সঠিক উত্তর: D) পেত্রার্ক
১. কেন সঠিক:
চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেট রচনার ক্ষেত্রে মাইকেল মধুসূদন দত্ত মূলত ইতালীয় কবি পেত্রার্কের রীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।
পেত্রার্ক সনেটকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিয়েছিলেন এবং তাঁর নামানুসারেই এই রীতির নাম হয় পেত্রার্কীয় সনেট, যা মধুসূদন বাংলা সাহিত্যে সফলভাবে প্রয়োগ করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে সনেটের প্রবর্তক এবং তাঁর বিখ্যাত সনেট সংকলন হলো চতুর্দশপদী কবিতাাবলী।
তিনি ইউরোপে প্রবাসকালে ইতালীয় রেনেসাঁ ও পেত্রার্কের সনেটের প্রতি আকৃষ্ট হন এবং পরবর্তীতে বাংলায় সনেট রচনা শুরু করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্গভাষা কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি বিখ্যাত সনেট, যেখানে পেত্রার্কীয় সনেটের গঠন ও ভাবের মিল পাওয়া যায়।
উদাহরণ ২: কপোতক্ষ নদ কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি কবির অপর একটি বিখ্যাত সনেট, যা পেত্রার্কীয় সনেট রীতির আদর্শে অষ্টক ও ষষ্টক এই দুই ভাগে বিভক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হোমার — হোমার গ্রিক মহাকবি ছিলেন যিনি ইলিয়াড ও ওডিসির মতো মহাকাব্য রচনা করেছেন, সনেটের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই।
B) দান্তে — দান্তে ইতালীয় মহাকবি হলেও তাঁর বিখ্যাত রচনা ডিভাইন কমেডি, যা সনেট রীতির প্রধান উৎস নয়।
C) মিল্টন — জন মিল্টন ইংরেজি সাহিত্যের বিখ্যাত কবি যিনি সনেট রচনা করলেও মধুসূদন মূল প্রেরণা পেয়েছিলেন পেত্রার্কের কাছ থেকে।
D) পেত্রার্ক — এই অপশনটি সঠিক কারণ পেত্রার্ক সনেটের জনক এবং মধুসূদন তাঁর দ্বারা সরাসরি প্রভাবিত হয়েছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার মূল উৎস ইতালির কবি পেত্রার্ক, আর বাংলায় এর জনক মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
পেত্রার্কের নাম মনে রাখলে চতুর্দশপদী কবিতার প্রাথমিক উৎস সহজেই মনে রাখা সম্ভব।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলায় সনেটের প্রবর্তক কে এবং তিনি কার দ্বারা প্রভাবিত।
এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় পেত্রার্কের নাম এবং মাইকেল মধুসূদন দত্তের চতুর্দশপদী কবিতাাবলী গ্রন্থটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সংবাদ প্রভাকর
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটিতে বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম দৈনিক পত্রিকার নাম জানতে চাওয়া হয়েছে। সংবাদ প্রভাকর পত্রিকাটি ১৮৩১ সালের ২৮ জুন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রথম সাপ্তাহিক হিসেবে প্রকাশিত হলেও ১৮৩৯ সালের ১ জুন থেকে এটি দৈনিক রূপ লাভ করে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সংবাদ প্রভাকর বাংলা সংবাদপত্রের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান দখল করে আছে। এর সম্পাদক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত আধুনিক বাংলা কবিতার যুগের সন্ধিক্ষণের একজন অন্যতম প্রধান কবি ও সাহিত্যসাধক হিসেবে পরিচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমাচার দর্পণ
ব্যাখ্যা: এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র।
উদাহরণ ২: দিগদর্শন
ব্যাখ্যা: এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত বাংলা ভাষার প্রথম মাসিক সাময়িকপত্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কল্লোল — এটি কোনো সংবাদপত্র নয়, বরং বিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত আধুনিক সাহিত্য পত্রিকা।
B) সমাচার দর্পণ — এটি বাংলা ভাষার প্রথম সংবাদপত্র এবং প্রথম সাপ্তাহিক, কিন্তু প্রথম দৈনিক পত্রিকা নয়।
C) সংবাদ প্রভাকর — এই অপশনটি সঠিক এবং এটিই প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা।
D) দিগদর্শন — এটি প্রথম প্রকাশিত মাসিক সাময়িকপত্র, দৈনিক পত্রিকা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সাপ্তাহিক ও দৈনিকের মধ্যে পার্থক্য মনে রাখবে যে সমাচার দর্পণ প্রথম সাপ্তাহিক এবং সংবাদ প্রভাকর প্রথম দৈনিক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সংবাদপত্র ও সাময়িকপত্রের ক্ষেত্রে প্রথম সাপ্তাহিক, প্রথম মাসিক এবং প্রথম দৈনিক পত্রিকার নাম আলাদাভাবে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) দি আগলি এশিয়ান
১. কেন সঠিক:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ইংরেজি ভাষায় রচিত একমাত্র উপন্যাস হলো দি আগলি এশিয়ান।
- ষাটের দশকে পাকিস্তান সরকারের তথ্য বিভাগে কর্মরত থাকা অবস্থায় তিনি ইংরেজি ভাষায় এই উপন্যাসটি রচনা করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা উপন্যাসে আধুনিক চেতনার প্রবর্তক এবং মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কারিগর।
- তাঁর বিখ্যাত বাংলা উপন্যাসের মধ্যে লালসালু, কাঁদো নদী কাঁদো এবং উড়ে যাওয়া প্রধান।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লালসালু
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সবচেয়ে বিখ্যাত ও বহুল পঠিত সামাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কাঁদো নদী কাঁদো
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ মনস্তাত্ত্বিক ও অস্তিত্ববাদী উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জননী — এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নয়।
B) চিলেকোঠার সেপাই — এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি বিখ্যাত কালজয়ী উপন্যাস।
D) ময়ূরাক্ষী — এটি আহসান হাবীবের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা মূলত তাঁর কবি পরিচয়ের বাইরে সাহিত্যকর্ম।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ওয়ালীউল্লাহর ইংরেজি উপন্যাস মনে রাখতে ইংরেজি নাম দিয়েই মনে রাখবে।
- তাঁর বাংলা উপন্যাসগুলো গ্রামীণ সমাজ ও মনস্তত্ত্ব নিয়ে লেখা হলেও এটি ইংরেজি ভাষায় রচিত।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ভিন্ন ভাষার রচনা বা প্রথম রচনা প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসের সংখ্যা কম হলেও বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) অসময়ে আবির্ভাব
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি বাগধারার প্রচলিত আক্ষরিক ও ভাবার্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ।
- অকাল বোধন শব্দের অর্থ হলো নিয়মের বাইরে বা নির্দিষ্ট সময়ের আগেই কোনো কিছু উপস্থিত হওয়া।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে।
- এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যের ভাবকে আকর্ষণীয় করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আক্কেল গুড়ুম
ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ হলো অবাক হওয়া বা হারিষে দিশেহারা হয়ে যাওয়া।
উদাহরণ ২: ইঁদুর কপালে
ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ হলো মন্দ ভাগ্য বা অত্যন্ত হতভাগ্য ব্যক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শেষ বিদায় — এটি জীবনের অন্তিম মুহূর্ত বা চিরবিদায় বোঝায়, যা অকাল বোধনের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) অসময়ে আবির্ভাব — এটি সঠিক কারণ অকাল বোধন বলতে ঠিক সময়ের বাইরে কোনো কিছুর উপস্থিতি বোঝায়।
C) শেষ সময়ের কাজ — এটি কোনো কাজের শেষ মুহূর্তের তাগিদ বোঝায়, যা আলোচ্য বাগধারার অর্থ নয়।
D) সময়ে আবির্ভাব — এটি সঠিক সময়ের আগমন বোঝায়, যা অকাল বোধন শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বোধন অর্থ জাগরণ বা আগমন এবং অকাল অর্থ খারাপ সময় বা অসময়।
- এই দুটি শব্দ একত্র করলে অসময়ে আবির্ভাব অর্থ সহজে মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার উৎস এবং ভাবার্থ প্রায়ই পরীক্ষাতে আসে।
- নিয়মিত প্রমিত বাগধারাগুলো চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) জাহানারা ইমাম
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করার কারণ হলো 'একাত্তরের দিনগুলি' নামক বিখ্যাত দিনপঞ্জি বা স্মৃতিকথাটির রচয়িতা হলেন শহীদ জননী জাহানারা ইমাম।
- এই গ্রন্থে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর বড় ছেলে রুমীর শহীদ হওয়া এবং দিনলিপি আকারে যুদ্ধদিনের ভয়াবহতা ও মায়ের মনস্তাত্ত্বিক সংগ্রামের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জাহানারা ইমাম ছিলেন একজন প্রথিতযশা বাঙালি কথাসাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ ও শহীদ জননী যিনি একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
- 'একাত্তরের দিনগুলি' একটি প্রামাণ্য স্মৃতিকথা বা ডায়েরি সাহিত্য যার মাধ্যমে তৎকালীন বাঙালি জাতির গৌরবময় ও ট্র্যাজেডিপূর্ণ ইতিহাসের এক অমূল্য দলিল সংরক্ষিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সেলিনা হোসেন রচিত উপন্যাস 'হাঙর নদী গ্রেনেড'।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটিও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এবং একজন মায়ের আত্মত্যাগের পটভূমিতে রচিত যা বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ ২: শওকত ওসমান রচিত উপন্যাস 'জননী'।
ব্যাখ্যা: এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক না হলেও বাংলা উপন্যাসে মাতৃত্ব ও গ্রামীণ জীবনের সংগ্রামের এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেগম সুফিয়া কামাল — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক হলেও 'একাত্তরের দিনগুলি' বইটির রচয়িতা নন।
B) সেলিনা হোসেন — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি একজন খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক হলেও আলোচ্য গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়।
C) জাহানারা ইমাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই ঐতিহাসিক দিনপঞ্জিটির মূল রচয়িতা।
D) বেগম রোকেয়া — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি নারীজাগরণের অগ্রদূত ও প্রাবন্ধিক, আর তাঁর সময়কাল ছিল অনেক আগের।
৫ মনে রাখার টিপস:
- একাত্তরের দিনগুলোতে মা জাহানারা ইমাম তাঁর ডায়েরিতে যুদ্ধের দিনগুলো লিখেছিলেন, তাই দিনগুলি মানেই জাহানারা ইমাম।
- শহীদ জননী হিসেবে পরিচিত এই লেখকের একমাত্র মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ডায়েরিভিত্তিক গ্রন্থ হলো একাত্তরের দিনগুলি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতিকথা বা ডায়েরি সাহিত্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- একই ধরনের আরেকটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতিকথা হলো রাবেয়া খাতুনের 'একাত্তরের ডায়েরী'।
সঠিক উত্তর: A) কাহিনী
১. কেন সঠিক:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'কাহিনী' শব্দটিতে 'ণ' এর পরিবর্তে 'ন' ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা ভাষায় অতৎসম বা তদ্ভব শব্দের ক্ষেত্রে সাধারণত মূর্ধন্য 'ণ' এর ব্যবহার হয় না, দন্ত্য 'ন' ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে মূর্ধন্য 'ণ' এর ব্যবহার বাধ্যতামূলক হলেও বিদেশি বা তদ্ভব শব্দে কেবল দন্ত্য 'ন' বসে।
- 'কাহিনী' একটি তদ্ভব শব্দ হওয়ায় এর বানানে মূর্ধন্য 'ণ' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং দন্ত্য 'ন' ব্যবহার করা প্রমিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাণী
ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ বিধায় এর বানানে মূর্ধন্য 'ণ' ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: গনি
ব্যাখ্যা: এটি তদ্ভব বা প্রচলিত শব্দ হওয়ায় এখানে দন্ত্য 'ন' ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাহিনী — এটি সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী দন্ত্য 'ন' যুক্ত রূপ।
B) কাহীনী — এই অপশনে দীর্ঘ 'ঈ' কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
C) কাহিনী — প্রদত্ত প্রশ্নপত্রে এই অপশনটি পুনরাবৃত্ত হয়েছে এবং এটিও সঠিক বানান হিসেবে বিবেচিত।
D) কাহিনী — এটিও মূল উত্তরের অনুরূপ একটি বিকল্প যা সঠিক বানান নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিদেশি বা তদ্ভব শব্দ মনে রাখতে সহজ নিয়ম হলো মূর্ধন্য 'ণ' এর বদলে সবসময় দন্ত্য 'ন' ব্যবহার করা।
- কাহিনীর মতো সাধারণ শব্দগুলোতে শেষের বর্ণে দীর্ঘ 'ঈ' এবং 'ন' ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ভব ও তৎসম শব্দের বানান প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে।
- বাংলা একাডেমি প্রণীত আধুনিক প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করে এই ধরনের শব্দের বানান নিশ্চিত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) রৌদ্র করোটিতে
১. কেন সঠিক:
শামসুর রাহমানের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো রৌদ্র করোটিতে যা ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়। আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে নগরজীবন নাগরিক যন্ত্রণা ও দ্রোহের সুর ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে এই কাব্যগ্রন্থটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি যিনি ১৯২৯ সালে পুরান ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তার কবিতায় নাগরিক সংবেদনশীলতা একাকীত্ব এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অক্টোপাস
ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তার কাব্যশৈলীর অনন্য নিদর্শন।
উদাহরণ ২: ফিরিয়ে নাও ঘاص
ব্যাখ্যা: এটিও কবি শামসুর রাহমানের একটি সুপরিচিত কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমি কিংবদন্তির কথা বলছি — এই কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম শক্তিশালী কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ।
B) বিমুখ প্রান্তর — এটি শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ নয় বরং অন্য কোনো কবির সাহিত্যকর্ম।
D) ছাড়পত্র — এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা গণমানুষের কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
শামসুর রাহমানের প্রথম কাব্য রৌদ্র করোটিতে মনে রাখতে মাথায় রাখুন যে প্রখর রৌদ্র বা রোদের মধ্যে করোটি বা মাথা গরম হয়ে যায় এবং এটিই তার প্রথম সাহিত্যিক পদচারণা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএসসহ অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই আসে তাই শামসুর রাহমানের প্রথম কাব্য রৌদ্র করোটি নিশ্চিতভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) বিচিত্র প্রবন্ধ
১. কেন সঠিক:
- 'বাজে কথা' প্রবন্ধটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'বিচিত্র প্রবন্ধ' নামক প্রবন্ধ গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রাবন্ধিক রূপ এবং বিভিন্ন সামাজিক বা মনস্তাত্ত্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনার একটি চমৎকার নিদর্শন এই রচনাটি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে কবি, নাট্যকার, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক।
- 'বিচিত্র প্রবন্ধ' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি উল্লেখযোগ্য প্রাবন্ধিক গ্রন্থ যেখানে তাঁর বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় মেলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'সভ্যতার সংকট'
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি অন্যতম বিখ্যাত প্রাবন্ধিক রচনা ও ভাষণ।
উদাহরণ ২: 'বিচিত্রিতা'
ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রাবন্ধিক বা মিশ্র সাহিত্যকর্মের সংকলন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লিপিকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি গদ্যপদ্য ও ক্ষুদ্র গল্পের অভিনব সংকলন গ্রন্থ।
B) কালান্তর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ও সমাজচিন্তামূলক প্রবন্ধ গ্রন্থ।
D) সাহিত্য — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য বিষয়ক প্রবন্ধ নিয়ে রচিত একটি স্বতন্ত্র গ্রন্থ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিভিন্ন বিচিত্র বা অদ্ভুত বিষয়ে রবীন্দ্রনাথের প্রবন্ধগুলো পেতে 'বিচিত্র প্রবন্ধ' নামটি মনে রাখতে পারো।
- প্রবন্ধ সাহিত্যের ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের গ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে ছক আকারে চর্চা করা ভালো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রবন্ধ গ্রন্থগুলোর নাম বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- লেখকের অন্যান্য প্রবন্ধ যেমন 'কালান্তর' বা 'সমাজ' এর সাথে যেন গুলিয়ে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) লুই পা, ভুসুক পা, শবর পা
১. কেন সঠিক:
- চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম পদসংকলন এবং এর রচয়িতারা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ।
- এই অপশনের লুই পা, ভুসুক পা এবং শবর পা প্রত্যেকেই চর্যাপদের প্রখ্যাত কবি হিসেবে স্বীকৃত ও পরীক্ষিত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন যার আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং প্রকাশকাল ১৯০৭ সাল।
- চর্যাপদে মোট কবি বা পদকর্তার সংখ্যা নিয়ে কিছুটা মতভেদ থাকলেও ড. সুকুমার সেনের মতে কবি সংখ্যা ত્રેপ্ন জন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লুই পা চর্যাপদের প্রথম পদটি রচনা করেছিলেন।
ব্যাখ্যা: লুই পা ছিলেন চর্যাপদের আদি কবি এবং তাঁর পদ দিয়েই চর্যাপদ গ্রন্থটি শুরু হয়েছে।
উদাহরণ ২: ভুসুক পা চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচয়িতাদের একজন।
ব্যাখ্যা: ভুসুক পা মোট আটটি পদ রচনা করেছিলেন যা চর্যাপদে কবিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃতিবাস, চন্দ্রাবতী, কাশীরাম দাস — এঁরা মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য বা রামায়ণ-মহাভারত অনুবাদক কবি, চর্যাপদের কবি নন।
B) বিজয়গুপ্ত, মালাধর বসু, দ্বিজ মাধব — এঁরা সবাই মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ও শ্রীকৃষ্ণকীর্তন সংশ্লিষ্ট কবি।
C) চণ্ডীদাস, বিদ্যাপতি, জ্ঞানদাস — এঁরা মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর প্রখ্যাত পদকর্তা।
D) লুই পা, ভুসুক পা, শবর পা — এটি সঠিক অপশন এবং এরা সবাই চর্যাপদের সিদ্ধাচার্য কবি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- চর্যাপদের কবিদের নামের শেষে সাধারণত পা বা পদ যুক্ত থাকে।
- লুই পা, ভুসুক পা, শবর পা নামগুলো দেখলে সহজেই চর্যাপদের কবি হিসেবে চিনে নেওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
- পরীক্ষাসমূহে প্রায়ই চর্যাপদের আদি কবি বা পদের সংখ্যা সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) অহঃ + অহ
১. কেন সঠিক:
- বিসর্গ সন্ধির নিয়মানুযায়ী বিসর্গের পর অ থাকলে বিসর্গ ও হয় এবং পরবর্তী অ লোপ পেয়ে পূর্ববর্তী ও কারের সাথে যুক্ত হয়।
- এখানে অহঃ শব্দের বিসর্গের পর অ থাকায় সন্ধির নিয়ম মেনে তা অহরহ শব্দে পরিণত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম।
- বিসর্গ (ঃ) এর পূর্বে অ এবং পরে অ থাকলে বিসর্গ র বা ও হয়, যা পদের অর্থের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অহঃ + নিশি = অহর্নিশি
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর স্বরবর্ণ থাকলে বিসর্গ র এ পরিণত হয়ে এই সন্ধি সাধিত হয়।
উদাহরণ ২: পুনঃ + আয় = পুনরায়
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর স্বরবর্ণ থাকার কারণে বিসর্গ র এ রূপান্তরিত হওয়ার এটি আরেকটি ধ্রুপদী উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অহঃ + অহ — এটি সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কারণ এখানে বিসর্গ সন্ধির সঠিক নিয়ম প্রয়োগ করা হয়েছে।
B) অহঃ + রহ — এটি ভুল কারণ দ্বিতীয় অংশে রহ লেখা হয়েছে, অথচ মূল শব্দ হলো অহ।
C) অহো + অহো — এটি ভুল কারণ অহো কোনো মৌলিক পদ বা সন্ধির সঠিক অংশ নয়।
D) অহ + অহ — এটি ভুল কারণ এখানে বিসর্গের অনুপস্থিতির কারণে সন্ধির নিয়ম মানা হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অহরহ শব্দটি ভাঙলে শেষের দিকে বিসর্গ যুক্ত অহ আসে, যেমন অহঃ যোগ অহ।
- বিসর্গ সন্ধি মনে রাখতে হলে পদের মূল রূপ এবং সন্ধির পরের অংশ আলাদা করে প্র্যাকটিস করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে শব্দের উভয় অংশের অর্থ এবং ব্যাকরণগত শুদ্ধতা যাচাই করতে হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের সন্ধি প্রায়ই আসে, তাই বিসর্গের রূপান্তর ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সার্থক
১. কেন সঠিক:
অমোঘ শব্দের আক্ষরিক অর্থ যা বিফল হয় না, অব্যর্থ, অখণ্ডনীয় বা কার্যকর। পরীক্ষার অপশন অনুযায়ী এর সবচেয়ে কাছাকাছি এবং গ্রহণযোগ্য সমার্থক অর্থ হলো সার্থক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ বিষয়ক প্রশ্ন। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই বিশেষণের মূল অর্থ যা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় না বা যা সফল ফল প্রদান করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তার এই চেষ্টা অমোঘ প্রমাণিত হলো।
ব্যাখ্যা: এখানে অমোঘ শব্দটি প্রচেষ্টার সফল বা সার্থক হওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধটি অমোঘ কাজ করেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে অমোঘ শব্দটি অব্যর্থ বা ফলপ্রসূ অর্থে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সার্থক — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি অমোঘ শব্দের ভাবগত অর্থের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
B) বাসনা — এই অপশনটি ভুল কারণ বাসনা শব্দের অর্থ ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা, যা অমোঘ শব্দের অর্থ নয়।
C) নশ্বর — এই অপশনটি ভুল কারণ নশ্বর শব্দের অর্থ যা ধ্বংসশীল বা যার মৃত্যু আছে।
D) ইচ্ছা — এই অপশনটি ভুল কারণ ইচ্ছা শব্দের অর্থ অভিলাষ বা স্পৃহা, যা অমোঘ শব্দের সমার্থক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
অমোঘ মানে যা মোছা বা ব্যর্থ করা যায় না, অর্থাৎ যা একদম সার্থক ও অব্যর্থ। এভাবে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সংস্কৃত শব্দ ও তার সঠিক অর্থ থেকে প্রশ্ন আসে। তাই প্রমিত শব্দের অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির রচয়িতা সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ঢাকা কলেজে এই বিখ্যাত গানটির কথা রচিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী একুশে ফেব্রুয়ারি গানটির গীতিকার হিসেবে অমর হয়ে আছেন।
- এই গানটি প্রথমে একটি সংকলনে প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তী সময়ে ভাষা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার অন্যতম জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক দেশাত্মবোধক গান।
উদাহরণ ২: একুশের গান
ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত বহু গানের মধ্যে এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় গান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনিই এই গানটির রচয়িতা বা গীতিকার।
B) আলতাফ মাহমুদ — তিনি এই গানটির প্রথম সুরকার, তবে রচয়িতা নন।
C) আবদুল লতিফ — তিনি ভাষা আন্দোলনের অন্য একটি বিখ্যাত গান 'ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়' গানের রচয়িতা ও সুরকার।
D) আল মাহমুদ — তিনি বিশিষ্ট আধুনিক কবি, তবে এই ঐতিহাসিক গানের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- গান লেখার কাজটি চৌধুরী সাহেবের অর্থাৎ আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর হাতে সম্পন্ন হয়েছিল।
- সুর দেওয়ার কাজটি করেছিলেন সুরকার আলতাফ মাহমুদ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই গানের গীতিকার ও সুরকার সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
- গীতিকার আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী এবং সুরকার আলতাফ মাহমুদ বিষয়টি সবসময় আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) আদি স্বরাগম
১. কেন সঠিক:
- উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দের আদিতে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে আদি স্বরাগম বলে।
- স্কুল শব্দের শুরুতে অতিরিক্ত ই স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে ইস্কুল রূপ লাভ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সংযুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ সহজ করতে শব্দের শুরুতে স্বরধ্বনি আসার প্রক্রিয়া হলো আদি স্বরাগম।
- বিদেশি শব্দের উচ্চারণে অনেক সময় বাঙালি মুখবিবরে এই পরিবর্তন ঘটে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্পর্স থেকে হিস্পর্স
ব্যাখ্যা: স্পর্স শব্দের শুরুতে ই স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে হিস্পর্স হয়েছে।
উদাহরণ ২: স্টেশন থেকে ইশ্টিশন
ব্যাখ্যা: স্টেশন শব্দের শুরুতে ই স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে ইশ্টিশন হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপিনিহিতি — পরের ই-কার বা উ-কার আগে উচ্চারিত হওয়ার রীতি এটি নয়।
B) অভিশ্রুতি — অপিনিহিতির পরের ধাপ বা স্বর পরিবর্তনের অন্য প্রক্রিয়া এটি নয়।
C) আদি স্বরাগম — সঠিক উত্তর হিসেবে এটি শব্দের শুরুতে স্বরধ্বনির আগমন নির্দেশ করে।
D) অন্ত স্বরাগম — শব্দের শেষে স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে বোঝায় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শব্দের শুরুতে ই বা উ যোগ হলে আদি স্বরাগম মনে রাখবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিদেশি শব্দের উচ্চারণে আদি স্বরাগমের ব্যবহার বেশি দেখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) তিন প্রকার
১. কেন সঠিক:
গঠনরীতি বা গঠন অনুযায়ী বাংলা বাক্য প্রধানত তিন প্রকার। বাক্যগুলোতে সমাপিকা ক্রিয়া এবং খণ্ডবাক্যের পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে এই শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
গঠনগত দিক থেকে বাক্যকে সরল, জটিল এবং যৌগিক এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়। বাক্যের অর্থ ও পদের বিন্যাস স্পষ্ট করার জন্য এই বিভাজন অত্যন্ত জরুরি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে প্রতিদিন সকালে হাঁটে।
ব্যাখ্যা: এটি একটি সরল বাক্য কারণ এতে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে।
উদাহরণ ২: যদি তুমি আসো, তবে আমি যাব।
ব্যাখ্যা: এটি একটি জটিল বাক্য কারণ এতে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর অন্য একটি নির্ভরশীল খণ্ডবাক্য যুক্ত থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাঁচ প্রকার — বাংলা ব্যাকরণে গঠনভেদে বাক্য কখনো পাঁচ প্রকার হয় না, এই সংখ্যাটি সঠিক নয়।
B) চার প্রকার — বাংলা বাক্যের গঠনগত শ্রেণিবিন্যাসে চার প্রকারের কোনো ভিত্তি নেই।
C) দুই প্রকার — পদের অর্থ বা ভাবের দিক থেকে বাক্য দুই প্রকার হতে পারে, কিন্তু গঠনরীতি অনুযায়ী নয়।
D) তিন প্রকার — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ গঠনরীতি অনুযায়ী বাক্য তিন প্রকারই হয়ে থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
গঠন দিয়ে মনে রাখবে সত্ৰজ অর্থাৎ সরল, জটিল ও যৌগিক। এই তিন শব্দ মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাক্য রূপান্তর ও প্রকারভেদ থেকে প্রশ্ন আসে। তাই সরল, জটিল ও যৌগিক বাক্যের চেনার উপায় ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) বিধু
১. কেন সঠিক:
- 'বিধু' শব্দটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ চাঁদ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে এটি প্রায়ই আসে এবং এটি চাঁদের একটি অত্যন্ত প্রচলিত কাব্যিক নাম।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমাহার যেগুলোর অর্থ একই বা প্রায় কাছাকাছি হয়।
- 'চাঁদ' শব্দের একাধিক সমার্থক শব্দ রয়েছে যা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুধাংশু
ব্যাখ্যা: সুধাংশু শব্দের অর্থ চাঁদ, যা চাঁদের সমার্থক হিসেবে কবিতায় ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা: শশাঙ্ক শব্দের অর্থও চাঁদ, কারণ চাঁদের গায়ে খরগোশের আকৃতির মতো দাগ থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিধু — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ চাঁদ।
B) নিধু — এটি কোনো অর্থবহ সমার্থক শব্দ নয় বা এর অর্থ ভিন্ন।
C) সিধু — এটি এক ধরনের পানীয় বা অন্য অর্থে ব্যবহৃত হয়, চাঁদ নয়।
D) বঁধু — এর অর্থ প্রিয়জন বা পতি, চাঁদ বোঝায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- চাঁদের অনেক নামের শেষে অংশু বা কর থাকে যেমন সুধাংশু, হিমাংশু।
- বিধু এবং শশাঙ্ক নাম দুটি চাঁদের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সমার্থক শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দগুলোর উৎস যেমন তৎসম বা তদ্ভব মনে রাখা জরুরি।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: B) কাব্যনাট্য
১. কেন সঠিক:
'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য যার রচিয়তা সৈয়দ শামসুল হক।
এটি মূলত পদ্য ছন্দে রচিত নাটক যা একই সঙ্গে কাব্যসৌন্দর্য ও নাট্যরস ধারণ করে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি ঐতিহাসিক কাব্যনাট্য।
এই নাটকে নাট্যরূপের চেয়ে কাব্যিক ব্যঞ্জনা এবং প্রতীকী ভাষার ব্যবহার অত্যন্ত প্রবল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর 'রক্তাক্ত প্রান্তর'
ব্যাখ্যা: এটি একটি ঐতিহাসিক নাটক, যা পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সিকো সিকদার বা অন্য কোনো কাব্যনাট্য
ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যে কাব্যনাট্য ধারায় এটি একটি অনন্য সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গীতিনাট্য — এটি গীতিনাট্য নয় কারণ এতে সঙ্গীতের আধিক্য নেই, বরং এটি নাট্যধর্মী কাব্য।
B) কাব্যনাট্য — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
C) কাহিনী কাব্য — এটি কাহিনী কাব্য নয় কারণ এতে দৃশ্যকাব্য বা নাটকের সুনির্দিষ্ট চরিত্র ও সংলাপ বিন্যাস রয়েছে।
D) নাটক — এটি সাধারণ নাটক বা গদ্য নাটক নয়, কারণ এর সম্পূর্ণ সংলাপ পদ্য ছন্দে রচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় কাব্যনাট্যের রচিয়তা সৈয়দ শামসুল হক।
প দিয়ে পায়ের আওয়াজ এবং প দিয়ে পদ্য ছন্দে রচিত কাব্যনাট্য মনে রাখতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য হিসেবে এটি খুব ঘন ঘন আসে।
রচিয়তার নাম এবং রচনার ধরন উভয়ই ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) রাইফেল রোটি আওরাত
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করা হয়েছে কারণ এটি বাংলাদেশের ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর বর্বরতা এবং বাঙালির জীবন সংগ্রামের বাস্তব চিত্র অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই উপন্যাসটির রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আনোয়ার পাশা যিনি ১৯৭১ সালে শহীদ বুদ্ধিজীবী হন।
- এটি মূলত ১৯৭১ সালের মার্চ থেকে জুন মাসের পটভূমিতে রচিত একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সেলিনা হোসেনের হাঙ্গরের নদী গ্রেনেড
ব্যাখ্যা: এটিও একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যা ১৯৭১ সালের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের জাহান্নাম হইতে বিদায়
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের অবক্ষয় ও পাক বাহিনীর নৃশংসতা তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লালসালু — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস এবং এর মূল বিষয় গ্রামীণ সমাজ ও ধর্মীয় ভণ্ডামি।
B) রাইফেল রোটি আওরাত — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।
C) পদ্মা নদীর মাঝি — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি কালজয়ী সামাজিক ও বাস্তবধর্মী উপন্যাস।
D) জননী — এটি শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক ও পারিবারিক উপন্যাস।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাস মনে রাখতে আনোয়ার পাশার রাইফেল রোটি আওরাত কথাটি বারবার স্মরণ করবে।
- উপন্যাসের নামটিতে যুদ্ধের অস্ত্র এবং খাদ্যের রূপক অর্থ ব্যবহার করা হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাস বা প্রথম নাটক কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়।
- এই ধরনের সাহিত্যকর্মের রচয়িতা এবং প্রকাশকাল ভালোভাবে মুখস্থ রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) আবদুল হাকিম
১. কেন সঠিক:
- এই বিখ্যাত পঙক্তিটি মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি আবদুল হাকিমের নূরনামা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- কবির দেশপ্রেম এবং মাতৃভাষার প্রতি প্রগাঢ় ভক্তির অনন্য নিদর্শন হিসেবে এই পঙক্তিটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কবি আবদুল হাকিম সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগের একজন প্রথিতযশা পুথি সাহিত্যিক ও বাঙালি কবি।
- তার জন্মস্থান বর্তমান নোয়াখালী জেলার সুধারামপুর থানার হাতিয়া দ্বীপে বা সন্দীপে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুফি সাধক ও কবি সৈয়দ সুলতান রচিত নবীবংশ কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের পুথি সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় নিদর্শন।
