বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

সমবায় অধিদপ্তরে পরিদর্শক, মহিলা পরিদর্শক, প্রশিক্ষক ও ফিল্ড ইনভেস্টিগেটর পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩।

পদের নাম: ইনস্ট্রাক্টর (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a ৫ টি
b ৭ টি
c ৮ টি
d ৬ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণ সংখ্যা ৬ টি। এই বর্ণগুলো লেখার সময় মাথার ওপর কোনো মাত্রা বা রেখা থাকে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০ টি বর্ণ রয়েছে, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি। মাত্রার ওপর ভিত্তি করে ব্যঞ্জনবর্ণকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যথা মাত্রাতিরিক্ত বা পূর্ণমাত্রার বর্ণ, অর্ধমাত্রার বর্ণ এবং মাত্রাহীন বর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঙ ব্যাখ্যা: এটি একটি মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণ কারণ এর লেখার ওপরে কোনো মাত্রা থাকে না। উদাহরণ ২: ঔ ব্যাখ্যা: এটি একটি মাত্রাহীন স্বরবর্ণ, যা স্বরবর্ণের ক্ষেত্রে মাত্রাহীনতার একটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ টি — এটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় ৫ টি অর্ধমাত্রার স্বরবর্ণ রয়েছে, মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণ ৫ টি নয়। B) ৭ টি — এটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় ৭ টি অর্ধমাত্রার ব্যঞ্জনবর্ণ রয়েছে, মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণ ৭ টি নয়। C) ৮ টি — এটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় মোট ১০ টি মাত্রাহীন বর্ণ আছে যার মধ্যে ৪ টি স্বরবর্ণ ও ৬ টি ব্যঞ্জনবর্ণ। D) ৬ টি — এটি সঠিক কারণ বাংলা বর্ণমালায় ঠিক ৬ টি মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণ রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণ মনে রাখার সহজ শব্দ হলো ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ0 এই ছয়টি বর্ণ। বাংলা ব্যাকরণের বর্ণমালা অধ্যায় থেকে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রার ব্যঞ্জনবর্ণ ২৬ টি, অর্ধমাত্রার ব্যঞ্জনবর্ণ ৭ টি এবং মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণ ৬ টি। পরীক্ষায় স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের মাত্রা আলাদাভাবে জিজ্ঞেস করা হলে এই সংখ্যাগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a জলধারা
b অববাহিকা
c উপদ্বীপ
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অববাহিকা ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি Basin শব্দটির বাংলা পরিভাষা বা পারিভাষিক শব্দ হলো অববাহিকা, যা ভূগোল ও বিজ্ঞানে নদী বা জলাশয়ের আশেপাশের নিচু এলাকা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - পারিভাষিক শব্দ সাধারণত মূল ইংরেজি শব্দের ভাবার্থ রক্ষা করে বাংলা ভাষায় নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দভাণ্ডার বা পারিভাষিক শব্দ অংশের একটি প্রশ্ন, যেখানে বিদেশি শব্দের যথাযথ বাংলা রূপ জানতে চাওয়া হয়। - প্রশাসনিক, বৈজ্ঞানিক ও সাহিত্যিক কাজে ইংরেজি শব্দের সঠিক বাংলা প্রতিশব্দ ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Amazon Basin ব্যাখ্যা: একে বাংলায় অ্যামাজন অববাহিকা বলা হয়, যা অ্যামাজন নদীর পানি নিষ্কাশন এলাকা নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: Catchment Area ব্যাখ্যা: এর পারিভাষিক রূপ হলো ধারণ অববাহিকা বা জলবাহিকা এলাকা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জলধারা — জলধারা বলতে পানির স্রোত বা প্রবাহ বোঝায়, যা Basin শব্দের পারিভাষিক অর্থ নয়। B) অববাহিকা — এই অপশনটি সঠিক এবং Basin শব্দের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। C) উপদ্বীপ — তিন দিক দিয়ে জল দ্বারা বেষ্টিত ভূখণ্ডকে উপদ্বীপ বলা হয়, যার ইংরেজি প্রতিশব্দ Peninsula। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন বি তে থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - Basin শব্দের অর্থ সাধারণত নিচু অবয়ব বা অববাহিকা, তাই নদী বা জলের কোল বোঝাতে অববাহিকা শব্দটি মনে রাখবে। - পারিভাষিক শব্দ মুখস্থ না করে এর বাস্তব ব্যবহার ও অর্থ অনুধাবন করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - ভূগোল ও বিজ্ঞান সম্পর্কিত ইংরেজি শব্দের বাংলা রূপগুলো আলাদা করে চর্চা করা উচিত।
a জাদু
b মায়া
c মায়ূখ
d রজনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মায়া ১. কেন সঠিক: কুহক শব্দের অর্থ হলো ইন্দ্রজাল, ভেল্কি, ছলনা বা মোহ। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে মায়া শব্দটি কুহক শব্দের সমার্থক হিসেবে সবচেয়ে নিখুঁতভাবে এর অন্তর্নিহিত মোহ বা আচ্ছন্ন করার ভাব প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ বিষয়ক একটি ব্যাকরণগত প্রশ্ন যেখানে শব্দের ভাবগত ও রূপগত মিল খুঁজে বের করতে হয়। বাংলা ভাষায় একটি শব্দের একাধিক সমার্থক শব্দ থাকতে পারে যা বাক্যের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার চোখের কুহকে সবাই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিল। ব্যাখ্যা: এখানে কুহক শব্দটি মোহ বা জাদুর মতো আকর্ষণ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: বৈরাগীর মায়ায় পড়ে সে ঘর ছেড়েছিল। ব্যাখ্যা: এখানে মায়া শব্দটি গভীর আকর্ষণ বা মোহ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যা কুহকের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাদু — জাদু কুহকের একটি প্রায়োগিক রূপ হলেও অভিধানগত ও ভাবগত দিক থেকে মায়া শব্দটি কুহকের সরাসরি প্রতিশব্দ হিসেবে অধিক গ্রহণযোগ্য। B) মায়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ কুহক ও মায়া উভয়ই মোহ ও আচ্ছন্ন করার সমার্থক ভাব প্রকাশ করে। C) মায়ূখ — মায়ূখ শব্দের অর্থ রশ্মি বা কিরণ যা কুহক বা মায়ার সঙ্গে সম্পর্কহীন। D) রজনী — রজনী শব্দের অর্থ রাত্রি বা রাত, যা আলোর বিপরীত বা সময়ের একটি অংশ এবং কুহকের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: কুহক মানেই হলো একধরনের মোহ বা মায়াজাল যা মানুষকে বিভ্রান্ত করে। কুহক ও মায়া উভয় শব্দের সঙ্গেই মনকে আচ্ছন্ন করার মিল রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের আক্ষরিক অর্থের পাশাপাশি প্রমিত ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে। একই শব্দের একাধিক প্রতিশব্দ মুখস্থ রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a ভাষাতত্ত্ব
b ধ্বনিতত্ত্ব
c রূপতত্ত্ব
d বাক্যতত্ত্ব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধ্বনিতত্ত্ব ১. কেন সঠিক: সন্ধি শব্দটির অর্থ মিলন। দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলা হয়, যা ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়। ভাষার মূল ভিত্তি হলো ধ্বনি, আর ধ্বনির পরিবর্তন ও বিন্যাস ধ্বনিতত্ত্বে আলোচিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনিতত্ত্বে ধ্বনি, বর্ণ, নত্ব বিধান, ষত্ব বিধান, সন্ধি, উচ্চারণ ইত্যাদি আলোচিত হয়। সন্ধি পদের বা শব্দের ধ্বনিগত পরিবর্তন ঘটাতে সাহায্য করে এবং উচ্চারণকে সহজ ও মধুর করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়। ব্যাখ্যা: এখানে আ এবং আ মিলে একটি আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে, যা ধ্বনির মিলনের মাধ্যমে সাধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: হিম + আলয় = হিমালয়। ব্যাখ্যা: এখানে অ এবং আ মিলে আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে, যা ধ্বনিগত পরিবর্তনের একটি রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষাতত্ত্ব — এটি ভাষার উৎপত্তি, ইতিহাস ও রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করে, সন্ধি এখানে সরাসরি আলোচিত হয় না। C) রূপতত্ত্ব — এটি শব্দ গঠন, প্রত্যয়, সমাস, কারক ও বিভক্তি নিয়ে আলোচনা করে, ধ্বনির মিলন নিয়ে নয়। D) বাক্যতত্ত্ব — এটি বাক্য সংকোচন, বাক্যের গঠন, বাচ্য ও উক্তি পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করে। ৫ মনে রাখার টিপস: সন্ধি মানে ধ্বনির মিলন, আর ধ্বনি সম্পর্কিত সব কিছু ধ্বনিতত্ত্বে আলোচিত হয়। সন্ধির সঙ্গে ধ্বনিতত্ত্বের সম্পর্ক মনে রাখতে ধ্বনি শব্দটি মনে রাখুন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। সমাস রূপতত্ত্বে এবং সন্ধি ধ্বনিতত্ত্বে আলোচিত হয়, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখবেন।
a পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য
b স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা
c পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
d রক্তাক্ত প্রান্তর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ১. কেন সঠিক: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় হলো বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য। এই নাটকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার গ্রামীণ জনপদের আতঙ্ক, প্রতিরোধ এবং আত্মত্যাগের দৃশ্য অত্যন্ত কাব্যিক ও নাটকীয়ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যকর্মটির রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত নাট্যকার ও কবি সৈয়দ শামসুল হক। এটি মূলত কাব্যনাট্য ধারার রচনা, যেখানে কবিতার ছন্দের মধ্য দিয়ে নাটকের চরিত্র ও সংলাপ ফুটিয়ে তোলা হয় এবং এটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নুরুলদীনের সারাজীবন ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি অত্যন্ত বিখ্যাত ঐতিহাসিক কাব্যনাট্য যা উত্তরবঙ্গের কৃষক বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে রচিত। উদাহরণ ২: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ব্যাখ্যা: এই কাব্যনাট্যটিতে কোনো আলাদা চরিত্রের নাম ব্যবহার করা হয়নি, বরং মাতবর, জোয়ান, গাঁয়ের লোক ইত্যাদি সাধারণ অভিধা ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য — এটি আলাউদ্দিন আল আজাদের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, কোনো কাব্যনাট্য নয়। B) স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা — এটি শহীদ কাদরীর একটি বিখ্যাত আধুনিক কবিতা, নাটক বা কাব্যনাট্য নয়। C) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি সৈয়দ শামসুল হকের লেখা মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক কাব্যনাট্য। D) রক্তাক্ত প্রান্তর — এটি মুনীর চৌধুরী রচিত ঐতিহাসিক নাটক, যা পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: সৈয়দ শামসুল হকের বিখ্যাত কাব্যনাট্য মনে রাখার কৌশল হলো সৈয়দের পায়ের আওয়াজ ও নুরুলদীনের জীবন। এখানে পায়ের আওয়াজ দিয়ে পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় এবং নুরুলদীন দিয়ে নুরুলদীনের সারাজীবন বোঝানো হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক নাটক এবং কাব্যনাট্যের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। নাটক এবং কাব্যনাট্যের রূপ এক নয়, তাই রচনার ধরন ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a দিবারাত্রী
b দিবারাত্র
c দীবারাত্র
d দিবসরাত্রী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দিবারাত্র ১. কেন সঠিক: দিবারাত্র শব্দটির প্রমিত ও ব্যাকরণসম্মত রূপ হলো দিবারাত্র। বাংলা একাডেমি আধুনিক বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের শেষে দীর্ঘী-কার ব্যবহার করা হয় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ই-কার বা ই-কারান্ত রূপ ব্যবহার করা হয়। দিবা এবং রাত্রী শব্দ দুটি মিলে জোড়া শব্দ হিসেবে গঠিত হলেও সমাসবদ্ধ পদে শেষের অংশে হ্রস্ব স্বর ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিবারাত্রি (অশুদ্ধ রূপ) ব্যাখ্যা: প্রাচীন বা প্রচলিত কিছু বইয়ে দিবারাত্রি লেখা থাকলেও বাংলা একাডেমির বানান নিয়ম অনুযায়ী এটি ভুল। উদাহরণ ২: অহনিশ ব্যাখ্যা: এটি দিবারাত্র শব্দের সমার্থক শব্দ এবং এর বানানও হ্রস্ব ই-কার দিয়ে নির্ধারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিবারাত্রী — এই বানানে শেষের রাত্রী শব্দটিতে দীর্ঘী-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী অশুদ্ধ। B) দিবারাত্র — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বাংলা একাডেমি অনুমোদিত প্রমিত বানান রূপ। C) দীবারাত্র — এই বানানে দিবা শব্দের প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) দিবসরাত্রী — দিবা শব্দের পরিবর্তে দিবস এবং রাত্রী যুক্ত করে সম্পূর্ণ আলাদা ও অপ্রমিত শব্দ গঠন করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: দিবারাত্র শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো এর শেষে কোনো দীর্ঘী-কার বা দীর্ঘ স্বরবর্ণ থাকে না। রাত্রী না লিখে সবসময় রাত বা রত্র লেখা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমাসবদ্ধ পদের বানান বা জোড়া শব্দের বানান থেকে প্রশ্ন আসে। এই ধরনের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করে হ্রস্ব ই-কারযুক্ত শব্দ নির্বাচন করতে হয়।
a জসীম উদ্দীন
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c ইব্রাহিম খাঁ
d আহমদ ছফা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: 'জাপান যাত্রী' গ্রন্থটির রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এটি মূলত তাঁর বিদেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতার ওপর রচিত একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা যিনি কবিতা, গান, ছোটগল্প, নাটক ও ভ্রমণকাহিনিতে মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন। তাঁর রচিত 'জাপান যাত্রী' গ্রন্থটি তাঁর জাপান ভ্রমণের ডায়রি ও পত্রাবলির সংকলন হিসেবে বিশেষ সাহিত্যিক গুরুত্ব বহন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাশিয়ার চিঠি ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপর একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনিমূলক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: পারস্যে ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভ্রমণ সাহিত্য ধারার আরেকটি উল্লেখযোগ্য রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জসীম উদ্দীন — তিনি পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত হলেও 'জাপান যাত্রী' তাঁর লেখা নয়। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) ইব্রাহিম খাঁ — তিনি একজন খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক হলেও এই ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা নন। D) আহমদ ছফা — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের শক্তিমান লেখক হলেও এই গ্রন্থের সঙ্গে যুক্ত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের নামের সঙ্গে 'যাত্রী' শব্দযুক্ত ভ্রমণকাহিনি যেমন জাপান যাত্রী ও রাশিয়া চিঠি মিলিয়ে পড়তে পারো। এভাবে ভ্রমণভিত্তিক সাহিত্যকর্মগুলো আলাদা করে মনে রাখা সহজ হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভ্রমণকাহিনি যেমন জাপান যাত্রী ও পারস্যে প্রায়ই আসে। লেখকের বিদেশ ভ্রমণভিত্তিক রচনাগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
a অক্ষয়
b শাশ্বত
c চিরন্তন
d ক্ষণস্থায়ী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্ষণস্থায়ী ১. কেন সঠিক: অবিনাশী শব্দের অর্থ যা কখনো বিনাশ বা ধ্বংস হয় না, অর্থাৎ যা চিরকাল স্থায়ী হয়। এখানে ক্ষণস্থায়ী শব্দটি অবিনাশী শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি অবিনাশী শব্দের সমার্থক নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দার্থ এবং সমার্থক বা বিপরীতার্থক শব্দের একটি প্রশ্ন। যে শব্দগুলো একই বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে তাদেরকে সমার্থক শব্দ বলে এবং বিপরীত অর্থ প্রকাশ করলে তাদেরকে বিপরীতার্থক শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অমর ব্যাখ্যা: অমর শব্দের অর্থ যার মৃত্যু নেই, যা অবিনাশী শব্দের সমার্থক। উদাহরণ ২: নশ্বর ব্যাখ্যা: নশ্বর শব্দের অর্থ যা ধ্বংসশীল বা ক্ষণস্থায়ী, যা অবিনাশী শব্দের বিপরীতার্থক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষয় — অক্ষয় শব্দের অর্থ যা ক্ষয় হয় না, যা অবিনাশী শব্দের সমার্থক হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর নয়। B) শাশ্বত — শাশ্বত শব্দের অর্থ যা চিরকাল ধরে চলে আসছে বা নিত্য, যা অবিনাশী শব্দের সমার্থক হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর নয়। C) চিরন্তন — চিরন্তন শব্দের অর্থ যা সর্বদা বিদ্যমান বা অবিনাশী, যা অবিনাশী শব্দের সমার্থক হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর নয়। D) ক্ষণস্থায়ী — ক্ষণস্থায়ী শব্দের অর্থ যা অল্পকাল স্থায়ী হয়, যা অবিনাশী শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং প্রশ্নের চাহিদা অনুযায়ী এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: অবিনাশী মানে যার নাশ বা ধ্বংস নেই। অক্ষয়, শাশ্বত ও চিরন্তন মানেও একই রকম দীর্ঘস্থায়ী, কিন্তু ক্ষণস্থায়ী সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ দেয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দের আড়ালে বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়। প্রশ্ন ভালোভাবে পড়ার অভ্যাস করলে এই ধরনের ভুল এড়ানো সম্ভব।
a সৃষ্ + তি
b সৃশ + তি
c সৃজ্ + তি
d শ্রী + তি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৃজ্ + তি ১. কেন সঠিক: - 'সৃষ্টি' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো সৃজ্ যোগ তি। এখানে 'সৃজ্' হলো ধাতু এবং 'তি' হলো প্রত্যয়। - ধাতুর সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ বা পদ গঠিত হয়, যা কৃদন্ত পদ নামে পরিচিত। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - কৃৎ প্রত্যয় হলো সেই প্রত্যয় যা ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। - এখানে সৃজ্ ধাতুর অন্তস্থিত জ বর্ণটি নিয়ম অনুযায়ী ষ-এ রূপান্তরিত হয়ে সৃষ্টি শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √দৃশ্ + তি = দৃষ্টি ব্যাখ্যা: দৃশ্য ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দৃষ্টি শব্দ গঠিত হয়েছে, যা একই নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ২: √বৃষ্ + তি = বৃষ্টি ব্যাখ্যা: বৃষ্ ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বৃষ্টি শব্দ গঠিত হয়েছে, যা কৃৎ প্রত্যয়ের আরেকটি সুন্দর উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৃষ্ + তি — সৃষ্ কোনো মৌলিক ধাতু নয়, তাই এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) সৃশ + তি — সৃশ নামে কোনো ব্যাকরণসম্মত ধাতু সংস্কৃতে বা বাংলায় নেই। D) শ্রী + তি — শ্রী ধাতু থেকে শ্রীতি হতে পারে, কিন্তু সৃষ্টি শব্দটি আসে সৃজ্ ধাতু থেকে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৃষ্টি শব্দটির মূলে রয়েছে সৃজ্ ধাতু এবং তি প্রত্যয়। - পরীক্ষার হলে জ-ফলাযুক্ত ধাতুর ক্ষেত্রে সৃজ্ ধাতুটিকে প্রাধান্য দেবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় ধাতু চিহ্নিত করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। - একই নিয়মে গঠিত অন্যান্য শব্দ যেমন দৃষ্টি, বৃষ্টি ও সৃষ্টি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a সংস্কৃত
b ইতস্তত
c কুলটা
d সতীশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কুলটা ১. কেন সঠিক: যেসব সন্ধি সাধারণ ব্যাকরণের নিয়ম বা সূত্র মেনে চলে না এবং প্রাকৃত বা প্রচলিত নিয়মে সাধিত হয়, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। কুলটা শব্দটি কুলা যোগ অটা এভাবে সাধারণ নিয়মে সন্ধি হওয়ার কথা থাকলেও তা না হয়ে নিপাতনে সিদ্ধ হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সন্ধির সাধারণ নিয়ম হলো স্বরবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণ কিংবা ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মিলন। কিন্তু নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি এই প্রচলিত কোনো নিয়মই মেনে চলে না, এগুলো ব্যাকরণের ব্যতিক্রম হিসেবে সরাসরি গৃহীত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গো পদ যোগ পদ = গোষ্পদ ব্যাখ্যা: এটি ব্যঞ্জনবর্ণের একটি বিখ্যাত নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ, যা সাধারণ নিয়মের বাইরে সাধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: বৃক্ষ যোগ উদিত = বৃক্ষোমিত ব্যাখ্যা: এটি স্বরবর্ণের ক্ষেত্রে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির একটি উদাহরণ, যা ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম অনুসরণ করে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত — এটি সম যোগ কৃত সন্ধির নিয়মে গঠিত একটি ব্যঞ্জনসন্ধি, যা নিপাতনে সিদ্ধ নয়। B) ইতস্তত — এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মে গঠিত একটি শব্দ, যেখানে ইতঃ যোগ ততঃ মিলে ইতস্তত হয়েছে। D) সতীশ — এটি সতী যোগ ঈশ সন্ধির নিয়মে গঠিত একটি দীর্ঘ স্বরসন্ধি, যা নিপাতনে সিদ্ধ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিগুলো মনে রাখার জন্য কয়েকটি নির্দিষ্ট শব্দ যেমন কুলটা, গোষ্পদ, পরস্পর, আশ্চর্য মুখস্থ করে রাখা সবচেয়ে নিরাপদ। ব্যাকরণে যখনই দেখবে কোনো শব্দ সাধারণ নিয়মের বাইরে গিয়ে পরিবর্তিত হয়েছে, তখনই তা নিপাতনে সিদ্ধ হিসেবে ধরে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই কুলটা, গোষ্পদ ও আশ্চর্য শব্দগুলো খুব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। নিয়ম না মিলে সরাসরি মুখস্থ রাখার শব্দগুলোই মূলত এই ক্যাটাগরিতে পরীক্ষাকেন্দ্রে বেশি মূল্যায়ন করা হয়।
a বিশেষ্য
b বিশেষণ
c ক্রিয়া
d অব্যয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশেষ্য ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ব্যবহৃত ‘সাজ’ শব্দটি কোনো বিশেষ কাজের নাম বা ভাব প্রকাশ করছে, যা বিশেষ্য পদের অন্তর্ভুক্ত। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়মে কোনো ক্রিয়াপদের মূল বা ধাতু থেকে উৎপন্ন হয়ে যে বিশেষ্য পদ কোনো কাজের ভাব প্রকাশ করে তাকে ভাববাচক বিশেষ্য বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, বস্তু, সমষ্টি, গুণ বা কাজের ভাব বোঝায় তাকে বিশেষ্য পদ বলে। - সাজ শব্দটি সাজা বা সাজানো ধাতুর ভাববাচক রূপ হিসেবে বিশেষ্য পদ হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সকালের সাজ মনমুগ্ধকর। ব্যাখ্যা: এখানে সাজ শব্দটি বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: নতুন বধূর সাজ সবার পছন্দ হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে সাজ শব্দটি সাজানোর ভাব বা রূপ অর্থ প্রকাশ করায় বিশেষ্য পদ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ সাজ শব্দটি একটি কাজের ভাব প্রকাশকারী নাম পদ। B) বিশেষণ — বিশেষণ পদ বলতে দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা বোঝায়, যা সাজ শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদ দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায়, কিন্তু সাজ এখানে কাজের নাম হিসেবে এসেছে। D) অব্যয় — অব্যয় পদের কোনো পরিবর্তন হয় না এবং এটি বাক্যে সংযোগ বা ভাব প্রকাশ করে, যা সাজ শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দ শোনার পর যদি মনে হয় এটি কোনো কাজের নাম বা ভাব বোঝাচ্ছে, তবে তা ভাববাচক বিশেষ্য হবে। - সাজ শব্দটি মূলত সাজানো কাজের নাম, তাই এটি বিশেষ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধাতুজ বা ভাববাচক বিশেষ্য থেকে প্রশ্ন আসে। - শব্দের রূপ দেখে তাড়াহুড়ো না করে বাক্যে তার ব্যবহার ও কার্যকারিতা বুঝে পদ নির্ণয় করতে হবে।
a শং + কা
b শম্ + কা
c সম্ + কা
d সং + কা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শম্ + কা ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুসারে, ব্যঞ্জনবর্ণের ম-য়ের পর ক থেকে ম পর্যন্ত স্পর্শবর্ণ থাকলে ম-এর স্থানে অনুস্বার হয়। ‘শঙ্কা’ শব্দটিতে অনুস্বারের স্থানে ম-ফলা বা হসন্ত ম এবং পরবর্তী বর্ণ যুক্ত হয়ে সঠিক সন্ধি গঠিত হয়েছে ‘শম্ + কা’। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুসারে ম-এর পর ক, খ, গ, ঘ, ঙ থাকলে ম স্থানে অনুস্বার হয় অথবা পদের অন্তস্থিত ম-এর স্থানে অনুস্বার হয়। এই নিয়মে ম-এর জায়গায় অনুস্বার কিংবা অনুস্বারের জায়গায় ম লিখে সন্ধি বিচ্ছেদ করা ব্যাকরণসম্মতভাবে সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহংকার = অহম্ + কার ব্যাখ্যা: এখানে ম-এর পর ক থাকার কারণে ম-এর স্থানে অনুস্বার হয়ে অহংকার শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: সঙ্কলন = সম্ + কলন ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও একই নিয়মে ম-এর স্থলে অনুস্বার যুক্ত হয়ে সন্ধি সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শং + কা — শং কোনো ব্যাকরণসিদ্ধ শব্দমূল বা পদ নয়, তাই এই সন্ধি বিচ্ছেদটি সঠিক নয়। B) শম্ + কা — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়মানুযায়ী পরীক্ষিত সন্ধি বিচ্ছেদ। C) সম্ + কা — সম্ উপসর্গ দিয়ে কা যুক্ত কোনো শব্দ ব্যাকরণে শঙ্কা অর্থে সিদ্ধ হয় না। D) সং + কা — সং কোনো মূল শব্দ বা ধাতু নয়, যা দিয়ে শঙ্কা শব্দের সঠিক উৎপত্তি হতে পারে। ৫. মনে রাখার টিপস: অনুস্বারযুক্ত ব্যঞ্জনসন্ধি বিচ্ছেদের সময় সাধারণত অনুস্বারকে হসন্ত ম-এ রূপান্তর করতে হয়। ‘শঙ্কা’ শব্দের ক্ষেত্রে শম্ যোগ কা সূত্রটি মনে রাখলেই উত্তর সহজে বের করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুস্বারযুক্ত ব্যঞ্জনসন্ধি প্রায়ই পরীক্ষাতে আসে। এই নিয়মের ক্ষেত্রে অনুস্বারের পরিবর্তে ম-এর নিচে হসন্ত দিয়ে সঠিক অংশ আলাদা করতে হয়।
a সুধাংশু
b শশাংক
c বিধু
d আদিত্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আদিত্য ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো আদিত্য, কারণ এটি সূর্য শব্দের একটি সরাসরি সমার্থক বা প্রতিশব্দ। - বাংলা ভাষায় সূর্যের অনেকগুলো প্রতিশব্দ রয়েছে যার মধ্যে আদিত্য অন্যতম প্রধান একটি শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমাহার যেগুলোর অর্থ প্রায় একই রকম হয়। - বাংলা ব্যাকরণে প্রতিশব্দ শেখার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হয় এবং ভাষা ব্যবহারের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিবাকর ব্যাখ্যা: দিবাকর শব্দের অর্থ দিন করেন যিনি অর্থাৎ সূর্য। উদাহরণ ২: তপন ব্যাখ্যা: তপন শব্দের অর্থ যা তাপ দেয় অর্থাৎ সূর্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুধাংশু — সুধাংশু শব্দের অর্থ যার অংশ বা কিরণ সুধা বা অমৃতের মতো শীতল, তাই এটি চাঁদের প্রতিশব্দ। B) শশাংক — শশাংক শব্দের অর্থ যার চন্দ্রে শশার বা খরগোশের আকৃতি আছে, এটিও চাঁদের একটি বিখ্যাত প্রতিশব্দ। C) বিধু — বিধু শব্দের অর্থ চন্দ্র বা চাঁদ, যা রাতের আকাশে আলো ছড়ায় এবং এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়। D) আদিত্য — আদিত্য হলো সূর্যের প্রতিশব্দ যা সঠিক উত্তরের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সূর্য ও চন্দ্রের প্রতিশব্দগুলো প্রায়ই পরীক্ষায় একসঙ্গে আসে, তাই সূর্যের ক্ষেত্রে তপন, ভাস্কর, আদিত্য এবং চাঁদের ক্ষেত্রে সুধাংশু, শশাংক, বিধু আলাদা করে মনে রাখতে হবে। - আদিত্য শব্দের সাথে দাদিত্য বা এমন মিল রেখে সূর্যকে আলোর উৎস হিসেবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্য এবং চন্দ্রের প্রতিশব্দ থেকে প্রতি বছরই প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা থাকে। - সমার্থক শব্দ মুখস্থ না করে শব্দের মূল উৎস বা অর্থ বোঝার চেষ্টা করলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
a প্রানি
b প্রাণী
c প্রানি
d প্রাণী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রাণী ১. কেন সঠিক: - প্রাণী শব্দটি গঠিত হয়েছে প্রাণ শব্দের সাথে ঈ-প্রত্যয় যোগে। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী সংস্কৃত তৎসম শব্দে দীর্ঘী-ঈ ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তৎসম শব্দে ই এবং ঈ ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। - এই শব্দটিতে দীর্ঘী-ঈ ব্যবহার না করলে বানান ভুল হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নদী ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রমিত তৎসম শব্দ যেখানে দীর্ঘী-ঈ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: বাণী ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের নিয়ম অনুসারে দীর্ঘী-ঈ যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রানি — এই অপশনে দীর্ঘী-ঈ এর পরিবর্তে ই ব্যবহার করা হয়েছে যা বানান নিয়ম অনুযায়ী ভুল। B) প্রাণী — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করা হয়েছে। C) প্রানি — এটি একটি মুদ্রণজনিত বা টাইপের পুনরাবৃত্তি যা প্রথম অপশনের মতো ভুল। D) প্রাণী — এই অপশনটিও সঠিক বানান নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাণ শব্দের সাথে ঈ যুক্ত করে প্রাণী বানানটি মনে রাখতে হবে। - সংস্কৃত তৎসম শব্দের শেষে সাধারণত দীর্ঘী-ঈ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের বানරের প্রশ্ন আসে। - তৎসম শব্দের বানানগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের ভুল এড়ানো সম্ভব।
a ইংরেজি
b সিংহলী
c ফারসী
d পর্তুগিজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিংহলী ১. কেন সঠিক: - 'সিলভার' শব্দটি সিংহলী ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ ও শব্দের উৎস প্রকরণের অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। - সিংহল বর্তমান শ্রীলঙ্কার প্রাচীন নাম এবং সেখান থেকে কিছু শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে যার মধ্যে সিলভার অন্যতম একটি পরিচিত শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দের উৎস ও শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। - বিদেশি শব্দের মধ্যে ইংরেজি, আরবি, ফারসি ও পর্তুগিজ ছাড়াও বিভিন্ন ছোট ভাষার শব্দ যেমন সিংহলী, জাপানি বা চিনা শব্দ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহলী শব্দ 'রিকশা' ব্যাখ্যা: জাপানি শব্দ হলেও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কিছু শব্দ নির্দিষ্ট উৎস থেকে আগত হিসেবে ধরা হয়, যেমন সিংহলী থেকে সিলভার শব্দটি বাংলা ব্যাকরণে নির্দেশ করা হয়। উদাহরণ ২: জাপানি শব্দ 'হারাকিরি' ব্যাখ্যা: এটি যেমন একটি বিশেষ সংস্কৃতির বিদেশি শব্দ, তেমনই সিলভার শব্দটি সিংহলী উৎস থেকে আগত একটি নির্দিষ্ট বিদেশি শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজি — সিলভার শব্দটির উৎস ইংরেজি মনে হতে পারে কারণ এটি রূপা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে এটি সিংহলী শব্দ হিসেবে স্বীকৃত। B) সিংহলী — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সিংহল থেকে আসা শব্দ হিসেবে এটি পরীক্ষণে নির্ধারিত হয়েছে। C) ফারসী — ফারসি ভাষা থেকে আমাদের ভাষায় হাজারো শব্দ আসলেও সিলভার ফারসি ভাষার শব্দ নয়। D) পর্তুগিজ — পর্তুগিজরা দীর্ঘদিন বাংলায় ছিল এবং তাদের ভাষা থেকে অনেক শব্দ এলেও সিলভার তাদের ভাষা থেকে আসেনি। ৫ মনে রাখার টিপস: - সিংহলী শব্দের উৎস মনে রাখার জন্য শ্রীলঙ্কার প্রাচীন নাম সিলন এবং সেখান থেকে সিলভার শব্দটি মনে রাখতে পারো। - বিদেশি শব্দ পড়ার সময় ব্যতিক্রমী উৎস যেমন সিংহলী বা ওলন্দাজ শব্দগুলো আলাদা করে নোট করে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণ বিদেশি শব্দের পাশাপাশি অপ্রচলিত ভাষার উৎস থেকে আসা শব্দগুলো প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে। - তাই শুধু প্রধান বিদেশি ভাষা নয়, বরং সিংহলী, মায়ানমার বা পশতু ভাষার মতো উৎসগুলো ভালোভাবে দেখে যাওয়া উচিত।
