সঠিক উত্তর: D) ভাষারীতির সঙ্গে
১. কেন সঠিক:
- গুরুচণ্ডালী দোষ সরাসরি বাংলা ভাষারীতির সঙ্গে সম্পর্কিত। সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণজনিত ত্রুটি হলো গুরুচণ্ডালী দোষ।
- বাংলা গদ্যে সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ প্রমাদ বা দোষ হিসেবে গণ্য হয়। এই মিশ্রণের ফলে ভাষার সৌন্দর্য ও ভাবগাম্ভীর্য নষ্ট হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষারীতির মিশ্রণ জনিত ত্রুটি বা দোষ হলো গুরুচণ্ডালী। সাধু শব্দের সঙ্গে চলিত শব্দের অপরিকল্পিত ব্যবহার এই দোষ সৃষ্টি করে।
- সাধু রীতির অনুসর্গ, ক্রিয়াপদ বা সর্বনামের সঙ্গে চলিত রীতির পদের ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। এটি বাংলা ভাষারীতির একটি সুনির্দিষ্ট ত্রুটি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্মশানের শব
ব্যাখ্যা: এখানে শ্মশান শব্দটি চলিত এবং শব শব্দটি তৎসম বা সাধু রীতির হওয়ায় এটি গুরুচণ্ডালী দোষের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: মরা গরু
ব্যাখ্যা: মরা চলিত রীতির শব্দ এবং গরু চলিত রীতির শব্দ হওয়ায় এটি শুদ্ধ রূপ, কিন্তু এর বিপরীত রূপ মৃতা গাভী বা মরা গরুর মিশ্রণ গুরুচণ্ডালী দোষ তৈরি করতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উচ্চারণের সঙ্গে — উচ্চারণগত ত্রুটি হলো ধ্বনিগত ভুল, যা গুরুচণ্ডালী দোষের আওতাভুক্ত নয়।
B) বানানের সঙ্গে — বানানগত ভুল হলো বর্ণ বা প্রমিত বানানরীতির লঙ্ঘন, যা ভাষার রীতির মিশ্রণের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়।
C) রূপতত্ত্বের সঙ্গে — রূপতত্ত্ব শব্দ গঠন ও পদের রূপ নিয়ে আলোচনা করে, যা গুরুচণ্ডালী দোষের সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্র নয়।
D) ভাষারীতির সঙ্গে — এটি সঠিক কারণ সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ ভাষারীতির সঙ্গে সম্পর্কিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গুরুচণ্ডালী মানেই সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ। সাধু ও চলিত একসাথে দেখলে বুঝবে এটি ভাষারীতির ভুল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষারীতি ও বাক্যশুদ্ধি অধ্যায়ে গুরুচণ্ডালী দোষ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। সাধু ও চলিত পদের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) অ
১. কেন সঠিক:
- বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংখ্যা এগারোটি এবং এদের সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বলা হয়।
- 'অ' বর্ণটির নিজস্ব কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ বা কার চিহ্ন নেই, কারণ এটি ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে লুক্কায়িত থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বলা হয় এবং এর সংখ্যা দশটি।
- 'অ' স্বরবর্ণটি ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত থাকার সময় কোনো দৃশ্যমান কার চিহ্ন হিসেবে বসে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলম
ব্যাখ্যা: এখানে ক এবং ল বর্ণের সাথে 'অ' স্বরবর্ণটি লুকিয়ে আছে কিন্তু আলাদা কোনো কার চিহ্ন নেই।
উদাহরণ ২: ঘর
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ঘ এবং র বর্ণের সাথে 'অ' অন্তর্নিহিত রয়েছে যার কোনো পৃথক কার রূপ নেই।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আ — এই স্বরবর্ণটির কার রূপ হলো আকার যা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়।
B) অ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর কোনো কার বা সংক্ষিপ্ত রূপ নেই।
C) উ — এই স্বরবর্ণটির কার রূপ হলো হ্রস্ব-উ কার যা ব্যঞ্জনবর্ণের নিচে বসে।
D) ঈ — এই স্বরবর্ণটির কার রূপ হলো দীর্ঘ-ঈ কার যা ব্যঞ্জনবর্ণের ডানে বসে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- স্বরবর্ণ মোট এগারোটি হলেও কার চিহ্ন মাত্র দশটি।
- একমাত্র 'অ' বর্ণটির কোনো কার চিহ্ন নেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন স্বরবর্ণের কার নেই।
- উত্তর সবসময় 'অ' হবে কারণ এটি প্রচ্ছন্ন বর্ণ হিসেবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: C) হুমায়ূন আহমেদ
১. কেন সঠিক:
- জোছনা ও জননীর গল্প উপন্যাসটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত ও প্রামাণ্য উপন্যাস এটি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- হুমায়ূন আহমেদ বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের অন্যতম জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক ও নির্মাতা।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে রচিত তাঁর একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি এই উপন্যাসটি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের দিনগুলি
ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমাম রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: আগুনের পরশমণি
ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আরেকটি জনপ্রিয় উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আনোয়ার পাশা — তিনি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস রাহিপ্রদেশ বা রেوئ্ত রচয়িতা কিন্তু জোছনা ও জননীর গল্প তাঁর লেখা নয়।
B) শহীদুল্লাহ কায়সার — তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস সারেং বউ ও সংশপ্তক তবে এই উপন্যাসের লেখক তিনি নন।
C) হুমায়ূন আহমেদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে।
D) আব্দুল হাই — তিনি মূলত বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী ও গবেষক ছিলেন এবং তাঁর সাহিত্যকর্ম ভিন্ন প্রকৃতির।
৫. মনে রাখার টিপস:
- হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখতে জোছনা ও জননীর গল্প এবং আগুনের পরশমণি একসাথে মনে রাখা যায়।
- ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত তাঁর বিশাল আকৃতির এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
- লেখক পরিচিতি ও তাঁর প্রধান গ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
- 'জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা' শহীদ জহির রায়হান নয়, বরং শহীদ বুদ্ধিজীবী ও কথাসাহিত্যিক শহীদুল জহিরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং পূর্ববর্তী রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ঢাকার পুরনো ঢাকার মানুষের জীবন ও বাস্তবতাকে জাদুকরী বাস্তবতাবাদ শৈলীতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শহীদুল জহিরের প্রকৃত নাম আবু হাদি মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ এবং তিনি আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যে তাঁর অনন্য গদ্যশৈলীর জন্য বিশেষ পরিচিত।
- তাঁর এই উপন্যাসে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার সাধারণ মানুষের ভয়, শঙ্কা এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের নিদারুণ প্রভাব অত্যন্ত নিপুণভাবে চিত্রিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অমিয় ভূষণ মজুমদারের 'গারো পাহাড়ের নিচে'
ব্যাখ্যা: এটিও একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত উপন্যাস যা বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনাকে তুলে ধরে।
উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের 'জননী'
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত কালজয়ী উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপন্যাস — এটি সঠিক কারণ গ্রন্থটি কথাসাহিত্যের উপন্যাস শাখার অন্তর্ভুক্ত।
B) প্রবন্ধগ্রন্থ — এটি কোনো চিন্তামূলক বা মননশীল প্রবন্ধের সংকলন নয়, তাই এই অপশন ভুল।
C) নাটক — এটি মঞ্চে অভিনয়ের জন্য রচিত কোনো নাটক বা একাঙ্কিকা নয়, তাই এই অপশন ভুল।
D) আত্মজীবনী — এটি লেখকের নিজের জীবনের কোনো ঘটনা বা স্বরচিত জীবনীগ্রন্থ নয়, তাই এই অপশন ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শহীদুল জহিরের নামের সাথে 'জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা' উপন্যাসটি গভীরভাবে যুক্ত, যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা।
- লেখকের নামের প্রথম অক্ষর শ এবং উপন্যাসের পটভূমি রাজনৈতিক, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শহীদুল জহিরের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে 'সেদিন শেওড়াফুলি' এবং 'আবু ইব্রাহিমের মৃত্যু' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
সঠিক উত্তর: C) অনুগামী
১. কেন সঠিক:
'পশ্চাতে গমন করে যে' এই বাক্যটির এককথায় প্রকাশ হলো অনুগামী। এখানে 'অনু' উপসর্গটি পশ্চাৎ বা পরে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং 'গামী' শব্দের অর্থ গমনকারী।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি প্রশ্ন। বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে সংক্ষেপে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে বাক্য সংকোচন বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি = অপೂರ್ವ
ব্যাখ্যা: এই বাক্য সংকোচনটিতে কোনো দৃশ্য বা বিষয়ের অভূতপূর্বতা বোঝাতে 'অপૂર્વ' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: কষ্টে নিবারণ করা যায় যা = দুর্নিবার
ব্যাখ্যা: এই বাক্য সংকোচনটিতে কোনো কিছু সহজে থামানো বা আটকানো যায় না এমন ভাব প্রকাশ করতে 'দুর্নিবার' ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পশ্চাতগামী — এই বানানটিতে 'পশ্চাত' শব্দের শেষে খন্ড-ত রয়েছে যা প্রমিত বানানের নিয়মে সবসময় সঠিক নয়।
B) অগ্রগামী — এর অর্থ যা সামনে গমন করে বা এগিয়ে চলে এবং এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক নয়।
C) অনুগামী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে এটিই নির্ধারিত এবং এর অর্থ পশ্চাতে গমনকারী।
D) পশ্চাৎগামী — এই বানানটিতে বিসর্গ বা চন্দ্রবিন্দুজনিত সূক্ষ্ম ত্রুটি রয়েছে যা এককথায় প্রকাশের প্রমিত রূপের সাথে মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
পিছে বা পেছনে চলা বোঝাতে 'অনু' উপসর্গযুক্ত শব্দ যেমন অনুগামী ব্যবহার করতে হয়। সামনে চলা বোঝালে 'অগ্র' উপসর্গ ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য সংকোচনের ক্ষেত্রে বানান ও উপসর্গভিত্তিক অর্থ প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে। তাই শব্দের মূল অর্থ ও উপসর্গ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মুকুন্দরাম
১. কেন সঠিক:
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। তিনি ষোড়শ শতাব্দীতে আবির্ভূত হন এবং তার অসাধারণ কাব্যিক প্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ সমসাময়িক সমাজে তাকে কবি কঙ্কন উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো চণ্ডীমঙ্গল কাব্য বা কবিকঙ্কণ চণ্ডী। এই কাব্যের মূল সুর ছিল তৎকালীন সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা, সামাজিক চিত্র এবং দেবী চণ্ডীর মাহাত্ম্য প্রচার।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কবিকঙ্কণ চণ্ডী
ব্যাখ্যা: এটি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মঙ্গলকাব্য যা মধ্যযুগের সমাজের দর্পণ স্বরূপ।
উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
ব্যাখ্যা: এটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন ও কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুকুন্দরাম — সঠিক উত্তর কারণ তিনি কবি কঙ্কন উপাধি পেয়েছিলেন।
B) ভারতচন্দ্র — এই কবির প্রকৃত উপাধি ছিল রায়গুণাকর, কবি কঙ্কন নয়।
C) বড়ু চণ্ডীদাস — তিনি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর আদি কবি, তাকে কবি কঙ্কন বলা হয় না।
D) বিদ্যাপতি — তিনি মিথিলার কবি হলেও বাংলা সাহিত্যে পদাবলীর জন্য বিখ্যাত, কবি কঙ্কন উপাধির সঙ্গে তার সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
মুকুন্দরামের নামের সঙ্গেই তার উপাধি ও কাব্যের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো মুকুন্দরাম মানেই কবিকঙ্কণ চণ্ডী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের কবিদের উপাধি এবং তাদের রচিত কাব্যগুলোর নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। বিশেষ করে ভারতচন্দ্রের রায়গুণাকর এবং মুকুন্দরামের কবি কঙ্কন উপাধিটি বারবার পরীক্ষাতে দেখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) ঝরা পালক
১. কেন সঠিক:
জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো ঝরা পালক। এটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে কবির তরুণ বয়সের রোমান্টিক ও বিষণ্ন মননের পরিচয় পাওয়া যায়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং তাকে রূপসী বাংলার কবি ও নির্জনতার কবি বলা হয়। তার কাব্যে বাংলার প্রকৃতি এবং মানুষের মনের গভীরের বিষণ্নতা ও সুর স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ধূসর পাণ্ডুলিপি
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
উদাহরণ ২: রূপসী বাংলা
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের একটি প্রকৃতিভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ, যা কবির মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রূপসী বাংলা — এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্য নয়, এটি একটি মরণোত্তর প্রকাশিত প্রকৃতিভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ।
B) সাতটি তারার তিমির — এটি জীবনানন্দ দাশের একটি অন্যতম প্রধান কাব্যগ্রন্থ, তবে এটি প্রথম কাব্য নয়।
C) ধূসর পাণ্ডুলিপি — এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি তার তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ।
D) ঝরা পালক — এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
জীবন প্রথম শুরু হয় ঝরে পড়া কচিপাতা দিয়ে, তাই জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্য হলো ঝরা পালক। এভাবে সহজে মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্য ঝরা পালক এবং তার প্রথম প্রকাশিত কবিতা বর্ষাবাহন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির প্রথম কাব্য ও প্রকাশের সন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) বহুব্রীহি
১. কেন সঠিক:
যে সমসে পদগুলোর দুটির কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
'বহুব্রীহি' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো বহু ব্রীহি (ধান) যার, যার অর্থ বহুধনশালী। এখানে সমস্তপদটি অন্য পদকে নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কারোরই অর্থের প্রাধান্য থাকে না, সম্পূর্ণ নতুন অর্থের সৃষ্টি হয়।
এই সমাসে সাধারণত যার, যাহাদের, যাতে ইত্যাদি পদ ব্যাসবাক্যের শেষে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিনা জপিতেছে যে নারী = বিনা জপা
ব্যাখ্যা: এটি ব্যাসবাক্য বিশ্লেষণ করে নতুন অর্থ প্রকাশ করার একটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: দশ অক্ষি (চোখ) যার = দশান্ন
ব্যাখ্যা: রাবণকে বোঝাতে এই বহুব্রীহি সমাস ব্যবহার করা হয় যা অন্য অর্থ প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বহুব্রীহি — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সংজ্ঞার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
B) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদের অর্থ প্রধান থাকে এবং অব্যয় যোগে গঠিত হয়।
D) প্রাদী সমাস — প্র, পরা ইত্যাদি উপসর্গ সামনে বসে যে সমাস হয় তাকে প্রাদী সমাস বলে।
৫. মনে রাখার টিপস:
অন্য পদের অর্থ প্রকাশ পেলে চোখ বন্ধ করে বহুব্রীহি সমাস দাগাবে।
ব্যাসবাক্যের শেষে যার বা যাতে শব্দটি দেখলে বহুব্রীহি সমাস চেনা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বহুব্রীহি সমাস বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় প্রায়ই আসে।
সমানাধিকার ও ব্যধিকরণ বহুব্রীহি ভেদের নিয়মগুলো ভালোভাবে চর্চা করবে।
সঠিক উত্তর: D) ১৯২২
১. কেন সঠিক:
'অগ্নিবীণা' বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। এটি বাংলা ১৩২৯ সালের কার্তিক মাসে প্রকাশিত হয় এবং ইংরেজি সাল অনুযায়ী ১৯২২ সালের ২৫ অক্টোবর এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই কাব্যগ্রন্থটিতে মোট ১২টি বিখ্যাত কবিতা রয়েছে যার মধ্যে বিদ্রোহী, প্রলয়োল্লাস, কামাল পাশা ও আগমনী বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বাংলা কাব্যাঙ্গনে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল এই গ্রন্থটি এবং এর প্রচ্ছদ এঁকেছিলেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'বিষের বাঁশি'
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ভাবাপন্ন ও প্রতিবাদী কাব্যগ্রন্থ যা প্রকাশিত হয় ১৯২৪ সালে।
উদাহরণ ২: 'ভাঙার গান'
ব্যাখ্যা: এটিও নজরুলের একটি বিখ্যাত সংগীত ও কবিতা সংকলন যা ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯২৩ — এই সালে কাজী নজরুলের বিখ্যাত 'সঞ্চিতা' কাব্যগ্রন্থের সংকলন কাজ শুরু হয় এবং 'দোলনচাঁপা' কাব্য প্রকাশিত হয়।
B) ১৯২০ — এই সালে কাজী নজরুল ইসলাম ও মোজাম্মেল হকের যৌথ সম্পাদনায় 'নবযুগ' পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
C) ১৯২১ — এই সালে কাজী নজরুলের বিখ্যাত 'বিদ্রোহী' কবিতা রচিত হয় এবং তিনি শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে দেখা করেন।
D) ১৯২২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের বিদ্রোহী জন্মসাল বা প্রথম কাব্য মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে অগ্নিবীণা প্রকাশিত হয়েছিল ১৯২২ সালে। অগ্নিবীণা নামটি উচ্চারণ করলেই মনে আসে বিদ্রোহী কবিতার কথা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএসসহ সকল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নিবীণার প্রকাশকাল এবং এর প্রথম কবিতার নাম প্রায়ই আসে। অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা হলো প্রলয়োল্লাস এবং দ্বিতীয় কবিতা হলো বিদ্রোহী।
সঠিক উত্তর: C) অব্যয়
১. কেন সঠিক:
- 'টাপুর টুপুর' একটি ধ্বন্যাত্মক শব্দ যা বৃষ্টির পড়ার শব্দ বোঝায় এবং বাংলায় এটি অব্যয় পদের অন্তর্ভুক্ত।
- বাক্যে বিশেষ শব্দ বা ধ্বনির পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে যখন কোনো বিশেষ ভাব প্রকাশ করা হয়, তখন তাকে ধ্বন্যাত্মক অব্যয় বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে শব্দ কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কল্পিত ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয় এবং বাক্যে অব্যয়ের মতো ব্যবহৃত হয়, তাকে ধ্বন্যাত্মক বা অনুকার অব্যয় বলে।
- পদ প্রকরণের নিয়ম অনুযায়ী ধ্বন্যাত্মক শব্দগুলো মূলত অব্যয় পদের আওতাভুক্ত কারণ এগুলোর কোনো রূপান্তর বা লিঙ্গ-বচনভেদে পরিবর্তন হয় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঝিরঝির বাতাস বইছে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'ঝিরঝির' বাতাসের মৃদু শব্দের অনুকরণে গঠিত একটি ধ্বন্যাত্মক অব্যয় পদ।
উদাহরণ ২: কলকল নদী বয়ে যায়।
ব্যাখ্যা: এখানে 'কলকল' জলের প্রবাহের শব্দ বোঝাতে ব্যবহৃত ধ্বন্যাত্মক অব্যয় পদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষণ — বিশেষণ পদ কোনো কিছুর দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে, কিন্তু 'টাপুর টুপুর' কোনো গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে না।
B) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদ দ্বারা কোনো কিছুর নাম বোঝায়, কিন্তু 'টাপুর টুপুর' কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির, বস্তুর বা জায়গার নাম নয়।
C) অব্যয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ধ্বন্যাত্মক অব্যয়ের একটি রূপ যা কোনো পদের বিকার ঘটায় না।
D) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদ দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝায়, কিন্তু 'টাপুর টুপুর' দ্বারা কোনো কাজ করা বোঝায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বৃষ্টির শব্দ, বাতাসের আওয়াজ বা কোনো কিছুর অনুকরণ শব্দ পেলে চোখ বন্ধ করে তা অব্যয় পদের ধ্বন্যাত্মক শব্দের মধ্যে ফেলবে।
- মনে রাখবে ধ্বন্যাত্মক শব্দ মাত্রই অব্যয় পদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি থাকলে তা সাধারণত অব্যয় পদ হিসেবে চিহ্নিত করতে হয়।
- এই নিয়মের প্রশ্নগুলো বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) চর্যাপদ
১. কেন সঠিক:
- চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন যা মধ্যযুগের অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং এটি প্রাচীন যুগের বা অন্ধকার যুগের একমাত্র প্রামাণিক সাহিত্যকর্ম।
- মধ্যযুগের সময়কাল ধরা হয় আনুমানিক ১২০১ সাল থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত, আর চর্যাপদের রচনাকাল হলো আনুমানিক ৯৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা সাহিত্যকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয় যথা প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগ।
- চর্যাপদ বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা সান্ধ্যভাষায় রচিত পদসংকলন যা মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের প্রাক-চৈতন্য যুগের একটি অন্যতম নিদর্শন এবং বড়ু চণ্ডীদাস রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য।
উদাহরণ ২: বৈষ্ণব পদাবলী
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান ধারা যা রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে রচিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বৈষ্ণব পদাবলী — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় ধারা যা চৈতন্যদেব পরবর্তী সময়ে বিকাশ লাভ করে।
B) চর্যাপদ — এটি মধ্যযুগের নিদর্শন নয়, বরং এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র লিখিত ও প্রামাণিক সাহিত্যিক নিদর্শন।
C) মঙ্গলকাব্য — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ও দীর্ঘ ধারা যা বিভিন্ন দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল।
D) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — এটি মধ্যযুগের প্রাক-চৈতনীয় যুগের একটি নিদর্শন এবং আবিষ্কৃত প্রাচীনতম মধ্যযুগীয় কাব্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে চর্যাপদ হলো প্রাচীন যুগের আর বাকি তিনটি অর্থাৎ বৈষ্ণব পদাবলী, মঙ্গলকাব্য ও শ্রীকৃষ্ণকীর্তন হলো মধ্যযুগের সাহিত্য।
- প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ এবং মধ্যযুগের সূচনা দ্বাদশ শতাব্দীর পর থেকে শুরু হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্যকর্ম আলাদা করার প্রশ্ন আসে, তাই যুগ বিভাজন ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
- চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এটি প্রথম প্রকাশিত হয় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে।
সঠিক উত্তর: D) অপাদান কারকে তৃতীয়া বিভক্তি
১. কেন সঠিক:
- কোনো কিছু থেকে বিচ্যুত, জাত, বিরত, উৎপন্ন, ভীত বা রক্ষিত হওয়া বোঝালে অপাদান কারক হয়।
- এখানে চোখ থেকে জল পড়ে অর্থাৎ জল চোখ থেকে বিচ্যুত হচ্ছে বা নির্গত হচ্ছে, তাই এটি অপাদান কারক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরব্ধ, উৎপন্ন, ভীত হয় কিংবা যা দেখে কেউ ভয় পায়, তাকে অপাদান কারক বলে।
- চোখ দিয়ে বাক্যে চোখ হলো উৎস বা আধার যেখান থেকে জল নির্গত হচ্ছে, আর শব্দের সাথে 'দিয়ে' অনুসর্গ বা বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
ব্যাখ্যা: এটি অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তির উদাহরণ কারণ পাতা গাছ থেকে বিচ্যুত হচ্ছে।
উদাহরণ ২: হিমালয় থেকে নদী উৎপন্ন হয়েছে।
ব্যাখ্যা: নদী হিমালয় থেকে জাত বা উৎপন্ন হয়েছে বোঝাচ্ছে, তাই এটি অপাদান কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অধিকরণ কারকে তৃতীয়া — অধিকরণ কারক স্থান বা সময় বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) করণকারকে তৃতীয়া বিভক্তি — যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে করণ বলে, জল পড়ার ক্ষেত্রে চোখ কোনো যন্ত্র বা সাহায্যকারী মাধ্যম নয় বরং উৎস।
C) কর্মকারকে তৃতীয়া বিভক্তি — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্ম কারক বলে, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
D) অপাদান কারকে তৃতীয়া বিভক্তি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে বিচ্যুতি বা উৎস বোঝানো হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্য থেকে কোথায় থেকে, কার থেকে বা কী থেকে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় এবং বিচ্যুতি বা উৎস বোঝায়, তা অপাদান কারক।
- চোখ দিয়ে জল পড়া মানে চোখ থেকে জল আলাদা হওয়া, তাই এটি অপাদান কারক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিচ্যুতি, উৎপত্তি ও ভয় বোঝালেই চোখ বুজে অপাদান কারক চিহ্নিত করতে হবে।
- একই রকম বাক্যে অনুসর্গের ব্যবহার দেখে বিভক্তি নির্ণয় করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) আমি বিজয় দেখেছি
১. কেন সঠিক:
- আমি বিজয় দেখেছি গ্রন্থটি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লেখা নয়, বরং এটি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক এম আর আখতার মুকুলের একটি বিখ্যাত রচনা।
- প্রশ্নটিতে কোনটি জাহানারা ইমাম রচিত নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই এই গ্রন্থটিই সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শহীদ জননী জাহানারা ইমাম একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র রুমীকে হারান এবং মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো নিয়ে ডায়েরি আকারে রচনা করেন তাঁর বিখ্যাত স্মৃতিকথা একাত্তরের দিনগুলি।
- তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ক্যানসারের সাথে বসবাস এবং প্রবাসে দিনলিপি যা তাঁর জীবন সংগ্রামের অনন্য দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একাত্তরের দিনগুলি
ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমাম রচিত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের দিনলিপিভিত্তিক একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: ক্যানসারের সাথে বসবাস
ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমামের লেখা একটি আত্মজীবনীমূলক ও অনুপ্রেরণাদায়ী গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একাত্তরের দিনগুলি — এটি জাহানারা ইমামেরই রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতিকথা গ্রন্থ।
B) ক্যানসারের সাথে বসবাস — এটি জাহানারা ইমাম রচিত ক্যানসার রোগের বিরুদ্ধে তাঁর লড়াইয়ের অভিজ্ঞতাভিত্তিক গ্রন্থ।
C) আমি বিজয় দেখেছি — এটি জাহানারা ইমামের রচনা নয়, তাই এটিই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) নিঃসঙ্গ পাইন — এটিও জাহানারা ইমামের একটি পরিচিত সাহিত্যকর্ম বা ভ্রমণকাহিনেমূলক গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সবচেয়ে বিখ্যাত দুটি বই হলো একাত্তরের দিনগুলি ও ক্যানসারের সাথে বসবাস।
- এম আর আখতার মুকুল রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ হলো আমি বিজয় দেখেছি, যা জাহানারা ইমামের নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- একাত্তরের দিনগুলি গ্রন্থটির রচয়িতা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- এম আর আখতার মুকুলের রচিত অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থ হলো জয় বাংলা ও দলিলপত্র।
সঠিক উত্তর: A) বিরত
১. কেন সঠিক:
'নিরত' শব্দের অর্থ কোনো কাজে সর্বদা লিপ্ত বা মগ্ন থাকা। এর বিপরীতে কোনো কাজ থেকে দূরে থাকা বা বিরত থাকাকে বোঝানোর জন্য 'বিরত' শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
শব্দার্থের দিক থেকে বিপরীতার্থক শব্দ নির্ধারণের সময় শব্দের মূল ভাব বা অর্থের বিপরীত রূপটি বিবেচনা করতে হয়। 'নিরত' ও 'বিরত' শব্দ দুটি অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত ভাব প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে পাপ কাজ থেকে বিরত থাকল।
ব্যাখ্যা: এখানে 'বিরত' শব্দটি কোনো খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকাকে বুঝিয়েছে।
উদাহরণ ২: ছাত্রটি পড়ালেখায় নিরত আছে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'নিরত' শব্দটি পড়াশোনায় মগ্ন থাকাকে বুঝিয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিরত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিরত শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) রত — এটি নিরত শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়।
C) অবিরত — এটি নিরত শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ অবিরাম।
ডি) নিবৃত — এর অর্থ নিবৃত্ত বা নিবারিত করা, যা নিরত শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক হিসেবে অনুপযুক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
