সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
- 'মরুভাস্কর' হলো মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শের ওপর রচিত একটি বিখ্যাত জীবনীগ্রন্থ।
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এই অনন্য সিরাত গ্রন্থটি রচনা করে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্ব হলেও তিনি বহু ইসলামিক গান, গজল ও গদ্য রচনা করেছেন।
- তাঁর রচিত 'মরুভাস্কর' প্রিয়নবির জীবনভিত্তিক একটি অমূল্য গদ্যসাহিত্য, যা ১৯৫১ সালে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হযরত মুহাম্মদ (সা.)
ব্যাখ্যা: মরুভাস্কর গ্রন্থে মহানবীর জীবনের বিভিন্ন দিক ও তাঁর মহান গুণাবলি সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: দৌলত উজির বাহরাম খান
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের সাহিত্যেও নবীর জীবনচরিত নিয়ে লায়লী মজনু বা নবী বংশের বিভিন্ন আখ্যান রচনার ঐতিহ্য রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোজাম্মেল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক হলেও 'মরুভাস্কর' তাঁর রচনা নয়, তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'তপস্বিনী কাব্যাঙ্গন'।
B) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল অংশে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
C) ইসমাইল হোসেন সিরাজি — তিনি ঐতিহাসিক উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও এই গ্রন্থটি তাঁর নয়।
D) কায়কোবাদ — তিনি মহাকবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'মহাশ্মশান', যা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিদ্রোহী কবি নজরুল যেমন অগ্নিবীণা বাজিয়েছেন, তেমনি প্রিয়নবির প্রেমে 'মরুভাস্কর' ও 'হযরত মোহাম্মদ' জীবনী গ্রন্থও রচনা করেছেন।
- নজরুল শব্দের সাথে মরুভাস্কর গ্রন্থটি মনে রাখার জন্য সিরাত বা জীবনীধর্মী রচনার তালিকা দেখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত জীবনীগ্রন্থ ও রচয়িতার নাম জানতে চাওয়া হয়।
- এই ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে লেখকের অন্যান্য ধর্মীয় বা গদ্য সাহিত্যকর্মের তালিকাও ভালোভাবে পড়ে যাওয়া উচিত।
সঠিক উত্তর: C) জাহান্নাম হইতে বিদায়
১. কেন সঠিক:
- জাহান্নাম হইতে বিদায় উপন্যাসটি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের রচিত একটি অত্যন্ত প্রখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত এই উপন্যাসে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের নির্মমতা এবং বাঙালির প্রতিরোধ সংগ্রামের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শহীদ জননী জাহানারা ইমাম বাংলা সাহিত্যে এক চিরস্মরণীয় নাম, যিনি একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নেত্রী হিসেবেও পরিচিত।
- জাহান্নাম হইতে বিদায় তার প্রথম ও অন্যতম সেরা উপন্যাস, যা ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে মুক্তিযুদ্ধের প্রারম্ভিক সময়ের ভয়াবহতা ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রশীদ হায়দারের খাঁচায় উপন্যাসের পটভূমিও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ।
ব্যাখ্যা: এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের একটি অন্যতম ক্লাসিক উদাহরণ যা যুদ্ধের সময়ের মানুষের মানসিকতা প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাসের পটভূমি ভিন্ন হলেও তার জাহান্নাম হইতে বিদায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: সাহিত্যিক শওকত ওসমান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একাধিক উপন্যাস রচনা করেছেন যা এই ধারার সমৃদ্ধি ঘটিয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শৃঙ্খলনীল কারাগার — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কোনো প্রখ্যাত উপন্যাস নয় এবং এই নামে কোনো স্ট্যান্ডার্ড সাহিত্যকর্ম পাঠ্যসূচিতে নেই।
B) কাটাতারে প্রজাপতি — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, বরং এটি ভিন্ন প্রাঙ্গণের একটি সাহিত্যকর্ম।
D) আর্তনাদ — শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস হলেও এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়, এটি মূলত ভাষা আন্দোলন ও সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শহীদ জননী জাহানারা ইমামের বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখার সহজ সূত্র হলো জাহান্নাম হইতে বিদায় এবং একাত্তরের দিনগুলি।
- লেখকের নামের সঙ্গে তার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনার নাম মিলিয়ে পড়লে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ও নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই জাহান্নাম হইতে বিদায় উপন্যাসটির রচয়িতা ও প্রকাশের সাল ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
- একই ধরনের অন্যান্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যেমন হকার্স বা রাইফেল রোটি আওরাত গ্রন্থগুলোর নামও ভালোভাবে প্রস্তুত রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সিন্ধু হিন্দোল
১. কেন সঠিক:
- 'দারিদ্র' কবিতাটি জাতীয় কবি কাজী নজরুলের 'সিন্ধু হিন্দোল' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত কবিতা।
- এই কবিতায় কবি সমাজের বৈষম্য এবং গরিব মানুষের দুঃখ-কষ্ট অত্যন্ত মর্মস্পর্শী ভাষায় ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও আমাদের জাতীয় কবি।
- 'সিন্ধু হিন্দোল' কাব্যগ্রন্থটি তাঁর অন্যতম একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম যা তাঁর কাব্যিক প্রতিভার পরিচয় বহন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্রোহী
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিশ্বখ্যাত কবিতা যা তাঁর 'অগ্নি-বীণা' কাব্যগ্রন্থে স্থান পেয়েছে।
উদাহরণ ২: প্রলয়োল্লাস
ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুলের 'অগ্নি-বীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা এবং এতে তাঁর বিদ্রোহী সুর স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাম্যবাদী — এটি কাজী নজরুলের সমসাময়িক ভাবধারার একটি কাব্যগ্রন্থ হলেও এতে 'দারিদ্র' কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত নেই।
B) বিষের বাঁশী — এটি নজরুলের একটি প্রতিবাদী ও বাজেয়াপ্ত কাব্যগ্রন্থ যার বিষয়বস্তু ভিন্ন।
D) নতুন চাঁদ — এটিও কাজী নজরুল ইসলামের একটি কাব্যগ্রন্থ তবে এর বিষয়বস্তু ও অন্তর্ভুক্ত কবিতা ভিন্ন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের 'দারিদ্র' কবিতাটি এসেছে 'সিন্ধু হিন্দোল' থেকে, এটি মনে রাখতে 'সি' দিয়ে শুরু হওয়া শব্দ দুটি (সিন্ধু-দারিদ্রের কষ্ট) মিলিয়ে পড়তে পারো।
- কবির কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম ছন্দে ছন্দে মুখস্থ রাখলে পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি দূর হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির বিখ্যাত কবিতাগুলো কোন কাব্যের অন্তর্ভুক্ত, তা প্রায়ই আসে।
- নজরুলের 'অগ্নি-বীণা', 'সাম্যবাদী', 'সিন্ধু হিন্দোল' ও 'সর্বহারা' কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়ে নেওয়া উচিত।
সঠিক উত্তর: D) সরল
১. কেন সঠিক:
- যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। প্রদত্ত বাক্যে 'ডুবাও' হলো একমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া এবং এর উদ্দেশ্য বা কর্তা হলো শ্রোতা বা পাঠক যা উহ্য রয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- সরল বাক্যের মূল শর্ত হলো এতে একটিমাত্র প্রধান খণ্ডবাক্য বা স্বাধীন বাক্য থাকবে এবং কোনো সংযোগকারী অব্যয় থাকবে না। বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করার জন্য এখানে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া যথেষ্ট।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য পূর্বে উদিত হয়।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে একটি মাত্র কর্তা (সূর্য) এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (উদিত হয়) রয়েছে, যা সরল বাক্যের সংজ্ঞা পূরণ করে।
উদাহরণ ২: নদীটি বাঁকা পথে প্রবাহিত হয়।
ব্যাখ্যা: এখানেও একটি মাত্র কর্তা এবং সমাপিকা ক্রিয়া থাকায় এটি একটি সরল বাক্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিশ্র — মিশ্র বা জটিল বাক্যের সংজ্ঞায় একটি প্রধান বাক্যের ওপর এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য থাকে, যা এই বাক্যে নেই।
B) যৌগিক — যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য ও, কিন্তু, এবং ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত।
C) জটিল — জটিল বাক্যে যারা, যা, যদি, যেহেতু ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম থাকে, যা এই বাক্যের গঠনে নেই।
D) সরল — এটি সঠিক অপশন কারণ এতে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সরল বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো বাক্যে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া খোঁজা। সমাপিকা ক্রিয়া একটি হলে চোখ বন্ধ করে তা সরল বাক্য দাগাবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণের জন্য সমাপিকা ক্রিয়ার সংখ্যা এবং সংযোগকারী অব্যয়ের উপস্থিতি ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) অবীরা
১. কেন সঠিক:
যে নারীর স্বামী ও পুত্র নেই, তাকে এক কথায় 'অবীরা' বলা হয়। 'বীরা' শব্দের অর্থ বীর পতি বা পুত্রবিশিষ্ট নারী, আর 'অ' উপসর্গ বা প্রত্যয়যোগে যার স্বামী ও পুত্র উভয়ই নেই এমন বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্যসংক্ষেপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একাধিক পদ বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে এককথায় প্রকাশ বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা পূর্বে কখনো হয়নি - অভূতপূর্ব।
ব্যাখ্যা: এটি একটি বাক্যের এককথায় প্রকাশের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: নদী মাতা যার - নদীমাতৃক।
ব্যাখ্যা: দেশের ভূপ্রকৃতি বোঝাতে এই বাক্যসংক্ষেপ ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনুঢ়া — যার বিবাহ হয়নি তাকে অনুঢ়া বলা হয়, তাই এটি ভুল।
B) কুমারী — অবিবাহিত তরুণী বা কন্যাকে কুমারী বলা হয়, তাই এটি ভুল।
C) নবোঢ়া — যে নারীর সবেমাত্র বিবাহ হয়েছে তাকে নবোঢ়া বলা হয়, তাই এটি ভুল।
D) অবীরা — যে নারীর স্বামী ও পুত্র নেই তাকে অবীরা বলা হয়, তাই এটি সঠিক।
৫. মনে রাখার টিপস:
স্বামী ও পুত্র না থাকলে সমাজ বা সংসারে নারী একা বা সহায়হীন হয়ে পড়ে, আর 'অ' মানে নেই বা অভাব। এভাবে 'অ' যুক্ত হয়ে 'অবীরা' শব্দটি গঠিত হয় মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে পারিবারিক ও সামাজিক অবস্থা নির্দেশক শব্দগুলো যেমন অবীরা, অনুঢ়া, বিধবা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) দৃশ্যকাব্য
১. কেন সঠিক:
- নাটক মূলত সাহিত্যের এমন একটি রূপ যা মঞ্চে অভিনীত হওয়ার জন্য রচিত হয় এবং দর্শক প্রত্যক্ষভাবে তা দেখতে পান।
- শ্রব্যকাব্য শুধু কানে শোনা যায়, কিন্তু নাটক দৃশ্যমান হওয়ায় একে দৃশ্যকাব্য বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- নাটক হলো দৃশ্যকাব্য যার প্রধান উপাদান হলো সংলাপ, অভিনয়, চরিত্র এবং মঞ্চায়ন।
- সাহিত্যের প্রাচীন ভারতীয় তাত্ত্বিক আলোচনায় কাব্যকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে, শ্রব্যকাব্য এবং দৃশ্যকাব্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্তের পদ্মাবতী
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম বিখ্যাত নাটক যা দৃশ্যকাব্যের অন্তর্ভুক্ত।
উদাহরণ ২: দীনবন্ধু মিত্রের নীলদর্পণ
ব্যাখ্যা: এই নাটকটি মঞ্চে অভিনীত হওয়ার জন্য রচিত একটি ঐতিহাসিক দৃশ্যকাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দৃশ্যকাব্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ নাটক দৃশ্যমান ও অভিনীত হয়।
B) কাব্যনাট্য — এটি কবিতার ছন্দে রচিত নাটক, যা নাটকের সামগ্রিক রূপের একটি বিশেষ শাখা মাত্র।
C) গীতিদৃশ্য — এটি সাধারণত গান ও নাচের সমন্বয়ে গঠিত ছোট আকারের দৃশ্যকাব্যের একটি রূপ।
D) নৃত্যনাট্য — এটি নাচের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা নাট্যরূপ, যা নাটকের একটি বিশেষ প্রকারভেদ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নাটক মানেই যা দেখা যায়, তাই নাটক হলো দৃশ্যকাব্য।
- শ্রব্য মানে শোনা এবং দৃশ্য মানে দেখা, এই পার্থক্য মাথায় রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- নাটক সাহিত্যরীতির একটি বিশেষ রূপ যা শ্রব্যকাব্যের চেয়ে আলাদা।
- এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত সাহিত্যের রূপ ও শ্রেণিবিভাগ থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: D) প্রগতি
১. কেন সঠিক:
প্রাদি সমাস হলো এমন একধরনের অব্যয়ভাব সমাস, যেখানে প্র, পরা, অপ ইত্যাদি প্রাদি বা উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
প্রগতির ক্ষেত্রে প্র উপসর্গটি গতি শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে প্রকৃষ্ট গতি অর্থ প্রকাশ করেছে, যা প্রাদি সমাসের সংজ্ঞার সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যে সমাসে প্র, পরা, অপ প্রভৃতি উপসর্গ বা প্রাদি পূর্বে বসে বিশেষ্য পদের সাথে যুক্ত হয়ে অব্যয়ভাব সমাস গঠন করে, তাকে প্রাদি সমাস বলে।
এখানে পূর্বপদ উপসর্গ এবং পরপদ বিশেষ্য বা কৃদন্ত পদ হয়, এবং সমস্তপদটি অব্যয় পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরিগ্রহণ
ব্যাখ্যা: পরি উপসর্গপূর্বক গ্রহণ শব্দ মিলে পরিগ্রহণ হয়েছে, যা প্রাদি সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ।
উদাহরণ ২: প্রবচন
ব্যাখ্যা: প্র উপসর্গপূর্বক বচন শব্দ মিলে প্রবচন গঠিত হয়েছে, যা প্রাদি সমাসের নিয়ম মেনে চলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গৃহস্থ — এটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ, কারণ গৃহ বা ঘরে যে থাকে তাকে বোঝায় এবং কৃদন্ত পদের সাথে এই সমাস হয়।
B) ছা-পোষা — এটি অলুক বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ, যেখানে ছা পোষে যে এমন অর্থ প্রকাশ করে এবং বিভক্তির লোপ হয় না।
C) শতাব্দী — এটি দ্বিগু সমাসের উদাহরণ, কারণ এখানে শত অব্দের সমাহার বুঝিয়ে সমাস নিষ্পন্ন হয়েছে এবং পরপদ বিশেষ্য।
D) প্রগতি — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি প্রাদি বা উপসর্গযুক্ত অব্যয়ভাব সমাস।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রাদি সমাস চেনার সহজ উপায় হলো সমস্তপদের শুরুতে প্র, পরা, প্রতি, পরি ইত্যাদি উপসর্গ থাকা।
শব্দের গঠন বিশ্লেষণ করে উপসর্গ ও বিশেষ পদের মিল পেলেই তা প্রাদি সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত অব্যয়ভাব বা প্রাদি সমাস প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে।
তাই প্র, পরি, প্রতি ইত্যাদি উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দগুলো আলাদা করে চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) তৎসম শব্দে
১. কেন সঠিক:
তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য ণ-এর ব্যবহার বাধ্যতামূলক কারণ এসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং সেখানে সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম কার্যকর থাকে।
বাংলা ভাষায় দেশি, বিদেশি বা তদ্ভব শব্দে মূর্ধন্য ণ-এর ব্যবহারের কোনো নিয়ম নেই, সেখানে সবসময় দন্ত্য ন ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ট-বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) পূর্বে সবসময় মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয় এবং ঋ, র, ষ-এর পরে মূর্ধন্য ণ বসে।
তৎসম শব্দ ছাড়া অন্য কোনো উৎস থেকে আগত শব্দে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয় বলে সেখানে মূর্ধন্য ণ লেখার সুযোগ থাকে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তৃণ
ব্যাখ্যা: তৃণ একটি তৎসম শব্দ যেখানে ঋ কার থাকার কারণে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: কারণ
ব্যাখ্যা: কারণ শব্দটিতে র কার থাকার কারণে দন্ত্য ন না হয়ে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লোকজ শব্দে — লোকজ বা দেশি শব্দে কখনোই মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয় না, তাই এই অপশন ভুল।
B) দেশি শব্দে — দেশি শব্দের বানানে প্রমিত রীতি অনুযায়ী সর্বদা দন্ত্য ন বসে, মূর্ধন্য ণ বসে না।
C) বিদেশি শব্দে — আরবি, ফার্সি, ইংরেজি বা অন্য কোনো বিদেশি শব্দে মূর্ধন্য ণ লেখার নিয়ম নেই।
D) তৎসম শব্দে — এটি সঠিক কারণ একমাত্র সংস্কৃত বা তৎসম শব্দেই মূর্ধন্য ণ-এর ব্যবহার ব্যাকরণসিদ্ধ।
৫. মনে রাখার টিপস:
তৎসম মানে সংস্কৃত, আর সংস্কৃত শব্দেই কেবল মূর্ধন্য ণ-এর রাজত্ব চলে। বিদেশি বা দেশি শব্দ দেখলেই দন্ত্য ন বসিয়ে দেবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পরীক্ষায় প্রায়ই কোন শব্দে মূর্ধন্য ণ হবে তা চিহ্নিত করতে বলা হয়। তৎসম শব্দ চেনার উপায় হলো এগুলো সরাসরি সংস্কৃত থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
সঠিক উত্তর: B) সঙ্গে
১. কেন সঠিক:
- 'সরব' শব্দটিতে 'স' উপসর্গটি 'সঙ্গে' বা 'সহ' অর্থে যুক্ত হয়েছে।
- 'রব' শব্দের অর্থ শব্দ বা আওয়াজ, তাই 'সরব' শব্দের অর্থ হলো রবের সঙ্গে বা শব্দযুক্ত।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন বা সম্প্রসারণ ঘটায়।
- 'স' একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ যা মূলত 'সহিত', 'সঙ্গে' বা 'সহ' অর্থে বিশেষ বিশেষ শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সজল
ব্যাখ্যা: জল শব্দের সঙ্গে 'স' উপসর্গ যুক্ত হয়ে 'সজল' বা জলের সঙ্গে বর্তমান এমন অর্থ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: সলজ্জ
ব্যাখ্যা: লজ্জার সঙ্গে বা লজ্জিত অর্থে 'লজ্জা' শব্দের পূর্বে 'স' উপসর্গ যুক্ত হয়ে 'সলজ্জ' শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্ষুদ্র — 'স' উপসর্গ কোনো অবস্থাতেই ক্ষুদ্র অর্থ প্রকাশ করে না, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) সঙ্গে — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'স' উপসর্গটি এখানে সহ বা সঙ্গে অর্থ প্রকাশ করছে।
C) বিশাল — বিশাল বা বৃহৎ অর্থ প্রকাশের জন্য 'স' উপসর্গ ব্যবহার করা হয় না।
D) অভাব — অভাব অর্থ প্রকাশের জন্য 'বি', 'নি' বা 'আ' এর মতো উপসর্গ ব্যবহার করা হয়, 'স' নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- 'স' দিয়ে শুরু হওয়া অনেক শব্দে এটি 'সহ' বা 'সঙ্গে' অর্থ প্রকাশ করে যেমন সলজ্জ বা সজল।
- শব্দের শুরুতে 'স' দেখলে তার সঙ্গে থাকা শব্দটি বর্তমান বা সঙ্গে আছে কি না তা মিলিয়ে দেখবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই মূল শব্দের সঙ্গে উপসর্গের অর্থ ভালোভাবে বুঝে পড়তে হবে।
- একই নিয়ম মেনে সপ্রাণ, সবান্ধব ইত্যাদি শব্দগুলোর উপসর্গ ও অর্থ নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) ইংরেজি
১. কেন সঠিক:
- জংশন শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে।
- ইংরেজি জংশন শব্দের অর্থ সংযোগস্থল বা মিলনস্থল।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বিদেশি শব্দ বা আগন্তুক শব্দ হলো সেই সমস্ত শব্দ যা অন্য ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
- ইংরেজি ভাষা থেকে বহু প্রশাসনিক, প্রযুক্তিগত ও দৈনন্দিন ব্যবহারের শব্দ বাংলায় এসেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্টেশন
ব্যাখ্যা: এটি একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ যাত্রাবিরতি বা থামার স্থান।
উদাহরণ ২: ফুটবল
ব্যাখ্যা: এটি একটি ইংরেজি শব্দ যা বাংলায় খেলার নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইংরেজি — এই অপশনটি সঠিক কারণ জংশন একটি ইংরেজি শব্দ।
B) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে কার্তুজ ও কুপন শব্দ এসেছে, জংশন নয়।
C) চীনা — চীনা ভাষা থেকে চা ও চিনি শব্দ এসেছে, জংশন নয়।
D) বার্মিজ — বার্মিজ ভাষা থেকে লুঙ্গি ও ফুঙ্গি শব্দ এসেছে, জংশন নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইংরেজি জ শব্দের বহুল ব্যবহার ট্রেন লাইনের মোড় বা জংশনে দেখা যায়।
- রেলওয়ে সংক্রান্ত অনেক আধুনিক শব্দ ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস প্রায়ই আসে।
- রেলওয়ে ও স্টেশন সম্পর্কিত শব্দগুলো সাধারণত ইংরেজি ভাষা থেকে আসে।
সঠিক উত্তর: D) ধানখেত
১. কেন সঠিক:
- ধানখেত একটি সাধারণ ব্যাসবাক্যযুক্ত শব্দ যার ব্যাসবাক্য হলো ধানের খেত এবং এটি ষষ্টি তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।
- যৌগড়ূঢ় শব্দের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে যে সমাসবদ্ধ শব্দ তার সাধারণ বা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে কোনো বিশেষ বা নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। ধানখেত শব্দটি কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ না করে সাধারণ অর্থে খেতকেই বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎসের ভিত্তিতে বাংলা শব্দের শ্রেণিবিভাগে গঠনগত দিক থেকে শব্দ তিন প্রকার, যথা মৌলিক, সাধিত এবং যৌগিক, রূঢ় বা রূঢ়ি এবং যৌগড়ূঢ় শব্দ।
- যে সমস্ত শব্দ প্রত্যয় বা সমাসের সাহায্যে গঠিত হয়ে সমাসমান পদের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশেষ অর্থ জ্ঞাপন করে, সেগুলোকে যৌগড়ূঢ় শব্দ বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জলধি
ব্যাখ্যা: জল ধারণ করে যা অর্থাৎ সমুদ্র। এখানে সাধারণ অর্থ জল ধারণকারী না বুঝিয়ে একটি বিশেষ অর্থ সমুদ্রকে বোঝায়।
উদাহরণ ২: রাজপুত
ব্যাখ্যা: রাজার পুত্র হলেও বর্তমানে এটি বিশেষ একটি জাতি বা সম্প্রদায়কে বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মহাযাত্রা — এটি মহান যে যাত্রা বা মহা যে যাত্রা কর্মধারয় সমাসের মাধ্যমে নিষ্পন্ন হলেও এর বিশেষ অর্থ হলো মৃত্যু, যা যৌগড়ূঢ় শব্দ।
B) পঙ্কজ — পঙ্কে জন্মে যা অর্থাৎ পদ্মফুল। এটি সাধারণ অর্থ না বুঝিয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করায় যৌগড়ূঢ় শব্দ।
C) রাজপুত — রাজার পুত্র হলেও এটি বিশেষ একটি সম্প্রদায়কে বোঝায়, যা যৌগড়ূঢ় শব্দের অন্তর্ভুক্ত।
D) ধানখেত — এটি সমাসের নিয়মসিদ্ধ সাধারণ শব্দ এবং এর কোনো বিশেষ অর্থ নেই, তাই এটি যৌগড়ূঢ় শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যৌগড়ূঢ় শব্দ চেনার সহজ উপায় হলো মনে রাখা যে এগুলোতে পঙ্কজ, জলধি বা মহাযাত্রার মতো বিশেষ বা ঐতিহ্যগত অর্থ প্রকাশ পায়।
- সাধারণ ব্যাসবাক্য বা সাধারণ অর্থ বোঝালে সেটি যৌগড়ূঢ় শব্দ না হয়ে সাধারণ সাধিত শব্দ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রূঢ়, রূঢ়ি এবং যৌগড়ূঢ় শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- পঙ্কজ এবং জলধি শব্দ দুটি যৌগড়ূঢ় শব্দের সবচেয়ে প্রচলিত ও পরীক্ষাকেন্দ্রিক উদাহরণ।
সঠিক উত্তর: C) আবুল হাসান
১. কেন সঠিক:
- 'রাজা যায় রাজা আসে' বিখ্যাত আধুনিক কবি আবুল হাসানের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রশংসিত কাব্যগ্রন্থ।
- এটি ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এই কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমেই তিনি বাংলা কবিতায় তার স্বতন্ত্র ও বিষাদময় স্বরের পরিচয় দেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কবি আবুল হাসান (১৯৪৭-১৯৭৫) বিংশ শতাব্দীর ষাটের দশকের অন্যতম প্রধান ও প্রভাবশালী আধুনিক কবি।
- তার কবিতায় মূলত নিঃসঙ্গতা, প্রেম, মৃত্যুচেতনা এবং এক ধরণের তীব্র হাহাকার ও আত্মিক সংকট অত্যন্ত শিল্পমণ্ডিত রূপে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'রাজা যায় রাজা আসে' কাব্যগ্রন্থের একটি বিখ্যাত কবিতা।
ব্যাখ্যা: এই কবিতাটি তৎকালীন রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও মানুষের জীবনের অনিশ্চয়তাকে খুব সুন্দরভাবে রূপক অর্থে তুলে ধরেছে।
উদাহরণ ২: আবুল হাসানের অপর দুটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো 'যে তুমি হরণ করো' এবং 'পরাজিত শব্দবৃন্দ'।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থগুলো তার সাহিত্যিক প্রতিভার পূর্ণ বিকাশ এবং আধুনিক বাংলা কাব্যের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া সৃষ্টি হিসেবে সমাদৃত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবুল হোসেন — ইনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও প্রাবন্ধিক হলেও 'রাজা যায় রাজা আসে' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা নন, তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'বিপর্যস্ত শৈশব'।
B) নির্মলেন্দু গুণ — ইনি বর্তমানকালের অন্যতম জনপ্রিয় একজন কবি হলেও এই নির্দিষ্ট কাব্যগ্রন্থটি তার সৃষ্টি নয়, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো 'অনিবারিত উচ্চারণ'।
C) আবুল হাসান — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ তিনি নিজেই এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা।
D) শামসুর রাহমান — ইনি বাংলাদেশের প্রধান কবিদের একজন হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তার নয়, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো 'প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে'।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রাজা আসা-যাওয়ার খেলায় কবি আবুল হাসানের নাম মনে রাখবে কারণ তিনি খুব অল্প বয়সে মারা গেলেও বাংলা কবিতায় রাজকীয় এক স্বাক্ষর রেখে গেছেন।
- তার জন্ম ১৯৪৭ সালে এবং মৃত্যু ১৯৭৫ সালে, যা তাকে বাংলা সাহিত্যের এক ক্ষণজ্মু প্রতিভা হিসেবে অমর করে রেখেছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক কবিদের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে আবুল হাসানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি তা মনে রাখা জরুরি।
- আবুল হাসানের জন্মস্থান গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া এবং তিনি সাংবাদিকতার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) সেমিকোলন
১. কেন সঠিক:
বাক্যে কমা অপেক্ষা বেশি এবং কোলন অপেক্ষা কম বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসে।
এটি সাধারণত দুটি স্বাধীন উপবাক্যের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্নের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রথম বাংলা লিপিতে যতিচিহ্নের সার্থক ব্যবহার শুরু করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাল সে আসবে; কিন্তু কাজটি হবে না।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি সম্পূর্ণ খণ্ডবাক্যকে যুক্ত করতে কমার চেয়ে বেশি বিরতির জন্য সেমিকোলন বসেছে।
উদাহরণ ২: পরিশ্রমই সুখের মূল; অলসতা সব ধ্বংসের কারণ।
ব্যাখ্যা: দুটি বিপরীত ভাবাপন্ন স্বাধীন বাক্যকে একত্রে প্রকাশ করতে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কোলন — কোলন সাধারণত একটি অপূর্ণ বাক্যের পর অন্য বাক্যের অবতারণা করতে বা উদাহরণ টানতে বসে।
B) ড্যাশ — ড্যাশ বা যৌগিক চিহ্ন ব্যবহৃত হয় যৌগিক বা মিশ্র বাক্যে ভাবের পরিবর্তনের বৈচিত্র্য বোঝাতে।
C) সেমিকোলন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি কমার চেয়ে বেশি বিরতি নির্দেশ করে।
D) হাইফেন — হাইফেন বা সংযোগ চিহ্ন দুটি শব্দকে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, বিরতির জন্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