a জগৎ মোহিনী
b প্রমেন্দ্র মিত্র
c প্রমথনাথ বসু
d প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন এবং তিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষারীতির প্রবক্তা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের ছদ্মনাম সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা গদ্যে কথ্য ভাষার রূপ প্রতিষ্ঠা করেন এবং তাঁর সম্পাদিত সব্যসাচী পত্রিকা সবুজপত্র বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির আন্দোলন শুরু করে। - তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থের মধ্যে তেলেনাপোতা আবিষ্কার নয় বরং বীরবলের হালখাতা, রায়তের কথা এবং সনেট পঞ্চাশৎ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবলের হালখাতা ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত একটি প্রবন্ধগ্রন্থ যা বীরবল ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: চার ইয়ারী কথা ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর লেখা একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন যা তাঁর সাহিত্যিক পরিচয়ের অংশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জগৎ মোহিনী — এটি কোনো প্রখ্যাত সাহিত্যিক বা ছদ্মনাম নয়, তাই উত্তরটি ভুল। B) প্রমেন্দ্র মিত্র — তিনি একজন বিখ্যাত আধুনিক সাহিত্যিক ও কল্লোল যুগের লেখক, তাঁর কোনো বীরবল ছদ্মনাম ছিল না। C) প্রমথনাথ বসু — তিনি একজন খ্যাতনামা বিজ্ঞানী ও গবেষক ছিলেন, সাহিত্যিক ছদ্মনামের সঙ্গে তাঁর নাম সম্পর্কিত নয়। D) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অপশনটি গ্রহণযোগ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রমথ চৌধুরীর প্র দিয়ে প্রমথ এবং বীরবলের ব দিয়ে বীরবল মনে রাখতে পারো, অথবা বীরবল চরিত্রটি যেমন চতুর ও বুদ্ধিদীপ্ত ছিল প্রমথ চৌধুরীর লেখাও তেমনি তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ছদ্মনামের প্রশ্নগুলোর জন্য প্রমথ চৌধুরীর বীরবল, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অনিলা দেবী এবং বিনয় মুখোপাধ্যায়ের যাযাবর ছদ্মনামগুলো একসাথে পড়ে রাখবে।
a প্রলাপ করা
b গালাগালি করা
c এক ধরনের গান
d প্রশংসা করা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গালাগালি করা ১. কেন সঠিক: - খেঁদুর গাওয়া বাগধারাটির প্রমিত ও প্রচলিত অর্থ হলো তীব্রভাবে গালাগালি করা বা কর্কশ ভাষায় ভর্ৎসনা করা। - খেঁদুর বা খেউড় হলো এক ধরনের অশ্লীল বা কদর্য শব্দযুক্ত গান, যা মূলত গালাগালি বা কটূক্তির সমার্থক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বাগধারা, যা বিশেষ কোনো আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। - বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ প্রকরণে অনেক শব্দ ও বাগধারা তাদের প্রচলিত রূপের মাধ্যমে বিশেষ ভাব প্রকাশ করে, যার সঙ্গে আক্ষরিক অর্থের মিল থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চায়ের কাপে তুফান তোলা ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ ছোট বিষয় নিয়ে অনেক বড় ঝগড়া বা উত্তেজনা তৈরি করা। উদাহরণ ২: ডুমুরের ফুল ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ অদৃশ্য বা খুব দুর্লভ বস্তু, যা সহজে দেখা যায় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রলাপ করা — প্রলাপ করা অর্থ অসংলগ্ন বা আবলতাবল বকা, যা খেঁদুর গাওয়া বাগধারার নির্দিষ্ট অর্থ নয়। B) গালাগালি করা — এটিই সঠিক উত্তর কারণ খেঁদুর গাওয়া মানে তীব্র ভাষায় গালাগালি করা বা কদর্য ভাষায় ভর্ৎসনা করা। C) এক ধরনের গান — খেউড় আক্ষরিক অর্থে গান হলেও বাগধারা হিসেবে এর রূপক অর্থ গালাগালি করা বোঝায়। D) প্রশংসা করা — প্রশংসা করা অর্থ কোনো গুণের বা কাজের ভালো দিক বলা, যা খেঁদুর গাওয়া বাগধারার সম্পূর্ণ বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - খেউড় গান মানেই কদর্য বা অশ্লীল কথা, আর সেখান থেকেই খেঁদুর গাওয়া মানে কাউকে কটূক্তি বা গালাগালি করা মনে রাখা সহজ। - শব্দটির উৎপত্তিগত অর্থ মাথায় রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কদর্য বা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে এমন বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের বাগধারার আক্ষরিক অর্থ এবং প্রচলিত ভাবার্থের পার্থক্য ভালো করে খেয়াল রাখতে হবে।
a ফারসি
b আরবি
c পর্তুগিজ
d তুর্কি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফারসি ১. কেন সঠিক: - দরজা শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বাংলা ভাষায় দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য বহু বিদেশি শব্দ যুক্ত হয়েছে, যার একটি বড় অংশ এসেছে ফারসি ভাষা থেকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ। - ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত এবং প্রশাসনিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এসব শব্দ বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চশমা ব্যাখ্যা: চশমা শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত একটি অতি পরিচিত বিদেশি শব্দ। উদাহরণ ২: চাকুর ব্যাখ্যা: চাকুর বা চাকর শব্দটিও ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফারসি — এটি সঠিক উত্তর কারণ দরজা ফারসি ভাষার শব্দ। B) আরবি — দরজা শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আসেনি, তাই এই অপশনটি ভুল। C) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে আসা শব্দগুলোর মধ্যে আনারস, চাবি ইত্যাদি রয়েছে, দরজা নয়। D) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে দারোগা, তোপ ইত্যাদি শব্দ এসেছে, দরজা আসেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঘরবাড়ি ও ব্যবহারের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র যেমন দরজা, জানালা, চশমা ইত্যাদি ফারসি শব্দ হিসেবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ফারসি ও আরবি শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a মানব
b বাজনা
c দোকানদার
d ব্যাঙ্গাচে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মানব ১. কেন সঠিক: - মানব শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলায় এসেছে। - উৎস বা রূপের বিচারে যে শব্দগুলো সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিতভাবে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যার একটি হলো তৎসম শব্দ। - তৎসম শব্দের অর্থ হলো তার সমান অর্থাৎ সংস্কৃত ভাষার সমান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্র ব্যাখ্যা: চন্দ্র শব্দটি সরাসরি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে এবং এর রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে। উদাহরণ ২: সূর্য ব্যাখ্যা: সূর্য শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি তৎসম শব্দ। B) বাজনা — বাজনা একটি তদ্ভব শব্দ, যার উৎস সংস্কৃত বাদ্য বা বাদ্যন। C) দোকানদার — দোকানদার একটি ফার্সি মিশ্র শব্দ, যেখানে দোকান ফার্সি এবং দার প্রত্যয়টি ফার্সি থেকে এসেছে। D) ব্যাঙ্গাচে — ব্যাঙ্গাচে বা ব্যাঙাচি একটি দেশি শব্দ, যা প্রাকৃত বা আদি অস্ট্রিক ভাষা থেকে এসেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত ব্যাকরণ বা সাধু প্রকৃতির শব্দগুলো সাধারণত তৎসম শব্দ হয়, যেমন চন্দ্র, সূর্য, মানব, নদী। - তৎসম শব্দের বানানে ণ, ষ এবং ঋ-কার বা ফলা বেশি দেখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস নির্ণয় করার জন্য শব্দের বানান এবং প্রকৃতি ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে। - তৎসম শব্দ চেনার উপায় হলো এগুলো সাধারণত কঠিন বা সাধু প্রকৃতির সংস্কৃত শব্দ হয়।
a ব, ভ
b চ, ছ
c ড, ঢ
d দ, ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চ, ছ ১. কেন সঠিক: - ঘোষ ও অঘোষ ধ্বনির সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কমন্ত্রিত না হলে তাকে অঘোষ ধ্বনি বলে। - বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণগুলো উচ্চারণ করার সময় স্বরতন্ত্রীতে কোনো কম্পন সৃষ্টি হয় না, তাই এগুলো অঘোষ ধ্বনি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনিগুলোকে ঘোষ ও অঘোষ এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। - প্রতি বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ অঘোষ ধ্বনি এবং তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বর্ণ ঘোষ ধ্বনি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক, খ ব্যাখ্যা: ক বর্গীয় প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ হওয়ায় এগুলো অঘোষ ধ্বনি। উদাহরণ ২: ট, ঠ ব্যাখ্যা: ট বর্গীয় প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ হওয়ায় এগুলো অঘোষ ধ্বনি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব, ভ — প বর্গীয় তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ণ হওয়ার কারণে এরা ঘোষ ধ্বনি। B) চ, ছ — সঠিক উত্তর কারণ এরা চ বর্গীয় প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ। C) ড, ঢ — ট বর্গীয় তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ণ হওয়ায় এরা ঘোষ ধ্বনি। D) দ, ধ — ত বর্গীয় তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ণ হওয়ার কারণে এরা ঘোষ ধ্বনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রতিটি বর্গের প্রথম দুটি বর্ণ অঘোষ এবং পরের তিনটি বর্ণ ঘোষ মনে রাখবে। - প্রতি বর্গের ১ এবং ২ নম্বর বর্ণ মানেই হলো অঘোষ ধ্বনি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঘোষ ও অঘোষ ধ্বনি থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - ব্যঞ্জনবর্ণের বর্গভিত্তিক তালিকা মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a দোল + না
b দোল্ + অনা
c √দুল্ + অনা
d দোলনা + না
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) √দুল্ + অনা ১. কেন সঠিক: - দুলনা শব্দটি গঠিত হয়েছে √দুল্ ধাতু বা প্রকৃতির সঙ্গে অনা প্রত্যয় যোগে। - এখানে √দুল্ হলো ক্রিয়ামূল এবং অনা হলো কৃৎপ্রত্যয়, যা সাধিত শব্দের ভাববাচক বা বস্তুবাচক বিশেষ্য রূপ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - কৃৎপ্রত্যয় হলো ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়। - ধাতুর সঙ্গে কৃৎপ্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে নতুন শব্দ গঠিত হয় তাকে কৃদন্ত পদ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √পাঠ্ + অন = পঠন ব্যাখ্যা: পাঠ ধাতুর সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পঠন শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: √চলা + আনো = চালানো ব্যাখ্যা: চল ধাতুর সঙ্গে আনো প্রত্যয় যুক্ত হয়ে চালানো শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দোল + না — এই অপশনে প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের বিন্যাস ব্যাকরণগত নিয়মের সঙ্গে মেলে না। B) দোল্ + অনা — এই অপশনে দোল্ ক্রিয়ামূল হিসেবে শুদ্ধ হলেও মূল ধাতু হিসেবে √ চিহ্ন বা সঠিক রূপ ব্যবহার করা হয়নি। D) দোলনা + না — দোলনা একটি পূর্ণাঙ্গ শব্দ, তাই এর সঙ্গে পুনরায় না প্রত্যয় যুক্ত করে প্রকৃতি-প্রত্যয় নির্ণয় করা সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়ামূলের পূর্বে রুট বা √ চিহ্ন থাকলে এবং পরে অনা থাকলে তা সাধারণত কৃৎপ্রত্যয় হয়। - ধাতু চেনার জন্য শব্দের মূল ক্রিয়াটি নির্ধারণ করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ধাতুর পূর্বের √ চিহ্ন এবং কৃৎপ্রত্যয়ের সঠিক ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে। - একই নিয়মে কৃদন্ত পদ চেনার অভ্যাস রাখতে হবে।
a দিবস
b সুন্দর
c শোভা
d শীতল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দিবস ১. কেন সঠিক: শর্বরী শব্দের অর্থ হলো রাত বা রাত্রি। দিবস শব্দের অর্থ হলো দিন, তাই শর্বরী শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে দিবস ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। সমার্থক বা বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে শব্দের উৎস এবং ভাবার্থ বিবেচনা করা অত্যন্ত জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিমির ব্যাখ্যা: তিমির শব্দের অর্থ অন্ধকার, যার বিপরীতার্থক শব্দ হলো আলোক বা আলো। উদাহরণ ২: বারি ব্যাখ্যা: বারি শব্দের অর্থ পানি, যার বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে খরা বা শুষ্ক অবস্থা বিবেচনা করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিবস — এটি সঠিক উত্তর কারণ শর্বরী বা রাতের বিপরীত অর্থ দিন বা দিবস প্রকাশ করে। B) সুন্দর — এটি একটি বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ যা রূপ বা আকর্ষণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং এর বিপরীত কুৎসিত। C) শোভা — এর অর্থ সৌন্দর্য বা কান্তি, যা শর্বরী শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে অগ্রহণযোগ্য। D) শীতল — এর অর্থ ঠান্ডা, যা উষ্ণ বা গরম শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: শর্বরী মানে রাত আর দিবস মানে দিন, এভাবে রাত ও দিনের জোড়া মনে রাখলে বিপরীত শব্দ সহজে মনে রাখা যায়। পরীক্ষায় রাত শব্দের বিপরীত দিন এবং শর্বরী শব্দের বিপরীত দিবস সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। শর্বরী একটি তৎসম শব্দ, তাই এর বিপরীত শব্দ হিসেবে তৎসম শব্দ দিবস নির্বাচন করা হয়েছে।
a রামায়ণ
b মহাভারত
c ভাগবত
d কুমার সম্ভব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রামায়ণ ১. কেন সঠিক: মাইকেল মধুসূদন দত্তের শ্রেষ্ঠ কীর্তি মহাকাব্য মেঘনাদ বধ কাব্যের মূল আখ্যানভাগ রামায়ণ থেকে গৃহিত হয়েছে। তিনি বাল্মীকি রামায়ণ এবং অন্যান্য পৌরাণিক উৎস থেকে কাহিনীর কাঠামো নিলেও এর চরিত্র ও নাট্যরূপ প্রদানে নিজস্ব প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য মেঘনাদ বধ কাব্য ১৮৬১ সালে রচনা করেন। এটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য এবং এর মোট সর্গ সংখ্যা নয়টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরাঙ্গনা কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি পত্রকাব্য যা পৌরাণিক চরিত্রভিত্তিক। উদাহরণ ২: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধুসূদন দত্তের প্রথম কাব্য যা ব্লুবার্ড বা অন্যান্য উৎস থেকে অনুপ্রাণিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামায়ণ - সঠিক উত্তর কারণ এই মহাকাব্য থেকে মেঘনাদ বধ কাব্যের কাহিনী নেওয়া হয়েছে। B) মহাভারত - এটি অন্য একটি মহাকাব্য যার সঙ্গে মেঘনাদ বধ কাব্যের কাহিনীর সরাসরি মিল নেই। C) ভাগবত - এটি হিন্দুধর্মের একটি পুরাণ যা শ্রীকৃষ্ণের লীলা ও ভক্তিধর্ম প্রচার করে। D) কুমার সম্ভব - এটি সংস্কৃত সাহিত্যের মহাকবি কালিদাসের একটি বিখ্যাত মহাকাব্য। ৫ মনে রাখার টিপস: মেঘনাদ বধ কাব্যের মূল উৎস রামায়ণ মনে রাখতে রাবণ ও রামের যুদ্ধ বা রামায়ণের লঙ্কা কাণ্ডের কথা স্মরণ করতে পারো। মহাকাব্যের প্রধান চরিত্র রাবণ ও রামায়ণের পটভূমি এক সূত্রে গাঁথা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মেঘনাদ বধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত মহাকাব্য এবং এর রচনাকাল ১৮৬১ সাল। বিসিএসসহ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই মহাকাব্যের উৎস ও সর্গ সংখ্যা প্রায়ই আসে।
a বাতাস
b পথ
c সমুদ্র
d পর্বত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পথ ১. কেন সঠিক: - ‘অয়ন’ শব্দটির অন্যতম প্রধান ও প্রমিত সমার্থক শব্দ হলো পথ, রাস্তা বা গতি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ অংশে এই ধরনের শব্দের সরাসরি অর্থ জানতে চাওয়া হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘অয়ন’ একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ গমন, পথ, চক্র বা ঋতু পরিবর্তন বোঝাতেও এটি ব্যবহৃত হয়। - বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার অংশে সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস ও বিভিন্ন অর্থ জানা অত্যন্ত জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উত্তরায়ণ ও দক্ষিণায়ণ ব্যাখ্যা: এখানে ‘অয়ন’ শব্দটির অর্থ সূর্যের গতি বা পথ বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: জীবনের সঠিক অয়ন বা পথ খুঁজে নেওয়া জরুরি ব্যাখ্যা: এখানে ‘অয়ন’ শব্দটিকে সরাসরি পথ বা দিক অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাতাস — বাতাস শব্দের সমার্থক শব্দ হলো অনিল, সমীরণ বা বায়ু, যা অয়ন শব্দের অর্থ নয়। B) পথ — এটি সঠিক উত্তর কারণ অয়নের সমার্থক শব্দ পথ। C) সমুদ্র — সমুদ্র শব্দের সমার্থক শব্দ হলো সাগর, পারাবার বা অর্ণব, যা অয়ন শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) পর্বত — পর্বত শব্দের সমার্থক শব্দ হলো গিরি, শৈল বা অচল, যা অয়ন শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - উত্তরায়ণ ও দক্ষিণায়ণ শব্দের সঙ্গে আমরা সবাই পরিচিত। - এখান থেকে মনে রাখতে পারো যে সূর্যের গতির পথ বা অয়ন অর্থ হলো পথ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের একাধিক অর্থ থাকতে পারে, তাই বাক্যেরCONTEXT বা প্রসংগ অনুযায়ী সঠিক অর্থ নির্বাচন করতে হবে।
a করণে ৭মী
b কর্তায় শূন্য
c অধিকরণে ৭মী
d কর্মে ২য়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) করণে ৭মী ১. কেন সঠিক: এখানে ‘বিষের জ্বালায়’ পদটি দ্বারা কোনো কাজের মাধ্যম বা কারণ বোঝানো হয়েছে, যা করণ কারকের মূল বৈশিষ্ট্য। শব্দের শেষে ‘এ’ বা ‘য়’ বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি সপ্তম বিভক্তির উদাহরণ হিসেবে গণ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যাহা দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাহাকে করণ কারক বলে এবং বাক্যের ক্রিয়াকে কি দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাহা করণ কারক। শব্দ বা পদের সাথে ‘এ’, ‘য়’, ‘তে’ ইত্যাদি যুক্ত থাকলে এবং তা স্থান, কাল বা মাধ্যম বোঝালে সপ্তম বিভক্তি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু। ব্যাখ্যা: এখানে পাপে শব্দটি দ্বারা পাপের মাধ্যমে বা কারণ বোঝানো হয়েছে, যা করণে ৭মী বিভক্তির উদাহরণ। উদাহরণ ২: মসিয়তে লেখা যায় না। ব্যাখ্যা: মসিয়তে বা কালির মাধ্যমে লেখার কাজটি সম্পন্ন হচ্ছে বলে এটি করণ কারকে ৭মী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণে ৭মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে মাধ্যম ও ৭মী বিভক্তি উভয় শর্ত পূর্ণ হয়েছে। B) কর্তায় শূন্য — বাক্যটিতে কোনো কর্তা বা প্রধান কাজটি সরাসরি সম্পাদনকারীকে বোঝানো হয়নি। C) অধিকরণে ৭মী — অধিকরণ কারক স্থান বা সময় নির্দেশ করে, কিন্তু এখানে কোনো স্থান বা সময় বোঝানো হয়নি। D) কর্মে ২য়া — কর্ম কারক যারে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা বোঝায়, কিন্তু এখানে কোনো কর্মপদ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্রিয়াকে কী দিয়ে বা কী উপায়ে প্রশ্ন করে যদি কোনো মাধ্যম বা কারণ পাওয়া যায় এবং শেষে এ বা য় থাকে, তবে চোখ বুজে করণে ৭মী দাগাবে। করণ মানে মাধ্যম বা যন্ত্র, তাই মাধ্যম বোঝালেই করণ কারক নিশ্চিত হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক বের করতে হবে এবং পরে শব্দের শেষের বর্ণ দেখে বিভক্তি নির্ধারণ করতে হবে। এই নিয়মে প্রীতিতে মুগ্ধ কিংবা চোখে দেখে এই জাতীয় পদগুলোর কারক সহজে নির্ণয় করা যায়।
a বনানী
b বুন
c বুনো
d বন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বুনো ১. কেন সঠিক: 'বন্য' একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার প্রাকৃত বা তদ্ভব রূপ পরিবর্তিত হয়ে চলিত বাংলায় 'বুনো' হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ্য পদের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কিংবা শব্দ পরিবর্তনের মাধ্যমে যখন গুণ বা স্বভাব বোঝানো হয়, তখন সাধু শব্দের চলিত রূপ হিসেবে 'বুনো' শব্দটি সঠিক বলে গণ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দের উৎস ও রূপান্তর সংক্রান্ত ব্যাকরণগত প্রশ্ন যেখানে সাধু ও চলিত রূপের পরিবর্তন আলোচিত হয়েছে। সাধু ভাষার অনেক তৎসম বা অর্ধ-তৎসম শব্দ চলিত রূপের সময় পরিবর্তিত হয়ে সহজ ও শ্রুতিমধুর রূপ ধারণ করে, যেমন বন্য থেকে বুনো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সভ্য থেকে সবু ব্যাখ্যা: এটি সাধু শব্দের চলিত রূপ পরিবর্তনের আরেকটি সাধারণ উদাহরণ। উদাহরণ ২: সত্য থেকে সত্যি ব্যাখ্যা: তৎসম শব্দ চলিত বাংলায় রূপান্তরিত হওয়ার সময় এই পরিবর্তন ঘটে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বনানী — এটি 'বন্য' শব্দের চলিত রূপ নয়, বরং বন বা অরণ্যের সমার্থক একটি বিশেষ্য পদ। B) বুন — এটি কোনো প্রমিত বাংলা শব্দ নয় এবং এটি বন্য শব্দের পূর্ণাঙ্গ চলিত রূপ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। D) বন — এটি 'বন্য' শব্দের মূল উৎস বা বিশেষ্য রূপ, এর চলিত রূপ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সাধু শব্দের বন্য রূপটি চলিত ভাষায় বলার সময় শেষে ও-কার যুক্ত হয়ে বুনো হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সাধু ও চলিত রূপের রূপান্তর থেকে প্রশ্ন আসে, তাই শব্দের উৎস ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a Did not take off
b had taken off
c had not taken off
d took off
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) had taken off কেন সঠিক: - Until-এর আগের ক্লজটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স (We waited) হলে পরের ক্লজটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়। - বিমান ওড়ার কাজটি অপেক্ষার সময়ের আগেই সম্পন্ন হয়েছিল বোঝাতে পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের ব্যবহার সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Did not take off — পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের নেতিবাচক রূপ, যা এখানে অর্থের দিক থেকে অসংগত কারণ আমরা বিমান ওড়ার অপেক্ষায় ছিলাম। B) had taken off — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য এবং এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের নিয়ম মেনে চলে। C) had not taken off — পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের নেতিবাচক রূপ, যা বাক্যটিকে অর্থহীন করে তোলে কারণ বিমানটি ওড়ার পরই আমাদের অপেক্ষা শেষ হয়। D) took off — পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স, যা until-যুক্ত সময়ের পূর্বে সংঘটিত পূর্ববর্তী কাজের ক্ষেত্রে grammatically সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: Until-এর আগের অংশ পাস্ট টেন্স হলে পরের অংশে সাধারণত পাস্ট পারফেক্ট টেন্স (had + V3) বসে।
a after
b on
c up
d into
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) into কেন সঠিক: - look into একটিPhrase and Idiom, যার অর্থ কোনো বিষয়ে তদন্ত করা বা অনুসন্ধান করা। - পুলিশ সাধারণত কোনো মামলা বা অপরাধ তদন্ত করে থাকে, তাই এখানে into সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) after — look after অর্থ দেখাশোনা করা, যা মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) on — look on অর্থ দর্শক হিসেবে দেখা, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়। C) up — look up অর্থ কোনো শব্দ বা তথ্য অভিধান বা বইতে খোঁজা। D) into — look into অর্থ তদন্ত করা, যা এই বাক্যের জন্য সঠিক। মনে রাখার টিপস: পুলিশ যখন কোনো কেস বা অপরাধ নিয়ে কাজ করে, তখন তারা গভীরে প্রবেশ করে তদন্ত করে, তাই look এর সাথে into বসে।
a Harmful lie
b Useless lie
c Irrelevant lie
d Harmless lie
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Harmless lie কেন সঠিক: - 'A white lie' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। - এর আভিধানিক বা সঠিক অর্থ হলো এমন একটি মিথ্যা, যা কাউকে কষ্ট না দেওয়ার জন্য বা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য বলা হয় এবং এটি ক্ষতিকর নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Harmful lie — এটি সঠিক নয় কারণ 'Harmful lie' অর্থ ক্ষতিকর মিথ্যা, যা 'a white lie'-এর সম্পূর্ণ বিপরীত। B) Useless lie — এটি সঠিক নয় কারণ 'Useless lie' বলতে এমন মিথ্যা বোঝায় যার কোনো কার্যকারিতা নেই, কিন্তু 'white lie' মূলত ভদ্রতা রক্ষার্থে বলা হয়। C) Irrelevant lie — এটি সঠিক নয় কারণ 'Irrelevant lie' অর্থ অপ্রাসঙ্গিক মিথ্যা, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) Harmless lie — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ হলো ক্ষতিকারক নয় এমন মিথ্যা। মনে রাখার টিপস: সাদা (white) রং সাধারণত শান্তি ও পবিত্রতার প্রতীক, তাই যে মিথ্যা কাউকে আঘাত করে না বা শান্তির জন্য বলা হয় তাকে 'white lie' বা ক্ষতিকর নয় এমন মিথ্যা বলা হয়।
a To concentrate
b To suspect
c To read carefully
d To grasp the hidden meaning
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ (ইংরেজি ইডিয়ম ও ফ্রেজ) সঠিক উত্তর: D) To grasp the hidden meaning কেন সঠিক: - 'Read between the lines' একটি বিখ্যাত ইংরেজি ইডিয়ম, যার আক্ষরিক অর্থ লাইনের মাঝখানে পড়া হলেও প্রকৃত অর্থ লুকানো বা সুপ্ত ভাব বুঝে নেওয়া। - বক্তা বা লেখকের প্রকাশ্য কথার পেছনের আসল উদ্দেশ্য বা অন্তর্নিহিত অর্থ উপলব্ধি করতেই এই ইডিয়মটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To concentrate — এটি মনোযোগ দেওয়া বোঝায়, যা লেখার পেছনের অন্তর্নিহিত অর্থ অনুধাবনের সমার্থক নয়। B) To suspect — এর অর্থ সন্দেহ করা, যা প্রচ্ছন্ন অর্থ বোঝার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) To read carefully — এটি কেবল মনোযোগ দিয়ে পড়া বোঝায়, কিন্তু এর মাধ্যমে লেখার ভেতরের লুকানো অর্থ বোঝা নিশ্চিত হয় না। D) To grasp the hidden meaning — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ইডিয়মটির প্রকৃত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: দুই লাইনের মাঝখানে ফাঁকা জায়গায় চোখ বুলিয়ে যেমন মূল কথাটি বের করতে হয়, তেমনি লেখার গভيره গিয়ে ভেতরের লুকানো অর্থ বা উদ্দেশ্য বুঝতে হয়।
a Thomas Melville
b Oscar wild
c Arundhati Roy
d John Milton
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Arundhati Roy কেন সঠিক: - অরুন্ধতী রায় ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত এই বিখ্যাত উপন্যাসের জন্য বুকার পুরস্কার লাভ করেন। - এটি তাঁর প্রথম ও অন্যতম জনপ্রিয় ইংরেজি উপন্যাস, যা কেরালার পটভূমিতে রচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Thomas Melville — এটি অরুন্ধতী রায়ের এই উপন্যাসের লেখক নন এবং সাহিত্যজগতে এই নামে কোনো বিখ্যাত ঔপন্যাসিক নেই। B) Oscar wild — তিনি একজন বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন। C) Arundhati Roy — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। D) John Milton — তিনি সপ্তদশ শতকের বিখ্যাত ইংরেজি কবি, তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি প্যারাডাইস লস্ট। মনে রাখার টিপস: ছোট জিনিসের (Small Things) পেছনে ছোট রয় (Roy) অর্থাৎ অরুন্ধতী রায়কে মনে রাখতে পারেন।
a Though he is strong but he is lazy
b Though he is strong he is lazy
c Though he is strong, yet he is lazy
d Though he is strong or he is lazy
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Though he is strong he is lazy কেন সঠিক: - Though বা Although যুক্ত কমপ্লেক্স সেন্টেন্সে ক্লজ দুটি যুক্ত করতে সাধারণত কমা বা কোনো কনজাংশনের প্রয়োজন হয় না। - এখানে প্রথম ক্লজটি বিপরীতার্থক অর্থ প্রকাশ করায় দ্বিতীয় ক্লজটি কমা বা কনজাংশন ছাড়াই সরাসরি বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Though he is strong but he is lazy — Though বা Although যুক্ত বাক্যে পরবর্তীতে but ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) Though he is strong he is lazy — এটি সঠিক বাক্য কারণ এতে অতিরিক্ত কোনো ভুল কনজাংশন বা যতিচিহ্ন নেই। C) Though he is strong, yet he is lazy — Though-এর সাথে normally yet ব্যবহার করা যায়, তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সরাসরি কমা ছাড়া ক্লজ বসানোই বেশি গ্রহণযোগ্য। D) Though he is strong or he is lazy — Though-এর সাথে or যুক্ত করার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই। মনে রাখার টিপস: Though যুক্ত বাক্যে but বসে না, তবে sometimes yet বসতে পারে।
a Gullible
b Equivocal
c Pessimistic
d Liberal
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Gullible কেন সঠিক: - Cynical শব্দের অর্থ হলো মানবস্বভাবে অবিশ্বাসী বা সংশয়বাদী, যে অন্যের ভালো কাজের পেছনেও খারাপ উদ্দেশ্য খোঁজে। - এর বিপরীত বা Antonym হলো Gullible, যার অর্থ সহজসরল এবং যে খুব দ্রুত অন্যকে বিশ্বাস করে বা প্রতারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gullible — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সহজসরল বা অতিবিশ্বাসী, যা সংশয়বাদী Cynical শব্দের বিপরীত। B) Equivocal — এর অর্থ দ্ব্যর্থক বা অস্পষ্ট, যা Cynical শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে সরাসরি প্রযোজ্য নয়। C) Pessimistic — এর অর্থ হতাশাবাদী, যা Cynical শব্দের সমার্থক বা Synonym হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) Liberal — এর অর্থ উদারমনা, যা Cynical বা সংশয়বাদী শব্দের বিপরীতার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Cynical মানুষ কাউকে বিশ্বাস করে না, আর Gullible মানুষ সবাইকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করে।
a Lose
b Lost
c Loose
d Less
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Lose কেন সঠিক: - 'Loss' হলো একটি নাউন যার অর্থ ক্ষতি, আর এর ভার্ব রূপ হলো 'Lose' যার অর্থ হারানো। - 'Loss' শব্দটিতে একটি 'o' থাকে এবং ভার্ব রূপ 'Lose'-এ একটি 'o' থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lose — এটি সঠিক ভার্ব রূপ এবং এর অর্থ হলো হারানো। B) Lost — এটি 'Lose' শব্দের পাস্ট ও পাস্ট পার্টিসিপল রূপ বা অ্যাডজেক্টিভ, তাই মূল ভার্ব নয়। C) Loose — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ যার অর্থ ঢিলা বা আলগা। D) Less — এটি একটি ডিটেইমাইনার বা অ্যাডভার্ব যা তুলনা করতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: নাউনে দুটি 'o' থাকে (Loss), আর ভার্বে একটি 'o' থাকে (Lose)।
a Do as I tell you
b Does I tell you?