নিরত অর্থ মগ্ন আর বিরত অর্থ দূরে থাকা। মগ্ন থাকা এবং দূরে থাকা একে অপরের বিপরীত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের উপসর্গ এবং মূল ধাতুর অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। সমার্থক এবং বিপরীতার্থক শব্দের পার্থক্য বুঝতে নিয়মিত অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
১. কেন সঠিক:
- 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসের রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
- উপন্যাসের মূল চরিত্র আরেফ একজন শিক্ষক, যিনি এক রাতে এক তরুণীর আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনা প্রত্যক্ষ করেন এবং তার অপরাধবোধ ও নৈতিক সংকটের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণই এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বিংশ শতাব্দীর বাঙালি কথাসাহিত্যিক যিনি অস্তিত্ববাদ ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত।
- তাঁর রচিত অন্যান্য অমর সৃষ্টিগুলোর মধ্যে 'লালসালু' ও 'কাঁদো নদী কাঁদো' উপন্যাস বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'লালসালু'
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত গ্রামীণ সমাজজীবনের ভণ্ড পীরবাদের বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী প্রতিবাদমূলক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: 'কাঁদো নদী কাঁদো'
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর আরেকটি প্রখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা নদীর সঙ্গে মানুষের অস্তিত্বের সম্পর্ক তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শামসুদ্দীন আবুল কালাম — ইনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও 'চাঁদের অমাবস্যা' তাঁর রচিত উপন্যাস নয়।
B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপন্যাসটি তাঁরই লেখা।
C) আবু জাফর শামসুদ্দীন — ইনি সাংবাদিক ও ঔপন্যাসিক হলেও তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো 'সংকর সংকীর্তন'।
D) দিলারা হাশেম — ইনি একজন বিশিষ্ট নারী ঔপন্যাসিক হলেও 'চাঁদের অমাবস্যা' তাঁর সাহিত্যকর্মের তালিকাভুক্ত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস সংখ্যায় কম কিন্তু মানের দিক থেকে অনন্য।
- ওয়ালীউল্লাহর তিনটি বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো লাল চাঁদ কাঁদে অর্থাৎ লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা ও কাঁদো নদী কাঁদো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বিশেষ করে 'লালসালু' ও 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসের মূল চরিত্র ও প্রেক্ষাপট ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) তুর্কি
১. কেন সঠিক:
'দারোগা' শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বাংলা ভাষার শব্দভান্ডারে বিভিন্ন বিদেশি ভাষার শব্দ প্রবেশ করেছে এবং দারোগা তেমনি একটি বহিরাগত শব্দ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের মধ্যে তুর্কি শব্দগুলোর একটি নির্দিষ্ট তালিকা রয়েছে। প্রশাসনিক ও সামরিক পরিচায়ক বেশ কিছু শব্দ তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দারোগা
ব্যাখ্যা: এটি একটি তুর্কি শব্দ যা পুলিশ বিভাগের একটি পদ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: কোষাধ্যক্ষ
ব্যাখ্যা: এটি ভাণ্ডার বা হিসাব রক্ষক বোঝাতে তুর্কি ভাষার প্রভাবে ব্যবহৃত একটি শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তুর্কি — এই অপশনটি সঠিক কারণ দারোগা একটি তুর্কি শব্দ।
B) বার্মিজ — এই অপশনটি ভুল কারণ বার্মিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় ফিনকি বা লুঙ্গির মতো শব্দ এসেছে।
C) পর্তুগিজ — এই অপশনটি ভুল কারণ পর্তুগিজ ভাষা থেকে আনারস, চাবি, সাবান ইত্যাদি শব্দ এসেছে।
D) ফারসি — এই অপশনটি ভুল কারণ ফারসি ভাষা থেকে কাগুজে, চশমা বা বাগান শব্দগুলো এসেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
তুর্কি শব্দগুলো মনে রাখার জন্য দারোগা, চাকর, বাবুর্চি ও লাশ শব্দগুলো একসাথে মনে রাখতে পারো। এগুলো সবই প্রশাসনিক ও সামাজিক পদ বা অবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত তুর্কি শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তুর্কি, পর্তুগিজ ও ফারসি শব্দের তালিকা ভালোভাবে মুখস্থ করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) সঞ্চিতা
১. কেন সঠিক:
- সঞ্চিতা কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কবিতা সংকলন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা নয় কোনটি, তা এই প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক বিশাল ব্যক্তিত্ব এবং নোবেলজয়ী কবি।
- সঞ্চিতা কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা সংকলন হওয়ায় এটি রবীন্দ্রনাথের রচনা নয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কবিতা গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: মানুষের গান
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের সাম্যবাদী চেতনার একটি বিখ্যাত কবিতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চিত্রা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
B) সঞ্চিতা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা সংকলন, তাই এটি সঠিক উত্তর।
C) সঞ্চয়িতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন গ্রন্থ।
D) চতু রঙ্গ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সঞ্চিতা নামের শেষে তা আছে যা নজরুলকে নির্দেশ করে এবং সঞ্চয়িতা নামের শেষে য়া আছে যা রবীন্দ্রনাথকে নির্দেশ করে।
- রবীন্দ্রনাথে চ দিয়ে চিত্রা এবং চতু রঙ্গ মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সঞ্চিতা কাজী নজরুল ইসলাম এবং সঞ্চয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা, এই দুটি গ্রন্থের নামের মিল নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লেখকের নাম ও তাদের সংকলন গ্রন্থ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অসময়ের জাগরণ
১. কেন সঠিক:
- অকাল বোধন বাগধারাটির শাব্দিক ও ভাবগত অর্থ হলো এমন কোনো কিছুর সূচনা বা জাগরণ যা নির্ধারিত বা উপযুক্ত সময়ে ঘটে না।
- বাংলা সংস্কৃতি ও পৌরাণিক ঐতিহ্য অনুসারে দেবীর বোধন সাধারণত শরৎকালে নির্ধারিত সময়ে হয়, কিন্তু রামচন্দ্র সীতা উদ্ধারের জন্য অকালে অর্থাৎ বসন্তকালে দেবীর বোধন করেছিলেন, যেখান থেকেই এই অর্থের উৎপত্তি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি বিশেষ বাগধারা যা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে নির্দিষ্ট একটি ঐতিহাসিক বা পৌরাণিক ঘটনার পটভূমিতে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা তাদের আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরীক্ষার আগের রাতে হঠাৎ পড়াশোনা শুরু করা যেন অকাল বোধন।
ব্যাখ্যা: এখানে উপযুক্ত সময়ের পরিবর্তে শেষ মুহূর্তে প্রস্তুতি নেওয়া বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: দেশের এই দুর্দিনে তোমার এই রাজনৈতিক তৎপরতা একপ্রকার অকাল বোধন।
ব্যাখ্যা: এখানে অপ্রাসঙ্গিক বা অসময়ে কোনো কাজের সূচনা বোঝাতে এই বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অসময়ের জাগরণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বাগধারাটির প্রমিত ও প্রচলিত ভাবার্থ নির্দেশ করে।
B) যথাসময়ের জাগরণ — এই অপশনটি ভুল কারণ 'যথাসময়' অর্থ সঠিক সময়, যা অকাল বোধনের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) অসময়ে প্রস্থান — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রস্থান শব্দের অর্থ চলে যাওয়া বা ত্যাগ করা, যা জাগরণের সঙ্গে মেলে না।
D) অসময়ে নিদ্রা — এই অপশনটি ভুল কারণ নিদ্রা অর্থ ঘুম, অথচ এই বাগধারার মূল অর্থ হলো জাগরণ বা সূচনা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অকাল শব্দের অর্থ যা সময়মতো নয় এবং বোধন অর্থ জাগরণ, তাই এই দুটি শব্দ মিলিয়ে সহজে মনে রাখা যায় এটি অসময়ের জাগরণ।
- রামচন্দ্র অকালে দেবীর আরাধনা করেছিলেন, এই পৌরাণিক ঘটনাটি মাথায় রাখলে কখনো ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পৌরাণিক উৎস থেকে আসা বাগধারাগুলো প্রায়ই পরীক্ষাকেন্দ্রে বিভ্রান্তি তৈরি করে, তাই মূল উৎস জানা জরুরি।
- এই ধরনের বাগধারাগুলোর আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে সবসময় তার প্রচলিত ভাবার্থ বা রূপক অর্থটি উত্তর হিসেবে নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ভাষা আন্দোলন
১. কেন সঠিক:
- 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটির মূল প্রেক্ষাপট হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এবং এর পরবর্তী শহীদ দিবসের পটভূমি।
- উপন্যাসে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের চেতনা এবং একুশে ফেব্রুয়ারির শহীদদের স্মৃতিচারণ ও তাদের রক্তের ঋণ শোধের সংগ্রামের কথা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই উপন্যাসটির রচিয়তা বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান।
- এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত প্রখ্যাত রাজনৈতিক ও সামাজিক উপন্যাস যা ভাষাভিত্তিক স্বাধিকার আন্দোলনের ইতিহাসকে ধারণ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে ভাষা আন্দোলনের পরবর্তী রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশ সুন্দরভাবে চিত্রিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: জহির রায়হানের 'বরফ গলা নদী' উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের আরেকটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা ভিন্ন একটি প্রেক্ষাপটে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুক্তিযুদ্ধ — জহির রায়হানের 'হাজার বছর ধরে' বা অন্যান্য রচনা মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট হলেও 'আরেক ফাল্গুন' ভাষা আন্দোলনকে নিয়ে লেখা।
B) দেশভাগ — দেশভাগের প্রেক্ষাপটে রচিত বিখ্যাত উপন্যাস হলো সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'লাল সালু' বা আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের রচনা, যা এই উপন্যাসের বিষয় নয়।
C) গণ আন্দোলন — উনসত্তরের গণঅভুত্থান এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু নয়, কারণ এটি সরাসরি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত।
D) ভাষা আন্দোলন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী শতভাগ নির্ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ফাল্গুন মাসেই একুশে ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ ভাষা শহীদ দিবস পালিত হয়, তাই 'ফাল্গুন' শব্দ দেখলেই ভাষা আন্দোলন মনে রাখা সহজ।
- জহির রায়হান ভাষা আন্দোলনের ওপর ভিত্তি করে এই অসামান্য উপন্যাসটি রচনা করেছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জহির রায়হানের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ভাষা আন্দোলনের ওপর ভিত্তি করে রচিত উপন্যাসগুলোর নাম এবং লেখকের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য খুব দরকারী।
সঠিক উত্তর: D) পদ্মা
১. কেন সঠিক:
- কুবের ও কপিলা কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র।
- এই উপন্যাসের পুরো পটভূমি জুড়ে রয়েছে পদ্মা নদী এবং পদ্মাপাড়ের জেলে জীবনের জীবিকা ও সংগ্রাম।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যের আধুনিক ধারার অন্যতম প্রধান এবং প্রভাবশালী একজন ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার।
- পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসটি ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ আঞ্চলিক ও প্রগতিশীল উপন্যাস হিসেবে পরিচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দিবারাত্রির কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরেকটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যেখানে গ্রামীণ জীবনের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।
উদাহরণ ২: পুতুলনাচের ইতিকথা
ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বহুল পঠিত উপন্যাস যা গ্রামীণ সমাজের মানুষের মনস্তত্ত্ব ও জীবনদর্শন নিয়ে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তিতাস — এটি অদ্বৈত মল্লবর্মণ রচিত তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসের নদী, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চরিত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) ব্রহ্মপুত্র — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান নদ, যা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কুব ও কপিলার গল্পের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) কর্ণফুলী — এটি চট্টগ্রামের প্রধান নদী, যা পদ্মা নদীর মাঝ উপন্যাসের পটভূমি বা এই চরিত্রের সঙ্গে যুক্ত নয়।
D) পদ্মা — এটি সঠিক উত্তর কারণ কুবের ও কপিলা এই নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাঝি মানেই পদ্মা নদী। কুবের মাঝি পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের মূল চরিত্র কুবের, কপিলা, মালা এবং আমিনুদ্দিন।
- এই উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) Charles Dickens
কেন সঠিক:
- চার্লস ডিকেন্স ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিশ্বখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক।
- অলিভার টুইস্ট এবং এ টেল অব টু সিটিজ তাঁর অমর সৃষ্টি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) William Blake — তিনি একজন বিখ্যাত রোমান্টিক যুগের কবি ও চিত্রশিল্পী ছিলেন, ঔপন্যাসিক নন।
B) Charles Dickens — ইনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়।
C) G. B. Shaw — তিনি একজন প্রখ্যাত আইরিশ নাট্যকার এবং সমালোচক ছিলেন।
D) John Keats — তিনি ইংরেজি সাহিত্যের রোমান্টিক ধারার অন্যতম প্রধান কবি ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
ডিকেন্স মানেই উপন্যাসিক, আর কোল্ড রিজ বা জন কিটস মানেই রোমান্টিক কবি।
সঠিক উত্তর: B) Discuss the matter in detail
কেন সঠিক:
- Discuss একটি transitive verb, তাই এরপরে কোনো preposition বা article বসে না সরাসরি object বসে।
- in detail একটি সঠিক Idiomatic phrase যার অর্থ বিস্তারিতভাবে, যা এখানে adverbial হিসেবে সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Let's go for walk. — সঠিক নিয়ম অনুযায়ী walk-এর পূর্বে একটি article বা possessive pronoun বসবে, যেমন for a walk।
B) Discuss the matter in detail — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বাক্য, কারণ discuss-এর পর কোনো preposition বসে না এবং in detail সঠিক idiom।
C) They raised hue and cry. — hue and cry একটি idiomatic phrase যার পূর্বে একটি indefinite article বসে, সঠিক রূপ হলো raised a hue and cry।
D) Vegetables is my favorite food. — Vegetables দেখতে বহুবচন হলেও এর অর্থ একটি একক খাবার বা খাদ্যবস্তু বোঝায়, তাই verb হিসেবে is সঠিক কিন্তু এখানে subject-verb agreement এর অন্যান্য নিয়মের ত্রুটি থাকতে পারে, তবে প্রধানত এটি তুলনামূলক কম গ্রহণযোগ্য।
মনে রাখার টিপস:
Discuss verb-এর পরে কখনো about বা অন্য কোনো preposition বসে না এবং in detail ফ্রেজটি মুখস্থ রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) don't I
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটিতে 'need' মূল ভার্ব বা প্রধান ক্রিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এটি প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে আছে।
- মূল ভার্ব প্রেজেন্ট টেন্সে থাকলে ট্যাগ কোশ্চেন করার সময় সাবজেক্ট ও টেন্স অনুযায়ী do বা does ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) do I — বাক্যটি এফারমেটিভ বা হ্যা-বোধক হওয়ায় ট্যাগ কোশ্চেনটি না-বোধক হতে হবে, তাই এটি ভুল।
B) don't I — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটি হ্যা-বোধক হওয়ায় ট্যাগ কোশ্চেনটি নেগেটিভ বা না-বোধক হয়েছে।
C) need I — এখানে 'need' কে মডাল অক্সিলারি হিসেবে ধরা হয়েছে, কিন্তু মূল বাক্যে এটি প্রিন্সিপাল ভার্ব।
D) needn't I — বাক্যে সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে 'need' না থাকায় এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
মূল বাক্যে have বা need যখন প্রিন্সিপাল ভার্ব হিসেবে বসে, তখন ট্যাগ কোশ্চেন করার সময় do, does বা did ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) at sixes and sevens
কেন সঠিক:
- at sixes and sevens একটি স্থির প্রবাদ প্রবচন বা ইডিয়ম যার অর্থ বিশৃঙ্খলভাবে বা ছন্নছাড়ভাবে ছড়িয়ে থাকা।
- বাক্যের অর্থ অনুযায়ী জিনিসপত্রগুলো টেবিলে এলোমেলোভাবে পড়ে আছে বোঝাতে এই ইডিয়মটি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) at six and seven — ইংরেজী ব্যাকরণ ও প্রবাদের নিয়ম অনুযায়ী সংখ্যাগুলো একবচন হওয়ায় এই গঠনটি ভুল।
B) at sixes and sevens — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর বানান ও ব্যাকরণগত রূপ সম্পূর্ণ সঠিক।
C) at six and sevens — প্রথম অংশ একবচন হওয়ায় প্রবাদের মূল নিয়ম এখানে লঙ্ঘিত হয়েছে।
D) in sixes and sevens — প্রিপ্রোজিশন at-এর পরিবর্তে in ব্যবহারের কারণে এই ধারাটি প্রবাদ হিসেবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
ইডিয়মটিতে সবসময় উভয় সংখ্যা বহুবচন অর্থাৎ sixes এবং sevens হয়, যা দিয়ে নানা জিনিস ছন্নছাড়ভাবে পড়ে থাকাকে বোঝায়।
বিষয় ও ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Translation)
সঠিক উত্তর: C) Live and let live.
কেন সঠিক:
- এটি একটি বহুল প্রচলিত ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ অন্যের বাঁচার অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়ে নিজে বেঁচে থাকা।
- ইংরেজি প্রবাদ বাক্যে মূল verb-এর পর infinitive-এর to সাধারণত উহ্য থাকে, যেমন let-এর পর live বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Live and let to live. — let verb-এর পর সরাসরি bare infinitive বসে, তাই এখানে অতিরিক্ত to ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) Live and give to live. — give শব্দের অর্থ দেওয়া, যা এই প্রবাদের ভাবার্থ বা প্রচলিত রূপের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) Live and let live. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্রবাদের আদর্শ রূপ।
D) Live and give live. — give live শব্দগুচ্ছটি অর্থহীন এবং এটি কোনো প্রচলিত ইংরেজি প্রবাদ নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদ বাক্যের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত to ব্যবহার না করে সরাসরি verb বসাতে হয়, যেমন Live and let live মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: C) Nota Bene
কেন সঠিক:
- 'NB' বা 'N.B.' হলো একটি ল্যাটিন শব্দ 'Nota Bene' এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এর বাংলা অর্থ হলো 'বিশেষ দ্রষ্টব্য' বা ভালো করে লক্ষ্য করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Not Before — এটি কোনো ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ নয় এবং এর অর্থ এই সংক্ষিপ্ত রূপের সঙ্গে মিলে না।
B) Never But — এটি সাধারণ ইংরেজি শব্দ হলেও প্রদত্ত সংক্ষিপ্ত রূপের পূর্ণরূপ নয়।
C) Nota Bene — এটি সঠিক ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ যার সংক্ষিপ্ত রূপ হলো NB।
D) Note Bone — এটি ইংরেজি ব্যাকরণ বা অভিধানের দিক থেকে সম্পূর্ণ অর্থহীন একটি ভুল শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
ল্যাটিন শব্দ 'Nota' অর্থ লক্ষ্য করা এবং 'Bene' অর্থ ভালো, অর্থাৎ কোনো বিশেষ বিষয়ে ভালোভাবে নজর দিতে এটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) jealousy
কেন সঠিক:
- 'The green-eyed monster' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম বা বাগধারা, যার অর্থ হলো ঈর্ষা বা পরশ্রীকাতরতা।
- শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত নাটক 'ওথেলো'-তে এই বাক্যাংশটি প্রথম রূপক অর্থে ব্যবহার করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) hatred — এর অর্থ ঘৃণা, যা এই ইডিওমের নির্দিষ্ট রূপক অর্থ ঈর্ষার সঙ্গে সরাসরি মেলে না।
B) love — এর অর্থ ভালোবাসা, যা এই ইডিওমের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি আবেগ প্রকাশ করে।
C) live — এর অর্থ বেঁচে থাকা বা বসবাস করা, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
D) jealousy — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ইডিওমটি ঈর্ষা বা পরশ্রীকাতরতার সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
চোখ সবুজ হওয়ার সঙ্গে ঈর্ষার কোনো শারীরিক সম্পর্ক নেই, তবে সাহিত্যে সবুজ রঙকে অনেক সময় ঈর্ষাকাতরতার প্রতীক ধরা হয়।
সঠিক উত্তর: A) receive
কেন সঠিক:
- ইংরেজি বানান বিধির বিখ্যাত নিয়ম অনুসারে 'c' বর্ণের পর সাধারণত 'ei' বসে না, বরং 'ie' বসে। তবে 'c' বর্ণের পর 'ei' ব্যবহার করার নিয়ম রয়েছে, যেমন receive শব্দটি।
- এই শব্দটিতে 'c' এর ঠিক পরেই 'ei' অক্ষরযুগল বসেছে, যা সঠিক ইংরেজি বানান গঠনের আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে চলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) receive - এটি সঠিক বানান এবং নিয়ম অনুযায়ী গঠিত।
B) recieve - এখানে বানানটিতে 'i' এবং 'e' এর সঠিক ক্রম বজায় রাখা হয়নি, তাই এটি ভুল।
C) recive - বানানটিতে মাঝের 'e' বর্ণটি বাদ দেওয়া হয়েছে, যা ভুল।
D) reicive - এই বানানের গঠন ভুল এবং এটি সঠিক ইংরেজি শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি বানান মনে রাখার একটি সহজ নিয়ম হলো 'I' এর আগে 'E' বসে, তবে 'C' এর পরে সবসময় 'EI' বসে। যেমন: receive, deceive, ceiling ইত্যাদি।
সঠিক উত্তর: C) by
কেন সঠিক:
- আত্মহত্যা বোঝাতে ডাই প্রিপজিশনের পর বাই ব্যবহৃত হয়।
- নিয়মানুসারে, বাই সুইসাইড অর্থ নিজে আত্মহত্যা করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) of — কোনো রোগ বা অনাহারে মারা গেলে অফ বসে, তাই এটি ভুল।
B) for — কোনো মহৎ উদ্দেশ্য বা দেশের জন্য মারা যাওয়া বোঝালে ফর বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) by — এটি সঠিক উত্তর কারণ আত্মহত্যা করার ক্ষেত্রে বাই প্রিপজিশন বসে।
D) from — অতিরিক্ত খাওয়া বা বিষক্রিয়ায় মারা গেলে ফ্রম বসে, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
রোগে মরলে অফ, বিষে মরলে ফ্রম আর আত্মহত্যা করলে বাই সুইসাইড হয়।
সঠিক উত্তর: B) Let the tiger be shot
কেন সঠিক:
- মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এর মূল ভার্ব হলো Shoot, যার Past Participle হলো shot।
- Imperative Sentence-যুক্ত Active Voice-কে Passive করার নিয়ম হলো: Let + object + be + মূল ভার্বের V3।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Let the tiger be shoot — এখানে Shoot শব্দটি Present Form-এ রাখা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ Passive Voice-এ সবসময় V3 বা Past Participle ব্যবহার করতে হয়।
B) Let the tiger be shot — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে নিয়মানুযায়ী সঠিক গঠন এবং shot (V3) ব্যবহার করা হয়েছে।
C) Let the tiger be shooted — এখানে shoot শব্দের সাথে ভুলভাবে 'ed' যোগ করা হয়েছে, যা কোনো সঠিক ইংরেজি রূপ নয়।
D) Let the tiger be shoted — এখানে shoot-এর Past Participle হিসেবে ভুল শব্দরূপ 'shoted' ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Imperative sentence-কে Passive করার সময় Let-এর পর object এবং be বসিয়ে মূল ভার্বের Past Participle ফর্ম বা V3 বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Moon
কেন সঠিক:
- 'Lunar' শব্দটি ল্যাটিন শব্দ 'luna' থেকে এসেছে যার অর্থ চাঁদ।
- বিজ্ঞানে চাঁদের আলো বা চাঁদের গতিবিধি বোঝাতে 'Lunar' বিশেষণটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Star — নক্ষত্র বা তারার সাথে সম্পর্কিত বিশেষণ হলো 'Stellar'।
B) Moon — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'Lunar' অর্থ চাঁদের সাথে সম্পর্কিত।
C) Sun — সূর্যের সাথে সম্পর্কিত বিশেষণ হলো 'Solar'।
D) Earth — পৃথিবীর সাথে সম্পর্কিত বিশেষণ হলো 'Terrestrial'।
মনে রাখার টিপস:
সূর্যের জন্য Solar এবং চাঁদের জন্য Lunar শব্দটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) ram
কেন সঠিক:
- 'Ram' হলো একটি নির্দিষ্ট পশুর নাম যার অর্থ হলো ভেড়া।
- এটি ব্যাকরণগতভাবে পুরুষবাচক বা Masculine gender নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) mare — এটি 'horse' শব্দের স্ত্রীবাচক বা Feminine gender, যার অর্থ ঘোটকী।
B) milkmaid — এটি যৌগিক শব্দ যা দিয়ে রাখাল বা দুধেল মেয়ে অর্থাৎ স্ত্রীবাচক বা Feminine gender বোঝায়।
D) goose — এটি রাজহাঁস প্রজাতির ক্ষেত্রে সাধারণত স্ত্রীবাচক বা Feminine gender হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ভেড়ার পুরুষবাচক রূপ হলো ram এবং স্ত্রীবাচক রূপ হলো ewe।
সঠিক উত্তর: A) were you
কেন সঠিক:
- এটি Second Conditional-এর নিয়ম অনুযায়ী গঠিত একটি অসম্ভব কল্পনার বাক্য।
- Subject যাই হোক না কেন, Unreal Conditional বাক্যে verb হিসেবে 'were' ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) were you — এটি সঠিক কারণ অপ্রকৃত শর্তে সব সাবজেক্টের পর 'were' বসে।
B) had been you — এটি Third Conditional-এর অংশ, যা বাক্যটির দ্বিতীয় অংশের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
C) had you — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক গঠন নয় এবং শর্তমূলক বাক্যের নিয়ম মানে না।
D)was you — সাবজেক্ট 'I' হলেও কাল্পনিক বাক্যে 'was' না বসে 'were' বসে।
মনে রাখার টিপস:
অবাস্তব বা কল্পনামূলক শর্তে (If I were you) সব সময় 'were' বসবে, 'was' কখনোই বসে না।
সঠিক উত্তর: B) in accordance with
কেন সঠিক:
- in accordance with একটি স্ট্যান্ডার্ড ফ্রেজ বা প্রিপজিশনাল ফ্রেজ, যার অর্থ কোনো নিয়ম বা পরিকল্পনা অনুযায়ী।
- এখানে নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী ভবন নির্মাণের কথা বলা হয়েছে, তাই with প্রিপজিশনটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) accordance to — ইংরেজিতে accordance শব্দের পরে সাধারণত to বসে না, নিয়ম অনুযায়ী with বসে।
B) in accordance with — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
C) for — for সাধারণত উদ্দেশ্য বোঝাতে বসে, যা এই শূন্যস্থানের প্রেক্ষাপটে অর্থপূর্ণ নয়।
D) about — about অর্থ সম্পর্কে, যা এখানে নিয়ম বা পরিকল্পনা অনুসরণের ভাব প্রকাশ করতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
accordance শব্দটি দেখলে সবসময় এর সাথে with প্রিপজিশনটি মনে রাখবে, কারণ in accordance with একটি স্থির ফ্রেজ।
সঠিক উত্তর: A) kidney
কেন সঠিক:
- ইউরোলজি হলো চিকিৎসা বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা মূত্রনালী এবং পুরুষদের প্রজনন অঙ্গের রোগ নিয়ে কাজ করে।
- কিডনি মানবদেহের মূত্রতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ হওয়ায় ইউরোলজিস্টগণ কিডনি সংক্রান্ত রোগ ও তার চিকিৎসা করে থাকেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) kidney - এটি সঠিক উত্তর কারণ কিডনি মূত্রতন্ত্রের অংশ এবং ইউরোলজিস্টগণ এটি নিয়ে কাজ করেন।
B) eye - চোখের চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিশেষায়িত শাখাকে অপথালমোলজি বলা হয় এবং চোখের চিকিৎসকদের অপথালমোলজিস্ট বলা হয়।
C) heart - হৃৎপিণ্ডের চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিশেষায়িত শাখাকে কার্ডিওলজি বলা হয় এবং এর চিকিৎসকদের কার্ডিওলজিস্ট বলা হয়।
D) verves - স্নায়ুর চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিশেষায়িত শাখাকে নিউরোলজি বলা হয় এবং এর চিকিৎসকদের নিউরোলজিস্ট বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইউরোলজি শব্দটিতে মূত্রতন্ত্রের কথা বোঝায়, আর মূত্র উৎপাদনের প্রধান অঙ্গ হলো কিডনি।
সঠিক উত্তর: D) Appease
কেন সঠিক:
- 'Pacify' শব্দটির অর্থ শান্ত করা, প্রশমিত করা বা প্রবোধ দেওয়া।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'Appease' শব্দটির অর্থও শান্ত করা বা ক্ষোভ নিবারণ করা, যা মূল শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Among — এটি একটি প্রিপজিশন, যার অর্থ অনেকের মধ্যে।
B) Displease — এটি একটি ভার্ব, যার অর্থ অসন্তুষ্ট করা বা বিরক্ত করা।
C) Encourage — এটি একটি ভার্ব, যার অর্থ উৎসাহিত করা বা সাহস জোগানো।
D) Appease — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ শান্ত করা বা প্রশমিত করা।
মনে রাখার টিপস:
Pacify এবং Appease দুটি শব্দই শান্ত করার সঙ্গে সম্পর্কিত; পেসিফায়ার (Pacifier) ছোট শিশুদের শান্ত রাখতে ব্যবহার করা হয়, এই মিল দিয়ে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) Deliberate killing of a whole group or race of people.
