে মনে রাখবে। নিয়ম না মেনে চলা শব্দগুলোই হলো নিপাতনে সিদ্ধ, যা সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম।
a বিশেষণ
b সর্বনাম
c ক্রিয়া
d অব্যয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অব্যয় ১. কেন সঠিক: অব্যয় পদের কোনো রূপান্তর, পরিবর্তন, বচনভেদ বা দীর্ঘরূপ বা সংক্ষিপ্ত রূপ হয় না। বাক্যে অব্যয় পদ যেমন আছে তেমনই অপরিবর্তিত থাকে, তাই সাধু ও চলিত রীতিতে এর কোনো ভিন্নরূপ দেখা যায় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে অব্যয় হলো সেই পদ যার কোনো ব্যয় বা পরিবর্তন হয় না। সাধু ও চলিত রীতিতে বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপগত পরিবর্তন ঘটলেও অব্যয় পদের রূপ সর্বদা একই থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এবং ব্যাখ্যা: এবং একটি অব্যয় পদ, যা সাধু ও চলিত উভয় রীতীতে একই থাকে। উদাহরণ ২: কিন্তু ব্যাখ্যা: কিন্তু অব্যয় পদটির সাধু বা চলিত ভেদে কোনো পরিবর্তন বা দীর্ঘরূপ হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষণ — বিশেষণ পদের দীর্ঘরূপ বা সাধু রূপের ক্ষেত্রে পরিবর্তন হতে পারে, যেমন মহান থেকে মহত্তর। B) সর্বনাম — সর্বনাম পদের সাধু ও চলিত রূপে দীর্ঘরূপ ও সংক্ষিপ্ত রূপ থাকে, যেমন তাহার থেকে তার। C) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদের সাধু ও চলিত রীতিতে দীর্ঘ ও সংক্ষিপ্ত রূপ স্পষ্টভাবে আলাদা হয়, যেমন করিয়াছি থেকে করেছি। D) অব্যয় — অব্যয় পদের কোনো দীর্ঘরূপ হয় না কারণ এটি সর্বদা অপরিবর্তনীয় শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: অব্যয় মানে যার ব্যয় বা পরিবর্তন হয় না, তাই সাধু বা চলিত যে কোনো রীতিতেই এর রূপের কোনো পরিবর্তন ঘটে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পদ রূপান্তর থেকে প্রশ্ন আসে, যেখানে মনে রাখতে হবে শুধুমাত্র অব্যয় পদের কোনো রূপভেদ বা দীর্ঘরূপ হয় না।
a সুকান্ত ভট্টাচার্য
b কামিনী রায়
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সুকান্ত ভট্টাচার্য ১. কেন সঠিক: - ‘আঠার বছর বয়স’ কবিতার রচয়িতা বাংলা সাহিত্যের প্রগতিশীল ধারার তরুণ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য। - আঠারো বছর বয়সের তারুণ্যের শক্তি, সাহস, ঝুঁকি নেওয়ার মানসিকতা এবং দেশের জন্য আত্মত্যাগের মনোভাব এই কবিতায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুকান্ত ভট্টাচার্য আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি যিনি বাংলা সাহিত্যে কিশোর কবি হিসেবে পরিচিত। - ছাড়পত্র তাঁর অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার অন্তর্গত হলো এই আঠার বছর বয়স কবিতাটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘুম নেই ব্যাখ্যা: এটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর দ্রোহী চেতনা প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: পূর্বাভাস ব্যাখ্যা: এটিও সুকান্ত ভট্টাচার্যের আরেকটি পরিচিত কাব্যগ্রন্থ যার বিষয়বস্তু সাম্যবাদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুকান্ত ভট্টাচার্য — ইনি এই কবিতার রচয়িতা এবং এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক। B) কামিনী রায় — ইনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রথিতযশা স্বনামধন্য নারী কবি, এই কবিতার রচয়িতা নন। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যের বিশ্বকবি এবং নোবেলজয়ী সাহিত্যিক, এই কবিতার রচয়িতা নন। D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — ইনি বাংলা সাহিত্যের ছন্দপণ্ডিত নামে পরিচিত প্রখ্যাত কবি, এই কবিতার রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুকান্ত ভট্টাচার্য অল্প বয়সে মারা যান এবং তাঁরুণ্যের কবি হিসেবে পরিচিত, তাই তারুণ্যভিত্তিক আঠার বছর বয়স কবিতাটি তাঁরই লেখা। - ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থের নাম মনে রাখলে এই কবিতাটি সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম ১৯২৬ সালে এবং মৃত্যু ১৯৪৭ সালে মাত্র একুশ বছর বয়সে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাঁর কাব্যগ্রন্থ যেমন ছাড়পত্র, পূর্বাভাস এবং ঘুম নেই প্রায়ই আসে।
a দৌলত উজির বাহরাম খান
b শাহ মোহাম্মদ সগর
c আলাওল
d আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শাহ মোহাম্মদ সগর ১. কেন সঠিক: 'ইউসুফ জোলেখা' কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রণয়োপাখ্যান। শাহ মোহাম্মদ সগর সুলতানি আমলে এই কাব্যটি অনুবাদ করেন এবং এটি বাংলা মুসলিম সাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শাহ মোহাম্মদ সগর ছিলেন প্রাচীন বা মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি যিনি ফার্সি ভাষার কাহিনি বাংলায় রূপান্তর করেন। ইউসুফ জোলেখা কাহিনির মূল উৎস পবিত্র কোরআনের সূরা ইউসুফ এবং পরবর্তী সময়ে ফার্সি কবি জামি ও ফেরদৌসীর কাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাইলী মজনু ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের একটি বিখ্যাত প্রেম কাহিনি যা ফার্সি সাহিত্য থেকে বাংলায় অনূদিত হয়েছে। উদাহরণ ২: পদ্মাবতী ব্যাখ্যা: এটি মহাকবি আলাওলের একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যা সুফি তত্ত্বের ওপর রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৌলত উজির বাহরাম খান — ইনি লয়লা মজনু কাব্য রচনা করেছিলেন কিন্তু ইউসুফ জোলেখা তাঁর রচিত গ্রন্থ নয়। B) শাহ মোহাম্মদ সগর — এটি সঠিক উত্তর। C) আলাওল — ইনি পদ্মাবতী ও সপ্তপয়কর কাব্য রচনা করলেও ইউসুফ জোলেখা অনুবাদ করেননি। D) আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ — ইনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্য গবেষক ও সংগ্রাহক ছিলেন, কোনো মৌলিক কাব্য বা অনুবাদ গ্রন্থ রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: শাহ মোহাম্মদ সগর ইউসুফ জোলেখা লিখেছিলেন সাগর পাড়ি দিয়ে জোলেখা আসলেন এভাবে মনে রাখতে পারো। সগর শব্দের সাথে সাগর মিলিয়ে এই কৌশল ব্যবহার করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের অনূদিত সাহিত্য থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোন কবি কোন কাব্য অনুবাদ করেছেন তা ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে।
a চর্যাপদ
b বৈষ্ণব পদাবলী
c ঐতেরয় আরণ্যক
d দোহাকোষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত প্রাচীনতম নিদর্শন এবং এর মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের লিখিত যুগের সূচনা হয়েছে। - চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা পদ সংকলন, যা সান্ধ্যভাষায় রচিত হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক নিদর্শন যা মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন। - এটি বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত এবং এর রচয়িতারা সিদ্ধাচার্য নামে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের টিকাকার মুনিদত্ত ব্যাখ্যা: মুনিদত্ত চর্যাপদের সংস্কৃত টীকা রচনা করেন যার নাম দেন চর্যাচর্যবিনিশ্চয়। উদাহরণ ২: চর্যাপদের পদকর্তা কাহ্নপা ব্যাখ্যা: কাহ্নপা চর্যাপদের সর্বাধিক সংখ্যক অর্থাৎ তেরোটি পদ রচনা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চর্যাপদ — এটি বাংলা ভাষার প্রথম গ্রন্থ এবং প্রাচীনতম সাহিত্যিক নিদর্শন হিসেবে পরীক্ষিত সত্য। B) বৈষ্ণব পদাবলী — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি প্রধান ধারা এবং এর সূচনা চর্যাপদের অনেক পরে হয়েছে। C) ঐতেরয় আরণ্যক — এটি বৈদিক সাহিত্যের অংশ এবং বাংলা ভাষার সাথে এর কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) দোহাকোষ — এটি অপভ্রংশ বা অবহট্ঠ ভাষায় রচিত বৌদ্ধ সহজিয়াদের পদ সংকলন, সরাসরি বাংলা ভাষার প্রথম গ্রন্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলা ভাষার প্রথম গ্রন্থ বা আদি নিদর্শন বললে চোখ বন্ধ করে চর্যাপদ উত্তর করতে হবে। - চর্যাপদ আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের আবিষ্কারক, প্রাপ্ত পদসংখ্যা এবং প্রাপ্তিস্থান সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ ও মধ্যযুগের সূচনা পর্বের পার্থক্য বুঝতে এই প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a ১২ টি
b ১১ টি
c ৭ টি
d ৯ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১ টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট মৌলিক স্বরধ্বনির লিখিত রূপ বা স্বরবর্ণ হলো ১১ টি। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ এবং ডক্টর সুনীতি চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষায় মূল স্বরধ্বনি ৭ টি হলেও প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী স্বরবর্ণের সংখ্যা ১১ টি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে বর্ণ অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে পূর্ণভাবে উচ্চারিত হতে পারে এবং অন্য বর্ণের উচ্চারণে সাহায্য করে তাকে স্বরবর্ণ বলে। বাংলা বর্ণমালায় অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ এই এগারোটি বর্ণকে স্বরবর্ণ হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা স্বরবর্ণের প্রথম বর্ণ এবং এটি উচ্চারণের সময় অন্য কোনো বর্ণের সাহায্য নেয় না। উদাহরণ ২: আ ব্যাখ্যা: এটি স্বরবর্ণের দ্বিতীয় বর্ণ এবং এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো আকার। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ টি — বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ কখনো ১২ টি ছিল না, রি-এর দীর্ঘ রূপ বাদ দেওয়ার পর সংখ্যাটি ১১ টি নির্ধারিত হয়েছে। B) ১১ টি — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। C) ৭ টি — ৭ হলো বাংলা মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা, স্বরবর্ণের সংখ্যা নয়। D) ৯ টি — ৯ টি কোনো স্বীকৃত স্বরবর্ণ বা স্বরধ্বনির সংখ্যা নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো বাংলা ব্যাকরণে মোট বর্ণ ৫০ টি, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি। ১১ সংখ্যাটি জোড় নয়, বেজোড় এবং স্বরবর্ণের সংখ্যাও ১১ টি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বলা হয় এবং কারের সংখ্যা ১০ টি। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে, তাই স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a কমেডি
b সামাজিক প্রহসন
c ট্রাজেডি
d মেলোড্রামা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সামাজিক প্রহসন ১. কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ একটি সামাজিক প্রহসন। - এই নাটকে তৎকালীন সমাজের তরুণ সমাজের অবক্ষয় ও নৈতিক পতন হাস্যরসাত্মক ও ব্যঙ্গাত্মকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা নাটকের জগতের আধুনিকতার প্রবক্তা ও ট্রাজেডির রচয়িতা। - তিনি সামাজিক কুসংস্কার ও ইয়ারকিপূর্ণ আচরণ দমনের জন্য প্রহসন রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ ব্যাখ্যা: এটিও মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত আরেকটি বিখ্যাত সামাজিক প্রহসন। উদাহরণ ২: একেই কি বলে সভ্যতা ব্যাখ্যা: এটি ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর মূল লক্ষ্য ছিল নব্য বাবু সমাজের বিকৃত আচরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কমেডি — কমেডি হলো মিলনান্তক নাটক, যা প্রহসনের চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত ও ভিন্ন আঙ্গিকের। B) সামাজিক প্রহসন — এটি সঠিক উত্তর এবং তৎকালীন সমাজের ত্রুটি সংশোধনের উদ্দেশ্যে রচিত ব্যঙ্গনাট্য। C) ট্রাজেডি — ট্রাজেডি হলো দুঃখজনক পরিণতিযুক্ত গম্ভীর নাটক, যা এই প্রহসনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) মেলোড্রামা — মেলোড্রামা হলো অতি-আবেগঘন ও কৃত্রিম নাটক, যা মধুসূদনের এই রচনার সঙ্গে মিলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রহসন দুটি মনে রাখার কৌশল হলো মধুসূদনের সামাজিক কাজের দুটি দিক বা বুড়ো ও সভ্য সমাজ। - বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ এবং একেই কি বলে সভ্যতা দুটিই তাঁর বিখ্যাত প্রহসন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রহসন কয়টি ও কী কী। - তিনি মোট দুটি প্রহসন রচনা করেছেন যার একটির নাম একেই কি বলে সভ্যতা।
a দুঃশাসনের রক্ত চাই
b কান্ডারী হুশিয়ার
c আনন্দময়ীর আগমন
d বিদ্রোহী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আনন্দময়ীর আগমন ১. কেন সঠিক: কাজী নজরুল ইসলামের আনন্দময়ীর আগমন কবিতাটি রচনার কারণে তাকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ১৯২২ সালে ব্রিটিশবিরোধী ও রাজদ্রোহমূলক লেখার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং বিচার শেষে এই দণ্ড প্রদান করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি হিসেবে পরিচিত। আনন্দময়ীর আগমন কবিতাটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত যুগবাণী প্রবন্ধ সংকলন ও ধূমকেতু পত্রিকার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষের বাঁশি ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বাজেটপ্রাপ্ত ও নিষিদ্ধ বিদ্রোহী গ্রন্থ যার জন্য তাকে কারাবরণ করতে হয়েছিল। উদাহরণ ২: ভাঙার গান ব্যাখ্যা: এটিও নজরুলের একটি বিখ্যাত বিপ্লবী গান ও কবিতা সংকলন যা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে তরুণ সমাজকে উদ্বুদ্ধ করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুঃশাসনের রক্ত চাই — এটি নজরুলের কোনো নির্দিষ্ট কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কবিতা নয় বরং এটি অপশনের একটি কাল্পনিক বা অপ্রাসঙ্গিক নাম। B) কান্ডারী হুশিয়ার — এটি নজরুলের একটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক ও বিপ্লবী কবিতা হলেও সরাসরি এই কবিতাটির জন্য তার কারাদণ্ড হয়নি। D) বিদ্রোহী — এটি নজরুলের সর্বশ্রেষ্ঠ ও বিখ্যাত কবিতা হলেও এর প্রকাশের কারণে তাকে সরাসরি কারাদণ্ড দেওয়া হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের আনন্দময়ীর আগমন কবিতার জন্য আগমন ঘটেছিল জেলের কারাবাস। এই ঐতিহাসিক তথ্য মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের কারাদণ্ড সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তার কোন কোন গ্রন্থ বা পত্রিকা বাজেটপ্রাপ্ত হয়েছিল এবং কোন লেখার জন্য বিচার হয়েছিল তা ভালোভাবে পড়তে হবে।
a Carry
b Better
c Lecture
d all of these
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) all of these কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দগুলোর প্রতিটি ইংরেজি বাক্যে অবস্থানভেদে একই সাথে ভার্ব এবং নাউন উভয় হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। - প্রসঙ্গ ও বাক্যগঠন বা পার্টস অব স্পিচের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দগুলোর কার্যকারিতা পরিবর্তিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Carry — এটি সঠিক, কারণ ক্যারি শব্দটি নাউন (যেমন: a carry-on) এবং ভার্ব (যেমন: to carry a bag) উভয় হিসেবে বসে। B) Better — এটি সঠিক, কারণ বেটার শব্দটি নাউন (যেমন: for the better), ভার্ব (যেমন: to better oneself) এবং অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) Lecture — এটি সঠিক, কারণ লেকচার শব্দটি নাউন (যেমন: a long lecture) এবং ভার্ব (যেমন: to lecture students) উভয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) all of these — এই অপশনটি সঠিক, কারণ ওপরের তিনটি শব্দই ভার্ব ও নাউন উভয় রূপেই বাক্যে বসতে পারে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে শব্দের অর্থ ও কাজ না দেখে শুধু মুখস্থ না করে, পার্টস অব স্পিচ চেনার জন্য বাক্য গঠনে শব্দের অবস্থান খেয়াল করতে হবে।
a bad luck
b good luck
c to be failed
d leg behind
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) good luck কেন সঠিক: - 'Break a leg' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ পা ভেঙে ফেলা হলেও রূপক অর্থে এর মানে শুভকামনা জানানো। - নাটক, গান বা কোনো মঞ্চ পরিবেশনার আগে শিল্পীদের সৌভাগ্য বা সাফল্য কামনা করার জন্য এই অভিব্যক্তিটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bad luck — এই ইডিয়মটি দুর্ভাগ্য বোঝায় না, বরং এটি ইতিবাচক অর্থে শুভকামনা প্রকাশের জন্য ব্যবহার করা হয়। B) good luck — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর মাধ্যমে পরিবেশনার আগে সাফল্য কামনা করা হয়। C) to be failed — এটি কোনো কাজে ব্যর্থ হওয়া বোঝায়, যা এই ইডিয়মের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) leg behind — এটি ভুল শব্দগুচ্ছ বা ব্যাকরণগতভাবে অসংগত একটি অপশন, যা কোনো অর্থ বহন করে না। মনে রাখার টিপস: মঞ্চের শিল্পীদের নাটক শুরুর আগে বলা হয় 'Break a leg', যার মানে ভাববেন না পা ভাঙতে বলছে, এর মানে আসলে ভালো কিছু বা শুভকামনা।
a is
b are
c should
d d
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) is কেন সঠিক: - নির্দিষ্ট দূরত্ব, পরিমাণ বা সময় বোঝালেও যদি তা একটি একক বা সমষ্টি হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে Subject দেখতে প্লুরাল হলেও Verb সিঙ্গुलर হয়। - এখানে 'Fifty miles' দ্বারা আলাদা আলাদা মাইল নয়, বরং সম্পূর্ণ দূরত্বকে একটি একক পরিমাণ হিসেবে বোঝানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি সঠিক কারণ পরিমাপবাচক Subject একক একক বোঝাতে Singular verb গ্রহণ করে। B) are — এটি ভুল কারণ Subject দেখতে প্লুরাল হলেও এখানে সমষ্টিগত একক বোঝাচ্ছে, তাই Plural verb বসবে না। C) should — এটি ভুল কারণ এটি একটি Modal auxiliary verb এবং বাক্যের অর্থের সঙ্গে ব্যাকরণগতভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) d — এটি ভুল কারণ এটি কোনো অর্থপূর্ণ অপশন বা সঠিক verb রূপ নয়। মনে রাখার টিপস: টাকা, সময়, ওজন বা দূরত্বের পরিমাণ একত্রে একটি নির্দিষ্ট একক বোঝালে Verb সব সময় Singular হয়।
a his
b one's
c once
d everyone's
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) one's কেন সঠিক: - বাক্যের শুরুতে subject হিসেবে one থাকলে তার possessive form সবসময় one's হয়। - এটি ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী pronoun-এর antecedent agreement নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) his — এটি third person singular masculine pronoun-এর possessive form, যা one-এর সাথে বসে না। B) one's — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) once — এটি একটি adverb যার অর্থ একবার, এটি কোনো possessive pronoun বা adjective নয়। D) everyone's — এটি everyone-এর possessive form, যা সরাসরি one-এর পরিবর্তে বসে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে one থাকলে তার possessive রূপে সবসময় one's ব্যবহার করবে।
a Proper
b Common
c Material
d Collective
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Collective কেন সঠিক: - 'Class' শব্দটি দ্বারা একই জাতীয় ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায়। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো সমষ্টিবাচক নাউন যখন একটিমাত্র অখণ্ড দল হিসেবে কাজ করে, তখন তাকে Collective Noun বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Proper — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা স্থানের নাম নয়, তাই Proper Noun হতে পারে না। B) Common — এটি কোনো সাধারণ নাম বা একক ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে একটি সমগ্র দলকে বোঝায়, তাই Common Noun নয়। C) Material — এটি কোনো উপাদান বা বস্তুর নাম নয় যা দিয়ে অন্য কিছু তৈরি হয়, তাই Material Noun নয়। D) Collective — এটি শিক্ষার্থীদের একটি নির্দিষ্ট সমষ্টিকে বোঝাচ্ছে, যা এই নিয়মের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: যে নাউন দ্বারা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিকে এককভাবে বোঝায়, তাকেই Collective Noun বলে।
a by
b on
c over
d in
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Preposition) সঠিক উত্তর: B) on বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত সঠিক উত্তর (A) by ভুল। টেলিফোন বা যোগাযোগের মাধ্যমের পূর্বে সঠিক প্রিপজিশন on বসে। কেন সঠিক: - টেলিফোন, ফোন বা মোবাইল ডিভাইসের মাধ্যমে কোনো যোগাযোগের ক্ষেত্রে মাধ্যম বোঝাতে on প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। - on telephone একটি নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড প্রিপজিশনাল ফ্রেজ, যার অর্থ টেলিফোনের মাধ্যমে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — সাধারণত যানবাহনের ক্ষেত্রে by বসে (যেমন: by bus), তবে যোগাযোগের মাধ্যমের ক্ষেত্রে on বসে। B) on — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি টেলিফোনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। C) over — সাধারণত দূরত্ব, মাত্রা বা কোনো কিছুর ওপর দিয়ে অতিক্রম করা বোঝাতে over বসে, যোগাযোগের ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়। D) in — কোনো কিছুর ভেতরে অবস্থান বোঝাতে in বসে (যেমন: in the room), যা টেলিফোনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: টেলিফোন বা ফোন ডিভাইসের মাধ্যমে কথা বলা বা আলোচনা করা বোঝাতে সর্বদা on telephone বা on the phone ব্যবহার করবে।
a sow
b drone
c heifer
d filly
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) drone কেন সঠিক: - 'Drone' শব্দের অর্থ পুরুষ মৌমাছি, যা জেন্ডার ব্যাকরণে পুংলিঙ্গ বা Masculine gender হিসেবে গণ্য হয়। - এটি মৌচাকের রানি মৌমাছির সঙ্গে প্রজননে অংশ নেয় এবং এর কোনো কাজের হুল থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) sow — এটি 'boar' শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, যার অর্থ শুকরি বা প্রজনক্ষম স্ত্রী শূকর। B) drone — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি পুরুষ মৌমাছি নির্দেশ করে। C) heifer — এটি অল্প বয়স্ক বা প্রসব না করা স্ত্রী গরু, যার পুরুষ রূপ হলো ষাঁড় বা bull। D) filly — এটি অল্প বয়স্ক বা তিন বছরের কম বয়সী স্ত্রী ঘোড়া, যার পুরুষ রূপ colt। মনে রাখার টিপস: মৌমাছির ক্ষেত্রে রানি (queen) ও কর্মী (worker) হলো স্ত্রীলিঙ্গ, আর ড্রোন (drone) হলো পুংলিঙ্গ।
a Enmity
b Hostile
c Friendly
d Sinful
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Enmity কেন সঠিক: - 'Friendliness' শব্দটির অর্থ হলো বন্ধুত্ব বা সৌহার্দ্যপূর্ণ মনোভাব। - এর বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম (Antonym) হিসেবে 'Enmity' শব্দটি ব্যবহৃত হয় যার অর্থ শত্রুতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Enmity — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি friendliness শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Hostile — এটি একটি বিশেষণ (Adjective), যার অর্থ শত্রুভাবাপন্ন, কিন্তু এখানে বিশেষ্য (Noun) পদের বিপরীত শব্দ চাওয়া হয়েছে। C) Friendly — এটি friendliness শব্দের সমার্থক বা সমর্থক শব্দ (Synonym), বিপরীত শব্দ নয়। D) Sinful — এর অর্থ পাপপূর্ণ, যা friendliness শব্দের অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: Friend মানে বন্ধু আর Enmity মানে শত্রুতা, তাই Friendliness-এর বিপরীত হলো Enmity।
a Calm
b Sad
c Impatient
d Afraid
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Impatient কেন সঠিক: - Patient শব্দটির অর্থ ধৈর্যশীল, যার বিপরীত শব্দ হিসেবে Impatient ব্যবহৃত হয় যার অর্থ অধৈর্য। - শব্দের শুরুতে Im প্রিফিক্স যোগ করে সহজেই এর বিপরীতার্থক শব্দ বা অ্যান্টোনিম গঠন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Calm — এর অর্থ শান্ত, যা Patient শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে এবং এটি সমার্থক শব্দ। B) Sad — এর অর্থ দুঃখী, যা Patient শব্দের বিপরীত বা ভিন্ন কোনো অর্থ নির্দেশ করে না। C) Impatient — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ অধৈর্য এবং এটি Patient শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। D) Afraid — এর অর্থ ভীত, যা Patient বা Impatient কোনো শব্দের সঙ্গেই বিপরীতার্থক হিসেবে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দ Patient এর বিপরীতার্থক শব্দ বের করতে সাধারণত শুরুতে শুধু Im প্রিফিক্স যুক্ত করে Impatient করতে হয়।
a a
b an
c the
d no article
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) no article কেন সঠিক: - University শব্দটি ইউ (U) দিয়ে শুরু হলেও এর উচ্চারণ বাংলা ইউ (Yoo)-এর মতো হয়। - vowel থাকা সত্ত্বেও ইউ (Yoo) উচ্চারণের কারণে এর পূর্বে Indefinite Article হিসেবে 'a' বা 'an' বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — University শব্দের উচ্চারণ ব্যঞ্জনবর্ণের মতো হওয়ায় এখানে আর্টিকেল 'a' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) an — University শব্দের শুরুতে vowel থাকলেও এর উচ্চারণ 'ইউ' হওয়ার কারণে এখানে 'an' বসবে না। C) the — এখানে নির্দিষ্ট করে কোনো বিশেষ University বোঝানো হয়নি, তাই Definite Article 'the' ব্যবহার করা যাবে না। D) no article — বাক্যটির নিয়মানুযায়ী এখানে কোনো আর্টিকেল প্রয়োজন নেই, তাই সঠিক উত্তর 'no article'। মনে রাখার টিপস: শব্দের শুরুতে U বা EU এর উচ্চারণ যদি ইউ (Yoo)-এর মতো হয়, তবে তার পূর্বে an না বসে a বসে অথবা সাধারণ নিয়মে কোনো আর্টিকেল বসে না।
a Imperative
b Interrogative
c Assertive
d Optative
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Imperative কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটিতে মূল verb (Call) দিয়ে শুরু হয়ে কোনো আদেশ বা নির্দেশ বোঝানো হয়েছে। - Imperative sentence সাধারণত আদেশ, নির্দেশ, অনুরোধ কিংবা উপদেশ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Imperative — প্রদত্ত বাক্যটি সঠিক অপশন কারণ এটি দিয়ে আদেশ বা অনুরোধ প্রকাশ করা হয়েছে। B) Interrogative — এটি ভুল অপশন কারণ বাক্যটিতে কোনো প্রশ্ন করা হয়নি বা শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন নেই। C) Assertive — এটি ভুল অপশন কারণ এটি কোনো সাধারণ বিবৃতিমূলক বা বর্ণনামূলক বাক্য নয়। D) Optative — এটি ভুল অপশন কারণ এটি দ্বারা কোনো ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: যে ইংরেজি বাক্য মূল verb দিয়ে শুরু হয়ে আদেশ, অনুরোধ বা উপদেশ বোঝায়, তাকে চোখ বন্ধ করে Imperative sentence হিসেবে চিহ্নিত করবে।
a semicolon
b comma
c full stop
d hyphen
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) semicolon কেন সঠিক: - দুটি স্বাধীন ক্লজ বা বাক্যংশ যখন কনজাংশন ছাড়া খুব কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাদের সংযুক্ত করতে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়। - এটি ফুল স্টপের চেয়ে কম বিরতি দেয় কিন্তু কমার চেয়ে বেশি জোরালোভাবে দুটি খণ্ডবাক্যকে এক বাক্যে যুক্ত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) semicolon — এটি দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্যকে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) comma — কমা একা দুটি স্বাধীন বাক্যকে সরাসরি যুক্ত করতে পারে না, এর সঙ্গে কোঅর্ডিনেটিং কনজাংশন প্রয়োজন হয়। C) full stop — ফুল স্টপ একটি বাক্য সম্পূর্ণ শেষ করে দেয়, তাই এটি দিয়ে দুটি আলাদা বাক্যকে একটি বাক্যে রূপান্তর করা যায় না। D) hyphen — হাইফেন মূলত দুটি শব্দকে যুক্ত করে একটি শব্দ বানাতে বা জোড়া শব্দ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, বাক্য জুড়তে নয়। মনে রাখার টিপস: স্বাধীন বাক্য জোড়া দিতে সেমিকোলন ব্যবহার করো, কারণ এটি কমার চেয়ে শক্তিশালী এবং ফুল স্টপের চেয়ে নরম।
a The room was filled by smoke
b The room was filled with smoke.
c The room had been filled with smoke.