c Past is went
d Man is mortal
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: D) Man is mortal কেন সঠিক: - চিরন্তন সত্য বা Universal Truth বোঝাতে Present Indefinite Tense ব্যবহৃত হয় এবং মানুষের মরণশীলতা একটি চিরন্তন সত্য। - এই বাক্যে Subject তৃতীয় পুরুষ একবচন হওয়া সত্ত্বেও Man এর পূর্বে Universal Truth এর নিয়মানুযায়ী কোনো Article বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Do as I tell you — এটি একটি Imperative Sentence এবং সঠিক হলেও প্রদত্ত প্রশ্ন অনুযায়ী এটি চিরন্তন সত্যের নিয়মকে প্রকাশ করে না। B) Does I tell you? — এই বাক্যে Subject প্রথম পুরুষ I এর সাথে auxiliary verb হিসেবে Does ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। C) Past is went — এই বাক্যে Past এর সাথে Past Indefinite Tense এর verb (went) ব্যবহার করা হয়েছে যা অর্থহীন এবং ব্যাকরণগত ত্রুটিপূর্ণ। D) Man is mortal — এটি একটি চিরন্তন সত্য এবং Present Indefinite Tense এর সঠিক গঠনের মাধ্যমে গঠিত সঠিক বাক্য। মনে রাখার টিপস: চিরন্তন সত্য বা সার্বজনীন বৈজ্ঞানিক সত্য প্রকাশ করতে সবসময় Present Indefinite Tense ব্যবহার করতে হয়।
a Liesure
b Leasure
c Laisure
d Leisure
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Leisure কেন সঠিক: - বানানটির অর্থ অবসর বা অবাবসর সময় এবং প্রমিত ইংরেজি বানানরীতি অনুযায়ী এর সঠিক বানান হলো Leisure। - এই শব্দটিতে অক্ষর বিন্যাসের ক্ষেত্রে সাধারণত ই-এর পর এ (ei) ব্যবহার করার নিয়ম অনুসৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Liesure — এই বানানে ই-এর পর এস ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভুল অক্ষর বিন্যাস রয়েছে যা গ্রহণযোগ্য নয়। B) Leasure — এই বানানে এ-এর পর ইউ ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক বানানরীতি সমর্থন করে না। C) Laisure — এই বানানে আই-এর ব্যবহার ভুল এবং এটি প্রমিত ইংরেজি বানানের নিয়মের বহির্ভূত। D) Leisure — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ অবসর। মনে রাখার টিপস: Leisure বানানটি মনে রাখতে লেজার রশ্মির মতো শব্দ গঠনের সময় ই-এর পর এস এবং আই-এর অবস্থান মনে রাখা যায়।
a Terrorist
b important person
c big insect
d a large bug
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) important person কেন সঠিক: - 'Big bug' একটি প্রবচন বা ইডিয়ম, যার আক্ষরিক অর্থ বড় পোকা হলেও রূপক অর্থে সমাজে অত্যন্ত প্রভাবশালী বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে বোঝায়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ইডিয়মগুলোর অন্তর্নিহিত বা রূপক অর্থ প্রায়শই জিজ্ঞেস করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Terrorist — এটি সন্ত্রাসী বা আতঙ্কবাদী বোঝায়, যা এই ইডিয়মের রূপক অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না। B) important person — এটি এই ইডিয়মের সঠিক অর্থ এবং প্রভাবশালী বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। C) big insect — এটি শব্দ দুটির আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে, কিন্তু ইডিয়মের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ ধরা হয় না। D) a large bug — এটিও একটি বড় পোকা বোঝায়, যা ভুল এবং আক্ষরিক অনুবাদের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। মনে রাখার টিপস: বড় পোকা বা 'Big bug' দেখলে মনে রাখবে সমাজে যে ব্যক্তি খুব বড় বা ক্ষমতাবান, সেই হলো আসলে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি।
a Disgusting
b Grand
c Majestic
d Beautiful
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Disgusting কেন সঠিক: - Awesome শব্দের অর্থ চমৎকার, বিস্ময়কর বা অত্যন্ত সুন্দর। - এর বিপরীত বা Antonym হিসেবে Disgusting বা অত্যন্ত অপ্রীতিকর শব্দটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Disgusting — চমৎকার বা Awesome শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করায় এটি সঠিক উত্তর। B) Grand — এর অর্থ বিশাল বা চমৎকার, যা Awesome শব্দের সমার্থক বা Synonym। C) Majestic — এর অর্থ রাজকীয় বা দুর্দান্ত, যা Awesome শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। D) Beautiful — এর অর্থ সুন্দর, যা Awesome শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Awesome মানে চমৎকার আর Disgusting মানে বিরক্তিকর বা ঘেন্না ধরাবার মতো, যা ঠিক বিপরীত।
a Deceitful
b Sly
c Swindler
d Obdurate
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Obdurate কেন সঠিক: - 'Stubborn' এবং 'Obdurate' উভয় শব্দের অর্থ একরোখা, জেদি বা stubborn প্রকৃতির। - এই দুটি শব্দ সমার্থক শব্দ হিসেবে ইংরেজি ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Deceitful — এর অর্থ প্রতারণামূলক বা কপট, যা একরোখা বা জেদির সমার্থক নয়। B) Sly — এর অর্থ ধূর্ত বা শঠ, যা ভিন্নার্থক শব্দ। C) Swindler — এর অর্থ প্রতারক বা বাটপার, যা কোনো ব্যক্তির পেশা বা চরিত্রের সাথে সম্পর্কিত কিন্তু জেদির সমার্থক নয়। D) Obdurate — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ একরোখা বা জেদি। মনে রাখার টিপস: জেদি মানুষদের মন পাথরের মতো শক্ত হয়, আর Obdurate শব্দটি কঠিন বা অনমনীয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
a He has no friends.
b He has few friends.
c He has a few friends.
d He does not have any friends.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He has few friends. কেন সঠিক: - বাংলায় নেই বললেই চলে বা অত্যন্ত কম অর্থে countable noun-এর আগে few ব্যবহৃত হয়। - Few শব্দটি না-বোধক বা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে, যা মূল বাক্যের ভাবকে পুরোপুরি প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He has no friends. — এর অর্থ তার কোনো বন্ধুই নেই, যা নেই বললেই চলে অর্থের চেয়ে সম্পূর্ণ শূন্যতা বোঝায়। B) He has few friends. — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি প্রশ্নবোধক বা না-বোধক অর্থে নেই বললেই চলে ভাব প্রকাশ করে। C) He has a few friends. — এর অর্থ তার কিছু বন্ধু আছে, যা ইতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে। D) He does not have any friends. — এটি সাধারণ না-বোধক বাক্য, কিন্তু নির্দিষ্ট নেই বললেই চলে ভাব বোঝাতে few সবচেয়ে উপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: Few মানে নাই বললেই চলে, A few মানে কিছু আছে, আর Only a few মানে হাতে গোনা কয়েকজন।
a Call a doctor
b Call in a doctor
c Call for a doctor
d Call in doctor
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Call in a doctor কেন সঠিক: - রোগীকে দেখার জন্য বা চিকিৎসার প্রয়োজনে চিকিৎসককে ডেকে আনার ক্ষেত্রে 'Call in' একটি নির্দিষ্ট গ্রুপ ভার্ব বা ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - বাংলায় 'ডাক্তার ডাক' বলতে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে চিকিৎসককে আমন্ত্রণ জানানো বা উপস্থিত করার কাজ বোঝায়, যার সঠিক ইংরেজি রূপ 'Call in a doctor'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Call a doctor — এর সাধারণ অর্থ ডাক্তারকে ডাকা, কিন্তু নির্দিষ্টভাবে কোনো চিকিৎসার উদ্দেশ্যে চিকিৎসককে ডেকে আনতে 'Call in' ব্যবহার করা বেশি উপযুক্ত। B) Call in a doctor — এটি সঠিক উত্তর, কারণ 'Call in' ফ্রেজাল ভার্বটি বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসককে তলব করার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে প্রযোজ্য। C) Call for a doctor — 'Call for' অর্থ কোনো কিছু চাওয়া বা দাবি করা, যা এখানে চিকিৎসকের ক্ষেত্রে প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। D) Call in doctor — 'doctor' একটি countable noun হওয়ায় এর পূর্বে অনির্দিষ্ট আর্টিকেল 'a' ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক, যা এখানে অনুপস্থিত। মনে রাখার টিপস: চিকিৎসককে ডেকে আনা বা তলব করার ক্ষেত্রে সর্বদা 'Call in' ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করতে হয়।
a One of my brothers are a doctor
b One of my brothers is doctor
c One of my brothers is a doctor
d one of my brother is a doctor
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) One of my brothers is a doctor কেন সঠিক: - One of-এর পরে noun বা pronoun সবসময় plural হয় এবং verb সবসময় singular হয়। - পেশা বোঝাতে singular countable noun-এর আগে article 'a' বা 'an' বসাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) One of my brothers are a doctor — Verb singular না হয়ে plural (are) ব্যবহার করা হয়েছে। B) One of my brothers is doctor — Singular countable noun-এর আগে প্রয়োজনীয় article 'a' ব্যবহার করা হয়নি। D) one of my brother is a doctor — One of-এর পরের noun টি plural (brothers) না করে singular করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: One of-এর পর noun প্লুরাল এবং verb সিঙ্গুলার হয়, আর পেশার আগে 'a' বা 'an' বসে।
a I shall go
b Sit down
c What an idea
d She is cooking
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Sit down কেন সঠিক: - Imperative sentence বা অনুজ্ঞাসূচক বাক্যের মাধ্যমে সাধারণত আদেশ, নির্দেশ, উপদেশ বা অনুরোধ বোঝানো হয়। - এই বাক্যের Subject হিসেবে সাধারণত উহ্য থাকা 'You' কে নির্দেশ করা হয় এবং মূল Verb দিয়ে বাক্য শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I shall go — এটি একটি Assertive sentence বা সাধারণ বিবৃতিমূলক বাক্য কারণ এটি Subject দিয়ে শুরু হয়েছে। B) Sit down — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মূল Verb দিয়ে শুরু হয়ে আদেশ বা নির্দেশ বোঝাচ্ছে। C) What an idea — এটি একটি Exclamatory sentence বা আবেগসূচক বাক্য কারণ এটি দ্বারা মনের তীব্র আবেগ প্রকাশ পেয়েছে এবং শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন রয়েছে। D) She is cooking — এটি একটি Assertive sentence বা বিবৃতিমূলক বাক্য কারণ এটি Subject এবং Auxiliary verb দিয়ে গঠিত। মনে রাখার টিপস: Imperative sentence চেনার সহজ উপায় হলো এটি সবসময় মূল Verb দিয়ে শুরু হয় অথবা Please বা Do not দিয়ে শুরু হয়ে আদেশ, অনুরোধ বা উপদেশ প্রকাশ করে।
a for
b from
c of
d in
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) from কেন সঠিক: - অতিভোজন বা অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে মৃত্যুর মতো অপ্রাকৃতিক বা বাহ্যিক কারণে মারা গেলে ডাই ভার্বের পর ফ্রম বসে। - ওভার ইটিং বা অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে এই মৃত্যু ঘটেছে বলে এখানে সঠিক প্রিপ্রজিশন ফ্রম ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — কোনো কিছুর জন্য বা উদ্দেশ্যে মারা যাওয়া বোঝালে ফর বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) from — অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে মৃত্যুর ক্ষেত্রে এই অপশনটি সঠিক। C) of — কোনো রোগ, ক্ষুধা, তৃষ্ণা বা লজ্জায় মারা গেলে ডাই ভার্বের পর অফ বসে। D) in — কোনো নির্দিষ্ট যুদ্ধ, শান্তি বা দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া বোঝালে ইন বসে। মনে রাখার টিপস: অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে মৃত্যু হলে ডাই এর পর ফ্রম বসে, আর রোগের কারণে মারা গেলে অফ বসে।
a of
b by
c to
d for
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী Latin comparative যেমন junior, senior, prior ইত্যাদির পর than না বসে সবসময় preposition হিসেবে to বসে। - তাই me এর পূর্বে correct preposition হিসেবে to ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — of preposition টি সাধারণ অধিকার বা সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা তুলনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) by — by preposition টি মাধ্যম বা সময়সীমা নির্দেশ করতে বসে, তাই এখানে তা ভুল। C) to — এটি সঠিক উত্তর, কারণ Latin adjective এর পর সবসময় to বসে। D) for — for preposition টি উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে বসে, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসে না। মনে রাখার টিপস: Junior, senior, superior, inferior, prior এই শব্দগুলোর পরে সবসময় to বসে, কখনো than বসে না।
a Furnitures
b Informations
c Scenaries
d Proceeds
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Proceeds কেন সঠিক: - Proceeds একটি Plural noun, যার অর্থ বিক্রিলব্ধ অর্থ বা আয় এবং এটি সর্বদা এই রূপেই ব্যবহৃত হয়। - এই শব্দটির কোনো Singular রূপ নেই এবং এটি সবসময় plural verb গ্রহণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Furnitures — Furniture একটি Uncountable noun, তাই এর সাথে s বা es যোগ করে plural করা যায় না। B) Informations — Information একটি Uncountable noun, এর সাথে s যোগ করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) Scenaries — Scenery একটি Uncountable noun, তাই এর সঠিক plural form হয় না এবং ies যুক্ত করা ভুল। D) Proceeds — এটি সঠিক কারণ এটি একটি Noun যা সর্বদা Plural হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর অর্থ আয়। মনে রাখার টিপস: কিছু noun দেখতে singular হলেও সর্বদা plural হয়, যেমন- proceeds, goods, ashes।
a Gallowsies
b Galloweses
c Gallows
d Gallowes
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Gallows কেন সঠিক: - Gallows শব্দটির শেষে s থাকলেও এটি দেখতে singular এবং plural উভয় ক্ষেত্রেই একই রূপে ব্যবহৃত হয়। - ফাঁসিকাঠ বোঝাতে এই বিশেষ নাউনটির কোনো ভিন্ন plural রূপ ইংরেজিতে ব্যবহৃত হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gallowsies — এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল গঠন কারণ gallows শব্দের শেষে ies যুক্ত করে plural করা যায় না। B) Galloweses — এটি ভুল বানান ও অপ্রয়োজনীয় প্রত্যয়যুক্ত রূপ যা ইংরেজি ব্যাকরণে গ্রহণযোগ্য নয়। C) Gallows — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দের singular এবং plural রূপ একই থাকে। D) Gallowes — এটি একটি ভুল বানান এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের শেষে s বা es থাকে এবং singular ও plural একই হয়, তাদের মধ্যে Gallows অন্যতম।
a Idiosyncrasy
b Gaugi
c Hankerchif
d Leniant
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Idiosyncrasy কেন সঠিক: - Idiosyncrasy শব্দটির অর্থ মানুষের বিশেষ কোনো স্বভাব বা বৈশিষ্ট্য। - বানানটি আন্তর্জাতিক ইংরেজি বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Idiosyncrasy — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ স্বভাবগত বৈশিষ্ট্য। B) Gaugi — এটি একটি ভুল বানান, সঠিক বানান gauge যার অর্থ পরিমাপ করা। C) Hankerchif — এটি ভুল বানান, সঠিক বানান handkerchief যার অর্থ রুমাল। D) Leniant — এটি ভুল বানান, সঠিক বানান lenient যার অর্থ নমনীয় বা ক্ষমাশীল। মনে রাখার টিপস: idio-sync-rasy এভাবে ভেঙে উচ্চারণ করলে বানান মনে রাখা সহজ হয়।
a Mare
b Lad
c Pillow
d Pony
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Lad কেন সঠিক: - Lad শব্দের অর্থ বালক বা কিশোর, যা পুরুষবাচক বা Masculine gender নির্দেশ করে। - Lass বা Maiden শব্দের পুরুষবাচক রূপ হলো Lad। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mare — এটি ঘোড়ার স্ত্রীবাচক বা Feminine gender, যার পুরুষবাচক রূপ Stallion। B) Lad — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি পুরুষবাচক শব্দ। C) Pillow — এটি একটি জড় বস্তু, যা ব্যাকরণগতভাবে Neuter gender। D) Pony — এটি ছোট জাতের ঘোড়া বোঝায়, যা সাধারণত Common gender হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Lad মানে বালক এবং Lass মানে বালিকা, এই জোড়টি মনে রাখলেই জেন্ডার চেনা সহজ হয়।
a On the contrary
b By contest
c Despite
d Incidentally
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Despite কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে বিপরীতধর্মী দুটি ভাবের তুলনা করা হয়েছে, যেখানে Despite একটি প্রিপজিশন হিসেবে বসে সত্ত্বেও অর্থ প্রকাশ করে। - Despite শব্দের পরে সাধারণত কোনো নাউন বা নাউন ফ্রেজ বসে, যা এখানে বাক্যটিকে সম্পূর্ণ করতে সাহায্য করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) On the contrary — এটি একটি ফ্রেজ যা সম্পূর্ণ বিপরীত কোনো বক্তব্য উপস্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এখানে সাবজেক্ট ও ভার্বযুক্ত ক্লজ যুক্ত হয়নি। B) By contest — এই ধরনের কোনো অর্থপূর্ণ ইংরেজি প্রিপজিশনাল ফ্রেজ বা ব্যাকরণগত গঠন এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Despite — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রিপজিশন হিসেবে বিপরীত ভাব প্রকাশ করতে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। D) Incidentally — এর অর্থ প্রসজঙ্গক্রমে বা ক্বচিৎ, যা এই বাক্যের অর্থ বা ধারাবাহিকতার সাথে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: Despite-এর পরে সরাসরি নাউন বা নাউন ফ্রেজ বসে এবং এটি সত্ত্বেও অর্থ প্রকাশ করে।
a ২৫ জন
b ১৫ জন
c ১০ জন
d ৫ জন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫ জন প্রদত্ত তথ্য: আমের মোট সংখ্যা = ১২৫ টি লিচুর মোট সংখ্যা = ১৪৫ টি ধরি, বালকের সংখ্যা হলো ১২৫ এবং ১৪৫ এর সাধারণ উৎপাদক অতএব, ১২৫ এর উৎপাদকগুলি হলো ১, ৫, ২৫, ১২৫ ১৪৫ এর উৎপাদকগুলি হলো ১, ৫, ২৯, ১৪৫ সুতরাং, ১২৫ ও ১৪৫ এর গসাগু হলো ৫ উত্তর: ৫ জন
a ৩/২০
b ৫/২৬
c ১/২৬
d ৩/১৫
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩/২০ প্রদত্ত তথ্য: ইংরেজি বর্ণমালায় মোট অক্ষর = ২৬টি ইংরেজি বর্ণমালায় স্বরবর্ণ = ৫টি (A, E, I, O, U) কিন্তু শর্তানুযায়ী স্বরবর্ণ ধরা হয়েছে ৩টি ধরি, মোট সম্ভাব্য ঘটনার সংখ্যা = ২০ অনুকূল ঘটনার সংখ্যা = ৩ অতএব, স্বেচ্ছায় একটি বর্ণ নির্বাচন করলে তা স্বরবর্ণ হওয়ার অনুকূল ফলাফল = ৩ মোট সম্ভাব্য ফলাফল = ২০ সুতরাং, সম্ভাবনা = অনুকূল ফলাফল ÷ মোট ফলাফল উত্তর: ৩/২০
a ১ টি
b ২ টি
c ৩ টি
d ৪ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ টি প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি স্থূলকোণ হলো সেই কোণ যার পরিমাপ ৯০ ডিগ্রির বেশি ধরি, ত্রিভুজের দুটি কোণ যথাক্রমে ৯১ ডিগ্রি এবং ৯১ ডিগ্রি অতএব, কোণ দুটির যোগফল = ৯১ ডিগ্রি + ৯১ ডিগ্রি = ১৮২ ডিগ্রি ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টির নিয়ম অনুযায়ী এটি অসম্ভব সুতরাং, একটি ত্রিভুজে সর্বোচ্চ ১ টি কোণ স্থূলকোণ হতে পারে উত্তর: ১ টি
a -6
b -2
c 3
d 14
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো x² − ২৫ = ১২ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x + ৫ = ৪ ধরি, প্রথম রাশির মান নির্ণয় করতে হবে x − ৫ অতএব, আমরা জানি x² − ২৫ কে (x + ৫) × (x − ৫) লেখা যায় সুতরাং, (x + ৫) × (x − ৫) = ১২ উত্তর: ৪ × (x − ৫) = ১২, অর্থাৎ (x − ৫) = ৩
a 6
b 5
c 3
d 2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২ প্রদত্ত তথ্য: একটি সংখ্যার সাথে ১৩ যোগ করলে যোগফল সংখ্যাটির এক ষষ্ঠাংশের চেয়ে ঐ সংখ্যার দ্বিগুণের চেয়ে এক বেশি হয় ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, শর্তানুযায়ী লেখা যায়, ক + ১৩ = (ক ÷ ৬) + (২ × ক + ১) সুতরাং, সমীকরণ সমাধান করে পাই, ক = ২ উত্তর: ২
a 23
b 24.5
c 25
d 25.5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: ধারাবাহিক সংখ্যাগুলো হলো ১ থেকে ৪৯ পর্যন্ত প্রথম সংখ্যা = ১ এবং শেষ সংখ্যা = ৪৯ ধরি, মোট পদের সংখ্যা = ৪৯ অতএব, ক্রমিক সংখ্যার যোগফল নির্ণয়ের সূত্র = (প্রথম সংখ্যা + শেষ সংখ্যা) × পদসংখ্যা ÷ ২ সংখ্যার সমষ্টি = (১ + ৪৯) × ৪৯ ÷ ২ সুতরাং, সমষ্টি = ৫০ × ৪৯ ÷ ২ = ২৪৫০ ÷ ২ = ১২২৫ গড় = সমষ্টি ÷ পদসংখ্যা = ১২২৫ ÷ ৪৯ = ২৫ উত্তর: ২৫
a ১০ ব.মি.
b ১১ ব.মি.
c ১২ ব.মি.
d ১৩ ব.মি.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩ ব.মি. প্রদত্ত তথ্য: সমকোণী ত্রিভুজের একটি বাহু ৫ মিটার সমকোণী ত্রিভুজের অপর বাহু ১২ মিটার ধরি, লম্ব = ৫ মিটার ভূমি = ১২ মিটার অতিভুজ = ক মিটার অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী, ক এর বর্গ = লম্বের বর্গ + ভূমির বর্গ ক এর বর্গ = (৫ × ৫) + (১২ × ১২) ক এর বর্গ = ২৫ + ১৪৪ সুতরাং, ক এর বর্গ = ১৬৯ ক = √১৬৯ উত্তর: ১৩ মিটার
a ১২০ মিটার
b ২০০ মিটার
c ৩২০ মিটার
d ৪০০ মিটার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪০০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১ হেক্টর আমরা জানি, ১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার ধরি, বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার অতএব, ক্ষেত্রফল = ক × ক বর্গমিটার ক × ক = ১০০০০ সুতরাং, ক = √১০০০০ ক = ১০০ মিটার উত্তর: বর্গক্ষেত্রের পরিধি = ৪ × ১০০ = ৪০০ মিটার
a ২১৬ দিন
b ৫৪ দিন
c ২৪ দিন
d ২৪০ দিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২১৬ দিন প্রদত্ত তথ্য: কাজের ১/১৮ অংশ শেষ হয় ৩ দিনে মোট কাজের পরিমাণ = ৪ গুণ ধরি, সম্পূর্ণ কাজের পরিমাণ = ১ অংশ অতএব, ১/১৮ অংশ কাজ করতে সময় লাগে = ৩ দিন সম্পূর্ণ বা ১ অংশ কাজ করতে সময় লাগে = ৩ × ১৮ = ৫৪ দিন সুতরাং, ঐ কাজের ৪ গুণ কাজ করতে সময় লাগবে = ৫৪ × ৪ = ২১৬ দিন উত্তর: ২১৬ দিন
a ১০টি
b ১১টি
c ১২টি
d ১৩টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২টি প্রدত্ত তথ্য: ৫০ থেকে ১০৩ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর মধ্য থেকে মৌলিক সংখ্যাগুলো হিসাব করতে হবে ধরি, ৫০ থেকে ৬০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা = ৫৩, ৫৯ ৬০ থেকে ৭০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা = ৬১, ৬৭ অতএব, ৭০ থেকে ৮০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা = ৭১, ৭৩, ৭৯ ৮০ থেকে ৯০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা = ৮৩, ৮৯ সুতরাং, ৯০ থেকে ১০৩ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা = ৯৭, ১০১, ১০৩ উত্তর: মোট ১২টি মৌলিক সংখ্যা আছে
a 8
b 6
c 36
d 16
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৬ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ১৮ দ্বিতীয় সংখ্যা = ৭২ ধরি, সংখ্যা দুটির গুণোত্তর গড় = ক অতএব, গুণোত্তর গড়ের সূত্রানুসারে, ক স্কয়ার = প্রথম সংখ্যা × দ্বিতীয় সংখ্যা ক স্কয়ার = ১৮ × ৭২ ক স্কয়ার = ১২৯৬ সুতরাং, ক = রুট ওভার ১২৯৬ ক = ৩৬ উত্তর: ৩৬
a গ্রিক
b চীন
c ভারত
d আরব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভারত প্রদত্ত তথ্য: শূন্য সংখ্যার আদি ধারণা সম্পর্কিত ঐতিহাসিক তথ্য গণিতশাস্ত্রে শূন্য এর আবিষ্কার এবং ব্যবহার ধরি, প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদগণ শূন্য সংখ্যাটিকে গণনা ও স্থানমানে প্রথম ব্যবহার করেন পরবর্তীতে আরব ও অন্যান্য সভ্যতা এই ধারণাটি গ্রহণ করে বিস্তার লাভ করায় সাহায্য করে অতএব, আর্যভট এবং ব্রহ্মগুপ্ত শূন্যের ব্যবহার ও এর ওপর গাণিতিক নিয়ম প্রথম প্রদান করেন তাই শূন্য বা শূন্যের ধারণার আদি উৎস হিসেবে ভারতীয় উপমহাদেশকে চিহ্নিত করা হয় সুতরাং, গাণিতিক ইতিহাসের তথ্য অনুযায়ী প্রাচীন ভারতীয়রাই শূন্য সংখ্যার আদি ধারণার প্রবক্তা উত্তর: C) ভারত
a 5
b ১০০%
c ৫০%
d ২৫%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০০% প্রদত্ত তথ্য: ১০০ টাকায় কেনা হলো ৫০টি লেবু ১০০ টাকায় বিক্রি করা হলো ২৫টি লেবু ধরি, ৫০টি লেবু্র ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ২৫টি লেবু্র বিক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, ১টি লেবুর ক্রয়মূল্য = ১০০ ÷ ৫০ = ২ টাকা ১টি লেবুর বিক্রয়মূল্য = ১০০ ÷ ২৫ = ৪ টাকা সুতরাং, ১টি লেবুতে লাভ হয় = ৪ − ২ = ২ টাকা উত্তর: (২ ÷ ২) × ১০০% = ১০০%
a 14
b 1
c √5
d 3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: x এর চতুর্থ ঘাত বিয়োগ x এর বর্গ বিয়োগ ১ সমান শূন্য ধরি, সমীকরণের উভয় পক্ষকে x এর বর্গ দ্বারা ভাগ করে পাই x এর বর্গ বিয়োগ ১ বিয়োগ (১ ÷ x এর বর্গ) সমান শূন্য অতএব, x এর বর্গ বিয়োগ (১ ÷ x এর বর্গ) সমান ১ সুতরাং, নির্ণেয় মান ১ উত্তর: ১
a 126
b 120
c 125
d 150
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২৬ প্রদত্ত তথ্য: দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর হলো ২৫১ ধরি, ছোট সংখ্যাটি = ক বড় সংখ্যাটি = ক + ১ অতএব, (ক + ১) এর বর্গ − ক এর বর্গ = ২৫১ ক এর বর্গ + ২ক + ১ − ক এর বর্গ = ২৫১ সুতরাং, ২ক + ১ = ২৫১ ২ক = ২৫০ ক = ১২৫ উত্তর: বড় সংখ্যাটি = ১২৫ + ১ = ১২৬
a a + b
b a - b
c 0
d 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = a² − b² দ্বিতীয় রাশি = a³ − b³ তৃতীয় রাশি = a⁴ + a²b² + b⁴ ধরি, প্রথম রাশিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই (a + b) × (a − b) দ্বিতীয় রাশিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই (a − b) × (a² + ab + b²) অতএব, তৃতীয় রাশিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই (a² + ab + b²) × (a² − ab + b²) প্রথম রাশির উৎপাদকগুলো হলো (a + b) এবং (a − b) সুতরাং, দ্বিতীয় রাশির উৎপাদকগুলো হলো (a − b) এবং (a² + ab + b²) তৃতীয় রাশির উৎপাদকগুলো হলো (a² + ab + b²) এবং (a² − ab + b²) উত্তর: ১
a 6
b 9
c 11
d 12
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১ প্রদত্ত তথ্য: a − (১ ÷ a) = ৩ ধরি, প্রদত্ত রাশির মান নির্ণয় করতে হবে অতএব, a² + (১ ÷ a²) এর অনুসিদ্ধান্ত প্রয়োগ করি সুতরাং, (a − (১ ÷ a))² + ২ উত্তর: ৩² + ২ = ১১
a 20
b 21
c 22
d 23
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১ প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের প্রতিটি বাহু ১০% বৃদ্ধি পায় ধরি, বর্গক্ষেত্রের আদি বাহুর দৈর্ঘ্য = ১০০ একক আদি ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক অতএব, বাহু ১০% বৃদ্ধিতে নতুন বাহুর দৈর্ঘ্য = ১১০ একক নতুন ক্ষেত্রফল = ১১০ × ১১০ = ১২১০০ বর্গ একক ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি = ১২১০০ − ১০০০০ = ২১০০ বর্গ একক সুতরাং, ক্ষেত্রফল শতকরা বৃদ্ধি = (২১০০ ÷ ১০০০০) × ১০০ = ২১% উত্তর: ২১%
a ১ মিটার
b ২ মিটার
c ৩ মিটার
d ৮ মিটার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ মিটার প্রদত্ত তথ্য: চৌবাচ্চায় পানি ধরে = ৬০০০ লিটার চৌবাচ্চার দৈর্ঘ্য = ৩ মিটার চৌবাচ্চার প্রস্থ = ২ মিটার ধরি, চৌবাচ্চার গভীরতা = ক মিটার ১০০০ লিটার = ১ ঘনমিটার অতএব, চৌবাচ্চায় পানির পরিমাণ ঘনমিটারে = ৬০০০ ÷ ১০০০ = ৬ ঘনমিটার চৌবাচ্চার আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × গভীরতা সুতরাং, ৩ × ২ × ক = ৬ ৬ × ক = ৬ উত্তর: ক = ১ মিটার
a aᵐⁿᵖ
b aᵐ⁺ⁿ⁻ᵖ
c a⁻ᵐⁿᵖ
d a⁽ᵐ⁺ⁿ⁺ᵖ⁾
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) aᵐ⁺ⁿ⁻ᵖ প্রদত্ত তথ্য: সূচকের গুণের নিয়ম অনুযায়ী ভিত্তি এক থাকলে পাওয়ারগুলো যোগ হয় এখানে তিনটি পদের ভিত্তি একই এবং তা হলো a ধরি, প্রথম পদের সূচক = m দ্বিতীয় পদের সূচক = n তৃতীয় পদের সূচক = −p অতএব, প্রদত্ত রাশিটি লেখা যায় aᵐ × aⁿ × a⁻ᵖ এভাবে গুণের সময় সব পাওয়ার একত্রে যোগ করতে হয় তাই পাওয়ারগুলোর যোগফল হবে m + n + (−p) সুতরাং, প্লাসে মাইনাসে মাইনাস হয়ে পাওয়ার দাঁড়ায় m + n − p উত্তর: aᵐ⁺ⁿ⁻ᵖ
a b²
b a²
c b³
d ab
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) b² প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশিটি হলো a² − 2ab ধরি, রাশিটির সাথে যোগ করতে হবে একটি অজানা সংখ্যা বা রাশি k অতএব, যোগফল হবে a² − 2ab + k সুতরাং, এটিকে পূর্ণবর্গ রাশির সূত্র a² − 2ab + b² এর সাথে তুলনা করা যায় উত্তর: b²
a ১৬%
b ২০%
c ২৫%
d ২৮%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫% প্রদত্ত তথ্য: ১০০ টাকায় কেনা ডিমের সংখ্যা = ১০ টি ১০০ টাকায় বিক্রিত ডিমের সংখ্যা = ৮ টি ধরি, ১০ টি ডিমের ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ১ টি ডিমের ক্রয়মূল্য = ১০০ ÷ ১০ = ১০ টাকা অতএব, ৮ টি ডিমের ক্রয়মূল্য = ৮ × ১০ = ৮০ টাকা ৮ টি ডিমের বিক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা সুতরাং, লাভ = ১০০ − ৮০ = ২০ টাকা উত্তর: (২০ ÷ ৮০) × ১০০% = ২৫%
a 6
b 7
c 8
d 10
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ প্রদত্ত তথ্য: বাঁশের মোট দৈর্ঘ্য = ২০ ফুট ছোট অংশ বড় অংশের দুই-তৃতীয়াংশ ধরি, বড় অংশটি = ক ফুট ছোট অংশটি = (২ × ক) ÷ ৩ ফুট অতএব, প্রশ্নমতে, ক + ((২ × ক) ÷ ৩) = ২০ বা, (৩ × ক + ২ × ক) ÷ ৩ = ২০ বা, ৫ × ক = ২০ × ৩ সুতরাং, ৫ × ক = ৬০ ক = ১২ উত্তর: ছোট অংশের দৈর্ঘ্য = (২ × ১২) ÷ ৩ = ৮ ফুট
a ১৮০ মিটার
b ২০০ মিটার
c ২২০ মিটার
d ২৪০ মিটার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: ট্রেনের গতিবেগ = ঘণ্টায় ৪৮ কিলোমিটার প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য = ২২০ মিটার সময় লাগবে = ৩০ সেকেন্ড ধরি, ট্রেনের দৈর্ঘ্য = ক মিটার মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ক + ২২০ মিটার ট্রেনের গতিবেগ মিটার প্রতি সেকেন্ডে = ৪৮ × ১০০০ ÷ ৩৬০০ মিটার প্রতি সেকেন্ড অতএব, গতিবেগ হিসাব করে পাই = ৪০০ ÷ ৩০ মিটার প্রতি সেকেন্ড মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = গতিবেগ × সময় মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = (৪০০ ÷ ৩০) × ৩০ মিটার = ৪০০ মিটার সুতরাং, ট্রেনের দৈর্ঘ্য + প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য = ৪০০ মিটার ট্রেনের দৈর্ঘ্য + ২২০ মিটার = ৪০০ মিটার উত্তর: ক = ৪০০ − ২২০ = ১৮০ মিটার
a শচীন তেন্ডুলকার
b জাভেদ মিয়ানদান
c মুস্তাফিজুর রহমান
d রিকি পন্টিং
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মুস্তাফিজুর রহমান কেন সঠিক: - ২০১৫ সালে ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেকে ৫ উইকেট এবং একই বছর পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেকে ৫ উইকেট লাভ করেন। - আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ইতিহাসে তিনিই প্রথম খেলোয়াড় যিনি ওয়ানডে এবং টেস্ট উভয় ফরম্যাটের অভিষেকেই ম্যান অব দ্য ম্যাচ হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শচীন তেন্ডুলকার — ভারতের সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যান হলেও তিনি ওয়ানডে ও টেস্ট অভিষেকে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হওয়ার এই অনন্য রেকর্ড গড়েননি। B) জাভেদ মিয়ানদান — পাকিস্তানের কিংবদন্তি ক্রিকেটার হলেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অভিষেকে এই বিশেষ কীর্তি অর্জন করতে পারেননি। D) রিকি পন্টিং — অস্ট্রেলিয়ার সফল অধিনায়ক ও ব্যাটসম্যান হলেও তার ওয়ানডে ও টেস্ট অভিষেক একই রেকর্ডের অংশ নয়। মনে রাখার টিপস: অভিষেকের বিস্ময় কাটার মাস্টার মুস্তাফিজ, ওয়ানডে আর টেস্ট দুটিতেই হন ম্যান অব দ্য ম্যাচ।
