বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

পিএসসি নন-ক্যাডার সিনিয়র স্টাফ নার্স পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩।

পদের নাম: সিনিয়র স্টাফ নার্স (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a বাড়তি বোঝা
b রূপের মোহ
c ভূমিকা
d ফিটফাট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভূমিকা ১. কেন সঠিক: - 'গৌরচন্দ্রিকা' একটি বহুল ব্যবহৃত বাংলা বাগধারা যার অর্থ হলো কোনো কথা বা বিষয়ের অবতারণা করার পূর্বে অপ্রয়োজনীয় বা দীর্ঘ প্রস্তাবনা বা ভূমিকা পেশ করা। - প্রাচীনকালে যাত্রাপালা বা কথকতার শুরুতে শ্রীকৃষ্ণের বা গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর বন্দনা বা গান গেয়ে অনুষ্ঠান শুরু করা হতো, যা মূল বিষয়ের আগের ভূমিকা হিসেবে কাজ করত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ প্রকরণে বাগধারা হলো বিশেষ এক ধরনের প্রয়োগ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। - এই বাগধারাটি আমাদের সংস্কৃতির ঐতিহ্য থেকে এসেছে যেখানে যেকোনো বড় পরিবেশনার আগে ভক্তি বা সূচনার অংশ হিসেবে বন্দনা করা হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আসল কথায় আসার আগে এত গৌরচন্দ্রিকা করার কোনো প্রয়োজন নেই। ব্যাখ্যা: এখানে মূল আলোচনা শুরু করার আগে দীর্ঘ প্রস্তাবনা বাদ দিতে বলা হয়েছে। উদাহরণ ২: কোনো রাখঢাক না রেখে সরাসরি মূল বিষয়ে আসো, গৌরচন্দ্রিকা শোনার সময় আমাদের নেই। ব্যাখ্যা: এখানেও অপ্রয়োজনীয় ভূমিকা বা প্রস্তাবনা এড়িয়ে যাওয়ার অর্থ প্রকাশ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাড়তি বোঝা — এই অর্থটি প্রকাশের জন্য 'গলার কাঁটা' বা 'বোঝার ওপর শাকের আঁটি' বাগধারাগুলো ব্যবহৃত হয়। B) রূপের মোহ — এই ভাবটি বোঝাতে 'মায়াবী ফাঁদ' বা অনুরূপ শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয় কিন্তু গৌরচন্দ্রিকা এর সাথে সম্পর্কিত নয়। C) ভূমিকা — এই অপশনটি সঠিক কারণ গৌরচন্দ্রিকা শব্দের প্রচলিত ও অভিধানসম্মত অর্থ হলো কোনো বক্তব্যের সূচনা বা ভূমিকা। D) ফিটফাট — এই অর্থটি বোঝানোর জন্য 'পাটার তক্তা' বা পরিপাটি বোঝানো হয় যা গৌরচন্দ্রিকার বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - যাত্রাপালা শুরুর আগে গৌরাঙ্গ বা শ্রীকৃষ্ণের বন্দনা বা গান গাওয়া হতো, যার থেকে মূল আলোচনার আগের ভূমিকা বা সূচনা অর্থটি মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটির অর্থ প্রায়ই অপশনে 'ভূমিকা' বা 'প্রস্তাবনা' হিসেবে আসে। - মূল বক্তব্যে সরাসরি প্রবেশ না করে চারপাশে ঘুরে কথা বলা বুঝাতে এই বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়।
a হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
b সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়
c ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
d সুকুমার সেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত এটি বৈজ্ঞানিক ও ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করে প্রথম প্রমাণ করেন ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়। ১৯২৬ সালে প্রকাশিত তার বিখ্যাত গবেষণা গ্রন্থ ওডিবিএল (The Origin and Development of the Bengali Language) এ তিনি প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা প্রাচীন বাংলা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন এবং বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের পদসংকলন। ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রথম প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের ওডিবিএল গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে তিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ নিয়ে আলোচনা করে চর্যাপদকে বাংলার আদি নিদর্শন হিসেবে প্রমাণ করেন। উদাহরণ ২: হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা। ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ যার ভূমিকায় এর প্রাচীন রূপ নিয়ে আলোচনা করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — ইনি চর্যাপদের আবিষ্কারক ও প্রথম সম্পাদক, তবে ভাষার প্রমাণদাতা নন। B) সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — ইনি চর্যাপদের রচনাকাল এবং এর ভাষা প্রাচীন বাংলার কোন রূপ তা নিয়ে ভিন্ন মত প্রকাশ করেছিলেন, তবে প্রথম প্রমাণ করেননি। D) সুকুমার সেন — ইনি চর্যাপদের একজন বিশিষ্ট টিকাকার ও গবেষক, তবে প্রথম প্রমাণকারী নন। ৫. মনে রাখার টিপস: আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং বাংলা ভাষার আদি রূপ প্রমাণ করেন সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়। এই দুই নামের পার্থক্য মনে রাখলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ নিয়ে পরীক্ষায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় এবং মুহম্মদ শহীদুল্লাহর অবদান সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। আবিষ্কার, প্রকাশনা এবং ভাষাতাত্ত্বিক প্রমাণের সাল ও গবেষকদের নাম আলাদা করে মুখস্থ রাখতে হবে।
a বিজয় গুপ্ত
b দ্বিজ মাধব
c মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
d ভারতচন্দ্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ১. কেন সঠিক: মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্যের ধারার একজন প্রখ্যাত কবি। তাঁর অনবদ্য সাহিত্যকর্ম চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের জন্য বাংলার সুলতান বা স্থানীয় শাসক তাঁকে কবি কঙ্কন উপাধিতে ভূষিত করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ষোড়শ শতকের মধ্যযুগের কবি এবং তিনি সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মঙ্গলকাব্য রচয়িতা হিসেবে পরিচিত। তাঁর রচিত চণ্ডীমঙ্গল কাব্যটি শ্রীকঙ্কাবতীর উপাখ্যান এবং কালকেতু ও ফুল্লরার কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত সমাজচিত্রের এক অনন্য দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চণ্ডীমঙ্গল কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম যা মধ্যযুগের সমাজে প্রচলিত লৌকিক দেবী চণ্ডীর মাহাত্ম্য প্রচার করে। উদাহরণ ২: কবিকঙ্কন চণ্ডী ব্যাখ্যা: মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর কবি কঙ্কন উপাধির সাথে মিল রেখে তাঁর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যটিকে অনেক সময় কবিকঙ্কন চণ্ডী বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিজয় গুপ্ত — তিনি মনসা মঙ্গল কাব্যের বিখ্যাত কবি এবং তাঁর উপাধি ছিল পুমরীকাক্ষ বা অন্য কিছু, কবি কঙ্কন নয়। B) দ্বিজ মাধব — তিনি একজন মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের কবি হলেও তাঁকে কবি কঙ্কন উপাধি দেওয়া হয়নি। D) ভারতচন্দ্র — তিনি অষ্টাদশ শতকের কবি এবং তাঁর উপাধি ছিল রায়গুণাকর, কবি কঙ্কন নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মুকুন্দরাম চক্রবর্তী নামের সাথে কঙ্কন শব্দটি মনে রাখতে চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কবির কথা মাথায় রাখবে। মধ্যযুগের কবিদের উপাধিগুলো আলাদা করে একটি ছোট তালিকায় লিখে রাখলে পরীক্ষায় সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবিদের আসল নাম এবং তাঁদের প্রাপ্ত উপাধি প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য কবিদের উপাধির একটি নির্দিষ্ট তালিকা বারবার অনুশীলন করা অত্যন্ত জরুরি।
a জসীম উদ্দীন
b মুনীর চৌধুরী
c কাজী নজরুল ইসলাম
d শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুনীর চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - কবর নাটকটির রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী অবস্থায় তিনি এই ঐতিহাসিক নাটকটি রচনা করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী ছিলেন একাধারে নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক এবং ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ বুদ্ধিজীবী। - ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত রক্তকবরী নাটকের অনুকরণে এবং ভাষা আন্দোলনের রক্তস্নাত পটভূমিতে এই একাঙ্কিকা নাটকটি রচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দণ্ডতীর ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরীর রচিত অপর একটি বিখ্যাত নাটক, যা তার নাট্যপ্রতিভার অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: রক্তমুখ প্রান্তর ব্যাখ্যা: মুনীর চৌধুরী রচিত ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের আরেকটি বিখ্যাত নাটক হলো রক্তমুখ প্রান্তর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জসীম উদ্দীন — জসীম উদ্দীন কবর নামে বিখ্যাত একটি কবিতা লিখেছেন, নাটক নয়। B) মুনীর চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক এবং নাটকের রচয়িতা হিসেবে পরীক্ষিত সত্য। C) কাজী নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি অগ্নিবীণা ও বিষের বাঁশীসহ নানা গ্রন্থ রচনা করেছেন। D) শামসুর রাহমান — শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, যিনি বন্দী শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থের জন্য বিখ্যাত। ৫. মনে রাখার টিপস: - জসীমউদ্দীনের কবর হলো বিখ্যাত কবিতা আর মুনীর চৌধুরীর কবর হলো ভাষাভিত্তিক নাটক। - নাটকের রচয়িতা মুনীর চৌধুরী মনে রাখতে কবরের নাট্যকার হিসেবে তার কারাজীবনের কথা স্মরণ করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত প্রথম নাটক হিসেবে কবর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাহিত্যকর্ম। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিতা ও নাটকের রচয়িতার এই বিভ্রান্তিমূলক প্রশ্নটি প্রায়ই আসে।
a শেষের কবিতা
b শেষ বিকেলের মেয়ে
c সোনার তরী
d নৌকাডুবি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শেষ বিকেলের মেয়ে ১. কেন সঠিক: - 'শেষ বিকেলের মেয়ে' কোনো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা উপন্যাস নয়, এটি কথাসাহিত্যিক জহির রায়হানের বিখ্যাত একটি উপন্যাস। - প্রশ্নটিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নয় এমন গ্রন্থটি চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে, তাই এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'শেষ বিকেলের মেয়ে' উপন্যাসের রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান। - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক হলেও এই নির্দিষ্ট উপন্যাসটির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাজার বছর ধরে ব্যাখ্যা: এটি জহির রায়হানের আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত উপন্যাস যা গ্রামবাংলার গ্রামীণ জীবন নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: বরফ গলা নদী ব্যাখ্যা: এটিও জহির রায়হানের লেখা একটি সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেষের কবিতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত দার্শনিক উপন্যাস এবং রোমান্টিক সাহিত্যকর্ম। B) শেষ বিকেলের মেয়ে — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা নয়, বরং জহির রায়হানের বিখ্যাত একটি উপন্যাস। C) সোনার তরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও পরিচিত প্রতীকী কবিতা ও কাব্যগ্রন্থ। D) নৌকাডুবি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি জনপ্রিয় সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর নামের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ করা। - জহির রায়হানের উপন্যাসগুলো আধুনিক বাংলা সাহিত্যের বাস্তবধর্মী ধারার অন্তর্ভুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্ররচনার তালিকা থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - বিখ্যাত লেখকদের কালজয়ী উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়লে সহজেই উত্তর করা যায়।
a বিদ্রোহী
b আনন্দময়ীর আগমনে
c জীবন- বন্দনা
d সাম্যবাদী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আনন্দময়ীর আগমনে ১. কেন সঠিক: ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় কাজী নজরুল ইসলাম 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতাটি রচনা করেন। এই রচনার জন্য তাকে রাজদ্রোহের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয় এবং এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত। ১৯২২ সালে প্রকাশিত 'ধূমকেতু' পত্রিকায় এই কবিতা প্রকাশের পর ব্রিটিশ সরকার তাকে কারাদণ্ড দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষের বাঁশি ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ভাবাপন্ন কাব্যগ্রন্থ যা ব্রিটিশ সরকার বাজোপ্ত করেছিল। উদাহরণ ২: প্রলয়োল্লাস ব্যাখ্যা: এটি কবির অগ্নিবীণা কাব্যের অন্তর্গত একটি বিখ্যাত বিপ্লবী কবিতা যা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্রোহী — এটি কবির বিখ্যাত কবিতা হলেও সরাসরি এই কবিতা লেখার জন্য তিনি কারাবরণ করেননি। C) জীবন- বন্দনা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত দার্শনিক ও মানবতাবাদী কবিতা। D) সাম্যবাদী — এটি কবির সমতা ও ঐক্যের বার্তা সংবলিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের কারাবরণের সঙ্গে আনন্দময়ী দেবীর পুজোর প্রেক্ষাপটে লেখা 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতাটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে যে নজরুলের কোন রচনার জন্য কারাদণ্ড হয়েছিল।
a হুমায়ূন আহমেদ
b হুমায়ুন আজাদ
c সৈয়দ শামসুল হক
d আনিসুল হক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আনিসুল হক ১. কেন সঠিক: - 'মা' হলো জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক রচিত একটি বহুল পঠিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র শহীদ জননী সাফিয়া বেগম এবং তাঁর সন্তান বীরশ্রেষ্ঠ রুমী। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আনিসুল হক সমসাময়িক বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট। - 'মা' উপন্যাসটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের এক মর্মান্তিক ও অনুপ্রেরণাদায়ী সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোসেফ কনরাডের উপন্যাস ব্যাখ্যা: এটি আনিসুল হকের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। উদাহরণ ২: আয়নাঘর ব্যাখ্যা: এটি আনিসুল হক রচিত বর্তমান সময়ের আলোচিত একটি উপন্যাস ও সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুমায়ূন আহমেদ — তিনি বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও 'মা' নামক মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসটি তিনি রচনা করেননি। B) হুমায়ুন আজাদ — তিনি একজন প্রগতিশীল লেখক ও ভাষাবিজ্ঞানী হলেও এই উপন্যাসটি তাঁর রচিত নয়। C) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি বহুমুখী প্রতিভার লেখক হলেও 'মা' উপন্যাসের রচয়িতা আনিসুল হক। D) আনিসুল হক — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক 'মা' উপন্যাসের রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - মা উপন্যাসের লেখক আনিসুল হক এটি মনে রাখার জন্য মার নামের সাথে লেখকের নামের মিল মনে রাখতে পারো। - মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাসগুলোর মধ্যে 'মা' একটি বিশেষ সৃষ্টি যার লেখক আনিসুল হক। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের তালিকা থেকে এই প্রশ্নটি বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - মূল গ্রন্থ পড়ার পাশাপাশি লেখকের অন্যান্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্মগুলো দেখে যাওয়া উচিত।
a ্ + ম
b হ্ + ণ
c ্ + ন
d থ্ + ন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হ্ + ণ ১. কেন সঠিক: - 'হ্ন' যুক্ত বর্ণটি গঠিত হয় হ এবং ণ বর্ণ দুটি মিলে। - এখানে হ হলো প্রধান ব্যঞ্জন এবং এর নিচে ণ যুক্ত হয়ে নতুন রূপ ধারণ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যুক্তবর্ণ বিশ্লেষণ বাংলা ব্যাকরণের বর্ণ প্রকরণ অধীনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - দুটি বা ততোধিক বর্ণ মিলে যুক্ত ব্যঞ্জন গঠিত হয় যেখানে প্রথম বর্ণটি সাধারণত হসন্তযুক্ত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপরাহ্ন ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'হ্ন' যুক্ত বর্ণটি ব্যবহৃত হয়েছে যা হ এবং ণ এর সংযোগ বোঝায়। উদাহরণ ২: পূর্বাহ্ন ব্যাখ্যা: এই শব্দটির মধ্যেও 'হ্ন' যুক্ত ব্যঞ্জনের সঠিক প্রয়োগ দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ্ + ম — এটি হ এবং ম এর যুক্তরূপ নয় এবং এতে কোনো বর্ণ নেই। B) হ্ + ণ — এটি সঠিক কারণ প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে হ্ন যুক্ত ব্যঞ্জনের সঠিক ভাঙা রূপ। C) ্ + ন — এটি সঠিক নয় কারণ এখানে হ বর্ণটি অনুপস্থিত রয়েছে। D) থ্ + ন — এটি থ এবং ন এর যুক্তরূপ যা প্রশ্নানুসারে সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - হ্ন যুক্ত বর্ণ দেখলে মনে রাখবে এটি হ এর সাথে ণ যুক্ত হয়ে গঠিত হয়। - বানান মনে রাখার জন্য অপরাহ্ন ও পূর্বাহ্ন শব্দ দুটি অনুশীলন করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যুক্তবর্ণ বিভাজন থেকে প্রশ্ন আসে। - হ এর সাথে ণ এবং ন যুক্ত হয়ে যে ভিন্ন রূপ নেয়, তা ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
a জিওবা
b জিক্বা
c জিহবা
d জিউভা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জিউভা ১. কেন সঠিক: 'জিহ্বা' শব্দের বানান জ, হ, ব, য-ফলা। বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানান ও উচ্চারণ নিয়ম অনুসারে শব্দের মধ্যে বা অন্তে হ-এর সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত থাকলে ব-এর উচ্চারণ সাধারণত উ-এর মতো হয়। এই নিয়মের কারণে হ এবং ব-ফলা মিলে উব বা উভ ধ্বনির সৃষ্টি করে, তাই জিহ্বা শব্দের উচ্চারণ জিউভা লেখা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ অংশের আলোচ্য বিষয় এটি। বাংলা উচ্চারণে যুক্তাক্ষরের ক্ষেত্রে হ-ফলা বা ব-ফলার প্রভাবে শব্দের ধ্বনিগত পরিবর্তন ঘটে। জিহ্বা শব্দে হ-এর নিচে ব-ফলা যুক্ত থাকায় উচ্চারণের সময় ব বর্ণটি উ ধ্বনি হিসেবে উচ্চারিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিহ্বল ব্যাখ্যা: বিহ্বল শব্দের উচ্চারণ বিউবল, কারণ এখানে হ-এর সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত রয়েছে। উদাহরণ ২: জহির ব্যাখ্যা: জহির শব্দের উচ্চারণ জহির, কারণ এখানে কোনো ব-ফলা যুক্ত নেই, তাই স্বাভাবিক উচ্চারণ বজায় থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জিওবা — এটি ভুল উচ্চারণ কারণ হ-এর সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত থাকলে ও-কার হয় না, বরং উ ধ্বনি উচ্চারিত হয়। B) জিক্বা — এটি ভুল উচ্চারণ কারণ হ-এর স্থানে ক ধ্বনি আসার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়। C) জিহবা — এটি বানান রূপ হলেও প্রমিত উচ্চারণরীতি অনুযায়ী এর ধ্বনিগত রূপ জিউভা হবে, হ এবং ব-ফলা অপরিবর্তিত থাকে না। D) জিউভা — এটি সঠিক উচ্চারণ কারণ হ-এর সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত থাকলে উচ্চারণ উ-এর মতো হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: হ-এর সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত থাকলে উচ্চারণ উ-এর মতো হয় তা মনে রাখবে। জিহ্বা শব্দের উচ্চারণ মনে রাখতে জিউভা শব্দটি বারবার চর্চা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুক্তবর্ণ ও ফলাযুক্ত শব্দের সঠিক উচ্চারণ প্রায়ই আসে। এই নিয়মের শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে পরীক্ষায় ভুল এড়ানো সম্ভব।
a সুফিয়া কামাল
b রাবেয়া খাতুন
c জাহানারা ইমাম
d নীলিমা ইব্রাহিম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাহানারা ইমাম ১. কেন সঠিক: - 'একাত্তরের দিনগুলি' একটি ঐতিহাসিক স্মৃতিকথা, যা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের দিনলিপি বা ডায়েরির আকারে রচিত। - লেখিকা জাহানারা ইমাম তাঁর চোখের সামনে দেখা মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো, বিশেষ করে তাঁর পুত্র রুমির শহীদ হওয়া এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করার গৌরবময় ইতিহাস এতে তুলে ধরেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শহীদ জননী খ্যাত জাহানারা ইমাম ১৯২৯ সালের ৩ মে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৪ সালের ২৬ জুন মৃত্যুবরণ করেন। - তাঁর রচিত 'একাত্তরের দিনগুলি' বাংলা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যের এক অনন্য মাস্টারপিস এবং বহুল পঠিত প্রামাণ্য দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'রক্তাক্ত প্রান্তর' ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরী রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক, যা ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: 'একটি কালাা ইঁদুর ও মৃত্যু' ব্যাখ্যা: এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্যান্য স্মৃতিকথা বা উপন্যাসের মতো বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামের একটি শিল্পসম্মত রূপায়ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি ও নারী অধিকার নেত্রী, তবে 'একাত্তরের দিনগুলি' তাঁর লেখা নয়। B) রাবেয়া খাতুন — তিনি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে 'মুক্তিযুদ্ধ ও অন্যান্য' বা 'মেঘের পর মেঘ' রয়েছে, তবে এই গ্রন্থটি তাঁর নয়। C) জাহানারা ইমাম — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) নীলিমা ইব্রাহিম — তিনি প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক, তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'আমি বীরাঙ্গনা বলছি', তবে 'একাত্তরের দিনগুলি' তাঁর রচনা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - একাত্তরের দিনগুলোতে শহীদ জননী জাহানারা ইমাম তাঁর ডায়েরিতে যুদ্ধের দিনগুলি লিখেছিলেন, এভাবে মনে রাখা যায়। - স্মৃতিকথা বা দিনলিপি বললেই জাহানারা ইমাম এবং তাঁর পুত্র রুমির আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতিকথা বা ডায়েরি সাহিত্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - জাহানারা ইমামের 'একাত্তরের দিনগুলি' এবং তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'অন্যদিন' সম্পর্কে ধারণা রাখা আবশ্যক।
a জীবনানন্দ দাশ
b মদনমোহন তর্কালঙ্কার
c কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
d বিদ্যাপতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মদনমোহন তর্কালঙ্কার ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত চরণদ্বয় বাংলার শিশুশিক্ষার আদিগুরু মদনমোহন তর্কালঙ্কারের বিখ্যাত শিশুপাঠ্য কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। - নৈতিকতা ও সদাচারের শিক্ষা দিতে শিশুদের উপযোগী করে এই পঙ্‌ক্তিগুলো রচনা করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মদনমোহন তর্কালঙ্কার ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক। - তার রচিত শিশুপাঠ্য গ্রন্থ 'শিশুশিক্ষা'র প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগে এই ধরনের নান্দনিক ও নৈতিক শিক্ষামূলক পঙ্‌ক্তি রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি সব পাখি রবে রাতি পোহাইল ব্যাখ্যা: এটিও মদনমোহন তর্কালঙ্কারের রচিত শিশুশিক্ষা গ্রন্থের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি পঙ্‌ক্তি। উদাহরণ ২: প্রাতে ওঠো রবি হাসে দিয়ে আলো ব্যাখ্যা: শিশুদের সকালের অভ্যাস ও প্রকৃতির সঙ্গে পরিচয় করানোর জন্য এটি একটি শিক্ষণীয় পঙ্‌ক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবনানন্দ দাশ — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলা খ্যাত কবি, যার রচনার ধরন সম্পূর্ণ আলাদা। B) মদনমোহন তর্কালঙ্কার — এই অপশনটি সঠিক এবং তার শিশুশিক্ষা গ্রন্থ থেকে এটি নেওয়া হয়েছে। C) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — ইনি নীতিমূলক শ্লোক রচয়িতা হলেও এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তির লেখক নন। D) বিদ্যাপতি — ইনি প্রাচীন মধ্যযুগের পদাবলির কবি, আধুনিক শিশুপাঠ্য কবিতার সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - শিশুদের নৈতিক শিক্ষার বিখ্যাত চরণ মানেই মদনমোহন তর্কালঙ্কারের শিশুশিক্ষা গ্রন্থ। - সকাল বেলার ভালো কাজের প্রতিশ্রুতিমূলক কবিতার জন্য মদনমোহন তর্কালঙ্কারকে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শিশুশিক্ষা গ্রন্থটি কোন লেখকের তা বিসিএস ও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - উনিশ শতকের গোড়ার দিকে বাংলা গদ্য ও শিশুসাহিত্য বিকাশে মদনমোহন তর্কালঙ্কারের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a ক্রিয়া
b কর্ম
c কর্জ
d করণীয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্ম ১. কেন সঠিক: - কাজ শব্দটির মূল সংস্কৃত বা তৎসম রূপ হলো কর্ম। - বাংলা ভাষার বিবর্তনে প্রাকৃত ও অপভ্রংশের মাধ্যমে সংস্কৃত কর্ম শব্দটি পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান কাজ রূপে এসেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। - কাজ হলো একটি তদ্ভব শব্দ, যার উৎস বা তৎসম রূপ হলো কর্ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্রমূল থেকে চাঁদ ব্যাখ্যা: চন্দ্র হলো তৎসম শব্দ এবং এর তদ্ভব রূপ হলো চাঁদ। উদাহরণ ২: মৎস্য থেকে মাছ ব্যাখ্যা: মৎস্য হলো তৎসম শব্দ এবং এর তদ্ভব রূপ হলো মাছ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রিয়া — ক্রিয়া একটি ভিন্ন ব্যাকরণিক পরিভাষা যা কাজের ভাব প্রকাশ করে কিন্তু কাজ শব্দের সরাসরি তৎসম রূপ নয়। B) কর্ম — এটি সঠিক উত্তর। C) কর্জ — এটি একটি বিদেশি শব্দ যার অর্থ ঋণ। D) করণীয় — এটি একটি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ যার অর্থ যা করা উচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - তদ্ভব শব্দ চেনার সময় মনে রাখবে যে সংস্কৃত মূল শব্দ থেকে প্রাকৃত হয়ে যে শব্দ বাংলায় এসেছে, তার উৎসটিই হলো তৎসম রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ভব শব্দের উৎস বা তৎসম রূপ প্রায়ই পরীক্ষণে আসে। - শব্দের উৎস নির্ণয়ের জন্য তৎসম ও তদ্ভব শব্দের তালিকা ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে।
a শশুর
b শ্বশুর
c শশুর
d শ্বশুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শ্বশুর ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী স্ত্রীর পিতাকে বোঝাতে 'শ্বশুর' বানানটি সঠিক। - এই শব্দটিতে তালব্য শ এবং ব-ফলা যুক্ত হয়ে শ্ব হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে সঠিক উচ্চারণ বজায় রাখতে ফলা ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে। - শ এর সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত হলে তা উচ্চারণ করার সময় একটু জোরালো হয় এবং বানানটিতে ব লেখা আবশ্যক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্বাস ব্যাখ্যা: শ এর সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত হয়ে শ্বাস শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা প্রমিত বানানরীতির অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: প্রশ্বাস ব্যাখ্যা: এখানেও শ-এর সঙ্গে ব-ফলার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শশুর — এই বানানটিতে ব-ফলা অনুপস্থিত এবং প্রথম বর্ণে ভুল শ ব্যবহৃত হয়েছে। B) শ্বশুর — প্রদত্ত উত্তরগুলোর মধ্যে এটিও সঠিক রূপ হিসেবে রয়েছে। C) শশুর — এই বানানটিতেও ব-ফলা বাদ পড়েছে এবং বানানের গঠন অশুদ্ধ। D) শ্বশুর — এটি নির্দেশিত সঠিক এবং প্রমিত বানান রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: - শ্বশুরের শুরুতে তালব্য শ-এর নিচে ব-ফলা এবং মাঝে মূর্ধন্য ষ রয়েছে, এটি মনে রাখা জরুরি। - ব-ফলা যুক্ত শ এবং ষ এর সঠিক বিন্যাস খেয়াল রাখলে এই বানান ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের পারিবারিক সম্পর্কবাচক বানান প্রায়ই আসে। - প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম মেনে তৎসম শব্দের বানান চর্চা করতে হবে।
a আবদুল মান্নান সৈয়দ
b আহমদ ছফা
c আসাদ চৌধুরী
d রফিক আজাদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আহমদ ছফা ১. কেন সঠিক: 'যদ্যপি আমার গুরু' হলো বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও চিন্তাবিদ আহমদ ছফা রচিত একটি বিখ্যাত স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ। এই গ্রন্থে লেখক মূলত তাঁর শিক্ষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আবদুর রাজ্জাক সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করেছেন এবং জ্ঞানচর্চার এক অনন্য রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: আহমদ ছফা বাংলা সাহিত্য ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চায় এক অনন্য বিদ্রোহী ব্যক্তিত্ব যিনি সমাজ, রাষ্ট্র ও সংস্কৃতির নানা দিক নিয়ে তীব্র সমালোচনা ও গভীর বিশ্লেষণধর্মী লেখা উপহার দিয়েছেন। তাঁর এই গ্রন্থটিতে শিক্ষক ও শিষ্যের সম্পর্কের এক গভীর ও প্রজ্ঞাময় রূপ প্রকাশ পেয়েছে যা বাংলা স্মৃতিকথামূলক সাহিত্যে অত্যন্ত উচ্চমানের একটি সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঙালি মুসলমানের মন ব্যাখ্যা: এটি আহমদ ছফা রচিত একটি বিখ্যাত সমাজবিশ্লেষণমূলক ও প্রাবন্ধিক গ্রন্থ, যা বাঙালি জাতির মানসিকতা বুঝতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: বুদ্ধিভিত্তিক বাংলাদেশ ব্যাখ্যা: এটিও আহমদ ছফা রচিত একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী প্রবন্ধ গ্রন্থ, যেখানে সমাজের বুদ্ধিবৃত্তিক সংকট ও উত্তরণের পথ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবদুল মান্নান সৈয়দ — ইনি একজন প্রখ্যাত কবি ও প্রাবন্ধিক হলেও 'যদ্যপি আমার গুরু' গ্রন্থটির রচয়িতা নন, তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজ হলো জীবনানন্দ দাশের সাহিত্য মূল্যায়ন। B) আহমদ ছফা — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি স্বয়ং এই বিখ্যাত গ্রন্থটি রচনা করেছেন। C) আসাদ চৌধুরী — ইনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থটির সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। D) রফিক আজাদ — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার একজন অন্যতম প্রধান কবি, তবে তিনি এই প্রবন্ধ গ্রন্থটি রচনা করেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: গুরুর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ছফা লিখেছিলেন যদ্যপি আমার গুরু গ্রন্থটি। এভাবে শিক্ষক আবদুর রাজ্জাক ও লেখক আহমদ ছফার সম্পর্কটি মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আহমদ ছফার রচনা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই তাঁর প্রধান প্রবন্ধ ও উপন্যাসগুলোর নাম মুখস্থ রাখা জরুরি। একই ধরনের অন্যান্য স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থগুলোর লেখকের নামও তালিকা করে পড়তে হবে।