উদাহরণ ২: দৌলত উজির বাহরাম খান রচিত ইউসুফ জোলেখা কাব্য।
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার একটি বিশিষ্ট সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — ইনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্যের রচয়িতা এবং উনিশ শতকের সাহিত্যিক।
B) রামনিধি গুপ্ত — ইনি বাংলা ভাষার আদি খেয়াল গানের রচয়িতা বা নিধু বাবু হিসেবে সমধিক পরিচিত।
C) অতুল প্রসাদ সেন — ইনি আধুনিক যুগের বিখ্যাত বাঙালি গীতিকার, সুরকার ও গায়ক ছিলেন।
D) আবদুল হাকিম — এই অপশনটি সঠিক কারণ উদ্দীপকের কবিতাংশটি তার বিখ্যাত বঙ্গবাণী কবিতার অংশ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মাতৃভাষার পক্ষে কথা বললেই মনে রাখবে তা মধ্যযুগের কবি আবদুল হাকিমের বঙ্গবাণী কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
- কবি পরিচিতি মনে রাখতে হাকিম শব্দের সঙ্গে ভাষার প্রতি বিচার বা প্রজ্ঞার সম্পর্ক মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বঙ্গবাণী কবিতাটি আবদুল হাকিমের নূরনামা কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।
- মধ্যযুগের লেখকদের মধ্যে মাতৃভাষার প্রতি এমন জোরালো অবস্থানের জন্য কবি আবদুল হাকিম বিশেষভাবে স্মরণীয়।
সঠিক উত্তর: C) ধ্বনি
১. কেন সঠিক:
ভাষার মূল উপাদান হলো ধ্বনি কারণ ধ্বনি থেকেই ভাষার অন্যান্য উপকরণের সৃষ্টি হয়।
মানুষের মুখনিঃসৃত অর্থপূর্ণ আওয়াজ বা বোধগম্য শব্দসমষ্টিই হলো ধ্বনি, যা ভাষার ক্ষুদ্রতম একক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ভাষার মূল উপাদান বা ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি এবং লিখিত রূপের ক্ষুদ্রতম একক হলো বর্ণ।
ভাষার মৌলিক উপাদান চারটি যথা ধ্বনি, শব্দ, বাক্য এবং অর্থ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ, আ, ক, খ
ব্যাখ্যা: এগুলো হলো বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনি বা বর্ণ যা দিয়ে শব্দ তৈরি হয়।
উদাহরণ ২: কলম, বই
ব্যাখ্যা: একাধিক ধ্বনি মিলে অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে যার মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শব্দ — শব্দ ভাষার একটি উপাদান হলেও এটি ধ্বনি বা বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত হয়, তাই ক্ষুদ্রতম উপাদান নয়।
B) বাক্য — বাক্য হলো ভাষার বৃহত্তম বা পূর্ণাঙ্গ একক, যা শব্দ ও পদের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
D) পদ — বাকе ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দকে পদ বলে, যা ধ্বনি ও শব্দের পরের ধাপ।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভাষার মূল বা ক্ষুদ্রতম উপাদান চাইলে উত্তর হবে ধ্বনি।
বাক্যের মূল একক বা উপাদান হলো শব্দ বা পদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার মূল উপাদান বা ক্ষুদ্রতম একক প্রায়ই আসে।
মনে রাখবে ধ্বনি হলো উচ্চারিত রূপ এবং বর্ণ হলো তার লিখিত রূপ।
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
বাংলা গদ্যে যতি বা বিরাম চিহ্নের সার্থক ও প্রথম সফল প্রয়োগকারী হলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
তিনি তার রচিত বেতাল পঞ্চবিংশতি গ্রন্থে প্রথম সুশৃঙ্খলভাবে বিরাম চিহ্নের ব্যবহার করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক শিল্পী হিসেবে পরিচিত।
তার হাত ধরেই বাংলা গদ্যের ছন্দ, যতি এবং পঠনপদ্ধতি শৃঙ্খলাবদ্ধ রূপ লাভ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেতাল পঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত হয়, যেখানে প্রথম যতি চিহ্নের সঠিক ব্যবহার দেখা যায়।
উদাহরণ ২: শকুন্তলা
ব্যাখ্যা: বিদ্যাসাগর রচিত এই গ্রন্থটিতেও বাংলা যতি চিহ্নের সুশৃঙ্খল ও পরিমিত প্রয়োগ লক্ষ্য করা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজা রামমোহন রায় — তিনি আধুনিক বাংলা গদ্যের সূচনাকারী হলেও গদ্যে যতি চিহ্নের প্রথম প্রয়োগকারী নন।
B) উইলিয়াম কেরি — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যাপক ছিলেন এবং গদ্যচর্চা করলেও বিরাম চিহ্ন প্রথম ব্যবহার করেননি।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যে অনেক আধুনিকতা আনলেও গদ্যে যতি চিহ্ন প্রয়োগের সূচনাকারী নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিদ্যাসাগর মানেই যতি চিহ্নের সাগর, কারণ তিনি প্রথম গদ্যে যতি চিহ্ন এনেছিলেন।
বেতাল পঞ্চবিংশতি গ্রন্থের মাধ্যমেই মূলত বিরাম চিহ্নের সার্থক ব্যবহার শুরু হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা গদ্যে যতি চিহ্নের প্রবর্তক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এটি খুব কমন একটি প্রতিযোগিতামূলক প্রশ্ন।
যতি চিহ্ন বা বিরাম চিহ্নের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হলেও এর সঠিক নিয়মকানুন পরবর্তী সময়ে প্রমিত রূপ লাভ করে।
সঠিক উত্তর: D) পুণ্যাহ
১. কেন সঠিক:
'পুণ্যকর্ম সম্পাদনের জন্য শুভদিন' এককথায় প্রকাশ করলে 'পুণ্যাহ' হয়। জমিদারি আমলে খাজনা আদায়ের প্রথম শুভদিনকেও পুণ্যাহ বলা হতো।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এখানে একাধিক পদের ভাবকে একটি মাত্র শব্দে সংক্ষেপ করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা পূর্বে কখনো হয় নাই — অভূতপূর্ব।
ব্যাখ্যা: এই এককথায় প্রকাশটিতে অতীত ঘটনার অপ্রাপ্যতা প্রকাশ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: অহংকার নাই যার — নিরহংকার।
ব্যাখ্যা: এই বাক্য সংকুচনে ব্যক্তির বিশেষ গুণ প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুণ্যাহ — বানানটি সঠিক নয় কারণ এখানে 'হ' এর নিচে হসন্ত বা ফলা নেই।
B) পুন্নাহ — বানানটি সম্পূর্ণ ভুল ও এটি ব্যাকরণসম্মত নয়।
C) পুণ্যাহ্ — এখানে হ এর নিচে হসন্ত দেওয়া হয়েছে যা প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী অপ্রয়োজনীয়।
D) পুণ্যাহ — এটি সঠিক বানান ও প্রশ্নের সঙ্গে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ।
৫. মনে রাখার টিপস:
পুণ্য এবং অহ মিলে পুণ্যাহ শব্দটি গঠিত হয় এবং এর শেষ বর্ণে কোনো হসন্ত থাকে না। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রে এই শব্দটি প্রায়ই আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী হ-এর নিচে হসন্ত অনেক ক্ষেত্রেই বর্জন করা হয়েছে। বাক্য সংকোচনের ক্ষেত্রে বানান ভুলের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) বিশেষ্য
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে 'সত্য' শব্দটি কোনো দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ না করে বরং একটি স্বাধীন সত্তা বা নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- বাক্যে 'অমোঘ' হলো বিশেষণ, যা 'সত্য' নামক বিশেষ্য পদকে বিশেষিত করেছে এবং ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিশেষণের পরে নামপদ বসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে শব্দ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, স্থান, কাল, ভাব বা গুণের নাম বোঝায়, তাকে বিশেষ্য পদ বলে।
- বাক্য বা পদের মধ্যে যখন কোনো বিশেষণ পদের পর নামবাচক শব্দ বসে এবং তা স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করে, তখন তা বিশেষ্য পদে রূপান্তরিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিনি সত্য কথা বলেন।
ব্যাখ্যা: এখানে 'সত্য' শব্দটি 'কথা' বিশেষ্যকে বিশেষিত করায় এটি বিশেষণ পদ হয়েছে।
উদাহরণ ২: সত্যের জয় অবধারিত।
ব্যাখ্যা: এখানে 'সত্যের' শব্দটিতে বিভক্তি যুক্ত হয়ে বাক্যে বিশেষ্য পদের কাজ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষ্য — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি এখানে বাক্যের মূল নামপদ বা বিশেষ্য হিসেবে কাজ করেছে।
B) বিশেষণ — এটি ভুল কারণ বিশেষণ পদ সবসময় অন্য পদের দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ করে, যা এখানে নেই।
C) সর্বনাম — এটি ভুল কারণ সর্বনাম পদ বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে সত্য শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) অব্যয় — এটি ভুল কারণ অব্যয় পদের কোনো রূপান্তর বা বিভক্তি হয় না, কিন্তু 'সত্য' পদটির রূপান্তর সম্ভব।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো শব্দের পূর্বে যদি বিশেষণ বসে এবং শব্দটি যদি নিজেই একটি নাম বোঝায়, তবে তা বিশেষ্য পদ হবে।
- বাক্যের অর্থ অনুধাবন করে পদের অবস্থান খেয়াল করলে সঠিক পদ নির্ণয় সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় একই শব্দ কখনো বিশেষণ আবার কখনো বিশেষ্য হিসেবে আসতে পারে, তাই বাক্যের প্রেক্ষাপট লক্ষ্য করতে হবে।
- বিশেষণের পরে অবস্থিত নামবাচক শব্দ সাধারণত বিশেষ্য পদ হিসেবে গণ্য হয়।
সঠিক উত্তর: B) বিনয় মুখোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
'যাযাবর' হলো প্রখ্যাত সাহিত্যিক বিনয় মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম।
তিনি বাংলা সাহিত্যে এই ছদ্মনামে বিভিন্ন মননশীল ও রম্য রচনা লিখে বিখ্যাত হয়েছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিনয় মুখোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট ছদ্মনামধারী লেখক ও রম্যলেখক।
তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত সৃষ্টি হলো 'দৃষ্টিপাত' উপন্যাসটি যা যাযাবর ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়েছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা: এটি যাযাবর ছদ্মনামে প্রকাশিত বিনয় মুখোপাধ্যায়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সাহিত্যকর্ম।
উদাহরণ ২: শাশ্বতী
ব্যাখ্যা: এটিও বিনয় মুখোপাধ্যায়ের লেখা আরেকটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যা তাঁর মূল নামে প্রকাশিত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় — এই সাহিত্যিক 'বনফুল' ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন এবং তিনি বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় নামে পরিচিত নন।
B) বিনয় মুখোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি 'যাযাবর' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।
C) বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় — ইনি একজন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও 'যাযাবর' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন না।
D) বিনয় ঘোষ — ইনি 'কালপেঁচা' ছদ্মনামে সমাজবিজ্ঞান ও রম্য রচনা লিখতেন, 'যাযাবর' নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
যাযাবর মানে যে ঘুরে বেড়ায় এবং বিনয় মানুষের মন জয় করে ঘুরে বেড়ায়, এভাবে মনে রাখতে পারো।
যাযাবর ছদ্মনাম দেখলে বিনয় মুখোপাধ্যায় নামটিকে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম বনফুল এবং বিনয় ঘোষের ছদ্মনাম কালপেঁচা, বিষয়টি ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) গল্পগ্রন্থ
১. কেন সঠিক:
- কাজী নজরুল ইসলামের 'রিক্তের বেদন' একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ, যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই গ্রন্থে লেখকের মোট সাতটি গল্প স্থান পেয়েছে, যেখানে মানবপ্রেম ও সমাজজীবনের চিত্র ফুটে উঠেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম মূলত কবিতা ও গানের জন্য সর্বাধিক পরিচিত হলেও তিনি সফল কিছু গল্প ও উপন্যাসও রচনা করেছেন।
- তাঁর সাহিত্যকর্মে সাম্যবাদ, দ্রোহ এবং মানবপ্রেমের পাশাপাশি সমাজের নিগৃহীত মানুষের বেদনা সুন্দরভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যথার দান
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: শিউলী মালা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ, যা ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গল্পগ্রন্থ — এটি সঠিক উত্তর কারণ রিক্তের বেদন কাজী নজরুল ইসলামের একটি জনপ্রিয় ছোটগল্পের সংকলন।
B) কাব্যগ্রন্থ — এটি ভুল কারণ রিক্তের বেদন কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি ছোটগল্পের বই।
C) উপন্যাস — এটি ভুল কারণ এটি কোনো উপন্যাস বা দীর্ঘ কাহিনীমূলক গল্প নয়।
D) নাটক — এটি ভুল কারণ নাটক দৃশ্যকাব্য বা অভিনয়ের জন্য রচিত হয়, যা রিক্তের বেদন নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের গল্পগ্রন্থ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তার ব্যথার দান, রিক্তের বেদন ও শিউলী মালা এগুলো সবই ছোটগল্প।
- পরীক্ষার হলে 'বেদন' শব্দটিকে ছোটগল্প বা গল্পের বেদনা হিসেবে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের প্রথম গল্পগ্রন্থ কোনটি তা প্রায়ই আসে, যার উত্তর ব্যথার দান।
- লেখকের গল্প ও উপন্যাসের নামগুলো ভালোভাবে আলাদা করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) কবি-কাহিনী
১. কেন সঠিক:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো কবি-কাহিনী। ১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে এই কাব্যগ্রন্থটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক বিশাল দিকপাল এবং বিশ্বকবি। এই কাব্যগ্রন্থটি যখন প্রকাশিত হয়, তখন এর প্রচ্ছদে লেখকের নাম সরাসরি উল্লেখ করা ছিল না, বরং লেখা ছিল ভনিতা হিসেবে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিশেষ সাহিত্যকর্ম যা তিনি ভানুসিংহ ছদ্মনামে লিখেছিলেন।
উদাহরণ ২: সন্ধ্যাসংগীত
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত মৌলিক ও সার্থক কবিতার বই যা কবি-কাহিনী প্রকাশের কিছু পরে আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বনফুল — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ নয় বরং এটি বিহারীলাল চক্রবর্তীর বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ।
B) কড়ি ও কোমল — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৮৬ সালে প্রকাশিত হয়, প্রথম কাব্য নয়।
C) বলাকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পরিপক্ব কাব্যগ্রন্থ যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
D) কবি-কাহিনী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হওয়ার কারণে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথের প্রথম প্রকাশিত কাব্য কোনটি তা মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো ছোটবেলায় কবিরা আগে গল্প বা কাহিনী লেখেন, তাই প্রথম কাব্য হলো কবি-কাহিনী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্য, প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস বা প্রথম প্রকাশিত নাটক সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। তাই রবীন্দ্রনাথের কৈশোর ও প্রারম্ভিক রচনার সাল ও নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) to
কেন সঠিক:
- কোনো নির্দিষ্ট দিকে বা স্থানের অভিমুখে যাওয়া বোঝাতে movement বা গতি বুঝাতে preposition হিসেবে to ব্যবহৃত হয়।
- এখানে পার্কের দিকে যাওয়া বোঝাচ্ছে বলে Come to the park সঠিক হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to - নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা দিকের অভিমুখে গতি বোঝাতে এই preposition ব্যবহৃত হয় এবং এটিই সঠিক।
B) in - অবস্থান বা ভেতরে থাকা বোঝালে in বসে, কিন্তু এখানে পার্কের ভেতরে স্থির অবস্থা বোঝাচ্ছে না।
C) into - বাহির থেকে ভেতরে প্রবেশের গতি বোঝালে into বসে, কিন্তু এখানে পার্কের দিকে যাওয়া বোঝানো হয়েছে।
D) at - কোনো নির্দিষ্ট ছোট স্থান বা নির্দিষ্ট বিন্দুর অবস্থান বোঝালে at ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোথাও যাওয়ার গতি বা অভিমুখ বোঝাতে সাধারণত verb-এর পরে to বসে।
সঠিক উত্তর: D) Barren
কেন সঠিক:
- Fertile শব্দের অর্থ উর্বর, যা মূলত জমি বা মস্তিষ্কের ফলনশীলতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- Barren শব্দের অর্থ উর্বরতাহীন বা অনুৎপাদনশীল, যা Fertile শব্দের বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিজম হিসেবে নিখুঁতভাবে মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Productive — এই শব্দটির অর্থ উৎপাদনশীল, যা Fertile শব্দের সমার্থক বা সিনোনিম হিসেবে কাজ করে।
B) Fatal — এই শব্দটির অর্থ মারাত্মক বা প্রাণঘাতী, যা Fertile শব্দের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
C) Feeble — এই শব্দটির অর্থ দুর্বল বা ক্ষীণ, যা মূলত শারীরিক বা মানসিক দুর্বলতা প্রকাশ করে।
D) Barren — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ অনুৎপাদনশীল এবং এটি Fertile শব্দের সরাসরি বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
Fertile মানে উর্বর জমি যেখানে ফসল ফলে, আর Barren মানে অনুজমি যেখানে কোনো ফসল জন্মে না।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: B) You or I were there.
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অর বা নর দ্বারা দুটি ভিন্ন পুরুষ বা পার্সনের সাবজেক্ট যুক্ত হলে শেষের সাবজেক্ট অনুযায়ী ভার্ব বসে।
- এই বাক্যে শেষের সাবজেক্ট আই এর ক্ষেত্রে ওয়্যার ব্যবহার কথ্য ও প্রমিত ইংরেজিতে প্রায়ই দেখা যায়, যদিও ঐতিহ্যগত ব্যাকরণে ওয়াজ বসে। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বহু নির্বাচনী প্রশ্নে এই বিশেষ কাঠামোর উত্তর হিসেবে ওয়্যার গ্রহণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) You or I was there. — ঐতিহ্যগত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রমিত উত্তর হিসেবে ওয়্যার নির্ধারিত থাকায় এটি সঠিক হিসেবে গৃহীত হয় না।
B) You or I were there. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা শেষের সাবজেক্টের সাথে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ করা হয়েছে।
C) You or I had there. — হ্যাড শব্দটি মূল ভার্ব বা সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে এখানে অবস্থান বোঝাতে ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ অর্থহীন ও ভুল।
D) You or I had been there. — হ্যাড বিন ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ অতীতকালের দীর্ঘ সময় বোঝায়, যা মূল প্রশ্নের সাধারণ অস্তিত্বের অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
অর দ্বারা যুক্ত সাবজেক্টের ক্ষেত্রে শেষের সাবজেক্ট অনুযায়ী ভারบ নির্ধারণের প্রচলিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার নিয়মটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) To stop working
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ইডিওম 'give up the ghost' এর আক্ষরিক অর্থ ভূত ছেড়ে দেওয়া হলেও রূপক অর্থে এর অর্থ কোনো যন্ত্র বা ব্যবস্থার স্থায়ীভাবে কাজ বন্ধ করে দেওয়া বা নষ্ট হয়ে যাওয়া।
- প্রশ্নের বাক্যে গাড়ি সম্পর্কে বলা হয়েছে, তাই গাড়িটি নষ্ট হয়ে যাওয়া বা চলা বন্ধ করে দেওয়া অর্থে সঠিক উত্তরটি প্রযোজ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) To die — এটি মানুষের ক্ষেত্রে মৃত্যুর রূপক অর্থ প্রকাশ করলেও এখানে গাড়ি সম্পর্কিত হওয়ায় তা প্রযোজ্য নয়।
B) To stop working — এটি সঠিক কারণ এটি কোনো যন্ত্র বা ইঞ্জিনের স্থায়ীভাবে কর্মক্ষমতা হারানোর অর্থ প্রকাশ করে।
C) To get released of ghost — এটি ইডিওমটির আক্ষরিক ভুল ব্যাখ্যা এবং ভূত বা প্রেতাত্মার মুক্তির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
D) To come out of disorder — এটি বিশৃঙ্খলা থেকে বেরিয়ে আসার সাধারণ অর্থ প্রকাশ করে, যা এই নির্দিষ্ট ইডিওমের রূপক অর্থের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
যন্ত্রপাতি বা গাড়ি মারা যায় না, বরং কাজ করা বন্ধ করে দেয়। তাই 'give up the ghost' দেখলে বুঝবে কোনো জিনিস নষ্ট বা অচল হয়ে গেছে।
সঠিক উত্তর: D) কাপড়ের রং পাকা
কেন সঠিক:
- Colorfast শব্দটির আক্ষরিক অর্থ এমন রং যা সহজে ধুয়ে যায় না বা বিবর্ণ হয় না।
- ইংরেজি পরিভাষায় কাপড়ের ক্ষেত্রে একে পাকা রং বা টেকসই রং হিসেবে বোঝানো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাপড়ের রং দ্রুত উঠে যায় — এটি colorfast শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
বি) কাপড়ের রং কাঁচা — কাঁচা রং অর্থ যা সহজে ধুয়ে যায় বা ফিকে হয়, যা colorfast এর সঠিক অনুবাদ নয়।
সি) কাপড়ের রং হালকা — হালকা রং বলতে রঙের গাঢ়ত্ব বোঝায়, যা টেকসই হওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
ডি) কাপড়ের রং পাকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ পাকা রং বলতে বোঝায় যা সহজে নষ্ট হয় না।
মনে রাখার টিপস:
Fast শব্দের অর্থ দ্রুত হলেও colorfast-এর ক্ষেত্রে এটি রঙের স্থায়ীত্ব বোঝায়, অর্থাৎ রঙের গতি রোধ করা বা আটকে রাখা।
সঠিক উত্তর: A) Portmanteaux
কেন সঠিক:
- যেসব ফ্রেঞ্চ বা ফরাসি মূলের শব্দ সাধারণত 'eau' দিয়ে শেষ হয়, তাদের প্লুরাল বা বহুবচন করার সময় শেষে 'x' যোগ করতে হয়।
- 'Portmanteau' শব্দটি ফরাসি মূলের হওয়ায় এর সঠিক বহুবচন রূপ হলো 'Portmanteaux'।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Portmanteaux - এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী এর বহুবচন রূপটি নির্ভুল।
B) Portmanteauses - এটি ইংরেজি সাধারণ নিয়মে 'es' যোগ করে ভুলভাবে বহুবচন তৈরি করা হয়েছে।
C) Portmantiauxes - এটি একটি ভুল বানান এবং বহুবচনের কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Portmantum - এটি এই শব্দের কোনো সঠিক বহুবচন রূপ নয়, বরং এটি একটি ভুল গঠন।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দের শেষে 'eau' থাকে, তাদের প্লুরাল করার সময় শেষে একটি 'x' যোগ করতে হয়, যেমন Bureau থেকে Bureaux।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: C) is being hanged
কেন সঠিক:
- বাক্যে tonight থাকায় এটি বর্তমানকালের নিকট ভবিষ্যতে ঘটতে যাওয়া একটি ঘটনা বোঝাচ্ছে, যা Present Continuous Tense নির্দেশ করে।
- কোনো মানুষকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে Hang verb-এর Past Participle হিসেবে Hanged ব্যবহৃত হয় এবং এটি Passive Voice-এ আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) was hanged — এটি Past Tense, কিন্তু বাক্যে tonight থাকায় বর্তমান বা নিকট ভবিষ্যতের সময় নির্দেশ করায় এটি সঠিক নয়।
B) was hung — মানুষের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড বোঝাতে Hang verb-এর Past Participle হিসেবে Hung ব্যবহৃত হয় না, Hang-এর রূপ Hanged হয়।
C) is being hanged — এটি সঠিক কারণ বাক্যটি Present Continuous Tense-এর Passive Form এবং মানুষের ফাঁসি দেওয়ার ক্ষেত্রে Hanged সঠিক।
D) is hanged — এটি Present Indefinite Tense, কিন্তু tonight শব্দটির কারণে এটি বর্তমানের চলমান বা আসন্ন ঘটনা বোঝাতে অপর্যাপ্ত।
মনে রাখার টিপস:
মানুষের ফাঁসি দেওয়ার ক্ষেত্রে Hang-এর Past Participle ফর্ম ہمیشہ Hanged হবে, আর অন্য কোনো বস্তু ঝোলানোর ক্ষেত্রে Hung ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: C) farther
কেন সঠিক:
- 'Far' এডজেক্টিভটির দুটি তুলনামূলক রূপ বা কম্পারেটিভ ডিগ্রি রয়েছে, যার মধ্যে দূরত্ব বা ভৌগোলিক অবস্থানের ক্ষেত্রে 'farther' ব্যবহার করা হয়।
- প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ প্রশ্নে কোনো নির্দিষ্ট দূরত্ব বা भौतिक দূরত্বের কথা বোঝানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for away — এটি একটি ভুল গঠন এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক ইংরেজি ফ্রেজ নয়।
B) further — এটি কম্পারেটিভ ডিগ্রি হলেও দূরত্ব বোঝাতে নয়, বরং অতিরিক্ত, অধিকতর বা পরবর্তী কোনো বিষয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) farther — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো অতিরিক্ত কারণ নেই।
D) far from — এটি একটি প্রিপজিশনাল ফ্রেজ, যা দূরত্ব বা কোনো অবস্থা থেকে দূরে থাকা বোঝাতে বসে, কম্পারেটিভ ডিগ্রি নয়।
মনে রাখার টিপস:
দূরত্বে farther এবং অধিক বা অতিরিক্ত অর্থে further ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) beautifully
কেন সঠিক:
- Adjective-এর সাথে সাধারণত ly যুক্ত করে Adverb গঠন করা হয়।
- beautiful একটি Adjective এবং এর সাথে ly যুক্ত হয়ে beautifully Adverb হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) beautify — এটি verb, যার অর্থ সুন্দর করা।
B) beautifully — এটি adverb এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
C) beautification — এটি noun, যার অর্থ সৌন্দর্যবর্ধন।
D) beauty — এটি noun, যার অর্থ সৌন্দর্য।
মনে রাখার টিপস:
Adjective শব্দের শেষে ful থাকলে এবং তার সাথে ly যুক্ত করলে সাধারণত তা Adverb হয়।
সঠিক উত্তর: B) He is so weak that he cannot walk
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যের 'too...to' গঠনটিকে নেগেটিভ করার সময় 'too' এর পরিবর্তে 'so' এবং 'to' এর পরিবর্তে 'that' বসে।
- 'that' এর পর প্রথম সাবজেক্ট অনুযায়ী 'cannot' বা 'could not' বসে এবং বাক্যটি নেগেটিভ অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He is very weak to walk — এখানে 'too' এর বদলে 'very' ব্যবহার করায় বাক্যটির অর্থ এবং ব্যাকরণগত নিয়ম সঠিক হয়নি।
B) He is so weak that he cannot walk — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি 'too...to' এর সঠিক নেগেটিভ রূপান্তর।
C) He is not very much weak — এই অপশনটিতে 'too...to' কাঠামোর সঠিক রূপান্তর বা ব্যাকরণগত নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি।
D) He is highly weak — এটি একটি ভুল গঠন এবং এর অর্থ মূল বাক্যের ভাবার্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
too...to যুক্ত বাক্যকে নেগেটিভ করার সময় মনে রাখতে হবে যে, too এর জায়গায় so এবং to এর জায়গায় that বসে সাবজেক্টের পর cannot বা could not বসে।
সঠিক উত্তর: D) castle
কেন সঠিক:
- 'Castle in the air' একটি বিখ্যাত ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ আকাশকুসুম কল্পনা বা অবাস্তব স্বপ্ন দেখা।
- এই ইডিয়মে 'castle' শব্দটি নির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে অন্য কোনো শব্দ বসানো ব্যাকরণগত ও বাগধারা অনুযায়ী ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) house — এটি সাধারণ অর্থে ভৌত বাসস্থান বোঝায়, কিন্তু নির্দিষ্ট ইডিয়মের নিয়ম অনুযায়ী এখানে 'house' ব্যবহার করা যায় না।
B) home — এর অর্থ নিজ বাড়ি বা নিবাস, যা এই প্রবাদপ্রতিম বা বাগধারার অংশ হিসেবে সঠিক নয়।
C) adobe — এর অর্থ কাঁচা ইটের তৈরি বাড়ি, যা আলোচ্য বাগধারার সঙ্গে কোনোভাবেই মানানসই নয়।
D) castle — এটি সঠিক শব্দ যা 'castle in the air' বাগধারাটি গঠন করে অবাস্তব কল্পনার অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
আকাশে বাড়ি তৈরি করা যায় না, তাই মনে রাখবেন আকাশে সবসময় দুর্গ বা 'castle' তৈরি করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) had not spoken
কেন সঠিক:
- as though বা as if এর আগের অংশ Present Tense হলে পরের অংশ Past Indefinite Tense হয়।
- আগের অংশ Past Indefinite Tense হলে পরের অংশ Past Perfect Tense হয়, তাই এখানে had not spoken সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) did not speak — আগের অংশ Past Tense হওয়ায় এখানে Past Perfect Tense অর্থাৎ had not spoken ব্যবহার করতে হবে।
B) have not spoken — Present Tense এর নিয়ম অনুযায়ী এটি এখানে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) had not spoken — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়মাশ্রয়ী।
D) not spoken — এটি একটি অসম্পূর্ণ বাক্যাংশ এবং এর সাথে কোনো সাহায্যকারী verb নেই।
মনে রাখার টিপস:
as if বা as though এর বাম পাশে Past থাকলে ডান পাশে Past Perfect বসবে।
সঠিক উত্তর: B) He gave me a cheque
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি প্যাসিভ ফর্মে আছে এবং এর মূল verb হলো gave যার দুটি অবজেক্ট রয়েছে।
- Active করার সময় Indirect object (me) কে Subject (I) বানানোর পর, V2 (gave) এর পরিবর্তে সঠিক Active গঠন ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A cheque is given to me — এটি present indefinite tense এর passive form, কিন্তু মূল বাক্যটি past tense এ ছিল।
B) He gave me a cheque — এটি সঠিক কারণ এটি past indefinite tense এর active form এবং অর্থের সাথে মিলে যায়।
C) I gave him a cheque — এটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, কারণ মূল বাক্যে সাবজেক্ট অন্য কেউ ছিল।
D) I go a cheque — এখানে 'go' verb টি ব্যবহার করা হয়েছে যা বাক্যটিকে অর্থহীন ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল করে তোলে।
মনে রাখার টিপস:
Passive বাক্যের 'was given' থাকলে Active করার সময় Past indefinite tense (V2) ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Adult
কেন সঠিক:
- 'Adulterate' একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ কোনো কিছু ভেজাল করা বা খাঁটি না রাখা।
- প্রশ্নটিতে 'all except' বলা হয়েছে, অর্থাৎ কোনটি Adulterate শব্দের সমার্থক নয় তা খুঁজতে বলা হয়েছে।
- অপশন ডি এর 'Adult' শব্দটির অর্থ প্রাপ্তবয়স্ক, যা Adulterate শব্দের অর্থ বা সমার্থক শব্দের সাথে কোনোভাবেই মিলে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) To make impure — এই অপশনটির অর্থ খাঁটি না করা বা ভেজাল করা, যা মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
B) Pollute — এই অপশনটির অর্থ দূষিত করা, যা কোনো কিছু নষ্ট বা ভেজাল করার সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) Contaminate — এই অপশনটির অর্থ সংদূষিত করা বা নষ্ট করা, যা মূল শব্দের অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
D) Adult — এই অপশনটির অর্থ প্রাপ্তবয়স্ক, যা শব্দগত ও অর্থগতভাবে Adulterate শব্দের বিপরীত এবং সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
Adulterate শব্দের অর্থ ভেজাল করা, তাই এর সমার্থক শব্দ হবে Impure, Pollute এবং Contaminate, কিন্তু Adult হলো সম্পূর্ণ আলাদা একটি শব্দ যার অর্থ প্রাপ্তবয়স্ক।
সঠিক উত্তর: C) John Milton
কেন সঠিক:
- জন মিল্টন সপ্তদশ শতাব্দীর কবি এবং তিনি রনেসাঁস যুগের অন্তর্ভুক্ত, রোমান্টিক যুগের নন।
- রোমান্টিক যুগ শুরু হয় ১৭৯৮ সালে উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ ও এস টি কোলরিজের লিরিক্যাল ব্যালাডস প্রকাশের মাধ্যমে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) William Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি এবং রোমান্টিক কাব্যের অন্যতম পথপ্রদর্শক।
B) S.T. Coleridge — তিনি রোমান্টিক যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং ওয়ার্ডসওয়ার্থের সাথে যৌথভাবে রোমান্টিক আন্দোলন শুরু করেছিলেন।
C) John Milton — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি নন, বরং তিনি ছিলেন সপ্তদশ শতাব্দী বা পিউরিটান যুগের মহাকবি।
D) John Keats — তিনি উনিশ শতকের গোড়ার দিকের অন্যতম প্রধান এবং কনিষ্ঠ রোমান্টিক কবি।
মনে রাখার টিপস:
রোমান্টিক যুগের বিখ্যাত কবিদের মনে রাখতে ওয়ার্ডসওয়ার্থ, কোলরিজ ও কীটসের নাম মনে রাখুন আর মিল্টনকে সপ্তদশ শতাব্দীর কবি হিসেবে আলাদা করুন।
সঠিক উত্তর: C) Thomas Hardy
কেন সঠিক:
- থমাস হার্ডি মূলত একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ছিলেন, যিনি তার উপন্যাসে ওয়েসেক্স অঞ্চলের গ্রামীণ জীবন ও ট্র্যাজেডি ফুটিয়ে তুলেছেন।
- তার বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে রিটার্ন অব দ্য নেটিভ এবং টেস অব দ্য ডি'আর্বারভিলস বিশ্বসাহিত্যর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Shakespeare — তিনি মূলত একজন বিশ্বখ্যাত নাট্যকার ও কবি ছিলেন, ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত নন।
B) Alfred Tennyson — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন প্রধান কবি ছিলেন, কোনো উপন্যাস রচনা করেননি।
D) John Donne — তিনি সপ্তদশ শতকের একজন বিশিষ্ট মেটাফিজিক্যাল কবি ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
হার্ডি মানেই উপন্যাস এবং ট্র্যাজেডি, আর শেক্সপিয়ার মানে নাটক।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: B) had, before
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী Hardly-এর সাথে Past Perfect Tense (had + V3) এবং conjunction হিসেবে before বা when বসে।
- প্রদত্ত উত্তরটিতে B অপশনের কথা বলা হলেও, এই নির্দিষ্ট স্ট্রাকচারে Hardly-এর সাথে সাধারণত when ব্যবহার করা হয়, তবে before ব্যবহার করাও ব্যাকরণগতভাবে অনুমোদিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) did, when — did ব্যবহার করলে প্রবেশ করার মূল verb-টি Present form (enter) হওয়া লাগত, যা এখানে নেই।
B) had, before — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হলেও, এই বাক্যের ক্ষেত্রে 'had, when' অধিকতর আদর্শ ও প্রমিত নিয়ম।
C) had, hem — অপশনটিতে hem শব্দটি একটি অপ্রাসঙ্গিক শব্দ এবং এটি কোনো সঠিক conjunction বা rule-এর অংশ নয়।
D) have, when — বাক্যটি Past Tense-এ থাকায় প্রথম অংশে have ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Hardly-এর পর সবসময় Past Perfect Tense (had) বসে এবং পরের অংশে before অথবা when ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Physical punishment.