a 1952
b 1972
c 2001
d 1960
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৬০ কেন সঠিক: - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলা একাডেমী ১৯৬০ সাল থেকে এই prestigious পুরস্কার প্রদান শুরু করে। - এটি বাংলাদেশের সাহিত্য ক্ষেত্রে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও প্রাচীন একটি পুরস্কার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫২ — এটি ভাষা আন্দোলনের বছর, বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠার বা এই পুরস্কার প্রবর্তনের বছর নয়। B) ১৯৭২ — এটি স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন এবং যুদ্ধোত্তর পুনর্গঠনের বছর, পুরস্কার প্রবর্তনের বছর নয়। C) ২০০১ — এটি বর্তমান সময়ের একটি সাল, যা এই ঐতিহাসিক পুরস্কার চালুর অনেক পরের বছর। D) ১৯৬০ — এটি সঠিক বছর কারণ এই সাল থেকেই বাংলা একাডেমী আনুষ্ঠানিকভাবে সাহিত্য পুরস্কার প্রবর্তন করে। মনে রাখার টিপস: বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৫ সালে আর এর ঠিক পাঁচ বছর পর অর্থাৎ ১৯৬০ সাল থেকে সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়।
a শের-এ-বাংলা এ কে ফজলুল হক
b মাওলানা আবুল কালাম আজাদ
c হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
d পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কেন সঠিক: - তিনি ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পূর্বে অবিভক্ত বাংলার শেষ প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - তার আমলেই ১৯৪৭ সালের আগস্ট মাসে ভারত বিভাজিত হয় এবং বাংলা প্রদেশটি বিভক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শের-এ-বাংলা এ কে ফজলুল হক — তিনি বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন না। B) মাওলানা আবুল কালাম আজাদ — তিনি ভারতের প্রখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী ও প্রথম শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন না। C) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু — তিনি স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী সোহরাওয়ার্দী, যিনি ১৯৪৭ পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন।
a ০৬ জ্যৈষ্ঠ ১৩২০
b ০৪ চৈত্র ১৩২৬
c ১৬ বৈশাখ ১৩২২
d ২৬ চৈত্র ১৩২৫
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০৪ চৈত্র ১৩২৬ কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - বাংলা সন অনুসারে সেই দিনটি ছিল ৪ চৈত্র ১৩২৬ বঙ্গাব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০৬ জ্যৈষ্ঠ ১৩২০ — এটি সঠিক নয়, কারণ এই তারিখে বঙ্গবন্ধুর জন্মসাল ও তারিখের সঙ্গে কোনো ঐতিহাসিক মিল নেই। B) ০৪ চৈত্র ১৩২৬ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী এই দিনটিতেই তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন। C) ১৬ বৈশাখ ১৩২২ — এটি সঠিক নয়, এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের জন্মতারিখ হতে পারে। D) ২৬ চৈত্র ১৩২৫ — এটি সঠিক নয়, এটিও ভুল তারিখ ও সালের একটি অপশন। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ১৭ মার্চ ১৯২০ সাল মনে রাখলে বাংলা তারিখটি হিসাব করার জন্য ১৩২৬ বঙ্গাব্দের ৪ চৈত্র মনে রাখতে হবে।
a ৩৪ জন
b ৪৩ জন
c ২৩ জন
d ১২ জন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৪ জন কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের ১২ মার্চ গঠিত গণপরিষদে সংবিধান প্রণয়নের জন্য ড. কামাল হোসেনকে প্রধান করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। - এই কমিটি বিভিন্ন দেশের সংবিধান পর্যালোচনা করে এবং জনমত সংগ্রহ করে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানের খসড়া প্রস্তুত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৪ জন — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে এই নির্দিষ্ট সংখ্যক সদস্য অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। B) ৪৩ জন — এই সংখ্যাটি সঠিক নয়, কারণ সংবিধানে প্রাথমিক স্বাক্ষরদানকারী সদস্যের সংখ্যা ৪৩ জন ছিল না বা এটি প্রণয়ন কমিটির সদস্য সংখ্যা নয়। C) ২৩ জন — এটি ভুল সংখ্যা, যা সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য সংখ্যার সাথে মিলে না। D) ১২ জন — এই সংখ্যাটি ভুল, কারণ প্রণয়ন কমিটিতে মাত্র ১২ জন সদস্য ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রধান ছিলেন ড. কামাল হোসেন এবং সদস্য ছিলেন ৩ এবং ৪ অর্থাৎ ৩৪ জন।
a জামাই ষষ্ঠী
b ধ্রুব
c মুখ ও মুখোশ
d সংগম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধ্রুব কেন সঠিক: - উপমহাদেশের তথা বাংলা ভাষার প্রথম সবাক চলচ্চিত্র হলো ১৯৩১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ধ্রুব। - কবি কাজী নজরুল ইসলাম এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন এবং এর গানগুলোতে সুর দিয়েছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জামাই ষষ্ঠী — এটি বাংলা ভাষার প্রথম সবাক চলচ্চিত্র, তবে এটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র ছিল। পূর্ণদৈর্ঘ্য সবাক চলচ্চিত্র হিসেবে ধ্রুব প্রথম। B) ধ্রুব — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং উপমহাদেশের প্রথম বাংলা পূর্ণদৈর্ঘ্য সবাক চলচ্চিত্র। C) মুখ ও মুখোশ — এটি পাকিস্তানের তথা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম বাংলা সবাক চলচ্চিত্র, যা মুক্তি পায় ১৯৫৬ সালে। D) সংগম — এটি পাকিস্তানের প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র, যা উর্দু ভাষায় নির্মিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: উপমহাদেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সবাক চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে কাজী নজরুল ইসলামের ধ্রুব চলচ্চিত্রটি মনে রাখতে হবে।
a ১ জুন
b ৩ মার্চ
c ১ মার্চ
d ৫ জুন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ মার্চ কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬০ সালের ১ মার্চ তৎকালীন পাকিস্তানের আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে যোগদান করেছিলেন। - বঙ্গবন্ধুর বীমা পেশায় যোগদানের এই ঐতিহাসিক দিনটিকে স্মরণ করে ২০২০ সাল থেকে ১ মার্চকে জাতীয় বীমা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ জুন — এটি জাতীয় চা দিবস, বীমা দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ৩ মার্চ — এটি ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ ভাষণের আগের দিন এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রস্তুতি পর্বের একটি দিন। C) ১ মার্চ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এই দিনে জাতীয় বীমা দিবস পালন করা হয়। D) ৫ জুন — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস, বীমা দিবসের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু ১ মার্চ বীমা কোম্পানিতে যোগ দিয়েছিলেন, তাই ১ মার্চ হলো জাতীয় বীমা দিবস।
a যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
b ব্রাজিল ও ইতালি
c সৌদি আরব ও ইরান
d ফ্রান্স ও গ্রীস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৌদি আরব ও ইরান কেন সঠিক: - সৌদি আরবের জাতীয় পতাকায় কালিমা তাইয়্যেবা খচিত থাকায় শোক প্রকাশে বা অন্য কোনো কারণে তা অর্ধনমিত করা হয় না। - ইরানের পতাকায় আল্লাহর নাম এবং পবিত্র ধর্মীয় প্রতীক থাকায় সে দেশের রাষ্ট্রীয় নিয়ম অনুযায়ী পতাকা অর্ধনমিত করা নিষেধ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা — এই দেশগুলোতে রাষ্ট্রীয় শোক বা বিশেষ দিবসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার প্রচলিত নিয়ম রয়েছে। B) ব্রাজিল ও ইতালি — এই দেশগুলো শোক দিবসে বা জাতীয় সংকটে রাষ্ট্রীয় নিয়ম মেনে পতাকা অর্ধনমিত করে থাকে। C) সৌদি আরব ও ইরান — এই অপশনটি সঠিক কারণ ধর্মীয় পবিত্রতার কারণে এই দেশগুলোর পতাকা অর্ধনমিত করা হয় না। D) ফ্রান্স ও গ্রীস — এই দেশগুলোও রাষ্ট্রীয় শোক বা আন্তর্জাতিক শ্রদ্ধা জানাতে পতাকা অর্ধনমিত করার প্রথা অনুসরণ করে। মনে রাখার টিপস: ধর্মীয় নাম বা পবিত্র বাক্য খচিত থাকার কারণে সৌদি আরব এবং ইরানের পতাকা কখনো অর্ধনমিত করা হয় না।
a DGSE
b FSEG
c DGFI
d FGSE
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) DGSE কেন সঠিক: - DGSE হলো ফ্রান্সের প্রধান বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা, যার পূর্ণরূপ হলো ডিরেক্টোরেট জেনারেল ফর এক্সটার্নাল সিকিউরিটি। - এটি ফ্রান্সের আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা রক্ষা এবং দেশের বাইরের গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণে কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) DGSE — এটি ফ্রান্সের মূল বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়। B) FSEG — এটি কোনো পরিচিত বা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত গোয়েন্দা সংস্থার নাম নয়। C) DGFI — এটি বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিরেক্টোরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স) সংক্ষিপ্ত রূপ। D) FGSE — এটি ফ্রান্সের কোনো গোয়েন্দা সংস্থার নাম বা সংক্ষিপ্ত রূপ নয়। মনে রাখার টিপস: ফ্রান্সের (F) সাথে এক্সটার্নাল (E) সিকিউরিটির সম্পর্ক মনে রেখে DGSE সংক্ষেপটি ফরাসি গোয়েন্দা সংস্থার জন্য মনে রাখতে পারেন।
a বিল ক্লিনটন
b অরুন্ধতী রায়
c রুশ প্রাচ্য
d ফিদেল কাস্ত্রো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফিদেল কাস্ত্রো কেন সঠিক: - কিউবার ঐতিহাসিক নেতা ফিদেল কাস্ত্রো সাম্রাজ্যবাদ ও বিশ্বরাজনীতি নিয়ে এই গ্রন্থটি রচনা করেছেন। - এটি আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং কিউবার বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাহিত্যকর্ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিল ক্লিনটন — তিনি আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট হলেও এই গ্রন্থের লেখক নন। B) অরুন্ধতী রায় — তিনি ভারতের প্রখ্যাত লেখক ও বুকার জয়ী ঔপন্যাসিক, এই বইটির সঙ্গে তিনি সম্পর্কিত নন। C) রুশ প্রাচ্য — এটি কোনো ব্যক্তি বা নির্দিষ্ট লেখকের নাম নয়, তাই এই প্রশ্নের উত্তর হতে পারে না। D) ফিদেল কাস্ত্রো — কিউবার এই মহান বিপ্লবী নেতা 'দ্য স্ট্র্যাটেজিক ভিক্টরি' গ্রন্থের মূল লেখক। মনে রাখার টিপস: কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর কৌশলগত বিজয়ের ইতিহাস জানতে 'দ্য স্ট্র্যাটেজিক ভিক্টরি' বইটি মনে রাখুন।
a বাণিজ্য সংক্রান্ত চুক্তি
b কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
c রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্র
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি কেন সঠিক: - START শব্দের পূর্ণরূপ হলো স্ট্র্যাটেজিক আর্মস রিডাকশন ট্রিটি, যা যুক্তরাষ্ট্র ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস চুক্তি। - এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল উভয় দেশের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে নামিয়ে আনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাণিজ্য সংক্রান্ত চুক্তি — এটি কোনো বাণিজ্যিক চুক্তি নয়, বরং এটি বিশ্ব নিরাপত্তা ও পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সামরিক চুক্তি। B) কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রাসঙ্গিক ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক চুক্তি। C) রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্র — এটি কোনো নির্দিষ্ট যুদ্ধাস্ত্রের নাম নয়, বরং এটি একটি দ্বিপক্ষীয় অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: START নামের মধ্যেই অস্ত্র কমানোর ইঙ্গিত আছে, যার পূর্ণরূপ কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস চুক্তি।
a সিলেট
b নেত্রকোনা
c বান্দরবান
d রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বান্দরবান কেন সঠিক: - প্রান্তিক হ্রদ বাংলাদেশের বান্দরবান জেলার সদর উপজেলার রেইছা ইউনিয়নে অবস্থিত একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। - এটি পাহাড়ের মাঝখানে অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক হ্রদ, যা চারপাশের সবুজ পাহাড়ি পরিবেশের জন্য পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — সিলেট জেলায় প্রান্তিক হ্রদ অবস্থিত নয়, এখানে মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত ও রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্টের মতো পর্যটন আকর্ষণ রয়েছে। B) নেত্রকোনা — নেত্রকোনা জেলায় প্রান্তিক হ্রদ অবস্থিত নয়, এটি মূলত বিজয়পুর ও সোমেশ্বরী নদীর জন্য পরিচিত। C) বান্দরবান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ হ্রদটি এখানেই অবস্থিত। D) রাঙ্গামাটি — রাঙ্গামাটিতে কাপ্তাই হ্রদসহ বেশ কিছু হ্রদ থাকলেও প্রান্তিক হ্রদ এই জেলায় অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: বান্দরবানের পাহাড়ি প্রকৃতির মাঝে প্রান্তিক হ্রদ অবস্থিত, এটি মনে রাখতে বান্দরবান ও প্রান্তিক শব্দ দুটি একসাথে স্মরণ রাখুন।
a ৮ টি
b ১০ টি
c ১২ টি
d ১৪ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশে বর্তমানে মোট সিটি কর্পোরেশনের সংখ্যা ১২টি। - সর্বশেষ গঠিত সিটি কর্পোরেশনটি হলো ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ টি — এটি পুরনো তথ্য, বর্তমানে সিটি কর্পোরেশনের সংখ্যা এর চেয়ে বেশি। B) ১০ টি — এটিও একটি অতীতের উপাত্ত, যা বর্তমান প্রশাসনিক বিন্যাসের সঙ্গে মেলে না। C) ১২ টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্তমান বাংলাদেশে মোট ১২টি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে। D) ১৪ টি — বাংলাদেশে বর্তমানে ১৪টি সিটি কর্পোরেশন নেই, সংখ্যাটি ১২টি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের মোট বিভাগ এবং সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশনের সংখ্যা মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে মনে রাখা যায়।
a ১১ ডিসেম্বর ২০২২
b ২২ ডিসেম্বর, ২০২২
c ১৫ ডিসেম্বর ২০২২
d ২৮ ডিসেম্বর ২০২২
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৮ ডিসেম্বর ২০২২ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম জনবহুল দ্রুতগামী ট্রানজিট ব্যবস্থা হিসেবে এমআরটি লাইন ছয় এর উত্তরা থেকে আগারগাঁও অংশ উদ্বোধন করা হয়। - মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ঐতিহাসিক মেট্রোরেল প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১ ডিসেম্বর ২০২২ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক তারিখ নয় এবং এই দিনে অন্য কোনো নির্ধারিত সরকারি বা ঐতিহাসিক বিশেষ কর্মসূচি ছিল না। B) ২২ ডিসেম্বর ২০২২ — এই তারিখে মেট্রোরেল উদ্বোধনের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। সি) ১৫ ডিসেম্বর ২০২২ — এই তারিখটি মেট্রোরেল উদ্বোধনের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) ২৮ ডিসেম্বর ২০২২ — এটি দেশের প্রথম মেট্রোরেল উদ্বোধনের নির্ধারিত ও সঠিক ঐতিহাসিক তারিখ। মনে রাখার টিপস: ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে (২৮ তারিখ) বাংলাদেশ মেট্রোরেল যুগে প্রবেশ করেছিল।
a ১৯৫৩ সালের ০৪ ডিসেম্বর
b ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
c ১৯৫৪ সালের ২৩ জুন
d ১৯৫২ সালের ৪ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৫৩ সালের ০৪ ডিসেম্বর কেন সঠিক: - যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর গঠিত হয়। - আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম ও বামপন্থী গণতন্ত্রী দল মিলে এই রাজনৈতিক জোট গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫৩ সালের ০৪ ডিসেম্বর — এটি যুক্তফ্রন্ট গঠনের সঠিক তারিখ এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য এই জোট গঠিত হয়। B) ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি — এটি ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের শহীদ দিবস, যুক্তফ্রন্ট গঠনের তারিখ নয়। C) ১৯৫৪ সালের ২৩ জুন — এটি আওয়ামী লীগের প্রথম কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ, যুক্তফ্রন্ট গঠনের তারিখ নয়। D) ১৯৫২ সালের ৪ ডিসেম্বর — এটি একটি বিভ্রান্তিকর সাল, কারণ যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল এর এক বছর পর ১৯৫৩ সালে। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের পরের বছর ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
a মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
b যুক্তরাজ্য
c গ্রিস
d ফ্রান্স
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাজ্য কেন সঠিক: - যুক্তরাজ্যের আইন মূলত প্রাচীন রীতিনীতি, প্রথা এবং বিচারালয়ের পূর্ববর্তী রায়ের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। - একে প্রচলিত সাধারণ আইন বা কমন ল বলা হয়, যা নির্দিষ্ট কোনো লিখিত সংবিধান দ্বারা পরিচালিত হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — এখানকার আইন লিখিত সংবিধানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এবং সুনির্দিষ্ট আইনের অনুশাসন মেনে চলে। B) যুক্তরাজ্য — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এখানকার বিচার ব্যবস্থা প্রথা ও রীতিনীতি নির্ভর। C) গ্রিস — এখানকার আইন রোমান আইনের প্রভাবপুষ্ট সিভিল ল বা সংহিতাবদ্ধ আইনের অন্তর্ভুক্ত। D) ফ্রান্স — এখানকার বিচার ব্যবস্থা সংহিতাবদ্ধ আইন বা সিভিল ল ব্যবস্থার ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাজ্যের আইন প্রথা ও রীতিনীতির ওপর নির্ভরশীল, তাই কমন ল বা সাধারণ আইনের জন্মভূমি বলা হয় যুক্তরাজ্যকে।
a জাপান
b চীন
c ভারত
d বাংলাদেশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চীন কেন সঠিক: - আলিবাবা গ্রুপ হলো চীনের একটি বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, যা ই-কমার্স, খুচরা বিক্রেতা, ইন্টারনেট এবং প্রযুক্তি খাতে কাজ করে। - জ্যাক মা ১৯৯৯ সালে চীনের হাংচৌ শহরে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — SoftBank এই প্রতিষ্ঠানে বড় বিনিয়োগকারী হলেও এটি জাপানি প্রতিষ্ঠান নয়। B) চীন — এটি চীনের প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) ভারত — ভারতের নিজস্ব বিভিন্ন ই-কমার্স সাইট থাকলেও আলিবাবা ভারতের নয়। D) বাংলাদেশ — এটি কোনো বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান বা উদ্যোগ নয়। মনে রাখার টিপস: আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা চীনের নাগরিক এবং এই প্রতিষ্ঠানটি চীনের হাংচৌ শহর থেকে কার্যক্রম শুরু করেছিল।
a ৭টি
b ৯টি
c ১১টি
d ১৩টি
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ১১টি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। - সেক্টরগুলো ছাড়াও অভ্যন্তরীণ অপারেশনের জন্য বাংলাদেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭টি — এটি ৭ বীরশ্রেষ্ঠ বা ৭ জন সেক্টর কমান্ডারের সংখ্যা, সেক্টরের সংখ্যা নয়। B) ৯টি — এটি ভুল সংখ্যা, কারণ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর ছিল ১১টি। সি) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর, মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়। D) ১৩টি — এটি একটি ভুল সংখ্যা, কারণ মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরের সংখ্যা ১৩টি ছিল না। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন এক এক এগারো অর্থাৎ ১১টি সেক্টর।
a 1948
b 1954
c 1966
d 1971
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ১৯৫৪ কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে জয়লাভ করে প্রথম প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য এবং মন্ত্রিসভার মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। - তিনি যুক্তফ্রন্ট সরকারের কৃষি, সমবায় ও পল্লি উন্নয়ন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব লাভ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৮ — এই সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র ছিলেন এবং ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন, মন্ত্রিসভার সদস্য হননি। C) ১৯৬৬ — এই সালে তিনি ঐতিহাসিক ছয় দফা পেশ করেন, যা বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ নামে পরিচিত। D) ১৯৭১ — এই সালে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। মনে রাখার টিপস: যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের সাল ১৯৫৪ মনে রাখলেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর সহজে মনে রাখা সম্ভব।
a ভূটান
b চীন
c রাশিয়া
d উজবেকিস্তান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাশিয়া কেন সঠিক: - তাস রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় ও সরকারি বার্তা সংস্থা। - এটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংগ্রহ ও বিতরণে রাশিয়ার প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভূটান — ভূটানের সরকারি সংবাদ সংস্থার নাম কুয়েনসেল, যা রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) চীন — চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার নাম সিনহুয়া, তাস নয়। সি) রাশিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) উজবেকিস্তান — উজবেকিস্তানের প্রধান সংবাদ সংস্থার নাম ইউজেএএফ বা উজা, তাস নয়। মনে রাখার টিপস: রাশিয়ার সংবাদ মাধ্যম হিসেবে টি এ এস এস (TASS) নামটি মনে রাখতে রাশিয়ার বরফ বা ঠাণ্ডা আবহাওয়ার সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারেন।
a সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়
b ফ্রান্সের লিওতে
c থাইল্যান্ডের ব্যাংককে
d জার্মানির বার্লিনে
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ফ্রান্সের লিওতে কেন সঠিক: - ইন্টারপোল বা আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থার সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিও শহরে অবস্থিত। - ১৯২৩ সালে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হলেও লিও শহরকে এর স্থায়ী সদর দপ্তর হিসেবে পরে নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং রেড ক্রসের সদর দপ্তর, ইন্টারপোলের নয়। B) ফ্রান্সের লিওতে — এটি ইন্টারপোলের সঠিক সদর দপ্তর এবং এখানেই এর প্রধান কার্যক্রম পরিচালিত হয়। C) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে — এটি ইন্টারপোলের নয়, বরং আসিয়ান বা অন্যান্য আঞ্চলিক সংস্থার কার্যক্রমের কেন্দ্র। D) জার্মানির বার্লিনে — এটি জার্মানির রাজধানী হলেও ইন্টারপোলের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: পুলিশ বা নিরাপত্তার সাথে লিওন বা সিংহ জড়িত থাকে, তাই ইন্টারপোলের সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিও শহরে অবস্থিত।
a প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
b কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
c বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয় ক্ষমতা
d মুদ্রা বা অর্থ বিষয়কম ক্ষমতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন কেন সঠিক: - ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে ঐতিহাসিক ছয় দফা পেশ করেন যার প্রথম দফায় পাকিস্তানের ফেডারাল কাঠামোর অধীনে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি জানানো হয়েছিল। - এই দফায় লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার গঠনের প্রস্তাব করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন — প্রদত্ত উত্তর সঠিক হওয়ায় এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক অপশন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। B) কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা — ছয় দফায় কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক এই দুটি বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার কথা বলা হয়েছিল যা দ্বিতীয় দফার বিষয়। C) বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয় ক্ষমতা — বৈদেশিক বাণিজ্য ও বৈদেশিক সাহায্য বিষয়ে অঙ্গরাজ্যগুলোর পূর্ণ ক্ষমতা থাকার কথা বলা হয়েছে যা চতুর্থ দফার অন্তর্ভুক্ত। D) মুদ্রা বা অর্থ বিষয়কম ক্ষমতা — মুদ্রা বা অর্থ বিষয়ে দুটি পৃথক ও সহজেConvertToযোগ্য মুদ্রার প্রস্তাব করা হয়েছিল যা তৃতীয় দফার বিষয়। মনে রাখার টিপস: ছয় দফার প্রথম অক্ষর প্র দিয়ে মনে রাখতে পারেন প্রথম দফা মানেই প্রদেশ বা প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।
a ঢাকা
b চট্টগ্রাম
c রাজশাহী
d বরিশাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চট্টগ্রাম কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের একমাত্র নৃতাত্ত্বিক জাদুঘর, যা চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে অবস্থিত। - এখানে বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি বাংলাদেশের রাজধানী এবং এখানে জাতীয় জাদুঘরসহ অনেক জাদুঘর থাকলেও একমাত্র নৃতাত্ত্বিক জাদুঘর এখানে নেই। B) চট্টগ্রাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশের একমাত্র নৃতাত্ত্বিক জাদুঘরটি এখানেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। C) রাজশাহী — এটি বরেন্দ্র অঞ্চলের ইতিহাস ও সংস্কৃতির জন্য বিখ্যাত হলেও একমাত্র নৃতাত্ত্বিক জাদুঘর এখানে অবস্থিত নয়। D) বরিশাল — এটি নদীমাতৃক অঞ্চল এবং এখানে দক্ষিণাঞ্চলের সংস্কৃতিভিত্তিক জাদুঘর রয়েছে, যা নৃতাত্ত্বিক জাদুঘর নয়। মনে রাখার টিপস: নৃতাত্ত্বিক জাদুঘর মানেই পাহাড় ঘেরা বন্দরনগরী চট্টগ্রাম।
a গাড়ী
b মোবাইল ফোন
c বিদ্যুৎ
d ফ্যাশন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিদ্যুৎ ১. কেন সঠিক: আধুনিক সভ্যতার সকল প্রযুক্তি ও কলকারখানা পরিচালনার মূল চালিকাশক্তি হলো বিদ্যুৎ। বিদ্যুৎ ছাড়া আলো, যোগাযোগ, চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং শিল্প উৎপাদন সম্পূর্ণ থমে যাবে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বিদ্যুৎ হলো ইলেকট্রনের প্রবাহ বা আধানের চলাচল যা শক্তি উৎপন্ন করে। কার্যপ্রণালি: জেনারেটর বা পাওয়ার প্ল্যান্টে যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে সরবরাহ করা হয়। বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের ঘরের পাখা, বাতি, রেফ্রিজারেটর এবং হাসপাতালের জীবন রক্ষাকারী যন্ত্রপাতি বিদ্যুতের সাহায্যে চলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাসপাতালের আইসিইউ বা ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট। ব্যাখ্যা: বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে ভেন্টিলেটরসহ সকল জীবন রক্ষাকারী যন্ত্র বন্ধ হয়ে রোগীর জীবন বিপন্ন হতে পারে। উদাহরণ ২: পানির পাম্প বা সেচ যন্ত্র। ব্যাখ্যা: বিদ্যুৎ চালিত পাম্পের সাহায্যে জমিতে পানি সেচ দেওয়া হয়, যা কৃষি উৎপাদন সচল রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গাড়ী — গাড়ী চলাচলের জন্য যান্ত্রিক শক্তি বা জ্বালানি প্রয়োজন, যা ছাড়া জীবনযাপন অসম্ভব নয়। B) মোবাইল ফোন — এটি আধুনিক যোগাযোগের একটি মাধ্যম মাত্র, তবে এটি ছাড়া বেঁচে থাকা বা জীবন চালানো সম্ভব। D) ফ্যাশন — ফ্যাশন মানুষের রুচি ও সংস্কৃতির অংশ, যা জীবনযাপনের জন্য কোনো মৌলিক বা অপরিহার্য শর্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: আধুনিক জীবনের হৃৎস্পন্দন বলা হয় বিদ্যুৎকে। বিদ্যুৎ না থাকলে মোবাইল বা গাড়ি কোনোটিই চার্জ বা সচল রাখা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিদ্যুৎ শক্তি আবিষ্কার ও এর ব্যবহার সভ্যতার গতিপথ বদলে দিয়েছে। ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শক্তির রূপান্তর সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a তাইওয়ান
b থাইল্যান্ড
c সুদান
d ডেনমার্ক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তাইওয়ান ১. কেন সঠিক: - তাইওয়ানের ভৌগোলিক আকৃতি দেখতে অনেকটা মিষ্টি আলুর মতো, যার স্থানীয় ও ঐতিহ্যগত সংস্কৃতিতে পশম ড্রাগনের পৌরাণিক প্রতীকের সঙ্গে গভীর মিল রয়েছে। - পূর্ব এশিয়ার এই দ্বীপরাষ্ট্রটি তার অনন্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং ভৌগোলিক রূপের জন্য বিশ্বজুড়ে পশম ড্রাগনের দেশ হিসেবে পরিচিত। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: এটি পূর্ব এশিয়ায় প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাংশে অবস্থিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র। - বৈশিষ্ট্য: এর ভূপ্রকৃতি পাহাড়ি এবং এর বেশিরভাগ অংশজুড়ে রয়েছে ঘন সবুজ অরণ্য ও পাহাড়ি উপত্যকা। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: তাইওয়ানের প্রধান পর্বতমালা ব্যাখ্যা: তাইওয়ানের কেন্দ্রীয় পর্বতমালা দ্বীপটির উত্তর থেকে দক্ষিণ পর্যন্ত বিস্তৃত এবং এর ভূপ্রকৃতিকে অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় করে তুলেছে। উদাহরণ ২: তাইওয়ানের উপক্রান্তীয় জলবায়ু ব্যাখ্যা: এখানকার উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু পশম এবং বিভিন্ন উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাইওয়ান — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভৌগোলিক আকৃতি ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ে একে পশম ড্রাগনের দেশ বলা হয়। B) থাইল্যান্ড — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ এবং একে হোয়াইট এলিফ্যান্ট বা শ্বেত হস্তীর দেশ বলা হয়। C) সুদান — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি রাষ্ট্র এবং এটি সাহারা মরুভূমির অন্তর্ভুক্ত একটি বিশাল দেশ। D) ডেনমার্ক — এটি উত্তর ইউরোপের একটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ এবং একে উইন্ডমিলের দেশ বলা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - তাইওয়ানের ইংরেজি নামের আদ্যক্ষর এবং এর ড্রাগন আকৃতির ভূগোলের কথা মাথায় রাখলে খুব সহজে এই প্রশ্নটি মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভৌগোলিক উপনাম থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, যেমন শ্বেত হস্তীর দেশ বা উইন্ডমিলের দেশ। - এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা বিভিন্ন দেশের ভৌগোলিক উপনাম সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে।
a ফলের বাগান
b জীবজন্তুর অভয়ারণ্য
c পশু পালনের স্থান
