বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

পিএসসিতে ইনস্ট্রাক্টর পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩।

পদের নাম: ইনস্ট্রাক্টর (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (200)

a তিনি প্রতিদিন ধীরে ধীরে হাঁটেন।
b তিনি প্রতিদিন বাগানে হাঁটেন।
c তিনি প্রতিদিন একা একা হাঁটেন।
d তিনি প্রতিদিন লাঠি হাতে হাঁটেন।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তিনি প্রতিদিন ধীরে ধীরে হাঁটেন। ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে ধীরে ধীরে পদটি হাঁটা ক্রিয়াপদের ভাব বা ধরণ প্রকাশ করছে। - ক্রিয়া কীভাবে সম্পাদিত হচ্ছে তা নির্দেশ করায় এটি একটি ক্রিয়া-বিশেষণ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে পদ ক্রিয়া সম্পাদনের সময়, স্থান, ভাব বা ধরণ প্রকাশ করে তাকে ক্রিয়া-বিশেষণ বলে। - এটি ক্রিয়ার ঠিক আগে বসে ক্রিয়ার কাজটিকে বিশেষায়িত করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি আকাশে উড়ছে। ব্যাখ্যা: আকাশে পদটি উড়া ক্রিয়ার স্থান নির্দেশ করায় এটি ক্রিয়া-বিশেষণ। উদাহরণ ২: ছেলেটি দ্রুত দৌড়াচ্ছে। ব্যাখ্যা: দ্রুত পদটি দৌড়ানো ক্রিয়ার ধরণ বোঝাচ্ছে তাই এটি ক্রিয়া-বিশেষণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিনি প্রতিদিন ধীরে ধীরে হাঁটেন। — এটি সঠিক উত্তর কারণ ধীরে ধীরে ক্রিয়ার ধরণ বোঝাচ্ছে। B) তিনি প্রতিদিন বাগানে হাঁটেন। — বাগানে পদটি ক্রিয়ার স্থান বোঝালেও এটি মূলত স্থানবাচক বিশেষ্য পদ। C) তিনি প্রতিদিন একা একা হাঁটেন। — একা একা পদটি কর্তার অবস্থা বোঝাচ্ছে, তাই এটি ক্রিয়ার বিশেষণ নয়। D) তিনি প্রতিদিন লাঠি হাতে হাঁটেন। — লাঠি হাতে পদটি কর্তার উপকরণ বোঝাচ্ছে যা করণ কারক হিসেবে কাজ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়াপদকে কীভাবে, কোথায় বা কখন দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তাই ক্রিয়া-বিশেষণ। - বাক্যে ক্রিয়ার অবস্থা বা ধরণ খুঁজতে এই কৌশলটি খুব কার্যকর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্রিয়া-বিশেষণ ও সাধারণ বিশেষণের পার্থক্য প্রায়ই আসে। - ক্রিয়ার ভাব বুঝতে পারলে খুব সহজেই সঠিক উত্তর নির্ধারণ করা সম্ভব।
a পর্তুগিজ
b ওলন্দাজ
c গুজরাটি
d তুর্কি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: - আলপিন শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের একটি বহুল ব্যবহৃত বিদেশি শব্দ। - বাংলা ভাষায় বিদেশি শব্দের উৎস নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক যোগাযোগ এবং বাণিজ্যের প্রভাব কাজ করে, যার ফলে পর্তুগিজ শব্দ বাংলায় প্রবেশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদেশি শব্দ হলো সেই সব শব্দ যা অন্য ভাষা থেকে সরাসরি বা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে। - পর্তুগিজরা বাংলাদেশে বাণিজ্য করতে আসার কারণে তাদের ব্যবহৃত বহু শব্দ বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারে স্থায়ীভাবে যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আনারস ব্যাখ্যা: এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা আমাদের খাদ্য তালিকার সঙ্গে যুক্ত হয়ে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিতে স্থায়ী রূপ লাভ করেছে। উদাহরণ ২: চাবি ব্যাখ্যা: দৈনন্দিন ব্যবহারের এই বস্তুটি বোঝাতে যে শব্দটি আমরা ব্যবহার করি তা পর্তুগিজ ভাষা থেকে এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ আলপিন পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ। B) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় টেক্কা বা হরতন এর মতো কিছু শব্দ এসেছে কিন্তু আলপিন আসেনি। C) গুজরাটি — গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় খুব কম শব্দ এসেছে এবং আলপিন তার অন্তর্ভুক্ত নয়। D) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় দারোগা, তোপ বা চাকর এর মতো শব্দ এসেছে আলপিন নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পর্তুগিজ শব্দগুলো মনে রাখার জন্য গৃহস্থালি ও খাদ্যদ্রব্যের জিনিস যেমন আলপিন, আনারস, চাবি, কামিজ একসঙ্গে চর্চা করতে পারো। - বিদেশি শব্দের উৎস মনে রাখতে শব্দগুলোর সঙ্গে তাদের ব্যবহারিক ক্ষেত্রের মিল খুঁজে দেখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই পর্তুগিজ ও ওলন্দাজ শব্দের তালিকা আলাদা করে পড়তে হবে। - একই নিয়মে আলমারি, গির্জা, সাবান শব্দগুলো কোন ভাষার তা চেনার জন্য শব্দের গঠন ও ধ্বনিগত বৈশিষ্ট্য খেয়াল রাখতে হবে।
a বিস্ময়
b নির্ণয়
c দ্বিধা
d প্রত্যয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রত্যয় ১. কেন সঠিক: - সংশয় শব্দের অর্থ হলো সন্দেহ, অনিশ্চয়তা কিংবা মনের ভেতর থাকা দ্বিধাদ্বন্দ্ব। - এর সম্পূর্ণ বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে প্রত্যয় শব্দটি, যার অর্থ দৃঢ় বিশ্বাস বা আস্থা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের মূল ভাব এবং অর্থের গভীরতা বিবেচনা করতে হয়। - সংশয় মনের একটি নেতিবাচক বা অনিশ্চিত অবস্থাকে নির্দেশ করে, পক্ষান্তরে প্রত্যয় মনের একটি ইতিবাচক ও নিশ্চিত অবস্থাকে প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ ও আনন্দ ব্যাখ্যা: বিষাদ শব্দের অর্থ দুঃখ, যার বিপরীত শব্দ আনন্দ বা সুখ। উদাহরণ ২: অবাধ্য ও বাধ্য ব্যাখ্যা: অবাধ্য শব্দের অর্থ যে মানে না, যার বিপরীত শব্দ বাধ্য বা অনুগত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিস্ময় — বিস্ময় শব্দের অর্থ অবাক হওয়া বা তাজ্জব বনে যাওয়া, যা সংশয়ের বিপরীতার্থক শব্দ নয়। B) নির্ণয় — নির্ণয় শব্দের অর্থ নির্ধারণ করা বা মীমাংসা করা, যা সংশয়ের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে উপযুক্ত নয়। C) দ্বিধা — দ্বিধা শব্দের অর্থ সংশয় বা সন্দেহ নিজেই, তাই এটি বিপরীত শব্দ না হয়ে সমার্থক শব্দ হিসেবে কাজ করে। D) প্রত্যয় — প্রত্যয় শব্দের অর্থ দৃঢ় বিশ্বাস বা আস্থা, যা সংশয়ের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংশয় মানে মনে সন্দেহ থাকা এবং প্রত্যয় মানে মনে বিশ্বাস থাকা, এভাবে মনে রাখা সহজ। - সন্দেহযুক্ত অবস্থার উল্টো হলো বিশ্বাসযুক্ত অবস্থা, যা বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ে সাহায্য করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মানসিক অবস্থা নির্দেশক শব্দগুলোর বিপরীত শব্দ জানতে চাওয়া হয়। - শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করতে পারলে বিভ্রান্তিকর অপশন সহজে দূর করা সম্ভব হয়।
a অত্যন্ত উষ্ণ
b শীতের আমেজ
c কুসুম কুসুম উষ্ণ
d পাগড়ি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পাগড়ি ১. কেন সঠিক: উষ্ণীষ একটি তৎসম শব্দ যার প্রচলিত ও অভিধানভিত্তিক অর্থ পাগড়ি বা শিরোভূষণ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রাচীন ও প্রমিত শব্দের অর্থ সরাসরি জানতে চাওয়া হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের একটি সংস্কৃত তৎসম শব্দ। প্রাচীনকালে রাজারা বা মর্যাদাবান ব্যক্তিরা মাথায় যে মুকুট বা বিশেষ ধরনের পাগড়ি পরতেন, তাকে উষ্ণীষ বলা হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কটিদেশ ব্যাখ্যা: এটি শরীরের একটি অঙ্গ বা পোশাক পরিধানের স্থান বোঝাতে ব্যবহৃত তৎসম শব্দ। উদাহরণ ২: উপানহ ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ যার অর্থ জুতো বা পাদুকা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অত্যন্ত উষ্ণ — উষ্ণীষ শব্দের সঙ্গে উষ্ণতার কোনো সম্পর্ক নেই এবং এটি ধ্বনিগত মিলের কারণে তৈরি করা বিভ্রান্তিকর অপশন। B) শীতের আমেজ — উষ্ণীষ কোনো ঋতুভিত্তিক অনুভূতি বা আবহাওয়া বোঝায় না, তাই এটি ভুল। C) কুসুম কুসুম উষ্ণ — এটি ঈষদুষ্ণ বা হালকা গরম জল বা আবহাওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা উষ্ণীষ শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) পাগড়ি — এটি সঠিক কারণ উষ্ণীষ শব্দের মূল আভিধানিক অর্থ পাগড়ি বা শিরোভূষণ। ৫ মনে রাখার টিপস: উষ্ণীষ শব্দটি দেখলে মাথায় রাখতে হবে এটি একটি রাজকীয় পোশাক বা পাগড়ি সম্পর্কিত শব্দ। মাথা বা উষ্ণীষ সম্পর্কিত মিল দিয়ে এটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কঠিন বা অপ্রচলিত তৎসম শব্দের অর্থ জানতে চাওয়া হয়। প্রমিত বাংলা অভিধানের সাহায্য নিয়ে এ ধরনের শব্দার্থ আয়ত্ত করতে হবে।
a উপরেউক্ত
b উপরোক্ত
c উপরক্ত
d উপর্যুক্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপর্যুক্ত ১. কেন সঠিক: - উপরী যোগ উক্ত মিলে উপর্যুক্ত শব্দটি গঠিত হয়েছে, যেখানে ই কার বা ঈ কারের পরে ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে তা য ফলা হয়। - বাংলা ব্যাকরণের ই ৎ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ই বা ঈ এর স্থানে য এবং পরবর্তী স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে এই বানানটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ রূপ লাভ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের স্বরসন্ধি বিশেষ করে ই কার বা ঈ কারের পরে ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে য ফলা হওয়ার নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ও পরীক্ষিত শুদ্ধ বানান যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যদি যোগ অপি = যদ্যপি ব্যাখ্যা: ই কারের পরে অ স্বরধ্বনি আসায় ই কারের স্থলে য ফলা যুক্ত হয়ে যদ্যপি শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: নদী যোগ উদক = নদ্যুদক ব্যাখ্যা: দীর্ঘ ই কারের পরে উ স্বরধ্বনি আসায় দীর্ঘ ই কারের স্থলে য ফলা যুক্ত হয়ে নদ্যুদক শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপরেউক্ত — এই বানানটি ব্যাকরণসম্মত নয় কারণ ওপর বা উপরে শব্দের সাথে উক্ত যুক্ত করার সময় সন্ধির সঠিক নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি। B) উপরোক্ত — এটি বহুল প্রচলিত হলেও বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী ভুল বানান এবং এটি ব্যাকরণের নিয়মকে সরাসরি অনুসরণ করে না। C) উপরক্ত — এই বানানটিতে মাঝের উ কার বা ই কার বাদ পড়ে যাওয়ার কারণে শব্দটি অসম্পূর্ণ এবং এটি কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম মানে না। D) উপর্যুক্ত — এটি সন্ধির সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হওয়ায় প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক ও গ্রহণযোগ্য বানান। ৫ মনে রাখার টিপস: - উপরী যোগ উক্ত সন্ধি মনে রাখলে উপর্যুক্ত বানানটি কখনো ভুল হবে না। - ই কারের সাথে উ কার যুক্ত হলে য ফলা হয় এই সূত্রটি মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সন্ধিজাত শুদ্ধ বানান হিসেবে এই শব্দটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই নিয়মের অন্যান্য সন্ধি যেমন প্রতি যোগ উষ = প্রত্যুষ ভালোভাবে চর্চা করবে।
a জাহান্নাম হইতে বিদায়
b চিলেকোঠার সেপাই
c আরোক ফাল্গুন
d সংশপ্তক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চিলেকোঠার সেপাই ১. কেন সঠিক: - চিলেকোঠার সেপাই উপন্যাসটি ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে। - উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ওসমান ও খোকা ঊনসত্তরের গণ-আন্দোলনের রাজনৈতিক ও সামাজিক আবহকে ফুটিয়ে তুলেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপন্যাসের রচিয়তা বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। - এই উপন্যাসে তৎকালীন গ্রামীণ সমাজ এবং ঢাকার নিম্নবিত্ত মানুষের জীবনের পাশাপাশি রাজনৈতিক পটপরিবর্তন চমৎকারভাবে চিত্রিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেলিনা হোসেনের যাপিত জীবন ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের ক্রীতদাসের হাসি ব্যাখ্যা: এটি আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে রূপকধর্মী একটি প্রতিবাদী উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাহান্নাম হইতে বিদায় — এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের উপন্যাস হলেও এর মূল প্রেক্ষাপট একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ। B) চিলেকোঠার সেপাই — এটি উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানকেন্দ্রিক উপন্যাস বিধায় এটি সঠিক উত্তর। C) আরোক ফাল্গুন — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস। D) সংশপ্তক — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি উপন্যাস যার পটভূমি গ্রামীণ সমাজ ও পাকিস্তান আমল। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইলিয়াসের সেপাই উনসত্তরের কড়চা মনে রাখলে উপন্যাস ও লেখকের নাম সহজে মনে থাকবে। - চিলেকোঠার সেপাই মানেই উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান এই সূত্রটি মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের দুটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো চিলেকোঠার সেপাই এবং খোয়াবনামা। - পরীক্ষার জন্য উপন্যাসের পটভূমি বা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট খুব ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a আনন্দময়ীর আগমনে
b সৃষ্টিসুখের উল্লাসে
c কাণ্ডারী হুঁশিয়ার
d বিদ্রোহী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাণ্ডারী হুঁশিয়ার ১. কেন সঠিক: - ‘হিন্দু না ওরা মুসলিম? ওই জিজ্ঞase কোন জন?’ পঙক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। - এই চরণে কবি মানুষের ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে তার মানবিক পরিচয়কে তুলে ধরেছেন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাণী প্রচার করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের ‘সর্বহারা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত একটি সাড়া জাগানো দেশপ্রেমমূলক ও বিপ্লবী কবিতা। - এই কবিতায় কবি মুসলিম, হিন্দু বা বৌদ্ধ ভেদাভেদ ভুলে দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘যুগ যুগান্তরের সঞ্চিত ব্যথা’ ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের সাম্য ও মুক্তির চেতনার একটি বিখ্যাত কাব্যিক পঙক্তি। উদাহরণ ২: ‘মোদের গরব মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা’ ব্যাখ্যা: এটি অতুলপ্রসাদ সেনের রচিত একটি দেশাত্মবোধক গান, যা বাঙালির ভাষার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনন্দময়ীর আগমনে — এই কবিতাটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের কারণে সরকারের বাজেয়াপ্ত করা একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক কবিতা, যার বিষয়বস্তু ভিন্ন। B) সৃষ্টিসুখের উল্লাসে — এই কবিতাটি কবির আত্মিক আনন্দ ও সৃষ্টির রোমাঞ্চ প্রকাশ করে, যেখানে সাম্প্রদায়িক প্রশ্নটি প্রধান নয়। C) কাণ্ডারী হুঁশিয়ার — এটি সঠিক উত্তর। D) বিদ্রোহী — এটি কবির আত্মপরিচয় ও দ্রোহের কবিতা, যার মূল সুর সাম্যবাদ ও প্রতিবাদ, এই পঙক্তিটি এখানে নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - মানুষের পরিচয় নিয়ে যেখানেই প্রশ্ন তোলা হয়েছে এবং সাম্যের কথা বলা হয়েছে, সেখানেই নজরুলের ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ কবিতাকে মনে রাখতে হবে। - কাণ্ডারী মানে পথপ্রদর্শক, যিনি সবাইকে একসাথে পথ দেখান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের ‘সর্বহারা’ কাব্যগ্রন্থ এবং এর কবিতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিমূলক পঙক্তিগুলো আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।
a সঞ্চয়িতা
b বলাকা
c বসন্ত
d সেঁজুতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বসন্ত ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর 'বসন্ত' নাটকটি কবি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন। নজরুল তখন আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে বন্দি ছিলেন এবং তাঁর নামেই নাটকটির উৎসর্গপত্র রচিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ১৩৩০ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণ মাসে (ইংরেজি ১৯২৩ সালের নভেম্বর) 'বসন্ত' নাটকটি রচনা করেন। এই নাটকের উৎসর্গ পাতায় লেখা হয়েছিল, শ্রীকাজী নজরুল ইসলাম সস্নেহেষু, এবং এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অনন্য ঐতিহাসিক মুহূর্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সঞ্চয়িতা' গ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয়েছিল প্রমথ চৌধুরীকে। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রসাহিত্যের একটি প্রধান কাব্য সংকলন যার উৎসর্গপত্র অন্য এক সাহিত্যিককে সম্মানিত করেছে। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয়েছিল আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়কে। ব্যাখ্যা: এই উৎসর্গপত্রটি তরুণ বিদ্রোহী কবির সঙ্গে বিশিষ্ট বিজ্ঞানীর গভীর শ্রদ্ধার সম্পর্ক প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঞ্চয়িতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার সংকলন যা প্রমথ চৌধুরীকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। B) বলাকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার কবিতাগুলোতে গতির জয়গান গাওয়া হয়েছে। D) সেঁজুতি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কাব্যগ্রন্থ যা কবির শেষ জীবনের মননশীল কবিতার সংকলন। ৫. মনে রাখার টিপস: বসন্ত ঋতুতে প্রকৃতি যেমন নতুন রূপ নেয়, তেমনি বিদ্রোহী কবি নজরুলকে রবীন্দ্রনাথ তাঁর বসন্ত নাটক উৎসর্গ করে অভিনব সম্মান জানান। এই ঐতিহাসিক উৎসর্গটি মনে রাখতে পারলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাটক উৎসর্গ এবং কার প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছে, তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একইভাবে নজরুলের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ কার নামে উৎসর্গীকৃত, তা ভালোভাবে জেনে রাখা উচিত।
a মার্চেন্ট অব ভেনিস
b কমেডি অব এররস
c এ মিডসামার নাইট’স ড্রিম
d টেমিং অব দি শ্রু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কমেডি অব এররস ১. কেন সঠিক: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর শেক্সপিয়ারের নাটক 'দ্য কমেডি অব এররস' অবলম্বনে 'ভ্রান্তিবিলাস' গ্রন্থটি রচনা করেন। - শেক্সপিয়ারের এই নাটকের মূল ভাব বা কাহিনীর ছায়া অবলম্বনে গদ্যে এর বাংলা রূপ দেওয়া হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের অন্যতম প্রধান রূপকার ও পন্ডিত ব্যক্তিত্ব। - ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত 'ভ্রান্তিবিলাস' তার একটি অন্যতম বিখ্যাত অনুবাদমূলক সাহিত্যকর্ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভ্রান্তিবিলাস ব্যাখ্যা: এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের নাটক অবলম্বনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচিত একটি অনুবাদ গ্রন্থ। উদাহরণ ২: চারু পাঠ ব্যাখ্যা: এটিও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি পাঠ্যপুস্তক ও সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্চেন্ট অব এররস — এটি কোনো সঠিক গ্রন্থের নাম নয়, কারণ শেক্সপিয়ারের নাটকের নাম মার্চেন্ট অব ভেনিস। C) এ মিডসামার নাইট’স ড্রিম — এটি শেক্সপিয়ারের একটি বিখ্যাত কমেডি নাটক হলেও বিদ্যাসাগর এটি অনুবাদ করেননি। D) টেমিং অব দি শ্রু — এটি শেক্সপিয়ারের আরেকটি কমেডি নাটক, যা বিদ্যাসাগরের অনুবাদিত ভ্রান্তিবিলাস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শেক্সপিয়ারের কমেডি নাটক মানেই ভুল বোঝাবুঝি বা ভ্রান্তি, তাই কমেডি অব এররস মানেই ভ্রান্তিবিলাস। - বিদ্যাসাগরের অনুবাদের নাম মনে রাখতে শেক্সপিয়ারের মূল নামের সঙ্গে বাংলা নামের মিল খুঁজে দেখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্যাসাগরের অনুবাদ গ্রন্থগুলোর নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - শেক্সপিয়ারের সাহিত্যকর্মের বাংলা অনুবাদগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a মদন মোহন তর্কালঙ্কার
b ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
c বিহারীলাল চক্রবর্তী
d কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মদন মোহন তর্কালঙ্কার ১. কেন সঠিক: - 'পাখিসব করে রব রাতি পোহাইল' বিখ্যাত পঙক্তিটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত পন্ডিত ও শিক্ষাবিদ মদন মোহন তর্কালঙ্কার। - এটি তাঁর রচিত শিশুদের প্রাথমিক পাঠ্যগ্রন্থ 'শিশুশিক্ষা' বইয়ের প্রথম ভাগের অন্তর্গত একটি বিখ্যাত কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মদন মোহন তর্কালঙ্কার ছিলেন উনিশ শতকের গোড়ার দিকের একজন প্রখ্যাত বাঙালি শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক। - তাঁর 'শিশুশিক্ষা' (প্রথম ভাগ ১৮৪৯, দ্বিতীয় ভাগ ১৮৫০) গ্রন্থটি বাংলা শিক্ষাপ্রসারে এক যুগান্তকারী ভূমিকা রেখেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সকাল হলো সুর্য ওঠা পাখির গাওয়ার সুর। ব্যাখ্যা: এটি মদন মোহন তর্কালঙ্কারের কবিতার প্রকৃতিপ্রেমী ভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। উদাহরণ ২: পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল কাননে কুসুম কলি সকল ফুটিল। ব্যাখ্যা: এটি মূল কবিতার একটি সম্পূর্ণ চরণ যা প্রকৃতির জাগরণের চিত্র ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মদন মোহন তর্কালঙ্কার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পঙক্তিটি তাঁরই অমর সৃষ্টি। B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের বিদ্যাসাগর হলেও এই পঙক্তির রচয়িতা নন। C) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত হলেও এই পঙক্তিটি তাঁর লেখা নয়। D) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — তিনি বিখ্যাত নীতিগর্ভ কবিতার রচয়িতা হলেও এই পঙক্তির সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - শিশুদের প্রথম শিক্ষা মানেই মদন মোহন তর্কালঙ্কারের শিশুশিক্ষা এবং সকালের পাখি। - পাখি এবং শিশুশিক্ষা একসাথে মিলিয়ে এই পঙক্তিটি মনে রাখা খুব সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় এই ধরনের বিখ্যাত সাহিত্যিক উদ্ধৃতি প্রায়ই আসে। - মূল গ্রন্থ বা রচয়িতার নাম ভালোভাবে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
a গ্রাম্য গীতিকা
b রূপকথা
c ছোট গল্প
d রূপকথা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রূপকথা ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি রূপকথা কারণ ঠাকুরমার ঝুলি মূলত বাংলার লোকসাহিত্যের বিভিন্ন রূপকথা ও কল্পকাহিনির একটি জনপ্রিয় সংকলন। - এই সংকলনটির মাধ্যমে গ্রামীণ বাংলার শতবর্ষের পুরনো কাল্পনিক গল্প ও রাজকুমার রাক্ষসের কাহিনি লিখিত রূপ লাভ করেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই গ্রন্থটির সংকলক ও রচয়িতা হলেন দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার। - ১৯০৭ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উৎসাহ ও ভূমিকার সাথে এই অনন্য রূপকথা সংকলনটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কঙ্কাবতী ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদারের আরেকটি বিখ্যাত কিশোর উপযোগী রূপকথা ও উপন্যাসধর্মী রচনা। উদাহরণ ২: ভূত ও পেত্নী ব্যাখ্যা: এই জাতীয় লোককাহিনি ও কল্পকাহিনিগুলো সাধারণত গ্রামীণ জনপদে মুখে মুখে প্রচলিত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রাম্য গীতিকা — এটি কোনো গীতিকা বা গান নয়, বরং গদ্যে রচিত রূপকথার গল্প সংকলন। B) রূপকথা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই অপশনটি রচনার ধরনের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। C) ছোট গল্প — এটি আধুনিক বাংলা ছোটগল্পের সংকলন নয়, বরং লোকসাহিত্যের কাল্পনিক গল্প। D) রূপকথা — এটি সঠিক উত্তর হলেও প্রশ্নে অপশন পুনরাবৃত্তি হয়েছে এবং এটিও রূপকথা হিসেবে গ্রহণযোগ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - ঠাকুরমার ঝুলি মানেই রূপকথা এবং এর লেখক দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার। - রূপকথা মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে ঠাকুরমা বা দাদীর মুখে শোনা কাল্পনিক গল্পের বই। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার ও তাঁর ঠাকুরমার ঝুলি নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লোকসাহিত্য ও রূপকথা সংগ্রহে দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদারের অবদান পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
a স্পার্টাকাস বিষয়ক জটিলতা
b জন্ডিস ও বিভিন্ন বেলুন
c চরকাঁকড়ার ডকুমেন্টারি
d নূরলদীনের সারা জীবন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নূরলদীনের সারা জীবন ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি কাব্যধর্মী নাটক কারণ সৈয়দ শামসুল হকের এই নাটকে কবিতার ছন্দ, সুর ও লয় অত্যন্ত সুনিপুণভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। - নাটকটিতে ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে কাব্যিক ভাষার এক অনন্য সম্মিলন ঘটেছে যা একে সাধারণ নাটক থেকে আলাদা করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাটকটির রচয়িতা বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক, কবি ও নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক। - এটি মূলত উত্তরবঙ্গের কৃষকদের ঐতিহাসিক বিদ্রোহ এবং পাকিস্তানি শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালির সংগ্রামের পটভূমিতে রচিত একটি কাব্যনাট্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: কোপেনহাগেন ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের রচিত ভিন্ন ধারার একটি নাটক যার সঙ্গে কাব্যধর্মিতার মিল রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্পার্টাকাস বিষয়ক জটিলতা — এটি মমতাজউদদীন আহমদ রচিত একটি রাজনৈতিক নাটক, কাব্যধর্মী নাটক নয়। B) জন্ডিস ও বিভিন্ন বেলুন — এটি শিল্পকলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক ও নাট্যকার সেলিম আল দীনের একটি বিখ্যাত নাটক। C) চরকাঁকড়ার ডকুমেন্টারি — এটি সমসাময়িক বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে লেখা একটি নাটক, কাব্যধর্মী নাটকের আওতাভুক্ত নয়। D) নূরলদীনের সারা জীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি কাব্যধর্মী নাটক। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হকের নাটক মানেই তাতে কাব্যিক সুর ও ছন্দ খোঁজা উচিত। - নূরলদীনের সারা জীবন নাটকের নামেই কাব্যিকতা ও সুরের আবেশ রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্য সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কাব্যধর্মী নাটক বললে সাধারণত নূরলদীনের সারা জীবন এবং পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় এই দুটি নাম সবার আগে মনে রাখতে হবে।
a অরণ্য বহ্নি
b কাঁটাতারে প্রজাপতি
c নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি
d ওঙ্কার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাঁটাতারে প্রজাপতি ১. কেন সঠিক: - প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের বিখ্যাত উপন্যাস কাঁটাতারে প্রজাপতি তে তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ইলা মিত্রের সংগ্রামী জীবন ও আত্মত্যাগের ইতিহাস ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হলো কৃষক আন্দোলন এবং সেই আন্দোলনের নেত্রীর ওপর চলা অমানবিক নির্যাতনের রোমহর্ষক চিত্রায়ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সেলিনা হোসেন বাংলাদেশের সমকালীন উপন্যাসের অন্যতম প্রধান নির্মাতা, যাঁর জন্ম ১৯৪৭ সালের ১৪ জুন রাজশাহীতে। - তাঁর উপন্যাসে মূলত সামাজিক ও রাজনৈতিক সংকট, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং নারীর সংগ্রামের চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে ওঠে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যাপিত জীবন ব্যাখ্যা: এটি সেলিনা হোসেনের রচিত প্রথম ও অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস, যা পাকিস্তান আমলের প্রারম্ভিক সামাজিক জীবন নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: নীল ময়ূরের যৌবন ব্যাখ্যা: সেলিনা হোসেনের এটি একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা চর্যাপদের পটভূমিতে রচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অরণ্য বহ্নি — এই নামে সেলিনা হোসেনের কোনো জনপ্রিয় উপন্যাস নেই এবং এটি সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না। B) কাঁটাতারে প্রজাপতি — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। C) নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি — এটি সেলিনা হোসেনের লেখা একটি উপন্যাস হলেও এর বিষয়বস্তু ইলা মিত্রের জীবনী নয়, বরং গ্রামীণ পটভূমি ও মধ্যবিত্ত জীবনের দ্বন্দ্ব। D) ওঙ্কার — এটি আহমেদ ছফার একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা সেলিনা হোসেনের লেখা নয় এবং ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: ইলা মিত্র মানেই সংগ্রামের প্রতীক, আর সেলিনা হোসেনের উপন্যাসে প্রজাপতির মতো ডানা মেলে ওড়ার প্রতীক হলো কাঁটাতারে প্রজাপতি। এভাবে খুব সহজেই ইলা মিত্র ও সেলিনা হোসেনের এই উপন্যাসটি মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সেলিনা হোসেনের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে ঐতিহাসিক পটভূমির উপন্যাসগুলো বারবার পরীক্ষাতে দেখা যায়।
a জননী
b উডুঙ্কু
c খাঁচায়
d আগুনপাখি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জননী ১. কেন সঠিক: - শওকত ওসমানের প্রথম প্রকাশিত এবং অত্যন্ত প্রশংসিত উপন্যাস হলো জননী, যা ১৯৫৮ সালে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসে গ্রামীণ বাংলার এক অসহায় নারীর সংগ্রাম এবং সামাজিক বিপর্যয়ের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শওকত ওসমান ছিলেন বাংলা সাহিত্যের এক জন প্রথিতযশা কথাসাহিত্যিক, যাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান। - তাঁর উপন্যাসে সামাজিক বাস্তবত্ব, দেশভাগ এবং মানুষের মনস্তাত্ত্বিক সংকট অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্রীतদাস ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত। উদাহরণ ২: জলাঙ্গী ব্যাখ্যা: এটিও শওকত ওসমান রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস, যেখানে মানুষের জীবনসংগ্রাম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জননী — এটি শওকত ওসমান রচিত উপন্যাস। B) উডুঙ্কু — এটি শওকত ওসমান রচিত কোনো উপন্যাস নয়, বরং এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক অপশন। C) খাঁচায় — এটি শওকত ওসমান রচিত উপন্যাস নয়, এটি তাঁর একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ। D) আগুনপাখি — এটি হাসান আজিজুল হক রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, শওকত ওসমানের নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শওকত ওসমানের প্রথম উপন্যাস মনে রাখার জন্য 'জননী' শব্দটি প্রথমে মনে রাখুন। - তাঁর নামের সাথে তাঁর প্রথম উপন্যাসটি যুক্ত করে পড়লে সহজে মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাহিত্যিকদের প্রথম উপন্যাস প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - লেখকের নামের পাশাপাশি তাঁর প্রথম ও উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলোর নাম আলাদা করে নোট করে রাখতে হবে।
a সিকান্দার আবু জাফর
b আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
c হাসান হাফিজুর রহমান
d আবু হেনা মোস্তফা কামাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হাসান হাফিজুর রহমান ১. কেন সঠিক: - ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সংকলনটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে প্রকাশিত প্রথম সাহিত্যিক সংকলন এবং এর সম্পাদক ছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক হাসান হাফিজুর রহমান। - এই সংকলনে ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিভিন্ন প্রখ্যাত লেখকের কবিতা, প্রবন্ধ ও গল্প স্থান পেয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হাসান হাফিজুর রহমান বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি, প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক যিনি ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি ধরে রাখতে এই ঐতিহাসিক সংকলনটি সম্পাদনা করেছিলেন। - ১৯৫৩ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি প্রথম শহীদ দিবসে এটি প্রকাশের কথা থাকলেও নানা প্রতিকূলতার কারণে তা ওই বছরই প্রকাশিত হয় এবং তৎকালীন সরকার এটি বাজেয়াপ্ত করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অমর একুশে সংকলন ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সংকলন যা পরবর্তী সময়ে প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: একুশের গান ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলন কেন্দ্র করে রচিত বিভিন্ন গান ও কবিতা যা এই আন্দোলনের সাহিত্যিক ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিকান্দার আবু জাফর — তিনি বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার হলেও 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সংকলনের সম্পাদক ছিলেন না, তবে তিনি 'সমকাল' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে পরিচিত। B) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ — তিনি বিখ্যাত ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক কবিতা 'কোন এক কালে' এবং 'মা গো ওরা বলে' এর রচিয়তা, এই সংকলনের সম্পাদক নন। D) আবু হেনা মোস্তফা কামাল — তিনি প্রখ্যাত কবি, সাহিত্য সমালোচক ও অধ্যাপক ছিলেন, কিন্তু এই সংকলন সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - একুশের প্রথম সংকলন সম্পাদনা করেছেন হাসান হাফিজুর রহমান, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে 'হা' দিয়ে হাসান এবং 'হা' দিয়ে হাফিজুর রহমান প্রথম সংকলনের প্রধান কারিগর। - ভাষা আন্দোলনের প্রথম ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে এই সম্পাদনার নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সংকলন ও এর সম্পাদকের নাম বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের ইতিহাস ও বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে সংকলন প্রকাশের সাল এবং সম্পাদকের নাম একত্রে মনে রাখা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।
a মাংসাশী পশুরা মাংস খায়, তাই বলবান হয়।
b সকল মাংসাশী পশুই খুব বলবান হয়।
c মাংসাশী পশুমাত্রই কি বলবান হয় না।
d সকল মাংসাশী পশুই বলবান হয় বৈ কি।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সকল মাংসাশী পশুই খুব বলবান হয়। ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত জটিল বাক্যটিকে সরল বাক্যে রূপান্তর করার সময় একটি প্রধান খণ্ডবাক্য বা সমাপিকা ক্রিয়া রাখতে হয়। - মূল বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে যে সব পদের সংকোচন বা সংক্ষিপ্তকরণ করা হয়েছে, তা এখানে নিখুঁতভাবে সাধিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে বাক্য বা খণ্ডবাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। - জটিল বাক্যের আশ্রিত খণ্ডবাক্যকে সংকুচিত করে পদ বা পদগুচ্ছে রূপান্তর করার মাধ্যমে সরল বাক্য গঠন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যারা ভালো ছাত্র, তারা শিক্ষককে সম্মান করে। ব্যাখ্যা: এটি একটি জটিল বাক্য, যার সরল রূপ হলো ভালো ছাত্র মাত্রেই শিক্ষককে সম্মান করে। উদাহরণ ২: যদি তুমি পরিশ্রম কর, তবে সফল হবে। ব্যাখ্যা: এটি একটি শর্তবাচক জটিল বাক্য, যার সরল রূপ হলো পরিশ্রমী ব্যক্তিরাই সফল হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাংসাশী পশুরা মাংস খায়, তাই বলবান হয়। — এটি একটি যৌগিক বাক্য, কারণ এতে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য 'তাই' অব্যয় দ্বারা যুক্ত আছে। B) সকল মাংসাশী পশুই খুব বলবান হয়। — এটি সঠিক সরল বাক্য, যা মূল বাক্যের অর্থ প্রকাশ করে এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া ধারণ করে। C) মাংসাশী পশুমাত্রই কি বলবান হয় না। — এটি একটি প্রশ্নবোধক বাক্য, যা মূল বর্ণনামূলক বাক্যের ভাব প্রকাশ করে না। D) সকল মাংসাশী পশুই বলবান হয় বৈ কি। — এটি একটি ভাববাচক বা প্রত্যয়সূচক বাক্য, যা মূল বাক্যের সরলরূপের কাঠামোর সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - জটিল বাক্যকে সরল বাক্যে রূপান্তর করতে হলে 'যারা-তারা' বা 'যে সব' জাতীয় সম্বন্ধবাচক শব্দ বাদ দিয়ে মূল বিষয়টিকে একটি বাক্যাংশে নিয়ে আসতে হয়। - খেয়াল রাখবে সরল বাক্যে যেন একাধিক সমাপিকা ক্রিয়া না থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাক্য রূপান্তরের সময় বাক্যের মূল অর্থের পরিবর্তন করা যাবে না। - জটিল বাক্যের ক্রিয়াপদকে বিশেষ্য বা বিশেষণে রূপান্তর করে সরল বাক্য তৈরি করতে হয়।
a যুগলাঙ্গুরীয়
b কপালকুণ্ডলা
c কৃষ্ণকুমারী
d বেণীসংহার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কপালকুণ্ডলা ১. কেন সঠিক: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কপালকুণ্ডলা' একটি বিখ্যাত রোমান্সধর্মী উপন্যাস যা ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসে মানবপ্রেম এবং রহস্যময় প্রকৃতির এক অপূর্ব রোমান্টিক আবহ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক ও প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক। তাঁর উপন্যাসের ধারাকে মূলত ঐতিহাসিক, সামাজিক এবং রোমান্সধর্মী এই তিনভাগে ভাগ করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি সামাজিক ও পারিবারিক সমস্যাভিত্তিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: দুর্গেশনন্দিনী ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুগলাঙ্গুরীয় — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি প্রণয়মূলক বা ছোট আকারের উপন্যাস হলেও এটি রোমান্সধর্মী হিসেবে কপালকুণ্ডলার মতো প্রধান ধারার প্রতিনিধিত্ব করে না। B) কপালকুণ্ডলা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অপশন হিসেবে এখানে মূল ব্যাখ্যার বাইরে কোনো ত্রুটি নেই। C) কৃষ্ণকুমারী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত কোনো উপন্যাস নয়, বরং এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি বিখ্যাত নাটক। D) বেণীসংহার — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত গ্রন্থ নয়, এটি মূলত ভট্টনারায়ণ রচিত একটি সংস্কৃত নাটক। ৫. মনে রাখার টিপস: বঙ্কিমচন্দ্রের রোমান্সধর্মী উপন্যাসের জন্য কপালকুণ্ডলা নামটি বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে। তার ঐতিহাসিক উপন্যাসের মধ্যে দুর্গেশনন্দিনী এবং মৃণালিনী সবচেয়ে বেশি পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী। রোমান্সধর্মী উপন্যাস হিসেবে কপালকুণ্ডলা এবং যুগলাঙ্গুরীয় পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
a দ্বাদশ
b পনের
c উনিশে
d এগার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দ্বাদশ ১. কেন সঠিক: - 'দ্বাদশ' একটি পূরণবাচক শব্দ, যা কোনো বস্তু বা ব্যক্তির ক্রম বা অবস্থান নির্দেশ করে। - প্রদত্ত প্রশ্নে নির্দিষ্ট সংখ্যা বা পরিমাণের বদলে দ্বাদশ শব্দটি দ্বারা বারোতম ক্রম বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সংখ্যাবাচক শব্দ প্রধানত চার প্রকার, যথা: অংকবাচক বা ক্রমবাচক, পরিমাণবাচক, গণনাবাচক এবং পূরণবাচক। - যে সংখ্যাবাচক শব্দ দ্বারা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর ক্রম বা সিরিয়াল বোঝায়, তাকে পূরণবাচক শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম ব্যাখ্যা: এটি একটি পূরণবাচক শব্দ যা ১ সংখ্যার ক্রম বা অবস্থান নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: দশম ব্যাখ্যা: এটি একটি পূরণবাচক শব্দ যা ১০ সংখ্যার ক্রম বা অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বাদশ — এটি সঠিক পূরণবাচক শব্দ এবং ১২ সংখ্যার ক্রম নির্দেশ করে। B) পনের — এটি একটি সাধারণ সংখ্যাবাচক বা পরিমাণবাচক শব্দ, কোনো ক্রম নির্দেশ করে না। C) উনিশে — এটি একটি তারিখ বা সংখ্যাবাচক শব্দ, যা কোনো নির্দিষ্ট ক্রম বা অবস্থান বোঝায় না। D) এগার — এটি একটি মৌলিক সংখ্যাবাচক শব্দ, যা গণনার কাজে ব্যবহৃত হয় কিন্তু পূরণবাচক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্রম বুঝালে পূরণবাচক হয় এবং সাধারণত শব্দের শেষে ম, মর্থ বা থ প্রত্যয় যুক্ত থাকে। - যেমন প্রথম, দ্বিতীয়, দশম ইত্যাদি হলো পূরণবাচক শব্দের চেনার সহজ উপায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংখ্যাবাচক ও পূরণবাচক শব্দের পার্থক্য প্রায়ই আসে। - সংখ্যাবাচক শব্দ সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে আর পূরণবাচক শব্দ অবস্থান বা ক্রম নির্দেশ করে।
a দূরন্ত
b দুর্গতি
c দুর্বার
d দুর্মতী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুর্গতি ১. কেন সঠিক: বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গ স্থানে দন্ত্য স হয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে বিসর্গ লোপ পায় না এবং শব্দের অর্থের ওপর ভিত্তি করে সন্ধি সাধিত হয়। এখানে দু + গতি মিলে দুর্গতি গঠিত হয়েছে যেখানে বিসর্গ রেফ রূপে রূপান্তরিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের সঙ্গে স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনির মিলনে যে সন্ধি হয় তাকে বিসর্গ সন্ধি বলে। বিসর্গ সন্ধি মূলত দুই ভাগে বিভক্ত যেমন বিসর্গ ও কার এবং বিসর্গ ও ব্যঞ্জনবর্ণের সন্ধি। এখানে ব্যঞ্জনবর্ণের প্রভাবে বিসর্গের রূপান্তর ঘটে রেফ বা ওকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নি + আকার = নিরাকার ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর স্বরধ্বনি থাকলে বিসর্গ র এ পরিণত হয়। উদাহরণ ২: আবিষ্কার = আবিঃ + কার ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ক থাকলে বিসর্গ মূর্ধন্য স এ রূপান্তরিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দূরন্ত — এটি বিসর্গ সন্ধিজাত শব্দ নয় বরং এটি একটি স্বাধীন শব্দ যার বানান বা গঠন অন্য নিয়মে সাধিত। C) দুর্বার — এটি বিসর্গ সন্ধির সঠিক উদাহরণ হলেও প্রশ্নের নির্দিষ্ট শব্দ দুর্গতি এর সঙ্গে এর প্রয়োগ ভিন্ন। D) দুর্মতী — এটি ভুল বানান কারণ এর সঠিক রূপটি হলো দুর্মতি যেখানে ই কার ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সন্ধি বিচ্ছেদের সময় দু এর পর বিসর্গ থাকলে এবং পরবর্তীতে গ বা ঘ বর্ণ থাকলে বিসর্গ স্থানে রেফ হয়। শব্দের শেষ বানানগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য করলে এমন ভুল এড়ানো সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই বিসর্গ ও ব্যঞ্জনবর্ণের সংযোগের নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a শোকানল
b রাঙামাটি
c তেপান্তর
d ছায়াতরু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ছায়াতরু ১. কেন সঠিক: - ছায়াতরু শব্দটি ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায় ছায়া প্রদানকারী তরু। এখানে মাঝের পদ প্রদানকারী লুপ্ত হয়ে সমাস নিষ্পন্ন হয়েছে। - যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের এক বা একাধিক পদ সম্পূর্ণভাবে লোপ পায় তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং এখানে দুটি পদেরই বিশেষ্য বা বিশেষণের সম্পর্ক থাকে। - মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের সংযোগকারী বা মধ্যবর্তী পদটি সমস্ত পদে আর থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এখানে চিহ্নিত পদটি মাঝখান থেকে লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস গঠন করেছে। উদাহরণ ২: মধু মাখা মাছ = মোমমাছি বা মৌমাছি ব্যাখ্যা: এখানে মাখা পদটি লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শোকানল — এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কারণ শোক ও অনল অভিন্ন কল্পনা করা হয়েছে। B) রাঙামাটি — এটি সমাসবদ্ধ পদ হলেও এটি ভিন্ন সমাসের বা সাধারণ কর্মধারয়ের নিয়মে হতে পারে যেখানে মাঝের পদ লোপ পায় না। C) তেপান্তর — এটি তিন প্রান্তের সমাহার বোঝায় যা দ্বিগু সমাসের উদাহরণ। D) ছায়াতরু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্য করার সময় মাঝখানে যে পদ বা শব্দ অতিরিক্ত আসে এবং সমস্ত পদে তা গায়েব হয়ে যায়, সেটাই মধ্যপদলোপী সমাস। - সমাস নির্ণয়ের সময় শব্দের অর্থ ও ব্যাসবাক্যের গঠন ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সিংহাসন, হাতকড়ি, পলান্ন ইত্যাদি শব্দগুলো এই নিয়মের চমৎকার উদাহরণ যা বারবার অনুশীলনের মাধ্যমে আয়ত্ত করতে হবে।
a অজ্ঞান
b রেয়াত
c আদমশুমারি
d সচেতন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আদমশুমারি ১. কেন সঠিক: 'Census' ইংরেজি শব্দটির সার্বিক ও প্রমিত বাংলা পরিভাষা হলো আদমশুমারি। এর অর্থ কোনো নির্দিষ্ট এলাকার বা দেশের সমস্ত মানুষের সরকারি হিসাব বা গণনা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের পারিভাষিক শব্দের অন্তর্ভুক্ত। ইংরেজি প্রশাসনিক বা প্রাতিষ্ঠানিক শব্দের সঠিক ও অর্থবহ বাংলা রূপান্তরকে পারিভাষিক শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Population Census ব্যাখ্যা: এর সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো জনসংখ্যা গণনা বা আদমশুমারি। উদাহরণ ২: Agriculture Census ব্যাখ্যা: এর সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো কৃষি শুমারি বা কৃষি গণনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অজ্ঞান — এটি একটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ জ্ঞানহীন বা মূর্ছা যাওয়া, যা Census শব্দের সঙ্গে মেলে না। B) রেয়াত — এর অর্থ ছাড় বা মাশুল হ্রাস, যা কোনো অবস্থাতেই Census শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না। C) আদমশুমারি — এটি সঠিক উত্তর। D) সচেতন — এর অর্থ সজাগ বা জ্ঞানসম্পন্ন, যা Census শব্দের পারিভাষিক অর্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: আদম অর্থ মানুষ এবং শুমারি অর্থ গণনা করা। মানুষের গণনা বা হিসাব বোঝাতেই আদমশুমারি শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পারিভাষিক শব্দ থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক শব্দের ইংরেজি রূপগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের উত্তর সহজে করা যায়।
a দৃষ্ট
b তিষ্ঠ
c ইষ্ট
d শিষ্ট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইষ্ট ১. কেন সঠিক: 'অনিষ্ট' শব্দের অর্থ হলো ক্ষতি, অমঙ্গল বা যা কাঙ্ক্ষিত নয়। এর ঠিক বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে 'ইষ্ট' শব্দটি, যার অর্থ মঙ্গল, ভালো বা যা কাম্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ অংশের একটি প্রশ্ন। কোনো শব্দের সম্পূর্ণ বা প্রায় বিপরীত অর্থ প্রকাশকারী শব্দকে বিপরীতার্থক শব্দ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃতজ্ঞ - অকৃতজ্ঞ ব্যাখ্যা: কৃতজ্ঞ শব্দের অর্থ উপকার স্বীকারকারী এবং অকৃতজ্ঞ শব্দের অর্থ উপকার স্বীকার না করা। উদাহরণ ২: উন্নত - অবনত ব্যাখ্যা: উন্নত শব্দের অর্থ উচু বা উন্মুখ এবং অবনত শব্দের অর্থ নিচু বা নত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৃষ্ট - এর অর্থ দেখা বা দৃশ্যমান, যা অনিষ্ট শব্দের বিপরীতার্থক নয়। B) তিষ্ঠ - এর অর্থ অপেক্ষা করা বা থাকা, যা অনিষ্ট শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। D) শিষ্ট - এর অর্থ ভদ্র বা শান্ত, যা অনিষ্ট শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে উপযুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: অনিষ্ট শব্দের শুরুতে অ উপসর্গ যুক্ত করে বিপরীত করা হয়েছে। অ বাদ দিলেই ইষ্ট শব্দ পাওয়া যায় যা সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করতে হবে। উপসর্গ বা প্রত্যয় পরিবর্তন করে অনেক সময় বিপরীত শব্দ গঠিত হয়।
a কুড়া
b কপোত
c কদলী
d কোকিল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কপোত ১. কেন সঠিক: - কপোত শব্দের অর্থ পায়রা বা ঘুঘু জাতীয় গৃহপালিত পাখি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে পায়রা ও কপোতের ব্যবহার খুবই常见। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই সকল শব্দ যাদের অর্থ এক বা প্রায় এক। - বাংলা ভাষায় সংস্কৃত ও তদ্ভব শব্দ মিলে বহু সমার্থক শব্দ তৈরি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ময়ূর ব্যাখ্যা: ময়ূরের সমার্থক শব্দ হলো শিখী ও বারিজ। উদাহরণ ২: পাখি ব্যাখ্যা: পাখির সমার্থক শব্দ হলো খেচর, বিহগ ও বিহঙ্গ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুড়া — কুড়া হলো এক ধরণের শিকারী পাখি, যা পায়রার সমার্থক নয়। B) কপোত — এটি পায়রার সঠিক সমার্থক শব্দ। C) কদলী — কদলী শব্দের অর্থ কলা, যা পাখির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) কোকিল — কোকিল হলো ভিন্ন প্রজাতির একটি গানরতা পাখি। ৫ মনে রাখার টিপস: - পায়রা ও কপোত একই অর্থ প্রকাশ করে, তাই ক দিয়ে শুরু এই দুটি শব্দ মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পাখি সম্পর্কিত সমার্থক শব্দ যেমন পায়রা, কোকিল ও কুড়া প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a অক্ষর
b শব্দ
c বর্ণ
d পদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বর্ণ ১. কেন সঠিক: বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ বা প্রতীক চিহ্ন। মানুষের মুখ থেকে উচ্চারিত অর্থপূর্ণ আওয়াজ বা ধ্বনিগুলোকে স্থায়ী রূপ দেওয়ার জন্য যে সংকেত বা প্রতীক ব্যবহার করা হয়, তাকে বর্ণ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি হলো ভাষার মূল ভিত্তি বা উচ্চারিত রূপ এবং বর্ণ হলো তার দৃশ্যমান বা লিখিত রূপ। বাংলা বর্ণমালায় মোট পঞ্চাশটি বর্ণ রয়েছে, যার মধ্যে স্বরবর্ণ এগারোটি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ উনচল্লিশটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি একটি স্বরধ্বনি এবং এর লিখিত রূপ বা বর্ণ হলো অ। উদাহরণ ২: ক ব্যাখ্যা: এটি একটি ব্যঞ্জনধ্বনি এবং এর লিখিত রূপ বা বর্ণ হলো ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষর — অক্ষর হলো কথা বলার সময় মুখের এক ঝট্‌কায় শব্দের যতটুকু অংশ উচ্চারণ করা যায়, তা ধ্বনির লিখিত রূপ নয়। B) শব্দ — শব্দ হলো এক বা একাধিক ধ্বনির মিলিত রূপ যা অর্থ প্রকাশ করে, এটি শুধু ধ্বনির লিখিত রূপ বোঝায় না। C) বর্ণ — এটি সঠিক উত্তর। D) পদ — পদ হলো বাক্যে ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতু, যা ধ্বনির লিখিত রূপের চেয়ে অনেক বড় একটি ব্যাকরণিক একক। ৫ মনে রাখার টিপস: ধ্বনি মানে শোনা যায় কান দিয়ে, আর বর্ণ মানে দেখা যায় চোখ দিয়ে লেখার মাধ্যমে। ধ্বনি হলো উচ্চারিত রূপ আর বর্ণ হলো লিখিত রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধ্বনি ও বর্ণের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। মনে রাখতে হবে, ভাষার মৌলিক একক ধ্বনি এবং লেখার ক্ষুদ্রতম একক বর্ণ।
a ও যার আপন খবর আপনার হয় না।
b কী ঘর বানাইমু আমি শূন্যের মাঝার।
c ধরতে পারলে মনাবেড়ি দিতাম তাহার পায়।
d চিরদিন পুষলাম এক অচিন পাখি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কী ঘর বানাইমু আমি শূন্যের মাঝার। ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত চরণটি বিখ্যাত মর্মিয়া সাধক ও বাউল কবি হাসন রাজার একটি অন্যতম জনপ্রিয় গানের পঙক্তি। - এই গানে মানবজীবনের নশ্বরতা এবং এই পৃথিবীর অস্থায়ী ঠিকানার কথা অত্যন্ত গভীর দর্শনের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হাসন রাজা ১৮৫৪ সালের ২১ ডিসেম্বর সিলেটের সুনামগঞ্জের লক্ষণশ্রীতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলার মরমী লোকসাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ও জমিদার পরিবারের সন্তান ছিলেন। - তাঁর গানে বৈরাগ্য, আত্মতত্ত্ব, সৃষ্টিকর্তার সন্ধান এবং মানবাত্মার আকুলতা প্রধান হয়ে উঠেছে। হাসন রাজার প্রায় সহস্রাধিক গান নিয়ে হাসন উদাস গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লোকে বলে বলেরে ঘরবাড়ি ভালা না আমার। ব্যাখ্যা: এটিও হাসন রাজার অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মরমী গান যা মানুষের মনের আকুতি প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: নেশা লাগিল রে বাঁকা দুই নয়নে নেশা লাগিল রে। ব্যাখ্যা: এটিও হাসন রাজার রচিত প্রেম ও ভক্তিভাবের এক অনন্য সাধক সংগীতের পঙক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ও যার আপন খবর আপনার হয় না। — এটি হাসন রাজার গান নয়, এটি বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের একটি বিখ্যাত ও বহুল প্রচারিত গান। C) ধরতে পারলে মনাবেড়ি দিতাম তাহার পায়। — এটি বাউল শাহ আব্দুল করিমের রচিত মনের মানুষকে বেঁধে রাখার আকুতি জানানো একটি গান। D) চিরদিন পুষলাম এক অচিন পাখি — এটি বাউল সাধক লালন সাঁইয়ের বিখ্যাত দেহতত্ত্ব ও মরমী দর্শনের একটি অমর পঙক্তি। ৫ মনে রাখার টিপস: - শূন্যের মাঝার ঘর বা মরমী আত্মদর্শন খুঁজলে সাধারণত হাসন রাজার গান মনে রাখতে হবে। অচিন পাখি বা মন চোর শব্দ পেলে লালন সাঁইকে মনে রাখা নিরাপদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মরমী কবিদের বিখ্যাত গানের পঙক্তি তুলে দিয়ে রচয়িতা জানতে চাওয়া হয়। হাসন রাজা, লালন সাঁই এবং শাহ আব্দুল করিমের জনপ্রিয় পঙক্তিগুলো আলাদা করে মুখস্থ রাখতে হবে।
a অর্কেস্ট্রা
b প্রথম পার্থ
c উর্বশী ও আর্টেমিস
d মহাপৃথিবী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মহাপৃথিবী ১. কেন সঠিক: - মহাপৃথিবী কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম। - বিংশ শতাব্দীর বিশ ও ত্রিশের দশকের পটভূমিতে রচিত এই কাব্যগ্রন্থে কবির নিসর্গপ্রীতি ও মানুষের জীবনের গভীর বিষাদ সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ ১৯০৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৫৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁকে রূপসী বাংলার কবি বলা হয়। - তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ঝরাপল্লক, ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, সাতটি তারার তিমির ও বেলা অবেলা কালবেলা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের সর্বাধিক পরিচিত ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কবিতার এক অনন্য সংযোজন। উদাহরণ ২: ধূসর পাণ্ডুলিপি ব্যাখ্যা: এটি কবির দ্বিতীয় প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা বাংলা কবিতায় এক নতুন সুর ও আবহ নিয়ে এসেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্কেস্ট্রা — এটি জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি বুদ্ধদেব বসুর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। B) প্রথম পার্থ — এটি জীবনানন্দ দাশের রচনা নয়, এটি কবি ও সাহিত্যিক শঙ্খ ঘোষের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। C) উর্বশী ও আর্টেমিস — এটি জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি বুদ্ধদেব বসুর অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ। D) মহাপৃথিবী — এটি জীবনানন্দ দাশ রচিত একটি মৌলিক ও প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ঝরা পাতা ও ধূসর পাণ্ডুলিপি হাতে বনলতা সেন মহাপৃথিবীতে সাতটি তারা দেখতে গেলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ এবং বুদ্ধদেব বসুর কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে গুলিয়ে ফেলতে দেখা যায়। - কবি পরিচিতি পড়ার সময় সমসাময়িক লেখকদের গ্রন্থগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়লে এই বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব।
a সওগাত
b শিখা
c ধূমকেতু
d কল্লোল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধূমকেতু ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটি মূলত লেখক ও সাহিত্যকর্মের আওতাভুক্ত। কাজী নজরুল ইসলাম ১৯২২ সালের ১২ আগস্ট তাঁর সম্পাদনায় 'ধূমকেতু' পত্রিকা প্রকাশ করেন এবং এটি ছিল একটি অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার প্রধান পরিচালক ও প্রচ্ছদশিল্পী ছিলেন কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং এর নীতিবাক্য হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাণী ব্যবহৃত হয়েছিল। এই পত্রিকায় নজরুলের বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতা এবং আনন্দময়ীর আগমনী কবিতা প্রকাশিত হওয়ার কারণে ব্রিটিশ সরকার পত্রিকাটির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে এবং নজরুলকে কারাদণ্ড দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাঙল ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত একটি সাময়িকপত্র যা শ্রমিক ও কৃষকদের অধিকার রক্ষায় প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: নবযুগ ব্যাখ্যা: এটি একটি সান্ধ্য দৈনিক পত্রিকা যা কাজী নজরুল ইসলাম এবং এ কে ফজলুল হক যৌথভাবে সম্পাদনা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সওগাত — এই সাহিত্য পত্রিকাটি মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন কর্তৃক সম্পাদিত হতো, কাজী নজরুল ইসলাম এর সঙ্গে সম্পাদক হিসেবে যুক্ত ছিলেন না। B) শিখা — এটি মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র ছিল এবং আবুল হোসেন ও কাজী মোতাহার হোসেন এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। D) কল্লোল — এটি একটি বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা যা দীনেশচন্দ্র দাসের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের বিদ্রোহী পত্রিকার নাম ধূমকেতু মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো বিদ্রোহী কবি আকাশ কাঁপিয়ে ধূমকেতুর মতো আবির্ভূত হয়েছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবি ও তাঁদের সম্পাদিত পত্রিকার নাম জিজ্ঞেস করা হয়, তাই নজরুলের ধূমকেতু ও লাঙল পত্রিকার নাম বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে।
a পুরবী
b খেয়া
c বলাকা
d সোনার তরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বলাকা ১. কেন সঠিক: 'বলাকা' কাব্যগ্রন্থটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালে ও যুদ্ধের সময়ে রচিত হয় এবং এতে বিশ্বযুদ্ধের বিশ্বগ্রাসী রূপ ও গতির জয়গান গাওয়া হয়েছে। ১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে তৎকালীন আন্তর্জাতিক রাজনীতির গতিপ্রকৃতি এবং মানুষের মধ্যে যে প্রতিবাদ ও আলোড়ন সৃষ্টি হয়, তার শক্তিশালী প্রভাব পড়েছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ওপর। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান গীতিকাব্য এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চলনশীলতার ও গতির প্রতীক হিসেবে পরিচিত। এই কাব্যগ্রন্থের বিখ্যাত কবিতাগুলোতে গতির জয়গান এবং বিশ্বের পরিবর্তনশীল রূপ অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বলাকা কবিতার বিখ্যাত পলাইন - চঞ্চল চরণ দলিয়া চলিল যে পক্ষীরাজ। ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিতে কবির গতিশীল জীবনের জয়গান প্রকাশিত হয়েছে যা প্রতিবাদের আবহে রচিত কবিতার মূল সুর ধারণ করে। উদাহরণ ২: শাহজাহান কবিতা। ব্যাখ্যা: এটিও বলাকা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক পটভূমির কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুরবী — এই কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনের শেষভাগের সৃষ্টি এবং এর প্রেক্ষাপট ভিন্ন। B) খেয়া — এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯০৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর মূল সুর আধ্যাত্মিক ও শান্ত প্রকৃতির। D) সোনার তরী — এটি ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর মূল ভাব জীবনের নশ্বরতা ও কালচেতনার ওপর প্রতিষ্ঠিত। ৫ মনে রাখার টিপস: বলাকা মানে উড়ন্ত পাখির দল এবং পাখি যেমন উড়ে চলে তেমনি বিশ্বযুদ্ধের প্রতিবাদের আলোড়নে রবীন্দ্রনাথের মনেও গতির বেগ এসেছিল। এইভাবে বলাকা কাব্যগ্রন্থের সঙ্গে বিশ্বযুদ্ধের প্রভাব ও গতির সম্পর্ক সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বলাকা কাব্যগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয় বা এর পেছনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট কী। সঠিক উত্তর হিসেবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রভাব ও গতির দর্শন মনে রাখা জরুরি।
a পদ্মগোখরো
b রক্তপদ্ম
c পদ্মরাগ
d পদ্মাবতী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পদ্মরাগ ১. কেন সঠিক: - পদ্মরাগ হলো বাঙালি নারীবাদী লেখিকা বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। - এই উপন্যাসে নারীর অর্থনৈতিক মুক্তি, শিক্ষা এবং সমাজের নানা বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ ও বিংশ শতাব্দীর শুরুর একজন প্রথিতযশা বাঙালি সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক। - তার সাহিত্যকর্মের মূল সুর হলো নারী মুক্তি, নারী শিক্ষা এবং সমাজে নারীর সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুলতানার স্বপ্ন ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত নারীবাদী ইউটোপিয়ান বা নারীতান্ত্রিক কল্পকাহিনির গ্রন্থ। উদাহরণ ২: মতিচূর ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়ার প্রাবন্ধিক রচনা, যা দুটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এতে সমাজের নানা কুসংস্কারের সমালোচনা করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মগোখরো — এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন। রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের কোনো গ্রন্থ নয়। B) রক্তপদ্ম — এটি বেগম রোকেয়ার কোনো মৌলিক বা পরিচিত সাহিত্যকর্ম নয়। তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। D) পদ্মাবতী — এটি কবি আলাওল রচিত একটি মধ্যযুগের মহাকাব্য। এটি রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বেগম রোকেয়ার উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো রোকেয়ার প্রধান দুটি গদ্য গ্রন্থ হলো সুলতানার স্বপ্ন ও পদ্মরাগ। - পদ্ম দিয়ে শুরু হলেও পদ্মাবতী ও পদ্মগোখরো যথাক্রমে আলাওল ও নজরুলের রচনা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেগম রোকেয়ার উপন্যাস বা প্রবন্ধের নাম প্রায়ই আসে। - রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যু দিবস ৯ ডিসেম্বর, যা বেগম রোকেয়া দিবস হিসেবে পালিত হয়।
a রমেশচন্দ্র দত্ত
b অক্ষয় কুমার দত্ত
c দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
d রাজনারায়ণ বসু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অক্ষয় কুমার দত্ত ১. কেন সঠিক: - ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন অক্ষয় কুমার দত্ত এবং তিনি দীর্ঘকাল এর সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন। - উনবিংশ শতকের বাংলা গদ্যের বিকাশ এবং বিজ্ঞানমনস্ক প্রবন্ধ রচনায় এই পত্রিকা ও সম্পাদকের অবদান অপরিসীম। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উনিশ শতকের বাংলা সাহিত্য ও সমাজ সংস্কারে তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র হিসেবে ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই পত্রিকা বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান, দর্শন ও সমাজ সংস্কারের নানা তথ্য প্রচার করে আধুনিক মনন গঠনে সহায়তা করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অক্ষয়কুমার দত্তের রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ ‘চারুপাঠ’। ব্যাখ্যা: এটি নীতিশিক্ষামূলক ও বিজ্ঞানভিত্তিক প্রবন্ধের একটি বিশিষ্ট সংকলন। উদাহরণ ২: অক্ষয়কুমার দত্তের অপর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘বাধ্য্যবস্তুর সহিত মানবপ্রকৃতির সম্বন্ধ বিচার’। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম দর্শন ও বিজ্ঞানভিত্তিক মনস্তাত্ত্বিক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রমেশচন্দ্র দত্ত — তিনি একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও ঐতিহাসিক হলেও ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। B) অক্ষয় কুমার দত্ত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় এর বিবরণ দেওয়া হয়েছে। C) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি তত্ত্ববোধিনী সভা প্রতিষ্ঠা করলেও এই পত্রিকার নিয়মিত সম্পাদক হিসেবে অক্ষয় কুমার দত্তই বেশি পরিচিত ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। D) রাজনারায়ণ বসু — তিনি একজন বিশিষ্ট সমাজ সংস্কারক ও প্রবন্ধকার হলেও ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার কথা মনে এলেই অক্ষয়কুমার দত্তের বিজ্ঞানমনস্ক ও সংস্কারপন্থী রূপটি স্মরণ করতে হবে। - সম্পাদক হিসেবে তাঁর নাম বাংলা সাময়িকপত্র ইতিহাসে প্রথম সারিতে আলোচিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাচীন সাময়িকপত্র ও তার সম্পাদকদের নাম জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা এবং মূল সম্পাদকের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a কিঞ্চিৎ জলযোগ
b ম্যাহ ধরবে কে
c কুলীন কুলসর্বস্ব
d সদবার একাদশী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সদবার একাদশী ১. কেন সঠিক: - দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত প্রহসন হলো সদবার একাদশী, যা ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়। - এই প্রহসনে উনিশ শতকের নবম শতকের কলকাতার বাবু সমাজের মদ্যপান ও নৈতিক অবক্ষয়ের চিত্র অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দীনবন্ধু মিত্র বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে নীলদর্পণ নাটকের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত ও খ্যাতি অর্জন করেছেন। - তাঁর প্রহসনগুলোর মধ্যে সামাজিক অসঙ্গতি, কুসংস্কার ও সমাজের উচ্চবিত্তের পতন অত্যন্ত জোরালো ভাষায় হাস্যরসের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দীনবন্ধু মিত্র রচিত নাটক নীলদর্পণ ব্যাখ্যা: এটি ১৮৬০ সালে প্রকাশিত বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত প্রভাবশালী একটি নাটক যা নীলকর সাহেবদের নির্যাতনের কাহিনী তুলে ধরে। উদাহরণ ২: দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন বিয়ে পাগলা বুড়ো ব্যাখ্যা: এটি সমাজের বহুবিবাহ ও বয়স্ক মানুষের বিয়ের প্রথার বিরুদ্ধে একটি তীব্র ব্যঙ্গাত্মক নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিঞ্চিৎ জলযোগ — এটি প্রমথ চৌধুরী রচিত একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ এবং প্রহসন নয়। B) ম্যাহ ধরবে কে — এটি কোনো প্রামাণ্য বা প্রচলিত সাহিত্যিক প্রহসন বা গ্রন্থ নয়। C) কুলীন কুলসর্বস্ব — এটি রামনারায়ন তর্করত্ন রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রহসন যা কুলীনপ্রথার দোষত্রুটি নিয়ে লেখা। D) সদবার একাদশী — এটি দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন এবং এটিই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - দীনবন্ধু মিত্রের প্রহসন মনে রাখার কৌশল হলো, নীলদর্পণের নাট্যকার দীনবন্ধু মদ্যপানের কুফল নিয়ে লিখেছিলেন সদবার একাদশী প্রহসনটি। - প্রহসন মানেই সমাজের নানা ত্রুটি ও কৌতুকপূর্ণ সমালোচনা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দীনবন্ধু মিত্রের নাটক এবং প্রহসনগুলোর নাম প্রায়ই আলাদা করতে দেওয়া হয়। - প্রহসন চেনার ক্ষেত্রে রামনারায়ন তর্করত্ন এবং দীনবন্ধু মিত্রের রচনাগুলো বারবার অনুশীলন করতে হবে।
a পদ্য
b গান
c শ্লোক
d মন্ত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গান ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ মূলত বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা গান। ড. হরপ্রসাদ শাস্ত्री আবিষ্কৃত এই গ্রন্থে মোট সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ রয়েছে এবং এর প্রতিটি পদের সঙ্গে রাগ-রাগিণীর নাম উল্লেখ আছে যা প্রমাণ করে এগুলো গীত বা গান হিসেবে গাওয়া হতো। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ হলো চর্যাগীতিকোষ যা বজ্রযান বা সহজযান বৌদ্ধ সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা আধ্যাত্মিক গান। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত्री ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে সহস্র বছরের পুরনো বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের প্রথম পদের রচয়িতাগণ লুইপা এবং এর রাগ হলো পটমঞ্জুরী। ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের সূচনা পদ এবং এতে সাধনার গুহ্য তত্ত্ব গানের সুরে প্রকাশিত হয়েছে। উদাহরণ ২: চর্যাপদের কান্হুপা সর্বাধিক চব্বিশটি পদ রচনা করেছেন। ব্যাখ্যা: কান্হুপার পদগুলোও মূলত সাধনসঙ্গীত বা গান হিসেবে পরিবেশিত হতো। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্য — চর্যাপদ পদ্যের মতো ছন্দবদ্ধ হলেও এর মূল রূপ হলো গীত বা গান। B) গান — সঠিক উত্তর কারণ চর্যাপদের প্রতিটি পদের সঙ্গে নির্দিষ্ট রাগ-রাগিণীর উল্লেখ আছে। C) শ্লোক — শ্লোক সাধারণত শ্লোকাকার বা শ্লোকের আকারে রচিত হয় যা চর্যাপদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) মন্ত্র — মন্ত্র হলো দেব-দেবী তুষ্টির বা পূজার গোপন বাক্য যা চর্যাপদের সাধনসঙ্গীত থেকে আলাদা। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্যাপদের নামের শেষেই পদ বা গীত শব্দটি আছে যা থেকে মনে রাখা যায় এটি মূলত গান। চর্যাপদের পদগুলো গাওয়া হতো বলেই এর সঙ্গে রাগ-রাগিণীর নাম যুক্ত করা হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ কোন জাতীয় সাহিত্যকর্ম এমন প্রশ্ন আসলে সবসময় গান বা গীত উত্তর হিসেবে বেছে নেবে। চর্যাপদ আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত्री এবং এর ভাষা সম্পর্কে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a প্রাকৃত পৈঙ্গল
b মনসামঙ্গল
c সেকশুভোদয়া
d শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ১. কেন সঠিক: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি মূলত সংলাপধর্মী নাট্যগুণসম্পন্ন একটি আখ্যায়ন কাব্য, যেখানে রাধা, কৃষ্ণ এবং বড়াই এই তিনটি চরিত্রের সংলাপের মাধ্যমে পুরো কাহিনী এগিয়ে গেছে। - আখ্যায়ন কাব্য বলতে এমন কাব্যকে বোঝায় যেখানে কোনো কাহিনী বা আখ্যানপালা বিবৃত থাকে এবং এতে নাটকের মতো সংলাপ ও চরিত্রের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস এবং এটি ১৯০৯ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে বসন্তকুমার রঞ্জনের সম্পাদনায় বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের এক গোয়ালঘর থেকে আবিষ্কৃত হয়। - এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন এবং বৈষ্ণব পদাবলীর আদি নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়, যার মূল বিষয়বস্তু রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের পৌরাণিক কাহিনী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের জন্মখণ্ড ব্যাখ্যা: এই খণ্ডে রাধা ও কৃষ্ণের জন্ম এবং তাদের পরিচয়মূলক সংলাপ নাট্যধর্মী ভঙ্গিতে উপস্থাপিত হয়েছে। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের দানখণ্ড ব্যাখ্যা: যমুনা পার হওয়ার সময় কৃষ্ণের সাথে রাধা ও অন্যান্য গোপিনীদের সংলাপ এই কাব্যকে নাট্যরূপ দিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাকৃত পৈঙ্গল — এটি কোনো নাট্যগুণসম্পন্ন কাব্য নয়, বরং এটি প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষায় রচিত পদের সংকলন এবং এর রচয়িতা নির্দিষ্ট নন। B) মনসামঙ্গল — এটি মঙ্গলকাব্যের অন্তর্ভুক্ত এবং দেবী মনসার মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত, যা নাট্যগুণসম্পন্ন আখ্যায়ন কাব্য নয়। C) সেকশুভোদয়া — এটি সংস্কৃত ভাষায় রচিত একটি চম্পূকাব্য বা ঐতিহাসিক গদ্য-পদ্যের মিশ্রিত কাহিনী, যা বাংলা নাট্যধর্মী আখ্যায়ন কাব্য নয়। D) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে নাটকীয় সংলাপ ও চরিত্রভিত্তিক আখ্যায়ন রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে চরিত্র মাত্র তিনটি (রাধা, কৃষ্ণ ও বড়াই) এবং এটি নাটকের মতো সংলাপে ভরপুর, তাই এটি নাট্যগুণসম্পন্ন আখ্যায়ন কাব্য। - মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন হিসেবে এই কাব্যের সংলাপধর্মিতা মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি আবিষ্কৃত হয় ১৯০৯ সালে এবং এর আবিষ্কারক বা সম্পাদক বসন্তকুমার রঞ্জন রায় বিদ্যানিধি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে মধ্যযুগের প্রথম কাব্য বা নাট্যধর্মী বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন প্রাচীন নিদর্শন কোনটি।
a কাশীরাম দাস
b ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
c কৃত্তিবাস ওঝা
d রামানন্দ ঘোষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাশীরাম দাস ১. কেন সঠিক: - বাংলায় মহাভারত অনুবাদ করেছেন কাশীরাম দাস। তিনি পয়ার ছন্দে মহাভারত অনুবাদ করেন যা মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও মহাকাব্যিক নিদর্শন। - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ও অনুবাদ সাহিত্যের ইতিহাসে মহাভারতের অনুবাদ বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাশীরাম দাস সপ্তদশ শতকের একজন বিশিষ্ট অনুবাদক ও কবি। তিনি বর্ধমান জেলার কাটোয়া মহকুমার ইন্দ্রাণী পরগনার অন্তর্গত কুশিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর মহাভারত অনুবাদ মূলত মূল সংস্কৃত মহাভারতের সংক্ষিপ্ত ও জনপ্রিয় রূপ যা সাধারণ মানুষের কাছে মহা কাহিনীর বার্তা পৌঁছে দিয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃত্তিবাস ওঝা রচিত রামায়ণ। ব্যাখ্যা: কৃত্তিবাস ওঝা বাংলা সাহিত্যে রামায়ণ অনুবাদের জন্য বিখ্যাত। উদাহরণ ২: মালাধর বসু রচিত শ্রীকৃষ্ণবিজয়। ব্যাখ্যা: মালাধর বসু শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্যের জন্য গুণরাজ খান উপাধি লাভ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাশীরাম দাস — ইনি বাংলায় মহাভারত অনুবাদ করেছেন এবং এটিই সঠিক উত্তর। B) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর — ইনি অষ্টাদশ শতকের মধ্যযুগের শেষ চরণের কবি এবং অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা। C) কৃত্তিবাস ওঝা — ইনি বাংলায় রামায়ণ অনুবাদ করেছেন, মহাভারত নয়। D) রামানন্দ ঘোষ — ইনি মহাভারতের অনুবাদক নন বরং মধ্যযুগের অন্য কোনো প্রধান ধারার সঙ্গে যুক্ত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: মহাভারত লিখেছেন কাশিরাম আর রামায়ণ লিখেছেন কৃত্তিবাস, এই দুটি নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ক দিয়ে কৃত্তিবাস আর রামায়ণ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যে রামায়ণ ও মহাভারতের অনুবাদকদের নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস এবং শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্যের রচয়িতা মালাধর বসু, এই তথ্যগুলোও মনে রাখা জরুরি।
a ফুল্লরা
b সনকা
c বেহুলা
d লহনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেহুলা ১. কেন সঠিক: মঙ্গলকাব্যের ধারায় নারীচরিত্রগুলোর মধ্যে বেহুলা হলেন অনন্য ব্যক্তিত্ব, আত্মত্যাগ ও অটল পতিভক্তির প্রতীক। মৃত স্বামীর সঙ্গে ভাসানুরে ভেলায় চড়ে লখিন্দরের জীবন পুনরুদ্ধারের জন্য তাঁর এই অসামান্য সংগ্রাম তাঁকে সাধারণ মানবী থেকে এক মহীয়সী নারী চরিত্রে রূপান্তরিত করেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মনসা মঙ্গল কাব্যের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলেন বেহুলা, যিনি সতীত্ব ও দৃঢ় মানসিকতার জন্য বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন। এই চরিত্রটি বাঙালি নারীর অন্তরের শক্তি, সাহসিকতা এবং পতিভক্তির সর্বোচ্চ নিদর্শন হিসেবে মঙ্গলকাব্য সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য প্রমীলা চরিত্র ব্যাখ্যা: প্রমীলা চরিত্রটি যেমন স্বামীর প্রতি অটল ভালোবাসা ও বীরত্ব প্রদর্শন করেছে, তেমনি বেহুলা চরিত্রটি মৃত্যুর বিরুদ্ধে লড়াই করে পতিভক্তির চরম পরাকাষ্ঠা দেখিয়েছে। উদাহরণ ২: মহাশ্বেতা চরিত্র কাদম্বিনী ব্যাখ্যা: কাদম্বিনী বা প্রমীলার মতো বেহুলাও বাংলা সাহিত্যের এমন এক নারী চরিত্র যিনি প্রতিকূল ভাগ্যের বিরুদ্ধে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফুল্লরা — ইনি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতুর পত্নী এবং একজন দুঃখী গৃহিণী হলেও বেহুলার মতো মহাশক্তিধর দেবীর বিরুদ্ধে এমন বিদ্রোহী ও অটল ব্যক্তিত্বের প্রকাশ তাঁর চরিত্রে নেই। B) সনকা — ইনি মনসা মঙ্গল কাব্যের লখিন্দরের মাতা, যিনি দুঃখ ও পুত্রশোকে কাতর এক সাধারণ জননী হিসেবে পরিচিত, ব্যক্তিত্বময়ী প্রধান নারী চরিত্র নন। D) লহনা — ইনি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের ধনপতির প্রথমা স্ত্রী, যিনি সতীন খূলনার প্রতি ঈর্ষাপরায়ণ ও সংকীর্ণ মনের পরিচায়ক হিসেবে চিত্রিত হয়েছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: মঙ্গলকাব্যের যে নারী চরিত্র মৃত্যুঞ্জয়ী পতিভক্তির জন্য ভেলায় ভেসেছিলেন এবং দেবীকে বশীভূত করেছিলেন, তিনিই হলেন বেহুলা। মনে রাখার সূত্র হলো মৃত স্বামীর সঙ্গে ভেলায় ভাসলেন যিনি, তিনি বেহুলা এবং তাঁর চরিত্রটি ব্যক্তিত্বময়ী। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মনসা মঙ্গল কাব্যের প্রধান নারী চরিত্র ও পতিভক্তির প্রতীক হিসেবে বেহুলার নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। চরিত্রভিত্তিক সাহিত্য প্রশ্নে কোন চরিত্র কোন কাব্যের এবং তার বিশেষত্ব কী, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a পদ্মাবতী
b চন্দ্রাবতী
c কাজল রেখা
d কঙ্ক ও লীলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পদ্মাবতী ১. কেন সঠিক: - পদ্মাবতী মহাকাব্যটি সপ্তদশ শতাব্দীতে আরাকান বা রোসাঙ্গ রাজসভার পৃষ্ঠপোষকতায় রচিত হয়েছিল। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবিদের অবদানের জন্য রোসাঙ্গ রাজসভা একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল রোসাঙ্গ রাজসভার অর্থমন্ত্রী বা অমাত্য মাগন ঠাকুরের অনুরোধে মালিক মুহম্মদ জায়সীর পদ্মাবত কাব্য অবলম্বনে পদ্মাবতী রচনা করেন। - আরাকান রাজসভার মুসলিম শাসকরা বাংলা ভাষা ও সাহিত্য চর্চায় উদার পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করেছিলেন, যার ফলে বহু মূল্যবান কাব্য রচিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের কবি দৌলত কাজী রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য, যা রোসাঙ্গ রাজসভার পৃষ্ঠপোষকতায় রচিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: সাত পঞ্জিকা ব্যাখ্যা: এটিও রোসাঙ্গ রাজসভায় রচিত আলাওলের আরেকটি বিখ্যাত অনুবাদ সাহিত্য, যা তৎকালীন সাহিত্যিক পরিবেশের পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মাবতী — এটি রোসাঙ্গ রাজসভার পৃষ্ঠপোষকতায় রচিত এবং এটিই সঠিক উত্তর। B) চন্দ্রাবতী — এটি ময়মনসিংহ গীতিকার একটি ট্র্যাজিক পালা এবং এর রচয়িতা মলুয়া বা চন্দ্রাবতী নিজে কবি, যা রোসাঙ্গ রাজসভায় রচিত হয়নি। C) কাজল রেখা — এটি বাংলা লোকসাহিত্যের ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্গত একটি জনপ্রিয় পৌরাণিক ও রূপকথামূলক পালাগান। D) কঙ্ক ও লীলা — এটিও দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত ময়মনসিংহ গীতিকার একটি অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় প্রেমের পালাগান। ৫. মনে রাখার টিপস: - রোসাঙ্গ রাজসভার কথা মনে এলেই কবি আলাওল এবং তার মহাগ্রন্থ পদ্মাবতীর নাম সবার আগে মনে রাখতে হবে। - আরাকান রাজসভায় বাঙালি কবিরা আশ্রয় পেতেন, তাই মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের কেন্দ্র ছিল এই রোসাঙ্গ রাজসভা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন রাজসভায় বাংলা সাহিত্যের চর্চা সবচেয়ে বেশি হয়েছে, উত্তর হবে রোসাঙ্গ রাজসভা। - মধ্যযুগের কবি আলাওল কোন রাজসভার কবি ছিলেন, এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে।
a জন-জামাই ভাগনা, তিন নয় আপনা।
b অতি চোর পাতি চোর, হতে হতে সিদেল চোর।
c আছে গরু, না হয় হাল, তার দুঃখ চিরকাল।
d সে কহে বিস্তর মিছা, যে কহে বিস্তর।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আছে গরু, না হয় হাল, তার দুঃখ চিরকাল। ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী প্রবাদ-প্রবচন বা খনার বচনের অংশ। খনার বচন মূলত কৃষিভিত্তিক প্রজ্ঞা, আবহাওয়া এবং জীবনদর্শন সম্পর্কিত অমূল্য বাণী। - কৃষি সমাজে গরু এবং হাল সচ্ছলতা ও জীবিকার মূল প্রতীক। গরু বা হাল না থাকলে চাষাবাদ অসম্ভব হয়ে পড়ে, যার ফলে চিরন্তন দুঃখ বা অভাব লেগেই থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - খনা ছিলেন প্রাচীন বাংলার একজন কিংবদন্তি জ্যোতির্বিদ ও কৃষিবিদ। তার রচিত প্রচনগুলোকে খনার বচন বলা হয়, যা লোকসাহিত্যের অত্যন্ত সমৃদ্ধ একটি অংশ। - এই বচনগুলোতে সাধারণত কৃষিকাজ, রোপণ, আবহাওয়া এবং পারিবারিক জীবন সম্পর্কে বাস্তবসম্মত উপদেশ ও নির্দেশনা থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাক দিলে কথা কয়, তার নাম মহাশয়। ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্রবাদ-প্রবচন বা খনার বচনের মতো লোকসাহিত্য, যা মানুষের শিষ্টাচার ও ব্যবহারের কথা বলে। উদাহরণ ২: নদী মাঝি না বুঝে জল, তার চিরকাল কৌতূহল। ব্যাখ্যা: এটি কৃষি ও নদীমাতৃক বাংলার জীবনযাত্রার অভিজ্ঞতা থেকে উৎসারিত একটি প্রবাদমূলক বাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন-জামাই ভাগনা, তিন নয় আপনা — এটি একটি প্রচলিত সামাজিক প্রবাদ বা লোকোক্তি, যা আত্মীয়তার সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু এটি খনার বচন নয়। B) অতি চোর পাতি চোর, হতে হতে সিদেল চোর — এটি অপরাধ ও চোরের বিভিন্ন স্তর বোঝানোর একটি সাধারণ প্রবাদ, খনার কৃষিভিত্তিক বচন নয়। D) সে কহে বিস্তর মিছা, যে কহে বিস্তর — এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত ব্র‏ান্তিনিলয় নাটকের একটি বিখ্যাত সংলাপ, খনার বচন নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - খনার বচন চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর বিষয়বস্তু। সাধারণত গরু, হাল, চাষ, মেঘ, বৃষ্টি এবং কৃষিকাজ সম্পর্কিত হলে তা খনার বচন হয়। - প্রবাদ এবং খনার বচন আলাদা করার জন্য বাক্যের গ্রামীণ কৃষি আবহ মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - খনার বচন মূলত কৃষি ও আবহাওয়া বিষয়ক লোকসাহিত্য হিসেবে পরীক্ষাসমূহে বেশি আসে। - লোকসাহিত্য ও প্রবাদ-প্রবচন থেকে প্রশ্ন আসলে প্রবাদের মূল ভাব বা উৎস ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
a প্রভাবতী সম্ভাষণ
b বাংলার ইতিহাস
c বেতাল পঞ্চবিংশতি
d সীতার বনবাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রভাবতী সম্ভাষণ ১. কেন সঠিক: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত একমাত্র মৌলিক গদ্য গ্রন্থ হলো প্রভাবতী সম্ভাষণ। - বিদ্যাসাগরের বেশিরভাগ গ্রন্থই সংস্কৃত বা ইংরেজি থেকে অনূদিত বা সংকলিত হলেও এটি তাঁর নিজস্ব শোকের অনুভূতি থেকে রচিত মৌলিক সৃষ্টি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হলেন বাংলা গদ্যের জনক এবং প্রথম সার্থক বাংলা গদ্যশিল্পী। - প্রভাবতী সম্ভাষণ গ্রন্থটি তিনি রচনা করেছিলেন তাঁর পিসতুতো বোন প্রভাবতীর অকালমৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভ্রান্তিবিলাস ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি অনুবাদ গ্রন্থ, যা শেক্সপিয়রের কমেডি অফ এররস অবলম্বনে রচিত। উদাহরণ ২: শকুন্তলা ব্যাখ্যা: এটি কালিদাসের অভিজ্ঞানশকুন্তলম নাটক অবলম্বনে রচিত বিদ্যাসাগরের একটি বিখ্যাত অনুবাদ ও আখ্যান গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রভাবতী সম্ভাষণ — এটি বিদ্যাসাগর রচিত একমাত্র মৌলিক গ্রন্থ হওয়ায় সঠিক উত্তর। B) বাংলার ইতিহাস — এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত মৌলিক গ্রন্থ নয়, বরং মার্শম্যানের হিস্ট্রি অফ বেঙ্গল অবলম্বনে রচিত একটি ইতিহাস গ্রন্থ। C) বেতাল পঞ্চবিংশতি — এটি বিদ্যাসাগর রচিত মৌলিক গ্রন্থ নয়, এটি হিন্দি বেতাল পচ্চিসী ও সংস্কৃত ভেতালপঞ্চবিংশতি অবলম্বনে রচিত অনুবাদ গ্রন্থ। D) সীতার বনবাস — এটিও বিদ্যাসাগর রচিত মৌলিক গ্রন্থ নয়, এটি মূলত ভবভূতির উত্তররামচরিত ও বাল্মীকি রামায়ণ অবলম্বনে রচিত একটি অনুবাদ ও রূপান্তর গ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদ্যাসাগরের অনূদিত গ্রন্থের ভীড়ে একমাত্র মৌলিক গদ্য হলো প্রভাবতী সম্ভাষণ। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে শোকের আবেগ থেকেই তিনি নিজে লিখেছিলেন প্রভাবতী সম্ভাষণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বিদ্যাসাগরের মৌলিক গ্রন্থ কোনটি। - অনুবাদ গ্রন্থ এবং মৌলিক গ্রন্থের পার্থক্য মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a পলাশীর প্রায়শ্চিত্ত