কেন সঠিক:
- 'Genocide' শব্দটির মূল অর্থ হলো কোনো নির্দিষ্ট জাতি, গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের মানুষকে পরিকল্পিতভাবে ও দলগতভাবে হত্যা করা।
- এটি আন্তর্জাতিক আইনে একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়, যা মূলত মানবতাবিরোধী অপরাধের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) General destruction — এর অর্থ সাধারণ ধ্বংসযজ্ঞ, যা কোনো নির্দিষ্ট জাতিগত গোষ্ঠীর নিধন বোঝায় না।
B) Killing of a king — এর অর্থ কোনো রাজাকে হত্যা করা, যাকে এককথায় বলা হয় রেজিসাইড।
C) Killing of women and children — এর অর্থ নারী ও শিশুদের হত্যা করা, যা জেনোসাইডের সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা নয়।
D) Deliberate killing of a whole group or race of people — এটি জেনোসাইডের সঠিক ও সংজ্ঞাগত অর্থ নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
'Gen' শব্দের অর্থ প্রজাতি বা জনগোষ্ঠী এবং 'cide' অর্থ হত্যা করা, তাই জেনোসাইড মানে পুরো জাতিগোষ্ঠীর হত্যা।
সঠিক উত্তর: B) with
কেন সঠিক:
- Charge শব্দের পর সাধারণত অপরাধ বা চৌর্যবৃত্তির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বোঝাতে with প্রিপজিশন বসে।
- ইংরেজী ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী accused এবং charged শব্দের সঙ্গে with যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) at — এটি স্থান বা ছোট সময় বোঝাতে বসে, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) with — এটি সঠিক কারণ অপরাধের ক্ষেত্রে charge এর পর with বসে।
C) for — এটি কারণ বা উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়, অপরাধের অভিযোগ বোঝাতে বসে না।
D) by — এটি কোনো ব্যক্তি বা কর্তার দ্বারা কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝাতে বসে।
মনে রাখার টিপস:
অভিযোগ বা অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বদা Charge with মনে রাখবেন।
সঠিক উত্তর: D) Cheerful
কেন সঠিক:
- 'Gloomy' শব্দের অর্থ বিষণ্ণ, অন্ধকারাচ্ছন্ন বা মলিন।
- 'Cheerful' শব্দের অর্থ আনন্দিত বা হাসিখুশি, যা 'gloomy' শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Proud — এর অর্থ অহংকৃ বা গর্বিত, যা বিষণ্ণতার বিপরীত শব্দ নয়।
B) Sad — এর অর্থ দুঃখিত, যা 'gloomy' শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
C) Unhappy — এর অর্থ অসুখী, যা 'gloomy' শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) Cheerful — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিষণ্ণতার বিপরীত আনন্দিত ভাব প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Gloomy মানে মেঘলা বা মন খারাপ, আর Cheerful মানে চিয়ারফুল বা আনন্দিত।
সঠিক উত্তর: B) a ÷ (২√৩)
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজটি একটি সমবাহু ত্রিভুজ
ত্রিভুজের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য = a
ধরি,
সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = a
ত্রিভুজের উচ্চতা = (√৩ ÷ ২) × a
অতএব,
ভারকেন্দ্র ত্রিভুজের উচ্চতার উপর অবস্থান করে
ভারকেন্দ্র শীর্ষবিন্দু থেকে ভূমির দিকে উচ্চতার এক তৃতীয়াংশ দূরত্বে থাকে
সুতরাং,
যেকোনো বাহুর সাপেক্ষে ভারকেন্দ্রের দূরত্ব = ((√৩ ÷ ২) × a) ÷ ৩
উত্তর: a ÷ (২√৩)
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: D) পদ্মা
কেন সঠিক:
- পদ্মা নদী ভারত থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং এটি দেশের অন্যতম প্রধান ও দীর্ঘতম নদী হিসেবে পরিচিত।
- ভূতাত্ত্বিক ও ভৌগোলিক দৈর্ঘ্য পরিমাপে বাংলাদেশের ভেতরে ও এর প্রধান প্রবাহের দীর্ঘতম নদী হিসেবে পদ্মা স্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেঘনা — মেঘনা বাংলাদেশের অন্যতম প্রশস্ত ও গভীর নদী হলেও দৈর্ঘ্যের দিক থেকে এটি পদ্মা বা যমুনার চেয়ে ছোট।
B) যমুনা — যমুনা নদী ব্রহ্মপুত্রের প্রধান শাখা এবং এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
C) ব্রহ্মপুত্র — ব্রহ্মপুত্র নদ প্রধানত তিব্বত ও ভারতে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছে এবং বাংলাদেশে এটি যমুনা নামে প্রবাহিত হয়।
D) পদ্মা — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী মনে রাখতে পদ্মা নামটি মনে রাখুন, যা দেশের প্রধান নদী ব্যবস্থার প্রতীক।
সঠিক উত্তর: A) ১৫টি
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ মোট ১৫টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত।
- এর মধ্যে ৫টি স্থায়ী সদস্য এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৫টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পরিষদে ৫টি স্থায়ী এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য মিলিয়ে মোট সদস্য সংখ্যা ১৫।
B) ১৪টি — এটি ভুল কারণ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যার এমন কোনো হিসাব নেই।
C) ১৩টি — এটি ভুল কারণ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী ও অস্থায়ী সদস্যের যোগফল কখনো ১৩ হয় না।
D) ১৬টি — এটি ভুল কারণ এই পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৬টি নয়, বরং ১৫টি।
মনে রাখার টিপস:
নিরাপত্তা পরিষদের ৫টি স্থায়ী ও ১০টি অস্থায়ী সদস্যের যোগফল মনে রাখলেই ১৫ সংখ্যাটি সহজে মনে থাকবে।
সঠিক উত্তর: B) সালফিউরিক
কেন সঠিক:
- গাড়ীর ব্যাটারীতে শক্তি সঞ্চয় ও রাসায়নিক বিক্রিয়ার জন্য জলীয় সালফিউরিক এসিড ব্যবহার করা হয়।
- একে লেড এসিড ব্যাটারী বলা হয় যেখানে সালফিউরিক এসিড ইলেকট্রোলাইট হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রিক — এটি একটি শক্তিশালী জারক এসিড যা ধাতু溶解 করার কাজে ব্যবহৃত হয়, গাড়ীর ব্যাটারীতে নয়।
B) সালফিউরিক — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং লেড এসিড ব্যাটারীর ইলেকট্রোলাইট হিসেবে কাজ করে।
C) হাইড্রোক্লোরিক — এটি সাধারণত গবেষণাগারে এবং ধাতুর মরিচা পরিষ্কারের কাজে ব্যবহৃত হয়, ব্যাটারীতে নয়।
D) পারক্লোরিক — এটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং বিস্ফোরক প্রকৃতির এসিড যা সাধারণ ব্যাটারীতে ব্যবহার করা হয় না।
মনে রাখার টিপস:
গাড়ীর ব্যাটারী মানেই সালফিউরিক এসিড বা H2SO4 याद রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ৩৫ বছর
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদের ৪ দফার (খ) উপধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদের জন্য প্রার্থীর বয়স কমপক্ষে পঁয়ত্রিশ বছর হতে হবে।
- রাষ্ট্রপতির মতো সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে আসীন হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট বয়সের এই যোগ্যতাটি সাংবিধানিকভাবে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫০ বছর — এই বয়সসীমা বাংলাদেশের সংবিধানের কোনো সাংবিধানিক পদের প্রার্থীর জন্য নির্ধারিত নয়।
B) ৪০ বছর — বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদের জন্য এই বয়সসীমা কম, সঠিক বয়সসীমা পঁয়ত্রিশ বছর।
সি) ৩৫ বছর — এই অপশনটি সঠিক এবং সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদের যোগ্যতার সাথে মিলে যায়।
ডি) ৩৩ বছর — এই বয়সসীমা বাংলাদেশের কোনো সাংবিধানিক বা সরকারি উচ্চ পদের প্রার্থীর যোগ্যতার সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হতে গেলে বয়স হতে হয় ৩৫ বছর, যা সংসদ সদস্য হওয়ার বয়সের (২৫ বছর) চেয়ে ১০ বছর বেশি।
সঠিক উত্তর: B) ৪টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় এবং দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মূলনীতি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এই মূলনীতিগুলো হলো জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫টি — বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি পাঁচটি নয়, কারণ পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ধর্মনিরপেক্ষতা পুনর্বহাল করা হলেও মূলনীতির সংখ্যা চারে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।
B) ৪টি — এটি সঠিক উত্তর, কারণ সংবিধানের অষ্টম অনুচ্ছেদে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে মূলনীতি হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
C) ৩টি — মূলনীতির সংখ্যা তিনটি নয়, এটি একটি ভুল সংখ্যা যা সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর সঙ্গে মেলে না।
D) ৬টি — ছয়টি কোনোভাবেই সঠিক নয়, কারণ সংবিধানে নির্ধারিত মূলনীতির সংখ্যা সবসময় চার বলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের চার মূলনীতি মনে রাখার সহজ শব্দ সংকেত হলো 'নাসাগ ধর্' অর্থাৎ না-জাতীয়তাবাদ, সা-সমাজতন্ত্র, গ-গণতন্ত্র এবং ধর্-ধর্মনিরপেক্ষতা।
সঠিক উত্তর: C) আলবেনিয়া
কেন সঠিক:
- আলবেনিয়া আফ্রিকা মহাদেশের দেশ নয়, এটি ইউরোপ মহাদেশের দক্ষিণপূর্ব অংশে অবস্থিত বলকান অঞ্চলের একটি রাষ্ট্র।
- আফ্রিকার দেশগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান প্রধানত আফ্রিকা মহাদেশীয় মূল ভূখণ্ড এবং এর আশেপাশের দ্বীপসমূহে সীমাবদ্ধ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টিউনিসিয়া — এটি আফ্রিকা মহাদেশের উত্তরভাগে অবস্থিত একটি আরব দেশ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) আলজেরিয়া — এটি আয়তনের দিক থেকে আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম দেশ, তাই এটি উত্তর হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
C) আলবেনিয়া — এটি ইউরোপ মহাদেশের একটি দেশ এবং আফ্রিকা মহাদেশভুক্ত নয়, তাই এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) নাইজেরিয়া — এটি পশ্চিম আফ্রিকা মহাদেশের অন্যতম জনবহুল ও প্রধান একটি দেশ, তাই এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইউরোপের দেশগুলোর নামের শেষে সাধারণত 'ইনিয়া' বা 'আলবেনিয়া'র মতো উচ্চারণ থাকে, যা আফ্রিকার দেশগুলোর নামের গঠন থেকে আলাদা।
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: B) 100 rpm
কেন সঠিক:
- ইন্টারনাল কম্বাসন ইঞ্জিন চালু হওয়ার জন্য ক্র্যাঙ্কশাফটের ন্যূনতম ঘূর্ণন গতি বা আরপিএম ১০০ প্রয়োজন হয়।
- এই গতিতে পৌঁছালে সিলিন্ডারের ভেতরে জ্বালানি ও বাতাসের মিশ্রণ প্রজ্বলিত হওয়ার উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 50 rpm — এই গতি ইঞ্জিন স্টার্ট করার জন্য অত্যন্ত কম এবং তা সিলিন্ডারে প্রয়োজনীয় কম্প্রেশন তৈরি করতে পারে না।
B) 100 rpm — এটি ইঞ্জিন চালু করার জন্য নির্ধারিত সর্বনিম্ন প্রমিত আরপিএম মান।
C) 200 rpm — এটি স্টার্ট করার সর্বনিম্ন মান নয়, বরং সাধারণত ইঞ্জিন চালু হওয়ার ঠিক পরের অল আইডল স্পিড বা তার কাছাকাছি গতি।
D) 5 rpm — এই গতিতে ইঞ্জিন ক্র্যাঙ্ক করা অসম্ভব এবং এটি ফ্লায়হুইলকে গতিশীল করার জন্য পর্যাপ্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইঞ্জিন স্টার্ট করার ম্যাজিক সংখ্যা হলো একশো আরপিএম।
সঠিক উত্তর: A) নেপাল
কেন সঠিক:
- নেপাল একটি সম্পূর্ণ স্থলবেষ্টিত বা ভূবেষ্টিত দেশ, যার কোনো সমুদ্র উপকূল বা সাগর তীর নেই।
- এই দেশের চারপাশেই স্থলভাগ রয়েছে এবং এর কোনো সীমানা সাগরের সাথে যুক্ত নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপাল — এটি ভূবেষ্টিত দেশ এবং এর কোনো সমুদ্র উপকূল বা সাগর তীর নেই।
B) থাইল্যান্ড — এর দক্ষিণে উপসাগর ও সাগর রয়েছে এবং এটি একটি সাগর তীরের দেশ।
C) বাংলাদেশ — এর দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত এবং এটি একটি সাগর তীরের দেশ।
D) মিয়ানমার — এর দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর ও আন্দামান সাগর রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
নেপাল হলো দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র প্রধান দেশ যার কোনো সমুদ্রবন্দর বা সাগর তীর নেই।
সঠিক উত্তর: B) ইউক্রেন
কেন সঠিক:
- ইউক্রেনের উর্বর কালো মাটি গমের চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী এবং দেশটিতে প্রচুর পরিমাণে শস্য উৎপাদিত হয়।
- বিশ্বের অন্যতম প্রধান শস্য রপ্তানিকারক দেশ হওয়ায় একে বিশ্ব বাজারে ইউরোপের রুটির ঝুড়ি বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইতালি — এটি মূলত ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু ও আঙ্গুর বা জলপাই চাষের জন্য পরিচিত, শস্যের আধিক্যের জন্য নয়।
B) ইউক্রেন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এখানে প্রচুর গম উৎপাদিত হয়।
C) জার্মানি — এটি ইউরোপের অন্যতম প্রধান শিল্পপ্রধান ও অর্থনৈতিক দেশ, কৃষির জন্য পরিচিত নয়।
D) পোল্যান্ড — এটি মধ্য ইউরোপের একটি দেশ হলেও একে শস্যের ভাণ্ডার বা রুটির ঝুড়ি বলা হয় না।
মনে রাখার টিপস:
ইউক্রেনের উর্বর কালো মাটি বা চেরোনেজম মাটির কারণে দেশটিকে রুটির ঝুড়ি বলা হয়।
সঠিক উত্তর: C) প্রিন্টার
কেন সঠিক:
- প্রিন্টার কম্পিউটারের প্রসেসিং করা ফলাফল বা আউটপুট কাগজের মাধ্যমে বাইরে প্রকাশ করে।
- এটি কোনো ডেটা বা নির্দেশ কম্পিউটারের ভেতরে প্রবেশ করায় না, বরং ফলাফল প্রদর্শন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাউস — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে কম্পিউটারে নির্দেশ প্রদান করা হয়।
B) কি- বোর্ড — এটি বহুল ব্যবহৃত ইনপুট ডিভাইস, যার সাহায্যে লেখালেখি ও কমান্ড ইনপুট দেওয়া হয়।
C) প্রিন্টার — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি একটি আউটপুট ডিভাইস যা ফলাফল প্রিন্ট করে।
D) স্ক্যানার — এটি ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে কোনো ছবি বা কাগজ কম্পিউটারে স্ক্যান করে প্রবেশ করানো হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইনপুট ডিভাইস দিয়ে তথ্য ভেতরে দেওয়া হয় এবং আউটপুট (যেমন প্রিন্টার ও মনিটর) দিয়ে ফলাফল বাইরে প্রকাশ করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) আবুল বরকত
কেন সঠিক:
- আবুল বরকত ভাষা আন্দোলনের সময় ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র ছিলেন।
- ভাষা আন্দোলনের মিছিলে ১৪৪ ধারা ভাঙার সময় পুলিশের গুলিতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আব্দুস সালাম — তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে শহীদ হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন না, তিনি তৎকালীন ডাক বিভাগের একজন পিয়ন ছিলেন।
B) আব্দুল জব্বার — তিনি ভাষা শহীদ হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন না, তিনি পেশায় একজন সাধারণ দর্জি ছিলেন।
C) রফিকউদ্দিন আহমদ — তিনি ভাষা শহীদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন জগন্নাথ কলেজের (তৎকালীন জগন্নাথ ইন্টারমিডিয়েট কলেজ) ছাত্র ছিলেন।
D) আবুল বরকত — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বরকত ও শফিউর ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, আর রফিক ছিলেন জগন্নাথ কলেজের ছাত্র।
সঠিক উত্তর: B) ৩২ টি
কেন সঠিক:
- ন্যাটো সামরিক জোটের সর্বশেষ সদস্য হিসেবে ৭ মার্চ ২০২৪ সুইডেন যুক্ত হওয়ার পর মোট সদস্য সংখ্যা ৩২টিতে উন্নীত হয়েছে।
- এর আগে ৪ এপ্রিল ২০২৩ ফিনল্যান্ড ৩১তম সদস্য হিসেবে এই জোটে যোগ দিয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩১ টি — এটি ফিনল্যান্ড যোগদানের পরের সদস্য সংখ্যা ছিল, বর্তমানের সঠিক সংখ্যা নয়।
B) ৩২ টি — এটি বর্তমান সঠিক সদস্য সংখ্যা, যা সুইডেন যোগদানের পর নির্ধারিত হয়েছে।
C) ২৯ টি — এটি অতীতে মন্টিনেগ্রো যোগদানের পরের পুরোনো সদস্য সংখ্যা ছিল।
D) ২৮ টি — এটি অনেক বছর আগের সদস্য সংখ্যা ছিল, বর্তমানে পরিবর্তন হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ন্যাটো জোটে শেষের দিক থেকে যোগ দিয়েছে ফিনল্যান্ড ৩১তম এবং সুইডেন ৩২তম দেশ।
সঠিক উত্তর: D) সুন্দরবন
কেন সঠিক:
- সুন্দরবন একটি প্রাকৃতিক বন ও বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান, কোনো প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বা প্রাচীন সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ নয়।
- প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান বলতে সাধারণত প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থাপনা, নগর বা ধ্বংসাবশেষকে বোঝায়, যা সুন্দরবনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাহাড়পুর — এটি একটি বিখ্যাত প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার, যা বাংলাদেশের একটি স্বীকৃত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
B) মহাস্থানগড় — এটি বাংলার প্রাচীনতম ঐতিহাসিক নগরী পুন্ড্রবর্ধন বা পুন্ড্রনগর, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
C) মহাস্থানগড় — প্রশ্নপত্রে এই অপশনটি পুনরাবৃত্ত হয়েছে এবং এটি ঐতিহাসিক স্থান হওয়ায় সঠিক উত্তর নয়।
D) সুন্দরবন — এটি কোনো প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান বা প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ নয়, বরং এটি একটি বিখ্যাত প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বন।
মনে রাখার টিপস:
প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান মানে পুরনো আমলের ইমারত বা ধ্বংসাবশেষ, আর সুন্দরবন হলো গাছপালা ঘেরা প্রাকৃতিক বন।
সঠিক উত্তর: B) 1954
কেন সঠিক:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৪ সালে চীন সফরকালে এই ভ্রমণকাহিনিটি ডায়রিতে লিখেছিলেন।
- বাংলা একাডেমি ২০২০ সালে তাঁর এই ডায়রিটিকে 'আমার দেখা নয়াচীন' গ্রন্থাকare প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1952 — এই সালে ভাষা আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল এবং এটি গ্রন্থটির রচনার সাল নয়।
B) 1954 — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) 1951 — এই সালে বঙ্গবন্ধু শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে চীন সফর করেছিলেন কিন্তু এই গ্রন্থটি এই সালের নয়।
D) 1901 — এই সালটি বঙ্গবন্ধুর জন্মেরও আগের এবং এই গ্রন্থ রচনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক চীন ভ্রমণ এবং ডায়রি লেখার সাল হলো ১৯৫৪ সাল।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ২০২২ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে এবং ষষ্ঠ তথা সর্বশেষ জনশুমারি ও গৃহ গণনা অনুষ্ঠিত হয় ২০২২ সালে।
- এই জনশুমারির আনুষ্ঠানিক নাম ছিল জনশুমারি ও গৃহ গণনা ২০২২, যা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০০৪ সালে — এই সালে বাংলাদেশে কোনো জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি কারণ সাধারণত প্রতি দশ বছর পরপর জনশুমারি করা হয়।
B) ২০১০ সালে — এই সালে কোনো জনশুমারি হয়নি, তবে পঞ্চম জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১১ সালে।
C) ২০১৬ সালে — এই সালটি জনশুমারির বছর নয়, কারণ ২০১১ সালের পর সরাসরি ২০২২ সালে ষষ্ঠ জনশুমারি হয়।
D) ২০২২ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই দেশের ষষ্ঠ ও সর্বশেষ জনশুমারি সম্পন্ন হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর জনশুমারি শুরু হয় ১৯৭৪ সালে এবং প্রতি দশ বছর পরপর হলেও ষষ্ঠ জনশুমারি একটু দেরিতে ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) Optical Mark Recognition
কেন সঠিক:
- OMR এর পূর্ণরূপ হলো অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন, যা বহু নির্বাচনী পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে কাগজের নির্দিষ্ট স্থানে করা কালির দাগ শনাক্ত করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Optical Mark Recognition — এটি সঠিক পূর্ণরূপ কারণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার উত্তরপত্র স্ক্যান করার জন্য এই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
B) Optical Mark Reading — রিডিং শব্দটি সাধারণত ডেটা পড়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হলেও প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক নাম রিকগনিশন।
C) Optical Mark Reading — এটি পুনরাবৃত্তিমূলক অপশন এবং প্রযুক্তিগতভাবে এর পূর্ণরূপ রিকগনিশন নয়।
D) Optical Mark Reactor — রিয়েক্টর শব্দটি বিজ্ঞান ও পারমাণবিক প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত, যা আইসিটি বা ওএমআরের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
OMR এর পূর্ণরূপ মনে রাখতে শেষের শব্দটি খেয়াল রাখুন, এটি রিডিং বা রিয়েক্টর নয় বরং রিকগনিশন।
সঠিক উত্তর: D) তুরস্ক
কেন সঠিক:
- তুরস্ক দেশটি এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশের সংযোগস্থলে অবস্থিত, যার এশীয় অংশটি ঐতিহাসিকভাবে আনাতোলিয়া বা এশিয়া মাইনর নামে পরিচিত।
- ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক উভয় কারণেই প্রাচীন এই অঞ্চলটি এশিয়া মাইনর হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মায়ানমার — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ, যা অতীতে বার্মা নামে পরিচিত ছিল এবং এর সঙ্গে এশিয়া মাইনর নামটি সম্পর্কিত নয়।
B) ভিয়েতনাম — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ইন্দোচীন অঞ্চলের একটি দেশ এবং এটি এশিয়া মাইনর অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়।
C) সিঙ্গাপুর — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র ও শহর যা ভৌগোলিকভাবে এশিয়া মাইনরের অনেক দূরে অবস্থিত।
D) তুরস্ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর মূল ভূখণ্ড এশিয়া মাইনর বা আনাতোলিয়া নামে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
তুরস্কের অপর নাম এশিয়া মাইনর, এটি মনে রাখতে 'তুরস্ক' শব্দের সাথে 'ত' দিয়ে শুরু 'ত'নাতোলিয়া বা আনাতোলিয়া শব্দটি মিলিয়ে নিতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) ৬ নম্বর
কেন সঠিক:
- মুক্তিযুদ্ধকালে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয় এবং বর্তমান পঞ্চগড় জেলা ৬ নম্বর সেক্টরের অধীন ছিল।
- ৬ নম্বর সেক্টরের আওতাধীন এলাকা ছিল তৎকালীন রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার কিছু অংশ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ নম্বর — এই সেক্টরের অধীন ছিল রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং নাটোর জেলা।
B) ১ নম্বর — এই সেক্টরের অধীন ছিল চট্টগ্রাম, পাহাড়ি অঞ্চল এবং নোয়াখালী জেলার কিছু অংশ।
সি অপশন প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়।
D) ৯ নম্বর — এই সেক্টরের অধীন ছিল খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী এবং সাতক্ষীরা জেলা।
মনে রাখার টিপস:
উত্তরবঙ্গের পঞ্চগড় ও রংপুর অঞ্চল নিয়ে গঠিত হয়েছিল ৬ নম্বর সেক্টর।
সঠিক উত্তর: B) ৪৩৫ জন
কেন সঠিক:
- মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের স্থায়ী সদস্য সংখ্যা আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট করা রয়েছে।
- এই সংখ্যা জনসংখ্যার অনুপատে সব অঙ্গরাজ্যের মধ্যে নির্ধারিত সীমার আলোকেই বিন্যস্ত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪২৫ জন — এটি মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের সঠিক সদস্য সংখ্যা নয়, কারণ প্রচলিত নিয়মে সংখ্যাটি ভিন্ন।
B) ৪৩৫ জন — এটি মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের সঠিক ও সাংবিধানিকভাবে নির্ধারিত সদস্য সংখ্যা।
C) ৪৮০ জন — এটি মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষের কোনো অনুমোদিত সদস্য সংখ্যা নির্দেশ করে না।
D) ৫৩৫ জন — এটি প্রতিনিধি পরিষদ (৪৩৫) এবং উচ্চকক্ষ সেনেটের (১০০) মোট সদস্য সংখ্যার যোগফল।
মনে রাখার টিপস:
মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য সংখ্যা হলো চারশত পঁয়ত্রিশ জন।
সঠিক উত্তর: C) ওয়াটার টারবাইন
১. কেন সঠিক:
- চলন্ত পানির গতিশক্তিকে কাজে লাগিয়ে যান্ত্রিক শক্তি উৎপাদনের প্রধান মাধ্যম হলো ওয়াটার টারবাইন।
- পানির ধাক্কায় টারবাইনের ব্লেড বা চাকা ঘোরে, যা গতিশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: শক্তি সংরক্ষণশীলতার সূত্র অনুযায়ী শক্তি সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায় না, এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তরিত হয়।
- কার্যপ্রণালি: উঁচুতে থাকা জলাধার থেকে পাইপের মাধ্যমে প্রবল বেগে পানি নিচে ফেলে টারবাইনের ব্লেডে আঘাত করা হয়।
- কারণ ও ফলাфসল: পানির এই গতিশীল ধাক্কা টারবাইনের ঘূর্ণন গতি তৈরি করে, যা পরে জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করা সহজ হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে নদীর স্রোত বা কৃত্রিম বাঁধের পানি ব্যবহার করে এই পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
ব্যাখ্যা: কর্ণফুলী নদীর স্রোতের গতিশক্তিকে ওয়াটার টারবাইনের মাধ্যমে যান্ত্রিক শক্তিতে এবং পরবর্তীতে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করা হয়।
উদাহরণ ২: পাহাড়ি ঝরনার মুখে ছোট চাকা ঘুরিয়ে চালিত ঘানি।
ব্যাখ্যা: প্রবহমান পানির ধাক্কায় চাকা ঘুরে যান্ত্রিক শক্তি উৎপাদন করে এবং তা দিয়ে কৃষিপণ্য ভাঙানোর কাজ করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওয়াটার গেট — এটি নদীর পানি নিয়ন্ত্রণ বা প্রবাহ রোধ করার এক ধরণের জলকপাট বা বাঁধের দরজা মাত্র।
B) ফ্লো- টারবাইন — এটি নির্দিষ্ট কোনো প্রচলিত বৈজ্ঞানিক বা প্রযুক্তিগত যন্ত্রের নাম নয় যা এই প্রশ্নের উত্তর হিসেবে প্রযোজ্য।
C) ওয়াটার টারবাইন — এটি সঠিক কারণ এটি পানির গতিশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করতে বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে।
D) ওয়াটার পাম্প — এটি যান্ত্রিক শক্তি ব্যবহার করে পানিকে নিচ থেকে ওপরে তোলার কাজে ব্যবহৃত হয়, যা ঠিক উল্টো প্রক্রিয়া।
৫ মনে রাখার টিপস:
- টারবাইন মানেই ঘূর্ণন বা যান্ত্রিক শক্তি উৎপাদন।
- পানির গতিশক্তি থেকে শক্তি পেতে হলে টারবাইন শব্দটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে শক্তির রূপান্তরের ধারাবাহিকতা হলো বিভব শক্তি থেকে গতিশক্তি, গতিশক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি এবং যান্ত্রিক শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় শক্তি রূপান্তরের অধ্যায় থেকে প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) বেশি হয়
১. কেন সঠিক:
- প্রেসার কুকারে পানির স্ফুটনাংক বেশি হয় কারণ এর ভেতরে উচ্চ চাপ সৃষ্টি করা হয়।
- চাপ বাড়লে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়, ফলে পানি সাধারণ ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের চেয়ে বেশি তাপমাত্রায় ফোটে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: তরলের উপর বায়ুমণ্ডলীয় চাপ বাড়লে তার বাষ্পীভবন ধীর হয় এবং বেশি তাপমাত্রার প্রয়োজন হয়।
- কার্যপ্রণালি: প্রেসার কুকারের ঢাকনা আটকে রাখার কারণে ভেاد বা বাষ্প বের হতে পারে না এবং ভেতরের চাপ সাধারণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপের চেয়ে অনেক বেশি হয়।
- কারণ ও ফলাফল: উচ্চ চাপের কারণে পানি জলীয় বাষ্পে পরিণত হতে বেশি তাপ গ্রহণ করে, ফলে স্ফুটনাংক ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বেড়ে প্রায় ১২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়।