d খোলা উদ্যান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জীবজন্তুর অভয়ারণ্য ১. কেন সঠিক: - সাফারি পার্ক হলো এমন একটি বৃহৎ উন্মুক্ত এলাকা যেখানে বন্যপ্রাণীরা তাদের প্রাকৃতিক পরিবেশে স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়ায় এবং দর্শনার্থীরা সুরক্ষিত যানবাহনে চড়ে তাদের অবলোকন করেন। - এটি মূলত খাঁচাবন্দি বন্দিদশার বিপরীত এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার একটি আধুনিক পদ্ধতি। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - বৈশিষ্ট্য: এখানে প্রাণীগুলোকে খাঁচায় না রেখে বিশাল প্রাকৃতিক পরিবেশে রাখা হয় এবং দর্শনার্থীরা খাঁচাগাড়ি বা জিপে চড়ে প্রাণী পর্যবেক্ষণ করেন। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: বাংলাদেশে গাজীপুর জেলার শ্রীপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক এবং কক্সবাজারের ডুলাহাজরায় সাফারি পার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের গাজীপুর জেলায় অবস্থিত দেশের প্রথম ও সর্ববৃহৎ সাফারি পার্ক যা মূলত জীবজন্তুর অভয়ারণ্য হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: কেনিয়া ও তানজানিয়ার জাতীয় উদ্যানসমূহ ব্যাখ্যা: এগুলোতে বন্যপ্রাণীরা সম্পূর্ণ উন্মুক্ত পরিবেশে বসবাস করে যা বিশ্বজুড়ে সাফারি পার্ক ও অভয়ারণ্যের মূল ধারণার প্রকৃত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফলের বাগান — এটি ফলের উৎপাদনের জন্য নির্ধারিত এলাকা, জীবজন্তুর অভয়ারণ্য নয়। C) পশু পালনের স্থান — এটি গৃহপালিত পশু যেমন গরু ও ছাগল লালন-পালনের জন্য নির্দিষ্ট স্থান, বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল নয়। D) খোলা উদ্যান — এটি সাধারণ মানুষের বিনোদনের জন্য উন্মুক্ত পার্ক, যেখানে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের বিশেষ ব্যবস্থা থাকে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাফারি শব্দটি শুনলেই মাথায় রাখতে হবে এটি বন্যপ্রাণী বা জীবজন্তুর খোলা উদ্যান বা অভয়ারণ্য। - খাঁচায় বন্দি প্রাণীদের চিড়িয়াখানা বলা হয়, আর উন্মুক্ত পরিবেশে সংরক্ষিত প্রাণীদের এলাকাকে সাফারি পার্ক বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় বাংলাদেশের প্রথম সাফারি পার্ক কোথায় অবস্থিত। - চিড়িয়াখানা এবং সাফারি পার্কের মূল পার্থক্য হলো খাঁচাবন্দি বনাম উন্মুক্ত প্রাকৃতিক পরিবেশ।

মোট প্রশ্ন (26)

a প্রলাপ করা
b গালাগালি করা
c এক ধরনের গান
d প্রশংসা করা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গালাগালি করা ১. কেন সঠিক: - খেঁদুর গাওয়া বাগধারাটির প্রমিত ও প্রচলিত অর্থ হলো তীব্রভাবে গালাগালি করা বা কর্কশ ভাষায় ভর্ৎসনা করা। - খেঁদুর বা খেউড় হলো এক ধরনের অশ্লীল বা কদর্য শব্দযুক্ত গান, যা মূলত গালাগালি বা কটূক্তির সমার্থক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বাগধারা, যা বিশেষ কোনো আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। - বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ প্রকরণে অনেক শব্দ ও বাগধারা তাদের প্রচলিত রূপের মাধ্যমে বিশেষ ভাব প্রকাশ করে, যার সঙ্গে আক্ষরিক অর্থের মিল থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চায়ের কাপে তুফান তোলা ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ ছোট বিষয় নিয়ে অনেক বড় ঝগড়া বা উত্তেজনা তৈরি করা। উদাহরণ ২: ডুমুরের ফুল ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ অদৃশ্য বা খুব দুর্লভ বস্তু, যা সহজে দেখা যায় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রলাপ করা — প্রলাপ করা অর্থ অসংলগ্ন বা আবলতাবল বকা, যা খেঁদুর গাওয়া বাগধারার নির্দিষ্ট অর্থ নয়। B) গালাগালি করা — এটিই সঠিক উত্তর কারণ খেঁদুর গাওয়া মানে তীব্র ভাষায় গালাগালি করা বা কদর্য ভাষায় ভর্ৎসনা করা। C) এক ধরনের গান — খেউড় আক্ষরিক অর্থে গান হলেও বাগধারা হিসেবে এর রূপক অর্থ গালাগালি করা বোঝায়। D) প্রশংসা করা — প্রশংসা করা অর্থ কোনো গুণের বা কাজের ভালো দিক বলা, যা খেঁদুর গাওয়া বাগধারার সম্পূর্ণ বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - খেউড় গান মানেই কদর্য বা অশ্লীল কথা, আর সেখান থেকেই খেঁদুর গাওয়া মানে কাউকে কটূক্তি বা গালাগালি করা মনে রাখা সহজ। - শব্দটির উৎপত্তিগত অর্থ মাথায় রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কদর্য বা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে এমন বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের বাগধারার আক্ষরিক অর্থ এবং প্রচলিত ভাবার্থের পার্থক্য ভালো করে খেয়াল রাখতে হবে।
a ৫ টি
b ৭ টি
c ৮ টি
d ৬ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণ সংখ্যা ৬ টি। এই বর্ণগুলো লেখার সময় মাথার ওপর কোনো মাত্রা বা রেখা থাকে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০ টি বর্ণ রয়েছে, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি। মাত্রার ওপর ভিত্তি করে ব্যঞ্জনবর্ণকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যথা মাত্রাতিরিক্ত বা পূর্ণমাত্রার বর্ণ, অর্ধমাত্রার বর্ণ এবং মাত্রাহীন বর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঙ ব্যাখ্যা: এটি একটি মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণ কারণ এর লেখার ওপরে কোনো মাত্রা থাকে না। উদাহরণ ২: ঔ ব্যাখ্যা: এটি একটি মাত্রাহীন স্বরবর্ণ, যা স্বরবর্ণের ক্ষেত্রে মাত্রাহীনতার একটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ টি — এটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় ৫ টি অর্ধমাত্রার স্বরবর্ণ রয়েছে, মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণ ৫ টি নয়। B) ৭ টি — এটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় ৭ টি অর্ধমাত্রার ব্যঞ্জনবর্ণ রয়েছে, মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণ ৭ টি নয়। C) ৮ টি — এটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় মোট ১০ টি মাত্রাহীন বর্ণ আছে যার মধ্যে ৪ টি স্বরবর্ণ ও ৬ টি ব্যঞ্জনবর্ণ। D) ৬ টি — এটি সঠিক কারণ বাংলা বর্ণমালায় ঠিক ৬ টি মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণ রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণ মনে রাখার সহজ শব্দ হলো ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ0 এই ছয়টি বর্ণ। বাংলা ব্যাকরণের বর্ণমালা অধ্যায় থেকে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রার ব্যঞ্জনবর্ণ ২৬ টি, অর্ধমাত্রার ব্যঞ্জনবর্ণ ৭ টি এবং মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণ ৬ টি। পরীক্ষায় স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের মাত্রা আলাদাভাবে জিজ্ঞেস করা হলে এই সংখ্যাগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a দিবারাত্রী
b দিবারাত্র
c দীবারাত্র
d দিবসরাত্রী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দিবারাত্র ১. কেন সঠিক: দিবারাত্র শব্দটির প্রমিত ও ব্যাকরণসম্মত রূপ হলো দিবারাত্র। বাংলা একাডেমি আধুনিক বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের শেষে দীর্ঘী-কার ব্যবহার করা হয় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ই-কার বা ই-কারান্ত রূপ ব্যবহার করা হয়। দিবা এবং রাত্রী শব্দ দুটি মিলে জোড়া শব্দ হিসেবে গঠিত হলেও সমাসবদ্ধ পদে শেষের অংশে হ্রস্ব স্বর ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিবারাত্রি (অশুদ্ধ রূপ) ব্যাখ্যা: প্রাচীন বা প্রচলিত কিছু বইয়ে দিবারাত্রি লেখা থাকলেও বাংলা একাডেমির বানান নিয়ম অনুযায়ী এটি ভুল। উদাহরণ ২: অহনিশ ব্যাখ্যা: এটি দিবারাত্র শব্দের সমার্থক শব্দ এবং এর বানানও হ্রস্ব ই-কার দিয়ে নির্ধারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিবারাত্রী — এই বানানে শেষের রাত্রী শব্দটিতে দীর্ঘী-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী অশুদ্ধ। B) দিবারাত্র — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বাংলা একাডেমি অনুমোদিত প্রমিত বানান রূপ। C) দীবারাত্র — এই বানানে দিবা শব্দের প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) দিবসরাত্রী — দিবা শব্দের পরিবর্তে দিবস এবং রাত্রী যুক্ত করে সম্পূর্ণ আলাদা ও অপ্রমিত শব্দ গঠন করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: দিবারাত্র শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো এর শেষে কোনো দীর্ঘী-কার বা দীর্ঘ স্বরবর্ণ থাকে না। রাত্রী না লিখে সবসময় রাত বা রত্র লেখা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমাসবদ্ধ পদের বানান বা জোড়া শব্দের বানান থেকে প্রশ্ন আসে। এই ধরনের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করে হ্রস্ব ই-কারযুক্ত শব্দ নির্বাচন করতে হয়।
a জলধারা
b অববাহিকা
c উপদ্বীপ
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অববাহিকা ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি Basin শব্দটির বাংলা পরিভাষা বা পারিভাষিক শব্দ হলো অববাহিকা, যা ভূগোল ও বিজ্ঞানে নদী বা জলাশয়ের আশেপাশের নিচু এলাকা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - পারিভাষিক শব্দ সাধারণত মূল ইংরেজি শব্দের ভাবার্থ রক্ষা করে বাংলা ভাষায় নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দভাণ্ডার বা পারিভাষিক শব্দ অংশের একটি প্রশ্ন, যেখানে বিদেশি শব্দের যথাযথ বাংলা রূপ জানতে চাওয়া হয়। - প্রশাসনিক, বৈজ্ঞানিক ও সাহিত্যিক কাজে ইংরেজি শব্দের সঠিক বাংলা প্রতিশব্দ ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Amazon Basin ব্যাখ্যা: একে বাংলায় অ্যামাজন অববাহিকা বলা হয়, যা অ্যামাজন নদীর পানি নিষ্কাশন এলাকা নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: Catchment Area ব্যাখ্যা: এর পারিভাষিক রূপ হলো ধারণ অববাহিকা বা জলবাহিকা এলাকা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জলধারা — জলধারা বলতে পানির স্রোত বা প্রবাহ বোঝায়, যা Basin শব্দের পারিভাষিক অর্থ নয়। B) অববাহিকা — এই অপশনটি সঠিক এবং Basin শব্দের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। C) উপদ্বীপ — তিন দিক দিয়ে জল দ্বারা বেষ্টিত ভূখণ্ডকে উপদ্বীপ বলা হয়, যার ইংরেজি প্রতিশব্দ Peninsula। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন বি তে থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - Basin শব্দের অর্থ সাধারণত নিচু অবয়ব বা অববাহিকা, তাই নদী বা জলের কোল বোঝাতে অববাহিকা শব্দটি মনে রাখবে। - পারিভাষিক শব্দ মুখস্থ না করে এর বাস্তব ব্যবহার ও অর্থ অনুধাবন করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - ভূগোল ও বিজ্ঞান সম্পর্কিত ইংরেজি শব্দের বাংলা রূপগুলো আলাদা করে চর্চা করা উচিত।
a জাদু
b মায়া
c মায়ূখ
d রজনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মায়া ১. কেন সঠিক: কুহক শব্দের অর্থ হলো ইন্দ্রজাল, ভেল্কি, ছলনা বা মোহ। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে মায়া শব্দটি কুহক শব্দের সমার্থক হিসেবে সবচেয়ে নিখুঁতভাবে এর অন্তর্নিহিত মোহ বা আচ্ছন্ন করার ভাব প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ বিষয়ক একটি ব্যাকরণগত প্রশ্ন যেখানে শব্দের ভাবগত ও রূপগত মিল খুঁজে বের করতে হয়। বাংলা ভাষায় একটি শব্দের একাধিক সমার্থক শব্দ থাকতে পারে যা বাক্যের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার চোখের কুহকে সবাই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিল। ব্যাখ্যা: এখানে কুহক শব্দটি মোহ বা জাদুর মতো আকর্ষণ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: বৈরাগীর মায়ায় পড়ে সে ঘর ছেড়েছিল। ব্যাখ্যা: এখানে মায়া শব্দটি গভীর আকর্ষণ বা মোহ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যা কুহকের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাদু — জাদু কুহকের একটি প্রায়োগিক রূপ হলেও অভিধানগত ও ভাবগত দিক থেকে মায়া শব্দটি কুহকের সরাসরি প্রতিশব্দ হিসেবে অধিক গ্রহণযোগ্য। B) মায়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ কুহক ও মায়া উভয়ই মোহ ও আচ্ছন্ন করার সমার্থক ভাব প্রকাশ করে। C) মায়ূখ — মায়ূখ শব্দের অর্থ রশ্মি বা কিরণ যা কুহক বা মায়ার সঙ্গে সম্পর্কহীন। D) রজনী — রজনী শব্দের অর্থ রাত্রি বা রাত, যা আলোর বিপরীত বা সময়ের একটি অংশ এবং কুহকের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: কুহক মানেই হলো একধরনের মোহ বা মায়াজাল যা মানুষকে বিভ্রান্ত করে। কুহক ও মায়া উভয় শব্দের সঙ্গেই মনকে আচ্ছন্ন করার মিল রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের আক্ষরিক অর্থের পাশাপাশি প্রমিত ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে। একই শব্দের একাধিক প্রতিশব্দ মুখস্থ রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a ভাষাতত্ত্ব
b ধ্বনিতত্ত্ব
c রূপতত্ত্ব
d বাক্যতত্ত্ব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধ্বনিতত্ত্ব ১. কেন সঠিক: সন্ধি শব্দটির অর্থ মিলন। দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলা হয়, যা ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়। ভাষার মূল ভিত্তি হলো ধ্বনি, আর ধ্বনির পরিবর্তন ও বিন্যাস ধ্বনিতত্ত্বে আলোচিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনিতত্ত্বে ধ্বনি, বর্ণ, নত্ব বিধান, ষত্ব বিধান, সন্ধি, উচ্চারণ ইত্যাদি আলোচিত হয়। সন্ধি পদের বা শব্দের ধ্বনিগত পরিবর্তন ঘটাতে সাহায্য করে এবং উচ্চারণকে সহজ ও মধুর করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়। ব্যাখ্যা: এখানে আ এবং আ মিলে একটি আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে, যা ধ্বনির মিলনের মাধ্যমে সাধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: হিম + আলয় = হিমালয়। ব্যাখ্যা: এখানে অ এবং আ মিলে আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে, যা ধ্বনিগত পরিবর্তনের একটি রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষাতত্ত্ব — এটি ভাষার উৎপত্তি, ইতিহাস ও রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করে, সন্ধি এখানে সরাসরি আলোচিত হয় না। C) রূপতত্ত্ব — এটি শব্দ গঠন, প্রত্যয়, সমাস, কারক ও বিভক্তি নিয়ে আলোচনা করে, ধ্বনির মিলন নিয়ে নয়। D) বাক্যতত্ত্ব — এটি বাক্য সংকোচন, বাক্যের গঠন, বাচ্য ও উক্তি পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করে। ৫ মনে রাখার টিপস: সন্ধি মানে ধ্বনির মিলন, আর ধ্বনি সম্পর্কিত সব কিছু ধ্বনিতত্ত্বে আলোচিত হয়। সন্ধির সঙ্গে ধ্বনিতত্ত্বের সম্পর্ক মনে রাখতে ধ্বনি শব্দটি মনে রাখুন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। সমাস রূপতত্ত্বে এবং সন্ধি ধ্বনিতত্ত্বে আলোচিত হয়, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখবেন।
a জসীম উদ্দীন
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c ইব্রাহিম খাঁ
d আহমদ ছফা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: 'জাপান যাত্রী' গ্রন্থটির রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এটি মূলত তাঁর বিদেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতার ওপর রচিত একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা যিনি কবিতা, গান, ছোটগল্প, নাটক ও ভ্রমণকাহিনিতে মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন। তাঁর রচিত 'জাপান যাত্রী' গ্রন্থটি তাঁর জাপান ভ্রমণের ডায়রি ও পত্রাবলির সংকলন হিসেবে বিশেষ সাহিত্যিক গুরুত্ব বহন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাশিয়ার চিঠি ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপর একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনিমূলক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: পারস্যে ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভ্রমণ সাহিত্য ধারার আরেকটি উল্লেখযোগ্য রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জসীম উদ্দীন — তিনি পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত হলেও 'জাপান যাত্রী' তাঁর লেখা নয়। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) ইব্রাহিম খাঁ — তিনি একজন খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক হলেও এই ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা নন। D) আহমদ ছফা — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের শক্তিমান লেখক হলেও এই গ্রন্থের সঙ্গে যুক্ত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের নামের সঙ্গে 'যাত্রী' শব্দযুক্ত ভ্রমণকাহিনি যেমন জাপান যাত্রী ও রাশিয়া চিঠি মিলিয়ে পড়তে পারো। এভাবে ভ্রমণভিত্তিক সাহিত্যকর্মগুলো আলাদা করে মনে রাখা সহজ হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভ্রমণকাহিনি যেমন জাপান যাত্রী ও পারস্যে প্রায়ই আসে। লেখকের বিদেশ ভ্রমণভিত্তিক রচনাগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
a সংস্কৃত
b ইতস্তত
c কুলটা
d সতীশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কুলটা ১. কেন সঠিক: যেসব সন্ধি সাধারণ ব্যাকরণের নিয়ম বা সূত্র মেনে চলে না এবং প্রাকৃত বা প্রচলিত নিয়মে সাধিত হয়, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। কুলটা শব্দটি কুলা যোগ অটা এভাবে সাধারণ নিয়মে সন্ধি হওয়ার কথা থাকলেও তা না হয়ে নিপাতনে সিদ্ধ হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সন্ধির সাধারণ নিয়ম হলো স্বরবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণ কিংবা ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মিলন। কিন্তু নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি এই প্রচলিত কোনো নিয়মই মেনে চলে না, এগুলো ব্যাকরণের ব্যতিক্রম হিসেবে সরাসরি গৃহীত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গো পদ যোগ পদ = গোষ্পদ ব্যাখ্যা: এটি ব্যঞ্জনবর্ণের একটি বিখ্যাত নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ, যা সাধারণ নিয়মের বাইরে সাধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: বৃক্ষ যোগ উদিত = বৃক্ষোমিত ব্যাখ্যা: এটি স্বরবর্ণের ক্ষেত্রে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির একটি উদাহরণ, যা ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম অনুসরণ করে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত — এটি সম যোগ কৃত সন্ধির নিয়মে গঠিত একটি ব্যঞ্জনসন্ধি, যা নিপাতনে সিদ্ধ নয়। B) ইতস্তত — এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মে গঠিত একটি শব্দ, যেখানে ইতঃ যোগ ততঃ মিলে ইতস্তত হয়েছে। D) সতীশ — এটি সতী যোগ ঈশ সন্ধির নিয়মে গঠিত একটি দীর্ঘ স্বরসন্ধি, যা নিপাতনে সিদ্ধ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিগুলো মনে রাখার জন্য কয়েকটি নির্দিষ্ট শব্দ যেমন কুলটা, গোষ্পদ, পরস্পর, আশ্চর্য মুখস্থ করে রাখা সবচেয়ে নিরাপদ। ব্যাকরণে যখনই দেখবে কোনো শব্দ সাধারণ নিয়মের বাইরে গিয়ে পরিবর্তিত হয়েছে, তখনই তা নিপাতনে সিদ্ধ হিসেবে ধরে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই কুলটা, গোষ্পদ ও আশ্চর্য শব্দগুলো খুব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। নিয়ম না মিলে সরাসরি মুখস্থ রাখার শব্দগুলোই মূলত এই ক্যাটাগরিতে পরীক্ষাকেন্দ্রে বেশি মূল্যায়ন করা হয়।
a দিবস
b সুন্দর
c শোভা
d শীতল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দিবস ১. কেন সঠিক: শর্বরী শব্দের অর্থ হলো রাত বা রাত্রি। দিবস শব্দের অর্থ হলো দিন, তাই শর্বরী শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে দিবস ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। সমার্থক বা বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে শব্দের উৎস এবং ভাবার্থ বিবেচনা করা অত্যন্ত জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিমির ব্যাখ্যা: তিমির শব্দের অর্থ অন্ধকার, যার বিপরীতার্থক শব্দ হলো আলোক বা আলো। উদাহরণ ২: বারি ব্যাখ্যা: বারি শব্দের অর্থ পানি, যার বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে খরা বা শুষ্ক অবস্থা বিবেচনা করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিবস — এটি সঠিক উত্তর কারণ শর্বরী বা রাতের বিপরীত অর্থ দিন বা দিবস প্রকাশ করে। B) সুন্দর — এটি একটি বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ যা রূপ বা আকর্ষণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং এর বিপরীত কুৎসিত। C) শোভা — এর অর্থ সৌন্দর্য বা কান্তি, যা শর্বরী শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে অগ্রহণযোগ্য। D) শীতল — এর অর্থ ঠান্ডা, যা উষ্ণ বা গরম শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: শর্বরী মানে রাত আর দিবস মানে দিন, এভাবে রাত ও দিনের জোড়া মনে রাখলে বিপরীত শব্দ সহজে মনে রাখা যায়। পরীক্ষায় রাত শব্দের বিপরীত দিন এবং শর্বরী শব্দের বিপরীত দিবস সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। শর্বরী একটি তৎসম শব্দ, তাই এর বিপরীত শব্দ হিসেবে তৎসম শব্দ দিবস নির্বাচন করা হয়েছে।
a দোল + না
b দোল্ + অনা
c √দুল্ + অনা
d দোলনা + না
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) √দুল্ + অনা ১. কেন সঠিক: - দুলনা শব্দটি গঠিত হয়েছে √দুল্ ধাতু বা প্রকৃতির সঙ্গে অনা প্রত্যয় যোগে। - এখানে √দুল্ হলো ক্রিয়ামূল এবং অনা হলো কৃৎপ্রত্যয়, যা সাধিত শব্দের ভাববাচক বা বস্তুবাচক বিশেষ্য রূপ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - কৃৎপ্রত্যয় হলো ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়। - ধাতুর সঙ্গে কৃৎপ্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে নতুন শব্দ গঠিত হয় তাকে কৃদন্ত পদ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √পাঠ্ + অন = পঠন ব্যাখ্যা: পাঠ ধাতুর সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পঠন শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: √চলা + আনো = চালানো ব্যাখ্যা: চল ধাতুর সঙ্গে আনো প্রত্যয় যুক্ত হয়ে চালানো শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দোল + না — এই অপশনে প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের বিন্যাস ব্যাকরণগত নিয়মের সঙ্গে মেলে না। B) দোল্ + অনা — এই অপশনে দোল্ ক্রিয়ামূল হিসেবে শুদ্ধ হলেও মূল ধাতু হিসেবে √ চিহ্ন বা সঠিক রূপ ব্যবহার করা হয়নি। D) দোলনা + না — দোলনা একটি পূর্ণাঙ্গ শব্দ, তাই এর সঙ্গে পুনরায় না প্রত্যয় যুক্ত করে প্রকৃতি-প্রত্যয় নির্ণয় করা সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়ামূলের পূর্বে রুট বা √ চিহ্ন থাকলে এবং পরে অনা থাকলে তা সাধারণত কৃৎপ্রত্যয় হয়। - ধাতু চেনার জন্য শব্দের মূল ক্রিয়াটি নির্ধারণ করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ধাতুর পূর্বের √ চিহ্ন এবং কৃৎপ্রত্যয়ের সঠিক ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে। - একই নিয়মে কৃদন্ত পদ চেনার অভ্যাস রাখতে হবে।
a ব, ভ
b চ, ছ
c ড, ঢ
d দ, ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চ, ছ ১. কেন সঠিক: - ঘোষ ও অঘোষ ধ্বনির সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কমন্ত্রিত না হলে তাকে অঘোষ ধ্বনি বলে। - বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণগুলো উচ্চারণ করার সময় স্বরতন্ত্রীতে কোনো কম্পন সৃষ্টি হয় না, তাই এগুলো অঘোষ ধ্বনি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনিগুলোকে ঘোষ ও অঘোষ এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। - প্রতি বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ অঘোষ ধ্বনি এবং তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বর্ণ ঘোষ ধ্বনি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক, খ ব্যাখ্যা: ক বর্গীয় প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ হওয়ায় এগুলো অঘোষ ধ্বনি। উদাহরণ ২: ট, ঠ ব্যাখ্যা: ট বর্গীয় প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ হওয়ায় এগুলো অঘোষ ধ্বনি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব, ভ — প বর্গীয় তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ণ হওয়ার কারণে এরা ঘোষ ধ্বনি। B) চ, ছ — সঠিক উত্তর কারণ এরা চ বর্গীয় প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ। C) ড, ঢ — ট বর্গীয় তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ণ হওয়ায় এরা ঘোষ ধ্বনি। D) দ, ধ — ত বর্গীয় তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ণ হওয়ার কারণে এরা ঘোষ ধ্বনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রতিটি বর্গের প্রথম দুটি বর্ণ অঘোষ এবং পরের তিনটি বর্ণ ঘোষ মনে রাখবে। - প্রতি বর্গের ১ এবং ২ নম্বর বর্ণ মানেই হলো অঘোষ ধ্বনি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঘোষ ও অঘোষ ধ্বনি থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - ব্যঞ্জনবর্ণের বর্গভিত্তিক তালিকা মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a মানব
b বাজনা
c দোকানদার
d ব্যাঙ্গাচে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মানব ১. কেন সঠিক: - মানব শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলায় এসেছে। - উৎস বা রূপের বিচারে যে শব্দগুলো সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিতভাবে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যার একটি হলো তৎসম শব্দ। - তৎসম শব্দের অর্থ হলো তার সমান অর্থাৎ সংস্কৃত ভাষার সমান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্র ব্যাখ্যা: চন্দ্র শব্দটি সরাসরি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে এবং এর রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে। উদাহরণ ২: সূর্য ব্যাখ্যা: সূর্য শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি তৎসম শব্দ। B) বাজনা — বাজনা একটি তদ্ভব শব্দ, যার উৎস সংস্কৃত বাদ্য বা বাদ্যন। C) দোকানদার — দোকানদার একটি ফার্সি মিশ্র শব্দ, যেখানে দোকান ফার্সি এবং দার প্রত্যয়টি ফার্সি থেকে এসেছে। D) ব্যাঙ্গাচে — ব্যাঙ্গাচে বা ব্যাঙাচি একটি দেশি শব্দ, যা প্রাকৃত বা আদি অস্ট্রিক ভাষা থেকে এসেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত ব্যাকরণ বা সাধু প্রকৃতির শব্দগুলো সাধারণত তৎসম শব্দ হয়, যেমন চন্দ্র, সূর্য, মানব, নদী। - তৎসম শব্দের বানানে ণ, ষ এবং ঋ-কার বা ফলা বেশি দেখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস নির্ণয় করার জন্য শব্দের বানান এবং প্রকৃতি ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে। - তৎসম শব্দ চেনার উপায় হলো এগুলো সাধারণত কঠিন বা সাধু প্রকৃতির সংস্কৃত শব্দ হয়।
a ফারসি
b আরবি
c পর্তুগিজ
d তুর্কি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফারসি ১. কেন সঠিক: - দরজা শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বাংলা ভাষায় দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য বহু বিদেশি শব্দ যুক্ত হয়েছে, যার একটি বড় অংশ এসেছে ফারসি ভাষা থেকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ। - ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত এবং প্রশাসনিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এসব শব্দ বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চশমা ব্যাখ্যা: চশমা শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত একটি অতি পরিচিত বিদেশি শব্দ। উদাহরণ ২: চাকুর ব্যাখ্যা: চাকুর বা চাকর শব্দটিও ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফারসি — এটি সঠিক উত্তর কারণ দরজা ফারসি ভাষার শব্দ। B) আরবি — দরজা শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আসেনি, তাই এই অপশনটি ভুল। C) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে আসা শব্দগুলোর মধ্যে আনারস, চাবি ইত্যাদি রয়েছে, দরজা নয়। D) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে দারোগা, তোপ ইত্যাদি শব্দ এসেছে, দরজা আসেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঘরবাড়ি ও ব্যবহারের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র যেমন দরজা, জানালা, চশমা ইত্যাদি ফারসি শব্দ হিসেবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ফারসি ও আরবি শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a রামায়ণ
b মহাভারত
c ভাগবত
d কুমার সম্ভব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রামায়ণ ১. কেন সঠিক: মাইকেল মধুসূদন দত্তের শ্রেষ্ঠ কীর্তি মহাকাব্য মেঘনাদ বধ কাব্যের মূল আখ্যানভাগ রামায়ণ থেকে গৃহিত হয়েছে। তিনি বাল্মীকি রামায়ণ এবং অন্যান্য পৌরাণিক উৎস থেকে কাহিনীর কাঠামো নিলেও এর চরিত্র ও নাট্যরূপ প্রদানে নিজস্ব প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য মেঘনাদ বধ কাব্য ১৮৬১ সালে রচনা করেন। এটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য এবং এর মোট সর্গ সংখ্যা নয়টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরাঙ্গনা কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি পত্রকাব্য যা পৌরাণিক চরিত্রভিত্তিক। উদাহরণ ২: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধুসূদন দত্তের প্রথম কাব্য যা ব্লুবার্ড বা অন্যান্য উৎস থেকে অনুপ্রাণিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামায়ণ - সঠিক উত্তর কারণ এই মহাকাব্য থেকে মেঘনাদ বধ কাব্যের কাহিনী নেওয়া হয়েছে। B) মহাভারত - এটি অন্য একটি মহাকাব্য যার সঙ্গে মেঘনাদ বধ কাব্যের কাহিনীর সরাসরি মিল নেই। C) ভাগবত - এটি হিন্দুধর্মের একটি পুরাণ যা শ্রীকৃষ্ণের লীলা ও ভক্তিধর্ম প্রচার করে। D) কুমার সম্ভব - এটি সংস্কৃত সাহিত্যের মহাকবি কালিদাসের একটি বিখ্যাত মহাকাব্য। ৫ মনে রাখার টিপস: মেঘনাদ বধ কাব্যের মূল উৎস রামায়ণ মনে রাখতে রাবণ ও রামের যুদ্ধ বা রামায়ণের লঙ্কা কাণ্ডের কথা স্মরণ করতে পারো। মহাকাব্যের প্রধান চরিত্র রাবণ ও রামায়ণের পটভূমি এক সূত্রে গাঁথা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মেঘনাদ বধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত মহাকাব্য এবং এর রচনাকাল ১৮৬১ সাল। বিসিএসসহ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই মহাকাব্যের উৎস ও সর্গ সংখ্যা প্রায়ই আসে।
a সৃষ্ + তি
b সৃশ + তি
c সৃজ্ + তি
d শ্রী + তি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৃজ্ + তি ১. কেন সঠিক: - 'সৃষ্টি' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো সৃজ্ যোগ তি। এখানে 'সৃজ্' হলো ধাতু এবং 'তি' হলো প্রত্যয়। - ধাতুর সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ বা পদ গঠিত হয়, যা কৃদন্ত পদ নামে পরিচিত। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - কৃৎ প্রত্যয় হলো সেই প্রত্যয় যা ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। - এখানে সৃজ্ ধাতুর অন্তস্থিত জ বর্ণটি নিয়ম অনুযায়ী ষ-এ রূপান্তরিত হয়ে সৃষ্টি শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √দৃশ্ + তি = দৃষ্টি ব্যাখ্যা: দৃশ্য ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দৃষ্টি শব্দ গঠিত হয়েছে, যা একই নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ২: √বৃষ্ + তি = বৃষ্টি ব্যাখ্যা: বৃষ্ ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বৃষ্টি শব্দ গঠিত হয়েছে, যা কৃৎ প্রত্যয়ের আরেকটি সুন্দর উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৃষ্ + তি — সৃষ্ কোনো মৌলিক ধাতু নয়, তাই এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) সৃশ + তি — সৃশ নামে কোনো ব্যাকরণসম্মত ধাতু সংস্কৃতে বা বাংলায় নেই। D) শ্রী + তি — শ্রী ধাতু থেকে শ্রীতি হতে পারে, কিন্তু সৃষ্টি শব্দটি আসে সৃজ্ ধাতু থেকে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৃষ্টি শব্দটির মূলে রয়েছে সৃজ্ ধাতু এবং তি প্রত্যয়। - পরীক্ষার হলে জ-ফলাযুক্ত ধাতুর ক্ষেত্রে সৃজ্ ধাতুটিকে প্রাধান্য দেবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় ধাতু চিহ্নিত করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। - একই নিয়মে গঠিত অন্যান্য শব্দ যেমন দৃষ্টি, বৃষ্টি ও সৃষ্টি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a অক্ষয়