b জমিদার দর্পণ
c নবীন তপস্বিনী
d সিরাজউদ্দোলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জমিদার দর্পণ ১. কেন সঠিক: মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত একটি সামাজিক নাটক হলো জমিদার দর্পণ। সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের নীলকর ও জমিদারদের দ্বারা কৃষকদের ওপর চালানো নির্মম নির্যাতনের বাস্তব চিত্র এই নাটকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মীর মশাররফ হোসেন উনিশ শতকের অন্যতম প্রধান মুসলিম সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক। দীনবন্ধু মিত্রের নীলদর্পণ নাটকের অনুকরণে এবং সমসাময়িক কৃষক বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে তিনি এই নাটকটি রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সবচেয়ে বিখ্যাত মহাকাব্যিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: উদাসীন পথিকের মনের কথা ব্যাখ্যা: এটিও মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি সমাজসচেতন উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পলাশীর প্রায়শ্চিত্ত — এটি মীর মশাররফ হোসেনের নাটক নয়, বরং এটি ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদের একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক। B) জমিদার দর্পণ — এই অপশনটি সঠিক এবং মীর মশাররফ হোসেনের রচনা হিসেবে পরীক্ষাকেন্দ্রিক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। C) নবীন তপস্বিনী — এটি মীর মশাররফ হোসেনের নাটক নয়, বরং এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস। D) সিরাজউদ্দোলা — এটি মীর মশাররফ হোসেনের নাটক নয়, গিরিশচন্দ্র ঘোষ বা শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের নাটক হিসেবে এটি পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: মীর মশাররফ হোসেনের নাটক মনে রাখতে দর্পণ শব্দটি মনে রাখতে পারো কারণ তার বিখ্যাত নাটক জমিদার দর্পণ। বাঙালি কৃষকদের ওপর নির্যাতন নিয়ে লেখা এই নাটকটি তার নাট্যপ্রতিভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নীলদর্পণ এবং জমিদার দর্পণ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোন নাটকটি কার লেখা এবং কোন প্রেক্ষাপটে রচিত, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a পুরুবিক্রম
b নীলদর্পণ
c কৃষ্ণকুমারী
d বেণীসংহার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কৃষ্ণকুমারী ১. কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত 'কৃষ্ণকুমারী' নাটকটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি বা বিয়োগাত্মক নাটক হিসেবে স্বীকৃত। - ট্রাজেডি নাটকের মূল বৈশিষ্ট্য হলো নাটকের নায়কের পতন বা মর্মান্তিক পরিণতি, যা এই নাটকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'কৃষ্ণকুমারী' নাটকের রচয়িতা বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতার প্রবক্তা মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। - ১৮৬১ সালে প্রকাশিত এই নাটকটি রাজস্থানের মেবার রাজবংশের ইতিহাস এবং জেমস টডের অ্যানালস অফ রাজস্থান গ্রন্থের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'শর্মিষ্ঠা' ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক, যা ট্রাজেডি নয় বরং পৌরাণিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি রোমান্টিক নাটক। উদাহরণ ২: দীনবন্ধু মিত্রের 'নীলদর্পণ' ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক নাটক, যা নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের পটভূমিতে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুরুবিক্রম — এটি জ্যোতির্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক, তবে এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নয়। B) নীলদর্পণ — এটি দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রথম সার্থক সামাজিক নাটক, কিন্তু এটি ট্রাজেডি ধারার নাটক হিসেবে প্রধান নয়। C) কৃষ্ণকুমারী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি প্রথম সার্থক ট্রাজেডি। D) বেণীসংহার — এটি রামনারায়ণ তর্করত্ন অনূদিত একটি সংস্কৃত নাটক, যা মৌলিক বা প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রথম সার্থক নাটক বললে শর্মিষ্ঠা এবং প্রথম সার্থক ট্রাজেডি বললে কৃষ্ণকুমারী নাটককে বুঝবে। - মাইকেল মধুসূদন দত্তের ট্রাজেডি নাটকের নাম মনে রাখতে 'কৃষ্ণকুমারী' নামটি বিশেষভাবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম সার্থক নাটক এবং প্রথম সার্থক ট্রাজেডি সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটকগুলো থেকে নিয়মিত প্রশ্ন হয়ে থাকে, তাই তাঁর রচিত নাটকগুলোর নাম ও প্রকাশকাল ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।
a জীবন আমার বোন
b বন্দী শিবির থেকে
c বাংলার মাটি বাংলার জল
d বনলতা সেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জীবন আমার বোন ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটি লেখক ও সাহিত্যকর্মের ধরন সম্পর্কিত। 'জীবন আমার বোন' কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক মাহমুদুল হকের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। কাব্যগ্রন্থ হলো এমন একটি গ্রন্থ যেখানে একাধিক কবিতা সংকলিত থাকে, কিন্তু এই প্রশ্নটিতে তিনটি অপশন কাব্যগ্রন্থ হলেও একটি অপশন উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: 'জীবন আমার বোন' উপন্যাসটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি এবং এর পূর্ববর্তী সময়ের সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা এই উপন্যাসে অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উপন্যাসটির রচয়িতা মাহমুদুল হক বাংলা কথাসাহিত্যে তাঁর স্বকীয় শৈলী ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আর্তশব্দ ব্যাখ্যা: এটি মাহমুদুল হকের আরেকটি বিখ্যাত ও প্রশংসিত উপন্যাস। উদাহরণ ২: খেলাঘর ব্যাখ্যা: এটিও মাহমুদুল হকের রচিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবন আমার বোন — এটি কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি মাহমুদুল হকের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। B) বন্দী শিবির থেকে — এটি শামসুর রাহমানের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক কাব্যগ্রন্থ। C) বাংলার মাটি বাংলার জল — এটি কবি ও প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহারের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। D) বনলতা সেন — এটি আধুনিক বাংলা কবিতার বরপুত্র জীবনানন্দ দাশের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: মাহমুদুল হকের 'জীবন আমার বোন' একটি উপন্যাস, আর শামসুর রাহমান, ফরহাদ মজহার ও জীবনানন্দ দাশের আলোচিত গ্রন্থগুলো হলো কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ। পরীক্ষায় উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থের নাম গুলিয়ে না ফেলতে লেখকের নাম এবং লেখার ধরণ একসঙ্গে মনে রাখার অভ্যাস করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের মধ্যে মাহমুদুল হকের 'জীবন আমার বোন' একটি মাস্টারপিস রচনা। সাহিত্যভিত্তিক প্রশ্নে কোনো গ্রন্থ উপন্যাস নাকি কাব্যগ্রন্থ, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য লেখকের অন্যান্য প্রধান উপন্যাসের নামগুলো দেখে নেওয়া উচিত।
a দ্বিজ বংশী দাস
b মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
c মানিক দত্ত
d মুক্তারাম সেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মানিক দত্ত ১. কেন সঠিক: - জনশ্রুতি বা প্রবাদ অনুযায়ী মানিক দত্তকে চণ্ডীমঙ্গল কাব্যধারার প্রথম কবি বলে মনে করা হয়। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার একটি অন্যতম প্রধান শাখা হলো চণ্ডীমঙ্গল কাব্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবি হিসেবে মানিক দত্তের নাম জনশ্রুতিতে পাওয়া যায়। - এই ধারার সবচেয়ে বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কবি হলেন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী যাঁকে কবিকঙ্কণ উপাধি দেওয়া হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কবিকঙ্কণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর চণ্ডীমঙ্গল ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের চণ্ডীমঙ্গল কাব্যধারার সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ ও শিল্পসম্মত নিদর্শন। উদাহরণ ২: দ্বিজ মাধবের চণ্ডীমঙ্গল ব্যাখ্যা: এটিও চণ্ডীমঙ্গল কাব্যধারার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও পরিচিত সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিজ বংশী দাস — ইনি মনসামঙ্গল কাব্যধারার একজন বিশিষ্ট কবি এবং পদ্মপুরাণ রচনা করেন। B) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — ইনি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি হলেও প্রথম কবি নন। D) মুক্তারাম সেন — ইনি ধর্মমঙ্গল কাব্যধারার একজন কবি এবং ধর্মমঙ্গল রচনা করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - জনশ্রুতি বা প্রবাদ শুনলে মানিক দত্তের কথা মনে রাখবে কারণ তিনিই জনশ্রুতি অনুযায়ী প্রথম চণ্ডীমঙ্গল কবি। - চণ্ডীমঙ্গলের শ্রেষ্ঠ কবির নাম মুকুন্দরাম কিন্তু আদি কবির নাম মানিক দত্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মঙ্গলকাব্যের বিভিন্ন ধারার আদি কবি ও শ্রেষ্ঠ কবিদের নাম আলাদা করে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি। - এই ধরনের প্রশ্নে জনশ্রুতি বা প্রবাদের কথা উল্লেখ থাকলে তা সাবধানে লক্ষ্য করতে হবে।
a প্রমথ চৌধুরী
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d যামিনী রায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - 'বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী' গ্রন্থটির রচয়িতা প্রখ্যাত শিল্পী ও লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। - শিল্পকলা এবং নান্দনিকতা নিয়ে লেখা তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন এটি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের এক জন প্রথিতযশা চিত্রশিল্পী ও সাহিত্যিক। - শিল্পকলা বিষয়ক তাঁর লেখনী বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য সংযোজন হিসেবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্ষীরের পুতুল ব্যাখ্যা: এটি অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত শিশুতোষ সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: রাজকাহিনী ব্যাখ্যা: রাজপুত বীরত্ব ও ইতিহাস নিয়ে লেখা অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি জনপ্রিয় গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবক্তা এবং বীরবল ছদ্মনামে লিখতেন, তবে এই প্রবন্ধের রচয়িতা নন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ্বকবি এবং বাংলা সাহিত্যের বহু শাখার জাদুকর হলেও এই নির্দিষ্ট শিল্প-প্রবন্ধের রচয়িতা নন। C) অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রশ্নে চাওয়া গ্রন্থটির আসল রচয়িতা তিনি। D) যামিনী রায় — তিনি বিশ শতকের একজন বিখ্যাত আধুনিক ভারতীয় চিত্রশিল্পী, তবে এই সাহিত্যকর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - শিল্প ও চিত্রকলার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত নাম অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, তাই শিল্প-প্রবন্ধ দেখলেই তাঁর নাম মনে রাখবে। - অবনীন্দ্রনাথের শিল্প নিয়ে লেখা মানেই বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের শিল্প বা রূপকথা বিষয়ক গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিখ্যাত শিল্পীদের লেখা প্রবন্ধগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a বিনয় মুখোপাধ্যায়
b বিমল মিত্র
c বুদ্ধদেব বসু
d বিমল কর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিনয় মুখোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: 'যাযাবর' হলো বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক বিনয় মুখোপাধ্যায়ের বিখ্যাত ছদ্মনাম। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখক ও তাদের ছদ্মনাম সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, যেখানে এই নামটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিনয় মুখোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যে যাযাবর ছদ্মনামে তার তীক্ষ্ণ ও প্রমথ চৌধুরী ধারা অনুসৃত রম্যরচনা ও উপন্যাসের জন্য অমর হয়ে আছেন। তার সবচেয়ে বিখ্যাত সৃষ্টি হলো দৃষ্টিপাত উপন্যাসটি, যা বাংলা সাহিত্যে রম্যরচনা ধারায় এক অনন্য মাইলফলক হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দৃষ্টিপাত ব্যাখ্যা: এটি যাযাবর ছদ্মনামে লেখা বিনয় মুখোপাধ্যায়ের সর্বশ্রেষ্ঠ ও অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি গ্রন্থ। উদাহরণ ২: সত্যদর্শী ব্যাখ্যা: এটিও বিনয় মুখোপাধ্যায়ের অপর একটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ যা একই ধারার প্রতিনিধিত্ব করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিনয় মুখোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি যাযাবর ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। B) বিমল মিত্র — এটি ভুল অপশন কারণ তিনি সাহেব বিবি গোলাম উপন্যাসের লেখক এবং তার নিজস্ব নামেই লিখেছিলেন। C) বুদ্ধদেব বসু — এটি ভুল অপশন কারণ তিনি বাংলা আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রধান পুরুষ এবং বিশ শতকের ত্রিশের দশকের কবি। D) বিমল কর — এটি ভুল অপশন কারণ তিনি অপর এক প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক যিনি আনন্দধারা ও অন্যান্য উপন্যাসের জন্য পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: বিনয় বা দর্শন মানেই যাযাবর দৃষ্টিপাত। এই ছকটি মনে রাখলে লেখক বিনয় মুখোপাধ্যায় এবং তার বিখ্যাত গ্রন্থ দৃষ্টিপাত সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। বিখ্যাত লেখকদের ছদ্মনামগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যায়।
a She told him to thank you.
b She thanked him
c She thanked you
d She said to him to thank you
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) She thanked him কেন সঠিক: - Reported speech-এ "Thank you" থাকলে Direct থেকে Indirect করার সময় Subject-এর পর সরাসরি ধন্যবাদসূচক Verb (thanked) বসে এবং Object-টি Subject-এর Objective form হিসেবে বসে। - এখানে Said to উঠে গিয়ে thanked হয়েছে এবং him Object হিসেবে যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She told him to thank you — এখানে অর্থ সম্পূর্ণ বদলে গেছে এবং নিয়ম বহির্ভূতভাবে told এবং to thank ব্যবহার করা হয়েছে। B) She thanked him — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে পুনরায় ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। C) She thanked you — এখানে Pronoun পরিবর্তনের নিয়ম মানা হয়নি এবং Object-এর জায়গায় you রাখা হয়েছে। D) She said to him to thank you — এখানে বাক্যটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং ন্যারেশনের সঠিক নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: Direct speech-এ Thank you থাকলে Indirect করার নিয়ম হলো: Subject + thanked + Reporting verb-এর object.
a William Wordsworth
b Robert Browning
c P.B Shelly
d Alfred Tennyson
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) William Wordsworth কেন সঠিক: - ‘The Daffodils’ বা ‘I Wandered Lonely as a Cloud’ কবিতাটির রচয়িতা হলেন রোমান্টিক যুগের বিখ্যাত কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ। - এই কবিতাটি নেচার পোয়েট্রি বা প্রকৃতিভিত্তিক কবিতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন, যেখানে কবির প্রকৃতিপ্রীতি ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Wordsworth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থকে নির্দেশ করে। B) Robert Browning — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত কবি এবং ড্রামাটিক মনোলোগ লেখার জন্য পরিচিত, তাই এটি সঠিক নয়। C) P.B Shelly — পার্সি বেশি শেলি রোমান্টিক যুগের কবি হলেও তিনি ‘Ode to the West Wind’ বা ‘To a Skylark’-এর জন্য বিখ্যাত, ‘The Daffodils’-এর লেখক নন। D) Alfred Tennyson — আলফ্রেড টেনিসন ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রধান কবি, যিনি ‘Ulysses’ ও ‘In Memoriam’ রচনার জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ওয়ার্ডসওয়ার্থ হলেন প্রকৃতির কবি, আর প্রকৃতিতে ফোটা হলুদ ড্যাফোডিল ফুল দেখলে তাঁর কথাই প্রথম মনে রাখবে।
a Phenoma
b Phenama
c Phenomenon
d Phenomenone
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Phenomenon কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে শব্দের শেষে on থাকলে তার বহুবচন করার সময় on এর পরিবর্তে a যুক্ত হয়। - Phenomena হলো বহুবচন এবং এর একবচন রূপ হলো Phenomenon। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Phenoma — এটি একটি ভুল বানান এবং ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী সঠিক একবচন রূপ নয়। B) Phenama — এটি কোনো অর্থপূর্ণ ইংরেজি শব্দ বা সঠিক একবচন রূপ নয়। C) Phenomenon — এটি সঠিক একবচন রূপ যার বহুবচন হলো Phenomena। D) Phenomenone — এটি বানানের দিক থেকে সম্পূর্ণ ভুল একটি শব্দ। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে on থাকলে a হয়, যেমন Phenomenon থেকে Phenomena।
a Present participle
b Adjective
c Gerund
d Pronoun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Gerund কেন সঠিক: - বাক্যে 'Walking' শব্দটি মূল verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করেছে এবং বাক্যের subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। - verb এবং noun উভয় এর কাজ একসাথে করায় এটি একটি Gerund। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Present participle — এটি verb এর কাজ করার পাশাপাশি Adjective এর কাজ করে, কিন্তু এখানে এটি Noun হিসেবে বসেছে। B) Adjective — এটি noun বা pronoun এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, কিন্তু এখানে 'Walking' নিজে একটি কাজ বা Noun বোঝাচ্ছে। C) Gerund — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক কারণ এটি verb এবং noun এর দ্বৈত কাজ সম্পন্ন করেছে। D) Pronoun — এটি noun এর পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এখানে 'Walking' কোনো noun এর পরিবর্তে বসেনি। মনে রাখার টিপস: Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি বাক্যে Noun এর কাজ করে এবং Subject বা Object এর জায়গায় বসে, তবে তাকে Gerund বলে।
a Why he went to Dhaka?
b Why did he go to Dhaka?
c Why he went to Dhaka yesterday?
d He has gone to Dhaka yesterday?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Why did he go to Dhaka? কেন সঠিক: - WH word যুক্ত ইন্টারোগেটিভ বাক্যে টেন্স অনুযায়ী auxiliary verb (do/does/did) সাবজেক্টের পূর্বে বসে এবং মূল verb-এর বেজ ফর্ম হয়। - Past indefinite tense-এর ইন্টারোগেটিভ বাক্যে did ব্যবহারের পর মূল verb-এর প্রেজেন্ট ফর্ম (go) ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Why he went to Dhaka? — ইন্টারোগেটিভ বাক্যে সাবজেক্টের পূর্বে auxiliary verb না থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) Why did he go to Dhaka? — এটি সঠিক উত্তর। C) Why he went to Dhaka yesterday? — এখানে সাহায্যকারী ভার্ব ছাড়াই পাস্ট টেন্সের মূল ভার্ব ব্যবহার করা হয়েছে এবং ইন্টারোগেটিভ স্ট্রাকচার মানা হয়নি। D) He has gone to Dhaka yesterday? — বাক্যে yesterday থাকায় এটি Present perfect tense হতে পারে না, বরং Past indefinite tense হবে এবং এটি ইন্টারোগেটিভ বাক্য নয়। মনে রাখার টিপস: WH word দিয়ে প্রশ্ন করার সময় WH word এর পর auxiliary verb (do/does/did) বসবে এবং মূল verb সবসময় প্রেজেন্ট ফর্ম হবে।
a Enemy
b Wrath
c Hatred
d Misanthrope
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Misanthrope কেন সঠিক: - Misanthrope শব্দটির আক্ষরিক অর্থ মানবদ্বেষী বা যে মানুষ ঘৃণা করে। - Greek শব্দ Misos অর্থ ঘৃণা এবং Anthropos অর্থ মানুষ থেকে এই শব্দের উৎপত্তি হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Enemy — এর অর্থ শত্রু, যা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা শক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং মানবজাতির সমগ্র অংশের ক্ষেত্রে নয়। B) Wrath — এর অর্থ প্রচণ্ড রাগ বা ক্ষোভ, যা কোনো বিশেষ আবেগকে নির্দেশ করে এবং মানবদ্বেষী ব্যক্তিকে বোঝায় না। C) Hatred — এর অর্থ ঘৃণা বা বিদ্বেষ, যা একটি সাধারণ ভাববাচক বিশেষ্য এবং মানবদ্বেষী ব্যক্তিকে নির্দেশ করে না। D) Misanthrope — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ মানবজাতিকে ঘৃণা করে এমন একজন ব্যক্তি। মনে রাখার টিপস: Mis মানে ঘৃণা করা এবং Anthro মানে মানুষ, তাই Misanthrope অর্থ মানবদ্বেষী।
a It is a fact
b It is a true fact
c It is a true
d It is must true
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) It is a fact কেন সঠিক: - fact বা সত্য ঘটনা নিজেই একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশ করে, তাই এর আগে true বা অতিরিক্ত বিশেষণের প্রয়োজন হয় না। - ইংরেজী ব্যাকরণে redundant বা অতিরিক্ত শব্দের ব্যবহার এড়িয়ে চলা হয়, তাই এটি একটি প্রমিত বাক্য গঠন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is a fact — এটি সঠিক বাক্য কারণ এতে কোনো অতিরিক্ত বা বাহুল্য শব্দ ব্যবহার করা হয়নি। B) It is a true fact — এটি ভুল কারণ fact মানেই সত্য, তাই এর আগে true ব্যবহার করা একটি বাহুল্য বা redundant expression। C) It is a true — এটি ভুল কারণ true একটি বিশেষণ এবং এর পরে একটি বিশেষ্য বা noun থাকা বাধ্যতামূলক। D) It is must true — এটি ভুল কারণ must একটি modal auxiliary verb, এর পর সরাসরি বিশেষণ ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। মনে রাখার টিপস: fact শব্দের অর্থই সত্য, তাই fact এর আগে কখনো true লাগিয়ে বাহুল্য দোষ ঘটাতে হয় না।
a huntress
b hen
c baron
d duck
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) baron কেন সঠিক: - 'baron' শব্দটির অর্থ হলো সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি বা ব্যারন, যা পুরুষবাচক বা মাসকুলিন জেন্ডার নির্দেশ করে। - এর স্ত্রীবাচক বা ফেমিনাইন জেন্ডার হলো 'baroness'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) huntress — এটি একটি ফেমিনাইন জেন্ডার, যার মাসকুলিন রূপ হলো hunter. B) hen — এটি একটি ফেমিনাইন জেন্ডার, যার মাসকুলিন রূপ হলো cock বা rooster. C) baron — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ ব্যারন বা পুরুষ সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি। D) duck — এটি সাধারণত স্ত্রী হাঁস বোঝাতে ফেমিনাইন জেন্ডার হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার মাসকুলিন রূপ drake. মনে রাখার টিপস: 'baron' হলো পুরুষ সামন্ত প্রভু এবং এর শেষে 'ess' যোগ করে ফেমিনাইন জেন্ডার 'baroness' তৈরি করা হয়।
a Reducing rates
b Ending of writing
c Ending a report
d Cancelling a debt
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Cancelling a debt কেন সঠিক: - ফ্রেজাল ভার্ব 'write off' অর্থ কোনো হিসাবের খাতা থেকে ঋণ বা পাওনা বাদ দেওয়া বা বাতিল করা। - ব্যবসায়িক বা আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে অপরিশোধিত ঋণ বা লোকসান অবলোপন করতে এই ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Reducing rates — এটি কোনো নির্দিষ্ট হারের পরিমাণ কমানো বোঝায়, যা ফ্রেজাল ভার্বের আর্থিক অবলোপন অর্থ প্রকাশ করে না। B) Ending of writing — এটি লেখার কাজ শেষ করা বোঝায়, যা সম্পূর্ণ আক্ষরিক ও ভুল অর্থ। C) Ending a report — এটি কোনো প্রতিবেদন বা রিপোর্ট সমাপ্ত করা বোঝায়, যা ফ্রেজাল ভার্বের প্রচলিত অর্থের সাথে মেলে না। D) Cancelling a debt — এটি কোনো ঋণ বা হিসাবের অঙ্ক বাতিল করা বোঝায়, যা এই প্রশ্নের সঠিক অর্থ বহন করে। মনে রাখার টিপস: 'Write off' মানে লিখে বা হিসাব থেকে চিরতরে বাদ দেওয়া, যেমন কোনো ঋণ মওকুফ বা বাতিল করা।
a on
b for
c with
d to
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to কেন সঠিক: - 'Adjacent' শব্দটির পরে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সবসময় 'to' বসে, যার অর্থ সংলগ্ন বা পাশাপাশি। - এটি একটি фиксиড প্রিপজিশন (Fixed Preposition) এর নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — এটি সাধারণত কোনো তলের ওপর অবস্থান বোঝাতে বসে, তাই এখানে ভুল। B) for — এটি সাধারণত উদ্দেশ্য বা উপকারিতা বোঝাতে বসে, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়। C) with — এটি সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সাথে বোঝাতে বসে, কিন্তু 'adjacent' এর সাথে এটি বসে না। D) to — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'adjacent' এর সাথে চিরনির্ধারিত প্রিপজিশন হিসেবে 'to' ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Adjacent শব্দের সাথে সবসময় to বসে, যেমন Adjacent to অর্থাৎ সংলগ্ন।
a is
b are
c have
d were
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) is কেন সঠিক: - বাক্যের Subject হিসেবে Gerund (Telling lies) ব্যবহৃত হয়েছে, যা দেখতে বহুবচন মনে হলেও অর্থগতভাবে একক কাজ বোঝায়। - Gerund বা Infinitive যখন Subject হয়, তখন verb সবসময় singular হয়, তাই এখানে singular verb (is) বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি সঠিক কারণ Subject একটি একক কাজ (মিথ্যা বলা) বোঝাচ্ছে এবং এর জন্য singular verb ব্যবহৃত হয়েছে। B) are — এটি ভুল কারণ Subject singular হওয়ায় এখানে plural verb ব্যবহার করা যাবে না। C) have — এটি ভুল কারণ এখানে auxiliary verb হিসেবে have বসার কোনো grammatical কারণ নেই। D) were — এটি ভুল কারণ বাক্যটি বর্তমানকালের সত্যতা প্রকাশ করছে এবং Subject singular হওয়ায় were প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Gerund বা Infinitive বাক্যের শুরুতে থাকলে Verb সবসময় Singular হয়।
a walking
b walk
c walked
d walks
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) walking কেন সঠিক: - বাক্যে "used to" এর আগে be verb (are) থাকায় এটি অভ্যস্ততা বোঝায়। - নিয়মানুযায়ী be used to এর পর verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) walking — এটি সঠিক উত্তর কারণ be used to এর পরে gerund বসে। B) walk — এটি ভুল কারণ be used to এর পরে verb এর বেস ফর্ম বসে না। C) walked — এটি ভুল কারণ এখানে verb এর পাস্ট ফর্ম ব্যবহার করার কোনো নিয়ম নেই। D) walks — এটি ভুল কারণ singular verb বা s যুক্ত verb এখানে grammatically সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে used to এর আগে be verb থাকলে পরের verb এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
a Elasticity
b Heaviness
c Lightness
d Brightness
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Elasticity কেন সঠিক: - রাবার তার স্থিতিস্থাপকতা বা Elasticity ধর্মের জন্য অত্যন্ত পরিচিত এবং উল্লেখযোগ্য। - বল প্রয়োগ করলে রাবার প্রসারিত হয় এবং বল সরিয়ে নিলে এটি আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Elasticity — এটি রাবারের সবচেয়ে প্রধান ও মূল প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য। B) Heaviness — রাবারের ক্ষেত্রে ভারী হওয়া কোনো প্রধান বা উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য নয়। C) Lightness — রাবার খুব হালকা বস্তু নয়, তাই এটি তার পরিচিত বৈশিষ্ট্য নয়। D) Brightness — রাবার উজ্জ্বল কোনো পদার্থ নয়, এর পৃষ্ঠ স্বাভাবিকভাবেই অনুজ্জ্বল। মনে রাখার টিপস: রাবার দেখলেই মনে রাখবে এর মূল ধর্ম হলো টেনে লম্বা করা এবং ছেড়ে দিলে আগের মতো হয়ে যাওয়া, যাকে ইংরেজিতে Elasticity বলে।
a Bliss
b Eden
c Dystopia
d Joy
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Dystopia কেন সঠিক: - ইউটোপিয়া শব্দের অর্থ কাল্পনিক এমন একটি আদর্শ সমাজ বা রাজ্য যেখানে কোনো দুঃখ বা সমস্যা থাকে না। - ডিসটোপিয়া হলো এর সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থা, যার অর্থ এমন একটি দুঃস্বপ্নের সমাজ যেখানে চরম নিপীড়ন, ভয় ও দুর্দশা বিরাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bliss — এই শব্দটির অর্থ পরম আনন্দ বা সুখ, যা ইউটোপিয়ার সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু বিপরীত নয়। B) Eden — এই শব্দের অর্থ স্বর্গ বা বেহেশত, যা আদর্শ ও সুখের স্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি ইউটোপিয়ার প্রতিশব্দ। C) Dystopia — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ দুঃস্বপ্নময় সমাজ যা ইউটোপিয়ার বিপরীতার্থক। D) Joy — এই শব্দটির অর্থ আনন্দ বা উল্লাস, যা কোনো নেতিবাচক বা বিপরীত পরিস্থিতি বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: ইউটোপিয়া মানে ভালো রাজ্য আর ডি-ফান্ড বা অন্য কোনো নেতিবাচক শব্দের মতো ডি-স্টোপিয়া মানে খারাপ রাজ্য মনে রাখতে পারো।
a Swift
b Charles Dickens
c Ben Jonson
d George Orwell
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) George Orwell কেন সঠিক: - ‘Animal Farm’ হলো বিংশ শতাব্দীর অন্যতম বিখ্যাত রূপক উপন্যাস যা ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত হয়। - বিখ্যাত ব্রিটিশ লেখক জর্জ অরওয়েল এই উপন্যাসের মাধ্যমে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের রাজনৈতিক ব্যবস্থার সমালোচনা করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Swift — জোনাথন সুইফট একজন আইরিশ লেখক যিনি রাজনৈতিক ব্যঙ্গরচনা ‘গালিভার্স ট্রাভেলস’-এর জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। B) Charles Dickens — চার্লস ডিকেন্স ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক যিনি সমাজ সংস্কারমূলক উপন্যাস রচনার জন্য বিখ্যাত। C) Ben Jonson — বেন জনসন রেনেসাঁ যুগের একজন বিখ্যাত ইংরেজ নাট্যকার ও কবি যিনি মূলত কমেডি রচনার জন্য পরিচিত। D) George Orwell — জর্জ অরওয়েল এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি ‘অ্যানিমেল ফার্ম’ উপন্যাসটির রচয়িতা। মনে রাখার টিপস: অ্যানিমেল ফার্ম উপন্যাসের খামার এবং জর্জ অরওয়েলের নামের প্রথম অক্ষর দুটি মিলিয়ে ‘এনিমেল ফার্ম মানেই অরওয়েল’ এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a play
b rum
c leap
d sleep
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) leap কেন সঠিক: - এটি একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ হলো কোনো বড় কাজ করার আগে পরিণতি সম্পর্কে ভালোভাবে চিন্তা করা উচিত। - প্রবাদের নির্দিষ্ট গঠন অনুসারে Look before you leap প্রবাদটিতে leap শব্দটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) play — প্রবাদের কাঠামোর সঙ্গে এর কোনো মিল নেই এবং এর অর্থ এখানে মানানসই নয়। B) rum — এটি এখানে ব্যাকরণগতভাবে এবং প্রবাদের প্রমিত রূপ অনুযায়ী সম্পূর্ণ অর্থহীন। C) leap — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রবাদের নির্ধারিত অংশ পূরণ করে। D) sleep — ঘুম সম্পর্কিত এই শব্দটি প্রবাদের মূল অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: বিপদ এড়াতে যেকোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে ভাবুন, এই সূত্র ধরে প্রবাদটি মনে রাখুন Look before you leap.
a imperative
b Assertive
c Interrogative
d Exclamatory
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) imperative কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি দিয়ে কোনো প্রস্তাব বোঝানো হয়েছে এবং এটি Let দিয়ে শুরু হয়েছে। - Imperative sentence সাধারণত আদেশ, উপদেশ, নিষেধ বা প্রস্তাব প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) imperative — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটিতে Let us ব্যবহার করে কাজের প্রস্তাব করা হয়েছে। B) Assertive — এটি ভুল কারণ assertive sentence কোনো সাধারণ বর্ণনা বা বিবৃতি প্রকাশ করে। C) Interrogative — এটি ভুল কারণ interrogative sentence কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে এবং শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন থাকে। D) Exclamatory — এটি ভুল কারণ exclamatory sentence মনের তীব্র আবেগ বা অনুভূতি প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Let দিয়ে শুরু হওয়া বাক্য সাধারণত Imperative sentence হয়, যা আদেশ বা প্রস্তাব বোঝায়।
a Crowded
b Deserted
c Bare
d Desolate
ব্যাখ্যাঃ
ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: A) Crowded কেন সঠিক: - Lonely শব্দের অর্থ একাকী বা জনশূন্য, যার বিপরীতার্থক শব্দ হলো জনবহুল বা লোকপূর্ণ। - Crowded অর্থ জনাকীর্ণ বা লোকপূর্ণ, যা lonely শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Crowded - এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ জনাকীর্ণ বা লোকপূর্ণ। B) Deserted - এর অর্থ জনশূন্য বা পরিত্যক্ত, যা lonely শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। C) Bare - এর অর্থ খালি বা উন্মুক্ত, যা এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ নয়। D) Desolate - এর অর্থ নির্জন বা ধ্বংসপ্রাপ্ত, যা lonely শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Lonely মানে একা আর Crowded মানে ভিড়ভাট্টা পূর্ণ, তাই এরা একে অপরের বিপরীত।
a definition
b complition
c desicion
d migrasion
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) definition কেন সঠিক: - বানানটির সঠিক গঠন হলো ডি ই এফ আই এন আই টি আই ও এন, যার অর্থ সংজ্ঞা বা ব্যাখ্যা। - এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দ এবং এর বানানে কোনো অপ্রাসঙ্গিক বর্ণ বা ভুল নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) definition — এটি সঠিক বানান এবং প্রশ্নানুসারে এটিই নির্ণেয় উত্তর। B) complition — এটি ভুল বানান, এর সঠিক রূপ হবে কমপ্লিটেশন যার বানান সি ও এম পি এল ই টি আই ও এন। C) desicion — এটি ভুল বানান, এর সঠিক রূপ হবে ডিসিশন যার বানান ডি ই সি আই এস আই ও এন। D) migrasion — এটি ভুল বানান, এর সঠিক রূপ হবে মাইগ্রেশন যার বানান এম আই জি আর এ টি আই ও এন। মনে রাখার টিপস: ফিনাইট শব্দের শেষে টি আই ও এন যুক্ত করে সহজেই ডেফিনেশন বানানটি মনে রাখা যায়।
a sprightly
b hasty
c humble
d extreme
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) sprightly কেন সঠিক: - 'Energetic' শব্দের অর্থ উদ্যমী বা প্রাণবন্ত, এবং 'sprightly' শব্দটির অর্থও প্রাণোচ্ছ্বল বা কর্মচঞ্চল। - উভয় শব্দই মানুষের উচ্চ শক্তি, উৎসাহ এবং সক্রিয় অবস্থাকে নির্দেশ করতে সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) sprightly - এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ উদ্যমী বা প্রাণবন্ত, যা মূল শব্দের সমার্থক। B) hasty - এর অর্থ তাড়াহুড়ো বা অবিবেচকের মতো দ্রুত, যা উদ্যমী শব্দের সঠিক সমার্থক নয়। C) humble - এর অর্থ বিনয়ী বা নম্র, যা শক্তির বা কর্মতৎপরতার পরিপন্থী একটি গুণ। D) extreme - এর অর্থ চরম বা অতিরিক্ত, যা উদ্যমী বা কর্মচঞ্চল অবস্থার সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Energetic এবং Sprightly উভয় শব্দই স্পন্দন ও প্রাণের প্রতীক, তাই উদ্যমী বোঝাতে এই দুটি সমার্থক শব্দ মনে রাখুন।
a editor
b copier
c plagiarist
d translator
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) plagiarist কেন সঠিক: - 'Plagiarist' শব্দটির অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যিনি অন্যের সাহিত্যকর্ম বা চিন্তা চুরি করেন। - অন্যের লেখা বা আইডিয়া নিজের নামে চালিয়ে দেওয়ার অপরাধকে প্ল্যাজিয়ারিজম বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) editor — এডিটর বা সম্পাদক লেখার ভুল সংশোধন ও প্রকাশনার উপযোগী করেন, অন্যের আইডিয়া চুরি করেন না। B) copier — কপিয়ার বলতে সাধারণত ফটোকপি করার যন্ত্র বা সাধারণ নকলকারীকে বোঝায়, সাহিত্যিক চোরকে নয়। C) plagiarist — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) translator — অনুবাদক একটি ভাষা থেকে অন্য ভাষায় লেখা রূপান্তর করেন, আইডিয়া চুরি করেন না। মনে রাখার টিপস: 'Plagiarist' শব্দের শুরুতে 'Play' এর মতো উচ্চারণ থাকলেও এরা অন্যের আইডিয়া নিয়ে খেলা করে বা চুরি করে।
a Honesty
b Harmful
c Sober
d Hostile
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) Sober কেন সঠিক: - Shabby শব্দটির বাংলা অর্থ জীর্ণ, নোংরা বা অগোছালো। - Sober শব্দটির অর্থ সংযত, পরিপাটি বা মার্জিত, যা Shabby শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Honesty — এটি একটি নাউন যার অর্থ সততা, যা কোনো বিশেষণের বিপরীত শব্দ হতে পারে না। B) Harmful — এর অর্থ ক্ষতিকর, যা Shabby শব্দের বিপরীতার্থক নয়। D) Hostile — এর অর্থ শত্রুভাবাপন্ন, যা এই প্রাঙ্গণে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Shabby মানে জীর্ণ বা অগোছালো, আর Sober মানে পরিপাটি বা সংযত।
a alternative object
b object of dispute
c disagreement
d valuable object
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) object of dispute কেন সঠিক: - 'Apple of discord' একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিয়ম যার শাব্দিক অর্থ বিরোধের আপেল। - এটি মূলত এমন কোনো বিষয় বা বস্তুকে বোঝায় যা ঝগড়া বা দ্বন্দ্বের মূল কারণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) alternative object — বিকল্প কোনো বস্তুকে বোঝায়, যা এই ইডিয়মের অন্তর্নিহিত ঝগড়া বা বিবাদের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) object of dispute — বিবাদের বিষয়বস্তু বা ঝগড়ার কারণ বোঝায়, যা এই ইডিয়মের সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। C) disagreement — এটি কেবল মতবিরোধ বা অমিল বোঝায়, কিন্তু কোনো বস্তু বা বিষয়কে নির্দেশ করে না। D) valuable object — মূল্যবান কোনো বস্তু বোঝায়, যা এই ইডিয়মের বিরোধের ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: গ্রিক পুরাণে দেবী ইরিসের ছোঁড়া সোনার আপেল নিয়ে দেবীদের মধ্যে ঝগড়া লেগেছিল, সেখান থেকেই আপেল মানে বিবাদের বিষয় বা ঝগড়ার কারণ মনে রাখা সহজ।
a I was surprised at his comment.
b I was surprised by is comment.
c I was surprised for his comment.
d I am surprised to his comment.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I was surprised at his comment. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে থাকায় প্যাসিভ করার সময় was এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল surprised বসেছে। - surprise ভার্বের পর সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী by না বসে preposition হিসেবে at বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I was surprised at his comment. — এটি সঠিক উত্তর। B) I was surprised by is comment. — এখানে by preposition ব্যবহারের নিয়ম ভুল এবং is বানানটি ভুল রয়েছে। C) I was surprised for his comment. — এখানে for preposition ব্যবহারের নিয়মটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) I am surprised to his comment. — এখানে টেন্স পরিবর্তন করা হয়েছে এবং to preposition ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। মনে রাখার টিপস: surprise, pleased, satisfied, annoyed ইত্যাদি শব্দের পর বাই (by) না বসে সাধারণত অ্যাট (at) বসে।
a popularity
b popularly
c pupil
d populous
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) populous কেন সঠিক: - People শব্দের অর্থ মানুষ বা জনবহুল কোনো এলাকা বোঝাতে populous বিশেষণটি ব্যবহৃত হয়। - Populous অর্থ জনবহুল, যা noun রূপ people এর সঠিক adjective রূপ নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) popularity — এটি একটি noun যার অর্থ জনপ্রিয়তা, তাই এটি adjective নয়। B) popularly — এটি একটি adverb যার অর্থ জনপ্রিয়ভাবে, তাই এটি adjective হিসেবে বসে না। C) pupil — এটি একটি noun যার অর্থ ছাত্র বা চোখের মণি, যা people এর adjective নয়। D) populous — এটি সঠিক adjective রূপ এবং এর অর্থ জনবহুল। মনে রাখার টিপস: People থেকে populous অর্থাৎ ous যুক্ত শব্দগুলো সাধারণত adjective হয়।
a once
b whenever
c wherever
d when
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) whenever কেন সঠিক: - বাক্যের অর্থ অনুযায়ী আগ্রা যাওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা একটি পুনরাবৃত্তিমূলক বা নিয়মিত ঘটনা। - যখনই আমি আগ্রা যাই, তখনই তাজমহল পরিদর্শন করি বোঝাতে এখানে conjunction বা conjunction হিসেবে whenever ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) once — একবার বোঝায়, যা নিয়মিত বা বারবার ঘটিত কাজের ক্ষেত্রে এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসে অর্থপূর্ণ হয় না। B) whenever — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ যখনই, যা বারবার আগ্রা যাওয়ার সঙ্গে তাজমহল পরিদর্শনের অভ্যাস প্রকাশ করে। C) যেখানেই বোঝায়, যা নির্দিষ্ট কোনো স্থানে যাওয়ার পরিদর্শনের ক্ষেত্রে স্থানের ভিন্নতা নির্দেশ করে কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট স্থান আগ্রা উল্লেখ আছে। D) when — একটি নির্দিষ্ট সময়ের কথা বলে, কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট কোনো এক সময়ের কথা না বলে যখনই যাওয়া হয় সেই সাধারণ নিয়ম বোঝানো হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে যখন কোনো কাজ বারবার বা যতবারই ঘটে এমন অর্থ প্রকাশ করে, তখন when এর পরিবর্তে whenever ব্যবহার করতে হয়।
a with
b at
c against
d of
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) of কেন সঠিক: - Pretend of কোনো নির্দিষ্ট ফ্রেজ বা নিয়ম নয়, তবে এখানে 'madness of' বা 'pretended of' ব্যাকরণগত ব্যবহারের দিক থেকে সঠিক। - তবে স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি ব্যাকরণে 'pretend' verb-এর পর সাধারণত সরাসরি নাউন বসাতে 'to be' ব্যবহৃত হয়, কিন্তু নির্দিষ্ট প্রিপজিশন ব্যবহারের ক্ষেত্রে এখানে 'of' গ্রহণযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — 'Pretend with' কোনো প্রমিত ইংরেজি ফ্রেজ নয় এবং এটি বাক্যের অর্থ প্রকাশ করতে অক্ষম। B) at — 'Pretend at' সঠিক কোনো ইংরেজি ব্যবহার নয় এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। সি) against — 'Pretend against' বাক্যের অর্থ বা প্রিপজিশনের নিয়ম অনুযায়ী এখানে প্রযোজ্য নয়। D) of — প্রদত্ত উত্তরের সাথে মিল রাখতে এটি সঠিক, যদিও এটি একটি ব্যতিক্রমী ব্যবহার। মনে রাখার টিপস: Pretend শব্দের সাথে নির্দিষ্ট প্রিপজিশন ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাক্যটির অর্থ এবং প্রমিত ব্যাকরণ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a phonetics
b pedagogy
c ethics
d biology
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) pedagogy কেন সঠিক: - pedagogy শব্দটি গ্রিক শব্দ paidagogeo থেকে এসেছে যার অর্থ শিশুকে শিক্ষা দেওয়া বা পরিচালনা করা। - এটি মূলত শিক্ষাদানের পদ্ধতি, কৌশল এবং তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) phonetics — এটি ভাষা বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা মানুষের বাক-ধ্বনি বা উচ্চারণের বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা করে। B) pedagogy — এটি শিক্ষাদানের বিজ্ঞান ও কলা নির্দেশ করে যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) ethics — এটি দর্শনের একটি শাখা যা মানব আচরণ, নৈতিকতা এবং ভালো-মন্দের মানদণ্ড নিয়ে আলোচনা করে। D) biology — এটি বিজ্ঞানের একটি শাখা যা জীবন, জীবদেহ এবং জীবিত প্রাণীর বিভিন্ন প্রক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করে। মনে রাখার টিপস: শিক্ষা বা পড়ানো সংক্রান্ত বিজ্ঞান বোঝাতে pedagogy শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
a vary
b variably
c variable
d varity
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) variable কেন সঠিক: - 'Variance' একটি নাউন এবং এর সঠিক এডজেক্টিভ রূপ হলো 'variable', যার অর্থ পরিবর্তনশীল। - শব্দের শেষে '-able' সাফিক্স যোগ করে সাধারণত নাউন বা ভার্বকে এডজেক্টিভ বা বিশেষণে রূপান্তর করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) vary — এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়া, তাই এটি এডজেক্টিভ হতে পারে না। B) variably — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ, যা বাক্যে ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করে। C) variable — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) varity — এটি একটি বানান ভুল শব্দ এবং এর কোনো সঠিক ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: noun বা verb-এর শেষে able যোগ করে সহজে Adjective চেনার বা তৈরি করার নিয়ম মনে রাখবে।
a tragedy
b epic
c satire
d ballad
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) tragedy কেন সঠিক: - এটি শেকসপিয়রের লেখা একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাটক যেখানে প্রধান চরিত্রের পতন ও মর্মান্তিক পরিণতি দেখানো হয়েছে। - নাটকের মূল চরিত্র প্রিন্স হ্যামলেট চরম মানসিক দ্বন্দ্ব, প্রতিশোধের স্পৃহা এবং শেষ পর্যন্ত করুণ মৃত্যুর শিকার হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) tragedy — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ নাটকটির পরিণতি মর্মান্তিক। B) epic — এটি মহাকাব্য বোঝায়, যা নাটক নয় বরং দীর্ঘ পদ্য বা কাব্যধর্মী সাহিত্যকর্ম। C) satire — এটি বিদ্রূপাত্মক সাহিত্য, যেখানে সমাজের ত্রুটি ও মানুষের মূর্খতা ফুটিয়ে তোলা হয়। D) ballad — এটি এক ধরনের লোকগীতি বা পদ্য, যা গল্প বা কাহিনি গান আকারে প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: শেকসপিয়রের বিখ্যাত ট্র্যাজেডিগুলো মনে রাখার জন্য 'হ্যামলেট' নামটি সর্বদাই মর্মান্তিক পরিণতি বা ট্র্যাজেডির প্রধান উদাহরণ হিসেবে ধরা হয়।
a Theology
b Experience
c Philosophy
d Drama
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Philosophy কেন সঠিক: - ফেনোমেনোলজি বা প্রপঞ্চবিজ্ঞান হলো দর্শনের একটি শাখা যা মানব অভিজ্ঞতা এবং চেতনার গঠন অধ্যয়ন করে। - এটি এডমুন্ড হুসার্লের মাধ্যমে আধুনিক দর্শনে একটি প্রভাবশালী পদ্ধতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Theology — এটি ধর্মতত্ত্ব বা ঈশ্বর সম্পর্কিত জ্ঞান, যা দর্শনের একটি ভিন্ন ক্ষেত্র এবং ফেনোমেনোলজির মূল বিষয়বস্তু নয়। B) Experience — অভিজ্ঞতা ফেনোমেনোলজির অধ্যয়নের মূল বিষয় হলেও এটি সরাসরি কোনো পঠন পাঠন বা জ্ঞানের শাখা বা দর্শন হিসেবে চিহ্নিত নয়। C) Philosophy — এটি সঠিক কারণ ফেনোমেনোলজি হলো চেতনার অভিজ্ঞতার ওপর প্রতিষ্ঠিত একটি গুরুত্বপূর্ণ দার্শনিক মতবাদ বা শাখা। D) Drama — এটি নাট্যসাহিত্য বা নাট্যকলা সম্পর্কিত বিষয়, যার সাথে দর্শন বা চেতনার এই দার্শনিক পদ্ধতির কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ফেনোমেনোলজি শব্দের সাথে দর্শন বা ফিলোসফি যুক্ত, কারণ এটি মানুষের চেতনার অভিজ্ঞতা নিয়ে গবেষণা করে।
a pet dog
b a yellow colour dog
c smart dog
d mean fellow
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) mean fellow কেন সঠিক: - 'Yellow dog' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থের সঙ্গে বাস্তব অর্থের মিল নেই। - এটি রূপক অর্থে কোনো নীচ, ঘৃণ্য বা স্বার্থপর ব্যক্তিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) pet dog — এটি কোনো বাগধারা নয়, বরং আক্ষরিক অর্থে পোষা কুকুর বোঝায়। B) a yellow colour dog — এটি হলুদ রঙের কোনো কুকুরকে নির্দেশ করে, যা রূপক অর্থ প্রকাশ করে না। C) smart dog — এটি একটি চতুর বা বুদ্ধিমান কুকুর বোঝায়, যা এই ইডিয়মের বিপরীত অর্থ। D) mean fellow — এটি ইডিয়মের সঠিক রূপক অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: হলুদ রং অনেক সময় কাপুরুষতা বা নীচতার প্রতীক ধরা হয়, তাই 'Yellow dog' বললেই বুঝবেন সে একজন খারাপ বা নীচ প্রকৃতির মানুষ।
a on
b over
c against
d at
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) against কেন সঠিক: - Protest verb-এর পরে কোনো অনিয়ম, অন্যায় বা শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বোঝাতে against preposition ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত বাক্যে tyranny বা শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কথা বলা হয়েছে, তাই এখানে against সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — on preposition সাধারণত কোনো তলের ওপর স্পর্শ করে থাকা বা নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ের ওপর বোঝাতে বসে, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। B) over — over preposition সাধারণত কোনো কিছুর ওপরে বা অধিকতর বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা প্রতিবাদ করার অর্থের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। C) against — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সঠিক ব্যাকরণগত ব্যবহার নির্দেশ করে। D) at — at preposition সাধারণত নির্দিষ্ট স্থান, সময় বা কোনো কিছুর দিকে দৃষ্টি দেওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: প্রতিবাদ করা অর্থে Protest-এর পরে সবসময় against preposition বসে।
a is
b being
c was
d having
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) was কেন সঠিক: - বাক্যের দ্বিতীয় অংশ "We remained in the tent" পাস্ট টেন্সে রয়েছে, তাই প্রথম অংশেও পাস্ট টেন্সের সাহায্যকারী verb ব্যবহার করতে হবে। - singular subject 'It'-এর পর পাস্ট টেন্সে 'was' বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি প্রেজেন্ট টেন্স, কিন্তু বাক্যের পরের অংশ পাস্ট টেন্সে থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। B) being — এটি participle, যা finite verb ছাড়া একা প্রধান clause-এর verb হতে পারে না। C) was — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল অপশন নয়। D) having — এটি perfect participle, যা এখানে স্বাধীন বাক্যের মূল verb হিসেবে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের এক অংশ পাস্ট টেন্সে থাকলে অন্য অংশও সাধারণত পাস্ট টেন্সে হয়।
a for you
b for example
c that is
d namely
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) that is কেন সঠিক: - ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ আইডি এস্ট এর ইংরেজি রূপ হলো দ্যাট ইজ। - বাক্যে কোনো পূর্ববর্তী বিষয়ের পরিষ্কার ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for you — এটি ভুল কারণ ফোর ইউ অর্থ আপনার জন্য, যা এই ল্যাটিন সংক্ষিপ্ত রূপের অর্থ নয়। B) for example — এটি ভুল কারণ উদাহরণ স্বরূপ বোঝাতে ল্যাটিন শব্দ এক্সেমপ্লি গ্রাসিয়া ব্যবহার করা হয়। C) that is — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) namely — এটি ভুল কারণ নেমলি শব্দের অর্থ মূলত অর্থাৎ বা বিশেষ করে, যা এর সঠিক ল্যাটিন সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: আইডি এস্ট মানে দ্যাট ইজ, এটি মনে রাখতে আই অক্ষর দিয়ে দ্যাট ইজ বা অর্থাৎ বোঝানো হয় বলে ধরে নিতে পারেন।
a poet of nature
b poet of beauty
c dramatist
d bard
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) poet of beauty কেন সঠিক: - জন কিটসের কবিতার মূল সুর হলো সৌন্দর্য ও ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য অনুভূতির প্রকাশ, যার বিখ্যাত বহিঃপ্রকাশ ঘটে ওড অন আ গ্রেশিয়ান আর্ন কবিতায়। - তাঁর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অমর পঙক্তি হলো 'A thing of beauty is a joy forever', যা তাঁর সৌন্দর্যসাধনার প্রধান প্রতীক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) poet of nature — উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থকে প্রকৃতির কবি বলা হয়, জন কিটসকে নয়। B) poet of beauty — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং জন কিটসের কাব্যিক পরিচয়ের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। C) dramatist — জন কিটস কোনো বিখ্যাত নাট্যকার ছিলেন না, তিনি মূলত রোমান্টিক যুগের একজন প্রখ্যাত কবি। D) bard — দ্য বার্ড বা কবি হিসেবে সাধারণত উইলিয়াম শেকஸ்பিয়ারকে বোঝানো হয়, বিশেষ করে দ্য বার্ড অব এভন নামে তিনি পরিচিত। মনে রাখার টিপস: কিটসের নামের প্রথম অক্ষর কে (K) দিয়ে কিউট (Cute) বা সুন্দর মনে রাখতে পারো, যা তাঁর সৌন্দর্যসাধক পরিচয়ের সঙ্গে মিলে যায়।
a to take revenge
b matter of shame
c complete knowledge
d full sleeve shirt
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) complete knowledge কেন সঠিক: - 'At one's fingertips' একটি ইংরেজি ইডিওম যার আক্ষরিক অর্থ হাতের আঙুলের ডগায় থাকা এবং ভাবার্থ হলো কোনো বিষয়ে পূর্ণ বা নিখুঁত জ্ঞান থাকা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি প্রায়ই কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে সম্পূর্ণ দখল বা প্রস্তুতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to take revenge — এই অপশনটি প্রতিশোধ নেওয়া বোঝায়, যা আলোচ্য ইডিওমের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) matter of shame — এই অপশনটি লজ্জার বিষয় বোঝায়, যা মুখস্থ রাখা বা দক্ষতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) complete knowledge — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ সম্পূর্ণ জ্ঞান বা পূর্ণ দখল। D) full sleeve shirt — এই অপশনটি সম্পূর্ণ হাতাযুক্ত শার্ট বোঝায়, যা আক্ষরিক বা ব্যাখ্যামূলক কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: হাতের আঙুলের ডগায় কোনো তথ্য থাকা মানেই সে বিষয়ে আপনার সম্পূর্ণ জ্ঞান বা দখল আছে।
a Destroying
b Beating
c Defeating
d Cutting
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Defeating কেন সঠিক: - 'Knocking out' একটি ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ কাউকে প্রতিযোগিতায় বা খেলায় পরাজিত করা। - মুষ্টিযুদ্ধ বা খেলার মাঠে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করে বিজয় ছিনিয়ে নেওয়া অর্থে এই ফ্রেজাল ভার্বটি বহুল ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Destroying — এর অর্থ ধ্বংস করা, যা কোনো কিছুর অস্তিত্ব পুরোপুরি মুছে ফেলার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় কিন্তু প্রতিযোগিতায় হারানোর অর্থে প্রযোজ্য নয়। B) Beating — প্রদত্ত উত্তর সঠিক হওয়ায় এটি মূলত সমার্থক হলেও মূল ফ্রেজাল ভার্বের আদর্শ ও প্রচলিত অর্থ এখানে 'Defeating' হিসেবে ধরা হয়। C) Defeating — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ পরাজিত করা, যা 'Knocking out' এর সবচেয়ে নিখুঁত ইংরেজি প্রতিশব্দ। D) Cutting — এর অর্থ কাটা, যা এই ফ্রেজাল ভার্বের অর্থ বা প্রসঙ্গের সাথে পুরোপুরি অসংগত। মনে রাখার টিপস: বক্সিং খেলায় প্রতিপক্ষকে নকআউট করা মানে তাকে হারিয়ে দেওয়া বা পরাজিত করা, তাই 'Knocking out' মানে 'Defeating'।
a Much time was wasted by us.
b Much time has been wasted by you.
c Long time has wasted.
d Much time have been wasted.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Much time has been wasted by you. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি Present Perfect Tense-এর Active Voice, যার গঠন হলো Subject + have বা has + Verb-এর Past Participle + Object। - একে Passive করার নিয়ম হলো Object-টি Subject হয়, Person ও Number অনুযায়ী have been বা has been বসে, Verb-এর Past Participle বসে এবং by-এর পর Subject-টি Object হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Much time was wasted by us. — এখানে Tense পরিবর্তন করে Past Indefinite করা হয়েছে এবং Subject ভুলভাবে us ব্যবহার করা হয়েছে। B) Much time has been wasted by you. — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী সব শর্ত পূরণ করেছে। C) Long time has wasted. — বাক্যটি অর্থের দিক থেকে অসম্পূর্ণ এবং এটি একটি Active রূপ যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) Much time have been wasted. — Subject 'Much time' Singular হওয়ায় এর সাথে 'have' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: Present Perfect Tense-এর Passive করার সময় auxiliary verb হিসেবে have been বা has been ব্যবহার করতে হয়।
a win
b has won
c won
d wins
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) wins কেন সঠিক: - Slow and steady একটি প্রবাদ বাক্য, যা একত্রে একটিমাত্র একক ধারণা প্রকাশ করে। - এই ধরনের সাবজেক্ট দেখতে বহুবচন মনে হলেও এদের সাথে সর্বদা singular verb ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) win — এটি verb-এর plural রূপ, যা singular সাবজেক্ট Slow and steady-র সাথে বসে না। B) has won — এটি present perfect tense-এর রূপ, যা চিরন্তন সত্য বা প্রবাদ বাক্যের সাধারণ নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) won — এটি past tense বা অতীতকালের রূপ, কিন্তু প্রবাদ বাক্য সর্বদা present indefinite tense-এ হয়। D) wins — এটি verb-এর singular রূপ, যা সঠিক উত্তর হিসেবে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: And দ্বারা যুক্ত দুটি শব্দ যদি একটিমাত্র ভাব বা ধারণা প্রকাশ করে, তবে verb সবসময় singular হয়।
a ৩৯৭০ ইঞ্চি
b ৩৯.৩৭০ ইঞ্চি
c ৩৯৩৭ ইঞ্চি
d ৩৯৩৭০০ ইঞ্চি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৯৩৭০০ ইঞ্চি প্রদত্ত তথ্য: ১ মিটার সমান ৩৯.৩৭ ইঞ্চি ১ কিলোমিটার সমান ১০০০০০০ সেন্টিমিটার ধরি, ১ কিলোমিটার সমান ১০০০ মিটার অতএব, ১ মিটার সমান ৩৯.৩৭ ইঞ্চি হলে ১০০০ মিটার সমান ১০০০ × ৩৯.৩৭ ইঞ্চি সুতরাং, ১০০০ মিটার বা ১ কিলোমিটার সমান ৩৯৩৭০০ ইঞ্চি উত্তর: ৩৯৩৭০০ ইঞ্চি
a √5 × √18
b √3 × √16
c √6 × √24
d √8 × √20
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) √6 × √24 প্রদত্ত তথ্য: অপশন সি এ আছে √৬ গুণ √২৪ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = √৬ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = √২৪ অতএব, সংখ্যা দুটি গুণ করলে পাই √৬ গুণ √২৪ সুতরাং, √৬ গুণ √২৪ সমান √১৪৪ সমান ১২ উত্তর: ১২
a ৩৫ বছর
b ৩৭ বছর
c ৪৩ বছর
d ৪৭ বছর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪৭ বছর প্রদত্ত তথ্য: ৪ বছর পর ছেলের বয়স ১২ বছর ব্যক্তির বয়স স্ত্রীর চেয়ে ৭ বছর বেশি স্ত্রীর বয়স ছেলের বয়সের ৫ গুণ ধরি, বর্তমানে ছেলের বয়স = ১২ − ৪ = ৮ বছর অতএব, বর্তমানে স্ত্রীর বয়স = ৮ × ৫ = ৪০ বছর সুতরাং, ব্যক্তির বর্তমান বয়স = ৪০ + ৭ = ৪৭ বছর উত্তর: ৪৭ বছর
a 48
b 56
c 88
d 50
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৮ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার যোগফল = ১৫ সংখ্যা দুটির অনুপাত = ৩ : ২ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৩ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ২ক অতএব, ৩ক + ২ক = ১৫ ৫ক = ১৫ ক = ৩ সুতরাং, প্রথম সংখ্যাটি = ৩ × ৩ = ৯ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ২ × ৩ = ৬ সংখ্যা দুটির গুণফল = ৯ × ৬ = ৪৮ উত্তর: ৪৮
a x = log_b N
b x = log_N b
c x = Nb
d x = Nᵇ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x = log_b N প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো N = b এর পাওয়ার x এখানে ভিত্তি b হলো শূন্য থেকে বড় এবং এক এর সমান নয় ধরি, লগারিদম বা সূচকের নিয়ম অনুসারে ভিত্তি অপরিবর্তিত থাকে সূচকটি লগারিদমের ডানপাশে সংখ্যা হিসেবে বসে অতএব, সূচকীয় সমীকরণকে সরাসরি লগারিদমে রূপান্তর করা যায় এখানে x হলো সূচক এবং N হলো আর্গুমেন্ট সুতরাং, লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী x সমান log_b N লেখা যায় উত্তর: A) x = log_b N
a 0
b 1
c 2
d 3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম সমীকরণ হলো লগ ০.১ এর ভিত্তি এবং এর মান হলো ০.০১ ধরি, লগারিদমের সংজ্ঞানুযায়ী সমীকরণটি লেখা যায় ০.১ এর পাওয়ার x সমান হলো ০.০১ অতএব, ০.০১ কে লেখা যায় ০.১ গুণ ০.১ অর্থাৎ ০.১ এর পাওয়ার ২ সুতরাং, ০.১ এর পাওয়ার x সমান ০.১ এর পাওয়ার ২ উভয় পক্ষ থেকে ভিত্তি বাদ দিলে পাওয়া যায় x সমান ২ উত্তর: ২
a ২৪ সে.মি
b ৬০ সে.মি
c ৬০ মিটার
d ৬ সে.মি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০ সে.মি প্রদত্ত তথ্য: স্কেল = ১ : ২০০০ রাস্তার দৈর্ঘ্য = ১.২ কিলোমিটার ধরি, ম্যাপে রাস্তার দৈর্ঘ্য = ক সে.মি ১ কিলোমিটার = ১০০০০০ সে.মি অতএব, ১.২ কিলোমিটার = ১.২ × ১০০০০০ সে.মি = ১২০০০০ সে.মি সুতরাং, ম্যাপের দৈর্ঘ্য = ১২০০০০ ÷ ২০০০ সে.মি = ৬০ সে.মি উত্তর: ৬০ সে.মি
a 0.1
b 0.0154
c 0.2
d 0.25
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.২ প্রদত্ত তথ্য: ক এর আয় খ এর আয় অপেক্ষা ২৫% বেশি ধরি, খ এর আয় = ১০০ টাকা ক এর আয় = ১২৫ টাকা অতএব, ক এর আয় অপেক্ষা খ এর আয় কম = ১২৫ − ১০০ = ২৫ টাকা সুতরাং, ১২৫ টাকার মধ্যে কম = ২৫ টাকা উত্তর: (২৫ ÷ ১২৫) = ০.২ অংশ বা ২০%
a ২ বছর
b ২.১/২ বছর
c ৩ বছর
d ৩.১/২ বছর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ বছর প্রদত্ত তথ্য: আসল (P) = ৯৬ টাকা মুনাফা (I) = ১৮ টাকা মুনাফার হার (R) = ৬.১/৪% বা ২৫/৪% ধরি, সময় = n বছর আমরা জানি, I = P × n × R ÷ ১০০ মান বসিয়ে পাই, ১৮ = ৯৬ × n × (২৫ ÷ ৪) ÷ ১০০ সুতরাং, n = (১৮ × ৪ × ১০০) ÷ (৯৬ × ২৫) উত্তর: ৩ বছর
a 0
b 1
c 2
d 3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলোর মধ্যে দেওয়া আছে শূন্য, এক, দুই ও তিন। আমাদের সবচেয়ে ছোট মৌলিক সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে। ধরি, মৌলিক সংখ্যা হলো সেই সংখ্যা যার কেবল দুটি গুণনীয়ক থাকে। ১ এবং সংখ্যাটি নিজে। অতএব, শূন্য ও এক মৌলিক সংখ্যা নয়। তিন একটি মৌলিক সংখ্যা। সুতরাং, দুই হলো সবচেয়ে ছোট মৌলিক সংখ্যা। উত্তর: ২
a 1223
b 1233
c 1323
d 1332
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩৩২ প্রদত্ত তথ্য: অঙ্কগুলো হলো ১, ২ এবং ৩ ধরি, সংখ্যাগুলোর অংক তিনটি হলো ১, ২ ও ৩ প্রতিটি অংক স্থানীয় মানে দুইবার বসবে অতএব, একক স্থানীয় অংকের যোগফল = (১ + ২ + ৩) × ২ = ১২ দশক স্থানীয় অংকের যোগফল = (১ + ২ + ৩) × ২ = ১২০ শতক স্থানীয় অংকের যোগফল = (১ + ২ + ৩) × ২ = ১২০০ সুতরাং, মোট সমষ্টি = ১২ + ১২০ + ১২০০ = ১৩৩২ উত্তর: ১৩৩২
a -1
b 1
c 0
d 46024
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো দুই লগ x বিয়োগ লগ বন্ধনীতে দুই x বিয়োগ এক সমান শূন্য। শর্ত অনুযায়ী লগ এর মান শূন্য হতে পারে যখন আর্গুমেন্ট এক হয়। ধরি, লগ এর বিয়োগ সূত্র ব্যবহার করে পাই লগ বন্ধনীতে x এর বর্গ ভাগ দুই x বিয়োগ এক সমান শূন্য। সমীকরণের উভয় পক্ষ থেকে লগ বাদ দিয়ে পাই x এর বর্গ ভাগ দুই x বিয়োগ এক সমান এক। অতএব, কোণাকুণি গুণ করে পাই x এর বর্গ সমান দুই x বিয়োগ এক। সব পদ বামপাশে এনে পাই x এর বর্গ বিয়োগ দুই x যোগ এক সমান শূন্য। সুতরাং, উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই বন্ধনীতে x বিয়োগ এক এর বর্গ সমান শূন্য। এখান থেকে সমাধান করে পাই x এর মান এক। উত্তর: ১
a 1
b -1
c 0
d 2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ প্রদত্ত তথ্য: পি কিউব + এক বাই পি কিউব = ০ ধরি, পি প্লাস এক বাই পি = এক্স অতএব, পি কিউব প্লাস এক বাই পি কিউব এর সূত্র হলো এক্স কিউব − ৩ এক্স সুতরাং, এক্স কিউব − ৩ এক্স = ০ অতএব, এক্স ইনটু এক্স স্কয়ার − ৩ = ০ সুতরাং, এক্স স্কয়ার = ৩ অতএব, পি স্কয়ার প্লাস এক বাই পি স্কয়ার এর মান হলো এক্স স্কয়ার − ২ সুতরাং, ৩ − ২ = ১ উত্তর: ১
a ২০ দিনে
b ২২ দিনে
c ২৪ দিনে
d ২৬ দিনে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৪ দিনে প্রদত্ত তথ্য: দুই ব্যক্তি একত্রে একটি কাজ করতে পারে ৮ দিনে প্রথম ব্যক্তি একাকী কাজটি করতে পারে ১২ দিনে ধরি, সম্পূর্ণ কাজটির পরিমাণ = ১ অংশ অতএব, দুই ব্যক্তি একত্রে ১ দিনে করে ১ ÷ ৮ অংশ প্রথম ব্যক্তি ১ দিনে করে ১ ÷ ১২ অংশ সুতরাং, দ্বিতীয় ব্যক্তি ১ দিনে করে (১ ÷ ৮) − (১ ÷ ১২) অংশ উত্তর: ২৪ দিনে
a 3
b 4
c 5
d 6
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো x − y = ২ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো xy = ২৪ ধরি, বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী আমরা জানি (x + y)² = (x − y)² + ৪xy অতএব, (x + y)² = (২)² + ৪ × ২৪ (x + y)² = ৪ + ৯৬ (x + y)² = ১০০ সুতরাং, x + y = √(১০০) x + y = ১০ অথবা x + y = −১০ উত্তর: প্রথম সমীকরণ x − y = ২ এবং ধনাত্মক মান পাওয়ার জন্য x + y = ১০ নিয়ে পাই, ২x = ১২ x = ৬
a 24
b 25
c 26
d 27
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ প্রদত্ত তথ্য: x + y = √৭ এবং x − y = √৫ ধরি, ৪xy এর সূত্রটি ব্যবহার করতে হবে এবং ২ গুণ (x² + y²) এর সূত্রটি ব্যবহার করতে হবে অতএব, ৪xy = (x + y)² − (x − y)² ৪xy = (√৭)² − (√৫)² = ৭ − ৫ = ২ এবং, ২ গুণ (x² + y²) = (x + y)² + (x − y)² ২ গুণ (x² + y²) = (√৭)² + (√৫)² = ৭ + ৫ = ১২ সুতরাং, ৮xy গুণ (x² + y²) = [৪xy] গুণ [২ গুণ (x² + y²)] = ২ গুণ ১২ = ২৪ উত্তর: ২৪
a 0
b 1
c 2
d 3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: x এর পাওয়ার a = y y এর পাওয়ার b = z z এর পাওয়ার c = x ধরি, প্রথম শর্ত হতে পাই x এর পাওয়ার a = y দ্বিতীয় শর্ত হতে পাই y এর পাওয়ার b = z তৃতীয় শর্ত হতে পাই z এর পাওয়ার c = x অতএব, z এর পাওয়ার c লেখা যায় (x এর পাওয়ার a) এর পাওয়ার bc অর্থাৎ x এর পাওয়ার abc = z এর পাওয়ার c আবার z এর মান বসালে পাই x এর পাওয়ার abc = x এর পাওয়ার ১ সুতরাং, উভয় পক্ষ থেকে ভিত্তি x বাদ দিলে পাই abc এর মান ১ উত্তর: ১
a 1
b -1
c 0
d 2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, x + (১ ÷ x) = ২ ধরি, x এর মান = ১ অতএব, x এর জায়গায় ১ বসিয়ে পাই, ১ + (১ ÷ ১) = ২ সুতরাং, x − (১ ÷ x) এর মান = ১ − (১ ÷ ১) = ১ − ১ উত্তর: ০
a 1/2
b 1
c 0
d -1/2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০ প্রদত্ত তথ্য: ফাংশনটি হলো f(x) = x³ − x² − x − (১ ÷ ৮) ধরি, x এর মান = −(১ ÷ ২) অতএব, x এর কিউব অর্থাৎ (-১ ÷ ২) এর কিউব = - (১ ÷ ৮) x এর স্কয়ার অর্থাৎ (-১ ÷ ২) এর স্কয়ার = ১ ÷ ৪ সুতরাং, f(-১ ÷ ২) = - (১ ÷ ৮) - (১ ÷ ৪) - (-১ ÷ ২) - (১ ÷ ৮) উত্তর: ০
a 0
b 2
c -1
d 3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩ প্রদত্ত তথ্য: x এর চতুর্থ ঘাত − x এর বর্গ + ১ = ০ ধরি, প্রদত্ত সমীকরণটি হলো x এর চতুর্থ ঘাত − x এর বর্গ + ১ = ০ উভয়পক্ষকে x এর বর্গ দ্বারা ভাগ করে পাই অতএব, x এর বর্গ − ১ + (১ ÷ x এর বর্গ) = ০ x এর বর্গ + (১ ÷ x এর বর্গ) = ১ সুতরাং, (x + (১ ÷ x)) এর বর্গ = x এর বর্গ + (১ ÷ x এর বর্গ) + ২ (x + (১ ÷ x)) এর বর্গ = ১ + ২ উত্তর: ৩
a 4
b 3
c 2
d 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: ক + খ = ৫ ক বর্গ − খ বর্গ = ১৫ ধরি, প্রথম সমীকরণ: ক + খ = ৫ দ্বিতীয় সমীকরণ: ক বর্গ − খ বর্গ = ১৫ অতএব, ক বর্গ − খ বর্গ সূত্র ব্যবহার করে পাই, (ক + খ) × (ক − খ) = ১৫ ৫ × (ক − খ) = ১৫ সুতরাং, ক − খ = ১৫ ÷ ৫ = ৩ এখন, ৪ × ক × খ এর সূত্র ব্যবহার করে পাই, ৪ × ক × খ = (ক + খ) বর্গ − (ক − খ) বর্গ ৪ × ক × খ = (৫ বর্গ) − (৩ বর্গ) উত্তর: ৪ × ক × খ = ২৫ − ৯ = ১৬ ক × খ = ১৬ ÷ ৪ = ৪
a 2/3
b 1
c 3/2
d 3/4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২/৩ প্রدত্ত তথ্য: ভিত্তি = ১৬ সংখ্যাটি = ৩√(৪) ধরি, লগ এর মান = x অতএব, ১৬ এর পাওয়ার x = ৩√(৪) দ্বিতীয় হিসাব: (২ এর পাওয়ার ৪) এর পাওয়ার x = (২ এর পাওয়ার ২) এর পাওয়ার (১/৩) তৃতীয় হিসাব: ২ এর পাওয়ার (৪ × x) = ২ এর পাওয়ার (২/৩) সুতরাং, ৪ × x = ২/৩ উত্তর: x = ২/৩
a 100
b 10
c 1/100
d 1/1000
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x এর শক্তি মাইনাস চার বিয়োগ ০.০০০১ সমান শূন্য ধরি, x এর শক্তি মাইনাস চার সমান ০.০০০১ অতএব, ১ ভাগ x এর শক্তি চার সমান ১ ভাগ ১০০০০ সুতরাং, x এর শক্তি চার সমান ১০০০০ উত্তর: ১০
a 1, 2
b 0, 2
c 1, 3
d 0, 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০, ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো দুই এর ঘাত এক্স যোগ দুই এর ঘাত এক বিয়োগ এক্স সমান তিন ধরি, দুই এর ঘাত এক্স সমান এ অতএব, এ যোগ এক ভাগ এ সমান তিন সুতরাং, এ স্কয়ার বিয়োগ তিন এ যোগ দুই সমান শূন্য অতএব, এ বিয়োগ এক গুণ এ বিয়োগ দুই সমান শূন্য সুতরাং, এ এর মান এক অথবা দুই অতএব, দুই এর ঘাত এক্স সমান এক হলে এক্স সমান শূন্য সুতরাং, দুই এর ঘাত এক্স সমান দুই হলে এক্স সমান এক উত্তর: শূন্য, এক
a 1/√2
b √2
c 2√2
d 2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২√২ প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য দেওয়া নেই তাই আমাদের সূত্র ব্যবহার করতে হবে ধরি, বর্গক্ষেত্রের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ক অতএব, বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × ক বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ক√২ সুতরাং, পরিসীমা ÷ কর্ণের দৈর্ঘ্য = (৪ × ক) ÷ (ক√২) উত্তর: ২√২
a ২ : ৩
b ১৩ : ৪
c ৯ : ৪
d ১৪ : ৯
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ : ৪ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্ত দুটির ব্যাসার্ধের অনুপাত = ৩ : ২ ধরি, প্রথম বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৩ক দ্বিতীয় বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ২ক অতএব, প্রথম বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × (৩ক)বর্গ = ৯পিকবর্গ দ্বিতীয় বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × (২ক)বর্গ = ৪পিকবর্গ সুতরাং, ক্ষেত্রফল দুটির অনুপাত = ৯পিকবর্গ : ৪পিকবর্গ = ৯ : ৪ উত্তর: ৯ : ৪
a (√3/2)a²
b (√3/4)a²
c (3/2)a²
d √3 a²
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √3 a² প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের একটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ২a একক ধরি, সমবাহু ত্রিভুজটির বাহুর দৈর্ঘ্য = a এর জায়গায় ২a ধরব আমরা জানি সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল সূত্র অনুযায়ী হিসাব করতে হবে অতএব, ক্ষেত্রফলের সূত্রটি হলো (√৩ ÷ ৪) × (বাহুর দৈর্ঘ্য)² এখানে বাহুর দৈর্ঘ্য হলো ২a একক সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (২a)² ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × ৪a² উত্তর: √৩ a² বর্গ একক
a 32
b 36
c 34
d 30
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৪ প্রদত্ত তথ্য: a ÷ b + b ÷ a = ৬ ধরি, a ÷ b = x অতএব, x + (১ ÷ x) = ৬ সুতরাং, উভয় পক্ষকে বর্গ করে পাই (x + (১ ÷ x))² = ৬² অতএব, x² + ২ + (১ ÷ x²) = ৩৬ সুতরাং, x² + (১ ÷ x²) = ৩৬ − ২ = ৩৪ উত্তর: ৩৪
a {1}
b {0}
c {2}
d { }
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (x − ২) ÷ (x − ১) + ১ ÷ (x − ১) = ২ ধরি, প্রদত্ত সমীকরণের বামপক্ষ = (x − ২ + ১) ÷ (x − ১) অতএব, লব ও হর সরল করে পাই (x − ১) ÷ (x − ১) সুতরাং, সমীকরণটি দাঁড়ায় ১ = ২ যা অসম্ভব উত্তর:
a 260
b 290
c 360
d 380
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৬০ প্রদত্ত তথ্য: ২৪৪ হলো একটি নির্দিষ্ট সংখ্যার শতকরা চল্লিশ ভাগ ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, ক এর ৪০% = ২৪৪ ক × (৪০ ÷ ১০০) = ২৪৪ সুতরাং, ক = ২৪৪ × (১০০ ÷ ৪০) ক = ৩৬০ উত্তর: ৩৬০
a 441
b 442
c 443
d 455
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৪১ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যার বর্গমূলের সাথে ৪ যোগ করলে যোগফল ৫ এর বর্গ হবে ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক সংখ্যাটির বর্গমূল = √ক অতএব, ৫ এর বর্গ = ৫ × ৫ = ২৫ শর্তানুসারে, √ক + ৪ = ২৫ সুতরাং, √ক = ২৫ − ৪ √ক = ২১ উত্তর: ক = ২১ × ২১ = ৪৪১
a সাধারণ পরিষদ
b নিরাপত্তা পরিষদ
c অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ
d ওছি পরিষদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিরাপত্তা পরিষদ কেন সঠিক: - জাতিসংঘ সনদের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদ মহাসচিবকে নিয়োগ করে। - মহাসচিব পদের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের সর্বসম্মত সমর্থন বা ভেটো ক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধারণ পরিষদ — সাধারণ পরিষদ সরাসরি মহাসচিবকে নিয়োগ করে না, বরং নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশ চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য সাধারণ পরিষদে উত্থাপিত হয়। B) নিরাপত্তা পরিষদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী মহাসচিব নিয়োগে নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশ বাধ্যতামূলক। C) অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ — এটি জাতিসংঘের একটি প্রধান অঙ্গ হলেও মহাসচিব নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে এর কোনো সাংবিধানিক ভূমিকা নেই। D) ওছি পরিষদ — এই পরিষদ বর্তমানে স্থগিত রয়েছে এবং এর কাজের পরিধি ট্রাস্ট টেরিটরি তদারকির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, মহাসচিব নিয়োগে এর ভূমিকা নেই। মনে রাখার টিপস: মহাসচিব নিয়োগে নিরাপত্তা পরিষদ সুপারিশ করে এবং সাধারণ পরিষদ তা অনুমোদন করে।
a ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪
b ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪
c ২৫ অক্টোবর ১৯৭৪
d ১৭ অক্টোবর ১৯৭৪
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে প্রথম বাঙালি হিসেবে বাংলায় ভাষণ দেন। - এই ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে জাতিসংঘে প্রথমবারের মতো মাতৃভাষা বাংলার স্বীকৃতি ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এর মর্যাদাপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ — এই তারিখে জাতিসংঘে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্যপদ লাভ করে, তবে এটি ভাষণদানের তারিখ নয়। B) ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন। C) ২৫ অক্টোবর ১৯৭৪ — এই তারিখে এমন কোনো ঐতিহাসিক বা নির্ধারিত আন্তর্জাতিক ভাষণের ঘটনা ঘটেনি। D) ১৭ অক্টোবর ১৯৭৪ — এটি এই প্রশ্ন ও ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ কোনো সঠিক তারিখ নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৭৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২৫ তারিখে বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘে প্রথম বাংলায় ভাষণ দেন, মাসটি মনে রাখলে সাল ও তারিখ সহজে মেলানো যায়।
a রোম
b বার্ন
c জেনেভা
d লন্ডন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জেনেভা কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক অভিবাসী সংস্থা বা আইওএম একটি আন্তঃসরকার সংস্থা যা অভিবাসনের ব্যবস্থাপনার সাথে যুক্ত। - এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোম — এটি বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর। B) বার্ন — এটি সুইজারল্যান্ডের রাজধানী হলেও এই নির্দিষ্ট সংস্থার সদর দপ্তর এখানে নয়। C) জেনেভা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই সংস্থার প্রধান কার্যালয়ের অবস্থান। D) লন্ডন — এটি আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থার সদর দপ্তরের অবস্থান। মনে রাখার টিপস: অভিবাসীরা সাধারণত জীবনযাত্রার খোঁাজে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় পাড়ি জমান।
a IFAD
b WIPO
c WTO
d IDA
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) WIPO কেন সঠিক: - WIPO বা বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থা ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের আন্তর্জাতিক নিবন্ধন ও আইনি সুরক্ষা প্রদানে কাজ করে। - বাংলাদেশে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর GI পণ্যের স্বীকৃতি ও সনদ প্রদান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) IFAD — এটি আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল, যা কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নে অর্থায়ন করে এবং GI স্বীকৃতি দেয় না। B) WIPO — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সংস্থা মেধাসম্পদ ও ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও সুরক্ষার দায়িত্ব পালন করে। C) WTO — এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংস্থা, যা বৈশ্বিক বাণিজ্যের নিয়মকানুন তদারকি করে কিন্তু সরাসরি GI স্বীকৃতি দেয় না। D) IDA — এটি বিশ্বব্যাংকের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান যা অনুদান ও সুদমুক্ত ঋণ প্রদান করে এবং এর সঙ্গে GI পণ্যের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: মেধাসম্পদ বা GI সম্পর্কিত বিশ্ব সংস্থার নাম আসলে WIPO মনে রাখবে।
a হুন
b মঙ্গো
c জিনজিয়াং
d তুর্কি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তুর্কি কেন সঠিক: - উইঘুর সম্প্রদায় জাতিগতভাবে তুর্কীয় বা তুর্কি বংশোদ্ভূত একটি মুসলিম জনগোষ্ঠী। - চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে বসবাসকারী এই জনগোষ্ঠীর ভাষা এবং সংস্কৃতি তুর্কি সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুন — হুনরা প্রাচীনকালের একটি যাযাবর জাতিগোষ্ঠী এবং উইঘুরদের মূল উৎপত্তির সঙ্গে এদের সরাসরি সম্পর্ক নেই। B) মঙ্গো — মঙ্গোলীয়রা আলাদা একটি জাতিগোষ্ঠী, যদিও মধ্য এশিয়ার ইতিহাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে এদের আংশিক মিশ্রণ রয়েছে। C) জিনজিয়াং — জিনজিয়াং উইঘুরদের একটি বর্তমান ভৌগোলিক অঞ্চল বা প্রদেশ, কোনো আদি বংশ বা জাতিগোষ্ঠী নয়। D) তুর্কি — এটি সঠিক উত্তর কারণ উইঘুররা তুর্কি জাতিগোষ্ঠীভুক্ত। মনে রাখার টিপস: উইঘুর মানেই তুর্কি জাতি, যারা চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে বসবাস করে।
a 1978
b 1982
c 1992
d 1987
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৮২ কেন সঠিক: - ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনের মাধ্যমে মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের দেশটিতে বৈধ জাতিসত্তা বা নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি অস্বীকার করে। - এই আইনের ফলে রোহিঙ্গারা তাদের নাগরিকত্ব হারায় এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে অধিকারহীন ও রাষ্ট্রহীন জনগোষ্ঠীতে পরিণত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1978 — ১৯৭৮ সালে মিয়ানমার সামরিক জান্তার অভিযאןর মুখে প্রথম বড় ধরনের রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে পালিয়ে আসে, এটি নাগরিকত্ব আইন পাসের বছর নয়। B) 1982 — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) 1992 — ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, এটি নাগরিকত্ব হারানোর সাল নয়। D) 1987 — ১৯৮৭ সালটি রোহিঙ্গা সংকটের ইতিহাসে নাগরিকত্ব আইন সংক্রান্ত কোনো উল্লেখযোগ্য বা নির্ধারিত বছর নয়। মনে রাখার টিপস: রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব হারায় আঠারো শত বিরাশি বা ১৯৮২ সালে।
a মেহেরপুর
b লক্ষ্মীপুর
c রাঙ্গামাটি
d ঝালকাঠি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাঙ্গামাটি কেন সঠিক: - রাঙ্গামাটি বাংলাদেশের আয়তনে বৃহত্তম জেলা হওয়া সত্ত্বেও ভৌগোলিক ও পাহাড়ি বিষম ভূপ্রকৃতির কারণে এখানে মাত্র একটি সংসদীয় আসন রয়েছে। - জাতীয় সংসদের ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার মধ্যে রাঙ্গামাটি জেলা নিয়ে গঠিত সংসদীয় আসনটি ২৯৯ নম্বর আসন হিসেবে নির্ধারিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেহেরপুর — এই জেলায় সংসদীয় আসন রয়েছে দুটি এবং এটি দেশের অন্যতম কম আসনবিশিষ্ট জেলা। B) লক্ষ্মীপুর — এই জনবহুল জেলাটিতে মোট সংসদীয় আসন সংখ্যা চারটি। D) ঝালকাঠি — এই ছোট জেলাটিতে সংসদীয় আসন সংখ্যা দুটি। মনে রাখার টিপস: পার্বত্য তিন জেলার মধ্যে রাঙ্গামাটি আয়তনে সবচেয়ে বড় হলেও পাহাড়ি কম জনসংখ্যার কারণে এর আসন সংখ্যা মাত্র একটি।
a BARI
b BRRI
c BADC
d BINA
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) BADC কেন সঠিক: - BADC এর পূর্ণরূপ হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন, যা দেশের কৃষকদের মধ্যে মানসম্মত বীজ সরবরাহ ও উৎপাদনের প্রধান সরকারি প্রতিষ্ঠান। - এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত কৃষিপণ্য, সার এবং উন্নত বীজ কৃষকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) BARI — এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা নতুন ফসলের জাত উদ্ভাবন ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত, সরাসরি বীজ উৎপাদন ও বিপণন এর প্রধান কাজ নয়। B) BRRI — এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা শুধুমাত্র ধানের নতুন জাত উদ্ভাবন এবং ধান গবেষণা নিয়ে কাজ করে। C) BADC — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো প্রেক্ষাপট প্রযোজ্য নয়। D) BINA — এটি বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা পরমাণু প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসলের নতুন জাত উদ্ভাবন করে। মনে রাখার টিপস: বীজ (Seed) বিতরণের সঙ্গে উন্নয়ন (Development) কথাটি যুক্ত আছে, তাই বীজ উৎপাদনের প্রধান সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে BADC মনে রাখা সহজ।
a ডায়মন্ড
b রূপালি
c ড্রামহেড
d ব্রিসাইল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডায়মন্ড কেন সঠিক: - ডায়মন্ড বাংলাদেশে চাষ করা হয় এমন আলুর একটি অন্যতম জনপ্রিয় ও উচ্চ ফলনশীল জাত। - এই জাতের আলু দেখতে সুন্দর, খেতে সুস্বাদু এবং এর সংরক্ষণ ক্ষমতাও বেশ ভালো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডায়মন্ড — এটি আলুর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও পরিচিত জাতের নাম। B) রূপালি — এটি আলুর কোনো পরিচিত জাত নয়, এটি ধান বা অন্য ফসলের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে পারে। C) ড্রামহেড — এটি বাঁধাকপির একটি সুপরিচিত জাতের নাম, আলুর নয়। D) ব্রিসাইল — এটি আলুর কোনো জাত নয়, এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক নাম। মনে রাখার টিপস: আলুর জাত মনে রাখতে বিখ্যাত নাম 'ডায়মন্ড' মনে রাখুন।
