বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩।

পদের নাম: মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) (১৪তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a বিধবা নারী
b তালাকপ্রাপ্ত নারী
c যে নারীর স্বামী বিদেশে থাকে
d যে নারী পিত্রালয়ে থাকে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যে নারীর স্বামী বিদেশে থাকে ১. কেন সঠিক: - প্রোষিতভর্তৃকা হলো এককথায় প্রকাশ বা বাক্যের সংক্ষিপ্তকরণ, যেখানে স্বামী প্রবাসে বা বিদেশে অবস্থান করছেন এমন স্ত্রীকে বোঝানো হয়। - প্রোষিত শব্দের অর্থ বিদেশে বা প্রবাসে অবস্থানরত এবং ভর্তুকা বা ভর্তার অর্থ স্বামী, ফলে শব্দটির মূল অর্থ স্বামী বিদেশে আছেন এমন নারী। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা বড় বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। - এই ধরনের শব্দ সাধারণত সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এর একটি নির্দিষ্ট গঠন ও অর্থ রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অভিসারিকা ব্যাখ্যা: যে নারী নিজে অভিসারে বা প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে যান, তাকে অভিসারিকা বলা হয়। উদাহরণ ২: খণ্ডিতা ব্যাখ্যা যার স্বামী অন্য নারীর সঙ্গে রাত কাটিয়ে সকালে ফিরে এসেছে এবং যার মনে ক্ষোভ জন্মেছে, তাকে খণ্ডিতা বলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিধবা নারী — যে নারীর স্বামী মারা গেছেন তাকে বিধবা বলা হয়, প্রোষিতভর্তৃকা বলা হয় না। B) তালাকপ্রাপ্ত নারী — আইনগতভাবে যে নারীর বিবাহবিচ্ছেদ ঘটেছে তাকে তালাকপ্রাপ্তা বলা হয়, প্রোষিতভর্তৃকা নয়। C) যে নারীর স্বামী বিদেশে থাকে — এটিই সঠিক উত্তর কারণ প্রোষিতভর্তৃকা শব্দের অর্থ স্বামী বিদেশে অবস্থান করা নারী। D) যে নারী পিত্রালয়ে থাকে — যে নারী পিতার আলয় বা বাড়িতে স্থায়ীভাবে বা সাময়িক বসবাস করেন তাকে পিত্রালয়বাসিনী বলা যায়, প্রোষিতভর্তৃকা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রোষিত অর্থ প্রবাস বা বিদেশ এবং ভর্তা অর্থ স্বামী, তাই প্রোষিতভর্তৃকা মানে যার স্বামী প্রবাসে থাকেন। - নায়িকার বিভিন্ন অবস্থার এই রূপগুলো এককথায় প্রকাশের জন্য বারবার চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নায়িকার বিভিন্ন অবস্থা সংক্রান্ত এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে। - প্রোষিতভর্তৃকা, অভিসারিকা, খণ্ডিতা, উৎকণ্ঠিতা এই শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a নিমন্ত্রণ
b পল্লীবধূ
c কবর
d রাখালী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কবর ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত উদ্ধৃতিটি পল্লিপ্রকৃতির চিত্র ফুটিয়ে তোলার জন্য বিখ্যাত। পল্লিকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কবর কবিতার শেষ অংশের পঙ্‌ক্তি এটি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যে পল্লিকবি হিসেবে পরিচিত। তার কবর কবিতাটি ১৯২৫ সালে কল্লোল পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা কাব্যসাহিত্যের এক অমর সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এইখানে তোর দাদী কবর ডালিম গাছের তলে। ব্যাখ্যা: এটি কবর কবিতার অত্যন্ত পরিচিত একটি চরণের অংশ যা পল্লিগ্রামের শোকগাথা প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও, রহিম উদ্দের ছোট্ট গ্রামটিতে তোমরা সবে যাও। ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের নকশী কাঁথার মাঠ বা আসমানী কবিতার বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি যা পল্লিমানুষের দুঃখ ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিমন্ত্রণ — এটি জসীমউদ্দীনের একটি জনপ্রিয় কবিতা হলেও এই পঙ্‌ক্তিটি এই কবিতায় নেই। B) পল্লীবধূ — এটি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত কবিতা তবে এই নির্দিষ্ট উদ্ধৃতিটি এখানে পাওয়া যায় না। C) কবর — এটি সঠিক উত্তর। D) রাখালী — এটি জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যার বিষয়বস্তু গ্রামীণ প্রকৃতি কিন্তু এই পঙ্‌ক্তিটি এর অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সন্ধ্যা নামিছে ঘন আবিরের রাগ এবং দাদী কবরের দৃশ্য মনে রাখলে জসীমউদ্দীনের কবর কবিতা সহজেই চেনা যায়। পল্লিকবির গ্রামীণ শোকগাথার কবিতায় এমন সান্ধ্যকালীন চিত্র বেশি থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জসীমউদ্দীনের কবর কবিতা থেকে প্রায়ই চরণ তুলে প্রশ্ন করা হয়। তাই কবর কবিতার বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
a সং + কার
b সম + কার
c সন + কার
d সমো + কার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সম + কার ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুসারে সংস্কৃত ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী ম্-এর পর ক্ বর্গীয় ধ্বনি থাকলে ম্ স্থানে অনুস্বার হয়। এখানে সম পদের ম্ ধ্বনির সঙ্গে কার পদের ক্ যোগ হওয়ার সময় নিয়মানুযায়ী ম্ পরিবর্তিত হয়ে অনুস্বার রূপ ধারণ করে সংস্কার শব্দ গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে পদের অন্তস্থিত ম্-এর পরে যদি ক, খ, গ, ঘ, ঙ থাকে তবে ম্ স্থানে অনুস্বার হয়। এই নিয়মে ম্-এর সঙ্গে ক যুক্ত হয়ে অনুস্বার হয়েছে এবং কার যুক্ত হয়ে সংস্কার শব্দটি তৈরি করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সম + কল্প = সংকল্প ব্যাখ্যা: এখানে ম্-এর পরে ক থাকার কারণে ম্ পরিবর্তিত হয়ে অনুস্বার হয়েছে। উদাহরণ ২: সম + চয় = সঞ্চয় ব্যাখ্যা: এখানে ম্-এর পরে চ থাকার কারণে ম্ পরিবর্তিত হয়ে অনুস্বার হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সং + কার — এখানে সং কোনো মূল সংস্কৃত উপসর্গ বা পদ নয়, ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক মূল শব্দ সম ব্যবহার করতে হয়। B) সম + কার — এটি সঠিক উত্তর। C) সন + কার — সন কোনো সঠিক সংস্কৃত উপসর্গ বা শব্দমূল নয়, তাই এই সন্ধি গঠন ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) সমো + কার — সমো কোনো প্রমিত বা ব্যাকরণসম্মত শব্দ বা উপসর্গ নয়, তাই এটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে ম্-এর পর ক বর্গীয় বর্ণ থাকলে ম্-এর পরিবর্তে অনুস্বার ব্যবহার করতে হয়। এই নিয়মটি মাথায় রাখলে সম পder সঙ্গে ক-যুক্ত পদের সন্ধি খুব সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। একই নিয়মে সঞ্চয়, সংকল্প, সংগ্রাম ইত্যাদি শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদ চর্চা করা উচিত।
a হাসান রাজা
b লালন শাহ
c শাহ আবদুল করিম
d আব্বাসউদ্দীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শাহ আবদুল করিম ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে শাহ আবদুল করিমকে বাংলা সঙ্গীতের বাউল সম্রাট বলা হয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভুল তথ্য। - বাংলাদেশের লোকগানে শাহ আবদুল করিম ভাটিয়াল ও বাউল ধারার এক অনন্য গীতিকার হলেও তাকে বাউল সম্রাট বলা হয় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা লোকসঙ্গীত ও বাউল গানের ইতিহাসে বাউল সম্রাট উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন প্রখ্যাত সাধক বাউল শাহ আবদুল লতিফ সরকার বা অন্য কেউ, তবে শাহ আবদুল করিম সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার উজানধল গ্রামের এক কিংবদন্তি বাউল ও লোকশিল্পী। - তার বিখ্যাত কিছু গানের মধ্যে বারে বা বারে কি আর আসে দিন, কেন পিরীতি বাড়াইলারে বন্ধু এবং মদিনার বাতি উল্লেখযোগ্য যা বাংলা লোকসাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শাহ আবদুল করিমের গান গাড়ি চলে না চলে না রে ভালোমতো। ব্যাখ্যা: এটি তার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও দর্শণমূলক আধ্যাত্মিক গান। উদাহরণ ২: শাহ আবদুল করিমের গান কেন পিরীতি বাড়াইলারে বন্ধু। ব্যাখ্যা: এই গানটি বাংলার গ্রামীণ লোকসংস্কৃতির প্রেম ও বিরহের এক অপূর্ব নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাসান রাজা — হাসন রাজা একজন প্রখ্যাত মরমী কবি ও জমিদার ছিলেন কিন্তু তাকে বাউল সম্রাট বলা হয় না। B) লালন শাহ — লালন শাহ হলেন বাউল সঙ্গীতের অবিসংবাদিত গুরু বা ফকির যিনি বাউল সাধনার প্রধান পুরুষ হিসেবে পরিচিত। C) শাহ আবদুল করিম — এই অপশনটি প্রদত্ত উত্তরে সঠিক বলা হলেও তথ্যগতভাবে তিনি বাউল সম্রাট নন বরং সুনামধন্য লোকশিল্পী। D) আব্বাসউদ্দীন — আব্বাসউদ্দীন আহমদ হলেন বাংলার বিখ্যাত লোকসঙ্গীত শিল্পী বিশেষ করে ভাওয়াইয়া ও পল্লীগীতির জন্য পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - লালন শাহ হলেন বাউল গানের আদি গুরু বা মূল পুরুষ আর শাহ আবদুল করিম হলেন ভাটি অঞ্চলের বাউল ও লোকগানের জীবন্ত কিংবদন্তি। - পরীক্ষার প্রশ্নে সম্রাট শব্দ দেখলে সাধক লালন শাহ বা নির্দিষ্ট লোকগানের অন্য কোনো সম্রাটকে ভালোভাবে মিলিয়ে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শাহ আবদুল করিমের জন্মস্থান সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার উজানধল গ্রাম এবং তাকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়। - লোকসাহিত্য থেকে আসা প্রশ্নে শিল্পী এবং তাদের উপাধি ও বিখ্যাত গানগুলোর নাম বারবার অনুশীলন করতে হবে।
a একাগ্রতায়
b সমান ব্যবহারে
c সমভাবনায়
d একযোগে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একযোগে ১. কেন সঠিক: 'সমভিব্যাহারে' একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ একত্রে, সাথে বা একযোগে। বাক্যে এই শব্দটি সাধারণত কোনো কিছুসহ বা একসাথে ঘটার ভাব প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ ও শব্দভান্ডার সংক্রান্ত প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। শব্দটির উৎপত্তি সংস্কৃত ভাষা থেকে হয়েছে এবং এটি সাধারণত ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবাইকে সমভিব্যাহারে নিয়ে তিনি রওনা হলেন। ব্যাখ্যা: এখানে 'সমভিব্যাহারে' শব্দটি সবাইকে সাথে করে বা একযোগে যাত্রা করার অর্থ প্রকাশ করছে। উদাহরণ ২: দলবল সমভিব্যাহারে নেতা উপস্থিত হলেন। ব্যাখ্যা: এখানে দলবলকে সাথে বা একযোগে বোঝাতে শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একাগ্রতায় — একাগ্রতা অর্থ গভীর মনোযোগ বা চিত্তের স্থিরতা, যা 'সমভিব্যাহারে' শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) সমান ব্যবহারে — সমান ব্যবহার অর্থ সবার প্রতি তুলনামূলক বা সমসুলভ আচরণ, যা এই শব্দের সঠিক অর্থ নয়। C) সমভাবনায় — সমভাবনা অর্থ একই রকম চিন্তা বা মানসিকতা পোষণ করা, যা প্রদত্ত শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) একযোগে — এটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে কারণ সমভিব্যাহারে এবং একযোগে উভয়ই একত্রে বা একসাথে ঘটার ভাব নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: 'সমভিব্যাহারে' শব্দটিতে 'সহ' বা সাথে থাকার একটা ভাব আছে। তাই এটি দেখলেই 'একযোগে' বা 'সাথে' কথাটি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দার্থ ও এককথায় প্রকাশ সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোর জন্য প্রমিত বাংলা অভিধানের সাহায্য নেওয়া উচিত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের কঠিন শব্দগুলোর সঠিক অর্থ জানার জন্য নিয়মিত অনুশীলন করতে হবে।
a মনীযী
b মনিষী
c মনীষী
d মনিষী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মনীষী ১. কেন সঠিক: মনীষী শব্দের অর্থ প্রাজ্ঞ ব্যক্তি, জ্ঞানী বা মনস্বী। বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের বানানটিতে মূর্ধন্য ষ এবং দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত তৎসম শব্দে মূর্ধন্য ষ এর ব্যবহারিক নিয়ম অনুযায়ী ই কার বা উ কার এবং র বা র-ফলা এর পরে সাধারণত মূর্ধন্য ষ বসে। মনীষী শব্দের ক্ষেত্রে ম এর পরে ন, ই কার এবং ষ এর সঙ্গে দীর্ঘ ঈ কার যুক্ত হয়ে গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিভীষণ ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে ই কারের পরে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ঋষি ব্যাখ্যা: ঋ কারের পরে মূর্ধন্য ষ ব্যবহারের এটি একটি আদর্শ তৎসম শব্দের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনীযী - এই অপশনে মূর্ধন্য ষ এর পরিবর্তে বর্গীয় জ ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ। B) মনিষী - এই অপশনে বানানে মূর্ধন্য ষ থাকলেও ন এর সঙ্গে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। C) মনীষী - এটি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শতভাগ শুদ্ধ এবং সঠিক উত্তর। D) মনিষী - এটি বি এবং ডি অপশনের মতো একই ভুল বানান যেখানে ন এ হ্রস্ব ই কার রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: মনীষী বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো মন এর সঙ্গে ইষ প্রত্যয় যোগ করে শব্দটি গঠিত হয়। এখানে মূর্ধন্য ষ এবং দীর্ঘ ঈ কার মনে রাখা আবশ্যক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানান এবং ষ এর ব্যবহার থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। ন এবং ষ এর সঠিক অবস্থান মনে রাখলে এ ধরনের বানান সহজে নির্ণয় করা যায়।
a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b অন্নদাশঙ্কর রায়
c মাইকেল মধুসূদন দত্ত
d সুকান্ত ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রবর্তন করেন এবং এর মাধ্যমে বাংলা কাব্যে নতুন যুগের সূচনা করেন। - অমিত্রাক্ষর ছন্দ হলো এমন একটি ছন্দ যেখানে পংক্তির শেষে কোনো অন্তমিল বা মিল রাখার বাধ্যবাধকতা থাকে না এবং এর যতি বা ভাবের প্রবাহ যেকোনো জায়গায় শেষ হতে পারে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও নাট্যকার যিনি বাংলা কাব্যে আধুনিকতার পথিকৃৎ হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। - তাঁর প্রবর্তित অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত সর্বকালের সেরা মহাকাব্য হলো তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য এবং মেঘনাদবধ কাব্য যা বাংলা সাহিত্যকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর সৃষ্টি এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য যা সম্পূর্ণ অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত। উদাহরণ ২: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধুসূদন দত্তের প্রথম কাব্য যেখানে তিনি প্রথমবারের মতো বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রয়োগ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক, কিন্তু তিনি ছন্দের প্রবর্তক নন। B) অন্নদাশঙ্কর রায় — অন্নদাশঙ্কর রায় আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতনামা প্রাবন্ধিক ও কবি, তবে তিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক নন। C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রবর্তন করেছেন। D) সুকান্ত ভট্টাচার্য — সুকান্ত ভট্টাচার্য আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন কিশোর কবি ও মার্ক্সবাদী লেখক যিনি মূলত প্রগতিশীল কবিতার জন্য পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত এটি মনে রাখতে মনে রাখুন মধু মানেই নতুন কিছু আর তিনিই কাব্যে প্রথম মিলহীন ছন্দের মধু ফুটিয়েছেন। - মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য মনে রাখলে ছন্দের প্রবর্তক হিসেবে মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে মনে চলে আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য কোনটি এবং এর রচয়িতা কে। - অমিত্রাক্ষর ছন্দের উৎস মূলত ইংরেজি ব্ল্যাংক ভার্স বা মিলহীন ছন্দ যার অনুকরণে মধুসূদন দত্ত বাংলায় এই ছন্দের সার্থক রূপ দেন।
a দ্বিগু
b কর্মধারয়
c দ্বন্দ্ব
d বহুব্রীহি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: যে কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণ বা দুটি বিশেষ্য পদ মিলে একটি পদ গঠিত হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। জজ সাহেব সমস্তপদটিতে জজ ও সাহেব দুটি বিশেষ্য পদ একত্রে বসে একজন বিশেষ ব্যক্তিকে বোঝাচ্ছে এবং সাহেব পদটির অর্থ প্রধান হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেখানে পদের মিলনে সাধারণ কর্মধারয় সমাস হয়, সেখানে বিশেষ্য ও বিশেষণ অথবা দুটি বিশেষ্য পদের সমতা রক্ষা পায়। এখানে জজ সাহেব সমস্তপদের ব্যাসবাক্য হলো জজ যে সাহেব, যা কর্মধারয় সমাসের সাধারণ নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাপুরুষ ব্যাখ্যা: মহান যে পুরুষ, এটি কর্মধারয় সমাসের একটি সাধারণ উদাহরণ যেখানে গুণবাচক বিশেষণ ও বিশেষ্য পদ মিলেছে। উদাহরণ ২: চালভাজা ব্যাখ্যা: ভাজা যে চাল, এটিও কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় এবং পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হয়, যা এখানে নেই। B) কর্মধারয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বিশেষ্য ও বিশেষ্য মিলে কর্মধারয় সমাস গঠিত হয়েছে। C) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে, কিন্তু এখানে পরপদের অর্থ প্রধান। D) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে সমাসবদ্ধ পদের অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: দুটি বিশেষ্য পদ মিলে যদি একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায় এবং ব্যাসবাক্যে যে মধ্যখানে আসে, তবে তা কর্মধারয় সমাস হবে। যেমন জজ সাহেব মানে জজ যিনি বা যে সাহেব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পদ দুটির সম্পর্ক বিবেচনা করে সমাস নির্ণয় করতে হবে। একই ব্যক্তিবাচক বিশেষ্য পদের ক্ষেত্রে কর্মধারয় সমাস বেশি দেখা যায়।
a বিদ্রোহী
b আনন্দময়ীর আগমনে
c সৃষ্টি সুখের উল্লাসে
d মুক্তি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আনন্দময়ীর আগমনে ১. কেন সঠিক: - কাজী নজরুল ইসলামের 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতার জন্য তাকে কারাবরণ করতে হয়। - ব্রিটিশ রাজশক্তিকে সরাসরি আক্রমণ করে লেখার কারণে তার এই রাজনৈতিক শাস্তি জোটে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য ও অসামান্য প্রতিভার নাম। - ১৯২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে 'ধূমকেতু' পত্রিকায় 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতাটি প্রকাশিত হওয়ার পর ব্রিটিশ সরকার এর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'বিদ্রোহী' কবিতাটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুলের সবচেয়ে বিখ্যাত ও বহুল পঠিত একটি সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: 'প্রলয়োল্লাস' কবিতাটি 'অগ্নি-বীণা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন যুগ সূচনার আহ্বান জানানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্রোহী — এটি তার বিখ্যাত কবিতা হলেও সরাসরি এর জন্য তার কারাবাস হয়নি। B) আনন্দময়ীর আগমনে — এটি সঠিক উত্তর। C) সৃষ্টি সুখের উল্লাসে — এটি তার একটি জনপ্রিয় সৃষ্টি হলেও এর জন্য তিনি কারাবরণ করেননি। D) মুক্তি — এটি তার একটি বিশেষ রচনা, যা এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুল বন্দি হন আনন্দময়ীর আগমনে কবিতা লিখে। - পত্রিকার নাম ধূমকেতু এবং এই অপরাধে তার ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের রাজনৈতিক কবিতা ও সাজা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - রচনাকাল ও প্রকাশের সাল ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a কাশ্মীর
b তিব্বত
c আফগানিস্তান
d উজবেকিস্তান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আফগানিস্তান ১. কেন সঠিক: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'কাবুলিওয়ালা' ছোটগল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র রহমত একজন কাবুলিওয়ালা বা আফগানিস্তানের কাবুলের ফল বিক্রেতা ছিল। - গল্পের শুরুতে তার পরিচয় দিতে গিয়ে লেখক উল্লেখ করেছেন যে তার দেশ আফগানিস্তান এবং সে ফল বিক্রি করতে কলকাতায় আসত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'কাবুলিওয়ালা' গল্পটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প যা ১৯০৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। - এই গল্পে পিতৃহৃদয়ের সার্বজনীন রূপ এবং একজন বিদেশি ফল বিক্রেতার সঙ্গে একটি বাঙালি বালিকার নিখাদ স্নেহের সম্পর্ক ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প 'হৈমন্তী'। ব্যাখ্যা: এই গল্পে সমাজ কাঠামোর কঠোরতার মধ্যে এক নিষ্পাপ তরুণীর ট্র্যাজিক পরিণতি তুলে ধরা হয়েছে। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প 'সামাপ্তি'। ব্যাখ্যা: এই গল্পে মৃময়ী চরিত্রের মাধ্যমে গ্রামীণ কিশোরীর মনস্তত্ত্ব ও ভালোবাসার প্রকাশ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাশ্মীর — এটি ভারতের একটি অঞ্চল হলেও গল্পের কাবুলিওয়ালা চরিত্রের মূল দেশ কাশ্মীর ছিল না। B) তিব্বত — এটি একটি মালভূমি অঞ্চল এবং এই গল্পের প্রধান চরিত্রের দেশ হিসেবে এটি সঠিক নয়। C) আফগানিস্তান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং গল্পের সঙ্গে মিলে যায়। D) উজবেকিস্তান — এটি মধ্য এশিয়ার একটি দেশ হলেও এই গল্পের চরিত্রের জন্মভূমি হিসেবে এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: গল্পের নামের সঙ্গে দেশের নাম মনে রাখা সহজ কারণ কাবুলিওয়ালা শব্দটি এসেছে কাবুল থেকে যা আফগানিস্তানের রাজধানী। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পের মূল সুর এবং বিখ্যাত চরিত্র যেমন মিনি ও রহমত সম্পর্কে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
a প্রদীপ নিভে গেল
b তাকে সুস্থই দেখাচ্ছিল।
c প্রতিদিন ফুল ফুটত।
d শিকারি পাখিটিকে গুলি করল।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রতিদিন ফুল ফুটত। ১. কেন সঠিক: নিত্যবৃত্ত অতীত কালের ক্রিয়া হলো সেটি, যা অতীতে নিয়মিত বা সচরাচর ঘটত বোঝায়। এই বাক্যে ফুটত ক্রিয়াটি অতীতের একটি নিয়মিত অভ্যাস বা পুনরাবৃত্ত ঘটনা প্রকাশ করছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে ক্রিয়া অতীতে প্রায়ই ঘটত বা নিয়মিত অভ্যাস অর্থে ব্যবহৃত হয়, তাকে নিত্যবৃত্ত অতীত কাল বলে। এই কালের ক্রিয়াবিভীতিতে সচরাচর ত, তাম, তেন ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমরা তখন রোজ সকালে নদী সাঁতার কাটতাম। ব্যাখ্যা: এখানে কাটতাম ক্রিয়াটি অতীতের নিয়মিত অভ্যাস বোঝাচ্ছে, যা নিত্যবৃত্ত অতীতের উদাহরণ। উদাহরণ ২: শৈশবে আমরা প্রতিদিন বিকেলে মাঠে খেলতাম। ব্যাখ্যা: এটি অতীতে নিয়মিত ঘটে যাওয়া কাজের প্রকাশ করে, যা নিত্যবৃত্ত অতীতের নিয়ম অনুসরণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রদীপ নিভে গেল — এটি সাধারণ অতীত বা নির্দেশক অতীতের উদাহরণ, কারণ কাজটি অতীতে একবার ঘটেছে। B) তাকে সুস্থই দেখাচ্ছিল — এটি ঘটিত অতীত বা অপূর্ণ অতীত কালের উদাহরণ, কারণ অতীতে কাজটি চলমান ছিল। C) প্রতিদিন ফুল ফুটত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) শিকারি পাখিটিকে গুলি করল — এটি সাধারণ অতীত কালের উদাহরণ, যা অতীতে সম্পন্ন একটি নির্দিষ্ট ঘটনা। ৫ মনে রাখার টিপস: অতীতে যা অভ্যাসবশত ঘটত তা বোঝাতে নিত্যবৃত্ত অতীত হয়। বাক্যে প্রতিদিন, প্রায়ই, সব সময় শব্দগুলোর সাথে ত বা তাম যুক্ত ক্রিয়া দেখলে নিত্যবৃত্ত অতীত হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাল নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। নিত্যবৃত্ত অতীত ও সাধারণ অতীতের পার্থক্য বুঝতে বাক্যের ক্রিয়ার সমাপ্তি ও নিয়মিত ভাব লক্ষ্য করতে হবে।
a রসতত্ত্ব
b রূপতত্ত্ব
c বাক্যতত্ত্ব
d ধ্বনিতত্ত্ব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাক্যতত্ত্ব ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণে বাক্যতত্ত্ব এমন একটি শাখা যেখানে ধ্বনি ও শব্দকে নিয়মের অধীনে সাজিয়ে সঠিকভাবে বাক্যে ব্যবহার করার নিয়ম আলোচিত হয়। ভাষার মূল উপকরণ ধ্বনি এবং শব্দের সঠিক বিন্যাসের মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশের উপযোগী বাক্য তৈরি করাই বাক্যতত্ত্বের মূল কাজ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণের আলোচিত চারটি মূল বিষয়ের মধ্যে বাক্যতত্ত্ব অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। এই অংশে পদের ক্রম, কারক, বচন, বাচ্য, উক্তি এবং বাক্যের নানা রূপান্তর সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ। ব্যাখ্যা: এখানে শব্দগুলো ব্যাকরণের নিয়ম মেনে পাশাপাশি বসে একটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করেছে যা বাক্যতত্ত্বের আওতাভুক্ত। উদাহরণ ২: ছেলেরা খেলায় জিতেছে। ব্যাখ্যা: ধ্বনি ও শব্দ একত্রিত হয়ে সুশৃঙ্খল বাক্য গঠন করার কারণে এটি বাক্যতত্ত্বের একটি সঠিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রসতত্ত্ব — এটি ব্যাকরণের কোনো শাখা নয়, এটি সাহিত্যতত্ত্ব ও অলংকার শাস্ত্রের একটি বিশেষ আলোচ্য বিষয়। B) রূপতত্ত্ব — এটি শব্দ গঠনের প্রক্রিয়া, পদ পরিবর্তন এবং উপসর্গ প্রত্যয় নিয়ে আলোচনা করে, বাক্যের সঠিক ব্যবহার নিয়ে নয়। D) ধ্বনিতত্ত্ব — এটি কেবল ধ্বনি, বর্ণ, উচ্চারণ এবং নত্ব বিধান বা ষত্ব বিধান নিয়ে আলোচনা করে। ৫ মনে রাখার টিপস: শব্দ তৈরি হয় রূপতত্ত্বে এবং সেই শব্দ যখন বাক্যে বসে তখন তা হয় বাক্যতত্ত্ব। মনে রাখবে ধ্বনি থেকে শব্দ এবং শব্দ থেকে বাক্য গঠনের ধারা পর্যায়ক্রমে ব্যাকরণে সাজানো থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয় কয়টি এবং কোনটি কী নিয়ে আলোচনা করে তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। বাক্যতত্ত্বের অপর নাম পদক্রম বা syntax যা বাক্য গঠনের যাবতীয় নিয়ম নিয়ন্ত্রণ করে।
a তুর্কি
b পর্তুগিজ
c জার্মান
d ফরাসি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জার্মান ১. কেন সঠিক: - ‘কিন্ডারগার্টেন’ শব্দটি জার্মান ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় আগত হয়েছে। - এর শাব্দিক অর্থ হলো শিশুদের উদ্যান বা শিশুশোভন শিক্ষালয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার শব্দভান্ডারে অন্তর্ভুক্ত একটি বিদেশি বা ঋণশব্দ। - জার্মান ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করা শব্দের সংখ্যা তুলনামূলক কম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপেরা ব্যাখ্যা: এটিও একটি জার্মান শব্দ যা বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: নাৎসি ব্যাখ্যা: এটি রাজনীতি সম্পর্কিত একটি পরিচিত জার্মান শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে দারোগা, তোপ প্রভৃতি শব্দ, কিন্ডারগার্টেন নয়। B) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে আনারস, চাবি প্রভৃতি শব্দ, কিন্ডারগার্টেন নয়। C) জার্মান — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি জার্মান ভাষা থেকেই বাংলায় এসেছে। D) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে কার্তুজ, রেস্তোরাঁ প্রভৃতি শব্দ, কিন্ডারগার্টেন নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ছোট শিশুদের খেলার ছলে শেখার স্কুলকে জার্মানি থেকে শুরু হওয়া কিন্ডারগার্টেন হিসেবে মনে রাখবে। - এটি একটি ইউরোপীয় ভাষা থেকে আসা প্রখ্যাত শিক্ষাসংশ্লিষ্ট শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস প্রায়ই আসে। - শব্দের উৎস নির্ণয়ের সময় বিভিন্ন ভাষার পরিচিত শব্দগুলোর তালিকা বারবার অনুশীলন করা উচিত।
a অনল
b অংশু
c জ্যোতি
d বাতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অনল ১. কেন সঠিক: - ‘আগুন’ শব্দের সমার্থক শব্দ হলো অনল। - এটি বাংলা ভাষার একটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যা প্রবহমান শিখা বা দহনকারী শক্তিকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যা ভিন্ন রূপের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় শব্দের উৎসের ওপর ভিত্তি করে সমার্থক শব্দগুলো তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব ও দেশি শব্দে বিভক্ত হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বহ্নি ব্যাখ্যা: অগ্নি বা আগুনের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম সমার্থক শব্দ এটি। উদাহরণ ২: পাবক ব্যাখ্যা: এটিও আগুনের অপর একটি ঐতিহ্যবাহী ও কাব্যিক সমার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনল — সঠিক উত্তর কারণ এটি আগুনের সরাসরি সমার্থক। B) অংশু — ভুল কারণ অংশু শব্দের অর্থ রশ্মি বা কিরণ। C) জ্যোতি — ভুল কারণ জ্যোতি শব্দের অর্থ প্রভা বা দীপ্তি। D) বাতি — ভুল কারণ বাতি হলো প্রদীপ বা আলো জ্বালানোর কৃত্রিম মাধ্যম। ৫. মনে রাখার টিপস: - আগুন শব্দের সমার্থকগুলো মনে রাখতে অগ্নি, অনল, পাবক, বহ্নি, হুতাশন এই পাঁচটি শব্দ একত্রে ছন্দ মিলিয়ে মুখস্থ রাখতে পারো। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত অনল, পাবক ও বহ্নি শব্দগুলোই বেশি আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় মূল শব্দের সঙ্গে সূক্ষ্ম অর্থের পার্থক্য বুঝে উত্তর নির্বাচন করতে হবে। - একই প্রকৃতির অন্য শব্দ যেমন বাতাস বা জলের সমার্থক শব্দগুলো একসঙ্গে পড়লে ভালো ফল পাওয়া যায়।
a অপাদানে দ্বিতীয়
b করণে তৃতীয়া
c অধিকরণে দ্বিতীয়া
d কর্মে শূন্যে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অধিকরণে দ্বিতীয়া ১. কেন সঠিক: বাক্যে সময় বা কাল বোঝালে তা অধিকরণ কারক হয়। ‘আজকে’ শব্দটিতে ‘কে’ বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি অধিকরণে দ্বিতীয় বিভক্তি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ক্রিয়া সম্পাদনের সময় বা কালকে কালাধিকরণ বা সময়াধিকরণ বলে। বাংলা ব্যাকরণে সাধারণত দ্বিতীয় ও সপ্তমী বিভক্তি অধিকরণ কারকে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রভাতে সূর্য ওঠে। ব্যাখ্যা: এটি স্থান বা কাল নির্দেশ করায় অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। উদাহরণ ২: বনে বাঘ থাকে। ব্যাখ্যা: এটি নির্দিষ্ট স্থান বোঝানোর কারণে অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপাদানে দ্বিতীয় — অপাদান কারক উৎস, বিচ্যুতি বা ভয় বোঝায় যা এখানে অনুপস্থিত। B) করণে তৃতীয়া — করণ কারক দ্বারা বা মাধ্যম বোঝায় কিন্তু এখানে সময় নির্দেশ করা হয়েছে। C) অধিকরণে দ্বিতীয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটিতে কাল বা সময় নির্দেশ করা হয়েছে। D) কর্মে শূন্যে — কর্ম কারক যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তা বোঝায় কিন্তু এটি সময় নির্দেশক পদ। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যে কখন বা কোন সময়ে ক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রশ্ন করলে উত্তর পেলে অধিকরণ কারক হয়। সময়বাচক শব্দের সঙ্গে কে বা রে বিভক্তি থাকলে তা সাধারণত অধিকরণে দ্বিতীয় বিভক্তি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সময়ের উল্লেখ থাকলেই তা কালাধিকরণ কারক হিসেবে বিবেচিত হয়। কারক নির্ণয়ের সময় শব্দের অর্থ এবং বাক্যের সামগ্রিক ভাব ভালোভাবে অনুধাবন করতে হবে।
a কবিরাজ
b বেয়াই
c সাহেব