- বাস্তব প্রয়োগ: উচ্চ তাপমাত্রার কারণে প্রেসার কুকারের ভেতরে খাবার দ্রুত সিদ্ধ হয় এবং জ্বালানি সাশ্রয় হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাহাড়ের চূড়ায় বায়ুমণ্ডলীয় চাপ কম থাকায় পানির স্ফুটনাংক কমে যায় এবং কম তাপমাত্রাতেই পানি ফোটে।
ব্যাখ্যা: এই কারণে পাহাড়ের উঁচুতে রান্না করতে বেশি সময় লাগে কারণ সেখানে পানির তাপমাত্রা পর্যাপ্ত উচ্চতায় পৌঁছায় না।
উদাহরণ ২: সাধারণ পাত্রে ডাল বা মাংস সিদ্ধ করতে অনেক সময় লাগে কিন্তু প্রেসার কুকারে খুব দ্রুত সিদ্ধ হয়।
ব্যাখ্যা: প্রেসার কুকারে পানির স্ফুটনাংক ও তাপমাত্রা বেশি থাকায় খাদ্যদ্রব্যের ভেতরের কঠিন অংশ দ্রুত গলে নরম হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কম হয় — এই অপশনটি ভুল কারণ চাপ কমলে স্ফুটনাংক কমে, কিন্তু প্রেসার কুকারে চাপ বৃদ্ধি পায়।
B) বেশি হয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ কুকারের ভেতর উচ্চ চাপে পানির স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়।
C) ঠিক থাকে — এই অপশনটি ভুল কারণ চাপ পরিবর্তিত হলে স্ফুটনাংক কখনো স্থির থাকে না।
D) কোনটিই নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি অন্য অপশনগুলোতে বিদ্যমান আছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রেসার কুকার মানেই চাপ বেশি, আর চাপ বেশি মানেই স্ফুটনাংক বেশি।
- পাহাড়ে চাপ কম তাই স্ফুটনাংক কম, আর কুকারে চাপ বেশি তাই স্ফুটনাংক বেশি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সাধারণ বায়ুমণ্ডলে পানির স্ফুটনাংক ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ২১২ ডিগ্রি ফারেনহাইট।
- এই একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে পাহাড়ের চূড়ায় পানির স্ফুটনাংকের কী পরিবর্তন ঘটে।
সঠিক উত্তর: C) মডুলাস অব রিজিডিটি
১. কেন সঠিক:
- শেয়ার স্ট্রেস এবং শেয়ার স্ট্রেইনের অনুপাত হলো মডুলাস অব রিজিডিটি, যাকে দৃঢ়তার গুণাঙ্কও বলা হয়।
- এটি পদার্থের আকার পরিবর্তনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করার ক্ষমতা নির্দেশ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: কোনো বস্তুর ওপর স্পর্শকীয় বল প্রয়োগ করলে তার বেধ বা আয়তন অপরিবর্তিত রেখে কেবল আকৃতির পরিবর্তন ঘটে, যা শেয়ার স্ট্রেস ও শেয়ার স্ট্রেইন সৃষ্টি করে।
- সূত্র বা তত্ত্ব: হুকের সূত্র অনুযায়ী স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে পীড়ন ও বিকৃতির অনুপাত একটি ধ্রুবক।
- কারণ ও ফলাফল: এই অনুপাত যত বেশি হয়, বস্তুর আকৃতি বিকৃত করা তত কঠিন হয় এবং বস্তুটির দৃঢ়তা তত বেশি প্রমাণিত হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: সেতু নির্মাণ বা ভবন তৈরির ধাতব কাঠামোর ওপর পার্শ্বীয় বল প্রয়োগ করলে কাঠামোটি কীভাবে বাঁকবে তা নির্ধারণে এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি বইয়ের ওপর হাত রেখে সামান্য পাশ থেকে ধাক্কা দিলে বইটির পৃষ্ঠগুলো কিছুটা সরে যায় কিন্তু উচ্চতা সমান থাকে।
ব্যাখ্যা: এই পার্শ্বীয় বল প্রয়োগের ফলে শেয়ার স্ট্রেস উৎপন্ন হয় এবং বইটির পৃষ্ঠের কৌণিক সরণ ঘটে যা শেয়ার স্ট্রেইন নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: জেলির জারের ওপর চামচ দিয়ে পাশ থেকে চাপ প্রয়োগ করলে জেলিটি একপাশে সামান্য ঝুঁকে পড়ে।
ব্যাখ্যা: জেলি অত্যন্ত নরম হওয়ায় এর মডুলাস অব রিজিডিটির মান খুবই কম, তাই সামান্য বল প্রয়োগেই এর আকৃতির পরিবর্তন ঘটে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মডুলাস অব ইলস্টিসিটি — এটি মূলত লম্ব পীড়ন ও লম্ব বিকৃতির অনুপাতকে বোঝায়, যা ইয়ং এর গুণাঙ্ক নামেও পরিচিত।
B) বাল্ক মডুলাস — এটি আয়তন পীড়ন এবং আয়তন বিকৃতির অনুপাত নির্দেশ করে যা পদার্থের সংকোচনশীলতা মাপে।
C) মডুলাস অব রিজিডিটি — এটি শেয়ার স্ট্রেস ও শেয়ার স্ট্রেইনের সঠিক অনুপাত যা পদার্থের দৃঢ়তা প্রকাশ করে।
D) পয়েশন রেশিও — এটি পার্শ্বীয় বিকৃতি এবং দৈর্ঘ্য বিকৃতির অনুপাত যা কোনো তার টানলে তার প্রস্থ হ্রাসের হার বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রিজিডিটি শব্দের অর্থ দৃঢ়তা, আর দৃঢ় বস্তুর ওপর পাশ থেকে বল বা শেয়ার প্রয়োগ করা হয়।
- শেয়ার মানে ভাগ করা বা পাশ থেকে কাটানো বল, তাই শেয়ারের সাথে রিজিডিটি যুক্ত থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন ধরণের স্থিতিস্থাপক গুণাঙ্কের অনুপাত প্রায়ই আসে।
- শেয়ার স্ট্রেইনের একক নেই কারণ এটি দুটি একই রাশির অনুপাত, তবে মডুলাস অব রিজিডিটির একক প্যাস্কেল।
সঠিক উত্তর: B) 14
১. কেন সঠিক:
পানির পিএইচ স্কেলে চৌদ্দ হলো সর্বোচ্চ মান যা সম্পূর্ণ ক্ষারকীয় মাধ্যম নির্দেশ করে।
এই মানে হাইড্রোজেন আয়নের ঘনমাত্রা সবচেয়ে কম এবং হাইড্রোক্সাইড আয়নের ঘনমাত্রা সবচেয়ে বেশি থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: পিএইচ হলো কোনো দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের সক্রিয়তার ঋণাত্মক লগারিদম।
পরিবেশ: সাধারণ তাপমাত্রায় পিএইচ স্কেল শূন্য থেকে চৌদ্দ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কস্টিক সোডা বা সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডের শক্তিশালী জলীয় দ্রবণ।
ব্যাখ্যা: এর পিএইচ এর মান চৌদ্দ এর কাছাকাছি হয় যা অত্যন্ত ক্ষারকীয় প্রকৃতির।
উদাহরণ ২: ব্লিচিং পাউডার বা কাপড় কাটার সোডার দ্রবণ।
ব্যাখ্যা: এগুলোর পিএইচ এর মান চৌদ্দ এর নিচে হলেও ক্ষারকীয় অঞ্চলের মধ্যে অবস্থান করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 9 — এই মানটি মৃদু ক্ষারকীয় মাধ্যম নির্দেশ করে যা নিরপেক্ষ মানের চেয়ে কিছুটা ওপরে।
B) 14 — এটি সর্বোচ্চ মান এবং সম্পূর্ণ ক্ষারকীয় মাধ্যম নির্দেশ করার জন্য সঠিক।
C) 1 — এই মানটি অত্যন্ত শক্তিশালী অম্লীয় বা এসিডিক মাধ্যম নির্দেশ করে।
D) 7 — এই মানটি সম্পূর্ণরূপে নিরপেক্ষ মাধ্যম নির্দেশ করে যা বিশুদ্ধ পানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
শূন্য থেকে ছয় হলো অম্লীয়, সাত হলো নিরপেক্ষ এবং আট থেকে চৌদ্দ হলো ক্ষারকীয় মাধ্যম।
চৌদ্দ হলো স্কেলের শেষ প্রান্ত তাই এটি পুরোপুরি ক্ষারকীয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশুদ্ধ পানির পিএইচ এর মান সাত যা নিরপেক্ষ প্রকৃতির।
এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) সবুজ পাতায়
১. কেন সঠিক:
- ক্লোরোফিল হলো উদ্ভিদের পাতায় থাকা এক ধরনের সবুজ বর্ণকণিকা যা সূর্যালোক শোষণ করে খাদ্য তৈরিতে সাহায্য করে।
- উদ্ভিদের পাতার কোষের ক্লোরোপ্লাস্টে এই রঞ্জক পদার্থ থাকার কারণে পাতা সবুজ দেখায় এবং সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সম্ভব হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ক্লোরোফিল হলো উদ্ভিদের পাতার কোষে অবস্থিত প্লাস্টিড বা ক্লোরোপ্লাস্টের মধ্যে থাকা সবুজ রঙের রঞ্জক পদার্থ।
- কার্যপ্রণালি: এটি সূর্যের আলোর ফোটন কণা শোষণ করে আলোক শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর করে।
- কারণ ও ফলাফল: ক্লোরোফিল আলোর নীল ও লাল তরঙ্গদৈর্ঘ্য শোষণ করে এবং সবুজ আলো প্রতিফলিত করে বলে পাতা আমাদের চোখে সবুজ দেখায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আম গাছের কচি সবুজ পাতা
ব্যাখ্যা: আম গাছের সবুজ পাতায় প্রচুর পরিমাণে ক্লোরোফিল থাকে যা সূর্যালোকের উপস্থিতিতে খাদ্য প্রস্তুত করে।
উদাহরণ ২: ঘাসের ডগা
ব্যাখ্যা: মাঠের ঘাসের সবুজ রঙ ক্লোরোফিলের উপস্থিতির প্রমাণ এবং এটি সালোকসংশ্লেষণ চালিয়ে বেঁচে থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সকল প্রাণিতে — প্রাণিকোষে ক্লোরোপ্লাস্ট বা ক্লোরোফিল থাকে না কারণ তারা পরভোজী।
B) ছত্রাকে — ছত্রাক ক্লোরোফিলহীন মৃতজীবী বা পরজীবী উদ্ভিদ তাই এরা নিজেদের খাদ্য নিজেরা তৈরি করতে পারে না।
C) সবুজ পাতায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ পাতার কোষে ক্লোরোফিল সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে।
D) ফলে — কিছু ফল পাকলে সবুজ থেকে হলুদ বা লাল হয় কারণ ক্লোরোফিল নষ্ট হয়ে অন্য রঞ্জক তৈরি হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সবুজ মানেই ক্লোরোফিল এবং উদ্ভিদের পাতাই হলো প্রধান সবুজ অঙ্গ যেখানে এটি পাওয়া যায়।
- পাতা সবুজ হওয়ার মূল চাবিকাঠি হলো ক্লোরোফিলের উপস্থিতি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে সালোকসংশ্লেষণে কোন বর্ণকণিকা প্রয়োজন।
- ক্লোরোফিলের মূল কেন্দ্র বা ধাতব অংশ হলো ম্যাগনেশিয়াম, যা থেকে প্রায়ই এমসিকিউ প্রশ্ন করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) প্লাজমা
১. কেন সঠিক:
- পদার্থের চতুর্থ অবস্থাকে প্লাজমা বলা হয় যা গ্যাসীয় অবস্থার পরবর্তী অতি উচ্চ তাপমাত্রার একটি রূপ।
- এই অবস্থায় পদার্থের পরমাণুগুলো ভেঙে ধনাত্মক আয়ন ও মুক্ত ইলেকট্রনে পরিণত হয় এবং অত্যন্ত শক্তি নিয়ে চলাচল করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: প্লাজমা হলো অতি উচ্চ তাপমাত্রায় আয়নিত গ্যাসের সমষ্টি যেখানে আধানযুক্ত কণাগুলো একসঙ্গে অবস্থান করে।
- কার্যপ্রণালি: সাধারণ গ্যাসে তাপ প্রয়োগ করলে তাপমাত্রা বাড়তে বাড়তে অণুগুলোর ইলেকট্রন আলাদা হয়ে যায় এবং গ্যাস প্লাজমায় রূপান্তরিত হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: সূর্য এবং অন্যান্য নক্ষত্রের ভেতরে পদার্থের মূল অবস্থা হলো প্লাজমা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিয়ন সাইনবোর্ড
ব্যাখ্যা: নিয়ন গ্যাসের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করলে গ্যাসটি প্লাজমায় পরিণত হয় এবং উজ্জ্বল আলো ছড়ায়।
উদাহরণ ২: মেরুপ্রভা বা অরোরা
ব্যাখ্যা: সৌরবায়ুর প্লাজমা কণাগুলো পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের সঙ্গে বিক্রিয়া করে বায়ুমণ্ডলে সুন্দর আলোর সৃষ্টি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফোটন — ফোটন হলো আলোর মৌলিক কণা বা শক্তির একক, এটি পদার্থের কোনো ভৌতিক অবস্থা নয়।
B) প্লাজমা — এটি সঠিক উত্তর এবং পদার্থের চতুর্থ অবস্থা হিসেবে পরিচিত।
C) অণু — অণু হলো পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা দুই বা ততোধিক পরমাণুর সমন্বয়ে গঠিত।
D) পরমাণু — পরমাণু হলো মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা পদার্থের গঠনগত একক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পদার্থের অবস্থার ক্রম মনে রাখার জন্য এভাবে ভাবো: কঠিন থেকে তরল, তরল থেকে গ্যাস এবং গ্যাস থেকে প্লাজমা।
- আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানে প্লাজমাকে গ্যাসীয় অবস্থার উচ্চতর শক্তিস্তর হিসেবে গণ্য করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মহাবিশ্বের মোট পদার্থের প্রায় নিরানব্বই ভাগই প্লাজমা অবস্থায় রয়েছে।
- এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত বিসিএস এবং শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় পদার্থের অবস্থাভিত্তিক সাধারণ জ্ঞানে আসে।
সঠিক উত্তর: C) −৪০°ডিগ্রি সেলসিয়াস
১. কেন সঠিক:
ফারেনহাইট ও সেলসিয়াস স্কেলের সম্পর্ক অনুযায়ী দুটি স্কেলে তাপমাত্রা সমান হওয়ার একটি নির্দিষ্ট বিন্দু রয়েছে।
গাণিতিক হিসাব করলে দেখা যায় মাইনাস চল্লিশ ডিগ্রিতে উভয় স্কেলের মান একই হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য বিভিন্ন স্কেল রয়েছে যার মধ্যে সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট বহুল ব্যবহৃত।
সূত্র/তত্ত্ব: তাপমাত্রার রূপান্তরের সূত্রটি হলো সি ভাগ ৫ সমান এফ বিয়োগ ৩২ ভাগ ৯, যেখানে সি হলো সেলসিয়াস এবং এফ হলো ফারেনহাইট তাপমাত্রা।
কার্যপ্রণালি: সি এবং এফ কে সমান ধরে মান বসিয়ে সমাধান করলে সি এর মান মাইনাস চল্লিশ পাওয়া যায়।
বাস্তব প্রয়োগ: আবহাওয়া বিজ্ঞান এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বিভিন্ন স্কেলের তাপমাত্রা রূপান্তর করতে এই সূত্র ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশের আবহাওয়া বার্তায় কখনো কখনো মাইনাস চল্লিশ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় যা সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট উভয় স্কেলেই সমান।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে দুটি ভিন্ন স্কেলের মিলিত বিন্দু বা শুরুর মান ভিন্ন হলেও নির্দিষ্ট একটি নিম্ন তাপমাত্রায় তাদের মান মিলে যায়।
উদাহরণ ২: পরীক্ষাগারে থার্মোমিটার ক্রমাঙ্কন বা ক্যালিব্রেশনের সময় স্থির বিন্দু নির্ধারণে এই রূপান্তর সূত্র ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে এক স্কেলের পাঠ থেকে অন্য স্কেলের সঠিক মান নির্ভুলভাবে নির্ণয় করা সম্ভব হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ০°সি সেলসিয়াস — এটি বরফ জমার তাপমাত্রা বা সেলসিয়াস স্কেলের নিম্ন স্থিরাঙ্ক যা ফারেনহাইট স্কেলে ৩২ ডিগ্রি।
B) ১০০°সি সেলসিয়াস — এটি পানির স্ফুটনাঙ্ক বা সেলসিয়াস স্কেলের ঊর্ধ্ব স্থিরাঙ্ক যা ফারেনহাইট স্কেলে ২১২ ডিগ্রি।
সি) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভিন্ন মান প্রযোজ্য নয় এবং এটি দুটি স্কেলের ছেদবিন্দু।
D) খালি অপশন — এখানে কোনো মান বা তথ্য নেই তাই এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
সেলসিয়াস ও ফারেনহাইটের মিল বিন্দু মনে রাখার জন্য সংখ্যাটি মনে রাখুন ৪০ এবং এর আগে একটি বিয়োগ চিহ্ন বসিয়ে দিন।
পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি আসলে কোনো হিসাব না করেই সরাসরি মাইনাস চল্লিশ দাগাতে পারেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় তাপগতিবিদ্যা ও তাপমাত্রা পরিমাপ সংক্রান্ত এই প্রশ্নটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।
একই ধারণা থেকে সেলসিয়াস ও কেলভিন স্কেলের সম্পর্ক বা অন্য কোনো স্কেলের তুলনামূলক প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) আয়রন
১. কেন সঠিক:
মানবদেহে রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া প্রধানত রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরির উপাদান আয়রনের অভাবে ঘটে।
আয়রনের অভাবে লোহিত রক্তকণিকা পর্যাপ্ত অক্সিজেন বহন করতে পারে না, যা শরীরকে ক্লান্ত ও দুর্বল করে তোলে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: আয়রন হলো রক্তের হিমোগ্লোবিন প্রোটিনের একটি অপরিহার্য উপাদান যা ফুসফুস থেকে কোষে অক্সিজেন পরিবহন করে।
কার্যপ্রণালি: পর্যাপ্ত আয়রনের অভাবে অস্থিমজ্জা পর্যাপ্ত হিমোগ্লোবিন ও সুস্থ লোহিত রক্তকণিকা তৈরি করতে ব্যর্থ হয়।
কারণ ও ফলাফল: শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেওয়ায় শারীরিক দুর্বলতা, ক্লান্তি এবং মাথা ঘোরার মতো লক্ষণ প্রকাশ পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গর্ভাবস্থায় নারীদের আয়রনের চাহিদা বহুগুণ বেড়ে যায় এবং এই ঘাটতি পূরণ না হলে রক্তশূন্যতা দেখা দিতে পারে।
ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত চাহিদার কারণে শরীরের সঞ্চিত আয়রন ফুরিয়ে যাওয়ায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়।
উদাহরণ ২: শৈশবে কৃমির সংক্রমণ হলে অন্ত্রের রক্তক্ষরণের কারণে শরীরে আয়রনের ঘাটতি ও রক্তশূন্যতা হতে পারে।
ব্যাখ্যা: দীর্ঘমেয়াদি রক্তক্ষরণ শরীরের আয়রনের ভাণ্ডার নিঃশেষ করে দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন- এ — এর অভাবে রাতকানা রোগ ও চোখের নানা জটিলতা দেখা দেয় কিন্তু রক্তশূন্যতা হয় না।
B) আয়রন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরির মূল উপাদান।
C) ক্যালসিয়াম — এর অভাবে হাড় ও দাঁত দুর্বল হয় এবং পেশির কার্যকারিতা ব্যাহত হয়।
D) আয়োডিন — এর অভাবে গয়টার বা গলগণ্ড রোগ হয় এবং মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
রক্তে লোহিত কণার মূল ধন, তার নাম হলো আয়রন।
এই ছন্দটি মনে রাখলে রক্তশূন্যতার সাথে আয়রনের সম্পর্ক সহজে মনে রাখা যাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, রক্তশূন্যতার প্রায় অর্ধেক ঘটনার জন্য আয়রনের অভাব দায়ী।
এই টপিক থেকে অনেক সময় হিমোগ্লোবিনের প্রধান খনিজ উপাদান কী ধরনের প্রশ্ন হয়ে থাকে।
সঠিক উত্তর: D) 4°C
১. কেন সঠিক:
- পানির ব্যতিক্রমী প্রসারণের কারণে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এর ঘনত্ব সর্বাধিক হয়।
- তরল পদার্থের সাধারণ নিয়ম হলো তাপমাত্রা কমালে আয়তন কমে এবং ঘনত্ব বাড়ে, কিন্তু পানির ক্ষেত্রে শূন্য থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উল্টো ঘটনা ঘটে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পানির ব্যতিক্রমী প্রসারণ হলো সেই বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেখানে তাপমাত্রা শূন্য থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াসে উন্নীত করলে পানির আয়তন কমার বদলে কমতে থাকে এবং ঘনত্ব বাড়তে থাকে।
- কারণ ও ফলাফল: চার ডিগ্রি সেলসিয়াসে পানির অণুগুলোর মধ্যকার দূরত্ব এমন একটি সুষম অবস্থায় পৌঁছায় যেখানে প্রতি একক আয়তনে ভরের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে।
- বাস্তব প্রয়োগ: শীতপ্রধান দেশের হ্রদ বা পুকুরের উপরিভাগের পানি জমে বরফ হলেও তলদেশের চার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার ঘন পানির নিচে জলজ প্রাণীরা সহজেই বেঁচে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশের হ্রদে বরফ জমার পরও নিচে মাছ বেঁচে থাকে।
ব্যাখ্যা: ওপরের বরফ তাপ কুপরিবাহী হিসেবে কাজ করে এবং তলদেশে চার ডিগ্রি সেলসিয়াসের ভারী পানি জমে থাকায় জলজ জীবন সুরক্ষিত থাকে।
উদাহরণ ২: ফ্রিজে পানির বোতল কানায় কানায় পূর্ণ করে রাখলে ফেটে যায়।
ব্যাখ্যা: পানি জমে বরফ হলে আয়তন প্রায় নয় শতাংশ বেড়ে যায়, যার ফলে বোতলের ওপর প্রচণ্ড অভ্যন্তরীণ চাপ সৃষ্টি হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 4°F — ফারেনহাইট স্কেলে প্রকাশিত এই মানটি পানির সর্বোচ্চ ঘনত্বের সঠিক তাপমাত্রা নির্দেশ করে না। এটি সেলসিয়াস স্কেলের চার ডিগ্রি মানের সমতুল্য নয়।
B) 0°F — এই তাপমাত্রায় পানি জমে বরফে পরিণত হয়, যা পানির সর্বোচ্চ ঘনত্বের তাপমাত্রা নয়। এটি সেলসিয়াস স্কেলের প্রায় মাইনাস সতেরো দশমিক সাত আট ডিগ্রি সেলসিয়াসের সমান।
C) 0°C — এই তাপমাত্রায় পানি বরফ হতে শুরু করে এবং এ সময় পানির ঘনত্ব চার ডিগ্রি সেলসিয়াসের তুলনায় কম থাকে। এটি বরফ ও পানির হিমাংক বিন্দু।
D) 4°C — এটি পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের বিচারে পানির সর্বোচ্চ ঘনত্বের পরীক্ষামূলকভাবে প্রমাণিত সঠিক মান।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চার ডিগ্রি সেলসিয়াসের চার সংখ্যাটি মনে রাখলেই পানির ঘনত্বের সর্বোচ্চ মানের বিষয়টি সহজে মনে রাখা যায়।
- মনে রাখবে তাপমাত্রা চার ডিগ্রি হলেই ঘনত্ব সর্বোচ্চ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পানির সর্বোচ্চ ঘনত্বের মান এক গ্রাম প্রতি মিলিলিটার অথবা এক হাজার কিলোগ্রাম প্রতি ঘনমিটার।
- একই ধারণা থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে, শূন্য থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াসে পানিকে উত্তপ্ত করলে এর আয়তনের কী পরিবর্তন ঘটে।
সঠিক উত্তর: C) ০°
১. কেন সঠিক:
দুটি বলের লব্ধি তাদের সাধারণ বীজাণিতিক সমষ্টির সমান হয় যখন বল দুটি একই দিকে বা একই রেখায় ক্রিয়া করে।
এই অবস্থায় বল দুটির মধ্যবর্তী কোণ শূন্য ডিগ্রি হয় এবং ভেক্টরের লব্ধির মান সর্বোচ্চ হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: দুটি ভেক্টর রাশির লব্ধির মান তাদের মধ্যবর্তী কোণের ওপর নির্ভর করে এবং একই দিকে কাজ করলে মান সর্বোচ্চ হয়।
সূত্র: R এর স্কয়ার = P এর স্কয়ার + Q এর স্কয়ার + ২ × P × Q × cos(আলফা), যেখানে আলফা হলো বল দুটির মধ্যবর্তী কোণ।
কার্যপ্রণালি: আলফার মান শূন্য ডিগ্রি হলে cos(শূন্য ডিগ্রি) এর মান এক হয়, ফলে সমীকরণটি (P + Q) এর হোল স্কয়ারে পরিণত হয়।
কারণ ও ফলাফল: বল দুটি একই দিকে কাজ করায় কোনো উপাংশ বা কোণ থাকে না, তাই লব্ধি বল সরাসরি দুটি বলের যোগফলের সমান হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: দুটি মানুষ একই দিকে কোনো ভারী বাক্স একসাথে ঠেলে সরালে তাদের বলের মান সরাসরি যোগ হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি ভারী টেবিলকে দুজন ব্যক্তি একই দিকে টানছেন।
ব্যাখ্যা: তাদের প্রয়োগ করা বল একই সরলরেখায় ও একই দিকে থাকায় মোট বল তাদের পৃথক বলের যোগফলের সমান হয়।
উদাহরণ ২: একটি নৌকার টানে দুটি দড়িতে দুজন লোক একই দিকে সমান জোরে টান প্রয়োগ করছেন।
ব্যাখ্যা: এখানে বল দুটির অন্তর্ভুক্ত কোণ শূন্য ডিগ্রি হওয়ায় নৌকাটি সর্বোচ্চ বেগে সামনের দিকে এগিয়ে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯০° — বল দুটি লম্বভাবে কাজ করলে লব্ধির মান সমষ্টির সমান হয় না, বরং পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী হিসাব হয়।
B) ৬০° — বল দুটি ষাট ডিগ্রি কোণে কাজ করলে লব্ধির মান বল দুটির পৃথক সমষ্টির চেয়ে কম হয়।
D) ৪৫° — বল দুটি পঁয়তাল্লিশ ডিগ্রি কোণে ক্রিয়া করলে লব্ধি বলের মান বলদ্বয়ের সরাসরি সাধারণ সমষ্টির সমান হতে পারে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
একই দিকে বল প্রয়োগ করলে কোণ হয় শূন্য ডিগ্রি এবং লব্ধি হয় সর্বোচ্চ বা যোগফলের সমান।
বিপরীত দিকে কাজ করলে কোণ হয় একশত আশি ডিগ্রি এবং লব্ধি হয় সর্বনিম্ন বা বিয়োগফলের সমান।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই সূত্র থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সর্বনিম্ন এবং সর্বোচ্চ লব্ধি নির্ণয়ের অংক আসে।
দুটি সমান বল পরস্পর একাত্তর ডিগ্রি কোণে কাজ করলে তাদের লব্ধি একটি বলের সমান হয়, এই তথ্যটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: A) 210 KJ/min
১. কেন সঠিক:
- এক টন রেফ্রিজারেশন হলো তাপ অপসারণের হার পরিমাপের একটি একক।
- এর মাধ্যমে বোঝানো হয় এক টন বরফ সম্পূর্ণ গলতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন, তা এক মিনিটে অপসারণ করার ক্ষমতা।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: এক টন বরফ (২০০০ পাউন্ড বা ৯০৭ কেজি) শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ২৪ ঘণ্টায় সম্পূর্ণ গলে পানিতে পরিণত হতে যে পরিমাণ তাপ শোষণ করে, তাকে এক টন রেফ্রিজারেশন বলে।
- সূত্র বা হিসাব: বরফের গলনের লীনতাপ প্রতি কেজিতে প্রায় ৩৩৬ কিলোজুল। ৯০৭ কেজি বরফের জন্য মোট তাপ প্রয়োজন প্রায় ৩০৪৮০০ কিলোজুল প্রতি ২৪ ঘণ্টা।
- কার্যপ্রণালি: এই মোট তাপকে ২৪ ঘণ্টা বা ১৪৪০ মিনিট দিয়ে ভাগ করলে প্রতি মিনিটে অপসারিত তাপের পরিমাণ পাওয়া যায়।
- হিসাবের ফলাফল: ৩০৪৮০০ কিলোজুলকে ১৪৪০ মিনিট দিয়ে ভাগ করলে মান আসে প্রতি মিনিটে প্রায় ২১০ কিলোজুল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঘরের এয়ার কন্ডিশনার।
ব্যাখ্যা: একটি দেড় টন ক্ষমতার এয়ার কন্ডিশনার প্রতি মিনিটে প্রায় ৩১৫ কিলোজুল তাপ ঘর থেকে অপসারণ করে বাইরে বের করে দেয়।
উদাহরণ ২: বাণিজ্যিক কোল্ড স্টোরেজ।
ব্যাখ্যা: বড় আকারের হিমাগারে টন হিসাব করে রেফ্রিজারেশন ক্ষমতা নির্ধারণ করা হয় যাতে নির্দিষ্ট পরিমাণ খাদ্যদ্রব্য ঠান্ডা রাখা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 21 KJ/min — এই মানটি ১০ গুণ কম হওয়ায় এটি এক টন রেফ্রিজারেশনের সঠিক পরিমাপ নির্দেশ করে না।
B) 210 KJ/min — এটি সঠিক উত্তর কারণ হিসাব অনুযায়ী এক টন রেফ্রিজারেশনের মান প্রতি মিনিটে ২১০ কিলোজুল।
C) 420 KJ/min — এই মানটি দ্বিগুণ হওয়ায় এটি দুই টন রেফ্রিজারেশন ক্ষমতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে।
D) 500 KJ/min — এই মানটি বৈজ্ঞানিকভাবে নির্ধারিত এক টন রেফ্রিজারেশনের আদর্শ মানের সঙ্গে মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মানটি মনে রাখার জন্য ২৪ ঘণ্টার হিসাবকে মিনিটে রূপান্তর করে প্রতি মিনিটে ২১০ কিলোজুল এই সংখ্যাটি মাথায় রাখবে।
- টন রেফ্রিজারেশন মানে বরফ গলানোর ক্ষমতা, ওজনের পরিমাপ নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় তাপগতিবিদ্যা ও যন্ত্রকৌশল অংশে প্রায়ই আসে।
- এখান থেকে প্রতি ঘণ্টায় বা কিলোওয়াট এককে রূপান্তরের প্রশ্নও আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) অ
১. কেন সঠিক:
- বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংখ্যা এগারোটি এবং এদের সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বলা হয়।
- 'অ' বর্ণটির নিজস্ব কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ বা কার চিহ্ন নেই, কারণ এটি ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে লুক্কায়িত থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বলা হয় এবং এর সংখ্যা দশটি।
- 'অ' স্বরবর্ণটি ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত থাকার সময় কোনো দৃশ্যমান কার চিহ্ন হিসেবে বসে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলম
ব্যাখ্যা: এখানে ক এবং ল বর্ণের সাথে 'অ' স্বরবর্ণটি লুকিয়ে আছে কিন্তু আলাদা কোনো কার চিহ্ন নেই।
উদাহরণ ২: ঘর
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ঘ এবং র বর্ণের সাথে 'অ' অন্তর্নিহিত রয়েছে যার কোনো পৃথক কার রূপ নেই।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আ — এই স্বরবর্ণটির কার রূপ হলো আকার যা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়।
B) অ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর কোনো কার বা সংক্ষিপ্ত রূপ নেই।
C) উ — এই স্বরবর্ণটির কার রূপ হলো হ্রস্ব-উ কার যা ব্যঞ্জনবর্ণের নিচে বসে।
D) ঈ — এই স্বরবর্ণটির কার রূপ হলো দীর্ঘ-ঈ কার যা ব্যঞ্জনবর্ণের ডানে বসে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- স্বরবর্ণ মোট এগারোটি হলেও কার চিহ্ন মাত্র দশটি।
- একমাত্র 'অ' বর্ণটির কোনো কার চিহ্ন নেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন স্বরবর্ণের কার নেই।
- উত্তর সবসময় 'অ' হবে কারণ এটি প্রচ্ছন্ন বর্ণ হিসেবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: D) ভাষা আন্দোলন
১. কেন সঠিক:
- 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটির মূল প্রেক্ষাপট হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এবং এর পরবর্তী শহীদ দিবসের পটভূমি।
- উপন্যাসে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের চেতনা এবং একুশে ফেব্রুয়ারির শহীদদের স্মৃতিচারণ ও তাদের রক্তের ঋণ শোধের সংগ্রামের কথা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই উপন্যাসটির রচিয়তা বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান।
- এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত প্রখ্যাত রাজনৈতিক ও সামাজিক উপন্যাস যা ভাষাভিত্তিক স্বাধিকার আন্দোলনের ইতিহাসকে ধারণ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে ভাষা আন্দোলনের পরবর্তী রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশ সুন্দরভাবে চিত্রিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: জহির রায়হানের 'বরফ গলা নদী' উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের আরেকটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা ভিন্ন একটি প্রেক্ষাপটে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুক্তিযুদ্ধ — জহির রায়হানের 'হাজার বছর ধরে' বা অন্যান্য রচনা মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট হলেও 'আরেক ফাল্গুন' ভাষা আন্দোলনকে নিয়ে লেখা।