a আলমগীর কবির
b খান আতাউর রহমান
c হুমায়ূন আহমেদ
d সুভাষ দত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আলমগীর কবির কেন সঠিক: - ‘ধীরে বহে মেঘনা’ চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত একটি বিখ্যাত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। - বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা ও বুদ্ধিজীবী আলমগীর কবির ১৯৭৩ সালে এই চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলমগীর কবির — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই চলচ্চিত্রের পরিচালক। B) খান আতাউর রহমান — তিনি প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার হলেও এই চলচ্চিত্রের নির্মাতা নন, তার বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র আবার তোরা মানুষ হ। C) হুমায়ূন আহমেদ — তিনি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা হলেও এই চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত নন, তার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র আগুনের পরশমণি। D) সুভাষ দত্ত — তিনি প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার হলেও এই চলচ্চিত্রের নির্মাতা নন, তার বিখ্যাত চলচ্চিত্র অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী। মনে রাখার টিপস: মেঘনা নদী আলমগীর কবিরের নির্মাণে ধীরে বহে, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a জয়নুল আবেদীন
b কামরুল হাসান
c এস এম সুলতান
d কাইয়ুম চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কামরুল হাসান কেন সঠিক: - বিখ্যাত চিত্রকর্ম তিন কন্যা বা থ্রি উইমেন এর চিত্রকর হলেন শিল্পী কামরুল হাসান। - তিনি বাংলাদেশের আধুনিক শিল্পকলার বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নুল আবেদীন — তিনি বিখ্যাত চিত্রকর্ম সংগ্রাম, নবান্ন এবং দুর্ভিক্ষের চিত্র এঁকেছেন, তিন কন্যা নয়। B) কামরুল হাসান — তিনি এই চিত্রকর্মটির চিত্রকর বিধায় এটি সঠিক উত্তর। সি) এস এম সুলতান — তিনি গ্রামীণ জনপদের কৃষক ও মানুষের পেশিপ্রধান শরীরের চিত্র এঁকে বিখ্যাত হয়েছেন। D) কাইয়ুম চৌধুরী — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও বইয়ের প্রচ্ছদশিল্পী ছিলেন, এই ছবির স্রষ্টা নন। মনে রাখার টিপস: কামরুল হাসানের নামের আদ্যক্ষর কা দিয়ে শুরু, এবং তার বিখ্যাত চিত্রকর্ম তিন কন্যা নামের শুরুতেও ত আছে।
a জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠা
b জার্মানির বিরুদ্ধে মিত্রশক্তির নতুন কৌশল অবলম্বন
c ইহুদিদের জন্য একটি জাতি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা
d অটোমানদের রাজ্য অধিকার করা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইহুদিদের জন্য একটি জাতি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা কেন সঠিক: - ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোর ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য একটি জাতীয় আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। - প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সরকারের সমর্থন আদায়ের উদ্দেশ্যে এই বেলফোর ঘোষণা প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠা — জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠিত হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে, বেলফোর ঘোষণার সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। B) জার্মানির বিরুদ্ধে মিত্রশক্তির নতুন কৌশল অবলম্বন — এটি সরাসরি জার্মানিকে পরাস্ত করার কৌশল ছিল না, বরং এটি ছিল জায়নবাদী আন্দোলনের একটি রাজনৈতিক অর্জন। D) অটোমানদের রাজ্য অধিকার করা — অটোমান সাম্রাজ্যের পতন ত্বরান্বিত হলেও এই ঘোষণার মূল প্রতিপাদ্য ছিল নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। মনে রাখার টিপস: বেলফোর ঘোষণা মানেই বেলফোর সাহেবের ফিলিস্তিনে ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক প্রতিশ্রুতি।
a নিউ ইয়র্ক
b জেনেভা
c দ্য হেগ
d রোম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দ্য হেগ কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা আইসিসি যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার বিচার করে থাকে। - এই আদালতের সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউ ইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তর অবস্থিত শহর, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কার্যালয় নয়। B) জেনেভা — এটি আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর, আইসিসি এখানে অবস্থিত নয়। C) দ্য হেগ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সদর দপ্তর এখানেই অবস্থিত। D) রোম — রোম সনদের মাধ্যমে আইসিসি গঠিত হলেও এর কার্যালয় বা সদর দপ্তর রোমে নয়, দ্য হেগ শহরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার কাজের জন্য অপরাধীদের বিচার করতে হেগে যেতে হয়, এভাবে মনে রাখতে পারেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত দ্য হেগে অবস্থিত।
a রিকসডাগ
b ফকেটিং
c নেসেট
d ডায়েট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ডায়েট কেন সঠিক: - জাপানের আইনসভার আনুষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক নাম হলো ডায়েট। - এটি একটি দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা যা হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস এবং হাউস অফ কাউন্সিলরস নিয়ে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিকসডাগ — এটি সুইডেনের পার্লামেন্টের নাম, জাপানের নয়। B) ফকেটিং — এটি ডেনমার্কের পার্লামেন্টের নাম, জাপানের নয়। C) নেসেট — এটি ইসরায়েলের পার্লামেন্টের নাম, জাপানের নয়। D) ডায়েট — এটি জাপানের পার্লামেন্টের নাম হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: জাপানিরা খাদ্য হিসেবে ডায়েট মেনে চলে, তাই তাদের পার্লামেন্টের নাম ডায়েট।
a সাঙ্গু
b হালদা
c ইচ্ছামতী
d মধুমতী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হালদা কেন সঠিক: - হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র এবং এশিয়ার একমাত্র জোয়ারভাটাভিত্তিক নদী যেখানে প্রাকৃতিকভাবে রুই জাতীয় মাছ ডিম ছাড়ে। - এই নদীর অনন্য বৈচিত্র্য ও জাতীয় গুরুত্ব রক্ষা করার জন্য সরকার এটিকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাঙ্গু — এটি পাহাড়ি নদী এবং এটি প্রাকৃতিকভাবে রুই জাতীয় মাছের প্রধান প্রাকৃতিক প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে হেরিটেজ মর্যাদা পায়নি। B) হালদা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং দেশের একমাত্র মৎস্য হেরিটেজ। C) ইচ্ছামতী — এটি একটি আন্তর্জাতিক নদী এবং এর সঙ্গে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণার কোনো সম্পর্ক নেই। D) মধুমতী — এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী হলেও এটি মৎস্য হেরিটেজ হিসেবে ঘোষিত নয়। মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক ডিম ছাড়ার অনন্য স্থান হিসেবে হালদা নদীকে মনে রাখবে।
a তাঁর পিতা শেখ লুৎফর রহমান
b এ. কে. ফজলুল হক
c হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
d মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তাঁর পিতা শেখ লুৎফর রহমান কেন সঠিক: - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ১৯৪৮ সালে ভর্তির ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর বাবার সরাসরি উৎসাহ ও পরামর্শ ছিল। - পিতা শেখ লুৎফর রহমান চেয়েছিলেন তাঁর ছেলে আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা লাভ করুক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাঁর পিতা শেখ লুৎফর রহমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তাঁর অনুপ্রেরণাতেই তিনি আইন বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন। B) এ. কে. ফজলুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা ছিলেন, তবে বঙ্গবন্ধুর আইন বিভাগে ভর্তির নেপথ্যে তাঁর কোনো সরাসরি অনুপ্রেরণা ছিল না। C) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — তিনি বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক গুরু ও ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন, কিন্তু আইন বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে পিতার ভূমিকা প্রধান ছিল। D) মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী — তিনি একজন বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও কাগমারী সম্মেলনের আয়োজক ছিলেন, তবে আইন বিভাগে ভর্তির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: আইনে পড়াশোনার জন্য বাবা শেখ লুৎফর রহমান অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিলেন, তাই উত্তর হবে পিতা।
a দ্রৌপদী শর্মা
b দ্রৌপদী চাকমা
c দ্রৌপদী মার্মা
d দ্রৌপদী মুর্মু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দ্রৌপদী মুর্মু কেন সঠিক: - তিনি ভারতের পঞ্চদশ এবং প্রথম আদিবাসী নারী রাষ্ট্রপতি হিসেবে ২৫ জুলাই ২০২২ তারিখে শপথ গ্রহণ করেন। - এর পূর্বে তিনি ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্রৌপদী শর্মা - এই নামে ভারতের কোনো রাষ্ট্রপতি বা পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নেই, এটি একটি কাল্পনিক বা বিভ্রান্তিকর অপশন। B) দ্রৌপদী চাকমা - এটি ভুল নাম, কারণ তিনি চাকমা সম্প্রদায়ের নন বরং সাঁওতাল আদিবাসী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত। C) দ্রৌপদী মার্মা - পদবির বানান ভুলের কারণে এই অপশনটি সঠিক নয়, সঠিক পদবি হলো মুর্মু। D) দ্রৌপদী মুর্মু - এটি সঠিক অপশন এবং তিনি ভারতের বর্তমান রাষ্ট্রপতি। মনে রাখার টিপস: ভারতের প্রথম আদিবাসী নারী রাষ্ট্রপতি হলেন দ্রৌপদী মুর্মু, যার নামের শেষ অংশ 'মুর্মু' সাঁওতাল সম্প্রদায়কে নির্দেশ করে।
a রিন্গিত
b রুবল
c পেসো
d রিভনিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রিভনিয়া কেন সঠিক: - রিভনিয়া হলো পূর্ব ইউরোপের দেশ ইউক্রেনের সরকারি ও আনুষ্ঠানিক মুদ্রা। - ১৯৯৬ সাল থেকে ইউক্রেনে এই মুদ্রা চালু রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিন্গিত — এটি মালয়েশিয়ার প্রচলিত মুদ্রা, ইউক্রেনের মুদ্রা নয়। B) রুবল — এটি রাশিয়ার প্রচলিত মুদ্রা, যা ইউক্রেনের মুদ্রা হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। C) পেসো — এটি ফিলিপাইন, আর্জেন্টিনা ও চিলি সহ বেশ কয়েকটি লাতিন আমেরিকান দেশের মুদ্রা। D) রিভনিয়া — এটি ইউক্রেনের সঠিক ও বর্তমান মুদ্রা। মনে রাখার টিপস: ইউক্রেনের নাম শুনলেই মনে রাখবে তাদের রিভনিয়ার কথা।
a ১৭,৫৪,৮৮,৬১৬
b ১৬,৪১,৫৭,৬১৬
c ১৬,৫১,৫৮,৬১৬
d ১৭,৭৫,৬০,৬১৬
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক পরিচালিত ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশের মোট জনসংখ্যা। - এই শুমারি অনুসারে দেশের বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.২২ শতাংশ এবং ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ১১১৯ জন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭,৫৪,৮৮,৬১৬ — এটি একটি ভুল বা অবাস্তব সংখ্যা, যা কোনো অফিসিয়াল শুমারির ফলাফলের সাথে মিলে না। B) ১৬,৪১,৫৭,৬১৬ — এটি ২০২২ সালের শুমারির প্রাথমিক প্রতিবেদনে প্রকাশিত জনসংখ্যা ছিল, যা চূড়ান্ত প্রতিবেদনে পরিবর্তিত হয়েছে। D) ১৭,৭৫,৬০,৬১৬ — এটি বিবিএস এর প্রকাশিত জনসংখ্যা সংক্রান্ত কোনো প্রাক্কলন বা শুমারির চূড়ান্ত তথ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ষষ্ঠ শুমারির মোট জনসংখ্যা মনে রাখতে ১৬, ৫১ সংখ্যা জোড়াটি মনে রাখুন, যার শেষে ৫৮, ৬১৬ আছে।
a বাংলাদেশ
b ভিয়েতনাম
c কম্বোডিয়া
d ভারত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভারত কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংকের অভিবাসন ও উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী ভারত দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসী আয় অর্জনে বিশ্বে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। - বিশাল প্রবাসী জনশক্তি এবং উন্নত দেশগুলো থেকে নিয়মিত উচ্চ অংকের রেমিট্যান্স পাঠানোর কারণে ভারত এই অবস্থান ধরে রাখতে পেরেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ প্রবাসী আয়ে শীর্ষ দেশ নয়, বরং বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ রেমিট্যান্স গ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। B) ভিয়েতনাম — ভিয়েতনাম দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ এবং প্রবাসী আয়ে শীর্ষ দেশের তালিকায় এর অবস্থান অনেক পেছনে। C) কম্বোডিয়া — কম্বোডিয়ার অর্থনীতি প্রবাসী আয়ের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল হলেও এটি বিশ্বতালিকায় শীর্ষ অবস্থানে নেই। D) ভারত — এই অপশনটি সঠিক এবং বৈশ্বিক পরিসংখ্যানে ভারত প্রবাসী আয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। মনে রাখার টিপস: প্রবাসী আয়ে ভারত সবার সেরা, তাই মনে রাখতে হবে ভারত মানেই প্রথম।
a মৌলভীবাজার
b সিলেট
c হবিগঞ্জ
d পঞ্চগড়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মৌলভীবাজার কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট চা-বাগানের অর্ধেকের বেশি মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত। - শ্রীমঙ্গল উপজেলাকে চায়ের রাজধানী বলা হয় এবং এখানে সর্বোচ্চ সংখ্যক চা-বাগান রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৌলভীবাজার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এখানে সর্বাধিক সংখ্যক চা-বাগান ও চা-এস্টেট রয়েছে। B) সিলেট — এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চা-বাগান সমৃদ্ধ জেলা, তবে মৌলভীবাজারের চেয়ে এখানে সংখ্যা কম। C) হবিগঞ্জ — এই জেলায় বেশ কিছু চা-বাগান থাকলেও তা মৌলভীবাজারের তুলনায় কম। D) পঞ্চগড় — এটি উত্তরাঞ্চলের প্রধান চা উৎপাদনকারী এলাকা হলেও মোট বাগানের দিক থেকে মৌলভীবাজারের পরেই অবস্থান। মনে রাখার টিপস: মৌ মৌ গন্ধ চায়ের, তাই মৌলভীবাজারে চা-বাগান বেশি।
a ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭
b ১ ডিসেম্বর ১৯৯৬
c ৫ ডিসেম্বর ১৯৯৮
d ৩ ডিসেম্বর ১৯৯৭
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭ কেন সঠিক: - এই দিনে বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা পার্বত্য অঞ্চলের সংঘাতের অবসান ঘটাতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭ - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের তথ্যটি সত্য। B) ১ ডিসেম্বর ১৯৯৬ - এই তারিখে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি ভুল সাল ও তারিখ। C) ৫ ডিসেম্বর ১৯৯৮ - এই তারিখে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি ঘটনার সময়ের সঙ্গে মেলে না। D) ৩ ডিসেম্বর ১৯৯৭ - চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল দুই তারিখে, তিন তারিখে নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরের দুই তারিখে পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা মাস ও সালের শেষের জোড় সংখ্যার সাথে মিল রেখে মনে রাখা যায়।
a প্রধানমন্ত্রী
b জাতীয় সংসদের স্পিকার
c জাতীয় সংসদের হুইপ
d প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জাতীয় সংসদের স্পিকার কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ এর ৩ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। - রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতি বা অসুস্থতার কারণেও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে স্পিকার এই দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রধানমন্ত্রী — সরকার প্রধান হিসেবে নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, কিন্তু সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির শূন্য পদে তিনি দায়িত্ব পালন করেন না। B) জাতীয় সংসদের স্পিকার — সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে তিনিই দায়িত্ব পালনের জন্য নির্ধারিত। C) জাতীয় সংসদের হুইপ — সংসদের দলীয় শৃঙ্খলা ও কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের সাংবিধানিক এখতিয়ার তাদের নেই। D) প্রধান বিচারপতি — পূর্বে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি দায়িত্ব পালন করলেও বর্তমানে সংবিধান অনুযায়ী এই দায়িত্ব স্পিকারের ওপর ন্যস্ত। মনে রাখার টিপস: রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার দায়িত্ব নেন, কারণ তিনি রাষ্ট্রের তৃতীয় সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদাধিকারী ব্যক্তি।
a রাজশাহী
b রংপুর
c সিলেট
d ঢাকা
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) রংপুর কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী দেশের উত্তরাঞ্চলের রংপুর বিভাগে কর্মজীবী নারীর হার সবচেয়ে বেশি। - কৃষি কাজ, হাঁস-মুরগি পালন এবং গ্রামীণ কুটিরশিল্পে এই অঞ্চলের নারীদের অংশগ্রহণ তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজশাহী — এই বিভাগে নারী শ্রমিকের হার উল্লেখযোগ্য হলেও তা রংপুরের তুলনায় কিছুটা কম। B) রংপুর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি এড়ানো হলো। C) সিলেট — সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নানা কারণে এই বিভাগে নারী কর্মসংহারের হার তুলনামূলকভাবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে কম। D) ঢাকা — রাজধানী ও শিল্পাঞ্চল হওয়া সত্ত্বেও সামগ্রিক নারী কর্মজীবী জনসংখ্যার শতকরা হারে এটি রংপুরের পেছনে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: উত্তরাঞ্চলের শ্রমজীবী নারীদের কথা মনে রাখলেই রংপুর বিভাগকে সহজে চেনা যায়।
a ১ জুলাই ১৯২১
b ১ জানুয়ারি ১৯২১
c ১ জানুয়ারি ১৯২২
d ১ জুলাই ১৯২০
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ জুলাই ১৯২১ কেন সঠিক: - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম বা পাঠদান শুরু করে। - এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম দিন থেকেই তিনটি অনুষদ ও বারটি বিভাগের অধীনে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ জুলাই ১৯২১ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিন থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। B) ১ জানুয়ারি ১৯২১ — এটি ভুল তারিখ কারণ এই দিনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত বা শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়নি। C) ১ জানুয়ারি ১৯২২ — এটি ভুল কারণ এর প্রায় দেড় বছর আগে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। D) ১ জুলাই ১৯২০ — এটি ভুল কারণ এই সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আইন পাস হলেও কার্যক্রম শুরু হয়নি। মনে রাখার টিপস: ১৯২১ সালের ১ জুলাই থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শুরু হয়, সাল মনে রাখতে ২১ আর মাস মনে রাখতে বছরের ঠিক মাঝামাঝি জুলাই।
a ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন
b এমিলিন প্যান্কহার্স্ট
c উইলহেলমিনা ড্রুকার
d বেল হুক্স
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন কেন সঠিক: - ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন ২০২১ সালে সুইডেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - তিনি সুইডেনের সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির নেত্রী এবং দেশটির রাজনীতিতে অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি সুইডেনের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। B) এমিলিন প্যান্কহার্স্ট — তিনি যুক্তরাজ্যের নারী ভোটাধিকার আন্দোলনের একজন রাজনৈতিক কর্মী ও নেত্রী ছিলেন, সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী নন। C) উইলহেলমিনা ড্রুকার — তিনি নেদারল্যান্ডসের একজন বিশিষ্ট নারীবাদী নেত্রী ও সমাজকর্মী ছিলেন, সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী নন। D) বেল হুক্স — তিনি একজন আমেরিকান লেখক, নারীবাদী তাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক সমালোচক ছিলেন, সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী নন। মনে রাখার টিপস: সুইডেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হলেন ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন, যা নামের প্রথম অক্ষর এম দিয়ে মনে রাখতে পারেন।
a তরঙ্গ ধর্ম
b কণা ধর্ম
c তরঙ্গ ও কণা ধর্ম
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আলো, শব্দ ও তরঙ্গ এবং আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান সঠিক উত্তর: C) তরঙ্গ ও কণা ধর্ম ১. কেন সঠিক: - কম্পটন ক্রিয়ায় আলোর ফোটন কণা ইলেকট্রনের সাথে সংঘর্ষের পর শক্তি হারিয়ে তরঙ্গদৈর্ঘ্য বৃদ্ধি করে। - এখানে ফোটন কণার মতো ভরবেগ ও শক্তি বিনিময় ঘটে এবং তরঙ্গের মতো তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়, যা আলোর দ্বৈত সত্তা প্রকাশ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলোর দ্বৈত প্রকৃতি বা ওয়েভ পার্টিক্যাল ডুয়ালিটি হলো আলোর একই সাথে তরঙ্গ ও কণা উভয় ধর্ম প্রদর্শনের ক্ষমতা। - কার্যপ্রণালি: উচ্চ শক্তির এক্স-রে বা গামা ফোটন স্থির ইলেকট্রনের ওপর আপতিত হলে ফোটন কিছু শক্তি ইলেকট্রনকে প্রদান করে এবং নিজে ভিন্ন দিকে বিক্ষিপ্ত হয়। - ফলাফল: বিক্ষিপ্ত ফোটনের তরঙ্গদৈর্ঘ্য আপতিত ফোটনের চেয়ে বেশি হয় এবং ইলেকট্রন গতিশক্তি লাভ করে সরে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিলিয়ার্ড খেলায় একটি বল অন্য বলকে ধাক্কা দিয়ে শক্তি স্থানান্তর করার ঘটনা। ব্যাখ্যা: কম্পটন ক্রিয়ায় ফোটন ও ইলেকট্রনের সংঘর্ষ বিলিয়ার্ড বলের সংঘর্ষের মতো কাজ করে, যা কণা ধর্মের প্রমাণ। উদাহরণ ২: আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিবর্তন বা কম্পটন শিফট ঘটার ঘটনা। ব্যাখ্যা: তরঙ্গদৈর্ঘ্যের এই পরিবর্তন প্রমাণ করে যে আলো তরঙ্গের মতো নির্দিষ্ট কম্পাঙ্ক ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তরঙ্গ ধর্ম — শুধু তরঙ্গ ধরলে কম্পটন ক্রিয়ায় শক্তির সাথে তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিবর্তনের এই নিখুঁত হিসাব মেলানো যায় না। B) কণা ধর্ম — শুধু কণা ধরলে ফোটনের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বৃদ্ধির বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয় না। C) তরঙ্গ ও কণা ধর্ম — এটি সঠিক কারণ কম্পটন ক্রিয়া আলো ও এক্স-রের কণা ও তরঙ্গ উভয় ধর্মেরই সফল উপস্থিতি প্রমাণ করে। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কম্পটন ক্রিয়ায় কণা ও তরঙ্গ উভয়ই থাকে। - কম্পটন শব্দটি দেখলে কণা ও তরঙ্গ দুটোই মাথায় আনবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আর্থার কম্পটন এই আবিষ্কারের জন্য ১৯২৭ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান। - আলোক তড়িৎ ক্রিয়া এবং কম্পটন ক্রিয়া উভয়ই আলোর কণা ধর্ম বা ফোটন তত্ত্বের সফল প্রমাণ।
a ডায়োড
b জেনারেটর
c ট্রানজিস্টর
d এমপ্লিফায়ার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডায়োড ১. কেন সঠিক: - ডায়োড একটি অর্ধপরিবাহী ডিভাইস যা বিদ্যুৎ প্রবাহকে কেবল এক দিক দিয়ে চলতে দেয় এবং অন্য দিকটি ব্লক করে। - এই একমুখী বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি পরিবর্তী প্রবাহ বা এসি কে সমপ্রবাহ বা ডিসি তে রূপান্তর করতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রেকর্ডিফিকেশন বা একমুখী করার প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে এসি বিদ্যুৎ ডিসি বিদ্যুতে রূপান্তরিত হয়। - কার্যপ্রণালি: এসি প্রবাহের দিক নির্দিষ্ট সময় পরপর পরিবর্তিত হয় কিন্তু ডায়োড কেবল ধনাত্মক অর্ধচক্রকে যেতে দিয়ে ঋণাত্মক অংশকে কেটে দেয়। - বাস্তব প্রয়োগ: মোবাইল ফোন চার্জার এবং ল্যাপটপের অ্যাডাপ্টার যা ঘরের এসি কারেন্টকে ডিসি কারেন্টে রূপান্তর করে ডিভাইস চালায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোবাইল চার্জার ব্যাখ্যা: চার্জারের ভেতরে থাকা ডায়োড দেওয়ালের সকেটের এসি কারেন্টকে ডিসি কারেন্টে বদলে মোবাইলের ব্যাটারিতে শক্তি জোগায়। উদাহরণ ২: ডায়োড ব্রিজ রেক্টিফায়ার ব্যাখ্যা: চারটি ডায়োড একসাথে যুক্ত করে এসি প্রবাহের উভয় চক্রকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডায়োড — এটি এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করতে ব্যবহৃত হয়। B) জেনারেটর — এটি যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। C) ট্রানজিস্টর — এটি বৈদ্যুতিক সংকেত বা কারেন্ট বৃদ্ধিতে এবং সুইচ হিসেবে কাজ করে। D) এমপ্লিফায়ার — এটি দুর্বল বৈদ্যুতিক সংকেতকে সবল বা বিবর্ধিত করতে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে এসি থেকে ডিসি করার প্রক্রিয়াকে রেকটিফিকেশন বলে এবং এই কাজটি করে ডায়োড। - ইংরেজি আক্ষরিক মিল মনে রাখতে পারো ডায়োড ডিভাইসটি দিক ঠিক রাখে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্ধপরিবাহী ডিভাইস হিসেবে ডায়োডের কাজ প্রায়ই আসে। - ডায়োডের কাজ হলো রেকটিফিকেশন করা এবং ট্রানজিস্টরের কাজ হলো এমপ্লিফিকেশন করা।
a Zn
b Cr
c Fe
d Ca
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Cr ১. কেন সঠিক: ক্রোমিয়াম মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস করার সময় সাধারণ আউফবাউ নীতি অনুসারে থ্রিডি অরবিটালের চেয়ে ফোরএস অরবিটালে ইলেকট্রন আগে প্রবেশ করে। কিন্তু অরবিটালের অর্ধপূর্ণ বা সম্পূর্ণ পূর্ণ অবস্থার বিশেষ স্থিতিশীলতার কারণে ফোরএস অরবিটাল থেকে একটি ইলেকট্রন থ্রিডি অরবিটালে স্থানান্তরিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসে হুন্ডের নিয়ম এবং পাউলির বর্জন নীতি ছাড়াও আউফবাউ নীতি মেনে চলা হয়। কার্যপ্রণালি: ক্রোমিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা চব্বিশ, তাই এর সাধারণ বিন্যাস হওয়ার কথা ছিল ফোরএস টু থ্রিডি ফোর। কারণ ও ফলাফল: থ্রিডি অরবিটাল পাঁচটি উপস্তরে বিভক্ত থাকায় চারটি ইলেকট্রন থাকার চেয়ে পাঁচটি ইলেকট্রন থাকা অধিক স্থিতিশীল শক্তিস্তর প্রদান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কপার মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস। ব্যাখ্যা: কপারের পারমাণবিক সংখ্যা উনত্রিশ এবং এর ইলেকট্রন বিন্যাসেও ফোরএস থেকে একটি ইলেকট্রন থ্রিডি অরবিটালে গিয়ে থ্রিডি দশ পূর্ণ করে স্থিতিশীলতা অর্জন করে। উদাহরণ ২: চুম্বকের সমধর্মী মেরুর পারস্পরিক বিকর্ষণ। ব্যাখ্যা: পরমাণুর সমধর্মী ইলেকট্রনগুলোর মধ্যে বিকর্ষণ কমানোর জন্য সুষম বা অর্ধপূর্ণ অরবিটালের বিন্যাস বেশি কার্যকর হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Zn — জিংকের পারমাণবিক সংখ্যা ত্রিশ এবং এর ইলেকট্রন বিন্যাস সাধারণ নিয়ম মেনে ফোরএস টু থ্রিডি দশ বিন্যাস লাভ করে। B) Cr — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম দেখিয়ে ফোরএস ওয়ান থ্রিডি ফাইভ বিন্যাস প্রদর্শন করে। C) Fe — লোহার পারমাণবিক সংখ্যা ছাব্বিশ এবং এটি আউফবাউ নীতি অনুসারে ফোরএস টু থ্রিডি ছয় বিন্যাস অনুসরণ করে। D) Ca — ক্যালসিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা বিশ এবং এর ইলেকট্রন বিন্যাস ফোরএস টু পর্যন্ত স্বাভাবিক নিয়মেই সম্পন্ন হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: অবস্থান্তর মৌলগুলোর মধ্যে ক্রোমিয়াম এবং কপার হলো ব্যতিক্রমী যাদের শেষ কক্ষপথের ইলেকট্রন সংখ্যা আউফবাউ নীতি পুরোপুরি মানে না। এদের অর্ধপূর্ণ ও পূর্ণ অবস্থা অর্জনের প্রবণতাই এই ব্যাতিক্রমের মূল চাবিকাঠি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্রোমিয়াম এবং কপারের ব্যতিক্রমী ইলেকট্রন বিন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মৌল দুটির পারমাণবিক সংখ্যা চব্বিশ ও উনত্রিশ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a সোডিয়াম ক্লোরাইড
b সালফার ডাইঅক্সাইড
c সোডিয়াম নাইট্রেট
d ফরমালিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সোডিয়াম ক্লোরাইড ১. কেন সঠিক: সোডিয়াম ক্লোরাইড বা সাধারণ লবণ হলো একটি প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষক, যা যুগ যুগ ধরে খাবার সংরক্ষণে ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি খাদ্যে উপস্থিত অণুজীবের কোষে অভিসরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পানি শোষণ করে নেয়, ফলে ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক বাঁচতে পারে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অভিসরণ প্রক্রিয়ায় উচ্চ ঘনত্বের দ্রবণের টানে কম ঘনত্বের কোষ থেকে পানি বেরিয়ে আসে। কার্যপ্রণালি: লবণের সংস্পর্শে আসার পর অণুজীবের কোষের ভেতরের জলীয় অংশ বাইরে চলে আসে, যা কোষের বিপাকীয় ক্রিয়াকলাপ বন্ধ করে দেয়। বাস্তব প্রয়োগ: মাছ, মাংস কিংবা কাঁচা আম আচার তৈরির সময় লবণ মাখিয়ে দীর্ঘদিন পচন থেকে রক্ষা করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঁচা আম বা জলপাই লবণের মধ্যে ডুবিয়ে রাখলে তা দীর্ঘদিন ভালো থাকে। ব্যাখ্যা: লবণের প্রভাবে আমের ভেତরের জলীয় অংশ বের হয়ে আসে এবং পচনকারী ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে না। উদাহরণ ২: সামুদ্রিক মাছ সংরক্ষণে লবণের ব্যবহার। ব্যাখ্যা: লবণ মাছের কোষের আর্দ্রতা কমিয়ে অণুজীবের আক্রমণ প্রতিহত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোডিয়াম ক্লোরাইড — এটি প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্ত লবণ এবং প্রাচীনকাল থেকেই নিরাপদ খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। B) সালফার ডাইঅক্সাইড — এটি একটি কৃত্রিম রাসায়নিক সংরক্ষণকারী গ্যাস, যা সাধারণত ওয়াইন বা ফল সংরক্ষণে ব্যবহার করা হয়। C) সোডিয়াম নাইট্রেট — এটি একটি কৃত্রিম রাসায়নিক লবন যা প্রক্রিয়াজাত মাংসের রং ও সংরক্ষণ ঠিক রাখতে ব্যবহৃত হয়। D) ফরমালিন — এটি মিথান্যাল জলীয় দ্রবণ যা অত্যন্ত বিষাক্ত এবং আইনত খাদ্য সংরক্ষণে নিষিদ্ধ একটি কৃত্রিম রাসায়নিক পদার্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: খাবার সংরক্ষণে আমরা রান্নার যে সাধারণ লবণ ব্যবহার করি তা হলো সোডিয়াম ক্লোরাইড, যা প্রাকৃতিকভাবে সমুদ্রের পানি থেকে সংগৃহীত হয়। ফরমালিন বা সালফার ডাইঅক্সাইড কৃত্রিমভাবে ল্যাবরেটরিতে বা শিল্প কারখানায় তৈরি করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: খাদ্য সংরক্ষণে ক্ষতিকর রাসায়নিকের বদলে প্রাকৃতিক লবণ ব্যবহারের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি হলো অভিসরণ চাপ সৃষ্টি করা। একই ধারণা থেকে বিসিএস পরীক্ষায় অভিসরণ প্রক্রিয়া বা অসমোসিস সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a Na₂CO₃
b NaOH
c NH₄OH
d (NH₄)₂CO₃
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) NaOH ১. কেন সঠিক: টয়লেট ক্লিনারের মূল উপাদান সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড। এটি একটি অত্যন্ত তীব্র ক্ষার যা প্যান, কমোড বা সিঙ্কের পাইপে জমে থাকা চর্বি, চুল এবং জৈব আবর্জনা দ্রবীভূত করতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড একটি শক্তিশালী ক্ষার যা সাবানীকরণ বিক্রিয়ার মাধ্যমে তেল ও চর্বিকে দ্রবণীয় পদার্থে রূপান্তর করে। কার্যপ্রণালি: এটি নর্দমার ব্লকেজে থাকা প্রোটিন ও ফ্যাট ভেঙে ফেলে এবং খুব সহজে পানি দিয়ে পরিষ্কার করা সম্ভব করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রান্নাঘরের বেসিনে জমে থাকা তেলের আস্তরণ পরিষ্কার করতে তরল ক্লিনার ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি চর্বির সাথে বিক্রিয়া করে সাবান তৈরি করে যা পানির সাথে ধুয়ে যায়। উদাহরণ ২: টয়লেটের কঠিন দাগ ও পাইপের ময়লা দূর করা। ব্যাখ্যা: তীব্র ক্ষারীয় বৈশিষ্ট্য জৈব পদার্থকে গলিয়ে ফেলতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Na2CO3 — এটি সোডিয়াম কার্বনেট বা ওয়াশিং সোডা, যা মৃদু ক্ষারক এবং কাপড় কাটার সোডা হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তীব্র টয়লেট ক্লিনারে মূল উপাদান হিসেবে থাকে না। B) NaOH — এটি সঠিক উত্তর সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড, যা অত্যন্ত শক্তিশালী ক্ষার এবং ক্লিনারের মূল উপাদান। C) NH4OH — এটি অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড, যা কাচ পরিষ্কারক ও ল্যাবরেটরিতে ব্যবহৃত হয়, ভারী টয়লেট ক্লিনারে ব্যবহৃত হয় না। D) (NH4)2CO3 — এটি অ্যামোনিয়াম কার্বনেট, যা বেকিং পাউডার এবং সুগন্ধি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, টয়লেট ক্লিনারের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: টয়লেট পরিষ্কার করার জন্য শক্ত ও তীব্র ক্ষার লাগে, যার রাসায়নিক সংকেত সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা কষ্টিক সোডা। কষ্টিক সোডার তীব্রতা নর্দমার জমে থাকা ময়লা নিমেষেই দূর করতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রাসায়নিক যৌগের সাধারণ নাম ও বাণিজ্যিক নাম প্রায়ই আসে। সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডের বাণিজ্যিক নাম কষ্টিক সোডা এবং সোডিয়াম কার্বনেটের নাম ওয়াশিং সোডা।
a পানি
b ক্লোরোফর্ম
c বেঞ্জিন
d অ্যাসিটোন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পানি ১. কেন সঠিক: - লিপিড হলো অপোলার বা হাইড্রোফোবিক জৈব যৌগ, যা পানিতে দ্রবীভূত হয় না। - পানির অণু পোলার প্রকৃতির হওয়ায় এটি অপোলার লিপিড অণুকে আকর্ষণ করতে পারে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সমধর্মী পদার্থ সমধর্মী দ্রাবকে দ্রবীভূত হয়, যা রসায়নের একটি মৌলিক নীতি। - কারণ ও ফলাফল: পানি একটি পোলার দ্রাবক এবং লিপিড অপোলার হওয়ায় এদের মধ্যে আকর্ষণ বল কাজ করে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জলে তেল মিশে না যাওয়া ব্যাখ্যা: রান্নার তেল বা লিপিড পানিতে দিলে তা আলাদা স্তর হিসেবে ভেসে থাকে কারণ তেল পানিতে দ্রবীভূত হয় না। উদাহরণ ২: মোমের ওপর পানির ফোঁটা ব্যাখ্যা: পাতার কিউটিন বা মোমের ওপর পানি দিলে তা ড্রপ আকারে গড়িয়ে পড়ে, যা লিপিডের জলবিদ্বেষী স্বভাব প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পানি — পানি একটি পোলার দ্রাবক হওয়ায় এতে অপোলার লিপিড দ্রবীভূত হয় না এবং এটিই সঠিক উত্তর। B) ক্লোরোফর্ম — ক্লোরোফর্ম একটি অপোলার জৈব দ্রাবক, তাই এতে লিপিড খুব সহজেই দ্রবীভূত হয়। C) বেঞ্জিন — বেঞ্জিন একটি অপোলার জৈব দ্রাবক, যা লিপিড দ্রবীভূত করার জন্য অত্যন্ত উপযোগী। D) অ্যাসিটোন — অ্যাসিটোন জৈব দ্রাবক হিসেবে কাজ করে এবং নির্দিষ্ট ধরণের লিপিড দ্রবীভূত করতে সক্ষম। ৫ মনে রাখার টিপস: - তেল আর জল যেমন মেশে না, তেমনি লিপিডও পানিতে দ্রবীভূত হয় না। - পোলার দ্রাবকে পোলার এবং অপোলার দ্রাবকে অপোলার পদার্থ দ্রবীভূত হয়, এই নিয়মটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্রাবক ও দ্রূতের প্রকৃতি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - জৈব দ্রাবক হিসেবে ক্লোরোফর্ম, বেঞ্জিন ও ইথারের কাজ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক।
a He
b He²⁺
c He₂
d He⁻
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He ১. কেন সঠিক: হিলিয়াম একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস এবং এর পরমাণুগুলো একা থাকতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। অন্য কোনো পরমাণুর সঙ্গে রাসায়নিক বন্ধন তৈরি না করে এটি মুক্ত পরমাণু হিসেবে স্বাধীনভাবে অবস্থান করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: হিলিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা দুই এবং এর বহিঃস্থ শক্তিস্তরে দুটি ইলেকট্রন থাকে। কার্যপ্রণালি: এর কক্ষপথ সম্পূর্ণ পূর্ণ থাকায় এটি রাসায়নিকভাবে অত্যন্ত স্থিতিশীল ও নিষ্ক্রিয় হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেলুনে ব্যবহৃত হিলিয়াম গ্যাস। ব্যাখ্যা: হিলিয়াম হালকা ও নিষ্ক্রিয় হওয়ায় এটি বেলুন ও এয়ারশিপে নিরাপদে ব্যবহার করা যায়। উদাহরণ ২: ডাইভিং সিলিন্ডারে অক্সিজেনের সঙ্গে মিশ্রণ। ব্যাখ্যা: গভীর সমুদ্রে ডুবুরিরা অক্সিজেনের সঙ্গে নিষ্ক্রিয় হিলিয়াম গ্যাস মিশিয়ে শ্বাস নেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) He — এটি হিলিয়ামের সঠিক রাসায়নিক প্রতীক ও এক পরমাণুক অণুর রূপ নির্দেশ করে। B) He²⁺ — এটি হিলিয়ামের দ্বিজোজী ধনাত্মক আয়ন বা আলফা কণা, যা নিরপেক্ষ অণু নয়। C) He₂ — হিলিয়াম নিষ্ক্রিয় হওয়ায় ডাইঅ্যাটমিক বা দ্বিপরমাণুক অণু গঠন করে না। D) He⁻ — হিলিয়াম পরমাণু ইলেকট্রন গ্রহণ করতে পছন্দ করে না, তাই এটি ভুল ঋণাত্মক আয়ন। ৫ মনে রাখার টিপস: নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলো প্রকৃতিতে সবসময় একক পরমাণু হিসেবে মুক্তভাবে অবস্থান করে। তাই হিলিয়াম লেখার সময় এর সঙ্গে কোনো সংখ্যা বা আধান যুক্ত হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: হিলিয়াম একটি পর্যায় সারণির আঠারো নম্বর গ্রুপের নিষ্ক্রিয় গ্যাস। বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেন ও অক্সিজেনের পর সবচেয়ে হালকা গ্যাস হলো হিলিয়াম।
a লাল
b বেগুনী
c নীল
d সবুজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বেগুনী ১. কেন সঠিক: - দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীতে বেগুনী আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং প্রতিসরাঙ্ক সবচেয়ে বেশি। - তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হওয়ার কারণে মাধ্যম পরিবর্তনের সময় বেগুনী আলো বেশি বাঁক নেয়, যা প্রতিসরাঙ্কের মান বৃদ্ধি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলোর প্রতিসরাঙ্ক হলো শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগের সঙ্গে কোনো মাধ্যমে আলোর বেগের অনুপাত, যা আলোর রঙের ওপর নির্ভর করে। - তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সম্পর্ক: আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সঙ্গে প্রতিসরাঙ্কের ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক রয়েছে অর্থাৎ তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমলে প্রতিসরাঙ্ক বাড়ে। - কূচির বিচ্ছুরণ: প্রিজমের মধ্য দিয়ে সাদা আলো যাওয়ার সময় তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম থাকায় বেগুনী আলো বেশি বিচ্যুত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রিজমের মধ্য দিয়ে সাদা আলোর বিচ্ছুরণ। ব্যাখ্যা: প্রিজমে প্রবেশ করার পর লাল আলো সবচেয়ে কম বাঁকে এবং বেগুনী আলো সবচেয়ে বেশি বাঁকে, যা বেশি প্রতিসরাঙ্কের প্রমাণ দেয়। উদাহরণ ২: রামধনু সৃষ্টি। ব্যাখ্যা: বৃষ্টির ফোঁটায় আলো প্রতিসরণ ও অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলনের সময় বেগুনী আলোর বেশি বিচ্যুতির কারণে রামধনুর ভেতরের দিকে বেগুনী রঙ দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাল — লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি হওয়ায় এর প্রতিসরাঙ্ক সবচেয়ে কম। B) বেগুনী — এটি সঠিক উত্তর কারণ দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীতে এর প্রতিসরাঙ্ক সর্বোচ্চ। C) নীল — নীলের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেগুনী অপেক্ষা বেশি এবং লাল অপেক্ষা কম, তাই এর প্রতিসরাঙ্ক বেগুনীর চেয়ে কম। D) সবুজ — সবুজের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বর্ণালীর মাঝামাঝি হওয়ায় এর প্রতিসরাঙ্ক বেগুনী আলোর চেয়ে কম। ৫ মনে রাখার টিপস: - বেনীআসহকাল ছক অনুযায়ী নিচের দিকে অর্থাৎ বেগুনীর দিকে তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমে এবং প্রতিসরাঙ্ক বাড়ে। - তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম যার, প্রতিসরাঙ্ক বেশি তার—এই নীতি মনে রাখলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আলোর বিচ্ছুরণ ও প্রতিসরাঙ্ক সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন হতে পারে কোন আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বা কোন আলো প্রিজমে সবচেয়ে কম বাঁকে।
a রেডিও
b রাডার
c গোয়েন্দা কাজে
d ক্যান্সার নির্ণয়ে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাডার ১. কেন সঠিক: মাইক্রোওয়েভ হলো এক প্রকার তড়িচ্চুম্বকীয় তরঙ্গ যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য রেডিও তরঙ্গের চেয়ে ছোট কিন্তু অবলোহিত রশ্মির চেয়ে বড়। এই তরঙ্গ কঠিন বস্তু ভেদ করে প্রতিফলিত হতে পারায় চলমান বস্তুর দূরত্ব, বেগ এবং দিক নির্ণয়ের জন্য রাডার ব্যবস্থায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মাইক্রোওয়েভ হলো উচ্চ কম্পাঙ্কের তড়িচ্চুম্বকীয় তরঙ্গ যা অ্যান্টেনারে সংকেত প্রেরণ ও প্রতিফলিত তরঙ্গের মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তুর অবস্থান শনাক্ত করে। কার্যপ্রণালি: রাডার ট্রান্সমিটার থেকে মাইক্রোওয়েভ নির্গত হয়ে কোনো বস্তুতে ধাক্কা খেয়ে আবার রিসিভারে ফিরে আসে এবং এর যাতায়াতের সময় হিসাব করে দূরত্ব মাপা হয়। বাস্তব প্রয়োগ: বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ এবং সামুদ্রিক নেভিগেশনে রাডার ও মাইক্রোওয়েভ প্রযুক্তি অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আবহাওয়া রাডার ব্যাখ্যা: এটি মেঘ ও বৃষ্টির কণা থেকে মাইক্রোওয়েভ প্রতিফলিত করে ঝড়ের গতিপ্রকৃতি এবং বৃষ্টিপাতের পরিমাণ নির্ভুলভাবে নির্ধারণ করে। উদাহরণ ২: এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল রাডার ব্যাখ্যা: এটি আকাশে চলাচলকারী বিমানের অবস্থান এবং গতিবেগ ট্র্যাক করতে মাইক্রোওয়েভ সংকেত ব্যবহার করে নিরাপদ বিমান চলাচল নিশ্চিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রেডিও — রেডিও তরঙ্গের নিজস্ব সম্প্রচার ব্যবস্থা আছে এবং এটি মাইক্রোওয়েভ থেকে ভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের মাধ্যমে কাজ করে। B) রাডার — সঠিক উত্তর কারণ এটি মাইক্রোওয়েভ প্রযুক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুল ব্যবহৃত প্রয়োগক্ষেত্র। C) গোয়েন্দা কাজে — গোয়েন্দা কার্যক্রম নানা প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল হলেও নির্দিষ্টভাবে মাইক্রোওয়েভ এর একমাত্র বা প্রধান ক্ষেত্র নয়। D) ক্যান্সার নির্ণয়ে — ক্যান্সার নির্ণয়ের জন্য প্রধানত এক্স-রে, এমআরআই, সিটি স্ক্যান বা বায়োপসি ব্যবহার করা হয়, মাইক্রোওয়েভ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: এম দিয়ে মাইক্রোওয়েভ এবং আর দিয়ে রাডার মনে রাখতে পারো, যেখানে দুটি শব্দই যোগাযোগ ও দূরপাল্লার শনাক্তকরণ প্রযুক্তির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। তড়িচ্চুম্বকীয় তরঙ্গের বর্ণালীতে মাইক্রোওয়েভের নির্দিষ্ট অবস্থান এবং ব্যবহার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য বারবার মনে রাখা দরকার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মাইক্রোওয়েভ ওভেনে খাবার গরম করার কাজেও মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গ ব্যবহার করা হয় যা পানির অণুকে কম্পিত করে তাপ উৎপন্ন করে। বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তড়িচ্চুম্বকীয় তরঙ্গের ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই বিভিন্ন তরঙ্গের প্রয়োগগুলো আলাদা করে পড়তে হবে।
a আমাশয়
b ইনফ্লুয়েঞ্জা
c ডেঙ্গু
d কলেরা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইনফ্লুয়েঞ্জা ১. কেন সঠিক: ইনফ্লুয়েঞ্জা একটি বায়ুুবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ যা আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি, কাশি বা কথা বলার সময় বাতাসে ছড়িয়ে পড়া ক্ষুদ্র জলকণার মাধ্যমে অন্য সুস্থ মানুষের দেহে প্রবেশ করে। এই রোগটি মূলত শ্বাসনালিকে আক্রমণ করে এবং খুব দ্রুত এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে সংক্রমিত হতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বায়ুবাহিত সংক্রমণ বলতে সেই রোগগুলোকে বোঝায় যা বাতাসে ভেসে থাকা অণুজীব বা ড্রপলেটের মাধ্যমে ছড়ায়। কার্যপ্রণালি: রোগী হাঁচি বা কাশি দিলে লক্ষ লক্ষ ভাইরাস বায়ুমণ্ডলে মিশে যায় এবং সুস্থ মানুষ তা শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণ করলে আক্রান্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতকালে ঠান্ডা বাতাসে ইনফ্লুয়েঞ্জা বা সাধারণ সর্দি-কাশির দ্রুত বিস্তার ঘটে। ব্যাখ্যা: কম তাপমাত্রায় ভাইরাস দীর্ঘ সময় বাতাসে বেঁচে থাকে এবং মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কিছুটা কমে যায়। উদাহরণ ২: জনাকীর্ণ বা আবদ্ধ ঘরে একজন ফ্লু আক্রান্ত ব্যক্তি থাকলে আশপাশের সবাই দ্রুত আক্রান্ত হয়। ব্যাখ্যা: বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা ভালো না থাকলে বাতাসে ভাইরাসের ঘনত্ব বেড়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমাশয় — এটি একটি অন্ত্রের রোগ যা সাধারণত দূষিত পানি বা খাদ্যের মাধ্যমে ছড়ায়, বায়ুর মাধ্যমে নয়। B) ইনফ্লুয়েঞ্জা — এটি সঠিক উত্তর এবং বায়ুর মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। C) ডেঙ্গু — এটি এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়, যা এক ধরনের ভেক্টর-বোর্ন রোগ। D) কলেরা — এটি পানি ও খাদ্যের মাধ্যমে ছড়ানো একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। ৫ মনে রাখার টিপস: বায়ুর মাধ্যমে ছড়ায় এমন প্রধান রোগগুলো মনে রাখার জন্য ইনফ্লুয়েঞ্জা, যক্ষ্মা এবং হাম এর নাম একসাথে মনে রাখতে পারো। এগুলো শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বায়ুবাহিত ও পানিবাহিত রোগের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। ইনফ্লুয়েঞ্জা, সর্দি এবং যক্ষ্মা হলো বায়ুবাহিত রোগ, অন্যদিকে কলেরা ও টাইফয়েড হলো পানিবাহিত রোগ।
a প্রতিসরণ
b বিচ্ছুরণ
c অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
d অপবর্তন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ১. কেন সঠিক: - অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে, যার মাধ্যমে আলোক সংকেত কোনো অপচয় বা লস ছাড়াই অত্যন্ত দ্রুত এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হয়। - আলোর এই বিশেষ গুণের কারণে ফাইবার অপটিক ক্যাবলের মধ্য দিয়ে ডাটা বা ইন্টারনেট সিগন্যাল শত শত মাইল দূরে নির্ভুলভাবে পাঠানো সম্ভব হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলোক যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে প্রবেশ করার সময় আপতন কোণ সংকট কোণ অপেক্ষা বড় হয়, তখন আলো প্রতিসরিত না হয়ে সম্পূর্ণভাবে প্রতিফলিত হয়ে আবার ঘন মাধ্যমে ফিরে আসে। একে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে। - কার্যপ্রণালি: অপটিক্যাল ফাইবারের ভেতরের অংশকে কোর এবং বাইরের ঢাকনাকে ক্ল্যাডিং বলা হয়, যেখানে কোরের প্রতিসরাঙ্ক ক্ল্যাডিংয়ের প্রতিসরাঙ্ক অপেক্ষা বেশি থাকে। - বাস্তব প্রয়োগ: আধুনিক উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ, টেলিযোগাযোগ এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানে এন্ডোস্কোপির মাধ্যমে শরীরের ভেতরটা দেখতে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মরুভূমির মরিচিকা ব্যাখ্যা: গরমের দিনে রাস্তার পিচ্ছিল ভাব বা মরুভূমির মরিচিকা পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের একটি প্রাকৃতিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: হীরকের উজ্জ্বলতা ব্যাখ্যা: হীরা কাটার সময় এর কোণ এমনভাবে রাখা হয় যাতে আলো প্রবেশ করার পর বারবার পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলিত হয়ে মুক্তার মতো চকচক করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিসরণ — আলোর প্রতিসরণ হলো আলোকরশ্মি এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় দিক পরিবর্তন করার ঘটনা, যা অপটিক্যাল ফাইবারের মূল কাজের নীতি নয়। B) বিচ্ছুরণ — আলোর বিচ্ছুরণ হলো প্রিজমের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় সাদা আলোর সাতটি রঙে বিভক্ত হয়ে যাওয়ার ঘটনা, যা অপটিক্যাল ফাইবারের মূল চালিকাশক্তি নয়। C) অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — এটিই সঠিক উত্তর কারণ অপটিক্যাল ফাইবারে আলো এই নীতির মাধ্যমেই অটুট থেকে সামনে এগিয়ে চলে। D) অপবর্তন — আলোর অপবর্তন হলো কোনো তীক্ষ্ণ প্রান্তর বা জালের পাশ দিয়ে আলোর বেঁকে যাওয়ার ঘটনা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অপটিক্যাল ফাইবার মানেই টোটাল ইন্টারনাল রিফ্লেকশন বা পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন। - ফাইবার বা তারের ভেতর আলো আটকে রেখে সামনে পাঠানোর একমাত্র জাদুকরী কৌশল হলো এই অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অপটিক্যাল ফাইবারের মূল উপাদান হলো কাঁচ বা প্লাস্টিক এবং এর ভেতরের কোরের প্রতিসরাঙ্ক বেশি থাকে। - এই ধরনের প্রশ্ন থেকে প্রায়ই পরীক্ষায় আসে যে অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর কোন ঘটনাটি কাজ করে বা এন্ডোস্কোপিতে কী ব্যবহৃত হয়।
a গ্রুপ A
b গ্রুপ B
c গ্রুপ AB
d গ্রুপ O
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গ্রুপ O ১. কেন সঠিক: মানবদেহের লোহিত রক্তকণিকায় A এবং B অ্যান্টিজেন অনুপস্থিত থাকার কারণে এই রক্তের গ্রুপকে O গ্রুপ বলা হয়। রক্তের গ্রুপ মূলত লোহিত রক্তকণিকার ঝিল্লিতে উপস্থিত অ্যান্টিজেনের ওপর নির্ভর করে গঠিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: রক্তের এবিও পদ্ধতি অনুযায়ী লোহিত রক্তকণিকায় অ্যান্টিজেন এবং রক্তরসে অ্যান্টিবডি থাকে। কার্যপ্রণালি: গ্রুপ O লোহিত রক্তকণিকায় কোনো অ্যান্টিজেন না থাকায় এটি অন্য গ্রুপের রক্তে অ্যান্টিজেনজনিত বিক্রিয়া তৈরি করে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: O নেগেটিভ রক্তের অধিকারীকে সর্বজনীন দাতা বলা হয় কারণ এর লোহিত রক্তকণিকায় A, B বা Rh কোনো অ্যান্টিজেন থাকে না। ব্যাখ্যা: এই কারণে যেকোনো গ্রুপের রোগীর শরীরে এই রক্ত প্রদান করা নিরাপদ। উদাহরণ ২: জরুরি মুহূর্তে দুর্ঘটনাগ্রস্ত রোগীকে O গ্রুপের রক্ত দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: এটি গ্রহীতার রক্তে থাকা অ্যান্টিবডির সঙ্গে রক্তকণিকাকে সংঘর্ষে লিপ্ত হতে দেয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রুপ A — এই অপশন ভুল কারণ এই গ্রুপের লোহিত রক্তকণিকায় A অ্যান্টিজেন উপস্থিত থাকে। B) গ্রুপ B — এই অপশন ভুল কারণ এই গ্রুপের লোহিত রক্তকণিকায় B অ্যান্টিজেন উপস্থিত থাকে। C) গ্রুপ AB — এই অপশন ভুল কারণ এই গ্রুপের লোহিত রক্তকণিকা একই সঙ্গে A এবং B উভয় অ্যান্টিজেন বহন করে। D) গ্রুপ O — এই অপশন সঠিক কারণ এই গ্রুপের লোহিত রক্তকণিকায় A বা B কোনো অ্যান্টিজেনই থাকে না। ৫. মনে রাখার টিপস: O মানে শূন্য বা নাই, অর্থাৎ যার রক্তে কোনো অ্যান্টিজেন নাই সেই হলো O গ্রুপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তের গ্রুপ আবিষ্কার করেন কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার ১৯০১ সালে। কোন রক্তের গ্রুপকে সর্বজনীন দাতা বলা হয় এবং কেন, এই প্রশ্নটি প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় আসে।
a 0.9 % NaCl
b 0.5 % NaCl
c 0.75 % NaCl
d 0.3 % NaCl
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৯ % NaCl ১. কেন সঠিক: - নরমালাইনাতে ০.৯ শতাংশ সোডিয়াম ক্লোরাইড বা সাধারণ লবণ থাকে। - এটি মানবদেহের রক্তের প্লাজমার সঙ্গে আইসোটোনিক বা সমঅভিস্রবণিক প্রকৃতির। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আইসোটোনিক দ্রবণ এমন একটি তরল যার অভিস্রবণ চাপ মানবদেহের রক্তরসের অভিস্রবণ চাপের সমান। - কার্যপ্রণালি: এই দ্রবণটি রক্তনালীতে প্রবেশ করলে লোহিত রক্তকণিকার ভেতর ও বাইরের তরলের ভারসাম্য বজায় থাকে। - কারণ ও ফলাফল: লবণের ঘনত্ব সঠিক থাকায় রক্তকণিকা ফেটে যায় না বা সংকুচিত হয় না। - বাস্তব প্রয়োগ: ডিহাইড্রেশন বা শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি ও লবণ বেরিয়ে গেলে চিকিৎসায় এটি স্যালাইন হিসেবে দেওয়া হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রক্তে অতিরিক্ত পানি কমে গেলে রোগীকে স্যালাইন দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: এটি রক্তের আয়তন দ্রুত বৃদ্ধি করে এবং রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: চোখের কন্টাক্ট লেন্স পরিষ্কার করার তরল। ব্যাখ্যা: চোখের সংবেদনশীল কোষে জ্বালাপোড়া এড়াতে এই লবণের সঠিক ঘনত্বের দ্রবণ ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.৯ % NaCl — এটি রক্তের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ সঠিক মাত্রা। B) ০.৫ % NaCl — এটি হাইপোটনিক দ্রবণ যা রক্তের তুলনায় লবণের ঘনত্ব কম হওয়ায় লোহিত কণিকা ফুটিয়ে তুলতে পারে। C) ০.৭৫ % NaCl — এটিও রক্তের তুলনায় কম ঘনত্বের হওয়ায় আদর্শ চিকিৎসার জন্য উপযুক্ত নয়। D) ০.৩ % NaCl — এটি অত্যন্ত লঘু বা হাইপোটনিক দ্রবণ যা কোষের ভেতরে পানি প্রবেশ করিয়ে রক্তকণিকা ভেঙে ফেলতে পারে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মানুষের রক্তের লবণাক্ততা প্রায় শূন্য দশমিক নয় শতাংশ। - এই সংখ্যাটি মনে রাখলেই সঠিক অপশনটি খুব সহজেই চিহ্নিত করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানবদেহ ও চিকিৎসা বিজ্ঞান অংশ থেকে আসে। - আইসোটোনিক, হাইপোটনিক ও হাইপারটনিক দ্রবণের সংজ্ঞা থেকে প্রায়ই এমসিকিউ প্রশ্ন করা হয়।
a O₂
b H₂
c CO₂
d H₂O
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) CO₂ ১. কেন সঠিক: উদ্ভিদ তার খাদ্য তৈরির প্রধান প্রক্রিয়া অর্থাৎ সালোকসংশ্লেষণের সময় পরিবেশ বা বায়ু থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে। পাতার ক্ষুদ্র ছিদ্র বা স্টোমাটার মাধ্যমে এই গ্যাস উদ্ভিদের ভেতরে প্রবেশ করে এবং শর্করো জাতীয় খাদ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: সালোকসংশ্লেষণ হলো এমন একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং পানির রাসায়নিক বিক্রিয়ায় গ্লুকোজ তৈরি করে। রাসায়নিক বিক্রিয়া: ছয় অণু কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং বারো অণু পানি সূর্যালোক ও ক্লোরোফিলের প্রভাবে বিক্রিয়া করে এক অণু গ্লুকোজ, ছয় অণু অক্সিজেন এবং ছয় অণু পানি উৎপন্ন করে। কার্যপ্রণালি: উদ্ভিদ বায়ুমণ্ডল থেকে পত্ররন্ধ্রের সাহায্যে কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে এবং শিকড়ের সাহায্যে মাটি থেকে পানি শোষণ করে পাতায় পাঠায়। বাস্তব প্রয়োগ: এই প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ আমাদের জন্য খাদ্য সরবরাহ করার পাশাপাশি বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন ত্যাগ করে পৃথিবী টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘরের টবে রাখা একটি গাছ কিছুদিন অন্ধকার ঘরে রেখে দিলে তা খাদ্য তৈরি করতে পারে না কারণ সেখানে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও আলো থাকে না। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে উদ্ভিদের খাদ্য প্রস্তুতের জন্য বায়ু থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক। উদাহরণ ২: কাঁচের জারে একটি ছোট গাছ রেখে মুখ বন্ধ করে রোদে রাখলে দেখা যায় গাছটি বেঁচে আছে এবং জারের ভেতরে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ছে। ব্যাখ্যা: উদ্ভিদ বায়ু থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড নিয়ে গ্লুকোজ তৈরির সময় উপজাত হিসেবে অক্সিজেন বাতাসে ছেড়ে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) O₂ — অক্সিজেন হলো সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার একটি উপজাত বা উৎপাদ, যা উদ্ভিদ গ্রহণ করে না বরং ত্যাগ করে। B) H₂ — হাইড্রোজেন গ্যাস মুক্ত অবস্থায় বায়ুতে থাকে না এবং উদ্ভিদ খাদ্য তৈরির জন্য বায়ু থেকে হাইড্রোজেন গ্রহণ করে না। D) H₂O — পানি উদ্ভিদের খাদ্য তৈরিতে অপরিহার্য উপাদান হলেও উদ্ভিদ তা বায়ু থেকে নয়, বরং শিকড়ের মাধ্যমে মাটি থেকে শোষণ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: উদ্ভিদ আমাদের শ্বাস নেওয়ার জন্য অক্সিজেন দেয় এবং বিনিময়ে আমাদের ত্যাগ করা কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে নিজের খাদ্য তৈরি করে। এভাবে মনে রাখতে পারো যে মানুষ যা ছাড়ে, উদ্ভিদ তা খায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত খাদ্যের মূল উপাদান হলো শর্করা বা গ্লুকোজ। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে সালোকসংশ্লেষণে উপজাত হিসেবে কোনটি নির্গত হয়।
a 1:1:2
b 1:2:1
c 2:1:1
d 1:3:1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১:২:১ ১. কেন সঠিক: - কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা হলো কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের সমন্বয়ে গঠিত এক ধরণের জৈব যৌগ। - এই যৌগগুলোতে কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের পরমাণুর অনুপাত সবসময় ১:২:১ হিসেবে বজায় থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কার্বোহাইড্রেটের সাধারণ রাসায়নিক সংকেত হলো সি এন এইচ টু এন ও এন। - রাসায়নিক গঠন: এখানে কার্বনের সঙ্গে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন ঠিক পানির অনুপাতের মতো দুই অনুপাত এক হিসেবে যুক্ত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্লুকোজ ব্যাখ্যা: গ্লুকোজের রাসায়নিক সংকেত সি সিক্স এইচ টুয়েলভ ও সিক্স, যেখানে পরমাণুগুলোর সরল অনুপাত করলে ১:২:১ পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: ফ্রুক্টোজ ব্যাখ্যা: এটিও একটি মনস্যাকারাইড এবং এর সংকেতও গ্লুকোজের মতো, যা কার্বোহাইড্রেটের অনুপাতকে সমর্থন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১:১:২ — এই অনুপাতটি কার্বোহাইড্রেটের মৌলগুলোর সঠিক সংযুক্তি নির্দেশ করে না এবং এটি রাসায়নিকভাবে ভুল। B) ১:২:১ — এটি কার্বোহাইড্রেটে কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের পরমাণুর সঠিক ও পরীক্ষিত অনুপাত। C) ২:১:১ — এই অনুপাতে কোনো সাধারণ জৈব শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট প্রকৃতিতে গঠিত হয় না। D) ১:৩:১ — হাইড্রোজেন পরমাণুর সংখ্যা বেশি থাকায় এই অনুপাতটি কার্বোহাইড্রেটের গঠনের সঙ্গে মিলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - পানির সংকেত এইচ টু ও তে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের অনুপাত ২:১, আর কার্বোহাইড্রেটে কার্বন যোগ হয়ে অনুপাত হয় ১:২:১। - পানির অনুপাত মনে রাখলেই শর্করা বা কার্বোহাইড্রেটের অনুপাত সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শর্করা বা কার্বোহাইড্রেটের সাধারণ সংকেত ও অনুপাত জানতে চাওয়া হয়। - গ্লুকোজের আণবিক সংকেত এবং মনোস্যাকারাইডের সংজ্ঞা থেকেও প্রশ্ন আসতে পারে।
a 86°F
b 80°F
c 68°F
d 62°F
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮৬°F ১. কেন সঠিক: সেলসিয়াস স্কেলের ৩০ ডিগ্রি তাপমাত্রা ফারেনহাইট স্কেলে রূপান্তর করলে ৮৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট হয়। তাপমাত্রা পরিমাপের বিভিন্ন স্কেলের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট গাণিতিক সম্পর্ক রয়েছে যা এই মান নির্ধারণ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: তাপমাত্রা হলো বস্তুর এমন এক তাপীয় অবস্থা যা নির্ধারণ করে বস্তুটি অন্য কোনো বস্তুর সংস্পর্শে এলে তাপ গ্রহণ করবে নাকি বর্জন করবে। সূত্র: সি ভাগ ৫ সমান এফ বিয়োগ ৩২ ভাগ ৯, যেখানে সি হলো সেলসিয়াস স্কেলের তাপমাত্রা এবং এফ হলো ফারেনহাইট স্কেলের তাপমাত্রা। কার্যপ্রণালি: সি এর স্থানে ৩০ বসিয়ে সমীকরণটি সমাধান করলে এফ এর মান ৮৬ পাওয়া যায়। হিসাব: ৩০ ভাগ ৫ সমান ৬, এরপর ৬ কে ৯ দ্বারা গুণ করলে ৫৪ হয়, এবং ৫৪ এর সঙ্গে ৩২ যোগ করলে ৮৬ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট। ব্যাখ্যা: সেলসিয়াস স্কেলে এটি ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়, যা একই তাপমাত্রার দুটি ভিন্ন স্কেলের মান। উদাহরণ ২: পানির স্ফুটনাঙ্ক সেলসিয়াস স্কেলে ১০০ ডিগ্রি এবং ফারেনহাইট স্কেলে ২১২ ডিগ্রি। ব্যাখ্যা: তাপ প্রয়োগের ফলে তরল থেকে বাষ্পে পরিণত হওয়ার এই নির্দিষ্ট মান স্কেলভেদে ভিন্ন হলেও বাস্তবে একই তাপ অবস্থাকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮৬°F — এটি ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার সঠিক ফারেনহাইট রূপান্তর মান। B) ৮০°F — এই মানটি ভুল গণনার ফলে এসেছে এবং এটি সঠিক তাপমাত্রার সমকক্ষ নয়। C) ৬৮°F — এই মানটি ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার ফারেনহাইট রূপান্তর, যা ৩০ ডিগ্রির জন্য প্রযোজ্য নয়। D) ৬০২°F — এই মানটি রূপান্তর সূত্রের সঠিক প্রয়োগের সঙ্গে মেলে না এবং এটি অনেক বেশি। ৫ মনে রাখার টিপস: সেলসিয়াস থেকে ফারেনহাইট বের করার সহজ নিয়ম হলো সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে ১ দশমিক ৮ দ্বারা গুণ করে ৩২ যোগ করা। ৩০ কে ১ দশমিক ৮ দিয়ে গুণ করলে ৫৪ হয় এবং তার সঙ্গে ৩২ যোগ করলে ৮৬ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তাপমাত্রা রূপান্তরের এই সূত্রটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। পরীক্ষায় সেলসিয়াস থেকে ফারেনহাইট অথবা ফারেনহাইট থেকে সেলসিয়াস স্কেলের মান নির্ণয় করতে বলতে পারে।
a 40kg ms⁻¹
b 100kg ms⁻¹
c 4kg ms⁻¹
d 400kg ms⁻¹
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪০০ kg ms⁻¹ ১. কেন সঠিক: - বল প্রয়োগের সময়কালের সাথে প্রযুক্ত বলের গুণফলই হলো ভরবেগের পরিবর্তন। - নিউটনের গতির দ্বিতীয় সূত্র অনুসারে, ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সমান। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কোনো বস্তুর উপর বল প্রয়োগ করলে তার বেগের পরিবর্তন হয়, যার ফলে ভরবেগেরও পরিবর্তন ঘটে। - সূত্র: ভরবেগের পরিবর্তন = বল × সময় (বা, Δp = F × t)। - কার্যপ্রণালি: এখানে প্রযুক্ত বল (F) হলো ৪০ নিউটন এবং সময় (t) হলো ১০ সেকেন্ড। - হিসাব: ভরবেগের পরিবর্তন = ৪০ নিউটন × ১০ সেকেন্ড = ৪০০ kg ms⁻¹। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি চলন্ত রিকশার উপর পেছন থেকে ধাক্কা দিলে তার বেগ বৃদ্ধি পায়। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত বল প্রয়োগের ফলে রিকশার ভরবেগের পরিবর্তন ঘটে এবং এটি দ্রুত ছোটে। উদাহরণ ২: ফিল্ডিং করার সময় একজন ক্রিকেটার বল ধরার হাত কিছুটা পেছনে টেনে নেন। ব্যাখ্যা: সময় বাড়িয়ে দেওয়ার কারণে বলের আঘাত বা ভরবেগের পরিবর্তনের হার কমে যায়, ফলে হাতে ব্যথা কম লাগে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪০ kg ms⁻¹ — এটি বল ও সময়ের সঠিক গুণফল নয়, বরং হিসাবের সময় ভুল মান বসানোর কারণে এই মান এসেছে। B) ১০০ kg ms⁻¹ — এই মানটি প্রশ্ন প্রদত্ত সংখ্যাগুলোর সঠিক গাণিতিক সম্পর্কের সাথে মেলে না। C) ৪ kg ms⁻¹ — এটি বস্তুর ভর এবং সময়ের ভুল অনুপাত বা গুণের ফল, যা ভরবেগের পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) ৪০০ kg ms⁻¹ — এটি বল (৪০) এবং সময় (১০) গুণ করে প্রাপ্ত সঠিক ভরবেগের পরিবর্তনের মান। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভরবেগের পরিবর্তন বের করতে বলের সাথে সময় গুণ করতে হয়। - সূত্রটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো বল গুণ সময় সমান ভরবেগের পরিবর্তন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই সূত্র থেকে বল, সময় বা ভরবেগের পরিবর্তনের যেকোনো দুটি মান দেওয়া থাকলে অন্যটি বের করা যায়। - পরীক্ষার হলে এককগুলোর দিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে যেন সব মান আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে থাকে।
a প্রোটন ও নিউট্রন
b ইলেকট্রন ও প্রোটন
c ইলেকট্রন ও পজিট্রন
d নিউট্রন ও পজিট্রন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রোটন ও নিউট্রন ১. কেন সঠিক: পরমাণুর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত নিউক্লিয়াসে প্রধানত দুটি কণা থাকে যাদের প্রোটন ও নিউট্রন বলা হয়। এই কণা দুটিকে একত্রে নিউক্লিয়ন বলা হয় কারণ এরা পরমাণুর ভর এবং স্থিতিশীলতা নিয়ন্ত্রণ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পরমাণুর কেন্দ্রস্থলে অত্যন্ত ক্ষুদ্র ও ভারী একটি অংশ থাকে যাকে নিউক্লিয়াস বলে। কার্যপ্রণালি: প্রোটন ধনাত্মক আধানযুক্ত এবং নিউট্রন আধানহীন বা নিরপেক্ষ কণা হিসেবে নিউক্লিয়াসে অবস্থান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাধারণ হাইড্রোজেন পরমাণু বা প্রোটিয়াম। ব্যাখ্যা: এটি একমাত্র ব্যতিক্রম যার নিউক্লিয়াসে কোনো নিউট্রন থাকে না, কেবল একটি প্রোটন থাকে। উদাহরণ ২: কার্বন পরমাণুর নিউক্লিয়াস। ব্যাখ্যা: কার্বনের নিউক্লিয়াসে ছয়টি প্রোটন এবং ছয়টি নিউট্রন একত্রে আবদ্ধ থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রোটন ও নিউট্রন - এটি সঠিক কারণ এই দুটি কণা পরমাণুর নিউক্লিয়াসে অবস্থান করে। B) ইলেকট্রন ও প্রোটন - এটি ভুল কারণ ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাইরে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘোরে। C) ইলেকট্রন ও পজিট্রন - এটি ভুল কারণ ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাইরে থাকে এবং পজিট্রন একটি অ্যান্টি-পার্টিকেল। D) নিউট্রন ও পজিট্রন - এটি ভুল কারণ পজিট্রন নিউক্লিয়াসের সাধারণ স্থায়ী উপাদান নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকা কণা মনে রাখার সহজ কৌশল হলো পিএন বা প্রোটন ও নিউট্রন। ইলেকট্রন সবসময় নিউক্লিয়াসের বাইরে ঘূর্ণায়মান থাকে বলে এটি নিউক্লিয়াসের অংশ নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরমাণুর মোট ভরের প্রায় সম্পূর্ণ অংশই নিউক্লিয়াসে কেন্দ্রীভূত থাকে। একই মৌলের পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা সমান থাকলেও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হতে পারে যাদের আইসোটোপ বলা হয়।
a v = u + at
b v = u + at³
c v = 4 + at²/3
d v = 4 + at²/2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) v = u + at ১. কেন সঠিক: - আদিবেগ u এবং সুষম ত্বরণ a বিশিষ্ট কোনো বস্তু t সময় পরে যে বেগ প্রাপ্ত হয়, তাকে গতির সমীকরণের সাহায্যে এই রূপে প্রকাশ করা হয়। - সময়ের সাথে বেগের পরিবর্তনের হারই হলো ত্বরণ, যা এই সমীকরণের মাধ্যমে সরাসরি নির্ণয় করা সম্ভব হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ত্বরণ হলো প্রতি একক সময়ে বেগের পরিবর্তনের হার, অর্থাৎ একক সময়ে বেগ যতটুকু বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়। - সূত্র/তত্ত্ব: ত্বরণ a = (v − u) ÷ t, যেখানে v হলো শেষবেগ, u হলো আদিবেগ এবং t হলো সময়। - কার্যপ্রণালি: এই সমীকরণে উভয় পক্ষকে t দ্বারা গুণ করে এবং u কে পক্ষান্তর করলে শেষবেগের মান নির্ধারিত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: কোনো গাড়ি স্থির অবস্থা থেকে যাত্রা শুরু করে নির্দিষ্ট সুষম হারে গতি বৃদ্ধি করলে নির্দিষ্ট সময়ে তার বেগ কত হবে তা হিসাব করতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি গাড়ি স্থির অবস্থান থেকে যাত্রা শুরু করে প্রতি সেকেন্ডে ২ মিটার প্রতি সেকেন্ড হারে ত্বরণ সৃষ্টি করে ৫ সেকেন্ড পর কত বেগ অর্জন করবে তা এই সমীকরণ দিয়ে মাপা যায়। ব্যাখ্যা: এখানে আদিবেগ শূন্য, ত্বরণ দুই এবং সময় পাঁচ হলে শেষবেগ দশ মিটার প্রতি সেকেন্ড পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: চলন্ত ট্রেনে ব্রেক কষে সুষম মন্দন সৃষ্টি করলে নির্দিষ্ট সময় পর তার শেষবেগ কত হবে তা এই নিয়মে হিসাব করা হয়। ব্যাখ্যা: মন্দনের ক্ষেত্রে ত্বরণের মান ঋণাত্মক ধরে এই সমীকরণটি সফলভাবে প্রয়োগ করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) v = u + at — এটি গতির প্রথম সমীকরণ এবং বেগের পরিবর্তনের সঠিক ও প্রমাণিত গাণিতিক রূপ। B) v = u + at³ — সময়ের ত্রিঘাতের সাথে বেগের পরিবর্তনের কোনো বৈজ্ঞানিক সম্পর্ক বা গতিসূত্র নেই। C) v = 4 + at²/3 — এখানে সময়ের বর্গ এবং ভগ্নাংশ ব্যবহারের কারণে এটি গতির সাধারণ সুষম ত্বরণের সূত্র হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। D) v = 4 + at²/2 — এটি সরণ নির্ণয়ের সূত্রের একটি অংশের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হলেও বেগ নির্ণয়ের সঠিক সমীকরণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - গতি সংক্রান্ত সমীকরণ মনে রাখতে ভেটেরিনারি বা VUT শব্দগুচ্ছ মনে রাখতে পারো, যেখানে V হলো শেষবেগ, U হলো আদিবেগ এবং AT হলো ত্বরণ ও সময়ের গুণফল। - ত্বরণের সাথে সময় সরাসরি গুণ হয়, কোনো বর্গ বা ঘন হয় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গতির সমীকরণ থেকে প্রায়শই গাণিতিক সমস্যা ও তাত্ত্বিক প্রশ্ন আসে। - এই একই ধারণা থেকে সরণ সম্পর্কিত সমীকরণ যেমন s = ut + 0.5at² সংক্রান্ত প্রশ্নও পরীক্ষায় থাকতে পারে।
a বল ও কাজ
b কাজ ও শক্তি
c বল ও টর্ক
d কাজ ও ক্ষমতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজ ও শক্তি ১. কেন সঠিক: কাজ হলো বল প্রয়োগের ফলে কোনো বস্তুর সরণ ঘটার পরিমাপ এবং শক্তি হলো কাজ করার সামর্থ্য। উভয় রাশির মাত্রা সমান কারণ কোনো বস্তুর ওপর প্রযুক্ত বল দ্বারা সম্পন্ন কাজ, বস্তুর মধ্যে শক্তি হিসেবে জমা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভৌত রাশিমমালায় কাজ ও শক্তির একক এবং মাত্রা একই রকম হয়ে থাকে। সূত্র: কাজের সূত্র হলো W = F × s, যেখানে F হলো বল এবং s হলো সরণ। কার্যপ্রণালি: বলের মাত্রা হলো MLT^−2 এবং সরণের মাত্রা হলো L, ফলে কাজের মাত্রা হয় ML^2T^−2। কারণ ও ফলাফল: শক্তির রূপান্তর ঘটলেও তার মৌলিক মাত্রা অপরিবর্তিত থাকে, তাই কাজের মাত্রা এবং শক্তির মাত্রা সর্বদা সমান হয়। বাস্তব প্রয়োগ: কোনো বস্তুকে মাটি থেকে ওপরে তুললে যে কাজ করা হয়, তা বস্তুর মধ্যে পটেনশিয়াল এনার্জি বা বিভব শক্তি হিসেবে জমা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: টেবিলের ওপর রাখা একটি বইকে মেঝে থেকে ওপরে তোলার ঘটনা। ব্যাখ্যা: এখানে অভিকর্ষ বলের বিরুদ্ধে কাজ করা হয় এবং সেই কাজের পরিমাণই বইটির মধ্যে শক্তি হিসেবে সঞ্চিত থাকে। উদাহরণ ২: চলন্ত গাড়ির ব্রেক কষে থামানোর ঘটনা। ব্যাখ্যা: গাড়ির গতিশক্তি ক্ষয় হয়ে ঘর্ষণ বলের প্রভাবে তা কাজে রূপান্তরিত হয়, যা শক্তির সংরক্ষণশীলতা নীতিকে সমর্থন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বল ও কাজ — বলের মাত্রা MLT^−2 এবং কাজের মাত্রা ML^2T^−2 হওয়ায় এদের মাত্রা এক নয়। B) কাজ ও শক্তি — এই দুটি রাশির মাত্রা একই (ML^2T^−2) এবং এদের এসআই একক হলো জুল। C) বল ও টর্ক — বল হলো রৈখিক ধাক্কা বা টান এবং টর্ক হলো ঘূর্ণন বল, তাই এদের মাত্রা ভিন্ন। D) কাজ ও ক্ষমতা — কাজ হলো শক্তির পরিমাপ এবং ক্ষমতা হলো কাজ সম্পাদনের হার, তাই এদের মাত্রা আলাদা। ৫ মনে রাখার টিপস: কাজ মানেই শক্তি জমানো বা খরচ করা, তাই কাজ ও শক্তির মাত্রা এবং একক সর্বদা একই হয়। বিভব শক্তি বা গতিশক্তির মাত্রা মনে রাখলেই কাজের মাত্রাও সহজে বের করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমমাত্রার রাশিগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। কাজ, শক্তি এবং টর্ক ও কাজের মাত্রার পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যাবে।
a চন্দ্র গ্রহণ
b সূর্য গ্রহণ
c অমাবস্যা
d পূর্ণিমা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সূর্য গ্রহণ ১. কেন সঠিক: যখন সূর্য ও পৃথিবীর ঠিক মাঝখানে চাঁদ একই সরলরেখায় চলে আসে, তখন চাঁদের ছায়া পৃথিবীর ওপর পড়ে। এই ছায়া পড়ার কারণে সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে বাধা পায় এবং একে সূর্যগ্রহণ বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: জ্যোতির্বিজ্ঞান অনুযায়ী সূর্যগ্রহণ হলো এমন একটি মহাজাগতিক ঘটনা যখন চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে অবস্থান করে। কার্যপ্রণালি: চাঁদের আবর্তন গতির কারণে এটি এমন এক অবস্থানে আসে যেখানে সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী সমসূত্রে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ ব্যাখ্যা: এ সময় চাঁদ সূর্যকে সম্পূর্ণ ঢেকে ফেলায় দিনের বেলাতেও কিছুক্ষণের জন্য রাতের মতো অন্ধকার নেমে আসে। উদাহরণ ২: আংশিক সূর্যগ্রহণ ব্যাখ্যা: চাঁদ যখন সূর্যকে সামান্য অংশ ঢেকে রাখে তখন তাকে আংশিক সূর্যগ্রহণ বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চন্দ্র গ্রহণ — চন্দ্রগ্রহণ ঘটে যখন সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী আসে, চাঁদ ও পৃথিবী এখানে ভিন্ন অবস্থানে থাকে। B) সূর্য গ্রহণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অবস্থায় চাঁদের ছায়া পৃথিবীতে পড়ে। C) অমাবস্যা — এটি তিথির নাম, তবে এই অবস্থানে সূর্যগ্রহণ ঘটে কিন্তু প্রশ্নানুসারে নির্দিষ্ট ঘটনাটি গ্রহণ। D) পূর্ণিমা — পূর্ণিমার রাতে পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মাঝে থাকে, যা এই প্রশ্নের অবস্থানের সম্পূর্ণ বিপরীত। ৫ মনে রাখার টিপস: সূর্যগ্রহণের সময় মনে রাখবেন সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে চাঁদ থাকে অর্থাৎ স-চ-পৃ ক্রম মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সূর্যগ্রহণ কেবল অমাবস্যার দিনেই সংঘটিত হতে পারে। একই রকম অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যে চন্দ্রগ্রহণের সময় মাঝখানে কোন গ্রহ বা উপগ্রহ থাকে।
a স্ফিগমোনোম্যানোমিটার
b স্টেথোস্কোপ
c ইকোকারডিওগ্রাফ
d কার্ডিওগ্রাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্ফিগমোনোম্যানোমিটার ১. কেন সঠিক: - স্ফিগমোনোম্যানোমিটার যন্ত্রটি মানবদেহের ধমনীর রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। - এর কার্যপদ্ধতিতে পারদের কলাম বা বায়ুচাপের মাধ্যমে রক্তনালীর ওপর সাময়িক চাপ প্রয়োগ করে সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক চাপ নির্ণয় করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রক্তচাপ হলো হৃদপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে ধমনীর গায়ে রক্তের প্রিয়া এবং এর একক হলো মিলিমিটার অব মার্কারি বা mmHg। - কার্যপ্রণালি: বাহুর কাফে পাম্প করে বাতাস ঢুকিয়ে রক্তপ্রবাহ সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয় এবং স্টেথোস্কোপের সাহায্যে শব্দের মাধ্যমে চাপ মাপা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন নির্ণয়। ব্যাখ্যা: চিকিৎসকরা রোগীর হৃদরোগের ঝুঁকি বুঝতে নিয়মিত এই যন্ত্রের সাহায্যে রক্তচাপ পরীক্ষা করেন। উদাহরণ ২: অস্ত্রোপচারের পূর্বে রোগীর শারীরিক অবস্থা যাচাই। ব্যাখ্যা: অপারেশন থিয়েটারে রোগীর রক্তচাপ স্বাভাবিক আছে কি না তা নিশ্চিত করতে এটি অপরিহার্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্ফিগমোনোম্যানোমিটার — এটি মানবদেহের রক্তচাপ পরিমাপ করার জন্য ব্যবহৃত সঠিক বৈজ্ঞানিক যন্ত্র। B) স্টেথোস্কোপ — এটি হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসের অভ্যন্তরীণ শব্দ শোনার যন্ত্র, যা রক্তচাপ সরাসরি মাপে না। C) ইকোকারডিওগ্রাফ — এটি হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কার্যকারিতা দেখার আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষা, রক্তচাপ মাপার যন্ত্র নয়। D) কার্ডিওগ্রাম — এটি ইসিজি বা ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম নামে পরিচিত, যা হৃৎপিণ্ডের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ রেকর্ড করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্ফিগমোনোম্যানোমিটার নামটি বেশ বড় এবং এটি প্রেশার মাপার ভারী যন্ত্র, তাই প্রথম অংশটি মনে রাখলেই উত্তর মেলানো সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্বাভাবিক মানুষের রক্তচাপের আদর্শ মান হলো ১২০ এবং ৮০ মিলিমিটার অব মার্কারি। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় বারবার আসে, তাই যন্ত্রগুলোর নাম ও কাজ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a লৌহ
b নিকেল
c সোনা
d কোবাল্ট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সোনা ১. কেন সঠিক: - ডায়াচুম্বকীয় পদার্থগুলো চুম্বক দ্বারা খুব সামান্য পরিমাণে বিকর্ষিত হয় এবং শক্তিশালী চুম্বকের কাছাকাছি আনলে বিপরীতমুখী দুর্বল চুম্বকত্ব অর্জন করে। - সোনা একটি ডায়াচুম্বকীয় পদার্থ হওয়ায় এটি চুম্বকক্ষেত্র দ্বারা আকৃষ্ট না হয়ে বরং হালকাভাবে বিকর্ষিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে সকল পদার্থের পরমাণুর ইলেকট্রনগুলো জোড়ায় জোড়ায় থাকে এবং কোনো স্থায়ী চৌম্বক ভ্রামক থাকে না, তাদেরকে ডায়াচুম্বক পদার্থ বলা হয়। - কার্যপ্রণালি: বাহ্যিক চৌম্বক ক্ষেত্রে স্থাপন করলে এই পদার্থগুলোর পরমাণুর ইলেকট্রনের গতি এমনভাবে পরিবর্তিত হয় যেন তারা মূল চৌম্বক ক্ষেত্রের বিপরীত দিকে একটি মৃদু চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোনা এবং তামা ব্যাখ্যা: সোনা ও তামা হলো ডায়াচুম্বক পদার্থ, যা কখনোই সাধারণ চুম্বকের সাথে জোরালোভাবে আটকে থাকে না বরং সামান্য দূরে সরে থাকতে চায়। উদাহরণ ২: পানি এবং বিসমাথ ব্যাখ্যা: পানিও ডায়াচুম্বক পদার্থের অন্তর্ভুক্ত, যা অত্যন্ত শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্রে সামান্য হলেও বিকর্ষণের শিকার হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লৌহ - এটি একটি শক্তিশালী ফেরোচুম্বক পদার্থ, যা চুম্বক দ্বারা তীব্রভাবে আকৃষ্ট হয়। B) নিকেল - এটিও লোহা বা কোবাল্টের মতো একটি শক্তিশালী ফেরোচুম্বক ধাতু। C) সোনা - এটি ডায়াচুম্বকত্ব প্রদর্শন করে, তাই এটি সঠিক উত্তর। D) কোবাল্ট - এটি ফেরোচুম্বক পদার্থের অন্তর্ভুক্ত এবং চুম্বকের প্রতি উচ্চ আকর্ষণ দেখায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডায়াচুম্বক পদার্থ মনে রাখার জন্য সোনা, তামা, রূপা এবং পানি এই নামগুলো একসাথে মনে রাখতে পারো। - ফেরোচুম্বক পদার্থগুলো চুম্বককে প্রবলভাবে টানে আর ডায়াচুম্বকগুলো দূরে ঠেলে দেয়, এই পার্থক্যটি মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই লোহা, নিকেল, কোবাল্ট বনাম সোনা, তামা, দস্তার মধ্যে কোনটি কোন চুম্বক তা জানতে চাওয়া হয়। - ফেরো, প্যারা এবং ডায়াচুম্বক পদার্থের এই মৌলিক পার্থক্যগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে যেকোনো সাধারণ বিজ্ঞানের প্রশ্নের উত্তর করা সহজ হবে।
a Si
b Ga
c In
d Al
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Si ১. কেন সঠিক: কার্বনের মতো সিলিকন মৌলটিরও নিজেদের মধ্যে এবং অন্যান্য মৌলের সঙ্গে সমযোজী বন্ধন তৈরি করে দীর্ঘ শিকল বা চেইন গঠন করার বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে। রসায়নের ভাষায় কার্বনের এই ক্যাটিনেশন ধর্মের সঙ্গে সিলিকনের যথেষ্ট মিল রয়েছে, যদিও সিলিকনের ক্যাটিনেশন ক্ষমতা কার্বনের তুলনায় কিছুটা কম। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ক্যাটিনেশন হলো একই মৌলের পরমাণুগুলো নিজেদের মধ্যে সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে দীর্ঘ শিকল, শাখা শিকল বা বলয় গঠন করার অনন্য রাসায়নিক ধর্ম। রাসায়নিক বন্ধন: কার্বন ও সিলিকন উভয় মৌলই পর্যায় সারণির চতুর্দশ গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত এবং এদের যোজ্যতা চার হওয়ায় এরা সহজে বহুপরমাণুক যৌগ গঠন করতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিলিকন ডাইঅক্সাইড বা বালি। ব্যাখ্যা: সিলিকন এবং অক্সিজেনের দীর্ঘ নেটওয়ার্ক কাঠামোর মাধ্যমে এটি গঠিত হয়, যা সিলিকনের বহুগুণ বন্ধন গঠনের ক্ষমতার প্রমাণ দেয়। উদাহরণ ২: সিলিকন ও অক্সিজেনের পলিমার বা সিলিকন তেল। ব্যাখ্যা: সিলিকন পরমাণুর দীর্ঘ শৃঙ্খলের ওপর ভিত্তি করে এই যৌগগুলো তৈরি হয়, যা কার্বনের অর্গানিক পলিমারের সমতুল্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Si — এটি সঠিক উত্তর কারণ কার্বনের মতো সিলিকনেরও ক্যাটিনেশন ধর্ম রয়েছে। B) Ga — গ্যালিয়াম একটি ধাতু এবং এর ক্যাটিনেশন ধর্ম নেই। C) In — ইন্ডিয়াম একটি পোস্ট-ট্রানজিশন ধাতু যার ক্যাটিনেশন প্রদর্শনের ক্ষমতা নেই। D) Al — অ্যালুমিনিয়াম একটি ধাতু যা সাধারণত আয়নিক বা জটিল যৌগ গঠন করে এবং ক্যাটিনেশন দেখায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: পর্যায় সারণির কার্বনের ঠিক নিচেই রয়েছে সিলিকন, তাই কার্বনের মতো সিলিকনেরও ক্যাটিনেশন ধর্ম থাকে। মনে রাখার জন্য কার্বন ও সিলিকন এই দুটি মৌল একই গ্রুপের সদস্য বলে মাথায় রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ক্যাটিনেশন ধর্ম অর্গানিক কেমিস্ট্রিতে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় কার্বন মৌলের ক্ষেত্রে। একই প্রশ্ন অন্যভাবে আসতে পারে যে, কোন অধাতুটি কার্বনের মতো ক্যাটিনেশন দেখায়, যার উত্তর হবে সিলিকন।
a সাদামাটি
b চুনা পাথর
c জিপসাম
d বালি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বালি ১. কেন সঠিক: কাঁচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল হলো সিলিকা বা বালি। বালিতে থাকা সিলিকন ডাইঅক্সাইড উচ্চ তাপমাত্রায় গলে কাঁচের মূল কাঠামো তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: কাঁচ একটি অনিয়মিত বা নিরাকার কঠিন পদার্থ। কার্যপ্রণালি: বালির সঙ্গে সোডা অ্যাশ এবং চুনা পাথর মিশিয়ে প্রায় ১৭০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে গলিত কাঁচ উৎপন্ন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাধারণ উইন্ডো গ্লাস বা জানালার কাঁচ তৈরিতে প্রচুর পরিমাণে বালি ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এই বালির সিলিকন ডাইঅক্সাইড গলনের মাধ্যমে কাঁচকে স্বচ্ছ ও শক্ত রূপ দেয়। উদাহরণ ২: ল্যাবরেটরির টেস্টটিউব বা বিকার তৈরিতে বালি ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: বালির সঙ্গে বিশেষ উপাদান মিশিয়ে তাপসহনশীল কাঁচ তৈরি করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাদামাটি — সাদামাটি বা কেওলিন সিরামিক শিল্পে প্লেট, পেয়ালা ও ইট তৈری করতে ব্যবহৃত হয়, কাঁচ তৈরিতে নয়। B) চুনা পাথর — চুনা পাথর কাঁচ তৈরিতে সহায়ক উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়, প্রধান কাঁচামাল হিসেবে নয়। C) জিপসাম — জিপসাম মূলত সিমেন্ট শিল্প এবং প্লাস্টার অব প্যারিস তৈরিতে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) বালি — বালি হলো কাঁচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল এবং সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: কাঁচ মানেই বালি, কারণ কাঁচের প্রধান উপাদান সিলিকা আসে বালি থেকেই। বালি দিয়ে যেমন ঘরবাড়ি গড়া যায়, তেমনি বালি গলিয়েই কাঁচ তৈরি করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কাঁচ তৈরিতে প্রধান উপাদান হিসেবে সিলিকা বা বালির পরিমাণ থাকে প্রায় সত্তর থেকে পঁচাত্তর শতাংশ। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কাঁচের প্রধান কাঁচামাল কী, যার উত্তর সবসময় বালি বা সিলিকা হবে।
a সিলিকন
b কার্বন
c স্বর্ণ