a চাণক্য
b লক্ষণ
c অর্পণ
d ভীষণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চাণক্য ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত ট-বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) পূর্বে মূর্ধন্য 'ণ' বসে। তবে কিছু শব্দে কোনো নিয়ম বা যুক্তিসংগত কারণ ছাড়াই স্বভাবতই মূর্ধন্য 'ণ' হয়, 'চাণক্য' তেমনই একটি শব্দ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: তৎসম শব্দে ন-ত্ব বিধানের নিয়ম অনুসারে ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে 'ণ' বসে এবং স্বভাবতই 'ণ' হয় এমন কিছু শব্দ প্রমিত বাংলা বানানে নির্দিষ্ট করা আছে। এই শব্দগুলো কোনো নির্দিষ্ট সূত্রের অধীন নয়, বরং ভাষার ঐতিহ্যগত রূপ হিসেবে ব্যাকরণে সিদ্ধ বা স্বভাবসিদ্ধ বলে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পণ্য ব্যাখ্যা: এটি একটি স্বভাবসিদ্ধ 'ণ' যুক্ত শব্দ যেখানে কোনো পূর্ববর্তী নিয়ম না থাকলেও স্বভাবতই 'ণ' ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: তৃণ ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও কোনো ট-বর্গীয় ধ্বনির প্রভাব বা যুক্তবর্ণের নিয়ম ছাড়াই স্বভাবগতভাবে মূর্ধন্য 'ণ' যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাণক্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দটিতে স্বভাবতই 'ণ' যুক্ত হয়েছে। B) লক্ষণ — এই শব্দটিতে 'ণ' ব্যবহারের কারণ এর মধ্যে ক্ষ (ক+ষ) যুক্তবর্ণ থাকা, যা ন-ত্ব বিধানের নিয়মাধীন। C) অর্পণ — এই শব্দটিতে 'র' বা 'র-ফলা'-র পরে ন-ত্ব বিধানের নিয়মানুযায়ী মূর্ধন্য 'ণ' হয়েছে, স্বভাবতই নয়। D) ভীষণ — এই শব্দটিতে মূর্ধন্য 'ষ'-র পরে নিয়ম অনুযায়ী 'ণ' যুক্ত হয়েছে, এটি স্বভাবসিদ্ধ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: স্বভাবতই ণ যুক্ত শব্দগুলো মনে রাখার জন্য চাণক্য, মানিক্য, গণিকা, পণ, তৃণ এই শব্দগুলো একটি ছোট বাক্যের মতো মুখস্থ রাখতে পারো। ন-ত্ব বিধানের নির্দিষ্ট সূত্র ছাড়াও কিছু শব্দে সরাসরি মূর্ধন্য 'ণ' হয়, তাই এদের ব্যতিক্রম হিসেবে আলাদা করে পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ন-ত্ব বিধানের নিয়ম এবং স্বভাবতই ণ হয় এমন শব্দের ওপর প্রায়ই প্রশ্ন আসে। নিয়মভিত্তিক পরিবর্তন এবং স্বভাবসিদ্ধ পরিবর্তন এই দুটি বিষয় আলাদা করতে পারলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর করা সহজ হয়।
a আরবি
b ফারসি
c বর্মি
d হিন্দি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বর্মি ১. কেন সঠিক: 'লুঙ্গি' শব্দটি এসেছে বর্মি ভাষা থেকে। এটি বাংলা ভাষার উৎসের দিক থেকে আগত একটি বিদেশি শব্দ, যা মায়ানমার বা তৎকালীন বার্মার ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দের উৎসের শ্রেণিবিভাগ অনুসারে বিদেশি শব্দের একটি অংশ হলো বর্মি শব্দ। বাংলা ভাষায় দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন বিদেশি ভাষার শব্দ প্রবেশ করেছে, যার মধ্যে বর্মি ভাষা অন্যতম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লুঙ্গি ব্যাখ্যা: এটি একটি পোশাক নির্দেশক বর্মি শব্দ যা বাংলায় বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ঘুঘরি ব্যাখ্যা: এটিও একটি বর্মি শব্দ যা বাংলা ভাষাভাষী মানুষের দৈনন্দিন শব্দভান্ডারে যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — আরবি ভাষা থেকে বাংলায় ধর্ম, প্রশাসন ও সংস্কৃতি সংক্রান্ত অনেক শব্দ এসেছে যেমন আদালত ও কিতাব, কিন্তু লুঙ্গি আরবি শব্দ নয়। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক অনেক শব্দ এসেছে যেমন চশমা ও কাগজ, কিন্তু লুঙ্গি ফারসি শব্দ নয়। D) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে বাংলায় অনেক কথ্য শব্দ এসেছে যেমন চাহিদা ও পেটেকোট, কিন্তু লুঙ্গি হিন্দি ভাষা থেকে আসেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: বর্মি ভাষা থেকে বাংলায় আসা শব্দগুলো মনে রাখার জন্য মায়ানমারের সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত পোশাক ও খাদ্যপণ্যগুলোকে আলাদা করতে পারো। লুঙ্গি ও ঘুঘরি বর্মি শব্দের চমৎকার উদাহরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের উৎস নির্ণয়ের জন্য আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগিজ ও বর্মি শব্দের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা উচিত।
a অন্তরিক্ষ
b বিষু
c প্রভাকর
d সুধাকর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অন্তরিক্ষ ১. কেন সঠিক: - অন্তরিক্ষ শব্দটি আকাশ শব্দের একটি সরাসরি সমার্থক শব্দ। - এর অর্থ পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যবর্তী স্থান বা মহাশূন্য বা আকাশ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ যেগুলোর অর্থ প্রায় এক বা সমান। - আকাশ শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে রয়েছে গগন, অম্বর, নভ, শূন্য, ব্যোম ও ধরাতল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গগন ব্যাখ্যা: এটি আকাশ শব্দের বহুল ব্যবহৃত একটি সমার্থক শব্দ, যা সাধারণত কবিতা ও সাহিত্যে বেশি ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: অম্বর ব্যাখ্যা: এই শব্দটির অর্থও আকাশ এবং এটি বিভিন্ন কাব্যিক ও যৌগিক শব্দ গঠনে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্তরিক্ষ — এটি সঠিক উত্তর। B) বিষু — এটি বিষুবরেখা বা গোলার্ধ সংক্রান্ত জ্যোতির্বিজ্ঞানের একটি পরিভাষা। C) প্রভাকর — এর অর্থ সূর্য, যা আলো ছড়ায়। D) সুধাকর — এর অর্থ চাঁদ, যা সুধা বা অমৃত বর্ষণ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - আকাশ মানে ওপরে যা দেখা যায়, তাই অন্তর বা মধ্যবর্তী স্থান অর্থাৎ অন্তরিক্ষ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আকাশ শব্দের সমার্থক হিসেবে গগন, নভ এবং অম্বর বেশি আসে।
a অক্ষি চিকিৎসক
b শল্য চিকিৎসক
c দন্ত চিকিৎসক
d সার্জেন্ট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শল্য চিকিৎসক ১. কেন সঠিক: - 'Surgeon' ইংরেজি শব্দটির অর্থ অস্ত্রোপচারকারী বা কাটাছেঁড়া করে চিকিৎসা করেন যিনি। - বাংলা পরিভাষায় মানবদেহের বিভিন্ন রোগ নিরাময়ের জন্য কাটাছেঁড়া বা অপারেশন করার চিকিৎসককে শল্য চিকিৎসক বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো মূল ভাষার শব্দের সমার্থক বা ভাবার্থ প্রকাশকারী প্রমিত বাংলা শব্দ। - ইংরেজি চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিভিন্ন পদের বাংলা পরিভাষা নির্ধারণে বাংলা একাডেমি ও প্রমিত রীতিনীতি অনুসরণ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Cardiologist মানে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ। ব্যাখ্যা: এটি হৃৎপিণ্ড সম্পর্কিত চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত একটি পারিভাষিক শব্দ। উদাহরণ ২: Dentist মানে দন্ত চিকিৎসক। ব্যাখ্যা: এটি দাঁতের চিকিৎসার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ইংরেজি শব্দের বাংলা পরিভাষা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষি চিকিৎসক — এটি 'Ophthalmologist' শব্দের বাংলা পরিভাষা, যার অর্থ চোখের চিকিৎসক। B) শল্য চিকিৎসক — এটি সঠিক পরিভাষা যা 'Surgeon' শব্দের অর্থ প্রকাশ করে। C) দন্ত চিকিৎসক — এটি 'Dentist' শব্দের বাংলা পরিভাষা, যা দাঁতের চিকিৎসার সঙ্গে জড়িত। D) সার্জেন্ট — এটি 'Sergeant' শব্দের বাংলা রূপান্তর বা প্রতিবর্ণীকরণ, কোনো পারিভাষিক শল্যচিকিৎসক পদ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সার্জারি মানে অস্ত্রোপচার, আর যিনি অস্ত্রোপচার করেন তিনি শল্য চিকিৎসক। - চিকিৎসা সংক্রান্ত ইংরেজি পরিভাষা পড়ার সময় মূল শব্দের উৎপত্তি ও কাজ খেয়াল রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চিকিৎসা ও প্রশাসন সংক্রান্ত ইংরেজি শব্দের পরিভাষা প্রায়ই আসে। - পারিভাষিক শব্দ মুখস্থ না করে শব্দটির মূল অর্থ অনুধাবন করলে সঠিক উত্তর সহজেই নির্বাচন করা সম্ভব।
a সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ
b আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
c আল মাহমুদ
d সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ ১. কেন সঠিক: - 'নয়নচারা' হলো বিশ শতকের অন্যতম প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহর রচিত একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। - এই গল্পগ্রন্থে গ্রামীণ মানুষের মনস্তত্ত্ব, সরলতা এবং সামাজিক বাস্তবতার নিপুণ চিত্রায়ন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ বাংলা কথাসাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক ধারা এবং অস্তিত্ববাদের প্রবক্তা হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। - তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে লালসালু, কাঁদো নদী কাঁদো এবং চাঁদের অমাবস্যা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লালসালু ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহর রচিত একটি শ্রেষ্ঠ সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: দুই তীর ও অন্যান্য গল্প ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহর আরেকটি উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ, যেখানে তার সাহিত্যিক প্রতিভার অনন্য প্রকাশ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ 'নয়নচারা' তার বিখ্যাত ছোটগল্প। B) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস — ইনি আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও 'নয়নচারা' তার লেখা নয়। C) আল মাহমুদ — ইনি মূলত প্রখ্যাত কবি ও কথাসাহিত্যিক হলেও আলোচ্য গল্পটির রচয়িতা নন। D) সেলিনা হোসেন — ইনি সমসাময়িক ঔপন্যাসিক হলেও এই নির্দিষ্ট ছোটগল্পটির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহর ছোটগল্প মনে রাখতে নয়নচারা এবং সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ নাম দুটি একসাথে স্মরণ রাখতে পারো। - তার গল্পের সংখ্যা তুলনামূলক কম হওয়ায় প্রধান গল্পগুলো খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহর রচনা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে লালসালু উপন্যাস এবং নয়নচারা ছোটগল্পের নাম বারবার পরীক্ষাতে দেখা যায়।
a Much
b More
c Less
d Last
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Much কেন সঠিক: - Much হলো পরিমাণের Adjective-এর Positive degree, যা অপরিবর্তিত মূল রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - Adjective-এর ডিগ্রি পরিবর্তনের নিয়মে Much শব্দের Comparative রূপ হলো More এবং Superlative রূপ হলো Most। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Much — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Positive degree-এর মূল রূপ। B) More — এটি ভুল অপশন কারণ এটি Much শব্দের Comparative degree। C) Less — এটি ভুল অপশন কারণ এটি Little শব্দের Comparative degree। D) Last — এটি ভুল অপশন কারণ এটি একটি Superlative degree বা Superlative Adjective। মনে রাখার টিপস: Adjective-এর তুলনামূলক রূপ মনে রাখতে Much, More এবং Most এভাবে মনে রাখবে, যেখানে প্রথমটি Positive ডিগ্রি।
a In danger
b In a confused state
c Perplexed
d Aimlessly
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) In a confused state কেন সঠিক: - 'At sixes and sevens' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। - এর বাংলা অর্থ হলো বিশৃঙ্খল অবস্থা বা হতবুদ্ধি হয়ে থাকা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) In danger — এর অর্থ বিপদে থাকা, যা এই ইডিয়মের অর্থের সাথে মেলে না। B) In a confused state — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ইডিয়মটির সমার্থক। C) Perplexed — এর অর্থ বিভ্রান্ত, তবে ইডিয়ম হিসেবে এই অপশনটি সরাসরি প্রযোজ্য নয়। D) Aimlessly — এর অর্থ উদ্দেশ্যহীনভাবে, যা বিশৃঙ্খল অবস্থার সঠিক রূপ নয়। মনে রাখার টিপস: ছয় ও সাত সংখ্যা দুটি পাশাপাশি অগোছালো মনে হয়, তাই 'At sixes and sevens' দেখলে বিভ্রান্তি বা বিশৃঙ্খলা মনে রাখতে হবে।
a Participle
b Gerund
c Verb
d Adjective
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Gerund কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'nursing' শব্দটি verb (nurse) এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করেছে এবং বাক্যের subject হিসেবে বসেছে। - Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যখন একই সাথে verb ও noun এর কাজ করে, তখন তাকে Gerund বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Participle — এটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে adjective এর কাজ করে, কিন্তু এখানে 'nursing' noun এর কাজ করছে। B) Gerund — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি noun এর কাজ করেছে। C) Verb — এটি মূল ক্রিয়া নয় বরং বাক্যের subject হিসেবে ব্যবহৃত একটি noun বা verbal noun। D) Adjective — এটি কোনো noun বা pronoun এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে না, তাই এটি adjective নয়। মনে রাখার টিপস: Verb + ing যদি বাক্যে Noun এর কাজ করে এবং What বা Whom এর উত্তর দেয়, তবে তা Gerund।
a by
b on
c with
d for
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) by কেন সঠিক: - Live by অর্থ কোনো উপায়ে বা আদর্শ মেনে জীবন ধারণ করা। - সৎ উপায়ে জীবিকা নির্বাহ করা বোঝাতে 'live by' উপযুক্ত ফ্রেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — এটি সঠিক কারণ 'live by honest means' একটি প্রমিত ধারা যেখানে সৎ উপায়ে জীবন চালানো বোঝায়। B) on — এটি ভুল কারণ 'live on' সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট খাবার বা আয়ের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকা বোঝায়। C) with — এটি ভুল কারণ 'with' সাধারণত কোনো যন্ত্র বা ব্যক্তির সাথে থাকা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়। D) for — এটি ভুল কারণ 'live for' কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য বা লক্ষ্যের জন্য বেঁচে থাকা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: সৎ উপায়ে জীবিকা অর্জন বা জীবন ধারণ করার ক্ষেত্রে সবসময় প্রিপজিশন 'by' ব্যবহৃত হয়।
a more busiest
b most busiest
c busiest
d busy
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) busiest কেন সঠিক: - One of the এর পর সবসময় adjective-এর superlative form এবং plural noun বসে। - Busy একটি single syllable বিশিষ্ট adjective, যার superlative form হলো busiest। বাকি অপশন কেন ভুল: A) more busiest — Double superlative ব্যবহার grammatically ভুল, কারণ busy শব্দের সঙ্গে more যোগ হয় না। B) most busiest — Most এবং busiest একসঙ্গে ব্যবহার করা redundant বা অতিরিক্ত প্রয়োগ। D) busy — এটি adjective-এর positive form, যা one of the এর নিয়ম অনুযায়ী এখানে বসবে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে One of the দেখলে চোখ বন্ধ করে superlative form (est বা mostযুক্ত শব্দ) বসাবে এবং noun-টি plural হবে।
a on
b over
c to
d of
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) on কেন সঠিক: - 'Insist' verb-এর পর নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সাধারণত 'on' ব্যবহৃত হয়। - 'Insist on' এর অর্থ হলো কোনো কিছুর জন্য জোড়াজুড়ি করা বা জিদ ধরা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — এটি সঠিক কারণ insist-এর পর on বসে এবং এর অর্থ জোড়াজুড়ি করা। B) over — এটি সাধারণত উপরে বা কোনো বিষয়ের ওপর বোঝাতে বসে, insist-এর সঙ্গে বসে না। C) to — এটি দিকে বা প্রতি বোঝাতে বসে, যা insist-এর সঙ্গে সঠিক preposition গঠন করে না। D) of — এটি এর বা সম্বন্ধ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের নিয়ম অনুযায়ী ভুল। মনে রাখার টিপস: Insist শব্দের সঙ্গে সবসময় on preposition ব্যবহার করতে হয়, যার অর্থ জোর করা।
a to go
b gone
c go
d went
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) go কেন সঠিক: - Had better একটি ব্যতিক্রমধর্মী মোডাল ভার্ব, যার পরে সব সময় ভার্বের বেস ফর্ম বা মূল রূপ বসে। - এই কাঠামোর অর্থ বোঝায় ভবিষ্যতে কোনো কাজ করা ভালো হবে, তাই এখানে go ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to go — Had better এর পরে ইনফিনিটিভ বা to বসে না, তাই এটি ভুল। B) gone — এটি ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ, যা এখানে ব্যাকরণগতভাবে বেমানান। C) go — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) went — এটি ভার্বের পাস্ট ফর্ম, কিন্তু Had better এর পরে প্রেজেন্ট ফর্ম বসে। মনে রাখার টিপস: Had better, would rather এবং let এর পরে সরাসরি ভার্বের বেস ফর্ম বসে।
a a
b an
c the
d no article
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) no article কেন সঠিক: - university শব্দটি যখন তার মৌলিক উদ্দেশ্যে (লেখাপড়া করতে যাওয়া) ব্যবহৃত হয়, তখন এর পূর্বে কোনো article বসে না। - এখানে প্রতিদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাসে যাওয়ার কথা বোঝানো হয়েছে, তাই শূন্যস্থানটিতে কোনো article হবে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — vowel হলেও university শব্দের উচ্চারণ ইউ (yoo) এর মতো হওয়ায় এখানে a বসার কথা মনে হতে পারে, কিন্তু মৌলিক উদ্দেশ্যে যাওয়ার কারণে article বসে না। B) an — vowel এর পূর্বে an বসে, কিন্তু university শব্দের উচ্চারণ consonant sound দিয়ে শুরু হওয়ায় এখানে an বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) the — নির্দিষ্ট করে কোনো নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় ভবনের দিকে ইঙ্গিত করা হয়নি, বরং এর সাধারণ কাজের কথা বলা হয়েছে তাই the হবে না। D) no article — এটি সঠিক কারণ মৌলিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত প্রতিষ্ঠানের পূর্বে article বসে না। মনে রাখার টিপস: School, college, university, hospital ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে যখন মৌলিক উদ্দেশ্যে (পড়ালেখা, চিকিৎসা) যাওয়া হয়, তখন তাদের পূর্বে কোনো article বসে না।
a his
b one's
c once
d everybody's
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) one's কেন সঠিক: - বাক্যের শুরুতে subject হিসেবে one থাকলে তার possessive form হিসেবে সর্বদা one's ব্যবহৃত হয়। - এটি ইংরেজি ব্যাকরণের Pronoun-এর একটি বিশেষ নিয়ম যা বাক্যের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) his — এটি third person masculine singular এর possessive form, যা বাক্যের subject one এর সাথে মেলে না। B) one's — এটি সঠিক উত্তর, কারণ one এর possessive form হিসেবে সব সময় one's বসে। C) once — এটি কোনো possessive pronoun বা possessive adjective নয়, এটি একটি Adverb যার অর্থ একবার। D) everybody's — এটি indefinite pronoun হলেও এই বাক্যের subject one এর পরিবর্তে ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে subject হিসেবে one থাকলে তার possessive form লেখার সময় সব সময় one's ব্যবহার করতে হয়।
a Girls' college
b Girl's college
c At ones' wit's end
d Women' club
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Girls' college কেন সঠিক: - plural noun বা বহুবচন যদি s দিয়ে শেষ হয়, তবে possessive case গঠনের জন্য শুধু অ্যাস্ট্রাফি যোগ করতে হয়। - Girl শব্দটির plural হলো Girls এবং এর শেষে s থাকায় শুধুমাত্র apostrophe বসে Girls' college হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Girls' college — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে। B) Girl's college — এটি ভুল কারণ college টি শুধু একজন মেয়ের জন্য নয়, এটি মেয়েদের বা বহু মেয়ের জন্য বোঝানো হয়েছে। C) At ones' wit's end — এটি ভুল কারণ এখানে ones' ভুল, সঠিক রূপ হবে at one's wit's end. D) Women' club — এটি ভুল কারণ women হলো plural শব্দ যা s দিয়ে শেষ হয়নি, তাই apostrophe এর আগে s বসাতে হবে Women's club হবে। মনে রাখার টিপস: Plural noun এর শেষে s থাকলে শুধু apostrophe (') বসে, আর s না থাকলে 's বসে।
a Man and Superman
b The importance of Being Earnest
c The Tempest
d All for Love
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The Tempest কেন সঠিক: - এটি বিশ্বখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়রের লেখা একটি জনপ্রিয় নাটক। - এটি মূলত তাঁর রচিত শেষ একক কমেডি বা রোমান্সধর্মী নাটক হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Man and Superman — এটি জর্জ বার্নার্ড শ এর লেখা একটি বিখ্যাত নাটক, শেক্সপিয়রের নয়। B) The importance of Being Earnest — এটি অস্কার ওয়াইল্ডের লেখা একটি বিখ্যাত প্রহসনমূলক নাটক। C) The Tempest — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) All for Love — এটি জন ড্রাইডেনের লেখা একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাটক। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিয়রের রোমান্স বা সমুদ্রভিত্তিক নাটক মনে রাখতে দ্য টেম্পেস্ট নামটি প্রধান হিসেবে মনে রাখতে হবে।
a is
b am
c were
d was
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) were কেন সঠিক: - বাক্যে I wish থাকার কারণে এটি অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করছে, যার ফলে শূন্যস্থানে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন সবসময় were বসে। - সাবজেক্ট პირველ પુરুষ (First person) I হওয়া সত্ত্বেও ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এখানে was না হয়ে were ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি প্রেজেন্ট টেন্স এবং থার্ড পারসন সিঙ্গुलर নাম্বারের ক্ষেত্রে বসে, যা অবাস্তব ইচ্ছার নিয়মের সঙ্গে মেলে না। B) am — এটি কেবল প্রেজেন্ট টেন্সে সাবজেক্ট I এর সঙ্গে বসে, কিন্তু এখানে পাস্ট সাবজাংক্টিভ মুড প্রযোজ্য। C) were — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কোনো ব্যাখ্যা নেই। D) was — এটি পাস্ট টেন্সে ফার্স্ট ও থার্ড পারসন সিঙ্গুলারের সাধারণ নিয়মে বসে, কিন্তু I wish যুক্ত বাক্যে সবসময় were বসে। মনে রাখার টিপস: I wish বা If দিয়ে শুরু হওয়া অবাস্তব বাক্য বা কাল্পনিক ইচ্ছার ক্ষেত্রে সাবজেক্ট সিঙ্গুলার বা প্লুরাল যাই হোক না কেন, ভার্ব সবসময় were হবে।
a Atshma
b Gonorrhea
c Diarhoea
d Diptheria
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Gonorrhea কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দটিতে সঠিক বানান ব্যবহার করা হয়েছে যেখানে সঠিক জায়গায় দুটি n এবং দুটি r রয়েছে। - চিকিৎসাবিজ্ঞান সংক্রান্ত এই শব্দটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বানান শুদ্ধি অংশে প্রায়ই আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Atshma — এটি ভুল বানান, সঠিক বানান Asthma হবে যেখানে একটি t অতিরিক্ত দেওয়া হয়েছে। B) Gonorrhea — এটি সঠিক বানান এবং এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট উত্তর হিসেবে বিবেচিত। C) Diarhoea — এটি ভুল বানান, ব্রিটিশ ও আমেরিকান উভয় স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী সঠিক বানান Diarrhoea হবে। D) Diptheria — এটি ভুল বানান, সঠিক বানান Diphtheria হবে যেখানে ph এর জায়গায় শুধু p ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Gonorrhea বানানে শেষাংশে দুটি n এবং দুটি r থাকে, যা ভালোভাবে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হবে না।
a Imperative
b Interrogative
c Optative
d Assertive
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Imperative কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটিতে কোনো আদেশ, নির্দেশ, উপদেশ বা অনুরোধ বোঝানো হয়েছে। - মূল verb দিয়ে শুরু হওয়া এবং শুরুতে বা মাঝে 'do' ব্যবহার করে জোর দেওয়া বাক্য Imperative Sentence-এর অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Imperative — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি একটি জোরালো অনুরোধ বা আদেশমূলক বাক্য। B) Interrogative — এটি প্রশ্নবোধক বাক্য নয়, কারণ এর শেষে কোনো প্রশ্নবোধক চিহ্ন নেই এবং এটি কোনো তথ্য জানতে চায় না। C) Optative — এটি প্রার্থনাবাচক বাক্য নয়, কারণ এতে মনের কোনো ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ পায়নি। D) Assertive — এটি সাধারণ বিবৃতিমূলক বা বর্ণনামূলক বাক্য নয়, কারণ এটি কোনো তথ্য বা বিবৃতি প্রদান করে না। মনে রাখার টিপস: যে বাক্য দিয়ে আদেশ, নিষেধ, উপদেশ বা অনুরোধ বোঝায় এবং সাধারণত মূল ভাব দিয়ে শুরু হয়, তাকে Imperative Sentence বলে।
a Impatient
b Sad
c Calm
d Fitful
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Calm কেন সঠিক: - 'Patient' শব্দটির অর্থ ধৈর্যশীল, শান্ত বা সহনশীল। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'Calm' শব্দটির অর্থ শান্ত, যা 'patient' শব্দের সমর্থক শব্দ বা সমার্থক হিসেবে সবচেয়ে উপযোগী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Impatient — এটি 'patient' শব্দের বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম, যার অর্থ অধৈর্য। B) Sad — এর অর্থ দুঃখিত, যা patient শব্দের অর্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) Calm — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। D) Fitful — এর অর্থ অনিয়মিত বা খামখেয়ালি, যা শান্ত স্বভাবের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Patient মানুষ মাত্রই শান্ত প্রকৃতির হয়, তাই Patient-এর সমার্থক শব্দ হিসেবে Calm মনে রাখা সহজ।
a Did he come home yesterday?
b Did he came home yesterday?
c Had he come home yesterday?
d Has he come home yesterday?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Did he come home yesterday? কেন সঠিক: - বাক্যটি অতীতের নির্দিষ্ট সময় নির্দেশ করায় এটি Past Indefinite Tense-এর ইন্টারোগেটিভ বাক্য। - Past Indefinite Tense-এর প্রশ্নবোধক বাক্যে সাহায্যকারী verb হিসেবে Did এবং মূল verb-এর Present form বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Did he come home yesterday? — এটি সঠিক বাক্য কারণ Did ব্যবহারের পর মূল verb-এর Present form (come) বসেছে। B) Did he came home yesterday? — ভুল কারণ Did-এর পরে verb-এর Past form (came) ব্যবহার করা হয়েছে। C) Had he come home yesterday? — ভুল কারণ এটি Past Perfect Tense, যা গতকালের সাধারণ কাজের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) Has he come home yesterday? — ভুল কারণ Present Perfect Tense-এর সাথে yesterday বা অতীতের নির্দিষ্ট সময় ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে yesterday থাকলে Past Indefinite Tense হয় এবং Did-এর পরে সবসময় verb-এর base form বা present form বসে।
a A diary
b A biography
c An autobiography
d A chronicle
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) An autobiography কেন সঠিক: - Auto শব্দের অর্থ নিজে এবং biography শব্দের অর্থ জীবনসংক্ষিপ্ত বা জীবনকাহিনি। - কোনো ব্যক্তি যখন নিজের জীবনের ঘটনাগুলো নিজেই লেখেন, তখন তাকে আত্মজীবনী বা autobiography বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A diary — এটি নিজের জীবনের দৈনন্দিন ঘটনা বা চিন্তাভাবনার দিনলিপি, যা নিয়মিত লেখা হয় কিন্তু পূর্ণাঙ্গ জীবনকাহিনি নয়। B) A biography — এটি অন্যের লেখা কোনো ব্যক্তির জীবনসংক্ষিপ্ত বা জীবনী, যা নিজের লেখা নয়। C) An autobiography — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল প্রশ্নে নিজের জীবন সম্পর্কে লেখার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য। D) A chronicle — এটি ইতিহাসের ঘটনাপঞ্জি বা কালানুক্রমিক বিবরণ, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির ব্যক্তিগত জীবনকাহিনি নয়। মনে রাখার টিপস: Auto অর্থ নিজে এবং bio অর্থ জীবন, তাই নিজের জীবন নিজে লেখা হলো autobiography।
a Temporary
b Permanent
c Short lived
d Transparent
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Permanent কেন সঠিক: - 'Transitory' শব্দটির অর্থ ক্ষণস্থায়ী বা যা দীর্ঘস্থায়ী নয়। - 'Permanent' শব্দটির অর্থ স্থায়ী, যা 'Transitory' শব্দের বিপরীত বা অ্যান্টনিভ অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Temporary — এটি 'Transitory' শব্দের সমার্থক বা সিনোনিম, তাই বিপরীত শব্দ নয়। B) Permanent — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ক্ষণস্থায়ী শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) Short lived — এটিও 'Transitory' শব্দের সমার্থক অর্থ বহন করে, তাই এটি সঠিক নয়। D) Transparent — এর অর্থ স্বচ্ছ, যা মূল শব্দের অর্থ বা বিপরীতার্থের সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: Transitory শব্দের শুরুতে Trans আছে যার সাথে Train-এর মিল পাওয়া যায়। ট্রেনের যাত্রা যেমন ক্ষণস্থায়ী, তেমনি Transitory মানে ক্ষণস্থায়ী এবং Permanent মানে স্থায়ী।
a Let not the lame man be laughed at.
b You should not laugh at the lame man
c The lame man not be laughed at.
d The lame man is not laughed at.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Let not the lame man be laughed at. কেন সঠিক: - মূল বাক্যটি Imperative Sentence হওয়ায় Passive করার সময় প্রথমে Let বসে এবং Negative-এর জন্য not বসে। - intransitive verb-এর সাথে preposition যুক্ত থাকলে Passive করার সময় preposition তুলে দেওয়া যায় না, তাই at অপরিবর্তিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let not the lame man be laughed at. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক। B) You should not laugh at the lame man — এটি একটি Assertive Sentence-এর অর্থ পরিবর্তন করে তৈরি করা হয়েছে, যা সরাসরি Passive রূপ নয়। C) The lame man not be laughed at. — এই বাক্যে নিয়ম অনুযায়ী শুরুতে Let এবং verb-এর পূর্বে be বাদ দেওয়ায় এটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ। D) The lame man is not laughed at. — এটি Present Indefinite Tense-এর Passive রূপ, যা মূল Imperative Sentence-এর ভাব প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Imperative Sentence-এ Do not দিয়ে শুরু হলে Passive করার সময় প্রথমে Let not বসাতে হয় এবং শেষে মূল verb-এর Past Participle করে preposition ঠিক রাখতে হয়।
a He had come home yesterday.
b He did come home yesterday.
c He came home yesterday.