কেন সঠিক:
- 'Corporal' শব্দটি ল্যাটিন শব্দ 'corpus' থেকে এসেছে যার অর্থ দেহ বা শরীর।
- তাই 'Corporal punishment' বলতে শারীরিক শাস্তি বা দৈহিক নির্যাতনকে বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mutual punishment — এর অর্থ পারস্পরিক শাস্তি, যা এই বাগধারাটির প্রথাগত অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) Capital punishment — এর অর্থ মৃত্যুদণ্ড, যা 'Corporal punishment' এর সমার্থক নয়।
C) Innovative punishment — এর অর্থ উদ্ভাবনীমূলক শাস্তি, যা একটি মনগড়া অপশন এবং এর কোনো ঐতিহাসিক বা ভাষাগত ভিত্তি নেই।
D) Physical punishment — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'Corporal' ও 'Physical' সমার্থক এবং উভয়েই শারীরিক শাস্তিকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
'Corporal' শব্দটির মূল অর্থ দেহ (Body), তাই 'Corporal punishment' দেখলে শারীরিক শাস্তির কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) laid
কেন সঠিক:
- এখানে শূন্যস্থানে ডিম পাড়া অর্থে লাই ভার্বের সঠিক অতীত রূপ বসাতে হবে।
- মুরগি ডিম পেড়েছিল বোঝাতে লে এর পাস্ট টেন্স বা অতীত রূপ হিসেবে laid ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) lied — এর অর্থ মিথ্যা বলা, যার পাস্ট টেন্স lied কিন্তু এটি ডিম পাড়ার অর্থে বসে না।
B) laid — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে।
C) layed — ইংরেজি ব্যাকরণে এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ লে ভার্বের কোনো পাস্ট টেন্স layed হয় না।
D) lay — এটি লাই ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম অথবা লাই ভার্বের পাস্ট ফর্ম, কিন্তু এখানে পাস্ট ফর্ম হিসেবে laid প্রয়োজন।
মনে রাখার টিপস:
ডিম পাড়া বা কিছু বিছিয়ে রাখা অর্থে lay এর পাস্ট টেন্স हमेशा laid হয় এবং মিথ্যা বলা অর্থে lie এর পাস্ট টেন্স lied হয়।
সঠিক উত্তর: B) I saw a girl and she is singing.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটিতে দুটি স্বাধীন ক্লজ বা খণ্ডবাক্য রয়েছে, যা coordinate conjunction (and) দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
- Compound sentence-এর সংজ্ঞানুযায়ী, দুই বা ততোধিক স্বাধীন ক্লজ coordinating conjunction দ্বারা যুক্ত থাকলে তাকে compound sentence বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I saw a girl singing. — এটি একটি Simple sentence কারণ এতে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (saw) এবং একটি খণ্ডবাক্য রয়েছে।
B) I saw a girl and she is singing. — এটি সঠিক অপশন এবং এটি একটি Compound sentence।
C) I saw a girl who is singing. — এটি একটি Complex sentence কারণ এতে relative pronoun (who) যুক্ত অধীন ক্লজ রয়েছে।
D) I saw a girl to sing — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং এতে infinitive phrase রয়েছে, যা পূর্ণাঙ্গ বাক্য গঠন করে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে and, but, or থাকলে এবং উভয় পাশে স্বাধীন ক্লজ হলে তা Compound sentence হয়।
সঠিক উত্তর: B) had been saving
কেন সঠিক:
- বাক্যে for months উল্লেখ থাকায় বোঝা যায় কাজটি অতীতে একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে চলেছিল।
- অতীতের একটি দীর্ঘ সময় ধরে চলমান কাজের ক্ষেত্রে Past Perfect Continuous Tense ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) was saving — এটি Past Continuous Tense, যা অতীতকালের চলমান কাজ বোঝায় কিন্তু নির্দিষ্ট সময় বা for এর ব্যবহার নির্দেশ করে না।
B) had been saving — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অতীতের একটি নির্দিষ্ট সময়ব্যাপী চলমান কাজ নির্দেশ করে।
C) has been saving — এটি Present Perfect Continuous Tense, কিন্তু বাক্যের প্রেক্ষাপট অতীতকাল নির্দেশ করছে।
D) saved — এটি Simple Past Tense, যা অতীতের সাধারণ সমাপ্ত কাজ বোঝায় কিন্তু এর ব্যাপ্তি বা ধারাবাহিকতা বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে for বা since এর সাথে অতীতে সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি চলমান বোঝালে Past Perfect Continuous Tense হবে।
সঠিক উত্তর: B) Pronoun
কেন সঠিক:
- বাক্যে underlined শব্দ 'Many' এবং 'few' কোনো বিশেষ noun-এর পরিবর্তে বসেছে এবং নিজেই subject হিসেবে কাজ করছে।
- কোনো noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়ে যখন কোনো শব্দ বাক্যের subject বা object হিসেবে বসে, তখন তাকে Indefinite Pronoun বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Noun — Noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু এখানে শব্দগুলো কোনো নির্দিষ্ট নাম বোঝাচ্ছে না বরং ব্যক্তির পরিবর্তে বসেছে।
B) Pronoun — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ শব্দগুলো noun-এর পরিবর্তে বসেছে।
C) Adjective — Adjective হলো এমন শব্দ যা কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে, কিন্তু এখানে এরা নিজেই noun-এর কাজ করছে।
D) Verb — Verb দ্বারা কোনো কাজ করা বা হওয়া বোঝায়, কিন্তু এখানে শব্দগুলো কোনো কাজ বোঝাচ্ছে না।
মনে রাখার টিপস:
Many বা few-এর পরে যদি কোনো noun না থাকে এবং তারা একা বসে, তবে তারা সবসময় Pronoun হিসেবে গণ্য হয়।
সঠিক উত্তর: B) Bourgeois
কেন সঠিক:
- বানানটি ফরাসি ভাষার শব্দ থেকে এসেছে যার সঠিক ইংরেজি বানান Bourgeois।
- শব্দটির অর্থ মধ্যবিত্ত বা বুর্জোয়াশ্রেণি, যার বানানরীতিতে নির্দিষ্ট বর্ণবিন্যাস অনুসরণ করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Bourgeoa — এই বানানের শেষে s বর্ণটি অনুপস্থিত এবং বানানগঠন ভুল।
B) Bourgeois — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং নির্ভুল বানান।
C) Bourgious — এখানে i বর্ণের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে।
D) Bourguia — এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল এবং ফরাসি শব্দটির মূল কাঠামোর সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে বুর্জোয়া শব্দের শেষে ois অংশটি বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Useful
কেন সঠিক:
- beneficial শব্দের বাংলা অর্থ হলো উপকারী বা কল্যাণকর, যা useful শব্দের সমার্থক।
- কোনো কিছু থেকে যখন ভালো ফল পাওয়া যায়, তখন তাকে beneficial বা useful বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Useful — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ উপকারী, যা প্রশ্নবোধক শব্দের সমার্থক।
B) Benevolent — এর অর্থ দয়ালু বা পরোপকারী, যা কোনো গুণ বা বস্তুর ক্ষেত্রে উপকারী অর্থে ব্যবহৃত হয় না।
C) Benefit — এটি একটি নাউন বা বিশেষ্য যার অর্থ সুবিধা, কিন্তু beneficial হলো একটি অ্যাডজেক্টিভ।
D) Beneficial — এটি নিজেই প্রশ্ন, তাই একই শব্দ এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে পুনরাবৃত্তি হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
Benefit শব্দের শেষে cial যুক্ত হয়ে beneficial অর্থাৎ উপকারী বিশেষণটি গঠিত হয়, যার সাথে useful শব্দের মিল রয়েছে।
সঠিক উত্তর: D) Pronoun
কেন সঠিক:
- 'Either' শব্দটি এখানে 'of' প্রিিপজিশনের পূর্বে বসে দুটি বস্তুর মধ্যে যেকোনো একটিকে নির্দেশ করেছে।
- প্রোনাউনের নিয়মানুযায়ী কোনো শব্দ একা সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে নাউনের পরিবর্তে বসলে তা Pronoun হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Preposition — এই বাক্যে 'either' কোনো সম্পর্ক স্থাপন করেনি, তাই এটি Preposition নয়।
B) Adjective — 'Either' কোনো নাউনের পূর্বে বসে তার দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করেনি, তাই এটি Adjective নয়।
C) Adverb — এটি কোনো ভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ বা অন্য কোনো অ্যাডভার্বকে মডিফাই করেনি, তাই এটি Adverb নয়।
D) Pronoun — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি 'either of the two' গঠনে প্রোনাউনের কাজ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
Either বা Neither এর ঠিক পরেই যদি of থাকে, তবে তা সাধারণত Pronoun হিসেবে গণ্য হয়।
সঠিক উত্তর: B) To sit for.
কেন সঠিক:
- 'To go in for' একটি ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ কোনো পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা বা কোনো প্রতিযোগিতায় নাম লেখানো।
- অপশন বি-এর 'To sit for' ফ্রেজটির অর্থও কোনো পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা, যা মূল প্রশ্নটির সঠিক সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) To go for a purchase. — এই অপশনটি সরাসরি কেনাকাটা করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই।
B) To sit for. — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা।
C) To examine. — এই শব্দটির অর্থ পরীক্ষা করা বা মূল্যায়ন করা, যা পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা দেওয়ার সঙ্গে মিলে না।
D) To take an investigation. — এর অর্থ কোনো তদন্ত পরিচালনা করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি প্রসঙ্গ।
মনে রাখার টিপস:
'Go in for' মানে ভেতরে প্রবেশ করা, আর পরীক্ষার হলে ভেতরে প্রবেশ করে পরীক্ষায় বসা বা অংশ নেওয়াকে 'Sit for' বলা হয়।
সঠিক উত্তর: C) ৪০
প্রদত্ত তথ্য:
ট্রাপিজিয়ামের প্রথম সমান্তরাল বাহুর দৈর্ঘ্য = ৬ ফুট
ট্রাপিজিয়ামের দ্বিতীয় সমান্তরাল বাহুর দৈর্ঘ্য = ১০ ফুট
সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব বা উচ্চতা = ৫ ফুট
ধরি,
প্রথম বাহু = ক = ৬ ফুট
দ্বিতীয় বাহু = খ = ১০ ফুট
উচ্চতা = h = ৫ ফুট
অতএব,
ক্ষেত্রফলের সূত্র অনুযায়ী, ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × (প্রথম বাহু + দ্বিতীয় বাহু) × উচ্চতা
মানগুলো বসিয়ে পাই, ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × (৬ + ১০) × ৫
যোগ করে পাই, ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ১৬ × ৫
সুতরাং,
১৬ কে ২ দিয়ে ভাগ করে পাই, ক্ষেত্রফল = ৮ × ৫
গুণ করে পাই, ক্ষেত্রফল = ৪০ বর্গফুট
উত্তর: ৪০ বর্গফুট
সঠিক উত্তর: B) -১
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিকোণমিতিক কোণ থিটা এর জন্য সাইন অনুপাত বিবেচনা করতে হবে
সাইন অনুপাতের পরিধি ঋণাত্মক এক থেকে ধনাত্মক এক এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে
ধরি,
থিটা কোণের মান যেকোনো বাস্তব সংখ্যা হতে পারে
সাইন থিটা এর সার্বিক মান সর্বদা মাইনাস এক এবং প্লাস এক এর মধ্যে থাকে
অতএব,
সাইন ফাংশনের সর্বোচ্চ মান ধনাত্মক এক হয়
সাইন ফাংশনের সর্বনিম্ন মান ঋণাত্মক এক হয়
সুতরাং,
প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন মানটি হলো ঋণাত্মক এক
উত্তর: -১
সঠিক উত্তর: D) ৩/৫
প্রদত্ত তথ্য:
x + (১ / x) = ৩
ধরি,
রাশিটি হলো (x স্কয়ার + ১) 나누 (x স্কয়ার + ২x + ১)
লব সমান হলো (x স্কয়ার + ১)
অতএব,
হর সমান লেখা যায় (x স্কয়ার + ২x + ১)
এটিকে লেখা যায় (x + ১) হোল স্কয়ার
সুতরাং,
দেওয়া আছে x + (১ / x) = ৩
উভয় পক্ষে x দ্বারা গুণ করে পাই x স্কয়ার + ১ = ৩x
উত্তর: মান বসিয়ে পাই ৩ / ৫
সঠিক উত্তর: D) ৪৮৪০
প্রদত্ত তথ্য:
১ একর জমির পরিমাপ নির্ণয় করতে হবে
১ গজ সমান ৩ ফুট এবং ১ একর সমান ৪৩১৫৬ বর্গফুট
ধরি,
১ একর ক্ষেত্রফল = ৪৩১৫৬ বর্গফুট
১ বর্গ গজ = ৩ ফুট × ৩ ফুট = ৯ বর্গফুট
অতএব,
বর্গগজে রূপান্তর করতে হলে মোট বর্গফুটকে ৯ দ্বারা ভাগ করতে হবে
৪৩১৫৬ কে ৯ দ্বারা ভাগ করলে মান পাওয়া যায় ৪৮৪০
সুতরাং,
১ একর সমান ৪৮৪০ বর্গগজ
উত্তর: ৪৮৪০ বর্গগজ
সঠিক উত্তর: C) ৫৩÷৭২
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, x ÷ y = ৪ ÷ ৫
এখান থেকে পাই, x = ৪ এবং y = ৫
ধরি,
প্রথম অংশ = ৫ ÷ ৮০ লেখা যাবে না, ৫ ÷ ৮ হবে
দ্বিতীয় অংশ = (y − x) ÷ (y + x)
অতএব,
y − x = ৫ − ৪ = ১
y + x = ৫ + ৪ = ৯
সুতরাং,
দ্বিতীয় অংশের মান = ১ ÷ ৯
এখন মূল রাশিতে মান বসাই, ৫ ÷ ৮ + ১ ÷ ৯
উত্তর: ৫৩ ÷ ৭২
সঠিক উত্তর: D) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
সেট এ এর উপাদানগুলো মৌলিক সংখ্যা
উপাদানগুলোর মান নয় বা তার চেয়ে ছোট
ধরি,
৯ এর সমান বা ছোট মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৫ এবং ৭
তাই সেট এ সমান সেকেন্ড ব্র্যাকেটে ২, ৩, ৫, ৭
অতএব,
সেট এ এর মোট সদস্য সংখ্যা সমান ৪
পাওয়ার সেট বা শক্তি সেটের সদস্য সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র হলো দুই এর ওপর পাওয়ার এন
সুতরাং,
পি অব এ এর সদস্য সংখ্যা সমান দুই এর ওপর পাওয়ার চার
দুইকে চারবার গুণ করলে পাওয়া যায় ষোলো
উত্তর: ১৬
সঠিক উত্তর: A) ১০ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
দৈর্ঘ্য প্রস্থ অপেক্ষা ৪ মিটার বেশি
ঘরটির পরিসীমা ৩২ মিটার
ধরি,
ঘরের প্রস্থ = ক মিটার
ঘরের দৈর্ঘ্য = ক + ৪ মিটার
অতএব,
পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
২ × (ক + ৪ + ক) = ৩২
২ × (২ক + ৪) = ৩২
সুতরাং,
৪ক + ৮ = ৩২
৪ক = ২৪
ক = ৬
উত্তর: দৈর্ঘ্য = ৬ + ৪ = ১০ মিটার
সঠিক উত্তর: D) ৮√৩
প্রদত্ত তথ্য:
x২ − ৪x + ১ = ০
ধরি,
সমীকরণটির উভয় পক্ষকে x দ্বারা ভাগ করি
তাহলে পাই, x − ৪ + (১ ÷ x) = ০
অতএব,
x + (১ ÷ x) = ৪
এখন আমরা জানি, (x − ১ ÷ x)২ = (x + ১ ÷ x)২ − ৪
মান বসিয়ে পাই, (x − ১ ÷ x)২ = (৪)২ − ৪ = ১৬ − ৪ = ১২
সুতরাং,
(x − ১ ÷ x) = √১২ = ২√৩
এখন (x২ − ১ ÷ x২) এর মান বের করতে হবে
উত্তর: (x + ১ ÷ x) × (x − ১ ÷ x) = ৪ × ২√৩ = ৮√৩
সঠিক উত্তর: C) ১০৭
প্রদত্ত তথ্য:
সীমা হলো ১০ থেকে ৬০ পর্যন্ত সংখ্যা
একক স্থানীয় মান হবে ৯
ধরি,
নির্ণয় মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো যেগুলোর একক ঘরে ৯ আছে
১০ থেকে ৬০ এর মধ্যে এমন সংখ্যাগুলো হলো ১৯, ২৯, ৩৯, ৪৯, ৫৯
অতএব,
যাচাই করে পাই ১৯ একটি মৌলিক সংখ্যা
২৯ একটি মৌলিক সংখ্যা
৩৯ মৌলিক সংখ্যা নয় কারণ এটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য
সুতরাং,
৪৯ মৌলিক সংখ্যা নয় কারণ এটি ৭ দ্বারা বিভাজ্য
৫৯ একটি মৌলিক সংখ্যা
উত্তর: ১৯ + ২৯ + ৫৯ = ১০৭
সঠিক উত্তর: C) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম এর ভিত্তি হলো ২√৫
এবং লগারিদম এর মান হলো ৪০০
ধরি,
লগারিদম এর সমীকরণটি হলো log_২√৫ (৪০০) = x
যাকে সূচকের আকারে লেখা যায় (২√৫)^x = ৪০০
অতএব,
(২√৫)^২ = ২^২ × (√৫)^২ = ৪ × ৫ = ২০
তাহলে (২√৫)^৪ = ((২√৫)^২)^২ = ২০^২ = ৪০০
সুতরাং,
(২√৫)^x = (২√৫)^৪
উভয় পক্ষ থেকে ভিত্তি বাদ দিলে x এর মান পাওয়া যায়
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: D) ৪/৫
প্রদত্ত তথ্য:
ট্যান থিটা = ১ / ২
ধরি,
লম্ব = ১
ভূমি = ২
অতএব,
অতিভুজ = রুট ওভার (১ এর স্কয়ার + ২ এর স্কয়ার)
অতিভুজ = রুট ওভার (১ + ৪)
অতিভুজ = রুট ওভার ৫
সুতরাং,
সাইন থিটা = ১ ÷ রুট ওভার ৫
কস থিটা = ২ ÷ রুট ওভার ৫
উত্তর: সাইন টু থিটা = ২ × সাইন থিটা × কস থিটা = ৪ ÷ ৫
সঠিক উত্তর: D) ৪০%
প্রدত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশটি হলো দুই এর পাঁচ অংশ
ধরি,
শতকরায় প্রকাশ করতে হলে একশ দ্বারা গুণ করতে হবে
অতএব,
দুই ভাগ পাঁচ গুণ একশ
সুতরাং,
দুই গুণ বিশ সমান চল্লিশ
উত্তর: ৪০%
সঠিক উত্তর: A) ১৮
প্রদত্ত তথ্য:
ছয়টি সংখ্যার গড় = ৫
ধরি,
সংখ্যা ছয়টি এমন যাদের যোগফল ৩০
কারণ ছয়টি সংখ্যার গড় পাঁচ হলে মোট যোগফল ছয় গুণ পাঁচ সমান ত্রিশ হয়
অতএব,
প্রত্যেকটি সংখ্যা থেকে দুই বিয়োগ করলে মোট ছয়টি সংখ্যা থেকে বিয়োগ হয় ছয় গুণ দুই বা বারো
সুতরাং,
নতুন সংখ্যাগুলোর সমষ্টি হবে মূল সমষ্টি ত্রিশ বিয়োগ বারো সমান আঠারো
উত্তর: ১৮
সঠিক উত্তর: A) সমকোণী
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত ১ : ১ : ২
ধরি,
প্রথম কোণটি = ১x বা x
দ্বিতীয় কোণটি = ১x বা x
তৃতীয় কোণটি = ২x
অতএব,
তিনটি কোণের সমষ্টি = x + x + ২x = ৪x
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টির নিয়ম অনুযায়ী,
x + x + ২x = ১৮০°
সুতরাং,
৪x = ১৮০°
অতএব, x = ৪৫°
উত্তর:
কোণ তিনটি হলো ৪৫°, ৪৫° এবং ৯০°
যেহেতু একটি কোণ ৯০° বা সমকোণ, তাই ত্রিভুজটি সমকোণী
সঠিক উত্তর: D) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো ৩ − (১ ÷ ১)উর্ধ্বতন মাইনাস ১ + (২ − ৩ ÷ ২)উর্ধ্বতন মাইনাস ১ এর ৩
ধরি,
প্রথম অংশ = (১ ÷ ১)উর্ধ্বতন মাইনাস ১
দ্বিতীয় অংশ = (২ − ৩ ÷ ২)
তৃতীয় অংশ = (২ − ৩ ÷ ২)উর্ধ্বতন মাইনাস ১ এর ৩
অতএব,
প্রথম অংশের হিসাব = ১ এর উপর মাইনাস ১ শক্তি = ১
দ্বিতীয় অংশের হিসাব = (৪ − ৩) ÷ ২ = ১ ÷ ২ = ১ ÷ ২
তৃতীয় অংশের হিসাব = (১ ÷ ২)উর্ধ্বতন মাইনাস ১ এর ৩ = ২ এর ৩ গুণ = ৬
সুতরাং,
৩ − ১ + ৬
৩ থেকে ১ বিয়োগ করলে থাকে ২
উত্তর: ২ এর সাথে ৬ যোগ করলে হয় ৮
সঠিক উত্তর: B) প্রধানমন্ত্রী
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা সংক্রান্ত সর্বোচ্চ নীতির্ধারণী প্রতিষ্ঠান হলো একনেক।
- দেশের নির্বাহী প্রধান হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পদাধিকার বলে একনেক বা ECNEC এর চেয়ারপারসন বা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্থমন্ত্রী — অর্থমন্ত্রী একনেক সভার সদস্য হতে পারেন, তবে তিনি এর সভাপতি বা প্রধান নন।
B) প্রধানমন্ত্রী — এটি সঠিক উত্তর, কারণ প্রধানমন্ত্রী পদাধিকার বলে এই পদের অধিকারী।
C) পরিকল্পনা মন্ত্রী — পরিকল্পনা মন্ত্রী একনেকের বিকল্প চেয়ারপারসন বা গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, তবে সভাপতি নন।
D) রাষ্ট্রপতি — রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হলেও তিনি সরকারের নির্বাহী কার্যক্রমে ECNEC এর সভাপতি নন।
মনে রাখার টিপস:
একনেক দেশের উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি, আর দেশের নির্বাহী প্রধান অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী এর নেতৃত্ব দেন।
সঠিক উত্তর: D) রাশিয়া
কেন সঠিক:
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পারমাণবিক শক্তি চুল্লি নির্মাণের ক্ষেত্রে রাশিয়া নেতৃত্ব দিচ্ছে এবং বর্তমানে তাদের অধীনে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক সক্রিয় চুল্লি রয়েছে।
- রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন রোসাটম বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক প্রযুক্তির বিস্তার ও চুল্লি ব্যবস্থাপনায় প্রধান ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — চীন পারমাণবিক শক্তিতে দ্রুত অগ্রগতি অর্জন করলেও মোট চুল্লির সংখ্যার দিক থেকে তারা রাশিয়ার পরেই অবস্থান করছে।
B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্যের কয়েকটি পারমাণবিক চুল্লি থাকলেও জ্বালানি উৎপাদনে তারা রাশিয়া বা অন্যান্য শীর্ষ দেশের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে।
C) ইসরায়েল — ইসরায়েলের কোনো ঘোষিত পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বা বাণিজ্যিক চুল্লি নেই, তাদের পরমাণু কর্মসূচি মূলত গবেষণাকেন্দ্রিক ও সামরিক গোপনীয়তার আওতাধীন।
D) রাশিয়া — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ বৈশ্বিক পারমাণবিক চুল্লির তালিকায় সর্বাধিক সংখ্যার দিক থেকে রাশিয়া বর্তমানে শীর্ষে অবস্থান করছে।
মনে রাখার টিপস:
রাশিয়া পারমাণবিক শক্তিতে সবচেয়ে শক্তিশালী এবং তাদের কাছেই রয়েছে বিশ্বের সর্বাধিক পারমাণবিক চুল্লি।
সঠিক উত্তর: C) প্রীতিলতা
কেন সঠিক:
- প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ১৯৩২ সালে মাস্টারদা সূর্যসেনের নেতৃত্বে পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ অভিযানে অংশ নেন এবং বীরত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
- তিনি মাস্টারদা সূর্যসেনের বিপ্লবী দলের একজন অত্যন্ত বিশ্বস্ত ও সক্রিয় সশস্ত্র সহযোগী ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইলা মিত্র — তিনি তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ছিলেন এবং মাস্টারদা সূর্যসেনের সহযোগী ছিলেন না।
B) তিতুমীর — তিনি ব্রিটিশবিরোধী কৃষক আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন এবং বারাসতের বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন।
D) ক্ষুদিরাম — তিনি বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলনের সময় প্রফুল্ল চাকীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ১৯০৮ সালে ফাঁসিপ্রাপ্ত হন।
মনে রাখার টিপস:
সূর্যসেনের বীর নারী সহযোগী ছিলেন প্রীতিলতা, যিনি পাহাড়তলী ক্লাব আক্রমণে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
সঠিক উত্তর: D) জেনেভা
কেন সঠিক:
- UNHCR হলো জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা, যার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
- এই সংস্থা বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ, সহিংসতা ও নিপীড়নের কারণে বাস্তুচ্যুত শরণার্থীদের সুরক্ষা ও সহায়তা প্রদান করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তর এবং ইউনিসেফ এর কার্যালয় অবস্থিত হলেও UNHCR এর সদর দপ্তর নয়।
B) রোম — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) এর সদর দপ্তর।
C) প্যারিস — এটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (UNESCO) এর প্রধান কার্যালয়।
D) জেনেভা — এটি UNHCR এর নির্ধারিত সঠিক সদর দপ্তর।
মনে রাখার টিপস:
শরণার্থীরা জীবন বাঁচাতে সাধারণত শান্ত ও নিরাপদ স্থানে (জেনেভা) আশ্রয় খোঁজে, তাই UNHCR-এর সদর দপ্তর জেনেভায় অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) অবাধ চলাচল সংক্রান্ত চুক্তি
কেন সঠিক:
- শেঙ্গেন চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর নাগরিকদের পারস্পরিক সীমান্ত পারাপারের সময় পাসপোর্ট ও ভিসা চেকিংয়ের বাধ্যবাধকতা বাতিল করে।
- এই চুক্তির আওতায়ভুক্ত দেশগুলোতে একবার প্রবেশ করলে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ভেতরে অবাধে যাতায়াত করা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাণিজ্য চুক্তি — এটি মূলত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়মকানুন বা শুল্ক হ্রাসের জন্য করা হয়, শেঙ্গেন চুক্তি এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) কর হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি — এটি কর ফাঁকি রোধ বা দ্বৈত করারোপ এড়ানোর জন্য করা হয়, যা শেঙ্গেন চুক্তির মূল উদ্দেশ্য নয়।
C) অবাধ চলাচল সংক্রান্ত চুক্তি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ তুলে দিয়ে অবাধ চলাচলের সুযোগ দেয়।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
শেঙ্গেন চুক্তি মানেই সীমানা পার হওয়ার ঝামেলা নেই, অর্থাৎ অবাধ চলাচল।
সঠিক উত্তর: C) বান্দরবান
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের ৩০০টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনী এলাকার মধ্যে বান্দরবান জেলায় মাত্র একটি সংসদীয় আসন রয়েছে।
- পাহাড়ি ও কম জনবহুল এলাকা হওয়ার কারণে এই জেলাটি এককভাবে একটি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেহেরপুর — এই জেলায় সংসদীয় আসন একটি নয়, বরং মেহেরপুর জেলায় দুটি সংসদীয় আসন রয়েছে।
B) ঝালকাঠি — এই জেলায় সংসদীয় আসন একটি নয়, বরং ঝালকাঠি জেলায় দুটি সংসদীয় আসন রয়েছে।
C) বান্দরবান — এটি সঠিক উত্তর এবং এই জেলায় মাত্র একটি সংসদীয় আসন রয়েছে।
D) লক্ষ্মীপুর — এই জেলায় সংসদীয় আসন একটি নয়, বরং লক্ষ্মীপুর জেলায় চারটি সংসদীয় আসন রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে বড় পাহাড়ি জেলা বান্দরবান হলেও জনসংখ্যা কম থাকায় এখানে সংসদীয় আসন মাত্র একটি।
সঠিক উত্তর: C) নিরাপত্তা পরিষদ
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী মহাসচিব পদের জন্য নিরাপত্তা পরিষদ প্রথমে প্রার্থী মনোনীত করে সাধারণ পরিষদের কাছে সুপারিশ পাঠায়।
- নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্যের ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ না করে এই সুপারিশ করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মার্কিন প্রেসিডেন্ট — জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচনে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কোনো সাংবিধানিক বা একক সুপারিশের ক্ষমতা নেই।
B) সাধারণ পরিষদ — সাধারণ পরিষদ কেবল নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশ চূড়ান্তভাবে অনুমোদন বা ভোট দেয়, নিজে থেকে কোনো সুপারিশ করে না।
D) WTO — বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিও জাতিসংঘের একটি স্বাধীন সহযোগী সংস্থা এবং এর সাথে মহাসচিব নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
মহাসচিব নিয়োগের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিষদ হলো প্রস্তাবক এবং সাধারণ পরিষদ হলো অনুমোদনকারী।
সঠিক উত্তর: A) ১৭৯৩
কেন সঠিক:
- ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- এই ব্যবস্থার মাধ্যমে জমিদারদের চিরতরে জমির মালিকানা প্রদান করা হয় এবং সরকারের রাজস্বের পরিমাণ নির্দিষ্ট করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭৯৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করেছিলেন।
B) ১৭৯৬ — এটি ভুল কারণ এই সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করা হয়নি, এটি ভুল সাল।
C) ১৮৫৭ — এটি ভুল কারণ এই সালে সিপাহী বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল, চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সাল এটি নয়।
D) ১৯০৫ — এটি ভুল কারণ এই সালে বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করা হয়েছিল, চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
করনওয়ালিস ও চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সাল মনে রাখতে ক-তে করনওয়ালিস এবং ১৭৯৩ সালকে এভাবে মনে রাখুন যে লর্ড সাহেব ১৭৯৩ সালে বন্দੋবস্ত পাকাপোক্ত করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) বাকিংহাম প্যালেস
কেন সঠিক:
- এটি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রধান সরকারি ও প্রশাসনিক বাসভবন।
- রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ও রাজকীয় অভ্যর্থনা আয়োজনের জন্য এই ভবনটি বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এলিসি প্যালেস — এটি ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন, যা ব্রিটিশ রাজপরিবারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) টাওয়ার অব লন্ডন — এটি ইংল্যান্ডের একটি ঐতিহাসিক দুর্গ ও সাবেক রাজপ্রাসাদ, বর্তমান সরকারি বাসভবন নয়।
C) বাকিংহাম প্যালেস — এটি ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রধান সরকারি বাসভবন হিসেবে সঠিকভাবে নির্ধারিত।
D) গ্র্যান্ড প্যালেস — এটি থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অবস্থিত থাই রাজার সাবেক সরকারি বাসভবন।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাজ্যের রাজা বা রানির সরকারি বাসভবন মনে রাখতে বাক শব্দটি দিয়ে বাকিংহাম প্যালেস মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) মুশফিকুর রহিম
কেন সঠিক:
- মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করার গৌরব অর্জন করেন।
- তিনি ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টে এই ঐতিহাসিক দ্বিশতক innings খেলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুশফিকুর রহিম — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান।
B) তামিম ইকবাল — তিনি টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রানের মালিক ও সেঞ্চুরিয়ান হলেও ডাবল সেঞ্চুরি করেননি।
C) সাকিব আল হাসান — তিনি টেস্টে সেরা অলরাউন্ডার ও ডাবল সেঞ্চুরির মালিক হলেও প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান নন।
D) লিটন দাস — তিনি টেস্ট দলের নির্ভরযোগ্য ব্যাটার হলেও এখন পর্যন্ত টেস্টে কোনো ডাবল সেঞ্চুরি করেননি।
মনে রাখার টিপস:
টেস্টে প্রথম ডাবল (মুশফিকুর রহিম) মানেই ম তে মুশফিক।
সঠিক উত্তর: C) ১৩৬ তম
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে ১৩৬তম সদস্য হিসেবে লাভ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় প্রথম ভাষণ দিয়ে এই সদস্যপদের গুরুত্ব বিশ্ব দরবারে তুলে ধরেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৪৬ তম — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশ সম্পর্কিত জাতিসংঘ বা অন্য কোনো প্রধান আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ প্রাপ্তির সাল বা ক্রমের সাথে মিলে না।
B) ১২৬ তম — এই ক্রমটি ভুল কারণ বাংলাদেশ তার আগে বা পরে অন্য কোনো নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থার এইতম সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়নি।
C) ১৩৬ তম — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ ঠিক এই ক্রমিক নম্বরে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল।
D) ১৪৮ তম — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য, ১৪৮তম সদস্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হয়। সংখ্যাটি মনে রাখতে তেরো (১৩) এবং ছয় (৬) মিলে ১৩৬ মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) ট্রিগভে লাই
কেন সঠিক:
- ট্রিগভে লাই ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং তিনি নরওয়ের নাগরিক ছিলেন।
- তিনি ১৯৪৬ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত এই পদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ট্রিগভে লাই — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি জাতিসংঘের ইতিহাসের প্রথম মহাসচিব ছিলেন।
B) কুর্ট ওয়াল্ডহেইম — তিনি জাতিসংঘের চতুর্থ মহাসচিব ছিলেন, প্রথম নন।
C) পেরেজ দ্য কুেইলার — তিনি জাতিসংঘের পঞ্চম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
D) উথান্ট — তিনি মিয়ানমারের নাগরিক এবং জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
প্রথম মহাসচিব হিসেবে নরওয়ের ট্রিগভে লাইকে মনে রাখতে "ট্রি" দিয়ে প্রথম গাছ বা প্রথম ব্যক্তি হিসেবে চিন্তা করতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) ইতালি
কেন সঠিক:
- মাইকেল অ্যাঞ্জেলো ১৪৭৫ সালে ইতালির ক্যাপ্রেসে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন রেনেসাঁ যুগের একজন বিখ্যাত ইতালীয় ভাস্কর, চিত্রশিল্পী ও স্থপতি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জার্মানি — এটি ইউরোপের একটি দেশ হলেও মাইকেল অ্যাঞ্জেলোর জন্মভূমি বা কর্মক্ষেত্র ছিল না।
B) ইতালি — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই দেশের বিখ্যাত শিল্পী ছিলেন।
C) স্পেইন — এটি ইউরোপের অপর একটি দেশ, যা তাঁর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ফ্রান্স — এটিও অন্য একটি দেশ এবং রেনেসাঁ শিল্পের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
মাইকেল অ্যাঞ্জেলো ও লিওনার্দো দা ভিঞ্চি দুজনেই রেনেসাঁ যুগের বিখ্যাত শিল্পী এবং তাদের জন্ম দেশ ইতালি।
সঠিক উত্তর: C) তুরস্ক
কেন সঠিক:
- তুরস্ক প্রথম মুসলিম দেশ হিসেবে ১৯৪৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরাইল রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে তুরস্ক তখন নতুন ইসরাইলি সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাহরাইন — বাহরাইন ২০২০ সালের আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে অনেক পরে ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয়।
B) সংযুক্ত আরব আমিরাত — সংযুক্ত আরব আমিরাত ২০২০ সালে ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে।
D) মিশর — মিশর প্রথম আরব দেশ হিসেবে ১৯৭৯ সালে ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয়, কিন্তু প্রথম মুসলিম দেশ নয়।
মনে রাখার টিপস:
মুসলিম দেশ হিসেবে সবার আগে ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয় তুরস্ক, যা মনে রাখতে তুরস্ক ও ১৯৪৯ সাল একসঙ্গে স্মরণ করুন।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৭৪ সালে
কেন সঠিক:
- ১৯৭৪ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা পরিচালিত হয়।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকারের সময়ে এই জনশুমারি সম্পন্ন হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭২ সালে — এই সময়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্গঠন ও সংবিধান প্রণয়নের কাজ চলে, কোনো আদমশুমারি হয়নি।
B) ১৯৭৪ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই প্রথম আদমশুমারি সম্পন্ন হয়।
C) ১৯৭৬ সালে — এটি প্রথম আদমশুমারির বছর নয়, কারণ প্রথম শুমারি এর আগেই ১৯৭৪ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
D) ১৯৭৯ সালে — এটিও সঠিক নয়, কারণ দ্বিতীয় আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৮১ সালে।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর প্রথম শুমারি হয় চুয়াত্তর সালে, যার শেষ অংক চার এবং সালের শেষ অংকও চার।
সঠিক উত্তর: D) নেদারল্যান্ড
কেন সঠিক:
- নেদারল্যান্ডস দেশের ঐতিহাসিক ও জাতিগত নাম হলো ডাচ, তাই এই দেশের নাগরিকদের ডাচ বলা হয়।
- নেদারল্যান্ডের ভাষা এবং সংস্কৃতির সাথে ডাচ শব্দটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রান্স — ফ্রান্সের নাগরিকদের ফরাসি বলা হয়, ডাচ বলা হয় না।
B) ব্রাজিল — ব্রাজিলের নাগরিকদের ব্রাজিলিয়ান বলা হয়, ডাচ বলা হয় না।
C) নিউজিল্যান্ড — নিউজিল্যান্ডের নাগরিকদের কিউই বলা হয়, ডাচ বলা হয় না।
D) নেদারল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশের নাগরিকদেরই ডাচ বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
নেদারল্যান্ডের ইংরেজি নামের শুরু এন অক্ষর দিয়ে হলেও এর নাগরিকদের পরিচিতি ডাচ হিসেবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) জাতীয় সংসদ
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী দেশের আইন প্রণয়নের একমাত্র ক্ষমতা জাতীয় সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত এই আইনসভা দেশের নতুন আইন তৈরি ও পুরোনো আইন সংশোধন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইন মন্ত্রণালয় — এটি আইন প্রণয়ন করে না, বরং সরকারের নীতি অনুযায়ী আইনের খসড়া প্রস্তুত ও বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে।
B) রাষ্ট্রপতি — রাষ্ট্রপতির প্রধান কাজ জাতীয় সংসদে পাস হওয়া বিলে স্বাক্ষর করা, তিনি নিজে সরাসরি আইন প্রণয়ন করেন না।
C) স্পিকার — তিনি জাতীয় সংসদের অধিবেশন ও কার্যক্রম পরিচালনা করেন, এককভাবে কোনো আইন প্রণয়নের ক্ষমতা তার নেই।
D) জাতীয় সংসদ — এটি সংবিধান অনুযায়ী দেশের সর্বোচ্চ আইনপ্রণেতা প্রতিষ্ঠান এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