B) দেশভাগ — দেশভাগের প্রেক্ষাপটে রচিত বিখ্যাত উপন্যাস হলো সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'লাল সালু' বা আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের রচনা, যা এই উপন্যাসের বিষয় নয়।
C) গণ আন্দোলন — উনসত্তরের গণঅভুত্থান এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু নয়, কারণ এটি সরাসরি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত।
D) ভাষা আন্দোলন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী শতভাগ নির্ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ফাল্গুন মাসেই একুশে ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ ভাষা শহীদ দিবস পালিত হয়, তাই 'ফাল্গুন' শব্দ দেখলেই ভাষা আন্দোলন মনে রাখা সহজ।
- জহির রায়হান ভাষা আন্দোলনের ওপর ভিত্তি করে এই অসামান্য উপন্যাসটি রচনা করেছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জহির রায়হানের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ভাষা আন্দোলনের ওপর ভিত্তি করে রচিত উপন্যাসগুলোর নাম এবং লেখকের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য খুব দরকারী।
সঠিক উত্তর: A) অসময়ের জাগরণ
১. কেন সঠিক:
- অকাল বোধন বাগধারাটির শাব্দিক ও ভাবগত অর্থ হলো এমন কোনো কিছুর সূচনা বা জাগরণ যা নির্ধারিত বা উপযুক্ত সময়ে ঘটে না।
- বাংলা সংস্কৃতি ও পৌরাণিক ঐতিহ্য অনুসারে দেবীর বোধন সাধারণত শরৎকালে নির্ধারিত সময়ে হয়, কিন্তু রামচন্দ্র সীতা উদ্ধারের জন্য অকালে অর্থাৎ বসন্তকালে দেবীর বোধন করেছিলেন, যেখান থেকেই এই অর্থের উৎপত্তি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি বিশেষ বাগধারা যা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে নির্দিষ্ট একটি ঐতিহাসিক বা পৌরাণিক ঘটনার পটভূমিতে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা তাদের আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরীক্ষার আগের রাতে হঠাৎ পড়াশোনা শুরু করা যেন অকাল বোধন।
ব্যাখ্যা: এখানে উপযুক্ত সময়ের পরিবর্তে শেষ মুহূর্তে প্রস্তুতি নেওয়া বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: দেশের এই দুর্দিনে তোমার এই রাজনৈতিক তৎপরতা একপ্রকার অকাল বোধন।
ব্যাখ্যা: এখানে অপ্রাসঙ্গিক বা অসময়ে কোনো কাজের সূচনা বোঝাতে এই বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অসময়ের জাগরণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বাগধারাটির প্রমিত ও প্রচলিত ভাবার্থ নির্দেশ করে।
B) যথাসময়ের জাগরণ — এই অপশনটি ভুল কারণ 'যথাসময়' অর্থ সঠিক সময়, যা অকাল বোধনের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) অসময়ে প্রস্থান — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রস্থান শব্দের অর্থ চলে যাওয়া বা ত্যাগ করা, যা জাগরণের সঙ্গে মেলে না।
D) অসময়ে নিদ্রা — এই অপশনটি ভুল কারণ নিদ্রা অর্থ ঘুম, অথচ এই বাগধারার মূল অর্থ হলো জাগরণ বা সূচনা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অকাল শব্দের অর্থ যা সময়মতো নয় এবং বোধন অর্থ জাগরণ, তাই এই দুটি শব্দ মিলিয়ে সহজে মনে রাখা যায় এটি অসময়ের জাগরণ।
- রামচন্দ্র অকালে দেবীর আরাধনা করেছিলেন, এই পৌরাণিক ঘটনাটি মাথায় রাখলে কখনো ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পৌরাণিক উৎস থেকে আসা বাগধারাগুলো প্রায়ই পরীক্ষাকেন্দ্রে বিভ্রান্তি তৈরি করে, তাই মূল উৎস জানা জরুরি।
- এই ধরনের বাগধারাগুলোর আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে সবসময় তার প্রচলিত ভাবার্থ বা রূপক অর্থটি উত্তর হিসেবে নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) তুর্কি
১. কেন সঠিক:
'দারোগা' শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বাংলা ভাষার শব্দভান্ডারে বিভিন্ন বিদেশি ভাষার শব্দ প্রবেশ করেছে এবং দারোগা তেমনি একটি বহিরাগত শব্দ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের মধ্যে তুর্কি শব্দগুলোর একটি নির্দিষ্ট তালিকা রয়েছে। প্রশাসনিক ও সামরিক পরিচায়ক বেশ কিছু শব্দ তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দারোগা
ব্যাখ্যা: এটি একটি তুর্কি শব্দ যা পুলিশ বিভাগের একটি পদ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: কোষাধ্যক্ষ
ব্যাখ্যা: এটি ভাণ্ডার বা হিসাব রক্ষক বোঝাতে তুর্কি ভাষার প্রভাবে ব্যবহৃত একটি শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তুর্কি — এই অপশনটি সঠিক কারণ দারোগা একটি তুর্কি শব্দ।
B) বার্মিজ — এই অপশনটি ভুল কারণ বার্মিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় ফিনকি বা লুঙ্গির মতো শব্দ এসেছে।
C) পর্তুগিজ — এই অপশনটি ভুল কারণ পর্তুগিজ ভাষা থেকে আনারস, চাবি, সাবান ইত্যাদি শব্দ এসেছে।
D) ফারসি — এই অপশনটি ভুল কারণ ফারসি ভাষা থেকে কাগুজে, চশমা বা বাগান শব্দগুলো এসেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
তুর্কি শব্দগুলো মনে রাখার জন্য দারোগা, চাকর, বাবুর্চি ও লাশ শব্দগুলো একসাথে মনে রাখতে পারো। এগুলো সবই প্রশাসনিক ও সামাজিক পদ বা অবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত তুর্কি শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তুর্কি, পর্তুগিজ ও ফারসি শব্দের তালিকা ভালোভাবে মুখস্থ করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) আমি বিজয় দেখেছি
১. কেন সঠিক:
- আমি বিজয় দেখেছি গ্রন্থটি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লেখা নয়, বরং এটি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক এম আর আখতার মুকুলের একটি বিখ্যাত রচনা।
- প্রশ্নটিতে কোনটি জাহানারা ইমাম রচিত নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই এই গ্রন্থটিই সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শহীদ জননী জাহানারা ইমাম একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র রুমীকে হারান এবং মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো নিয়ে ডায়েরি আকারে রচনা করেন তাঁর বিখ্যাত স্মৃতিকথা একাত্তরের দিনগুলি।
- তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ক্যানসারের সাথে বসবাস এবং প্রবাসে দিনলিপি যা তাঁর জীবন সংগ্রামের অনন্য দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একাত্তরের দিনগুলি
ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমাম রচিত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের দিনলিপিভিত্তিক একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: ক্যানসারের সাথে বসবাস
ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমামের লেখা একটি আত্মজীবনীমূলক ও অনুপ্রেরণাদায়ী গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একাত্তরের দিনগুলি — এটি জাহানারা ইমামেরই রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতিকথা গ্রন্থ।
B) ক্যানসারের সাথে বসবাস — এটি জাহানারা ইমাম রচিত ক্যানসার রোগের বিরুদ্ধে তাঁর লড়াইয়ের অভিজ্ঞতাভিত্তিক গ্রন্থ।
C) আমি বিজয় দেখেছি — এটি জাহানারা ইমামের রচনা নয়, তাই এটিই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) নিঃসঙ্গ পাইন — এটিও জাহানারা ইমামের একটি পরিচিত সাহিত্যকর্ম বা ভ্রমণকাহিনেমূলক গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সবচেয়ে বিখ্যাত দুটি বই হলো একাত্তরের দিনগুলি ও ক্যানসারের সাথে বসবাস।
- এম আর আখতার মুকুল রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ হলো আমি বিজয় দেখেছি, যা জাহানারা ইমামের নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- একাত্তরের দিনগুলি গ্রন্থটির রচয়িতা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- এম আর আখতার মুকুলের রচিত অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থ হলো জয় বাংলা ও দলিলপত্র।
সঠিক উত্তর: C) অব্যয়
১. কেন সঠিক:
- 'টাপুর টুপুর' একটি ধ্বন্যাত্মক শব্দ যা বৃষ্টির পড়ার শব্দ বোঝায় এবং বাংলায় এটি অব্যয় পদের অন্তর্ভুক্ত।
- বাক্যে বিশেষ শব্দ বা ধ্বনির পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে যখন কোনো বিশেষ ভাব প্রকাশ করা হয়, তখন তাকে ধ্বন্যাত্মক অব্যয় বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে শব্দ কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কল্পিত ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয় এবং বাক্যে অব্যয়ের মতো ব্যবহৃত হয়, তাকে ধ্বন্যাত্মক বা অনুকার অব্যয় বলে।
- পদ প্রকরণের নিয়ম অনুযায়ী ধ্বন্যাত্মক শব্দগুলো মূলত অব্যয় পদের আওতাভুক্ত কারণ এগুলোর কোনো রূপান্তর বা লিঙ্গ-বচনভেদে পরিবর্তন হয় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঝিরঝির বাতাস বইছে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'ঝিরঝির' বাতাসের মৃদু শব্দের অনুকরণে গঠিত একটি ধ্বন্যাত্মক অব্যয় পদ।
উদাহরণ ২: কলকল নদী বয়ে যায়।
ব্যাখ্যা: এখানে 'কলকল' জলের প্রবাহের শব্দ বোঝাতে ব্যবহৃত ধ্বন্যাত্মক অব্যয় পদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষণ — বিশেষণ পদ কোনো কিছুর দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে, কিন্তু 'টাপুর টুপুর' কোনো গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে না।
B) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদ দ্বারা কোনো কিছুর নাম বোঝায়, কিন্তু 'টাপুর টুপুর' কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির, বস্তুর বা জায়গার নাম নয়।
C) অব্যয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ধ্বন্যাত্মক অব্যয়ের একটি রূপ যা কোনো পদের বিকার ঘটায় না।
D) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদ দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝায়, কিন্তু 'টাপুর টুপুর' দ্বারা কোনো কাজ করা বোঝায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বৃষ্টির শব্দ, বাতাসের আওয়াজ বা কোনো কিছুর অনুকরণ শব্দ পেলে চোখ বন্ধ করে তা অব্যয় পদের ধ্বন্যাত্মক শব্দের মধ্যে ফেলবে।
- মনে রাখবে ধ্বন্যাত্মক শব্দ মাত্রই অব্যয় পদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি থাকলে তা সাধারণত অব্যয় পদ হিসেবে চিহ্নিত করতে হয়।
- এই নিয়মের প্রশ্নগুলো বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) ১৯২২
১. কেন সঠিক:
'অগ্নিবীণা' বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। এটি বাংলা ১৩২৯ সালের কার্তিক মাসে প্রকাশিত হয় এবং ইংরেজি সাল অনুযায়ী ১৯২২ সালের ২৫ অক্টোবর এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই কাব্যগ্রন্থটিতে মোট ১২টি বিখ্যাত কবিতা রয়েছে যার মধ্যে বিদ্রোহী, প্রলয়োল্লাস, কামাল পাশা ও আগমনী বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বাংলা কাব্যাঙ্গনে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল এই গ্রন্থটি এবং এর প্রচ্ছদ এঁকেছিলেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'বিষের বাঁশি'
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ভাবাপন্ন ও প্রতিবাদী কাব্যগ্রন্থ যা প্রকাশিত হয় ১৯২৪ সালে।
উদাহরণ ২: 'ভাঙার গান'
ব্যাখ্যা: এটিও নজরুলের একটি বিখ্যাত সংগীত ও কবিতা সংকলন যা ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯২৩ — এই সালে কাজী নজরুলের বিখ্যাত 'সঞ্চিতা' কাব্যগ্রন্থের সংকলন কাজ শুরু হয় এবং 'দোলনচাঁপা' কাব্য প্রকাশিত হয়।
B) ১৯২০ — এই সালে কাজী নজরুল ইসলাম ও মোজাম্মেল হকের যৌথ সম্পাদনায় 'নবযুগ' পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
C) ১৯২১ — এই সালে কাজী নজরুলের বিখ্যাত 'বিদ্রোহী' কবিতা রচিত হয় এবং তিনি শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে দেখা করেন।
D) ১৯২২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের বিদ্রোহী জন্মসাল বা প্রথম কাব্য মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে অগ্নিবীণা প্রকাশিত হয়েছিল ১৯২২ সালে। অগ্নিবীণা নামটি উচ্চারণ করলেই মনে আসে বিদ্রোহী কবিতার কথা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএসসহ সকল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নিবীণার প্রকাশকাল এবং এর প্রথম কবিতার নাম প্রায়ই আসে। অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা হলো প্রলয়োল্লাস এবং দ্বিতীয় কবিতা হলো বিদ্রোহী।
সঠিক উত্তর: D) ঝরা পালক
১. কেন সঠিক:
জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো ঝরা পালক। এটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে কবির তরুণ বয়সের রোমান্টিক ও বিষণ্ন মননের পরিচয় পাওয়া যায়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং তাকে রূপসী বাংলার কবি ও নির্জনতার কবি বলা হয়। তার কাব্যে বাংলার প্রকৃতি এবং মানুষের মনের গভীরের বিষণ্নতা ও সুর স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ধূসর পাণ্ডুলিপি
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
উদাহরণ ২: রূপসী বাংলা
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের একটি প্রকৃতিভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ, যা কবির মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রূপসী বাংলা — এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্য নয়, এটি একটি মরণোত্তর প্রকাশিত প্রকৃতিভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ।
B) সাতটি তারার তিমির — এটি জীবনানন্দ দাশের একটি অন্যতম প্রধান কাব্যগ্রন্থ, তবে এটি প্রথম কাব্য নয়।
C) ধূসর পাণ্ডুলিপি — এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি তার তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ।
D) ঝরা পালক — এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
জীবন প্রথম শুরু হয় ঝরে পড়া কচিপাতা দিয়ে, তাই জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্য হলো ঝরা পালক। এভাবে সহজে মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্য ঝরা পালক এবং তার প্রথম প্রকাশিত কবিতা বর্ষাবাহন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির প্রথম কাব্য ও প্রকাশের সন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) অনুগামী
১. কেন সঠিক:
'পশ্চাতে গমন করে যে' এই বাক্যটির এককথায় প্রকাশ হলো অনুগামী। এখানে 'অনু' উপসর্গটি পশ্চাৎ বা পরে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং 'গামী' শব্দের অর্থ গমনকারী।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি প্রশ্ন। বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে সংক্ষেপে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে বাক্য সংকোচন বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি = অপೂರ್ವ
ব্যাখ্যা: এই বাক্য সংকোচনটিতে কোনো দৃশ্য বা বিষয়ের অভূতপূর্বতা বোঝাতে 'অপૂર્વ' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: কষ্টে নিবারণ করা যায় যা = দুর্নিবার
ব্যাখ্যা: এই বাক্য সংকোচনটিতে কোনো কিছু সহজে থামানো বা আটকানো যায় না এমন ভাব প্রকাশ করতে 'দুর্নিবার' ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পশ্চাতগামী — এই বানানটিতে 'পশ্চাত' শব্দের শেষে খন্ড-ত রয়েছে যা প্রমিত বানানের নিয়মে সবসময় সঠিক নয়।
B) অগ্রগামী — এর অর্থ যা সামনে গমন করে বা এগিয়ে চলে এবং এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক নয়।
C) অনুগামী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে এটিই নির্ধারিত এবং এর অর্থ পশ্চাতে গমনকারী।
D) পশ্চাৎগামী — এই বানানটিতে বিসর্গ বা চন্দ্রবিন্দুজনিত সূক্ষ্ম ত্রুটি রয়েছে যা এককথায় প্রকাশের প্রমিত রূপের সাথে মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
পিছে বা পেছনে চলা বোঝাতে 'অনু' উপসর্গযুক্ত শব্দ যেমন অনুগামী ব্যবহার করতে হয়। সামনে চলা বোঝালে 'অগ্র' উপসর্গ ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য সংকোচনের ক্ষেত্রে বানান ও উপসর্গভিত্তিক অর্থ প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে। তাই শব্দের মূল অর্থ ও উপসর্গ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
- 'জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা' শহীদ জহির রায়হান নয়, বরং শহীদ বুদ্ধিজীবী ও কথাসাহিত্যিক শহীদুল জহিরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং পূর্ববর্তী রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ঢাকার পুরনো ঢাকার মানুষের জীবন ও বাস্তবতাকে জাদুকরী বাস্তবতাবাদ শৈলীতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শহীদুল জহিরের প্রকৃত নাম আবু হাদি মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ এবং তিনি আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যে তাঁর অনন্য গদ্যশৈলীর জন্য বিশেষ পরিচিত।
- তাঁর এই উপন্যাসে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার সাধারণ মানুষের ভয়, শঙ্কা এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের নিদারুণ প্রভাব অত্যন্ত নিপুণভাবে চিত্রিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অমিয় ভূষণ মজুমদারের 'গারো পাহাড়ের নিচে'
ব্যাখ্যা: এটিও একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত উপন্যাস যা বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনাকে তুলে ধরে।
উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের 'জননী'
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত কালজয়ী উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপন্যাস — এটি সঠিক কারণ গ্রন্থটি কথাসাহিত্যের উপন্যাস শাখার অন্তর্ভুক্ত।
B) প্রবন্ধগ্রন্থ — এটি কোনো চিন্তামূলক বা মননশীল প্রবন্ধের সংকলন নয়, তাই এই অপশন ভুল।
C) নাটক — এটি মঞ্চে অভিনয়ের জন্য রচিত কোনো নাটক বা একাঙ্কিকা নয়, তাই এই অপশন ভুল।
D) আত্মজীবনী — এটি লেখকের নিজের জীবনের কোনো ঘটনা বা স্বরচিত জীবনীগ্রন্থ নয়, তাই এই অপশন ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শহীদুল জহিরের নামের সাথে 'জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা' উপন্যাসটি গভীরভাবে যুক্ত, যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা।
- লেখকের নামের প্রথম অক্ষর শ এবং উপন্যাসের পটভূমি রাজনৈতিক, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শহীদুল জহিরের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে 'সেদিন শেওড়াফুলি' এবং 'আবু ইব্রাহিমের মৃত্যু' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
সঠিক উত্তর: D) ভাষারীতির সঙ্গে
১. কেন সঠিক:
- গুরুচণ্ডালী দোষ সরাসরি বাংলা ভাষারীতির সঙ্গে সম্পর্কিত। সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণজনিত ত্রুটি হলো গুরুচণ্ডালী দোষ।
- বাংলা গদ্যে সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ প্রমাদ বা দোষ হিসেবে গণ্য হয়। এই মিশ্রণের ফলে ভাষার সৌন্দর্য ও ভাবগাম্ভীর্য নষ্ট হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষারীতির মিশ্রণ জনিত ত্রুটি বা দোষ হলো গুরুচণ্ডালী। সাধু শব্দের সঙ্গে চলিত শব্দের অপরিকল্পিত ব্যবহার এই দোষ সৃষ্টি করে।
- সাধু রীতির অনুসর্গ, ক্রিয়াপদ বা সর্বনামের সঙ্গে চলিত রীতির পদের ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। এটি বাংলা ভাষারীতির একটি সুনির্দিষ্ট ত্রুটি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্মশানের শব
ব্যাখ্যা: এখানে শ্মশান শব্দটি চলিত এবং শব শব্দটি তৎসম বা সাধু রীতির হওয়ায় এটি গুরুচণ্ডালী দোষের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: মরা গরু
ব্যাখ্যা: মরা চলিত রীতির শব্দ এবং গরু চলিত রীতির শব্দ হওয়ায় এটি শুদ্ধ রূপ, কিন্তু এর বিপরীত রূপ মৃতা গাভী বা মরা গরুর মিশ্রণ গুরুচণ্ডালী দোষ তৈরি করতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উচ্চারণের সঙ্গে — উচ্চারণগত ত্রুটি হলো ধ্বনিগত ভুল, যা গুরুচণ্ডালী দোষের আওতাভুক্ত নয়।
B) বানানের সঙ্গে — বানানগত ভুল হলো বর্ণ বা প্রমিত বানানরীতির লঙ্ঘন, যা ভাষার রীতির মিশ্রণের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়।
C) রূপতত্ত্বের সঙ্গে — রূপতত্ত্ব শব্দ গঠন ও পদের রূপ নিয়ে আলোচনা করে, যা গুরুচণ্ডালী দোষের সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্র নয়।
D) ভাষারীতির সঙ্গে — এটি সঠিক কারণ সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ ভাষারীতির সঙ্গে সম্পর্কিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গুরুচণ্ডালী মানেই সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ। সাধু ও চলিত একসাথে দেখলে বুঝবে এটি ভাষারীতির ভুল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষারীতি ও বাক্যশুদ্ধি অধ্যায়ে গুরুচণ্ডালী দোষ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। সাধু ও চলিত পদের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) হুমায়ূন আহমেদ
১. কেন সঠিক:
- জোছনা ও জননীর গল্প উপন্যাসটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত ও প্রামাণ্য উপন্যাস এটি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- হুমায়ূন আহমেদ বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের অন্যতম জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক ও নির্মাতা।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে রচিত তাঁর একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি এই উপন্যাসটি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের দিনগুলি
ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমাম রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: আগুনের পরশমণি
ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আরেকটি জনপ্রিয় উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আনোয়ার পাশা — তিনি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস রাহিপ্রদেশ বা রেوئ্ত রচয়িতা কিন্তু জোছনা ও জননীর গল্প তাঁর লেখা নয়।
B) শহীদুল্লাহ কায়সার — তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস সারেং বউ ও সংশপ্তক তবে এই উপন্যাসের লেখক তিনি নন।
C) হুমায়ূন আহমেদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে।
D) আব্দুল হাই — তিনি মূলত বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী ও গবেষক ছিলেন এবং তাঁর সাহিত্যকর্ম ভিন্ন প্রকৃতির।
৫. মনে রাখার টিপস:
- হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখতে জোছনা ও জননীর গল্প এবং আগুনের পরশমণি একসাথে মনে রাখা যায়।
- ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত তাঁর বিশাল আকৃতির এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
- লেখক পরিচিতি ও তাঁর প্রধান গ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মুকুন্দরাম
১. কেন সঠিক:
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। তিনি ষোড়শ শতাব্দীতে আবির্ভূত হন এবং তার অসাধারণ কাব্যিক প্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ সমসাময়িক সমাজে তাকে কবি কঙ্কন উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো চণ্ডীমঙ্গল কাব্য বা কবিকঙ্কণ চণ্ডী। এই কাব্যের মূল সুর ছিল তৎকালীন সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা, সামাজিক চিত্র এবং দেবী চণ্ডীর মাহাত্ম্য প্রচার।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কবিকঙ্কণ চণ্ডী
ব্যাখ্যা: এটি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মঙ্গলকাব্য যা মধ্যযুগের সমাজের দর্পণ স্বরূপ।
উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
ব্যাখ্যা: এটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন ও কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুকুন্দরাম — সঠিক উত্তর কারণ তিনি কবি কঙ্কন উপাধি পেয়েছিলেন।
B) ভারতচন্দ্র — এই কবির প্রকৃত উপাধি ছিল রায়গুণাকর, কবি কঙ্কন নয়।
C) বড়ু চণ্ডীদাস — তিনি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর আদি কবি, তাকে কবি কঙ্কন বলা হয় না।
D) বিদ্যাপতি — তিনি মিথিলার কবি হলেও বাংলা সাহিত্যে পদাবলীর জন্য বিখ্যাত, কবি কঙ্কন উপাধির সঙ্গে তার সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
মুকুন্দরামের নামের সঙ্গেই তার উপাধি ও কাব্যের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো মুকুন্দরাম মানেই কবিকঙ্কণ চণ্ডী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের কবিদের উপাধি এবং তাদের রচিত কাব্যগুলোর নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। বিশেষ করে ভারতচন্দ্রের রায়গুণাকর এবং মুকুন্দরামের কবি কঙ্কন উপাধিটি বারবার পরীক্ষাতে দেখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) বহুব্রীহি
১. কেন সঠিক:
যে সমসে পদগুলোর দুটির কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
'বহুব্রীহি' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো বহু ব্রীহি (ধান) যার, যার অর্থ বহুধনশালী। এখানে সমস্তপদটি অন্য পদকে নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কারোরই অর্থের প্রাধান্য থাকে না, সম্পূর্ণ নতুন অর্থের সৃষ্টি হয়।
এই সমাসে সাধারণত যার, যাহাদের, যাতে ইত্যাদি পদ ব্যাসবাক্যের শেষে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিনা জপিতেছে যে নারী = বিনা জপা
ব্যাখ্যা: এটি ব্যাসবাক্য বিশ্লেষণ করে নতুন অর্থ প্রকাশ করার একটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: দশ অক্ষি (চোখ) যার = দশান্ন
ব্যাখ্যা: রাবণকে বোঝাতে এই বহুব্রীহি সমাস ব্যবহার করা হয় যা অন্য অর্থ প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বহুব্রীহি — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সংজ্ঞার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
B) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদের অর্থ প্রধান থাকে এবং অব্যয় যোগে গঠিত হয়।
D) প্রাদী সমাস — প্র, পরা ইত্যাদি উপসর্গ সামনে বসে যে সমাস হয় তাকে প্রাদী সমাস বলে।
৫. মনে রাখার টিপস:
অন্য পদের অর্থ প্রকাশ পেলে চোখ বন্ধ করে বহুব্রীহি সমাস দাগাবে।
ব্যাসবাক্যের শেষে যার বা যাতে শব্দটি দেখলে বহুব্রীহি সমাস চেনা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বহুব্রীহি সমাস বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় প্রায়ই আসে।
সমানাধিকার ও ব্যধিকরণ বহুব্রীহি ভেদের নিয়মগুলো ভালোভাবে চর্চা করবে।
সঠিক উত্তর: B) চর্যাপদ
১. কেন সঠিক:
- চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন যা মধ্যযুগের অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং এটি প্রাচীন যুগের বা অন্ধকার যুগের একমাত্র প্রামাণিক সাহিত্যকর্ম।
- মধ্যযুগের সময়কাল ধরা হয় আনুমানিক ১২০১ সাল থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত, আর চর্যাপদের রচনাকাল হলো আনুমানিক ৯৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা সাহিত্যকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয় যথা প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগ।