d The room is filled by smoke.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The room was filled with smoke. কেন সঠিক: - Active Voice-এর বাক্যে মূল verb যদি fill হয়, তবে Passive Voice-এ সাধারণত preposition হিসেবে 'by' এর পরিবর্তে 'with' ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত বাক্যটির Past Indefinite Tense অনুযায়ী Passive করার সময় subject-এর পরে was এবং মূল verb-এর Past Participle (filled) বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The room was filled by smoke — এখানে preposition 'by' ব্যবহার করা হয়েছে, যা grammatically সঠিক নয় কারণ fill verb-এর সাথে 'with' বসে। B) The room was filled with smoke — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সকল নিয়ম অনুসারে নির্ভুল। C) The room had been filled with smoke — এখানে Tense পরিবর্তন করে Past Perfect করা হয়েছে, যা মূল বাক্যের Tense-এর সাথে মিলে না। D) The room is filled by smoke — এখানে Tense এবং preposition দুটোই ভুল রয়েছে। মনে রাখার টিপস: Fill verb-এর পর সাধারণত 'with' preposition বসে, তাই এদের Passive করার সময় 'by' না বসিয়ে 'with' বসাতে হবে।
a Wife
b Husband
c Brother
d Spouse
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Spouse কেন সঠিক: - Spouse শব্দটি জেন্ডার-নিউট্রাল বা উভলিঙ্গবাচক, যা স্বামী বা স্ত্রী উভয়কেই বোঝাতে সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। - ব্যাকরণগতভাবে এটি এমন একটি শব্দ যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট করে পুরুষ বা নারী কোনো লিঙ্গ বোঝায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Wife — এটি শুধুমাত্র নারী বা স্ত্রীকে নির্দেশ করে, তাই এটি জেন্ডার-নিউট্রাল নয়। B) Husband — এটি শুধুমাত্র পুরুষ বা স্বামীকে নির্দেশ করে, তাই এটি জেন্ডার-নিউট্রাল নয়। C) Brother — এটি শুধুমাত্র পুরুষ ভাইয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি জেন্ডার-নিউট্রাল নয়। D) Spouse — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি স্বামী বা স্ত্রী উভয়কেই নির্দেশ করতে পারে। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ পুরুষ ও নারী উভয়কে একসাথে বোঝায় তা নিউট্রাল বা কমন জেন্ডার হয়, যেমন Spouse হলো স্বামী বা স্ত্রী উভয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
a Cowardly
b Visibly
c Slowly
d Fast
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Cowardly কেন সঠিক: - Noun-এর সাথে ly যুক্ত হলে সাধারণত তা Adjective হয়, যেমন coward একটি Noun এবং cowardly হলো Adjective। - এই বাক্যে প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ cowardly শব্দটি Adverb নয়, এটি একটি Adjective। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cowardly — এটি Adjective কারণ Noun-এর সাথে ly যুক্ত হয়ে Adjective গঠিত হয়েছে। B) Visibly — এটি Adverb কারণ Adjective-এর সাথে ly যুক্ত হয়ে Adverb গঠিত হয়েছে। C) Slowly — এটি Adverb কারণ এটি কাজের ধরণ প্রকাশ করে এবং Adverb হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) Fast — এটি Adverb হিসেবে কাজ করতে পারে কারণ এটি verb-কে modify করে। মনে রাখার টিপস: Noun + ly = Adjective এবং Adjective + ly = Adverb হয়, এই নিয়মটি মনে রাখলে সহজে চেনা যায়।
a on
b by
c upon
d down
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) down কেন সঠিক: - চোখের জল গাল বেয়ে নিচে গড়ার ক্ষেত্রে গতি বোঝাতে প্রিপজিশন হিসেবে down ব্যবহৃত হয়। - শরীর বা মুখের ওপর দিয়ে নিচের দিকে নামার ক্ষেত্রে down সঠিক দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — এটি সাধারণত কোনো তলের ওপর স্পর্শ করে থাকা অবস্থান বোঝায়, যা গড়িয়ে পড়ার গতির জন্য সঠিক নয়। B) by — এটি পাশে বা মাধ্যম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে গালের ওপর নিচের দিকে নামার গতি প্রকাশ করতে পারে না। সি) upon — এটিও সাধারণত কোনো কিছুর ওপর ওপরিতলের স্পর্শ বোঝাতে বা ওপরের কোনো অবস্থান নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। D) down — এটি সঠিক কারণ এটি ওপর থেকে নিচের দিকে গড়িয়ে নামার গতি সফলভাবে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: চোখের জল বা কোনো তরল ওপর থেকে গাল বেয়ে নিচে নামলে সবসময় down প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
a Much
b More
c Less
d Last
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Much কেন সঠিক: - 'Much' একটি Adjective-এর Positive degree, যা পরিমাণ নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। - এটি অপরিবর্তিত অবস্থায় মূল রূপেই বসে এবং এর কোনো তুলনামূলক রূপ নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Much — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Positive degree-এর রূপ। B) More — এটি Much বা Many-এর Comparative degree, তাই এটি সঠিক নয়। C) Less — এটি Little-এর Comparative degree, তাই এটি Positive degree নয়। D) Last — এটি একটি Superlative degree-এর রূপ, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যে Adjective বা Adverb-এর সঙ্গে er বা est যুক্ত থাকে না এবং তুলনামূলক তুলনা বোঝায় না, সেটিই সাধারণত Positive degree।
a noun
b verb
c adjective
d adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) adjective কেন সঠিক: - Noun-এর শেষে ly যুক্ত হলে সাধারণত সেটি adjective হয়, যেমন motherly হলো mother noun-এর adjective রূপ। - এটি বাক্যে Noun-এর পূর্বে বসে Noun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — Mother হলো noun, কিন্তু motherly হলো adjective রূপ। B) verb — এটি কোনো কাজের নাম বা ক্রিয়া বোঝায় না। C) adjective — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য। D) adverb — Adjective-এর শেষে ly যুক্ত হলে adverb হয়, কিন্তু Noun-এর শেষে ly যুক্ত হলে adjective হয়। মনে রাখার টিপস: Noun + ly = Adjective (যেমন: Mother + ly = Motherly)। অন্যদিকে, Adjective + ly = Adverb (যেমন: Nice + ly = Nicely)।
a theses
b thesis
c thasis
d thesease
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) theses কেন সঠিক: - যেসব বিদেশি বা গ্রিক শব্দের শেষে is থাকে, ইংরেজি নিয়মে তার বহুবচন করার সময় is-এর জায়গায় es বসে। - thesis শব্দটির শেষে is থাকায় এর বহুবচন রূপ হিসেবে theses সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) theses - এটি সঠিক বহুবচন রূপ। B) thesis - এটি মূল শব্দটির একবচন রূপ, বহুবচন নয়। C) thasis - এটি একটি বানান ভুল শব্দ এবং এর কোনো ব্যাকরণগত অস্তিত্ব নেই। D) thesease - এটিও একটি বানান ভুল এবং অর্থহীন শব্দ। মনে রাখার টিপস: গ্রিক শব্দে is থাকলে বহুবচনে is তুলে দিয়ে es বসালে তা plural বা বহুবচন হয়ে যায়। যেমন- thesis থেকে theses।
a USA
b নিউজিল্যান্ড
c বাহামা
d সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিউজিল্যান্ড কেন সঠিক: - নিউজিল্যান্ড ১৮৯৩ সালে বিশ্বের প্রথম স্বশাসিত দেশ হিসেবে নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করে। - কেট শেপার্ডের নেতৃত্বে দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে নিউজিল্যান্ডের মহিলারা এই ঐতিহাসিক অধিকার অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) USA — যুক্তরাষ্ট্র ১৯২০ সালে সংবিধানের ১৯তম সংশোধনীর মাধ্যমে নারীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করে, যা নিউজিল্যান্ডের পরে। B) নিউজিল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। C) বাহামা — বাহামা দ্বীপপুঞ্জে নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে ১৯৬১ সালে। D) সুইজারল্যান্ড — সুইজারল্যান্ডের মহিলারা অনেক দেরিতে ১৯৭১ সালে ফেডারেল নির্বাচনে ভোটাধিকার লাভ করেন। মনে রাখার টিপস: নতুন যুগে নারীরা প্রথমে ভোট দিল নিউজিল্যান্ডে, সালটি ১৮৯৩ মনে রেখো।
a ২০ শে মার্চ
b ২৬ শে মার্চ
c ১৬ই ডিসেম্বর
d ২১ শে ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬ই ডিসেম্বর কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের এই দিনে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে। - এই ঐতিহাসিক বিজয়ের মাধ্যমে বাঙালি জাতি অর্জন করে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ শে মার্চ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা বা বিজয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক দিন নয়। B) ২৬ শে মার্চ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস, যেদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। C) ১৬ই ডিসেম্বর — এটি বাংলাদেশের বিজয় দিবস, যেদিন দেশ শত্রুমুক্ত ও স্বাধীন হয়। D) ২১ শে ফেব্রুয়ারি — এটি আমাদের মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ শুরু ২৬শে মার্চ এবং বিজয় অর্জিত হয় ১৬ই ডিসেম্বর।
a প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার
b স্বাধীনতা পদক
c বাংলা একাডেমী পদক
d একুশে পদক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্বাধীনতা পদক কেন সঠিক: - স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশের নাগরিকদের বা প্রতিষ্ঠানকে প্রদান করা সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পদক। - ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য এই পদক দেওয়া হচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার — এটি কোনো সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক বা বেসামরিক সম্মাননা নয়। B) স্বাধীনতা পদক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। C) বাংলা একাডেমী পদক — এটি সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য প্রদত্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার, সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক নয়। D) একুশে পদক — এটি দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় পুরস্কার, সর্বোচ্চ পদক নয়। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রীয় সম্মান মানেই স্বাধীনতা পদক, আর এর পরেই রয়েছে একুশে পদক।
a জাতীয় স্মৃতি সৌধ
b লালবাগের কেল্লা
c সোনা মসজিদ
d শহীদ মিনার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শহীদ মিনার কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আটটি ডাকটিকেট প্রকাশিত হয় এবং সেগুলোতে শহীদ মিনারের ছবি ব্যবহৃত হয়েছিল। - বাঙালি জাতির আত্মত্যাগ ও ভাষা আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে শহীদ মিনারকে প্রথম ডাকটিকেটে স্থান দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতীয় স্মৃতি সৌধ — এটি সাভারে অবস্থিত এবং পরবর্তী সময়ে নির্মিত স্মারক, যা প্রথম ডাকটিকেটে ছিল না। B) লালবাগের কেল্লা — এটি মুঘল আমলের ঐতিহাসিক স্থাপত্য, যা প্রথম ডাকটিকেটের বিষয় ছিল না। C) সোনা মসজিদ — এটি চাঁপাইনবাববগঞ্জের ঐতিহাসিক সুলতানি আমলের মসজিদ, যা প্রথম ডাকটিকেটে ব্যবহার করা হয়নি। D) শহীদ মিনার — এটি প্রথম ডাকটিকেটে ব্যবহৃত সঠিক ও পরীক্ষিত ছবি। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর প্রথম ডাকটিকেটে কোনো যুদ্ধক্ষেত্রের ছবি নয়, বরং ভাষা আন্দোলনের প্রতীক শহীদ মিনারের ছবি স্থান পেয়েছিল।
a ৮ টি
b ৯ টি
c ১০ টি
d ১১ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১১ টি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সুষ্ঠুভাবে অপারেশন পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। - ১১টি সেক্টরের পাশাপাশি ভৌগোলিক অবস্থান ও সামরিক প্রয়োজনে পুরো দেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টরেও ভাগ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ টি — এই সংখ্যাটি মুক্তিযুদ্ধের সেক্টরের সঠিক হিসাবের সাথে মেলে না, কারণ শুরুতে সেক্টর সংখ্যা ভিন্ন ছিল কিন্তু পরবর্তীতে ১১টি সেক্টর চূড়ান্ত করা হয়। B) ৯ টি — সেক্টর সংখ্যা ৯টি ছিল না, কারণ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন প্রশাসনিক ও সামরিক সুবিধার্থে সেক্টরের সংখ্যা বাড়িয়ে ১১টি করা হয়। সি) ১০ টি — মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ১০টি ছিল না, সঠিক সংখ্যা ছিল ১১টি এবং ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল একমাত্র নৌ সেক্টর। D) ১১ টি — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ১৯৭১ সালের ১০ জুলাই সেক্টর কমান্ডারদের বৈঠকে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। মনে রাখার টিপস: নৌপথ বা সমুদ্রের জন্য ১০ নম্বর সেক্টর এবং বাকি স্থলভাগের জন্য ১ থেকে ১১ (১০ বাদে) সেক্টর মনে রাখলে মোট ১১টি সেক্টর সহজেই মনে রাখা যায়।
a ১৯৬৪ সালে
b ১৯৬৫ সালে
c ১৯৬৬ সালে
d ১৯৬৭ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৬৪ সালে কেন সঠিক: - ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৬৪ সালের জুন মাসে পিএলও গঠিত হয়। - জেরুজালেমে অনুষ্ঠিত প্রথম আরব শীর্ষ সম্মেলনে এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬৪ সালে — ফিলিস্তিনি মুক্তি সংস্থা বা পিএলও এই সালেই আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়। B) ১৯৬৫ সালে — এই সালে পিএলওর সামরিক শাখা আল ফাতাহ তাদের সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করে, প্রতিষ্ঠার সাল এটি নয়। C) ১৯৬৬ সালে — এই সালে মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক ও সামরিক বিভিন্ন ঘটনা ঘটলেও পিএলও গঠিত হয়নি। D) ১৯৬৭ সালে — এই বছর আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ সংঘটিত হয়, যা পিএলও গঠনের পরের ঘটনা। মনে রাখার টিপস: ফিলিস্তিনের মুক্তি সংগ্রামের সংগঠন পিএলও ১৯৬৪ সালে যাত্রা শুরু করে, যা ওই দশকের মধ্যভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ঘটনা।
a ১৯৭০ সালে
b ১৭৭৭ সালে
c ১৭৮০ সালে
d ১৭৮৯ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৭৮৯ সালে কেন সঠিক: - ফরাসি বিপ্লব ১৭৮৯ সালের ৫ই মে শুরু হয়ে ফরাসি সমাজে দীর্ঘদিনের বৈষম্য ও রাজতন্ত্রের পতন ঘটায়। - এই সালের ১৪ই জুলাই বাস্তিল দুর্গ পতনের মাধ্যমে বিপ্লব চূড়ান্ত রূপ লাভ করে এবং সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার স্লোগান ছড়িয়ে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭০ সালে — এটি বিংশ শতাব্দীর একটি সাল, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের আগের সময়কে নির্দেশ করে এবং ফরাসি বিপ্লবের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) ১৭৭৭ সালে — এটি ফরাসি বিপ্লবের আগের সময় এবং এই সালে আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছিল। C) ১৭৮০ সালে — এটি ফরাসি বিপ্লব শুরুর আগের বছর এবং এটি ইউরোপের অন্য রাজনৈতিক ঘটনার সাথে সম্পর্কিত। D) ১৭৮৯ সালে — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই ফ্রান্সে ঐতিহাসিক বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ফরাসি বিপ্লব ১৭৮৯ সালের ঘটনা, যেখানে শেষের সংখ্যা দুটি হলো আশি ও নয় (৮৯)।
a আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ইরান
b মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
c কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড ও লাওস
d মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস কেন সঠিক: - গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল বা স্বর্ণত্রিকোন এশিয়ার একটি বিখ্যাত মাদক উৎপাদনকারী অঞ্চল। - এই অঞ্চলটি মূলত মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওসের সীমান্ত মিলনস্থল নিয়ে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ইরান — এটি গোল্ডেন ক্রিসেন্ট বা স্বর্ণ crescent অঞ্চল নামে পরিচিত, যা আফিম উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত। B) মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া — কম্বোডিয়া এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয় বলে এটি ভুল অপশন। C) কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড ও লাওস — এখানে মিয়ানমারের পরিবর্তে কম্বোডিয়া থাকায় এটি সঠিক নয়। D) মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস — এটি গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল অঞ্চলের সঠিক ভৌগোলিক দেশগুলো নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: মিথিলা (মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস) শব্দ দিয়ে ট্রায়াঙ্গলের দেশগুলো সহজে মনে রাখা যায়।
a কুমিল্লা জেলায়
b নওগাঁ জেলায়
c দিনাজপুর জেলায়
d বগুড়া জেলায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বগুড়া জেলায় কেন সঠিক: - প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনুক্তির রাজধানী পুণ্ড্রনগর বর্তমান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থানগড় এলাকায় অবস্থিত। - এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহাসিক একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুমিল্লা জেলায় — এটি প্রাচীন সমতট অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত, যেখানে ময়নামতি ও শালবন বিহার অবস্থিত। B) নওগাঁ জেলায় — এটি বরেন্দ্র অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এখানে বিখ্যাত পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার অবস্থিত। C) দিনাজপুর জেলায় — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা, যেখানে ঐতিহাসিক কান্তনগর মন্দির ও সীতাকোট বিহার অবস্থিত। D) বগুড়া জেলায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ পুণ্ড্রনগর এখানেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: বগুড়ার মহাস্থানগড় মানেই প্রাচীন পুণ্ড্রনগর।
a খাসিয়া
b সাঁওতাল
c মনিপুরী
d চাকমা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) খাসিয়া কেন সঠিক: - বাংলাদেশের খাসিয়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত আছে। - এই সমাজে সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হন পরিবারের ছোট মেয়ে বা নারীরা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাসিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) সাঁওতাল — সাঁওতাল সমাজ পিতৃতান্ত্রিক এবং তাদের পরিবার প্রথায় পুরুষরা প্রধান ভূমিকা পালন করেন। C) মনিপুরী — মনিপুরী সমাজ ব্যবস্থা মূলত পিতৃতান্ত্রিক প্রকৃতির হয়ে থাকে। D) চাকমা — চাকমা সমাজ পিতৃতান্ত্রিক এবং তাদের পরিবার প্রধান সাধারণত পিতা বা পুরুষ সদস্য হন। মনে রাখার টিপস: খাসিয়া উপজাতির নামের শুরুতে 'খা' আছে, আর তাদের সমাজে সম্পত্তির মালিক হন নারীরা (খা-তে খাসিয়া, মাতৃতান্ত্রিক)।
a হালদা
b শীতলক্ষ্যা
c মেঘনা
d পদ্মা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হালদা কেন সঠিক: - হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র, যেখানে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশ জাতীয় মাছ প্রাকৃতিকভাবে ডিম ছাড়ে। - জলীয় পরিবেশ, জোয়ার-ভাটা এবং নদীর বিশেষ ভূ-প্রাকৃতিক গঠনের কারণে এটি মাছের ডিম ছাড়ার জন্য সবচেয়ে উপযোগী স্থান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হালদা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃত। B) শীতলক্ষ্যা — এটি একটি নদী হলেও এখানে কোনো প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র নেই, এটি মূলত শিল্প বর্জ্য দূষণের জন্য বেশি পরিচিত। C) মেঘনা — এটি দেশের একটি প্রধান নদ হলেও এখানে কৃত্রিম বা প্রাকৃতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত মৎস্য প্রজনন হয় না। D) পদ্মা — এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান নদী হলেও একে প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে ধরা হয় না। মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক ডিম ছাড়ার অনন্য নদী হালদা, মনে রাখবে নামের সাথে জড়িয়ে আছে এর প্রজনন গৌরব।
a ৫ নং সেক্টর
b ২ নং সেক্টর
c ৩ নং সেক্টর
d ৪ নং সেক্টর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ নং সেক্টর কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল এবং ঢাকা শহর ২ নং সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল। - এই সেক্টরের প্রধান বা সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ এবং তার মৃত্যুর পর মেজর এ টি এম হায়দার দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ নং সেক্টর — এই সেক্টরটি মূলত সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল, ঢাকা শহর এর অধীনে ছিল না। B) ২ নং সেক্টর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। C) ৩ নং সেক্টর — এই সেক্টরের অধীনে হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ঢাকা জেলার কিছু অংশ ছিল, তবে সম্পূর্ণ ঢাকা শহর ২ নং সেক্টরের ছিল। D) ৪ নং সেক্টর — এই সেক্টরটি সিলেট জেলার বর্তমান মৌলভীবাজার মহকুমা এবং খোয়াই শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন বাদে সমগ্র উত্তরপূর্বাঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল। মনে রাখার টিপস: ঢাকা দুই অক্ষরের শব্দ, তাই ঢাকা শহর ২ নং সেক্টরের অধীন ছিল এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a বরিশাল
b কুমিল্লা ও নোয়াখালী
c যশোর
d বগুড়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কুমিল্লা ও নোয়াখালী কেন সঠিক: - প্রাচীনকালে বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে সমতট ছিল অন্যতম প্রধান একটি জনপদ। - বর্তমানের কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে প্রাচীন সমতট জনপদটি গঠিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বরিশাল — এটি প্রাচীন বাংলার চন্দ্রদ্বীপ বা বাকলা জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল, সমতট নয়। B) কুমিল্লা ও নোয়াখালী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) যশোর — এটি প্রাচীন বঙ্গের বা সমতটের অংশ ছিল না, এটি যশোর ও খুলনা অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ছিল। D) বগুড়া — এটি প্রাচীন বাংলার পুণ্ড্রবর্ধন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল, সমতট অঞ্চল নয়। মনে রাখার টিপস: সমতট মানে সমান তট বা নদী তীরবর্তী অঞ্চল, যা কুমিল্লা ও নোয়াখালী এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল।
a ৩ ডিসেম্বর
b ৩ নভেম্বর
c ৮ ডিসেম্বর
d ৪ নভেম্বর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ নভেম্বর কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের এই দিনে বাংলাদেশের গণপরিষদে দেশের প্রথম সংবিধান আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। - দিনটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব স্মরণ করে ২০২০ সাল থেকে প্রতি বছর ৪ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় সংবিধান দিবস পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ ডিসেম্বর — এই তারিখে জাতীয় সংবিধান দিবস পালित হয় না, এটি একটি সাধারণ তারিখ মাত্র। B) ৩ নভেম্বর — এটি জেলহত্যা দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা সংবিধান দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ৮ ডিসেম্বর — এই তারিখে অন্য কোনো জাতীয় দিবস রয়েছে, তবে এটি সংবিধান দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ৪ নভেম্বর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: সংবিধান গৃহীত হয়েছিল ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর, তাই ৪ নভেম্বরই হলো সংবিধান দিবস।
a IBRD
b IFC
c IFAD
d MIGA
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) IFAD কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংকের মোট পাঁচটি অঙ্গসংগঠন রয়েছে এবং IFAD তার অন্তর্ভুক্ত নয়। - IFAD একটি স্বতন্ত্র জাতিসংঘ বিশেষায়িত সংস্থা যা মূলত আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়নে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) IBRD — এটি বিশ্বব্যাংকের মূল এবং প্রথম অঙ্গসংগঠন যা উন্নয়নশীল দেশগুলোকে ঋণ দেয়। B) IFC — এটি বিশ্বব্যাংকের অঙ্গসংগঠন যা বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ ও পরামর্শ সেবা প্রদান করে। C) IFAD — এটি বিশ্বব্যাংকের অঙ্গসংগঠন নয়, বরং জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা। D) MIGA — এটি বিশ্বব্যাংকের অঙ্গসংগঠন যা উন্নয়নশীল দেশে বিদেশি বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। মনে রাখার টিপস: বিশ্বব্যাংকের ৫টি অঙ্গসংগঠন মনে রাখার সূত্র হলো WBG (IBRD, IDA, IFC, MIGA, ICSID); এর বাইরে থাকা IFAD বিশ্বব্যাংক নয়।
a ৫টি
b ১০টি
c ১২টি
d ১৫টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫টি কেন সঠিক: - জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ মোট পনেরোটি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত। - এর মধ্যে পাঁচটি স্থায়ী এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫টি — এটি শুধুমাত্র নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা, মোট সদস্য সংখ্যা নয়। B) ১০টি — এটি নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা, স্থায়ী সদস্যসহ মোট সংখ্যা নয়। C) ১২টি — এটি নিরাপত্তা পরিষদের কোনো নির্দিষ্ট সদস্য সংখ্যা নয় এবং এর কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। D) ১৫টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী ও অস্থায়ী সদস্য মিলিয়ে মোট সদস্য সংখ্যা পনেরোটি। মনে রাখার টিপস: নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা মনে রাখতে ৫ যোগ ১০ সমান ১৫ সূত্রটি মনে রাখুন।
a ১২৯৫ সালে
b ১২১৫ সালে
c ১৪১৫ সালে
d ১২১৬ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২১৫ সালে কেন সঠিক: - ইংল্যান্ডের রাজা জন রাজ ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করতে এবং সামন্ত প্রভুদের চাপের মুখে ১২১৫ সালের ১৫ জুন এই ঐতিহাসিক সনদে স্বাক্ষর করেন। - ম্যাগনাকার্টা বিশ্ব ইতিহাসে প্রথম লিখিত দলিল যা মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২৯৫ সালে — এই সালে ইংল্যান্ডে প্রথম সংসদ বা মডেল পার্লামেন্ট গঠিত হয়েছিল, যা ম্যাগনাকার্টা স্বাক্ষরের সাল নয়। B) ১২১৫ সালে — এটি প্রশ্নটির সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই ঐতিহাসিক ম্যাগনাকার্টা সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছিল। C) ১৪১৫ সালে — এটি শতবর্ষী যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ বছর, যে সালে আজিনকোর্টের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল এবং এর সঙ্গে ম্যাগনাকার্টার সম্পর্ক নেই। D) ১২১৬ সালে — এই সালে রাজা জন মারা যান এবং তার পুত্র তৃতীয় হেনরি ইংল্যান্ডের সিংহাসনে আরোহণ করেন, ম্যাগনাকার্টার সাল এটি নয়। মনে রাখার টিপস: ম্যাগনাকার্টা মানে বড় সনদ এবং এটি ১৫ জুন ১২১৫ সালে স্বাক্ষরিত হয়, তাই ১২১৫ সালটি মনে রাখতে রাজা জনের সাথে সনদের চুক্তি সালটি একনজরে বারবার স্মরণ করুন।
a ১৪২০ মেগাওয়াট
b ১৩২০ মেগাওয়াট
c ১২২০ মেগাওয়াট
d ১১২০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৩২০ মেগাওয়াট কেন সঠিক: - বাগেরহাট জেলার রামপালে অবস্থিত বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাওয়ার কোম্পানির নির্মিত এই তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১৩২০ মেগাওয়াট। - এটি দুটি সমান ইউনিটে বিভক্ত যার প্রতিটির উৎপাদন ক্ষমতা ৬৬০ মেগাওয়াট করে মোট ১৩২০ মেগাওয়াট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪২০ মেগাওয়াট — এটি রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঠিক উৎপাদন ক্ষমতা নয়, বরং এটি একটি ভুল সংখ্যা। B) ১৩২০ মেগাওয়াট — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি সঠিক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। C) ১২২০ মেগাওয়াট — এই সংখ্যাটি রামপাল প্রকল্পের মোট ক্ষমতার সাথে মেলে না এবং এটি ভুল তথ্য। D) ১১২০ মেগাওয়াট — এটিও একটি ভুল পরিমাপ যা রামপাল কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট দুটি ৬৬০ মেগাওয়াট করে মোট ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।
a চীন-ভারত
b আজারবাইজান-আর্মেনিয়া
c চীন-জাপান
d ভারত-পাকিস্তান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আজারবাইজান-আর্মেনিয়া কেন সঠিক: - নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চলটি আজারবাইজানের ভূখণ্ডে অবস্থিত হলেও দীর্ঘদিন ধরে আর্মেনীয় জনগোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে ছিল। - এই ভূখণ্ডগত ও জাতিগত অধিকারের জেরেই দেশ দুটির মধ্যে ঐতিহাসিকভাবে দীর্ঘ সামরিক সংঘাত চলে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন-ভারত — এটি প্রধানত সীমান্ত সংক্রান্ত বিতর্কিত এলাকা আকসাই চিন ও অরুণাচল প্রদেশ নিয়ে বিরোধ, নাগোর্নো-কারাবাখ নয়। B) আজারবাইজান-আর্মেনিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই দুটি দেশের মাঝেই এই অঞ্চলের অধিকার নিয়ে বিরোধ বিদ্যমান। C) চীন-জাপান — এটি পূর্ব চীন সাগরের সেনকাকু বা দিয়াওউ দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়ে বিরোধ, নাগোর্নো-কারাবাখ নয়। D) ভারত-পাকিস্তান — এটি কাশ্মীর অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে দীর্ঘস্থায়ী বিরোধ, নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চলের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: কারাবাখ নামটির সঙ্গে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া দেশের নাম মনে রাখতে আ-আ (আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া) সূত্র ব্যবহার করতে পারেন।
a অনুচ্ছেদ- ১১৬
b অনুচ্ছেদ- ১১৮
c অনুচ্ছেদ- ১২০
d অনুচ্ছেদ- ১১৭
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অনুচ্ছেদ- ১১৮ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠনের বিধান রয়েছে। - এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনার নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুচ্ছেদ- ১১৬ — এটি বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা বিধান সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ, যা নির্বাচন কমিশনের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) অনুচ্ছেদ- ১১৮ — এটিই নির্বাচন কমিশন গঠন সংক্রান্ত সঠিক অনুচ্ছেদ। C) অনুচ্ছেদ- ১২০ — এটি নির্বাচন কমিশনের জন্য কর্মচারী নিয়োগ সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ, যা কমিশন গঠন নির্দেশ করে না। D) অনুচ্ছেদ- ১১৭ — এটি প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ, যা নির্বাচন ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের ১১৮ নম্বর অনুচ্ছেদে 'নির্বাচন কমিশন' গঠিত হয় এবং আট (৮) ও নির্বাচন মিলে মনে রাখতে পারেন ১১৮।
a UNICEF
b UNDP
c UNESCO
d ILO
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) UNESCO কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনকে বিশ্বের ৭৯৮তম বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান বা ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করে। - সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য এবং অনন্য ম্যানগ্রোভ বনের বিশ্বজনীন গুরুত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ এই ঘোষণা দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNICEF — এটি শিশু অধিকার, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে, পরিবেশগত বা ঐতিহ্য সংরক্ষণের সাথে যুক্ত নয়। B) UNDP — এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি যা দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই উন্নয়নে কাজ করে, বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করে না। C) UNESCO — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) ILO — এটি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা যা শ্রমিকদের অধিকার ও কাজের পরিবেশ নিয়ে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: সুন্দরবনের সুন্দরী গাছ ও প্রকৃতি সংরক্ষণের মূল দায়িত্ব পালন করে সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষাকারী সংস্থা ইউনেস্কো।
a সাংবিধানিক সংস্থা
b বেসরকারি সংস্থা
c সংবিধিবদ্ধ সংস্থা
d সরকারি সংস্থা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংবিধিবদ্ধ সংস্থা কেন সঠিক: - বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন একটি বিশেষ আইন দ্বারা গঠিত স্বাধীন প্রতিষ্ঠান, যা সরাসরি সংবিধানের অধীনে গঠিত হয়নি। - সরকারের নির্বাহী আদেশে গঠিত না হয়ে বিশেষ আইন বা অ্যাক্ট পাসের মাধ্যমে গঠিত হওয়ায় এটি একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাংবিধানিক সংস্থা — যেসব সংস্থা সরাসরি সংবিধানের অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত হয়, প্রতিযোগিতা কমিশন সেগুলোর অন্তর্ভুক্ত নয়। B) বেসরকারি সংস্থা — এটি কোনো বেসরকারি বা ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান নয়, বরং এটি সম্পূর্ণ সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। C) সংবিধিবদ্ধ সংস্থা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি আইন দ্বারা গঠিত এবং এর নিজস্ব আইনগত ভিত্তি রয়েছে। D) সরকারি সংস্থা — সাধারণ অর্থে সরকারি হলেও প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি কাঠামোর দিক থেকে এটি সরাসরি সরকারি বা মন্ত্রণালয় পরিচালিত বিভাগ নয়, বরং একটি সংবিধিবদ্ধ কমিশন। মনে রাখার টিপস: আইন বা অ্যাক্ট পাস করে যে প্রতিষ্ঠান গঠিত হয়, তাকে সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বলে; প্রতিযোগিতা কমিশনও একটি আইন দ্বারা গঠিত।
a রাতকানা রোগ হয়
b রক্তশূন্যতা দেখা দেয়
c জয়েন্ট ব্যথা হয়
d ডায়রিয়া হয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রক্তশূন্যতা দেখা দেয় ১. কেন সঠিক: হিমোগ্লোবিন হলো লোহিত রক্তকণিকায় অবস্থিত একটি লৌহঘটিত প্রোটিন যা ফুসফুস থেকে সারা দেহে অক্সিজেন পরিবহন করে। এর অভাবে রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায় এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: রক্তে পর্যাপ্ত পরিমাণ সুস্থ লোহিত রক্তকণিকা বা হিমোগ্লোবিনের অনুপস্থিতিই হলো রক্তশূন্যতা। কার্যপ্রণালি: হিমোগ্লোবিন ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে শরীরের প্রতিটি কোষে পৌঁছে দেয় এবং কোষে উৎপাদিত কার্বন ডাই অক্সাইড ফুসফুসে ফিরিয়ে আনে। কারণ ও ফলাফল: হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি ঘটলে টিস্যুগুলো পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায় না, ফলে শরীরে চরম ক্লান্তি, দুর্বলতা ও ফ্যাকাশে ভাব দেখা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা আয়রন সমৃদ্ধ খাবারের অভাবে গর্ভবতী নারীদের প্রায়শই রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে শরীরের চাহিদা অনুযায়ী লোহা বা হিমোগ্লোবিন তৈরি না হলে অক্সিজেন পরিবহনে বিঘ্ন ঘটে। উদাহরণ ২: পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারী মানুষের দেহে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে। ব্যাখ্যা: বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের স্বল্পতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে দেহ নিজে থেকেই বেশি হিমোগ্লোবিন তৈরি করে অক্সিজেন সরবরাহ সচল রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাতকানা রোগ হয় — রাতকানা রোগ ভিটামিন এ এর অভাবে হয়, হিমোগ্লোবিনের ঘাটতির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) রক্তশূন্যতা দেখা দেয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ হিমোগ্লোবিন কমে গেলে রক্তে অক্সিজেন পরিবহনের ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং রক্তশূন্যতা সৃষ্টি হয়। C) জয়েন্ট ব্যথা হয় — জয়েন্ট ব্যথা বা বাত সাধারণত ইউরিক এসিড বৃদ্ধি বা অস্থিসন্ধির ক্ষয়জনিত কারণে ঘটে থাকে। D) ডায়রিয়া হয় — ডায়রিয়া একটি অন্ত্রের রোগ যা মূলত ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের সংক্রমণে হয়ে থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: হিমোগ্লোবিন শব্দের সাথে রক্ত বা রক্তের রঙের সম্পর্ক রয়েছে, তাই হিমোগ্লোবিন কমলে রক্তশূন্যতা হবে এটি এভাবে মনে রাখা যায়। রক্তে আয়রন কমে গেলে হিমোগ্লোবিন কমে যায় এবং এই অবস্থাকে রক্তশূন্যতা বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরির জন্য মূল উপাদান হলো লৌহ বা আয়রন এবং এর সাথে ফলিক এসিড ও ভিটামিন বি বারো প্রয়োজন হয়। এই টপিক থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে যে কোন ভিটামিন বা খনিজের অভাবে রক্তশূন্যতা হয়।