যতিচিহ্নের বিরতির সময় মনে রাখার সহজ সূত্র হলো কমা সবচেয়ে কম বিরতি, সেমিকোলন তার চেয়ে একটু বেশি এবং পূর্ণচ্ছেদ বা দাড়ি সবচেয়ে বেশি বিরতি নেয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতিচিহ্নের বিরতির সময়কাল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
কোন যতিচিহ্নে কতটুকু থামতে হয়, তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) দূরতিক্রম্য
১. কেন সঠিক:
যাক সহজে অতিক্রম করা যায় না তাকে এককথায় দূরতিক্রম্য বলা হয়। এখানে 'দুর' উপসর্গটি কষ্ট বা কঠিন অর্থ প্রকাশ করেছে এবং 'অতিক্রম্য' শব্দের অর্থ যা অতিক্রম করা যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাক্যের অর্থকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়মগুলো ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা নিবারণ করা যায় না - অনিবার্য।
ব্যাখ্যা: এটিও বাক্য সংকোচনের একটি সাধারণ উদাহরণ যা পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ ২: যা লাভ করা কঠিন - দুর্লভ।
ব্যাখ্যা: এখানে 'দুর' উপসর্গ যোগ করে কষ্টসাধ্য অর্থ প্রকাশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনতিক্রম্য — যা অতিক্রম করা যায় না তাকে অনতিক্রম্য বলে, কিন্তু প্রশ্নে সহজে অতিক্রম করার কথা বলা হয়েছে।
B) অলঙ্ঘ্য — যা লঙ্ঘন করা যায় না তাকে অলঙ্ঘ্য বলা হয়, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে মেলে না।
C) দূরতিক্রম্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সহজে অতিক্রম করা যায় না অর্থে ব্যবহৃত হয়।
D) দুর্গম — যেখানে গমন করা কঠিন তাকে দুর্গম বলে, এটি অতিক্রম করার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সহজে অতিক্রম করা যায় না বুঝলে 'দূরতিক্রম্য' আর একেবারেই অতিক্রম করা যায় না বুঝলে 'অনতিক্রম্য' শব্দটি ব্যবহার করবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য সংকোচন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। তাই 'দুঃ' বা 'দুর' উপসর্গযুক্ত এককথায় প্রকাশের শব্দগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করবে।
সঠিক উত্তর: A) সরিৎ
১. কেন সঠিক:
সরিৎ শব্দটি একটি সংস্কৃত তৎসম শব্দ যার অর্থ নদী বা প্রবাহিনী। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস এবং সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
নদী শব্দের অনেকগুলো সমার্থক শব্দ রয়েছে যা বাংলা ব্যাকরণে শব্দের রূপ ও অর্থের ভিন্নতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। নদী বলতে সাধারণত প্রবহমান জলধারাকে বোঝায় যা সমুদ্র বা অন্য কোনো জলাশয়ে গিয়ে পতিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তটিনী
ব্যাখ্যা: এটি নদী শব্দের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: তরঙ্গিনী
ব্যাখ্যা: ঢেউ বা তরঙ্গ আছে যে নদী তাকে তরঙ্গিনী বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরিৎ — নদী শব্দের সরাসরি সমার্থক শব্দ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
B) বারিধি — বারিধি শব্দের অর্থ সমুদ্র, কারণ বারি অর্থ পানি এবং ধি বা নিধি অর্থ আধার বা ভাণ্ডার।
C) উদক — উদক শব্দের অর্থ পানি বা জল, যা নদী বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।
D) অম্বু — অম্বু শব্দের অর্থও পানি, তাই এটি নদী শব্দের সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সরিৎ শব্দের শেষ অক্ষর ত আছে যার সাথে নদী শব্দের শেষ অক্ষর দীর্ঘ ঈ কারের একটি ধ্বনিগত মিল পাওয়া যায়। সমুদ্রবাচক শব্দের সাথে পানিবাচক শব্দের পার্থক্য মনে রাখলে সমার্থক শব্দ সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
নদী, সমুদ্র ও পানির সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই পরীক্ষায় কাছাকাছি অপশন হিসেবে আসে। তাই বারিধি বা জলধি হলো সমুদ্র আর সরিৎ বা তটিনী হলো নদী, এই পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সংযোজক অব্যয়
১. কেন সঠিক:
- 'তাই' শব্দটি এখানে দুটি স্বাধীন বাক্যংশ বা খণ্ডবাক্যকে সংযুক্ত করেছে, তাই এটি সংযোজক অব্যয়।
- বাক্যে কারণ ও ফলাফল প্রকাশ করতে এবং একটির সাথে অন্যটির সংযোগ ঘটাতে এই অব্যয় ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে অব্যয় শব্দ দুটি পদ, দুটি বাক্য বা বাক্যাংশকে যুক্ত করে, তাকে সংযোজক অব্যয় বলে।
- এটি সমুচ্চয়ী অব্যয়ের একটি প্রধান শ্রেণি, যা মূলত ভাব বা পদের সংযোগ সাধন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিনি খুব পরিশ্রমী, তাই সফল হয়েছেন।
ব্যাখ্যা: এখানে 'তাই' শব্দটি প্রথম বাক্যাংশের সাথে দ্বিতীয় বাক্যাংশের সংযোগ স্থাপন করেছে।
উদাহরণ ২: বৃষ্টি হচ্ছে, তাই বাইরে যাওয়া হলো না।
ব্যাখ্যা: বৃষ্টির কারণ এবং বাইরে না যাওয়ার ফলাফলকে 'তাই' অব্যয় যুক্ত করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংযোজক অব্যয় — এটি সঠিক কারণ বাক্য দুটিকে যুক্ত করেছে।
B) বিয়োজক অব্যয় — এটি ভুল কারণ বিয়োজক অব্যয় দুটি বাক্যের মধ্যে বিরোধ বা বিচ্ছেদ বোঝায়, যা এখানে নেই।
C) সমুচ্চয়ী অব্যয় — এটি সঠিক হলেও অপশন এ অধিকতর নির্দিষ্ট কারণ সমুচ্চয়ী অব্যয়ের উপশ্রেণি হলো সংযোজক।
D) সংকোচন অব্যয় — এটি ভুল কারণ সংকোচন অব্যয় দুটি বাক্যের মধ্যে সীমাবদ্ধতা বা সংকোচন প্রকাশ করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কারণ ও ফলাফল বোঝাতে বাক্যের মাঝে যে অব্যয় বসে দুটি অংশকে জোড়ে, তাকে সংযোজক অব্যয় বলে।
- 'তাই', 'এবং', 'ও' সাধারণত সংযোজক অব্যয় হিসেবে কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- অব্যয় পদের শ্রেণিবিভাগ থেকে বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বাক্যের অর্থ বুঝে অব্যয়ের প্রকারভেদ নির্ণয় করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) সমীচীন
১. কেন সঠিক:
− সমীচীন শব্দটির সঠিক বানান হলো দন্ত স ম য় দীর্ঘিকার চ এককার ণ।
− বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের অন্তে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
− বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী ই কারান্ত বা উ কারান্ত উপসর্গের পর ক খ প ফ থাকলে মূর্ধন্য ণ হয় না, তবে নির্দিষ্ট কিছু তৎসম শব্দে নিয়মবহর্ভূতভাবে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়।
− সমীচীন শব্দটিতে দীর্ঘ ই কার এবং মূর্ধন্য ণ এর সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে কারণ এটি একটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম শব্দ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রণীত
ব্যাখ্যা: প্র উপসর্গ এবং নী ধাতুর সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত এই শব্দটিতে নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মণীষা
ব্যাখ্যা: মনস যোগ ঈষা মিলে গঠিত এই শব্দটিতে দীর্ঘ ঈ কার এবং মূর্ধন্য ণ এর সঠিক ব্যবহার রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমীচিন — এই অপশনে দন্ত ন ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানরীতি অনুযায়ী ভুল।
B) সমীচীন — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানান রূপ।
C) সমীচিন — এখানে দীর্ঘ ই কারের পরিবর্তে হ্রস্ব ই কার এবং দন্ত ন ব্যবহার করা হয়েছে।
D) সমীচীন — প্রদত্ত প্রশ্নে এটি সঠিক হলেও অপশন বিন্যাসের কারণে এটিও সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
− সমীচীন বানানটি মনে রাখার জন্য শেষ অক্ষরটি যে মূর্ধন্য ণ এবং মাঝের ই কারটি যে দীর্ঘ ই কার তা ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
− দীর্ঘ ই কার ও মূর্ধন্য ণ যুক্ত শব্দগুলোর তালিকা বারবার অনুশীলন করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
− প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে তাই বানানের শেষ অংশ এবং ই কারের ব্যবহার ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
− একই ধরনের অন্যান্য প্রমিত বানান যেমন প্রবীণ, সমীচীন ও সংগত শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) গঙ্গা
১. কেন সঠিক:
- সমারেশ বসুর গঙ্গা উপন্যাসটি জেলে সম্প্রদায়ের জীবন সংগ্রাম, তাদের পেশাগত কষ্ট এবং নদীর সঙ্গে তাদের নিবিড় সম্পর্ক নিয়ে রচিত।
- জেলে জীবন কেন্দ্রিক উপন্যাস বলতে এমন সাহিত্যকর্ম বোঝায় যেখানে নদীমাতৃক বাংলাদেশের মৎস্যজীবী মানুষের সুখদুঃখ এবং জীবিকা মূল উপজীব্য হিসেবে ফুটে ওঠে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- গঙ্গা উপন্যাসের রচয়িতা বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সমরেশ বসু, যিনি কালকূট ছদ্মনামেও লিখতেন।
- এই উপন্যাসে পদ্মা নদীর তীরের জেলে সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রা এবং তাদের মনস্তাত্ত্বিক লড়াই অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মার নদীর মাঝি
ব্যাখ্যা: এটিও জেলে জীবন ও পদ্মা নদীর তীরবর্তী মানুষের সংগ্রাম নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: অদ্বৈত মল্লবর্মণের তিতাস একটি নদীর নাম
ব্যাখ্যা: এটি তিতাস নদীর পারের মৎস্যজীবী মানুষের জীবন ও সংস্কৃতির ওপর রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য মাস্টারপিস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গঙ্গা — এটি জেলে জীবন কেন্দ্রিক উপন্যাস হওয়ায় সঠিক উত্তর।
B) পুতুলনাচের ইতিকথা — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি গ্রামীণ জনপদ ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, জেলে জীবন কেন্দ্রিক নয়।
C) হাঁসুলী বাঁকের উপকথা — এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা কোপাই নদীর বাঁকের রাঢ় অঞ্চলের কাহার সম্প্রদায়ের জীবন নিয়ে রচিত উপন্যাস।
D) গৃহদাহ — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক ত্রিকোণ প্রেমের উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সমরেশ বসুর গঙ্গা উপন্যাসের পটভূমি হলো নদী ও জেলে জীবন।
- জেলে জীবন মনে রাখতে গঙ্গা উপন্যাসের কথা মাথায় রাখবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জেলে জীবন বা নদীভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
- গঙ্গা, পদ্মার নদীর মাঝি এবং তিতাস একটি নদীর নাম—এই তিনটি উপন্যাসকে একসঙ্গে নদীভিত্তিক উপন্যাস হিসেবে মনে রাখা নিরাপদ।
সঠিক উত্তর: B) ধ্বনিতত্ত্ব
১. কেন সঠিক:
- ব্যাকরণে সন্ধি মূলত ধ্বনির মিলন ও পরিবর্তনের সাথে সরাসরি যুক্ত।
- পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলন বা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনিতত্ত্ব অংশে ধ্বনি, বর্ণ, উচ্চারণ, সন্ধি ইত্যাদি আলোচিত হয়।
- সন্ধির মূল কাজ হলো দুটি ধ্বনির মিলন ঘটিয়ে উচ্চারণে সহজতা আনা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়
ব্যাখ্যা: এখানে আ এবং আ মিলে একটি আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে, যা ধ্বনিতাত্ত্বিক পরিবর্তনের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: হিম + আলয় = হিমালয়
ব্যাখ্যা: এখানে অ এবং আ মিলে আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে, যা ধ্বনির মিলন প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রূপতত্ত্ব — এটি শব্দ ও পদের গঠন নিয়ে আলোচনা করে, সন্ধি এখানে আলোচিত হয় না।
B) ধ্বনিতত্ত্ব — সঠিক উত্তর কারণ এটি ধ্বনির মিলন ও পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করে।
C) পদক্রম — এটি বাক্যে পদের বিন্যাস বা সাজানোর নিয়ম নির্দেশ করে।
D) বাক্য প্রকরণ — এটি বাক্যের গঠন, প্রকারভেদ ও রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সন্ধি মানেই মিলন আর ধ্বনি মানেই শব্দ বা আওয়াজ। আওয়াজের মিলন মানেই ধ্বনিতত্ত্ব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকরণের কোন অংশ কিসের আলোচ্য বিষয়, তা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) চাঁদের অমাবস্যা
১. কেন সঠিক:
- চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসটি রাজনৈতিক উপন্যাস নয়, এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক ও অস্তিত্ববাদী উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে মানুষের অপরাধবোধ, বিবেক এবং অস্তিত্বের সংকট প্রধান্য পেয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসের রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৬৪ সালে এবং এর মূল চরিত্র হলো আরিফ নামক এক শিক্ষক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লালসালু উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি একটি সামাজিক ও গ্রামীণ সমাজজীবনের ভণ্ডামির ওপর রচিত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কাঁদো নদী কাঁদো উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি নদীমাতৃক মানুষের জীবন ও মনস্তত্ত্ব নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঘরে-বাইরে — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস যা স্বদেশী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত।
B) চিলেকোঠার সেপাই — এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক পটভূমির উপন্যাস।
C) চাঁদের অমাবস্যা — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, তাই এটি সঠিক উত্তর।
D) পথের দাবী — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের ওপর প্রতিষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসগুলো মূলত মানুষের মনস্তত্ত্ব ও সমাজ বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে লেখা।
- চাঁদের অমাবস্যা নাম শুনলেই মনে রাখবে এটি কোনো রাজনৈতিক আন্দোলন নয়, বরং মনের ভেতরের অন্ধকার নিয়ে কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস সংখ্যায় কম হলেও বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছে।
সঠিক উত্তর: C) ভানুসিংহ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
সঠিক উত্তরটি হলো ভানুসিংহ ঠাকুর কারণ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার কৈশোরে এই ছদ্মনামে পদাবলী সাহিত্য রচনা করেছিলেন।
মাত্র চৌদ্দ বছর বয়সে তিনি প্রাচীন মৈথিলি ভাষার অনুকরণে ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী নামে কিছু কবিতা লিখেছিলেন যা ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে কবি, নাট্যকার, ছোটগল্পকার, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক এবং তিনি ১৯১৩ সালে প্রথম এশিয়ান হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী গ্রন্থে বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের পদগুলো ব্রজবুলি ভাষায় রচিত হয়েছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কৈশোরে লেখা কবিতা সংকলন যা ব্রজবুলি ভাষায় রচিত।
উদাহরণ ২: মরণ রে তুহুঁ মম শ্যামসমান
ব্যাখ্যা: এটি ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী থেকে সংগৃহীত একটি বিখ্যাত গান বা কবিতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরশুরাম — এটি প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত সবুজ পত্র পত্রিকায় লেখালেখি করা সাহিত্যিক রাজশেখর বসুর ছদ্মনাম।
B) নীললোহিত — এটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বিখ্যাত একটি ছদ্মনাম।
D) গাজী মিঞা — এটি বাংলা উপন্যাসের জনক মীর মশাররফ হোসেনের একটি ঐতিহাসিক ও ব্যঙ্গাত্মক লেখার ছদ্মনাম।
৫. মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথের ভানু ছদ্মনাম মনে রাখতে রবি ও ভানু দুটোই সূর্যকে বোঝায় এই বিষয়টি মনে রাখা যায়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভানুসিংহ নামটি কার ছদ্মনাম তা প্রায়ই আসে তাই এটি রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে সম্পর্কিত তা মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভানুসিংহ ঠাকুর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম ও সবচেয়ে পরিচিত ছদ্মনাম যা তিনি কৈশোরে ব্যবহার করেছিলেন।
এই ধরনের প্রশ্নে অপশনের অন্য লেখকদের ছদ্মনামগুলোও ভালো করে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) আবদুল লতিফ
১. কেন সঠিক:
- এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর আবদুল লতিফ কারণ তিনিই ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির পর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই বিখ্যাত গানটিতে প্রথম সুরারোপ করেছিলেন।
- গানটির মূল সুরকার হিসেবে আবদুল লতিফের নাম ঐতিহাসিক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত এবং এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী এবং এর প্রথম সুরকার হলেন প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীতশিল্পী আবদুল লতিফ।
- পরবর্তীতে ১৯৫৪ সালে আলতাফ মাহমুদ এই গানে নতুন করে সুরারোপ করেন এবং তাঁর সুর করা সংস্করণটিই বর্তমানে সর্বাধিক জনপ্রিয় ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব' — নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
ব্যাখ্যা: এটি একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক উদ্ধৃতি যা বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম ও ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
উদাহরণ ২: 'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি' — গোবিন্দ হালদার
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কার অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং ইতিহাস সৃষ্টিকারী একটি গান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী — তিনি এই বিখ্যাত গানটির রচয়িতা বা গীতিকার, সুরকার নন।
B) আসাদ চৌধুরী — তিনি একজন খ্যাতনামা কবি ও সাহিত্যিক, এই গানের সুরের সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
C) আলতাফ মাহমুদ — তিনি এই গানটির দ্বিতীয় ও বর্তমান জনপ্রিয় সুরকার, প্রথম সুরকার নন।
D) আবদুল লতিফ — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনিই গানটির প্রথম সুরকার।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গানটির কথা লিখেছেন গাফ্ফার চৌধুরী, প্রথম সুর দিয়েছেন লতিফ এবং জনপ্রিয় সুর দিয়েছেন আলতাফ মাহমুদ।
- প্রথম সুরকার এবং জনপ্রিয় সুরকার গুলিয়ে ফেলা যাবে না, প্রথম সুরকার আবদুল লতিফ আর জনপ্রিয় সুরকার আলতাফ মাহমুদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভাষা আন্দোলনভিত্তিক গান, কবিতা ও উপন্যাসের রচয়িতা ও সুরকারদের নাম বিসিএস এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় বারবার আসে।
- আলতাফ মাহমুদ ও আবদুল লতিফের সুর করা অন্যান্য দেশীয় গানগুলোর তালিকা প্রস্তুত করে পড়লে পরীক্ষায় সহজে নম্বর পাওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) মুক্তিযুদ্ধ
১. কেন সঠিক:
- এই প্রশ্নের মূল বিষয় হলো বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং সেই সময়ের সাধারণ মানুষের গ্রামীণ জীবনের আবহ।
- নাটকের মূল পটভূমিতে রয়েছে ১৯৭১ সালের অবরুদ্ধ বাংলাদেশে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের প্রতিরোধ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই কাব্যনাটকটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কবি ও নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক।
- এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সার্থক কাব্যনাটক যা ১৯৭১ সালের পটভূমিতে রচিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নুরুলদীনের সারাজীবন
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক কাব্যনাটক।
উদাহরণ ২: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় কাব্যনাটকের গান
ব্যাখ্যা: এই নাটকের অনেক গান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মানুষের মাঝে দেশপ্রেম জাগিয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুক্তিযুদ্ধ — এটি এই নাটকের মূল বিষয়বস্তু হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে।
B) গৃহযুদ্ধ — এই নাটকে কোনো গৃহযুদ্ধ বা অন্তর্কোন্দল ফুটিয়ে তোলা হয়নি, তাই এটি ভুল।
C) বিষয়যুদ্ধ — বাংলা সাহিত্যে এই নামে কোনো ঐতিহাসিক বা কাল্পনিক যুদ্ধের বিশেষ ধারা নেই, তাই ভুল।
D) ভাষা আন্দোলন — ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক ভিন্ন, যেমন মুনীর চৌধুরীর কবর নাটক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সৈয়দ শামসুল হকের পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকের নাম শুনলেই মাথায় রাখতে হবে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ।
- নাটকের নামটির মধ্যেই যুদ্ধের পদাতিক বাহিনীর আগমন ও আতঙ্কের আবহ লুকিয়ে আছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাটক থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- কাব্যনাটক রচয়িতা হিসেবে সৈয়দ শামসুল হকের নাম এবং তাঁর পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ও নুরুলদীনের সারাজীবন গ্রন্থ দুটি খুব ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) নাটক
১. কেন সঠিক:
- 'নেমেসিস' হলো বিখ্যাত নাট্যকার নূরুল কাদের রচিত একটি সাড়া জাগানো নাটক।
- পৌরাণিক বা গ্রিক নাট্যরীতির প্রভাবে রচিত হলেও এতে আধুনিক সমাজের নৈতিক সংকট ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই নাটকটির রচয়িতা হলেন নূরুল কাদের যিনি আধুনিক বাংলা নাট্যসাহিত্যে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন।
- এই সাহিত্যকর্মে মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন মন্বন্তর ও কৃত্রিম খাদ্য সংকটের প্রেক্ষাপটে মানুষের লোভ ও নৈতিক অবক্ষয় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নূরুল কাদের রচিত অন্যান্য নাটক বা সাহিত্যকর্ম।
ব্যাখ্যা: লেখকের অন্যান্য সাহিত্যকর্মের সঙ্গে তুলনা করলে এই নাটকের সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক গুরুত্ব সহজে অনুধাবন করা যায়।
উদাহরণ ২: বাংলা সাহিত্যে সামাজিক সংকটের নাটক।
ব্যাখ্যা: এই ধারার নাটকগুলো মূলত সমাজের ভেতরের অনিয়ম ও মানুষের নৈতিক পতন উন্মোচন করে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাব্য — এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ বা কবিতা সংকলন নয় বরং একটি পূর্ণাঙ্গ নাটক।
B) নাটক — সঠিক উত্তর কারণ এটি নাটক হিসেবেই বাংলা সাহিত্যে নিবন্ধিত।
C) উপন্যাস — এটি কোনো দীর্ঘ কথাসাহিত্য বা উপন্যাস নয় বরং দৃশ্যকাব্য বা নাটক।
D) গীতি কবিতা — এটি লিরিক বা গীতি কবিতা নয় বরং সংলাপনির্ভর নাটক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নেমেসিস নাটকটি মনে রাখতে নাম এবং লেখকের প্রথম অক্ষর বা নাটকের মূল থিম মাথায় রাখতে পারো।
- নাট্যসাহিত্যের প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে রচিয়তার নাম এবং প্রকাশের প্রেক্ষাপট একসঙ্গে মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত নাটক ও তার রচয়িতার নাম জানতে চাওয়া হয়।
- নাটকের মূল বিষয়বস্তু এবং সামাজিক প্রেক্ষাপট থেকে প্রায়ই এমসিকিউ প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) বিষমীভবন
১. কেন সঠিক:
- দুটি সমবর্ণ বা একই ধরনের ধ্বনির একটির পরিবর্তন ঘটে ভিন্ন ধ্বনিতে রূপান্তর হওয়ার প্রক্রিয়াকে বিষমীভবন বলে।
- উচ্চারণের সময় একই শব্দের মধ্যে পাশাপাশি বা কাছাকাছি দুটি সমবর্ণ থাকলে তা শুনতে বা উচ্চারণ করতে অসুবিধা হয় বলে একটি বর্ণ পরিবর্তিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ধ্বনি পরিবর্তনের একটি অন্যতম প্রক্রিয়া হলো বিষমীভবন যেখানে দুটি সমবর্ণের একটির প্রভাবে অন্যটি বা নিজেই পরিবর্তিত হয়ে আলাদা ধ্বনিতে পরিণত হয়।
- এটি মূলত উচ্চারণ সহজ করার জন্য এবং শব্দের শ্রুতিমধুরতা রক্ষা করার জন্য ঘটে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাল থেকে নাল
ব্যাখ্যা: শব্দটিতে দুটি ল বর্ণ ছিল যার প্রথম ল পরিবর্তিত হয়ে ন বর্ণে পরিণত হয়েছে এবং বিষমীভবন ঘটেছে।
উদাহরণ ২: শরীর থেকে সলীল
ব্যাখ্যা: শব্দটিতে দুটি র বর্ণ ছিল যার প্রথম র পরিবর্তিত হয়ে ল বর্ণে রূপ নিয়ে বিষমীভবন সম্পন্ন হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমীকরণ — সমীকরণে দুটি ভিন্ন ধ্বনি এক হয়ে যায়, যা এই প্রশ্নের বিপরীত প্রক্রিয়া।
B) বিষমীভবন — এটি সঠিক কারণ এখানে দুটি সমবর্ণের একটির পরিবর্তন ঘটে ভিন্ন ধ্বনি তৈরি হয়।
C) অপনিহিতি — এটি পরের ই-কার বা উ-কার আগে উচ্চারিত হওয়ার প্রক্রিয়া, যা সমবর্ণ পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) অসমীকরণ — দুটি সমবর্ণের পুনরাবৃত্তি দূর করতে মাঝখানে স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়াকে অসমীকরণ বলে, যা এখানে হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিষমীভবন মানে বিষম বা আলাদা করা অর্থাৎ একরকম দেখতে দুটি বর্ণ থেকে একটিকে আলাদা বা ভিন্ন বর্ণে রূপান্তর করা।
- সমবর্ণ মানে সমান বর্ণ আর বিষমীভবন মানে তাদের মধ্যে বিষমতা বা ভিন্নতা আনা।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি পরিবর্তন থেকে প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে তাই লাল থেকে নাল এবং শরীর থেকে সলীল উদাহরণ দুটি খুব ভালো করে মনে রাখবে।
- সমীকরণ এবং বিষমীভবন এর পার্থক্য ভালোভাবে বুঝতে হবে কারণ দুটি প্রায় বিপরীতমুখী ধ্বনি পরিবর্তন প্রক্রিয়া।
সঠিক উত্তর: C) বাক্য
১. কেন সঠিক:
- ভাষার মূল উপকরণ হলো বাক্য কারণ বক্তার মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশের মাধ্যম হলো বাক্য।
- ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি হলেও মানুষের ভাব প্রকাশের পূর্ণাঙ্গ একক হলো বাক্য।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- মানুষের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হলো ভাষা আর ভাষার প্রধান বা মূল উপকরণ হলো বাক্য।
- কতগুলো শব্দ পাশাপাশি বসে যখন একটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে বাক্য বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ।
ব্যাখ্যা: এটি একটি অর্থপূর্ণ বাক্য যা মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: পাখি আকাশে ওড়ে।
ব্যাখ্যা: এটি শব্দগুচ্ছের মাধ্যমে গঠিত একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধ্বনি — ধ্বনি ভাষার ক্ষুদ্রতম একক, মূল উপকরণ নয়।
B) শব্দ — শব্দ বাক্যের উপাদান হতে পারে, ভাষার মূল উপকরণ বাক্য।
D) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, ভাষার মূল উপকরণ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মনের ভাব প্রকাশের মূল বাহন বাক্য আর ধ্বনি হলো তার ইট বা মূল ভিত্তি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভাষার মূল উপকরণ বাক্য হলেও ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি।
সঠিক উত্তর: C) Fish
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণে কিছু নাউন রয়েছে যাদের একবচন ও বহুবচন রূপ একই হয়।
- Fish শব্দটি এ ধরনের একটি Noun, যা একক বা সমষ্টি উভয় ক্ষেত্রেই পরিমাপভেদে অপরিবর্তিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Wood — এটি একটি Uncountable Noun, যার বহুবচন সাধারণত Woods হয় যার অর্থ বন বা জঙ্গল।
B) Issues — এটি একটি Countable Noun এবং এর মূল রূপ Issue, যা এখানে নিজে থেকেই বহুবচন আকারে রয়েছে।
C) Fish — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
D) Light — এটি একটি Uncountable Noun, যার বহুবচন Lights হলে বিভিন্ন আলোক উৎস বা বাতি বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
Fish, Deer ও Sheep শব্দগুলোর Singular এবং Plural রূপ একই থাকে।
সঠিক উত্তর: B) W.B. Yeats
কেন সঠিক:
- W.B. Yeats মূলত বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত আইরিশ কবি ও নাট্যকার ছিলেন।