- চর্যাপদ বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা সান্ধ্যভাষায় রচিত পদসংকলন যা মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের প্রাক-চৈতন্য যুগের একটি অন্যতম নিদর্শন এবং বড়ু চণ্ডীদাস রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য।
উদাহরণ ২: বৈষ্ণব পদাবলী
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান ধারা যা রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে রচিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বৈষ্ণব পদাবলী — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় ধারা যা চৈতন্যদেব পরবর্তী সময়ে বিকাশ লাভ করে।
B) চর্যাপদ — এটি মধ্যযুগের নিদর্শন নয়, বরং এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র লিখিত ও প্রামাণিক সাহিত্যিক নিদর্শন।
C) মঙ্গলকাব্য — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ও দীর্ঘ ধারা যা বিভিন্ন দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল।
D) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — এটি মধ্যযুগের প্রাক-চৈতনীয় যুগের একটি নিদর্শন এবং আবিষ্কৃত প্রাচীনতম মধ্যযুগীয় কাব্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে চর্যাপদ হলো প্রাচীন যুগের আর বাকি তিনটি অর্থাৎ বৈষ্ণব পদাবলী, মঙ্গলকাব্য ও শ্রীকৃষ্ণকীর্তন হলো মধ্যযুগের সাহিত্য।
- প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ এবং মধ্যযুগের সূচনা দ্বাদশ শতাব্দীর পর থেকে শুরু হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্যকর্ম আলাদা করার প্রশ্ন আসে, তাই যুগ বিভাজন ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
- চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এটি প্রথম প্রকাশিত হয় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে।
সঠিক উত্তর: D) অপাদান কারকে তৃতীয়া বিভক্তি
১. কেন সঠিক:
- কোনো কিছু থেকে বিচ্যুত, জাত, বিরত, উৎপন্ন, ভীত বা রক্ষিত হওয়া বোঝালে অপাদান কারক হয়।
- এখানে চোখ থেকে জল পড়ে অর্থাৎ জল চোখ থেকে বিচ্যুত হচ্ছে বা নির্গত হচ্ছে, তাই এটি অপাদান কারক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরব্ধ, উৎপন্ন, ভীত হয় কিংবা যা দেখে কেউ ভয় পায়, তাকে অপাদান কারক বলে।
- চোখ দিয়ে বাক্যে চোখ হলো উৎস বা আধার যেখান থেকে জল নির্গত হচ্ছে, আর শব্দের সাথে 'দিয়ে' অনুসর্গ বা বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
ব্যাখ্যা: এটি অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তির উদাহরণ কারণ পাতা গাছ থেকে বিচ্যুত হচ্ছে।
উদাহরণ ২: হিমালয় থেকে নদী উৎপন্ন হয়েছে।
ব্যাখ্যা: নদী হিমালয় থেকে জাত বা উৎপন্ন হয়েছে বোঝাচ্ছে, তাই এটি অপাদান কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অধিকরণ কারকে তৃতীয়া — অধিকরণ কারক স্থান বা সময় বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) করণকারকে তৃতীয়া বিভক্তি — যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে করণ বলে, জল পড়ার ক্ষেত্রে চোখ কোনো যন্ত্র বা সাহায্যকারী মাধ্যম নয় বরং উৎস।
C) কর্মকারকে তৃতীয়া বিভক্তি — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্ম কারক বলে, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
D) অপাদান কারকে তৃতীয়া বিভক্তি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে বিচ্যুতি বা উৎস বোঝানো হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্য থেকে কোথায় থেকে, কার থেকে বা কী থেকে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় এবং বিচ্যুতি বা উৎস বোঝায়, তা অপাদান কারক।
- চোখ দিয়ে জল পড়া মানে চোখ থেকে জল আলাদা হওয়া, তাই এটি অপাদান কারক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিচ্যুতি, উৎপত্তি ও ভয় বোঝালেই চোখ বুজে অপাদান কারক চিহ্নিত করতে হবে।
- একই রকম বাক্যে অনুসর্গের ব্যবহার দেখে বিভক্তি নির্ণয় করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) বিরত
১. কেন সঠিক:
'নিরত' শব্দের অর্থ কোনো কাজে সর্বদা লিপ্ত বা মগ্ন থাকা। এর বিপরীতে কোনো কাজ থেকে দূরে থাকা বা বিরত থাকাকে বোঝানোর জন্য 'বিরত' শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
শব্দার্থের দিক থেকে বিপরীতার্থক শব্দ নির্ধারণের সময় শব্দের মূল ভাব বা অর্থের বিপরীত রূপটি বিবেচনা করতে হয়। 'নিরত' ও 'বিরত' শব্দ দুটি অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত ভাব প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে পাপ কাজ থেকে বিরত থাকল।
ব্যাখ্যা: এখানে 'বিরত' শব্দটি কোনো খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকাকে বুঝিয়েছে।
উদাহরণ ২: ছাত্রটি পড়ালেখায় নিরত আছে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'নিরত' শব্দটি পড়াশোনায় মগ্ন থাকাকে বুঝিয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিরত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিরত শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) রত — এটি নিরত শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়।
C) অবিরত — এটি নিরত শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ অবিরাম।
ডি) নিবৃত — এর অর্থ নিবৃত্ত বা নিবারিত করা, যা নিরত শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক হিসেবে অনুপযুক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
নিরত অর্থ মগ্ন আর বিরত অর্থ দূরে থাকা। মগ্ন থাকা এবং দূরে থাকা একে অপরের বিপরীত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের উপসর্গ এবং মূল ধাতুর অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। সমার্থক এবং বিপরীতার্থক শব্দের পার্থক্য বুঝতে নিয়মিত অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
১. কেন সঠিক:
- 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসের রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
- উপন্যাসের মূল চরিত্র আরেফ একজন শিক্ষক, যিনি এক রাতে এক তরুণীর আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনা প্রত্যক্ষ করেন এবং তার অপরাধবোধ ও নৈতিক সংকটের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণই এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বিংশ শতাব্দীর বাঙালি কথাসাহিত্যিক যিনি অস্তিত্ববাদ ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত।
- তাঁর রচিত অন্যান্য অমর সৃষ্টিগুলোর মধ্যে 'লালসালু' ও 'কাঁদো নদী কাঁদো' উপন্যাস বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'লালসালু'
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত গ্রামীণ সমাজজীবনের ভণ্ড পীরবাদের বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী প্রতিবাদমূলক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: 'কাঁদো নদী কাঁদো'
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর আরেকটি প্রখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা নদীর সঙ্গে মানুষের অস্তিত্বের সম্পর্ক তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শামসুদ্দীন আবুল কালাম — ইনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও 'চাঁদের অমাবস্যা' তাঁর রচিত উপন্যাস নয়।
B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপন্যাসটি তাঁরই লেখা।
C) আবু জাফর শামসুদ্দীন — ইনি সাংবাদিক ও ঔপন্যাসিক হলেও তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো 'সংকর সংকীর্তন'।
D) দিলারা হাশেম — ইনি একজন বিশিষ্ট নারী ঔপন্যাসিক হলেও 'চাঁদের অমাবস্যা' তাঁর সাহিত্যকর্মের তালিকাভুক্ত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস সংখ্যায় কম কিন্তু মানের দিক থেকে অনন্য।
- ওয়ালীউল্লাহর তিনটি বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো লাল চাঁদ কাঁদে অর্থাৎ লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা ও কাঁদো নদী কাঁদো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বিশেষ করে 'লালসালু' ও 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসের মূল চরিত্র ও প্রেক্ষাপট ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সঞ্চিতা
১. কেন সঠিক:
- সঞ্চিতা কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কবিতা সংকলন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা নয় কোনটি, তা এই প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক বিশাল ব্যক্তিত্ব এবং নোবেলজয়ী কবি।
- সঞ্চিতা কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা সংকলন হওয়ায় এটি রবীন্দ্রনাথের রচনা নয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কবিতা গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: মানুষের গান
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের সাম্যবাদী চেতনার একটি বিখ্যাত কবিতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চিত্রা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
B) সঞ্চিতা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা সংকলন, তাই এটি সঠিক উত্তর।
C) সঞ্চয়িতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন গ্রন্থ।
D) চতু রঙ্গ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সঞ্চিতা নামের শেষে তা আছে যা নজরুলকে নির্দেশ করে এবং সঞ্চয়িতা নামের শেষে য়া আছে যা রবীন্দ্রনাথকে নির্দেশ করে।
- রবীন্দ্রনাথে চ দিয়ে চিত্রা এবং চতু রঙ্গ মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সঞ্চিতা কাজী নজরুল ইসলাম এবং সঞ্চয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা, এই দুটি গ্রন্থের নামের মিল নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লেখকের নাম ও তাদের সংকলন গ্রন্থ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) পদ্মা
১. কেন সঠিক:
- কুবের ও কপিলা কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র।
- এই উপন্যাসের পুরো পটভূমি জুড়ে রয়েছে পদ্মা নদী এবং পদ্মাপাড়ের জেলে জীবনের জীবিকা ও সংগ্রাম।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যের আধুনিক ধারার অন্যতম প্রধান এবং প্রভাবশালী একজন ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার।
- পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসটি ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ আঞ্চলিক ও প্রগতিশীল উপন্যাস হিসেবে পরিচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দিবারাত্রির কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরেকটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যেখানে গ্রামীণ জীবনের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।
উদাহরণ ২: পুতুলনাচের ইতিকথা
ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বহুল পঠিত উপন্যাস যা গ্রামীণ সমাজের মানুষের মনস্তত্ত্ব ও জীবনদর্শন নিয়ে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তিতাস — এটি অদ্বৈত মল্লবর্মণ রচিত তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসের নদী, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চরিত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) ব্রহ্মপুত্র — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান নদ, যা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কুব ও কপিলার গল্পের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) কর্ণফুলী — এটি চট্টগ্রামের প্রধান নদী, যা পদ্মা নদীর মাঝ উপন্যাসের পটভূমি বা এই চরিত্রের সঙ্গে যুক্ত নয়।
D) পদ্মা — এটি সঠিক উত্তর কারণ কুবের ও কপিলা এই নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাঝি মানেই পদ্মা নদী। কুবের মাঝি পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের মূল চরিত্র কুবের, কপিলা, মালা এবং আমিনুদ্দিন।
- এই উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) don't I
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটিতে 'need' মূল ভার্ব বা প্রধান ক্রিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এটি প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে আছে।
- মূল ভার্ব প্রেজেন্ট টেন্সে থাকলে ট্যাগ কোশ্চেন করার সময় সাবজেক্ট ও টেন্স অনুযায়ী do বা does ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) do I — বাক্যটি এফারমেটিভ বা হ্যা-বোধক হওয়ায় ট্যাগ কোশ্চেনটি না-বোধক হতে হবে, তাই এটি ভুল।
B) don't I — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটি হ্যা-বোধক হওয়ায় ট্যাগ কোশ্চেনটি নেগেটিভ বা না-বোধক হয়েছে।
C) need I — এখানে 'need' কে মডাল অক্সিলারি হিসেবে ধরা হয়েছে, কিন্তু মূল বাক্যে এটি প্রিন্সিপাল ভার্ব।
D) needn't I — বাক্যে সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে 'need' না থাকায় এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
মূল বাক্যে have বা need যখন প্রিন্সিপাল ভার্ব হিসেবে বসে, তখন ট্যাগ কোশ্চেন করার সময় do, does বা did ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Charles Dickens
কেন সঠিক:
- চার্লস ডিকেন্স ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিশ্বখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক।
- অলিভার টুইস্ট এবং এ টেল অব টু সিটিজ তাঁর অমর সৃষ্টি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) William Blake — তিনি একজন বিখ্যাত রোমান্টিক যুগের কবি ও চিত্রশিল্পী ছিলেন, ঔপন্যাসিক নন।
B) Charles Dickens — ইনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়।
C) G. B. Shaw — তিনি একজন প্রখ্যাত আইরিশ নাট্যকার এবং সমালোচক ছিলেন।
D) John Keats — তিনি ইংরেজি সাহিত্যের রোমান্টিক ধারার অন্যতম প্রধান কবি ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
ডিকেন্স মানেই উপন্যাসিক, আর কোল্ড রিজ বা জন কিটস মানেই রোমান্টিক কবি।
সঠিক উত্তর: C) by
কেন সঠিক:
- আত্মহত্যা বোঝাতে ডাই প্রিপজিশনের পর বাই ব্যবহৃত হয়।
- নিয়মানুসারে, বাই সুইসাইড অর্থ নিজে আত্মহত্যা করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) of — কোনো রোগ বা অনাহারে মারা গেলে অফ বসে, তাই এটি ভুল।
B) for — কোনো মহৎ উদ্দেশ্য বা দেশের জন্য মারা যাওয়া বোঝালে ফর বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) by — এটি সঠিক উত্তর কারণ আত্মহত্যা করার ক্ষেত্রে বাই প্রিপজিশন বসে।
D) from — অতিরিক্ত খাওয়া বা বিষক্রিয়ায় মারা গেলে ফ্রম বসে, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
রোগে মরলে অফ, বিষে মরলে ফ্রম আর আত্মহত্যা করলে বাই সুইসাইড হয়।
সঠিক উত্তর: A) receive
কেন সঠিক:
- ইংরেজি বানান বিধির বিখ্যাত নিয়ম অনুসারে 'c' বর্ণের পর সাধারণত 'ei' বসে না, বরং 'ie' বসে। তবে 'c' বর্ণের পর 'ei' ব্যবহার করার নিয়ম রয়েছে, যেমন receive শব্দটি।
- এই শব্দটিতে 'c' এর ঠিক পরেই 'ei' অক্ষরযুগল বসেছে, যা সঠিক ইংরেজি বানান গঠনের আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে চলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) receive - এটি সঠিক বানান এবং নিয়ম অনুযায়ী গঠিত।
B) recieve - এখানে বানানটিতে 'i' এবং 'e' এর সঠিক ক্রম বজায় রাখা হয়নি, তাই এটি ভুল।
C) recive - বানানটিতে মাঝের 'e' বর্ণটি বাদ দেওয়া হয়েছে, যা ভুল।
D) reicive - এই বানানের গঠন ভুল এবং এটি সঠিক ইংরেজি শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি বানান মনে রাখার একটি সহজ নিয়ম হলো 'I' এর আগে 'E' বসে, তবে 'C' এর পরে সবসময় 'EI' বসে। যেমন: receive, deceive, ceiling ইত্যাদি।
সঠিক উত্তর: C) ram
কেন সঠিক:
- 'Ram' হলো একটি নির্দিষ্ট পশুর নাম যার অর্থ হলো ভেড়া।
- এটি ব্যাকরণগতভাবে পুরুষবাচক বা Masculine gender নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) mare — এটি 'horse' শব্দের স্ত্রীবাচক বা Feminine gender, যার অর্থ ঘোটকী।
B) milkmaid — এটি যৌগিক শব্দ যা দিয়ে রাখাল বা দুধেল মেয়ে অর্থাৎ স্ত্রীবাচক বা Feminine gender বোঝায়।
D) goose — এটি রাজহাঁস প্রজাতির ক্ষেত্রে সাধারণত স্ত্রীবাচক বা Feminine gender হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ভেড়ার পুরুষবাচক রূপ হলো ram এবং স্ত্রীবাচক রূপ হলো ewe।
সঠিক উত্তর: B) Moon
কেন সঠিক:
- 'Lunar' শব্দটি ল্যাটিন শব্দ 'luna' থেকে এসেছে যার অর্থ চাঁদ।
- বিজ্ঞানে চাঁদের আলো বা চাঁদের গতিবিধি বোঝাতে 'Lunar' বিশেষণটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Star — নক্ষত্র বা তারার সাথে সম্পর্কিত বিশেষণ হলো 'Stellar'।
B) Moon — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'Lunar' অর্থ চাঁদের সাথে সম্পর্কিত।
C) Sun — সূর্যের সাথে সম্পর্কিত বিশেষণ হলো 'Solar'।
D) Earth — পৃথিবীর সাথে সম্পর্কিত বিশেষণ হলো 'Terrestrial'।
মনে রাখার টিপস:
সূর্যের জন্য Solar এবং চাঁদের জন্য Lunar শব্দটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) Let the tiger be shot
কেন সঠিক:
- মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এর মূল ভার্ব হলো Shoot, যার Past Participle হলো shot।
- Imperative Sentence-যুক্ত Active Voice-কে Passive করার নিয়ম হলো: Let + object + be + মূল ভার্বের V3।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Let the tiger be shoot — এখানে Shoot শব্দটি Present Form-এ রাখা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ Passive Voice-এ সবসময় V3 বা Past Participle ব্যবহার করতে হয়।
B) Let the tiger be shot — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে নিয়মানুযায়ী সঠিক গঠন এবং shot (V3) ব্যবহার করা হয়েছে।
C) Let the tiger be shooted — এখানে shoot শব্দের সাথে ভুলভাবে 'ed' যোগ করা হয়েছে, যা কোনো সঠিক ইংরেজি রূপ নয়।
D) Let the tiger be shoted — এখানে shoot-এর Past Participle হিসেবে ভুল শব্দরূপ 'shoted' ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Imperative sentence-কে Passive করার সময় Let-এর পর object এবং be বসিয়ে মূল ভার্বের Past Participle ফর্ম বা V3 বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) jealousy
কেন সঠিক:
- 'The green-eyed monster' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম বা বাগধারা, যার অর্থ হলো ঈর্ষা বা পরশ্রীকাতরতা।
- শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত নাটক 'ওথেলো'-তে এই বাক্যাংশটি প্রথম রূপক অর্থে ব্যবহার করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) hatred — এর অর্থ ঘৃণা, যা এই ইডিওমের নির্দিষ্ট রূপক অর্থ ঈর্ষার সঙ্গে সরাসরি মেলে না।
B) love — এর অর্থ ভালোবাসা, যা এই ইডিওমের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি আবেগ প্রকাশ করে।
C) live — এর অর্থ বেঁচে থাকা বা বসবাস করা, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
D) jealousy — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ইডিওমটি ঈর্ষা বা পরশ্রীকাতরতার সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
চোখ সবুজ হওয়ার সঙ্গে ঈর্ষার কোনো শারীরিক সম্পর্ক নেই, তবে সাহিত্যে সবুজ রঙকে অনেক সময় ঈর্ষাকাতরতার প্রতীক ধরা হয়।
সঠিক উত্তর: C) Nota Bene
কেন সঠিক:
- 'NB' বা 'N.B.' হলো একটি ল্যাটিন শব্দ 'Nota Bene' এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এর বাংলা অর্থ হলো 'বিশেষ দ্রষ্টব্য' বা ভালো করে লক্ষ্য করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Not Before — এটি কোনো ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ নয় এবং এর অর্থ এই সংক্ষিপ্ত রূপের সঙ্গে মিলে না।
B) Never But — এটি সাধারণ ইংরেজি শব্দ হলেও প্রদত্ত সংক্ষিপ্ত রূপের পূর্ণরূপ নয়।
C) Nota Bene — এটি সঠিক ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ যার সংক্ষিপ্ত রূপ হলো NB।
D) Note Bone — এটি ইংরেজি ব্যাকরণ বা অভিধানের দিক থেকে সম্পূর্ণ অর্থহীন একটি ভুল শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
ল্যাটিন শব্দ 'Nota' অর্থ লক্ষ্য করা এবং 'Bene' অর্থ ভালো, অর্থাৎ কোনো বিশেষ বিষয়ে ভালোভাবে নজর দিতে এটি ব্যবহার করা হয়।
বিষয় ও ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Translation)
সঠিক উত্তর: C) Live and let live.
কেন সঠিক:
- এটি একটি বহুল প্রচলিত ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ অন্যের বাঁচার অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়ে নিজে বেঁচে থাকা।
- ইংরেজি প্রবাদ বাক্যে মূল verb-এর পর infinitive-এর to সাধারণত উহ্য থাকে, যেমন let-এর পর live বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Live and let to live. — let verb-এর পর সরাসরি bare infinitive বসে, তাই এখানে অতিরিক্ত to ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) Live and give to live. — give শব্দের অর্থ দেওয়া, যা এই প্রবাদের ভাবার্থ বা প্রচলিত রূপের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) Live and let live. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্রবাদের আদর্শ রূপ।
D) Live and give live. — give live শব্দগুচ্ছটি অর্থহীন এবং এটি কোনো প্রচলিত ইংরেজি প্রবাদ নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদ বাক্যের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত to ব্যবহার না করে সরাসরি verb বসাতে হয়, যেমন Live and let live মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: B) at sixes and sevens
কেন সঠিক:
- at sixes and sevens একটি স্থির প্রবাদ প্রবচন বা ইডিয়ম যার অর্থ বিশৃঙ্খলভাবে বা ছন্নছাড়ভাবে ছড়িয়ে থাকা।
- বাক্যের অর্থ অনুযায়ী জিনিসপত্রগুলো টেবিলে এলোমেলোভাবে পড়ে আছে বোঝাতে এই ইডিয়মটি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) at six and seven — ইংরেজী ব্যাকরণ ও প্রবাদের নিয়ম অনুযায়ী সংখ্যাগুলো একবচন হওয়ায় এই গঠনটি ভুল।
B) at sixes and sevens — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর বানান ও ব্যাকরণগত রূপ সম্পূর্ণ সঠিক।
C) at six and sevens — প্রথম অংশ একবচন হওয়ায় প্রবাদের মূল নিয়ম এখানে লঙ্ঘিত হয়েছে।
D) in sixes and sevens — প্রিপ্রোজিশন at-এর পরিবর্তে in ব্যবহারের কারণে এই ধারাটি প্রবাদ হিসেবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
ইডিয়মটিতে সবসময় উভয় সংখ্যা বহুবচন অর্থাৎ sixes এবং sevens হয়, যা দিয়ে নানা জিনিস ছন্নছাড়ভাবে পড়ে থাকাকে বোঝায়।
সঠিক উত্তর: B) Discuss the matter in detail
কেন সঠিক:
- Discuss একটি transitive verb, তাই এরপরে কোনো preposition বা article বসে না সরাসরি object বসে।
- in detail একটি সঠিক Idiomatic phrase যার অর্থ বিস্তারিতভাবে, যা এখানে adverbial হিসেবে সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Let's go for walk. — সঠিক নিয়ম অনুযায়ী walk-এর পূর্বে একটি article বা possessive pronoun বসবে, যেমন for a walk।
B) Discuss the matter in detail — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বাক্য, কারণ discuss-এর পর কোনো preposition বসে না এবং in detail সঠিক idiom।
C) They raised hue and cry. — hue and cry একটি idiomatic phrase যার পূর্বে একটি indefinite article বসে, সঠিক রূপ হলো raised a hue and cry।
D) Vegetables is my favorite food. — Vegetables দেখতে বহুবচন হলেও এর অর্থ একটি একক খাবার বা খাদ্যবস্তু বোঝায়, তাই verb হিসেবে is সঠিক কিন্তু এখানে subject-verb agreement এর অন্যান্য নিয়মের ত্রুটি থাকতে পারে, তবে প্রধানত এটি তুলনামূলক কম গ্রহণযোগ্য।
মনে রাখার টিপস:
Discuss verb-এর পরে কখনো about বা অন্য কোনো preposition বসে না এবং in detail ফ্রেজটি মুখস্থ রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) were you
কেন সঠিক:
- এটি Second Conditional-এর নিয়ম অনুযায়ী গঠিত একটি অসম্ভব কল্পনার বাক্য।
- Subject যাই হোক না কেন, Unreal Conditional বাক্যে verb হিসেবে 'were' ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) were you — এটি সঠিক কারণ অপ্রকৃত শর্তে সব সাবজেক্টের পর 'were' বসে।
B) had been you — এটি Third Conditional-এর অংশ, যা বাক্যটির দ্বিতীয় অংশের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
C) had you — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক গঠন নয় এবং শর্তমূলক বাক্যের নিয়ম মানে না।
D)was you — সাবজেক্ট 'I' হলেও কাল্পনিক বাক্যে 'was' না বসে 'were' বসে।
মনে রাখার টিপস:
অবাস্তব বা কল্পনামূলক শর্তে (If I were you) সব সময় 'were' বসবে, 'was' কখনোই বসে না।
সঠিক উত্তর: B) in accordance with
কেন সঠিক:
- in accordance with একটি স্ট্যান্ডার্ড ফ্রেজ বা প্রিপজিশনাল ফ্রেজ, যার অর্থ কোনো নিয়ম বা পরিকল্পনা অনুযায়ী।
- এখানে নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী ভবন নির্মাণের কথা বলা হয়েছে, তাই with প্রিপজিশনটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) accordance to — ইংরেজিতে accordance শব্দের পরে সাধারণত to বসে না, নিয়ম অনুযায়ী with বসে।
B) in accordance with — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
C) for — for সাধারণত উদ্দেশ্য বোঝাতে বসে, যা এই শূন্যস্থানের প্রেক্ষাপটে অর্থপূর্ণ নয়।
D) about — about অর্থ সম্পর্কে, যা এখানে নিয়ম বা পরিকল্পনা অনুসরণের ভাব প্রকাশ করতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
accordance শব্দটি দেখলে সবসময় এর সাথে with প্রিপজিশনটি মনে রাখবে, কারণ in accordance with একটি স্থির ফ্রেজ।
সঠিক উত্তর: A) kidney
কেন সঠিক:
- ইউরোলজি হলো চিকিৎসা বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা মূত্রনালী এবং পুরুষদের প্রজনন অঙ্গের রোগ নিয়ে কাজ করে।
- কিডনি মানবদেহের মূত্রতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ হওয়ায় ইউরোলজিস্টগণ কিডনি সংক্রান্ত রোগ ও তার চিকিৎসা করে থাকেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) kidney - এটি সঠিক উত্তর কারণ কিডনি মূত্রতন্ত্রের অংশ এবং ইউরোলজিস্টগণ এটি নিয়ে কাজ করেন।
B) eye - চোখের চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিশেষায়িত শাখাকে অপথালমোলজি বলা হয় এবং চোখের চিকিৎসকদের অপথালমোলজিস্ট বলা হয়।
C) heart - হৃৎপিণ্ডের চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিশেষায়িত শাখাকে কার্ডিওলজি বলা হয় এবং এর চিকিৎসকদের কার্ডিওলজিস্ট বলা হয়।
D) verves - স্নায়ুর চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিশেষায়িত শাখাকে নিউরোলজি বলা হয় এবং এর চিকিৎসকদের নিউরোলজিস্ট বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইউরোলজি শব্দটিতে মূত্রতন্ত্রের কথা বোঝায়, আর মূত্র উৎপাদনের প্রধান অঙ্গ হলো কিডনি।
সঠিক উত্তর: D) Deliberate killing of a whole group or race of people.
কেন সঠিক:
- 'Genocide' শব্দটির মূল অর্থ হলো কোনো নির্দিষ্ট জাতি, গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের মানুষকে পরিকল্পিতভাবে ও দলগতভাবে হত্যা করা।
- এটি আন্তর্জাতিক আইনে একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়, যা মূলত মানবতাবিরোধী অপরাধের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) General destruction — এর অর্থ সাধারণ ধ্বংসযজ্ঞ, যা কোনো নির্দিষ্ট জাতিগত গোষ্ঠীর নিধন বোঝায় না।
B) Killing of a king — এর অর্থ কোনো রাজাকে হত্যা করা, যাকে এককথায় বলা হয় রেজিসাইড।
C) Killing of women and children — এর অর্থ নারী ও শিশুদের হত্যা করা, যা জেনোসাইডের সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা নয়।
D) Deliberate killing of a whole group or race of people — এটি জেনোসাইডের সঠিক ও সংজ্ঞাগত অর্থ নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
'Gen' শব্দের অর্থ প্রজাতি বা জনগোষ্ঠী এবং 'cide' অর্থ হত্যা করা, তাই জেনোসাইড মানে পুরো জাতিগোষ্ঠীর হত্যা।
সঠিক উত্তর: B) with
কেন সঠিক:
- Charge শব্দের পর সাধারণত অপরাধ বা চৌর্যবৃত্তির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বোঝাতে with প্রিপজিশন বসে।
- ইংরেজী ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী accused এবং charged শব্দের সঙ্গে with যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) at — এটি স্থান বা ছোট সময় বোঝাতে বসে, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) with — এটি সঠিক কারণ অপরাধের ক্ষেত্রে charge এর পর with বসে।
C) for — এটি কারণ বা উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়, অপরাধের অভিযোগ বোঝাতে বসে না।
D) by — এটি কোনো ব্যক্তি বা কর্তার দ্বারা কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝাতে বসে।
মনে রাখার টিপস:
অভিযোগ বা অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বদা Charge with মনে রাখবেন।
সঠিক উত্তর: D) Cheerful
কেন সঠিক:
- 'Gloomy' শব্দের অর্থ বিষণ্ণ, অন্ধকারাচ্ছন্ন বা মলিন।
- 'Cheerful' শব্দের অর্থ আনন্দিত বা হাসিখুশি, যা 'gloomy' শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Proud — এর অর্থ অহংকৃ বা গর্বিত, যা বিষণ্ণতার বিপরীত শব্দ নয়।
B) Sad — এর অর্থ দুঃখিত, যা 'gloomy' শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
C) Unhappy — এর অর্থ অসুখী, যা 'gloomy' শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) Cheerful — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিষণ্ণতার বিপরীত আনন্দিত ভাব প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Gloomy মানে মেঘলা বা মন খারাপ, আর Cheerful মানে চিয়ারফুল বা আনন্দিত।
সঠিক উত্তর: D) Appease
কেন সঠিক:
- 'Pacify' শব্দটির অর্থ শান্ত করা, প্রশমিত করা বা প্রবোধ দেওয়া।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'Appease' শব্দটির অর্থও শান্ত করা বা ক্ষোভ নিবারণ করা, যা মূল শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Among — এটি একটি প্রিপজিশন, যার অর্থ অনেকের মধ্যে।
B) Displease — এটি একটি ভার্ব, যার অর্থ অসন্তুষ্ট করা বা বিরক্ত করা।
C) Encourage — এটি একটি ভার্ব, যার অর্থ উৎসাহিত করা বা সাহস জোগানো।
D) Appease — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ শান্ত করা বা প্রশমিত করা।
মনে রাখার টিপস:
Pacify এবং Appease দুটি শব্দই শান্ত করার সঙ্গে সম্পর্কিত; পেসিফায়ার (Pacifier) ছোট শিশুদের শান্ত রাখতে ব্যবহার করা হয়, এই মিল দিয়ে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) a ÷ (২√৩)
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজটি একটি সমবাহু ত্রিভুজ
ত্রিভুজের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য = a
ধরি,
সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = a
ত্রিভুজের উচ্চতা = (√৩ ÷ ২) × a
অতএব,
ভারকেন্দ্র ত্রিভুজের উচ্চতার উপর অবস্থান করে
ভারকেন্দ্র শীর্ষবিন্দু থেকে ভূমির দিকে উচ্চতার এক তৃতীয়াংশ দূরত্বে থাকে
সুতরাং,
যেকোনো বাহুর সাপেক্ষে ভারকেন্দ্রের দূরত্ব = ((√৩ ÷ ২) × a) ÷ ৩
উত্তর: a ÷ (২√৩)
সঠিক উত্তর: B) 1954
কেন সঠিক:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৪ সালে চীন সফরকালে এই ভ্রমণকাহিনিটি ডায়রিতে লিখেছিলেন।
- বাংলা একাডেমি ২০২০ সালে তাঁর এই ডায়রিটিকে 'আমার দেখা নয়াচীন' গ্রন্থাকare প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1952 — এই সালে ভাষা আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল এবং এটি গ্রন্থটির রচনার সাল নয়।
B) 1954 — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) 1951 — এই সালে বঙ্গবন্ধু শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে চীন সফর করেছিলেন কিন্তু এই গ্রন্থটি এই সালের নয়।
D) 1901 — এই সালটি বঙ্গবন্ধুর জন্মেরও আগের এবং এই গ্রন্থ রচনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক চীন ভ্রমণ এবং ডায়রি লেখার সাল হলো ১৯৫৪ সাল।
সঠিক উত্তর: C) প্রিন্টার
কেন সঠিক:
- প্রিন্টার কম্পিউটারের প্রসেসিং করা ফলাফল বা আউটপুট কাগজের মাধ্যমে বাইরে প্রকাশ করে।
- এটি কোনো ডেটা বা নির্দেশ কম্পিউটারের ভেতরে প্রবেশ করায় না, বরং ফলাফল প্রদর্শন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাউস — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে কম্পিউটারে নির্দেশ প্রদান করা হয়।
B) কি- বোর্ড — এটি বহুল ব্যবহৃত ইনপুট ডিভাইস, যার সাহায্যে লেখালেখি ও কমান্ড ইনপুট দেওয়া হয়।
C) প্রিন্টার — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি একটি আউটপুট ডিভাইস যা ফলাফল প্রিন্ট করে।
D) স্ক্যানার — এটি ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে কোনো ছবি বা কাগজ কম্পিউটারে স্ক্যান করে প্রবেশ করানো হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইনপুট ডিভাইস দিয়ে তথ্য ভেতরে দেওয়া হয় এবং আউটপুট (যেমন প্রিন্টার ও মনিটর) দিয়ে ফলাফল বাইরে প্রকাশ করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) ইউক্রেন
কেন সঠিক:
- ইউক্রেনের উর্বর কালো মাটি গমের চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী এবং দেশটিতে প্রচুর পরিমাণে শস্য উৎপাদিত হয়।
- বিশ্বের অন্যতম প্রধান শস্য রপ্তানিকারক দেশ হওয়ায় একে বিশ্ব বাজারে ইউরোপের রুটির ঝুড়ি বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইতালি — এটি মূলত ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু ও আঙ্গুর বা জলপাই চাষের জন্য পরিচিত, শস্যের আধিক্যের জন্য নয়।
B) ইউক্রেন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এখানে প্রচুর গম উৎপাদিত হয়।
C) জার্মানি — এটি ইউরোপের অন্যতম প্রধান শিল্পপ্রধান ও অর্থনৈতিক দেশ, কৃষির জন্য পরিচিত নয়।
D) পোল্যান্ড — এটি মধ্য ইউরোপের একটি দেশ হলেও একে শস্যের ভাণ্ডার বা রুটির ঝুড়ি বলা হয় না।
মনে রাখার টিপস:
ইউক্রেনের উর্বর কালো মাটি বা চেরোনেজম মাটির কারণে দেশটিকে রুটির ঝুড়ি বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) নেপাল
কেন সঠিক:
- নেপাল একটি সম্পূর্ণ স্থলবেষ্টিত বা ভূবেষ্টিত দেশ, যার কোনো সমুদ্র উপকূল বা সাগর তীর নেই।
- এই দেশের চারপাশেই স্থলভাগ রয়েছে এবং এর কোনো সীমানা সাগরের সাথে যুক্ত নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপাল — এটি ভূবেষ্টিত দেশ এবং এর কোনো সমুদ্র উপকূল বা সাগর তীর নেই।
B) থাইল্যান্ড — এর দক্ষিণে উপসাগর ও সাগর রয়েছে এবং এটি একটি সাগর তীরের দেশ।
C) বাংলাদেশ — এর দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত এবং এটি একটি সাগর তীরের দেশ।
D) মিয়ানমার — এর দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর ও আন্দামান সাগর রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
নেপাল হলো দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র প্রধান দেশ যার কোনো সমুদ্রবন্দর বা সাগর তীর নেই।
সঠিক উত্তর: B) ৪টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় এবং দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মূলনীতি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এই মূলনীতিগুলো হলো জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫টি — বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি পাঁচটি নয়, কারণ পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ধর্মনিরপেক্ষতা পুনর্বহাল করা হলেও মূলনীতির সংখ্যা চারে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।
B) ৪টি — এটি সঠিক উত্তর, কারণ সংবিধানের অষ্টম অনুচ্ছেদে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে মূলনীতি হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
C) ৩টি — মূলনীতির সংখ্যা তিনটি নয়, এটি একটি ভুল সংখ্যা যা সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর সঙ্গে মেলে না।
D) ৬টি — ছয়টি কোনোভাবেই সঠিক নয়, কারণ সংবিধানে নির্ধারিত মূলনীতির সংখ্যা সবসময় চার বলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের চার মূলনীতি মনে রাখার সহজ শব্দ সংকেত হলো 'নাসাগ ধর্' অর্থাৎ না-জাতীয়তাবাদ, সা-সমাজতন্ত্র, গ-গণতন্ত্র এবং ধর্-ধর্মনিরপেক্ষতা।
সঠিক উত্তর: B) সালফিউরিক
কেন সঠিক:
- গাড়ীর ব্যাটারীতে শক্তি সঞ্চয় ও রাসায়নিক বিক্রিয়ার জন্য জলীয় সালফিউরিক এসিড ব্যবহার করা হয়।
- একে লেড এসিড ব্যাটারী বলা হয় যেখানে সালফিউরিক এসিড ইলেকট্রোলাইট হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রিক — এটি একটি শক্তিশালী জারক এসিড যা ধাতু溶解 করার কাজে ব্যবহৃত হয়, গাড়ীর ব্যাটারীতে নয়।
B) সালফিউরিক — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং লেড এসিড ব্যাটারীর ইলেকট্রোলাইট হিসেবে কাজ করে।
C) হাইড্রোক্লোরিক — এটি সাধারণত গবেষণাগারে এবং ধাতুর মরিচা পরিষ্কারের কাজে ব্যবহৃত হয়, ব্যাটারীতে নয়।
D) পারক্লোরিক — এটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং বিস্ফোরক প্রকৃতির এসিড যা সাধারণ ব্যাটারীতে ব্যবহার করা হয় না।
মনে রাখার টিপস:
গাড়ীর ব্যাটারী মানেই সালফিউরিক এসিড বা H2SO4 याद রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ১৫টি
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ মোট ১৫টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত।
- এর মধ্যে ৫টি স্থায়ী সদস্য এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৫টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পরিষদে ৫টি স্থায়ী এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য মিলিয়ে মোট সদস্য সংখ্যা ১৫।
B) ১৪টি — এটি ভুল কারণ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যার এমন কোনো হিসাব নেই।
C) ১৩টি — এটি ভুল কারণ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী ও অস্থায়ী সদস্যের যোগফল কখনো ১৩ হয় না।
D) ১৬টি — এটি ভুল কারণ এই পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৬টি নয়, বরং ১৫টি।
মনে রাখার টিপস:
নিরাপত্তা পরিষদের ৫টি স্থায়ী ও ১০টি অস্থায়ী সদস্যের যোগফল মনে রাখলেই ১৫ সংখ্যাটি সহজে মনে থাকবে।
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: B) 100 rpm
কেন সঠিক:
- ইন্টারনাল কম্বাসন ইঞ্জিন চালু হওয়ার জন্য ক্র্যাঙ্কশাফটের ন্যূনতম ঘূর্ণন গতি বা আরপিএম ১০০ প্রয়োজন হয়।
- এই গতিতে পৌঁছালে সিলিন্ডারের ভেতরে জ্বালানি ও বাতাসের মিশ্রণ প্রজ্বলিত হওয়ার উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 50 rpm — এই গতি ইঞ্জিন স্টার্ট করার জন্য অত্যন্ত কম এবং তা সিলিন্ডারে প্রয়োজনীয় কম্প্রেশন তৈরি করতে পারে না।
B) 100 rpm — এটি ইঞ্জিন চালু করার জন্য নির্ধারিত সর্বনিম্ন প্রমিত আরপিএম মান।
C) 200 rpm — এটি স্টার্ট করার সর্বনিম্ন মান নয়, বরং সাধারণত ইঞ্জিন চালু হওয়ার ঠিক পরের অল আইডল স্পিড বা তার কাছাকাছি গতি।
D) 5 rpm — এই গতিতে ইঞ্জিন ক্র্যাঙ্ক করা অসম্ভব এবং এটি ফ্লায়হুইলকে গতিশীল করার জন্য পর্যাপ্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইঞ্জিন স্টার্ট করার ম্যাজিক সংখ্যা হলো একশো আরপিএম।
সঠিক উত্তর: C) ৬ নম্বর
কেন সঠিক:
- মুক্তিযুদ্ধকালে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয় এবং বর্তমান পঞ্চগড় জেলা ৬ নম্বর সেক্টরের অধীন ছিল।
- ৬ নম্বর সেক্টরের আওতাধীন এলাকা ছিল তৎকালীন রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার কিছু অংশ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ নম্বর — এই সেক্টরের অধীন ছিল রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং নাটোর জেলা।
B) ১ নম্বর — এই সেক্টরের অধীন ছিল চট্টগ্রাম, পাহাড়ি অঞ্চল এবং নোয়াখালী জেলার কিছু অংশ।
সি অপশন প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়।
D) ৯ নম্বর — এই সেক্টরের অধীন ছিল খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী এবং সাতক্ষীরা জেলা।
মনে রাখার টিপস:
উত্তরবঙ্গের পঞ্চগড় ও রংপুর অঞ্চল নিয়ে গঠিত হয়েছিল ৬ নম্বর সেক্টর।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ২০২২ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে এবং ষষ্ঠ তথা সর্বশেষ জনশুমারি ও গৃহ গণনা অনুষ্ঠিত হয় ২০২২ সালে।
- এই জনশুমারির আনুষ্ঠানিক নাম ছিল জনশুমারি ও গৃহ গণনা ২০২২, যা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০০৪ সালে — এই সালে বাংলাদেশে কোনো জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি কারণ সাধারণত প্রতি দশ বছর পরপর জনশুমারি করা হয়।
B) ২০১০ সালে — এই সালে কোনো জনশুমারি হয়নি, তবে পঞ্চম জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১১ সালে।
C) ২০১৬ সালে — এই সালটি জনশুমারির বছর নয়, কারণ ২০১১ সালের পর সরাসরি ২০২২ সালে ষষ্ঠ জনশুমারি হয়।
D) ২০২২ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই দেশের ষষ্ঠ ও সর্বশেষ জনশুমারি সম্পন্ন হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর জনশুমারি শুরু হয় ১৯৭৪ সালে এবং প্রতি দশ বছর পরপর হলেও ষষ্ঠ জনশুমারি একটু দেরিতে ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত হয়।
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: D) পদ্মা
কেন সঠিক:
- পদ্মা নদী ভারত থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং এটি দেশের অন্যতম প্রধান ও দীর্ঘতম নদী হিসেবে পরিচিত।
- ভূতাত্ত্বিক ও ভৌগোলিক দৈর্ঘ্য পরিমাপে বাংলাদেশের ভেতরে ও এর প্রধান প্রবাহের দীর্ঘতম নদী হিসেবে পদ্মা স্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেঘনা — মেঘনা বাংলাদেশের অন্যতম প্রশস্ত ও গভীর নদী হলেও দৈর্ঘ্যের দিক থেকে এটি পদ্মা বা যমুনার চেয়ে ছোট।
B) যমুনা — যমুনা নদী ব্রহ্মপুত্রের প্রধান শাখা এবং এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
C) ব্রহ্মপুত্র — ব্রহ্মপুত্র নদ প্রধানত তিব্বত ও ভারতে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছে এবং বাংলাদেশে এটি যমুনা নামে প্রবাহিত হয়।
D) পদ্মা — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী মনে রাখতে পদ্মা নামটি মনে রাখুন, যা দেশের প্রধান নদী ব্যবস্থার প্রতীক।
সঠিক উত্তর: B) ৩২ টি
কেন সঠিক:
- ন্যাটো সামরিক জোটের সর্বশেষ সদস্য হিসেবে ৭ মার্চ ২০২৪ সুইডেন যুক্ত হওয়ার পর মোট সদস্য সংখ্যা ৩২টিতে উন্নীত হয়েছে।
- এর আগে ৪ এপ্রিল ২০২৩ ফিনল্যান্ড ৩১তম সদস্য হিসেবে এই জোটে যোগ দিয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩১ টি — এটি ফিনল্যান্ড যোগদানের পরের সদস্য সংখ্যা ছিল, বর্তমানের সঠিক সংখ্যা নয়।
B) ৩২ টি — এটি বর্তমান সঠিক সদস্য সংখ্যা, যা সুইডেন যোগদানের পর নির্ধারিত হয়েছে।
C) ২৯ টি — এটি অতীতে মন্টিনেগ্রো যোগদানের পরের পুরোনো সদস্য সংখ্যা ছিল।
D) ২৮ টি — এটি অনেক বছর আগের সদস্য সংখ্যা ছিল, বর্তমানে পরিবর্তন হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ন্যাটো জোটে শেষের দিক থেকে যোগ দিয়েছে ফিনল্যান্ড ৩১তম এবং সুইডেন ৩২তম দেশ।
সঠিক উত্তর: D) সুন্দরবন
কেন সঠিক:
- সুন্দরবন একটি প্রাকৃতিক বন ও বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান, কোনো প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বা প্রাচীন সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ নয়।
- প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান বলতে সাধারণত প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থাপনা, নগর বা ধ্বংসাবশেষকে বোঝায়, যা সুন্দরবনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাহাড়পুর — এটি একটি বিখ্যাত প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার, যা বাংলাদেশের একটি স্বীকৃত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
B) মহাস্থানগড় — এটি বাংলার প্রাচীনতম ঐতিহাসিক নগরী পুন্ড্রবর্ধন বা পুন্ড্রনগর, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
C) মহাস্থানগড় — প্রশ্নপত্রে এই অপশনটি পুনরাবৃত্ত হয়েছে এবং এটি ঐতিহাসিক স্থান হওয়ায় সঠিক উত্তর নয়।
D) সুন্দরবন — এটি কোনো প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান বা প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ নয়, বরং এটি একটি বিখ্যাত প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বন।
মনে রাখার টিপস:
প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান মানে পুরনো আমলের ইমারত বা ধ্বংসাবশেষ, আর সুন্দরবন হলো গাছপালা ঘেরা প্রাকৃতিক বন।
সঠিক উত্তর: D) আবুল বরকত
কেন সঠিক:
- আবুল বরকত ভাষা আন্দোলনের সময় ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র ছিলেন।
- ভাষা আন্দোলনের মিছিলে ১৪৪ ধারা ভাঙার সময় পুলিশের গুলিতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আব্দুস সালাম — তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে শহীদ হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন না, তিনি তৎকালীন ডাক বিভাগের একজন পিয়ন ছিলেন।
B) আব্দুল জব্বার — তিনি ভাষা শহীদ হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন না, তিনি পেশায় একজন সাধারণ দর্জি ছিলেন।
C) রফিকউদ্দিন আহমদ — তিনি ভাষা শহীদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন জগন্নাথ কলেজের (তৎকালীন জগন্নাথ ইন্টারমিডিয়েট কলেজ) ছাত্র ছিলেন।
D) আবুল বরকত — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বরকত ও শফিউর ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, আর রফিক ছিলেন জগন্নাথ কলেজের ছাত্র।
সঠিক উত্তর: D) তুরস্ক
কেন সঠিক:
- তুরস্ক দেশটি এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশের সংযোগস্থলে অবস্থিত, যার এশীয় অংশটি ঐতিহাসিকভাবে আনাতোলিয়া বা এশিয়া মাইনর নামে পরিচিত।
- ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক উভয় কারণেই প্রাচীন এই অঞ্চলটি এশিয়া মাইনর হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মায়ানমার — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ, যা অতীতে বার্মা নামে পরিচিত ছিল এবং এর সঙ্গে এশিয়া মাইনর নামটি সম্পর্কিত নয়।
B) ভিয়েতনাম — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ইন্দোচীন অঞ্চলের একটি দেশ এবং এটি এশিয়া মাইনর অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়।
C) সিঙ্গাপুর — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র ও শহর যা ভৌগোলিকভাবে এশিয়া মাইনরের অনেক দূরে অবস্থিত।
D) তুরস্ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর মূল ভূখণ্ড এশিয়া মাইনর বা আনাতোলিয়া নামে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
তুরস্কের অপর নাম এশিয়া মাইনর, এটি মনে রাখতে 'তুরস্ক' শব্দের সাথে 'ত' দিয়ে শুরু 'ত'নাতোলিয়া বা আনাতোলিয়া শব্দটি মিলিয়ে নিতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) ৪৩৫ জন
কেন সঠিক:
- মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের স্থায়ী সদস্য সংখ্যা আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট করা রয়েছে।
- এই সংখ্যা জনসংখ্যার অনুপատে সব অঙ্গরাজ্যের মধ্যে নির্ধারিত সীমার আলোকেই বিন্যস্ত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪২৫ জন — এটি মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের সঠিক সদস্য সংখ্যা নয়, কারণ প্রচলিত নিয়মে সংখ্যাটি ভিন্ন।
B) ৪৩৫ জন — এটি মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের সঠিক ও সাংবিধানিকভাবে নির্ধারিত সদস্য সংখ্যা।
C) ৪৮০ জন — এটি মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষের কোনো অনুমোদিত সদস্য সংখ্যা নির্দেশ করে না।
D) ৫৩৫ জন — এটি প্রতিনিধি পরিষদ (৪৩৫) এবং উচ্চকক্ষ সেনেটের (১০০) মোট সদস্য সংখ্যার যোগফল।
মনে রাখার টিপস:
মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য সংখ্যা হলো চারশত পঁয়ত্রিশ জন।
সঠিক উত্তর: A) Optical Mark Recognition
কেন সঠিক:
- OMR এর পূর্ণরূপ হলো অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন, যা বহু নির্বাচনী পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে কাগজের নির্দিষ্ট স্থানে করা কালির দাগ শনাক্ত করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Optical Mark Recognition — এটি সঠিক পূর্ণরূপ কারণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার উত্তরপত্র স্ক্যান করার জন্য এই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
B) Optical Mark Reading — রিডিং শব্দটি সাধারণত ডেটা পড়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হলেও প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক নাম রিকগনিশন।
C) Optical Mark Reading — এটি পুনরাবৃত্তিমূলক অপশন এবং প্রযুক্তিগতভাবে এর পূর্ণরূপ রিকগনিশন নয়।
D) Optical Mark Reactor — রিয়েক্টর শব্দটি বিজ্ঞান ও পারমাণবিক প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত, যা আইসিটি বা ওএমআরের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
OMR এর পূর্ণরূপ মনে রাখতে শেষের শব্দটি খেয়াল রাখুন, এটি রিডিং বা রিয়েক্টর নয় বরং রিকগনিশন।
সঠিক উত্তর: C) ৩৫ বছর
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদের ৪ দফার (খ) উপধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদের জন্য প্রার্থীর বয়স কমপক্ষে পঁয়ত্রিশ বছর হতে হবে।
- রাষ্ট্রপতির মতো সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে আসীন হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট বয়সের এই যোগ্যতাটি সাংবিধানিকভাবে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫০ বছর — এই বয়সসীমা বাংলাদেশের সংবিধানের কোনো সাংবিধানিক পদের প্রার্থীর জন্য নির্ধারিত নয়।
B) ৪০ বছর — বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদের জন্য এই বয়সসীমা কম, সঠিক বয়সসীমা পঁয়ত্রিশ বছর।
সি) ৩৫ বছর — এই অপশনটি সঠিক এবং সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদের যোগ্যতার সাথে মিলে যায়।
ডি) ৩৩ বছর — এই বয়সসীমা বাংলাদেশের কোনো সাংবিধানিক বা সরকারি উচ্চ পদের প্রার্থীর যোগ্যতার সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হতে গেলে বয়স হতে হয় ৩৫ বছর, যা সংসদ সদস্য হওয়ার বয়সের (২৫ বছর) চেয়ে ১০ বছর বেশি।
সঠিক উত্তর: C) আলবেনিয়া
কেন সঠিক:
- আলবেনিয়া আফ্রিকা মহাদেশের দেশ নয়, এটি ইউরোপ মহাদেশের দক্ষিণপূর্ব অংশে অবস্থিত বলকান অঞ্চলের একটি রাষ্ট্র।
- আফ্রিকার দেশগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান প্রধানত আফ্রিকা মহাদেশীয় মূল ভূখণ্ড এবং এর আশেপাশের দ্বীপসমূহে সীমাবদ্ধ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টিউনিসিয়া — এটি আফ্রিকা মহাদেশের উত্তরভাগে অবস্থিত একটি আরব দেশ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) আলজেরিয়া — এটি আয়তনের দিক থেকে আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম দেশ, তাই এটি উত্তর হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
C) আলবেনিয়া — এটি ইউরোপ মহাদেশের একটি দেশ এবং আফ্রিকা মহাদেশভুক্ত নয়, তাই এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) নাইজেরিয়া — এটি পশ্চিম আফ্রিকা মহাদেশের অন্যতম জনবহুল ও প্রধান একটি দেশ, তাই এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইউরোপের দেশগুলোর নামের শেষে সাধারণত 'ইনিয়া' বা 'আলবেনিয়া'র মতো উচ্চারণ থাকে, যা আফ্রিকার দেশগুলোর নামের গঠন থেকে আলাদা।
সঠিক উত্তর: C) ০°
১. কেন সঠিক:
দুটি বলের লব্ধি তাদের সাধারণ বীজাণিতিক সমষ্টির সমান হয় যখন বল দুটি একই দিকে বা একই রেখায় ক্রিয়া করে।
এই অবস্থায় বল দুটির মধ্যবর্তী কোণ শূন্য ডিগ্রি হয় এবং ভেক্টরের লব্ধির মান সর্বোচ্চ হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: দুটি ভেক্টর রাশির লব্ধির মান তাদের মধ্যবর্তী কোণের ওপর নির্ভর করে এবং একই দিকে কাজ করলে মান সর্বোচ্চ হয়।
সূত্র: R এর স্কয়ার = P এর স্কয়ার + Q এর স্কয়ার + ২ × P × Q × cos(আলফা), যেখানে আলফা হলো বল দুটির মধ্যবর্তী কোণ।
কার্যপ্রণালি: আলফার মান শূন্য ডিগ্রি হলে cos(শূন্য ডিগ্রি) এর মান এক হয়, ফলে সমীকরণটি (P + Q) এর হোল স্কয়ারে পরিণত হয়।
কারণ ও ফলাফল: বল দুটি একই দিকে কাজ করায় কোনো উপাংশ বা কোণ থাকে না, তাই লব্ধি বল সরাসরি দুটি বলের যোগফলের সমান হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: দুটি মানুষ একই দিকে কোনো ভারী বাক্স একসাথে ঠেলে সরালে তাদের বলের মান সরাসরি যোগ হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি ভারী টেবিলকে দুজন ব্যক্তি একই দিকে টানছেন।
ব্যাখ্যা: তাদের প্রয়োগ করা বল একই সরলরেখায় ও একই দিকে থাকায় মোট বল তাদের পৃথক বলের যোগফলের সমান হয়।
উদাহরণ ২: একটি নৌকার টানে দুটি দড়িতে দুজন লোক একই দিকে সমান জোরে টান প্রয়োগ করছেন।
ব্যাখ্যা: এখানে বল দুটির অন্তর্ভুক্ত কোণ শূন্য ডিগ্রি হওয়ায় নৌকাটি সর্বোচ্চ বেগে সামনের দিকে এগিয়ে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯০° — বল দুটি লম্বভাবে কাজ করলে লব্ধির মান সমষ্টির সমান হয় না, বরং পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী হিসাব হয়।
B) ৬০° — বল দুটি ষাট ডিগ্রি কোণে কাজ করলে লব্ধির মান বল দুটির পৃথক সমষ্টির চেয়ে কম হয়।
D) ৪৫° — বল দুটি পঁয়তাল্লিশ ডিগ্রি কোণে ক্রিয়া করলে লব্ধি বলের মান বলদ্বয়ের সরাসরি সাধারণ সমষ্টির সমান হতে পারে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
একই দিকে বল প্রয়োগ করলে কোণ হয় শূন্য ডিগ্রি এবং লব্ধি হয় সর্বোচ্চ বা যোগফলের সমান।
বিপরীত দিকে কাজ করলে কোণ হয় একশত আশি ডিগ্রি এবং লব্ধি হয় সর্বনিম্ন বা বিয়োগফলের সমান।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই সূত্র থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সর্বনিম্ন এবং সর্বোচ্চ লব্ধি নির্ণয়ের অংক আসে।
দুটি সমান বল পরস্পর একাত্তর ডিগ্রি কোণে কাজ করলে তাদের লব্ধি একটি বলের সমান হয়, এই তথ্যটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) 4°C
১. কেন সঠিক:
- পানির ব্যতিক্রমী প্রসারণের কারণে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এর ঘনত্ব সর্বাধিক হয়।
- তরল পদার্থের সাধারণ নিয়ম হলো তাপমাত্রা কমালে আয়তন কমে এবং ঘনত্ব বাড়ে, কিন্তু পানির ক্ষেত্রে শূন্য থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উল্টো ঘটনা ঘটে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পানির ব্যতিক্রমী প্রসারণ হলো সেই বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেখানে তাপমাত্রা শূন্য থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াসে উন্নীত করলে পানির আয়তন কমার বদলে কমতে থাকে এবং ঘনত্ব বাড়তে থাকে।
- কারণ ও ফলাফল: চার ডিগ্রি সেলসিয়াসে পানির অণুগুলোর মধ্যকার দূরত্ব এমন একটি সুষম অবস্থায় পৌঁছায় যেখানে প্রতি একক আয়তনে ভরের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে।
- বাস্তব প্রয়োগ: শীতপ্রধান দেশের হ্রদ বা পুকুরের উপরিভাগের পানি জমে বরফ হলেও তলদেশের চার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার ঘন পানির নিচে জলজ প্রাণীরা সহজেই বেঁচে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশের হ্রদে বরফ জমার পরও নিচে মাছ বেঁচে থাকে।
ব্যাখ্যা: ওপরের বরফ তাপ কুপরিবাহী হিসেবে কাজ করে এবং তলদেশে চার ডিগ্রি সেলসিয়াসের ভারী পানি জমে থাকায় জলজ জীবন সুরক্ষিত থাকে।
উদাহরণ ২: ফ্রিজে পানির বোতল কানায় কানায় পূর্ণ করে রাখলে ফেটে যায়।
ব্যাখ্যা: পানি জমে বরফ হলে আয়তন প্রায় নয় শতাংশ বেড়ে যায়, যার ফলে বোতলের ওপর প্রচণ্ড অভ্যন্তরীণ চাপ সৃষ্টি হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 4°F — ফারেনহাইট স্কেলে প্রকাশিত এই মানটি পানির সর্বোচ্চ ঘনত্বের সঠিক তাপমাত্রা নির্দেশ করে না। এটি সেলসিয়াস স্কেলের চার ডিগ্রি মানের সমতুল্য নয়।
B) 0°F — এই তাপমাত্রায় পানি জমে বরফে পরিণত হয়, যা পানির সর্বোচ্চ ঘনত্বের তাপমাত্রা নয়। এটি সেলসিয়াস স্কেলের প্রায় মাইনাস সতেরো দশমিক সাত আট ডিগ্রি সেলসিয়াসের সমান।
C) 0°C — এই তাপমাত্রায় পানি বরফ হতে শুরু করে এবং এ সময় পানির ঘনত্ব চার ডিগ্রি সেলসিয়াসের তুলনায় কম থাকে। এটি বরফ ও পানির হিমাংক বিন্দু।
D) 4°C — এটি পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের বিচারে পানির সর্বোচ্চ ঘনত্বের পরীক্ষামূলকভাবে প্রমাণিত সঠিক মান।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চার ডিগ্রি সেলসিয়াসের চার সংখ্যাটি মনে রাখলেই পানির ঘনত্বের সর্বোচ্চ মানের বিষয়টি সহজে মনে রাখা যায়।
- মনে রাখবে তাপমাত্রা চার ডিগ্রি হলেই ঘনত্ব সর্বোচ্চ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পানির সর্বোচ্চ ঘনত্বের মান এক গ্রাম প্রতি মিলিলিটার অথবা এক হাজার কিলোগ্রাম প্রতি ঘনমিটার।
- একই ধারণা থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে, শূন্য থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াসে পানিকে উত্তপ্ত করলে এর আয়তনের কী পরিবর্তন ঘটে।
সঠিক উত্তর: C) −৪০°ডিগ্রি সেলসিয়াস
১. কেন সঠিক:
ফারেনহাইট ও সেলসিয়াস স্কেলের সম্পর্ক অনুযায়ী দুটি স্কেলে তাপমাত্রা সমান হওয়ার একটি নির্দিষ্ট বিন্দু রয়েছে।
গাণিতিক হিসাব করলে দেখা যায় মাইনাস চল্লিশ ডিগ্রিতে উভয় স্কেলের মান একই হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য বিভিন্ন স্কেল রয়েছে যার মধ্যে সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট বহুল ব্যবহৃত।
সূত্র/তত্ত্ব: তাপমাত্রার রূপান্তরের সূত্রটি হলো সি ভাগ ৫ সমান এফ বিয়োগ ৩২ ভাগ ৯, যেখানে সি হলো সেলসিয়াস এবং এফ হলো ফারেনহাইট তাপমাত্রা।
কার্যপ্রণালি: সি এবং এফ কে সমান ধরে মান বসিয়ে সমাধান করলে সি এর মান মাইনাস চল্লিশ পাওয়া যায়।
বাস্তব প্রয়োগ: আবহাওয়া বিজ্ঞান এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বিভিন্ন স্কেলের তাপমাত্রা রূপান্তর করতে এই সূত্র ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশের আবহাওয়া বার্তায় কখনো কখনো মাইনাস চল্লিশ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় যা সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট উভয় স্কেলেই সমান।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে দুটি ভিন্ন স্কেলের মিলিত বিন্দু বা শুরুর মান ভিন্ন হলেও নির্দিষ্ট একটি নিম্ন তাপমাত্রায় তাদের মান মিলে যায়।
উদাহরণ ২: পরীক্ষাগারে থার্মোমিটার ক্রমাঙ্কন বা ক্যালিব্রেশনের সময় স্থির বিন্দু নির্ধারণে এই রূপান্তর সূত্র ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে এক স্কেলের পাঠ থেকে অন্য স্কেলের সঠিক মান নির্ভুলভাবে নির্ণয় করা সম্ভব হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ০°সি সেলসিয়াস — এটি বরফ জমার তাপমাত্রা বা সেলসিয়াস স্কেলের নিম্ন স্থিরাঙ্ক যা ফারেনহাইট স্কেলে ৩২ ডিগ্রি।
B) ১০০°সি সেলসিয়াস — এটি পানির স্ফুটনাঙ্ক বা সেলসিয়াস স্কেলের ঊর্ধ্ব স্থিরাঙ্ক যা ফারেনহাইট স্কেলে ২১২ ডিগ্রি।
সি) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভিন্ন মান প্রযোজ্য নয় এবং এটি দুটি স্কেলের ছেদবিন্দু।
D) খালি অপশন — এখানে কোনো মান বা তথ্য নেই তাই এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
সেলসিয়াস ও ফারেনহাইটের মিল বিন্দু মনে রাখার জন্য সংখ্যাটি মনে রাখুন ৪০ এবং এর আগে একটি বিয়োগ চিহ্ন বসিয়ে দিন।
পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি আসলে কোনো হিসাব না করেই সরাসরি মাইনাস চল্লিশ দাগাতে পারেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় তাপগতিবিদ্যা ও তাপমাত্রা পরিমাপ সংক্রান্ত এই প্রশ্নটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।
একই ধারণা থেকে সেলসিয়াস ও কেলভিন স্কেলের সম্পর্ক বা অন্য কোনো স্কেলের তুলনামূলক প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) সবুজ পাতায়
১. কেন সঠিক:
- ক্লোরোফিল হলো উদ্ভিদের পাতায় থাকা এক ধরনের সবুজ বর্ণকণিকা যা সূর্যালোক শোষণ করে খাদ্য তৈরিতে সাহায্য করে।
- উদ্ভিদের পাতার কোষের ক্লোরোপ্লাস্টে এই রঞ্জক পদার্থ থাকার কারণে পাতা সবুজ দেখায় এবং সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সম্ভব হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ক্লোরোফিল হলো উদ্ভিদের পাতার কোষে অবস্থিত প্লাস্টিড বা ক্লোরোপ্লাস্টের মধ্যে থাকা সবুজ রঙের রঞ্জক পদার্থ।
- কার্যপ্রণালি: এটি সূর্যের আলোর ফোটন কণা শোষণ করে আলোক শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর করে।
- কারণ ও ফলাফল: ক্লোরোফিল আলোর নীল ও লাল তরঙ্গদৈর্ঘ্য শোষণ করে এবং সবুজ আলো প্রতিফলিত করে বলে পাতা আমাদের চোখে সবুজ দেখায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আম গাছের কচি সবুজ পাতা
ব্যাখ্যা: আম গাছের সবুজ পাতায় প্রচুর পরিমাণে ক্লোরোফিল থাকে যা সূর্যালোকের উপস্থিতিতে খাদ্য প্রস্তুত করে।
উদাহরণ ২: ঘাসের ডগা
ব্যাখ্যা: মাঠের ঘাসের সবুজ রঙ ক্লোরোফিলের উপস্থিতির প্রমাণ এবং এটি সালোকসংশ্লেষণ চালিয়ে বেঁচে থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সকল প্রাণিতে — প্রাণিকোষে ক্লোরোপ্লাস্ট বা ক্লোরোফিল থাকে না কারণ তারা পরভোজী।
B) ছত্রাকে — ছত্রাক ক্লোরোফিলহীন মৃতজীবী বা পরজীবী উদ্ভিদ তাই এরা নিজেদের খাদ্য নিজেরা তৈরি করতে পারে না।
C) সবুজ পাতায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ পাতার কোষে ক্লোরোফিল সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে।
D) ফলে — কিছু ফল পাকলে সবুজ থেকে হলুদ বা লাল হয় কারণ ক্লোরোফিল নষ্ট হয়ে অন্য রঞ্জক তৈরি হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সবুজ মানেই ক্লোরোফিল এবং উদ্ভিদের পাতাই হলো প্রধান সবুজ অঙ্গ যেখানে এটি পাওয়া যায়।
- পাতা সবুজ হওয়ার মূল চাবিকাঠি হলো ক্লোরোফিলের উপস্থিতি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে সালোকসংশ্লেষণে কোন বর্ণকণিকা প্রয়োজন।
- ক্লোরোফিলের মূল কেন্দ্র বা ধাতব অংশ হলো ম্যাগনেশিয়াম, যা থেকে প্রায়ই এমসিকিউ প্রশ্ন করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) 14
১. কেন সঠিক:
পানির পিএইচ স্কেলে চৌদ্দ হলো সর্বোচ্চ মান যা সম্পূর্ণ ক্ষারকীয় মাধ্যম নির্দেশ করে।
এই মানে হাইড্রোজেন আয়নের ঘনমাত্রা সবচেয়ে কম এবং হাইড্রোক্সাইড আয়নের ঘনমাত্রা সবচেয়ে বেশি থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: পিএইচ হলো কোনো দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের সক্রিয়তার ঋণাত্মক লগারিদম।
পরিবেশ: সাধারণ তাপমাত্রায় পিএইচ স্কেল শূন্য থেকে চৌদ্দ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কস্টিক সোডা বা সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডের শক্তিশালী জলীয় দ্রবণ।
ব্যাখ্যা: এর পিএইচ এর মান চৌদ্দ এর কাছাকাছি হয় যা অত্যন্ত ক্ষারকীয় প্রকৃতির।
উদাহরণ ২: ব্লিচিং পাউডার বা কাপড় কাটার সোডার দ্রবণ।
ব্যাখ্যা: এগুলোর পিএইচ এর মান চৌদ্দ এর নিচে হলেও ক্ষারকীয় অঞ্চলের মধ্যে অবস্থান করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 9 — এই মানটি মৃদু ক্ষারকীয় মাধ্যম নির্দেশ করে যা নিরপেক্ষ মানের চেয়ে কিছুটা ওপরে।
B) 14 — এটি সর্বোচ্চ মান এবং সম্পূর্ণ ক্ষারকীয় মাধ্যম নির্দেশ করার জন্য সঠিক।
C) 1 — এই মানটি অত্যন্ত শক্তিশালী অম্লীয় বা এসিডিক মাধ্যম নির্দেশ করে।
D) 7 — এই মানটি সম্পূর্ণরূপে নিরপেক্ষ মাধ্যম নির্দেশ করে যা বিশুদ্ধ পানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
শূন্য থেকে ছয় হলো অম্লীয়, সাত হলো নিরপেক্ষ এবং আট থেকে চৌদ্দ হলো ক্ষারকীয় মাধ্যম।
চৌদ্দ হলো স্কেলের শেষ প্রান্ত তাই এটি পুরোপুরি ক্ষারকীয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশুদ্ধ পানির পিএইচ এর মান সাত যা নিরপেক্ষ প্রকৃতির।
এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) বেশি হয়
১. কেন সঠিক:
- প্রেসার কুকারে পানির স্ফুটনাংক বেশি হয় কারণ এর ভেতরে উচ্চ চাপ সৃষ্টি করা হয়।
- চাপ বাড়লে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়, ফলে পানি সাধারণ ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের চেয়ে বেশি তাপমাত্রায় ফোটে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: তরলের উপর বায়ুমণ্ডলীয় চাপ বাড়লে তার বাষ্পীভবন ধীর হয় এবং বেশি তাপমাত্রার প্রয়োজন হয়।
- কার্যপ্রণালি: প্রেসার কুকারের ঢাকনা আটকে রাখার কারণে ভেاد বা বাষ্প বের হতে পারে না এবং ভেতরের চাপ সাধারণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপের চেয়ে অনেক বেশি হয়।
- কারণ ও ফলাফল: উচ্চ চাপের কারণে পানি জলীয় বাষ্পে পরিণত হতে বেশি তাপ গ্রহণ করে, ফলে স্ফুটনাংক ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বেড়ে প্রায় ১২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়।
- বাস্তব প্রয়োগ: উচ্চ তাপমাত্রার কারণে প্রেসার কুকারের ভেতরে খাবার দ্রুত সিদ্ধ হয় এবং জ্বালানি সাশ্রয় হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাহাড়ের চূড়ায় বায়ুমণ্ডলীয় চাপ কম থাকায় পানির স্ফুটনাংক কমে যায় এবং কম তাপমাত্রাতেই পানি ফোটে।
ব্যাখ্যা: এই কারণে পাহাড়ের উঁচুতে রান্না করতে বেশি সময় লাগে কারণ সেখানে পানির তাপমাত্রা পর্যাপ্ত উচ্চতায় পৌঁছায় না।
উদাহরণ ২: সাধারণ পাত্রে ডাল বা মাংস সিদ্ধ করতে অনেক সময় লাগে কিন্তু প্রেসার কুকারে খুব দ্রুত সিদ্ধ হয়।
ব্যাখ্যা: প্রেসার কুকারে পানির স্ফুটনাংক ও তাপমাত্রা বেশি থাকায় খাদ্যদ্রব্যের ভেতরের কঠিন অংশ দ্রুত গলে নরম হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কম হয় — এই অপশনটি ভুল কারণ চাপ কমলে স্ফুটনাংক কমে, কিন্তু প্রেসার কুকারে চাপ বৃদ্ধি পায়।
B) বেশি হয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ কুকারের ভেতর উচ্চ চাপে পানির স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়।
C) ঠিক থাকে — এই অপশনটি ভুল কারণ চাপ পরিবর্তিত হলে স্ফুটনাংক কখনো স্থির থাকে না।
D) কোনটিই নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি অন্য অপশনগুলোতে বিদ্যমান আছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রেসার কুকার মানেই চাপ বেশি, আর চাপ বেশি মানেই স্ফুটনাংক বেশি।
- পাহাড়ে চাপ কম তাই স্ফুটনাংক কম, আর কুকারে চাপ বেশি তাই স্ফুটনাংক বেশি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সাধারণ বায়ুমণ্ডলে পানির স্ফুটনাংক ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ২১২ ডিগ্রি ফারেনহাইট।
- এই একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে পাহাড়ের চূড়ায় পানির স্ফুটনাংকের কী পরিবর্তন ঘটে।
সঠিক উত্তর: A) 210 KJ/min
১. কেন সঠিক:
- এক টন রেফ্রিজারেশন হলো তাপ অপসারণের হার পরিমাপের একটি একক।
- এর মাধ্যমে বোঝানো হয় এক টন বরফ সম্পূর্ণ গলতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন, তা এক মিনিটে অপসারণ করার ক্ষমতা।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: এক টন বরফ (২০০০ পাউন্ড বা ৯০৭ কেজি) শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ২৪ ঘণ্টায় সম্পূর্ণ গলে পানিতে পরিণত হতে যে পরিমাণ তাপ শোষণ করে, তাকে এক টন রেফ্রিজারেশন বলে।
- সূত্র বা হিসাব: বরফের গলনের লীনতাপ প্রতি কেজিতে প্রায় ৩৩৬ কিলোজুল। ৯০৭ কেজি বরফের জন্য মোট তাপ প্রয়োজন প্রায় ৩০৪৮০০ কিলোজুল প্রতি ২৪ ঘণ্টা।
- কার্যপ্রণালি: এই মোট তাপকে ২৪ ঘণ্টা বা ১৪৪০ মিনিট দিয়ে ভাগ করলে প্রতি মিনিটে অপসারিত তাপের পরিমাণ পাওয়া যায়।
- হিসাবের ফলাফল: ৩০৪৮০০ কিলোজুলকে ১৪৪০ মিনিট দিয়ে ভাগ করলে মান আসে প্রতি মিনিটে প্রায় ২১০ কিলোজুল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঘরের এয়ার কন্ডিশনার।
ব্যাখ্যা: একটি দেড় টন ক্ষমতার এয়ার কন্ডিশনার প্রতি মিনিটে প্রায় ৩১৫ কিলোজুল তাপ ঘর থেকে অপসারণ করে বাইরে বের করে দেয়।
উদাহরণ ২: বাণিজ্যিক কোল্ড স্টোরেজ।
ব্যাখ্যা: বড় আকারের হিমাগারে টন হিসাব করে রেফ্রিজারেশন ক্ষমতা নির্ধারণ করা হয় যাতে নির্দিষ্ট পরিমাণ খাদ্যদ্রব্য ঠান্ডা রাখা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 21 KJ/min — এই মানটি ১০ গুণ কম হওয়ায় এটি এক টন রেফ্রিজারেশনের সঠিক পরিমাপ নির্দেশ করে না।
B) 210 KJ/min — এটি সঠিক উত্তর কারণ হিসাব অনুযায়ী এক টন রেফ্রিজারেশনের মান প্রতি মিনিটে ২১০ কিলোজুল।
C) 420 KJ/min — এই মানটি দ্বিগুণ হওয়ায় এটি দুই টন রেফ্রিজারেশন ক্ষমতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে।
D) 500 KJ/min — এই মানটি বৈজ্ঞানিকভাবে নির্ধারিত এক টন রেফ্রিজারেশনের আদর্শ মানের সঙ্গে মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মানটি মনে রাখার জন্য ২৪ ঘণ্টার হিসাবকে মিনিটে রূপান্তর করে প্রতি মিনিটে ২১০ কিলোজুল এই সংখ্যাটি মাথায় রাখবে।
- টন রেফ্রিজারেশন মানে বরফ গলানোর ক্ষমতা, ওজনের পরিমাপ নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় তাপগতিবিদ্যা ও যন্ত্রকৌশল অংশে প্রায়ই আসে।
- এখান থেকে প্রতি ঘণ্টায় বা কিলোওয়াট এককে রূপান্তরের প্রশ্নও আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) ওয়াটার টারবাইন
১. কেন সঠিক:
- চলন্ত পানির গতিশক্তিকে কাজে লাগিয়ে যান্ত্রিক শক্তি উৎপাদনের প্রধান মাধ্যম হলো ওয়াটার টারবাইন।
- পানির ধাক্কায় টারবাইনের ব্লেড বা চাকা ঘোরে, যা গতিশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: শক্তি সংরক্ষণশীলতার সূত্র অনুযায়ী শক্তি সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায় না, এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তরিত হয়।
- কার্যপ্রণালি: উঁচুতে থাকা জলাধার থেকে পাইপের মাধ্যমে প্রবল বেগে পানি নিচে ফেলে টারবাইনের ব্লেডে আঘাত করা হয়।
- কারণ ও ফলাфসল: পানির এই গতিশীল ধাক্কা টারবাইনের ঘূর্ণন গতি তৈরি করে, যা পরে জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করা সহজ হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে নদীর স্রোত বা কৃত্রিম বাঁধের পানি ব্যবহার করে এই পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
ব্যাখ্যা: কর্ণফুলী নদীর স্রোতের গতিশক্তিকে ওয়াটার টারবাইনের মাধ্যমে যান্ত্রিক শক্তিতে এবং পরবর্তীতে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করা হয়।
উদাহরণ ২: পাহাড়ি ঝরনার মুখে ছোট চাকা ঘুরিয়ে চালিত ঘানি।
ব্যাখ্যা: প্রবহমান পানির ধাক্কায় চাকা ঘুরে যান্ত্রিক শক্তি উৎপাদন করে এবং তা দিয়ে কৃষিপণ্য ভাঙানোর কাজ করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওয়াটার গেট — এটি নদীর পানি নিয়ন্ত্রণ বা প্রবাহ রোধ করার এক ধরণের জলকপাট বা বাঁধের দরজা মাত্র।
B) ফ্লো- টারবাইন — এটি নির্দিষ্ট কোনো প্রচলিত বৈজ্ঞানিক বা প্রযুক্তিগত যন্ত্রের নাম নয় যা এই প্রশ্নের উত্তর হিসেবে প্রযোজ্য।
C) ওয়াটার টারবাইন — এটি সঠিক কারণ এটি পানির গতিশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করতে বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে।
D) ওয়াটার পাম্প — এটি যান্ত্রিক শক্তি ব্যবহার করে পানিকে নিচ থেকে ওপরে তোলার কাজে ব্যবহৃত হয়, যা ঠিক উল্টো প্রক্রিয়া।
৫ মনে রাখার টিপস:
- টারবাইন মানেই ঘূর্ণন বা যান্ত্রিক শক্তি উৎপাদন।
- পানির গতিশক্তি থেকে শক্তি পেতে হলে টারবাইন শব্দটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে শক্তির রূপান্তরের ধারাবাহিকতা হলো বিভব শক্তি থেকে গতিশক্তি, গতিশক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি এবং যান্ত্রিক শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় শক্তি রূপান্তরের অধ্যায় থেকে প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) প্লাজমা
১. কেন সঠিক:
- পদার্থের চতুর্থ অবস্থাকে প্লাজমা বলা হয় যা গ্যাসীয় অবস্থার পরবর্তী অতি উচ্চ তাপমাত্রার একটি রূপ।
- এই অবস্থায় পদার্থের পরমাণুগুলো ভেঙে ধনাত্মক আয়ন ও মুক্ত ইলেকট্রনে পরিণত হয় এবং অত্যন্ত শক্তি নিয়ে চলাচল করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: প্লাজমা হলো অতি উচ্চ তাপমাত্রায় আয়নিত গ্যাসের সমষ্টি যেখানে আধানযুক্ত কণাগুলো একসঙ্গে অবস্থান করে।
- কার্যপ্রণালি: সাধারণ গ্যাসে তাপ প্রয়োগ করলে তাপমাত্রা বাড়তে বাড়তে অণুগুলোর ইলেকট্রন আলাদা হয়ে যায় এবং গ্যাস প্লাজমায় রূপান্তরিত হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: সূর্য এবং অন্যান্য নক্ষত্রের ভেতরে পদার্থের মূল অবস্থা হলো প্লাজমা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিয়ন সাইনবোর্ড
ব্যাখ্যা: নিয়ন গ্যাসের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করলে গ্যাসটি প্লাজমায় পরিণত হয় এবং উজ্জ্বল আলো ছড়ায়।
উদাহরণ ২: মেরুপ্রভা বা অরোরা
ব্যাখ্যা: সৌরবায়ুর প্লাজমা কণাগুলো পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের সঙ্গে বিক্রিয়া করে বায়ুমণ্ডলে সুন্দর আলোর সৃষ্টি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফোটন — ফোটন হলো আলোর মৌলিক কণা বা শক্তির একক, এটি পদার্থের কোনো ভৌতিক অবস্থা নয়।
B) প্লাজমা — এটি সঠিক উত্তর এবং পদার্থের চতুর্থ অবস্থা হিসেবে পরিচিত।
C) অণু — অণু হলো পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা দুই বা ততোধিক পরমাণুর সমন্বয়ে গঠিত।
D) পরমাণু — পরমাণু হলো মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা পদার্থের গঠনগত একক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পদার্থের অবস্থার ক্রম মনে রাখার জন্য এভাবে ভাবো: কঠিন থেকে তরল, তরল থেকে গ্যাস এবং গ্যাস থেকে প্লাজমা।
- আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানে প্লাজমাকে গ্যাসীয় অবস্থার উচ্চতর শক্তিস্তর হিসেবে গণ্য করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মহাবিশ্বের মোট পদার্থের প্রায় নিরানব্বই ভাগই প্লাজমা অবস্থায় রয়েছে।
- এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত বিসিএস এবং শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় পদার্থের অবস্থাভিত্তিক সাধারণ জ্ঞানে আসে।
সঠিক উত্তর: C) মডুলাস অব রিজিডিটি
১. কেন সঠিক:
- শেয়ার স্ট্রেস এবং শেয়ার স্ট্রেইনের অনুপাত হলো মডুলাস অব রিজিডিটি, যাকে দৃঢ়তার গুণাঙ্কও বলা হয়।
- এটি পদার্থের আকার পরিবর্তনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করার ক্ষমতা নির্দেশ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: কোনো বস্তুর ওপর স্পর্শকীয় বল প্রয়োগ করলে তার বেধ বা আয়তন অপরিবর্তিত রেখে কেবল আকৃতির পরিবর্তন ঘটে, যা শেয়ার স্ট্রেস ও শেয়ার স্ট্রেইন সৃষ্টি করে।
- সূত্র বা তত্ত্ব: হুকের সূত্র অনুযায়ী স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে পীড়ন ও বিকৃতির অনুপাত একটি ধ্রুবক।
- কারণ ও ফলাফল: এই অনুপাত যত বেশি হয়, বস্তুর আকৃতি বিকৃত করা তত কঠিন হয় এবং বস্তুটির দৃঢ়তা তত বেশি প্রমাণিত হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: সেতু নির্মাণ বা ভবন তৈরির ধাতব কাঠামোর ওপর পার্শ্বীয় বল প্রয়োগ করলে কাঠামোটি কীভাবে বাঁকবে তা নির্ধারণে এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি বইয়ের ওপর হাত রেখে সামান্য পাশ থেকে ধাক্কা দিলে বইটির পৃষ্ঠগুলো কিছুটা সরে যায় কিন্তু উচ্চতা সমান থাকে।
ব্যাখ্যা: এই পার্শ্বীয় বল প্রয়োগের ফলে শেয়ার স্ট্রেস উৎপন্ন হয় এবং বইটির পৃষ্ঠের কৌণিক সরণ ঘটে যা শেয়ার স্ট্রেইন নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: জেলির জারের ওপর চামচ দিয়ে পাশ থেকে চাপ প্রয়োগ করলে জেলিটি একপাশে সামান্য ঝুঁকে পড়ে।
ব্যাখ্যা: জেলি অত্যন্ত নরম হওয়ায় এর মডুলাস অব রিজিডিটির মান খুবই কম, তাই সামান্য বল প্রয়োগেই এর আকৃতির পরিবর্তন ঘটে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মডুলাস অব ইলস্টিসিটি — এটি মূলত লম্ব পীড়ন ও লম্ব বিকৃতির অনুপাতকে বোঝায়, যা ইয়ং এর গুণাঙ্ক নামেও পরিচিত।
B) বাল্ক মডুলাস — এটি আয়তন পীড়ন এবং আয়তন বিকৃতির অনুপাত নির্দেশ করে যা পদার্থের সংকোচনশীলতা মাপে।
C) মডুলাস অব রিজিডিটি — এটি শেয়ার স্ট্রেস ও শেয়ার স্ট্রেইনের সঠিক অনুপাত যা পদার্থের দৃঢ়তা প্রকাশ করে।
D) পয়েশন রেশিও — এটি পার্শ্বীয় বিকৃতি এবং দৈর্ঘ্য বিকৃতির অনুপাত যা কোনো তার টানলে তার প্রস্থ হ্রাসের হার বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রিজিডিটি শব্দের অর্থ দৃঢ়তা, আর দৃঢ় বস্তুর ওপর পাশ থেকে বল বা শেয়ার প্রয়োগ করা হয়।
- শেয়ার মানে ভাগ করা বা পাশ থেকে কাটানো বল, তাই শেয়ারের সাথে রিজিডিটি যুক্ত থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন ধরণের স্থিতিস্থাপক গুণাঙ্কের অনুপাত প্রায়ই আসে।
- শেয়ার স্ট্রেইনের একক নেই কারণ এটি দুটি একই রাশির অনুপাত, তবে মডুলাস অব রিজিডিটির একক প্যাস্কেল।
সঠিক উত্তর: B) আয়রন
১. কেন সঠিক:
মানবদেহে রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া প্রধানত রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরির উপাদান আয়রনের অভাবে ঘটে।
আয়রনের অভাবে লোহিত রক্তকণিকা পর্যাপ্ত অক্সিজেন বহন করতে পারে না, যা শরীরকে ক্লান্ত ও দুর্বল করে তোলে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: আয়রন হলো রক্তের হিমোগ্লোবিন প্রোটিনের একটি অপরিহার্য উপাদান যা ফুসফুস থেকে কোষে অক্সিজেন পরিবহন করে।
কার্যপ্রণালি: পর্যাপ্ত আয়রনের অভাবে অস্থিমজ্জা পর্যাপ্ত হিমোগ্লোবিন ও সুস্থ লোহিত রক্তকণিকা তৈরি করতে ব্যর্থ হয়।
কারণ ও ফলাফল: শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেওয়ায় শারীরিক দুর্বলতা, ক্লান্তি এবং মাথা ঘোরার মতো লক্ষণ প্রকাশ পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গর্ভাবস্থায় নারীদের আয়রনের চাহিদা বহুগুণ বেড়ে যায় এবং এই ঘাটতি পূরণ না হলে রক্তশূন্যতা দেখা দিতে পারে।
ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত চাহিদার কারণে শরীরের সঞ্চিত আয়রন ফুরিয়ে যাওয়ায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়।
উদাহরণ ২: শৈশবে কৃমির সংক্রমণ হলে অন্ত্রের রক্তক্ষরণের কারণে শরীরে আয়রনের ঘাটতি ও রক্তশূন্যতা হতে পারে।
ব্যাখ্যা: দীর্ঘমেয়াদি রক্তক্ষরণ শরীরের আয়রনের ভাণ্ডার নিঃশেষ করে দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন- এ — এর অভাবে রাতকানা রোগ ও চোখের নানা জটিলতা দেখা দেয় কিন্তু রক্তশূন্যতা হয় না।
B) আয়রন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরির মূল উপাদান।
C) ক্যালসিয়াম — এর অভাবে হাড় ও দাঁত দুর্বল হয় এবং পেশির কার্যকারিতা ব্যাহত হয়।
D) আয়োডিন — এর অভাবে গয়টার বা গলগণ্ড রোগ হয় এবং মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
রক্তে লোহিত কণার মূল ধন, তার নাম হলো আয়রন।
এই ছন্দটি মনে রাখলে রক্তশূন্যতার সাথে আয়রনের সম্পর্ক সহজে মনে রাখা যাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, রক্তশূন্যতার প্রায় অর্ধেক ঘটনার জন্য আয়রনের অভাব দায়ী।
এই টপিক থেকে অনেক সময় হিমোগ্লোবিনের প্রধান খনিজ উপাদান কী ধরনের প্রশ্ন হয়ে থাকে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)