আইন প্রণয়ন মানে নতুন নিয়ম তৈরি করা, আর এই কাজটি কেবল দেশের আইনসভা বা জাতীয় সংসদ করে থাকে।
সঠিক উত্তর: B) চীন
কেন সঠিক:
- G-৭ হলো বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সাতটি উন্নত অর্থনীতির শিল্পোন্নত দেশের একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- চীন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হলেও এটি G-৭ ভুক্ত দেশ নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাপান — এটি G-৭ জোটের একটি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও স্থায়ী সদস্য দেশ।
B) চীন — এটি G-৭ জোটের সদস্য নয়, বরং এটি উদীয়মান অর্থনীতির দেশ।
C) যুক্তরাজ্য — এটি G-৭ জোটের একটি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও প্রভাবশালী সদস্য দেশ।
D) যুক্তরাষ্ট্র — এটি G-৭ জোটের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠাতা ও প্রভাবশালী সদস্য দেশ।
মনে রাখার টিপস:
G-৭ জোটের সদস্য দেশগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও জাপান।
সঠিক উত্তর: A) ১৯০৪ সালে
কেন সঠিক:
- ফিফা বা আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশন ২১ মে ১৯০৪ সালে ফ্রান্সে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জুরিখে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯০৪ সালে — এটি ফিফা প্রতিষ্ঠার সঠিক সাল।
B) ১৯০৫ সালে — এই সালে ফিফা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল।
C) ১৯১৪ সালে — এই সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়েছিল, ফিফা প্রতিষ্ঠার সাল এটি নয়।
D) ১৯২৪ সালে — এই সালে প্যারিস অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিল, ফিফা প্রতিষ্ঠার সাল এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
১৯০৪ সালে ফিফা প্রতিষ্ঠিত হয়, যেখানে চার সংখ্যাটি ফুটবল খেলার চার অংশের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) ১২০ দিন
১. কেন সঠিক:
- লোহিত রক্ত কণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন বা প্রায় চার মাস।
- এই নির্দিষ্ট সময়ের পর এদের কোষীয় অঙ্গাণু ও হিমোগ্লোবিন নষ্ট হয়ে যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: লোহিত রক্ত কণিকা হলো মেরুদণ্ডী প্রাণীর রক্তে অক্সিজেন বহনকারী প্রধান কোষ।
- কার্যপ্রণালি: পুরনো লোহিত কণিকা প্লীহা ও যকৃতে ধ্বংস হয় এবং নতুন কণিকা অস্থিমজ্জা থেকে উৎপন্ন হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রক্তদান কার্যক্রম
ব্যাখ্যা: প্রতি চার মাস বা ১২০ দিন পর একজন সুস্থ মানুষ নিরাপদে রক্তদান করতে পারেন কারণ এই সময়ে নতুন লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি হয়।
উদাহরণ ২: পাহাড়ি এলাকার মানুষের রক্তকণিকা
ব্যাখ্যা: পাহাড়ি এলাকায় অক্সিজেনের স্বল্পতার কারণে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬০ দিন — এটি লোহিত রক্ত কণিকার স্বাভাবিক জীবনকাল নয়। এই সময়ে রক্তকণিকা তার কার্যকারিতা হারায় না।
B) ৯০ দিন — এটি প্রায় তিন মাস, যা লোহিত রক্ত কণিকার সম্পূর্ণ জীবনকাল হিসেবে কম।
C) ১০০ দিন — এটি লোহিত রক্ত কণিকার গড় আয়ুর কাছাকাছি হলেও সঠিক বৈজ্ঞানিক মান ১২০ দিন।
D) ১২০ দিন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ মানবদেহে লোহিত রক্ত কণিকার আয়ুষ্কাল প্রায় ১২০ দিন নির্ধারিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- লোহিত রক্ত কণিকার আয়ু মনে রাখতে মাস হিসেবে হিসাব করতে পারো। এক বছর মানে বারো মাস, আর লোহিত কণার আয়ু হলো বারো দশক বা ১২০ দিন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- লোহিত রক্ত কণিকার প্রধান কাজ অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড পরিবহন করা।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: A) ক্লোরোফ্লোরোকার্বন
১. কেন সঠিক:
- CFC হলো ক্লোরিন, ফ্লুরিন এবং কার্বনের সমন্বয়ে গঠিত একটি মানবসৃষ্ট কৃত্রিম রাসায়নিক যৌগ।
- এটি মূলত অ্যারোসল স্প্রে, রেফ্রিজারেটর এবং এয়ার কন্ডিশনারে শীতলকারী উপাদান হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: CFC হলো এমন কিছু উদ্বায়ী জৈব যৌগ যার মধ্যে কার্বন পরমাণুর সাথে ক্লোরিন ও ফ্লুরিন যুক্ত থাকে।
- রাসায়নিক গঠন: এর সাধারণ রাসায়নিক সংকেত সি সি এল এফ থ্রি বা এই জাতীয় হ্যালোকার্বন যৌগ।
- পরিবেশগত প্রভাব: বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ার পর অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে এটি ভেঙে ক্লোরিন পরমাণু উৎপন্ন করে যা ওজোন স্তর ধ্বংস করে।
- কারণ ও ফলাফল: ক্লোরিন পরমাণু ওজোন অণুর সাথে বিক্রিয়া করে অক্সিজেন তৈরি করে, ফলে বায়ুমণ্ডলে ওজোন স্তরে ক্ষয় সৃষ্টি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজের শীতলকারক হিসেবে ফ্রিওন গ্যাসের ব্যবহার।
ব্যাখ্যা: ফ্রিওন হলো এক ধরনের সিএফসি যা ঘরের তাপমাত্রায় তরল থেকে গ্যাসে পরিণত হয়ে ঠান্ডা সৃষ্টি করে।
উদাহরণ ২: বডি স্প্রে বা হেয়ার স্প্রে ক্যানের অ্যারোসল প্রপেলান্ট।
ব্যাখ্যা: ক্যানের ভেতরে তরল পদার্থকে স্প্রে আকারে বাইরে বের করে আনতে সিএফসি গ্যাস চাপ সৃষ্টি করতে ব্যবহৃত হতো।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্লোরোফ্লোরোকার্বন — এটি সিএফসি গ্যাসের সঠিক পূর্ণরূপ এবং এটি কার্বন, ক্লোরিন ও ফ্লুরিনের সমন্বয়ে গঠিত।
B) কম্প্রেসড ফ্লুরোকার্বন — এটি কোনো স্বীকৃত বৈজ্ঞানিক গ্যাসের পূর্ণরূপ নয় এবং সিএফসি শব্দের সাথে মেলে না।
C) কমন ফ্লুরোকার্বন — এটি একটি সাধারণ শব্দ হলেও সিএফসির সঠিক রাসায়নিক নাম নির্দেশ করে না।
D) ক্লোরোফিকর কার্বন — এটি একটি বানানগত ভুল এবং এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি বা অস্তিত্ব নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সিএফসি নামের প্রথম অংশ ক্লোরো, দ্বিতীয় অংশ ফ্লুরো এবং শেষ অংশ কার্বন শব্দ তিনটি মনে রাখলে পূর্ণরূপ সহজেই বলা যায়।
- সংক্ষেপে সিএফসি মানে সি ফর ক্লোরো, এফ ফর ফ্লুরো এবং সি ফর কার্বন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ওজোন স্তর ধ্বংসের জন্য প্রধানত সিএফসি গ্যাস দায়ী এবং এর ক্ষতিকর প্রভাব রোধে মন্ট্রিল প্রোটোকল স্বাক্ষরিত হয়।
- এই ধরনের প্রশ্ন পরিবেশবিজ্ঞান ও রসায়ন অংশ থেকে বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র
১. কেন সঠিক:
- অলটিমিটার হলো এমন একটি যন্ত্র যা কোনো নির্দিষ্ট তল থেকে কোনো বস্তুর উচ্চতা নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে পারে।
- এটি মূলত বায়ুমণ্ডলের চাপের তারতম্যকে কাজে লাগিয়ে উচ্চতা নির্ণয় করে কারণ ভূপৃষ্ঠ থেকে ওপরে উঠলে বায়ুর চাপ কমতে থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হ্রাসের বৈজ্ঞানিক নীতিকে অলটিমিটারে ব্যবহার করা হয়।
- কার্যপ্রণালি: যন্ত্রের ভেতরের অ্যানেরয়েড ব্যারোমিটার উচ্চতা পরিবর্তনের সাথে সাথে বায়ুর চাপের সূক্ষ্ম পরিবর্তন পরিমাপ করে উচ্চতার মান প্রদর্শন করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: বিমান চালকেরা উড্ডয়ন ও অবতরণের সময় নিরাপদ উচ্চতা বজায় রাখতে এবং পর্বতারোহীরা পাহাড়ে ওঠার সময় নিজেদের বর্তমান উচ্চতা জানতে এটি ব্যবহার করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিমান উড্ডয়ন
ব্যাখ্যা: আকাশে ওড়ার সময় পাইলট অলটিমিটার দেখে বুঝতে পারেন বিমানটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ঠিক কত ফুট উঁচুতে অবস্থান করছে।
উদাহরণ ২: পর্বতারোহণ
ব্যাখ্যা: এভারেস্ট বা অন্য কোনো পাহাড়ে ওঠার সময় অভিযাত্রীরা অলটিমিটার ব্যবহার করে প্রতি মুহূর্তে তাদের অর্জিত উচ্চতা পরিমাপ করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তাপ পরিমাপক যন্ত্র — তাপ বা উষ্ণতা পরিমাপের জন্য থার্মোমিটার ব্যবহার করা হয়, অলটিমিটার নয়।
B) উষ্ণতা পরিমাপক যন্ত্র — বায়ুর বা কোনো বস্তুর উষ্ণতা নির্ণয় করতে থার্মোমিটার বা পাইরোমিটার ব্যবহৃত হয়।
C) গ্যাসের চাপ পরিমাপক যন্ত্র — গ্যাসের চাপ পরিমাপের জন্য ম্যানোমিটার বা সাধারণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপের জন্য ব্যারোমিটার ব্যবহার করা হয়।
D) উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ অলটিমিটার বিশেষভাবে উচ্চতা পরিমাপের জন্যই তৈরি করা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইংরেজি শব্দ অলটিটিউড অর্থ উচ্চতা, আর মিটার অর্থ পরিমাপক যন্ত্র।
- অলটিটিউড থেকে অলটিমিটার শব্দটি এসেছে, যার অর্থ উচ্চতা মাপা যন্ত্র।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্রের নাম প্রায়ই আসে।
- বায়ুমণ্ডলের চাপ মাপার যন্ত্রের নাম ব্যারোমিটার এবং সমুদ্রের গভীরতা মাপার যন্ত্রের নাম ফেদোমিটার।
সঠিক উত্তর: C) দূষিত বাতাস
১. কেন সঠিক:
- স্মোগ হলো মূলত ধোঁয়া এবং কুয়াশার মিশ্রণ যা বায়ুমণ্ডলের দূষিত কণা ও গ্যাসের সঙ্গে মিশে ভারী ও বিষাক্ত বায়ুতে পরিণত হয়।
- এটি পরিবেশের মারাত্মক বায়ুদূষণের একটি দৃশ্যমান রূপ যা জনস্বাস্থ্য ও প্রকৃতির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: স্মোগ শব্দটি এসেছে স্মোক এবং ফগ এই দুটি ইংরেজি শব্দের সমন্বয়ে, যা শিল্পকারখানার ধোঁয়া এবং গাড়ির নিষ্কাশিত গ্যাসের কারণে সৃষ্টি হয়।
- কার্যপ্রণালি: সূর্যালোকের উপস্থিতিতে নাইট্রোজেন অক্সাইড এবং উদ্বায়ী জৈব যৌগগুলোর রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে ফটোক্যামিক্যাল স্মোগ তৈরি হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: শীতকালে বা শুষ্ক আবহাওয়ায় বড় বড় শহরে এই দূষিত বাতাস বা স্মোগের মাত্রা অতিরিক্ত বৃদ্ধি পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শীতকালে ঢাকার আকাশ কুয়াশার মতো ঢেকে থাকা।
ব্যাখ্যা: এটি কেবল সাধারণ জলীয় বাষ্পের কুয়াশা নয়, বরং এর সঙ্গে ইটভাটা ও যানবাহনের ধোঁয়া মিশে স্মোগ তৈরি করে।
উদাহরণ ২: চীনের বেইজিং বা ভারতের দিল্লির অতিরিক্ত বায়ুদূষণ।
ব্যাখ্যা: এসব শহরে শিল্পকারখানার বর্জ্য এবং গাড়ির ধোঁয়া বাতাসের সঙ্গে মিশে বিপজ্জনক মাত্রার স্মোগ সৃষ্টি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিগারেটের ধোঁয়া — এটি তামাক পোড়ানোর ফলে উৎপন্ন ব্যক্তিগত বা অভ্যন্তরীণ ধোঁয়া যা স্মোগ নয়।
B) কুয়াশা — এটি বায়ুমণ্ডলের জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি তৈরি হয়, যাতে ক্ষতিকর রাসায়নিক থাকে না।
C) দূষিত বাতাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্মোগ হলো বিভিন্ন ক্ষতিকর গ্যাস ও কণার সমন্বয়ে তৈরি এক ধরনের দূষিত বাতাস।
D) শিশির — এটি বায়ুর জলীয় বাষ্প ঠান্ডা বস্তুর সংস্পর্শে এসে তরল বিন্দুতে পরিণত হওয়া, যা স্বাভাবিক প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া।
৫ মনে রাখার টিপস:
- স্মোগ শব্দটি মনে রাখতে স্মোক বা ধোঁয়া এবং ফগ বা কুয়াশা এই দুটি শব্দ একসঙ্গে মনে রাখতে হবে।
- মনে রাখতে হবে স্মোগ মানেই বিষাক্ত ও দূষিত বাতাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে স্মোগ শব্দটির উৎপত্তি কোন দুটি শব্দ থেকে।
- এই প্রশ্নটি পরিবেশবিজ্ঞান এবং বায়ুদূষণ অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) ইউরেনিয়াম
১. কেন সঠিক:
পারমাণবিক বোমা তৈরিতে প্রধানত ইউরেনিয়াম ধাতু ব্যবহার করা হয় কারণ এর নিউক্লিয়াস অত্যন্ত ভারী এবং তেজস্ক্রিয়।
এই ভারী নিউক্লিয়াসে নিউট্রন আঘাত করলে তা ভেঙে শক্তি উৎপন্ন করে এবং নতুন নিউট্রন নির্গত করে যা শৃঙ্খল বিক্রিয়া ঘটায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: পারমাণবিক বোমা তৈরি হয় নিউক্লীয় বিভাজন বা ফিশন বিক্রিয়ার নীতির ওপর ভিত্তি করে।
কার্যপ্রণালি: ইউরেনিয়াম ২৩৫ আইসোলেটেড পরমাণুর ওপর ধীরগতির নিউট্রন আঘাত হানলে তা দুটি হালকা নিউক্লিয়াসে বিভক্ত হয় এবং প্রচুর তাপশক্তি ও গামা রশ্মি ছড়ায়।
কারণ ও ফলাফল: এই বিক্রিয়ায় প্রতি ধাপে আরও নিউট্রন বের হয় যা পাশের পরমাণুকে ভাঙতে সাহায্য করে এবং অল্প সময়ে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ ঘটায়।
বাস্তব প্রয়োগ: এই একই ফিশন বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রিত উপায়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিরোশিমায় নিক্ষিপ্ত লিটল বয় বোমায় ইউরেনিয়াম ব্যবহৃত হয়েছিল।
ব্যাখ্যা: এটি ইউরেনিয়াম ফিশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে বিশাল পরিমাণ ধ্বংসাত্মক শক্তি ও তাপ উৎপন্ন করেছিল।
উদাহরণ ২: পারমাণবিক চুল্লিতে ইউরেনিয়াম রডের ব্যবহার।
ব্যাখ্যা: এখানে নিয়ন্ত্রিত উপায়ে শক্তি উৎপন্ন করে তা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রেডিয়াম — এটি একটি অত্যন্ত তেজস্ক্রিয় ধাতু হলেও এটি দিয়ে পারমাণবিক বোমা তৈরি করা হয় না, বরং এটি ঘড়ির কাঁটায় লুমিনাস রঙ তৈরিতে ব্যবহৃত হতো।
B) ইউরেনিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিউক্লীয় বিভাজন ঘটাতে সক্ষম এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
C) সোডিয়াম — এটি একটি সক্রিয় ক্ষার ধাতু যা পানি সংস্পর্শে প্রবল বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে কিন্তু পারমাণবিক বোমার জ্বালানি নয়।
D) পটাশিয়াম — এটি সোডিয়ামের মতো একটি সক্রিয় ধাতু যা জৈব কোষে ও সার উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়, পারমাণবিক বোমায় এর কোনো ব্যবহার নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
পারমাণবিক বোমা মানেই ভারী তেজস্ক্রিয় মৌল ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়াম।
সাধারণ ধাতু যেমন সোডিয়াম বা পটাশিয়াম বোমা তৈরিতে লাগে না, এগুলো রসায়ন ল্যাবরেটরির সাধারণ সক্রিয় ধাতু।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পারমাণবিক বোমা আবিষ্কারের সাথে ওটো হান এবং ফ্রিটজ স্ট্রাসম্যানের নাম জড়িত যারা নিউক্লীয় ফিশন আবিষ্কার করেছিলেন।
পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে পারমাণবিক চুল্লিতে কোন আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়, যার উত্তর ইউরেনিয়াম ২৩৫।
সঠিক উত্তর: B) নিয়ন
১. কেন সঠিক:
নিয়ন একটি মৌলিক পদার্থ কারণ এটি শুধুমাত্র এক প্রকার পরমাণু দ্বারা গঠিত এবং একে রাসায়নিকভাবে ভেঙে অন্য কোনো সরল পদার্থে পরিণত করা যায় না।
পর্যায় সারণিতে এটি একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে পরিচিত যার প্রতীক Ne এবং পারমাণবিক সংখ্যা দশ।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: যে পদার্থকে রাসায়নিকভাবে ভাঙলে কেবল একুই ধরনের পরমাণু পাওয়া যায় এবং অন্য কোনো নতুন পদার্থ উৎপন্ন হয় না তাকে মৌলিক পদার্থ বলে।
রাসায়নিক সংকেত: নিয়ন একটি একক পরমাণুক গ্যাস যার পারমাণবিক ভর কুড়ি দশমিক এক আট।
বাস্তব প্রয়োগ: নিয়ন গ্যাস উজ্জ্বল লাল ও কমলা আলো তৈরি করতে বিজ্ঞাপনের সাইনবোর্ড এবং ডিসপ্লে লাইটে বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সোডিয়াম একটি মৌলিক পদার্থ যা শুধুমাত্র সোডিয়াম পরমাণু নিয়ে গঠিত।
ব্যাখ্যা: একে ভাঙলে অন্য কোনো মৌল পাওয়া যায় না এবং এটি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় অত্যন্ত বিক্রিয়াশীল ধাতু।
উদাহরণ ২: অক্সিজেন গ্যাস একটি মৌলিক পদার্থ যা একই ধরনের অক্সিজেন পরমাণুর সমন্বয়ে গঠিত।
ব্যাখ্যা: বায়ুমণ্ডলে মুক্ত অবস্থায় দুটি অক্সিজেন পরমাণু মিলে অণু গঠন করে যা জীবের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চিনি একটি যৌগিক পদার্থ যা কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন পরমাণুর সমন্বয়ে গঠিত।
রাসায়নিকভাবে এটি একটি জটিল কার্বোহাইড্রেট যার নির্দিষ্ট আণবিক সংকেত বিদ্যমান।
B) নিয়ন একটি মৌলিক পদার্থ এবং এটি একমাত্র অপশন যা কোনো যৌগ বা মিশ্রণ নয়।
নিষ্ক্রিয় গ্যাসের শ্রেণীতে এটি একটি খাঁটি মৌল হিসেবে প্রকৃতিতে বিদ্যমান।
C) লবণ বা সোডিয়াম ক্লোরাইড একটি যৌগিক পদার্থ যা সোডিয়াম ও ক্লোরিন মৌলের সমনয়ে গঠিত।
এটি রাসায়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত থাকে তাই এটি মৌলিক পদার্থ হতে পারে না।
D) পানি একটি যৌগিক পদার্থ যা দুটি হাইড্রোজেন ও একটি অক্সিজেন পরমাণুর সমন্বয়ে গঠিত।
এর নির্দিষ্ট রাসায়নিক সংকেত হলো এইচ টু ও এবং এর ধর্ম এর উপাদান মৌল থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
৫. মনে রাখার টিপস:
মৌলিক পদার্থ চেনার সহজ উপায় হলো দেখামাত্র চিন্তা করা এটি প্রকৃতির খাঁটি উপাদান কিনা।
নিয়ন, হিলিয়াম, আর্গন ইত্যাদি নিষ্ক্রিয় গ্যাস এবং লোহা, তামা, সোনা ইত্যাদি ধাতু হলো মৌলিক পদার্থের চমৎকার উদাহরণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাতাসে নিষ্ক্রিয় গ্যাসের পরিমাণ এবং নিয়নের পারমাণবিক সংখ্যা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
ভবিষ্যতে এই ধারণা থেকে যৌগিক পদার্থের সংজ্ঞা বা রাসায়নিক সংকেত সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) ভারত ও পাকিস্তান
১. কেন সঠিক:
- লাইন অব কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণরেখা হলো ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলে অবস্থিত একটি সামরিকভাবে নিয়ন্ত্রিত যুদ্ধবিরতি রেখা।
- ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর কাশ্মীর নিয়ে সৃষ্ট প্রথম যুদ্ধের অবসান ঘটাতে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় এই লাইন নির্ধারিত হয় এবং পরবর্তীতে সিমলা চুক্তির মাধ্যমে একে বর্তমান রূপ দেওয়া হয়।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চল, দক্ষিণ এশিয়া
- বৈশিষ্ট্য: এটি কোনো আন্তর্জাতিক স্বীকৃত আন্তর্জাতিক সীমান্ত নয়, বরং একটি কার্যকর সামরিক নিয়ন্ত্রণরেখা যা উভয় দেশের সামরিক বাহিনী দ্বারা পাহারা দেওয়া হয়।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল
ব্যাখ্যা: এটি আটলান্টিক মহাসাগরের একটি ভৌগোলিক অঞ্চল, যার সঙ্গে রাজনৈতিক সীমানার কোনো সম্পর্ক নেই।
উদাহরণ ২: ডুরান্ড লাইন
ব্যাখ্যা: এটি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সীমান্তবর্তী রেখা, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে মেলে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত ও পাকিস্তান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি দেশের মধ্যকার কাশ্মীর অংশের দে ফ্যাক্টো সীমান্তকে লাইন অব কন্ট্রোল বলা হয়।
B) দেঃ কোরিয়া ও উঃ কোরিয়া — এই দুটি দেশের মধ্যকার সীমান্তকে বলা হয় সামরিক বিমোচনী অঞ্চল বা ডিমিলিটারাইজড জোন।
C) চীন ও তাইওয়ান — এই অঞ্চলের মধ্যবর্তী জলসীমাকে তাইওয়ান প্রণালি বলা হয় এবং এদের মধ্যে কোনো লাইন অব কন্ট্রোল নেই।
D) ইসরাইল ও জর্ডান — এই দেশ দুটির সীমান্ত মূলত জর্ডান নদী ও লোহিত সাগরের অংশ দ্বারা নির্ধারিত, একে লাইন অব কন্ট্রোল বলা হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
মনে রাখবেন কাশ্মীর মানেই ভারত ও পাকিস্তান দ্বন্দ্ব, তাই কাশ্মীর অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণরেখাও এই দুই দেশের মধ্যেই অবস্থিত হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী লাইন অব কন্ট্রোল এবং আন্তর্জাতিক সীমান্ত রেডক্লিফ লাইন সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। এই দুটি রেখা গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: C) মিয়ানমার ও ভারত
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্বাধীন রাষ্ট্র যার ভূখণ্ড তিন দিক থেকে স্থলবেষ্টিত এবং এক দিক দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর দ্বারা সীমাবদ্ধ।
- এই ভূখণ্ডের স্থলসীমানার মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৪,৪২৭ কিলোমিটার যার বিশাল অংশজুড়ে রয়েছে ভারত এবং দক্ষিণ-পূর্ব কোণে রয়েছে মিয়ানমার।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ অংশে অবস্থিত এবং এর উত্তর, পশ্চিম ও পূর্বে ভারত এবং দক্ষিণ-পূর্বে মিয়ানমার ও দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।
- বৈশিষ্ট্য: বাংলাদেশ মূলত একটি নদীমাতৃক সমভূমি অঞ্চল হলেও এর উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব অংশে পাহাড়ি অঞ্চল রয়েছে যা মিয়ানমার ও ভারতের সাথে সীমান্ত নির্ধারণে ভূমিকা রেখেছে।
- সংশ্লিষ্ট তথ্য: বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য প্রায় ৪,১৫৬ কিলোমিটার এবং মিয়ানমারের সাথে সীমান্ত দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭১ কিলোমিটার।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্ত
ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ আন্তর্জাতিক স্থলসীমান্ত যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের সাথে রাজশাহী ও খুলনা বিভাগ এবং আসাম ও ত্রিপুরার সাথে অন্যান্য অঞ্চলের সংযোগ রয়েছে।
উদাহরণ ২: বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্ত
ব্যাখ্যা: এই সীমান্তটি মূলত নাফ নদী এবং পাহাড়ি এলাকার মধ্য দিয়ে প্রবহমান যা বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার সাথে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সীমানা তৈরি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপাল ও ভারত — নেপাল বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ হলেও এর সাথে বাংলাদেশের কোনো সরাসরি সীমান্ত নেই কারণ মাঝখানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বিহার রাজ্যের সংকীর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর অবস্থিত।
B) ভারত ও ভুটান — ভুটান বাংলাদেশের উত্তর দিকে অবস্থিত একটি নিকটবর্তী দেশ হলেও নেপালের মতো ভুটানের সাথেও বাংলাদেশের কোনো সরাসরি ভৌগোলিক সীমান্ত নেই।
D) ভারত ও শ্রীলঙ্কা — শ্রীলঙ্কা দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র যার সাথে বাংলাদেশের জলসীমা বা সমুদ্র এলাকার সামুদ্রিক সম্পর্ক থাকলেও কোনো স্থলসীমানা নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাংলাদেশের সীমান্ত মনে রাখার সহজ কৌশল হলো আমাদের চারপাশে শুধু দুই বন্ধু দেশ রয়েছে যাদের নাম ভারত ও মিয়ানমার।
- মানচিত্রে তাকালে দেখা যায় বাংলাদেশের বাম ও ওপরের দিকজুড়ে ভারত এবং ডান দিকের নিচে মিয়ানমার অবস্থান করছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী দেশ কয়টি ও কী কী, যার সঠিক উত্তর হবে দুটি এবং দেশ দুটি হলো ভারত ও মিয়ানমার।
- একই ধারণা থেকে অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যে বাংলাদেশের সাথে কোন দেশের সীমান্ত সবচেয়ে দীর্ঘ, যার উত্তর হবে ভারত।
সঠিক উত্তর: B) ভারত
১. কেন সঠিক:
লাদাখ বর্তমানে ভারতের একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল যা হিমালয় পর্বতমালার কোলে অবস্থিত।
ভৌগোলিক ও কৌশলগতভাবে এটি একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ উচ্চ পাহাড়ি অঞ্চল যা বহু ঐতিহাসিক বাণিজ্য পথের সংযোগস্থল ছিল।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: ভারত উপমহাদেশের উত্তরভাগে হিমালয় এবং কারাকোরাম পর্বতমালার মাঝে অবস্থিত।
বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের অন্যতম উচ্চতম শীতল মরুভূমি যার বেশিরভাগ অংশই সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩০০০ মিটারের বেশি উচ্চতায় অবস্থিত।
সংশ্লিষ্ট তথ্য: ২০১৯ সালে জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যকে ভেঙে লাদাখকে ভারতের একটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: প্যাংগং হ্রদ
ব্যাখ্যা: লাদাখের অন্যতম বিখ্যাত লবণাক্ত জলের হ্রদ যা ভারত ও চীন সীমান্তের মধ্যে বিস্তৃত এবং ভৌগোলিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত।
উদাহরণ ২: লেহর মূল উপত্যকা
ব্যাখ্যা: এটি লাদাখের প্রধান জনবহুল ও প্রশাসনিক কেন্দ্র যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেক উঁচুতে অবস্থিত একটি উর্বর নদী অববাহিকা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাকিস্তান — পাকিস্তান লাদাখের ভৌগোলিক সীমানার বাইরে অবস্থিত হলেও এর উত্তর ও পশ্চিম দিকে গিলগিট-বালতিস্তান অঞ্চল রয়েছে যা পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত।
B) ভারত — এটি সঠিক উত্তর কারণ লাদাখ বর্তমানে ভারতের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে থাকা একটি প্রধান কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল।
C) আফগানিস্তান — আফগানিস্তান মধ্য এশিয়ার একটি দেশ এবং এর সাথে লাদাখের কোনো সরাসরি ভৌগোলিক সীমান্ত নেই।
D) চীন — চীন লাদাখের পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং লাদাখের সাথে চীনের দীর্ঘ বিতর্কিত সীমান্ত রেখা বা লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল রয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
লাদাখ ঠান্ডা ও উঁচু স্থান, ভারত সরকারের অধীনে এর মানচিত্রের অবস্থান সব সময় উত্তর সীমানার মুকুটে মনে রাখবে।
উচ্চ পাহাড়ি অঞ্চল হিসেবে পরিচিত লাদাখ নামটি শুনলেই ভারতের উত্তর প্রান্তের কথা মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
লাদাখ ২০১৯ সালের পরিবর্তনের পর ভারতের নবীনতম কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর একটি হিসেবে বিশেষভাবে পরীক্ষাসমূহ গুরুত্বপূর্ণ।
এই অঞ্চল থেকে হিমালয় ও কারাকোরাম পর্বতমালা এবং শীতল মরুভূমির বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) দিনাজপুর
১. কেন সঠিক:
- বড়পুকুরিয়া কয়লার খনিটি বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম আবিষ্কৃত ও বর্তমানে উত্তোলিত প্রধান কয়লা খনি।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: দিনাজপুর জেলা, রংপুর বিভাগ, বাংলাদেশ।
- বৈশিষ্ট্য: এটি একটি ভূগর্ভস্থ বা আন্ডারগ্রাউন্ড মাইনিং পদ্ধতির কয়লার খনি।
- সংশ্লিষ্ট তথ্য: এখান থেকে উত্তোলিত কয়লা প্রধানত বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
ব্যাখ্যা: খনি থেকে উত্তোলিত কয়লা সরাসরি এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি
ব্যাখ্যা: এটিও দিনাজপুরে অবস্থিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ কেন্দ্র যা দেশের ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খুলনা — খুলনা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি বিভাগীয় শহর যেখানে কোনো কয়লা খনি নেই।
B) ঠাকুরগাঁও — ঠাকুরগাঁও উত্তরবঙ্গের একটি জেলা হলেও এখানে বড়পুকুরিয়া কয়লার খনি অবস্থিত নয়।
C) দিনাজপুর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) জয়পুরহাট — জয়পুরহাটে চিনামটি ও পাথরের সন্ধান মিললেও বড়পুকুরিয়া কয়লার খনি এখানে অবস্থিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কয়লা খনির নাম 'বড়পুকুরিয়া' হলে জেলা মনে রাখবেন 'দিনাজপুর'।
- এভাবে মনে রাখতে পারেন, বড় দীঘি বা বড় পুকুরের পানি থেকে দিনাজপুর নামটি মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলাদেশের খনিজ সম্পদ ও তার অবস্থান থেকে প্রশ্ন আসে।
- একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে বাংলাদেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ কয়লার খনি কোনটি।
সঠিক উত্তর: A) যশোর
১. কেন সঠিক:
- ভবদহ বিল বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যশোর জেলার মনিরামপুর ও অভয়নগর উপজেলায় অবস্থিত একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক ও জলাবদ্ধতা কবলিত এলাকা।
- এই অঞ্চলে মুক্তেশ্বরী, টেকা ও শ্রী নদীসহ বেশ কয়েকটি নদ-নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার কারণে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: যশোর জেলার মনিরামপুর, অভয়নগর এবং কেশবপুর উপজেলার সংযোগস্থল ও নিম্ন অঞ্চল জুড়ে এই বিলের বিস্তৃতি।
- বৈশিষ্ট্য: এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ ও পরিচিত জলাবদ্ধ বিল, যা দীর্ঘদিন ধরে পানিবদ্ধতা সমস্যার কারণে সংবাদ শিরোনামে থাকে।
- কারণ ও প্রভাব: অপরিকল্পিত কালভার্ট নির্মাণ, স্লুইস গেটের ভুল ব্যবস্থাপনা এবং নদীর তলদেশ পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: তেরখাদা বিল
ব্যাখ্যা: এটি খুলনার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল, যা এই অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি এবং নদ-নদীর অববাহিকার বৈশিষ্ট্য বোঝাতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: চন্দনা বিল
ব্যাখ্যা: এটিও দক্ষিণ অঞ্চলের একটি জলাবদ্ধ এলাকা, যা জলবায়ু ও পানিনিষ্কাশন সংকটের সমগোত্রীয় ভৌগোলিক উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যশোর — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভবদহ বিল এই জেলারই অন্তর্গত একটি বিখ্যাত জলাবদ্ধ এলাকা।
B) বান্দরবান — এটি পাহাড়ি অঞ্চলের একটি জেলা, যেখানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গসমূহ রয়েছে এবং এখানে এ ধরনের প্লাবনভূমির বিল নেই।
C) সিলেট — এটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওরপ্রধান এলাকা, যেখানে হাওরের প্রাধান্য থাকলেও ভবদহ বিল অবস্থিত নয়।
D) কক্সবাজার — এটি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সমুদ্র উপকূলীয় জেলা, যা পাহাড়ি ও সমতল উপকূলীয় বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ভবদহ শব্দের সাথে যশোর জেলার নাম মনে রাখতে মনিরামপুর উপজেলার পানিবদ্ধতা সংকটের কথা স্মরণ করতে হবে।
- দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জলাবদ্ধতার প্রতীক হিসেবে ভবদহ বিলকে যশোর জেলার সাথে সহজেই মেলানো যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলাদেশের পরিবেশগত সমস্যা ও জলাবদ্ধতা সংক্রান্ত প্রশ্নে ভবদহ বিলের অবস্থান প্রায়ই আসে।
- একই ধারণা থেকে নদী ভাঙন, পলি জমা এবং পানিনিষ্কাশন সংক্রান্ত অন্যান্য ভৌগোলিক প্রশ্ন পরীক্ষাতে আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) কাব্যনাট্য
১. কেন সঠিক:
'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য যার রচিয়তা সৈয়দ শামসুল হক।
এটি মূলত পদ্য ছন্দে রচিত নাটক যা একই সঙ্গে কাব্যসৌন্দর্য ও নাট্যরস ধারণ করে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি ঐতিহাসিক কাব্যনাট্য।
এই নাটকে নাট্যরূপের চেয়ে কাব্যিক ব্যঞ্জনা এবং প্রতীকী ভাষার ব্যবহার অত্যন্ত প্রবল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর 'রক্তাক্ত প্রান্তর'
ব্যাখ্যা: এটি একটি ঐতিহাসিক নাটক, যা পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সিকো সিকদার বা অন্য কোনো কাব্যনাট্য
ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যে কাব্যনাট্য ধারায় এটি একটি অনন্য সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গীতিনাট্য — এটি গীতিনাট্য নয় কারণ এতে সঙ্গীতের আধিক্য নেই, বরং এটি নাট্যধর্মী কাব্য।
B) কাব্যনাট্য — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
C) কাহিনী কাব্য — এটি কাহিনী কাব্য নয় কারণ এতে দৃশ্যকাব্য বা নাটকের সুনির্দিষ্ট চরিত্র ও সংলাপ বিন্যাস রয়েছে।
D) নাটক — এটি সাধারণ নাটক বা গদ্য নাটক নয়, কারণ এর সম্পূর্ণ সংলাপ পদ্য ছন্দে রচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় কাব্যনাট্যের রচিয়তা সৈয়দ শামসুল হক।
প দিয়ে পায়ের আওয়াজ এবং প দিয়ে পদ্য ছন্দে রচিত কাব্যনাট্য মনে রাখতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য হিসেবে এটি খুব ঘন ঘন আসে।
রচিয়তার নাম এবং রচনার ধরন উভয়ই ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) সংবাদ প্রভাকর
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটিতে বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম দৈনিক পত্রিকার নাম জানতে চাওয়া হয়েছে। সংবাদ প্রভাকর পত্রিকাটি ১৮৩১ সালের ২৮ জুন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রথম সাপ্তাহিক হিসেবে প্রকাশিত হলেও ১৮৩৯ সালের ১ জুন থেকে এটি দৈনিক রূপ লাভ করে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সংবাদ প্রভাকর বাংলা সংবাদপত্রের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান দখল করে আছে। এর সম্পাদক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত আধুনিক বাংলা কবিতার যুগের সন্ধিক্ষণের একজন অন্যতম প্রধান কবি ও সাহিত্যসাধক হিসেবে পরিচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমাচার দর্পণ
ব্যাখ্যা: এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র।
উদাহরণ ২: দিগদর্শন
ব্যাখ্যা: এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত বাংলা ভাষার প্রথম মাসিক সাময়িকপত্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কল্লোল — এটি কোনো সংবাদপত্র নয়, বরং বিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত আধুনিক সাহিত্য পত্রিকা।
B) সমাচার দর্পণ — এটি বাংলা ভাষার প্রথম সংবাদপত্র এবং প্রথম সাপ্তাহিক, কিন্তু প্রথম দৈনিক পত্রিকা নয়।
C) সংবাদ প্রভাকর — এই অপশনটি সঠিক এবং এটিই প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা।
D) দিগদর্শন — এটি প্রথম প্রকাশিত মাসিক সাময়িকপত্র, দৈনিক পত্রিকা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সাপ্তাহিক ও দৈনিকের মধ্যে পার্থক্য মনে রাখবে যে সমাচার দর্পণ প্রথম সাপ্তাহিক এবং সংবাদ প্রভাকর প্রথম দৈনিক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সংবাদপত্র ও সাময়িকপত্রের ক্ষেত্রে প্রথম সাপ্তাহিক, প্রথম মাসিক এবং প্রথম দৈনিক পত্রিকার নাম আলাদাভাবে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) পেত্রার্ক
১. কেন সঠিক:
চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেট রচনার ক্ষেত্রে মাইকেল মধুসূদন দত্ত মূলত ইতালীয় কবি পেত্রার্কের রীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।
পেত্রার্ক সনেটকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিয়েছিলেন এবং তাঁর নামানুসারেই এই রীতির নাম হয় পেত্রার্কীয় সনেট, যা মধুসূদন বাংলা সাহিত্যে সফলভাবে প্রয়োগ করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে সনেটের প্রবর্তক এবং তাঁর বিখ্যাত সনেট সংকলন হলো চতুর্দশপদী কবিতাাবলী।
তিনি ইউরোপে প্রবাসকালে ইতালীয় রেনেসাঁ ও পেত্রার্কের সনেটের প্রতি আকৃষ্ট হন এবং পরবর্তীতে বাংলায় সনেট রচনা শুরু করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্গভাষা কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি বিখ্যাত সনেট, যেখানে পেত্রার্কীয় সনেটের গঠন ও ভাবের মিল পাওয়া যায়।
উদাহরণ ২: কপোতক্ষ নদ কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি কবির অপর একটি বিখ্যাত সনেট, যা পেত্রার্কীয় সনেট রীতির আদর্শে অষ্টক ও ষষ্টক এই দুই ভাগে বিভক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হোমার — হোমার গ্রিক মহাকবি ছিলেন যিনি ইলিয়াড ও ওডিসির মতো মহাকাব্য রচনা করেছেন, সনেটের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই।
B) দান্তে — দান্তে ইতালীয় মহাকবি হলেও তাঁর বিখ্যাত রচনা ডিভাইন কমেডি, যা সনেট রীতির প্রধান উৎস নয়।
C) মিল্টন — জন মিল্টন ইংরেজি সাহিত্যের বিখ্যাত কবি যিনি সনেট রচনা করলেও মধুসূদন মূল প্রেরণা পেয়েছিলেন পেত্রার্কের কাছ থেকে।
D) পেত্রার্ক — এই অপশনটি সঠিক কারণ পেত্রার্ক সনেটের জনক এবং মধুসূদন তাঁর দ্বারা সরাসরি প্রভাবিত হয়েছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার মূল উৎস ইতালির কবি পেত্রার্ক, আর বাংলায় এর জনক মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
পেত্রার্কের নাম মনে রাখলে চতুর্দশপদী কবিতার প্রাথমিক উৎস সহজেই মনে রাখা সম্ভব।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলায় সনেটের প্রবর্তক কে এবং তিনি কার দ্বারা প্রভাবিত।
এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় পেত্রার্কের নাম এবং মাইকেল মধুসূদন দত্তের চতুর্দশপদী কবিতাাবলী গ্রন্থটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
বাংলা গদ্যে যতি বা বিরাম চিহ্নের সার্থক ও প্রথম সফল প্রয়োগকারী হলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
তিনি তার রচিত বেতাল পঞ্চবিংশতি গ্রন্থে প্রথম সুশৃঙ্খলভাবে বিরাম চিহ্নের ব্যবহার করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক শিল্পী হিসেবে পরিচিত।
তার হাত ধরেই বাংলা গদ্যের ছন্দ, যতি এবং পঠনপদ্ধতি শৃঙ্খলাবদ্ধ রূপ লাভ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেতাল পঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত হয়, যেখানে প্রথম যতি চিহ্নের সঠিক ব্যবহার দেখা যায়।
উদাহরণ ২: শকুন্তলা
ব্যাখ্যা: বিদ্যাসাগর রচিত এই গ্রন্থটিতেও বাংলা যতি চিহ্নের সুশৃঙ্খল ও পরিমিত প্রয়োগ লক্ষ্য করা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজা রামমোহন রায় — তিনি আধুনিক বাংলা গদ্যের সূচনাকারী হলেও গদ্যে যতি চিহ্নের প্রথম প্রয়োগকারী নন।
B) উইলিয়াম কেরি — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যাপক ছিলেন এবং গদ্যচর্চা করলেও বিরাম চিহ্ন প্রথম ব্যবহার করেননি।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যে অনেক আধুনিকতা আনলেও গদ্যে যতি চিহ্ন প্রয়োগের সূচনাকারী নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিদ্যাসাগর মানেই যতি চিহ্নের সাগর, কারণ তিনি প্রথম গদ্যে যতি চিহ্ন এনেছিলেন।
বেতাল পঞ্চবিংশতি গ্রন্থের মাধ্যমেই মূলত বিরাম চিহ্নের সার্থক ব্যবহার শুরু হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা গদ্যে যতি চিহ্নের প্রবর্তক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এটি খুব কমন একটি প্রতিযোগিতামূলক প্রশ্ন।
যতি চিহ্ন বা বিরাম চিহ্নের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হলেও এর সঠিক নিয়মকানুন পরবর্তী সময়ে প্রমিত রূপ লাভ করে।
সঠিক উত্তর: B) অসময়ে আবির্ভাব
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি বাগধারার প্রচলিত আক্ষরিক ও ভাবার্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ।
- অকাল বোধন শব্দের অর্থ হলো নিয়মের বাইরে বা নির্দিষ্ট সময়ের আগেই কোনো কিছু উপস্থিত হওয়া।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে।
- এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যের ভাবকে আকর্ষণীয় করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আক্কেল গুড়ুম
ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ হলো অবাক হওয়া বা হারিষে দিশেহারা হয়ে যাওয়া।
উদাহরণ ২: ইঁদুর কপালে
ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ হলো মন্দ ভাগ্য বা অত্যন্ত হতভাগ্য ব্যক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শেষ বিদায় — এটি জীবনের অন্তিম মুহূর্ত বা চিরবিদায় বোঝায়, যা অকাল বোধনের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) অসময়ে আবির্ভাব — এটি সঠিক কারণ অকাল বোধন বলতে ঠিক সময়ের বাইরে কোনো কিছুর উপস্থিতি বোঝায়।
C) শেষ সময়ের কাজ — এটি কোনো কাজের শেষ মুহূর্তের তাগিদ বোঝায়, যা আলোচ্য বাগধারার অর্থ নয়।
D) সময়ে আবির্ভাব — এটি সঠিক সময়ের আগমন বোঝায়, যা অকাল বোধন শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বোধন অর্থ জাগরণ বা আগমন এবং অকাল অর্থ খারাপ সময় বা অসময়।
- এই দুটি শব্দ একত্র করলে অসময়ে আবির্ভাব অর্থ সহজে মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার উৎস এবং ভাবার্থ প্রায়ই পরীক্ষাতে আসে।
- নিয়মিত প্রমিত বাগধারাগুলো চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির রচয়িতা সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ঢাকা কলেজে এই বিখ্যাত গানটির কথা রচিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী একুশে ফেব্রুয়ারি গানটির গীতিকার হিসেবে অমর হয়ে আছেন।
- এই গানটি প্রথমে একটি সংকলনে প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তী সময়ে ভাষা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার অন্যতম জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক দেশাত্মবোধক গান।
উদাহরণ ২: একুশের গান
ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত বহু গানের মধ্যে এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় গান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনিই এই গানটির রচয়িতা বা গীতিকার।
B) আলতাফ মাহমুদ — তিনি এই গানটির প্রথম সুরকার, তবে রচয়িতা নন।
C) আবদুল লতিফ — তিনি ভাষা আন্দোলনের অন্য একটি বিখ্যাত গান 'ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়' গানের রচয়িতা ও সুরকার।
D) আল মাহমুদ — তিনি বিশিষ্ট আধুনিক কবি, তবে এই ঐতিহাসিক গানের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- গান লেখার কাজটি চৌধুরী সাহেবের অর্থাৎ আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর হাতে সম্পন্ন হয়েছিল।
- সুর দেওয়ার কাজটি করেছিলেন সুরকার আলতাফ মাহমুদ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই গানের গীতিকার ও সুরকার সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
- গীতিকার আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী এবং সুরকার আলতাফ মাহমুদ বিষয়টি সবসময় আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অহঃ + অহ
১. কেন সঠিক:
- বিসর্গ সন্ধির নিয়মানুযায়ী বিসর্গের পর অ থাকলে বিসর্গ ও হয় এবং পরবর্তী অ লোপ পেয়ে পূর্ববর্তী ও কারের সাথে যুক্ত হয়।
- এখানে অহঃ শব্দের বিসর্গের পর অ থাকায় সন্ধির নিয়ম মেনে তা অহরহ শব্দে পরিণত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম।
- বিসর্গ (ঃ) এর পূর্বে অ এবং পরে অ থাকলে বিসর্গ র বা ও হয়, যা পদের অর্থের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অহঃ + নিশি = অহর্নিশি
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর স্বরবর্ণ থাকলে বিসর্গ র এ পরিণত হয়ে এই সন্ধি সাধিত হয়।
উদাহরণ ২: পুনঃ + আয় = পুনরায়
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর স্বরবর্ণ থাকার কারণে বিসর্গ র এ রূপান্তরিত হওয়ার এটি আরেকটি ধ্রুপদী উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অহঃ + অহ — এটি সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কারণ এখানে বিসর্গ সন্ধির সঠিক নিয়ম প্রয়োগ করা হয়েছে।
B) অহঃ + রহ — এটি ভুল কারণ দ্বিতীয় অংশে রহ লেখা হয়েছে, অথচ মূল শব্দ হলো অহ।
C) অহো + অহো — এটি ভুল কারণ অহো কোনো মৌলিক পদ বা সন্ধির সঠিক অংশ নয়।
D) অহ + অহ — এটি ভুল কারণ এখানে বিসর্গের অনুপস্থিতির কারণে সন্ধির নিয়ম মানা হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অহরহ শব্দটি ভাঙলে শেষের দিকে বিসর্গ যুক্ত অহ আসে, যেমন অহঃ যোগ অহ।
- বিসর্গ সন্ধি মনে রাখতে হলে পদের মূল রূপ এবং সন্ধির পরের অংশ আলাদা করে প্র্যাকটিস করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে শব্দের উভয় অংশের অর্থ এবং ব্যাকরণগত শুদ্ধতা যাচাই করতে হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের সন্ধি প্রায়ই আসে, তাই বিসর্গের রূপান্তর ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) দি আগলি এশিয়ান
১. কেন সঠিক:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ইংরেজি ভাষায় রচিত একমাত্র উপন্যাস হলো দি আগলি এশিয়ান।
- ষাটের দশকে পাকিস্তান সরকারের তথ্য বিভাগে কর্মরত থাকা অবস্থায় তিনি ইংরেজি ভাষায় এই উপন্যাসটি রচনা করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা উপন্যাসে আধুনিক চেতনার প্রবর্তক এবং মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কারিগর।
- তাঁর বিখ্যাত বাংলা উপন্যাসের মধ্যে লালসালু, কাঁদো নদী কাঁদো এবং উড়ে যাওয়া প্রধান।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লালসালু
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সবচেয়ে বিখ্যাত ও বহুল পঠিত সামাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কাঁদো নদী কাঁদো
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ মনস্তাত্ত্বিক ও অস্তিত্ববাদী উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জননী — এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নয়।
B) চিলেকোঠার সেপাই — এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি বিখ্যাত কালজয়ী উপন্যাস।
D) ময়ূরাক্ষী — এটি আহসান হাবীবের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা মূলত তাঁর কবি পরিচয়ের বাইরে সাহিত্যকর্ম।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ওয়ালীউল্লাহর ইংরেজি উপন্যাস মনে রাখতে ইংরেজি নাম দিয়েই মনে রাখবে।
- তাঁর বাংলা উপন্যাসগুলো গ্রামীণ সমাজ ও মনস্তত্ত্ব নিয়ে লেখা হলেও এটি ইংরেজি ভাষায় রচিত।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ভিন্ন ভাষার রচনা বা প্রথম রচনা প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসের সংখ্যা কম হলেও বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) আদি স্বরাগম
১. কেন সঠিক:
- উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দের আদিতে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে আদি স্বরাগম বলে।
- স্কুল শব্দের শুরুতে অতিরিক্ত ই স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে ইস্কুল রূপ লাভ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সংযুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ সহজ করতে শব্দের শুরুতে স্বরধ্বনি আসার প্রক্রিয়া হলো আদি স্বরাগম।
- বিদেশি শব্দের উচ্চারণে অনেক সময় বাঙালি মুখবিবরে এই পরিবর্তন ঘটে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্পর্স থেকে হিস্পর্স
ব্যাখ্যা: স্পর্স শব্দের শুরুতে ই স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে হিস্পর্স হয়েছে।
উদাহরণ ২: স্টেশন থেকে ইশ্টিশন
ব্যাখ্যা: স্টেশন শব্দের শুরুতে ই স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে ইশ্টিশন হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপিনিহিতি — পরের ই-কার বা উ-কার আগে উচ্চারিত হওয়ার রীতি এটি নয়।
B) অভিশ্রুতি — অপিনিহিতির পরের ধাপ বা স্বর পরিবর্তনের অন্য প্রক্রিয়া এটি নয়।
C) আদি স্বরাগম — সঠিক উত্তর হিসেবে এটি শব্দের শুরুতে স্বরধ্বনির আগমন নির্দেশ করে।
D) অন্ত স্বরাগম — শব্দের শেষে স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে বোঝায় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শব্দের শুরুতে ই বা উ যোগ হলে আদি স্বরাগম মনে রাখবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিদেশি শব্দের উচ্চারণে আদি স্বরাগমের ব্যবহার বেশি দেখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) বিধু
১. কেন সঠিক:
- 'বিধু' শব্দটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ চাঁদ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে এটি প্রায়ই আসে এবং এটি চাঁদের একটি অত্যন্ত প্রচলিত কাব্যিক নাম।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমাহার যেগুলোর অর্থ একই বা প্রায় কাছাকাছি হয়।
- 'চাঁদ' শব্দের একাধিক সমার্থক শব্দ রয়েছে যা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুধাংশু
ব্যাখ্যা: সুধাংশু শব্দের অর্থ চাঁদ, যা চাঁদের সমার্থক হিসেবে কবিতায় ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা: শশাঙ্ক শব্দের অর্থও চাঁদ, কারণ চাঁদের গায়ে খরগোশের আকৃতির মতো দাগ থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিধু — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ চাঁদ।
B) নিধু — এটি কোনো অর্থবহ সমার্থক শব্দ নয় বা এর অর্থ ভিন্ন।
C) সিধু — এটি এক ধরনের পানীয় বা অন্য অর্থে ব্যবহৃত হয়, চাঁদ নয়।
D) বঁধু — এর অর্থ প্রিয়জন বা পতি, চাঁদ বোঝায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- চাঁদের অনেক নামের শেষে অংশু বা কর থাকে যেমন সুধাংশু, হিমাংশু।
- বিধু এবং শশাঙ্ক নাম দুটি চাঁদের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সমার্থক শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দগুলোর উৎস যেমন তৎসম বা তদ্ভব মনে রাখা জরুরি।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: B) রাইফেল রোটি আওরাত
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করা হয়েছে কারণ এটি বাংলাদেশের ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর বর্বরতা এবং বাঙালির জীবন সংগ্রামের বাস্তব চিত্র অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই উপন্যাসটির রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আনোয়ার পাশা যিনি ১৯৭১ সালে শহীদ বুদ্ধিজীবী হন।
- এটি মূলত ১৯৭১ সালের মার্চ থেকে জুন মাসের পটভূমিতে রচিত একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সেলিনা হোসেনের হাঙ্গরের নদী গ্রেনেড
ব্যাখ্যা: এটিও একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যা ১৯৭১ সালের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের জাহান্নাম হইতে বিদায়
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের অবক্ষয় ও পাক বাহিনীর নৃশংসতা তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লালসালু — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস এবং এর মূল বিষয় গ্রামীণ সমাজ ও ধর্মীয় ভণ্ডামি।
B) রাইফেল রোটি আওরাত — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।
C) পদ্মা নদীর মাঝি — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি কালজয়ী সামাজিক ও বাস্তবধর্মী উপন্যাস।
D) জননী — এটি শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক ও পারিবারিক উপন্যাস।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাস মনে রাখতে আনোয়ার পাশার রাইফেল রোটি আওরাত কথাটি বারবার স্মরণ করবে।
- উপন্যাসের নামটিতে যুদ্ধের অস্ত্র এবং খাদ্যের রূপক অর্থ ব্যবহার করা হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাস বা প্রথম নাটক কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়।
- এই ধরনের সাহিত্যকর্মের রচয়িতা এবং প্রকাশকাল ভালোভাবে মুখস্থ রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) ধ্বনি
১. কেন সঠিক:
ভাষার মূল উপাদান হলো ধ্বনি কারণ ধ্বনি থেকেই ভাষার অন্যান্য উপকরণের সৃষ্টি হয়।
মানুষের মুখনিঃসৃত অর্থপূর্ণ আওয়াজ বা বোধগম্য শব্দসমষ্টিই হলো ধ্বনি, যা ভাষার ক্ষুদ্রতম একক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ভাষার মূল উপাদান বা ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি এবং লিখিত রূপের ক্ষুদ্রতম একক হলো বর্ণ।
ভাষার মৌলিক উপাদান চারটি যথা ধ্বনি, শব্দ, বাক্য এবং অর্থ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ, আ, ক, খ
ব্যাখ্যা: এগুলো হলো বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনি বা বর্ণ যা দিয়ে শব্দ তৈরি হয়।
উদাহরণ ২: কলম, বই
ব্যাখ্যা: একাধিক ধ্বনি মিলে অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে যার মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শব্দ — শব্দ ভাষার একটি উপাদান হলেও এটি ধ্বনি বা বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত হয়, তাই ক্ষুদ্রতম উপাদান নয়।
B) বাক্য — বাক্য হলো ভাষার বৃহত্তম বা পূর্ণাঙ্গ একক, যা শব্দ ও পদের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
D) পদ — বাকе ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দকে পদ বলে, যা ধ্বনি ও শব্দের পরের ধাপ।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভাষার মূল বা ক্ষুদ্রতম উপাদান চাইলে উত্তর হবে ধ্বনি।
বাক্যের মূল একক বা উপাদান হলো শব্দ বা পদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার মূল উপাদান বা ক্ষুদ্রতম একক প্রায়ই আসে।
মনে রাখবে ধ্বনি হলো উচ্চারিত রূপ এবং বর্ণ হলো তার লিখিত রূপ।
সঠিক উত্তর: D) আবদুল হাকিম
১. কেন সঠিক:
- এই বিখ্যাত পঙক্তিটি মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি আবদুল হাকিমের নূরনামা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- কবির দেশপ্রেম এবং মাতৃভাষার প্রতি প্রগাঢ় ভক্তির অনন্য নিদর্শন হিসেবে এই পঙক্তিটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কবি আবদুল হাকিম সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগের একজন প্রথিতযশা পুথি সাহিত্যিক ও বাঙালি কবি।
- তার জন্মস্থান বর্তমান নোয়াখালী জেলার সুধারামপুর থানার হাতিয়া দ্বীপে বা সন্দীপে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুফি সাধক ও কবি সৈয়দ সুলতান রচিত নবীবংশ কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের পুথি সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় নিদর্শন।
উদাহরণ ২: দৌলত উজির বাহরাম খান রচিত ইউসুফ জোলেখা কাব্য।
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার একটি বিশিষ্ট সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — ইনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্যের রচয়িতা এবং উনিশ শতকের সাহিত্যিক।
B) রামনিধি গুপ্ত — ইনি বাংলা ভাষার আদি খেয়াল গানের রচয়িতা বা নিধু বাবু হিসেবে সমধিক পরিচিত।
C) অতুল প্রসাদ সেন — ইনি আধুনিক যুগের বিখ্যাত বাঙালি গীতিকার, সুরকার ও গায়ক ছিলেন।
D) আবদুল হাকিম — এই অপশনটি সঠিক কারণ উদ্দীপকের কবিতাংশটি তার বিখ্যাত বঙ্গবাণী কবিতার অংশ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মাতৃভাষার পক্ষে কথা বললেই মনে রাখবে তা মধ্যযুগের কবি আবদুল হাকিমের বঙ্গবাণী কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
- কবি পরিচিতি মনে রাখতে হাকিম শব্দের সঙ্গে ভাষার প্রতি বিচার বা প্রজ্ঞার সম্পর্ক মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বঙ্গবাণী কবিতাটি আবদুল হাকিমের নূরনামা কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।
- মধ্যযুগের লেখকদের মধ্যে মাতৃভাষার প্রতি এমন জোরালো অবস্থানের জন্য কবি আবদুল হাকিম বিশেষভাবে স্মরণীয়।
সঠিক উত্তর: A) বিশেষ্য
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে 'সত্য' শব্দটি কোনো দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ না করে বরং একটি স্বাধীন সত্তা বা নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- বাক্যে 'অমোঘ' হলো বিশেষণ, যা 'সত্য' নামক বিশেষ্য পদকে বিশেষিত করেছে এবং ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিশেষণের পরে নামপদ বসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে শব্দ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, স্থান, কাল, ভাব বা গুণের নাম বোঝায়, তাকে বিশেষ্য পদ বলে।
- বাক্য বা পদের মধ্যে যখন কোনো বিশেষণ পদের পর নামবাচক শব্দ বসে এবং তা স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করে, তখন তা বিশেষ্য পদে রূপান্তরিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিনি সত্য কথা বলেন।
ব্যাখ্যা: এখানে 'সত্য' শব্দটি 'কথা' বিশেষ্যকে বিশেষিত করায় এটি বিশেষণ পদ হয়েছে।
উদাহরণ ২: সত্যের জয় অবধারিত।
ব্যাখ্যা: এখানে 'সত্যের' শব্দটিতে বিভক্তি যুক্ত হয়ে বাক্যে বিশেষ্য পদের কাজ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষ্য — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি এখানে বাক্যের মূল নামপদ বা বিশেষ্য হিসেবে কাজ করেছে।
B) বিশেষণ — এটি ভুল কারণ বিশেষণ পদ সবসময় অন্য পদের দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ করে, যা এখানে নেই।
C) সর্বনাম — এটি ভুল কারণ সর্বনাম পদ বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে সত্য শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) অব্যয় — এটি ভুল কারণ অব্যয় পদের কোনো রূপান্তর বা বিভক্তি হয় না, কিন্তু 'সত্য' পদটির রূপান্তর সম্ভব।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো শব্দের পূর্বে যদি বিশেষণ বসে এবং শব্দটি যদি নিজেই একটি নাম বোঝায়, তবে তা বিশেষ্য পদ হবে।
- বাক্যের অর্থ অনুধাবন করে পদের অবস্থান খেয়াল করলে সঠিক পদ নির্ণয় সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় একই শব্দ কখনো বিশেষণ আবার কখনো বিশেষ্য হিসেবে আসতে পারে, তাই বাক্যের প্রেক্ষাপট লক্ষ্য করতে হবে।
- বিশেষণের পরে অবস্থিত নামবাচক শব্দ সাধারণত বিশেষ্য পদ হিসেবে গণ্য হয়।
সঠিক উত্তর: D) তিন প্রকার
১. কেন সঠিক:
গঠনরীতি বা গঠন অনুযায়ী বাংলা বাক্য প্রধানত তিন প্রকার। বাক্যগুলোতে সমাপিকা ক্রিয়া এবং খণ্ডবাক্যের পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে এই শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
গঠনগত দিক থেকে বাক্যকে সরল, জটিল এবং যৌগিক এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়। বাক্যের অর্থ ও পদের বিন্যাস স্পষ্ট করার জন্য এই বিভাজন অত্যন্ত জরুরি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে প্রতিদিন সকালে হাঁটে।
ব্যাখ্যা: এটি একটি সরল বাক্য কারণ এতে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে।
উদাহরণ ২: যদি তুমি আসো, তবে আমি যাব।
ব্যাখ্যা: এটি একটি জটিল বাক্য কারণ এতে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর অন্য একটি নির্ভরশীল খণ্ডবাক্য যুক্ত থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাঁচ প্রকার — বাংলা ব্যাকরণে গঠনভেদে বাক্য কখনো পাঁচ প্রকার হয় না, এই সংখ্যাটি সঠিক নয়।
B) চার প্রকার — বাংলা বাক্যের গঠনগত শ্রেণিবিন্যাসে চার প্রকারের কোনো ভিত্তি নেই।
C) দুই প্রকার — পদের অর্থ বা ভাবের দিক থেকে বাক্য দুই প্রকার হতে পারে, কিন্তু গঠনরীতি অনুযায়ী নয়।
D) তিন প্রকার — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ গঠনরীতি অনুযায়ী বাক্য তিন প্রকারই হয়ে থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
গঠন দিয়ে মনে রাখবে সত্ৰজ অর্থাৎ সরল, জটিল ও যৌগিক। এই তিন শব্দ মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাক্য রূপান্তর ও প্রকারভেদ থেকে প্রশ্ন আসে। তাই সরল, জটিল ও যৌগিক বাক্যের চেনার উপায় ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সার্থক
১. কেন সঠিক:
অমোঘ শব্দের আক্ষরিক অর্থ যা বিফল হয় না, অব্যর্থ, অখণ্ডনীয় বা কার্যকর। পরীক্ষার অপশন অনুযায়ী এর সবচেয়ে কাছাকাছি এবং গ্রহণযোগ্য সমার্থক অর্থ হলো সার্থক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ বিষয়ক প্রশ্ন। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই বিশেষণের মূল অর্থ যা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় না বা যা সফল ফল প্রদান করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তার এই চেষ্টা অমোঘ প্রমাণিত হলো।
ব্যাখ্যা: এখানে অমোঘ শব্দটি প্রচেষ্টার সফল বা সার্থক হওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধটি অমোঘ কাজ করেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে অমোঘ শব্দটি অব্যর্থ বা ফলপ্রসূ অর্থে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সার্থক — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি অমোঘ শব্দের ভাবগত অর্থের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
B) বাসনা — এই অপশনটি ভুল কারণ বাসনা শব্দের অর্থ ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা, যা অমোঘ শব্দের অর্থ নয়।
C) নশ্বর — এই অপশনটি ভুল কারণ নশ্বর শব্দের অর্থ যা ধ্বংসশীল বা যার মৃত্যু আছে।
D) ইচ্ছা — এই অপশনটি ভুল কারণ ইচ্ছা শব্দের অর্থ অভিলাষ বা স্পৃহা, যা অমোঘ শব্দের সমার্থক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
অমোঘ মানে যা মোছা বা ব্যর্থ করা যায় না, অর্থাৎ যা একদম সার্থক ও অব্যর্থ। এভাবে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সংস্কৃত শব্দ ও তার সঠিক অর্থ থেকে প্রশ্ন আসে। তাই প্রমিত শব্দের অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) লুই পা, ভুসুক পা, শবর পা
১. কেন সঠিক:
- চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম পদসংকলন এবং এর রচয়িতারা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ।
- এই অপশনের লুই পা, ভুসুক পা এবং শবর পা প্রত্যেকেই চর্যাপদের প্রখ্যাত কবি হিসেবে স্বীকৃত ও পরীক্ষিত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন যার আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং প্রকাশকাল ১৯০৭ সাল।
- চর্যাপদে মোট কবি বা পদকর্তার সংখ্যা নিয়ে কিছুটা মতভেদ থাকলেও ড. সুকুমার সেনের মতে কবি সংখ্যা ত્રેপ্ন জন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লুই পা চর্যাপদের প্রথম পদটি রচনা করেছিলেন।
ব্যাখ্যা: লুই পা ছিলেন চর্যাপদের আদি কবি এবং তাঁর পদ দিয়েই চর্যাপদ গ্রন্থটি শুরু হয়েছে।
উদাহরণ ২: ভুসুক পা চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচয়িতাদের একজন।
ব্যাখ্যা: ভুসুক পা মোট আটটি পদ রচনা করেছিলেন যা চর্যাপদে কবিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃতিবাস, চন্দ্রাবতী, কাশীরাম দাস — এঁরা মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য বা রামায়ণ-মহাভারত অনুবাদক কবি, চর্যাপদের কবি নন।
B) বিজয়গুপ্ত, মালাধর বসু, দ্বিজ মাধব — এঁরা সবাই মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ও শ্রীকৃষ্ণকীর্তন সংশ্লিষ্ট কবি।
C) চণ্ডীদাস, বিদ্যাপতি, জ্ঞানদাস — এঁরা মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর প্রখ্যাত পদকর্তা।
D) লুই পা, ভুসুক পা, শবর পা — এটি সঠিক অপশন এবং এরা সবাই চর্যাপদের সিদ্ধাচার্য কবি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- চর্যাপদের কবিদের নামের শেষে সাধারণত পা বা পদ যুক্ত থাকে।
- লুই পা, ভুসুক পা, শবর পা নামগুলো দেখলে সহজেই চর্যাপদের কবি হিসেবে চিনে নেওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
- পরীক্ষাসমূহে প্রায়ই চর্যাপদের আদি কবি বা পদের সংখ্যা সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) বিচিত্র প্রবন্ধ
১. কেন সঠিক:
- 'বাজে কথা' প্রবন্ধটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'বিচিত্র প্রবন্ধ' নামক প্রবন্ধ গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রাবন্ধিক রূপ এবং বিভিন্ন সামাজিক বা মনস্তাত্ত্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনার একটি চমৎকার নিদর্শন এই রচনাটি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে কবি, নাট্যকার, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক।
- 'বিচিত্র প্রবন্ধ' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি উল্লেখযোগ্য প্রাবন্ধিক গ্রন্থ যেখানে তাঁর বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় মেলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'সভ্যতার সংকট'
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি অন্যতম বিখ্যাত প্রাবন্ধিক রচনা ও ভাষণ।
উদাহরণ ২: 'বিচিত্রিতা'
ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রাবন্ধিক বা মিশ্র সাহিত্যকর্মের সংকলন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লিপিকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি গদ্যপদ্য ও ক্ষুদ্র গল্পের অভিনব সংকলন গ্রন্থ।
B) কালান্তর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ও সমাজচিন্তামূলক প্রবন্ধ গ্রন্থ।
D) সাহিত্য — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য বিষয়ক প্রবন্ধ নিয়ে রচিত একটি স্বতন্ত্র গ্রন্থ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিভিন্ন বিচিত্র বা অদ্ভুত বিষয়ে রবীন্দ্রনাথের প্রবন্ধগুলো পেতে 'বিচিত্র প্রবন্ধ' নামটি মনে রাখতে পারো।
- প্রবন্ধ সাহিত্যের ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের গ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে ছক আকারে চর্চা করা ভালো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রবন্ধ গ্রন্থগুলোর নাম বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- লেখকের অন্যান্য প্রবন্ধ যেমন 'কালান্তর' বা 'সমাজ' এর সাথে যেন গুলিয়ে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) রৌদ্র করোটিতে
১. কেন সঠিক:
শামসুর রাহমানের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো রৌদ্র করোটিতে যা ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়। আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে নগরজীবন নাগরিক যন্ত্রণা ও দ্রোহের সুর ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে এই কাব্যগ্রন্থটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি যিনি ১৯২৯ সালে পুরান ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তার কবিতায় নাগরিক সংবেদনশীলতা একাকীত্ব এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অক্টোপাস
ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তার কাব্যশৈলীর অনন্য নিদর্শন।
উদাহরণ ২: ফিরিয়ে নাও ঘاص
ব্যাখ্যা: এটিও কবি শামসুর রাহমানের একটি সুপরিচিত কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমি কিংবদন্তির কথা বলছি — এই কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম শক্তিশালী কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ।
B) বিমুখ প্রান্তর — এটি শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ নয় বরং অন্য কোনো কবির সাহিত্যকর্ম।
D) ছাড়পত্র — এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা গণমানুষের কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
শামসুর রাহমানের প্রথম কাব্য রৌদ্র করোটিতে মনে রাখতে মাথায় রাখুন যে প্রখর রৌদ্র বা রোদের মধ্যে করোটি বা মাথা গরম হয়ে যায় এবং এটিই তার প্রথম সাহিত্যিক পদচারণা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএসসহ অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই আসে তাই শামসুর রাহমানের প্রথম কাব্য রৌদ্র করোটি নিশ্চিতভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) কাহিনী
১. কেন সঠিক:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'কাহিনী' শব্দটিতে 'ণ' এর পরিবর্তে 'ন' ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা ভাষায় অতৎসম বা তদ্ভব শব্দের ক্ষেত্রে সাধারণত মূর্ধন্য 'ণ' এর ব্যবহার হয় না, দন্ত্য 'ন' ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে মূর্ধন্য 'ণ' এর ব্যবহার বাধ্যতামূলক হলেও বিদেশি বা তদ্ভব শব্দে কেবল দন্ত্য 'ন' বসে।
- 'কাহিনী' একটি তদ্ভব শব্দ হওয়ায় এর বানানে মূর্ধন্য 'ণ' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং দন্ত্য 'ন' ব্যবহার করা প্রমিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাণী
ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ বিধায় এর বানানে মূর্ধন্য 'ণ' ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: গনি
ব্যাখ্যা: এটি তদ্ভব বা প্রচলিত শব্দ হওয়ায় এখানে দন্ত্য 'ন' ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাহিনী — এটি সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী দন্ত্য 'ন' যুক্ত রূপ।
B) কাহীনী — এই অপশনে দীর্ঘ 'ঈ' কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
C) কাহিনী — প্রদত্ত প্রশ্নপত্রে এই অপশনটি পুনরাবৃত্ত হয়েছে এবং এটিও সঠিক বানান হিসেবে বিবেচিত।
D) কাহিনী — এটিও মূল উত্তরের অনুরূপ একটি বিকল্প যা সঠিক বানান নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিদেশি বা তদ্ভব শব্দ মনে রাখতে সহজ নিয়ম হলো মূর্ধন্য 'ণ' এর বদলে সবসময় দন্ত্য 'ন' ব্যবহার করা।
- কাহিনীর মতো সাধারণ শব্দগুলোতে শেষের বর্ণে দীর্ঘ 'ঈ' এবং 'ন' ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ভব ও তৎসম শব্দের বানান প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে।
- বাংলা একাডেমি প্রণীত আধুনিক প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করে এই ধরনের শব্দের বানান নিশ্চিত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) জাহানারা ইমাম
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করার কারণ হলো 'একাত্তরের দিনগুলি' নামক বিখ্যাত দিনপঞ্জি বা স্মৃতিকথাটির রচয়িতা হলেন শহীদ জননী জাহানারা ইমাম।
- এই গ্রন্থে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর বড় ছেলে রুমীর শহীদ হওয়া এবং দিনলিপি আকারে যুদ্ধদিনের ভয়াবহতা ও মায়ের মনস্তাত্ত্বিক সংগ্রামের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জাহানারা ইমাম ছিলেন একজন প্রথিতযশা বাঙালি কথাসাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ ও শহীদ জননী যিনি একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
- 'একাত্তরের দিনগুলি' একটি প্রামাণ্য স্মৃতিকথা বা ডায়েরি সাহিত্য যার মাধ্যমে তৎকালীন বাঙালি জাতির গৌরবময় ও ট্র্যাজেডিপূর্ণ ইতিহাসের এক অমূল্য দলিল সংরক্ষিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সেলিনা হোসেন রচিত উপন্যাস 'হাঙর নদী গ্রেনেড'।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটিও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এবং একজন মায়ের আত্মত্যাগের পটভূমিতে রচিত যা বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ ২: শওকত ওসমান রচিত উপন্যাস 'জননী'।
ব্যাখ্যা: এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক না হলেও বাংলা উপন্যাসে মাতৃত্ব ও গ্রামীণ জীবনের সংগ্রামের এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেগম সুফিয়া কামাল — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক হলেও 'একাত্তরের দিনগুলি' বইটির রচয়িতা নন।
B) সেলিনা হোসেন — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি একজন খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক হলেও আলোচ্য গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়।
C) জাহানারা ইমাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই ঐতিহাসিক দিনপঞ্জিটির মূল রচয়িতা।
D) বেগম রোকেয়া — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি নারীজাগরণের অগ্রদূত ও প্রাবন্ধিক, আর তাঁর সময়কাল ছিল অনেক আগের।
৫ মনে রাখার টিপস:
- একাত্তরের দিনগুলোতে মা জাহানারা ইমাম তাঁর ডায়েরিতে যুদ্ধের দিনগুলো লিখেছিলেন, তাই দিনগুলি মানেই জাহানারা ইমাম।
- শহীদ জননী হিসেবে পরিচিত এই লেখকের একমাত্র মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ডায়েরিভিত্তিক গ্রন্থ হলো একাত্তরের দিনগুলি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতিকথা বা ডায়েরি সাহিত্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- একই ধরনের আরেকটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতিকথা হলো রাবেয়া খাতুনের 'একাত্তরের ডায়েরী'।
সঠিক উত্তর: A) গল্পগ্রন্থ
১. কেন সঠিক:
- কাজী নজরুল ইসলামের 'রিক্তের বেদন' একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ, যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই গ্রন্থে লেখকের মোট সাতটি গল্প স্থান পেয়েছে, যেখানে মানবপ্রেম ও সমাজজীবনের চিত্র ফুটে উঠেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম মূলত কবিতা ও গানের জন্য সর্বাধিক পরিচিত হলেও তিনি সফল কিছু গল্প ও উপন্যাসও রচনা করেছেন।
- তাঁর সাহিত্যকর্মে সাম্যবাদ, দ্রোহ এবং মানবপ্রেমের পাশাপাশি সমাজের নিগৃহীত মানুষের বেদনা সুন্দরভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যথার দান
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: শিউলী মালা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ, যা ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গল্পগ্রন্থ — এটি সঠিক উত্তর কারণ রিক্তের বেদন কাজী নজরুল ইসলামের একটি জনপ্রিয় ছোটগল্পের সংকলন।
B) কাব্যগ্রন্থ — এটি ভুল কারণ রিক্তের বেদন কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি ছোটগল্পের বই।
C) উপন্যাস — এটি ভুল কারণ এটি কোনো উপন্যাস বা দীর্ঘ কাহিনীমূলক গল্প নয়।
D) নাটক — এটি ভুল কারণ নাটক দৃশ্যকাব্য বা অভিনয়ের জন্য রচিত হয়, যা রিক্তের বেদন নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের গল্পগ্রন্থ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তার ব্যথার দান, রিক্তের বেদন ও শিউলী মালা এগুলো সবই ছোটগল্প।
- পরীক্ষার হলে 'বেদন' শব্দটিকে ছোটগল্প বা গল্পের বেদনা হিসেবে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের প্রথম গল্পগ্রন্থ কোনটি তা প্রায়ই আসে, যার উত্তর ব্যথার দান।
- লেখকের গল্প ও উপন্যাসের নামগুলো ভালোভাবে আলাদা করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) পুণ্যাহ
১. কেন সঠিক:
'পুণ্যকর্ম সম্পাদনের জন্য শুভদিন' এককথায় প্রকাশ করলে 'পুণ্যাহ' হয়। জমিদারি আমলে খাজনা আদায়ের প্রথম শুভদিনকেও পুণ্যাহ বলা হতো।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এখানে একাধিক পদের ভাবকে একটি মাত্র শব্দে সংক্ষেপ করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা পূর্বে কখনো হয় নাই — অভূতপূর্ব।
ব্যাখ্যা: এই এককথায় প্রকাশটিতে অতীত ঘটনার অপ্রাপ্যতা প্রকাশ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: অহংকার নাই যার — নিরহংকার।
ব্যাখ্যা: এই বাক্য সংকুচনে ব্যক্তির বিশেষ গুণ প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুণ্যাহ — বানানটি সঠিক নয় কারণ এখানে 'হ' এর নিচে হসন্ত বা ফলা নেই।
B) পুন্নাহ — বানানটি সম্পূর্ণ ভুল ও এটি ব্যাকরণসম্মত নয়।
C) পুণ্যাহ্ — এখানে হ এর নিচে হসন্ত দেওয়া হয়েছে যা প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী অপ্রয়োজনীয়।
D) পুণ্যাহ — এটি সঠিক বানান ও প্রশ্নের সঙ্গে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ।
৫. মনে রাখার টিপস:
পুণ্য এবং অহ মিলে পুণ্যাহ শব্দটি গঠিত হয় এবং এর শেষ বর্ণে কোনো হসন্ত থাকে না। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রে এই শব্দটি প্রায়ই আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী হ-এর নিচে হসন্ত অনেক ক্ষেত্রেই বর্জন করা হয়েছে। বাক্য সংকোচনের ক্ষেত্রে বানান ভুলের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) কবি-কাহিনী
১. কেন সঠিক:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো কবি-কাহিনী। ১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে এই কাব্যগ্রন্থটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক বিশাল দিকপাল এবং বিশ্বকবি। এই কাব্যগ্রন্থটি যখন প্রকাশিত হয়, তখন এর প্রচ্ছদে লেখকের নাম সরাসরি উল্লেখ করা ছিল না, বরং লেখা ছিল ভনিতা হিসেবে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিশেষ সাহিত্যকর্ম যা তিনি ভানুসিংহ ছদ্মনামে লিখেছিলেন।
উদাহরণ ২: সন্ধ্যাসংগীত
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত মৌলিক ও সার্থক কবিতার বই যা কবি-কাহিনী প্রকাশের কিছু পরে আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বনফুল — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ নয় বরং এটি বিহারীলাল চক্রবর্তীর বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ।
B) কড়ি ও কোমল — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৮৬ সালে প্রকাশিত হয়, প্রথম কাব্য নয়।
C) বলাকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পরিপক্ব কাব্যগ্রন্থ যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
D) কবি-কাহিনী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হওয়ার কারণে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথের প্রথম প্রকাশিত কাব্য কোনটি তা মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো ছোটবেলায় কবিরা আগে গল্প বা কাহিনী লেখেন, তাই প্রথম কাব্য হলো কবি-কাহিনী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্য, প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস বা প্রথম প্রকাশিত নাটক সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। তাই রবীন্দ্রনাথের কৈশোর ও প্রারম্ভিক রচনার সাল ও নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বিনয় মুখোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
'যাযাবর' হলো প্রখ্যাত সাহিত্যিক বিনয় মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম।
তিনি বাংলা সাহিত্যে এই ছদ্মনামে বিভিন্ন মননশীল ও রম্য রচনা লিখে বিখ্যাত হয়েছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিনয় মুখোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট ছদ্মনামধারী লেখক ও রম্যলেখক।
তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত সৃষ্টি হলো 'দৃষ্টিপাত' উপন্যাসটি যা যাযাবর ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়েছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা: এটি যাযাবর ছদ্মনামে প্রকাশিত বিনয় মুখোপাধ্যায়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সাহিত্যকর্ম।
উদাহরণ ২: শাশ্বতী
ব্যাখ্যা: এটিও বিনয় মুখোপাধ্যায়ের লেখা আরেকটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যা তাঁর মূল নামে প্রকাশিত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় — এই সাহিত্যিক 'বনফুল' ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন এবং তিনি বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় নামে পরিচিত নন।
B) বিনয় মুখোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি 'যাযাবর' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।
C) বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় — ইনি একজন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও 'যাযাবর' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন না।
D) বিনয় ঘোষ — ইনি 'কালপেঁচা' ছদ্মনামে সমাজবিজ্ঞান ও রম্য রচনা লিখতেন, 'যাযাবর' নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
যাযাবর মানে যে ঘুরে বেড়ায় এবং বিনয় মানুষের মন জয় করে ঘুরে বেড়ায়, এভাবে মনে রাখতে পারো।
যাযাবর ছদ্মনাম দেখলে বিনয় মুখোপাধ্যায় নামটিকে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম বনফুল এবং বিনয় ঘোষের ছদ্মনাম কালপেঁচা, বিষয়টি ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) had not spoken
কেন সঠিক:
- as though বা as if এর আগের অংশ Present Tense হলে পরের অংশ Past Indefinite Tense হয়।
- আগের অংশ Past Indefinite Tense হলে পরের অংশ Past Perfect Tense হয়, তাই এখানে had not spoken সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) did not speak — আগের অংশ Past Tense হওয়ায় এখানে Past Perfect Tense অর্থাৎ had not spoken ব্যবহার করতে হবে।
B) have not spoken — Present Tense এর নিয়ম অনুযায়ী এটি এখানে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) had not spoken — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়মাশ্রয়ী।
D) not spoken — এটি একটি অসম্পূর্ণ বাক্যাংশ এবং এর সাথে কোনো সাহায্যকারী verb নেই।
মনে রাখার টিপস:
as if বা as though এর বাম পাশে Past থাকলে ডান পাশে Past Perfect বসবে।
সঠিক উত্তর: D) castle
কেন সঠিক:
- 'Castle in the air' একটি বিখ্যাত ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ আকাশকুসুম কল্পনা বা অবাস্তব স্বপ্ন দেখা।
- এই ইডিয়মে 'castle' শব্দটি নির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে অন্য কোনো শব্দ বসানো ব্যাকরণগত ও বাগধারা অনুযায়ী ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) house — এটি সাধারণ অর্থে ভৌত বাসস্থান বোঝায়, কিন্তু নির্দিষ্ট ইডিয়মের নিয়ম অনুযায়ী এখানে 'house' ব্যবহার করা যায় না।
B) home — এর অর্থ নিজ বাড়ি বা নিবাস, যা এই প্রবাদপ্রতিম বা বাগধারার অংশ হিসেবে সঠিক নয়।
C) adobe — এর অর্থ কাঁচা ইটের তৈরি বাড়ি, যা আলোচ্য বাগধারার সঙ্গে কোনোভাবেই মানানসই নয়।
D) castle — এটি সঠিক শব্দ যা 'castle in the air' বাগধারাটি গঠন করে অবাস্তব কল্পনার অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
আকাশে বাড়ি তৈরি করা যায় না, তাই মনে রাখবেন আকাশে সবসময় দুর্গ বা 'castle' তৈরি করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) Portmanteaux
কেন সঠিক:
- যেসব ফ্রেঞ্চ বা ফরাসি মূলের শব্দ সাধারণত 'eau' দিয়ে শেষ হয়, তাদের প্লুরাল বা বহুবচন করার সময় শেষে 'x' যোগ করতে হয়।
- 'Portmanteau' শব্দটি ফরাসি মূলের হওয়ায় এর সঠিক বহুবচন রূপ হলো 'Portmanteaux'।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Portmanteaux - এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী এর বহুবচন রূপটি নির্ভুল।
B) Portmanteauses - এটি ইংরেজি সাধারণ নিয়মে 'es' যোগ করে ভুলভাবে বহুবচন তৈরি করা হয়েছে।
C) Portmantiauxes - এটি একটি ভুল বানান এবং বহুবচনের কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Portmantum - এটি এই শব্দের কোনো সঠিক বহুবচন রূপ নয়, বরং এটি একটি ভুল গঠন।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দের শেষে 'eau' থাকে, তাদের প্লুরাল করার সময় শেষে একটি 'x' যোগ করতে হয়, যেমন Bureau থেকে Bureaux।
সঠিক উত্তর: D) Adult
কেন সঠিক:
- 'Adulterate' একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ কোনো কিছু ভেজাল করা বা খাঁটি না রাখা।
- প্রশ্নটিতে 'all except' বলা হয়েছে, অর্থাৎ কোনটি Adulterate শব্দের সমার্থক নয় তা খুঁজতে বলা হয়েছে।
- অপশন ডি এর 'Adult' শব্দটির অর্থ প্রাপ্তবয়স্ক, যা Adulterate শব্দের অর্থ বা সমার্থক শব্দের সাথে কোনোভাবেই মিলে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) To make impure — এই অপশনটির অর্থ খাঁটি না করা বা ভেজাল করা, যা মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
B) Pollute — এই অপশনটির অর্থ দূষিত করা, যা কোনো কিছু নষ্ট বা ভেজাল করার সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) Contaminate — এই অপশনটির অর্থ সংদূষিত করা বা নষ্ট করা, যা মূল শব্দের অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
D) Adult — এই অপশনটির অর্থ প্রাপ্তবয়স্ক, যা শব্দগত ও অর্থগতভাবে Adulterate শব্দের বিপরীত এবং সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
Adulterate শব্দের অর্থ ভেজাল করা, তাই এর সমার্থক শব্দ হবে Impure, Pollute এবং Contaminate, কিন্তু Adult হলো সম্পূর্ণ আলাদা একটি শব্দ যার অর্থ প্রাপ্তবয়স্ক।
সঠিক উত্তর: B) To sit for.
কেন সঠিক:
- 'To go in for' একটি ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ কোনো পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা বা কোনো প্রতিযোগিতায় নাম লেখানো।
- অপশন বি-এর 'To sit for' ফ্রেজটির অর্থও কোনো পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা, যা মূল প্রশ্নটির সঠিক সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) To go for a purchase. — এই অপশনটি সরাসরি কেনাকাটা করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই।
B) To sit for. — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা।
C) To examine. — এই শব্দটির অর্থ পরীক্ষা করা বা মূল্যায়ন করা, যা পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা দেওয়ার সঙ্গে মিলে না।
D) To take an investigation. — এর অর্থ কোনো তদন্ত পরিচালনা করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি প্রসঙ্গ।
মনে রাখার টিপস:
'Go in for' মানে ভেতরে প্রবেশ করা, আর পরীক্ষার হলে ভেতরে প্রবেশ করে পরীক্ষায় বসা বা অংশ নেওয়াকে 'Sit for' বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) to
কেন সঠিক:
- কোনো নির্দিষ্ট দিকে বা স্থানের অভিমুখে যাওয়া বোঝাতে movement বা গতি বুঝাতে preposition হিসেবে to ব্যবহৃত হয়।
- এখানে পার্কের দিকে যাওয়া বোঝাচ্ছে বলে Come to the park সঠিক হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to - নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা দিকের অভিমুখে গতি বোঝাতে এই preposition ব্যবহৃত হয় এবং এটিই সঠিক।
B) in - অবস্থান বা ভেতরে থাকা বোঝালে in বসে, কিন্তু এখানে পার্কের ভেতরে স্থির অবস্থা বোঝাচ্ছে না।
C) into - বাহির থেকে ভেতরে প্রবেশের গতি বোঝালে into বসে, কিন্তু এখানে পার্কের দিকে যাওয়া বোঝানো হয়েছে।
D) at - কোনো নির্দিষ্ট ছোট স্থান বা নির্দিষ্ট বিন্দুর অবস্থান বোঝালে at ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোথাও যাওয়ার গতি বা অভিমুখ বোঝাতে সাধারণত verb-এর পরে to বসে।
সঠিক উত্তর: D) Physical punishment.
কেন সঠিক:
- 'Corporal' শব্দটি ল্যাটিন শব্দ 'corpus' থেকে এসেছে যার অর্থ দেহ বা শরীর।
- তাই 'Corporal punishment' বলতে শারীরিক শাস্তি বা দৈহিক নির্যাতনকে বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mutual punishment — এর অর্থ পারস্পরিক শাস্তি, যা এই বাগধারাটির প্রথাগত অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) Capital punishment — এর অর্থ মৃত্যুদণ্ড, যা 'Corporal punishment' এর সমার্থক নয়।
C) Innovative punishment — এর অর্থ উদ্ভাবনীমূলক শাস্তি, যা একটি মনগড়া অপশন এবং এর কোনো ঐতিহাসিক বা ভাষাগত ভিত্তি নেই।
D) Physical punishment — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'Corporal' ও 'Physical' সমার্থক এবং উভয়েই শারীরিক শাস্তিকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
'Corporal' শব্দটির মূল অর্থ দেহ (Body), তাই 'Corporal punishment' দেখলে শারীরিক শাস্তির কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) I saw a girl and she is singing.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটিতে দুটি স্বাধীন ক্লজ বা খণ্ডবাক্য রয়েছে, যা coordinate conjunction (and) দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
- Compound sentence-এর সংজ্ঞানুযায়ী, দুই বা ততোধিক স্বাধীন ক্লজ coordinating conjunction দ্বারা যুক্ত থাকলে তাকে compound sentence বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I saw a girl singing. — এটি একটি Simple sentence কারণ এতে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (saw) এবং একটি খণ্ডবাক্য রয়েছে।
B) I saw a girl and she is singing. — এটি সঠিক অপশন এবং এটি একটি Compound sentence।
C) I saw a girl who is singing. — এটি একটি Complex sentence কারণ এতে relative pronoun (who) যুক্ত অধীন ক্লজ রয়েছে।
D) I saw a girl to sing — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং এতে infinitive phrase রয়েছে, যা পূর্ণাঙ্গ বাক্য গঠন করে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে and, but, or থাকলে এবং উভয় পাশে স্বাধীন ক্লজ হলে তা Compound sentence হয়।
সঠিক উত্তর: B) Bourgeois
কেন সঠিক:
- বানানটি ফরাসি ভাষার শব্দ থেকে এসেছে যার সঠিক ইংরেজি বানান Bourgeois।
- শব্দটির অর্থ মধ্যবিত্ত বা বুর্জোয়াশ্রেণি, যার বানানরীতিতে নির্দিষ্ট বর্ণবিন্যাস অনুসরণ করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Bourgeoa — এই বানানের শেষে s বর্ণটি অনুপস্থিত এবং বানানগঠন ভুল।
B) Bourgeois — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং নির্ভুল বানান।
C) Bourgious — এখানে i বর্ণের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে।
D) Bourguia — এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল এবং ফরাসি শব্দটির মূল কাঠামোর সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে বুর্জোয়া শব্দের শেষে ois অংশটি বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) Pronoun
কেন সঠিক:
- 'Either' শব্দটি এখানে 'of' প্রিিপজিশনের পূর্বে বসে দুটি বস্তুর মধ্যে যেকোনো একটিকে নির্দেশ করেছে।
- প্রোনাউনের নিয়মানুযায়ী কোনো শব্দ একা সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে নাউনের পরিবর্তে বসলে তা Pronoun হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Preposition — এই বাক্যে 'either' কোনো সম্পর্ক স্থাপন করেনি, তাই এটি Preposition নয়।
B) Adjective — 'Either' কোনো নাউনের পূর্বে বসে তার দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করেনি, তাই এটি Adjective নয়।
C) Adverb — এটি কোনো ভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ বা অন্য কোনো অ্যাডভার্বকে মডিফাই করেনি, তাই এটি Adverb নয়।
D) Pronoun — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি 'either of the two' গঠনে প্রোনাউনের কাজ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
Either বা Neither এর ঠিক পরেই যদি of থাকে, তবে তা সাধারণত Pronoun হিসেবে গণ্য হয়।
সঠিক উত্তর: A) Useful
কেন সঠিক:
- beneficial শব্দের বাংলা অর্থ হলো উপকারী বা কল্যাণকর, যা useful শব্দের সমার্থক।
- কোনো কিছু থেকে যখন ভালো ফল পাওয়া যায়, তখন তাকে beneficial বা useful বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Useful — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ উপকারী, যা প্রশ্নবোধক শব্দের সমার্থক।
B) Benevolent — এর অর্থ দয়ালু বা পরোপকারী, যা কোনো গুণ বা বস্তুর ক্ষেত্রে উপকারী অর্থে ব্যবহৃত হয় না।
C) Benefit — এটি একটি নাউন বা বিশেষ্য যার অর্থ সুবিধা, কিন্তু beneficial হলো একটি অ্যাডজেক্টিভ।
D) Beneficial — এটি নিজেই প্রশ্ন, তাই একই শব্দ এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে পুনরাবৃত্তি হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
Benefit শব্দের শেষে cial যুক্ত হয়ে beneficial অর্থাৎ উপকারী বিশেষণটি গঠিত হয়, যার সাথে useful শব্দের মিল রয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) had been saving
কেন সঠিক:
- বাক্যে for months উল্লেখ থাকায় বোঝা যায় কাজটি অতীতে একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে চলেছিল।
- অতীতের একটি দীর্ঘ সময় ধরে চলমান কাজের ক্ষেত্রে Past Perfect Continuous Tense ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) was saving — এটি Past Continuous Tense, যা অতীতকালের চলমান কাজ বোঝায় কিন্তু নির্দিষ্ট সময় বা for এর ব্যবহার নির্দেশ করে না।
B) had been saving — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অতীতের একটি নির্দিষ্ট সময়ব্যাপী চলমান কাজ নির্দেশ করে।
C) has been saving — এটি Present Perfect Continuous Tense, কিন্তু বাক্যের প্রেক্ষাপট অতীতকাল নির্দেশ করছে।
D) saved — এটি Simple Past Tense, যা অতীতের সাধারণ সমাপ্ত কাজ বোঝায় কিন্তু এর ব্যাপ্তি বা ধারাবাহিকতা বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে for বা since এর সাথে অতীতে সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি চলমান বোঝালে Past Perfect Continuous Tense হবে।
সঠিক উত্তর: B) He gave me a cheque
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি প্যাসিভ ফর্মে আছে এবং এর মূল verb হলো gave যার দুটি অবজেক্ট রয়েছে।
- Active করার সময় Indirect object (me) কে Subject (I) বানানোর পর, V2 (gave) এর পরিবর্তে সঠিক Active গঠন ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A cheque is given to me — এটি present indefinite tense এর passive form, কিন্তু মূল বাক্যটি past tense এ ছিল।
B) He gave me a cheque — এটি সঠিক কারণ এটি past indefinite tense এর active form এবং অর্থের সাথে মিলে যায়।
C) I gave him a cheque — এটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, কারণ মূল বাক্যে সাবজেক্ট অন্য কেউ ছিল।
D) I go a cheque — এখানে 'go' verb টি ব্যবহার করা হয়েছে যা বাক্যটিকে অর্থহীন ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল করে তোলে।
মনে রাখার টিপস:
Passive বাক্যের 'was given' থাকলে Active করার সময় Past indefinite tense (V2) ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) farther
কেন সঠিক:
- 'Far' এডজেক্টিভটির দুটি তুলনামূলক রূপ বা কম্পারেটিভ ডিগ্রি রয়েছে, যার মধ্যে দূরত্ব বা ভৌগোলিক অবস্থানের ক্ষেত্রে 'farther' ব্যবহার করা হয়।
- প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ প্রশ্নে কোনো নির্দিষ্ট দূরত্ব বা भौतिक দূরত্বের কথা বোঝানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for away — এটি একটি ভুল গঠন এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক ইংরেজি ফ্রেজ নয়।
B) further — এটি কম্পারেটিভ ডিগ্রি হলেও দূরত্ব বোঝাতে নয়, বরং অতিরিক্ত, অধিকতর বা পরবর্তী কোনো বিষয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) farther — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো অতিরিক্ত কারণ নেই।
D) far from — এটি একটি প্রিপজিশনাল ফ্রেজ, যা দূরত্ব বা কোনো অবস্থা থেকে দূরে থাকা বোঝাতে বসে, কম্পারেটিভ ডিগ্রি নয়।
মনে রাখার টিপস:
দূরত্বে farther এবং অধিক বা অতিরিক্ত অর্থে further ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) He is so weak that he cannot walk
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যের 'too...to' গঠনটিকে নেগেটিভ করার সময় 'too' এর পরিবর্তে 'so' এবং 'to' এর পরিবর্তে 'that' বসে।
- 'that' এর পর প্রথম সাবজেক্ট অনুযায়ী 'cannot' বা 'could not' বসে এবং বাক্যটি নেগেটিভ অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He is very weak to walk — এখানে 'too' এর বদলে 'very' ব্যবহার করায় বাক্যটির অর্থ এবং ব্যাকরণগত নিয়ম সঠিক হয়নি।
B) He is so weak that he cannot walk — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি 'too...to' এর সঠিক নেগেটিভ রূপান্তর।
C) He is not very much weak — এই অপশনটিতে 'too...to' কাঠামোর সঠিক রূপান্তর বা ব্যাকরণগত নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি।
D) He is highly weak — এটি একটি ভুল গঠন এবং এর অর্থ মূল বাক্যের ভাবার্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
too...to যুক্ত বাক্যকে নেগেটিভ করার সময় মনে রাখতে হবে যে, too এর জায়গায় so এবং to এর জায়গায় that বসে সাবজেক্টের পর cannot বা could not বসে।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: C) is being hanged
কেন সঠিক:
- বাক্যে tonight থাকায় এটি বর্তমানকালের নিকট ভবিষ্যতে ঘটতে যাওয়া একটি ঘটনা বোঝাচ্ছে, যা Present Continuous Tense নির্দেশ করে।
- কোনো মানুষকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে Hang verb-এর Past Participle হিসেবে Hanged ব্যবহৃত হয় এবং এটি Passive Voice-এ আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) was hanged — এটি Past Tense, কিন্তু বাক্যে tonight থাকায় বর্তমান বা নিকট ভবিষ্যতের সময় নির্দেশ করায় এটি সঠিক নয়।
B) was hung — মানুষের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড বোঝাতে Hang verb-এর Past Participle হিসেবে Hung ব্যবহৃত হয় না, Hang-এর রূপ Hanged হয়।
C) is being hanged — এটি সঠিক কারণ বাক্যটি Present Continuous Tense-এর Passive Form এবং মানুষের ফাঁসি দেওয়ার ক্ষেত্রে Hanged সঠিক।
D) is hanged — এটি Present Indefinite Tense, কিন্তু tonight শব্দটির কারণে এটি বর্তমানের চলমান বা আসন্ন ঘটনা বোঝাতে অপর্যাপ্ত।
মনে রাখার টিপস:
মানুষের ফাঁসি দেওয়ার ক্ষেত্রে Hang-এর Past Participle ফর্ম ہمیشہ Hanged হবে, আর অন্য কোনো বস্তু ঝোলানোর ক্ষেত্রে Hung ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: D) কাপড়ের রং পাকা
কেন সঠিক:
- Colorfast শব্দটির আক্ষরিক অর্থ এমন রং যা সহজে ধুয়ে যায় না বা বিবর্ণ হয় না।
- ইংরেজি পরিভাষায় কাপড়ের ক্ষেত্রে একে পাকা রং বা টেকসই রং হিসেবে বোঝানো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাপড়ের রং দ্রুত উঠে যায় — এটি colorfast শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
বি) কাপড়ের রং কাঁচা — কাঁচা রং অর্থ যা সহজে ধুয়ে যায় বা ফিকে হয়, যা colorfast এর সঠিক অনুবাদ নয়।
সি) কাপড়ের রং হালকা — হালকা রং বলতে রঙের গাঢ়ত্ব বোঝায়, যা টেকসই হওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
ডি) কাপড়ের রং পাকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ পাকা রং বলতে বোঝায় যা সহজে নষ্ট হয় না।
মনে রাখার টিপস:
Fast শব্দের অর্থ দ্রুত হলেও colorfast-এর ক্ষেত্রে এটি রঙের স্থায়ীত্ব বোঝায়, অর্থাৎ রঙের গতি রোধ করা বা আটকে রাখা।
সঠিক উত্তর: B) To stop working
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ইডিওম 'give up the ghost' এর আক্ষরিক অর্থ ভূত ছেড়ে দেওয়া হলেও রূপক অর্থে এর অর্থ কোনো যন্ত্র বা ব্যবস্থার স্থায়ীভাবে কাজ বন্ধ করে দেওয়া বা নষ্ট হয়ে যাওয়া।
- প্রশ্নের বাক্যে গাড়ি সম্পর্কে বলা হয়েছে, তাই গাড়িটি নষ্ট হয়ে যাওয়া বা চলা বন্ধ করে দেওয়া অর্থে সঠিক উত্তরটি প্রযোজ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) To die — এটি মানুষের ক্ষেত্রে মৃত্যুর রূপক অর্থ প্রকাশ করলেও এখানে গাড়ি সম্পর্কিত হওয়ায় তা প্রযোজ্য নয়।
B) To stop working — এটি সঠিক কারণ এটি কোনো যন্ত্র বা ইঞ্জিনের স্থায়ীভাবে কর্মক্ষমতা হারানোর অর্থ প্রকাশ করে।
C) To get released of ghost — এটি ইডিওমটির আক্ষরিক ভুল ব্যাখ্যা এবং ভূত বা প্রেতাত্মার মুক্তির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
D) To come out of disorder — এটি বিশৃঙ্খলা থেকে বেরিয়ে আসার সাধারণ অর্থ প্রকাশ করে, যা এই নির্দিষ্ট ইডিওমের রূপক অর্থের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
যন্ত্রপাতি বা গাড়ি মারা যায় না, বরং কাজ করা বন্ধ করে দেয়। তাই 'give up the ghost' দেখলে বুঝবে কোনো জিনিস নষ্ট বা অচল হয়ে গেছে।
সঠিক উত্তর: D) Barren
কেন সঠিক:
- Fertile শব্দের অর্থ উর্বর, যা মূলত জমি বা মস্তিষ্কের ফলনশীলতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- Barren শব্দের অর্থ উর্বরতাহীন বা অনুৎপাদনশীল, যা Fertile শব্দের বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিজম হিসেবে নিখুঁতভাবে মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Productive — এই শব্দটির অর্থ উৎপাদনশীল, যা Fertile শব্দের সমার্থক বা সিনোনিম হিসেবে কাজ করে।
B) Fatal — এই শব্দটির অর্থ মারাত্মক বা প্রাণঘাতী, যা Fertile শব্দের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
C) Feeble — এই শব্দটির অর্থ দুর্বল বা ক্ষীণ, যা মূলত শারীরিক বা মানসিক দুর্বলতা প্রকাশ করে।
D) Barren — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ অনুৎপাদনশীল এবং এটি Fertile শব্দের সরাসরি বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
Fertile মানে উর্বর জমি যেখানে ফসল ফলে, আর Barren মানে অনুজমি যেখানে কোনো ফসল জন্মে না।
সঠিক উত্তর: C) John Milton
কেন সঠিক:
- জন মিল্টন সপ্তদশ শতাব্দীর কবি এবং তিনি রনেসাঁস যুগের অন্তর্ভুক্ত, রোমান্টিক যুগের নন।
- রোমান্টিক যুগ শুরু হয় ১৭৯৮ সালে উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ ও এস টি কোলরিজের লিরিক্যাল ব্যালাডস প্রকাশের মাধ্যমে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) William Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি এবং রোমান্টিক কাব্যের অন্যতম পথপ্রদর্শক।
B) S.T. Coleridge — তিনি রোমান্টিক যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং ওয়ার্ডসওয়ার্থের সাথে যৌথভাবে রোমান্টিক আন্দোলন শুরু করেছিলেন।
C) John Milton — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি নন, বরং তিনি ছিলেন সপ্তদশ শতাব্দী বা পিউরিটান যুগের মহাকবি।
D) John Keats — তিনি উনিশ শতকের গোড়ার দিকের অন্যতম প্রধান এবং কনিষ্ঠ রোমান্টিক কবি।
মনে রাখার টিপস:
রোমান্টিক যুগের বিখ্যাত কবিদের মনে রাখতে ওয়ার্ডসওয়ার্থ, কোলরিজ ও কীটসের নাম মনে রাখুন আর মিল্টনকে সপ্তদশ শতাব্দীর কবি হিসেবে আলাদা করুন।
সঠিক উত্তর: C) Thomas Hardy
কেন সঠিক:
- থমাস হার্ডি মূলত একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ছিলেন, যিনি তার উপন্যাসে ওয়েসেক্স অঞ্চলের গ্রামীণ জীবন ও ট্র্যাজেডি ফুটিয়ে তুলেছেন।
- তার বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে রিটার্ন অব দ্য নেটিভ এবং টেস অব দ্য ডি'আর্বারভিলস বিশ্বসাহিত্যর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Shakespeare — তিনি মূলত একজন বিশ্বখ্যাত নাট্যকার ও কবি ছিলেন, ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত নন।
B) Alfred Tennyson — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন প্রধান কবি ছিলেন, কোনো উপন্যাস রচনা করেননি।
D) John Donne — তিনি সপ্তদশ শতকের একজন বিশিষ্ট মেটাফিজিক্যাল কবি ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
হার্ডি মানেই উপন্যাস এবং ট্র্যাজেডি, আর শেক্সপিয়ার মানে নাটক।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: B) had, before
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী Hardly-এর সাথে Past Perfect Tense (had + V3) এবং conjunction হিসেবে before বা when বসে।
- প্রদত্ত উত্তরটিতে B অপশনের কথা বলা হলেও, এই নির্দিষ্ট স্ট্রাকচারে Hardly-এর সাথে সাধারণত when ব্যবহার করা হয়, তবে before ব্যবহার করাও ব্যাকরণগতভাবে অনুমোদিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) did, when — did ব্যবহার করলে প্রবেশ করার মূল verb-টি Present form (enter) হওয়া লাগত, যা এখানে নেই।
B) had, before — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হলেও, এই বাক্যের ক্ষেত্রে 'had, when' অধিকতর আদর্শ ও প্রমিত নিয়ম।
C) had, hem — অপশনটিতে hem শব্দটি একটি অপ্রাসঙ্গিক শব্দ এবং এটি কোনো সঠিক conjunction বা rule-এর অংশ নয়।
D) have, when — বাক্যটি Past Tense-এ থাকায় প্রথম অংশে have ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Hardly-এর পর সবসময় Past Perfect Tense (had) বসে এবং পরের অংশে before অথবা when ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Pronoun
কেন সঠিক:
- বাক্যে underlined শব্দ 'Many' এবং 'few' কোনো বিশেষ noun-এর পরিবর্তে বসেছে এবং নিজেই subject হিসেবে কাজ করছে।
- কোনো noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়ে যখন কোনো শব্দ বাক্যের subject বা object হিসেবে বসে, তখন তাকে Indefinite Pronoun বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Noun — Noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু এখানে শব্দগুলো কোনো নির্দিষ্ট নাম বোঝাচ্ছে না বরং ব্যক্তির পরিবর্তে বসেছে।
B) Pronoun — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ শব্দগুলো noun-এর পরিবর্তে বসেছে।
C) Adjective — Adjective হলো এমন শব্দ যা কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে, কিন্তু এখানে এরা নিজেই noun-এর কাজ করছে।
D) Verb — Verb দ্বারা কোনো কাজ করা বা হওয়া বোঝায়, কিন্তু এখানে শব্দগুলো কোনো কাজ বোঝাচ্ছে না।
মনে রাখার টিপস:
Many বা few-এর পরে যদি কোনো noun না থাকে এবং তারা একা বসে, তবে তারা সবসময় Pronoun হিসেবে গণ্য হয়।
সঠিক উত্তর: B) laid
কেন সঠিক:
- এখানে শূন্যস্থানে ডিম পাড়া অর্থে লাই ভার্বের সঠিক অতীত রূপ বসাতে হবে।
- মুরগি ডিম পেড়েছিল বোঝাতে লে এর পাস্ট টেন্স বা অতীত রূপ হিসেবে laid ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) lied — এর অর্থ মিথ্যা বলা, যার পাস্ট টেন্স lied কিন্তু এটি ডিম পাড়ার অর্থে বসে না।
B) laid — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে।
C) layed — ইংরেজি ব্যাকরণে এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ লে ভার্বের কোনো পাস্ট টেন্স layed হয় না।
D) lay — এটি লাই ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম অথবা লাই ভার্বের পাস্ট ফর্ম, কিন্তু এখানে পাস্ট ফর্ম হিসেবে laid প্রয়োজন।
মনে রাখার টিপস:
ডিম পাড়া বা কিছু বিছিয়ে রাখা অর্থে lay এর পাস্ট টেন্স हमेशा laid হয় এবং মিথ্যা বলা অর্থে lie এর পাস্ট টেন্স lied হয়।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: B) You or I were there.
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অর বা নর দ্বারা দুটি ভিন্ন পুরুষ বা পার্সনের সাবজেক্ট যুক্ত হলে শেষের সাবজেক্ট অনুযায়ী ভার্ব বসে।
- এই বাক্যে শেষের সাবজেক্ট আই এর ক্ষেত্রে ওয়্যার ব্যবহার কথ্য ও প্রমিত ইংরেজিতে প্রায়ই দেখা যায়, যদিও ঐতিহ্যগত ব্যাকরণে ওয়াজ বসে। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বহু নির্বাচনী প্রশ্নে এই বিশেষ কাঠামোর উত্তর হিসেবে ওয়্যার গ্রহণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) You or I was there. — ঐতিহ্যগত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রমিত উত্তর হিসেবে ওয়্যার নির্ধারিত থাকায় এটি সঠিক হিসেবে গৃহীত হয় না।
B) You or I were there. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা শেষের সাবজেক্টের সাথে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ করা হয়েছে।
C) You or I had there. — হ্যাড শব্দটি মূল ভার্ব বা সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে এখানে অবস্থান বোঝাতে ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ অর্থহীন ও ভুল।
D) You or I had been there. — হ্যাড বিন ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ অতীতকালের দীর্ঘ সময় বোঝায়, যা মূল প্রশ্নের সাধারণ অস্তিত্বের অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
অর দ্বারা যুক্ত সাবজেক্টের ক্ষেত্রে শেষের সাবজেক্ট অনুযায়ী ভারบ নির্ধারণের প্রচলিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার নিয়মটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) beautifully
কেন সঠিক:
- Adjective-এর সাথে সাধারণত ly যুক্ত করে Adverb গঠন করা হয়।
- beautiful একটি Adjective এবং এর সাথে ly যুক্ত হয়ে beautifully Adverb হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) beautify — এটি verb, যার অর্থ সুন্দর করা।
B) beautifully — এটি adverb এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
C) beautification — এটি noun, যার অর্থ সৌন্দর্যবর্ধন।
D) beauty — এটি noun, যার অর্থ সৌন্দর্য।
মনে রাখার টিপস:
Adjective শব্দের শেষে ful থাকলে এবং তার সাথে ly যুক্ত করলে সাধারণত তা Adverb হয়।
সঠিক উত্তর: D) ৪৮৪০
প্রদত্ত তথ্য:
১ একর জমির পরিমাপ নির্ণয় করতে হবে
১ গজ সমান ৩ ফুট এবং ১ একর সমান ৪৩১৫৬ বর্গফুট
ধরি,
১ একর ক্ষেত্রফল = ৪৩১৫৬ বর্গফুট
১ বর্গ গজ = ৩ ফুট × ৩ ফুট = ৯ বর্গফুট
অতএব,
বর্গগজে রূপান্তর করতে হলে মোট বর্গফুটকে ৯ দ্বারা ভাগ করতে হবে
৪৩১৫৬ কে ৯ দ্বারা ভাগ করলে মান পাওয়া যায় ৪৮৪০
সুতরাং,
১ একর সমান ৪৮৪০ বর্গগজ
উত্তর: ৪৮৪০ বর্গগজ
সঠিক উত্তর: C) ৪০
প্রদত্ত তথ্য:
ট্রাপিজিয়ামের প্রথম সমান্তরাল বাহুর দৈর্ঘ্য = ৬ ফুট
ট্রাপিজিয়ামের দ্বিতীয় সমান্তরাল বাহুর দৈর্ঘ্য = ১০ ফুট
সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব বা উচ্চতা = ৫ ফুট
ধরি,
প্রথম বাহু = ক = ৬ ফুট
দ্বিতীয় বাহু = খ = ১০ ফুট
উচ্চতা = h = ৫ ফুট
অতএব,
ক্ষেত্রফলের সূত্র অনুযায়ী, ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × (প্রথম বাহু + দ্বিতীয় বাহু) × উচ্চতা
মানগুলো বসিয়ে পাই, ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × (৬ + ১০) × ৫
যোগ করে পাই, ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ১৬ × ৫
সুতরাং,
১৬ কে ২ দিয়ে ভাগ করে পাই, ক্ষেত্রফল = ৮ × ৫
গুণ করে পাই, ক্ষেত্রফল = ৪০ বর্গফুট
উত্তর: ৪০ বর্গফুট
সঠিক উত্তর: D) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
সেট এ এর উপাদানগুলো মৌলিক সংখ্যা
উপাদানগুলোর মান নয় বা তার চেয়ে ছোট
ধরি,
৯ এর সমান বা ছোট মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৫ এবং ৭
তাই সেট এ সমান সেকেন্ড ব্র্যাকেটে ২, ৩, ৫, ৭
অতএব,
সেট এ এর মোট সদস্য সংখ্যা সমান ৪
পাওয়ার সেট বা শক্তি সেটের সদস্য সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র হলো দুই এর ওপর পাওয়ার এন
সুতরাং,
পি অব এ এর সদস্য সংখ্যা সমান দুই এর ওপর পাওয়ার চার
দুইকে চারবার গুণ করলে পাওয়া যায় ষোলো
উত্তর: ১৬
সঠিক উত্তর: C) ৫৩÷৭২
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, x ÷ y = ৪ ÷ ৫
এখান থেকে পাই, x = ৪ এবং y = ৫
ধরি,
প্রথম অংশ = ৫ ÷ ৮০ লেখা যাবে না, ৫ ÷ ৮ হবে
দ্বিতীয় অংশ = (y − x) ÷ (y + x)
অতএব,
y − x = ৫ − ৪ = ১
y + x = ৫ + ৪ = ৯
সুতরাং,
দ্বিতীয় অংশের মান = ১ ÷ ৯
এখন মূল রাশিতে মান বসাই, ৫ ÷ ৮ + ১ ÷ ৯
উত্তর: ৫৩ ÷ ৭২
সঠিক উত্তর: D) ৩/৫
প্রদত্ত তথ্য:
x + (১ / x) = ৩
ধরি,
রাশিটি হলো (x স্কয়ার + ১) 나누 (x স্কয়ার + ২x + ১)
লব সমান হলো (x স্কয়ার + ১)
অতএব,
হর সমান লেখা যায় (x স্কয়ার + ২x + ১)
এটিকে লেখা যায় (x + ১) হোল স্কয়ার
সুতরাং,
দেওয়া আছে x + (১ / x) = ৩
উভয় পক্ষে x দ্বারা গুণ করে পাই x স্কয়ার + ১ = ৩x
উত্তর: মান বসিয়ে পাই ৩ / ৫
সঠিক উত্তর: B) -১
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিকোণমিতিক কোণ থিটা এর জন্য সাইন অনুপাত বিবেচনা করতে হবে
সাইন অনুপাতের পরিধি ঋণাত্মক এক থেকে ধনাত্মক এক এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে
ধরি,
থিটা কোণের মান যেকোনো বাস্তব সংখ্যা হতে পারে
সাইন থিটা এর সার্বিক মান সর্বদা মাইনাস এক এবং প্লাস এক এর মধ্যে থাকে
অতএব,
সাইন ফাংশনের সর্বোচ্চ মান ধনাত্মক এক হয়
সাইন ফাংশনের সর্বনিম্ন মান ঋণাত্মক এক হয়
সুতরাং,
প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন মানটি হলো ঋণাত্মক এক
উত্তর: -১
সঠিক উত্তর: D) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো ৩ − (১ ÷ ১)উর্ধ্বতন মাইনাস ১ + (২ − ৩ ÷ ২)উর্ধ্বতন মাইনাস ১ এর ৩
ধরি,
প্রথম অংশ = (১ ÷ ১)উর্ধ্বতন মাইনাস ১
দ্বিতীয় অংশ = (২ − ৩ ÷ ২)
তৃতীয় অংশ = (২ − ৩ ÷ ২)উর্ধ্বতন মাইনাস ১ এর ৩
অতএব,
প্রথম অংশের হিসাব = ১ এর উপর মাইনাস ১ শক্তি = ১
দ্বিতীয় অংশের হিসাব = (৪ − ৩) ÷ ২ = ১ ÷ ২ = ১ ÷ ২
তৃতীয় অংশের হিসাব = (১ ÷ ২)উর্ধ্বতন মাইনাস ১ এর ৩ = ২ এর ৩ গুণ = ৬
সুতরাং,
৩ − ১ + ৬
৩ থেকে ১ বিয়োগ করলে থাকে ২
উত্তর: ২ এর সাথে ৬ যোগ করলে হয় ৮
সঠিক উত্তর: D) ৪০%
প্রدত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশটি হলো দুই এর পাঁচ অংশ
ধরি,
শতকরায় প্রকাশ করতে হলে একশ দ্বারা গুণ করতে হবে
অতএব,
দুই ভাগ পাঁচ গুণ একশ
সুতরাং,
দুই গুণ বিশ সমান চল্লিশ
উত্তর: ৪০%
সঠিক উত্তর: C) ১০৭
প্রদত্ত তথ্য:
সীমা হলো ১০ থেকে ৬০ পর্যন্ত সংখ্যা
একক স্থানীয় মান হবে ৯
ধরি,
নির্ণয় মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো যেগুলোর একক ঘরে ৯ আছে
১০ থেকে ৬০ এর মধ্যে এমন সংখ্যাগুলো হলো ১৯, ২৯, ৩৯, ৪৯, ৫৯
অতএব,
যাচাই করে পাই ১৯ একটি মৌলিক সংখ্যা
২৯ একটি মৌলিক সংখ্যা
৩৯ মৌলিক সংখ্যা নয় কারণ এটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য
সুতরাং,
৪৯ মৌলিক সংখ্যা নয় কারণ এটি ৭ দ্বারা বিভাজ্য
৫৯ একটি মৌলিক সংখ্যা
উত্তর: ১৯ + ২৯ + ৫৯ = ১০৭
সঠিক উত্তর: D) ৮√৩
প্রদত্ত তথ্য:
x২ − ৪x + ১ = ০
ধরি,
সমীকরণটির উভয় পক্ষকে x দ্বারা ভাগ করি
তাহলে পাই, x − ৪ + (১ ÷ x) = ০
অতএব,
x + (১ ÷ x) = ৪
এখন আমরা জানি, (x − ১ ÷ x)২ = (x + ১ ÷ x)২ − ৪
মান বসিয়ে পাই, (x − ১ ÷ x)২ = (৪)২ − ৪ = ১৬ − ৪ = ১২
সুতরাং,
(x − ১ ÷ x) = √১২ = ২√৩
এখন (x২ − ১ ÷ x২) এর মান বের করতে হবে
উত্তর: (x + ১ ÷ x) × (x − ১ ÷ x) = ৪ × ২√৩ = ৮√৩
সঠিক উত্তর: C) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম এর ভিত্তি হলো ২√৫
এবং লগারিদম এর মান হলো ৪০০
ধরি,
লগারিদম এর সমীকরণটি হলো log_২√৫ (৪০০) = x
যাকে সূচকের আকারে লেখা যায় (২√৫)^x = ৪০০
অতএব,
(২√৫)^২ = ২^২ × (√৫)^২ = ৪ × ৫ = ২০
তাহলে (২√৫)^৪ = ((২√৫)^২)^২ = ২০^২ = ৪০০
সুতরাং,
(২√৫)^x = (২√৫)^৪
উভয় পক্ষ থেকে ভিত্তি বাদ দিলে x এর মান পাওয়া যায়
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: D) ৪/৫
প্রদত্ত তথ্য:
ট্যান থিটা = ১ / ২
ধরি,
লম্ব = ১
ভূমি = ২
অতএব,
অতিভুজ = রুট ওভার (১ এর স্কয়ার + ২ এর স্কয়ার)
অতিভুজ = রুট ওভার (১ + ৪)
অতিভুজ = রুট ওভার ৫
সুতরাং,
সাইন থিটা = ১ ÷ রুট ওভার ৫
কস থিটা = ২ ÷ রুট ওভার ৫
উত্তর: সাইন টু থিটা = ২ × সাইন থিটা × কস থিটা = ৪ ÷ ৫
সঠিক উত্তর: A) ১০ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
দৈর্ঘ্য প্রস্থ অপেক্ষা ৪ মিটার বেশি
ঘরটির পরিসীমা ৩২ মিটার
ধরি,
ঘরের প্রস্থ = ক মিটার
ঘরের দৈর্ঘ্য = ক + ৪ মিটার
অতএব,
পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
২ × (ক + ৪ + ক) = ৩২
২ × (২ক + ৪) = ৩২
সুতরাং,
৪ক + ৮ = ৩২
৪ক = ২৪
ক = ৬
উত্তর: দৈর্ঘ্য = ৬ + ৪ = ১০ মিটার
সঠিক উত্তর: A) ১৮
প্রদত্ত তথ্য:
ছয়টি সংখ্যার গড় = ৫
ধরি,
সংখ্যা ছয়টি এমন যাদের যোগফল ৩০
কারণ ছয়টি সংখ্যার গড় পাঁচ হলে মোট যোগফল ছয় গুণ পাঁচ সমান ত্রিশ হয়
অতএব,
প্রত্যেকটি সংখ্যা থেকে দুই বিয়োগ করলে মোট ছয়টি সংখ্যা থেকে বিয়োগ হয় ছয় গুণ দুই বা বারো
সুতরাং,
নতুন সংখ্যাগুলোর সমষ্টি হবে মূল সমষ্টি ত্রিশ বিয়োগ বারো সমান আঠারো
উত্তর: ১৮
সঠিক উত্তর: A) সমকোণী
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত ১ : ১ : ২
ধরি,
প্রথম কোণটি = ১x বা x
দ্বিতীয় কোণটি = ১x বা x
তৃতীয় কোণটি = ২x
অতএব,
তিনটি কোণের সমষ্টি = x + x + ২x = ৪x
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টির নিয়ম অনুযায়ী,
x + x + ২x = ১৮০°
সুতরাং,
৪x = ১৮০°
অতএব, x = ৪৫°
উত্তর:
কোণ তিনটি হলো ৪৫°, ৪৫° এবং ৯০°
যেহেতু একটি কোণ ৯০° বা সমকোণ, তাই ত্রিভুজটি সমকোণী
সঠিক উত্তর: C) ১৩৬ তম
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে ১৩৬তম সদস্য হিসেবে লাভ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় প্রথম ভাষণ দিয়ে এই সদস্যপদের গুরুত্ব বিশ্ব দরবারে তুলে ধরেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৪৬ তম — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশ সম্পর্কিত জাতিসংঘ বা অন্য কোনো প্রধান আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ প্রাপ্তির সাল বা ক্রমের সাথে মিলে না।
B) ১২৬ তম — এই ক্রমটি ভুল কারণ বাংলাদেশ তার আগে বা পরে অন্য কোনো নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থার এইতম সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়নি।
C) ১৩৬ তম — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ ঠিক এই ক্রমিক নম্বরে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল।
D) ১৪৮ তম — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য, ১৪৮তম সদস্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হয়। সংখ্যাটি মনে রাখতে তেরো (১৩) এবং ছয় (৬) মিলে ১৩৬ মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) প্রধানমন্ত্রী
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা সংক্রান্ত সর্বোচ্চ নীতির্ধারণী প্রতিষ্ঠান হলো একনেক।
- দেশের নির্বাহী প্রধান হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পদাধিকার বলে একনেক বা ECNEC এর চেয়ারপারসন বা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্থমন্ত্রী — অর্থমন্ত্রী একনেক সভার সদস্য হতে পারেন, তবে তিনি এর সভাপতি বা প্রধান নন।
B) প্রধানমন্ত্রী — এটি সঠিক উত্তর, কারণ প্রধানমন্ত্রী পদাধিকার বলে এই পদের অধিকারী।
C) পরিকল্পনা মন্ত্রী — পরিকল্পনা মন্ত্রী একনেকের বিকল্প চেয়ারপারসন বা গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, তবে সভাপতি নন।
D) রাষ্ট্রপতি — রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হলেও তিনি সরকারের নির্বাহী কার্যক্রমে ECNEC এর সভাপতি নন।
মনে রাখার টিপস:
একনেক দেশের উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি, আর দেশের নির্বাহী প্রধান অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী এর নেতৃত্ব দেন।
সঠিক উত্তর: D) রাশিয়া
কেন সঠিক:
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পারমাণবিক শক্তি চুল্লি নির্মাণের ক্ষেত্রে রাশিয়া নেতৃত্ব দিচ্ছে এবং বর্তমানে তাদের অধীনে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক সক্রিয় চুল্লি রয়েছে।
- রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন রোসাটম বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক প্রযুক্তির বিস্তার ও চুল্লি ব্যবস্থাপনায় প্রধান ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — চীন পারমাণবিক শক্তিতে দ্রুত অগ্রগতি অর্জন করলেও মোট চুল্লির সংখ্যার দিক থেকে তারা রাশিয়ার পরেই অবস্থান করছে।
B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্যের কয়েকটি পারমাণবিক চুল্লি থাকলেও জ্বালানি উৎপাদনে তারা রাশিয়া বা অন্যান্য শীর্ষ দেশের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে।
C) ইসরায়েল — ইসরায়েলের কোনো ঘোষিত পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বা বাণিজ্যিক চুল্লি নেই, তাদের পরমাণু কর্মসূচি মূলত গবেষণাকেন্দ্রিক ও সামরিক গোপনীয়তার আওতাধীন।
D) রাশিয়া — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ বৈশ্বিক পারমাণবিক চুল্লির তালিকায় সর্বাধিক সংখ্যার দিক থেকে রাশিয়া বর্তমানে শীর্ষে অবস্থান করছে।
মনে রাখার টিপস:
রাশিয়া পারমাণবিক শক্তিতে সবচেয়ে শক্তিশালী এবং তাদের কাছেই রয়েছে বিশ্বের সর্বাধিক পারমাণবিক চুল্লি।
সঠিক উত্তর: C) অবাধ চলাচল সংক্রান্ত চুক্তি
কেন সঠিক:
- শেঙ্গেন চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর নাগরিকদের পারস্পরিক সীমান্ত পারাপারের সময় পাসপোর্ট ও ভিসা চেকিংয়ের বাধ্যবাধকতা বাতিল করে।
- এই চুক্তির আওতায়ভুক্ত দেশগুলোতে একবার প্রবেশ করলে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ভেতরে অবাধে যাতায়াত করা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাণিজ্য চুক্তি — এটি মূলত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়মকানুন বা শুল্ক হ্রাসের জন্য করা হয়, শেঙ্গেন চুক্তি এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) কর হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি — এটি কর ফাঁকি রোধ বা দ্বৈত করারোপ এড়ানোর জন্য করা হয়, যা শেঙ্গেন চুক্তির মূল উদ্দেশ্য নয়।
C) অবাধ চলাচল সংক্রান্ত চুক্তি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ তুলে দিয়ে অবাধ চলাচলের সুযোগ দেয়।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
শেঙ্গেন চুক্তি মানেই সীমানা পার হওয়ার ঝামেলা নেই, অর্থাৎ অবাধ চলাচল।
সঠিক উত্তর: C) বাকিংহাম প্যালেস
কেন সঠিক:
- এটি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রধান সরকারি ও প্রশাসনিক বাসভবন।
- রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ও রাজকীয় অভ্যর্থনা আয়োজনের জন্য এই ভবনটি বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এলিসি প্যালেস — এটি ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন, যা ব্রিটিশ রাজপরিবারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) টাওয়ার অব লন্ডন — এটি ইংল্যান্ডের একটি ঐতিহাসিক দুর্গ ও সাবেক রাজপ্রাসাদ, বর্তমান সরকারি বাসভবন নয়।
C) বাকিংহাম প্যালেস — এটি ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রধান সরকারি বাসভবন হিসেবে সঠিকভাবে নির্ধারিত।
D) গ্র্যান্ড প্যালেস — এটি থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অবস্থিত থাই রাজার সাবেক সরকারি বাসভবন।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাজ্যের রাজা বা রানির সরকারি বাসভবন মনে রাখতে বাক শব্দটি দিয়ে বাকিংহাম প্যালেস মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) চীন
কেন সঠিক:
- G-৭ হলো বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সাতটি উন্নত অর্থনীতির শিল্পোন্নত দেশের একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- চীন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হলেও এটি G-৭ ভুক্ত দেশ নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাপান — এটি G-৭ জোটের একটি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও স্থায়ী সদস্য দেশ।
B) চীন — এটি G-৭ জোটের সদস্য নয়, বরং এটি উদীয়মান অর্থনীতির দেশ।
C) যুক্তরাজ্য — এটি G-৭ জোটের একটি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও প্রভাবশালী সদস্য দেশ।
D) যুক্তরাষ্ট্র — এটি G-৭ জোটের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠাতা ও প্রভাবশালী সদস্য দেশ।
মনে রাখার টিপস:
G-৭ জোটের সদস্য দেশগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও জাপান।
সঠিক উত্তর: B) ইতালি
কেন সঠিক:
- মাইকেল অ্যাঞ্জেলো ১৪৭৫ সালে ইতালির ক্যাপ্রেসে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন রেনেসাঁ যুগের একজন বিখ্যাত ইতালীয় ভাস্কর, চিত্রশিল্পী ও স্থপতি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জার্মানি — এটি ইউরোপের একটি দেশ হলেও মাইকেল অ্যাঞ্জেলোর জন্মভূমি বা কর্মক্ষেত্র ছিল না।
B) ইতালি — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই দেশের বিখ্যাত শিল্পী ছিলেন।
C) স্পেইন — এটি ইউরোপের অপর একটি দেশ, যা তাঁর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ফ্রান্স — এটিও অন্য একটি দেশ এবং রেনেসাঁ শিল্পের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
মাইকেল অ্যাঞ্জেলো ও লিওনার্দো দা ভিঞ্চি দুজনেই রেনেসাঁ যুগের বিখ্যাত শিল্পী এবং তাদের জন্ম দেশ ইতালি।
সঠিক উত্তর: C) তুরস্ক
কেন সঠিক:
- তুরস্ক প্রথম মুসলিম দেশ হিসেবে ১৯৪৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরাইল রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে তুরস্ক তখন নতুন ইসরাইলি সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাহরাইন — বাহরাইন ২০২০ সালের আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে অনেক পরে ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয়।
B) সংযুক্ত আরব আমিরাত — সংযুক্ত আরব আমিরাত ২০২০ সালে ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে।
D) মিশর — মিশর প্রথম আরব দেশ হিসেবে ১৯৭৯ সালে ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয়, কিন্তু প্রথম মুসলিম দেশ নয়।
মনে রাখার টিপস:
মুসলিম দেশ হিসেবে সবার আগে ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয় তুরস্ক, যা মনে রাখতে তুরস্ক ও ১৯৪৯ সাল একসঙ্গে স্মরণ করুন।
সঠিক উত্তর: A) ট্রিগভে লাই
কেন সঠিক:
- ট্রিগভে লাই ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং তিনি নরওয়ের নাগরিক ছিলেন।
- তিনি ১৯৪৬ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত এই পদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ট্রিগভে লাই — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি জাতিসংঘের ইতিহাসের প্রথম মহাসচিব ছিলেন।
B) কুর্ট ওয়াল্ডহেইম — তিনি জাতিসংঘের চতুর্থ মহাসচিব ছিলেন, প্রথম নন।
C) পেরেজ দ্য কুেইলার — তিনি জাতিসংঘের পঞ্চম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
D) উথান্ট — তিনি মিয়ানমারের নাগরিক এবং জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
প্রথম মহাসচিব হিসেবে নরওয়ের ট্রিগভে লাইকে মনে রাখতে "ট্রি" দিয়ে প্রথম গাছ বা প্রথম ব্যক্তি হিসেবে চিন্তা করতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) মুশফিকুর রহিম
কেন সঠিক:
- মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করার গৌরব অর্জন করেন।
- তিনি ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টে এই ঐতিহাসিক দ্বিশতক innings খেলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুশফিকুর রহিম — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান।
B) তামিম ইকবাল — তিনি টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রানের মালিক ও সেঞ্চুরিয়ান হলেও ডাবল সেঞ্চুরি করেননি।
C) সাকিব আল হাসান — তিনি টেস্টে সেরা অলরাউন্ডার ও ডাবল সেঞ্চুরির মালিক হলেও প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান নন।
D) লিটন দাস — তিনি টেস্ট দলের নির্ভরযোগ্য ব্যাটার হলেও এখন পর্যন্ত টেস্টে কোনো ডাবল সেঞ্চুরি করেননি।
মনে রাখার টিপস:
টেস্টে প্রথম ডাবল (মুশফিকুর রহিম) মানেই ম তে মুশফিক।
সঠিক উত্তর: C) প্রীতিলতা
কেন সঠিক:
- প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ১৯৩২ সালে মাস্টারদা সূর্যসেনের নেতৃত্বে পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ অভিযানে অংশ নেন এবং বীরত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
- তিনি মাস্টারদা সূর্যসেনের বিপ্লবী দলের একজন অত্যন্ত বিশ্বস্ত ও সক্রিয় সশস্ত্র সহযোগী ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইলা মিত্র — তিনি তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ছিলেন এবং মাস্টারদা সূর্যসেনের সহযোগী ছিলেন না।
B) তিতুমীর — তিনি ব্রিটিশবিরোধী কৃষক আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন এবং বারাসতের বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন।
D) ক্ষুদিরাম — তিনি বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলনের সময় প্রফুল্ল চাকীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ১৯০৮ সালে ফাঁসিপ্রাপ্ত হন।
মনে রাখার টিপস:
সূর্যসেনের বীর নারী সহযোগী ছিলেন প্রীতিলতা, যিনি পাহাড়তলী ক্লাব আক্রমণে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
সঠিক উত্তর: D) নেদারল্যান্ড
কেন সঠিক:
- নেদারল্যান্ডস দেশের ঐতিহাসিক ও জাতিগত নাম হলো ডাচ, তাই এই দেশের নাগরিকদের ডাচ বলা হয়।
- নেদারল্যান্ডের ভাষা এবং সংস্কৃতির সাথে ডাচ শব্দটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রান্স — ফ্রান্সের নাগরিকদের ফরাসি বলা হয়, ডাচ বলা হয় না।
B) ব্রাজিল — ব্রাজিলের নাগরিকদের ব্রাজিলিয়ান বলা হয়, ডাচ বলা হয় না।
C) নিউজিল্যান্ড — নিউজিল্যান্ডের নাগরিকদের কিউই বলা হয়, ডাচ বলা হয় না।
D) নেদারল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশের নাগরিকদেরই ডাচ বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
নেদারল্যান্ডের ইংরেজি নামের শুরু এন অক্ষর দিয়ে হলেও এর নাগরিকদের পরিচিতি ডাচ হিসেবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) জাতীয় সংসদ
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী দেশের আইন প্রণয়নের একমাত্র ক্ষমতা জাতীয় সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত এই আইনসভা দেশের নতুন আইন তৈরি ও পুরোনো আইন সংশোধন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইন মন্ত্রণালয় — এটি আইন প্রণয়ন করে না, বরং সরকারের নীতি অনুযায়ী আইনের খসড়া প্রস্তুত ও বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে।
B) রাষ্ট্রপতি — রাষ্ট্রপতির প্রধান কাজ জাতীয় সংসদে পাস হওয়া বিলে স্বাক্ষর করা, তিনি নিজে সরাসরি আইন প্রণয়ন করেন না।
C) স্পিকার — তিনি জাতীয় সংসদের অধিবেশন ও কার্যক্রম পরিচালনা করেন, এককভাবে কোনো আইন প্রণয়নের ক্ষমতা তার নেই।
D) জাতীয় সংসদ — এটি সংবিধান অনুযায়ী দেশের সর্বোচ্চ আইনপ্রণেতা প্রতিষ্ঠান এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
আইন প্রণয়ন মানে নতুন নিয়ম তৈরি করা, আর এই কাজটি কেবল দেশের আইনসভা বা জাতীয় সংসদ করে থাকে।
সঠিক উত্তর: A) ১৯০৪ সালে
কেন সঠিক:
- ফিফা বা আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশন ২১ মে ১৯০৪ সালে ফ্রান্সে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জুরিখে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯০৪ সালে — এটি ফিফা প্রতিষ্ঠার সঠিক সাল।
B) ১৯০৫ সালে — এই সালে ফিফা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল।
C) ১৯১৪ সালে — এই সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়েছিল, ফিফা প্রতিষ্ঠার সাল এটি নয়।
D) ১৯২৪ সালে — এই সালে প্যারিস অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিল, ফিফা প্রতিষ্ঠার সাল এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
১৯০৪ সালে ফিফা প্রতিষ্ঠিত হয়, যেখানে চার সংখ্যাটি ফুটবল খেলার চার অংশের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৭৪ সালে
কেন সঠিক:
- ১৯৭৪ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা পরিচালিত হয়।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকারের সময়ে এই জনশুমারি সম্পন্ন হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭২ সালে — এই সময়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্গঠন ও সংবিধান প্রণয়নের কাজ চলে, কোনো আদমশুমারি হয়নি।
B) ১৯৭৪ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই প্রথম আদমশুমারি সম্পন্ন হয়।
C) ১৯৭৬ সালে — এটি প্রথম আদমশুমারির বছর নয়, কারণ প্রথম শুমারি এর আগেই ১৯৭৪ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
D) ১৯৭৯ সালে — এটিও সঠিক নয়, কারণ দ্বিতীয় আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৮১ সালে।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর প্রথম শুমারি হয় চুয়াত্তর সালে, যার শেষ অংক চার এবং সালের শেষ অংকও চার।
সঠিক উত্তর: A) ১৭৯৩
কেন সঠিক:
- ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- এই ব্যবস্থার মাধ্যমে জমিদারদের চিরতরে জমির মালিকানা প্রদান করা হয় এবং সরকারের রাজস্বের পরিমাণ নির্দিষ্ট করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭৯৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করেছিলেন।
B) ১৭৯৬ — এটি ভুল কারণ এই সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করা হয়নি, এটি ভুল সাল।
C) ১৮৫৭ — এটি ভুল কারণ এই সালে সিপাহী বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল, চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সাল এটি নয়।
D) ১৯০৫ — এটি ভুল কারণ এই সালে বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করা হয়েছিল, চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
করনওয়ালিস ও চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সাল মনে রাখতে ক-তে করনওয়ালিস এবং ১৭৯৩ সালকে এভাবে মনে রাখুন যে লর্ড সাহেব ১৭৯৩ সালে বন্দੋবস্ত পাকাপোক্ত করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) বান্দরবান
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের ৩০০টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনী এলাকার মধ্যে বান্দরবান জেলায় মাত্র একটি সংসদীয় আসন রয়েছে।
- পাহাড়ি ও কম জনবহুল এলাকা হওয়ার কারণে এই জেলাটি এককভাবে একটি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেহেরপুর — এই জেলায় সংসদীয় আসন একটি নয়, বরং মেহেরপুর জেলায় দুটি সংসদীয় আসন রয়েছে।
B) ঝালকাঠি — এই জেলায় সংসদীয় আসন একটি নয়, বরং ঝালকাঠি জেলায় দুটি সংসদীয় আসন রয়েছে।
C) বান্দরবান — এটি সঠিক উত্তর এবং এই জেলায় মাত্র একটি সংসদীয় আসন রয়েছে।
D) লক্ষ্মীপুর — এই জেলায় সংসদীয় আসন একটি নয়, বরং লক্ষ্মীপুর জেলায় চারটি সংসদীয় আসন রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে বড় পাহাড়ি জেলা বান্দরবান হলেও জনসংখ্যা কম থাকায় এখানে সংসদীয় আসন মাত্র একটি।
সঠিক উত্তর: D) জেনেভা
কেন সঠিক:
- UNHCR হলো জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা, যার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
- এই সংস্থা বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ, সহিংসতা ও নিপীড়নের কারণে বাস্তুচ্যুত শরণার্থীদের সুরক্ষা ও সহায়তা প্রদান করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তর এবং ইউনিসেফ এর কার্যালয় অবস্থিত হলেও UNHCR এর সদর দপ্তর নয়।
B) রোম — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) এর সদর দপ্তর।
C) প্যারিস — এটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (UNESCO) এর প্রধান কার্যালয়।
D) জেনেভা — এটি UNHCR এর নির্ধারিত সঠিক সদর দপ্তর।
মনে রাখার টিপস:
শরণার্থীরা জীবন বাঁচাতে সাধারণত শান্ত ও নিরাপদ স্থানে (জেনেভা) আশ্রয় খোঁজে, তাই UNHCR-এর সদর দপ্তর জেনেভায় অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) নিরাপত্তা পরিষদ
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী মহাসচিব পদের জন্য নিরাপত্তা পরিষদ প্রথমে প্রার্থী মনোনীত করে সাধারণ পরিষদের কাছে সুপারিশ পাঠায়।
- নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্যের ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ না করে এই সুপারিশ করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মার্কিন প্রেসিডেন্ট — জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচনে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কোনো সাংবিধানিক বা একক সুপারিশের ক্ষমতা নেই।
B) সাধারণ পরিষদ — সাধারণ পরিষদ কেবল নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশ চূড়ান্তভাবে অনুমোদন বা ভোট দেয়, নিজে থেকে কোনো সুপারিশ করে না।
D) WTO — বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিও জাতিসংঘের একটি স্বাধীন সহযোগী সংস্থা এবং এর সাথে মহাসচিব নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
মহাসচিব নিয়োগের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিষদ হলো প্রস্তাবক এবং সাধারণ পরিষদ হলো অনুমোদনকারী।
সঠিক উত্তর: D) উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র
১. কেন সঠিক:
- অলটিমিটার হলো এমন একটি যন্ত্র যা কোনো নির্দিষ্ট তল থেকে কোনো বস্তুর উচ্চতা নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে পারে।
- এটি মূলত বায়ুমণ্ডলের চাপের তারতম্যকে কাজে লাগিয়ে উচ্চতা নির্ণয় করে কারণ ভূপৃষ্ঠ থেকে ওপরে উঠলে বায়ুর চাপ কমতে থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হ্রাসের বৈজ্ঞানিক নীতিকে অলটিমিটারে ব্যবহার করা হয়।
- কার্যপ্রণালি: যন্ত্রের ভেতরের অ্যানেরয়েড ব্যারোমিটার উচ্চতা পরিবর্তনের সাথে সাথে বায়ুর চাপের সূক্ষ্ম পরিবর্তন পরিমাপ করে উচ্চতার মান প্রদর্শন করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: বিমান চালকেরা উড্ডয়ন ও অবতরণের সময় নিরাপদ উচ্চতা বজায় রাখতে এবং পর্বতারোহীরা পাহাড়ে ওঠার সময় নিজেদের বর্তমান উচ্চতা জানতে এটি ব্যবহার করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিমান উড্ডয়ন
ব্যাখ্যা: আকাশে ওড়ার সময় পাইলট অলটিমিটার দেখে বুঝতে পারেন বিমানটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ঠিক কত ফুট উঁচুতে অবস্থান করছে।
উদাহরণ ২: পর্বতারোহণ
ব্যাখ্যা: এভারেস্ট বা অন্য কোনো পাহাড়ে ওঠার সময় অভিযাত্রীরা অলটিমিটার ব্যবহার করে প্রতি মুহূর্তে তাদের অর্জিত উচ্চতা পরিমাপ করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তাপ পরিমাপক যন্ত্র — তাপ বা উষ্ণতা পরিমাপের জন্য থার্মোমিটার ব্যবহার করা হয়, অলটিমিটার নয়।
B) উষ্ণতা পরিমাপক যন্ত্র — বায়ুর বা কোনো বস্তুর উষ্ণতা নির্ণয় করতে থার্মোমিটার বা পাইরোমিটার ব্যবহৃত হয়।
C) গ্যাসের চাপ পরিমাপক যন্ত্র — গ্যাসের চাপ পরিমাপের জন্য ম্যানোমিটার বা সাধারণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপের জন্য ব্যারোমিটার ব্যবহার করা হয়।
D) উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ অলটিমিটার বিশেষভাবে উচ্চতা পরিমাপের জন্যই তৈরি করা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইংরেজি শব্দ অলটিটিউড অর্থ উচ্চতা, আর মিটার অর্থ পরিমাপক যন্ত্র।
- অলটিটিউড থেকে অলটিমিটার শব্দটি এসেছে, যার অর্থ উচ্চতা মাপা যন্ত্র।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্রের নাম প্রায়ই আসে।
- বায়ুমণ্ডলের চাপ মাপার যন্ত্রের নাম ব্যারোমিটার এবং সমুদ্রের গভীরতা মাপার যন্ত্রের নাম ফেদোমিটার।
সঠিক উত্তর: C) দূষিত বাতাস
১. কেন সঠিক:
- স্মোগ হলো মূলত ধোঁয়া এবং কুয়াশার মিশ্রণ যা বায়ুমণ্ডলের দূষিত কণা ও গ্যাসের সঙ্গে মিশে ভারী ও বিষাক্ত বায়ুতে পরিণত হয়।
- এটি পরিবেশের মারাত্মক বায়ুদূষণের একটি দৃশ্যমান রূপ যা জনস্বাস্থ্য ও প্রকৃতির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: স্মোগ শব্দটি এসেছে স্মোক এবং ফগ এই দুটি ইংরেজি শব্দের সমন্বয়ে, যা শিল্পকারখানার ধোঁয়া এবং গাড়ির নিষ্কাশিত গ্যাসের কারণে সৃষ্টি হয়।
- কার্যপ্রণালি: সূর্যালোকের উপস্থিতিতে নাইট্রোজেন অক্সাইড এবং উদ্বায়ী জৈব যৌগগুলোর রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে ফটোক্যামিক্যাল স্মোগ তৈরি হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: শীতকালে বা শুষ্ক আবহাওয়ায় বড় বড় শহরে এই দূষিত বাতাস বা স্মোগের মাত্রা অতিরিক্ত বৃদ্ধি পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শীতকালে ঢাকার আকাশ কুয়াশার মতো ঢেকে থাকা।
ব্যাখ্যা: এটি কেবল সাধারণ জলীয় বাষ্পের কুয়াশা নয়, বরং এর সঙ্গে ইটভাটা ও যানবাহনের ধোঁয়া মিশে স্মোগ তৈরি করে।
উদাহরণ ২: চীনের বেইজিং বা ভারতের দিল্লির অতিরিক্ত বায়ুদূষণ।
ব্যাখ্যা: এসব শহরে শিল্পকারখানার বর্জ্য এবং গাড়ির ধোঁয়া বাতাসের সঙ্গে মিশে বিপজ্জনক মাত্রার স্মোগ সৃষ্টি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিগারেটের ধোঁয়া — এটি তামাক পোড়ানোর ফলে উৎপন্ন ব্যক্তিগত বা অভ্যন্তরীণ ধোঁয়া যা স্মোগ নয়।
B) কুয়াশা — এটি বায়ুমণ্ডলের জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি তৈরি হয়, যাতে ক্ষতিকর রাসায়নিক থাকে না।
C) দূষিত বাতাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্মোগ হলো বিভিন্ন ক্ষতিকর গ্যাস ও কণার সমন্বয়ে তৈরি এক ধরনের দূষিত বাতাস।
D) শিশির — এটি বায়ুর জলীয় বাষ্প ঠান্ডা বস্তুর সংস্পর্শে এসে তরল বিন্দুতে পরিণত হওয়া, যা স্বাভাবিক প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া।
৫ মনে রাখার টিপস:
- স্মোগ শব্দটি মনে রাখতে স্মোক বা ধোঁয়া এবং ফগ বা কুয়াশা এই দুটি শব্দ একসঙ্গে মনে রাখতে হবে।
- মনে রাখতে হবে স্মোগ মানেই বিষাক্ত ও দূষিত বাতাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে স্মোগ শব্দটির উৎপত্তি কোন দুটি শব্দ থেকে।
- এই প্রশ্নটি পরিবেশবিজ্ঞান এবং বায়ুদূষণ অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) ১২০ দিন
১. কেন সঠিক:
- লোহিত রক্ত কণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন বা প্রায় চার মাস।
- এই নির্দিষ্ট সময়ের পর এদের কোষীয় অঙ্গাণু ও হিমোগ্লোবিন নষ্ট হয়ে যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: লোহিত রক্ত কণিকা হলো মেরুদণ্ডী প্রাণীর রক্তে অক্সিজেন বহনকারী প্রধান কোষ।
- কার্যপ্রণালি: পুরনো লোহিত কণিকা প্লীহা ও যকৃতে ধ্বংস হয় এবং নতুন কণিকা অস্থিমজ্জা থেকে উৎপন্ন হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রক্তদান কার্যক্রম
ব্যাখ্যা: প্রতি চার মাস বা ১২০ দিন পর একজন সুস্থ মানুষ নিরাপদে রক্তদান করতে পারেন কারণ এই সময়ে নতুন লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি হয়।
উদাহরণ ২: পাহাড়ি এলাকার মানুষের রক্তকণিকা
ব্যাখ্যা: পাহাড়ি এলাকায় অক্সিজেনের স্বল্পতার কারণে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬০ দিন — এটি লোহিত রক্ত কণিকার স্বাভাবিক জীবনকাল নয়। এই সময়ে রক্তকণিকা তার কার্যকারিতা হারায় না।
B) ৯০ দিন — এটি প্রায় তিন মাস, যা লোহিত রক্ত কণিকার সম্পূর্ণ জীবনকাল হিসেবে কম।
C) ১০০ দিন — এটি লোহিত রক্ত কণিকার গড় আয়ুর কাছাকাছি হলেও সঠিক বৈজ্ঞানিক মান ১২০ দিন।
D) ১২০ দিন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ মানবদেহে লোহিত রক্ত কণিকার আয়ুষ্কাল প্রায় ১২০ দিন নির্ধারিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- লোহিত রক্ত কণিকার আয়ু মনে রাখতে মাস হিসেবে হিসাব করতে পারো। এক বছর মানে বারো মাস, আর লোহিত কণার আয়ু হলো বারো দশক বা ১২০ দিন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- লোহিত রক্ত কণিকার প্রধান কাজ অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড পরিবহন করা।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: B) ইউরেনিয়াম
১. কেন সঠিক:
পারমাণবিক বোমা তৈরিতে প্রধানত ইউরেনিয়াম ধাতু ব্যবহার করা হয় কারণ এর নিউক্লিয়াস অত্যন্ত ভারী এবং তেজস্ক্রিয়।
এই ভারী নিউক্লিয়াসে নিউট্রন আঘাত করলে তা ভেঙে শক্তি উৎপন্ন করে এবং নতুন নিউট্রন নির্গত করে যা শৃঙ্খল বিক্রিয়া ঘটায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: পারমাণবিক বোমা তৈরি হয় নিউক্লীয় বিভাজন বা ফিশন বিক্রিয়ার নীতির ওপর ভিত্তি করে।
কার্যপ্রণালি: ইউরেনিয়াম ২৩৫ আইসোলেটেড পরমাণুর ওপর ধীরগতির নিউট্রন আঘাত হানলে তা দুটি হালকা নিউক্লিয়াসে বিভক্ত হয় এবং প্রচুর তাপশক্তি ও গামা রশ্মি ছড়ায়।
কারণ ও ফলাফল: এই বিক্রিয়ায় প্রতি ধাপে আরও নিউট্রন বের হয় যা পাশের পরমাণুকে ভাঙতে সাহায্য করে এবং অল্প সময়ে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ ঘটায়।
বাস্তব প্রয়োগ: এই একই ফিশন বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রিত উপায়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিরোশিমায় নিক্ষিপ্ত লিটল বয় বোমায় ইউরেনিয়াম ব্যবহৃত হয়েছিল।
ব্যাখ্যা: এটি ইউরেনিয়াম ফিশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে বিশাল পরিমাণ ধ্বংসাত্মক শক্তি ও তাপ উৎপন্ন করেছিল।
উদাহরণ ২: পারমাণবিক চুল্লিতে ইউরেনিয়াম রডের ব্যবহার।
ব্যাখ্যা: এখানে নিয়ন্ত্রিত উপায়ে শক্তি উৎপন্ন করে তা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রেডিয়াম — এটি একটি অত্যন্ত তেজস্ক্রিয় ধাতু হলেও এটি দিয়ে পারমাণবিক বোমা তৈরি করা হয় না, বরং এটি ঘড়ির কাঁটায় লুমিনাস রঙ তৈরিতে ব্যবহৃত হতো।
B) ইউরেনিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিউক্লীয় বিভাজন ঘটাতে সক্ষম এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
C) সোডিয়াম — এটি একটি সক্রিয় ক্ষার ধাতু যা পানি সংস্পর্শে প্রবল বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে কিন্তু পারমাণবিক বোমার জ্বালানি নয়।
D) পটাশিয়াম — এটি সোডিয়ামের মতো একটি সক্রিয় ধাতু যা জৈব কোষে ও সার উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়, পারমাণবিক বোমায় এর কোনো ব্যবহার নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
পারমাণবিক বোমা মানেই ভারী তেজস্ক্রিয় মৌল ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়াম।
সাধারণ ধাতু যেমন সোডিয়াম বা পটাশিয়াম বোমা তৈরিতে লাগে না, এগুলো রসায়ন ল্যাবরেটরির সাধারণ সক্রিয় ধাতু।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পারমাণবিক বোমা আবিষ্কারের সাথে ওটো হান এবং ফ্রিটজ স্ট্রাসম্যানের নাম জড়িত যারা নিউক্লীয় ফিশন আবিষ্কার করেছিলেন।
পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে পারমাণবিক চুল্লিতে কোন আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়, যার উত্তর ইউরেনিয়াম ২৩৫।
সঠিক উত্তর: A) ক্লোরোফ্লোরোকার্বন
১. কেন সঠিক:
- CFC হলো ক্লোরিন, ফ্লুরিন এবং কার্বনের সমন্বয়ে গঠিত একটি মানবসৃষ্ট কৃত্রিম রাসায়নিক যৌগ।
- এটি মূলত অ্যারোসল স্প্রে, রেফ্রিজারেটর এবং এয়ার কন্ডিশনারে শীতলকারী উপাদান হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: CFC হলো এমন কিছু উদ্বায়ী জৈব যৌগ যার মধ্যে কার্বন পরমাণুর সাথে ক্লোরিন ও ফ্লুরিন যুক্ত থাকে।
- রাসায়নিক গঠন: এর সাধারণ রাসায়নিক সংকেত সি সি এল এফ থ্রি বা এই জাতীয় হ্যালোকার্বন যৌগ।
- পরিবেশগত প্রভাব: বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ার পর অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে এটি ভেঙে ক্লোরিন পরমাণু উৎপন্ন করে যা ওজোন স্তর ধ্বংস করে।
- কারণ ও ফলাফল: ক্লোরিন পরমাণু ওজোন অণুর সাথে বিক্রিয়া করে অক্সিজেন তৈরি করে, ফলে বায়ুমণ্ডলে ওজোন স্তরে ক্ষয় সৃষ্টি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজের শীতলকারক হিসেবে ফ্রিওন গ্যাসের ব্যবহার।
ব্যাখ্যা: ফ্রিওন হলো এক ধরনের সিএফসি যা ঘরের তাপমাত্রায় তরল থেকে গ্যাসে পরিণত হয়ে ঠান্ডা সৃষ্টি করে।
উদাহরণ ২: বডি স্প্রে বা হেয়ার স্প্রে ক্যানের অ্যারোসল প্রপেলান্ট।
ব্যাখ্যা: ক্যানের ভেতরে তরল পদার্থকে স্প্রে আকারে বাইরে বের করে আনতে সিএফসি গ্যাস চাপ সৃষ্টি করতে ব্যবহৃত হতো।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্লোরোফ্লোরোকার্বন — এটি সিএফসি গ্যাসের সঠিক পূর্ণরূপ এবং এটি কার্বন, ক্লোরিন ও ফ্লুরিনের সমন্বয়ে গঠিত।
B) কম্প্রেসড ফ্লুরোকার্বন — এটি কোনো স্বীকৃত বৈজ্ঞানিক গ্যাসের পূর্ণরূপ নয় এবং সিএফসি শব্দের সাথে মেলে না।
C) কমন ফ্লুরোকার্বন — এটি একটি সাধারণ শব্দ হলেও সিএফসির সঠিক রাসায়নিক নাম নির্দেশ করে না।
D) ক্লোরোফিকর কার্বন — এটি একটি বানানগত ভুল এবং এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি বা অস্তিত্ব নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সিএফসি নামের প্রথম অংশ ক্লোরো, দ্বিতীয় অংশ ফ্লুরো এবং শেষ অংশ কার্বন শব্দ তিনটি মনে রাখলে পূর্ণরূপ সহজেই বলা যায়।
- সংক্ষেপে সিএফসি মানে সি ফর ক্লোরো, এফ ফর ফ্লুরো এবং সি ফর কার্বন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ওজোন স্তর ধ্বংসের জন্য প্রধানত সিএফসি গ্যাস দায়ী এবং এর ক্ষতিকর প্রভাব রোধে মন্ট্রিল প্রোটোকল স্বাক্ষরিত হয়।
- এই ধরনের প্রশ্ন পরিবেশবিজ্ঞান ও রসায়ন অংশ থেকে বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) নিয়ন
১. কেন সঠিক:
নিয়ন একটি মৌলিক পদার্থ কারণ এটি শুধুমাত্র এক প্রকার পরমাণু দ্বারা গঠিত এবং একে রাসায়নিকভাবে ভেঙে অন্য কোনো সরল পদার্থে পরিণত করা যায় না।
পর্যায় সারণিতে এটি একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে পরিচিত যার প্রতীক Ne এবং পারমাণবিক সংখ্যা দশ।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: যে পদার্থকে রাসায়নিকভাবে ভাঙলে কেবল একুই ধরনের পরমাণু পাওয়া যায় এবং অন্য কোনো নতুন পদার্থ উৎপন্ন হয় না তাকে মৌলিক পদার্থ বলে।
রাসায়নিক সংকেত: নিয়ন একটি একক পরমাণুক গ্যাস যার পারমাণবিক ভর কুড়ি দশমিক এক আট।
বাস্তব প্রয়োগ: নিয়ন গ্যাস উজ্জ্বল লাল ও কমলা আলো তৈরি করতে বিজ্ঞাপনের সাইনবোর্ড এবং ডিসপ্লে লাইটে বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সোডিয়াম একটি মৌলিক পদার্থ যা শুধুমাত্র সোডিয়াম পরমাণু নিয়ে গঠিত।
ব্যাখ্যা: একে ভাঙলে অন্য কোনো মৌল পাওয়া যায় না এবং এটি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় অত্যন্ত বিক্রিয়াশীল ধাতু।
উদাহরণ ২: অক্সিজেন গ্যাস একটি মৌলিক পদার্থ যা একই ধরনের অক্সিজেন পরমাণুর সমন্বয়ে গঠিত।
ব্যাখ্যা: বায়ুমণ্ডলে মুক্ত অবস্থায় দুটি অক্সিজেন পরমাণু মিলে অণু গঠন করে যা জীবের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চিনি একটি যৌগিক পদার্থ যা কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন পরমাণুর সমন্বয়ে গঠিত।
রাসায়নিকভাবে এটি একটি জটিল কার্বোহাইড্রেট যার নির্দিষ্ট আণবিক সংকেত বিদ্যমান।
B) নিয়ন একটি মৌলিক পদার্থ এবং এটি একমাত্র অপশন যা কোনো যৌগ বা মিশ্রণ নয়।
নিষ্ক্রিয় গ্যাসের শ্রেণীতে এটি একটি খাঁটি মৌল হিসেবে প্রকৃতিতে বিদ্যমান।
C) লবণ বা সোডিয়াম ক্লোরাইড একটি যৌগিক পদার্থ যা সোডিয়াম ও ক্লোরিন মৌলের সমনয়ে গঠিত।
এটি রাসায়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত থাকে তাই এটি মৌলিক পদার্থ হতে পারে না।
D) পানি একটি যৌগিক পদার্থ যা দুটি হাইড্রোজেন ও একটি অক্সিজেন পরমাণুর সমন্বয়ে গঠিত।
এর নির্দিষ্ট রাসায়নিক সংকেত হলো এইচ টু ও এবং এর ধর্ম এর উপাদান মৌল থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
৫. মনে রাখার টিপস:
মৌলিক পদার্থ চেনার সহজ উপায় হলো দেখামাত্র চিন্তা করা এটি প্রকৃতির খাঁটি উপাদান কিনা।
নিয়ন, হিলিয়াম, আর্গন ইত্যাদি নিষ্ক্রিয় গ্যাস এবং লোহা, তামা, সোনা ইত্যাদি ধাতু হলো মৌলিক পদার্থের চমৎকার উদাহরণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাতাসে নিষ্ক্রিয় গ্যাসের পরিমাণ এবং নিয়নের পারমাণবিক সংখ্যা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
ভবিষ্যতে এই ধারণা থেকে যৌগিক পদার্থের সংজ্ঞা বা রাসায়নিক সংকেত সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) মিয়ানমার ও ভারত
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্বাধীন রাষ্ট্র যার ভূখণ্ড তিন দিক থেকে স্থলবেষ্টিত এবং এক দিক দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর দ্বারা সীমাবদ্ধ।
- এই ভূখণ্ডের স্থলসীমানার মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৪,৪২৭ কিলোমিটার যার বিশাল অংশজুড়ে রয়েছে ভারত এবং দক্ষিণ-পূর্ব কোণে রয়েছে মিয়ানমার।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ অংশে অবস্থিত এবং এর উত্তর, পশ্চিম ও পূর্বে ভারত এবং দক্ষিণ-পূর্বে মিয়ানমার ও দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।
- বৈশিষ্ট্য: বাংলাদেশ মূলত একটি নদীমাতৃক সমভূমি অঞ্চল হলেও এর উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব অংশে পাহাড়ি অঞ্চল রয়েছে যা মিয়ানমার ও ভারতের সাথে সীমান্ত নির্ধারণে ভূমিকা রেখেছে।
- সংশ্লিষ্ট তথ্য: বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য প্রায় ৪,১৫৬ কিলোমিটার এবং মিয়ানমারের সাথে সীমান্ত দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭১ কিলোমিটার।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্ত
ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ আন্তর্জাতিক স্থলসীমান্ত যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের সাথে রাজশাহী ও খুলনা বিভাগ এবং আসাম ও ত্রিপুরার সাথে অন্যান্য অঞ্চলের সংযোগ রয়েছে।
উদাহরণ ২: বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্ত
ব্যাখ্যা: এই সীমান্তটি মূলত নাফ নদী এবং পাহাড়ি এলাকার মধ্য দিয়ে প্রবহমান যা বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার সাথে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সীমানা তৈরি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপাল ও ভারত — নেপাল বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ হলেও এর সাথে বাংলাদেশের কোনো সরাসরি সীমান্ত নেই কারণ মাঝখানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বিহার রাজ্যের সংকীর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর অবস্থিত।
B) ভারত ও ভুটান — ভুটান বাংলাদেশের উত্তর দিকে অবস্থিত একটি নিকটবর্তী দেশ হলেও নেপালের মতো ভুটানের সাথেও বাংলাদেশের কোনো সরাসরি ভৌগোলিক সীমান্ত নেই।
D) ভারত ও শ্রীলঙ্কা — শ্রীলঙ্কা দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র যার সাথে বাংলাদেশের জলসীমা বা সমুদ্র এলাকার সামুদ্রিক সম্পর্ক থাকলেও কোনো স্থলসীমানা নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাংলাদেশের সীমান্ত মনে রাখার সহজ কৌশল হলো আমাদের চারপাশে শুধু দুই বন্ধু দেশ রয়েছে যাদের নাম ভারত ও মিয়ানমার।
- মানচিত্রে তাকালে দেখা যায় বাংলাদেশের বাম ও ওপরের দিকজুড়ে ভারত এবং ডান দিকের নিচে মিয়ানমার অবস্থান করছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী দেশ কয়টি ও কী কী, যার সঠিক উত্তর হবে দুটি এবং দেশ দুটি হলো ভারত ও মিয়ানমার।
- একই ধারণা থেকে অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যে বাংলাদেশের সাথে কোন দেশের সীমান্ত সবচেয়ে দীর্ঘ, যার উত্তর হবে ভারত।
সঠিক উত্তর: B) ভারত
১. কেন সঠিক:
লাদাখ বর্তমানে ভারতের একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল যা হিমালয় পর্বতমালার কোলে অবস্থিত।
ভৌগোলিক ও কৌশলগতভাবে এটি একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ উচ্চ পাহাড়ি অঞ্চল যা বহু ঐতিহাসিক বাণিজ্য পথের সংযোগস্থল ছিল।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: ভারত উপমহাদেশের উত্তরভাগে হিমালয় এবং কারাকোরাম পর্বতমালার মাঝে অবস্থিত।
বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের অন্যতম উচ্চতম শীতল মরুভূমি যার বেশিরভাগ অংশই সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩০০০ মিটারের বেশি উচ্চতায় অবস্থিত।
সংশ্লিষ্ট তথ্য: ২০১৯ সালে জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যকে ভেঙে লাদাখকে ভারতের একটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: প্যাংগং হ্রদ
ব্যাখ্যা: লাদাখের অন্যতম বিখ্যাত লবণাক্ত জলের হ্রদ যা ভারত ও চীন সীমান্তের মধ্যে বিস্তৃত এবং ভৌগোলিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত।
উদাহরণ ২: লেহর মূল উপত্যকা
ব্যাখ্যা: এটি লাদাখের প্রধান জনবহুল ও প্রশাসনিক কেন্দ্র যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেক উঁচুতে অবস্থিত একটি উর্বর নদী অববাহিকা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাকিস্তান — পাকিস্তান লাদাখের ভৌগোলিক সীমানার বাইরে অবস্থিত হলেও এর উত্তর ও পশ্চিম দিকে গিলগিট-বালতিস্তান অঞ্চল রয়েছে যা পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত।
B) ভারত — এটি সঠিক উত্তর কারণ লাদাখ বর্তমানে ভারতের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে থাকা একটি প্রধান কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল।
C) আফগানিস্তান — আফগানিস্তান মধ্য এশিয়ার একটি দেশ এবং এর সাথে লাদাখের কোনো সরাসরি ভৌগোলিক সীমান্ত নেই।
D) চীন — চীন লাদাখের পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং লাদাখের সাথে চীনের দীর্ঘ বিতর্কিত সীমান্ত রেখা বা লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল রয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
লাদাখ ঠান্ডা ও উঁচু স্থান, ভারত সরকারের অধীনে এর মানচিত্রের অবস্থান সব সময় উত্তর সীমানার মুকুটে মনে রাখবে।
উচ্চ পাহাড়ি অঞ্চল হিসেবে পরিচিত লাদাখ নামটি শুনলেই ভারতের উত্তর প্রান্তের কথা মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
লাদাখ ২০১৯ সালের পরিবর্তনের পর ভারতের নবীনতম কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর একটি হিসেবে বিশেষভাবে পরীক্ষাসমূহ গুরুত্বপূর্ণ।
এই অঞ্চল থেকে হিমালয় ও কারাকোরাম পর্বতমালা এবং শীতল মরুভূমির বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: A) যশোর
১. কেন সঠিক:
- ভবদহ বিল বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যশোর জেলার মনিরামপুর ও অভয়নগর উপজেলায় অবস্থিত একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক ও জলাবদ্ধতা কবলিত এলাকা।
- এই অঞ্চলে মুক্তেশ্বরী, টেকা ও শ্রী নদীসহ বেশ কয়েকটি নদ-নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার কারণে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: যশোর জেলার মনিরামপুর, অভয়নগর এবং কেশবপুর উপজেলার সংযোগস্থল ও নিম্ন অঞ্চল জুড়ে এই বিলের বিস্তৃতি।
- বৈশিষ্ট্য: এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ ও পরিচিত জলাবদ্ধ বিল, যা দীর্ঘদিন ধরে পানিবদ্ধতা সমস্যার কারণে সংবাদ শিরোনামে থাকে।
- কারণ ও প্রভাব: অপরিকল্পিত কালভার্ট নির্মাণ, স্লুইস গেটের ভুল ব্যবস্থাপনা এবং নদীর তলদেশ পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: তেরখাদা বিল
ব্যাখ্যা: এটি খুলনার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল, যা এই অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি এবং নদ-নদীর অববাহিকার বৈশিষ্ট্য বোঝাতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: চন্দনা বিল
ব্যাখ্যা: এটিও দক্ষিণ অঞ্চলের একটি জলাবদ্ধ এলাকা, যা জলবায়ু ও পানিনিষ্কাশন সংকটের সমগোত্রীয় ভৌগোলিক উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যশোর — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভবদহ বিল এই জেলারই অন্তর্গত একটি বিখ্যাত জলাবদ্ধ এলাকা।
B) বান্দরবান — এটি পাহাড়ি অঞ্চলের একটি জেলা, যেখানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গসমূহ রয়েছে এবং এখানে এ ধরনের প্লাবনভূমির বিল নেই।
C) সিলেট — এটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওরপ্রধান এলাকা, যেখানে হাওরের প্রাধান্য থাকলেও ভবদহ বিল অবস্থিত নয়।
D) কক্সবাজার — এটি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সমুদ্র উপকূলীয় জেলা, যা পাহাড়ি ও সমতল উপকূলীয় বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ভবদহ শব্দের সাথে যশোর জেলার নাম মনে রাখতে মনিরামপুর উপজেলার পানিবদ্ধতা সংকটের কথা স্মরণ করতে হবে।
- দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জলাবদ্ধতার প্রতীক হিসেবে ভবদহ বিলকে যশোর জেলার সাথে সহজেই মেলানো যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলাদেশের পরিবেশগত সমস্যা ও জলাবদ্ধতা সংক্রান্ত প্রশ্নে ভবদহ বিলের অবস্থান প্রায়ই আসে।
- একই ধারণা থেকে নদী ভাঙন, পলি জমা এবং পানিনিষ্কাশন সংক্রান্ত অন্যান্য ভৌগোলিক প্রশ্ন পরীক্ষাতে আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) দিনাজপুর
১. কেন সঠিক:
- বড়পুকুরিয়া কয়লার খনিটি বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম আবিষ্কৃত ও বর্তমানে উত্তোলিত প্রধান কয়লা খনি।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: দিনাজপুর জেলা, রংপুর বিভাগ, বাংলাদেশ।
- বৈশিষ্ট্য: এটি একটি ভূগর্ভস্থ বা আন্ডারগ্রাউন্ড মাইনিং পদ্ধতির কয়লার খনি।
- সংশ্লিষ্ট তথ্য: এখান থেকে উত্তোলিত কয়লা প্রধানত বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
ব্যাখ্যা: খনি থেকে উত্তোলিত কয়লা সরাসরি এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি
ব্যাখ্যা: এটিও দিনাজপুরে অবস্থিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ কেন্দ্র যা দেশের ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খুলনা — খুলনা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি বিভাগীয় শহর যেখানে কোনো কয়লা খনি নেই।
B) ঠাকুরগাঁও — ঠাকুরগাঁও উত্তরবঙ্গের একটি জেলা হলেও এখানে বড়পুকুরিয়া কয়লার খনি অবস্থিত নয়।
C) দিনাজপুর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) জয়পুরহাট — জয়পুরহাটে চিনামটি ও পাথরের সন্ধান মিললেও বড়পুকুরিয়া কয়লার খনি এখানে অবস্থিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কয়লা খনির নাম 'বড়পুকুরিয়া' হলে জেলা মনে রাখবেন 'দিনাজপুর'।
- এভাবে মনে রাখতে পারেন, বড় দীঘি বা বড় পুকুরের পানি থেকে দিনাজপুর নামটি মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলাদেশের খনিজ সম্পদ ও তার অবস্থান থেকে প্রশ্ন আসে।
- একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে বাংলাদেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ কয়লার খনি কোনটি।
সঠিক উত্তর: A) ভারত ও পাকিস্তান
১. কেন সঠিক:
- লাইন অব কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণরেখা হলো ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলে অবস্থিত একটি সামরিকভাবে নিয়ন্ত্রিত যুদ্ধবিরতি রেখা।
- ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর কাশ্মীর নিয়ে সৃষ্ট প্রথম যুদ্ধের অবসান ঘটাতে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় এই লাইন নির্ধারিত হয় এবং পরবর্তীতে সিমলা চুক্তির মাধ্যমে একে বর্তমান রূপ দেওয়া হয়।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চল, দক্ষিণ এশিয়া
- বৈশিষ্ট্য: এটি কোনো আন্তর্জাতিক স্বীকৃত আন্তর্জাতিক সীমান্ত নয়, বরং একটি কার্যকর সামরিক নিয়ন্ত্রণরেখা যা উভয় দেশের সামরিক বাহিনী দ্বারা পাহারা দেওয়া হয়।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল
ব্যাখ্যা: এটি আটলান্টিক মহাসাগরের একটি ভৌগোলিক অঞ্চল, যার সঙ্গে রাজনৈতিক সীমানার কোনো সম্পর্ক নেই।
উদাহরণ ২: ডুরান্ড লাইন
ব্যাখ্যা: এটি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সীমান্তবর্তী রেখা, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে মেলে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত ও পাকিস্তান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি দেশের মধ্যকার কাশ্মীর অংশের দে ফ্যাক্টো সীমান্তকে লাইন অব কন্ট্রোল বলা হয়।
B) দেঃ কোরিয়া ও উঃ কোরিয়া — এই দুটি দেশের মধ্যকার সীমান্তকে বলা হয় সামরিক বিমোচনী অঞ্চল বা ডিমিলিটারাইজড জোন।
C) চীন ও তাইওয়ান — এই অঞ্চলের মধ্যবর্তী জলসীমাকে তাইওয়ান প্রণালি বলা হয় এবং এদের মধ্যে কোনো লাইন অব কন্ট্রোল নেই।
D) ইসরাইল ও জর্ডান — এই দেশ দুটির সীমান্ত মূলত জর্ডান নদী ও লোহিত সাগরের অংশ দ্বারা নির্ধারিত, একে লাইন অব কন্ট্রোল বলা হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
মনে রাখবেন কাশ্মীর মানেই ভারত ও পাকিস্তান দ্বন্দ্ব, তাই কাশ্মীর অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণরেখাও এই দুই দেশের মধ্যেই অবস্থিত হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী লাইন অব কন্ট্রোল এবং আন্তর্জাতিক সীমান্ত রেডক্লিফ লাইন সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। এই দুটি রেখা গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)