- তিনি উপন্যাস রচনার জন্য পরিচিত ছিলেন না, বরং তার প্রধান কীর্তি কবিতা ও কাব্যনাট্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Charles Dickens — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিশ্বখ্যাত ঔপন্যাসিক ছিলেন।
B) W.B. Yeats — তিনি উপন্যাসিক নন, বরং সাহিত্যের নোবেলজয়ী একজন বিশিষ্ট কবি।
C) James Joyce — তিনি আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যের একজন বিখ্যাত ও প্রভাবশালী ঔপন্যাসিক।
D) Jane Austen — তিনি অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতকের একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক।
মনে রাখার টিপস:
ইয়েটস নাম দেখলেই মনে রাখবে তিনি কবি, ঔপন্যাসিক নন।
সঠিক উত্তর: D) Oxen
কেন সঠিক:
- অক্স শব্দের বহুবচন হলো অক্সেন, যার শেষে এন যুক্ত হয়ে প্লুরাল গঠিত হয়েছে।
- এটি ইংরেজি ব্যাকরণের অনিয়মিত বহুবচনের একটি ব্যতিক্রমী নিয়ম অনুসরণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) School — এটি একটি একক বা সিঙ্গুলার কাউন্টেবল নাউন, যার বহুবচন হলো স্কুলস।
B) Mathematics — দেখতে প্লুরালের মতো হলেও এটি একটি সিঙ্গুলার নাউন যা একটি নির্দিষ্ট বিষয়কে বোঝায়।
C) Leaf — এটি একটি সিঙ্গুলার নাউন, যার সঠিক প্লুরাল ফর্ম হলো লিভস।
D) Oxen — এটি প্রদত্ত শব্দের সঠিক প্লুরাল ফর্ম এবং সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
কিছু নাউনের শেষে ই এন বা আর ই এন যুক্ত করে প্লুরাল করা হয়, যেমন অক্স থেকে অক্সেন এবং চাইল্ড থেকে চিলড্রেন।
সঠিক উত্তর: B) Allen Ginsberg
কেন সঠিক:
- আমেরিকান বিখ্যাত কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যশোর রোডের শরণার্থী শিবিরের দুর্দশা দেখে এই দীর্ঘ কবিতাটি রচনা করেছিলেন।
- এটি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মানুষের ওপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্যাতন এবং ভারতে আশ্রয় নেওয়া লাখ লাখ শরণার্থীর কষ্ট ও যন্ত্রণার প্রামাণিক দলিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Madhusudan Dutt — মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য রচয়িতা এবং রোমান্টিক কবি, ১৯৭১ সালের এই ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) Allen Ginsberg — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি সঠিক এবং এটি যশোর রোডের শরণার্থী শিবির নিয়ে লেখা তাঁর বিখ্যাত কবিতা।
C) Kaiser Huq — কায়েস হক বাংলাদেশের একজন সমসাময়িক প্রখ্যাত ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক ও কবি, যিনি এই কবিতার রচয়িতা নন।
D) Vikram Seth — বিক্রম শেঠ একজন ভারতীয় ঔপন্যাসিক ও কবি, যিনি মূলত 'এ সুইটেবল বয়' উপন্যাসের জন্য পরিচিত এবং এই কবিতার সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সময় যশোর রোডের করুণ দৃশ্য দেখে বিখ্যাত আমেরিকান কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ কবিতা লিখেছিলেন।
সঠিক উত্তর: A) Theology
কেন সঠিক:
- Theology শব্দটি গ্রিক শব্দ Theos যার অর্থ ঈশ্বর এবং Logia যার অর্থ অধ্যায়ন থেকে এসেছে।
- এটি মূলত ধর্মবিশ্বাস, ঈশ্বর এবং ঐশ্বিক বিষয়াদি নিয়ে তাত্বিক আলোচনা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Theology — এটি ধর্মের তাত্ত্বিক ও ধর্মীয় মতবাদ সংক্রান্ত অধ্যয়ন নির্দেশ করে।
B) Regionology — এটি কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের ভৌগোলিক বা আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করে।
C) Anthropology — এটি মানবজাতি, তাদের সমাজ, সংস্কৃতি এবং শারীরিক বিকাশ নিয়ে গবেষণা করে।
D) Apiology — এটি প্রাণিবিজ্ঞানের একটি শাখা যা মৌমাছি নিয়ে গবেষণা করে।
মনে রাখার টিপস:
Theos অর্থ ঈশ্বর, তাই ধর্মের বা ঈশ্বরের অধ্যয়নকে Theology বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) Charles Dickens
কেন সঠিক:
- চার্লস ডিকেন্সের উপন্যাসে লন্ডন শহর কেবল পটভূমি নয়, বরং জীবন্ত একটি চরিত্র হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে।
- তার উপন্যাসের কুয়াশা, অলিগলি এবং মানুষের জীবনযাত্রা লন্ডনকে প্রাণবন্ত সত্তা হিসেবে ফুটিয়ে তোলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Thomas Hardy — থমাস হার্ডি প্রধানত ওয়ারেক্সিয়ার গ্রামীণ পটভূমি এবং প্রকৃতির রূপ নিয়ে সাহিত্য রচনা করেছেন।
B) Charles Dickens — চার্লস ডিকেন্সের উপন্যাসে লন্ডন শহর একটি জীবন্ত সত্তা বা চরিত্রের রূপ লাভ করেছে।
C) D. H. Lawrence — ডি এইচ লরেন্স মূলত আধুনিক মানুষের মনস্তত্ত্ব, সম্পর্ক এবং শিল্পায়নের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে লিখেছেন।
D) W. Congreve — উইলিয়াম কংরিভ রেস্টোরেশন যুগের একজন বিখ্যাত নাট্যকার, যিনি কমেডি অফ ম্যানার্স রচনার জন্য পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
লন্ডন শহরকে জীবন্ত সত্তা হিসেবে ডিকেন্সের উপন্যাসে পাওয়া যায়, তাই ডিকেন্স ও লন্ডন একসঙ্গে মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) very
কেন সঠিক:
- Sweet একটি সাধারণ Adjective, যার পূর্বে মাত্রা বোঝাতে Positive Degree হিসেবে Very ব্যবহৃত হয়।
- Very সাধারণত Adjective বা Adverb-এর সাধারণ মাত্রা বা তীব্রতা প্রকাশ করতে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) very — এটি বাক্যের শূন্যস্থানের জন্য সঠিক এবং ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল অপশন।
B) too much — এটি সাধারণত Noun-এর পূর্বে বসে, কিন্তু sweet একটি Adjective হওয়ায় এখানে এটি বসবে না।
C) much too — এটি Unpleasant বা অপছন্দনীয় কোনো Adjective-এর পূর্বে বসে, কিন্তু sweet একটি ভালো গুণ তাই এটি ভুল।
D) excessive — এটি একটি Noun বা Adjective, যা এখানে Adverb-এর কাজ করতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
ভালো গুণ বা সাধারণ বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে Adjective-এর পূর্বে Very বসে এবং অপছন্দনীয় বা খারাপ গুণের ক্ষেত্রে Much too বসে।
সঠিক উত্তর: B) Permanent
কেন সঠিক:
- Transitory শব্দের অর্থ ক্ষণস্থায়ী বা অল্পস্থায়ী, যা দ্রুত শেষ হয়ে যায়।
- Permanent শব্দের অর্থ স্থায়ী, যা দীর্ঘস্থায়ী বা চিরস্থায়ী বোঝায় এবং এটি transitory এর বিপরীতার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Temporary — এটি transitory শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
B) Permanent — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি transitory শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) Transparent — এর অর্থ স্বচ্ছ, যা শব্দের অর্থের সাথে সম্পর্কহীন।
D) Short-lived — এটি transitory শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Transitory মানে ট্রেনের টিকিটের মতো ক্ষণস্থায়ী, আর Permanent মানে পার্মানেন্ট মার্কারের লেখার মতো স্থায়ী।
সঠিক উত্তর: B) Conflict
কেন সঠিক:
- Concord শব্দের অর্থ হলো মিল, সম্প্রীতি বা শান্তি।
- Conflict শব্দের অর্থ হলো দ্বন্দ্ব, অনৈক্য বা বিরোধ, যা Concord শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Harmony — এর অর্থ মিল বা সামঞ্জস্য, যা Concord শব্দের সমার্থক বা Synonym।
B) Conflict — এর অর্থ দ্বন্দ্ব বা বিরোধ, যা Concord শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ বা Antonym।
C) Thrifty — এর অর্থ মিতব্যয়ী, যা এই প্রশ্ন বা প্রসঙ্গের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) Scanty — এর অর্থ অপ্রচুর বা স্বল্প, যা এই প্রশ্ন বা প্রসঙ্গের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Concord মানে শান্তি এবং Conflict মানে দ্বন্দ্ব; দুটি সম্পূর্ণ বিপরীত ধারণা।
সঠিক উত্তর: D) Face
কেন সঠিক:
- পার্সি বিশি শেলি রচিত ওজিম্যান্ডিয়াস কবিতায় ভাইসেজ শব্দটি মুখের অবয়ব বা চেহারা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়েছে।
- কবিতার বিখ্যাত লাইনে ভগ্ন মূর্তির উপরিভাগের মুখাবয়ব বা ফেস বোঝাতে এই শব্দটি প্রয়োগ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Body — এটি সম্পূর্ণ শরীরকে বোঝায়, যা ভগ্ন মূর্তির শুধুমাত্র মুখাবয়বের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) Sculpture — এটি পুরো ভাস্কর্য বা শিল্পকর্মকে নির্দেশ করে, যা মুখের সুনির্দিষ্ট অংশ ভাইসেজ শব্দের সঠিক অর্থ নয়।
C) Statue— এটি আস্ত একটি পূর্ণাঙ্গ বা বিশাল মূর্তিকে বোঝায়, যা মুখের অবয়বের সমার্থক নয়।
D) Face — এটি মুখের চেহারা বোঝায়, যা ভাইসেজ শব্দের সঠিক ও সরাসরি বাংলা অর্থ।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি ভিসেজ শব্দের অর্থ মুখ বা চেহারা, যা ওজিম্যান্ডিয়াস কবিতার মূর্তির ভাঙা মুখের অংশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) Privilege
কেন সঠিক:
- Franchise শব্দের অর্থ ভোটাধিকার, বিশেষ অধিকার বা বিশেষ সুবিধা।
- Privilege শব্দের অর্থও বিশেষ অধিকার বা সুবিধা, যা Franchise শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Utility — এর অর্থ উপযোগিতা বা ব্যবহার্য বস্তু, যা Franchise শব্দের অর্থের সাথে মেলে না।
B) Frankness — এর অর্থ খোলামেলা ভাব বা স্পষ্টবাদিতা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Privilege — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনে রয়েছে।
D) Superficial — এর অর্থ অগভীর বা ভাসাভাসা, যা Franchise শব্দের সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Franchise এবং Privilege উভয় শব্দই বিশেষ অধিকার বা সুযোগ পাওয়ার অবস্থাকে বোঝায়।
সঠিক উত্তর: C) Sovereignty
কেন সঠিক:
- বানানটিতে Sov - ere - ign - ty এভাবে সঠিক অক্ষর বিন্যাস ব্যবহার করা হয়েছে।
- শব্দটির অর্থ সার্বভৌমত্ব এবং এর বানানটি ইংরেজি মানদণ্ড অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Soverinty — এই বানানটিতে ereign অংশটি ভুলভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে।
B) Sovereigintity — এই বানানটিতে অতিরিক্ত অক্ষর যুক্ত করে বানানটি ভুল করা হয়েছে।
C) Sovereignty — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
D) Soverignty — এই বানানটিতে সঠিক শব্দটির মাঝের গুরুত্বপূর্ণ অক্ষরগুলো অনুপস্থিত রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Sovereign লিখে শেষে ty যোগ করলে খুব সহজে বানানটি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) tolerate
কেন সঠিক:
- 'Put up with' একটি ইংরেজি ফ্রেজ বা ইডিয়ম, যার অর্থ হলো কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা বিরক্তিকর আচরণ সহ্য করা।
- প্রদত্ত সঠিক উত্তর B অপশনের 'tolerate' শব্দটির অর্থও সহ্য করা বা বরদাস্ত করা, যা মূল ইডিয়মের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) stay together — এর অর্থ একত্রে থাকা, যা 'put up with' ইডিয়মের অর্থ সহ্য করার সাথে মেলে না।
B) tolerate — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ সহ্য করা, যা মূল ইডিয়মের সঠিক সমার্থক শব্দ।
C) keep trust — এর অর্থ বিশ্বাস রাখা বা রক্ষা করা, যা আলোচ্য ইডিয়মের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ।
D) protect — এর অর্থ রক্ষা করা বা নিরাপত্তা দেওয়া, যা কোনো অবস্থাতেই সহ্য করা অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
কাউকে সহ্য করা খুব কঠিন হলেও তা পুষিয়ে (put up) রাখা বা মেনে নেওয়া হলো 'put up with' অর্থাৎ সহ্য করা বা tolerate করা।
সঠিক উত্তর: B) Geoffrey Chaucer
কেন সঠিক:
- 'The House of Fame' মধ্যযুগের ইংরেজি সাহিত্যের বিখ্যাত কবি জিওফ্রে চসারের একটি বিখ্যাত কবিতা।
- এটি তাঁর ইতালীয় সাহিত্য দ্বারা প্রভাবিত রচনার অন্যতম এবং এতে স্বপ্নের রূপক ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Francis Bacon — তিনি একজন প্রখ্যাত ইংরেজ প্রাবন্ধিক ও দার্শনিক ছিলেন, কোনো কবিতা বা সাহিত্যের এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
B) Geoffrey Chaucer — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই 'The House of Fame' কবিতার রচয়িতা।
C) William Lanlord — এটি মূলত উইলিয়াম ল্যাংল্যান্ড (William Langland) বোঝানো হয়েছে, যিনি 'Piers Plowman' মহাকাব্যের রচয়িতা।
D) John Wycliffe — তিনি একজন ধর্মীয় সংস্কারক ও বাইবেলের প্রথম ইংরেজি অনুবাদক ছিলেন, এই সাহিত্যকর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
মনে রাখার টিপস:
চসারকে ফাদার অফ ইংলিশ পোয়েট্রি বলা হয়, আর তাঁর ফেম বা খ্যাতি ছড়ানোর জন্য 'House of Fame' মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) Amoral
কেন সঠিক:
- 'Amoral' শব্দটিতে 'A-' একটি প্রিফিক্স বা উপসর্গ হিসেবে যুক্ত হয়েছে।
- 'Moral' শব্দের পূর্বে 'A-' যুক্ত হয়ে এর বিপরীতার্থক বা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করেছে যার অর্থ অনৈতিক বা নৈতিকতাবর্জিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Amoral - এটি সঠিক উত্তর এবং এখানে 'A-' প্রিফিক্স যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে।
B) Authentic - এটি একটি মূল শব্দ যার অর্থ খাঁটি বা প্রামাণ্য, এখানে কোনো প্রিফিক্স যুক্ত হয়নি।
C) Amnesia - এটি গ্রিক মূল শব্দ থেকে এসেছে যার অর্থ স্মৃতিভ্রম, এখানে 'Am-' কোনো আলাদা প্রিফিক্স নয়।
D) Aspersions - এটি একটি নাউন যার মূল শব্দের সঙ্গে সাফিক্স যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে, এখানে কোনো প্রিফিক্স নেই।
মনে রাখার টিপস:
কোনো শব্দের শুরুতে 'A' বা 'An' যুক্ত হয়ে যদি তার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, তবে সেটিকে সাধারণত প্রিফিক্স হিসেবে ধরা হয়।
সঠিক উত্তর: B) Perseverance
কেন সঠিক:
- সঠিক বানানটি হলো perseverance যার অর্থ অধ্যবসায় বা দীর্ঘস্থায়ী চেষ্টা।
- এই শব্দটিতে পের (Per) এর পরে সেভার (sever) এবং শেষে অ্যান্স (ance) অংশ যুক্ত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Perslvearence — এখানে সেভার অংশের বানান ভুল এবং শেষের অংশ ance এর পরিবর্তে earence লেখা হয়েছে।
B) Perseverance — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ একটানা চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।
C) Perseverence — এখানে শেষের অংশ ance এর পরিবর্তে ence লেখা হয়েছে যা সঠিক বানান নয়।
D) Persiverence — এখানে পের অংশের বানান ভুল এবং শেষের অংশ ence লেখা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটিকে ভেঙে মনে রাখতে পারো: Per + sever + ance, যেখানে মাঝখানের sever অংশটি মনে রাখলে বানান ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: B) a weak point
কেন সঠিক:
- 'Achilles heel' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা ফ্রেজ, যার আক্ষরিক অর্থ হলো দুর্বল জায়গা বা দুর্বল দিক।
- গ্রিক পুরাণের বীর অ্যাকিলিসকে তার মা জন্মের পর নদীের জলে ডুবিয়েছিলেন অমর করার জন্য, কিন্তু গোড়ালি ধরে রাখায় গোড়ালি ভেজা হয়নি এবং সেটাই তার একমাত্র দুর্বলতা বা মৃত্যুর কারণ হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a strong point — এটি 'Achilles heel' ফ্রেজের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, কারণ এর অর্থ শক্তিশালী দিক।
B) a weak point — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং প্রশ্নানুযায়ী প্রযোজ্য।
C) a permanent solution — এর অর্থ স্থায়ী সমাধান, যা এই ফ্রেজের দুর্বলতা বা সমস্যার অর্থ প্রকাশ করে না।
D) a serious idea — এর অর্থ একটি গুরুতর ধারণা, যা শারীরিক বা মানসিক কোনো দুর্বলতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
গ্রিক বীর অ্যাকিলিসের গোড়ালিতে আঘাত করেই তাকে বধ করা হয়েছিল, তাই গোড়ালি বা 'heel' হলো মানুষের যেকোনো দুর্বল বা অরক্ষিত জায়গা।
সঠিক উত্তর: A) Anno Domini
কেন সঠিক:
- ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ Anno Domini-র সংক্ষিপ্ত রূপ হলো AD, যার বাংলা অর্থ খ্রিস্টাব্দ বা যিশু খ্রিস্টের জন্মের পরের বছরসমূহ।
- ইতিহাস ও সন গণনায় খ্রিস্টপূর্ব বা BC এর পরবর্তী সময়কাল বোঝাতে এই পরিভাষা ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Anno Domini — এটি সঠিক উত্তর এবং এর মাধ্যমেই খ্রিস্টাব্দের পরবর্তী সময়কাল নির্দেশ করা হয়।
B) Anti-Dot — এটি একটি অর্থহীন বা কাল্পনিক শব্দ, চিকিৎসাবিজ্ঞান বা অন্য কোনো ক্ষেত্রে এর কোনো ঐতিহাসিক বা ভাষাগত প্রাসঙ্গিকতা নেই।
C) After Death — এটি একটি প্রচলিত ভুল ধারণা, অনেক সাধারণ মানুষ মনে করেন AD মানে মৃত্যুর পরের বছর, কিন্তু ল্যাটিন ব্যাকরণে এটি সঠিক নয়।
D) Add Data — এটি একটি কম্পিউটার বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক পরিভাষা, যা ঐতিহাসিক সন গণনার সঙ্গে সম্পূর্ণ অসংগত।
মনে রাখার টিপস:
AD দেখলে মনে রাখবে এটি ল্যাটিন শব্দ Anno Domini, যার অর্থ যিশু খ্রিস্টের জন্মের পরের বছর।
সঠিক উত্তর: C) Adjective
কেন সঠিক:
- 'Still' শব্দটি এখানে Noun 'waters'-এর ঠিক পূর্বে বসে পানির অবস্থাকে নির্দেশ করছে।
- কোনো Noun-এর পূর্বে বসে তার দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করলে তা Adjective হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Noun — Still এখানে কোনো নাম বোঝাচ্ছে না, বরং Noun-কে বিশেষিত করছে।
B) Pronoun — Still এখানে কোনো পদের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়নি।
D) Adverb — Still এখানে কোনো Verb, Adjective বা অন্য কোনো Adverb-কে বিশেষিত করছে না।
মনে রাখার টিপস:
Noun-এর ঠিক আগের শব্দটি সাধারণত Adjective হয়, যেমন শান্ত পানি বোঝাতে 'Still' এখানে Adjective-এর কাজ করেছে।
সঠিক উত্তর: C) very rarely
কেন সঠিক:
- 'Once in a blue moon' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ কদাচিৎ বা খুব বিরল ঘটনা।
- চাঁদ নীল রঙের হয় না, তাই এই ধরনের বিরল দৃশ্য বোঝাতেই এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) always — এই শব্দের অর্থ সর্বদা, যা 'very rarely' বা বিরল অর্থের ঠিক বিপরীত।
B) nearly — এই শব্দের অর্থ প্রায়, যা কোনো নির্দিষ্ট বিরل সময়কে নির্দেশ করে না।
C) very rarely — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বাগধারাটির আক্ষরিক ও ভাবার্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
D) hourly — এই শব্দের অর্থ ঘণ্টায় ঘণ্টায় বা প্রতি ঘণ্টায়, যা অত্যন্ত ঘন ঘন ঘটার ঘটনা বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
চাঁদ কদাচিৎ নীল দেখা যায়, তাই 'blue moon' দেখলে বুঝবেন সেটি খুব বিরল ঘটনা বা 'very rarely'।
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Idioms and Phrases)
সঠিক উত্তর: A) Unreliable person
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে সি অপশন দেওয়া থাকলেও, সঠিক উত্তর হবে এ অপশন। কারণ 'A bad egg' ইডিয়মটির প্রচলিত ও সঠিক অর্থ হলো অবিশ্বাসী বা অসৎ ব্যক্তি।
কেন সঠিক:
- 'A bad egg' একটি ইংরেজি প্রবাদপ্রতিম ইডিয়ম যার শাব্দিক অর্থ খারাপ ডিম হলেও রূপক অর্থে এটি এমন একজন অবিশ্বাসী বা সমস্যা সৃষ্টকারী ব্যক্তিকে বোঝায় যাকে বিশ্বাস করা যায় না।
- বাংলা ভাষায় একে আমরা অপদার্থ, কুলাঙ্গার বা অবিশ্বাসী মানুষ বলতে পারি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Unreliable person — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ অবিশ্বাসী বা অবিশ্বস্ত ব্যক্তি যা ইডিয়মটির সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
B) Dangerous person — এর অর্থ বিপজ্জনক ব্যক্তি, যা ইডিয়মটির মূল ভাব অবিশ্বাসী বা অসৎ হওয়ার সঙ্গে সরাসরি মিলে না।
C) A person who cannot create anything — এর অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যে কিছু তৈরি করতে পারে না, যা এই ইডিয়মের অর্থ বহন করে না।
D) None of these — সঠিক উত্তর এ অপশনে থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস: ডিমের মধ্যে একটি পচা বা খারাপ ডিম যেমন পুরো ঝুড়ির ভালো ডিম নষ্ট করে, তেমনি সমাজের একজন 'bad egg' বা অসৎ মানুষ সবাইকে বিপদে ফেলে।
সঠিক উত্তর: A) Generosity
কেন সঠিক:
- 'Bounty' শব্দের অর্থ উদারতা, প্রাচুর্য বা বড়াই করে দান করা।
- 'Generosity' শব্দের অর্থ উদারতা বা মুক্তহস্তে দান করার প্রবৃত্তি, যা 'bounty' শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Generosity — সঠিক উত্তর কারণ এটি উদারতা ও দাক্ষিণ্য বোঝায় যা বাউন্টি শব্দের সমার্থক।
B) Familiar — এর অর্থ পরিচিত বা সুপরিচিত, যা প্রদত্ত শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
C) Dividing line — এর অর্থ বিভাজক রেখা বা সীমারেখা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি ধারণা।
D) Sympathy — এর অর্থ সহানুভূতি বা সমবেদনা, যা উদারতা বা প্রাচুর্যের সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
'Bounty' থেকে 'Bountiful' বা প্রচুর উপহার মনে রাখতে পারেন, আর বড় মনের মানুষই প্রাচুর্য থেকে উদারতা (Generosity) দেখান।
সঠিক উত্তর: D) Bounden
কেন সঠিক:
- 'Bounden' শব্দটির শেষ অংশ দেখে এটিকে অনেক সময় পাস্ট পার্টিসিপল মনে হলেও এটি আসলে একটি প্রাচীন বা বিশেষণের মতো ব্যবহৃত শব্দ (Adjective)।
- এটি সাধারণত অপরিবর্তিত রূপ হিসেবে কোনো বিশেষ নাউনের আগে বসে (যেমন: bounden duty)।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Threaten — এটি একটি Verb যার অর্থ হুমকি দেওয়া, এর সাথে 'en' যুক্ত হয়ে Verb গঠিত হয়েছে।
B) Worsen — এটি একটি Verb যার অর্থ অবনতি হওয়া, এটিও 'en' প্রত্যয়যুক্ত একটি Verb।
C) Flatter — এটি একটি Verb যার অর্থ তোষামোদ করা বা চাটুকারিতা করা।
D) Bounden — এটি Verb নয় বরং একটি Adjective যা সাধারণত নির্দিষ্ট কিছু বাক্যে বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দে 'en' যুক্ত থাকলে অনেক সময় তা Verb হয়, তবে 'Bounden' শব্দটি ব্যতিক্রম যা সবসময় Adjective হিসেবে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয়
প্রদত্ত তথ্য:
টাকায় পাঁচটি মার্বেল বিক্রয় করা হয়
১২% ক্ষতি হয় এবং ১০% লাভ করতে হবে
ধরি,
মার্বেলটির ক্রয়মূল্য এক টাকা
১২% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য সমান একশ বিয়োগ বারো অর্থাৎ আটাশি টাকা
অতএব,
প্রথম ক্ষেত্রে পাঁচটি মার্বেল বিক্রয়ের মূল্য আটাশি টাকা
১০% লাভে বিক্রয়মূল্য সমান একশ যোগ দশ অর্থাৎ একশ দশ টাকা
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে,
একশ দশ টাকায় মার্বেল বিক্রয় করতে হবে পাঁচটি
এক টাকায় মার্বেল বিক্রয় করতে হবে পাঁচ গুণ একশ দশ ভাগ আটাশি টি
সুতরাং,
এক টাকায় মার্বেল বিক্রয় করতে হবে পাঁচ জন মার্বেল অর্থাৎ চার দশমিক নয় পাঁচটি
উত্তর: চারটি মার্বেল
সঠিক উত্তর: D) ২xy
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় রাশিটি হলো x² − ৮x − ৮y + ১৬ + y²
ধরি,
রাশিটিকে সাজিয়ে পাই x² + y² − ৮x − ৮y + ১৬
অতএব,
পূর্ণ বর্গ করার জন্য প্রয়োজনীয় সূত্র হলো (x − ৪)² + (y − ৪)²
পরবর্তী ধাপে পাই,
x² − ৮x + ১৬ + y² − ৮y + ১৬
সুতরাং,
অতিরিক্ত যোগ করতে হবে ২xy
উত্তর: ২xy
সঠিক উত্তর: B) ৫০%
প্রদত্ত তথ্য:
এক টাকায় ৩টি করে আম ক্রয় করা হয়
এক টাকায় ২টি করে আম বিক্রয় করা হয়
ধরি,
৩টি আমের ক্রয়মূল্য = ১ টাকা
২টি আমের বিক্রয়মূল্য = ১ টাকা
অতএব,
১টি আমের ক্রয়মূল্য = ১ ÷ ৩ টাকা
১টি আমের বিক্রয়মূল্য = ১ ÷ ২ টাকা
সুতরাং,
লাভ = (১ ÷ ২) − (১ ÷ ৩) টাকা = (৩ − ২) ÷ ৬ টাকা = ১ ÷ ৬ টাকা
উত্তর: শতকরা লাভ = ((১ ÷ ৬) ÷ (১ ÷ ৩)) × ১০০% = ৫০%
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয়
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = ৬ গুণ a এর বর্গ গুণ b গুণ c
দ্বিতীয় রাশি = ৪ গুণ a এর ঘন গুণ b এর বর্গ গুণ c এর বর্গ
ধরি,
সংখ্যা সহগ দুটির মান = ৬ এবং ৪
বীজগণিতীয় রাশিগুলোর সাধারণ উৎপাদক = a এবং b এবং c
অতএব,
সংখ্যা ৬ এবং ৪ এর গসাগু = ২
a এর সর্বোচ্চ সাধারণ ঘাত = a এর বর্গ
b এবং c এর সাধারণ ঘাত = b এবং c
সুতরাং,
পূর্ণ সাংখ্যিক এবং বীজগণিতীয় গসাগু = ২ গুণ a এর বর্গ গুণ b গুণ c
যা ২a স্কয়ার bc এর সমান
উত্তর: ২a স্কয়ার bc (যেহেতু অপশনে ২a স্কয়ার bc নেই, তাই সঠিক উত্তর কোনটিই নয়)
সঠিক উত্তর: B) ৩০ মিনিট পর
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ঘড়িটি বাজে প্রতি ১০ মিনিট অন্তর
দ্বিতীয় ঘড়িটি বাজে প্রতি ১৫ মিনিট অন্তর
ধরি,
ঘড়ি দুটি একসাথে বাজার পর পরবর্তী একসাথে বাজার সময়টি হবে ১০ এবং ১৫ এর লসাগু
অতএব,
১০ এর গুণিতকগুলি হলো ১০, ২০, ৩০, ৪০, ৫০
১৫ এর গুণিতকগুলি হলো ১৫, ৩০, ৪৫, ৬০
সুতরাং,
১০ এবং ১৫ এর লসাগু বা ক্ষুদ্রতম সাধারণ গুণিতক হলো ৩০
উত্তর: ৩০ মিনিট পর
সঠিক উত্তর: C) ৪ গুণ
প্রদত্ত তথ্য:
একটি সরলরেখা এবং তার অর্ধেকের উপর বর্গ অঙ্কিত হয়েছে
ধরি,
সরলরেখাটির দৈর্ঘ্য = ক
সরলরেখার অর্ধেকের দৈর্ঘ্য = ক ÷ ২
অতএব,
সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = ক × ক = ক২
অর্ধেকের উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = (ক ÷ ২) × (ক ÷ ২) = ক২ ÷ ৪
সুতরাং,
বর্গ দুটির তুলনামূলক অনুপাত = ক২ ÷ (ক২ ÷ ৪) = ৪
উত্তর: ৪ গুণ
সঠিক উত্তর: D) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
x − (১ ÷ x) = ১
ধরি,
বীজগণিতের মান নির্ণয়ের সূত্র ব্যবহার করতে হবে
এখানে প্রদত্ত মান হলো x − (১ ÷ x) = ১
আমরা জানি ঘন এর অনুসিদ্ধান্ত হলো (a − b) এর হোল কিউব + ৩ab গুণ (a − b)
অতএব,
প্রদত্ত রাশিটি হলো x এর কিউব − (১ ÷ x এর কিউব)
সূত্র অনুযায়ী মান বসাই প্রথম অংশ হবে ১ এর কিউব
দ্বিতীয় অংশ হবে ৩ গুণ ১
সুতরাং,
হিসাব করে পাই ১ + ৩
যোগফল হলো ৪
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: A) ৪৫০
প্রদত্ত তথ্য:
আসল (P) = ১০০০০ টাকা
সুদের হার (r) = ৬% বা ৬ ÷ ১০০
সময় (n) = ৯ মাস বা ৯ ÷ ১২ বছর
ধরি,
সরলসুদ = I
অতএব,
I = P × n × r
সুতরাং,
I = ১০০০০ × (৯ ÷ ১২) × (৬ ÷ ১০০)
I = ১০০০০ × (৩ ÷ ৪) × (৬ ÷ ১০০)
উত্তর: ৪৫০ টাকা
সঠিক উত্তর: C) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার অনুপাত = ৫ : ৬
সংখ্যা দুটির গসাগু = ৪
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৫ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৬ক
সংখ্যা দুটির গসাগু = ক
অতএব,
ক = ৪
প্রথম সংখ্যাটি = ৫ × ৪ = ২০
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৬ × ৪ = ২৪
সুতরাং,
ছোট সংখ্যাটি = ২০
উত্তর: ২০
সঠিক উত্তর: C) ১/২
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো চার এর পাওয়ার এক্স যোগ চার এর পাওয়ার এক বিয়োগ এক্স সমান চার।
ধরি,
চার এর পাওয়ার এক্স সমান ওয়াই
অতএব,
ওয়াই যোগ চার ভাগ ওয়াই সমান চার
সুতরাং,
ওয়াই স্কয়ার বিয়োগ চার ওয়াই যোগ চার সমান শূন্য
উত্তর: এক্স সমান এক ভাগ দুই
সঠিক উত্তর: D) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ = ১৩৫ ডিগ্রি
ধরি,
বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা = ক
অতএব,
বহুভুজটির একটি বহিঃকোণের পরিমাণ = ১৮০ ডিগ্রি − ১৩৫ ডিগ্রি = ৪৫ ডিগ্রি
সুতরাং,
আমরা জানি বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা = ৩৬০ ডিগ্রি ভাগ বহিঃকোণের পরিমাণ
উত্তর: ৩৬০ ডিগ্রি ভাগ ৪৫ ডিগ্রি = ৮
সঠিক উত্তর: C) ১০
প্রদত্ত তথ্য:
x ও y এর মানের গড় ৯
z এর মান ১২
ধরি,
x ও y এর যোগফল = ৯ × ২ = ১৮
z এর মান = ১২
অতএব,
তিনটি সংখ্যার মোট যোগফল = ১৮ + ১২ = ৩০
মোট সংখ্যার পরিমাণ = ৩
সুতরাং,
x, y এবং z এর মানের গড় = ৩০ ÷ ৩ = ১০
উত্তর: ১০
সঠিক উত্তর: D) ৪৪%
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাস বৃদ্ধি করা হয়েছে ২০%
ধরি,
বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r
আদি ক্ষেত্রফল = pi × r × r
অতএব,
নতুন ব্যাস ২০% বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন ব্যাসার্ধ হবে ১.২০r
নতুন ক্ষেত্রফল হবে pi × (১.২০r) × (১.২০r)
নতুন ক্ষেত্রফল হবে ১.৪৪ × pi × r × r
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = (১.৪৪ − ১.০০) × ১০০%
উত্তর: ৪৪%
সঠিক উত্তর: B) ১০০
প্রদত্ত তথ্য:
সমকোণী ত্রিভুজের ভূমি = ১২ মিটার
সমকোণী ত্রিভুজের উচ্চতা = ৫ মিটার
ধরি,
অতিভুজটি হলো ক মিটার
অতএব,
পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে, ক এর বর্গ = ১২ এর বর্গ + ৫ এর বর্গ
ক এর বর্গ = ১৪৪ + ২৫
ক এর বর্গ = ১৬৯
সুতরাং,
ক = √১৬৯
ক = ১৩ মিটার
উত্তর:
১৩ মিটার = ১৩০০ সেন্টিমিটার
অতিভুজ ভূমি অপেক্ষা বেশি = ১৩০০ সেন্টিমিটার − ১২০০ সেন্টিমিটার = ১০০ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর: B) ১৩৭
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা বা প্রতিষ্ঠার বিধান করার ক্ষমতা মহামান্য রাষ্ট্রপতির রয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলেই বাংলাদেশে সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৩৬ — এই অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের কার্যাবলি আইন দ্বারা সীমিত করার বিধান রয়েছে।
B) ১৩৭ — এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়।
C) ১৩৮ — এই অনুচ্ছেদে কমিশনের সদস্যদের নিয়োগ ও পদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
D) ১৪০ — এই অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব ও কার্যাবলি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদে কমিশন গঠন এবং ১৩৮ অনুচ্ছেদে সদস্য নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। গঠন আগে হয়, তাই ১৩৭ হলো কমিশন গঠনের অনুচ্ছেদ।
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকারের সাথে জি টু জি বা সরকার থেকে সরকার চুক্তির মাধ্যমে ভারত, চীন ও জাপান প্রত্যেকেই বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করেছে।
- বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এই দেশগুলোর জন্য পৃথক অর্থনৈতিক অঞ্চল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত — ভারত একা জি টু জি উদ্যোগে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করলেও চীন ও জাপানও একই প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকায় এই অপশনটি এককভাবে সম্পূর্ণ উত্তর নয়।
B) চীন — চীন জি টু জি উদ্যোগে অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন করলেও শুধু এই দেশটি এককভাবে উত্তর নয়, কারণ ভারত ও জাপানও এর সাথে জড়িত।
সি) জাপান — জাপানের পাশাপাশি ভারত ও চীনও জি টু জি চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করায় এটিও একমাত্র উত্তর নয়।
D) সবগুলো — ভারত, চীন এবং জাপান তিনটি দেশই জি টু জি উদ্যোগে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করায় এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
জি টু জি অর্থনৈতিক অঞ্চলের ক্ষেত্রে এশিয়ার তিন অর্থনৈতিক শক্তি ভারত, চীন এবং জাপান একত্রে যুক্ত আছে।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৫৪
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি এর দ্বিতীয় ইসলামিক সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্যপদ লাভ করে।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওই সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে যোগদানের মাধ্যমেই বাংলাদেশ এই সংস্থায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭৩ — এই সালে বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করেনি, কারণ তখনো এই সংস্থায় যোগদানের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি।
B) ১৯৭৪ — এটি সঠিক সাল, কারণ এই বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে লাহোর সম্মেলনে বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করে।
C) ১৯৭৫ — এই সালটি সঠিক নয়, কারণ বাংলাদেশ এর এক বছর আগেই ওআইসি এর সদস্যপদ পেয়েছিল।
D) ১৯৭৬ — এই সালটি ভুল, কারণ ১৯৭৪ সালেই বাংলাদেশ সংস্থটির আনুষ্ঠানিক সদস্যপদ অর্জন করেছিল।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে স্বাধীন দেশের স্বীকৃতি পাওয়ার পর পরই ওআইসি এর সদস্য হয়, যা মনে রাখতে বাহাত্তরের দুই বছর পর অর্থাৎ চুয়াত্তর সালটি মনে রাখতে হবে।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) ২১/১১/২০২১
কেন সঠিক:
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন চিকিৎসাজনিত কারণে অ্যানেস্থেসিয়া নেওয়ার সময় নিয়ম অনুযায়ী দেশটির ক্ষমতা সাময়িকভাবে ভাইস প্রেসিডেন্টের কাছে হস্তান্তর করেন।
- এই প্রক্রিয়ায় মার্কিন ইতিহাসে প্রথম নারী হিসেবে কমলা হ্যারিস ২১ নভেম্বর ২০২১ তারিখে ৮৫ মিনিট বা প্রায় ৪৮ মিনিট নয়, বরং প্রায় ৮৫ মিনিটের জন্য ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। প্রদত্ত প্রশ্নে ৪৮ মিনিট উল্লেখ থাকলেও ক্ষমতা হস্ততারিখটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭/১১/২০২১ — এই তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতা হস্তান্তরের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি।
B) ১৯/১১/২০২১ — এই তারিখটি মার্কিন প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা হস্তান্তরের ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ২১/১১/২০২১ — এটিই সেই ঐতিহাসিক তারিখ যেদিন কমলা হ্যারিস প্রথমবারের মতো মার্কিন প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা সাময়িকভাবে লাভ করেছিলেন।
D) ২২/১১/২০২১ — এটি ঐতিহাসিক ক্ষমতার সাময়িক হস্তান্তরের পরবর্তী দিন, যা সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
নভেম্বর মাসের একুশ তারিখে কমলা হ্যারিস প্রথম নারী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িক ক্ষমতা পেয়েছিলেন।
সঠিক উত্তর: D) বিচার ব্যবস্থা
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক ছয় দফায় বিচার ব্যবস্থার কোনো আলাদা দফা ছিল না।
- ছয় দফার আওতায় শাসনতন্ত্র, অর্থনীতি, মুদ্রা এবং প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত ক্ষমতা অন্তর্ভুক্ত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শাসনতান্ত্রিক কাঠামো — ছয় দফার প্রথম দফায় পাকিস্তানের শাসনতান্ত্রিক কাঠামো কেমন হবে তা উল্লেখ ছিল।
B) কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা — ছয় দফার দ্বিতীয় দফায় কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা কেবল প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক মুদ্রার মধ্যে সীমিত রাখার কথা বলা হয়েছিল।
C) স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা — ছয় দফার তৃতীয় দফায় দুটি পৃথক বা দুটি মুক্ত মুদ্রার প্রচলনের কথা বলা হয়েছিল।
D) বিচার ব্যবস্থা — এই বিষয়টি ছয় দফার কোনো দফায় অন্তর্ভুক্ত ছিল না বিধায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
ছয় দফার বিষয়গুলো মনে রাখতে শাসনতন্ত্র, অর্থনীতি, মুদ্রা, কর, বৈদেশিক বাণিজ্য ও মিলিশিয়া এই মূল ক্ষেত্রগুলো মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) চীন
কেন সঠিক:
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী চীন বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বৃহত্তম পণ্য বাণিজ্যের অংশীদার।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে চীনের পণ্যের আমদানি ও রপ্তানি পরিমাণ অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় সবচেয়ে বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাজ্য — ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রেক্সিটের মাধ্যমে বেরিয়ে যাওয়ার পর যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাণিজ্যের পরিমাণ আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।
B) চীন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) কানাডা — কানাডার সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ভালো হলেও তা চীনের মতো এত বিশাল পরিসরের নয়।
D) জাপান — জাপানের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি থাকলেও সামগ্রिक বাণিজ্যের দিক থেকে চীন এগিয়ে রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ইউরোপের বাজারে সবচেয়ে বেশি পণ্য পাঠায় এবং ইউরোপ থেকে সবচেয়ে বেশি পণ্য কেনে এশিয়ার পরাশক্তি চীন।
সঠিক উত্তর: A) আইসল্যান্ড
কেন সঠিক:
- আইসল্যান্ড বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বৈশ্বিক লিঙ্গ বৈষম্য প্রতিবেদনে টানা ১২ বছর ধরে নারী-পুরুষের সমতায় বিশ্বে প্রথম স্থান অধিকার করে আসছে।
- এই সূচকে রাজনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে লিঙ্গভিত্তিক ব্যবধান দূর করার ক্ষেত্রে দেশটির অর্জন বিশ্বে সর্বোচ্চ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইসল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ দেশটি এই সূচকে শীর্ষস্থান দখল করেছে।
B) ফিনল্যান্ড — এই প্রতিবেদনে দেশটি দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) নরওয়ে — এই সূচকে দেশটির অবস্থান উর্ধ্বমুখী হলেও শীর্ষস্থানে আইসল্যান্ড রয়েছে।
D) নিউজিল্যান্ড — লিঙ্গ সমতায় ভালো অবস্থানে থাকলেও দেশটি এই প্রতিবেদনের শীর্ষে নেই।
মনে রাখার টিপস:
লিঙ্গ সমতায় বরফের দেশ আইসল্যান্ড সবার শীর্ষে।
সঠিক উত্তর: A) হস্তলিপি বিদ্যা
কেন সঠিক:
- গ্রিক শব্দ ক্যালি অর্থ সুন্দর এবং গ্রাফিন অর্থ লেখা থেকে ক্যালিগ্রাফি শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।
- এটি মূলত সুন্দর ও শৈল্পিক হাতের লেখার শিল্পকে বোঝায়, যা বিভিন্ন ঐতিহাসিক নথিপত্র ও লিপিকলায় ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হস্তলিপি বিদ্যা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্যালিগ্রাফি বলতে সুন্দর হাতের লেখার শিল্প বা বিদ্যাকেই বোঝায়।
B) কালি কলমে আঁকা — এটি ছবি আঁকার একটি মাধ্যম হতে পারে, কিন্তু নির্দিষ্টভাবে সুন্দর হাতের লেখার শিল্পকে বোঝায় না।
C) রেখাচিত্র — এটি কোনো দৃশ্য বা বস্তুর রূপরেখা প্রকাশ করে, যা শৈল্পিক হস্তলিপির সংজ্ঞার আওতাভুক্ত নয়।
D) গ্রাফিক্স চিত্র — এটি আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি ডিজিটাল বা ভিজ্যুয়াল ডিজাইন, যা ঐতিহ্যবাহী হস্তলিপি থেকে আলাদা।
মনে রাখার টিপস:
ক্যালিগ্রাফি শব্দটির গ্রিক মূল ক্যালি মানে সুন্দর এবং গ্রাফ মানে লেখা, তাই এটি সুন্দর হাতের লিপি বা হস্তলিপি বিদ্যা।
সঠিক উত্তর: A) ১০ এপ্রিল ১৯৭১
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়।
- এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘোষণা করা স্বাধীনতাকে আইনগত ভিত্তি দেওয়া হয় এবং অধ্যাপক ইউসুফ আলী এটি পাঠ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়।
B) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারির দিন নয়, বরং এই দিনে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করে।
C) ৭ মার্চ ১৯৭১ — এই ঐতিহাসিক দিনে রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন, কিন্তু কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র জারি করা হয়নি।
D) ২৫ মার্চ ১৯৭১ — এই রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী অপারেশন সার্চলাইট পরিচালনা করে গণহত্যা শুরু করে এবং ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
মনে রাখার টিপস:
ঘোষণা আসে আগে (১০ এপ্রিল), সরকার শপথ নেয় পরে (১৭ এপ্রিল)।
সঠিক উত্তর: D) লন নল
কেন সঠিক:
- জেনারেল লন নল ১৯৭০ সালে কম্বোডিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান প্রিন্স নরোত্তম সিহানুককে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করেন।
- এরপর তিনি রাজতন্ত্র বিলোপ করে খেমার প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন এবং নিজেকে দেশের রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রিন্স নরোত্তম সিহানুক — তিনি কম্বোডিয়ার রাজা ও রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন, লন নলের অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হন এবং রাজতন্ত্র বিলোপ করেন।
B) হেন সামরিন — তিনি কম্বোডিয়ার একজন কমিউনিস্ট নেতা ও রাজনীতিবিদ ছিলেন, যিনি পরবর্তীকালে পল পটের পতনের পর ক্ষমতায় আসেন।
C) পল পট — তিনি কম্বোডিয়ার খেমার রুজ আন্দোলনের প্রধান ও কমিউনিস্ট নেতা ছিলেন, রাজতন্ত্র বিলোপের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না।
D) লন নল — তিনি ১৯৭০ সালে ক্ষমতা দখল করে রাজতন্ত্র বিলোপ করেছিলেন বিধায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
কম্বোডিয়ার রাজতন্ত্র বিলোপ করেছিলেন লন নল, মনে রাখুন লন নল মানেই রাজতন্ত্রের অবসান।
সঠিক উত্তর: B) পুণ্ড্র
কেন সঠিক:
- পুণ্ড্র হলো বাংলার প্রাচীনতম জনপদ, যার রাজধানী ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা বর্তমান মহাস্থানগড়।
- ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক সূত্র অনুযায়ী অন্যান্য জনপদের তুলনায় এর প্রাচীনত্বের প্রমাণ সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমতট — এটি প্রাচীন বাংলার একটি জনপদ হলেও পুণ্ড্রর মতো প্রাচীনতম নয়, এর অন্তর্ভুক্ত ছিল বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল।
B) পুণ্ড্র — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
C) গৌড় — এটি পরবর্তী সময়ের একটি বিখ্যাত জনপদ ও রাজনৈতিক কেন্দ্র, যা প্রাচীনতম জনপদের তালিকায় পুণ্ড্রর পরেই আসে।
D) হরিকেল — এটি প্রাচীন বাংলার অপর একটি জনপদ যার অবস্থান ছিল বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে, যা পুণ্ড্রর সমসাময়িক বা প্রাচীনতম নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলার আদি বা প্রথম জনপদ কোনটি জানতে চাইলে সবার আগে পুণ্ড্র বা মহাস্থানগড়ের কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) বিজয় কেতন
কেন সঠিক:
- ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি জাদুঘর ও স্মৃতিস্তম্ভটির নাম বিজয় কেতন।
- এখানে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান ও ঐতিহাসিক বিভিন্ন স্মারক সংরক্ষিত আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বাধীনতা সোপান — এটি ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের কোনো স্মৃতিস্তম্ভ নয়।
B) বিজয় কেতন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ।
C) রক্ত সোপান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় এবং এটি অন্য কোনো পরিচিত স্মৃতিস্তম্ভের নাম।
D) বিজয় স্তম্ভ — এটি ঢাকা সেনানিবাসের নির্দিষ্ট স্মৃতিস্তম্ভের নাম নয়, এটি ভিন্ন কোনো স্থাপনাকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
সেনানিবাসে ওড়ার মতো নিশান বা কেতন থাকে, তাই ঢাকা সেনানিবাসের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের নাম বিজয় কেতন।
সঠিক উত্তর: B) মোবারক আহমেদ খান
কেন সঠিক:
- বিজ্ঞানী মোবারক আহমেদ খান পাটের সেলুলোজ ব্যবহার করে পরিবেশবান্ধব ও পচনশীল পলিমার ব্যাগ উদ্ভাবন করেন, যা সোনালিন নামে পরিচিত।
- প্লাস্টিক দূষণ রোধে পাট থেকে তৈরি এই বিকল্প ব্যাগ আবিষ্কার দেশের জন্য একটি বড় বৈজ্ঞানিক সাফল্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ড. মাকছুদুল আলম — তিনি পাটের জিনোম সিকোয়েন্সিং বা জীবনরহস্য আবিষ্কারের সাথে যুক্ত ছিলেন, পলিমার ব্যাগ উদ্ভাবক নন।
B) মোবারক আহমেদ খান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) মাইনুল হোসেন — তিনি এই নির্দিষ্ট পাটজাত পলিমার ব্যাগ উদ্ভাবনের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
D) শাহীদুল সিরাজ — তিনি এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত কোনো পরিচিত ব্যক্তিত্ব নন।
মনে রাখার টিপস:
প্লাস্টিক ব্যাগের বিকল্প হিসেবে পরিবেশবান্ধব সোনালি ব্যাগ বা পলিমার ব্যাগের উদ্ভাবক হলেন মোবারক আহমেদ খান।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) কামরুল হাসান
কেন সঠিক:
- শিল্পী কামরুল হাসান ১৯৭১ সালে বর্তমান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত রূপটি ডিজাইন করেছিলেন।
- তাঁর নকশাকৃত পতাকাই পরবর্তীতে সরকারিভাবে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা হিসেবে গৃহীত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জয়নুল আবেদীন — তিনি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা হলেও জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
B) কামরুল হাসান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) হামিদুর রহমান — তিনি ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল স্থপতি ও নকশাকার, জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
D) হাশেম খান — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও বইয়ের প্রচ্ছদশিল্পী, তবে তিনি জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
মনে রাখার টিপস:
কামরুল হাসান মানেই পতাকার ফাইনাল ডিজাইন।
সঠিক উত্তর: B) ৩১ মে
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কতৃক তামাক ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য প্রতিবছর এই দিনটি পালন করা হয়।
- ১৯৮৭ সাল থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩০ এপ্রিল — এই তারিখে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত হয় না এবং এটি অন্য কোনো আন্তর্জাতিক দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত।
B) ৩১ মে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশনের পরিবর্তে সঠিক তথ্য হিসেবে বিবেচিত।
C) ৩০ জুন — এই তারিখে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত হয় না, এটি অন্য ঘটনার জন্য নির্ধারিত।
D) ৩১ জুলাই — এই তারিখে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত হয় না এবং এটি তামাক বিরোধী দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি বছরের পঞ্চম মাস মে এর শেষ দিন অর্থাৎ ৩১ মে হলো বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস।
সঠিক উত্তর: D) মীর জুমলা
কেন সঠিক:
- মোঘল সুবাদার মীর জুমলা ১৬৬০ থেকে ১৬৬৩ সালের মধ্যে ঢাকা রক্ষা ও রাজস্ব আদাবের সুবিধার্থে ঢাকার প্রবেশদ্বারে এই গেট নির্মাণ করেন।
- এটি মূলত মেইন গেট বা মির্জাপুর গেট নামে পরিচিত ছিল যা পরবর্তীতে ঢাকা গেট হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শায়েস্তা খাঁ — তিনি মোঘল সুবাদার ছিলেন এবং নানা স্থাপনা নির্মাণ করলেও ঢাকা গেটের নির্মাতা নন।
B) নবাব আব্দুল গণি — তিনি ঢাকার একজন প্রভাবশালী জমিদার ও নবাব ছিলেন যিনি পরবর্তী সময়ে অনেক উন্নয়ন কাজ করেন কিন্তু এর নির্মাতা নন।
C) লর্ড কার্জন — তিনি বিংশ শতাব্দীর শুরুতে ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় ছিলেন, যা ঢাকা গেট নির্মাণের অনেক পরের ঘটনা।
D) মীর জুমলা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
মীর জুমলা মানেই গেট খোলা, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে মোঘল সুবাদার মীর জুমলা ঢাকা শহর সুরক্ষায় ঢাকা গেট নির্মাণ করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: A) বিষবেক
কেন সঠিক:
- বিষবেক হলো মধ্য এশিয়ার দেশ কিরগিজস্তানের রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর।
- এটি চু উপত্যকায় অবস্থিত দেশটির প্রধান রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিষবেক — এটি কিরগিজস্তানের রাজধানী হিসেবে সঠিক।
B) আলমাআতা — এটি কাজিস্তান দেশের একটি প্রধান শহর ও সাবেক রাজধানী, কিরগিজস্তানের রাজধানী নয়।
C) আশাখাবাদ — এটি তুর্কমেনিস্তান দেশের রাজধানী, কিরগিজস্তানের রাজধানী নয়।
D) উলানবাটোর — এটি মঙ্গোলিয়া দেশের রাজধানী, কিরগিজস্তানের রাজধানী নয়।
মনে রাখার টিপস:
কিরগিজস্তানের নামের শুরুতে বি আছে এবং রাজধানী বিষবেকের শুরুতেও বি অক্ষর আছে।
সঠিক উত্তর: B) ৫ম তফসিল
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রদত্ত ঐতিহাসিক ভাষণের বাংলা পাঠ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক ভাষণটি সংবিধানের তফসিলে সংযোজন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪র্থ তফসিল — এই তফসিলে ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রবর্তনের সময়কার অন্তর্বর্তীকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী সম্পর্কে বলা হয়েছে।
B) ৫ম তফসিল — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই তফসিলেই অবস্থিত এবং এতে ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
C) ৬ষ্ঠ তফসিল — এই তফসিলে ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
D) ৭ম তফসিল — এই তফসিলে ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল জারি করা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সম্পর্কে বলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সাত নম্বর ভাষণটি সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে আছে, সংখ্যা দুটি মনে রাখলেই বিভ্রান্তি দূর হবে।
সঠিক উত্তর: B) World Bank
কেন সঠিক:
- বিশ্বব্যাংক (World Bank) প্রতিবছর বিশ্ব অর্থনীতির বিভিন্ন সূচক নিয়ে এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে।
- এই প্রতিবেদনে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচন সম্পর্কিত তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) UNDP — এটি জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি, যা মূলত মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন (Human Development Report) প্রকাশ করে।
B) World Bank — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) IMF — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, যা ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক (World Economic Outlook) প্রকাশ করে।
D) BRICS — এটি উদীয়মান অর্থনৈতিক জোট, যা কোনো বৈমিত্তিক বা নিয়মিত উন্নয়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
উন্নয়ন বা Development শব্দটি দেখলে সাধারণত বিশ্বব্যাংক বা World Bank-কে উত্তর হিসেবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) ১৭/১২/২০২০
কেন সঠিক:
- ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের পর বন্ধ হয়ে যাওয়া এই রেলপথ দীর্ঘ ৫৫ বছর পর ২০২০ সালের ১৭ই ডিসেম্বর পুনরায় চালু হয়।
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও যোগাযোগ বৃদ্ধির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভার্চুয়ালি এই ট্রেন চলাচল উদ্বোধন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭/১২/২০২০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই তারিখেই চিলাহাটি ও হলদিবাড়ি মধ্যে ট্রেন চলাচল আনুষ্ঠানিকভাবে পুনরায় শুরু হয়।
B) ১৬/১২/২০২০ — এই তারিখে বাংলাদেশের মহান বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীর প্রাক্কালে বিজয় দিবস পালিত হয়, কিন্তু রেল যোগাযোগ চালু হয় তার পরের দিন।
C) ১৫/১২/২০২০ — এই তারিখে এই রেলপথ চালুর কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি, এটি একটি ভুল তারিখ।
D) ১৮/১২/২০২০ — এটি সঠিক তারিখের পরবর্তী দিন, তাই এই অপশনটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিজয় দিবসের ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ১৭ ডিসেম্বর ২০২০ সালে ৫৫ বছর পর চিলাহাটি-হলদিবাড়ি ট্রেন চালু হয়।
সঠিক উত্তর: C) ১১ টি
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র দেশকে সামরিকভাবে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- সুশৃঙ্খলভাবে অপারেশন পরিচালনা ও পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ চালানোর জন্য এই প্রশাসনিক বিভাজন করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯ টি — এটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে সেক্টর ৯টি করার চিন্তা থাকলেও পরবর্তীতে সেক্টরের সংখ্যা ১১টি নির্ধারণ করা হয়।
B) ১০ টি — এটি ভুল কারণ ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ সেক্টর, যার কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা ছিল না এবং মোট সেক্টর সংখ্যা ১০টি ছিল না।
C) ১১ টি — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
D) ১২ টি — এটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর সংখ্যা ১২টি ছিল না, বরং ১১টি সেক্টর ও ৬৪টি সাব-সেক্টর ছিল।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর মনে রাখতে মনে রাখুন, এক এক করে এগারোটি (১১) সেক্টরে দেশ ভাগ হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) ১০ নিউটন
১. কেন সঠিক:
বায়ুমণ্ডলীয় চাপের কারণে প্রতি বর্গ সেন্টিমিটার ক্ষেত্রফলের ওপর প্রায় ১০ নিউটন বল প্রয়োগ হয়।
পৃথিবীর ওপরে থাকা বায়ুর স্তরের ওজনের কারণেই এই চাপের সৃষ্টি হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: সমুদ্রপৃষ্ঠে স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হলো ১ বায়ুমণ্ডল বা প্রায় ১০১৩২৫ প্যাসকেল।
কার্যপ্রণালি: প্যাসকেল একক হলো প্রতি বর্গমিটারে এক নিউটন বল, এবং এককগুলো রূপান্তর করলে প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে প্রায় ১০ নিউটন বল পাওয়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমাদের শরীরের ওপর বায়ুমণ্ডলের এই চাপ প্রতিনিয়ত কাজ করছে।
ব্যাখ্যা: আমাদের দেহের ভেতরের তরল পদার্থের চাপ বাইরের বায়ুমণ্ডলীয় চাপের সমান হওয়ায় আমরা এই চাপ অনুভব করি না।
উদাহরণ ২: মানুষের হাতের তালুতে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ।
ব্যাখ্যা: হাতের তালুর ক্ষেত্রফল প্রায় ১০০ বর্গ সেন্টিমিটার হলে বায়ুর চাপ প্রায় ১০০০ নিউটন বল প্রয়োগ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ নিউটন — এই অপশনটি সঠিক কারণ হিসাব অনুযায়ী প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে বায়ুর চাপ প্রায় ১০ নিউটন হয়।
B) ৫ নিউটন — এই মানটি সঠিক নয় কারণ এটি সমুদ্রপৃষ্ঠের প্রকৃত বায়ুমণ্ডলীয় চাপের অর্ধেক।
C) ১০ মেট্রিকটন — এটি ভুল কারণ মেট্রিকটন ভরের একক এবং বায়ুর চাপের একক নিউটন।
D) ৫ মেট্রিকটন — এটি ভুল মান এবং ভুল একক নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ মনে রাখতে ১০ সংখ্যাটি মনে রাখো, কারণ প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে বলের পরিমাণ প্রায় ১০ নিউটন।
একক হিসেবে চাপের ক্ষেত্রে নিউটন প্রতি বর্গ সেন্টিমিটার ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিমাপের যন্ত্রের নাম ব্যারোমিটার এবং এটি আবিষ্কার করেন ইভানগেলিস্টা টরিসেলি।
পরীক্ষায় প্রায়ই বায়ুমণ্ডলীয় চাপের মান প্যাসকেল, এটিএম বা সেন্টিমিটার পারদ স্তম্ভের এককে জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: B) স্মলপক্স
১. কেন সঠিক:
স্মলপক্স বা বসন্ত রোগটি একটি ডিএনএ ভাইরাস দ্বারা সংঘটিত হয়, যা ভ্যারিওলা ভাইরাস নামে পরিচিত।
এই ভাইরাসটি মানবদেহে প্রবেশ করে কোষে বংশবিস্তার করে এবং ত্বকে গুটি বা ফুসকুড়ি সৃষ্টি করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: যেসব ভাইরাসের বংশগত বস্তু বা জিনোম হিসেবে ডিএনএ থাকে, তাদেরকে ডিএনএ ভাইরাস বলা হয়।
কার্যপ্রণালি: ডিএনএ ভাইরাস কোষে প্রবেশ করে হোস্ট কোষের নিউক্লিয়াসে নিজের ডিএনএ প্রতিলিপি তৈরি করে নতুন ভাইরাস গঠন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হার্পিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস।
ব্যাখ্যা: এটি একটি পরিচিত ডিএনএ ভাইরাস যা মানবদেহে ঠোঁটে বা ত্বকে ঘা সৃষ্টি করে।
উদাহরণ ২: হেপাটাইটিস বি ভাইরাস।
ব্যাখ্যা: এটি যকৃতে সংক্রমণ ঘটায় এবং এটিও একটি ডিএনএ ভাইরাসের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডেঙ্গুজ্বর — এটি একটি আরএনএ ভাইরাসঘটিত রোগ যা এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়।
B) স্মলপক্স — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি ডিএনএ ভাইরাসঘটিত রোগ।
C) কোভিড-১৯ — এটি সার্স কোভ টু নামক আরএনএ ভাইরাস দ্বারা সংঘটিত হয়।
D) পোলিও — এটি পোলিওভাইরাস নামক এন্টারোভাইরাস দ্বারা হয় যা একটি আরএনএ ভাইরাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
ডিএনএ ভাইরাস মনে রাখার একটি সহজ ছন্দ হলো, হার্পিস ও স্মলপক্স হেপাটাইটিস বি নিয়ে ডিএনএ তৈরি করে।
এই কৌশলটি দিয়ে প্রধান ডিএনএ ভাইরাসগুলো সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৭৯ সালে টিকাদানের মাধ্যমে পৃথিবী থেকে স্মলপক্স বা গুটিবসন্ত সম্পূর্ণ নির্মূল ঘোষণা করে।
পরীক্ষায় প্রায়ই ডিএনএ এবং আরএনএ ভাইরাসের নাম আলাদা করতে বলা হয়, তাই ভাইরাসগুলোর শ্রেণিবিভাগ ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সাইপ্রাস
১. কেন সঠিক:
করোনাভাইরাসের ডেল্টাক্রন হলো ডেল্টা এবং ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের একটি মিশ্র বা রিকম্বিন্যান্ট রূপ। এটি প্রথম ভূমধ্যসাগরীয় দেশ সাইপ্রাসের বিজ্ঞানীরা ল্যাবরেটরিতে শনাক্ত করেছিলেন।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: রিকম্বিন্যান্ট ভ্যারিয়েন্ট হলো এমন একটি ভাইরাস যা দুটি ভিন্ন স্ট্রেইনের জিনগত উপাদান নিজেদের মধ্যে পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে তৈরি করে। যখন একই কোষ একই সাথে দুটি ভিন্ন ভ্যারিয়েন্ট দ্বারা আক্রান্ত হয়, তখন এই মিশ্রণ ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফ্লু ভাইরাস মিউটেশন। ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস বিভিন্ন প্রাণীর স্ট্রেইনের জিন বিনিময় করে নতুন রূপ নেয়।
ব্যাখ্যা: এটি ভাইরাসের অভিযোজন ক্ষমতা এবং দ্রুত পরিবর্তনের প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াকে ফুটিয়ে তোলে।
উদাহরণ ২: জিনের পুনরুৎপাদন। জীবদেহে ক্রসিং ওভারের মাধ্যমে নতুন বৈশিষ্ট্য তৈরি হয়।
ব্যাখ্যা: এটি জীববিজ্ঞানের একটি মৌলিক প্রক্রিয়া যা জিনগত বৈচিত্র্য সৃষ্টি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইসরাইল — ইসরাইল প্রথম ডেল্টাক্রন শনাক্তকারী দেশ নয়, যদিও সেখানে অনেক কোভিড বৈচিত্র্য প্রথম পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।
B) সাইপ্রাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশেই প্রথম ডেল্টাক্রন ভ্যারিয়েন্টটি অফিশিয়ভাবে শনাক্ত হয়।
C) তাইওয়ান — তাইওয়ান ডেল্টাক্রন আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত নয়, তবে তারা মহামারী ব্যবস্থাপনায় সফল দেশ।
D) ইরান — ইরান মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ যা কোভিডের ডেল্টা ঢেউয়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল কিন্তু ডেল্টাক্রনের উৎপত্তিস্থল নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ডেল্টাক্রন নামের মিশ্র ভাইরাসের প্রথম খোঁজ মিলেছিল সাইপ্রাসে। মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারেন সাইপ্রাসের সমুদ্র সৈকতে প্রথম ডেল্টা ও ওমিক্রনের মিলন ঘটেছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক কালে আবিষ্কৃত ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার স্ট্রেইনের উৎস দেশ প্রায়শই আসে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে ওমিক্রন প্রথম কোন দেশে শনাক্ত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) ভিটামিন সি
১. কেন সঠিক:
ডিমে প্রায় সব ধরনের পুষ্টি উপাদান ও ভিটামিন থাকলেও এতে ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক অ্যাসিড সম্পূর্ণ অনুপস্থিত থাকে।
মুরগির ডিম পরিপক্ব হওয়ার সময় বা কুসুম ও সাদা অংশে ভিটামিন সি সংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় জৈব রাসায়নিক এনজাইম বা প্রক্রিয়া থাকে না।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ভিটামিন সি হলো একটি পানি-দ্রবণীয় ভিটামিন যা মূলত উদ্ভিজ্জ উৎস যেমন লেবু, কমলা, টমেটো এবং কাঁচামরিচে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।
কার্যপ্রণালি: প্রাণিদেহে ভিটামিন সি উৎপাদনের জিনগত সক্ষমতা না থাকায় প্রাণী ও পাখির খাবারে এটি বাইরে থেকে সরবরাহ করতে হয়, যা ডিমে জমা হতে পারে না।
বাস্তব প্রয়োগ: মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কোলাজেন তৈরির জন্য আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিমের পাশাপাশি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফলমূল রাখা জরুরি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সারভাইভাল ফুড হিসেবে ডিম
ব্যাখ্যা: সামুদ্রিক অভিযাত্রীরা শুধু ডিম খেয়ে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে পারলেও ভিটামিন সি এর অভাবে তাদের একসময় স্কার্ভি রোগ দেখা দিত।
উদাহরণ ২: ডিমের অমলেট ও সালাদ
ব্যাখ্যা: ডিমের তৈরি খাবারে ভিটামিন সি এর ঘাটতি পূরণের জন্য এর সাথে টমেটো বা লেবুর রস মিশিয়ে রান্না করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন এ — ডিমের কুসুমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ থাকে যা চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে।
B) ভিটামিন বি — ডিমে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স বিশেষ করে ভিটামিন বি ১২ ও রিবোফ্লাভিন পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে।
C) ভিটামিন সি — ডিমে ভিটামিন সি থাকে না, এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়।
D) ভিটামিন ডি — ডিমের কুসুম প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন ডি এর একটি অন্যতম সেরা উৎস।
৫. মনে রাখার টিপস:
ডিম হলো প্রায় আদর্শ খাবার, তবে টক জাতীয় ফল বা সালাদ ছাড়া এটি দিয়ে ভিটামিন সি এর চাহিদা মেটানো যায় না।
সব পুষ্টি উপাদান ডিমে থাকলেও সি নেই, এটি মনে রাখলেই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তর দেওয়া সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ডিম থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য চাকриর পরীক্ষায় ভিটামিন এ ও ডি এর উৎস নিয়ে প্রশ্ন আসে।
ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয় এবং এটি সহজে পানিতে দ্রবীভূত হয়, এই তথ্যগুলো পুষ্টিবিজ্ঞানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) একই হয়
১. কেন সঠিক:
পাখার গতি কমানোর জন্য রেগুলেটর ব্যবহার করা হয় যা মূলত বর্তনীর রোধ বাড়িয়ে দেয়।
রোধ বাড়লে প্রবাহ কমে যায় কিন্তু মোট শক্তি খরচ অপরিবর্তিত থাকে কারণ অপচয় হওয়া শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: বৈদ্যুতিক পাখা একটি আবর্তক যন্ত্র যা বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে।
কার্যপ্রণালি: রেগুলেটরের মাধ্যমে বর্তনীতে অতিরিক্ত রোধ যুক্ত করলে মোট তড়িৎপ্রবাহ হ্রাস পায় এবং ফ্যানের গতি কমে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পানির কল কিছুটা বন্ধ করে দিলে যেমন পানি কম পড়ে কিন্তু মূল পাইপের ওপর চাপ একই থাকে।
ব্যাখ্যা: ফ্যানের রেগুলেটর কমালেও ঠিক একইভাবে মূল বিদ্যুৎ সরবরাহ থেকে একই পরিমাণ ক্ষমতা খরচ হতে থাকে।
উদাহরণ ২: গাড়ির ক্লাচ বা ব্রেক প্রয়োগ করে গতি কমালেও ইঞ্জিন সচল থাকলে জ্বালানি খরচ একই থাকে।
ব্যাখ্যা: রেগুলেটর ফ্যানের গতি কমায় কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কম হয় — অনেকেই মনে করেন গতি কমলে বিদ্যুৎ বিল কম আসে যা একটি ভুল ধারণা।
B) খুব কম হয় — এটি বৈজ্ঞানিক সত্যের সম্পূর্ণ বিপরীত এবং অবৈজ্ঞানিক একটি ধারণা।
C) একই হয় — বৈদ্যুতিক শক্তির নিত্যতা সূত্র অনুযায়ী খরচ হওয়া শক্তির পরিমাণ সর্বদা সমান থাকে।
D) বেশি হয় — গতি কমালে বিদ্যুৎ খরচ বৃদ্ধি পাওয়ার কোনো সুযোগ বা কারণ নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
ফ্যানের গতি কম হোক বা বেশি, রেগুলেটর বিদ্যুৎ নষ্ট করে কিন্তু বিল কমায় না।
তাই ফ্যান ধীরে চললেও বিদ্যুৎ খরচ আগের মতোই সমান থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রেগুলেটর বর্তনীর রোধ বৃদ্ধি করে তড়িৎপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
এই প্রশ্নটি থেকে পরবর্তীতে বৈদ্যুতিক ক্ষমতা এবং রোধের সম্পর্ক সম্পর্কিত এমসিকিউ আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাজ্য
১. কেন সঠিক:
যুক্তরাজ্যের স্কটল্যান্ডের রোজলিন ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা প্রথম পূর্ণাঙ্গ বয়স্ক কোষ থেকে ক্লোনিং প্রক্রিয়ায় ডলি নামের ভেড়ার জন্ম দেন।
এটি জীববিজ্ঞানের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ঘটনা কারণ এটি প্রমাণ করে যে একটি বিশেষায়িত শারীরিক কোষ থেকেও সম্পূর্ণ নতুন প্রাণী সৃষ্টি সম্ভব।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: সোমাটিক সেল নিউক্লিয়ার ট্রান্সফার বা এসসিএনটি প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রাপ্তবয়স্ক কোষের নিউক্লিয়াসকে ডিম্বাণুতে প্রতিস্থাপন করে ক্লোন করা হয়।
কার্যপ্রণালি: ভেড়ার স্তন্যগ্রন্থি থেকে একটি দেহকোষ নিয়ে তার নিউক্লিয়াসটি একটি নিউক্লিয়াসশূন্য ডিম্বাণুতে প্রবেশ করানো হয় এবং বৈদ্যুতিক স্পার্কের মাধ্যমে বিভাজন শুরু করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডলি ভেড়ার জন্ম।
ব্যাখ্যা: এটি ১৯৯৬ সালে জন্মগ্রহণকারী বিশ্বের প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী যা পূর্ণাঙ্গ কোষ থেকে ক্লোন করা হয়েছিল।
উদাহরণ ২: অন্যান্য ক্লোন প্রাণী যেমন কার্প মাছ বা গবাদিপশু।
ব্যাখ্যা: ডলির সাফল্যের পর বিজ্ঞানীরা অন্যান্য প্রাণীর ক্ষেত্রেও এই ক্লোনিং প্রযুক্তির সফল প্রয়োগ করেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাজ্য — এটি সঠিক কারণ স্কটল্যান্ডের বিজ্ঞানীরা এই ঐতিহাসিক ক্লোনিং গবেষণা সফলভাবে সম্পন্ন করেছিলেন।
B) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র ক্লোনিং গবেষণায় অনেক এগিয়ে থাকলেও প্রথম প্রাপ্তবয়স্ক কোষের ক্লোন ভেড়া সেখানে জন্মায়নি।
C) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়ায় কৃষি বিজ্ঞান ও প্রাণিবিদ্যা উন্নত হলেও ডলি ভেড়ার জন্ম সেখানে হয়নি।
D) কানাডা — কানাডা চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিখ্যাত হলেও প্রথম ক্লোন ভেড়ার জন্মদাতা দেশ হিসেবে কানাডা স্বীকৃত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাজ্যের স্কটল্যান্ডে ডলি ভেড়ার জন্ম হয়েছিল এটি মনে রাখতে স্কটল্যান্ডের নাম মনে রাখা জরুরি।
ক্লোনিং প্রযুক্তির ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্য নামটি সবার আগে আসে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ডলি ভেড়ার জন্ম সাল ছিল ১৯৯৬ এবং বিজ্ঞানী ছিলেন ইয়ান উইলমুট ও কিথ ক্যাম্পবেল।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রথম ক্লোন প্রাণীর নাম ও আবিষ্কারক দেশ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) ফুসফুস
১. কেন সঠিক:
- নিউমোনিয়া একটি সংক্রামক রোগ যা মানবদেহের ফুসফুসকে সরাসরি আক্রমণ করে।
- এই রোগে ফুসফুসের বায়ুথলি বা অ্যালভিওলাইগুলো তরল বা পুজে পূর্ণ হয়ে যায়, ফলে অক্সিজেন আদান-প্রদান ব্যাহত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: নিউমোনিয়া হলো ফুসফুসের একটি তীব্র প্রদাহজনিত সংক্রমণ, যা ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাকের কারণে ঘটে।
- কার্যপ্রণালি: জীবাণু নিঃশ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে প্রবেশ করে এবং অ্যালভিওলাইয়ে বংশবৃদ্ধি করে, যার ফলে শ্লে্উমা জমে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।
- কারণ ও ফলাফল: ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ায় শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয় এবং জ্বর ও কাশি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শীতকালে ঠান্ডা লাগার পর বয়স্ক ব্যক্তিদের নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।
ব্যাখ্যা: ঠান্ডা আবহাওয়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ায় জীবাণু সহজেই ফুসফুসে আক্রমণ করতে পারে।
উদাহরণ ২: হাসপাতালে দীর্ঘদিন ভেন্টিলেশনে থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে হাসপাতাল-অর্জিত নিউমোনিয়া হতে পারে।
ব্যাখ্যা: কৃত্রিম উপায়ে শ্বাসপ্রশ্বাস চালনার সময় জীবাণু সরাসরি ফুসফুসে প্রবেশ করার সুযোগ পায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফুসফুস — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিউমোনিয়া মূলত ফুসফুসের অ্যালভিওলাইকে আক্রমণ করে।
B) যকৃত — যকৃত মানবদেহের বৃহত্তম গ্রন্থি, যা পরিপাক ও বিপাক প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত, নিউমোনিয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
C) কিডনি — কিডনি মানবদেহের রেচনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ যা রক্ত ছেঁকে বর্জ্য পদার্থ ও মূত্র তৈরি করে।
D) প্লীহা — প্লীহা লসিকাতন্ত্রের একটি অংশ যা রক্ত ছাঁকতে এবং রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
নিউমোনিয়া শব্দটির সাথে ফুসফুস বা শ্বাসতন্ত্রের সম্পর্ক মনে রাখতে হবে যে, এই রোগে শ্বাস নিতে কষ্ট হয় এবং ফুসফুসেই সমস্যা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
নিউমোনিয়া সৃষ্টিকারী সবচেয়ে পরিচিত ব্যাকটেরিয়ার নাম স্ট্রিপ্টোকক্কাস নিউমোনিয়া। একই ধারণা থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে নিউমোনিয়া ফুসফুসের কোন অংশে প্রভাব ফেলে।
সঠিক উত্তর: C) ২৩ জোড়া
১. কেন সঠিক:
মানবদেহের সাধারণ কোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা মোট ছেচল্লিশটি বা তেইশ জোড়া।
এর মধ্যে বাইশ জোড়া অটোসোম এবং এক জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ক্রোমোজোম হলো কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত ডিএনএ এবং প্রোটিন দ্বারা গঠিত বংশগতির ধারক ও বাহক।
কার্যপ্রণালি: মানবদেহের সাধারণ বা সোমাটিক কোষে ক্রোমোজোম জোড়ায় জোড়ায় অবস্থান করে।
বাস্তব প্রয়োগ: বংশগতির বৈশিষ্ট্য পিতা-মাতা থেকে সন্তানে স্থানান্তরিত হওয়ার ক্ষেত্রে ক্রোমোজোম প্রধান ভূমিকা পালন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের উচ্চতা বা চোখের রঙ নির্ধারণে অটোসোম ক্রোমোজোম ভূমিকা রাখে।
ব্যাখ্যা: এই বৈশিষ্ট্যগুলো পুরুষ ও নারী ভেদে ভিন্ন হয় না।
উদাহরণ ২: মানুষের লিঙ্গ নির্ধারণে এক্স এবং ওয়াই ক্রোমোজোম কাজ করে।
ব্যাখ্যা: এই এক জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম একজন মানুষের পুত্র বা কন্যা হওয়া নিশ্চিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৫ জোড়া — এটি মানবদেহের স্বাভাবিক ক্রোমোজোম সংখ্যা নয়।
অন্য কোনো জীবের কোষে এই সংখ্যা থাকতে পারে।
B) ২৪ জোড়া — এটি মানবদেহের স্বাভাবিক ক্রোমোজোম সংখ্যা নয়।
অন্য কোনো প্রজাতির ক্ষেত্রে এই সংখ্যা প্রযোজ্য হতে পারে।
C) ২৩ জোড়া — এটি মানবদেহের সঠিক ও প্রমিত ক্রোমোজোম সংখ্যা।
এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক।
D) ২২ জোড়া — এটি শুধুমাত্র অটোসোমের সংখ্যা, কিন্তু সেক্স ক্রোমোজোমসহ মোট সংখ্যা তেইশ জোড়া।
তাই এটি পূর্ণাঙ্গ মানব ক্রোমোজোম সংখ্যা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
মানবদেহের ক্রোমোজোম সংখ্যা মনে রাখতে টু ইনটু এন সমান ছেচল্লিশ এই সূত্র মনে রাখবে।
এখানে এন সমান তوبিশ জোড়া বা এক সেট গ্যামেট।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মানবদেহে অটোসোমের সংখ্যা বাইশ জোড়া এবং সেক্স ক্রোমোজোম এক জোড়া।
এ ধরনের প্রশ্ন বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) ১ : ৭০০
১. কেন সঠিক:
মানবদেহের রক্তে লোহিত রক্তকণিকা এবং শ্বেত রক্তকণিকার স্বাভাবিক সংখ্যাগত অনুপাত প্রায় ৭০০:১।
প্রশ্নটিতে প্রথমে শ্বেত কণিকা এবং পরে লোহিত কণিকার অনুপাত চাওয়া হয়েছে, তাই সঠিক অনুপাতটি ১ : ৭০০ হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: মানবদেহের রক্তরসে প্রধানত তিন ধরনের রক্তকণিকা থাকে, যথা লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অনুচক্রিকা।
কার্যপ্রণালি: প্রতি ঘন মিলিমিটার সুস্থ রক্তে প্রায় সাড়ে চার থেকে পাঁচ লাখ লোহিত রক্তকণিকা এবং মাত্র চার থেকে দশ হাজার শ্বেত রক্তকণিকা থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একজন সুস্থ মানুষের রক্তের নমুনা মাইক্রোস্কোপের নিচে পরীক্ষা করলে প্রতি ৭০০টি লোহিত রক্তকণিকার বিপরীতে মাত্র ১টি শ্বেত রক্তকণিকা দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: এটি মানবদেহে রক্তকণিকাগুলোর স্বাভাবিক সংখ্যাগত ভারসাম্য ও গঠন নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: মানুষের শরীরে কোনো রোগজীবাণু প্রবেশ করলে শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা সাময়িকভাবে বৃদ্ধি পায়।
ব্যাখ্যা: এই পরিবর্তনের ফলে লোহিত ও শ্বেত রক্তকণিকার নির্দিষ্ট অনুপাত সাময়িকভাবে পরিবর্তিত হতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪০০ : ৫০০ — এই অনুপাতটি মানবদেহের রক্তকণিকার স্বাভাবিক সংখ্যার সঙ্গে মেলে না এবং এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক সংখ্যা।
B) ৫ : ১০০ — এই অনুপাতটি লোহিত ও শ্বেত রক্তকণিকার প্রকৃত সংখ্যার বৈজ্ঞানিক অনুপাতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) ১ : ৭০০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ মানবদেহে লোহিত ও শ্বেত রক্তকণিকার অনুপাত প্রায় ৭০০:১ এবং উল্টোভাবে লিখলে ১:৭০০ হয়।
D) ২ : ১০০ — এই অনুপাতটি মানবদেহের রক্তে শ্বেত ও লোহিত রক্তকণিকার পরিমাণের সঠিক বৈজ্ঞানিক মান প্রকাশ করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
রক্তে লোহিত কণিকার সংখ্যা শ্বেত কণিকার চেয়ে অনেক বেশি থাকে।
সংখ্যার দিক থেকে লোহিত কণিকা প্রায় সাত শ গুণ বেশি হওয়ায় অনুপাতটি এক অনুপাত সাত শ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রক্তে লোহিত রক্তকণিকা ও অনুচক্রিকার অনুপাত এবং মানবদেহে রক্তকণিকার আয়ুষ্কাল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
শ্বেত রক্তকণিকার মূল কাজ হলো রোগ প্রতিরোধ করা এবং লোহিত রক্তকণিকার কাজ অক্সিজেন পরিবহন করা।
সঠিক উত্তর: A) নাইট্রোজেন
১. কেন সঠিক:
- উদ্ভিদের পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার মূল কারণ হলো উদ্ভিদে নাইট্রোজেনের ঘাটতি। নাইট্রোজেন উদ্ভিদের ক্লোরোফিল অণু তৈরির প্রধান উপাদান।
- নাইট্রোজেনের অভাবে ক্লোরোফিল তৈরি বন্ধ হয়ে যায়, ফলে পাতার সবুজ রং নষ্ট হয়ে ক্লোরোসিস বা হলুদ বর্ণ ধারণ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ক্লোরোসিস হলো এমন একটি উদ্ভিদের রোগ যেখানে পাতা পর্যাপ্ত ক্লোরোফিল উৎপাদনে ব্যর্থ হয় এবং ফ্যাকাশে বা হলুদ বর্ণ ধারণ করে।
- কার্যপ্রণালি: নাইট্রোজেন উদ্ভিদের অ্যামিনো অ্যাসিড, প্রোটিন এবং ক্লোরোফিলের গঠনপ্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হওয়ায় এর অভাবে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।
- কারণ ও ফলাফল: উদ্ভিদের বয়স্ক পাতাগুলো থেকে নাইট্রোজেন নতুন পাতার দিকে স্থানান্তরিত হয়, তাই প্রথমে নিচের বা বয়স্ক পাতাগুলো হলুদ হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে বৃদ্ধি কমে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ধান ক্ষেতে ইউরিয়া সারের অভাব দেখা দিলে গাছের পাতা হলুদ বর্ণ ধারণ করে।
ব্যাখ্যা: ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেন থাকে, যা প্রয়োগ করলে গাছের পাতা আবার সবুজ ও সতেজ হয়ে ওঠে।
উদাহরণ ২: টব বা বাগানের পাতাবাহারী গাছে নিয়মিত নাইট্রোজেনযুক্ত সার না দিলে পাতাগুলো ফ্যাকাশে হয়ে যায়।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য নাইট্রোজেন একটি অত্যন্ত অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রোজেন — এটি সঠিক কারণ নাইট্রোজেনের অভাবে পাতায় ক্লোরোফিল গঠিত হতে পারে না এবং পাতা হলুদ হয়ে যায়।
B) ফসফরাস — ফসফরাসের অভাবে উদ্ভিদের পাতা ও কান্ডের বেগুনি বা কালচে ছোপ দেখা দেয়, যা হলুদ পাতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
C) ইউরিয়া — এটি কোনো মৌলিক পুষ্টি উপাদান নয়, বরং এটি একটি সার যা উদ্ভিদে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে থাকে।
D) পটাশিয়াম — পটাশিয়ামের অভাবে পাতার কিনারা বা প্রান্ত হলুদ বা খয়েরি হয়ে যায় এবং পাতা কুঁকড়ে যায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নাইট্রোজেন মানে নতুন পাতা সবুজ রাখা; এর অভাবে পাতা হয়ে যায় হলুদ।
- নাইট্রোজেন ঘাটতিতে ক্লোরোফিল কমে, তাই পাতার সবুজ রূপ হারিয়ে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদানের অভাবজনিত লক্ষণ থেকে প্রায়ই বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
- ক্লোরোসিসের প্রধান কারণ কী এবং কোন মৌলের অভাবে পাতা হলুদ হয়, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) অ্যালুমিনিয়াম
১. কেন সঠিক:
- অ্যালুমিনিয়াম একটি প্যারাচৌম্বক বা অ-চৌম্বক পদার্থ, যা চুম্বক দ্বারা আকর্ষিত হয় না।
- চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে এর ভেতরে চুম্বকত্ব তৈরি হয় না বললেই চলে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: যে সকল পদার্থ চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় এবং যাদের কৃত্রিম উপায়ে চুম্বকে পরিণত করা যায়, তাদের চৌম্বক পদার্থ বলে।
- কার্যপ্রণালি: পদার্থের পরমাণুর ইলেকট্রনের স্পিন বা ঘূর্ণনের কারণে চৌম্বক ধর্ম নির্ধারিত হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: যেসব স্থানে চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে যন্ত্রাংশ দূরে রাখতে হয়, সেখানে অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফ্রিজের দরজায় চুম্বক লাগানোর সময় কাঁচা লোহা ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি চৌম্বক পদার্থের আকর্ষণের মাধ্যমে দরজা আটকে রাখতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: বিমানের কাঠামো তৈরিতে অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি হালকা ও অ-চৌম্বক হওয়ায় যন্ত্রপাতিতে চুম্বকের প্রভাব পড়ে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাঁচা লোহা — এটি অত্যন্ত শক্তিশালী চৌম্বক পদার্থ এবং চুম্বক দ্বারা প্রবলভাবে আকৃষ্ট হয়।
B) ইস্পাত — এটি লোহা ও কার্বনের সংকর ধাতু এবং এটিও একটি শক্তিশালী চৌম্বক পদার্থ।
C) অ্যালুমিনিয়াম — এটি অ-চৌম্বক পদার্থ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
D) কোবাল্ট — এটি লোহা ও নিকেলের মতো একটি প্রধান চৌম্বক পদার্থ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- লোহা, ইস্পাত ও কোবাল্ট চুম্বকের বন্ধু, তাই এরা চৌম্বক পদার্থ।
- অ্যালুমিনিয়াম চুম্বকের বন্ধু নয়, তাই এটি অ-চৌম্বক পদার্থ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রকৃতিতে প্রধান চৌম্বক পদার্থ তিনটি লোহা, নিকেল ও কোবাল্ট।
- পরীক্ষায় প্রায়ই অ-চৌম্বক পদার্থ হিসেবে অ্যালুমিনিয়াম বা তামার নাম জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: B) কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি
১. কেন সঠিক:
ক্যান্সার হলো দেহের কোষের অনিয়ন্ত্রিত ও অস্বাভাবিক বিভাজন। স্বাভাবিক কোষের বৃদ্ধি ও মৃত্যুর একটি নির্দিষ্ট চক্র থাকে, কিন্তু ক্যান্সারের ক্ষেত্রে এই চক্রের নিয়ন্ত্রণ নষ্ট হয়ে যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: মানবদেহের কোষগুলো মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়। ডিএনএ মিউটেশনের কারণে কোষগুলো সিগন্যাল অমান্য করে দ্রুত বিভাজিত হতে থাকে এবং টিউমার গঠন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ত্বকের মেলামিন উৎপাদনকারী কোষের অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি থেকে মেলানোমা বা ত্বকের ক্যান্সার হয়।
ব্যাখ্যা: এটি অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে কোষের ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে ঘটে।
উদাহরণ ২: ফুসফুসের কোষে তামাকের ধোঁয়ার রাসায়নিক পদার্থ লাগলে কোষের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
ব্যাখ্যা: এর ফলে ফুসফুসের কোষে অনিয়ন্ত্রিত বিভাজন শুরু হয়ে ফুসফুস ক্যান্সার দেখা দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কোষের অস্বাভাবিক মৃত্যু — কোষের স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রিত মৃত্যুকে অ্যাপোপটোসিস বলে, যা ক্যান্সার নয়।
B) কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি — এটি ক্যান্সারের মূল বৈশিষ্ট্য এবং সঠিক উত্তর।
C) কোষের অস্বাভাবিক জমাট বাধা — এটি রক্ত জমাট বাঁধার ত্রুটি বা থ্রম্বোসিস সম্পর্কিত, ক্যান্সার নয়।
D) সবগুলো — যেহেতু প্রথম ও তৃতীয় অপশন ক্যান্সারের কারণ নয়, তাই এটি ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
ক্যান্সার মানেই কোষের অতিরিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি। কোষের বৃদ্ধি থামানো যায় না বলেই একে ম্যালিগন্যান্ট টিউমার বলা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশ্ব ক্যান্সার দিবস পালিত হয় ৪ ফেব্রুয়ারি। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই কোষ বিভাজন ও ক্যান্সার সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) মঙ্গোলিয়া
১. কেন সঠিক:
- মঙ্গোলিয়া একটি স্থলবেষ্টিত দেশ যার কোনো সমুদ্র উপকূল বা সমুদ্রের সাথে সরাসরি সংযোগ নেই।
- এটি এশিয়া মহাদেশের মধ্যভাগে অবস্থিত এবং এর চারপাশ স্থলভাগ দ্বারা সম্পূর্ণভাবে বেষ্টিত।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: পূর্ব এশিয়ায় রাশিয়া ও চীনের মাঝখানে অবস্থিত একটি ভূবেষ্টিত রাষ্ট্র।
- বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ভূবেষ্টিত দেশ এবং এর বেশিরভাগ অংশজুড়ে উচ্চ মালভূমি ও তৃণভূমি রয়েছে।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: নেপাল
ব্যাখ্যা: এটিও একটি স্থলবেষ্টিত দেশ যার কোনো সমুদ্র উপকূল নেই।
উদাহরণ ২: সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা: এটি ইউরোপের একটি স্থলবেষ্টিত দেশ যার সমুদ্রের সাথে কোনো সংযোগ নেই।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কম্বোডিয়া — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ এবং এর সমুদ্র উপকূল রয়েছে।
B) মঙ্গোলিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর কোনো সমুদ্র উপকূল নেই।
C) তানজানিয়া — এটি পূর্ব আফ্রিকার দেশ এবং এর পূর্বে ভারত মহাসাগরের উপকূল রয়েছে।
D) সোমালিয়া — এটি পূর্ব আফ্রিকার দেশ এবং এর দীর্ঘ সমুদ্র উপকূল রয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মঙ্গোলিয়া ও নেপালের মতো যেসব দেশের চারদিকে কেবল স্থলসীমা থাকে, তাদের ভূবেষ্টিত বা স্থলবেষ্টিত দেশ বলে।
- সমুদ্রের সাথে সরাসরি সংযোগ না থাকা দেশগুলোকে ম্যাপে খুঁজলে কেবল অন্য দেশের সীমান্ত দেখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এশিয়ার বৃহত্তম ভূবেষ্টিত দেশ কোনটি, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- একই ধারণা থেকে বিশ্বের বৃহত্তম ভূবেষ্টিত দেশ বা অন্য মহাদেশের স্থলবেষ্টিত দেশ সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) পশ্চিম
১. কেন সঠিক:
- এশিয়া মহাদেশের মূল ভূখণ্ডের সাপেক্ষে আরব উপদ্বীপের ভৌগোলিক অবস্থান পশ্চিম দিকে অবস্থিত। এটি পৃথিবীর বৃহত্তম উপদ্বীপ এবং এর তিন দিক জল দ্বারা বেষ্টিত।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: আরব উপদ্বীপ দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি আফ্রিকা মহাদেশের খুব কাছাকাছি।
- বৈশিষ্ট্য: এই অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি প্রধানত মরুভূমিময় এবং এর চারপাশে লোহিত সাগর, আরব সাগর ও পারস্য উপসাগর রয়েছে।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: রুব আল খালি মরুভূমি
ব্যাখ্যা: এটি আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ অংশে অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম বালুকাময় মরুভূমি, যা এই অঞ্চলের শুষ্ক জলবায়ুর পরিচায়ক।
উদাহরণ ২: পারস্য উপসাগর
ব্যাখ্যা: এটি আরব উপদ্বীপের উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ জলরাশি, যা এই অঞ্চলের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলোকে সংযুক্ত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উত্তর পশ্চিম — এই দিকটিতে এশিয়ার মধ্য এশীয় অঞ্চল ও ককেশাস অবস্থিত, আরব উপদ্বীপ নয়।
B) পশ্চিম — এটি সঠিক উত্তর কারণ উপদ্বীপটি মহাদেশের পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত।
C) উত্তর পূর্ব — এই দিকটিতে সাইবেরিয়া ও পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো অবস্থিত।
D) দক্ষিণ পূর্ব — এই দিকটিতে দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো অবস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মানচিত্রে এশিয়া মহাদেশের মানচিত্রের দিকে তাকালে বাম দিক বা পশ্চিম প্রান্তে জুতার আকৃতির মতো আরব উপদ্বীপ দেখতে পাওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিশ্ব ভূগোলে উপসাগর, উপদ্বীপ এবং মহাদেশীয় অবস্থান থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
- আরব উপদ্বীপ কোন মহাদেশের অংশ এবং এর চারপাশের জলসীমা কী, তা ভালোভাবে জেনে রাখা প্রয়োজন।
সঠিক উত্তর: B) চেলিউস্কিনের অগ্রভাগ
১. কেন সঠিক:
- চেলিউস্কিনের অগ্রভাগ বা কেপ চেলিউস্কিন হলো রাশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলের তাইমির উপদ্বীপে অবস্থিত এশিয়া মহাদেশের সর্ব উত্তরের স্থলবিন্দু।
- এটি প্রায় ৭৭° ৪৩° উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত এবং এর উত্তর দিকটি সরাসরি উত্তর মহাসাগরের মুখোমুখি।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: রাশিয়া, সাইবেরিয়া অঞ্চল, এশিয়া মহাদেশ।
- বৈশিষ্ট্য: এটি আর্কটিক বৃত্তের অনেক উত্তরে অবস্থিত হওয়ায় বছরের বেশিরভাগ সময় বরফে আচ্ছাদিত থাকে এবং এখানে তীব্র ঠান্ডা বিরাজ করে।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: কেপ রোটান
ব্যাখ্যা: এটি ইউরোপের সর্ব উত্তরের ভূখণ্ড নির্দেশ করে, যা মহাদেশীয় চরম বিন্দুগুলোর তুলনামূলক অধ্যয়নে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: কেপ ফাহলেভি
ব্যাখ্যা: এটি আফ্রিকার সর্ব উত্তরের বিন্দু, যা বিভিন্ন মহাদেশের চরম ভৌগোলিক অবস্থান বুঝতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইপোচিন — এটি এশিয়ার কোনো চরম ভৌগোলিক বিন্দু নয়।
B) চেলিউস্কিনের অগ্রভাগ — এটি সঠিক উত্তর।
C) বেবা অন্তরীপ — এটি আফ্রিকার সর্ব দক্ষিণের বিন্দু কেপ অব গুড হোপের কাছাকাছি কোনো স্থান নয় এবং এশিয়ার সর্ব উত্তরের বিন্দুও নয়।
D) আইসল্যান্ড — এটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ দেশ, এশিয়ার কোনো বিন্দু নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- এশিয়ার উত্তর মানেই বরফাবৃত চেলিউস্কিন অন্তরীপ।
- উত্তর দিক চ দিয়ে শুরু, চেলিউস্কিনও চ দিয়ে শুরু।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এশিয়ার সর্ব উত্তরের বিন্দু যেমন কেপ চেলিউস্কিন, তেমনি সর্ব দক্ষিণের বিন্দু কেপ পিয়ালায়।
- মহাদেশের চরম বিন্দুগুলো থেকে প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) ধ্বনিতত্ত্ব
১. কেন সঠিক:
- ব্যাকরণে সন্ধি মূলত ধ্বনির মিলন ও পরিবর্তনের সাথে সরাসরি যুক্ত।
- পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলন বা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনিতত্ত্ব অংশে ধ্বনি, বর্ণ, উচ্চারণ, সন্ধি ইত্যাদি আলোচিত হয়।
- সন্ধির মূল কাজ হলো দুটি ধ্বনির মিলন ঘটিয়ে উচ্চারণে সহজতা আনা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়
ব্যাখ্যা: এখানে আ এবং আ মিলে একটি আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে, যা ধ্বনিতাত্ত্বিক পরিবর্তনের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: হিম + আলয় = হিমালয়
ব্যাখ্যা: এখানে অ এবং আ মিলে আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে, যা ধ্বনির মিলন প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রূপতত্ত্ব — এটি শব্দ ও পদের গঠন নিয়ে আলোচনা করে, সন্ধি এখানে আলোচিত হয় না।
B) ধ্বনিতত্ত্ব — সঠিক উত্তর কারণ এটি ধ্বনির মিলন ও পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করে।
C) পদক্রম — এটি বাক্যে পদের বিন্যাস বা সাজানোর নিয়ম নির্দেশ করে।
D) বাক্য প্রকরণ — এটি বাক্যের গঠন, প্রকারভেদ ও রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সন্ধি মানেই মিলন আর ধ্বনি মানেই শব্দ বা আওয়াজ। আওয়াজের মিলন মানেই ধ্বনিতত্ত্ব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকরণের কোন অংশ কিসের আলোচ্য বিষয়, তা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) সিন্ধু হিন্দোল
১. কেন সঠিক:
- 'দারিদ্র' কবিতাটি জাতীয় কবি কাজী নজরুলের 'সিন্ধু হিন্দোল' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত কবিতা।
- এই কবিতায় কবি সমাজের বৈষম্য এবং গরিব মানুষের দুঃখ-কষ্ট অত্যন্ত মর্মস্পর্শী ভাষায় ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও আমাদের জাতীয় কবি।
- 'সিন্ধু হিন্দোল' কাব্যগ্রন্থটি তাঁর অন্যতম একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম যা তাঁর কাব্যিক প্রতিভার পরিচয় বহন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্রোহী
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিশ্বখ্যাত কবিতা যা তাঁর 'অগ্নি-বীণা' কাব্যগ্রন্থে স্থান পেয়েছে।
উদাহরণ ২: প্রলয়োল্লাস
ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুলের 'অগ্নি-বীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা এবং এতে তাঁর বিদ্রোহী সুর স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাম্যবাদী — এটি কাজী নজরুলের সমসাময়িক ভাবধারার একটি কাব্যগ্রন্থ হলেও এতে 'দারিদ্র' কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত নেই।
B) বিষের বাঁশী — এটি নজরুলের একটি প্রতিবাদী ও বাজেয়াপ্ত কাব্যগ্রন্থ যার বিষয়বস্তু ভিন্ন।
D) নতুন চাঁদ — এটিও কাজী নজরুল ইসলামের একটি কাব্যগ্রন্থ তবে এর বিষয়বস্তু ও অন্তর্ভুক্ত কবিতা ভিন্ন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের 'দারিদ্র' কবিতাটি এসেছে 'সিন্ধু হিন্দোল' থেকে, এটি মনে রাখতে 'সি' দিয়ে শুরু হওয়া শব্দ দুটি (সিন্ধু-দারিদ্রের কষ্ট) মিলিয়ে পড়তে পারো।
- কবির কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম ছন্দে ছন্দে মুখস্থ রাখলে পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি দূর হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির বিখ্যাত কবিতাগুলো কোন কাব্যের অন্তর্ভুক্ত, তা প্রায়ই আসে।
- নজরুলের 'অগ্নি-বীণা', 'সাম্যবাদী', 'সিন্ধু হিন্দোল' ও 'সর্বহারা' কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়ে নেওয়া উচিত।
সঠিক উত্তর: C) জাহান্নাম হইতে বিদায়
১. কেন সঠিক:
- জাহান্নাম হইতে বিদায় উপন্যাসটি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের রচিত একটি অত্যন্ত প্রখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত এই উপন্যাসে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের নির্মমতা এবং বাঙালির প্রতিরোধ সংগ্রামের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শহীদ জননী জাহানারা ইমাম বাংলা সাহিত্যে এক চিরস্মরণীয় নাম, যিনি একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নেত্রী হিসেবেও পরিচিত।
- জাহান্নাম হইতে বিদায় তার প্রথম ও অন্যতম সেরা উপন্যাস, যা ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে মুক্তিযুদ্ধের প্রারম্ভিক সময়ের ভয়াবহতা ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রশীদ হায়দারের খাঁচায় উপন্যাসের পটভূমিও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ।
ব্যাখ্যা: এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের একটি অন্যতম ক্লাসিক উদাহরণ যা যুদ্ধের সময়ের মানুষের মানসিকতা প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাসের পটভূমি ভিন্ন হলেও তার জাহান্নাম হইতে বিদায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: সাহিত্যিক শওকত ওসমান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একাধিক উপন্যাস রচনা করেছেন যা এই ধারার সমৃদ্ধি ঘটিয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শৃঙ্খলনীল কারাগার — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কোনো প্রখ্যাত উপন্যাস নয় এবং এই নামে কোনো স্ট্যান্ডার্ড সাহিত্যকর্ম পাঠ্যসূচিতে নেই।
B) কাটাতারে প্রজাপতি — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, বরং এটি ভিন্ন প্রাঙ্গণের একটি সাহিত্যকর্ম।
D) আর্তনাদ — শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস হলেও এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়, এটি মূলত ভাষা আন্দোলন ও সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শহীদ জননী জাহানারা ইমামের বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখার সহজ সূত্র হলো জাহান্নাম হইতে বিদায় এবং একাত্তরের দিনগুলি।
- লেখকের নামের সঙ্গে তার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনার নাম মিলিয়ে পড়লে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ও নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই জাহান্নাম হইতে বিদায় উপন্যাসটির রচয়িতা ও প্রকাশের সাল ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
- একই ধরনের অন্যান্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যেমন হকার্স বা রাইফেল রোটি আওরাত গ্রন্থগুলোর নামও ভালোভাবে প্রস্তুত রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
- 'মরুভাস্কর' হলো মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শের ওপর রচিত একটি বিখ্যাত জীবনীগ্রন্থ।
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এই অনন্য সিরাত গ্রন্থটি রচনা করে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্ব হলেও তিনি বহু ইসলামিক গান, গজল ও গদ্য রচনা করেছেন।
- তাঁর রচিত 'মরুভাস্কর' প্রিয়নবির জীবনভিত্তিক একটি অমূল্য গদ্যসাহিত্য, যা ১৯৫১ সালে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হযরত মুহাম্মদ (সা.)
ব্যাখ্যা: মরুভাস্কর গ্রন্থে মহানবীর জীবনের বিভিন্ন দিক ও তাঁর মহান গুণাবলি সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: দৌলত উজির বাহরাম খান
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের সাহিত্যেও নবীর জীবনচরিত নিয়ে লায়লী মজনু বা নবী বংশের বিভিন্ন আখ্যান রচনার ঐতিহ্য রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোজাম্মেল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক হলেও 'মরুভাস্কর' তাঁর রচনা নয়, তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'তপস্বিনী কাব্যাঙ্গন'।
B) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল অংশে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
C) ইসমাইল হোসেন সিরাজি — তিনি ঐতিহাসিক উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও এই গ্রন্থটি তাঁর নয়।
D) কায়কোবাদ — তিনি মহাকবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'মহাশ্মশান', যা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিদ্রোহী কবি নজরুল যেমন অগ্নিবীণা বাজিয়েছেন, তেমনি প্রিয়নবির প্রেমে 'মরুভাস্কর' ও 'হযরত মোহাম্মদ' জীবনী গ্রন্থও রচনা করেছেন।
- নজরুল শব্দের সাথে মরুভাস্কর গ্রন্থটি মনে রাখার জন্য সিরাত বা জীবনীধর্মী রচনার তালিকা দেখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত জীবনীগ্রন্থ ও রচয়িতার নাম জানতে চাওয়া হয়।
- এই ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে লেখকের অন্যান্য ধর্মীয় বা গদ্য সাহিত্যকর্মের তালিকাও ভালোভাবে পড়ে যাওয়া উচিত।
সঠিক উত্তর: B) বিষমীভবন
১. কেন সঠিক:
- দুটি সমবর্ণ বা একই ধরনের ধ্বনির একটির পরিবর্তন ঘটে ভিন্ন ধ্বনিতে রূপান্তর হওয়ার প্রক্রিয়াকে বিষমীভবন বলে।
- উচ্চারণের সময় একই শব্দের মধ্যে পাশাপাশি বা কাছাকাছি দুটি সমবর্ণ থাকলে তা শুনতে বা উচ্চারণ করতে অসুবিধা হয় বলে একটি বর্ণ পরিবর্তিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ধ্বনি পরিবর্তনের একটি অন্যতম প্রক্রিয়া হলো বিষমীভবন যেখানে দুটি সমবর্ণের একটির প্রভাবে অন্যটি বা নিজেই পরিবর্তিত হয়ে আলাদা ধ্বনিতে পরিণত হয়।
- এটি মূলত উচ্চারণ সহজ করার জন্য এবং শব্দের শ্রুতিমধুরতা রক্ষা করার জন্য ঘটে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাল থেকে নাল
ব্যাখ্যা: শব্দটিতে দুটি ল বর্ণ ছিল যার প্রথম ল পরিবর্তিত হয়ে ন বর্ণে পরিণত হয়েছে এবং বিষমীভবন ঘটেছে।
উদাহরণ ২: শরীর থেকে সলীল
ব্যাখ্যা: শব্দটিতে দুটি র বর্ণ ছিল যার প্রথম র পরিবর্তিত হয়ে ল বর্ণে রূপ নিয়ে বিষমীভবন সম্পন্ন হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমীকরণ — সমীকরণে দুটি ভিন্ন ধ্বনি এক হয়ে যায়, যা এই প্রশ্নের বিপরীত প্রক্রিয়া।
B) বিষমীভবন — এটি সঠিক কারণ এখানে দুটি সমবর্ণের একটির পরিবর্তন ঘটে ভিন্ন ধ্বনি তৈরি হয়।
C) অপনিহিতি — এটি পরের ই-কার বা উ-কার আগে উচ্চারিত হওয়ার প্রক্রিয়া, যা সমবর্ণ পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) অসমীকরণ — দুটি সমবর্ণের পুনরাবৃত্তি দূর করতে মাঝখানে স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়াকে অসমীকরণ বলে, যা এখানে হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিষমীভবন মানে বিষম বা আলাদা করা অর্থাৎ একরকম দেখতে দুটি বর্ণ থেকে একটিকে আলাদা বা ভিন্ন বর্ণে রূপান্তর করা।
- সমবর্ণ মানে সমান বর্ণ আর বিষমীভবন মানে তাদের মধ্যে বিষমতা বা ভিন্নতা আনা।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি পরিবর্তন থেকে প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে তাই লাল থেকে নাল এবং শরীর থেকে সলীল উদাহরণ দুটি খুব ভালো করে মনে রাখবে।
- সমীকরণ এবং বিষমীভবন এর পার্থক্য ভালোভাবে বুঝতে হবে কারণ দুটি প্রায় বিপরীতমুখী ধ্বনি পরিবর্তন প্রক্রিয়া।
সঠিক উত্তর: C) বাক্য
১. কেন সঠিক:
- ভাষার মূল উপকরণ হলো বাক্য কারণ বক্তার মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশের মাধ্যম হলো বাক্য।
- ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি হলেও মানুষের ভাব প্রকাশের পূর্ণাঙ্গ একক হলো বাক্য।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- মানুষের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হলো ভাষা আর ভাষার প্রধান বা মূল উপকরণ হলো বাক্য।
- কতগুলো শব্দ পাশাপাশি বসে যখন একটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে বাক্য বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ।
ব্যাখ্যা: এটি একটি অর্থপূর্ণ বাক্য যা মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: পাখি আকাশে ওড়ে।
ব্যাখ্যা: এটি শব্দগুচ্ছের মাধ্যমে গঠিত একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধ্বনি — ধ্বনি ভাষার ক্ষুদ্রতম একক, মূল উপকরণ নয়।
B) শব্দ — শব্দ বাক্যের উপাদান হতে পারে, ভাষার মূল উপকরণ বাক্য।
D) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, ভাষার মূল উপকরণ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মনের ভাব প্রকাশের মূল বাহন বাক্য আর ধ্বনি হলো তার ইট বা মূল ভিত্তি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভাষার মূল উপকরণ বাক্য হলেও ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি।
সঠিক উত্তর: D) আবদুল লতিফ
১. কেন সঠিক:
- এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর আবদুল লতিফ কারণ তিনিই ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির পর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই বিখ্যাত গানটিতে প্রথম সুরারোপ করেছিলেন।
- গানটির মূল সুরকার হিসেবে আবদুল লতিফের নাম ঐতিহাসিক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত এবং এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী এবং এর প্রথম সুরকার হলেন প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীতশিল্পী আবদুল লতিফ।
- পরবর্তীতে ১৯৫৪ সালে আলতাফ মাহমুদ এই গানে নতুন করে সুরারোপ করেন এবং তাঁর সুর করা সংস্করণটিই বর্তমানে সর্বাধিক জনপ্রিয় ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব' — নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
ব্যাখ্যা: এটি একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক উদ্ধৃতি যা বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম ও ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
উদাহরণ ২: 'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি' — গোবিন্দ হালদার
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কার অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং ইতিহাস সৃষ্টিকারী একটি গান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী — তিনি এই বিখ্যাত গানটির রচয়িতা বা গীতিকার, সুরকার নন।
B) আসাদ চৌধুরী — তিনি একজন খ্যাতনামা কবি ও সাহিত্যিক, এই গানের সুরের সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
C) আলতাফ মাহমুদ — তিনি এই গানটির দ্বিতীয় ও বর্তমান জনপ্রিয় সুরকার, প্রথম সুরকার নন।
D) আবদুল লতিফ — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনিই গানটির প্রথম সুরকার।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গানটির কথা লিখেছেন গাফ্ফার চৌধুরী, প্রথম সুর দিয়েছেন লতিফ এবং জনপ্রিয় সুর দিয়েছেন আলতাফ মাহমুদ।
- প্রথম সুরকার এবং জনপ্রিয় সুরকার গুলিয়ে ফেলা যাবে না, প্রথম সুরকার আবদুল লতিফ আর জনপ্রিয় সুরকার আলতাফ মাহমুদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভাষা আন্দোলনভিত্তিক গান, কবিতা ও উপন্যাসের রচয়িতা ও সুরকারদের নাম বিসিএস এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় বারবার আসে।
- আলতাফ মাহমুদ ও আবদুল লতিফের সুর করা অন্যান্য দেশীয় গানগুলোর তালিকা প্রস্তুত করে পড়লে পরীক্ষায় সহজে নম্বর পাওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) দৃশ্যকাব্য
১. কেন সঠিক:
- নাটক মূলত সাহিত্যের এমন একটি রূপ যা মঞ্চে অভিনীত হওয়ার জন্য রচিত হয় এবং দর্শক প্রত্যক্ষভাবে তা দেখতে পান।
- শ্রব্যকাব্য শুধু কানে শোনা যায়, কিন্তু নাটক দৃশ্যমান হওয়ায় একে দৃশ্যকাব্য বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- নাটক হলো দৃশ্যকাব্য যার প্রধান উপাদান হলো সংলাপ, অভিনয়, চরিত্র এবং মঞ্চায়ন।
- সাহিত্যের প্রাচীন ভারতীয় তাত্ত্বিক আলোচনায় কাব্যকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে, শ্রব্যকাব্য এবং দৃশ্যকাব্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্তের পদ্মাবতী
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম বিখ্যাত নাটক যা দৃশ্যকাব্যের অন্তর্ভুক্ত।
উদাহরণ ২: দীনবন্ধু মিত্রের নীলদর্পণ
ব্যাখ্যা: এই নাটকটি মঞ্চে অভিনীত হওয়ার জন্য রচিত একটি ঐতিহাসিক দৃশ্যকাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দৃশ্যকাব্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ নাটক দৃশ্যমান ও অভিনীত হয়।
B) কাব্যনাট্য — এটি কবিতার ছন্দে রচিত নাটক, যা নাটকের সামগ্রিক রূপের একটি বিশেষ শাখা মাত্র।
C) গীতিদৃশ্য — এটি সাধারণত গান ও নাচের সমন্বয়ে গঠিত ছোট আকারের দৃশ্যকাব্যের একটি রূপ।
D) নৃত্যনাট্য — এটি নাচের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা নাট্যরূপ, যা নাটকের একটি বিশেষ প্রকারভেদ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নাটক মানেই যা দেখা যায়, তাই নাটক হলো দৃশ্যকাব্য।
- শ্রব্য মানে শোনা এবং দৃশ্য মানে দেখা, এই পার্থক্য মাথায় রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- নাটক সাহিত্যরীতির একটি বিশেষ রূপ যা শ্রব্যকাব্যের চেয়ে আলাদা।
- এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত সাহিত্যের রূপ ও শ্রেণিবিভাগ থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: D) তৎসম শব্দে
১. কেন সঠিক:
তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য ণ-এর ব্যবহার বাধ্যতামূলক কারণ এসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং সেখানে সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম কার্যকর থাকে।
বাংলা ভাষায় দেশি, বিদেশি বা তদ্ভব শব্দে মূর্ধন্য ণ-এর ব্যবহারের কোনো নিয়ম নেই, সেখানে সবসময় দন্ত্য ন ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ট-বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) পূর্বে সবসময় মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয় এবং ঋ, র, ষ-এর পরে মূর্ধন্য ণ বসে।
তৎসম শব্দ ছাড়া অন্য কোনো উৎস থেকে আগত শব্দে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয় বলে সেখানে মূর্ধন্য ণ লেখার সুযোগ থাকে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তৃণ
ব্যাখ্যা: তৃণ একটি তৎসম শব্দ যেখানে ঋ কার থাকার কারণে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: কারণ
ব্যাখ্যা: কারণ শব্দটিতে র কার থাকার কারণে দন্ত্য ন না হয়ে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লোকজ শব্দে — লোকজ বা দেশি শব্দে কখনোই মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয় না, তাই এই অপশন ভুল।
B) দেশি শব্দে — দেশি শব্দের বানানে প্রমিত রীতি অনুযায়ী সর্বদা দন্ত্য ন বসে, মূর্ধন্য ণ বসে না।
C) বিদেশি শব্দে — আরবি, ফার্সি, ইংরেজি বা অন্য কোনো বিদেশি শব্দে মূর্ধন্য ণ লেখার নিয়ম নেই।
D) তৎসম শব্দে — এটি সঠিক কারণ একমাত্র সংস্কৃত বা তৎসম শব্দেই মূর্ধন্য ণ-এর ব্যবহার ব্যাকরণসিদ্ধ।
৫. মনে রাখার টিপস:
তৎসম মানে সংস্কৃত, আর সংস্কৃত শব্দেই কেবল মূর্ধন্য ণ-এর রাজত্ব চলে। বিদেশি বা দেশি শব্দ দেখলেই দন্ত্য ন বসিয়ে দেবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পরীক্ষায় প্রায়ই কোন শব্দে মূর্ধন্য ণ হবে তা চিহ্নিত করতে বলা হয়। তৎসম শব্দ চেনার উপায় হলো এগুলো সরাসরি সংস্কৃত থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
সঠিক উত্তর: C) দূরতিক্রম্য
১. কেন সঠিক:
যাক সহজে অতিক্রম করা যায় না তাকে এককথায় দূরতিক্রম্য বলা হয়। এখানে 'দুর' উপসর্গটি কষ্ট বা কঠিন অর্থ প্রকাশ করেছে এবং 'অতিক্রম্য' শব্দের অর্থ যা অতিক্রম করা যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাক্যের অর্থকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়মগুলো ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা নিবারণ করা যায় না - অনিবার্য।
ব্যাখ্যা: এটিও বাক্য সংকোচনের একটি সাধারণ উদাহরণ যা পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ ২: যা লাভ করা কঠিন - দুর্লভ।
ব্যাখ্যা: এখানে 'দুর' উপসর্গ যোগ করে কষ্টসাধ্য অর্থ প্রকাশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনতিক্রম্য — যা অতিক্রম করা যায় না তাকে অনতিক্রম্য বলে, কিন্তু প্রশ্নে সহজে অতিক্রম করার কথা বলা হয়েছে।
B) অলঙ্ঘ্য — যা লঙ্ঘন করা যায় না তাকে অলঙ্ঘ্য বলা হয়, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে মেলে না।
C) দূরতিক্রম্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সহজে অতিক্রম করা যায় না অর্থে ব্যবহৃত হয়।
D) দুর্গম — যেখানে গমন করা কঠিন তাকে দুর্গম বলে, এটি অতিক্রম করার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সহজে অতিক্রম করা যায় না বুঝলে 'দূরতিক্রম্য' আর একেবারেই অতিক্রম করা যায় না বুঝলে 'অনতিক্রম্য' শব্দটি ব্যবহার করবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য সংকোচন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। তাই 'দুঃ' বা 'দুর' উপসর্গযুক্ত এককথায় প্রকাশের শব্দগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করবে।
সঠিক উত্তর: A) সংযোজক অব্যয়
১. কেন সঠিক:
- 'তাই' শব্দটি এখানে দুটি স্বাধীন বাক্যংশ বা খণ্ডবাক্যকে সংযুক্ত করেছে, তাই এটি সংযোজক অব্যয়।
- বাক্যে কারণ ও ফলাফল প্রকাশ করতে এবং একটির সাথে অন্যটির সংযোগ ঘটাতে এই অব্যয় ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে অব্যয় শব্দ দুটি পদ, দুটি বাক্য বা বাক্যাংশকে যুক্ত করে, তাকে সংযোজক অব্যয় বলে।
- এটি সমুচ্চয়ী অব্যয়ের একটি প্রধান শ্রেণি, যা মূলত ভাব বা পদের সংযোগ সাধন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিনি খুব পরিশ্রমী, তাই সফল হয়েছেন।
ব্যাখ্যা: এখানে 'তাই' শব্দটি প্রথম বাক্যাংশের সাথে দ্বিতীয় বাক্যাংশের সংযোগ স্থাপন করেছে।
উদাহরণ ২: বৃষ্টি হচ্ছে, তাই বাইরে যাওয়া হলো না।
ব্যাখ্যা: বৃষ্টির কারণ এবং বাইরে না যাওয়ার ফলাফলকে 'তাই' অব্যয় যুক্ত করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংযোজক অব্যয় — এটি সঠিক কারণ বাক্য দুটিকে যুক্ত করেছে।
B) বিয়োজক অব্যয় — এটি ভুল কারণ বিয়োজক অব্যয় দুটি বাক্যের মধ্যে বিরোধ বা বিচ্ছেদ বোঝায়, যা এখানে নেই।
C) সমুচ্চয়ী অব্যয় — এটি সঠিক হলেও অপশন এ অধিকতর নির্দিষ্ট কারণ সমুচ্চয়ী অব্যয়ের উপশ্রেণি হলো সংযোজক।
D) সংকোচন অব্যয় — এটি ভুল কারণ সংকোচন অব্যয় দুটি বাক্যের মধ্যে সীমাবদ্ধতা বা সংকোচন প্রকাশ করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কারণ ও ফলাফল বোঝাতে বাক্যের মাঝে যে অব্যয় বসে দুটি অংশকে জোড়ে, তাকে সংযোজক অব্যয় বলে।
- 'তাই', 'এবং', 'ও' সাধারণত সংযোজক অব্যয় হিসেবে কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- অব্যয় পদের শ্রেণিবিভাগ থেকে বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বাক্যের অর্থ বুঝে অব্যয়ের প্রকারভেদ নির্ণয় করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) চাঁদের অমাবস্যা
১. কেন সঠিক:
- চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসটি রাজনৈতিক উপন্যাস নয়, এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক ও অস্তিত্ববাদী উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে মানুষের অপরাধবোধ, বিবেক এবং অস্তিত্বের সংকট প্রধান্য পেয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসের রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৬৪ সালে এবং এর মূল চরিত্র হলো আরিফ নামক এক শিক্ষক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লালসালু উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি একটি সামাজিক ও গ্রামীণ সমাজজীবনের ভণ্ডামির ওপর রচিত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কাঁদো নদী কাঁদো উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি নদীমাতৃক মানুষের জীবন ও মনস্তত্ত্ব নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঘরে-বাইরে — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস যা স্বদেশী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত।
B) চিলেকোঠার সেপাই — এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক পটভূমির উপন্যাস।
C) চাঁদের অমাবস্যা — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, তাই এটি সঠিক উত্তর।
D) পথের দাবী — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের ওপর প্রতিষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসগুলো মূলত মানুষের মনস্তত্ত্ব ও সমাজ বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে লেখা।
- চাঁদের অমাবস্যা নাম শুনলেই মনে রাখবে এটি কোনো রাজনৈতিক আন্দোলন নয়, বরং মনের ভেতরের অন্ধকার নিয়ে কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস সংখ্যায় কম হলেও বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছে।
সঠিক উত্তর: C) ভানুসিংহ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
সঠিক উত্তরটি হলো ভানুসিংহ ঠাকুর কারণ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার কৈশোরে এই ছদ্মনামে পদাবলী সাহিত্য রচনা করেছিলেন।
মাত্র চৌদ্দ বছর বয়সে তিনি প্রাচীন মৈথিলি ভাষার অনুকরণে ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী নামে কিছু কবিতা লিখেছিলেন যা ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে কবি, নাট্যকার, ছোটগল্পকার, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক এবং তিনি ১৯১৩ সালে প্রথম এশিয়ান হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী গ্রন্থে বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের পদগুলো ব্রজবুলি ভাষায় রচিত হয়েছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কৈশোরে লেখা কবিতা সংকলন যা ব্রজবুলি ভাষায় রচিত।
উদাহরণ ২: মরণ রে তুহুঁ মম শ্যামসমান
ব্যাখ্যা: এটি ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী থেকে সংগৃহীত একটি বিখ্যাত গান বা কবিতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরশুরাম — এটি প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত সবুজ পত্র পত্রিকায় লেখালেখি করা সাহিত্যিক রাজশেখর বসুর ছদ্মনাম।
B) নীললোহিত — এটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বিখ্যাত একটি ছদ্মনাম।
D) গাজী মিঞা — এটি বাংলা উপন্যাসের জনক মীর মশাররফ হোসেনের একটি ঐতিহাসিক ও ব্যঙ্গাত্মক লেখার ছদ্মনাম।
৫. মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথের ভানু ছদ্মনাম মনে রাখতে রবি ও ভানু দুটোই সূর্যকে বোঝায় এই বিষয়টি মনে রাখা যায়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভানুসিংহ নামটি কার ছদ্মনাম তা প্রায়ই আসে তাই এটি রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে সম্পর্কিত তা মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভানুসিংহ ঠাকুর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম ও সবচেয়ে পরিচিত ছদ্মনাম যা তিনি কৈশোরে ব্যবহার করেছিলেন।
এই ধরনের প্রশ্নে অপশনের অন্য লেখকদের ছদ্মনামগুলোও ভালো করে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) সেমিকোলন
১. কেন সঠিক:
বাক্যে কমা অপেক্ষা বেশি এবং কোলন অপেক্ষা কম বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসে।
এটি সাধারণত দুটি স্বাধীন উপবাক্যের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্নের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রথম বাংলা লিপিতে যতিচিহ্নের সার্থক ব্যবহার শুরু করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাল সে আসবে; কিন্তু কাজটি হবে না।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি সম্পূর্ণ খণ্ডবাক্যকে যুক্ত করতে কমার চেয়ে বেশি বিরতির জন্য সেমিকোলন বসেছে।
উদাহরণ ২: পরিশ্রমই সুখের মূল; অলসতা সব ধ্বংসের কারণ।
ব্যাখ্যা: দুটি বিপরীত ভাবাপন্ন স্বাধীন বাক্যকে একত্রে প্রকাশ করতে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কোলন — কোলন সাধারণত একটি অপূর্ণ বাক্যের পর অন্য বাক্যের অবতারণা করতে বা উদাহরণ টানতে বসে।
B) ড্যাশ — ড্যাশ বা যৌগিক চিহ্ন ব্যবহৃত হয় যৌগিক বা মিশ্র বাক্যে ভাবের পরিবর্তনের বৈচিত্র্য বোঝাতে।
C) সেমিকোলন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি কমার চেয়ে বেশি বিরতি নির্দেশ করে।
D) হাইফেন — হাইফেন বা সংযোগ চিহ্ন দুটি শব্দকে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, বিরতির জন্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
যতিচিহ্নের বিরতির সময় মনে রাখার সহজ সূত্র হলো কমা সবচেয়ে কম বিরতি, সেমিকোলন তার চেয়ে একটু বেশি এবং পূর্ণচ্ছেদ বা দাড়ি সবচেয়ে বেশি বিরতি নেয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতিচিহ্নের বিরতির সময়কাল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
কোন যতিচিহ্নে কতটুকু থামতে হয়, তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) গঙ্গা
১. কেন সঠিক:
- সমারেশ বসুর গঙ্গা উপন্যাসটি জেলে সম্প্রদায়ের জীবন সংগ্রাম, তাদের পেশাগত কষ্ট এবং নদীর সঙ্গে তাদের নিবিড় সম্পর্ক নিয়ে রচিত।
- জেলে জীবন কেন্দ্রিক উপন্যাস বলতে এমন সাহিত্যকর্ম বোঝায় যেখানে নদীমাতৃক বাংলাদেশের মৎস্যজীবী মানুষের সুখদুঃখ এবং জীবিকা মূল উপজীব্য হিসেবে ফুটে ওঠে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- গঙ্গা উপন্যাসের রচয়িতা বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সমরেশ বসু, যিনি কালকূট ছদ্মনামেও লিখতেন।
- এই উপন্যাসে পদ্মা নদীর তীরের জেলে সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রা এবং তাদের মনস্তাত্ত্বিক লড়াই অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মার নদীর মাঝি
ব্যাখ্যা: এটিও জেলে জীবন ও পদ্মা নদীর তীরবর্তী মানুষের সংগ্রাম নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: অদ্বৈত মল্লবর্মণের তিতাস একটি নদীর নাম
ব্যাখ্যা: এটি তিতাস নদীর পারের মৎস্যজীবী মানুষের জীবন ও সংস্কৃতির ওপর রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য মাস্টারপিস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গঙ্গা — এটি জেলে জীবন কেন্দ্রিক উপন্যাস হওয়ায় সঠিক উত্তর।
B) পুতুলনাচের ইতিকথা — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি গ্রামীণ জনপদ ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, জেলে জীবন কেন্দ্রিক নয়।
C) হাঁসুলী বাঁকের উপকথা — এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা কোপাই নদীর বাঁকের রাঢ় অঞ্চলের কাহার সম্প্রদায়ের জীবন নিয়ে রচিত উপন্যাস।
D) গৃহদাহ — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক ত্রিকোণ প্রেমের উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সমরেশ বসুর গঙ্গা উপন্যাসের পটভূমি হলো নদী ও জেলে জীবন।
- জেলে জীবন মনে রাখতে গঙ্গা উপন্যাসের কথা মাথায় রাখবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জেলে জীবন বা নদীভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
- গঙ্গা, পদ্মার নদীর মাঝি এবং তিতাস একটি নদীর নাম—এই তিনটি উপন্যাসকে একসঙ্গে নদীভিত্তিক উপন্যাস হিসেবে মনে রাখা নিরাপদ।
সঠিক উত্তর: B) সমীচীন
১. কেন সঠিক:
− সমীচীন শব্দটির সঠিক বানান হলো দন্ত স ম য় দীর্ঘিকার চ এককার ণ।
− বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের অন্তে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
− বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী ই কারান্ত বা উ কারান্ত উপসর্গের পর ক খ প ফ থাকলে মূর্ধন্য ণ হয় না, তবে নির্দিষ্ট কিছু তৎসম শব্দে নিয়মবহর্ভূতভাবে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়।
− সমীচীন শব্দটিতে দীর্ঘ ই কার এবং মূর্ধন্য ণ এর সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে কারণ এটি একটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম শব্দ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রণীত
ব্যাখ্যা: প্র উপসর্গ এবং নী ধাতুর সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত এই শব্দটিতে নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মণীষা
ব্যাখ্যা: মনস যোগ ঈষা মিলে গঠিত এই শব্দটিতে দীর্ঘ ঈ কার এবং মূর্ধন্য ণ এর সঠিক ব্যবহার রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমীচিন — এই অপশনে দন্ত ন ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানরীতি অনুযায়ী ভুল।
B) সমীচীন — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানান রূপ।
C) সমীচিন — এখানে দীর্ঘ ই কারের পরিবর্তে হ্রস্ব ই কার এবং দন্ত ন ব্যবহার করা হয়েছে।
D) সমীচীন — প্রদত্ত প্রশ্নে এটি সঠিক হলেও অপশন বিন্যাসের কারণে এটিও সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
− সমীচীন বানানটি মনে রাখার জন্য শেষ অক্ষরটি যে মূর্ধন্য ণ এবং মাঝের ই কারটি যে দীর্ঘ ই কার তা ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
− দীর্ঘ ই কার ও মূর্ধন্য ণ যুক্ত শব্দগুলোর তালিকা বারবার অনুশীলন করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
− প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে তাই বানানের শেষ অংশ এবং ই কারের ব্যবহার ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
− একই ধরনের অন্যান্য প্রমিত বানান যেমন প্রবীণ, সমীচীন ও সংগত শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সরিৎ
১. কেন সঠিক:
সরিৎ শব্দটি একটি সংস্কৃত তৎসম শব্দ যার অর্থ নদী বা প্রবাহিনী। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস এবং সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
নদী শব্দের অনেকগুলো সমার্থক শব্দ রয়েছে যা বাংলা ব্যাকরণে শব্দের রূপ ও অর্থের ভিন্নতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। নদী বলতে সাধারণত প্রবহমান জলধারাকে বোঝায় যা সমুদ্র বা অন্য কোনো জলাশয়ে গিয়ে পতিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তটিনী
ব্যাখ্যা: এটি নদী শব্দের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: তরঙ্গিনী
ব্যাখ্যা: ঢেউ বা তরঙ্গ আছে যে নদী তাকে তরঙ্গিনী বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরিৎ — নদী শব্দের সরাসরি সমার্থক শব্দ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
B) বারিধি — বারিধি শব্দের অর্থ সমুদ্র, কারণ বারি অর্থ পানি এবং ধি বা নিধি অর্থ আধার বা ভাণ্ডার।
C) উদক — উদক শব্দের অর্থ পানি বা জল, যা নদী বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।
D) অম্বু — অম্বু শব্দের অর্থও পানি, তাই এটি নদী শব্দের সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সরিৎ শব্দের শেষ অক্ষর ত আছে যার সাথে নদী শব্দের শেষ অক্ষর দীর্ঘ ঈ কারের একটি ধ্বনিগত মিল পাওয়া যায়। সমুদ্রবাচক শব্দের সাথে পানিবাচক শব্দের পার্থক্য মনে রাখলে সমার্থক শব্দ সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
নদী, সমুদ্র ও পানির সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই পরীক্ষায় কাছাকাছি অপশন হিসেবে আসে। তাই বারিধি বা জলধি হলো সমুদ্র আর সরিৎ বা তটিনী হলো নদী, এই পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সরল
১. কেন সঠিক:
- যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। প্রদত্ত বাক্যে 'ডুবাও' হলো একমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া এবং এর উদ্দেশ্য বা কর্তা হলো শ্রোতা বা পাঠক যা উহ্য রয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- সরল বাক্যের মূল শর্ত হলো এতে একটিমাত্র প্রধান খণ্ডবাক্য বা স্বাধীন বাক্য থাকবে এবং কোনো সংযোগকারী অব্যয় থাকবে না। বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করার জন্য এখানে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া যথেষ্ট।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য পূর্বে উদিত হয়।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে একটি মাত্র কর্তা (সূর্য) এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (উদিত হয়) রয়েছে, যা সরল বাক্যের সংজ্ঞা পূরণ করে।
উদাহরণ ২: নদীটি বাঁকা পথে প্রবাহিত হয়।
ব্যাখ্যা: এখানেও একটি মাত্র কর্তা এবং সমাপিকা ক্রিয়া থাকায় এটি একটি সরল বাক্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিশ্র — মিশ্র বা জটিল বাক্যের সংজ্ঞায় একটি প্রধান বাক্যের ওপর এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য থাকে, যা এই বাক্যে নেই।
B) যৌগিক — যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য ও, কিন্তু, এবং ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত।
C) জটিল — জটিল বাক্যে যারা, যা, যদি, যেহেতু ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম থাকে, যা এই বাক্যের গঠনে নেই।
D) সরল — এটি সঠিক অপশন কারণ এতে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সরল বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো বাক্যে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া খোঁজা। সমাপিকা ক্রিয়া একটি হলে চোখ বন্ধ করে তা সরল বাক্য দাগাবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণের জন্য সমাপিকা ক্রিয়ার সংখ্যা এবং সংযোগকারী অব্যয়ের উপস্থিতি ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) আবুল হাসান
১. কেন সঠিক:
- 'রাজা যায় রাজা আসে' বিখ্যাত আধুনিক কবি আবুল হাসানের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রশংসিত কাব্যগ্রন্থ।
- এটি ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এই কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমেই তিনি বাংলা কবিতায় তার স্বতন্ত্র ও বিষাদময় স্বরের পরিচয় দেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কবি আবুল হাসান (১৯৪৭-১৯৭৫) বিংশ শতাব্দীর ষাটের দশকের অন্যতম প্রধান ও প্রভাবশালী আধুনিক কবি।
- তার কবিতায় মূলত নিঃসঙ্গতা, প্রেম, মৃত্যুচেতনা এবং এক ধরণের তীব্র হাহাকার ও আত্মিক সংকট অত্যন্ত শিল্পমণ্ডিত রূপে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'রাজা যায় রাজা আসে' কাব্যগ্রন্থের একটি বিখ্যাত কবিতা।
ব্যাখ্যা: এই কবিতাটি তৎকালীন রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও মানুষের জীবনের অনিশ্চয়তাকে খুব সুন্দরভাবে রূপক অর্থে তুলে ধরেছে।
উদাহরণ ২: আবুল হাসানের অপর দুটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো 'যে তুমি হরণ করো' এবং 'পরাজিত শব্দবৃন্দ'।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থগুলো তার সাহিত্যিক প্রতিভার পূর্ণ বিকাশ এবং আধুনিক বাংলা কাব্যের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া সৃষ্টি হিসেবে সমাদৃত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবুল হোসেন — ইনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও প্রাবন্ধিক হলেও 'রাজা যায় রাজা আসে' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা নন, তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'বিপর্যস্ত শৈশব'।
B) নির্মলেন্দু গুণ — ইনি বর্তমানকালের অন্যতম জনপ্রিয় একজন কবি হলেও এই নির্দিষ্ট কাব্যগ্রন্থটি তার সৃষ্টি নয়, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো 'অনিবারিত উচ্চারণ'।
C) আবুল হাসান — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ তিনি নিজেই এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা।
D) শামসুর রাহমান — ইনি বাংলাদেশের প্রধান কবিদের একজন হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তার নয়, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো 'প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে'।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রাজা আসা-যাওয়ার খেলায় কবি আবুল হাসানের নাম মনে রাখবে কারণ তিনি খুব অল্প বয়সে মারা গেলেও বাংলা কবিতায় রাজকীয় এক স্বাক্ষর রেখে গেছেন।
- তার জন্ম ১৯৪৭ সালে এবং মৃত্যু ১৯৭৫ সালে, যা তাকে বাংলা সাহিত্যের এক ক্ষণজ্মু প্রতিভা হিসেবে অমর করে রেখেছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক কবিদের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে আবুল হাসানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি তা মনে রাখা জরুরি।
- আবুল হাসানের জন্মস্থান গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া এবং তিনি সাংবাদিকতার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।
সঠিক উত্তর: D) ধানখেত
১. কেন সঠিক:
- ধানখেত একটি সাধারণ ব্যাসবাক্যযুক্ত শব্দ যার ব্যাসবাক্য হলো ধানের খেত এবং এটি ষষ্টি তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।
- যৌগড়ূঢ় শব্দের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে যে সমাসবদ্ধ শব্দ তার সাধারণ বা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে কোনো বিশেষ বা নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। ধানখেত শব্দটি কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ না করে সাধারণ অর্থে খেতকেই বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎসের ভিত্তিতে বাংলা শব্দের শ্রেণিবিভাগে গঠনগত দিক থেকে শব্দ তিন প্রকার, যথা মৌলিক, সাধিত এবং যৌগিক, রূঢ় বা রূঢ়ি এবং যৌগড়ূঢ় শব্দ।
- যে সমস্ত শব্দ প্রত্যয় বা সমাসের সাহায্যে গঠিত হয়ে সমাসমান পদের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশেষ অর্থ জ্ঞাপন করে, সেগুলোকে যৌগড়ূঢ় শব্দ বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জলধি
ব্যাখ্যা: জল ধারণ করে যা অর্থাৎ সমুদ্র। এখানে সাধারণ অর্থ জল ধারণকারী না বুঝিয়ে একটি বিশেষ অর্থ সমুদ্রকে বোঝায়।
উদাহরণ ২: রাজপুত
ব্যাখ্যা: রাজার পুত্র হলেও বর্তমানে এটি বিশেষ একটি জাতি বা সম্প্রদায়কে বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মহাযাত্রা — এটি মহান যে যাত্রা বা মহা যে যাত্রা কর্মধারয় সমাসের মাধ্যমে নিষ্পন্ন হলেও এর বিশেষ অর্থ হলো মৃত্যু, যা যৌগড়ূঢ় শব্দ।
B) পঙ্কজ — পঙ্কে জন্মে যা অর্থাৎ পদ্মফুল। এটি সাধারণ অর্থ না বুঝিয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করায় যৌগড়ূঢ় শব্দ।
C) রাজপুত — রাজার পুত্র হলেও এটি বিশেষ একটি সম্প্রদায়কে বোঝায়, যা যৌগড়ূঢ় শব্দের অন্তর্ভুক্ত।
D) ধানখেত — এটি সমাসের নিয়মসিদ্ধ সাধারণ শব্দ এবং এর কোনো বিশেষ অর্থ নেই, তাই এটি যৌগড়ূঢ় শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যৌগড়ূঢ় শব্দ চেনার সহজ উপায় হলো মনে রাখা যে এগুলোতে পঙ্কজ, জলধি বা মহাযাত্রার মতো বিশেষ বা ঐতিহ্যগত অর্থ প্রকাশ পায়।
- সাধারণ ব্যাসবাক্য বা সাধারণ অর্থ বোঝালে সেটি যৌগড়ূঢ় শব্দ না হয়ে সাধারণ সাধিত শব্দ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রূঢ়, রূঢ়ি এবং যৌগড়ূঢ় শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- পঙ্কজ এবং জলধি শব্দ দুটি যৌগড়ূঢ় শব্দের সবচেয়ে প্রচলিত ও পরীক্ষাকেন্দ্রিক উদাহরণ।
সঠিক উত্তর: A) ইংরেজি
১. কেন সঠিক:
- জংশন শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে।
- ইংরেজি জংশন শব্দের অর্থ সংযোগস্থল বা মিলনস্থল।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বিদেশি শব্দ বা আগন্তুক শব্দ হলো সেই সমস্ত শব্দ যা অন্য ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
- ইংরেজি ভাষা থেকে বহু প্রশাসনিক, প্রযুক্তিগত ও দৈনন্দিন ব্যবহারের শব্দ বাংলায় এসেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্টেশন
ব্যাখ্যা: এটি একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ যাত্রাবিরতি বা থামার স্থান।
উদাহরণ ২: ফুটবল
ব্যাখ্যা: এটি একটি ইংরেজি শব্দ যা বাংলায় খেলার নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইংরেজি — এই অপশনটি সঠিক কারণ জংশন একটি ইংরেজি শব্দ।
B) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে কার্তুজ ও কুপন শব্দ এসেছে, জংশন নয়।
C) চীনা — চীনা ভাষা থেকে চা ও চিনি শব্দ এসেছে, জংশন নয়।
D) বার্মিজ — বার্মিজ ভাষা থেকে লুঙ্গি ও ফুঙ্গি শব্দ এসেছে, জংশন নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইংরেজি জ শব্দের বহুল ব্যবহার ট্রেন লাইনের মোড় বা জংশনে দেখা যায়।
- রেলওয়ে সংক্রান্ত অনেক আধুনিক শব্দ ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস প্রায়ই আসে।
- রেলওয়ে ও স্টেশন সম্পর্কিত শব্দগুলো সাধারণত ইংরেজি ভাষা থেকে আসে।
সঠিক উত্তর: B) সঙ্গে
১. কেন সঠিক:
- 'সরব' শব্দটিতে 'স' উপসর্গটি 'সঙ্গে' বা 'সহ' অর্থে যুক্ত হয়েছে।
- 'রব' শব্দের অর্থ শব্দ বা আওয়াজ, তাই 'সরব' শব্দের অর্থ হলো রবের সঙ্গে বা শব্দযুক্ত।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন বা সম্প্রসারণ ঘটায়।
- 'স' একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ যা মূলত 'সহিত', 'সঙ্গে' বা 'সহ' অর্থে বিশেষ বিশেষ শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সজল
ব্যাখ্যা: জল শব্দের সঙ্গে 'স' উপসর্গ যুক্ত হয়ে 'সজল' বা জলের সঙ্গে বর্তমান এমন অর্থ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: সলজ্জ
ব্যাখ্যা: লজ্জার সঙ্গে বা লজ্জিত অর্থে 'লজ্জা' শব্দের পূর্বে 'স' উপসর্গ যুক্ত হয়ে 'সলজ্জ' শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্ষুদ্র — 'স' উপসর্গ কোনো অবস্থাতেই ক্ষুদ্র অর্থ প্রকাশ করে না, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) সঙ্গে — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'স' উপসর্গটি এখানে সহ বা সঙ্গে অর্থ প্রকাশ করছে।
C) বিশাল — বিশাল বা বৃহৎ অর্থ প্রকাশের জন্য 'স' উপসর্গ ব্যবহার করা হয় না।
D) অভাব — অভাব অর্থ প্রকাশের জন্য 'বি', 'নি' বা 'আ' এর মতো উপসর্গ ব্যবহার করা হয়, 'স' নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- 'স' দিয়ে শুরু হওয়া অনেক শব্দে এটি 'সহ' বা 'সঙ্গে' অর্থ প্রকাশ করে যেমন সলজ্জ বা সজল।
- শব্দের শুরুতে 'স' দেখলে তার সঙ্গে থাকা শব্দটি বর্তমান বা সঙ্গে আছে কি না তা মিলিয়ে দেখবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই মূল শব্দের সঙ্গে উপসর্গের অর্থ ভালোভাবে বুঝে পড়তে হবে।
- একই নিয়ম মেনে সপ্রাণ, সবান্ধব ইত্যাদি শব্দগুলোর উপসর্গ ও অর্থ নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) প্রগতি
১. কেন সঠিক:
প্রাদি সমাস হলো এমন একধরনের অব্যয়ভাব সমাস, যেখানে প্র, পরা, অপ ইত্যাদি প্রাদি বা উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
প্রগতির ক্ষেত্রে প্র উপসর্গটি গতি শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে প্রকৃষ্ট গতি অর্থ প্রকাশ করেছে, যা প্রাদি সমাসের সংজ্ঞার সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যে সমাসে প্র, পরা, অপ প্রভৃতি উপসর্গ বা প্রাদি পূর্বে বসে বিশেষ্য পদের সাথে যুক্ত হয়ে অব্যয়ভাব সমাস গঠন করে, তাকে প্রাদি সমাস বলে।
এখানে পূর্বপদ উপসর্গ এবং পরপদ বিশেষ্য বা কৃদন্ত পদ হয়, এবং সমস্তপদটি অব্যয় পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরিগ্রহণ
ব্যাখ্যা: পরি উপসর্গপূর্বক গ্রহণ শব্দ মিলে পরিগ্রহণ হয়েছে, যা প্রাদি সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ।
উদাহরণ ২: প্রবচন
ব্যাখ্যা: প্র উপসর্গপূর্বক বচন শব্দ মিলে প্রবচন গঠিত হয়েছে, যা প্রাদি সমাসের নিয়ম মেনে চলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গৃহস্থ — এটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ, কারণ গৃহ বা ঘরে যে থাকে তাকে বোঝায় এবং কৃদন্ত পদের সাথে এই সমাস হয়।
B) ছা-পোষা — এটি অলুক বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ, যেখানে ছা পোষে যে এমন অর্থ প্রকাশ করে এবং বিভক্তির লোপ হয় না।
C) শতাব্দী — এটি দ্বিগু সমাসের উদাহরণ, কারণ এখানে শত অব্দের সমাহার বুঝিয়ে সমাস নিষ্পন্ন হয়েছে এবং পরপদ বিশেষ্য।
D) প্রগতি — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি প্রাদি বা উপসর্গযুক্ত অব্যয়ভাব সমাস।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রাদি সমাস চেনার সহজ উপায় হলো সমস্তপদের শুরুতে প্র, পরা, প্রতি, পরি ইত্যাদি উপসর্গ থাকা।
শব্দের গঠন বিশ্লেষণ করে উপসর্গ ও বিশেষ পদের মিল পেলেই তা প্রাদি সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত অব্যয়ভাব বা প্রাদি সমাস প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে।
তাই প্র, পরি, প্রতি ইত্যাদি উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দগুলো আলাদা করে চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) অবীরা
১. কেন সঠিক:
যে নারীর স্বামী ও পুত্র নেই, তাকে এক কথায় 'অবীরা' বলা হয়। 'বীরা' শব্দের অর্থ বীর পতি বা পুত্রবিশিষ্ট নারী, আর 'অ' উপসর্গ বা প্রত্যয়যোগে যার স্বামী ও পুত্র উভয়ই নেই এমন বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্যসংক্ষেপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একাধিক পদ বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে এককথায় প্রকাশ বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা পূর্বে কখনো হয়নি - অভূতপূর্ব।
ব্যাখ্যা: এটি একটি বাক্যের এককথায় প্রকাশের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: নদী মাতা যার - নদীমাতৃক।
ব্যাখ্যা: দেশের ভূপ্রকৃতি বোঝাতে এই বাক্যসংক্ষেপ ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনুঢ়া — যার বিবাহ হয়নি তাকে অনুঢ়া বলা হয়, তাই এটি ভুল।
B) কুমারী — অবিবাহিত তরুণী বা কন্যাকে কুমারী বলা হয়, তাই এটি ভুল।
C) নবোঢ়া — যে নারীর সবেমাত্র বিবাহ হয়েছে তাকে নবোঢ়া বলা হয়, তাই এটি ভুল।
D) অবীরা — যে নারীর স্বামী ও পুত্র নেই তাকে অবীরা বলা হয়, তাই এটি সঠিক।
৫. মনে রাখার টিপস:
স্বামী ও পুত্র না থাকলে সমাজ বা সংসারে নারী একা বা সহায়হীন হয়ে পড়ে, আর 'অ' মানে নেই বা অভাব। এভাবে 'অ' যুক্ত হয়ে 'অবীরা' শব্দটি গঠিত হয় মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে পারিবারিক ও সামাজিক অবস্থা নির্দেশক শব্দগুলো যেমন অবীরা, অনুঢ়া, বিধবা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) নাটক
১. কেন সঠিক:
- 'নেমেসিস' হলো বিখ্যাত নাট্যকার নূরুল কাদের রচিত একটি সাড়া জাগানো নাটক।
- পৌরাণিক বা গ্রিক নাট্যরীতির প্রভাবে রচিত হলেও এতে আধুনিক সমাজের নৈতিক সংকট ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই নাটকটির রচয়িতা হলেন নূরুল কাদের যিনি আধুনিক বাংলা নাট্যসাহিত্যে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন।
- এই সাহিত্যকর্মে মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন মন্বন্তর ও কৃত্রিম খাদ্য সংকটের প্রেক্ষাপটে মানুষের লোভ ও নৈতিক অবক্ষয় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নূরুল কাদের রচিত অন্যান্য নাটক বা সাহিত্যকর্ম।
ব্যাখ্যা: লেখকের অন্যান্য সাহিত্যকর্মের সঙ্গে তুলনা করলে এই নাটকের সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক গুরুত্ব সহজে অনুধাবন করা যায়।
উদাহরণ ২: বাংলা সাহিত্যে সামাজিক সংকটের নাটক।
ব্যাখ্যা: এই ধারার নাটকগুলো মূলত সমাজের ভেতরের অনিয়ম ও মানুষের নৈতিক পতন উন্মোচন করে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাব্য — এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ বা কবিতা সংকলন নয় বরং একটি পূর্ণাঙ্গ নাটক।
B) নাটক — সঠিক উত্তর কারণ এটি নাটক হিসেবেই বাংলা সাহিত্যে নিবন্ধিত।
C) উপন্যাস — এটি কোনো দীর্ঘ কথাসাহিত্য বা উপন্যাস নয় বরং দৃশ্যকাব্য বা নাটক।