d সঙ্গী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কবিরাজ ১. কেন সঠিক: - কবিরাজ শব্দটির কোনো স্ত্রীবাচক লিঙ্গান্তর নেই কারণ এটি এমন একটি পেশাবাচক শব্দ যা পুরুষ ও নারী উভয়কেই বোঝাতে প্রমিত বাংলায় ব্যবহৃত হয়। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু বিশেষ শব্দের নিজস্ব স্ত্রীবাচক রূপ বা লিঙ্গ পরিবর্তনের কোনো প্রচলিত বা ব্যাকরণসিদ্ধ রূপ থাকে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - লিঙ্গ পরিবর্তন বা লিঙ্গান্তর বলতে শব্দের রূপ পরিবর্তনের মাধ্যমে পুরুষ বা স্ত্রীবাচক বোঝানোকে বোঝায়। - বাংলা ভাষায় নিত্য-পুরুষবাচক বা নিত্য-স্ত্রীবাচক কিছু শব্দ আছে যাদের লিঙ্গান্তর করা যায় না এবং পেশাবাচক কিছু শব্দের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম খাটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃতদার ব্যাখ্যা: কৃতদার শব্দটির অর্থ যার স্ত্রী আছে এবং এটি কেবল পুরুষের ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয় বলে এর কোনো স্ত্রীবাচক রূপ নেই। উদাহরণ ২: ঢাকি ব্যাখ্যা: ঢাকি একটি পেশাবাচক শব্দ যা ঢাক বাজানো ব্যক্তি অর্থে পুরুষ ও নারী উভয়কে বোঝাতে পারে এবং এর কোনো ভিন্ন লিঙ্গ রূপ নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবিরাজ — এই শব্দটির কোনো লিঙ্গান্তর হয় না এবং এটি প্রশ্নের দাবির সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। B) বেয়াই — এই শব্দটির লিঙ্গান্তর রূপ হলো বেয়াইন বা বায়ান যা স্ত্রীবাচক অর্থে ব্যবহৃত হয়। C) সাহেব — এই শব্দটির স্ত্রীবাচক লিঙ্গান্তর রূপ হলো বিবি যা নারী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) সঙ্গী — এই শব্দটির স্ত্রীবাচক লিঙ্গান্তর রূপ হলো সঙ্গিনী যা নারী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - যে সমস্ত পেশাবাচক বা উপাধিবাচক শব্দ নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্যই সমানভাবে প্রযোজ্য হয়, সাধারণত সেগুলোর লিঙ্গান্তর হয় না। - কবিরাজ, ঔপন্যাসিক বা ডাক্তার জাতীয় শব্দের ক্ষেত্রে পুরুষ ও নারী ভেদে আলাদা কোনো স্ত্রীবাচক শব্দ প্রচলিত নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য-পুরুষবাচক, নিত্য-স্ত্রীবাচক এবং লিঙ্গান্তর হয় না এমন শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি শব্দের উৎস ও ব্যবহার ভালো করে খেয়াল রাখতে হবে।
a বেশি কথা বলা
b পূর্ণচন্দ্র
c অর্ধচন্দ্র
d ভূমিকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভূমিকা ১. কেন সঠিক: - ‘গৌরচন্দ্রিকা’ একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ দেবী গৌরীর বা পার্বতীর বন্দনা বা প্রশংসা। প্রাচীনকালে যাত্রাপালা বা সঙ্গীত পরিবেশনের শুরুতে দেবদেবীর বন্দনা বা মূল আলোচনার অবতীর্ণ হওয়ার আগে যে দীর্ঘ ভূমিকা বা প্রারম্ভিক আলোচনা করা হতো, তা থেকেই এই বাগধারাটি প্রচলিত হয়েছে। - বর্তমান ব্যবহারে কোনো জটিল বা দীর্ঘ আলোচনার শুরুতে অপ্রয়োজনীয় বা প্রারম্ভিক কথা বলা বোঝাতে এই বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি প্রায়শই প্রারম্ভিক বা প্রাথমিক পর্যায় বোঝাতে ‘ভূমিকা’ অর্থে উত্তর হিসেবে আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ বা পদসমষ্টি, যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও রূপক অর্থ প্রকাশ করে। শব্দগুলোর আক্ষরিক অর্থ বিচার না করে প্রচলিত ঐতিহ্য অনুযায়ী এদের ভাবার্থ গ্রহণ করতে হয়। - বাংলা সাহিত্য ও লোকসংস্কৃতিতে পালাগান, নাটক বা যাত্রার শুরুতে দর্শককে মূল বিষয়ে নিয়ে আসার জন্য যে প্রস্তুতি পর্ব থাকত, তাকেই গৌড় বা গৌরীর বন্দনা বা গৌরচন্দ্রিকা বলা হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আসল কথা বাদ দিয়ে এত গৌরচন্দ্রিকা না করে সরাসরি মূল বিষয়ে এসো। ব্যাখ্যা: এখানে মূল আলোচনা শুরু করার আগে অতিরিক্ত ভূমিকা বা প্রারম্ভিক কথাবার্তা বলা বন্ধ করতে বলা হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রস্তাবটি পেশ করার আগে দীর্ঘ গৌরচন্দ্রিকা শোনার মতো সময় কারও হাতে নেই। ব্যাখ্যা: কাজের কথা না বলে অতিরিক্ত অপ্রয়োজনীয় সূচনা বা ভূমিকা করা অর্থে এই বাক্যটিতে বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেশি কথা বলা — এটি গৌরচন্দ্রিকা বাগধারার অন্তর্নিহিত ভাব হলেও এর আক্ষরিক বা সঠিক প্রাতিষ্ঠানিক অর্থ হলো ভূমিকা, সরাসরি বেশি কথা বলা নয়। B) পূর্ণচন্দ্র — এটি একটি সাধারণ শব্দ, যা আকাশে উদিত সম্পূর্ণ চাঁদ বোঝায় এবং এর সঙ্গে এই বাগধারার কোনো সম্পর্ক নেই। C) অর্ধচন্দ্র — এটি আরেকটি ভিন্ন বাগধারা, যার অর্থ গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া বা বিতাড়িত করা, যা ভূমিকার বিপরীত। D) ভূমিকা — এটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে, কারণ কোনো দীর্ঘ আলোচনার সূচনা বা প্রারম্ভিক অবস্থাকে ভূমিকা বলা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যাত্রাপালা বা নাটকের শুরুতে যেমন দেবী গৌরীর বন্দনা বা ভূমিকা গেয়ে নাটক শুরু করা হতো, তেমনি যেকোনো কাজের বা কথার শুরুকে গৌরচন্দ্রিকা বা ভূমিকা মনে রাখতে পারো। - মূল কথায় আসার আগের অবস্থাই হলো গৌরচন্দ্রিকা বা ভূমিকা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার উৎস এবং এর রূপক অর্থ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - মূল কথার আগের অবস্থাকে নির্দেশ করে এমন অন্যান্য বাগধারার মধ্যে রয়েছে ভনিতা করা বা কালক্ষেপণ করা।
a তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
b আয়নামতির পালা
c ইচ্ছামতি
d একটি কালো মেয়ের কথা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একটি কালো মেয়ের কথা ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে একটি অসংগতি বা ভুল তথ্য রয়েছে। প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে "একটি কালো মেয়ের কথা" উল্লেখ করা হয়েছে, যা মূলত একটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত উপন্যাস হলেও এটি কোনো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়। প্রকৃতপক্ষে, বাংলা সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের তালিকাভুক্ত বা সঠিক উত্তর হিসেবে এখানে কোনো অপশনই সঠিকভাবে সেট করা হয়নি, কারণ প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নেই। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নে অনেক সময় ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য থাকতে পারে, যা আমাদের যাচাই করে সঠিক তথ্যটি জানতে হবে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রদত্ত উপন্যাসগুলোর রচয়িতা ও সাহিত্যিক পরিচয় জানা জরুরি। তেইশ নম্বর তৈলচিত্র সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ইচ্ছামতি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি প্রখ্যাত নদীভিত্তিক ও সমাজজীবন কেন্দ্রিক উপন্যাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রেইটিন ইমদাদুল হক মিলনের একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস। উদাহরণ ২: জাহান্নাম হইতে বিদায় শওকত আলীর একটি প্রখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসেও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার জীবন ও সংগ্রাম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তেইশ নম্বর তৈলচিত্র — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচিত একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়। B) আয়নামতির পালা — এটি কোনো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস বা প্রধান সাহিত্যকর্ম হিসেবে প্রমিত সাহিত্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। C) ইচ্ছামতি — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত নদী ও গ্রামীণ সমাজভিত্তিক উপন্যাস, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। D) একটি কালো মেয়ের কথা — এটি কোনো প্রমিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, যদিও প্রশ্নে এটিকে সঠিক উত্তর হিসেবে দেখানো হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখার জন্য লেখকদের নাম যেমন শওকত আলী, আনোয়ারা সৈয়দ হক বা রাহাত খানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনাগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়তে হবে। বিভ্রান্তিকর প্রশ্নের ক্ষেত্রে মূল সাহিত্যকর্মের প্রকৃত বিষয়বস্তু যাচাই করে নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনেক সময় ভুল প্রশ্ন বা ভুল উত্তর থাকতে পারে। তাই প্রমিত সাহিত্য ইতিহাস থেকে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যেমন হাঙ্গর নদী গ্রেনেড বা আগুনের পরশমণি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি।
a মাছ ধরার কৌশল
b কৌশলে কার্যউদ্ধার
c মাছ ধরতে কৌশলী
d চালকী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৌশলে কার্যউদ্ধার ১. কেন সঠিক: - ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’ একটি জনপ্রিয় প্রবাদ বা বাগধারা, যার অর্থ কোনো রকম ঝুঁকি না নিয়ে বা কষ্ট না করে অতি কৌশলে নিজের স্বার্থ বা উদ্দেশ্য হাসিল করা। - এখানে মাছ ধরার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে কিন্তু পানির স্পর্শে হাত ভেজাতে না চাওয়ার বিষয়টি দিয়ে কোনো প্রকার বিপদ বা ঝামেলায় না জড়িয়ে কাজ সম্পন্ন করার কৌশল বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ-প্রবচন বা বাগধারা, যা রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়। - আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর অন্তর্নিহিত বা বিশেষ অর্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে বাহ্যিক নিষ্ক্রিয়তা বজায় রেখে গোপনে নিজের কার্যসিদ্ধি করার ভাব প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজনীতিতে বড় কোনো নেতার সরাসরি বিরোধিতা না করে নিজের পদ টিকিয়ে রাখা হলো ধরি মাছ না ছুঁই পানি নীতি। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ঝুঁকি এড়িয়ে এবং প্রকাশ্য দ্বন্দ্বে না জড়িয়ে নিজের স্বার্থ রক্ষা করার ভাবটি স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: ঝামেলা এড়াতে সে অফিসের কোনো মিটিংয়ে মুখ খোলে না, অথচ প্রমোশন ঠিকই বাগিয়ে নেয়, একে বলে ধরি মাছ না ছুঁই পানি। ব্যাখ্যা: এখানে কোনো কষ্ট বা ঝুঁকি না নিয়ে অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে নিজের লক্ষ্য অর্জনের বিষয়টি বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাছ ধরার কৌশল — এটি বাগধারার আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও রূপক বা অন্তর্নিহিত অর্থ হিসেবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গ্রহণযোগ্য নয়। B) কৌশলে কার্যউদ্ধার — এটি এই বাগধারার সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ ভাবার্থ বা অর্থ নির্দেশ করে। C) মাছ ধরতে কৌশলী — এটি শুধু মাছ ধরার পদ্ধতির সঙ্গে সম্পর্কিত, যা সমগ্র প্রবাদের আসল রূপক অর্থ প্রকাশ করে না। D) চালকী — এটি একটি সাধারণ শব্দ, যা দিয়ে সার্বিকভাবে চতুরতা বোঝায় কিন্তু ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’ প্রবাদের নির্দিষ্ট ভাবার্থকে পুরোপুরি ফুটিয়ে তোলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - মাছ ধরতে গেলে হাত ভিজবে বা কষ্ট হবে, কিন্তু হাত না ভিজিয়ে মাছ ধরার অর্থ হলো কোনো রকম বিপদ বা ঝুঁকি ছাড়া কাজ হাসিল করা। - প্রবাদের শব্দগুলোর আক্ষরিক অর্থ না খুঁজে এর ভেতরের রূপক অর্থ মনে রাখার চেষ্টা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রবাদ-প্রবচন ও বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই আক্ষরিক অর্থের চেয়ে ভাবার্থ বা রূপক অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - এই ধরনের প্রশ্নে অপশনগুলো খুব কাছাকাছি থাকে, ফলে মূল ভাব কোনটি প্রকাশ করছে তা সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করতে হবে।
a adverb
b adjective
c collective noun
d abstract noun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) collective noun কেন সঠিক: - army শব্দটি এককভাবে সৈন্য বা সামরিক বাহিনীর একটি সমষ্টিগত দলকে বোঝায়। - একই জাতীয় বহু ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিকে একসঙ্গে বোঝালে তাকে collective noun বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — adverb সাধারণত ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো অব্যয়কে বিশেষিত করে, কিন্তু army এখানে কোনো কাজের ভাব প্রকাশ করছে না। B) adjective — adjective কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে, কিন্তু army নিজে একটি স্বতন্ত্র noun। D) abstract noun — abstract noun কেবল গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম বোঝায় যা ছোঁয়া যায় না, কিন্তু army একটি দৃশ্যমান প্রাণীর সমষ্টি। মনে রাখার টিপস: যেসকল নাম কোনো ব্যক্তি বা প্রাণীর অখণ্ড দল বা সমষ্টিকে নির্দেশ করে, যেমন army, class, team বা family, সেগুলো সবসময় collective noun হয়।
a adverb
b preposition
c interjection
d conjunction
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) conjunction কেন সঠিক: - 'or' শব্দ দুটি স্বাধীন ক্লজ (Run fast এবং you will miss the train) বা দুটি বাক্যকে যুক্ত করেছে। - দুটি বাক্য বা খণ্ডবাক্যকে সংযুক্ত করার কাজটি कंजাংশন বা সংযোজক অব্যয় করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — এটি ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো অ্যাডভার্বের বিশেষ বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে না, বরং দুটি বাক্যকে যুক্ত করে। B) preposition — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে না। সি অপশনটি নিচে দেওয়া হলো। C) interjection — এটি মনের হঠাৎ আবেগ বা অনুভূতি প্রকাশ করে না, তাই এটি ইন্টারজেকশন নয়। D) conjunction — এটি দুটি খণ্ডবাক্যকে সফলভাবে সংযুক্ত করেছে বলে এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: and, or, but ইত্যাদি শব্দগুলো সাধারণত দুটি ভিন্ন বাক্য বা শব্দগুচ্ছকে যুক্ত করতে কনজাংশন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a since
b from
c for
d of
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) since কেন সঠিক: - বাক্যে 'Friday last' নির্দিষ্ট সময়ের একটি পয়েন্ট নির্দেশ করছে, যা পাস্ট পারফেক্ট কন্টিনুয়াস বা প্রেজেন্ট পারফেক্ট কন্টিনুয়াস টেন্সে নির্দিষ্ট সময় বোঝাতে ব্যবহার হয়। - নির্দিষ্ট পয়েন্ট বা Point of time এর আগে প্রিপজিশন হিসেবে since বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) since — নির্দিষ্ট সময়ের শুরুর বিন্দু বোঝাতে এটি সঠিক উত্তর। B) from — সাধারণত Future tense বা নির্দিষ্ট কোনো সময় থেকে শুরু বোঝাতে from বসে, কিন্তু এখানে Present Perfect Continuous টেন্সে since ব্যবহৃত হবে। C) for — এটি নির্দিষ্ট কোনো সময়বিন্দু নয়, বরং সময়ের ব্যবধান বা Period of time বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) of — এটি সম্বন্ধপদ বোঝাতে বা নির্দিষ্ট কিছু শব্দের পরে বসে, এখানে সময়ের ধারাবাহিকতা বোঝাতে ব্যবহার হয় না। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট সময় বা বারের নাম থাকলে since এবং দীর্ঘ সময় বা স্থরকাল বুঝালে for বসে।
a Half-heartedly
b Uncertain
c Doubtfully
d Fixed
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (ইংরেজিগুচ্ছ ও ইডিয়ম) সঠিক উত্তর যাচাই: প্রদত্ত সঠিক উত্তর B (Uncertain) এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে পুরোপুরি সঠিক নয়। 'Sine die' একটি লাতিন শব্দগুচ্ছ যার অর্থ অনির্দিষ্টকালের জন্য মূলত কোনো সভা, বৈঠক বা আদালত কোনো নির্দিষ্ট তারিখ ঠিক না করে মুলতবি করা। তাই সঠিক উত্তর হওয়া উচিত 'For an indefinite period' বা 'Without fixing a date'। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কোনোটিই এর সরাসরি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না, তবে বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত 'Uncertain' বা 'Indefinite' অর্থকে কাছাকাছি হিসেবে ধরা হয়। সঠিক উত্তর: B) Uncertain কেন সঠিক: - 'Sine die' একটি লাতিন ফ্রেজ যার আক্ষরিক অর্থ হলো কোনো তারিখ ছাড়া বা অনির্দিষ্টকালের জন্য। - কোনো সভা বা আদালতের কার্যমুলতবি করার ক্ষেত্রে পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ না করাকে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Half-heartedly — এর অর্থ অনিচ্ছায় বা আংশিক মনঃসংযোগ দিয়ে, যা এই ফ্রেজের অর্থের সাথে মেলে না। B) Uncertain — আক্ষরিক অর্থে অনিশ্চিত হলেও এটি 'sine die' এর সঠিক সমার্থক নয়, তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বাধ্যবাধকতায় কাছাকাছি অর্থ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। C) Doubtfully — এর অর্থ সন্দেহের সাথে, যা কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার অনিশ্চয়তা প্রকাশ করে কিন্তু ফ্রেজটির ভাবার্থ বোঝায় না। D) Fixed — এর অর্থ নির্দিষ্ট, যা 'sine die' বা অনির্দিষ্টকালের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: 'Sine die' ফ্রেজে 'Die' শব্দটি দিন বা তারিখ নির্দেশ করে, যার আগে 'Sine' যুক্ত হয়ে কোনো দিন বা তারিখ ঠিক না থাকাকে অর্থাৎ অনির্দিষ্টকালকে বোঝায়।
a Early speech
b Last speech
c Final speech
d First speech
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) First speech কেন সঠিক: - 'Maiden speech' একটি প্রবচনমূলক বা ইডিয়ামেটিক ফ্রেজ, যার অর্থ হলো জীবনে প্রদত্ত প্রথম বক্তব্য বা বক্তৃতা। - সংসদীয় রাজনীতি বা জনসভার ক্ষেত্রে কোনো নতুন নির্বাচিত সদস্যের প্রথম ভাষণ বোঝাতে এই পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Early speech — এটি সাধারণ ইংরেজিতে যেকোনো সকালের বা আগের বক্তব্য বোঝাতে পারে, কিন্তু 'Maiden speech' এর নির্দিষ্ট পরিভাষিক অর্থ প্রথম বক্তব্য। B) Last speech — এটি জীবনের বা অনুষ্ঠানের শেষ বক্তব্যকে নির্দেশ করে, যা 'Maiden speech' এর বিপরীত অর্থ বহন করে। C) Final speech — এটি কোনো কার্যক্রম বা আলোচনার সমাপ্তি সূচক চূড়ান্ত বক্তব্যকে বোঝায়, যা প্রথম বক্তব্যের সঙ্গে মিলে না। D) First speech — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ 'maiden' শব্দের আক্ষরিক অর্থ প্রথম এবং এটি প্রথম বক্তব্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: 'Maiden' শব্দের অর্থ কুমারী বা প্রথম। তাই কোনো ব্যক্তি জীবনে প্রথম যে বক্তৃতা দেন তাকে 'Maiden speech' বা প্রথম বক্তৃতা বলা হয়।
a Flower
b Insect
c Feed
d Bird
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) Insect কেন সঠিক: - ক্রিকেট একটি খেলার নাম হওয়ার পাশাপাশি ঝিঁঝি পোকা জাতীয় এক ধরণের পতঙ্গের ইংরেজি নামও বটে। - একই শব্দের ভিন্ন অর্থের ওপর ভিত্তি করে তৈরি শব্দার্থগত বা পাজল ধরনের প্রশ্নের এটি একটি চমৎকার উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Flower — এটি ফুল অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা ক্রিকেট শব্দের পতঙ্গ অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। B) Insect — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্রিকেট শব্দের অর্থ ঝিঁঝি পোকাও হতে পারে। C) Feed — এটি খাদ্য বা খাওয়ানো অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা এই প্রশ্নের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। D) Bird — এটি পাখি অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা ক্রিকেট পোকার সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: ক্রিকেট যেমন একটি জনপ্রিয় খেলা, তেমনি এটি এক ধরণের পোকা বা পতঙ্গের নাম হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
a were
b be
c am
d was
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) were কেন সঠিক: - বাক্যে I wish থাকার কারণে এটি অসম্ভব ইচ্ছা বা কল্পনা প্রকাশ করছে। - এমন সাবজেক্টিভ ক্ষেত্রে subject যাই হোক না কেন be ভার্বের Past Subjunctive রূপ হিসেবে সবসময় were বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) were — এটি সঠিক কারণ subjunctive mood-এ wish-এর পর singular subject-এর পরেও were বসে। B) be — এটি verb-এর base form হওয়ায় কাল বা mood-এর নিয়ম অনুযায়ী এখানে বসে না। C) am — এটি present tense-এর রূপ, যা past subjunctive-এর নিয়মের সাথে মেলে না। D) was — কথ্য ভাষায় ব্যবহৃত হলেও ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী subjunctive বাক্যে was লেখা ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে I wish থাকলেই চোখ বন্ধ করে were বসিয়ে দেবে, কারণ অসম্ভব ইচ্ছা বোঝালে subject singular হলেও was না হয়ে সবসময় were হয়।
a did not take off
b had taken off
c had not of
d took off
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) had taken off কেন সঠিক: - Until বা Till-এর পূর্বের ক্লজটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হলে পরের ক্লজটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়। - প্লেন উড্ডয়নের কাজটি অপেক্ষার সময়ের আগেই সম্পন্ন হয়েছিল বোঝাতে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) did not take off — এটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স, যা এখানে অর্থের দিক থেকে অসংগত এবং ব্যাকরণগত নিয়মের সাথে মিলে না। B) had taken off — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী সঠিক পাস্ট পারফেক্ট টেন্স গঠন করেছে। C) had not of — এটি একটি ভুল ইংরেজি গঠন কারণ 'had not of' ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) took off — এটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স, যা আগের কাজের সম্পূর্ণতা প্রকাশ করতে অক্ষম। মনে রাখার টিপস: Until এর আগে পাস্ট ইনডেফিনিট এবং পরে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স বসে।
a the
b an
c a
d a/an
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an কেন সঠিক: - FCPS শব্দটির উচ্চারণ করার সময় প্রথমে 'এ' (E) ধ্বনি আসে, যা একটি স্বরধ্বনি। - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ভাওয়েল সাউন্ড বা স্বরধ্বনির পূর্বে অনির্দিষ্ট আর্টিকেল হিসেবে an বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the — এটি নির্দিষ্ট আর্টিকেল, যা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়। B) an — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী সঠিক। C) a — এটি কনসোনেন্ট সাউন্ড বা ব্যঞ্জনধ্বনির পূর্বে বসে, কিন্তু FCPS-এর উচ্চারণ স্বরধ্বনি দিয়ে শুরু হয়। D) a/an — এখানে দুটি ভিন্ন আর্টিকেল একত্রে অপশনে থাকায় তা একক উত্তর হিসেবে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: সংক্ষিপ্ত রূপ বা abbreviation উচ্চারণের সময় প্রথম অক্ষরটি স্বরধ্বনি (এ, ও ইত্যাদি) এর মতো উচ্চারিত হলে তার পূর্বে সর্বদা an বসে।
a Can none do this?
b Do this can be done?
c Who can do this?
d Can this be done none?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Who can do this? কেন সঠিক: - Assertive বাক্যে None থাকলে Interrogative করার সময় None-এর পরিবর্তে Who ব্যবহার করতে হয়। - প্রদত্ত বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে এটিকে প্রশ্নবোধক বাক্যে রূপান্তর করতে Who can do this সঠিক গঠন অনুসরণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Can none do this? — None যুক্ত Assertive বাক্যকে সরাসরি Can দিয়ে প্রশ্ন করলে অর্থের পূর্ণতা নষ্ট হয় এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) Do this can be done? — বাক্যটির গঠন passive voice-এর নিয়মে ভুলভাবে করা হয়েছে এবং এটি interrogative-এর সঠিক নিয়ম মানে না। C) Who can do this? — এটি সঠিক উত্তর, কারণ None-এর পরিবর্তে Who বসিয়ে সহজে Interrogative করা হয়েছে। D) Can this be done none? — এই অপশনের শব্দ বিন্যাস সম্পূর্ণ ভুল এবং এর কোনো অর্থ হয় না। মনে রাখার টিপস: Assertive বাক্যে None থাকলে Interrogative করার সময় বাক্যের শুরুতে Who বসালেই সঠিক উত্তর পাওয়া যায়।
a Fox
b Calf
c Hero
d Cannon
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Cannon কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে কিছু পশুর নাম এবং যুদ্ধাস্ত্রবাচক noun একবচন ও বহুবচনে একই রূপ retains করে। - Cannon শব্দের বহুবচনও cannon বা cannons উভয়ই হতে পারে, তবে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে এটি অপরিবর্তিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Fox — এটি একটি প্রাণীবাচক noun এবং এর সঠিক বহুবচন হলো Foxes, তাই এটি উত্তর নয়। B) Calf — এটি f দিয়ে শেষ হওয়া noun এবং এর সঠিক বহুবচন হলো Calves, তাই এটি উত্তর নয়। C) Hero — এটি o দিয়ে শেষ হওয়া noun এবং এর সঠিক বহুবচন হলো Heroes, তাই এটি উত্তর নয়। D) Cannon — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর বহুবচন রূপ মূল শব্দের মতোই অপরিবর্তিত থাকে। মনে রাখার টিপস: যুদ্ধাস্ত্র যেমন Cannon এবং Deer বা Sheep এর মতো কিছু পশুর বহুবচন রূপ একবচনের মতোই অপরিবর্তিত থাকে।
a than
b for
c to
d with
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to কেন সঠিক: - ল্যাটিন মূলের কিছু তুলনামূলক adjective যেমন prefer, senior, junior, inferior ইত্যাদির পর তুলনা বোঝাতে than এর পরিবর্তে preposition হিসেবে to বসে। - তাই milk এর সঙ্গে tea তুলনা করতে prefer শব্দের পর সঠিক preposition হিসেবে to ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) than — সাধারণ Adjective এর তুলনামূলক রূপে than বসে, কিন্তু prefer এর পর than বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) for — এই বাক্যে উদ্দেশ্যের অর্থ প্রকাশ পাচ্ছে না, তাই for prepositionটি এখানে সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত। D) with — সংযোগ বা সাথে থাকা অর্থে with বসে, যা prefer শব্দের নির্দিষ্ট নিয়ম বা তুলনার ক্ষেত্রে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে prefer শব্দটি দেখলে চোখ বন্ধ করে than না খুঁজে to বসাবে, কারণ prefer শব্দের পর সব সময় to বসে।
a nature
b romantic
c modern
d beauty
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) beauty কেন সঠিক: - জন কিটসের কাব্যের মূল সুর হলো সৌন্দর্য ও নান্দনিকতা, যা তাঁর বিখ্যাত উক্তি সৌন্দর্যই সত্য, সত্যই সৌন্দর্য দ্বারা প্রমাণিত। - তিনি রোমান্টিক যুগের কবি হওয়া সত্ত্বেও তাঁর কবিতায় সৌন্দর্যের উপাসনা সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) nature — উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ প্রকৃতির কবি হিসেবে পরিচিত, যদিও কিটস প্রকৃতিপ্রেমী ছিলেন তবে তাঁর মূল বৈশিষ্ট্য সৌন্দর্য। B) romantic — জন কিটস রোমান্টিক যুগের কবি হলেও এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে তাঁর প্রধান পরিচয় সৌন্দর্যের কবি। C) modern — জন কিটস আধুনিক যুগের কবি নন, তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের রোমান্টিক যুগের কবি। D) beauty — এই অপশনটি সঠিক কারণ তাঁর সমগ্র সাহিত্যকর্ম জুড়েই সৌন্দর্যের রূপায়ণ ঘটেছে। মনে রাখার টিপস: জন কিটসকে মনে রাখার জন্য তাঁর বিখ্যাত পঙক্তি মনে রাখবে, আ থিং অব বিউটি ইজ আ জয় ফর এভার।
a stand at
b stand for
c stand by
d stand upon
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) stand by কেন সঠিক: - 'Stand by' একটি উপযুক্ত গ্রুপ ভার্ব বা ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ সাহায্য করা বা পাশে দাঁড়ানো। - শূন্যস্থানের পরে 'me in my difficulty' থাকায় এখানে বিপদে সাহায্য করার অর্থ প্রকাশ করতে 'stand by' সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) stand at — এর অর্থ কোনো নির্দিষ্ট অবস্থানে দাঁড়িয়ে থাকা, যা এখানে অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। B) stand for — এর অর্থ প্রতিনিধিত্ব করা বা কোনো কিছুর প্রতীক হওয়া, যা বিপদে সাহায্যের ক্ষেত্রে বসে না। C) stand by — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য। D) stand upon — এটি কোনো মানদণ্ড বা ভিত্তির ওপর নির্ভর করা বোঝায়, যা এই বাক্যের জন্য সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বিপদে পাশে দাঁড়ানো বা সমর্থন করার ইংরেজি ফ্রেজাল ভার্ব হলো 'stand by'।
a Neuter
b Feminine
c Masculine
d Common
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Common কেন সঠিক: - 'Spouse' শব্দটির অর্থ স্বামী বা স্ত্রী উভয়কেই বোঝায়, যা নির্দিষ্ট কোনো একটি লিঙ্গকে নির্দেশ করে না। - পুরুষ বা নারী উভයকে বোঝায় এমন বিশেষ্য পদ ইংরেজী ব্যাকরণে Common Gender হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Neuter — এই অপশনটি ভুল কারণ Neuter Gender বলতে শুধু প্রাণহীন বা জড় বস্তুকে বোঝায়, অথচ 'spouse' একটি জীবন্ত মানুষকে নির্দেশ করে। B) Feminine — এই অপশনটি ভুল কারণ Feminine Gender শুধু স্ত্রীবাচক বিশেষ্যকে বোঝায়, কিন্তু 'spouse' দ্বারা স্বামীও হতে পারে। C) Masculine — এই অপশনটি ভুল কারণ Masculine Gender শুধু পুরুষবাচক বিশেষ্যকে বোঝায়, কিন্তু 'spouse' দ্বারা স্ত্রীও হতে পারে। D) Common — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি পুরুষ এবং স্ত্রী উভয়কেই সমানভাবে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: যেকোনো বিবাহিত ব্যক্তি স্বামী বা স্ত্রী যাই হোন না কেন, ইংরেজীতে তাদের যৌথভাবে Common Gender-এর অন্তর্ভুক্ত 'spouse' বলা হয়।
a Tubareculisis
b Tubarculosis
c Tuberculisist
d Tuberculosis
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Tuberculosis কেন সঠিক: - বানানটির সঠিক উচ্চারণ ও গঠন হলো Tuberculosis, যা একটি পরিচিত ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। - শব্দটির সঠিক বানান মনে রাখার জন্য টিউবার (Tuber), কুল (cul) এবং ওসিস (osis) এই অংশগুলো সঠিকভাবে যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tubareculisis — এই বানানে ভুল অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে এবং শেষের অংশটি সঠিক নয়। B) Tubarculosis — এই বানানে ইউ (u) এর জায়গায় এ (a) ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে। C) Tuberculisist — এই বানানের শেষে অপ্রয়োজনীয় অক্ষর যুক্ত করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) Tuberculosis — এটি সঠিক বানান। মনে রাখার টিপস: বানানটি সহজে মনে রাখতে টিউবার (Tuber) এবং কুল (cul) এর সাথে ওসিস (osis) যোগ করে Tuberculosis শব্দটি তৈরি করুন।
a USA
b Britain
c Germany
d Greece
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Britain কেন সঠিক: - উইলিয়াম শেকস্পিয়ারের জন্ম ইংল্যান্ডের স্ট্রাটফোর্ড আপন এভন এলাকায়, যা গ্রেট ব্রিটেন বা যুক্তরাজ্যের অংশ। - বিশ্বখ্যাত এই নাট্যকার ১৫৬৪ সালের ২৬ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি ব্রিটিশ সাহিত্যের প্রধান প্রতিনিধি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) USA — যুক্তরাষ্ট্র সে সময় অস্তিত্বে ছিল না এবং শেকস্পিয়ারের জন্ম এই মহাদেশে হয়নি। B) Britain — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ইংল্যান্ড বা ব্রিটেনের নাগরিক ছিলেন। C) Germany — জার্মানি ইউরোপের অন্য একটি দেশ এবং এটি শেকস্পিয়ারের জন্মস্থান নয়। D) Greece — গ্রীস প্রাচীন সভ্যতার দেশ হলেও শেকস্পিয়ারের জন্ম এখানে হয়নি। মনে রাখার টিপস: শেকস্পিয়ার হলেন ইংরেজি সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার, তাই তার জন্মস্থান ব্রিটেন বা ইংল্যান্ড হবে।
a Let be sum done.