d Hel has come home yesterday.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He came home yesterday. কেন সঠিক: - বাক্যে 'yesterday' থাকলে সেটি অতীত নির্দেশ করে, তাই verb-এর Past Indefinite Tense (V2) ব্যবহার করতে হয়। - come verb-এর V2 রূপ হলো came, যা অতীতের নির্দিষ্ট সময় বোঝাতে সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He had come home yesterday — বাক্যে অতীতকালের নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ থাকলে Past Perfect Tense হয় না, Past Indefinite Tense হয়। B) He did come home yesterday — auxiliary verb 'did' ব্যবহার করার পর মূল verb-এর Present form বসে, কিন্তু এখানে মূল verb-এর সঠিক রূপ ব্যবহৃত হয়নি। C) He came home yesterday — এটি সঠিক উত্তর। D) He has come home yesterday — 'yesterday' থাকার কারণে Present Perfect Tense ব্যবহার করা ভুল, কারণ এটি অতীতকাল নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: yesterday, ago, last থাকলে বাক্যটি সর্বদা Past Indefinite Tense (V2) হবে।
a ২০২০, ফেব্রুয়ারি
b ২০২১, ফেব্রুয়ারি
c ২০২০, মার্চ
d ২০২০, এপ্রিল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০২০, ফেব্রুয়ারি কেন সঠিক: - এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা তৃতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ এবং ভ্রমণ কাহিনী। - বাংলা একাডেমী থেকে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০২০, ফেব্রুয়ারি — এটি বইটির প্রকৃত প্রকাশকাল এবং সঠিক উত্তর। B) ২০২১, ফেব্রুয়ারি — এই সালে বইটি প্রকাশিত হয়নি, এটি ভুল সাল। C) ২০২০, মার্চ — মাসটি ভুল কারণ বইটি তার এক মাস আগে প্রকাশিত হয়েছিল। D) ২০২০, এপ্রিল — এই মাসে বইটি প্রকাশিত হয়নি, সঠিক মাস ফেব্রুয়ারি। মনে রাখার টিপস: নয়াচীন ভ্রমণ বইটির প্রকাশ সাল মনে রাখতে মনে রাখুন করোনাকালের ঠিক শুরুতে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এটি প্রকাশিত হয়।
a ৩ টি
b ৪ টি
c ২ টি
d ৫ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ টি কেন সঠিক: - রাষ্ট্র গঠনের জন্য আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী চারটি মৌলিক উপাদান আবশ্যক। - এই উপাদানগুলো হলো নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, স্থায়ী জনসংখ্যা, সরকার এবং সার্বভৌমত্ব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ টি — রাষ্ট্র গঠনের জন্য তিনটি উপাদান অপর্যাপ্ত কারণ সার্বভৌমত্ব বা নির্দিষ্ট ভূখণ্ড বাদ পড়লে রাষ্ট্র গঠিত হয় না। B) ৪ টি — এটি রাষ্ট্র গঠনের সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ উপাদান সংখ্যা নির্দেশ করে যা সর্বজনস্বীকৃত। C) ২ টি — দুটি উপাদান দিয়ে পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না কারণ এতে প্রয়োজনীয় জনবল ও শাসনব্যবস্থা অনুপস্থিত থাকে। D) ৫ টি — ৫ টি উপাদান অতিরিক্ত যা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের মৌলিক সংজ্ঞার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: রাষ্ট্র মনে রাখতে ভূখণ্ড, জনসংখ্যা, সরকার ও সার্বভৌমত্ব এই চারটির কথা মনে রাখবে।
a চতুর্থ তফসিল
b পঞ্চম তফসিল
c ষষ্ঠ তফসিল
d সপ্তম তফসিল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পঞ্চম তফসিল কেন সঠিক: - সংবিধানে ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ১৫০ অনুচ্ছেদের পর পঞ্চম তফসিলে সংযোজন করা হয়। - এই তফসিলে ভাষণটির বাংলা ও ইংরেজি উভয় পাঠ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চতুর্থ তফসিল — এটি সংবিধানের প্রারম্ভিক সময়ের কিছু অস্থায়ী ও সংকান্তিকালীন বিধানের সঙ্গে সম্পর্কিত। B) পঞ্চম তফসিল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই তফসিলেই ৭ মার্চের ভাষণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। C) ষষ্ঠ তফসিল — এটি ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ ঘোষণা করা স্বাধীনতার প্রাক proclamations সংক্রান্ত। D) সপ্তম তফসিল — এটি ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়নের আগের বিভিন্ন আইনের ধারাবাহিকতা রক্ষার সঙ্গে যুক্ত। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের পঞ্চম অনুচ্ছেদের সঙ্গে মিল রেখে মনে রাখতে পারো যে পঞ্চম তফসিলে ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ যুক্ত আছে।
a IBRD
b IFC
c IFAD
d MIGA
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) IFAD কেন সঠিক: - বিশ্ব ব্যাংকের মোট পাঁচটি অঙ্গ সংগঠন বা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার মধ্যে IFAD অন্তর্ভুক্ত নয়। - IFAD হলো জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যা কৃষির উন্নয়ন ও খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) IBRD — এটি বিশ্ব ব্যাংকের প্রধান ও বৃহত্তম অঙ্গ সংগঠন, যা উন্নয়নশীল দেশকে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ দেয়। B) IFC — এটি বিশ্ব ব্যাংকের একটি অঙ্গ সংগঠন, যা উন্নয়নশীল দেশের বেসরকারি খাতের সংস্থাকে ঋণ ও পরামর্শ দেয়। C) IFAD — এটি বিশ্ব ব্যাংকের অংশ নয়, বরং এটি একটি স্বাধীন জাতিসংঘ সংস্থাসমূহের অন্তর্ভুক্ত আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল। D) MIGA — এটি বিশ্ব ব্যাংকের একটি অঙ্গ সংগঠন, যা বিদেশি বিনিয়োগের নিরাপত্তা ও বীমা প্রদান করে। মনে রাখার টিপস: বিশ্ব ব্যাংকের পাঁচটি অঙ্গ সংগঠন মনে রাখার সহজ শব্দ হলো আইব্রড, ইফসি, আইডা, আইএফসি এবং মিগা। এখানে আইএফএডি বিশ্ব ব্যাংকের অংশ নয়।
a খাসিয়াদের
b সাঁওতালদের
c মনিপুরীদের
d চাকমাদের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) খাসিয়াদের কেন সঠিক: - বাংলাদেশের উপজাতিদের মধ্যে খাসিয়া সমাজ সম্পূর্ণভাবে মাতৃতান্ত্রিক। - এই সমাজে বংশপরিচয় ও সম্পত্তির উত্তরাধিকার মায়ের দিক থেকে নির্ধারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাসিয়াদের — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো ভুল ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। B) সাঁওতালদের — সাঁওতাল সমাজ পিতৃতান্ত্রিক এবং তাদের পরিবারে পিতা বা পুরুষ প্রধান ভূমিকা পালন করেন। C) মনিপুরীদের — মনিপুরী সমাজ পিতৃতান্ত্রিক এবং তাদের পরিবার ব্যবস্থা পুরুষতান্ত্রিক নিয়মেই পরিচালিত হয়। D) চাকমাদের — চাকমা সমাজ পিতৃতান্ত্রিক এবং সম্পত্তির উত্তরাধিকার সাধারণত পিতার মাধ্যমেই নির্ধারিত হয়। মনে রাখার টিপস: মাতৃতান্ত্রিক পরিবার মানেই খাসিয়া, আর বাকি প্রধান উপজাতিগুলো পিতৃতান্ত্রিক।
a বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি
b রাষ্ট্রপতি
c স্পিকার
d জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাষ্ট্রপতি কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন। - রাষ্ট্রপতি সংসদ সদস্যদের মধ্যে এমন একজন সংসদ সদস্যকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন যিনি সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি — প্রধান বিচারপতি সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করান, প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন না। B) রাষ্ট্রপতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। সি) স্পিকার — স্পিকার জাতীয় সংসদের অধিবেশন পরিচালনা করেন এবং সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান, প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন না। D) জাতীয় সংসদ — জাতীয় সংসদ আইন প্রণয়নকারী সর্বোচ্চ সংস্থা, তবে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের সাংবিধানিক এখতিয়ার সংসদের নেই, এটি রাষ্ট্রপতির এখতিয়ার। মনে রাখার টিপস: সরকারের প্রধান নির্বাহী হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ দেন দেশের সাংবিধানিক প্রধান অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি।
a বাংলাদেশ
b ভারত
c পাকিস্তান
d মালদ্বীপ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের আয়তনের তুলনায় জনসংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় এখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। - প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রায় এক হাজার একশো জনের বেশি, যা আঞ্চলিক গড়ের তুলনায় অনেক বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর জনসংখ্যার ঘনত্ব সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সর্বাধিক। B) ভারত — ভারতের আয়তন ও জনসংখ্যা অনেক বেশি হলেও এর জনসংখ্যার ঘনত্ব বাংলাদেশের চেয়ে কম। C) পাকিস্তান — পাকিস্তানের ভৌগোলিক আয়তন বাংলাদেশের চেয়ে বড় এবং এর জনসংখ্যার ঘনত্ব তুলনামূলক কম। D) মালদ্বীপ — মালদ্বীপের মোট জনসংখ্যা অত্যন্ত কম হওয়ায় এর ঘনত্ব বাংলাদেশের মতো এত বেশি নয়। মনে রাখার টিপস: সার্ক দেশে ঘন বসতি, সবার উপরে বাংলাদেশ।
a সাংবিধানিক সংস্থা
b বেসরকারি সংস্থা
c সংবিধিবদ্ধ সংস্থা
d সরকারি সংস্থা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংবিধিবদ্ধ সংস্থা কেন সঠিক: - বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন ২০১২ সালের প্রতিযোগিতা আইনের অধীনে গঠিত একটি সরকারি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা। - এটি সরকারের কোনো সরাসরি বিভাগ বা মন্ত্রণালয় নয়, বরং নির্দিষ্ট আইন দ্বারা গঠিত একটি স্বাধীন স্বশাসিত সরকারি প্রতিষ্ঠান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাংবিধানিক সংস্থা — এটি সংবিধানের কোনো নির্দিষ্ট অনুচ্ছেদের অধীনে গঠিত হয়নি, তাই এটি সাংবিধানিক সংস্থা নয়। B) বেসরকারি সংস্থা — এটি কোনো এনজিও বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নয়, এটি সম্পূর্ণভাবে সরকারি নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। C) সংবিধিবদ্ধ সংস্থা — প্রদত্ত উত্তর ডি ভুল কারণ এটি মূলত একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, সাধারণ অর্থে সরকারি হলেও আইনগতভাবে এটি সংবিধিবদ্ধ। D) সরকারি সংস্থা — এটি সরাসরি সরকারি সংস্থা হিসেবে তালিকাভুক্ত হলেও সঠিক আইনি পরিচয় হলো সংবিধিবদ্ধ সংস্থা। মনে রাখার টিপস: আইন পাসের মাধ্যমে গঠিত স্বাধীন সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বলা হয়, যেমন প্রতিযোগিতা কমিশন ২০১২ সালের আইন দ্বারা গঠিত।
a সুন্দরী ও গর্জন
b সুন্দরী ও গামার
c সুন্দরী ও গরান
d সুন্দরী ও সেগুন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুন্দরী ও গরান কেন সঠিক: - সুন্দরবনের উদ্ভিজ্জের মধ্যে সুন্দরী বৃক্ষ সর্বাধিক dominant এবং এর নামানুসারেই এই বনের নামকরণ হয়েছে। - গরান গাছ সুন্দরবনের অন্যতম প্রধান এবং বহুল পরিচিত ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ যা লবণাক্ত মাটিতে জন্মায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুন্দরী ও গর্জন — গর্জন গাছ পাহাড়ি বনাঞ্চলে জন্মায়, সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ নয়। B) সুন্দরী ও গামার — গামার কাঠ সাধারণত সমতল বা পাহাড়ি এলাকায় পাওয়া যায়। D) সুন্দরী ও সেগুন — সেগুন বন বা পাহাড়ি অঞ্চলের গাছ, ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান বৃক্ষ নয়। মনে রাখার টিপস: সুন্দরবনের প্রধান দুই বৃক্ষ মনে রাখতে সু-র সাথে গ-র মিল রেখে মনে রাখুন সুন্দরী ও গরান।
a বেগুন
b আম
c আলু
d টমেটো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলু কেন সঠিক: - 'সিন্দুরী' হলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত একটি উচ্চফলনশীল জাতের আলুর নাম। - এই জাতের আলুর ত্বক ও শাঁস লাল রঙের হয়ে থাকে এবং এর বাণিজ্যিক ও চাষাবাদের গুরুত্ব রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেগুন — এটি বেগুন নয়, কারণ বারি বেগুন বা অন্যান্য বেগুনের জাতের নামকরণে সিন্দুরী শব্দটি ব্যবহৃত হয় না। B) আম — এটি আম নয়, কারণ আমের জনপ্রিয় জাতগুলোর মধ্যে সিন্দুরী নামের কোনো স্বীকৃত জাত নেই। C) আলু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় এর কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। D) টমেটো — এটি টমেটো নয়, কারণ সিন্দুরী মূলত আলুর একটি নির্দিষ্ট জাতের নাম। মনে রাখার টিপস: আলু খেতে যেমন সুস্বাদু, এর লাল রঙের একটি বিশেষ জাতের নাম মনে রাখবেন 'সিন্দুরী'।
a নিউইয়র্ক
b জেনেভা
c প্যারিস
d মিউনিখ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্যারিস কেন সঠিক: - ইউনেস্কো জাতিসংঘর শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা যার প্রধান কার্যালয় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত। - এই সংস্থা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান বা ইউনেস্কো সাইট ঘোষণা এবং সংরক্ষণের কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এবং ইউনূসেফ এর সদর দপ্তর, ইউনেস্কোর নয়। B) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদর দপ্তর, ইউনেস্কোর নয়। C) প্যারিস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ইউনেস্কোর সদর দপ্তর এখানেই অবস্থিত। D) মিউনিখ — এটি জার্মানির একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর, যা ইউনেস্কোর সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: শিক্ষা ও সংস্কৃতির শহর বলা হয় প্যারিসকে, আর ইউনেস্কো শিক্ষা ও সংস্কৃতি নিয়েই কাজ করে।
a আসাম
b মনিপুর
c মিজোরাম
d নাগাল্যান্ড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মনিপুর কেন সঠিক: - টিপাইমুখ বাঁধ ভারতের মনিপুর রাজ্যের বরাক নদীর ওপর পরিকল্পনা করা একটি বিতর্কিত বাঁধ প্রকল্প। - এই নদীর পানি প্রবাহ বাংলাদেশের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর মাধ্যমে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রবেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আসাম — আসামের ওপর দিয়ে বরাক নদী প্রবাহিত হলেও টিপাইমুখ বাঁধটি এই রাজ্যে অবস্থিত নয়। C) মিজোরাম — মিজোরাম ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য হলেও এই বাঁধের সঙ্গে এর ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কিত নয়। D) নাগাল্যান্ড — নাগাল্যান্ড ভারতের আরেকটি রাজ্য এবং টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্পের সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: বরাক নদীর তীরে মনিপুর রাজ্যে টিপাইমুখ বাঁধ অবস্থিত, যা বাংলাদেশের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর সঙ্গে জড়িত।
a 1788
b 1789
c 1790
d 1791
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭৮৯ কেন সঠিক: - এই সালে ফরাসি বিপ্লব শুরু হয় এবং ফ্রান্সে প্রাচীন রাজতন্ত্রের পতন ঘটে। - এই বিপ্লবের মূল স্লোগান ছিল স্বাধীনতা, সমতা ও ভ্রাতৃত্ব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৮৮ — এই সালে বিপ্লব সংঘটিত হয়নি, তবে এটি বিপ্লবপূর্ব অর্থনৈতিক সংকটের বছর ছিল। B) ১৭৮৯ — এটি ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হওয়ার সঠিক সাল। C) ১৭৯০ — এই সালটি ফরাসি বিপ্লব শুরুর পরের বছর, যখন বিপ্লব বিভিন্ন সংস্কার পর্বে প্রবেশ করে। D) ১৭৯১ — এই সালে ফ্রান্সে নতুন সংবিধান প্রণীত হয় এবং রাজা ষোড়শ লুইয়ের ক্ষমতা সীমিত করা হয়। মনে রাখার টিপস: ফরাসি বিপ্লব শুরু হয় ১৭৮৯ সালে, যেখানে শেষ অঙ্ক নয় (৯) বিপ্লবের সূচনা নির্দেশ করে।
a ১৯৮০-৮২
b ১৯৭৮-৮০
c ১৯৭৬-৭৮
d ১৯৭৫-৭৭
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ১৯৭৮-৮০ কেন সঠিক: - ১৯৭৮ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য দুই বছর মেয়াদী একটি বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল। - রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে তৎকালীন সময়ে ৫ বছর মেয়াদী পরিকল্পনার পরিবর্তে এই স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮০-৮২ — এই সময়ে কোনো সরকারি দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়নি এবং এটি ভুল সময়কাল। B) ১৯৭৮-৮০ — এটি সঠিক সময়কাল হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। C) ১৯৭৬-৭৮ — এই সময়কালটি প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা এবং পরবর্তী পরিকল্পনার মধ্যবর্তী সময়ে গঠিত সংশোধিত বা বিশেষ পরিস্থিতির সময় হলেও এটি আনুষ্ঠানিক দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা নয়। D) ১৯৭৫-৭৭ — এই সময়ে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা চলমান ছিল এবং ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বিভিন্ন নীতি পুনর্নির্ধারণ করা হয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের একমাত্র দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা শুরু হয় ১৯৭৮ সালে এবং শেষ হয় ১৯৮০ সালে, অর্থাৎ শেষের সংখ্যা দুটি মনে রাখলেই সালটি সহজে মনে থাকবে।
a ওয়াশিংটন ডিসিতে
b নিউইয়র্কে
c বোস্টনে
d গেটিসবার্গে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিউইয়র্কে কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তার জন্য জর্জ হ্যারিসন ও রবি শংকরের উদ্যোগে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়ারে এই কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়। - বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গঠন এবং শরণার্থীদের সাহায্যার্থে তহবিল সংগ্রহ করাই ছিল এই ঐতিহাসিক কনসার্টের মূল উদ্দেশ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াশিংটন ডিসিতে — এটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী হলেও ১৯৭১ সালের এই ঐতিহাসিক কনসার্টটি এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি। B) নিউইয়র্কে — এটি সঠিক স্থান হওয়ায় এখানে কনসার্টটি আয়োজিত হয়েছিল। সি) বোস্টনে — এটি একটি শিক্ষानগরী হলেও কনসার্ট আয়োজনের মূল ভেন্যু এটি ছিল না। ডি) গেটিসবার্গে — এটি মার্কিন গৃহযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্থান হলেও এই কনসার্টের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ কনসার্ট নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়ারে হয়েছিল, যা মনে রাখতে নিউইয়র্ক শহরের নাম মাথায় রাখতে হবে।
a ১৯৯০ সালে
b ১৯৯১ সালে
c ১৯৯২ সালে
d ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৯২ সালে কেন সঠিক: - একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের দাবিতে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে ১৯৯২ সালের ১৯ জানুয়ারি ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি গঠিত হয়। - এই কমিটি গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আন্দোলন তীব্র ও গণমুখী রূপ লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯০ সালে — এই সালে স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থান সফল হয়েছিল, যা ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি গঠনের বছর নয়। B) ১৯৯১ সালে — এই সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং বিএনপি সরকার গঠন করে, যা এই কমিটির প্রতিষ্ঠার সাল নয়। C) ১৯৯২ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে এই কমিটি গঠিত হয়েছিল। D) ১৯৯৩ সালে — এই সালের ২৪ মার্চ জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে গণআদালতের রায়ের ভিত্তিতে প্রতীকী বিচারকার্য সম্পন্ন হয়, যা গঠনের সাল নয়। মনে রাখার টিপস: জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে গঠিত নির্মূল কমিটির সাল মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন: নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে, ঠিক ১৯৯২ সালে এটি গঠিত হয়।
a ৪ বার
b ৫ বার
c ৬ বার
d ৭ বার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ বার কেন সঠিক: - বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় এবং ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত জনশুমারিটি ছিল দেশের ষষ্ঠ জনশুমারি। - অতীতে এই কার্যক্রম আদমশুমারি নামে পরিচিত থাকলেও ২০২২ সালে নাম পরিবর্তন করে জনশুমারি ও গৃহগণনা রাখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ বার — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ ১৯৭৪ সালের পর আরও অনেকবার শুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। B) ৫ বার — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ ২০১১ সালে পঞ্চম শুমারি সম্পন্ন হওয়ার পর ২০২২ সালে ষষ্ঠ শুমারি হয়েছে। C) ৬ বার — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশে ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে মোট ছয়বার জনশুমারি হয়েছে। D) ৭ বার — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ছয়বার জনশুমারি ও গৃহগণনা সম্পন্ন হয়েছে। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সালে প্রথম এবং সর্বশেষ ২০২২ সালে ষষ্ঠ জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
a ৪ নভেম্বর
b ১২ অক্টোবর
c ১৬ ডিসেম্বর
d ১০ মে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ নভেম্বর কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের এই দিনে গণপরিষদে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান গৃহীত হয়। - ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে এই সংবিধান কার্যকর করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ নভেম্বর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদে পাস বা গৃহীত হয়েছিল। B) ১২ অক্টোবর — এই তারিখে বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া গণপরিষদে প্রথম উত্থাপন করা হয়েছিল। C) ১৬ ডিসেম্বর — এটি বাংলাদেশের বিজয় দিবস এবং ১৯৭২ সালে এই দিনে সংবিধান কার্যকর করা হয়েছিল। D) ১০ মে — এটি সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম বৈঠকের তারিখ এবং এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: নভেম্বর মাসের চার তারিখ সংবিধান গৃহীত হয় এবং ষোল ডিসেম্বর তা কার্যকর হয়।
a ইংল্যান্ড
b যুক্তরাষ্ট্র
c জার্মানি
d ফ্রান্স
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইংল্যান্ড কেন সঠিক: - অষ্টাদশ শতাব্দীতে যুক্তরাজ্যে বা ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়। - পর্যাপ্ত কয়লা, লোহা এবং উপনিবেশ থেকে প্রাপ্ত মূলধন শিল্পায়নের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই প্রথম বাষ্পীয় ইঞ্জিন ও বস্ত্রশিল্পের ব্যাপক প্রসার ঘটে। B) যুক্তরাষ্ট্র — এখানে শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডের বহু পরে, উনবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে। C) জার্মানি — জার্মানি রাজনৈতিক ঐক্যের অভাবে অনেক পরে, উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে শিল্পায়নে এগিয়ে আসে। D) ফ্রান্স — ফরাসি বিপ্লব ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে ফ্রান্সে শিল্প বিপ্লব দেরিতে শুরু হয়। মনে রাখার টিপস: শিল্পের 'ই' দিয়ে মনে রাখবে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল 'ইংল্যান্ড' দেশে।
a বেরিবেরি রোগ হয়
b রিকেট রোগ হয়
c রাতকানা রোগ হয়
d স্কার্ভি রোগ হয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বেরিবেরি রোগ হয় ১. কেন সঠিক: ভিটামিন বি এর বিশেষ করে ভিটামিন বি ১ বা থিয়ামিনের অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়। শরীরে এই ভিটামিনের ঘাটতি হলে স্নায়ুতন্ত্র ও হৃৎপিণ্ড সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভিটামিন বি হলো পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা শরীরের শক্তি উৎপাদনে এবং কোষের বিপাক ক্রিয়ায় সহায়তা করে। কার্যপ্রণালি: থিয়ামিন বা ভিটামিন বি ১ কার্বোহাইড্রেটকে শক্তিতে রূপান্তর করতে সাহায্য করে যার অভাবে স্নায়ু কোষে পুষ্টি পৌঁছায় না। কারণ ও ফলাফল: এর অভাবে পেশি দুর্বল হয়ে যায়, হাত-পা অবশ অনুভূত হয় এবং হৃৎপিণ্ডের কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়। বাস্তব প্রয়োগ: ছাঁটা চাল বা প্রক্রিয়াজাত খাবারে ভিটামিন বি ১ নষ্ট হয়ে যায় যা নিয়মিত খেলে বেরিবেরি রোগ হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পালিশ করা চালের ভাত অতিরিক্ত খাওয়া। ব্যাখ্যা: চালের ওপরের খোসায় ভিটামিন বি ১ থাকে যা ছাঁটাই করার ফলে দূর হয়ে যায় এবং দীর্ঘকাল এটি খেলে বেরিবেরি হয়। উদাহরণ ২: মদ্যপায়ী ব্যক্তিদের পুষ্টির অভাব। ব্যাখ্যা: অ্যালকোহল শরীর কর্তৃক থিয়ামিন শোষণ বাধাগ্রস্ত করে ফলে স্নায়ুর দুর্বলতা ও বেরিবেরি দেখা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেরিবেরি রোগ হয় — এটি ভিটামিন বি এর অভাবে ঘটে তাই এটি সঠিক উত্তর। B) রিকেট রোগ হয় — এটি ভিটামিন ডি এর অভাবে হয় যেখানে শিশুদের হাড় নরম ও দুর্বল হয়ে যায়। C) রাতকানা রোগ হয় — এটি ভিটামিন এ এর অভাবে হয় যার ফলে স্বল্প আলোতে দেখতে সমস্যা হয়। D) স্কার্ভি রোগ হয় — এটি ভিটামিন সি এর অভাবে হয় যার প্রধান লক্ষণ মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া। ৫ মনে রাখার টিপস: ভিটামিন বি এর অভাবে বেরিবেরি হয় এটি মনে রাখতে বি বর্ণটি দিয়ে শুরু শব্দ দুটি মনে রাখতে পারেন যেমন ভিটামিন বি এবং বেরিবেরি। খাদ্য ও পুষ্টির এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভিটামিন বি ১ এর রাসায়নিক নাম থিয়ামিন এবং এর অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়। পরীক্ষায় প্রায়ই ভিটামিনের নাম ও তার অভাবজনিত রোগের নাম মিলকরণ বা এমসিকিউ আকারে আসে।
a মিথেন
b ইথেন
c প্রোপেন
d বিউটেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিউটেন ১. কেন সঠিক: রান্নার কাজে ব্যবহৃত এলপিজি বা লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো বিউটেন। এটি সহজে তরলে রূপান্তরিত হয় এবং উচ্চ তাপ উৎপন্ন করে পোড়ে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: এলপিজি হলো হাইড্রোকার্বনের একটি মিশ্রণ যা উচ্চ চাপে সিলিন্ডারে তরল অবস্থায় রাখা হয়। রাসায়নিক সংকেত: বিউটেনের রাসায়নিক সংকেত সি ফোর এইচ টেন এবং প্রোপেনের সংকেত সি থ্রি এইচ এইট। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাসার চুলায় সিলিন্ডারের রেগুলেটর অন করলে হালকা চাপ প্রয়োগে গ্যাস প্রবাহিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি দেখায় কীভাবে উচ্চ চাপে তরল গ্যাস সিলিন্ডারের ভেতরে অবস্থান করে এবং চাপে বাইরে আসে। উদাহরণ ২: শীতকালে অনেক সময় সিলিন্ডারে গ্যাস জমে যায় বা চাপ কমে যায়। ব্যাখ্যা: বিউটেনের স্ফুটনাঙ্ক কম হওয়ার কারণে ঠান্ডা আবহাওিয়ায় এটি সহজে বাষ্পীভূত হতে চায় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিথেন — মিথেন হলো প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান, যা পাইপলাইনের মাধ্যমে বাসাবাড়িতে সরবরাহ করা হয়। B) ইথেন — ইথেন প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি উপদান হলেও এটি রান্নার সিলিন্ডারে প্রধান উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। C) প্রোপেন — প্রোপেন এলপিজির একটি উপাদান হলেও এটি সাধারণত বিউটেনের চেয়ে পরিমাণে কম থাকে। D) বিউটেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিউটেন হলো রান্নার সিলিন্ডার গ্যাসের প্রধান ও সর্বাধিক ব্যবহৃত উপাদান। ৫ মনে রাখার টিপস: এলপিজির প্রধান উপাদান মনে রাখার জন্য বিউটেন শব্দটিকে মাথায় রাখবে কারণ বি দিয়ে বিউটেন এবং বিউটেন দিয়েই সিলিন্ডারের আগুন জ্বলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। এলপিজি মূলত প্রোপেন ও বিউটেনের মিশ্রণ, তবে বিউটেনের পরিমাণ বেশি থাকে।
a ৬৪ মিনিট
b ৭২ মিনিট
c ৮৮ মিনিট
d ৯৪ মিনিট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭২ মিনিট কেন সঠিক: - সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের হৃদস্পন্দনের স্বাভাবিক হার প্রতি মিনিটে গড়ে বাহাত্তর বার হয়ে থাকে। - শারীরিক পরিশ্রম বা উত্তেজনার সময় এটি বাড়তে পারে এবং বিশ্রামের সময় স্বাভাবিক থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬৪ মিনিট — এই হার সাধারণত খুব কম এবং অলস হৃদস্পন্দন বা ব্র্যাডিকার্ডিয়া নির্দেশ করতে পারে। B) ৭২ মিনিট — এটি একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের স্বাভাবিক হৃদস্পন্দনের আদর্শ মান। C) ৮৮ মিনিট — এই হার কিছুটা বেশি এবং এটি হালকা পরিশ্রম, উদ্বেগ বা জ্বরের লক্ষণ হতে পারে। D) ৯৪ মিনিট — এই হার বেশ বেশি এবং এটি অতিরিক্ত পরিশ্রম, ভয় বা শারীরিক অসুস্থতার ইঙ্গিত দেয়। মনে রাখার টিপস: সুস্থ মানুষের স্বাভাবিক নাড়ির গতি বা হৃদস্পন্দন মনে রাখতে ৭২ সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a Twin pregnancy
b Breech presentation
c Post-partum haemorrhage
d Triplet pregnancy
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Post-partum haemorrhage কেন সঠিক: - প্রসবের পর অতিরিক্ত রক্তপাত বা পোস্ট-পার্টাম হেমোরেজ একটি জীবনঘাতী অবস্টেট্রিক বা প্রসূতি জরুরি অবস্থা। - এটি প্রসবোত্তর মায়ের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ যা তাৎক্ষণিক চিকিৎসা না করলে মারাত্মক জটিলতা তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Twin pregnancy — এটি একটি ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভধারণ হলেও এটি সরাসরি প্রসূতি জরুরি অবস্থা বা অবস্টেট্রিক ইমার্জেন্সি নয়। B) Breech presentation — এটি বাচ্চার অস্বাভাবিক অবস্থান যা প্রসবের সময় জটিলতা তৈরি করতে পারে কিন্তু নিজেই কোনো আকস্মিক ইমার্জেন্সি নয়। C) Post-partum haemorrhage — এটি সঠিক উত্তর। D) Triplet pregnancy — এটি বহু গর্ভধারণের জটিল অবস্থা যা প্রসবের সময় বিশেষ নজরদারির প্রয়োজন করে, তবে সরাসরি ইমার্জেন্সি নয়। মনে রাখার টিপস: প্রসবের পরের অতিরিক্ত রক্তপাত জীবন বিপন্ন করে তাই এটি অবস্টেট্রিক ইমার্জেন্সি।
a Anterior wall of body of uterus
b Posterior wall of body of uterus
c Fallopian tube
d Fundus of uterus
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Fallopian tube কেন সঠিক: - জিম্বাইফ বা স্বাভাবিক গর্ভধারণের স্থান জরায়ু হলেও, যখন নিষিক্ত ডিম্বাণু জরায়ুর বাইরে অন্য কোথাও প্রতিস্থাপিত হয় তাকে একটোপিক প্রেগনেন্সি বলে। - একটোপিক প্রেগনেন্সির প্রায় নব্বই শতাংশ ক্ষেত্রে ভ্রূণটি ফ্যালোপিয়ান টিউবে বা ডিম্বনালীতে আটকে গিয়ে বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Anterior wall of body of uterus — জরায়ুর অগ্র দেওয়াল স্বাভাবিক গর্ভধারণের সঠিক ও নির্ধারিত স্থান, একটোপিক প্রেগনেন্সির স্থান নয়। B) Posterior wall of body of uterus — জরায়ুর পশ্চাৎ দেওয়ালও স্বাভাবিক ভ্রূণ প্রতিস্থাপনের স্বাভাবিক স্থান এবং এটি জরায়ুর অভ্যন্তরে অবস্থিত। C) Fallopian tube — এটি সঠিক উত্তর কারণ জরায়ুর বাইরে ভ্রূণ প্রতিস্থাপিত হলে সাধারণত এই টিউবেই তার বৃদ্ধি ঘটে। D) Fundus of uterus — ফান্ডাস হলো জরায়ুর উপরের অংশ, যা স্বাভাবিক ইমপ্লান্টেশনের জন্য জরায়ুর ভেতরের একটি আদর্শ স্থান। মনে রাখার টিপস: একটোপিক প্রেগনেন্সি মানেই জরায়ুর বাইরে ভ্রূণ বাড়া, যার সবচেয়ে কমন স্থান হলো ফ্যালোপিয়ান টিউব।
a Tuberculosis
b Measles
c Ring worm
d Gonorrhoea
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Ring worm কেন সঠিক: - Ring worm বা দাদ হলো ত্বকের একটি সাধারণ ফাঙ্গাল ইনফেকশন, যা ফাঙ্গাসের কারণে হয়ে থাকে। - এটি সাধারণত ত্বকে গোল বলয়ের মতো লালচে ও চুলকানিযুক্ত দাগের সৃষ্টি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tuberculosis — এটি মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া একটি সংক্রামক রোগ। B) Measles — এটি একটি ভাইরাল ইনফেকশন বা ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত শ্বাসতন্ত্রকে আক্রমণ করে। C) Ring worm — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। D) Gonorrhoea — এটি নিসেইরিয়া গনোরি নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সংক্রামিত একটি যৌন রোগ। মনে রাখার টিপস: ফাঙ্গাল ইনফেকশন মানেই ত্বকে গোল চাকা বা দাদ (Ring worm), আর ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস সাধারণত ভেতরের অঙ্গ বা সিস্টেমকে আক্রমণ করে।
a ৩ মাস
b ৬ মাস
c ৯ মাস
d ২ বছর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ মাস কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা অনুযায়ী শিশুর জন্ম থেকে প্রথম ছয় মাস পর্যন্ত শুধু মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোই হলো এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং। - এই সময়ে বুকের দুধ ছাড়া অন্য কোনো খাবার বা পানিও খাওয়ানোর প্রয়োজন হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ মাস — এই সময়ে শিশুর পুষ্টির চাহিদা মেটাতে শুধু বুকের দুধ অপর্যাপ্ত হতে পারে, তাই এটি সঠিক নয়। B) ৬ মাস — এটি চিকিৎসাবিজ্ঞান ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত সঠিক সময়সীমা। C) ৯ মাস — এই বয়সে শিশুর পরিপূরক খাবারের প্রয়োজন হয়, তাই শুধু বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়সীমা এটি নয়। D) ২ বছর — দুই বছর বা তার বেশি সময় পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়ানো উচিত, তবে ছয় মাস পর থেকে এর পাশাপাশি পরিপূরক খাবার দিতে হয়। মনে রাখার টিপস: জীবনের প্রথম অর্ধ বছর বা ছয় মাস শুধু মায়ের দুধ, এর আগে বা পরে পানিরও দরকার নেই।
a COPPER-T
b Oral contraceptive pill
c Injection
d Implant
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) COPPER-T কেন সঠিক: - কপার-টি একটি জরায়ুসংলগ্ন জন্মনিয়ন্ত্রণ ডিভাইস বা আইইউডি, যা মূলত তামা ও প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি এবং এতে কোনো হরমোন থাকে না। - এটি জরায়ুর ভেতরে শুক্রাণুর কার্যক্ষমতা নষ্ট করে এবং নিষেক প্রক্রিয়ায় বাধা দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) COPPER-T — এটি কোনো হরমোন নয়, এটি একটি নন-হরমোনাল ইন্ট্রাউটেরাইন ডিভাইস। B) Oral contraceptive pill — এটি হরমোনভিত্তিক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, যাতে ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন হরমোন থাকে। C) Injection — এটি প্রোজেস্টিন হরমোনভিত্তিক দীর্ঘমেয়াদী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি। D) Implant — এটিও হরমোনভিত্তিক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, যা ত্বকের নিচে স্থাপন করা হয়। মনে রাখার টিপস: কপার-টি তামা দিয়ে তৈরি হরমোনমুক্ত ডিভাইস, আর পিল, ইনজেকশন ও ইমপ্লান্ট সবকটিই হরমোনভিত্তিক।