a পরমাণু শক্তি
b কয়লা
c পেট্রোল
d প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: পরিবেশবিজ্ঞান এবং শক্তি ও শক্তির রূপান্তর সঠিক উত্তর: A) পরমাণু শক্তি ১. কেন সঠিক: নবায়নযোগ্য জ্বালানি হলো সেই শক্তি যা কখনো ফুরিয়ে যায় না এবং বারবার ব্যবহার করা যায়। পরমাণু শক্তিতে ব্যবহৃত ইউরেনিয়াম অত্যন্ত দীর্ঘস্থায়ী এবং এটি ঐতিহ্যবাহী জীবাশ্ম জ্বালানির মতো অফুরন্ত শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পরমাণু শক্তি বা পারমাণবিক শক্তি হলো পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে প্রাপ্ত শক্তি। কার্যপ্রণালি: পারমাণবিক চুল্লিতে নিউক্লীয় বিভাজন প্রক্রিয়ায় ইউরেনিয়াম পরমাণুকে ভেঙে প্রচুর তাপশক্তি উৎপন্ন করা হয়, যা দিয়ে বিদ্যুৎ তৈরি করা হয়। বাস্তব প্রয়োগ: এই পদ্ধতিতে খুব কম পরিমাণ জ্বালানি ব্যবহার করে বিশাল পরিমাণে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব, যা পরিবেশের গ্রিনহাউস গ্যাস বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ব্যাখ্যা: এটি ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে পরিবেশবান্ধব উপায়ে প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি আধুনিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: ফরাসি বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা। ব্যাখ্যা: ফ্রান্স তাদের মোট বিদ্যুতের অর্ধেকের বেশি পারমাণবিক শক্তির মাধ্যমে উৎপাদন করে যা শক্তির টেকসই উৎস হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরমাণু শক্তি — এটি সঠিক কারণ ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়াম ব্যবহার করে দীর্ঘমেয়াদে বারবার বা নবায়নযোগ্য উপায়ে শক্তি উৎপাদন করা সম্ভব। B) কয়লা — এটি একটি জীবাশ্ম জ্বালানি এবং অনবায়নযোগ্য কারণ একবার পুড়িয়ে ফেললে এটি চিরতরে শেষ হয়ে যায় এবং এটি পুনরায় তৈরি হতে কোটি কোটি বছর লাগে। C) পেট্রোল — এটি খনিজ তেল বা পেট্রোলিয়াম থেকে প্রাপ্ত অনবায়নযোগ্য জ্বালানি যা সীমিত এবং ধীরে ধীরে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। D) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি ভূগর্ভে প্রাকৃতিকভাবে সঞ্চিত একটি অনবায়নযোগ্য জীবাশ্ম জ্বালানি যা সীমিত ভাণ্ডার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নবায়নযোগ্য শক্তি মনে রাখতে মাথায় রাখবে সূর্য, বায়ু এবং পরমাণুর মতো দীর্ঘস্থায়ী উৎসগুলো কখনোই সহজে শেষ হয় না। অন্যদিকে কয়লা, তেল ও গ্যাস হলো সীমিত ভূগর্ভস্থ সম্পদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার আসে। জীবাশ্ম জ্বালানি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a ২০.৭১%
b ৭৮.০২%
c ০.৪১%
d ০.০৩%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭৮.০২% ১. কেন সঠিক: বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি এবং এর সঠিক শতকরা হার হলো ৭৮.০২%। এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের একটি ধ্রুবীয় উপাদান যা জীবজগতের আমিষ গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডল হলো গ্যাসীয় আবরণ যা মাধ্যাকর্ষণ বলের কারণে পৃথিবীকে ঘিরে রাখে। কার্যপ্রণালি: বায়ুমণ্ডলে বিভিন্ন গ্যাসের মিশ্রণ থাকে যেখানে নাইট্রোজেন গ্যাস নিষ্ক্রিয় প্রকৃতির হওয়ায় মুক্ত অবস্থায় সবচেয়ে বেশি পরিমাণে অবস্থান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উদ্ভিদের প্রোটিন তৈরি ব্যাখ্যা: উদ্ভিদ সরাসরি বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন গ্রহণ করতে না পারলেও নাইট্রোজেন-সংবন্ধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রোটিন সংশ্লেষণ করে। উদাহরণ ২: প্যাকেটজাত খাদ্যের সংরক্ষণ ব্যাখ্যা: চিপসের প্যাকেটে অক্সিজেনের পরিবর্তে নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করা হয় যাতে খাদ্যদ্রব্য নষ্ট না হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০.৭১% — এটি ভুল কারণ এই শতকরা হারটি বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেনের পরিমাণের কাছাকাছি হলেও সঠিক নাইট্রোজেন নির্দেশ করে না। বিপরীতে, বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ প্রায় ২০.৭১ থেকে ২১ শতাংশ। B) ৭৮.০২% — এটি সঠিক উত্তর এবং বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের প্রকৃত পরিমাণ নির্দেশ করে। C) ০.৪১% — এটি ভুল কারণ এই পরিমাণটি বায়ুমণ্ডলের কোনো প্রধান গ্যাসের নয়। বিপরীতে, বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের পরিমাণ প্রায় শূন্য দশমিক নয় তিন শতাংশ। D) ০.০৩% — এটি ভুল কারণ এই শতকরা হারটি বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের উপস্থিতিকে নির্দেশ করে। বিপরীতে, বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ প্রায় শূন্য দশমিক শূন্য তিন থেকে শূন্য দশমিক শূন্য চার শতাংশ। ৫ মনে রাখার টিপস: বায়ুমণ্ডলের গ্যাসগুলোর পরিমাণ মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে নাইট্রোজেন সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ প্রায় আটাত্তর শতাংশ, এরপর অক্সিজেন প্রায় একুশ শতাংশ। বাকী গ্যাসগুলো খুব সামান্য পরিমাণে মিশে থাকে বায়ুমণ্ডলে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বায়ুমণ্ডলে দ্বিতীয় প্রধান গ্যাস হলো অক্সিজেন যার পরিমাণ প্রায় কুড়ি দশমিক এক সাত শতাংশ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বায়ুমণ্ডলের গ্যাসগুলোর শতকরা হার ক্রমানুসারে সাজাতে বলা হয়।
a Vit-A
b Vit-D
c Vit-B
d Vit-K
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Vit-K ১. কেন সঠিক: ভিটামিন কে মানবদেহে প্রথ্রোম্বিন নামক রক্ত জমাট বাঁধার প্রোটিন তৈরি করতে সাহায্য করে। এই ভিটামিনের অভাবে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়, ফলে সামান্য কেটে গেলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভিটামিন কে হলো চর্বিতে দ্রবণীয় একটি ভিটামিন যা যকৃতে রক্ত তঞ্চনকারী ফ্যাক্টর উৎপাদনে প্রধান ভূমিকা রাখে। কার্যপ্রণালি: আমাদের শরীরে রক্তপাতের সময় ভিটামিন কে বিভিন্ন প্রোটিনকে সক্রিয় করে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধ্য করে। বাস্তব প্রয়োগ: শল্যচিকিৎসার আগে রোগীকে অনেক সময় ভিটামিন কে দেওয়া হয় যাতে অতিরিক্ত রক্তপাত না হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হঠাৎ হাত কেটে গেলে কিছু সময় পর রক্ত নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যাওয়া। ব্যাখ্যা: এটি ভিটামিন কে এর উপস্থিতির কারণে রক্ত জমাট বাঁধার স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: নবজাতকদের জন্মের পর ভিটামিন কে ইনজেকশন দেওয়া। ব্যাখ্যা: নবজাতকদের অন্ত্রে এই ভিটামিন উৎপাদক ব্যাকটেরিয়া থাকে না বলে রক্তক্ষরণ রোধে এটি দেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vit-A — এটি চোখের দৃষ্টিশক্তি ও ত্বক সুরক্ষার জন্য কাজ করে, রক্ত জমাট বাঁধার সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। B) Vit-D — এটি ক্যালসিয়াম শোষণ ও হাড়ের গঠনে কাজ করে, রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষেত্রে এর কোনো ভূমিকা নেই। C) Vit-B — এটি শরীরের শক্তি উৎপাদন ও স্নায়ুতন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখে, যা রক্ত তঞ্চন প্রক্রিয়ার অংশ নয়। D) Vit-K — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একমাত্র ভিটামিন যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। ৫. মনে রাখার টিপস: কে (K) অক্ষরের সঙ্গে কোল্ড (Cold) বা ক্লটিং (Clotting) শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে এটি রক্ত জমাট বাঁধতে বা ক্লোট তৈরি করতে কাজ করে। ভিটামিন কে এর রাসায়নিক নাম ফাইলোকুইনন, যা উদ্ভিজ্জ উৎস থেকে বেশি পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্ত জমাট বাঁধার প্রধান প্রোটিন হলো ফাইব্রিনোজেন এবং অনুচক্রিকা বা প্লাটিলেট এতে সহায়তা করে। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই ভিটামিনের অভাবজনিত রোগ ও উৎস থেকে প্রশ্ন আসে, তাই চর্বি ও পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখা জরুরি।
a Vit-A
b Vit-D
c Vit-B
d Vit-K
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Vit-B ১. কেন সঠিক: ভিটামিন বি পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন, যা মানবদেহের বিভিন্ন বিপাকীয় কার্যক্রমে এবং শক্তি উৎপাদনে সরাসরি ভূমিকা রাখে। এই ভিটামিনগুলো শরীরে জমা থাকে না, তাই অতিরিক্ত পরিমাণ প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: দ্রবণীয়তার ওপর ভিত্তি করে ভিটামিন প্রধানত দুই প্রকার, যেমন পানিতে দ্রবণীয় এবং চর্বিতে দ্রবণীয়। কার্যপ্রণালি: পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলো পরিপাকতন্ত্রে শোষিত হওয়ার পর রক্তরসে মিশে কোষে কোষে পুষ্টি সরবরাহ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভিটামিন বি কমপ্লেক্স সমৃদ্ধ খাবার যেমন লাল চালের ভাত বা কলিজা খাওয়ার পর অতিরিক্ত ভিটামিন মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে নির্গত হয়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে ভিটামিন বি চর্বিতে জমা না থেকে জলে দ্রবীভূত হয়ে দেহ থেকে নিষ্কাশিত হয়। উদাহরণ ২: লেবু বা কমলার ভিটামিন সি গ্রহণের পর তা শরীরের বিভিন্ন কোষে জলীয় মাধ্যমে কাজ করে এবং উদ্বৃত্ত অংশ শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ব্যাখ্যা: এটিও পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিনের সাধারণ বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vit-A - এটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন, যা যকৃতে জমা থাকে এবং অতিরিক্ত হলে বিষাক্ততা তৈরি করতে পারে। B) Vit-D - এটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন, যা সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ত্বকে সংশ্লেষিত হয় এবং চর্বিতে সংরক্ষিত থাকে। C) Vit-B - এটি সঠিক উত্তর এবং পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন হিসেবে কোষে শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে। D) Vit-K - এটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন, যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে এবং যকৃতে সঞ্চিত থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বি এবং সি অর্থাৎ বিসি (BC) পানিতে গুলে যায়। বাকি ভিটামিনগুলো অর্থাৎ এ, ডি, ই এবং কে চর্বিতে দ্রবীভূত থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চর্বিতে ও পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিনের নাম আলাদা করতে বলা হয়। ভিটামিন সি এবং বি কমপ্লেক্সের সকল উপাদান পানিতে দ্রবণীয়, আর ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে (ADEK) চর্বিতে দ্রবণীয়।
a ফিমার (Femour)
b টিবিয়া (Tibia)
c হিউমেরাস
d উল্না
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফিমার (Femour) ১. কেন সঠিক: - মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্রের সবচেয়ে দীর্ঘ এবং শক্তিশালী অস্থি হলো ফিমার, যা শরীরের ঊর্ধ্বাংশ এবং নিম্নাংশের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে। - এটি আমাদের শরীরের সম্পূর্ণ ওজন বহন করে এবং হাঁটা, দৌড়ানো বা লাফানোর সময় প্রধান যান্ত্রিক বল সরবরাহ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ফিমার হলো উরুর একমাত্র অস্থি যা শ্রোণীচক্র থেকে হাঁটু পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে এবং মানবদেহের মোট ওজনের একটি বড় অংশ বহন করে। - কার্যপ্রণালি: এর উপরের প্রান্তটি বল এবং সকেট জয়েন্টের মাধ্যমে নিতম্বের সাথে যুক্ত থাকে এবং নিচের প্রান্তটি টিবিয়ার সাথে মিলে হাঁটু গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন দৌড়বিদ যখন দ্রুত দৌড়ান, তখন তার ফিমার অস্থি প্রচণ্ড যান্ত্রিক চাপ সহ্য করে এবং শক্তি সঞ্চার করে। ব্যাখ্যা: ফিমারের বিশেষ গঠন এবং অভ্যন্তরীণ স্পঞ্জি টিস্যু শরীরের এই তীব্র চাপ ও অভিঘাত সফলভাবে সহ্য করতে পারে। উদাহরণ ২: মানুষের উচ্চতার প্রায় এক চতুর্থাংশ অংশ এই ফিমার অস্থির দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে। ব্যাখ্যা: ফরেনসিক বিজ্ঞান বা নৃবিজ্ঞানে প্রায়ই এই অস্থির মাপ ব্যবহার করে মানুষের আনুমানিক উচ্চতা ও শারীরিক গঠন নির্ধারণ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিমার (Femour) — এটি মানবদেহের সবচেয়ে দীর্ঘ এবং শক্তিশালী অস্থি হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত। B) টিবিয়া (Tibia) — এটি পায়ের নিচের অংশের বা পিন্ডলির দ্বিতীয় বৃহত্তম অস্থি, যা ফিমারের চেয়ে ছোট। C) হিউমেরাস — এটি হাতের উপরের অংশ বা বাহুর অস্থি, যা ফিমারের মতো শরীরের প্রধান ওজন বহন করে না। D) উল্না — এটি হাতের নিচের অংশের বা ফোরআর্মের দুটি অস্থির একটি, যা আকারে ফিমারের তুলনায় অনেক ছোট। ৫ মনে রাখার টিপস: - মানবদেহের দীর্ঘতম অঙ্গ বা হাড় মনে রাখার সহজ কৌশল হলো পায়ের ফিমার সবচেয়ে লম্বা হয়। - শরীরের সবচেয়ে ছোট হাড় কানের স্টেপিস এবং সবচেয়ে বড় হাড় উরুর ফিমার হিসেবে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবদেহে মোট অস্থির সংখ্যা ২০৬ টি এবং ফিমার হলো এর মধ্যে দীর্ঘতম। - কঙ্কালতন্ত্র সংক্রান্ত প্রতিযোগিতামূলক প্রশ্নে প্রায়ই এই দীর্ঘতম এবং ক্ষুদ্রতম অস্থির নাম জানতে চাওয়া হয়।
a মহেশখালী
b ভোলা
c সন্দ্বীপ
d হাতিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হাতিয়া ১. কেন সঠিক: - গোল্ডেন আইল্যান্ড বা স্বর্ণদ্বীপ বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি জেগে ওঠা নতুন চর। - মেঘনা নদীর মোহনায় পলি জমে এই দ্বীপটি সৃষ্টি হয়েছে এবং এর কৌশলগত ভৌগোলিক গুরুত্ব অপরিসীম। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি পলি জমার মাধ্যমে গঠিত একটি উর্বর উপকূলীয় চর, যা পরবর্তীতে পুনর্বাসন ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ভাসানচর ব্যাখ্যা: এটিও হাতিয়া উপজেলার অধীন মেঘনা নদীর মোহনায় পলি জমে গঠিত একটি দ্বীপ, যা জলবায়ু উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসনের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। উদাহরণ ২: নিজামুদ্দিন চর ব্যাখ্যা: এটি হাতিয়ার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চর, যা উপকূলীয় অঞ্চলের ভৌগোলিক গঠন এবং পলি জমার প্রক্রিয়ার একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহেশখালী — এটি কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) ভোলা — এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ এবং একটি আলাদা জেলা, যা মেঘনা নদীর মুখে অবস্থিত কিন্তু গোল্ডেন আইল্যান্ড নয়। C) সন্দ্বীপ — এটি চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত একটি প্রাচীন ও ঐতিহাসিক দ্বীপ, যা হাতিয়া থেকে ভৌগোলিকভাবে ভিন্ন স্থানে অবস্থিত। D) হাতিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ গোল্ডেন আইল্যান্ড বা স্বর্ণদ্বীপটি এই উপজেলার অংশ হিসেবে পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্বর্ণ বা গোল্ডেন শব্দটির সঙ্গে হাতিয়ার উপকূলীয় নতুন চরের অবস্থান মনে রাখতে পারেন। হাতিয়ার সোনাদীয়া বা স্বর্ণদ্বীপ সম্পর্কিত প্রশ্ন এভাবেই সমাধান করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত উপযোগী। - একই ধারণা থেকে বাংলাদেশের অন্যান্য নবগঠিত চর এবং উপকূলীয় দ্বীপসমূহ সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে।
a মহেশখালী
b হাতিয়া
c সন্দ্বীপ
d সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সেন্টমার্টিন ১. কেন সঠিক: - সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ যা বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত। - এখানে প্রবাল প্রাচীর বা কোরাল রিফ গড়ে উঠেছে যা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সামান্য উঁচু একটি সমতল দ্বীপ এবং এর স্থানীয় নাম নারিকেল জিনিয়া। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ ব্যাখ্যা: এটি অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রবাল প্রাচীর যা সেন্টমার্টিনের প্রবাল Ecosystem এর মতো জীববৈচিত্র্য ধারণ করে। উদাহরণ ২: কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের আরেকটি বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র তবে এটি প্রবাল দ্বীপ নয় বরং পলল গঠিত সৈকত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহেশখালী — এটি বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ যা কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত। B) হাতিয়া — এটি নোয়াখালী জেলার অন্তর্গত মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত একটি পলি গঠিত দ্বীপ। C) সন্দ্বীপ — এটি চট্টগ্রাম জেলার উপকূলে মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত একটি প্রাচীন দ্বীপ। D) সেন্টমার্টিন — এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রবাল মানেই সেন্টমার্টিন। মনে রাখতে পারেন প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের নারকেল বিখ্যাত যার কারণে এর অপর নাম নারিকেল জিনিয়া। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বীপের বৈশিষ্ট্য থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। মনে রাখতে হবে মহেশখালী পাহাড়ি দ্বীপ এবং সেন্টমার্টিন প্রবাল দ্বীপ।
a কাস্পিয়ান সাগর
b কৃষ্ণ সাগরে
c বাল্টিক সাগরে
d আরব সাগরে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাস্পিয়ান সাগর ১. কেন সঠিক: ভলগা নদী ইউরোপের দীর্ঘতম নদী এবং এটি রাশিয়ার ভালদাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে বিশ্বের বৃহত্তম অভ্যন্তরীণ জলাধার বা হ্রদ হিসেবে পরিচিত কাস্পিয়ান সাগরে পতিত হয়েছে। সাধারণত নদী সাগরে বা মহাসাগরে পতিত হলেও কাস্পিয়ান সাগর একটি বিশাল লোনা পানির হ্রদ হওয়া সত্ত্বেও এর বিশাল আয়তনের কারণে একে সাগর বলা হয় এবং ভলগার পানি এখানেই এসে শেষ হয়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: ভলগা নদী ইউরোপ মহাদেশের রাশিয়া রাষ্ট্রে অবস্থিত এবং এর অববাহিকা পূর্ব ইউরোপীয় সমভূমির একটি বিরাট অংশজুড়ে বিস্তৃত। বৈশিষ্ট্য: এটি ইউরোপের দীর্ঘতম নদী যার দৈর্ঘ্য প্রায় তিন হাজার পাঁচশো তিরানব্বই কিলোমিটার এবং এটি রাশিয়ার অর্থনৈতিক ও জলপথ যোগাযোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সংশ্লিষ্ট তথ্য: কাস্পিয়ান সাগর বিশ্বের বৃহত্তম আবদ্ধ জলাধার যা এশিয়া ও ইউরোপের সংযোগস্থলে অবস্থিত এবং এর কোনো সরাসরি বহিঃপ্রবাহ নেই। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ইউরাল নদী ব্যাখ্যা: ভলগার মতো ইউরাল নদীও রাশিয়া ও কাজাখস্তান অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কাস্পিয়ান সাগরে পতিত হয়েছে। উদাহরণ ২: আমুদরিয়া ও সিরদরিয়া নদী ব্যাখ্যা: এশিয়ার এই প্রধান নদীগুলো কোনো মহাসাগরে না গিয়ে মধ্য এশিয়ার অভ্যন্তরীণ অরাল সাগরে পতিত হয়, যা ভলগা নদীর কাস্পিয়ান সাগরে পতনের অনুরূপ অভ্যন্তরীণ জলপ্রবাহের একটি ভৌগোলিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাস্পিয়ান সাগর — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভলগা নদীর মূল প্রবাহ এই বিশাল অভ্যন্তরীণ জলাধারে এসে শেষ হয়েছে। B) কৃষ্ণ সাগরে — এটি ভুল কারণ কৃষ্ণ সাগরে দানিউব, ডিন্রপার এবং ডন নদীর মতো ইউরোপের অন্যান্য প্রধান নদীগুলো পতিত হয়। C) বাল্টিক সাগরে — এটি ভুল কারণ বাল্টিক সাগর উত্তর ইউরোপে অবস্থিত এবং এর সঙ্গে ভলগা নদীর কোনো সরাসরি সংযোগ নেই। D) আরব সাগরে — এটি ভুল কারণ আরব সাগর ভারত মহাসাগরের একটি অংশ যা এশিয়ার দক্ষিণ অংশে অবস্থিত এবং এটি ভলগা নদী থেকে বহু দূরে অবস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: ইউরোপের দীর্ঘতম নদী ভলগা শেষ হয়েছে কাস্পিয়ান সাগরের বুকে। এই লাইনটি মনে রাখলে নদী ও তার পতনের স্থান সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভলগা নদী কোন মহাদেশে অবস্থিত এবং এটি কোন জলাধারে পতিত হয়, এই দুটি তথ্য বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে ইউরোপের দীর্ঘতম নদী কোনটি অথবা রাশিয়া কোন সাগরের অববাহিকায় প্রধান নদী ধারণ করে।
a মিশর
b ইরাক
c ইরান
d দুবাই
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মিশর ১. কেন সঠিক: সুয়েজ খাল মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত একটি কৃত্রিম সমুদ্রগামী জলপথ। এটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে, ফলে এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সামুদ্রিক দূরত্ব ব্যাপকভাবে কমে গেছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: মিশর, উত্তর আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল। বৈশিষ্ট্য: এটি ১৯৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং লক বা জলকপাটবিহীন উন্মুক্ত খাল। সংশ্লিষ্ট তথ্য: ১৮৬৯ সালে উন্মুক্ত হওয়া এই খালটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধমনী। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ইউরোপ থেকে এশিয়ায় পণ্যবাহী জাহাজ। ব্যাখ্যা: এই খাল ব্যবহারের ফলে জাহাজগুলোকে আফ্রিকা মহাদেশ ঘুরে যেতে হয় না। উদাহরণ ২: বিশ্ব বাণিজ্য ও অর্থনীতি। ব্যাখ্যা: বৈশ্বিক তেল ও পণ্য পরিবহনের একটি বিরাট অংশ এই খালের ওপর নির্ভরশীল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশর — এটি সঠিক উত্তর কারণ সুয়েজ খাল মিশরের ভূখণ্ডের ওপর অবস্থিত। B) ইরাক — এটি একটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ যা পারস্য উপসাগরের কাছাকাছি অবস্থিত, সুয়েজ খালের সঙ্গে এর ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই। C) ইরান — এটি এশিয়া মহাদেশের একটি দেশ যা কাস্পিয়ান সাগর ও পারস্য উপসাগরের মাঝে অবস্থিত, সুয়েজ খাল থেকে এটি অনেক দূরে অবস্থিত। D) দুবাই — এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি বিখ্যাত শহর ও আমিরাত, যা সুয়েজ খাল থেকে হাজার মাইল দূরে আরব উপদ্বীপে অবস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: সুয়েজ খাল মানেই মিশর এবং ভূমধ্যসাগর থেকে লোহিত সাগরের সংযোগ। মনে রাখতে পারেন, সুয়েজ খাল এশিয়া ও আফ্রিকাকে পৃথক করেছে এবং মিশর এর একমাত্র মালিকানা দেশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সুয়েজ খাল কোন দুটি সাগরকে যুক্ত করেছে, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। এর উত্তর হলো ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগর।
a 8
b 10
c 12
d 15
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ ১. কেন সঠিক: সেন্টমার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং এর মূল ভূখণ্ডের আয়তন প্রায় আট বর্গকিলোমিটার। উচ্চ জোয়ারের সময় দ্বীপটির আয়তন আরও কমে যায় এবং এটি বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। বৈশিষ্ট্য: এটি মূলত প্রবাল গঠিত সমতল ভূমি যেখানে নারিকেল গাছ প্রচুর জন্মায়। সংশ্লিষ্ট তথ্য: স্থানীয়ভাবে এই দ্বীপটিকে নারিকেল জিনিয়াজিরা নামেও ডাকা হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: কুঙ্গা দ্বীপ ব্যাখ্যা: এটি সুন্দরবন অঞ্চলের একটি ছোট দ্বীপ যা নদীর মোহনায় অবস্থিত এবং এর ভৌগোলিক গঠন সেন্টমার্টিন থেকে ভিন্ন। উদাহরণ ২: সোনাদিয়া দ্বীপ ব্যাখ্যা: এটি কক্সবাজার জেলার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ যা মূলত সামুদ্রিক মৎস্য ও কেওড়া বনের জন্য পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ — এই অপশনটি সঠিক কারণ সেন্টমার্টিন দ্বীপের মূল আয়তন প্রায় আট বর্গকিলোমিটার। B) ১০ — এই অপশনটি ভুল কারণ দশ বর্গকিলোমিটার সেন্টমার্টিনের সঠিক আয়তন নয়। C) ১২ — এই অপশনটি ভুল কারণ বারো বর্গকিলোমিটার আয়তনের কোনো ভিত্তি ভৌগোলিক পরিসংখ্যানে নেই। D) ১৫ — এই অপশনটি ভুল কারণ পনেরো বর্গকিলোমিটার সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তনের চেয়ে অনেক বেশি। ৫. মনে রাখার টিপস: সেন্টমার্টিনের প্রথম অক্ষর স এবং আট সংখ্যার উচ্চারণ সা দিয়ে শুরু হয়, যা মিলিয়ে আট মনে রাখা যায়। বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপের আয়তন ছোট এবং তা মাত্র আট বর্গকিলোমিটার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সেন্টমার্টিন দ্বীপ কোন জেলায় অবস্থিত বা এর আয়তন কত তা জানতে চাওয়া হয়। একই ধারণা থেকে দ্বীপটির স্থানীয় নাম বা এর ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a নরওয়ে
b চিলি
c ঘানা
d ভ্যাটিকান সিটি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভ্যাটিকান সিটি ১. কেন সঠিক: ভ্যাটিকান সিটি বিশ্বের সবচেয়ে ছোট স্বাধীন রাষ্ট্র যা সম্পূর্ণভাবে ইতালি দেশের রোম শহরের ভেতরে অবস্থিত। এর মোট আয়তন প্রায় ০.৪ বর্গকিলোমিটার এবং এটি পোপের শাসনাধীন একটি সার্বভৌম নগররাষ্ট্র। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: এটি ইউরোপ মহাদেশের দক্ষিণ অংশে ইতালি রাষ্ট্রের রাজধানী রোম শহরের ভেতর অবস্থিত একটি সম্পূর্ণ ভূবেষ্টিত রাষ্ট্র। বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের ক্ষুদ্রতম স্বাধীন রাষ্ট্র যার নিজস্ব পতাকা, মুদ্রা ও ডাকব্যবস্থা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য: আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে এটি বিশ্বের সবচেয়ে ছোট রাষ্ট্র এবং এটি একটি থিওক্র্যাটিক বা ধর্মভিত্তিক একনায়কতন্ত্র। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: মোনাকো ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম স্বাধীন রাষ্ট্র হলেও ভ্যাটিকান সিটির চেয়ে আয়তনে কিছুটা বড়। উদাহরণ ২: সান মারিনো ব্যাখ্যা: এটিও ইতালির ভেতরে অবস্থিত একটি ক্ষুদ্র রাষ্ট্র তবে এর আয়তন ভ্যাটিকান সিটির চেয়ে অনেক বেশি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নরওয়ে — এটি উত্তর ইউরোপের একটি বৃহৎ দেশ যার আয়তন প্রায় তিন লক্ষ বর্গকিলোমিটারের বেশি। B) চিলি — এটি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের একটি দীর্ঘ ও সংকীর্ণ দেশ যার আয়তন অনেক বিশাল। C) ঘানা — এটি পশ্চিম আফ্রিকার একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র যার আয়তন ভ্যাটিকান সিটির তুলনায় কয়েক লক্ষ গুণ বড়। D) ভ্যাটিকান সিটি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিশ্বের ক্ষুদ্রতম দেশ। ৫. মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে ছোট দেশ মনে রাখতে ভি অক্ষরটি মাথায় রাখতে পারো যেখানে ভ্যাটিকান সিটি সবার চেয়ে আয়তনে ছোট। পৃথিবীর মানচিত্রে রোমের ভেতর একটি ছোট বিন্দু হিসেবে এই রাষ্ট্রটিকে কল্পনা করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ক্ষুদ্রতম বা বৃহত্তম দেশ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। ভ্যাটিকান সিটি থেকে জনসংখ্যার দিক থেকেও এটি বিশ্বের সর্বনিম্ন জনসংখ্যার স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রশ্ন আসতে পারে।
a আটলান্টিক মহাসাগর
b ভারত মহাসাগর
c আর্কটিক মহাসাগর
d প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রশান্ত মহাসাগর ১. কেন সঠিক: - সলোমন দ্বীপপুঞ্জ ওশেনিয়া অঞ্চলের মেলানেশিয়া উপ-অঞ্চলে প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত। - এই দ্বীপপুঞ্জটি একটি স্বাধীন দ্বীপ রাষ্ট্র যা প্রশান্ত মহাসাগরের জলরাশি দ্বারা পরিবেষ্টিত। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: এটি পাপুয়া নিউগিনির পূর্বে এবং ভানুয়াতুর উত্তর-পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি অনেকগুলো দ্বীপ নিয়ে গঠিত একটি রাষ্ট্র যার রাজধানী হলো হোনারা। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ফিজি ব্যাখ্যা: এটিও প্রশান্ত মহাসাগরের ওশেনিয়া অঞ্চলে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র, যা সলোমন দ্বীপপুঞ্জের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মিল রাখে। উদাহরণ ২: হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ ব্যাখ্যা: এটি প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর অংশে অবস্থিত একটি দ্বীপপুঞ্জ যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিশালতা নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আটলান্টিক মহাসাগর — এটি উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা এবং ইউরোপ ও আফ্রিকার মাঝখানে অবস্থিত মহাসাগর, যেখানে সলোমন দ্বীপপুঞ্জ অবস্থিত নয়। B) ভারত মহাসাগর — এটি এশিয়া, আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যবর্তী মহাসাগর, যা সলোমন দ্বীপপুঞ্জের ভৌগোলিক অবস্থানের বাইরে অবস্থিত। C) আর্কটিক মহাসাগর — এটি পৃথিবীর উত্তর মেরু অঞ্চলে বা সুমেরুতে অবস্থিত বরফাবৃত মহাসাগর, যা ক্রান্তীয় অঞ্চলের সলোমন দ্বীপপুঞ্জ থেকে অনেক দূরে। D) প্রশান্ত মহাসাগর — এটি পৃথিবীর বৃহত্তম মহাসাগর এবং সলোমন দ্বীপপুঞ্জ এই মহাসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত বলেই এটি সঠিক অপশন। ৫. মনে রাখার টিপস: - সলোমন দ্বীপপুঞ্জ এবং ওশেনিয়া অঞ্চলের বেশিরভাগ দ্বীপ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত। - প্রশান্ত মহাসাগরের প্রশান্ত ভাব বা দ্বীপগুলোর অবস্থান মনে রাখতে সলোমন নামটি প্রশান্ত মহাসাগরের সঙ্গেই মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওশেনিয়া অঞ্চলের দ্বীপ রাষ্ট্রগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - এই প্রশ্নটি ঘুরিয়ে সলোমন দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী বা এর পার্শ্ববর্তী মহাসাগরের নাম জানতে চাওয়া হতে পারে।
a Urine output
b Temperature
c Blood pressure
d Pulse
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Blood pressure কেন সঠিক: - ম্যাগনেসিয়াম সালফেট (Magsulph) একটি শক্তিশালী ওষুধ যা প্রসবপূর্ব বা প্রসবকালীন খিঁচুনি বা একলাম্পসিয়া প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়। - এই ওষুধ রক্তচাপ দ্রুত কমিয়ে দিতে পারে, তাই থেরাপি শুরু করার আগে এবং চলাকালীন রোগীর রক্তচাপ পরীক্ষা করা সবচেয়ে জরুরি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Urine output — এটি ওষুধ দেওয়ার পরের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও, প্রথম বা মূল নির্দেশক হিসেবে রক্তচাপ আগে দেখা হয়। B) Temperature — এটি রোগীর সাধারণ শারীরিক অবস্থার অংশ হলেও ম্যাগনেসিয়াম সালফেট প্রয়োগের ক্ষেত্রে সরাসরি প্রাথমিক বা প্রধান নির্দেশক নয়। C) Blood pressure — এটি সঠিক উত্তর এবং ওষুধ প্রয়োগের আগে রক্তচাপ স্বাভাবিক সীমার মধ্যে আছে কিনা তা নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক। D) Pulse — এটি রোগীর হৃৎস্পন্দন বোঝায়, যা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয় তবে রক্তচাপের মতো এটি সরাসরি প্রধান সতর্কতার মাপকাঠি নয়। মনে রাখার টিপস: ম্যাগনেসিয়াম সালফেট দেওয়ার আগে রোগীর রক্তচাপ বা প্রেসার সবার আগে মাপতে হয়।
a participle
b gerund
c verb
d adjective
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) gerund কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'Nursing' শব্দটি একটি verb (nurse)-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে বাক্যের শুরুতে বসে subject-এর কাজ করেছে এবং noun-এর কার্য সম্পাদন করেছে। - verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যখন noun ও verb উভয়ের কাজ করে, তখন তাকে gerund বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) participle — এটি verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে একই সাথে verb এবং adjective-এর কাজ করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) gerund — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি noun-এর মতো কাজ করেছে। C) verb — এটি মূল verb নয়, বরং verb থেকে উৎপন্ন হয়ে noun-এর ভূমিকা পালন করছে। D) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-কে বিশেষিত করছে না, তাই এটি adjective নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে ing যুক্ত verb যদি noun-এর কাজ করে এবং 'কী' বা 'কোনটি' প্রশ্নের উত্তর দেয়, তবে তা সবসময় gerund হয়।
a ব্যাকটেরিয়া
b ভাইরাস
c ছত্রাক
d পরজীবী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভাইরাস কেন সঠিক: - এইডস রোগ সৃষ্টি করে এইচআইভি নামের একটি বিশেষ ভাইরাস, যা মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করে। - এই ভাইরাস মানুষের শ্বেত রক্তকণিকার টি সেল বা সিডি ফোর কোষ আক্রমণ করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাকটেরিয়া — ব্যাকটেরিয়া এক কোষী অণুজীব হলেও এটি এইডস রোগের জীবাণু নয়, যদিও ব্যাকটেরিয়াজনিত বিভিন্ন রোগ যেমন যক্ষ্মা এইডস রোগীদের আক্রমণ করতে পারে। B) ভাইরাস — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এইচআইভি একটি ভাইরাস যা কোষে প্রবেশ করে সংখ্যাবৃদ্ধি করে এবং এইডস রোগ ঘটায়। C) ছত্রাক — ছত্রাক দাদ বা ক্যানডিডিয়াসিস এর মতো কিছু রোগ সৃষ্টি করে, তবে এটি এইডস রোগের মূল জীবাণু নয়। D) পরজীবী — পরজীবী হলো এমন জীব যা অন্য জীবের দেহে বাস করে পুষ্টি নেয়, যেমন ম্যালেরিয়ার জীবাণু, কিন্তু এইডস পরজীবীবাহিত রোগ নয়। মনে রাখার টিপস: এইডস হলো ভাইরাসজনিত রোগ, ঠিক যেমন সর্দি ও ফ্লু ভাইরাস দ্বারা ছড়ায়।
a ব্যাকটেরিয়া
b রোটা ভাইরাস
c Protozoa
d ফাঙ্গাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রোটা ভাইরাস কেন সঠিক: - শিশুদের ডায়রিয়ার প্রধান এবং সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো রোটা ভাইরাস সংক্রমণ। - এটি মূলত শিশুদের ক্ষেত্রে তীব্র পানির মতো পায়খানা ও বমির জন্য দায়ী প্রধান জীবাণু। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাকটেরিয়া — ব্যাকটেরিয়াজনিত ডায়রিয়া হয়, তবে এটি রোটা ভাইরাসের মতো শিশুদের প্রধান ও সর্বজনীন কারণ নয়। B) রোটা ভাইরাস — এটিই শিশুদের ডায়রিয়ার প্রধান এবং সঠিক কারণ। C) Protozoa — প্রোটোজোয়া বা অ্যামিবা দ্বারাও ডায়রিয়া হতে পারে, তবে এটি এর মূল ও প্রধান কারণ নয়। D) ফাঙ্গাস — ফাঙ্গাস বা ছত্রাক সাধারণত সাধারণ ডায়রিয়ার প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচিত হয় না। মনে রাখার টিপস: শিশুদের মারাত্মক ডায়রিয়ার কথা মনে এলেই প্রথমে রোটা ভাইরাসের কথা মাথায় রাখবে।
a Neutrophil
b Basophil
c Lymphocyte
d Eusinophil
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Lymphocyte কেন সঠিক: - যক্ষ্মা বা টিউবারকুলোসিস একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ, যার জীবাণু হলো মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস। - এই জীবাণু শরীরে প্রবেশ করলে মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার অংশ হিসেবে লিম্ফোসাইট রক্তকণিকার সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Neutrophil — এটি প্রধানত ব্যাকটেরিয়াজনিত তীব্র প্রদাহ ও সাধারণ সংক্রমণের সময় বৃদ্ধি পায়, যক্ষ্মার সুনির্দিষ্ট মার্কার নয়। B) Basophil — এটি সাধারণত বিভিন্ন ধরনের অ্যালার্জি ও সংবেদনশীলতার প্রতিক্রিয়ায় রক্তে বৃদ্ধি পায়। C) Lymphocyte — এটি সঠিক উত্তর, কারণ যক্ষ্মার মতো দীর্ঘমেয়াদী সংক্রমণে এটি বৃদ্ধি পায়। D) Eusinophil — এটি প্রধানত পরজীবী সংক্রমণ এবং হাঁপানি বা বিভিন্ন ধরনের অ্যালার্জির ক্ষেত্রে বৃদ্ধি পায়। মনে রাখার টিপস: যক্ষ্মা বা টিবি দীর্ঘমেয়াদী রোগ, আর দীর্ঘমেয়াদী বা ক্রনিক সংক্রমণে লিম্ফোসাইট রক্তকণিকা প্রধানত সক্রিয় হয়।