b Let the sum be done
c The sum is done
d Let the sum done
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Let the sum be done কেন সঠিক: - মূল বাক্যটি Imperative Sentence হওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে Let বসে। - এর পর অবজেক্ট (the sum), তারপর be এবং মূল verb-এর Past Participle রূপ (done) বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let be sum done — এখানে অবজেক্টের সঠিক স্থান পরিবর্তন করা হয়নি এবং অনুক্রম ভুল। B) Let the sum be done — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। C) The sum is done — এটি Passive voice হলেও মূল Imperative বাক্যের স্ট্রাকচার অনুসরণ করেনি। D) Let the sum done — এখানে be verb বাদ দেওয়া হয়েছে যা Passive voice গঠনের নিয়মবিরুদ্ধ। মনে রাখার টিপস: Imperative Sentence-কে Active থেকে Passive করার সময় মনে রাখবে: Let + অবজেক্ট + be + V3।
a Inflation
b Deflation
c Jubilant
d Boom
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Boom কেন সঠিক: - Recession শব্দের অর্থ অর্থনৈতিক মন্দা বা ব্যবসা-বাণিজ্যের পতন। - Boom শব্দের অর্থ ব্যবসা-বাণিজ্যের আকস্মিক প্রসার বা রমরমা অবস্থা, যা মন্দার বিপরীত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Inflation — এর অর্থ মুদ্রাস্ফীতি, যা অর্থনৈতিক মন্দার সরাসরি বিপরীতার্থক নয়। B) Deflation — এর অর্থ মুদ্রাসংকোচন, যা এক ধরনের মন্দারই সমার্থক বা সম্পর্কিত রূপ। C) Jubilant — এর অর্থ অত্যন্ত আনন্দিত বা উল্লাসিত, যা একটি আবেগ প্রকাশ করে এবং অর্থনৈতিক পরিভাষা নয়। D) Boom — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি মন্দার বিপরীত অবস্থা নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: মন্দা বা পতন বোঝাতে Recession এবং রমরমা ভাব বা সমৃদ্ধি বোঝাতে Boom শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
a Capable
b Prudent
c Discreet
d Circumspect
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Capable কেন সঠিক: - Competent শব্দের অর্থ হলো দক্ষ, যোগ্য বা সামর্থ্যবান, যা Capable শব্দের অর্থের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। - Capable অর্থও সক্ষম বা যোগ্য, তাই এটি Competent শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Capable — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল অপশন হিসেবে গ্রহণযোগ্য। B) Prudent — এর অর্থ বিচক্ষণ বা দূরদর্শী, যা দক্ষতার চেয়ে বুদ্ধিমত্তা ও সাবধনতার সঙ্গে সম্পর্কিত। C) Discreet — এর অর্থ গোপনীয় বা সতর্ক, যা বাক্যে বা আচরণে সংযমী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) Circumspect — এর অর্থ পরোক্ষভাবে সতর্ক বা হিসাবী, যা কোনো কাজের সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: Competent এবং Capable দুটি শব্দের মাধ্যমেই কোনো কাজের যোগ্যতা বা দক্ষতা বোঝানো হয়, তাই এরা সমার্থক।
a ত্রৈমাসিক
b সাপ্তাহিক
c পাক্ষিক
d বার্ষিক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ত্রৈমাসিক কেন সঠিক: - ইংরেজি শব্দ Quarterly অর্থ এমন কিছু যা বছরে চারবার বা প্রতি তিন মাস পর পর ঘটে। - বাংলা পরিভাষায় বারো মাসের এক চতুর্থাংশ বা প্রতি তিন মাস সময়কালকে ত্রৈমাসিক বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ত্রৈমাসিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দটি প্রতি তিন মাস সময়কালকে নির্দেশ করে। B) সাপ্তাহিক — এই অপশন ভুল কারণ সাপ্তাহিক অর্থ প্রতি সাত দিন পর পর ঘটে যা Weekly শব্দের অর্থ। C) পাক্ষিক — এই অপশন ভুল কারণ পাক্ষিক অর্থ প্রতি পনেরো দিন পর পর ঘটে যা Fortnightly শব্দের অর্থ। D) বার্ষিক — এই অপশন ভুল কারণ বার্ষিক অর্থ বছর একবার ঘটে যা Annual বা Yearly শব্দের অর্থ। মনে রাখার টিপস: Quarter শব্দের অর্থ এক চতুর্থাংশ, তাই বারো মাসের চার ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ তিন মাসের হিসাবকে Quarterly বা ত্রৈমাসিক বলা হয়।
a ১৮০°
b ১২০°
c ৩৬০°
d ৯০°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮০° প্রদত্ত তথ্য: একটি সরলরেখার উপর একটি রেখাংশ মিলিত হয়েছে উৎপন্ন কোণ দুটি পরস্পর সন্নিহিত কোণ ধরি, সরলরেখাটির উপর অবস্থিত কোণ দুটি ক এবং খ সন্নিহিত কোণ দুটির সমষ্টি হলো সরলকোণ অতএব, জ্যামিতিক নিয়ম অনুযায়ী একটি সরলরেখার উপর উৎপন্ন কোণের পরিমাণ স্থির থাকে এই নির্দিষ্ট কোণের মান হলো দুই সমকোণ বা এক সরলকোণ সুতরাং, এক সরলকোণ বা দুই সমকোণের মান হলো একশত আশি ডিগ্রি উত্তর: ১৮০°
a 10
b 15
c 20
d 25
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো ৮০ প্রথমে নির্ণয় করতে হবে ৮০ এর ৭৫% পরে নির্ণয় করতে হবে প্রাপ্ত মানের ২৫% ধরি, প্রথম অংশ = ৮০ এর ৭৫% দ্বিতীয় অংশ = প্রাপ্ত মানের ২৫% অতএব, ৮০ এর ৭৫% = ৮০ × ৭৫ ÷ ১০০ ৮০ × ৭৫ ÷ ১০০ = ৬০ সুতরাং, ৬০ এর ২৫% = ৬০ × ২৫ ÷ ১০০ ৬০ × ২৫ ÷ ১০০ = ১৫ উত্তর: ১৫
a 16
b 25
c 64
d 56
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো দুই এর ঘাত n সমান বত্রিশ ধরি, ভিত্তি দুই কে বারবার গুণ করে বত্রিশ পেতে হবে অতএব, দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই সমান বত্রিশ সুতরাং, দুই এর ওপর ঘাত পাঁচ সমান বত্রিশ, অর্থাৎ n সমান পাঁচ উত্তর: n এর মান পাঁচ হলে n এর বর্গ সমান পাঁচ গুণ পাঁচ সমান পঁচিশ
a ০.৯১ মাইল
b ১.৫০ মাইল
c ০.৬২১ মাইল
d ০.৬৫ মাইল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.৬২১ মাইল প্রদত্ত তথ্য: ১ মাইল সমান প্রায় ১.৬০৯ কিলোমিটার ধরি, ১ কিলোমিটার সমান খ মাইল অতএব, ১ কিলোমিটার = ১ ÷ ১.৬০৯ মাইল সুতরাং, ১ কিলোমিটার = ০.৬২১ মাইল উত্তর: ০.৬২১ মাইল
a 11
b 9
c 1
d -1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ প্রদত্ত তথ্য: পাঁচ অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা চার অংকের বৃহত্তম সংখ্যা ধরি, পাঁচ অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ১০০০০ চার অংকের বৃহত্তম সংখ্যা = ৯৯৯৯ অতএব, সংখ্যা দুটির বিয়োগফল বের করতে হবে ১০০০০ থেকে ৯৯৯৯ বিয়োগ করতে হবে সুতরাং, ১০০০০ − ৯৯৯৯ = ১ উত্তর: ১
a 364
b 334
c 154
d 512
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৬৪ প্রদত্ত তথ্য: x − (১ ÷ x) = ৭ ধরি, বীজগণিতের সূত্র ব্যবহার করে পাই a³ − b³ = (a − b)³ + ৩ab(a − b) অতএব, x³ − (১ ÷ x)³ এর মান বের করতে হবে x³ − (১ ÷ x)³ = (x − ১ ÷ x)³ + ৩ × (x × ১ ÷ x) × (x − ১ ÷ x) সুতরাং, মান বসিয়ে পাই, ৭³ + ৩ × ৭ = ৩৪৩ + ২১ উত্তর: ৩৬৪
a 3
b 12
c 6
d 9
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯ প্রদত্ত তথ্য: দুটি রাশির যোগফল = ৭ দুটি রাশির গুণফল = ১০ ধরি, প্রথম রাশি = x দ্বিতীয় রাশি = y অতএব, আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী (x − y) এর বর্গ = (x + y) এর বর্গ − ৪ × x × y সুতরাং, (x − y) এর বর্গ = (৭) এর বর্গ − ৪ × ১০ (x − y) এর বর্গ = ৪৯ − ৪০ = ৯ উত্তর: ৯
a সম্পূরক কোণ
b পূরক কোণ
c প্রবৃদ্ধ কোণ
d স্থূল কোণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রবৃদ্ধ কোণ প্রদত্ত তথ্য: কোণের পরিমাপ দুই সমকোণ অর্থাৎ ১৮০ ডিগ্রি অপেক্ষা বড় কোণের পরিমাপ চার সমকোণ অর্থাৎ ৩৬০ ডিগ্রি অপেক্ষা ছোট ধরি, অজানা কোণটি = ক ডিগ্রি অতএব, ১৮০ ডিগ্রি < ক < ৩৬০ ডিগ্রি সুতরাং, দুই সমকোণ থেকে বড় এবং চার সমকোণ থেকে ছোট কোণকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলা হয় উত্তর: প্রবৃদ্ধ কোণ
a (x - 10)(x + 6)
b (x + 6)(x + 10)
c (x + 10)(x + 6)
d (x - 10)(x - 6)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (x − ১০)(x + ৬) প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো (x + ৫)(x − ৯) − ১৫ ধরি, প্রথমে গুণ করে পাই, x স্কয়ার − ৯x + ৫x − ৪৫ − ১৫ অতএব, যোগ বিয়োগ করে পাই, x স্কয়ার − ৪x − ৬০ সুতরাং, মিডল টার্ম করি, x স্কয়ার − ১০x + ৬x − ৬০ উত্তর: (x − ১০)(x + ৬)
a 55
b 56
c 57
d 58
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম অংশে গাড়ির বেগ = ৪৫ মাইল প্রতি ঘণ্টা এবং সময় = ২০ মিনিট দ্বিতীয় অংশে গাড়ির বেগ = ৬০ মাইল প্রতি ঘণ্টা এবং সময় = ৪০ মিনিট ধরি, প্রথম অংশের অতিক্রান্ত দূরত্ব = (৪৫ × ২০) ÷ ৬০ মাইল = ১৫ মাইল দ্বিতীয় অংশের অতিক্রান্ত দূরত্ব = (৬০ × ৪০) ÷ ৬০ মাইল = ৪০ মাইল অতএব, মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ১৫ মাইল + ৪০ মাইল = ৫৫ মাইল মোট সময় = ২০ মিনিট + ৪০ মিনিট = ৬০ মিনিট বা ১ ঘণ্টা সুতরাং, গতির গড় = মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব ÷ মোট সময় উত্তর: ৫৫ মাইল প্রতি ঘণ্টা
a চতুর্ভুজ
b সামান্তরিক
c বহুভুজ
d ট্রাপিজিয়াম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চতুর্ভুজ প্রদত্ত তথ্য: জ্যামিতিতে আয়তক্ষেত্র একটি বিশেষ আকৃতি বর্গক্ষেত্র এবং রম্বস হলো বিভিন্ন ধরনের চতুর্ভুজ ধরি, চারটি বাহু দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্র = চতুর্ভুজ আয়তক্ষেত্র, বর্গক্ষেত্র ও রম্বসের বাহুর সংখ্যা = চারটি অতএব, আয়তক্ষেত্রের বিপরীত বাহু সমান ও কোণগুলো সমকোণ বর্গক্ষেত্রের চারটি বাহু সমান ও কোণগুলো সমকোণ রম্বসের চারটি বাহু সমান কিন্তু কোণগুলো সমকোণ নয় সুতরাং, এদের সকলেরই চারটি করে বাহু রয়েছে এবং এরা প্রত্যেকেই এক একটি নির্দিষ্ট ধরনের চতুর্ভুজ উত্তর: A) চতুর্ভুজ
a ৭ তারিখ
b ৮ তারিখ
c ৯ তারিখ
d ১০ তারিখ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭ তারিখ প্রদত্ত তথ্য: ১৭ দিন আগে রুবেল বলেছিল জন্মদিন আগামীকাল আজ মাসের ২৩ তারিখ ধরি, ১৭ দিন আগের দিনটি ছিল আজ থেকে ১৭ দিন পেছনের বার যেহেতু ১৭ দিন আগে সে বলেছিল আগামীকাল জন্মদিন অতএব, ১৭ দিন আগে রুবেলের জন্মদিন ছিল ১৭ দিন আগের পরের দিন অর্থাৎ ১৭ দিন আগের সাথে ১ দিন যোগ করতে হবে সুতরাং, ১৭ দিন আগে + ১ দিন = ১৮ দিন আগে আজ হলো ২৩ তারিখ থেকে ১৮ দিন বাদ দিতে হবে উত্তর: ২৩ − ১৮ = ৭ তারিখ
a 0.02
b 1
c 0.01
d 0.1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.০১ প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪০০ মিটার ধরি, বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × ক মিটার অতএব, ৪ × ক = ৪০০ ক = ৪০০ ÷ ৪ ক = ১০০ মিটার সুতরাং, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (১০০ × ১০০) বর্গমিটার = ১০০০০ বর্গমিটার ১ বর্গকিলোমিটার = ১০০০০০০ বর্গমিটার উত্তর: ১০০০০ ÷ ১০০০০০০ = ০.০১ বর্গকিলোমিটার
a ২০ : ৩
b ৩ : ৪
c ৪ : ৫
d ১ : ৪
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১ : ৪ প্রদত্ত তথ্য: সাপ্তাহিক আয় = ২,২০০ টাকা সাপ্তাহিক ব্যয় = ১,৬৫০ টাকা ধরি, সঞ্চয় = আয় − ব্যয় অতএব, সঞ্চয় = ২,২০০ টাকা − ১,৬৫০ টাকা সঞ্চয় = ৫৫০ টাকা সুতরাং, সঞ্চয়ের সাথে আয়ের অনুপাত = ৫৫০ : ২,২০০ উত্তর: ১ : ৪
a ১৫০ ডিগ্রি
b ১৬০ ডিগ্রি
c ৯০ ডিগ্রি
d ১২০ ডিগ্রি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২০ ডিগ্রি প্রদত্ত তথ্য: ঘড়িতে সময় ৮টা বাজে সম্পূর্ণ ঘড়িটি বৃত্তাকার এবং এর মান ৩৬০ ডিগ্রি ঘড়িতে মোট ১২টি ঘণ্টার ঘর আছে ধরি, ঘড়ির প্রতি দুই ঘরের মধ্যবর্তী দূরত্ব ৩০ ডিগ্রি অতএব, ১২টি ঘণ্টার ঘরের জন্য মোট কোণ ৩৬০ ডিগ্রি প্রতি ১ ঘণ্টার ঘরের কোণ ৩৬০ ডিগ্রি ÷ ১২ = ৩০ ডিগ্রি সুতরাং, ৮টার সময় কাঁটা দুটির মধ্যবর্তী ঘরের সংখ্যা ৮টি উত্তর: ৮ × ৩০ ডিগ্রি = ১২০ ডিগ্রি
a 800
b 1200
c 1400
d 1000
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০০০ প্রদত্ত তথ্য: x এর মান = ১৫ y এর মান = ৫ ধরি, রাশিটি হলো x এর কিউব বিয়োগ তিন গুণ x এর স্কয়ার y যোগ তিন গুণ x y এর স্কয়ার বিয়োগ y এর কিউব অতএব, বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী এটি হলো (x বিয়োগ y) এর হোল কিউব সুতরাং, বন্ধনীর ভেতরে ১৫ থেকে ৫ বিয়োগ করলে থাকে ১০ উত্তর: ১০ এর কিউব সমান ১০০০
a ১ টি
b ২ টি
c ৩ টি
d প্রান্তবিন্দু নেই
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রান্তবিন্দু নেই প্রদত্ত তথ্য: জ্যামিতিতে রেখা বা সরলরেখার সংজ্ঞা ধরি, রেখা উভয় দিকে অসীম পর্যন্ত বিস্তৃত অতএব, রেখার কোনো নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য থাকে না রেখার কোনো প্রান্তবিন্দু থাকে না সুতরাং, জ্যামিতিক নিয়ম অনুযায়ী রেখার প্রান্তবিন্দু শূন্য টি উত্তর: D) প্রান্তবিন্দু নেই
a 1.25
b 1.15
c 0.8
d 0.2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১.২৫ প্রদত্ত তথ্য: আলমের বয়স কমলের বয়সের ৮০% ধরি, কমলের বয়স = ১০০ আলমের বয়স = ৮০ অতএব, কমলের বয়স আলমের বয়সের কত গুণ তা বের করতে হবে সুতরাং, কমলের বয়স ÷ আলমের বয়স = ১০০ ÷ ৮০ উত্তর: ১.২৫
a 7
b 11
c 9
d 13
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৭, ৮, ১১, ১৩, ১৫, ১৯ ধরি, উপাত্তগুলোকে ছোট থেকে বড় সাজানো হলো মোট পদের সংখ্যা বা এন = ৮ (জোড় সংখ্যা) অতএব, মধ্যক হবে এন ভাগ দুই তম পদ এবং এন ভাগ দুই যোগ এক তম পদের মান দুটির গড় এখানে চতুর্থ পদ হলো ৮ এবং পঞ্চম পদ হলো ১১ সুতরাং, চতুর্থ ও পঞ্চম পদের যোগফল = ৮ + ১১ = ১৯ উত্তর: ১৯ ভাগ ২ = ৯ দশমিক ৫ (প্রায় ৯)
a ২৫%
b ২৮%
c ৩০%
d ৩২%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩০% প্রদত্ত তথ্য: মোট ছাত্রের সংখ্যা = ৬০ জন ফেল করা ছাত্রের সংখ্যা = ৪২ জন ধরি, পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = মোট ছাত্র − ফেল করা ছাত্র অতএব, পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = ৬০ − ৪২ = ১৮ জন সুতরাং, পাশের হার = (১৮ ÷ ৬০) × ১০০% উত্তর: ৩০%
a বেকারেল
b ব্যারেল
c ওহম
d প্যাসকেল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বেকারেল কেন সঠিক: - তেজস্ক্রিয়তার এসআই একক হলো বেকারেল, যা বিজ্ঞানী হেনরি বেকারেলের নামানুসারে রাখা হয়েছে। - প্রতি সেকেন্ডে একটি তেজস্ক্রিয় ক্ষয়কে এক বেকারেল বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেকারেল — এটি তেজস্ক্রিয়তার পরিমাপের সঠিক একক। B) ব্যারেল — এটি তরল পদার্থের আয়তন মাপার একক, বিশেষ করে পেট্রোলিয়ামের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। C) ওহম — এটি তড়িৎ রোধ পরিমাপের একক। D) প্যাসকেল — এটি চাপ পরিমাপের একক। মনে রাখার টিপস: তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেছিলেন হেনরি বেকারেল, তাই তার নামানুসারে তেজস্ক্রিয়তার একক বেকারেল।
a অস্ট্রেলিয়া ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়
b বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়
c দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়
d টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অস্ট্রেলিয়া ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয় কেন সঠিক: - মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশেষ অবদানের জন্য অস্ট্রেলিয়া ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয় ‘ডক্টর অব ল’ ডিগ্রি প্রদান করে। - আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শান্তি ও মানবাধিকার রক্ষায় তাঁর নেতৃত্বকে স্বীকৃতি জানাতে বিশ্ববিদ্যালয়টি এই সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রদান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্ট্রেলিয়া ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বিশ্ববিদ্যালয়টিই তাঁকে উক্ত ডিগ্রি প্রদান করেছিল। B) বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় — এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় হলেও শেখ হাসিনাকে এই ডিগ্রি প্রদানে যুক্ত ছিল না। সি) দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় — এই বিশ্ববিদ্যালয়টি অন্য কোনো সময়ে বা ক্ষেত্রে সম্মাননা দিলেও এই নির্দিষ্ট ডিগ্রির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ডি) টোকিও বিশ্ববিদ্যালয় — এটি জাপানের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়, যা এই সম্মাননা প্রদানের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় স্বীকৃতি মনে রাখতে ‘অস্ট্রেলিয়া ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়’ এবং ‘মানবাধিকারের আইন’ বা ‘ডক্টর অব ল’ একসঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখুন।
a চাঁপাই-নবাবগঞ্জ
b নওগাঁ
c দিনাজপুর
d বগুড়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বগুড়া কেন সঠিক: - প্রাচীন বাংলার পুণ্ড্র জনপদের প্রধান কেন্দ্র ছিল পুণ্ড্রবর্ধন, যার বর্তমান অবস্থান বগুড়ার মহাস্থানগড়। - প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্যের ভৌগোলিক পরিধি বর্তমান বগুড়া জেলা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁপাই-নবাবগঞ্জ — এটি প্রাচীন বাংলার গৌড় জনপদের অন্তর্ভুক্ত এলাকা ছিল, পুণ্ড্র জনপদের নয়। B) নওগাঁ — এটি বরেন্দ্র অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হলেও পুণ্ড্র জনপদের মূল কেন্দ্র বগুড়ায় অবস্থিত। C) দিনাজপুর — এটি প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনভুক্ত হলেও পুণ্ড্র জনপদের মূল রাজধানী বা প্রধান এলাকা বগুড়ায় ছিল। D) বগুড়া — এটি পুণ্ড্র জনপদের মূল ভূখণ্ড ও প্রশাসনিক কেন্দ্র মহাস্থানগড়ের অন্তর্ভুক্ত সঠিক এলাকা। মনে রাখার টিপস: পুণ্ড্র মানেই প্রাচীন বগুড়ার মহাস্থানগড়।
a বাফার রাষ্ট্র
b স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র
c জিরো সাম রাষ্ট্র
d নিরপেক্ষ রাষ্ট্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাফার রাষ্ট্র কেন সঠিক: - দুই বা ততোধিক শক্তিশালী বা প্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্রের মাঝখানে অবস্থিত স্বাধীন রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বাফার রাষ্ট্র বলা হয়। - এই ধরনের রাষ্ট্রগুলোর মূল কাজ হলো বড় শক্তিগুলোর মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ বা সংঘাত এড়ানো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাফার রাষ্ট্র — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এর মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির মধ্যবর্তী রাষ্ট্র বোঝায়। B) স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র — এর চারদিকে সমুদ্র থাকে না, যা ভিন্ন একটি ভৌগোলিক অবস্থান নির্দেশ করে। C) জিরো সাম রাষ্ট্র — এটি অর্থনীতি ও ক্রীড়াতত্ত্বের একটি ধারণা, যা ভূরাজনীতির এই সংজ্ঞার সঙ্গে মিলে না। D) নিরপেক্ষ রাষ্ট্র — এটি আন্তর্জাতিক সংঘাতে কোনো পক্ষ না নেওয়া রাষ্ট্র, তবে ভৌগোলিক অবস্থানগতভাবে মাঝখানে থাকাই বাধ্যতামূলক নয়। মনে রাখার টিপস: দুই শক্তির মাঝে বাফারের মতো কাজ করে যে রাষ্ট্র, তাকেই বাফার রাষ্ট্র বলে মনে রাখবে।
a ৬ টি
b ৮ টি
c ১০ টি
d ৪ টি
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ৪ টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় এবং অনুচ্ছেদ ৮(১) অনুযায়ী সংবিধানের মূলনীতি মোট চারটি। - এই চারটি মূলনীতি হলো জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ টি — সংবিধান বা এর মূলনীতির সংখ্যা ছয়টি নয়, তাই এটি ভুল। B) ৮ টি — বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি আটটি নয়, এটি ভুল তথ্য। সি) ১০ টি — সংবিধানের মূলনীতি দশটি নয়, সঠিক সংখ্যা মাত্র চারটি। D) ৪ টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংবিধান অনুযায়ী মূলনীতি চারটি। মনে রাখার টিপস: মূলনীতিগুলো মনে রাখার সহজ শব্দ সংকেত হলো "নাসাদোগে" অর্থাত্ জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
a সালাম
b বরকত
c রফিক
d শফিউর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বরকত কেন সঠিক: - আবুল বরকত ভাষা আন্দোলনের সময় ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ হন এবং তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ছিলেন। - ভাষা শহীদদের মধ্যে একমাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আবুল বরকতের নাম নিশ্চিত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সালাম — আবদুস সালাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন না, তিনি তৎকালীন শিল্প মন্ত্রণালয়ের একজন পিয়ন ছিলেন। B) বরকত — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। C) রফিক — রফিক উদ্দিন আহমদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন না, তিনি জগন্নাথ কলেজের (বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয়) বাণিজ্য বিভাগের ছাত্র ছিলেন। D) শফিউর — শফিউর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন না, তিনি ঢাকা হাইকোর্টের হিসাব রক্ষণ শাখার একজন কর্মচারী ছিলেন। মনে রাখার টিপস: বরকত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন, রফিক ছিলেন জগন্নাথ কলেজের ছাত্র এবং সালাম ও শফিউর চাকরিজীবী ছিলেন।
a কৃষ্ণ-মর্মর সাগর
b আটলান্টিক-উত্তর সাগর
c এডেন-লোহিত সাগর
d চুপচি-বেরিং সাগর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কৃষ্ণ-মর্মর সাগর কেন সঠিক: - বসফরাস প্রণালী তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরের উপর অবস্থিত এবং এটি কৃষ্ণ সাগরকে মর্মর সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। - এটি এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশকে পৃথক করেছে এবং কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জলপথ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষ্ণ-মর্মর সাগর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ বসফরাস প্রণালী এই দুটি সাগরকেই সংযুক্ত করে। B) আটলান্টিক-উত্তর সাগর — এটি ভুল কারণ উত্তর সাগর আটলান্টিক মহাসাগরের অংশ হলেও বসফরাস প্রণালী একে সংযুক্ত করেনি। C) এডেন-লোহিত সাগর — এটি ভুল কারণ বাবেল মান্দেব প্রণালী এডেন উপসাগর ও লোহিত সাগরকে সংযুক্ত করেছে। D) চুপচি-বেরিং সাগর — এটি ভুল কারণ বেরিং প্রণালী চুপচি সাগর ও বেরিং সাগরকে সংযুক্ত করেছে। মনে রাখার টিপস: বসফরাস প্রণালীর অবস্থান মনে রাখতে 'বকম' শব্দসংকেত ব্যবহার করতে পারো, যেখানে ব-তে বসফরাস, ক-তে কৃষ্ণ সাগর এবং ম-তে মর্মর সাগর বোঝায়।
a ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪
b ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪
c ২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩
d ২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৭২
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে প্রথম বাঙালি হিসেবে বাংলায় ভাষণ দেন। - এই ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে তিনি বিশ্বদরবারে বাংলা ভাষাকে এক অনন্য উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করেন এবং স্বাধীন বাংলাদেশের কণ্ঠস্বর তুলে ধরেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় প্রথম ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন। B) ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ — এই তারিখে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশন শুরু হলেও বঙ্গবন্ধু ভাষণ দেননি। C) ২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩ — এটি ভুল কারণ ১৯৭৩ সাল নয়, বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিয়েছিলেন ১৯৭৪ সালে। D) ২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৭২ — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশ জাতিসংঘে সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর এবং তিনি ভাষণ দেন ১৯৭৪ সালে। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ মনে রাখতে সাল ১৯৭৪ এবং মাস সেপ্টেম্বর মনে রাখুন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি মাইলফলক।
a ১ নং সেক্টর
b ১১ নং সেক্টর
c ৩ নং সেক্টর
d ৮ নং সেক্টর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১ নং সেক্টর কেন সঠিক: - মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং ১১ নং সেক্টরের দায়িত্বে ছিলেন মেজর এম এ তাহের ও পরবর্তীতে উইং কমান্ডার এম হামিদুল্লাহ খান। - ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা এই ১১ নং সেক্টরের অধীন ছিল এবং এই অঞ্চলে শত্রুর বিরুদ্ধে সফল গেরিলা অপারেশন পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ নং সেক্টর — এটি চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং ফেনী নদীর অববাহিকা এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল। B) ১১ নং সেক্টর — এটি ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা নিয়ে গঠিত ছিল এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানে মিলে গেছে। C) ৩ নং সেক্টর — এটি হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং ঢাকা ও ময়মনসিংহের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল। D) ৮ নং সেক্টর — এটি কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা এবং ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল। মনে রাখার টিপস: ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চলের ১১ জন মুক্তিকামী মানুষ সেক্টর ১১-এর অধীনে যুদ্ধ করেছিলেন।
a রুমানিয়া
b হাঙ্গেরি
c বেলারুশ
d তুরস্ক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেলারুশ কেন সঠিক: - বেলারুশ ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক কারণে রাশিয়াকে সরাসরি সমর্থন দিয়েছে এবং ইউক্রেন আক্রমণের জন্য নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দিয়েছে। - রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর জন্য লজিস্টিক সহায়তা ও সৈন্য চলাচলের পূর্ণ সুবিধা প্রদান করেছিল বেলারুশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রুমানিয়া — এটি নেটো জোটের সদস্য দেশ এবং ইউক্রেন সংকটে রাশিয়ার বিরোধিতা করে আসছে। B) হাঙ্গেরি — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য এবং সামরিকভাবে রাশিয়ার পক্ষ না নিয়ে নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখেছে। D) তুরস্ক — এটি ন্যাটোর সদস্য দেশ হলেও রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে এবং কোনো পক্ষ নেয়নি। মনে রাখার টিপস: রাশিয়ার সবচেয়ে ঘনিষ্ট প্রতিবেশী ও সহযোগী রাষ্ট্র হিসেবে বেলারুশ ইউক্রেন অভিযানে প্রত্যক্ষ পক্ষ নিয়েছিল।
a ১০ মে ১৯৭২
b ২৩ মে ১৯৭৩
c ২৩ মে ১৯৭২
d ১৩ মে ১৯৭৩
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৩ মে ১৯৭৩ কেন সঠিক: - বিশ্ব শান্তি পরিষদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর শান্তিপ্রিয়তা ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৩ সালের ২৩ মে জুলিও কুরি শান্তি পদক প্রদান করে। - এটি ছিল বাংলাদেশের প্রাপ্ত প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মাননা, যা তৎকালীন সংসদ ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাকে প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ মে ১৯৭২ — এই তারিখে জুলিও কুরি পদক প্রদানের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা নেই, এটি ভুল তারিখ। B) ২৩ মে ১৯৭৩ — এটি সঠিক উত্তর, এই দিনেই বঙ্গবন্ধুকে আনুষ্ঠানিকভাবে জুলিও কুরি পদক প্রদান করা হয়। C) ২৩ মে ১৯৭২ — সালটি ১৯৭২ নয় বরং ১৯৭৩ হবে, তাই এই অপশনটি ভুল। D) ১৩ মে ১৯৭৩ — তারিখটি সঠিক নয়, সঠিক তারিখটি হলো ২৩ মে ১৯৭৩। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুকে জুলিও কুরি পদক দেওয়া হয় ১৯৭৩ সালের ২৩ মে, যা মনে রাখতে ৭৩ এর মে মাসের তেইশ তারিখ এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a নৌ-বাহিনী
b সেনাবাহিনী
c বিমানবাহিনী
d পুলিশবাহিনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নৌ-বাহিনী কেন সঠিক: - মোহাম্মদ রুহুল আমিন ১৯৭১ সালে পাকিস্তান নৌবাহিনীর চাকরি ত্যাগ করে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। - তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ইঞ্জিন রুম আর্টিফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর শহীদ হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নৌ-বাহিনী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই বাহিনীর সদস্য ছিলেন। B) সেনাবাহিনী — এটি ভুল কারণ তিনি স্থলভাগে যুদ্ধ করলেও মূল পেশাগতভাবে সেনাবাহিনীর সদস্য ছিলেন না। C) বিমানবাহিনী — এটি ভুল কারণ তিনি বিমানবাহিনীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। D) পুলিশবাহিনী — এটি ভুল কারণ তিনি পুলিশ বাহিনীর সদস্য ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: নৌকার মাঝি যেমন পানিতে চলে, তেমনি বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ছিলেন নৌ-বাহিনীর বীর সেনানি।
a ত্রিপুরা
b আসাম
c মনিপুর
d মিজোরাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মিজোরাম কেন সঠিক: - কর্ণফুলি নদী ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে রাঙ্গামাটি ও চট্টগ্রাম হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। - বাংলাদেশের নদীগুলোর উৎপত্তিস্থল ও গতিপ্রকৃতি বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক তথ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ত্রিপুরা — এটি ভারতের একটি রাজ্য হলেও কর্ণফুলি নদীর উৎপত্তিস্থল এখানে নয়, এখান থেকে গোমতী নদী উৎপন্ন হয়েছে। B) আসাম — আসাম ভারতের একটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য, যা ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় অবস্থিত এবং কর্ণফুলির উৎপত্তিস্থল নয়। C) মনিপুর — মনিপুর থেকে বারাক নদী উৎপন্ন হয়েছে, যা কর্ণফুলি নদীর উৎপত্তিস্থল নয়। D) মিজোরাম — এটি কর্ণফুলি নদীর সঠিক উৎপত্তিস্থল হিসেবে ভৌগোলিকভাবে প্রমাণিত। মনে রাখার টিপস: কর্ণফুলি নদীর উৎপত্তিস্থল মনে রাখতে মিজোরামের লুসাই পাহাড় কথাটি মনে রাখতে হবে।
a কুরিল দ্বীপপুঞ্জ
b শিকোকু দ্বীপপুঞ্জ
c বিনানণ্ডয়া দ্বীপপুঞ্জ
d ক্রুশ দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কুরিল দ্বীপপুঞ্জ কেন সঠিক: - এই দ্বীপপুঞ্জটি প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর অংশে অবস্থিত এবং এটি নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও ভূরাজনৈতিক বিরোধ রয়েছে। - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষভাগে সোভিয়েত ইউনিয়ন এই দ্বীপগুলোর নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে এবং বর্তমানে এগুলো রাশিয়ার প্রশাসনের অধীনে থাকলেও জাপান দাবি করে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুরিল দ্বীপপুঞ্জ — এটি রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপপুঞ্জ এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) শিকোকু দ্বীপপুঞ্জ — এটি জাপানের প্রধান চারটি দ্বীপের একটি এবং এটি নিয়ে কোনো আন্তর্জাতিক বিরোধ নেই। C) বিনানণ্ডয়া দ্বীপপুঞ্জ — এটি কোনো পরিচিত বা প্রাসঙ্গিক ভূরাজনৈতিক বিরোধপূর্ণ দ্বীপপুঞ্জ নয়। D) ক্রুশ দ্বীপপুঞ্জ — এটি এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে সঠিক নয় এবং এটি কোনো বিরোধপূর্ণ অঞ্চলের নাম নয়। মনে রাখার টিপস: জাপান ও রাশিয়ার বিরোধ মানেই কুরিল দ্বীপপুঞ্জ, যা ঠাণ্ডা লড়াই ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঐতিহাসিক ফলাফলের সাথে জড়িত।
a নীল চাষের অর্থনীতি
b সমুদ্র অর্থনীতি
c বনজ অর্থনীতি
d খনিজ অর্থনীতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সমুদ্র অর্থনীতি কেন সঠিক: - ব্লু-ইকোনমি বা নীল অর্থনীতি বলতে সমুদ্রসম্পদের টেকসই ব্যবহারকে বোঝায় যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সমুদ্রের স্বাস্থ্য রক্ষা করে। - সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ, খনিজ উত্তোলন এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করাই এর মূল লক্ষ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীল চাষের অর্থনীতি — এটি কোনো স্বীকৃত অর্থনৈতিক ধারণা নয় এবং সমুদ্র অর্থনীতির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। B) সমুদ্র অর্থনীতি — এটি ব্লু-ইকোনমির সঠিক বাংলা প্রতিশব্দ যা সমুদ্রভিত্তিক সম্পদ ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে নির্দেশ করে। C) বনজ অর্থনীতি — এটি বনায়ন, কাঠ এবং বনভিত্তিক সম্পদের সাথে সম্পর্কিত যা সমুদ্র অর্থনীতির অংশ নয়। D) খনিজ অর্থনীতি — এটি সাধারণত ভূগর্ভস্থ খনিজ সম্পদ উত্তোলনের সাথে সম্পর্কিত, এককভাবে সমুদ্র অর্থনীতিকে বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: ব্লু বা নীল রঙ সমুদ্রের প্রতীক, তাই ব্লু-ইকোনমি মানেই সমুদ্র অর্থনীতি।
a অক্সিজেন
b নাইট্রোজেন
c ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
d হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্লোরোফ্লোরো কার্বন কেন সঠিক: - ক্লোরোফ্লোরো কার্বন বা সিএফসি বায়ুমণ্ডলে তাপ আটকে রেখে গ্রিনহাউস প্রভাবে সরাসরি ভূমিকা রাখে। - এটি ওজোন স্তর ধ্বংস করার পাশাপাশি বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সিজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান এবং জীবকুলের শ্বাসকাজে লাগে, যা গ্রিনহাউস গ্যাস নয়। B) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের সর্বাধিক পরিমাণ থাকা নিষ্ক্রিয় গ্যাস, যা গ্রিনহাউস প্রভাবে অংশ নেয় না। C) ক্লোরোফ্লোরো কার্বন — এটি একটি অন্যতম প্রধান কৃত্রিম গ্রিনহাউস গ্যাস। D) হাইড্রোজেন — এটি অত্যন্ত হালকা ও দাহ্য গ্যাস যা সরাসরি গ্রিনহাউস গ্যাস হিসেবে কাজ করে না। মনে রাখার টিপস: সিএফসি বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন হলো সেই গ্যাস যা এসি এবং ফ্রিজ থেকে বেরিয়ে ওজোন স্তর নষ্ট করে এবং পৃথিবী গরম করে।
a ঘানা
b কানাডা
c গাম্বিয়া