a বাসা
b পাড়া বা মহল্লা
c হাসপাতাল
d স্কুল-কলেজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হাসপাতাল কেন সঠিক: - নোসোকোমিয়াল ইনফেকশন হলো এমন এক ধরনের সংক্রমণ যা রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার অন্তত আটচল্লিশ ঘণ্টা পরে বা চিকিৎসার সময় অর্জন করে। - হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে বিভিন্ন ধরনের সংক্রামক জীবাণু ও রোগীর উপস্থিতি থাকায় এটি মূলত হাসপাতাল থেকেই ছড়ায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাসা — বাসা হলো সাধারণ পরিবেশ যেখানে সাধারণত এ ধরনের নির্দিষ্ট হাসপাতালভিত্তিক জীবাণু ছড়ায় না। B) পাড়া বা মহল্লা — পাড়া বা মহল্লা কমিউনিটি লেভেলের পরিবেশ, যা সরাসরি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র বা হাসপাতাল নয়। C) হাসপাতাল — এটি সঠিক কারণ এই নির্দিষ্ট সংক্রমণটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র বা হাসপাতাল থেকেই ছড়ায়। D) স্কুল-কলেজ — স্কুল-কলেজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যেখানে চিকিৎসা সেবামূলক কোনো কাজের পরিবেশ থাকে না। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি নোসোকোমিয়াল শব্দের অর্থ হলো হাসপাতালের সাথে সম্পর্কিত, তাই এটি হাসপাতাল থেকেই ছড়ায়।
a হৃদরোগের চিকিৎসায়
b হাঁপানীর চিকিৎসায়
c হাড্ডিভাঙ্গার চিকিৎসায়
d ডায়রিয়ার চিকিৎসায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হাড্ডিভাঙ্গার চিকিৎসায় কেন সঠিক: - প্লাস্টার অব প্যারিস মূলত ক্যালসিয়াম সালফেট হেমিহাইড্রেট, যা পানির সাথে মিশালে শক্ত হয়ে যায়। - এই বৈশিষ্ট্য থাকার কারণে মানবদেহের ভাঙা হাড় সোজা ও স্থিতিশীল রাখতে এটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হৃদরোগের চিকিৎসায় — হৃদরোগের চিকিৎসায় পেসমেকার, রিং বা বিভিন্ন ওষুধ ব্যবহার করা হয়, প্লাস্টার অব প্যারিস নয়। B) হাঁপানীর চিকিৎসায় — হাঁপানীর চিকিৎসায় ইনহেলার ও ব্রংকোডাইলেটর জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা হয়। C) হাড্ডিভাঙ্গার চিকিৎসায় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ হাড় জোড়া লাগাতে কাস্ট তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয়। D) ডায়রিয়ার চিকিৎসায় — ডায়রিয়ার চিকিৎসায় স্যালাইন ও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: প্লাস্টার অব প্যারিস মানেই ভাঙা হাড় শক্ত করে জোড়া লাগানোর সাদা ব্যান্ডেজ বা কাস্ট।
a শর্করা
b স্নেহজাতীয় পদার্থ
c প্রোটিন
d ভিটামিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্নেহজাতীয় পদার্থ কেন সঠিক: - প্রতি গ্রাম স্নেহজাতীয় পদার্থ বা ফ্যাট জারণের মাধ্যমে প্রায় নয় কিলো ক্যালরি শক্তি উৎপন্ন করে। - শর্করা ও প্রোটিনের তুলনায় স্নেহজাতীয় পদার্থে শক্তির পরিমাণ প্রায় দ্বিগুণ থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শর্করা — প্রতি গ্রাম শর্করা থেকে প্রায় চার কিলো ক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়, যা ফ্যাট থেকে কম। B) স্নেহজাতীয় পদার্থ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি থেকে সবচেয়ে বেশি ক্যালরি বা শক্তি পাওয়া যায়। C) প্রোটিন — প্রতি গ্রাম প্রোটিন থেকে প্রায় চার কিলো ক্যালরি শক্তি উৎপন্ন হয়, ফ্যাট থেকে অনেক কম। D) ভিটামিন — ভিটামিন কোনো শক্তি উৎপাদক খাদ্য উপাদান নয়, এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। মনে রাখার টিপস: খাদ্য উপাদানের মধ্যে ফ্যাট বা চর্বিতে ক্যালরি সবচেয়ে বেশি থাকে, প্রতি গ্রামে প্রায় নয় কিলো ক্যালরি।
a বিলম্বিত প্রসব
b প্রসবজনিত রক্তক্ষরণ
c প্রসব পরবর্তী প্রদাহ
d প্রি-একলাম্পশিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রসবজনিত রক্তক্ষরণ কেন সঠিক: - প্রসবের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা পোস্টপার্টাম হেমোরেজ বাংলাদেশে মাতৃমৃত্যুর প্রধান চিকিৎসাশাস্ত্রীয় কারণ হিসেবে চিহ্নিত। - সঠিক সময়ে রক্তের জোগান না পাওয়া এবং চিকিৎসাকেন্দ্রে দেরিতে পৌঁছানোর কারণে এই সমস্যাটি প্রাণঘাতী রূপ নেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিলম্বিত প্রসব — এটি মাতৃমৃত্যুর একটি পরোক্ষ কারণ হলেও সরাসরি প্রধান কারণ হিসেবে রক্তক্ষরণকেই গণ্য করা হয়। B) প্রসবজনিত রক্তক্ষরণ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশে মাতৃমৃত্যুর প্রধান কারণ। C) প্রসব পরবর্তী প্রদাহ — এটি প্রসবের পরের একটি ঝুঁকি হলেও রক্তক্ষরণের তুলনায় মাতৃমৃত্যুর হার এতে কম। D) প্রি-একলাম্পশিয়া — এটি গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপজনিত জটিলতা এবং মাতৃমৃত্যুর অন্যতম কারণ হলেও রক্তক্ষরণ এর চেয়ে এগিয়ে। মনে রাখার টিপস: মাতৃমৃত্যুর প্রধান কারণ মনে রাখতে রক্তক্ষরণ শব্দটিকে সবার আগে প্রাধান্য দিন।
a ৮০ দিন
b ৯০ দিন
c ১>>() দিন
d ১২০ দিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২০ দিন কেন সঠিক: - মানবদেহের লোহিত রক্ত কণিকা বা রেড ব্লাড সেলের গড় আয়ু ১২০ দিন বা প্রায় চার মাস। - এই সময় পর প্লীহা বা স্প্লীন এই পুরনো ও অকার্যকর কোষগুলোকে ধ্বংস করে ফেলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮০ দিন — এই সময়সীমা লোহিত রক্ত কণিকার স্বাভাবিক আয়ুষ্কালের চেয়ে কম, তাই এটি সঠিক নয়। B) ৯০ দিন — তিন মাস সময়টি লোহিত রক্ত কণিকার জীবনকালের জন্য প্রযোজ্য নয়, এটি ভুল উত্তর। C) ১>>() দিন — এটি কোনো সঠিক সময়কাল নয় এবং অপশনে মুদ্রণজনিত ত্রুটি রয়েছে। D) ১২০ দিন — এটি লোহিত রক্ত কণিকার জীবদ্দশার বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত সঠিক মান। মনে রাখার টিপস: লোহিত রক্ত কণিকার আয়ু চার মাস, অর্থাৎ চার গুণ ত্রিশ সমান একশো বিশ দিন।
a Gall bladder stone
b Heart failure
c Fracture
d Prostate cancer
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Fracture কেন সঠিক: - এক্স-রে উচ্চভেদী তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ ব্যবহার করে যা শরীরের ভেতরের হাড়ের গঠন স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারে। - ফ্র্যাকচার বা হাড় ভাঙার মতো রোগ নির্ণয়ে এক্স-রে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও প্রাথমিক চিকিৎসাগত পদ্ধতি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gall bladder stone — পিত্তথলির পাথর নির্ণয়ে এক্স-রের চেয়ে আল্ট্রাসোনোগ্রাম অনেক বেশি কার্যকর। B) Heart failure — হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা ও ব্যর্থতা মূল্যায়নে আল্ট্রাসোনোগ্রামের উন্নত রূপ ইকোকার্ডিওগ্রাফি বা ইসিজি ব্যবহার করা হয়। C) Fracture — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) Prostate cancer — প্রস্টেট ক্যানসার বা নরম টিস্যুর রোগ নির্ণয়ে বায়োপসি এবং এমআরআই বা আল্ট্রাসোনোগ্রাম ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: হাড় ভাঙলে এক্স-রে এবং নরম অঙ্গের সমস্যা হলে আল্ট্রাসোনোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
a জনসংখ্যার আয়-ব্যয়
b দেশের আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ
c জনসংখ্যার জন্ম-মৃত্যু ইত্যাদি
d শিক্ষার হার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জনসংখ্যার জন্ম-মৃত্যু ইত্যাদি কেন সঠিক: - ভাইটাল স্ট্যাটিস্টিকস বা জন্ম-মৃত্যু পরিসংখ্যান হলো জনসংখ্যার গতিপ্রকৃতি ও আকার পরিবর্তনের মূল পরিমাপক। - এটি মূলত জন্মহার, মৃত্যুহার, বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ এবং প্রজনন হার সংক্রান্ত সরকারি হিসাব ও তথ্য সংরক্ষণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জনসংখ্যার আয়-ব্যয় — এটি অর্থনৈতিক বা জনমিতির আর্থিক সূচক সম্পর্কিত তথ্য, জন্ম-মৃত্যু পরিসংখ্যান নয়। B) দেশের আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ — এটি বাণিজ্য পরিসংখ্যান বা বৈদেশিক বাণিজ্যের হিসাবের সঙ্গে সম্পর্কিত। C) জনসংখ্যার জন্ম-মৃত্যু ইত্যাদি — এটি ভাইটাল স্ট্যাটিস্টিকস বা জন্ম-মৃত্যু পরিসংখ্যানের সঠিক ও মূল বিষয় নির্দেশ করে। D) শিক্ষার হার — এটি মানব উন্নয়ন সূচক বা শিক্ষা পরিসংখ্যানের অন্তর্ভুক্ত, জন্ম-মৃত্যু পরিসংখ্যানের বিষয় নয়। মনে রাখার টিপস: ভাইটাল বা জীবন শব্দটির সঙ্গে জন্ম এবং মৃত্যুর মতো জীবনের মৌলিক ঘটনাগুলো সরাসরি জড়িত।
a নিউরন
b নেফ্রন
c পেসমেকার
d হেপাটোসাইট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নেফ্রন কেন সঠিক: - নেফ্রন হলো মানবদেহের প্রধান রেচন অঙ্গ বৃক্ক বা কিডনির গঠনগত ও কার্যগত একক। - প্রতিটি বৃক্কে প্রায় দশ লক্ষ নেফ্রন থাকে যা রক্ত ছেঁকে মূত্র তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউরন — এটি মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্রের গঠনগত ও কার্যগত একক। B) নেফ্রন — এটি বৃক্কের একক এবং সঠিক উত্তর। সি) পেসমেকার — এটি হৃদপিণ্ডের গতি স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। ডি) হেপাটোসাইট — এটি যকৃতের প্রধান কোষ যা বিপাক ক্রিয়ায় অংশ নেয়। মনে রাখার টিপস: কিডনি বা বৃক্কের চিকিৎসাকে নেফ্রোলজি বলা হয়, তাই বৃক্কের একক হলো নেফ্রন।
a স্ফিগমোম্যানোমিটার
b থার্মোমিটার
c ম্যানোমিটার
d ব্যরোমিটার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্ফিগমোম্যানোমিটার কেন সঠিক: - স্ফিগমোম্যানোমিটার যন্ত্রটি মানবদেহের রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেশার নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। - এটি সাধারণত পারদ স্তম্ভ বা ডিজিটাল ডিসপ্লের মাধ্যমে ধমনীর চাপ নির্ণয় করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্ফিগমোম্যানোমিটার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি রক্তচাপ মাপার কাজে ব্যবহৃত হয়। B) থার্মোমিটার — এই যন্ত্রটি মানবদেহের তাপমাত্রা বা জ্বর মাপার জন্য ব্যবহৃত হয়, রক্তচাপ মাপার জন্য নয়। C) ম্যানোমিটার — এটি মূলত গ্যাস বা তরলের চাপ মাপার পরীক্ষাগারের যন্ত্র, মানবদেহের রক্তচাপ মাপতে এটি ব্যবহৃত হয় না। D) ব্যরোমিটার — এই যন্ত্রটি বায়ুমণ্ডলের চাপ মাপার কাজে ব্যবহৃত হয়, যা রক্তচাপের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: রক্তচাপ মাপার যন্ত্রের নামের সাথে প্রেশার শব্দটির মিল আছে, তাই স্ফিগমোম্যানোমিটার নামটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ২২ জোড়া
b ২৩ জোড়া
c ২৬ জোড়া
d ১ জোড়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২২ জোড়া কেন সঠিক: - মানবদেহের কোষে মোট ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে যার মধ্যে ২২ জোড়া হলো অটোসোম। - অটোসোমগুলো জীবের দৈহিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে এবং নারী ও পুরুষের ক্ষেত্রে এগুলো একই রকম হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২২ জোড়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ মানবদেহে ২২ জোড়া দেহকোষীয় ক্রোমোজোম বা অটোসোম থাকে। B) ২৩ জোড়া — এটি মানবদেহের মোট ক্রোমোজোমের সংখ্যা, যার মধ্যে ২২ জোড়া অটোসোম এবং ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম থাকে। C) ২৬ জোড়া — এটি মানবদেহের ক্রোমোজোম সংখ্যার সাথে মেলে না, কারণ মানুষের মোট ক্রোমোজোম সংখ্যা ২৩ জোড়া বা ছেচল্লিশটি। D) ১ জোড়া — এটি সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোমের সংখ্যা, অটোসোমের সংখ্যা নয়। মনে রাখার টিপস: মানবদেহের মোট ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে শেষ জোড়া বা ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম বাদ দিলে বাকি ২২ জোড়াই হলো অটোসোম।
a AEDES AEGYPTI
b ANOPHELES
c CULEX
d ASIAN TIGER
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) AEDES AEGYPTI কেন সঠিক: - ডেঙ্গু ভাইরাস প্রধানত এডিস ইজিপ্টাই মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের শরীরে ছড়ায়। - এই মশা সাধারণত পরিষ্কার ও জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে এবং দিনের বেলা কামড়ায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) AEDES AEGYPTI — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মশার মাধ্যমেই ডেঙ্গু ভাইরাস বাহিত হয়। B) ANOPHELES — অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়া রোগ ছড়ায়, ডেঙ্গু নয়। C) CULEX — কিউলেক্স মশা ফাইলেরিয়া বা গোদ রোগ ও এনসেফালাইটিস ছড়ায়, ডেঙ্গু ছড়ায় না। D) ASIAN தIGER — এশিয়ান টাইগার মশা (এডিস অ্যালবোপিকটাস) ডেঙ্গু ছড়াতে পারলেও প্রদত্ত অপশনের মধ্যে এডিস ইজিপ্টাই প্রধান ও সর্বাধিক স্বীকৃত বাহক। মনে রাখার টিপস: ডেঙ্গু মানেই এডিস মশার কামড়, যা পরিষ্কার জমে থাকা পানিতে ডিম পাড়ে।
a Vit. C
b Vit. A
c Vit. B complex
d Vit. D
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Vit. A কেন সঠিক: - ভিটামিন এ চোখের রড কোষের কার্যকারিতা বজায় রাখতে এবং রোডপসিন নামক রঞ্জক পদার্থ তৈরিতে সহায়তা করে। - এই ভিটামিনের অভাবে চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে যায়, বিশেষ করে কম আলোতে দেখতে সমস্যা হয় যাকে রাতকানা রোগ বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vit. C — ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়, যা দাঁতের মাড়ি ও ত্বকের সাথে সম্পর্কিত। B) Vit. A — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় রাতকানা রোগের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। C) Vit. B complex — ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের অভাবে সাধারণত বেরিবেরি বা ত্বকের নানা সমস্যা দেখা দেয়। D) Vit. D — ভিটামিন ডি এর অভাবে শিশুদের রিকেটস এবং বয়স্কদের অস্টিওম্যালেসিয়া বা হাড়ের দুর্বলতা হয়। মনে রাখার টিপস: চোখের সুরক্ষায় এ অক্ষর দিয়ে ভিটামিন এ এবং অন্ধত্ব বা রাতকানা দূর করার বিষয়টি মনে রাখতে হবে।
a ৮ ধরনের
b ৩ ধরনের
c ২ ধরনের
d ১ ধরনের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ ধরনের কেন সঠিক: - মানবদেহের রক্তরসে মূলত তিন প্রধান ধরনের কোষ থাকে যা শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে অংশ নেয়। - এই তিন প্রকার কোষ হলো লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অনুচক্রিকা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ ধরনের — মানবদেহের রক্তে আট ধরনের কোষ থাকে না, এটি ভুল সংখ্যা। B) ৩ ধরনের — এটি সঠিক উত্তর কারণ রক্তে প্রধানত তিন ধরনের কোষ থাকে। C) ২ ধরনের — রক্তে কোষের সংখ্যা দুই ধরনের নয়, বরং তিন ধরনের হয়ে থাকে। D) ১ ধরনের — রক্তে মাত্র এক ধরনের কোষ থাকে না, তিন ধরনের কোষের সমন্বয় ঘটে। মনে রাখার টিপস: রক্তের কোষ মনে রাখার সহজ উপায় হলো লোহিত, শ্বেত ও অনুচক্রিকা অর্থাৎ ল-শ্ব-অ।
a স্টার্চ
b সেলুলোজ
c গ্লুকোজ
d গ্লাইকোজেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গ্লুকোজ কেন সঠিক: - গ্লুকোজের মুক্ত অ্যালডিহাইড বা কিটোন গ্রুপ থাকায় এটি সহজে অন্য পদার্থকে বিজারিত করতে পারে। - এটি মনোজাকারাইড হওয়ায় কোনো জটিল বন্ধন ছাড়াই বিজারণ ক্ষমতা প্রদর্শন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্টার্চ — এটি একটি পলিস্যাকারাইড এবং এর মুক্ত অ্যালডিহাইড বা কিটোন গ্রুপ না থাকায় এটি বিজারক শর্করা নয়। B) সেলুলোজ — এটি উদ্ভিদের কোষ প্রাচীরের পলিস্যাকারাইড এবং এটিও নন-রিডিউসিং শর্করা। C) গ্লুকোজ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিজে একটি বিজারক শর্করা। D) গ্লাইকোজেন — এটি প্রাণীদেহের পলিস্যাকারাইড এবং এটিও জটিল গঠন ও মুক্ত প্রান্তের অভাবে বিজারক শর্করা হিসেবে কাজ করে না। মনে রাখার টিপস: সকল মনোজাকারাইড যেমন গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ হলো রিডিউসিং শর্করা, আর জটিল পলিস্যাকারাইডগুলো নন-রিডিউসিং।
a গ্লুকাগন
b কর্টিসল
c ইনসুলিন
d ইস্ট্রোজেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইনসুলিন কেন সঠিক: - ইনসুলিন হরমোনের অপর্যাপ্ত নিঃসরণ বা কার্যকারিতার অভাবে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা ডায়াবেটিস মেলিটাস রোগ সৃষ্টি করে। - অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অফ ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বিটা কোষ থেকে ইনসুলিন উৎপাদিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্লুকাগন — এটি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমায় না বরং বৃদ্ধি করে, তাই এর অভাবে ডায়াবেটিস হয় না। B) কর্টিসল — এটি একটি স্টেরয়েড হরমোন যা বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, তবে সরাসরি এই হরমোনের অভাবে ডায়াবেটিস মেলিটাস হয় না। C) ইনসুলিন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কাজ ইনসুলিনই করে থাকে। D) ইস্ট্রোজেন — এটি মূলত স্ত্রী প্রজনন হরমোন, যা গ্লুকোজ বিপাকের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ইনসুলিন কমলে চিনি বা মিষ্টি বাড়ে, আর ডায়াবেটিস ঘরে ফেরে।
a এইচআইভি
b ক্রনিক রেনাল ফেইলিউর
c উচ্চরক্তচাপ
d ডায়াবেটিস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এইচআইভি কেন সঠিক: - এইচআইভি হলো এমন একটি রোগ যা সংক্রামক বা পরিবাহিত হতে পারে, কারণ এটি একজন আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর থেকে অন্য সুস্থ ব্যক্তির শরীরে ছড়ায়। - এই ভাইরাস মূলত রক্ত, বীর্য এবং অন্যান্য দৈহিক তরলের মাধ্যমে এক দেহ থেকে অন্য দেহে সংক্রমিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এইচআইভি — এটি একটি সংক্রামক ব্যাধি যা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ বা শারীরিক তরলের মাধ্যমে ছড়ায়। B) ক্রনিক রেনাল ফেইলিউর — এটি দীর্ঘস্থায়ী বৃক্ক বা কিডনি অকার্যকারিতা সংক্রান্ত অসংক্রামক রোগ, যা একজনের শরীর থেকে অন্যজনে ছড়ায় না। C) উচ্চরক্তচাপ — এটি একটি অসংক্রামক শারীরিক অবস্থা যা অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বা বংশগত কারণে হয়, সংক্রামক নয়। D) ডায়াবেটিস — এটি হরমোনের অসামঞ্জস্যতা ও বিপাকীয় ত্রুটির কারণে হওয়া অসংক্রামক রোগ, যা অন্যের শরীরে সংক্রমিত হয় না। মনে রাখার টিপস: ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া দ্বারা যেসব রোগ একজন থেকে অন্যজনে ছড়ায় সেগুলো সংক্রামক ব্যাধি, আর শারীরিক অকার্যকারিতা বা জীবনযাত্রার রোগগুলো অসংক্রামক।
a টিট্যানী
b গলগণ্ড
c ক্যান্সার
d রিকেটস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গলগণ্ড কেন সঠিক: - আয়োডিন মানুষের শরীরে থাইরয়েড হরমোন উৎপাদনে সহায়তা করে এবং এর ঘাটতি হলে থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যায়। - থাইরয়েড গ্রন্থির এই স্ফীত অবস্থাকে গলগণ্ড বা গয়টার রোগ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টিট্যানী — এটি শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব বা প্যারাথাইরয়েড হরমোনের সমস্যার কারণে পেশির সংকোচনজনিত রোগ। B) গলগণ্ড — এটি আয়োডিনের অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যাওয়ার কারণে ঘটে থাকে এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) ক্যান্সার — এটি কোষের অনিয়ন্ত্রিত ও অস্বাভাবিক বিভাজনের মাধ্যমে সৃষ্টি হওয়া একটি রোগ, আয়োডিনের অভাবের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) রিকেটস — এটি মূলত ভিটামিন ডি, ক্যালসিয়াম বা ফসফরাসের অভাবে শিশুদের হাড় নরম ও দুর্বল হয়ে যাওয়ার রোগ। মনে রাখার টিপস: গ তে গলগণ্ড এবং গ তে গলা ফুলে যাওয়া মনে রাখলে আয়োডিনের অভাবের বিষয়টি সহজে মনে রাখা যায়।
a রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে
b রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে
c রক্তশূন্যতা দেখা দেয়
d ক্ষুধামন্দা দেখা দেয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে কেন সঠিক: - কেমোথেরাপিতে ব্যবহৃত ওষুধ দ্রুত বিভাজিত হওয়া কোষগুলোকে ধ্বংস করে, যার মধ্যে ক্যান্সার কোষের পাশাপাশি সুস্থ রক্তকণিকাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। - এই প্রক্রিয়ায় রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য দায়ী শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা কমে যায়, ফলে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে না বরং উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে — এটি কেমোথেরাপির একটি অন্যতম প্রধান পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, তাই এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক ঘটনা। B) রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে — কেমোথেরাপিতে কখনো রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় না, বরং এটি ধ্বংস বা হ্রাস পায় বিধায় এটিই সঠিক উত্তর। C) রক্তশূন্যতা দেখা দেয় — কেমোথেরাপি লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদনে বাধা দেয়, যা রক্তশূন্যতার কারণ হয় এবং এটিও ঘটে থাকে। D) ক্ষুধামন্দা দেখা দেয় — কেমোথেরাপির প্রভাবে বমিভাব ও মুখের রুচি কমে যায়, ফলে ক্ষুধামন্দা দেখা দেওয়া একটি সাধারণ ঘটনা। মনে রাখার টিপস: কেমোথেরাপি মানেই শরীরের সব ভালো-খারাপ কোষের ওপর আঘাত, তাই এতে ক্ষমতা বাড়ে না বরং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।
a Megaloblastic anaemia
b Aplastic anaemia
c Thalassemia
d Iron deficiency anaemia
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Iron deficiency anaemia কেন সঠিক: - মানবদেহে লৌহের বা আয়রনের ঘাটতির কারণে এই অ্যানিমিয়া সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। - রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরির জন্য আয়রন অপরিহার্য উপাদান হওয়ায় এর অভাবে এই সমস্যা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Megaloblastic anaemia — এটি মূলত ভিটামিন বি ১২ বা ফলিক অ্যাসিডের অভাবে হয়, যা সাধারণ অ্যানিমিয়ার সবচেয়ে প্রচলিত রূপ নয়। B) Aplastic anaemia — এটি অস্থিমজ্জা পর্যাপ্ত রক্তকণিকা তৈরি করতে না পারলে ঘটে এবং এটি একটি বিরল ও মারাত্মক রোগ। C) Thalassemia — এটি একটি বংশগত বা জিনগত রক্তের রোগ, যা সাধারণ পুষ্টির অভাবে হওয়া অ্যানিমিয়া থেকে আলাদা। D) Iron deficiency anaemia — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মানুষের এই অ্যানিমিয়া হয়ে থাকে। মনে রাখার টিপস: বিশ্বে রক্তস্বল্পতার প্রধান কারণ হলো আয়রনের অভাব, তাই আয়রন কমলে রক্তস্বল্পতা হয়।
a Breech
b Cephalic
c Shoulder
d Brow
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Cephalic কেন সঠিক: - মাথা নিচের দিকে এবং জরায়ুর মুখের দিকে থাকে বলে জন্ম নেওয়ার সময় এটি সবচেয়ে স্বাভাবিক ও সাধারণ অবস্থা। - শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ গর্ভধারণের ক্ষেত্রে এই পজিশন বা উপস্থাপনা দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Breech — শিশুর নিতম্ব বা পা নিচের দিকে থাকে, যা কম সাধারণ এবং নরমাল ডেলিভারির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। B) Cephalic — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Shoulder — শিশুর কাঁধ নিচের দিকে থাকে, যা খুবই বিরল এবং অস্ত্রপচার ছাড়া ডেলিভারি অসম্ভব করে তোলে। D) Brow — শিশুর কপাল বা ভ্রু নিচের দিকে থাকে, যা একটি অস্বাভাবিক উপস্থাপনা এবং প্রসবের গতি ধীর করে দেয়। মনে রাখার টিপস: মাথা দিয়ে শুরু হয় বলেই Cephalic হলো সবচেয়ে কমন প্রেজেন্টেশন।
a Appendix
b Urinary bladder
c Gall bladder
d Ovary
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Gall bladder কেন সঠিক: - 'Cholecystectomy' হলো এমন একটি সার্জারি যার মাধ্যমে মানবদেহের পিত্তথলি বা গলব্লাডার অপসারণ করা হয়। - পিত্তথলিতে পাথর বা ইনফেকশন হলে চিকিৎসকরা এই অপারেশন করে থাকেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Appendix — অ্যাপেন্ডিসাইটিস রোগের চিকিৎসায় অ্যাপেন্ডিক্স অপসারণ করা হয়, যাকে অ্যাপেন্ডেকটমি বলা হয়। B) Urinary bladder — মূত্রথলি অপসারণের সার্জারিকে সিস্টেকটমি বলা হয়, যা পিত্তথলির অপারেশনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) Gall bladder — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই। D) Ovary — ওভারি বা ডিম্বাশয় অপসারণের সার্জারিকে ওভারিয়েক্টমি বলা হয়। মনে রাখার টিপস: শব্দটির শুরুতে থাকা 'Cholecyst' অংশটি পিত্তথলিকে নির্দেশ করে এবং 'ectomy' অর্থ অপসারণ।
a জরায়ু
b স্তন
c পাকস্থলী
d থাইরয়েড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্তন কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী স্তন ক্যানসার বিশ্বজুড়ে নারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হওয়া এবং সাধারণ ক্যানসার। - এটি মূলত স্তনের টিস্যুতে অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনের কারণে হয়ে থাকে এবং সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে এটি নিরাময় সম্ভব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জরায়ু — এটি নারীদের ক্যানসারের তালিকায় অন্যতম হলেও বিশ্বব্যাপী স্তন ক্যানসারের তুলনায় এর প্রকোপ ও আক্রান্তের হার কম। B) স্তন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) পাকস্থলী — এটি পুরুষ ও নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই হতে পারে এবং এটি বিশ্বব্যাপী নারীদের প্রধান ক্যানসার নয়। D) থাইরয়েড — এটি থাইরয়েড গ্রন্থির একটি রোগ এবং বিশ্বব্যাপী নারীদের প্রধান বা সর্বাধিক ক্যানসার হিসেবে এটি বিবেচিত হয় না। মনে রাখার টিপস: বিশ্বে নারীদের প্রধান ক্যানসার মনে রাখতে প্রথম অক্ষর বা স্তন শব্দটিকে প্রধান স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে মাথায় রাখতে হবে।
a প্রসূতি
b ছেলে শিশু
c নবজাতক
d মেয়ে শিশু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নবজাতক কেন সঠিক: - এপগার স্কোর হলো জন্ম নেওয়ার পরপরই নবজাতকের শারীরিক অবস্থা ও সুস্থতা মূল্যায়নের একটি বিশেষ চিকিৎসা পদ্ধতি। - ১৯৫২ সালে ডা. ভার্জিনিয়া এপগার এই পদ্ধতি প্রবর্তন করেন এবং এর মাধ্যমে নবজাতকের হৃদস্পন্দন, শ্বাসপ্রশ্বাসসহ পাঁচটি বিষয় পরীক্ষা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রসূতি — প্রসূতি বা গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এটি প্রযোজ্য নয়, কারণ এই স্কোর শুধুমাত্র জন্মের মুহূর্তের শিশুর জন্য ব্যবহৃত হয়। B) ছেলে শিশু — ছেলে শিশু নির্দিষ্ট কোনো ক্যাটাগরি নয়, বরং এপগার স্কোর লিঙ্গভেদে নয় বরং সব নবজাতক শিশুর জন্যই সমানভাবে প্রযোজ্য। C) নবজাতক — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনেই রয়েছে এবং এটি জন্মের প্রথম ও পঞ্চম মিনিটে শিশুর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা যাচাই করে। D) মেয়ে শিশু — মেয়ে শিশু নির্দিষ্ট কোনো লিঙ্গভিত্তিক মূল্যায়নের অংশ নয়, এই স্কোর জন্ম নেওয়া ছেলে ও মেয়ে উভয় নবজাতকের ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: এপগার স্কোর মানেই সদ্য জন্ম নেওয়া নবজাতকের প্রথম কান্না ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার মূল্যায়ন।
a যা Anaemia সারায়
b যা ব্যথা সারায়
c যা ইনফেকশন দূর করে
d যা ব্লাডপ্রেসার কমায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যা ব্যথা সারায় কেন সঠিক: - অ্যানালজেসিক (Analgesic) হলো এমন এক ধরনের ওষুধ যা শরীরে ব্যথা উপশম করতে বা কমাতে ব্যবহৃত হয়। - চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই জাতীয় ওষুধকে পেইন কিলার বা ব্যথানাশক বলা হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যা Anaemia সারায় — অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা দূর করার জন্য আয়রন বা ফলিক অ্যাসিড জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা হয়, ব্যথা কমানোর ওষুধ নয়। B) যা ব্যথা সারায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ অ্যানালজেসিক বলতে ব্যথানাশক ওষুধকেই বোঝানো হয়। C) যা ইনফেকশন দূর করে — ইনফেকশন বা ব্যাকটেরিয়া দূর করার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়, অ্যানালজেসিক নয়। D) যা ব্লাডপ্রেসার কমায় — উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ বা প্রেশার কমানোর ওষুধ ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: অ্যানালজেসিক শব্দের শুরুতে এ-ন (A-n) এবং ব্যথার নাশকতার কথা মনে রেখে সহজে মনে রাখা যায় যে এটি ব্যথানাশক ওষুধ।
a TIBIA
b FIBULA
c FEMUR
d HUMERUS
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) FEMUR কেন সঠিক: - ফেমুর মানবদেহের উরুতে অবস্থিত এবং এটি শরীরের সবচেয়ে দীর্ঘ, ভারী ও শক্তিশালী অস্থি। - একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের উচ্চতার প্রায় এক চতুрথাংশ এই ফেমুরের দৈর্ঘ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) TIBIA — এটি পায়ের নিচের অংশে বা হাঁটুর নিচে অবস্থিত শিন বোন নামে পরিচিত দ্বিতীয় বৃহত্তম অস্থি। B) FIBULA — এটি পায়ের নিচের অংশে টিবিয়ার পাশে অবস্থিত একটি পাতলা অস্থি। D) HUMERUS — এটি হাতের উপরিভাগে কাঁধ থেকে কনুই পর্যন্ত অবস্থিত অস্থি। মনে রাখার টিপস: উপ্র থেকে নিচ পর্যন্ত শরীরের প্রধান হাড়গুলোর মধ্যে এফ (FE) দিয়ে শুরু ফেমুর হলো সবচেয়ে লম্বা।
a FACIAL
b TRIGEMINAL
c HYPOGLOSSAL
d OLFACTORY
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) FACIAL কেন সঠিক: - ফেসিয়াল নার্ভ বা সপ্তম ক্রেনিয়াল নার্ভ মুখের পেশির চালনা নিয়ন্ত্রণ করে। - এই নার্ভে কোনো কারণে আঘাত পেলে বা প্রদাহ হলে মুখের একপাশ অবশ হয়ে যায়, যা বেলস পালসি নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) FACIAL — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নার্ভটি মুখমণ্ডলের পেশিগুলো পরিচালনা করে এবং এরক্ষতি হলে বেলস পালসি হয়। B) TRIGEMINAL — এটি পঞ্চম ক্রেনিয়াল নার্ভ যা মুখের সংবেদনশীলতা ও চিবানোর কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাই এটি বেলস পালসির জন্য দায়ী নয়। C) HYPOGLOSSAL — এটি দ্বাদশ ক্রেনিয়াল নার্ভ যা জিভের নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করে, তাই মুখের অবশের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) OLFACTORY — এটি প্রথম ক্রেনিয়াল নার্ভ যা ঘ্রাণ নেওয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত এবং এটি মুখমণ্ডলের পেশির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ফেসিয়াল (Facial) শব্দটির অর্থ মুখমণ্ডল, আর বেলস পালসি মুখমণ্ডলের পেশির সঙ্গেই সম্পর্কিত।
a 6.5 - 7.5
b 7.35 - 7.45
c 46243
d 4.5 - 5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 7.35 - 7.45 কেন সঠিক: - মানবদেহের রক্তের স্বাভাবিক পিএইচ মান সামান্য ক্ষারীয় প্রকৃতির, যা সাত দশমিক তিন পাঁচ থেকে সাত দশমিক চার পাঁচ এর মধ্যে থাকে। - এই নির্দিষ্ট মাত্রার সামান্য তারতম্য ঘটলে দেহের অভ্যন্তরীণ জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হয় এবং মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 6.5 - 7.5 — এই পরিসরটি রক্তের পিএইচ মানের জন্য অনেক বেশি প্রশস্ত এবং অম্লীয় মান নির্দেশ করে। B) 7.35 - 7.45 — এটি রক্তের স্বাভাবিক ও নির্ভুল পিএইচ মান হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) 46243 — এটি কোনো পিএইচ মান নয়, বরং একটি সম্পূর্ণ অসঙ্গত সংখ্যা যা এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক। D) 4.5 - 5 — এই মানটি অত্যন্ত অম্লীয়, যা মানবদেহের রক্তের পিএইচ মানের সাথে কোনোভাবেই মেলে না। মনে রাখার টিপস: রক্তের পিএইচ মনে রাখতে সাত এর সাথে তিন পাঁচ থেকে চার পাঁচ যোগ করে এই মানটি মনে রাখতে হবে।
a PANDEMIC
b ENDEMIC
c EPIDEMIC
d SPORADIC
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) PANDEMIC কেন সঠিক: - COVID-19 বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া একটি সংক্রামক রোগ হওয়ায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একে মহামারি ঘোষণা করেছিল। - PANDEMIC শব্দটি এমন রোগ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশে বা সারা বিশ্বে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) PANDEMIC — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই রোগটি বিশ্বব্যাপী বহু দেশে একই সঙ্গে ছড়িয়ে পড়েছিল। B) ENDEMIC — এটি ভুল কারণ এনডেমিক হলো কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে স্থায়ীভাবে লেগ থাকা রোগ, যা বিশ্বব্যাপী ছড়ায় না। C) EPIDEMIC — এটি ভুল কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশ বা অঞ্চলে হঠাৎ মারাত্মক আকারে ছড়িয়ে পড়া রোগ, বৈশ্বিক মহামারি নয়। D) SPORADIC — এটি ভুল কারণ স্পোরাডিক বলতে বিক্ষিপ্ত বা মাঝে মাঝে বিচ্ছিন্নভাবে ঘটা রোগ বোঝায়। মনে রাখার টিপস: PAN শব্দের অর্থ সব, তাই যা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে তাকে PANDEMIC বা বৈশ্বিক মহামারি বলে।
a Radial pulse
b Brachial pulse
c Popliteal pulse
d Carotid pulse
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Carotid pulse কেন সঠিক: - বুকের চাপ বা চেস্ট কম্প্রেশন সঠিকভাবে হচ্ছে কি না তা বুঝতে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল পরীক্ষা করতে হয়। - গলার কারেডিড ধমনী বা ক্যারোটিড পাল্স হৃদপিণ্ডের সবচেয়ে কাছে থাকায় এর স্পন্দন দ্রুত ও স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Radial pulse — এটি হাতের কবজিতে অবস্থিত এবং কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের সময় রক্তচাপ কমে যাওয়ায় সহজে অনুভূত হয় না। B) Brachial pulse — এটি হাতের বাহুতে থাকে এবং সাধারণত শিশুদের ক্ষেত্রে নাড়ির গতি পরীক্ষা করতে এটি ব্যবহার করা হয়। C) Popliteal pulse — এটি হাঁটুর পেছনের অংশে অবস্থিত এবং এটি দিয়ে চেস্ট কম্প্রেশনের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা যায় না। D) Carotid pulse — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রাপ্তবয়স্কদের সিপিআর দেওয়ার সময় কার্যকারিতা দেখতে এই পাল্স পরীক্ষা করা হয়। মনে রাখার টিপস: সিপিআর দেওয়ার সময় মাথার রক্ত সরবরাহ মাপতে গলার ক্যারোটিড পাল্স ধরতে হয়।
a Isotonic
b Hypotonic
c Hypertonic
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Isotonic কেন সঠিক: - মানবদেহের রক্তরসের অস্মোলারিটির মান আনুমানিক তিনশো মিলিঅসমোল প্রতি লিটার, যা আইসোটনিক সলিউশনের ক্ষেত্রেও সমান থাকে। - এই ধরনের দ্রবণ রোগীর শরীরে প্রয়োগ করলে লোহিত রক্তকণিকা তার স্বাভাবিক আকৃতি বজায় রাখে এবং কোনো সংকোচন বা প্রসারণ ঘটে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Isotonic — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অস্মোলারিটি মানব শরীরের রক্ত ও তরলের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। B) Hypotonic — এই দ্রবণের অস্মোলারিটি শরীরের তরলের চেয়ে কম থাকে, ফলে লোহিত রক্তকণিকা ফুলে ফেটে যেতে পারে। C) Hypertonic — এই দ্রবণের অস্মোলারিটি শরীরের তরলের চেয়ে বেশি থাকে, ফলে কোষের ভেতরের জল বাইরে বেরিয়ে এসে কোষ সংকুচিত হয়ে যায়। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: আইসো শব্দের অর্থ সমান, তাই যে IV Solution-এর অস্মোলারিটি শরীরের তরলের সমান তাকে Isotonic বলে।
a DIAZEPAM
b PHENYTOIN
c BARBITURATE
d MAGSULPH
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) MAGSULPH কেন সঠিক: - একটলামসিয়া আক্রান্ত গর্ভবর্তীর খিঁচুনি বা কনভালসন নিয়ন্ত্রণে ম্যাগনেসিয়াম সালফেট বা ম্যাগসলফ হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানের সর্বসম্মত প্রথম পছন্দ বা ড্রাগ অব চয়েস। - এটি মস্তিষ্কের খিঁচুনির তীব্রতা দ্রুত কমায় এবং মা ও গর্ভের শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) DIAZEPAM — এটি একসময় ব্যবহার করা হলেও বর্তমানে একটলামসিয়ার খিঁচুনিতে এটি প্রথম পছন্দ নয় কারণ এটি নবজাতকের শ্বাসকষ্ট করতে পারে। B) PHENYTOIN — এটি সাধারণত খিঁচুনি রোধে ব্যবহৃত হলেও একটলামসিয়ায় ম্যাগসলফের মতো এত দ্রুত ও নিরাপদ ফল দেয় না। C) BARBITURATE — এটি অতিরিক্ত ঘুম ও কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের গভীর অবসাদ ঘটায় বিধায় একটলামসিয়ার চিকিৎসায় এটি প্রধান পছন্দ নয়। D) MAGSULPH — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক কারণ এটি একটলামসিয়ার খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সর্বাধিক কার্যকর ওষুধ। মনে রাখার টিপস: একটলামসিয়া মানেই মাথায় রেখো ম দিয়ে ম্যাজিক ওষুধ অর্থাৎ ম্যাগসলফ (MAGSULPH)।
a Vit. C
b Vit. K
c Vit. D
d Vit. A
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Vit. D কেন সঠিক: - ভিটামিন ডি এর অভাবে শিশুদের হাড় নরম ও দুর্বল হয়ে যায়, যা রেকেটস বা Ricket রোগ নামে পরিচিত। - এই ভিটামিনের অভাবে শরীরে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের শোষণ কমে যায়, ফলে হাড়ের গঠন ঠিকমতো হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vit. C — ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়, রেকেটস হয় না। B) Vit. K — ভিটামিন কে এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা কমে যায় বা রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা হয়। C) Vit. D — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা শিশুদের হাড়ের রোগ রেকেটস প্রতিরোধের জন্য দায়ী। D) Vit. A — ভিটামিন এ এর অভাবে রাতকানা রোগ এবং চোখের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। মনে রাখার টিপস: ডি-র অভাব মানেই হাড়ের ক্ষয়, শিশুদের রেকেটস রোগ হয় ভয়।
a 96.5° F
b 97.8° F
c 98.4° F
d 98.6° F
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯৮.৪° F (বিশেষ দ্রষ্টব্য: ঐতিহ্যগতভাবে ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট বহুল প্রচলিত হলেও আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে সুস্থ মানুষের শরীরের গড় স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস হিসেবে ধরা হয়।) কেন সঠিক: - সুস্থ মানুষের শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় ৯৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে থাকে। - শরীরের মেটাবলিজম বা বিপাকীয় ক্রিয়ার স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে এই নির্দিষ্ট তাপমাত্রা আবশ্যক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯৬.৫° F — এই তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম এবং এটি হাইপোথার্মিয়া বা শরীরের তাপমাত্রা অতিরিক্ত কমে যাওয়ার লক্ষণ। B) ৯৭.৮° F — এই তাপমাত্রা কিছুটা কম এবং সাধারণত সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর শরীরের তাপমাত্রা এমন থাকতে পারে, তবে এটি গড় আদর্শ মান নয়। C) ৯৮.৪° F — এটি মানবদেহের স্বাভাবিক গড় তাপমাত্রার সঠিক মান হিসেবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে স্বীকৃত। D) ৯৮.৬° F — এটি অতীতের একটি বহুল প্রচলিত মান হলেও আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটিকে সামান্য বেশি ধরা হয়। মনে রাখার টিপস: মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রার সেলসিয়াস স্কেল হলো ৩৭ ডিগ্রি, যাকে ফারেনহাইটে রূপান্তর করলে প্রায় ৯৮.৪ ডিগ্রি হয়।
a CAROTID
b AORTA
c FEMORAL
d RENAL
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) AORTA কেন সঠিক: - এটি মানবদেহের প্রধান এবং বৃহত্তম ধমনী যা হৃৎপিণ্ডের বাম নিলয় থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরাসরি পুরো শরীরে সরবরাহ করে। - এর ব্যাস এবং রক্ত বহন করার ক্ষমতা মানবদেহের অন্য যেকোনো ধমনীর চেয়ে সবচেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) CAROTID — এটি মূলত মাথা ও মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহকারী ধমনী, যা শরীরের বৃহত্তম ধমনী নয়। B) AORTA — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। C) FEMORAL — এটি পায়ের প্রধান ধমনী, যা তুলনামূলক ছোট এবং শরীরের বৃহত্তম ধমনী নয়। D) RENAL — এটি শুধুমাত্র কিডনিতে রক্ত সরবরাহকারী ধমনী, যা পুরো শরীরের বৃহত্তম ধমনী নয়। মনে রাখার টিপস: অর্ডা হলো বডি বা শরীরের সবচেয়ে বড় পাইপ বা ধমনী।

মোট প্রশ্ন (19)

a সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ
b আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
c আল মাহমুদ
d সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ ১. কেন সঠিক: - 'নয়নচারা' হলো বিশ শতকের অন্যতম প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহর রচিত একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। - এই গল্পগ্রন্থে গ্রামীণ মানুষের মনস্তত্ত্ব, সরলতা এবং সামাজিক বাস্তবতার নিপুণ চিত্রায়ন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ বাংলা কথাসাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক ধারা এবং অস্তিত্ববাদের প্রবক্তা হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। - তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে লালসালু, কাঁদো নদী কাঁদো এবং চাঁদের অমাবস্যা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লালসালু ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহর রচিত একটি শ্রেষ্ঠ সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: দুই তীর ও অন্যান্য গল্প ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহর আরেকটি উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ, যেখানে তার সাহিত্যিক প্রতিভার অনন্য প্রকাশ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ 'নয়নচারা' তার বিখ্যাত ছোটগল্প। B) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস — ইনি আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও 'নয়নচারা' তার লেখা নয়। C) আল মাহমুদ — ইনি মূলত প্রখ্যাত কবি ও কথাসাহিত্যিক হলেও আলোচ্য গল্পটির রচয়িতা নন। D) সেলিনা হোসেন — ইনি সমসাময়িক ঔপন্যাসিক হলেও এই নির্দিষ্ট ছোটগল্পটির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহর ছোটগল্প মনে রাখতে নয়নচারা এবং সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ নাম দুটি একসাথে স্মরণ রাখতে পারো। - তার গল্পের সংখ্যা তুলনামূলক কম হওয়ায় প্রধান গল্পগুলো খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহর রচনা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে লালসালু উপন্যাস এবং নয়নচারা ছোটগল্পের নাম বারবার পরীক্ষাতে দেখা যায়।
a বাড়তি বোঝা
b রূপের মোহ
c ভূমিকা
d ফিটফাট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভূমিকা ১. কেন সঠিক: - 'গৌরচন্দ্রিকা' একটি বহুল ব্যবহৃত বাংলা বাগধারা যার অর্থ হলো কোনো কথা বা বিষয়ের অবতারণা করার পূর্বে অপ্রয়োজনীয় বা দীর্ঘ প্রস্তাবনা বা ভূমিকা পেশ করা। - প্রাচীনকালে যাত্রাপালা বা কথকতার শুরুতে শ্রীকৃষ্ণের বা গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর বন্দনা বা গান গেয়ে অনুষ্ঠান শুরু করা হতো, যা মূল বিষয়ের আগের ভূমিকা হিসেবে কাজ করত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ প্রকরণে বাগধারা হলো বিশেষ এক ধরনের প্রয়োগ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। - এই বাগধারাটি আমাদের সংস্কৃতির ঐতিহ্য থেকে এসেছে যেখানে যেকোনো বড় পরিবেশনার আগে ভক্তি বা সূচনার অংশ হিসেবে বন্দনা করা হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আসল কথায় আসার আগে এত গৌরচন্দ্রিকা করার কোনো প্রয়োজন নেই। ব্যাখ্যা: এখানে মূল আলোচনা শুরু করার আগে দীর্ঘ প্রস্তাবনা বাদ দিতে বলা হয়েছে। উদাহরণ ২: কোনো রাখঢাক না রেখে সরাসরি মূল বিষয়ে আসো, গৌরচন্দ্রিকা শোনার সময় আমাদের নেই। ব্যাখ্যা: এখানেও অপ্রয়োজনীয় ভূমিকা বা প্রস্তাবনা এড়িয়ে যাওয়ার অর্থ প্রকাশ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাড়তি বোঝা — এই অর্থটি প্রকাশের জন্য 'গলার কাঁটা' বা 'বোঝার ওপর শাকের আঁটি' বাগধারাগুলো ব্যবহৃত হয়। B) রূপের মোহ — এই ভাবটি বোঝাতে 'মায়াবী ফাঁদ' বা অনুরূপ শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয় কিন্তু গৌরচন্দ্রিকা এর সাথে সম্পর্কিত নয়। C) ভূমিকা — এই অপশনটি সঠিক কারণ গৌরচন্দ্রিকা শব্দের প্রচলিত ও অভিধানসম্মত অর্থ হলো কোনো বক্তব্যের সূচনা বা ভূমিকা। D) ফিটফাট — এই অর্থটি বোঝানোর জন্য 'পাটার তক্তা' বা পরিপাটি বোঝানো হয় যা গৌরচন্দ্রিকার বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - যাত্রাপালা শুরুর আগে গৌরাঙ্গ বা শ্রীকৃষ্ণের বন্দনা বা গান গাওয়া হতো, যার থেকে মূল আলোচনার আগের ভূমিকা বা সূচনা অর্থটি মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটির অর্থ প্রায়ই অপশনে 'ভূমিকা' বা 'প্রস্তাবনা' হিসেবে আসে। - মূল বক্তব্যে সরাসরি প্রবেশ না করে চারপাশে ঘুরে কথা বলা বুঝাতে এই বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়।
a অক্ষি চিকিৎসক
b শল্য চিকিৎসক
c দন্ত চিকিৎসক
d সার্জেন্ট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শল্য চিকিৎসক ১. কেন সঠিক: - 'Surgeon' ইংরেজি শব্দটির অর্থ অস্ত্রোপচারকারী বা কাটাছেঁড়া করে চিকিৎসা করেন যিনি। - বাংলা পরিভাষায় মানবদেহের বিভিন্ন রোগ নিরাময়ের জন্য কাটাছেঁড়া বা অপারেশন করার চিকিৎসককে শল্য চিকিৎসক বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো মূল ভাষার শব্দের সমার্থক বা ভাবার্থ প্রকাশকারী প্রমিত বাংলা শব্দ। - ইংরেজি চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিভিন্ন পদের বাংলা পরিভাষা নির্ধারণে বাংলা একাডেমি ও প্রমিত রীতিনীতি অনুসরণ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Cardiologist মানে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ। ব্যাখ্যা: এটি হৃৎপিণ্ড সম্পর্কিত চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত একটি পারিভাষিক শব্দ। উদাহরণ ২: Dentist মানে দন্ত চিকিৎসক। ব্যাখ্যা: এটি দাঁতের চিকিৎসার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ইংরেজি শব্দের বাংলা পরিভাষা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষি চিকিৎসক — এটি 'Ophthalmologist' শব্দের বাংলা পরিভাষা, যার অর্থ চোখের চিকিৎসক। B) শল্য চিকিৎসক — এটি সঠিক পরিভাষা যা 'Surgeon' শব্দের অর্থ প্রকাশ করে। C) দন্ত চিকিৎসক — এটি 'Dentist' শব্দের বাংলা পরিভাষা, যা দাঁতের চিকিৎসার সঙ্গে জড়িত। D) সার্জেন্ট — এটি 'Sergeant' শব্দের বাংলা রূপান্তর বা প্রতিবর্ণীকরণ, কোনো পারিভাষিক শল্যচিকিৎসক পদ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সার্জারি মানে অস্ত্রোপচার, আর যিনি অস্ত্রোপচার করেন তিনি শল্য চিকিৎসক। - চিকিৎসা সংক্রান্ত ইংরেজি পরিভাষা পড়ার সময় মূল শব্দের উৎপত্তি ও কাজ খেয়াল রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চিকিৎসা ও প্রশাসন সংক্রান্ত ইংরেজি শব্দের পরিভাষা প্রায়ই আসে। - পারিভাষিক শব্দ মুখস্থ না করে শব্দটির মূল অর্থ অনুধাবন করলে সঠিক উত্তর সহজেই নির্বাচন করা সম্ভব।
a অন্তরিক্ষ
b বিষু
c প্রভাকর
d সুধাকর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অন্তরিক্ষ ১. কেন সঠিক: - অন্তরিক্ষ শব্দটি আকাশ শব্দের একটি সরাসরি সমার্থক শব্দ। - এর অর্থ পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যবর্তী স্থান বা মহাশূন্য বা আকাশ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ যেগুলোর অর্থ প্রায় এক বা সমান। - আকাশ শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে রয়েছে গগন, অম্বর, নভ, শূন্য, ব্যোম ও ধরাতল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গগন ব্যাখ্যা: এটি আকাশ শব্দের বহুল ব্যবহৃত একটি সমার্থক শব্দ, যা সাধারণত কবিতা ও সাহিত্যে বেশি ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: অম্বর ব্যাখ্যা: এই শব্দটির অর্থও আকাশ এবং এটি বিভিন্ন কাব্যিক ও যৌগিক শব্দ গঠনে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্তরিক্ষ — এটি সঠিক উত্তর। B) বিষু — এটি বিষুবরেখা বা গোলার্ধ সংক্রান্ত জ্যোতির্বিজ্ঞানের একটি পরিভাষা। C) প্রভাকর — এর অর্থ সূর্য, যা আলো ছড়ায়। D) সুধাকর — এর অর্থ চাঁদ, যা সুধা বা অমৃত বর্ষণ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - আকাশ মানে ওপরে যা দেখা যায়, তাই অন্তর বা মধ্যবর্তী স্থান অর্থাৎ অন্তরিক্ষ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আকাশ শব্দের সমার্থক হিসেবে গগন, নভ এবং অম্বর বেশি আসে।
a আরবি
b ফারসি
c বর্মি
d হিন্দি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বর্মি ১. কেন সঠিক: 'লুঙ্গি' শব্দটি এসেছে বর্মি ভাষা থেকে। এটি বাংলা ভাষার উৎসের দিক থেকে আগত একটি বিদেশি শব্দ, যা মায়ানমার বা তৎকালীন বার্মার ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দের উৎসের শ্রেণিবিভাগ অনুসারে বিদেশি শব্দের একটি অংশ হলো বর্মি শব্দ। বাংলা ভাষায় দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন বিদেশি ভাষার শব্দ প্রবেশ করেছে, যার মধ্যে বর্মি ভাষা অন্যতম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লুঙ্গি ব্যাখ্যা: এটি একটি পোশাক নির্দেশক বর্মি শব্দ যা বাংলায় বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ঘুঘরি ব্যাখ্যা: এটিও একটি বর্মি শব্দ যা বাংলা ভাষাভাষী মানুষের দৈনন্দিন শব্দভান্ডারে যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — আরবি ভাষা থেকে বাংলায় ধর্ম, প্রশাসন ও সংস্কৃতি সংক্রান্ত অনেক শব্দ এসেছে যেমন আদালত ও কিতাব, কিন্তু লুঙ্গি আরবি শব্দ নয়। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক অনেক শব্দ এসেছে যেমন চশমা ও কাগজ, কিন্তু লুঙ্গি ফারসি শব্দ নয়। D) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে বাংলায় অনেক কথ্য শব্দ এসেছে যেমন চাহিদা ও পেটেকোট, কিন্তু লুঙ্গি হিন্দি ভাষা থেকে আসেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: বর্মি ভাষা থেকে বাংলায় আসা শব্দগুলো মনে রাখার জন্য মায়ানমারের সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত পোশাক ও খাদ্যপণ্যগুলোকে আলাদা করতে পারো। লুঙ্গি ও ঘুঘরি বর্মি শব্দের চমৎকার উদাহরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের উৎস নির্ণয়ের জন্য আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগিজ ও বর্মি শব্দের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা উচিত।
a চাণক্য
b লক্ষণ
c অর্পণ
d ভীষণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চাণক্য ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত ট-বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) পূর্বে মূর্ধন্য 'ণ' বসে। তবে কিছু শব্দে কোনো নিয়ম বা যুক্তিসংগত কারণ ছাড়াই স্বভাবতই মূর্ধন্য 'ণ' হয়, 'চাণক্য' তেমনই একটি শব্দ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: তৎসম শব্দে ন-ত্ব বিধানের নিয়ম অনুসারে ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে 'ণ' বসে এবং স্বভাবতই 'ণ' হয় এমন কিছু শব্দ প্রমিত বাংলা বানানে নির্দিষ্ট করা আছে। এই শব্দগুলো কোনো নির্দিষ্ট সূত্রের অধীন নয়, বরং ভাষার ঐতিহ্যগত রূপ হিসেবে ব্যাকরণে সিদ্ধ বা স্বভাবসিদ্ধ বলে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পণ্য ব্যাখ্যা: এটি একটি স্বভাবসিদ্ধ 'ণ' যুক্ত শব্দ যেখানে কোনো পূর্ববর্তী নিয়ম না থাকলেও স্বভাবতই 'ণ' ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: তৃণ ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও কোনো ট-বর্গীয় ধ্বনির প্রভাব বা যুক্তবর্ণের নিয়ম ছাড়াই স্বভাবগতভাবে মূর্ধন্য 'ণ' যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাণক্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দটিতে স্বভাবতই 'ণ' যুক্ত হয়েছে। B) লক্ষণ — এই শব্দটিতে 'ণ' ব্যবহারের কারণ এর মধ্যে ক্ষ (ক+ষ) যুক্তবর্ণ থাকা, যা ন-ত্ব বিধানের নিয়মাধীন। C) অর্পণ — এই শব্দটিতে 'র' বা 'র-ফলা'-র পরে ন-ত্ব বিধানের নিয়মানুযায়ী মূর্ধন্য 'ণ' হয়েছে, স্বভাবতই নয়। D) ভীষণ — এই শব্দটিতে মূর্ধন্য 'ষ'-র পরে নিয়ম অনুযায়ী 'ণ' যুক্ত হয়েছে, এটি স্বভাবসিদ্ধ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: স্বভাবতই ণ যুক্ত শব্দগুলো মনে রাখার জন্য চাণক্য, মানিক্য, গণিকা, পণ, তৃণ এই শব্দগুলো একটি ছোট বাক্যের মতো মুখস্থ রাখতে পারো। ন-ত্ব বিধানের নির্দিষ্ট সূত্র ছাড়াও কিছু শব্দে সরাসরি মূর্ধন্য 'ণ' হয়, তাই এদের ব্যতিক্রম হিসেবে আলাদা করে পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ন-ত্ব বিধানের নিয়ম এবং স্বভাবতই ণ হয় এমন শব্দের ওপর প্রায়ই প্রশ্ন আসে। নিয়মভিত্তিক পরিবর্তন এবং স্বভাবসিদ্ধ পরিবর্তন এই দুটি বিষয় আলাদা করতে পারলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর করা সহজ হয়।
a আবদুল মান্নান সৈয়দ
b আহমদ ছফা
c আসাদ চৌধুরী
d রফিক আজাদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আহমদ ছফা ১. কেন সঠিক: 'যদ্যপি আমার গুরু' হলো বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও চিন্তাবিদ আহমদ ছফা রচিত একটি বিখ্যাত স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ। এই গ্রন্থে লেখক মূলত তাঁর শিক্ষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আবদুর রাজ্জাক সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করেছেন এবং জ্ঞানচর্চার এক অনন্য রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: আহমদ ছফা বাংলা সাহিত্য ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চায় এক অনন্য বিদ্রোহী ব্যক্তিত্ব যিনি সমাজ, রাষ্ট্র ও সংস্কৃতির নানা দিক নিয়ে তীব্র সমালোচনা ও গভীর বিশ্লেষণধর্মী লেখা উপহার দিয়েছেন। তাঁর এই গ্রন্থটিতে শিক্ষক ও শিষ্যের সম্পর্কের এক গভীর ও প্রজ্ঞাময় রূপ প্রকাশ পেয়েছে যা বাংলা স্মৃতিকথামূলক সাহিত্যে অত্যন্ত উচ্চমানের একটি সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঙালি মুসলমানের মন ব্যাখ্যা: এটি আহমদ ছফা রচিত একটি বিখ্যাত সমাজবিশ্লেষণমূলক ও প্রাবন্ধিক গ্রন্থ, যা বাঙালি জাতির মানসিকতা বুঝতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: বুদ্ধিভিত্তিক বাংলাদেশ ব্যাখ্যা: এটিও আহমদ ছফা রচিত একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী প্রবন্ধ গ্রন্থ, যেখানে সমাজের বুদ্ধিবৃত্তিক সংকট ও উত্তরণের পথ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবদুল মান্নান সৈয়দ — ইনি একজন প্রখ্যাত কবি ও প্রাবন্ধিক হলেও 'যদ্যপি আমার গুরু' গ্রন্থটির রচয়িতা নন, তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজ হলো জীবনানন্দ দাশের সাহিত্য মূল্যায়ন। B) আহমদ ছফা — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি স্বয়ং এই বিখ্যাত গ্রন্থটি রচনা করেছেন। C) আসাদ চৌধুরী — ইনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থটির সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। D) রফিক আজাদ — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার একজন অন্যতম প্রধান কবি, তবে তিনি এই প্রবন্ধ গ্রন্থটি রচনা করেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: গুরুর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ছফা লিখেছিলেন যদ্যপি আমার গুরু গ্রন্থটি। এভাবে শিক্ষক আবদুর রাজ্জাক ও লেখক আহমদ ছফার সম্পর্কটি মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আহমদ ছফার রচনা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই তাঁর প্রধান প্রবন্ধ ও উপন্যাসগুলোর নাম মুখস্থ রাখা জরুরি। একই ধরনের অন্যান্য স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থগুলোর লেখকের নামও তালিকা করে পড়তে হবে।
a শশুর
b শ্বশুর
c শশুর
d শ্বশুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শ্বশুর ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী স্ত্রীর পিতাকে বোঝাতে 'শ্বশুর' বানানটি সঠিক। - এই শব্দটিতে তালব্য শ এবং ব-ফলা যুক্ত হয়ে শ্ব হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে সঠিক উচ্চারণ বজায় রাখতে ফলা ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে। - শ এর সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত হলে তা উচ্চারণ করার সময় একটু জোরালো হয় এবং বানানটিতে ব লেখা আবশ্যক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্বাস ব্যাখ্যা: শ এর সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত হয়ে শ্বাস শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা প্রমিত বানানরীতির অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: প্রশ্বাস ব্যাখ্যা: এখানেও শ-এর সঙ্গে ব-ফলার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শশুর — এই বানানটিতে ব-ফলা অনুপস্থিত এবং প্রথম বর্ণে ভুল শ ব্যবহৃত হয়েছে। B) শ্বশুর — প্রদত্ত উত্তরগুলোর মধ্যে এটিও সঠিক রূপ হিসেবে রয়েছে। C) শশুর — এই বানানটিতেও ব-ফলা বাদ পড়েছে এবং বানানের গঠন অশুদ্ধ। D) শ্বশুর — এটি নির্দেশিত সঠিক এবং প্রমিত বানান রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: - শ্বশুরের শুরুতে তালব্য শ-এর নিচে ব-ফলা এবং মাঝে মূর্ধন্য ষ রয়েছে, এটি মনে রাখা জরুরি। - ব-ফলা যুক্ত শ এবং ষ এর সঠিক বিন্যাস খেয়াল রাখলে এই বানান ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের পারিবারিক সম্পর্কবাচক বানান প্রায়ই আসে। - প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম মেনে তৎসম শব্দের বানান চর্চা করতে হবে।
a ক্রিয়া
b কর্ম
c কর্জ
d করণীয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্ম ১. কেন সঠিক: - কাজ শব্দটির মূল সংস্কৃত বা তৎসম রূপ হলো কর্ম। - বাংলা ভাষার বিবর্তনে প্রাকৃত ও অপভ্রংশের মাধ্যমে সংস্কৃত কর্ম শব্দটি পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান কাজ রূপে এসেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। - কাজ হলো একটি তদ্ভব শব্দ, যার উৎস বা তৎসম রূপ হলো কর্ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্রমূল থেকে চাঁদ ব্যাখ্যা: চন্দ্র হলো তৎসম শব্দ এবং এর তদ্ভব রূপ হলো চাঁদ। উদাহরণ ২: মৎস্য থেকে মাছ ব্যাখ্যা: মৎস্য হলো তৎসম শব্দ এবং এর তদ্ভব রূপ হলো মাছ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রিয়া — ক্রিয়া একটি ভিন্ন ব্যাকরণিক পরিভাষা যা কাজের ভাব প্রকাশ করে কিন্তু কাজ শব্দের সরাসরি তৎসম রূপ নয়। B) কর্ম — এটি সঠিক উত্তর। C) কর্জ — এটি একটি বিদেশি শব্দ যার অর্থ ঋণ। D) করণীয় — এটি একটি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ যার অর্থ যা করা উচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - তদ্ভব শব্দ চেনার সময় মনে রাখবে যে সংস্কৃত মূল শব্দ থেকে প্রাকৃত হয়ে যে শব্দ বাংলায় এসেছে, তার উৎসটিই হলো তৎসম রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ভব শব্দের উৎস বা তৎসম রূপ প্রায়ই পরীক্ষণে আসে। - শব্দের উৎস নির্ণয়ের জন্য তৎসম ও তদ্ভব শব্দের তালিকা ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে।
a জীবনানন্দ দাশ
b মদনমোহন তর্কালঙ্কার
c কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
d বিদ্যাপতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মদনমোহন তর্কালঙ্কার ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত চরণদ্বয় বাংলার শিশুশিক্ষার আদিগুরু মদনমোহন তর্কালঙ্কারের বিখ্যাত শিশুপাঠ্য কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। - নৈতিকতা ও সদাচারের শিক্ষা দিতে শিশুদের উপযোগী করে এই পঙ্‌ক্তিগুলো রচনা করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মদনমোহন তর্কালঙ্কার ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক। - তার রচিত শিশুপাঠ্য গ্রন্থ 'শিশুশিক্ষা'র প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগে এই ধরনের নান্দনিক ও নৈতিক শিক্ষামূলক পঙ্‌ক্তি রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি সব পাখি রবে রাতি পোহাইল ব্যাখ্যা: এটিও মদনমোহন তর্কালঙ্কারের রচিত শিশুশিক্ষা গ্রন্থের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি পঙ্‌ক্তি। উদাহরণ ২: প্রাতে ওঠো রবি হাসে দিয়ে আলো ব্যাখ্যা: শিশুদের সকালের অভ্যাস ও প্রকৃতির সঙ্গে পরিচয় করানোর জন্য এটি একটি শিক্ষণীয় পঙ্‌ক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবনানন্দ দাশ — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলা খ্যাত কবি, যার রচনার ধরন সম্পূর্ণ আলাদা। B) মদনমোহন তর্কালঙ্কার — এই অপশনটি সঠিক এবং তার শিশুশিক্ষা গ্রন্থ থেকে এটি নেওয়া হয়েছে। C) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — ইনি নীতিমূলক শ্লোক রচয়িতা হলেও এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তির লেখক নন। D) বিদ্যাপতি — ইনি প্রাচীন মধ্যযুগের পদাবলির কবি, আধুনিক শিশুপাঠ্য কবিতার সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - শিশুদের নৈতিক শিক্ষার বিখ্যাত চরণ মানেই মদনমোহন তর্কালঙ্কারের শিশুশিক্ষা গ্রন্থ। - সকাল বেলার ভালো কাজের প্রতিশ্রুতিমূলক কবিতার জন্য মদনমোহন তর্কালঙ্কারকে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শিশুশিক্ষা গ্রন্থটি কোন লেখকের তা বিসিএস ও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - উনিশ শতকের গোড়ার দিকে বাংলা গদ্য ও শিশুসাহিত্য বিকাশে মদনমোহন তর্কালঙ্কারের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
b সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়
c ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
d সুকুমার সেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত এটি বৈজ্ঞানিক ও ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করে প্রথম প্রমাণ করেন ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়। ১৯২৬ সালে প্রকাশিত তার বিখ্যাত গবেষণা গ্রন্থ ওডিবিএল (The Origin and Development of the Bengali Language) এ তিনি প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা প্রাচীন বাংলা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন এবং বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের পদসংকলন। ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রথম প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের ওডিবিএল গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে তিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ নিয়ে আলোচনা করে চর্যাপদকে বাংলার আদি নিদর্শন হিসেবে প্রমাণ করেন। উদাহরণ ২: হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা। ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ যার ভূমিকায় এর প্রাচীন রূপ নিয়ে আলোচনা করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — ইনি চর্যাপদের আবিষ্কারক ও প্রথম সম্পাদক, তবে ভাষার প্রমাণদাতা নন। B) সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — ইনি চর্যাপদের রচনাকাল এবং এর ভাষা প্রাচীন বাংলার কোন রূপ তা নিয়ে ভিন্ন মত প্রকাশ করেছিলেন, তবে প্রথম প্রমাণ করেননি। D) সুকুমার সেন — ইনি চর্যাপদের একজন বিশিষ্ট টিকাকার ও গবেষক, তবে প্রথম প্রমাণকারী নন। ৫. মনে রাখার টিপস: আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং বাংলা ভাষার আদি রূপ প্রমাণ করেন সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়। এই দুই নামের পার্থক্য মনে রাখলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ নিয়ে পরীক্ষায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় এবং মুহম্মদ শহীদুল্লাহর অবদান সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। আবিষ্কার, প্রকাশনা এবং ভাষাতাত্ত্বিক প্রমাণের সাল ও গবেষকদের নাম আলাদা করে মুখস্থ রাখতে হবে।
a সুফিয়া কামাল
b রাবেয়া খাতুন
c জাহানারা ইমাম
d নীলিমা ইব্রাহিম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাহানারা ইমাম ১. কেন সঠিক: - 'একাত্তরের দিনগুলি' একটি ঐতিহাসিক স্মৃতিকথা, যা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের দিনলিপি বা ডায়েরির আকারে রচিত। - লেখিকা জাহানারা ইমাম তাঁর চোখের সামনে দেখা মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো, বিশেষ করে তাঁর পুত্র রুমির শহীদ হওয়া এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করার গৌরবময় ইতিহাস এতে তুলে ধরেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শহীদ জননী খ্যাত জাহানারা ইমাম ১৯২৯ সালের ৩ মে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৪ সালের ২৬ জুন মৃত্যুবরণ করেন। - তাঁর রচিত 'একাত্তরের দিনগুলি' বাংলা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যের এক অনন্য মাস্টারপিস এবং বহুল পঠিত প্রামাণ্য দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'রক্তাক্ত প্রান্তর' ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরী রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক, যা ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: 'একটি কালাা ইঁদুর ও মৃত্যু' ব্যাখ্যা: এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্যান্য স্মৃতিকথা বা উপন্যাসের মতো বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামের একটি শিল্পসম্মত রূপায়ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি ও নারী অধিকার নেত্রী, তবে 'একাত্তরের দিনগুলি' তাঁর লেখা নয়। B) রাবেয়া খাতুন — তিনি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে 'মুক্তিযুদ্ধ ও অন্যান্য' বা 'মেঘের পর মেঘ' রয়েছে, তবে এই গ্রন্থটি তাঁর নয়। C) জাহানারা ইমাম — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) নীলিমা ইব্রাহিম — তিনি প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক, তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'আমি বীরাঙ্গনা বলছি', তবে 'একাত্তরের দিনগুলি' তাঁর রচনা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - একাত্তরের দিনগুলোতে শহীদ জননী জাহানারা ইমাম তাঁর ডায়েরিতে যুদ্ধের দিনগুলি লিখেছিলেন, এভাবে মনে রাখা যায়। - স্মৃতিকথা বা দিনলিপি বললেই জাহানারা ইমাম এবং তাঁর পুত্র রুমির আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতিকথা বা ডায়েরি সাহিত্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - জাহানারা ইমামের 'একাত্তরের দিনগুলি' এবং তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'অন্যদিন' সম্পর্কে ধারণা রাখা আবশ্যক।
a জিওবা
b জিক্বা
c জিহবা
d জিউভা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জিউভা ১. কেন সঠিক: 'জিহ্বা' শব্দের বানান জ, হ, ব, য-ফলা। বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানান ও উচ্চারণ নিয়ম অনুসারে শব্দের মধ্যে বা অন্তে হ-এর সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত থাকলে ব-এর উচ্চারণ সাধারণত উ-এর মতো হয়। এই নিয়মের কারণে হ এবং ব-ফলা মিলে উব বা উভ ধ্বনির সৃষ্টি করে, তাই জিহ্বা শব্দের উচ্চারণ জিউভা লেখা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ অংশের আলোচ্য বিষয় এটি। বাংলা উচ্চারণে যুক্তাক্ষরের ক্ষেত্রে হ-ফলা বা ব-ফলার প্রভাবে শব্দের ধ্বনিগত পরিবর্তন ঘটে। জিহ্বা শব্দে হ-এর নিচে ব-ফলা যুক্ত থাকায় উচ্চারণের সময় ব বর্ণটি উ ধ্বনি হিসেবে উচ্চারিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিহ্বল ব্যাখ্যা: বিহ্বল শব্দের উচ্চারণ বিউবল, কারণ এখানে হ-এর সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত রয়েছে। উদাহরণ ২: জহির ব্যাখ্যা: জহির শব্দের উচ্চারণ জহির, কারণ এখানে কোনো ব-ফলা যুক্ত নেই, তাই স্বাভাবিক উচ্চারণ বজায় থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জিওবা — এটি ভুল উচ্চারণ কারণ হ-এর সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত থাকলে ও-কার হয় না, বরং উ ধ্বনি উচ্চারিত হয়। B) জিক্বা — এটি ভুল উচ্চারণ কারণ হ-এর স্থানে ক ধ্বনি আসার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়। C) জিহবা — এটি বানান রূপ হলেও প্রমিত উচ্চারণরীতি অনুযায়ী এর ধ্বনিগত রূপ জিউভা হবে, হ এবং ব-ফলা অপরিবর্তিত থাকে না। D) জিউভা — এটি সঠিক উচ্চারণ কারণ হ-এর সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত থাকলে উচ্চারণ উ-এর মতো হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: হ-এর সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত থাকলে উচ্চারণ উ-এর মতো হয় তা মনে রাখবে। জিহ্বা শব্দের উচ্চারণ মনে রাখতে জিউভা শব্দটি বারবার চর্চা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুক্তবর্ণ ও ফলাযুক্ত শব্দের সঠিক উচ্চারণ প্রায়ই আসে। এই নিয়মের শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে পরীক্ষায় ভুল এড়ানো সম্ভব।
a ্ + ম
b হ্ + ণ
c ্ + ন
d থ্ + ন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হ্ + ণ ১. কেন সঠিক: - 'হ্ন' যুক্ত বর্ণটি গঠিত হয় হ এবং ণ বর্ণ দুটি মিলে। - এখানে হ হলো প্রধান ব্যঞ্জন এবং এর নিচে ণ যুক্ত হয়ে নতুন রূপ ধারণ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যুক্তবর্ণ বিশ্লেষণ বাংলা ব্যাকরণের বর্ণ প্রকরণ অধীনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - দুটি বা ততোধিক বর্ণ মিলে যুক্ত ব্যঞ্জন গঠিত হয় যেখানে প্রথম বর্ণটি সাধারণত হসন্তযুক্ত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপরাহ্ন ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'হ্ন' যুক্ত বর্ণটি ব্যবহৃত হয়েছে যা হ এবং ণ এর সংযোগ বোঝায়। উদাহরণ ২: পূর্বাহ্ন ব্যাখ্যা: এই শব্দটির মধ্যেও 'হ্ন' যুক্ত ব্যঞ্জনের সঠিক প্রয়োগ দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ্ + ম — এটি হ এবং ম এর যুক্তরূপ নয় এবং এতে কোনো বর্ণ নেই। B) হ্ + ণ — এটি সঠিক কারণ প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে হ্ন যুক্ত ব্যঞ্জনের সঠিক ভাঙা রূপ। C) ্ + ন — এটি সঠিক নয় কারণ এখানে হ বর্ণটি অনুপস্থিত রয়েছে। D) থ্ + ন — এটি থ এবং ন এর যুক্তরূপ যা প্রশ্নানুসারে সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - হ্ন যুক্ত বর্ণ দেখলে মনে রাখবে এটি হ এর সাথে ণ যুক্ত হয়ে গঠিত হয়। - বানান মনে রাখার জন্য অপরাহ্ন ও পূর্বাহ্ন শব্দ দুটি অনুশীলন করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যুক্তবর্ণ বিভাজন থেকে প্রশ্ন আসে। - হ এর সাথে ণ এবং ন যুক্ত হয়ে যে ভিন্ন রূপ নেয়, তা ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
a হুমায়ূন আহমেদ
b হুমায়ুন আজাদ
c সৈয়দ শামসুল হক
d আনিসুল হক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আনিসুল হক ১. কেন সঠিক: - 'মা' হলো জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক রচিত একটি বহুল পঠিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র শহীদ জননী সাফিয়া বেগম এবং তাঁর সন্তান বীরশ্রেষ্ঠ রুমী। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আনিসুল হক সমসাময়িক বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট। - 'মা' উপন্যাসটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের এক মর্মান্তিক ও অনুপ্রেরণাদায়ী সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোসেফ কনরাডের উপন্যাস ব্যাখ্যা: এটি আনিসুল হকের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। উদাহরণ ২: আয়নাঘর ব্যাখ্যা: এটি আনিসুল হক রচিত বর্তমান সময়ের আলোচিত একটি উপন্যাস ও সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুমায়ূন আহমেদ — তিনি বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও 'মা' নামক মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসটি তিনি রচনা করেননি। B) হুমায়ুন আজাদ — তিনি একজন প্রগতিশীল লেখক ও ভাষাবিজ্ঞানী হলেও এই উপন্যাসটি তাঁর রচিত নয়। C) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি বহুমুখী প্রতিভার লেখক হলেও 'মা' উপন্যাসের রচয়িতা আনিসুল হক। D) আনিসুল হক — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক 'মা' উপন্যাসের রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - মা উপন্যাসের লেখক আনিসুল হক এটি মনে রাখার জন্য মার নামের সাথে লেখকের নামের মিল মনে রাখতে পারো। - মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাসগুলোর মধ্যে 'মা' একটি বিশেষ সৃষ্টি যার লেখক আনিসুল হক। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের তালিকা থেকে এই প্রশ্নটি বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - মূল গ্রন্থ পড়ার পাশাপাশি লেখকের অন্যান্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্মগুলো দেখে যাওয়া উচিত।
a বিদ্রোহী
b আনন্দময়ীর আগমনে
c জীবন- বন্দনা
d সাম্যবাদী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আনন্দময়ীর আগমনে ১. কেন সঠিক: ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় কাজী নজরুল ইসলাম 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতাটি রচনা করেন। এই রচনার জন্য তাকে রাজদ্রোহের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয় এবং এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত। ১৯২২ সালে প্রকাশিত 'ধূমকেতু' পত্রিকায় এই কবিতা প্রকাশের পর ব্রিটিশ সরকার তাকে কারাদণ্ড দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষের বাঁশি ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ভাবাপন্ন কাব্যগ্রন্থ যা ব্রিটিশ সরকার বাজোপ্ত করেছিল। উদাহরণ ২: প্রলয়োল্লাস ব্যাখ্যা: এটি কবির অগ্নিবীণা কাব্যের অন্তর্গত একটি বিখ্যাত বিপ্লবী কবিতা যা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্রোহী — এটি কবির বিখ্যাত কবিতা হলেও সরাসরি এই কবিতা লেখার জন্য তিনি কারাবরণ করেননি। C) জীবন- বন্দনা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত দার্শনিক ও মানবতাবাদী কবিতা। D) সাম্যবাদী — এটি কবির সমতা ও ঐক্যের বার্তা সংবলিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের কারাবরণের সঙ্গে আনন্দময়ী দেবীর পুজোর প্রেক্ষাপটে লেখা 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতাটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে যে নজরুলের কোন রচনার জন্য কারাদণ্ড হয়েছিল।
a শেষের কবিতা
b শেষ বিকেলের মেয়ে
c সোনার তরী
d নৌকাডুবি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শেষ বিকেলের মেয়ে ১. কেন সঠিক: - 'শেষ বিকেলের মেয়ে' কোনো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা উপন্যাস নয়, এটি কথাসাহিত্যিক জহির রায়হানের বিখ্যাত একটি উপন্যাস। - প্রশ্নটিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নয় এমন গ্রন্থটি চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে, তাই এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'শেষ বিকেলের মেয়ে' উপন্যাসের রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান। - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক হলেও এই নির্দিষ্ট উপন্যাসটির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাজার বছর ধরে ব্যাখ্যা: এটি জহির রায়হানের আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত উপন্যাস যা গ্রামবাংলার গ্রামীণ জীবন নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: বরফ গলা নদী ব্যাখ্যা: এটিও জহির রায়হানের লেখা একটি সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেষের কবিতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত দার্শনিক উপন্যাস এবং রোমান্টিক সাহিত্যকর্ম। B) শেষ বিকেলের মেয়ে — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা নয়, বরং জহির রায়হানের বিখ্যাত একটি উপন্যাস। C) সোনার তরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও পরিচিত প্রতীকী কবিতা ও কাব্যগ্রন্থ। D) নৌকাডুবি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি জনপ্রিয় সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর নামের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ করা। - জহির রায়হানের উপন্যাসগুলো আধুনিক বাংলা সাহিত্যের বাস্তবধর্মী ধারার অন্তর্ভুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্ররচনার তালিকা থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - বিখ্যাত লেখকদের কালজয়ী উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়লে সহজেই উত্তর করা যায়।
a জসীম উদ্দীন
b মুনীর চৌধুরী
c কাজী নজরুল ইসলাম
d শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুনীর চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - কবর নাটকটির রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী অবস্থায় তিনি এই ঐতিহাসিক নাটকটি রচনা করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী ছিলেন একাধারে নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক এবং ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ বুদ্ধিজীবী। - ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত রক্তকবরী নাটকের অনুকরণে এবং ভাষা আন্দোলনের রক্তস্নাত পটভূমিতে এই একাঙ্কিকা নাটকটি রচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দণ্ডতীর ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরীর রচিত অপর একটি বিখ্যাত নাটক, যা তার নাট্যপ্রতিভার অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: রক্তমুখ প্রান্তর ব্যাখ্যা: মুনীর চৌধুরী রচিত ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের আরেকটি বিখ্যাত নাটক হলো রক্তমুখ প্রান্তর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জসীম উদ্দীন — জসীম উদ্দীন কবর নামে বিখ্যাত একটি কবিতা লিখেছেন, নাটক নয়। B) মুনীর চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক এবং নাটকের রচয়িতা হিসেবে পরীক্ষিত সত্য। C) কাজী নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি অগ্নিবীণা ও বিষের বাঁশীসহ নানা গ্রন্থ রচনা করেছেন। D) শামসুর রাহমান — শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, যিনি বন্দী শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থের জন্য বিখ্যাত। ৫. মনে রাখার টিপস: - জসীমউদ্দীনের কবর হলো বিখ্যাত কবিতা আর মুনীর চৌধুরীর কবর হলো ভাষাভিত্তিক নাটক। - নাটকের রচয়িতা মুনীর চৌধুরী মনে রাখতে কবরের নাট্যকার হিসেবে তার কারাজীবনের কথা স্মরণ করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত প্রথম নাটক হিসেবে কবর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাহিত্যকর্ম। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিতা ও নাটকের রচয়িতার এই বিভ্রান্তিমূলক প্রশ্নটি প্রায়ই আসে।
a বিজয় গুপ্ত
b দ্বিজ মাধব
c মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
d ভারতচন্দ্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ১. কেন সঠিক: মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্যের ধারার একজন প্রখ্যাত কবি। তাঁর অনবদ্য সাহিত্যকর্ম চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের জন্য বাংলার সুলতান বা স্থানীয় শাসক তাঁকে কবি কঙ্কন উপাধিতে ভূষিত করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ষোড়শ শতকের মধ্যযুগের কবি এবং তিনি সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মঙ্গলকাব্য রচয়িতা হিসেবে পরিচিত। তাঁর রচিত চণ্ডীমঙ্গল কাব্যটি শ্রীকঙ্কাবতীর উপাখ্যান এবং কালকেতু ও ফুল্লরার কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত সমাজচিত্রের এক অনন্য দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চণ্ডীমঙ্গল কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম যা মধ্যযুগের সমাজে প্রচলিত লৌকিক দেবী চণ্ডীর মাহাত্ম্য প্রচার করে। উদাহরণ ২: কবিকঙ্কন চণ্ডী ব্যাখ্যা: মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর কবি কঙ্কন উপাধির সাথে মিল রেখে তাঁর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যটিকে অনেক সময় কবিকঙ্কন চণ্ডী বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিজয় গুপ্ত — তিনি মনসা মঙ্গল কাব্যের বিখ্যাত কবি এবং তাঁর উপাধি ছিল পুমরীকাক্ষ বা অন্য কিছু, কবি কঙ্কন নয়। B) দ্বিজ মাধব — তিনি একজন মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের কবি হলেও তাঁকে কবি কঙ্কন উপাধি দেওয়া হয়নি। D) ভারতচন্দ্র — তিনি অষ্টাদশ শতকের কবি এবং তাঁর উপাধি ছিল রায়গুণাকর, কবি কঙ্কন নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মুকুন্দরাম চক্রবর্তী নামের সাথে কঙ্কন শব্দটি মনে রাখতে চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কবির কথা মাথায় রাখবে। মধ্যযুগের কবিদের উপাধিগুলো আলাদা করে একটি ছোট তালিকায় লিখে রাখলে পরীক্ষায় সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবিদের আসল নাম এবং তাঁদের প্রাপ্ত উপাধি প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য কবিদের উপাধির একটি নির্দিষ্ট তালিকা বারবার অনুশীলন করা অত্যন্ত জরুরি।

মোট প্রশ্ন (20)

a Much
b More
c Less
d Last
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Much কেন সঠিক: - Much হলো পরিমাণের Adjective-এর Positive degree, যা অপরিবর্তিত মূল রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - Adjective-এর ডিগ্রি পরিবর্তনের নিয়মে Much শব্দের Comparative রূপ হলো More এবং Superlative রূপ হলো Most। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Much — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Positive degree-এর মূল রূপ। B) More — এটি ভুল অপশন কারণ এটি Much শব্দের Comparative degree। C) Less — এটি ভুল অপশন কারণ এটি Little শব্দের Comparative degree। D) Last — এটি ভুল অপশন কারণ এটি একটি Superlative degree বা Superlative Adjective। মনে রাখার টিপস: Adjective-এর তুলনামূলক রূপ মনে রাখতে Much, More এবং Most এভাবে মনে রাখবে, যেখানে প্রথমটি Positive ডিগ্রি।
a Man and Superman
b The importance of Being Earnest
c The Tempest
d All for Love
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The Tempest কেন সঠিক: - এটি বিশ্বখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়রের লেখা একটি জনপ্রিয় নাটক। - এটি মূলত তাঁর রচিত শেষ একক কমেডি বা রোমান্সধর্মী নাটক হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Man and Superman — এটি জর্জ বার্নার্ড শ এর লেখা একটি বিখ্যাত নাটক, শেক্সপিয়রের নয়। B) The importance of Being Earnest — এটি অস্কার ওয়াইল্ডের লেখা একটি বিখ্যাত প্রহসনমূলক নাটক। C) The Tempest — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) All for Love — এটি জন ড্রাইডেনের লেখা একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাটক। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিয়রের রোমান্স বা সমুদ্রভিত্তিক নাটক মনে রাখতে দ্য টেম্পেস্ট নামটি প্রধান হিসেবে মনে রাখতে হবে।
a Girls' college
b Girl's college
c At ones' wit's end
d Women' club
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Girls' college কেন সঠিক: - plural noun বা বহুবচন যদি s দিয়ে শেষ হয়, তবে possessive case গঠনের জন্য শুধু অ্যাস্ট্রাফি যোগ করতে হয়। - Girl শব্দটির plural হলো Girls এবং এর শেষে s থাকায় শুধুমাত্র apostrophe বসে Girls' college হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Girls' college — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে। B) Girl's college — এটি ভুল কারণ college টি শুধু একজন মেয়ের জন্য নয়, এটি মেয়েদের বা বহু মেয়ের জন্য বোঝানো হয়েছে। C) At ones' wit's end — এটি ভুল কারণ এখানে ones' ভুল, সঠিক রূপ হবে at one's wit's end. D) Women' club — এটি ভুল কারণ women হলো plural শব্দ যা s দিয়ে শেষ হয়নি, তাই apostrophe এর আগে s বসাতে হবে Women's club হবে। মনে রাখার টিপস: Plural noun এর শেষে s থাকলে শুধু apostrophe (') বসে, আর s না থাকলে 's বসে।
a his
b one's
c once
d everybody's
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) one's কেন সঠিক: - বাক্যের শুরুতে subject হিসেবে one থাকলে তার possessive form হিসেবে সর্বদা one's ব্যবহৃত হয়। - এটি ইংরেজি ব্যাকরণের Pronoun-এর একটি বিশেষ নিয়ম যা বাক্যের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) his — এটি third person masculine singular এর possessive form, যা বাক্যের subject one এর সাথে মেলে না। B) one's — এটি সঠিক উত্তর, কারণ one এর possessive form হিসেবে সব সময় one's বসে। C) once — এটি কোনো possessive pronoun বা possessive adjective নয়, এটি একটি Adverb যার অর্থ একবার। D) everybody's — এটি indefinite pronoun হলেও এই বাক্যের subject one এর পরিবর্তে ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে subject হিসেবে one থাকলে তার possessive form লেখার সময় সব সময় one's ব্যবহার করতে হয়।
a a
b an
c the
d no article
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) no article কেন সঠিক: - university শব্দটি যখন তার মৌলিক উদ্দেশ্যে (লেখাপড়া করতে যাওয়া) ব্যবহৃত হয়, তখন এর পূর্বে কোনো article বসে না। - এখানে প্রতিদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাসে যাওয়ার কথা বোঝানো হয়েছে, তাই শূন্যস্থানটিতে কোনো article হবে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — vowel হলেও university শব্দের উচ্চারণ ইউ (yoo) এর মতো হওয়ায় এখানে a বসার কথা মনে হতে পারে, কিন্তু মৌলিক উদ্দেশ্যে যাওয়ার কারণে article বসে না। B) an — vowel এর পূর্বে an বসে, কিন্তু university শব্দের উচ্চারণ consonant sound দিয়ে শুরু হওয়ায় এখানে an বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) the — নির্দিষ্ট করে কোনো নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় ভবনের দিকে ইঙ্গিত করা হয়নি, বরং এর সাধারণ কাজের কথা বলা হয়েছে তাই the হবে না। D) no article — এটি সঠিক কারণ মৌলিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত প্রতিষ্ঠানের পূর্বে article বসে না। মনে রাখার টিপস: School, college, university, hospital ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে যখন মৌলিক উদ্দেশ্যে (পড়ালেখা, চিকিৎসা) যাওয়া হয়, তখন তাদের পূর্বে কোনো article বসে না।
a to go
b gone
c go
d went
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) go কেন সঠিক: - Had better একটি ব্যতিক্রমধর্মী মোডাল ভার্ব, যার পরে সব সময় ভার্বের বেস ফর্ম বা মূল রূপ বসে। - এই কাঠামোর অর্থ বোঝায় ভবিষ্যতে কোনো কাজ করা ভালো হবে, তাই এখানে go ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to go — Had better এর পরে ইনফিনিটিভ বা to বসে না, তাই এটি ভুল। B) gone — এটি ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ, যা এখানে ব্যাকরণগতভাবে বেমানান। C) go — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) went — এটি ভার্বের পাস্ট ফর্ম, কিন্তু Had better এর পরে প্রেজেন্ট ফর্ম বসে। মনে রাখার টিপস: Had better, would rather এবং let এর পরে সরাসরি ভার্বের বেস ফর্ম বসে।
a on
b over
c to
d of
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) on কেন সঠিক: - 'Insist' verb-এর পর নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সাধারণত 'on' ব্যবহৃত হয়। - 'Insist on' এর অর্থ হলো কোনো কিছুর জন্য জোড়াজুড়ি করা বা জিদ ধরা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — এটি সঠিক কারণ insist-এর পর on বসে এবং এর অর্থ জোড়াজুড়ি করা। B) over — এটি সাধারণত উপরে বা কোনো বিষয়ের ওপর বোঝাতে বসে, insist-এর সঙ্গে বসে না। C) to — এটি দিকে বা প্রতি বোঝাতে বসে, যা insist-এর সঙ্গে সঠিক preposition গঠন করে না। D) of — এটি এর বা সম্বন্ধ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের নিয়ম অনুযায়ী ভুল। মনে রাখার টিপস: Insist শব্দের সঙ্গে সবসময় on preposition ব্যবহার করতে হয়, যার অর্থ জোর করা।
a more busiest
b most busiest
c busiest
d busy
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) busiest কেন সঠিক: - One of the এর পর সবসময় adjective-এর superlative form এবং plural noun বসে। - Busy একটি single syllable বিশিষ্ট adjective, যার superlative form হলো busiest। বাকি অপশন কেন ভুল: A) more busiest — Double superlative ব্যবহার grammatically ভুল, কারণ busy শব্দের সঙ্গে more যোগ হয় না। B) most busiest — Most এবং busiest একসঙ্গে ব্যবহার করা redundant বা অতিরিক্ত প্রয়োগ। D) busy — এটি adjective-এর positive form, যা one of the এর নিয়ম অনুযায়ী এখানে বসবে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে One of the দেখলে চোখ বন্ধ করে superlative form (est বা mostযুক্ত শব্দ) বসাবে এবং noun-টি plural হবে।
a by
b on
c with
d for
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) by কেন সঠিক: - Live by অর্থ কোনো উপায়ে বা আদর্শ মেনে জীবন ধারণ করা। - সৎ উপায়ে জীবিকা নির্বাহ করা বোঝাতে 'live by' উপযুক্ত ফ্রেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — এটি সঠিক কারণ 'live by honest means' একটি প্রমিত ধারা যেখানে সৎ উপায়ে জীবন চালানো বোঝায়। B) on — এটি ভুল কারণ 'live on' সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট খাবার বা আয়ের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকা বোঝায়। C) with — এটি ভুল কারণ 'with' সাধারণত কোনো যন্ত্র বা ব্যক্তির সাথে থাকা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়। D) for — এটি ভুল কারণ 'live for' কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য বা লক্ষ্যের জন্য বেঁচে থাকা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: সৎ উপায়ে জীবিকা অর্জন বা জীবন ধারণ করার ক্ষেত্রে সবসময় প্রিপজিশন 'by' ব্যবহৃত হয়।
a Participle
b Gerund
c Verb
d Adjective
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Gerund কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'nursing' শব্দটি verb (nurse) এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করেছে এবং বাক্যের subject হিসেবে বসেছে। - Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যখন একই সাথে verb ও noun এর কাজ করে, তখন তাকে Gerund বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Participle — এটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে adjective এর কাজ করে, কিন্তু এখানে 'nursing' noun এর কাজ করছে। B) Gerund — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি noun এর কাজ করেছে। C) Verb — এটি মূল ক্রিয়া নয় বরং বাক্যের subject হিসেবে ব্যবহৃত একটি noun বা verbal noun। D) Adjective — এটি কোনো noun বা pronoun এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে না, তাই এটি adjective নয়। মনে রাখার টিপস: Verb + ing যদি বাক্যে Noun এর কাজ করে এবং What বা Whom এর উত্তর দেয়, তবে তা Gerund।
a He had come home yesterday.
b He did come home yesterday.
c He came home yesterday.
d Hel has come home yesterday.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He came home yesterday. কেন সঠিক: - বাক্যে 'yesterday' থাকলে সেটি অতীত নির্দেশ করে, তাই verb-এর Past Indefinite Tense (V2) ব্যবহার করতে হয়। - come verb-এর V2 রূপ হলো came, যা অতীতের নির্দিষ্ট সময় বোঝাতে সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He had come home yesterday — বাক্যে অতীতকালের নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ থাকলে Past Perfect Tense হয় না, Past Indefinite Tense হয়। B) He did come home yesterday — auxiliary verb 'did' ব্যবহার করার পর মূল verb-এর Present form বসে, কিন্তু এখানে মূল verb-এর সঠিক রূপ ব্যবহৃত হয়নি। C) He came home yesterday — এটি সঠিক উত্তর। D) He has come home yesterday — 'yesterday' থাকার কারণে Present Perfect Tense ব্যবহার করা ভুল, কারণ এটি অতীতকাল নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: yesterday, ago, last থাকলে বাক্যটি সর্বদা Past Indefinite Tense (V2) হবে।
a is
b am
c were
d was
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) were কেন সঠিক: - বাক্যে I wish থাকার কারণে এটি অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করছে, যার ফলে শূন্যস্থানে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন সবসময় were বসে। - সাবজেক্ট პირველ પુરুষ (First person) I হওয়া সত্ত্বেও ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এখানে was না হয়ে were ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি প্রেজেন্ট টেন্স এবং থার্ড পারসন সিঙ্গुलर নাম্বারের ক্ষেত্রে বসে, যা অবাস্তব ইচ্ছার নিয়মের সঙ্গে মেলে না। B) am — এটি কেবল প্রেজেন্ট টেন্সে সাবজেক্ট I এর সঙ্গে বসে, কিন্তু এখানে পাস্ট সাবজাংক্টিভ মুড প্রযোজ্য। C) were — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কোনো ব্যাখ্যা নেই। D) was — এটি পাস্ট টেন্সে ফার্স্ট ও থার্ড পারসন সিঙ্গুলারের সাধারণ নিয়মে বসে, কিন্তু I wish যুক্ত বাক্যে সবসময় were বসে। মনে রাখার টিপস: I wish বা If দিয়ে শুরু হওয়া অবাস্তব বাক্য বা কাল্পনিক ইচ্ছার ক্ষেত্রে সাবজেক্ট সিঙ্গুলার বা প্লুরাল যাই হোক না কেন, ভার্ব সবসময় were হবে।
a Atshma
b Gonorrhea
c Diarhoea
d Diptheria
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Gonorrhea কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দটিতে সঠিক বানান ব্যবহার করা হয়েছে যেখানে সঠিক জায়গায় দুটি n এবং দুটি r রয়েছে। - চিকিৎসাবিজ্ঞান সংক্রান্ত এই শব্দটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বানান শুদ্ধি অংশে প্রায়ই আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Atshma — এটি ভুল বানান, সঠিক বানান Asthma হবে যেখানে একটি t অতিরিক্ত দেওয়া হয়েছে। B) Gonorrhea — এটি সঠিক বানান এবং এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট উত্তর হিসেবে বিবেচিত। C) Diarhoea — এটি ভুল বানান, ব্রিটিশ ও আমেরিকান উভয় স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী সঠিক বানান Diarrhoea হবে। D) Diptheria — এটি ভুল বানান, সঠিক বানান Diphtheria হবে যেখানে ph এর জায়গায় শুধু p ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Gonorrhea বানানে শেষাংশে দুটি n এবং দুটি r থাকে, যা ভালোভাবে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হবে না।
a Imperative
b Interrogative
c Optative
d Assertive
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Imperative কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটিতে কোনো আদেশ, নির্দেশ, উপদেশ বা অনুরোধ বোঝানো হয়েছে। - মূল verb দিয়ে শুরু হওয়া এবং শুরুতে বা মাঝে 'do' ব্যবহার করে জোর দেওয়া বাক্য Imperative Sentence-এর অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Imperative — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি একটি জোরালো অনুরোধ বা আদেশমূলক বাক্য। B) Interrogative — এটি প্রশ্নবোধক বাক্য নয়, কারণ এর শেষে কোনো প্রশ্নবোধক চিহ্ন নেই এবং এটি কোনো তথ্য জানতে চায় না। C) Optative — এটি প্রার্থনাবাচক বাক্য নয়, কারণ এতে মনের কোনো ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ পায়নি। D) Assertive — এটি সাধারণ বিবৃতিমূলক বা বর্ণনামূলক বাক্য নয়, কারণ এটি কোনো তথ্য বা বিবৃতি প্রদান করে না। মনে রাখার টিপস: যে বাক্য দিয়ে আদেশ, নিষেধ, উপদেশ বা অনুরোধ বোঝায় এবং সাধারণত মূল ভাব দিয়ে শুরু হয়, তাকে Imperative Sentence বলে।
a Impatient
b Sad
c Calm
d Fitful
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Calm কেন সঠিক: - 'Patient' শব্দটির অর্থ ধৈর্যশীল, শান্ত বা সহনশীল। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'Calm' শব্দটির অর্থ শান্ত, যা 'patient' শব্দের সমর্থক শব্দ বা সমার্থক হিসেবে সবচেয়ে উপযোগী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Impatient — এটি 'patient' শব্দের বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম, যার অর্থ অধৈর্য। B) Sad — এর অর্থ দুঃখিত, যা patient শব্দের অর্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) Calm — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। D) Fitful — এর অর্থ অনিয়মিত বা খামখেয়ালি, যা শান্ত স্বভাবের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Patient মানুষ মাত্রই শান্ত প্রকৃতির হয়, তাই Patient-এর সমার্থক শব্দ হিসেবে Calm মনে রাখা সহজ।
a In danger
b In a confused state
c Perplexed
d Aimlessly
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) In a confused state কেন সঠিক: - 'At sixes and sevens' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। - এর বাংলা অর্থ হলো বিশৃঙ্খল অবস্থা বা হতবুদ্ধি হয়ে থাকা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) In danger — এর অর্থ বিপদে থাকা, যা এই ইডিয়মের অর্থের সাথে মেলে না। B) In a confused state — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ইডিয়মটির সমার্থক। C) Perplexed — এর অর্থ বিভ্রান্ত, তবে ইডিয়ম হিসেবে এই অপশনটি সরাসরি প্রযোজ্য নয়। D) Aimlessly — এর অর্থ উদ্দেশ্যহীনভাবে, যা বিশৃঙ্খল অবস্থার সঠিক রূপ নয়। মনে রাখার টিপস: ছয় ও সাত সংখ্যা দুটি পাশাপাশি অগোছালো মনে হয়, তাই 'At sixes and sevens' দেখলে বিভ্রান্তি বা বিশৃঙ্খলা মনে রাখতে হবে।
a Did he come home yesterday?
b Did he came home yesterday?
c Had he come home yesterday?
d Has he come home yesterday?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Did he come home yesterday? কেন সঠিক: - বাক্যটি অতীতের নির্দিষ্ট সময় নির্দেশ করায় এটি Past Indefinite Tense-এর ইন্টারোগেটিভ বাক্য। - Past Indefinite Tense-এর প্রশ্নবোধক বাক্যে সাহায্যকারী verb হিসেবে Did এবং মূল verb-এর Present form বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Did he come home yesterday? — এটি সঠিক বাক্য কারণ Did ব্যবহারের পর মূল verb-এর Present form (come) বসেছে। B) Did he came home yesterday? — ভুল কারণ Did-এর পরে verb-এর Past form (came) ব্যবহার করা হয়েছে। C) Had he come home yesterday? — ভুল কারণ এটি Past Perfect Tense, যা গতকালের সাধারণ কাজের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) Has he come home yesterday? — ভুল কারণ Present Perfect Tense-এর সাথে yesterday বা অতীতের নির্দিষ্ট সময় ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে yesterday থাকলে Past Indefinite Tense হয় এবং Did-এর পরে সবসময় verb-এর base form বা present form বসে।
a A diary
b A biography
c An autobiography
d A chronicle
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) An autobiography কেন সঠিক: - Auto শব্দের অর্থ নিজে এবং biography শব্দের অর্থ জীবনসংক্ষিপ্ত বা জীবনকাহিনি। - কোনো ব্যক্তি যখন নিজের জীবনের ঘটনাগুলো নিজেই লেখেন, তখন তাকে আত্মজীবনী বা autobiography বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A diary — এটি নিজের জীবনের দৈনন্দিন ঘটনা বা চিন্তাভাবনার দিনলিপি, যা নিয়মিত লেখা হয় কিন্তু পূর্ণাঙ্গ জীবনকাহিনি নয়। B) A biography — এটি অন্যের লেখা কোনো ব্যক্তির জীবনসংক্ষিপ্ত বা জীবনী, যা নিজের লেখা নয়। C) An autobiography — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল প্রশ্নে নিজের জীবন সম্পর্কে লেখার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য। D) A chronicle — এটি ইতিহাসের ঘটনাপঞ্জি বা কালানুক্রমিক বিবরণ, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির ব্যক্তিগত জীবনকাহিনি নয়। মনে রাখার টিপস: Auto অর্থ নিজে এবং bio অর্থ জীবন, তাই নিজের জীবন নিজে লেখা হলো autobiography।
a Temporary
b Permanent
c Short lived
d Transparent
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Permanent কেন সঠিক: - 'Transitory' শব্দটির অর্থ ক্ষণস্থায়ী বা যা দীর্ঘস্থায়ী নয়। - 'Permanent' শব্দটির অর্থ স্থায়ী, যা 'Transitory' শব্দের বিপরীত বা অ্যান্টনিভ অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Temporary — এটি 'Transitory' শব্দের সমার্থক বা সিনোনিম, তাই বিপরীত শব্দ নয়। B) Permanent — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ক্ষণস্থায়ী শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) Short lived — এটিও 'Transitory' শব্দের সমার্থক অর্থ বহন করে, তাই এটি সঠিক নয়। D) Transparent — এর অর্থ স্বচ্ছ, যা মূল শব্দের অর্থ বা বিপরীতার্থের সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: Transitory শব্দের শুরুতে Trans আছে যার সাথে Train-এর মিল পাওয়া যায়। ট্রেনের যাত্রা যেমন ক্ষণস্থায়ী, তেমনি Transitory মানে ক্ষণস্থায়ী এবং Permanent মানে স্থায়ী।
a Let not the lame man be laughed at.
b You should not laugh at the lame man
c The lame man not be laughed at.
d The lame man is not laughed at.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Let not the lame man be laughed at. কেন সঠিক: - মূল বাক্যটি Imperative Sentence হওয়ায় Passive করার সময় প্রথমে Let বসে এবং Negative-এর জন্য not বসে। - intransitive verb-এর সাথে preposition যুক্ত থাকলে Passive করার সময় preposition তুলে দেওয়া যায় না, তাই at অপরিবর্তিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let not the lame man be laughed at. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক। B) You should not laugh at the lame man — এটি একটি Assertive Sentence-এর অর্থ পরিবর্তন করে তৈরি করা হয়েছে, যা সরাসরি Passive রূপ নয়। C) The lame man not be laughed at. — এই বাক্যে নিয়ম অনুযায়ী শুরুতে Let এবং verb-এর পূর্বে be বাদ দেওয়ায় এটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ। D) The lame man is not laughed at. — এটি Present Indefinite Tense-এর Passive রূপ, যা মূল Imperative Sentence-এর ভাব প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Imperative Sentence-এ Do not দিয়ে শুরু হলে Passive করার সময় প্রথমে Let not বসাতে হয় এবং শেষে মূল verb-এর Past Participle করে preposition ঠিক রাখতে হয়।

মোট প্রশ্ন (19)

a ইংল্যান্ড
b যুক্তরাষ্ট্র
c জার্মানি
d ফ্রান্স
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইংল্যান্ড কেন সঠিক: - অষ্টাদশ শতাব্দীতে যুক্তরাজ্যে বা ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়। - পর্যাপ্ত কয়লা, লোহা এবং উপনিবেশ থেকে প্রাপ্ত মূলধন শিল্পায়নের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই প্রথম বাষ্পীয় ইঞ্জিন ও বস্ত্রশিল্পের ব্যাপক প্রসার ঘটে। B) যুক্তরাষ্ট্র — এখানে শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডের বহু পরে, উনবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে। C) জার্মানি — জার্মানি রাজনৈতিক ঐক্যের অভাবে অনেক পরে, উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে শিল্পায়নে এগিয়ে আসে। D) ফ্রান্স — ফরাসি বিপ্লব ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে ফ্রান্সে শিল্প বিপ্লব দেরিতে শুরু হয়। মনে রাখার টিপস: শিল্পের 'ই' দিয়ে মনে রাখবে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল 'ইংল্যান্ড' দেশে।
a ২০২০, ফেব্রুয়ারি
b ২০২১, ফেব্রুয়ারি
c ২০২০, মার্চ
d ২০২০, এপ্রিল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০২০, ফেব্রুয়ারি কেন সঠিক: - এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা তৃতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ এবং ভ্রমণ কাহিনী। - বাংলা একাডেমী থেকে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০২০, ফেব্রুয়ারি — এটি বইটির প্রকৃত প্রকাশকাল এবং সঠিক উত্তর। B) ২০২১, ফেব্রুয়ারি — এই সালে বইটি প্রকাশিত হয়নি, এটি ভুল সাল। C) ২০২০, মার্চ — মাসটি ভুল কারণ বইটি তার এক মাস আগে প্রকাশিত হয়েছিল। D) ২০২০, এপ্রিল — এই মাসে বইটি প্রকাশিত হয়নি, সঠিক মাস ফেব্রুয়ারি। মনে রাখার টিপস: নয়াচীন ভ্রমণ বইটির প্রকাশ সাল মনে রাখতে মনে রাখুন করোনাকালের ঠিক শুরুতে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এটি প্রকাশিত হয়।
a IBRD
b IFC
c IFAD
d MIGA
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) IFAD কেন সঠিক: - বিশ্ব ব্যাংকের মোট পাঁচটি অঙ্গ সংগঠন বা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার মধ্যে IFAD অন্তর্ভুক্ত নয়। - IFAD হলো জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যা কৃষির উন্নয়ন ও খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) IBRD — এটি বিশ্ব ব্যাংকের প্রধান ও বৃহত্তম অঙ্গ সংগঠন, যা উন্নয়নশীল দেশকে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ দেয়। B) IFC — এটি বিশ্ব ব্যাংকের একটি অঙ্গ সংগঠন, যা উন্নয়নশীল দেশের বেসরকারি খাতের সংস্থাকে ঋণ ও পরামর্শ দেয়। C) IFAD — এটি বিশ্ব ব্যাংকের অংশ নয়, বরং এটি একটি স্বাধীন জাতিসংঘ সংস্থাসমূহের অন্তর্ভুক্ত আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল। D) MIGA — এটি বিশ্ব ব্যাংকের একটি অঙ্গ সংগঠন, যা বিদেশি বিনিয়োগের নিরাপত্তা ও বীমা প্রদান করে। মনে রাখার টিপস: বিশ্ব ব্যাংকের পাঁচটি অঙ্গ সংগঠন মনে রাখার সহজ শব্দ হলো আইব্রড, ইফসি, আইডা, আইএফসি এবং মিগা। এখানে আইএফএডি বিশ্ব ব্যাংকের অংশ নয়।
a খাসিয়াদের
b সাঁওতালদের
c মনিপুরীদের
d চাকমাদের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) খাসিয়াদের কেন সঠিক: - বাংলাদেশের উপজাতিদের মধ্যে খাসিয়া সমাজ সম্পূর্ণভাবে মাতৃতান্ত্রিক। - এই সমাজে বংশপরিচয় ও সম্পত্তির উত্তরাধিকার মায়ের দিক থেকে নির্ধারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাসিয়াদের — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো ভুল ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। B) সাঁওতালদের — সাঁওতাল সমাজ পিতৃতান্ত্রিক এবং তাদের পরিবারে পিতা বা পুরুষ প্রধান ভূমিকা পালন করেন। C) মনিপুরীদের — মনিপুরী সমাজ পিতৃতান্ত্রিক এবং তাদের পরিবার ব্যবস্থা পুরুষতান্ত্রিক নিয়মেই পরিচালিত হয়। D) চাকমাদের — চাকমা সমাজ পিতৃতান্ত্রিক এবং সম্পত্তির উত্তরাধিকার সাধারণত পিতার মাধ্যমেই নির্ধারিত হয়। মনে রাখার টিপস: মাতৃতান্ত্রিক পরিবার মানেই খাসিয়া, আর বাকি প্রধান উপজাতিগুলো পিতৃতান্ত্রিক।
a বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি
b রাষ্ট্রপতি
c স্পিকার
d জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাষ্ট্রপতি কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন। - রাষ্ট্রপতি সংসদ সদস্যদের মধ্যে এমন একজন সংসদ সদস্যকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন যিনি সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি — প্রধান বিচারপতি সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করান, প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন না। B) রাষ্ট্রপতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। সি) স্পিকার — স্পিকার জাতীয় সংসদের অধিবেশন পরিচালনা করেন এবং সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান, প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন না। D) জাতীয় সংসদ — জাতীয় সংসদ আইন প্রণয়নকারী সর্বোচ্চ সংস্থা, তবে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের সাংবিধানিক এখতিয়ার সংসদের নেই, এটি রাষ্ট্রপতির এখতিয়ার। মনে রাখার টিপস: সরকারের প্রধান নির্বাহী হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ দেন দেশের সাংবিধানিক প্রধান অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি।
a বাংলাদেশ
b ভারত
c পাকিস্তান
d মালদ্বীপ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের আয়তনের তুলনায় জনসংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় এখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। - প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রায় এক হাজার একশো জনের বেশি, যা আঞ্চলিক গড়ের তুলনায় অনেক বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর জনসংখ্যার ঘনত্ব সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সর্বাধিক। B) ভারত — ভারতের আয়তন ও জনসংখ্যা অনেক বেশি হলেও এর জনসংখ্যার ঘনত্ব বাংলাদেশের চেয়ে কম। C) পাকিস্তান — পাকিস্তানের ভৌগোলিক আয়তন বাংলাদেশের চেয়ে বড় এবং এর জনসংখ্যার ঘনত্ব তুলনামূলক কম। D) মালদ্বীপ — মালদ্বীপের মোট জনসংখ্যা অত্যন্ত কম হওয়ায় এর ঘনত্ব বাংলাদেশের মতো এত বেশি নয়। মনে রাখার টিপস: সার্ক দেশে ঘন বসতি, সবার উপরে বাংলাদেশ।
a সাংবিধানিক সংস্থা
b বেসরকারি সংস্থা
c সংবিধিবদ্ধ সংস্থা
d সরকারি সংস্থা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংবিধিবদ্ধ সংস্থা কেন সঠিক: - বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন ২০১২ সালের প্রতিযোগিতা আইনের অধীনে গঠিত একটি সরকারি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা। - এটি সরকারের কোনো সরাসরি বিভাগ বা মন্ত্রণালয় নয়, বরং নির্দিষ্ট আইন দ্বারা গঠিত একটি স্বাধীন স্বশাসিত সরকারি প্রতিষ্ঠান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাংবিধানিক সংস্থা — এটি সংবিধানের কোনো নির্দিষ্ট অনুচ্ছেদের অধীনে গঠিত হয়নি, তাই এটি সাংবিধানিক সংস্থা নয়। B) বেসরকারি সংস্থা — এটি কোনো এনজিও বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নয়, এটি সম্পূর্ণভাবে সরকারি নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। C) সংবিধিবদ্ধ সংস্থা — প্রদত্ত উত্তর ডি ভুল কারণ এটি মূলত একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, সাধারণ অর্থে সরকারি হলেও আইনগতভাবে এটি সংবিধিবদ্ধ। D) সরকারি সংস্থা — এটি সরাসরি সরকারি সংস্থা হিসেবে তালিকাভুক্ত হলেও সঠিক আইনি পরিচয় হলো সংবিধিবদ্ধ সংস্থা। মনে রাখার টিপস: আইন পাসের মাধ্যমে গঠিত স্বাধীন সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বলা হয়, যেমন প্রতিযোগিতা কমিশন ২০১২ সালের আইন দ্বারা গঠিত।
a সুন্দরী ও গর্জন
b সুন্দরী ও গামার
c সুন্দরী ও গরান
d সুন্দরী ও সেগুন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুন্দরী ও গরান কেন সঠিক: - সুন্দরবনের উদ্ভিজ্জের মধ্যে সুন্দরী বৃক্ষ সর্বাধিক dominant এবং এর নামানুসারেই এই বনের নামকরণ হয়েছে। - গরান গাছ সুন্দরবনের অন্যতম প্রধান এবং বহুল পরিচিত ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ যা লবণাক্ত মাটিতে জন্মায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুন্দরী ও গর্জন — গর্জন গাছ পাহাড়ি বনাঞ্চলে জন্মায়, সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ নয়। B) সুন্দরী ও গামার — গামার কাঠ সাধারণত সমতল বা পাহাড়ি এলাকায় পাওয়া যায়। D) সুন্দরী ও সেগুন — সেগুন বন বা পাহাড়ি অঞ্চলের গাছ, ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান বৃক্ষ নয়। মনে রাখার টিপস: সুন্দরবনের প্রধান দুই বৃক্ষ মনে রাখতে সু-র সাথে গ-র মিল রেখে মনে রাখুন সুন্দরী ও গরান।
a বেগুন
b আম
c আলু
d টমেটো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলু কেন সঠিক: - 'সিন্দুরী' হলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত একটি উচ্চফলনশীল জাতের আলুর নাম। - এই জাতের আলুর ত্বক ও শাঁস লাল রঙের হয়ে থাকে এবং এর বাণিজ্যিক ও চাষাবাদের গুরুত্ব রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেগুন — এটি বেগুন নয়, কারণ বারি বেগুন বা অন্যান্য বেগুনের জাতের নামকরণে সিন্দুরী শব্দটি ব্যবহৃত হয় না। B) আম — এটি আম নয়, কারণ আমের জনপ্রিয় জাতগুলোর মধ্যে সিন্দুরী নামের কোনো স্বীকৃত জাত নেই। C) আলু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় এর কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। D) টমেটো — এটি টমেটো নয়, কারণ সিন্দুরী মূলত আলুর একটি নির্দিষ্ট জাতের নাম। মনে রাখার টিপস: আলু খেতে যেমন সুস্বাদু, এর লাল রঙের একটি বিশেষ জাতের নাম মনে রাখবেন 'সিন্দুরী'।
a নিউইয়র্ক
b জেনেভা
c প্যারিস
d মিউনিখ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্যারিস কেন সঠিক: - ইউনেস্কো জাতিসংঘর শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা যার প্রধান কার্যালয় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত। - এই সংস্থা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান বা ইউনেস্কো সাইট ঘোষণা এবং সংরক্ষণের কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এবং ইউনূসেফ এর সদর দপ্তর, ইউনেস্কোর নয়। B) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদর দপ্তর, ইউনেস্কোর নয়। C) প্যারিস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ইউনেস্কোর সদর দপ্তর এখানেই অবস্থিত। D) মিউনিখ — এটি জার্মানির একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর, যা ইউনেস্কোর সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: শিক্ষা ও সংস্কৃতির শহর বলা হয় প্যারিসকে, আর ইউনেস্কো শিক্ষা ও সংস্কৃতি নিয়েই কাজ করে।
a চতুর্থ তফসিল
b পঞ্চম তফসিল
c ষষ্ঠ তফসিল
d সপ্তম তফসিল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পঞ্চম তফসিল কেন সঠিক: - সংবিধানে ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ১৫০ অনুচ্ছেদের পর পঞ্চম তফসিলে সংযোজন করা হয়। - এই তফসিলে ভাষণটির বাংলা ও ইংরেজি উভয় পাঠ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চতুর্থ তফসিল — এটি সংবিধানের প্রারম্ভিক সময়ের কিছু অস্থায়ী ও সংকান্তিকালীন বিধানের সঙ্গে সম্পর্কিত। B) পঞ্চম তফসিল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই তফসিলেই ৭ মার্চের ভাষণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। C) ষষ্ঠ তফসিল — এটি ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ ঘোষণা করা স্বাধীনতার প্রাক proclamations সংক্রান্ত। D) সপ্তম তফসিল — এটি ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়নের আগের বিভিন্ন আইনের ধারাবাহিকতা রক্ষার সঙ্গে যুক্ত। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের পঞ্চম অনুচ্ছেদের সঙ্গে মিল রেখে মনে রাখতে পারো যে পঞ্চম তফসিলে ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ যুক্ত আছে।
a আসাম
b মনিপুর
c মিজোরাম
d নাগাল্যান্ড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মনিপুর কেন সঠিক: - টিপাইমুখ বাঁধ ভারতের মনিপুর রাজ্যের বরাক নদীর ওপর পরিকল্পনা করা একটি বিতর্কিত বাঁধ প্রকল্প। - এই নদীর পানি প্রবাহ বাংলাদেশের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর মাধ্যমে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রবেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আসাম — আসামের ওপর দিয়ে বরাক নদী প্রবাহিত হলেও টিপাইমুখ বাঁধটি এই রাজ্যে অবস্থিত নয়। C) মিজোরাম — মিজোরাম ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য হলেও এই বাঁধের সঙ্গে এর ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কিত নয়। D) নাগাল্যান্ড — নাগাল্যান্ড ভারতের আরেকটি রাজ্য এবং টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্পের সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: বরাক নদীর তীরে মনিপুর রাজ্যে টিপাইমুখ বাঁধ অবস্থিত, যা বাংলাদেশের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর সঙ্গে জড়িত।
a 1788
b 1789
c 1790
d 1791
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭৮৯ কেন সঠিক: - এই সালে ফরাসি বিপ্লব শুরু হয় এবং ফ্রান্সে প্রাচীন রাজতন্ত্রের পতন ঘটে। - এই বিপ্লবের মূল স্লোগান ছিল স্বাধীনতা, সমতা ও ভ্রাতৃত্ব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৮৮ — এই সালে বিপ্লব সংঘটিত হয়নি, তবে এটি বিপ্লবপূর্ব অর্থনৈতিক সংকটের বছর ছিল। B) ১৭৮৯ — এটি ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হওয়ার সঠিক সাল। C) ১৭৯০ — এই সালটি ফরাসি বিপ্লব শুরুর পরের বছর, যখন বিপ্লব বিভিন্ন সংস্কার পর্বে প্রবেশ করে। D) ১৭৯১ — এই সালে ফ্রান্সে নতুন সংবিধান প্রণীত হয় এবং রাজা ষোড়শ লুইয়ের ক্ষমতা সীমিত করা হয়। মনে রাখার টিপস: ফরাসি বিপ্লব শুরু হয় ১৭৮৯ সালে, যেখানে শেষ অঙ্ক নয় (৯) বিপ্লবের সূচনা নির্দেশ করে।
a ১৯৮০-৮২
b ১৯৭৮-৮০
c ১৯৭৬-৭৮
d ১৯৭৫-৭৭
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ১৯৭৮-৮০ কেন সঠিক: - ১৯৭৮ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য দুই বছর মেয়াদী একটি বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল। - রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে তৎকালীন সময়ে ৫ বছর মেয়াদী পরিকল্পনার পরিবর্তে এই স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮০-৮২ — এই সময়ে কোনো সরকারি দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়নি এবং এটি ভুল সময়কাল। B) ১৯৭৮-৮০ — এটি সঠিক সময়কাল হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। C) ১৯৭৬-৭৮ — এই সময়কালটি প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা এবং পরবর্তী পরিকল্পনার মধ্যবর্তী সময়ে গঠিত সংশোধিত বা বিশেষ পরিস্থিতির সময় হলেও এটি আনুষ্ঠানিক দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা নয়। D) ১৯৭৫-৭৭ — এই সময়ে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা চলমান ছিল এবং ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বিভিন্ন নীতি পুনর্নির্ধারণ করা হয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের একমাত্র দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা শুরু হয় ১৯৭৮ সালে এবং শেষ হয় ১৯৮০ সালে, অর্থাৎ শেষের সংখ্যা দুটি মনে রাখলেই সালটি সহজে মনে থাকবে।
a ওয়াশিংটন ডিসিতে
b নিউইয়র্কে
c বোস্টনে
d গেটিসবার্গে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিউইয়র্কে কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তার জন্য জর্জ হ্যারিসন ও রবি শংকরের উদ্যোগে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়ারে এই কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়। - বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গঠন এবং শরণার্থীদের সাহায্যার্থে তহবিল সংগ্রহ করাই ছিল এই ঐতিহাসিক কনসার্টের মূল উদ্দেশ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াশিংটন ডিসিতে — এটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী হলেও ১৯৭১ সালের এই ঐতিহাসিক কনসার্টটি এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি। B) নিউইয়র্কে — এটি সঠিক স্থান হওয়ায় এখানে কনসার্টটি আয়োজিত হয়েছিল। সি) বোস্টনে — এটি একটি শিক্ষानগরী হলেও কনসার্ট আয়োজনের মূল ভেন্যু এটি ছিল না। ডি) গেটিসবার্গে — এটি মার্কিন গৃহযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্থান হলেও এই কনসার্টের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ কনসার্ট নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়ারে হয়েছিল, যা মনে রাখতে নিউইয়র্ক শহরের নাম মাথায় রাখতে হবে।
a ১৯৯০ সালে
b ১৯৯১ সালে
c ১৯৯২ সালে
d ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৯২ সালে কেন সঠিক: - একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের দাবিতে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে ১৯৯২ সালের ১৯ জানুয়ারি ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি গঠিত হয়। - এই কমিটি গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আন্দোলন তীব্র ও গণমুখী রূপ লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯০ সালে — এই সালে স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থান সফল হয়েছিল, যা ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি গঠনের বছর নয়। B) ১৯৯১ সালে — এই সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং বিএনপি সরকার গঠন করে, যা এই কমিটির প্রতিষ্ঠার সাল নয়। C) ১৯৯২ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে এই কমিটি গঠিত হয়েছিল। D) ১৯৯৩ সালে — এই সালের ২৪ মার্চ জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে গণআদালতের রায়ের ভিত্তিতে প্রতীকী বিচারকার্য সম্পন্ন হয়, যা গঠনের সাল নয়। মনে রাখার টিপস: জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে গঠিত নির্মূল কমিটির সাল মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন: নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে, ঠিক ১৯৯২ সালে এটি গঠিত হয়।
a ৪ বার
b ৫ বার
c ৬ বার
d ৭ বার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ বার কেন সঠিক: - বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় এবং ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত জনশুমারিটি ছিল দেশের ষষ্ঠ জনশুমারি। - অতীতে এই কার্যক্রম আদমশুমারি নামে পরিচিত থাকলেও ২০২২ সালে নাম পরিবর্তন করে জনশুমারি ও গৃহগণনা রাখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ বার — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ ১৯৭৪ সালের পর আরও অনেকবার শুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। B) ৫ বার — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ ২০১১ সালে পঞ্চম শুমারি সম্পন্ন হওয়ার পর ২০২২ সালে ষষ্ঠ শুমারি হয়েছে। C) ৬ বার — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশে ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে মোট ছয়বার জনশুমারি হয়েছে। D) ৭ বার — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ছয়বার জনশুমারি ও গৃহগণনা সম্পন্ন হয়েছে। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সালে প্রথম এবং সর্বশেষ ২০২২ সালে ষষ্ঠ জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
a ৪ নভেম্বর
b ১২ অক্টোবর
c ১৬ ডিসেম্বর
d ১০ মে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ নভেম্বর কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের এই দিনে গণপরিষদে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান গৃহীত হয়। - ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে এই সংবিধান কার্যকর করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ নভেম্বর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদে পাস বা গৃহীত হয়েছিল। B) ১২ অক্টোবর — এই তারিখে বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া গণপরিষদে প্রথম উত্থাপন করা হয়েছিল। C) ১৬ ডিসেম্বর — এটি বাংলাদেশের বিজয় দিবস এবং ১৯৭২ সালে এই দিনে সংবিধান কার্যকর করা হয়েছিল। D) ১০ মে — এটি সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম বৈঠকের তারিখ এবং এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: নভেম্বর মাসের চার তারিখ সংবিধান গৃহীত হয় এবং ষোল ডিসেম্বর তা কার্যকর হয়।
a ৩ টি
b ৪ টি
c ২ টি
d ৫ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ টি কেন সঠিক: - রাষ্ট্র গঠনের জন্য আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী চারটি মৌলিক উপাদান আবশ্যক। - এই উপাদানগুলো হলো নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, স্থায়ী জনসংখ্যা, সরকার এবং সার্বভৌমত্ব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ টি — রাষ্ট্র গঠনের জন্য তিনটি উপাদান অপর্যাপ্ত কারণ সার্বভৌমত্ব বা নির্দিষ্ট ভূখণ্ড বাদ পড়লে রাষ্ট্র গঠিত হয় না। B) ৪ টি — এটি রাষ্ট্র গঠনের সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ উপাদান সংখ্যা নির্দেশ করে যা সর্বজনস্বীকৃত। C) ২ টি — দুটি উপাদান দিয়ে পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না কারণ এতে প্রয়োজনীয় জনবল ও শাসনব্যবস্থা অনুপস্থিত থাকে। D) ৫ টি — ৫ টি উপাদান অতিরিক্ত যা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের মৌলিক সংজ্ঞার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: রাষ্ট্র মনে রাখতে ভূখণ্ড, জনসংখ্যা, সরকার ও সার্বভৌমত্ব এই চারটির কথা মনে রাখবে।

মোট প্রশ্ন (2)

a বেরিবেরি রোগ হয়
b রিকেট রোগ হয়
c রাতকানা রোগ হয়
d স্কার্ভি রোগ হয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বেরিবেরি রোগ হয় ১. কেন সঠিক: ভিটামিন বি এর বিশেষ করে ভিটামিন বি ১ বা থিয়ামিনের অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়। শরীরে এই ভিটামিনের ঘাটতি হলে স্নায়ুতন্ত্র ও হৃৎপিণ্ড সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভিটামিন বি হলো পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা শরীরের শক্তি উৎপাদনে এবং কোষের বিপাক ক্রিয়ায় সহায়তা করে। কার্যপ্রণালি: থিয়ামিন বা ভিটামিন বি ১ কার্বোহাইড্রেটকে শক্তিতে রূপান্তর করতে সাহায্য করে যার অভাবে স্নায়ু কোষে পুষ্টি পৌঁছায় না। কারণ ও ফলাফল: এর অভাবে পেশি দুর্বল হয়ে যায়, হাত-পা অবশ অনুভূত হয় এবং হৃৎপিণ্ডের কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়। বাস্তব প্রয়োগ: ছাঁটা চাল বা প্রক্রিয়াজাত খাবারে ভিটামিন বি ১ নষ্ট হয়ে যায় যা নিয়মিত খেলে বেরিবেরি রোগ হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পালিশ করা চালের ভাত অতিরিক্ত খাওয়া। ব্যাখ্যা: চালের ওপরের খোসায় ভিটামিন বি ১ থাকে যা ছাঁটাই করার ফলে দূর হয়ে যায় এবং দীর্ঘকাল এটি খেলে বেরিবেরি হয়। উদাহরণ ২: মদ্যপায়ী ব্যক্তিদের পুষ্টির অভাব। ব্যাখ্যা: অ্যালকোহল শরীর কর্তৃক থিয়ামিন শোষণ বাধাগ্রস্ত করে ফলে স্নায়ুর দুর্বলতা ও বেরিবেরি দেখা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেরিবেরি রোগ হয় — এটি ভিটামিন বি এর অভাবে ঘটে তাই এটি সঠিক উত্তর। B) রিকেট রোগ হয় — এটি ভিটামিন ডি এর অভাবে হয় যেখানে শিশুদের হাড় নরম ও দুর্বল হয়ে যায়। C) রাতকানা রোগ হয় — এটি ভিটামিন এ এর অভাবে হয় যার ফলে স্বল্প আলোতে দেখতে সমস্যা হয়। D) স্কার্ভি রোগ হয় — এটি ভিটামিন সি এর অভাবে হয় যার প্রধান লক্ষণ মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া। ৫ মনে রাখার টিপস: ভিটামিন বি এর অভাবে বেরিবেরি হয় এটি মনে রাখতে বি বর্ণটি দিয়ে শুরু শব্দ দুটি মনে রাখতে পারেন যেমন ভিটামিন বি এবং বেরিবেরি। খাদ্য ও পুষ্টির এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভিটামিন বি ১ এর রাসায়নিক নাম থিয়ামিন এবং এর অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়। পরীক্ষায় প্রায়ই ভিটামিনের নাম ও তার অভাবজনিত রোগের নাম মিলকরণ বা এমসিকিউ আকারে আসে।
a মিথেন
b ইথেন
c প্রোপেন
d বিউটেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিউটেন ১. কেন সঠিক: রান্নার কাজে ব্যবহৃত এলপিজি বা লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো বিউটেন। এটি সহজে তরলে রূপান্তরিত হয় এবং উচ্চ তাপ উৎপন্ন করে পোড়ে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: এলপিজি হলো হাইড্রোকার্বনের একটি মিশ্রণ যা উচ্চ চাপে সিলিন্ডারে তরল অবস্থায় রাখা হয়। রাসায়নিক সংকেত: বিউটেনের রাসায়নিক সংকেত সি ফোর এইচ টেন এবং প্রোপেনের সংকেত সি থ্রি এইচ এইট। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাসার চুলায় সিলিন্ডারের রেগুলেটর অন করলে হালকা চাপ প্রয়োগে গ্যাস প্রবাহিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি দেখায় কীভাবে উচ্চ চাপে তরল গ্যাস সিলিন্ডারের ভেতরে অবস্থান করে এবং চাপে বাইরে আসে। উদাহরণ ২: শীতকালে অনেক সময় সিলিন্ডারে গ্যাস জমে যায় বা চাপ কমে যায়। ব্যাখ্যা: বিউটেনের স্ফুটনাঙ্ক কম হওয়ার কারণে ঠান্ডা আবহাওিয়ায় এটি সহজে বাষ্পীভূত হতে চায় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিথেন — মিথেন হলো প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান, যা পাইপলাইনের মাধ্যমে বাসাবাড়িতে সরবরাহ করা হয়। B) ইথেন — ইথেন প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি উপদান হলেও এটি রান্নার সিলিন্ডারে প্রধান উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। C) প্রোপেন — প্রোপেন এলপিজির একটি উপাদান হলেও এটি সাধারণত বিউটেনের চেয়ে পরিমাণে কম থাকে। D) বিউটেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিউটেন হলো রান্নার সিলিন্ডার গ্যাসের প্রধান ও সর্বাধিক ব্যবহৃত উপাদান। ৫ মনে রাখার টিপস: এলপিজির প্রধান উপাদান মনে রাখার জন্য বিউটেন শব্দটিকে মাথায় রাখবে কারণ বি দিয়ে বিউটেন এবং বিউটেন দিয়েই সিলিন্ডারের আগুন জ্বলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। এলপিজি মূলত প্রোপেন ও বিউটেনের মিশ্রণ, তবে বিউটেনের পরিমাণ বেশি থাকে।

মোট প্রশ্ন (40)

a ৮০ দিন
b ৯০ দিন
c ১>>() দিন
d ১২০ দিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২০ দিন কেন সঠিক: - মানবদেহের লোহিত রক্ত কণিকা বা রেড ব্লাড সেলের গড় আয়ু ১২০ দিন বা প্রায় চার মাস। - এই সময় পর প্লীহা বা স্প্লীন এই পুরনো ও অকার্যকর কোষগুলোকে ধ্বংস করে ফেলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮০ দিন — এই সময়সীমা লোহিত রক্ত কণিকার স্বাভাবিক আয়ুষ্কালের চেয়ে কম, তাই এটি সঠিক নয়। B) ৯০ দিন — তিন মাস সময়টি লোহিত রক্ত কণিকার জীবনকালের জন্য প্রযোজ্য নয়, এটি ভুল উত্তর। C) ১>>() দিন — এটি কোনো সঠিক সময়কাল নয় এবং অপশনে মুদ্রণজনিত ত্রুটি রয়েছে। D) ১২০ দিন — এটি লোহিত রক্ত কণিকার জীবদ্দশার বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত সঠিক মান। মনে রাখার টিপস: লোহিত রক্ত কণিকার আয়ু চার মাস, অর্থাৎ চার গুণ ত্রিশ সমান একশো বিশ দিন।
a FACIAL
b TRIGEMINAL
c HYPOGLOSSAL
d OLFACTORY
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) FACIAL কেন সঠিক: - ফেসিয়াল নার্ভ বা সপ্তম ক্রেনিয়াল নার্ভ মুখের পেশির চালনা নিয়ন্ত্রণ করে। - এই নার্ভে কোনো কারণে আঘাত পেলে বা প্রদাহ হলে মুখের একপাশ অবশ হয়ে যায়, যা বেলস পালসি নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) FACIAL — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নার্ভটি মুখমণ্ডলের পেশিগুলো পরিচালনা করে এবং এরক্ষতি হলে বেলস পালসি হয়। B) TRIGEMINAL — এটি পঞ্চম ক্রেনিয়াল নার্ভ যা মুখের সংবেদনশীলতা ও চিবানোর কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাই এটি বেলস পালসির জন্য দায়ী নয়। C) HYPOGLOSSAL — এটি দ্বাদশ ক্রেনিয়াল নার্ভ যা জিভের নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করে, তাই মুখের অবশের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) OLFACTORY — এটি প্রথম ক্রেনিয়াল নার্ভ যা ঘ্রাণ নেওয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত এবং এটি মুখমণ্ডলের পেশির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ফেসিয়াল (Facial) শব্দটির অর্থ মুখমণ্ডল, আর বেলস পালসি মুখমণ্ডলের পেশির সঙ্গেই সম্পর্কিত।
a 6.5 - 7.5
b 7.35 - 7.45
c 46243
d 4.5 - 5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 7.35 - 7.45 কেন সঠিক: - মানবদেহের রক্তের স্বাভাবিক পিএইচ মান সামান্য ক্ষারীয় প্রকৃতির, যা সাত দশমিক তিন পাঁচ থেকে সাত দশমিক চার পাঁচ এর মধ্যে থাকে। - এই নির্দিষ্ট মাত্রার সামান্য তারতম্য ঘটলে দেহের অভ্যন্তরীণ জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হয় এবং মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 6.5 - 7.5 — এই পরিসরটি রক্তের পিএইচ মানের জন্য অনেক বেশি প্রশস্ত এবং অম্লীয় মান নির্দেশ করে। B) 7.35 - 7.45 — এটি রক্তের স্বাভাবিক ও নির্ভুল পিএইচ মান হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) 46243 — এটি কোনো পিএইচ মান নয়, বরং একটি সম্পূর্ণ অসঙ্গত সংখ্যা যা এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক। D) 4.5 - 5 — এই মানটি অত্যন্ত অম্লীয়, যা মানবদেহের রক্তের পিএইচ মানের সাথে কোনোভাবেই মেলে না। মনে রাখার টিপস: রক্তের পিএইচ মনে রাখতে সাত এর সাথে তিন পাঁচ থেকে চার পাঁচ যোগ করে এই মানটি মনে রাখতে হবে।
a PANDEMIC
b ENDEMIC
c EPIDEMIC
d SPORADIC
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) PANDEMIC কেন সঠিক: - COVID-19 বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া একটি সংক্রামক রোগ হওয়ায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একে মহামারি ঘোষণা করেছিল। - PANDEMIC শব্দটি এমন রোগ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশে বা সারা বিশ্বে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) PANDEMIC — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই রোগটি বিশ্বব্যাপী বহু দেশে একই সঙ্গে ছড়িয়ে পড়েছিল। B) ENDEMIC — এটি ভুল কারণ এনডেমিক হলো কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে স্থায়ীভাবে লেগ থাকা রোগ, যা বিশ্বব্যাপী ছড়ায় না। C) EPIDEMIC — এটি ভুল কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশ বা অঞ্চলে হঠাৎ মারাত্মক আকারে ছড়িয়ে পড়া রোগ, বৈশ্বিক মহামারি নয়। D) SPORADIC — এটি ভুল কারণ স্পোরাডিক বলতে বিক্ষিপ্ত বা মাঝে মাঝে বিচ্ছিন্নভাবে ঘটা রোগ বোঝায়। মনে রাখার টিপস: PAN শব্দের অর্থ সব, তাই যা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে তাকে PANDEMIC বা বৈশ্বিক মহামারি বলে।
a Radial pulse
b Brachial pulse
c Popliteal pulse
d Carotid pulse
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Carotid pulse কেন সঠিক: - বুকের চাপ বা চেস্ট কম্প্রেশন সঠিকভাবে হচ্ছে কি না তা বুঝতে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল পরীক্ষা করতে হয়। - গলার কারেডিড ধমনী বা ক্যারোটিড পাল্স হৃদপিণ্ডের সবচেয়ে কাছে থাকায় এর স্পন্দন দ্রুত ও স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Radial pulse — এটি হাতের কবজিতে অবস্থিত এবং কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের সময় রক্তচাপ কমে যাওয়ায় সহজে অনুভূত হয় না। B) Brachial pulse — এটি হাতের বাহুতে থাকে এবং সাধারণত শিশুদের ক্ষেত্রে নাড়ির গতি পরীক্ষা করতে এটি ব্যবহার করা হয়। C) Popliteal pulse — এটি হাঁটুর পেছনের অংশে অবস্থিত এবং এটি দিয়ে চেস্ট কম্প্রেশনের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা যায় না। D) Carotid pulse — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রাপ্তবয়স্কদের সিপিআর দেওয়ার সময় কার্যকারিতা দেখতে এই পাল্স পরীক্ষা করা হয়। মনে রাখার টিপস: সিপিআর দেওয়ার সময় মাথার রক্ত সরবরাহ মাপতে গলার ক্যারোটিড পাল্স ধরতে হয়।
a Isotonic
b Hypotonic
c Hypertonic
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Isotonic কেন সঠিক: - মানবদেহের রক্তরসের অস্মোলারিটির মান আনুমানিক তিনশো মিলিঅসমোল প্রতি লিটার, যা আইসোটনিক সলিউশনের ক্ষেত্রেও সমান থাকে। - এই ধরনের দ্রবণ রোগীর শরীরে প্রয়োগ করলে লোহিত রক্তকণিকা তার স্বাভাবিক আকৃতি বজায় রাখে এবং কোনো সংকোচন বা প্রসারণ ঘটে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Isotonic — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অস্মোলারিটি মানব শরীরের রক্ত ও তরলের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। B) Hypotonic — এই দ্রবণের অস্মোলারিটি শরীরের তরলের চেয়ে কম থাকে, ফলে লোহিত রক্তকণিকা ফুলে ফেটে যেতে পারে। C) Hypertonic — এই দ্রবণের অস্মোলারিটি শরীরের তরলের চেয়ে বেশি থাকে, ফলে কোষের ভেতরের জল বাইরে বেরিয়ে এসে কোষ সংকুচিত হয়ে যায়। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: আইসো শব্দের অর্থ সমান, তাই যে IV Solution-এর অস্মোলারিটি শরীরের তরলের সমান তাকে Isotonic বলে।
a DIAZEPAM
b PHENYTOIN
c BARBITURATE
d MAGSULPH
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) MAGSULPH কেন সঠিক: - একটলামসিয়া আক্রান্ত গর্ভবর্তীর খিঁচুনি বা কনভালসন নিয়ন্ত্রণে ম্যাগনেসিয়াম সালফেট বা ম্যাগসলফ হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানের সর্বসম্মত প্রথম পছন্দ বা ড্রাগ অব চয়েস। - এটি মস্তিষ্কের খিঁচুনির তীব্রতা দ্রুত কমায় এবং মা ও গর্ভের শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) DIAZEPAM — এটি একসময় ব্যবহার করা হলেও বর্তমানে একটলামসিয়ার খিঁচুনিতে এটি প্রথম পছন্দ নয় কারণ এটি নবজাতকের শ্বাসকষ্ট করতে পারে। B) PHENYTOIN — এটি সাধারণত খিঁচুনি রোধে ব্যবহৃত হলেও একটলামসিয়ায় ম্যাগসলফের মতো এত দ্রুত ও নিরাপদ ফল দেয় না। C) BARBITURATE — এটি অতিরিক্ত ঘুম ও কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের গভীর অবসাদ ঘটায় বিধায় একটলামসিয়ার চিকিৎসায় এটি প্রধান পছন্দ নয়। D) MAGSULPH — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক কারণ এটি একটলামসিয়ার খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সর্বাধিক কার্যকর ওষুধ। মনে রাখার টিপস: একটলামসিয়া মানেই মাথায় রেখো ম দিয়ে ম্যাজিক ওষুধ অর্থাৎ ম্যাগসলফ (MAGSULPH)।
a Vit. C
b Vit. K
c Vit. D
d Vit. A
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Vit. D কেন সঠিক: - ভিটামিন ডি এর অভাবে শিশুদের হাড় নরম ও দুর্বল হয়ে যায়, যা রেকেটস বা Ricket রোগ নামে পরিচিত। - এই ভিটামিনের অভাবে শরীরে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের শোষণ কমে যায়, ফলে হাড়ের গঠন ঠিকমতো হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vit. C — ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়, রেকেটস হয় না। B) Vit. K — ভিটামিন কে এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা কমে যায় বা রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা হয়। C) Vit. D — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা শিশুদের হাড়ের রোগ রেকেটস প্রতিরোধের জন্য দায়ী। D) Vit. A — ভিটামিন এ এর অভাবে রাতকানা রোগ এবং চোখের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। মনে রাখার টিপস: ডি-র অভাব মানেই হাড়ের ক্ষয়, শিশুদের রেকেটস রোগ হয় ভয়।
a 96.5° F
b 97.8° F
c 98.4° F
d 98.6° F
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯৮.৪° F (বিশেষ দ্রষ্টব্য: ঐতিহ্যগতভাবে ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট বহুল প্রচলিত হলেও আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে সুস্থ মানুষের শরীরের গড় স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস হিসেবে ধরা হয়।) কেন সঠিক: - সুস্থ মানুষের শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় ৯৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে থাকে। - শরীরের মেটাবলিজম বা বিপাকীয় ক্রিয়ার স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে এই নির্দিষ্ট তাপমাত্রা আবশ্যক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯৬.৫° F — এই তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম এবং এটি হাইপোথার্মিয়া বা শরীরের তাপমাত্রা অতিরিক্ত কমে যাওয়ার লক্ষণ। B) ৯৭.৮° F — এই তাপমাত্রা কিছুটা কম এবং সাধারণত সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর শরীরের তাপমাত্রা এমন থাকতে পারে, তবে এটি গড় আদর্শ মান নয়। C) ৯৮.৪° F — এটি মানবদেহের স্বাভাবিক গড় তাপমাত্রার সঠিক মান হিসেবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে স্বীকৃত। D) ৯৮.৬° F — এটি অতীতের একটি বহুল প্রচলিত মান হলেও আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটিকে সামান্য বেশি ধরা হয়। মনে রাখার টিপস: মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রার সেলসিয়াস স্কেল হলো ৩৭ ডিগ্রি, যাকে ফারেনহাইটে রূপান্তর করলে প্রায় ৯৮.৪ ডিগ্রি হয়।
a CAROTID
b AORTA
c FEMORAL
d RENAL
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) AORTA কেন সঠিক: - এটি মানবদেহের প্রধান এবং বৃহত্তম ধমনী যা হৃৎপিণ্ডের বাম নিলয় থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরাসরি পুরো শরীরে সরবরাহ করে। - এর ব্যাস এবং রক্ত বহন করার ক্ষমতা মানবদেহের অন্য যেকোনো ধমনীর চেয়ে সবচেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) CAROTID — এটি মূলত মাথা ও মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহকারী ধমনী, যা শরীরের বৃহত্তম ধমনী নয়। B) AORTA — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। C) FEMORAL — এটি পায়ের প্রধান ধমনী, যা তুলনামূলক ছোট এবং শরীরের বৃহত্তম ধমনী নয়। D) RENAL — এটি শুধুমাত্র কিডনিতে রক্ত সরবরাহকারী ধমনী, যা পুরো শরীরের বৃহত্তম ধমনী নয়। মনে রাখার টিপস: অর্ডা হলো বডি বা শরীরের সবচেয়ে বড় পাইপ বা ধমনী।
a TIBIA
b FIBULA
c FEMUR
d HUMERUS
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) FEMUR কেন সঠিক: - ফেমুর মানবদেহের উরুতে অবস্থিত এবং এটি শরীরের সবচেয়ে দীর্ঘ, ভারী ও শক্তিশালী অস্থি। - একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের উচ্চতার প্রায় এক চতুрথাংশ এই ফেমুরের দৈর্ঘ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) TIBIA — এটি পায়ের নিচের অংশে বা হাঁটুর নিচে অবস্থিত শিন বোন নামে পরিচিত দ্বিতীয় বৃহত্তম অস্থি। B) FIBULA — এটি পায়ের নিচের অংশে টিবিয়ার পাশে অবস্থিত একটি পাতলা অস্থি। D) HUMERUS — এটি হাতের উপরিভাগে কাঁধ থেকে কনুই পর্যন্ত অবস্থিত অস্থি। মনে রাখার টিপস: উপ্র থেকে নিচ পর্যন্ত শরীরের প্রধান হাড়গুলোর মধ্যে এফ (FE) দিয়ে শুরু ফেমুর হলো সবচেয়ে লম্বা।
a ৬৪ মিনিট
b ৭২ মিনিট
c ৮৮ মিনিট
d ৯৪ মিনিট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭২ মিনিট কেন সঠিক: - সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের হৃদস্পন্দনের স্বাভাবিক হার প্রতি মিনিটে গড়ে বাহাত্তর বার হয়ে থাকে। - শারীরিক পরিশ্রম বা উত্তেজনার সময় এটি বাড়তে পারে এবং বিশ্রামের সময় স্বাভাবিক থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬৪ মিনিট — এই হার সাধারণত খুব কম এবং অলস হৃদস্পন্দন বা ব্র্যাডিকার্ডিয়া নির্দেশ করতে পারে। B) ৭২ মিনিট — এটি একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের স্বাভাবিক হৃদস্পন্দনের আদর্শ মান। C) ৮৮ মিনিট — এই হার কিছুটা বেশি এবং এটি হালকা পরিশ্রম, উদ্বেগ বা জ্বরের লক্ষণ হতে পারে। D) ৯৪ মিনিট — এই হার বেশ বেশি এবং এটি অতিরিক্ত পরিশ্রম, ভয় বা শারীরিক অসুস্থতার ইঙ্গিত দেয়। মনে রাখার টিপস: সুস্থ মানুষের স্বাভাবিক নাড়ির গতি বা হৃদস্পন্দন মনে রাখতে ৭২ সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a Twin pregnancy
b Breech presentation
c Post-partum haemorrhage
d Triplet pregnancy
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Post-partum haemorrhage কেন সঠিক: - প্রসবের পর অতিরিক্ত রক্তপাত বা পোস্ট-পার্টাম হেমোরেজ একটি জীবনঘাতী অবস্টেট্রিক বা প্রসূতি জরুরি অবস্থা। - এটি প্রসবোত্তর মায়ের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ যা তাৎক্ষণিক চিকিৎসা না করলে মারাত্মক জটিলতা তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Twin pregnancy — এটি একটি ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভধারণ হলেও এটি সরাসরি প্রসূতি জরুরি অবস্থা বা অবস্টেট্রিক ইমার্জেন্সি নয়। B) Breech presentation — এটি বাচ্চার অস্বাভাবিক অবস্থান যা প্রসবের সময় জটিলতা তৈরি করতে পারে কিন্তু নিজেই কোনো আকস্মিক ইমার্জেন্সি নয়। C) Post-partum haemorrhage — এটি সঠিক উত্তর। D) Triplet pregnancy — এটি বহু গর্ভধারণের জটিল অবস্থা যা প্রসবের সময় বিশেষ নজরদারির প্রয়োজন করে, তবে সরাসরি ইমার্জেন্সি নয়। মনে রাখার টিপস: প্রসবের পরের অতিরিক্ত রক্তপাত জীবন বিপন্ন করে তাই এটি অবস্টেট্রিক ইমার্জেন্সি।
a Anterior wall of body of uterus
b Posterior wall of body of uterus
c Fallopian tube
d Fundus of uterus
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Fallopian tube কেন সঠিক: - জিম্বাইফ বা স্বাভাবিক গর্ভধারণের স্থান জরায়ু হলেও, যখন নিষিক্ত ডিম্বাণু জরায়ুর বাইরে অন্য কোথাও প্রতিস্থাপিত হয় তাকে একটোপিক প্রেগনেন্সি বলে। - একটোপিক প্রেগনেন্সির প্রায় নব্বই শতাংশ ক্ষেত্রে ভ্রূণটি ফ্যালোপিয়ান টিউবে বা ডিম্বনালীতে আটকে গিয়ে বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Anterior wall of body of uterus — জরায়ুর অগ্র দেওয়াল স্বাভাবিক গর্ভধারণের সঠিক ও নির্ধারিত স্থান, একটোপিক প্রেগনেন্সির স্থান নয়। B) Posterior wall of body of uterus — জরায়ুর পশ্চাৎ দেওয়ালও স্বাভাবিক ভ্রূণ প্রতিস্থাপনের স্বাভাবিক স্থান এবং এটি জরায়ুর অভ্যন্তরে অবস্থিত। C) Fallopian tube — এটি সঠিক উত্তর কারণ জরায়ুর বাইরে ভ্রূণ প্রতিস্থাপিত হলে সাধারণত এই টিউবেই তার বৃদ্ধি ঘটে। D) Fundus of uterus — ফান্ডাস হলো জরায়ুর উপরের অংশ, যা স্বাভাবিক ইমপ্লান্টেশনের জন্য জরায়ুর ভেতরের একটি আদর্শ স্থান। মনে রাখার টিপস: একটোপিক প্রেগনেন্সি মানেই জরায়ুর বাইরে ভ্রূণ বাড়া, যার সবচেয়ে কমন স্থান হলো ফ্যালোপিয়ান টিউব।
a Tuberculosis
b Measles
c Ring worm
d Gonorrhoea
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Ring worm কেন সঠিক: - Ring worm বা দাদ হলো ত্বকের একটি সাধারণ ফাঙ্গাল ইনফেকশন, যা ফাঙ্গাসের কারণে হয়ে থাকে। - এটি সাধারণত ত্বকে গোল বলয়ের মতো লালচে ও চুলকানিযুক্ত দাগের সৃষ্টি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tuberculosis — এটি মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া একটি সংক্রামক রোগ। B) Measles — এটি একটি ভাইরাল ইনফেকশন বা ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত শ্বাসতন্ত্রকে আক্রমণ করে। C) Ring worm — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। D) Gonorrhoea — এটি নিসেইরিয়া গনোরি নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সংক্রামিত একটি যৌন রোগ। মনে রাখার টিপস: ফাঙ্গাল ইনফেকশন মানেই ত্বকে গোল চাকা বা দাদ (Ring worm), আর ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস সাধারণত ভেতরের অঙ্গ বা সিস্টেমকে আক্রমণ করে।
a ৩ মাস
b ৬ মাস
c ৯ মাস
d ২ বছর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ মাস কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা অনুযায়ী শিশুর জন্ম থেকে প্রথম ছয় মাস পর্যন্ত শুধু মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোই হলো এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং। - এই সময়ে বুকের দুধ ছাড়া অন্য কোনো খাবার বা পানিও খাওয়ানোর প্রয়োজন হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ মাস — এই সময়ে শিশুর পুষ্টির চাহিদা মেটাতে শুধু বুকের দুধ অপর্যাপ্ত হতে পারে, তাই এটি সঠিক নয়। B) ৬ মাস — এটি চিকিৎসাবিজ্ঞান ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত সঠিক সময়সীমা। C) ৯ মাস — এই বয়সে শিশুর পরিপূরক খাবারের প্রয়োজন হয়, তাই শুধু বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়সীমা এটি নয়। D) ২ বছর — দুই বছর বা তার বেশি সময় পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়ানো উচিত, তবে ছয় মাস পর থেকে এর পাশাপাশি পরিপূরক খাবার দিতে হয়। মনে রাখার টিপস: জীবনের প্রথম অর্ধ বছর বা ছয় মাস শুধু মায়ের দুধ, এর আগে বা পরে পানিরও দরকার নেই।
a COPPER-T
b Oral contraceptive pill
c Injection
d Implant
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) COPPER-T কেন সঠিক: - কপার-টি একটি জরায়ুসংলগ্ন জন্মনিয়ন্ত্রণ ডিভাইস বা আইইউডি, যা মূলত তামা ও প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি এবং এতে কোনো হরমোন থাকে না। - এটি জরায়ুর ভেতরে শুক্রাণুর কার্যক্ষমতা নষ্ট করে এবং নিষেক প্রক্রিয়ায় বাধা দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) COPPER-T — এটি কোনো হরমোন নয়, এটি একটি নন-হরমোনাল ইন্ট্রাউটেরাইন ডিভাইস। B) Oral contraceptive pill — এটি হরমোনভিত্তিক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, যাতে ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন হরমোন থাকে। C) Injection — এটি প্রোজেস্টিন হরমোনভিত্তিক দীর্ঘমেয়াদী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি। D) Implant — এটিও হরমোনভিত্তিক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, যা ত্বকের নিচে স্থাপন করা হয়। মনে রাখার টিপস: কপার-টি তামা দিয়ে তৈরি হরমোনমুক্ত ডিভাইস, আর পিল, ইনজেকশন ও ইমপ্লান্ট সবকটিই হরমোনভিত্তিক।
a বাসা
b পাড়া বা মহল্লা
c হাসপাতাল
d স্কুল-কলেজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হাসপাতাল কেন সঠিক: - নোসোকোমিয়াল ইনফেকশন হলো এমন এক ধরনের সংক্রমণ যা রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার অন্তত আটচল্লিশ ঘণ্টা পরে বা চিকিৎসার সময় অর্জন করে। - হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে বিভিন্ন ধরনের সংক্রামক জীবাণু ও রোগীর উপস্থিতি থাকায় এটি মূলত হাসপাতাল থেকেই ছড়ায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাসা — বাসা হলো সাধারণ পরিবেশ যেখানে সাধারণত এ ধরনের নির্দিষ্ট হাসপাতালভিত্তিক জীবাণু ছড়ায় না। B) পাড়া বা মহল্লা — পাড়া বা মহল্লা কমিউনিটি লেভেলের পরিবেশ, যা সরাসরি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র বা হাসপাতাল নয়। C) হাসপাতাল — এটি সঠিক কারণ এই নির্দিষ্ট সংক্রমণটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র বা হাসপাতাল থেকেই ছড়ায়। D) স্কুল-কলেজ — স্কুল-কলেজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যেখানে চিকিৎসা সেবামূলক কোনো কাজের পরিবেশ থাকে না। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি নোসোকোমিয়াল শব্দের অর্থ হলো হাসপাতালের সাথে সম্পর্কিত, তাই এটি হাসপাতাল থেকেই ছড়ায়।
a হৃদরোগের চিকিৎসায়
b হাঁপানীর চিকিৎসায়
c হাড্ডিভাঙ্গার চিকিৎসায়
d ডায়রিয়ার চিকিৎসায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হাড্ডিভাঙ্গার চিকিৎসায় কেন সঠিক: - প্লাস্টার অব প্যারিস মূলত ক্যালসিয়াম সালফেট হেমিহাইড্রেট, যা পানির সাথে মিশালে শক্ত হয়ে যায়। - এই বৈশিষ্ট্য থাকার কারণে মানবদেহের ভাঙা হাড় সোজা ও স্থিতিশীল রাখতে এটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হৃদরোগের চিকিৎসায় — হৃদরোগের চিকিৎসায় পেসমেকার, রিং বা বিভিন্ন ওষুধ ব্যবহার করা হয়, প্লাস্টার অব প্যারিস নয়। B) হাঁপানীর চিকিৎসায় — হাঁপানীর চিকিৎসায় ইনহেলার ও ব্রংকোডাইলেটর জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা হয়। C) হাড্ডিভাঙ্গার চিকিৎসায় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ হাড় জোড়া লাগাতে কাস্ট তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয়। D) ডায়রিয়ার চিকিৎসায় — ডায়রিয়ার চিকিৎসায় স্যালাইন ও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: প্লাস্টার অব প্যারিস মানেই ভাঙা হাড় শক্ত করে জোড়া লাগানোর সাদা ব্যান্ডেজ বা কাস্ট।
a শর্করা
b স্নেহজাতীয় পদার্থ
c প্রোটিন
d ভিটামিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্নেহজাতীয় পদার্থ কেন সঠিক: - প্রতি গ্রাম স্নেহজাতীয় পদার্থ বা ফ্যাট জারণের মাধ্যমে প্রায় নয় কিলো ক্যালরি শক্তি উৎপন্ন করে। - শর্করা ও প্রোটিনের তুলনায় স্নেহজাতীয় পদার্থে শক্তির পরিমাণ প্রায় দ্বিগুণ থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শর্করা — প্রতি গ্রাম শর্করা থেকে প্রায় চার কিলো ক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়, যা ফ্যাট থেকে কম। B) স্নেহজাতীয় পদার্থ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি থেকে সবচেয়ে বেশি ক্যালরি বা শক্তি পাওয়া যায়। C) প্রোটিন — প্রতি গ্রাম প্রোটিন থেকে প্রায় চার কিলো ক্যালরি শক্তি উৎপন্ন হয়, ফ্যাট থেকে অনেক কম। D) ভিটামিন — ভিটামিন কোনো শক্তি উৎপাদক খাদ্য উপাদান নয়, এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। মনে রাখার টিপস: খাদ্য উপাদানের মধ্যে ফ্যাট বা চর্বিতে ক্যালরি সবচেয়ে বেশি থাকে, প্রতি গ্রামে প্রায় নয় কিলো ক্যালরি।
a গ্লুকাগন
b কর্টিসল
c ইনসুলিন
d ইস্ট্রোজেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইনসুলিন কেন সঠিক: - ইনসুলিন হরমোনের অপর্যাপ্ত নিঃসরণ বা কার্যকারিতার অভাবে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা ডায়াবেটিস মেলিটাস রোগ সৃষ্টি করে। - অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অফ ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বিটা কোষ থেকে ইনসুলিন উৎপাদিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্লুকাগন — এটি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমায় না বরং বৃদ্ধি করে, তাই এর অভাবে ডায়াবেটিস হয় না। B) কর্টিসল — এটি একটি স্টেরয়েড হরমোন যা বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, তবে সরাসরি এই হরমোনের অভাবে ডায়াবেটিস মেলিটাস হয় না। C) ইনসুলিন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কাজ ইনসুলিনই করে থাকে। D) ইস্ট্রোজেন — এটি মূলত স্ত্রী প্রজনন হরমোন, যা গ্লুকোজ বিপাকের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ইনসুলিন কমলে চিনি বা মিষ্টি বাড়ে, আর ডায়াবেটিস ঘরে ফেরে।
a Appendix
b Urinary bladder
c Gall bladder
d Ovary
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Gall bladder কেন সঠিক: - 'Cholecystectomy' হলো এমন একটি সার্জারি যার মাধ্যমে মানবদেহের পিত্তথলি বা গলব্লাডার অপসারণ করা হয়। - পিত্তথলিতে পাথর বা ইনফেকশন হলে চিকিৎসকরা এই অপারেশন করে থাকেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Appendix — অ্যাপেন্ডিসাইটিস রোগের চিকিৎসায় অ্যাপেন্ডিক্স অপসারণ করা হয়, যাকে অ্যাপেন্ডেকটমি বলা হয়। B) Urinary bladder — মূত্রথলি অপসারণের সার্জারিকে সিস্টেকটমি বলা হয়, যা পিত্তথলির অপারেশনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) Gall bladder — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই। D) Ovary — ওভারি বা ডিম্বাশয় অপসারণের সার্জারিকে ওভারিয়েক্টমি বলা হয়। মনে রাখার টিপস: শব্দটির শুরুতে থাকা 'Cholecyst' অংশটি পিত্তথলিকে নির্দেশ করে এবং 'ectomy' অর্থ অপসারণ।
a জনসংখ্যার আয়-ব্যয়
b দেশের আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ
c জনসংখ্যার জন্ম-মৃত্যু ইত্যাদি
d শিক্ষার হার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জনসংখ্যার জন্ম-মৃত্যু ইত্যাদি কেন সঠিক: - ভাইটাল স্ট্যাটিস্টিকস বা জন্ম-মৃত্যু পরিসংখ্যান হলো জনসংখ্যার গতিপ্রকৃতি ও আকার পরিবর্তনের মূল পরিমাপক। - এটি মূলত জন্মহার, মৃত্যুহার, বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ এবং প্রজনন হার সংক্রান্ত সরকারি হিসাব ও তথ্য সংরক্ষণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জনসংখ্যার আয়-ব্যয় — এটি অর্থনৈতিক বা জনমিতির আর্থিক সূচক সম্পর্কিত তথ্য, জন্ম-মৃত্যু পরিসংখ্যান নয়। B) দেশের আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ — এটি বাণিজ্য পরিসংখ্যান বা বৈদেশিক বাণিজ্যের হিসাবের সঙ্গে সম্পর্কিত। C) জনসংখ্যার জন্ম-মৃত্যু ইত্যাদি — এটি ভাইটাল স্ট্যাটিস্টিকস বা জন্ম-মৃত্যু পরিসংখ্যানের সঠিক ও মূল বিষয় নির্দেশ করে। D) শিক্ষার হার — এটি মানব উন্নয়ন সূচক বা শিক্ষা পরিসংখ্যানের অন্তর্ভুক্ত, জন্ম-মৃত্যু পরিসংখ্যানের বিষয় নয়। মনে রাখার টিপস: ভাইটাল বা জীবন শব্দটির সঙ্গে জন্ম এবং মৃত্যুর মতো জীবনের মৌলিক ঘটনাগুলো সরাসরি জড়িত।
a নিউরন
b নেফ্রন
c পেসমেকার
d হেপাটোসাইট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নেফ্রন কেন সঠিক: - নেফ্রন হলো মানবদেহের প্রধান রেচন অঙ্গ বৃক্ক বা কিডনির গঠনগত ও কার্যগত একক। - প্রতিটি বৃক্কে প্রায় দশ লক্ষ নেফ্রন থাকে যা রক্ত ছেঁকে মূত্র তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউরন — এটি মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্রের গঠনগত ও কার্যগত একক। B) নেফ্রন — এটি বৃক্কের একক এবং সঠিক উত্তর। সি) পেসমেকার — এটি হৃদপিণ্ডের গতি স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। ডি) হেপাটোসাইট — এটি যকৃতের প্রধান কোষ যা বিপাক ক্রিয়ায় অংশ নেয়। মনে রাখার টিপস: কিডনি বা বৃক্কের চিকিৎসাকে নেফ্রোলজি বলা হয়, তাই বৃক্কের একক হলো নেফ্রন।
a স্ফিগমোম্যানোমিটার
b থার্মোমিটার
c ম্যানোমিটার
d ব্যরোমিটার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্ফিগমোম্যানোমিটার কেন সঠিক: - স্ফিগমোম্যানোমিটার যন্ত্রটি মানবদেহের রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেশার নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। - এটি সাধারণত পারদ স্তম্ভ বা ডিজিটাল ডিসপ্লের মাধ্যমে ধমনীর চাপ নির্ণয় করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্ফিগমোম্যানোমিটার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি রক্তচাপ মাপার কাজে ব্যবহৃত হয়। B) থার্মোমিটার — এই যন্ত্রটি মানবদেহের তাপমাত্রা বা জ্বর মাপার জন্য ব্যবহৃত হয়, রক্তচাপ মাপার জন্য নয়। C) ম্যানোমিটার — এটি মূলত গ্যাস বা তরলের চাপ মাপার পরীক্ষাগারের যন্ত্র, মানবদেহের রক্তচাপ মাপতে এটি ব্যবহৃত হয় না। D) ব্যরোমিটার — এই যন্ত্রটি বায়ুমণ্ডলের চাপ মাপার কাজে ব্যবহৃত হয়, যা রক্তচাপের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: রক্তচাপ মাপার যন্ত্রের নামের সাথে প্রেশার শব্দটির মিল আছে, তাই স্ফিগমোম্যানোমিটার নামটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ২২ জোড়া
b ২৩ জোড়া
c ২৬ জোড়া
d ১ জোড়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২২ জোড়া কেন সঠিক: - মানবদেহের কোষে মোট ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে যার মধ্যে ২২ জোড়া হলো অটোসোম। - অটোসোমগুলো জীবের দৈহিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে এবং নারী ও পুরুষের ক্ষেত্রে এগুলো একই রকম হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২২ জোড়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ মানবদেহে ২২ জোড়া দেহকোষীয় ক্রোমোজোম বা অটোসোম থাকে। B) ২৩ জোড়া — এটি মানবদেহের মোট ক্রোমোজোমের সংখ্যা, যার মধ্যে ২২ জোড়া অটোসোম এবং ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম থাকে। C) ২৬ জোড়া — এটি মানবদেহের ক্রোমোজোম সংখ্যার সাথে মেলে না, কারণ মানুষের মোট ক্রোমোজোম সংখ্যা ২৩ জোড়া বা ছেচল্লিশটি। D) ১ জোড়া — এটি সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোমের সংখ্যা, অটোসোমের সংখ্যা নয়। মনে রাখার টিপস: মানবদেহের মোট ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে শেষ জোড়া বা ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম বাদ দিলে বাকি ২২ জোড়াই হলো অটোসোম।
a AEDES AEGYPTI
b ANOPHELES
c CULEX
d ASIAN TIGER
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) AEDES AEGYPTI কেন সঠিক: - ডেঙ্গু ভাইরাস প্রধানত এডিস ইজিপ্টাই মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের শরীরে ছড়ায়। - এই মশা সাধারণত পরিষ্কার ও জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে এবং দিনের বেলা কামড়ায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) AEDES AEGYPTI — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মশার মাধ্যমেই ডেঙ্গু ভাইরাস বাহিত হয়। B) ANOPHELES — অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়া রোগ ছড়ায়, ডেঙ্গু নয়। C) CULEX — কিউলেক্স মশা ফাইলেরিয়া বা গোদ রোগ ও এনসেফালাইটিস ছড়ায়, ডেঙ্গু ছড়ায় না। D) ASIAN தIGER — এশিয়ান টাইগার মশা (এডিস অ্যালবোপিকটাস) ডেঙ্গু ছড়াতে পারলেও প্রদত্ত অপশনের মধ্যে এডিস ইজিপ্টাই প্রধান ও সর্বাধিক স্বীকৃত বাহক। মনে রাখার টিপস: ডেঙ্গু মানেই এডিস মশার কামড়, যা পরিষ্কার জমে থাকা পানিতে ডিম পাড়ে।
a Vit. C
b Vit. A
c Vit. B complex
d Vit. D
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Vit. A কেন সঠিক: - ভিটামিন এ চোখের রড কোষের কার্যকারিতা বজায় রাখতে এবং রোডপসিন নামক রঞ্জক পদার্থ তৈরিতে সহায়তা করে। - এই ভিটামিনের অভাবে চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে যায়, বিশেষ করে কম আলোতে দেখতে সমস্যা হয় যাকে রাতকানা রোগ বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vit. C — ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়, যা দাঁতের মাড়ি ও ত্বকের সাথে সম্পর্কিত। B) Vit. A — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় রাতকানা রোগের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। C) Vit. B complex — ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের অভাবে সাধারণত বেরিবেরি বা ত্বকের নানা সমস্যা দেখা দেয়। D) Vit. D — ভিটামিন ডি এর অভাবে শিশুদের রিকেটস এবং বয়স্কদের অস্টিওম্যালেসিয়া বা হাড়ের দুর্বলতা হয়। মনে রাখার টিপস: চোখের সুরক্ষায় এ অক্ষর দিয়ে ভিটামিন এ এবং অন্ধত্ব বা রাতকানা দূর করার বিষয়টি মনে রাখতে হবে।
a ৮ ধরনের
b ৩ ধরনের
c ২ ধরনের
d ১ ধরনের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ ধরনের কেন সঠিক: - মানবদেহের রক্তরসে মূলত তিন প্রধান ধরনের কোষ থাকে যা শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে অংশ নেয়। - এই তিন প্রকার কোষ হলো লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অনুচক্রিকা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ ধরনের — মানবদেহের রক্তে আট ধরনের কোষ থাকে না, এটি ভুল সংখ্যা। B) ৩ ধরনের — এটি সঠিক উত্তর কারণ রক্তে প্রধানত তিন ধরনের কোষ থাকে। C) ২ ধরনের — রক্তে কোষের সংখ্যা দুই ধরনের নয়, বরং তিন ধরনের হয়ে থাকে। D) ১ ধরনের — রক্তে মাত্র এক ধরনের কোষ থাকে না, তিন ধরনের কোষের সমন্বয় ঘটে। মনে রাখার টিপস: রক্তের কোষ মনে রাখার সহজ উপায় হলো লোহিত, শ্বেত ও অনুচক্রিকা অর্থাৎ ল-শ্ব-অ।
a স্টার্চ
b সেলুলোজ
c গ্লুকোজ
d গ্লাইকোজেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গ্লুকোজ কেন সঠিক: - গ্লুকোজের মুক্ত অ্যালডিহাইড বা কিটোন গ্রুপ থাকায় এটি সহজে অন্য পদার্থকে বিজারিত করতে পারে। - এটি মনোজাকারাইড হওয়ায় কোনো জটিল বন্ধন ছাড়াই বিজারণ ক্ষমতা প্রদর্শন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্টার্চ — এটি একটি পলিস্যাকারাইড এবং এর মুক্ত অ্যালডিহাইড বা কিটোন গ্রুপ না থাকায় এটি বিজারক শর্করা নয়। B) সেলুলোজ — এটি উদ্ভিদের কোষ প্রাচীরের পলিস্যাকারাইড এবং এটিও নন-রিডিউসিং শর্করা। C) গ্লুকোজ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিজে একটি বিজারক শর্করা। D) গ্লাইকোজেন — এটি প্রাণীদেহের পলিস্যাকারাইড এবং এটিও জটিল গঠন ও মুক্ত প্রান্তের অভাবে বিজারক শর্করা হিসেবে কাজ করে না। মনে রাখার টিপস: সকল মনোজাকারাইড যেমন গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ হলো রিডিউসিং শর্করা, আর জটিল পলিস্যাকারাইডগুলো নন-রিডিউসিং।
a বিলম্বিত প্রসব
b প্রসবজনিত রক্তক্ষরণ
c প্রসব পরবর্তী প্রদাহ
d প্রি-একলাম্পশিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রসবজনিত রক্তক্ষরণ কেন সঠিক: - প্রসবের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা পোস্টপার্টাম হেমোরেজ বাংলাদেশে মাতৃমৃত্যুর প্রধান চিকিৎসাশাস্ত্রীয় কারণ হিসেবে চিহ্নিত। - সঠিক সময়ে রক্তের জোগান না পাওয়া এবং চিকিৎসাকেন্দ্রে দেরিতে পৌঁছানোর কারণে এই সমস্যাটি প্রাণঘাতী রূপ নেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিলম্বিত প্রসব — এটি মাতৃমৃত্যুর একটি পরোক্ষ কারণ হলেও সরাসরি প্রধান কারণ হিসেবে রক্তক্ষরণকেই গণ্য করা হয়। B) প্রসবজনিত রক্তক্ষরণ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশে মাতৃমৃত্যুর প্রধান কারণ। C) প্রসব পরবর্তী প্রদাহ — এটি প্রসবের পরের একটি ঝুঁকি হলেও রক্তক্ষরণের তুলনায় মাতৃমৃত্যুর হার এতে কম। D) প্রি-একলাম্পশিয়া — এটি গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপজনিত জটিলতা এবং মাতৃমৃত্যুর অন্যতম কারণ হলেও রক্তক্ষরণ এর চেয়ে এগিয়ে। মনে রাখার টিপস: মাতৃমৃত্যুর প্রধান কারণ মনে রাখতে রক্তক্ষরণ শব্দটিকে সবার আগে প্রাধান্য দিন।
a এইচআইভি
b ক্রনিক রেনাল ফেইলিউর
c উচ্চরক্তচাপ
d ডায়াবেটিস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এইচআইভি কেন সঠিক: - এইচআইভি হলো এমন একটি রোগ যা সংক্রামক বা পরিবাহিত হতে পারে, কারণ এটি একজন আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর থেকে অন্য সুস্থ ব্যক্তির শরীরে ছড়ায়। - এই ভাইরাস মূলত রক্ত, বীর্য এবং অন্যান্য দৈহিক তরলের মাধ্যমে এক দেহ থেকে অন্য দেহে সংক্রমিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এইচআইভি — এটি একটি সংক্রামক ব্যাধি যা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ বা শারীরিক তরলের মাধ্যমে ছড়ায়। B) ক্রনিক রেনাল ফেইলিউর — এটি দীর্ঘস্থায়ী বৃক্ক বা কিডনি অকার্যকারিতা সংক্রান্ত অসংক্রামক রোগ, যা একজনের শরীর থেকে অন্যজনে ছড়ায় না। C) উচ্চরক্তচাপ — এটি একটি অসংক্রামক শারীরিক অবস্থা যা অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বা বংশগত কারণে হয়, সংক্রামক নয়। D) ডায়াবেটিস — এটি হরমোনের অসামঞ্জস্যতা ও বিপাকীয় ত্রুটির কারণে হওয়া অসংক্রামক রোগ, যা অন্যের শরীরে সংক্রমিত হয় না। মনে রাখার টিপস: ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া দ্বারা যেসব রোগ একজন থেকে অন্যজনে ছড়ায় সেগুলো সংক্রামক ব্যাধি, আর শারীরিক অকার্যকারিতা বা জীবনযাত্রার রোগগুলো অসংক্রামক।
a টিট্যানী
b গলগণ্ড
c ক্যান্সার
d রিকেটস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গলগণ্ড কেন সঠিক: - আয়োডিন মানুষের শরীরে থাইরয়েড হরমোন উৎপাদনে সহায়তা করে এবং এর ঘাটতি হলে থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যায়। - থাইরয়েড গ্রন্থির এই স্ফীত অবস্থাকে গলগণ্ড বা গয়টার রোগ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টিট্যানী — এটি শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব বা প্যারাথাইরয়েড হরমোনের সমস্যার কারণে পেশির সংকোচনজনিত রোগ। B) গলগণ্ড — এটি আয়োডিনের অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যাওয়ার কারণে ঘটে থাকে এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) ক্যান্সার — এটি কোষের অনিয়ন্ত্রিত ও অস্বাভাবিক বিভাজনের মাধ্যমে সৃষ্টি হওয়া একটি রোগ, আয়োডিনের অভাবের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) রিকেটস — এটি মূলত ভিটামিন ডি, ক্যালসিয়াম বা ফসফরাসের অভাবে শিশুদের হাড় নরম ও দুর্বল হয়ে যাওয়ার রোগ। মনে রাখার টিপস: গ তে গলগণ্ড এবং গ তে গলা ফুলে যাওয়া মনে রাখলে আয়োডিনের অভাবের বিষয়টি সহজে মনে রাখা যায়।
a রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে
b রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে
c রক্তশূন্যতা দেখা দেয়
d ক্ষুধামন্দা দেখা দেয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে কেন সঠিক: - কেমোথেরাপিতে ব্যবহৃত ওষুধ দ্রুত বিভাজিত হওয়া কোষগুলোকে ধ্বংস করে, যার মধ্যে ক্যান্সার কোষের পাশাপাশি সুস্থ রক্তকণিকাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। - এই প্রক্রিয়ায় রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য দায়ী শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা কমে যায়, ফলে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে না বরং উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে — এটি কেমোথেরাপির একটি অন্যতম প্রধান পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, তাই এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক ঘটনা। B) রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে — কেমোথেরাপিতে কখনো রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় না, বরং এটি ধ্বংস বা হ্রাস পায় বিধায় এটিই সঠিক উত্তর। C) রক্তশূন্যতা দেখা দেয় — কেমোথেরাপি লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদনে বাধা দেয়, যা রক্তশূন্যতার কারণ হয় এবং এটিও ঘটে থাকে। D) ক্ষুধামন্দা দেখা দেয় — কেমোথেরাপির প্রভাবে বমিভাব ও মুখের রুচি কমে যায়, ফলে ক্ষুধামন্দা দেখা দেওয়া একটি সাধারণ ঘটনা। মনে রাখার টিপস: কেমোথেরাপি মানেই শরীরের সব ভালো-খারাপ কোষের ওপর আঘাত, তাই এতে ক্ষমতা বাড়ে না বরং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।
a Megaloblastic anaemia
b Aplastic anaemia
c Thalassemia
d Iron deficiency anaemia
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Iron deficiency anaemia কেন সঠিক: - মানবদেহে লৌহের বা আয়রনের ঘাটতির কারণে এই অ্যানিমিয়া সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। - রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরির জন্য আয়রন অপরিহার্য উপাদান হওয়ায় এর অভাবে এই সমস্যা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Megaloblastic anaemia — এটি মূলত ভিটামিন বি ১২ বা ফলিক অ্যাসিডের অভাবে হয়, যা সাধারণ অ্যানিমিয়ার সবচেয়ে প্রচলিত রূপ নয়। B) Aplastic anaemia — এটি অস্থিমজ্জা পর্যাপ্ত রক্তকণিকা তৈরি করতে না পারলে ঘটে এবং এটি একটি বিরল ও মারাত্মক রোগ। C) Thalassemia — এটি একটি বংশগত বা জিনগত রক্তের রোগ, যা সাধারণ পুষ্টির অভাবে হওয়া অ্যানিমিয়া থেকে আলাদা। D) Iron deficiency anaemia — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মানুষের এই অ্যানিমিয়া হয়ে থাকে। মনে রাখার টিপস: বিশ্বে রক্তস্বল্পতার প্রধান কারণ হলো আয়রনের অভাব, তাই আয়রন কমলে রক্তস্বল্পতা হয়।
a Breech
b Cephalic
c Shoulder
d Brow
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Cephalic কেন সঠিক: - মাথা নিচের দিকে এবং জরায়ুর মুখের দিকে থাকে বলে জন্ম নেওয়ার সময় এটি সবচেয়ে স্বাভাবিক ও সাধারণ অবস্থা। - শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ গর্ভধারণের ক্ষেত্রে এই পজিশন বা উপস্থাপনা দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Breech — শিশুর নিতম্ব বা পা নিচের দিকে থাকে, যা কম সাধারণ এবং নরমাল ডেলিভারির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। B) Cephalic — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Shoulder — শিশুর কাঁধ নিচের দিকে থাকে, যা খুবই বিরল এবং অস্ত্রপচার ছাড়া ডেলিভারি অসম্ভব করে তোলে। D) Brow — শিশুর কপাল বা ভ্রু নিচের দিকে থাকে, যা একটি অস্বাভাবিক উপস্থাপনা এবং প্রসবের গতি ধীর করে দেয়। মনে রাখার টিপস: মাথা দিয়ে শুরু হয় বলেই Cephalic হলো সবচেয়ে কমন প্রেজেন্টেশন।
a Gall bladder stone
b Heart failure
c Fracture
d Prostate cancer
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Fracture কেন সঠিক: - এক্স-রে উচ্চভেদী তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ ব্যবহার করে যা শরীরের ভেতরের হাড়ের গঠন স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারে। - ফ্র্যাকচার বা হাড় ভাঙার মতো রোগ নির্ণয়ে এক্স-রে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও প্রাথমিক চিকিৎসাগত পদ্ধতি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gall bladder stone — পিত্তথলির পাথর নির্ণয়ে এক্স-রের চেয়ে আল্ট্রাসোনোগ্রাম অনেক বেশি কার্যকর। B) Heart failure — হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা ও ব্যর্থতা মূল্যায়নে আল্ট্রাসোনোগ্রামের উন্নত রূপ ইকোকার্ডিওগ্রাফি বা ইসিজি ব্যবহার করা হয়। C) Fracture — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) Prostate cancer — প্রস্টেট ক্যানসার বা নরম টিস্যুর রোগ নির্ণয়ে বায়োপসি এবং এমআরআই বা আল্ট্রাসোনোগ্রাম ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: হাড় ভাঙলে এক্স-রে এবং নরম অঙ্গের সমস্যা হলে আল্ট্রাসোনোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
a জরায়ু
b স্তন
c পাকস্থলী
d থাইরয়েড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্তন কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী স্তন ক্যানসার বিশ্বজুড়ে নারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হওয়া এবং সাধারণ ক্যানসার। - এটি মূলত স্তনের টিস্যুতে অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনের কারণে হয়ে থাকে এবং সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে এটি নিরাময় সম্ভব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জরায়ু — এটি নারীদের ক্যানসারের তালিকায় অন্যতম হলেও বিশ্বব্যাপী স্তন ক্যানসারের তুলনায় এর প্রকোপ ও আক্রান্তের হার কম। B) স্তন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) পাকস্থলী — এটি পুরুষ ও নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই হতে পারে এবং এটি বিশ্বব্যাপী নারীদের প্রধান ক্যানসার নয়। D) থাইরয়েড — এটি থাইরয়েড গ্রন্থির একটি রোগ এবং বিশ্বব্যাপী নারীদের প্রধান বা সর্বাধিক ক্যানসার হিসেবে এটি বিবেচিত হয় না। মনে রাখার টিপস: বিশ্বে নারীদের প্রধান ক্যানসার মনে রাখতে প্রথম অক্ষর বা স্তন শব্দটিকে প্রধান স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে মাথায় রাখতে হবে।
a প্রসূতি
b ছেলে শিশু
c নবজাতক
d মেয়ে শিশু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নবজাতক কেন সঠিক: - এপগার স্কোর হলো জন্ম নেওয়ার পরপরই নবজাতকের শারীরিক অবস্থা ও সুস্থতা মূল্যায়নের একটি বিশেষ চিকিৎসা পদ্ধতি। - ১৯৫২ সালে ডা. ভার্জিনিয়া এপগার এই পদ্ধতি প্রবর্তন করেন এবং এর মাধ্যমে নবজাতকের হৃদস্পন্দন, শ্বাসপ্রশ্বাসসহ পাঁচটি বিষয় পরীক্ষা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রসূতি — প্রসূতি বা গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এটি প্রযোজ্য নয়, কারণ এই স্কোর শুধুমাত্র জন্মের মুহূর্তের শিশুর জন্য ব্যবহৃত হয়। B) ছেলে শিশু — ছেলে শিশু নির্দিষ্ট কোনো ক্যাটাগরি নয়, বরং এপগার স্কোর লিঙ্গভেদে নয় বরং সব নবজাতক শিশুর জন্যই সমানভাবে প্রযোজ্য। C) নবজাতক — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনেই রয়েছে এবং এটি জন্মের প্রথম ও পঞ্চম মিনিটে শিশুর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা যাচাই করে। D) মেয়ে শিশু — মেয়ে শিশু নির্দিষ্ট কোনো লিঙ্গভিত্তিক মূল্যায়নের অংশ নয়, এই স্কোর জন্ম নেওয়া ছেলে ও মেয়ে উভয় নবজাতকের ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: এপগার স্কোর মানেই সদ্য জন্ম নেওয়া নবজাতকের প্রথম কান্না ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার মূল্যায়ন।
a যা Anaemia সারায়
b যা ব্যথা সারায়
c যা ইনফেকশন দূর করে
d যা ব্লাডপ্রেসার কমায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যা ব্যথা সারায় কেন সঠিক: - অ্যানালজেসিক (Analgesic) হলো এমন এক ধরনের ওষুধ যা শরীরে ব্যথা উপশম করতে বা কমাতে ব্যবহৃত হয়। - চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই জাতীয় ওষুধকে পেইন কিলার বা ব্যথানাশক বলা হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যা Anaemia সারায় — অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা দূর করার জন্য আয়রন বা ফলিক অ্যাসিড জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা হয়, ব্যথা কমানোর ওষুধ নয়। B) যা ব্যথা সারায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ অ্যানালজেসিক বলতে ব্যথানাশক ওষুধকেই বোঝানো হয়। C) যা ইনফেকশন দূর করে — ইনফেকশন বা ব্যাকটেরিয়া দূর করার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়, অ্যানালজেসিক নয়। D) যা ব্লাডপ্রেসার কমায় — উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ বা প্রেশার কমানোর ওষুধ ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: অ্যানালজেসিক শব্দের শুরুতে এ-ন (A-n) এবং ব্যথার নাশকতার কথা মনে রেখে সহজে মনে রাখা যায় যে এটি ব্যথানাশক ওষুধ।