b শাশ্বত
c চিরন্তন
d ক্ষণস্থায়ী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্ষণস্থায়ী ১. কেন সঠিক: অবিনাশী শব্দের অর্থ যা কখনো বিনাশ বা ধ্বংস হয় না, অর্থাৎ যা চিরকাল স্থায়ী হয়। এখানে ক্ষণস্থায়ী শব্দটি অবিনাশী শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি অবিনাশী শব্দের সমার্থক নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দার্থ এবং সমার্থক বা বিপরীতার্থক শব্দের একটি প্রশ্ন। যে শব্দগুলো একই বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে তাদেরকে সমার্থক শব্দ বলে এবং বিপরীত অর্থ প্রকাশ করলে তাদেরকে বিপরীতার্থক শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অমর ব্যাখ্যা: অমর শব্দের অর্থ যার মৃত্যু নেই, যা অবিনাশী শব্দের সমার্থক। উদাহরণ ২: নশ্বর ব্যাখ্যা: নশ্বর শব্দের অর্থ যা ধ্বংসশীল বা ক্ষণস্থায়ী, যা অবিনাশী শব্দের বিপরীতার্থক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষয় — অক্ষয় শব্দের অর্থ যা ক্ষয় হয় না, যা অবিনাশী শব্দের সমার্থক হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর নয়। B) শাশ্বত — শাশ্বত শব্দের অর্থ যা চিরকাল ধরে চলে আসছে বা নিত্য, যা অবিনাশী শব্দের সমার্থক হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর নয়। C) চিরন্তন — চিরন্তন শব্দের অর্থ যা সর্বদা বিদ্যমান বা অবিনাশী, যা অবিনাশী শব্দের সমার্থক হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর নয়। D) ক্ষণস্থায়ী — ক্ষণস্থায়ী শব্দের অর্থ যা অল্পকাল স্থায়ী হয়, যা অবিনাশী শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং প্রশ্নের চাহিদা অনুযায়ী এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: অবিনাশী মানে যার নাশ বা ধ্বংস নেই। অক্ষয়, শাশ্বত ও চিরন্তন মানেও একই রকম দীর্ঘস্থায়ী, কিন্তু ক্ষণস্থায়ী সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ দেয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দের আড়ালে বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়। প্রশ্ন ভালোভাবে পড়ার অভ্যাস করলে এই ধরনের ভুল এড়ানো সম্ভব।
a পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য
b স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা
c পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
d রক্তাক্ত প্রান্তর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ১. কেন সঠিক: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় হলো বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য। এই নাটকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার গ্রামীণ জনপদের আতঙ্ক, প্রতিরোধ এবং আত্মত্যাগের দৃশ্য অত্যন্ত কাব্যিক ও নাটকীয়ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যকর্মটির রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত নাট্যকার ও কবি সৈয়দ শামসুল হক। এটি মূলত কাব্যনাট্য ধারার রচনা, যেখানে কবিতার ছন্দের মধ্য দিয়ে নাটকের চরিত্র ও সংলাপ ফুটিয়ে তোলা হয় এবং এটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নুরুলদীনের সারাজীবন ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি অত্যন্ত বিখ্যাত ঐতিহাসিক কাব্যনাট্য যা উত্তরবঙ্গের কৃষক বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে রচিত। উদাহরণ ২: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ব্যাখ্যা: এই কাব্যনাট্যটিতে কোনো আলাদা চরিত্রের নাম ব্যবহার করা হয়নি, বরং মাতবর, জোয়ান, গাঁয়ের লোক ইত্যাদি সাধারণ অভিধা ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য — এটি আলাউদ্দিন আল আজাদের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, কোনো কাব্যনাট্য নয়। B) স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা — এটি শহীদ কাদরীর একটি বিখ্যাত আধুনিক কবিতা, নাটক বা কাব্যনাট্য নয়। C) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি সৈয়দ শামসুল হকের লেখা মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক কাব্যনাট্য। D) রক্তাক্ত প্রান্তর — এটি মুনীর চৌধুরী রচিত ঐতিহাসিক নাটক, যা পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: সৈয়দ শামসুল হকের বিখ্যাত কাব্যনাট্য মনে রাখার কৌশল হলো সৈয়দের পায়ের আওয়াজ ও নুরুলদীনের জীবন। এখানে পায়ের আওয়াজ দিয়ে পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় এবং নুরুলদীন দিয়ে নুরুলদীনের সারাজীবন বোঝানো হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক নাটক এবং কাব্যনাট্যের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। নাটক এবং কাব্যনাট্যের রূপ এক নয়, তাই রচনার ধরন ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a বিশেষ্য
b বিশেষণ
c ক্রিয়া
d অব্যয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশেষ্য ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ব্যবহৃত ‘সাজ’ শব্দটি কোনো বিশেষ কাজের নাম বা ভাব প্রকাশ করছে, যা বিশেষ্য পদের অন্তর্ভুক্ত। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়মে কোনো ক্রিয়াপদের মূল বা ধাতু থেকে উৎপন্ন হয়ে যে বিশেষ্য পদ কোনো কাজের ভাব প্রকাশ করে তাকে ভাববাচক বিশেষ্য বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, বস্তু, সমষ্টি, গুণ বা কাজের ভাব বোঝায় তাকে বিশেষ্য পদ বলে। - সাজ শব্দটি সাজা বা সাজানো ধাতুর ভাববাচক রূপ হিসেবে বিশেষ্য পদ হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সকালের সাজ মনমুগ্ধকর। ব্যাখ্যা: এখানে সাজ শব্দটি বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: নতুন বধূর সাজ সবার পছন্দ হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে সাজ শব্দটি সাজানোর ভাব বা রূপ অর্থ প্রকাশ করায় বিশেষ্য পদ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ সাজ শব্দটি একটি কাজের ভাব প্রকাশকারী নাম পদ। B) বিশেষণ — বিশেষণ পদ বলতে দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা বোঝায়, যা সাজ শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদ দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায়, কিন্তু সাজ এখানে কাজের নাম হিসেবে এসেছে। D) অব্যয় — অব্যয় পদের কোনো পরিবর্তন হয় না এবং এটি বাক্যে সংযোগ বা ভাব প্রকাশ করে, যা সাজ শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দ শোনার পর যদি মনে হয় এটি কোনো কাজের নাম বা ভাব বোঝাচ্ছে, তবে তা ভাববাচক বিশেষ্য হবে। - সাজ শব্দটি মূলত সাজানো কাজের নাম, তাই এটি বিশেষ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধাতুজ বা ভাববাচক বিশেষ্য থেকে প্রশ্ন আসে। - শব্দের রূপ দেখে তাড়াহুড়ো না করে বাক্যে তার ব্যবহার ও কার্যকারিতা বুঝে পদ নির্ণয় করতে হবে।
a শং + কা
b শম্ + কা
c সম্ + কা
d সং + কা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শম্ + কা ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুসারে, ব্যঞ্জনবর্ণের ম-য়ের পর ক থেকে ম পর্যন্ত স্পর্শবর্ণ থাকলে ম-এর স্থানে অনুস্বার হয়। ‘শঙ্কা’ শব্দটিতে অনুস্বারের স্থানে ম-ফলা বা হসন্ত ম এবং পরবর্তী বর্ণ যুক্ত হয়ে সঠিক সন্ধি গঠিত হয়েছে ‘শম্ + কা’। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুসারে ম-এর পর ক, খ, গ, ঘ, ঙ থাকলে ম স্থানে অনুস্বার হয় অথবা পদের অন্তস্থিত ম-এর স্থানে অনুস্বার হয়। এই নিয়মে ম-এর জায়গায় অনুস্বার কিংবা অনুস্বারের জায়গায় ম লিখে সন্ধি বিচ্ছেদ করা ব্যাকরণসম্মতভাবে সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহংকার = অহম্ + কার ব্যাখ্যা: এখানে ম-এর পর ক থাকার কারণে ম-এর স্থানে অনুস্বার হয়ে অহংকার শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: সঙ্কলন = সম্ + কলন ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও একই নিয়মে ম-এর স্থলে অনুস্বার যুক্ত হয়ে সন্ধি সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শং + কা — শং কোনো ব্যাকরণসিদ্ধ শব্দমূল বা পদ নয়, তাই এই সন্ধি বিচ্ছেদটি সঠিক নয়। B) শম্ + কা — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়মানুযায়ী পরীক্ষিত সন্ধি বিচ্ছেদ। C) সম্ + কা — সম্ উপসর্গ দিয়ে কা যুক্ত কোনো শব্দ ব্যাকরণে শঙ্কা অর্থে সিদ্ধ হয় না। D) সং + কা — সং কোনো মূল শব্দ বা ধাতু নয়, যা দিয়ে শঙ্কা শব্দের সঠিক উৎপত্তি হতে পারে। ৫. মনে রাখার টিপস: অনুস্বারযুক্ত ব্যঞ্জনসন্ধি বিচ্ছেদের সময় সাধারণত অনুস্বারকে হসন্ত ম-এ রূপান্তর করতে হয়। ‘শঙ্কা’ শব্দের ক্ষেত্রে শম্ যোগ কা সূত্রটি মনে রাখলেই উত্তর সহজে বের করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুস্বারযুক্ত ব্যঞ্জনসন্ধি প্রায়ই পরীক্ষাতে আসে। এই নিয়মের ক্ষেত্রে অনুস্বারের পরিবর্তে ম-এর নিচে হসন্ত দিয়ে সঠিক অংশ আলাদা করতে হয়।
a সুধাংশু
b শশাংক
c বিধু
d আদিত্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আদিত্য ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো আদিত্য, কারণ এটি সূর্য শব্দের একটি সরাসরি সমার্থক বা প্রতিশব্দ। - বাংলা ভাষায় সূর্যের অনেকগুলো প্রতিশব্দ রয়েছে যার মধ্যে আদিত্য অন্যতম প্রধান একটি শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমাহার যেগুলোর অর্থ প্রায় একই রকম হয়। - বাংলা ব্যাকরণে প্রতিশব্দ শেখার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হয় এবং ভাষা ব্যবহারের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিবাকর ব্যাখ্যা: দিবাকর শব্দের অর্থ দিন করেন যিনি অর্থাৎ সূর্য। উদাহরণ ২: তপন ব্যাখ্যা: তপন শব্দের অর্থ যা তাপ দেয় অর্থাৎ সূর্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুধাংশু — সুধাংশু শব্দের অর্থ যার অংশ বা কিরণ সুধা বা অমৃতের মতো শীতল, তাই এটি চাঁদের প্রতিশব্দ। B) শশাংক — শশাংক শব্দের অর্থ যার চন্দ্রে শশার বা খরগোশের আকৃতি আছে, এটিও চাঁদের একটি বিখ্যাত প্রতিশব্দ। C) বিধু — বিধু শব্দের অর্থ চন্দ্র বা চাঁদ, যা রাতের আকাশে আলো ছড়ায় এবং এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়। D) আদিত্য — আদিত্য হলো সূর্যের প্রতিশব্দ যা সঠিক উত্তরের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সূর্য ও চন্দ্রের প্রতিশব্দগুলো প্রায়ই পরীক্ষায় একসঙ্গে আসে, তাই সূর্যের ক্ষেত্রে তপন, ভাস্কর, আদিত্য এবং চাঁদের ক্ষেত্রে সুধাংশু, শশাংক, বিধু আলাদা করে মনে রাখতে হবে। - আদিত্য শব্দের সাথে দাদিত্য বা এমন মিল রেখে সূর্যকে আলোর উৎস হিসেবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্য এবং চন্দ্রের প্রতিশব্দ থেকে প্রতি বছরই প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা থাকে। - সমার্থক শব্দ মুখস্থ না করে শব্দের মূল উৎস বা অর্থ বোঝার চেষ্টা করলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
a প্রানি
b প্রাণী
c প্রানি
d প্রাণী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রাণী ১. কেন সঠিক: - প্রাণী শব্দটি গঠিত হয়েছে প্রাণ শব্দের সাথে ঈ-প্রত্যয় যোগে। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী সংস্কৃত তৎসম শব্দে দীর্ঘী-ঈ ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তৎসম শব্দে ই এবং ঈ ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। - এই শব্দটিতে দীর্ঘী-ঈ ব্যবহার না করলে বানান ভুল হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নদী ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রমিত তৎসম শব্দ যেখানে দীর্ঘী-ঈ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: বাণী ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের নিয়ম অনুসারে দীর্ঘী-ঈ যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রানি — এই অপশনে দীর্ঘী-ঈ এর পরিবর্তে ই ব্যবহার করা হয়েছে যা বানান নিয়ম অনুযায়ী ভুল। B) প্রাণী — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করা হয়েছে। C) প্রানি — এটি একটি মুদ্রণজনিত বা টাইপের পুনরাবৃত্তি যা প্রথম অপশনের মতো ভুল। D) প্রাণী — এই অপশনটিও সঠিক বানান নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাণ শব্দের সাথে ঈ যুক্ত করে প্রাণী বানানটি মনে রাখতে হবে। - সংস্কৃত তৎসম শব্দের শেষে সাধারণত দীর্ঘী-ঈ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের বানරের প্রশ্ন আসে। - তৎসম শব্দের বানানগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের ভুল এড়ানো সম্ভব।
a ইংরেজি
b সিংহলী
c ফারসী
d পর্তুগিজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিংহলী ১. কেন সঠিক: - 'সিলভার' শব্দটি সিংহলী ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ ও শব্দের উৎস প্রকরণের অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। - সিংহল বর্তমান শ্রীলঙ্কার প্রাচীন নাম এবং সেখান থেকে কিছু শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে যার মধ্যে সিলভার অন্যতম একটি পরিচিত শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দের উৎস ও শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। - বিদেশি শব্দের মধ্যে ইংরেজি, আরবি, ফারসি ও পর্তুগিজ ছাড়াও বিভিন্ন ছোট ভাষার শব্দ যেমন সিংহলী, জাপানি বা চিনা শব্দ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহলী শব্দ 'রিকশা' ব্যাখ্যা: জাপানি শব্দ হলেও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কিছু শব্দ নির্দিষ্ট উৎস থেকে আগত হিসেবে ধরা হয়, যেমন সিংহলী থেকে সিলভার শব্দটি বাংলা ব্যাকরণে নির্দেশ করা হয়। উদাহরণ ২: জাপানি শব্দ 'হারাকিরি' ব্যাখ্যা: এটি যেমন একটি বিশেষ সংস্কৃতির বিদেশি শব্দ, তেমনই সিলভার শব্দটি সিংহলী উৎস থেকে আগত একটি নির্দিষ্ট বিদেশি শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজি — সিলভার শব্দটির উৎস ইংরেজি মনে হতে পারে কারণ এটি রূপা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে এটি সিংহলী শব্দ হিসেবে স্বীকৃত। B) সিংহলী — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সিংহল থেকে আসা শব্দ হিসেবে এটি পরীক্ষণে নির্ধারিত হয়েছে। C) ফারসী — ফারসি ভাষা থেকে আমাদের ভাষায় হাজারো শব্দ আসলেও সিলভার ফারসি ভাষার শব্দ নয়। D) পর্তুগিজ — পর্তুগিজরা দীর্ঘদিন বাংলায় ছিল এবং তাদের ভাষা থেকে অনেক শব্দ এলেও সিলভার তাদের ভাষা থেকে আসেনি। ৫ মনে রাখার টিপস: - সিংহলী শব্দের উৎস মনে রাখার জন্য শ্রীলঙ্কার প্রাচীন নাম সিলন এবং সেখান থেকে সিলভার শব্দটি মনে রাখতে পারো। - বিদেশি শব্দ পড়ার সময় ব্যতিক্রমী উৎস যেমন সিংহলী বা ওলন্দাজ শব্দগুলো আলাদা করে নোট করে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণ বিদেশি শব্দের পাশাপাশি অপ্রচলিত ভাষার উৎস থেকে আসা শব্দগুলো প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে। - তাই শুধু প্রধান বিদেশি ভাষা নয়, বরং সিংহলী, মায়ানমার বা পশতু ভাষার মতো উৎসগুলো ভালোভাবে দেখে যাওয়া উচিত।
a বনানী
b বুন
c বুনো
d বন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বুনো ১. কেন সঠিক: 'বন্য' একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার প্রাকৃত বা তদ্ভব রূপ পরিবর্তিত হয়ে চলিত বাংলায় 'বুনো' হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ্য পদের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কিংবা শব্দ পরিবর্তনের মাধ্যমে যখন গুণ বা স্বভাব বোঝানো হয়, তখন সাধু শব্দের চলিত রূপ হিসেবে 'বুনো' শব্দটি সঠিক বলে গণ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দের উৎস ও রূপান্তর সংক্রান্ত ব্যাকরণগত প্রশ্ন যেখানে সাধু ও চলিত রূপের পরিবর্তন আলোচিত হয়েছে। সাধু ভাষার অনেক তৎসম বা অর্ধ-তৎসম শব্দ চলিত রূপের সময় পরিবর্তিত হয়ে সহজ ও শ্রুতিমধুর রূপ ধারণ করে, যেমন বন্য থেকে বুনো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সভ্য থেকে সবু ব্যাখ্যা: এটি সাধু শব্দের চলিত রূপ পরিবর্তনের আরেকটি সাধারণ উদাহরণ। উদাহরণ ২: সত্য থেকে সত্যি ব্যাখ্যা: তৎসম শব্দ চলিত বাংলায় রূপান্তরিত হওয়ার সময় এই পরিবর্তন ঘটে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বনানী — এটি 'বন্য' শব্দের চলিত রূপ নয়, বরং বন বা অরণ্যের সমার্থক একটি বিশেষ্য পদ। B) বুন — এটি কোনো প্রমিত বাংলা শব্দ নয় এবং এটি বন্য শব্দের পূর্ণাঙ্গ চলিত রূপ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। D) বন — এটি 'বন্য' শব্দের মূল উৎস বা বিশেষ্য রূপ, এর চলিত রূপ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সাধু শব্দের বন্য রূপটি চলিত ভাষায় বলার সময় শেষে ও-কার যুক্ত হয়ে বুনো হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সাধু ও চলিত রূপের রূপান্তর থেকে প্রশ্ন আসে, তাই শব্দের উৎস ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a জগৎ মোহিনী
b প্রমেন্দ্র মিত্র
c প্রমথনাথ বসু
d প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন এবং তিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষারীতির প্রবক্তা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের ছদ্মনাম সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা গদ্যে কথ্য ভাষার রূপ প্রতিষ্ঠা করেন এবং তাঁর সম্পাদিত সব্যসাচী পত্রিকা সবুজপত্র বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির আন্দোলন শুরু করে। - তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থের মধ্যে তেলেনাপোতা আবিষ্কার নয় বরং বীরবলের হালখাতা, রায়তের কথা এবং সনেট পঞ্চাশৎ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবলের হালখাতা ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত একটি প্রবন্ধগ্রন্থ যা বীরবল ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: চার ইয়ারী কথা ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর লেখা একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন যা তাঁর সাহিত্যিক পরিচয়ের অংশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জগৎ মোহিনী — এটি কোনো প্রখ্যাত সাহিত্যিক বা ছদ্মনাম নয়, তাই উত্তরটি ভুল। B) প্রমেন্দ্র মিত্র — তিনি একজন বিখ্যাত আধুনিক সাহিত্যিক ও কল্লোল যুগের লেখক, তাঁর কোনো বীরবল ছদ্মনাম ছিল না। C) প্রমথনাথ বসু — তিনি একজন খ্যাতনামা বিজ্ঞানী ও গবেষক ছিলেন, সাহিত্যিক ছদ্মনামের সঙ্গে তাঁর নাম সম্পর্কিত নয়। D) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অপশনটি গ্রহণযোগ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রমথ চৌধুরীর প্র দিয়ে প্রমথ এবং বীরবলের ব দিয়ে বীরবল মনে রাখতে পারো, অথবা বীরবল চরিত্রটি যেমন চতুর ও বুদ্ধিদীপ্ত ছিল প্রমথ চৌধুরীর লেখাও তেমনি তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ছদ্মনামের প্রশ্নগুলোর জন্য প্রমথ চৌধুরীর বীরবল, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অনিলা দেবী এবং বিনয় মুখোপাধ্যায়ের যাযাবর ছদ্মনামগুলো একসাথে পড়ে রাখবে।
a করণে ৭মী
b কর্তায় শূন্য
c অধিকরণে ৭মী
d কর্মে ২য়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) করণে ৭মী ১. কেন সঠিক: এখানে ‘বিষের জ্বালায়’ পদটি দ্বারা কোনো কাজের মাধ্যম বা কারণ বোঝানো হয়েছে, যা করণ কারকের মূল বৈশিষ্ট্য। শব্দের শেষে ‘এ’ বা ‘য়’ বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি সপ্তম বিভক্তির উদাহরণ হিসেবে গণ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যাহা দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাহাকে করণ কারক বলে এবং বাক্যের ক্রিয়াকে কি দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাহা করণ কারক। শব্দ বা পদের সাথে ‘এ’, ‘য়’, ‘তে’ ইত্যাদি যুক্ত থাকলে এবং তা স্থান, কাল বা মাধ্যম বোঝালে সপ্তম বিভক্তি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু। ব্যাখ্যা: এখানে পাপে শব্দটি দ্বারা পাপের মাধ্যমে বা কারণ বোঝানো হয়েছে, যা করণে ৭মী বিভক্তির উদাহরণ। উদাহরণ ২: মসিয়তে লেখা যায় না। ব্যাখ্যা: মসিয়তে বা কালির মাধ্যমে লেখার কাজটি সম্পন্ন হচ্ছে বলে এটি করণ কারকে ৭মী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণে ৭মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে মাধ্যম ও ৭মী বিভক্তি উভয় শর্ত পূর্ণ হয়েছে। B) কর্তায় শূন্য — বাক্যটিতে কোনো কর্তা বা প্রধান কাজটি সরাসরি সম্পাদনকারীকে বোঝানো হয়নি। C) অধিকরণে ৭মী — অধিকরণ কারক স্থান বা সময় নির্দেশ করে, কিন্তু এখানে কোনো স্থান বা সময় বোঝানো হয়নি। D) কর্মে ২য়া — কর্ম কারক যারে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা বোঝায়, কিন্তু এখানে কোনো কর্মপদ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্রিয়াকে কী দিয়ে বা কী উপায়ে প্রশ্ন করে যদি কোনো মাধ্যম বা কারণ পাওয়া যায় এবং শেষে এ বা য় থাকে, তবে চোখ বুজে করণে ৭মী দাগাবে। করণ মানে মাধ্যম বা যন্ত্র, তাই মাধ্যম বোঝালেই করণ কারক নিশ্চিত হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক বের করতে হবে এবং পরে শব্দের শেষের বর্ণ দেখে বিভক্তি নির্ধারণ করতে হবে। এই নিয়মে প্রীতিতে মুগ্ধ কিংবা চোখে দেখে এই জাতীয় পদগুলোর কারক সহজে নির্ণয় করা যায়।
a বাতাস
b পথ
c সমুদ্র
d পর্বত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পথ ১. কেন সঠিক: - ‘অয়ন’ শব্দটির অন্যতম প্রধান ও প্রমিত সমার্থক শব্দ হলো পথ, রাস্তা বা গতি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ অংশে এই ধরনের শব্দের সরাসরি অর্থ জানতে চাওয়া হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘অয়ন’ একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ গমন, পথ, চক্র বা ঋতু পরিবর্তন বোঝাতেও এটি ব্যবহৃত হয়। - বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার অংশে সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস ও বিভিন্ন অর্থ জানা অত্যন্ত জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উত্তরায়ণ ও দক্ষিণায়ণ ব্যাখ্যা: এখানে ‘অয়ন’ শব্দটির অর্থ সূর্যের গতি বা পথ বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: জীবনের সঠিক অয়ন বা পথ খুঁজে নেওয়া জরুরি ব্যাখ্যা: এখানে ‘অয়ন’ শব্দটিকে সরাসরি পথ বা দিক অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাতাস — বাতাস শব্দের সমার্থক শব্দ হলো অনিল, সমীরণ বা বায়ু, যা অয়ন শব্দের অর্থ নয়। B) পথ — এটি সঠিক উত্তর কারণ অয়নের সমার্থক শব্দ পথ। C) সমুদ্র — সমুদ্র শব্দের সমার্থক শব্দ হলো সাগর, পারাবার বা অর্ণব, যা অয়ন শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) পর্বত — পর্বত শব্দের সমার্থক শব্দ হলো গিরি, শৈল বা অচল, যা অয়ন শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - উত্তরায়ণ ও দক্ষিণায়ণ শব্দের সঙ্গে আমরা সবাই পরিচিত। - এখান থেকে মনে রাখতে পারো যে সূর্যের গতির পথ বা অয়ন অর্থ হলো পথ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের একাধিক অর্থ থাকতে পারে, তাই বাক্যেরCONTEXT বা প্রসংগ অনুযায়ী সঠিক অর্থ নির্বাচন করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (24)

a of
b by
c to
d for
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী Latin comparative যেমন junior, senior, prior ইত্যাদির পর than না বসে সবসময় preposition হিসেবে to বসে। - তাই me এর পূর্বে correct preposition হিসেবে to ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — of preposition টি সাধারণ অধিকার বা সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা তুলনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) by — by preposition টি মাধ্যম বা সময়সীমা নির্দেশ করতে বসে, তাই এখানে তা ভুল। C) to — এটি সঠিক উত্তর, কারণ Latin adjective এর পর সবসময় to বসে। D) for — for preposition টি উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে বসে, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসে না। মনে রাখার টিপস: Junior, senior, superior, inferior, prior এই শব্দগুলোর পরে সবসময় to বসে, কখনো than বসে না।
a Lose
b Lost
c Loose
d Less
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Lose কেন সঠিক: - 'Loss' হলো একটি নাউন যার অর্থ ক্ষতি, আর এর ভার্ব রূপ হলো 'Lose' যার অর্থ হারানো। - 'Loss' শব্দটিতে একটি 'o' থাকে এবং ভার্ব রূপ 'Lose'-এ একটি 'o' থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lose — এটি সঠিক ভার্ব রূপ এবং এর অর্থ হলো হারানো। B) Lost — এটি 'Lose' শব্দের পাস্ট ও পাস্ট পার্টিসিপল রূপ বা অ্যাডজেক্টিভ, তাই মূল ভার্ব নয়। C) Loose — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ যার অর্থ ঢিলা বা আলগা। D) Less — এটি একটি ডিটেইমাইনার বা অ্যাডভার্ব যা তুলনা করতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: নাউনে দুটি 'o' থাকে (Loss), আর ভার্বে একটি 'o' থাকে (Lose)।
a Do as I tell you
b Does I tell you?
c Past is went
d Man is mortal
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: D) Man is mortal কেন সঠিক: - চিরন্তন সত্য বা Universal Truth বোঝাতে Present Indefinite Tense ব্যবহৃত হয় এবং মানুষের মরণশীলতা একটি চিরন্তন সত্য। - এই বাক্যে Subject তৃতীয় পুরুষ একবচন হওয়া সত্ত্বেও Man এর পূর্বে Universal Truth এর নিয়মানুযায়ী কোনো Article বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Do as I tell you — এটি একটি Imperative Sentence এবং সঠিক হলেও প্রদত্ত প্রশ্ন অনুযায়ী এটি চিরন্তন সত্যের নিয়মকে প্রকাশ করে না। B) Does I tell you? — এই বাক্যে Subject প্রথম পুরুষ I এর সাথে auxiliary verb হিসেবে Does ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। C) Past is went — এই বাক্যে Past এর সাথে Past Indefinite Tense এর verb (went) ব্যবহার করা হয়েছে যা অর্থহীন এবং ব্যাকরণগত ত্রুটিপূর্ণ। D) Man is mortal — এটি একটি চিরন্তন সত্য এবং Present Indefinite Tense এর সঠিক গঠনের মাধ্যমে গঠিত সঠিক বাক্য। মনে রাখার টিপস: চিরন্তন সত্য বা সার্বজনীন বৈজ্ঞানিক সত্য প্রকাশ করতে সবসময় Present Indefinite Tense ব্যবহার করতে হয়।
a Liesure
b Leasure
c Laisure
d Leisure
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Leisure কেন সঠিক: - বানানটির অর্থ অবসর বা অবাবসর সময় এবং প্রমিত ইংরেজি বানানরীতি অনুযায়ী এর সঠিক বানান হলো Leisure। - এই শব্দটিতে অক্ষর বিন্যাসের ক্ষেত্রে সাধারণত ই-এর পর এ (ei) ব্যবহার করার নিয়ম অনুসৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Liesure — এই বানানে ই-এর পর এস ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভুল অক্ষর বিন্যাস রয়েছে যা গ্রহণযোগ্য নয়। B) Leasure — এই বানানে এ-এর পর ইউ ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক বানানরীতি সমর্থন করে না। C) Laisure — এই বানানে আই-এর ব্যবহার ভুল এবং এটি প্রমিত ইংরেজি বানানের নিয়মের বহির্ভূত। D) Leisure — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ অবসর। মনে রাখার টিপস: Leisure বানানটি মনে রাখতে লেজার রশ্মির মতো শব্দ গঠনের সময় ই-এর পর এস এবং আই-এর অবস্থান মনে রাখা যায়।
a Terrorist
b important person
c big insect
d a large bug
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) important person কেন সঠিক: - 'Big bug' একটি প্রবচন বা ইডিয়ম, যার আক্ষরিক অর্থ বড় পোকা হলেও রূপক অর্থে সমাজে অত্যন্ত প্রভাবশালী বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে বোঝায়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ইডিয়মগুলোর অন্তর্নিহিত বা রূপক অর্থ প্রায়শই জিজ্ঞেস করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Terrorist — এটি সন্ত্রাসী বা আতঙ্কবাদী বোঝায়, যা এই ইডিয়মের রূপক অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না। B) important person — এটি এই ইডিয়মের সঠিক অর্থ এবং প্রভাবশালী বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। C) big insect — এটি শব্দ দুটির আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে, কিন্তু ইডিয়মের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ ধরা হয় না। D) a large bug — এটিও একটি বড় পোকা বোঝায়, যা ভুল এবং আক্ষরিক অনুবাদের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। মনে রাখার টিপস: বড় পোকা বা 'Big bug' দেখলে মনে রাখবে সমাজে যে ব্যক্তি খুব বড় বা ক্ষমতাবান, সেই হলো আসলে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি।
a Disgusting
b Grand
c Majestic
d Beautiful
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Disgusting কেন সঠিক: - Awesome শব্দের অর্থ চমৎকার, বিস্ময়কর বা অত্যন্ত সুন্দর। - এর বিপরীত বা Antonym হিসেবে Disgusting বা অত্যন্ত অপ্রীতিকর শব্দটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Disgusting — চমৎকার বা Awesome শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করায় এটি সঠিক উত্তর। B) Grand — এর অর্থ বিশাল বা চমৎকার, যা Awesome শব্দের সমার্থক বা Synonym। C) Majestic — এর অর্থ রাজকীয় বা দুর্দান্ত, যা Awesome শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। D) Beautiful — এর অর্থ সুন্দর, যা Awesome শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Awesome মানে চমৎকার আর Disgusting মানে বিরক্তিকর বা ঘেন্না ধরাবার মতো, যা ঠিক বিপরীত।
a Deceitful
b Sly
c Swindler
d Obdurate
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Obdurate কেন সঠিক: - 'Stubborn' এবং 'Obdurate' উভয় শব্দের অর্থ একরোখা, জেদি বা stubborn প্রকৃতির। - এই দুটি শব্দ সমার্থক শব্দ হিসেবে ইংরেজি ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Deceitful — এর অর্থ প্রতারণামূলক বা কপট, যা একরোখা বা জেদির সমার্থক নয়। B) Sly — এর অর্থ ধূর্ত বা শঠ, যা ভিন্নার্থক শব্দ। C) Swindler — এর অর্থ প্রতারক বা বাটপার, যা কোনো ব্যক্তির পেশা বা চরিত্রের সাথে সম্পর্কিত কিন্তু জেদির সমার্থক নয়। D) Obdurate — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ একরোখা বা জেদি। মনে রাখার টিপস: জেদি মানুষদের মন পাথরের মতো শক্ত হয়, আর Obdurate শব্দটি কঠিন বা অনমনীয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
a He has no friends.
b He has few friends.
c He has a few friends.