d সৌদি আরব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গাম্বিয়া কেন সঠিক: - গাম্বিয়া ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ICJ) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর গণহত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করে। - ওআইসি (OIC)-র পক্ষে পশ্চিম আফ্রিকার এই মুসলমানপ্রধান দেশটি বিশ্বমঞ্চে এই আইনি লড়াই পরিচালনা করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘানা — এটি আফ্রিকার একটি দেশ হলেও রোহিঙ্গা গণহত্যার মামলায় বাদী হিসেবে অংশ নেয়নি। B) কানাডা — দেশটি রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে সরব এবং অর্থায়ন করলেও আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের করেনি। C) গাম্বিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) সৌদি আরব — ওআইসির প্রভাবশালী সদস্য হলেও এই মামলাটি সরাসরি দায়ের করেছে গাম্বিয়া। মনে রাখার টিপস: রোহিঙ্গা গণহত্যার মামলা করেছে জি (G) দিয়ে শুরু দেশ গাম্বিয়া (Gambia)।
a ওয়েবম্যাক্স
b জুম
c হোয়াটস অ্যাপ
d গুগলমিট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হোয়াটস অ্যাপ ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে নির্দিষ্ট করা হয়েছে কোনটি অনলাইন ভিডিও মিটিং প্ল্যাটফরম নয়। প্রদত্ত উত্তর হোয়াটস অ্যাপ সঠিক কারণ এটি মূলত একটি তাৎক্ষণিক বার্তা আদান-প্রদান বা ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: অনলাইন ভিডিও মিটিং প্ল্যাটফরম এমন একটি সফটওয়্যার বা সেবা যা ইন্টারনেট ব্যবহার করে একাধিক ব্যবহারকারীকে একসঙ্গে ভিডিও ও অডিও কনফারেন্সিং করার সুযোগ দেয়। এগুলোতে স্ক্রিন শেয়ারিং, মিটিং শিডিউলিং এবং বৃহৎ পরিসরে অংশগ্রহণকারী যুক্ত করার উন্নত প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জুম অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ঘরে বসে অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে পারেন। ব্যাখ্যা: এটি বিশেষত প্রাতিষ্ঠানিক মিটিং ও ক্লাসের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে যেখানে শত শত লোক একসঙ্গে যুক্ত হতে পারে। উদাহরণ ২: গুগলমিট ব্যবহার করে করপোরেট অফিসগুলো দূরবর্তী কর্মীদের সঙ্গে প্রজেক্ট মিটিং সম্পন্ন করে। ব্যাখ্যা: এটি ব্রাউজার বা অ্যাপের মাধ্যমে খুব সহজে ভিডিও কনফারেন্স করার সুযোগ করে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়েবম্যাক্স — এটি একটি অনলাইন ভিডিও কনফারেন্সিং প্ল্যাটফরম হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর নয়। B) জুম — এটি ভিডিও মিটিংয়ের জন্য বিশ্বব্যাপী বহুল ব্যবহৃত একটি জনপ্রিয় প্ল্যাটফরম। D) গুগলমিট — এটি গুগলের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অনলাইন ভিডিও মিটিং সেবা। ৫. মনে রাখার টিপস: হোয়াটস অ্যাপ মূলত চ্যাট বা মেসেজিং করার জন্য বেশি পরিচিত, যদিও এতে ভিডিও কল করা যায়, তবে এটি জুম বা গুগলমিটের মতো পূর্ণাঙ্গ ভিডিও মিটিং প্ল্যাটফরম নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপ এবং ডেডিকেটেড ভিডিও কনফারেন্সিং টুলের মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a ব্যাকআপ
b ডি ড্রাইভ
c ফায়ারওয়াল
d কম্পাইলার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফায়ারওয়াল ১. কেন সঠিক: - ফায়ারওয়াল হলো একটি নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা বাইরের অননুমোদিত আক্রমণ ও হ্যাকিং থেকে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ককে সুরক্ষিত রাখে। - এটি পূর্বনির্ধারিত নিরাপত্তা নিয়মের ভিত্তিতে ইনকামিং ও আউটগোয়িং নেটওয়ার্ক ট্রাফিক মনিটর ও ফিল্টার করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ফায়ারওয়াল হলো এমন একটি সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যারভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা বিশ্বস্ত অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক এবং অবিশ্বস্ত বাহ্যিক নেটওয়ার্কের মাঝখানে দেওয়ালের মতো কাজ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে চাওয়া ডেটাসেট বা প্যাকেটগুলোর নিরাপত্তা যাচাই করে এবং ঝুঁকিপূর্ণ বা ক্ষতিকর প্যাকেট ব্লক করে দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপারেটিং সিস্টেমে থাকা উইন্ডোজ ডিফেন্ডার ফায়ারওয়াল। ব্যাখ্যা: এটি কম্পিউটারের ব্যাকগ্রাউন্ডে থেকে ইন্টারনেট থেকে আসা ক্ষতিকর ডেটা বা হ্যাকারদের আক্রমণ প্রতিহত করে। উদাহরণ ২: ব্যাংকিং নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত এন্টারপ্রাইজ ফায়ারওয়াল। ব্যাখ্যা: এটি ব্যাংকের গোপনীয় সার্ভারগুলো থেকে ডেটা চুরি বা সাইবার আক্রমণ রোধে প্রধান প্রতিরক্ষা দেয়াল হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাকআপ — এটি মূলত ডেটা বা ফাইলের অতিরিক্ত কপি সংরক্ষণ করে যাতে মূল ডেটা নষ্ট হলে তা পুনরুদ্ধার করা যায়, কিন্তু এটি সরাসরি হ্যাকিং প্রতিরোধ করে না। B) ডি ড্রাইভ — এটি কম্পিউটারের হার্ডডিস্কের একটি স্টোরেজ পার্টিশন বা ড্রাইভ মাত্র, যা ফাইল বা ফোল্ডার সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। D) কম্পাইলার — এটি একটি সিস্টেম সফটওয়্যার যা উচ্চ স্তরের ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, এর সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা বা হ্যাকিং প্রতিরোধের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফায়ারওয়াল শব্দটির আক্ষরিক অর্থ অগ্নিপ্রাচীর। ফায়ার যেভাবে আগুন থেকে ঘরকে রক্ষা করে, ফায়ারওয়াল তেমনি হ্যাকার বা ক্ষতিকর আক্রমণ থেকে কম্পিউটারকে রক্ষা করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ফায়ারওয়াল হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার উভয় মাধ্যমেই কাজ করতে পারে কি না। উত্তর হলো ফায়ারওয়াল হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার উভয় রূপেই থাকতে পারে।
a Close circuit
b Carbon copy
c Close contact
d Close copy
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Carbon copy ১. কেন সঠিক: - ই-মেইল পাঠানোর সময় একাধিক ঠিকানায় বার্তা পাঠানোর জন্য সিসি (CC) অপশন ব্যবহার করা হয়। - এখানে সিসি (CC) এর পূর্ণরূপ হলো কার্বন কপি, যা মূল কাগজের নিচে কার্বন কাগজ রেখে প্রতিলিপি তৈরি করার ঐতিহাসিক ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: সিসি (CC) হলো এমন একটি ই-মেইল ফিল্ড যেখানে মূল প্রাপক ছাড়াও অন্য কোনো ব্যক্তির ই-মেইল ঠিকানা যুক্ত করা হয় যাতে তারা বার্তার একটি অনুলিপি দেখতে পান। - কার্যপদ্ধতি: এই ফিল্ডে রাখা ব্যক্তিরা ই-মেইলটি কেবল তথ্যের জন্য বা অবগতির জন্য পান এবং তাদের কাছ থেকে কোনো সরাসরি উত্তরের প্রত্যাশা করা হয় না। - বৈশিষ্ট্য: সিসি ফিল্ডে যুক্ত করা সব প্রাপকের ই-মেইল ঠিকানা অন্যান্য সকল প্রাপক দেখতে পান, যা স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দাপ্তরিক চিঠি প্রেরণ ব্যাখ্যা: ব্যবস্থাপক যখন কোনো নির্দেশিকা সব কর্মীকে ই-মেইলে পাঠান, তখন প্রধান কর্মীকে মূল প্রাপক রেখে বাকি কর্মীদের সিসি (CC) তে রাখা হয়। উদাহরণ ২: মিটিংয়ের কার্যবিবরণী শেয়ার ব্যাখ্যা: সভা শেষে আলোচনার সারসংক্ষেপ পরিচালককে প্রধান প্রাপক রেখে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধানদের সিসি (CC) তে পাঠিয়ে অবগতি নিশ্চিত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Close circuit — এই শব্দগুচ্ছটি ই-মেইলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি সাধারণত বৈদ্যুতিক বা নিরাপত্তা ক্যামেরার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। B) Carbon copy — এটি সঠিক উত্তর কারণ ই-মেইলে অনুলিপি পাঠানোর ক্ষেত্রে এই পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়। C) Close contact — এটি মানব শরীরের কাছাকাছি মেলামেশা বা স্বাস্থ্যগত দূরত্বের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যা ই-মেইলের কারিগরি শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) Close copy — এটি ই-মেইল প্রযুক্তির কোনো স্বীকৃত পরিভাষা বা পূর্ণরূপ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ই-মেইলে সিসি (CC) মানে কার্বন কপি এবং বিসিসি (BCC) মানে ব্লাইন্ড কার্বন কপি। - সিসির ক্ষেত্রে প্রাপকের তালিকা সবাই দেখতে পায় আর বিসিসির ক্ষেত্রে তা গোপন থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ই-মেইলের বিভিন্ন ফিল্ড যেমন টু (To), সিসি (CC) এবং বিসিসি (BCC) এর কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - গোপনীয়তা রক্ষার্থে একাধিক ঠিকানায় মেইল পাঠানোর সময় সিসির পরিবর্তে বিসিসি ব্যবহার করা হয়।
a Co-carbon monoxide
b VI very important
c D-disease
d 19- সিরিজের ১৯ নং Virus
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) D-disease ১. কেন সঠিক: COVID-19 শব্দটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক প্রবর্তিত একটি সংক্ষিপ্ত রূপ যার পূর্ণরূপ হলো Coronavirus Disease 2019। এখানে Co দ্বারা করোনা, Vi দ্বারা ভাইরাস এবং D দ্বারা ডিজিজ বা রোগ বোঝানো হয়েছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: COVID-19 হলো সার্স-কোভ-টু নামক ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট একটি সংক্রামক রোগ যা ২০১৯ সালে প্রথম শনাক্ত হয়। কার্যপদ্ধতি: এই ভাইরাসটি মানুষের শ্বাসনালীতে আক্রমণ করে এবং হাঁচি কাশির মাধ্যমে ছড়ায়। ব্যবহার: চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং জনস্বাস্থ্য রক্ষায় মহামারী নিয়ন্ত্রণে এই নামকরণ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সার্স রোগ ব্যাখ্যা: Severe Acute Respiratory Syndrome এর ক্ষেত্রেও একই ধরনের নামকরণের নিয়ম অনুসরণ করা হয়। উদাহরণ ২: ইবোলা ভাইরাস রোগ ব্যাখ্যা: ভাইরাসের নাম এবং রোগের ধরন মিলিয়ে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে এই নামকরণ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Co-carbon monoxide — কার্বন ডাই অক্সাইড বা কার্বন মনোক্সাইড পরিবেশগত গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়, যা ভাইরাসের নামকরণের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) VI very important — এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক এবং প্রাশাসনিক বা চিকিৎসাবিজ্ঞানের নামকরণের নিয়মের বহির্ভূত। D) 19- সিরিজের ১৯ নং Virus — ১৯ সংখ্যাটি কোনো ভাইরাসের ক্রমিক বা সিরিজ নম্বর নয়, বরং এটি সাল বা বছর ২০১৯ কে নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: CO-Corona, VI-Virus, D-Disease এবং 19-2019 সাল। শব্দটির প্রতিটি অংশের পূর্ণরূপ মনে রাখলেই এই ধরনের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়া সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি এই রোগের আনুষ্ঠানিক নামকরণ করে COVID-19। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের সংক্ষিপ্ত রূপের পূর্ণরূপ বা শব্দের অর্থ জানতে চাওয়া হয়।
a LOTUS
b Python
c LISP
d Both B & C
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Both B & C ১. কেন সঠিক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence চর্চার ক্ষেত্রে পাইথন এবং লিস্প উভয় প্রোগ্রামিং ভাষাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ১৯৫৮ সালে জন ম্যাককার্থি LISP ভাষা তৈরি করেন যা প্রাকৃত ভাষা প্রক্রিয়াকরণ ও প্রতীকী গণনায় প্রথম ব্যবহৃত হয় এবং Python বর্তমানে আধুনিক মেশিন লার্নিং ও ডিপ লার্নিংয়ের প্রধান ভাষা। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো কম্পিউটার সিস্টেমে মানুষের চিন্তা করার ক্ষমতা ও বুদ্ধিমত্তা কৃত্রিমভাবে তৈরি করার প্রযুক্তি। কার্যপদ্ধতি: এই ভাষাগুলোর মাধ্যমে বিশাল ডেটাসেট বিশ্লেষণ করে অ্যালগরিদম তৈরি করা হয় যা নিজে থেকে শিখতে ও সিদ্ধান্ত নিতে পারে। বৈশিষ্ট্য: পাইথনের সহজ সিনট্যাক্স ও বিশাল লাইব্রেরি একে আধুনিক এআই এর জন্য উপযোগী করে তুলেছে এবং লিস্প ডেটা প্রসেসিংয়ে অত্যন্ত শক্তিশালী। ব্যবহার: চ্যাটবট তৈরি, ইমেজ রিকগনিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং এবং ভবিষ্যদ্বাণীমূলক বিশ্লেষণে এই ভাষাগুলো ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চ্যাটজিপিটি বা ওপেনএআই এর মূল মডেলগুলো তৈরি এবং ডেটা প্রসেসিংয়ের জন্য পাইথন ভাষা ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: পাইথনের অসংখ্য এআই লাইব্রেরি যেমন টেনসরফ্লো এবং পাইটরচ কোডিং প্রক্রিয়াকে অত্যন্ত সহজ করে তোলে। উদাহরণ ২: প্রাচীন এআই গবেষণা এবং এক্সপার্ট সিস্টেম তৈরিতে লিস্প ভাষা ব্যবহার করা হতো। ব্যাখ্যা: লিস্প লিস্ট প্রসেসিং এর উপর ভিত্তি করে তৈরি বিধায় এটি প্রতীকী ডেটা নিয়ে খুব সহজে কাজ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) LOTUS — এটি মূলত একটি ঐতিহাসিক স্প্রেডশিট সফটওয়্যার যা মাইক্রোসফট এক্সেলের পূর্বসূরি হিসেবে কাজ করত এবং এটি কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা নয়। B) Python — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডেটা সায়েন্সের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা। C) LISP — এটিও সঠিক উত্তর কারণ এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণার জন্য বিশেষভাবে তৈরি বিশ্বের দ্বিতীয় প্রাচীনতম উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা। D) Both B & C — যেহেতু পাইথন এবং লিস্প উভয়ই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাজে ব্যবহৃত হয়, তাই এই যৌথ অপশনটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হবে। ৫. মনে রাখার টিপস: এআই এর জনক জন ম্যাককার্থি প্রাচীন এআই ভাষা LISP তৈরি করেছিলেন আর বর্তমান যুগের এআই এর রাজা হলো আধুনিক ভাষা Python। লিস্প মানে লিস্ট প্রসেসিং এবং পাইথন মানে সাপের নাম হলেও এটি প্রোগ্রামিং জগতের সবচেয়ে বন্ধুভাবাপন্ন ও জনপ্রিয় ভাষা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার বিজ্ঞানের ইতিহাসে LISP হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য তৈরি প্রথম এবং সবচেয়ে পুরনো প্রোগ্রামিং ভাষা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে আধুনিক মেশিন লার্নিং ও এআই এর জন্য বর্তমানে কোন ভাষা সেরা, যার উত্তর হবে পাইথন।
a hand external rotation করবে
b arm adduct রাখবে
c body 30-35 rotation করবে
d bucky stand এর সামনে দাঁড়াবে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) body 30-35 rotation করবে কেন সঠিক: - গ্লেনোহিউমারাল জয়েন্ট বা কাঁধের জয়েন্ট স্পষ্ট দেখতে গ্রেসার মেথড ব্যবহার করা হয়। - এই পজিশনে কাঁধের ক্যাভিটি বা গ্লেনয়েড ফোসা ভালোভাবে প্রদর্শনের জন্য শরীরকে ৩০ থেকে ৩৫ ডিগ্রি ঘোরাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hand external rotation করবে — এটি ইন্টারনাল রোটেশন বা নির্দিষ্ট ভিউয়ের জন্য করা হয়, গ্লেনয়েড ভিডব্লিউ-এর মূল শর্ত নয়। B) arm adduct রাখবে — হাত সাধারণত সামান্য অ্যাবডাকশন বা নির্দিষ্ট পজিশনে রাখা হয়, সাধারণ অ্যাডাকশন সঠিক ভিউ দেয় না। C) body 30-35 rotation করবে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি গ্লেনোহিউমারাল জয়েন্ট পরিষ্কারভাবে দৃশ্যমান করতে সাহায্য করে। D) bucky stand এর সামনে দাঁড়াবে — এটি নির্দিষ্ট কোনো পজিশনিং নয়, বরং সাধারণ এক্সরে স্ট্যান্ডের অবস্থান মাত্র। মনে রাখার টিপস: কাঁধের এক্সরেতে জয়েন্ট পরিষ্কার দেখতে শরীরকে ত্রিশ থেকে পঁয়ত্রিশ ডিগ্রি ঘোরাতে হয়।
a A group has A antigen
b O group has AB antigen
c B group has B antigen
d Rh group has Rh antigen
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: B) O group has AB antigen কেন সঠিক: - মানব রক্তের ও গ্রুপে কোনো এন্ট্রিজেন (Antigen A বা Antigen B) থাকে না। - ও গ্রুপের রক্তে এ এন্টিবডি ও বি এন্টিবডি উপস্থিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A group has A antigen — এটি সঠিক তথ্য কারণ এ গ্রুপের লোহিত রক্তণিকায় এ এন্ট্রিজেন থাকে। B) O group has AB antigen — এটি ভুল তথ্য কারণ ও গ্রুপে কোনো এন্ট্রিজেন থাকে না, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) B group has B antigen — এটি সঠিক তথ্য কারণ বি গ্রুপের লোহিত রক্তণিকায় বি এন্ট্রিজেন থাকে। D) Rh group has Rh antigen — এটি সঠিক তথ্য কারণ রেসাস ফ্যাক্টরের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আরএইচ এন্ট্রিজেন নির্ধারিত হয়। মনে রাখার টিপস: ও গ্রুপ মানে শূন্য, অর্থাৎ এই রক্তের গ্রুপে কোনো এন্ট্রিজেন থাকে না।
a inactivated
b live-attenuated
c MRNA
d protozoal
ব্যাখ্যাঃ
প্রশンの ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: B) live-attenuated *দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ভুল। বাংলাদেশে কোভিড-১৯ ও অন্যান্য টিকাদানের ক্ষেত্রে inactivated, MRNA এবং live-attenuated (যেমন ওরাল পোলিও টিকা) ভ্যাকসিন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। অন্যদিকে, 'protozoal' কোনো ভ্যাকসিনের ধরন নয়, বরং এটি একধরনের পরজীবী অণুজীব। তাই সঠিক উত্তরটি D) protozoal হওয়া উচিত।* কেন সঠিক: - প্রোটোজোয়া বা পরজীবীর বিরুদ্ধে মানুষের শরীরে কার্যকর প্রতিষেধক বা ভ্যাকসিন তৈরির প্রযুক্তি এখনো চিকিৎসাবিজ্ঞানে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় না। - প্রোটোজোয়া অত্যন্ত জটিল এবং রূপ পরিবর্তনকারী জীব হওয়ায় এগুলোর বিরুদ্ধে প্রচলিত অর্থে কোনো সফল ভ্যাকসিন নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) inactivated — এটি নিষ্ক্রিয় বা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি ভ্যাকসিন, যা বাংলাদেশে পোলিও ও ফ্লু প্রতিরোধে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। B) live-attenuated — এটি দুর্বল কিন্তু জীবিত জীবাণু দিয়ে তৈরি ভ্যাকসিন, যা হাম ও যক্ষ্মার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে নিয়মিত ব্যবহৃত হয়। C) MRNA — এটি জিনগত প্রযুক্তির আধুনিক ভ্যাকসিন, যা বাংলাদেশে কোভিড-১৯ মহামারী মোকাবেলায় সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। D) protozoal — এটি ভ্যাকসিনের কোনো ধরন বা শ্রেণি নয়, বরং একশ্রেণির এককোষী পরজীবী প্রাণীকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: প্রোটোজোয়া হলো পরজীবী প্রাণী, যা কোনো ভ্যাকسিনের ধরন হতে পারে না।
a হাত pronated থাকবে
b forearm supinated হবে
c carpal bone and cassette 40° angle হবে
d styloid process cassette এ যুক্ত থাকবে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হাত pronated থাকবে কেন সঠিক: - স্ক্যাফয়েড হাড়ের স্পষ্ট দৃশ্যমানতা নিশ্চিত করতে এবং কার্পাল বোনগুলোর সঠিক অ্যালাইনমেন্ট পাওয়ার জন্য হাত pronated বা উপুড় অবস্থায় রাখতে হয়। - এই পজিশনে স্ক্যাফয়েড হাড়ের ওপর থেকে ওভারল্যাপিং বা ছায়ার সমস্যা দূর হয়, যা এক্স-রে প্লেটে রোগ নির্ণয় সহজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাত pronated থাকবে — এটি সঠিক কারণ এই পজিশনে স্ক্যাফয়েড হাড় স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়। B) forearm supinated হবে — সুপিনেটেড পজিশনে স্ক্যাফয়েড হাড় সঠিকভাবে প্রদর্শিত হয় না এবং কার্পাল বোনগুলো একে অপরের ওপর ওভারল্যাপ করে। C) carpal bone and cassette 40° angle হবে — এটি ভুল কারণ সাধারণত এই এক্স-রের ক্ষেত্রে ক্যাসকেটের সাথে হাত সমান্তরাল বা নির্দিষ্ট রেডিয়োস্পেস মেইনটেইন করা হয়, এখানে চল্লিশ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেল সঠিক নয়। D) styloid process cassette এ যুক্ত থাকবে — এটি ভুল কারণ স্টাইলয়েড প্রসেস সরাসরি ক্যাসকেটের সাথে সংযুক্ত থাকে না, বরং পুরো হাতের অবস্থান এক্ষেত্রে মুখ্য। মনে রাখার টিপস: স্ক্যাফয়েড এক্স-রের সঠিক পজিশন মনে রাখতে স্ক্যাফয়েড মানেই উপুড় হাত বা pronated পজিশন হিসেবে মনে রাখুন।
a চামড়া কেটে যাওয়া
b ঘা হওয়া
c ফলাফল পাওয়া
d pancytopenia
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফলাফল পাওয়া কেন সঠিক: - রেডিয়েশনের বা ionizing radiation এর অতিরিক্ত প্রভাবে মানবদেহে নানা ধরনের ক্ষতিকর শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। - ফলাফল পাওয়া কোনো ক্ষতিকর অপকারিতা বা রোগ নয়, তাই এটি রেডিয়েশনের অপকারিতা হতে পারে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চামড়া কেটে যাওয়া — এটি তেজস্ক্রিয় রশ্মি বা রেডিয়েশনের প্রভাবে ত্বকের মারাত্মক ক্ষয় ও ক্ষতির একটি সাধারণ লক্ষণ। B) ঘা হওয়া — রেডিয়েশনের কারণে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এবং ত্বকে দীর্ঘস্থায়ী ঘা বা ক্ষত সৃষ্টি হতে পারে। C) ফলাফল পাওয়া — এটি কোনো শারীরিক ক্ষতি বা রোগ নয়, বরং যেকোনো পরীক্ষা বা কাজের একটি সাধারণ পরিণতি। D) pancytopenia — এটি রেডিয়েশনের প্রভাবে রক্তকণিকা উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটার কারণে সৃষ্ট একটি মারাত্মক শারীরিক সমস্যা। মনে রাখার টিপস: রেডিয়েশন সবসময় শারীরিক ক্ষতি বা রোগ সৃষ্টি করে, তাই যেসব অপশনে রোগ বা ক্ষতিকর লক্ষণ থাকে সেগুলো অপকারিতা এবং ফলাফল পাওয়া ইতিবাচক হওয়ায় এটি উত্তর হবে না।
a hand grip শক্তি বাড়ে
b IP joint active হয়
c hand edema কমে
d sudeck's osteodystropy
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) sudeck's osteodystropy কেন সঠিক: - বল চাপার ব্যায়াম (Ball squeezing exercise) হাতের আঙুল ও কবজির রক্ত চলাচল বাড়াতে এবং পেশির শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। - সুডেক্স অস্টিওডিস্ট্রফি (Sudeck's osteodystrophy) হলো একটি জটিল প্যাথলজিক্যাল বা দীর্ঘমেয়াদি হাড়ের রোগ যা এই সাধারণ ব্যায়ামের কারণে হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hand grip শক্তি বাড়ে — নিয়মিত বল চাপার ব্যায়ামে হাতের পেশি সক্রিয় হয় ফলে গ্রিপ শক্তি বৃদ্ধি পায়। B) IP joint active হয় — এই ব্যায়াম করার সময় ইন্টারফ্যাল্যাঞ্জিয়াল জয়েন্টগুলো সচল থাকে এবং জড়তা কমে। C) hand edema কমে — বল চাপার মাধ্যমে হাতের রক্ত ও লসিকাম্বুর চলাচল স্বাভাবিক হয় ফলে ফোলাভাব বা এডেমা হ্রাস পায়। D) sudeck's osteodystropy — এটি আঘাতজনিত জটিলতা যা বল চাপার ব্যায়ামের মাধ্যমে ভালো হয় না বরং এটি একটি রোগগত অবস্থা। মনে রাখার টিপস: বল চাপার ব্যায়াম হাতকে সবল ও সচল করে, কিন্তু সুডেক্স অস্টিওডিস্ট্রফির মতো জটিল রোগ এটি দূর করে না।
a maxilla
b cribriform plate
c zygoma
d nasal bone
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) cribriform plate কেন সঠিক: - মানবদেহের খুলিতে মুখমণ্ডলের হাড়ের সংখ্যা চৌদ্দটি, যার মধ্যে cribriform plate অন্তর্ভুক্ত নয়। - এটি এথময়েড নামক কঙ্কাল বা ব্রেন কেসের করোটির অংশ, যা মুখের হাড় নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) maxilla — এটি মুখমণ্ডলের জোড়া হাড়ের একটি এবং উপরের চোয়াল গঠন করে। B) cribriform plate — এটি মুখের হাড় নয়, বরং খুলির ব্রেন কেসের এথময়েড অস্থির অংশ। C) zygoma — এটি মুখমণ্ডলের গালের জোড়া হাড়, যা মুখের কাঠামো তৈরিতে সাহায্য করে। D) nasal bone — এটি নাক গঠনকারী মুখমণ্ডলের জোড়া ছোট হাড়। মনে রাখার টিপস: মুখের চৌদ্দটি হাড় মনে রাখার সহজ সূত্র হলো ম্যান্ডিবল আর ভোমার বাদে বাকি সব জোড়ায় থাকে।
a western blot assay
b viral culture
c Elisa test
d CD4 T-cell count
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: A) western blot assay কেন সঠিক: - HIV বা এইডস শনাক্তকরণের প্রাথমিক পরীক্ষা হিসেবে ELISA করা হলেও, রোগ নিশ্চিতকরণের (Confirmatory test) জন্য Western Blot Assay ব্যবহার করা হয়। - প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে CD4 T-cell count বলা হয়েছে, যা একটি ভুল উত্তর। CD4 T-cell count দিয়ে এইচআইভি আক্রান্ত রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার অবস্থা মাপা হয়, নিশ্চিতকরণ পরীক্ষা করা হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) western blot assay — এটি HIV সংক্রমণের একটি অত্যন্ত নির্ভুল নিশ্চিতকরণ পরীক্ষা, যা রক্তে নির্দিষ্ট প্রোটিন অ্যান্টিবডি শনাক্ত করে। B) viral culture — এটি রক্তে ভাইরাসের উপস্থিতি সরাসরি দেখার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও জটিল হওয়ায় সাধারণ নিশ্চিতকরণ পরীক্ষা হিসেবে কম ব্যবহৃত হয়। C) Elisa test — এটি এইচআইভি স্ক্রিনিং বা প্রাথমিক পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ফল নিশ্চিত করার জন্য আরও নিখুঁত পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। D) CD4 T-cell count — এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা পরিমাপ করে, যা ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে নয় বরং রোগের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: প্রাথমিক পরীক্ষার নাম ELISA এবং নিশ্চিতকরণ বা Confirmatory পরীক্ষার নাম Western Blot।
a হাইড্রোমিটার
b ওডোমিটার
c পালস অক্সিমিটার
d পালস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পালস অক্সিমিটার কেন সঠিক: - পালস অক্সিমিটার একটি অ-আক্রমণাত্মক চিকিৎসা যন্ত্র যা আঙুলে বসিয়ে রক্তে অক্সিজেনের সম্পৃক্ততার মাত্রা শতকরা হারে পরিমাপ করে। - এটি আলোর সাহায্যে খুব দ্রুত রক্তে হিমোগ্লোবিনের অক্সিজেন বহন করার ক্ষমতা যাচাই করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইড্রোমিটার — এটি কোনো চিকিৎসা যন্ত্র নয়, বরং তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব বা ঘনত্ব পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়। B) ওডোমিটার — এটি রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা মাপে না, বরং মোটর গাড়িতে অতিক্রান্ত দূরত্ব পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। C) পালস অক্সিমিটার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) পালস — এটি কোনো পরিমাপক যন্ত্র নয়, বরং হৃদস্পন্দনের হার বা নাড়ির গতি বোঝায়। মনে রাখার টিপস: অক্সিজেন পরিমাপের জন্য অক্সিমিটার শব্দটির সঙ্গে পালস শব্দটি যুক্ত থাকে, যা আঙুলে বসিয়ে সহজে মাপা যায়।
a Fluoroscopy scan
b 100 Max-ray
c Panoramic x-ray
d DR x-ray
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Fluoroscopy scan কেন সঠিক: - ফ্লুরোস্কপি এক্স-রে রঞ্জনরশ্মি ব্যবহার করলেও এটি মূলত একটি ভিডিও বা রিয়েল-টাইম ইমেজিং প্রযুক্তি, যা সাধারণ এক্স-রে মেশিনের মতো স্থির চিত্র দেয় না। - এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়, যা প্রচলিত এক্স-রে মেশিনের মূল কাজের ধরন থেকে আলাদা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Fluoroscopy scan - এটি চলমান চিত্রগ্রহণের পদ্ধতি, তাই এটি প্রথাগত এক্স-রে মেশিনের ক্যাটাগরিতে পড়ে না। B) 100 Max-ray - এটি একটি বিশেষায়িত এক্স-রে মেশিন বা এর যন্ত্রাংশ নির্দেশ করে। C) Panoramic x-ray - এটি ডেন্টাল বা মুখমণ্ডলের চিকিৎসায় ব্যবহৃত এক ধরনের এক্স-রে মেশিন। D) DR x-ray - এর পূর্ণরূপ ডিজিটাল রেডিওগ্রাফি, যা আধুনিক এক্স-রে মেশিনের একটি ধরন। মনে রাখার টিপস: যেই মেশিন স্থির ছবি না দিয়ে চলমান ভিডিও বা গতিবিধি দেখায়, যেমন ফ্লুরোস্কপি, তা সাধারণ এক্স-রে মেশিন থেকে আলাদা।
a PCR
b Total platelet count
c AST
d ALT
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) PCR কেন সঠিক: - PCR বা পলিমারেজ চেইন রিয়েকশন পরীক্ষার মাধ্যমে সরাসরি ডেঙ্গু ভাইরাসের জেনিটিক উপাদান বা RNA শনাক্ত করা হয়। - এটি অত্যন্ত নির্ভুল বা Specific কারণ রোগ সংক্রমণের একেবারে শুরুর দিকেই ভাইরাসকে নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) PCR — এটি ডেঙ্গু ভাইরাসের RNA শনাক্ত করার জন্য সবচেয়ে নির্ভুল বা Specific পরীক্ষা। B) Total platelet count — এটি ডেঙ্গু জ্বরের কারণে রক্তে অণুচক্রিকার পরিমাণ কমেছে কি না তা জানায়, কিন্তু এটি ডেঙ্গু রোগ শনাক্ত করার জন্য Specific পরীক্ষা নয়। C) AST — এটি লিভারের কার্যকারিতা পরিমাপ করার একটি এনজাইম পরীক্ষা, যা ডেঙ্গু নির্ণয়ে নির্দিষ্ট নয়। D) ALT — এটিও লিভারের এনজাইম পরীক্ষার সাথে সম্পর্কিত, যা ডেঙ্গু রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: ভাইরাসের উপস্থিতি সরাসরি নিখুঁতভাবে নিশ্চিত করতে পিসিআর বা PCR পরীক্ষা করা হয়।
a condenser
b eye piece
c colony counter
d fine adjustment screw
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) colony counter কেন সঠিক: - কম্পাউন্ড মাইক্রোস্কোপ বা যৌগিক অণুবীক্ষণ যন্ত্রে বিবর্ধিত প্রতিবিম্ব দেখার জন্য একাধিক লেন্স এবং আলো নিয়ন্ত্রণের নানা অংশ থাকে। - কলোনি কাউন্টার কোনো মাইক্রোস্কোপের অংশ নয়, এটি মূলত পেট্র্রি ডিসে থাকা ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাকের কলোনি বা কলি গণনা করার একটি আলাদা গবেষণাগার যন্ত্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) condenser — এটি আলোকরশ্মিকে ঘনীভূত করে নমুনার ওপর ফোকাস করতে সাহায্য করে, যা কম্পাউন্ড মাইক্রোস্কোপের একটি অপরিহার্য অংশ। B) eye piece — এটি দিয়ে চোখ রেখে বিবর্ধিত প্রতিবিম্ব সরাসরি দেখা হয় এবং এটি কম্পাউন্ড মাইক্রোস্কোপের প্রধান লেন্স সিস্টেমের অংশ। C) colony counter — এটি মাইক্রোস্কোপের অংশ নয়, বরং এটি একটি স্বাধীন ল্যাবরেটরি যন্ত্র যা অণুজীবের কলোনি গণনা করতে ব্যবহৃত হয়। D) fine adjustment screw — এটি মাইক্রোস্কোপের ফোকাস নিখুঁত করতে লেন্সকে সূক্ষ্মভাবে ওপরে বা নিচে সরাতে সাহায্য করে। মনে রাখার টিপস: মাইক্রোস্কোপ দিয়ে ছোট বস্তু দেখা হয়, আর কলোনি কাউন্টার দিয়ে ল্যাবে ব্যাকটেরিয়ার দল বা কলোনি গণনা করা হয়।
a Glemsa stain
b methylene blue stain
c zichl-neelsen stain
d albert stain
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) zichl-neelsen stain কেন সঠিক: - এই রঞ্জক পদ্ধতিটি মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস ব্যাকটেরিয়া শনাক্ত করতে ব্যবহার করা হয়। - জিল-নিলসেন স্টেইনিং প্রক্রিয়ায় অ্যাসিড ফাস্ট বেসিলাই ব্যাকটেরিয়াগুলো অ্যাসিড অ্যালকোহল দ্বারা বিবর্ণ হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Glemsa stain — এটি রক্তে ম্যালেরিয়া প্যারাসাইট বা লিশম্যানিয়া ইত্যাদি পরজীবী শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়, অ্যাসিড ফাস্ট বেসিলাইর জন্য নয়। B) methylene blue stain — এটি একটি সাধারণ রঞ্জক যা কোষের সাধারণ গঠন বা নিউক্লিয়াস দেখার জন্য ব্যবহৃত হয়, অ্যাসিড ফাস্ট ব্যাকটেরিয়ার জন্য অপর্যাপ্ত। C) zichl-neelsen stain — এটিই একমাত্র সঠিক অপশন যা অ্যাসিড ফাস্ট বেসিলাই শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়। D) albert stain — এটি ডিপথেরিয়া রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার মেটাট্রেসোম গ্রানুলস শনাক্ত করতে ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: অ্যাসিড ফাস্ট বেসিলাই বা টিবি রোগ নির্ণয়ে সবসময় জিল-নিলসেন বা এএফবি স্টেইন ব্যবহার করা হয়।
a PBF
b Detection of antibody
c Detection of antigen
d RT-PCR
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) RT-PCR কেন সঠিক: - ম্যালেরিয়া রোগ নির্ণয়ের জন্য সাধারণত রক্ত পরীক্ষা ও ইমিউনোলজিক্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, যেখানে সরাসরি ডিএনএ পরীক্ষার জন্য RT-PCR প্রয়োজন হয় না। - ম্যালেরিয়া প্যারাসাইট শনাক্তকরণে স্ট্যান্ডার্ড পদ্ধতি হলো পেরিফেরাল ব্লাড ফিল্ম বা PBF এবং র‍্যাপিড ডায়াগনস্টিক টেস্ট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) PBF — এটি ম্যালেরিয়া রোগ নির্ণয়ের গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড বা সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মাইক্রোস্কোপিক পদ্ধতি। B) Detection of antibody — এটি রোগীর শরীরে অতীতে ম্যালেরিয়ার সংক্রমণ ছিল কি না তা জানতে ব্যবহৃত হয়। C) Detection of antigen — এটি বর্তমান ম্যালেরিয়া সংক্রমণ দ্রুত শনাক্ত করার একটি বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি। D) RT-PCR — এটি মূলত ভাইরাসের RNA শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, যা সাধারণ ম্যালেরিয়া রোগ নির্ণয়ের রুটিন পরীক্ষা নয়। মনে রাখার টিপস: ম্যালেরিয়া নির্ণয়ে রক্ত পরীক্ষা ও অ্যান্টিজেন টেস্ট প্রধান হলেও জিনভিত্তিক RT-PCR রুটিন পরীক্ষা হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
a গ্যানট্রি
b ক্যালসিয়াম আয়োডাইড
c টিভি মনিটর
d কন্ট্রোল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গ্যানট্রি *বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর 'গ্যানট্রি' বলা হলেও এটি ভুল। গ্যানট্রি হলো বেসিক সিটি স্ক্যান মেশিনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই সঠিক উত্তর হওয়া উচিত 'ক্যালসিয়াম আয়োডাইড'। নিচে সেই অনুযায়ী ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।* কেন সঠিক (সংশোধিত উত্তর: ক্যালসিয়াম আয়োডাইড): - ক্যালসিয়াম আয়োডাইড কোনো মেডিকেল ইমেজিং বা সিটি স্ক্যান যন্ত্রের অংশ নয়। - এটি মূলত একটি রাসায়নিক যৌগ, যা সিটি স্ক্যানের যন্ত্রাংশ তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্যানট্রি — এটি সিটি স্ক্যান মেশিনের মূল বৃত্তাকার অংশ, যার ভেতরে স্ক্যান করার জন্য রোগীর বিছানা প্রবেশ করানো হয়। B) ক্যালসিয়াম আয়োডাইড — এটি একটি রাসায়নিক পদার্থ এবং বেসিক সিটি স্ক্যান মেশিনের কোনো অংশ বা উপাদান নয়। C) টিভি মনিটর — এটি সিটি স্ক্যান মেশিনের একটি অপরিহার্য অংশ, যা স্ক্যান করার পর শরীরের ভেতরের ছবি প্রদর্শন করে। D) কন্ট্রোল — এটি সিটি স্ক্যান যন্ত্রের অপারেশন নিয়ন্ত্রণ করার কনসোল বা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: সিটি স্ক্যান মেশিনের প্রধান অংশ হলো গ্যানট্রি, টিভি মনিটর ও কন্ট্রোল বক্স। রাসায়নিক পদার্থ যেমন ক্যালসিয়াম আয়োডাইড এর অংশ নয়।
a Block wave length
b Decreased scattered radiation
c X-ray wave রোগীর গায়ে লাগতে না দেওয়া
d Ahorb low energy