a MT test
b Xence-xpert test
c X-ray chest
d CRP
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: D) CRP কেন সঠিক: - সিআরপি বা সি-রিঅ্যাক্টিভ প্রোটিন হলো রক্তে প্রদাহ বা ইনফ্লেমেশনের উপস্থিতি নির্ণয়ের একটি সাধারণ পরীক্ষা যা যক্ষ্মা বা টিবি রোগের নির্দিষ্ট বা নিশ্চিত রোগ নির্ণায়ক নয়। - যক্ষ্মা রোগ নির্ণয়ের জন্য সাধারণত কফ পরীক্ষা, এক্সরে বা নির্দিষ্ট জীবাণু শনাক্তকরণ পরীক্ষা করা হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) MT test — এটি টিউবারকুলিন স্কিন টেস্ট যা শরীরে যক্ষ্মার জীবাণুর উপস্থিতি বা সংবেদনশীলতা পরীক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়। B) Xence-xpert test — এটি একটি আধুনিক আণবিক পরীক্ষা যা খুব দ্রুত যক্ষ্মার জীবাণু এবং রিফামপিসিন ওষুধের কার্যকারিতা নির্ভুলভাবে শনাক্ত করতে পারে। C) X-ray chest — এটি বুকের এক্সরে পরীক্ষা যার মাধ্যমে ফুসফুসে যক্ষ্মার কারণে হওয়া ক্ষয়ক্ষতি বা পরিবর্তন স্পষ্টভাবে দেখা যায়। D) CRP — এটি একটি সাধারণ প্রদাহের মার্কার যা যক্ষ্মা ছাড়াও শরীরের যেকোনো ইনফেকশন বা প্রদাহের সময় বৃদ্ধি পায়। মনে রাখার টিপস: টিবি রোগ নির্ণয়ে ত্বকের পরীক্ষা, কফের জিন এক্সপার্ট এবং বুকের এক্সরে করা হলেও সিআরপি হলো কেবল শরীরের সাধারণ ইনফ্লামেশনের রক্ত পরীক্ষা।
a ডায়াবেটিস
b হার্ট ডিজিজ
c Covid-19
d উচ্চ রক্তচাপ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Covid-19 কেন সঠিক: - কোভিড-১৯ একটি সংক্রামক রোগ যা সার্স-কোভ-টু ভাইরাসের মাধ্যমে মানুষ থেকে মানুষের শরীরে ছড়ায়। - অসংক্রামক রোগ বা নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে সংক্রমিত হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডায়াবেটিস — এটি একটি অসংক্রামক বিপাকীয় রোগ যা ছোঁয়াচে নয়। B) হার্ট ডিজিজ — হৃদরোগ হলো জীবনযাত্রার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি অসংক্রামক রোগ। C) Covid-19 — এটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ হওয়ায় এটি নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ নয়। D) উচ্চ রক্তচাপ — এটি শরীরবৃত্তীয় ও পরিবেশগত কারণে হওয়া একটি অসংক্রামক রোগ। মনে রাখার টিপস: যেসব রোগ ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে ছড়ায় না যেমন ডায়াবেটিস ও হৃদরোগ, সেগুলো নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ; আর কোভিড-১৯ হলো সংক্রামক রোগ।
a Platelet
b Neutrophil
c Lymphocyte
d Basophil
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Platelet কেন সঠিক: - ডেঙ্গু ভাইরাসের আক্রমণে রক্তে অণুচক্রিকা বা প্লাটিলেটের পরিমাণ মারাত্মকভাবে হ্রাস পায়। - সুস্থ মানুষের রক্তে প্লাটিলেটের স্বাভাবিক মাত্রা প্রতি ঘন মিলিমিটারে দেড় লাখ থেকে সাড়ে চার লাখ হলেও ডেঙ্গু রোগীর ক্ষেত্রে তা দ্রুত কমতে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Platelet — এটি রক্তের সেই উপাদান যা ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে সবচেয়ে দ্রুত এবং পরিমাণে বেশি পরিবর্তিত বা হ্রাস পায়। B) Neutrophil — এটি এক ধরনের শ্বেত রক্তকণিকা যা ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ প্রতিরোধ করে, তবে ডেঙ্গুতে এটি প্রাথমিক ও প্রধান পরিবর্তন নয়। C) Lymphocyte — এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সাথে জড়িত শ্বেত রক্তকণিকা, যা কিছু ভাইরাসে বাড়লেও ডেঙ্গুতে প্রধান পরিবর্তন প্লাটিলেটের হয়। D) Basophil — এটি অ্যালার্জি প্রতিরোধকারী রক্তকণিকা, ডেঙ্গু জ্বরের সাথে এর সরাসরি ও প্রধান পরিবর্তনের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ডেঙ্গু মানেই রক্তের প্লাটিলেট বা অণুচক্রিকার পতন।
a 6
b 8
c 8
d 5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 8 কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) ২০১৬ সালের নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী গর্ভকালীন সময়ে ন্যূনতম আটবার চিকিৎসকের পরামর্শ বা এন্টিনেটাল চেকআপ (ANC) নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। - এর ফলে গর্ভবতী মা ও অনাগত সন্তানের স্বাস্থ্যঝুঁকি অনেক কমে যায় এবং সম্ভাব্য জটিলতা দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 6 — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত প্রসব পূর্ববর্তী চেকআপের বর্তমান সঠিক সংখ্যা নয়। B) 8 — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী সঠিক উত্তর এবং এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য। C) 8 — এটি সঠিক উত্তরটির পুনরাবৃত্তি এবং বর্তমান নির্দেশিকা অনুযায়ী সঠিক সংখ্যা। D) 5 — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পূর্বনির্ধারিত পুরনো নিয়ম (৪ বার) বা বর্তমান ৮ বারের কোনোটির সাথেই মিলে না। মনে রাখার টিপস: গর্ভবতী মায়ের পূর্ণ সুরক্ষার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখন মোট আটবার চেকআপের কথা বলে, তাই সংখ্যাটি আট মনে রাখবে।
a High pressure with oedema
b High BP with protenuria
c High BP with convulsion
d উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) High BP with protenuria কেন সঠিক: - গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ এবং প্রস্রাবের সাথে আমিষ বা প্রোটিন যাওয়া প্রিক্ল্যাম্পসিয়ার মূল ক্লিনিক্যাল লক্ষণ। - গর্ভবতী মায়ের উচ্চ রক্তচাপের সাথে প্রোটিনুরিয়া ধরা পড়লেই সাধারণত একে প্রিক্ল্যাম্পসিয়া হিসেবে নিশ্চিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) High pressure with oedema — শুধু উচ্চ রক্তচাপ এবং হাত-পা ফুলে যাওয়া প্রিক্ল্যাম্পসিয়ার নিশ্চিত লক্ষণ নয়, এটি সাধারণ গর্ভাবস্থায়ও হতে পারে। B) High BP with protenuria — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রিক্ল্যাম্পসিয়ার প্রধান ও সংজ্ঞায়িত বৈশিষ্ট্য। C) High BP with convulsion — উচ্চ রক্তচাপের সাথে খিঁচুনি হলে তাকে এক্লাম্পসিয়া বলা হয়, প্রিক্ল্যাম্পসিয়া নয়। D) উপরের কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: প্রিক্ল্যাম্পসিয়া মনে রাখতে বিপি অর্থাৎ ব্লাড প্রেশার এবং পি অর্থাৎ প্রোটিনুরিয়া এই দুটি শর্ত মনে রাখবেন।
a Inj-MagSO₄
b Inj-Ceftrioxene
c Inj-Diazepam
d Inj-Phenytoin
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Inj-MagSO₄ কেন সঠিক: - গর্ভবতী মায়ের খিঁচুনি বা একলাম্পসিয়া চিকিৎসায় ম্যাগনেসিয়াম সালফেট প্রথম পছন্দের জীবনরক্ষাকারী ওষুধ। - এটি মস্তিষ্কের খিঁচুনির প্রবণতা কমায় এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Inj-MagSO₄ — এটি গর্ভবতী মায়ের খিঁচুনি বা একলাম্পসিয়ার চিকিৎসায় প্রথম পছন্দের নিরাপদ ও বিশ্বমানের ওষুধ। B) Inj-Ceftrioxene — এটি একটি অ্যান্টিবায়োটিক যা বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া জনিত infections বা সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। C) Inj-Diazepam — এটি সাধারণ খিঁচুনির ওষুধ হলেও গর্ভবতী মায়ের খিঁচুনিতে এটি ম্যাগনেসিয়াম সালফেটের মতো কার্যকর নয়। D) Inj-Phenytoin — এটি মৃগী রোগ বা সাধারণ খিঁচুনির চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় কিন্তু একলাম্পসিয়ার জন্য এটি প্রথম পছন্দ নয়। মনে রাখার টিপস: গর্ভবতী মায়ের খিঁচুনি মানেই ম্যাজিক ওষুধ ম্যাগনেসিয়াম সালফেট বা মাগসোফাট মনে রাখবেন।
a Cardiologist
b Nephrologist
c Neurologist
d Pathologist
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Nephrologist কেন সঠিক: - মানবদেহের কিডনি সংক্রান্ত রোগ ও তার চিকিৎসা নিয়ে কাজ করা চিকিৎসাবিদ্যা শাখাকে নেফ্রোলজি বলা হয়। - এই বিশেষায়িত ক্ষেত্রের চিকিৎসকদের নেফ্রোলজিস্ট বলা হয়, যারা কিডনির কার্যকারিতা ও রোগ নির্ণয় করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cardiologist — হৃদরোগ ও রক্তনালীর চিকিৎসায় পারদর্শী চিকিৎসকদের বলা হয়, যা কিডনি রোগের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) Nephrologist — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কিডনি রোগ চিকিৎসকদের নির্দেশ করে। C) Neurologist — মস্তিষ্ক, স্নায়ুতন্ত্র ও মেরুদণ্ডের রোগ নিয়ে কাজ করেন, তাই এটি কিডনির চিকিৎসকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) Pathologist — রোগ নির্ণয় ও ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে রোগের কারণ শনাক্ত করেন, নির্দিষ্ট কোনো অঙ্গের চিকিৎসক নন। মনে রাখার টিপস: কিডনি বা বৃক্কের চিকিৎসকদের ইংরেজিতে নেফ্রোলজিস্ট (Nephrologist) বলা হয়, যা নেফ্রন শব্দের সাথে মিলে যায়।
a হাতের তালু
b চোখের Sclera
c চোখের Conjunctiva
d জিহ্বার তলদেশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চোখের Sclera কেন সঠিক: - জন্ডিস হলে রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যার হলুদ বর্ণ কেরাটিন টিস্যুর প্রতি বেশি সংবেদনশীল হয়। - চোখের স্ক্লেরা বা শ্বেতমণ্ডলে রক্তনালীর প্রাচীর ও ইলাস্টিক ফাইবারের কারণে বিলিরুবিন সহজে জমা হতে পারে এবং তা খালি চোখে স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাতের তালু — এটি চামড়ার পুরু স্তরের কারণে জন্ডিসের প্রাথমিক প্রকাশ বোঝাতে কম নির্ভরযোগ্য। B) চোখের Sclera — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) চোখের Conjunctiva — কনজাংটাইভা চোখের মিউকাস মেমব্রেন হলেও জন্ডিসের মূল হলুদ আভাটি মূলত শ্বেতমণ্ডল বা স্ক্লেরাতেই সবচেয়ে ভালোভাবে ফুটে ওঠে। D) জিহ্বার তলদেশ — এটি রক্তাল্পতা বা সায়ানোসিস নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হলেও জন্ডিসের ক্ষেত্রে প্রধান দৃশ্যমান স্থান হিসেবে স্ক্লেরা স্বীকৃত। মনে রাখার টিপস: জন্ডিস মানেই চোখের সাদা অংশ হলুদ হওয়া, তাই স্ক্লেরা মনে রাখুন।
a HbsAg
b Anti-HbsAg
c Anti-HCV
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) HbsAg কেন সঠিক: - HbsAg শব্দের অর্থ হেপাটাইটিস বি সারফেস অ্যান্টিজেন, যা রক্তে ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করে। - হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত করার জন্য প্রাথমিক এবং সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা এটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) HbsAg — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের উপস্থিতির প্রাথমিক নির্দেশক। B) Anti-HbsAg — এটি হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের বিরুদ্ধে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা টিকার কার্যকারিতা নির্দেশ করে, সংক্রমণ নয়। C) Anti-HCV — এটি হেপাটাইটিস সি ভাইরাসের অ্যান্টিবডি শনাক্তকরণের পরীক্ষা, যা হেপাটাইটিস বি এর সাথে সম্পর্কিত নয়। D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: রক্তে ভাইরাস আছে কি না তা জানতে HbsAg পরীক্ষা করা হয়।
a ৬ মাস
b ১২ মাস
c ৮ মাস
d ১৮ মাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬ মাস কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী শিশুর জন্মের পর থেকে প্রথম ছয় মাস পর্যন্ত শুধু মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোই হলো এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং। - এই সময়ে বুকের দুধ ছাড়া অন্য কোনো খাবার বা পানিও শিশুকে দেওয়া উচিত নয় কারণ শিশুর পুষ্টি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য এটি যথেষ্ট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ মাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও পুষ্টিবিদদের মতে মানব শিশুর প্রথম ছয় মাস বয়স পর্যন্ত মায়ের দুধই একমাত্র আদর্শ খাদ্য। B) ১২ মাস — এই অপশনটি ভুল কারণ ছয় মাস বয়সের পর থেকে মায়ের দুধের পাশাপাশি শিশুর পুষ্টির চাহিদা পূরণে অন্যান্য পরিপূরক বা অতিরিক্ত খাবারের প্রয়োজন হয়। C) ৮ মাস — এই অপশনটি ভুল কারণ ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার পরপরই শিশুকে পরিপূরক খাবার শুরু করতে হয়, আট মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করার বিধান নেই। D) ১৮ মাস — এই অপশনটি ভুল কারণ অতিরিক্ত খাবার ছাড়া কেবল বুকের দুধ খাওয়ানোর সর্বোচ্চ সময়সীমা হলো প্রথম ছয় মাস। মনে রাখার টিপস: শিশুর জীবনের প্রথম অর্ধ বছর বা ছয় মাস শুধু মায়ের দুধ, এই নিয়মটি মনে রাখলেই সঠিক উত্তর সহজে বের করা যায়।
a IUCD
b Implant
c Minipill
d OCP
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) IUCD কেন সঠিক: - প্রসবের ছয় মাসের মধ্যে জরায়ু অত্যন্ত নরম থাকে এবং জরায়ুর আকার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার প্রক্রিয়াধীন থাকে। - এই সময়ে IUCD বা কপার টি পরানো হলে জরায়ুর প্রাচীর ফুটো হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) IUCD — প্রসবের ছয় মাসের মধ্যে জরায়ু নরম থাকায় এটি জরায়ু perforation বা আঘাতের ঝুঁকি বাড়ায়। B) Implant — এটি প্রসবের পর বা যেকোনো সময় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিরাপদে ব্যবহার করা যায়। C) Minipill — এটি শুধু প্রজেস্টেরন হরমোনযুক্ত পিল, যা প্রসবের পরপরই বা স্তন্যদানকারী মায়েদের জন্য নিরাপদ। D) OCP — এটি কম্বিনেশন পিল হলেও প্রসবের নির্দিষ্ট সময়ের পর থেকে ব্যবহার করা যায়। মনে রাখার টিপস: ডেলিভারির পর জরায়ু নরম থাকায় IUCD ব্যবহার ঝুঁকিপূর্ণ।
a Boiling
b Fumigation
c Cidex solution
d Autoclave
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Autoclave কেন সঠিক: - অটোমেটিক প্রেসার কুকারের মতো কাজ করে উচ্চ তাপে বাষ্প তৈরি করে যা ব্যাকটেরিয়ার স্পোর ধ্বংস করে। - এতে সাধারণত ১২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ১৫ পিএসআই চাপে জীবাণুমুক্ত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Boiling — সাধারণ ফুটন্ত পানি ব্যাকটেরিয়া মারতে পারলেও অত্যন্ত প্রতিরোধী স্পোর ধ্বংস করতে পারে না। B) Fumigation — গ্যাস বা ধোঁয়ার মাধ্যমে বায়ুর জীবাণু ধ্বংস করা হয়, যা সব ধরণের স্পোর ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট নয়। C) Cidex solution — এটি একটি রাসায়নিক জীবাণুনাশক, যা সব ধরনের ব্যাকটেরিয়াল স্পোর সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করতে সময় নেয় এবং এর কার্যকারিতা সীমিত। D) Autoclave — এটি সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ও চাপের মাধ্যমে সব ধরনের জীবাণু এবং স্পোর শতভাগ সফলভাবে ধ্বংস করতে পারে। মনে রাখার টিপস: স্পোর ধ্বংসের পাকা বন্দোবস্ত হলো অটোঅক্লেভ, কারণ এটি উচ্চ তাপ ও চাপের নিখুঁত মিশ্রণ।
a ১৮–৩০ kg/m²
b ১৯–২৫ kg/m²
c ২০–২৭ kg/sqm
d ১৮.৫–২৪.৯ kg/sqm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮.৫–২৪.৯ kg/sqm কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী ১৮.৫ থেকে ২৪.৯ পর্যন্ত বিএমআই মান একজন সুস্থ মানুষের আদর্শ শারীরিক ওজন নির্দেশ করে। - এই সীমার মধ্যে ওজন থাকলে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি সবচেয়ে কম থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮–৩০ kg/m² — এই পরিধিটি অতিরিক্ত বিস্তৃত এবং এতে কম ওজন ও স্থূলতার পর্যায় দুটিই ভুলভাবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। B) ১৯–২৫ kg/sqm — এই মানটি কাছাকাছি হলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সঠিক পরিসর এটি নয়। C) ২০–২৭ kg/sqm — এই পরিসরটি আদর্শ মানের তুলনায় সামান্য বেশি এবং এটি কিছু ক্ষেত্রে ওভারওয়েট বা অতিরিক্ত ওজনের কাছাকাছি চলে যায়। D) ১৮.৫–২৪.৯ kg/sqm — এটি সঠিক অপশন কারণ এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর বিএমআই সূচক। মনে রাখার টিপস: স্বাভাবিক বিএমআই মনে রাখতে সাড়ে আঠারো থেকে পঁচিশ এই সংখ্যা দুটি মনে রাখুন, যা সুস্থ দেহের চাবিকাঠি।
a ২.৯–৫ mmol/L
b ৩.৫–৫ mmol/L
c ৭–৮ mmol/L
d ৩.৯–৮ mmol/L
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩.৫–৫ mmol/L কেন সঠিক: - মানবদেহের রক্তে পটাশিয়াম একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান যা স্নায়ু এবং পেশির কার্যকারিতা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। - সুস্থ মানুষের রক্তে পটাশিয়ামের স্বাভাবিক মাত্রা প্রতি লিটারে সাধারণত ৩.৫ থেকে ৫ মিলিওল (mmol/L) এর মধ্যে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২.৯–৫ mmol/L — এই মাত্রার নিচের সীমা স্বাভাবিকের চেয়ে কম, যা হাইপোক্যালেমিয়া নির্দেশ করে। B) ৩.৫–৫ mmol/L — এটি রক্তে পটাশিয়ামের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্বাভাবিক মান, যা সঠিক উত্তর। C) ৭–৮ mmol/L — এই মাত্রা অত্যন্ত বেশি এবং এটি মারাত্মক হাইপারক্যালেমিয়া নির্দেশ করে যা হৃৎপিণ্ডের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। D) ৩.৯–৮ mmol/L — এই সীমার উচ্চ সীমাটি অতিরিক্ত বেশি, যা রক্তে পটাশিয়ামের স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে অনেক উপরে। মনে রাখার টিপস: রক্তে পটাশিয়ামের নিরাপদ মাত্রা মনে রাখতে ৩.৫ থেকে ৫ সংখ্যা দুটি মনে রাখুন, যা হাতের পাঁচ আঙুলের সীমার মতো সহজে মেলানো যায়।
a Tranexemic acid
b Aspirin
c Heparin
d Diclofenac
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Tranexemic acid কেন সঠিক: - এটি একটি অ্যান্টিফাইব্রিনোলাইটিক ওষুধ যা রক্ত জমাট বাঁধতে এবং অতিরিক্ত রক্তপাত বন্ধ করতে সাহায্য করে। - এটি ফাইব্রিনোলাইসিস প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করে রক্তকে তরল হওয়া থেকে রক্ষা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tranexemic acid — এটি রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্যকারী সঠিক ওষুধ। B) Aspirin — এটি একটি অ্যান্টিপ্লেটলেট ওষুধ যা রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয় এবং পাতলা করে। C) Heparin — এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট বা রক্ত পাতলাকারী ওষুধ যা রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। D) Diclofenac — এটি একটি নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ বা ব্যথানাশক ওষুধ। মনে রাখার টিপস: রক্তপাত কমাতে সাহায্য করে 'Tranexemic acid' এবং রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয় 'Heparin'।
a Pituitary
b Liver
c Thyroid
d Adrenal
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Liver কেন সঠিক: - লিভার বা যকৃৎ একটি বহিঃক্ষরা গ্রন্থি বা Exocrine gland কারণ এটি নালীর মাধ্যমে পিত্তরস নিঃসরণ করে। - এন্ডোক্রাইন বা অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলো সরাসরি রক্তে হরমোন নিঃসরণ করে, যার কোনো নালী থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pituitary — এটি একটি প্রধান অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি যা সরাসরি রক্তে হরমোন নিঃসরণ করে। B) Liver — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নালীযুক্ত বহিঃক্ষরা গ্রন্থি এবং মানবদেহের বৃহত্তম গ্রন্থি। C) Thyroid — এটি একটি সুপরিচিত অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি যা থাইরক্সিন হরমোন রক্তে নিঃসরণ করে। D) Adrenal — এটি কিডনির ওপরে অবস্থিত একটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি যা হরমোন উৎপন্ন করে। মনে রাখার টিপস: যকৃৎ বা লিভার নালীর মাধ্যমে রস পাঠায় বলে এটি বহিঃক্ষরা, আর পিটুইটারি ও থাইরয়েড নালী ছাড়া হরমোন ছড়ায় বলে এরা অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি।
a ১০০–১৫০/ minute
b ১৬০–১৮০/ minute
c ১২০–১৬০/ minute
d ১২০–১৪০/ minute
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২০–১৬০/ minute কেন সঠিক: - সুস্থ গর্ভস্থ ভ্রূণের হৃৎস্পন্দনের স্বাভাবিক বা নরমাল মাত্রা প্রতি মিনিটে ১২০ থেকে ১৬০ বার হয়ে থাকে। - এই সীমার মধ্যে হৃৎস্পন্দন থাকা মানে ভ্রূণের অক্সিজেন সরবরাহ ও স্নায়ুতন্ত্র স্বাভাবিক আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০০–১৫০/ minute — এই মাত্রাটি ভ্রূণের স্বাভাবিক হৃৎস্পন্দনের সীমার চেয়ে কিছুটা কম, তাই এটি সঠিক নয়। B) ১৬০–১৮০/ minute — এই মাত্রাটি অতিরিক্ত বেশি, যা ভ্রূণের ফিটাল ট্যাকিকার্ডিয়া বা ঝুঁки নির্দেশ করে। C) ১২০–১৬০/ minute — এটিই গর্ভস্থ শিশুর হৃৎস্পন্দনের সঠিক ও প্রমিত স্বাভাবিক মান। D) ১২০–১৪০/ minute — এই সীমাটি কিছুটা অসম্পূর্ণ কারণ স্বাভাবিক মাত্রা ১৬০ পর্যন্ত বিস্তৃত। মনে রাখার টিপস: ভ্রূণের হার্টবিট প্রাপ্তবয়স্কদের দ্বিগুণ অর্থাৎ ১২০ থেকে ১৬০ এর মধ্যে থাকে।
a Feeble pulse
b Hypotension
c Decrease pulse rate
d Decreased temperature
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: B) Hypotension প্রদত্ত উত্তর যাচাই: প্রশ্নটিতে "নিচের কোনটি Shock এর Feature নয়" জানতে চাওয়া হয়েছে এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তর দেওয়া হয়েছে B) Hypotension। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুযায়ী শক (Shock) বা সংঘাতকালীন অবস্থার একটি অন্যতম প্রধান ও প্রাথমিক বৈশিষ্ট্য হলো হাইপোটেনশন বা রক্তচাপ কমে যাওয়া। তাই প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। সঠিক উত্তর হবে C) Decrease pulse rate, কারণ শকের সময় নাড়ির গতি বা পাল্স রেট কমে যায় না, বরং তীব্রভাবে বৃদ্ধি পায় (Tachycardia)। কেন সঠিক: - শক (Shock) হলো শরীরের টিস্যুগুলোতে পর্যাপ্ত রক্ত ও অক্সিজেন সরবরাহের চরম ঘাটতি। - এই অবস্থায় শরীরের রক্তচাপ স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক নিচে নেমে যায় (Hypotension)। - এই অবস্থায় রোগীর শরীর ঠান্ডা হয়ে যায় এবং নাড়ি দুর্বল ও দ্রুতগামী হয় (Feeble and rapid pulse)। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Feeble pulse — এটি শকের একটি অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য, কারণ রক্তাল্পতার কারণে নাড়ি দুর্বল ও ক্ষীণ হয়ে যায়। B) Hypotension — এটিও শকের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য, কারণ রক্তচাপ বিপজ্জনকভাবে কমে যায়। C) Decrease pulse rate — এটি শকের বৈশিষ্ট্য নয়, কারণ শকের সময় হৃৎপিণ্ড ক্ষতিপূরণ করতে নাড়ির গতি দ্রুত (Tachycardia) করে। D) Decreased temperature — এটি শকের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য, কারণ রক্তপ্রবাহ কমে যাওয়ায় শরীর ঠান্ডা হয়ে যায়। মনে রাখার টিপস: শকের রোগীদের ক্ষেত্রে রক্তচাপ কমে যায় (Hypotension) এবং নাড়ির গতি বেড়ে যায়, কমে যায় না।

মোট প্রশ্ন (23)

a অক্ষয়কুমার দত্ত
b বুদ্ধদেব বসু
c প্রমথ চৌধুরী
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - সবুজ পত্র পত্রিকার সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী। - বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষারীতি প্রবর্তনে এই পত্রিকার ভূমিকা ছিল অনন্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামের প্রবক্তা। - ১৯১৪ সালের শ্রাবণ মাসে সবুজ পত্র পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরী নানা প্রবন্ধ লিখেছেন। ব্যাখ্যা: এটি তার সাহিত্যিক পরিচয় ও ছদ্মনাম স্পষ্ট করে। উদাহরণ ২: চার ইয়ারী কথা প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি তার রচিত কথাসাহিত্য বা ছোটগল্প সংকলনের পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষয়কুমার দত্ত — তিনি তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন কিন্তু সবুজ পত্রের সঙ্গে যুক্ত নন। B) বুদ্ধদেব বসু — তিনি আধুনিক যুগের বিখ্যাত কবি ও কবিতা পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বঙ্গদর্শন ও সাধনা পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তবে সবুজ পত্রের সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রমথ চৌধুরীর সবুজ পত্র মনে রাখার জন্য সবুজ পাতার বীরবল সূত্রটি স্মরণ রাখতে পারো। - বাংলা চলতি রীতির জনক প্রমথ চৌধুরী এই পত্রিকার মাধ্যমে নতুন ধারা আনেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় পত্রিকার সম্পাদক থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - পত্রিকার নাম দেখলেই তার সম্পাদক ও প্রকাশের সাল ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a সুলভ জিনিস ভালো না
b সুলভ জিনিস কেনা খারাপ
c কমদামী জিনিস খারাপ
d সুলভ জিনিসের নানা দোষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সুলভ জিনিসের নানা দোষ ১. কেন সঠিক: - সস্তার তিন অবস্থা প্রবাদটির মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে কম মূল্যে প্রাপ্ত জিনিসের গুণগত মান সাধারণত ভালো হয় না এবং এতে নানা ধরনের ত্রুটি থাকে। - সুলভ শব্দটির অর্থ সহজেই লভ্য বা কম দামি, আর এই ধরনের জিনিসের স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা নিয়ে সমাজে দীর্ঘকাল ধরে এই অভিজ্ঞতাটি প্রবাদ আকারে প্রচলিত আছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রবাদ ও প্রবচন যার মাধ্যমে মানবজীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সমাজের লব্ধ জ্ঞান প্রকাশ পায়। - প্রবাদ হলো সংক্ষিপ্ত ও অর্থবহ বাক্য যা দীর্ঘ অভিজ্ঞতার সারসংক্ষেপ হিসেবে মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চ বর্জিত ছ ছাগলে খায় ব্যাখ্যা: এই প্রবাদটি দিয়ে যেমন কোনো বস্তুর অপূর্ণতা বোঝায়, তেমনি সস্তার তিন অবস্থা প্রবাদটি কম দামি জিনিসের ত্রুটি নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: যদুকুলে শ্রীকৃষ্ণ নাই ব্যাখ্যা: এই প্রবাদটি সব ক্ষেত্রে একরকম ফল না পাওয়ার একটি চমৎকার উদাহরণ যা প্রবাদ-প্রবচনের অন্তর্গত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুলভ জিনিস ভালো না — এই অপশনটি আংশিক সত্য প্রকাশ করলেও প্রবাদটির মূল ভাব অর্থাৎ নানা ধরনের ত্রুটির কথাটি সম্পূর্ণভাবে ফুটিয়ে তোলে না। B) সুলভ জিনিস কেনা খারাপ — কেনা খারাপ বলাটা প্রবাদটির মূল কাঠামোগত অর্থ বা ব্যাকরণগত প্রমিত রূপের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) কমদামী জিনিস খারাপ — কমদামী শব্দটির চেয়ে সুলভ শব্দের অন্তর্নিহিত অর্থ প্রবাদে বেশি ব্যাপক ও সঠিক হিসেবে গৃহিত হয়। D) সুলভ জিনিসের নানা দোষ — এই অপশনটি প্রবাদটির শাব্দিক ও ভাবগত অর্থকে পুরোপুরি এবং নির্ভুলভাবে প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সস্তা মানে কম দাম এবং তিন অবস্থা মানে তিন ধরনের সমস্যা বা দোষ, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। - পরীক্ষার হলে প্রবাদের ক্ষেত্রে যে অপশনে বহুমুখী ত্রুটি বা নানা দোষের কথা থাকবে, সেটি সাধারণত সঠিক উত্তর হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রবাদ-প্রবচনের অন্তর্নিহিত অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - প্রবাদগুলো মুখস্থ করার পাশাপাশি এগুলোর পেছনের বাস্তব অর্থ অনুধাবন করা জরুরি।
a মেঘনাদ বধ কাব্য
b চিলেকোঠার সিপাই
c জীবন স্মৃতি
d শেষ লেখা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চিলেকোঠার সিপাই ১. কেন সঠিক: - চিলেকোঠার সিপাই উপন্যাসটি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত আধুনিক বাংলা উপন্যাস। - উপন্যাসের মূল চরিত্র খোকা এবং উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের রাজনৈতিক ও সামাজিক আবহ এর মূল আলোচ্য বিষয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসটির রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। - এটি বাংলা কথাসাহিত্যে অনন্য রিয়ালিজম বা বাস্তবতার অনন্য দলিল হিসেবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খোয়াবনামা ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের অপর একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও আলোচিত উপন্যাস। উদাহরণ ২: মানুষের ঘরবাড়ি ব্যাখ্যা: এটিও আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি প্রখ্যাত উপন্যাস যা সমাজের গভীর বাস্তবচিত্র ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘনাদ বধ কাব্য — এটি কোনো উপন্যাস নয়, বরং মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। B) চিলেকোঠার সিপাই — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। C) জীবন স্মৃতি — এটি কোনো উপন্যাস নয়, বরং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত একটি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। D) শেষ লেখা — এটি কোনো উপন্যাস নয়, বরং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর পর প্রকাশিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তিনি খুব কম লিখেছেন কিন্তু মানের দিক থেকে অনন্য। চিলেকোঠার সিপাই ও খোয়াবনামা তাঁর দুটি প্রধান স্তম্ভ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় চিলেকোঠার সিপাই উপন্যাসের রচয়িতা কে, যার সঠিক উত্তর আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। - বিভিন্ন সাহিত্যকর্ম কাব্য, উপন্যাস নাকি নাটক তা ভালোভাবে চেনার জন্য লেখকের প্রধান কাজগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখা জরুরি।
a কর্ম কারক
b করণ কারক
c অপাদান কারক
d কর্তৃকারক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কর্তৃকারক ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ক্রিয়া সম্পাদনকারীকে কর্তৃকারক বলে এবং এখানে 'পয়মন্তি' শব্দটি নিজে কাজ বা আগমন সম্পন্ন করছে। - বাক্যের ক্রিয়া হলো 'এলো' এবং কে বা কারা এলো প্রশ্ন করলে 'পয়মন্তি' উত্তর পাওয়া যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ যখন বাক্যের ক্রিয়া সম্পাদন করে, তখন তাকে কর্তৃকারক বলা হয়। - ক্রিয়ার সঙ্গে কে বা কারা যুক্ত করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর মেলে, তা-ই কর্তৃকারক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৃষ্টি নামে। ব্যাখ্যা: এখানে 'বৃষ্টি' হলো কর্তৃকারক কারণ নামার কাজটি বৃষ্টি নিজে করছে। উদাহরণ ২: পাখি গান গায়। ব্যাখ্যা: এখানে 'পাখি' হলো কর্তৃকারক কারণ গান গাওয়ার কাজটি পাখি সম্পাদন করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্ম কারক — কর্ম কারক হলো যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, কিন্তু এখানে 'পয়মন্তি' নিজে কাজটি করছে। B) করণ কারক — করণ কারক হলো যার দ্বারা বা মাধ্যমে ক্রিয়া সাধিত হয়, যা এই বাক্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) অপাদান কারক — অপাদান কারক হলো যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত বা ভীত হয়, কিন্তু এখানে তা বোঝায়নি। D) কর্তৃকারক — এটি সঠিক অপশন কারণ 'পয়মন্তি' নিজেই বাক্যের ক্রিয়া সম্পাদন করছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়ার কাছে কে বা কারা প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা কর্তৃকারক হিসেবে চিহ্নিত করবে। - কর্তা সব সময় বাক্যের মূল ক্রিয়াটি সম্পাদন করে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে বাক্যের ক্রিয়াকে চিহ্নিত করে কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করতে হবে। - এই নিয়মটি মনে রাখলে যেকোনো পরীক্ষার কর্তৃকারক সংক্রান্ত প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যাবে।
a শ্রীকান্ত
b ঘরে-বাইরে
c পদ্মানদীর মাঝি
d খোয়াব নামা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পদ্মানদীর মাঝি ১. কেন সঠিক: পদ্ম নদীর মাঝি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত আঞ্চলিক উপন্যাস। এই উপন্যাসে পদ্মা নদীর তীরবর্তী জেলের সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনযাত্রা এবং তাদের সুখদুঃখ নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসের পটভূমি হলো বিক্রমপুর অঞ্চলের পদ্মা নদীর অববাহিকা এবং মৎস্যজীবী মানুষের জীবন। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কুবের ও মালা যার মাধ্যমে আঞ্চলিক মানুষের জীবনসংগ্রাম স্পষ্ট হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিতাস একটি নদীর নাম ব্যাখ্যা: এটি অদ্বৈত মল্লবর্মণ রচিত অপর একটি বিখ্যাত আঞ্চলিক উপন্যাস, যা তিতাস তীরবর্তী মালো সম্প্রদায়ের জীবনভিত্তিক। উদাহরণ ২: গঙ্গা ব্যাখ্যা: সমরেশ বসু রচিত এই উপন্যাসটিও নদীকেন্দ্রিক আঞ্চলিক উপন্যাসের একটি সার্থক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রীকান্ত — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস, যার পটভূমি আঞ্চলিক নয় বরং লেখকের জীবনদর্শনের ওপর প্রতিষ্ঠিত। B) ঘরে-বাইরে — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস, যা স্বদেশী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে। C) পদ্মানদীর মাঝি — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত আঞ্চলিক উপন্যাস, যা সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। D) খোয়াব নামা — এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস, যা তেভাগা আন্দোলন ও দেশভাগের প্রেক্ষাপটে রচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: নদীভিত্তিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মানদীর মাঝি নামটি সবার আগে মনে রাখতে হয়। উপন্যাসের মূল চরিত্র জেলের জীবন এবং পদ্মা নদী লেখকের আঞ্চলিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আঞ্চলিক উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে। তাই মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মানদীর মাঝি এবং অদ্বৈত মল্লবর্মণের তিতাস একটি নদীর নাম বিশেষভাবে মনে রাখা প্রয়োজন।
a জীবনানন্দ দাশের
b সুকান্ত ভট্টাচার্যের
c সৈয়দ শামসুল হকের
d মাহবুব-উল-আলম চৌধুরীর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মাহবুব-উল-আলম চৌধুরীর ১. কেন সঠিক: - কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি বাংলা কবিতার ইতিহাসে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে রচিত প্রথম কবিতা। - মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে নিহতের খবর শুনে ২১ ফেব্রুয়ারি রাতেই এই কবিতাটি রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী ছিলেন একাধারে কবি, প্রাবন্ধিক ও ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক। - ভাষা আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোতে রচিত এই কবিতাটি বাঙালি জাতিকে স্বাধিকার আন্দোলনে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলাউদ্দিন আল আজাদের স্মৃতিসম্ভার কবিতা ব্যাখ্যা: এটিও ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও আবেগঘন কবিতা। উদাহরণ ২: মাহবুব উল আলম চৌধুরীর অমর একুশে প্রবন্ধ ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলন ও বাঙালির স্বাধিকার সংগ্রামের ইতিহাস জানতে এই ধরনের সাহিত্যকর্ম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবনানন্দ দাশের — জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলা ও জীবনচেতনার প্রধান কবি, ভাষা আন্দোলনের এই কবিতার রচয়িতা তিনি নন। B) সুকান্ত ভট্টাচার্যের — সুকান্ত ভট্টাচার্য কিশোর কবি ও মার্ক্সবাদী চেতনার সাহিত্যিক হলেও ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের আগেই তিনি মারা যান। C) সৈয়দ শামসুল হকের — সৈয়দ শামসুল হক বহুমুখী প্রতিভার লেখক হলেও এই ঐতিহাসিক প্রথম কবিতাটি তার লেখা নয়। D) মাহবুব-উল-আলম চৌধুরীর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ভাষা আন্দোলনের তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় এই কবিতাটি লিখেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতা মনে রাখতে চৌধুরী সাহেবের নাম এবং ফাঁসির দাবি স্মরণ করতে পারো। - বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারিতেই লেখা হয়েছিল এই বিখ্যাত কবিতাটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতার নাম এবং রচয়িতার নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - বাংলা সাহিত্যে ঐতিহাসিক ঘটনার তাৎক্ষণিক সাহিত্যিক রূপদানের এটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
a সংস্কৃত ভাষা
b ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা
c প্রাকৃত ভাষা
d পারি ভাষা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষার জন্ম ও বিকাশ মূলধারার উৎস হলো ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবার। এই ভাষা পরিবার থেকেই বিবর্তনের মাধ্যমে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় এটি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের শততম শাখা থেকে উদ্ভূত। প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা থেকে বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে আজকের বাংলা ভাষার রূপ লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইংরেজি ভাষা ব্যাখ্যা: ইংরেজি ভাষাটিও ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের অন্তর্গত একটি প্রধান ভাষা। উদাহরণ ২: হিন্দি ভাষা ব্যাখ্যা: হিন্দি ভাষা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবার থেকে উদ্ভূত এবং বাংলার সঙ্গে এর উৎসগত মিল রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত ভাষা — সংস্কৃত ভাষা বাংলা ভাষার আদি উৎস নয়, বরং বাংলা ভাষার একটি প্রাচীন জননী বা পূর্বসূরি মাত্র। B) ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাংলা ভাষার মূল বংশধর বা আদি উৎস। C) প্রাকৃত ভাষা — প্রাকৃত ভাষা বাংলা ভাষার ইতিহাসের একটি মধ্যবর্তী পর্যায়, আদি উৎস নয়। D) পারি ভাষা — পারি ভাষা বৌদ্ধ ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ভাষা এবং এটি বাংলা ভাষার আদি উৎস হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাষা বংশের ক্ষেত্রে মনে রাখবে বাংলা ভাষার মূল শেকড় রয়েছে ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারে। প্রাচীনকাল থেকে ভাষা পরিবর্তনের ধারা মনে রাখলে এই ধরনের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার উৎস সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বাংলা ভাষার জন্ম কোন ভাষা থেকে হয়েছে তা মনে রাখতে ভাষা পরিবারের ক্রম মনে রাখা জরুরি।
a নিত্য সমাস
b অলুক তৎপুরুষ
c কর্মধারয় সমাস
d উপপদ তৎপুরুষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপপদ তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: যে তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদটি বিশেষ্য এবং পরপদটি কৃদন্ত পদ তথা ক্রিয়া নির্দেশক শব্দ হয় এবং সমস্ত পদে কৃদন্ত পদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে। এখানে কৃদন্ত পদটি ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যোগে গঠিত হয় এবং এর আগের বিশেষ্য পদটি সমাসবদ্ধ হয়ে নতুন অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: উপপদ তৎপুরুষ সমাসে কৃদন্ত পদের পূর্বে যে বিশেষ্য পদ বসে তাকে উপপদ বলা হয়। এই সমাসে ব্যাসবাক্য করার সময় পদের শেষে যে, যারা বা যা ইত্যাদি পদ যুক্ত করে বাক্য সম্প্রসারণ করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঙ্কে জন্মে যা = পঙ্কজ ব্যাখ্যা: এখানে পঙ্ক বিশেষ্য পদ এবং জন্মে ক্রিয়াজাত পদ মিলে উপপদ তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: জলে চরে যে = জলচর ব্যাখ্যা: এখানে জল বিশেষ্য পদ এবং চরে ক্রিয়াজাত পদ মিলে উপপদ তৎপুরুষ সমাস গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিত্য সমাস — যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না বা করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয় তাকে নিত্য সমাস বলে, যা বিশেষ্য ও ক্রিয়ার মিলনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) অলুক তৎপুরুষ — যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় না তাকে অলুক তৎপুরুষ বলে, যা বিশেষ্য ও ক্রিয়ার মিলনের নির্দিষ্ট সংজ্ঞা নয়। C) কর্মধারয় সমাস — যেখানে বিশেষণ বা বিশেষ্য পদের সঙ্গে পরপদের বিশেষ্য পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) উপপদ তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিশেষ্য পদের সঙ্গে কৃদন্ত বা ক্রিয়া পদ মিলে এই সমাস গঠিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: উপপদ চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের শেষে যে, যা বা যারা থাকে এবং কৃদন্ত পদের আগে একটি বিশেষ্য পদ বসে। মনে রাখার সূত্র হলো বিশেষ্য যোগ ক্রিয়া মিলে তৈরি হয় উপপদ তৎপুরুষ সমাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষায় পঙ্কজ, জলচর, পকেটমার বা পকেট মারে যে শব্দগুলো বারবার আসে এবং এগুলো উপপদ তৎপুরুষ সমাসের সবচেয়ে প্রচলিত উদাহরণ। কৃৎ প্রত্যয় সাধিত পদের সঙ্গে পূর্বপদের সম্পর্ক দেখলে দ্রুত উপপদ তৎপুরুষ সমাস চিহ্নিত করা যায়।
a দূর
b দুর্গম
c দৃশ্য
d হ্রস্ব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হ্রস্ব ১. কেন সঠিক: 'দীর্ঘ' শব্দের অর্থ হলো যা আকারে বা পরিমাণে বড়, লম্বা বা দীর্ঘায়িত। এর বিপরীত অর্থ প্রকাশকারী শব্দ হলো 'হ্রস্ব', যার অর্থ ছোট, সংক্ষিপ্ত বা খর্ব। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের অর্থের গভীরতা ও ব্যাকরণগত মিল বিবেচনা করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন দুটি শব্দ যাদের অর্থ পরস্পরের সম্পূর্ণ বিপরীত। তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়। দীর্ঘ এবং হ্রস্ব উভয়ই তৎসম শব্দ এবং এরা পরিমাপ বা আকারের বিপরীত অবস্থা নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দীর্ঘশ্বাস ও হ্রস্বস্বর ব্যাখ্যা: স্বরবর্ণের উচ্চারণের দীর্ঘতা বোঝাতে দীর্ঘস্বর এবং কম সময় লাগলে হ্রস্বস্বর বলা হয়। উদাহরণ ২: দীর্ঘজীবী ও হ্রস্বকায় ব্যাখ্যা: দীর্ঘ জীবনের বিপরীতে হ্রস্বকায় শব্দের অর্থ ছোট বা খর্ব আকৃতির দেহ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দূর — দূর শব্দের বিপরীত শব্দ নিকট বা সকাশ, তাই এটি দীর্ঘ শব্দের বিপরীত নয়। B) দুর্গম — দুর্গম শব্দের বিপরীত শব্দ সুগম, যা যাতায়াতের সহজ অবস্থাকে বোঝায়। C) দৃশ্য — দৃশ্য শব্দের বিপরীত শব্দ অদৃশ্য বা অদৃশ্যের মতো শব্দ, যা দেখার যোগ্যতার সঙ্গে সম্পর্কিত। D) হ্রস্ব — হ্রস্ব হলো দীর্ঘ শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ যা আকার বা পরিমাণের বিপরীত বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: দীর্ঘ মানে লম্বা এবং হ্রস্ব মানে ছোট, এই দুটি পরিমাপবাচক শব্দ জোড়ায় জোড়ায় মনে রাখা সহজ। পরীক্ষার সময় তৎসম শব্দের বিপরীতে তৎসম শব্দ নির্বাচন করার নিয়ম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে শব্দের উৎসের দিকে খেয়াল রাখতে হবে যেমন তৎসম শব্দের বিপরীত তৎসম শব্দ হয়। বাংলা ব্যাকরণে এমন বহু শব্দ জোড় রয়েছে যা নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে আয়ত্ত করতে হয়।
a কাঁদো নদী কাঁদো
b দুই সৈনিক
c রাইফেল রোটি আওরাত
d যুদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাঁদো নদী কাঁদো ১. কেন সঠিক: - কাঁদো নদী কাঁদো সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যার মূল বিষয়বস্তু নদীভাঙন ও মানুষের জীবনের জটিল মানসিক দ্বন্দ্ব। - এই উপন্যাসের সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধের কোনো ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বা ঘটনার সরাসরি কোনো সংযোগ নেই। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক যিনি মূলত অস্তিত্ববাদ ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণধর্মী উপন্যাসের জন্য পরিচিত। - তার অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে লালসালু ও চাঁদের অমাবস্যা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন ব্যাখ্যা: জহির রায়হান রচিত এই উপন্যাসটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বা সংগ্রামভিত্তিক সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: রূঢ় উষ্ণতায় ব্যাখ্যা: শওকত আলী রচিত এই উপন্যাসটি মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা একটি অনবদ্য ঐতিহাসিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাঁদো নদী কাঁদো — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, বরং এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক ও নদীভিত্তিক উপন্যাস। B) দুই সৈনিক — এটি শওকত আলী রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোট উপন্যাস বা নভেলা। C) রাইফেল রোটি আওরাত — এটি আনোয়ার পাশা রচিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ইংরেজি ভাষার উপন্যাস যা পরে বাংলায় অনূদিত হয়। D) যুদ্ধ — এটি হাশেম খান রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ যা যুদ্ধের স্মৃতি ও দিনলিপি বহন করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসগুলো মূলত সমাজ ও মানুষের মনস্তত্ত্ব নিয়ে কাজ করে, তাই তার উপন্যাস দেখলে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয় বলে ধরে নেওয়া নিরাপদ। - লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা এবং কাঁদো নদী কাঁদো কোনোটিই মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের তালিকা থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - শওকত আলী, আনোয়ার পাশা ও জহির রায়হানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলোর নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে মুখস্থ রাখা উচিত।
a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা
c ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
d ঈশ্বরচন্দ্র ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন বাংলা গদ্যের জনক এবং সমাজ সংস্কারক। - বন্দ্যোপাধ্যায় হলো তাঁর মূল পারিবারিক পদবি, যা জন্মসূত্রে তিনি লাভ করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮২০ সালে মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - সংস্কৃত কলেজ থেকে বিদ্যাসাগর উপাধি অর্জনের পর তিনি এই নামেই সমধিক পরিচিত হন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ব্যাখ্যা: এটি ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রকৃত পারিবারিক পদবি। উদাহরণ ২: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ব্যাখ্যা: এটি কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রকৃত পারিবারিক পদবি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি তাঁর প্রদত্ত উপাধিভিত্তিক নাম, প্রকৃত পারিবারিক নাম নয়। B) ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা — শর্মা তাঁর বংশগত উপাধি বা পদবি নয়। C) ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি তাঁর জন্মসূত্রে প্রাপ্ত প্রকৃত পারিবারিক নাম। D) ঈশ্বরচন্দ্র ভট্টাচার্য — এটি তাঁর পারিবারিক পদবি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: লেখকদের জন্মসূত্রে পাওয়া পদবি হলো তাঁদের প্রকৃত নাম। বিদ্যাসাগর হলো তাঁর অর্জন করা উপাধি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিখ্যাত লেখকদের প্রকৃত নাম ও উপাধি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। উপাধি এবং পারিবারিক পদবির পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c রজনীকান্ত
d দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ১. কেন সঠিক: - এই সংগীতটির রচয়িতা বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। - গানটি তাঁর দেশাত্মবোধক গানের ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় একটি সৃষ্টি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দ্বিজেন্দ্রলাল রায় হলেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দেশাত্মবোধক গানের রচয়িতা। - তাঁর রচিত গীতিগুলো মূলত স্বদেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদের চেতনায় সমৃদ্ধ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গ আমার জননী আমার ব্যাখ্যা: এটিও দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত একটি জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান। উদাহরণ ২: ও আমার দেশের মাটি ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত অপর একটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি এই সংগীতটির রচয়িতা নন, তবে তাঁর রচিত অনেক দেশাত্মবোধক গান রয়েছে। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আমাদের জাতীয় কবি, তবে এই নির্দিষ্ট গানটির রচয়িতা তিনি নন। C) রজনীকান্ত — তিনি বিখ্যাত পদকর্তা ও গীতিকার হলেও এই গানটির রচয়িতা দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। D) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — এই অপশনটি সঠিক এবং গানটির রচয়িতা হিসেবে প্রমাণিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধন ধান্যে ভরা বসুন্ধরা দেখলে দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের নাম মনে রাখবে। - ডিএল রায় বা দ্বিজেন্দ্রলাল রায় মানেই কালজয়ী দেশাত্মবোধক গান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত গান ও কবিতার রচয়িতা প্রায়ই আসে। - সাহিত্যিকদের পরিচিতি ভালোভাবে পড়লে এমন প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a দুঃশাসনের রক্ত চাই
b কান্ডারী হুশিয়ার
c আনন্দময়ীর আগমন
d বিদ্রোহী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আনন্দময়ীর আগমন ১. কেন সঠিক: কাজী নজরুল ইসলামের আনন্দময়ীর আগমন কবিতাটি রচনার কারণে তাকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ১৯২২ সালে ব্রিটিশবিরোধী ও রাজদ্রোহমূলক লেখার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং বিচার শেষে এই দণ্ড প্রদান করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি হিসেবে পরিচিত। আনন্দময়ীর আগমন কবিতাটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত যুগবাণী প্রবন্ধ সংকলন ও ধূমকেতু পত্রিকার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষের বাঁশি ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বাজেটপ্রাপ্ত ও নিষিদ্ধ বিদ্রোহী গ্রন্থ যার জন্য তাকে কারাবরণ করতে হয়েছিল। উদাহরণ ২: ভাঙার গান ব্যাখ্যা: এটিও নজরুলের একটি বিখ্যাত বিপ্লবী গান ও কবিতা সংকলন যা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে তরুণ সমাজকে উদ্বুদ্ধ করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুঃশাসনের রক্ত চাই — এটি নজরুলের কোনো নির্দিষ্ট কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কবিতা নয় বরং এটি অপশনের একটি কাল্পনিক বা অপ্রাসঙ্গিক নাম। B) কান্ডারী হুশিয়ার — এটি নজরুলের একটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক ও বিপ্লবী কবিতা হলেও সরাসরি এই কবিতাটির জন্য তার কারাদণ্ড হয়নি। D) বিদ্রোহী — এটি নজরুলের সর্বশ্রেষ্ঠ ও বিখ্যাত কবিতা হলেও এর প্রকাশের কারণে তাকে সরাসরি কারাদণ্ড দেওয়া হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের আনন্দময়ীর আগমন কবিতার জন্য আগমন ঘটেছিল জেলের কারাবাস। এই ঐতিহাসিক তথ্য মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের কারাদণ্ড সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তার কোন কোন গ্রন্থ বা পত্রিকা বাজেটপ্রাপ্ত হয়েছিল এবং কোন লেখার জন্য বিচার হয়েছিল তা ভালোভাবে পড়তে হবে।
a বহুব্রীহি
b অব্যয়ীভাব
c দ্বিগু
d ব্যতিহার বহুব্রীহি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দ্বিগু ১. কেন সঠিক: যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে সমাহার বা মিলন অর্থে বিশেষ্য পদের মিলন ঘটে এবং সমাসবদ্ধ পদটি বিশেষ্য পদ বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। পঞ্চ পদের সমাহার সমান পঞ্চপদ, এখানে সমাহার বা সমষ্টি বোঝানোর কারণে এটি দ্বিগু সমাস হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: দ্বিগু সমাসে পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক হয় এবং পরপদটি বিশেষ্য হয়। সমস্তপদটি বিশেষ্য পদ হিসেবে গণ্য হয়। এটি মূলত তৎপুরুষ সমাসের একটি বিশেষ রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ত্রিফলের সমাহার সমান ত্রিফল। ব্যাখ্যা: এখানে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং সমস্তপদটি বিশেষ্য বোঝাচ্ছে। উদাহরণ ২: শতাব্দের সমাহার সমান শতাব্দী। ব্যাখ্যা: এটি শত বছরের সমষ্টি বুঝিয়ে দ্বিগু সমাস গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বহুব্রীহি — এই সমাসে পূর্ব বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) অব্যয়ীভাব — পূর্বপদের অর্থ প্রধান হয়ে অব্যয় পদ যোগে যে সমাস হয়, তাকে অব্যয়ীভাব বলে এবং এখানে তা নেই। D) ব্যতিহার বহুব্রীহি — ক্রিয়ার পারস্পরিক বোঝাবুঝিতে যে বহুব্রীহি সমাস হয়, পঞ্চপদ শব্দটিতে তা প্রকাশ পায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে বিশেষ্য পদের মিলন এবং সমাহার শব্দ থাকলে চোখ বন্ধ করে দ্বিগু সমাস দাগাবে। সমস্তপদটি সবসময় বিশেষ্য পদ হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বিগু ও সংখ্যাবাচক বহুব্রীহির পার্থক্য প্রায়ই আসে। সমাহার বা সমষ্টি বোঝালে দ্বিগু সমাস হয়।
a বিসর্জন
b তিরোভাব
c অপকর্ষ
d অবরোহণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিসর্জন ১. কেন সঠিক: 'আবাহন' শব্দের অর্থ আহ্বান বা কোনো কিছু সসম্মানে বরণ করে নেওয়া। এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে 'বিসর্জন' শব্দটি, যার অর্থ ত্যাগ করা বা বর্জন করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দ অংশের একটি প্রশ্ন। বিপরীত শব্দ চয়ন করার সময় শব্দের মূল অর্থ ও প্রসঙ্গের দিকে খেয়াল রাখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আবাহন সংগীত ব্যাখ্যা: কোনো অনুষ্ঠানের শুরুতে যে গান গেয়ে বরণ করা হয় তাকে আবাহন সংগীত বলে। উদাহরণ ২: প্রতিমা বিসর্জন ব্যাখ্যা: পূজার শেষে প্রতিমা জলে ফেলে দেওয়ার মাধ্যমে বিসর্জন সম্পন্ন হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিসর্জন — এটি আবাহন শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। B) তিরোভাব — এর অর্থ অদৃশ্য হওয়া বা লোকান্তরিত হওয়া, যা আবির্ভাব শব্দের বিপরীত। C) অপকর্ষ — এর অর্থ অবনতি বা নিকৃষ্ট হওয়া, যা উৎকর্ষ শব্দের বিপরীত। D) অবরোহণ — এর অর্থ নিচে নামা, যা আরোহণ শব্দের বিপরীত। ৫ মনে রাখার টিপস: কোনো কিছুকে ডেকে আনা বা বরণ করা হলো আবাহন এবং তাকে বিদায় দেওয়া বা ফেলে দেওয়া হলো বিসর্জন। এভাবে বরণ ও ত্যাগের সম্পর্ক দিয়ে এটি মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের উৎস ও মূল অর্থ অনুধাবন করা জরুরি। একই শব্দের একাধিক বিপরীত শব্দ থাকতে পারে, তবে প্রসঙ্গের ওপর ভিত্তি করে সবচেয়ে উপযুক্তটি নির্বাচন করতে হয়।
a নিজের মুখ উপরে তোলা
b অন্যের মুখ উপরে তুলে ধরা
c নষ্ট করা
d প্রসন্ন হওয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রসন্ন হওয়া ১. কেন সঠিক: - 'মুখতোলা' একটি বহুল ব্যবহৃত বাগধারা, যার মাধ্যমে মানুষের মন বা ভাবের পরিবর্তন প্রকাশ করা হয়। - অভিধান অনুযায়ী এই বাগধারাটির বিশেষ বা লক্ষ্যার্থ হলো কৃপা করা, মুখ ফিরিয়ে নেওয়া থেকে বিরত থাকা বা প্রসন্ন হওয়া। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের বাগধারা বা প্রবাদ-প্রবচনের অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ বা ভাবার্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজার প্রতি আকুতি জানালে অবশেষে রাজা মুখ তুললেন। ব্যাখ্যা: এখানে মুখ তুললেন বলতে রাজার প্রসন্ন হওয়া বা কৃপা করার ভাব বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে গুরুজন মুখ তুললেন। ব্যাখ্যা: এখানেও অভিমান ভেঙে প্রসন্ন হওয়ার ভাব প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিজের মুখ উপরে তোলা — এটি বাগধারার কোনো বিশেষ অর্থ নয়, বরং শব্দের আক্ষরিক অর্থ মাত্র। B) অন্যের মুখ উপরে তুলে ধরা — এটি সম্পূর্ণ অবাস্তব এবং এই বাগধারার প্রচলিত ভাবের সঙ্গে মিল নেই। C) নষ্ট করা — এই অর্থটি 'মুখতোলা' বাগধারার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। D) প্রসন্ন হওয়া — এটিই এই বাগধারার সঠিক ও প্রমিত ভাবার্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুখ তোলা মানে ওপরের দিকে তাকানো নয়, বরং কারো প্রতি মন ভালো করা বা প্রসন্ন হওয়া। - রাগ বা অভিমান ভুলে কৃপা করা অর্থে এই বাগধারাটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার আক্ষরিক অর্থ দাগানো থেকে সাবধান থাকতে হবে। - সবসময় মূল শব্দের অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা বিশেষ অর্থ খুঁজে বের করতে হবে।
a স্বরসন্ধি
b ব্যঞ্জন সন্ধি
c নিপাতনে সিদ্ধসন্ধি
d বিসর্গ সন্ধি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিপাতনে সিদ্ধসন্ধি ১. কেন সঠিক: সন্ধির সাধারণ নিয়ম বা ব্যাকরণের প্রচলিত সূত্র মেনে যে সন্ধিগুলো হয় না, বরং সাধারণ নিয়মের বাইরে কতিপয় শব্দে সরাসরি সাধিত হয়, তাকে নিপাতনে সিদ্ধসন্ধি বলে। প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে যে শব্দগুলো ব্যাকরণের নির্দিষ্ট কোনো সাধারণ নিয়মের অধীন নয় বরং নিয়মবহির্ভূতভাবে সাধিত হয়, তাকে কী বলে এবং এর সঠিক উত্তর হলো নিপাতনে সিদ্ধসন্ধি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি ও বিসর্গসন্ধির নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম ও সূত্র থাকে যা অনুসরণ করে শব্দ গঠিত হয়। কিন্তু কিছু শব্দ এমন রয়েছে যা কোনো নিয়মের তোয়াক্কা না করে প্রাকৃতিকভাবে বা নিপাতনে সিদ্ধ হয়ে প্রচলিত হয়েছে, সেগুলোকে ব্যাকরণের নিয়মে ভাঙা যায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোষ্পদ = গো + পদ ব্যাখ্যা: এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ যেখানে সাধারণ ব্যঞ্জনের নিয়মের বাইরে পদটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: পরস্পর = পর + পর ব্যাখ্যা: এটিও একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ যা নির্দিষ্ট কোনো সাধারণ সন্ধির নিয়ম মেনে সাধিত হয়নি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরসন্ধি — স্বরবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণের মিলনে যে সন্ধি হয় তাকে স্বরসন্ধি বলে, কিন্তু প্রশ্নে নিয়মের বাইরে হওয়ার কথা বলা হয়েছে। B) ব্যঞ্জন সন্ধি — স্বরবর্ণের সঙ্গে ব্যঞ্জনবর্ণ অথবা ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে ব্যঞ্জনবর্ণ বা স্বরবর্ণের মিলনে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে। C) নিপাতনে সিদ্ধসন্ধি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি নিয়মের বাইরে গঠিত সন্ধিকে নির্দেশ করে। D) বিসর্গ সন্ধি — বিসর্গের সঙ্গে স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে যে সন্ধি হয় তাকে বিসর্গ সন্ধি বলে, যা নিয়মাধীন। ৫ মনে রাখার টিপস: যে সন্ধিগুলো কোনো সাধারণ নিয়ম মানে না এবং ব্যতিক্রম হিসেবে সরাসরি মুখস্থ রাখতে হয়, সেটাই নিপাতনে সিদ্ধসন্ধি। পরীক্ষায় গোষ্পদ, পরস্পর, তস্কর, বৃহস্পতি এই শব্দগুলো দেখলে নিপাতনে সিদ্ধসন্ধি হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধসন্ধির শব্দগুলো থেকে বারবার প্রশ্ন আসে, তাই বিশেষ করে গো + পদ = গোষ্পদ এবং পর + পর = পরস্পর ভালোভাবে মনে রাখবে। নিয়ম না মেনে চলা শব্দগুলোই হলো নিপাতনে সিদ্ধ, যা সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম।
a বিশেষণ
b সর্বনাম
c ক্রিয়া
d অব্যয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অব্যয় ১. কেন সঠিক: অব্যয় পদের কোনো রূপান্তর, পরিবর্তন, বচনভেদ বা দীর্ঘরূপ বা সংক্ষিপ্ত রূপ হয় না। বাক্যে অব্যয় পদ যেমন আছে তেমনই অপরিবর্তিত থাকে, তাই সাধু ও চলিত রীতিতে এর কোনো ভিন্নরূপ দেখা যায় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে অব্যয় হলো সেই পদ যার কোনো ব্যয় বা পরিবর্তন হয় না। সাধু ও চলিত রীতিতে বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপগত পরিবর্তন ঘটলেও অব্যয় পদের রূপ সর্বদা একই থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এবং ব্যাখ্যা: এবং একটি অব্যয় পদ, যা সাধু ও চলিত উভয় রীতীতে একই থাকে। উদাহরণ ২: কিন্তু ব্যাখ্যা: কিন্তু অব্যয় পদটির সাধু বা চলিত ভেদে কোনো পরিবর্তন বা দীর্ঘরূপ হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষণ — বিশেষণ পদের দীর্ঘরূপ বা সাধু রূপের ক্ষেত্রে পরিবর্তন হতে পারে, যেমন মহান থেকে মহত্তর। B) সর্বনাম — সর্বনাম পদের সাধু ও চলিত রূপে দীর্ঘরূপ ও সংক্ষিপ্ত রূপ থাকে, যেমন তাহার থেকে তার। C) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদের সাধু ও চলিত রীতিতে দীর্ঘ ও সংক্ষিপ্ত রূপ স্পষ্টভাবে আলাদা হয়, যেমন করিয়াছি থেকে করেছি। D) অব্যয় — অব্যয় পদের কোনো দীর্ঘরূপ হয় না কারণ এটি সর্বদা অপরিবর্তনীয় শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: অব্যয় মানে যার ব্যয় বা পরিবর্তন হয় না, তাই সাধু বা চলিত যে কোনো রীতিতেই এর রূপের কোনো পরিবর্তন ঘটে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পদ রূপান্তর থেকে প্রশ্ন আসে, যেখানে মনে রাখতে হবে শুধুমাত্র অব্যয় পদের কোনো রূপভেদ বা দীর্ঘরূপ হয় না।
a সুকান্ত ভট্টাচার্য
b কামিনী রায়
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সুকান্ত ভট্টাচার্য ১. কেন সঠিক: - ‘আঠার বছর বয়স’ কবিতার রচয়িতা বাংলা সাহিত্যের প্রগতিশীল ধারার তরুণ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য। - আঠারো বছর বয়সের তারুণ্যের শক্তি, সাহস, ঝুঁকি নেওয়ার মানসিকতা এবং দেশের জন্য আত্মত্যাগের মনোভাব এই কবিতায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুকান্ত ভট্টাচার্য আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি যিনি বাংলা সাহিত্যে কিশোর কবি হিসেবে পরিচিত। - ছাড়পত্র তাঁর অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার অন্তর্গত হলো এই আঠার বছর বয়স কবিতাটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘুম নেই ব্যাখ্যা: এটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর দ্রোহী চেতনা প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: পূর্বাভাস ব্যাখ্যা: এটিও সুকান্ত ভট্টাচার্যের আরেকটি পরিচিত কাব্যগ্রন্থ যার বিষয়বস্তু সাম্যবাদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুকান্ত ভট্টাচার্য — ইনি এই কবিতার রচয়িতা এবং এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক। B) কামিনী রায় — ইনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রথিতযশা স্বনামধন্য নারী কবি, এই কবিতার রচয়িতা নন। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যের বিশ্বকবি এবং নোবেলজয়ী সাহিত্যিক, এই কবিতার রচয়িতা নন। D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — ইনি বাংলা সাহিত্যের ছন্দপণ্ডিত নামে পরিচিত প্রখ্যাত কবি, এই কবিতার রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুকান্ত ভট্টাচার্য অল্প বয়সে মারা যান এবং তাঁরুণ্যের কবি হিসেবে পরিচিত, তাই তারুণ্যভিত্তিক আঠার বছর বয়স কবিতাটি তাঁরই লেখা। - ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থের নাম মনে রাখলে এই কবিতাটি সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম ১৯২৬ সালে এবং মৃত্যু ১৯৪৭ সালে মাত্র একুশ বছর বয়সে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাঁর কাব্যগ্রন্থ যেমন ছাড়পত্র, পূর্বাভাস এবং ঘুম নেই প্রায়ই আসে।
a দৌলত উজির বাহরাম খান
b শাহ মোহাম্মদ সগর
c আলাওল
d আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শাহ মোহাম্মদ সগর ১. কেন সঠিক: 'ইউসুফ জোলেখা' কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রণয়োপাখ্যান। শাহ মোহাম্মদ সগর সুলতানি আমলে এই কাব্যটি অনুবাদ করেন এবং এটি বাংলা মুসলিম সাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শাহ মোহাম্মদ সগর ছিলেন প্রাচীন বা মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি যিনি ফার্সি ভাষার কাহিনি বাংলায় রূপান্তর করেন। ইউসুফ জোলেখা কাহিনির মূল উৎস পবিত্র কোরআনের সূরা ইউসুফ এবং পরবর্তী সময়ে ফার্সি কবি জামি ও ফেরদৌসীর কাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাইলী মজনু ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের একটি বিখ্যাত প্রেম কাহিনি যা ফার্সি সাহিত্য থেকে বাংলায় অনূদিত হয়েছে। উদাহরণ ২: পদ্মাবতী ব্যাখ্যা: এটি মহাকবি আলাওলের একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যা সুফি তত্ত্বের ওপর রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৌলত উজির বাহরাম খান — ইনি লয়লা মজনু কাব্য রচনা করেছিলেন কিন্তু ইউসুফ জোলেখা তাঁর রচিত গ্রন্থ নয়। B) শাহ মোহাম্মদ সগর — এটি সঠিক উত্তর। C) আলাওল — ইনি পদ্মাবতী ও সপ্তপয়কর কাব্য রচনা করলেও ইউসুফ জোলেখা অনুবাদ করেননি। D) আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ — ইনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্য গবেষক ও সংগ্রাহক ছিলেন, কোনো মৌলিক কাব্য বা অনুবাদ গ্রন্থ রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: শাহ মোহাম্মদ সগর ইউসুফ জোলেখা লিখেছিলেন সাগর পাড়ি দিয়ে জোলেখা আসলেন এভাবে মনে রাখতে পারো। সগর শব্দের সাথে সাগর মিলিয়ে এই কৌশল ব্যবহার করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের অনূদিত সাহিত্য থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোন কবি কোন কাব্য অনুবাদ করেছেন তা ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে।
a চর্যাপদ
b বৈষ্ণব পদাবলী
c ঐতেরয় আরণ্যক
d দোহাকোষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত প্রাচীনতম নিদর্শন এবং এর মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের লিখিত যুগের সূচনা হয়েছে। - চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা পদ সংকলন, যা সান্ধ্যভাষায় রচিত হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক নিদর্শন যা মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন। - এটি বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত এবং এর রচয়িতারা সিদ্ধাচার্য নামে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের টিকাকার মুনিদত্ত ব্যাখ্যা: মুনিদত্ত চর্যাপদের সংস্কৃত টীকা রচনা করেন যার নাম দেন চর্যাচর্যবিনিশ্চয়। উদাহরণ ২: চর্যাপদের পদকর্তা কাহ্নপা ব্যাখ্যা: কাহ্নপা চর্যাপদের সর্বাধিক সংখ্যক অর্থাৎ তেরোটি পদ রচনা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চর্যাপদ — এটি বাংলা ভাষার প্রথম গ্রন্থ এবং প্রাচীনতম সাহিত্যিক নিদর্শন হিসেবে পরীক্ষিত সত্য। B) বৈষ্ণব পদাবলী — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি প্রধান ধারা এবং এর সূচনা চর্যাপদের অনেক পরে হয়েছে। C) ঐতেরয় আরণ্যক — এটি বৈদিক সাহিত্যের অংশ এবং বাংলা ভাষার সাথে এর কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) দোহাকোষ — এটি অপভ্রংশ বা অবহট্ঠ ভাষায় রচিত বৌদ্ধ সহজিয়াদের পদ সংকলন, সরাসরি বাংলা ভাষার প্রথম গ্রন্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলা ভাষার প্রথম গ্রন্থ বা আদি নিদর্শন বললে চোখ বন্ধ করে চর্যাপদ উত্তর করতে হবে। - চর্যাপদ আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের আবিষ্কারক, প্রাপ্ত পদসংখ্যা এবং প্রাপ্তিস্থান সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ ও মধ্যযুগের সূচনা পর্বের পার্থক্য বুঝতে এই প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a ১২ টি
b ১১ টি
c ৭ টি
d ৯ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১ টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট মৌলিক স্বরধ্বনির লিখিত রূপ বা স্বরবর্ণ হলো ১১ টি। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ এবং ডক্টর সুনীতি চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষায় মূল স্বরধ্বনি ৭ টি হলেও প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী স্বরবর্ণের সংখ্যা ১১ টি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে বর্ণ অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে পূর্ণভাবে উচ্চারিত হতে পারে এবং অন্য বর্ণের উচ্চারণে সাহায্য করে তাকে স্বরবর্ণ বলে। বাংলা বর্ণমালায় অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ এই এগারোটি বর্ণকে স্বরবর্ণ হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা স্বরবর্ণের প্রথম বর্ণ এবং এটি উচ্চারণের সময় অন্য কোনো বর্ণের সাহায্য নেয় না। উদাহরণ ২: আ ব্যাখ্যা: এটি স্বরবর্ণের দ্বিতীয় বর্ণ এবং এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো আকার। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ টি — বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ কখনো ১২ টি ছিল না, রি-এর দীর্ঘ রূপ বাদ দেওয়ার পর সংখ্যাটি ১১ টি নির্ধারিত হয়েছে। B) ১১ টি — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। C) ৭ টি — ৭ হলো বাংলা মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা, স্বরবর্ণের সংখ্যা নয়। D) ৯ টি — ৯ টি কোনো স্বীকৃত স্বরবর্ণ বা স্বরধ্বনির সংখ্যা নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো বাংলা ব্যাকরণে মোট বর্ণ ৫০ টি, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি। ১১ সংখ্যাটি জোড় নয়, বেজোড় এবং স্বরবর্ণের সংখ্যাও ১১ টি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বলা হয় এবং কারের সংখ্যা ১০ টি। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে, তাই স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a কমেডি
b সামাজিক প্রহসন
c ট্রাজেডি
d মেলোড্রামা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সামাজিক প্রহসন ১. কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ একটি সামাজিক প্রহসন। - এই নাটকে তৎকালীন সমাজের তরুণ সমাজের অবক্ষয় ও নৈতিক পতন হাস্যরসাত্মক ও ব্যঙ্গাত্মকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা নাটকের জগতের আধুনিকতার প্রবক্তা ও ট্রাজেডির রচয়িতা। - তিনি সামাজিক কুসংস্কার ও ইয়ারকিপূর্ণ আচরণ দমনের জন্য প্রহসন রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ ব্যাখ্যা: এটিও মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত আরেকটি বিখ্যাত সামাজিক প্রহসন। উদাহরণ ২: একেই কি বলে সভ্যতা ব্যাখ্যা: এটি ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর মূল লক্ষ্য ছিল নব্য বাবু সমাজের বিকৃত আচরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কমেডি — কমেডি হলো মিলনান্তক নাটক, যা প্রহসনের চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত ও ভিন্ন আঙ্গিকের। B) সামাজিক প্রহসন — এটি সঠিক উত্তর এবং তৎকালীন সমাজের ত্রুটি সংশোধনের উদ্দেশ্যে রচিত ব্যঙ্গনাট্য। C) ট্রাজেডি — ট্রাজেডি হলো দুঃখজনক পরিণতিযুক্ত গম্ভীর নাটক, যা এই প্রহসনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) মেলোড্রামা — মেলোড্রামা হলো অতি-আবেগঘন ও কৃত্রিম নাটক, যা মধুসূদনের এই রচনার সঙ্গে মিলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রহসন দুটি মনে রাখার কৌশল হলো মধুসূদনের সামাজিক কাজের দুটি দিক বা বুড়ো ও সভ্য সমাজ। - বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ এবং একেই কি বলে সভ্যতা দুটিই তাঁর বিখ্যাত প্রহসন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রহসন কয়টি ও কী কী। - তিনি মোট দুটি প্রহসন রচনা করেছেন যার একটির নাম একেই কি বলে সভ্যতা।

মোট প্রশ্ন (19)

a The room was filled by smoke
b The room was filled with smoke.
c The room had been filled with smoke.
d The room is filled by smoke.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The room was filled with smoke. কেন সঠিক: - Active Voice-এর বাক্যে মূল verb যদি fill হয়, তবে Passive Voice-এ সাধারণত preposition হিসেবে 'by' এর পরিবর্তে 'with' ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত বাক্যটির Past Indefinite Tense অনুযায়ী Passive করার সময় subject-এর পরে was এবং মূল verb-এর Past Participle (filled) বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The room was filled by smoke — এখানে preposition 'by' ব্যবহার করা হয়েছে, যা grammatically সঠিক নয় কারণ fill verb-এর সাথে 'with' বসে। B) The room was filled with smoke — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সকল নিয়ম অনুসারে নির্ভুল। C) The room had been filled with smoke — এখানে Tense পরিবর্তন করে Past Perfect করা হয়েছে, যা মূল বাক্যের Tense-এর সাথে মিলে না। D) The room is filled by smoke — এখানে Tense এবং preposition দুটোই ভুল রয়েছে। মনে রাখার টিপস: Fill verb-এর পর সাধারণত 'with' preposition বসে, তাই এদের Passive করার সময় 'by' না বসিয়ে 'with' বসাতে হবে।
a bad luck
b good luck
c to be failed
d leg behind
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) good luck কেন সঠিক: - 'Break a leg' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ পা ভেঙে ফেলা হলেও রূপক অর্থে এর মানে শুভকামনা জানানো। - নাটক, গান বা কোনো মঞ্চ পরিবেশনার আগে শিল্পীদের সৌভাগ্য বা সাফল্য কামনা করার জন্য এই অভিব্যক্তিটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bad luck — এই ইডিয়মটি দুর্ভাগ্য বোঝায় না, বরং এটি ইতিবাচক অর্থে শুভকামনা প্রকাশের জন্য ব্যবহার করা হয়। B) good luck — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর মাধ্যমে পরিবেশনার আগে সাফল্য কামনা করা হয়। C) to be failed — এটি কোনো কাজে ব্যর্থ হওয়া বোঝায়, যা এই ইডিয়মের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) leg behind — এটি ভুল শব্দগুচ্ছ বা ব্যাকরণগতভাবে অসংগত একটি অপশন, যা কোনো অর্থ বহন করে না। মনে রাখার টিপস: মঞ্চের শিল্পীদের নাটক শুরুর আগে বলা হয় 'Break a leg', যার মানে ভাববেন না পা ভাঙতে বলছে, এর মানে আসলে ভালো কিছু বা শুভকামনা।
a is
b are
c should
d d
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) is কেন সঠিক: - নির্দিষ্ট দূরত্ব, পরিমাণ বা সময় বোঝালেও যদি তা একটি একক বা সমষ্টি হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে Subject দেখতে প্লুরাল হলেও Verb সিঙ্গुलर হয়। - এখানে 'Fifty miles' দ্বারা আলাদা আলাদা মাইল নয়, বরং সম্পূর্ণ দূরত্বকে একটি একক পরিমাণ হিসেবে বোঝানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি সঠিক কারণ পরিমাপবাচক Subject একক একক বোঝাতে Singular verb গ্রহণ করে। B) are — এটি ভুল কারণ Subject দেখতে প্লুরাল হলেও এখানে সমষ্টিগত একক বোঝাচ্ছে, তাই Plural verb বসবে না। C) should — এটি ভুল কারণ এটি একটি Modal auxiliary verb এবং বাক্যের অর্থের সঙ্গে ব্যাকরণগতভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) d — এটি ভুল কারণ এটি কোনো অর্থপূর্ণ অপশন বা সঠিক verb রূপ নয়। মনে রাখার টিপস: টাকা, সময়, ওজন বা দূরত্বের পরিমাণ একত্রে একটি নির্দিষ্ট একক বোঝালে Verb সব সময় Singular হয়।
a noun
b verb
c adjective
d adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) adjective কেন সঠিক: - Noun-এর শেষে ly যুক্ত হলে সাধারণত সেটি adjective হয়, যেমন motherly হলো mother noun-এর adjective রূপ। - এটি বাক্যে Noun-এর পূর্বে বসে Noun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — Mother হলো noun, কিন্তু motherly হলো adjective রূপ। B) verb — এটি কোনো কাজের নাম বা ক্রিয়া বোঝায় না। C) adjective — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য। D) adverb — Adjective-এর শেষে ly যুক্ত হলে adverb হয়, কিন্তু Noun-এর শেষে ly যুক্ত হলে adjective হয়। মনে রাখার টিপস: Noun + ly = Adjective (যেমন: Mother + ly = Motherly)। অন্যদিকে, Adjective + ly = Adverb (যেমন: Nice + ly = Nicely)।
a his
b one's
c once
d everyone's
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) one's কেন সঠিক: - বাক্যের শুরুতে subject হিসেবে one থাকলে তার possessive form সবসময় one's হয়। - এটি ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী pronoun-এর antecedent agreement নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) his — এটি third person singular masculine pronoun-এর possessive form, যা one-এর সাথে বসে না। B) one's — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) once — এটি একটি adverb যার অর্থ একবার, এটি কোনো possessive pronoun বা adjective নয়। D) everyone's — এটি everyone-এর possessive form, যা সরাসরি one-এর পরিবর্তে বসে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে one থাকলে তার possessive রূপে সবসময় one's ব্যবহার করবে।
a theses
b thesis
c thasis
d thesease
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) theses কেন সঠিক: - যেসব বিদেশি বা গ্রিক শব্দের শেষে is থাকে, ইংরেজি নিয়মে তার বহুবচন করার সময় is-এর জায়গায় es বসে। - thesis শব্দটির শেষে is থাকায় এর বহুবচন রূপ হিসেবে theses সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) theses - এটি সঠিক বহুবচন রূপ। B) thesis - এটি মূল শব্দটির একবচন রূপ, বহুবচন নয়। C) thasis - এটি একটি বানান ভুল শব্দ এবং এর কোনো ব্যাকরণগত অস্তিত্ব নেই। D) thesease - এটিও একটি বানান ভুল এবং অর্থহীন শব্দ। মনে রাখার টিপস: গ্রিক শব্দে is থাকলে বহুবচনে is তুলে দিয়ে es বসালে তা plural বা বহুবচন হয়ে যায়। যেমন- thesis থেকে theses।
a Much
b More
c Less
d Last
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Much কেন সঠিক: - 'Much' একটি Adjective-এর Positive degree, যা পরিমাণ নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। - এটি অপরিবর্তিত অবস্থায় মূল রূপেই বসে এবং এর কোনো তুলনামূলক রূপ নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Much — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Positive degree-এর রূপ। B) More — এটি Much বা Many-এর Comparative degree, তাই এটি সঠিক নয়। C) Less — এটি Little-এর Comparative degree, তাই এটি Positive degree নয়। D) Last — এটি একটি Superlative degree-এর রূপ, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যে Adjective বা Adverb-এর সঙ্গে er বা est যুক্ত থাকে না এবং তুলনামূলক তুলনা বোঝায় না, সেটিই সাধারণত Positive degree।
a on
b by
c upon
d down
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) down কেন সঠিক: - চোখের জল গাল বেয়ে নিচে গড়ার ক্ষেত্রে গতি বোঝাতে প্রিপজিশন হিসেবে down ব্যবহৃত হয়। - শরীর বা মুখের ওপর দিয়ে নিচের দিকে নামার ক্ষেত্রে down সঠিক দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — এটি সাধারণত কোনো তলের ওপর স্পর্শ করে থাকা অবস্থান বোঝায়, যা গড়িয়ে পড়ার গতির জন্য সঠিক নয়। B) by — এটি পাশে বা মাধ্যম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে গালের ওপর নিচের দিকে নামার গতি প্রকাশ করতে পারে না। সি) upon — এটিও সাধারণত কোনো কিছুর ওপর ওপরিতলের স্পর্শ বোঝাতে বা ওপরের কোনো অবস্থান নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। D) down — এটি সঠিক কারণ এটি ওপর থেকে নিচের দিকে গড়িয়ে নামার গতি সফলভাবে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: চোখের জল বা কোনো তরল ওপর থেকে গাল বেয়ে নিচে নামলে সবসময় down প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
a Cowardly
b Visibly
c Slowly
d Fast
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Cowardly কেন সঠিক: - Noun-এর সাথে ly যুক্ত হলে সাধারণত তা Adjective হয়, যেমন coward একটি Noun এবং cowardly হলো Adjective। - এই বাক্যে প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ cowardly শব্দটি Adverb নয়, এটি একটি Adjective। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cowardly — এটি Adjective কারণ Noun-এর সাথে ly যুক্ত হয়ে Adjective গঠিত হয়েছে। B) Visibly — এটি Adverb কারণ Adjective-এর সাথে ly যুক্ত হয়ে Adverb গঠিত হয়েছে। C) Slowly — এটি Adverb কারণ এটি কাজের ধরণ প্রকাশ করে এবং Adverb হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) Fast — এটি Adverb হিসেবে কাজ করতে পারে কারণ এটি verb-কে modify করে। মনে রাখার টিপস: Noun + ly = Adjective এবং Adjective + ly = Adverb হয়, এই নিয়মটি মনে রাখলে সহজে চেনা যায়।
a Wife
b Husband
c Brother
d Spouse
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Spouse কেন সঠিক: - Spouse শব্দটি জেন্ডার-নিউট্রাল বা উভলিঙ্গবাচক, যা স্বামী বা স্ত্রী উভয়কেই বোঝাতে সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। - ব্যাকরণগতভাবে এটি এমন একটি শব্দ যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট করে পুরুষ বা নারী কোনো লিঙ্গ বোঝায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Wife — এটি শুধুমাত্র নারী বা স্ত্রীকে নির্দেশ করে, তাই এটি জেন্ডার-নিউট্রাল নয়। B) Husband — এটি শুধুমাত্র পুরুষ বা স্বামীকে নির্দেশ করে, তাই এটি জেন্ডার-নিউট্রাল নয়। C) Brother — এটি শুধুমাত্র পুরুষ ভাইয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি জেন্ডার-নিউট্রাল নয়। D) Spouse — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি স্বামী বা স্ত্রী উভয়কেই নির্দেশ করতে পারে। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ পুরুষ ও নারী উভয়কে একসাথে বোঝায় তা নিউট্রাল বা কমন জেন্ডার হয়, যেমন Spouse হলো স্বামী বা স্ত্রী উভয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
a Proper
b Common
c Material
d Collective
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Collective কেন সঠিক: - 'Class' শব্দটি দ্বারা একই জাতীয় ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায়। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো সমষ্টিবাচক নাউন যখন একটিমাত্র অখণ্ড দল হিসেবে কাজ করে, তখন তাকে Collective Noun বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Proper — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা স্থানের নাম নয়, তাই Proper Noun হতে পারে না। B) Common — এটি কোনো সাধারণ নাম বা একক ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে একটি সমগ্র দলকে বোঝায়, তাই Common Noun নয়। C) Material — এটি কোনো উপাদান বা বস্তুর নাম নয় যা দিয়ে অন্য কিছু তৈরি হয়, তাই Material Noun নয়। D) Collective — এটি শিক্ষার্থীদের একটি নির্দিষ্ট সমষ্টিকে বোঝাচ্ছে, যা এই নিয়মের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: যে নাউন দ্বারা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিকে এককভাবে বোঝায়, তাকেই Collective Noun বলে।
a semicolon
b comma
c full stop
d hyphen
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) semicolon কেন সঠিক: - দুটি স্বাধীন ক্লজ বা বাক্যংশ যখন কনজাংশন ছাড়া খুব কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাদের সংযুক্ত করতে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়। - এটি ফুল স্টপের চেয়ে কম বিরতি দেয় কিন্তু কমার চেয়ে বেশি জোরালোভাবে দুটি খণ্ডবাক্যকে এক বাক্যে যুক্ত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) semicolon — এটি দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্যকে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) comma — কমা একা দুটি স্বাধীন বাক্যকে সরাসরি যুক্ত করতে পারে না, এর সঙ্গে কোঅর্ডিনেটিং কনজাংশন প্রয়োজন হয়। C) full stop — ফুল স্টপ একটি বাক্য সম্পূর্ণ শেষ করে দেয়, তাই এটি দিয়ে দুটি আলাদা বাক্যকে একটি বাক্যে রূপান্তর করা যায় না। D) hyphen — হাইফেন মূলত দুটি শব্দকে যুক্ত করে একটি শব্দ বানাতে বা জোড়া শব্দ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, বাক্য জুড়তে নয়। মনে রাখার টিপস: স্বাধীন বাক্য জোড়া দিতে সেমিকোলন ব্যবহার করো, কারণ এটি কমার চেয়ে শক্তিশালী এবং ফুল স্টপের চেয়ে নরম।
a Imperative
b Interrogative
c Assertive
d Optative
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Imperative কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটিতে মূল verb (Call) দিয়ে শুরু হয়ে কোনো আদেশ বা নির্দেশ বোঝানো হয়েছে। - Imperative sentence সাধারণত আদেশ, নির্দেশ, অনুরোধ কিংবা উপদেশ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Imperative — প্রদত্ত বাক্যটি সঠিক অপশন কারণ এটি দিয়ে আদেশ বা অনুরোধ প্রকাশ করা হয়েছে। B) Interrogative — এটি ভুল অপশন কারণ বাক্যটিতে কোনো প্রশ্ন করা হয়নি বা শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন নেই। C) Assertive — এটি ভুল অপশন কারণ এটি কোনো সাধারণ বিবৃতিমূলক বা বর্ণনামূলক বাক্য নয়। D) Optative — এটি ভুল অপশন কারণ এটি দ্বারা কোনো ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: যে ইংরেজি বাক্য মূল verb দিয়ে শুরু হয়ে আদেশ, অনুরোধ বা উপদেশ বোঝায়, তাকে চোখ বন্ধ করে Imperative sentence হিসেবে চিহ্নিত করবে।
a a
b an
c the
d no article
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) no article কেন সঠিক: - University শব্দটি ইউ (U) দিয়ে শুরু হলেও এর উচ্চারণ বাংলা ইউ (Yoo)-এর মতো হয়। - vowel থাকা সত্ত্বেও ইউ (Yoo) উচ্চারণের কারণে এর পূর্বে Indefinite Article হিসেবে 'a' বা 'an' বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — University শব্দের উচ্চারণ ব্যঞ্জনবর্ণের মতো হওয়ায় এখানে আর্টিকেল 'a' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) an — University শব্দের শুরুতে vowel থাকলেও এর উচ্চারণ 'ইউ' হওয়ার কারণে এখানে 'an' বসবে না। C) the — এখানে নির্দিষ্ট করে কোনো বিশেষ University বোঝানো হয়নি, তাই Definite Article 'the' ব্যবহার করা যাবে না। D) no article — বাক্যটির নিয়মানুযায়ী এখানে কোনো আর্টিকেল প্রয়োজন নেই, তাই সঠিক উত্তর 'no article'। মনে রাখার টিপস: শব্দের শুরুতে U বা EU এর উচ্চারণ যদি ইউ (Yoo)-এর মতো হয়, তবে তার পূর্বে an না বসে a বসে অথবা সাধারণ নিয়মে কোনো আর্টিকেল বসে না।
a Calm
b Sad
c Impatient
d Afraid
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Impatient কেন সঠিক: - Patient শব্দটির অর্থ ধৈর্যশীল, যার বিপরীত শব্দ হিসেবে Impatient ব্যবহৃত হয় যার অর্থ অধৈর্য। - শব্দের শুরুতে Im প্রিফিক্স যোগ করে সহজেই এর বিপরীতার্থক শব্দ বা অ্যান্টোনিম গঠন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Calm — এর অর্থ শান্ত, যা Patient শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে এবং এটি সমার্থক শব্দ। B) Sad — এর অর্থ দুঃখী, যা Patient শব্দের বিপরীত বা ভিন্ন কোনো অর্থ নির্দেশ করে না। C) Impatient — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ অধৈর্য এবং এটি Patient শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। D) Afraid — এর অর্থ ভীত, যা Patient বা Impatient কোনো শব্দের সঙ্গেই বিপরীতার্থক হিসেবে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দ Patient এর বিপরীতার্থক শব্দ বের করতে সাধারণত শুরুতে শুধু Im প্রিফিক্স যুক্ত করে Impatient করতে হয়।
a Enmity
b Hostile
c Friendly
d Sinful
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Enmity কেন সঠিক: - 'Friendliness' শব্দটির অর্থ হলো বন্ধুত্ব বা সৌহার্দ্যপূর্ণ মনোভাব। - এর বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম (Antonym) হিসেবে 'Enmity' শব্দটি ব্যবহৃত হয় যার অর্থ শত্রুতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Enmity — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি friendliness শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Hostile — এটি একটি বিশেষণ (Adjective), যার অর্থ শত্রুভাবাপন্ন, কিন্তু এখানে বিশেষ্য (Noun) পদের বিপরীত শব্দ চাওয়া হয়েছে। C) Friendly — এটি friendliness শব্দের সমার্থক বা সমর্থক শব্দ (Synonym), বিপরীত শব্দ নয়। D) Sinful — এর অর্থ পাপপূর্ণ, যা friendliness শব্দের অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: Friend মানে বন্ধু আর Enmity মানে শত্রুতা, তাই Friendliness-এর বিপরীত হলো Enmity।
a sow
b drone
c heifer
d filly
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) drone কেন সঠিক: - 'Drone' শব্দের অর্থ পুরুষ মৌমাছি, যা জেন্ডার ব্যাকরণে পুংলিঙ্গ বা Masculine gender হিসেবে গণ্য হয়। - এটি মৌচাকের রানি মৌমাছির সঙ্গে প্রজননে অংশ নেয় এবং এর কোনো কাজের হুল থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) sow — এটি 'boar' শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, যার অর্থ শুকরি বা প্রজনক্ষম স্ত্রী শূকর। B) drone — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি পুরুষ মৌমাছি নির্দেশ করে। C) heifer — এটি অল্প বয়স্ক বা প্রসব না করা স্ত্রী গরু, যার পুরুষ রূপ হলো ষাঁড় বা bull। D) filly — এটি অল্প বয়স্ক বা তিন বছরের কম বয়সী স্ত্রী ঘোড়া, যার পুরুষ রূপ colt। মনে রাখার টিপস: মৌমাছির ক্ষেত্রে রানি (queen) ও কর্মী (worker) হলো স্ত্রীলিঙ্গ, আর ড্রোন (drone) হলো পুংলিঙ্গ।
a by
b on
c over
d in
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Preposition) সঠিক উত্তর: B) on বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত সঠিক উত্তর (A) by ভুল। টেলিফোন বা যোগাযোগের মাধ্যমের পূর্বে সঠিক প্রিপজিশন on বসে। কেন সঠিক: - টেলিফোন, ফোন বা মোবাইল ডিভাইসের মাধ্যমে কোনো যোগাযোগের ক্ষেত্রে মাধ্যম বোঝাতে on প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। - on telephone একটি নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড প্রিপজিশনাল ফ্রেজ, যার অর্থ টেলিফোনের মাধ্যমে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — সাধারণত যানবাহনের ক্ষেত্রে by বসে (যেমন: by bus), তবে যোগাযোগের মাধ্যমের ক্ষেত্রে on বসে। B) on — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি টেলিফোনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। C) over — সাধারণত দূরত্ব, মাত্রা বা কোনো কিছুর ওপর দিয়ে অতিক্রম করা বোঝাতে over বসে, যোগাযোগের ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়। D) in — কোনো কিছুর ভেতরে অবস্থান বোঝাতে in বসে (যেমন: in the room), যা টেলিফোনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: টেলিফোন বা ফোন ডিভাইসের মাধ্যমে কথা বলা বা আলোচনা করা বোঝাতে সর্বদা on telephone বা on the phone ব্যবহার করবে।
a Carry
b Better
c Lecture
d all of these
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) all of these কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দগুলোর প্রতিটি ইংরেজি বাক্যে অবস্থানভেদে একই সাথে ভার্ব এবং নাউন উভয় হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। - প্রসঙ্গ ও বাক্যগঠন বা পার্টস অব স্পিচের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দগুলোর কার্যকারিতা পরিবর্তিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Carry — এটি সঠিক, কারণ ক্যারি শব্দটি নাউন (যেমন: a carry-on) এবং ভার্ব (যেমন: to carry a bag) উভয় হিসেবে বসে। B) Better — এটি সঠিক, কারণ বেটার শব্দটি নাউন (যেমন: for the better), ভার্ব (যেমন: to better oneself) এবং অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) Lecture — এটি সঠিক, কারণ লেকচার শব্দটি নাউন (যেমন: a long lecture) এবং ভার্ব (যেমন: to lecture students) উভয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) all of these — এই অপশনটি সঠিক, কারণ ওপরের তিনটি শব্দই ভার্ব ও নাউন উভয় রূপেই বাক্যে বসতে পারে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে শব্দের অর্থ ও কাজ না দেখে শুধু মুখস্থ না করে, পার্টস অব স্পিচ চেনার জন্য বাক্য গঠনে শব্দের অবস্থান খেয়াল করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (22)

a ৫টি
b ১০টি
c ১২টি
d ১৫টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫টি কেন সঠিক: - জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ মোট পনেরোটি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত। - এর মধ্যে পাঁচটি স্থায়ী এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫টি — এটি শুধুমাত্র নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা, মোট সদস্য সংখ্যা নয়। B) ১০টি — এটি নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা, স্থায়ী সদস্যসহ মোট সংখ্যা নয়। C) ১২টি — এটি নিরাপত্তা পরিষদের কোনো নির্দিষ্ট সদস্য সংখ্যা নয় এবং এর কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। D) ১৫টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী ও অস্থায়ী সদস্য মিলিয়ে মোট সদস্য সংখ্যা পনেরোটি। মনে রাখার টিপস: নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা মনে রাখতে ৫ যোগ ১০ সমান ১৫ সূত্রটি মনে রাখুন।
a USA
b নিউজিল্যান্ড
c বাহামা
d সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিউজিল্যান্ড কেন সঠিক: - নিউজিল্যান্ড ১৮৯৩ সালে বিশ্বের প্রথম স্বশাসিত দেশ হিসেবে নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করে। - কেট শেপার্ডের নেতৃত্বে দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে নিউজিল্যান্ডের মহিলারা এই ঐতিহাসিক অধিকার অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) USA — যুক্তরাষ্ট্র ১৯২০ সালে সংবিধানের ১৯তম সংশোধনীর মাধ্যমে নারীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করে, যা নিউজিল্যান্ডের পরে। B) নিউজিল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। C) বাহামা — বাহামা দ্বীপপুঞ্জে নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে ১৯৬১ সালে। D) সুইজারল্যান্ড — সুইজারল্যান্ডের মহিলারা অনেক দেরিতে ১৯৭১ সালে ফেডারেল নির্বাচনে ভোটাধিকার লাভ করেন। মনে রাখার টিপস: নতুন যুগে নারীরা প্রথমে ভোট দিল নিউজিল্যান্ডে, সালটি ১৮৯৩ মনে রেখো।
a ১৯৭০ সালে
b ১৭৭৭ সালে
c ১৭৮০ সালে
d ১৭৮৯ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৭৮৯ সালে কেন সঠিক: - ফরাসি বিপ্লব ১৭৮৯ সালের ৫ই মে শুরু হয়ে ফরাসি সমাজে দীর্ঘদিনের বৈষম্য ও রাজতন্ত্রের পতন ঘটায়। - এই সালের ১৪ই জুলাই বাস্তিল দুর্গ পতনের মাধ্যমে বিপ্লব চূড়ান্ত রূপ লাভ করে এবং সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার স্লোগান ছড়িয়ে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭০ সালে — এটি বিংশ শতাব্দীর একটি সাল, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের আগের সময়কে নির্দেশ করে এবং ফরাসি বিপ্লবের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) ১৭৭৭ সালে — এটি ফরাসি বিপ্লবের আগের সময় এবং এই সালে আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছিল। C) ১৭৮০ সালে — এটি ফরাসি বিপ্লব শুরুর আগের বছর এবং এটি ইউরোপের অন্য রাজনৈতিক ঘটনার সাথে সম্পর্কিত। D) ১৭৮৯ সালে — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই ফ্রান্সে ঐতিহাসিক বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ফরাসি বিপ্লব ১৭৮৯ সালের ঘটনা, যেখানে শেষের সংখ্যা দুটি হলো আশি ও নয় (৮৯)।
a ১৯৬৪ সালে
b ১৯৬৫ সালে
c ১৯৬৬ সালে
d ১৯৬৭ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৬৪ সালে কেন সঠিক: - ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৬৪ সালের জুন মাসে পিএলও গঠিত হয়। - জেরুজালেমে অনুষ্ঠিত প্রথম আরব শীর্ষ সম্মেলনে এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬৪ সালে — ফিলিস্তিনি মুক্তি সংস্থা বা পিএলও এই সালেই আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়। B) ১৯৬৫ সালে — এই সালে পিএলওর সামরিক শাখা আল ফাতাহ তাদের সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করে, প্রতিষ্ঠার সাল এটি নয়। C) ১৯৬৬ সালে — এই সালে মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক ও সামরিক বিভিন্ন ঘটনা ঘটলেও পিএলও গঠিত হয়নি। D) ১৯৬৭ সালে — এই বছর আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ সংঘটিত হয়, যা পিএলও গঠনের পরের ঘটনা। মনে রাখার টিপস: ফিলিস্তিনের মুক্তি সংগ্রামের সংগঠন পিএলও ১৯৬৪ সালে যাত্রা শুরু করে, যা ওই দশকের মধ্যভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ঘটনা।
a ৮ টি
b ৯ টি
c ১০ টি
d ১১ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১১ টি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সুষ্ঠুভাবে অপারেশন পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। - ১১টি সেক্টরের পাশাপাশি ভৌগোলিক অবস্থান ও সামরিক প্রয়োজনে পুরো দেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টরেও ভাগ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ টি — এই সংখ্যাটি মুক্তিযুদ্ধের সেক্টরের সঠিক হিসাবের সাথে মেলে না, কারণ শুরুতে সেক্টর সংখ্যা ভিন্ন ছিল কিন্তু পরবর্তীতে ১১টি সেক্টর চূড়ান্ত করা হয়। B) ৯ টি — সেক্টর সংখ্যা ৯টি ছিল না, কারণ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন প্রশাসনিক ও সামরিক সুবিধার্থে সেক্টরের সংখ্যা বাড়িয়ে ১১টি করা হয়। সি) ১০ টি — মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ১০টি ছিল না, সঠিক সংখ্যা ছিল ১১টি এবং ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল একমাত্র নৌ সেক্টর। D) ১১ টি — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ১৯৭১ সালের ১০ জুলাই সেক্টর কমান্ডারদের বৈঠকে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। মনে রাখার টিপস: নৌপথ বা সমুদ্রের জন্য ১০ নম্বর সেক্টর এবং বাকি স্থলভাগের জন্য ১ থেকে ১১ (১০ বাদে) সেক্টর মনে রাখলে মোট ১১টি সেক্টর সহজেই মনে রাখা যায়।
a জাতীয় স্মৃতি সৌধ
b লালবাগের কেল্লা
c সোনা মসজিদ
d শহীদ মিনার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শহীদ মিনার কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আটটি ডাকটিকেট প্রকাশিত হয় এবং সেগুলোতে শহীদ মিনারের ছবি ব্যবহৃত হয়েছিল। - বাঙালি জাতির আত্মত্যাগ ও ভাষা আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে শহীদ মিনারকে প্রথম ডাকটিকেটে স্থান দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতীয় স্মৃতি সৌধ — এটি সাভারে অবস্থিত এবং পরবর্তী সময়ে নির্মিত স্মারক, যা প্রথম ডাকটিকেটে ছিল না। B) লালবাগের কেল্লা — এটি মুঘল আমলের ঐতিহাসিক স্থাপত্য, যা প্রথম ডাকটিকেটের বিষয় ছিল না। C) সোনা মসজিদ — এটি চাঁপাইনবাববগঞ্জের ঐতিহাসিক সুলতানি আমলের মসজিদ, যা প্রথম ডাকটিকেটে ব্যবহার করা হয়নি। D) শহীদ মিনার — এটি প্রথম ডাকটিকেটে ব্যবহৃত সঠিক ও পরীক্ষিত ছবি। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর প্রথম ডাকটিকেটে কোনো যুদ্ধক্ষেত্রের ছবি নয়, বরং ভাষা আন্দোলনের প্রতীক শহীদ মিনারের ছবি স্থান পেয়েছিল।
a ২০ শে মার্চ
b ২৬ শে মার্চ
c ১৬ই ডিসেম্বর
d ২১ শে ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬ই ডিসেম্বর কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের এই দিনে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে। - এই ঐতিহাসিক বিজয়ের মাধ্যমে বাঙালি জাতি অর্জন করে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ শে মার্চ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা বা বিজয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক দিন নয়। B) ২৬ শে মার্চ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস, যেদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। C) ১৬ই ডিসেম্বর — এটি বাংলাদেশের বিজয় দিবস, যেদিন দেশ শত্রুমুক্ত ও স্বাধীন হয়। D) ২১ শে ফেব্রুয়ারি — এটি আমাদের মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ শুরু ২৬শে মার্চ এবং বিজয় অর্জিত হয় ১৬ই ডিসেম্বর।
a প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার
b স্বাধীনতা পদক
c বাংলা একাডেমী পদক
d একুশে পদক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্বাধীনতা পদক কেন সঠিক: - স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশের নাগরিকদের বা প্রতিষ্ঠানকে প্রদান করা সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পদক। - ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য এই পদক দেওয়া হচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার — এটি কোনো সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক বা বেসামরিক সম্মাননা নয়। B) স্বাধীনতা পদক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। C) বাংলা একাডেমী পদক — এটি সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য প্রদত্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার, সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক নয়। D) একুশে পদক — এটি দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় পুরস্কার, সর্বোচ্চ পদক নয়। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রীয় সম্মান মানেই স্বাধীনতা পদক, আর এর পরেই রয়েছে একুশে পদক।
a চীন-ভারত
b আজারবাইজান-আর্মেনিয়া
c চীন-জাপান
d ভারত-পাকিস্তান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আজারবাইজান-আর্মেনিয়া কেন সঠিক: - নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চলটি আজারবাইজানের ভূখণ্ডে অবস্থিত হলেও দীর্ঘদিন ধরে আর্মেনীয় জনগোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে ছিল। - এই ভূখণ্ডগত ও জাতিগত অধিকারের জেরেই দেশ দুটির মধ্যে ঐতিহাসিকভাবে দীর্ঘ সামরিক সংঘাত চলে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন-ভারত — এটি প্রধানত সীমান্ত সংক্রান্ত বিতর্কিত এলাকা আকসাই চিন ও অরুণাচল প্রদেশ নিয়ে বিরোধ, নাগোর্নো-কারাবাখ নয়। B) আজারবাইজান-আর্মেনিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই দুটি দেশের মাঝেই এই অঞ্চলের অধিকার নিয়ে বিরোধ বিদ্যমান। C) চীন-জাপান — এটি পূর্ব চীন সাগরের সেনকাকু বা দিয়াওউ দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়ে বিরোধ, নাগোর্নো-কারাবাখ নয়। D) ভারত-পাকিস্তান — এটি কাশ্মীর অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে দীর্ঘস্থায়ী বিরোধ, নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চলের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: কারাবাখ নামটির সঙ্গে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া দেশের নাম মনে রাখতে আ-আ (আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া) সূত্র ব্যবহার করতে পারেন।
a ১৪২০ মেগাওয়াট
b ১৩২০ মেগাওয়াট
c ১২২০ মেগাওয়াট
d ১১২০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৩২০ মেগাওয়াট কেন সঠিক: - বাগেরহাট জেলার রামপালে অবস্থিত বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাওয়ার কোম্পানির নির্মিত এই তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১৩২০ মেগাওয়াট। - এটি দুটি সমান ইউনিটে বিভক্ত যার প্রতিটির উৎপাদন ক্ষমতা ৬৬০ মেগাওয়াট করে মোট ১৩২০ মেগাওয়াট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪২০ মেগাওয়াট — এটি রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঠিক উৎপাদন ক্ষমতা নয়, বরং এটি একটি ভুল সংখ্যা। B) ১৩২০ মেগাওয়াট — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি সঠিক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। C) ১২২০ মেগাওয়াট — এই সংখ্যাটি রামপাল প্রকল্পের মোট ক্ষমতার সাথে মেলে না এবং এটি ভুল তথ্য। D) ১১২০ মেগাওয়াট — এটিও একটি ভুল পরিমাপ যা রামপাল কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট দুটি ৬৬০ মেগাওয়াট করে মোট ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।
a ১২৯৫ সালে
b ১২১৫ সালে
c ১৪১৫ সালে
d ১২১৬ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২১৫ সালে কেন সঠিক: - ইংল্যান্ডের রাজা জন রাজ ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করতে এবং সামন্ত প্রভুদের চাপের মুখে ১২১৫ সালের ১৫ জুন এই ঐতিহাসিক সনদে স্বাক্ষর করেন। - ম্যাগনাকার্টা বিশ্ব ইতিহাসে প্রথম লিখিত দলিল যা মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২৯৫ সালে — এই সালে ইংল্যান্ডে প্রথম সংসদ বা মডেল পার্লামেন্ট গঠিত হয়েছিল, যা ম্যাগনাকার্টা স্বাক্ষরের সাল নয়। B) ১২১৫ সালে — এটি প্রশ্নটির সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই ঐতিহাসিক ম্যাগনাকার্টা সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছিল। C) ১৪১৫ সালে — এটি শতবর্ষী যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ বছর, যে সালে আজিনকোর্টের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল এবং এর সঙ্গে ম্যাগনাকার্টার সম্পর্ক নেই। D) ১২১৬ সালে — এই সালে রাজা জন মারা যান এবং তার পুত্র তৃতীয় হেনরি ইংল্যান্ডের সিংহাসনে আরোহণ করেন, ম্যাগনাকার্টার সাল এটি নয়। মনে রাখার টিপস: ম্যাগনাকার্টা মানে বড় সনদ এবং এটি ১৫ জুন ১২১৫ সালে স্বাক্ষরিত হয়, তাই ১২১৫ সালটি মনে রাখতে রাজা জনের সাথে সনদের চুক্তি সালটি একনজরে বারবার স্মরণ করুন।
a অনুচ্ছেদ- ১১৬
b অনুচ্ছেদ- ১১৮
c অনুচ্ছেদ- ১২০
d অনুচ্ছেদ- ১১৭
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অনুচ্ছেদ- ১১৮ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠনের বিধান রয়েছে। - এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনার নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুচ্ছেদ- ১১৬ — এটি বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা বিধান সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ, যা নির্বাচন কমিশনের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) অনুচ্ছেদ- ১১৮ — এটিই নির্বাচন কমিশন গঠন সংক্রান্ত সঠিক অনুচ্ছেদ। C) অনুচ্ছেদ- ১২০ — এটি নির্বাচন কমিশনের জন্য কর্মচারী নিয়োগ সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ, যা কমিশন গঠন নির্দেশ করে না। D) অনুচ্ছেদ- ১১৭ — এটি প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ, যা নির্বাচন ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের ১১৮ নম্বর অনুচ্ছেদে 'নির্বাচন কমিশন' গঠিত হয় এবং আট (৮) ও নির্বাচন মিলে মনে রাখতে পারেন ১১৮।
a IBRD
b IFC
c IFAD
d MIGA
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) IFAD কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংকের মোট পাঁচটি অঙ্গসংগঠন রয়েছে এবং IFAD তার অন্তর্ভুক্ত নয়। - IFAD একটি স্বতন্ত্র জাতিসংঘ বিশেষায়িত সংস্থা যা মূলত আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়নে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) IBRD — এটি বিশ্বব্যাংকের মূল এবং প্রথম অঙ্গসংগঠন যা উন্নয়নশীল দেশগুলোকে ঋণ দেয়। B) IFC — এটি বিশ্বব্যাংকের অঙ্গসংগঠন যা বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ ও পরামর্শ সেবা প্রদান করে। C) IFAD — এটি বিশ্বব্যাংকের অঙ্গসংগঠন নয়, বরং জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা। D) MIGA — এটি বিশ্বব্যাংকের অঙ্গসংগঠন যা উন্নয়নশীল দেশে বিদেশি বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। মনে রাখার টিপস: বিশ্বব্যাংকের ৫টি অঙ্গসংগঠন মনে রাখার সূত্র হলো WBG (IBRD, IDA, IFC, MIGA, ICSID); এর বাইরে থাকা IFAD বিশ্বব্যাংক নয়।
a আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ইরান
b মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
c কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড ও লাওস
d মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস কেন সঠিক: - গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল বা স্বর্ণত্রিকোন এশিয়ার একটি বিখ্যাত মাদক উৎপাদনকারী অঞ্চল। - এই অঞ্চলটি মূলত মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওসের সীমান্ত মিলনস্থল নিয়ে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ইরান — এটি গোল্ডেন ক্রিসেন্ট বা স্বর্ণ crescent অঞ্চল নামে পরিচিত, যা আফিম উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত। B) মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া — কম্বোডিয়া এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয় বলে এটি ভুল অপশন। C) কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড ও লাওস — এখানে মিয়ানমারের পরিবর্তে কম্বোডিয়া থাকায় এটি সঠিক নয়। D) মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস — এটি গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল অঞ্চলের সঠিক ভৌগোলিক দেশগুলো নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: মিথিলা (মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস) শব্দ দিয়ে ট্রায়াঙ্গলের দেশগুলো সহজে মনে রাখা যায়।
a কুমিল্লা জেলায়
b নওগাঁ জেলায়
c দিনাজপুর জেলায়
d বগুড়া জেলায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বগুড়া জেলায় কেন সঠিক: - প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনুক্তির রাজধানী পুণ্ড্রনগর বর্তমান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থানগড় এলাকায় অবস্থিত। - এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহাসিক একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুমিল্লা জেলায় — এটি প্রাচীন সমতট অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত, যেখানে ময়নামতি ও শালবন বিহার অবস্থিত। B) নওগাঁ জেলায় — এটি বরেন্দ্র অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এখানে বিখ্যাত পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার অবস্থিত। C) দিনাজপুর জেলায় — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা, যেখানে ঐতিহাসিক কান্তনগর মন্দির ও সীতাকোট বিহার অবস্থিত। D) বগুড়া জেলায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ পুণ্ড্রনগর এখানেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: বগুড়ার মহাস্থানগড় মানেই প্রাচীন পুণ্ড্রনগর।
a খাসিয়া
b সাঁওতাল
c মনিপুরী
d চাকমা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) খাসিয়া কেন সঠিক: - বাংলাদেশের খাসিয়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত আছে। - এই সমাজে সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হন পরিবারের ছোট মেয়ে বা নারীরা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাসিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) সাঁওতাল — সাঁওতাল সমাজ পিতৃতান্ত্রিক এবং তাদের পরিবার প্রথায় পুরুষরা প্রধান ভূমিকা পালন করেন। C) মনিপুরী — মনিপুরী সমাজ ব্যবস্থা মূলত পিতৃতান্ত্রিক প্রকৃতির হয়ে থাকে। D) চাকমা — চাকমা সমাজ পিতৃতান্ত্রিক এবং তাদের পরিবার প্রধান সাধারণত পিতা বা পুরুষ সদস্য হন। মনে রাখার টিপস: খাসিয়া উপজাতির নামের শুরুতে 'খা' আছে, আর তাদের সমাজে সম্পত্তির মালিক হন নারীরা (খা-তে খাসিয়া, মাতৃতান্ত্রিক)।
a হালদা
b শীতলক্ষ্যা
c মেঘনা
d পদ্মা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হালদা কেন সঠিক: - হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র, যেখানে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশ জাতীয় মাছ প্রাকৃতিকভাবে ডিম ছাড়ে। - জলীয় পরিবেশ, জোয়ার-ভাটা এবং নদীর বিশেষ ভূ-প্রাকৃতিক গঠনের কারণে এটি মাছের ডিম ছাড়ার জন্য সবচেয়ে উপযোগী স্থান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হালদা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃত। B) শীতলক্ষ্যা — এটি একটি নদী হলেও এখানে কোনো প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র নেই, এটি মূলত শিল্প বর্জ্য দূষণের জন্য বেশি পরিচিত। C) মেঘনা — এটি দেশের একটি প্রধান নদ হলেও এখানে কৃত্রিম বা প্রাকৃতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত মৎস্য প্রজনন হয় না। D) পদ্মা — এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান নদী হলেও একে প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে ধরা হয় না। মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক ডিম ছাড়ার অনন্য নদী হালদা, মনে রাখবে নামের সাথে জড়িয়ে আছে এর প্রজনন গৌরব।
a ৫ নং সেক্টর
b ২ নং সেক্টর
c ৩ নং সেক্টর
d ৪ নং সেক্টর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ নং সেক্টর কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল এবং ঢাকা শহর ২ নং সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল। - এই সেক্টরের প্রধান বা সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ এবং তার মৃত্যুর পর মেজর এ টি এম হায়দার দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ নং সেক্টর — এই সেক্টরটি মূলত সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল, ঢাকা শহর এর অধীনে ছিল না। B) ২ নং সেক্টর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। C) ৩ নং সেক্টর — এই সেক্টরের অধীনে হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ঢাকা জেলার কিছু অংশ ছিল, তবে সম্পূর্ণ ঢাকা শহর ২ নং সেক্টরের ছিল। D) ৪ নং সেক্টর — এই সেক্টরটি সিলেট জেলার বর্তমান মৌলভীবাজার মহকুমা এবং খোয়াই শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন বাদে সমগ্র উত্তরপূর্বাঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল। মনে রাখার টিপস: ঢাকা দুই অক্ষরের শব্দ, তাই ঢাকা শহর ২ নং সেক্টরের অধীন ছিল এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a বরিশাল
b কুমিল্লা ও নোয়াখালী
c যশোর
d বগুড়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কুমিল্লা ও নোয়াখালী কেন সঠিক: - প্রাচীনকালে বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে সমতট ছিল অন্যতম প্রধান একটি জনপদ। - বর্তমানের কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে প্রাচীন সমতট জনপদটি গঠিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বরিশাল — এটি প্রাচীন বাংলার চন্দ্রদ্বীপ বা বাকলা জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল, সমতট নয়। B) কুমিল্লা ও নোয়াখালী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) যশোর — এটি প্রাচীন বঙ্গের বা সমতটের অংশ ছিল না, এটি যশোর ও খুলনা অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ছিল। D) বগুড়া — এটি প্রাচীন বাংলার পুণ্ড্রবর্ধন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল, সমতট অঞ্চল নয়। মনে রাখার টিপস: সমতট মানে সমান তট বা নদী তীরবর্তী অঞ্চল, যা কুমিল্লা ও নোয়াখালী এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল।
a সাংবিধানিক সংস্থা
b বেসরকারি সংস্থা
c সংবিধিবদ্ধ সংস্থা
d সরকারি সংস্থা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংবিধিবদ্ধ সংস্থা কেন সঠিক: - বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন একটি বিশেষ আইন দ্বারা গঠিত স্বাধীন প্রতিষ্ঠান, যা সরাসরি সংবিধানের অধীনে গঠিত হয়নি। - সরকারের নির্বাহী আদেশে গঠিত না হয়ে বিশেষ আইন বা অ্যাক্ট পাসের মাধ্যমে গঠিত হওয়ায় এটি একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাংবিধানিক সংস্থা — যেসব সংস্থা সরাসরি সংবিধানের অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত হয়, প্রতিযোগিতা কমিশন সেগুলোর অন্তর্ভুক্ত নয়। B) বেসরকারি সংস্থা — এটি কোনো বেসরকারি বা ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান নয়, বরং এটি সম্পূর্ণ সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। C) সংবিধিবদ্ধ সংস্থা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি আইন দ্বারা গঠিত এবং এর নিজস্ব আইনগত ভিত্তি রয়েছে। D) সরকারি সংস্থা — সাধারণ অর্থে সরকারি হলেও প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি কাঠামোর দিক থেকে এটি সরাসরি সরকারি বা মন্ত্রণালয় পরিচালিত বিভাগ নয়, বরং একটি সংবিধিবদ্ধ কমিশন। মনে রাখার টিপস: আইন বা অ্যাক্ট পাস করে যে প্রতিষ্ঠান গঠিত হয়, তাকে সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বলে; প্রতিযোগিতা কমিশনও একটি আইন দ্বারা গঠিত।
a ৩ ডিসেম্বর
b ৩ নভেম্বর
c ৮ ডিসেম্বর
d ৪ নভেম্বর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ নভেম্বর কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের এই দিনে বাংলাদেশের গণপরিষদে দেশের প্রথম সংবিধান আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। - দিনটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব স্মরণ করে ২০২০ সাল থেকে প্রতি বছর ৪ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় সংবিধান দিবস পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ ডিসেম্বর — এই তারিখে জাতীয় সংবিধান দিবস পালित হয় না, এটি একটি সাধারণ তারিখ মাত্র। B) ৩ নভেম্বর — এটি জেলহত্যা দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা সংবিধান দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ৮ ডিসেম্বর — এই তারিখে অন্য কোনো জাতীয় দিবস রয়েছে, তবে এটি সংবিধান দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ৪ নভেম্বর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: সংবিধান গৃহীত হয়েছিল ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর, তাই ৪ নভেম্বরই হলো সংবিধান দিবস।
a UNICEF
b UNDP
c UNESCO
d ILO
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) UNESCO কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনকে বিশ্বের ৭৯৮তম বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান বা ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করে। - সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য এবং অনন্য ম্যানগ্রোভ বনের বিশ্বজনীন গুরুত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ এই ঘোষণা দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNICEF — এটি শিশু অধিকার, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে, পরিবেশগত বা ঐতিহ্য সংরক্ষণের সাথে যুক্ত নয়। B) UNDP — এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি যা দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই উন্নয়নে কাজ করে, বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করে না। C) UNESCO — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) ILO — এটি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা যা শ্রমিকদের অধিকার ও কাজের পরিবেশ নিয়ে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: সুন্দরবনের সুন্দরী গাছ ও প্রকৃতি সংরক্ষণের মূল দায়িত্ব পালন করে সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষাকারী সংস্থা ইউনেস্কো।

মোট প্রশ্ন (6)

a ২০.৭১%
b ৭৮.০২%
c ০.৪১%
d ০.০৩%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭৮.০২% ১. কেন সঠিক: বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি এবং এর সঠিক শতকরা হার হলো ৭৮.০২%। এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের একটি ধ্রুবীয় উপাদান যা জীবজগতের আমিষ গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডল হলো গ্যাসীয় আবরণ যা মাধ্যাকর্ষণ বলের কারণে পৃথিবীকে ঘিরে রাখে। কার্যপ্রণালি: বায়ুমণ্ডলে বিভিন্ন গ্যাসের মিশ্রণ থাকে যেখানে নাইট্রোজেন গ্যাস নিষ্ক্রিয় প্রকৃতির হওয়ায় মুক্ত অবস্থায় সবচেয়ে বেশি পরিমাণে অবস্থান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উদ্ভিদের প্রোটিন তৈরি ব্যাখ্যা: উদ্ভিদ সরাসরি বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন গ্রহণ করতে না পারলেও নাইট্রোজেন-সংবন্ধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রোটিন সংশ্লেষণ করে। উদাহরণ ২: প্যাকেটজাত খাদ্যের সংরক্ষণ ব্যাখ্যা: চিপসের প্যাকেটে অক্সিজেনের পরিবর্তে নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করা হয় যাতে খাদ্যদ্রব্য নষ্ট না হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০.৭১% — এটি ভুল কারণ এই শতকরা হারটি বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেনের পরিমাণের কাছাকাছি হলেও সঠিক নাইট্রোজেন নির্দেশ করে না। বিপরীতে, বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ প্রায় ২০.৭১ থেকে ২১ শতাংশ। B) ৭৮.০২% — এটি সঠিক উত্তর এবং বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের প্রকৃত পরিমাণ নির্দেশ করে। C) ০.৪১% — এটি ভুল কারণ এই পরিমাণটি বায়ুমণ্ডলের কোনো প্রধান গ্যাসের নয়। বিপরীতে, বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের পরিমাণ প্রায় শূন্য দশমিক নয় তিন শতাংশ। D) ০.০৩% — এটি ভুল কারণ এই শতকরা হারটি বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের উপস্থিতিকে নির্দেশ করে। বিপরীতে, বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ প্রায় শূন্য দশমিক শূন্য তিন থেকে শূন্য দশমিক শূন্য চার শতাংশ। ৫ মনে রাখার টিপস: বায়ুমণ্ডলের গ্যাসগুলোর পরিমাণ মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে নাইট্রোজেন সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ প্রায় আটাত্তর শতাংশ, এরপর অক্সিজেন প্রায় একুশ শতাংশ। বাকী গ্যাসগুলো খুব সামান্য পরিমাণে মিশে থাকে বায়ুমণ্ডলে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বায়ুমণ্ডলে দ্বিতীয় প্রধান গ্যাস হলো অক্সিজেন যার পরিমাণ প্রায় কুড়ি দশমিক এক সাত শতাংশ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বায়ুমণ্ডলের গ্যাসগুলোর শতকরা হার ক্রমানুসারে সাজাতে বলা হয়।
a পরমাণু শক্তি
b কয়লা
c পেট্রোল
d প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: পরিবেশবিজ্ঞান এবং শক্তি ও শক্তির রূপান্তর সঠিক উত্তর: A) পরমাণু শক্তি ১. কেন সঠিক: নবায়নযোগ্য জ্বালানি হলো সেই শক্তি যা কখনো ফুরিয়ে যায় না এবং বারবার ব্যবহার করা যায়। পরমাণু শক্তিতে ব্যবহৃত ইউরেনিয়াম অত্যন্ত দীর্ঘস্থায়ী এবং এটি ঐতিহ্যবাহী জীবাশ্ম জ্বালানির মতো অফুরন্ত শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পরমাণু শক্তি বা পারমাণবিক শক্তি হলো পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে প্রাপ্ত শক্তি। কার্যপ্রণালি: পারমাণবিক চুল্লিতে নিউক্লীয় বিভাজন প্রক্রিয়ায় ইউরেনিয়াম পরমাণুকে ভেঙে প্রচুর তাপশক্তি উৎপন্ন করা হয়, যা দিয়ে বিদ্যুৎ তৈরি করা হয়। বাস্তব প্রয়োগ: এই পদ্ধতিতে খুব কম পরিমাণ জ্বালানি ব্যবহার করে বিশাল পরিমাণে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব, যা পরিবেশের গ্রিনহাউস গ্যাস বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ব্যাখ্যা: এটি ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে পরিবেশবান্ধব উপায়ে প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি আধুনিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: ফরাসি বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা। ব্যাখ্যা: ফ্রান্স তাদের মোট বিদ্যুতের অর্ধেকের বেশি পারমাণবিক শক্তির মাধ্যমে উৎপাদন করে যা শক্তির টেকসই উৎস হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরমাণু শক্তি — এটি সঠিক কারণ ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়াম ব্যবহার করে দীর্ঘমেয়াদে বারবার বা নবায়নযোগ্য উপায়ে শক্তি উৎপাদন করা সম্ভব। B) কয়লা — এটি একটি জীবাশ্ম জ্বালানি এবং অনবায়নযোগ্য কারণ একবার পুড়িয়ে ফেললে এটি চিরতরে শেষ হয়ে যায় এবং এটি পুনরায় তৈরি হতে কোটি কোটি বছর লাগে। C) পেট্রোল — এটি খনিজ তেল বা পেট্রোলিয়াম থেকে প্রাপ্ত অনবায়নযোগ্য জ্বালানি যা সীমিত এবং ধীরে ধীরে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। D) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি ভূগর্ভে প্রাকৃতিকভাবে সঞ্চিত একটি অনবায়নযোগ্য জীবাশ্ম জ্বালানি যা সীমিত ভাণ্ডার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নবায়নযোগ্য শক্তি মনে রাখতে মাথায় রাখবে সূর্য, বায়ু এবং পরমাণুর মতো দীর্ঘস্থায়ী উৎসগুলো কখনোই সহজে শেষ হয় না। অন্যদিকে কয়লা, তেল ও গ্যাস হলো সীমিত ভূগর্ভস্থ সম্পদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার আসে। জীবাশ্ম জ্বালানি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a রাতকানা রোগ হয়
b রক্তশূন্যতা দেখা দেয়
c জয়েন্ট ব্যথা হয়
d ডায়রিয়া হয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রক্তশূন্যতা দেখা দেয় ১. কেন সঠিক: হিমোগ্লোবিন হলো লোহিত রক্তকণিকায় অবস্থিত একটি লৌহঘটিত প্রোটিন যা ফুসফুস থেকে সারা দেহে অক্সিজেন পরিবহন করে। এর অভাবে রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায় এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: রক্তে পর্যাপ্ত পরিমাণ সুস্থ লোহিত রক্তকণিকা বা হিমোগ্লোবিনের অনুপস্থিতিই হলো রক্তশূন্যতা। কার্যপ্রণালি: হিমোগ্লোবিন ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে শরীরের প্রতিটি কোষে পৌঁছে দেয় এবং কোষে উৎপাদিত কার্বন ডাই অক্সাইড ফুসফুসে ফিরিয়ে আনে। কারণ ও ফলাফল: হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি ঘটলে টিস্যুগুলো পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায় না, ফলে শরীরে চরম ক্লান্তি, দুর্বলতা ও ফ্যাকাশে ভাব দেখা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা আয়রন সমৃদ্ধ খাবারের অভাবে গর্ভবতী নারীদের প্রায়শই রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে শরীরের চাহিদা অনুযায়ী লোহা বা হিমোগ্লোবিন তৈরি না হলে অক্সিজেন পরিবহনে বিঘ্ন ঘটে। উদাহরণ ২: পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারী মানুষের দেহে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে। ব্যাখ্যা: বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের স্বল্পতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে দেহ নিজে থেকেই বেশি হিমোগ্লোবিন তৈরি করে অক্সিজেন সরবরাহ সচল রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাতকানা রোগ হয় — রাতকানা রোগ ভিটামিন এ এর অভাবে হয়, হিমোগ্লোবিনের ঘাটতির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) রক্তশূন্যতা দেখা দেয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ হিমোগ্লোবিন কমে গেলে রক্তে অক্সিজেন পরিবহনের ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং রক্তশূন্যতা সৃষ্টি হয়। C) জয়েন্ট ব্যথা হয় — জয়েন্ট ব্যথা বা বাত সাধারণত ইউরিক এসিড বৃদ্ধি বা অস্থিসন্ধির ক্ষয়জনিত কারণে ঘটে থাকে। D) ডায়রিয়া হয় — ডায়রিয়া একটি অন্ত্রের রোগ যা মূলত ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের সংক্রমণে হয়ে থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: হিমোগ্লোবিন শব্দের সাথে রক্ত বা রক্তের রঙের সম্পর্ক রয়েছে, তাই হিমোগ্লোবিন কমলে রক্তশূন্যতা হবে এটি এভাবে মনে রাখা যায়। রক্তে আয়রন কমে গেলে হিমোগ্লোবিন কমে যায় এবং এই অবস্থাকে রক্তশূন্যতা বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরির জন্য মূল উপাদান হলো লৌহ বা আয়রন এবং এর সাথে ফলিক এসিড ও ভিটামিন বি বারো প্রয়োজন হয়। এই টপিক থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে যে কোন ভিটামিন বা খনিজের অভাবে রক্তশূন্যতা হয়।
a Vit-A
b Vit-D
c Vit-B
d Vit-K
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Vit-B ১. কেন সঠিক: ভিটামিন বি পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন, যা মানবদেহের বিভিন্ন বিপাকীয় কার্যক্রমে এবং শক্তি উৎপাদনে সরাসরি ভূমিকা রাখে। এই ভিটামিনগুলো শরীরে জমা থাকে না, তাই অতিরিক্ত পরিমাণ প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: দ্রবণীয়তার ওপর ভিত্তি করে ভিটামিন প্রধানত দুই প্রকার, যেমন পানিতে দ্রবণীয় এবং চর্বিতে দ্রবণীয়। কার্যপ্রণালি: পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলো পরিপাকতন্ত্রে শোষিত হওয়ার পর রক্তরসে মিশে কোষে কোষে পুষ্টি সরবরাহ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভিটামিন বি কমপ্লেক্স সমৃদ্ধ খাবার যেমন লাল চালের ভাত বা কলিজা খাওয়ার পর অতিরিক্ত ভিটামিন মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে নির্গত হয়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে ভিটামিন বি চর্বিতে জমা না থেকে জলে দ্রবীভূত হয়ে দেহ থেকে নিষ্কাশিত হয়। উদাহরণ ২: লেবু বা কমলার ভিটামিন সি গ্রহণের পর তা শরীরের বিভিন্ন কোষে জলীয় মাধ্যমে কাজ করে এবং উদ্বৃত্ত অংশ শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ব্যাখ্যা: এটিও পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিনের সাধারণ বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vit-A - এটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন, যা যকৃতে জমা থাকে এবং অতিরিক্ত হলে বিষাক্ততা তৈরি করতে পারে। B) Vit-D - এটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন, যা সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ত্বকে সংশ্লেষিত হয় এবং চর্বিতে সংরক্ষিত থাকে। C) Vit-B - এটি সঠিক উত্তর এবং পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন হিসেবে কোষে শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে। D) Vit-K - এটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন, যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে এবং যকৃতে সঞ্চিত থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বি এবং সি অর্থাৎ বিসি (BC) পানিতে গুলে যায়। বাকি ভিটামিনগুলো অর্থাৎ এ, ডি, ই এবং কে চর্বিতে দ্রবীভূত থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চর্বিতে ও পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিনের নাম আলাদা করতে বলা হয়। ভিটামিন সি এবং বি কমপ্লেক্সের সকল উপাদান পানিতে দ্রবণীয়, আর ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে (ADEK) চর্বিতে দ্রবণীয়।
a Vit-A
b Vit-D
c Vit-B
d Vit-K
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Vit-K ১. কেন সঠিক: ভিটামিন কে মানবদেহে প্রথ্রোম্বিন নামক রক্ত জমাট বাঁধার প্রোটিন তৈরি করতে সাহায্য করে। এই ভিটামিনের অভাবে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়, ফলে সামান্য কেটে গেলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভিটামিন কে হলো চর্বিতে দ্রবণীয় একটি ভিটামিন যা যকৃতে রক্ত তঞ্চনকারী ফ্যাক্টর উৎপাদনে প্রধান ভূমিকা রাখে। কার্যপ্রণালি: আমাদের শরীরে রক্তপাতের সময় ভিটামিন কে বিভিন্ন প্রোটিনকে সক্রিয় করে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধ্য করে। বাস্তব প্রয়োগ: শল্যচিকিৎসার আগে রোগীকে অনেক সময় ভিটামিন কে দেওয়া হয় যাতে অতিরিক্ত রক্তপাত না হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হঠাৎ হাত কেটে গেলে কিছু সময় পর রক্ত নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যাওয়া। ব্যাখ্যা: এটি ভিটামিন কে এর উপস্থিতির কারণে রক্ত জমাট বাঁধার স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: নবজাতকদের জন্মের পর ভিটামিন কে ইনজেকশন দেওয়া। ব্যাখ্যা: নবজাতকদের অন্ত্রে এই ভিটামিন উৎপাদক ব্যাকটেরিয়া থাকে না বলে রক্তক্ষরণ রোধে এটি দেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vit-A — এটি চোখের দৃষ্টিশক্তি ও ত্বক সুরক্ষার জন্য কাজ করে, রক্ত জমাট বাঁধার সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। B) Vit-D — এটি ক্যালসিয়াম শোষণ ও হাড়ের গঠনে কাজ করে, রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষেত্রে এর কোনো ভূমিকা নেই। C) Vit-B — এটি শরীরের শক্তি উৎপাদন ও স্নায়ুতন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখে, যা রক্ত তঞ্চন প্রক্রিয়ার অংশ নয়। D) Vit-K — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একমাত্র ভিটামিন যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। ৫. মনে রাখার টিপস: কে (K) অক্ষরের সঙ্গে কোল্ড (Cold) বা ক্লটিং (Clotting) শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে এটি রক্ত জমাট বাঁধতে বা ক্লোট তৈরি করতে কাজ করে। ভিটামিন কে এর রাসায়নিক নাম ফাইলোকুইনন, যা উদ্ভিজ্জ উৎস থেকে বেশি পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্ত জমাট বাঁধার প্রধান প্রোটিন হলো ফাইব্রিনোজেন এবং অনুচক্রিকা বা প্লাটিলেট এতে সহায়তা করে। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই ভিটামিনের অভাবজনিত রোগ ও উৎস থেকে প্রশ্ন আসে, তাই চর্বি ও পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখা জরুরি।
a ফিমার (Femour)
b টিবিয়া (Tibia)
c হিউমেরাস
d উল্না
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফিমার (Femour) ১. কেন সঠিক: - মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্রের সবচেয়ে দীর্ঘ এবং শক্তিশালী অস্থি হলো ফিমার, যা শরীরের ঊর্ধ্বাংশ এবং নিম্নাংশের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে। - এটি আমাদের শরীরের সম্পূর্ণ ওজন বহন করে এবং হাঁটা, দৌড়ানো বা লাফানোর সময় প্রধান যান্ত্রিক বল সরবরাহ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ফিমার হলো উরুর একমাত্র অস্থি যা শ্রোণীচক্র থেকে হাঁটু পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে এবং মানবদেহের মোট ওজনের একটি বড় অংশ বহন করে। - কার্যপ্রণালি: এর উপরের প্রান্তটি বল এবং সকেট জয়েন্টের মাধ্যমে নিতম্বের সাথে যুক্ত থাকে এবং নিচের প্রান্তটি টিবিয়ার সাথে মিলে হাঁটু গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন দৌড়বিদ যখন দ্রুত দৌড়ান, তখন তার ফিমার অস্থি প্রচণ্ড যান্ত্রিক চাপ সহ্য করে এবং শক্তি সঞ্চার করে। ব্যাখ্যা: ফিমারের বিশেষ গঠন এবং অভ্যন্তরীণ স্পঞ্জি টিস্যু শরীরের এই তীব্র চাপ ও অভিঘাত সফলভাবে সহ্য করতে পারে। উদাহরণ ২: মানুষের উচ্চতার প্রায় এক চতুর্থাংশ অংশ এই ফিমার অস্থির দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে। ব্যাখ্যা: ফরেনসিক বিজ্ঞান বা নৃবিজ্ঞানে প্রায়ই এই অস্থির মাপ ব্যবহার করে মানুষের আনুমানিক উচ্চতা ও শারীরিক গঠন নির্ধারণ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিমার (Femour) — এটি মানবদেহের সবচেয়ে দীর্ঘ এবং শক্তিশালী অস্থি হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত। B) টিবিয়া (Tibia) — এটি পায়ের নিচের অংশের বা পিন্ডলির দ্বিতীয় বৃহত্তম অস্থি, যা ফিমারের চেয়ে ছোট। C) হিউমেরাস — এটি হাতের উপরের অংশ বা বাহুর অস্থি, যা ফিমারের মতো শরীরের প্রধান ওজন বহন করে না। D) উল্না — এটি হাতের নিচের অংশের বা ফোরআর্মের দুটি অস্থির একটি, যা আকারে ফিমারের তুলনায় অনেক ছোট। ৫ মনে রাখার টিপস: - মানবদেহের দীর্ঘতম অঙ্গ বা হাড় মনে রাখার সহজ কৌশল হলো পায়ের ফিমার সবচেয়ে লম্বা হয়। - শরীরের সবচেয়ে ছোট হাড় কানের স্টেপিস এবং সবচেয়ে বড় হাড় উরুর ফিমার হিসেবে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবদেহে মোট অস্থির সংখ্যা ২০৬ টি এবং ফিমার হলো এর মধ্যে দীর্ঘতম। - কঙ্কালতন্ত্র সংক্রান্ত প্রতিযোগিতামূলক প্রশ্নে প্রায়ই এই দীর্ঘতম এবং ক্ষুদ্রতম অস্থির নাম জানতে চাওয়া হয়।

মোট প্রশ্ন (7)

a কাস্পিয়ান সাগর
b কৃষ্ণ সাগরে
c বাল্টিক সাগরে
d আরব সাগরে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাস্পিয়ান সাগর ১. কেন সঠিক: ভলগা নদী ইউরোপের দীর্ঘতম নদী এবং এটি রাশিয়ার ভালদাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে বিশ্বের বৃহত্তম অভ্যন্তরীণ জলাধার বা হ্রদ হিসেবে পরিচিত কাস্পিয়ান সাগরে পতিত হয়েছে। সাধারণত নদী সাগরে বা মহাসাগরে পতিত হলেও কাস্পিয়ান সাগর একটি বিশাল লোনা পানির হ্রদ হওয়া সত্ত্বেও এর বিশাল আয়তনের কারণে একে সাগর বলা হয় এবং ভলগার পানি এখানেই এসে শেষ হয়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: ভলগা নদী ইউরোপ মহাদেশের রাশিয়া রাষ্ট্রে অবস্থিত এবং এর অববাহিকা পূর্ব ইউরোপীয় সমভূমির একটি বিরাট অংশজুড়ে বিস্তৃত। বৈশিষ্ট্য: এটি ইউরোপের দীর্ঘতম নদী যার দৈর্ঘ্য প্রায় তিন হাজার পাঁচশো তিরানব্বই কিলোমিটার এবং এটি রাশিয়ার অর্থনৈতিক ও জলপথ যোগাযোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সংশ্লিষ্ট তথ্য: কাস্পিয়ান সাগর বিশ্বের বৃহত্তম আবদ্ধ জলাধার যা এশিয়া ও ইউরোপের সংযোগস্থলে অবস্থিত এবং এর কোনো সরাসরি বহিঃপ্রবাহ নেই। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ইউরাল নদী ব্যাখ্যা: ভলগার মতো ইউরাল নদীও রাশিয়া ও কাজাখস্তান অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কাস্পিয়ান সাগরে পতিত হয়েছে। উদাহরণ ২: আমুদরিয়া ও সিরদরিয়া নদী ব্যাখ্যা: এশিয়ার এই প্রধান নদীগুলো কোনো মহাসাগরে না গিয়ে মধ্য এশিয়ার অভ্যন্তরীণ অরাল সাগরে পতিত হয়, যা ভলগা নদীর কাস্পিয়ান সাগরে পতনের অনুরূপ অভ্যন্তরীণ জলপ্রবাহের একটি ভৌগোলিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাস্পিয়ান সাগর — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভলগা নদীর মূল প্রবাহ এই বিশাল অভ্যন্তরীণ জলাধারে এসে শেষ হয়েছে। B) কৃষ্ণ সাগরে — এটি ভুল কারণ কৃষ্ণ সাগরে দানিউব, ডিন্রপার এবং ডন নদীর মতো ইউরোপের অন্যান্য প্রধান নদীগুলো পতিত হয়। C) বাল্টিক সাগরে — এটি ভুল কারণ বাল্টিক সাগর উত্তর ইউরোপে অবস্থিত এবং এর সঙ্গে ভলগা নদীর কোনো সরাসরি সংযোগ নেই। D) আরব সাগরে — এটি ভুল কারণ আরব সাগর ভারত মহাসাগরের একটি অংশ যা এশিয়ার দক্ষিণ অংশে অবস্থিত এবং এটি ভলগা নদী থেকে বহু দূরে অবস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: ইউরোপের দীর্ঘতম নদী ভলগা শেষ হয়েছে কাস্পিয়ান সাগরের বুকে। এই লাইনটি মনে রাখলে নদী ও তার পতনের স্থান সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভলগা নদী কোন মহাদেশে অবস্থিত এবং এটি কোন জলাধারে পতিত হয়, এই দুটি তথ্য বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে ইউরোপের দীর্ঘতম নদী কোনটি অথবা রাশিয়া কোন সাগরের অববাহিকায় প্রধান নদী ধারণ করে।
a আটলান্টিক মহাসাগর
b ভারত মহাসাগর
c আর্কটিক মহাসাগর
d প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রশান্ত মহাসাগর ১. কেন সঠিক: - সলোমন দ্বীপপুঞ্জ ওশেনিয়া অঞ্চলের মেলানেশিয়া উপ-অঞ্চলে প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত। - এই দ্বীপপুঞ্জটি একটি স্বাধীন দ্বীপ রাষ্ট্র যা প্রশান্ত মহাসাগরের জলরাশি দ্বারা পরিবেষ্টিত। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: এটি পাপুয়া নিউগিনির পূর্বে এবং ভানুয়াতুর উত্তর-পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি অনেকগুলো দ্বীপ নিয়ে গঠিত একটি রাষ্ট্র যার রাজধানী হলো হোনারা। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ফিজি ব্যাখ্যা: এটিও প্রশান্ত মহাসাগরের ওশেনিয়া অঞ্চলে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র, যা সলোমন দ্বীপপুঞ্জের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মিল রাখে। উদাহরণ ২: হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ ব্যাখ্যা: এটি প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর অংশে অবস্থিত একটি দ্বীপপুঞ্জ যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিশালতা নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আটলান্টিক মহাসাগর — এটি উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা এবং ইউরোপ ও আফ্রিকার মাঝখানে অবস্থিত মহাসাগর, যেখানে সলোমন দ্বীপপুঞ্জ অবস্থিত নয়। B) ভারত মহাসাগর — এটি এশিয়া, আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যবর্তী মহাসাগর, যা সলোমন দ্বীপপুঞ্জের ভৌগোলিক অবস্থানের বাইরে অবস্থিত। C) আর্কটিক মহাসাগর — এটি পৃথিবীর উত্তর মেরু অঞ্চলে বা সুমেরুতে অবস্থিত বরফাবৃত মহাসাগর, যা ক্রান্তীয় অঞ্চলের সলোমন দ্বীপপুঞ্জ থেকে অনেক দূরে। D) প্রশান্ত মহাসাগর — এটি পৃথিবীর বৃহত্তম মহাসাগর এবং সলোমন দ্বীপপুঞ্জ এই মহাসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত বলেই এটি সঠিক অপশন। ৫. মনে রাখার টিপস: - সলোমন দ্বীপপুঞ্জ এবং ওশেনিয়া অঞ্চলের বেশিরভাগ দ্বীপ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত। - প্রশান্ত মহাসাগরের প্রশান্ত ভাব বা দ্বীপগুলোর অবস্থান মনে রাখতে সলোমন নামটি প্রশান্ত মহাসাগরের সঙ্গেই মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওশেনিয়া অঞ্চলের দ্বীপ রাষ্ট্রগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - এই প্রশ্নটি ঘুরিয়ে সলোমন দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী বা এর পার্শ্ববর্তী মহাসাগরের নাম জানতে চাওয়া হতে পারে।
a নরওয়ে
b চিলি
c ঘানা
d ভ্যাটিকান সিটি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভ্যাটিকান সিটি ১. কেন সঠিক: ভ্যাটিকান সিটি বিশ্বের সবচেয়ে ছোট স্বাধীন রাষ্ট্র যা সম্পূর্ণভাবে ইতালি দেশের রোম শহরের ভেতরে অবস্থিত। এর মোট আয়তন প্রায় ০.৪ বর্গকিলোমিটার এবং এটি পোপের শাসনাধীন একটি সার্বভৌম নগররাষ্ট্র। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: এটি ইউরোপ মহাদেশের দক্ষিণ অংশে ইতালি রাষ্ট্রের রাজধানী রোম শহরের ভেতর অবস্থিত একটি সম্পূর্ণ ভূবেষ্টিত রাষ্ট্র। বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের ক্ষুদ্রতম স্বাধীন রাষ্ট্র যার নিজস্ব পতাকা, মুদ্রা ও ডাকব্যবস্থা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য: আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে এটি বিশ্বের সবচেয়ে ছোট রাষ্ট্র এবং এটি একটি থিওক্র্যাটিক বা ধর্মভিত্তিক একনায়কতন্ত্র। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: মোনাকো ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম স্বাধীন রাষ্ট্র হলেও ভ্যাটিকান সিটির চেয়ে আয়তনে কিছুটা বড়। উদাহরণ ২: সান মারিনো ব্যাখ্যা: এটিও ইতালির ভেতরে অবস্থিত একটি ক্ষুদ্র রাষ্ট্র তবে এর আয়তন ভ্যাটিকান সিটির চেয়ে অনেক বেশি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নরওয়ে — এটি উত্তর ইউরোপের একটি বৃহৎ দেশ যার আয়তন প্রায় তিন লক্ষ বর্গকিলোমিটারের বেশি। B) চিলি — এটি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের একটি দীর্ঘ ও সংকীর্ণ দেশ যার আয়তন অনেক বিশাল। C) ঘানা — এটি পশ্চিম আফ্রিকার একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র যার আয়তন ভ্যাটিকান সিটির তুলনায় কয়েক লক্ষ গুণ বড়। D) ভ্যাটিকান সিটি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিশ্বের ক্ষুদ্রতম দেশ। ৫. মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে ছোট দেশ মনে রাখতে ভি অক্ষরটি মাথায় রাখতে পারো যেখানে ভ্যাটিকান সিটি সবার চেয়ে আয়তনে ছোট। পৃথিবীর মানচিত্রে রোমের ভেতর একটি ছোট বিন্দু হিসেবে এই রাষ্ট্রটিকে কল্পনা করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ক্ষুদ্রতম বা বৃহত্তম দেশ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। ভ্যাটিকান সিটি থেকে জনসংখ্যার দিক থেকেও এটি বিশ্বের সর্বনিম্ন জনসংখ্যার স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রশ্ন আসতে পারে।
a 8
b 10
c 12
d 15
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ ১. কেন সঠিক: সেন্টমার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং এর মূল ভূখণ্ডের আয়তন প্রায় আট বর্গকিলোমিটার। উচ্চ জোয়ারের সময় দ্বীপটির আয়তন আরও কমে যায় এবং এটি বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। বৈশিষ্ট্য: এটি মূলত প্রবাল গঠিত সমতল ভূমি যেখানে নারিকেল গাছ প্রচুর জন্মায়। সংশ্লিষ্ট তথ্য: স্থানীয়ভাবে এই দ্বীপটিকে নারিকেল জিনিয়াজিরা নামেও ডাকা হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: কুঙ্গা দ্বীপ ব্যাখ্যা: এটি সুন্দরবন অঞ্চলের একটি ছোট দ্বীপ যা নদীর মোহনায় অবস্থিত এবং এর ভৌগোলিক গঠন সেন্টমার্টিন থেকে ভিন্ন। উদাহরণ ২: সোনাদিয়া দ্বীপ ব্যাখ্যা: এটি কক্সবাজার জেলার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ যা মূলত সামুদ্রিক মৎস্য ও কেওড়া বনের জন্য পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ — এই অপশনটি সঠিক কারণ সেন্টমার্টিন দ্বীপের মূল আয়তন প্রায় আট বর্গকিলোমিটার। B) ১০ — এই অপশনটি ভুল কারণ দশ বর্গকিলোমিটার সেন্টমার্টিনের সঠিক আয়তন নয়। C) ১২ — এই অপশনটি ভুল কারণ বারো বর্গকিলোমিটার আয়তনের কোনো ভিত্তি ভৌগোলিক পরিসংখ্যানে নেই। D) ১৫ — এই অপশনটি ভুল কারণ পনেরো বর্গকিলোমিটার সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তনের চেয়ে অনেক বেশি। ৫. মনে রাখার টিপস: সেন্টমার্টিনের প্রথম অক্ষর স এবং আট সংখ্যার উচ্চারণ সা দিয়ে শুরু হয়, যা মিলিয়ে আট মনে রাখা যায়। বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপের আয়তন ছোট এবং তা মাত্র আট বর্গকিলোমিটার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সেন্টমার্টিন দ্বীপ কোন জেলায় অবস্থিত বা এর আয়তন কত তা জানতে চাওয়া হয়। একই ধারণা থেকে দ্বীপটির স্থানীয় নাম বা এর ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a মিশর
b ইরাক
c ইরান
d দুবাই
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মিশর ১. কেন সঠিক: সুয়েজ খাল মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত একটি কৃত্রিম সমুদ্রগামী জলপথ। এটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে, ফলে এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সামুদ্রিক দূরত্ব ব্যাপকভাবে কমে গেছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: মিশর, উত্তর আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল। বৈশিষ্ট্য: এটি ১৯৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং লক বা জলকপাটবিহীন উন্মুক্ত খাল। সংশ্লিষ্ট তথ্য: ১৮৬৯ সালে উন্মুক্ত হওয়া এই খালটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধমনী। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ইউরোপ থেকে এশিয়ায় পণ্যবাহী জাহাজ। ব্যাখ্যা: এই খাল ব্যবহারের ফলে জাহাজগুলোকে আফ্রিকা মহাদেশ ঘুরে যেতে হয় না। উদাহরণ ২: বিশ্ব বাণিজ্য ও অর্থনীতি। ব্যাখ্যা: বৈশ্বিক তেল ও পণ্য পরিবহনের একটি বিরাট অংশ এই খালের ওপর নির্ভরশীল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশর — এটি সঠিক উত্তর কারণ সুয়েজ খাল মিশরের ভূখণ্ডের ওপর অবস্থিত। B) ইরাক — এটি একটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ যা পারস্য উপসাগরের কাছাকাছি অবস্থিত, সুয়েজ খালের সঙ্গে এর ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই। C) ইরান — এটি এশিয়া মহাদেশের একটি দেশ যা কাস্পিয়ান সাগর ও পারস্য উপসাগরের মাঝে অবস্থিত, সুয়েজ খাল থেকে এটি অনেক দূরে অবস্থিত। D) দুবাই — এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি বিখ্যাত শহর ও আমিরাত, যা সুয়েজ খাল থেকে হাজার মাইল দূরে আরব উপদ্বীপে অবস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: সুয়েজ খাল মানেই মিশর এবং ভূমধ্যসাগর থেকে লোহিত সাগরের সংযোগ। মনে রাখতে পারেন, সুয়েজ খাল এশিয়া ও আফ্রিকাকে পৃথক করেছে এবং মিশর এর একমাত্র মালিকানা দেশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সুয়েজ খাল কোন দুটি সাগরকে যুক্ত করেছে, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। এর উত্তর হলো ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগর।
a মহেশখালী
b হাতিয়া
c সন্দ্বীপ
d সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সেন্টমার্টিন ১. কেন সঠিক: - সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ যা বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত। - এখানে প্রবাল প্রাচীর বা কোরাল রিফ গড়ে উঠেছে যা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সামান্য উঁচু একটি সমতল দ্বীপ এবং এর স্থানীয় নাম নারিকেল জিনিয়া। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ ব্যাখ্যা: এটি অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রবাল প্রাচীর যা সেন্টমার্টিনের প্রবাল Ecosystem এর মতো জীববৈচিত্র্য ধারণ করে। উদাহরণ ২: কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের আরেকটি বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র তবে এটি প্রবাল দ্বীপ নয় বরং পলল গঠিত সৈকত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহেশখালী — এটি বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ যা কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত। B) হাতিয়া — এটি নোয়াখালী জেলার অন্তর্গত মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত একটি পলি গঠিত দ্বীপ। C) সন্দ্বীপ — এটি চট্টগ্রাম জেলার উপকূলে মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত একটি প্রাচীন দ্বীপ। D) সেন্টমার্টিন — এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রবাল মানেই সেন্টমার্টিন। মনে রাখতে পারেন প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের নারকেল বিখ্যাত যার কারণে এর অপর নাম নারিকেল জিনিয়া। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বীপের বৈশিষ্ট্য থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। মনে রাখতে হবে মহেশখালী পাহাড়ি দ্বীপ এবং সেন্টমার্টিন প্রবাল দ্বীপ।
a মহেশখালী
b ভোলা
c সন্দ্বীপ
d হাতিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হাতিয়া ১. কেন সঠিক: - গোল্ডেন আইল্যান্ড বা স্বর্ণদ্বীপ বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি জেগে ওঠা নতুন চর। - মেঘনা নদীর মোহনায় পলি জমে এই দ্বীপটি সৃষ্টি হয়েছে এবং এর কৌশলগত ভৌগোলিক গুরুত্ব অপরিসীম। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি পলি জমার মাধ্যমে গঠিত একটি উর্বর উপকূলীয় চর, যা পরবর্তীতে পুনর্বাসন ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ভাসানচর ব্যাখ্যা: এটিও হাতিয়া উপজেলার অধীন মেঘনা নদীর মোহনায় পলি জমে গঠিত একটি দ্বীপ, যা জলবায়ু উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসনের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। উদাহরণ ২: নিজামুদ্দিন চর ব্যাখ্যা: এটি হাতিয়ার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চর, যা উপকূলীয় অঞ্চলের ভৌগোলিক গঠন এবং পলি জমার প্রক্রিয়ার একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহেশখালী — এটি কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) ভোলা — এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ এবং একটি আলাদা জেলা, যা মেঘনা নদীর মুখে অবস্থিত কিন্তু গোল্ডেন আইল্যান্ড নয়। C) সন্দ্বীপ — এটি চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত একটি প্রাচীন ও ঐতিহাসিক দ্বীপ, যা হাতিয়া থেকে ভৌগোলিকভাবে ভিন্ন স্থানে অবস্থিত। D) হাতিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ গোল্ডেন আইল্যান্ড বা স্বর্ণদ্বীপটি এই উপজেলার অংশ হিসেবে পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্বর্ণ বা গোল্ডেন শব্দটির সঙ্গে হাতিয়ার উপকূলীয় নতুন চরের অবস্থান মনে রাখতে পারেন। হাতিয়ার সোনাদীয়া বা স্বর্ণদ্বীপ সম্পর্কিত প্রশ্ন এভাবেই সমাধান করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত উপযোগী। - একই ধারণা থেকে বাংলাদেশের অন্যান্য নবগঠিত চর এবং উপকূলীয় দ্বীপসমূহ সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে।

মোট প্রশ্ন (23)

a হাতের তালু
b চোখের Sclera
c চোখের Conjunctiva
d জিহ্বার তলদেশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চোখের Sclera কেন সঠিক: - জন্ডিস হলে রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যার হলুদ বর্ণ কেরাটিন টিস্যুর প্রতি বেশি সংবেদনশীল হয়। - চোখের স্ক্লেরা বা শ্বেতমণ্ডলে রক্তনালীর প্রাচীর ও ইলাস্টিক ফাইবারের কারণে বিলিরুবিন সহজে জমা হতে পারে এবং তা খালি চোখে স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাতের তালু — এটি চামড়ার পুরু স্তরের কারণে জন্ডিসের প্রাথমিক প্রকাশ বোঝাতে কম নির্ভরযোগ্য। B) চোখের Sclera — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) চোখের Conjunctiva — কনজাংটাইভা চোখের মিউকাস মেমব্রেন হলেও জন্ডিসের মূল হলুদ আভাটি মূলত শ্বেতমণ্ডল বা স্ক্লেরাতেই সবচেয়ে ভালোভাবে ফুটে ওঠে। D) জিহ্বার তলদেশ — এটি রক্তাল্পতা বা সায়ানোসিস নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হলেও জন্ডিসের ক্ষেত্রে প্রধান দৃশ্যমান স্থান হিসেবে স্ক্লেরা স্বীকৃত। মনে রাখার টিপস: জন্ডিস মানেই চোখের সাদা অংশ হলুদ হওয়া, তাই স্ক্লেরা মনে রাখুন।
a Cardiologist
b Nephrologist
c Neurologist
d Pathologist
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Nephrologist কেন সঠিক: - মানবদেহের কিডনি সংক্রান্ত রোগ ও তার চিকিৎসা নিয়ে কাজ করা চিকিৎসাবিদ্যা শাখাকে নেফ্রোলজি বলা হয়। - এই বিশেষায়িত ক্ষেত্রের চিকিৎসকদের নেফ্রোলজিস্ট বলা হয়, যারা কিডনির কার্যকারিতা ও রোগ নির্ণয় করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cardiologist — হৃদরোগ ও রক্তনালীর চিকিৎসায় পারদর্শী চিকিৎসকদের বলা হয়, যা কিডনি রোগের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) Nephrologist — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কিডনি রোগ চিকিৎসকদের নির্দেশ করে। C) Neurologist — মস্তিষ্ক, স্নায়ুতন্ত্র ও মেরুদণ্ডের রোগ নিয়ে কাজ করেন, তাই এটি কিডনির চিকিৎসকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) Pathologist — রোগ নির্ণয় ও ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে রোগের কারণ শনাক্ত করেন, নির্দিষ্ট কোনো অঙ্গের চিকিৎসক নন। মনে রাখার টিপস: কিডনি বা বৃক্কের চিকিৎসকদের ইংরেজিতে নেফ্রোলজিস্ট (Nephrologist) বলা হয়, যা নেফ্রন শব্দের সাথে মিলে যায়।
a Feeble pulse
b Hypotension
c Decrease pulse rate
d Decreased temperature
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: B) Hypotension প্রদত্ত উত্তর যাচাই: প্রশ্নটিতে "নিচের কোনটি Shock এর Feature নয়" জানতে চাওয়া হয়েছে এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তর দেওয়া হয়েছে B) Hypotension। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুযায়ী শক (Shock) বা সংঘাতকালীন অবস্থার একটি অন্যতম প্রধান ও প্রাথমিক বৈশিষ্ট্য হলো হাইপোটেনশন বা রক্তচাপ কমে যাওয়া। তাই প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। সঠিক উত্তর হবে C) Decrease pulse rate, কারণ শকের সময় নাড়ির গতি বা পাল্স রেট কমে যায় না, বরং তীব্রভাবে বৃদ্ধি পায় (Tachycardia)। কেন সঠিক: - শক (Shock) হলো শরীরের টিস্যুগুলোতে পর্যাপ্ত রক্ত ও অক্সিজেন সরবরাহের চরম ঘাটতি। - এই অবস্থায় শরীরের রক্তচাপ স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক নিচে নেমে যায় (Hypotension)। - এই অবস্থায় রোগীর শরীর ঠান্ডা হয়ে যায় এবং নাড়ি দুর্বল ও দ্রুতগামী হয় (Feeble and rapid pulse)। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Feeble pulse — এটি শকের একটি অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য, কারণ রক্তাল্পতার কারণে নাড়ি দুর্বল ও ক্ষীণ হয়ে যায়। B) Hypotension — এটিও শকের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য, কারণ রক্তচাপ বিপজ্জনকভাবে কমে যায়। C) Decrease pulse rate — এটি শকের বৈশিষ্ট্য নয়, কারণ শকের সময় হৃৎপিণ্ড ক্ষতিপূরণ করতে নাড়ির গতি দ্রুত (Tachycardia) করে। D) Decreased temperature — এটি শকের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য, কারণ রক্তপ্রবাহ কমে যাওয়ায় শরীর ঠান্ডা হয়ে যায়। মনে রাখার টিপস: শকের রোগীদের ক্ষেত্রে রক্তচাপ কমে যায় (Hypotension) এবং নাড়ির গতি বেড়ে যায়, কমে যায় না।
a ১০০–১৫০/ minute
b ১৬০–১৮০/ minute
c ১২০–১৬০/ minute
d ১২০–১৪০/ minute
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২০–১৬০/ minute কেন সঠিক: - সুস্থ গর্ভস্থ ভ্রূণের হৃৎস্পন্দনের স্বাভাবিক বা নরমাল মাত্রা প্রতি মিনিটে ১২০ থেকে ১৬০ বার হয়ে থাকে। - এই সীমার মধ্যে হৃৎস্পন্দন থাকা মানে ভ্রূণের অক্সিজেন সরবরাহ ও স্নায়ুতন্ত্র স্বাভাবিক আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০০–১৫০/ minute — এই মাত্রাটি ভ্রূণের স্বাভাবিক হৃৎস্পন্দনের সীমার চেয়ে কিছুটা কম, তাই এটি সঠিক নয়। B) ১৬০–১৮০/ minute — এই মাত্রাটি অতিরিক্ত বেশি, যা ভ্রূণের ফিটাল ট্যাকিকার্ডিয়া বা ঝুঁки নির্দেশ করে। C) ১২০–১৬০/ minute — এটিই গর্ভস্থ শিশুর হৃৎস্পন্দনের সঠিক ও প্রমিত স্বাভাবিক মান। D) ১২০–১৪০/ minute — এই সীমাটি কিছুটা অসম্পূর্ণ কারণ স্বাভাবিক মাত্রা ১৬০ পর্যন্ত বিস্তৃত। মনে রাখার টিপস: ভ্রূণের হার্টবিট প্রাপ্তবয়স্কদের দ্বিগুণ অর্থাৎ ১২০ থেকে ১৬০ এর মধ্যে থাকে।
a Pituitary
b Liver
c Thyroid
d Adrenal
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Liver কেন সঠিক: - লিভার বা যকৃৎ একটি বহিঃক্ষরা গ্রন্থি বা Exocrine gland কারণ এটি নালীর মাধ্যমে পিত্তরস নিঃসরণ করে। - এন্ডোক্রাইন বা অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলো সরাসরি রক্তে হরমোন নিঃসরণ করে, যার কোনো নালী থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pituitary — এটি একটি প্রধান অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি যা সরাসরি রক্তে হরমোন নিঃসরণ করে। B) Liver — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নালীযুক্ত বহিঃক্ষরা গ্রন্থি এবং মানবদেহের বৃহত্তম গ্রন্থি। C) Thyroid — এটি একটি সুপরিচিত অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি যা থাইরক্সিন হরমোন রক্তে নিঃসরণ করে। D) Adrenal — এটি কিডনির ওপরে অবস্থিত একটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি যা হরমোন উৎপন্ন করে। মনে রাখার টিপস: যকৃৎ বা লিভার নালীর মাধ্যমে রস পাঠায় বলে এটি বহিঃক্ষরা, আর পিটুইটারি ও থাইরয়েড নালী ছাড়া হরমোন ছড়ায় বলে এরা অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি।
a Tranexemic acid
b Aspirin
c Heparin
d Diclofenac
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Tranexemic acid কেন সঠিক: - এটি একটি অ্যান্টিফাইব্রিনোলাইটিক ওষুধ যা রক্ত জমাট বাঁধতে এবং অতিরিক্ত রক্তপাত বন্ধ করতে সাহায্য করে। - এটি ফাইব্রিনোলাইসিস প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করে রক্তকে তরল হওয়া থেকে রক্ষা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tranexemic acid — এটি রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্যকারী সঠিক ওষুধ। B) Aspirin — এটি একটি অ্যান্টিপ্লেটলেট ওষুধ যা রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয় এবং পাতলা করে। C) Heparin — এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট বা রক্ত পাতলাকারী ওষুধ যা রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। D) Diclofenac — এটি একটি নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ বা ব্যথানাশক ওষুধ। মনে রাখার টিপস: রক্তপাত কমাতে সাহায্য করে 'Tranexemic acid' এবং রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয় 'Heparin'।
a ২.৯–৫ mmol/L
b ৩.৫–৫ mmol/L
c ৭–৮ mmol/L
d ৩.৯–৮ mmol/L
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩.৫–৫ mmol/L কেন সঠিক: - মানবদেহের রক্তে পটাশিয়াম একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান যা স্নায়ু এবং পেশির কার্যকারিতা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। - সুস্থ মানুষের রক্তে পটাশিয়ামের স্বাভাবিক মাত্রা প্রতি লিটারে সাধারণত ৩.৫ থেকে ৫ মিলিওল (mmol/L) এর মধ্যে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২.৯–৫ mmol/L — এই মাত্রার নিচের সীমা স্বাভাবিকের চেয়ে কম, যা হাইপোক্যালেমিয়া নির্দেশ করে। B) ৩.৫–৫ mmol/L — এটি রক্তে পটাশিয়ামের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্বাভাবিক মান, যা সঠিক উত্তর। C) ৭–৮ mmol/L — এই মাত্রা অত্যন্ত বেশি এবং এটি মারাত্মক হাইপারক্যালেমিয়া নির্দেশ করে যা হৃৎপিণ্ডের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। D) ৩.৯–৮ mmol/L — এই সীমার উচ্চ সীমাটি অতিরিক্ত বেশি, যা রক্তে পটাশিয়ামের স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে অনেক উপরে। মনে রাখার টিপস: রক্তে পটাশিয়ামের নিরাপদ মাত্রা মনে রাখতে ৩.৫ থেকে ৫ সংখ্যা দুটি মনে রাখুন, যা হাতের পাঁচ আঙুলের সীমার মতো সহজে মেলানো যায়।
a ১৮–৩০ kg/m²
b ১৯–২৫ kg/m²
c ২০–২৭ kg/sqm
d ১৮.৫–২৪.৯ kg/sqm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮.৫–২৪.৯ kg/sqm কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী ১৮.৫ থেকে ২৪.৯ পর্যন্ত বিএমআই মান একজন সুস্থ মানুষের আদর্শ শারীরিক ওজন নির্দেশ করে। - এই সীমার মধ্যে ওজন থাকলে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি সবচেয়ে কম থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮–৩০ kg/m² — এই পরিধিটি অতিরিক্ত বিস্তৃত এবং এতে কম ওজন ও স্থূলতার পর্যায় দুটিই ভুলভাবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। B) ১৯–২৫ kg/sqm — এই মানটি কাছাকাছি হলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সঠিক পরিসর এটি নয়। C) ২০–২৭ kg/sqm — এই পরিসরটি আদর্শ মানের তুলনায় সামান্য বেশি এবং এটি কিছু ক্ষেত্রে ওভারওয়েট বা অতিরিক্ত ওজনের কাছাকাছি চলে যায়। D) ১৮.৫–২৪.৯ kg/sqm — এটি সঠিক অপশন কারণ এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর বিএমআই সূচক। মনে রাখার টিপস: স্বাভাবিক বিএমআই মনে রাখতে সাড়ে আঠারো থেকে পঁচিশ এই সংখ্যা দুটি মনে রাখুন, যা সুস্থ দেহের চাবিকাঠি।
a Boiling
b Fumigation
c Cidex solution
d Autoclave
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Autoclave কেন সঠিক: - অটোমেটিক প্রেসার কুকারের মতো কাজ করে উচ্চ তাপে বাষ্প তৈরি করে যা ব্যাকটেরিয়ার স্পোর ধ্বংস করে। - এতে সাধারণত ১২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ১৫ পিএসআই চাপে জীবাণুমুক্ত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Boiling — সাধারণ ফুটন্ত পানি ব্যাকটেরিয়া মারতে পারলেও অত্যন্ত প্রতিরোধী স্পোর ধ্বংস করতে পারে না। B) Fumigation — গ্যাস বা ধোঁয়ার মাধ্যমে বায়ুর জীবাণু ধ্বংস করা হয়, যা সব ধরণের স্পোর ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট নয়। C) Cidex solution — এটি একটি রাসায়নিক জীবাণুনাশক, যা সব ধরনের ব্যাকটেরিয়াল স্পোর সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করতে সময় নেয় এবং এর কার্যকারিতা সীমিত। D) Autoclave — এটি সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ও চাপের মাধ্যমে সব ধরনের জীবাণু এবং স্পোর শতভাগ সফলভাবে ধ্বংস করতে পারে। মনে রাখার টিপস: স্পোর ধ্বংসের পাকা বন্দোবস্ত হলো অটোঅক্লেভ, কারণ এটি উচ্চ তাপ ও চাপের নিখুঁত মিশ্রণ।
a IUCD
b Implant
c Minipill
d OCP
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) IUCD কেন সঠিক: - প্রসবের ছয় মাসের মধ্যে জরায়ু অত্যন্ত নরম থাকে এবং জরায়ুর আকার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার প্রক্রিয়াধীন থাকে। - এই সময়ে IUCD বা কপার টি পরানো হলে জরায়ুর প্রাচীর ফুটো হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) IUCD — প্রসবের ছয় মাসের মধ্যে জরায়ু নরম থাকায় এটি জরায়ু perforation বা আঘাতের ঝুঁকি বাড়ায়। B) Implant — এটি প্রসবের পর বা যেকোনো সময় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিরাপদে ব্যবহার করা যায়। C) Minipill — এটি শুধু প্রজেস্টেরন হরমোনযুক্ত পিল, যা প্রসবের পরপরই বা স্তন্যদানকারী মায়েদের জন্য নিরাপদ। D) OCP — এটি কম্বিনেশন পিল হলেও প্রসবের নির্দিষ্ট সময়ের পর থেকে ব্যবহার করা যায়। মনে রাখার টিপস: ডেলিভারির পর জরায়ু নরম থাকায় IUCD ব্যবহার ঝুঁকিপূর্ণ।
a ৬ মাস
b ১২ মাস
c ৮ মাস
d ১৮ মাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬ মাস কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী শিশুর জন্মের পর থেকে প্রথম ছয় মাস পর্যন্ত শুধু মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোই হলো এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং। - এই সময়ে বুকের দুধ ছাড়া অন্য কোনো খাবার বা পানিও শিশুকে দেওয়া উচিত নয় কারণ শিশুর পুষ্টি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য এটি যথেষ্ট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ মাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও পুষ্টিবিদদের মতে মানব শিশুর প্রথম ছয় মাস বয়স পর্যন্ত মায়ের দুধই একমাত্র আদর্শ খাদ্য। B) ১২ মাস — এই অপশনটি ভুল কারণ ছয় মাস বয়সের পর থেকে মায়ের দুধের পাশাপাশি শিশুর পুষ্টির চাহিদা পূরণে অন্যান্য পরিপূরক বা অতিরিক্ত খাবারের প্রয়োজন হয়। C) ৮ মাস — এই অপশনটি ভুল কারণ ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার পরপরই শিশুকে পরিপূরক খাবার শুরু করতে হয়, আট মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করার বিধান নেই। D) ১৮ মাস — এই অপশনটি ভুল কারণ অতিরিক্ত খাবার ছাড়া কেবল বুকের দুধ খাওয়ানোর সর্বোচ্চ সময়সীমা হলো প্রথম ছয় মাস। মনে রাখার টিপস: শিশুর জীবনের প্রথম অর্ধ বছর বা ছয় মাস শুধু মায়ের দুধ, এই নিয়মটি মনে রাখলেই সঠিক উত্তর সহজে বের করা যায়।
a HbsAg
b Anti-HbsAg
c Anti-HCV
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) HbsAg কেন সঠিক: - HbsAg শব্দের অর্থ হেপাটাইটিস বি সারফেস অ্যান্টিজেন, যা রক্তে ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করে। - হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত করার জন্য প্রাথমিক এবং সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা এটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) HbsAg — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের উপস্থিতির প্রাথমিক নির্দেশক। B) Anti-HbsAg — এটি হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের বিরুদ্ধে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা টিকার কার্যকারিতা নির্দেশ করে, সংক্রমণ নয়। C) Anti-HCV — এটি হেপাটাইটিস সি ভাইরাসের অ্যান্টিবডি শনাক্তকরণের পরীক্ষা, যা হেপাটাইটিস বি এর সাথে সম্পর্কিত নয়। D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: রক্তে ভাইরাস আছে কি না তা জানতে HbsAg পরীক্ষা করা হয়।
a participle
b gerund
c verb
d adjective
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) gerund কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'Nursing' শব্দটি একটি verb (nurse)-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে বাক্যের শুরুতে বসে subject-এর কাজ করেছে এবং noun-এর কার্য সম্পাদন করেছে। - verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যখন noun ও verb উভয়ের কাজ করে, তখন তাকে gerund বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) participle — এটি verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে একই সাথে verb এবং adjective-এর কাজ করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) gerund — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি noun-এর মতো কাজ করেছে। C) verb — এটি মূল verb নয়, বরং verb থেকে উৎপন্ন হয়ে noun-এর ভূমিকা পালন করছে। D) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-কে বিশেষিত করছে না, তাই এটি adjective নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে ing যুক্ত verb যদি noun-এর কাজ করে এবং 'কী' বা 'কোনটি' প্রশ্নের উত্তর দেয়, তবে তা সবসময় gerund হয়।
a Urine output
b Temperature
c Blood pressure
d Pulse
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Blood pressure কেন সঠিক: - ম্যাগনেসিয়াম সালফেট (Magsulph) একটি শক্তিশালী ওষুধ যা প্রসবপূর্ব বা প্রসবকালীন খিঁচুনি বা একলাম্পসিয়া প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়। - এই ওষুধ রক্তচাপ দ্রুত কমিয়ে দিতে পারে, তাই থেরাপি শুরু করার আগে এবং চলাকালীন রোগীর রক্তচাপ পরীক্ষা করা সবচেয়ে জরুরি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Urine output — এটি ওষুধ দেওয়ার পরের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও, প্রথম বা মূল নির্দেশক হিসেবে রক্তচাপ আগে দেখা হয়। B) Temperature — এটি রোগীর সাধারণ শারীরিক অবস্থার অংশ হলেও ম্যাগনেসিয়াম সালফেট প্রয়োগের ক্ষেত্রে সরাসরি প্রাথমিক বা প্রধান নির্দেশক নয়। C) Blood pressure — এটি সঠিক উত্তর এবং ওষুধ প্রয়োগের আগে রক্তচাপ স্বাভাবিক সীমার মধ্যে আছে কিনা তা নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক। D) Pulse — এটি রোগীর হৃৎস্পন্দন বোঝায়, যা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয় তবে রক্তচাপের মতো এটি সরাসরি প্রধান সতর্কতার মাপকাঠি নয়। মনে রাখার টিপস: ম্যাগনেসিয়াম সালফেট দেওয়ার আগে রোগীর রক্তচাপ বা প্রেসার সবার আগে মাপতে হয়।
a Inj-MagSO₄
b Inj-Ceftrioxene
c Inj-Diazepam
d Inj-Phenytoin
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Inj-MagSO₄ কেন সঠিক: - গর্ভবতী মায়ের খিঁচুনি বা একলাম্পসিয়া চিকিৎসায় ম্যাগনেসিয়াম সালফেট প্রথম পছন্দের জীবনরক্ষাকারী ওষুধ। - এটি মস্তিষ্কের খিঁচুনির প্রবণতা কমায় এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Inj-MagSO₄ — এটি গর্ভবতী মায়ের খিঁচুনি বা একলাম্পসিয়ার চিকিৎসায় প্রথম পছন্দের নিরাপদ ও বিশ্বমানের ওষুধ। B) Inj-Ceftrioxene — এটি একটি অ্যান্টিবায়োটিক যা বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া জনিত infections বা সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। C) Inj-Diazepam — এটি সাধারণ খিঁচুনির ওষুধ হলেও গর্ভবতী মায়ের খিঁচুনিতে এটি ম্যাগনেসিয়াম সালফেটের মতো কার্যকর নয়। D) Inj-Phenytoin — এটি মৃগী রোগ বা সাধারণ খিঁচুনির চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় কিন্তু একলাম্পসিয়ার জন্য এটি প্রথম পছন্দ নয়। মনে রাখার টিপস: গর্ভবতী মায়ের খিঁচুনি মানেই ম্যাজিক ওষুধ ম্যাগনেসিয়াম সালফেট বা মাগসোফাট মনে রাখবেন।
a High pressure with oedema
b High BP with protenuria
c High BP with convulsion
d উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) High BP with protenuria কেন সঠিক: - গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ এবং প্রস্রাবের সাথে আমিষ বা প্রোটিন যাওয়া প্রিক্ল্যাম্পসিয়ার মূল ক্লিনিক্যাল লক্ষণ। - গর্ভবতী মায়ের উচ্চ রক্তচাপের সাথে প্রোটিনুরিয়া ধরা পড়লেই সাধারণত একে প্রিক্ল্যাম্পসিয়া হিসেবে নিশ্চিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) High pressure with oedema — শুধু উচ্চ রক্তচাপ এবং হাত-পা ফুলে যাওয়া প্রিক্ল্যাম্পসিয়ার নিশ্চিত লক্ষণ নয়, এটি সাধারণ গর্ভাবস্থায়ও হতে পারে। B) High BP with protenuria — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রিক্ল্যাম্পসিয়ার প্রধান ও সংজ্ঞায়িত বৈশিষ্ট্য। C) High BP with convulsion — উচ্চ রক্তচাপের সাথে খিঁচুনি হলে তাকে এক্লাম্পসিয়া বলা হয়, প্রিক্ল্যাম্পসিয়া নয়। D) উপরের কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: প্রিক্ল্যাম্পসিয়া মনে রাখতে বিপি অর্থাৎ ব্লাড প্রেশার এবং পি অর্থাৎ প্রোটিনুরিয়া এই দুটি শর্ত মনে রাখবেন।
a 6
b 8
c 8
d 5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 8 কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) ২০১৬ সালের নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী গর্ভকালীন সময়ে ন্যূনতম আটবার চিকিৎসকের পরামর্শ বা এন্টিনেটাল চেকআপ (ANC) নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। - এর ফলে গর্ভবতী মা ও অনাগত সন্তানের স্বাস্থ্যঝুঁকি অনেক কমে যায় এবং সম্ভাব্য জটিলতা দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 6 — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত প্রসব পূর্ববর্তী চেকআপের বর্তমান সঠিক সংখ্যা নয়। B) 8 — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী সঠিক উত্তর এবং এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য। C) 8 — এটি সঠিক উত্তরটির পুনরাবৃত্তি এবং বর্তমান নির্দেশিকা অনুযায়ী সঠিক সংখ্যা। D) 5 — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পূর্বনির্ধারিত পুরনো নিয়ম (৪ বার) বা বর্তমান ৮ বারের কোনোটির সাথেই মিলে না। মনে রাখার টিপস: গর্ভবতী মায়ের পূর্ণ সুরক্ষার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখন মোট আটবার চেকআপের কথা বলে, তাই সংখ্যাটি আট মনে রাখবে।
a Platelet
b Neutrophil
c Lymphocyte
d Basophil
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Platelet কেন সঠিক: - ডেঙ্গু ভাইরাসের আক্রমণে রক্তে অণুচক্রিকা বা প্লাটিলেটের পরিমাণ মারাত্মকভাবে হ্রাস পায়। - সুস্থ মানুষের রক্তে প্লাটিলেটের স্বাভাবিক মাত্রা প্রতি ঘন মিলিমিটারে দেড় লাখ থেকে সাড়ে চার লাখ হলেও ডেঙ্গু রোগীর ক্ষেত্রে তা দ্রুত কমতে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Platelet — এটি রক্তের সেই উপাদান যা ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে সবচেয়ে দ্রুত এবং পরিমাণে বেশি পরিবর্তিত বা হ্রাস পায়। B) Neutrophil — এটি এক ধরনের শ্বেত রক্তকণিকা যা ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ প্রতিরোধ করে, তবে ডেঙ্গুতে এটি প্রাথমিক ও প্রধান পরিবর্তন নয়। C) Lymphocyte — এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সাথে জড়িত শ্বেত রক্তকণিকা, যা কিছু ভাইরাসে বাড়লেও ডেঙ্গুতে প্রধান পরিবর্তন প্লাটিলেটের হয়। D) Basophil — এটি অ্যালার্জি প্রতিরোধকারী রক্তকণিকা, ডেঙ্গু জ্বরের সাথে এর সরাসরি ও প্রধান পরিবর্তনের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ডেঙ্গু মানেই রক্তের প্লাটিলেট বা অণুচক্রিকার পতন।
a ডায়াবেটিস
b হার্ট ডিজিজ
c Covid-19
d উচ্চ রক্তচাপ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Covid-19 কেন সঠিক: - কোভিড-১৯ একটি সংক্রামক রোগ যা সার্স-কোভ-টু ভাইরাসের মাধ্যমে মানুষ থেকে মানুষের শরীরে ছড়ায়। - অসংক্রামক রোগ বা নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে সংক্রমিত হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডায়াবেটিস — এটি একটি অসংক্রামক বিপাকীয় রোগ যা ছোঁয়াচে নয়। B) হার্ট ডিজিজ — হৃদরোগ হলো জীবনযাত্রার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি অসংক্রামক রোগ। C) Covid-19 — এটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ হওয়ায় এটি নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ নয়। D) উচ্চ রক্তচাপ — এটি শরীরবৃত্তীয় ও পরিবেশগত কারণে হওয়া একটি অসংক্রামক রোগ। মনে রাখার টিপস: যেসব রোগ ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে ছড়ায় না যেমন ডায়াবেটিস ও হৃদরোগ, সেগুলো নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ; আর কোভিড-১৯ হলো সংক্রামক রোগ।
a MT test
b Xence-xpert test
c X-ray chest
d CRP
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: D) CRP কেন সঠিক: - সিআরপি বা সি-রিঅ্যাক্টিভ প্রোটিন হলো রক্তে প্রদাহ বা ইনফ্লেমেশনের উপস্থিতি নির্ণয়ের একটি সাধারণ পরীক্ষা যা যক্ষ্মা বা টিবি রোগের নির্দিষ্ট বা নিশ্চিত রোগ নির্ণায়ক নয়। - যক্ষ্মা রোগ নির্ণয়ের জন্য সাধারণত কফ পরীক্ষা, এক্সরে বা নির্দিষ্ট জীবাণু শনাক্তকরণ পরীক্ষা করা হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) MT test — এটি টিউবারকুলিন স্কিন টেস্ট যা শরীরে যক্ষ্মার জীবাণুর উপস্থিতি বা সংবেদনশীলতা পরীক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়। B) Xence-xpert test — এটি একটি আধুনিক আণবিক পরীক্ষা যা খুব দ্রুত যক্ষ্মার জীবাণু এবং রিফামপিসিন ওষুধের কার্যকারিতা নির্ভুলভাবে শনাক্ত করতে পারে। C) X-ray chest — এটি বুকের এক্সরে পরীক্ষা যার মাধ্যমে ফুসফুসে যক্ষ্মার কারণে হওয়া ক্ষয়ক্ষতি বা পরিবর্তন স্পষ্টভাবে দেখা যায়। D) CRP — এটি একটি সাধারণ প্রদাহের মার্কার যা যক্ষ্মা ছাড়াও শরীরের যেকোনো ইনফেকশন বা প্রদাহের সময় বৃদ্ধি পায়। মনে রাখার টিপস: টিবি রোগ নির্ণয়ে ত্বকের পরীক্ষা, কফের জিন এক্সপার্ট এবং বুকের এক্সরে করা হলেও সিআরপি হলো কেবল শরীরের সাধারণ ইনফ্লামেশনের রক্ত পরীক্ষা।
a Neutrophil
b Basophil
c Lymphocyte
d Eusinophil
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Lymphocyte কেন সঠিক: - যক্ষ্মা বা টিউবারকুলোসিস একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ, যার জীবাণু হলো মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস। - এই জীবাণু শরীরে প্রবেশ করলে মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার অংশ হিসেবে লিম্ফোসাইট রক্তকণিকার সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Neutrophil — এটি প্রধানত ব্যাকটেরিয়াজনিত তীব্র প্রদাহ ও সাধারণ সংক্রমণের সময় বৃদ্ধি পায়, যক্ষ্মার সুনির্দিষ্ট মার্কার নয়। B) Basophil — এটি সাধারণত বিভিন্ন ধরনের অ্যালার্জি ও সংবেদনশীলতার প্রতিক্রিয়ায় রক্তে বৃদ্ধি পায়। C) Lymphocyte — এটি সঠিক উত্তর, কারণ যক্ষ্মার মতো দীর্ঘমেয়াদী সংক্রমণে এটি বৃদ্ধি পায়। D) Eusinophil — এটি প্রধানত পরজীবী সংক্রমণ এবং হাঁপানি বা বিভিন্ন ধরনের অ্যালার্জির ক্ষেত্রে বৃদ্ধি পায়। মনে রাখার টিপস: যক্ষ্মা বা টিবি দীর্ঘমেয়াদী রোগ, আর দীর্ঘমেয়াদী বা ক্রনিক সংক্রমণে লিম্ফোসাইট রক্তকণিকা প্রধানত সক্রিয় হয়।
a ব্যাকটেরিয়া
b রোটা ভাইরাস
c Protozoa
d ফাঙ্গাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রোটা ভাইরাস কেন সঠিক: - শিশুদের ডায়রিয়ার প্রধান এবং সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো রোটা ভাইরাস সংক্রমণ। - এটি মূলত শিশুদের ক্ষেত্রে তীব্র পানির মতো পায়খানা ও বমির জন্য দায়ী প্রধান জীবাণু। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাকটেরিয়া — ব্যাকটেরিয়াজনিত ডায়রিয়া হয়, তবে এটি রোটা ভাইরাসের মতো শিশুদের প্রধান ও সর্বজনীন কারণ নয়। B) রোটা ভাইরাস — এটিই শিশুদের ডায়রিয়ার প্রধান এবং সঠিক কারণ। C) Protozoa — প্রোটোজোয়া বা অ্যামিবা দ্বারাও ডায়রিয়া হতে পারে, তবে এটি এর মূল ও প্রধান কারণ নয়। D) ফাঙ্গাস — ফাঙ্গাস বা ছত্রাক সাধারণত সাধারণ ডায়রিয়ার প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচিত হয় না। মনে রাখার টিপস: শিশুদের মারাত্মক ডায়রিয়ার কথা মনে এলেই প্রথমে রোটা ভাইরাসের কথা মাথায় রাখবে।
a ব্যাকটেরিয়া
b ভাইরাস
c ছত্রাক
d পরজীবী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভাইরাস কেন সঠিক: - এইডস রোগ সৃষ্টি করে এইচআইভি নামের একটি বিশেষ ভাইরাস, যা মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করে। - এই ভাইরাস মানুষের শ্বেত রক্তকণিকার টি সেল বা সিডি ফোর কোষ আক্রমণ করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাকটেরিয়া — ব্যাকটেরিয়া এক কোষী অণুজীব হলেও এটি এইডস রোগের জীবাণু নয়, যদিও ব্যাকটেরিয়াজনিত বিভিন্ন রোগ যেমন যক্ষ্মা এইডস রোগীদের আক্রমণ করতে পারে। B) ভাইরাস — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এইচআইভি একটি ভাইরাস যা কোষে প্রবেশ করে সংখ্যাবৃদ্ধি করে এবং এইডস রোগ ঘটায়। C) ছত্রাক — ছত্রাক দাদ বা ক্যানডিডিয়াসিস এর মতো কিছু রোগ সৃষ্টি করে, তবে এটি এইডস রোগের মূল জীবাণু নয়। D) পরজীবী — পরজীবী হলো এমন জীব যা অন্য জীবের দেহে বাস করে পুষ্টি নেয়, যেমন ম্যালেরিয়ার জীবাণু, কিন্তু এইডস পরজীবীবাহিত রোগ নয়। মনে রাখার টিপস: এইডস হলো ভাইরাসজনিত রোগ, ঠিক যেমন সর্দি ও ফ্লু ভাইরাস দ্বারা ছড়ায়।