d He does not have any friends.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He has few friends. কেন সঠিক: - বাংলায় নেই বললেই চলে বা অত্যন্ত কম অর্থে countable noun-এর আগে few ব্যবহৃত হয়। - Few শব্দটি না-বোধক বা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে, যা মূল বাক্যের ভাবকে পুরোপুরি প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He has no friends. — এর অর্থ তার কোনো বন্ধুই নেই, যা নেই বললেই চলে অর্থের চেয়ে সম্পূর্ণ শূন্যতা বোঝায়। B) He has few friends. — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি প্রশ্নবোধক বা না-বোধক অর্থে নেই বললেই চলে ভাব প্রকাশ করে। C) He has a few friends. — এর অর্থ তার কিছু বন্ধু আছে, যা ইতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে। D) He does not have any friends. — এটি সাধারণ না-বোধক বাক্য, কিন্তু নির্দিষ্ট নেই বললেই চলে ভাব বোঝাতে few সবচেয়ে উপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: Few মানে নাই বললেই চলে, A few মানে কিছু আছে, আর Only a few মানে হাতে গোনা কয়েকজন।
a Call a doctor
b Call in a doctor
c Call for a doctor
d Call in doctor
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Call in a doctor কেন সঠিক: - রোগীকে দেখার জন্য বা চিকিৎসার প্রয়োজনে চিকিৎসককে ডেকে আনার ক্ষেত্রে 'Call in' একটি নির্দিষ্ট গ্রুপ ভার্ব বা ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - বাংলায় 'ডাক্তার ডাক' বলতে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে চিকিৎসককে আমন্ত্রণ জানানো বা উপস্থিত করার কাজ বোঝায়, যার সঠিক ইংরেজি রূপ 'Call in a doctor'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Call a doctor — এর সাধারণ অর্থ ডাক্তারকে ডাকা, কিন্তু নির্দিষ্টভাবে কোনো চিকিৎসার উদ্দেশ্যে চিকিৎসককে ডেকে আনতে 'Call in' ব্যবহার করা বেশি উপযুক্ত। B) Call in a doctor — এটি সঠিক উত্তর, কারণ 'Call in' ফ্রেজাল ভার্বটি বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসককে তলব করার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে প্রযোজ্য। C) Call for a doctor — 'Call for' অর্থ কোনো কিছু চাওয়া বা দাবি করা, যা এখানে চিকিৎসকের ক্ষেত্রে প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। D) Call in doctor — 'doctor' একটি countable noun হওয়ায় এর পূর্বে অনির্দিষ্ট আর্টিকেল 'a' ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক, যা এখানে অনুপস্থিত। মনে রাখার টিপস: চিকিৎসককে ডেকে আনা বা তলব করার ক্ষেত্রে সর্বদা 'Call in' ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করতে হয়।
a One of my brothers are a doctor
b One of my brothers is doctor
c One of my brothers is a doctor
d one of my brother is a doctor
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) One of my brothers is a doctor কেন সঠিক: - One of-এর পরে noun বা pronoun সবসময় plural হয় এবং verb সবসময় singular হয়। - পেশা বোঝাতে singular countable noun-এর আগে article 'a' বা 'an' বসাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) One of my brothers are a doctor — Verb singular না হয়ে plural (are) ব্যবহার করা হয়েছে। B) One of my brothers is doctor — Singular countable noun-এর আগে প্রয়োজনীয় article 'a' ব্যবহার করা হয়নি। D) one of my brother is a doctor — One of-এর পরের noun টি plural (brothers) না করে singular করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: One of-এর পর noun প্লুরাল এবং verb সিঙ্গুলার হয়, আর পেশার আগে 'a' বা 'an' বসে।
a I shall go
b Sit down
c What an idea
d She is cooking
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Sit down কেন সঠিক: - Imperative sentence বা অনুজ্ঞাসূচক বাক্যের মাধ্যমে সাধারণত আদেশ, নির্দেশ, উপদেশ বা অনুরোধ বোঝানো হয়। - এই বাক্যের Subject হিসেবে সাধারণত উহ্য থাকা 'You' কে নির্দেশ করা হয় এবং মূল Verb দিয়ে বাক্য শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I shall go — এটি একটি Assertive sentence বা সাধারণ বিবৃতিমূলক বাক্য কারণ এটি Subject দিয়ে শুরু হয়েছে। B) Sit down — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মূল Verb দিয়ে শুরু হয়ে আদেশ বা নির্দেশ বোঝাচ্ছে। C) What an idea — এটি একটি Exclamatory sentence বা আবেগসূচক বাক্য কারণ এটি দ্বারা মনের তীব্র আবেগ প্রকাশ পেয়েছে এবং শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন রয়েছে। D) She is cooking — এটি একটি Assertive sentence বা বিবৃতিমূলক বাক্য কারণ এটি Subject এবং Auxiliary verb দিয়ে গঠিত। মনে রাখার টিপস: Imperative sentence চেনার সহজ উপায় হলো এটি সবসময় মূল Verb দিয়ে শুরু হয় অথবা Please বা Do not দিয়ে শুরু হয়ে আদেশ, অনুরোধ বা উপদেশ প্রকাশ করে।
a for
b from
c of
d in
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) from কেন সঠিক: - অতিভোজন বা অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে মৃত্যুর মতো অপ্রাকৃতিক বা বাহ্যিক কারণে মারা গেলে ডাই ভার্বের পর ফ্রম বসে। - ওভার ইটিং বা অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে এই মৃত্যু ঘটেছে বলে এখানে সঠিক প্রিপ্রজিশন ফ্রম ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — কোনো কিছুর জন্য বা উদ্দেশ্যে মারা যাওয়া বোঝালে ফর বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) from — অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে মৃত্যুর ক্ষেত্রে এই অপশনটি সঠিক। C) of — কোনো রোগ, ক্ষুধা, তৃষ্ণা বা লজ্জায় মারা গেলে ডাই ভার্বের পর অফ বসে। D) in — কোনো নির্দিষ্ট যুদ্ধ, শান্তি বা দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া বোঝালে ইন বসে। মনে রাখার টিপস: অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে মৃত্যু হলে ডাই এর পর ফ্রম বসে, আর রোগের কারণে মারা গেলে অফ বসে।
a Furnitures
b Informations
c Scenaries
d Proceeds
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Proceeds কেন সঠিক: - Proceeds একটি Plural noun, যার অর্থ বিক্রিলব্ধ অর্থ বা আয় এবং এটি সর্বদা এই রূপেই ব্যবহৃত হয়। - এই শব্দটির কোনো Singular রূপ নেই এবং এটি সবসময় plural verb গ্রহণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Furnitures — Furniture একটি Uncountable noun, তাই এর সাথে s বা es যোগ করে plural করা যায় না। B) Informations — Information একটি Uncountable noun, এর সাথে s যোগ করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) Scenaries — Scenery একটি Uncountable noun, তাই এর সঠিক plural form হয় না এবং ies যুক্ত করা ভুল। D) Proceeds — এটি সঠিক কারণ এটি একটি Noun যা সর্বদা Plural হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর অর্থ আয়। মনে রাখার টিপস: কিছু noun দেখতে singular হলেও সর্বদা plural হয়, যেমন- proceeds, goods, ashes।
a after
b on
c up
d into
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) into কেন সঠিক: - look into একটিPhrase and Idiom, যার অর্থ কোনো বিষয়ে তদন্ত করা বা অনুসন্ধান করা। - পুলিশ সাধারণত কোনো মামলা বা অপরাধ তদন্ত করে থাকে, তাই এখানে into সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) after — look after অর্থ দেখাশোনা করা, যা মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) on — look on অর্থ দর্শক হিসেবে দেখা, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়। C) up — look up অর্থ কোনো শব্দ বা তথ্য অভিধান বা বইতে খোঁজা। D) into — look into অর্থ তদন্ত করা, যা এই বাক্যের জন্য সঠিক। মনে রাখার টিপস: পুলিশ যখন কোনো কেস বা অপরাধ নিয়ে কাজ করে, তখন তারা গভীরে প্রবেশ করে তদন্ত করে, তাই look এর সাথে into বসে।
a Did not take off
b had taken off
c had not taken off
d took off
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) had taken off কেন সঠিক: - Until-এর আগের ক্লজটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স (We waited) হলে পরের ক্লজটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়। - বিমান ওড়ার কাজটি অপেক্ষার সময়ের আগেই সম্পন্ন হয়েছিল বোঝাতে পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের ব্যবহার সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Did not take off — পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের নেতিবাচক রূপ, যা এখানে অর্থের দিক থেকে অসংগত কারণ আমরা বিমান ওড়ার অপেক্ষায় ছিলাম। B) had taken off — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য এবং এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের নিয়ম মেনে চলে। C) had not taken off — পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের নেতিবাচক রূপ, যা বাক্যটিকে অর্থহীন করে তোলে কারণ বিমানটি ওড়ার পরই আমাদের অপেক্ষা শেষ হয়। D) took off — পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স, যা until-যুক্ত সময়ের পূর্বে সংঘটিত পূর্ববর্তী কাজের ক্ষেত্রে grammatically সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: Until-এর আগের অংশ পাস্ট টেন্স হলে পরের অংশে সাধারণত পাস্ট পারফেক্ট টেন্স (had + V3) বসে।
a To concentrate
b To suspect
c To read carefully
d To grasp the hidden meaning
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ (ইংরেজি ইডিয়ম ও ফ্রেজ) সঠিক উত্তর: D) To grasp the hidden meaning কেন সঠিক: - 'Read between the lines' একটি বিখ্যাত ইংরেজি ইডিয়ম, যার আক্ষরিক অর্থ লাইনের মাঝখানে পড়া হলেও প্রকৃত অর্থ লুকানো বা সুপ্ত ভাব বুঝে নেওয়া। - বক্তা বা লেখকের প্রকাশ্য কথার পেছনের আসল উদ্দেশ্য বা অন্তর্নিহিত অর্থ উপলব্ধি করতেই এই ইডিয়মটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To concentrate — এটি মনোযোগ দেওয়া বোঝায়, যা লেখার পেছনের অন্তর্নিহিত অর্থ অনুধাবনের সমার্থক নয়। B) To suspect — এর অর্থ সন্দেহ করা, যা প্রচ্ছন্ন অর্থ বোঝার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) To read carefully — এটি কেবল মনোযোগ দিয়ে পড়া বোঝায়, কিন্তু এর মাধ্যমে লেখার ভেতরের লুকানো অর্থ বোঝা নিশ্চিত হয় না। D) To grasp the hidden meaning — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ইডিয়মটির প্রকৃত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: দুই লাইনের মাঝখানে ফাঁকা জায়গায় চোখ বুলিয়ে যেমন মূল কথাটি বের করতে হয়, তেমনি লেখার গভيره গিয়ে ভেতরের লুকানো অর্থ বা উদ্দেশ্য বুঝতে হয়।
a Thomas Melville
b Oscar wild
c Arundhati Roy
d John Milton
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Arundhati Roy কেন সঠিক: - অরুন্ধতী রায় ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত এই বিখ্যাত উপন্যাসের জন্য বুকার পুরস্কার লাভ করেন। - এটি তাঁর প্রথম ও অন্যতম জনপ্রিয় ইংরেজি উপন্যাস, যা কেরালার পটভূমিতে রচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Thomas Melville — এটি অরুন্ধতী রায়ের এই উপন্যাসের লেখক নন এবং সাহিত্যজগতে এই নামে কোনো বিখ্যাত ঔপন্যাসিক নেই। B) Oscar wild — তিনি একজন বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন। C) Arundhati Roy — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। D) John Milton — তিনি সপ্তদশ শতকের বিখ্যাত ইংরেজি কবি, তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি প্যারাডাইস লস্ট। মনে রাখার টিপস: ছোট জিনিসের (Small Things) পেছনে ছোট রয় (Roy) অর্থাৎ অরুন্ধতী রায়কে মনে রাখতে পারেন।
a Though he is strong but he is lazy
b Though he is strong he is lazy
c Though he is strong, yet he is lazy
d Though he is strong or he is lazy
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Though he is strong he is lazy কেন সঠিক: - Though বা Although যুক্ত কমপ্লেক্স সেন্টেন্সে ক্লজ দুটি যুক্ত করতে সাধারণত কমা বা কোনো কনজাংশনের প্রয়োজন হয় না। - এখানে প্রথম ক্লজটি বিপরীতার্থক অর্থ প্রকাশ করায় দ্বিতীয় ক্লজটি কমা বা কনজাংশন ছাড়াই সরাসরি বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Though he is strong but he is lazy — Though বা Although যুক্ত বাক্যে পরবর্তীতে but ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) Though he is strong he is lazy — এটি সঠিক বাক্য কারণ এতে অতিরিক্ত কোনো ভুল কনজাংশন বা যতিচিহ্ন নেই। C) Though he is strong, yet he is lazy — Though-এর সাথে normally yet ব্যবহার করা যায়, তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সরাসরি কমা ছাড়া ক্লজ বসানোই বেশি গ্রহণযোগ্য। D) Though he is strong or he is lazy — Though-এর সাথে or যুক্ত করার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই। মনে রাখার টিপস: Though যুক্ত বাক্যে but বসে না, তবে sometimes yet বসতে পারে।
a On the contrary
b By contest
c Despite
d Incidentally
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Despite কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে বিপরীতধর্মী দুটি ভাবের তুলনা করা হয়েছে, যেখানে Despite একটি প্রিপজিশন হিসেবে বসে সত্ত্বেও অর্থ প্রকাশ করে। - Despite শব্দের পরে সাধারণত কোনো নাউন বা নাউন ফ্রেজ বসে, যা এখানে বাক্যটিকে সম্পূর্ণ করতে সাহায্য করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) On the contrary — এটি একটি ফ্রেজ যা সম্পূর্ণ বিপরীত কোনো বক্তব্য উপস্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এখানে সাবজেক্ট ও ভার্বযুক্ত ক্লজ যুক্ত হয়নি। B) By contest — এই ধরনের কোনো অর্থপূর্ণ ইংরেজি প্রিপজিশনাল ফ্রেজ বা ব্যাকরণগত গঠন এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Despite — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রিপজিশন হিসেবে বিপরীত ভাব প্রকাশ করতে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। D) Incidentally — এর অর্থ প্রসজঙ্গক্রমে বা ক্বচিৎ, যা এই বাক্যের অর্থ বা ধারাবাহিকতার সাথে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: Despite-এর পরে সরাসরি নাউন বা নাউন ফ্রেজ বসে এবং এটি সত্ত্বেও অর্থ প্রকাশ করে।
a Gullible
b Equivocal
c Pessimistic
d Liberal
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Gullible কেন সঠিক: - Cynical শব্দের অর্থ হলো মানবস্বভাবে অবিশ্বাসী বা সংশয়বাদী, যে অন্যের ভালো কাজের পেছনেও খারাপ উদ্দেশ্য খোঁজে। - এর বিপরীত বা Antonym হলো Gullible, যার অর্থ সহজসরল এবং যে খুব দ্রুত অন্যকে বিশ্বাস করে বা প্রতারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gullible — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সহজসরল বা অতিবিশ্বাসী, যা সংশয়বাদী Cynical শব্দের বিপরীত। B) Equivocal — এর অর্থ দ্ব্যর্থক বা অস্পষ্ট, যা Cynical শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে সরাসরি প্রযোজ্য নয়। C) Pessimistic — এর অর্থ হতাশাবাদী, যা Cynical শব্দের সমার্থক বা Synonym হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) Liberal — এর অর্থ উদারমনা, যা Cynical বা সংশয়বাদী শব্দের বিপরীতার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Cynical মানুষ কাউকে বিশ্বাস করে না, আর Gullible মানুষ সবাইকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করে।
a Mare
b Lad
c Pillow
d Pony
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Lad কেন সঠিক: - Lad শব্দের অর্থ বালক বা কিশোর, যা পুরুষবাচক বা Masculine gender নির্দেশ করে। - Lass বা Maiden শব্দের পুরুষবাচক রূপ হলো Lad। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mare — এটি ঘোড়ার স্ত্রীবাচক বা Feminine gender, যার পুরুষবাচক রূপ Stallion। B) Lad — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি পুরুষবাচক শব্দ। C) Pillow — এটি একটি জড় বস্তু, যা ব্যাকরণগতভাবে Neuter gender। D) Pony — এটি ছোট জাতের ঘোড়া বোঝায়, যা সাধারণত Common gender হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Lad মানে বালক এবং Lass মানে বালিকা, এই জোড়টি মনে রাখলেই জেন্ডার চেনা সহজ হয়।
a Idiosyncrasy
b Gaugi
c Hankerchif
d Leniant
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Idiosyncrasy কেন সঠিক: - Idiosyncrasy শব্দটির অর্থ মানুষের বিশেষ কোনো স্বভাব বা বৈশিষ্ট্য। - বানানটি আন্তর্জাতিক ইংরেজি বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Idiosyncrasy — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ স্বভাবগত বৈশিষ্ট্য। B) Gaugi — এটি একটি ভুল বানান, সঠিক বানান gauge যার অর্থ পরিমাপ করা। C) Hankerchif — এটি ভুল বানান, সঠিক বানান handkerchief যার অর্থ রুমাল। D) Leniant — এটি ভুল বানান, সঠিক বানান lenient যার অর্থ নমনীয় বা ক্ষমাশীল। মনে রাখার টিপস: idio-sync-rasy এভাবে ভেঙে উচ্চারণ করলে বানান মনে রাখা সহজ হয়।
a Harmful lie
b Useless lie
c Irrelevant lie
d Harmless lie
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Harmless lie কেন সঠিক: - 'A white lie' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। - এর আভিধানিক বা সঠিক অর্থ হলো এমন একটি মিথ্যা, যা কাউকে কষ্ট না দেওয়ার জন্য বা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য বলা হয় এবং এটি ক্ষতিকর নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Harmful lie — এটি সঠিক নয় কারণ 'Harmful lie' অর্থ ক্ষতিকর মিথ্যা, যা 'a white lie'-এর সম্পূর্ণ বিপরীত। B) Useless lie — এটি সঠিক নয় কারণ 'Useless lie' বলতে এমন মিথ্যা বোঝায় যার কোনো কার্যকারিতা নেই, কিন্তু 'white lie' মূলত ভদ্রতা রক্ষার্থে বলা হয়। C) Irrelevant lie — এটি সঠিক নয় কারণ 'Irrelevant lie' অর্থ অপ্রাসঙ্গিক মিথ্যা, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) Harmless lie — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ হলো ক্ষতিকারক নয় এমন মিথ্যা। মনে রাখার টিপস: সাদা (white) রং সাধারণত শান্তি ও পবিত্রতার প্রতীক, তাই যে মিথ্যা কাউকে আঘাত করে না বা শান্তির জন্য বলা হয় তাকে 'white lie' বা ক্ষতিকর নয় এমন মিথ্যা বলা হয়।
a Gallowsies
b Galloweses
c Gallows
d Gallowes
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Gallows কেন সঠিক: - Gallows শব্দটির শেষে s থাকলেও এটি দেখতে singular এবং plural উভয় ক্ষেত্রেই একই রূপে ব্যবহৃত হয়। - ফাঁসিকাঠ বোঝাতে এই বিশেষ নাউনটির কোনো ভিন্ন plural রূপ ইংরেজিতে ব্যবহৃত হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gallowsies — এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল গঠন কারণ gallows শব্দের শেষে ies যুক্ত করে plural করা যায় না। B) Galloweses — এটি ভুল বানান ও অপ্রয়োজনীয় প্রত্যয়যুক্ত রূপ যা ইংরেজি ব্যাকরণে গ্রহণযোগ্য নয়। C) Gallows — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দের singular এবং plural রূপ একই থাকে। D) Gallowes — এটি একটি ভুল বানান এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের শেষে s বা es থাকে এবং singular ও plural একই হয়, তাদের মধ্যে Gallows অন্যতম।

মোট প্রশ্ন (24)

a ১৬%
b ২০%
c ২৫%
d ২৮%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫% প্রদত্ত তথ্য: ১০০ টাকায় কেনা ডিমের সংখ্যা = ১০ টি ১০০ টাকায় বিক্রিত ডিমের সংখ্যা = ৮ টি ধরি, ১০ টি ডিমের ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ১ টি ডিমের ক্রয়মূল্য = ১০০ ÷ ১০ = ১০ টাকা অতএব, ৮ টি ডিমের ক্রয়মূল্য = ৮ × ১০ = ৮০ টাকা ৮ টি ডিমের বিক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা সুতরাং, লাভ = ১০০ − ৮০ = ২০ টাকা উত্তর: (২০ ÷ ৮০) × ১০০% = ২৫%
a ৩/২০
b ৫/২৬
c ১/২৬
d ৩/১৫
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩/২০ প্রদত্ত তথ্য: ইংরেজি বর্ণমালায় মোট অক্ষর = ২৬টি ইংরেজি বর্ণমালায় স্বরবর্ণ = ৫টি (A, E, I, O, U) কিন্তু শর্তানুযায়ী স্বরবর্ণ ধরা হয়েছে ৩টি ধরি, মোট সম্ভাব্য ঘটনার সংখ্যা = ২০ অনুকূল ঘটনার সংখ্যা = ৩ অতএব, স্বেচ্ছায় একটি বর্ণ নির্বাচন করলে তা স্বরবর্ণ হওয়ার অনুকূল ফলাফল = ৩ মোট সম্ভাব্য ফলাফল = ২০ সুতরাং, সম্ভাবনা = অনুকূল ফলাফল ÷ মোট ফলাফল উত্তর: ৩/২০
a ১ টি
b ২ টি
c ৩ টি
d ৪ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ টি প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি স্থূলকোণ হলো সেই কোণ যার পরিমাপ ৯০ ডিগ্রির বেশি ধরি, ত্রিভুজের দুটি কোণ যথাক্রমে ৯১ ডিগ্রি এবং ৯১ ডিগ্রি অতএব, কোণ দুটির যোগফল = ৯১ ডিগ্রি + ৯১ ডিগ্রি = ১৮২ ডিগ্রি ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টির নিয়ম অনুযায়ী এটি অসম্ভব সুতরাং, একটি ত্রিভুজে সর্বোচ্চ ১ টি কোণ স্থূলকোণ হতে পারে উত্তর: ১ টি
a -6
b -2
c 3
d 14
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো x² − ২৫ = ১২ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x + ৫ = ৪ ধরি, প্রথম রাশির মান নির্ণয় করতে হবে x − ৫ অতএব, আমরা জানি x² − ২৫ কে (x + ৫) × (x − ৫) লেখা যায় সুতরাং, (x + ৫) × (x − ৫) = ১২ উত্তর: ৪ × (x − ৫) = ১২, অর্থাৎ (x − ৫) = ৩
a 6
b 5
c 3
d 2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২ প্রদত্ত তথ্য: একটি সংখ্যার সাথে ১৩ যোগ করলে যোগফল সংখ্যাটির এক ষষ্ঠাংশের চেয়ে ঐ সংখ্যার দ্বিগুণের চেয়ে এক বেশি হয় ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, শর্তানুযায়ী লেখা যায়, ক + ১৩ = (ক ÷ ৬) + (২ × ক + ১) সুতরাং, সমীকরণ সমাধান করে পাই, ক = ২ উত্তর: ২
a 23
b 24.5
c 25
d 25.5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: ধারাবাহিক সংখ্যাগুলো হলো ১ থেকে ৪৯ পর্যন্ত প্রথম সংখ্যা = ১ এবং শেষ সংখ্যা = ৪৯ ধরি, মোট পদের সংখ্যা = ৪৯ অতএব, ক্রমিক সংখ্যার যোগফল নির্ণয়ের সূত্র = (প্রথম সংখ্যা + শেষ সংখ্যা) × পদসংখ্যা ÷ ২ সংখ্যার সমষ্টি = (১ + ৪৯) × ৪৯ ÷ ২ সুতরাং, সমষ্টি = ৫০ × ৪৯ ÷ ২ = ২৪৫০ ÷ ২ = ১২২৫ গড় = সমষ্টি ÷ পদসংখ্যা = ১২২৫ ÷ ৪৯ = ২৫ উত্তর: ২৫
a 6
b 9
c 11
d 12
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১ প্রদত্ত তথ্য: a − (১ ÷ a) = ৩ ধরি, প্রদত্ত রাশির মান নির্ণয় করতে হবে অতএব, a² + (১ ÷ a²) এর অনুসিদ্ধান্ত প্রয়োগ করি সুতরাং, (a − (১ ÷ a))² + ২ উত্তর: ৩² + ২ = ১১
a ১০ ব.মি.
b ১১ ব.মি.
c ১২ ব.মি.
d ১৩ ব.মি.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩ ব.মি. প্রদত্ত তথ্য: সমকোণী ত্রিভুজের একটি বাহু ৫ মিটার সমকোণী ত্রিভুজের অপর বাহু ১২ মিটার ধরি, লম্ব = ৫ মিটার ভূমি = ১২ মিটার অতিভুজ = ক মিটার অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী, ক এর বর্গ = লম্বের বর্গ + ভূমির বর্গ ক এর বর্গ = (৫ × ৫) + (১২ × ১২) ক এর বর্গ = ২৫ + ১৪৪ সুতরাং, ক এর বর্গ = ১৬৯ ক = √১৬৯ উত্তর: ১৩ মিটার
a 20
b 21
c 22
d 23
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১ প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের প্রতিটি বাহু ১০% বৃদ্ধি পায় ধরি, বর্গক্ষেত্রের আদি বাহুর দৈর্ঘ্য = ১০০ একক আদি ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক অতএব, বাহু ১০% বৃদ্ধিতে নতুন বাহুর দৈর্ঘ্য = ১১০ একক নতুন ক্ষেত্রফল = ১১০ × ১১০ = ১২১০০ বর্গ একক ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি = ১২১০০ − ১০০০০ = ২১০০ বর্গ একক সুতরাং, ক্ষেত্রফল শতকরা বৃদ্ধি = (২১০০ ÷ ১০০০০) × ১০০ = ২১% উত্তর: ২১%
a ১ মিটার
b ২ মিটার
c ৩ মিটার
d ৮ মিটার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ মিটার প্রদত্ত তথ্য: চৌবাচ্চায় পানি ধরে = ৬০০০ লিটার চৌবাচ্চার দৈর্ঘ্য = ৩ মিটার চৌবাচ্চার প্রস্থ = ২ মিটার ধরি, চৌবাচ্চার গভীরতা = ক মিটার ১০০০ লিটার = ১ ঘনমিটার অতএব, চৌবাচ্চায় পানির পরিমাণ ঘনমিটারে = ৬০০০ ÷ ১০০০ = ৬ ঘনমিটার চৌবাচ্চার আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × গভীরতা সুতরাং, ৩ × ২ × ক = ৬ ৬ × ক = ৬ উত্তর: ক = ১ মিটার
a aᵐⁿᵖ
b aᵐ⁺ⁿ⁻ᵖ
c a⁻ᵐⁿᵖ
d a⁽ᵐ⁺ⁿ⁺ᵖ⁾
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) aᵐ⁺ⁿ⁻ᵖ প্রদত্ত তথ্য: সূচকের গুণের নিয়ম অনুযায়ী ভিত্তি এক থাকলে পাওয়ারগুলো যোগ হয় এখানে তিনটি পদের ভিত্তি একই এবং তা হলো a ধরি, প্রথম পদের সূচক = m দ্বিতীয় পদের সূচক = n তৃতীয় পদের সূচক = −p অতএব, প্রদত্ত রাশিটি লেখা যায় aᵐ × aⁿ × a⁻ᵖ এভাবে গুণের সময় সব পাওয়ার একত্রে যোগ করতে হয় তাই পাওয়ারগুলোর যোগফল হবে m + n + (−p) সুতরাং, প্লাসে মাইনাসে মাইনাস হয়ে পাওয়ার দাঁড়ায় m + n − p উত্তর: aᵐ⁺ⁿ⁻ᵖ
a b²
b a²
c b³
d ab
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) b² প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশিটি হলো a² − 2ab ধরি, রাশিটির সাথে যোগ করতে হবে একটি অজানা সংখ্যা বা রাশি k অতএব, যোগফল হবে a² − 2ab + k সুতরাং, এটিকে পূর্ণবর্গ রাশির সূত্র a² − 2ab + b² এর সাথে তুলনা করা যায় উত্তর: b²
a ১২০ মিটার
b ২০০ মিটার
c ৩২০ মিটার
d ৪০০ মিটার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪০০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১ হেক্টর আমরা জানি, ১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার ধরি, বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার অতএব, ক্ষেত্রফল = ক × ক বর্গমিটার ক × ক = ১০০০০ সুতরাং, ক = √১০০০০ ক = ১০০ মিটার উত্তর: বর্গক্ষেত্রের পরিধি = ৪ × ১০০ = ৪০০ মিটার
a 6
b 7
c 8
d 10
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ প্রদত্ত তথ্য: বাঁশের মোট দৈর্ঘ্য = ২০ ফুট ছোট অংশ বড় অংশের দুই-তৃতীয়াংশ ধরি, বড় অংশটি = ক ফুট ছোট অংশটি = (২ × ক) ÷ ৩ ফুট অতএব, প্রশ্নমতে, ক + ((২ × ক) ÷ ৩) = ২০ বা, (৩ × ক + ২ × ক) ÷ ৩ = ২০ বা, ৫ × ক = ২০ × ৩ সুতরাং, ৫ × ক = ৬০ ক = ১২ উত্তর: ছোট অংশের দৈর্ঘ্য = (২ × ১২) ÷ ৩ = ৮ ফুট
a ১৮০ মিটার
b ২০০ মিটার
c ২২০ মিটার
d ২৪০ মিটার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: ট্রেনের গতিবেগ = ঘণ্টায় ৪৮ কিলোমিটার প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য = ২২০ মিটার সময় লাগবে = ৩০ সেকেন্ড ধরি, ট্রেনের দৈর্ঘ্য = ক মিটার মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ক + ২২০ মিটার ট্রেনের গতিবেগ মিটার প্রতি সেকেন্ডে = ৪৮ × ১০০০ ÷ ৩৬০০ মিটার প্রতি সেকেন্ড অতএব, গতিবেগ হিসাব করে পাই = ৪০০ ÷ ৩০ মিটার প্রতি সেকেন্ড মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = গতিবেগ × সময় মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = (৪০০ ÷ ৩০) × ৩০ মিটার = ৪০০ মিটার সুতরাং, ট্রেনের দৈর্ঘ্য + প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য = ৪০০ মিটার ট্রেনের দৈর্ঘ্য + ২২০ মিটার = ৪০০ মিটার উত্তর: ক = ৪০০ − ২২০ = ১৮০ মিটার
a a + b
b a - b
c 0
d 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = a² − b² দ্বিতীয় রাশি = a³ − b³ তৃতীয় রাশি = a⁴ + a²b² + b⁴ ধরি, প্রথম রাশিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই (a + b) × (a − b) দ্বিতীয় রাশিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই (a − b) × (a² + ab + b²) অতএব, তৃতীয় রাশিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই (a² + ab + b²) × (a² − ab + b²) প্রথম রাশির উৎপাদকগুলো হলো (a + b) এবং (a − b) সুতরাং, দ্বিতীয় রাশির উৎপাদকগুলো হলো (a − b) এবং (a² + ab + b²) তৃতীয় রাশির উৎপাদকগুলো হলো (a² + ab + b²) এবং (a² − ab + b²) উত্তর: ১
a 126
b 120
c 125
d 150
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২৬ প্রদত্ত তথ্য: দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর হলো ২৫১ ধরি, ছোট সংখ্যাটি = ক বড় সংখ্যাটি = ক + ১ অতএব, (ক + ১) এর বর্গ − ক এর বর্গ = ২৫১ ক এর বর্গ + ২ক + ১ − ক এর বর্গ = ২৫১ সুতরাং, ২ক + ১ = ২৫১ ২ক = ২৫০ ক = ১২৫ উত্তর: বড় সংখ্যাটি = ১২৫ + ১ = ১২৬
a 14
b 1
c √5
d 3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: x এর চতুর্থ ঘাত বিয়োগ x এর বর্গ বিয়োগ ১ সমান শূন্য ধরি, সমীকরণের উভয় পক্ষকে x এর বর্গ দ্বারা ভাগ করে পাই x এর বর্গ বিয়োগ ১ বিয়োগ (১ ÷ x এর বর্গ) সমান শূন্য অতএব, x এর বর্গ বিয়োগ (১ ÷ x এর বর্গ) সমান ১ সুতরাং, নির্ণেয় মান ১ উত্তর: ১
a 5
b ১০০%
c ৫০%
d ২৫%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০০% প্রদত্ত তথ্য: ১০০ টাকায় কেনা হলো ৫০টি লেবু ১০০ টাকায় বিক্রি করা হলো ২৫টি লেবু ধরি, ৫০টি লেবু্র ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ২৫টি লেবু্র বিক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, ১টি লেবুর ক্রয়মূল্য = ১০০ ÷ ৫০ = ২ টাকা ১টি লেবুর বিক্রয়মূল্য = ১০০ ÷ ২৫ = ৪ টাকা সুতরাং, ১টি লেবুতে লাভ হয় = ৪ − ২ = ২ টাকা উত্তর: (২ ÷ ২) × ১০০% = ১০০%
a গ্রিক
b চীন
c ভারত
d আরব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভারত প্রদত্ত তথ্য: শূন্য সংখ্যার আদি ধারণা সম্পর্কিত ঐতিহাসিক তথ্য গণিতশাস্ত্রে শূন্য এর আবিষ্কার এবং ব্যবহার ধরি, প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদগণ শূন্য সংখ্যাটিকে গণনা ও স্থানমানে প্রথম ব্যবহার করেন পরবর্তীতে আরব ও অন্যান্য সভ্যতা এই ধারণাটি গ্রহণ করে বিস্তার লাভ করায় সাহায্য করে অতএব, আর্যভট এবং ব্রহ্মগুপ্ত শূন্যের ব্যবহার ও এর ওপর গাণিতিক নিয়ম প্রথম প্রদান করেন তাই শূন্য বা শূন্যের ধারণার আদি উৎস হিসেবে ভারতীয় উপমহাদেশকে চিহ্নিত করা হয় সুতরাং, গাণিতিক ইতিহাসের তথ্য অনুযায়ী প্রাচীন ভারতীয়রাই শূন্য সংখ্যার আদি ধারণার প্রবক্তা উত্তর: C) ভারত
a 8
b 6
c 36
d 16
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৬ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ১৮ দ্বিতীয় সংখ্যা = ৭২ ধরি, সংখ্যা দুটির গুণোত্তর গড় = ক অতএব, গুণোত্তর গড়ের সূত্রানুসারে, ক স্কয়ার = প্রথম সংখ্যা × দ্বিতীয় সংখ্যা ক স্কয়ার = ১৮ × ৭২ ক স্কয়ার = ১২৯৬ সুতরাং, ক = রুট ওভার ১২৯৬ ক = ৩৬ উত্তর: ৩৬
a ১০টি
b ১১টি
c ১২টি
d ১৩টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২টি প্রدত্ত তথ্য: ৫০ থেকে ১০৩ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর মধ্য থেকে মৌলিক সংখ্যাগুলো হিসাব করতে হবে ধরি, ৫০ থেকে ৬০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা = ৫৩, ৫৯ ৬০ থেকে ৭০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা = ৬১, ৬৭ অতএব, ৭০ থেকে ৮০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা = ৭১, ৭৩, ৭৯ ৮০ থেকে ৯০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা = ৮৩, ৮৯ সুতরাং, ৯০ থেকে ১০৩ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা = ৯৭, ১০১, ১০৩ উত্তর: মোট ১২টি মৌলিক সংখ্যা আছে
a ২১৬ দিন
b ৫৪ দিন
c ২৪ দিন
d ২৪০ দিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২১৬ দিন প্রদত্ত তথ্য: কাজের ১/১৮ অংশ শেষ হয় ৩ দিনে মোট কাজের পরিমাণ = ৪ গুণ ধরি, সম্পূর্ণ কাজের পরিমাণ = ১ অংশ অতএব, ১/১৮ অংশ কাজ করতে সময় লাগে = ৩ দিন সম্পূর্ণ বা ১ অংশ কাজ করতে সময় লাগে = ৩ × ১৮ = ৫৪ দিন সুতরাং, ঐ কাজের ৪ গুণ কাজ করতে সময় লাগবে = ৫৪ × ৪ = ২১৬ দিন উত্তর: ২১৬ দিন
a ২৫ জন
b ১৫ জন
c ১০ জন
d ৫ জন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫ জন প্রদত্ত তথ্য: আমের মোট সংখ্যা = ১২৫ টি লিচুর মোট সংখ্যা = ১৪৫ টি ধরি, বালকের সংখ্যা হলো ১২৫ এবং ১৪৫ এর সাধারণ উৎপাদক অতএব, ১২৫ এর উৎপাদকগুলি হলো ১, ৫, ২৫, ১২৫ ১৪৫ এর উৎপাদকগুলি হলো ১, ৫, ২৯, ১৪৫ সুতরাং, ১২৫ ও ১৪৫ এর গসাগু হলো ৫ উত্তর: ৫ জন

মোট প্রশ্ন (23)

a ৩৪ জন
b ৪৩ জন
c ২৩ জন
d ১২ জন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৪ জন কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের ১২ মার্চ গঠিত গণপরিষদে সংবিধান প্রণয়নের জন্য ড. কামাল হোসেনকে প্রধান করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। - এই কমিটি বিভিন্ন দেশের সংবিধান পর্যালোচনা করে এবং জনমত সংগ্রহ করে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানের খসড়া প্রস্তুত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৪ জন — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে এই নির্দিষ্ট সংখ্যক সদস্য অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। B) ৪৩ জন — এই সংখ্যাটি সঠিক নয়, কারণ সংবিধানে প্রাথমিক স্বাক্ষরদানকারী সদস্যের সংখ্যা ৪৩ জন ছিল না বা এটি প্রণয়ন কমিটির সদস্য সংখ্যা নয়। C) ২৩ জন — এটি ভুল সংখ্যা, যা সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য সংখ্যার সাথে মিলে না। D) ১২ জন — এই সংখ্যাটি ভুল, কারণ প্রণয়ন কমিটিতে মাত্র ১২ জন সদস্য ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রধান ছিলেন ড. কামাল হোসেন এবং সদস্য ছিলেন ৩ এবং ৪ অর্থাৎ ৩৪ জন।