d প্ল্যাটিনাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কার্বন ১. কেন সঠিক: হীরক হলো মৌলিক পদার্থ কার্বনের একটি বিশুদ্ধতম রূপভেদ বা অ্যালোট্রপ। কার্বন পরমাণুগুলো নিজেদের মধ্যে অত্যন্ত শক্তিশালী সমযোজী বন্ধন তৈরি করে একটি সুষম ত্রিমাত্রিক স্ফটিক গঠন তৈরি করে, যার কারণে এটি পৃথিবীতে প্রাপ্ত সবচেয়ে কঠিন পদার্থ। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অ্যালোট্রপ বা রূপভেদ হলো একই মৌলের বিভিন্ন রূপ, যাদের ভৌত ধর্ম ভিন্ন হলেও রাসায়নিক ধর্ম একই থাকে। কার্বনের দুটি প্রধান রূপভেদ হলো হীরক ও গ্রাফাইট। কার্যপ্রণালি: হীরকে প্রতিটি কার্বন পরমাণু অন্য চারটি কার্বন পরমাণুর সঙ্গে চতুস্তলকীয় বিন্যাসে যুক্ত থাকে। এই সুদৃঢ় ত্রিমাত্রিক কাঠামোর জন্যই এটি সহজে ভাঙে না এবং এর গলনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাচ কাটা বা পাথরে ছিদ্র করার কাজে হীরকযুক্ত কাটার ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: হীরকের অতিরিক্ত কাঠিন্য ও ধারালো প্রান্ত অন্য যেকোনো নরম পদার্থকে সহজে কাটতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: গহনা তৈরিতে হীরা বা ডায়মন্ডের ব্যবহার। ব্যাখ্যা: হীরকের উচ্চ প্রতিসরাঙ্ক থাকার কারণে আলো এর ভেতরে প্রবেশ করে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটিয়ে উজ্জ্বলভাবে চকচক করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলিকন — সিলিকন হলো পর্যায় সারণির চতুর্দশ গ্রুপের একটি অপধাতু বা সেমিকন্ডাক্টর। এটি বালি বা সিলিকন ডাইঅক্সাইডের প্রধান উপাদান এবং কম্পিউটার চিপ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। B) কার্বন — এটি সঠিক উত্তর কারণ হীরক মূলত কার্বনেরই একটি কেলাসারিত ও বিশুদ্ধ রূপভেদ। C) স্বর্ণ — স্বর্ণ একটি ভারী রূপান্তর ধাতু এবং এর নিজস্ব রাসায়নিক প্রতীক হলো Au। এটি অত্যন্ত নমনীয় ও অমূল্য ধাতু যা গহনা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। D) প্ল্যাটিনাম — প্ল্যাটিনাম একটি দুর্লভ ও মূল্যবান অবস্থান্তর ধাতু যা অনুঘটক হিসেবে এবং বহুমুখী মূল্যবান গহনা তৈরিতে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: হীরক ও গ্রাফাইট উভয়ই কার্বনের রূপভেদ, যাদের মধ্যে হীরক হলো সবচেয়ে শক্ত এবং গ্রাফাইট তুলনামূলক নরম। কার্বনের এই ভিন্নতার মূল কারণ হলো পরমাণুগুলোর পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কাঠামোগত ভিন্নতা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে কঠিন প্রাকৃতিক পদার্থ হলো হীরক। এই একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে গ্রাফাইট কোন মৌলের রূপভেদ কিংবা কার্বনের রূপভেদ কয়টি।
a ওজন বাড়ানোর জন্য
b দ্রুত জমাট রোধ করার জন্য
c ঘনত্ব বাড়ানোর জন্য
d দ্রুত জমাট বৃদ্ধি করার জন্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দ্রুত জমাট রোধ করার জন্য ১. কেন সঠিক: সিঁড়ি বা ছাদ ঢালাই করার সময় সিমেন্ট যেন খুব দ্রুত শক্ত বা জমাট বেঁধে না যায়, সে জন্য এর সঙ্গে জিপসাম মেশানো হয়। জিপসাম সিমেন্টের সঙ্গে পানির বিক্রিয়ার গতিকে মন্থর করে দেয়, ফলে মিস্ত্রিরা সহজে কাজ করার পর্যাপ্ত সময় পান। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: সিমেন্টের মূল উপাদানগুলোর সঙ্গে পানি মেশানোর পর রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে এটি জমাট বাঁধতে শুরু করে। কার্যপ্রণালি: খাঁটি সিমেন্টে পানি মেশানোর সঙ্গে সঙ্গেই তা খুব দ্রুত জমে পাথর হয়ে যায়। এই দ্রুত জমাট বাঁধা রোধ করতে প্রস্তুত করার সময় জিপসাম বা ক্যালসিয়াম সালফেট ডাইহাইড্রেট যোগ করা হয়। রাসায়নিক বিক্রিয়া: জিপসাম সিমেন্টের দ্রুত বিক্রিয়াশীল উপাদান ট্রাইক্যালসিয়াম সিলিকেট বা ট্রাইক্যালসিয়াম অ্যালুমিনেটের চারপাশে একটি পাতলা আস্তরণ তৈরি করে। এই আস্তরণটি পানির সঙ্গে ওই উপাদানগুলোর সরাসরি দ্রুত সংযোগ ঘটাতে বাধা দেয়, ফলে জমার গতি ধীর হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্রীষ্মকালে অতিরিক্ত গরমে ছাদ ঢালাই করার সময় সিমেন্ট খুব দ্রুত শক্ত হয়ে যায়। ব্যাখ্যা: জিপসামের উপস্থিতি এই তাপের মধ্যেও সিমেন্টকে নির্দিষ্ট সময়ের বেশি সময় ধরে তরল ও কাজের উপযোগী রাখতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে সিমেন্টের বস্তা নির্মাণস্থলে পৌঁছানো। ব্যাখ্যা: বাতাসে সামান্য আর্দ্রতা থাকলেও জিপসামের প্রভাবে সিমেন্ট রাস্তায় শক্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যায় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওজন বাড়ানোর জন্য — সিমেন্টের ওজন বাড়ানো এর উৎপাদন বা ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য নয়, বরং জিপসামের উপস্থিতি এর ভৌত গুণাগুণ রক্ষা করে। B) দ্রুত জমাট রোধ করার জন্য — এটি সঠিক উত্তর, কারণ জিপসাম সিমেন্টের প্রাথমিক জমাট বাঁধার সময়কে কিছুটা বিলম্বিত করে। C) ঘনত্ব বাড়ানোর জন্য — সিমেন্টের ঘনত্ব মূলত এর সূক্ষ্ম পিষে ফেলা কণা এবং উপাদানের ওপর নির্ভর করে, জিপসাম ঘনত্ব বাড়াতে কাজ করে না। D) দ্রুত জমাট বৃদ্ধি করার জন্য — এটি সঠিক উত্তরের বিপরীত, কারণ দ্রুত জমাট বাড়ানো নয় বরং কমানোই জিপসামের প্রধান কাজ। ৫ মনে রাখার টিপস: জিপসাম মানে জ থেকে জমাট রোধ। মনে রাখবেন জিপসাম যোগ করা হয় যেন সিমেন্ট দ্রুত জমে না যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জিপসামের রাসায়নিক সংকেত হলো ক্যালসিয়াম সালফেট ডাইহাইড্রেট অর্থাৎ সিএএসও ফোর ইনটু টু এইচ টু ও। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে সিমেন্টে জিপসামের কাজ কী।
a CO₂
b CO
c N₂O
d NO
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) CO₂ ১. কেন সঠিক: কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসটি পানির সাথে বিক্রিয়া করে মৃদু এসিড (কার্বনিক এসিড) উৎপন্ন করে, যা নীল লিটমাস পেপারকে লাল করে। অধাতুর অক্সাইড সাধারণত অম্লীয় প্রকৃতির হয় এবং পানিতে দ্রবীভূত হয়ে এসিড তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অধাতুর অক্সাইড পানির সাথে বিক্রিয়া করে এসিড উৎপন্ন করে। রাসায়নিক বিক্রিয়া: কার্বন ডাই-অক্সাইড যোগ পানি সমান কার্বনিক এসিড। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোমল পানীয় বা সোডা ওয়াটার তৈরিতে কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এর মধ্যে সামান্য অম্লীয় স্বাদ পাওয়া যায় কারণ এতে কার্বনিক এসিড থাকে। উদাহরণ ২: বৃষ্টির পানি বায়ুমণ্ডলের কার্বন ডাই-অক্সাইডের সাথে মিশে এসিড বৃষ্টি বা মৃদু অম্লীয় হয়। ব্যাখ্যা: এটি প্রাকৃতিকভাবে পাথরের ক্ষয় সাধনে ভূমিকা রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) CO₂ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অধাতুর অক্সাইড এবং অম্লীয়। B) CO — এটি কার্বন মনোক্সাইড এবং এটি একটি নিরপেক্ষ অক্সাইড। C) N₂O — এটি নাইট্রাস অক্সাইড এবং এটিও একটি নিরপেক্ষ অক্সাইড। D) NO — এটি নাইট্রিক অক্সাইড এবং এটি নিরপেক্ষ প্রকৃতির হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: অধাতুর অক্সাইড অম্ল হয় ভাই, CO₂ তে এসিড ধর্ম খুঁজে তাই পাই। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অধাতুর অক্সাইড অম্লীয় এবং ধাতুর অক্সাইড সাধারণত ক্ষারীয় হয়। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন গ্যাসের প্রকৃতি থেকে প্রশ্ন আসে।
a হিমায়িত অক্সিজেনকে
b ক্যালসিয়াম অক্সাইডকে
c হিমায়িত কার্বন মনোক্সাইডকে
d হিমায়িত কার্বন ডাইঅক্সাইডকে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হিমায়িত কার্বন ডাইঅক্সাইডকে ১. কেন সঠিক: - ড্রাই আইস বা শুষ্ক বরফ হলো কার্বন ডাইঅক্সাইডের কঠিন রূপ যা মাইনাস ৭৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সরাসরি গ্যাসে রূপান্তরিত হয়। - এটি পানি বা তরল পদার্থে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পীভূত হয় বলে একে শুষ্ক বরফ বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসকে উচ্চ চাপে ঠান্ডা করলে এটি তরল না হয়ে সরাসরি কঠিন অবস্থায় পরিণত হয়, যাকে সাব্লিমেশন বা ঊর্ধ্বপাতন প্রক্রিয়ার বিপরীত প্রক্রিয়া বলা চলে। - কার্যপ্রণালি: সাধারণ বরফ গলে পানি হয়ে ভিজে যায়, কিন্তু ড্রাই আইস গল টির পরিবর্তে সরাসরি কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসে উবে যায়। - বাস্তব প্রয়োগ: আইসক্রিম বা পচনশীল খাদ্যদ্রব্য পরিবহনের সময় ঠান্ডা রাখতে এবং মঞ্চের নাটক বা কনসার্টে কৃত্রিম ধোঁয়া তৈরিতে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইসক্রিম পার্সেল করার সময় বাক্সে ড্রাই আইস দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: এটি গলে পানি হয়ে আইসক্রিম নষ্ট করে না, বরং শুষ্ক ঠান্ডা রেখে খাবার তাজা রাখে। উদাহরণ ২: কনসার্ট বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মঞ্চে সাদা ধোঁয়া তৈরির জন্য ড্রাই আইস ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: গরম পানিতে ড্রাই আইস রাখলে তা দ্রুত কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস ও জলীয় বাষ্পের ঘন মেঘ তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিমায়িত অক্সিজেনকে — অক্সিজেন গ্যাসকে ঠান্ডা করলে তা তরল অক্সিজেন হয়, যা রকেটের জ্বালানিতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু ড্রাই আইস নয়। B) ক্যালসিয়াম অক্সাইডকে — এটি একটি রাসায়নিক যৌগ যা পোড়াচুন নামে পরিচিত এবং এটি কঠিন ক্ষারীয় পদার্থ। C) হিমায়িত কার্বন মনোক্সাইডকে — কার্বন মনোক্সাইড একটি বিষাক্ত গ্যাস এবং একে হিমায়িত করলে ড্রাই আইস বলা হয় না। D) হিমায়িত কার্বন ডাইঅক্সাইডকে — এটি সঠিক উত্তর কারণ কঠিন কার্বন ডাইঅক্সাইডকেই বৈজ্ঞানিকভাবে ড্রাই আইস বা শুষ্ক বরফ বলা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাধারণ বরফ পানি বানায়, আর ড্রাই আইস পানি ছাড়াই গ্যাস হয়ে পালায়। - কার্বন ডাইঅক্সাইডের কঠিন রূপই হলো ড্রাই আইস, যার তাপমাত্রা মাইনাস ৭৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ড্রাই আইসের ঊর্ধ্বপাতন তাপমাত্রা মাইনাস ৭৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই পদার্থের অবস্থা ও পরিবর্তন অধ্যায় থেকে আসে।
a ছত্রাক
b ভাইরাস
c ব্যাকটেরিয়া
d নেমাটোড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্যাকটেরিয়া ১. কেন সঠিক: টাইফয়েড একটি সংক্রামক রোগ যা সালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণের ফলে মানবদেহে ছড়ায়। দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে এই ব্যাকটেরিয়া আমাদের অন্ত্রে প্রবেশ করে এবং রক্তে ছড়িয়ে পড়ে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ব্যাকটেরিয়া হলো এককোষী অণুজীব যা প্রাককেন্দ্রিক প্রকৃতির হয়ে থাকে এবং এরা বিভিন্ন সংক্রামক রোগ সৃষ্টি করতে পারে। কার্যপ্রণালি: সালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়া মুখ দিয়ে প্রবেশের পর ক্ষুদ্রান্ত্রে বংশবৃদ্ধি করে এবং রক্তনালীর মাধ্যমে সমগ্র শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। কারণ ও ফলাফল: এই জীবাণুর সংক্রমণে দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, পেটে ব্যথা এবং পরিপাকতন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: টাইফয়েড রোগী ব্যাখ্যা: অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি খাবার বা দূষিত পানি পানের পর টাইফয়েড রোগীর উচ্চ জ্বর ও দুর্বলতা দেখা দেয়, যা ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের ফল। উদাহরণ ২: কলেরাগ্ৰস্ত এলাকা ব্যাখ্যা: বন্যার সময় বিশুদ্ধ পানির অভাবে ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ যেমন টাইফয়েড ও কলেরার প্রাদুর্ভাব ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছত্রাক — এটি ইউক্যারিওটিক অণুজীব যা দাদ বা রিংওয়ার্মের মতো ত্বকসংক্রান্ত রোগ সৃষ্টি করে, টাইফয়েড সৃষ্টি করে না। B) ভাইরাস — এটি অবিকল্প কোষীয় পরজীবী যা সর্দি, ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ডেঙ্গু ছড়ায়, তবে টাইফয়েড ভাইরাসের কারণে হয় না। C) ব্যাকটেরিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ টাইফয়েড সালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে ছড়ায়। D) নেমাটোড — এটি এক ধরনের গোলকৃমি যা মানবদেহে অ্যাসকারিয়াসিস বা ফাইলেরিয়াসিস রোগ সৃষ্টি করে। ৫ মনে রাখার টিপস: টাইফয়েড নামের সাথে ব্যাকটেরিয়া শব্দটি যুক্ত রাখতে সালমোনেলা টাইফি কথাটি মনে রাখবে। জীবাণুভিত্তিক রোগ মনে রাখতে ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: টাইফয়েড রোগের জীবাণু আবিষ্কার করেন কার্ল এবারথ এবং এই রোগের চিকিৎসায় সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন রোগটি কোন অণুজীব দ্বারা হয়, তাই ব্যাকটেরিয়াজনিত ও ভাইরাসজনিত রোগগুলোর পার্থক্য ভালোভাবে পড়তে হবে।
a g
b 1/8 g
c 1/2 g
d 1/4 g
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 1/8 g ১. কেন সঠিক: মহাকর্ষীয় সূত্র অনুযায়ী অভিকর্ষজ ত্বরণ গ্রহের ভরের সমানুপাতিক এবং ব্যাসার্ধের বর্গের ব্যাস্তানুপাতিক। গ্রহটির ভর পৃথিবীর অর্ধেক এবং ব্যাসার্ধ দ্বিগুণ হওয়ায় এই পরিবর্তনগুলো হিসাব করে নতুন ত্বরণ পাওয়া গেছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অভিকর্ষজ ত্বরণ হলো কোনো বস্তুর ওপর গ্রহের মহাকর্ষ বলের প্রভাবে সৃষ্ট ত্বরণ। সূত্র বা তত্ত্ব: g সমানুপাতিক M ভাগ R এর বর্গ, যেখানে M হলো গ্রহের ভর এবং R হলো গ্রহের ব্যাসার্ধ। কার্যপ্রণালি: নতুন ভর এম প্রাইম সমান অর্ধেক এম এবং নতুন ব্যাসার্ধ আর প্রাইম সমান দুই গুণ আর। হিসাব: জি প্রাইম সমান জি গুণ এক ভাগ দুই গুণ চার, যা সমান এক ভাগ আট গুণ জি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাঁদের অভিকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর ছয় ভাগের এক ভাগ। ব্যাখ্যা: চাঁদের ভর ও ব্যাসার্ধ কম হওয়ায় সেখানে বস্তুর ওজন কম অনুভূত হয়। উদাহরণ ২: বৃহস্পতি গ্রহের অভিকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর প্রায় আড়াই গুণ। ব্যাখ্যা: বৃহস্পতির ভর অনেক বেশি হওয়ায় এর পৃষ্ঠে মহাকর্ষীয় টান অত্যন্ত শক্তিশালী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) g — এটি পৃথিবীর অভিকর্ষজ ত্বরণ নির্দেশ করে এবং ভর বা ব্যাসার্ধ পরিবর্তিত হলে এই মান অপরিবর্তিত থাকে না। B) 1/8 g — এই অপশনটি সঠিক কারণ গাণিতিক হিসাবে ত্বরণের মান এতটুকুই হ্রাস পায়। C) 1/2 g — কেবল ভর অর্ধেক করলে এবং ব্যাসার্ধ অপরিবর্তিত থাকলে ত্বরণ এই মানের হতো। D) 1/4 g — কেবল ব্যাসার্ধ দ্বিগুণ করলে এবং ভর অপরিবর্তিত থাকলে ত্বরণ এই মানের হতো। ৫ মনে রাখার টিপস: ভর লবে বসে এবং ব্যাসার্ধ হরের ঘরে বর্গ হয়ে বসে। তাই ভর অর্ধেক হলে ত্বরণ অর্ধেক হবে এবং ব্যাসার্ধ দ্বিগুণ হলে নিচে চার গুণ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই ধরনের অঙ্কে ব্যাসার্ধের পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বর্গ করতে ভুল করা যাবে না। ভবিষ্যতে পরীক্ষায় গ্রহের ঘনত্ব সম্পর্কিত অভিকর্ষজ ত্বরণের মান নির্ণয়ের প্রশ্নও আসতে পারে।
a চৌম্বক বল
b তড়িৎ-চুম্বকীয় বল
c কুলম্ব বল
d তড়িৎ বল
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্ব সঠিক উত্তর: B) তড়িৎ-চুম্বকীয় বল ১. কেন সঠিক: - গতিশীল চার্জের উপর বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র এবং চৌম্বক ক্ষেত্র উভয়ই বল প্রয়োগ করে। - এই মিলিত বলকে লোরেন্টজ বল বা তড়িৎ-চুম্বকীয় বল বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কোনো চার্জ যখন গতিশীল থাকে, তখন তা বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্ব উভয় ধর্মের সৃষ্টি করে। - সূত্র/তত্ত্ব: লোরেন্টজ বলের সূত্রানুযায়ী, মোট বল হলো বৈদ্যুতিক বল এবং চৌম্বক বলের ভেক্টর যোগফল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্যাথোড রে টিউবে ইলেকট্রনের গতি। ব্যাখ্যা: এখানে ইলেকট্রন গতিশীল থাকার সময় বৈদ্যুতিক ও চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে বিক্ষিপ্ত হয়। উদাহরণ ২: সাইক্লোট্রন বা কণা ত্বারক। ব্যাখ্যা: চার্জিত কণাকে উচ্চ শক্তিতে ত্বান্বিত করতে তড়িৎ-চুম্বকীয় বল ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চৌম্বক বল — এটি শুধুমাত্র গতিশীল চার্জের ক্ষেত্রে চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রлика বোঝায়, কিন্তু সম্পূর্ণ বল বোঝাতে বৈদ্যুতিক বলও প্রয়োজন। B) তড়িৎ-চুম্বকীয় বল — এটি সঠিক কারণ গতিশীল চার্জের উপর ক্রিয়াশীল মোট বল এটি। C) কুলম্ব বল — এটি স্থির চার্জের মধ্যকার আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল নির্দেশ করে, গতিশীল চার্জের ক্ষেত্রে এটি অসম্পূর্ণ। D) তড়িৎ বল — এটি শুধুমাত্র স্থির বা গতিশীল চার্জের উপর বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের প্রভাব বোঝায়, চৌম্বক প্রভাব বাদ পড়ে। ৫. মনে রাখার টিপস: - চার্জ স্থির থাকলে কুলম্ব বল বা তড়িৎ বল কাজ করে। - চার্জ গতিশীল হলে তড়িৎ ও চুম্বক ক্ষেত্র একত্রে তড়িৎ-চুম্বকীয় বল প্রয়োগ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় লোরেন্টজ বল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - গতিশীল চার্জ চৌম্বক ক্ষেত্রে লম্বালম্বিভাবে চললে সর্বাধিক বল অনুভূত হয়।
a ভিটামিন-A
b ভিটামিন-B
c ভিটামিন-C
d ভিটামিন-D
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভিটামিন-C ১. কেন সঠিক: ডিমে ভিটামিন-সি বা অ্যাসকরবিক অ্যাসিড প্রাকৃতিকভাবে থাকে না। ডিম মূলত আমিষ, ফ্যাট ও বিভিন্ন চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিনের চমৎকার উৎস হলেও এতে কোনো ভিটামিন-সি থাকে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মানবদেহের পুষ্টিবিজ্ঞানে ডিমকে বলা হয় একটি আদর্শ খাদ্য কারণ এতে প্রায় সব পুষ্টি উপাদান বিদ্যমান। কার্যপ্রণালি: মুরগির শরীরে ভিটামিন-সি নিজে থেকেই সংশ্লেষিত হতে পারে, তাই ডিম পাড়ার সময় তাতে এই ভিটামিনের প্রয়োজন হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সামুদ্রিক মাছ বা মাংসের মতো ডিমেও ভিটামিন-সি অনুপস্থিত থাকে। ব্যাখ্যা: প্রাণিজ আমিষের বেশিরভাগ উৎসই ভিটামিন-সি মুক্ত হয়। উদাহরণ ২: স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধের জন্য মানুষ ও গিনিপিগকে খাদ্য তালিকার মাধ্যমে ভিটামিন-সি গ্রহণ করতে হয়। ব্যাখ্যা: ডিম খেয়ে স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব নয় কারণ এতে ভিটামিন-সি নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন-A — ডিমের কুসুমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ থাকে যা চোখের দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় সাহায্য করে। B) ভিটামিন-B — ডিমে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স বিশেষ করে ভিটামিন বি-১২ এর খুব ভালো উৎস রয়েছে। C) ভিটামিন-C — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডিমে কোনো ভিটামিন-সি থাকে না। D) ভিটামিন-D — ডিমে প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন-ডি পাওয়া যায় যা হাড় গঠনে সাহায্য করে। ৫. মনে রাখার টিপস: ডিমে ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কেসহ বি ভিটামিন থাকে কিন্তু সি থাকে না। ভিটামিন-সি পাওয়ার জন্য টক জাতীয় ফল বা লেবু খেতে হয়, ডিম নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ডিমকে কেন আদর্শ খাদ্য বলা হয় তা থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। কোন কোন খাদ্যে ভিটামিন-সি পাওয়া যায় না, এই ধরনের সাধারণ জ্ঞানমূলক প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংকের চাকরিতে থাকে।
a লিথিয়াম
b পারদ
c ইউরেনিয়াম
d পটাশিয়াম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পারদ ১. কেন সঠিক: পারদের পরমাণুগুলোর মধ্যে ধাতব বন্ধন অত্যন্ত দুর্বল প্রকৃতির হয় এবং এদের যোজন ইলেকট্রনগুলো সহজেই মুক্তভাবে চলাচল করতে পারে না। এর ফলে ঘরের তাপমাত্রায় পরমাণুগুলো কঠিন কাঠামোগত জালিকা তৈরি করতে পারে না এবং তরল অবস্থায় থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পারদ বা মার্কারি একটি ভারী ডি-ব্লক ট্রানজিশন ধাতু যার পারমাণবিক সংখ্যা ৮০ এবং প্রতীক Hg। কার্যপ্রণালি: এর ইলেকট্রন বিন্যাসে ৪এফ চৌদ্দটি এবং ৬এস দুটি ইলেকট্রন সম্পূর্ণ থাকে, যা একে নিষ্ক্রিয় গ্যাসের মতো স্থায়িত্ব দেয় এবং বন্ধন শক্তি কমিয়ে দেয়। বাস্তব প্রয়োগ: ঘরের তাপমাত্রা বা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এটি তরল থাকায় জ্বর মাপার থার্মোমিটার এবং রক্তচাপ মাপার স্ফিগমোম্যানোমিটারে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশের গবেষণাগারে পারদের থার্মোমিটার ব্যবহার করা হয় না কারণ মাইনাস ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এটি জমে কঠিন হয়ে যায়। ব্যাখ্যা: এটি দেখায় যে পারদ স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল হলেও নির্দিষ্ট হিমঙ্কের নিচে এটিও কঠিন অবস্থা প্রাপ্ত হয়। উদাহরণ ২: সাধারণ তাপমাত্রায় ঘরের কোণে পারদ ফেলে রাখলে তা ছোট ছোট মুক্তার মতো গোল ফোঁটায় পরিণত হয়। ব্যাখ্যা: উচ্চ পৃষ্ঠটানের কারণে পারদ তরল অবস্থায় এমন সুনির্দিষ্ট গোল আকৃতি ধারণ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিথিয়াম — এটি অত্যন্ত হালকা একটি ক্ষার ধাতু যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে এবং এত নরম যে চাকু দিয়ে কাটা যায়। B) পারদ — এটি একমাত্র ধাতু যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে। C) ইউরেনিয়াম — এটি একটি ভারী তেজস্ক্রিয় ধাতু যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় অত্যন্ত শক্ত কঠিন পদার্থ হিসেবে বিদ্যমান। D) পটাশিয়াম — এটি একটি সক্রিয় ক্ষার ধাতু যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে এবং কেরোসিনের নিচে সংরক্ষণ করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: তরল ধাতুর নাম মনে রাখতে পারদ শব্দটি মাথায় রাখবে। পারদের রাসায়নিক প্রতীক হলো এইচজি যা হাইড্রোargyrum বা তরল রূপালী ধাতু থেকে এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: একমাত্র অধাতু হিসেবে ব্রোমিন স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল থাকে, যা ধাতু সংক্রান্ত প্রশ্নের সাথে প্রায়ই পরীক্ষাতে বিভ্রান্তি তৈরির জন্য দেওয়া হয়। পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কোন অধাতু তরল, যার উত্তর হবে ব্রোমিন।
a কটন
b রেয়ন
c সিল্ক
d উল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রেয়ন ১. কেন সঠিক: - রেয়ন কোনো প্রাকৃতিক তন্তু নয়, এটি একটি কৃত্রিম বা মানবসৃষ্ট সেলুলোজ তন্তু। - গাছ থেকে প্রাপ্ত সেলুলোজ বা কাঠের মজ্জাকে রাসায়নিক প্রক্রiyার মাধ্যমে এই তন্তু তৈরি করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: তন্তু দুই প্রকার, যথা প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম। প্রাকৃতিক তন্তু প্রকৃতি থেকে সরাসরি সংগ্রহ করা হয় আর কৃত্রিম তন্তু ল্যাবরেটরিতে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়। - কার্যপ্রণালি: উদ্ভিজ্জ সেলুলোজ যেমন বাঁশের মজ্জা সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও কার্বন ডাইসালফাইডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ভিসকোজ দ্রবণ তৈরি করে। এই দ্রবণ স্পিনারেটের সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে এসিডের দ্রবণে চালনা করলে রেয়ন সুতা জমাট বেঁধে তৈরি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুলা গাছ থেকে সরাসরি তুলা বা কটন সংগ্রহ করা হয়, যা একটি প্রাকৃতিক তন্তু। ব্যাখ্যা: এটি উদ্ভিদের বীজ থেকে সরাসরি পাওয়া যায় বলে এর কোনো রাসায়নিক রূপান্তর দরকার হয় না। উদাহরণ ২: পলিয়েস্টার ও নাইলন হলো সম্পূর্ণ পেট্রোকেমিক্যাল ভিত্তিক সিন্থেটিক তন্তু। ব্যাখ্যা: এগুলো জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে রাসায়নিক সংশ্লেষণের মাধ্যমে তৈরি হয়, যা প্রাকৃতিক উৎস থেকে আসে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কটন — এটি উদ্ভিদ থেকে প্রাপ্ত একটি প্রাকৃতিক তন্তু যা প্রধানত সেলুলোজ দ্বারা গঠিত। B) রেয়ন — এটি রাসায়নিকভাবে প্রক্রিয়াজাত কৃত্রিম তন্তু হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। C) সিল্ক — এটি রেশম পোকার গুটি থেকে প্রাপ্ত একটি প্রাকৃতিক প্রোটিন তন্তু। D) উল — এটি ভেড়ার পশম থেকে সংগৃহীত একটি প্রাকৃতিক প্রোটিন তন্তু। ৫ মনে রাখার টিপস: কৃত্রিম তন্তুর নাম মনে রাখতে রেয়ন, নাইলন ও পলিয়েস্টার এই তিনটি শব্দ মাথায় রাখবে। প্রাকৃতিক তন্তু মানেই উদ্ভিদ বা প্রাণী থেকে সরাসরি প্রাপ্ত উপাদান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রেয়নকে প্রায়শই আধা কৃত্রিম বা রিজেনারেটেড সেলুলোজ তন্তু বলা হয় কারণ এর মূল উপাদান প্রাকৃতিক। ভবিষ্যতে পরীক্ষায় আসতে পারে নিচের কোনটি শতভাগ সিন্থেটিক তন্তু, যার উত্তর হবে নাইলন।
a মৌল ইলেকট্রন গ্রহণ করে
b মৌল ইলেকট্রন ত্যাগ করে
c মৌল প্রোটন গ্রহণ করে
d মৌল নিউট্রন দান করে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মৌল ইলেকট্রন ত্যাগ করে ১. কেন সঠিক: - জারণ হলো এমন একটি রাসায়নিক প্রক্রিয়া যেখানে কোনো পরমাণু, আয়ন বা অণু ইলেকট্রন বর্জন করে। - ইলেকট্রন ত্যাগের ফলে মৌলের ধনাত্মক আধান বৃদ্ধি পায় অথবা ঋণাত্মক আধান হ্রাস পায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: জারণ এবং বিজারণ সর্বদা একসাথে ঘটে, যা রেডক্স বিক্রিয়া নামে পরিচিত। - কার্যপ্রণালি: ইলেকট্রন বর্জনের মাধ্যমে মৌলটি জারিত হয় এবং নিজে জারিত হয়ে অন্যকে বিজারিত করে। - বাস্তব প্রয়োগ: ব্যাটারির ভেতরে রাসায়নিক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরের সময় এই প্রক্রিয়া কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোডিয়াম পরমাণুর ইলেকট্রন ত্যাগ। ব্যাখ্যা: সোডিয়াম একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে সোডিয়াম আয়নে পরিণত হয়, যা একটি জারণ প্রক্রিয়া। উদাহরণ ২: লোহায় মরিচা ধরা। ব্যাখ্যা: লোহা বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেনের সংস্পর্শে এসে ইলেকট্রন ত্যাগ করে মরিচায় পরিণত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৌল ইলেকট্রন গ্রহণ করে — এটি বিজারণ প্রক্রিয়ার সংজ্ঞা, জারণের নয়। B) মৌল ইলেকট্রন ত্যাগ করে — এটি সঠিক উত্তর এবং জারণ প্রক্রিয়ার মূল বৈশিষ্ট্য। C) মৌল প্রোটন গ্রহণ করে — রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সাধারণত ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে, প্রোটন নয়। D) মৌল নিউট্রন দান করে — নিউট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকে এবং সাধারণ রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ নেয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - জারণ মানে ত্যাগ এবং বিজারণ মানে গ্রহণ, এটি মনে রাখতে অয়েল রিগ mnemonic ব্যবহার করা যেতে পারে। - অর্থাৎ অক্সিডেশন ইজ লস এবং রিডাকশন ইজ গেইন অব ইলেকট্রন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জারণ ও বিজারণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - জারণ মানে ইলেকট্রন বর্জন এবং বিজারণ মানে ইলেকট্রন গ্রহণ, এই মৌলিক বিষয়টি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ইথার
b গ্লুকোজ
c ইথানল
d ফেনল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফেনল ১. কেন সঠিক: ফেনল একটি জৈব যৌগ যাতে একটি অ্যারোমেটিক বেনজিন বলয়ের সাথে হাইড্রোক্সিল মূলক যুক্ত থাকে। জলে দ্রবীভূত হলে ফেনল প্রোটন বা হাইড্রোজেন আয়ন দান করে, যা এটিকে মৃদু এসিডিক প্রকৃতির করে তোলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: যে সকল যৌগ জলীয় দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়ন দান করতে পারে এবং নীল লিটমাস পেপারকে লাল করে, তাদের এসিড বলে। কার্যপ্রণালি: ফেনল থেকে প্রোটন অপসারিত হওয়ার পর যে ফেনক্সাইড আয়ন উৎপন্ন হয়, তা রেজোন্যান্সের মাধ্যমে স্থিতিশীলতা লাভ করে। বাস্তব প্রয়োগ: ফেনলের এসিডিক ধর্মের কারণে এটি বিভিন্ন রঞ্জক পদার্থ, প্লাস্টিক এবং কটু গন্ধনাশক বা অ্যান্টিসেপ্টিক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফেনল জলে সামান্য পরিমাণে দ্রবীভূত হয়ে অ্যাসিডিক দ্রবণ তৈরি করে এবং লিটমাস পেপারকে লাল করে। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে ফেনল অ্যালকোহলের মতো প্রসম নয়, বরং এর সামান্য অম্লীয় বা এসিডিক গুণ রয়েছে। উদাহরণ ২: ফেনলের সাথে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডের বিক্রিয়ায় সোডিয়াম ফেনেট ও জল উৎপন্ন হয়। ব্যাখ্যা: এসিড ও ক্ষারের এই প্রচ্ছদ বিক্রিয়া নিশ্চিত করে যে ফেনল ক্ষারের সাথে বিক্রিয়া করার ক্ষমতা রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইথার — এটি একটি প্রশমিত জৈব যৌগ যেখানে অক্সিজেন পরমাণুটি দুটি অ্যালকাইল মূলকের সাথে যুক্ত থাকে এবং এটি এসিডিক নয়। B) গ্লুকোজ — এটি একটি কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা জাতীয় পদার্থ যাতে অনেকগুলো হাইড্রোক্সিল মূলক থাকলেও এটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বা প্রসম। C) ইথানল — এটি একটি অ্যালিফ্যাটিক অ্যালকোহল যা জলীয় দ্রবণে প্রোটন দান করে না এবং এটি প্রসম প্রকৃতির হয়। D) ফেনল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অ্যারোমেটিক বলয় ও রেজোন্যান্সের প্রভাবে প্রোটন মুক্ত করার ক্ষমতা রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: অ্যালকোহল প্রসম হলেও ফেনল অম্লীয় হয় কারণ এর সাথে বেনজিন রিং যুক্ত থাকে। বেনজিন রিং ইলেকট্রন টেনে নেওয়ার কারণে ফেনল থেকে হাইড্রোজেন আয়ন সহজে বেরিয়ে আসতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ফেনলের রাসায়নিক সংকেত হলো সি সিক্স এইচ ফাইভ ও এইচ। বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে অ্যালকোহল ও ফেনলের মধ্যে কোনটি এসিডিক, যার সঠিক উত্তর ফেনল।
a অপসারণ
b প্রতিস্থাপন
c আইসোমারীকরণ
d যুত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রতিস্থাপন ১. কেন সঠিক: অ্যালকাইল হ্যালাইড থেকে অ্যালকোহল প্রস্তুত করার সময় অ্যালকাইল মূলকের সাথে থাকা হ্যালোজেন পরমাণু অপসারিত হয় এবং তার পরিবর্তে একটি হাইড্রোক্সিল মূলক যুক্ত হয়। এই প্রক্রিয়ায় মূল কার্বন শিকলের গঠনে কোনো পরিবর্তন না ঘটে একটি পরমাণু বা মূলক অন্য একটি পরমাণু বা মূলক দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়, যা প্রতিস্থাপন বিক্রিয়ার মূল বৈশিষ্ট্য। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অণুর কোনো পরমাণু বা মূলক অন্য কোনো পরমাণু বা মূলক দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়ে নতুন যৌগ উৎপন্ন করে তাকে প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া বলে। কার্যপ্রণালি: জলীয় সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইডের সাথে অ্যালকাইল হ্যালাইডের বিক্রিয়ায় হাইড্রোক্সিল আয়ন নিউক্লিওফাইল হিসেবে আক্রমণ করে হ্যালোজেনকে প্রতিস্থাপন করে। রাসায়নিক সমীকরণ: আর-এক্স প্লাস কেওইচ জলীয় থেকে আর-ওএইচ প্লাস কেএক্স উৎপন্ন হয়, যেখানে আর হলো অ্যালকাইল মূলক এবং এক্স হলো হ্যালোজেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইথাইল ক্লোরাইডের সাথে জলীয় সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডের বিক্রিয়ায় ইথানল উৎপন্ন হয়। ব্যাখ্যা: এখানে ক্লোরিন পরমাণু হাইড্রোক্সিল মূলক দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়ে অ্যালকোহল তৈরি করে। উদাহরণ ২: মিথাইল ব্রোমাইডের সাথে জলীয় পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইডের বিক্রিয়ায় মিথানল প্রস্তুত করা হয়। ব্যাখ্যা: এই বিক্রিয়াটি নিউক্লিওফিলিক প্রতিস্থাপন বিক্রিয়ার একটি চমৎকার উদাহরণ যা পরীক্ষাগারে অ্যালকোহল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপসারণ — অপসারণ বিক্রিয়ায় অণু থেকে পরমাণু অপসারিত হয়ে অসম্পৃক্ত যৌগ বা দ্বিবন্ধন তৈরি হয়, যা এখানে ঘটে না। B) প্রতিস্থাপন — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে হ্যালোজেন পরমাণুর পরিবর্তে হাইড্রোক্সিল মূলক যুক্ত হয়। C) আইসোমারীকরণ — আইসোমারীকরণ বিক্রিয়ায় কোনো যৌগের আণবিক সংকেত অপরিবর্তিত রেখে কাঠامোর পুনর্বিন্যাস ঘটে। D) যুত — যুত বিক্রিয়ায় দুটি অণু যুক্ত হয়ে একটিমাত্র নতুন যৌগ গঠন করে কিন্তু এখানে প্রতিস্থাপন ঘটে। ৫ মনে রাখার টিপস: অ্যালকাইল হ্যালাইডের হ্যালোজেন চলে যায় এবং ওএইচ এসে বসে, তাই একে প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া বলে মনে রাখা সহজ। ওএইচ মূলক প্রবেশ করার কারণে এই বিশেষ প্রতিস্থাপন বিক্রিয়াকে নিউক্লিওফিলিক প্রতিস্থাপন বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই বিক্রিয়ায় জলীয় মাধ্যম ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক কারণ অ্যালকোহলীয় মাধ্যম ব্যবহার করলে অপসারণ বিক্রিয়া ঘটে অ্যালকিন উৎপন্ন হয়। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জলীয় বনাম অ্যালকোহলীয় মাধ্যমের এই পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a KCl
b KClO
c KClO₂
d KClO₃
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) KClO₃ ১. কেন সঠিক: ক্লোরিন পরমাণুর জারণ মান যৌগভেদে ভিন্ন হতে পারে এবং KClO₃ যৌগে ক্লোরিনের জারণ সংখ্যা সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ প্লাস পাঁচ। জারণ সংখ্যার হিসাব অনুসারে পটাশিয়ামের প্লাস এক এবং অক্সিজেনের মাইনাস দুই ধরে সমীকরণ সমাধান করলে ক্লোরিনের এই সর্বোচ্চ মান পাওয়া যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: কোনো যৌগে উপস্থিত পরমাণুর নিজস্ব কিছু নির্দিষ্ট জারণ মান থাকে এবং নিরপেক্ষ যৌগের সব পরমাণুর জারণ সংখ্যার যোগফল শূন্য হয়। কার্যপ্রণালি: পটাশিয়াম ক্লোরেট যৌগে পটাশিয়ামের মান প্লাস এক এবং অক্সিজেনের মান মাইনাস দুই বসিয়ে ক্লোরিনের মান হিসাব করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোডিয়াম ক্লোরাইড বা লবণে ক্লোরিনের জারণ সংখ্যা মাইনাস এক হয় কারণ এখানে এটি সোডিয়ামের সাথে একক বন্ধনে যুক্ত থাকে। ব্যাখ্যা: এই উদাহরণ থেকে বোঝা যায় একই মৌল ভিন্ন যৌগে ভিন্ন জারণ সংখ্যা প্রদর্শন করতে পারে। উদাহরণ ২: ব্লিচিং পাউডারে ক্লোরিনের জারণ সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন হয় কারণ এটি জটিল মিশ্রণ। ব্যাখ্যা: এটি দেখায় যে যৌগের গঠন এবং অন্যান্য মৌলের উপস্থিতির ওপর জারণ সংখ্যা নির্ভর করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) KCl - এই যৌগে ক্লোরিনের জারণ সংখ্যা মাইনাস এক হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর নয়। B) KClO - এই যৌগে ক্লোরিনের জারণ সংখ্যা প্লাস এক হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর নয়। C) KClO₂ - এই যৌগে ক্লোরিনের জারণ সংখ্যা প্লাস তিন হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর নয়। D) KClO₃ - এই যৌগে ক্লোরিনের জারণ সংখ্যা প্লাস পাঁচ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: অক্সিজেনের সংখ্যা বাড়লে ক্লোরিনের জারণ সংখ্যাও পর্যায়ক্রমে বাড়তে থাকে। KCl এ শূন্য, KClO এ এক, KClO₂ এ তিন এবং KClO₃ এ পাঁচ জারণ সংখ্যা থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জারণ সংখ্যা নির্ণয়ের সময় সাধারণত অক্সিজেনের জারণ মান মাইনাস দুই এবং ক্ষার ধাতুর জারণ মান প্লাস এক ধরা হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের যৌগ থেকে জারণ সংখ্যা নির্ণয় প্রায়ই আসে।
a সিমেন্ট
b সাবান
c কাগজ
d বস্ত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাগজ ১. কেন সঠিক: - ক্রাফট প্রসেস বা ক্রাফট পদ্ধতি হলো কাঠ থেকে কাগজ তৈরির সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় রাসায়নিক পদ্ধতি। - এই প্রক্রিয়ায় কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত কাঠের টুকরোকে রাসায়নিক দ্রবণের সাহায্যে উচ্চ তাপে সেদ্ধ করে লিগনিন পৃথক করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ক্রাফট প্রসেস হলো একটি রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কাঠের পেপার পাল্প বা মণ্ড প্রস্তুত করা হয়। - কার্যপ্রণালি: সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড এবং সোডিয়াম সালফাইডের জলীয় দ্রবণ ব্যবহার করে কাঠের লিগনিন দ্রবীভূত করা হয়। - কারণ ও ফলাফল: লিগনিন অপসারিত হওয়ায় সেলুলোজের তন্তুগুলো পৃথক হয়ে শক্তিশালী ও টেকসই কাগজের মণ্ড তৈরি করে। - বাস্তব প্রয়োগ: শিল্প কারখানায় লেখার কাগজ, মোড়ক তৈরির কাগজ এবং কার্টন বক্স তৈরিতে এই মণ্ড ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিউজপ্রিন্ট বা সাধারণ লেখার কাগজ তৈরি। ব্যাখ্যা: কাঠের গুঁড়া বা বাঁশ থেকে ক্রাফট প্রক্রিয়ায় মণ্ড তৈরি করে পরবর্তীতে তা থেকে বিভিন্ন ধরনের কাগজ উৎপাদন করা হয়। উদাহরণ ২: ভারী মোড়কের বাদামি রঙের কাগজ। ব্যাখ্যা: ক্রাফট প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত পাল্প পুরোপুরি ব্লিচ বা সাদা না করলে তা থেকে অত্যন্ত শক্ত বাদামি রঙের কাগজ তৈরি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিমেন্ট - ভুল কারণ সিমেন্ট তৈরির জন্য চুনাপাথর এবং কাদা মাটি পুড়িয়ে ক্লিনকার তৈরি করা হয়। B) সাবান - ভুল কারণ সাবান তৈরির জন্য ফ্যাট বা তেলের সাথে ক্ষারের বিক্রিয়া ঘটানো হয় যাকে সাবানায়ন বলে। C) কাগজ - সঠিক কারণ এই শিল্পে ক্রাফট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাঠের রাসায়নিক মণ্ড প্রস্তুত করা হয়। D) বস্ত্র - ভুল কারণ বস্ত্র শিল্পে সুতা তৈরি এবং রং করার জন্য বিভিন্ন আলাদা রাসায়নিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্রাফট শব্দটি জার্মান ভাষা থেকে এসেছে যার অর্থ শক্তি। শক্ত কাগজ তৈরির এই পদ্ধতি মনে রাখতে কা দিয়ে ক্রাফট এবং কা দিয়ে কাগজ এই মিলটি মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ক্রাফট প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত রাসায়নিক দ্রবণকে হোয়াইট লিকার বলা হয়। - এই ধরনের প্রশ্ন ব্যাংক নিয়োগ এবং বিসিএস পরীক্ষায় শিল্প ও রাসায়নিক প্রক্রিয়া ক্যাটাগরিতে প্রায়ই আসে।
a ইথানল
b ইথার
c পানি
d বিউটেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পানি ১. কেন সঠিক: - পানির অণুতে অক্সিজেন পরমাণুর উচ্চ তড়িৎ ঋণাত্মকতার কারণে তীব্র হাইড্রোজেন বন্ধন গঠিত হয়। - একটি পানির অণুর হাইড্রোজেন পরমাণু অন্য পানির অণুর অক্সিজেনের সঙ্গে এই আকর্ষণ বল তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: হাইড্রোজেন বন্ধন হলো এমন একটি আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল যা অত্যন্ত তড়িৎ ঋণাত্মক পরমাণু এবং হাইড্রোজেন পরমাণুর মধ্যে ঘটে। - কার্যপ্রণালি: পানির সংকেত এইচ টু ও, যেখানে অক্সিজেন হাইড্রোজেনকে ইলেকট্রন নিজের দিকে টেনে নিয়ে আংশিক ঋণাত্মক আধান তৈরি করে। - বাস্তব প্রয়োগ: শক্তিশালী হাইড্রোজেন বন্ধনের কারণেই সাধারণ তাপমাত্রায় পানি তরল অবস্থায় থাকে এবং এর স্ফুটনাঙ্ক অনেক বেশি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বরফের ভাসমান অবস্থা ব্যাখ্যা: হাইড্রোজেন বন্ধনের কারণে বরফের অণুগুলোর মাঝে ফাঁকা স্থান তৈরি হয়, ফলে বরফ পানির চেয়ে হালকা হয়। উদাহরণ ২: ডিএনএর গঠন ব্যাখ্যা: ডিএনএ অণুর দুটি স্ট্র্যান্ডের বেসগুলোর মধ্যে হাইড্রোজেন বন্ধন থাকার কারণে এর দ্বিতন্ত্রী গঠন স্থিতিশীল থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইথানল — এতে হাইড্রোজেন বন্ধন থাকলেও পানির তুলনায় এর মাত্রা দুর্বল কারণ এতে অ্যালকাইল মূলক থাকে। B) ইথার — ইথারে সরাসরি অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনের বন্ধন না থাকায় এটি হাইড্রোজেন বন্ধন গঠন করতে পারে না। C) পানি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে দুটি সক্রিয় হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের কারণে শক্তিশালী বন্ধন গঠিত হয়। D) বিউটেন — এটি একটি অ্যালকেন যা অধ্রুবীয় এবং এতে হাইড্রোজেন বন্ধন গঠনের কোনো সুযোগ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - সবচেয়ে ছোট অণু যাতে অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন থাকে, অর্থাৎ পানি, তার হাইড্রোজেন বন্ধন সবচেয়ে শক্তিশালী। - তড়িৎ ঋণাত্মক মৌল ফোন, অর্থাৎ ফ্লোরিন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন হাইড্রোজেন বন্ধন তৈরি করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পানিতে হাইড্রোজেন বন্ধনের সংখ্যা প্রতিটি অণুর জন্য গড়ে চারটি পর্যন্ত হতে পারে। - প্রশ্ন আসতে পারে কোন যৌগের স্ফুটনাঙ্ক সবচেয়ে বেশি, যার উত্তর সাধারণত হাইড্রোজেন বন্ধনযুক্ত পানি হয়।
a ফ্যাটি এসিড
b গ্লুকোজ
c অ্যামিনো এসিড
d সাইট্রিক এসিড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যামিনো এসিড ১. কেন সঠিক: প্রোটিন বা আমিষ হলো এক ধরণের জটিল জৈব যৌগ যা মূলত কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন দ্বারা গঠিত। অসংখ্য অ্যামিনো এসিড পেপটাইড বন্ধনে যুক্ত হয়ে প্রোটিন অণু গঠন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অ্যামিনো এসিড হলো প্রোটিনের মূল একক বা মনোমার। মানবদেহে সাধারণত কুড়ি রকমের অ্যামিনো এসিড প্রোটিন তৈরিতে অংশ নেয়। কার্যপ্রণালি: কোষের রাইবোজোমে মেসেঞ্জার আরএনএর নির্দেশনা অনুযায়ী অ্যামিনো এসিডগুলো একটার পর একটা যুক্ত হয়ে দীর্ঘ শিকল বা polypeptide chain তৈরি করে। বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের শরীরের পেশি গঠন, কোষের বৃদ্ধি এবং ক্ষয়পূরণে প্রোটিন সরাসরি কাজ করে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকার আমিষ জাতীয় খাবার হজম হয়ে অ্যামিনো এসিডে পরিণত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডিমের সাদা অংশ বা অ্যালবুমিন। ব্যাখ্যা: এটি একটি উচ্চমানের প্রোটিন যা পরিপাকতন্ত্রে ভেঙে প্রয়োজনীয় অ্যামিনো এসিড সরবরাহ করে। উদাহরণ ২: ডাল ও সয়াবিন। ব্যাখ্যা: উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের চমৎকার উৎস যা বিভিন্ন অ্যামিনো এসিডের সমন্বয়ে গঠিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্যাটি এসিড — এটি লিপিড বা চর্বির মূল উপাদান, যা গ্লিসারলের সাথে যুক্ত হয়ে ফ্যাট তৈরি করে। B) গ্লুকোজ — এটি শর্করা বা কার্বোহাইড্রেটের সরল রূপ, যা কোষের শক্তির প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে। C) অ্যামিনো এসিড — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং প্রোটিনের মৌলিক একক। D) সাইট্রিক এসিড — এটি এক ধরণের জৈব এসিড যা লেবু ও কমলালেবুতে পাওয়া যায় এবং শক্তি উৎপাদনে ক্রেবস চক্রে ভূমিকা রাখে। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রোটিনের প এবং অ্যামিনো এসিডের অ মনে রেখে প্রঅ বা প্রোটিন মানেই অ্যামিনো এসিডের শিকল হিসেবে মনে রাখতে পারো। আমিষ পরিপাক হয়ে সবশেষে অ্যামিনো এসিডে পরিণত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রোটিনে নাইট্রোজেন থাকে যা শর্করা ও লিপিডে সচরাচর থাকে না। প্রোটিনের অভাব হলে কোয়শিওরকর ও মারাসমাস রোগ হয়।
a ফ্যাট
b NaOH
c Ca(OH)₂
d গ্লিসারিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Ca(OH)₂ ১. কেন সঠিক: সাবান তৈরিতে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ব্যবহার করা হয়। ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড সাবান শিল্পের সাথে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নয় কারণ এটি চর্বির সাথে বিক্রিয়া করে সাবান উৎপন্ন করতে পারে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: সাবান হলো উচ্চতর ফ্যাটি অ্যাসিডের সোডিয়াম বা পটাসিয়াম লবণ। রাসায়নিক বিক্রিয়া: ফ্যাট বা তেলের সাথে কস্টিক সোডা বা কস্টিক পটাশ যোগ করে তাপ দিলে সাবান ও গ্লিসারিন উৎপন্ন হয়। বাস্তব প্রয়োগ: কাপড় কাটার সাবান তৈরিতে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড এবং গোসলের সাবান তৈরিতে পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নারকেল তেল এবং সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড মিশিয়ে তাপ দিলে কঠিন সাবান তৈরি হয়। ব্যাখ্যা: এটি সাবান তৈরির মূল রাসায়নিক প্রক্রিয়া বা সাবোনিফিকেশন বিক্রিয়া প্রদর্শন করে। উদাহরণ ২: জলপাই তেল এবং পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড একত্রে মিশিয়ে তরল সাবান প্রস্তুত করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি বিভিন্ন ক্ষার ব্যবহারের মাধ্যমে ভিন্ন ধরনের সাবান উৎপাদনের বৈজ্ঞানিক নীতি বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্যাট — এটি সাবান উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল যার মধ্যে ফ্যাটি অ্যাসিডের এস্টার থাকে। B) NaOH — এটি সাবান তৈরির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষার যা সোডিয়াম সাবান তৈরি করে। C) Ca(OH)₂ — এটি সাবান তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না বরং এটি ব্লিচিং পাউডার ও মর্টার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। D) গ্লিসারিন — এটি সাবান তৈরির মূল প্রক্রিয়ার একটি উপজাত হিসেবে উৎপন্ন হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সাবান তৈরিতে সোডা লাগে সোডা মানে NaOH আর ফ্যাট ও গ্লিসারিন তো সাবানের সাথেই থাকে। ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা চুন সাবানের বদলে হোয়াইট ওয়াশ বা ঘরময় চুনকাম করার কাজে লাগে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সাবান প্রস্তুতি বিক্রিয়াকে সাবোনিফিকেশন বা সাবানায়ন বলা হয়। এই টপিক থেকে প্রায়ই কোন ক্ষার ব্যবহার করা হয় বা উপজাত কী পাওয়া যায় তা নিয়ে প্রশ্ন আসে।
a CuSO₄5H₂O
b CuSO₄ (অনার্দ্র)
c CaSO₄
d NaSO₄
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: রসায়ন (অমরত্ব ও রাসায়নিক পরীক্ষা) প্রদত্ত সঠিক উত্তর: C) CaSO₄ (নোট: প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তরটি সংশোধন করা হলো, কারণ পানির উপস্থিতি শনাক্তকরণে পরীক্ষাগারে মূলত অনার্দ্র কপার সালফেট বা কপার সালফেট পেন্টাহাইড্রেট ব্যবহৃত হয়। তবে প্রমিত উত্তর হিসেবে অনার্দ্র কপার সালফেট বা কপার সালফেটের বিভিন্ন রূপ বিবেচনা করা হয়। সঠিক পরীক্ষাগারভিত্তিক প্রমিত উত্তর হলো অনার্দ্র কপার সালফেট বা কপার সালফেট টেস্ট।) ১. কেন সঠিক: - কপার সালফেটের অনার্দ্র রূপ পানির সংস্পর্শে এলে রঙিন হয়ে যায় এবং তা থেকে পানির উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায়। - জলীয় বা তরল পানির অণু এর ক্রিস্টাল স্ট্রাকচারে যুক্ত হয়ে নতুন যৌগ গঠন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অনার্দ্র লবণ হলো এমন লবণ যাতে কোনো কেলাসন পানি থাকে না এবং তারা পানি শোষণ করতে পারে। - কার্যপ্রণালি: অনার্দ্র সাদা কপার সালফেটের সাথে পানি যোগ করলে তা নীল রঙের কপার সালফেট পেন্টাহাইড্রেটে পরিণত হয়। - রাসায়নিক পরিবর্তন: সাদা রঙের অনার্দ্র কপার সালফেট পানির সাথে বিক্রিয়া করে নীল রঙের হাইড্রেটেড লবণে রূপান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ল্যাবরেটরিতে ইথানল বা অন্যান্য জৈব দ্রাবকে পানির উপস্থিতি পরীক্ষা করতে অনার্দ্র কপার সালফেট ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: জৈব তরলে সামান্য পানি থাকলে সাদা পাউডার নীল বর্ণ ধারণ করে। উদাহরণ ২: সিলিকা জেল ব্যাগের মাধ্যমে ক্যামেরার লেন্স বা ইলেকট্রনিক্সে আর্দ্রতা রোধ করা হয়। ব্যাখ্যা: সিলিকা জেল পরিবেশ থেকে জলীয় বাষ্প শোষণ করে শুষ্ক রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) CuSO₄.5H₂O — এটি হাইড্রেটেড কপার সালফেট, যার মধ্যে আগে থেকেই পানি যুক্ত থাকে এবং এটি দিয়ে নতুন করে পানি শনাক্ত করা যায় না। B) CuSO₄ (অনার্দ্র) — এটি প্রমিত উত্তর হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত কপার সালফেটের নানা রূপ এবং অন্যান্য যৌগ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়, তবে পরীক্ষাগারের প্রধান নির্দেশক হিসেবে অনার্দ্র কপার সালফেটই মূল উত্তর। C) CaSO₄ — এটি ক্যালসিয়াম সালফেট বা জিপসামের অনার্দ্র রূপ, যা মূলত শুষ্ককারক হিসেবে ব্যবহৃত হয় কিন্তু কালার পরিবর্তনের মাধ্যমে পানির নির্দিষ্ট সংকেত দেয় না। D) NaSO₄ — এটি সোডিয়াম সালফেট, যা পরীক্ষাগারে পানি শনাক্তকরণের সাধারণ নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - কপার সালফেট মানেই রঙের খেলা, সাদা থেকে নীল হলে বুঝবে পানি এসে গেছে। - অনার্দ্র লবণের নামের আগে অনার্দ্র শব্দ থাকলেই বুঝবে সেখানে পানি নেই এবং সে পানি খুঁজছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কেলাসন পানির উপস্থিতি এবং পদার্থের বর্ণ পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রশ্ন BCS পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - নীল রঙের কপার সালফেটকে উত্তপ্ত করলে তা আবার সাদা অনার্দ্র লবণে পরিণত হয়।
a নিউট্রিনো
b বোসন
c প্রোটন
d মেসন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রোটন ১. কেন সঠিক: মহাজাগতিক রশ্মি বা কসমিক রে প্রধানত মহাশূন্য থেকে আলোর বেগের কাছাকাছি গতিতে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আসা উচ্চ শক্তির প্রোটন এবং অন্যান্য পারমাণবিক নিউক্লিয়াস। এই রশ্মিগুলো যখন বায়ুমণ্ডলের অণুর সাথে সংঘর্ষ ঘটায়, তখন নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে থাকা মৌলিক কণাগুলো উন্মুক্ত হয় এবং প্রোটনের উপস্থিতি নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মহাজাগতিক রশ্মি মূলত গ্যালাক্টিক উৎস থেকে আসা অত্যন্ত উচ্চ শক্তির চার্জযুক্ত কণা, যার பெரும்பাগই একক প্রোটন বা হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াস। কার্যপ্রণালি: এই কণাগুলো পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্র ও বায়ুমণ্ডলের গ্যাসীয় অণুর সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে নিউক্লীয় বিক্রিয়া ঘটায় এবং সেকেন্ডারি কণা তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যের করোনা থেকে নির্গত প্রোটন কণা বা সোলার প্রোটন ইভেন্ট। ব্যাখ্যা: এটি মহাজাগতিক উচ্চ শক্তির কণার উৎস এবং নিউক্লীয় গঠনের সরাসরি প্রমাণ দেয়। উদাহরণ ২: বায়ুমণ্ডলের উচ্চ স্তরে কসমিক রে শাওয়ার বা কণার বৃষ্টিপাত। ব্যাখ্যা: এটি দেখায় কীভাবে উচ্চ শক্তির প্রোটন বায়ুমণ্ডলের পরমাণুকে ভেঙে নতুন কণা তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউট্রিনো — নিউট্রিনো হলো অত্যন্ত হালকা এবং প্রায় ভরহীন চার্জহীন মৌলিক কণা, যা নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে স্থায়ীভাবে থাকে না বরং তেজস্ক্রিয় ক্ষয়ের সময় নির্গত হয়। B) বোসন — বোসন হলো পূর্ণ স্পিনযুক্ত কণা যা বলের বাহক হিসেবে কাজ করে, যেমন ফোটন বা হিগস বোসন, কিন্তু এটি নিউক্লিয়াসের মূল গঠন উপাদান নয়। C) প্রোটন — এটি সঠিক উত্তর কারণ মহাজাগতিক রশ্মির প্রধান উপাদান হলো প্রোটন এবং নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে এর উপস্থিতি পরীক্ষামূলকভাবে প্রমাণিত। D) মেসন — মেসন হলো কোয়ার্ক ও অ্যান্টি-কোয়ার্ক দ্বারা গঠিত একটি হ্যাড্রন কণা, যা নিউক্লিয়নের মধ্যে বল বিনিময়ে ভূমিকা রাখে কিন্তু নিজে নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে স্থায়ী উপাদান নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মহাজাগতিক রশ্মি মানেই মহাশূন্য থেকে আসা উচ্চ শক্তির প্রোটন কণার স্রোত। মনে রাখবেন কসমিক রশ্মির মূল ভিত্তি হলো পরমাণুর সবচেয়ে পরিচিত ধনাত্মক কণা প্রোটন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কার করেন ভিক্টর হেস, যার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান। এই টপিক থেকে প্রায়ই কসমিক রশ্মির উপাদান এবং বায়ুমণ্ডলে এর প্রভাব সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a - 3 ms⁻¹
b 6 ms⁻¹
c 3 ms⁻¹
d 5 ms⁻¹
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) − ৩ ms⁻¹ প্রদত্ত তথ্য: কণার অবস্থানের সমীকরণটি হলো x = ২ − ৫t + ৬t² ধরি, সরণকে সময়ের সাপেক্ষে অন্তরীকরণ করে বেগ নির্ণয় করতে হবে বেগ v = (dx ÷ dt) অতএব, v = d ÷ dt (২ − ৫t + ৬t² ) v = − ৫ + ১২t সুতরাং, আদিবেগ বের করতে সময় t = ০ বসাতে হবে t = ০ হলে, v = − ৫ + ১২ × ০ উত্তর: − ৫ ms⁻¹
a RAM
b HUB
c ROUTER
d MODEM
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) MODEM ১. কেন সঠিক: মডেম হলো এমন একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইসের ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে এবং অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে। টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে ডেটা প্রেরণের জন্য অ্যানালগ সিগন্যালের প্রয়োজন হয়, যা মডেমের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মডেম শব্দটির পূর্ণরূপ হলো মডুলেটর এবং ডিমডুলেটর। এটি ডিজিটাল ডেটাকে অ্যানালগ এবং অ্যানালগ ডেটাকে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে। কার্যপদ্ধতি: মডুলেশন প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে এবং ডিমডুলেশন প্রক্রিয়ায় অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করা হয়। ব্যবহার: ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের জন্য টেলিফোন লাইন বা ব্রডব্যান্ড সংযোগের ক্ষেত্রে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাড়িতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগের সময় টেলিফোন লাইন থেকে আসা সংকেত কম্পিউটারের উপযোগী করতে মডেম ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: অ্যানালগ টেলিফোন লাইন থেকে আসা সংকেতকে মডেম ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে কম্পিউটারকে ইন্টারনেট ব্যবহারের উপযোগী করে তোলে। উদাহরণ ২: ল্যান্ডলাইনের মাধ্যমে ফ্যাক্স পাঠানোর সময় ডিজিটাল ডেটা অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তরিত হয়। ব্যাখ্যা: কম্পিউটারের ডিজিটাল ডেটা অ্যানালগ মাধ্যমে পাঠানোর জন্য মডেম তা রূপান্তর করে গন্তব্যে পৌঁছে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) RAM — এটি কম্পিউটারের মূল মেমোরি বা প্রাইমারি মেমোরি হিসেবে কাজ করে এবং সংকেত রূপান্তর করে না। B) HUB — এটি একটি সাধারণ নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা একাধিক কম্পিউটারকে সংযুক্ত করে কিন্তু সংকেত রূপান্তর করে না। C) ROUTER — এটি বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্যাকেট রুট বা পথ নির্ধারণ করে, সংকেত রূপান্তর মডেমের কাজ। D) MODEM — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তর করতে পারে। ৫. মনে রাখার টিপস: মডেম কথাটি এসেছে মডুলেটর এবং ডিমডুলেটর শব্দের অংশ বিশেষ থেকে। ডিজিটাল থেকে অ্যানালগ রূপান্তরকে মডুলেশন এবং অ্যানালগ থেকে ডিজিটাল রূপান্তরকে ডিমডুলেশন বলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মডেম হলো একমাত্র ডিভাইস যা ডেটা যোগাযোগের ক্ষেত্রে মাধ্যম পরিবর্তনের জন্য মডুলেশন ও ডিমডুলেশন উভয় কাজই করতে পারে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মডেমের পূর্ণরূপ এবং এর মৌলিক কাজ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
a Bit
b Byte
c Pixel
d Data
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Bit ১. কেন সঠিক: - বিট (Bit) কথাটি এসেছে বাইনারি ডিজিট (Binary Digit) থেকে, যা কম্পিউটারের পরিভাষায় তথ্যের সবচেয়ে ছোট বা ক্ষুদ্রতম একক। - কম্পিউটার সিস্টেমে সমস্ত ডেটা এবং নির্দেশাবলী শূন্য এবং এক এই দুটি বাইনারি অঙ্কের মাধ্যমে সংরক্ষিত ও প্রক্রিয়াজাত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: বিট হলো কম্পিউটার মেমোরির সবচেয়ে মৌলিক একক, যার মান হতে পারে শূন্য অথবা এক। - কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটারের ভেতরে থাকা ট্রানজিস্টর নামক ইলেকট্রনিক সুইচগুলো বিদ্যুৎ চালিত বা বন্ধ থাকার অবস্থার মাধ্যমে শূন্য বা এক হিসেবে ডেটা সংরক্ষণ করে। - বৈশিষ্ট্য: একটি বিট শুধুমাত্র একটি বাইনারি মান ধারণ করতে পারে এবং এটি ডেটা পরিমাপের সর্বনিম্ন ভিত্তি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি সাধারণ লাইট সুইচের অন এবং অফ অবস্থা। ব্যাখ্যা: সুইচ অন থাকা মানে এক এবং অফ থাকা মানে শূন্য, যা বিটের কাজের ধারণার সঙ্গে মেলে। উদাহরণ ২: কম্পিউটারে ১ বাইটের মেমোরি স্পেস। ব্যাখ্যা: আটটি বিট মিলে এক বাইট গঠিত হয়, যা একটি অক্ষর বা ক্যারেক্টার সংরক্ষণ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bit - এটি সঠিক কারণ এটি কম্পিউটারের পরিভাষায় ডেটা সংরক্ষণের সর্বনিম্ন একক। B) Byte - বাইট হলো আটটি বিটের সমষ্টি, যা বিট অপেক্ষা বড় একক এবং মেমোরির পরিমাপের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। C) Pixel - পিক্সেলে হলো ছবির ক্ষুদ্রতম একক বা ডিসপ্লের বিন্দু, যা ডেটা বা মেমোরির পরিমাপের একক নয়। D) Data - ডেটা হলো সুবিন্যস্ত তথ্যের কাঁচামাল বা বিভিন্ন তথ্যের সমষ্টি, যা বিটের চেয়ে অনেক বড় ধারণার প্রতীক। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিট হলো বাইনারি ডিজিটের সংক্ষিপ্ত রূপ। আটটি বিট মিলে হয় এক বাইট। - নামের শুরুতেই বাইনারি থেকে বিট শব্দটি এসেছে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্পিউটারে ডেটা সঞ্চয় এবং মেমোরির আকার পরিমাপের ধারাবাহিকতা মনে রাখা জরুরি। - আট বিটে এক বাইট এবং এক হাজার চব্বিশ বাইটে এক কিলোবাইট হয়।
a আইসি
b লেজার রশ্মি
c চুম্বকত্ব
d শব্দতরঙ্গ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চুম্বকত্ব ১. কেন সঠিক: হার্ড ডিস্ক ড্রাইভে ডেটা সংরক্ষণের জন্য চৌম্বকীয় ক্ষেত্র বা চুম্বকত্ব ব্যবহার করা হয়। ডিস্কের ওপরের চৌম্বকীয় স্তরের ক্ষুদ্র অংশকে উত্তর বা দক্ষিণ মেরুতে পরিণত করে বাইনারি শূন্য ও এক লেখা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: Hard Disk Drive বা HDD হলো কম্পিউটারের প্রধান ও স্থায়ী চৌম্বকীয় স্টোরেজ ডিভাইস। কার্যপদ্ধতি: এর ভেতরে থাকা প্ল্যাটার নামক গোল চাকতির ওপর চৌম্বকীয় আস্তরণ থাকে এবং রিড-রাইট হেড ডেটা পড়ে ও লেখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: টেবিলের ওপর রাখা চুম্বক দিয়ে লোহাকে আকর্ষণ করা। ব্যাখ্যা: হার্ড ডিস্কের ভেতরেও চৌম্বকীয় আস্তরণ ঠিক একইভাবে ডেটা ধরে রাখে। উদাহরণ ২: ক্যাসেটের ফিতায় গান বা রেকর্ড জমা থাকা। ব্যাখ্যা: অডিও ক্যাসেটও চৌম্বকত্বের নীতিতে কাজ করে, যা হার্ড ডিস্কের প্রযুক্তির মতোই প্রাচীন রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইসি — এটি সিলিকন দিয়ে তৈরি ইলেকট্রনিক চিপ যা প্রসেসিং ও মেমোরিতে ব্যবহৃত হয়, চুম্বকত্বে নয়। B) লেজার রশ্মি — এটি সিডি, ডিভিডি বা ব্লু-রে ডিস্কে অপটিক্যাল পদ্ধতিতে ডেটা পড়তে বা লিখতে ব্যবহৃত হয়। ডি) শব্দতরঙ্গ — এটি শব্দের কম্পন পরিবহনে কাজ করে, কম্পিউটারের ডিজিটাল ডেটা সঞ্চয় করার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ হলো একটি চৌম্বকীয় ডিভাইস। সংক্ষেপে মনে রাখবে এইচডিডি মানেই চুম্বকত্ব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের মূল মেমোরি বা র‍্যাম হলো অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর মেমোরি। আর হার্ড ডিস্ক হলো সেকেন্ডারি বা সহায়ক ম্যাগনেটিক স্টোরেজ ডিভাইস।
a 4k m s⁻¹
b 3.07k m sec⁻¹
c 4.07k m sec⁻¹
d 5.07k m sec⁻¹
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 3.07 km sec⁻¹ ১. কেন সঠিক: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ একটি ভূস্থির যোগাযোগ উপগ্রহ যা প্রায় ৩৬ হাজার কিলোমিটার উচ্চতায় অবস্থান করে। এই নির্দিষ্ট উচ্চতায় পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করার জন্য উপগ্রহটির কক্ষপথে ঘূর্ণন দ্রুতি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩.০৭ কিলোমিটার হওয়া আবশ্যক। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কক্ষপথের দ্রুতি হলো এমন একটি নির্দিষ্ট গতি যা বজায় রেখে একটি উপগ্রহ মহাকর্ষ বলের প্রভাবে কোনো গ্রহকে প্রদক্ষিণ করে। কার্যপদ্ধতি: মহাকর্ষ বল এবং কেন্দ্রমুখী বলের ভারসাম্যের মাধ্যমে উপগ্রহটি নির্দিষ্ট গতিতে নির্ধারিত কক্ষপথে আবর্তন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃত্রিম উপগ্রহের উৎক্ষেপণ। ব্যাখ্যা: রকেটের মাধ্যমে নির্দিষ্ট উচ্চতায় পৌঁছানোর পর উপগ্রহকে প্রয়োজনীয় কক্ষপথের দ্রুতি প্রদান করা হয় যাতে এটি মহাকাশে স্থির থেকে কাজ করতে পারে। উদাহরণ ২: পৃথিবীর নিজ অক্ষে ঘূর্ণন এবং উপগ্রহের আবর্তন। ব্যাখ্যা: উপগ্রহটি পৃথিবীর আবর্তনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ঘোরে বলেই ভূপৃষ্ঠ থেকে এটিকে একটি নির্দিষ্ট স্থানে স্থির মনে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 4 km s⁻¹ — এই গতি ভূস্থির কক্ষপথের জন্য নির্ধারিত গতির চেয়ে বেশি, যা উপগ্রহকে উচ্চতর কক্ষপথে ঠেলে দেবে বা ছিটকে ফেলবে। B) 3.07 km sec⁻¹ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দ্রুতিতে ঘুরলেই উপগ্রহটি পৃথিবীর সাথে সামঞ্জস্য রেখে নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকতে পারে। C) 4.07 km sec⁻¹ — এই অতিরিক্ত গতির কারণে উপগ্রহটি নির্ধারিত ভূস্থির কক্ষপথ বজায় রাখতে ব্যর্থ হবে। D) 5.07 km sec⁻¹ — এই গতি ভূস্থির উপগ্রহের জন্য অনেক বেশি এবং এর ফলে উপগ্রহটি পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ বল অতিক্রম করে মহাশূন্যে হারিয়ে যাবে। ৫. মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর কক্ষপথের দ্রুতি মনে রাখতে সংখ্যাটি ৩.০৭ মনে রাখুন। ভূস্থির উপগ্রহের গতি সর্বদা সেকেন্ডে প্রায় ৩ কিলোমিটারের ঘরে হয়ে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ যা ২০১৭ সালের ১১ মে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়। এটি ফ্রান্সের থালেস অ্যালেনিয়া স্পেস কোম্পানির সহায়তায় তৈরি এবং যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপিত হয়।
a কার্বন ডাইঅক্সাইড
b নাইট্রাস অক্সাইড
c সালফার ডাইঅক্সাইড
d জলীয় বাষ্প
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সালফার ডাইঅক্সাইড ১. কেন সঠিক: - সালফার ডাইঅক্সাইড একটি গ্রিনহাউস গ্যাস নয় কারণ এটি বায়ুমণ্ডলে দীর্ঘস্থায়ী তাপ আটকে রাখতে প্রধানত ভূমিকা রাখে না। - বরং এটি সূর্যালোক প্রতিহত করে বায়ুমণ্ডলকে সাময়িকভাবে শীতল করার ক্ষমতা রাখে এবং এটি প্রধানত অম্লীয় বৃষ্টির জন্য দায়ী। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - আবহাওয়া ও জলবায়ু: বায়ুমণ্ডলের যেসকল গ্যাস পৃথিবী থেকে বিকিরিত দীর্ঘ তরঙ্গের তাপ শোষণ করে ভূপৃষ্ঠকে উষ্ণ রাখে, সেগুলোকে গ্রিনহাউস গ্যাস বলে। - কারণ ও প্রভাব: প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাসগুলো হলো কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড ও জলীয় বাষ্প, যা বিশ্ব উষ্ণায়নের মূল কারণ। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: জলীয় বাষ্প ব্যাখ্যা: এটি বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে প্রাকৃতিক এবং শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস যা পৃথিবীর স্বাভাবিক তাপমাত্রা ধরে রাখতে সহায়তা করে। উদাহরণ ২: কার্বন ডাইঅক্সাইড ব্যাখ্যা: জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে এই গ্যাস প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হয় এবং দীর্ঘকাল বায়ুমণ্ডলে থেকে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্বন ডাইঅক্সাইড — এটি একটি অন্যতম প্রধান ও সর্বাধিক পরিচিত গ্রিনহাউস গ্যাস যা বৈশ্বিক উষ্ণতার জন্য দায়ী। B) নাইট্রাস অক্সাইড — এটি একটি শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস যা মূলত কৃষি কার্যক্রম ও সার ব্যবহারের ফলে বায়ুমণ্ডলে বৃদ্ধি পায়। C) সালফার ডাইঅক্সাইড — এটি কোনো গ্রিনহাউস গ্যাস নয়, এটি শিল্পকারখানার ধোঁয়া থেকে উৎপন্ন হয় এবং অম্লীয় বৃষ্টি ও বায়ু দূষণ ঘটায়। D) জলীয় বাষ্প — এটি প্রকৃতির সবচেয়ে সক্রিয় গ্রিনহাউস গ্যাস যা বায়ুমণ্ডলের প্রাকৃতিক তাপমাত্রার ভারসাম্য রক্ষা করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - গ্রিনহাউস গ্যাসগুলো মনে রাখার জন্য প্রধান গ্যাসগুলোর নাম মনে রাখবে, যেমন কার্বন, মিথেন, জলীয় বাষ্প ও নাইট্রাস অক্সাইড। - সালফার ডাইঅক্সাইড এবং নাইট্রোজেন ডাইঅক্সাইড প্রধানত এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী, গ্রিনহাউস গ্যাস হিসেবে এদের প্রধান ভূমিকা নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই গ্রিনহাউস গ্যাস কোনটি বা কোনটি নয় তা জানতে চাওয়া হয়। - এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা গ্রিনহাউস গ্যাস এবং বায়ু দূষণকারী গ্যাসের পার্থক্য সহজে বুঝতে পারবে।
a ৭ মাত্রার
b ৭.৫ মাত্রার
c ৮ মাত্রার
d ৮.৫ মাত্রার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮.৫ মাত্রার ১. কেন সঠিক: - পদ্মা সেতুটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে এটি রিখটার স্কেলে ৮.৫ মাত্রার ভূমিকম্প সহ্য করতে পারে। - বাংলাদেশের ভূকম্পন সংবেদনশীল অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় এর পাইলিং এবং স্ট্রাকচার অত্যন্ত মজবুত করা হয়েছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: মুন্সীগঞ্জ, শরীয়তপুর ও মাদারীপুর জেলা সংযোগকারী পদ্মা নদীর ওপর অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি দেশের দীর্ঘতম বহুমুখী সেতু এবং একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবকাঠামো। - প্রাসঙ্গিক তথ্য: সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার এবং এর গভীরতা ও পাইলিং বিশ্বের অন্যতম গভীর। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: জাপানের আকশি কাইকিয়ো সেতু ব্যাখ্যা: এটি অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলে নির্মিত এবং বিশ্বের দীর্ঘতম ঝুলে থাকা সেতুগুলোর একটি। উদাহরণ ২: সান ফ্রান্সিসকোর গোল্ডেন গেট সেতু ব্যাখ্যা: এটিও প্রবল ভূমিকম্প এবং সামুদ্রিক বাতাসের ধাক্কা সহ্য করার উপযোগী করে প্রকৌশলগতভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ মাত্রার — এই মাত্রাটি পদ্মা সেতুর মতো মেগা প্রকল্পের জন্য অপর্যাপ্ত এবং এর প্রকৌশল নকশায় অনেক বেশি সহনশীলতা রাখা হয়েছে। B) ৭.৫ মাত্রার — মাঝারি মানের ভূমিকম্পের জন্য এটি প্রযোজ্য হলেও বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতির জন্য সেতুটির সহনশীলতা এর চেয়ে বেশি নির্ধারণ করা হয়েছে। C) ৮ মাত্রার — যদিও এটি অনেক বেশি, তবুও পদ্মা সেতুর চূড়ান্ত নকশাগত সহনশীলতা এর চেয়েও বেশি রাখা হয়েছে। D) ৮.৫ মাত্রার — এটিই সঠিক কারণ প্রকৌশলগত সমীক্ষায় এই সর্বোচ্চ মাত্রাটি বিবেচনায় নিয়ে সেতুটির ভিত নির্মাণ করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: পদ্মা সেতুর সহনশীলতা মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সেতু তাই এর সহনশীলতার মাত্রাটিও ৮ এর চেয়ে বেশি অর্থাৎ ৮.৫। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি থেকে শিক্ষার্থীরা মেগা প্রকল্পের প্রকৌশলগত চ্যালেঞ্জ ও ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপের রিখটার স্কেল সম্পর্কে ধারণা লাভ করে। একই ধারণা থেকে ভবিষ্যতে সেতুটির দৈর্ঘ্য বা এর অবস্থান সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a সুয়েজ খাল
b ভলগা নদী
c মিসিসিপি নদী
d পানামা খাল
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক প্রণালি, খাল, উপসাগর ও সাগর সঠিক উত্তর: D) পানামা খাল ১. কেন সঠিক: পানামা খাল মধ্য আমেরিকার পানামা যোজাকীর্ণ অঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সরাসরি সংযুক্ত করেছে। এই কৃত্রিম জলপথটি নির্মাণের ফলে জাহাজগুলোকে দক্ষিণ আমেরিকার কেপ হর্ন ঘুরে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার প্রয়োজন হয় না এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্যের দূরত্ব ও সময় বহুলাংশে হ্রাস পেয়েছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: মধ্য আমেরিকা, পানামা দেশ, আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর। বৈশিষ্ট্য: এটি একটি লক বা কপাটিকাভিত্তিক কৃত্রিম জলপথ যা সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতার তারতম্য নিয়ন্ত্রণ করে জাহাজ পারাপার নিশ্চিত করে। সংশ্লিষ্ট তথ্য: ১৯১৪ সালে পানামা খাল আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করা হয় এবং পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ থেকে পানামা সরকারের কাছে এর সার্বভৌমত্ব হস্তান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: নিউ ইয়র্ক থেকে সান ফ্রান্সিসকো সামুদ্রিক রুট। ব্যাখ্যা: পানামা খাল ব্যবহারের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলের নিউ ইয়র্ক থেকে পশ্চিম উপকূলের সান ফ্রান্সিসকো যাওয়ার সমুদ্রপথ প্রায় পনেরো হাজার কিলোমিটার সংকুচিত হয়েছে। উদাহরণ ২: গ্যাটুন হ্রদ। ব্যাখ্যা: পানামা খালের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো এই কৃত্রিম হ্রদ, যা খালের মধ্য দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে পানীয় জল ও চলাচলের পথ সরবরাহ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুয়েজ খাল — এটি মিশর ও সিনাই উপদ্বীপের মাঝে অবস্থিত একটি কৃত্রিম জলপথ যা ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে সংযুক্ত করেছে। B) ভলগা নদী — এটি ইউরোপের দীর্ঘতম নদী যা রাশিয়ার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কাস্পিয়ান সাগরে পতিত হয়েছে। C) মিসিসিপি নদী — এটি উত্তর আমেরিকার দীর্ঘতম নদী অববাহিকাগুলোর একটি যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মেক্সিকো উপসাগরে পতিত হয়েছে। D) পানামা খাল — এটি আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: পানামা খাল প্রশান্ত ও আটলান্টিককে যুক্ত করে, আর সুয়েজ খাল ভূমধ্য ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করে। পানামা শব্দটির সাথে আমেরিকা ও সামুদ্রিক যোগাযোগের বিষয়টি মনে রাখলে সহজেই সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পানামা খাল ও সুয়েজ খালের সংযোগস্থল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে সুয়েজ খাল কোন দুটি সাগরকে যুক্ত করেছে।
a কাস্পিয়ান
b বৈকাল
c মানস সরোবর
d ডেড সী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বৈকাল ১. কেন সঠিক: বৈকাল হ্রদ পৃথিবীর গভীরতম হ্রদ হিসেবে পরিচিত যার সর্বোচ্চ গভীরতা ১,৬৪২ মিটার। এর বিশাল গভীরতা এবং প্রাচীন টেকটনিক প্লেটের ফাটলে সৃষ্টির কারণে এটি এই ভৌগোলিক বৈচিত্র্য অর্জন করেছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: এটি রাশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো হ্রদ। বৈশিষ্ট্য: পৃথিবীর মোট তরল স্বাদু পানির প্রায় কুড়ি শতাংশ এই হ্রদে সংরক্ষিত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য: এটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে তালিকাভুক্ত। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: তানাগানিকা হ্রদ ব্যাখ্যা: এটি আফ্রিকার দীর্ঘতম ও দ্বিতীয় গভীরতম হ্রদ যা বৈকাল হ্রদের মতো টেকটনিক গ্রাবেনের ফল। উদাহরণ ২: সুপিরিয়র হ্রদ ব্যাখ্যা: এটি আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম স্বাদু পানির হ্রদ হলেও গভীরতায় বৈকাল হ্রদের ধারেকাছেও আসে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাস্পিয়ান — এটি আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম হ্রদ বা সাগর হলেও গভীরতম নয়। B) বৈকাল — এটি প্রশ্ন অনুযায়ী পৃথিবীর গভীরতম হ্রদ এবং সঠিক উত্তর। C) মানস সরোবর — এটি তিব্বতে অবস্থিত একটি ধর্মীয় ও ভৌগোলিক গুরুত্বসম্পন্ন উচ্চ উচ্চতার হ্রদ। D) ডেড সী — এটি বিশ্বের সবচেয়ে লবণাক্ত জলাশয়গুলোর একটি যা হ্রদ হিসেবে পরিচিত হলেও গভীরতম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: গভীর পানির বৈচিত্র্য মনে রাখতে বাইক চালাতে চালাতে গভীর রাতে বৈকাল হ্রদের কথা ভাবুন। বৈকাল মানেই গভীর জলরাশি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই হ্রদের গভীরতা ও আয়তনের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। বৈকাল হ্রদ গভীরতম এবং কাস্পিয়ান সাগর বৃহত্তম হ্রদ হিসেবে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।
a Extinction Rebellion
b Nature Compact
c Eco Friends
d Build Better World
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Extinction Rebellion ১. কেন সঠিক: - এটি একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী আন্দোলন যা জলবায়ু পরিবর্তন ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের বিরুদ্ধে সোচ্চার। - এই আন্দোলনটি সরকারকে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে এবং কার্বন নির্গমন শূন্যে নামিয়ে আনতে শান্তিপূর্ণ আইন অমান্য ও অহিংস প্রতিরোধের পথ বেছে নেয়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: যুক্তরাজ্য থেকে ২০১৮ সালে এই আন্দোলন শুরু হলেও বর্তমানে এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। - বৈশিষ্ট্য: এটি কোনো দলীয় রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত নয় এবং সরাসরি কর্মপদ্ধতিতে বিশ্বাস করে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: জলবায়ু সংকটের বাস্তব প্রভাব থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করতে সাধারণ মানুষ ও বিজ্ঞানীরা এতে দলমত নির্বিশেষে অংশ নেন। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: লন্ডনের রাজপথ অবরোধ। ব্যাখ্যা: এই আন্দোলনের কর্মীরা জলবায়ু পরিবর্তনের তীব্রতা সম্পর্কে বিশ্ববাসীর নজর কাড়তে ব্যস্ত সড়ক ও সেতু অহিংস উপায়ে অবরোধ করেন। উদাহরণ ২: বৈশ্বিক ধর্মঘট ও প্রতিবাদ। ব্যাখ্যা: বিভিন্ন দেশের পরিবেশকর্মীরা পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে নীতিনির্ধারকদের বাধ্য করতে এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে গণবিক্ষোভ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Extinction Rebellion — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি বৈশ্বিক জলবায়ু ও পরিবেশ বিষয়ক একটি নির্দলীয় আন্দোলন। B) Nature Compact — এটি কোনো পরিচিত বৈশ্বিক পরিবেশ আন্দোলনের নাম নয় বরং এটি ভুল বা বিভ্রান্তিকর অপশন। C) Eco Friends — এটি কোনো আন্তর্জাতিক পরিবেশ আন্দোলনের নাম নয় বরং এটি বিভিন্ন স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠনের সাধারণ নাম হতে পারে। D) Build Better World — এটি জলবায়ু আন্দোলন নয় বরং এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জি-সেভেন ভুক্ত দেশগুলোর একটি আন্তর্জাতিক অবকাঠামো ও উন্নয়ন উদ্যোগ। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিলুপ্তি বা এক্সটিংশন শব্দটি পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। - জলবায়ু সংকট বোঝাতে বিদ্রোহী মনোভাব প্রকাশকারী আন্দোলন হলো এক্সটিংশন রেবেলিয়ন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক পরিবেশগত আন্দোলন ও বৈশ্বিক উদ্যোগ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - ফ্রাইডেস ফর ফিউচার বা এক্সটিংশন রেবেলিয়নের মতো আন্তর্জাতিক আন্দোলনগুলোর প্রতিষ্ঠাতা ও শুরুর বছর সম্পর্কে জেনে রাখা ভালো।
a পুকুরে
b বিলে
c নদীতে
d সাগরে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সাগরে ১. কেন সঠিক: সাগরের পানিতে লবণের পরিমাণ বেশি থাকায় এর ঘনত্ব সাধারণ পানির চেয়ে বেশি হয়। ফলে আর্কিমিডিসের সূত্র অনুযায়ী বস্তুর ওপর প্লবতা বা ঊর্ধ্বমুখী ধাক্কা বেশি কাজ করে, যা সাঁতার কাটতে সাহায্য করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: বৈশিষ্ট্য: মহাসাগর ও সাগরের পানির ঘনত্ব বেশি হওয়ার কারণে মানুষের শরীর সহজে পানিতে ভেসে থাকে। কারণ ও প্রভাব: দ্রবীভূত খনিজ ও লবণের কারণে পানির প্লবতা বৃদ্ধি পায়, যা সাঁতারুকে কম পরিশ্রমে ভাসিয়ে রাখতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: মৃত সাগর বা ডেড সি। ব্যাখ্যা: এই সাগরে লবণের পরিমাণ এত বেশি যে মানুষ সাঁতার না জেনেও খুব সহজেই শুয়ে থাকতে পারে এবং ডুবে যায় না। উদাহরণ ২: সাধারণ নদী ও পুকুরের মিষ্টি পানি। ব্যাখ্যা: মিষ্টি পানিতে লবণের ঘনত্ব কম থাকায় প্লবতা কম হয়, ফলে সাঁতার কাটার সময় বেশি শক্তি প্রয়োগ করতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুকুরে — পুকুরের পানি সাধারণত মিষ্টি পানি হওয়ায় এতে লবণের পরিমাণ কম থাকে এবং পানির ঘনত্ব কম হয়। ফলে সাগরের মতো সহজে ভেসে থাকা বা সাঁতার কাটা যায় না। B) বিলে — বিলের পানি মূলত বৃষ্টির পানি বা ঢলের পানি দ্বারা পুষ্ট মিষ্টি পানি, যেখানে খনিজ লবণের মাত্রা খুবই কম। এ কারণে প্লবতা কম থাকায় সাঁতার কাটা তুলনামূলক কঠিন। C) নদীতে — নদীর পানি প্রবহমান মিষ্টি পানি, যাতে খনিজ পদার্থের ঘনত্ব কম থাকে। ঘনত্ব কম থাকার কারণে এতে সাঁতার কাটার সময় বেশি শারীরিক পরিশ্রমের প্রয়োজন হয়। D) সাগরে — এই অপশনটি সঠিক কারণ সাগরের পানিতে প্রচুর লবণ ও খনিজ দ্রবীভূত থাকে, যা পানির ঘনত্ব এবং প্লবতা বাড়িয়ে দেয়। ৫. মনে রাখার টিপস: যেখানে লবণের পরিমাণ যত বেশি, সেই পানির ঘনত্ব ও প্লবতা তত বেশি। তাই লবণাক্ত সাগরে সাঁতার কাটা সবচেয়ে সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পানির ঘনত্ব এবং প্লবতার সঙ্গে লবণের পরিমাণের সম্পর্ক পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই ধারণা থেকে তরল পদার্থের ঘনত্ব ও আর্কিমিডিসের সূত্র সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a লন্ডন
b দুবাই
c তেল আবিব
d নিউ ইয়র্ক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিউ ইয়র্ক ১. কেন সঠিক: - নিউ ইয়র্ক শহরটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র হওয়ায় এখানে আবাসন, খাদ্য, পরিবহন ও জীবনযাত্রার ব্যয় বিশ্বজুড়ে সর্বোচ্চ। - বৈশ্বিক জীবনযাত্রার ব্যয় সূচকে এই শহরটি তার মুদ্রাস্ফীতি, শক্তিশালী অর্থনীতি এবং উচ্চ চাহিদার কারণে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে হাডসন নদীর মোহনায় আটলান্টিক মহাসাগরের তীরে অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনবহুল শহর এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি প্রধান বৈশ্বিক কেন্দ্র। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: আন্তর্জাতিক কনসালটেন্সি সংস্থার জীবনযাত্রার ব্যয় সমীক্ষায় এই শহরটি বারবার বিশ্বের ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ম্যানহাটন এলাকা ব্যাখ্যা: নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটন বরো বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল আবাসন ও বাণিজ্যিক এলাকার অন্যতম। উদাহরণ ২: ব্রডওয়ে থিয়েটার জেলা ব্যাখ্যা: এই শহরের বিনোদন ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোতে টিকিটের মূল্য এবং সেবার খরচ বিশ্বের অন্যান্য শহরের তুলনায় অনেক বেশি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন — যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের অন্যতম ব্যয়বহুল শহর হলেও বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয় সূচকে এটি নিউ ইয়র্কের পেছনে রয়েছে। B) দুবাই — সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধান বাণিজ্যিক শহর এবং মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে ব্যয়বহুল স্থানগুলোর একটি, তবে বিশ্বতালিকায় এটি শীর্ষস্থান দখল করেনি। C) তেল আবিব — ইসরায়েলের আর্থিক রাজধানী এবং অতীতে জীবনযাত্রার ব্যয়ে শীর্ষে থাকলেও পরিবর্তনশীল মুদ্রাস্ফীতির কারণে এটি বর্তমানে নিউ ইয়র্কের নিচে অবস্থান করছে। D) নিউ ইয়র্ক — এই প্রশ্নটির সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান ব্যয়বহুল শহর হিসেবে প্রমাণিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - অর্থের শহর বা ওয়াল স্ট্রিটের অবস্থান যেখানে, সেই নিউ ইয়র্কই খরচের দিক থেকেও শীর্ষে অবস্থান করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্ব অর্থনৈতিক সূচক এবং জীবনযাত্রার ব্যয় সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে। - এই ধরনের প্রশ্নে শহরগুলোর সাম্প্রতিক বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিং ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a যুক্তরাজ্যে
b যুক্তরাষ্ট্রে
c ফ্রান্সে
d ইতালিতে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাজ্যে ১. কেন সঠিক: গ্রিনিচ মান মন্দিরটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের পূর্ব অংশে টেমস নদীর তীরে অবস্থিত। এই স্থানটি আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় বা জিএমটি এবং শূন্য ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখার মূল মধ্যরেখার ভৌগোলিক সূচক হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: যুক্তরাজ্য, ইউরোপ মহাদেশ, গ্রেট ব্রিটেন দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল। বৈশিষ্ট্য: এই স্থানটির ওপর দিয়েই শূন্য ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখা বা প্রাইম মেরিডিয়ান কল্পিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য: এখান থেকেই পৃথিবীর সব দেশের স্থানীয় সময় ও সময়ের ব্যবধান হিসাব করা হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ সময় ব্যাখ্যা: গ্রিনিচ মান সময় থেকে বাংলাদেশ সময় ছয় ঘণ্টা এগিয়ে থাকে কারণ বাংলাদেশ প্রায় নব্বই ডিগ্রি পূর্বে অবস্থিত। উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা ব্যাখ্যা: গ্রিনিচ রেখার বিপরীত দিকে প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর একশত আশি ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখাকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা ধরা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্যে — এটি সঠিক উত্তর কারণ রয়্যাল অবজারভেটরি গ্রিনিচ লন্ডনেই অবস্থিত। B) যুক্তরাষ্ট্রে — এটি উত্তর আমেরিকার একটি দেশ এবং এর নিজস্ব প্রমাণ সময় অঞ্চল রয়েছে কিন্তু গ্রিনিচ এখানে নেই। C) ফ্রান্সে — এটি ইউরোপের দেশ এবং একসময় প্যারিস মেরিডিয়ান ব্যবহৃত হলেও বর্তমান গ্রিনিচ মান মন্দিরের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। D) ইতালিতে — এটি দক্ষিণ ইউরোপের একটি উপদ্বীপ দেশ এবং আন্তর্জাতিক মান সময়ের মূল কেন্দ্র এটি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: গ্রিনিচ মান মন্দির মানেই লন্ডন শহর আর লন্ডন মানেই যুক্তরাজ্য। সময় নির্ধারণের মূল কেন্দ্র হিসেবে যুক্তরাজ্য নামটি সব সময় প্রথমে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ ও সময় নির্ণয় অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মূল মধ্যরেখা কোন দেশের ওপর দিয়ে গেছে এবং আন্তর্জাতিক সময় কীভাবে নির্ধারিত হয়, এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a জাপান
b চীন
c কোরিয়া
d যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চীন ১. কেন সঠিক: - বর্তমান বিশ্বে চীন সবচেয়ে বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড বা গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণকারী দেশ। - তাদের দ্রুত শিল্পায়ন এবং শক্তির প্রধান উৎস হিসেবে কয়লার ব্যাপক ব্যবহারের ফলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের একটি বিশাল রাষ্ট্র। - বৈশিষ্ট্য: দেশটিতে প্রচুর কয়লা খনি রয়েছে এবং শিল্প উৎপাদন বিশ্ববাজারে প্রধান ভূমিকা পালন করে। - কারণ ও প্রভাব: অতিরিক্ত জ্বালানি পোড়ানোর ফলে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তন ত্বরান্বিত হচ্ছে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: বর্তমান পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিশ্ব মোট কার্বন নিঃসরণের প্রায় ত্রিশ শতাংশ একাই করে থাকে চীন। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: সাংহাই শিল্পাঞ্চল ব্যাখ্যা: এটি চীনের একটি প্রধান শিল্প কেন্দ্র যেখানে প্রচুর শক্তি খরচের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ কার্বন উৎপন্ন হয়। উদাহরণ ২: ঝিনিয়াং শক্তির ভিত্তি ব্যাখ্যা: কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের কেন্দ্রগুলো এই অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড বায়ুমণ্ডলে ছড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এটি বিশ্বের অন্যতম শিল্পোন্নত দেশ হলেও চীন বা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় এর সামগ্রিক কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ কম। B) চীন — এটি বর্তমান প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বিশ্বের শীর্ষ কার্বন নিঃসরণকারী দেশ। C) কোরিয়া — দক্ষিণ কোরিয়া একটি উন্নত ও শিল্পপ্রধান দেশ হলেও মোট নির্গমনে চীনের চেয়ে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। D) যুক্তরাষ্ট্র — এটি ঐতিহাসিকভাবে দ্বিতীয় বৃহত্তম কার্বন নিঃসরণকারী দেশ হলেও বর্তমানে প্রথম স্থানে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশ্বজুড়ে পণ্যের উৎপাদন বেশি হওয়ায় কার্বনের উৎসও বেশি, মনে রাখুন উৎপাদন বেশি মানেই চীন সবার উপরে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরিবেশগত ভূগোলের ক্ষেত্রে শীর্ষ দূষণকারী দেশগুলোর র‍্যাঙ্কিং প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - একই ধারণা থেকে মাথাপিছু কার্বন নিঃসরণে শীর্ষ দেশ বা ঐতিহাসিক নিঃসরণের অবদান সংক্রান্ত প্রশ্নও আসতে পারে।

মোট প্রশ্ন (44)

a স্পার্টাকাস বিষয়ক জটিলতা
b জন্ডিস ও বিভিন্ন বেলুন
c চরকাঁকড়ার ডকুমেন্টারি
d নূরলদীনের সারা জীবন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নূরলদীনের সারা জীবন ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি কাব্যধর্মী নাটক কারণ সৈয়দ শামসুল হকের এই নাটকে কবিতার ছন্দ, সুর ও লয় অত্যন্ত সুনিপুণভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। - নাটকটিতে ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে কাব্যিক ভাষার এক অনন্য সম্মিলন ঘটেছে যা একে সাধারণ নাটক থেকে আলাদা করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাটকটির রচয়িতা বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক, কবি ও নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক। - এটি মূলত উত্তরবঙ্গের কৃষকদের ঐতিহাসিক বিদ্রোহ এবং পাকিস্তানি শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালির সংগ্রামের পটভূমিতে রচিত একটি কাব্যনাট্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: কোপেনহাগেন ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের রচিত ভিন্ন ধারার একটি নাটক যার সঙ্গে কাব্যধর্মিতার মিল রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্পার্টাকাস বিষয়ক জটিলতা — এটি মমতাজউদদীন আহমদ রচিত একটি রাজনৈতিক নাটক, কাব্যধর্মী নাটক নয়। B) জন্ডিস ও বিভিন্ন বেলুন — এটি শিল্পকলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক ও নাট্যকার সেলিম আল দীনের একটি বিখ্যাত নাটক। C) চরকাঁকড়ার ডকুমেন্টারি — এটি সমসাময়িক বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে লেখা একটি নাটক, কাব্যধর্মী নাটকের আওতাভুক্ত নয়। D) নূরলদীনের সারা জীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি কাব্যধর্মী নাটক। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হকের নাটক মানেই তাতে কাব্যিক সুর ও ছন্দ খোঁজা উচিত। - নূরলদীনের সারা জীবন নাটকের নামেই কাব্যিকতা ও সুরের আবেশ রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্য সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কাব্যধর্মী নাটক বললে সাধারণত নূরলদীনের সারা জীবন এবং পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় এই দুটি নাম সবার আগে মনে রাখতে হবে।
a দৃষ্ট
b তিষ্ঠ
c ইষ্ট
d শিষ্ট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইষ্ট ১. কেন সঠিক: 'অনিষ্ট' শব্দের অর্থ হলো ক্ষতি, অমঙ্গল বা যা কাঙ্ক্ষিত নয়। এর ঠিক বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে 'ইষ্ট' শব্দটি, যার অর্থ মঙ্গল, ভালো বা যা কাম্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ অংশের একটি প্রশ্ন। কোনো শব্দের সম্পূর্ণ বা প্রায় বিপরীত অর্থ প্রকাশকারী শব্দকে বিপরীতার্থক শব্দ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃতজ্ঞ - অকৃতজ্ঞ ব্যাখ্যা: কৃতজ্ঞ শব্দের অর্থ উপকার স্বীকারকারী এবং অকৃতজ্ঞ শব্দের অর্থ উপকার স্বীকার না করা। উদাহরণ ২: উন্নত - অবনত ব্যাখ্যা: উন্নত শব্দের অর্থ উচু বা উন্মুখ এবং অবনত শব্দের অর্থ নিচু বা নত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৃষ্ট - এর অর্থ দেখা বা দৃশ্যমান, যা অনিষ্ট শব্দের বিপরীতার্থক নয়। B) তিষ্ঠ - এর অর্থ অপেক্ষা করা বা থাকা, যা অনিষ্ট শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। D) শিষ্ট - এর অর্থ ভদ্র বা শান্ত, যা অনিষ্ট শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে উপযুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: অনিষ্ট শব্দের শুরুতে অ উপসর্গ যুক্ত করে বিপরীত করা হয়েছে। অ বাদ দিলেই ইষ্ট শব্দ পাওয়া যায় যা সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করতে হবে। উপসর্গ বা প্রত্যয় পরিবর্তন করে অনেক সময় বিপরীত শব্দ গঠিত হয়।
a অজ্ঞান
b রেয়াত
c আদমশুমারি
d সচেতন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আদমশুমারি ১. কেন সঠিক: 'Census' ইংরেজি শব্দটির সার্বিক ও প্রমিত বাংলা পরিভাষা হলো আদমশুমারি। এর অর্থ কোনো নির্দিষ্ট এলাকার বা দেশের সমস্ত মানুষের সরকারি হিসাব বা গণনা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের পারিভাষিক শব্দের অন্তর্ভুক্ত। ইংরেজি প্রশাসনিক বা প্রাতিষ্ঠানিক শব্দের সঠিক ও অর্থবহ বাংলা রূপান্তরকে পারিভাষিক শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Population Census ব্যাখ্যা: এর সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো জনসংখ্যা গণনা বা আদমশুমারি। উদাহরণ ২: Agriculture Census ব্যাখ্যা: এর সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো কৃষি শুমারি বা কৃষি গণনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অজ্ঞান — এটি একটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ জ্ঞানহীন বা মূর্ছা যাওয়া, যা Census শব্দের সঙ্গে মেলে না। B) রেয়াত — এর অর্থ ছাড় বা মাশুল হ্রাস, যা কোনো অবস্থাতেই Census শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না। C) আদমশুমারি — এটি সঠিক উত্তর। D) সচেতন — এর অর্থ সজাগ বা জ্ঞানসম্পন্ন, যা Census শব্দের পারিভাষিক অর্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: আদম অর্থ মানুষ এবং শুমারি অর্থ গণনা করা। মানুষের গণনা বা হিসাব বোঝাতেই আদমশুমারি শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পারিভাষিক শব্দ থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক শব্দের ইংরেজি রূপগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের উত্তর সহজে করা যায়।
a শোকানল
b রাঙামাটি
c তেপান্তর
d ছায়াতরু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ছায়াতরু ১. কেন সঠিক: - ছায়াতরু শব্দটি ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায় ছায়া প্রদানকারী তরু। এখানে মাঝের পদ প্রদানকারী লুপ্ত হয়ে সমাস নিষ্পন্ন হয়েছে। - যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের এক বা একাধিক পদ সম্পূর্ণভাবে লোপ পায় তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং এখানে দুটি পদেরই বিশেষ্য বা বিশেষণের সম্পর্ক থাকে। - মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের সংযোগকারী বা মধ্যবর্তী পদটি সমস্ত পদে আর থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এখানে চিহ্নিত পদটি মাঝখান থেকে লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস গঠন করেছে। উদাহরণ ২: মধু মাখা মাছ = মোমমাছি বা মৌমাছি ব্যাখ্যা: এখানে মাখা পদটি লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শোকানল — এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কারণ শোক ও অনল অভিন্ন কল্পনা করা হয়েছে। B) রাঙামাটি — এটি সমাসবদ্ধ পদ হলেও এটি ভিন্ন সমাসের বা সাধারণ কর্মধারয়ের নিয়মে হতে পারে যেখানে মাঝের পদ লোপ পায় না। C) তেপান্তর — এটি তিন প্রান্তের সমাহার বোঝায় যা দ্বিগু সমাসের উদাহরণ। D) ছায়াতরু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্য করার সময় মাঝখানে যে পদ বা শব্দ অতিরিক্ত আসে এবং সমস্ত পদে তা গায়েব হয়ে যায়, সেটাই মধ্যপদলোপী সমাস। - সমাস নির্ণয়ের সময় শব্দের অর্থ ও ব্যাসবাক্যের গঠন ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সিংহাসন, হাতকড়ি, পলান্ন ইত্যাদি শব্দগুলো এই নিয়মের চমৎকার উদাহরণ যা বারবার অনুশীলনের মাধ্যমে আয়ত্ত করতে হবে।
a দূরন্ত
b দুর্গতি
c দুর্বার
d দুর্মতী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুর্গতি ১. কেন সঠিক: বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গ স্থানে দন্ত্য স হয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে বিসর্গ লোপ পায় না এবং শব্দের অর্থের ওপর ভিত্তি করে সন্ধি সাধিত হয়। এখানে দু + গতি মিলে দুর্গতি গঠিত হয়েছে যেখানে বিসর্গ রেফ রূপে রূপান্তরিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের সঙ্গে স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনির মিলনে যে সন্ধি হয় তাকে বিসর্গ সন্ধি বলে। বিসর্গ সন্ধি মূলত দুই ভাগে বিভক্ত যেমন বিসর্গ ও কার এবং বিসর্গ ও ব্যঞ্জনবর্ণের সন্ধি। এখানে ব্যঞ্জনবর্ণের প্রভাবে বিসর্গের রূপান্তর ঘটে রেফ বা ওকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নি + আকার = নিরাকার ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর স্বরধ্বনি থাকলে বিসর্গ র এ পরিণত হয়। উদাহরণ ২: আবিষ্কার = আবিঃ + কার ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ক থাকলে বিসর্গ মূর্ধন্য স এ রূপান্তরিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দূরন্ত — এটি বিসর্গ সন্ধিজাত শব্দ নয় বরং এটি একটি স্বাধীন শব্দ যার বানান বা গঠন অন্য নিয়মে সাধিত। C) দুর্বার — এটি বিসর্গ সন্ধির সঠিক উদাহরণ হলেও প্রশ্নের নির্দিষ্ট শব্দ দুর্গতি এর সঙ্গে এর প্রয়োগ ভিন্ন। D) দুর্মতী — এটি ভুল বানান কারণ এর সঠিক রূপটি হলো দুর্মতি যেখানে ই কার ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সন্ধি বিচ্ছেদের সময় দু এর পর বিসর্গ থাকলে এবং পরবর্তীতে গ বা ঘ বর্ণ থাকলে বিসর্গ স্থানে রেফ হয়। শব্দের শেষ বানানগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য করলে এমন ভুল এড়ানো সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই বিসর্গ ও ব্যঞ্জনবর্ণের সংযোগের নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a দ্বাদশ
b পনের
c উনিশে
d এগার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দ্বাদশ ১. কেন সঠিক: - 'দ্বাদশ' একটি পূরণবাচক শব্দ, যা কোনো বস্তু বা ব্যক্তির ক্রম বা অবস্থান নির্দেশ করে। - প্রদত্ত প্রশ্নে নির্দিষ্ট সংখ্যা বা পরিমাণের বদলে দ্বাদশ শব্দটি দ্বারা বারোতম ক্রম বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সংখ্যাবাচক শব্দ প্রধানত চার প্রকার, যথা: অংকবাচক বা ক্রমবাচক, পরিমাণবাচক, গণনাবাচক এবং পূরণবাচক। - যে সংখ্যাবাচক শব্দ দ্বারা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর ক্রম বা সিরিয়াল বোঝায়, তাকে পূরণবাচক শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম ব্যাখ্যা: এটি একটি পূরণবাচক শব্দ যা ১ সংখ্যার ক্রম বা অবস্থান নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: দশম ব্যাখ্যা: এটি একটি পূরণবাচক শব্দ যা ১০ সংখ্যার ক্রম বা অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বাদশ — এটি সঠিক পূরণবাচক শব্দ এবং ১২ সংখ্যার ক্রম নির্দেশ করে। B) পনের — এটি একটি সাধারণ সংখ্যাবাচক বা পরিমাণবাচক শব্দ, কোনো ক্রম নির্দেশ করে না। C) উনিশে — এটি একটি তারিখ বা সংখ্যাবাচক শব্দ, যা কোনো নির্দিষ্ট ক্রম বা অবস্থান বোঝায় না। D) এগার — এটি একটি মৌলিক সংখ্যাবাচক শব্দ, যা গণনার কাজে ব্যবহৃত হয় কিন্তু পূরণবাচক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্রম বুঝালে পূরণবাচক হয় এবং সাধারণত শব্দের শেষে ম, মর্থ বা থ প্রত্যয় যুক্ত থাকে। - যেমন প্রথম, দ্বিতীয়, দশম ইত্যাদি হলো পূরণবাচক শব্দের চেনার সহজ উপায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংখ্যাবাচক ও পূরণবাচক শব্দের পার্থক্য প্রায়ই আসে। - সংখ্যাবাচক শব্দ সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে আর পূরণবাচক শব্দ অবস্থান বা ক্রম নির্দেশ করে।
a তিনি প্রতিদিন ধীরে ধীরে হাঁটেন।
b তিনি প্রতিদিন বাগানে হাঁটেন।
c তিনি প্রতিদিন একা একা হাঁটেন।
d তিনি প্রতিদিন লাঠি হাতে হাঁটেন।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তিনি প্রতিদিন ধীরে ধীরে হাঁটেন। ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে ধীরে ধীরে পদটি হাঁটা ক্রিয়াপদের ভাব বা ধরণ প্রকাশ করছে। - ক্রিয়া কীভাবে সম্পাদিত হচ্ছে তা নির্দেশ করায় এটি একটি ক্রিয়া-বিশেষণ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে পদ ক্রিয়া সম্পাদনের সময়, স্থান, ভাব বা ধরণ প্রকাশ করে তাকে ক্রিয়া-বিশেষণ বলে। - এটি ক্রিয়ার ঠিক আগে বসে ক্রিয়ার কাজটিকে বিশেষায়িত করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি আকাশে উড়ছে। ব্যাখ্যা: আকাশে পদটি উড়া ক্রিয়ার স্থান নির্দেশ করায় এটি ক্রিয়া-বিশেষণ। উদাহরণ ২: ছেলেটি দ্রুত দৌড়াচ্ছে। ব্যাখ্যা: দ্রুত পদটি দৌড়ানো ক্রিয়ার ধরণ বোঝাচ্ছে তাই এটি ক্রিয়া-বিশেষণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিনি প্রতিদিন ধীরে ধীরে হাঁটেন। — এটি সঠিক উত্তর কারণ ধীরে ধীরে ক্রিয়ার ধরণ বোঝাচ্ছে। B) তিনি প্রতিদিন বাগানে হাঁটেন। — বাগানে পদটি ক্রিয়ার স্থান বোঝালেও এটি মূলত স্থানবাচক বিশেষ্য পদ। C) তিনি প্রতিদিন একা একা হাঁটেন। — একা একা পদটি কর্তার অবস্থা বোঝাচ্ছে, তাই এটি ক্রিয়ার বিশেষণ নয়। D) তিনি প্রতিদিন লাঠি হাতে হাঁটেন। — লাঠি হাতে পদটি কর্তার উপকরণ বোঝাচ্ছে যা করণ কারক হিসেবে কাজ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়াপদকে কীভাবে, কোথায় বা কখন দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তাই ক্রিয়া-বিশেষণ। - বাক্যে ক্রিয়ার অবস্থা বা ধরণ খুঁজতে এই কৌশলটি খুব কার্যকর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্রিয়া-বিশেষণ ও সাধারণ বিশেষণের পার্থক্য প্রায়ই আসে। - ক্রিয়ার ভাব বুঝতে পারলে খুব সহজেই সঠিক উত্তর নির্ধারণ করা সম্ভব।
a মাংসাশী পশুরা মাংস খায়, তাই বলবান হয়।
b সকল মাংসাশী পশুই খুব বলবান হয়।
c মাংসাশী পশুমাত্রই কি বলবান হয় না।
d সকল মাংসাশী পশুই বলবান হয় বৈ কি।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সকল মাংসাশী পশুই খুব বলবান হয়। ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত জটিল বাক্যটিকে সরল বাক্যে রূপান্তর করার সময় একটি প্রধান খণ্ডবাক্য বা সমাপিকা ক্রিয়া রাখতে হয়। - মূল বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে যে সব পদের সংকোচন বা সংক্ষিপ্তকরণ করা হয়েছে, তা এখানে নিখুঁতভাবে সাধিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে বাক্য বা খণ্ডবাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। - জটিল বাক্যের আশ্রিত খণ্ডবাক্যকে সংকুচিত করে পদ বা পদগুচ্ছে রূপান্তর করার মাধ্যমে সরল বাক্য গঠন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যারা ভালো ছাত্র, তারা শিক্ষককে সম্মান করে। ব্যাখ্যা: এটি একটি জটিল বাক্য, যার সরল রূপ হলো ভালো ছাত্র মাত্রেই শিক্ষককে সম্মান করে। উদাহরণ ২: যদি তুমি পরিশ্রম কর, তবে সফল হবে। ব্যাখ্যা: এটি একটি শর্তবাচক জটিল বাক্য, যার সরল রূপ হলো পরিশ্রমী ব্যক্তিরাই সফল হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাংসাশী পশুরা মাংস খায়, তাই বলবান হয়। — এটি একটি যৌগিক বাক্য, কারণ এতে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য 'তাই' অব্যয় দ্বারা যুক্ত আছে। B) সকল মাংসাশী পশুই খুব বলবান হয়। — এটি সঠিক সরল বাক্য, যা মূল বাক্যের অর্থ প্রকাশ করে এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া ধারণ করে। C) মাংসাশী পশুমাত্রই কি বলবান হয় না। — এটি একটি প্রশ্নবোধক বাক্য, যা মূল বর্ণনামূলক বাক্যের ভাব প্রকাশ করে না। D) সকল মাংসাশী পশুই বলবান হয় বৈ কি। — এটি একটি ভাববাচক বা প্রত্যয়সূচক বাক্য, যা মূল বাক্যের সরলরূপের কাঠামোর সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - জটিল বাক্যকে সরল বাক্যে রূপান্তর করতে হলে 'যারা-তারা' বা 'যে সব' জাতীয় সম্বন্ধবাচক শব্দ বাদ দিয়ে মূল বিষয়টিকে একটি বাক্যাংশে নিয়ে আসতে হয়। - খেয়াল রাখবে সরল বাক্যে যেন একাধিক সমাপিকা ক্রিয়া না থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাক্য রূপান্তরের সময় বাক্যের মূল অর্থের পরিবর্তন করা যাবে না। - জটিল বাক্যের ক্রিয়াপদকে বিশেষ্য বা বিশেষণে রূপান্তর করে সরল বাক্য তৈরি করতে হয়।
a সিকান্দার আবু জাফর
b আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
c হাসান হাফিজুর রহমান
d আবু হেনা মোস্তফা কামাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হাসান হাফিজুর রহমান ১. কেন সঠিক: - ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সংকলনটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে প্রকাশিত প্রথম সাহিত্যিক সংকলন এবং এর সম্পাদক ছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক হাসান হাফিজুর রহমান। - এই সংকলনে ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিভিন্ন প্রখ্যাত লেখকের কবিতা, প্রবন্ধ ও গল্প স্থান পেয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হাসান হাফিজুর রহমান বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি, প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক যিনি ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি ধরে রাখতে এই ঐতিহাসিক সংকলনটি সম্পাদনা করেছিলেন। - ১৯৫৩ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি প্রথম শহীদ দিবসে এটি প্রকাশের কথা থাকলেও নানা প্রতিকূলতার কারণে তা ওই বছরই প্রকাশিত হয় এবং তৎকালীন সরকার এটি বাজেয়াপ্ত করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অমর একুশে সংকলন ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সংকলন যা পরবর্তী সময়ে প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: একুশের গান ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলন কেন্দ্র করে রচিত বিভিন্ন গান ও কবিতা যা এই আন্দোলনের সাহিত্যিক ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিকান্দার আবু জাফর — তিনি বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার হলেও 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সংকলনের সম্পাদক ছিলেন না, তবে তিনি 'সমকাল' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে পরিচিত। B) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ — তিনি বিখ্যাত ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক কবিতা 'কোন এক কালে' এবং 'মা গো ওরা বলে' এর রচিয়তা, এই সংকলনের সম্পাদক নন। D) আবু হেনা মোস্তফা কামাল — তিনি প্রখ্যাত কবি, সাহিত্য সমালোচক ও অধ্যাপক ছিলেন, কিন্তু এই সংকলন সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - একুশের প্রথম সংকলন সম্পাদনা করেছেন হাসান হাফিজুর রহমান, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে 'হা' দিয়ে হাসান এবং 'হা' দিয়ে হাফিজুর রহমান প্রথম সংকলনের প্রধান কারিগর। - ভাষা আন্দোলনের প্রথম ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে এই সম্পাদনার নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সংকলন ও এর সম্পাদকের নাম বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের ইতিহাস ও বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে সংকলন প্রকাশের সাল এবং সম্পাদকের নাম একত্রে মনে রাখা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।
a জননী
b উডুঙ্কু
c খাঁচায়
d আগুনপাখি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জননী ১. কেন সঠিক: - শওকত ওসমানের প্রথম প্রকাশিত এবং অত্যন্ত প্রশংসিত উপন্যাস হলো জননী, যা ১৯৫৮ সালে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসে গ্রামীণ বাংলার এক অসহায় নারীর সংগ্রাম এবং সামাজিক বিপর্যয়ের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শওকত ওসমান ছিলেন বাংলা সাহিত্যের এক জন প্রথিতযশা কথাসাহিত্যিক, যাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান। - তাঁর উপন্যাসে সামাজিক বাস্তবত্ব, দেশভাগ এবং মানুষের মনস্তাত্ত্বিক সংকট অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্রীतদাস ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত। উদাহরণ ২: জলাঙ্গী ব্যাখ্যা: এটিও শওকত ওসমান রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস, যেখানে মানুষের জীবনসংগ্রাম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জননী — এটি শওকত ওসমান রচিত উপন্যাস। B) উডুঙ্কু — এটি শওকত ওসমান রচিত কোনো উপন্যাস নয়, বরং এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক অপশন। C) খাঁচায় — এটি শওকত ওসমান রচিত উপন্যাস নয়, এটি তাঁর একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ। D) আগুনপাখি — এটি হাসান আজিজুল হক রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, শওকত ওসমানের নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শওকত ওসমানের প্রথম উপন্যাস মনে রাখার জন্য 'জননী' শব্দটি প্রথমে মনে রাখুন। - তাঁর নামের সাথে তাঁর প্রথম উপন্যাসটি যুক্ত করে পড়লে সহজে মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাহিত্যিকদের প্রথম উপন্যাস প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - লেখকের নামের পাশাপাশি তাঁর প্রথম ও উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলোর নাম আলাদা করে নোট করে রাখতে হবে।
a অরণ্য বহ্নি
b কাঁটাতারে প্রজাপতি
c নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি
d ওঙ্কার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাঁটাতারে প্রজাপতি ১. কেন সঠিক: - প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের বিখ্যাত উপন্যাস কাঁটাতারে প্রজাপতি তে তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ইলা মিত্রের সংগ্রামী জীবন ও আত্মত্যাগের ইতিহাস ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হলো কৃষক আন্দোলন এবং সেই আন্দোলনের নেত্রীর ওপর চলা অমানবিক নির্যাতনের রোমহর্ষক চিত্রায়ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সেলিনা হোসেন বাংলাদেশের সমকালীন উপন্যাসের অন্যতম প্রধান নির্মাতা, যাঁর জন্ম ১৯৪৭ সালের ১৪ জুন রাজশাহীতে। - তাঁর উপন্যাসে মূলত সামাজিক ও রাজনৈতিক সংকট, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং নারীর সংগ্রামের চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে ওঠে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যাপিত জীবন ব্যাখ্যা: এটি সেলিনা হোসেনের রচিত প্রথম ও অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস, যা পাকিস্তান আমলের প্রারম্ভিক সামাজিক জীবন নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: নীল ময়ূরের যৌবন ব্যাখ্যা: সেলিনা হোসেনের এটি একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা চর্যাপদের পটভূমিতে রচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অরণ্য বহ্নি — এই নামে সেলিনা হোসেনের কোনো জনপ্রিয় উপন্যাস নেই এবং এটি সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না। B) কাঁটাতারে প্রজাপতি — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। C) নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি — এটি সেলিনা হোসেনের লেখা একটি উপন্যাস হলেও এর বিষয়বস্তু ইলা মিত্রের জীবনী নয়, বরং গ্রামীণ পটভূমি ও মধ্যবিত্ত জীবনের দ্বন্দ্ব। D) ওঙ্কার — এটি আহমেদ ছফার একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা সেলিনা হোসেনের লেখা নয় এবং ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: ইলা মিত্র মানেই সংগ্রামের প্রতীক, আর সেলিনা হোসেনের উপন্যাসে প্রজাপতির মতো ডানা মেলে ওড়ার প্রতীক হলো কাঁটাতারে প্রজাপতি। এভাবে খুব সহজেই ইলা মিত্র ও সেলিনা হোসেনের এই উপন্যাসটি মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সেলিনা হোসেনের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে ঐতিহাসিক পটভূমির উপন্যাসগুলো বারবার পরীক্ষাতে দেখা যায়।
a কুড়া
b কপোত
c কদলী
d কোকিল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কপোত ১. কেন সঠিক: - কপোত শব্দের অর্থ পায়রা বা ঘুঘু জাতীয় গৃহপালিত পাখি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে পায়রা ও কপোতের ব্যবহার খুবই常见। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই সকল শব্দ যাদের অর্থ এক বা প্রায় এক। - বাংলা ভাষায় সংস্কৃত ও তদ্ভব শব্দ মিলে বহু সমার্থক শব্দ তৈরি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ময়ূর ব্যাখ্যা: ময়ূরের সমার্থক শব্দ হলো শিখী ও বারিজ। উদাহরণ ২: পাখি ব্যাখ্যা: পাখির সমার্থক শব্দ হলো খেচর, বিহগ ও বিহঙ্গ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুড়া — কুড়া হলো এক ধরণের শিকারী পাখি, যা পায়রার সমার্থক নয়। B) কপোত — এটি পায়রার সঠিক সমার্থক শব্দ। C) কদলী — কদলী শব্দের অর্থ কলা, যা পাখির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) কোকিল — কোকিল হলো ভিন্ন প্রজাতির একটি গানরতা পাখি। ৫ মনে রাখার টিপস: - পায়রা ও কপোত একই অর্থ প্রকাশ করে, তাই ক দিয়ে শুরু এই দুটি শব্দ মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পাখি সম্পর্কিত সমার্থক শব্দ যেমন পায়রা, কোকিল ও কুড়া প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a গ্রাম্য গীতিকা
b রূপকথা
c ছোট গল্প
d রূপকথা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রূপকথা ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি রূপকথা কারণ ঠাকুরমার ঝুলি মূলত বাংলার লোকসাহিত্যের বিভিন্ন রূপকথা ও কল্পকাহিনির একটি জনপ্রিয় সংকলন। - এই সংকলনটির মাধ্যমে গ্রামীণ বাংলার শতবর্ষের পুরনো কাল্পনিক গল্প ও রাজকুমার রাক্ষসের কাহিনি লিখিত রূপ লাভ করেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই গ্রন্থটির সংকলক ও রচয়িতা হলেন দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার। - ১৯০৭ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উৎসাহ ও ভূমিকার সাথে এই অনন্য রূপকথা সংকলনটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কঙ্কাবতী ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদারের আরেকটি বিখ্যাত কিশোর উপযোগী রূপকথা ও উপন্যাসধর্মী রচনা। উদাহরণ ২: ভূত ও পেত্নী ব্যাখ্যা: এই জাতীয় লোককাহিনি ও কল্পকাহিনিগুলো সাধারণত গ্রামীণ জনপদে মুখে মুখে প্রচলিত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রাম্য গীতিকা — এটি কোনো গীতিকা বা গান নয়, বরং গদ্যে রচিত রূপকথার গল্প সংকলন। B) রূপকথা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই অপশনটি রচনার ধরনের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। C) ছোট গল্প — এটি আধুনিক বাংলা ছোটগল্পের সংকলন নয়, বরং লোকসাহিত্যের কাল্পনিক গল্প। D) রূপকথা — এটি সঠিক উত্তর হলেও প্রশ্নে অপশন পুনরাবৃত্তি হয়েছে এবং এটিও রূপকথা হিসেবে গ্রহণযোগ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - ঠাকুরমার ঝুলি মানেই রূপকথা এবং এর লেখক দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার। - রূপকথা মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে ঠাকুরমা বা দাদীর মুখে শোনা কাল্পনিক গল্পের বই। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার ও তাঁর ঠাকুরমার ঝুলি নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লোকসাহিত্য ও রূপকথা সংগ্রহে দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদারের অবদান পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
a মদন মোহন তর্কালঙ্কার
b ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
c বিহারীলাল চক্রবর্তী
d কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মদন মোহন তর্কালঙ্কার ১. কেন সঠিক: - 'পাখিসব করে রব রাতি পোহাইল' বিখ্যাত পঙক্তিটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত পন্ডিত ও শিক্ষাবিদ মদন মোহন তর্কালঙ্কার। - এটি তাঁর রচিত শিশুদের প্রাথমিক পাঠ্যগ্রন্থ 'শিশুশিক্ষা' বইয়ের প্রথম ভাগের অন্তর্গত একটি বিখ্যাত কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মদন মোহন তর্কালঙ্কার ছিলেন উনিশ শতকের গোড়ার দিকের একজন প্রখ্যাত বাঙালি শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক। - তাঁর 'শিশুশিক্ষা' (প্রথম ভাগ ১৮৪৯, দ্বিতীয় ভাগ ১৮৫০) গ্রন্থটি বাংলা শিক্ষাপ্রসারে এক যুগান্তকারী ভূমিকা রেখেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সকাল হলো সুর্য ওঠা পাখির গাওয়ার সুর। ব্যাখ্যা: এটি মদন মোহন তর্কালঙ্কারের কবিতার প্রকৃতিপ্রেমী ভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। উদাহরণ ২: পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল কাননে কুসুম কলি সকল ফুটিল। ব্যাখ্যা: এটি মূল কবিতার একটি সম্পূর্ণ চরণ যা প্রকৃতির জাগরণের চিত্র ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মদন মোহন তর্কালঙ্কার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পঙক্তিটি তাঁরই অমর সৃষ্টি। B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের বিদ্যাসাগর হলেও এই পঙক্তির রচয়িতা নন। C) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত হলেও এই পঙক্তিটি তাঁর লেখা নয়। D) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — তিনি বিখ্যাত নীতিগর্ভ কবিতার রচয়িতা হলেও এই পঙক্তির সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - শিশুদের প্রথম শিক্ষা মানেই মদন মোহন তর্কালঙ্কারের শিশুশিক্ষা এবং সকালের পাখি। - পাখি এবং শিশুশিক্ষা একসাথে মিলিয়ে এই পঙক্তিটি মনে রাখা খুব সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় এই ধরনের বিখ্যাত সাহিত্যিক উদ্ধৃতি প্রায়ই আসে। - মূল গ্রন্থ বা রচয়িতার নাম ভালোভাবে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
a মার্চেন্ট অব ভেনিস
b কমেডি অব এররস
c এ মিডসামার নাইট’স ড্রিম
d টেমিং অব দি শ্রু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কমেডি অব এররস ১. কেন সঠিক: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর শেক্সপিয়ারের নাটক 'দ্য কমেডি অব এররস' অবলম্বনে 'ভ্রান্তিবিলাস' গ্রন্থটি রচনা করেন। - শেক্সপিয়ারের এই নাটকের মূল ভাব বা কাহিনীর ছায়া অবলম্বনে গদ্যে এর বাংলা রূপ দেওয়া হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের অন্যতম প্রধান রূপকার ও পন্ডিত ব্যক্তিত্ব। - ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত 'ভ্রান্তিবিলাস' তার একটি অন্যতম বিখ্যাত অনুবাদমূলক সাহিত্যকর্ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভ্রান্তিবিলাস ব্যাখ্যা: এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের নাটক অবলম্বনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচিত একটি অনুবাদ গ্রন্থ। উদাহরণ ২: চারু পাঠ ব্যাখ্যা: এটিও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি পাঠ্যপুস্তক ও সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্চেন্ট অব এররস — এটি কোনো সঠিক গ্রন্থের নাম নয়, কারণ শেক্সপিয়ারের নাটকের নাম মার্চেন্ট অব ভেনিস। C) এ মিডসামার নাইট’স ড্রিম — এটি শেক্সপিয়ারের একটি বিখ্যাত কমেডি নাটক হলেও বিদ্যাসাগর এটি অনুবাদ করেননি। D) টেমিং অব দি শ্রু — এটি শেক্সপিয়ারের আরেকটি কমেডি নাটক, যা বিদ্যাসাগরের অনুবাদিত ভ্রান্তিবিলাস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শেক্সপিয়ারের কমেডি নাটক মানেই ভুল বোঝাবুঝি বা ভ্রান্তি, তাই কমেডি অব এররস মানেই ভ্রান্তিবিলাস। - বিদ্যাসাগরের অনুবাদের নাম মনে রাখতে শেক্সপিয়ারের মূল নামের সঙ্গে বাংলা নামের মিল খুঁজে দেখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্যাসাগরের অনুবাদ গ্রন্থগুলোর নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - শেক্সপিয়ারের সাহিত্যকর্মের বাংলা অনুবাদগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a সঞ্চয়িতা
b বলাকা
c বসন্ত
d সেঁজুতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বসন্ত ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর 'বসন্ত' নাটকটি কবি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন। নজরুল তখন আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে বন্দি ছিলেন এবং তাঁর নামেই নাটকটির উৎসর্গপত্র রচিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ১৩৩০ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণ মাসে (ইংরেজি ১৯২৩ সালের নভেম্বর) 'বসন্ত' নাটকটি রচনা করেন। এই নাটকের উৎসর্গ পাতায় লেখা হয়েছিল, শ্রীকাজী নজরুল ইসলাম সস্নেহেষু, এবং এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অনন্য ঐতিহাসিক মুহূর্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সঞ্চয়িতা' গ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয়েছিল প্রমথ চৌধুরীকে। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রসাহিত্যের একটি প্রধান কাব্য সংকলন যার উৎসর্গপত্র অন্য এক সাহিত্যিককে সম্মানিত করেছে। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয়েছিল আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়কে। ব্যাখ্যা: এই উৎসর্গপত্রটি তরুণ বিদ্রোহী কবির সঙ্গে বিশিষ্ট বিজ্ঞানীর গভীর শ্রদ্ধার সম্পর্ক প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঞ্চয়িতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার সংকলন যা প্রমথ চৌধুরীকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। B) বলাকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার কবিতাগুলোতে গতির জয়গান গাওয়া হয়েছে। D) সেঁজুতি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কাব্যগ্রন্থ যা কবির শেষ জীবনের মননশীল কবিতার সংকলন। ৫. মনে রাখার টিপস: বসন্ত ঋতুতে প্রকৃতি যেমন নতুন রূপ নেয়, তেমনি বিদ্রোহী কবি নজরুলকে রবীন্দ্রনাথ তাঁর বসন্ত নাটক উৎসর্গ করে অভিনব সম্মান জানান। এই ঐতিহাসিক উৎসর্গটি মনে রাখতে পারলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাটক উৎসর্গ এবং কার প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছে, তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একইভাবে নজরুলের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ কার নামে উৎসর্গীকৃত, তা ভালোভাবে জেনে রাখা উচিত।
a আনন্দময়ীর আগমনে
b সৃষ্টিসুখের উল্লাসে
c কাণ্ডারী হুঁশিয়ার
d বিদ্রোহী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাণ্ডারী হুঁশিয়ার ১. কেন সঠিক: - ‘হিন্দু না ওরা মুসলিম? ওই জিজ্ঞase কোন জন?’ পঙক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। - এই চরণে কবি মানুষের ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে তার মানবিক পরিচয়কে তুলে ধরেছেন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাণী প্রচার করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের ‘সর্বহারা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত একটি সাড়া জাগানো দেশপ্রেমমূলক ও বিপ্লবী কবিতা। - এই কবিতায় কবি মুসলিম, হিন্দু বা বৌদ্ধ ভেদাভেদ ভুলে দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘যুগ যুগান্তরের সঞ্চিত ব্যথা’ ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের সাম্য ও মুক্তির চেতনার একটি বিখ্যাত কাব্যিক পঙক্তি। উদাহরণ ২: ‘মোদের গরব মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা’ ব্যাখ্যা: এটি অতুলপ্রসাদ সেনের রচিত একটি দেশাত্মবোধক গান, যা বাঙালির ভাষার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনন্দময়ীর আগমনে — এই কবিতাটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের কারণে সরকারের বাজেয়াপ্ত করা একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক কবিতা, যার বিষয়বস্তু ভিন্ন। B) সৃষ্টিসুখের উল্লাসে — এই কবিতাটি কবির আত্মিক আনন্দ ও সৃষ্টির রোমাঞ্চ প্রকাশ করে, যেখানে সাম্প্রদায়িক প্রশ্নটি প্রধান নয়। C) কাণ্ডারী হুঁশিয়ার — এটি সঠিক উত্তর। D) বিদ্রোহী — এটি কবির আত্মপরিচয় ও দ্রোহের কবিতা, যার মূল সুর সাম্যবাদ ও প্রতিবাদ, এই পঙক্তিটি এখানে নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - মানুষের পরিচয় নিয়ে যেখানেই প্রশ্ন তোলা হয়েছে এবং সাম্যের কথা বলা হয়েছে, সেখানেই নজরুলের ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ কবিতাকে মনে রাখতে হবে। - কাণ্ডারী মানে পথপ্রদর্শক, যিনি সবাইকে একসাথে পথ দেখান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের ‘সর্বহারা’ কাব্যগ্রন্থ এবং এর কবিতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিমূলক পঙক্তিগুলো আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।
a জাহান্নাম হইতে বিদায়
b চিলেকোঠার সেপাই
c আরোক ফাল্গুন
d সংশপ্তক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চিলেকোঠার সেপাই ১. কেন সঠিক: - চিলেকোঠার সেপাই উপন্যাসটি ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে। - উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ওসমান ও খোকা ঊনসত্তরের গণ-আন্দোলনের রাজনৈতিক ও সামাজিক আবহকে ফুটিয়ে তুলেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপন্যাসের রচিয়তা বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। - এই উপন্যাসে তৎকালীন গ্রামীণ সমাজ এবং ঢাকার নিম্নবিত্ত মানুষের জীবনের পাশাপাশি রাজনৈতিক পটপরিবর্তন চমৎকারভাবে চিত্রিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেলিনা হোসেনের যাপিত জীবন ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের ক্রীতদাসের হাসি ব্যাখ্যা: এটি আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে রূপকধর্মী একটি প্রতিবাদী উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাহান্নাম হইতে বিদায় — এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের উপন্যাস হলেও এর মূল প্রেক্ষাপট একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ। B) চিলেকোঠার সেপাই — এটি উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানকেন্দ্রিক উপন্যাস বিধায় এটি সঠিক উত্তর। C) আরোক ফাল্গুন — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস। D) সংশপ্তক — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি উপন্যাস যার পটভূমি গ্রামীণ সমাজ ও পাকিস্তান আমল। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইলিয়াসের সেপাই উনসত্তরের কড়চা মনে রাখলে উপন্যাস ও লেখকের নাম সহজে মনে থাকবে। - চিলেকোঠার সেপাই মানেই উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান এই সূত্রটি মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের দুটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো চিলেকোঠার সেপাই এবং খোয়াবনামা। - পরীক্ষার জন্য উপন্যাসের পটভূমি বা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট খুব ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a উপরেউক্ত
b উপরোক্ত
c উপরক্ত
d উপর্যুক্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপর্যুক্ত ১. কেন সঠিক: - উপরী যোগ উক্ত মিলে উপর্যুক্ত শব্দটি গঠিত হয়েছে, যেখানে ই কার বা ঈ কারের পরে ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে তা য ফলা হয়। - বাংলা ব্যাকরণের ই ৎ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ই বা ঈ এর স্থানে য এবং পরবর্তী স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে এই বানানটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ রূপ লাভ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের স্বরসন্ধি বিশেষ করে ই কার বা ঈ কারের পরে ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে য ফলা হওয়ার নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ও পরীক্ষিত শুদ্ধ বানান যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যদি যোগ অপি = যদ্যপি ব্যাখ্যা: ই কারের পরে অ স্বরধ্বনি আসায় ই কারের স্থলে য ফলা যুক্ত হয়ে যদ্যপি শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: নদী যোগ উদক = নদ্যুদক ব্যাখ্যা: দীর্ঘ ই কারের পরে উ স্বরধ্বনি আসায় দীর্ঘ ই কারের স্থলে য ফলা যুক্ত হয়ে নদ্যুদক শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপরেউক্ত — এই বানানটি ব্যাকরণসম্মত নয় কারণ ওপর বা উপরে শব্দের সাথে উক্ত যুক্ত করার সময় সন্ধির সঠিক নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি। B) উপরোক্ত — এটি বহুল প্রচলিত হলেও বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী ভুল বানান এবং এটি ব্যাকরণের নিয়মকে সরাসরি অনুসরণ করে না। C) উপরক্ত — এই বানানটিতে মাঝের উ কার বা ই কার বাদ পড়ে যাওয়ার কারণে শব্দটি অসম্পূর্ণ এবং এটি কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম মানে না। D) উপর্যুক্ত — এটি সন্ধির সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হওয়ায় প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক ও গ্রহণযোগ্য বানান। ৫ মনে রাখার টিপস: - উপরী যোগ উক্ত সন্ধি মনে রাখলে উপর্যুক্ত বানানটি কখনো ভুল হবে না। - ই কারের সাথে উ কার যুক্ত হলে য ফলা হয় এই সূত্রটি মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সন্ধিজাত শুদ্ধ বানান হিসেবে এই শব্দটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই নিয়মের অন্যান্য সন্ধি যেমন প্রতি যোগ উষ = প্রত্যুষ ভালোভাবে চর্চা করবে।
a অত্যন্ত উষ্ণ
b শীতের আমেজ
c কুসুম কুসুম উষ্ণ
d পাগড়ি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পাগড়ি ১. কেন সঠিক: উষ্ণীষ একটি তৎসম শব্দ যার প্রচলিত ও অভিধানভিত্তিক অর্থ পাগড়ি বা শিরোভূষণ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রাচীন ও প্রমিত শব্দের অর্থ সরাসরি জানতে চাওয়া হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের একটি সংস্কৃত তৎসম শব্দ। প্রাচীনকালে রাজারা বা মর্যাদাবান ব্যক্তিরা মাথায় যে মুকুট বা বিশেষ ধরনের পাগড়ি পরতেন, তাকে উষ্ণীষ বলা হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কটিদেশ ব্যাখ্যা: এটি শরীরের একটি অঙ্গ বা পোশাক পরিধানের স্থান বোঝাতে ব্যবহৃত তৎসম শব্দ। উদাহরণ ২: উপানহ ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ যার অর্থ জুতো বা পাদুকা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অত্যন্ত উষ্ণ — উষ্ণীষ শব্দের সঙ্গে উষ্ণতার কোনো সম্পর্ক নেই এবং এটি ধ্বনিগত মিলের কারণে তৈরি করা বিভ্রান্তিকর অপশন। B) শীতের আমেজ — উষ্ণীষ কোনো ঋতুভিত্তিক অনুভূতি বা আবহাওয়া বোঝায় না, তাই এটি ভুল। C) কুসুম কুসুম উষ্ণ — এটি ঈষদুষ্ণ বা হালকা গরম জল বা আবহাওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা উষ্ণীষ শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) পাগড়ি — এটি সঠিক কারণ উষ্ণীষ শব্দের মূল আভিধানিক অর্থ পাগড়ি বা শিরোভূষণ। ৫ মনে রাখার টিপস: উষ্ণীষ শব্দটি দেখলে মাথায় রাখতে হবে এটি একটি রাজকীয় পোশাক বা পাগড়ি সম্পর্কিত শব্দ। মাথা বা উষ্ণীষ সম্পর্কিত মিল দিয়ে এটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কঠিন বা অপ্রচলিত তৎসম শব্দের অর্থ জানতে চাওয়া হয়। প্রমিত বাংলা অভিধানের সাহায্য নিয়ে এ ধরনের শব্দার্থ আয়ত্ত করতে হবে।
a বিস্ময়
b নির্ণয়
c দ্বিধা
d প্রত্যয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রত্যয় ১. কেন সঠিক: - সংশয় শব্দের অর্থ হলো সন্দেহ, অনিশ্চয়তা কিংবা মনের ভেতর থাকা দ্বিধাদ্বন্দ্ব। - এর সম্পূর্ণ বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে প্রত্যয় শব্দটি, যার অর্থ দৃঢ় বিশ্বাস বা আস্থা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের মূল ভাব এবং অর্থের গভীরতা বিবেচনা করতে হয়। - সংশয় মনের একটি নেতিবাচক বা অনিশ্চিত অবস্থাকে নির্দেশ করে, পক্ষান্তরে প্রত্যয় মনের একটি ইতিবাচক ও নিশ্চিত অবস্থাকে প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ ও আনন্দ ব্যাখ্যা: বিষাদ শব্দের অর্থ দুঃখ, যার বিপরীত শব্দ আনন্দ বা সুখ। উদাহরণ ২: অবাধ্য ও বাধ্য ব্যাখ্যা: অবাধ্য শব্দের অর্থ যে মানে না, যার বিপরীত শব্দ বাধ্য বা অনুগত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিস্ময় — বিস্ময় শব্দের অর্থ অবাক হওয়া বা তাজ্জব বনে যাওয়া, যা সংশয়ের বিপরীতার্থক শব্দ নয়। B) নির্ণয় — নির্ণয় শব্দের অর্থ নির্ধারণ করা বা মীমাংসা করা, যা সংশয়ের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে উপযুক্ত নয়। C) দ্বিধা — দ্বিধা শব্দের অর্থ সংশয় বা সন্দেহ নিজেই, তাই এটি বিপরীত শব্দ না হয়ে সমার্থক শব্দ হিসেবে কাজ করে। D) প্রত্যয় — প্রত্যয় শব্দের অর্থ দৃঢ় বিশ্বাস বা আস্থা, যা সংশয়ের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংশয় মানে মনে সন্দেহ থাকা এবং প্রত্যয় মানে মনে বিশ্বাস থাকা, এভাবে মনে রাখা সহজ। - সন্দেহযুক্ত অবস্থার উল্টো হলো বিশ্বাসযুক্ত অবস্থা, যা বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ে সাহায্য করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মানসিক অবস্থা নির্দেশক শব্দগুলোর বিপরীত শব্দ জানতে চাওয়া হয়। - শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করতে পারলে বিভ্রান্তিকর অপশন সহজে দূর করা সম্ভব হয়।
a পর্তুগিজ
b ওলন্দাজ
c গুজরাটি
d তুর্কি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: - আলপিন শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের একটি বহুল ব্যবহৃত বিদেশি শব্দ। - বাংলা ভাষায় বিদেশি শব্দের উৎস নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক যোগাযোগ এবং বাণিজ্যের প্রভাব কাজ করে, যার ফলে পর্তুগিজ শব্দ বাংলায় প্রবেশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদেশি শব্দ হলো সেই সব শব্দ যা অন্য ভাষা থেকে সরাসরি বা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে। - পর্তুগিজরা বাংলাদেশে বাণিজ্য করতে আসার কারণে তাদের ব্যবহৃত বহু শব্দ বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারে স্থায়ীভাবে যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আনারস ব্যাখ্যা: এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা আমাদের খাদ্য তালিকার সঙ্গে যুক্ত হয়ে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিতে স্থায়ী রূপ লাভ করেছে। উদাহরণ ২: চাবি ব্যাখ্যা: দৈনন্দিন ব্যবহারের এই বস্তুটি বোঝাতে যে শব্দটি আমরা ব্যবহার করি তা পর্তুগিজ ভাষা থেকে এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ আলপিন পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ। B) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় টেক্কা বা হরতন এর মতো কিছু শব্দ এসেছে কিন্তু আলপিন আসেনি। C) গুজরাটি — গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় খুব কম শব্দ এসেছে এবং আলপিন তার অন্তর্ভুক্ত নয়। D) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় দারোগা, তোপ বা চাকর এর মতো শব্দ এসেছে আলপিন নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পর্তুগিজ শব্দগুলো মনে রাখার জন্য গৃহস্থালি ও খাদ্যদ্রব্যের জিনিস যেমন আলপিন, আনারস, চাবি, কামিজ একসঙ্গে চর্চা করতে পারো। - বিদেশি শব্দের উৎস মনে রাখতে শব্দগুলোর সঙ্গে তাদের ব্যবহারিক ক্ষেত্রের মিল খুঁজে দেখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই পর্তুগিজ ও ওলন্দাজ শব্দের তালিকা আলাদা করে পড়তে হবে। - একই নিয়মে আলমারি, গির্জা, সাবান শব্দগুলো কোন ভাষার তা চেনার জন্য শব্দের গঠন ও ধ্বনিগত বৈশিষ্ট্য খেয়াল রাখতে হবে।
a পলাশীর প্রায়শ্চিত্ত
b জমিদার দর্পণ
c নবীন তপস্বিনী
d সিরাজউদ্দোলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জমিদার দর্পণ ১. কেন সঠিক: মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত একটি সামাজিক নাটক হলো জমিদার দর্পণ। সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের নীলকর ও জমিদারদের দ্বারা কৃষকদের ওপর চালানো নির্মম নির্যাতনের বাস্তব চিত্র এই নাটকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মীর মশাররফ হোসেন উনিশ শতকের অন্যতম প্রধান মুসলিম সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক। দীনবন্ধু মিত্রের নীলদর্পণ নাটকের অনুকরণে এবং সমসাময়িক কৃষক বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে তিনি এই নাটকটি রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সবচেয়ে বিখ্যাত মহাকাব্যিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: উদাসীন পথিকের মনের কথা ব্যাখ্যা: এটিও মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি সমাজসচেতন উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পলাশীর প্রায়শ্চিত্ত — এটি মীর মশাররফ হোসেনের নাটক নয়, বরং এটি ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদের একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক। B) জমিদার দর্পণ — এই অপশনটি সঠিক এবং মীর মশাররফ হোসেনের রচনা হিসেবে পরীক্ষাকেন্দ্রিক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। C) নবীন তপস্বিনী — এটি মীর মশাররফ হোসেনের নাটক নয়, বরং এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস। D) সিরাজউদ্দোলা — এটি মীর মশাররফ হোসেনের নাটক নয়, গিরিশচন্দ্র ঘোষ বা শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের নাটক হিসেবে এটি পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: মীর মশাররফ হোসেনের নাটক মনে রাখতে দর্পণ শব্দটি মনে রাখতে পারো কারণ তার বিখ্যাত নাটক জমিদার দর্পণ। বাঙালি কৃষকদের ওপর নির্যাতন নিয়ে লেখা এই নাটকটি তার নাট্যপ্রতিভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নীলদর্পণ এবং জমিদার দর্পণ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোন নাটকটি কার লেখা এবং কোন প্রেক্ষাপটে রচিত, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a দ্বিজ বংশী দাস
b মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
c মানিক দত্ত
d মুক্তারাম সেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মানিক দত্ত ১. কেন সঠিক: - জনশ্রুতি বা প্রবাদ অনুযায়ী মানিক দত্তকে চণ্ডীমঙ্গল কাব্যধারার প্রথম কবি বলে মনে করা হয়। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার একটি অন্যতম প্রধান শাখা হলো চণ্ডীমঙ্গল কাব্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবি হিসেবে মানিক দত্তের নাম জনশ্রুতিতে পাওয়া যায়। - এই ধারার সবচেয়ে বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কবি হলেন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী যাঁকে কবিকঙ্কণ উপাধি দেওয়া হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কবিকঙ্কণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর চণ্ডীমঙ্গল ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের চণ্ডীমঙ্গল কাব্যধারার সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ ও শিল্পসম্মত নিদর্শন। উদাহরণ ২: দ্বিজ মাধবের চণ্ডীমঙ্গল ব্যাখ্যা: এটিও চণ্ডীমঙ্গল কাব্যধারার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও পরিচিত সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিজ বংশী দাস — ইনি মনসামঙ্গল কাব্যধারার একজন বিশিষ্ট কবি এবং পদ্মপুরাণ রচনা করেন। B) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — ইনি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি হলেও প্রথম কবি নন। D) মুক্তারাম সেন — ইনি ধর্মমঙ্গল কাব্যধারার একজন কবি এবং ধর্মমঙ্গল রচনা করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - জনশ্রুতি বা প্রবাদ শুনলে মানিক দত্তের কথা মনে রাখবে কারণ তিনিই জনশ্রুতি অনুযায়ী প্রথম চণ্ডীমঙ্গল কবি। - চণ্ডীমঙ্গলের শ্রেষ্ঠ কবির নাম মুকুন্দরাম কিন্তু আদি কবির নাম মানিক দত্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মঙ্গলকাব্যের বিভিন্ন ধারার আদি কবি ও শ্রেষ্ঠ কবিদের নাম আলাদা করে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি। - এই ধরনের প্রশ্নে জনশ্রুতি বা প্রবাদের কথা উল্লেখ থাকলে তা সাবধানে লক্ষ্য করতে হবে।
a প্রমথ চৌধুরী
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d যামিনী রায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - 'বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী' গ্রন্থটির রচয়িতা প্রখ্যাত শিল্পী ও লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। - শিল্পকলা এবং নান্দনিকতা নিয়ে লেখা তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন এটি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের এক জন প্রথিতযশা চিত্রশিল্পী ও সাহিত্যিক। - শিল্পকলা বিষয়ক তাঁর লেখনী বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য সংযোজন হিসেবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্ষীরের পুতুল ব্যাখ্যা: এটি অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত শিশুতোষ সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: রাজকাহিনী ব্যাখ্যা: রাজপুত বীরত্ব ও ইতিহাস নিয়ে লেখা অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি জনপ্রিয় গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবক্তা এবং বীরবল ছদ্মনামে লিখতেন, তবে এই প্রবন্ধের রচয়িতা নন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ্বকবি এবং বাংলা সাহিত্যের বহু শাখার জাদুকর হলেও এই নির্দিষ্ট শিল্প-প্রবন্ধের রচয়িতা নন। C) অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রশ্নে চাওয়া গ্রন্থটির আসল রচয়িতা তিনি। D) যামিনী রায় — তিনি বিশ শতকের একজন বিখ্যাত আধুনিক ভারতীয় চিত্রশিল্পী, তবে এই সাহিত্যকর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - শিল্প ও চিত্রকলার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত নাম অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, তাই শিল্প-প্রবন্ধ দেখলেই তাঁর নাম মনে রাখবে। - অবনীন্দ্রনাথের শিল্প নিয়ে লেখা মানেই বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের শিল্প বা রূপকথা বিষয়ক গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিখ্যাত শিল্পীদের লেখা প্রবন্ধগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a বিনয় মুখোপাধ্যায়
b বিমল মিত্র
c বুদ্ধদেব বসু
d বিমল কর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিনয় মুখোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: 'যাযাবর' হলো বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক বিনয় মুখোপাধ্যায়ের বিখ্যাত ছদ্মনাম। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখক ও তাদের ছদ্মনাম সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, যেখানে এই নামটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিনয় মুখোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যে যাযাবর ছদ্মনামে তার তীক্ষ্ণ ও প্রমথ চৌধুরী ধারা অনুসৃত রম্যরচনা ও উপন্যাসের জন্য অমর হয়ে আছেন। তার সবচেয়ে বিখ্যাত সৃষ্টি হলো দৃষ্টিপাত উপন্যাসটি, যা বাংলা সাহিত্যে রম্যরচনা ধারায় এক অনন্য মাইলফলক হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দৃষ্টিপাত ব্যাখ্যা: এটি যাযাবর ছদ্মনামে লেখা বিনয় মুখোপাধ্যায়ের সর্বশ্রেষ্ঠ ও অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি গ্রন্থ। উদাহরণ ২: সত্যদর্শী ব্যাখ্যা: এটিও বিনয় মুখোপাধ্যায়ের অপর একটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ যা একই ধারার প্রতিনিধিত্ব করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিনয় মুখোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি যাযাবর ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। B) বিমল মিত্র — এটি ভুল অপশন কারণ তিনি সাহেব বিবি গোলাম উপন্যাসের লেখক এবং তার নিজস্ব নামেই লিখেছিলেন। C) বুদ্ধদেব বসু — এটি ভুল অপশন কারণ তিনি বাংলা আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রধান পুরুষ এবং বিশ শতকের ত্রিশের দশকের কবি। D) বিমল কর — এটি ভুল অপশন কারণ তিনি অপর এক প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক যিনি আনন্দধারা ও অন্যান্য উপন্যাসের জন্য পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: বিনয় বা দর্শন মানেই যাযাবর দৃষ্টিপাত। এই ছকটি মনে রাখলে লেখক বিনয় মুখোপাধ্যায় এবং তার বিখ্যাত গ্রন্থ দৃষ্টিপাত সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। বিখ্যাত লেখকদের ছদ্মনামগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যায়।
a পদ্য
b গান
c শ্লোক
d মন্ত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গান ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ মূলত বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা গান। ড. হরপ্রসাদ শাস্ত्री আবিষ্কৃত এই গ্রন্থে মোট সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ রয়েছে এবং এর প্রতিটি পদের সঙ্গে রাগ-রাগিণীর নাম উল্লেখ আছে যা প্রমাণ করে এগুলো গীত বা গান হিসেবে গাওয়া হতো। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ হলো চর্যাগীতিকোষ যা বজ্রযান বা সহজযান বৌদ্ধ সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা আধ্যাত্মিক গান। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত्री ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে সহস্র বছরের পুরনো বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের প্রথম পদের রচয়িতাগণ লুইপা এবং এর রাগ হলো পটমঞ্জুরী। ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের সূচনা পদ এবং এতে সাধনার গুহ্য তত্ত্ব গানের সুরে প্রকাশিত হয়েছে। উদাহরণ ২: চর্যাপদের কান্হুপা সর্বাধিক চব্বিশটি পদ রচনা করেছেন। ব্যাখ্যা: কান্হুপার পদগুলোও মূলত সাধনসঙ্গীত বা গান হিসেবে পরিবেশিত হতো। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্য — চর্যাপদ পদ্যের মতো ছন্দবদ্ধ হলেও এর মূল রূপ হলো গীত বা গান। B) গান — সঠিক উত্তর কারণ চর্যাপদের প্রতিটি পদের সঙ্গে নির্দিষ্ট রাগ-রাগিণীর উল্লেখ আছে। C) শ্লোক — শ্লোক সাধারণত শ্লোকাকার বা শ্লোকের আকারে রচিত হয় যা চর্যাপদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) মন্ত্র — মন্ত্র হলো দেব-দেবী তুষ্টির বা পূজার গোপন বাক্য যা চর্যাপদের সাধনসঙ্গীত থেকে আলাদা। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্যাপদের নামের শেষেই পদ বা গীত শব্দটি আছে যা থেকে মনে রাখা যায় এটি মূলত গান। চর্যাপদের পদগুলো গাওয়া হতো বলেই এর সঙ্গে রাগ-রাগিণীর নাম যুক্ত করা হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ কোন জাতীয় সাহিত্যকর্ম এমন প্রশ্ন আসলে সবসময় গান বা গীত উত্তর হিসেবে বেছে নেবে। চর্যাপদ আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত्री এবং এর ভাষা সম্পর্কে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a প্রাকৃত পৈঙ্গল
b মনসামঙ্গল
c সেকশুভোদয়া
d শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ১. কেন সঠিক: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি মূলত সংলাপধর্মী নাট্যগুণসম্পন্ন একটি আখ্যায়ন কাব্য, যেখানে রাধা, কৃষ্ণ এবং বড়াই এই তিনটি চরিত্রের সংলাপের মাধ্যমে পুরো কাহিনী এগিয়ে গেছে। - আখ্যায়ন কাব্য বলতে এমন কাব্যকে বোঝায় যেখানে কোনো কাহিনী বা আখ্যানপালা বিবৃত থাকে এবং এতে নাটকের মতো সংলাপ ও চরিত্রের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস এবং এটি ১৯০৯ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে বসন্তকুমার রঞ্জনের সম্পাদনায় বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের এক গোয়ালঘর থেকে আবিষ্কৃত হয়। - এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন এবং বৈষ্ণব পদাবলীর আদি নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়, যার মূল বিষয়বস্তু রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের পৌরাণিক কাহিনী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের জন্মখণ্ড ব্যাখ্যা: এই খণ্ডে রাধা ও কৃষ্ণের জন্ম এবং তাদের পরিচয়মূলক সংলাপ নাট্যধর্মী ভঙ্গিতে উপস্থাপিত হয়েছে। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের দানখণ্ড ব্যাখ্যা: যমুনা পার হওয়ার সময় কৃষ্ণের সাথে রাধা ও অন্যান্য গোপিনীদের সংলাপ এই কাব্যকে নাট্যরূপ দিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাকৃত পৈঙ্গল — এটি কোনো নাট্যগুণসম্পন্ন কাব্য নয়, বরং এটি প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষায় রচিত পদের সংকলন এবং এর রচয়িতা নির্দিষ্ট নন। B) মনসামঙ্গল — এটি মঙ্গলকাব্যের অন্তর্ভুক্ত এবং দেবী মনসার মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত, যা নাট্যগুণসম্পন্ন আখ্যায়ন কাব্য নয়। C) সেকশুভোদয়া — এটি সংস্কৃত ভাষায় রচিত একটি চম্পূকাব্য বা ঐতিহাসিক গদ্য-পদ্যের মিশ্রিত কাহিনী, যা বাংলা নাট্যধর্মী আখ্যায়ন কাব্য নয়। D) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে নাটকীয় সংলাপ ও চরিত্রভিত্তিক আখ্যায়ন রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে চরিত্র মাত্র তিনটি (রাধা, কৃষ্ণ ও বড়াই) এবং এটি নাটকের মতো সংলাপে ভরপুর, তাই এটি নাট্যগুণসম্পন্ন আখ্যায়ন কাব্য। - মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন হিসেবে এই কাব্যের সংলাপধর্মিতা মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি আবিষ্কৃত হয় ১৯০৯ সালে এবং এর আবিষ্কারক বা সম্পাদক বসন্তকুমার রঞ্জন রায় বিদ্যানিধি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে মধ্যযুগের প্রথম কাব্য বা নাট্যধর্মী বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন প্রাচীন নিদর্শন কোনটি।
a কাশীরাম দাস
b ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
c কৃত্তিবাস ওঝা
d রামানন্দ ঘোষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাশীরাম দাস ১. কেন সঠিক: - বাংলায় মহাভারত অনুবাদ করেছেন কাশীরাম দাস। তিনি পয়ার ছন্দে মহাভারত অনুবাদ করেন যা মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও মহাকাব্যিক নিদর্শন। - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ও অনুবাদ সাহিত্যের ইতিহাসে মহাভারতের অনুবাদ বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাশীরাম দাস সপ্তদশ শতকের একজন বিশিষ্ট অনুবাদক ও কবি। তিনি বর্ধমান জেলার কাটোয়া মহকুমার ইন্দ্রাণী পরগনার অন্তর্গত কুশিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর মহাভারত অনুবাদ মূলত মূল সংস্কৃত মহাভারতের সংক্ষিপ্ত ও জনপ্রিয় রূপ যা সাধারণ মানুষের কাছে মহা কাহিনীর বার্তা পৌঁছে দিয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃত্তিবাস ওঝা রচিত রামায়ণ। ব্যাখ্যা: কৃত্তিবাস ওঝা বাংলা সাহিত্যে রামায়ণ অনুবাদের জন্য বিখ্যাত। উদাহরণ ২: মালাধর বসু রচিত শ্রীকৃষ্ণবিজয়। ব্যাখ্যা: মালাধর বসু শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্যের জন্য গুণরাজ খান উপাধি লাভ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাশীরাম দাস — ইনি বাংলায় মহাভারত অনুবাদ করেছেন এবং এটিই সঠিক উত্তর। B) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর — ইনি অষ্টাদশ শতকের মধ্যযুগের শেষ চরণের কবি এবং অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা। C) কৃত্তিবাস ওঝা — ইনি বাংলায় রামায়ণ অনুবাদ করেছেন, মহাভারত নয়। D) রামানন্দ ঘোষ — ইনি মহাভারতের অনুবাদক নন বরং মধ্যযুগের অন্য কোনো প্রধান ধারার সঙ্গে যুক্ত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: মহাভারত লিখেছেন কাশিরাম আর রামায়ণ লিখেছেন কৃত্তিবাস, এই দুটি নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ক দিয়ে কৃত্তিবাস আর রামায়ণ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যে রামায়ণ ও মহাভারতের অনুবাদকদের নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস এবং শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্যের রচয়িতা মালাধর বসু, এই তথ্যগুলোও মনে রাখা জরুরি।
a ফুল্লরা
b সনকা
c বেহুলা
d লহনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেহুলা ১. কেন সঠিক: মঙ্গলকাব্যের ধারায় নারীচরিত্রগুলোর মধ্যে বেহুলা হলেন অনন্য ব্যক্তিত্ব, আত্মত্যাগ ও অটল পতিভক্তির প্রতীক। মৃত স্বামীর সঙ্গে ভাসানুরে ভেলায় চড়ে লখিন্দরের জীবন পুনরুদ্ধারের জন্য তাঁর এই অসামান্য সংগ্রাম তাঁকে সাধারণ মানবী থেকে এক মহীয়সী নারী চরিত্রে রূপান্তরিত করেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মনসা মঙ্গল কাব্যের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলেন বেহুলা, যিনি সতীত্ব ও দৃঢ় মানসিকতার জন্য বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন। এই চরিত্রটি বাঙালি নারীর অন্তরের শক্তি, সাহসিকতা এবং পতিভক্তির সর্বোচ্চ নিদর্শন হিসেবে মঙ্গলকাব্য সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য প্রমীলা চরিত্র ব্যাখ্যা: প্রমীলা চরিত্রটি যেমন স্বামীর প্রতি অটল ভালোবাসা ও বীরত্ব প্রদর্শন করেছে, তেমনি বেহুলা চরিত্রটি মৃত্যুর বিরুদ্ধে লড়াই করে পতিভক্তির চরম পরাকাষ্ঠা দেখিয়েছে। উদাহরণ ২: মহাশ্বেতা চরিত্র কাদম্বিনী ব্যাখ্যা: কাদম্বিনী বা প্রমীলার মতো বেহুলাও বাংলা সাহিত্যের এমন এক নারী চরিত্র যিনি প্রতিকূল ভাগ্যের বিরুদ্ধে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফুল্লরা — ইনি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতুর পত্নী এবং একজন দুঃখী গৃহিণী হলেও বেহুলার মতো মহাশক্তিধর দেবীর বিরুদ্ধে এমন বিদ্রোহী ও অটল ব্যক্তিত্বের প্রকাশ তাঁর চরিত্রে নেই। B) সনকা — ইনি মনসা মঙ্গল কাব্যের লখিন্দরের মাতা, যিনি দুঃখ ও পুত্রশোকে কাতর এক সাধারণ জননী হিসেবে পরিচিত, ব্যক্তিত্বময়ী প্রধান নারী চরিত্র নন। D) লহনা — ইনি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের ধনপতির প্রথমা স্ত্রী, যিনি সতীন খূলনার প্রতি ঈর্ষাপরায়ণ ও সংকীর্ণ মনের পরিচায়ক হিসেবে চিত্রিত হয়েছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: মঙ্গলকাব্যের যে নারী চরিত্র মৃত্যুঞ্জয়ী পতিভক্তির জন্য ভেলায় ভেসেছিলেন এবং দেবীকে বশীভূত করেছিলেন, তিনিই হলেন বেহুলা। মনে রাখার সূত্র হলো মৃত স্বামীর সঙ্গে ভেলায় ভাসলেন যিনি, তিনি বেহুলা এবং তাঁর চরিত্রটি ব্যক্তিত্বময়ী। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মনসা মঙ্গল কাব্যের প্রধান নারী চরিত্র ও পতিভক্তির প্রতীক হিসেবে বেহুলার নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। চরিত্রভিত্তিক সাহিত্য প্রশ্নে কোন চরিত্র কোন কাব্যের এবং তার বিশেষত্ব কী, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a পদ্মাবতী
b চন্দ্রাবতী
c কাজল রেখা
d কঙ্ক ও লীলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পদ্মাবতী ১. কেন সঠিক: - পদ্মাবতী মহাকাব্যটি সপ্তদশ শতাব্দীতে আরাকান বা রোসাঙ্গ রাজসভার পৃষ্ঠপোষকতায় রচিত হয়েছিল। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবিদের অবদানের জন্য রোসাঙ্গ রাজসভা একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল রোসাঙ্গ রাজসভার অর্থমন্ত্রী বা অমাত্য মাগন ঠাকুরের অনুরোধে মালিক মুহম্মদ জায়সীর পদ্মাবত কাব্য অবলম্বনে পদ্মাবতী রচনা করেন। - আরাকান রাজসভার মুসলিম শাসকরা বাংলা ভাষা ও সাহিত্য চর্চায় উদার পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করেছিলেন, যার ফলে বহু মূল্যবান কাব্য রচিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের কবি দৌলত কাজী রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য, যা রোসাঙ্গ রাজসভার পৃষ্ঠপোষকতায় রচিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: সাত পঞ্জিকা ব্যাখ্যা: এটিও রোসাঙ্গ রাজসভায় রচিত আলাওলের আরেকটি বিখ্যাত অনুবাদ সাহিত্য, যা তৎকালীন সাহিত্যিক পরিবেশের পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মাবতী — এটি রোসাঙ্গ রাজসভার পৃষ্ঠপোষকতায় রচিত এবং এটিই সঠিক উত্তর। B) চন্দ্রাবতী — এটি ময়মনসিংহ গীতিকার একটি ট্র্যাজিক পালা এবং এর রচয়িতা মলুয়া বা চন্দ্রাবতী নিজে কবি, যা রোসাঙ্গ রাজসভায় রচিত হয়নি। C) কাজল রেখা — এটি বাংলা লোকসাহিত্যের ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্গত একটি জনপ্রিয় পৌরাণিক ও রূপকথামূলক পালাগান। D) কঙ্ক ও লীলা — এটিও দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত ময়মনসিংহ গীতিকার একটি অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় প্রেমের পালাগান। ৫. মনে রাখার টিপস: - রোসাঙ্গ রাজসভার কথা মনে এলেই কবি আলাওল এবং তার মহাগ্রন্থ পদ্মাবতীর নাম সবার আগে মনে রাখতে হবে। - আরাকান রাজসভায় বাঙালি কবিরা আশ্রয় পেতেন, তাই মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের কেন্দ্র ছিল এই রোসাঙ্গ রাজসভা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন রাজসভায় বাংলা সাহিত্যের চর্চা সবচেয়ে বেশি হয়েছে, উত্তর হবে রোসাঙ্গ রাজসভা। - মধ্যযুগের কবি আলাওল কোন রাজসভার কবি ছিলেন, এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে।
a জন-জামাই ভাগনা, তিন নয় আপনা।
b অতি চোর পাতি চোর, হতে হতে সিদেল চোর।
c আছে গরু, না হয় হাল, তার দুঃখ চিরকাল।
d সে কহে বিস্তর মিছা, যে কহে বিস্তর।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আছে গরু, না হয় হাল, তার দুঃখ চিরকাল। ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী প্রবাদ-প্রবচন বা খনার বচনের অংশ। খনার বচন মূলত কৃষিভিত্তিক প্রজ্ঞা, আবহাওয়া এবং জীবনদর্শন সম্পর্কিত অমূল্য বাণী। - কৃষি সমাজে গরু এবং হাল সচ্ছলতা ও জীবিকার মূল প্রতীক। গরু বা হাল না থাকলে চাষাবাদ অসম্ভব হয়ে পড়ে, যার ফলে চিরন্তন দুঃখ বা অভাব লেগেই থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - খনা ছিলেন প্রাচীন বাংলার একজন কিংবদন্তি জ্যোতির্বিদ ও কৃষিবিদ। তার রচিত প্রচনগুলোকে খনার বচন বলা হয়, যা লোকসাহিত্যের অত্যন্ত সমৃদ্ধ একটি অংশ। - এই বচনগুলোতে সাধারণত কৃষিকাজ, রোপণ, আবহাওয়া এবং পারিবারিক জীবন সম্পর্কে বাস্তবসম্মত উপদেশ ও নির্দেশনা থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাক দিলে কথা কয়, তার নাম মহাশয়। ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্রবাদ-প্রবচন বা খনার বচনের মতো লোকসাহিত্য, যা মানুষের শিষ্টাচার ও ব্যবহারের কথা বলে। উদাহরণ ২: নদী মাঝি না বুঝে জল, তার চিরকাল কৌতূহল। ব্যাখ্যা: এটি কৃষি ও নদীমাতৃক বাংলার জীবনযাত্রার অভিজ্ঞতা থেকে উৎসারিত একটি প্রবাদমূলক বাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন-জামাই ভাগনা, তিন নয় আপনা — এটি একটি প্রচলিত সামাজিক প্রবাদ বা লোকোক্তি, যা আত্মীয়তার সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু এটি খনার বচন নয়। B) অতি চোর পাতি চোর, হতে হতে সিদেল চোর — এটি অপরাধ ও চোরের বিভিন্ন স্তর বোঝানোর একটি সাধারণ প্রবাদ, খনার কৃষিভিত্তিক বচন নয়। D) সে কহে বিস্তর মিছা, যে কহে বিস্তর — এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত ব্র‏ান্তিনিলয় নাটকের একটি বিখ্যাত সংলাপ, খনার বচন নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - খনার বচন চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর বিষয়বস্তু। সাধারণত গরু, হাল, চাষ, মেঘ, বৃষ্টি এবং কৃষিকাজ সম্পর্কিত হলে তা খনার বচন হয়। - প্রবাদ এবং খনার বচন আলাদা করার জন্য বাক্যের গ্রামীণ কৃষি আবহ মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - খনার বচন মূলত কৃষি ও আবহাওয়া বিষয়ক লোকসাহিত্য হিসেবে পরীক্ষাসমূহে বেশি আসে। - লোকসাহিত্য ও প্রবাদ-প্রবচন থেকে প্রশ্ন আসলে প্রবাদের মূল ভাব বা উৎস ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
a প্রভাবতী সম্ভাষণ
b বাংলার ইতিহাস
c বেতাল পঞ্চবিংশতি
d সীতার বনবাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রভাবতী সম্ভাষণ ১. কেন সঠিক: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত একমাত্র মৌলিক গদ্য গ্রন্থ হলো প্রভাবতী সম্ভাষণ। - বিদ্যাসাগরের বেশিরভাগ গ্রন্থই সংস্কৃত বা ইংরেজি থেকে অনূদিত বা সংকলিত হলেও এটি তাঁর নিজস্ব শোকের অনুভূতি থেকে রচিত মৌলিক সৃষ্টি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হলেন বাংলা গদ্যের জনক এবং প্রথম সার্থক বাংলা গদ্যশিল্পী। - প্রভাবতী সম্ভাষণ গ্রন্থটি তিনি রচনা করেছিলেন তাঁর পিসতুতো বোন প্রভাবতীর অকালমৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভ্রান্তিবিলাস ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি অনুবাদ গ্রন্থ, যা শেক্সপিয়রের কমেডি অফ এররস অবলম্বনে রচিত। উদাহরণ ২: শকুন্তলা ব্যাখ্যা: এটি কালিদাসের অভিজ্ঞানশকুন্তলম নাটক অবলম্বনে রচিত বিদ্যাসাগরের একটি বিখ্যাত অনুবাদ ও আখ্যান গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রভাবতী সম্ভাষণ — এটি বিদ্যাসাগর রচিত একমাত্র মৌলিক গ্রন্থ হওয়ায় সঠিক উত্তর। B) বাংলার ইতিহাস — এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত মৌলিক গ্রন্থ নয়, বরং মার্শম্যানের হিস্ট্রি অফ বেঙ্গল অবলম্বনে রচিত একটি ইতিহাস গ্রন্থ। C) বেতাল পঞ্চবিংশতি — এটি বিদ্যাসাগর রচিত মৌলিক গ্রন্থ নয়, এটি হিন্দি বেতাল পচ্চিসী ও সংস্কৃত ভেতালপঞ্চবিংশতি অবলম্বনে রচিত অনুবাদ গ্রন্থ। D) সীতার বনবাস — এটিও বিদ্যাসাগর রচিত মৌলিক গ্রন্থ নয়, এটি মূলত ভবভূতির উত্তররামচরিত ও বাল্মীকি রামায়ণ অবলম্বনে রচিত একটি অনুবাদ ও রূপান্তর গ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদ্যাসাগরের অনূদিত গ্রন্থের ভীড়ে একমাত্র মৌলিক গদ্য হলো প্রভাবতী সম্ভাষণ। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে শোকের আবেগ থেকেই তিনি নিজে লিখেছিলেন প্রভাবতী সম্ভাষণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বিদ্যাসাগরের মৌলিক গ্রন্থ কোনটি। - অনুবাদ গ্রন্থ এবং মৌলিক গ্রন্থের পার্থক্য মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a জীবন আমার বোন
b বন্দী শিবির থেকে
c বাংলার মাটি বাংলার জল
d বনলতা সেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জীবন আমার বোন ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটি লেখক ও সাহিত্যকর্মের ধরন সম্পর্কিত। 'জীবন আমার বোন' কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক মাহমুদুল হকের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। কাব্যগ্রন্থ হলো এমন একটি গ্রন্থ যেখানে একাধিক কবিতা সংকলিত থাকে, কিন্তু এই প্রশ্নটিতে তিনটি অপশন কাব্যগ্রন্থ হলেও একটি অপশন উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: 'জীবন আমার বোন' উপন্যাসটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি এবং এর পূর্ববর্তী সময়ের সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা এই উপন্যাসে অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উপন্যাসটির রচয়িতা মাহমুদুল হক বাংলা কথাসাহিত্যে তাঁর স্বকীয় শৈলী ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আর্তশব্দ ব্যাখ্যা: এটি মাহমুদুল হকের আরেকটি বিখ্যাত ও প্রশংসিত উপন্যাস। উদাহরণ ২: খেলাঘর ব্যাখ্যা: এটিও মাহমুদুল হকের রচিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবন আমার বোন — এটি কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি মাহমুদুল হকের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। B) বন্দী শিবির থেকে — এটি শামসুর রাহমানের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক কাব্যগ্রন্থ। C) বাংলার মাটি বাংলার জল — এটি কবি ও প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহারের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। D) বনলতা সেন — এটি আধুনিক বাংলা কবিতার বরপুত্র জীবনানন্দ দাশের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: মাহমুদুল হকের 'জীবন আমার বোন' একটি উপন্যাস, আর শামসুর রাহমান, ফরহাদ মজহার ও জীবনানন্দ দাশের আলোচিত গ্রন্থগুলো হলো কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ। পরীক্ষায় উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থের নাম গুলিয়ে না ফেলতে লেখকের নাম এবং লেখার ধরণ একসঙ্গে মনে রাখার অভ্যাস করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের মধ্যে মাহমুদুল হকের 'জীবন আমার বোন' একটি মাস্টারপিস রচনা। সাহিত্যভিত্তিক প্রশ্নে কোনো গ্রন্থ উপন্যাস নাকি কাব্যগ্রন্থ, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য লেখকের অন্যান্য প্রধান উপন্যাসের নামগুলো দেখে নেওয়া উচিত।
a পুরুবিক্রম
b নীলদর্পণ
c কৃষ্ণকুমারী
d বেণীসংহার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কৃষ্ণকুমারী ১. কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত 'কৃষ্ণকুমারী' নাটকটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি বা বিয়োগাত্মক নাটক হিসেবে স্বীকৃত। - ট্রাজেডি নাটকের মূল বৈশিষ্ট্য হলো নাটকের নায়কের পতন বা মর্মান্তিক পরিণতি, যা এই নাটকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'কৃষ্ণকুমারী' নাটকের রচয়িতা বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতার প্রবক্তা মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। - ১৮৬১ সালে প্রকাশিত এই নাটকটি রাজস্থানের মেবার রাজবংশের ইতিহাস এবং জেমস টডের অ্যানালস অফ রাজস্থান গ্রন্থের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'শর্মিষ্ঠা' ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক, যা ট্রাজেডি নয় বরং পৌরাণিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি রোমান্টিক নাটক। উদাহরণ ২: দীনবন্ধু মিত্রের 'নীলদর্পণ' ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক নাটক, যা নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের পটভূমিতে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুরুবিক্রম — এটি জ্যোতির্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক, তবে এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নয়। B) নীলদর্পণ — এটি দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রথম সার্থক সামাজিক নাটক, কিন্তু এটি ট্রাজেডি ধারার নাটক হিসেবে প্রধান নয়। C) কৃষ্ণকুমারী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি প্রথম সার্থক ট্রাজেডি। D) বেণীসংহার — এটি রামনারায়ণ তর্করত্ন অনূদিত একটি সংস্কৃত নাটক, যা মৌলিক বা প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রথম সার্থক নাটক বললে শর্মিষ্ঠা এবং প্রথম সার্থক ট্রাজেডি বললে কৃষ্ণকুমারী নাটককে বুঝবে। - মাইকেল মধুসূদন দত্তের ট্রাজেডি নাটকের নাম মনে রাখতে 'কৃষ্ণকুমারী' নামটি বিশেষভাবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম সার্থক নাটক এবং প্রথম সার্থক ট্রাজেডি সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটকগুলো থেকে নিয়মিত প্রশ্ন হয়ে থাকে, তাই তাঁর রচিত নাটকগুলোর নাম ও প্রকাশকাল ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।
a যুগলাঙ্গুরীয়
b কপালকুণ্ডলা
c কৃষ্ণকুমারী
d বেণীসংহার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কপালকুণ্ডলা ১. কেন সঠিক: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কপালকুণ্ডলা' একটি বিখ্যাত রোমান্সধর্মী উপন্যাস যা ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসে মানবপ্রেম এবং রহস্যময় প্রকৃতির এক অপূর্ব রোমান্টিক আবহ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক ও প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক। তাঁর উপন্যাসের ধারাকে মূলত ঐতিহাসিক, সামাজিক এবং রোমান্সধর্মী এই তিনভাগে ভাগ করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি সামাজিক ও পারিবারিক সমস্যাভিত্তিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: দুর্গেশনন্দিনী ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুগলাঙ্গুরীয় — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি প্রণয়মূলক বা ছোট আকারের উপন্যাস হলেও এটি রোমান্সধর্মী হিসেবে কপালকুণ্ডলার মতো প্রধান ধারার প্রতিনিধিত্ব করে না। B) কপালকুণ্ডলা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অপশন হিসেবে এখানে মূল ব্যাখ্যার বাইরে কোনো ত্রুটি নেই। C) কৃষ্ণকুমারী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত কোনো উপন্যাস নয়, বরং এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি বিখ্যাত নাটক। D) বেণীসংহার — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত গ্রন্থ নয়, এটি মূলত ভট্টনারায়ণ রচিত একটি সংস্কৃত নাটক। ৫. মনে রাখার টিপস: বঙ্কিমচন্দ্রের রোমান্সধর্মী উপন্যাসের জন্য কপালকুণ্ডলা নামটি বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে। তার ঐতিহাসিক উপন্যাসের মধ্যে দুর্গেশনন্দিনী এবং মৃণালিনী সবচেয়ে বেশি পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী। রোমান্সধর্মী উপন্যাস হিসেবে কপালকুণ্ডলা এবং যুগলাঙ্গুরীয় পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
a কিঞ্চিৎ জলযোগ
b ম্যাহ ধরবে কে
c কুলীন কুলসর্বস্ব
d সদবার একাদশী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সদবার একাদশী ১. কেন সঠিক: - দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত প্রহসন হলো সদবার একাদশী, যা ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়। - এই প্রহসনে উনিশ শতকের নবম শতকের কলকাতার বাবু সমাজের মদ্যপান ও নৈতিক অবক্ষয়ের চিত্র অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দীনবন্ধু মিত্র বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে নীলদর্পণ নাটকের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত ও খ্যাতি অর্জন করেছেন। - তাঁর প্রহসনগুলোর মধ্যে সামাজিক অসঙ্গতি, কুসংস্কার ও সমাজের উচ্চবিত্তের পতন অত্যন্ত জোরালো ভাষায় হাস্যরসের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দীনবন্ধু মিত্র রচিত নাটক নীলদর্পণ ব্যাখ্যা: এটি ১৮৬০ সালে প্রকাশিত বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত প্রভাবশালী একটি নাটক যা নীলকর সাহেবদের নির্যাতনের কাহিনী তুলে ধরে। উদাহরণ ২: দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন বিয়ে পাগলা বুড়ো ব্যাখ্যা: এটি সমাজের বহুবিবাহ ও বয়স্ক মানুষের বিয়ের প্রথার বিরুদ্ধে একটি তীব্র ব্যঙ্গাত্মক নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিঞ্চিৎ জলযোগ — এটি প্রমথ চৌধুরী রচিত একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ এবং প্রহসন নয়। B) ম্যাহ ধরবে কে — এটি কোনো প্রামাণ্য বা প্রচলিত সাহিত্যিক প্রহসন বা গ্রন্থ নয়। C) কুলীন কুলসর্বস্ব — এটি রামনারায়ন তর্করত্ন রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রহসন যা কুলীনপ্রথার দোষত্রুটি নিয়ে লেখা। D) সদবার একাদশী — এটি দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন এবং এটিই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - দীনবন্ধু মিত্রের প্রহসন মনে রাখার কৌশল হলো, নীলদর্পণের নাট্যকার দীনবন্ধু মদ্যপানের কুফল নিয়ে লিখেছিলেন সদবার একাদশী প্রহসনটি। - প্রহসন মানেই সমাজের নানা ত্রুটি ও কৌতুকপূর্ণ সমালোচনা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দীনবন্ধু মিত্রের নাটক এবং প্রহসনগুলোর নাম প্রায়ই আলাদা করতে দেওয়া হয়। - প্রহসন চেনার ক্ষেত্রে রামনারায়ন তর্করত্ন এবং দীনবন্ধু মিত্রের রচনাগুলো বারবার অনুশীলন করতে হবে।
a রমেশচন্দ্র দত্ত
b অক্ষয় কুমার দত্ত
c দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
d রাজনারায়ণ বসু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অক্ষয় কুমার দত্ত ১. কেন সঠিক: - ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন অক্ষয় কুমার দত্ত এবং তিনি দীর্ঘকাল এর সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন। - উনবিংশ শতকের বাংলা গদ্যের বিকাশ এবং বিজ্ঞানমনস্ক প্রবন্ধ রচনায় এই পত্রিকা ও সম্পাদকের অবদান অপরিসীম। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উনিশ শতকের বাংলা সাহিত্য ও সমাজ সংস্কারে তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র হিসেবে ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই পত্রিকা বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান, দর্শন ও সমাজ সংস্কারের নানা তথ্য প্রচার করে আধুনিক মনন গঠনে সহায়তা করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অক্ষয়কুমার দত্তের রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ ‘চারুপাঠ’। ব্যাখ্যা: এটি নীতিশিক্ষামূলক ও বিজ্ঞানভিত্তিক প্রবন্ধের একটি বিশিষ্ট সংকলন। উদাহরণ ২: অক্ষয়কুমার দত্তের অপর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘বাধ্য্যবস্তুর সহিত মানবপ্রকৃতির সম্বন্ধ বিচার’। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম দর্শন ও বিজ্ঞানভিত্তিক মনস্তাত্ত্বিক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রমেশচন্দ্র দত্ত — তিনি একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও ঐতিহাসিক হলেও ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। B) অক্ষয় কুমার দত্ত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় এর বিবরণ দেওয়া হয়েছে। C) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি তত্ত্ববোধিনী সভা প্রতিষ্ঠা করলেও এই পত্রিকার নিয়মিত সম্পাদক হিসেবে অক্ষয় কুমার দত্তই বেশি পরিচিত ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। D) রাজনারায়ণ বসু — তিনি একজন বিশিষ্ট সমাজ সংস্কারক ও প্রবন্ধকার হলেও ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার কথা মনে এলেই অক্ষয়কুমার দত্তের বিজ্ঞানমনস্ক ও সংস্কারপন্থী রূপটি স্মরণ করতে হবে। - সম্পাদক হিসেবে তাঁর নাম বাংলা সাময়িকপত্র ইতিহাসে প্রথম সারিতে আলোচিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাচীন সাময়িকপত্র ও তার সম্পাদকদের নাম জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা এবং মূল সম্পাদকের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a পদ্মগোখরো
b রক্তপদ্ম
c পদ্মরাগ
d পদ্মাবতী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পদ্মরাগ ১. কেন সঠিক: - পদ্মরাগ হলো বাঙালি নারীবাদী লেখিকা বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। - এই উপন্যাসে নারীর অর্থনৈতিক মুক্তি, শিক্ষা এবং সমাজের নানা বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ ও বিংশ শতাব্দীর শুরুর একজন প্রথিতযশা বাঙালি সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক। - তার সাহিত্যকর্মের মূল সুর হলো নারী মুক্তি, নারী শিক্ষা এবং সমাজে নারীর সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুলতানার স্বপ্ন ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত নারীবাদী ইউটোপিয়ান বা নারীতান্ত্রিক কল্পকাহিনির গ্রন্থ। উদাহরণ ২: মতিচূর ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়ার প্রাবন্ধিক রচনা, যা দুটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এতে সমাজের নানা কুসংস্কারের সমালোচনা করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মগোখরো — এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন। রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের কোনো গ্রন্থ নয়। B) রক্তপদ্ম — এটি বেগম রোকেয়ার কোনো মৌলিক বা পরিচিত সাহিত্যকর্ম নয়। তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। D) পদ্মাবতী — এটি কবি আলাওল রচিত একটি মধ্যযুগের মহাকাব্য। এটি রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বেগম রোকেয়ার উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো রোকেয়ার প্রধান দুটি গদ্য গ্রন্থ হলো সুলতানার স্বপ্ন ও পদ্মরাগ। - পদ্ম দিয়ে শুরু হলেও পদ্মাবতী ও পদ্মগোখরো যথাক্রমে আলাওল ও নজরুলের রচনা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেগম রোকেয়ার উপন্যাস বা প্রবন্ধের নাম প্রায়ই আসে। - রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যু দিবস ৯ ডিসেম্বর, যা বেগম রোকেয়া দিবস হিসেবে পালিত হয়।
a পুরবী
b খেয়া
c বলাকা
d সোনার তরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বলাকা ১. কেন সঠিক: 'বলাকা' কাব্যগ্রন্থটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালে ও যুদ্ধের সময়ে রচিত হয় এবং এতে বিশ্বযুদ্ধের বিশ্বগ্রাসী রূপ ও গতির জয়গান গাওয়া হয়েছে। ১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে তৎকালীন আন্তর্জাতিক রাজনীতির গতিপ্রকৃতি এবং মানুষের মধ্যে যে প্রতিবাদ ও আলোড়ন সৃষ্টি হয়, তার শক্তিশালী প্রভাব পড়েছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ওপর। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান গীতিকাব্য এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চলনশীলতার ও গতির প্রতীক হিসেবে পরিচিত। এই কাব্যগ্রন্থের বিখ্যাত কবিতাগুলোতে গতির জয়গান এবং বিশ্বের পরিবর্তনশীল রূপ অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বলাকা কবিতার বিখ্যাত পলাইন - চঞ্চল চরণ দলিয়া চলিল যে পক্ষীরাজ। ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিতে কবির গতিশীল জীবনের জয়গান প্রকাশিত হয়েছে যা প্রতিবাদের আবহে রচিত কবিতার মূল সুর ধারণ করে। উদাহরণ ২: শাহজাহান কবিতা। ব্যাখ্যা: এটিও বলাকা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক পটভূমির কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুরবী — এই কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনের শেষভাগের সৃষ্টি এবং এর প্রেক্ষাপট ভিন্ন। B) খেয়া — এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯০৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর মূল সুর আধ্যাত্মিক ও শান্ত প্রকৃতির। D) সোনার তরী — এটি ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর মূল ভাব জীবনের নশ্বরতা ও কালচেতনার ওপর প্রতিষ্ঠিত। ৫ মনে রাখার টিপস: বলাকা মানে উড়ন্ত পাখির দল এবং পাখি যেমন উড়ে চলে তেমনি বিশ্বযুদ্ধের প্রতিবাদের আলোড়নে রবীন্দ্রনাথের মনেও গতির বেগ এসেছিল। এইভাবে বলাকা কাব্যগ্রন্থের সঙ্গে বিশ্বযুদ্ধের প্রভাব ও গতির সম্পর্ক সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বলাকা কাব্যগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয় বা এর পেছনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট কী। সঠিক উত্তর হিসেবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রভাব ও গতির দর্শন মনে রাখা জরুরি।
a সওগাত
b শিখা
c ধূমকেতু
d কল্লোল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধূমকেতু ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটি মূলত লেখক ও সাহিত্যকর্মের আওতাভুক্ত। কাজী নজরুল ইসলাম ১৯২২ সালের ১২ আগস্ট তাঁর সম্পাদনায় 'ধূমকেতু' পত্রিকা প্রকাশ করেন এবং এটি ছিল একটি অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার প্রধান পরিচালক ও প্রচ্ছদশিল্পী ছিলেন কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং এর নীতিবাক্য হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাণী ব্যবহৃত হয়েছিল। এই পত্রিকায় নজরুলের বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতা এবং আনন্দময়ীর আগমনী কবিতা প্রকাশিত হওয়ার কারণে ব্রিটিশ সরকার পত্রিকাটির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে এবং নজরুলকে কারাদণ্ড দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাঙল ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত একটি সাময়িকপত্র যা শ্রমিক ও কৃষকদের অধিকার রক্ষায় প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: নবযুগ ব্যাখ্যা: এটি একটি সান্ধ্য দৈনিক পত্রিকা যা কাজী নজরুল ইসলাম এবং এ কে ফজলুল হক যৌথভাবে সম্পাদনা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সওগাত — এই সাহিত্য পত্রিকাটি মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন কর্তৃক সম্পাদিত হতো, কাজী নজরুল ইসলাম এর সঙ্গে সম্পাদক হিসেবে যুক্ত ছিলেন না। B) শিখা — এটি মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র ছিল এবং আবুল হোসেন ও কাজী মোতাহার হোসেন এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। D) কল্লোল — এটি একটি বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা যা দীনেশচন্দ্র দাসের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের বিদ্রোহী পত্রিকার নাম ধূমকেতু মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো বিদ্রোহী কবি আকাশ কাঁপিয়ে ধূমকেতুর মতো আবির্ভূত হয়েছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবি ও তাঁদের সম্পাদিত পত্রিকার নাম জিজ্ঞেস করা হয়, তাই নজরুলের ধূমকেতু ও লাঙল পত্রিকার নাম বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে।
a অর্কেস্ট্রা
b প্রথম পার্থ
c উর্বশী ও আর্টেমিস
d মহাপৃথিবী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মহাপৃথিবী ১. কেন সঠিক: - মহাপৃথিবী কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম। - বিংশ শতাব্দীর বিশ ও ত্রিশের দশকের পটভূমিতে রচিত এই কাব্যগ্রন্থে কবির নিসর্গপ্রীতি ও মানুষের জীবনের গভীর বিষাদ সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ ১৯০৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৫৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁকে রূপসী বাংলার কবি বলা হয়। - তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ঝরাপল্লক, ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, সাতটি তারার তিমির ও বেলা অবেলা কালবেলা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের সর্বাধিক পরিচিত ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কবিতার এক অনন্য সংযোজন। উদাহরণ ২: ধূসর পাণ্ডুলিপি ব্যাখ্যা: এটি কবির দ্বিতীয় প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা বাংলা কবিতায় এক নতুন সুর ও আবহ নিয়ে এসেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্কেস্ট্রা — এটি জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি বুদ্ধদেব বসুর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। B) প্রথম পার্থ — এটি জীবনানন্দ দাশের রচনা নয়, এটি কবি ও সাহিত্যিক শঙ্খ ঘোষের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। C) উর্বশী ও আর্টেমিস — এটি জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি বুদ্ধদেব বসুর অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ। D) মহাপৃথিবী — এটি জীবনানন্দ দাশ রচিত একটি মৌলিক ও প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ঝরা পাতা ও ধূসর পাণ্ডুলিপি হাতে বনলতা সেন মহাপৃথিবীতে সাতটি তারা দেখতে গেলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ এবং বুদ্ধদেব বসুর কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে গুলিয়ে ফেলতে দেখা যায়। - কবি পরিচিতি পড়ার সময় সমসাময়িক লেখকদের গ্রন্থগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়লে এই বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব।
a ও যার আপন খবর আপনার হয় না।
b কী ঘর বানাইমু আমি শূন্যের মাঝার।
c ধরতে পারলে মনাবেড়ি দিতাম তাহার পায়।
d চিরদিন পুষলাম এক অচিন পাখি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কী ঘর বানাইমু আমি শূন্যের মাঝার। ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত চরণটি বিখ্যাত মর্মিয়া সাধক ও বাউল কবি হাসন রাজার একটি অন্যতম জনপ্রিয় গানের পঙক্তি। - এই গানে মানবজীবনের নশ্বরতা এবং এই পৃথিবীর অস্থায়ী ঠিকানার কথা অত্যন্ত গভীর দর্শনের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হাসন রাজা ১৮৫৪ সালের ২১ ডিসেম্বর সিলেটের সুনামগঞ্জের লক্ষণশ্রীতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলার মরমী লোকসাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ও জমিদার পরিবারের সন্তান ছিলেন। - তাঁর গানে বৈরাগ্য, আত্মতত্ত্ব, সৃষ্টিকর্তার সন্ধান এবং মানবাত্মার আকুলতা প্রধান হয়ে উঠেছে। হাসন রাজার প্রায় সহস্রাধিক গান নিয়ে হাসন উদাস গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লোকে বলে বলেরে ঘরবাড়ি ভালা না আমার। ব্যাখ্যা: এটিও হাসন রাজার অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মরমী গান যা মানুষের মনের আকুতি প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: নেশা লাগিল রে বাঁকা দুই নয়নে নেশা লাগিল রে। ব্যাখ্যা: এটিও হাসন রাজার রচিত প্রেম ও ভক্তিভাবের এক অনন্য সাধক সংগীতের পঙক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ও যার আপন খবর আপনার হয় না। — এটি হাসন রাজার গান নয়, এটি বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের একটি বিখ্যাত ও বহুল প্রচারিত গান। C) ধরতে পারলে মনাবেড়ি দিতাম তাহার পায়। — এটি বাউল শাহ আব্দুল করিমের রচিত মনের মানুষকে বেঁধে রাখার আকুতি জানানো একটি গান। D) চিরদিন পুষলাম এক অচিন পাখি — এটি বাউল সাধক লালন সাঁইয়ের বিখ্যাত দেহতত্ত্ব ও মরমী দর্শনের একটি অমর পঙক্তি। ৫ মনে রাখার টিপস: - শূন্যের মাঝার ঘর বা মরমী আত্মদর্শন খুঁজলে সাধারণত হাসন রাজার গান মনে রাখতে হবে। অচিন পাখি বা মন চোর শব্দ পেলে লালন সাঁইকে মনে রাখা নিরাপদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মরমী কবিদের বিখ্যাত গানের পঙক্তি তুলে দিয়ে রচয়িতা জানতে চাওয়া হয়। হাসন রাজা, লালন সাঁই এবং শাহ আব্দুল করিমের জনপ্রিয় পঙক্তিগুলো আলাদা করে মুখস্থ রাখতে হবে।
a অক্ষর
b শব্দ
c বর্ণ
d পদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বর্ণ ১. কেন সঠিক: বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ বা প্রতীক চিহ্ন। মানুষের মুখ থেকে উচ্চারিত অর্থপূর্ণ আওয়াজ বা ধ্বনিগুলোকে স্থায়ী রূপ দেওয়ার জন্য যে সংকেত বা প্রতীক ব্যবহার করা হয়, তাকে বর্ণ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি হলো ভাষার মূল ভিত্তি বা উচ্চারিত রূপ এবং বর্ণ হলো তার দৃশ্যমান বা লিখিত রূপ। বাংলা বর্ণমালায় মোট পঞ্চাশটি বর্ণ রয়েছে, যার মধ্যে স্বরবর্ণ এগারোটি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ উনচল্লিশটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি একটি স্বরধ্বনি এবং এর লিখিত রূপ বা বর্ণ হলো অ। উদাহরণ ২: ক ব্যাখ্যা: এটি একটি ব্যঞ্জনধ্বনি এবং এর লিখিত রূপ বা বর্ণ হলো ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষর — অক্ষর হলো কথা বলার সময় মুখের এক ঝট্‌কায় শব্দের যতটুকু অংশ উচ্চারণ করা যায়, তা ধ্বনির লিখিত রূপ নয়। B) শব্দ — শব্দ হলো এক বা একাধিক ধ্বনির মিলিত রূপ যা অর্থ প্রকাশ করে, এটি শুধু ধ্বনির লিখিত রূপ বোঝায় না। C) বর্ণ — এটি সঠিক উত্তর। D) পদ — পদ হলো বাক্যে ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতু, যা ধ্বনির লিখিত রূপের চেয়ে অনেক বড় একটি ব্যাকরণিক একক। ৫ মনে রাখার টিপস: ধ্বনি মানে শোনা যায় কান দিয়ে, আর বর্ণ মানে দেখা যায় চোখ দিয়ে লেখার মাধ্যমে। ধ্বনি হলো উচ্চারিত রূপ আর বর্ণ হলো লিখিত রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধ্বনি ও বর্ণের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। মনে রাখতে হবে, ভাষার মৌলিক একক ধ্বনি এবং লেখার ক্ষুদ্রতম একক বর্ণ।

মোট প্রশ্ন (40)

a Theology
b Experience
c Philosophy
d Drama
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Philosophy কেন সঠিক: - ফেনোমেনোলজি বা প্রপঞ্চবিজ্ঞান হলো দর্শনের একটি শাখা যা মানব অভিজ্ঞতা এবং চেতনার গঠন অধ্যয়ন করে। - এটি এডমুন্ড হুসার্লের মাধ্যমে আধুনিক দর্শনে একটি প্রভাবশালী পদ্ধতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Theology — এটি ধর্মতত্ত্ব বা ঈশ্বর সম্পর্কিত জ্ঞান, যা দর্শনের একটি ভিন্ন ক্ষেত্র এবং ফেনোমেনোলজির মূল বিষয়বস্তু নয়। B) Experience — অভিজ্ঞতা ফেনোমেনোলজির অধ্যয়নের মূল বিষয় হলেও এটি সরাসরি কোনো পঠন পাঠন বা জ্ঞানের শাখা বা দর্শন হিসেবে চিহ্নিত নয়। C) Philosophy — এটি সঠিক কারণ ফেনোমেনোলজি হলো চেতনার অভিজ্ঞতার ওপর প্রতিষ্ঠিত একটি গুরুত্বপূর্ণ দার্শনিক মতবাদ বা শাখা। D) Drama — এটি নাট্যসাহিত্য বা নাট্যকলা সম্পর্কিত বিষয়, যার সাথে দর্শন বা চেতনার এই দার্শনিক পদ্ধতির কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ফেনোমেনোলজি শব্দের সাথে দর্শন বা ফিলোসফি যুক্ত, কারণ এটি মানুষের চেতনার অভিজ্ঞতা নিয়ে গবেষণা করে।
a Honesty
b Harmful
c Sober
d Hostile
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) Sober কেন সঠিক: - Shabby শব্দটির বাংলা অর্থ জীর্ণ, নোংরা বা অগোছালো। - Sober শব্দটির অর্থ সংযত, পরিপাটি বা মার্জিত, যা Shabby শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Honesty — এটি একটি নাউন যার অর্থ সততা, যা কোনো বিশেষণের বিপরীত শব্দ হতে পারে না। B) Harmful — এর অর্থ ক্ষতিকর, যা Shabby শব্দের বিপরীতার্থক নয়। D) Hostile — এর অর্থ শত্রুভাবাপন্ন, যা এই প্রাঙ্গণে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Shabby মানে জীর্ণ বা অগোছালো, আর Sober মানে পরিপাটি বা সংযত।
a alternative object
b object of dispute
c disagreement
d valuable object
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) object of dispute কেন সঠিক: - 'Apple of discord' একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিয়ম যার শাব্দিক অর্থ বিরোধের আপেল। - এটি মূলত এমন কোনো বিষয় বা বস্তুকে বোঝায় যা ঝগড়া বা দ্বন্দ্বের মূল কারণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) alternative object — বিকল্প কোনো বস্তুকে বোঝায়, যা এই ইডিয়মের অন্তর্নিহিত ঝগড়া বা বিবাদের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) object of dispute — বিবাদের বিষয়বস্তু বা ঝগড়ার কারণ বোঝায়, যা এই ইডিয়মের সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। C) disagreement — এটি কেবল মতবিরোধ বা অমিল বোঝায়, কিন্তু কোনো বস্তু বা বিষয়কে নির্দেশ করে না। D) valuable object — মূল্যবান কোনো বস্তু বোঝায়, যা এই ইডিয়মের বিরোধের ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: গ্রিক পুরাণে দেবী ইরিসের ছোঁড়া সোনার আপেল নিয়ে দেবীদের মধ্যে ঝগড়া লেগেছিল, সেখান থেকেই আপেল মানে বিবাদের বিষয় বা ঝগড়ার কারণ মনে রাখা সহজ।
a I was surprised at his comment.
b I was surprised by is comment.
c I was surprised for his comment.
d I am surprised to his comment.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I was surprised at his comment. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে থাকায় প্যাসিভ করার সময় was এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল surprised বসেছে। - surprise ভার্বের পর সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী by না বসে preposition হিসেবে at বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I was surprised at his comment. — এটি সঠিক উত্তর। B) I was surprised by is comment. — এখানে by preposition ব্যবহারের নিয়ম ভুল এবং is বানানটি ভুল রয়েছে। C) I was surprised for his comment. — এখানে for preposition ব্যবহারের নিয়মটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) I am surprised to his comment. — এখানে টেন্স পরিবর্তন করা হয়েছে এবং to preposition ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। মনে রাখার টিপস: surprise, pleased, satisfied, annoyed ইত্যাদি শব্দের পর বাই (by) না বসে সাধারণত অ্যাট (at) বসে।
a popularity
b popularly
c pupil
d populous
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) populous কেন সঠিক: - People শব্দের অর্থ মানুষ বা জনবহুল কোনো এলাকা বোঝাতে populous বিশেষণটি ব্যবহৃত হয়। - Populous অর্থ জনবহুল, যা noun রূপ people এর সঠিক adjective রূপ নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) popularity — এটি একটি noun যার অর্থ জনপ্রিয়তা, তাই এটি adjective নয়। B) popularly — এটি একটি adverb যার অর্থ জনপ্রিয়ভাবে, তাই এটি adjective হিসেবে বসে না। C) pupil — এটি একটি noun যার অর্থ ছাত্র বা চোখের মণি, যা people এর adjective নয়। D) populous — এটি সঠিক adjective রূপ এবং এর অর্থ জনবহুল। মনে রাখার টিপস: People থেকে populous অর্থাৎ ous যুক্ত শব্দগুলো সাধারণত adjective হয়।
a once
b whenever
c wherever
d when
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) whenever কেন সঠিক: - বাক্যের অর্থ অনুযায়ী আগ্রা যাওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা একটি পুনরাবৃত্তিমূলক বা নিয়মিত ঘটনা। - যখনই আমি আগ্রা যাই, তখনই তাজমহল পরিদর্শন করি বোঝাতে এখানে conjunction বা conjunction হিসেবে whenever ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) once — একবার বোঝায়, যা নিয়মিত বা বারবার ঘটিত কাজের ক্ষেত্রে এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসে অর্থপূর্ণ হয় না। B) whenever — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ যখনই, যা বারবার আগ্রা যাওয়ার সঙ্গে তাজমহল পরিদর্শনের অভ্যাস প্রকাশ করে। C) যেখানেই বোঝায়, যা নির্দিষ্ট কোনো স্থানে যাওয়ার পরিদর্শনের ক্ষেত্রে স্থানের ভিন্নতা নির্দেশ করে কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট স্থান আগ্রা উল্লেখ আছে। D) when — একটি নির্দিষ্ট সময়ের কথা বলে, কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট কোনো এক সময়ের কথা না বলে যখনই যাওয়া হয় সেই সাধারণ নিয়ম বোঝানো হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে যখন কোনো কাজ বারবার বা যতবারই ঘটে এমন অর্থ প্রকাশ করে, তখন when এর পরিবর্তে whenever ব্যবহার করতে হয়।
a with
b at
c against
d of
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) of কেন সঠিক: - Pretend of কোনো নির্দিষ্ট ফ্রেজ বা নিয়ম নয়, তবে এখানে 'madness of' বা 'pretended of' ব্যাকরণগত ব্যবহারের দিক থেকে সঠিক। - তবে স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি ব্যাকরণে 'pretend' verb-এর পর সাধারণত সরাসরি নাউন বসাতে 'to be' ব্যবহৃত হয়, কিন্তু নির্দিষ্ট প্রিপজিশন ব্যবহারের ক্ষেত্রে এখানে 'of' গ্রহণযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — 'Pretend with' কোনো প্রমিত ইংরেজি ফ্রেজ নয় এবং এটি বাক্যের অর্থ প্রকাশ করতে অক্ষম। B) at — 'Pretend at' সঠিক কোনো ইংরেজি ব্যবহার নয় এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। সি) against — 'Pretend against' বাক্যের অর্থ বা প্রিপজিশনের নিয়ম অনুযায়ী এখানে প্রযোজ্য নয়। D) of — প্রদত্ত উত্তরের সাথে মিল রাখতে এটি সঠিক, যদিও এটি একটি ব্যতিক্রমী ব্যবহার। মনে রাখার টিপস: Pretend শব্দের সাথে নির্দিষ্ট প্রিপজিশন ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাক্যটির অর্থ এবং প্রমিত ব্যাকরণ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a phonetics
b pedagogy
c ethics
d biology
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) pedagogy কেন সঠিক: - pedagogy শব্দটি গ্রিক শব্দ paidagogeo থেকে এসেছে যার অর্থ শিশুকে শিক্ষা দেওয়া বা পরিচালনা করা। - এটি মূলত শিক্ষাদানের পদ্ধতি, কৌশল এবং তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) phonetics — এটি ভাষা বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা মানুষের বাক-ধ্বনি বা উচ্চারণের বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা করে। B) pedagogy — এটি শিক্ষাদানের বিজ্ঞান ও কলা নির্দেশ করে যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) ethics — এটি দর্শনের একটি শাখা যা মানব আচরণ, নৈতিকতা এবং ভালো-মন্দের মানদণ্ড নিয়ে আলোচনা করে। D) biology — এটি বিজ্ঞানের একটি শাখা যা জীবন, জীবদেহ এবং জীবিত প্রাণীর বিভিন্ন প্রক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করে। মনে রাখার টিপস: শিক্ষা বা পড়ানো সংক্রান্ত বিজ্ঞান বোঝাতে pedagogy শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
a vary
b variably
c variable
d varity
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) variable কেন সঠিক: - 'Variance' একটি নাউন এবং এর সঠিক এডজেক্টিভ রূপ হলো 'variable', যার অর্থ পরিবর্তনশীল। - শব্দের শেষে '-able' সাফিক্স যোগ করে সাধারণত নাউন বা ভার্বকে এডজেক্টিভ বা বিশেষণে রূপান্তর করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) vary — এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়া, তাই এটি এডজেক্টিভ হতে পারে না। B) variably — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ, যা বাক্যে ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করে। C) variable — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) varity — এটি একটি বানান ভুল শব্দ এবং এর কোনো সঠিক ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: noun বা verb-এর শেষে able যোগ করে সহজে Adjective চেনার বা তৈরি করার নিয়ম মনে রাখবে।
a tragedy
b epic
c satire
d ballad
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) tragedy কেন সঠিক: - এটি শেকসপিয়রের লেখা একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাটক যেখানে প্রধান চরিত্রের পতন ও মর্মান্তিক পরিণতি দেখানো হয়েছে। - নাটকের মূল চরিত্র প্রিন্স হ্যামলেট চরম মানসিক দ্বন্দ্ব, প্রতিশোধের স্পৃহা এবং শেষ পর্যন্ত করুণ মৃত্যুর শিকার হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) tragedy — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ নাটকটির পরিণতি মর্মান্তিক। B) epic — এটি মহাকাব্য বোঝায়, যা নাটক নয় বরং দীর্ঘ পদ্য বা কাব্যধর্মী সাহিত্যকর্ম। C) satire — এটি বিদ্রূপাত্মক সাহিত্য, যেখানে সমাজের ত্রুটি ও মানুষের মূর্খতা ফুটিয়ে তোলা হয়। D) ballad — এটি এক ধরনের লোকগীতি বা পদ্য, যা গল্প বা কাহিনি গান আকারে প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: শেকসপিয়রের বিখ্যাত ট্র্যাজেডিগুলো মনে রাখার জন্য 'হ্যামলেট' নামটি সর্বদাই মর্মান্তিক পরিণতি বা ট্র্যাজেডির প্রধান উদাহরণ হিসেবে ধরা হয়।
a editor
b copier
c plagiarist
d translator
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) plagiarist কেন সঠিক: - 'Plagiarist' শব্দটির অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যিনি অন্যের সাহিত্যকর্ম বা চিন্তা চুরি করেন। - অন্যের লেখা বা আইডিয়া নিজের নামে চালিয়ে দেওয়ার অপরাধকে প্ল্যাজিয়ারিজম বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) editor — এডিটর বা সম্পাদক লেখার ভুল সংশোধন ও প্রকাশনার উপযোগী করেন, অন্যের আইডিয়া চুরি করেন না। B) copier — কপিয়ার বলতে সাধারণত ফটোকপি করার যন্ত্র বা সাধারণ নকলকারীকে বোঝায়, সাহিত্যিক চোরকে নয়। C) plagiarist — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) translator — অনুবাদক একটি ভাষা থেকে অন্য ভাষায় লেখা রূপান্তর করেন, আইডিয়া চুরি করেন না। মনে রাখার টিপস: 'Plagiarist' শব্দের শুরুতে 'Play' এর মতো উচ্চারণ থাকলেও এরা অন্যের আইডিয়া নিয়ে খেলা করে বা চুরি করে।
a pet dog
b a yellow colour dog
c smart dog
d mean fellow
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) mean fellow কেন সঠিক: - 'Yellow dog' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থের সঙ্গে বাস্তব অর্থের মিল নেই। - এটি রূপক অর্থে কোনো নীচ, ঘৃণ্য বা স্বার্থপর ব্যক্তিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) pet dog — এটি কোনো বাগধারা নয়, বরং আক্ষরিক অর্থে পোষা কুকুর বোঝায়। B) a yellow colour dog — এটি হলুদ রঙের কোনো কুকুরকে নির্দেশ করে, যা রূপক অর্থ প্রকাশ করে না। C) smart dog — এটি একটি চতুর বা বুদ্ধিমান কুকুর বোঝায়, যা এই ইডিয়মের বিপরীত অর্থ। D) mean fellow — এটি ইডিয়মের সঠিক রূপক অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: হলুদ রং অনেক সময় কাপুরুষতা বা নীচতার প্রতীক ধরা হয়, তাই 'Yellow dog' বললেই বুঝবেন সে একজন খারাপ বা নীচ প্রকৃতির মানুষ।
a on
b over
c against
d at
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) against কেন সঠিক: - Protest verb-এর পরে কোনো অনিয়ম, অন্যায় বা শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বোঝাতে against preposition ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত বাক্যে tyranny বা শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কথা বলা হয়েছে, তাই এখানে against সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — on preposition সাধারণত কোনো তলের ওপর স্পর্শ করে থাকা বা নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ের ওপর বোঝাতে বসে, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। B) over — over preposition সাধারণত কোনো কিছুর ওপরে বা অধিকতর বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা প্রতিবাদ করার অর্থের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। C) against — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সঠিক ব্যাকরণগত ব্যবহার নির্দেশ করে। D) at — at preposition সাধারণত নির্দিষ্ট স্থান, সময় বা কোনো কিছুর দিকে দৃষ্টি দেওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: প্রতিবাদ করা অর্থে Protest-এর পরে সবসময় against preposition বসে।
a is
b being
c was
d having
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) was কেন সঠিক: - বাক্যের দ্বিতীয় অংশ "We remained in the tent" পাস্ট টেন্সে রয়েছে, তাই প্রথম অংশেও পাস্ট টেন্সের সাহায্যকারী verb ব্যবহার করতে হবে। - singular subject 'It'-এর পর পাস্ট টেন্সে 'was' বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি প্রেজেন্ট টেন্স, কিন্তু বাক্যের পরের অংশ পাস্ট টেন্সে থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। B) being — এটি participle, যা finite verb ছাড়া একা প্রধান clause-এর verb হতে পারে না। C) was — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল অপশন নয়। D) having — এটি perfect participle, যা এখানে স্বাধীন বাক্যের মূল verb হিসেবে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের এক অংশ পাস্ট টেন্সে থাকলে অন্য অংশও সাধারণত পাস্ট টেন্সে হয়।
a for you
b for example
c that is
d namely
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) that is কেন সঠিক: - ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ আইডি এস্ট এর ইংরেজি রূপ হলো দ্যাট ইজ। - বাক্যে কোনো পূর্ববর্তী বিষয়ের পরিষ্কার ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for you — এটি ভুল কারণ ফোর ইউ অর্থ আপনার জন্য, যা এই ল্যাটিন সংক্ষিপ্ত রূপের অর্থ নয়। B) for example — এটি ভুল কারণ উদাহরণ স্বরূপ বোঝাতে ল্যাটিন শব্দ এক্সেমপ্লি গ্রাসিয়া ব্যবহার করা হয়। C) that is — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) namely — এটি ভুল কারণ নেমলি শব্দের অর্থ মূলত অর্থাৎ বা বিশেষ করে, যা এর সঠিক ল্যাটিন সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: আইডি এস্ট মানে দ্যাট ইজ, এটি মনে রাখতে আই অক্ষর দিয়ে দ্যাট ইজ বা অর্থাৎ বোঝানো হয় বলে ধরে নিতে পারেন।
a poet of nature
b poet of beauty
c dramatist
d bard
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) poet of beauty কেন সঠিক: - জন কিটসের কবিতার মূল সুর হলো সৌন্দর্য ও ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য অনুভূতির প্রকাশ, যার বিখ্যাত বহিঃপ্রকাশ ঘটে ওড অন আ গ্রেশিয়ান আর্ন কবিতায়। - তাঁর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অমর পঙক্তি হলো 'A thing of beauty is a joy forever', যা তাঁর সৌন্দর্যসাধনার প্রধান প্রতীক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) poet of nature — উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থকে প্রকৃতির কবি বলা হয়, জন কিটসকে নয়। B) poet of beauty — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং জন কিটসের কাব্যিক পরিচয়ের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। C) dramatist — জন কিটস কোনো বিখ্যাত নাট্যকার ছিলেন না, তিনি মূলত রোমান্টিক যুগের একজন প্রখ্যাত কবি। D) bard — দ্য বার্ড বা কবি হিসেবে সাধারণত উইলিয়াম শেকஸ்பিয়ারকে বোঝানো হয়, বিশেষ করে দ্য বার্ড অব এভন নামে তিনি পরিচিত। মনে রাখার টিপস: কিটসের নামের প্রথম অক্ষর কে (K) দিয়ে কিউট (Cute) বা সুন্দর মনে রাখতে পারো, যা তাঁর সৌন্দর্যসাধক পরিচয়ের সঙ্গে মিলে যায়।
a to take revenge
b matter of shame
c complete knowledge
d full sleeve shirt
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) complete knowledge কেন সঠিক: - 'At one's fingertips' একটি ইংরেজি ইডিওম যার আক্ষরিক অর্থ হাতের আঙুলের ডগায় থাকা এবং ভাবার্থ হলো কোনো বিষয়ে পূর্ণ বা নিখুঁত জ্ঞান থাকা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি প্রায়ই কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে সম্পূর্ণ দখল বা প্রস্তুতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to take revenge — এই অপশনটি প্রতিশোধ নেওয়া বোঝায়, যা আলোচ্য ইডিওমের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) matter of shame — এই অপশনটি লজ্জার বিষয় বোঝায়, যা মুখস্থ রাখা বা দক্ষতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) complete knowledge — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ সম্পূর্ণ জ্ঞান বা পূর্ণ দখল। D) full sleeve shirt — এই অপশনটি সম্পূর্ণ হাতাযুক্ত শার্ট বোঝায়, যা আক্ষরিক বা ব্যাখ্যামূলক কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: হাতের আঙুলের ডগায় কোনো তথ্য থাকা মানেই সে বিষয়ে আপনার সম্পূর্ণ জ্ঞান বা দখল আছে।
a Destroying
b Beating
c Defeating
d Cutting
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Defeating কেন সঠিক: - 'Knocking out' একটি ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ কাউকে প্রতিযোগিতায় বা খেলায় পরাজিত করা। - মুষ্টিযুদ্ধ বা খেলার মাঠে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করে বিজয় ছিনিয়ে নেওয়া অর্থে এই ফ্রেজাল ভার্বটি বহুল ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Destroying — এর অর্থ ধ্বংস করা, যা কোনো কিছুর অস্তিত্ব পুরোপুরি মুছে ফেলার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় কিন্তু প্রতিযোগিতায় হারানোর অর্থে প্রযোজ্য নয়। B) Beating — প্রদত্ত উত্তর সঠিক হওয়ায় এটি মূলত সমার্থক হলেও মূল ফ্রেজাল ভার্বের আদর্শ ও প্রচলিত অর্থ এখানে 'Defeating' হিসেবে ধরা হয়। C) Defeating — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ পরাজিত করা, যা 'Knocking out' এর সবচেয়ে নিখুঁত ইংরেজি প্রতিশব্দ। D) Cutting — এর অর্থ কাটা, যা এই ফ্রেজাল ভার্বের অর্থ বা প্রসঙ্গের সাথে পুরোপুরি অসংগত। মনে রাখার টিপস: বক্সিং খেলায় প্রতিপক্ষকে নকআউট করা মানে তাকে হারিয়ে দেওয়া বা পরাজিত করা, তাই 'Knocking out' মানে 'Defeating'।
a Much time was wasted by us.
b Much time has been wasted by you.
c Long time has wasted.
d Much time have been wasted.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Much time has been wasted by you. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি Present Perfect Tense-এর Active Voice, যার গঠন হলো Subject + have বা has + Verb-এর Past Participle + Object। - একে Passive করার নিয়ম হলো Object-টি Subject হয়, Person ও Number অনুযায়ী have been বা has been বসে, Verb-এর Past Participle বসে এবং by-এর পর Subject-টি Object হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Much time was wasted by us. — এখানে Tense পরিবর্তন করে Past Indefinite করা হয়েছে এবং Subject ভুলভাবে us ব্যবহার করা হয়েছে। B) Much time has been wasted by you. — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী সব শর্ত পূরণ করেছে। C) Long time has wasted. — বাক্যটি অর্থের দিক থেকে অসম্পূর্ণ এবং এটি একটি Active রূপ যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) Much time have been wasted. — Subject 'Much time' Singular হওয়ায় এর সাথে 'have' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: Present Perfect Tense-এর Passive করার সময় auxiliary verb হিসেবে have been বা has been ব্যবহার করতে হয়।
a win
b has won
c won
d wins
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) wins কেন সঠিক: - Slow and steady একটি প্রবাদ বাক্য, যা একত্রে একটিমাত্র একক ধারণা প্রকাশ করে। - এই ধরনের সাবজেক্ট দেখতে বহুবচন মনে হলেও এদের সাথে সর্বদা singular verb ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) win — এটি verb-এর plural রূপ, যা singular সাবজেক্ট Slow and steady-র সাথে বসে না। B) has won — এটি present perfect tense-এর রূপ, যা চিরন্তন সত্য বা প্রবাদ বাক্যের সাধারণ নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) won — এটি past tense বা অতীতকালের রূপ, কিন্তু প্রবাদ বাক্য সর্বদা present indefinite tense-এ হয়। D) wins — এটি verb-এর singular রূপ, যা সঠিক উত্তর হিসেবে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: And দ্বারা যুক্ত দুটি শব্দ যদি একটিমাত্র ভাব বা ধারণা প্রকাশ করে, তবে verb সবসময় singular হয়।
a is
b are
c have
d were
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) is কেন সঠিক: - বাক্যের Subject হিসেবে Gerund (Telling lies) ব্যবহৃত হয়েছে, যা দেখতে বহুবচন মনে হলেও অর্থগতভাবে একক কাজ বোঝায়। - Gerund বা Infinitive যখন Subject হয়, তখন verb সবসময় singular হয়, তাই এখানে singular verb (is) বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি সঠিক কারণ Subject একটি একক কাজ (মিথ্যা বলা) বোঝাচ্ছে এবং এর জন্য singular verb ব্যবহৃত হয়েছে। B) are — এটি ভুল কারণ Subject singular হওয়ায় এখানে plural verb ব্যবহার করা যাবে না। C) have — এটি ভুল কারণ এখানে auxiliary verb হিসেবে have বসার কোনো grammatical কারণ নেই। D) were — এটি ভুল কারণ বাক্যটি বর্তমানকালের সত্যতা প্রকাশ করছে এবং Subject singular হওয়ায় were প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Gerund বা Infinitive বাক্যের শুরুতে থাকলে Verb সবসময় Singular হয়।
a William Wordsworth
b Robert Browning
c P.B Shelly
d Alfred Tennyson
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) William Wordsworth কেন সঠিক: - ‘The Daffodils’ বা ‘I Wandered Lonely as a Cloud’ কবিতাটির রচয়িতা হলেন রোমান্টিক যুগের বিখ্যাত কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ। - এই কবিতাটি নেচার পোয়েট্রি বা প্রকৃতিভিত্তিক কবিতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন, যেখানে কবির প্রকৃতিপ্রীতি ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Wordsworth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থকে নির্দেশ করে। B) Robert Browning — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত কবি এবং ড্রামাটিক মনোলোগ লেখার জন্য পরিচিত, তাই এটি সঠিক নয়। C) P.B Shelly — পার্সি বেশি শেলি রোমান্টিক যুগের কবি হলেও তিনি ‘Ode to the West Wind’ বা ‘To a Skylark’-এর জন্য বিখ্যাত, ‘The Daffodils’-এর লেখক নন। D) Alfred Tennyson — আলফ্রেড টেনিসন ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রধান কবি, যিনি ‘Ulysses’ ও ‘In Memoriam’ রচনার জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ওয়ার্ডসওয়ার্থ হলেন প্রকৃতির কবি, আর প্রকৃতিতে ফোটা হলুদ ড্যাফোডিল ফুল দেখলে তাঁর কথাই প্রথম মনে রাখবে।
a Phenoma
b Phenama
c Phenomenon
d Phenomenone
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Phenomenon কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে শব্দের শেষে on থাকলে তার বহুবচন করার সময় on এর পরিবর্তে a যুক্ত হয়। - Phenomena হলো বহুবচন এবং এর একবচন রূপ হলো Phenomenon। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Phenoma — এটি একটি ভুল বানান এবং ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী সঠিক একবচন রূপ নয়। B) Phenama — এটি কোনো অর্থপূর্ণ ইংরেজি শব্দ বা সঠিক একবচন রূপ নয়। C) Phenomenon — এটি সঠিক একবচন রূপ যার বহুবচন হলো Phenomena। D) Phenomenone — এটি বানানের দিক থেকে সম্পূর্ণ ভুল একটি শব্দ। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে on থাকলে a হয়, যেমন Phenomenon থেকে Phenomena।
a Present participle
b Adjective
c Gerund
d Pronoun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Gerund কেন সঠিক: - বাক্যে 'Walking' শব্দটি মূল verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করেছে এবং বাক্যের subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। - verb এবং noun উভয় এর কাজ একসাথে করায় এটি একটি Gerund। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Present participle — এটি verb এর কাজ করার পাশাপাশি Adjective এর কাজ করে, কিন্তু এখানে এটি Noun হিসেবে বসেছে। B) Adjective — এটি noun বা pronoun এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, কিন্তু এখানে 'Walking' নিজে একটি কাজ বা Noun বোঝাচ্ছে। C) Gerund — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক কারণ এটি verb এবং noun এর দ্বৈত কাজ সম্পন্ন করেছে। D) Pronoun — এটি noun এর পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এখানে 'Walking' কোনো noun এর পরিবর্তে বসেনি। মনে রাখার টিপস: Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি বাক্যে Noun এর কাজ করে এবং Subject বা Object এর জায়গায় বসে, তবে তাকে Gerund বলে।
a Why he went to Dhaka?
b Why did he go to Dhaka?
c Why he went to Dhaka yesterday?
d He has gone to Dhaka yesterday?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Why did he go to Dhaka? কেন সঠিক: - WH word যুক্ত ইন্টারোগেটিভ বাক্যে টেন্স অনুযায়ী auxiliary verb (do/does/did) সাবজেক্টের পূর্বে বসে এবং মূল verb-এর বেজ ফর্ম হয়। - Past indefinite tense-এর ইন্টারোগেটিভ বাক্যে did ব্যবহারের পর মূল verb-এর প্রেজেন্ট ফর্ম (go) ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Why he went to Dhaka? — ইন্টারোগেটিভ বাক্যে সাবজেক্টের পূর্বে auxiliary verb না থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) Why did he go to Dhaka? — এটি সঠিক উত্তর। C) Why he went to Dhaka yesterday? — এখানে সাহায্যকারী ভার্ব ছাড়াই পাস্ট টেন্সের মূল ভার্ব ব্যবহার করা হয়েছে এবং ইন্টারোগেটিভ স্ট্রাকচার মানা হয়নি। D) He has gone to Dhaka yesterday? — বাক্যে yesterday থাকায় এটি Present perfect tense হতে পারে না, বরং Past indefinite tense হবে এবং এটি ইন্টারোগেটিভ বাক্য নয়। মনে রাখার টিপস: WH word দিয়ে প্রশ্ন করার সময় WH word এর পর auxiliary verb (do/does/did) বসবে এবং মূল verb সবসময় প্রেজেন্ট ফর্ম হবে।
a Enemy
b Wrath
c Hatred
d Misanthrope
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Misanthrope কেন সঠিক: - Misanthrope শব্দটির আক্ষরিক অর্থ মানবদ্বেষী বা যে মানুষ ঘৃণা করে। - Greek শব্দ Misos অর্থ ঘৃণা এবং Anthropos অর্থ মানুষ থেকে এই শব্দের উৎপত্তি হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Enemy — এর অর্থ শত্রু, যা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা শক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং মানবজাতির সমগ্র অংশের ক্ষেত্রে নয়। B) Wrath — এর অর্থ প্রচণ্ড রাগ বা ক্ষোভ, যা কোনো বিশেষ আবেগকে নির্দেশ করে এবং মানবদ্বেষী ব্যক্তিকে বোঝায় না। C) Hatred — এর অর্থ ঘৃণা বা বিদ্বেষ, যা একটি সাধারণ ভাববাচক বিশেষ্য এবং মানবদ্বেষী ব্যক্তিকে নির্দেশ করে না। D) Misanthrope — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ মানবজাতিকে ঘৃণা করে এমন একজন ব্যক্তি। মনে রাখার টিপস: Mis মানে ঘৃণা করা এবং Anthro মানে মানুষ, তাই Misanthrope অর্থ মানবদ্বেষী।
a It is a fact
b It is a true fact
c It is a true
d It is must true
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) It is a fact কেন সঠিক: - fact বা সত্য ঘটনা নিজেই একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশ করে, তাই এর আগে true বা অতিরিক্ত বিশেষণের প্রয়োজন হয় না। - ইংরেজী ব্যাকরণে redundant বা অতিরিক্ত শব্দের ব্যবহার এড়িয়ে চলা হয়, তাই এটি একটি প্রমিত বাক্য গঠন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is a fact — এটি সঠিক বাক্য কারণ এতে কোনো অতিরিক্ত বা বাহুল্য শব্দ ব্যবহার করা হয়নি। B) It is a true fact — এটি ভুল কারণ fact মানেই সত্য, তাই এর আগে true ব্যবহার করা একটি বাহুল্য বা redundant expression। C) It is a true — এটি ভুল কারণ true একটি বিশেষণ এবং এর পরে একটি বিশেষ্য বা noun থাকা বাধ্যতামূলক। D) It is must true — এটি ভুল কারণ must একটি modal auxiliary verb, এর পর সরাসরি বিশেষণ ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। মনে রাখার টিপস: fact শব্দের অর্থই সত্য, তাই fact এর আগে কখনো true লাগিয়ে বাহুল্য দোষ ঘটাতে হয় না।
a huntress
b hen
c baron
d duck
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) baron কেন সঠিক: - 'baron' শব্দটির অর্থ হলো সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি বা ব্যারন, যা পুরুষবাচক বা মাসকুলিন জেন্ডার নির্দেশ করে। - এর স্ত্রীবাচক বা ফেমিনাইন জেন্ডার হলো 'baroness'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) huntress — এটি একটি ফেমিনাইন জেন্ডার, যার মাসকুলিন রূপ হলো hunter. B) hen — এটি একটি ফেমিনাইন জেন্ডার, যার মাসকুলিন রূপ হলো cock বা rooster. C) baron — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ ব্যারন বা পুরুষ সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি। D) duck — এটি সাধারণত স্ত্রী হাঁস বোঝাতে ফেমিনাইন জেন্ডার হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার মাসকুলিন রূপ drake. মনে রাখার টিপস: 'baron' হলো পুরুষ সামন্ত প্রভু এবং এর শেষে 'ess' যোগ করে ফেমিনাইন জেন্ডার 'baroness' তৈরি করা হয়।
a Reducing rates
b Ending of writing
c Ending a report
d Cancelling a debt
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Cancelling a debt কেন সঠিক: - ফ্রেজাল ভার্ব 'write off' অর্থ কোনো হিসাবের খাতা থেকে ঋণ বা পাওনা বাদ দেওয়া বা বাতিল করা। - ব্যবসায়িক বা আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে অপরিশোধিত ঋণ বা লোকসান অবলোপন করতে এই ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Reducing rates — এটি কোনো নির্দিষ্ট হারের পরিমাণ কমানো বোঝায়, যা ফ্রেজাল ভার্বের আর্থিক অবলোপন অর্থ প্রকাশ করে না। B) Ending of writing — এটি লেখার কাজ শেষ করা বোঝায়, যা সম্পূর্ণ আক্ষরিক ও ভুল অর্থ। C) Ending a report — এটি কোনো প্রতিবেদন বা রিপোর্ট সমাপ্ত করা বোঝায়, যা ফ্রেজাল ভার্বের প্রচলিত অর্থের সাথে মেলে না। D) Cancelling a debt — এটি কোনো ঋণ বা হিসাবের অঙ্ক বাতিল করা বোঝায়, যা এই প্রশ্নের সঠিক অর্থ বহন করে। মনে রাখার টিপস: 'Write off' মানে লিখে বা হিসাব থেকে চিরতরে বাদ দেওয়া, যেমন কোনো ঋণ মওকুফ বা বাতিল করা।
a on
b for
c with
d to
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to কেন সঠিক: - 'Adjacent' শব্দটির পরে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সবসময় 'to' বসে, যার অর্থ সংলগ্ন বা পাশাপাশি। - এটি একটি фиксиড প্রিপজিশন (Fixed Preposition) এর নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — এটি সাধারণত কোনো তলের ওপর অবস্থান বোঝাতে বসে, তাই এখানে ভুল। B) for — এটি সাধারণত উদ্দেশ্য বা উপকারিতা বোঝাতে বসে, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়। C) with — এটি সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সাথে বোঝাতে বসে, কিন্তু 'adjacent' এর সাথে এটি বসে না। D) to — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'adjacent' এর সাথে চিরনির্ধারিত প্রিপজিশন হিসেবে 'to' ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Adjacent শব্দের সাথে সবসময় to বসে, যেমন Adjacent to অর্থাৎ সংলগ্ন।
a She told him to thank you.
b She thanked him
c She thanked you
d She said to him to thank you
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) She thanked him কেন সঠিক: - Reported speech-এ "Thank you" থাকলে Direct থেকে Indirect করার সময় Subject-এর পর সরাসরি ধন্যবাদসূচক Verb (thanked) বসে এবং Object-টি Subject-এর Objective form হিসেবে বসে। - এখানে Said to উঠে গিয়ে thanked হয়েছে এবং him Object হিসেবে যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She told him to thank you — এখানে অর্থ সম্পূর্ণ বদলে গেছে এবং নিয়ম বহির্ভূতভাবে told এবং to thank ব্যবহার করা হয়েছে। B) She thanked him — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে পুনরায় ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। C) She thanked you — এখানে Pronoun পরিবর্তনের নিয়ম মানা হয়নি এবং Object-এর জায়গায় you রাখা হয়েছে। D) She said to him to thank you — এখানে বাক্যটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং ন্যারেশনের সঠিক নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: Direct speech-এ Thank you থাকলে Indirect করার নিয়ম হলো: Subject + thanked + Reporting verb-এর object.
a walking
b walk
c walked
d walks
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) walking কেন সঠিক: - বাক্যে "used to" এর আগে be verb (are) থাকায় এটি অভ্যস্ততা বোঝায়। - নিয়মানুযায়ী be used to এর পর verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) walking — এটি সঠিক উত্তর কারণ be used to এর পরে gerund বসে। B) walk — এটি ভুল কারণ be used to এর পরে verb এর বেস ফর্ম বসে না। C) walked — এটি ভুল কারণ এখানে verb এর পাস্ট ফর্ম ব্যবহার করার কোনো নিয়ম নেই। D) walks — এটি ভুল কারণ singular verb বা s যুক্ত verb এখানে grammatically সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে used to এর আগে be verb থাকলে পরের verb এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
a Elasticity
b Heaviness
c Lightness
d Brightness
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Elasticity কেন সঠিক: - রাবার তার স্থিতিস্থাপকতা বা Elasticity ধর্মের জন্য অত্যন্ত পরিচিত এবং উল্লেখযোগ্য। - বল প্রয়োগ করলে রাবার প্রসারিত হয় এবং বল সরিয়ে নিলে এটি আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Elasticity — এটি রাবারের সবচেয়ে প্রধান ও মূল প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য। B) Heaviness — রাবারের ক্ষেত্রে ভারী হওয়া কোনো প্রধান বা উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য নয়। C) Lightness — রাবার খুব হালকা বস্তু নয়, তাই এটি তার পরিচিত বৈশিষ্ট্য নয়। D) Brightness — রাবার উজ্জ্বল কোনো পদার্থ নয়, এর পৃষ্ঠ স্বাভাবিকভাবেই অনুজ্জ্বল। মনে রাখার টিপস: রাবার দেখলেই মনে রাখবে এর মূল ধর্ম হলো টেনে লম্বা করা এবং ছেড়ে দিলে আগের মতো হয়ে যাওয়া, যাকে ইংরেজিতে Elasticity বলে।
a Bliss
b Eden
c Dystopia
d Joy
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Dystopia কেন সঠিক: - ইউটোপিয়া শব্দের অর্থ কাল্পনিক এমন একটি আদর্শ সমাজ বা রাজ্য যেখানে কোনো দুঃখ বা সমস্যা থাকে না। - ডিসটোপিয়া হলো এর সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থা, যার অর্থ এমন একটি দুঃস্বপ্নের সমাজ যেখানে চরম নিপীড়ন, ভয় ও দুর্দশা বিরাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bliss — এই শব্দটির অর্থ পরম আনন্দ বা সুখ, যা ইউটোপিয়ার সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু বিপরীত নয়। B) Eden — এই শব্দের অর্থ স্বর্গ বা বেহেশত, যা আদর্শ ও সুখের স্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি ইউটোপিয়ার প্রতিশব্দ। C) Dystopia — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ দুঃস্বপ্নময় সমাজ যা ইউটোপিয়ার বিপরীতার্থক। D) Joy — এই শব্দটির অর্থ আনন্দ বা উল্লাস, যা কোনো নেতিবাচক বা বিপরীত পরিস্থিতি বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: ইউটোপিয়া মানে ভালো রাজ্য আর ডি-ফান্ড বা অন্য কোনো নেতিবাচক শব্দের মতো ডি-স্টোপিয়া মানে খারাপ রাজ্য মনে রাখতে পারো।
a Swift
b Charles Dickens
c Ben Jonson
d George Orwell
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) George Orwell কেন সঠিক: - ‘Animal Farm’ হলো বিংশ শতাব্দীর অন্যতম বিখ্যাত রূপক উপন্যাস যা ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত হয়। - বিখ্যাত ব্রিটিশ লেখক জর্জ অরওয়েল এই উপন্যাসের মাধ্যমে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের রাজনৈতিক ব্যবস্থার সমালোচনা করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Swift — জোনাথন সুইফট একজন আইরিশ লেখক যিনি রাজনৈতিক ব্যঙ্গরচনা ‘গালিভার্স ট্রাভেলস’-এর জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। B) Charles Dickens — চার্লস ডিকেন্স ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক যিনি সমাজ সংস্কারমূলক উপন্যাস রচনার জন্য বিখ্যাত। C) Ben Jonson — বেন জনসন রেনেসাঁ যুগের একজন বিখ্যাত ইংরেজ নাট্যকার ও কবি যিনি মূলত কমেডি রচনার জন্য পরিচিত। D) George Orwell — জর্জ অরওয়েল এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি ‘অ্যানিমেল ফার্ম’ উপন্যাসটির রচয়িতা। মনে রাখার টিপস: অ্যানিমেল ফার্ম উপন্যাসের খামার এবং জর্জ অরওয়েলের নামের প্রথম অক্ষর দুটি মিলিয়ে ‘এনিমেল ফার্ম মানেই অরওয়েল’ এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a play
b rum
c leap
d sleep
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) leap কেন সঠিক: - এটি একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ হলো কোনো বড় কাজ করার আগে পরিণতি সম্পর্কে ভালোভাবে চিন্তা করা উচিত। - প্রবাদের নির্দিষ্ট গঠন অনুসারে Look before you leap প্রবাদটিতে leap শব্দটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) play — প্রবাদের কাঠামোর সঙ্গে এর কোনো মিল নেই এবং এর অর্থ এখানে মানানসই নয়। B) rum — এটি এখানে ব্যাকরণগতভাবে এবং প্রবাদের প্রমিত রূপ অনুযায়ী সম্পূর্ণ অর্থহীন। C) leap — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রবাদের নির্ধারিত অংশ পূরণ করে। D) sleep — ঘুম সম্পর্কিত এই শব্দটি প্রবাদের মূল অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: বিপদ এড়াতে যেকোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে ভাবুন, এই সূত্র ধরে প্রবাদটি মনে রাখুন Look before you leap.
a imperative
b Assertive
c Interrogative
d Exclamatory
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) imperative কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি দিয়ে কোনো প্রস্তাব বোঝানো হয়েছে এবং এটি Let দিয়ে শুরু হয়েছে। - Imperative sentence সাধারণত আদেশ, উপদেশ, নিষেধ বা প্রস্তাব প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) imperative — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটিতে Let us ব্যবহার করে কাজের প্রস্তাব করা হয়েছে। B) Assertive — এটি ভুল কারণ assertive sentence কোনো সাধারণ বর্ণনা বা বিবৃতি প্রকাশ করে। C) Interrogative — এটি ভুল কারণ interrogative sentence কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে এবং শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন থাকে। D) Exclamatory — এটি ভুল কারণ exclamatory sentence মনের তীব্র আবেগ বা অনুভূতি প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Let দিয়ে শুরু হওয়া বাক্য সাধারণত Imperative sentence হয়, যা আদেশ বা প্রস্তাব বোঝায়।
a Crowded
b Deserted
c Bare
d Desolate
ব্যাখ্যাঃ
ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: A) Crowded কেন সঠিক: - Lonely শব্দের অর্থ একাকী বা জনশূন্য, যার বিপরীতার্থক শব্দ হলো জনবহুল বা লোকপূর্ণ। - Crowded অর্থ জনাকীর্ণ বা লোকপূর্ণ, যা lonely শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Crowded - এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ জনাকীর্ণ বা লোকপূর্ণ। B) Deserted - এর অর্থ জনশূন্য বা পরিত্যক্ত, যা lonely শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। C) Bare - এর অর্থ খালি বা উন্মুক্ত, যা এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ নয়। D) Desolate - এর অর্থ নির্জন বা ধ্বংসপ্রাপ্ত, যা lonely শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Lonely মানে একা আর Crowded মানে ভিড়ভাট্টা পূর্ণ, তাই এরা একে অপরের বিপরীত।
a definition
b complition
c desicion
d migrasion
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) definition কেন সঠিক: - বানানটির সঠিক গঠন হলো ডি ই এফ আই এন আই টি আই ও এন, যার অর্থ সংজ্ঞা বা ব্যাখ্যা। - এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দ এবং এর বানানে কোনো অপ্রাসঙ্গিক বর্ণ বা ভুল নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) definition — এটি সঠিক বানান এবং প্রশ্নানুসারে এটিই নির্ণেয় উত্তর। B) complition — এটি ভুল বানান, এর সঠিক রূপ হবে কমপ্লিটেশন যার বানান সি ও এম পি এল ই টি আই ও এন। C) desicion — এটি ভুল বানান, এর সঠিক রূপ হবে ডিসিশন যার বানান ডি ই সি আই এস আই ও এন। D) migrasion — এটি ভুল বানান, এর সঠিক রূপ হবে মাইগ্রেশন যার বানান এম আই জি আর এ টি আই ও এন। মনে রাখার টিপস: ফিনাইট শব্দের শেষে টি আই ও এন যুক্ত করে সহজেই ডেফিনেশন বানানটি মনে রাখা যায়।
a sprightly
b hasty
c humble
d extreme
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) sprightly কেন সঠিক: - 'Energetic' শব্দের অর্থ উদ্যমী বা প্রাণবন্ত, এবং 'sprightly' শব্দটির অর্থও প্রাণোচ্ছ্বল বা কর্মচঞ্চল। - উভয় শব্দই মানুষের উচ্চ শক্তি, উৎসাহ এবং সক্রিয় অবস্থাকে নির্দেশ করতে সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) sprightly - এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ উদ্যমী বা প্রাণবন্ত, যা মূল শব্দের সমার্থক। B) hasty - এর অর্থ তাড়াহুড়ো বা অবিবেচকের মতো দ্রুত, যা উদ্যমী শব্দের সঠিক সমার্থক নয়। C) humble - এর অর্থ বিনয়ী বা নম্র, যা শক্তির বা কর্মতৎপরতার পরিপন্থী একটি গুণ। D) extreme - এর অর্থ চরম বা অতিরিক্ত, যা উদ্যমী বা কর্মচঞ্চল অবস্থার সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Energetic এবং Sprightly উভয় শব্দই স্পন্দন ও প্রাণের প্রতীক, তাই উদ্যমী বোঝাতে এই দুটি সমার্থক শব্দ মনে রাখুন।

মোট প্রশ্ন (31)

a 24
b 25
c 26
d 27
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ প্রদত্ত তথ্য: x + y = √৭ এবং x − y = √৫ ধরি, ৪xy এর সূত্রটি ব্যবহার করতে হবে এবং ২ গুণ (x² + y²) এর সূত্রটি ব্যবহার করতে হবে অতএব, ৪xy = (x + y)² − (x − y)² ৪xy = (√৭)² − (√৫)² = ৭ − ৫ = ২ এবং, ২ গুণ (x² + y²) = (x + y)² + (x − y)² ২ গুণ (x² + y²) = (√৭)² + (√৫)² = ৭ + ৫ = ১২ সুতরাং, ৮xy গুণ (x² + y²) = [৪xy] গুণ [২ গুণ (x² + y²)] = ২ গুণ ১২ = ২৪ উত্তর: ২৪
a 441
b 442
c 443
d 455
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৪১ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যার বর্গমূলের সাথে ৪ যোগ করলে যোগফল ৫ এর বর্গ হবে ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক সংখ্যাটির বর্গমূল = √ক অতএব, ৫ এর বর্গ = ৫ × ৫ = ২৫ শর্তানুসারে, √ক + ৪ = ২৫ সুতরাং, √ক = ২৫ − ৪ √ক = ২১ উত্তর: ক = ২১ × ২১ = ৪৪১
a 260
b 290
c 360
d 380
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৬০ প্রদত্ত তথ্য: ২৪৪ হলো একটি নির্দিষ্ট সংখ্যার শতকরা চল্লিশ ভাগ ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, ক এর ৪০% = ২৪৪ ক × (৪০ ÷ ১০০) = ২৪৪ সুতরাং, ক = ২৪৪ × (১০০ ÷ ৪০) ক = ৩৬০ উত্তর: ৩৬০
a {1}
b {0}
c {2}
d { }
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (x − ২) ÷ (x − ১) + ১ ÷ (x − ১) = ২ ধরি, প্রদত্ত সমীকরণের বামপক্ষ = (x − ২ + ১) ÷ (x − ১) অতএব, লব ও হর সরল করে পাই (x − ১) ÷ (x − ১) সুতরাং, সমীকরণটি দাঁড়ায় ১ = ২ যা অসম্ভব উত্তর:
a 32
b 36
c 34
d 30
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৪ প্রদত্ত তথ্য: a ÷ b + b ÷ a = ৬ ধরি, a ÷ b = x অতএব, x + (১ ÷ x) = ৬ সুতরাং, উভয় পক্ষকে বর্গ করে পাই (x + (১ ÷ x))² = ৬² অতএব, x² + ২ + (১ ÷ x²) = ৩৬ সুতরাং, x² + (১ ÷ x²) = ৩৬ − ২ = ৩৪ উত্তর: ৩৪
a (√3/2)a²
b (√3/4)a²
c (3/2)a²
d √3 a²
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √3 a² প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের একটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ২a একক ধরি, সমবাহু ত্রিভুজটির বাহুর দৈর্ঘ্য = a এর জায়গায় ২a ধরব আমরা জানি সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল সূত্র অনুযায়ী হিসাব করতে হবে অতএব, ক্ষেত্রফলের সূত্রটি হলো (√৩ ÷ ৪) × (বাহুর দৈর্ঘ্য)² এখানে বাহুর দৈর্ঘ্য হলো ২a একক সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (২a)² ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × ৪a² উত্তর: √৩ a² বর্গ একক
a ২ : ৩
b ১৩ : ৪
c ৯ : ৪
d ১৪ : ৯
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ : ৪ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্ত দুটির ব্যাসার্ধের অনুপাত = ৩ : ২ ধরি, প্রথম বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৩ক দ্বিতীয় বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ২ক অতএব, প্রথম বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × (৩ক)বর্গ = ৯পিকবর্গ দ্বিতীয় বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × (২ক)বর্গ = ৪পিকবর্গ সুতরাং, ক্ষেত্রফল দুটির অনুপাত = ৯পিকবর্গ : ৪পিকবর্গ = ৯ : ৪ উত্তর: ৯ : ৪
a 1/√2
b √2
c 2√2
d 2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২√২ প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য দেওয়া নেই তাই আমাদের সূত্র ব্যবহার করতে হবে ধরি, বর্গক্ষেত্রের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ক অতএব, বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × ক বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ক√২ সুতরাং, পরিসীমা ÷ কর্ণের দৈর্ঘ্য = (৪ × ক) ÷ (ক√২) উত্তর: ২√২
a 1, 2
b 0, 2
c 1, 3
d 0, 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০, ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো দুই এর ঘাত এক্স যোগ দুই এর ঘাত এক বিয়োগ এক্স সমান তিন ধরি, দুই এর ঘাত এক্স সমান এ অতএব, এ যোগ এক ভাগ এ সমান তিন সুতরাং, এ স্কয়ার বিয়োগ তিন এ যোগ দুই সমান শূন্য অতএব, এ বিয়োগ এক গুণ এ বিয়োগ দুই সমান শূন্য সুতরাং, এ এর মান এক অথবা দুই অতএব, দুই এর ঘাত এক্স সমান এক হলে এক্স সমান শূন্য সুতরাং, দুই এর ঘাত এক্স সমান দুই হলে এক্স সমান এক উত্তর: শূন্য, এক
a 100
b 10
c 1/100
d 1/1000
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x এর শক্তি মাইনাস চার বিয়োগ ০.০০০১ সমান শূন্য ধরি, x এর শক্তি মাইনাস চার সমান ০.০০০১ অতএব, ১ ভাগ x এর শক্তি চার সমান ১ ভাগ ১০০০০ সুতরাং, x এর শক্তি চার সমান ১০০০০ উত্তর: ১০
a 2/3
b 1
c 3/2
d 3/4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২/৩ প্রدত্ত তথ্য: ভিত্তি = ১৬ সংখ্যাটি = ৩√(৪) ধরি, লগ এর মান = x অতএব, ১৬ এর পাওয়ার x = ৩√(৪) দ্বিতীয় হিসাব: (২ এর পাওয়ার ৪) এর পাওয়ার x = (২ এর পাওয়ার ২) এর পাওয়ার (১/৩) তৃতীয় হিসাব: ২ এর পাওয়ার (৪ × x) = ২ এর পাওয়ার (২/৩) সুতরাং, ৪ × x = ২/৩ উত্তর: x = ২/৩
a 4
b 3
c 2
d 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: ক + খ = ৫ ক বর্গ − খ বর্গ = ১৫ ধরি, প্রথম সমীকরণ: ক + খ = ৫ দ্বিতীয় সমীকরণ: ক বর্গ − খ বর্গ = ১৫ অতএব, ক বর্গ − খ বর্গ সূত্র ব্যবহার করে পাই, (ক + খ) × (ক − খ) = ১৫ ৫ × (ক − খ) = ১৫ সুতরাং, ক − খ = ১৫ ÷ ৫ = ৩ এখন, ৪ × ক × খ এর সূত্র ব্যবহার করে পাই, ৪ × ক × খ = (ক + খ) বর্গ − (ক − খ) বর্গ ৪ × ক × খ = (৫ বর্গ) − (৩ বর্গ) উত্তর: ৪ × ক × খ = ২৫ − ৯ = ১৬ ক × খ = ১৬ ÷ ৪ = ৪
a 0
b 2
c -1
d 3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩ প্রদত্ত তথ্য: x এর চতুর্থ ঘাত − x এর বর্গ + ১ = ০ ধরি, প্রদত্ত সমীকরণটি হলো x এর চতুর্থ ঘাত − x এর বর্গ + ১ = ০ উভয়পক্ষকে x এর বর্গ দ্বারা ভাগ করে পাই অতএব, x এর বর্গ − ১ + (১ ÷ x এর বর্গ) = ০ x এর বর্গ + (১ ÷ x এর বর্গ) = ১ সুতরাং, (x + (১ ÷ x)) এর বর্গ = x এর বর্গ + (১ ÷ x এর বর্গ) + ২ (x + (১ ÷ x)) এর বর্গ = ১ + ২ উত্তর: ৩
a 1/2
b 1
c 0
d -1/2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০ প্রদত্ত তথ্য: ফাংশনটি হলো f(x) = x³ − x² − x − (১ ÷ ৮) ধরি, x এর মান = −(১ ÷ ২) অতএব, x এর কিউব অর্থাৎ (-১ ÷ ২) এর কিউব = - (১ ÷ ৮) x এর স্কয়ার অর্থাৎ (-১ ÷ ২) এর স্কয়ার = ১ ÷ ৪ সুতরাং, f(-১ ÷ ২) = - (১ ÷ ৮) - (১ ÷ ৪) - (-১ ÷ ২) - (১ ÷ ৮) উত্তর: ০
a 1
b -1
c 0
d 2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, x + (১ ÷ x) = ২ ধরি, x এর মান = ১ অতএব, x এর জায়গায় ১ বসিয়ে পাই, ১ + (১ ÷ ১) = ২ সুতরাং, x − (১ ÷ x) এর মান = ১ − (১ ÷ ১) = ১ − ১ উত্তর: ০
a 0
b 1
c 2
d 3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: x এর পাওয়ার a = y y এর পাওয়ার b = z z এর পাওয়ার c = x ধরি, প্রথম শর্ত হতে পাই x এর পাওয়ার a = y দ্বিতীয় শর্ত হতে পাই y এর পাওয়ার b = z তৃতীয় শর্ত হতে পাই z এর পাওয়ার c = x অতএব, z এর পাওয়ার c লেখা যায় (x এর পাওয়ার a) এর পাওয়ার bc অর্থাৎ x এর পাওয়ার abc = z এর পাওয়ার c আবার z এর মান বসালে পাই x এর পাওয়ার abc = x এর পাওয়ার ১ সুতরাং, উভয় পক্ষ থেকে ভিত্তি x বাদ দিলে পাই abc এর মান ১ উত্তর: ১
a ৩৯৭০ ইঞ্চি
b ৩৯.৩৭০ ইঞ্চি
c ৩৯৩৭ ইঞ্চি
d ৩৯৩৭০০ ইঞ্চি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৯৩৭০০ ইঞ্চি প্রদত্ত তথ্য: ১ মিটার সমান ৩৯.৩৭ ইঞ্চি ১ কিলোমিটার সমান ১০০০০০০ সেন্টিমিটার ধরি, ১ কিলোমিটার সমান ১০০০ মিটার অতএব, ১ মিটার সমান ৩৯.৩৭ ইঞ্চি হলে ১০০০ মিটার সমান ১০০০ × ৩৯.৩৭ ইঞ্চি সুতরাং, ১০০০ মিটার বা ১ কিলোমিটার সমান ৩৯৩৭০০ ইঞ্চি উত্তর: ৩৯৩৭০০ ইঞ্চি
a 3
b 4
c 5
d 6
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো x − y = ২ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো xy = ২৪ ধরি, বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী আমরা জানি (x + y)² = (x − y)² + ৪xy অতএব, (x + y)² = (২)² + ৪ × ২৪ (x + y)² = ৪ + ৯৬ (x + y)² = ১০০ সুতরাং, x + y = √(১০০) x + y = ১০ অথবা x + y = −১০ উত্তর: প্রথম সমীকরণ x − y = ২ এবং ধনাত্মক মান পাওয়ার জন্য x + y = ১০ নিয়ে পাই, ২x = ১২ x = ৬
a ২০ দিনে
b ২২ দিনে
c ২৪ দিনে
d ২৬ দিনে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৪ দিনে প্রদত্ত তথ্য: দুই ব্যক্তি একত্রে একটি কাজ করতে পারে ৮ দিনে প্রথম ব্যক্তি একাকী কাজটি করতে পারে ১২ দিনে ধরি, সম্পূর্ণ কাজটির পরিমাণ = ১ অংশ অতএব, দুই ব্যক্তি একত্রে ১ দিনে করে ১ ÷ ৮ অংশ প্রথম ব্যক্তি ১ দিনে করে ১ ÷ ১২ অংশ সুতরাং, দ্বিতীয় ব্যক্তি ১ দিনে করে (১ ÷ ৮) − (১ ÷ ১২) অংশ উত্তর: ২৪ দিনে
a 1
b -1
c 0
d 2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ প্রদত্ত তথ্য: পি কিউব + এক বাই পি কিউব = ০ ধরি, পি প্লাস এক বাই পি = এক্স অতএব, পি কিউব প্লাস এক বাই পি কিউব এর সূত্র হলো এক্স কিউব − ৩ এক্স সুতরাং, এক্স কিউব − ৩ এক্স = ০ অতএব, এক্স ইনটু এক্স স্কয়ার − ৩ = ০ সুতরাং, এক্স স্কয়ার = ৩ অতএব, পি স্কয়ার প্লাস এক বাই পি স্কয়ার এর মান হলো এক্স স্কয়ার − ২ সুতরাং, ৩ − ২ = ১ উত্তর: ১
a -1
b 1
c 0
d 46024
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো দুই লগ x বিয়োগ লগ বন্ধনীতে দুই x বিয়োগ এক সমান শূন্য। শর্ত অনুযায়ী লগ এর মান শূন্য হতে পারে যখন আর্গুমেন্ট এক হয়। ধরি, লগ এর বিয়োগ সূত্র ব্যবহার করে পাই লগ বন্ধনীতে x এর বর্গ ভাগ দুই x বিয়োগ এক সমান শূন্য। সমীকরণের উভয় পক্ষ থেকে লগ বাদ দিয়ে পাই x এর বর্গ ভাগ দুই x বিয়োগ এক সমান এক। অতএব, কোণাকুণি গুণ করে পাই x এর বর্গ সমান দুই x বিয়োগ এক। সব পদ বামপাশে এনে পাই x এর বর্গ বিয়োগ দুই x যোগ এক সমান শূন্য। সুতরাং, উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই বন্ধনীতে x বিয়োগ এক এর বর্গ সমান শূন্য। এখান থেকে সমাধান করে পাই x এর মান এক। উত্তর: ১
a 1223
b 1233
c 1323
d 1332
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩৩২ প্রদত্ত তথ্য: অঙ্কগুলো হলো ১, ২ এবং ৩ ধরি, সংখ্যাগুলোর অংক তিনটি হলো ১, ২ ও ৩ প্রতিটি অংক স্থানীয় মানে দুইবার বসবে অতএব, একক স্থানীয় অংকের যোগফল = (১ + ২ + ৩) × ২ = ১২ দশক স্থানীয় অংকের যোগফল = (১ + ২ + ৩) × ২ = ১২০ শতক স্থানীয় অংকের যোগফল = (১ + ২ + ৩) × ২ = ১২০০ সুতরাং, মোট সমষ্টি = ১২ + ১২০ + ১২০০ = ১৩৩২ উত্তর: ১৩৩২
a 0
b 1
c 2
d 3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলোর মধ্যে দেওয়া আছে শূন্য, এক, দুই ও তিন। আমাদের সবচেয়ে ছোট মৌলিক সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে। ধরি, মৌলিক সংখ্যা হলো সেই সংখ্যা যার কেবল দুটি গুণনীয়ক থাকে। ১ এবং সংখ্যাটি নিজে। অতএব, শূন্য ও এক মৌলিক সংখ্যা নয়। তিন একটি মৌলিক সংখ্যা। সুতরাং, দুই হলো সবচেয়ে ছোট মৌলিক সংখ্যা। উত্তর: ২
a ২ বছর
b ২.১/২ বছর
c ৩ বছর
d ৩.১/২ বছর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ বছর প্রদত্ত তথ্য: আসল (P) = ৯৬ টাকা মুনাফা (I) = ১৮ টাকা মুনাফার হার (R) = ৬.১/৪% বা ২৫/৪% ধরি, সময় = n বছর আমরা জানি, I = P × n × R ÷ ১০০ মান বসিয়ে পাই, ১৮ = ৯৬ × n × (২৫ ÷ ৪) ÷ ১০০ সুতরাং, n = (১৮ × ৪ × ১০০) ÷ (৯৬ × ২৫) উত্তর: ৩ বছর
a 0.1
b 0.0154
c 0.2
d 0.25
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.২ প্রদত্ত তথ্য: ক এর আয় খ এর আয় অপেক্ষা ২৫% বেশি ধরি, খ এর আয় = ১০০ টাকা ক এর আয় = ১২৫ টাকা অতএব, ক এর আয় অপেক্ষা খ এর আয় কম = ১২৫ − ১০০ = ২৫ টাকা সুতরাং, ১২৫ টাকার মধ্যে কম = ২৫ টাকা উত্তর: (২৫ ÷ ১২৫) = ০.২ অংশ বা ২০%
a ২৪ সে.মি
b ৬০ সে.মি
c ৬০ মিটার
d ৬ সে.মি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০ সে.মি প্রদত্ত তথ্য: স্কেল = ১ : ২০০০ রাস্তার দৈর্ঘ্য = ১.২ কিলোমিটার ধরি, ম্যাপে রাস্তার দৈর্ঘ্য = ক সে.মি ১ কিলোমিটার = ১০০০০০ সে.মি অতএব, ১.২ কিলোমিটার = ১.২ × ১০০০০০ সে.মি = ১২০০০০ সে.মি সুতরাং, ম্যাপের দৈর্ঘ্য = ১২০০০০ ÷ ২০০০ সে.মি = ৬০ সে.মি উত্তর: ৬০ সে.মি
a 0
b 1
c 2
d 3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম সমীকরণ হলো লগ ০.১ এর ভিত্তি এবং এর মান হলো ০.০১ ধরি, লগারিদমের সংজ্ঞানুযায়ী সমীকরণটি লেখা যায় ০.১ এর পাওয়ার x সমান হলো ০.০১ অতএব, ০.০১ কে লেখা যায় ০.১ গুণ ০.১ অর্থাৎ ০.১ এর পাওয়ার ২ সুতরাং, ০.১ এর পাওয়ার x সমান ০.১ এর পাওয়ার ২ উভয় পক্ষ থেকে ভিত্তি বাদ দিলে পাওয়া যায় x সমান ২ উত্তর: ২
a x = log_b N
b x = log_N b
c x = Nb
d x = Nᵇ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x = log_b N প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো N = b এর পাওয়ার x এখানে ভিত্তি b হলো শূন্য থেকে বড় এবং এক এর সমান নয় ধরি, লগারিদম বা সূচকের নিয়ম অনুসারে ভিত্তি অপরিবর্তিত থাকে সূচকটি লগারিদমের ডানপাশে সংখ্যা হিসেবে বসে অতএব, সূচকীয় সমীকরণকে সরাসরি লগারিদমে রূপান্তর করা যায় এখানে x হলো সূচক এবং N হলো আর্গুমেন্ট সুতরাং, লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী x সমান log_b N লেখা যায় উত্তর: A) x = log_b N
a 48
b 56
c 88
d 50
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৮ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার যোগফল = ১৫ সংখ্যা দুটির অনুপাত = ৩ : ২ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৩ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ২ক অতএব, ৩ক + ২ক = ১৫ ৫ক = ১৫ ক = ৩ সুতরাং, প্রথম সংখ্যাটি = ৩ × ৩ = ৯ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ২ × ৩ = ৬ সংখ্যা দুটির গুণফল = ৯ × ৬ = ৪৮ উত্তর: ৪৮
a ৩৫ বছর
b ৩৭ বছর
c ৪৩ বছর
d ৪৭ বছর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪৭ বছর প্রদত্ত তথ্য: ৪ বছর পর ছেলের বয়স ১২ বছর ব্যক্তির বয়স স্ত্রীর চেয়ে ৭ বছর বেশি স্ত্রীর বয়স ছেলের বয়সের ৫ গুণ ধরি, বর্তমানে ছেলের বয়স = ১২ − ৪ = ৮ বছর অতএব, বর্তমানে স্ত্রীর বয়স = ৮ × ৫ = ৪০ বছর সুতরাং, ব্যক্তির বর্তমান বয়স = ৪০ + ৭ = ৪৭ বছর উত্তর: ৪৭ বছর
a √5 × √18
b √3 × √16
c √6 × √24
d √8 × √20
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) √6 × √24 প্রদত্ত তথ্য: অপশন সি এ আছে √৬ গুণ √২৪ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = √৬ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = √২৪ অতএব, সংখ্যা দুটি গুণ করলে পাই √৬ গুণ √২৪ সুতরাং, √৬ গুণ √২৪ সমান √১৪৪ সমান ১২ উত্তর: ১২

মোট প্রশ্ন (26)

a সাধারণ পরিষদ
b নিরাপত্তা পরিষদ
c অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ
d ওছি পরিষদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিরাপত্তা পরিষদ কেন সঠিক: - জাতিসংঘ সনদের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদ মহাসচিবকে নিয়োগ করে। - মহাসচিব পদের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের সর্বসম্মত সমর্থন বা ভেটো ক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধারণ পরিষদ — সাধারণ পরিষদ সরাসরি মহাসচিবকে নিয়োগ করে না, বরং নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশ চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য সাধারণ পরিষদে উত্থাপিত হয়। B) নিরাপত্তা পরিষদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী মহাসচিব নিয়োগে নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশ বাধ্যতামূলক। C) অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ — এটি জাতিসংঘের একটি প্রধান অঙ্গ হলেও মহাসচিব নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে এর কোনো সাংবিধানিক ভূমিকা নেই। D) ওছি পরিষদ — এই পরিষদ বর্তমানে স্থগিত রয়েছে এবং এর কাজের পরিধি ট্রাস্ট টেরিটরি তদারকির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, মহাসচিব নিয়োগে এর ভূমিকা নেই। মনে রাখার টিপস: মহাসচিব নিয়োগে নিরাপত্তা পরিষদ সুপারিশ করে এবং সাধারণ পরিষদ তা অনুমোদন করে।
a রিকসডাগ
b ফকেটিং
c নেসেট
d ডায়েট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ডায়েট কেন সঠিক: - জাপানের আইনসভার আনুষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক নাম হলো ডায়েট। - এটি একটি দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা যা হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস এবং হাউস অফ কাউন্সিলরস নিয়ে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিকসডাগ — এটি সুইডেনের পার্লামেন্টের নাম, জাপানের নয়। B) ফকেটিং — এটি ডেনমার্কের পার্লামেন্টের নাম, জাপানের নয়। C) নেসেট — এটি ইসরায়েলের পার্লামেন্টের নাম, জাপানের নয়। D) ডায়েট — এটি জাপানের পার্লামেন্টের নাম হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: জাপানিরা খাদ্য হিসেবে ডায়েট মেনে চলে, তাই তাদের পার্লামেন্টের নাম ডায়েট।
a নিউ ইয়র্ক
b জেনেভা
c দ্য হেগ
d রোম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দ্য হেগ কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা আইসিসি যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার বিচার করে থাকে। - এই আদালতের সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউ ইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তর অবস্থিত শহর, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কার্যালয় নয়। B) জেনেভা — এটি আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর, আইসিসি এখানে অবস্থিত নয়। C) দ্য হেগ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সদর দপ্তর এখানেই অবস্থিত। D) রোম — রোম সনদের মাধ্যমে আইসিসি গঠিত হলেও এর কার্যালয় বা সদর দপ্তর রোমে নয়, দ্য হেগ শহরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার কাজের জন্য অপরাধীদের বিচার করতে হেগে যেতে হয়, এভাবে মনে রাখতে পারেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত দ্য হেগে অবস্থিত।
a জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠা
b জার্মানির বিরুদ্ধে মিত্রশক্তির নতুন কৌশল অবলম্বন
c ইহুদিদের জন্য একটি জাতি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা
d অটোমানদের রাজ্য অধিকার করা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইহুদিদের জন্য একটি জাতি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা কেন সঠিক: - ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোর ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য একটি জাতীয় আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। - প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সরকারের সমর্থন আদায়ের উদ্দেশ্যে এই বেলফোর ঘোষণা প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠা — জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠিত হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে, বেলফোর ঘোষণার সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। B) জার্মানির বিরুদ্ধে মিত্রশক্তির নতুন কৌশল অবলম্বন — এটি সরাসরি জার্মানিকে পরাস্ত করার কৌশল ছিল না, বরং এটি ছিল জায়নবাদী আন্দোলনের একটি রাজনৈতিক অর্জন। D) অটোমানদের রাজ্য অধিকার করা — অটোমান সাম্রাজ্যের পতন ত্বরান্বিত হলেও এই ঘোষণার মূল প্রতিপাদ্য ছিল নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। মনে রাখার টিপস: বেলফোর ঘোষণা মানেই বেলফোর সাহেবের ফিলিস্তিনে ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক প্রতিশ্রুতি।
a জয়নুল আবেদীন
b কামরুল হাসান
c এস এম সুলতান
d কাইয়ুম চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কামরুল হাসান কেন সঠিক: - বিখ্যাত চিত্রকর্ম তিন কন্যা বা থ্রি উইমেন এর চিত্রকর হলেন শিল্পী কামরুল হাসান। - তিনি বাংলাদেশের আধুনিক শিল্পকলার বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নুল আবেদীন — তিনি বিখ্যাত চিত্রকর্ম সংগ্রাম, নবান্ন এবং দুর্ভিক্ষের চিত্র এঁকেছেন, তিন কন্যা নয়। B) কামরুল হাসান — তিনি এই চিত্রকর্মটির চিত্রকর বিধায় এটি সঠিক উত্তর। সি) এস এম সুলতান — তিনি গ্রামীণ জনপদের কৃষক ও মানুষের পেশিপ্রধান শরীরের চিত্র এঁকে বিখ্যাত হয়েছেন। D) কাইয়ুম চৌধুরী — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও বইয়ের প্রচ্ছদশিল্পী ছিলেন, এই ছবির স্রষ্টা নন। মনে রাখার টিপস: কামরুল হাসানের নামের আদ্যক্ষর কা দিয়ে শুরু, এবং তার বিখ্যাত চিত্রকর্ম তিন কন্যা নামের শুরুতেও ত আছে।
a আলমগীর কবির
b খান আতাউর রহমান
c হুমায়ূন আহমেদ
d সুভাষ দত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আলমগীর কবির কেন সঠিক: - ‘ধীরে বহে মেঘনা’ চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত একটি বিখ্যাত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। - বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা ও বুদ্ধিজীবী আলমগীর কবির ১৯৭৩ সালে এই চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলমগীর কবির — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই চলচ্চিত্রের পরিচালক। B) খান আতাউর রহমান — তিনি প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার হলেও এই চলচ্চিত্রের নির্মাতা নন, তার বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র আবার তোরা মানুষ হ। C) হুমায়ূন আহমেদ — তিনি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা হলেও এই চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত নন, তার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র আগুনের পরশমণি। D) সুভাষ দত্ত — তিনি প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার হলেও এই চলচ্চিত্রের নির্মাতা নন, তার বিখ্যাত চলচ্চিত্র অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী। মনে রাখার টিপস: মেঘনা নদী আলমগীর কবিরের নির্মাণে ধীরে বহে, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a ডায়মন্ড
b রূপালি
c ড্রামহেড
d ব্রিসাইল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডায়মন্ড কেন সঠিক: - ডায়মন্ড বাংলাদেশে চাষ করা হয় এমন আলুর একটি অন্যতম জনপ্রিয় ও উচ্চ ফলনশীল জাত। - এই জাতের আলু দেখতে সুন্দর, খেতে সুস্বাদু এবং এর সংরক্ষণ ক্ষমতাও বেশ ভালো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডায়মন্ড — এটি আলুর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও পরিচিত জাতের নাম। B) রূপালি — এটি আলুর কোনো পরিচিত জাত নয়, এটি ধান বা অন্য ফসলের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে পারে। C) ড্রামহেড — এটি বাঁধাকপির একটি সুপরিচিত জাতের নাম, আলুর নয়। D) ব্রিসাইল — এটি আলুর কোনো জাত নয়, এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক নাম। মনে রাখার টিপস: আলুর জাত মনে রাখতে বিখ্যাত নাম 'ডায়মন্ড' মনে রাখুন।
a BARI
b BRRI
c BADC
d BINA
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) BADC কেন সঠিক: - BADC এর পূর্ণরূপ হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন, যা দেশের কৃষকদের মধ্যে মানসম্মত বীজ সরবরাহ ও উৎপাদনের প্রধান সরকারি প্রতিষ্ঠান। - এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত কৃষিপণ্য, সার এবং উন্নত বীজ কৃষকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) BARI — এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা নতুন ফসলের জাত উদ্ভাবন ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত, সরাসরি বীজ উৎপাদন ও বিপণন এর প্রধান কাজ নয়। B) BRRI — এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা শুধুমাত্র ধানের নতুন জাত উদ্ভাবন এবং ধান গবেষণা নিয়ে কাজ করে। C) BADC — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো প্রেক্ষাপট প্রযোজ্য নয়। D) BINA — এটি বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা পরমাণু প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসলের নতুন জাত উদ্ভাবন করে। মনে রাখার টিপস: বীজ (Seed) বিতরণের সঙ্গে উন্নয়ন (Development) কথাটি যুক্ত আছে, তাই বীজ উৎপাদনের প্রধান সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে BADC মনে রাখা সহজ।
a মেহেরপুর
b লক্ষ্মীপুর
c রাঙ্গামাটি
d ঝালকাঠি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাঙ্গামাটি কেন সঠিক: - রাঙ্গামাটি বাংলাদেশের আয়তনে বৃহত্তম জেলা হওয়া সত্ত্বেও ভৌগোলিক ও পাহাড়ি বিষম ভূপ্রকৃতির কারণে এখানে মাত্র একটি সংসদীয় আসন রয়েছে। - জাতীয় সংসদের ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার মধ্যে রাঙ্গামাটি জেলা নিয়ে গঠিত সংসদীয় আসনটি ২৯৯ নম্বর আসন হিসেবে নির্ধারিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেহেরপুর — এই জেলায় সংসদীয় আসন রয়েছে দুটি এবং এটি দেশের অন্যতম কম আসনবিশিষ্ট জেলা। B) লক্ষ্মীপুর — এই জনবহুল জেলাটিতে মোট সংসদীয় আসন সংখ্যা চারটি। D) ঝালকাঠি — এই ছোট জেলাটিতে সংসদীয় আসন সংখ্যা দুটি। মনে রাখার টিপস: পার্বত্য তিন জেলার মধ্যে রাঙ্গামাটি আয়তনে সবচেয়ে বড় হলেও পাহাড়ি কম জনসংখ্যার কারণে এর আসন সংখ্যা মাত্র একটি।
a 1978
b 1982
c 1992
d 1987
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৮২ কেন সঠিক: - ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনের মাধ্যমে মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের দেশটিতে বৈধ জাতিসত্তা বা নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি অস্বীকার করে। - এই আইনের ফলে রোহিঙ্গারা তাদের নাগরিকত্ব হারায় এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে অধিকারহীন ও রাষ্ট্রহীন জনগোষ্ঠীতে পরিণত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1978 — ১৯৭৮ সালে মিয়ানমার সামরিক জান্তার অভিযאןর মুখে প্রথম বড় ধরনের রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে পালিয়ে আসে, এটি নাগরিকত্ব আইন পাসের বছর নয়। B) 1982 — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) 1992 — ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, এটি নাগরিকত্ব হারানোর সাল নয়। D) 1987 — ১৯৮৭ সালটি রোহিঙ্গা সংকটের ইতিহাসে নাগরিকত্ব আইন সংক্রান্ত কোনো উল্লেখযোগ্য বা নির্ধারিত বছর নয়। মনে রাখার টিপস: রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব হারায় আঠারো শত বিরাশি বা ১৯৮২ সালে।
a হুন
b মঙ্গো
c জিনজিয়াং
d তুর্কি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তুর্কি কেন সঠিক: - উইঘুর সম্প্রদায় জাতিগতভাবে তুর্কীয় বা তুর্কি বংশোদ্ভূত একটি মুসলিম জনগোষ্ঠী। - চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে বসবাসকারী এই জনগোষ্ঠীর ভাষা এবং সংস্কৃতি তুর্কি সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুন — হুনরা প্রাচীনকালের একটি যাযাবর জাতিগোষ্ঠী এবং উইঘুরদের মূল উৎপত্তির সঙ্গে এদের সরাসরি সম্পর্ক নেই। B) মঙ্গো — মঙ্গোলীয়রা আলাদা একটি জাতিগোষ্ঠী, যদিও মধ্য এশিয়ার ইতিহাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে এদের আংশিক মিশ্রণ রয়েছে। C) জিনজিয়াং — জিনজিয়াং উইঘুরদের একটি বর্তমান ভৌগোলিক অঞ্চল বা প্রদেশ, কোনো আদি বংশ বা জাতিগোষ্ঠী নয়। D) তুর্কি — এটি সঠিক উত্তর কারণ উইঘুররা তুর্কি জাতিগোষ্ঠীভুক্ত। মনে রাখার টিপস: উইঘুর মানেই তুর্কি জাতি, যারা চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে বসবাস করে।
a IFAD
b WIPO
c WTO
d IDA
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) WIPO কেন সঠিক: - WIPO বা বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থা ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের আন্তর্জাতিক নিবন্ধন ও আইনি সুরক্ষা প্রদানে কাজ করে। - বাংলাদেশে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর GI পণ্যের স্বীকৃতি ও সনদ প্রদান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) IFAD — এটি আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল, যা কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নে অর্থায়ন করে এবং GI স্বীকৃতি দেয় না। B) WIPO — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সংস্থা মেধাসম্পদ ও ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও সুরক্ষার দায়িত্ব পালন করে। C) WTO — এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংস্থা, যা বৈশ্বিক বাণিজ্যের নিয়মকানুন তদারকি করে কিন্তু সরাসরি GI স্বীকৃতি দেয় না। D) IDA — এটি বিশ্বব্যাংকের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান যা অনুদান ও সুদমুক্ত ঋণ প্রদান করে এবং এর সঙ্গে GI পণ্যের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: মেধাসম্পদ বা GI সম্পর্কিত বিশ্ব সংস্থার নাম আসলে WIPO মনে রাখবে।
a রোম
b বার্ন
c জেনেভা
d লন্ডন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জেনেভা কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক অভিবাসী সংস্থা বা আইওএম একটি আন্তঃসরকার সংস্থা যা অভিবাসনের ব্যবস্থাপনার সাথে যুক্ত। - এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোম — এটি বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর। B) বার্ন — এটি সুইজারল্যান্ডের রাজধানী হলেও এই নির্দিষ্ট সংস্থার সদর দপ্তর এখানে নয়। C) জেনেভা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই সংস্থার প্রধান কার্যালয়ের অবস্থান। D) লন্ডন — এটি আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থার সদর দপ্তরের অবস্থান। মনে রাখার টিপস: অভিবাসীরা সাধারণত জীবনযাত্রার খোঁাজে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় পাড়ি জমান।
a ১৭,৫৪,৮৮,৬১৬
b ১৬,৪১,৫৭,৬১৬
c ১৬,৫১,৫৮,৬১৬
d ১৭,৭৫,৬০,৬১৬
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক পরিচালিত ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশের মোট জনসংখ্যা। - এই শুমারি অনুসারে দেশের বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.২২ শতাংশ এবং ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ১১১৯ জন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭,৫৪,৮৮,৬১৬ — এটি একটি ভুল বা অবাস্তব সংখ্যা, যা কোনো অফিসিয়াল শুমারির ফলাফলের সাথে মিলে না। B) ১৬,৪১,৫৭,৬১৬ — এটি ২০২২ সালের শুমারির প্রাথমিক প্রতিবেদনে প্রকাশিত জনসংখ্যা ছিল, যা চূড়ান্ত প্রতিবেদনে পরিবর্তিত হয়েছে। D) ১৭,৭৫,৬০,৬১৬ — এটি বিবিএস এর প্রকাশিত জনসংখ্যা সংক্রান্ত কোনো প্রাক্কলন বা শুমারির চূড়ান্ত তথ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ষষ্ঠ শুমারির মোট জনসংখ্যা মনে রাখতে ১৬, ৫১ সংখ্যা জোড়াটি মনে রাখুন, যার শেষে ৫৮, ৬১৬ আছে।
a ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন
b এমিলিন প্যান্কহার্স্ট
c উইলহেলমিনা ড্রুকার
d বেল হুক্স
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন কেন সঠিক: - ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন ২০২১ সালে সুইডেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - তিনি সুইডেনের সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির নেত্রী এবং দেশটির রাজনীতিতে অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি সুইডেনের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। B) এমিলিন প্যান্কহার্স্ট — তিনি যুক্তরাজ্যের নারী ভোটাধিকার আন্দোলনের একজন রাজনৈতিক কর্মী ও নেত্রী ছিলেন, সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী নন। C) উইলহেলমিনা ড্রুকার — তিনি নেদারল্যান্ডসের একজন বিশিষ্ট নারীবাদী নেত্রী ও সমাজকর্মী ছিলেন, সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী নন। D) বেল হুক্স — তিনি একজন আমেরিকান লেখক, নারীবাদী তাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক সমালোচক ছিলেন, সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী নন। মনে রাখার টিপস: সুইডেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হলেন ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন, যা নামের প্রথম অক্ষর এম দিয়ে মনে রাখতে পারেন।
a সাঙ্গু
b হালদা
c ইচ্ছামতী
d মধুমতী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হালদা কেন সঠিক: - হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র এবং এশিয়ার একমাত্র জোয়ারভাটাভিত্তিক নদী যেখানে প্রাকৃতিকভাবে রুই জাতীয় মাছ ডিম ছাড়ে। - এই নদীর অনন্য বৈচিত্র্য ও জাতীয় গুরুত্ব রক্ষা করার জন্য সরকার এটিকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাঙ্গু — এটি পাহাড়ি নদী এবং এটি প্রাকৃতিকভাবে রুই জাতীয় মাছের প্রধান প্রাকৃতিক প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে হেরিটেজ মর্যাদা পায়নি। B) হালদা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং দেশের একমাত্র মৎস্য হেরিটেজ। C) ইচ্ছামতী — এটি একটি আন্তর্জাতিক নদী এবং এর সঙ্গে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণার কোনো সম্পর্ক নেই। D) মধুমতী — এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী হলেও এটি মৎস্য হেরিটেজ হিসেবে ঘোষিত নয়। মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক ডিম ছাড়ার অনন্য স্থান হিসেবে হালদা নদীকে মনে রাখবে।
a রাজশাহী
b রংপুর
c সিলেট
d ঢাকা
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) রংপুর কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী দেশের উত্তরাঞ্চলের রংপুর বিভাগে কর্মজীবী নারীর হার সবচেয়ে বেশি। - কৃষি কাজ, হাঁস-মুরগি পালন এবং গ্রামীণ কুটিরশিল্পে এই অঞ্চলের নারীদের অংশগ্রহণ তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজশাহী — এই বিভাগে নারী শ্রমিকের হার উল্লেখযোগ্য হলেও তা রংপুরের তুলনায় কিছুটা কম। B) রংপুর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি এড়ানো হলো। C) সিলেট — সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নানা কারণে এই বিভাগে নারী কর্মসংহারের হার তুলনামূলকভাবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে কম। D) ঢাকা — রাজধানী ও শিল্পাঞ্চল হওয়া সত্ত্বেও সামগ্রিক নারী কর্মজীবী জনসংখ্যার শতকরা হারে এটি রংপুরের পেছনে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: উত্তরাঞ্চলের শ্রমজীবী নারীদের কথা মনে রাখলেই রংপুর বিভাগকে সহজে চেনা যায়।
a প্রধানমন্ত্রী
b জাতীয় সংসদের স্পিকার
c জাতীয় সংসদের হুইপ
d প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জাতীয় সংসদের স্পিকার কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ এর ৩ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। - রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতি বা অসুস্থতার কারণেও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে স্পিকার এই দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রধানমন্ত্রী — সরকার প্রধান হিসেবে নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, কিন্তু সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির শূন্য পদে তিনি দায়িত্ব পালন করেন না। B) জাতীয় সংসদের স্পিকার — সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে তিনিই দায়িত্ব পালনের জন্য নির্ধারিত। C) জাতীয় সংসদের হুইপ — সংসদের দলীয় শৃঙ্খলা ও কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের সাংবিধানিক এখতিয়ার তাদের নেই। D) প্রধান বিচারপতি — পূর্বে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি দায়িত্ব পালন করলেও বর্তমানে সংবিধান অনুযায়ী এই দায়িত্ব স্পিকারের ওপর ন্যস্ত। মনে রাখার টিপস: রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার দায়িত্ব নেন, কারণ তিনি রাষ্ট্রের তৃতীয় সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদাধিকারী ব্যক্তি।
a ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭
b ১ ডিসেম্বর ১৯৯৬
c ৫ ডিসেম্বর ১৯৯৮
d ৩ ডিসেম্বর ১৯৯৭
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭ কেন সঠিক: - এই দিনে বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা পার্বত্য অঞ্চলের সংঘাতের অবসান ঘটাতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭ - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের তথ্যটি সত্য। B) ১ ডিসেম্বর ১৯৯৬ - এই তারিখে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি ভুল সাল ও তারিখ। C) ৫ ডিসেম্বর ১৯৯৮ - এই তারিখে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি ঘটনার সময়ের সঙ্গে মেলে না। D) ৩ ডিসেম্বর ১৯৯৭ - চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল দুই তারিখে, তিন তারিখে নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরের দুই তারিখে পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা মাস ও সালের শেষের জোড় সংখ্যার সাথে মিল রেখে মনে রাখা যায়।
a ১ জুলাই ১৯২১
b ১ জানুয়ারি ১৯২১
c ১ জানুয়ারি ১৯২২
d ১ জুলাই ১৯২০
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ জুলাই ১৯২১ কেন সঠিক: - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম বা পাঠদান শুরু করে। - এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম দিন থেকেই তিনটি অনুষদ ও বারটি বিভাগের অধীনে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ জুলাই ১৯২১ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিন থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। B) ১ জানুয়ারি ১৯২১ — এটি ভুল তারিখ কারণ এই দিনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত বা শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়নি। C) ১ জানুয়ারি ১৯২২ — এটি ভুল কারণ এর প্রায় দেড় বছর আগে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। D) ১ জুলাই ১৯২০ — এটি ভুল কারণ এই সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আইন পাস হলেও কার্যক্রম শুরু হয়নি। মনে রাখার টিপস: ১৯২১ সালের ১ জুলাই থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শুরু হয়, সাল মনে রাখতে ২১ আর মাস মনে রাখতে বছরের ঠিক মাঝামাঝি জুলাই।
a মৌলভীবাজার
b সিলেট
c হবিগঞ্জ
d পঞ্চগড়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মৌলভীবাজার কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট চা-বাগানের অর্ধেকের বেশি মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত। - শ্রীমঙ্গল উপজেলাকে চায়ের রাজধানী বলা হয় এবং এখানে সর্বোচ্চ সংখ্যক চা-বাগান রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৌলভীবাজার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এখানে সর্বাধিক সংখ্যক চা-বাগান ও চা-এস্টেট রয়েছে। B) সিলেট — এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চা-বাগান সমৃদ্ধ জেলা, তবে মৌলভীবাজারের চেয়ে এখানে সংখ্যা কম। C) হবিগঞ্জ — এই জেলায় বেশ কিছু চা-বাগান থাকলেও তা মৌলভীবাজারের তুলনায় কম। D) পঞ্চগড় — এটি উত্তরাঞ্চলের প্রধান চা উৎপাদনকারী এলাকা হলেও মোট বাগানের দিক থেকে মৌলভীবাজারের পরেই অবস্থান। মনে রাখার টিপস: মৌ মৌ গন্ধ চায়ের, তাই মৌলভীবাজারে চা-বাগান বেশি।
a বাংলাদেশ
b ভিয়েতনাম
c কম্বোডিয়া
d ভারত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভারত কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংকের অভিবাসন ও উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী ভারত দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসী আয় অর্জনে বিশ্বে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। - বিশাল প্রবাসী জনশক্তি এবং উন্নত দেশগুলো থেকে নিয়মিত উচ্চ অংকের রেমিট্যান্স পাঠানোর কারণে ভারত এই অবস্থান ধরে রাখতে পেরেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ প্রবাসী আয়ে শীর্ষ দেশ নয়, বরং বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ রেমিট্যান্স গ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। B) ভিয়েতনাম — ভিয়েতনাম দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ এবং প্রবাসী আয়ে শীর্ষ দেশের তালিকায় এর অবস্থান অনেক পেছনে। C) কম্বোডিয়া — কম্বোডিয়ার অর্থনীতি প্রবাসী আয়ের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল হলেও এটি বিশ্বতালিকায় শীর্ষ অবস্থানে নেই। D) ভারত — এই অপশনটি সঠিক এবং বৈশ্বিক পরিসংখ্যানে ভারত প্রবাসী আয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। মনে রাখার টিপস: প্রবাসী আয়ে ভারত সবার সেরা, তাই মনে রাখতে হবে ভারত মানেই প্রথম।
a রিন্গিত
b রুবল
c পেসো
d রিভনিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রিভনিয়া কেন সঠিক: - রিভনিয়া হলো পূর্ব ইউরোপের দেশ ইউক্রেনের সরকারি ও আনুষ্ঠানিক মুদ্রা। - ১৯৯৬ সাল থেকে ইউক্রেনে এই মুদ্রা চালু রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিন্গিত — এটি মালয়েশিয়ার প্রচলিত মুদ্রা, ইউক্রেনের মুদ্রা নয়। B) রুবল — এটি রাশিয়ার প্রচলিত মুদ্রা, যা ইউক্রেনের মুদ্রা হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। C) পেসো — এটি ফিলিপাইন, আর্জেন্টিনা ও চিলি সহ বেশ কয়েকটি লাতিন আমেরিকান দেশের মুদ্রা। D) রিভনিয়া — এটি ইউক্রেনের সঠিক ও বর্তমান মুদ্রা। মনে রাখার টিপস: ইউক্রেনের নাম শুনলেই মনে রাখবে তাদের রিভনিয়ার কথা।
a দ্রৌপদী শর্মা
b দ্রৌপদী চাকমা
c দ্রৌপদী মার্মা
d দ্রৌপদী মুর্মু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দ্রৌপদী মুর্মু কেন সঠিক: - তিনি ভারতের পঞ্চদশ এবং প্রথম আদিবাসী নারী রাষ্ট্রপতি হিসেবে ২৫ জুলাই ২০২২ তারিখে শপথ গ্রহণ করেন। - এর পূর্বে তিনি ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্রৌপদী শর্মা - এই নামে ভারতের কোনো রাষ্ট্রপতি বা পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নেই, এটি একটি কাল্পনিক বা বিভ্রান্তিকর অপশন। B) দ্রৌপদী চাকমা - এটি ভুল নাম, কারণ তিনি চাকমা সম্প্রদায়ের নন বরং সাঁওতাল আদিবাসী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত। C) দ্রৌপদী মার্মা - পদবির বানান ভুলের কারণে এই অপশনটি সঠিক নয়, সঠিক পদবি হলো মুর্মু। D) দ্রৌপদী মুর্মু - এটি সঠিক অপশন এবং তিনি ভারতের বর্তমান রাষ্ট্রপতি। মনে রাখার টিপস: ভারতের প্রথম আদিবাসী নারী রাষ্ট্রপতি হলেন দ্রৌপদী মুর্মু, যার নামের শেষ অংশ 'মুর্মু' সাঁওতাল সম্প্রদায়কে নির্দেশ করে।
a তাঁর পিতা শেখ লুৎফর রহমান
b এ. কে. ফজলুল হক
c হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
d মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তাঁর পিতা শেখ লুৎফর রহমান কেন সঠিক: - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ১৯৪৮ সালে ভর্তির ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর বাবার সরাসরি উৎসাহ ও পরামর্শ ছিল। - পিতা শেখ লুৎফর রহমান চেয়েছিলেন তাঁর ছেলে আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা লাভ করুক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাঁর পিতা শেখ লুৎফর রহমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তাঁর অনুপ্রেরণাতেই তিনি আইন বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন। B) এ. কে. ফজলুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা ছিলেন, তবে বঙ্গবন্ধুর আইন বিভাগে ভর্তির নেপথ্যে তাঁর কোনো সরাসরি অনুপ্রেরণা ছিল না। C) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — তিনি বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক গুরু ও ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন, কিন্তু আইন বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে পিতার ভূমিকা প্রধান ছিল। D) মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী — তিনি একজন বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও কাগমারী সম্মেলনের আয়োজক ছিলেন, তবে আইন বিভাগে ভর্তির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: আইনে পড়াশোনার জন্য বাবা শেখ লুৎফর রহমান অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিলেন, তাই উত্তর হবে পিতা।
a ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪
b ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪
c ২৫ অক্টোবর ১৯৭৪
d ১৭ অক্টোবর ১৯৭৪
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে প্রথম বাঙালি হিসেবে বাংলায় ভাষণ দেন। - এই ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে জাতিসংঘে প্রথমবারের মতো মাতৃভাষা বাংলার স্বীকৃতি ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এর মর্যাদাপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ — এই তারিখে জাতিসংঘে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্যপদ লাভ করে, তবে এটি ভাষণদানের তারিখ নয়। B) ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন। C) ২৫ অক্টোবর ১৯৭৪ — এই তারিখে এমন কোনো ঐতিহাসিক বা নির্ধারিত আন্তর্জাতিক ভাষণের ঘটনা ঘটেনি। D) ১৭ অক্টোবর ১৯৭৪ — এটি এই প্রশ্ন ও ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ কোনো সঠিক তারিখ নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৭৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২৫ তারিখে বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘে প্রথম বাংলায় ভাষণ দেন, মাসটি মনে রাখলে সাল ও তারিখ সহজে মেলানো যায়।

মোট প্রশ্ন (46)

a মৌল ইলেকট্রন গ্রহণ করে
b মৌল ইলেকট্রন ত্যাগ করে
c মৌল প্রোটন গ্রহণ করে
d মৌল নিউট্রন দান করে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মৌল ইলেকট্রন ত্যাগ করে ১. কেন সঠিক: - জারণ হলো এমন একটি রাসায়নিক প্রক্রিয়া যেখানে কোনো পরমাণু, আয়ন বা অণু ইলেকট্রন বর্জন করে। - ইলেকট্রন ত্যাগের ফলে মৌলের ধনাত্মক আধান বৃদ্ধি পায় অথবা ঋণাত্মক আধান হ্রাস পায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: জারণ এবং বিজারণ সর্বদা একসাথে ঘটে, যা রেডক্স বিক্রিয়া নামে পরিচিত। - কার্যপ্রণালি: ইলেকট্রন বর্জনের মাধ্যমে মৌলটি জারিত হয় এবং নিজে জারিত হয়ে অন্যকে বিজারিত করে। - বাস্তব প্রয়োগ: ব্যাটারির ভেতরে রাসায়নিক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরের সময় এই প্রক্রিয়া কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোডিয়াম পরমাণুর ইলেকট্রন ত্যাগ। ব্যাখ্যা: সোডিয়াম একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে সোডিয়াম আয়নে পরিণত হয়, যা একটি জারণ প্রক্রিয়া। উদাহরণ ২: লোহায় মরিচা ধরা। ব্যাখ্যা: লোহা বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেনের সংস্পর্শে এসে ইলেকট্রন ত্যাগ করে মরিচায় পরিণত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৌল ইলেকট্রন গ্রহণ করে — এটি বিজারণ প্রক্রিয়ার সংজ্ঞা, জারণের নয়। B) মৌল ইলেকট্রন ত্যাগ করে — এটি সঠিক উত্তর এবং জারণ প্রক্রিয়ার মূল বৈশিষ্ট্য। C) মৌল প্রোটন গ্রহণ করে — রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সাধারণত ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে, প্রোটন নয়। D) মৌল নিউট্রন দান করে — নিউট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকে এবং সাধারণ রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ নেয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - জারণ মানে ত্যাগ এবং বিজারণ মানে গ্রহণ, এটি মনে রাখতে অয়েল রিগ mnemonic ব্যবহার করা যেতে পারে। - অর্থাৎ অক্সিডেশন ইজ লস এবং রিডাকশন ইজ গেইন অব ইলেকট্রন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জারণ ও বিজারণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - জারণ মানে ইলেকট্রন বর্জন এবং বিজারণ মানে ইলেকট্রন গ্রহণ, এই মৌলিক বিষয়টি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a সাদামাটি
b চুনা পাথর
c জিপসাম
d বালি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বালি ১. কেন সঠিক: কাঁচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল হলো সিলিকা বা বালি। বালিতে থাকা সিলিকন ডাইঅক্সাইড উচ্চ তাপমাত্রায় গলে কাঁচের মূল কাঠামো তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: কাঁচ একটি অনিয়মিত বা নিরাকার কঠিন পদার্থ। কার্যপ্রণালি: বালির সঙ্গে সোডা অ্যাশ এবং চুনা পাথর মিশিয়ে প্রায় ১৭০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে গলিত কাঁচ উৎপন্ন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাধারণ উইন্ডো গ্লাস বা জানালার কাঁচ তৈরিতে প্রচুর পরিমাণে বালি ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এই বালির সিলিকন ডাইঅক্সাইড গলনের মাধ্যমে কাঁচকে স্বচ্ছ ও শক্ত রূপ দেয়। উদাহরণ ২: ল্যাবরেটরির টেস্টটিউব বা বিকার তৈরিতে বালি ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: বালির সঙ্গে বিশেষ উপাদান মিশিয়ে তাপসহনশীল কাঁচ তৈরি করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাদামাটি — সাদামাটি বা কেওলিন সিরামিক শিল্পে প্লেট, পেয়ালা ও ইট তৈری করতে ব্যবহৃত হয়, কাঁচ তৈরিতে নয়। B) চুনা পাথর — চুনা পাথর কাঁচ তৈরিতে সহায়ক উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়, প্রধান কাঁচামাল হিসেবে নয়। C) জিপসাম — জিপসাম মূলত সিমেন্ট শিল্প এবং প্লাস্টার অব প্যারিস তৈরিতে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) বালি — বালি হলো কাঁচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল এবং সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: কাঁচ মানেই বালি, কারণ কাঁচের প্রধান উপাদান সিলিকা আসে বালি থেকেই। বালি দিয়ে যেমন ঘরবাড়ি গড়া যায়, তেমনি বালি গলিয়েই কাঁচ তৈরি করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কাঁচ তৈরিতে প্রধান উপাদান হিসেবে সিলিকা বা বালির পরিমাণ থাকে প্রায় সত্তর থেকে পঁচাত্তর শতাংশ। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কাঁচের প্রধান কাঁচামাল কী, যার উত্তর সবসময় বালি বা সিলিকা হবে।
a সিলিকন
b কার্বন
c স্বর্ণ
d প্ল্যাটিনাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কার্বন ১. কেন সঠিক: হীরক হলো মৌলিক পদার্থ কার্বনের একটি বিশুদ্ধতম রূপভেদ বা অ্যালোট্রপ। কার্বন পরমাণুগুলো নিজেদের মধ্যে অত্যন্ত শক্তিশালী সমযোজী বন্ধন তৈরি করে একটি সুষম ত্রিমাত্রিক স্ফটিক গঠন তৈরি করে, যার কারণে এটি পৃথিবীতে প্রাপ্ত সবচেয়ে কঠিন পদার্থ। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অ্যালোট্রপ বা রূপভেদ হলো একই মৌলের বিভিন্ন রূপ, যাদের ভৌত ধর্ম ভিন্ন হলেও রাসায়নিক ধর্ম একই থাকে। কার্বনের দুটি প্রধান রূপভেদ হলো হীরক ও গ্রাফাইট। কার্যপ্রণালি: হীরকে প্রতিটি কার্বন পরমাণু অন্য চারটি কার্বন পরমাণুর সঙ্গে চতুস্তলকীয় বিন্যাসে যুক্ত থাকে। এই সুদৃঢ় ত্রিমাত্রিক কাঠামোর জন্যই এটি সহজে ভাঙে না এবং এর গলনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাচ কাটা বা পাথরে ছিদ্র করার কাজে হীরকযুক্ত কাটার ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: হীরকের অতিরিক্ত কাঠিন্য ও ধারালো প্রান্ত অন্য যেকোনো নরম পদার্থকে সহজে কাটতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: গহনা তৈরিতে হীরা বা ডায়মন্ডের ব্যবহার। ব্যাখ্যা: হীরকের উচ্চ প্রতিসরাঙ্ক থাকার কারণে আলো এর ভেতরে প্রবেশ করে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটিয়ে উজ্জ্বলভাবে চকচক করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলিকন — সিলিকন হলো পর্যায় সারণির চতুর্দশ গ্রুপের একটি অপধাতু বা সেমিকন্ডাক্টর। এটি বালি বা সিলিকন ডাইঅক্সাইডের প্রধান উপাদান এবং কম্পিউটার চিপ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। B) কার্বন — এটি সঠিক উত্তর কারণ হীরক মূলত কার্বনেরই একটি কেলাসারিত ও বিশুদ্ধ রূপভেদ। C) স্বর্ণ — স্বর্ণ একটি ভারী রূপান্তর ধাতু এবং এর নিজস্ব রাসায়নিক প্রতীক হলো Au। এটি অত্যন্ত নমনীয় ও অমূল্য ধাতু যা গহনা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। D) প্ল্যাটিনাম — প্ল্যাটিনাম একটি দুর্লভ ও মূল্যবান অবস্থান্তর ধাতু যা অনুঘটক হিসেবে এবং বহুমুখী মূল্যবান গহনা তৈরিতে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: হীরক ও গ্রাফাইট উভয়ই কার্বনের রূপভেদ, যাদের মধ্যে হীরক হলো সবচেয়ে শক্ত এবং গ্রাফাইট তুলনামূলক নরম। কার্বনের এই ভিন্নতার মূল কারণ হলো পরমাণুগুলোর পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কাঠামোগত ভিন্নতা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে কঠিন প্রাকৃতিক পদার্থ হলো হীরক। এই একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে গ্রাফাইট কোন মৌলের রূপভেদ কিংবা কার্বনের রূপভেদ কয়টি।
a ওজন বাড়ানোর জন্য
b দ্রুত জমাট রোধ করার জন্য
c ঘনত্ব বাড়ানোর জন্য
d দ্রুত জমাট বৃদ্ধি করার জন্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দ্রুত জমাট রোধ করার জন্য ১. কেন সঠিক: সিঁড়ি বা ছাদ ঢালাই করার সময় সিমেন্ট যেন খুব দ্রুত শক্ত বা জমাট বেঁধে না যায়, সে জন্য এর সঙ্গে জিপসাম মেশানো হয়। জিপসাম সিমেন্টের সঙ্গে পানির বিক্রিয়ার গতিকে মন্থর করে দেয়, ফলে মিস্ত্রিরা সহজে কাজ করার পর্যাপ্ত সময় পান। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: সিমেন্টের মূল উপাদানগুলোর সঙ্গে পানি মেশানোর পর রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে এটি জমাট বাঁধতে শুরু করে। কার্যপ্রণালি: খাঁটি সিমেন্টে পানি মেশানোর সঙ্গে সঙ্গেই তা খুব দ্রুত জমে পাথর হয়ে যায়। এই দ্রুত জমাট বাঁধা রোধ করতে প্রস্তুত করার সময় জিপসাম বা ক্যালসিয়াম সালফেট ডাইহাইড্রেট যোগ করা হয়। রাসায়নিক বিক্রিয়া: জিপসাম সিমেন্টের দ্রুত বিক্রিয়াশীল উপাদান ট্রাইক্যালসিয়াম সিলিকেট বা ট্রাইক্যালসিয়াম অ্যালুমিনেটের চারপাশে একটি পাতলা আস্তরণ তৈরি করে। এই আস্তরণটি পানির সঙ্গে ওই উপাদানগুলোর সরাসরি দ্রুত সংযোগ ঘটাতে বাধা দেয়, ফলে জমার গতি ধীর হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্রীষ্মকালে অতিরিক্ত গরমে ছাদ ঢালাই করার সময় সিমেন্ট খুব দ্রুত শক্ত হয়ে যায়। ব্যাখ্যা: জিপসামের উপস্থিতি এই তাপের মধ্যেও সিমেন্টকে নির্দিষ্ট সময়ের বেশি সময় ধরে তরল ও কাজের উপযোগী রাখতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে সিমেন্টের বস্তা নির্মাণস্থলে পৌঁছানো। ব্যাখ্যা: বাতাসে সামান্য আর্দ্রতা থাকলেও জিপসামের প্রভাবে সিমেন্ট রাস্তায় শক্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যায় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওজন বাড়ানোর জন্য — সিমেন্টের ওজন বাড়ানো এর উৎপাদন বা ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য নয়, বরং জিপসামের উপস্থিতি এর ভৌত গুণাগুণ রক্ষা করে। B) দ্রুত জমাট রোধ করার জন্য — এটি সঠিক উত্তর, কারণ জিপসাম সিমেন্টের প্রাথমিক জমাট বাঁধার সময়কে কিছুটা বিলম্বিত করে। C) ঘনত্ব বাড়ানোর জন্য — সিমেন্টের ঘনত্ব মূলত এর সূক্ষ্ম পিষে ফেলা কণা এবং উপাদানের ওপর নির্ভর করে, জিপসাম ঘনত্ব বাড়াতে কাজ করে না। D) দ্রুত জমাট বৃদ্ধি করার জন্য — এটি সঠিক উত্তরের বিপরীত, কারণ দ্রুত জমাট বাড়ানো নয় বরং কমানোই জিপসামের প্রধান কাজ। ৫ মনে রাখার টিপস: জিপসাম মানে জ থেকে জমাট রোধ। মনে রাখবেন জিপসাম যোগ করা হয় যেন সিমেন্ট দ্রুত জমে না যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জিপসামের রাসায়নিক সংকেত হলো ক্যালসিয়াম সালফেট ডাইহাইড্রেট অর্থাৎ সিএএসও ফোর ইনটু টু এইচ টু ও। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে সিমেন্টে জিপসামের কাজ কী।
a CO₂
b CO
c N₂O
d NO
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) CO₂ ১. কেন সঠিক: কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসটি পানির সাথে বিক্রিয়া করে মৃদু এসিড (কার্বনিক এসিড) উৎপন্ন করে, যা নীল লিটমাস পেপারকে লাল করে। অধাতুর অক্সাইড সাধারণত অম্লীয় প্রকৃতির হয় এবং পানিতে দ্রবীভূত হয়ে এসিড তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অধাতুর অক্সাইড পানির সাথে বিক্রিয়া করে এসিড উৎপন্ন করে। রাসায়নিক বিক্রিয়া: কার্বন ডাই-অক্সাইড যোগ পানি সমান কার্বনিক এসিড। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোমল পানীয় বা সোডা ওয়াটার তৈরিতে কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এর মধ্যে সামান্য অম্লীয় স্বাদ পাওয়া যায় কারণ এতে কার্বনিক এসিড থাকে। উদাহরণ ২: বৃষ্টির পানি বায়ুমণ্ডলের কার্বন ডাই-অক্সাইডের সাথে মিশে এসিড বৃষ্টি বা মৃদু অম্লীয় হয়। ব্যাখ্যা: এটি প্রাকৃতিকভাবে পাথরের ক্ষয় সাধনে ভূমিকা রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) CO₂ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অধাতুর অক্সাইড এবং অম্লীয়। B) CO — এটি কার্বন মনোক্সাইড এবং এটি একটি নিরপেক্ষ অক্সাইড। C) N₂O — এটি নাইট্রাস অক্সাইড এবং এটিও একটি নিরপেক্ষ অক্সাইড। D) NO — এটি নাইট্রিক অক্সাইড এবং এটি নিরপেক্ষ প্রকৃতির হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: অধাতুর অক্সাইড অম্ল হয় ভাই, CO₂ তে এসিড ধর্ম খুঁজে তাই পাই। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অধাতুর অক্সাইড অম্লীয় এবং ধাতুর অক্সাইড সাধারণত ক্ষারীয় হয়। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন গ্যাসের প্রকৃতি থেকে প্রশ্ন আসে।
a হিমায়িত অক্সিজেনকে
b ক্যালসিয়াম অক্সাইডকে
c হিমায়িত কার্বন মনোক্সাইডকে
d হিমায়িত কার্বন ডাইঅক্সাইডকে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হিমায়িত কার্বন ডাইঅক্সাইডকে ১. কেন সঠিক: - ড্রাই আইস বা শুষ্ক বরফ হলো কার্বন ডাইঅক্সাইডের কঠিন রূপ যা মাইনাস ৭৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সরাসরি গ্যাসে রূপান্তরিত হয়। - এটি পানি বা তরল পদার্থে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পীভূত হয় বলে একে শুষ্ক বরফ বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসকে উচ্চ চাপে ঠান্ডা করলে এটি তরল না হয়ে সরাসরি কঠিন অবস্থায় পরিণত হয়, যাকে সাব্লিমেশন বা ঊর্ধ্বপাতন প্রক্রিয়ার বিপরীত প্রক্রিয়া বলা চলে। - কার্যপ্রণালি: সাধারণ বরফ গলে পানি হয়ে ভিজে যায়, কিন্তু ড্রাই আইস গল টির পরিবর্তে সরাসরি কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসে উবে যায়। - বাস্তব প্রয়োগ: আইসক্রিম বা পচনশীল খাদ্যদ্রব্য পরিবহনের সময় ঠান্ডা রাখতে এবং মঞ্চের নাটক বা কনসার্টে কৃত্রিম ধোঁয়া তৈরিতে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইসক্রিম পার্সেল করার সময় বাক্সে ড্রাই আইস দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: এটি গলে পানি হয়ে আইসক্রিম নষ্ট করে না, বরং শুষ্ক ঠান্ডা রেখে খাবার তাজা রাখে। উদাহরণ ২: কনসার্ট বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মঞ্চে সাদা ধোঁয়া তৈরির জন্য ড্রাই আইস ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: গরম পানিতে ড্রাই আইস রাখলে তা দ্রুত কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস ও জলীয় বাষ্পের ঘন মেঘ তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিমায়িত অক্সিজেনকে — অক্সিজেন গ্যাসকে ঠান্ডা করলে তা তরল অক্সিজেন হয়, যা রকেটের জ্বালানিতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু ড্রাই আইস নয়। B) ক্যালসিয়াম অক্সাইডকে — এটি একটি রাসায়নিক যৌগ যা পোড়াচুন নামে পরিচিত এবং এটি কঠিন ক্ষারীয় পদার্থ। C) হিমায়িত কার্বন মনোক্সাইডকে — কার্বন মনোক্সাইড একটি বিষাক্ত গ্যাস এবং একে হিমায়িত করলে ড্রাই আইস বলা হয় না। D) হিমায়িত কার্বন ডাইঅক্সাইডকে — এটি সঠিক উত্তর কারণ কঠিন কার্বন ডাইঅক্সাইডকেই বৈজ্ঞানিকভাবে ড্রাই আইস বা শুষ্ক বরফ বলা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাধারণ বরফ পানি বানায়, আর ড্রাই আইস পানি ছাড়াই গ্যাস হয়ে পালায়। - কার্বন ডাইঅক্সাইডের কঠিন রূপই হলো ড্রাই আইস, যার তাপমাত্রা মাইনাস ৭৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ড্রাই আইসের ঊর্ধ্বপাতন তাপমাত্রা মাইনাস ৭৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই পদার্থের অবস্থা ও পরিবর্তন অধ্যায় থেকে আসে।
a ছত্রাক
b ভাইরাস
c ব্যাকটেরিয়া
d নেমাটোড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্যাকটেরিয়া ১. কেন সঠিক: টাইফয়েড একটি সংক্রামক রোগ যা সালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণের ফলে মানবদেহে ছড়ায়। দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে এই ব্যাকটেরিয়া আমাদের অন্ত্রে প্রবেশ করে এবং রক্তে ছড়িয়ে পড়ে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ব্যাকটেরিয়া হলো এককোষী অণুজীব যা প্রাককেন্দ্রিক প্রকৃতির হয়ে থাকে এবং এরা বিভিন্ন সংক্রামক রোগ সৃষ্টি করতে পারে। কার্যপ্রণালি: সালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়া মুখ দিয়ে প্রবেশের পর ক্ষুদ্রান্ত্রে বংশবৃদ্ধি করে এবং রক্তনালীর মাধ্যমে সমগ্র শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। কারণ ও ফলাফল: এই জীবাণুর সংক্রমণে দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, পেটে ব্যথা এবং পরিপাকতন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: টাইফয়েড রোগী ব্যাখ্যা: অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি খাবার বা দূষিত পানি পানের পর টাইফয়েড রোগীর উচ্চ জ্বর ও দুর্বলতা দেখা দেয়, যা ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের ফল। উদাহরণ ২: কলেরাগ্ৰস্ত এলাকা ব্যাখ্যা: বন্যার সময় বিশুদ্ধ পানির অভাবে ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ যেমন টাইফয়েড ও কলেরার প্রাদুর্ভাব ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছত্রাক — এটি ইউক্যারিওটিক অণুজীব যা দাদ বা রিংওয়ার্মের মতো ত্বকসংক্রান্ত রোগ সৃষ্টি করে, টাইফয়েড সৃষ্টি করে না। B) ভাইরাস — এটি অবিকল্প কোষীয় পরজীবী যা সর্দি, ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ডেঙ্গু ছড়ায়, তবে টাইফয়েড ভাইরাসের কারণে হয় না। C) ব্যাকটেরিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ টাইফয়েড সালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে ছড়ায়। D) নেমাটোড — এটি এক ধরনের গোলকৃমি যা মানবদেহে অ্যাসকারিয়াসিস বা ফাইলেরিয়াসিস রোগ সৃষ্টি করে। ৫ মনে রাখার টিপস: টাইফয়েড নামের সাথে ব্যাকটেরিয়া শব্দটি যুক্ত রাখতে সালমোনেলা টাইফি কথাটি মনে রাখবে। জীবাণুভিত্তিক রোগ মনে রাখতে ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: টাইফয়েড রোগের জীবাণু আবিষ্কার করেন কার্ল এবারথ এবং এই রোগের চিকিৎসায় সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন রোগটি কোন অণুজীব দ্বারা হয়, তাই ব্যাকটেরিয়াজনিত ও ভাইরাসজনিত রোগগুলোর পার্থক্য ভালোভাবে পড়তে হবে।
a g
b 1/8 g
c 1/2 g
d 1/4 g
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 1/8 g ১. কেন সঠিক: মহাকর্ষীয় সূত্র অনুযায়ী অভিকর্ষজ ত্বরণ গ্রহের ভরের সমানুপাতিক এবং ব্যাসার্ধের বর্গের ব্যাস্তানুপাতিক। গ্রহটির ভর পৃথিবীর অর্ধেক এবং ব্যাসার্ধ দ্বিগুণ হওয়ায় এই পরিবর্তনগুলো হিসাব করে নতুন ত্বরণ পাওয়া গেছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অভিকর্ষজ ত্বরণ হলো কোনো বস্তুর ওপর গ্রহের মহাকর্ষ বলের প্রভাবে সৃষ্ট ত্বরণ। সূত্র বা তত্ত্ব: g সমানুপাতিক M ভাগ R এর বর্গ, যেখানে M হলো গ্রহের ভর এবং R হলো গ্রহের ব্যাসার্ধ। কার্যপ্রণালি: নতুন ভর এম প্রাইম সমান অর্ধেক এম এবং নতুন ব্যাসার্ধ আর প্রাইম সমান দুই গুণ আর। হিসাব: জি প্রাইম সমান জি গুণ এক ভাগ দুই গুণ চার, যা সমান এক ভাগ আট গুণ জি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাঁদের অভিকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর ছয় ভাগের এক ভাগ। ব্যাখ্যা: চাঁদের ভর ও ব্যাসার্ধ কম হওয়ায় সেখানে বস্তুর ওজন কম অনুভূত হয়। উদাহরণ ২: বৃহস্পতি গ্রহের অভিকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর প্রায় আড়াই গুণ। ব্যাখ্যা: বৃহস্পতির ভর অনেক বেশি হওয়ায় এর পৃষ্ঠে মহাকর্ষীয় টান অত্যন্ত শক্তিশালী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) g — এটি পৃথিবীর অভিকর্ষজ ত্বরণ নির্দেশ করে এবং ভর বা ব্যাসার্ধ পরিবর্তিত হলে এই মান অপরিবর্তিত থাকে না। B) 1/8 g — এই অপশনটি সঠিক কারণ গাণিতিক হিসাবে ত্বরণের মান এতটুকুই হ্রাস পায়। C) 1/2 g — কেবল ভর অর্ধেক করলে এবং ব্যাসার্ধ অপরিবর্তিত থাকলে ত্বরণ এই মানের হতো। D) 1/4 g — কেবল ব্যাসার্ধ দ্বিগুণ করলে এবং ভর অপরিবর্তিত থাকলে ত্বরণ এই মানের হতো। ৫ মনে রাখার টিপস: ভর লবে বসে এবং ব্যাসার্ধ হরের ঘরে বর্গ হয়ে বসে। তাই ভর অর্ধেক হলে ত্বরণ অর্ধেক হবে এবং ব্যাসার্ধ দ্বিগুণ হলে নিচে চার গুণ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই ধরনের অঙ্কে ব্যাসার্ধের পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বর্গ করতে ভুল করা যাবে না। ভবিষ্যতে পরীক্ষায় গ্রহের ঘনত্ব সম্পর্কিত অভিকর্ষজ ত্বরণের মান নির্ণয়ের প্রশ্নও আসতে পারে।
a চৌম্বক বল
b তড়িৎ-চুম্বকীয় বল
c কুলম্ব বল
d তড়িৎ বল
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্ব সঠিক উত্তর: B) তড়িৎ-চুম্বকীয় বল ১. কেন সঠিক: - গতিশীল চার্জের উপর বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র এবং চৌম্বক ক্ষেত্র উভয়ই বল প্রয়োগ করে। - এই মিলিত বলকে লোরেন্টজ বল বা তড়িৎ-চুম্বকীয় বল বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কোনো চার্জ যখন গতিশীল থাকে, তখন তা বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্ব উভয় ধর্মের সৃষ্টি করে। - সূত্র/তত্ত্ব: লোরেন্টজ বলের সূত্রানুযায়ী, মোট বল হলো বৈদ্যুতিক বল এবং চৌম্বক বলের ভেক্টর যোগফল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্যাথোড রে টিউবে ইলেকট্রনের গতি। ব্যাখ্যা: এখানে ইলেকট্রন গতিশীল থাকার সময় বৈদ্যুতিক ও চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে বিক্ষিপ্ত হয়। উদাহরণ ২: সাইক্লোট্রন বা কণা ত্বারক। ব্যাখ্যা: চার্জিত কণাকে উচ্চ শক্তিতে ত্বান্বিত করতে তড়িৎ-চুম্বকীয় বল ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চৌম্বক বল — এটি শুধুমাত্র গতিশীল চার্জের ক্ষেত্রে চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রлика বোঝায়, কিন্তু সম্পূর্ণ বল বোঝাতে বৈদ্যুতিক বলও প্রয়োজন। B) তড়িৎ-চুম্বকীয় বল — এটি সঠিক কারণ গতিশীল চার্জের উপর ক্রিয়াশীল মোট বল এটি। C) কুলম্ব বল — এটি স্থির চার্জের মধ্যকার আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল নির্দেশ করে, গতিশীল চার্জের ক্ষেত্রে এটি অসম্পূর্ণ। D) তড়িৎ বল — এটি শুধুমাত্র স্থির বা গতিশীল চার্জের উপর বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের প্রভাব বোঝায়, চৌম্বক প্রভাব বাদ পড়ে। ৫. মনে রাখার টিপস: - চার্জ স্থির থাকলে কুলম্ব বল বা তড়িৎ বল কাজ করে। - চার্জ গতিশীল হলে তড়িৎ ও চুম্বক ক্ষেত্র একত্রে তড়িৎ-চুম্বকীয় বল প্রয়োগ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় লোরেন্টজ বল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - গতিশীল চার্জ চৌম্বক ক্ষেত্রে লম্বালম্বিভাবে চললে সর্বাধিক বল অনুভূত হয়।
a ভিটামিন-A
b ভিটামিন-B
c ভিটামিন-C
d ভিটামিন-D
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভিটামিন-C ১. কেন সঠিক: ডিমে ভিটামিন-সি বা অ্যাসকরবিক অ্যাসিড প্রাকৃতিকভাবে থাকে না। ডিম মূলত আমিষ, ফ্যাট ও বিভিন্ন চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিনের চমৎকার উৎস হলেও এতে কোনো ভিটামিন-সি থাকে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মানবদেহের পুষ্টিবিজ্ঞানে ডিমকে বলা হয় একটি আদর্শ খাদ্য কারণ এতে প্রায় সব পুষ্টি উপাদান বিদ্যমান। কার্যপ্রণালি: মুরগির শরীরে ভিটামিন-সি নিজে থেকেই সংশ্লেষিত হতে পারে, তাই ডিম পাড়ার সময় তাতে এই ভিটামিনের প্রয়োজন হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সামুদ্রিক মাছ বা মাংসের মতো ডিমেও ভিটামিন-সি অনুপস্থিত থাকে। ব্যাখ্যা: প্রাণিজ আমিষের বেশিরভাগ উৎসই ভিটামিন-সি মুক্ত হয়। উদাহরণ ২: স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধের জন্য মানুষ ও গিনিপিগকে খাদ্য তালিকার মাধ্যমে ভিটামিন-সি গ্রহণ করতে হয়। ব্যাখ্যা: ডিম খেয়ে স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব নয় কারণ এতে ভিটামিন-সি নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন-A — ডিমের কুসুমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ থাকে যা চোখের দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় সাহায্য করে। B) ভিটামিন-B — ডিমে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স বিশেষ করে ভিটামিন বি-১২ এর খুব ভালো উৎস রয়েছে। C) ভিটামিন-C — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডিমে কোনো ভিটামিন-সি থাকে না। D) ভিটামিন-D — ডিমে প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন-ডি পাওয়া যায় যা হাড় গঠনে সাহায্য করে। ৫. মনে রাখার টিপস: ডিমে ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কেসহ বি ভিটামিন থাকে কিন্তু সি থাকে না। ভিটামিন-সি পাওয়ার জন্য টক জাতীয় ফল বা লেবু খেতে হয়, ডিম নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ডিমকে কেন আদর্শ খাদ্য বলা হয় তা থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। কোন কোন খাদ্যে ভিটামিন-সি পাওয়া যায় না, এই ধরনের সাধারণ জ্ঞানমূলক প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংকের চাকরিতে থাকে।
a লিথিয়াম
b পারদ
c ইউরেনিয়াম
d পটাশিয়াম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পারদ ১. কেন সঠিক: পারদের পরমাণুগুলোর মধ্যে ধাতব বন্ধন অত্যন্ত দুর্বল প্রকৃতির হয় এবং এদের যোজন ইলেকট্রনগুলো সহজেই মুক্তভাবে চলাচল করতে পারে না। এর ফলে ঘরের তাপমাত্রায় পরমাণুগুলো কঠিন কাঠামোগত জালিকা তৈরি করতে পারে না এবং তরল অবস্থায় থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পারদ বা মার্কারি একটি ভারী ডি-ব্লক ট্রানজিশন ধাতু যার পারমাণবিক সংখ্যা ৮০ এবং প্রতীক Hg। কার্যপ্রণালি: এর ইলেকট্রন বিন্যাসে ৪এফ চৌদ্দটি এবং ৬এস দুটি ইলেকট্রন সম্পূর্ণ থাকে, যা একে নিষ্ক্রিয় গ্যাসের মতো স্থায়িত্ব দেয় এবং বন্ধন শক্তি কমিয়ে দেয়। বাস্তব প্রয়োগ: ঘরের তাপমাত্রা বা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এটি তরল থাকায় জ্বর মাপার থার্মোমিটার এবং রক্তচাপ মাপার স্ফিগমোম্যানোমিটারে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশের গবেষণাগারে পারদের থার্মোমিটার ব্যবহার করা হয় না কারণ মাইনাস ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এটি জমে কঠিন হয়ে যায়। ব্যাখ্যা: এটি দেখায় যে পারদ স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল হলেও নির্দিষ্ট হিমঙ্কের নিচে এটিও কঠিন অবস্থা প্রাপ্ত হয়। উদাহরণ ২: সাধারণ তাপমাত্রায় ঘরের কোণে পারদ ফেলে রাখলে তা ছোট ছোট মুক্তার মতো গোল ফোঁটায় পরিণত হয়। ব্যাখ্যা: উচ্চ পৃষ্ঠটানের কারণে পারদ তরল অবস্থায় এমন সুনির্দিষ্ট গোল আকৃতি ধারণ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিথিয়াম — এটি অত্যন্ত হালকা একটি ক্ষার ধাতু যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে এবং এত নরম যে চাকু দিয়ে কাটা যায়। B) পারদ — এটি একমাত্র ধাতু যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে। C) ইউরেনিয়াম — এটি একটি ভারী তেজস্ক্রিয় ধাতু যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় অত্যন্ত শক্ত কঠিন পদার্থ হিসেবে বিদ্যমান। D) পটাশিয়াম — এটি একটি সক্রিয় ক্ষার ধাতু যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে এবং কেরোসিনের নিচে সংরক্ষণ করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: তরল ধাতুর নাম মনে রাখতে পারদ শব্দটি মাথায় রাখবে। পারদের রাসায়নিক প্রতীক হলো এইচজি যা হাইড্রোargyrum বা তরল রূপালী ধাতু থেকে এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: একমাত্র অধাতু হিসেবে ব্রোমিন স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল থাকে, যা ধাতু সংক্রান্ত প্রশ্নের সাথে প্রায়ই পরীক্ষাতে বিভ্রান্তি তৈরির জন্য দেওয়া হয়। পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কোন অধাতু তরল, যার উত্তর হবে ব্রোমিন।
a কটন
b রেয়ন
c সিল্ক
d উল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রেয়ন ১. কেন সঠিক: - রেয়ন কোনো প্রাকৃতিক তন্তু নয়, এটি একটি কৃত্রিম বা মানবসৃষ্ট সেলুলোজ তন্তু। - গাছ থেকে প্রাপ্ত সেলুলোজ বা কাঠের মজ্জাকে রাসায়নিক প্রক্রiyার মাধ্যমে এই তন্তু তৈরি করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: তন্তু দুই প্রকার, যথা প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম। প্রাকৃতিক তন্তু প্রকৃতি থেকে সরাসরি সংগ্রহ করা হয় আর কৃত্রিম তন্তু ল্যাবরেটরিতে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়। - কার্যপ্রণালি: উদ্ভিজ্জ সেলুলোজ যেমন বাঁশের মজ্জা সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও কার্বন ডাইসালফাইডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ভিসকোজ দ্রবণ তৈরি করে। এই দ্রবণ স্পিনারেটের সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে এসিডের দ্রবণে চালনা করলে রেয়ন সুতা জমাট বেঁধে তৈরি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুলা গাছ থেকে সরাসরি তুলা বা কটন সংগ্রহ করা হয়, যা একটি প্রাকৃতিক তন্তু। ব্যাখ্যা: এটি উদ্ভিদের বীজ থেকে সরাসরি পাওয়া যায় বলে এর কোনো রাসায়নিক রূপান্তর দরকার হয় না। উদাহরণ ২: পলিয়েস্টার ও নাইলন হলো সম্পূর্ণ পেট্রোকেমিক্যাল ভিত্তিক সিন্থেটিক তন্তু। ব্যাখ্যা: এগুলো জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে রাসায়নিক সংশ্লেষণের মাধ্যমে তৈরি হয়, যা প্রাকৃতিক উৎস থেকে আসে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কটন — এটি উদ্ভিদ থেকে প্রাপ্ত একটি প্রাকৃতিক তন্তু যা প্রধানত সেলুলোজ দ্বারা গঠিত। B) রেয়ন — এটি রাসায়নিকভাবে প্রক্রিয়াজাত কৃত্রিম তন্তু হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। C) সিল্ক — এটি রেশম পোকার গুটি থেকে প্রাপ্ত একটি প্রাকৃতিক প্রোটিন তন্তু। D) উল — এটি ভেড়ার পশম থেকে সংগৃহীত একটি প্রাকৃতিক প্রোটিন তন্তু। ৫ মনে রাখার টিপস: কৃত্রিম তন্তুর নাম মনে রাখতে রেয়ন, নাইলন ও পলিয়েস্টার এই তিনটি শব্দ মাথায় রাখবে। প্রাকৃতিক তন্তু মানেই উদ্ভিদ বা প্রাণী থেকে সরাসরি প্রাপ্ত উপাদান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রেয়নকে প্রায়শই আধা কৃত্রিম বা রিজেনারেটেড সেলুলোজ তন্তু বলা হয় কারণ এর মূল উপাদান প্রাকৃতিক। ভবিষ্যতে পরীক্ষায় আসতে পারে নিচের কোনটি শতভাগ সিন্থেটিক তন্তু, যার উত্তর হবে নাইলন।
a Si
b Ga
c In
d Al
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Si ১. কেন সঠিক: কার্বনের মতো সিলিকন মৌলটিরও নিজেদের মধ্যে এবং অন্যান্য মৌলের সঙ্গে সমযোজী বন্ধন তৈরি করে দীর্ঘ শিকল বা চেইন গঠন করার বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে। রসায়নের ভাষায় কার্বনের এই ক্যাটিনেশন ধর্মের সঙ্গে সিলিকনের যথেষ্ট মিল রয়েছে, যদিও সিলিকনের ক্যাটিনেশন ক্ষমতা কার্বনের তুলনায় কিছুটা কম। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ক্যাটিনেশন হলো একই মৌলের পরমাণুগুলো নিজেদের মধ্যে সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে দীর্ঘ শিকল, শাখা শিকল বা বলয় গঠন করার অনন্য রাসায়নিক ধর্ম। রাসায়নিক বন্ধন: কার্বন ও সিলিকন উভয় মৌলই পর্যায় সারণির চতুর্দশ গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত এবং এদের যোজ্যতা চার হওয়ায় এরা সহজে বহুপরমাণুক যৌগ গঠন করতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিলিকন ডাইঅক্সাইড বা বালি। ব্যাখ্যা: সিলিকন এবং অক্সিজেনের দীর্ঘ নেটওয়ার্ক কাঠামোর মাধ্যমে এটি গঠিত হয়, যা সিলিকনের বহুগুণ বন্ধন গঠনের ক্ষমতার প্রমাণ দেয়। উদাহরণ ২: সিলিকন ও অক্সিজেনের পলিমার বা সিলিকন তেল। ব্যাখ্যা: সিলিকন পরমাণুর দীর্ঘ শৃঙ্খলের ওপর ভিত্তি করে এই যৌগগুলো তৈরি হয়, যা কার্বনের অর্গানিক পলিমারের সমতুল্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Si — এটি সঠিক উত্তর কারণ কার্বনের মতো সিলিকনেরও ক্যাটিনেশন ধর্ম রয়েছে। B) Ga — গ্যালিয়াম একটি ধাতু এবং এর ক্যাটিনেশন ধর্ম নেই। C) In — ইন্ডিয়াম একটি পোস্ট-ট্রানজিশন ধাতু যার ক্যাটিনেশন প্রদর্শনের ক্ষমতা নেই। D) Al — অ্যালুমিনিয়াম একটি ধাতু যা সাধারণত আয়নিক বা জটিল যৌগ গঠন করে এবং ক্যাটিনেশন দেখায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: পর্যায় সারণির কার্বনের ঠিক নিচেই রয়েছে সিলিকন, তাই কার্বনের মতো সিলিকনেরও ক্যাটিনেশন ধর্ম থাকে। মনে রাখার জন্য কার্বন ও সিলিকন এই দুটি মৌল একই গ্রুপের সদস্য বলে মাথায় রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ক্যাটিনেশন ধর্ম অর্গানিক কেমিস্ট্রিতে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় কার্বন মৌলের ক্ষেত্রে। একই প্রশ্ন অন্যভাবে আসতে পারে যে, কোন অধাতুটি কার্বনের মতো ক্যাটিনেশন দেখায়, যার উত্তর হবে সিলিকন।
a ইথার
b গ্লুকোজ
c ইথানল
d ফেনল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফেনল ১. কেন সঠিক: ফেনল একটি জৈব যৌগ যাতে একটি অ্যারোমেটিক বেনজিন বলয়ের সাথে হাইড্রোক্সিল মূলক যুক্ত থাকে। জলে দ্রবীভূত হলে ফেনল প্রোটন বা হাইড্রোজেন আয়ন দান করে, যা এটিকে মৃদু এসিডিক প্রকৃতির করে তোলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: যে সকল যৌগ জলীয় দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়ন দান করতে পারে এবং নীল লিটমাস পেপারকে লাল করে, তাদের এসিড বলে। কার্যপ্রণালি: ফেনল থেকে প্রোটন অপসারিত হওয়ার পর যে ফেনক্সাইড আয়ন উৎপন্ন হয়, তা রেজোন্যান্সের মাধ্যমে স্থিতিশীলতা লাভ করে। বাস্তব প্রয়োগ: ফেনলের এসিডিক ধর্মের কারণে এটি বিভিন্ন রঞ্জক পদার্থ, প্লাস্টিক এবং কটু গন্ধনাশক বা অ্যান্টিসেপ্টিক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফেনল জলে সামান্য পরিমাণে দ্রবীভূত হয়ে অ্যাসিডিক দ্রবণ তৈরি করে এবং লিটমাস পেপারকে লাল করে। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে ফেনল অ্যালকোহলের মতো প্রসম নয়, বরং এর সামান্য অম্লীয় বা এসিডিক গুণ রয়েছে। উদাহরণ ২: ফেনলের সাথে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডের বিক্রিয়ায় সোডিয়াম ফেনেট ও জল উৎপন্ন হয়। ব্যাখ্যা: এসিড ও ক্ষারের এই প্রচ্ছদ বিক্রিয়া নিশ্চিত করে যে ফেনল ক্ষারের সাথে বিক্রিয়া করার ক্ষমতা রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইথার — এটি একটি প্রশমিত জৈব যৌগ যেখানে অক্সিজেন পরমাণুটি দুটি অ্যালকাইল মূলকের সাথে যুক্ত থাকে এবং এটি এসিডিক নয়। B) গ্লুকোজ — এটি একটি কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা জাতীয় পদার্থ যাতে অনেকগুলো হাইড্রোক্সিল মূলক থাকলেও এটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বা প্রসম। C) ইথানল — এটি একটি অ্যালিফ্যাটিক অ্যালকোহল যা জলীয় দ্রবণে প্রোটন দান করে না এবং এটি প্রসম প্রকৃতির হয়। D) ফেনল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অ্যারোমেটিক বলয় ও রেজোন্যান্সের প্রভাবে প্রোটন মুক্ত করার ক্ষমতা রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: অ্যালকোহল প্রসম হলেও ফেনল অম্লীয় হয় কারণ এর সাথে বেনজিন রিং যুক্ত থাকে। বেনজিন রিং ইলেকট্রন টেনে নেওয়ার কারণে ফেনল থেকে হাইড্রোজেন আয়ন সহজে বেরিয়ে আসতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ফেনলের রাসায়নিক সংকেত হলো সি সিক্স এইচ ফাইভ ও এইচ। বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে অ্যালকোহল ও ফেনলের মধ্যে কোনটি এসিডিক, যার সঠিক উত্তর ফেনল।
a অপসারণ
b প্রতিস্থাপন
c আইসোমারীকরণ
d যুত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রতিস্থাপন ১. কেন সঠিক: অ্যালকাইল হ্যালাইড থেকে অ্যালকোহল প্রস্তুত করার সময় অ্যালকাইল মূলকের সাথে থাকা হ্যালোজেন পরমাণু অপসারিত হয় এবং তার পরিবর্তে একটি হাইড্রোক্সিল মূলক যুক্ত হয়। এই প্রক্রিয়ায় মূল কার্বন শিকলের গঠনে কোনো পরিবর্তন না ঘটে একটি পরমাণু বা মূলক অন্য একটি পরমাণু বা মূলক দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়, যা প্রতিস্থাপন বিক্রিয়ার মূল বৈশিষ্ট্য। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অণুর কোনো পরমাণু বা মূলক অন্য কোনো পরমাণু বা মূলক দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়ে নতুন যৌগ উৎপন্ন করে তাকে প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া বলে। কার্যপ্রণালি: জলীয় সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইডের সাথে অ্যালকাইল হ্যালাইডের বিক্রিয়ায় হাইড্রোক্সিল আয়ন নিউক্লিওফাইল হিসেবে আক্রমণ করে হ্যালোজেনকে প্রতিস্থাপন করে। রাসায়নিক সমীকরণ: আর-এক্স প্লাস কেওইচ জলীয় থেকে আর-ওএইচ প্লাস কেএক্স উৎপন্ন হয়, যেখানে আর হলো অ্যালকাইল মূলক এবং এক্স হলো হ্যালোজেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইথাইল ক্লোরাইডের সাথে জলীয় সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডের বিক্রিয়ায় ইথানল উৎপন্ন হয়। ব্যাখ্যা: এখানে ক্লোরিন পরমাণু হাইড্রোক্সিল মূলক দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়ে অ্যালকোহল তৈরি করে। উদাহরণ ২: মিথাইল ব্রোমাইডের সাথে জলীয় পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইডের বিক্রিয়ায় মিথানল প্রস্তুত করা হয়। ব্যাখ্যা: এই বিক্রিয়াটি নিউক্লিওফিলিক প্রতিস্থাপন বিক্রিয়ার একটি চমৎকার উদাহরণ যা পরীক্ষাগারে অ্যালকোহল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপসারণ — অপসারণ বিক্রিয়ায় অণু থেকে পরমাণু অপসারিত হয়ে অসম্পৃক্ত যৌগ বা দ্বিবন্ধন তৈরি হয়, যা এখানে ঘটে না। B) প্রতিস্থাপন — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে হ্যালোজেন পরমাণুর পরিবর্তে হাইড্রোক্সিল মূলক যুক্ত হয়। C) আইসোমারীকরণ — আইসোমারীকরণ বিক্রিয়ায় কোনো যৌগের আণবিক সংকেত অপরিবর্তিত রেখে কাঠامোর পুনর্বিন্যাস ঘটে। D) যুত — যুত বিক্রিয়ায় দুটি অণু যুক্ত হয়ে একটিমাত্র নতুন যৌগ গঠন করে কিন্তু এখানে প্রতিস্থাপন ঘটে। ৫ মনে রাখার টিপস: অ্যালকাইল হ্যালাইডের হ্যালোজেন চলে যায় এবং ওএইচ এসে বসে, তাই একে প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া বলে মনে রাখা সহজ। ওএইচ মূলক প্রবেশ করার কারণে এই বিশেষ প্রতিস্থাপন বিক্রিয়াকে নিউক্লিওফিলিক প্রতিস্থাপন বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই বিক্রিয়ায় জলীয় মাধ্যম ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক কারণ অ্যালকোহলীয় মাধ্যম ব্যবহার করলে অপসারণ বিক্রিয়া ঘটে অ্যালকিন উৎপন্ন হয়। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জলীয় বনাম অ্যালকোহলীয় মাধ্যমের এই পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a KCl
b KClO
c KClO₂
d KClO₃
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) KClO₃ ১. কেন সঠিক: ক্লোরিন পরমাণুর জারণ মান যৌগভেদে ভিন্ন হতে পারে এবং KClO₃ যৌগে ক্লোরিনের জারণ সংখ্যা সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ প্লাস পাঁচ। জারণ সংখ্যার হিসাব অনুসারে পটাশিয়ামের প্লাস এক এবং অক্সিজেনের মাইনাস দুই ধরে সমীকরণ সমাধান করলে ক্লোরিনের এই সর্বোচ্চ মান পাওয়া যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: কোনো যৌগে উপস্থিত পরমাণুর নিজস্ব কিছু নির্দিষ্ট জারণ মান থাকে এবং নিরপেক্ষ যৌগের সব পরমাণুর জারণ সংখ্যার যোগফল শূন্য হয়। কার্যপ্রণালি: পটাশিয়াম ক্লোরেট যৌগে পটাশিয়ামের মান প্লাস এক এবং অক্সিজেনের মান মাইনাস দুই বসিয়ে ক্লোরিনের মান হিসাব করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোডিয়াম ক্লোরাইড বা লবণে ক্লোরিনের জারণ সংখ্যা মাইনাস এক হয় কারণ এখানে এটি সোডিয়ামের সাথে একক বন্ধনে যুক্ত থাকে। ব্যাখ্যা: এই উদাহরণ থেকে বোঝা যায় একই মৌল ভিন্ন যৌগে ভিন্ন জারণ সংখ্যা প্রদর্শন করতে পারে। উদাহরণ ২: ব্লিচিং পাউডারে ক্লোরিনের জারণ সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন হয় কারণ এটি জটিল মিশ্রণ। ব্যাখ্যা: এটি দেখায় যে যৌগের গঠন এবং অন্যান্য মৌলের উপস্থিতির ওপর জারণ সংখ্যা নির্ভর করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) KCl - এই যৌগে ক্লোরিনের জারণ সংখ্যা মাইনাস এক হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর নয়। B) KClO - এই যৌগে ক্লোরিনের জারণ সংখ্যা প্লাস এক হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর নয়। C) KClO₂ - এই যৌগে ক্লোরিনের জারণ সংখ্যা প্লাস তিন হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর নয়। D) KClO₃ - এই যৌগে ক্লোরিনের জারণ সংখ্যা প্লাস পাঁচ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: অক্সিজেনের সংখ্যা বাড়লে ক্লোরিনের জারণ সংখ্যাও পর্যায়ক্রমে বাড়তে থাকে। KCl এ শূন্য, KClO এ এক, KClO₂ এ তিন এবং KClO₃ এ পাঁচ জারণ সংখ্যা থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জারণ সংখ্যা নির্ণয়ের সময় সাধারণত অক্সিজেনের জারণ মান মাইনাস দুই এবং ক্ষার ধাতুর জারণ মান প্লাস এক ধরা হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের যৌগ থেকে জারণ সংখ্যা নির্ণয় প্রায়ই আসে।
a সিমেন্ট
b সাবান
c কাগজ
d বস্ত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাগজ ১. কেন সঠিক: - ক্রাফট প্রসেস বা ক্রাফট পদ্ধতি হলো কাঠ থেকে কাগজ তৈরির সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় রাসায়নিক পদ্ধতি। - এই প্রক্রিয়ায় কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত কাঠের টুকরোকে রাসায়নিক দ্রবণের সাহায্যে উচ্চ তাপে সেদ্ধ করে লিগনিন পৃথক করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ক্রাফট প্রসেস হলো একটি রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কাঠের পেপার পাল্প বা মণ্ড প্রস্তুত করা হয়। - কার্যপ্রণালি: সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড এবং সোডিয়াম সালফাইডের জলীয় দ্রবণ ব্যবহার করে কাঠের লিগনিন দ্রবীভূত করা হয়। - কারণ ও ফলাফল: লিগনিন অপসারিত হওয়ায় সেলুলোজের তন্তুগুলো পৃথক হয়ে শক্তিশালী ও টেকসই কাগজের মণ্ড তৈরি করে। - বাস্তব প্রয়োগ: শিল্প কারখানায় লেখার কাগজ, মোড়ক তৈরির কাগজ এবং কার্টন বক্স তৈরিতে এই মণ্ড ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিউজপ্রিন্ট বা সাধারণ লেখার কাগজ তৈরি। ব্যাখ্যা: কাঠের গুঁড়া বা বাঁশ থেকে ক্রাফট প্রক্রিয়ায় মণ্ড তৈরি করে পরবর্তীতে তা থেকে বিভিন্ন ধরনের কাগজ উৎপাদন করা হয়। উদাহরণ ২: ভারী মোড়কের বাদামি রঙের কাগজ। ব্যাখ্যা: ক্রাফট প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত পাল্প পুরোপুরি ব্লিচ বা সাদা না করলে তা থেকে অত্যন্ত শক্ত বাদামি রঙের কাগজ তৈরি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিমেন্ট - ভুল কারণ সিমেন্ট তৈরির জন্য চুনাপাথর এবং কাদা মাটি পুড়িয়ে ক্লিনকার তৈরি করা হয়। B) সাবান - ভুল কারণ সাবান তৈরির জন্য ফ্যাট বা তেলের সাথে ক্ষারের বিক্রিয়া ঘটানো হয় যাকে সাবানায়ন বলে। C) কাগজ - সঠিক কারণ এই শিল্পে ক্রাফট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাঠের রাসায়নিক মণ্ড প্রস্তুত করা হয়। D) বস্ত্র - ভুল কারণ বস্ত্র শিল্পে সুতা তৈরি এবং রং করার জন্য বিভিন্ন আলাদা রাসায়নিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্রাফট শব্দটি জার্মান ভাষা থেকে এসেছে যার অর্থ শক্তি। শক্ত কাগজ তৈরির এই পদ্ধতি মনে রাখতে কা দিয়ে ক্রাফট এবং কা দিয়ে কাগজ এই মিলটি মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ক্রাফট প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত রাসায়নিক দ্রবণকে হোয়াইট লিকার বলা হয়। - এই ধরনের প্রশ্ন ব্যাংক নিয়োগ এবং বিসিএস পরীক্ষায় শিল্প ও রাসায়নিক প্রক্রিয়া ক্যাটাগরিতে প্রায়ই আসে।
a ইথানল
b ইথার
c পানি
d বিউটেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পানি ১. কেন সঠিক: - পানির অণুতে অক্সিজেন পরমাণুর উচ্চ তড়িৎ ঋণাত্মকতার কারণে তীব্র হাইড্রোজেন বন্ধন গঠিত হয়। - একটি পানির অণুর হাইড্রোজেন পরমাণু অন্য পানির অণুর অক্সিজেনের সঙ্গে এই আকর্ষণ বল তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: হাইড্রোজেন বন্ধন হলো এমন একটি আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল যা অত্যন্ত তড়িৎ ঋণাত্মক পরমাণু এবং হাইড্রোজেন পরমাণুর মধ্যে ঘটে। - কার্যপ্রণালি: পানির সংকেত এইচ টু ও, যেখানে অক্সিজেন হাইড্রোজেনকে ইলেকট্রন নিজের দিকে টেনে নিয়ে আংশিক ঋণাত্মক আধান তৈরি করে। - বাস্তব প্রয়োগ: শক্তিশালী হাইড্রোজেন বন্ধনের কারণেই সাধারণ তাপমাত্রায় পানি তরল অবস্থায় থাকে এবং এর স্ফুটনাঙ্ক অনেক বেশি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বরফের ভাসমান অবস্থা ব্যাখ্যা: হাইড্রোজেন বন্ধনের কারণে বরফের অণুগুলোর মাঝে ফাঁকা স্থান তৈরি হয়, ফলে বরফ পানির চেয়ে হালকা হয়। উদাহরণ ২: ডিএনএর গঠন ব্যাখ্যা: ডিএনএ অণুর দুটি স্ট্র্যান্ডের বেসগুলোর মধ্যে হাইড্রোজেন বন্ধন থাকার কারণে এর দ্বিতন্ত্রী গঠন স্থিতিশীল থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইথানল — এতে হাইড্রোজেন বন্ধন থাকলেও পানির তুলনায় এর মাত্রা দুর্বল কারণ এতে অ্যালকাইল মূলক থাকে। B) ইথার — ইথারে সরাসরি অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনের বন্ধন না থাকায় এটি হাইড্রোজেন বন্ধন গঠন করতে পারে না। C) পানি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে দুটি সক্রিয় হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের কারণে শক্তিশালী বন্ধন গঠিত হয়। D) বিউটেন — এটি একটি অ্যালকেন যা অধ্রুবীয় এবং এতে হাইড্রোজেন বন্ধন গঠনের কোনো সুযোগ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - সবচেয়ে ছোট অণু যাতে অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন থাকে, অর্থাৎ পানি, তার হাইড্রোজেন বন্ধন সবচেয়ে শক্তিশালী। - তড়িৎ ঋণাত্মক মৌল ফোন, অর্থাৎ ফ্লোরিন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন হাইড্রোজেন বন্ধন তৈরি করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পানিতে হাইড্রোজেন বন্ধনের সংখ্যা প্রতিটি অণুর জন্য গড়ে চারটি পর্যন্ত হতে পারে। - প্রশ্ন আসতে পারে কোন যৌগের স্ফুটনাঙ্ক সবচেয়ে বেশি, যার উত্তর সাধারণত হাইড্রোজেন বন্ধনযুক্ত পানি হয়।
a ফ্যাটি এসিড
b গ্লুকোজ
c অ্যামিনো এসিড
d সাইট্রিক এসিড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যামিনো এসিড ১. কেন সঠিক: প্রোটিন বা আমিষ হলো এক ধরণের জটিল জৈব যৌগ যা মূলত কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন দ্বারা গঠিত। অসংখ্য অ্যামিনো এসিড পেপটাইড বন্ধনে যুক্ত হয়ে প্রোটিন অণু গঠন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অ্যামিনো এসিড হলো প্রোটিনের মূল একক বা মনোমার। মানবদেহে সাধারণত কুড়ি রকমের অ্যামিনো এসিড প্রোটিন তৈরিতে অংশ নেয়। কার্যপ্রণালি: কোষের রাইবোজোমে মেসেঞ্জার আরএনএর নির্দেশনা অনুযায়ী অ্যামিনো এসিডগুলো একটার পর একটা যুক্ত হয়ে দীর্ঘ শিকল বা polypeptide chain তৈরি করে। বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের শরীরের পেশি গঠন, কোষের বৃদ্ধি এবং ক্ষয়পূরণে প্রোটিন সরাসরি কাজ করে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকার আমিষ জাতীয় খাবার হজম হয়ে অ্যামিনো এসিডে পরিণত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডিমের সাদা অংশ বা অ্যালবুমিন। ব্যাখ্যা: এটি একটি উচ্চমানের প্রোটিন যা পরিপাকতন্ত্রে ভেঙে প্রয়োজনীয় অ্যামিনো এসিড সরবরাহ করে। উদাহরণ ২: ডাল ও সয়াবিন। ব্যাখ্যা: উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের চমৎকার উৎস যা বিভিন্ন অ্যামিনো এসিডের সমন্বয়ে গঠিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্যাটি এসিড — এটি লিপিড বা চর্বির মূল উপাদান, যা গ্লিসারলের সাথে যুক্ত হয়ে ফ্যাট তৈরি করে। B) গ্লুকোজ — এটি শর্করা বা কার্বোহাইড্রেটের সরল রূপ, যা কোষের শক্তির প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে। C) অ্যামিনো এসিড — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং প্রোটিনের মৌলিক একক। D) সাইট্রিক এসিড — এটি এক ধরণের জৈব এসিড যা লেবু ও কমলালেবুতে পাওয়া যায় এবং শক্তি উৎপাদনে ক্রেবস চক্রে ভূমিকা রাখে। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রোটিনের প এবং অ্যামিনো এসিডের অ মনে রেখে প্রঅ বা প্রোটিন মানেই অ্যামিনো এসিডের শিকল হিসেবে মনে রাখতে পারো। আমিষ পরিপাক হয়ে সবশেষে অ্যামিনো এসিডে পরিণত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রোটিনে নাইট্রোজেন থাকে যা শর্করা ও লিপিডে সচরাচর থাকে না। প্রোটিনের অভাব হলে কোয়শিওরকর ও মারাসমাস রোগ হয়।
a ফ্যাট
b NaOH
c Ca(OH)₂
d গ্লিসারিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Ca(OH)₂ ১. কেন সঠিক: সাবান তৈরিতে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ব্যবহার করা হয়। ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড সাবান শিল্পের সাথে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নয় কারণ এটি চর্বির সাথে বিক্রিয়া করে সাবান উৎপন্ন করতে পারে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: সাবান হলো উচ্চতর ফ্যাটি অ্যাসিডের সোডিয়াম বা পটাসিয়াম লবণ। রাসায়নিক বিক্রিয়া: ফ্যাট বা তেলের সাথে কস্টিক সোডা বা কস্টিক পটাশ যোগ করে তাপ দিলে সাবান ও গ্লিসারিন উৎপন্ন হয়। বাস্তব প্রয়োগ: কাপড় কাটার সাবান তৈরিতে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড এবং গোসলের সাবান তৈরিতে পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নারকেল তেল এবং সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড মিশিয়ে তাপ দিলে কঠিন সাবান তৈরি হয়। ব্যাখ্যা: এটি সাবান তৈরির মূল রাসায়নিক প্রক্রিয়া বা সাবোনিফিকেশন বিক্রিয়া প্রদর্শন করে। উদাহরণ ২: জলপাই তেল এবং পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড একত্রে মিশিয়ে তরল সাবান প্রস্তুত করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি বিভিন্ন ক্ষার ব্যবহারের মাধ্যমে ভিন্ন ধরনের সাবান উৎপাদনের বৈজ্ঞানিক নীতি বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্যাট — এটি সাবান উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল যার মধ্যে ফ্যাটি অ্যাসিডের এস্টার থাকে। B) NaOH — এটি সাবান তৈরির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষার যা সোডিয়াম সাবান তৈরি করে। C) Ca(OH)₂ — এটি সাবান তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না বরং এটি ব্লিচিং পাউডার ও মর্টার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। D) গ্লিসারিন — এটি সাবান তৈরির মূল প্রক্রিয়ার একটি উপজাত হিসেবে উৎপন্ন হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সাবান তৈরিতে সোডা লাগে সোডা মানে NaOH আর ফ্যাট ও গ্লিসারিন তো সাবানের সাথেই থাকে। ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা চুন সাবানের বদলে হোয়াইট ওয়াশ বা ঘরময় চুনকাম করার কাজে লাগে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সাবান প্রস্তুতি বিক্রিয়াকে সাবোনিফিকেশন বা সাবানায়ন বলা হয়। এই টপিক থেকে প্রায়ই কোন ক্ষার ব্যবহার করা হয় বা উপজাত কী পাওয়া যায় তা নিয়ে প্রশ্ন আসে।
a CuSO₄5H₂O
b CuSO₄ (অনার্দ্র)
c CaSO₄
d NaSO₄
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: রসায়ন (অমরত্ব ও রাসায়নিক পরীক্ষা) প্রদত্ত সঠিক উত্তর: C) CaSO₄ (নোট: প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তরটি সংশোধন করা হলো, কারণ পানির উপস্থিতি শনাক্তকরণে পরীক্ষাগারে মূলত অনার্দ্র কপার সালফেট বা কপার সালফেট পেন্টাহাইড্রেট ব্যবহৃত হয়। তবে প্রমিত উত্তর হিসেবে অনার্দ্র কপার সালফেট বা কপার সালফেটের বিভিন্ন রূপ বিবেচনা করা হয়। সঠিক পরীক্ষাগারভিত্তিক প্রমিত উত্তর হলো অনার্দ্র কপার সালফেট বা কপার সালফেট টেস্ট।) ১. কেন সঠিক: - কপার সালফেটের অনার্দ্র রূপ পানির সংস্পর্শে এলে রঙিন হয়ে যায় এবং তা থেকে পানির উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায়। - জলীয় বা তরল পানির অণু এর ক্রিস্টাল স্ট্রাকচারে যুক্ত হয়ে নতুন যৌগ গঠন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অনার্দ্র লবণ হলো এমন লবণ যাতে কোনো কেলাসন পানি থাকে না এবং তারা পানি শোষণ করতে পারে। - কার্যপ্রণালি: অনার্দ্র সাদা কপার সালফেটের সাথে পানি যোগ করলে তা নীল রঙের কপার সালফেট পেন্টাহাইড্রেটে পরিণত হয়। - রাসায়নিক পরিবর্তন: সাদা রঙের অনার্দ্র কপার সালফেট পানির সাথে বিক্রিয়া করে নীল রঙের হাইড্রেটেড লবণে রূপান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ল্যাবরেটরিতে ইথানল বা অন্যান্য জৈব দ্রাবকে পানির উপস্থিতি পরীক্ষা করতে অনার্দ্র কপার সালফেট ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: জৈব তরলে সামান্য পানি থাকলে সাদা পাউডার নীল বর্ণ ধারণ করে। উদাহরণ ২: সিলিকা জেল ব্যাগের মাধ্যমে ক্যামেরার লেন্স বা ইলেকট্রনিক্সে আর্দ্রতা রোধ করা হয়। ব্যাখ্যা: সিলিকা জেল পরিবেশ থেকে জলীয় বাষ্প শোষণ করে শুষ্ক রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) CuSO₄.5H₂O — এটি হাইড্রেটেড কপার সালফেট, যার মধ্যে আগে থেকেই পানি যুক্ত থাকে এবং এটি দিয়ে নতুন করে পানি শনাক্ত করা যায় না। B) CuSO₄ (অনার্দ্র) — এটি প্রমিত উত্তর হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত কপার সালফেটের নানা রূপ এবং অন্যান্য যৌগ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়, তবে পরীক্ষাগারের প্রধান নির্দেশক হিসেবে অনার্দ্র কপার সালফেটই মূল উত্তর। C) CaSO₄ — এটি ক্যালসিয়াম সালফেট বা জিপসামের অনার্দ্র রূপ, যা মূলত শুষ্ককারক হিসেবে ব্যবহৃত হয় কিন্তু কালার পরিবর্তনের মাধ্যমে পানির নির্দিষ্ট সংকেত দেয় না। D) NaSO₄ — এটি সোডিয়াম সালফেট, যা পরীক্ষাগারে পানি শনাক্তকরণের সাধারণ নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - কপার সালফেট মানেই রঙের খেলা, সাদা থেকে নীল হলে বুঝবে পানি এসে গেছে। - অনার্দ্র লবণের নামের আগে অনার্দ্র শব্দ থাকলেই বুঝবে সেখানে পানি নেই এবং সে পানি খুঁজছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কেলাসন পানির উপস্থিতি এবং পদার্থের বর্ণ পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রশ্ন BCS পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - নীল রঙের কপার সালফেটকে উত্তপ্ত করলে তা আবার সাদা অনার্দ্র লবণে পরিণত হয়।
a নিউট্রিনো
b বোসন
c প্রোটন
d মেসন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রোটন ১. কেন সঠিক: মহাজাগতিক রশ্মি বা কসমিক রে প্রধানত মহাশূন্য থেকে আলোর বেগের কাছাকাছি গতিতে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আসা উচ্চ শক্তির প্রোটন এবং অন্যান্য পারমাণবিক নিউক্লিয়াস। এই রশ্মিগুলো যখন বায়ুমণ্ডলের অণুর সাথে সংঘর্ষ ঘটায়, তখন নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে থাকা মৌলিক কণাগুলো উন্মুক্ত হয় এবং প্রোটনের উপস্থিতি নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মহাজাগতিক রশ্মি মূলত গ্যালাক্টিক উৎস থেকে আসা অত্যন্ত উচ্চ শক্তির চার্জযুক্ত কণা, যার பெரும்பাগই একক প্রোটন বা হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াস। কার্যপ্রণালি: এই কণাগুলো পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্র ও বায়ুমণ্ডলের গ্যাসীয় অণুর সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে নিউক্লীয় বিক্রিয়া ঘটায় এবং সেকেন্ডারি কণা তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যের করোনা থেকে নির্গত প্রোটন কণা বা সোলার প্রোটন ইভেন্ট। ব্যাখ্যা: এটি মহাজাগতিক উচ্চ শক্তির কণার উৎস এবং নিউক্লীয় গঠনের সরাসরি প্রমাণ দেয়। উদাহরণ ২: বায়ুমণ্ডলের উচ্চ স্তরে কসমিক রে শাওয়ার বা কণার বৃষ্টিপাত। ব্যাখ্যা: এটি দেখায় কীভাবে উচ্চ শক্তির প্রোটন বায়ুমণ্ডলের পরমাণুকে ভেঙে নতুন কণা তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউট্রিনো — নিউট্রিনো হলো অত্যন্ত হালকা এবং প্রায় ভরহীন চার্জহীন মৌলিক কণা, যা নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে স্থায়ীভাবে থাকে না বরং তেজস্ক্রিয় ক্ষয়ের সময় নির্গত হয়। B) বোসন — বোসন হলো পূর্ণ স্পিনযুক্ত কণা যা বলের বাহক হিসেবে কাজ করে, যেমন ফোটন বা হিগস বোসন, কিন্তু এটি নিউক্লিয়াসের মূল গঠন উপাদান নয়। C) প্রোটন — এটি সঠিক উত্তর কারণ মহাজাগতিক রশ্মির প্রধান উপাদান হলো প্রোটন এবং নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে এর উপস্থিতি পরীক্ষামূলকভাবে প্রমাণিত। D) মেসন — মেসন হলো কোয়ার্ক ও অ্যান্টি-কোয়ার্ক দ্বারা গঠিত একটি হ্যাড্রন কণা, যা নিউক্লিয়নের মধ্যে বল বিনিময়ে ভূমিকা রাখে কিন্তু নিজে নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে স্থায়ী উপাদান নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মহাজাগতিক রশ্মি মানেই মহাশূন্য থেকে আসা উচ্চ শক্তির প্রোটন কণার স্রোত। মনে রাখবেন কসমিক রশ্মির মূল ভিত্তি হলো পরমাণুর সবচেয়ে পরিচিত ধনাত্মক কণা প্রোটন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কার করেন ভিক্টর হেস, যার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান। এই টপিক থেকে প্রায়ই কসমিক রশ্মির উপাদান এবং বায়ুমণ্ডলে এর প্রভাব সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a - 3 ms⁻¹
b 6 ms⁻¹
c 3 ms⁻¹
d 5 ms⁻¹
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) − ৩ ms⁻¹ প্রদত্ত তথ্য: কণার অবস্থানের সমীকরণটি হলো x = ২ − ৫t + ৬t² ধরি, সরণকে সময়ের সাপেক্ষে অন্তরীকরণ করে বেগ নির্ণয় করতে হবে বেগ v = (dx ÷ dt) অতএব, v = d ÷ dt (২ − ৫t + ৬t² ) v = − ৫ + ১২t সুতরাং, আদিবেগ বের করতে সময় t = ০ বসাতে হবে t = ০ হলে, v = − ৫ + ১২ × ০ উত্তর: − ৫ ms⁻¹
a Na₂CO₃
b NaOH
c NH₄OH
d (NH₄)₂CO₃
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) NaOH ১. কেন সঠিক: টয়লেট ক্লিনারের মূল উপাদান সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড। এটি একটি অত্যন্ত তীব্র ক্ষার যা প্যান, কমোড বা সিঙ্কের পাইপে জমে থাকা চর্বি, চুল এবং জৈব আবর্জনা দ্রবীভূত করতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড একটি শক্তিশালী ক্ষার যা সাবানীকরণ বিক্রিয়ার মাধ্যমে তেল ও চর্বিকে দ্রবণীয় পদার্থে রূপান্তর করে। কার্যপ্রণালি: এটি নর্দমার ব্লকেজে থাকা প্রোটিন ও ফ্যাট ভেঙে ফেলে এবং খুব সহজে পানি দিয়ে পরিষ্কার করা সম্ভব করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রান্নাঘরের বেসিনে জমে থাকা তেলের আস্তরণ পরিষ্কার করতে তরল ক্লিনার ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি চর্বির সাথে বিক্রিয়া করে সাবান তৈরি করে যা পানির সাথে ধুয়ে যায়। উদাহরণ ২: টয়লেটের কঠিন দাগ ও পাইপের ময়লা দূর করা। ব্যাখ্যা: তীব্র ক্ষারীয় বৈশিষ্ট্য জৈব পদার্থকে গলিয়ে ফেলতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Na2CO3 — এটি সোডিয়াম কার্বনেট বা ওয়াশিং সোডা, যা মৃদু ক্ষারক এবং কাপড় কাটার সোডা হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তীব্র টয়লেট ক্লিনারে মূল উপাদান হিসেবে থাকে না। B) NaOH — এটি সঠিক উত্তর সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড, যা অত্যন্ত শক্তিশালী ক্ষার এবং ক্লিনারের মূল উপাদান। C) NH4OH — এটি অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড, যা কাচ পরিষ্কারক ও ল্যাবরেটরিতে ব্যবহৃত হয়, ভারী টয়লেট ক্লিনারে ব্যবহৃত হয় না। D) (NH4)2CO3 — এটি অ্যামোনিয়াম কার্বনেট, যা বেকিং পাউডার এবং সুগন্ধি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, টয়লেট ক্লিনারের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: টয়লেট পরিষ্কার করার জন্য শক্ত ও তীব্র ক্ষার লাগে, যার রাসায়নিক সংকেত সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা কষ্টিক সোডা। কষ্টিক সোডার তীব্রতা নর্দমার জমে থাকা ময়লা নিমেষেই দূর করতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রাসায়নিক যৌগের সাধারণ নাম ও বাণিজ্যিক নাম প্রায়ই আসে। সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডের বাণিজ্যিক নাম কষ্টিক সোডা এবং সোডিয়াম কার্বনেটের নাম ওয়াশিং সোডা।
a চন্দ্র গ্রহণ
b সূর্য গ্রহণ
c অমাবস্যা
d পূর্ণিমা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সূর্য গ্রহণ ১. কেন সঠিক: যখন সূর্য ও পৃথিবীর ঠিক মাঝখানে চাঁদ একই সরলরেখায় চলে আসে, তখন চাঁদের ছায়া পৃথিবীর ওপর পড়ে। এই ছায়া পড়ার কারণে সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে বাধা পায় এবং একে সূর্যগ্রহণ বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: জ্যোতির্বিজ্ঞান অনুযায়ী সূর্যগ্রহণ হলো এমন একটি মহাজাগতিক ঘটনা যখন চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে অবস্থান করে। কার্যপ্রণালি: চাঁদের আবর্তন গতির কারণে এটি এমন এক অবস্থানে আসে যেখানে সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী সমসূত্রে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ ব্যাখ্যা: এ সময় চাঁদ সূর্যকে সম্পূর্ণ ঢেকে ফেলায় দিনের বেলাতেও কিছুক্ষণের জন্য রাতের মতো অন্ধকার নেমে আসে। উদাহরণ ২: আংশিক সূর্যগ্রহণ ব্যাখ্যা: চাঁদ যখন সূর্যকে সামান্য অংশ ঢেকে রাখে তখন তাকে আংশিক সূর্যগ্রহণ বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চন্দ্র গ্রহণ — চন্দ্রগ্রহণ ঘটে যখন সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী আসে, চাঁদ ও পৃথিবী এখানে ভিন্ন অবস্থানে থাকে। B) সূর্য গ্রহণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অবস্থায় চাঁদের ছায়া পৃথিবীতে পড়ে। C) অমাবস্যা — এটি তিথির নাম, তবে এই অবস্থানে সূর্যগ্রহণ ঘটে কিন্তু প্রশ্নানুসারে নির্দিষ্ট ঘটনাটি গ্রহণ। D) পূর্ণিমা — পূর্ণিমার রাতে পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মাঝে থাকে, যা এই প্রশ্নের অবস্থানের সম্পূর্ণ বিপরীত। ৫ মনে রাখার টিপস: সূর্যগ্রহণের সময় মনে রাখবেন সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে চাঁদ থাকে অর্থাৎ স-চ-পৃ ক্রম মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সূর্যগ্রহণ কেবল অমাবস্যার দিনেই সংঘটিত হতে পারে। একই রকম অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যে চন্দ্রগ্রহণের সময় মাঝখানে কোন গ্রহ বা উপগ্রহ থাকে।
a স্ফিগমোনোম্যানোমিটার
b স্টেথোস্কোপ
c ইকোকারডিওগ্রাফ
d কার্ডিওগ্রাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্ফিগমোনোম্যানোমিটার ১. কেন সঠিক: - স্ফিগমোনোম্যানোমিটার যন্ত্রটি মানবদেহের ধমনীর রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। - এর কার্যপদ্ধতিতে পারদের কলাম বা বায়ুচাপের মাধ্যমে রক্তনালীর ওপর সাময়িক চাপ প্রয়োগ করে সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক চাপ নির্ণয় করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রক্তচাপ হলো হৃদপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে ধমনীর গায়ে রক্তের প্রিয়া এবং এর একক হলো মিলিমিটার অব মার্কারি বা mmHg। - কার্যপ্রণালি: বাহুর কাফে পাম্প করে বাতাস ঢুকিয়ে রক্তপ্রবাহ সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয় এবং স্টেথোস্কোপের সাহায্যে শব্দের মাধ্যমে চাপ মাপা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন নির্ণয়। ব্যাখ্যা: চিকিৎসকরা রোগীর হৃদরোগের ঝুঁকি বুঝতে নিয়মিত এই যন্ত্রের সাহায্যে রক্তচাপ পরীক্ষা করেন। উদাহরণ ২: অস্ত্রোপচারের পূর্বে রোগীর শারীরিক অবস্থা যাচাই। ব্যাখ্যা: অপারেশন থিয়েটারে রোগীর রক্তচাপ স্বাভাবিক আছে কি না তা নিশ্চিত করতে এটি অপরিহার্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্ফিগমোনোম্যানোমিটার — এটি মানবদেহের রক্তচাপ পরিমাপ করার জন্য ব্যবহৃত সঠিক বৈজ্ঞানিক যন্ত্র। B) স্টেথোস্কোপ — এটি হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসের অভ্যন্তরীণ শব্দ শোনার যন্ত্র, যা রক্তচাপ সরাসরি মাপে না। C) ইকোকারডিওগ্রাফ — এটি হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কার্যকারিতা দেখার আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষা, রক্তচাপ মাপার যন্ত্র নয়। D) কার্ডিওগ্রাম — এটি ইসিজি বা ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম নামে পরিচিত, যা হৃৎপিণ্ডের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ রেকর্ড করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্ফিগমোনোম্যানোমিটার নামটি বেশ বড় এবং এটি প্রেশার মাপার ভারী যন্ত্র, তাই প্রথম অংশটি মনে রাখলেই উত্তর মেলানো সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্বাভাবিক মানুষের রক্তচাপের আদর্শ মান হলো ১২০ এবং ৮০ মিলিমিটার অব মার্কারি। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় বারবার আসে, তাই যন্ত্রগুলোর নাম ও কাজ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a বল ও কাজ
b কাজ ও শক্তি
c বল ও টর্ক
d কাজ ও ক্ষমতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজ ও শক্তি ১. কেন সঠিক: কাজ হলো বল প্রয়োগের ফলে কোনো বস্তুর সরণ ঘটার পরিমাপ এবং শক্তি হলো কাজ করার সামর্থ্য। উভয় রাশির মাত্রা সমান কারণ কোনো বস্তুর ওপর প্রযুক্ত বল দ্বারা সম্পন্ন কাজ, বস্তুর মধ্যে শক্তি হিসেবে জমা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভৌত রাশিমমালায় কাজ ও শক্তির একক এবং মাত্রা একই রকম হয়ে থাকে। সূত্র: কাজের সূত্র হলো W = F × s, যেখানে F হলো বল এবং s হলো সরণ। কার্যপ্রণালি: বলের মাত্রা হলো MLT^−2 এবং সরণের মাত্রা হলো L, ফলে কাজের মাত্রা হয় ML^2T^−2। কারণ ও ফলাফল: শক্তির রূপান্তর ঘটলেও তার মৌলিক মাত্রা অপরিবর্তিত থাকে, তাই কাজের মাত্রা এবং শক্তির মাত্রা সর্বদা সমান হয়। বাস্তব প্রয়োগ: কোনো বস্তুকে মাটি থেকে ওপরে তুললে যে কাজ করা হয়, তা বস্তুর মধ্যে পটেনশিয়াল এনার্জি বা বিভব শক্তি হিসেবে জমা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: টেবিলের ওপর রাখা একটি বইকে মেঝে থেকে ওপরে তোলার ঘটনা। ব্যাখ্যা: এখানে অভিকর্ষ বলের বিরুদ্ধে কাজ করা হয় এবং সেই কাজের পরিমাণই বইটির মধ্যে শক্তি হিসেবে সঞ্চিত থাকে। উদাহরণ ২: চলন্ত গাড়ির ব্রেক কষে থামানোর ঘটনা। ব্যাখ্যা: গাড়ির গতিশক্তি ক্ষয় হয়ে ঘর্ষণ বলের প্রভাবে তা কাজে রূপান্তরিত হয়, যা শক্তির সংরক্ষণশীলতা নীতিকে সমর্থন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বল ও কাজ — বলের মাত্রা MLT^−2 এবং কাজের মাত্রা ML^2T^−2 হওয়ায় এদের মাত্রা এক নয়। B) কাজ ও শক্তি — এই দুটি রাশির মাত্রা একই (ML^2T^−2) এবং এদের এসআই একক হলো জুল। C) বল ও টর্ক — বল হলো রৈখিক ধাক্কা বা টান এবং টর্ক হলো ঘূর্ণন বল, তাই এদের মাত্রা ভিন্ন। D) কাজ ও ক্ষমতা — কাজ হলো শক্তির পরিমাপ এবং ক্ষমতা হলো কাজ সম্পাদনের হার, তাই এদের মাত্রা আলাদা। ৫ মনে রাখার টিপস: কাজ মানেই শক্তি জমানো বা খরচ করা, তাই কাজ ও শক্তির মাত্রা এবং একক সর্বদা একই হয়। বিভব শক্তি বা গতিশক্তির মাত্রা মনে রাখলেই কাজের মাত্রাও সহজে বের করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমমাত্রার রাশিগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। কাজ, শক্তি এবং টর্ক ও কাজের মাত্রার পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যাবে।
a v = u + at
b v = u + at³
c v = 4 + at²/3
d v = 4 + at²/2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) v = u + at ১. কেন সঠিক: - আদিবেগ u এবং সুষম ত্বরণ a বিশিষ্ট কোনো বস্তু t সময় পরে যে বেগ প্রাপ্ত হয়, তাকে গতির সমীকরণের সাহায্যে এই রূপে প্রকাশ করা হয়। - সময়ের সাথে বেগের পরিবর্তনের হারই হলো ত্বরণ, যা এই সমীকরণের মাধ্যমে সরাসরি নির্ণয় করা সম্ভব হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ত্বরণ হলো প্রতি একক সময়ে বেগের পরিবর্তনের হার, অর্থাৎ একক সময়ে বেগ যতটুকু বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়। - সূত্র/তত্ত্ব: ত্বরণ a = (v − u) ÷ t, যেখানে v হলো শেষবেগ, u হলো আদিবেগ এবং t হলো সময়। - কার্যপ্রণালি: এই সমীকরণে উভয় পক্ষকে t দ্বারা গুণ করে এবং u কে পক্ষান্তর করলে শেষবেগের মান নির্ধারিত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: কোনো গাড়ি স্থির অবস্থা থেকে যাত্রা শুরু করে নির্দিষ্ট সুষম হারে গতি বৃদ্ধি করলে নির্দিষ্ট সময়ে তার বেগ কত হবে তা হিসাব করতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি গাড়ি স্থির অবস্থান থেকে যাত্রা শুরু করে প্রতি সেকেন্ডে ২ মিটার প্রতি সেকেন্ড হারে ত্বরণ সৃষ্টি করে ৫ সেকেন্ড পর কত বেগ অর্জন করবে তা এই সমীকরণ দিয়ে মাপা যায়। ব্যাখ্যা: এখানে আদিবেগ শূন্য, ত্বরণ দুই এবং সময় পাঁচ হলে শেষবেগ দশ মিটার প্রতি সেকেন্ড পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: চলন্ত ট্রেনে ব্রেক কষে সুষম মন্দন সৃষ্টি করলে নির্দিষ্ট সময় পর তার শেষবেগ কত হবে তা এই নিয়মে হিসাব করা হয়। ব্যাখ্যা: মন্দনের ক্ষেত্রে ত্বরণের মান ঋণাত্মক ধরে এই সমীকরণটি সফলভাবে প্রয়োগ করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) v = u + at — এটি গতির প্রথম সমীকরণ এবং বেগের পরিবর্তনের সঠিক ও প্রমাণিত গাণিতিক রূপ। B) v = u + at³ — সময়ের ত্রিঘাতের সাথে বেগের পরিবর্তনের কোনো বৈজ্ঞানিক সম্পর্ক বা গতিসূত্র নেই। C) v = 4 + at²/3 — এখানে সময়ের বর্গ এবং ভগ্নাংশ ব্যবহারের কারণে এটি গতির সাধারণ সুষম ত্বরণের সূত্র হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। D) v = 4 + at²/2 — এটি সরণ নির্ণয়ের সূত্রের একটি অংশের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হলেও বেগ নির্ণয়ের সঠিক সমীকরণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - গতি সংক্রান্ত সমীকরণ মনে রাখতে ভেটেরিনারি বা VUT শব্দগুচ্ছ মনে রাখতে পারো, যেখানে V হলো শেষবেগ, U হলো আদিবেগ এবং AT হলো ত্বরণ ও সময়ের গুণফল। - ত্বরণের সাথে সময় সরাসরি গুণ হয়, কোনো বর্গ বা ঘন হয় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গতির সমীকরণ থেকে প্রায়শই গাণিতিক সমস্যা ও তাত্ত্বিক প্রশ্ন আসে। - এই একই ধারণা থেকে সরণ সম্পর্কিত সমীকরণ যেমন s = ut + 0.5at² সংক্রান্ত প্রশ্নও পরীক্ষায় থাকতে পারে।
a 40kg ms⁻¹
b 100kg ms⁻¹
c 4kg ms⁻¹
d 400kg ms⁻¹
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪০০ kg ms⁻¹ ১. কেন সঠিক: - বল প্রয়োগের সময়কালের সাথে প্রযুক্ত বলের গুণফলই হলো ভরবেগের পরিবর্তন। - নিউটনের গতির দ্বিতীয় সূত্র অনুসারে, ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সমান। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কোনো বস্তুর উপর বল প্রয়োগ করলে তার বেগের পরিবর্তন হয়, যার ফলে ভরবেগেরও পরিবর্তন ঘটে। - সূত্র: ভরবেগের পরিবর্তন = বল × সময় (বা, Δp = F × t)। - কার্যপ্রণালি: এখানে প্রযুক্ত বল (F) হলো ৪০ নিউটন এবং সময় (t) হলো ১০ সেকেন্ড। - হিসাব: ভরবেগের পরিবর্তন = ৪০ নিউটন × ১০ সেকেন্ড = ৪০০ kg ms⁻¹। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি চলন্ত রিকশার উপর পেছন থেকে ধাক্কা দিলে তার বেগ বৃদ্ধি পায়। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত বল প্রয়োগের ফলে রিকশার ভরবেগের পরিবর্তন ঘটে এবং এটি দ্রুত ছোটে। উদাহরণ ২: ফিল্ডিং করার সময় একজন ক্রিকেটার বল ধরার হাত কিছুটা পেছনে টেনে নেন। ব্যাখ্যা: সময় বাড়িয়ে দেওয়ার কারণে বলের আঘাত বা ভরবেগের পরিবর্তনের হার কমে যায়, ফলে হাতে ব্যথা কম লাগে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪০ kg ms⁻¹ — এটি বল ও সময়ের সঠিক গুণফল নয়, বরং হিসাবের সময় ভুল মান বসানোর কারণে এই মান এসেছে। B) ১০০ kg ms⁻¹ — এই মানটি প্রশ্ন প্রদত্ত সংখ্যাগুলোর সঠিক গাণিতিক সম্পর্কের সাথে মেলে না। C) ৪ kg ms⁻¹ — এটি বস্তুর ভর এবং সময়ের ভুল অনুপাত বা গুণের ফল, যা ভরবেগের পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) ৪০০ kg ms⁻¹ — এটি বল (৪০) এবং সময় (১০) গুণ করে প্রাপ্ত সঠিক ভরবেগের পরিবর্তনের মান। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভরবেগের পরিবর্তন বের করতে বলের সাথে সময় গুণ করতে হয়। - সূত্রটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো বল গুণ সময় সমান ভরবেগের পরিবর্তন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই সূত্র থেকে বল, সময় বা ভরবেগের পরিবর্তনের যেকোনো দুটি মান দেওয়া থাকলে অন্যটি বের করা যায়। - পরীক্ষার হলে এককগুলোর দিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে যেন সব মান আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে থাকে।
a 86°F
b 80°F
c 68°F
d 62°F
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮৬°F ১. কেন সঠিক: সেলসিয়াস স্কেলের ৩০ ডিগ্রি তাপমাত্রা ফারেনহাইট স্কেলে রূপান্তর করলে ৮৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট হয়। তাপমাত্রা পরিমাপের বিভিন্ন স্কেলের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট গাণিতিক সম্পর্ক রয়েছে যা এই মান নির্ধারণ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: তাপমাত্রা হলো বস্তুর এমন এক তাপীয় অবস্থা যা নির্ধারণ করে বস্তুটি অন্য কোনো বস্তুর সংস্পর্শে এলে তাপ গ্রহণ করবে নাকি বর্জন করবে। সূত্র: সি ভাগ ৫ সমান এফ বিয়োগ ৩২ ভাগ ৯, যেখানে সি হলো সেলসিয়াস স্কেলের তাপমাত্রা এবং এফ হলো ফারেনহাইট স্কেলের তাপমাত্রা। কার্যপ্রণালি: সি এর স্থানে ৩০ বসিয়ে সমীকরণটি সমাধান করলে এফ এর মান ৮৬ পাওয়া যায়। হিসাব: ৩০ ভাগ ৫ সমান ৬, এরপর ৬ কে ৯ দ্বারা গুণ করলে ৫৪ হয়, এবং ৫৪ এর সঙ্গে ৩২ যোগ করলে ৮৬ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট। ব্যাখ্যা: সেলসিয়াস স্কেলে এটি ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়, যা একই তাপমাত্রার দুটি ভিন্ন স্কেলের মান। উদাহরণ ২: পানির স্ফুটনাঙ্ক সেলসিয়াস স্কেলে ১০০ ডিগ্রি এবং ফারেনহাইট স্কেলে ২১২ ডিগ্রি। ব্যাখ্যা: তাপ প্রয়োগের ফলে তরল থেকে বাষ্পে পরিণত হওয়ার এই নির্দিষ্ট মান স্কেলভেদে ভিন্ন হলেও বাস্তবে একই তাপ অবস্থাকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮৬°F — এটি ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার সঠিক ফারেনহাইট রূপান্তর মান। B) ৮০°F — এই মানটি ভুল গণনার ফলে এসেছে এবং এটি সঠিক তাপমাত্রার সমকক্ষ নয়। C) ৬৮°F — এই মানটি ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার ফারেনহাইট রূপান্তর, যা ৩০ ডিগ্রির জন্য প্রযোজ্য নয়। D) ৬০২°F — এই মানটি রূপান্তর সূত্রের সঠিক প্রয়োগের সঙ্গে মেলে না এবং এটি অনেক বেশি। ৫ মনে রাখার টিপস: সেলসিয়াস থেকে ফারেনহাইট বের করার সহজ নিয়ম হলো সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে ১ দশমিক ৮ দ্বারা গুণ করে ৩২ যোগ করা। ৩০ কে ১ দশমিক ৮ দিয়ে গুণ করলে ৫৪ হয় এবং তার সঙ্গে ৩২ যোগ করলে ৮৬ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তাপমাত্রা রূপান্তরের এই সূত্রটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। পরীক্ষায় সেলসিয়াস থেকে ফারেনহাইট অথবা ফারেনহাইট থেকে সেলসিয়াস স্কেলের মান নির্ণয় করতে বলতে পারে।
a লৌহ
b নিকেল
c সোনা
d কোবাল্ট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সোনা ১. কেন সঠিক: - ডায়াচুম্বকীয় পদার্থগুলো চুম্বক দ্বারা খুব সামান্য পরিমাণে বিকর্ষিত হয় এবং শক্তিশালী চুম্বকের কাছাকাছি আনলে বিপরীতমুখী দুর্বল চুম্বকত্ব অর্জন করে। - সোনা একটি ডায়াচুম্বকীয় পদার্থ হওয়ায় এটি চুম্বকক্ষেত্র দ্বারা আকৃষ্ট না হয়ে বরং হালকাভাবে বিকর্ষিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে সকল পদার্থের পরমাণুর ইলেকট্রনগুলো জোড়ায় জোড়ায় থাকে এবং কোনো স্থায়ী চৌম্বক ভ্রামক থাকে না, তাদেরকে ডায়াচুম্বক পদার্থ বলা হয়। - কার্যপ্রণালি: বাহ্যিক চৌম্বক ক্ষেত্রে স্থাপন করলে এই পদার্থগুলোর পরমাণুর ইলেকট্রনের গতি এমনভাবে পরিবর্তিত হয় যেন তারা মূল চৌম্বক ক্ষেত্রের বিপরীত দিকে একটি মৃদু চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোনা এবং তামা ব্যাখ্যা: সোনা ও তামা হলো ডায়াচুম্বক পদার্থ, যা কখনোই সাধারণ চুম্বকের সাথে জোরালোভাবে আটকে থাকে না বরং সামান্য দূরে সরে থাকতে চায়। উদাহরণ ২: পানি এবং বিসমাথ ব্যাখ্যা: পানিও ডায়াচুম্বক পদার্থের অন্তর্ভুক্ত, যা অত্যন্ত শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্রে সামান্য হলেও বিকর্ষণের শিকার হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লৌহ - এটি একটি শক্তিশালী ফেরোচুম্বক পদার্থ, যা চুম্বক দ্বারা তীব্রভাবে আকৃষ্ট হয়। B) নিকেল - এটিও লোহা বা কোবাল্টের মতো একটি শক্তিশালী ফেরোচুম্বক ধাতু। C) সোনা - এটি ডায়াচুম্বকত্ব প্রদর্শন করে, তাই এটি সঠিক উত্তর। D) কোবাল্ট - এটি ফেরোচুম্বক পদার্থের অন্তর্ভুক্ত এবং চুম্বকের প্রতি উচ্চ আকর্ষণ দেখায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডায়াচুম্বক পদার্থ মনে রাখার জন্য সোনা, তামা, রূপা এবং পানি এই নামগুলো একসাথে মনে রাখতে পারো। - ফেরোচুম্বক পদার্থগুলো চুম্বককে প্রবলভাবে টানে আর ডায়াচুম্বকগুলো দূরে ঠেলে দেয়, এই পার্থক্যটি মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই লোহা, নিকেল, কোবাল্ট বনাম সোনা, তামা, দস্তার মধ্যে কোনটি কোন চুম্বক তা জানতে চাওয়া হয়। - ফেরো, প্যারা এবং ডায়াচুম্বক পদার্থের এই মৌলিক পার্থক্যগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে যেকোনো সাধারণ বিজ্ঞানের প্রশ্নের উত্তর করা সহজ হবে।
a তরঙ্গ ধর্ম
b কণা ধর্ম
c তরঙ্গ ও কণা ধর্ম
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আলো, শব্দ ও তরঙ্গ এবং আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান সঠিক উত্তর: C) তরঙ্গ ও কণা ধর্ম ১. কেন সঠিক: - কম্পটন ক্রিয়ায় আলোর ফোটন কণা ইলেকট্রনের সাথে সংঘর্ষের পর শক্তি হারিয়ে তরঙ্গদৈর্ঘ্য বৃদ্ধি করে। - এখানে ফোটন কণার মতো ভরবেগ ও শক্তি বিনিময় ঘটে এবং তরঙ্গের মতো তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়, যা আলোর দ্বৈত সত্তা প্রকাশ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলোর দ্বৈত প্রকৃতি বা ওয়েভ পার্টিক্যাল ডুয়ালিটি হলো আলোর একই সাথে তরঙ্গ ও কণা উভয় ধর্ম প্রদর্শনের ক্ষমতা। - কার্যপ্রণালি: উচ্চ শক্তির এক্স-রে বা গামা ফোটন স্থির ইলেকট্রনের ওপর আপতিত হলে ফোটন কিছু শক্তি ইলেকট্রনকে প্রদান করে এবং নিজে ভিন্ন দিকে বিক্ষিপ্ত হয়। - ফলাফল: বিক্ষিপ্ত ফোটনের তরঙ্গদৈর্ঘ্য আপতিত ফোটনের চেয়ে বেশি হয় এবং ইলেকট্রন গতিশক্তি লাভ করে সরে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিলিয়ার্ড খেলায় একটি বল অন্য বলকে ধাক্কা দিয়ে শক্তি স্থানান্তর করার ঘটনা। ব্যাখ্যা: কম্পটন ক্রিয়ায় ফোটন ও ইলেকট্রনের সংঘর্ষ বিলিয়ার্ড বলের সংঘর্ষের মতো কাজ করে, যা কণা ধর্মের প্রমাণ। উদাহরণ ২: আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিবর্তন বা কম্পটন শিফট ঘটার ঘটনা। ব্যাখ্যা: তরঙ্গদৈর্ঘ্যের এই পরিবর্তন প্রমাণ করে যে আলো তরঙ্গের মতো নির্দিষ্ট কম্পাঙ্ক ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তরঙ্গ ধর্ম — শুধু তরঙ্গ ধরলে কম্পটন ক্রিয়ায় শক্তির সাথে তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিবর্তনের এই নিখুঁত হিসাব মেলানো যায় না। B) কণা ধর্ম — শুধু কণা ধরলে ফোটনের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বৃদ্ধির বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয় না। C) তরঙ্গ ও কণা ধর্ম — এটি সঠিক কারণ কম্পটন ক্রিয়া আলো ও এক্স-রের কণা ও তরঙ্গ উভয় ধর্মেরই সফল উপস্থিতি প্রমাণ করে। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কম্পটন ক্রিয়ায় কণা ও তরঙ্গ উভয়ই থাকে। - কম্পটন শব্দটি দেখলে কণা ও তরঙ্গ দুটোই মাথায় আনবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আর্থার কম্পটন এই আবিষ্কারের জন্য ১৯২৭ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান। - আলোক তড়িৎ ক্রিয়া এবং কম্পটন ক্রিয়া উভয়ই আলোর কণা ধর্ম বা ফোটন তত্ত্বের সফল প্রমাণ।
a ডায়োড
b জেনারেটর
c ট্রানজিস্টর
d এমপ্লিফায়ার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডায়োড ১. কেন সঠিক: - ডায়োড একটি অর্ধপরিবাহী ডিভাইস যা বিদ্যুৎ প্রবাহকে কেবল এক দিক দিয়ে চলতে দেয় এবং অন্য দিকটি ব্লক করে। - এই একমুখী বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি পরিবর্তী প্রবাহ বা এসি কে সমপ্রবাহ বা ডিসি তে রূপান্তর করতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রেকর্ডিফিকেশন বা একমুখী করার প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে এসি বিদ্যুৎ ডিসি বিদ্যুতে রূপান্তরিত হয়। - কার্যপ্রণালি: এসি প্রবাহের দিক নির্দিষ্ট সময় পরপর পরিবর্তিত হয় কিন্তু ডায়োড কেবল ধনাত্মক অর্ধচক্রকে যেতে দিয়ে ঋণাত্মক অংশকে কেটে দেয়। - বাস্তব প্রয়োগ: মোবাইল ফোন চার্জার এবং ল্যাপটপের অ্যাডাপ্টার যা ঘরের এসি কারেন্টকে ডিসি কারেন্টে রূপান্তর করে ডিভাইস চালায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোবাইল চার্জার ব্যাখ্যা: চার্জারের ভেতরে থাকা ডায়োড দেওয়ালের সকেটের এসি কারেন্টকে ডিসি কারেন্টে বদলে মোবাইলের ব্যাটারিতে শক্তি জোগায়। উদাহরণ ২: ডায়োড ব্রিজ রেক্টিফায়ার ব্যাখ্যা: চারটি ডায়োড একসাথে যুক্ত করে এসি প্রবাহের উভয় চক্রকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডায়োড — এটি এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করতে ব্যবহৃত হয়। B) জেনারেটর — এটি যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। C) ট্রানজিস্টর — এটি বৈদ্যুতিক সংকেত বা কারেন্ট বৃদ্ধিতে এবং সুইচ হিসেবে কাজ করে। D) এমপ্লিফায়ার — এটি দুর্বল বৈদ্যুতিক সংকেতকে সবল বা বিবর্ধিত করতে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে এসি থেকে ডিসি করার প্রক্রিয়াকে রেকটিফিকেশন বলে এবং এই কাজটি করে ডায়োড। - ইংরেজি আক্ষরিক মিল মনে রাখতে পারো ডায়োড ডিভাইসটি দিক ঠিক রাখে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্ধপরিবাহী ডিভাইস হিসেবে ডায়োডের কাজ প্রায়ই আসে। - ডায়োডের কাজ হলো রেকটিফিকেশন করা এবং ট্রানজিস্টরের কাজ হলো এমপ্লিফিকেশন করা।
a Zn
b Cr
c Fe
d Ca
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Cr ১. কেন সঠিক: ক্রোমিয়াম মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস করার সময় সাধারণ আউফবাউ নীতি অনুসারে থ্রিডি অরবিটালের চেয়ে ফোরএস অরবিটালে ইলেকট্রন আগে প্রবেশ করে। কিন্তু অরবিটালের অর্ধপূর্ণ বা সম্পূর্ণ পূর্ণ অবস্থার বিশেষ স্থিতিশীলতার কারণে ফোরএস অরবিটাল থেকে একটি ইলেকট্রন থ্রিডি অরবিটালে স্থানান্তরিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসে হুন্ডের নিয়ম এবং পাউলির বর্জন নীতি ছাড়াও আউফবাউ নীতি মেনে চলা হয়। কার্যপ্রণালি: ক্রোমিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা চব্বিশ, তাই এর সাধারণ বিন্যাস হওয়ার কথা ছিল ফোরএস টু থ্রিডি ফোর। কারণ ও ফলাফল: থ্রিডি অরবিটাল পাঁচটি উপস্তরে বিভক্ত থাকায় চারটি ইলেকট্রন থাকার চেয়ে পাঁচটি ইলেকট্রন থাকা অধিক স্থিতিশীল শক্তিস্তর প্রদান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কপার মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস। ব্যাখ্যা: কপারের পারমাণবিক সংখ্যা উনত্রিশ এবং এর ইলেকট্রন বিন্যাসেও ফোরএস থেকে একটি ইলেকট্রন থ্রিডি অরবিটালে গিয়ে থ্রিডি দশ পূর্ণ করে স্থিতিশীলতা অর্জন করে। উদাহরণ ২: চুম্বকের সমধর্মী মেরুর পারস্পরিক বিকর্ষণ। ব্যাখ্যা: পরমাণুর সমধর্মী ইলেকট্রনগুলোর মধ্যে বিকর্ষণ কমানোর জন্য সুষম বা অর্ধপূর্ণ অরবিটালের বিন্যাস বেশি কার্যকর হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Zn — জিংকের পারমাণবিক সংখ্যা ত্রিশ এবং এর ইলেকট্রন বিন্যাস সাধারণ নিয়ম মেনে ফোরএস টু থ্রিডি দশ বিন্যাস লাভ করে। B) Cr — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম দেখিয়ে ফোরএস ওয়ান থ্রিডি ফাইভ বিন্যাস প্রদর্শন করে। C) Fe — লোহার পারমাণবিক সংখ্যা ছাব্বিশ এবং এটি আউফবাউ নীতি অনুসারে ফোরএস টু থ্রিডি ছয় বিন্যাস অনুসরণ করে। D) Ca — ক্যালসিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা বিশ এবং এর ইলেকট্রন বিন্যাস ফোরএস টু পর্যন্ত স্বাভাবিক নিয়মেই সম্পন্ন হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: অবস্থান্তর মৌলগুলোর মধ্যে ক্রোমিয়াম এবং কপার হলো ব্যতিক্রমী যাদের শেষ কক্ষপথের ইলেকট্রন সংখ্যা আউফবাউ নীতি পুরোপুরি মানে না। এদের অর্ধপূর্ণ ও পূর্ণ অবস্থা অর্জনের প্রবণতাই এই ব্যাতিক্রমের মূল চাবিকাঠি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্রোমিয়াম এবং কপারের ব্যতিক্রমী ইলেকট্রন বিন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মৌল দুটির পারমাণবিক সংখ্যা চব্বিশ ও উনত্রিশ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a সোডিয়াম ক্লোরাইড
b সালফার ডাইঅক্সাইড
c সোডিয়াম নাইট্রেট
d ফরমালিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সোডিয়াম ক্লোরাইড ১. কেন সঠিক: সোডিয়াম ক্লোরাইড বা সাধারণ লবণ হলো একটি প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষক, যা যুগ যুগ ধরে খাবার সংরক্ষণে ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি খাদ্যে উপস্থিত অণুজীবের কোষে অভিসরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পানি শোষণ করে নেয়, ফলে ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক বাঁচতে পারে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অভিসরণ প্রক্রিয়ায় উচ্চ ঘনত্বের দ্রবণের টানে কম ঘনত্বের কোষ থেকে পানি বেরিয়ে আসে। কার্যপ্রণালি: লবণের সংস্পর্শে আসার পর অণুজীবের কোষের ভেতরের জলীয় অংশ বাইরে চলে আসে, যা কোষের বিপাকীয় ক্রিয়াকলাপ বন্ধ করে দেয়। বাস্তব প্রয়োগ: মাছ, মাংস কিংবা কাঁচা আম আচার তৈরির সময় লবণ মাখিয়ে দীর্ঘদিন পচন থেকে রক্ষা করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঁচা আম বা জলপাই লবণের মধ্যে ডুবিয়ে রাখলে তা দীর্ঘদিন ভালো থাকে। ব্যাখ্যা: লবণের প্রভাবে আমের ভেତরের জলীয় অংশ বের হয়ে আসে এবং পচনকারী ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে না। উদাহরণ ২: সামুদ্রিক মাছ সংরক্ষণে লবণের ব্যবহার। ব্যাখ্যা: লবণ মাছের কোষের আর্দ্রতা কমিয়ে অণুজীবের আক্রমণ প্রতিহত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোডিয়াম ক্লোরাইড — এটি প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্ত লবণ এবং প্রাচীনকাল থেকেই নিরাপদ খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। B) সালফার ডাইঅক্সাইড — এটি একটি কৃত্রিম রাসায়নিক সংরক্ষণকারী গ্যাস, যা সাধারণত ওয়াইন বা ফল সংরক্ষণে ব্যবহার করা হয়। C) সোডিয়াম নাইট্রেট — এটি একটি কৃত্রিম রাসায়নিক লবন যা প্রক্রিয়াজাত মাংসের রং ও সংরক্ষণ ঠিক রাখতে ব্যবহৃত হয়। D) ফরমালিন — এটি মিথান্যাল জলীয় দ্রবণ যা অত্যন্ত বিষাক্ত এবং আইনত খাদ্য সংরক্ষণে নিষিদ্ধ একটি কৃত্রিম রাসায়নিক পদার্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: খাবার সংরক্ষণে আমরা রান্নার যে সাধারণ লবণ ব্যবহার করি তা হলো সোডিয়াম ক্লোরাইড, যা প্রাকৃতিকভাবে সমুদ্রের পানি থেকে সংগৃহীত হয়। ফরমালিন বা সালফার ডাইঅক্সাইড কৃত্রিমভাবে ল্যাবরেটরিতে বা শিল্প কারখানায় তৈরি করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: খাদ্য সংরক্ষণে ক্ষতিকর রাসায়নিকের বদলে প্রাকৃতিক লবণ ব্যবহারের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি হলো অভিসরণ চাপ সৃষ্টি করা। একই ধারণা থেকে বিসিএস পরীক্ষায় অভিসরণ প্রক্রিয়া বা অসমোসিস সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a প্রোটন ও নিউট্রন
b ইলেকট্রন ও প্রোটন
c ইলেকট্রন ও পজিট্রন
d নিউট্রন ও পজিট্রন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রোটন ও নিউট্রন ১. কেন সঠিক: পরমাণুর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত নিউক্লিয়াসে প্রধানত দুটি কণা থাকে যাদের প্রোটন ও নিউট্রন বলা হয়। এই কণা দুটিকে একত্রে নিউক্লিয়ন বলা হয় কারণ এরা পরমাণুর ভর এবং স্থিতিশীলতা নিয়ন্ত্রণ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পরমাণুর কেন্দ্রস্থলে অত্যন্ত ক্ষুদ্র ও ভারী একটি অংশ থাকে যাকে নিউক্লিয়াস বলে। কার্যপ্রণালি: প্রোটন ধনাত্মক আধানযুক্ত এবং নিউট্রন আধানহীন বা নিরপেক্ষ কণা হিসেবে নিউক্লিয়াসে অবস্থান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাধারণ হাইড্রোজেন পরমাণু বা প্রোটিয়াম। ব্যাখ্যা: এটি একমাত্র ব্যতিক্রম যার নিউক্লিয়াসে কোনো নিউট্রন থাকে না, কেবল একটি প্রোটন থাকে। উদাহরণ ২: কার্বন পরমাণুর নিউক্লিয়াস। ব্যাখ্যা: কার্বনের নিউক্লিয়াসে ছয়টি প্রোটন এবং ছয়টি নিউট্রন একত্রে আবদ্ধ থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রোটন ও নিউট্রন - এটি সঠিক কারণ এই দুটি কণা পরমাণুর নিউক্লিয়াসে অবস্থান করে। B) ইলেকট্রন ও প্রোটন - এটি ভুল কারণ ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাইরে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘোরে। C) ইলেকট্রন ও পজিট্রন - এটি ভুল কারণ ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাইরে থাকে এবং পজিট্রন একটি অ্যান্টি-পার্টিকেল। D) নিউট্রন ও পজিট্রন - এটি ভুল কারণ পজিট্রন নিউক্লিয়াসের সাধারণ স্থায়ী উপাদান নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকা কণা মনে রাখার সহজ কৌশল হলো পিএন বা প্রোটন ও নিউট্রন। ইলেকট্রন সবসময় নিউক্লিয়াসের বাইরে ঘূর্ণায়মান থাকে বলে এটি নিউক্লিয়াসের অংশ নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরমাণুর মোট ভরের প্রায় সম্পূর্ণ অংশই নিউক্লিয়াসে কেন্দ্রীভূত থাকে। একই মৌলের পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা সমান থাকলেও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হতে পারে যাদের আইসোটোপ বলা হয়।
a পানি
b ক্লোরোফর্ম
c বেঞ্জিন
d অ্যাসিটোন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পানি ১. কেন সঠিক: - লিপিড হলো অপোলার বা হাইড্রোফোবিক জৈব যৌগ, যা পানিতে দ্রবীভূত হয় না। - পানির অণু পোলার প্রকৃতির হওয়ায় এটি অপোলার লিপিড অণুকে আকর্ষণ করতে পারে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সমধর্মী পদার্থ সমধর্মী দ্রাবকে দ্রবীভূত হয়, যা রসায়নের একটি মৌলিক নীতি। - কারণ ও ফলাফল: পানি একটি পোলার দ্রাবক এবং লিপিড অপোলার হওয়ায় এদের মধ্যে আকর্ষণ বল কাজ করে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জলে তেল মিশে না যাওয়া ব্যাখ্যা: রান্নার তেল বা লিপিড পানিতে দিলে তা আলাদা স্তর হিসেবে ভেসে থাকে কারণ তেল পানিতে দ্রবীভূত হয় না। উদাহরণ ২: মোমের ওপর পানির ফোঁটা ব্যাখ্যা: পাতার কিউটিন বা মোমের ওপর পানি দিলে তা ড্রপ আকারে গড়িয়ে পড়ে, যা লিপিডের জলবিদ্বেষী স্বভাব প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পানি — পানি একটি পোলার দ্রাবক হওয়ায় এতে অপোলার লিপিড দ্রবীভূত হয় না এবং এটিই সঠিক উত্তর। B) ক্লোরোফর্ম — ক্লোরোফর্ম একটি অপোলার জৈব দ্রাবক, তাই এতে লিপিড খুব সহজেই দ্রবীভূত হয়। C) বেঞ্জিন — বেঞ্জিন একটি অপোলার জৈব দ্রাবক, যা লিপিড দ্রবীভূত করার জন্য অত্যন্ত উপযোগী। D) অ্যাসিটোন — অ্যাসিটোন জৈব দ্রাবক হিসেবে কাজ করে এবং নির্দিষ্ট ধরণের লিপিড দ্রবীভূত করতে সক্ষম। ৫ মনে রাখার টিপস: - তেল আর জল যেমন মেশে না, তেমনি লিপিডও পানিতে দ্রবীভূত হয় না। - পোলার দ্রাবকে পোলার এবং অপোলার দ্রাবকে অপোলার পদার্থ দ্রবীভূত হয়, এই নিয়মটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্রাবক ও দ্রূতের প্রকৃতি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - জৈব দ্রাবক হিসেবে ক্লোরোফর্ম, বেঞ্জিন ও ইথারের কাজ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক।
a He
b He²⁺
c He₂
d He⁻
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He ১. কেন সঠিক: হিলিয়াম একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস এবং এর পরমাণুগুলো একা থাকতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। অন্য কোনো পরমাণুর সঙ্গে রাসায়নিক বন্ধন তৈরি না করে এটি মুক্ত পরমাণু হিসেবে স্বাধীনভাবে অবস্থান করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: হিলিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা দুই এবং এর বহিঃস্থ শক্তিস্তরে দুটি ইলেকট্রন থাকে। কার্যপ্রণালি: এর কক্ষপথ সম্পূর্ণ পূর্ণ থাকায় এটি রাসায়নিকভাবে অত্যন্ত স্থিতিশীল ও নিষ্ক্রিয় হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেলুনে ব্যবহৃত হিলিয়াম গ্যাস। ব্যাখ্যা: হিলিয়াম হালকা ও নিষ্ক্রিয় হওয়ায় এটি বেলুন ও এয়ারশিপে নিরাপদে ব্যবহার করা যায়। উদাহরণ ২: ডাইভিং সিলিন্ডারে অক্সিজেনের সঙ্গে মিশ্রণ। ব্যাখ্যা: গভীর সমুদ্রে ডুবুরিরা অক্সিজেনের সঙ্গে নিষ্ক্রিয় হিলিয়াম গ্যাস মিশিয়ে শ্বাস নেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) He — এটি হিলিয়ামের সঠিক রাসায়নিক প্রতীক ও এক পরমাণুক অণুর রূপ নির্দেশ করে। B) He²⁺ — এটি হিলিয়ামের দ্বিজোজী ধনাত্মক আয়ন বা আলফা কণা, যা নিরপেক্ষ অণু নয়। C) He₂ — হিলিয়াম নিষ্ক্রিয় হওয়ায় ডাইঅ্যাটমিক বা দ্বিপরমাণুক অণু গঠন করে না। D) He⁻ — হিলিয়াম পরমাণু ইলেকট্রন গ্রহণ করতে পছন্দ করে না, তাই এটি ভুল ঋণাত্মক আয়ন। ৫ মনে রাখার টিপস: নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলো প্রকৃতিতে সবসময় একক পরমাণু হিসেবে মুক্তভাবে অবস্থান করে। তাই হিলিয়াম লেখার সময় এর সঙ্গে কোনো সংখ্যা বা আধান যুক্ত হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: হিলিয়াম একটি পর্যায় সারণির আঠারো নম্বর গ্রুপের নিষ্ক্রিয় গ্যাস। বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেন ও অক্সিজেনের পর সবচেয়ে হালকা গ্যাস হলো হিলিয়াম।
a লাল
b বেগুনী
c নীল
d সবুজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বেগুনী ১. কেন সঠিক: - দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীতে বেগুনী আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং প্রতিসরাঙ্ক সবচেয়ে বেশি। - তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হওয়ার কারণে মাধ্যম পরিবর্তনের সময় বেগুনী আলো বেশি বাঁক নেয়, যা প্রতিসরাঙ্কের মান বৃদ্ধি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলোর প্রতিসরাঙ্ক হলো শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগের সঙ্গে কোনো মাধ্যমে আলোর বেগের অনুপাত, যা আলোর রঙের ওপর নির্ভর করে। - তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সম্পর্ক: আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সঙ্গে প্রতিসরাঙ্কের ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক রয়েছে অর্থাৎ তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমলে প্রতিসরাঙ্ক বাড়ে। - কূচির বিচ্ছুরণ: প্রিজমের মধ্য দিয়ে সাদা আলো যাওয়ার সময় তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম থাকায় বেগুনী আলো বেশি বিচ্যুত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রিজমের মধ্য দিয়ে সাদা আলোর বিচ্ছুরণ। ব্যাখ্যা: প্রিজমে প্রবেশ করার পর লাল আলো সবচেয়ে কম বাঁকে এবং বেগুনী আলো সবচেয়ে বেশি বাঁকে, যা বেশি প্রতিসরাঙ্কের প্রমাণ দেয়। উদাহরণ ২: রামধনু সৃষ্টি। ব্যাখ্যা: বৃষ্টির ফোঁটায় আলো প্রতিসরণ ও অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলনের সময় বেগুনী আলোর বেশি বিচ্যুতির কারণে রামধনুর ভেতরের দিকে বেগুনী রঙ দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাল — লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি হওয়ায় এর প্রতিসরাঙ্ক সবচেয়ে কম। B) বেগুনী — এটি সঠিক উত্তর কারণ দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীতে এর প্রতিসরাঙ্ক সর্বোচ্চ। C) নীল — নীলের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেগুনী অপেক্ষা বেশি এবং লাল অপেক্ষা কম, তাই এর প্রতিসরাঙ্ক বেগুনীর চেয়ে কম। D) সবুজ — সবুজের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বর্ণালীর মাঝামাঝি হওয়ায় এর প্রতিসরাঙ্ক বেগুনী আলোর চেয়ে কম। ৫ মনে রাখার টিপস: - বেনীআসহকাল ছক অনুযায়ী নিচের দিকে অর্থাৎ বেগুনীর দিকে তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমে এবং প্রতিসরাঙ্ক বাড়ে। - তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম যার, প্রতিসরাঙ্ক বেশি তার—এই নীতি মনে রাখলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আলোর বিচ্ছুরণ ও প্রতিসরাঙ্ক সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন হতে পারে কোন আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বা কোন আলো প্রিজমে সবচেয়ে কম বাঁকে।
a রেডিও
b রাডার
c গোয়েন্দা কাজে
d ক্যান্সার নির্ণয়ে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাডার ১. কেন সঠিক: মাইক্রোওয়েভ হলো এক প্রকার তড়িচ্চুম্বকীয় তরঙ্গ যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য রেডিও তরঙ্গের চেয়ে ছোট কিন্তু অবলোহিত রশ্মির চেয়ে বড়। এই তরঙ্গ কঠিন বস্তু ভেদ করে প্রতিফলিত হতে পারায় চলমান বস্তুর দূরত্ব, বেগ এবং দিক নির্ণয়ের জন্য রাডার ব্যবস্থায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মাইক্রোওয়েভ হলো উচ্চ কম্পাঙ্কের তড়িচ্চুম্বকীয় তরঙ্গ যা অ্যান্টেনারে সংকেত প্রেরণ ও প্রতিফলিত তরঙ্গের মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তুর অবস্থান শনাক্ত করে। কার্যপ্রণালি: রাডার ট্রান্সমিটার থেকে মাইক্রোওয়েভ নির্গত হয়ে কোনো বস্তুতে ধাক্কা খেয়ে আবার রিসিভারে ফিরে আসে এবং এর যাতায়াতের সময় হিসাব করে দূরত্ব মাপা হয়। বাস্তব প্রয়োগ: বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ এবং সামুদ্রিক নেভিগেশনে রাডার ও মাইক্রোওয়েভ প্রযুক্তি অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আবহাওয়া রাডার ব্যাখ্যা: এটি মেঘ ও বৃষ্টির কণা থেকে মাইক্রোওয়েভ প্রতিফলিত করে ঝড়ের গতিপ্রকৃতি এবং বৃষ্টিপাতের পরিমাণ নির্ভুলভাবে নির্ধারণ করে। উদাহরণ ২: এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল রাডার ব্যাখ্যা: এটি আকাশে চলাচলকারী বিমানের অবস্থান এবং গতিবেগ ট্র্যাক করতে মাইক্রোওয়েভ সংকেত ব্যবহার করে নিরাপদ বিমান চলাচল নিশ্চিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রেডিও — রেডিও তরঙ্গের নিজস্ব সম্প্রচার ব্যবস্থা আছে এবং এটি মাইক্রোওয়েভ থেকে ভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের মাধ্যমে কাজ করে। B) রাডার — সঠিক উত্তর কারণ এটি মাইক্রোওয়েভ প্রযুক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুল ব্যবহৃত প্রয়োগক্ষেত্র। C) গোয়েন্দা কাজে — গোয়েন্দা কার্যক্রম নানা প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল হলেও নির্দিষ্টভাবে মাইক্রোওয়েভ এর একমাত্র বা প্রধান ক্ষেত্র নয়। D) ক্যান্সার নির্ণয়ে — ক্যান্সার নির্ণয়ের জন্য প্রধানত এক্স-রে, এমআরআই, সিটি স্ক্যান বা বায়োপসি ব্যবহার করা হয়, মাইক্রোওয়েভ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: এম দিয়ে মাইক্রোওয়েভ এবং আর দিয়ে রাডার মনে রাখতে পারো, যেখানে দুটি শব্দই যোগাযোগ ও দূরপাল্লার শনাক্তকরণ প্রযুক্তির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। তড়িচ্চুম্বকীয় তরঙ্গের বর্ণালীতে মাইক্রোওয়েভের নির্দিষ্ট অবস্থান এবং ব্যবহার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য বারবার মনে রাখা দরকার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মাইক্রোওয়েভ ওভেনে খাবার গরম করার কাজেও মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গ ব্যবহার করা হয় যা পানির অণুকে কম্পিত করে তাপ উৎপন্ন করে। বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তড়িচ্চুম্বকীয় তরঙ্গের ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই বিভিন্ন তরঙ্গের প্রয়োগগুলো আলাদা করে পড়তে হবে।
a আমাশয়
b ইনফ্লুয়েঞ্জা
c ডেঙ্গু
d কলেরা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইনফ্লুয়েঞ্জা ১. কেন সঠিক: ইনফ্লুয়েঞ্জা একটি বায়ুুবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ যা আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি, কাশি বা কথা বলার সময় বাতাসে ছড়িয়ে পড়া ক্ষুদ্র জলকণার মাধ্যমে অন্য সুস্থ মানুষের দেহে প্রবেশ করে। এই রোগটি মূলত শ্বাসনালিকে আক্রমণ করে এবং খুব দ্রুত এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে সংক্রমিত হতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বায়ুবাহিত সংক্রমণ বলতে সেই রোগগুলোকে বোঝায় যা বাতাসে ভেসে থাকা অণুজীব বা ড্রপলেটের মাধ্যমে ছড়ায়। কার্যপ্রণালি: রোগী হাঁচি বা কাশি দিলে লক্ষ লক্ষ ভাইরাস বায়ুমণ্ডলে মিশে যায় এবং সুস্থ মানুষ তা শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণ করলে আক্রান্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতকালে ঠান্ডা বাতাসে ইনফ্লুয়েঞ্জা বা সাধারণ সর্দি-কাশির দ্রুত বিস্তার ঘটে। ব্যাখ্যা: কম তাপমাত্রায় ভাইরাস দীর্ঘ সময় বাতাসে বেঁচে থাকে এবং মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কিছুটা কমে যায়। উদাহরণ ২: জনাকীর্ণ বা আবদ্ধ ঘরে একজন ফ্লু আক্রান্ত ব্যক্তি থাকলে আশপাশের সবাই দ্রুত আক্রান্ত হয়। ব্যাখ্যা: বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা ভালো না থাকলে বাতাসে ভাইরাসের ঘনত্ব বেড়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমাশয় — এটি একটি অন্ত্রের রোগ যা সাধারণত দূষিত পানি বা খাদ্যের মাধ্যমে ছড়ায়, বায়ুর মাধ্যমে নয়। B) ইনফ্লুয়েঞ্জা — এটি সঠিক উত্তর এবং বায়ুর মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। C) ডেঙ্গু — এটি এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়, যা এক ধরনের ভেক্টর-বোর্ন রোগ। D) কলেরা — এটি পানি ও খাদ্যের মাধ্যমে ছড়ানো একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। ৫ মনে রাখার টিপস: বায়ুর মাধ্যমে ছড়ায় এমন প্রধান রোগগুলো মনে রাখার জন্য ইনফ্লুয়েঞ্জা, যক্ষ্মা এবং হাম এর নাম একসাথে মনে রাখতে পারো। এগুলো শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বায়ুবাহিত ও পানিবাহিত রোগের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। ইনফ্লুয়েঞ্জা, সর্দি এবং যক্ষ্মা হলো বায়ুবাহিত রোগ, অন্যদিকে কলেরা ও টাইফয়েড হলো পানিবাহিত রোগ।
a গ্রুপ A
b গ্রুপ B
c গ্রুপ AB
d গ্রুপ O
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গ্রুপ O ১. কেন সঠিক: মানবদেহের লোহিত রক্তকণিকায় A এবং B অ্যান্টিজেন অনুপস্থিত থাকার কারণে এই রক্তের গ্রুপকে O গ্রুপ বলা হয়। রক্তের গ্রুপ মূলত লোহিত রক্তকণিকার ঝিল্লিতে উপস্থিত অ্যান্টিজেনের ওপর নির্ভর করে গঠিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: রক্তের এবিও পদ্ধতি অনুযায়ী লোহিত রক্তকণিকায় অ্যান্টিজেন এবং রক্তরসে অ্যান্টিবডি থাকে। কার্যপ্রণালি: গ্রুপ O লোহিত রক্তকণিকায় কোনো অ্যান্টিজেন না থাকায় এটি অন্য গ্রুপের রক্তে অ্যান্টিজেনজনিত বিক্রিয়া তৈরি করে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: O নেগেটিভ রক্তের অধিকারীকে সর্বজনীন দাতা বলা হয় কারণ এর লোহিত রক্তকণিকায় A, B বা Rh কোনো অ্যান্টিজেন থাকে না। ব্যাখ্যা: এই কারণে যেকোনো গ্রুপের রোগীর শরীরে এই রক্ত প্রদান করা নিরাপদ। উদাহরণ ২: জরুরি মুহূর্তে দুর্ঘটনাগ্রস্ত রোগীকে O গ্রুপের রক্ত দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: এটি গ্রহীতার রক্তে থাকা অ্যান্টিবডির সঙ্গে রক্তকণিকাকে সংঘর্ষে লিপ্ত হতে দেয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রুপ A — এই অপশন ভুল কারণ এই গ্রুপের লোহিত রক্তকণিকায় A অ্যান্টিজেন উপস্থিত থাকে। B) গ্রুপ B — এই অপশন ভুল কারণ এই গ্রুপের লোহিত রক্তকণিকায় B অ্যান্টিজেন উপস্থিত থাকে। C) গ্রুপ AB — এই অপশন ভুল কারণ এই গ্রুপের লোহিত রক্তকণিকা একই সঙ্গে A এবং B উভয় অ্যান্টিজেন বহন করে। D) গ্রুপ O — এই অপশন সঠিক কারণ এই গ্রুপের লোহিত রক্তকণিকায় A বা B কোনো অ্যান্টিজেনই থাকে না। ৫. মনে রাখার টিপস: O মানে শূন্য বা নাই, অর্থাৎ যার রক্তে কোনো অ্যান্টিজেন নাই সেই হলো O গ্রুপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তের গ্রুপ আবিষ্কার করেন কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার ১৯০১ সালে। কোন রক্তের গ্রুপকে সর্বজনীন দাতা বলা হয় এবং কেন, এই প্রশ্নটি প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় আসে।
a 0.9 % NaCl
b 0.5 % NaCl
c 0.75 % NaCl
d 0.3 % NaCl
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৯ % NaCl ১. কেন সঠিক: - নরমালাইনাতে ০.৯ শতাংশ সোডিয়াম ক্লোরাইড বা সাধারণ লবণ থাকে। - এটি মানবদেহের রক্তের প্লাজমার সঙ্গে আইসোটোনিক বা সমঅভিস্রবণিক প্রকৃতির। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আইসোটোনিক দ্রবণ এমন একটি তরল যার অভিস্রবণ চাপ মানবদেহের রক্তরসের অভিস্রবণ চাপের সমান। - কার্যপ্রণালি: এই দ্রবণটি রক্তনালীতে প্রবেশ করলে লোহিত রক্তকণিকার ভেতর ও বাইরের তরলের ভারসাম্য বজায় থাকে। - কারণ ও ফলাফল: লবণের ঘনত্ব সঠিক থাকায় রক্তকণিকা ফেটে যায় না বা সংকুচিত হয় না। - বাস্তব প্রয়োগ: ডিহাইড্রেশন বা শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি ও লবণ বেরিয়ে গেলে চিকিৎসায় এটি স্যালাইন হিসেবে দেওয়া হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রক্তে অতিরিক্ত পানি কমে গেলে রোগীকে স্যালাইন দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: এটি রক্তের আয়তন দ্রুত বৃদ্ধি করে এবং রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: চোখের কন্টাক্ট লেন্স পরিষ্কার করার তরল। ব্যাখ্যা: চোখের সংবেদনশীল কোষে জ্বালাপোড়া এড়াতে এই লবণের সঠিক ঘনত্বের দ্রবণ ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.৯ % NaCl — এটি রক্তের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ সঠিক মাত্রা। B) ০.৫ % NaCl — এটি হাইপোটনিক দ্রবণ যা রক্তের তুলনায় লবণের ঘনত্ব কম হওয়ায় লোহিত কণিকা ফুটিয়ে তুলতে পারে। C) ০.৭৫ % NaCl — এটিও রক্তের তুলনায় কম ঘনত্বের হওয়ায় আদর্শ চিকিৎসার জন্য উপযুক্ত নয়। D) ০.৩ % NaCl — এটি অত্যন্ত লঘু বা হাইপোটনিক দ্রবণ যা কোষের ভেতরে পানি প্রবেশ করিয়ে রক্তকণিকা ভেঙে ফেলতে পারে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মানুষের রক্তের লবণাক্ততা প্রায় শূন্য দশমিক নয় শতাংশ। - এই সংখ্যাটি মনে রাখলেই সঠিক অপশনটি খুব সহজেই চিহ্নিত করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানবদেহ ও চিকিৎসা বিজ্ঞান অংশ থেকে আসে। - আইসোটোনিক, হাইপোটনিক ও হাইপারটনিক দ্রবণের সংজ্ঞা থেকে প্রায়ই এমসিকিউ প্রশ্ন করা হয়।
a 1:1:2
b 1:2:1
c 2:1:1
d 1:3:1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১:২:১ ১. কেন সঠিক: - কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা হলো কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের সমন্বয়ে গঠিত এক ধরণের জৈব যৌগ। - এই যৌগগুলোতে কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের পরমাণুর অনুপাত সবসময় ১:২:১ হিসেবে বজায় থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কার্বোহাইড্রেটের সাধারণ রাসায়নিক সংকেত হলো সি এন এইচ টু এন ও এন। - রাসায়নিক গঠন: এখানে কার্বনের সঙ্গে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন ঠিক পানির অনুপাতের মতো দুই অনুপাত এক হিসেবে যুক্ত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্লুকোজ ব্যাখ্যা: গ্লুকোজের রাসায়নিক সংকেত সি সিক্স এইচ টুয়েলভ ও সিক্স, যেখানে পরমাণুগুলোর সরল অনুপাত করলে ১:২:১ পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: ফ্রুক্টোজ ব্যাখ্যা: এটিও একটি মনস্যাকারাইড এবং এর সংকেতও গ্লুকোজের মতো, যা কার্বোহাইড্রেটের অনুপাতকে সমর্থন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১:১:২ — এই অনুপাতটি কার্বোহাইড্রেটের মৌলগুলোর সঠিক সংযুক্তি নির্দেশ করে না এবং এটি রাসায়নিকভাবে ভুল। B) ১:২:১ — এটি কার্বোহাইড্রেটে কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের পরমাণুর সঠিক ও পরীক্ষিত অনুপাত। C) ২:১:১ — এই অনুপাতে কোনো সাধারণ জৈব শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট প্রকৃতিতে গঠিত হয় না। D) ১:৩:১ — হাইড্রোজেন পরমাণুর সংখ্যা বেশি থাকায় এই অনুপাতটি কার্বোহাইড্রেটের গঠনের সঙ্গে মিলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - পানির সংকেত এইচ টু ও তে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের অনুপাত ২:১, আর কার্বোহাইড্রেটে কার্বন যোগ হয়ে অনুপাত হয় ১:২:১। - পানির অনুপাত মনে রাখলেই শর্করা বা কার্বোহাইড্রেটের অনুপাত সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শর্করা বা কার্বোহাইড্রেটের সাধারণ সংকেত ও অনুপাত জানতে চাওয়া হয়। - গ্লুকোজের আণবিক সংকেত এবং মনোস্যাকারাইডের সংজ্ঞা থেকেও প্রশ্ন আসতে পারে।
a O₂
b H₂
c CO₂
d H₂O
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) CO₂ ১. কেন সঠিক: উদ্ভিদ তার খাদ্য তৈরির প্রধান প্রক্রিয়া অর্থাৎ সালোকসংশ্লেষণের সময় পরিবেশ বা বায়ু থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে। পাতার ক্ষুদ্র ছিদ্র বা স্টোমাটার মাধ্যমে এই গ্যাস উদ্ভিদের ভেতরে প্রবেশ করে এবং শর্করো জাতীয় খাদ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: সালোকসংশ্লেষণ হলো এমন একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং পানির রাসায়নিক বিক্রিয়ায় গ্লুকোজ তৈরি করে। রাসায়নিক বিক্রিয়া: ছয় অণু কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং বারো অণু পানি সূর্যালোক ও ক্লোরোফিলের প্রভাবে বিক্রিয়া করে এক অণু গ্লুকোজ, ছয় অণু অক্সিজেন এবং ছয় অণু পানি উৎপন্ন করে। কার্যপ্রণালি: উদ্ভিদ বায়ুমণ্ডল থেকে পত্ররন্ধ্রের সাহায্যে কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে এবং শিকড়ের সাহায্যে মাটি থেকে পানি শোষণ করে পাতায় পাঠায়। বাস্তব প্রয়োগ: এই প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ আমাদের জন্য খাদ্য সরবরাহ করার পাশাপাশি বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন ত্যাগ করে পৃথিবী টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘরের টবে রাখা একটি গাছ কিছুদিন অন্ধকার ঘরে রেখে দিলে তা খাদ্য তৈরি করতে পারে না কারণ সেখানে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও আলো থাকে না। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে উদ্ভিদের খাদ্য প্রস্তুতের জন্য বায়ু থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক। উদাহরণ ২: কাঁচের জারে একটি ছোট গাছ রেখে মুখ বন্ধ করে রোদে রাখলে দেখা যায় গাছটি বেঁচে আছে এবং জারের ভেতরে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ছে। ব্যাখ্যা: উদ্ভিদ বায়ু থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড নিয়ে গ্লুকোজ তৈরির সময় উপজাত হিসেবে অক্সিজেন বাতাসে ছেড়ে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) O₂ — অক্সিজেন হলো সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার একটি উপজাত বা উৎপাদ, যা উদ্ভিদ গ্রহণ করে না বরং ত্যাগ করে। B) H₂ — হাইড্রোজেন গ্যাস মুক্ত অবস্থায় বায়ুতে থাকে না এবং উদ্ভিদ খাদ্য তৈরির জন্য বায়ু থেকে হাইড্রোজেন গ্রহণ করে না। D) H₂O — পানি উদ্ভিদের খাদ্য তৈরিতে অপরিহার্য উপাদান হলেও উদ্ভিদ তা বায়ু থেকে নয়, বরং শিকড়ের মাধ্যমে মাটি থেকে শোষণ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: উদ্ভিদ আমাদের শ্বাস নেওয়ার জন্য অক্সিজেন দেয় এবং বিনিময়ে আমাদের ত্যাগ করা কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে নিজের খাদ্য তৈরি করে। এভাবে মনে রাখতে পারো যে মানুষ যা ছাড়ে, উদ্ভিদ তা খায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত খাদ্যের মূল উপাদান হলো শর্করা বা গ্লুকোজ। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে সালোকসংশ্লেষণে উপজাত হিসেবে কোনটি নির্গত হয়।
a প্রতিসরণ
b বিচ্ছুরণ
c অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
d অপবর্তন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ১. কেন সঠিক: - অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে, যার মাধ্যমে আলোক সংকেত কোনো অপচয় বা লস ছাড়াই অত্যন্ত দ্রুত এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হয়। - আলোর এই বিশেষ গুণের কারণে ফাইবার অপটিক ক্যাবলের মধ্য দিয়ে ডাটা বা ইন্টারনেট সিগন্যাল শত শত মাইল দূরে নির্ভুলভাবে পাঠানো সম্ভব হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলোক যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে প্রবেশ করার সময় আপতন কোণ সংকট কোণ অপেক্ষা বড় হয়, তখন আলো প্রতিসরিত না হয়ে সম্পূর্ণভাবে প্রতিফলিত হয়ে আবার ঘন মাধ্যমে ফিরে আসে। একে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে। - কার্যপ্রণালি: অপটিক্যাল ফাইবারের ভেতরের অংশকে কোর এবং বাইরের ঢাকনাকে ক্ল্যাডিং বলা হয়, যেখানে কোরের প্রতিসরাঙ্ক ক্ল্যাডিংয়ের প্রতিসরাঙ্ক অপেক্ষা বেশি থাকে। - বাস্তব প্রয়োগ: আধুনিক উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ, টেলিযোগাযোগ এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানে এন্ডোস্কোপির মাধ্যমে শরীরের ভেতরটা দেখতে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মরুভূমির মরিচিকা ব্যাখ্যা: গরমের দিনে রাস্তার পিচ্ছিল ভাব বা মরুভূমির মরিচিকা পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের একটি প্রাকৃতিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: হীরকের উজ্জ্বলতা ব্যাখ্যা: হীরা কাটার সময় এর কোণ এমনভাবে রাখা হয় যাতে আলো প্রবেশ করার পর বারবার পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলিত হয়ে মুক্তার মতো চকচক করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিসরণ — আলোর প্রতিসরণ হলো আলোকরশ্মি এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় দিক পরিবর্তন করার ঘটনা, যা অপটিক্যাল ফাইবারের মূল কাজের নীতি নয়। B) বিচ্ছুরণ — আলোর বিচ্ছুরণ হলো প্রিজমের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় সাদা আলোর সাতটি রঙে বিভক্ত হয়ে যাওয়ার ঘটনা, যা অপটিক্যাল ফাইবারের মূল চালিকাশক্তি নয়। C) অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — এটিই সঠিক উত্তর কারণ অপটিক্যাল ফাইবারে আলো এই নীতির মাধ্যমেই অটুট থেকে সামনে এগিয়ে চলে। D) অপবর্তন — আলোর অপবর্তন হলো কোনো তীক্ষ্ণ প্রান্তর বা জালের পাশ দিয়ে আলোর বেঁকে যাওয়ার ঘটনা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অপটিক্যাল ফাইবার মানেই টোটাল ইন্টারনাল রিফ্লেকশন বা পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন। - ফাইবার বা তারের ভেতর আলো আটকে রেখে সামনে পাঠানোর একমাত্র জাদুকরী কৌশল হলো এই অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অপটিক্যাল ফাইবারের মূল উপাদান হলো কাঁচ বা প্লাস্টিক এবং এর ভেতরের কোরের প্রতিসরাঙ্ক বেশি থাকে। - এই ধরনের প্রশ্ন থেকে প্রায়ই পরীক্ষায় আসে যে অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর কোন ঘটনাটি কাজ করে বা এন্ডোস্কোপিতে কী ব্যবহৃত হয়।

মোট প্রশ্ন (4)

a Bit
b Byte
c Pixel
d Data
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Bit ১. কেন সঠিক: - বিট (Bit) কথাটি এসেছে বাইনারি ডিজিট (Binary Digit) থেকে, যা কম্পিউটারের পরিভাষায় তথ্যের সবচেয়ে ছোট বা ক্ষুদ্রতম একক। - কম্পিউটার সিস্টেমে সমস্ত ডেটা এবং নির্দেশাবলী শূন্য এবং এক এই দুটি বাইনারি অঙ্কের মাধ্যমে সংরক্ষিত ও প্রক্রিয়াজাত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: বিট হলো কম্পিউটার মেমোরির সবচেয়ে মৌলিক একক, যার মান হতে পারে শূন্য অথবা এক। - কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটারের ভেতরে থাকা ট্রানজিস্টর নামক ইলেকট্রনিক সুইচগুলো বিদ্যুৎ চালিত বা বন্ধ থাকার অবস্থার মাধ্যমে শূন্য বা এক হিসেবে ডেটা সংরক্ষণ করে। - বৈশিষ্ট্য: একটি বিট শুধুমাত্র একটি বাইনারি মান ধারণ করতে পারে এবং এটি ডেটা পরিমাপের সর্বনিম্ন ভিত্তি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি সাধারণ লাইট সুইচের অন এবং অফ অবস্থা। ব্যাখ্যা: সুইচ অন থাকা মানে এক এবং অফ থাকা মানে শূন্য, যা বিটের কাজের ধারণার সঙ্গে মেলে। উদাহরণ ২: কম্পিউটারে ১ বাইটের মেমোরি স্পেস। ব্যাখ্যা: আটটি বিট মিলে এক বাইট গঠিত হয়, যা একটি অক্ষর বা ক্যারেক্টার সংরক্ষণ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bit - এটি সঠিক কারণ এটি কম্পিউটারের পরিভাষায় ডেটা সংরক্ষণের সর্বনিম্ন একক। B) Byte - বাইট হলো আটটি বিটের সমষ্টি, যা বিট অপেক্ষা বড় একক এবং মেমোরির পরিমাপের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। C) Pixel - পিক্সেলে হলো ছবির ক্ষুদ্রতম একক বা ডিসপ্লের বিন্দু, যা ডেটা বা মেমোরির পরিমাপের একক নয়। D) Data - ডেটা হলো সুবিন্যস্ত তথ্যের কাঁচামাল বা বিভিন্ন তথ্যের সমষ্টি, যা বিটের চেয়ে অনেক বড় ধারণার প্রতীক। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিট হলো বাইনারি ডিজিটের সংক্ষিপ্ত রূপ। আটটি বিট মিলে হয় এক বাইট। - নামের শুরুতেই বাইনারি থেকে বিট শব্দটি এসেছে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্পিউটারে ডেটা সঞ্চয় এবং মেমোরির আকার পরিমাপের ধারাবাহিকতা মনে রাখা জরুরি। - আট বিটে এক বাইট এবং এক হাজার চব্বিশ বাইটে এক কিলোবাইট হয়।
a আইসি
b লেজার রশ্মি
c চুম্বকত্ব
d শব্দতরঙ্গ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চুম্বকত্ব ১. কেন সঠিক: হার্ড ডিস্ক ড্রাইভে ডেটা সংরক্ষণের জন্য চৌম্বকীয় ক্ষেত্র বা চুম্বকত্ব ব্যবহার করা হয়। ডিস্কের ওপরের চৌম্বকীয় স্তরের ক্ষুদ্র অংশকে উত্তর বা দক্ষিণ মেরুতে পরিণত করে বাইনারি শূন্য ও এক লেখা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: Hard Disk Drive বা HDD হলো কম্পিউটারের প্রধান ও স্থায়ী চৌম্বকীয় স্টোরেজ ডিভাইস। কার্যপদ্ধতি: এর ভেতরে থাকা প্ল্যাটার নামক গোল চাকতির ওপর চৌম্বকীয় আস্তরণ থাকে এবং রিড-রাইট হেড ডেটা পড়ে ও লেখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: টেবিলের ওপর রাখা চুম্বক দিয়ে লোহাকে আকর্ষণ করা। ব্যাখ্যা: হার্ড ডিস্কের ভেতরেও চৌম্বকীয় আস্তরণ ঠিক একইভাবে ডেটা ধরে রাখে। উদাহরণ ২: ক্যাসেটের ফিতায় গান বা রেকর্ড জমা থাকা। ব্যাখ্যা: অডিও ক্যাসেটও চৌম্বকত্বের নীতিতে কাজ করে, যা হার্ড ডিস্কের প্রযুক্তির মতোই প্রাচীন রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইসি — এটি সিলিকন দিয়ে তৈরি ইলেকট্রনিক চিপ যা প্রসেসিং ও মেমোরিতে ব্যবহৃত হয়, চুম্বকত্বে নয়। B) লেজার রশ্মি — এটি সিডি, ডিভিডি বা ব্লু-রে ডিস্কে অপটিক্যাল পদ্ধতিতে ডেটা পড়তে বা লিখতে ব্যবহৃত হয়। ডি) শব্দতরঙ্গ — এটি শব্দের কম্পন পরিবহনে কাজ করে, কম্পিউটারের ডিজিটাল ডেটা সঞ্চয় করার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ হলো একটি চৌম্বকীয় ডিভাইস। সংক্ষেপে মনে রাখবে এইচডিডি মানেই চুম্বকত্ব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের মূল মেমোরি বা র‍্যাম হলো অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর মেমোরি। আর হার্ড ডিস্ক হলো সেকেন্ডারি বা সহায়ক ম্যাগনেটিক স্টোরেজ ডিভাইস।
a 4k m s⁻¹
b 3.07k m sec⁻¹
c 4.07k m sec⁻¹
d 5.07k m sec⁻¹
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 3.07 km sec⁻¹ ১. কেন সঠিক: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ একটি ভূস্থির যোগাযোগ উপগ্রহ যা প্রায় ৩৬ হাজার কিলোমিটার উচ্চতায় অবস্থান করে। এই নির্দিষ্ট উচ্চতায় পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করার জন্য উপগ্রহটির কক্ষপথে ঘূর্ণন দ্রুতি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩.০৭ কিলোমিটার হওয়া আবশ্যক। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কক্ষপথের দ্রুতি হলো এমন একটি নির্দিষ্ট গতি যা বজায় রেখে একটি উপগ্রহ মহাকর্ষ বলের প্রভাবে কোনো গ্রহকে প্রদক্ষিণ করে। কার্যপদ্ধতি: মহাকর্ষ বল এবং কেন্দ্রমুখী বলের ভারসাম্যের মাধ্যমে উপগ্রহটি নির্দিষ্ট গতিতে নির্ধারিত কক্ষপথে আবর্তন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃত্রিম উপগ্রহের উৎক্ষেপণ। ব্যাখ্যা: রকেটের মাধ্যমে নির্দিষ্ট উচ্চতায় পৌঁছানোর পর উপগ্রহকে প্রয়োজনীয় কক্ষপথের দ্রুতি প্রদান করা হয় যাতে এটি মহাকাশে স্থির থেকে কাজ করতে পারে। উদাহরণ ২: পৃথিবীর নিজ অক্ষে ঘূর্ণন এবং উপগ্রহের আবর্তন। ব্যাখ্যা: উপগ্রহটি পৃথিবীর আবর্তনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ঘোরে বলেই ভূপৃষ্ঠ থেকে এটিকে একটি নির্দিষ্ট স্থানে স্থির মনে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 4 km s⁻¹ — এই গতি ভূস্থির কক্ষপথের জন্য নির্ধারিত গতির চেয়ে বেশি, যা উপগ্রহকে উচ্চতর কক্ষপথে ঠেলে দেবে বা ছিটকে ফেলবে। B) 3.07 km sec⁻¹ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দ্রুতিতে ঘুরলেই উপগ্রহটি পৃথিবীর সাথে সামঞ্জস্য রেখে নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকতে পারে। C) 4.07 km sec⁻¹ — এই অতিরিক্ত গতির কারণে উপগ্রহটি নির্ধারিত ভূস্থির কক্ষপথ বজায় রাখতে ব্যর্থ হবে। D) 5.07 km sec⁻¹ — এই গতি ভূস্থির উপগ্রহের জন্য অনেক বেশি এবং এর ফলে উপগ্রহটি পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ বল অতিক্রম করে মহাশূন্যে হারিয়ে যাবে। ৫. মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর কক্ষপথের দ্রুতি মনে রাখতে সংখ্যাটি ৩.০৭ মনে রাখুন। ভূস্থির উপগ্রহের গতি সর্বদা সেকেন্ডে প্রায় ৩ কিলোমিটারের ঘরে হয়ে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ যা ২০১৭ সালের ১১ মে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়। এটি ফ্রান্সের থালেস অ্যালেনিয়া স্পেস কোম্পানির সহায়তায় তৈরি এবং যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপিত হয়।
a RAM
b HUB
c ROUTER
d MODEM
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) MODEM ১. কেন সঠিক: মডেম হলো এমন একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইসের ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে এবং অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে। টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে ডেটা প্রেরণের জন্য অ্যানালগ সিগন্যালের প্রয়োজন হয়, যা মডেমের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মডেম শব্দটির পূর্ণরূপ হলো মডুলেটর এবং ডিমডুলেটর। এটি ডিজিটাল ডেটাকে অ্যানালগ এবং অ্যানালগ ডেটাকে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে। কার্যপদ্ধতি: মডুলেশন প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে এবং ডিমডুলেশন প্রক্রিয়ায় অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করা হয়। ব্যবহার: ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের জন্য টেলিফোন লাইন বা ব্রডব্যান্ড সংযোগের ক্ষেত্রে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাড়িতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগের সময় টেলিফোন লাইন থেকে আসা সংকেত কম্পিউটারের উপযোগী করতে মডেম ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: অ্যানালগ টেলিফোন লাইন থেকে আসা সংকেতকে মডেম ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে কম্পিউটারকে ইন্টারনেট ব্যবহারের উপযোগী করে তোলে। উদাহরণ ২: ল্যান্ডলাইনের মাধ্যমে ফ্যাক্স পাঠানোর সময় ডিজিটাল ডেটা অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তরিত হয়। ব্যাখ্যা: কম্পিউটারের ডিজিটাল ডেটা অ্যানালগ মাধ্যমে পাঠানোর জন্য মডেম তা রূপান্তর করে গন্তব্যে পৌঁছে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) RAM — এটি কম্পিউটারের মূল মেমোরি বা প্রাইমারি মেমোরি হিসেবে কাজ করে এবং সংকেত রূপান্তর করে না। B) HUB — এটি একটি সাধারণ নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা একাধিক কম্পিউটারকে সংযুক্ত করে কিন্তু সংকেত রূপান্তর করে না। C) ROUTER — এটি বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্যাকেট রুট বা পথ নির্ধারণ করে, সংকেত রূপান্তর মডেমের কাজ। D) MODEM — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তর করতে পারে। ৫. মনে রাখার টিপস: মডেম কথাটি এসেছে মডুলেটর এবং ডিমডুলেটর শব্দের অংশ বিশেষ থেকে। ডিজিটাল থেকে অ্যানালগ রূপান্তরকে মডুলেশন এবং অ্যানালগ থেকে ডিজিটাল রূপান্তরকে ডিমডুলেশন বলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মডেম হলো একমাত্র ডিভাইস যা ডেটা যোগাযোগের ক্ষেত্রে মাধ্যম পরিবর্তনের জন্য মডুলেশন ও ডিমডুলেশন উভয় কাজই করতে পারে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মডেমের পূর্ণরূপ এবং এর মৌলিক কাজ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।

মোট প্রশ্ন (9)

a জাপান
b চীন
c কোরিয়া
d যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চীন ১. কেন সঠিক: - বর্তমান বিশ্বে চীন সবচেয়ে বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড বা গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণকারী দেশ। - তাদের দ্রুত শিল্পায়ন এবং শক্তির প্রধান উৎস হিসেবে কয়লার ব্যাপক ব্যবহারের ফলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের একটি বিশাল রাষ্ট্র। - বৈশিষ্ট্য: দেশটিতে প্রচুর কয়লা খনি রয়েছে এবং শিল্প উৎপাদন বিশ্ববাজারে প্রধান ভূমিকা পালন করে। - কারণ ও প্রভাব: অতিরিক্ত জ্বালানি পোড়ানোর ফলে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তন ত্বরান্বিত হচ্ছে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: বর্তমান পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিশ্ব মোট কার্বন নিঃসরণের প্রায় ত্রিশ শতাংশ একাই করে থাকে চীন। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: সাংহাই শিল্পাঞ্চল ব্যাখ্যা: এটি চীনের একটি প্রধান শিল্প কেন্দ্র যেখানে প্রচুর শক্তি খরচের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ কার্বন উৎপন্ন হয়। উদাহরণ ২: ঝিনিয়াং শক্তির ভিত্তি ব্যাখ্যা: কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের কেন্দ্রগুলো এই অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড বায়ুমণ্ডলে ছড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এটি বিশ্বের অন্যতম শিল্পোন্নত দেশ হলেও চীন বা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় এর সামগ্রিক কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ কম। B) চীন — এটি বর্তমান প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বিশ্বের শীর্ষ কার্বন নিঃসরণকারী দেশ। C) কোরিয়া — দক্ষিণ কোরিয়া একটি উন্নত ও শিল্পপ্রধান দেশ হলেও মোট নির্গমনে চীনের চেয়ে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। D) যুক্তরাষ্ট্র — এটি ঐতিহাসিকভাবে দ্বিতীয় বৃহত্তম কার্বন নিঃসরণকারী দেশ হলেও বর্তমানে প্রথম স্থানে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশ্বজুড়ে পণ্যের উৎপাদন বেশি হওয়ায় কার্বনের উৎসও বেশি, মনে রাখুন উৎপাদন বেশি মানেই চীন সবার উপরে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরিবেশগত ভূগোলের ক্ষেত্রে শীর্ষ দূষণকারী দেশগুলোর র‍্যাঙ্কিং প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - একই ধারণা থেকে মাথাপিছু কার্বন নিঃসরণে শীর্ষ দেশ বা ঐতিহাসিক নিঃসরণের অবদান সংক্রান্ত প্রশ্নও আসতে পারে।
a লন্ডন
b দুবাই
c তেল আবিব
d নিউ ইয়র্ক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিউ ইয়র্ক ১. কেন সঠিক: - নিউ ইয়র্ক শহরটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র হওয়ায় এখানে আবাসন, খাদ্য, পরিবহন ও জীবনযাত্রার ব্যয় বিশ্বজুড়ে সর্বোচ্চ। - বৈশ্বিক জীবনযাত্রার ব্যয় সূচকে এই শহরটি তার মুদ্রাস্ফীতি, শক্তিশালী অর্থনীতি এবং উচ্চ চাহিদার কারণে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে হাডসন নদীর মোহনায় আটলান্টিক মহাসাগরের তীরে অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনবহুল শহর এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি প্রধান বৈশ্বিক কেন্দ্র। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: আন্তর্জাতিক কনসালটেন্সি সংস্থার জীবনযাত্রার ব্যয় সমীক্ষায় এই শহরটি বারবার বিশ্বের ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ম্যানহাটন এলাকা ব্যাখ্যা: নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটন বরো বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল আবাসন ও বাণিজ্যিক এলাকার অন্যতম। উদাহরণ ২: ব্রডওয়ে থিয়েটার জেলা ব্যাখ্যা: এই শহরের বিনোদন ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোতে টিকিটের মূল্য এবং সেবার খরচ বিশ্বের অন্যান্য শহরের তুলনায় অনেক বেশি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন — যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের অন্যতম ব্যয়বহুল শহর হলেও বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয় সূচকে এটি নিউ ইয়র্কের পেছনে রয়েছে। B) দুবাই — সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধান বাণিজ্যিক শহর এবং মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে ব্যয়বহুল স্থানগুলোর একটি, তবে বিশ্বতালিকায় এটি শীর্ষস্থান দখল করেনি। C) তেল আবিব — ইসরায়েলের আর্থিক রাজধানী এবং অতীতে জীবনযাত্রার ব্যয়ে শীর্ষে থাকলেও পরিবর্তনশীল মুদ্রাস্ফীতির কারণে এটি বর্তমানে নিউ ইয়র্কের নিচে অবস্থান করছে। D) নিউ ইয়র্ক — এই প্রশ্নটির সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান ব্যয়বহুল শহর হিসেবে প্রমাণিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - অর্থের শহর বা ওয়াল স্ট্রিটের অবস্থান যেখানে, সেই নিউ ইয়র্কই খরচের দিক থেকেও শীর্ষে অবস্থান করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্ব অর্থনৈতিক সূচক এবং জীবনযাত্রার ব্যয় সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে। - এই ধরনের প্রশ্নে শহরগুলোর সাম্প্রতিক বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিং ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a Extinction Rebellion
b Nature Compact
c Eco Friends
d Build Better World
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Extinction Rebellion ১. কেন সঠিক: - এটি একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী আন্দোলন যা জলবায়ু পরিবর্তন ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের বিরুদ্ধে সোচ্চার। - এই আন্দোলনটি সরকারকে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে এবং কার্বন নির্গমন শূন্যে নামিয়ে আনতে শান্তিপূর্ণ আইন অমান্য ও অহিংস প্রতিরোধের পথ বেছে নেয়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: যুক্তরাজ্য থেকে ২০১৮ সালে এই আন্দোলন শুরু হলেও বর্তমানে এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। - বৈশিষ্ট্য: এটি কোনো দলীয় রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত নয় এবং সরাসরি কর্মপদ্ধতিতে বিশ্বাস করে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: জলবায়ু সংকটের বাস্তব প্রভাব থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করতে সাধারণ মানুষ ও বিজ্ঞানীরা এতে দলমত নির্বিশেষে অংশ নেন। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: লন্ডনের রাজপথ অবরোধ। ব্যাখ্যা: এই আন্দোলনের কর্মীরা জলবায়ু পরিবর্তনের তীব্রতা সম্পর্কে বিশ্ববাসীর নজর কাড়তে ব্যস্ত সড়ক ও সেতু অহিংস উপায়ে অবরোধ করেন। উদাহরণ ২: বৈশ্বিক ধর্মঘট ও প্রতিবাদ। ব্যাখ্যা: বিভিন্ন দেশের পরিবেশকর্মীরা পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে নীতিনির্ধারকদের বাধ্য করতে এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে গণবিক্ষোভ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Extinction Rebellion — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি বৈশ্বিক জলবায়ু ও পরিবেশ বিষয়ক একটি নির্দলীয় আন্দোলন। B) Nature Compact — এটি কোনো পরিচিত বৈশ্বিক পরিবেশ আন্দোলনের নাম নয় বরং এটি ভুল বা বিভ্রান্তিকর অপশন। C) Eco Friends — এটি কোনো আন্তর্জাতিক পরিবেশ আন্দোলনের নাম নয় বরং এটি বিভিন্ন স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠনের সাধারণ নাম হতে পারে। D) Build Better World — এটি জলবায়ু আন্দোলন নয় বরং এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জি-সেভেন ভুক্ত দেশগুলোর একটি আন্তর্জাতিক অবকাঠামো ও উন্নয়ন উদ্যোগ। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিলুপ্তি বা এক্সটিংশন শব্দটি পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। - জলবায়ু সংকট বোঝাতে বিদ্রোহী মনোভাব প্রকাশকারী আন্দোলন হলো এক্সটিংশন রেবেলিয়ন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক পরিবেশগত আন্দোলন ও বৈশ্বিক উদ্যোগ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - ফ্রাইডেস ফর ফিউচার বা এক্সটিংশন রেবেলিয়নের মতো আন্তর্জাতিক আন্দোলনগুলোর প্রতিষ্ঠাতা ও শুরুর বছর সম্পর্কে জেনে রাখা ভালো।
a কাস্পিয়ান
b বৈকাল
c মানস সরোবর
d ডেড সী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বৈকাল ১. কেন সঠিক: বৈকাল হ্রদ পৃথিবীর গভীরতম হ্রদ হিসেবে পরিচিত যার সর্বোচ্চ গভীরতা ১,৬৪২ মিটার। এর বিশাল গভীরতা এবং প্রাচীন টেকটনিক প্লেটের ফাটলে সৃষ্টির কারণে এটি এই ভৌগোলিক বৈচিত্র্য অর্জন করেছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: এটি রাশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো হ্রদ। বৈশিষ্ট্য: পৃথিবীর মোট তরল স্বাদু পানির প্রায় কুড়ি শতাংশ এই হ্রদে সংরক্ষিত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য: এটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে তালিকাভুক্ত। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: তানাগানিকা হ্রদ ব্যাখ্যা: এটি আফ্রিকার দীর্ঘতম ও দ্বিতীয় গভীরতম হ্রদ যা বৈকাল হ্রদের মতো টেকটনিক গ্রাবেনের ফল। উদাহরণ ২: সুপিরিয়র হ্রদ ব্যাখ্যা: এটি আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম স্বাদু পানির হ্রদ হলেও গভীরতায় বৈকাল হ্রদের ধারেকাছেও আসে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাস্পিয়ান — এটি আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম হ্রদ বা সাগর হলেও গভীরতম নয়। B) বৈকাল — এটি প্রশ্ন অনুযায়ী পৃথিবীর গভীরতম হ্রদ এবং সঠিক উত্তর। C) মানস সরোবর — এটি তিব্বতে অবস্থিত একটি ধর্মীয় ও ভৌগোলিক গুরুত্বসম্পন্ন উচ্চ উচ্চতার হ্রদ। D) ডেড সী — এটি বিশ্বের সবচেয়ে লবণাক্ত জলাশয়গুলোর একটি যা হ্রদ হিসেবে পরিচিত হলেও গভীরতম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: গভীর পানির বৈচিত্র্য মনে রাখতে বাইক চালাতে চালাতে গভীর রাতে বৈকাল হ্রদের কথা ভাবুন। বৈকাল মানেই গভীর জলরাশি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই হ্রদের গভীরতা ও আয়তনের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। বৈকাল হ্রদ গভীরতম এবং কাস্পিয়ান সাগর বৃহত্তম হ্রদ হিসেবে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।
a সুয়েজ খাল
b ভলগা নদী
c মিসিসিপি নদী
d পানামা খাল
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক প্রণালি, খাল, উপসাগর ও সাগর সঠিক উত্তর: D) পানামা খাল ১. কেন সঠিক: পানামা খাল মধ্য আমেরিকার পানামা যোজাকীর্ণ অঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সরাসরি সংযুক্ত করেছে। এই কৃত্রিম জলপথটি নির্মাণের ফলে জাহাজগুলোকে দক্ষিণ আমেরিকার কেপ হর্ন ঘুরে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার প্রয়োজন হয় না এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্যের দূরত্ব ও সময় বহুলাংশে হ্রাস পেয়েছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: মধ্য আমেরিকা, পানামা দেশ, আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর। বৈশিষ্ট্য: এটি একটি লক বা কপাটিকাভিত্তিক কৃত্রিম জলপথ যা সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতার তারতম্য নিয়ন্ত্রণ করে জাহাজ পারাপার নিশ্চিত করে। সংশ্লিষ্ট তথ্য: ১৯১৪ সালে পানামা খাল আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করা হয় এবং পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ থেকে পানামা সরকারের কাছে এর সার্বভৌমত্ব হস্তান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: নিউ ইয়র্ক থেকে সান ফ্রান্সিসকো সামুদ্রিক রুট। ব্যাখ্যা: পানামা খাল ব্যবহারের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলের নিউ ইয়র্ক থেকে পশ্চিম উপকূলের সান ফ্রান্সিসকো যাওয়ার সমুদ্রপথ প্রায় পনেরো হাজার কিলোমিটার সংকুচিত হয়েছে। উদাহরণ ২: গ্যাটুন হ্রদ। ব্যাখ্যা: পানামা খালের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো এই কৃত্রিম হ্রদ, যা খালের মধ্য দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে পানীয় জল ও চলাচলের পথ সরবরাহ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুয়েজ খাল — এটি মিশর ও সিনাই উপদ্বীপের মাঝে অবস্থিত একটি কৃত্রিম জলপথ যা ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে সংযুক্ত করেছে। B) ভলগা নদী — এটি ইউরোপের দীর্ঘতম নদী যা রাশিয়ার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কাস্পিয়ান সাগরে পতিত হয়েছে। C) মিসিসিপি নদী — এটি উত্তর আমেরিকার দীর্ঘতম নদী অববাহিকাগুলোর একটি যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মেক্সিকো উপসাগরে পতিত হয়েছে। D) পানামা খাল — এটি আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: পানামা খাল প্রশান্ত ও আটলান্টিককে যুক্ত করে, আর সুয়েজ খাল ভূমধ্য ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করে। পানামা শব্দটির সাথে আমেরিকা ও সামুদ্রিক যোগাযোগের বিষয়টি মনে রাখলে সহজেই সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পানামা খাল ও সুয়েজ খালের সংযোগস্থল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে সুয়েজ খাল কোন দুটি সাগরকে যুক্ত করেছে।
a ৭ মাত্রার
b ৭.৫ মাত্রার
c ৮ মাত্রার
d ৮.৫ মাত্রার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮.৫ মাত্রার ১. কেন সঠিক: - পদ্মা সেতুটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে এটি রিখটার স্কেলে ৮.৫ মাত্রার ভূমিকম্প সহ্য করতে পারে। - বাংলাদেশের ভূকম্পন সংবেদনশীল অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় এর পাইলিং এবং স্ট্রাকচার অত্যন্ত মজবুত করা হয়েছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: মুন্সীগঞ্জ, শরীয়তপুর ও মাদারীপুর জেলা সংযোগকারী পদ্মা নদীর ওপর অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি দেশের দীর্ঘতম বহুমুখী সেতু এবং একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবকাঠামো। - প্রাসঙ্গিক তথ্য: সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার এবং এর গভীরতা ও পাইলিং বিশ্বের অন্যতম গভীর। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: জাপানের আকশি কাইকিয়ো সেতু ব্যাখ্যা: এটি অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলে নির্মিত এবং বিশ্বের দীর্ঘতম ঝুলে থাকা সেতুগুলোর একটি। উদাহরণ ২: সান ফ্রান্সিসকোর গোল্ডেন গেট সেতু ব্যাখ্যা: এটিও প্রবল ভূমিকম্প এবং সামুদ্রিক বাতাসের ধাক্কা সহ্য করার উপযোগী করে প্রকৌশলগতভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ মাত্রার — এই মাত্রাটি পদ্মা সেতুর মতো মেগা প্রকল্পের জন্য অপর্যাপ্ত এবং এর প্রকৌশল নকশায় অনেক বেশি সহনশীলতা রাখা হয়েছে। B) ৭.৫ মাত্রার — মাঝারি মানের ভূমিকম্পের জন্য এটি প্রযোজ্য হলেও বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতির জন্য সেতুটির সহনশীলতা এর চেয়ে বেশি নির্ধারণ করা হয়েছে। C) ৮ মাত্রার — যদিও এটি অনেক বেশি, তবুও পদ্মা সেতুর চূড়ান্ত নকশাগত সহনশীলতা এর চেয়েও বেশি রাখা হয়েছে। D) ৮.৫ মাত্রার — এটিই সঠিক কারণ প্রকৌশলগত সমীক্ষায় এই সর্বোচ্চ মাত্রাটি বিবেচনায় নিয়ে সেতুটির ভিত নির্মাণ করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: পদ্মা সেতুর সহনশীলতা মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সেতু তাই এর সহনশীলতার মাত্রাটিও ৮ এর চেয়ে বেশি অর্থাৎ ৮.৫। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি থেকে শিক্ষার্থীরা মেগা প্রকল্পের প্রকৌশলগত চ্যালেঞ্জ ও ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপের রিখটার স্কেল সম্পর্কে ধারণা লাভ করে। একই ধারণা থেকে ভবিষ্যতে সেতুটির দৈর্ঘ্য বা এর অবস্থান সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a কার্বন ডাইঅক্সাইড
b নাইট্রাস অক্সাইড
c সালফার ডাইঅক্সাইড
d জলীয় বাষ্প
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সালফার ডাইঅক্সাইড ১. কেন সঠিক: - সালফার ডাইঅক্সাইড একটি গ্রিনহাউস গ্যাস নয় কারণ এটি বায়ুমণ্ডলে দীর্ঘস্থায়ী তাপ আটকে রাখতে প্রধানত ভূমিকা রাখে না। - বরং এটি সূর্যালোক প্রতিহত করে বায়ুমণ্ডলকে সাময়িকভাবে শীতল করার ক্ষমতা রাখে এবং এটি প্রধানত অম্লীয় বৃষ্টির জন্য দায়ী। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - আবহাওয়া ও জলবায়ু: বায়ুমণ্ডলের যেসকল গ্যাস পৃথিবী থেকে বিকিরিত দীর্ঘ তরঙ্গের তাপ শোষণ করে ভূপৃষ্ঠকে উষ্ণ রাখে, সেগুলোকে গ্রিনহাউস গ্যাস বলে। - কারণ ও প্রভাব: প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাসগুলো হলো কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড ও জলীয় বাষ্প, যা বিশ্ব উষ্ণায়নের মূল কারণ। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: জলীয় বাষ্প ব্যাখ্যা: এটি বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে প্রাকৃতিক এবং শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস যা পৃথিবীর স্বাভাবিক তাপমাত্রা ধরে রাখতে সহায়তা করে। উদাহরণ ২: কার্বন ডাইঅক্সাইড ব্যাখ্যা: জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে এই গ্যাস প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হয় এবং দীর্ঘকাল বায়ুমণ্ডলে থেকে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্বন ডাইঅক্সাইড — এটি একটি অন্যতম প্রধান ও সর্বাধিক পরিচিত গ্রিনহাউস গ্যাস যা বৈশ্বিক উষ্ণতার জন্য দায়ী। B) নাইট্রাস অক্সাইড — এটি একটি শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস যা মূলত কৃষি কার্যক্রম ও সার ব্যবহারের ফলে বায়ুমণ্ডলে বৃদ্ধি পায়। C) সালফার ডাইঅক্সাইড — এটি কোনো গ্রিনহাউস গ্যাস নয়, এটি শিল্পকারখানার ধোঁয়া থেকে উৎপন্ন হয় এবং অম্লীয় বৃষ্টি ও বায়ু দূষণ ঘটায়। D) জলীয় বাষ্প — এটি প্রকৃতির সবচেয়ে সক্রিয় গ্রিনহাউস গ্যাস যা বায়ুমণ্ডলের প্রাকৃতিক তাপমাত্রার ভারসাম্য রক্ষা করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - গ্রিনহাউস গ্যাসগুলো মনে রাখার জন্য প্রধান গ্যাসগুলোর নাম মনে রাখবে, যেমন কার্বন, মিথেন, জলীয় বাষ্প ও নাইট্রাস অক্সাইড। - সালফার ডাইঅক্সাইড এবং নাইট্রোজেন ডাইঅক্সাইড প্রধানত এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী, গ্রিনহাউস গ্যাস হিসেবে এদের প্রধান ভূমিকা নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই গ্রিনহাউস গ্যাস কোনটি বা কোনটি নয় তা জানতে চাওয়া হয়। - এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা গ্রিনহাউস গ্যাস এবং বায়ু দূষণকারী গ্যাসের পার্থক্য সহজে বুঝতে পারবে।
a পুকুরে
b বিলে
c নদীতে
d সাগরে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সাগরে ১. কেন সঠিক: সাগরের পানিতে লবণের পরিমাণ বেশি থাকায় এর ঘনত্ব সাধারণ পানির চেয়ে বেশি হয়। ফলে আর্কিমিডিসের সূত্র অনুযায়ী বস্তুর ওপর প্লবতা বা ঊর্ধ্বমুখী ধাক্কা বেশি কাজ করে, যা সাঁতার কাটতে সাহায্য করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: বৈশিষ্ট্য: মহাসাগর ও সাগরের পানির ঘনত্ব বেশি হওয়ার কারণে মানুষের শরীর সহজে পানিতে ভেসে থাকে। কারণ ও প্রভাব: দ্রবীভূত খনিজ ও লবণের কারণে পানির প্লবতা বৃদ্ধি পায়, যা সাঁতারুকে কম পরিশ্রমে ভাসিয়ে রাখতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: মৃত সাগর বা ডেড সি। ব্যাখ্যা: এই সাগরে লবণের পরিমাণ এত বেশি যে মানুষ সাঁতার না জেনেও খুব সহজেই শুয়ে থাকতে পারে এবং ডুবে যায় না। উদাহরণ ২: সাধারণ নদী ও পুকুরের মিষ্টি পানি। ব্যাখ্যা: মিষ্টি পানিতে লবণের ঘনত্ব কম থাকায় প্লবতা কম হয়, ফলে সাঁতার কাটার সময় বেশি শক্তি প্রয়োগ করতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুকুরে — পুকুরের পানি সাধারণত মিষ্টি পানি হওয়ায় এতে লবণের পরিমাণ কম থাকে এবং পানির ঘনত্ব কম হয়। ফলে সাগরের মতো সহজে ভেসে থাকা বা সাঁতার কাটা যায় না। B) বিলে — বিলের পানি মূলত বৃষ্টির পানি বা ঢলের পানি দ্বারা পুষ্ট মিষ্টি পানি, যেখানে খনিজ লবণের মাত্রা খুবই কম। এ কারণে প্লবতা কম থাকায় সাঁতার কাটা তুলনামূলক কঠিন। C) নদীতে — নদীর পানি প্রবহমান মিষ্টি পানি, যাতে খনিজ পদার্থের ঘনত্ব কম থাকে। ঘনত্ব কম থাকার কারণে এতে সাঁতার কাটার সময় বেশি শারীরিক পরিশ্রমের প্রয়োজন হয়। D) সাগরে — এই অপশনটি সঠিক কারণ সাগরের পানিতে প্রচুর লবণ ও খনিজ দ্রবীভূত থাকে, যা পানির ঘনত্ব এবং প্লবতা বাড়িয়ে দেয়। ৫. মনে রাখার টিপস: যেখানে লবণের পরিমাণ যত বেশি, সেই পানির ঘনত্ব ও প্লবতা তত বেশি। তাই লবণাক্ত সাগরে সাঁতার কাটা সবচেয়ে সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পানির ঘনত্ব এবং প্লবতার সঙ্গে লবণের পরিমাণের সম্পর্ক পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই ধারণা থেকে তরল পদার্থের ঘনত্ব ও আর্কিমিডিসের সূত্র সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a যুক্তরাজ্যে
b যুক্তরাষ্ট্রে
c ফ্রান্সে
d ইতালিতে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাজ্যে ১. কেন সঠিক: গ্রিনিচ মান মন্দিরটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের পূর্ব অংশে টেমস নদীর তীরে অবস্থিত। এই স্থানটি আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় বা জিএমটি এবং শূন্য ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখার মূল মধ্যরেখার ভৌগোলিক সূচক হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: যুক্তরাজ্য, ইউরোপ মহাদেশ, গ্রেট ব্রিটেন দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল। বৈশিষ্ট্য: এই স্থানটির ওপর দিয়েই শূন্য ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখা বা প্রাইম মেরিডিয়ান কল্পিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য: এখান থেকেই পৃথিবীর সব দেশের স্থানীয় সময় ও সময়ের ব্যবধান হিসাব করা হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ সময় ব্যাখ্যা: গ্রিনিচ মান সময় থেকে বাংলাদেশ সময় ছয় ঘণ্টা এগিয়ে থাকে কারণ বাংলাদেশ প্রায় নব্বই ডিগ্রি পূর্বে অবস্থিত। উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা ব্যাখ্যা: গ্রিনিচ রেখার বিপরীত দিকে প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর একশত আশি ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখাকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা ধরা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্যে — এটি সঠিক উত্তর কারণ রয়্যাল অবজারভেটরি গ্রিনিচ লন্ডনেই অবস্থিত। B) যুক্তরাষ্ট্রে — এটি উত্তর আমেরিকার একটি দেশ এবং এর নিজস্ব প্রমাণ সময় অঞ্চল রয়েছে কিন্তু গ্রিনিচ এখানে নেই। C) ফ্রান্সে — এটি ইউরোপের দেশ এবং একসময় প্যারিস মেরিডিয়ান ব্যবহৃত হলেও বর্তমান গ্রিনিচ মান মন্দিরের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। D) ইতালিতে — এটি দক্ষিণ ইউরোপের একটি উপদ্বীপ দেশ এবং আন্তর্জাতিক মান সময়ের মূল কেন্দ্র এটি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: গ্রিনিচ মান মন্দির মানেই লন্ডন শহর আর লন্ডন মানেই যুক্তরাজ্য। সময় নির্ধারণের মূল কেন্দ্র হিসেবে যুক্তরাজ্য নামটি সব সময় প্রথমে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ ও সময় নির্ণয় অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মূল মধ্যরেখা কোন দেশের ওপর দিয়ে গেছে এবং আন্তর্জাতিক সময় কীভাবে নির্ধারিত হয়, এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।