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: D) Ahorb low energy (নোট: সঠিক বানান হিসেবে এটি মূলত কম শক্তির এক্স-রে শোষণ করা বোঝায়) কেন সঠিক: - এক্স-রে মেশিনে অ্যালুমিনিয়াম ফিল্টার ব্যবহার করা হয় যা কম শক্তির (low energy) এক্স-রে ফোটনগুলোকে শুষে নেয়। - কম শক্তির এক্স-রে রশ্মি রোগীর শরীরের ভেতরে প্রবেশ না করে ত্বকে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে, তাই ফিল্টার তা শোষণ করে নেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Block wave length — ফিল্টার তরঙ্গদৈর্ঘ্য সম্পূর্ণ ব্লক করে না, বরং নির্দিষ্ট শক্তির তরঙ্গ ছেঁকে দেয়। B) Decreased scattered radiation — এটি ফিল্টারের মূল কাজ নয়, বিক্ষিপ্ত বিকিরণ কমানোর জন্য কোলিমেশন ব্যবহার করা হয়। C) X-ray wave রোগীর গায়ে লাগতে না দেওয়া — এক্স-রে রশ্মি রোগীর গায়েই লাগবে তবে ক্ষতিকর মৃদু রশ্মি ফিল্টার শুষে নেবে। D) Ahorb low energy — এটি ফিল্টারের প্রধান কাজ যা কম শক্তির এক্স-রে শোষণ করে রোগী রক্ষা করে। মনে রাখার টিপস: এক্স-রে ফিল্টার মানেই কম শক্তির এক্স-রে শোষণ করা।
a Flexion and extension
b External rotation
c Pendulum exercise
d Passive abduction
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) External rotation কেন সঠিক: - Anterior shoulder dislocation-এর পর জয়েন্টের হিউমেরাস হাড় সামনে ও বাইরে সরে যায়। - এই অবস্থায় বাহুকে External rotation বা বাইরের দিকে ঘোরালে জয়েন্টটি পুনরায় স্থানচ্যুত বা ডিসলোকেট হওয়ার সর্বোচ্চ ঝুঁকি থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Flexion and extension — নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ফ্লেকশন ও এক্সটেনশন করলে জয়েন্টের স্থায়িত্ব নষ্ট হয় না এবং ফিজিয়োথেরাপিতে এটি নিরাপদ। B) External rotation — এই অপশনটি সঠিক উত্তর, কারণ বাহুর এই নড়াচড়াটি অ্যান্টেরিওর ডিসলোকেশন রোগীর জন্য চিকিৎসায় কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। C) Pendulum exercise — এটি কাঁধের পেশির শিথিলতা ও রক্ত চলাচল বাড়াতে সাহায্য করে এবং প্রথম দিকে সম্পূর্ণ নিরাপদ একটি ব্যায়াম। D) Passive abduction — নিয়ন্ত্রিত ও নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে প্যাসিভ অ্যাবডাকশন করলে জয়েন্টের শক্ত ভাব দূর হয় এবং কোনো ক্ষতি হয় না। মনে রাখার টিপস: অ্যান্টেরিওর কাঁধ ডিসলোকেশন হলে মনে রাখবেন সামনের দিকে হা করা মানেই বিপদ, তাই বাহু বাইরে ঘোরানো বা External rotation একদম নিষেধ।
a Ramus
b Olecranon process
c Symphysis
d Angle
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Olecranon process কেন সঠিক: - ম্যান্ডিবল হলো মানবদেহের নিচের চোয়ালের একমাত্র নড়াচড়া করতে সক্ষম শক্তিশালী হাড়। - ওলেক্লানন প্রসেস ম্যান্ডিবলের অংশ নয়, এটি মানুষের হাতের কনুইয়ের কাছে অবস্থিত উলনা নামক অস্থির অংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ramus — এটি ম্যান্ডিবলের উলম্ব বা খাড়া অংশ, যা চোয়ালের আকৃতি ও পেশি সংযোগে সাহায্য করে। B) Olecranon process — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি হাতের কনুইয়ের অংশ, ম্যান্ডিবলের নয়। C) Symphysis — ম্যান্ডিবলের দুই অংশের মধ্যবর্তী সংযস্থল বা সিমফাইসিস ম্যান্ডিবুলা এখানে অবস্থিত। D) Angle — রামাস ও বডি যেখানে মিলিত হয়, তাকে ম্যান্ডিবলের কোণ বা অ্যাঙ্গেল বলা হয়। মনে রাখার টিপস: চোয়ালের হাড় হলো ম্যান্ডিবল, আর কনুইয়ের হাড়ের মাথা হলো ওলেক্লানন।

মোট প্রশ্ন (19)

a মনীযী
b মনিষী
c মনীষী
d মনিষী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মনীষী ১. কেন সঠিক: মনীষী শব্দের অর্থ প্রাজ্ঞ ব্যক্তি, জ্ঞানী বা মনস্বী। বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের বানানটিতে মূর্ধন্য ষ এবং দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত তৎসম শব্দে মূর্ধন্য ষ এর ব্যবহারিক নিয়ম অনুযায়ী ই কার বা উ কার এবং র বা র-ফলা এর পরে সাধারণত মূর্ধন্য ষ বসে। মনীষী শব্দের ক্ষেত্রে ম এর পরে ন, ই কার এবং ষ এর সঙ্গে দীর্ঘ ঈ কার যুক্ত হয়ে গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিভীষণ ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে ই কারের পরে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ঋষি ব্যাখ্যা: ঋ কারের পরে মূর্ধন্য ষ ব্যবহারের এটি একটি আদর্শ তৎসম শব্দের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনীযী - এই অপশনে মূর্ধন্য ষ এর পরিবর্তে বর্গীয় জ ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ। B) মনিষী - এই অপশনে বানানে মূর্ধন্য ষ থাকলেও ন এর সঙ্গে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। C) মনীষী - এটি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শতভাগ শুদ্ধ এবং সঠিক উত্তর। D) মনিষী - এটি বি এবং ডি অপশনের মতো একই ভুল বানান যেখানে ন এ হ্রস্ব ই কার রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: মনীষী বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো মন এর সঙ্গে ইষ প্রত্যয় যোগ করে শব্দটি গঠিত হয়। এখানে মূর্ধন্য ষ এবং দীর্ঘ ঈ কার মনে রাখা আবশ্যক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানান এবং ষ এর ব্যবহার থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। ন এবং ষ এর সঠিক অবস্থান মনে রাখলে এ ধরনের বানান সহজে নির্ণয় করা যায়।
a প্রদীপ নিভে গেল
b তাকে সুস্থই দেখাচ্ছিল।
c প্রতিদিন ফুল ফুটত।
d শিকারি পাখিটিকে গুলি করল।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রতিদিন ফুল ফুটত। ১. কেন সঠিক: নিত্যবৃত্ত অতীত কালের ক্রিয়া হলো সেটি, যা অতীতে নিয়মিত বা সচরাচর ঘটত বোঝায়। এই বাক্যে ফুটত ক্রিয়াটি অতীতের একটি নিয়মিত অভ্যাস বা পুনরাবৃত্ত ঘটনা প্রকাশ করছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে ক্রিয়া অতীতে প্রায়ই ঘটত বা নিয়মিত অভ্যাস অর্থে ব্যবহৃত হয়, তাকে নিত্যবৃত্ত অতীত কাল বলে। এই কালের ক্রিয়াবিভীতিতে সচরাচর ত, তাম, তেন ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমরা তখন রোজ সকালে নদী সাঁতার কাটতাম। ব্যাখ্যা: এখানে কাটতাম ক্রিয়াটি অতীতের নিয়মিত অভ্যাস বোঝাচ্ছে, যা নিত্যবৃত্ত অতীতের উদাহরণ। উদাহরণ ২: শৈশবে আমরা প্রতিদিন বিকেলে মাঠে খেলতাম। ব্যাখ্যা: এটি অতীতে নিয়মিত ঘটে যাওয়া কাজের প্রকাশ করে, যা নিত্যবৃত্ত অতীতের নিয়ম অনুসরণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রদীপ নিভে গেল — এটি সাধারণ অতীত বা নির্দেশক অতীতের উদাহরণ, কারণ কাজটি অতীতে একবার ঘটেছে। B) তাকে সুস্থই দেখাচ্ছিল — এটি ঘটিত অতীত বা অপূর্ণ অতীত কালের উদাহরণ, কারণ অতীতে কাজটি চলমান ছিল। C) প্রতিদিন ফুল ফুটত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) শিকারি পাখিটিকে গুলি করল — এটি সাধারণ অতীত কালের উদাহরণ, যা অতীতে সম্পন্ন একটি নির্দিষ্ট ঘটনা। ৫ মনে রাখার টিপস: অতীতে যা অভ্যাসবশত ঘটত তা বোঝাতে নিত্যবৃত্ত অতীত হয়। বাক্যে প্রতিদিন, প্রায়ই, সব সময় শব্দগুলোর সাথে ত বা তাম যুক্ত ক্রিয়া দেখলে নিত্যবৃত্ত অতীত হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাল নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। নিত্যবৃত্ত অতীত ও সাধারণ অতীতের পার্থক্য বুঝতে বাক্যের ক্রিয়ার সমাপ্তি ও নিয়মিত ভাব লক্ষ্য করতে হবে।
a কাশ্মীর
b তিব্বত
c আফগানিস্তান
d উজবেকিস্তান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আফগানিস্তান ১. কেন সঠিক: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'কাবুলিওয়ালা' ছোটগল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র রহমত একজন কাবুলিওয়ালা বা আফগানিস্তানের কাবুলের ফল বিক্রেতা ছিল। - গল্পের শুরুতে তার পরিচয় দিতে গিয়ে লেখক উল্লেখ করেছেন যে তার দেশ আফগানিস্তান এবং সে ফল বিক্রি করতে কলকাতায় আসত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'কাবুলিওয়ালা' গল্পটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প যা ১৯০৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। - এই গল্পে পিতৃহৃদয়ের সার্বজনীন রূপ এবং একজন বিদেশি ফল বিক্রেতার সঙ্গে একটি বাঙালি বালিকার নিখাদ স্নেহের সম্পর্ক ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প 'হৈমন্তী'। ব্যাখ্যা: এই গল্পে সমাজ কাঠামোর কঠোরতার মধ্যে এক নিষ্পাপ তরুণীর ট্র্যাজিক পরিণতি তুলে ধরা হয়েছে। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প 'সামাপ্তি'। ব্যাখ্যা: এই গল্পে মৃময়ী চরিত্রের মাধ্যমে গ্রামীণ কিশোরীর মনস্তত্ত্ব ও ভালোবাসার প্রকাশ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাশ্মীর — এটি ভারতের একটি অঞ্চল হলেও গল্পের কাবুলিওয়ালা চরিত্রের মূল দেশ কাশ্মীর ছিল না। B) তিব্বত — এটি একটি মালভূমি অঞ্চল এবং এই গল্পের প্রধান চরিত্রের দেশ হিসেবে এটি সঠিক নয়। C) আফগানিস্তান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং গল্পের সঙ্গে মিলে যায়। D) উজবেকিস্তান — এটি মধ্য এশিয়ার একটি দেশ হলেও এই গল্পের চরিত্রের জন্মভূমি হিসেবে এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: গল্পের নামের সঙ্গে দেশের নাম মনে রাখা সহজ কারণ কাবুলিওয়ালা শব্দটি এসেছে কাবুল থেকে যা আফগানিস্তানের রাজধানী। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পের মূল সুর এবং বিখ্যাত চরিত্র যেমন মিনি ও রহমত সম্পর্কে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
a বিদ্রোহী
b আনন্দময়ীর আগমনে
c সৃষ্টি সুখের উল্লাসে
d মুক্তি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আনন্দময়ীর আগমনে ১. কেন সঠিক: - কাজী নজরুল ইসলামের 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতার জন্য তাকে কারাবরণ করতে হয়। - ব্রিটিশ রাজশক্তিকে সরাসরি আক্রমণ করে লেখার কারণে তার এই রাজনৈতিক শাস্তি জোটে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য ও অসামান্য প্রতিভার নাম। - ১৯২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে 'ধূমকেতু' পত্রিকায় 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতাটি প্রকাশিত হওয়ার পর ব্রিটিশ সরকার এর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'বিদ্রোহী' কবিতাটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুলের সবচেয়ে বিখ্যাত ও বহুল পঠিত একটি সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: 'প্রলয়োল্লাস' কবিতাটি 'অগ্নি-বীণা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন যুগ সূচনার আহ্বান জানানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্রোহী — এটি তার বিখ্যাত কবিতা হলেও সরাসরি এর জন্য তার কারাবাস হয়নি। B) আনন্দময়ীর আগমনে — এটি সঠিক উত্তর। C) সৃষ্টি সুখের উল্লাসে — এটি তার একটি জনপ্রিয় সৃষ্টি হলেও এর জন্য তিনি কারাবরণ করেননি। D) মুক্তি — এটি তার একটি বিশেষ রচনা, যা এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুল বন্দি হন আনন্দময়ীর আগমনে কবিতা লিখে। - পত্রিকার নাম ধূমকেতু এবং এই অপরাধে তার ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের রাজনৈতিক কবিতা ও সাজা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - রচনাকাল ও প্রকাশের সাল ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a দ্বিগু
b কর্মধারয়
c দ্বন্দ্ব
d বহুব্রীহি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: যে কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণ বা দুটি বিশেষ্য পদ মিলে একটি পদ গঠিত হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। জজ সাহেব সমস্তপদটিতে জজ ও সাহেব দুটি বিশেষ্য পদ একত্রে বসে একজন বিশেষ ব্যক্তিকে বোঝাচ্ছে এবং সাহেব পদটির অর্থ প্রধান হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেখানে পদের মিলনে সাধারণ কর্মধারয় সমাস হয়, সেখানে বিশেষ্য ও বিশেষণ অথবা দুটি বিশেষ্য পদের সমতা রক্ষা পায়। এখানে জজ সাহেব সমস্তপদের ব্যাসবাক্য হলো জজ যে সাহেব, যা কর্মধারয় সমাসের সাধারণ নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাপুরুষ ব্যাখ্যা: মহান যে পুরুষ, এটি কর্মধারয় সমাসের একটি সাধারণ উদাহরণ যেখানে গুণবাচক বিশেষণ ও বিশেষ্য পদ মিলেছে। উদাহরণ ২: চালভাজা ব্যাখ্যা: ভাজা যে চাল, এটিও কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় এবং পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হয়, যা এখানে নেই। B) কর্মধারয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বিশেষ্য ও বিশেষ্য মিলে কর্মধারয় সমাস গঠিত হয়েছে। C) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে, কিন্তু এখানে পরপদের অর্থ প্রধান। D) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে সমাসবদ্ধ পদের অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: দুটি বিশেষ্য পদ মিলে যদি একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায় এবং ব্যাসবাক্যে যে মধ্যখানে আসে, তবে তা কর্মধারয় সমাস হবে। যেমন জজ সাহেব মানে জজ যিনি বা যে সাহেব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পদ দুটির সম্পর্ক বিবেচনা করে সমাস নির্ণয় করতে হবে। একই ব্যক্তিবাচক বিশেষ্য পদের ক্ষেত্রে কর্মধারয় সমাস বেশি দেখা যায়।
a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b অন্নদাশঙ্কর রায়
c মাইকেল মধুসূদন দত্ত
d সুকান্ত ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রবর্তন করেন এবং এর মাধ্যমে বাংলা কাব্যে নতুন যুগের সূচনা করেন। - অমিত্রাক্ষর ছন্দ হলো এমন একটি ছন্দ যেখানে পংক্তির শেষে কোনো অন্তমিল বা মিল রাখার বাধ্যবাধকতা থাকে না এবং এর যতি বা ভাবের প্রবাহ যেকোনো জায়গায় শেষ হতে পারে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও নাট্যকার যিনি বাংলা কাব্যে আধুনিকতার পথিকৃৎ হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। - তাঁর প্রবর্তित অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত সর্বকালের সেরা মহাকাব্য হলো তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য এবং মেঘনাদবধ কাব্য যা বাংলা সাহিত্যকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর সৃষ্টি এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য যা সম্পূর্ণ অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত। উদাহরণ ২: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধুসূদন দত্তের প্রথম কাব্য যেখানে তিনি প্রথমবারের মতো বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রয়োগ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক, কিন্তু তিনি ছন্দের প্রবর্তক নন। B) অন্নদাশঙ্কর রায় — অন্নদাশঙ্কর রায় আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতনামা প্রাবন্ধিক ও কবি, তবে তিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক নন। C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রবর্তন করেছেন। D) সুকান্ত ভট্টাচার্য — সুকান্ত ভট্টাচার্য আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন কিশোর কবি ও মার্ক্সবাদী লেখক যিনি মূলত প্রগতিশীল কবিতার জন্য পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত এটি মনে রাখতে মনে রাখুন মধু মানেই নতুন কিছু আর তিনিই কাব্যে প্রথম মিলহীন ছন্দের মধু ফুটিয়েছেন। - মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য মনে রাখলে ছন্দের প্রবর্তক হিসেবে মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে মনে চলে আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য কোনটি এবং এর রচয়িতা কে। - অমিত্রাক্ষর ছন্দের উৎস মূলত ইংরেজি ব্ল্যাংক ভার্স বা মিলহীন ছন্দ যার অনুকরণে মধুসূদন দত্ত বাংলায় এই ছন্দের সার্থক রূপ দেন।
a নিমন্ত্রণ
b পল্লীবধূ
c কবর
d রাখালী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কবর ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত উদ্ধৃতিটি পল্লিপ্রকৃতির চিত্র ফুটিয়ে তোলার জন্য বিখ্যাত। পল্লিকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কবর কবিতার শেষ অংশের পঙ্‌ক্তি এটি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যে পল্লিকবি হিসেবে পরিচিত। তার কবর কবিতাটি ১৯২৫ সালে কল্লোল পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা কাব্যসাহিত্যের এক অমর সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এইখানে তোর দাদী কবর ডালিম গাছের তলে। ব্যাখ্যা: এটি কবর কবিতার অত্যন্ত পরিচিত একটি চরণের অংশ যা পল্লিগ্রামের শোকগাথা প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও, রহিম উদ্দের ছোট্ট গ্রামটিতে তোমরা সবে যাও। ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের নকশী কাঁথার মাঠ বা আসমানী কবিতার বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি যা পল্লিমানুষের দুঃখ ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিমন্ত্রণ — এটি জসীমউদ্দীনের একটি জনপ্রিয় কবিতা হলেও এই পঙ্‌ক্তিটি এই কবিতায় নেই। B) পল্লীবধূ — এটি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত কবিতা তবে এই নির্দিষ্ট উদ্ধৃতিটি এখানে পাওয়া যায় না। C) কবর — এটি সঠিক উত্তর। D) রাখালী — এটি জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যার বিষয়বস্তু গ্রামীণ প্রকৃতি কিন্তু এই পঙ্‌ক্তিটি এর অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সন্ধ্যা নামিছে ঘন আবিরের রাগ এবং দাদী কবরের দৃশ্য মনে রাখলে জসীমউদ্দীনের কবর কবিতা সহজেই চেনা যায়। পল্লিকবির গ্রামীণ শোকগাথার কবিতায় এমন সান্ধ্যকালীন চিত্র বেশি থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জসীমউদ্দীনের কবর কবিতা থেকে প্রায়ই চরণ তুলে প্রশ্ন করা হয়। তাই কবর কবিতার বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
a সং + কার
b সম + কার
c সন + কার
d সমো + কার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সম + কার ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুসারে সংস্কৃত ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী ম্-এর পর ক্ বর্গীয় ধ্বনি থাকলে ম্ স্থানে অনুস্বার হয়। এখানে সম পদের ম্ ধ্বনির সঙ্গে কার পদের ক্ যোগ হওয়ার সময় নিয়মানুযায়ী ম্ পরিবর্তিত হয়ে অনুস্বার রূপ ধারণ করে সংস্কার শব্দ গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে পদের অন্তস্থিত ম্-এর পরে যদি ক, খ, গ, ঘ, ঙ থাকে তবে ম্ স্থানে অনুস্বার হয়। এই নিয়মে ম্-এর সঙ্গে ক যুক্ত হয়ে অনুস্বার হয়েছে এবং কার যুক্ত হয়ে সংস্কার শব্দটি তৈরি করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সম + কল্প = সংকল্প ব্যাখ্যা: এখানে ম্-এর পরে ক থাকার কারণে ম্ পরিবর্তিত হয়ে অনুস্বার হয়েছে। উদাহরণ ২: সম + চয় = সঞ্চয় ব্যাখ্যা: এখানে ম্-এর পরে চ থাকার কারণে ম্ পরিবর্তিত হয়ে অনুস্বার হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সং + কার — এখানে সং কোনো মূল সংস্কৃত উপসর্গ বা পদ নয়, ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক মূল শব্দ সম ব্যবহার করতে হয়। B) সম + কার — এটি সঠিক উত্তর। C) সন + কার — সন কোনো সঠিক সংস্কৃত উপসর্গ বা শব্দমূল নয়, তাই এই সন্ধি গঠন ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) সমো + কার — সমো কোনো প্রমিত বা ব্যাকরণসম্মত শব্দ বা উপসর্গ নয়, তাই এটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে ম্-এর পর ক বর্গীয় বর্ণ থাকলে ম্-এর পরিবর্তে অনুস্বার ব্যবহার করতে হয়। এই নিয়মটি মাথায় রাখলে সম পder সঙ্গে ক-যুক্ত পদের সন্ধি খুব সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। একই নিয়মে সঞ্চয়, সংকল্প, সংগ্রাম ইত্যাদি শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদ চর্চা করা উচিত।
a হাসান রাজা
b লালন শাহ
c শাহ আবদুল করিম
d আব্বাসউদ্দীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শাহ আবদুল করিম ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে শাহ আবদুল করিমকে বাংলা সঙ্গীতের বাউল সম্রাট বলা হয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভুল তথ্য। - বাংলাদেশের লোকগানে শাহ আবদুল করিম ভাটিয়াল ও বাউল ধারার এক অনন্য গীতিকার হলেও তাকে বাউল সম্রাট বলা হয় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা লোকসঙ্গীত ও বাউল গানের ইতিহাসে বাউল সম্রাট উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন প্রখ্যাত সাধক বাউল শাহ আবদুল লতিফ সরকার বা অন্য কেউ, তবে শাহ আবদুল করিম সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার উজানধল গ্রামের এক কিংবদন্তি বাউল ও লোকশিল্পী। - তার বিখ্যাত কিছু গানের মধ্যে বারে বা বারে কি আর আসে দিন, কেন পিরীতি বাড়াইলারে বন্ধু এবং মদিনার বাতি উল্লেখযোগ্য যা বাংলা লোকসাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শাহ আবদুল করিমের গান গাড়ি চলে না চলে না রে ভালোমতো। ব্যাখ্যা: এটি তার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও দর্শণমূলক আধ্যাত্মিক গান। উদাহরণ ২: শাহ আবদুল করিমের গান কেন পিরীতি বাড়াইলারে বন্ধু। ব্যাখ্যা: এই গানটি বাংলার গ্রামীণ লোকসংস্কৃতির প্রেম ও বিরহের এক অপূর্ব নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাসান রাজা — হাসন রাজা একজন প্রখ্যাত মরমী কবি ও জমিদার ছিলেন কিন্তু তাকে বাউল সম্রাট বলা হয় না। B) লালন শাহ — লালন শাহ হলেন বাউল সঙ্গীতের অবিসংবাদিত গুরু বা ফকির যিনি বাউল সাধনার প্রধান পুরুষ হিসেবে পরিচিত। C) শাহ আবদুল করিম — এই অপশনটি প্রদত্ত উত্তরে সঠিক বলা হলেও তথ্যগতভাবে তিনি বাউল সম্রাট নন বরং সুনামধন্য লোকশিল্পী। D) আব্বাসউদ্দীন — আব্বাসউদ্দীন আহমদ হলেন বাংলার বিখ্যাত লোকসঙ্গীত শিল্পী বিশেষ করে ভাওয়াইয়া ও পল্লীগীতির জন্য পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - লালন শাহ হলেন বাউল গানের আদি গুরু বা মূল পুরুষ আর শাহ আবদুল করিম হলেন ভাটি অঞ্চলের বাউল ও লোকগানের জীবন্ত কিংবদন্তি। - পরীক্ষার প্রশ্নে সম্রাট শব্দ দেখলে সাধক লালন শাহ বা নির্দিষ্ট লোকগানের অন্য কোনো সম্রাটকে ভালোভাবে মিলিয়ে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শাহ আবদুল করিমের জন্মস্থান সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার উজানধল গ্রাম এবং তাকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়। - লোকসাহিত্য থেকে আসা প্রশ্নে শিল্পী এবং তাদের উপাধি ও বিখ্যাত গানগুলোর নাম বারবার অনুশীলন করতে হবে।
a একাগ্রতায়
b সমান ব্যবহারে
c সমভাবনায়
d একযোগে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একযোগে ১. কেন সঠিক: 'সমভিব্যাহারে' একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ একত্রে, সাথে বা একযোগে। বাক্যে এই শব্দটি সাধারণত কোনো কিছুসহ বা একসাথে ঘটার ভাব প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ ও শব্দভান্ডার সংক্রান্ত প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। শব্দটির উৎপত্তি সংস্কৃত ভাষা থেকে হয়েছে এবং এটি সাধারণত ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবাইকে সমভিব্যাহারে নিয়ে তিনি রওনা হলেন। ব্যাখ্যা: এখানে 'সমভিব্যাহারে' শব্দটি সবাইকে সাথে করে বা একযোগে যাত্রা করার অর্থ প্রকাশ করছে। উদাহরণ ২: দলবল সমভিব্যাহারে নেতা উপস্থিত হলেন। ব্যাখ্যা: এখানে দলবলকে সাথে বা একযোগে বোঝাতে শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একাগ্রতায় — একাগ্রতা অর্থ গভীর মনোযোগ বা চিত্তের স্থিরতা, যা 'সমভিব্যাহারে' শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) সমান ব্যবহারে — সমান ব্যবহার অর্থ সবার প্রতি তুলনামূলক বা সমসুলভ আচরণ, যা এই শব্দের সঠিক অর্থ নয়। C) সমভাবনায় — সমভাবনা অর্থ একই রকম চিন্তা বা মানসিকতা পোষণ করা, যা প্রদত্ত শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) একযোগে — এটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে কারণ সমভিব্যাহারে এবং একযোগে উভয়ই একত্রে বা একসাথে ঘটার ভাব নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: 'সমভিব্যাহারে' শব্দটিতে 'সহ' বা সাথে থাকার একটা ভাব আছে। তাই এটি দেখলেই 'একযোগে' বা 'সাথে' কথাটি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দার্থ ও এককথায় প্রকাশ সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোর জন্য প্রমিত বাংলা অভিধানের সাহায্য নেওয়া উচিত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের কঠিন শব্দগুলোর সঠিক অর্থ জানার জন্য নিয়মিত অনুশীলন করতে হবে।
a রসতত্ত্ব
b রূপতত্ত্ব
c বাক্যতত্ত্ব
d ধ্বনিতত্ত্ব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাক্যতত্ত্ব ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণে বাক্যতত্ত্ব এমন একটি শাখা যেখানে ধ্বনি ও শব্দকে নিয়মের অধীনে সাজিয়ে সঠিকভাবে বাক্যে ব্যবহার করার নিয়ম আলোচিত হয়। ভাষার মূল উপকরণ ধ্বনি এবং শব্দের সঠিক বিন্যাসের মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশের উপযোগী বাক্য তৈরি করাই বাক্যতত্ত্বের মূল কাজ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণের আলোচিত চারটি মূল বিষয়ের মধ্যে বাক্যতত্ত্ব অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। এই অংশে পদের ক্রম, কারক, বচন, বাচ্য, উক্তি এবং বাক্যের নানা রূপান্তর সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ। ব্যাখ্যা: এখানে শব্দগুলো ব্যাকরণের নিয়ম মেনে পাশাপাশি বসে একটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করেছে যা বাক্যতত্ত্বের আওতাভুক্ত। উদাহরণ ২: ছেলেরা খেলায় জিতেছে। ব্যাখ্যা: ধ্বনি ও শব্দ একত্রিত হয়ে সুশৃঙ্খল বাক্য গঠন করার কারণে এটি বাক্যতত্ত্বের একটি সঠিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রসতত্ত্ব — এটি ব্যাকরণের কোনো শাখা নয়, এটি সাহিত্যতত্ত্ব ও অলংকার শাস্ত্রের একটি বিশেষ আলোচ্য বিষয়। B) রূপতত্ত্ব — এটি শব্দ গঠনের প্রক্রিয়া, পদ পরিবর্তন এবং উপসর্গ প্রত্যয় নিয়ে আলোচনা করে, বাক্যের সঠিক ব্যবহার নিয়ে নয়। D) ধ্বনিতত্ত্ব — এটি কেবল ধ্বনি, বর্ণ, উচ্চারণ এবং নত্ব বিধান বা ষত্ব বিধান নিয়ে আলোচনা করে। ৫ মনে রাখার টিপস: শব্দ তৈরি হয় রূপতত্ত্বে এবং সেই শব্দ যখন বাক্যে বসে তখন তা হয় বাক্যতত্ত্ব। মনে রাখবে ধ্বনি থেকে শব্দ এবং শব্দ থেকে বাক্য গঠনের ধারা পর্যায়ক্রমে ব্যাকরণে সাজানো থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয় কয়টি এবং কোনটি কী নিয়ে আলোচনা করে তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। বাক্যতত্ত্বের অপর নাম পদক্রম বা syntax যা বাক্য গঠনের যাবতীয় নিয়ম নিয়ন্ত্রণ করে।
a তুর্কি
b পর্তুগিজ
c জার্মান
d ফরাসি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জার্মান ১. কেন সঠিক: - ‘কিন্ডারগার্টেন’ শব্দটি জার্মান ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় আগত হয়েছে। - এর শাব্দিক অর্থ হলো শিশুদের উদ্যান বা শিশুশোভন শিক্ষালয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার শব্দভান্ডারে অন্তর্ভুক্ত একটি বিদেশি বা ঋণশব্দ। - জার্মান ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করা শব্দের সংখ্যা তুলনামূলক কম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপেরা ব্যাখ্যা: এটিও একটি জার্মান শব্দ যা বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: নাৎসি ব্যাখ্যা: এটি রাজনীতি সম্পর্কিত একটি পরিচিত জার্মান শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে দারোগা, তোপ প্রভৃতি শব্দ, কিন্ডারগার্টেন নয়। B) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে আনারস, চাবি প্রভৃতি শব্দ, কিন্ডারগার্টেন নয়। C) জার্মান — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি জার্মান ভাষা থেকেই বাংলায় এসেছে। D) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে কার্তুজ, রেস্তোরাঁ প্রভৃতি শব্দ, কিন্ডারগার্টেন নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ছোট শিশুদের খেলার ছলে শেখার স্কুলকে জার্মানি থেকে শুরু হওয়া কিন্ডারগার্টেন হিসেবে মনে রাখবে। - এটি একটি ইউরোপীয় ভাষা থেকে আসা প্রখ্যাত শিক্ষাসংশ্লিষ্ট শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস প্রায়ই আসে। - শব্দের উৎস নির্ণয়ের সময় বিভিন্ন ভাষার পরিচিত শব্দগুলোর তালিকা বারবার অনুশীলন করা উচিত।
a অনল
b অংশু
c জ্যোতি
d বাতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অনল ১. কেন সঠিক: - ‘আগুন’ শব্দের সমার্থক শব্দ হলো অনল। - এটি বাংলা ভাষার একটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যা প্রবহমান শিখা বা দহনকারী শক্তিকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যা ভিন্ন রূপের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় শব্দের উৎসের ওপর ভিত্তি করে সমার্থক শব্দগুলো তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব ও দেশি শব্দে বিভক্ত হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বহ্নি ব্যাখ্যা: অগ্নি বা আগুনের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম সমার্থক শব্দ এটি। উদাহরণ ২: পাবক ব্যাখ্যা: এটিও আগুনের অপর একটি ঐতিহ্যবাহী ও কাব্যিক সমার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনল — সঠিক উত্তর কারণ এটি আগুনের সরাসরি সমার্থক। B) অংশু — ভুল কারণ অংশু শব্দের অর্থ রশ্মি বা কিরণ। C) জ্যোতি — ভুল কারণ জ্যোতি শব্দের অর্থ প্রভা বা দীপ্তি। D) বাতি — ভুল কারণ বাতি হলো প্রদীপ বা আলো জ্বালানোর কৃত্রিম মাধ্যম। ৫. মনে রাখার টিপস: - আগুন শব্দের সমার্থকগুলো মনে রাখতে অগ্নি, অনল, পাবক, বহ্নি, হুতাশন এই পাঁচটি শব্দ একত্রে ছন্দ মিলিয়ে মুখস্থ রাখতে পারো। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত অনল, পাবক ও বহ্নি শব্দগুলোই বেশি আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় মূল শব্দের সঙ্গে সূক্ষ্ম অর্থের পার্থক্য বুঝে উত্তর নির্বাচন করতে হবে। - একই প্রকৃতির অন্য শব্দ যেমন বাতাস বা জলের সমার্থক শব্দগুলো একসঙ্গে পড়লে ভালো ফল পাওয়া যায়।
a অপাদানে দ্বিতীয়
b করণে তৃতীয়া
c অধিকরণে দ্বিতীয়া
d কর্মে শূন্যে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অধিকরণে দ্বিতীয়া ১. কেন সঠিক: বাক্যে সময় বা কাল বোঝালে তা অধিকরণ কারক হয়। ‘আজকে’ শব্দটিতে ‘কে’ বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি অধিকরণে দ্বিতীয় বিভক্তি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ক্রিয়া সম্পাদনের সময় বা কালকে কালাধিকরণ বা সময়াধিকরণ বলে। বাংলা ব্যাকরণে সাধারণত দ্বিতীয় ও সপ্তমী বিভক্তি অধিকরণ কারকে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রভাতে সূর্য ওঠে। ব্যাখ্যা: এটি স্থান বা কাল নির্দেশ করায় অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। উদাহরণ ২: বনে বাঘ থাকে। ব্যাখ্যা: এটি নির্দিষ্ট স্থান বোঝানোর কারণে অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপাদানে দ্বিতীয় — অপাদান কারক উৎস, বিচ্যুতি বা ভয় বোঝায় যা এখানে অনুপস্থিত। B) করণে তৃতীয়া — করণ কারক দ্বারা বা মাধ্যম বোঝায় কিন্তু এখানে সময় নির্দেশ করা হয়েছে। C) অধিকরণে দ্বিতীয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটিতে কাল বা সময় নির্দেশ করা হয়েছে। D) কর্মে শূন্যে — কর্ম কারক যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তা বোঝায় কিন্তু এটি সময় নির্দেশক পদ। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যে কখন বা কোন সময়ে ক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রশ্ন করলে উত্তর পেলে অধিকরণ কারক হয়। সময়বাচক শব্দের সঙ্গে কে বা রে বিভক্তি থাকলে তা সাধারণত অধিকরণে দ্বিতীয় বিভক্তি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সময়ের উল্লেখ থাকলেই তা কালাধিকরণ কারক হিসেবে বিবেচিত হয়। কারক নির্ণয়ের সময় শব্দের অর্থ এবং বাক্যের সামগ্রিক ভাব ভালোভাবে অনুধাবন করতে হবে।
a কবিরাজ
b বেয়াই
c সাহেব
d সঙ্গী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কবিরাজ ১. কেন সঠিক: - কবিরাজ শব্দটির কোনো স্ত্রীবাচক লিঙ্গান্তর নেই কারণ এটি এমন একটি পেশাবাচক শব্দ যা পুরুষ ও নারী উভয়কেই বোঝাতে প্রমিত বাংলায় ব্যবহৃত হয়। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু বিশেষ শব্দের নিজস্ব স্ত্রীবাচক রূপ বা লিঙ্গ পরিবর্তনের কোনো প্রচলিত বা ব্যাকরণসিদ্ধ রূপ থাকে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - লিঙ্গ পরিবর্তন বা লিঙ্গান্তর বলতে শব্দের রূপ পরিবর্তনের মাধ্যমে পুরুষ বা স্ত্রীবাচক বোঝানোকে বোঝায়। - বাংলা ভাষায় নিত্য-পুরুষবাচক বা নিত্য-স্ত্রীবাচক কিছু শব্দ আছে যাদের লিঙ্গান্তর করা যায় না এবং পেশাবাচক কিছু শব্দের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম খাটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃতদার ব্যাখ্যা: কৃতদার শব্দটির অর্থ যার স্ত্রী আছে এবং এটি কেবল পুরুষের ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয় বলে এর কোনো স্ত্রীবাচক রূপ নেই। উদাহরণ ২: ঢাকি ব্যাখ্যা: ঢাকি একটি পেশাবাচক শব্দ যা ঢাক বাজানো ব্যক্তি অর্থে পুরুষ ও নারী উভয়কে বোঝাতে পারে এবং এর কোনো ভিন্ন লিঙ্গ রূপ নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবিরাজ — এই শব্দটির কোনো লিঙ্গান্তর হয় না এবং এটি প্রশ্নের দাবির সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। B) বেয়াই — এই শব্দটির লিঙ্গান্তর রূপ হলো বেয়াইন বা বায়ান যা স্ত্রীবাচক অর্থে ব্যবহৃত হয়। C) সাহেব — এই শব্দটির স্ত্রীবাচক লিঙ্গান্তর রূপ হলো বিবি যা নারী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) সঙ্গী — এই শব্দটির স্ত্রীবাচক লিঙ্গান্তর রূপ হলো সঙ্গিনী যা নারী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - যে সমস্ত পেশাবাচক বা উপাধিবাচক শব্দ নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্যই সমানভাবে প্রযোজ্য হয়, সাধারণত সেগুলোর লিঙ্গান্তর হয় না। - কবিরাজ, ঔপন্যাসিক বা ডাক্তার জাতীয় শব্দের ক্ষেত্রে পুরুষ ও নারী ভেদে আলাদা কোনো স্ত্রীবাচক শব্দ প্রচলিত নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য-পুরুষবাচক, নিত্য-স্ত্রীবাচক এবং লিঙ্গান্তর হয় না এমন শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি শব্দের উৎস ও ব্যবহার ভালো করে খেয়াল রাখতে হবে।
a বেশি কথা বলা
b পূর্ণচন্দ্র
c অর্ধচন্দ্র
d ভূমিকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভূমিকা ১. কেন সঠিক: - ‘গৌরচন্দ্রিকা’ একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ দেবী গৌরীর বা পার্বতীর বন্দনা বা প্রশংসা। প্রাচীনকালে যাত্রাপালা বা সঙ্গীত পরিবেশনের শুরুতে দেবদেবীর বন্দনা বা মূল আলোচনার অবতীর্ণ হওয়ার আগে যে দীর্ঘ ভূমিকা বা প্রারম্ভিক আলোচনা করা হতো, তা থেকেই এই বাগধারাটি প্রচলিত হয়েছে। - বর্তমান ব্যবহারে কোনো জটিল বা দীর্ঘ আলোচনার শুরুতে অপ্রয়োজনীয় বা প্রারম্ভিক কথা বলা বোঝাতে এই বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি প্রায়শই প্রারম্ভিক বা প্রাথমিক পর্যায় বোঝাতে ‘ভূমিকা’ অর্থে উত্তর হিসেবে আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ বা পদসমষ্টি, যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও রূপক অর্থ প্রকাশ করে। শব্দগুলোর আক্ষরিক অর্থ বিচার না করে প্রচলিত ঐতিহ্য অনুযায়ী এদের ভাবার্থ গ্রহণ করতে হয়। - বাংলা সাহিত্য ও লোকসংস্কৃতিতে পালাগান, নাটক বা যাত্রার শুরুতে দর্শককে মূল বিষয়ে নিয়ে আসার জন্য যে প্রস্তুতি পর্ব থাকত, তাকেই গৌড় বা গৌরীর বন্দনা বা গৌরচন্দ্রিকা বলা হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আসল কথা বাদ দিয়ে এত গৌরচন্দ্রিকা না করে সরাসরি মূল বিষয়ে এসো। ব্যাখ্যা: এখানে মূল আলোচনা শুরু করার আগে অতিরিক্ত ভূমিকা বা প্রারম্ভিক কথাবার্তা বলা বন্ধ করতে বলা হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রস্তাবটি পেশ করার আগে দীর্ঘ গৌরচন্দ্রিকা শোনার মতো সময় কারও হাতে নেই। ব্যাখ্যা: কাজের কথা না বলে অতিরিক্ত অপ্রয়োজনীয় সূচনা বা ভূমিকা করা অর্থে এই বাক্যটিতে বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেশি কথা বলা — এটি গৌরচন্দ্রিকা বাগধারার অন্তর্নিহিত ভাব হলেও এর আক্ষরিক বা সঠিক প্রাতিষ্ঠানিক অর্থ হলো ভূমিকা, সরাসরি বেশি কথা বলা নয়। B) পূর্ণচন্দ্র — এটি একটি সাধারণ শব্দ, যা আকাশে উদিত সম্পূর্ণ চাঁদ বোঝায় এবং এর সঙ্গে এই বাগধারার কোনো সম্পর্ক নেই। C) অর্ধচন্দ্র — এটি আরেকটি ভিন্ন বাগধারা, যার অর্থ গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া বা বিতাড়িত করা, যা ভূমিকার বিপরীত। D) ভূমিকা — এটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে, কারণ কোনো দীর্ঘ আলোচনার সূচনা বা প্রারম্ভিক অবস্থাকে ভূমিকা বলা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যাত্রাপালা বা নাটকের শুরুতে যেমন দেবী গৌরীর বন্দনা বা ভূমিকা গেয়ে নাটক শুরু করা হতো, তেমনি যেকোনো কাজের বা কথার শুরুকে গৌরচন্দ্রিকা বা ভূমিকা মনে রাখতে পারো। - মূল কথায় আসার আগের অবস্থাই হলো গৌরচন্দ্রিকা বা ভূমিকা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার উৎস এবং এর রূপক অর্থ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - মূল কথার আগের অবস্থাকে নির্দেশ করে এমন অন্যান্য বাগধারার মধ্যে রয়েছে ভনিতা করা বা কালক্ষেপণ করা।
a তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
b আয়নামতির পালা
c ইচ্ছামতি
d একটি কালো মেয়ের কথা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একটি কালো মেয়ের কথা ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে একটি অসংগতি বা ভুল তথ্য রয়েছে। প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে "একটি কালো মেয়ের কথা" উল্লেখ করা হয়েছে, যা মূলত একটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত উপন্যাস হলেও এটি কোনো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়। প্রকৃতপক্ষে, বাংলা সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের তালিকাভুক্ত বা সঠিক উত্তর হিসেবে এখানে কোনো অপশনই সঠিকভাবে সেট করা হয়নি, কারণ প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নেই। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নে অনেক সময় ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য থাকতে পারে, যা আমাদের যাচাই করে সঠিক তথ্যটি জানতে হবে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রদত্ত উপন্যাসগুলোর রচয়িতা ও সাহিত্যিক পরিচয় জানা জরুরি। তেইশ নম্বর তৈলচিত্র সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ইচ্ছামতি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি প্রখ্যাত নদীভিত্তিক ও সমাজজীবন কেন্দ্রিক উপন্যাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রেইটিন ইমদাদুল হক মিলনের একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস। উদাহরণ ২: জাহান্নাম হইতে বিদায় শওকত আলীর একটি প্রখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসেও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার জীবন ও সংগ্রাম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তেইশ নম্বর তৈলচিত্র — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচিত একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়। B) আয়নামতির পালা — এটি কোনো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস বা প্রধান সাহিত্যকর্ম হিসেবে প্রমিত সাহিত্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। C) ইচ্ছামতি — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত নদী ও গ্রামীণ সমাজভিত্তিক উপন্যাস, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। D) একটি কালো মেয়ের কথা — এটি কোনো প্রমিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, যদিও প্রশ্নে এটিকে সঠিক উত্তর হিসেবে দেখানো হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখার জন্য লেখকদের নাম যেমন শওকত আলী, আনোয়ারা সৈয়দ হক বা রাহাত খানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনাগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়তে হবে। বিভ্রান্তিকর প্রশ্নের ক্ষেত্রে মূল সাহিত্যকর্মের প্রকৃত বিষয়বস্তু যাচাই করে নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনেক সময় ভুল প্রশ্ন বা ভুল উত্তর থাকতে পারে। তাই প্রমিত সাহিত্য ইতিহাস থেকে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যেমন হাঙ্গর নদী গ্রেনেড বা আগুনের পরশমণি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি।
a মাছ ধরার কৌশল
b কৌশলে কার্যউদ্ধার
c মাছ ধরতে কৌশলী
d চালকী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৌশলে কার্যউদ্ধার ১. কেন সঠিক: - ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’ একটি জনপ্রিয় প্রবাদ বা বাগধারা, যার অর্থ কোনো রকম ঝুঁকি না নিয়ে বা কষ্ট না করে অতি কৌশলে নিজের স্বার্থ বা উদ্দেশ্য হাসিল করা। - এখানে মাছ ধরার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে কিন্তু পানির স্পর্শে হাত ভেজাতে না চাওয়ার বিষয়টি দিয়ে কোনো প্রকার বিপদ বা ঝামেলায় না জড়িয়ে কাজ সম্পন্ন করার কৌশল বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ-প্রবচন বা বাগধারা, যা রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়। - আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর অন্তর্নিহিত বা বিশেষ অর্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে বাহ্যিক নিষ্ক্রিয়তা বজায় রেখে গোপনে নিজের কার্যসিদ্ধি করার ভাব প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজনীতিতে বড় কোনো নেতার সরাসরি বিরোধিতা না করে নিজের পদ টিকিয়ে রাখা হলো ধরি মাছ না ছুঁই পানি নীতি। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ঝুঁকি এড়িয়ে এবং প্রকাশ্য দ্বন্দ্বে না জড়িয়ে নিজের স্বার্থ রক্ষা করার ভাবটি স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: ঝামেলা এড়াতে সে অফিসের কোনো মিটিংয়ে মুখ খোলে না, অথচ প্রমোশন ঠিকই বাগিয়ে নেয়, একে বলে ধরি মাছ না ছুঁই পানি। ব্যাখ্যা: এখানে কোনো কষ্ট বা ঝুঁকি না নিয়ে অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে নিজের লক্ষ্য অর্জনের বিষয়টি বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাছ ধরার কৌশল — এটি বাগধারার আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও রূপক বা অন্তর্নিহিত অর্থ হিসেবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গ্রহণযোগ্য নয়। B) কৌশলে কার্যউদ্ধার — এটি এই বাগধারার সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ ভাবার্থ বা অর্থ নির্দেশ করে। C) মাছ ধরতে কৌশলী — এটি শুধু মাছ ধরার পদ্ধতির সঙ্গে সম্পর্কিত, যা সমগ্র প্রবাদের আসল রূপক অর্থ প্রকাশ করে না। D) চালকী — এটি একটি সাধারণ শব্দ, যা দিয়ে সার্বিকভাবে চতুরতা বোঝায় কিন্তু ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’ প্রবাদের নির্দিষ্ট ভাবার্থকে পুরোপুরি ফুটিয়ে তোলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - মাছ ধরতে গেলে হাত ভিজবে বা কষ্ট হবে, কিন্তু হাত না ভিজিয়ে মাছ ধরার অর্থ হলো কোনো রকম বিপদ বা ঝুঁকি ছাড়া কাজ হাসিল করা। - প্রবাদের শব্দগুলোর আক্ষরিক অর্থ না খুঁজে এর ভেতরের রূপক অর্থ মনে রাখার চেষ্টা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রবাদ-প্রবচন ও বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই আক্ষরিক অর্থের চেয়ে ভাবার্থ বা রূপক অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - এই ধরনের প্রশ্নে অপশনগুলো খুব কাছাকাছি থাকে, ফলে মূল ভাব কোনটি প্রকাশ করছে তা সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করতে হবে।
a বিধবা নারী
b তালাকপ্রাপ্ত নারী
c যে নারীর স্বামী বিদেশে থাকে
d যে নারী পিত্রালয়ে থাকে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যে নারীর স্বামী বিদেশে থাকে ১. কেন সঠিক: - প্রোষিতভর্তৃকা হলো এককথায় প্রকাশ বা বাক্যের সংক্ষিপ্তকরণ, যেখানে স্বামী প্রবাসে বা বিদেশে অবস্থান করছেন এমন স্ত্রীকে বোঝানো হয়। - প্রোষিত শব্দের অর্থ বিদেশে বা প্রবাসে অবস্থানরত এবং ভর্তুকা বা ভর্তার অর্থ স্বামী, ফলে শব্দটির মূল অর্থ স্বামী বিদেশে আছেন এমন নারী। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা বড় বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। - এই ধরনের শব্দ সাধারণত সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এর একটি নির্দিষ্ট গঠন ও অর্থ রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অভিসারিকা ব্যাখ্যা: যে নারী নিজে অভিসারে বা প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে যান, তাকে অভিসারিকা বলা হয়। উদাহরণ ২: খণ্ডিতা ব্যাখ্যা যার স্বামী অন্য নারীর সঙ্গে রাত কাটিয়ে সকালে ফিরে এসেছে এবং যার মনে ক্ষোভ জন্মেছে, তাকে খণ্ডিতা বলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিধবা নারী — যে নারীর স্বামী মারা গেছেন তাকে বিধবা বলা হয়, প্রোষিতভর্তৃকা বলা হয় না। B) তালাকপ্রাপ্ত নারী — আইনগতভাবে যে নারীর বিবাহবিচ্ছেদ ঘটেছে তাকে তালাকপ্রাপ্তা বলা হয়, প্রোষিতভর্তৃকা নয়। C) যে নারীর স্বামী বিদেশে থাকে — এটিই সঠিক উত্তর কারণ প্রোষিতভর্তৃকা শব্দের অর্থ স্বামী বিদেশে অবস্থান করা নারী। D) যে নারী পিত্রালয়ে থাকে — যে নারী পিতার আলয় বা বাড়িতে স্থায়ীভাবে বা সাময়িক বসবাস করেন তাকে পিত্রালয়বাসিনী বলা যায়, প্রোষিতভর্তৃকা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রোষিত অর্থ প্রবাস বা বিদেশ এবং ভর্তা অর্থ স্বামী, তাই প্রোষিতভর্তৃকা মানে যার স্বামী প্রবাসে থাকেন। - নায়িকার বিভিন্ন অবস্থার এই রূপগুলো এককথায় প্রকাশের জন্য বারবার চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নায়িকার বিভিন্ন অবস্থা সংক্রান্ত এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে। - প্রোষিতভর্তৃকা, অভিসারিকা, খণ্ডিতা, উৎকণ্ঠিতা এই শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (21)

a were
b be
c am
d was
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) were কেন সঠিক: - বাক্যে I wish থাকার কারণে এটি অসম্ভব ইচ্ছা বা কল্পনা প্রকাশ করছে। - এমন সাবজেক্টিভ ক্ষেত্রে subject যাই হোক না কেন be ভার্বের Past Subjunctive রূপ হিসেবে সবসময় were বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) were — এটি সঠিক কারণ subjunctive mood-এ wish-এর পর singular subject-এর পরেও were বসে। B) be — এটি verb-এর base form হওয়ায় কাল বা mood-এর নিয়ম অনুযায়ী এখানে বসে না। C) am — এটি present tense-এর রূপ, যা past subjunctive-এর নিয়মের সাথে মেলে না। D) was — কথ্য ভাষায় ব্যবহৃত হলেও ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী subjunctive বাক্যে was লেখা ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে I wish থাকলেই চোখ বন্ধ করে were বসিয়ে দেবে, কারণ অসম্ভব ইচ্ছা বোঝালে subject singular হলেও was না হয়ে সবসময় were হয়।
a Tubareculisis
b Tubarculosis
c Tuberculisist
d Tuberculosis
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Tuberculosis কেন সঠিক: - বানানটির সঠিক উচ্চারণ ও গঠন হলো Tuberculosis, যা একটি পরিচিত ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। - শব্দটির সঠিক বানান মনে রাখার জন্য টিউবার (Tuber), কুল (cul) এবং ওসিস (osis) এই অংশগুলো সঠিকভাবে যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tubareculisis — এই বানানে ভুল অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে এবং শেষের অংশটি সঠিক নয়। B) Tubarculosis — এই বানানে ইউ (u) এর জায়গায় এ (a) ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে। C) Tuberculisist — এই বানানের শেষে অপ্রয়োজনীয় অক্ষর যুক্ত করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) Tuberculosis — এটি সঠিক বানান। মনে রাখার টিপস: বানানটি সহজে মনে রাখতে টিউবার (Tuber) এবং কুল (cul) এর সাথে ওসিস (osis) যোগ করে Tuberculosis শব্দটি তৈরি করুন।
a Early speech
b Last speech
c Final speech
d First speech
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) First speech কেন সঠিক: - 'Maiden speech' একটি প্রবচনমূলক বা ইডিয়ামেটিক ফ্রেজ, যার অর্থ হলো জীবনে প্রদত্ত প্রথম বক্তব্য বা বক্তৃতা। - সংসদীয় রাজনীতি বা জনসভার ক্ষেত্রে কোনো নতুন নির্বাচিত সদস্যের প্রথম ভাষণ বোঝাতে এই পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Early speech — এটি সাধারণ ইংরেজিতে যেকোনো সকালের বা আগের বক্তব্য বোঝাতে পারে, কিন্তু 'Maiden speech' এর নির্দিষ্ট পরিভাষিক অর্থ প্রথম বক্তব্য। B) Last speech — এটি জীবনের বা অনুষ্ঠানের শেষ বক্তব্যকে নির্দেশ করে, যা 'Maiden speech' এর বিপরীত অর্থ বহন করে। C) Final speech — এটি কোনো কার্যক্রম বা আলোচনার সমাপ্তি সূচক চূড়ান্ত বক্তব্যকে বোঝায়, যা প্রথম বক্তব্যের সঙ্গে মিলে না। D) First speech — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ 'maiden' শব্দের আক্ষরিক অর্থ প্রথম এবং এটি প্রথম বক্তব্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: 'Maiden' শব্দের অর্থ কুমারী বা প্রথম। তাই কোনো ব্যক্তি জীবনে প্রথম যে বক্তৃতা দেন তাকে 'Maiden speech' বা প্রথম বক্তৃতা বলা হয়।
a Neuter
b Feminine
c Masculine
d Common
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Common কেন সঠিক: - 'Spouse' শব্দটির অর্থ স্বামী বা স্ত্রী উভয়কেই বোঝায়, যা নির্দিষ্ট কোনো একটি লিঙ্গকে নির্দেশ করে না। - পুরুষ বা নারী উভයকে বোঝায় এমন বিশেষ্য পদ ইংরেজী ব্যাকরণে Common Gender হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Neuter — এই অপশনটি ভুল কারণ Neuter Gender বলতে শুধু প্রাণহীন বা জড় বস্তুকে বোঝায়, অথচ 'spouse' একটি জীবন্ত মানুষকে নির্দেশ করে। B) Feminine — এই অপশনটি ভুল কারণ Feminine Gender শুধু স্ত্রীবাচক বিশেষ্যকে বোঝায়, কিন্তু 'spouse' দ্বারা স্বামীও হতে পারে। C) Masculine — এই অপশনটি ভুল কারণ Masculine Gender শুধু পুরুষবাচক বিশেষ্যকে বোঝায়, কিন্তু 'spouse' দ্বারা স্ত্রীও হতে পারে। D) Common — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি পুরুষ এবং স্ত্রী উভয়কেই সমানভাবে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: যেকোনো বিবাহিত ব্যক্তি স্বামী বা স্ত্রী যাই হোন না কেন, ইংরেজীতে তাদের যৌথভাবে Common Gender-এর অন্তর্ভুক্ত 'spouse' বলা হয়।
a stand at
b stand for
c stand by
d stand upon
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) stand by কেন সঠিক: - 'Stand by' একটি উপযুক্ত গ্রুপ ভার্ব বা ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ সাহায্য করা বা পাশে দাঁড়ানো। - শূন্যস্থানের পরে 'me in my difficulty' থাকায় এখানে বিপদে সাহায্য করার অর্থ প্রকাশ করতে 'stand by' সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) stand at — এর অর্থ কোনো নির্দিষ্ট অবস্থানে দাঁড়িয়ে থাকা, যা এখানে অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। B) stand for — এর অর্থ প্রতিনিধিত্ব করা বা কোনো কিছুর প্রতীক হওয়া, যা বিপদে সাহায্যের ক্ষেত্রে বসে না। C) stand by — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য। D) stand upon — এটি কোনো মানদণ্ড বা ভিত্তির ওপর নির্ভর করা বোঝায়, যা এই বাক্যের জন্য সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বিপদে পাশে দাঁড়ানো বা সমর্থন করার ইংরেজি ফ্রেজাল ভার্ব হলো 'stand by'।
a nature
b romantic
c modern
d beauty
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) beauty কেন সঠিক: - জন কিটসের কাব্যের মূল সুর হলো সৌন্দর্য ও নান্দনিকতা, যা তাঁর বিখ্যাত উক্তি সৌন্দর্যই সত্য, সত্যই সৌন্দর্য দ্বারা প্রমাণিত। - তিনি রোমান্টিক যুগের কবি হওয়া সত্ত্বেও তাঁর কবিতায় সৌন্দর্যের উপাসনা সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) nature — উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ প্রকৃতির কবি হিসেবে পরিচিত, যদিও কিটস প্রকৃতিপ্রেমী ছিলেন তবে তাঁর মূল বৈশিষ্ট্য সৌন্দর্য। B) romantic — জন কিটস রোমান্টিক যুগের কবি হলেও এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে তাঁর প্রধান পরিচয় সৌন্দর্যের কবি। C) modern — জন কিটস আধুনিক যুগের কবি নন, তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের রোমান্টিক যুগের কবি। D) beauty — এই অপশনটি সঠিক কারণ তাঁর সমগ্র সাহিত্যকর্ম জুড়েই সৌন্দর্যের রূপায়ণ ঘটেছে। মনে রাখার টিপস: জন কিটসকে মনে রাখার জন্য তাঁর বিখ্যাত পঙক্তি মনে রাখবে, আ থিং অব বিউটি ইজ আ জয় ফর এভার।
a than
b for
c to
d with
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to কেন সঠিক: - ল্যাটিন মূলের কিছু তুলনামূলক adjective যেমন prefer, senior, junior, inferior ইত্যাদির পর তুলনা বোঝাতে than এর পরিবর্তে preposition হিসেবে to বসে। - তাই milk এর সঙ্গে tea তুলনা করতে prefer শব্দের পর সঠিক preposition হিসেবে to ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) than — সাধারণ Adjective এর তুলনামূলক রূপে than বসে, কিন্তু prefer এর পর than বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) for — এই বাক্যে উদ্দেশ্যের অর্থ প্রকাশ পাচ্ছে না, তাই for prepositionটি এখানে সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত। D) with — সংযোগ বা সাথে থাকা অর্থে with বসে, যা prefer শব্দের নির্দিষ্ট নিয়ম বা তুলনার ক্ষেত্রে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে prefer শব্দটি দেখলে চোখ বন্ধ করে than না খুঁজে to বসাবে, কারণ prefer শব্দের পর সব সময় to বসে।
a Fox
b Calf
c Hero
d Cannon
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Cannon কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে কিছু পশুর নাম এবং যুদ্ধাস্ত্রবাচক noun একবচন ও বহুবচনে একই রূপ retains করে। - Cannon শব্দের বহুবচনও cannon বা cannons উভয়ই হতে পারে, তবে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে এটি অপরিবর্তিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Fox — এটি একটি প্রাণীবাচক noun এবং এর সঠিক বহুবচন হলো Foxes, তাই এটি উত্তর নয়। B) Calf — এটি f দিয়ে শেষ হওয়া noun এবং এর সঠিক বহুবচন হলো Calves, তাই এটি উত্তর নয়। C) Hero — এটি o দিয়ে শেষ হওয়া noun এবং এর সঠিক বহুবচন হলো Heroes, তাই এটি উত্তর নয়। D) Cannon — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর বহুবচন রূপ মূল শব্দের মতোই অপরিবর্তিত থাকে। মনে রাখার টিপস: যুদ্ধাস্ত্র যেমন Cannon এবং Deer বা Sheep এর মতো কিছু পশুর বহুবচন রূপ একবচনের মতোই অপরিবর্তিত থাকে।
a Can none do this?
b Do this can be done?
c Who can do this?
d Can this be done none?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Who can do this? কেন সঠিক: - Assertive বাক্যে None থাকলে Interrogative করার সময় None-এর পরিবর্তে Who ব্যবহার করতে হয়। - প্রদত্ত বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে এটিকে প্রশ্নবোধক বাক্যে রূপান্তর করতে Who can do this সঠিক গঠন অনুসরণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Can none do this? — None যুক্ত Assertive বাক্যকে সরাসরি Can দিয়ে প্রশ্ন করলে অর্থের পূর্ণতা নষ্ট হয় এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) Do this can be done? — বাক্যটির গঠন passive voice-এর নিয়মে ভুলভাবে করা হয়েছে এবং এটি interrogative-এর সঠিক নিয়ম মানে না। C) Who can do this? — এটি সঠিক উত্তর, কারণ None-এর পরিবর্তে Who বসিয়ে সহজে Interrogative করা হয়েছে। D) Can this be done none? — এই অপশনের শব্দ বিন্যাস সম্পূর্ণ ভুল এবং এর কোনো অর্থ হয় না। মনে রাখার টিপস: Assertive বাক্যে None থাকলে Interrogative করার সময় বাক্যের শুরুতে Who বসালেই সঠিক উত্তর পাওয়া যায়।
a the
b an
c a
d a/an
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an কেন সঠিক: - FCPS শব্দটির উচ্চারণ করার সময় প্রথমে 'এ' (E) ধ্বনি আসে, যা একটি স্বরধ্বনি। - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ভাওয়েল সাউন্ড বা স্বরধ্বনির পূর্বে অনির্দিষ্ট আর্টিকেল হিসেবে an বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the — এটি নির্দিষ্ট আর্টিকেল, যা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়। B) an — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী সঠিক। C) a — এটি কনসোনেন্ট সাউন্ড বা ব্যঞ্জনধ্বনির পূর্বে বসে, কিন্তু FCPS-এর উচ্চারণ স্বরধ্বনি দিয়ে শুরু হয়। D) a/an — এখানে দুটি ভিন্ন আর্টিকেল একত্রে অপশনে থাকায় তা একক উত্তর হিসেবে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: সংক্ষিপ্ত রূপ বা abbreviation উচ্চারণের সময় প্রথম অক্ষরটি স্বরধ্বনি (এ, ও ইত্যাদি) এর মতো উচ্চারিত হলে তার পূর্বে সর্বদা an বসে।
a did not take off
b had taken off
c had not of
d took off
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) had taken off কেন সঠিক: - Until বা Till-এর পূর্বের ক্লজটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হলে পরের ক্লজটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়। - প্লেন উড্ডয়নের কাজটি অপেক্ষার সময়ের আগেই সম্পন্ন হয়েছিল বোঝাতে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) did not take off — এটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স, যা এখানে অর্থের দিক থেকে অসংগত এবং ব্যাকরণগত নিয়মের সাথে মিলে না। B) had taken off — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী সঠিক পাস্ট পারফেক্ট টেন্স গঠন করেছে। C) had not of — এটি একটি ভুল ইংরেজি গঠন কারণ 'had not of' ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) took off — এটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স, যা আগের কাজের সম্পূর্ণতা প্রকাশ করতে অক্ষম। মনে রাখার টিপস: Until এর আগে পাস্ট ইনডেফিনিট এবং পরে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স বসে।
a ত্রৈমাসিক
b সাপ্তাহিক
c পাক্ষিক
d বার্ষিক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ত্রৈমাসিক কেন সঠিক: - ইংরেজি শব্দ Quarterly অর্থ এমন কিছু যা বছরে চারবার বা প্রতি তিন মাস পর পর ঘটে। - বাংলা পরিভাষায় বারো মাসের এক চতুর্থাংশ বা প্রতি তিন মাস সময়কালকে ত্রৈমাসিক বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ত্রৈমাসিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দটি প্রতি তিন মাস সময়কালকে নির্দেশ করে। B) সাপ্তাহিক — এই অপশন ভুল কারণ সাপ্তাহিক অর্থ প্রতি সাত দিন পর পর ঘটে যা Weekly শব্দের অর্থ। C) পাক্ষিক — এই অপশন ভুল কারণ পাক্ষিক অর্থ প্রতি পনেরো দিন পর পর ঘটে যা Fortnightly শব্দের অর্থ। D) বার্ষিক — এই অপশন ভুল কারণ বার্ষিক অর্থ বছর একবার ঘটে যা Annual বা Yearly শব্দের অর্থ। মনে রাখার টিপস: Quarter শব্দের অর্থ এক চতুর্থাংশ, তাই বারো মাসের চার ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ তিন মাসের হিসাবকে Quarterly বা ত্রৈমাসিক বলা হয়।
a Half-heartedly
b Uncertain
c Doubtfully
d Fixed
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (ইংরেজিগুচ্ছ ও ইডিয়ম) সঠিক উত্তর যাচাই: প্রদত্ত সঠিক উত্তর B (Uncertain) এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে পুরোপুরি সঠিক নয়। 'Sine die' একটি লাতিন শব্দগুচ্ছ যার অর্থ অনির্দিষ্টকালের জন্য মূলত কোনো সভা, বৈঠক বা আদালত কোনো নির্দিষ্ট তারিখ ঠিক না করে মুলতবি করা। তাই সঠিক উত্তর হওয়া উচিত 'For an indefinite period' বা 'Without fixing a date'। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কোনোটিই এর সরাসরি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না, তবে বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত 'Uncertain' বা 'Indefinite' অর্থকে কাছাকাছি হিসেবে ধরা হয়। সঠিক উত্তর: B) Uncertain কেন সঠিক: - 'Sine die' একটি লাতিন ফ্রেজ যার আক্ষরিক অর্থ হলো কোনো তারিখ ছাড়া বা অনির্দিষ্টকালের জন্য। - কোনো সভা বা আদালতের কার্যমুলতবি করার ক্ষেত্রে পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ না করাকে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Half-heartedly — এর অর্থ অনিচ্ছায় বা আংশিক মনঃসংযোগ দিয়ে, যা এই ফ্রেজের অর্থের সাথে মেলে না। B) Uncertain — আক্ষরিক অর্থে অনিশ্চিত হলেও এটি 'sine die' এর সঠিক সমার্থক নয়, তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বাধ্যবাধকতায় কাছাকাছি অর্থ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। C) Doubtfully — এর অর্থ সন্দেহের সাথে, যা কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার অনিশ্চয়তা প্রকাশ করে কিন্তু ফ্রেজটির ভাবার্থ বোঝায় না। D) Fixed — এর অর্থ নির্দিষ্ট, যা 'sine die' বা অনির্দিষ্টকালের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: 'Sine die' ফ্রেজে 'Die' শব্দটি দিন বা তারিখ নির্দেশ করে, যার আগে 'Sine' যুক্ত হয়ে কোনো দিন বা তারিখ ঠিক না থাকাকে অর্থাৎ অনির্দিষ্টকালকে বোঝায়।
a since
b from
c for
d of
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) since কেন সঠিক: - বাক্যে 'Friday last' নির্দিষ্ট সময়ের একটি পয়েন্ট নির্দেশ করছে, যা পাস্ট পারফেক্ট কন্টিনুয়াস বা প্রেজেন্ট পারফেক্ট কন্টিনুয়াস টেন্সে নির্দিষ্ট সময় বোঝাতে ব্যবহার হয়। - নির্দিষ্ট পয়েন্ট বা Point of time এর আগে প্রিপজিশন হিসেবে since বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) since — নির্দিষ্ট সময়ের শুরুর বিন্দু বোঝাতে এটি সঠিক উত্তর। B) from — সাধারণত Future tense বা নির্দিষ্ট কোনো সময় থেকে শুরু বোঝাতে from বসে, কিন্তু এখানে Present Perfect Continuous টেন্সে since ব্যবহৃত হবে। C) for — এটি নির্দিষ্ট কোনো সময়বিন্দু নয়, বরং সময়ের ব্যবধান বা Period of time বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) of — এটি সম্বন্ধপদ বোঝাতে বা নির্দিষ্ট কিছু শব্দের পরে বসে, এখানে সময়ের ধারাবাহিকতা বোঝাতে ব্যবহার হয় না। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট সময় বা বারের নাম থাকলে since এবং দীর্ঘ সময় বা স্থরকাল বুঝালে for বসে।
a adverb
b preposition
c interjection
d conjunction
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) conjunction কেন সঠিক: - 'or' শব্দ দুটি স্বাধীন ক্লজ (Run fast এবং you will miss the train) বা দুটি বাক্যকে যুক্ত করেছে। - দুটি বাক্য বা খণ্ডবাক্যকে সংযুক্ত করার কাজটি कंजাংশন বা সংযোজক অব্যয় করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — এটি ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো অ্যাডভার্বের বিশেষ বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে না, বরং দুটি বাক্যকে যুক্ত করে। B) preposition — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে না। সি অপশনটি নিচে দেওয়া হলো। C) interjection — এটি মনের হঠাৎ আবেগ বা অনুভূতি প্রকাশ করে না, তাই এটি ইন্টারজেকশন নয়। D) conjunction — এটি দুটি খণ্ডবাক্যকে সফলভাবে সংযুক্ত করেছে বলে এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: and, or, but ইত্যাদি শব্দগুলো সাধারণত দুটি ভিন্ন বাক্য বা শব্দগুচ্ছকে যুক্ত করতে কনজাংশন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a adverb
b adjective
c collective noun
d abstract noun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) collective noun কেন সঠিক: - army শব্দটি এককভাবে সৈন্য বা সামরিক বাহিনীর একটি সমষ্টিগত দলকে বোঝায়। - একই জাতীয় বহু ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিকে একসঙ্গে বোঝালে তাকে collective noun বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — adverb সাধারণত ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো অব্যয়কে বিশেষিত করে, কিন্তু army এখানে কোনো কাজের ভাব প্রকাশ করছে না। B) adjective — adjective কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে, কিন্তু army নিজে একটি স্বতন্ত্র noun। D) abstract noun — abstract noun কেবল গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম বোঝায় যা ছোঁয়া যায় না, কিন্তু army একটি দৃশ্যমান প্রাণীর সমষ্টি। মনে রাখার টিপস: যেসকল নাম কোনো ব্যক্তি বা প্রাণীর অখণ্ড দল বা সমষ্টিকে নির্দেশ করে, যেমন army, class, team বা family, সেগুলো সবসময় collective noun হয়।
a Flower
b Insect
c Feed
d Bird
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) Insect কেন সঠিক: - ক্রিকেট একটি খেলার নাম হওয়ার পাশাপাশি ঝিঁঝি পোকা জাতীয় এক ধরণের পতঙ্গের ইংরেজি নামও বটে। - একই শব্দের ভিন্ন অর্থের ওপর ভিত্তি করে তৈরি শব্দার্থগত বা পাজল ধরনের প্রশ্নের এটি একটি চমৎকার উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Flower — এটি ফুল অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা ক্রিকেট শব্দের পতঙ্গ অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। B) Insect — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্রিকেট শব্দের অর্থ ঝিঁঝি পোকাও হতে পারে। C) Feed — এটি খাদ্য বা খাওয়ানো অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা এই প্রশ্নের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। D) Bird — এটি পাখি অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা ক্রিকেট পোকার সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: ক্রিকেট যেমন একটি জনপ্রিয় খেলা, তেমনি এটি এক ধরণের পোকা বা পতঙ্গের নাম হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
a Capable
b Prudent
c Discreet
d Circumspect
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Capable কেন সঠিক: - Competent শব্দের অর্থ হলো দক্ষ, যোগ্য বা সামর্থ্যবান, যা Capable শব্দের অর্থের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। - Capable অর্থও সক্ষম বা যোগ্য, তাই এটি Competent শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Capable — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল অপশন হিসেবে গ্রহণযোগ্য। B) Prudent — এর অর্থ বিচক্ষণ বা দূরদর্শী, যা দক্ষতার চেয়ে বুদ্ধিমত্তা ও সাবধনতার সঙ্গে সম্পর্কিত। C) Discreet — এর অর্থ গোপনীয় বা সতর্ক, যা বাক্যে বা আচরণে সংযমী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) Circumspect — এর অর্থ পরোক্ষভাবে সতর্ক বা হিসাবী, যা কোনো কাজের সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: Competent এবং Capable দুটি শব্দের মাধ্যমেই কোনো কাজের যোগ্যতা বা দক্ষতা বোঝানো হয়, তাই এরা সমার্থক।
a USA
b Britain
c Germany
d Greece
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Britain কেন সঠিক: - উইলিয়াম শেকস্পিয়ারের জন্ম ইংল্যান্ডের স্ট্রাটফোর্ড আপন এভন এলাকায়, যা গ্রেট ব্রিটেন বা যুক্তরাজ্যের অংশ। - বিশ্বখ্যাত এই নাট্যকার ১৫৬৪ সালের ২৬ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি ব্রিটিশ সাহিত্যের প্রধান প্রতিনিধি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) USA — যুক্তরাষ্ট্র সে সময় অস্তিত্বে ছিল না এবং শেকস্পিয়ারের জন্ম এই মহাদেশে হয়নি। B) Britain — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ইংল্যান্ড বা ব্রিটেনের নাগরিক ছিলেন। C) Germany — জার্মানি ইউরোপের অন্য একটি দেশ এবং এটি শেকস্পিয়ারের জন্মস্থান নয়। D) Greece — গ্রীস প্রাচীন সভ্যতার দেশ হলেও শেকস্পিয়ারের জন্ম এখানে হয়নি। মনে রাখার টিপস: শেকস্পিয়ার হলেন ইংরেজি সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার, তাই তার জন্মস্থান ব্রিটেন বা ইংল্যান্ড হবে।
a Let be sum done.
b Let the sum be done
c The sum is done
d Let the sum done
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Let the sum be done কেন সঠিক: - মূল বাক্যটি Imperative Sentence হওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে Let বসে। - এর পর অবজেক্ট (the sum), তারপর be এবং মূল verb-এর Past Participle রূপ (done) বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let be sum done — এখানে অবজেক্টের সঠিক স্থান পরিবর্তন করা হয়নি এবং অনুক্রম ভুল। B) Let the sum be done — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। C) The sum is done — এটি Passive voice হলেও মূল Imperative বাক্যের স্ট্রাকচার অনুসরণ করেনি। D) Let the sum done — এখানে be verb বাদ দেওয়া হয়েছে যা Passive voice গঠনের নিয়মবিরুদ্ধ। মনে রাখার টিপস: Imperative Sentence-কে Active থেকে Passive করার সময় মনে রাখবে: Let + অবজেক্ট + be + V3।
a Inflation
b Deflation
c Jubilant
d Boom
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Boom কেন সঠিক: - Recession শব্দের অর্থ অর্থনৈতিক মন্দা বা ব্যবসা-বাণিজ্যের পতন। - Boom শব্দের অর্থ ব্যবসা-বাণিজ্যের আকস্মিক প্রসার বা রমরমা অবস্থা, যা মন্দার বিপরীত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Inflation — এর অর্থ মুদ্রাস্ফীতি, যা অর্থনৈতিক মন্দার সরাসরি বিপরীতার্থক নয়। B) Deflation — এর অর্থ মুদ্রাসংকোচন, যা এক ধরনের মন্দারই সমার্থক বা সম্পর্কিত রূপ। C) Jubilant — এর অর্থ অত্যন্ত আনন্দিত বা উল্লাসিত, যা একটি আবেগ প্রকাশ করে এবং অর্থনৈতিক পরিভাষা নয়। D) Boom — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি মন্দার বিপরীত অবস্থা নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: মন্দা বা পতন বোঝাতে Recession এবং রমরমা ভাব বা সমৃদ্ধি বোঝাতে Boom শব্দটি ব্যবহার করা হয়।

মোট প্রশ্ন (20)

a 55
b 56
c 57
d 58
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম অংশে গাড়ির বেগ = ৪৫ মাইল প্রতি ঘণ্টা এবং সময় = ২০ মিনিট দ্বিতীয় অংশে গাড়ির বেগ = ৬০ মাইল প্রতি ঘণ্টা এবং সময় = ৪০ মিনিট ধরি, প্রথম অংশের অতিক্রান্ত দূরত্ব = (৪৫ × ২০) ÷ ৬০ মাইল = ১৫ মাইল দ্বিতীয় অংশের অতিক্রান্ত দূরত্ব = (৬০ × ৪০) ÷ ৬০ মাইল = ৪০ মাইল অতএব, মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ১৫ মাইল + ৪০ মাইল = ৫৫ মাইল মোট সময় = ২০ মিনিট + ৪০ মিনিট = ৬০ মিনিট বা ১ ঘণ্টা সুতরাং, গতির গড় = মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব ÷ মোট সময় উত্তর: ৫৫ মাইল প্রতি ঘণ্টা
a ১৮০°
b ১২০°
c ৩৬০°
d ৯০°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮০° প্রদত্ত তথ্য: একটি সরলরেখার উপর একটি রেখাংশ মিলিত হয়েছে উৎপন্ন কোণ দুটি পরস্পর সন্নিহিত কোণ ধরি, সরলরেখাটির উপর অবস্থিত কোণ দুটি ক এবং খ সন্নিহিত কোণ দুটির সমষ্টি হলো সরলকোণ অতএব, জ্যামিতিক নিয়ম অনুযায়ী একটি সরলরেখার উপর উৎপন্ন কোণের পরিমাণ স্থির থাকে এই নির্দিষ্ট কোণের মান হলো দুই সমকোণ বা এক সরলকোণ সুতরাং, এক সরলকোণ বা দুই সমকোণের মান হলো একশত আশি ডিগ্রি উত্তর: ১৮০°
a 10
b 15
c 20
d 25
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো ৮০ প্রথমে নির্ণয় করতে হবে ৮০ এর ৭৫% পরে নির্ণয় করতে হবে প্রাপ্ত মানের ২৫% ধরি, প্রথম অংশ = ৮০ এর ৭৫% দ্বিতীয় অংশ = প্রাপ্ত মানের ২৫% অতএব, ৮০ এর ৭৫% = ৮০ × ৭৫ ÷ ১০০ ৮০ × ৭৫ ÷ ১০০ = ৬০ সুতরাং, ৬০ এর ২৫% = ৬০ × ২৫ ÷ ১০০ ৬০ × ২৫ ÷ ১০০ = ১৫ উত্তর: ১৫
a 16
b 25
c 64
d 56
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো দুই এর ঘাত n সমান বত্রিশ ধরি, ভিত্তি দুই কে বারবার গুণ করে বত্রিশ পেতে হবে অতএব, দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই সমান বত্রিশ সুতরাং, দুই এর ওপর ঘাত পাঁচ সমান বত্রিশ, অর্থাৎ n সমান পাঁচ উত্তর: n এর মান পাঁচ হলে n এর বর্গ সমান পাঁচ গুণ পাঁচ সমান পঁচিশ
a ০.৯১ মাইল
b ১.৫০ মাইল
c ০.৬২১ মাইল
d ০.৬৫ মাইল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.৬২১ মাইল প্রদত্ত তথ্য: ১ মাইল সমান প্রায় ১.৬০৯ কিলোমিটার ধরি, ১ কিলোমিটার সমান খ মাইল অতএব, ১ কিলোমিটার = ১ ÷ ১.৬০৯ মাইল সুতরাং, ১ কিলোমিটার = ০.৬২১ মাইল উত্তর: ০.৬২১ মাইল
a 11
b 9
c 1
d -1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ প্রদত্ত তথ্য: পাঁচ অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা চার অংকের বৃহত্তম সংখ্যা ধরি, পাঁচ অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ১০০০০ চার অংকের বৃহত্তম সংখ্যা = ৯৯৯৯ অতএব, সংখ্যা দুটির বিয়োগফল বের করতে হবে ১০০০০ থেকে ৯৯৯৯ বিয়োগ করতে হবে সুতরাং, ১০০০০ − ৯৯৯৯ = ১ উত্তর: ১
a 364
b 334
c 154
d 512
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৬৪ প্রদত্ত তথ্য: x − (১ ÷ x) = ৭ ধরি, বীজগণিতের সূত্র ব্যবহার করে পাই a³ − b³ = (a − b)³ + ৩ab(a − b) অতএব, x³ − (১ ÷ x)³ এর মান বের করতে হবে x³ − (১ ÷ x)³ = (x − ১ ÷ x)³ + ৩ × (x × ১ ÷ x) × (x − ১ ÷ x) সুতরাং, মান বসিয়ে পাই, ৭³ + ৩ × ৭ = ৩৪৩ + ২১ উত্তর: ৩৬৪
a 3
b 12
c 6
d 9
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯ প্রদত্ত তথ্য: দুটি রাশির যোগফল = ৭ দুটি রাশির গুণফল = ১০ ধরি, প্রথম রাশি = x দ্বিতীয় রাশি = y অতএব, আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী (x − y) এর বর্গ = (x + y) এর বর্গ − ৪ × x × y সুতরাং, (x − y) এর বর্গ = (৭) এর বর্গ − ৪ × ১০ (x − y) এর বর্গ = ৪৯ − ৪০ = ৯ উত্তর: ৯
a সম্পূরক কোণ
b পূরক কোণ
c প্রবৃদ্ধ কোণ
d স্থূল কোণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রবৃদ্ধ কোণ প্রদত্ত তথ্য: কোণের পরিমাপ দুই সমকোণ অর্থাৎ ১৮০ ডিগ্রি অপেক্ষা বড় কোণের পরিমাপ চার সমকোণ অর্থাৎ ৩৬০ ডিগ্রি অপেক্ষা ছোট ধরি, অজানা কোণটি = ক ডিগ্রি অতএব, ১৮০ ডিগ্রি < ক < ৩৬০ ডিগ্রি সুতরাং, দুই সমকোণ থেকে বড় এবং চার সমকোণ থেকে ছোট কোণকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলা হয় উত্তর: প্রবৃদ্ধ কোণ
a (x - 10)(x + 6)
b (x + 6)(x + 10)
c (x + 10)(x + 6)
d (x - 10)(x - 6)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (x − ১০)(x + ৬) প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো (x + ৫)(x − ৯) − ১৫ ধরি, প্রথমে গুণ করে পাই, x স্কয়ার − ৯x + ৫x − ৪৫ − ১৫ অতএব, যোগ বিয়োগ করে পাই, x স্কয়ার − ৪x − ৬০ সুতরাং, মিডল টার্ম করি, x স্কয়ার − ১০x + ৬x − ৬০ উত্তর: (x − ১০)(x + ৬)
a চতুর্ভুজ
b সামান্তরিক
c বহুভুজ
d ট্রাপিজিয়াম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চতুর্ভুজ প্রদত্ত তথ্য: জ্যামিতিতে আয়তক্ষেত্র একটি বিশেষ আকৃতি বর্গক্ষেত্র এবং রম্বস হলো বিভিন্ন ধরনের চতুর্ভুজ ধরি, চারটি বাহু দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্র = চতুর্ভুজ আয়তক্ষেত্র, বর্গক্ষেত্র ও রম্বসের বাহুর সংখ্যা = চারটি অতএব, আয়তক্ষেত্রের বিপরীত বাহু সমান ও কোণগুলো সমকোণ বর্গক্ষেত্রের চারটি বাহু সমান ও কোণগুলো সমকোণ রম্বসের চারটি বাহু সমান কিন্তু কোণগুলো সমকোণ নয় সুতরাং, এদের সকলেরই চারটি করে বাহু রয়েছে এবং এরা প্রত্যেকেই এক একটি নির্দিষ্ট ধরনের চতুর্ভুজ উত্তর: A) চতুর্ভুজ
a ৭ তারিখ
b ৮ তারিখ
c ৯ তারিখ
d ১০ তারিখ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭ তারিখ প্রদত্ত তথ্য: ১৭ দিন আগে রুবেল বলেছিল জন্মদিন আগামীকাল আজ মাসের ২৩ তারিখ ধরি, ১৭ দিন আগের দিনটি ছিল আজ থেকে ১৭ দিন পেছনের বার যেহেতু ১৭ দিন আগে সে বলেছিল আগামীকাল জন্মদিন অতএব, ১৭ দিন আগে রুবেলের জন্মদিন ছিল ১৭ দিন আগের পরের দিন অর্থাৎ ১৭ দিন আগের সাথে ১ দিন যোগ করতে হবে সুতরাং, ১৭ দিন আগে + ১ দিন = ১৮ দিন আগে আজ হলো ২৩ তারিখ থেকে ১৮ দিন বাদ দিতে হবে উত্তর: ২৩ − ১৮ = ৭ তারিখ
a 0.02
b 1
c 0.01
d 0.1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.০১ প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪০০ মিটার ধরি, বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × ক মিটার অতএব, ৪ × ক = ৪০০ ক = ৪০০ ÷ ৪ ক = ১০০ মিটার সুতরাং, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (১০০ × ১০০) বর্গমিটার = ১০০০০ বর্গমিটার ১ বর্গকিলোমিটার = ১০০০০০০ বর্গমিটার উত্তর: ১০০০০ ÷ ১০০০০০০ = ০.০১ বর্গকিলোমিটার
a ২০ : ৩
b ৩ : ৪
c ৪ : ৫
d ১ : ৪
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১ : ৪ প্রদত্ত তথ্য: সাপ্তাহিক আয় = ২,২০০ টাকা সাপ্তাহিক ব্যয় = ১,৬৫০ টাকা ধরি, সঞ্চয় = আয় − ব্যয় অতএব, সঞ্চয় = ২,২০০ টাকা − ১,৬৫০ টাকা সঞ্চয় = ৫৫০ টাকা সুতরাং, সঞ্চয়ের সাথে আয়ের অনুপাত = ৫৫০ : ২,২০০ উত্তর: ১ : ৪
a ১৫০ ডিগ্রি
b ১৬০ ডিগ্রি
c ৯০ ডিগ্রি
d ১২০ ডিগ্রি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২০ ডিগ্রি প্রদত্ত তথ্য: ঘড়িতে সময় ৮টা বাজে সম্পূর্ণ ঘড়িটি বৃত্তাকার এবং এর মান ৩৬০ ডিগ্রি ঘড়িতে মোট ১২টি ঘণ্টার ঘর আছে ধরি, ঘড়ির প্রতি দুই ঘরের মধ্যবর্তী দূরত্ব ৩০ ডিগ্রি অতএব, ১২টি ঘণ্টার ঘরের জন্য মোট কোণ ৩৬০ ডিগ্রি প্রতি ১ ঘণ্টার ঘরের কোণ ৩৬০ ডিগ্রি ÷ ১২ = ৩০ ডিগ্রি সুতরাং, ৮টার সময় কাঁটা দুটির মধ্যবর্তী ঘরের সংখ্যা ৮টি উত্তর: ৮ × ৩০ ডিগ্রি = ১২০ ডিগ্রি
a 800
b 1200
c 1400
d 1000
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০০০ প্রদত্ত তথ্য: x এর মান = ১৫ y এর মান = ৫ ধরি, রাশিটি হলো x এর কিউব বিয়োগ তিন গুণ x এর স্কয়ার y যোগ তিন গুণ x y এর স্কয়ার বিয়োগ y এর কিউব অতএব, বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী এটি হলো (x বিয়োগ y) এর হোল কিউব সুতরাং, বন্ধনীর ভেতরে ১৫ থেকে ৫ বিয়োগ করলে থাকে ১০ উত্তর: ১০ এর কিউব সমান ১০০০
a ১ টি
b ২ টি
c ৩ টি
d প্রান্তবিন্দু নেই
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রান্তবিন্দু নেই প্রদত্ত তথ্য: জ্যামিতিতে রেখা বা সরলরেখার সংজ্ঞা ধরি, রেখা উভয় দিকে অসীম পর্যন্ত বিস্তৃত অতএব, রেখার কোনো নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য থাকে না রেখার কোনো প্রান্তবিন্দু থাকে না সুতরাং, জ্যামিতিক নিয়ম অনুযায়ী রেখার প্রান্তবিন্দু শূন্য টি উত্তর: D) প্রান্তবিন্দু নেই
a 1.25
b 1.15
c 0.8
d 0.2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১.২৫ প্রদত্ত তথ্য: আলমের বয়স কমলের বয়সের ৮০% ধরি, কমলের বয়স = ১০০ আলমের বয়স = ৮০ অতএব, কমলের বয়স আলমের বয়সের কত গুণ তা বের করতে হবে সুতরাং, কমলের বয়স ÷ আলমের বয়স = ১০০ ÷ ৮০ উত্তর: ১.২৫
a 7
b 11
c 9
d 13
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৭, ৮, ১১, ১৩, ১৫, ১৯ ধরি, উপাত্তগুলোকে ছোট থেকে বড় সাজানো হলো মোট পদের সংখ্যা বা এন = ৮ (জোড় সংখ্যা) অতএব, মধ্যক হবে এন ভাগ দুই তম পদ এবং এন ভাগ দুই যোগ এক তম পদের মান দুটির গড় এখানে চতুর্থ পদ হলো ৮ এবং পঞ্চম পদ হলো ১১ সুতরাং, চতুর্থ ও পঞ্চম পদের যোগফল = ৮ + ১১ = ১৯ উত্তর: ১৯ ভাগ ২ = ৯ দশমিক ৫ (প্রায় ৯)
a ২৫%
b ২৮%
c ৩০%
d ৩২%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩০% প্রদত্ত তথ্য: মোট ছাত্রের সংখ্যা = ৬০ জন ফেল করা ছাত্রের সংখ্যা = ৪২ জন ধরি, পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = মোট ছাত্র − ফেল করা ছাত্র অতএব, পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = ৬০ − ৪২ = ১৮ জন সুতরাং, পাশের হার = (১৮ ÷ ৬০) × ১০০% উত্তর: ৩০%

মোট প্রশ্ন (17)

a ১ নং সেক্টর
b ১১ নং সেক্টর
c ৩ নং সেক্টর
d ৮ নং সেক্টর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১ নং সেক্টর কেন সঠিক: - মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং ১১ নং সেক্টরের দায়িত্বে ছিলেন মেজর এম এ তাহের ও পরবর্তীতে উইং কমান্ডার এম হামিদুল্লাহ খান। - ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা এই ১১ নং সেক্টরের অধীন ছিল এবং এই অঞ্চলে শত্রুর বিরুদ্ধে সফল গেরিলা অপারেশন পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ নং সেক্টর — এটি চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং ফেনী নদীর অববাহিকা এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল। B) ১১ নং সেক্টর — এটি ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা নিয়ে গঠিত ছিল এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানে মিলে গেছে। C) ৩ নং সেক্টর — এটি হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং ঢাকা ও ময়মনসিংহের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল। D) ৮ নং সেক্টর — এটি কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা এবং ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল। মনে রাখার টিপস: ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চলের ১১ জন মুক্তিকামী মানুষ সেক্টর ১১-এর অধীনে যুদ্ধ করেছিলেন।
a বেকারেল
b ব্যারেল
c ওহম
d প্যাসকেল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বেকারেল কেন সঠিক: - তেজস্ক্রিয়তার এসআই একক হলো বেকারেল, যা বিজ্ঞানী হেনরি বেকারেলের নামানুসারে রাখা হয়েছে। - প্রতি সেকেন্ডে একটি তেজস্ক্রিয় ক্ষয়কে এক বেকারেল বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেকারেল — এটি তেজস্ক্রিয়তার পরিমাপের সঠিক একক। B) ব্যারেল — এটি তরল পদার্থের আয়তন মাপার একক, বিশেষ করে পেট্রোলিয়ামের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। C) ওহম — এটি তড়িৎ রোধ পরিমাপের একক। D) প্যাসকেল — এটি চাপ পরিমাপের একক। মনে রাখার টিপস: তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেছিলেন হেনরি বেকারেল, তাই তার নামানুসারে তেজস্ক্রিয়তার একক বেকারেল।
a নৌ-বাহিনী
b সেনাবাহিনী
c বিমানবাহিনী
d পুলিশবাহিনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নৌ-বাহিনী কেন সঠিক: - মোহাম্মদ রুহুল আমিন ১৯৭১ সালে পাকিস্তান নৌবাহিনীর চাকরি ত্যাগ করে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। - তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ইঞ্জিন রুম আর্টিফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর শহীদ হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নৌ-বাহিনী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই বাহিনীর সদস্য ছিলেন। B) সেনাবাহিনী — এটি ভুল কারণ তিনি স্থলভাগে যুদ্ধ করলেও মূল পেশাগতভাবে সেনাবাহিনীর সদস্য ছিলেন না। C) বিমানবাহিনী — এটি ভুল কারণ তিনি বিমানবাহিনীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। D) পুলিশবাহিনী — এটি ভুল কারণ তিনি পুলিশ বাহিনীর সদস্য ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: নৌকার মাঝি যেমন পানিতে চলে, তেমনি বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ছিলেন নৌ-বাহিনীর বীর সেনানি।
a ত্রিপুরা
b আসাম
c মনিপুর
d মিজোরাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মিজোরাম কেন সঠিক: - কর্ণফুলি নদী ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে রাঙ্গামাটি ও চট্টগ্রাম হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। - বাংলাদেশের নদীগুলোর উৎপত্তিস্থল ও গতিপ্রকৃতি বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক তথ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ত্রিপুরা — এটি ভারতের একটি রাজ্য হলেও কর্ণফুলি নদীর উৎপত্তিস্থল এখানে নয়, এখান থেকে গোমতী নদী উৎপন্ন হয়েছে। B) আসাম — আসাম ভারতের একটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য, যা ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় অবস্থিত এবং কর্ণফুলির উৎপত্তিস্থল নয়। C) মনিপুর — মনিপুর থেকে বারাক নদী উৎপন্ন হয়েছে, যা কর্ণফুলি নদীর উৎপত্তিস্থল নয়। D) মিজোরাম — এটি কর্ণফুলি নদীর সঠিক উৎপত্তিস্থল হিসেবে ভৌগোলিকভাবে প্রমাণিত। মনে রাখার টিপস: কর্ণফুলি নদীর উৎপত্তিস্থল মনে রাখতে মিজোরামের লুসাই পাহাড় কথাটি মনে রাখতে হবে।
a কুরিল দ্বীপপুঞ্জ
b শিকোকু দ্বীপপুঞ্জ
c বিনানণ্ডয়া দ্বীপপুঞ্জ
d ক্রুশ দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কুরিল দ্বীপপুঞ্জ কেন সঠিক: - এই দ্বীপপুঞ্জটি প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর অংশে অবস্থিত এবং এটি নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও ভূরাজনৈতিক বিরোধ রয়েছে। - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষভাগে সোভিয়েত ইউনিয়ন এই দ্বীপগুলোর নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে এবং বর্তমানে এগুলো রাশিয়ার প্রশাসনের অধীনে থাকলেও জাপান দাবি করে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুরিল দ্বীপপুঞ্জ — এটি রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপপুঞ্জ এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) শিকোকু দ্বীপপুঞ্জ — এটি জাপানের প্রধান চারটি দ্বীপের একটি এবং এটি নিয়ে কোনো আন্তর্জাতিক বিরোধ নেই। C) বিনানণ্ডয়া দ্বীপপুঞ্জ — এটি কোনো পরিচিত বা প্রাসঙ্গিক ভূরাজনৈতিক বিরোধপূর্ণ দ্বীপপুঞ্জ নয়। D) ক্রুশ দ্বীপপুঞ্জ — এটি এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে সঠিক নয় এবং এটি কোনো বিরোধপূর্ণ অঞ্চলের নাম নয়। মনে রাখার টিপস: জাপান ও রাশিয়ার বিরোধ মানেই কুরিল দ্বীপপুঞ্জ, যা ঠাণ্ডা লড়াই ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঐতিহাসিক ফলাফলের সাথে জড়িত।
a নীল চাষের অর্থনীতি
b সমুদ্র অর্থনীতি
c বনজ অর্থনীতি
d খনিজ অর্থনীতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সমুদ্র অর্থনীতি কেন সঠিক: - ব্লু-ইকোনমি বা নীল অর্থনীতি বলতে সমুদ্রসম্পদের টেকসই ব্যবহারকে বোঝায় যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সমুদ্রের স্বাস্থ্য রক্ষা করে। - সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ, খনিজ উত্তোলন এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করাই এর মূল লক্ষ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীল চাষের অর্থনীতি — এটি কোনো স্বীকৃত অর্থনৈতিক ধারণা নয় এবং সমুদ্র অর্থনীতির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। B) সমুদ্র অর্থনীতি — এটি ব্লু-ইকোনমির সঠিক বাংলা প্রতিশব্দ যা সমুদ্রভিত্তিক সম্পদ ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে নির্দেশ করে। C) বনজ অর্থনীতি — এটি বনায়ন, কাঠ এবং বনভিত্তিক সম্পদের সাথে সম্পর্কিত যা সমুদ্র অর্থনীতির অংশ নয়। D) খনিজ অর্থনীতি — এটি সাধারণত ভূগর্ভস্থ খনিজ সম্পদ উত্তোলনের সাথে সম্পর্কিত, এককভাবে সমুদ্র অর্থনীতিকে বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: ব্লু বা নীল রঙ সমুদ্রের প্রতীক, তাই ব্লু-ইকোনমি মানেই সমুদ্র অর্থনীতি।
a ঘানা
b কানাডা
c গাম্বিয়া
d সৌদি আরব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গাম্বিয়া কেন সঠিক: - গাম্বিয়া ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ICJ) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর গণহত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করে। - ওআইসি (OIC)-র পক্ষে পশ্চিম আফ্রিকার এই মুসলমানপ্রধান দেশটি বিশ্বমঞ্চে এই আইনি লড়াই পরিচালনা করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘানা — এটি আফ্রিকার একটি দেশ হলেও রোহিঙ্গা গণহত্যার মামলায় বাদী হিসেবে অংশ নেয়নি। B) কানাডা — দেশটি রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে সরব এবং অর্থায়ন করলেও আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের করেনি। C) গাম্বিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) সৌদি আরব — ওআইসির প্রভাবশালী সদস্য হলেও এই মামলাটি সরাসরি দায়ের করেছে গাম্বিয়া। মনে রাখার টিপস: রোহিঙ্গা গণহত্যার মামলা করেছে জি (G) দিয়ে শুরু দেশ গাম্বিয়া (Gambia)।
a ১০ মে ১৯৭২
b ২৩ মে ১৯৭৩
c ২৩ মে ১৯৭২
d ১৩ মে ১৯৭৩
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৩ মে ১৯৭৩ কেন সঠিক: - বিশ্ব শান্তি পরিষদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর শান্তিপ্রিয়তা ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৩ সালের ২৩ মে জুলিও কুরি শান্তি পদক প্রদান করে। - এটি ছিল বাংলাদেশের প্রাপ্ত প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মাননা, যা তৎকালীন সংসদ ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাকে প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ মে ১৯৭২ — এই তারিখে জুলিও কুরি পদক প্রদানের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা নেই, এটি ভুল তারিখ। B) ২৩ মে ১৯৭৩ — এটি সঠিক উত্তর, এই দিনেই বঙ্গবন্ধুকে আনুষ্ঠানিকভাবে জুলিও কুরি পদক প্রদান করা হয়। C) ২৩ মে ১৯৭২ — সালটি ১৯৭২ নয় বরং ১৯৭৩ হবে, তাই এই অপশনটি ভুল। D) ১৩ মে ১৯৭৩ — তারিখটি সঠিক নয়, সঠিক তারিখটি হলো ২৩ মে ১৯৭৩। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুকে জুলিও কুরি পদক দেওয়া হয় ১৯৭৩ সালের ২৩ মে, যা মনে রাখতে ৭৩ এর মে মাসের তেইশ তারিখ এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a রুমানিয়া
b হাঙ্গেরি
c বেলারুশ
d তুরস্ক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেলারুশ কেন সঠিক: - বেলারুশ ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক কারণে রাশিয়াকে সরাসরি সমর্থন দিয়েছে এবং ইউক্রেন আক্রমণের জন্য নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দিয়েছে। - রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর জন্য লজিস্টিক সহায়তা ও সৈন্য চলাচলের পূর্ণ সুবিধা প্রদান করেছিল বেলারুশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রুমানিয়া — এটি নেটো জোটের সদস্য দেশ এবং ইউক্রেন সংকটে রাশিয়ার বিরোধিতা করে আসছে। B) হাঙ্গেরি — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য এবং সামরিকভাবে রাশিয়ার পক্ষ না নিয়ে নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখেছে। D) তুরস্ক — এটি ন্যাটোর সদস্য দেশ হলেও রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে এবং কোনো পক্ষ নেয়নি। মনে রাখার টিপস: রাশিয়ার সবচেয়ে ঘনিষ্ট প্রতিবেশী ও সহযোগী রাষ্ট্র হিসেবে বেলারুশ ইউক্রেন অভিযানে প্রত্যক্ষ পক্ষ নিয়েছিল।
a অক্সিজেন
b নাইট্রোজেন
c ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
d হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্লোরোফ্লোরো কার্বন কেন সঠিক: - ক্লোরোফ্লোরো কার্বন বা সিএফসি বায়ুমণ্ডলে তাপ আটকে রেখে গ্রিনহাউস প্রভাবে সরাসরি ভূমিকা রাখে। - এটি ওজোন স্তর ধ্বংস করার পাশাপাশি বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সিজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান এবং জীবকুলের শ্বাসকাজে লাগে, যা গ্রিনহাউস গ্যাস নয়। B) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের সর্বাধিক পরিমাণ থাকা নিষ্ক্রিয় গ্যাস, যা গ্রিনহাউস প্রভাবে অংশ নেয় না। C) ক্লোরোফ্লোরো কার্বন — এটি একটি অন্যতম প্রধান কৃত্রিম গ্রিনহাউস গ্যাস। D) হাইড্রোজেন — এটি অত্যন্ত হালকা ও দাহ্য গ্যাস যা সরাসরি গ্রিনহাউস গ্যাস হিসেবে কাজ করে না। মনে রাখার টিপস: সিএফসি বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন হলো সেই গ্যাস যা এসি এবং ফ্রিজ থেকে বেরিয়ে ওজোন স্তর নষ্ট করে এবং পৃথিবী গরম করে।
a ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪
b ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪
c ২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩
d ২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৭২
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে প্রথম বাঙালি হিসেবে বাংলায় ভাষণ দেন। - এই ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে তিনি বিশ্বদরবারে বাংলা ভাষাকে এক অনন্য উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করেন এবং স্বাধীন বাংলাদেশের কণ্ঠস্বর তুলে ধরেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় প্রথম ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন। B) ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ — এই তারিখে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশন শুরু হলেও বঙ্গবন্ধু ভাষণ দেননি। C) ২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩ — এটি ভুল কারণ ১৯৭৩ সাল নয়, বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিয়েছিলেন ১৯৭৪ সালে। D) ২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৭২ — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশ জাতিসংঘে সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর এবং তিনি ভাষণ দেন ১৯৭৪ সালে। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ মনে রাখতে সাল ১৯৭৪ এবং মাস সেপ্টেম্বর মনে রাখুন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি মাইলফলক।
a অস্ট্রেলিয়া ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়
b বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়
c দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়
d টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অস্ট্রেলিয়া ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয় কেন সঠিক: - মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশেষ অবদানের জন্য অস্ট্রেলিয়া ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয় ‘ডক্টর অব ল’ ডিগ্রি প্রদান করে। - আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শান্তি ও মানবাধিকার রক্ষায় তাঁর নেতৃত্বকে স্বীকৃতি জানাতে বিশ্ববিদ্যালয়টি এই সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রদান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্ট্রেলিয়া ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বিশ্ববিদ্যালয়টিই তাঁকে উক্ত ডিগ্রি প্রদান করেছিল। B) বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় — এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় হলেও শেখ হাসিনাকে এই ডিগ্রি প্রদানে যুক্ত ছিল না। সি) দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় — এই বিশ্ববিদ্যালয়টি অন্য কোনো সময়ে বা ক্ষেত্রে সম্মাননা দিলেও এই নির্দিষ্ট ডিগ্রির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ডি) টোকিও বিশ্ববিদ্যালয় — এটি জাপানের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়, যা এই সম্মাননা প্রদানের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় স্বীকৃতি মনে রাখতে ‘অস্ট্রেলিয়া ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়’ এবং ‘মানবাধিকারের আইন’ বা ‘ডক্টর অব ল’ একসঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখুন।
a চাঁপাই-নবাবগঞ্জ
b নওগাঁ
c দিনাজপুর
d বগুড়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বগুড়া কেন সঠিক: - প্রাচীন বাংলার পুণ্ড্র জনপদের প্রধান কেন্দ্র ছিল পুণ্ড্রবর্ধন, যার বর্তমান অবস্থান বগুড়ার মহাস্থানগড়। - প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্যের ভৌগোলিক পরিধি বর্তমান বগুড়া জেলা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁপাই-নবাবগঞ্জ — এটি প্রাচীন বাংলার গৌড় জনপদের অন্তর্ভুক্ত এলাকা ছিল, পুণ্ড্র জনপদের নয়। B) নওগাঁ — এটি বরেন্দ্র অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হলেও পুণ্ড্র জনপদের মূল কেন্দ্র বগুড়ায় অবস্থিত। C) দিনাজপুর — এটি প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনভুক্ত হলেও পুণ্ড্র জনপদের মূল রাজধানী বা প্রধান এলাকা বগুড়ায় ছিল। D) বগুড়া — এটি পুণ্ড্র জনপদের মূল ভূখণ্ড ও প্রশাসনিক কেন্দ্র মহাস্থানগড়ের অন্তর্ভুক্ত সঠিক এলাকা। মনে রাখার টিপস: পুণ্ড্র মানেই প্রাচীন বগুড়ার মহাস্থানগড়।
a বাফার রাষ্ট্র
b স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র
c জিরো সাম রাষ্ট্র
d নিরপেক্ষ রাষ্ট্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাফার রাষ্ট্র কেন সঠিক: - দুই বা ততোধিক শক্তিশালী বা প্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্রের মাঝখানে অবস্থিত স্বাধীন রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বাফার রাষ্ট্র বলা হয়। - এই ধরনের রাষ্ট্রগুলোর মূল কাজ হলো বড় শক্তিগুলোর মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ বা সংঘাত এড়ানো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাফার রাষ্ট্র — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এর মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির মধ্যবর্তী রাষ্ট্র বোঝায়। B) স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র — এর চারদিকে সমুদ্র থাকে না, যা ভিন্ন একটি ভৌগোলিক অবস্থান নির্দেশ করে। C) জিরো সাম রাষ্ট্র — এটি অর্থনীতি ও ক্রীড়াতত্ত্বের একটি ধারণা, যা ভূরাজনীতির এই সংজ্ঞার সঙ্গে মিলে না। D) নিরপেক্ষ রাষ্ট্র — এটি আন্তর্জাতিক সংঘাতে কোনো পক্ষ না নেওয়া রাষ্ট্র, তবে ভৌগোলিক অবস্থানগতভাবে মাঝখানে থাকাই বাধ্যতামূলক নয়। মনে রাখার টিপস: দুই শক্তির মাঝে বাফারের মতো কাজ করে যে রাষ্ট্র, তাকেই বাফার রাষ্ট্র বলে মনে রাখবে।
a ৬ টি
b ৮ টি
c ১০ টি
d ৪ টি
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ৪ টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় এবং অনুচ্ছেদ ৮(১) অনুযায়ী সংবিধানের মূলনীতি মোট চারটি। - এই চারটি মূলনীতি হলো জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ টি — সংবিধান বা এর মূলনীতির সংখ্যা ছয়টি নয়, তাই এটি ভুল। B) ৮ টি — বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি আটটি নয়, এটি ভুল তথ্য। সি) ১০ টি — সংবিধানের মূলনীতি দশটি নয়, সঠিক সংখ্যা মাত্র চারটি। D) ৪ টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংবিধান অনুযায়ী মূলনীতি চারটি। মনে রাখার টিপস: মূলনীতিগুলো মনে রাখার সহজ শব্দ সংকেত হলো "নাসাদোগে" অর্থাত্ জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
a সালাম
b বরকত
c রফিক
d শফিউর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বরকত কেন সঠিক: - আবুল বরকত ভাষা আন্দোলনের সময় ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ হন এবং তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ছিলেন। - ভাষা শহীদদের মধ্যে একমাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আবুল বরকতের নাম নিশ্চিত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সালাম — আবদুস সালাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন না, তিনি তৎকালীন শিল্প মন্ত্রণালয়ের একজন পিয়ন ছিলেন। B) বরকত — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। C) রফিক — রফিক উদ্দিন আহমদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন না, তিনি জগন্নাথ কলেজের (বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয়) বাণিজ্য বিভাগের ছাত্র ছিলেন। D) শফিউর — শফিউর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন না, তিনি ঢাকা হাইকোর্টের হিসাব রক্ষণ শাখার একজন কর্মচারী ছিলেন। মনে রাখার টিপস: বরকত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন, রফিক ছিলেন জগন্নাথ কলেজের ছাত্র এবং সালাম ও শফিউর চাকরিজীবী ছিলেন।
a কৃষ্ণ-মর্মর সাগর
b আটলান্টিক-উত্তর সাগর
c এডেন-লোহিত সাগর
d চুপচি-বেরিং সাগর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কৃষ্ণ-মর্মর সাগর কেন সঠিক: - বসফরাস প্রণালী তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরের উপর অবস্থিত এবং এটি কৃষ্ণ সাগরকে মর্মর সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। - এটি এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশকে পৃথক করেছে এবং কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জলপথ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষ্ণ-মর্মর সাগর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ বসফরাস প্রণালী এই দুটি সাগরকেই সংযুক্ত করে। B) আটলান্টিক-উত্তর সাগর — এটি ভুল কারণ উত্তর সাগর আটলান্টিক মহাসাগরের অংশ হলেও বসফরাস প্রণালী একে সংযুক্ত করেনি। C) এডেন-লোহিত সাগর — এটি ভুল কারণ বাবেল মান্দেব প্রণালী এডেন উপসাগর ও লোহিত সাগরকে সংযুক্ত করেছে। D) চুপচি-বেরিং সাগর — এটি ভুল কারণ বেরিং প্রণালী চুপচি সাগর ও বেরিং সাগরকে সংযুক্ত করেছে। মনে রাখার টিপস: বসফরাস প্রণালীর অবস্থান মনে রাখতে 'বকম' শব্দসংকেত ব্যবহার করতে পারো, যেখানে ব-তে বসফরাস, ক-তে কৃষ্ণ সাগর এবং ম-তে মর্মর সাগর বোঝায়।

মোট প্রশ্ন (5)

a Co-carbon monoxide
b VI very important
c D-disease
d 19- সিরিজের ১৯ নং Virus
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) D-disease ১. কেন সঠিক: COVID-19 শব্দটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক প্রবর্তিত একটি সংক্ষিপ্ত রূপ যার পূর্ণরূপ হলো Coronavirus Disease 2019। এখানে Co দ্বারা করোনা, Vi দ্বারা ভাইরাস এবং D দ্বারা ডিজিজ বা রোগ বোঝানো হয়েছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: COVID-19 হলো সার্স-কোভ-টু নামক ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট একটি সংক্রামক রোগ যা ২০১৯ সালে প্রথম শনাক্ত হয়। কার্যপদ্ধতি: এই ভাইরাসটি মানুষের শ্বাসনালীতে আক্রমণ করে এবং হাঁচি কাশির মাধ্যমে ছড়ায়। ব্যবহার: চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং জনস্বাস্থ্য রক্ষায় মহামারী নিয়ন্ত্রণে এই নামকরণ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সার্স রোগ ব্যাখ্যা: Severe Acute Respiratory Syndrome এর ক্ষেত্রেও একই ধরনের নামকরণের নিয়ম অনুসরণ করা হয়। উদাহরণ ২: ইবোলা ভাইরাস রোগ ব্যাখ্যা: ভাইরাসের নাম এবং রোগের ধরন মিলিয়ে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে এই নামকরণ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Co-carbon monoxide — কার্বন ডাই অক্সাইড বা কার্বন মনোক্সাইড পরিবেশগত গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়, যা ভাইরাসের নামকরণের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) VI very important — এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক এবং প্রাশাসনিক বা চিকিৎসাবিজ্ঞানের নামকরণের নিয়মের বহির্ভূত। D) 19- সিরিজের ১৯ নং Virus — ১৯ সংখ্যাটি কোনো ভাইরাসের ক্রমিক বা সিরিজ নম্বর নয়, বরং এটি সাল বা বছর ২০১৯ কে নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: CO-Corona, VI-Virus, D-Disease এবং 19-2019 সাল। শব্দটির প্রতিটি অংশের পূর্ণরূপ মনে রাখলেই এই ধরনের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়া সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি এই রোগের আনুষ্ঠানিক নামকরণ করে COVID-19। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের সংক্ষিপ্ত রূপের পূর্ণরূপ বা শব্দের অর্থ জানতে চাওয়া হয়।
a ব্যাকআপ
b ডি ড্রাইভ
c ফায়ারওয়াল
d কম্পাইলার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফায়ারওয়াল ১. কেন সঠিক: - ফায়ারওয়াল হলো একটি নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা বাইরের অননুমোদিত আক্রমণ ও হ্যাকিং থেকে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ককে সুরক্ষিত রাখে। - এটি পূর্বনির্ধারিত নিরাপত্তা নিয়মের ভিত্তিতে ইনকামিং ও আউটগোয়িং নেটওয়ার্ক ট্রাফিক মনিটর ও ফিল্টার করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ফায়ারওয়াল হলো এমন একটি সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যারভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা বিশ্বস্ত অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক এবং অবিশ্বস্ত বাহ্যিক নেটওয়ার্কের মাঝখানে দেওয়ালের মতো কাজ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে চাওয়া ডেটাসেট বা প্যাকেটগুলোর নিরাপত্তা যাচাই করে এবং ঝুঁকিপূর্ণ বা ক্ষতিকর প্যাকেট ব্লক করে দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপারেটিং সিস্টেমে থাকা উইন্ডোজ ডিফেন্ডার ফায়ারওয়াল। ব্যাখ্যা: এটি কম্পিউটারের ব্যাকগ্রাউন্ডে থেকে ইন্টারনেট থেকে আসা ক্ষতিকর ডেটা বা হ্যাকারদের আক্রমণ প্রতিহত করে। উদাহরণ ২: ব্যাংকিং নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত এন্টারপ্রাইজ ফায়ারওয়াল। ব্যাখ্যা: এটি ব্যাংকের গোপনীয় সার্ভারগুলো থেকে ডেটা চুরি বা সাইবার আক্রমণ রোধে প্রধান প্রতিরক্ষা দেয়াল হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাকআপ — এটি মূলত ডেটা বা ফাইলের অতিরিক্ত কপি সংরক্ষণ করে যাতে মূল ডেটা নষ্ট হলে তা পুনরুদ্ধার করা যায়, কিন্তু এটি সরাসরি হ্যাকিং প্রতিরোধ করে না। B) ডি ড্রাইভ — এটি কম্পিউটারের হার্ডডিস্কের একটি স্টোরেজ পার্টিশন বা ড্রাইভ মাত্র, যা ফাইল বা ফোল্ডার সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। D) কম্পাইলার — এটি একটি সিস্টেম সফটওয়্যার যা উচ্চ স্তরের ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, এর সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা বা হ্যাকিং প্রতিরোধের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফায়ারওয়াল শব্দটির আক্ষরিক অর্থ অগ্নিপ্রাচীর। ফায়ার যেভাবে আগুন থেকে ঘরকে রক্ষা করে, ফায়ারওয়াল তেমনি হ্যাকার বা ক্ষতিকর আক্রমণ থেকে কম্পিউটারকে রক্ষা করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ফায়ারওয়াল হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার উভয় মাধ্যমেই কাজ করতে পারে কি না। উত্তর হলো ফায়ারওয়াল হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার উভয় রূপেই থাকতে পারে।
a ওয়েবম্যাক্স
b জুম
c হোয়াটস অ্যাপ
d গুগলমিট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হোয়াটস অ্যাপ ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে নির্দিষ্ট করা হয়েছে কোনটি অনলাইন ভিডিও মিটিং প্ল্যাটফরম নয়। প্রদত্ত উত্তর হোয়াটস অ্যাপ সঠিক কারণ এটি মূলত একটি তাৎক্ষণিক বার্তা আদান-প্রদান বা ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: অনলাইন ভিডিও মিটিং প্ল্যাটফরম এমন একটি সফটওয়্যার বা সেবা যা ইন্টারনেট ব্যবহার করে একাধিক ব্যবহারকারীকে একসঙ্গে ভিডিও ও অডিও কনফারেন্সিং করার সুযোগ দেয়। এগুলোতে স্ক্রিন শেয়ারিং, মিটিং শিডিউলিং এবং বৃহৎ পরিসরে অংশগ্রহণকারী যুক্ত করার উন্নত প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জুম অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ঘরে বসে অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে পারেন। ব্যাখ্যা: এটি বিশেষত প্রাতিষ্ঠানিক মিটিং ও ক্লাসের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে যেখানে শত শত লোক একসঙ্গে যুক্ত হতে পারে। উদাহরণ ২: গুগলমিট ব্যবহার করে করপোরেট অফিসগুলো দূরবর্তী কর্মীদের সঙ্গে প্রজেক্ট মিটিং সম্পন্ন করে। ব্যাখ্যা: এটি ব্রাউজার বা অ্যাপের মাধ্যমে খুব সহজে ভিডিও কনফারেন্স করার সুযোগ করে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়েবম্যাক্স — এটি একটি অনলাইন ভিডিও কনফারেন্সিং প্ল্যাটফরম হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর নয়। B) জুম — এটি ভিডিও মিটিংয়ের জন্য বিশ্বব্যাপী বহুল ব্যবহৃত একটি জনপ্রিয় প্ল্যাটফরম। D) গুগলমিট — এটি গুগলের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অনলাইন ভিডিও মিটিং সেবা। ৫. মনে রাখার টিপস: হোয়াটস অ্যাপ মূলত চ্যাট বা মেসেজিং করার জন্য বেশি পরিচিত, যদিও এতে ভিডিও কল করা যায়, তবে এটি জুম বা গুগলমিটের মতো পূর্ণাঙ্গ ভিডিও মিটিং প্ল্যাটফরম নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপ এবং ডেডিকেটেড ভিডিও কনফারেন্সিং টুলের মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a Close circuit
b Carbon copy
c Close contact
d Close copy
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Carbon copy ১. কেন সঠিক: - ই-মেইল পাঠানোর সময় একাধিক ঠিকানায় বার্তা পাঠানোর জন্য সিসি (CC) অপশন ব্যবহার করা হয়। - এখানে সিসি (CC) এর পূর্ণরূপ হলো কার্বন কপি, যা মূল কাগজের নিচে কার্বন কাগজ রেখে প্রতিলিপি তৈরি করার ঐতিহাসিক ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: সিসি (CC) হলো এমন একটি ই-মেইল ফিল্ড যেখানে মূল প্রাপক ছাড়াও অন্য কোনো ব্যক্তির ই-মেইল ঠিকানা যুক্ত করা হয় যাতে তারা বার্তার একটি অনুলিপি দেখতে পান। - কার্যপদ্ধতি: এই ফিল্ডে রাখা ব্যক্তিরা ই-মেইলটি কেবল তথ্যের জন্য বা অবগতির জন্য পান এবং তাদের কাছ থেকে কোনো সরাসরি উত্তরের প্রত্যাশা করা হয় না। - বৈশিষ্ট্য: সিসি ফিল্ডে যুক্ত করা সব প্রাপকের ই-মেইল ঠিকানা অন্যান্য সকল প্রাপক দেখতে পান, যা স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দাপ্তরিক চিঠি প্রেরণ ব্যাখ্যা: ব্যবস্থাপক যখন কোনো নির্দেশিকা সব কর্মীকে ই-মেইলে পাঠান, তখন প্রধান কর্মীকে মূল প্রাপক রেখে বাকি কর্মীদের সিসি (CC) তে রাখা হয়। উদাহরণ ২: মিটিংয়ের কার্যবিবরণী শেয়ার ব্যাখ্যা: সভা শেষে আলোচনার সারসংক্ষেপ পরিচালককে প্রধান প্রাপক রেখে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধানদের সিসি (CC) তে পাঠিয়ে অবগতি নিশ্চিত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Close circuit — এই শব্দগুচ্ছটি ই-মেইলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি সাধারণত বৈদ্যুতিক বা নিরাপত্তা ক্যামেরার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। B) Carbon copy — এটি সঠিক উত্তর কারণ ই-মেইলে অনুলিপি পাঠানোর ক্ষেত্রে এই পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়। C) Close contact — এটি মানব শরীরের কাছাকাছি মেলামেশা বা স্বাস্থ্যগত দূরত্বের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যা ই-মেইলের কারিগরি শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) Close copy — এটি ই-মেইল প্রযুক্তির কোনো স্বীকৃত পরিভাষা বা পূর্ণরূপ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ই-মেইলে সিসি (CC) মানে কার্বন কপি এবং বিসিসি (BCC) মানে ব্লাইন্ড কার্বন কপি। - সিসির ক্ষেত্রে প্রাপকের তালিকা সবাই দেখতে পায় আর বিসিসির ক্ষেত্রে তা গোপন থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ই-মেইলের বিভিন্ন ফিল্ড যেমন টু (To), সিসি (CC) এবং বিসিসি (BCC) এর কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - গোপনীয়তা রক্ষার্থে একাধিক ঠিকানায় মেইল পাঠানোর সময় সিসির পরিবর্তে বিসিসি ব্যবহার করা হয়।
a LOTUS
b Python
c LISP
d Both B & C
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Both B & C ১. কেন সঠিক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence চর্চার ক্ষেত্রে পাইথন এবং লিস্প উভয় প্রোগ্রামিং ভাষাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ১৯৫৮ সালে জন ম্যাককার্থি LISP ভাষা তৈরি করেন যা প্রাকৃত ভাষা প্রক্রিয়াকরণ ও প্রতীকী গণনায় প্রথম ব্যবহৃত হয় এবং Python বর্তমানে আধুনিক মেশিন লার্নিং ও ডিপ লার্নিংয়ের প্রধান ভাষা। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো কম্পিউটার সিস্টেমে মানুষের চিন্তা করার ক্ষমতা ও বুদ্ধিমত্তা কৃত্রিমভাবে তৈরি করার প্রযুক্তি। কার্যপদ্ধতি: এই ভাষাগুলোর মাধ্যমে বিশাল ডেটাসেট বিশ্লেষণ করে অ্যালগরিদম তৈরি করা হয় যা নিজে থেকে শিখতে ও সিদ্ধান্ত নিতে পারে। বৈশিষ্ট্য: পাইথনের সহজ সিনট্যাক্স ও বিশাল লাইব্রেরি একে আধুনিক এআই এর জন্য উপযোগী করে তুলেছে এবং লিস্প ডেটা প্রসেসিংয়ে অত্যন্ত শক্তিশালী। ব্যবহার: চ্যাটবট তৈরি, ইমেজ রিকগনিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং এবং ভবিষ্যদ্বাণীমূলক বিশ্লেষণে এই ভাষাগুলো ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চ্যাটজিপিটি বা ওপেনএআই এর মূল মডেলগুলো তৈরি এবং ডেটা প্রসেসিংয়ের জন্য পাইথন ভাষা ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: পাইথনের অসংখ্য এআই লাইব্রেরি যেমন টেনসরফ্লো এবং পাইটরচ কোডিং প্রক্রিয়াকে অত্যন্ত সহজ করে তোলে। উদাহরণ ২: প্রাচীন এআই গবেষণা এবং এক্সপার্ট সিস্টেম তৈরিতে লিস্প ভাষা ব্যবহার করা হতো। ব্যাখ্যা: লিস্প লিস্ট প্রসেসিং এর উপর ভিত্তি করে তৈরি বিধায় এটি প্রতীকী ডেটা নিয়ে খুব সহজে কাজ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) LOTUS — এটি মূলত একটি ঐতিহাসিক স্প্রেডশিট সফটওয়্যার যা মাইক্রোসফট এক্সেলের পূর্বসূরি হিসেবে কাজ করত এবং এটি কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা নয়। B) Python — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডেটা সায়েন্সের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা। C) LISP — এটিও সঠিক উত্তর কারণ এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণার জন্য বিশেষভাবে তৈরি বিশ্বের দ্বিতীয় প্রাচীনতম উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা। D) Both B & C — যেহেতু পাইথন এবং লিস্প উভয়ই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাজে ব্যবহৃত হয়, তাই এই যৌথ অপশনটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হবে। ৫. মনে রাখার টিপস: এআই এর জনক জন ম্যাককার্থি প্রাচীন এআই ভাষা LISP তৈরি করেছিলেন আর বর্তমান যুগের এআই এর রাজা হলো আধুনিক ভাষা Python। লিস্প মানে লিস্ট প্রসেসিং এবং পাইথন মানে সাপের নাম হলেও এটি প্রোগ্রামিং জগতের সবচেয়ে বন্ধুভাবাপন্ন ও জনপ্রিয় ভাষা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার বিজ্ঞানের ইতিহাসে LISP হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য তৈরি প্রথম এবং সবচেয়ে পুরনো প্রোগ্রামিং ভাষা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে আধুনিক মেশিন লার্নিং ও এআই এর জন্য বর্তমানে কোন ভাষা সেরা, যার উত্তর হবে পাইথন।

মোট প্রশ্ন (18)

a হাইড্রোমিটার
b ওডোমিটার
c পালস অক্সিমিটার
d পালস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পালস অক্সিমিটার কেন সঠিক: - পালস অক্সিমিটার একটি অ-আক্রমণাত্মক চিকিৎসা যন্ত্র যা আঙুলে বসিয়ে রক্তে অক্সিজেনের সম্পৃক্ততার মাত্রা শতকরা হারে পরিমাপ করে। - এটি আলোর সাহায্যে খুব দ্রুত রক্তে হিমোগ্লোবিনের অক্সিজেন বহন করার ক্ষমতা যাচাই করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইড্রোমিটার — এটি কোনো চিকিৎসা যন্ত্র নয়, বরং তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব বা ঘনত্ব পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়। B) ওডোমিটার — এটি রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা মাপে না, বরং মোটর গাড়িতে অতিক্রান্ত দূরত্ব পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। C) পালস অক্সিমিটার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) পালস — এটি কোনো পরিমাপক যন্ত্র নয়, বরং হৃদস্পন্দনের হার বা নাড়ির গতি বোঝায়। মনে রাখার টিপস: অক্সিজেন পরিমাপের জন্য অক্সিমিটার শব্দটির সঙ্গে পালস শব্দটি যুক্ত থাকে, যা আঙুলে বসিয়ে সহজে মাপা যায়।
a western blot assay
b viral culture
c Elisa test
d CD4 T-cell count
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: A) western blot assay কেন সঠিক: - HIV বা এইডস শনাক্তকরণের প্রাথমিক পরীক্ষা হিসেবে ELISA করা হলেও, রোগ নিশ্চিতকরণের (Confirmatory test) জন্য Western Blot Assay ব্যবহার করা হয়। - প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে CD4 T-cell count বলা হয়েছে, যা একটি ভুল উত্তর। CD4 T-cell count দিয়ে এইচআইভি আক্রান্ত রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার অবস্থা মাপা হয়, নিশ্চিতকরণ পরীক্ষা করা হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) western blot assay — এটি HIV সংক্রমণের একটি অত্যন্ত নির্ভুল নিশ্চিতকরণ পরীক্ষা, যা রক্তে নির্দিষ্ট প্রোটিন অ্যান্টিবডি শনাক্ত করে। B) viral culture — এটি রক্তে ভাইরাসের উপস্থিতি সরাসরি দেখার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও জটিল হওয়ায় সাধারণ নিশ্চিতকরণ পরীক্ষা হিসেবে কম ব্যবহৃত হয়। C) Elisa test — এটি এইচআইভি স্ক্রিনিং বা প্রাথমিক পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ফল নিশ্চিত করার জন্য আরও নিখুঁত পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। D) CD4 T-cell count — এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা পরিমাপ করে, যা ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে নয় বরং রোগের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: প্রাথমিক পরীক্ষার নাম ELISA এবং নিশ্চিতকরণ বা Confirmatory পরীক্ষার নাম Western Blot।
a hand grip শক্তি বাড়ে
b IP joint active হয়
c hand edema কমে
d sudeck's osteodystropy
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) sudeck's osteodystropy কেন সঠিক: - বল চাপার ব্যায়াম (Ball squeezing exercise) হাতের আঙুল ও কবজির রক্ত চলাচল বাড়াতে এবং পেশির শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। - সুডেক্স অস্টিওডিস্ট্রফি (Sudeck's osteodystrophy) হলো একটি জটিল প্যাথলজিক্যাল বা দীর্ঘমেয়াদি হাড়ের রোগ যা এই সাধারণ ব্যায়ামের কারণে হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hand grip শক্তি বাড়ে — নিয়মিত বল চাপার ব্যায়ামে হাতের পেশি সক্রিয় হয় ফলে গ্রিপ শক্তি বৃদ্ধি পায়। B) IP joint active হয় — এই ব্যায়াম করার সময় ইন্টারফ্যাল্যাঞ্জিয়াল জয়েন্টগুলো সচল থাকে এবং জড়তা কমে। C) hand edema কমে — বল চাপার মাধ্যমে হাতের রক্ত ও লসিকাম্বুর চলাচল স্বাভাবিক হয় ফলে ফোলাভাব বা এডেমা হ্রাস পায়। D) sudeck's osteodystropy — এটি আঘাতজনিত জটিলতা যা বল চাপার ব্যায়ামের মাধ্যমে ভালো হয় না বরং এটি একটি রোগগত অবস্থা। মনে রাখার টিপস: বল চাপার ব্যায়াম হাতকে সবল ও সচল করে, কিন্তু সুডেক্স অস্টিওডিস্ট্রফির মতো জটিল রোগ এটি দূর করে না।
a চামড়া কেটে যাওয়া
b ঘা হওয়া
c ফলাফল পাওয়া
d pancytopenia
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফলাফল পাওয়া কেন সঠিক: - রেডিয়েশনের বা ionizing radiation এর অতিরিক্ত প্রভাবে মানবদেহে নানা ধরনের ক্ষতিকর শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। - ফলাফল পাওয়া কোনো ক্ষতিকর অপকারিতা বা রোগ নয়, তাই এটি রেডিয়েশনের অপকারিতা হতে পারে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চামড়া কেটে যাওয়া — এটি তেজস্ক্রিয় রশ্মি বা রেডিয়েশনের প্রভাবে ত্বকের মারাত্মক ক্ষয় ও ক্ষতির একটি সাধারণ লক্ষণ। B) ঘা হওয়া — রেডিয়েশনের কারণে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এবং ত্বকে দীর্ঘস্থায়ী ঘা বা ক্ষত সৃষ্টি হতে পারে। C) ফলাফল পাওয়া — এটি কোনো শারীরিক ক্ষতি বা রোগ নয়, বরং যেকোনো পরীক্ষা বা কাজের একটি সাধারণ পরিণতি। D) pancytopenia — এটি রেডিয়েশনের প্রভাবে রক্তকণিকা উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটার কারণে সৃষ্ট একটি মারাত্মক শারীরিক সমস্যা। মনে রাখার টিপস: রেডিয়েশন সবসময় শারীরিক ক্ষতি বা রোগ সৃষ্টি করে, তাই যেসব অপশনে রোগ বা ক্ষতিকর লক্ষণ থাকে সেগুলো অপকারিতা এবং ফলাফল পাওয়া ইতিবাচক হওয়ায় এটি উত্তর হবে না।
a হাত pronated থাকবে
b forearm supinated হবে
c carpal bone and cassette 40° angle হবে
d styloid process cassette এ যুক্ত থাকবে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হাত pronated থাকবে কেন সঠিক: - স্ক্যাফয়েড হাড়ের স্পষ্ট দৃশ্যমানতা নিশ্চিত করতে এবং কার্পাল বোনগুলোর সঠিক অ্যালাইনমেন্ট পাওয়ার জন্য হাত pronated বা উপুড় অবস্থায় রাখতে হয়। - এই পজিশনে স্ক্যাফয়েড হাড়ের ওপর থেকে ওভারল্যাপিং বা ছায়ার সমস্যা দূর হয়, যা এক্স-রে প্লেটে রোগ নির্ণয় সহজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাত pronated থাকবে — এটি সঠিক কারণ এই পজিশনে স্ক্যাফয়েড হাড় স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়। B) forearm supinated হবে — সুপিনেটেড পজিশনে স্ক্যাফয়েড হাড় সঠিকভাবে প্রদর্শিত হয় না এবং কার্পাল বোনগুলো একে অপরের ওপর ওভারল্যাপ করে। C) carpal bone and cassette 40° angle হবে — এটি ভুল কারণ সাধারণত এই এক্স-রের ক্ষেত্রে ক্যাসকেটের সাথে হাত সমান্তরাল বা নির্দিষ্ট রেডিয়োস্পেস মেইনটেইন করা হয়, এখানে চল্লিশ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেল সঠিক নয়। D) styloid process cassette এ যুক্ত থাকবে — এটি ভুল কারণ স্টাইলয়েড প্রসেস সরাসরি ক্যাসকেটের সাথে সংযুক্ত থাকে না, বরং পুরো হাতের অবস্থান এক্ষেত্রে মুখ্য। মনে রাখার টিপস: স্ক্যাফয়েড এক্স-রের সঠিক পজিশন মনে রাখতে স্ক্যাফয়েড মানেই উপুড় হাত বা pronated পজিশন হিসেবে মনে রাখুন।
a inactivated
b live-attenuated
c MRNA
d protozoal
ব্যাখ্যাঃ
প্রশンの ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: B) live-attenuated *দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ভুল। বাংলাদেশে কোভিড-১৯ ও অন্যান্য টিকাদানের ক্ষেত্রে inactivated, MRNA এবং live-attenuated (যেমন ওরাল পোলিও টিকা) ভ্যাকসিন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। অন্যদিকে, 'protozoal' কোনো ভ্যাকসিনের ধরন নয়, বরং এটি একধরনের পরজীবী অণুজীব। তাই সঠিক উত্তরটি D) protozoal হওয়া উচিত।* কেন সঠিক: - প্রোটোজোয়া বা পরজীবীর বিরুদ্ধে মানুষের শরীরে কার্যকর প্রতিষেধক বা ভ্যাকসিন তৈরির প্রযুক্তি এখনো চিকিৎসাবিজ্ঞানে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় না। - প্রোটোজোয়া অত্যন্ত জটিল এবং রূপ পরিবর্তনকারী জীব হওয়ায় এগুলোর বিরুদ্ধে প্রচলিত অর্থে কোনো সফল ভ্যাকসিন নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) inactivated — এটি নিষ্ক্রিয় বা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি ভ্যাকসিন, যা বাংলাদেশে পোলিও ও ফ্লু প্রতিরোধে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। B) live-attenuated — এটি দুর্বল কিন্তু জীবিত জীবাণু দিয়ে তৈরি ভ্যাকসিন, যা হাম ও যক্ষ্মার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে নিয়মিত ব্যবহৃত হয়। C) MRNA — এটি জিনগত প্রযুক্তির আধুনিক ভ্যাকসিন, যা বাংলাদেশে কোভিড-১৯ মহামারী মোকাবেলায় সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। D) protozoal — এটি ভ্যাকসিনের কোনো ধরন বা শ্রেণি নয়, বরং একশ্রেণির এককোষী পরজীবী প্রাণীকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: প্রোটোজোয়া হলো পরজীবী প্রাণী, যা কোনো ভ্যাকسিনের ধরন হতে পারে না।
a A group has A antigen
b O group has AB antigen
c B group has B antigen
d Rh group has Rh antigen
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: B) O group has AB antigen কেন সঠিক: - মানব রক্তের ও গ্রুপে কোনো এন্ট্রিজেন (Antigen A বা Antigen B) থাকে না। - ও গ্রুপের রক্তে এ এন্টিবডি ও বি এন্টিবডি উপস্থিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A group has A antigen — এটি সঠিক তথ্য কারণ এ গ্রুপের লোহিত রক্তণিকায় এ এন্ট্রিজেন থাকে। B) O group has AB antigen — এটি ভুল তথ্য কারণ ও গ্রুপে কোনো এন্ট্রিজেন থাকে না, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) B group has B antigen — এটি সঠিক তথ্য কারণ বি গ্রুপের লোহিত রক্তণিকায় বি এন্ট্রিজেন থাকে। D) Rh group has Rh antigen — এটি সঠিক তথ্য কারণ রেসাস ফ্যাক্টরের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আরএইচ এন্ট্রিজেন নির্ধারিত হয়। মনে রাখার টিপস: ও গ্রুপ মানে শূন্য, অর্থাৎ এই রক্তের গ্রুপে কোনো এন্ট্রিজেন থাকে না।
a hand external rotation করবে
b arm adduct রাখবে
c body 30-35 rotation করবে
d bucky stand এর সামনে দাঁড়াবে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) body 30-35 rotation করবে কেন সঠিক: - গ্লেনোহিউমারাল জয়েন্ট বা কাঁধের জয়েন্ট স্পষ্ট দেখতে গ্রেসার মেথড ব্যবহার করা হয়। - এই পজিশনে কাঁধের ক্যাভিটি বা গ্লেনয়েড ফোসা ভালোভাবে প্রদর্শনের জন্য শরীরকে ৩০ থেকে ৩৫ ডিগ্রি ঘোরাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hand external rotation করবে — এটি ইন্টারনাল রোটেশন বা নির্দিষ্ট ভিউয়ের জন্য করা হয়, গ্লেনয়েড ভিডব্লিউ-এর মূল শর্ত নয়। B) arm adduct রাখবে — হাত সাধারণত সামান্য অ্যাবডাকশন বা নির্দিষ্ট পজিশনে রাখা হয়, সাধারণ অ্যাডাকশন সঠিক ভিউ দেয় না। C) body 30-35 rotation করবে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি গ্লেনোহিউমারাল জয়েন্ট পরিষ্কারভাবে দৃশ্যমান করতে সাহায্য করে। D) bucky stand এর সামনে দাঁড়াবে — এটি নির্দিষ্ট কোনো পজিশনিং নয়, বরং সাধারণ এক্সরে স্ট্যান্ডের অবস্থান মাত্র। মনে রাখার টিপস: কাঁধের এক্সরেতে জয়েন্ট পরিষ্কার দেখতে শরীরকে ত্রিশ থেকে পঁয়ত্রিশ ডিগ্রি ঘোরাতে হয়।
a maxilla
b cribriform plate
c zygoma
d nasal bone
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) cribriform plate কেন সঠিক: - মানবদেহের খুলিতে মুখমণ্ডলের হাড়ের সংখ্যা চৌদ্দটি, যার মধ্যে cribriform plate অন্তর্ভুক্ত নয়। - এটি এথময়েড নামক কঙ্কাল বা ব্রেন কেসের করোটির অংশ, যা মুখের হাড় নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) maxilla — এটি মুখমণ্ডলের জোড়া হাড়ের একটি এবং উপরের চোয়াল গঠন করে। B) cribriform plate — এটি মুখের হাড় নয়, বরং খুলির ব্রেন কেসের এথময়েড অস্থির অংশ। C) zygoma — এটি মুখমণ্ডলের গালের জোড়া হাড়, যা মুখের কাঠামো তৈরিতে সাহায্য করে। D) nasal bone — এটি নাক গঠনকারী মুখমণ্ডলের জোড়া ছোট হাড়। মনে রাখার টিপস: মুখের চৌদ্দটি হাড় মনে রাখার সহজ সূত্র হলো ম্যান্ডিবল আর ভোমার বাদে বাকি সব জোড়ায় থাকে।
a Ramus
b Olecranon process
c Symphysis
d Angle
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Olecranon process কেন সঠিক: - ম্যান্ডিবল হলো মানবদেহের নিচের চোয়ালের একমাত্র নড়াচড়া করতে সক্ষম শক্তিশালী হাড়। - ওলেক্লানন প্রসেস ম্যান্ডিবলের অংশ নয়, এটি মানুষের হাতের কনুইয়ের কাছে অবস্থিত উলনা নামক অস্থির অংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ramus — এটি ম্যান্ডিবলের উলম্ব বা খাড়া অংশ, যা চোয়ালের আকৃতি ও পেশি সংযোগে সাহায্য করে। B) Olecranon process — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি হাতের কনুইয়ের অংশ, ম্যান্ডিবলের নয়। C) Symphysis — ম্যান্ডিবলের দুই অংশের মধ্যবর্তী সংযস্থল বা সিমফাইসিস ম্যান্ডিবুলা এখানে অবস্থিত। D) Angle — রামাস ও বডি যেখানে মিলিত হয়, তাকে ম্যান্ডিবলের কোণ বা অ্যাঙ্গেল বলা হয়। মনে রাখার টিপস: চোয়ালের হাড় হলো ম্যান্ডিবল, আর কনুইয়ের হাড়ের মাথা হলো ওলেক্লানন।
a Fluoroscopy scan
b 100 Max-ray
c Panoramic x-ray
d DR x-ray
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Fluoroscopy scan কেন সঠিক: - ফ্লুরোস্কপি এক্স-রে রঞ্জনরশ্মি ব্যবহার করলেও এটি মূলত একটি ভিডিও বা রিয়েল-টাইম ইমেজিং প্রযুক্তি, যা সাধারণ এক্স-রে মেশিনের মতো স্থির চিত্র দেয় না। - এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়, যা প্রচলিত এক্স-রে মেশিনের মূল কাজের ধরন থেকে আলাদা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Fluoroscopy scan - এটি চলমান চিত্রগ্রহণের পদ্ধতি, তাই এটি প্রথাগত এক্স-রে মেশিনের ক্যাটাগরিতে পড়ে না। B) 100 Max-ray - এটি একটি বিশেষায়িত এক্স-রে মেশিন বা এর যন্ত্রাংশ নির্দেশ করে। C) Panoramic x-ray - এটি ডেন্টাল বা মুখমণ্ডলের চিকিৎসায় ব্যবহৃত এক ধরনের এক্স-রে মেশিন। D) DR x-ray - এর পূর্ণরূপ ডিজিটাল রেডিওগ্রাফি, যা আধুনিক এক্স-রে মেশিনের একটি ধরন। মনে রাখার টিপস: যেই মেশিন স্থির ছবি না দিয়ে চলমান ভিডিও বা গতিবিধি দেখায়, যেমন ফ্লুরোস্কপি, তা সাধারণ এক্স-রে মেশিন থেকে আলাদা।
a PCR
b Total platelet count
c AST
d ALT
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) PCR কেন সঠিক: - PCR বা পলিমারেজ চেইন রিয়েকশন পরীক্ষার মাধ্যমে সরাসরি ডেঙ্গু ভাইরাসের জেনিটিক উপাদান বা RNA শনাক্ত করা হয়। - এটি অত্যন্ত নির্ভুল বা Specific কারণ রোগ সংক্রমণের একেবারে শুরুর দিকেই ভাইরাসকে নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) PCR — এটি ডেঙ্গু ভাইরাসের RNA শনাক্ত করার জন্য সবচেয়ে নির্ভুল বা Specific পরীক্ষা। B) Total platelet count — এটি ডেঙ্গু জ্বরের কারণে রক্তে অণুচক্রিকার পরিমাণ কমেছে কি না তা জানায়, কিন্তু এটি ডেঙ্গু রোগ শনাক্ত করার জন্য Specific পরীক্ষা নয়। C) AST — এটি লিভারের কার্যকারিতা পরিমাপ করার একটি এনজাইম পরীক্ষা, যা ডেঙ্গু নির্ণয়ে নির্দিষ্ট নয়। D) ALT — এটিও লিভারের এনজাইম পরীক্ষার সাথে সম্পর্কিত, যা ডেঙ্গু রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: ভাইরাসের উপস্থিতি সরাসরি নিখুঁতভাবে নিশ্চিত করতে পিসিআর বা PCR পরীক্ষা করা হয়।
a condenser
b eye piece
c colony counter
d fine adjustment screw
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) colony counter কেন সঠিক: - কম্পাউন্ড মাইক্রোস্কোপ বা যৌগিক অণুবীক্ষণ যন্ত্রে বিবর্ধিত প্রতিবিম্ব দেখার জন্য একাধিক লেন্স এবং আলো নিয়ন্ত্রণের নানা অংশ থাকে। - কলোনি কাউন্টার কোনো মাইক্রোস্কোপের অংশ নয়, এটি মূলত পেট্র্রি ডিসে থাকা ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাকের কলোনি বা কলি গণনা করার একটি আলাদা গবেষণাগার যন্ত্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) condenser — এটি আলোকরশ্মিকে ঘনীভূত করে নমুনার ওপর ফোকাস করতে সাহায্য করে, যা কম্পাউন্ড মাইক্রোস্কোপের একটি অপরিহার্য অংশ। B) eye piece — এটি দিয়ে চোখ রেখে বিবর্ধিত প্রতিবিম্ব সরাসরি দেখা হয় এবং এটি কম্পাউন্ড মাইক্রোস্কোপের প্রধান লেন্স সিস্টেমের অংশ। C) colony counter — এটি মাইক্রোস্কোপের অংশ নয়, বরং এটি একটি স্বাধীন ল্যাবরেটরি যন্ত্র যা অণুজীবের কলোনি গণনা করতে ব্যবহৃত হয়। D) fine adjustment screw — এটি মাইক্রোস্কোপের ফোকাস নিখুঁত করতে লেন্সকে সূক্ষ্মভাবে ওপরে বা নিচে সরাতে সাহায্য করে। মনে রাখার টিপস: মাইক্রোস্কোপ দিয়ে ছোট বস্তু দেখা হয়, আর কলোনি কাউন্টার দিয়ে ল্যাবে ব্যাকটেরিয়ার দল বা কলোনি গণনা করা হয়।
a Glemsa stain
b methylene blue stain
c zichl-neelsen stain
d albert stain
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) zichl-neelsen stain কেন সঠিক: - এই রঞ্জক পদ্ধতিটি মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস ব্যাকটেরিয়া শনাক্ত করতে ব্যবহার করা হয়। - জিল-নিলসেন স্টেইনিং প্রক্রিয়ায় অ্যাসিড ফাস্ট বেসিলাই ব্যাকটেরিয়াগুলো অ্যাসিড অ্যালকোহল দ্বারা বিবর্ণ হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Glemsa stain — এটি রক্তে ম্যালেরিয়া প্যারাসাইট বা লিশম্যানিয়া ইত্যাদি পরজীবী শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়, অ্যাসিড ফাস্ট বেসিলাইর জন্য নয়। B) methylene blue stain — এটি একটি সাধারণ রঞ্জক যা কোষের সাধারণ গঠন বা নিউক্লিয়াস দেখার জন্য ব্যবহৃত হয়, অ্যাসিড ফাস্ট ব্যাকটেরিয়ার জন্য অপর্যাপ্ত। C) zichl-neelsen stain — এটিই একমাত্র সঠিক অপশন যা অ্যাসিড ফাস্ট বেসিলাই শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়। D) albert stain — এটি ডিপথেরিয়া রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার মেটাট্রেসোম গ্রানুলস শনাক্ত করতে ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: অ্যাসিড ফাস্ট বেসিলাই বা টিবি রোগ নির্ণয়ে সবসময় জিল-নিলসেন বা এএফবি স্টেইন ব্যবহার করা হয়।
a PBF
b Detection of antibody
c Detection of antigen
d RT-PCR
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) RT-PCR কেন সঠিক: - ম্যালেরিয়া রোগ নির্ণয়ের জন্য সাধারণত রক্ত পরীক্ষা ও ইমিউনোলজিক্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, যেখানে সরাসরি ডিএনএ পরীক্ষার জন্য RT-PCR প্রয়োজন হয় না। - ম্যালেরিয়া প্যারাসাইট শনাক্তকরণে স্ট্যান্ডার্ড পদ্ধতি হলো পেরিফেরাল ব্লাড ফিল্ম বা PBF এবং র‍্যাপিড ডায়াগনস্টিক টেস্ট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) PBF — এটি ম্যালেরিয়া রোগ নির্ণয়ের গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড বা সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মাইক্রোস্কোপিক পদ্ধতি। B) Detection of antibody — এটি রোগীর শরীরে অতীতে ম্যালেরিয়ার সংক্রমণ ছিল কি না তা জানতে ব্যবহৃত হয়। C) Detection of antigen — এটি বর্তমান ম্যালেরিয়া সংক্রমণ দ্রুত শনাক্ত করার একটি বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি। D) RT-PCR — এটি মূলত ভাইরাসের RNA শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, যা সাধারণ ম্যালেরিয়া রোগ নির্ণয়ের রুটিন পরীক্ষা নয়। মনে রাখার টিপস: ম্যালেরিয়া নির্ণয়ে রক্ত পরীক্ষা ও অ্যান্টিজেন টেস্ট প্রধান হলেও জিনভিত্তিক RT-PCR রুটিন পরীক্ষা হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
a গ্যানট্রি
b ক্যালসিয়াম আয়োডাইড
c টিভি মনিটর
d কন্ট্রোল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গ্যানট্রি *বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর 'গ্যানট্রি' বলা হলেও এটি ভুল। গ্যানট্রি হলো বেসিক সিটি স্ক্যান মেশিনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই সঠিক উত্তর হওয়া উচিত 'ক্যালসিয়াম আয়োডাইড'। নিচে সেই অনুযায়ী ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।* কেন সঠিক (সংশোধিত উত্তর: ক্যালসিয়াম আয়োডাইড): - ক্যালসিয়াম আয়োডাইড কোনো মেডিকেল ইমেজিং বা সিটি স্ক্যান যন্ত্রের অংশ নয়। - এটি মূলত একটি রাসায়নিক যৌগ, যা সিটি স্ক্যানের যন্ত্রাংশ তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্যানট্রি — এটি সিটি স্ক্যান মেশিনের মূল বৃত্তাকার অংশ, যার ভেতরে স্ক্যান করার জন্য রোগীর বিছানা প্রবেশ করানো হয়। B) ক্যালসিয়াম আয়োডাইড — এটি একটি রাসায়নিক পদার্থ এবং বেসিক সিটি স্ক্যান মেশিনের কোনো অংশ বা উপাদান নয়। C) টিভি মনিটর — এটি সিটি স্ক্যান মেশিনের একটি অপরিহার্য অংশ, যা স্ক্যান করার পর শরীরের ভেতরের ছবি প্রদর্শন করে। D) কন্ট্রোল — এটি সিটি স্ক্যান যন্ত্রের অপারেশন নিয়ন্ত্রণ করার কনসোল বা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: সিটি স্ক্যান মেশিনের প্রধান অংশ হলো গ্যানট্রি, টিভি মনিটর ও কন্ট্রোল বক্স। রাসায়নিক পদার্থ যেমন ক্যালসিয়াম আয়োডাইড এর অংশ নয়।
a Block wave length
b Decreased scattered radiation
c X-ray wave রোগীর গায়ে লাগতে না দেওয়া
d Ahorb low energy
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: D) Ahorb low energy (নোট: সঠিক বানান হিসেবে এটি মূলত কম শক্তির এক্স-রে শোষণ করা বোঝায়) কেন সঠিক: - এক্স-রে মেশিনে অ্যালুমিনিয়াম ফিল্টার ব্যবহার করা হয় যা কম শক্তির (low energy) এক্স-রে ফোটনগুলোকে শুষে নেয়। - কম শক্তির এক্স-রে রশ্মি রোগীর শরীরের ভেতরে প্রবেশ না করে ত্বকে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে, তাই ফিল্টার তা শোষণ করে নেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Block wave length — ফিল্টার তরঙ্গদৈর্ঘ্য সম্পূর্ণ ব্লক করে না, বরং নির্দিষ্ট শক্তির তরঙ্গ ছেঁকে দেয়। B) Decreased scattered radiation — এটি ফিল্টারের মূল কাজ নয়, বিক্ষিপ্ত বিকিরণ কমানোর জন্য কোলিমেশন ব্যবহার করা হয়। C) X-ray wave রোগীর গায়ে লাগতে না দেওয়া — এক্স-রে রশ্মি রোগীর গায়েই লাগবে তবে ক্ষতিকর মৃদু রশ্মি ফিল্টার শুষে নেবে। D) Ahorb low energy — এটি ফিল্টারের প্রধান কাজ যা কম শক্তির এক্স-রে শোষণ করে রোগী রক্ষা করে। মনে রাখার টিপস: এক্স-রে ফিল্টার মানেই কম শক্তির এক্স-রে শোষণ করা।
a Flexion and extension
b External rotation
c Pendulum exercise
d Passive abduction
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) External rotation কেন সঠিক: - Anterior shoulder dislocation-এর পর জয়েন্টের হিউমেরাস হাড় সামনে ও বাইরে সরে যায়। - এই অবস্থায় বাহুকে External rotation বা বাইরের দিকে ঘোরালে জয়েন্টটি পুনরায় স্থানচ্যুত বা ডিসলোকেট হওয়ার সর্বোচ্চ ঝুঁকি থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Flexion and extension — নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ফ্লেকশন ও এক্সটেনশন করলে জয়েন্টের স্থায়িত্ব নষ্ট হয় না এবং ফিজিয়োথেরাপিতে এটি নিরাপদ। B) External rotation — এই অপশনটি সঠিক উত্তর, কারণ বাহুর এই নড়াচড়াটি অ্যান্টেরিওর ডিসলোকেশন রোগীর জন্য চিকিৎসায় কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। C) Pendulum exercise — এটি কাঁধের পেশির শিথিলতা ও রক্ত চলাচল বাড়াতে সাহায্য করে এবং প্রথম দিকে সম্পূর্ণ নিরাপদ একটি ব্যায়াম। D) Passive abduction — নিয়ন্ত্রিত ও নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে প্যাসিভ অ্যাবডাকশন করলে জয়েন্টের শক্ত ভাব দূর হয় এবং কোনো ক্ষতি হয় না। মনে রাখার টিপস: অ্যান্টেরিওর কাঁধ ডিসলোকেশন হলে মনে রাখবেন সামনের দিকে হা করা মানেই বিপদ, তাই বাহু বাইরে ঘোরানো বা External rotation একদম নিষেধ।