a সিলেট
b নেত্রকোনা
c বান্দরবান
d রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বান্দরবান কেন সঠিক: - প্রান্তিক হ্রদ বাংলাদেশের বান্দরবান জেলার সদর উপজেলার রেইছা ইউনিয়নে অবস্থিত একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। - এটি পাহাড়ের মাঝখানে অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক হ্রদ, যা চারপাশের সবুজ পাহাড়ি পরিবেশের জন্য পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — সিলেট জেলায় প্রান্তিক হ্রদ অবস্থিত নয়, এখানে মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত ও রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্টের মতো পর্যটন আকর্ষণ রয়েছে। B) নেত্রকোনা — নেত্রকোনা জেলায় প্রান্তিক হ্রদ অবস্থিত নয়, এটি মূলত বিজয়পুর ও সোমেশ্বরী নদীর জন্য পরিচিত। C) বান্দরবান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ হ্রদটি এখানেই অবস্থিত। D) রাঙ্গামাটি — রাঙ্গামাটিতে কাপ্তাই হ্রদসহ বেশ কিছু হ্রদ থাকলেও প্রান্তিক হ্রদ এই জেলায় অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: বান্দরবানের পাহাড়ি প্রকৃতির মাঝে প্রান্তিক হ্রদ অবস্থিত, এটি মনে রাখতে বান্দরবান ও প্রান্তিক শব্দ দুটি একসাথে স্মরণ রাখুন।
a বাণিজ্য সংক্রান্ত চুক্তি
b কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
c রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্র
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি কেন সঠিক: - START শব্দের পূর্ণরূপ হলো স্ট্র্যাটেজিক আর্মস রিডাকশন ট্রিটি, যা যুক্তরাষ্ট্র ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস চুক্তি। - এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল উভয় দেশের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে নামিয়ে আনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাণিজ্য সংক্রান্ত চুক্তি — এটি কোনো বাণিজ্যিক চুক্তি নয়, বরং এটি বিশ্ব নিরাপত্তা ও পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সামরিক চুক্তি। B) কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রাসঙ্গিক ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক চুক্তি। C) রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্র — এটি কোনো নির্দিষ্ট যুদ্ধাস্ত্রের নাম নয়, বরং এটি একটি দ্বিপক্ষীয় অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: START নামের মধ্যেই অস্ত্র কমানোর ইঙ্গিত আছে, যার পূর্ণরূপ কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস চুক্তি।
a বিল ক্লিনটন
b অরুন্ধতী রায়
c রুশ প্রাচ্য
d ফিদেল কাস্ত্রো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফিদেল কাস্ত্রো কেন সঠিক: - কিউবার ঐতিহাসিক নেতা ফিদেল কাস্ত্রো সাম্রাজ্যবাদ ও বিশ্বরাজনীতি নিয়ে এই গ্রন্থটি রচনা করেছেন। - এটি আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং কিউবার বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাহিত্যকর্ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিল ক্লিনটন — তিনি আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট হলেও এই গ্রন্থের লেখক নন। B) অরুন্ধতী রায় — তিনি ভারতের প্রখ্যাত লেখক ও বুকার জয়ী ঔপন্যাসিক, এই বইটির সঙ্গে তিনি সম্পর্কিত নন। C) রুশ প্রাচ্য — এটি কোনো ব্যক্তি বা নির্দিষ্ট লেখকের নাম নয়, তাই এই প্রশ্নের উত্তর হতে পারে না। D) ফিদেল কাস্ত্রো — কিউবার এই মহান বিপ্লবী নেতা 'দ্য স্ট্র্যাটেজিক ভিক্টরি' গ্রন্থের মূল লেখক। মনে রাখার টিপস: কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর কৌশলগত বিজয়ের ইতিহাস জানতে 'দ্য স্ট্র্যাটেজিক ভিক্টরি' বইটি মনে রাখুন।
a DGSE
b FSEG
c DGFI
d FGSE
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) DGSE কেন সঠিক: - DGSE হলো ফ্রান্সের প্রধান বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা, যার পূর্ণরূপ হলো ডিরেক্টোরেট জেনারেল ফর এক্সটার্নাল সিকিউরিটি। - এটি ফ্রান্সের আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা রক্ষা এবং দেশের বাইরের গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণে কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) DGSE — এটি ফ্রান্সের মূল বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়। B) FSEG — এটি কোনো পরিচিত বা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত গোয়েন্দা সংস্থার নাম নয়। C) DGFI — এটি বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিরেক্টোরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স) সংক্ষিপ্ত রূপ। D) FGSE — এটি ফ্রান্সের কোনো গোয়েন্দা সংস্থার নাম বা সংক্ষিপ্ত রূপ নয়। মনে রাখার টিপস: ফ্রান্সের (F) সাথে এক্সটার্নাল (E) সিকিউরিটির সম্পর্ক মনে রেখে DGSE সংক্ষেপটি ফরাসি গোয়েন্দা সংস্থার জন্য মনে রাখতে পারেন।
a যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
b ব্রাজিল ও ইতালি
c সৌদি আরব ও ইরান
d ফ্রান্স ও গ্রীস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৌদি আরব ও ইরান কেন সঠিক: - সৌদি আরবের জাতীয় পতাকায় কালিমা তাইয়্যেবা খচিত থাকায় শোক প্রকাশে বা অন্য কোনো কারণে তা অর্ধনমিত করা হয় না। - ইরানের পতাকায় আল্লাহর নাম এবং পবিত্র ধর্মীয় প্রতীক থাকায় সে দেশের রাষ্ট্রীয় নিয়ম অনুযায়ী পতাকা অর্ধনমিত করা নিষেধ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা — এই দেশগুলোতে রাষ্ট্রীয় শোক বা বিশেষ দিবসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার প্রচলিত নিয়ম রয়েছে। B) ব্রাজিল ও ইতালি — এই দেশগুলো শোক দিবসে বা জাতীয় সংকটে রাষ্ট্রীয় নিয়ম মেনে পতাকা অর্ধনমিত করে থাকে। C) সৌদি আরব ও ইরান — এই অপশনটি সঠিক কারণ ধর্মীয় পবিত্রতার কারণে এই দেশগুলোর পতাকা অর্ধনমিত করা হয় না। D) ফ্রান্স ও গ্রীস — এই দেশগুলোও রাষ্ট্রীয় শোক বা আন্তর্জাতিক শ্রদ্ধা জানাতে পতাকা অর্ধনমিত করার প্রথা অনুসরণ করে। মনে রাখার টিপস: ধর্মীয় নাম বা পবিত্র বাক্য খচিত থাকার কারণে সৌদি আরব এবং ইরানের পতাকা কখনো অর্ধনমিত করা হয় না।
a ১ জুন
b ৩ মার্চ
c ১ মার্চ
d ৫ জুন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ মার্চ কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬০ সালের ১ মার্চ তৎকালীন পাকিস্তানের আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে যোগদান করেছিলেন। - বঙ্গবন্ধুর বীমা পেশায় যোগদানের এই ঐতিহাসিক দিনটিকে স্মরণ করে ২০২০ সাল থেকে ১ মার্চকে জাতীয় বীমা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ জুন — এটি জাতীয় চা দিবস, বীমা দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ৩ মার্চ — এটি ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ ভাষণের আগের দিন এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রস্তুতি পর্বের একটি দিন। C) ১ মার্চ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এই দিনে জাতীয় বীমা দিবস পালন করা হয়। D) ৫ জুন — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস, বীমা দিবসের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু ১ মার্চ বীমা কোম্পানিতে যোগ দিয়েছিলেন, তাই ১ মার্চ হলো জাতীয় বীমা দিবস।
a জামাই ষষ্ঠী
b ধ্রুব
c মুখ ও মুখোশ
d সংগম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধ্রুব কেন সঠিক: - উপমহাদেশের তথা বাংলা ভাষার প্রথম সবাক চলচ্চিত্র হলো ১৯৩১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ধ্রুব। - কবি কাজী নজরুল ইসলাম এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন এবং এর গানগুলোতে সুর দিয়েছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জামাই ষষ্ঠী — এটি বাংলা ভাষার প্রথম সবাক চলচ্চিত্র, তবে এটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র ছিল। পূর্ণদৈর্ঘ্য সবাক চলচ্চিত্র হিসেবে ধ্রুব প্রথম। B) ধ্রুব — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং উপমহাদেশের প্রথম বাংলা পূর্ণদৈর্ঘ্য সবাক চলচ্চিত্র। C) মুখ ও মুখোশ — এটি পাকিস্তানের তথা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম বাংলা সবাক চলচ্চিত্র, যা মুক্তি পায় ১৯৫৬ সালে। D) সংগম — এটি পাকিস্তানের প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র, যা উর্দু ভাষায় নির্মিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: উপমহাদেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সবাক চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে কাজী নজরুল ইসলামের ধ্রুব চলচ্চিত্রটি মনে রাখতে হবে।
a শচীন তেন্ডুলকার
b জাভেদ মিয়ানদান
c মুস্তাফিজুর রহমান
d রিকি পন্টিং
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মুস্তাফিজুর রহমান কেন সঠিক: - ২০১৫ সালে ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেকে ৫ উইকেট এবং একই বছর পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেকে ৫ উইকেট লাভ করেন। - আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ইতিহাসে তিনিই প্রথম খেলোয়াড় যিনি ওয়ানডে এবং টেস্ট উভয় ফরম্যাটের অভিষেকেই ম্যান অব দ্য ম্যাচ হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শচীন তেন্ডুলকার — ভারতের সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যান হলেও তিনি ওয়ানডে ও টেস্ট অভিষেকে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হওয়ার এই অনন্য রেকর্ড গড়েননি। B) জাভেদ মিয়ানদান — পাকিস্তানের কিংবদন্তি ক্রিকেটার হলেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অভিষেকে এই বিশেষ কীর্তি অর্জন করতে পারেননি। D) রিকি পন্টিং — অস্ট্রেলিয়ার সফল অধিনায়ক ও ব্যাটসম্যান হলেও তার ওয়ানডে ও টেস্ট অভিষেক একই রেকর্ডের অংশ নয়। মনে রাখার টিপস: অভিষেকের বিস্ময় কাটার মাস্টার মুস্তাফিজ, ওয়ানডে আর টেস্ট দুটিতেই হন ম্যান অব দ্য ম্যাচ।
a 1952
b 1972
c 2001
d 1960
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৬০ কেন সঠিক: - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলা একাডেমী ১৯৬০ সাল থেকে এই prestigious পুরস্কার প্রদান শুরু করে। - এটি বাংলাদেশের সাহিত্য ক্ষেত্রে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও প্রাচীন একটি পুরস্কার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫২ — এটি ভাষা আন্দোলনের বছর, বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠার বা এই পুরস্কার প্রবর্তনের বছর নয়। B) ১৯৭২ — এটি স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন এবং যুদ্ধোত্তর পুনর্গঠনের বছর, পুরস্কার প্রবর্তনের বছর নয়। C) ২০০১ — এটি বর্তমান সময়ের একটি সাল, যা এই ঐতিহাসিক পুরস্কার চালুর অনেক পরের বছর। D) ১৯৬০ — এটি সঠিক বছর কারণ এই সাল থেকেই বাংলা একাডেমী আনুষ্ঠানিকভাবে সাহিত্য পুরস্কার প্রবর্তন করে। মনে রাখার টিপস: বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৫ সালে আর এর ঠিক পাঁচ বছর পর অর্থাৎ ১৯৬০ সাল থেকে সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়।
a শের-এ-বাংলা এ কে ফজলুল হক
b মাওলানা আবুল কালাম আজাদ
c হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
d পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কেন সঠিক: - তিনি ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পূর্বে অবিভক্ত বাংলার শেষ প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - তার আমলেই ১৯৪৭ সালের আগস্ট মাসে ভারত বিভাজিত হয় এবং বাংলা প্রদেশটি বিভক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শের-এ-বাংলা এ কে ফজলুল হক — তিনি বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন না। B) মাওলানা আবুল কালাম আজাদ — তিনি ভারতের প্রখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী ও প্রথম শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন না। C) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু — তিনি স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী সোহরাওয়ার্দী, যিনি ১৯৪৭ পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন।
a ০৬ জ্যৈষ্ঠ ১৩২০
b ০৪ চৈত্র ১৩২৬
c ১৬ বৈশাখ ১৩২২
d ২৬ চৈত্র ১৩২৫
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০৪ চৈত্র ১৩২৬ কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - বাংলা সন অনুসারে সেই দিনটি ছিল ৪ চৈত্র ১৩২৬ বঙ্গাব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০৬ জ্যৈষ্ঠ ১৩২০ — এটি সঠিক নয়, কারণ এই তারিখে বঙ্গবন্ধুর জন্মসাল ও তারিখের সঙ্গে কোনো ঐতিহাসিক মিল নেই। B) ০৪ চৈত্র ১৩২৬ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী এই দিনটিতেই তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন। C) ১৬ বৈশাখ ১৩২২ — এটি সঠিক নয়, এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের জন্মতারিখ হতে পারে। D) ২৬ চৈত্র ১৩২৫ — এটি সঠিক নয়, এটিও ভুল তারিখ ও সালের একটি অপশন। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ১৭ মার্চ ১৯২০ সাল মনে রাখলে বাংলা তারিখটি হিসাব করার জন্য ১৩২৬ বঙ্গাব্দের ৪ চৈত্র মনে রাখতে হবে।
a ১১ ডিসেম্বর ২০২২
b ২২ ডিসেম্বর, ২০২২
c ১৫ ডিসেম্বর ২০২২
d ২৮ ডিসেম্বর ২০২২
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৮ ডিসেম্বর ২০২২ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম জনবহুল দ্রুতগামী ট্রানজিট ব্যবস্থা হিসেবে এমআরটি লাইন ছয় এর উত্তরা থেকে আগারগাঁও অংশ উদ্বোধন করা হয়। - মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ঐতিহাসিক মেট্রোরেল প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১ ডিসেম্বর ২০২২ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক তারিখ নয় এবং এই দিনে অন্য কোনো নির্ধারিত সরকারি বা ঐতিহাসিক বিশেষ কর্মসূচি ছিল না। B) ২২ ডিসেম্বর ২০২২ — এই তারিখে মেট্রোরেল উদ্বোধনের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। সি) ১৫ ডিসেম্বর ২০২২ — এই তারিখটি মেট্রোরেল উদ্বোধনের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) ২৮ ডিসেম্বর ২০২২ — এটি দেশের প্রথম মেট্রোরেল উদ্বোধনের নির্ধারিত ও সঠিক ঐতিহাসিক তারিখ। মনে রাখার টিপস: ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে (২৮ তারিখ) বাংলাদেশ মেট্রোরেল যুগে প্রবেশ করেছিল।
a ৮ টি
b ১০ টি
c ১২ টি
d ১৪ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশে বর্তমানে মোট সিটি কর্পোরেশনের সংখ্যা ১২টি। - সর্বশেষ গঠিত সিটি কর্পোরেশনটি হলো ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ টি — এটি পুরনো তথ্য, বর্তমানে সিটি কর্পোরেশনের সংখ্যা এর চেয়ে বেশি। B) ১০ টি — এটিও একটি অতীতের উপাত্ত, যা বর্তমান প্রশাসনিক বিন্যাসের সঙ্গে মেলে না। C) ১২ টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্তমান বাংলাদেশে মোট ১২টি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে। D) ১৪ টি — বাংলাদেশে বর্তমানে ১৪টি সিটি কর্পোরেশন নেই, সংখ্যাটি ১২টি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের মোট বিভাগ এবং সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশনের সংখ্যা মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে মনে রাখা যায়।
a ঢাকা
b চট্টগ্রাম
c রাজশাহী
d বরিশাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চট্টগ্রাম কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের একমাত্র নৃতাত্ত্বিক জাদুঘর, যা চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে অবস্থিত। - এখানে বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি বাংলাদেশের রাজধানী এবং এখানে জাতীয় জাদুঘরসহ অনেক জাদুঘর থাকলেও একমাত্র নৃতাত্ত্বিক জাদুঘর এখানে নেই। B) চট্টগ্রাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশের একমাত্র নৃতাত্ত্বিক জাদুঘরটি এখানেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। C) রাজশাহী — এটি বরেন্দ্র অঞ্চলের ইতিহাস ও সংস্কৃতির জন্য বিখ্যাত হলেও একমাত্র নৃতাত্ত্বিক জাদুঘর এখানে অবস্থিত নয়। D) বরিশাল — এটি নদীমাতৃক অঞ্চল এবং এখানে দক্ষিণাঞ্চলের সংস্কৃতিভিত্তিক জাদুঘর রয়েছে, যা নৃতাত্ত্বিক জাদুঘর নয়। মনে রাখার টিপস: নৃতাত্ত্বিক জাদুঘর মানেই পাহাড় ঘেরা বন্দরনগরী চট্টগ্রাম।
a প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
b কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
c বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয় ক্ষমতা
d মুদ্রা বা অর্থ বিষয়কম ক্ষমতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন কেন সঠিক: - ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে ঐতিহাসিক ছয় দফা পেশ করেন যার প্রথম দফায় পাকিস্তানের ফেডারাল কাঠামোর অধীনে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি জানানো হয়েছিল। - এই দফায় লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার গঠনের প্রস্তাব করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন — প্রদত্ত উত্তর সঠিক হওয়ায় এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক অপশন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। B) কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা — ছয় দফায় কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক এই দুটি বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার কথা বলা হয়েছিল যা দ্বিতীয় দফার বিষয়। C) বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয় ক্ষমতা — বৈদেশিক বাণিজ্য ও বৈদেশিক সাহায্য বিষয়ে অঙ্গরাজ্যগুলোর পূর্ণ ক্ষমতা থাকার কথা বলা হয়েছে যা চতুর্থ দফার অন্তর্ভুক্ত। D) মুদ্রা বা অর্থ বিষয়কম ক্ষমতা — মুদ্রা বা অর্থ বিষয়ে দুটি পৃথক ও সহজেConvertToযোগ্য মুদ্রার প্রস্তাব করা হয়েছিল যা তৃতীয় দফার বিষয়। মনে রাখার টিপস: ছয় দফার প্রথম অক্ষর প্র দিয়ে মনে রাখতে পারেন প্রথম দফা মানেই প্রদেশ বা প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।
a সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়
b ফ্রান্সের লিওতে
c থাইল্যান্ডের ব্যাংককে
d জার্মানির বার্লিনে
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ফ্রান্সের লিওতে কেন সঠিক: - ইন্টারপোল বা আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থার সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিও শহরে অবস্থিত। - ১৯২৩ সালে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হলেও লিও শহরকে এর স্থায়ী সদর দপ্তর হিসেবে পরে নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং রেড ক্রসের সদর দপ্তর, ইন্টারপোলের নয়। B) ফ্রান্সের লিওতে — এটি ইন্টারপোলের সঠিক সদর দপ্তর এবং এখানেই এর প্রধান কার্যক্রম পরিচালিত হয়। C) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে — এটি ইন্টারপোলের নয়, বরং আসিয়ান বা অন্যান্য আঞ্চলিক সংস্থার কার্যক্রমের কেন্দ্র। D) জার্মানির বার্লিনে — এটি জার্মানির রাজধানী হলেও ইন্টারপোলের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: পুলিশ বা নিরাপত্তার সাথে লিওন বা সিংহ জড়িত থাকে, তাই ইন্টারপোলের সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিও শহরে অবস্থিত।
a ভূটান
b চীন
c রাশিয়া
d উজবেকিস্তান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাশিয়া কেন সঠিক: - তাস রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় ও সরকারি বার্তা সংস্থা। - এটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংগ্রহ ও বিতরণে রাশিয়ার প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভূটান — ভূটানের সরকারি সংবাদ সংস্থার নাম কুয়েনসেল, যা রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) চীন — চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার নাম সিনহুয়া, তাস নয়। সি) রাশিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) উজবেকিস্তান — উজবেকিস্তানের প্রধান সংবাদ সংস্থার নাম ইউজেএএফ বা উজা, তাস নয়। মনে রাখার টিপস: রাশিয়ার সংবাদ মাধ্যম হিসেবে টি এ এস এস (TASS) নামটি মনে রাখতে রাশিয়ার বরফ বা ঠাণ্ডা আবহাওয়ার সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারেন।
a 1948
b 1954
c 1966
d 1971
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ১৯৫৪ কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে জয়লাভ করে প্রথম প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য এবং মন্ত্রিসভার মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। - তিনি যুক্তফ্রন্ট সরকারের কৃষি, সমবায় ও পল্লি উন্নয়ন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব লাভ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৮ — এই সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র ছিলেন এবং ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন, মন্ত্রিসভার সদস্য হননি। C) ১৯৬৬ — এই সালে তিনি ঐতিহাসিক ছয় দফা পেশ করেন, যা বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ নামে পরিচিত। D) ১৯৭১ — এই সালে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। মনে রাখার টিপস: যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের সাল ১৯৫৪ মনে রাখলেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর সহজে মনে রাখা সম্ভব।
a ৭টি
b ৯টি
c ১১টি
d ১৩টি
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ১১টি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। - সেক্টরগুলো ছাড়াও অভ্যন্তরীণ অপারেশনের জন্য বাংলাদেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭টি — এটি ৭ বীরশ্রেষ্ঠ বা ৭ জন সেক্টর কমান্ডারের সংখ্যা, সেক্টরের সংখ্যা নয়। B) ৯টি — এটি ভুল সংখ্যা, কারণ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর ছিল ১১টি। সি) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর, মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়। D) ১৩টি — এটি একটি ভুল সংখ্যা, কারণ মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরের সংখ্যা ১৩টি ছিল না। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন এক এক এগারো অর্থাৎ ১১টি সেক্টর।
a জাপান
b চীন
c ভারত
d বাংলাদেশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চীন কেন সঠিক: - আলিবাবা গ্রুপ হলো চীনের একটি বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, যা ই-কমার্স, খুচরা বিক্রেতা, ইন্টারনেট এবং প্রযুক্তি খাতে কাজ করে। - জ্যাক মা ১৯৯৯ সালে চীনের হাংচৌ শহরে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — SoftBank এই প্রতিষ্ঠানে বড় বিনিয়োগকারী হলেও এটি জাপানি প্রতিষ্ঠান নয়। B) চীন — এটি চীনের প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) ভারত — ভারতের নিজস্ব বিভিন্ন ই-কমার্স সাইট থাকলেও আলিবাবা ভারতের নয়। D) বাংলাদেশ — এটি কোনো বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান বা উদ্যোগ নয়। মনে রাখার টিপস: আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা চীনের নাগরিক এবং এই প্রতিষ্ঠানটি চীনের হাংচৌ শহর থেকে কার্যক্রম শুরু করেছিল।
a মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
b যুক্তরাজ্য
c গ্রিস
d ফ্রান্স
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাজ্য কেন সঠিক: - যুক্তরাজ্যের আইন মূলত প্রাচীন রীতিনীতি, প্রথা এবং বিচারালয়ের পূর্ববর্তী রায়ের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। - একে প্রচলিত সাধারণ আইন বা কমন ল বলা হয়, যা নির্দিষ্ট কোনো লিখিত সংবিধান দ্বারা পরিচালিত হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — এখানকার আইন লিখিত সংবিধানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এবং সুনির্দিষ্ট আইনের অনুশাসন মেনে চলে। B) যুক্তরাজ্য — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এখানকার বিচার ব্যবস্থা প্রথা ও রীতিনীতি নির্ভর। C) গ্রিস — এখানকার আইন রোমান আইনের প্রভাবপুষ্ট সিভিল ল বা সংহিতাবদ্ধ আইনের অন্তর্ভুক্ত। D) ফ্রান্স — এখানকার বিচার ব্যবস্থা সংহিতাবদ্ধ আইন বা সিভিল ল ব্যবস্থার ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাজ্যের আইন প্রথা ও রীতিনীতির ওপর নির্ভরশীল, তাই কমন ল বা সাধারণ আইনের জন্মভূমি বলা হয় যুক্তরাজ্যকে।
a ১৯৫৩ সালের ০৪ ডিসেম্বর
b ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
c ১৯৫৪ সালের ২৩ জুন
d ১৯৫২ সালের ৪ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৫৩ সালের ০৪ ডিসেম্বর কেন সঠিক: - যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর গঠিত হয়। - আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম ও বামপন্থী গণতন্ত্রী দল মিলে এই রাজনৈতিক জোট গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫৩ সালের ০৪ ডিসেম্বর — এটি যুক্তফ্রন্ট গঠনের সঠিক তারিখ এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য এই জোট গঠিত হয়। B) ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি — এটি ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের শহীদ দিবস, যুক্তফ্রন্ট গঠনের তারিখ নয়। C) ১৯৫৪ সালের ২৩ জুন — এটি আওয়ামী লীগের প্রথম কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ, যুক্তফ্রন্ট গঠনের তারিখ নয়। D) ১৯৫২ সালের ৪ ডিসেম্বর — এটি একটি বিভ্রান্তিকর সাল, কারণ যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল এর এক বছর পর ১৯৫৩ সালে। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের পরের বছর ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।

মোট প্রশ্ন (1)

a গাড়ী
b মোবাইল ফোন
c বিদ্যুৎ
d ফ্যাশন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিদ্যুৎ ১. কেন সঠিক: আধুনিক সভ্যতার সকল প্রযুক্তি ও কলকারখানা পরিচালনার মূল চালিকাশক্তি হলো বিদ্যুৎ। বিদ্যুৎ ছাড়া আলো, যোগাযোগ, চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং শিল্প উৎপাদন সম্পূর্ণ থমে যাবে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বিদ্যুৎ হলো ইলেকট্রনের প্রবাহ বা আধানের চলাচল যা শক্তি উৎপন্ন করে। কার্যপ্রণালি: জেনারেটর বা পাওয়ার প্ল্যান্টে যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে সরবরাহ করা হয়। বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের ঘরের পাখা, বাতি, রেফ্রিজারেটর এবং হাসপাতালের জীবন রক্ষাকারী যন্ত্রপাতি বিদ্যুতের সাহায্যে চলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাসপাতালের আইসিইউ বা ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট। ব্যাখ্যা: বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে ভেন্টিলেটরসহ সকল জীবন রক্ষাকারী যন্ত্র বন্ধ হয়ে রোগীর জীবন বিপন্ন হতে পারে। উদাহরণ ২: পানির পাম্প বা সেচ যন্ত্র। ব্যাখ্যা: বিদ্যুৎ চালিত পাম্পের সাহায্যে জমিতে পানি সেচ দেওয়া হয়, যা কৃষি উৎপাদন সচল রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গাড়ী — গাড়ী চলাচলের জন্য যান্ত্রিক শক্তি বা জ্বালানি প্রয়োজন, যা ছাড়া জীবনযাপন অসম্ভব নয়। B) মোবাইল ফোন — এটি আধুনিক যোগাযোগের একটি মাধ্যম মাত্র, তবে এটি ছাড়া বেঁচে থাকা বা জীবন চালানো সম্ভব। D) ফ্যাশন — ফ্যাশন মানুষের রুচি ও সংস্কৃতির অংশ, যা জীবনযাপনের জন্য কোনো মৌলিক বা অপরিহার্য শর্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: আধুনিক জীবনের হৃৎস্পন্দন বলা হয় বিদ্যুৎকে। বিদ্যুৎ না থাকলে মোবাইল বা গাড়ি কোনোটিই চার্জ বা সচল রাখা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিদ্যুৎ শক্তি আবিষ্কার ও এর ব্যবহার সভ্যতার গতিপথ বদলে দিয়েছে। ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শক্তির রূপান্তর সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।

মোট প্রশ্ন (2)

a ফলের বাগান
b জীবজন্তুর অভয়ারণ্য
c পশু পালনের স্থান
d খোলা উদ্যান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জীবজন্তুর অভয়ারণ্য ১. কেন সঠিক: - সাফারি পার্ক হলো এমন একটি বৃহৎ উন্মুক্ত এলাকা যেখানে বন্যপ্রাণীরা তাদের প্রাকৃতিক পরিবেশে স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়ায় এবং দর্শনার্থীরা সুরক্ষিত যানবাহনে চড়ে তাদের অবলোকন করেন। - এটি মূলত খাঁচাবন্দি বন্দিদশার বিপরীত এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার একটি আধুনিক পদ্ধতি। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - বৈশিষ্ট্য: এখানে প্রাণীগুলোকে খাঁচায় না রেখে বিশাল প্রাকৃতিক পরিবেশে রাখা হয় এবং দর্শনার্থীরা খাঁচাগাড়ি বা জিপে চড়ে প্রাণী পর্যবেক্ষণ করেন। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: বাংলাদেশে গাজীপুর জেলার শ্রীপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক এবং কক্সবাজারের ডুলাহাজরায় সাফারি পার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের গাজীপুর জেলায় অবস্থিত দেশের প্রথম ও সর্ববৃহৎ সাফারি পার্ক যা মূলত জীবজন্তুর অভয়ারণ্য হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: কেনিয়া ও তানজানিয়ার জাতীয় উদ্যানসমূহ ব্যাখ্যা: এগুলোতে বন্যপ্রাণীরা সম্পূর্ণ উন্মুক্ত পরিবেশে বসবাস করে যা বিশ্বজুড়ে সাফারি পার্ক ও অভয়ারণ্যের মূল ধারণার প্রকৃত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফলের বাগান — এটি ফলের উৎপাদনের জন্য নির্ধারিত এলাকা, জীবজন্তুর অভয়ারণ্য নয়। C) পশু পালনের স্থান — এটি গৃহপালিত পশু যেমন গরু ও ছাগল লালন-পালনের জন্য নির্দিষ্ট স্থান, বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল নয়। D) খোলা উদ্যান — এটি সাধারণ মানুষের বিনোদনের জন্য উন্মুক্ত পার্ক, যেখানে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের বিশেষ ব্যবস্থা থাকে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাফারি শব্দটি শুনলেই মাথায় রাখতে হবে এটি বন্যপ্রাণী বা জীবজন্তুর খোলা উদ্যান বা অভয়ারণ্য। - খাঁচায় বন্দি প্রাণীদের চিড়িয়াখানা বলা হয়, আর উন্মুক্ত পরিবেশে সংরক্ষিত প্রাণীদের এলাকাকে সাফারি পার্ক বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় বাংলাদেশের প্রথম সাফারি পার্ক কোথায় অবস্থিত। - চিড়িয়াখানা এবং সাফারি পার্কের মূল পার্থক্য হলো খাঁচাবন্দি বনাম উন্মুক্ত প্রাকৃতিক পরিবেশ।
a তাইওয়ান
b থাইল্যান্ড
c সুদান
d ডেনমার্ক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তাইওয়ান ১. কেন সঠিক: - তাইওয়ানের ভৌগোলিক আকৃতি দেখতে অনেকটা মিষ্টি আলুর মতো, যার স্থানীয় ও ঐতিহ্যগত সংস্কৃতিতে পশম ড্রাগনের পৌরাণিক প্রতীকের সঙ্গে গভীর মিল রয়েছে। - পূর্ব এশিয়ার এই দ্বীপরাষ্ট্রটি তার অনন্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং ভৌগোলিক রূপের জন্য বিশ্বজুড়ে পশম ড্রাগনের দেশ হিসেবে পরিচিত। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: এটি পূর্ব এশিয়ায় প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাংশে অবস্থিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র। - বৈশিষ্ট্য: এর ভূপ্রকৃতি পাহাড়ি এবং এর বেশিরভাগ অংশজুড়ে রয়েছে ঘন সবুজ অরণ্য ও পাহাড়ি উপত্যকা। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: তাইওয়ানের প্রধান পর্বতমালা ব্যাখ্যা: তাইওয়ানের কেন্দ্রীয় পর্বতমালা দ্বীপটির উত্তর থেকে দক্ষিণ পর্যন্ত বিস্তৃত এবং এর ভূপ্রকৃতিকে অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় করে তুলেছে। উদাহরণ ২: তাইওয়ানের উপক্রান্তীয় জলবায়ু ব্যাখ্যা: এখানকার উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু পশম এবং বিভিন্ন উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাইওয়ান — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভৌগোলিক আকৃতি ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ে একে পশম ড্রাগনের দেশ বলা হয়। B) থাইল্যান্ড — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ এবং একে হোয়াইট এলিফ্যান্ট বা শ্বেত হস্তীর দেশ বলা হয়। C) সুদান — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি রাষ্ট্র এবং এটি সাহারা মরুভূমির অন্তর্ভুক্ত একটি বিশাল দেশ। D) ডেনমার্ক — এটি উত্তর ইউরোপের একটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ এবং একে উইন্ডমিলের দেশ বলা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - তাইওয়ানের ইংরেজি নামের আদ্যক্ষর এবং এর ড্রাগন আকৃতির ভূগোলের কথা মাথায় রাখলে খুব সহজে এই প্রশ্নটি মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভৌগোলিক উপনাম থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, যেমন শ্বেত হস্তীর দেশ বা উইন্ডমিলের দেশ। - এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা বিভিন্ন দেশের ভৌগোলিক উপনাম সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে।