সঠিক উত্তর: B) হিসাব-নিকাশ
১. কেন সঠিক:
- গাছ পাথর বাগধারাটির প্রমিত অর্থ হলো হিসাব-নিকাশ করা বা কড়া হিসাব রাখা।
- এটি মূলত পুরোনো বা জটিল কোনো হিসাব নিখুঁতভাবে মেলানোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো বাগধারা, যা শব্দ বা পদের বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
- এই বাগধারাটি আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব বা প্রথাগত অর্থ প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুরোনো খাতাগুলো বের করে সব বাকির গাছ পাথর মিলিয়ে নাও।
ব্যাখ্যা: এখানে পুরোনো সব হিসাব নিখুঁতভাবে মেলানোর অর্থে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: ব্যবসার হিসাবের গাছ পাথর না রাখলে লস হওয়া স্বাভাবিক।
ব্যাখ্যা: এখানে ব্যবসার সঠিক হিসাব-নিকাশ করার অর্থ বোঝাতে বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভূমিকা করা — ভূমিকা করা বলতে কোনো কাজের সূচনা বা প্রাথমিক কথা বোঝায়, যা গাছ পাথর বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) হিসাব-নিকাশ — এটি সঠিক উত্তর এবং এর মাধ্যমে হিসাব মেলানোর অর্থ প্রকাশ পায়।
C) সরল বাক্য — সরল বাক্য হলো ব্যাকরণের একটি পরিভাষা, যা পদের গঠন বোঝায় এবং বাগধারার অর্থের সঙ্গে সম্পর্কহীন।
D) বাড়াবাড়ি করা — বাড়াবাড়ি করা বলতে অতিরিক্ত বা মাত্রাতিরিক্ত কিছু বোঝায়, যা এই বাগধারার অর্থের বিপরীত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গাছের বয়স বা পাথরের ওজন যেমন নিখুঁতভাবে মাপা যায়, তেমনি জটিল হিসাব মেলানোকে গাছ পাথর হিসাব বলা হয়।
- এই কৌশল মনে রাখলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে প্রমিত অর্থ বেছে নিতে হয়।
- এই ধরনের প্রশ্নগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় পূর্ণ নম্বর পাওয়া সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) একাত্তরের দিনগুলি
১. কেন সঠিক:
- শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লেখা 'একাত্তরের দিনগুলি' একটি প্রামাণ্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতিকথা বা ডায়েরি গ্রন্থ।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোতে লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, বেদনা এবং তার বীর সন্তান রুমির মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের সত্য ঘটনা এই গ্রন্থে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'একাত্তরের দিনগুলি' গ্রন্থের রচয়িতা হলেন কথাসাহিত্যিক ও শহীদ জননী জাহানারা ইমাম।
- এটি মূলত ১৯৭১ সালের ১ মার্চ থেকে ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত লেখকের রাখা দিনপঞ্জি বা ডায়েরির ওপর ভিত্তি করে রচিত আত্মজীবনীমূলক মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রশীদ হায়দারের 'খাঁচায়'
ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি অন্যতম বিখ্যাত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: শওকত ওলের 'জাহান্নাম হইতে বিদায়'
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটিও বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত অত্যন্ত প্রভাবশালী একটি সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এইসব দিন রাত্রি — এটি হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস ও নাটক, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয় বরং পারিবারিক ও সামাজিক জীবনের ওপর রচিত।
B) নূরলদীনের সারা জীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি ঐতিহাসিক কাব্যনাট্য, যা ব্রিটিশ বিরোধী কৃষক বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত।
D) সৎ মানুষের খোঁজে — এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনার অন্তর্ভুক্ত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মুক্তিযুদ্ধের দিনলিপি বা ডায়েরি মানেই জাহানারা ইমামের 'একাত্তরের দিনগুলি' মনে রাখতে হবে।
- স্মৃতিকথাধর্মী মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা হিসেবে এটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শহীদ জননী জাহানারা ইমামের 'একাত্তরের দিনগুলি' গ্রন্থটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, নাটক এবং স্মৃতিকথাগুলোর লেখকদের নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) আকাঙ্ক্ষা
১. কেন সঠিক:
সঠিক বানানটি হলো আকাঙ্ক্ষা, যেখানে ক এর সাথে ষ যুক্ত হয়েছে এবং ক-এর নিচে কোনো হসন্ত বা উঁ বর্ণ নেই। বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে সঠিক বর্ণবিন্যাস অনুসরণ করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় যুক্তবর্ণের সঠিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের বানান মূল সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে। এই শব্দটিতে ক এবং ষ এর যুক্তরূপ ব্যবহৃত হয়েছে যা প্রায়শই ভুল লেখা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শুশ্রূষা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও তালব্য শ এর সাথে উ-কার এবং মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়েছে যা প্রমিত বানানরীতি নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: মণীষা
ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে মূর্ধন্য ষ এর সঠিক ব্যবহার রয়েছে এবং বানানরীতি নিখুঁতভাবে পালিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আকাংখা - এই বানানটিতে অনুস্বার ও খ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
B) আকাঙ্ক্ষা - এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী গঠিত।
C) আকাক্ষা - এই বানানটিতে মাঝের ক বর্ণটি এবং যুক্তবর্ণটি অনুপস্থিত রয়েছে।
D) আকাংখা - এটি বানান ভুলের কারণে গ্রহণযোগ্য নয় কারণ এখানে অনুস্বার ব্যবহার করা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
আকাঙ্ক্ষা শব্দটি লেখার সময় মনে রাখবে এর মধ্যে দুটি ক এবং শেষে ক্ষ যুক্ত বর্ণ আছে। অনুস্বার ব্যবহার না করে ক-এর সাথে ষ যুক্ত করে এই বানানটি লিখতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে কারণ পরীক্ষার্থীরা প্রায়শই অনুস্বার যুক্ত ভুল বানানটি নির্বাচন করে। প্রমিত বানান শেখার মাধ্যমে এমন ভুল এড়ানো সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) সরল বাক্য
১. কেন সঠিক:
যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা বা উদ্দেশ্য এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া বা বিধেয় থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। প্রদত্ত বাক্যে 'মা' হলো উদ্দেশ্য এবং 'বেঁধে দেয়নি' হলো একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
গঠনভেদে বাক্য প্রধানত তিন প্রকার যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য ও যৌগিক বাক্য। সরল বাক্যে কোনো অবস্থাতেই একাধিক স্বাধীন বা অধীন খণ্ডবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে যুক্ত থাকে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য উদিত হলে অন্ধকার দূর হয়।
ব্যাখ্যা: এটি একটি সরল বাক্য কারণ এখানে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে।
উদাহরণ ২: রোগমুক্তির জন্য তাকে নিয়মিত ওষুধ খেতে হবে।
ব্যাখ্যা: এখানে উদ্দেশ্য ও সমাপিকা ক্রিয়ার সংখ্যা একটিমাত্র হওয়ায় এটি সরল বাক্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জটিল বাক্য — জটিল বাক্যে একটি প্রধান বাক্যের সাথে এক বা একাধিক নির্ভরশীল বা অধীন বাক্য যুক্ত থাকে, যা এখানে নেই।
B) যৌগিক বাক্য — যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য এবং, কিন্তু, কিংবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত।
D) মিশ্র বাক্য — এটি জটিল বাক্যের অপর নাম, এবং প্রদত্ত বাক্যটি সরল বাক্য হওয়ায় এটি সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া খুঁজে পেলে চোখ বন্ধ করে তাকে সরল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। সরল বাক্যে কোনো যোজক বা সাপেক্ষ সর্বনাম থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে সমাপিকা ক্রিয়ার সংখ্যা গণনা করাই সবচেয়ে সহজ কৌশল। খণ্ডবাক্যের উপস্থিতি ও যোজকের ব্যবহার লক্ষ করে সঠিক উত্তর নির্ধারণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) অনাবৃষ্টি
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি অনাবৃষ্টি কারণ এটি বাংলা উপসর্গ অনা যোগে গঠিত হয়েছে।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয় যেমন তৎসম, খাঁটি বাংলা এবং বিদেশী।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট একবিংশটি বা একুশটি যার মধ্যে অনা একটি অন্যতম পরিচিত উপসর্গ।
- এই উপসর্গগুলো সাধারণত বাংলা শব্দ বা তৎসম শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনাহার
ব্যাখ্যা: অনা উপসর্গটি হার শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে অনাহার শব্দটি গঠন করেছে যার অর্থ অভোজন।
উদাহরণ ২: আনাড়ি
ব্যাখ্যা: অনা উপসর্গটি আরি শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে আনাড়ি শব্দ তৈরি করেছে যার অর্থ দক্ষ নয় এমন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরাকাষ্ঠা — এটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ পরা যোগে গঠিত একটি শব্দ।
B) অভিব্যক্তি — এটি সংস্কৃত উপসর্গ অভি যোগে গঠিত হয়েছে যা বাংলা উপসর্গ নয়।
C) পরিশ্রান্ত — এটি তৎসম উপসর্গ পরি যোগে গঠিত হয়েছে।
D) অনাবৃষ্টি — এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ অনা যোগে গঠিত সঠিক শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বাংলা উপসর্গ একুশটি মনে রাখার জন্য অনা, পাতি, সার্থক ইত্যাদি শব্দগুলো আলাদা করে চর্চা করতে হবে।
- সংস্কৃত উপসর্গগুলোর সাথে বাংলা উপসর্গগুলো মিলিয়ে ফেলা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই খাঁটি বাংলা এবং সংস্কৃত উপসর্গের মধ্যে পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে।
- অনা, আ, সু, বি এই উপসর্গগুলো কোন ভাষার তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) রামাই পণ্ডিত
১. কেন সঠিক:
- ‘শূন্যপুরাণ’ বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের নাথ সাহিত্য ধারার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রামাণিক গ্রন্থ।
- এই গ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে রামাই পণ্ডিতের নাম ব্যাপকভাবে স্বীকৃত এবং প্রাচীন বাংলা ভাষার ইতিহাসে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রামাই পণ্ডিত আনুমানিক চতুর্দশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট কবি ও ধর্মগুরু হিসেবে পরিচিত।
- ‘শূন্যপুরাণ’ মূলত বৌদ্ধ ধর্মের প্রাকৃত বা সহজিয়া মতবাদ এবং ধর্মপূজা পদ্ধতির ওপর রচিত একটি ধর্মীয় গ্রন্থ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রামাই পণ্ডিত রচিত ‘শূন্যপুরাণ’ গ্রন্থে সৃষ্টিতত্ত্ব ও সমাজচিত্রের অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে।
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের সমাজ ও ধর্মের ইতিহাস জানতে এই গ্রন্থটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে কাজ করে।
উদাহরণ ২: নাথ সাহিত্যের অপর বিখ্যাত কবি হলেন মীননাথ ও গোরক্ষনাথ।
ব্যাখ্যা: নাথ ধর্মের প্রচার ও প্রসারে এই কবিদের রচিত পদ ও সাহিত্যকর্ম বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রামাই পণ্ডিত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ‘শূন্যপুরাণ’ গ্রন্থের ঐতিহাসিক রচয়িতা।
B) শ্রীকর নন্দী — এই লেখক মহাভারতের একটি অংশ বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন, শূন্যপুরাণ রচনা করেননি।
C) বিজয় গুপ্ত — তিনি বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ‘পদ্মপুরাণ’ বা ‘মনসামঙ্গল’ কাব্যের রচয়িতা।
D) লোচন দাস — তিনি বৈষ্ণব পদাবলি সাহিত্যের একজন বিখ্যাত কবি এবং শ্রীচৈতন্যের জীবনীমূলক ‘চৈতন্যমঙ্গল’ কাব্যের রচয়িতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শূন্য মনে রামের নাম জপো, এভাবে মনে রাখতে পারো শূন্য মানে শূন্যপুরাণ এবং রাম মানে রামাই পণ্ডিত।
- নাথ ধর্মের শূন্যবাদ প্রচার করেছিলেন রামাই পণ্ডিত, যা এভাবেও স্মরণে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মধ্যযুগের গ্রন্থ ও রচয়িতাদের নাম জানতে চাওয়া হয়।
- শূন্যপুরাণ কোন ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত, এই প্রশ্নটি বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় বহুবার এসেছে।
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
প্রখ্যাত লেখক প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে 'বীরবল' ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন।
বাংলা গদ্যে চলতি ভাষার প্রবক্তা এবং প্রথম সার্থক প্রাবন্ধিক হিসেবে তিনি এই ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের এক বিশিষ্ট বাঙালি সাহিত্যিক।
তার সম্পাদিত 'সবুজপত্র' পত্রিকার মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তন করেন এবং বীরবল ছদ্মনামে প্রবন্ধ লিখতেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বীরবলের হালখাতা
ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ যা 'বীরবল' ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়েছিল।
উদাহরণ ২: রায়তের কথা
ব্যাখ্যা: এটিও প্রমথ চৌধুরীর একটি প্রখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ যেখানে সমাজের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রথম নাথ বিশী — এই নামের কোনো বিখ্যাত ছদ্মনামের সাহিত্যিক বাংলা সাহিত্যে নেই।
B) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর, তিনি 'বীরবল' ছদ্মনামে লিখতেন।
C) প্রেমেন্দ্র মিত্র — ইনি একজন বিখ্যাত কবি ও কথাশিল্পী হলেও 'বীরবল' ছদ্মনামে লিখতেন না।
D) প্রথম নাথ বসু — ইনিও এই ছদ্মনামের সঙ্গে সম্পর্কিত নন, অপশনটি বিভ্রান্তিকর।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রমথ চৌধুরীর 'প্র' দিয়ে শুরু নাম এবং তার ছদ্মনাম 'বীরবল' মনে রাখার জন্য 'প্রমথ মানে বীরের মতো সাহসী চলিত ভাষার প্রবক্তা' এই কথাটি স্মরণ রাখতে পারো।
পরীক্ষায় ছদ্মনাম সম্পর্কিত প্রশ্ন আসলে লেখকের আসল নাম ও ছদ্মনামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
যেমন বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম বনফুল এবং বিনয় ঘোষের ছদ্মনাম কালপেঁচা, যা নিয়মিত চর্চা করা উচিত।
সঠিক উত্তর: D) কমা
১. কেন সঠিক:
- কমা একটি বিদেশি শব্দ, যা ইংরেজি শব্দ কমা (Comma) থেকে বাংলায় এসেছে।
- বিরামচিহ্ন হিসেবে ব্যবহৃত এই শব্দটি বাংলা ভাষায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের মধ্যে ইংরেজি শব্দ অন্যতম।
- ইংরেজি থেকে অনেক শব্দ সরাসরি বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে এবং প্রমিত শব্দ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফুটবল
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল প্রচলিত ইংরেজি (Football) শব্দ যা বাংলায় ক্রীড়াক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: ডাক্তার
ব্যাখ্যা: এটি ইংরেজি (Doctor) শব্দ থেকে আগত একটি বহুল ব্যবহৃত বাংলা পরিভাষা ও বিদেশি শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ম্যাজেন্টা — এটি ইতালীয় বা ফরাসি ভাষা থেকে আগত একটি রঙের নাম, ইংরেজি শব্দ নয়।
B) পিস্তল — এটি চেক বা জার্মান ভাষা থেকে আগত একটি অস্ত্রবাচক বিদেশি শব্দ।
C) আলমারি — এটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে, ইংরেজি শব্দ নয়।
D) কমা — এটি একটি ইংরেজি শব্দ, যা সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিরামচিহ্ন যেমন কমা, সেমিকোলন, ফুলস্টপ—এগুলো সাধারণত ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
- ইংরেজি ভাষার বিদেশি শব্দ চেনার জন্য দৈনন্দিন ব্যবহৃত প্রযুক্তি ও দাপ্তরিক শব্দগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি শব্দের উৎস জানতে চাওয়া হয়।
- পর্তুগিজ, ফরাসি, ওলন্দাজ এবং ইংরেজি শব্দের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) অবচেতন
১. কেন সঠিক:
- Subconscious শব্দের সঠিক বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো অবচেতন, যা মনস্তত্ত্বের একটি পরিভাষা।
- এটি মানুষের এমন এক মানসিক অবস্থাকে বোঝায় যা সচেতন মনের ঠিক নিচে অবস্থান করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি পারিভাষিক শব্দ বিষয়ক প্রশ্ন, যেখানে ইংরেজি পরিভাষার সঠিক বাংলা রূপ জানতে চাওয়া হয়েছে।
- বাংলা ভাষায় আধুনিক মনস্তত্ত্ব ও বিজ্ঞানের বহু পরিভাষা সঠিকভাবে অনুবাদ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Unconscious
ব্যাখ্যা: Unconscious শব্দের সঠিক পারিভাষিক শব্দ হলো অচেতন বা অচেতন্য।
উদাহরণ ২: Conscious
ব্যাখ্যা: Conscious শব্দের সঠিক পারিভাষিক শব্দ হলো চেতন বা সচেতন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্ধচেতন — এটি Subconscious শব্দের সঠিক পারিভাষিক রূপ নয় কারণ অর্ধচেতন বলতে চেতন ও অচেতনের মধ্যবর্তী অবস্থাকে বোঝায়।
B) অবচেতন — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি পরিভাষার নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষিত ও স্বীকৃত।
C) চেতনাহীন — এটি সাধারণত Unconscious বা Unconsciousness শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ডি) চেতনাপ্রবাহ — এটি সাহিত্য বা মনস্তত্ত্বের Stream of Consciousness এর পরিভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- Sub শব্দের অর্থ নিচে, তাই Subconscious মানে সচেতন মনের নিচের স্তর অর্থাৎ অবচেতন।
- ইংরেজি সাব প্রিফিক্সটি বাংলায় অব বা উপ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মনস্তত্ত্ব ও বিজ্ঞানভিত্তিক ইংরেজি পারিভাষিক শব্দ প্রায়ই আসে।
- মূল ইংরেজি শব্দের প্রিফিক্স বা উপসর্গ খেয়াল করলে সঠিক বাংলা পরিভাষা নির্ধারণ করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
কেন সঠিক:
১. এই বিখ্যাত প্রবাদতুল্য লাইনটি বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কপালকুণ্ডলা উপন্যাস থেকে নেওয়া হয়েছে।
২. উপন্যাসের চরিত্র নবকুমার ও কাপালিকের কথোপকথনের মধ্যে বঙ্কিমচন্দ্র সমাজ ও মানুষের আচরণ বোঝাতে এই প্রবাদটি ব্যবহার করেছিলেন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা সাহিত্য ও প্রবাদ প্রবচনে এই উক্তিটি নৈতিকতা ও সামাজিক আচরণের ক্ষেত্রে রূপক হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়।
২. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যে উপন্যাসের ধারাকে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি এমন অনেক স্মরণীয় সংলাপ সৃষ্টি করেছেন যা প্রবাদে পরিণত হয়েছে।
৩. যেমন কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের আরেকটি বিখ্যাত লাইন হলো, পথিমধ্যে কপালকুণ্ডলার সেই প্রশ্ন, হেনো সময়ে পথিকের কি এ কথা জিজ্ঞাসা করা উচিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনিই কপালকুণ্ডলা উপন্যাসে এই বিখ্যাত সংলাপটি প্রথম রচনা করেছিলেন।
B) রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন — তিনি একজন প্রখ্যাত নারাবাদী লেখক ও সমাজ সংস্কারক হলেও এই প্রবাদটির রচয়িতা নন।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আমাদের জাতীয় কবি ও বিদ্রোহী সাহিত্যিক, যিনি এই প্রবাদধর্মী লাইনের রচয়িতা নন।
D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা নাটকে ও কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হলেও এই প্রবাদটির সাথে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
১. কপালকুণ্ডলা উপন্যাস এবং বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাম একত্রে মনে রাখলে এই প্রবাদটির রচয়িতা সহজে চেনা যায়।
২. অধম ও উত্তম শব্দ দুটি বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের সংলাপের মাধ্যমে প্রবাদে রূপ নিয়েছে এটি মাথায় রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) পদ্মগোখরা
১. কেন সঠিক:
- 'পদ্মগোখরা' হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের গল্প, উপন্যাস ও প্রবন্ধ আলাদা করার জন্য এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও প্রাবন্ধিক।
- 'পদ্মগোখরা' তার একটি অনবদ্য গল্প সংকলন, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যথার দান
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: শিউলীমালা
ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের একটি জনপ্রিয় ও বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ্মপুরাণ — এটি মনসা মঙ্গল কাব্যের অপর নাম এবং এর রচয়িতা বিজয় গুপ্ত বা দ্বিজ বংশীদাস, কাজী নজরুল ইসলাম নন।
B) পদ্মবতী — এটি মধ্যযুগের কবি আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য, যা কাজী নজরুল ইসলামের লেখা নয়।
C) পদ্মগোখরা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
D) পদ্মরাগ — এটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, কাজী নজরুল ইসলামের নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের গল্পের নাম মনে রাখতে মনে রাখবে তার বিখ্যাত কিছু ছোটগল্প যেমন পদ্মগোখরা, ব্যথার দান ও রিক্তের বেদন।
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম মূলত বিদ্রোহী কবি হলেও তার একাধিক সার্থক ছোটগল্পগ্রন্থ রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকগণের প্রথম গ্রন্থ বা গল্পগ্রন্থের নাম জানতে চাওয়া হয়।
- এই প্রশ্নটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে অন্যান্য সাহিত্যিকের গল্প ও উপন্যাসের পার্থক্য বুঝতে সুবিধা হবে।
সঠিক উত্তর: C) সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কারণ 'পালামৌ' তার বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনী।
- এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভ্রমণ সাহিত্য হিসেবে সমাদৃত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন বাংলা উপন্যাসের সূচনাকালের অন্যতম প্রধান ঔপন্যাসিক ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জ্যেষ্ঠ ভাই।
- 'পালামৌ' ভ্রমণ কাহিনীটি ১৮৮০ সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং এতে ছোটনাগপুরের পালামৌ অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও মানুষের জীবনচিত্র ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি সমসাময়িক লেখকের আরেকটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: স্বামী বিবেকানন্দের 'পরিভ്രാজক'।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের আরেকটি বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনীর উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি ভ্রমণ কাহিনীর জন্য পরিচিত নন, তিনি সমাজভিত্তিক উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত।
B) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি আধুনিক যুগের লেখক এবং তার ভ্রমণ কাহিনীর মধ্যে 'স্মৃতির শহর পাণ্ডিচেরী' উল্লেখযোগ্য।
D) তারাশঙ্কর চন্দ্যোপাধ্যায় — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি মূলত রাঢ় অঞ্চলের গ্রামীণ সমাজ ও মানুষের জীবন নিয়ে উপন্যাস লিখেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নামের প্রথম অক্ষর স এবং পালামৌ শব্দের শুরুতে প আছে, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
- বঙ্কিমচন্দ্রের বড় ভাই সঞ্জীবচন্দ্র ভ্রমণ কাহিনী লিখে বিখ্যাত হয়েছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভ্রমণ সাহিত্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একমাত্র ভ্রমণ কাহিনী হলো এই 'পালামৌ'।
সঠিক উত্তর: A) দ্বন্দ্ব সমাস
১. কেন সঠিক:
আলো ও ছায়া মিলל আলোছায়া, যেখানে উভয় পদের অর্থই সমানভাবে প্রধান থাকে। দ্বন্দ্ব সমাসে সাধারণত দুটি বিশেষ্য বা দুটি বিশেষণ পদের মিলন ঘটে এবং ব্যাসবাক্যে 'ও', 'এবং', 'কিংবা' সংযোজক অব্যয় ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যে সমাসে উভয় পদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। আলো এবং ছায়া দুটি স্বাধীন বিশেষ্য পদ মিলিত হয়ে দ্বন্দ্ব সমাস গঠন করেছে এবং এখানে উভয়ের অর্থই সম্পূর্ণ বজায় রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাতা-পিতা (মাতা ও পিতা)
ব্যাখ্যা: এটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে মাতা ও পিতা উভয় পদের অর্থই সমানভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: জমা-খরচ (জমা ও খরচ)
ব্যাখ্যা: বিপরীতার্থক শব্দযোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাসের এটি একটি সুন্দর উদাহরণ যেখানে উভয় পদ প্রধান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বন্দ্ব সমাস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি উভয় পদের প্রধান্য নিশ্চিত করে।
B) অব্যয়ীভাব সমাস — অব্যয় পদের পূর্বে বসে সমাস হলে তাকে অব্যয়ীভাব বলে, যা আলোচ্য শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) তৎপুরুষ সমাস — পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হলে তৎপুরুষ হয়, যা এখানে হয়নি।
D) কর্মধারায় সমাস — বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে পরপদের অর্থ প্রধান হলে কর্মধারায় হয়, কিন্তু আলোছায়া কর্মধারায় নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
যে সমাসে দুটি পদের মাঝখানে 'ও' বা 'এবং' লুকিয়ে থাকে এবং দুটি পদের অর্থই সমানভাবে গুরুত্ব পায়, তাকে চোখ বন্ধ করে দ্বন্দ্ব সমাস চিহ্নিত করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জোড়ায় জোড়ায় থাকা শব্দ বা সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের মিলন দেখলে সাধারণত দ্বন্দ্ব সমাস হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে।
সঠিক উত্তর: C) গোলাপ
১. কেন সঠিক:
সাধিত শব্দ হলো সেই শব্দ যা কোনো প্রত্যয়, উপসর্গ বা সমাসের মাধ্যমে গঠিত হয় এবং যার মূল বা প্রকৃতি আলাদা করা যায়।
গোলাপ একটি মৌলিক শব্দ কারণ একে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
গঠনরীতির দিক থেকে বাংলা শব্দকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়, যথা মৌলিক শব্দ এবং সাধিত শব্দ।
যে শব্দকে বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙে ছোট করা যায় না তাকে মৌলিক শব্দ বলে এবং যে শব্দকে বিশ্লেষণ করা যায় তাকে সাধিত শব্দ বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নাক
ব্যাখ্যা: নাক একটি মৌলিক শব্দ কারণ একে ভাঙলে আর কোনো অর্থপূর্ণ অংশ বা প্রত্যয় পাওয়া যায় না।
উদাহরণ ২: নাতিকা
ব্যাখ্যা: নাক যুক্ত ইকা প্রত্যয় যোগে গঠিত সাধিত শব্দ, যার অর্থ ছোট নাক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পানসা — এটি পান যুক্ত সা প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি সাধিত শব্দ, তাই এটি উত্তর হবে না।
B) ফুলেল — এটি ফুল যুক্ত ইল প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি সাধিত শব্দ, তাই এটি উত্তর হবে না।
C) গোলাপ — এটি একটি মৌলিক শব্দ, যা সাধিত শব্দ নয় এবং এটিই সঠিক উত্তর।
D) হাতল — এটি হাত যুক্ত ল প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি সাধিত শব্দ, তাই এটি উত্তর হবে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
ফুল, ফল, নদী, হাত, নাক, মুখ ইত্যাদি ছোট ও সাধারণ নামবাচক শব্দগুলো সাধারণত মৌলিক শব্দ হয়।
সাধিত শব্দ চেনার জন্য শব্দের শেষে কোনো প্রত্যয় বা উপসর্গ যুক্ত আছে কি না তা খেয়াল করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক ও সাধিত শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
কোনো শব্দ দেখলেই সেটি ভাঙা যায় কি না এবং তার সঙ্গে কোনো প্রত্যয় বা উপসর্গ আছে কি না তা প্রথমে পরীক্ষা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
- ‘দিবারাত্রির কাব্য’ বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে মানুষের মনস্তত্ত্ব, অবচেতন মন এবং জটিল সম্পর্কের বাস্তবসম্মত রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যের কল্লোল যুগের একজন প্রগতিশীল ও আধুনিক ঔপন্যাসিক।
- তার এই প্রথম প্রকাশিত উপন্যাসটি ১৯৩৫ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা উপন্যাসে নতুন ধারার সূচনা করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ‘পদ্মা নদীর মাঝি’
ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা আরেকটি বিশ্বখ্যাত এবং বহুল পঠিত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: ‘শহরবাসীদের ইতিকথা’
ব্যাখ্যা: এটিও মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রধান কথাসাহিত্যিক হলেও ‘দিবারাত্রির কাব্য’ তার লেখা নয়, তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে ‘গণদেবতা’ ও ‘কবি’ অন্যতম।
B) শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি মূলত একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, সাহিত্য সমালোচক ও অধ্যাপক ছিলেন, কোনো ঔপন্যাসিক নন।
C) ঈশান চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি ঊনবিংশ শতকের একজন কবি ও অনুবাদক ছিলেন, এই উপন্যাসের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।
D) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপন্যাসটি তার একক ও অনন্য সৃষ্টি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- দিবারাত্রি জুড়ে মানিকের খেলা চলে, এভাবে মনে রাখতে পারো দিবারাত্রির কাব্য মানেই মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস মনে রাখার জন্য রাতের বেলা দিবারাত্রির কাব্য পড়ার কথা ভাবতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস কোনটি, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে।
- লেখকের নামের সঙ্গে তার বিখ্যাত উপন্যাসের নামগুলো ভালোভাবে মিলিয়ে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) মোহম্মদ নজিবর রহমান
১. কেন সঠিক:
- আনোয়ারা বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস যা প্রকাশিত হয়েছিল ১৯১৪ সালে।
- এই উপন্যাসের মাধ্যমে তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের নানা অসঙ্গতি, কুসংস্কার এবং মুসলিম পরিবারের গৃহস্থালী চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মোহম্মদ নজিবর রহমান ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিককার এবং বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের একজন বিশিষ্ট বাঙালি ঔপন্যাসিক।
- তার সাহিত্যকর্মের মূল লক্ষ্য ছিল গ্রামীণ মুসলিম সমাজের নৈতিক শিক্ষা প্রদান এবং তাদের জীবনযাত্রার বাস্তব চিত্র তুলে ধরা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গরিবের মেয়ে
ব্যাখ্যা: এটি মোহম্মদ নজিবর রহমানের রচিত আরেকটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা গ্রামীণ জীবনের পটভূমিতে রচিত।
উদাহরণ ২: সাহিত্য প্রদীপ
ব্যাখ্যা: এটিও মোহম্মদ নজিবর রহমানের উল্লেখযোগ্য একটি সাহিত্যকর্ম যা লেখকের চিন্তা ও দর্শনের পরিচয় বহন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী এমদাদুল হক — এটি সঠিক নয় কারণ তিনি ‘মনীষা’ বা ‘আব্দুল্লাহ’ উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত, ‘আনোয়ারা’ তার লেখা নয়।
B) মীর মোশাররফ হোসেন — এটি ভুল কারণ তিনি ‘বিষাদ সিন্ধু’ এবং ‘জমীদার দর্পণ’ উপন্যাসের জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
D) ইসমাইল হোসেন সিরাজী — এটি সঠিক নয় কারণ তিনি ঐতিহাসিক ও জাতীয়তাবাদী উপন্যাসের রচয়িতা, যার মধ্যে ‘রায় নন্দিনী’ অন্যতম।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আনোয়ারা উপন্যাসটির লেখক মনে রাখতে সূত্র হিসেবে মনে রাখতে পারেন নজিবর রহমানের জনপ্রিয় সৃষ্টি হলো আনোয়ারা ও গরিবের মেয়ে।
- লেখকের নামের প্রথমাংশ এবং উপন্যাসের নাম মিলিয়ে পড়ার অভ্যাস করুন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস হিসেবে আনোয়ারা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন।
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের সামাজিক উপন্যাসের রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) পাবক
কেন সঠিক:
- পাবক শব্দটির অর্থ আগুন বা বহ্নি, যা বাতাস শব্দের অর্থ নির্দেশ করে না।
- প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে একমাত্র পাবক বাদে বাকি সব শব্দ বাতাসের সমার্থক।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়।
- একই অর্থের ভিন্ন ভিন্ন শব্দকে সমার্থক শব্দ বলা হয়।
- বাতাসের সমার্থক শব্দগুলোর মধ্যে অনিল, মারুত এবং পবন বহুল ব্যবহৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) পাবক — এটি বাতাস নয়, বরং আগুন বা অনল শব্দের সমার্থক শব্দ।
- B) অনিল — এটি বাতাস শব্দের একটি সুপরিচিত ও সঠিক সমার্থক শব্দ।
- C) মারুত — এটি বাতাস বা মরুৎ শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- D) পবন — এটি বাতাস শব্দের অত্যন্ত প্রচলিত এবং সঠিক সমার্থক শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
- আগুন শব্দের সমার্থক হলো পাবক, অনল ও বহ্নি আর বাতাস শব্দের সমার্থক হলো অনিল, মারুত ও পবন।
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনি
১. কেন সঠিক:
- ভাষার মূল উপাদান হলো ধ্বনি, যা কান দিয়ে শোনা যায় এবং এর মাধ্যমেই মানবভাষার সৃষ্টি হয়।
- ধ্বনি হলো ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক, যার সাহায্যে আমরা কথা বলি ও মনের ভাব প্রকাশ করি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ধ্বনি, বর্ণ ও অক্ষরের মধ্যে পার্থক্য হলো ধ্বনি উচ্চারিত রূপ, বর্ণ হলো লিখিত রূপ এবং অক্ষর হলো উচ্চারণের একক।
- মুখবিবরের সাহায্যে উচ্চারিত মৌলিক আওয়াজ বা ধ্বনিকে বিশ্লেষণ করলে ভাষার সবচেয়ে ছোট একক হিসেবে ধ্বনিকেই পাওয়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ, আ, ক, খ
ব্যাখ্যা: এগুলো হলো বাংলা ভাষার একেকটি মৌলিক ধ্বনি বা বর্ণ।
উদাহরণ ২: ম + আ + ন + উ + ষ = মানুষ
ব্যাখ্যা: এখানে একাধিক ধ্বনি বা বর্ণ মিলে একটি পূর্ণাঙ্গ শব্দ তৈরি হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, মৌলিক বা উচ্চারিত ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি।
B) শব্দ — শব্দ এক বা একাধিক ধ্বনি বা বর্ণ মিলে গঠিত হয়, তাই এটি ক্ষুদ্রতম একক নয়।
C) অক্ষর — অক্ষর হলো বাক্যের বা শব্দের উচ্চারণের একক, যা ধ্বনির চেয়ে বড়।
D) ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়, এটি ভাষার ক্ষুদ্রতম একক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে ধ্বনি হলো যা শোনা যায় (কানে শোনার একক) আর বর্ণ হলো যা দেখা বা লেখা যায় (চোখে দেখার একক)।
- ভাষার ক্ষুদ্রতম একক বললে চোখ বন্ধ করে ধ্বনি দাগাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে।
- মনে রাখবে ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি এবং অর্থের দিক থেকে ভাষার ক্ষুদ্রতম একক শব্দ।
সঠিক উত্তর: C) আরেক ফাল্গুন
১. কেন সঠিক:
- এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের উপন্যাসের ইতিহাস ও ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্যকর্মের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
- আরেক ফাল্গুন উপন্যাসটি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের অমর শহীদদের আত্মত্যাগের পটভূমিতে রচিত বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত প্রখ্যাত একটি উপন্যাস।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আরেক ফাল্গুন উপন্যাসের রচয়িতা কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান যিনি বাংলা সাহিত্যে ভাষাভিত্তিক ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
- এই উপন্যাসে একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনা, ভাষা শহীদদের স্মৃতি এবং তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক সংগ্রামের বাস্তব চিত্র শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন উপন্যাসের চরিত্র রোকেয়া, বরকত ও মুনিমের আত্মত্যাগ।
ব্যাখ্যা: এই চরিত্রগুলোর মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলো এবং রাজপথের সংগ্রাম জীবন্ত হয়ে উঠেছে।
উদাহরণ ২: জহির রায়হানের আরেক ফাল্গুন উপন্যাসটি ১৯৬৯ সালে প্রকাশিত হয়।
ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলন নিয়ে এটি বাংলা সাহিত্যে প্রকাশিত প্রথম দিকের এবং অন্যতম সেরা একটি উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অগ্নিসাক্ষী — হাসান আজিজুল হকের বিখ্যাত উপন্যাস যা ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নয়, বরং মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত।
B) চিলেকোঠার সেপাই — আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস যা ঊনসত্তরের গণঅভুত্থানের পটভূমিতে রচিত।
D) অনেক সূর্যের আশা — এটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস নয়, এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রখ্যাত উপন্যাস।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভাষা আন্দোলন মানেই ফাল্গুন মাস আর আরেক ফাল্গুন উপন্যাসের রচয়িতা জহির রায়হান।
পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস আসলে জহির রায়হানের আরেক ফাল্গুন নামটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
জহির রায়হান কেবল ঔপন্যাসিক নন, তিনি বিখ্যাত চলচ্চিত্রকারও ছিলেন যিনি জীবন থেকে নেওয়া চলচ্চিত্রের জন্য পরিচিত।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের নাম এবং লেখকের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
সঠিক উত্তর: B) Butcher: baker
কেন সঠিক:
প্রশ্নটিতে দেওয়া WORDS এবং WRITER জোড়াটি একে অপরের পরিপূরক পেশা বা পাশাপাশি কাজ করার পেশাকে নির্দেশ করে।
ঠিক তেমনি Butcher (কসাই) এবং baker (নান বা রুটি প্রস্তুতকারক) উভয়ই খাদ্য প্রস্তুত ও বিক্রির পেশার সাথে যুক্ত সমকক্ষ জোড়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Lawas: Policeman — এখানে শব্দ গঠনে ত্রুটি আছে এবং আইন ও পুলিশ সরাসরি সমকক্ষ পেশা জোড়া নয়।
B) Butcher: baker — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Chalk: black board — এটি উপাদান ও উপকরণের সম্পর্ক, যা কোনো মানুষের পেশাগত সম্পর্ক নয়।
D) Joy: emotion — আনন্দ হলো আবেগের একটি প্রকারভেদ বা নাম, যা কোনো পেশাজীবী জোড়া নয়।
মনে রাখার টিপস:
শব্দগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক বা অ্যানালজি বের করার সময় দেখতে হবে মূল শব্দ দুটি পেশা, বস্তু নাকি ধারণার দিক থেকে যুক্ত।
সঠিক উত্তর: D) wonder
কেন সঠিক:
- বাক্যটিতে শাইলকের নিষ্ঠুরতা দেখে বক্তার চরম বিস্ময় বা তাজ্জব বনে যাওয়ার ভাব প্রকাশ পেয়েছে।
- Who would have thought দ্বারা অসম্ভব বা ধারণাতীত কোনো ঘটনা ঘটার প্রতি অবাক হওয়া বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) hyperbole — এটি অতিরঞ্জিত কোনো উক্তি নয়, তাই এটি সঠিক নয়।
B) interrogation — বাক্যটিতে প্রশ্নচিহ্ন থাকলেও এটি কোনো তথ্য জানার জন্য করা প্রশ্ন নয়, বরং বিস্ময় প্রকাশ করা এক্সক্লেমেটরি ভাবার্থের বাক্য।
C) command — এটি কাউকে কোনো আদেশ বা নির্দেশ দেওয়ার বাক্য নয়।
D) wonder — এটি শাইলকের নিষ্ঠুরতা নিয়ে বক্তার মনের গভীর বিস্ময় প্রকাশ করছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে Who would have thought থাকলে তা সাধারণত বিস্ময় বা অবাক হওয়া প্রকাশ করে।
সঠিক উত্তর: A) Take what you have got readily available rather than expecting better in the future
কেন সঠিক:
এই প্রবাদটির মূল অর্থ হলো অনিশ্চিত ভবিষ্যতের বড় প্রাপ্তির আশায় হাতের কাছে থাকা নিশ্চিত জিনিসটি হারাতে না যাওয়া।
অর্থাৎ, যা নিজের অধিকারে বা নিয়ন্ত্রণে আছে তাকে মূল্য দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
B) The seen is better than the unseen — এটি প্রবাদের আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করলেও মূল ভাব বা প্রবাদের আসল রূপ বোঝাতে ব্যর্থ হয়।
C) Promises are better than actuals — এটি প্রবাদের অর্থের ঠিক বিপরীত কথা বলে, কারণ প্রবাদটি বাস্তব বা নিশ্চিত প্রাপ্তিকে গুরুত্ব দেয়।
D) It is no good beating about the bush — এটি একটি ভিন্ন ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ অহেতুক কথা বাড়ানো বা মূল বিষয়ে না আসা।
মনে রাখার টিপস:
হাতের পাখি (আশেপাশের নিশ্চিত জিনিস) আর ঝোপের পাখি (অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ) তুলনার কথা মনে রাখলেই সঠিক উত্তরটি সহজে চেনা যায়।
সঠিক উত্তর: D) It is unlikely that nothing bad has happened
কেন সঠিক:
প্রবাদ বাক্যটির আক্ষরিক অর্থ হলো কোনো খবর না আসা মানেই খারাপ কিছু ঘটেনি এমন নয়।
ইংরেজি প্রবাদের অন্তর্নিহিত ও ব্যাকরণগত বিশ্লেষণ অনুযায়ী এখানে অসম্ভবতার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) It is likely that we expect bad news — এই অপশনটি প্রবাদের সাধারণ ধারণার সাথে মিলে না কারণ খবর না থাকা মানেই সবসময় খারাপ খবর প্রত্যাশা করা বোঝায় না।
B) It is likely to have bad news — এখানে নিশ্চিতভাবে খারাপ খবর পাওয়ার কথা বলা হয়েছে যা প্রবাদের মূল অর্থের সাথে সাংঘর্ষিক।
C) It is likely that nothing bad has happened — এটি প্রবাদের প্রচলিত ভুল অর্থ প্রকাশ করে কারণ বাস্তবে কোনো খবর না থাকলে খারাপ কিছু ঘটার সম্ভাবনাও থাকতে পারে।
D) It is unlikely that nothing bad has happened — এটি প্রবাদের সঠিক তাত্ত্বিক ও যৌক্তিক ভাবার্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো খবর না পাওয়া মানেই সব ভালো এমন ভাবার কোনো কারণ নেই, তাই নেতিবাচক সম্ভাবনাগুলোও মাথায় রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) Engine::Car
কেন সঠিক:
Heart::Human জোড়টিতে হৃদয় হলো মানুষের শরীরের চালিকাশক্তি যা ছাড়া মানুষ চলতে পারে না। ঠিক একইভাবে Engine::Car জোড়টিতে ইঞ্জিন হলো গাড়ির প্রধান চালিকাশক্তি যা ছাড়া গাড়ি চলতে পারে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Wall::Brick — এখানে প্রাচীর ও ইটের সম্পর্ক হলো উপাদান এবং সামগ্রীর সম্পর্ক, যা মূল প্রশ্নের সাথে মিলে না।
B) Hand::Child — এখানে হাত ও শিশুর সম্পর্ক হলো একটি অংশ ও পূর্ণাঙ্গ জীবের সম্পর্ক, যা সঠিক নয়।
C) Kitchen::House — এখানে রান্নাঘর ও ঘরের সম্পর্ক হলো ঘরের একটি নির্দিষ্ট অংশের সম্পর্ক, যা চালিকাশক্তির সাথে মিলে না।
D) Engine::Car — এটি সঠিক কারণ এখানে একটি যন্ত্র এবং তার মূল চালিকাশক্তির নিখুঁত সাদৃশ্য রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দ দুটির মূল কাজ বা কার্যকারিতা কী, তা প্রথমে ভেবে দেখলে এমন প্রশ্নের উত্তর খুব সহজে বের করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) Counselor:advice
কেন সঠিক:
মূল প্রশ্নে দেওয়া Patron এবং Support জোড়াটি একটি কাজের সম্পর্ক নির্দেশ করে, যেখানে একজন পৃষ্ঠপোষক (Patron) তার অনুসারীকে সমর্থন (Support) দেন। ঠিক তেমনি Counselor বা পরামর্শক তার মক্কেলকে পরামর্শ বা advice প্রদান করেন, যা এই সাদৃশ্যকে সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করে। এই ধরনের শব্দজোড়ায় প্রথম ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান দ্বিতীয় বিষয়টি সেবা হিসেবে প্রদান করে থাকে। পেশাগত দায়িত্বের দিক থেকে এই মিল থাকায় এটি সঠিক উত্তর হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) spouse:divorce — এখানে স্বামী বা স্ত্রী এবং বিবাহচ্ছেদের মধ্যে একটি নেতিবাচক বা বিপরীত সম্পর্ক রয়েছে। এটি মূল জোড়ার মতো কোনো ইতিবাচক সেবামূলক বা সমর্থনের সম্পর্ক বোঝায় না।
B) Artist:imitation — এখানে শিল্পী এবং অনুকরণের মধ্যে কোনো সরাসরি বা আবশ্যকীয় কাজের সম্পর্ক নেই। শিল্পীরা সাধারণত সৃষ্টি বা শিল্পকর্ম তৈরি করেন, অনুকরণ করা তাদের মূল কাজ নয়।
C) Counselor:advice — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। এটি মূল জোড়ার সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
D) Restaurant:customer — এখানে রেস্তোরাঁ হলো স্থান এবং কাস্টমার হলো ভোক্তা, যা স্থান ও ব্যক্তির সম্পর্ক। এটি মূল জোড়ার মতো সেবামূলক কাজের বা ভূমিকার সম্পর্ক নয়।
মনে রাখার টিপস:
শব্দার্থের সাদৃশ্য বের করার সময় সবসময় দেখতে হবে প্রথম শব্দটি যে কাজ বা ভূমিকা পালন করে, দ্বিতীয় শব্দটি তার সাথে সরাসরি যুক্ত কি না।
সঠিক উত্তর: D) We were as surprised as Rahman
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যে no more ... than গঠনটি দুজনের মধ্যে সমান মাত্রার তুলনা বোঝায়।
এর অর্থ হলো আমাদের অবাক হওয়ার মাত্রা এবং রহমানের অবাক হওয়ার মাত্রা একই ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) We were less surprised than Rahman — এটি ভুল কারণ মূল বাক্যে কম অবাক হওয়ার কথা বলা হয়নি, বরং দুজনের সমান অবাক হওয়ার তুলনা করা হয়েছে।
B) We were all surprised — এটি ভুল কারণ এটি সবার অবাক হওয়ার সাধারণ একটি তথ্য দেয়, যা মূল বাক্যের সুনির্দিষ্ট তুলনামূলক অর্থ প্রকাশ করে না।
C) Rahman was less surprised than us — এটি ভুল কারণ এখানে রহমানকে আমাদের চেয়ে কম অবাক দেখানো হয়েছে, অথচ মূল বাক্যে দুজনেই সমানভাবে অবাক হয়েছিল।
D) We were as surprised as Rahman — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মূল বাক্যের সমান তুলনামূলক অর্থ নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
no more... than গঠনটি থাকলে বুঝতে হবে দুই পক্ষের তুলনার মাত্রা সমান।
সঠিক উত্তর: C) Impromptu
কেন সঠিক:
Extempore শব্দের অর্থ হলো পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়া বা তাৎক্ষণিক কিছু করা। Impromptu শব্দের অর্থও কোনো পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়াই হঠাৎ কিছু বলা বা করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Planned — এই শব্দটির অর্থ হলো পূর্বপরিকল্পিত, যা Extempore বা তাৎক্ষণিক শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত।
B) Improvise — এটি একটি ভার্ব যার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে তৈরি করা, কিন্তু Extempore একটি অ্যাডজেক্টিভ।
C) Impromptu — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Immediate — এই শব্দটির অর্থ হলো তাৎক্ষণিক বা দ্রুত, তবে এটি পূর্বপ্রস্তুতিহীন বক্তৃতার সঠিক সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Extempore এবং Impromptu দুটি শব্দই কোনো প্রস্তুতি ছাড়া হঠাৎ করে দেওয়া বক্তব্য বোঝাতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: B) Alarming
কেন সঠিক:
Menacing শব্দের অর্থ হলো ভীতিজনক বা অমঙ্গলসূচক, যা কোনো বিপদের আশঙ্কা তৈরি করে। Alarming শব্দের অর্থও ভীতিজনক বা আতঙ্কজনক।
তাই অর্থগত মিল থাকার কারণে Alarming হলো Menacing শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Encouraging — এই শব্দের অর্থ উৎসাহব্যঞ্জক বা সাহস জোগানো, যা Menacing শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত।
B) Alarming — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) Promising — এই শব্দের অর্থ আশাব্যঞ্জক বা সম্ভাবনাময়, যা ভীতিজনক অবস্থার সাথে মেলে না।
D) Auspicious — এই শব্দের অর্থ শুভ বা অনুকূল, যা Menacing শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Menacing শব্দের ভেতরে মেন্স বা ভয়ের আভাস আছে, তাই এর সাথে Alarming শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: D) watch
কেন সঠিক:
preposition এর পর verb থাকলে তার সাথে ing যুক্ত করতে হয়। এখানে by হলো preposition তাই watch এর সাথে ing যুক্ত হয়ে watching হওয়া উচিত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to — এটি সঠিক infinitival to এবং এর পর verb এর base form বসে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
B) improve — এটি একটি সঠিক verb এবং infinitival to এর নিয়ম মেনে এখানে বসানো হয়েছে।
C) by — এটি একটি সঠিক preposition যা উপায় বা মাধ্যম বোঝাতে বাকive সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
D) watch — এটি ভুল কারণ preposition এর পরে verb আসলে তার সাথে ing যুক্ত করার নিয়ম রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
preposition এর পরে সর্বদা verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: D) Censure
কেন সঠিক:
- Oblige শব্দের অর্থ কাউকে বাধ্য করা, অনুগ্রহ করা বা সন্তুষ্ট করা।
- Censure শব্দের অর্থ তীব্র নিন্দা করা বা সমালোচনা করা, যা Oblige শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Bind — এর অর্থ আবদ্ধ করা বা বাঁধা, যা Oblige শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে এবং এর সমার্থক।
B) Bother — এর অর্থ বিরক্ত করা বা উৎপীড়ন করা, যা Oblige শব্দের সরাসরি বিপরীত নয়।
C) Require — এর অর্থ প্রয়োজন হওয়া বা দাবি করা, যা Oblige শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং কাছাকাছি অর্থ বহন করে।
D) Censure — এর অর্থ তীব্র নিন্দা করা, যা Oblige শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে কাজ করে।
মনে রাখার টিপস:
Oblige মানে অনুগ্রহ বা বাধ্য করা আর Censure মানে নিন্দা করা, এই দুটি সম্পূর্ণ বিপরীত ধারণা মনে রাখলে উত্তর সহজে মেলানো যায়।
সঠিক উত্তর: B) Gullible
কেন সঠিক:
Cynical শব্দের অর্থ হলো মানুষের ভালো উদ্দেশ্যে অবিশ্বাসকারী বা সন্দেহবাতিক।
অন্যদিকে Gullible শব্দের অর্থ হলো সহজেই অন্যকে বিশ্বাস করে এমন বা সরলপ্রকৃতির।
তাই এটি Cynical শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Pessimistic — এটি Cynical শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ হতাশাবাদী।
B) Gullible — এটি সঠিক উত্তর, যার অর্থ সহজে বিশ্বাসপ্রবণ।
C) Equivocal — এর অর্থ দ্ব অর্থক বা অস্পষ্ট, যা এই প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) Liberal — এর অর্থ উদার, যা Cynical শব্দের বিপরীত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সন্দেহপ্রবণ Cynical মানুষ সহজে কাউকে বিশ্বাস করে না, আর সরল Gullible মানুষ খুব দ্রুত সবাইকে বিশ্বাস করে।
সঠিক উত্তর: B) Our neighbour has never invited us into his house
কেন সঠিক:
মূল বাক্যে "Not once" ব্যবহার করা হয়েছে যার অর্থ একবারও না বা কখনোই না।
তাই অপশন বি বাক্যের আসল অর্থ পুরোপুরি প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Our neighbour has invited us into his house not once but many times — মূল বাক্যের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে কারণ এটি অনেকবার আমন্ত্রণের কথা বলছে।
B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক অর্থ দিয়েছে।
C) Occasionally our neighbour has invited us into his house — মাঝে মাঝে আমন্ত্রণের কথা বলছে যা মূল বাক্যের "কখনো না" অর্থের সাথে মেলে না।
D) Our neighbour has not always invites us into his house — সব সময় আমন্ত্রণ জানায় না বোঝাচ্ছে, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Not once বা Never জাতীয় শব্দ দেখলে বুঝতে হবে কাজটি একবারও করা হয়নি।
সঠিক উত্তর: C) had better get
কেন সঠিক:
- Had better একটি বিশেষ Modal Phrase, যার পরে verb-এর Base form বা V1 বসে এবং এটি বর্তমান বা ভবিষ্যতের উপদেশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ভ্রমণে ইচ্ছুক পর্যটকদের আগে থেকেই বুকিং করে রাখা উচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) had better to get — Had better-এর পরে infinitive-এর 'to' বসে না, তাই এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) had better get — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনে রয়েছে এবং এটি শতভাগ নির্ভুল ব্যাকরণ মেনে চলে।
C) had better get — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো নিয়ম প্রযোজ্য নয়।
D) had better got — Had better-এর পরে verb-এর Past form বসতে পারে না, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Had better-এর পরে সব সময় verb-এর প্রেজেন্ট ফর্ম বা বেস ফর্ম বসে, মাঝে কোনো 'to' বা পাস্ট ফর্ম ব্যবহার করা যায় না।
সঠিক উত্তর: A) it should be stored
কেন সঠিক:
বাক্যের শুরুতে একটি অসমাপিকা ভাববাচক অংশ বা ক্লজ রয়েছে যা খাবার শুকানো বা টিনজাত করার কথা বলে। এরপর একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন বাক্যংশ প্রয়োজন যার নিজস্ব সাবজেক্ট এবং ভার্ব থাকবে।
এখানে it সাবজেক্ট এবং should be stored ভার্ব মিলে বাক্যটিকে সম্পূর্ণ ও অর্থপূর্ণ করে তোলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক সাবজেক্ট এবং প্যাসিভ ভার্ব প্রদান করে বাক্যটিকে ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ করে।
B) that it should be stored — অতিরিক্ত that সংযোজক যুক্ত করায় এটি একটি সাবোর্ডিনেট ক্লজ হয়ে যায় এবং মূল বাক্যটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
C) should be stored — সাবজেক্টের অনুপস্থিতির কারণে এই অপশনটি বাক্যের গঠনগত নিয়ম বা রুল ভঙ্গ করে।
D) which should be stored — অতিরিক্ত relative pronoun যুক্ত করায় এটি একটি অপ্রয়োজনীয় অধীনস্থ ক্লজ তৈরি করে যা সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে না।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি বাক্যে একটি পূর্ণাঙ্গ ক্লজের পর কমা থাকলে, পরবর্তী অংশে অবশ্যই একটি নতুন সাবজেক্ট এবং উপযুক্ত ভার্ব বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) make his ideas understood
কেন সঠিক:
এখানে 'get ideas across' ফ্রেজটির অর্থ হলো নিজের চিন্তা বা ভাবনা অন্যের কাছে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা বা বোঝানো।
তাই 'make his ideas understood' ফ্রেজটি মূল বাক্যের underlined অংশের সাথে সবচেয়ে ভালোভাবে মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) make his ideas understood — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ফ্রেজের অর্থ পুরোপুরি প্রকাশ করে।
B) get his ideas down pat — এর অর্থ কোনো কিছু মুখস্থ করা বা খুব ভালোভাবে আয়ত্ত করা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) summarise his ideas — এর অর্থ কোনো ধারণার সারসংক্ষেপ করা, যা সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ করে না।
D) put together his ideas — এর অর্থ চিন্তাগুলোকে একসাথে সাজানো বা একত্র করা, যা বোঝানোর অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
'Across' শব্দটি যখন কোনো আইডিয়ার সাথে বসে, তখন তা অন্যের কাছে পৌঁছে দেওয়া বা সফলভাবে বোঝানো অর্থ প্রকাশ করে।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: C) gracious
কেন সঠিক:
- প্রশ্নে থাকা 'courteous' শব্দটির অর্থ ভদ্র, মার্জিত বা শিষ্টাচারপূর্ণ।
- অপশনের 'gracious' শব্দটির অর্থও দয়ালু, ভদ্র বা মার্জিত, যা মূল শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) flimsy — এর অর্থ ঠুনকো বা দুর্বল, যা ভদ্রতার সমার্থক নয়।
B) coarse — এর অর্থ অমসৃণ বা অভদ্র, যা courteous শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) gracious — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) friendly — এর অর্থ বন্ধুত্বপূর্ণ, যা মানুষের আচরণের ক্ষেত্রে courteous শব্দের সঠিক সমার্থক প্রতিশব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Courteous এবং Gracious দুটি শব্দই মানুষের ভদ্র ও মার্জিত আচরণ বোঝাতে সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: D) their
কেন সঠিক:
বাণীতে 'Every' শব্দটি থাকার কারণে সাবজেক্টটি একবচন হিসেবে গণ্য হয়।
তাই পরবর্তী প্রোনাউন হিসেবে 'their' ব্যবহার না করে একবচনবাচক 'his' বা 'her' ব্যবহার করতে হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Every — এটি সঠিক কারণ এটি বাক্যের শুরুতে সঠিক নিয়ম মেনে একবচন নির্দেশ করছে।
B) should — এটি সঠিক কারণ এটি একটি সঠিক মোডাল ভার্ব যা উপদেশ বোঝাতে বসেছে।
C) for — এটি সঠিক কারণ ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে 'for' সঠিক।
D) their — এটি ভুল কারণ একবচন সাবজেক্টের সাথে বহুবচন প্রোনাউন ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে Every বা Each থাকলে পরবর্তী প্রোনাউন সবসময় একবচন হয়।
সঠিক উত্তর: B) perfect
কেন সঠিক:
এখানে verb "diagnose"-কে modify করতে হবে, তাই adjective "perfect" ব্যবহার করা ভুল হয়েছে।
ক্রিয়াকে বিশেষিত করার জন্য adjective-এর পরিবর্তে adverb "perfectly" ব্যবহার করতে হতো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to diagnose — এটি সঠিক infinitive phrase কারণ modal verb "may be able" এর পর বসেছে।
B) perfect — এটি ভুল কারণ verb-কে modify করতে adverb ব্যবহার করতে হয়, adjective নয়।
C) to which — এটি সঠিক prepositional relative pronoun যা drug-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
D) will respond — এটি সঠিক future tense-এর verb যা রোগীর প্রতিক્રিয়া বোঝাতে বসেছে।
মনে রাখার টিপস:
Verb বা ক্রিয়ার দোষ গুণ প্রকাশ করতে adjective না বসিয়ে नेहमी adverb বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) disapproval
কেন সঠিক:
- ভ্রু কুচকে ওপরে তোলা বা 'raise ones brows' ইংরেজি ইডিয়ম অনুসারে সাধারণত কোনো কাজের প্রতি অসন্তুষ্টি, বিরূপ মনোভাব বা অসম্মতি প্রকাশ করা বোঝায়।
- প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এই শারীরিক অভিব্যক্তিটি কথ্য ও লেখ্য ইংরেজিতে মূলত কোনো বিষয়ের প্রতি অবজ্ঞা বা অসম্মতি বোঝাতেই ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) annoyance — বিরক্তি প্রকাশ করার জন্য এটি কাছাকাছি মনে হলেও, এই নির্দিষ্ট ইডিয়মটি মূলত সরাসরি অসন্তুষ্টি বা অসম্মতি বোঝাতে নির্ধারিত।
B) disapproval — এটি এই ইডিয়মের সঠিক ও প্রমিত অর্থ নির্দেশ করে, যা কোনো আচরণের প্রতি না-বাচক মনোভাব প্রকাশ করে।
C) indifference — উদাসীনতা বোঝাতে কাঁধ ঝাঁকানো বা অন্য অঙ্গভঙ্গি ব্যবহৃত হয়, ভ্রু তোলার সঙ্গে এর সরাসরি মিল নেই।
D) surprise — অবাক হওয়া বোঝাতে চোখ বড় বা কপাল কুঁচকানোর চল থাকলেও, আদর্শ ইংরেজি অভিধানে এই ইডিয়মের মূল অর্থ অসম্মতি হিসেবেই স্বীকৃত।
মনে রাখার টিপস:
ভ্রু ওপরে তোলা মানে কোনো কিছুতে সম্মতি নেই বা কাজটি পছন্দ হয়নি, যা স্পষ্টতই এক ধরণের অসম্মতি বা disapproval প্রকাশ করে।
সঠিক উত্তর: D) ১১/১৪
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশগুলো হলো ৫/৬, ১২/১৫, ১৭/২১ এবং ১১/১৪
ধরি,
হরগুলোর লসাগু বের করে সহজে তুলনা করা যায়
অথবা দশমিক মানে রূপান্তর করে দেখা যায়
অতএব,
৫/৬ এর মান প্রায় ০.৮৩৩
১২/১৫ এর মান ০.৮০০
১৭/২১ এর মান প্রায় ০.৮০৯
১১/১৪ এর মান প্রায় ০.৭৮৫
সুতরাং,
প্রাপ্ত দশমিক মানগুলোর মধ্যে ০.৭৮৫ সবচেয়ে ছোট
যা ১১/১৪ ভগ্নাংশের সমান
উত্তর: ১১/১৪
সঠিক উত্তর: D) ৪৭/৯৯
প্রদত্ত তথ্য:
দশমিক সংখ্যাটি হলো ০.৪৭ (এখানে ৪ এবং ৭ উভয়ের ওপর পৌণিক বা আবৃত্ত দশমিক আছে)
ধরি,
x = ০.৪৭৪৭৪৭...
অতএব,
উভয় পক্ষকে ১০০ দ্বারা গুণ করে পাই,
১০০x = ৪৭.৪৭৪৭৪৭...
সুতরাং,
১০০x − x = ৪৭.৪৭৪৭৪৭... − ০.৪৭৪৭৪৭...
৯৯x = ৪৭
উত্তর: x = ৪৭ ÷ ৯৯
সঠিক উত্তর: B) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদমের ভিত্তি হলো দুই
লগারিদমের মান বের করতে হবে আট
ধরি,
লগের মান হলো ক
ভিত্তি হলো দুই
অতএব,
দুই এর পাওয়ার ক সমান আট
দুই গুণ দুই গুণ দুই সমান আট
সুতরাং,
দুই এর পাওয়ার তিন সমান আট
উত্তর: ৩
সঠিক উত্তর: C) ৩১০ এর পরিবর্তে ৩১৬ নয়, সঠিক অপশন C) ৩৬৪
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, x − (১ ÷ x) = ৭
ধরি,
মান নির্ণয় করতে হবে x এর ঘন বিয়োগ (১ ÷ x) এর ঘন এর মান
অতএব,
বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী, a এর ঘন বিয়োগ b এর ঘন সমান (a বিয়োগ b) এর হোল কিউব যোগ ৩ গুণ a গুণ b গুণ (a বিয়োগ b)
সুতরাং,
এখানে a হলো x এবং b হলো ১ ÷ x
অতএব,
মান বসিয়ে পাই, ৭ এর কিউব যোগ ৩ গুণ ৭
সুতরাং,
৭ এর কিউব সমান ৩৪৩ এবং ৩ গুণ ৭ সমান ২১
উত্তর: ৩৪৩ যোগ ২১ সমান ৩৬৪
সঠিক উত্তর: C) বিটপী
প্রদত্ত তথ্য:
বৃক্ষ শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ নির্ণয় করতে হবে
প্রদত্ত অপশনগুলোতে বিভিন্ন শব্দের অর্থ দেওয়া আছে
ধরি,
কলাপী শব্দের অর্থ ময়ূর
নীরধি শব্দের অর্থ সমুদ্র
বিটপী শব্দের অর্থ গাছ বা বৃক্ষ
অবনি শব্দের অর্থ পৃথিবী
অতএব,
অপশন এ হলো ময়ূর
অপশন বি হলো সমুদ্র
অপশন সি হলো বৃক্ষ
অপশন ডি হলো পৃথিবী
সুতরাং,
বৃক্ষ শব্দের সাথে মিল আছে বিটপী শব্দের
উত্তর: C) বিটপী
সঠিক উত্তর: A) ৫০.০০%
প্রদত্ত তথ্য:
টাকায় তিনটি করে লেবু কেনা হলো
টাকায় দুটি করে লেবু বিক্রি করা হলো
ধরি,
লেবুর মোট সংখ্যা = ৬টি
৩টি লেবুর ক্রয়মূল্য = ১ টাকা
অতএব,
৬টি লেবুর ক্রয়মূল্য = ২ টাকা
২টি লেবুর বিক্রয়মূল্য = ১ টাকা
৬টি লেবুর বিক্রয়মূল্য = ৩ টাকা
সুতরাং,
লাভ = ৩ টাকা − ২ টাকা = ১ টাকা
উত্তর: শতকরা লাভ = (১ ÷ ২) × ১০০% = ৫০.০০%
সঠিক উত্তর: B) ৯ গুণ
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি পায়
ধরি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
নতুন ব্যাসার্ধ = ৩r
অতএব,
প্রথম ক্ষেত্রফল = π × r × r
নতুন ক্ষেত্রফল = π × ৩r × ৩r
নতুন ক্ষেত্রফল = ৯ × (π × r × r)
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় মূল ক্ষেত্রফলের ৯ গুণ
উত্তর: ৯ গুণ
সঠিক উত্তর: D) আয়তক্ষেত্র
প্রদত্ত তথ্য:
ABCD চতুর্ভুজে AB সমান্তরাল CD এবং কর্ণ AC সমান BD
কোণ A এর মান নব্বই ডিগ্রি
ধরি,
চতুর্ভুজটি একটি ট্রাপিজিয়াম যার বিপরীত বাহুদ্বয় সমান্তরাল
বাহু AB এবং CD পরস্পর সমান্তরাল
অতএব,
যেহেতু কর্ণদ্বয় সমান এবং একটি কোণ সমকোণ
সুতরাং এটি সামন্তরিকের সকল শর্ত পূরণ করে
সুতরাং,
বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল এবং প্রতিটি কোণ সমকোণ
তাই চতুর্ভুজটি একটি আয়তক্ষেত্র
উত্তর: আয়তক্ষেত্র
সঠিক উত্তর: D) x + y
প্রদত্ত তথ্য:
x এবং y উভয়ই বিজোড় সংখ্যা
ধরি,
x একটি বিজোড় সংখ্যা
y অপর একটি বিজোড় সংখ্যা
অতএব,
বিজোড় সংখ্যা এবং বিজোড় সংখ্যার যোগফল সর্বদা জোড় সংখ্যা হয়
যেমন একটি বিজোড় সংখ্যা তিন
অপর একটি বিজোড় সংখ্যা পাঁচ
সুতরাং,
৩ + ৫ = ৮, যা একটি জোড় সংখ্যা
উত্তর: x + y
সঠিক উত্তর: D) (x^2) × y × (x + y)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = x^3 + (x^2) × y
দ্বিতীয় রাশি = (x^2) × y + x × (y^2)
ধরি,
প্রথম রাশি থেকে কমন নেওয়া যায় (x^2)
দ্বিতীয় রাশি থেকে কমন নেওয়া যায় x × y
অতএব,
প্রথম রাশি = (x^2) × (x + y)
দ্বিতীয় রাশি = x × y × (x + y)
সুতরাং,
ল.সা.গু হবে কমন এবং আনকমন উৎপাদকগুলোর গুণফল
উত্তর: (x^2) × y × (x + y)
সঠিক উত্তর: B) ১০ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তকার ঘরের দৈর্ঘ্য প্রস্থ অপেক্ষা ৪ মিটার বেশি
ঘরটির পরিসীমা ৩২ মিটার
ধরি,
ঘরের প্রস্থ = ক মিটার
ঘরের দৈর্ঘ্য = (ক + ৪) মিটার
অতএব,
পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
৩২ = ২ × (ক + ৪ + ক)
১৬ = ২ক + ৪
সুতরাং,
২ক = ১৬ − ৪
২ক = ১২
ক = ৬
উত্তর: ঘরের দৈর্ঘ্য = ৬ + ৪ = ১০ মিটার
সঠিক উত্তর: B) ২ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য ২ মিটার বাড়ালে ক্ষেত্রফল বাড়ে ৩√৩ বর্গ মিটার
ধরি,
মূল সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার
বর্ধিত সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = (ক + ২) মিটার
অতএব,
মূল ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × ক^২
বর্ধিত ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (ক + ২)^২
সুতরাং,
ক্ষেত্রফলের বৃদ্ধি = ((√৩ ÷ ৪) × (ক + ২)^২) − ((√৩ ÷ ৪) × ক^২) = ৩√৩
উত্তর: ২ মিটার
সঠিক উত্তর: B) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
সেট এ এর উপাদানগুলো স্বাভাবিক সংখ্যা এন এর অন্তর্ভুক্ত এবং শর্ত দুটি পূরণ করতে হবে
ধরি,
স্বাভাবিক সংখ্যার সেট এন সমান ১, ২, ৩, ৪, ৫ ইত্যাদি
অতএব,
প্রথম শর্ত অনুযায়ী এক্স এর স্কয়ার এর মান ৮ এর চেয়ে বড় হতে হবে
দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী এক্স এর কিউব এর মান ৩০ এর চেয়ে ছোট হতে হবে
সুতরাং,
এক্স সমান ৩ হলে তিন এর স্কয়ার ৯ যা ৮ এর চেয়ে বড় এবং তিন এর কিউব ২৭ যা ৩০ এর চেয়ে ছোট
উত্তর: ৩
সঠিক উত্তর: D) ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
পরপর তিনটি পূর্ণ সংখ্যার গুণফল = ১২০
ধরি,
সংখ্যা তিনটি যথাক্রমে ক, খ এবং গ
অতএব,
১২০ এর উৎপাদকগুলো বিশ্লেষণ করে পাই
৫ × ৬ × ৪ = ১২০
সুতরাং,
সংখ্যা তিনটি হলো ৪, ৫ এবং ৬
উত্তর: ৪ + ৫ + ৬ = ১৫
সঠিক উত্তর: C) ৩৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের যেকোনো বাহুকে বর্ধিত করলে একটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয়।
ত্রিভুজের তিনটি বাহু থাকে এবং তিনটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয়।
ধরি,
ত্রিভুজের তিনটি অন্তস্থ কোণ যথাক্রমে ক, খ এবং গ।
তিনটি বহিঃস্থ কোণ যথাক্রমে (১৮০ ডিগ্রি − ক), (১৮০ ডিগ্রি − খ) এবং (১৮০ ডিগ্রি − গ)।
অতএব,
প্রথম বহিঃস্থ কোণ = ১৮০ ডিগ্রি − ক
দ্বিতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০ ডিগ্রি − খ
তৃতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০ ডিগ্রি − গ
সুতরাং,
তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = (১৮০ ডিগ্রি − ক) + (১৮০ ডিগ্রি − খ) + (১৮০ ডিগ্রি − গ)
বহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি = ৫৪০ ডিগ্রি − (ক + খ + গ)
উত্তর: ৫৪০ ডিগ্রি − ১৮০ ডিগ্রি = ৩৬০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: D) ৫:০৩
প্রদত্ত তথ্য:
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার পরিমাপ সম্পর্কিত জ্যামিতিক অনুপাত নির্ধারণ করতে হবে।
এখানে পতাকার দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থের আদর্শ অনুপাত বিবেচনা করতে হয়।
ধরি,
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য = ৫ একক
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার নির্দিষ্ট প্রস্থ = ৩ একক
অতএব,
দৈর্ঘ্যের একক মান = ৫
প্রস্থের একক মান = ৩
সুতরাং,
দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত = ৫:০৩
উত্তর: ৫:০৩
সঠিক উত্তর: C) x+y-1
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো x^2 − y^2 + 2y − 1
ধরি,
রাশিটিকে সাজিয়ে লেখা যায় এভাবে
x^2 − (y^2 − 2y + 1)
অতএব,
বন্ধনীর ভেতরের অংশ হলো (y − 1) এর বর্গ
সুতরাং রাশিটি দাঁড়ায় x^2 − (y − 1)^2
অতএব,
এখন সূত্র প্রয়োগ করে পাই
(x + y − 1) × (x − y + 1)
সুতরাং,
নির্ণey উৎপাদকগুলো হলো (x + y − 1) এবং (x − y + 1)
উত্তর: x+y-1
সঠিক উত্তর: D) ২xy
প্রদত্ত তথ্য:
রাশির পদগুলো হলো x^২, y^২, −৮x, −৮y এবং ১৬
ধরি,
রাশিটিকে সাজিয়ে লেখা যায় এভাবে
(x^২ − ৮x + ১৬) + (y^২ − ৮y)
অতএব,
প্রথম অংশটি একটি পূর্ণবর্গ রাশি যা (x − ৪)^২ হয়
কিন্তু সম্পূর্ণ রাশিটিকে পূর্ণবর্গ করতে হলে (x + y) অথবা (x − y) আক ৃতির সূত্র লাগবে
সুতরাং,
অতিরিক্ত হিসেবে একটি দ্বিগুণ গুণফল পদ প্রয়োজন হয়
যা চলক দুটির গুণফলের দ্বিগুণ অর্থাৎ ২xy যোগ করতে হয়
উত্তর: ২xy
সঠিক উত্তর: C) √৩−√২
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো √২ ভাগ (√৬ + ২)
ধরি,
লব ও হর উভয় পক্ষকে (√৬ − ২) দ্বারা গুণ করি
অতএব,
হরের মান হয় (√৬ + ২) গুণ (√৬ − ২)
সুতরাং,
হরের হিসাব থেকে পাই (৬ − ৪) = ২
অতএব,
লব হয় √২ গুণ (√৬ − ২)
সুতরাং,
ভাগ করলে থাকে √৩ − √২
উত্তর: √৩−√২
সঠিক উত্তর: B) ৫৫
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো এক, তিন, ছয়, দশ, পনেরো, একুশ
ধরি,
প্রথম পদ = ১
দ্বিতীয় পদ = ১ + ২ = ৩
তৃতীয় পদ = ৩ + ৩ = ৬
অতএব,
চতুর্থ পদ = ৬ + ৪ = ১০
পঞ্চম পদ = ১০ + ৫ = ১৫
ষষ্ঠ পদ = ১৫ + ৬ = ২১
সুতরাং,
সপ্তম পদ = ২১ + ৭ = ২৮
অষ্টম পদ = ২৮ + ৮ = ৩৬
নবম পদ = ৩৬ + ৯ = ৪৫
দশম পদ = ৪৫ + ১০ = ৫৫
উত্তর: ৫৫
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দপুর
কেন সঠিক:
- নীলফামারীর সৈয়দপুরে অবস্থিত এই কারখানাটি বাংলাদেশ রেলওয়ের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এবং প্রধান কারখানা।
- ব্রিটিশ আমলে ১৮৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কারখানাটিতে রেলওয়ের বিভিন্ন কোচ ও ইঞ্জিন মেরামত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আখাউড়া — এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশন, তবে এটি কোনো বড় কারখানা নয়।
B) সৈয়দপুর — এটিই প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক নয় বরং মূল উত্তর।
C) চট্টগ্রাম — এখানে পাহাড়তলী কারখানা ও সিআরবি অবস্থিত, যা রেলওয়ের প্রধান হলেও সর্ববৃহৎ কারখানা নয়।
D) পাকশি — এটি পাবনা জেলার একটি রেলওয়ে বিভাগীয় কার্যালয়, কোনো কারখানা নয়।
মনে রাখার টিপস:
সৈয়দপুর মানেই রেলওয়ের সবচেয়ে বড় কারখানা, যা নীলফামারীতে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) এপিকালচার
কেন সঠিক:
- এপিকালচার হলো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মৌমাছি পালন এবং মধু ও মোম উৎপাদনের প্রক্রিয়া।
- এটি কৃষি খাতের একটি লাভজনক শাখা যা পরাগায়নেও সহায়তা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হর্টিকালচার — এটি উদ্যানতত্ত্ব বা ফল, ফুল ও শাকসবজি চাষ সংক্রান্ত বিদ্যা, তাই এটি সঠিক নয়।
B) পিসিকালচার — এটি মৎস্য চাষ বা মাছ উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত, তাই এটি সঠিক নয়।
C) সেরিকালচার — এটি রেশম পোকা পালন এবং রেশম সুতা উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত, তাই এটি সঠিক নয়।
D) এপিকালচার — মৌমাছি চাষ বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
মৌমাছির ইংরেজি অ্যাপিস (Apis) থেকে এপিকালচার শব্দটি এসেছে।
সঠিক উত্তর: D) ২০১০
কেন সঠিক:
- সাংবাদিক ও পর্বতারোহী মুসা-ইব্রাহীম ২০১০ সালের ২৩ মে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন।
- এটি বাংলাদেশের ক্রীড়া ও অভিযাত্রিক ইতিহাসের একটি যুগান্তকারী মাইলফলক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০০৮ — এই সালে কোনো বাংলাদেশী মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেননি, এটি ভুল সাল।
B) ২০১১ — এই সালে নিশাত মজুমদার এবং এম এ মুহিত এভারেস্ট জয় করেন, মুসা-ইব্রাহীম নন।
C) ২০০৯ — এই সালে বাংলাদেশের কোনো পর্বতারোহী এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছাতে পারেননি।
D) ২০১০ — এই সালেই মুসা-ইব্রাহীম প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট শৃঙ্গে আরোহণ করেন, তাই এটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
মুসা-ইব্রাহীম প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে ২০১০ সালে এভারেস্ট জয় করেন। সালটি মনে রাখতে ২০১০ সংখ্যাটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: D) ডাউকি
কেন সঠিক:
- তামাবিল স্থলবন্দর বাংলাদেশের সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলায় অবস্থিত এবং এর ঠিক বিপরীতে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকি শহর অবস্থিত।
- দুই দেশের মধ্যে যাতায়াত ও বাণিজ্যের জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত চেকপোস্ট।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) করিমগঞ্জ — এটি ভারতের আসাম রাজ্যের একটি সীমান্তবর্তী জেলা ও শহর, যা বাংলাদেশের সিলেটের জকিগঞ্জ সীমান্তের বিপরীতে অবস্থিত।
B) খোয়াই — এটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের একটি শহর ও নদী, যা বাংলাদেশের হবিগঞ্জ সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত।
C) পেট্রাপোল — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি বিখ্যাত স্থলবন্দর, যা বাংলাদেশের বেনাপোল সীমান্তের বিপরীতে অবস্থিত।
D) ডাউকি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা তামাবিল সীমান্তের বিপরীতে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
তামাবিল দিয়ে সিলেট থেকে মেঘালয় যাওয়া যায় এবং সেখানে ঢোকার মুখেই ডাউকি শহর পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: B) Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission
কেন সঠিক:
- BTRC হলো বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা, যার ইংরেজি নামের সঠিক রূপটিতে Telecommunication শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
- এটি ২০০১ সালের আইন অনুযায়ী গঠিত হয় এবং দেশের সব ধরনের টেলিযোগাযোগ সেবা নিয়ন্ত্রণ ও লাইসেন্স প্রদান করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Bangladesh Telephone Regulatory Commission — এই নামের কোনো আনুষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা নেই কারণ এখানে Telecommunication শব্দের পরিবর্তে শুধু Telephone ব্যবহার করা হয়েছে।
B) Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission — এটি সঠিক কারণ এটি দেশের একমাত্র টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রকৃত ইংরেজি নাম।
C) Bangladesh Telephone and Telecom Regulatory Commission — এই নামটিতে অতিরিক্ত শব্দের ব্যবহার রয়েছে যা দাপ্তরিক ও আইনগত নামের সঙ্গে মেলে না।
D) Bangladesh Telephone and Telegraph Regulatory Commission — এটি মূলত সাবেক টিঅ্যান্ডটি বোর্ডের নাম ছিল, যা বর্তমান বিটিআরসি সংস্থার নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
BTRC নামের ক্ষেত্রে Telephone না বলে পুরো Telecommunication শব্দটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) চিংড়ি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়, যা স্বর্ণের মতো মূল্যবান বলে একে হোয়াইট গোল্ড বলা হয়।
- চিংড়ির সাদা রঙের শারীরিক গঠন এবং এর উচ্চ অর্থনৈতিক গুরুত্বের কারণে একে রূপালী সম্পদ বা হোয়াইট গোল্ড নামে অভিহিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইলিশ — ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ এবং একে সিলভার হার্জ বা রূপালি ইলিশ বলা হয়, হোয়াইট গোল্ড নয়।
B) পাট — পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল এবং এর সোনালি রঙের জন্য একে গোল্ডেন ফাইবার বা সোনালী আঁশ বলা হয়।
C) রূপা — রূপা একটি মূল্যবান ধাতু, যা সরাসরি কোনো কৃষিজ বা মৎস্য সম্পদ নয় এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়।
D) চিংড়ি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ অর্থনৈতিক মূল্যের দিক থেকে একে হোয়াইট গোল্ড বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
পাট সোনালি আঁশ হলেও চিংড়ি সাদা রঙের এবং অত্যন্ত মূল্যবান বলে হোয়াইট গোল্ড নামে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: D) কক্সবাজার
কেন সঠিক:
- কক্সবাজার জেলাটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং এর পূর্বে বান্দরবান, পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর, উত্তরে চট্টগ্রাম এবং দক্ষিণে মিয়ানমার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সঙ্গে কক্সবাজারের কোনো সীমান্ত বা স্থলসীমান্ত নেই, তাই এটি ভারত সীমান্ত সংলগ্ন জেলা নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পঞ্চগড় — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ঠিক পাশেই অবস্থিত একটি সীমান্তবর্তী জেলা, যা তিন দিক থেকে ভারত দ্বারা বেষ্টিত।
B) সাতক্ষীরা — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সীমান্তসংলগ্ন একটি দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় জেলা।
C) হবিগঞ্জ — এটি ভারতের ত্রিপুরা ও আসাম রাজ্যের সীমান্তসংলগ্ন একটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় জেলা।
D) কক্সবাজার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর সঙ্গে ভারতের কোনো সীমান্ত নেই, কেবল মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের দক্ষিণ প্রান্তের একমাত্র উপকূলীয় জেলা কক্সবাজারের সঙ্গে কেবল মিয়ানমারের সীমান্ত আছে, ভারতের কোনো সীমান্ত নেই।
সঠিক উত্তর: D) ডেনমার্ক
কেন সঠিক:
- গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ, যা ভৌগলিকভাবে উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত হলেও রাজনৈতিকভাবে ইউরোপের দেশ ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অংশ।
- ডেনমার্কের রাজমুকুট বা স্বায়ত্তশাসনের অধীনে এই দ্বীপের অভ্যন্তরীণ শাসন ক্ষমতা স্থানীয় সরকারের হাতে থাকলেও প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রনীতি ডেনমার্কের ওপর ন্যস্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কানাডা — কানাডা উত্তর আমেরিকার একটি স্বাধীন দেশ এবং ভৌগলিকভাবে গ্রিনল্যান্ডের খুব কাছাকাছি হলেও এর ওপর কানাডার কোনো মালিকানা নেই।
B) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র উত্তর আমেরিকার একটি পরাশক্তি এবং গ্রিনল্যান্ডে তাদের সামরিক ঘাঁটি থাকলেও এর মালিকানা ডেনমার্কের হাতে।
C) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য ইউরোপের একটি দেশ এবং এর সাথে গ্রিনল্যান্ডের ঐতিহাসিক কোনো ঔপনিবেশিক বা বর্তমান মালিকানার সম্পর্ক নেই।
D) ডেনমার্ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডেনমার্কের মূল ভূখণ্ডের অধীনে গ্রিনল্যান্ড একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হিসেবে শাসিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
গ্রিনল্যান্ড নামের সাথে বরফের ছবি ভাসে, আর এই বরফঝরা দ্বীপের মালিকানা ইউরোপের ছোট্ট দেশ ডেনমার্কের হাতে।
সঠিক উত্তর: A) জেনেভা
কেন সঠিক:
- রেডক্রস ১৮৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থা যার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- যুদ্ধাহত সৈনিকদের সেবা ও বিশ্বব্যাপী মানবিক সংকট মোকাবিলায় এই শহর থেকেই সংস্থাটির প্রধান কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জেনেভা — এটি রেডক্রসের মূল সদর দপ্তর এবং এখানেই এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
B) নিউ ইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের সদর দপ্তর এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান কার্যালয় হলেও রেডক্রসের নয়।
C) জেদ্দা — এটি ওআইসি বা ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত, রেডক্রসের নয়।
D) রোম — এটি বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর, রেডক্রসের সদর দপ্তর এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
মানবিক কাজের লাল ক্রুশ, জেনেভায় তার আসল ফুস।
সঠিক উত্তর: D) ইন্দোনেশিয়া
কেন সঠিক:
- ইন্দোনেশিয়ায় বিশ্বের সর্বাধিক মুসলিম জনসংখ্যা বসবাস করে, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় সাতানব্বই শতাংশ।
- এটি জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দেশ এবং মুসলিম বিশ্বের প্রধান অর্থনীতির দেশ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ, তবে প্রথম নয়।
B) পাকিস্তান — পাকিস্তান বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ, তাই এটি সঠিক নয়।
C) সৌদি আরব — সৌদি আরব ইসলামের জন্মস্থান হলেও জনসংখ্যার দিক থেকে এটি বড় মুসলিম দেশ নয়।
D) ইন্দোনেশিয়া — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বিশ্বের সর্বাধিক মুসলিম জনসংখ্যার দেশ।
মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশের নামের শুরুতে ই অক্ষর আছে, যেমন ইন্দোনেশিয়া।
সঠিক উত্তর: C) উন্নত জাতের গমের নাম
কেন সঠিক:
- 'দোয়েল' বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত গমের একটি উচ্চ ফলনশীল জাত।
- এই জাতের গম কৃষকদের মধ্যে চাষাবাদের জন্য ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় এবং এটি দেশের খাদ্য চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাতীয় পাখির নাম — দোয়েল বাংলাদেশের জাতীয় পাখি হলেও কৃষির প্রেক্ষাপটে এটি পাখির নাম বোঝায় না।
B) কৃষি সংস্থার নাম — দোয়েল নামে বাংলাদেশের কোনো প্রধান কৃষি গবেষণা বা সম্প্রসারণ সংস্থা নেই।
D) কৃষি যন্ত্রের নাম — দোয়েল কোনো কৃষি যন্ত্রপাতি বা যন্ত্রাংশের নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
পাখি যেমন আমাদের প্রকৃতিতে সুন্দর, তেমনি 'দোয়েল' নামের উন্নত জাতের গম আমাদের কৃষির উৎপাদন বাড়াতে সুন্দর ভূমিকা রাখে।
সঠিক উত্তর: D) উন্নতজাতের গমের নাম
কেন সঠিক:
- সোনালিকা ও আকবর বাংলাদেশে উৎপাদিত অত্যন্ত জনপ্রিয় দু’টি উচ্চ ফলনশীল গমের জাত।
- ষাট ও সত্তরের দশকে দেশে গম উৎপাদন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এই জাতগুলোর গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উন্নত কৃষি যন্ত্রপাতির নাম — সোনালিকা ও আকবর কোনো যন্ত্রপাতি নয়, এগুলো উদ্ভিদ বা ফসলের জাত।
B) উন্নত জাতের ধানের নাম — এই নামগুলো ধানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, কারণ ধান হলো ইরিরা, ব্রিধান ইত্যাদি।
C) দু’টি কৃষি বিষয়ক বেসরকারি সংস্থার নাম — এরা কোনো সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান নয়, বরং কৃষিতে উদ্ভাবিত গমের বীজ বা জাত।
D) উন্নতজাতের গমের নাম — এটি সঠিক উত্তর, কারণ সোনালিকা ও আকবর বাংলাদেশের কৃষিতে সফলভাবে চাষ হওয়া গমের জাত।
মনে রাখার টিপস:
গমের জাত মনে রাখতে 'সোনালী আকবর' গমের ক্ষেতে সোনালী রোদ ছড়ায় এই কথাটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) রাশিয়া
কেন সঠিক:
- তাস রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এবং এটি দেশটির সরকারি সংবাদ প্রচারের প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের সময় থেকেই এই সংবাদ সংস্থাটি আন্তর্জাতিকভাবে সংবাদ পরিবেশন করে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাশিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তাস রাশিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা।
B) চীন — চীনের প্রধান রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার নাম সিনহুয়া, তাস নয়।
C) ভারত — ভারতের প্রধান সংবাদ সংস্থার নাম পিটিআই বা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া।
D) পাকিস্তান — পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার নাম এপিপি বা এসোসিয়েটেড প্রেস অব পাকিস্তান।
মনে রাখার টিপস:
রাশিয়ার নামের শেষাংশ এবং 'তাস' শব্দটির উচ্চারণ মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে তাস রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা।
সঠিক উত্তর: C) চীন
কেন সঠিক:
- গ্রেট হল অব দ্য পিপল বা দ্য গ্রেট হল হলো চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন চত্বরের পশ্চিমে অবস্থিত একটি বিশালাকার সরকারি ভবন।
- চীনের জাতীয় আইনসভা ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের বৈঠক এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অনুষ্ঠান এই ভবনে অনুষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বৃটেন — বৃটেনে এই নামের কোনো বিখ্যাত বা প্রধান রাজনৈতিক ভবন নেই, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা ক্যাপিটল হিলে অবস্থিত, গ্রেট হল সেখানে অবস্থিত নয়।
C) চীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ গ্রেট হল চীনের বেইজিংয়ে অবস্থিত একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ভবন।
D) রাশিয়া — রাশিয়ার প্রধান রাজনৈতিক ভবন ক্রেমলিন, গ্রেট হল রাশিয়ায় অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
চীনের বিশাল প্রাচীরের মতো দেশটির বিখ্যাত রাজনৈতিক ভবন গ্রেট হলও চীনে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) পানামা খাল
কেন সঠিক:
- পানামা খাল মধ্য আমেরিকার পানামা দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
- এই কৃত্রিম জলপথটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে দুই মহাসাগরের মধ্যে জাহাজ চলাচলের দূরত্ব ও সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুয়েজ খাল — এটি লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে, আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে নয়।
B) মিসিসিপি — এটি উত্তর আমেরিকার একটি প্রধান দীর্ঘ নদী, কোনো মহাসাগরকে যুক্তকারী খাল বা প্রণালী নয়।
C) ভলগা — এটি ইউরোপের দীর্ঘতম নদী, যা কাস্পিয়ান সাগরে পতিত হয়েছে এবং মহাসাগর সংযুক্ত করে না।
D) পানামা খাল — এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্তকারী সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
পানামা ও প্রশান্ত উভয় শব্দই প দিয়ে শুরু হয়, যা মনে রাখতে সাহায্য করে যে পানামা খাল প্রশান্ত ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: A) বোমারু বিমান চালিত
কেন সঠিক:
- স্টিলথ ড্রোন হলো রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম এক ধরনের চালকবিহীন বিমান, যা সাধারণত দূরপাল্লার বোমারু বিমানের প্রযুক্তিতে তৈরি হয়।
- এটি শত্রুঘাঁটিতে নিখুঁতভাবে বোমা বর্ষণ করার জন্য বিশেষভাবে নকশা করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বোমারু বিমান চালিত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ড্রোনটি বোমারু বিমানের ক্ষমতাসম্পন্ন এবং চালকবিহীনভাবে বোমা বহন করতে পারে।
B) মিগ চালিত — মিগ হলো রাশিয়া নির্মিত যুদ্ধবিমান, যা চালিত বিমান এবং এই ড্রোন মিগ প্রযুক্তির নয়।
C) হেলিকপ্টার চালিত — হেলিকপ্টার উল্লম্বভাবে উড্ডয়ন করে, কিন্তু স্টিলথ ড্রোনটি নির্দিষ্ট বিমানের মতো কাঠামোগতভাবে পরিচালিত হয়।
D) শক্তিশালী রকেট চালিত — রকেট মহাশূন্যে বা দূরপাল্লার ক্ষেপণাউপে ব্যবহৃত হয়, যা এই গোয়েন্দা ড্রোনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্টিলথ ড্রোন মানেই রাডার ফাঁকিদানকারী চালকবিহীন বোমারু বিমান।
সঠিক উত্তর: D) ইয়েমেন
কেন সঠিক:
- তাওয়াক্কুল কারমান ২০১১ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন এবং তিনি আরব বিশ্বের প্রথম নারী নোবেল বিজয়ী।
- তিনি ইয়েমেনের একজন খ্যাতনামা সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকার কর্মী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরান — এটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ হলেও তাওয়াক্কুল কারমান এই দেশের নাগরিক নন।
B) ইন্দোনেশিয়া — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ এবং তাওয়াক্কুল কারমান এখানে জন্মগ্রহণ করেননি।
C) তুরস্ক — তিনি পরবর্তী সময়ে তুরস্কের নাগরিকত্ব অর্জন করলেও তাঁর জন্ম ও মূল পরিচয় ইয়েমেনের সঙ্গে যুক্ত।
D) ইয়েমেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ইয়েমেনের নাগরিক হিসেবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
মনে রাখার টিপস:
ইয়েমেনের শান্তিকন্যা তাওয়াক্কুল কারমান স্মরণ রাখতে ইয়েমেন ও নোবেল শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখুন।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) দিলি
কেন সঠিক:
- পূর্ব তিমুর বা তিমুর লিসেস্ট দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার একটি স্বাধীন রাষ্ট্র এবং দিলি হলো দেশটির রাজধানী ও প্রধান বন্দর।
- ২০০২ সালে দেশটি স্বাধীনতা লাভ করার পর থেকেই দিলি এর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাসা — এটি তিমুরের রাজধানী নয়, বরং এটি চীনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের ঐতিহাসিক ও প্রশাসনিক রাজধানী।
B) পোর্টো নোভা — এটি পূর্ব তিমুরের রাজধানী নয়, এটি পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বেনিনের সাংবিধানিক রাজধানী।
C) দিলি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি পূর্ব তিমুরের রাজধানী শহর।
D) তিয়েন আন মেন — এটি কোনো দেশের রাজধানী নয়, এটি চীনের বেইজিং শহরে অবস্থিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক চত্বর।
মনে রাখার টিপস:
পূর্ব তিমুরের রাজধানী মনে রাখতে 'পূর্বের দিন দিলি' এই ছন্দটি মনে রাখতে পারো, যেখানে দিন থেকে দিলি বোঝায়।
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: A) রোমান সম্রাট হিসেবে
কেন সঠিক:
- জুলিয়াস সীজার ছিলেন প্রাচীন রোমের একজন বিখ্যাত সেনাপতি, রাষ্ট্রনায়ক ও একনায়ক যিনি রোমান সাম্রাজ্যের বিস্তার ও পতনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।
- যদিও তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে রোমের সম্রাট উপাধি পাননি, তবে তাকে রোমান সাম্রাজ্যের অন্যতম প্রধান রূপকার ও সম্রাটতুল্য শাসক হিসেবে গণ্য করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রোমান সম্রাট হিসেবে — এটি সঠিক কারণ তিনি রোমের রাজনৈতিক ইতিহাসে সর্বকালের অন্যতম প্রভাবশালী শাসক ও একনায়ক ছিলেন।
B) বর্ণবাদ বিরোধী হিসেবে — জুলিয়াস সীজারের পরিচিতি বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নয়, এটি আধুনিক যুগের একটি সামাজিক ধারণা।
C) বৃটেনের রাজা হিসেবে — তিনি বৃটেনের রাজা ছিলেন না, তবে তার সেনাবহিনী বৃটেনে অভিযান পরিচালনা করেছিল।
D) আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে — আমেরিকা মহাদেশ আবিষ্কৃত হয়েছিল তার মৃত্যুর বহু পরে, তাই তার সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
সীজার মানেই প্রাচীন রোমের ক্ষমতাধর শাসক, যিনি রোমান সাম্রাজ্যের ইতিহাসকে চিরতরে বদলে দিয়েছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) মৌলভীবাজার
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক চা-বাগান মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত।
- দেশের মোট চা-বাগানের প্রায় অর্ধেকের বেশি এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলায় সবচেয়ে বেশি চা-বাগান রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিলেট — সিলেটে অনেক চা-বাগান ও চা গবেষণা ইনস্টিটিউট থাকলেও মৌলভীবাজারের তুলনায় সংখ্যায় কম।
B) হবিগঞ্জ — হবিগঞ্জে বেশ কিছু বিখ্যাত চা-বাগান আছে, তবে মোট চা-বাগানের দিক থেকে এটি মৌলভীবাজারের পরেই অবস্থান করে।
C) মৌলভীবাজার — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই জেলায় দেশের সর্বাধিক চা-বাগান অবস্থিত।
D) বান্দরবান — বান্দরবানে সম্প্রতি চা চাষ শুরু হলেও এটি ঐতিহ্যবাহী প্রধান চা উৎপাদনকারী অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
চা-এর রাজধানী বলা হয় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলকে, তাই চা-বাগানও এই জেলায় সবচেয়ে বেশি।
সঠিক উত্তর: B) বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র
কেন সঠিক:
- বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান যা দেশে বই পড়া আন্দোলন পরিচালনা করছে।
- মানুষের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিয়ে সৎ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক গড়ে তোলার মূল লক্ষ্য থেকেই প্রতিষ্ঠানটির শ্লোগান নির্ধারিত হয়েছে আলোকিত মানুষ চাই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র — এটি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান যা বই প্রকাশনা ও পঠন সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করে এবং এর শ্লোগান ভিন্ন।
B) বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর বিখ্যাত শ্লোগান হলো আলোকিত মানুষ চাই।
C) সুশাসানের জন্য নাগরিক — এটি সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করা একটি নাগরিক প্ল্যাটফর্ম যার শ্লোগান ভিন্ন প্রেক্ষাপটের।
D) পাবলিক লাইব্রেরী — এটি সাধারণ পাঠাগার সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, কোনো নির্দিষ্ট আন্দোলনভিত্তিক শ্লোগানের প্রতিষ্ঠান নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাহিত্য পড়ার মূল উদ্দেশ্য হলো জ্ঞান অর্জন করা, তাই বই পড়ার প্রতিষ্ঠান বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের শ্লোগান হলো আলোকিত মানুষ চাই।
প্রশ্নের ধরন: রসায়ন (ধাতু ও অধাতু এবং অম্ল, ক্ষার ও লবণ)
সঠিক উত্তর: B) নাইট্রিক অ্যাসিড
১. কেন সঠিক:
- নাইট্রিক অ্যাসিড সোনা ছাড়া অন্যান্য ধাতু যেমন তামা বা রুপার সঙ্গে বিক্রিয়া করে কিন্তু বিশুদ্ধ সোনার সঙ্গে সাধারণ অবস্থায় বিক্রিয়া করে না।
- খাদ বা ভেজাল হিসেবে থাকা অন্যান্য ধাতু নাইট্রিক অ্যাসিডে দ্রবীভূত হয় ফলে সোনার খাদ সহজেই শনাক্ত করা যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: নাইট্রিক অ্যাসিড একটি শক্তিশালী জারক অ্যাসিড যা অনেক ধাতুর সঙ্গে বিক্রিয়া করে নাইট্রেট লবণ তৈরি করে।
- কার্যপ্রণালি: সোনার অলংকারে তামা বা অন্য ধাতুর খাদ মেশানো থাকলে নাইট্রিক অ্যাসিড সেই খাদগুলোকে গলিয়ে ফেলে কিন্তু সোনা অবিকৃত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্বর্ণকারদের দোকানে খাঁটি সোনা পরীক্ষা করা
ব্যাখ্যা: অলংকার পরীক্ষার সময় নাইট্রিক অ্যাসিড ব্যবহার করলে খাদগুলো দ্রবীভূত হয় এবং সোনার আসল রূপ প্রকাশ পায়।
উদাহরণ ২: মুদ্রার মান যাচাই করা
ব্যাখ্যা: প্রাচীনকালে ধাতব মুদ্রায় ভেজাল আছে কি না তা দেখার জন্য এসিড পরীক্ষা করা হতো।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাইট্রিক অ্যাসিড — এটি একটি দুর্বল জৈব অ্যাসিড যা লেবুতে থাকে এবং সোনার খাদ নির্ণয়ে এটি কাজ করে না।
B) নাইট্রিক অ্যাসিড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সোনার খাদ বা ভেজাল ধাতুগুলোকে আলাদা করতে পারে।
C) হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড — এটি এককভাবে সোনার খাদ বের করতে ব্যবহৃত হয় না তবে নাইট্রিক অ্যাসিডের সঙ্গে মিশিয়ে রাজঅম্ল তৈরি করা হয়।
D) টারটারিক অ্যাসিড — এটি তেতুলে পাওয়া যায় এবং এটি সোনার খাদের সঙ্গে কোনো বিক্রিয়া করে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
সোনা হলো সম্ভ্রান্ত ধাতু যা এসিডে গলে না, তাই খাদ বা ভেজাল সরাতে নাইট্রিক অ্যাসিড ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখবে সোনা চেনার হাতিয়ার হলো নাইট্রিক অ্যাসিড।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সোনা দ্রবীভূত করার জন্য নাইট্রিক অ্যাসিড এবং হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের তিন অনুপাত এক মিশ্রণ বা রাজঅম্ল ব্যবহার করা হয়।
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ধাতু ও এসিডের বিক্রিয়া অংশে প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) তামা ও দস্তা
১. কেন সঠিক:
পিতল একটি সংকর ধাতু যা দুটি ভিন্ন ধাতুর সমসত্ত্ব মিশ্রণে তৈরি হয়।
তামা এবং দস্তার নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশ্রণের মাধ্যমে এই টেকসই উপাদানটি প্রস্তুত করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: দুই বা ততোধিক ধাতুর অথবা একটি ধাতু ও একটি অধাতুর সমসত্ত্ব মিশ্রণকে সংকর ধাতু বলে।
কার্যপ্রণালি: গলিত অবস্থায় তামা ও দস্তাকে নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশিয়ে ঠান্ডা করার মাধ্যমে পিতল তৈরি করা হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: পিতল দিয়ে থালাবাসন, বাদ্যযন্ত্র, এবং নানা ধরনের সৌখিন সামগ্রী তৈরি করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পিতলের তৈরি প্রাচীন বাদ্যযন্ত্র যেমন ট্রাম্পেট বা হর্ন।
ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে শব্দের কম্পন এবং ধাতুর দীর্ঘস্থায়ী স্থায়িত্ব রক্ষা পায়।
উদাহরণ ২: ঘরের দরজার পিতলের হাতল বা লকিং নকশা।
ব্যাখ্যা: এটি ক্ষয়রোধী এবং দীর্ঘকাল চকচকে ভাব বজায় রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তামা ও টিন — এই দুটি ধাতু মিলে ব্রোঞ্জ বা কাঁসা নামক সংকর ধাতু তৈরি করে, পিতল নয়।
B) তামা ও দস্তা — এটি পিতল তৈরির সঠিক ও পরীক্ষিত উপাদান।
C) তামা ও নিকেল — তামা ও নিকেল মিশিয়ে কিউপ্রো-নিকেল তৈরি করা হয় যা মুদ্রা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
D) তামা ও সিসা — এই মিশ্রণটি সাধারণত বিয়ারিং বা প্লাম্বিং শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
পিতল তৈরির উপাদান মনে রাখতে পিতা শব্দ ব্যবহার করা যেতে পারে।
পিতে পিতল এবং তিতে তামা ও দস্তা বোঝায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সংকর ধাতু সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
ব্রোঞ্জ, পিতল এবং স্টেইনলেস স্টিলের উপাদানগুলোর তালিকা ভালোভাবে মুখস্থ রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: D) ক্রেসকোগ্রাফ
১. কেন সঠিক:
- ক্রেসকোগ্রাফ উদ্ভিদের বৃদ্ধি নিখুঁতভাবে পরিমাপ করার একটি অতি সংবেদনশীল যন্ত্র।
- বাঙালি বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসু এই যন্ত্রটি আবিষ্কার করেন, যা উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা ও বৃদ্ধি প্রমাণ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: উদ্ভিদের বৃদ্ধি অত্যন্ত ধীরগতির হওয়ায় সাধারণ স্কেলে তা মাপা যায় না। ক্রেসকোগ্রাফ যন্ত্র লিভারের অনুপাত বাড়িয়ে বৃদ্ধির পরিমাণ বহু গুণ বড় করে পর্দায় দেখায়।
- আবিষ্কারক: আচার্য স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু উনিশ শতকের শুরুর দিকে এই যন্ত্রটি উদ্ভাবন করেন।
- কার্যপ্রণালি: উদ্ভিদের ডগার সঙ্গে তার যুক্ত করে লিভার পদ্ধতির মাধ্যমে ক্ষুদ্রতম বৃদ্ধিও দশ হাজার গুণ পর্যন্ত পরিবর্ধন করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি টবের চারা গাছের অগ্রভাগে ক্রেসকোগ্রাফ যুক্ত করে নির্দিষ্ট সময়ে তার বৃদ্ধির হার গ্রাফ পেপারে লিপিবদ্ধ করা যায়।
ব্যাখ্যা: এটি উদ্ভিদের প্রাণ আছে এবং তারা যে প্রাণীর মতো পরিবেশের প্রতি সাড়া দিয়ে বৃদ্ধি পায় তা প্রমাণ করে।
উদাহরণ ২: বিভিন্ন তাপমাত্রায় উদ্ভিদের বৃদ্ধির তারতম্য এই যন্ত্রের সাহায্যে নিখুঁتভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব।
ব্যাখ্যা: এটি কৃষি বিজ্ঞান ও উদ্ভিদ শারীরতত্ত্বে পরীক্ষার কাজে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওডোমিটার — এটি মোটর গাড়ি বা অন্য কোনো যানের অতিক্রান্ত দূরত্ব পরিমাপ করার যন্ত্র।
B) ক্রনমিটার — এটি সমুদ্রের দ্রাঘিমা নির্ণয় এবং অত্যন্ত নিখুঁত সময় পরিমাপ করার জন্য ব্যবহৃত ঘড়ি।
C) ট্যাকোমিটার — এটি কোনো মোটর বা ইঞ্জিনের ঘূর্ণন গতি বা প্রতি মিনিটে ঘূর্ণন সংখ্যা পরিমাপ করে।
D) ক্রেসকোগ্রাফ — এটি উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্র হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গাছের বৃদ্ধি দেখতে হলে ক্রেসের মতো লাফিয়ে ওঠার কথা মনে রাখতে পারেন, সেখান থেকে ক্রেসকোগ্রাফ শব্দটি মনে রাখা সহজ।
- বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুর নাম উদ্ভিদের প্রাণ আবিষ্কারের সঙ্গে জড়িত, তাই তার যন্ত্রটির নামও উদ্ভিদের বৃদ্ধির সঙ্গেই সম্পর্কিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উদ্ভিদবিজ্ঞান অংশ থেকে প্রায়ই আসে।
- জগদীশ চন্দ্র বসু সম্পর্কিত অন্যান্য আবিষ্কার যেমন কোহ্যারেন্স এবং রেডিও তরঙ্গ সম্পর্কেও ধারণা রাখা দরকার।
সঠিক উত্তর: B) ট্রান্সফরমার
১. কেন সঠিক:
- পারস্পরিক আবেশ বা মিউচুয়াল ইনডাকশন নীতির ওপর ভিত্তি করে ট্রান্সফরমার কাজ করে।
- একটি কুণ্ডলীতে তড়িৎ প্রবাহের পরিবর্তনের ফলে পাশের অন্য কুণ্ডলীতে তড়িৎ চালক শক্তি উৎপন্ন হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: দুটি কাছাকাছি থাকা কুণ্ডলীর একটিতে তড়িৎ প্রবাহ পরিবর্তন করলে অন্যটিতে তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশে ভোল্টেজ তৈরি হয়।
- কার্যপ্রণালি: প্রাইমারি কুণ্ডলীতে পরিবর্তী প্রবাহ বা এসি কার্ভ পাঠানো হলে চৌম্বক ফ্লাক্সের পরিবর্তনের মাধ্যমে সেকেন্ডারি কুণ্ডলীতে ভোল্টেজ আবিষ্ট হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মোবাইল চার্জার অ্যাডাপ্টার
ব্যাখ্যা: চার্জারের ভেতরে থাকা ছোট ট্রান্সফরমার উচ্চ ভোল্টেজকে কমিয়ে নিরাপদ নিম্ন ভোল্টেজে রূপান্তর করে।
উদাহরণ ২: সাবস্টেশনের পাওয়ার ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা: বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে আসা উচ্চ ভোল্টেজের বিদ্যুৎ কমিয়ে গৃহস্থালিতে ব্যবহারের উপযোগী করে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডায়োড — এটি মূলত সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস যা এসি কারেন্টকে ডিসি কারেন্টে রূপান্তর করতে ব্যবহৃত হয়।
B) ট্রান্সফরমার — এটি পারস্পরিক আবেশ নীতিতে কাজ করে ভোল্টেজ কমায় বা বাড়ায়।
C) ট্রানজিস্টার — এটি তড়িৎ সংকেত বা সিগন্যাল বিবর্ধন এবং সুইচ হিসেবে কাজ করে।
D) অ্যামপ্লিফায়ার — এটি দুর্বল তড়িৎ সংকেতের মান বৃদ্ধি বা বিবর্ধন করতে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ট্রান্সফরমার মানেই পারস্পরিক আবেশ এবং এটি শুধু এসি কারেন্টের ক্ষেত্রে কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ট্রান্সফরমার ডিসি কারেন্টে কাজ করে না কারণ ডিসি প্রবাহে চৌম্বক ফ্লাক্সের কোনো পরিবর্তন ঘটে না।
সঠিক উত্তর: A) এক কিলোওয়াট ঘন্টা
১. কেন সঠিক:
- বৈদ্যুতিক শক্তির বাণিজ্যিক একক হলো কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা বিওটি (Board of Trade Unit) ইউনিট।
- এক হাজার ওয়াট ক্ষমতার কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র এক ঘণ্টা একটানা চললে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ শক্তি খরচ হয়, তাকে এক ইউনিট বা এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা বলা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: বৈদ্যুতিক শক্তি পরিমাপের জন্য কাজের হার বা ক্ষমতার সঙ্গে সময়ের হিসাব করা হয়।
- সূত্র/তত্ত্ব: বিদ্যুৎ শক্তি (W) সমান ক্ষমতা (P) গুণ সময় (t), যেখানে ক্ষমতা কিলোওয়াটে এবং সময় ঘণ্টায় মাপা হয়।
- কার্যপ্রণালি: কোনো যন্ত্রের ওয়াটকে এক হাজার দ্বারা ভাগ করে কিলোওয়াটে রূপান্তর করে ঘণ্টার সংখ্যা দিয়ে গুণ করলে মোট ইউনিট পাওয়া যায়।
- বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের বাসাবাড়ির বৈদ্যুতিক মিটারে যে খরচ মাপা হয়, তা এই কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা ইউনিট হিসেবেই হিসাব করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি এক হাজার ওয়াটের বৈদ্যুতিক হিটার এক ঘণ্টা চালালে তা এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা এক ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করে।
ব্যাখ্যা: এটি সরাসরি ক্ষমতার একক এবং সময়ের গুণফলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ খরচের সঠিক পরিমাণ নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: একটি একশ ওয়াটের বাতি দশ ঘণ্টা জ্বালালে মোট এক হাজার ওয়াট-ঘণ্টা বা এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ খরচ হয়।
ব্যাখ্যা: কম ক্ষমতার যন্ত্র দীর্ঘ সময় চললেও একই পরিমাণ শক্তির হিসাব তৈরি করতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এক কিলোওয়াট ঘন্টা — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বৈদ্যুতিক শক্তির বাণিজ্যিক হিসাবের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একক।
B) এক ওয়াট-ঘন্টা — এটি শক্তির একটি খুব ছোট একক, যা সাধারণত বৈদ্যুতিক মিটারের বাণিজ্যিক হিসাবে ব্যবহৃত হয় না।
C) এক কিলোওয়াট — এটি কেবল বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক, শক্তির বা কাজের পরিমাণ পরিমাপের একক নয়।
D) এ ওয়াট — এটি ক্ষমতার একক হলেও টাইপিং ত্রুটির কারণে অসম্পূর্ণ এবং শক্তির পরিমাপের জন্য এটি অপর্যাপ্ত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিদ্যুৎ বিল মানেই কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা ইউনিট।
- কিলোওয়াট হলো ক্ষমতার পরিমাপ আর ঘণ্টা হলো সময়ের পরিমাপ, এই দুয়ের গুণফলই হলো শক্তি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা সমান তিন দশমিক ছয় গুণ দশের উপরে ছয় জুল।
- এই একই ধারণা থেকে পরীক্ষার জন্য বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্রের মাসিক বিল হিসাব করার অংক আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) জন্ডিস
১. কেন সঠিক:
- জন্ডিস কোনো স্বাধীন রোগ নয়, এটি মূলত যকৃতের একটি প্রধান রোগ বা জটিলতার বহিঃপ্রকাশ।
- রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা অতিরিক্ত বৃদ্ধি পেলে ত্বক ও চোখ হলুদ হয়ে যায়, যা জন্ডিস নামে পরিচিত।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: জন্ডিস এমন একটি শারীরবৃত্তীয় অবস্থা যেখানে পিত্তরঞ্জক বিলিরুবিনের বিপাক বিঘ্নিত হয় এবং তা রক্তে জমে যায়।
- কার্যপ্রণালি: যকৃত ক্ষতিগ্রস্ত হলে লোহিত কণিকা ভাঙার ফলে উৎপন্ন বিলিরুবিন সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত ও নিষ্কাশন হতে পারে না।
- কারণ ও ফলাফল: হেপাটাইটিস ভাইরাস বা অন্য কোনো কারণে যকৃতের কোষ নষ্ট হলে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের আক্রমণ।
ব্যাখ্যা: এই ভাইরাস সরাসরি যকৃতের কোষে প্রদাহ সৃষ্টি করে, যার ফলে যকৃতের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয় এবং জন্ডিস দেখা দেয়।
উদাহরণ ২: পিত্তনালীতে পাথর জমার সমস্যা।
ব্যাখ্যা: পাথর জমার কারণে পিত্তরস সহজে অন্ত্রে পৌঁছাতে পারে না এবং রক্তে ফিরে আসে, যা জন্ডিসের লক্ষণ তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জন্ডিস — এটি যকৃতের একটি প্রধান রোগ যা রক্তে পিত্তরঞ্জকের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ঘটে।
B) টাইফয়েড — এটি কোনো যকৃতের রোগ নয়, বরং এটি সালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে হওয়া একটি অন্ত্রের রোগ।
C) হাম — এটি প্যারামিক্সোভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি অত্যন্ত সংক্রামক ফুসকুড়িযুক্ত শ্বাসতন্ত্রের রোগ।
D) কলেরা — এটি ভিপ্রিও কলেরি ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে হওয়া মারাত্মক ডায়রিয়াজনিত একটি পানিবাহিত অন্ত্রের রোগ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- যকৃত সংক্রান্ত যেকোনো রোগ বা প্রদাহের চিকিৎসায় হেপাটোলজি বিভাগ কাজ করে।
- জন্ডিস শব্দটির সঙ্গে যকৃত বা লিভারের কার্যকারিতা সরাসরি সম্পর্কিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি হলো যকৃত বা লিভার।
- জন্ডিস রোগীর ক্ষেত্রে মূত্রের রঙ হলুদ এবং মলের রঙ ফ্যাকাশে হয়ে যায়।
সঠিক উত্তর: C) ফাঙ্গাস
১. কেন সঠিক:
মাশরুম হলো এক ধরনের ছত্রাক বা ফাঙ্গাস যা নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না।
এদের দেহে ক্লোরোফিল না থাকায় এরা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে না এবং মৃত বা পচা জৈব পদার্থ থেকে পুষ্টি গ্রহণ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ছত্রাক বা ফাঙ্গাস হলো এমন একদল ইউক্যারিওটিক জীব যাদের কোষপ্রাচীর কাইটিন দ্বারা গঠিত।
কার্যপ্রণালি: মাশরুম মাটিতে বা পচা কাঠের ওপর অণুজীবের মতো হাইফি বিস্তার করে এবং এনজাইম নিঃসরণ করে জটিল খাদ্য ভেঙে শোষণ করে।
বাস্তব প্রয়োগ: রান্নায় পুষ্টিকর খাবার হিসেবে মাশরুমের ব্যবহার বহুল প্রচলিত এবং এটি পরিবেশের মৃত জৈব পদার্থ পচাতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইয়েস্ট বা খামির।
ব্যাখ্যা: এটি এক ধরণের এককোষী ছত্রাক যা পাউরুটি তৈরিতে এবং গাঁজন প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: পেনিসিলিয়াম।
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুকোষী ছত্রাক যা থেকে জীবন রক্ষাকারী অ্যান্টিবায়োটিক পেনিসিলিন তৈরি করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপুষ্পক উদ্ভিদ — মাশরুম উদ্ভিদ রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত নয় কারণ এদের প্রকৃত উদ্ভিদ বলা যায় না এবং এরা ফুল বা বীজ উৎপাদন করে না।
B) পরজীবী উদ্ভিদ — মাশরুম পরজীবী উদ্ভিদ নয় কারণ উদ্ভিদের মতো এদের নিজস্ব খাদ্য তৈরির ক্ষমতা নেই এবং এরা মৃতজীবী হিসেবে বেঁচে থাকে।
C) ফাঙ্গাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ মাশরুম উদ্ভিদ জগতের অন্তর্ভুক্ত না হয়ে ফাইলাম ফাঙ্গাই বা ছত্রাক রাজ্যের অন্তর্গত।
D) অর্কিড — অর্কিড হলো এক ধরণের সপুষ্পক পরাশ্রয়ী উদ্ভিদ, যা মাশরুমের মতো ছত্রাক নয় এবং নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করতে পারে।
৫. মনে রাখার টিপস:
মাশরুমে কোনো সবুজ পাতা বা ক্লোরোফিল থাকে না, তাই এটি উদ্ভিদ না হয়ে ফাঙ্গাস বা ছত্রাক হিসেবে গণ্য হয়।
ছত্রাক মানেই পরভোজী জীব, যা মৃতদেহ বা পচা আবর্জনা থেকে পুষ্টি শোষণ করে বেঁচে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে ছত্রাকের কোষপ্রাচীর কি দিয়ে তৈরি, যার সঠিক উত্তর হলো কাইটিন।
একই ধারণা থেকে মাশরুমের পুষ্টি উপাদান বা ছত্রাকের অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
প্রশ্নের ধরন: রোগ, জীবাণু ও রোগ প্রতিরোধ
সঠিক উত্তর: B) জীবাণু ধ্বংস করা
১. কেন সঠিক:
- অ্যান্টিবায়োটিক হলো এমন এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ যা ব্যাকটেরিয়া বা অণুজীবের বৃদ্ধি রোধ করে বা তাদের সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে।
- এটি মানবদেহে প্রবেশ করে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর গঠন ব্যাহত করে অথবা তাদের প্রোটিন সংশ্লেষণ প্রক্রিয়া থামিয়ে দেয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: অ্যান্টিবায়োটিক কেবল ব্যাকটেরিয়া জনিত সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে এবং এটি ভাইরাসের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ অকার্যকর।
- কার্যপ্রণালি: এটি ব্যাকটেরিয়ার জীবনচক্রের অপরিহার্য জৈবরাসায়নিক প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করে ব্যাকটেরিয়াকে নিষ্ক্রিয় বা মৃত করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পেনিসিলিন
ব্যাখ্যা: এটি প্রথম আবিষ্কৃত অ্যান্টিবায়োটিক যা নিউমোনিয়া বা গলার ইনফেকশন সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর ধ্বংস করে।
উদাহরণ ২: অ্যামোক্সিসিলিন
ব্যাখ্যা: এটি ব্যাকটেরিয়াজনিত বিভিন্ন কান বা শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ নিরাময়ে চিকিৎসকরা ব্যবহার করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা — রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি বৃদ্ধি করে মূলত ভ্যাকসিন বা টিকা এবং পুষ্টিকর খাবার, অ্যান্টিবায়োটিক সরাসরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় না।
B) জীবাণু ধ্বংস করা — এটি সঠিক কারণ অ্যান্টিবায়োটিকের মূল কাজ হলো মানবদেহে প্রবেশকারী ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করা।
C) ভাইরাস ধ্বংস করা — ভাইরাস কোষহীন এবং অ্যান্টিবায়োটিক ভাইরাসের ওপর কোনো প্রভাব ফেলতে পারে না, তাই সর্দি বা ফ্লুর মতো ভাইজনিত রোগে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না।
D) দ্রুত রোগ নিরাময় করা — অ্যান্টিবায়োটিক কোনো জাদুকরি ওষুধ নয় যা যেকোনো রোগ দ্রুত নিরাময় করবে, এটি কেবল ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধি রোধ করে শরীরকে সুস্থ হতে সাহায্য করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অ্যান্টিবায়োটিক মানেই ব্যাকটেরিয়া নাশক, যা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- আলেকজান্ডার ফ্লেমিং প্রথম পেনিসিলিন অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেন।
- ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগে অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর হলেও ভাইরাস জনিত সাধারণ ঠাণ্ডা কাশিতে এর ব্যবহার ক্ষতিকর হতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) এসিটিক এসিড
১. কেন সঠিক:
এসিটিক এসিড একটি জৈব অম্ল কারণ এটি মূলত উদ্ভিদ ও প্রাণিজ উৎস থেকে পাওয়া যায় এবং এর অণুতে কার্বক্সিল গ্রুপ যুক্ত থাকে।
জৈব এসিডগুলোতে সাধারণত কার্বন শিকলের সঙ্গে কার্বক্সিল গ্রুপ যুক্ত থাকায় এদের অম্লীয় ধর্ম প্রকাশ পায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: যেসকল এসিড সাধারণত জীবজগৎ অর্থাৎ উদ্ভিদ ও প্রাণী উৎস থেকে সংগৃহীত হয় এবং যাদের মধ্যে কার্বক্সিল গ্রুপ থাকে, তাদের জৈব অম্ল বলা হয়।
রাসায়নিক সংকেত: এসিটিক এসিডের রাসায়নিক সংকেত হলো সিএইচ৩সিওওএইচ এবং এর কার্যকরী মূলক হলো কার্বক্সিল গ্রুপ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভিনেগার বা সিরকা
ব্যাখ্যা: রান্নাঘরে ব্যবহৃত ভিনেগারে চার থেকে পাঁচ শতাংশ এসিটিক এসিড থাকে, যা একটি মৃদু জৈব অম্ল।
উদাহরণ ২: লেবুর রস
ব্যাখ্যা: লেবুতে সাইট্রিক এসিড থাকে, যা ফলমূল থেকে প্রাপ্ত আরেকটি সুপরিচিত জৈব অম্ল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রিক এসিড — এটি একটি শক্তিশালী অজৈব বা খনিজ এসিড, যা শিল্প কারখানায় কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয়।
B) হাইড্রোক্লোরিক এসিড — এটি একটি খনিজ এসিড যা মানবদেহের পাকস্থলীতে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত হলেও এটি কোনো জৈব অম্ল নয়।
C) এসিটিক এসিড — এটি একটি জৈব অম্ল এবং এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
D) সালফিউরিক এসিড — এটি অত্যন্ত শক্তিশালী একটি অজৈব এসিড, যা মূলত খনিজ পদার্থ থেকে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় প্রস্তুত করা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
খাবার জিনিস যেমন ভিনেগার বা ফলে যে টক স্বাদ পাওয়া যায় তা জৈব এসিডের কারণে হয়।
পরীক্ষায় খনিজ এসিড ও জৈব এসিড আলাদা করতে মনে রাখবে খনিজ এসিডগুলো গবেষণাগারে তৈরি হয় আর জৈব এসিডগুলো প্রাকৃতিকভাবে খাবারে থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জৈব ও অজৈব এসিডের উদাহরণ জানতে চাওয়া হয়।
এসিটিক এসিডের রাসায়নিক সংকেত এবং ভিনেগারের শতকরা পরিমাণ সম্পর্কে ভালোভাবে ধারণা রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) ল্যাকটিক এসিড
১. কেন সঠিক:
দুধে প্রাকৃতিক ডাইস্যাকারাইড বা শর্করা হিসেবে ল্যাকটোজ নামক উপাদান বিদ্যমান থাকে।
ব্যাকটেরিয়ার ক্রিয়ায় এই ল্যাকটোজ রূপান্তরিত হয়ে ল্যাকটিক এসিড উৎপন্ন করে এবং দুধের স্বাদ টক করে তোলে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ল্যাকটিক এসিড এক প্রকার জৈব এসিড যার রাসায়নিক সংকেত সিথ্রি এইট ও থ্রি।
কার্যপ্রণালি: ল্যাকটোব্যাসিলাস নামক ব্যাকটেরিয়ার গাঁজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দুধের শর্করা এসিডে পরিণত হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই মূলত তরল দুধ থেকে দই, পনির এবং বিভিন্ন ধরনের মায়োনিজ বা দুগ্ধজাত খাবার তৈরি করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঘরের উষ্ণতায় দীর্ঘক্ষণ দুধ খোলা রাখলে তা কেটে যায় বা ছানা হয়ে যায়।
ব্যাখ্যা: বাতাসের উপস্থিতিতে ব্যাকটেরিয়ার দ্রুত বংশবৃদ্ধির ফলে ল্যাকটোজ ভেঙে ল্যাকটিক এসিড তৈরি হয় এবং পিএইচ কমে যায়।
উদাহরণ ২: অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ বা ভারী ব্যায়ামের পর পেশিতে টান ধরে।
ব্যাখ্যা: অক্সিজেনের স্বল্পতার কারণে মাংসপেশিতে ল্যাকটিক এসিড জমে যাওয়ার ফলে এই ধরনের শারীরিক ক্লান্তি ও ব্যথা অনুভূত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাইট্রিক এসিড — এটি লেবু, কমলা এবং অন্যান্য টক জাতীয় ফলে প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায়, দুধে থাকে না।
B) ল্যাকটিক এসিড — এটি দুধে উপস্থিত প্রধান জৈব এসিড যা দুধের টক স্বাদের জন্য দায়ী।
C) নাইট্রিক এসিড — এটি একটি অত্যন্ত ক্ষয়কারী খনিজ এসিড যা গবেষণাগারে ও শিল্প কারখানায় ব্যবহৃত হয়, খাদ্যে থাকে না।
D) এসিটিক এসিড — এটি মূলত ভিনেগার বা সিরকায় চার থেকে পাঁচ শতাংশ মাত্রায় দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
দুধের ইংরেজি প্রতিশব্দ ল্যাকটোজ থেকে খুব সহজেই ল্যাকটিক এসিড নামটি মনে রাখা সম্ভব।
দুগ্ধজাত পণ্যের সঙ্গে জড়িত যেকোনো এসিডীয় উপাদান খুঁজতে ল্যাকট শব্দটি প্রথম পছন্দ হওয়া উচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
খাদ্য ও পুষ্টি অধ্যায়ের জন্য এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বারবার আসা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্ন।
দুধে কোন ভিটামিন থাকে না এবং দুধের প্রোটিনের নাম ক্যাজিন—এই সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোও পরীক্ষার জন্য সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: A) ৫০ হার্জ
১. কেন সঠিক:
আমাদের বাসা বাড়িতে যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় তা পর্যায়ী প্রবাহ বা অলটারনেটিং কারেন্ট প্রকৃতির। এই বিদ্যুৎ নির্দিষ্ট সময় পর পর দিক পরিবর্তন করে এবং প্রতি সেকেন্ডে এটি কতবার দিক পরিবর্তন করছে তা এর ফ্রিকোয়েন্সি বা কম্পাঙ্ক দ্বারা নির্ধারিত হয়।
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহকৃত অলটারনেটিং কারেন্টের কম্পাঙ্ক প্রতি সেকেন্ডে পঞ্চাশ সাইকেল বা পঞ্চাশ হার্জ হিসেবে নির্ধারিত রয়েছে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: অলটারনেটিং কারেন্টের প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে যতবার সম্পূর্ণ একটি চক্র সম্পন্ন করে তাকে তার ফ্রিকোয়েন্সি বা কম্পাঙ্ক বলে এবং এর একক হলো হার্জ।
কার্যপ্রণালি: জেনারেটরের রোটরের ঘূর্ণনের ফলে তড়িৎ চালক শক্তি উৎপন্ন হয় এবং প্রতি পূর্ণ ঘূর্ণনে কারেন্ট একবার ধনাত্মক ও একবার ঋণাত্মক দিক লাভ করে।
বাস্তব প্রয়োগ: এই নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের কারণে আমাদের দেশের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যেমন পাখা ও বাতি সেকেন্ডে পঞ্চাশ বার দিক পরিবর্তনকারী বিদ্যুৎ দ্বারা পরিচালিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাসা বাড়ির সিলিং ফ্যানের ঘূর্ণন গতি।
ব্যাখ্যা: পঞ্চাশ হার্জ ফ্রিকোয়েন্সির বিদ্যুৎ প্রবাহের কারণে ফ্যানের মোটর সুষমভাবে ঘুরে এবং কোনো রকম হেঁচকি ছাড়াই বাতাস প্রদান করে।
উদাহরণ ২: ঘরের টিউবলাইটের আলো জ্বলা ও নেভা।
ব্যাখ্যা: প্রতি সেকেন্ডে পঞ্চাশ হার্জ কম্পাঙ্কের কারণে টিউবলাইট প্রতি সেকেন্ডে একশ বার জ্বলে ও নেভে যা মানুষের চোখ ধরতে পারে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫০ হার্জ — এটি বাংলাদেশের এবং দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ দেশের গৃহস্থালি বিদ্যুৎ সরবরাহের আদর্শ এবং নির্ধারিত ফ্রিকোয়েন্সি মান।
B) ২২০ হার্জ — এটি সম্পূর্ণ ভুল মান কারণ দুইশ বিশ হলো আমাদের দেশের গৃহস্থালি বিদ্যুৎ সরবরাহের ভোল্টেজ বা বিভব পার্থক্যের মান যার একক ভোল্ট।
C) ২০০ হার্জ — এটি কোনো তাত্ত্বিক বা বাস্তবসম্মত মান নয় এবং আমাদের দেশের জাতীয় গ্রিড বা গৃহস্থালি বিদ্যুৎ সরবরাহের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
D) ১০০ হার্জ — এটি ভুল মান কারণ যুক্তরাষ্ট্র এবং কিছু দেশ ষাট হার্জ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করলেও একশ হার্জ ফ্রিকোয়েন্সি কোথাও গৃহস্থালি বিদ্যুতে ব্যবহার করা হয় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
আমাদের দেশের বাসা বাড়ির বিদ্যুতের দুটি মূল সংখ্যা মনে রাখতে হবে যার একটি হলো ভোল্টেজ দুইশ বিশ এবং অন্যটি হলো ফ্রিকোয়েন্সি বা কম্পাঙ্ক পঞ্চাশ হার্জ।
কম্পাঙ্কের একক হার্জ এবং বাসা বাড়ির বিদ্যুৎ প্রতি সেকেন্ডে পঞ্চাশ বার দিক বদলায় এই তথ্যটি মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্ব অধ্যায়ের অত্যন্ত কমন একটি প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
যুক্তরাষ্ট্র ও কিছু আমেরিকান দেশে গৃহস্থালি বিদ্যুতের ফ্রিকোয়েন্সি পঞ্চাশ হার্জের পরিবর্তে ষাট হার্জ হয়ে থাকে যা পরীক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তুলনামূলক তথ্য।
সঠিক উত্তর:
B) ওয়াইম্যাক্স
১. কেন সঠিক:
ওয়াইম্যাক্স হলো এমন একটি তারবিহীন ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি যা বিশাল এলাক জুড়ে অত্যন্ত দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা প্রদান করতে সক্ষম।
এটি ফিক্সড ও মোবাইল উভয় ডিভাইসে তারের ঝামেলা ছাড়াই ডেটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ওয়াইম্যাক্স-এর পূর্ণরূপ হলো ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারঅপারেবিলিটি ফর মাইক্রোওয়েভ অ্যাক্সেস। এটি একটি ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন টেকনোলজি।
কার্যপদ্ধতি: এটি রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে বেস স্টেশন থেকে ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে উচ্চগতির ইন্টারনেট ডেটা সরাসরি প্রেরণ ও গ্রহণ করে।
বৈশিষ্ট্য: এর কভারেজ এলাকা অনেক বড় এবং এটি মেট্রোপলিটন এরিয়া জুড়ে দ্রুতগতির ডেটা ট্রান্সফার রেট প্রদান করতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে কোনো ফিজিক্যাল ক্যাবল বা লাইন সংযোগ ছাড়াই অফিসে উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহার করা।
ব্যাখ্যা: ওয়াইম্যাক্স টাওয়ার ব্যবহার করে বিশাল ভৌগোলিক এলাকায় তারবিহীন মাধ্যমে এই সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়।
উদাহরণ ২: প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেখানে ব্রডব্যান্ড লাইন টানা অসম্ভব, সেখানে ওয়াইম্যাক্স মডেমের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা নেওয়া।
ব্যাখ্যা: এই প্রযুক্তি দুর্গম এলাকায় তারের সংযোগ ছাড়াই সরাসরি ওয়্যারলেস সিগন্যাল রিসিভ করে ইন্টারনেট ব্রাউজিং ও ডাউনলোডের সুবিধা দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফেসবুক — এটি একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং এটি ইন্টারনেট ব্যবহারের একটি মাধ্যম মাত্র, কোনো ইন্টারনেট সংযোগ প্রযুক্তি নয়।
B) ওয়াইম্যাক্স — এটি তারবিহীন দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগের জন্য সবচেয়ে উপযোগী সঠিক প্রযুক্তি।
C) ব্রডব্যান্ড — এটি উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগের একটি সাধারণ মাধ্যম যা সাধারণত ফিজিক্যাল ক্যাবল বা ফাইবারের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়, তারবিহীন নয়।
D) টুইটার — এটি একটি জনপ্রিয় মাইক্রোব্লগিং ও সামাজিক যোগাযোগ সাইট, যা ইন্টারনেটের সাহায্যে পরিচালিত হয় কিন্তু নিজে কোনো ইন্টারনেট সংযোগ প্রযুক্তি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ওয়াইম্যাক্স শব্দের ইংরেজি পূর্ণরূপ হলো ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারঅপারেবিলিটি ফর মাইক্রোওয়েভ অ্যাক্সেস।
শব্দটির শুরুতে ওয়াই (Wi) এবং ম্যাক্স (Max) মিলে তারবিহীন বৃহৎ পরিসরের দ্রুতগতির ইন্টারনেটকে বোঝায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি মূলত আইইইই ৮০০২.১৬ মানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ওয়াইম্যাক্স এবং ওয়াইফাই এর কভারেজ এলাকার পার্থক্যের ওপর প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর:
D) অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
১. কেন সঠিক:
- অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total Internal Reflection) নীতির ভিত্তিতে ডেটা বা আলোক সংকেত প্রেরণ করা হয়।
- ফাইবারের কেন্দ্র বা কোর-এর প্রতিসরাঙ্ক বাইরের অংশ বা ক্ল্যাডিং-এর প্রতিসরাঙ্ক অপেক্ষা বেশি হওয়ায় আলো বাইরে না বেরিয়ে ভেতরে প্রতিফলিত হয়ে এগিয়ে যায়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন হলো এমন একটি আলোকীয় ঘটনা যেখানে আলো ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যাওয়ার সময় সংকট কোণের চেয়ে বেশি কোণে আপতিত হলে প্রতিসৃত না হয়ে সম্পূর্ণভাবে আবার ঘন মাধ্যমে ফিরে আসে।
- কার্যপদ্ধতি: অপটিক্যাল ফাইবারের একপ্রান্ত থেকে লেজার বা ইনফ্রারেড আলো প্রবেশ করানো হলে তা বারবার অভ্যন্তরীণ প্রতিফলিত হয়ে অন্যপ্রান্তে পৌঁছে যায়।
- বৈশিষ্ট্য: আলোর গতিতে ডেটা স্থানান্তর করতে পারে এবং এতে কোনো ত্যড়িৎ চুম্বকীয় হস্তক্ষেপ ঘটে না।
- ব্যবহার: উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ, টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে এন্ডোস্কোপিতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাবমেরিন কেবল বা সমুদ্রের তলদেশের ইন্টারনেট সংযোগ।
ব্যাখ্যা: সাগর বা মহাদেশের নিচ দিয়ে উচ্চগতির ডেটা বা ইন্টারনেট প্রেরণের জন্য অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল ব্যবহার করা হয় যেখানে অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে আলোক সংকেত হাজার হাজার মাইল দূর পর্যন্ত চলে যায়।
উদাহরণ ২: চিকিৎসাবিজ্ঞানে ব্যবহৃত এন্ডোস্কোপ যন্ত্র।
ব্যাখ্যা: শরীরের ভেতরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দেখার জন্য অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করা হয়, যেখানে আলো ফাইবারের ভেতর দিয়ে যাতায়াত করে ভেتরের ছবি বাইরে পাঠায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রতিসরণ — প্রতিসরণ হলো আলোকরশ্মির এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যাওয়ার সময় দিক পরিবর্তন করার ঘটনা, যা অপটিক্যাল ফাইবারের মূল নীতি নয়।
B) বিচ্ছুরণ — বিচ্ছুরণ হলো সাদা আলোর প্রিজমের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর সাতটি রঙে বিভক্ত হওয়ার ঘটনা, যা ফাইবারের ডেটা পরিবহনের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) অপবর্তন — অপবর্তন হলো কোনো প্রতিবন্ধক বা ছিদ্রের ধার ঘেঁষে আলোর বেঁকে যাওয়ার ঘটনা, যা ফাইবারের আলো আটকে রাখার কাজ করে না।
D) অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — এই অপশনটি সঠিক কারণ অপটিক্যাল ফাইবারের কোরের ভেতরে আলো সম্পূর্ণভাবে প্রতিফলিত হয়ে সামনে এগিয়ে যায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অপটিক্যাল ফাইবারের মূল নীতি মনে রাখতে শব্দ জোড় মনে রাখুন, তা হলো পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন।
- কোর বা কেন্দ্র থাকে ভেতরে এবং ক্ল্যাডিং থাকে বাইরে, আর আলোর খেলা চলে কোরের ভেতরেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- অপটিক্যাল ফাইবারের প্রধান দুটি অংশ হলো কোর (Core) এবং ক্ল্যাডিং (Cladding)।
- অপটিক্যাল ফাইবারের জনক নরেন্দ্র সিং কাপানি এবং এটি আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন নীতির ওপর কাজ করে।
সঠিক উত্তর:
C) একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম
১. কেন সঠিক:
কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের সফটওয়্যার বা কোড যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই নিজে নিজে বিস্তার লাভ করতে পারে। এটি সাধারণত কোনো বৈধ ফাইলের সঙ্গে যুক্ত থেকে কম্পিউটারের ডেটা নষ্ট করে বা সিস্টেমের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: কম্পিউটার ভাইরাস হলো মানুষের তৈরি এক ধরনের ধ্বংসাত্মক কোড বা প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের ফাইল মুছে ফেলতে পারে।
কার্যপদ্ধতি: এটি নিজের কপি নিজেই তৈরি করতে পারে এবং এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ে।
ব্যবহার: ক্ষতিকর উদ্দেশ্যে তৈরি এই প্রোগ্রামটি সিস্টেমের ক্ষতি করতে বা তথ্য চুরি করতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রনসমওয়্যার বা ট্রোজান হর্স।
ব্যাখ্যা: এগুলো বিশেষ ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যবহারকারীর কাছে মুক্তিপণ দাবি করে।
উদাহরণ ২: পেনড্রাইভের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া শর্টকাট ভাইরাস।
ব্যাখ্যা: এটি কম্পিউটারে প্রবেশ করে সব ফোল্ডারকে শর্টকাটে পরিণত করে এবং আসল ফাইল লুকিয়ে ফেলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি ক্ষতিকারক জীবাণু — কম্পিউটার ভাইরাস কোনো জৈবিক জীবাণু নয়, এটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক কোড।
B) একটি ক্ষতিকারক চৌম্বক ফ্লাক্স — চৌম্বক ফ্লাক্স পদার্থবিজ্ঞানের অংশ, যা কম্পিউটারের ভাইরাসের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়।
D) একটি ক্ষতিকারক সার্কিট — কম্পিউটার ভাইরাস কোনো হার্ডওয়্যার বা বৈদ্যুতিক সার্কিট নয়, এটি একটি সফটওয়্যার প্রোগ্রাম।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভাইরাস বা ভিআইআরইউএস (VIRUS) শব্দের পূর্ণরূপ হলো ভাইটাল ইনফরমেশন রিসোর্স আন্ডার সাইজ। এটি মনে রাখলে বোঝা সহজ হয় যে এটি ডেটা নিয়ে কাজ করা একটি প্রোগ্রাম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার ভাইরাসের জনক বলা হয় ফ্রেড কোহেনকে এবং প্রথম নেটওয়ার্ক ভাইরাসের নাম ক্রিপার। সাইবার নিরাপত্তায় এ ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: D) রেক্টিফায়ার হিসেবে
১. কেন সঠিক:
ডায়োড হচ্ছে একটি দ্বিমেরু বিশিষ্ট সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস যা সাধারণত তড়িৎ প্রবাহকে কেবল একদিকে চলতে দেয় এবং বিপরীত দিকে প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করে।
এই অনন্য একমুখী বৈশিষ্ট্যের কারণে ডায়োড পরিবর্তী বিদ্যুৎ বা অল্টারনেটিং কারেন্টকে একমুখী বিদ্যুৎ বা ডিরেক্ট কারেন্টে রূপান্তর করতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ডায়োড হলো দুটি টার্মিনাল বিশিষ্ট এমন একটি সেমিকন্ডাক্টর উপাদান যা অ্যানোড ও ক্যাথোড এর মাধ্যমে তড়িৎ প্রবাহকে নির্দিষ্ট একটি দিকে পরিচালিত করে।
কার্যপদ্ধতি: সম্মুখ ঝোঁক বা ফরওয়ার্ড বায়াসে এটি সহজে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে দেয় এবং বিপরীত ঝোঁক বা রিভার্স বায়াসে বিদ্যুৎ প্রবাহ আটকে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মোবাইল ফোনের চার্জার বা অ্যাডাপ্টার।
ব্যাখ্যা: চার্জারের ভেতরে ডায়োড ব্যবহার করা হয় যা ঘরের ভেতরের এসি বিদ্যুৎকে ডিসি বিদ্যুতে রূপান্তর করে মোবাইল ব্যাটারিকে নিরাপদ রাখে।
উদাহরণ ২: সৌর প্যানেল সিস্টেম।
ব্যাখ্যা: সোলার প্যানেলে ডায়োড ব্যবহার করা হয় যাতে রাতের বেলা ব্যাটারির বিদ্যুৎ প্যানেলের দিকে উল্টো পথে প্রবাহিত হতে না পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্যাপাসিটর হিসেবে — ক্যাপাসিটর হলো চার্জ বা তড়িৎ শক্তি জমা রাখার ডিভাইস, যা ডায়োডের প্রধান কাজ নয়।
B) ট্রান্সফরমার হিসেবে — ট্রান্সফরমার তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশের মাধ্যমে ভোল্টেজ কমায় বা বাড়ায়, যা সেমিকন্ডাক্টর ডায়োডের কাজ নয়।
C) রেজিস্টার হিসেবে — রেজিস্টার বা রেজিস্টর তড়িৎ প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে, কিন্তু এটি ডায়োডের মতো একমুখী প্রবাহ নিশ্চিত করে না।
D) রেক্টিফায়ার হিসেবে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ডায়োড মূলত রেক্টিফিকেশন বা এসি থেকে ডিসি রূপান্তরের কাজে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ডায়োড সম্পর্কিত প্রধান কাজ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ডি তে ডায়োড এবং ডি তে রেক্টিফায়ার বা ডিরেক্ট কারেন্ট।
ডায়োড বিদ্যুৎকে একমুখী করে এবং রেক্টিফায়ার এসিকে ডিসিতে রূপান্তর করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন ডিভাইস এসিকে ডিসিতে রূপান্তর করে, যার উত্তর রেক্টিফায়ার বা ডায়োড।
সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির সবচেয়ে মৌলিক এবং সরল উপাদান হলো এই ডায়োড।
সঠিক উত্তর: B) একটি মডুলেটর ও একটি ডিমডুলেটর
১. কেন সঠিক:
মডেম শব্দটির উৎপত্তি মডুলেটর এবং ডিমডুলেটর শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ থেকে।
এটি কম্পিউটারের ডিজিটাল ডেটাকে অ্যানালগ সিগন্যালে রূপান্তর করে এবং অ্যানালগ সিগন্যালকে আবার ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: মডেম হলো এমন একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা কম্পিউটার বা ডিজিটাল যন্ত্রকে টেলিফোন লাইন বা ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করে।
কার্যপদ্ধতি: মডুলেটর অংশ ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগে রূপান্তর করে এবং ডিমডুলেটর অংশ অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাসা বাড়িতে ইন্টারনেট সংযোগের জন্য ব্রডব্যান্ড লাইনে রাউটারের সাথে মডেম ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি ইন্টারনেটের অ্যানালগ সিগন্যালকে কম্পিউটারের উপযোগী ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করে।
উদাহরণ ২: টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে ডায়াল আপ ইন্টারনেট সংযোগের সময় মডেম ব্যবহার করা হতো।
ব্যাখ্যা: এটি সিগন্যালের ধরন পরিবর্তন করে দুই মাধ্যমের মধ্যে ডেটা আদানপ্রদান নিশ্চিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি মডুলেটর — এটি শুধু ডিজিটাল থেকে অ্যানালগ করতে পারে কিন্তু বিপরীত কাজটি করতে পারে না।
B) একটি মডুলেটর ও একটি ডিমডুলেটর — এটি সঠিক কারণ মডেমের দুটি কাজই সম্পন্ন করতে হয়।
C) একটি কোডেক — কোডেক ভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয় যা মূলত অ্যানালগ অডিও বা ভিডিওকে ডিজিটাল রূপ দেয়।
D) একটি এনকোডার — এনকোডার ডেটাকে এক ফরম্যাট থেকে অন্য ফরম্যাটে রূপান্তর করে কিন্তু এটি মডেমের মূল কাজ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
মডেম শব্দের মো অংশ মানে মডুলেটর এবং ডেম অংশ মানে ডিমডুলেটর।
মডুলেটর কাজ করে ডিজিটাল থেকে অ্যানালগ এবং ডিমডুলেটর কাজ করে অ্যানালগ থেকে ডিজিটাল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মডেম একটি হাইব্রিড ডিভাইস যা একই সাথে ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
পরীক্ষায় প্রায়ই মডেমের পূর্ণরূপ বা এর অংশ দুটি সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) ছায়াবৃত্ত
কেন সঠিক:
• পৃথিবী গোল হওয়ায় এর অর্ধেক অংশ সবসময় সূর্যের আলো পায় এবং বাকি অর্ধেক অংশ অন্ধকারে থাকে।
• এই আলো ও অন্ধকারের ঠিক মাঝখানের কাল্পনিক রেখা বা বৃত্তাকার অংশকে ভূগোলশাস্ত্রে ছায়াবৃত্ত বলা হয়।
ভৌগোলিক তথ্য:
• ছায়াবৃত্ত সর্বদা পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে লম্বালম্বিভাবে উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।
• এটি পৃথিবীর আবর্তনের সাথে সাথে সবসময় পূর্ব দিক থেকে পশ্চিম দিকে সরে যেতে থাকে।
• পৃথিবীর অক্ষের সাথে সমকোণে না থেকে এটি মেরু রেখার সাথে সবসময় তেইশ ডিগ্রি কোণ করে অবস্থান করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ছায়াবৃত্ত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয় বরং এটিই হলো আলো ও অন্ধকারের মিলনস্থল।
B) গুরুবৃত্ত — যে বৃত্তাকার রেখা পৃথিবীর কেন্দ্র দিয়ে যায় এবং পৃথিবীকে সমান দুটি ভাগে ভাগ করে তাকে গুরুবৃত্ত বলে।
C) ঊষা — সূর্য ওঠার ঠিক আগের আকাশ বা ভোরের আলোকে ঊষা বলা হয় যা কোনো সংযোগস্থল নয়।
D) গোধূলি — সূর্য ডুবে যাওয়ার পর এবং পুরোপুরি অন্ধকার হওয়ার আগের সময়কে গোধূলি বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
• যেখানে ছায়া এবং আলো বৃত্তের মতো মিলে যায় তাকে ছায়াবৃত্ত বলে।
• ছায়া শব্দের অর্থ অন্ধকার আর বৃত্ত মানে গোল রেখা, তাই ছায়াবৃত্ত হলো অন্ধকার ও আলোর সীমানা।
সঠিক উত্তর: D) নিয়ত বায়ু
কেন সঠিক:
১. এই বায়ু সারা বছর ধরে পৃথিবীর উচ্চচাপ বলয় থেকে নিম্নচাপ বলয়ের দিকে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে নিয়মিতভাবে প্রবাহিত হয়।
২. পৃথিবীর আবর্তন এবং বায়ুচাপের তারতম্যের কারণে এই বায়ুপ্রবাহের দিক সাধারণত সারা বছর একই থাকে।
ভৌগোলিক তথ্য:
১. এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর প্রধান বায়ুচাপ বলয়গুলির মধ্যে সৃষ্টি হয়ে সমগ্র বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত থাকে।
২. এটি সমুদ্রের ওপর দিয়ে চলার সময় নিয়মিতভাবে জলীয় বাষ্প সংগ্রহ করে এবং মহাদেশগুলিতে বৃষ্টিপাত ঘটায়।
৩. এর চমৎকার উদাহরণ হলো আয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু এবং মেরু বায়ু।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আয়না বায়ু — এটি মূলত আয়ন বায়ুর একটি ভুল উচ্চারণ বা রূপ, যা উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়।
B) প্রত্যায়ন বায়ু — এটি দক্ষিণ গোলার্ধের আয়ন বায়ুর অপর নাম, যা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে বিপরীত দিকে প্রবাহিত হয়।
C) মৌসুমী বায়ু — এটি ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে দিক পরিবর্তন করে প্রবাহিত হয়, তাই এটি সারা বছর নিয়মিতভাবে এক দিকে বয় না।
D) নিয়ত বায়ু — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ প্রশ্নটির মূল সংজ্ঞার সাথে এটি পুরোপুরি মিলে যায়।
মনে রাখার টিপস:
১. যে বায়ু নিয়ম মেনে চলে এবং সারা বছর বয়, তাকেই নিয়ত বায়ু বলা হয়।
২. উচ্চচাপ মানেই বেশি বায়ু, তাই সেখান থেকে বায়ু সব সময় কম চাপের দিকে ছুটে যায়।
সঠিক উত্তর: A) দ্বন্দ্ব সমাস
১. কেন সঠিক:
আলো ও ছায়া মিলל আলোছায়া, যেখানে উভয় পদের অর্থই সমানভাবে প্রধান থাকে। দ্বন্দ্ব সমাসে সাধারণত দুটি বিশেষ্য বা দুটি বিশেষণ পদের মিলন ঘটে এবং ব্যাসবাক্যে 'ও', 'এবং', 'কিংবা' সংযোজক অব্যয় ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যে সমাসে উভয় পদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। আলো এবং ছায়া দুটি স্বাধীন বিশেষ্য পদ মিলিত হয়ে দ্বন্দ্ব সমাস গঠন করেছে এবং এখানে উভয়ের অর্থই সম্পূর্ণ বজায় রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাতা-পিতা (মাতা ও পিতা)
ব্যাখ্যা: এটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে মাতা ও পিতা উভয় পদের অর্থই সমানভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: জমা-খরচ (জমা ও খরচ)
ব্যাখ্যা: বিপরীতার্থক শব্দযোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাসের এটি একটি সুন্দর উদাহরণ যেখানে উভয় পদ প্রধান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বন্দ্ব সমাস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি উভয় পদের প্রধান্য নিশ্চিত করে।
B) অব্যয়ীভাব সমাস — অব্যয় পদের পূর্বে বসে সমাস হলে তাকে অব্যয়ীভাব বলে, যা আলোচ্য শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) তৎপুরুষ সমাস — পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হলে তৎপুরুষ হয়, যা এখানে হয়নি।
D) কর্মধারায় সমাস — বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে পরপদের অর্থ প্রধান হলে কর্মধারায় হয়, কিন্তু আলোছায়া কর্মধারায় নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
যে সমাসে দুটি পদের মাঝখানে 'ও' বা 'এবং' লুকিয়ে থাকে এবং দুটি পদের অর্থই সমানভাবে গুরুত্ব পায়, তাকে চোখ বন্ধ করে দ্বন্দ্ব সমাস চিহ্নিত করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জোড়ায় জোড়ায় থাকা শব্দ বা সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের মিলন দেখলে সাধারণত দ্বন্দ্ব সমাস হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে।
সঠিক উত্তর: B) আকাঙ্ক্ষা
১. কেন সঠিক:
সঠিক বানানটি হলো আকাঙ্ক্ষা, যেখানে ক এর সাথে ষ যুক্ত হয়েছে এবং ক-এর নিচে কোনো হসন্ত বা উঁ বর্ণ নেই। বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে সঠিক বর্ণবিন্যাস অনুসরণ করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় যুক্তবর্ণের সঠিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের বানান মূল সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে। এই শব্দটিতে ক এবং ষ এর যুক্তরূপ ব্যবহৃত হয়েছে যা প্রায়শই ভুল লেখা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শুশ্রূষা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও তালব্য শ এর সাথে উ-কার এবং মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়েছে যা প্রমিত বানানরীতি নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: মণীষা
ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে মূর্ধন্য ষ এর সঠিক ব্যবহার রয়েছে এবং বানানরীতি নিখুঁতভাবে পালিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আকাংখা - এই বানানটিতে অনুস্বার ও খ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
B) আকাঙ্ক্ষা - এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী গঠিত।
C) আকাক্ষা - এই বানানটিতে মাঝের ক বর্ণটি এবং যুক্তবর্ণটি অনুপস্থিত রয়েছে।
D) আকাংখা - এটি বানান ভুলের কারণে গ্রহণযোগ্য নয় কারণ এখানে অনুস্বার ব্যবহার করা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
আকাঙ্ক্ষা শব্দটি লেখার সময় মনে রাখবে এর মধ্যে দুটি ক এবং শেষে ক্ষ যুক্ত বর্ণ আছে। অনুস্বার ব্যবহার না করে ক-এর সাথে ষ যুক্ত করে এই বানানটি লিখতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে কারণ পরীক্ষার্থীরা প্রায়শই অনুস্বার যুক্ত ভুল বানানটি নির্বাচন করে। প্রমিত বানান শেখার মাধ্যমে এমন ভুল এড়ানো সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) একাত্তরের দিনগুলি
১. কেন সঠিক:
- শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লেখা 'একাত্তরের দিনগুলি' একটি প্রামাণ্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতিকথা বা ডায়েরি গ্রন্থ।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোতে লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, বেদনা এবং তার বীর সন্তান রুমির মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের সত্য ঘটনা এই গ্রন্থে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'একাত্তরের দিনগুলি' গ্রন্থের রচয়িতা হলেন কথাসাহিত্যিক ও শহীদ জননী জাহানারা ইমাম।
- এটি মূলত ১৯৭১ সালের ১ মার্চ থেকে ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত লেখকের রাখা দিনপঞ্জি বা ডায়েরির ওপর ভিত্তি করে রচিত আত্মজীবনীমূলক মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রশীদ হায়দারের 'খাঁচায়'
ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি অন্যতম বিখ্যাত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: শওকত ওলের 'জাহান্নাম হইতে বিদায়'
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটিও বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত অত্যন্ত প্রভাবশালী একটি সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এইসব দিন রাত্রি — এটি হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস ও নাটক, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয় বরং পারিবারিক ও সামাজিক জীবনের ওপর রচিত।
B) নূরলদীনের সারা জীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি ঐতিহাসিক কাব্যনাট্য, যা ব্রিটিশ বিরোধী কৃষক বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত।
D) সৎ মানুষের খোঁজে — এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনার অন্তর্ভুক্ত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মুক্তিযুদ্ধের দিনলিপি বা ডায়েরি মানেই জাহানারা ইমামের 'একাত্তরের দিনগুলি' মনে রাখতে হবে।
- স্মৃতিকথাধর্মী মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা হিসেবে এটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শহীদ জননী জাহানারা ইমামের 'একাত্তরের দিনগুলি' গ্রন্থটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, নাটক এবং স্মৃতিকথাগুলোর লেখকদের নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) হিসাব-নিকাশ
১. কেন সঠিক:
- গাছ পাথর বাগধারাটির প্রমিত অর্থ হলো হিসাব-নিকাশ করা বা কড়া হিসাব রাখা।
- এটি মূলত পুরোনো বা জটিল কোনো হিসাব নিখুঁতভাবে মেলানোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো বাগধারা, যা শব্দ বা পদের বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
- এই বাগধারাটি আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব বা প্রথাগত অর্থ প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুরোনো খাতাগুলো বের করে সব বাকির গাছ পাথর মিলিয়ে নাও।
ব্যাখ্যা: এখানে পুরোনো সব হিসাব নিখুঁতভাবে মেলানোর অর্থে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: ব্যবসার হিসাবের গাছ পাথর না রাখলে লস হওয়া স্বাভাবিক।
ব্যাখ্যা: এখানে ব্যবসার সঠিক হিসাব-নিকাশ করার অর্থ বোঝাতে বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভূমিকা করা — ভূমিকা করা বলতে কোনো কাজের সূচনা বা প্রাথমিক কথা বোঝায়, যা গাছ পাথর বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) হিসাব-নিকাশ — এটি সঠিক উত্তর এবং এর মাধ্যমে হিসাব মেলানোর অর্থ প্রকাশ পায়।
C) সরল বাক্য — সরল বাক্য হলো ব্যাকরণের একটি পরিভাষা, যা পদের গঠন বোঝায় এবং বাগধারার অর্থের সঙ্গে সম্পর্কহীন।
D) বাড়াবাড়ি করা — বাড়াবাড়ি করা বলতে অতিরিক্ত বা মাত্রাতিরিক্ত কিছু বোঝায়, যা এই বাগধারার অর্থের বিপরীত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গাছের বয়স বা পাথরের ওজন যেমন নিখুঁতভাবে মাপা যায়, তেমনি জটিল হিসাব মেলানোকে গাছ পাথর হিসাব বলা হয়।
- এই কৌশল মনে রাখলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে প্রমিত অর্থ বেছে নিতে হয়।
- এই ধরনের প্রশ্নগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় পূর্ণ নম্বর পাওয়া সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) সরল বাক্য
১. কেন সঠিক:
যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা বা উদ্দেশ্য এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া বা বিধেয় থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। প্রদত্ত বাক্যে 'মা' হলো উদ্দেশ্য এবং 'বেঁধে দেয়নি' হলো একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
গঠনভেদে বাক্য প্রধানত তিন প্রকার যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য ও যৌগিক বাক্য। সরল বাক্যে কোনো অবস্থাতেই একাধিক স্বাধীন বা অধীন খণ্ডবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে যুক্ত থাকে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য উদিত হলে অন্ধকার দূর হয়।
ব্যাখ্যা: এটি একটি সরল বাক্য কারণ এখানে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে।
উদাহরণ ২: রোগমুক্তির জন্য তাকে নিয়মিত ওষুধ খেতে হবে।
ব্যাখ্যা: এখানে উদ্দেশ্য ও সমাপিকা ক্রিয়ার সংখ্যা একটিমাত্র হওয়ায় এটি সরল বাক্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জটিল বাক্য — জটিল বাক্যে একটি প্রধান বাক্যের সাথে এক বা একাধিক নির্ভরশীল বা অধীন বাক্য যুক্ত থাকে, যা এখানে নেই।
B) যৌগিক বাক্য — যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য এবং, কিন্তু, কিংবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত।
D) মিশ্র বাক্য — এটি জটিল বাক্যের অপর নাম, এবং প্রদত্ত বাক্যটি সরল বাক্য হওয়ায় এটি সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া খুঁজে পেলে চোখ বন্ধ করে তাকে সরল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। সরল বাক্যে কোনো যোজক বা সাপেক্ষ সর্বনাম থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে সমাপিকা ক্রিয়ার সংখ্যা গণনা করাই সবচেয়ে সহজ কৌশল। খণ্ডবাক্যের উপস্থিতি ও যোজকের ব্যবহার লক্ষ করে সঠিক উত্তর নির্ধারণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনি
১. কেন সঠিক:
- ভাষার মূল উপাদান হলো ধ্বনি, যা কান দিয়ে শোনা যায় এবং এর মাধ্যমেই মানবভাষার সৃষ্টি হয়।
- ধ্বনি হলো ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক, যার সাহায্যে আমরা কথা বলি ও মনের ভাব প্রকাশ করি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ধ্বনি, বর্ণ ও অক্ষরের মধ্যে পার্থক্য হলো ধ্বনি উচ্চারিত রূপ, বর্ণ হলো লিখিত রূপ এবং অক্ষর হলো উচ্চারণের একক।
- মুখবিবরের সাহায্যে উচ্চারিত মৌলিক আওয়াজ বা ধ্বনিকে বিশ্লেষণ করলে ভাষার সবচেয়ে ছোট একক হিসেবে ধ্বনিকেই পাওয়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ, আ, ক, খ
ব্যাখ্যা: এগুলো হলো বাংলা ভাষার একেকটি মৌলিক ধ্বনি বা বর্ণ।
উদাহরণ ২: ম + আ + ন + উ + ষ = মানুষ
ব্যাখ্যা: এখানে একাধিক ধ্বনি বা বর্ণ মিলে একটি পূর্ণাঙ্গ শব্দ তৈরি হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, মৌলিক বা উচ্চারিত ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি।
B) শব্দ — শব্দ এক বা একাধিক ধ্বনি বা বর্ণ মিলে গঠিত হয়, তাই এটি ক্ষুদ্রতম একক নয়।
C) অক্ষর — অক্ষর হলো বাক্যের বা শব্দের উচ্চারণের একক, যা ধ্বনির চেয়ে বড়।
D) ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়, এটি ভাষার ক্ষুদ্রতম একক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে ধ্বনি হলো যা শোনা যায় (কানে শোনার একক) আর বর্ণ হলো যা দেখা বা লেখা যায় (চোখে দেখার একক)।
- ভাষার ক্ষুদ্রতম একক বললে চোখ বন্ধ করে ধ্বনি দাগাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে।
- মনে রাখবে ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি এবং অর্থের দিক থেকে ভাষার ক্ষুদ্রতম একক শব্দ।
সঠিক উত্তর: A) পাবক
কেন সঠিক:
- পাবক শব্দটির অর্থ আগুন বা বহ্নি, যা বাতাস শব্দের অর্থ নির্দেশ করে না।
- প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে একমাত্র পাবক বাদে বাকি সব শব্দ বাতাসের সমার্থক।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়।
- একই অর্থের ভিন্ন ভিন্ন শব্দকে সমার্থক শব্দ বলা হয়।
- বাতাসের সমার্থক শব্দগুলোর মধ্যে অনিল, মারুত এবং পবন বহুল ব্যবহৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) পাবক — এটি বাতাস নয়, বরং আগুন বা অনল শব্দের সমার্থক শব্দ।
- B) অনিল — এটি বাতাস শব্দের একটি সুপরিচিত ও সঠিক সমার্থক শব্দ।
- C) মারুত — এটি বাতাস বা মরুৎ শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- D) পবন — এটি বাতাস শব্দের অত্যন্ত প্রচলিত এবং সঠিক সমার্থক শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
- আগুন শব্দের সমার্থক হলো পাবক, অনল ও বহ্নি আর বাতাস শব্দের সমার্থক হলো অনিল, মারুত ও পবন।
সঠিক উত্তর: C) মোহম্মদ নজিবর রহমান
১. কেন সঠিক:
- আনোয়ারা বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস যা প্রকাশিত হয়েছিল ১৯১৪ সালে।
- এই উপন্যাসের মাধ্যমে তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের নানা অসঙ্গতি, কুসংস্কার এবং মুসলিম পরিবারের গৃহস্থালী চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মোহম্মদ নজিবর রহমান ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিককার এবং বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের একজন বিশিষ্ট বাঙালি ঔপন্যাসিক।
- তার সাহিত্যকর্মের মূল লক্ষ্য ছিল গ্রামীণ মুসলিম সমাজের নৈতিক শিক্ষা প্রদান এবং তাদের জীবনযাত্রার বাস্তব চিত্র তুলে ধরা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গরিবের মেয়ে
ব্যাখ্যা: এটি মোহম্মদ নজিবর রহমানের রচিত আরেকটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা গ্রামীণ জীবনের পটভূমিতে রচিত।
উদাহরণ ২: সাহিত্য প্রদীপ
ব্যাখ্যা: এটিও মোহম্মদ নজিবর রহমানের উল্লেখযোগ্য একটি সাহিত্যকর্ম যা লেখকের চিন্তা ও দর্শনের পরিচয় বহন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী এমদাদুল হক — এটি সঠিক নয় কারণ তিনি ‘মনীষা’ বা ‘আব্দুল্লাহ’ উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত, ‘আনোয়ারা’ তার লেখা নয়।
B) মীর মোশাররফ হোসেন — এটি ভুল কারণ তিনি ‘বিষাদ সিন্ধু’ এবং ‘জমীদার দর্পণ’ উপন্যাসের জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
D) ইসমাইল হোসেন সিরাজী — এটি সঠিক নয় কারণ তিনি ঐতিহাসিক ও জাতীয়তাবাদী উপন্যাসের রচয়িতা, যার মধ্যে ‘রায় নন্দিনী’ অন্যতম।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আনোয়ারা উপন্যাসটির লেখক মনে রাখতে সূত্র হিসেবে মনে রাখতে পারেন নজিবর রহমানের জনপ্রিয় সৃষ্টি হলো আনোয়ারা ও গরিবের মেয়ে।
- লেখকের নামের প্রথমাংশ এবং উপন্যাসের নাম মিলিয়ে পড়ার অভ্যাস করুন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস হিসেবে আনোয়ারা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন।
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের সামাজিক উপন্যাসের রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
- ‘দিবারাত্রির কাব্য’ বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে মানুষের মনস্তত্ত্ব, অবচেতন মন এবং জটিল সম্পর্কের বাস্তবসম্মত রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যের কল্লোল যুগের একজন প্রগতিশীল ও আধুনিক ঔপন্যাসিক।
- তার এই প্রথম প্রকাশিত উপন্যাসটি ১৯৩৫ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা উপন্যাসে নতুন ধারার সূচনা করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ‘পদ্মা নদীর মাঝি’
ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা আরেকটি বিশ্বখ্যাত এবং বহুল পঠিত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: ‘শহরবাসীদের ইতিকথা’
ব্যাখ্যা: এটিও মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রধান কথাসাহিত্যিক হলেও ‘দিবারাত্রির কাব্য’ তার লেখা নয়, তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে ‘গণদেবতা’ ও ‘কবি’ অন্যতম।
B) শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি মূলত একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, সাহিত্য সমালোচক ও অধ্যাপক ছিলেন, কোনো ঔপন্যাসিক নন।
C) ঈশান চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি ঊনবিংশ শতকের একজন কবি ও অনুবাদক ছিলেন, এই উপন্যাসের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।
D) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপন্যাসটি তার একক ও অনন্য সৃষ্টি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- দিবারাত্রি জুড়ে মানিকের খেলা চলে, এভাবে মনে রাখতে পারো দিবারাত্রির কাব্য মানেই মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস মনে রাখার জন্য রাতের বেলা দিবারাত্রির কাব্য পড়ার কথা ভাবতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস কোনটি, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে।
- লেখকের নামের সঙ্গে তার বিখ্যাত উপন্যাসের নামগুলো ভালোভাবে মিলিয়ে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) গোলাপ
১. কেন সঠিক:
সাধিত শব্দ হলো সেই শব্দ যা কোনো প্রত্যয়, উপসর্গ বা সমাসের মাধ্যমে গঠিত হয় এবং যার মূল বা প্রকৃতি আলাদা করা যায়।
গোলাপ একটি মৌলিক শব্দ কারণ একে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
গঠনরীতির দিক থেকে বাংলা শব্দকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়, যথা মৌলিক শব্দ এবং সাধিত শব্দ।
যে শব্দকে বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙে ছোট করা যায় না তাকে মৌলিক শব্দ বলে এবং যে শব্দকে বিশ্লেষণ করা যায় তাকে সাধিত শব্দ বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নাক
ব্যাখ্যা: নাক একটি মৌলিক শব্দ কারণ একে ভাঙলে আর কোনো অর্থপূর্ণ অংশ বা প্রত্যয় পাওয়া যায় না।
উদাহরণ ২: নাতিকা
ব্যাখ্যা: নাক যুক্ত ইকা প্রত্যয় যোগে গঠিত সাধিত শব্দ, যার অর্থ ছোট নাক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পানসা — এটি পান যুক্ত সা প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি সাধিত শব্দ, তাই এটি উত্তর হবে না।
B) ফুলেল — এটি ফুল যুক্ত ইল প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি সাধিত শব্দ, তাই এটি উত্তর হবে না।
C) গোলাপ — এটি একটি মৌলিক শব্দ, যা সাধিত শব্দ নয় এবং এটিই সঠিক উত্তর।
D) হাতল — এটি হাত যুক্ত ল প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি সাধিত শব্দ, তাই এটি উত্তর হবে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
ফুল, ফল, নদী, হাত, নাক, মুখ ইত্যাদি ছোট ও সাধারণ নামবাচক শব্দগুলো সাধারণত মৌলিক শব্দ হয়।
সাধিত শব্দ চেনার জন্য শব্দের শেষে কোনো প্রত্যয় বা উপসর্গ যুক্ত আছে কি না তা খেয়াল করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক ও সাধিত শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
কোনো শব্দ দেখলেই সেটি ভাঙা যায় কি না এবং তার সঙ্গে কোনো প্রত্যয় বা উপসর্গ আছে কি না তা প্রথমে পরীক্ষা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) আরেক ফাল্গুন
১. কেন সঠিক:
- এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের উপন্যাসের ইতিহাস ও ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্যকর্মের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
- আরেক ফাল্গুন উপন্যাসটি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের অমর শহীদদের আত্মত্যাগের পটভূমিতে রচিত বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত প্রখ্যাত একটি উপন্যাস।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আরেক ফাল্গুন উপন্যাসের রচয়িতা কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান যিনি বাংলা সাহিত্যে ভাষাভিত্তিক ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
- এই উপন্যাসে একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনা, ভাষা শহীদদের স্মৃতি এবং তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক সংগ্রামের বাস্তব চিত্র শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন উপন্যাসের চরিত্র রোকেয়া, বরকত ও মুনিমের আত্মত্যাগ।
ব্যাখ্যা: এই চরিত্রগুলোর মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলো এবং রাজপথের সংগ্রাম জীবন্ত হয়ে উঠেছে।
উদাহরণ ২: জহির রায়হানের আরেক ফাল্গুন উপন্যাসটি ১৯৬৯ সালে প্রকাশিত হয়।
ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলন নিয়ে এটি বাংলা সাহিত্যে প্রকাশিত প্রথম দিকের এবং অন্যতম সেরা একটি উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অগ্নিসাক্ষী — হাসান আজিজুল হকের বিখ্যাত উপন্যাস যা ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নয়, বরং মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত।
B) চিলেকোঠার সেপাই — আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস যা ঊনসত্তরের গণঅভুত্থানের পটভূমিতে রচিত।
D) অনেক সূর্যের আশা — এটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস নয়, এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রখ্যাত উপন্যাস।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভাষা আন্দোলন মানেই ফাল্গুন মাস আর আরেক ফাল্গুন উপন্যাসের রচয়িতা জহির রায়হান।
পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস আসলে জহির রায়হানের আরেক ফাল্গুন নামটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
জহির রায়হান কেবল ঔপন্যাসিক নন, তিনি বিখ্যাত চলচ্চিত্রকারও ছিলেন যিনি জীবন থেকে নেওয়া চলচ্চিত্রের জন্য পরিচিত।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের নাম এবং লেখকের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
সঠিক উত্তর: C) সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কারণ 'পালামৌ' তার বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনী।
- এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভ্রমণ সাহিত্য হিসেবে সমাদৃত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন বাংলা উপন্যাসের সূচনাকালের অন্যতম প্রধান ঔপন্যাসিক ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জ্যেষ্ঠ ভাই।
- 'পালামৌ' ভ্রমণ কাহিনীটি ১৮৮০ সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং এতে ছোটনাগপুরের পালামৌ অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও মানুষের জীবনচিত্র ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি সমসাময়িক লেখকের আরেকটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: স্বামী বিবেকানন্দের 'পরিভ്രാজক'।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের আরেকটি বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনীর উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি ভ্রমণ কাহিনীর জন্য পরিচিত নন, তিনি সমাজভিত্তিক উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত।
B) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি আধুনিক যুগের লেখক এবং তার ভ্রমণ কাহিনীর মধ্যে 'স্মৃতির শহর পাণ্ডিচেরী' উল্লেখযোগ্য।
D) তারাশঙ্কর চন্দ্যোপাধ্যায় — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি মূলত রাঢ় অঞ্চলের গ্রামীণ সমাজ ও মানুষের জীবন নিয়ে উপন্যাস লিখেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নামের প্রথম অক্ষর স এবং পালামৌ শব্দের শুরুতে প আছে, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
- বঙ্কিমচন্দ্রের বড় ভাই সঞ্জীবচন্দ্র ভ্রমণ কাহিনী লিখে বিখ্যাত হয়েছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভ্রমণ সাহিত্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একমাত্র ভ্রমণ কাহিনী হলো এই 'পালামৌ'।
সঠিক উত্তর: D) অনাবৃষ্টি
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি অনাবৃষ্টি কারণ এটি বাংলা উপসর্গ অনা যোগে গঠিত হয়েছে।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয় যেমন তৎসম, খাঁটি বাংলা এবং বিদেশী।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট একবিংশটি বা একুশটি যার মধ্যে অনা একটি অন্যতম পরিচিত উপসর্গ।
- এই উপসর্গগুলো সাধারণত বাংলা শব্দ বা তৎসম শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনাহার
ব্যাখ্যা: অনা উপসর্গটি হার শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে অনাহার শব্দটি গঠন করেছে যার অর্থ অভোজন।
উদাহরণ ২: আনাড়ি
ব্যাখ্যা: অনা উপসর্গটি আরি শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে আনাড়ি শব্দ তৈরি করেছে যার অর্থ দক্ষ নয় এমন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরাকাষ্ঠা — এটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ পরা যোগে গঠিত একটি শব্দ।
B) অভিব্যক্তি — এটি সংস্কৃত উপসর্গ অভি যোগে গঠিত হয়েছে যা বাংলা উপসর্গ নয়।
C) পরিশ্রান্ত — এটি তৎসম উপসর্গ পরি যোগে গঠিত হয়েছে।
D) অনাবৃষ্টি — এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ অনা যোগে গঠিত সঠিক শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বাংলা উপসর্গ একুশটি মনে রাখার জন্য অনা, পাতি, সার্থক ইত্যাদি শব্দগুলো আলাদা করে চর্চা করতে হবে।
- সংস্কৃত উপসর্গগুলোর সাথে বাংলা উপসর্গগুলো মিলিয়ে ফেলা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই খাঁটি বাংলা এবং সংস্কৃত উপসর্গের মধ্যে পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে।
- অনা, আ, সু, বি এই উপসর্গগুলো কোন ভাষার তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) রামাই পণ্ডিত
১. কেন সঠিক:
- ‘শূন্যপুরাণ’ বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের নাথ সাহিত্য ধারার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রামাণিক গ্রন্থ।
- এই গ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে রামাই পণ্ডিতের নাম ব্যাপকভাবে স্বীকৃত এবং প্রাচীন বাংলা ভাষার ইতিহাসে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রামাই পণ্ডিত আনুমানিক চতুর্দশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট কবি ও ধর্মগুরু হিসেবে পরিচিত।
- ‘শূন্যপুরাণ’ মূলত বৌদ্ধ ধর্মের প্রাকৃত বা সহজিয়া মতবাদ এবং ধর্মপূজা পদ্ধতির ওপর রচিত একটি ধর্মীয় গ্রন্থ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রামাই পণ্ডিত রচিত ‘শূন্যপুরাণ’ গ্রন্থে সৃষ্টিতত্ত্ব ও সমাজচিত্রের অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে।
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের সমাজ ও ধর্মের ইতিহাস জানতে এই গ্রন্থটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে কাজ করে।
উদাহরণ ২: নাথ সাহিত্যের অপর বিখ্যাত কবি হলেন মীননাথ ও গোরক্ষনাথ।
ব্যাখ্যা: নাথ ধর্মের প্রচার ও প্রসারে এই কবিদের রচিত পদ ও সাহিত্যকর্ম বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রামাই পণ্ডিত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ‘শূন্যপুরাণ’ গ্রন্থের ঐতিহাসিক রচয়িতা।
B) শ্রীকর নন্দী — এই লেখক মহাভারতের একটি অংশ বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন, শূন্যপুরাণ রচনা করেননি।
C) বিজয় গুপ্ত — তিনি বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ‘পদ্মপুরাণ’ বা ‘মনসামঙ্গল’ কাব্যের রচয়িতা।
D) লোচন দাস — তিনি বৈষ্ণব পদাবলি সাহিত্যের একজন বিখ্যাত কবি এবং শ্রীচৈতন্যের জীবনীমূলক ‘চৈতন্যমঙ্গল’ কাব্যের রচয়িতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শূন্য মনে রামের নাম জপো, এভাবে মনে রাখতে পারো শূন্য মানে শূন্যপুরাণ এবং রাম মানে রামাই পণ্ডিত।
- নাথ ধর্মের শূন্যবাদ প্রচার করেছিলেন রামাই পণ্ডিত, যা এভাবেও স্মরণে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মধ্যযুগের গ্রন্থ ও রচয়িতাদের নাম জানতে চাওয়া হয়।
- শূন্যপুরাণ কোন ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত, এই প্রশ্নটি বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় বহুবার এসেছে।
সঠিক উত্তর: D) কমা
১. কেন সঠিক:
- কমা একটি বিদেশি শব্দ, যা ইংরেজি শব্দ কমা (Comma) থেকে বাংলায় এসেছে।
- বিরামচিহ্ন হিসেবে ব্যবহৃত এই শব্দটি বাংলা ভাষায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের মধ্যে ইংরেজি শব্দ অন্যতম।
- ইংরেজি থেকে অনেক শব্দ সরাসরি বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে এবং প্রমিত শব্দ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফুটবল
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল প্রচলিত ইংরেজি (Football) শব্দ যা বাংলায় ক্রীড়াক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: ডাক্তার
ব্যাখ্যা: এটি ইংরেজি (Doctor) শব্দ থেকে আগত একটি বহুল ব্যবহৃত বাংলা পরিভাষা ও বিদেশি শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ম্যাজেন্টা — এটি ইতালীয় বা ফরাসি ভাষা থেকে আগত একটি রঙের নাম, ইংরেজি শব্দ নয়।
B) পিস্তল — এটি চেক বা জার্মান ভাষা থেকে আগত একটি অস্ত্রবাচক বিদেশি শব্দ।
C) আলমারি — এটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে, ইংরেজি শব্দ নয়।
D) কমা — এটি একটি ইংরেজি শব্দ, যা সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিরামচিহ্ন যেমন কমা, সেমিকোলন, ফুলস্টপ—এগুলো সাধারণত ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
- ইংরেজি ভাষার বিদেশি শব্দ চেনার জন্য দৈনন্দিন ব্যবহৃত প্রযুক্তি ও দাপ্তরিক শব্দগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি শব্দের উৎস জানতে চাওয়া হয়।
- পর্তুগিজ, ফরাসি, ওলন্দাজ এবং ইংরেজি শব্দের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) অবচেতন
১. কেন সঠিক:
- Subconscious শব্দের সঠিক বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো অবচেতন, যা মনস্তত্ত্বের একটি পরিভাষা।
- এটি মানুষের এমন এক মানসিক অবস্থাকে বোঝায় যা সচেতন মনের ঠিক নিচে অবস্থান করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি পারিভাষিক শব্দ বিষয়ক প্রশ্ন, যেখানে ইংরেজি পরিভাষার সঠিক বাংলা রূপ জানতে চাওয়া হয়েছে।
- বাংলা ভাষায় আধুনিক মনস্তত্ত্ব ও বিজ্ঞানের বহু পরিভাষা সঠিকভাবে অনুবাদ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Unconscious
ব্যাখ্যা: Unconscious শব্দের সঠিক পারিভাষিক শব্দ হলো অচেতন বা অচেতন্য।
উদাহরণ ২: Conscious
ব্যাখ্যা: Conscious শব্দের সঠিক পারিভাষিক শব্দ হলো চেতন বা সচেতন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্ধচেতন — এটি Subconscious শব্দের সঠিক পারিভাষিক রূপ নয় কারণ অর্ধচেতন বলতে চেতন ও অচেতনের মধ্যবর্তী অবস্থাকে বোঝায়।
B) অবচেতন — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি পরিভাষার নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষিত ও স্বীকৃত।
C) চেতনাহীন — এটি সাধারণত Unconscious বা Unconsciousness শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ডি) চেতনাপ্রবাহ — এটি সাহিত্য বা মনস্তত্ত্বের Stream of Consciousness এর পরিভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- Sub শব্দের অর্থ নিচে, তাই Subconscious মানে সচেতন মনের নিচের স্তর অর্থাৎ অবচেতন।
- ইংরেজি সাব প্রিফিক্সটি বাংলায় অব বা উপ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মনস্তত্ত্ব ও বিজ্ঞানভিত্তিক ইংরেজি পারিভাষিক শব্দ প্রায়ই আসে।
- মূল ইংরেজি শব্দের প্রিফিক্স বা উপসর্গ খেয়াল করলে সঠিক বাংলা পরিভাষা নির্ধারণ করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) পদ্মগোখরা
১. কেন সঠিক:
- 'পদ্মগোখরা' হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের গল্প, উপন্যাস ও প্রবন্ধ আলাদা করার জন্য এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও প্রাবন্ধিক।
- 'পদ্মগোখরা' তার একটি অনবদ্য গল্প সংকলন, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যথার দান
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: শিউলীমালা
ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের একটি জনপ্রিয় ও বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ্মপুরাণ — এটি মনসা মঙ্গল কাব্যের অপর নাম এবং এর রচয়িতা বিজয় গুপ্ত বা দ্বিজ বংশীদাস, কাজী নজরুল ইসলাম নন।
B) পদ্মবতী — এটি মধ্যযুগের কবি আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য, যা কাজী নজরুল ইসলামের লেখা নয়।
C) পদ্মগোখরা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
D) পদ্মরাগ — এটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, কাজী নজরুল ইসলামের নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের গল্পের নাম মনে রাখতে মনে রাখবে তার বিখ্যাত কিছু ছোটগল্প যেমন পদ্মগোখরা, ব্যথার দান ও রিক্তের বেদন।
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম মূলত বিদ্রোহী কবি হলেও তার একাধিক সার্থক ছোটগল্পগ্রন্থ রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকগণের প্রথম গ্রন্থ বা গল্পগ্রন্থের নাম জানতে চাওয়া হয়।
- এই প্রশ্নটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে অন্যান্য সাহিত্যিকের গল্প ও উপন্যাসের পার্থক্য বুঝতে সুবিধা হবে।
সঠিক উত্তর: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
কেন সঠিক:
১. এই বিখ্যাত প্রবাদতুল্য লাইনটি বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কপালকুণ্ডলা উপন্যাস থেকে নেওয়া হয়েছে।
২. উপন্যাসের চরিত্র নবকুমার ও কাপালিকের কথোপকথনের মধ্যে বঙ্কিমচন্দ্র সমাজ ও মানুষের আচরণ বোঝাতে এই প্রবাদটি ব্যবহার করেছিলেন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা সাহিত্য ও প্রবাদ প্রবচনে এই উক্তিটি নৈতিকতা ও সামাজিক আচরণের ক্ষেত্রে রূপক হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়।
২. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যে উপন্যাসের ধারাকে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি এমন অনেক স্মরণীয় সংলাপ সৃষ্টি করেছেন যা প্রবাদে পরিণত হয়েছে।
৩. যেমন কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের আরেকটি বিখ্যাত লাইন হলো, পথিমধ্যে কপালকুণ্ডলার সেই প্রশ্ন, হেনো সময়ে পথিকের কি এ কথা জিজ্ঞাসা করা উচিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনিই কপালকুণ্ডলা উপন্যাসে এই বিখ্যাত সংলাপটি প্রথম রচনা করেছিলেন।
B) রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন — তিনি একজন প্রখ্যাত নারাবাদী লেখক ও সমাজ সংস্কারক হলেও এই প্রবাদটির রচয়িতা নন।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আমাদের জাতীয় কবি ও বিদ্রোহী সাহিত্যিক, যিনি এই প্রবাদধর্মী লাইনের রচয়িতা নন।
D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা নাটকে ও কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হলেও এই প্রবাদটির সাথে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
১. কপালকুণ্ডলা উপন্যাস এবং বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাম একত্রে মনে রাখলে এই প্রবাদটির রচয়িতা সহজে চেনা যায়।
২. অধম ও উত্তম শব্দ দুটি বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের সংলাপের মাধ্যমে প্রবাদে রূপ নিয়েছে এটি মাথায় রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
প্রখ্যাত লেখক প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে 'বীরবল' ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন।
বাংলা গদ্যে চলতি ভাষার প্রবক্তা এবং প্রথম সার্থক প্রাবন্ধিক হিসেবে তিনি এই ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের এক বিশিষ্ট বাঙালি সাহিত্যিক।
তার সম্পাদিত 'সবুজপত্র' পত্রিকার মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তন করেন এবং বীরবল ছদ্মনামে প্রবন্ধ লিখতেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বীরবলের হালখাতা
ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ যা 'বীরবল' ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়েছিল।
উদাহরণ ২: রায়তের কথা
ব্যাখ্যা: এটিও প্রমথ চৌধুরীর একটি প্রখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ যেখানে সমাজের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রথম নাথ বিশী — এই নামের কোনো বিখ্যাত ছদ্মনামের সাহিত্যিক বাংলা সাহিত্যে নেই।
B) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর, তিনি 'বীরবল' ছদ্মনামে লিখতেন।
C) প্রেমেন্দ্র মিত্র — ইনি একজন বিখ্যাত কবি ও কথাশিল্পী হলেও 'বীরবল' ছদ্মনামে লিখতেন না।
D) প্রথম নাথ বসু — ইনিও এই ছদ্মনামের সঙ্গে সম্পর্কিত নন, অপশনটি বিভ্রান্তিকর।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রমথ চৌধুরীর 'প্র' দিয়ে শুরু নাম এবং তার ছদ্মনাম 'বীরবল' মনে রাখার জন্য 'প্রমথ মানে বীরের মতো সাহসী চলিত ভাষার প্রবক্তা' এই কথাটি স্মরণ রাখতে পারো।
পরীক্ষায় ছদ্মনাম সম্পর্কিত প্রশ্ন আসলে লেখকের আসল নাম ও ছদ্মনামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
যেমন বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম বনফুল এবং বিনয় ঘোষের ছদ্মনাম কালপেঁচা, যা নিয়মিত চর্চা করা উচিত।
সঠিক উত্তর: D) their
কেন সঠিক:
বাণীতে 'Every' শব্দটি থাকার কারণে সাবজেক্টটি একবচন হিসেবে গণ্য হয়।
তাই পরবর্তী প্রোনাউন হিসেবে 'their' ব্যবহার না করে একবচনবাচক 'his' বা 'her' ব্যবহার করতে হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Every — এটি সঠিক কারণ এটি বাক্যের শুরুতে সঠিক নিয়ম মেনে একবচন নির্দেশ করছে।
B) should — এটি সঠিক কারণ এটি একটি সঠিক মোডাল ভার্ব যা উপদেশ বোঝাতে বসেছে।
C) for — এটি সঠিক কারণ ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে 'for' সঠিক।
D) their — এটি ভুল কারণ একবচন সাবজেক্টের সাথে বহুবচন প্রোনাউন ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে Every বা Each থাকলে পরবর্তী প্রোনাউন সবসময় একবচন হয়।
সঠিক উত্তর: B) disapproval
কেন সঠিক:
- ভ্রু কুচকে ওপরে তোলা বা 'raise ones brows' ইংরেজি ইডিয়ম অনুসারে সাধারণত কোনো কাজের প্রতি অসন্তুষ্টি, বিরূপ মনোভাব বা অসম্মতি প্রকাশ করা বোঝায়।
- প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এই শারীরিক অভিব্যক্তিটি কথ্য ও লেখ্য ইংরেজিতে মূলত কোনো বিষয়ের প্রতি অবজ্ঞা বা অসম্মতি বোঝাতেই ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) annoyance — বিরক্তি প্রকাশ করার জন্য এটি কাছাকাছি মনে হলেও, এই নির্দিষ্ট ইডিয়মটি মূলত সরাসরি অসন্তুষ্টি বা অসম্মতি বোঝাতে নির্ধারিত।
B) disapproval — এটি এই ইডিয়মের সঠিক ও প্রমিত অর্থ নির্দেশ করে, যা কোনো আচরণের প্রতি না-বাচক মনোভাব প্রকাশ করে।
C) indifference — উদাসীনতা বোঝাতে কাঁধ ঝাঁকানো বা অন্য অঙ্গভঙ্গি ব্যবহৃত হয়, ভ্রু তোলার সঙ্গে এর সরাসরি মিল নেই।
D) surprise — অবাক হওয়া বোঝাতে চোখ বড় বা কপাল কুঁচকানোর চল থাকলেও, আদর্শ ইংরেজি অভিধানে এই ইডিয়মের মূল অর্থ অসম্মতি হিসেবেই স্বীকৃত।
মনে রাখার টিপস:
ভ্রু ওপরে তোলা মানে কোনো কিছুতে সম্মতি নেই বা কাজটি পছন্দ হয়নি, যা স্পষ্টতই এক ধরণের অসম্মতি বা disapproval প্রকাশ করে।
সঠিক উত্তর: D) wonder
কেন সঠিক:
- বাক্যটিতে শাইলকের নিষ্ঠুরতা দেখে বক্তার চরম বিস্ময় বা তাজ্জব বনে যাওয়ার ভাব প্রকাশ পেয়েছে।
- Who would have thought দ্বারা অসম্ভব বা ধারণাতীত কোনো ঘটনা ঘটার প্রতি অবাক হওয়া বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) hyperbole — এটি অতিরঞ্জিত কোনো উক্তি নয়, তাই এটি সঠিক নয়।
B) interrogation — বাক্যটিতে প্রশ্নচিহ্ন থাকলেও এটি কোনো তথ্য জানার জন্য করা প্রশ্ন নয়, বরং বিস্ময় প্রকাশ করা এক্সক্লেমেটরি ভাবার্থের বাক্য।
C) command — এটি কাউকে কোনো আদেশ বা নির্দেশ দেওয়ার বাক্য নয়।
D) wonder — এটি শাইলকের নিষ্ঠুরতা নিয়ে বক্তার মনের গভীর বিস্ময় প্রকাশ করছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে Who would have thought থাকলে তা সাধারণত বিস্ময় বা অবাক হওয়া প্রকাশ করে।
সঠিক উত্তর: A) Take what you have got readily available rather than expecting better in the future
কেন সঠিক:
এই প্রবাদটির মূল অর্থ হলো অনিশ্চিত ভবিষ্যতের বড় প্রাপ্তির আশায় হাতের কাছে থাকা নিশ্চিত জিনিসটি হারাতে না যাওয়া।
অর্থাৎ, যা নিজের অধিকারে বা নিয়ন্ত্রণে আছে তাকে মূল্য দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
B) The seen is better than the unseen — এটি প্রবাদের আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করলেও মূল ভাব বা প্রবাদের আসল রূপ বোঝাতে ব্যর্থ হয়।
C) Promises are better than actuals — এটি প্রবাদের অর্থের ঠিক বিপরীত কথা বলে, কারণ প্রবাদটি বাস্তব বা নিশ্চিত প্রাপ্তিকে গুরুত্ব দেয়।
D) It is no good beating about the bush — এটি একটি ভিন্ন ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ অহেতুক কথা বাড়ানো বা মূল বিষয়ে না আসা।
মনে রাখার টিপস:
হাতের পাখি (আশেপাশের নিশ্চিত জিনিস) আর ঝোপের পাখি (অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ) তুলনার কথা মনে রাখলেই সঠিক উত্তরটি সহজে চেনা যায়।
সঠিক উত্তর: D) It is unlikely that nothing bad has happened
কেন সঠিক:
প্রবাদ বাক্যটির আক্ষরিক অর্থ হলো কোনো খবর না আসা মানেই খারাপ কিছু ঘটেনি এমন নয়।
ইংরেজি প্রবাদের অন্তর্নিহিত ও ব্যাকরণগত বিশ্লেষণ অনুযায়ী এখানে অসম্ভবতার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) It is likely that we expect bad news — এই অপশনটি প্রবাদের সাধারণ ধারণার সাথে মিলে না কারণ খবর না থাকা মানেই সবসময় খারাপ খবর প্রত্যাশা করা বোঝায় না।
B) It is likely to have bad news — এখানে নিশ্চিতভাবে খারাপ খবর পাওয়ার কথা বলা হয়েছে যা প্রবাদের মূল অর্থের সাথে সাংঘর্ষিক।
C) It is likely that nothing bad has happened — এটি প্রবাদের প্রচলিত ভুল অর্থ প্রকাশ করে কারণ বাস্তবে কোনো খবর না থাকলে খারাপ কিছু ঘটার সম্ভাবনাও থাকতে পারে।
D) It is unlikely that nothing bad has happened — এটি প্রবাদের সঠিক তাত্ত্বিক ও যৌক্তিক ভাবার্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো খবর না পাওয়া মানেই সব ভালো এমন ভাবার কোনো কারণ নেই, তাই নেতিবাচক সম্ভাবনাগুলোও মাথায় রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) Engine::Car
কেন সঠিক:
Heart::Human জোড়টিতে হৃদয় হলো মানুষের শরীরের চালিকাশক্তি যা ছাড়া মানুষ চলতে পারে না। ঠিক একইভাবে Engine::Car জোড়টিতে ইঞ্জিন হলো গাড়ির প্রধান চালিকাশক্তি যা ছাড়া গাড়ি চলতে পারে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Wall::Brick — এখানে প্রাচীর ও ইটের সম্পর্ক হলো উপাদান এবং সামগ্রীর সম্পর্ক, যা মূল প্রশ্নের সাথে মিলে না।
B) Hand::Child — এখানে হাত ও শিশুর সম্পর্ক হলো একটি অংশ ও পূর্ণাঙ্গ জীবের সম্পর্ক, যা সঠিক নয়।
C) Kitchen::House — এখানে রান্নাঘর ও ঘরের সম্পর্ক হলো ঘরের একটি নির্দিষ্ট অংশের সম্পর্ক, যা চালিকাশক্তির সাথে মিলে না।
D) Engine::Car — এটি সঠিক কারণ এখানে একটি যন্ত্র এবং তার মূল চালিকাশক্তির নিখুঁত সাদৃশ্য রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দ দুটির মূল কাজ বা কার্যকারিতা কী, তা প্রথমে ভেবে দেখলে এমন প্রশ্নের উত্তর খুব সহজে বের করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) Counselor:advice
কেন সঠিক:
মূল প্রশ্নে দেওয়া Patron এবং Support জোড়াটি একটি কাজের সম্পর্ক নির্দেশ করে, যেখানে একজন পৃষ্ঠপোষক (Patron) তার অনুসারীকে সমর্থন (Support) দেন। ঠিক তেমনি Counselor বা পরামর্শক তার মক্কেলকে পরামর্শ বা advice প্রদান করেন, যা এই সাদৃশ্যকে সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করে। এই ধরনের শব্দজোড়ায় প্রথম ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান দ্বিতীয় বিষয়টি সেবা হিসেবে প্রদান করে থাকে। পেশাগত দায়িত্বের দিক থেকে এই মিল থাকায় এটি সঠিক উত্তর হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) spouse:divorce — এখানে স্বামী বা স্ত্রী এবং বিবাহচ্ছেদের মধ্যে একটি নেতিবাচক বা বিপরীত সম্পর্ক রয়েছে। এটি মূল জোড়ার মতো কোনো ইতিবাচক সেবামূলক বা সমর্থনের সম্পর্ক বোঝায় না।
B) Artist:imitation — এখানে শিল্পী এবং অনুকরণের মধ্যে কোনো সরাসরি বা আবশ্যকীয় কাজের সম্পর্ক নেই। শিল্পীরা সাধারণত সৃষ্টি বা শিল্পকর্ম তৈরি করেন, অনুকরণ করা তাদের মূল কাজ নয়।
C) Counselor:advice — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। এটি মূল জোড়ার সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
D) Restaurant:customer — এখানে রেস্তোরাঁ হলো স্থান এবং কাস্টমার হলো ভোক্তা, যা স্থান ও ব্যক্তির সম্পর্ক। এটি মূল জোড়ার মতো সেবামূলক কাজের বা ভূমিকার সম্পর্ক নয়।
মনে রাখার টিপস:
শব্দার্থের সাদৃশ্য বের করার সময় সবসময় দেখতে হবে প্রথম শব্দটি যে কাজ বা ভূমিকা পালন করে, দ্বিতীয় শব্দটি তার সাথে সরাসরি যুক্ত কি না।
সঠিক উত্তর: B) Butcher: baker
কেন সঠিক:
প্রশ্নটিতে দেওয়া WORDS এবং WRITER জোড়াটি একে অপরের পরিপূরক পেশা বা পাশাপাশি কাজ করার পেশাকে নির্দেশ করে।
ঠিক তেমনি Butcher (কসাই) এবং baker (নান বা রুটি প্রস্তুতকারক) উভয়ই খাদ্য প্রস্তুত ও বিক্রির পেশার সাথে যুক্ত সমকক্ষ জোড়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Lawas: Policeman — এখানে শব্দ গঠনে ত্রুটি আছে এবং আইন ও পুলিশ সরাসরি সমকক্ষ পেশা জোড়া নয়।
B) Butcher: baker — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Chalk: black board — এটি উপাদান ও উপকরণের সম্পর্ক, যা কোনো মানুষের পেশাগত সম্পর্ক নয়।
D) Joy: emotion — আনন্দ হলো আবেগের একটি প্রকারভেদ বা নাম, যা কোনো পেশাজীবী জোড়া নয়।
মনে রাখার টিপস:
শব্দগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক বা অ্যানালজি বের করার সময় দেখতে হবে মূল শব্দ দুটি পেশা, বস্তু নাকি ধারণার দিক থেকে যুক্ত।
সঠিক উত্তর: D) watch
কেন সঠিক:
preposition এর পর verb থাকলে তার সাথে ing যুক্ত করতে হয়। এখানে by হলো preposition তাই watch এর সাথে ing যুক্ত হয়ে watching হওয়া উচিত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to — এটি সঠিক infinitival to এবং এর পর verb এর base form বসে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
B) improve — এটি একটি সঠিক verb এবং infinitival to এর নিয়ম মেনে এখানে বসানো হয়েছে।
C) by — এটি একটি সঠিক preposition যা উপায় বা মাধ্যম বোঝাতে বাকive সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
D) watch — এটি ভুল কারণ preposition এর পরে verb আসলে তার সাথে ing যুক্ত করার নিয়ম রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
preposition এর পরে সর্বদা verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: B) perfect
কেন সঠিক:
এখানে verb "diagnose"-কে modify করতে হবে, তাই adjective "perfect" ব্যবহার করা ভুল হয়েছে।
ক্রিয়াকে বিশেষিত করার জন্য adjective-এর পরিবর্তে adverb "perfectly" ব্যবহার করতে হতো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to diagnose — এটি সঠিক infinitive phrase কারণ modal verb "may be able" এর পর বসেছে।
B) perfect — এটি ভুল কারণ verb-কে modify করতে adverb ব্যবহার করতে হয়, adjective নয়।
C) to which — এটি সঠিক prepositional relative pronoun যা drug-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
D) will respond — এটি সঠিক future tense-এর verb যা রোগীর প্রতিক્રিয়া বোঝাতে বসেছে।
মনে রাখার টিপস:
Verb বা ক্রিয়ার দোষ গুণ প্রকাশ করতে adjective না বসিয়ে नेहमी adverb বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Impromptu
কেন সঠিক:
Extempore শব্দের অর্থ হলো পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়া বা তাৎক্ষণিক কিছু করা। Impromptu শব্দের অর্থও কোনো পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়াই হঠাৎ কিছু বলা বা করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Planned — এই শব্দটির অর্থ হলো পূর্বপরিকল্পিত, যা Extempore বা তাৎক্ষণিক শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত।
B) Improvise — এটি একটি ভার্ব যার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে তৈরি করা, কিন্তু Extempore একটি অ্যাডজেক্টিভ।
C) Impromptu — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Immediate — এই শব্দটির অর্থ হলো তাৎক্ষণিক বা দ্রুত, তবে এটি পূর্বপ্রস্তুতিহীন বক্তৃতার সঠিক সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Extempore এবং Impromptu দুটি শব্দই কোনো প্রস্তুতি ছাড়া হঠাৎ করে দেওয়া বক্তব্য বোঝাতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: C) gracious
কেন সঠিক:
- প্রশ্নে থাকা 'courteous' শব্দটির অর্থ ভদ্র, মার্জিত বা শিষ্টাচারপূর্ণ।
- অপশনের 'gracious' শব্দটির অর্থও দয়ালু, ভদ্র বা মার্জিত, যা মূল শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) flimsy — এর অর্থ ঠুনকো বা দুর্বল, যা ভদ্রতার সমার্থক নয়।
B) coarse — এর অর্থ অমসৃণ বা অভদ্র, যা courteous শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) gracious — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) friendly — এর অর্থ বন্ধুত্বপূর্ণ, যা মানুষের আচরণের ক্ষেত্রে courteous শব্দের সঠিক সমার্থক প্রতিশব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Courteous এবং Gracious দুটি শব্দই মানুষের ভদ্র ও মার্জিত আচরণ বোঝাতে সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) make his ideas understood
কেন সঠিক:
এখানে 'get ideas across' ফ্রেজটির অর্থ হলো নিজের চিন্তা বা ভাবনা অন্যের কাছে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা বা বোঝানো।
তাই 'make his ideas understood' ফ্রেজটি মূল বাক্যের underlined অংশের সাথে সবচেয়ে ভালোভাবে মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) make his ideas understood — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ফ্রেজের অর্থ পুরোপুরি প্রকাশ করে।
B) get his ideas down pat — এর অর্থ কোনো কিছু মুখস্থ করা বা খুব ভালোভাবে আয়ত্ত করা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) summarise his ideas — এর অর্থ কোনো ধারণার সারসংক্ষেপ করা, যা সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ করে না।
D) put together his ideas — এর অর্থ চিন্তাগুলোকে একসাথে সাজানো বা একত্র করা, যা বোঝানোর অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
'Across' শব্দটি যখন কোনো আইডিয়ার সাথে বসে, তখন তা অন্যের কাছে পৌঁছে দেওয়া বা সফলভাবে বোঝানো অর্থ প্রকাশ করে।
সঠিক উত্তর: A) it should be stored
কেন সঠিক:
বাক্যের শুরুতে একটি অসমাপিকা ভাববাচক অংশ বা ক্লজ রয়েছে যা খাবার শুকানো বা টিনজাত করার কথা বলে। এরপর একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন বাক্যংশ প্রয়োজন যার নিজস্ব সাবজেক্ট এবং ভার্ব থাকবে।
এখানে it সাবজেক্ট এবং should be stored ভার্ব মিলে বাক্যটিকে সম্পূর্ণ ও অর্থপূর্ণ করে তোলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক সাবজেক্ট এবং প্যাসিভ ভার্ব প্রদান করে বাক্যটিকে ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ করে।
B) that it should be stored — অতিরিক্ত that সংযোজক যুক্ত করায় এটি একটি সাবোর্ডিনেট ক্লজ হয়ে যায় এবং মূল বাক্যটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
C) should be stored — সাবজেক্টের অনুপস্থিতির কারণে এই অপশনটি বাক্যের গঠনগত নিয়ম বা রুল ভঙ্গ করে।
D) which should be stored — অতিরিক্ত relative pronoun যুক্ত করায় এটি একটি অপ্রয়োজনীয় অধীনস্থ ক্লজ তৈরি করে যা সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে না।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি বাক্যে একটি পূর্ণাঙ্গ ক্লজের পর কমা থাকলে, পরবর্তী অংশে অবশ্যই একটি নতুন সাবজেক্ট এবং উপযুক্ত ভার্ব বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) had better get
কেন সঠিক:
- Had better একটি বিশেষ Modal Phrase, যার পরে verb-এর Base form বা V1 বসে এবং এটি বর্তমান বা ভবিষ্যতের উপদেশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ভ্রমণে ইচ্ছুক পর্যটকদের আগে থেকেই বুকিং করে রাখা উচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) had better to get — Had better-এর পরে infinitive-এর 'to' বসে না, তাই এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) had better get — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনে রয়েছে এবং এটি শতভাগ নির্ভুল ব্যাকরণ মেনে চলে।
C) had better get — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো নিয়ম প্রযোজ্য নয়।
D) had better got — Had better-এর পরে verb-এর Past form বসতে পারে না, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Had better-এর পরে সব সময় verb-এর প্রেজেন্ট ফর্ম বা বেস ফর্ম বসে, মাঝে কোনো 'to' বা পাস্ট ফর্ম ব্যবহার করা যায় না।
সঠিক উত্তর: B) Our neighbour has never invited us into his house
কেন সঠিক:
মূল বাক্যে "Not once" ব্যবহার করা হয়েছে যার অর্থ একবারও না বা কখনোই না।
তাই অপশন বি বাক্যের আসল অর্থ পুরোপুরি প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Our neighbour has invited us into his house not once but many times — মূল বাক্যের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে কারণ এটি অনেকবার আমন্ত্রণের কথা বলছে।
B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক অর্থ দিয়েছে।
C) Occasionally our neighbour has invited us into his house — মাঝে মাঝে আমন্ত্রণের কথা বলছে যা মূল বাক্যের "কখনো না" অর্থের সাথে মেলে না।
D) Our neighbour has not always invites us into his house — সব সময় আমন্ত্রণ জানায় না বোঝাচ্ছে, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Not once বা Never জাতীয় শব্দ দেখলে বুঝতে হবে কাজটি একবারও করা হয়নি।
সঠিক উত্তর: D) We were as surprised as Rahman
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যে no more ... than গঠনটি দুজনের মধ্যে সমান মাত্রার তুলনা বোঝায়।
এর অর্থ হলো আমাদের অবাক হওয়ার মাত্রা এবং রহমানের অবাক হওয়ার মাত্রা একই ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) We were less surprised than Rahman — এটি ভুল কারণ মূল বাক্যে কম অবাক হওয়ার কথা বলা হয়নি, বরং দুজনের সমান অবাক হওয়ার তুলনা করা হয়েছে।
B) We were all surprised — এটি ভুল কারণ এটি সবার অবাক হওয়ার সাধারণ একটি তথ্য দেয়, যা মূল বাক্যের সুনির্দিষ্ট তুলনামূলক অর্থ প্রকাশ করে না।
C) Rahman was less surprised than us — এটি ভুল কারণ এখানে রহমানকে আমাদের চেয়ে কম অবাক দেখানো হয়েছে, অথচ মূল বাক্যে দুজনেই সমানভাবে অবাক হয়েছিল।
D) We were as surprised as Rahman — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মূল বাক্যের সমান তুলনামূলক অর্থ নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
no more... than গঠনটি থাকলে বুঝতে হবে দুই পক্ষের তুলনার মাত্রা সমান।
সঠিক উত্তর: B) Gullible
কেন সঠিক:
Cynical শব্দের অর্থ হলো মানুষের ভালো উদ্দেশ্যে অবিশ্বাসকারী বা সন্দেহবাতিক।
অন্যদিকে Gullible শব্দের অর্থ হলো সহজেই অন্যকে বিশ্বাস করে এমন বা সরলপ্রকৃতির।
তাই এটি Cynical শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Pessimistic — এটি Cynical শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ হতাশাবাদী।
B) Gullible — এটি সঠিক উত্তর, যার অর্থ সহজে বিশ্বাসপ্রবণ।
C) Equivocal — এর অর্থ দ্ব অর্থক বা অস্পষ্ট, যা এই প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) Liberal — এর অর্থ উদার, যা Cynical শব্দের বিপরীত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সন্দেহপ্রবণ Cynical মানুষ সহজে কাউকে বিশ্বাস করে না, আর সরল Gullible মানুষ খুব দ্রুত সবাইকে বিশ্বাস করে।
সঠিক উত্তর: D) Censure
কেন সঠিক:
- Oblige শব্দের অর্থ কাউকে বাধ্য করা, অনুগ্রহ করা বা সন্তুষ্ট করা।
- Censure শব্দের অর্থ তীব্র নিন্দা করা বা সমালোচনা করা, যা Oblige শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Bind — এর অর্থ আবদ্ধ করা বা বাঁধা, যা Oblige শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে এবং এর সমার্থক।
B) Bother — এর অর্থ বিরক্ত করা বা উৎপীড়ন করা, যা Oblige শব্দের সরাসরি বিপরীত নয়।
C) Require — এর অর্থ প্রয়োজন হওয়া বা দাবি করা, যা Oblige শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং কাছাকাছি অর্থ বহন করে।
D) Censure — এর অর্থ তীব্র নিন্দা করা, যা Oblige শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে কাজ করে।
মনে রাখার টিপস:
Oblige মানে অনুগ্রহ বা বাধ্য করা আর Censure মানে নিন্দা করা, এই দুটি সম্পূর্ণ বিপরীত ধারণা মনে রাখলে উত্তর সহজে মেলানো যায়।
সঠিক উত্তর: B) Alarming
কেন সঠিক:
Menacing শব্দের অর্থ হলো ভীতিজনক বা অমঙ্গলসূচক, যা কোনো বিপদের আশঙ্কা তৈরি করে। Alarming শব্দের অর্থও ভীতিজনক বা আতঙ্কজনক।
তাই অর্থগত মিল থাকার কারণে Alarming হলো Menacing শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Encouraging — এই শব্দের অর্থ উৎসাহব্যঞ্জক বা সাহস জোগানো, যা Menacing শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত।
B) Alarming — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) Promising — এই শব্দের অর্থ আশাব্যঞ্জক বা সম্ভাবনাময়, যা ভীতিজনক অবস্থার সাথে মেলে না।
D) Auspicious — এই শব্দের অর্থ শুভ বা অনুকূল, যা Menacing শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Menacing শব্দের ভেতরে মেন্স বা ভয়ের আভাস আছে, তাই এর সাথে Alarming শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: B) ৯ গুণ
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি পায়
ধরি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
নতুন ব্যাসার্ধ = ৩r
অতএব,
প্রথম ক্ষেত্রফল = π × r × r
নতুন ক্ষেত্রফল = π × ৩r × ৩r
নতুন ক্ষেত্রফল = ৯ × (π × r × r)
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় মূল ক্ষেত্রফলের ৯ গুণ
উত্তর: ৯ গুণ
সঠিক উত্তর: C) ৩১০ এর পরিবর্তে ৩১৬ নয়, সঠিক অপশন C) ৩৬৪
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, x − (১ ÷ x) = ৭
ধরি,
মান নির্ণয় করতে হবে x এর ঘন বিয়োগ (১ ÷ x) এর ঘন এর মান
অতএব,
বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী, a এর ঘন বিয়োগ b এর ঘন সমান (a বিয়োগ b) এর হোল কিউব যোগ ৩ গুণ a গুণ b গুণ (a বিয়োগ b)
সুতরাং,
এখানে a হলো x এবং b হলো ১ ÷ x
অতএব,
মান বসিয়ে পাই, ৭ এর কিউব যোগ ৩ গুণ ৭
সুতরাং,
৭ এর কিউব সমান ৩৪৩ এবং ৩ গুণ ৭ সমান ২১
উত্তর: ৩৪৩ যোগ ২১ সমান ৩৬৪
সঠিক উত্তর: B) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদমের ভিত্তি হলো দুই
লগারিদমের মান বের করতে হবে আট
ধরি,
লগের মান হলো ক
ভিত্তি হলো দুই
অতএব,
দুই এর পাওয়ার ক সমান আট
দুই গুণ দুই গুণ দুই সমান আট
সুতরাং,
দুই এর পাওয়ার তিন সমান আট
উত্তর: ৩
সঠিক উত্তর: D) ৪৭/৯৯
প্রদত্ত তথ্য:
দশমিক সংখ্যাটি হলো ০.৪৭ (এখানে ৪ এবং ৭ উভয়ের ওপর পৌণিক বা আবৃত্ত দশমিক আছে)
ধরি,
x = ০.৪৭৪৭৪৭...
অতএব,
উভয় পক্ষকে ১০০ দ্বারা গুণ করে পাই,
১০০x = ৪৭.৪৭৪৭৪৭...
সুতরাং,
১০০x − x = ৪৭.৪৭৪৭৪৭... − ০.৪৭৪৭৪৭...
৯৯x = ৪৭
উত্তর: x = ৪৭ ÷ ৯৯
সঠিক উত্তর: D) ১১/১৪
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশগুলো হলো ৫/৬, ১২/১৫, ১৭/২১ এবং ১১/১৪
ধরি,
হরগুলোর লসাগু বের করে সহজে তুলনা করা যায়
অথবা দশমিক মানে রূপান্তর করে দেখা যায়
অতএব,
৫/৬ এর মান প্রায় ০.৮৩৩
১২/১৫ এর মান ০.৮০০
১৭/২১ এর মান প্রায় ০.৮০৯
১১/১৪ এর মান প্রায় ০.৭৮৫
সুতরাং,
প্রাপ্ত দশমিক মানগুলোর মধ্যে ০.৭৮৫ সবচেয়ে ছোট
যা ১১/১৪ ভগ্নাংশের সমান
উত্তর: ১১/১৪
সঠিক উত্তর: C) বিটপী
প্রদত্ত তথ্য:
বৃক্ষ শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ নির্ণয় করতে হবে
প্রদত্ত অপশনগুলোতে বিভিন্ন শব্দের অর্থ দেওয়া আছে
ধরি,
কলাপী শব্দের অর্থ ময়ূর
নীরধি শব্দের অর্থ সমুদ্র
বিটপী শব্দের অর্থ গাছ বা বৃক্ষ
অবনি শব্দের অর্থ পৃথিবী
অতএব,
অপশন এ হলো ময়ূর
অপশন বি হলো সমুদ্র
অপশন সি হলো বৃক্ষ
অপশন ডি হলো পৃথিবী
সুতরাং,
বৃক্ষ শব্দের সাথে মিল আছে বিটপী শব্দের
উত্তর: C) বিটপী
সঠিক উত্তর: B) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
সেট এ এর উপাদানগুলো স্বাভাবিক সংখ্যা এন এর অন্তর্ভুক্ত এবং শর্ত দুটি পূরণ করতে হবে
ধরি,
স্বাভাবিক সংখ্যার সেট এন সমান ১, ২, ৩, ৪, ৫ ইত্যাদি
অতএব,
প্রথম শর্ত অনুযায়ী এক্স এর স্কয়ার এর মান ৮ এর চেয়ে বড় হতে হবে
দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী এক্স এর কিউব এর মান ৩০ এর চেয়ে ছোট হতে হবে
সুতরাং,
এক্স সমান ৩ হলে তিন এর স্কয়ার ৯ যা ৮ এর চেয়ে বড় এবং তিন এর কিউব ২৭ যা ৩০ এর চেয়ে ছোট
উত্তর: ৩
সঠিক উত্তর: B) ২ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য ২ মিটার বাড়ালে ক্ষেত্রফল বাড়ে ৩√৩ বর্গ মিটার
ধরি,
মূল সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার
বর্ধিত সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = (ক + ২) মিটার
অতএব,
মূল ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × ক^২
বর্ধিত ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (ক + ২)^২
সুতরাং,
ক্ষেত্রফলের বৃদ্ধি = ((√৩ ÷ ৪) × (ক + ২)^২) − ((√৩ ÷ ৪) × ক^২) = ৩√৩
উত্তর: ২ মিটার
সঠিক উত্তর: B) ১০ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তকার ঘরের দৈর্ঘ্য প্রস্থ অপেক্ষা ৪ মিটার বেশি
ঘরটির পরিসীমা ৩২ মিটার
ধরি,
ঘরের প্রস্থ = ক মিটার
ঘরের দৈর্ঘ্য = (ক + ৪) মিটার
অতএব,
পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
৩২ = ২ × (ক + ৪ + ক)
১৬ = ২ক + ৪
সুতরাং,
২ক = ১৬ − ৪
২ক = ১২
ক = ৬
উত্তর: ঘরের দৈর্ঘ্য = ৬ + ৪ = ১০ মিটার
সঠিক উত্তর: D) (x^2) × y × (x + y)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = x^3 + (x^2) × y
দ্বিতীয় রাশি = (x^2) × y + x × (y^2)
ধরি,
প্রথম রাশি থেকে কমন নেওয়া যায় (x^2)
দ্বিতীয় রাশি থেকে কমন নেওয়া যায় x × y
অতএব,
প্রথম রাশি = (x^2) × (x + y)
দ্বিতীয় রাশি = x × y × (x + y)
সুতরাং,
ল.সা.গু হবে কমন এবং আনকমন উৎপাদকগুলোর গুণফল
উত্তর: (x^2) × y × (x + y)
সঠিক উত্তর: D) আয়তক্ষেত্র
প্রদত্ত তথ্য:
ABCD চতুর্ভুজে AB সমান্তরাল CD এবং কর্ণ AC সমান BD
কোণ A এর মান নব্বই ডিগ্রি
ধরি,
চতুর্ভুজটি একটি ট্রাপিজিয়াম যার বিপরীত বাহুদ্বয় সমান্তরাল
বাহু AB এবং CD পরস্পর সমান্তরাল
অতএব,
যেহেতু কর্ণদ্বয় সমান এবং একটি কোণ সমকোণ
সুতরাং এটি সামন্তরিকের সকল শর্ত পূরণ করে
সুতরাং,
বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল এবং প্রতিটি কোণ সমকোণ
তাই চতুর্ভুজটি একটি আয়তক্ষেত্র
উত্তর: আয়তক্ষেত্র
সঠিক উত্তর: D) ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
পরপর তিনটি পূর্ণ সংখ্যার গুণফল = ১২০
ধরি,
সংখ্যা তিনটি যথাক্রমে ক, খ এবং গ
অতএব,
১২০ এর উৎপাদকগুলো বিশ্লেষণ করে পাই
৫ × ৬ × ৪ = ১২০
সুতরাং,
সংখ্যা তিনটি হলো ৪, ৫ এবং ৬
উত্তর: ৪ + ৫ + ৬ = ১৫
সঠিক উত্তর: A) ৫০.০০%
প্রদত্ত তথ্য:
টাকায় তিনটি করে লেবু কেনা হলো
টাকায় দুটি করে লেবু বিক্রি করা হলো
ধরি,
লেবুর মোট সংখ্যা = ৬টি
৩টি লেবুর ক্রয়মূল্য = ১ টাকা
অতএব,
৬টি লেবুর ক্রয়মূল্য = ২ টাকা
২টি লেবুর বিক্রয়মূল্য = ১ টাকা
৬টি লেবুর বিক্রয়মূল্য = ৩ টাকা
সুতরাং,
লাভ = ৩ টাকা − ২ টাকা = ১ টাকা
উত্তর: শতকরা লাভ = (১ ÷ ২) × ১০০% = ৫০.০০%
সঠিক উত্তর: D) x + y
প্রদত্ত তথ্য:
x এবং y উভয়ই বিজোড় সংখ্যা
ধরি,
x একটি বিজোড় সংখ্যা
y অপর একটি বিজোড় সংখ্যা
অতএব,
বিজোড় সংখ্যা এবং বিজোড় সংখ্যার যোগফল সর্বদা জোড় সংখ্যা হয়
যেমন একটি বিজোড় সংখ্যা তিন
অপর একটি বিজোড় সংখ্যা পাঁচ
সুতরাং,
৩ + ৫ = ৮, যা একটি জোড় সংখ্যা
উত্তর: x + y
সঠিক উত্তর: C) ৩৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের যেকোনো বাহুকে বর্ধিত করলে একটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয়।
ত্রিভুজের তিনটি বাহু থাকে এবং তিনটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয়।
ধরি,
ত্রিভুজের তিনটি অন্তস্থ কোণ যথাক্রমে ক, খ এবং গ।
তিনটি বহিঃস্থ কোণ যথাক্রমে (১৮০ ডিগ্রি − ক), (১৮০ ডিগ্রি − খ) এবং (১৮০ ডিগ্রি − গ)।
অতএব,
প্রথম বহিঃস্থ কোণ = ১৮০ ডিগ্রি − ক
দ্বিতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০ ডিগ্রি − খ
তৃতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০ ডিগ্রি − গ
সুতরাং,
তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = (১৮০ ডিগ্রি − ক) + (১৮০ ডিগ্রি − খ) + (১৮০ ডিগ্রি − গ)
বহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি = ৫৪০ ডিগ্রি − (ক + খ + গ)
উত্তর: ৫৪০ ডিগ্রি − ১৮০ ডিগ্রি = ৩৬০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: D) ৫:০৩
প্রদত্ত তথ্য:
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার পরিমাপ সম্পর্কিত জ্যামিতিক অনুপাত নির্ধারণ করতে হবে।
এখানে পতাকার দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থের আদর্শ অনুপাত বিবেচনা করতে হয়।
ধরি,
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য = ৫ একক
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার নির্দিষ্ট প্রস্থ = ৩ একক
অতএব,
দৈর্ঘ্যের একক মান = ৫
প্রস্থের একক মান = ৩
সুতরাং,
দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত = ৫:০৩
উত্তর: ৫:০৩
সঠিক উত্তর: B) ৫৫
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো এক, তিন, ছয়, দশ, পনেরো, একুশ
ধরি,
প্রথম পদ = ১
দ্বিতীয় পদ = ১ + ২ = ৩
তৃতীয় পদ = ৩ + ৩ = ৬
অতএব,
চতুর্থ পদ = ৬ + ৪ = ১০
পঞ্চম পদ = ১০ + ৫ = ১৫
ষষ্ঠ পদ = ১৫ + ৬ = ২১
সুতরাং,
সপ্তম পদ = ২১ + ৭ = ২৮
অষ্টম পদ = ২৮ + ৮ = ৩৬
নবম পদ = ৩৬ + ৯ = ৪৫
দশম পদ = ৪৫ + ১০ = ৫৫
উত্তর: ৫৫
সঠিক উত্তর: C) √৩−√২
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো √২ ভাগ (√৬ + ২)
ধরি,
লব ও হর উভয় পক্ষকে (√৬ − ২) দ্বারা গুণ করি
অতএব,
হরের মান হয় (√৬ + ২) গুণ (√৬ − ২)
সুতরাং,
হরের হিসাব থেকে পাই (৬ − ৪) = ২
অতএব,
লব হয় √২ গুণ (√৬ − ২)
সুতরাং,
ভাগ করলে থাকে √৩ − √২
উত্তর: √৩−√২
সঠিক উত্তর: D) ২xy
প্রদত্ত তথ্য:
রাশির পদগুলো হলো x^২, y^২, −৮x, −৮y এবং ১৬
ধরি,
রাশিটিকে সাজিয়ে লেখা যায় এভাবে
(x^২ − ৮x + ১৬) + (y^২ − ৮y)
অতএব,
প্রথম অংশটি একটি পূর্ণবর্গ রাশি যা (x − ৪)^২ হয়
কিন্তু সম্পূর্ণ রাশিটিকে পূর্ণবর্গ করতে হলে (x + y) অথবা (x − y) আক ৃতির সূত্র লাগবে
সুতরাং,
অতিরিক্ত হিসেবে একটি দ্বিগুণ গুণফল পদ প্রয়োজন হয়
যা চলক দুটির গুণফলের দ্বিগুণ অর্থাৎ ২xy যোগ করতে হয়
উত্তর: ২xy
সঠিক উত্তর: C) x+y-1
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো x^2 − y^2 + 2y − 1
ধরি,
রাশিটিকে সাজিয়ে লেখা যায় এভাবে
x^2 − (y^2 − 2y + 1)
অতএব,
বন্ধনীর ভেতরের অংশ হলো (y − 1) এর বর্গ
সুতরাং রাশিটি দাঁড়ায় x^2 − (y − 1)^2
অতএব,
এখন সূত্র প্রয়োগ করে পাই
(x + y − 1) × (x − y + 1)
সুতরাং,
নির্ণey উৎপাদকগুলো হলো (x + y − 1) এবং (x − y + 1)
উত্তর: x+y-1
সঠিক উত্তর: D) উন্নতজাতের গমের নাম
কেন সঠিক:
- সোনালিকা ও আকবর বাংলাদেশে উৎপাদিত অত্যন্ত জনপ্রিয় দু’টি উচ্চ ফলনশীল গমের জাত।
- ষাট ও সত্তরের দশকে দেশে গম উৎপাদন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এই জাতগুলোর গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উন্নত কৃষি যন্ত্রপাতির নাম — সোনালিকা ও আকবর কোনো যন্ত্রপাতি নয়, এগুলো উদ্ভিদ বা ফসলের জাত।
B) উন্নত জাতের ধানের নাম — এই নামগুলো ধানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, কারণ ধান হলো ইরিরা, ব্রিধান ইত্যাদি।
C) দু’টি কৃষি বিষয়ক বেসরকারি সংস্থার নাম — এরা কোনো সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান নয়, বরং কৃষিতে উদ্ভাবিত গমের বীজ বা জাত।
D) উন্নতজাতের গমের নাম — এটি সঠিক উত্তর, কারণ সোনালিকা ও আকবর বাংলাদেশের কৃষিতে সফলভাবে চাষ হওয়া গমের জাত।
মনে রাখার টিপস:
গমের জাত মনে রাখতে 'সোনালী আকবর' গমের ক্ষেতে সোনালী রোদ ছড়ায় এই কথাটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) উন্নত জাতের গমের নাম
কেন সঠিক:
- 'দোয়েল' বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত গমের একটি উচ্চ ফলনশীল জাত।
- এই জাতের গম কৃষকদের মধ্যে চাষাবাদের জন্য ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় এবং এটি দেশের খাদ্য চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাতীয় পাখির নাম — দোয়েল বাংলাদেশের জাতীয় পাখি হলেও কৃষির প্রেক্ষাপটে এটি পাখির নাম বোঝায় না।
B) কৃষি সংস্থার নাম — দোয়েল নামে বাংলাদেশের কোনো প্রধান কৃষি গবেষণা বা সম্প্রসারণ সংস্থা নেই।
D) কৃষি যন্ত্রের নাম — দোয়েল কোনো কৃষি যন্ত্রপাতি বা যন্ত্রাংশের নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
পাখি যেমন আমাদের প্রকৃতিতে সুন্দর, তেমনি 'দোয়েল' নামের উন্নত জাতের গম আমাদের কৃষির উৎপাদন বাড়াতে সুন্দর ভূমিকা রাখে।
সঠিক উত্তর: A) রাশিয়া
কেন সঠিক:
- তাস রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এবং এটি দেশটির সরকারি সংবাদ প্রচারের প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের সময় থেকেই এই সংবাদ সংস্থাটি আন্তর্জাতিকভাবে সংবাদ পরিবেশন করে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাশিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তাস রাশিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা।
B) চীন — চীনের প্রধান রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার নাম সিনহুয়া, তাস নয়।
C) ভারত — ভারতের প্রধান সংবাদ সংস্থার নাম পিটিআই বা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া।
D) পাকিস্তান — পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার নাম এপিপি বা এসোসিয়েটেড প্রেস অব পাকিস্তান।
মনে রাখার টিপস:
রাশিয়ার নামের শেষাংশ এবং 'তাস' শব্দটির উচ্চারণ মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে তাস রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা।
সঠিক উত্তর: C) চীন
কেন সঠিক:
- গ্রেট হল অব দ্য পিপল বা দ্য গ্রেট হল হলো চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন চত্বরের পশ্চিমে অবস্থিত একটি বিশালাকার সরকারি ভবন।
- চীনের জাতীয় আইনসভা ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের বৈঠক এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অনুষ্ঠান এই ভবনে অনুষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বৃটেন — বৃটেনে এই নামের কোনো বিখ্যাত বা প্রধান রাজনৈতিক ভবন নেই, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা ক্যাপিটল হিলে অবস্থিত, গ্রেট হল সেখানে অবস্থিত নয়।
C) চীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ গ্রেট হল চীনের বেইজিংয়ে অবস্থিত একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ভবন।
D) রাশিয়া — রাশিয়ার প্রধান রাজনৈতিক ভবন ক্রেমলিন, গ্রেট হল রাশিয়ায় অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
চীনের বিশাল প্রাচীরের মতো দেশটির বিখ্যাত রাজনৈতিক ভবন গ্রেট হলও চীনে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) পানামা খাল
কেন সঠিক:
- পানামা খাল মধ্য আমেরিকার পানামা দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
- এই কৃত্রিম জলপথটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে দুই মহাসাগরের মধ্যে জাহাজ চলাচলের দূরত্ব ও সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুয়েজ খাল — এটি লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে, আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে নয়।
B) মিসিসিপি — এটি উত্তর আমেরিকার একটি প্রধান দীর্ঘ নদী, কোনো মহাসাগরকে যুক্তকারী খাল বা প্রণালী নয়।
C) ভলগা — এটি ইউরোপের দীর্ঘতম নদী, যা কাস্পিয়ান সাগরে পতিত হয়েছে এবং মহাসাগর সংযুক্ত করে না।
D) পানামা খাল — এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্তকারী সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
পানামা ও প্রশান্ত উভয় শব্দই প দিয়ে শুরু হয়, যা মনে রাখতে সাহায্য করে যে পানামা খাল প্রশান্ত ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: A) বোমারু বিমান চালিত
কেন সঠিক:
- স্টিলথ ড্রোন হলো রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম এক ধরনের চালকবিহীন বিমান, যা সাধারণত দূরপাল্লার বোমারু বিমানের প্রযুক্তিতে তৈরি হয়।
- এটি শত্রুঘাঁটিতে নিখুঁতভাবে বোমা বর্ষণ করার জন্য বিশেষভাবে নকশা করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বোমারু বিমান চালিত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ড্রোনটি বোমারু বিমানের ক্ষমতাসম্পন্ন এবং চালকবিহীনভাবে বোমা বহন করতে পারে।
B) মিগ চালিত — মিগ হলো রাশিয়া নির্মিত যুদ্ধবিমান, যা চালিত বিমান এবং এই ড্রোন মিগ প্রযুক্তির নয়।
C) হেলিকপ্টার চালিত — হেলিকপ্টার উল্লম্বভাবে উড্ডয়ন করে, কিন্তু স্টিলথ ড্রোনটি নির্দিষ্ট বিমানের মতো কাঠামোগতভাবে পরিচালিত হয়।
D) শক্তিশালী রকেট চালিত — রকেট মহাশূন্যে বা দূরপাল্লার ক্ষেপণাউপে ব্যবহৃত হয়, যা এই গোয়েন্দা ড্রোনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্টিলথ ড্রোন মানেই রাডার ফাঁকিদানকারী চালকবিহীন বোমারু বিমান।
সঠিক উত্তর: D) ইয়েমেন
কেন সঠিক:
- তাওয়াক্কুল কারমান ২০১১ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন এবং তিনি আরব বিশ্বের প্রথম নারী নোবেল বিজয়ী।
- তিনি ইয়েমেনের একজন খ্যাতনামা সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকার কর্মী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরান — এটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ হলেও তাওয়াক্কুল কারমান এই দেশের নাগরিক নন।
B) ইন্দোনেশিয়া — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ এবং তাওয়াক্কুল কারমান এখানে জন্মগ্রহণ করেননি।
C) তুরস্ক — তিনি পরবর্তী সময়ে তুরস্কের নাগরিকত্ব অর্জন করলেও তাঁর জন্ম ও মূল পরিচয় ইয়েমেনের সঙ্গে যুক্ত।
D) ইয়েমেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ইয়েমেনের নাগরিক হিসেবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
মনে রাখার টিপস:
ইয়েমেনের শান্তিকন্যা তাওয়াক্কুল কারমান স্মরণ রাখতে ইয়েমেন ও নোবেল শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখুন।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) দিলি
কেন সঠিক:
- পূর্ব তিমুর বা তিমুর লিসেস্ট দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার একটি স্বাধীন রাষ্ট্র এবং দিলি হলো দেশটির রাজধানী ও প্রধান বন্দর।
- ২০০২ সালে দেশটি স্বাধীনতা লাভ করার পর থেকেই দিলি এর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাসা — এটি তিমুরের রাজধানী নয়, বরং এটি চীনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের ঐতিহাসিক ও প্রশাসনিক রাজধানী।
B) পোর্টো নোভা — এটি পূর্ব তিমুরের রাজধানী নয়, এটি পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বেনিনের সাংবিধানিক রাজধানী।
C) দিলি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি পূর্ব তিমুরের রাজধানী শহর।
D) তিয়েন আন মেন — এটি কোনো দেশের রাজধানী নয়, এটি চীনের বেইজিং শহরে অবস্থিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক চত্বর।
মনে রাখার টিপস:
পূর্ব তিমুরের রাজধানী মনে রাখতে 'পূর্বের দিন দিলি' এই ছন্দটি মনে রাখতে পারো, যেখানে দিন থেকে দিলি বোঝায়।
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: A) রোমান সম্রাট হিসেবে
কেন সঠিক:
- জুলিয়াস সীজার ছিলেন প্রাচীন রোমের একজন বিখ্যাত সেনাপতি, রাষ্ট্রনায়ক ও একনায়ক যিনি রোমান সাম্রাজ্যের বিস্তার ও পতনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।
- যদিও তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে রোমের সম্রাট উপাধি পাননি, তবে তাকে রোমান সাম্রাজ্যের অন্যতম প্রধান রূপকার ও সম্রাটতুল্য শাসক হিসেবে গণ্য করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রোমান সম্রাট হিসেবে — এটি সঠিক কারণ তিনি রোমের রাজনৈতিক ইতিহাসে সর্বকালের অন্যতম প্রভাবশালী শাসক ও একনায়ক ছিলেন।
B) বর্ণবাদ বিরোধী হিসেবে — জুলিয়াস সীজারের পরিচিতি বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নয়, এটি আধুনিক যুগের একটি সামাজিক ধারণা।
C) বৃটেনের রাজা হিসেবে — তিনি বৃটেনের রাজা ছিলেন না, তবে তার সেনাবহিনী বৃটেনে অভিযান পরিচালনা করেছিল।
D) আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে — আমেরিকা মহাদেশ আবিষ্কৃত হয়েছিল তার মৃত্যুর বহু পরে, তাই তার সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
সীজার মানেই প্রাচীন রোমের ক্ষমতাধর শাসক, যিনি রোমান সাম্রাজ্যের ইতিহাসকে চিরতরে বদলে দিয়েছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) মৌলভীবাজার
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক চা-বাগান মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত।
- দেশের মোট চা-বাগানের প্রায় অর্ধেকের বেশি এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলায় সবচেয়ে বেশি চা-বাগান রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিলেট — সিলেটে অনেক চা-বাগান ও চা গবেষণা ইনস্টিটিউট থাকলেও মৌলভীবাজারের তুলনায় সংখ্যায় কম।
B) হবিগঞ্জ — হবিগঞ্জে বেশ কিছু বিখ্যাত চা-বাগান আছে, তবে মোট চা-বাগানের দিক থেকে এটি মৌলভীবাজারের পরেই অবস্থান করে।
C) মৌলভীবাজার — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই জেলায় দেশের সর্বাধিক চা-বাগান অবস্থিত।
D) বান্দরবান — বান্দরবানে সম্প্রতি চা চাষ শুরু হলেও এটি ঐতিহ্যবাহী প্রধান চা উৎপাদনকারী অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
চা-এর রাজধানী বলা হয় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলকে, তাই চা-বাগানও এই জেলায় সবচেয়ে বেশি।
সঠিক উত্তর: B) বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র
কেন সঠিক:
- বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান যা দেশে বই পড়া আন্দোলন পরিচালনা করছে।
- মানুষের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিয়ে সৎ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক গড়ে তোলার মূল লক্ষ্য থেকেই প্রতিষ্ঠানটির শ্লোগান নির্ধারিত হয়েছে আলোকিত মানুষ চাই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র — এটি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান যা বই প্রকাশনা ও পঠন সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করে এবং এর শ্লোগান ভিন্ন।
B) বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর বিখ্যাত শ্লোগান হলো আলোকিত মানুষ চাই।
C) সুশাসানের জন্য নাগরিক — এটি সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করা একটি নাগরিক প্ল্যাটফর্ম যার শ্লোগান ভিন্ন প্রেক্ষাপটের।
D) পাবলিক লাইব্রেরী — এটি সাধারণ পাঠাগার সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, কোনো নির্দিষ্ট আন্দোলনভিত্তিক শ্লোগানের প্রতিষ্ঠান নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাহিত্য পড়ার মূল উদ্দেশ্য হলো জ্ঞান অর্জন করা, তাই বই পড়ার প্রতিষ্ঠান বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের শ্লোগান হলো আলোকিত মানুষ চাই।
সঠিক উত্তর: D) ইন্দোনেশিয়া
কেন সঠিক:
- ইন্দোনেশিয়ায় বিশ্বের সর্বাধিক মুসলিম জনসংখ্যা বসবাস করে, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় সাতানব্বই শতাংশ।
- এটি জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দেশ এবং মুসলিম বিশ্বের প্রধান অর্থনীতির দেশ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ, তবে প্রথম নয়।
B) পাকিস্তান — পাকিস্তান বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ, তাই এটি সঠিক নয়।
C) সৌদি আরব — সৌদি আরব ইসলামের জন্মস্থান হলেও জনসংখ্যার দিক থেকে এটি বড় মুসলিম দেশ নয়।
D) ইন্দোনেশিয়া — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বিশ্বের সর্বাধিক মুসলিম জনসংখ্যার দেশ।
মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশের নামের শুরুতে ই অক্ষর আছে, যেমন ইন্দোনেশিয়া।
সঠিক উত্তর: D) কক্সবাজার
কেন সঠিক:
- কক্সবাজার জেলাটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং এর পূর্বে বান্দরবান, পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর, উত্তরে চট্টগ্রাম এবং দক্ষিণে মিয়ানমার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সঙ্গে কক্সবাজারের কোনো সীমান্ত বা স্থলসীমান্ত নেই, তাই এটি ভারত সীমান্ত সংলগ্ন জেলা নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পঞ্চগড় — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ঠিক পাশেই অবস্থিত একটি সীমান্তবর্তী জেলা, যা তিন দিক থেকে ভারত দ্বারা বেষ্টিত।
B) সাতক্ষীরা — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সীমান্তসংলগ্ন একটি দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় জেলা।
C) হবিগঞ্জ — এটি ভারতের ত্রিপুরা ও আসাম রাজ্যের সীমান্তসংলগ্ন একটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় জেলা।
D) কক্সবাজার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর সঙ্গে ভারতের কোনো সীমান্ত নেই, কেবল মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের দক্ষিণ প্রান্তের একমাত্র উপকূলীয় জেলা কক্সবাজারের সঙ্গে কেবল মিয়ানমারের সীমান্ত আছে, ভারতের কোনো সীমান্ত নেই।
সঠিক উত্তর: D) চিংড়ি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়, যা স্বর্ণের মতো মূল্যবান বলে একে হোয়াইট গোল্ড বলা হয়।
- চিংড়ির সাদা রঙের শারীরিক গঠন এবং এর উচ্চ অর্থনৈতিক গুরুত্বের কারণে একে রূপালী সম্পদ বা হোয়াইট গোল্ড নামে অভিহিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইলিশ — ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ এবং একে সিলভার হার্জ বা রূপালি ইলিশ বলা হয়, হোয়াইট গোল্ড নয়।
B) পাট — পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল এবং এর সোনালি রঙের জন্য একে গোল্ডেন ফাইবার বা সোনালী আঁশ বলা হয়।
C) রূপা — রূপা একটি মূল্যবান ধাতু, যা সরাসরি কোনো কৃষিজ বা মৎস্য সম্পদ নয় এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়।
D) চিংড়ি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ অর্থনৈতিক মূল্যের দিক থেকে একে হোয়াইট গোল্ড বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
পাট সোনালি আঁশ হলেও চিংড়ি সাদা রঙের এবং অত্যন্ত মূল্যবান বলে হোয়াইট গোল্ড নামে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: B) Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission
কেন সঠিক:
- BTRC হলো বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা, যার ইংরেজি নামের সঠিক রূপটিতে Telecommunication শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
- এটি ২০০১ সালের আইন অনুযায়ী গঠিত হয় এবং দেশের সব ধরনের টেলিযোগাযোগ সেবা নিয়ন্ত্রণ ও লাইসেন্স প্রদান করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Bangladesh Telephone Regulatory Commission — এই নামের কোনো আনুষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা নেই কারণ এখানে Telecommunication শব্দের পরিবর্তে শুধু Telephone ব্যবহার করা হয়েছে।
B) Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission — এটি সঠিক কারণ এটি দেশের একমাত্র টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রকৃত ইংরেজি নাম।
C) Bangladesh Telephone and Telecom Regulatory Commission — এই নামটিতে অতিরিক্ত শব্দের ব্যবহার রয়েছে যা দাপ্তরিক ও আইনগত নামের সঙ্গে মেলে না।
D) Bangladesh Telephone and Telegraph Regulatory Commission — এটি মূলত সাবেক টিঅ্যান্ডটি বোর্ডের নাম ছিল, যা বর্তমান বিটিআরসি সংস্থার নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
BTRC নামের ক্ষেত্রে Telephone না বলে পুরো Telecommunication শব্দটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ডাউকি
কেন সঠিক:
- তামাবিল স্থলবন্দর বাংলাদেশের সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলায় অবস্থিত এবং এর ঠিক বিপরীতে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকি শহর অবস্থিত।
- দুই দেশের মধ্যে যাতায়াত ও বাণিজ্যের জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত চেকপোস্ট।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) করিমগঞ্জ — এটি ভারতের আসাম রাজ্যের একটি সীমান্তবর্তী জেলা ও শহর, যা বাংলাদেশের সিলেটের জকিগঞ্জ সীমান্তের বিপরীতে অবস্থিত।
B) খোয়াই — এটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের একটি শহর ও নদী, যা বাংলাদেশের হবিগঞ্জ সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত।
C) পেট্রাপোল — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি বিখ্যাত স্থলবন্দর, যা বাংলাদেশের বেনাপোল সীমান্তের বিপরীতে অবস্থিত।
D) ডাউকি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা তামাবিল সীমান্তের বিপরীতে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
তামাবিল দিয়ে সিলেট থেকে মেঘালয় যাওয়া যায় এবং সেখানে ঢোকার মুখেই ডাউকি শহর পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: D) ২০১০
কেন সঠিক:
- সাংবাদিক ও পর্বতারোহী মুসা-ইব্রাহীম ২০১০ সালের ২৩ মে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন।
- এটি বাংলাদেশের ক্রীড়া ও অভিযাত্রিক ইতিহাসের একটি যুগান্তকারী মাইলফলক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০০৮ — এই সালে কোনো বাংলাদেশী মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেননি, এটি ভুল সাল।
B) ২০১১ — এই সালে নিশাত মজুমদার এবং এম এ মুহিত এভারেস্ট জয় করেন, মুসা-ইব্রাহীম নন।
C) ২০০৯ — এই সালে বাংলাদেশের কোনো পর্বতারোহী এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছাতে পারেননি।
D) ২০১০ — এই সালেই মুসা-ইব্রাহীম প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট শৃঙ্গে আরোহণ করেন, তাই এটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
মুসা-ইব্রাহীম প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে ২০১০ সালে এভারেস্ট জয় করেন। সালটি মনে রাখতে ২০১০ সংখ্যাটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: D) এপিকালচার
কেন সঠিক:
- এপিকালচার হলো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মৌমাছি পালন এবং মধু ও মোম উৎপাদনের প্রক্রিয়া।
- এটি কৃষি খাতের একটি লাভজনক শাখা যা পরাগায়নেও সহায়তা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হর্টিকালচার — এটি উদ্যানতত্ত্ব বা ফল, ফুল ও শাকসবজি চাষ সংক্রান্ত বিদ্যা, তাই এটি সঠিক নয়।
B) পিসিকালচার — এটি মৎস্য চাষ বা মাছ উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত, তাই এটি সঠিক নয়।
C) সেরিকালচার — এটি রেশম পোকা পালন এবং রেশম সুতা উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত, তাই এটি সঠিক নয়।
D) এপিকালচার — মৌমাছি চাষ বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
মৌমাছির ইংরেজি অ্যাপিস (Apis) থেকে এপিকালচার শব্দটি এসেছে।
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দপুর
কেন সঠিক:
- নীলফামারীর সৈয়দপুরে অবস্থিত এই কারখানাটি বাংলাদেশ রেলওয়ের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এবং প্রধান কারখানা।
- ব্রিটিশ আমলে ১৮৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কারখানাটিতে রেলওয়ের বিভিন্ন কোচ ও ইঞ্জিন মেরামত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আখাউড়া — এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশন, তবে এটি কোনো বড় কারখানা নয়।
B) সৈয়দপুর — এটিই প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক নয় বরং মূল উত্তর।
C) চট্টগ্রাম — এখানে পাহাড়তলী কারখানা ও সিআরবি অবস্থিত, যা রেলওয়ের প্রধান হলেও সর্ববৃহৎ কারখানা নয়।
D) পাকশি — এটি পাবনা জেলার একটি রেলওয়ে বিভাগীয় কার্যালয়, কোনো কারখানা নয়।
মনে রাখার টিপস:
সৈয়দপুর মানেই রেলওয়ের সবচেয়ে বড় কারখানা, যা নীলফামারীতে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) ডেনমার্ক
কেন সঠিক:
- গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ, যা ভৌগলিকভাবে উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত হলেও রাজনৈতিকভাবে ইউরোপের দেশ ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অংশ।
- ডেনমার্কের রাজমুকুট বা স্বায়ত্তশাসনের অধীনে এই দ্বীপের অভ্যন্তরীণ শাসন ক্ষমতা স্থানীয় সরকারের হাতে থাকলেও প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রনীতি ডেনমার্কের ওপর ন্যস্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কানাডা — কানাডা উত্তর আমেরিকার একটি স্বাধীন দেশ এবং ভৌগলিকভাবে গ্রিনল্যান্ডের খুব কাছাকাছি হলেও এর ওপর কানাডার কোনো মালিকানা নেই।
B) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র উত্তর আমেরিকার একটি পরাশক্তি এবং গ্রিনল্যান্ডে তাদের সামরিক ঘাঁটি থাকলেও এর মালিকানা ডেনমার্কের হাতে।
C) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য ইউরোপের একটি দেশ এবং এর সাথে গ্রিনল্যান্ডের ঐতিহাসিক কোনো ঔপনিবেশিক বা বর্তমান মালিকানার সম্পর্ক নেই।
D) ডেনমার্ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডেনমার্কের মূল ভূখণ্ডের অধীনে গ্রিনল্যান্ড একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হিসেবে শাসিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
গ্রিনল্যান্ড নামের সাথে বরফের ছবি ভাসে, আর এই বরফঝরা দ্বীপের মালিকানা ইউরোপের ছোট্ট দেশ ডেনমার্কের হাতে।
সঠিক উত্তর: A) জেনেভা
কেন সঠিক:
- রেডক্রস ১৮৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থা যার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- যুদ্ধাহত সৈনিকদের সেবা ও বিশ্বব্যাপী মানবিক সংকট মোকাবিলায় এই শহর থেকেই সংস্থাটির প্রধান কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জেনেভা — এটি রেডক্রসের মূল সদর দপ্তর এবং এখানেই এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
B) নিউ ইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের সদর দপ্তর এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান কার্যালয় হলেও রেডক্রসের নয়।
C) জেদ্দা — এটি ওআইসি বা ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত, রেডক্রসের নয়।
D) রোম — এটি বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর, রেডক্রসের সদর দপ্তর এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
মানবিক কাজের লাল ক্রুশ, জেনেভায় তার আসল ফুস।
সঠিক উত্তর: B) তামা ও দস্তা
১. কেন সঠিক:
পিতল একটি সংকর ধাতু যা দুটি ভিন্ন ধাতুর সমসত্ত্ব মিশ্রণে তৈরি হয়।
তামা এবং দস্তার নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশ্রণের মাধ্যমে এই টেকসই উপাদানটি প্রস্তুত করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: দুই বা ততোধিক ধাতুর অথবা একটি ধাতু ও একটি অধাতুর সমসত্ত্ব মিশ্রণকে সংকর ধাতু বলে।
কার্যপ্রণালি: গলিত অবস্থায় তামা ও দস্তাকে নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশিয়ে ঠান্ডা করার মাধ্যমে পিতল তৈরি করা হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: পিতল দিয়ে থালাবাসন, বাদ্যযন্ত্র, এবং নানা ধরনের সৌখিন সামগ্রী তৈরি করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পিতলের তৈরি প্রাচীন বাদ্যযন্ত্র যেমন ট্রাম্পেট বা হর্ন।
ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে শব্দের কম্পন এবং ধাতুর দীর্ঘস্থায়ী স্থায়িত্ব রক্ষা পায়।
উদাহরণ ২: ঘরের দরজার পিতলের হাতল বা লকিং নকশা।
ব্যাখ্যা: এটি ক্ষয়রোধী এবং দীর্ঘকাল চকচকে ভাব বজায় রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তামা ও টিন — এই দুটি ধাতু মিলে ব্রোঞ্জ বা কাঁসা নামক সংকর ধাতু তৈরি করে, পিতল নয়।
B) তামা ও দস্তা — এটি পিতল তৈরির সঠিক ও পরীক্ষিত উপাদান।
C) তামা ও নিকেল — তামা ও নিকেল মিশিয়ে কিউপ্রো-নিকেল তৈরি করা হয় যা মুদ্রা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
D) তামা ও সিসা — এই মিশ্রণটি সাধারণত বিয়ারিং বা প্লাম্বিং শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
পিতল তৈরির উপাদান মনে রাখতে পিতা শব্দ ব্যবহার করা যেতে পারে।
পিতে পিতল এবং তিতে তামা ও দস্তা বোঝায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সংকর ধাতু সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
ব্রোঞ্জ, পিতল এবং স্টেইনলেস স্টিলের উপাদানগুলোর তালিকা ভালোভাবে মুখস্থ রাখা উচিত।
প্রশ্নের ধরন: রসায়ন (ধাতু ও অধাতু এবং অম্ল, ক্ষার ও লবণ)
সঠিক উত্তর: B) নাইট্রিক অ্যাসিড
১. কেন সঠিক:
- নাইট্রিক অ্যাসিড সোনা ছাড়া অন্যান্য ধাতু যেমন তামা বা রুপার সঙ্গে বিক্রিয়া করে কিন্তু বিশুদ্ধ সোনার সঙ্গে সাধারণ অবস্থায় বিক্রিয়া করে না।
- খাদ বা ভেজাল হিসেবে থাকা অন্যান্য ধাতু নাইট্রিক অ্যাসিডে দ্রবীভূত হয় ফলে সোনার খাদ সহজেই শনাক্ত করা যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: নাইট্রিক অ্যাসিড একটি শক্তিশালী জারক অ্যাসিড যা অনেক ধাতুর সঙ্গে বিক্রিয়া করে নাইট্রেট লবণ তৈরি করে।
- কার্যপ্রণালি: সোনার অলংকারে তামা বা অন্য ধাতুর খাদ মেশানো থাকলে নাইট্রিক অ্যাসিড সেই খাদগুলোকে গলিয়ে ফেলে কিন্তু সোনা অবিকৃত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্বর্ণকারদের দোকানে খাঁটি সোনা পরীক্ষা করা
ব্যাখ্যা: অলংকার পরীক্ষার সময় নাইট্রিক অ্যাসিড ব্যবহার করলে খাদগুলো দ্রবীভূত হয় এবং সোনার আসল রূপ প্রকাশ পায়।
উদাহরণ ২: মুদ্রার মান যাচাই করা
ব্যাখ্যা: প্রাচীনকালে ধাতব মুদ্রায় ভেজাল আছে কি না তা দেখার জন্য এসিড পরীক্ষা করা হতো।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাইট্রিক অ্যাসিড — এটি একটি দুর্বল জৈব অ্যাসিড যা লেবুতে থাকে এবং সোনার খাদ নির্ণয়ে এটি কাজ করে না।
B) নাইট্রিক অ্যাসিড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সোনার খাদ বা ভেজাল ধাতুগুলোকে আলাদা করতে পারে।
C) হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড — এটি এককভাবে সোনার খাদ বের করতে ব্যবহৃত হয় না তবে নাইট্রিক অ্যাসিডের সঙ্গে মিশিয়ে রাজঅম্ল তৈরি করা হয়।
D) টারটারিক অ্যাসিড — এটি তেতুলে পাওয়া যায় এবং এটি সোনার খাদের সঙ্গে কোনো বিক্রিয়া করে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
সোনা হলো সম্ভ্রান্ত ধাতু যা এসিডে গলে না, তাই খাদ বা ভেজাল সরাতে নাইট্রিক অ্যাসিড ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখবে সোনা চেনার হাতিয়ার হলো নাইট্রিক অ্যাসিড।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সোনা দ্রবীভূত করার জন্য নাইট্রিক অ্যাসিড এবং হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের তিন অনুপাত এক মিশ্রণ বা রাজঅম্ল ব্যবহার করা হয়।
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ধাতু ও এসিডের বিক্রিয়া অংশে প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) ৫০ হার্জ
১. কেন সঠিক:
আমাদের বাসা বাড়িতে যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় তা পর্যায়ী প্রবাহ বা অলটারনেটিং কারেন্ট প্রকৃতির। এই বিদ্যুৎ নির্দিষ্ট সময় পর পর দিক পরিবর্তন করে এবং প্রতি সেকেন্ডে এটি কতবার দিক পরিবর্তন করছে তা এর ফ্রিকোয়েন্সি বা কম্পাঙ্ক দ্বারা নির্ধারিত হয়।
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহকৃত অলটারনেটিং কারেন্টের কম্পাঙ্ক প্রতি সেকেন্ডে পঞ্চাশ সাইকেল বা পঞ্চাশ হার্জ হিসেবে নির্ধারিত রয়েছে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: অলটারনেটিং কারেন্টের প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে যতবার সম্পূর্ণ একটি চক্র সম্পন্ন করে তাকে তার ফ্রিকোয়েন্সি বা কম্পাঙ্ক বলে এবং এর একক হলো হার্জ।
কার্যপ্রণালি: জেনারেটরের রোটরের ঘূর্ণনের ফলে তড়িৎ চালক শক্তি উৎপন্ন হয় এবং প্রতি পূর্ণ ঘূর্ণনে কারেন্ট একবার ধনাত্মক ও একবার ঋণাত্মক দিক লাভ করে।
বাস্তব প্রয়োগ: এই নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের কারণে আমাদের দেশের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যেমন পাখা ও বাতি সেকেন্ডে পঞ্চাশ বার দিক পরিবর্তনকারী বিদ্যুৎ দ্বারা পরিচালিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাসা বাড়ির সিলিং ফ্যানের ঘূর্ণন গতি।
ব্যাখ্যা: পঞ্চাশ হার্জ ফ্রিকোয়েন্সির বিদ্যুৎ প্রবাহের কারণে ফ্যানের মোটর সুষমভাবে ঘুরে এবং কোনো রকম হেঁচকি ছাড়াই বাতাস প্রদান করে।
উদাহরণ ২: ঘরের টিউবলাইটের আলো জ্বলা ও নেভা।
ব্যাখ্যা: প্রতি সেকেন্ডে পঞ্চাশ হার্জ কম্পাঙ্কের কারণে টিউবলাইট প্রতি সেকেন্ডে একশ বার জ্বলে ও নেভে যা মানুষের চোখ ধরতে পারে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫০ হার্জ — এটি বাংলাদেশের এবং দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ দেশের গৃহস্থালি বিদ্যুৎ সরবরাহের আদর্শ এবং নির্ধারিত ফ্রিকোয়েন্সি মান।
B) ২২০ হার্জ — এটি সম্পূর্ণ ভুল মান কারণ দুইশ বিশ হলো আমাদের দেশের গৃহস্থালি বিদ্যুৎ সরবরাহের ভোল্টেজ বা বিভব পার্থক্যের মান যার একক ভোল্ট।
C) ২০০ হার্জ — এটি কোনো তাত্ত্বিক বা বাস্তবসম্মত মান নয় এবং আমাদের দেশের জাতীয় গ্রিড বা গৃহস্থালি বিদ্যুৎ সরবরাহের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
D) ১০০ হার্জ — এটি ভুল মান কারণ যুক্তরাষ্ট্র এবং কিছু দেশ ষাট হার্জ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করলেও একশ হার্জ ফ্রিকোয়েন্সি কোথাও গৃহস্থালি বিদ্যুতে ব্যবহার করা হয় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
আমাদের দেশের বাসা বাড়ির বিদ্যুতের দুটি মূল সংখ্যা মনে রাখতে হবে যার একটি হলো ভোল্টেজ দুইশ বিশ এবং অন্যটি হলো ফ্রিকোয়েন্সি বা কম্পাঙ্ক পঞ্চাশ হার্জ।
কম্পাঙ্কের একক হার্জ এবং বাসা বাড়ির বিদ্যুৎ প্রতি সেকেন্ডে পঞ্চাশ বার দিক বদলায় এই তথ্যটি মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্ব অধ্যায়ের অত্যন্ত কমন একটি প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
যুক্তরাষ্ট্র ও কিছু আমেরিকান দেশে গৃহস্থালি বিদ্যুতের ফ্রিকোয়েন্সি পঞ্চাশ হার্জের পরিবর্তে ষাট হার্জ হয়ে থাকে যা পরীক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তুলনামূলক তথ্য।
সঠিক উত্তর: B) ল্যাকটিক এসিড
১. কেন সঠিক:
দুধে প্রাকৃতিক ডাইস্যাকারাইড বা শর্করা হিসেবে ল্যাকটোজ নামক উপাদান বিদ্যমান থাকে।
ব্যাকটেরিয়ার ক্রিয়ায় এই ল্যাকটোজ রূপান্তরিত হয়ে ল্যাকটিক এসিড উৎপন্ন করে এবং দুধের স্বাদ টক করে তোলে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ল্যাকটিক এসিড এক প্রকার জৈব এসিড যার রাসায়নিক সংকেত সিথ্রি এইট ও থ্রি।
কার্যপ্রণালি: ল্যাকটোব্যাসিলাস নামক ব্যাকটেরিয়ার গাঁজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দুধের শর্করা এসিডে পরিণত হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই মূলত তরল দুধ থেকে দই, পনির এবং বিভিন্ন ধরনের মায়োনিজ বা দুগ্ধজাত খাবার তৈরি করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঘরের উষ্ণতায় দীর্ঘক্ষণ দুধ খোলা রাখলে তা কেটে যায় বা ছানা হয়ে যায়।
ব্যাখ্যা: বাতাসের উপস্থিতিতে ব্যাকটেরিয়ার দ্রুত বংশবৃদ্ধির ফলে ল্যাকটোজ ভেঙে ল্যাকটিক এসিড তৈরি হয় এবং পিএইচ কমে যায়।
উদাহরণ ২: অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ বা ভারী ব্যায়ামের পর পেশিতে টান ধরে।
ব্যাখ্যা: অক্সিজেনের স্বল্পতার কারণে মাংসপেশিতে ল্যাকটিক এসিড জমে যাওয়ার ফলে এই ধরনের শারীরিক ক্লান্তি ও ব্যথা অনুভূত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাইট্রিক এসিড — এটি লেবু, কমলা এবং অন্যান্য টক জাতীয় ফলে প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায়, দুধে থাকে না।
B) ল্যাকটিক এসিড — এটি দুধে উপস্থিত প্রধান জৈব এসিড যা দুধের টক স্বাদের জন্য দায়ী।
C) নাইট্রিক এসিড — এটি একটি অত্যন্ত ক্ষয়কারী খনিজ এসিড যা গবেষণাগারে ও শিল্প কারখানায় ব্যবহৃত হয়, খাদ্যে থাকে না।
D) এসিটিক এসিড — এটি মূলত ভিনেগার বা সিরকায় চার থেকে পাঁচ শতাংশ মাত্রায় দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
দুধের ইংরেজি প্রতিশব্দ ল্যাকটোজ থেকে খুব সহজেই ল্যাকটিক এসিড নামটি মনে রাখা সম্ভব।
দুগ্ধজাত পণ্যের সঙ্গে জড়িত যেকোনো এসিডীয় উপাদান খুঁজতে ল্যাকট শব্দটি প্রথম পছন্দ হওয়া উচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
খাদ্য ও পুষ্টি অধ্যায়ের জন্য এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বারবার আসা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্ন।
দুধে কোন ভিটামিন থাকে না এবং দুধের প্রোটিনের নাম ক্যাজিন—এই সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোও পরীক্ষার জন্য সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) এসিটিক এসিড
১. কেন সঠিক:
এসিটিক এসিড একটি জৈব অম্ল কারণ এটি মূলত উদ্ভিদ ও প্রাণিজ উৎস থেকে পাওয়া যায় এবং এর অণুতে কার্বক্সিল গ্রুপ যুক্ত থাকে।
জৈব এসিডগুলোতে সাধারণত কার্বন শিকলের সঙ্গে কার্বক্সিল গ্রুপ যুক্ত থাকায় এদের অম্লীয় ধর্ম প্রকাশ পায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: যেসকল এসিড সাধারণত জীবজগৎ অর্থাৎ উদ্ভিদ ও প্রাণী উৎস থেকে সংগৃহীত হয় এবং যাদের মধ্যে কার্বক্সিল গ্রুপ থাকে, তাদের জৈব অম্ল বলা হয়।
রাসায়নিক সংকেত: এসিটিক এসিডের রাসায়নিক সংকেত হলো সিএইচ৩সিওওএইচ এবং এর কার্যকরী মূলক হলো কার্বক্সিল গ্রুপ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভিনেগার বা সিরকা
ব্যাখ্যা: রান্নাঘরে ব্যবহৃত ভিনেগারে চার থেকে পাঁচ শতাংশ এসিটিক এসিড থাকে, যা একটি মৃদু জৈব অম্ল।
উদাহরণ ২: লেবুর রস
ব্যাখ্যা: লেবুতে সাইট্রিক এসিড থাকে, যা ফলমূল থেকে প্রাপ্ত আরেকটি সুপরিচিত জৈব অম্ল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রিক এসিড — এটি একটি শক্তিশালী অজৈব বা খনিজ এসিড, যা শিল্প কারখানায় কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয়।
B) হাইড্রোক্লোরিক এসিড — এটি একটি খনিজ এসিড যা মানবদেহের পাকস্থলীতে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত হলেও এটি কোনো জৈব অম্ল নয়।
C) এসিটিক এসিড — এটি একটি জৈব অম্ল এবং এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
D) সালফিউরিক এসিড — এটি অত্যন্ত শক্তিশালী একটি অজৈব এসিড, যা মূলত খনিজ পদার্থ থেকে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় প্রস্তুত করা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
খাবার জিনিস যেমন ভিনেগার বা ফলে যে টক স্বাদ পাওয়া যায় তা জৈব এসিডের কারণে হয়।
পরীক্ষায় খনিজ এসিড ও জৈব এসিড আলাদা করতে মনে রাখবে খনিজ এসিডগুলো গবেষণাগারে তৈরি হয় আর জৈব এসিডগুলো প্রাকৃতিকভাবে খাবারে থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জৈব ও অজৈব এসিডের উদাহরণ জানতে চাওয়া হয়।
এসিটিক এসিডের রাসায়নিক সংকেত এবং ভিনেগারের শতকরা পরিমাণ সম্পর্কে ভালোভাবে ধারণা রাখবে।
প্রশ্নের ধরন: রোগ, জীবাণু ও রোগ প্রতিরোধ
সঠিক উত্তর: B) জীবাণু ধ্বংস করা
১. কেন সঠিক:
- অ্যান্টিবায়োটিক হলো এমন এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ যা ব্যাকটেরিয়া বা অণুজীবের বৃদ্ধি রোধ করে বা তাদের সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে।
- এটি মানবদেহে প্রবেশ করে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর গঠন ব্যাহত করে অথবা তাদের প্রোটিন সংশ্লেষণ প্রক্রিয়া থামিয়ে দেয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: অ্যান্টিবায়োটিক কেবল ব্যাকটেরিয়া জনিত সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে এবং এটি ভাইরাসের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ অকার্যকর।
- কার্যপ্রণালি: এটি ব্যাকটেরিয়ার জীবনচক্রের অপরিহার্য জৈবরাসায়নিক প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করে ব্যাকটেরিয়াকে নিষ্ক্রিয় বা মৃত করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পেনিসিলিন
ব্যাখ্যা: এটি প্রথম আবিষ্কৃত অ্যান্টিবায়োটিক যা নিউমোনিয়া বা গলার ইনফেকশন সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর ধ্বংস করে।
উদাহরণ ২: অ্যামোক্সিসিলিন
ব্যাখ্যা: এটি ব্যাকটেরিয়াজনিত বিভিন্ন কান বা শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ নিরাময়ে চিকিৎসকরা ব্যবহার করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা — রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি বৃদ্ধি করে মূলত ভ্যাকসিন বা টিকা এবং পুষ্টিকর খাবার, অ্যান্টিবায়োটিক সরাসরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় না।
B) জীবাণু ধ্বংস করা — এটি সঠিক কারণ অ্যান্টিবায়োটিকের মূল কাজ হলো মানবদেহে প্রবেশকারী ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করা।
C) ভাইরাস ধ্বংস করা — ভাইরাস কোষহীন এবং অ্যান্টিবায়োটিক ভাইরাসের ওপর কোনো প্রভাব ফেলতে পারে না, তাই সর্দি বা ফ্লুর মতো ভাইজনিত রোগে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না।
D) দ্রুত রোগ নিরাময় করা — অ্যান্টিবায়োটিক কোনো জাদুকরি ওষুধ নয় যা যেকোনো রোগ দ্রুত নিরাময় করবে, এটি কেবল ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধি রোধ করে শরীরকে সুস্থ হতে সাহায্য করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অ্যান্টিবায়োটিক মানেই ব্যাকটেরিয়া নাশক, যা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- আলেকজান্ডার ফ্লেমিং প্রথম পেনিসিলিন অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেন।
- ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগে অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর হলেও ভাইরাস জনিত সাধারণ ঠাণ্ডা কাশিতে এর ব্যবহার ক্ষতিকর হতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) ফাঙ্গাস
১. কেন সঠিক:
মাশরুম হলো এক ধরনের ছত্রাক বা ফাঙ্গাস যা নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না।
এদের দেহে ক্লোরোফিল না থাকায় এরা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে না এবং মৃত বা পচা জৈব পদার্থ থেকে পুষ্টি গ্রহণ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ছত্রাক বা ফাঙ্গাস হলো এমন একদল ইউক্যারিওটিক জীব যাদের কোষপ্রাচীর কাইটিন দ্বারা গঠিত।
কার্যপ্রণালি: মাশরুম মাটিতে বা পচা কাঠের ওপর অণুজীবের মতো হাইফি বিস্তার করে এবং এনজাইম নিঃসরণ করে জটিল খাদ্য ভেঙে শোষণ করে।
বাস্তব প্রয়োগ: রান্নায় পুষ্টিকর খাবার হিসেবে মাশরুমের ব্যবহার বহুল প্রচলিত এবং এটি পরিবেশের মৃত জৈব পদার্থ পচাতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইয়েস্ট বা খামির।
ব্যাখ্যা: এটি এক ধরণের এককোষী ছত্রাক যা পাউরুটি তৈরিতে এবং গাঁজন প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: পেনিসিলিয়াম।
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুকোষী ছত্রাক যা থেকে জীবন রক্ষাকারী অ্যান্টিবায়োটিক পেনিসিলিন তৈরি করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপুষ্পক উদ্ভিদ — মাশরুম উদ্ভিদ রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত নয় কারণ এদের প্রকৃত উদ্ভিদ বলা যায় না এবং এরা ফুল বা বীজ উৎপাদন করে না।
B) পরজীবী উদ্ভিদ — মাশরুম পরজীবী উদ্ভিদ নয় কারণ উদ্ভিদের মতো এদের নিজস্ব খাদ্য তৈরির ক্ষমতা নেই এবং এরা মৃতজীবী হিসেবে বেঁচে থাকে।
C) ফাঙ্গাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ মাশরুম উদ্ভিদ জগতের অন্তর্ভুক্ত না হয়ে ফাইলাম ফাঙ্গাই বা ছত্রাক রাজ্যের অন্তর্গত।
D) অর্কিড — অর্কিড হলো এক ধরণের সপুষ্পক পরাশ্রয়ী উদ্ভিদ, যা মাশরুমের মতো ছত্রাক নয় এবং নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করতে পারে।
৫. মনে রাখার টিপস:
মাশরুমে কোনো সবুজ পাতা বা ক্লোরোফিল থাকে না, তাই এটি উদ্ভিদ না হয়ে ফাঙ্গাস বা ছত্রাক হিসেবে গণ্য হয়।
ছত্রাক মানেই পরভোজী জীব, যা মৃতদেহ বা পচা আবর্জনা থেকে পুষ্টি শোষণ করে বেঁচে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে ছত্রাকের কোষপ্রাচীর কি দিয়ে তৈরি, যার সঠিক উত্তর হলো কাইটিন।
একই ধারণা থেকে মাশরুমের পুষ্টি উপাদান বা ছত্রাকের অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) জন্ডিস
১. কেন সঠিক:
- জন্ডিস কোনো স্বাধীন রোগ নয়, এটি মূলত যকৃতের একটি প্রধান রোগ বা জটিলতার বহিঃপ্রকাশ।
- রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা অতিরিক্ত বৃদ্ধি পেলে ত্বক ও চোখ হলুদ হয়ে যায়, যা জন্ডিস নামে পরিচিত।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: জন্ডিস এমন একটি শারীরবৃত্তীয় অবস্থা যেখানে পিত্তরঞ্জক বিলিরুবিনের বিপাক বিঘ্নিত হয় এবং তা রক্তে জমে যায়।
- কার্যপ্রণালি: যকৃত ক্ষতিগ্রস্ত হলে লোহিত কণিকা ভাঙার ফলে উৎপন্ন বিলিরুবিন সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত ও নিষ্কাশন হতে পারে না।
- কারণ ও ফলাফল: হেপাটাইটিস ভাইরাস বা অন্য কোনো কারণে যকৃতের কোষ নষ্ট হলে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের আক্রমণ।
ব্যাখ্যা: এই ভাইরাস সরাসরি যকৃতের কোষে প্রদাহ সৃষ্টি করে, যার ফলে যকৃতের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয় এবং জন্ডিস দেখা দেয়।
উদাহরণ ২: পিত্তনালীতে পাথর জমার সমস্যা।
ব্যাখ্যা: পাথর জমার কারণে পিত্তরস সহজে অন্ত্রে পৌঁছাতে পারে না এবং রক্তে ফিরে আসে, যা জন্ডিসের লক্ষণ তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জন্ডিস — এটি যকৃতের একটি প্রধান রোগ যা রক্তে পিত্তরঞ্জকের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ঘটে।
B) টাইফয়েড — এটি কোনো যকৃতের রোগ নয়, বরং এটি সালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে হওয়া একটি অন্ত্রের রোগ।
C) হাম — এটি প্যারামিক্সোভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি অত্যন্ত সংক্রামক ফুসকুড়িযুক্ত শ্বাসতন্ত্রের রোগ।
D) কলেরা — এটি ভিপ্রিও কলেরি ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে হওয়া মারাত্মক ডায়রিয়াজনিত একটি পানিবাহিত অন্ত্রের রোগ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- যকৃত সংক্রান্ত যেকোনো রোগ বা প্রদাহের চিকিৎসায় হেপাটোলজি বিভাগ কাজ করে।
- জন্ডিস শব্দটির সঙ্গে যকৃত বা লিভারের কার্যকারিতা সরাসরি সম্পর্কিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি হলো যকৃত বা লিভার।
- জন্ডিস রোগীর ক্ষেত্রে মূত্রের রঙ হলুদ এবং মলের রঙ ফ্যাকাশে হয়ে যায়।
সঠিক উত্তর: A) এক কিলোওয়াট ঘন্টা
১. কেন সঠিক:
- বৈদ্যুতিক শক্তির বাণিজ্যিক একক হলো কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা বিওটি (Board of Trade Unit) ইউনিট।
- এক হাজার ওয়াট ক্ষমতার কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র এক ঘণ্টা একটানা চললে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ শক্তি খরচ হয়, তাকে এক ইউনিট বা এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা বলা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: বৈদ্যুতিক শক্তি পরিমাপের জন্য কাজের হার বা ক্ষমতার সঙ্গে সময়ের হিসাব করা হয়।
- সূত্র/তত্ত্ব: বিদ্যুৎ শক্তি (W) সমান ক্ষমতা (P) গুণ সময় (t), যেখানে ক্ষমতা কিলোওয়াটে এবং সময় ঘণ্টায় মাপা হয়।
- কার্যপ্রণালি: কোনো যন্ত্রের ওয়াটকে এক হাজার দ্বারা ভাগ করে কিলোওয়াটে রূপান্তর করে ঘণ্টার সংখ্যা দিয়ে গুণ করলে মোট ইউনিট পাওয়া যায়।
- বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের বাসাবাড়ির বৈদ্যুতিক মিটারে যে খরচ মাপা হয়, তা এই কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা ইউনিট হিসেবেই হিসাব করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি এক হাজার ওয়াটের বৈদ্যুতিক হিটার এক ঘণ্টা চালালে তা এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা এক ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করে।
ব্যাখ্যা: এটি সরাসরি ক্ষমতার একক এবং সময়ের গুণফলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ খরচের সঠিক পরিমাণ নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: একটি একশ ওয়াটের বাতি দশ ঘণ্টা জ্বালালে মোট এক হাজার ওয়াট-ঘণ্টা বা এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ খরচ হয়।
ব্যাখ্যা: কম ক্ষমতার যন্ত্র দীর্ঘ সময় চললেও একই পরিমাণ শক্তির হিসাব তৈরি করতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এক কিলোওয়াট ঘন্টা — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বৈদ্যুতিক শক্তির বাণিজ্যিক হিসাবের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একক।
B) এক ওয়াট-ঘন্টা — এটি শক্তির একটি খুব ছোট একক, যা সাধারণত বৈদ্যুতিক মিটারের বাণিজ্যিক হিসাবে ব্যবহৃত হয় না।
C) এক কিলোওয়াট — এটি কেবল বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক, শক্তির বা কাজের পরিমাণ পরিমাপের একক নয়।
D) এ ওয়াট — এটি ক্ষমতার একক হলেও টাইপিং ত্রুটির কারণে অসম্পূর্ণ এবং শক্তির পরিমাপের জন্য এটি অপর্যাপ্ত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিদ্যুৎ বিল মানেই কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা ইউনিট।
- কিলোওয়াট হলো ক্ষমতার পরিমাপ আর ঘণ্টা হলো সময়ের পরিমাপ, এই দুয়ের গুণফলই হলো শক্তি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা সমান তিন দশমিক ছয় গুণ দশের উপরে ছয় জুল।
- এই একই ধারণা থেকে পরীক্ষার জন্য বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্রের মাসিক বিল হিসাব করার অংক আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) ট্রান্সফরমার
১. কেন সঠিক:
- পারস্পরিক আবেশ বা মিউচুয়াল ইনডাকশন নীতির ওপর ভিত্তি করে ট্রান্সফরমার কাজ করে।
- একটি কুণ্ডলীতে তড়িৎ প্রবাহের পরিবর্তনের ফলে পাশের অন্য কুণ্ডলীতে তড়িৎ চালক শক্তি উৎপন্ন হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: দুটি কাছাকাছি থাকা কুণ্ডলীর একটিতে তড়িৎ প্রবাহ পরিবর্তন করলে অন্যটিতে তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশে ভোল্টেজ তৈরি হয়।
- কার্যপ্রণালি: প্রাইমারি কুণ্ডলীতে পরিবর্তী প্রবাহ বা এসি কার্ভ পাঠানো হলে চৌম্বক ফ্লাক্সের পরিবর্তনের মাধ্যমে সেকেন্ডারি কুণ্ডলীতে ভোল্টেজ আবিষ্ট হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মোবাইল চার্জার অ্যাডাপ্টার
ব্যাখ্যা: চার্জারের ভেতরে থাকা ছোট ট্রান্সফরমার উচ্চ ভোল্টেজকে কমিয়ে নিরাপদ নিম্ন ভোল্টেজে রূপান্তর করে।
উদাহরণ ২: সাবস্টেশনের পাওয়ার ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা: বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে আসা উচ্চ ভোল্টেজের বিদ্যুৎ কমিয়ে গৃহস্থালিতে ব্যবহারের উপযোগী করে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডায়োড — এটি মূলত সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস যা এসি কারেন্টকে ডিসি কারেন্টে রূপান্তর করতে ব্যবহৃত হয়।
B) ট্রান্সফরমার — এটি পারস্পরিক আবেশ নীতিতে কাজ করে ভোল্টেজ কমায় বা বাড়ায়।
C) ট্রানজিস্টার — এটি তড়িৎ সংকেত বা সিগন্যাল বিবর্ধন এবং সুইচ হিসেবে কাজ করে।
D) অ্যামপ্লিফায়ার — এটি দুর্বল তড়িৎ সংকেতের মান বৃদ্ধি বা বিবর্ধন করতে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ট্রান্সফরমার মানেই পারস্পরিক আবেশ এবং এটি শুধু এসি কারেন্টের ক্ষেত্রে কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ট্রান্সফরমার ডিসি কারেন্টে কাজ করে না কারণ ডিসি প্রবাহে চৌম্বক ফ্লাক্সের কোনো পরিবর্তন ঘটে না।
সঠিক উত্তর: D) ক্রেসকোগ্রাফ
১. কেন সঠিক:
- ক্রেসকোগ্রাফ উদ্ভিদের বৃদ্ধি নিখুঁতভাবে পরিমাপ করার একটি অতি সংবেদনশীল যন্ত্র।
- বাঙালি বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসু এই যন্ত্রটি আবিষ্কার করেন, যা উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা ও বৃদ্ধি প্রমাণ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: উদ্ভিদের বৃদ্ধি অত্যন্ত ধীরগতির হওয়ায় সাধারণ স্কেলে তা মাপা যায় না। ক্রেসকোগ্রাফ যন্ত্র লিভারের অনুপাত বাড়িয়ে বৃদ্ধির পরিমাণ বহু গুণ বড় করে পর্দায় দেখায়।
- আবিষ্কারক: আচার্য স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু উনিশ শতকের শুরুর দিকে এই যন্ত্রটি উদ্ভাবন করেন।
- কার্যপ্রণালি: উদ্ভিদের ডগার সঙ্গে তার যুক্ত করে লিভার পদ্ধতির মাধ্যমে ক্ষুদ্রতম বৃদ্ধিও দশ হাজার গুণ পর্যন্ত পরিবর্ধন করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি টবের চারা গাছের অগ্রভাগে ক্রেসকোগ্রাফ যুক্ত করে নির্দিষ্ট সময়ে তার বৃদ্ধির হার গ্রাফ পেপারে লিপিবদ্ধ করা যায়।
ব্যাখ্যা: এটি উদ্ভিদের প্রাণ আছে এবং তারা যে প্রাণীর মতো পরিবেশের প্রতি সাড়া দিয়ে বৃদ্ধি পায় তা প্রমাণ করে।
উদাহরণ ২: বিভিন্ন তাপমাত্রায় উদ্ভিদের বৃদ্ধির তারতম্য এই যন্ত্রের সাহায্যে নিখুঁتভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব।
ব্যাখ্যা: এটি কৃষি বিজ্ঞান ও উদ্ভিদ শারীরতত্ত্বে পরীক্ষার কাজে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওডোমিটার — এটি মোটর গাড়ি বা অন্য কোনো যানের অতিক্রান্ত দূরত্ব পরিমাপ করার যন্ত্র।
B) ক্রনমিটার — এটি সমুদ্রের দ্রাঘিমা নির্ণয় এবং অত্যন্ত নিখুঁত সময় পরিমাপ করার জন্য ব্যবহৃত ঘড়ি।
C) ট্যাকোমিটার — এটি কোনো মোটর বা ইঞ্জিনের ঘূর্ণন গতি বা প্রতি মিনিটে ঘূর্ণন সংখ্যা পরিমাপ করে।
D) ক্রেসকোগ্রাফ — এটি উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্র হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গাছের বৃদ্ধি দেখতে হলে ক্রেসের মতো লাফিয়ে ওঠার কথা মনে রাখতে পারেন, সেখান থেকে ক্রেসকোগ্রাফ শব্দটি মনে রাখা সহজ।
- বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুর নাম উদ্ভিদের প্রাণ আবিষ্কারের সঙ্গে জড়িত, তাই তার যন্ত্রটির নামও উদ্ভিদের বৃদ্ধির সঙ্গেই সম্পর্কিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উদ্ভিদবিজ্ঞান অংশ থেকে প্রায়ই আসে।
- জগদীশ চন্দ্র বসু সম্পর্কিত অন্যান্য আবিষ্কার যেমন কোহ্যারেন্স এবং রেডিও তরঙ্গ সম্পর্কেও ধারণা রাখা দরকার।
সঠিক উত্তর:
B) ওয়াইম্যাক্স
১. কেন সঠিক:
ওয়াইম্যাক্স হলো এমন একটি তারবিহীন ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি যা বিশাল এলাক জুড়ে অত্যন্ত দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা প্রদান করতে সক্ষম।
এটি ফিক্সড ও মোবাইল উভয় ডিভাইসে তারের ঝামেলা ছাড়াই ডেটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ওয়াইম্যাক্স-এর পূর্ণরূপ হলো ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারঅপারেবিলিটি ফর মাইক্রোওয়েভ অ্যাক্সেস। এটি একটি ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন টেকনোলজি।
কার্যপদ্ধতি: এটি রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে বেস স্টেশন থেকে ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে উচ্চগতির ইন্টারনেট ডেটা সরাসরি প্রেরণ ও গ্রহণ করে।
বৈশিষ্ট্য: এর কভারেজ এলাকা অনেক বড় এবং এটি মেট্রোপলিটন এরিয়া জুড়ে দ্রুতগতির ডেটা ট্রান্সফার রেট প্রদান করতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে কোনো ফিজিক্যাল ক্যাবল বা লাইন সংযোগ ছাড়াই অফিসে উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহার করা।
ব্যাখ্যা: ওয়াইম্যাক্স টাওয়ার ব্যবহার করে বিশাল ভৌগোলিক এলাকায় তারবিহীন মাধ্যমে এই সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়।
উদাহরণ ২: প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেখানে ব্রডব্যান্ড লাইন টানা অসম্ভব, সেখানে ওয়াইম্যাক্স মডেমের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা নেওয়া।
ব্যাখ্যা: এই প্রযুক্তি দুর্গম এলাকায় তারের সংযোগ ছাড়াই সরাসরি ওয়্যারলেস সিগন্যাল রিসিভ করে ইন্টারনেট ব্রাউজিং ও ডাউনলোডের সুবিধা দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফেসবুক — এটি একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং এটি ইন্টারনেট ব্যবহারের একটি মাধ্যম মাত্র, কোনো ইন্টারনেট সংযোগ প্রযুক্তি নয়।
B) ওয়াইম্যাক্স — এটি তারবিহীন দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগের জন্য সবচেয়ে উপযোগী সঠিক প্রযুক্তি।
C) ব্রডব্যান্ড — এটি উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগের একটি সাধারণ মাধ্যম যা সাধারণত ফিজিক্যাল ক্যাবল বা ফাইবারের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়, তারবিহীন নয়।
D) টুইটার — এটি একটি জনপ্রিয় মাইক্রোব্লগিং ও সামাজিক যোগাযোগ সাইট, যা ইন্টারনেটের সাহায্যে পরিচালিত হয় কিন্তু নিজে কোনো ইন্টারনেট সংযোগ প্রযুক্তি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ওয়াইম্যাক্স শব্দের ইংরেজি পূর্ণরূপ হলো ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারঅপারেবিলিটি ফর মাইক্রোওয়েভ অ্যাক্সেস।
শব্দটির শুরুতে ওয়াই (Wi) এবং ম্যাক্স (Max) মিলে তারবিহীন বৃহৎ পরিসরের দ্রুতগতির ইন্টারনেটকে বোঝায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি মূলত আইইইই ৮০০২.১৬ মানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ওয়াইম্যাক্স এবং ওয়াইফাই এর কভারেজ এলাকার পার্থক্যের ওপর প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) রেক্টিফায়ার হিসেবে
১. কেন সঠিক:
ডায়োড হচ্ছে একটি দ্বিমেরু বিশিষ্ট সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস যা সাধারণত তড়িৎ প্রবাহকে কেবল একদিকে চলতে দেয় এবং বিপরীত দিকে প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করে।
এই অনন্য একমুখী বৈশিষ্ট্যের কারণে ডায়োড পরিবর্তী বিদ্যুৎ বা অল্টারনেটিং কারেন্টকে একমুখী বিদ্যুৎ বা ডিরেক্ট কারেন্টে রূপান্তর করতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ডায়োড হলো দুটি টার্মিনাল বিশিষ্ট এমন একটি সেমিকন্ডাক্টর উপাদান যা অ্যানোড ও ক্যাথোড এর মাধ্যমে তড়িৎ প্রবাহকে নির্দিষ্ট একটি দিকে পরিচালিত করে।
কার্যপদ্ধতি: সম্মুখ ঝোঁক বা ফরওয়ার্ড বায়াসে এটি সহজে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে দেয় এবং বিপরীত ঝোঁক বা রিভার্স বায়াসে বিদ্যুৎ প্রবাহ আটকে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মোবাইল ফোনের চার্জার বা অ্যাডাপ্টার।
ব্যাখ্যা: চার্জারের ভেতরে ডায়োড ব্যবহার করা হয় যা ঘরের ভেতরের এসি বিদ্যুৎকে ডিসি বিদ্যুতে রূপান্তর করে মোবাইল ব্যাটারিকে নিরাপদ রাখে।
উদাহরণ ২: সৌর প্যানেল সিস্টেম।
ব্যাখ্যা: সোলার প্যানেলে ডায়োড ব্যবহার করা হয় যাতে রাতের বেলা ব্যাটারির বিদ্যুৎ প্যানেলের দিকে উল্টো পথে প্রবাহিত হতে না পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্যাপাসিটর হিসেবে — ক্যাপাসিটর হলো চার্জ বা তড়িৎ শক্তি জমা রাখার ডিভাইস, যা ডায়োডের প্রধান কাজ নয়।
B) ট্রান্সফরমার হিসেবে — ট্রান্সফরমার তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশের মাধ্যমে ভোল্টেজ কমায় বা বাড়ায়, যা সেমিকন্ডাক্টর ডায়োডের কাজ নয়।
C) রেজিস্টার হিসেবে — রেজিস্টার বা রেজিস্টর তড়িৎ প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে, কিন্তু এটি ডায়োডের মতো একমুখী প্রবাহ নিশ্চিত করে না।
D) রেক্টিফায়ার হিসেবে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ডায়োড মূলত রেক্টিফিকেশন বা এসি থেকে ডিসি রূপান্তরের কাজে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ডায়োড সম্পর্কিত প্রধান কাজ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ডি তে ডায়োড এবং ডি তে রেক্টিফায়ার বা ডিরেক্ট কারেন্ট।
ডায়োড বিদ্যুৎকে একমুখী করে এবং রেক্টিফায়ার এসিকে ডিসিতে রূপান্তর করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন ডিভাইস এসিকে ডিসিতে রূপান্তর করে, যার উত্তর রেক্টিফায়ার বা ডায়োড।
সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির সবচেয়ে মৌলিক এবং সরল উপাদান হলো এই ডায়োড।
সঠিক উত্তর:
C) একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম
১. কেন সঠিক:
কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের সফটওয়্যার বা কোড যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই নিজে নিজে বিস্তার লাভ করতে পারে। এটি সাধারণত কোনো বৈধ ফাইলের সঙ্গে যুক্ত থেকে কম্পিউটারের ডেটা নষ্ট করে বা সিস্টেমের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: কম্পিউটার ভাইরাস হলো মানুষের তৈরি এক ধরনের ধ্বংসাত্মক কোড বা প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের ফাইল মুছে ফেলতে পারে।
কার্যপদ্ধতি: এটি নিজের কপি নিজেই তৈরি করতে পারে এবং এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ে।
ব্যবহার: ক্ষতিকর উদ্দেশ্যে তৈরি এই প্রোগ্রামটি সিস্টেমের ক্ষতি করতে বা তথ্য চুরি করতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রনসমওয়্যার বা ট্রোজান হর্স।
ব্যাখ্যা: এগুলো বিশেষ ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যবহারকারীর কাছে মুক্তিপণ দাবি করে।
উদাহরণ ২: পেনড্রাইভের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া শর্টকাট ভাইরাস।
ব্যাখ্যা: এটি কম্পিউটারে প্রবেশ করে সব ফোল্ডারকে শর্টকাটে পরিণত করে এবং আসল ফাইল লুকিয়ে ফেলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি ক্ষতিকারক জীবাণু — কম্পিউটার ভাইরাস কোনো জৈবিক জীবাণু নয়, এটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক কোড।
B) একটি ক্ষতিকারক চৌম্বক ফ্লাক্স — চৌম্বক ফ্লাক্স পদার্থবিজ্ঞানের অংশ, যা কম্পিউটারের ভাইরাসের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়।
D) একটি ক্ষতিকারক সার্কিট — কম্পিউটার ভাইরাস কোনো হার্ডওয়্যার বা বৈদ্যুতিক সার্কিট নয়, এটি একটি সফটওয়্যার প্রোগ্রাম।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভাইরাস বা ভিআইআরইউএস (VIRUS) শব্দের পূর্ণরূপ হলো ভাইটাল ইনফরমেশন রিসোর্স আন্ডার সাইজ। এটি মনে রাখলে বোঝা সহজ হয় যে এটি ডেটা নিয়ে কাজ করা একটি প্রোগ্রাম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার ভাইরাসের জনক বলা হয় ফ্রেড কোহেনকে এবং প্রথম নেটওয়ার্ক ভাইরাসের নাম ক্রিপার। সাইবার নিরাপত্তায় এ ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর:
D) অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
১. কেন সঠিক:
- অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total Internal Reflection) নীতির ভিত্তিতে ডেটা বা আলোক সংকেত প্রেরণ করা হয়।
- ফাইবারের কেন্দ্র বা কোর-এর প্রতিসরাঙ্ক বাইরের অংশ বা ক্ল্যাডিং-এর প্রতিসরাঙ্ক অপেক্ষা বেশি হওয়ায় আলো বাইরে না বেরিয়ে ভেতরে প্রতিফলিত হয়ে এগিয়ে যায়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন হলো এমন একটি আলোকীয় ঘটনা যেখানে আলো ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যাওয়ার সময় সংকট কোণের চেয়ে বেশি কোণে আপতিত হলে প্রতিসৃত না হয়ে সম্পূর্ণভাবে আবার ঘন মাধ্যমে ফিরে আসে।
- কার্যপদ্ধতি: অপটিক্যাল ফাইবারের একপ্রান্ত থেকে লেজার বা ইনফ্রারেড আলো প্রবেশ করানো হলে তা বারবার অভ্যন্তরীণ প্রতিফলিত হয়ে অন্যপ্রান্তে পৌঁছে যায়।
- বৈশিষ্ট্য: আলোর গতিতে ডেটা স্থানান্তর করতে পারে এবং এতে কোনো ত্যড়িৎ চুম্বকীয় হস্তক্ষেপ ঘটে না।
- ব্যবহার: উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ, টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে এন্ডোস্কোপিতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাবমেরিন কেবল বা সমুদ্রের তলদেশের ইন্টারনেট সংযোগ।
ব্যাখ্যা: সাগর বা মহাদেশের নিচ দিয়ে উচ্চগতির ডেটা বা ইন্টারনেট প্রেরণের জন্য অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল ব্যবহার করা হয় যেখানে অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে আলোক সংকেত হাজার হাজার মাইল দূর পর্যন্ত চলে যায়।
উদাহরণ ২: চিকিৎসাবিজ্ঞানে ব্যবহৃত এন্ডোস্কোপ যন্ত্র।
ব্যাখ্যা: শরীরের ভেতরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দেখার জন্য অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করা হয়, যেখানে আলো ফাইবারের ভেতর দিয়ে যাতায়াত করে ভেتরের ছবি বাইরে পাঠায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রতিসরণ — প্রতিসরণ হলো আলোকরশ্মির এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যাওয়ার সময় দিক পরিবর্তন করার ঘটনা, যা অপটিক্যাল ফাইবারের মূল নীতি নয়।
B) বিচ্ছুরণ — বিচ্ছুরণ হলো সাদা আলোর প্রিজমের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর সাতটি রঙে বিভক্ত হওয়ার ঘটনা, যা ফাইবারের ডেটা পরিবহনের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) অপবর্তন — অপবর্তন হলো কোনো প্রতিবন্ধক বা ছিদ্রের ধার ঘেঁষে আলোর বেঁকে যাওয়ার ঘটনা, যা ফাইবারের আলো আটকে রাখার কাজ করে না।
D) অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — এই অপশনটি সঠিক কারণ অপটিক্যাল ফাইবারের কোরের ভেতরে আলো সম্পূর্ণভাবে প্রতিফলিত হয়ে সামনে এগিয়ে যায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অপটিক্যাল ফাইবারের মূল নীতি মনে রাখতে শব্দ জোড় মনে রাখুন, তা হলো পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন।
- কোর বা কেন্দ্র থাকে ভেতরে এবং ক্ল্যাডিং থাকে বাইরে, আর আলোর খেলা চলে কোরের ভেতরেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- অপটিক্যাল ফাইবারের প্রধান দুটি অংশ হলো কোর (Core) এবং ক্ল্যাডিং (Cladding)।
- অপটিক্যাল ফাইবারের জনক নরেন্দ্র সিং কাপানি এবং এটি আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন নীতির ওপর কাজ করে।
সঠিক উত্তর: B) একটি মডুলেটর ও একটি ডিমডুলেটর
১. কেন সঠিক:
মডেম শব্দটির উৎপত্তি মডুলেটর এবং ডিমডুলেটর শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ থেকে।
এটি কম্পিউটারের ডিজিটাল ডেটাকে অ্যানালগ সিগন্যালে রূপান্তর করে এবং অ্যানালগ সিগন্যালকে আবার ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: মডেম হলো এমন একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা কম্পিউটার বা ডিজিটাল যন্ত্রকে টেলিফোন লাইন বা ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করে।
কার্যপদ্ধতি: মডুলেটর অংশ ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগে রূপান্তর করে এবং ডিমডুলেটর অংশ অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাসা বাড়িতে ইন্টারনেট সংযোগের জন্য ব্রডব্যান্ড লাইনে রাউটারের সাথে মডেম ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি ইন্টারনেটের অ্যানালগ সিগন্যালকে কম্পিউটারের উপযোগী ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করে।
উদাহরণ ২: টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে ডায়াল আপ ইন্টারনেট সংযোগের সময় মডেম ব্যবহার করা হতো।
ব্যাখ্যা: এটি সিগন্যালের ধরন পরিবর্তন করে দুই মাধ্যমের মধ্যে ডেটা আদানপ্রদান নিশ্চিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি মডুলেটর — এটি শুধু ডিজিটাল থেকে অ্যানালগ করতে পারে কিন্তু বিপরীত কাজটি করতে পারে না।
B) একটি মডুলেটর ও একটি ডিমডুলেটর — এটি সঠিক কারণ মডেমের দুটি কাজই সম্পন্ন করতে হয়।
C) একটি কোডেক — কোডেক ভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয় যা মূলত অ্যানালগ অডিও বা ভিডিওকে ডিজিটাল রূপ দেয়।
D) একটি এনকোডার — এনকোডার ডেটাকে এক ফরম্যাট থেকে অন্য ফরম্যাটে রূপান্তর করে কিন্তু এটি মডেমের মূল কাজ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
মডেম শব্দের মো অংশ মানে মডুলেটর এবং ডেম অংশ মানে ডিমডুলেটর।
মডুলেটর কাজ করে ডিজিটাল থেকে অ্যানালগ এবং ডিমডুলেটর কাজ করে অ্যানালগ থেকে ডিজিটাল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মডেম একটি হাইব্রিড ডিভাইস যা একই সাথে ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
পরীক্ষায় প্রায়ই মডেমের পূর্ণরূপ বা এর অংশ দুটি সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) নিয়ত বায়ু
কেন সঠিক:
১. এই বায়ু সারা বছর ধরে পৃথিবীর উচ্চচাপ বলয় থেকে নিম্নচাপ বলয়ের দিকে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে নিয়মিতভাবে প্রবাহিত হয়।
২. পৃথিবীর আবর্তন এবং বায়ুচাপের তারতম্যের কারণে এই বায়ুপ্রবাহের দিক সাধারণত সারা বছর একই থাকে।
ভৌগোলিক তথ্য:
১. এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর প্রধান বায়ুচাপ বলয়গুলির মধ্যে সৃষ্টি হয়ে সমগ্র বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত থাকে।
২. এটি সমুদ্রের ওপর দিয়ে চলার সময় নিয়মিতভাবে জলীয় বাষ্প সংগ্রহ করে এবং মহাদেশগুলিতে বৃষ্টিপাত ঘটায়।
৩. এর চমৎকার উদাহরণ হলো আয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু এবং মেরু বায়ু।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আয়না বায়ু — এটি মূলত আয়ন বায়ুর একটি ভুল উচ্চারণ বা রূপ, যা উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়।
B) প্রত্যায়ন বায়ু — এটি দক্ষিণ গোলার্ধের আয়ন বায়ুর অপর নাম, যা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে বিপরীত দিকে প্রবাহিত হয়।
C) মৌসুমী বায়ু — এটি ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে দিক পরিবর্তন করে প্রবাহিত হয়, তাই এটি সারা বছর নিয়মিতভাবে এক দিকে বয় না।
D) নিয়ত বায়ু — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ প্রশ্নটির মূল সংজ্ঞার সাথে এটি পুরোপুরি মিলে যায়।
মনে রাখার টিপস:
১. যে বায়ু নিয়ম মেনে চলে এবং সারা বছর বয়, তাকেই নিয়ত বায়ু বলা হয়।
২. উচ্চচাপ মানেই বেশি বায়ু, তাই সেখান থেকে বায়ু সব সময় কম চাপের দিকে ছুটে যায়।
সঠিক উত্তর: A) ছায়াবৃত্ত
কেন সঠিক:
• পৃথিবী গোল হওয়ায় এর অর্ধেক অংশ সবসময় সূর্যের আলো পায় এবং বাকি অর্ধেক অংশ অন্ধকারে থাকে।
• এই আলো ও অন্ধকারের ঠিক মাঝখানের কাল্পনিক রেখা বা বৃত্তাকার অংশকে ভূগোলশাস্ত্রে ছায়াবৃত্ত বলা হয়।
ভৌগোলিক তথ্য:
• ছায়াবৃত্ত সর্বদা পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে লম্বালম্বিভাবে উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।
• এটি পৃথিবীর আবর্তনের সাথে সাথে সবসময় পূর্ব দিক থেকে পশ্চিম দিকে সরে যেতে থাকে।
• পৃথিবীর অক্ষের সাথে সমকোণে না থেকে এটি মেরু রেখার সাথে সবসময় তেইশ ডিগ্রি কোণ করে অবস্থান করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ছায়াবৃত্ত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয় বরং এটিই হলো আলো ও অন্ধকারের মিলনস্থল।
B) গুরুবৃত্ত — যে বৃত্তাকার রেখা পৃথিবীর কেন্দ্র দিয়ে যায় এবং পৃথিবীকে সমান দুটি ভাগে ভাগ করে তাকে গুরুবৃত্ত বলে।
C) ঊষা — সূর্য ওঠার ঠিক আগের আকাশ বা ভোরের আলোকে ঊষা বলা হয় যা কোনো সংযোগস্থল নয়।
D) গোধূলি — সূর্য ডুবে যাওয়ার পর এবং পুরোপুরি অন্ধকার হওয়ার আগের সময়কে গোধূলি বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
• যেখানে ছায়া এবং আলো বৃত্তের মতো মিলে যায় তাকে ছায়াবৃত্ত বলে।
• ছায়া শব্দের অর্থ অন্ধকার আর বৃত্ত মানে গোল রেখা, তাই ছায়াবৃত্ত হলো অন্ধকার ও আলোর সীমানা।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)