D) গীতি কবিতা — এটি লিরিক বা গীতি কবিতা নয় বরং সংলাপনির্ভর নাটক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নেমেসিস নাটকটি মনে রাখতে নাম এবং লেখকের প্রথম অক্ষর বা নাটকের মূল থিম মাথায় রাখতে পারো।
- নাট্যসাহিত্যের প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে রচিয়তার নাম এবং প্রকাশের প্রেক্ষাপট একসঙ্গে মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত নাটক ও তার রচয়িতার নাম জানতে চাওয়া হয়।
- নাটকের মূল বিষয়বস্তু এবং সামাজিক প্রেক্ষাপট থেকে প্রায়ই এমসিকিউ প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) মুক্তিযুদ্ধ
১. কেন সঠিক:
- এই প্রশ্নের মূল বিষয় হলো বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং সেই সময়ের সাধারণ মানুষের গ্রামীণ জীবনের আবহ।
- নাটকের মূল পটভূমিতে রয়েছে ১৯৭১ সালের অবরুদ্ধ বাংলাদেশে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের প্রতিরোধ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই কাব্যনাটকটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কবি ও নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক।
- এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সার্থক কাব্যনাটক যা ১৯৭১ সালের পটভূমিতে রচিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নুরুলদীনের সারাজীবন
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক কাব্যনাটক।
উদাহরণ ২: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় কাব্যনাটকের গান
ব্যাখ্যা: এই নাটকের অনেক গান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মানুষের মাঝে দেশপ্রেম জাগিয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুক্তিযুদ্ধ — এটি এই নাটকের মূল বিষয়বস্তু হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে।
B) গৃহযুদ্ধ — এই নাটকে কোনো গৃহযুদ্ধ বা অন্তর্কোন্দল ফুটিয়ে তোলা হয়নি, তাই এটি ভুল।
C) বিষয়যুদ্ধ — বাংলা সাহিত্যে এই নামে কোনো ঐতিহাসিক বা কাল্পনিক যুদ্ধের বিশেষ ধারা নেই, তাই ভুল।
D) ভাষা আন্দোলন — ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক ভিন্ন, যেমন মুনীর চৌধুরীর কবর নাটক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সৈয়দ শামসুল হকের পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকের নাম শুনলেই মাথায় রাখতে হবে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ।
- নাটকের নামটির মধ্যেই যুদ্ধের পদাতিক বাহিনীর আগমন ও আতঙ্কের আবহ লুকিয়ে আছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাটক থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- কাব্যনাটক রচয়িতা হিসেবে সৈয়দ শামসুল হকের নাম এবং তাঁর পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ও নুরুলদীনের সারাজীবন গ্রন্থ দুটি খুব ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) Oxen
কেন সঠিক:
- অক্স শব্দের বহুবচন হলো অক্সেন, যার শেষে এন যুক্ত হয়ে প্লুরাল গঠিত হয়েছে।
- এটি ইংরেজি ব্যাকরণের অনিয়মিত বহুবচনের একটি ব্যতিক্রমী নিয়ম অনুসরণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) School — এটি একটি একক বা সিঙ্গুলার কাউন্টেবল নাউন, যার বহুবচন হলো স্কুলস।
B) Mathematics — দেখতে প্লুরালের মতো হলেও এটি একটি সিঙ্গুলার নাউন যা একটি নির্দিষ্ট বিষয়কে বোঝায়।
C) Leaf — এটি একটি সিঙ্গুলার নাউন, যার সঠিক প্লুরাল ফর্ম হলো লিভস।
D) Oxen — এটি প্রদত্ত শব্দের সঠিক প্লুরাল ফর্ম এবং সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
কিছু নাউনের শেষে ই এন বা আর ই এন যুক্ত করে প্লুরাল করা হয়, যেমন অক্স থেকে অক্সেন এবং চাইল্ড থেকে চিলড্রেন।
সঠিক উত্তর: D) Bounden
কেন সঠিক:
- 'Bounden' শব্দটির শেষ অংশ দেখে এটিকে অনেক সময় পাস্ট পার্টিসিপল মনে হলেও এটি আসলে একটি প্রাচীন বা বিশেষণের মতো ব্যবহৃত শব্দ (Adjective)।
- এটি সাধারণত অপরিবর্তিত রূপ হিসেবে কোনো বিশেষ নাউনের আগে বসে (যেমন: bounden duty)।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Threaten — এটি একটি Verb যার অর্থ হুমকি দেওয়া, এর সাথে 'en' যুক্ত হয়ে Verb গঠিত হয়েছে।
B) Worsen — এটি একটি Verb যার অর্থ অবনতি হওয়া, এটিও 'en' প্রত্যয়যুক্ত একটি Verb।
C) Flatter — এটি একটি Verb যার অর্থ তোষামোদ করা বা চাটুকারিতা করা।
D) Bounden — এটি Verb নয় বরং একটি Adjective যা সাধারণত নির্দিষ্ট কিছু বাক্যে বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দে 'en' যুক্ত থাকলে অনেক সময় তা Verb হয়, তবে 'Bounden' শব্দটি ব্যতিক্রম যা সবসময় Adjective হিসেবে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: A) Generosity
কেন সঠিক:
- 'Bounty' শব্দের অর্থ উদারতা, প্রাচুর্য বা বড়াই করে দান করা।
- 'Generosity' শব্দের অর্থ উদারতা বা মুক্তহস্তে দান করার প্রবৃত্তি, যা 'bounty' শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Generosity — সঠিক উত্তর কারণ এটি উদারতা ও দাক্ষিণ্য বোঝায় যা বাউন্টি শব্দের সমার্থক।
B) Familiar — এর অর্থ পরিচিত বা সুপরিচিত, যা প্রদত্ত শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
C) Dividing line — এর অর্থ বিভাজক রেখা বা সীমারেখা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি ধারণা।
D) Sympathy — এর অর্থ সহানুভূতি বা সমবেদনা, যা উদারতা বা প্রাচুর্যের সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
'Bounty' থেকে 'Bountiful' বা প্রচুর উপহার মনে রাখতে পারেন, আর বড় মনের মানুষই প্রাচুর্য থেকে উদারতা (Generosity) দেখান।
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Idioms and Phrases)
সঠিক উত্তর: A) Unreliable person
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে সি অপশন দেওয়া থাকলেও, সঠিক উত্তর হবে এ অপশন। কারণ 'A bad egg' ইডিয়মটির প্রচলিত ও সঠিক অর্থ হলো অবিশ্বাসী বা অসৎ ব্যক্তি।
কেন সঠিক:
- 'A bad egg' একটি ইংরেজি প্রবাদপ্রতিম ইডিয়ম যার শাব্দিক অর্থ খারাপ ডিম হলেও রূপক অর্থে এটি এমন একজন অবিশ্বাসী বা সমস্যা সৃষ্টকারী ব্যক্তিকে বোঝায় যাকে বিশ্বাস করা যায় না।
- বাংলা ভাষায় একে আমরা অপদার্থ, কুলাঙ্গার বা অবিশ্বাসী মানুষ বলতে পারি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Unreliable person — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ অবিশ্বাসী বা অবিশ্বস্ত ব্যক্তি যা ইডিয়মটির সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
B) Dangerous person — এর অর্থ বিপজ্জনক ব্যক্তি, যা ইডিয়মটির মূল ভাব অবিশ্বাসী বা অসৎ হওয়ার সঙ্গে সরাসরি মিলে না।
C) A person who cannot create anything — এর অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যে কিছু তৈরি করতে পারে না, যা এই ইডিয়মের অর্থ বহন করে না।
D) None of these — সঠিক উত্তর এ অপশনে থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস: ডিমের মধ্যে একটি পচা বা খারাপ ডিম যেমন পুরো ঝুড়ির ভালো ডিম নষ্ট করে, তেমনি সমাজের একজন 'bad egg' বা অসৎ মানুষ সবাইকে বিপদে ফেলে।
সঠিক উত্তর: A) very
কেন সঠিক:
- Sweet একটি সাধারণ Adjective, যার পূর্বে মাত্রা বোঝাতে Positive Degree হিসেবে Very ব্যবহৃত হয়।
- Very সাধারণত Adjective বা Adverb-এর সাধারণ মাত্রা বা তীব্রতা প্রকাশ করতে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) very — এটি বাক্যের শূন্যস্থানের জন্য সঠিক এবং ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল অপশন।
B) too much — এটি সাধারণত Noun-এর পূর্বে বসে, কিন্তু sweet একটি Adjective হওয়ায় এখানে এটি বসবে না।
C) much too — এটি Unpleasant বা অপছন্দনীয় কোনো Adjective-এর পূর্বে বসে, কিন্তু sweet একটি ভালো গুণ তাই এটি ভুল।
D) excessive — এটি একটি Noun বা Adjective, যা এখানে Adverb-এর কাজ করতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
ভালো গুণ বা সাধারণ বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে Adjective-এর পূর্বে Very বসে এবং অপছন্দনীয় বা খারাপ গুণের ক্ষেত্রে Much too বসে।
সঠিক উত্তর: C) Privilege
কেন সঠিক:
- Franchise শব্দের অর্থ ভোটাধিকার, বিশেষ অধিকার বা বিশেষ সুবিধা।
- Privilege শব্দের অর্থও বিশেষ অধিকার বা সুবিধা, যা Franchise শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Utility — এর অর্থ উপযোগিতা বা ব্যবহার্য বস্তু, যা Franchise শব্দের অর্থের সাথে মেলে না।
B) Frankness — এর অর্থ খোলামেলা ভাব বা স্পষ্টবাদিতা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Privilege — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনে রয়েছে।
D) Superficial — এর অর্থ অগভীর বা ভাসাভাসা, যা Franchise শব্দের সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Franchise এবং Privilege উভয় শব্দই বিশেষ অধিকার বা সুযোগ পাওয়ার অবস্থাকে বোঝায়।
সঠিক উত্তর: C) Fish
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণে কিছু নাউন রয়েছে যাদের একবচন ও বহুবচন রূপ একই হয়।
- Fish শব্দটি এ ধরনের একটি Noun, যা একক বা সমষ্টি উভয় ক্ষেত্রেই পরিমাপভেদে অপরিবর্তিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Wood — এটি একটি Uncountable Noun, যার বহুবচন সাধারণত Woods হয় যার অর্থ বন বা জঙ্গল।
B) Issues — এটি একটি Countable Noun এবং এর মূল রূপ Issue, যা এখানে নিজে থেকেই বহুবচন আকারে রয়েছে।
C) Fish — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
D) Light — এটি একটি Uncountable Noun, যার বহুবচন Lights হলে বিভিন্ন আলোক উৎস বা বাতি বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
Fish, Deer ও Sheep শব্দগুলোর Singular এবং Plural রূপ একই থাকে।
সঠিক উত্তর: A) Theology
কেন সঠিক:
- Theology শব্দটি গ্রিক শব্দ Theos যার অর্থ ঈশ্বর এবং Logia যার অর্থ অধ্যায়ন থেকে এসেছে।
- এটি মূলত ধর্মবিশ্বাস, ঈশ্বর এবং ঐশ্বিক বিষয়াদি নিয়ে তাত্বিক আলোচনা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Theology — এটি ধর্মের তাত্ত্বিক ও ধর্মীয় মতবাদ সংক্রান্ত অধ্যয়ন নির্দেশ করে।
B) Regionology — এটি কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের ভৌগোলিক বা আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করে।
C) Anthropology — এটি মানবজাতি, তাদের সমাজ, সংস্কৃতি এবং শারীরিক বিকাশ নিয়ে গবেষণা করে।
D) Apiology — এটি প্রাণিবিজ্ঞানের একটি শাখা যা মৌমাছি নিয়ে গবেষণা করে।
মনে রাখার টিপস:
Theos অর্থ ঈশ্বর, তাই ধর্মের বা ঈশ্বরের অধ্যয়নকে Theology বলা হয়।
সঠিক উত্তর: C) very rarely
কেন সঠিক:
- 'Once in a blue moon' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ কদাচিৎ বা খুব বিরল ঘটনা।
- চাঁদ নীল রঙের হয় না, তাই এই ধরনের বিরল দৃশ্য বোঝাতেই এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) always — এই শব্দের অর্থ সর্বদা, যা 'very rarely' বা বিরল অর্থের ঠিক বিপরীত।
B) nearly — এই শব্দের অর্থ প্রায়, যা কোনো নির্দিষ্ট বিরل সময়কে নির্দেশ করে না।
C) very rarely — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বাগধারাটির আক্ষরিক ও ভাবার্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
D) hourly — এই শব্দের অর্থ ঘণ্টায় ঘণ্টায় বা প্রতি ঘণ্টায়, যা অত্যন্ত ঘন ঘন ঘটার ঘটনা বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
চাঁদ কদাচিৎ নীল দেখা যায়, তাই 'blue moon' দেখলে বুঝবেন সেটি খুব বিরল ঘটনা বা 'very rarely'।
সঠিক উত্তর: A) Amoral
কেন সঠিক:
- 'Amoral' শব্দটিতে 'A-' একটি প্রিফিক্স বা উপসর্গ হিসেবে যুক্ত হয়েছে।
- 'Moral' শব্দের পূর্বে 'A-' যুক্ত হয়ে এর বিপরীতার্থক বা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করেছে যার অর্থ অনৈতিক বা নৈতিকতাবর্জিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Amoral - এটি সঠিক উত্তর এবং এখানে 'A-' প্রিফিক্স যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে।
B) Authentic - এটি একটি মূল শব্দ যার অর্থ খাঁটি বা প্রামাণ্য, এখানে কোনো প্রিফিক্স যুক্ত হয়নি।
C) Amnesia - এটি গ্রিক মূল শব্দ থেকে এসেছে যার অর্থ স্মৃতিভ্রম, এখানে 'Am-' কোনো আলাদা প্রিফিক্স নয়।
D) Aspersions - এটি একটি নাউন যার মূল শব্দের সঙ্গে সাফিক্স যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে, এখানে কোনো প্রিফিক্স নেই।
মনে রাখার টিপস:
কোনো শব্দের শুরুতে 'A' বা 'An' যুক্ত হয়ে যদি তার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, তবে সেটিকে সাধারণত প্রিফিক্স হিসেবে ধরা হয়।
সঠিক উত্তর: B) Geoffrey Chaucer
কেন সঠিক:
- 'The House of Fame' মধ্যযুগের ইংরেজি সাহিত্যের বিখ্যাত কবি জিওফ্রে চসারের একটি বিখ্যাত কবিতা।
- এটি তাঁর ইতালীয় সাহিত্য দ্বারা প্রভাবিত রচনার অন্যতম এবং এতে স্বপ্নের রূপক ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Francis Bacon — তিনি একজন প্রখ্যাত ইংরেজ প্রাবন্ধিক ও দার্শনিক ছিলেন, কোনো কবিতা বা সাহিত্যের এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
B) Geoffrey Chaucer — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই 'The House of Fame' কবিতার রচয়িতা।
C) William Lanlord — এটি মূলত উইলিয়াম ল্যাংল্যান্ড (William Langland) বোঝানো হয়েছে, যিনি 'Piers Plowman' মহাকাব্যের রচয়িতা।
D) John Wycliffe — তিনি একজন ধর্মীয় সংস্কারক ও বাইবেলের প্রথম ইংরেজি অনুবাদক ছিলেন, এই সাহিত্যকর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
মনে রাখার টিপস:
চসারকে ফাদার অফ ইংলিশ পোয়েট্রি বলা হয়, আর তাঁর ফেম বা খ্যাতি ছড়ানোর জন্য 'House of Fame' মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) W.B. Yeats
কেন সঠিক:
- W.B. Yeats মূলত বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত আইরিশ কবি ও নাট্যকার ছিলেন।
- তিনি উপন্যাস রচনার জন্য পরিচিত ছিলেন না, বরং তার প্রধান কীর্তি কবিতা ও কাব্যনাট্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Charles Dickens — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিশ্বখ্যাত ঔপন্যাসিক ছিলেন।
B) W.B. Yeats — তিনি উপন্যাসিক নন, বরং সাহিত্যের নোবেলজয়ী একজন বিশিষ্ট কবি।
C) James Joyce — তিনি আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যের একজন বিখ্যাত ও প্রভাবশালী ঔপন্যাসিক।
D) Jane Austen — তিনি অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতকের একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক।
মনে রাখার টিপস:
ইয়েটস নাম দেখলেই মনে রাখবে তিনি কবি, ঔপন্যাসিক নন।
সঠিক উত্তর: B) Allen Ginsberg
কেন সঠিক:
- আমেরিকান বিখ্যাত কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যশোর রোডের শরণার্থী শিবিরের দুর্দশা দেখে এই দীর্ঘ কবিতাটি রচনা করেছিলেন।
- এটি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মানুষের ওপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্যাতন এবং ভারতে আশ্রয় নেওয়া লাখ লাখ শরণার্থীর কষ্ট ও যন্ত্রণার প্রামাণিক দলিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Madhusudan Dutt — মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য রচয়িতা এবং রোমান্টিক কবি, ১৯৭১ সালের এই ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) Allen Ginsberg — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি সঠিক এবং এটি যশোর রোডের শরণার্থী শিবির নিয়ে লেখা তাঁর বিখ্যাত কবিতা।
C) Kaiser Huq — কায়েস হক বাংলাদেশের একজন সমসাময়িক প্রখ্যাত ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক ও কবি, যিনি এই কবিতার রচয়িতা নন।
D) Vikram Seth — বিক্রম শেঠ একজন ভারতীয় ঔপন্যাসিক ও কবি, যিনি মূলত 'এ সুইটেবল বয়' উপন্যাসের জন্য পরিচিত এবং এই কবিতার সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সময় যশোর রোডের করুণ দৃশ্য দেখে বিখ্যাত আমেরিকান কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ কবিতা লিখেছিলেন।
সঠিক উত্তর: B) Charles Dickens
কেন সঠিক:
- চার্লস ডিকেন্সের উপন্যাসে লন্ডন শহর কেবল পটভূমি নয়, বরং জীবন্ত একটি চরিত্র হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে।
- তার উপন্যাসের কুয়াশা, অলিগলি এবং মানুষের জীবনযাত্রা লন্ডনকে প্রাণবন্ত সত্তা হিসেবে ফুটিয়ে তোলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Thomas Hardy — থমাস হার্ডি প্রধানত ওয়ারেক্সিয়ার গ্রামীণ পটভূমি এবং প্রকৃতির রূপ নিয়ে সাহিত্য রচনা করেছেন।
B) Charles Dickens — চার্লস ডিকেন্সের উপন্যাসে লন্ডন শহর একটি জীবন্ত সত্তা বা চরিত্রের রূপ লাভ করেছে।
C) D. H. Lawrence — ডি এইচ লরেন্স মূলত আধুনিক মানুষের মনস্তত্ত্ব, সম্পর্ক এবং শিল্পায়নের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে লিখেছেন।
D) W. Congreve — উইলিয়াম কংরিভ রেস্টোরেশন যুগের একজন বিখ্যাত নাট্যকার, যিনি কমেডি অফ ম্যানার্স রচনার জন্য পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
লন্ডন শহরকে জীবন্ত সত্তা হিসেবে ডিকেন্সের উপন্যাসে পাওয়া যায়, তাই ডিকেন্স ও লন্ডন একসঙ্গে মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) Permanent
কেন সঠিক:
- Transitory শব্দের অর্থ ক্ষণস্থায়ী বা অল্পস্থায়ী, যা দ্রুত শেষ হয়ে যায়।
- Permanent শব্দের অর্থ স্থায়ী, যা দীর্ঘস্থায়ী বা চিরস্থায়ী বোঝায় এবং এটি transitory এর বিপরীতার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Temporary — এটি transitory শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
B) Permanent — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি transitory শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) Transparent — এর অর্থ স্বচ্ছ, যা শব্দের অর্থের সাথে সম্পর্কহীন।
D) Short-lived — এটি transitory শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Transitory মানে ট্রেনের টিকিটের মতো ক্ষণস্থায়ী, আর Permanent মানে পার্মানেন্ট মার্কারের লেখার মতো স্থায়ী।
সঠিক উত্তর: C) Sovereignty
কেন সঠিক:
- বানানটিতে Sov - ere - ign - ty এভাবে সঠিক অক্ষর বিন্যাস ব্যবহার করা হয়েছে।
- শব্দটির অর্থ সার্বভৌমত্ব এবং এর বানানটি ইংরেজি মানদণ্ড অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Soverinty — এই বানানটিতে ereign অংশটি ভুলভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে।
B) Sovereigintity — এই বানানটিতে অতিরিক্ত অক্ষর যুক্ত করে বানানটি ভুল করা হয়েছে।
C) Sovereignty — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
D) Soverignty — এই বানানটিতে সঠিক শব্দটির মাঝের গুরুত্বপূর্ণ অক্ষরগুলো অনুপস্থিত রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Sovereign লিখে শেষে ty যোগ করলে খুব সহজে বানানটি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) tolerate
কেন সঠিক:
- 'Put up with' একটি ইংরেজি ফ্রেজ বা ইডিয়ম, যার অর্থ হলো কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা বিরক্তিকর আচরণ সহ্য করা।
- প্রদত্ত সঠিক উত্তর B অপশনের 'tolerate' শব্দটির অর্থও সহ্য করা বা বরদাস্ত করা, যা মূল ইডিয়মের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) stay together — এর অর্থ একত্রে থাকা, যা 'put up with' ইডিয়মের অর্থ সহ্য করার সাথে মেলে না।
B) tolerate — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ সহ্য করা, যা মূল ইডিয়মের সঠিক সমার্থক শব্দ।
C) keep trust — এর অর্থ বিশ্বাস রাখা বা রক্ষা করা, যা আলোচ্য ইডিয়মের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ।
D) protect — এর অর্থ রক্ষা করা বা নিরাপত্তা দেওয়া, যা কোনো অবস্থাতেই সহ্য করা অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
কাউকে সহ্য করা খুব কঠিন হলেও তা পুষিয়ে (put up) রাখা বা মেনে নেওয়া হলো 'put up with' অর্থাৎ সহ্য করা বা tolerate করা।
সঠিক উত্তর: B) a weak point
কেন সঠিক:
- 'Achilles heel' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা ফ্রেজ, যার আক্ষরিক অর্থ হলো দুর্বল জায়গা বা দুর্বল দিক।
- গ্রিক পুরাণের বীর অ্যাকিলিসকে তার মা জন্মের পর নদীের জলে ডুবিয়েছিলেন অমর করার জন্য, কিন্তু গোড়ালি ধরে রাখায় গোড়ালি ভেজা হয়নি এবং সেটাই তার একমাত্র দুর্বলতা বা মৃত্যুর কারণ হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a strong point — এটি 'Achilles heel' ফ্রেজের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, কারণ এর অর্থ শক্তিশালী দিক।
B) a weak point — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং প্রশ্নানুযায়ী প্রযোজ্য।
C) a permanent solution — এর অর্থ স্থায়ী সমাধান, যা এই ফ্রেজের দুর্বলতা বা সমস্যার অর্থ প্রকাশ করে না।
D) a serious idea — এর অর্থ একটি গুরুতর ধারণা, যা শারীরিক বা মানসিক কোনো দুর্বলতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
গ্রিক বীর অ্যাকিলিসের গোড়ালিতে আঘাত করেই তাকে বধ করা হয়েছিল, তাই গোড়ালি বা 'heel' হলো মানুষের যেকোনো দুর্বল বা অরক্ষিত জায়গা।
সঠিক উত্তর: A) Anno Domini
কেন সঠিক:
- ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ Anno Domini-র সংক্ষিপ্ত রূপ হলো AD, যার বাংলা অর্থ খ্রিস্টাব্দ বা যিশু খ্রিস্টের জন্মের পরের বছরসমূহ।
- ইতিহাস ও সন গণনায় খ্রিস্টপূর্ব বা BC এর পরবর্তী সময়কাল বোঝাতে এই পরিভাষা ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Anno Domini — এটি সঠিক উত্তর এবং এর মাধ্যমেই খ্রিস্টাব্দের পরবর্তী সময়কাল নির্দেশ করা হয়।
B) Anti-Dot — এটি একটি অর্থহীন বা কাল্পনিক শব্দ, চিকিৎসাবিজ্ঞান বা অন্য কোনো ক্ষেত্রে এর কোনো ঐতিহাসিক বা ভাষাগত প্রাসঙ্গিকতা নেই।
C) After Death — এটি একটি প্রচলিত ভুল ধারণা, অনেক সাধারণ মানুষ মনে করেন AD মানে মৃত্যুর পরের বছর, কিন্তু ল্যাটিন ব্যাকরণে এটি সঠিক নয়।
D) Add Data — এটি একটি কম্পিউটার বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক পরিভাষা, যা ঐতিহাসিক সন গণনার সঙ্গে সম্পূর্ণ অসংগত।
মনে রাখার টিপস:
AD দেখলে মনে রাখবে এটি ল্যাটিন শব্দ Anno Domini, যার অর্থ যিশু খ্রিস্টের জন্মের পরের বছর।
সঠিক উত্তর: C) Adjective
কেন সঠিক:
- 'Still' শব্দটি এখানে Noun 'waters'-এর ঠিক পূর্বে বসে পানির অবস্থাকে নির্দেশ করছে।
- কোনো Noun-এর পূর্বে বসে তার দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করলে তা Adjective হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Noun — Still এখানে কোনো নাম বোঝাচ্ছে না, বরং Noun-কে বিশেষিত করছে।
B) Pronoun — Still এখানে কোনো পদের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়নি।
D) Adverb — Still এখানে কোনো Verb, Adjective বা অন্য কোনো Adverb-কে বিশেষিত করছে না।
মনে রাখার টিপস:
Noun-এর ঠিক আগের শব্দটি সাধারণত Adjective হয়, যেমন শান্ত পানি বোঝাতে 'Still' এখানে Adjective-এর কাজ করেছে।
সঠিক উত্তর: B) Perseverance
কেন সঠিক:
- সঠিক বানানটি হলো perseverance যার অর্থ অধ্যবসায় বা দীর্ঘস্থায়ী চেষ্টা।
- এই শব্দটিতে পের (Per) এর পরে সেভার (sever) এবং শেষে অ্যান্স (ance) অংশ যুক্ত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Perslvearence — এখানে সেভার অংশের বানান ভুল এবং শেষের অংশ ance এর পরিবর্তে earence লেখা হয়েছে।
B) Perseverance — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ একটানা চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।
C) Perseverence — এখানে শেষের অংশ ance এর পরিবর্তে ence লেখা হয়েছে যা সঠিক বানান নয়।
D) Persiverence — এখানে পের অংশের বানান ভুল এবং শেষের অংশ ence লেখা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটিকে ভেঙে মনে রাখতে পারো: Per + sever + ance, যেখানে মাঝখানের sever অংশটি মনে রাখলে বানান ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: D) Face
কেন সঠিক:
- পার্সি বিশি শেলি রচিত ওজিম্যান্ডিয়াস কবিতায় ভাইসেজ শব্দটি মুখের অবয়ব বা চেহারা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়েছে।
- কবিতার বিখ্যাত লাইনে ভগ্ন মূর্তির উপরিভাগের মুখাবয়ব বা ফেস বোঝাতে এই শব্দটি প্রয়োগ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Body — এটি সম্পূর্ণ শরীরকে বোঝায়, যা ভগ্ন মূর্তির শুধুমাত্র মুখাবয়বের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) Sculpture — এটি পুরো ভাস্কর্য বা শিল্পকর্মকে নির্দেশ করে, যা মুখের সুনির্দিষ্ট অংশ ভাইসেজ শব্দের সঠিক অর্থ নয়।
C) Statue— এটি আস্ত একটি পূর্ণাঙ্গ বা বিশাল মূর্তিকে বোঝায়, যা মুখের অবয়বের সমার্থক নয়।
D) Face — এটি মুখের চেহারা বোঝায়, যা ভাইসেজ শব্দের সঠিক ও সরাসরি বাংলা অর্থ।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি ভিসেজ শব্দের অর্থ মুখ বা চেহারা, যা ওজিম্যান্ডিয়াস কবিতার মূর্তির ভাঙা মুখের অংশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) Conflict
কেন সঠিক:
- Concord শব্দের অর্থ হলো মিল, সম্প্রীতি বা শান্তি।
- Conflict শব্দের অর্থ হলো দ্বন্দ্ব, অনৈক্য বা বিরোধ, যা Concord শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Harmony — এর অর্থ মিল বা সামঞ্জস্য, যা Concord শব্দের সমার্থক বা Synonym।
B) Conflict — এর অর্থ দ্বন্দ্ব বা বিরোধ, যা Concord শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ বা Antonym।
C) Thrifty — এর অর্থ মিতব্যয়ী, যা এই প্রশ্ন বা প্রসঙ্গের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) Scanty — এর অর্থ অপ্রচুর বা স্বল্প, যা এই প্রশ্ন বা প্রসঙ্গের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Concord মানে শান্তি এবং Conflict মানে দ্বন্দ্ব; দুটি সম্পূর্ণ বিপরীত ধারণা।
সঠিক উত্তর: A) ৪৫০
প্রদত্ত তথ্য:
আসল (P) = ১০০০০ টাকা
সুদের হার (r) = ৬% বা ৬ ÷ ১০০
সময় (n) = ৯ মাস বা ৯ ÷ ১২ বছর
ধরি,
সরলসুদ = I
অতএব,
I = P × n × r
সুতরাং,
I = ১০০০০ × (৯ ÷ ১২) × (৬ ÷ ১০০)
I = ১০০০০ × (৩ ÷ ৪) × (৬ ÷ ১০০)
উত্তর: ৪৫০ টাকা
সঠিক উত্তর: B) ১০০
প্রদত্ত তথ্য:
সমকোণী ত্রিভুজের ভূমি = ১২ মিটার
সমকোণী ত্রিভুজের উচ্চতা = ৫ মিটার
ধরি,
অতিভুজটি হলো ক মিটার
অতএব,
পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে, ক এর বর্গ = ১২ এর বর্গ + ৫ এর বর্গ
ক এর বর্গ = ১৪৪ + ২৫
ক এর বর্গ = ১৬৯
সুতরাং,
ক = √১৬৯
ক = ১৩ মিটার
উত্তর:
১৩ মিটার = ১৩০০ সেন্টিমিটার
অতিভুজ ভূমি অপেক্ষা বেশি = ১৩০০ সেন্টিমিটার − ১২০০ সেন্টিমিটার = ১০০ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর: D) ৪৪%
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাস বৃদ্ধি করা হয়েছে ২০%
ধরি,
বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r
আদি ক্ষেত্রফল = pi × r × r
অতএব,
নতুন ব্যাস ২০% বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন ব্যাসার্ধ হবে ১.২০r
নতুন ক্ষেত্রফল হবে pi × (১.২০r) × (১.২০r)
নতুন ক্ষেত্রফল হবে ১.৪৪ × pi × r × r
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = (১.৪৪ − ১.০০) × ১০০%
উত্তর: ৪৪%
সঠিক উত্তর: D) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ = ১৩৫ ডিগ্রি
ধরি,
বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা = ক
অতএব,
বহুভুজটির একটি বহিঃকোণের পরিমাণ = ১৮০ ডিগ্রি − ১৩৫ ডিগ্রি = ৪৫ ডিগ্রি
সুতরাং,
আমরা জানি বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা = ৩৬০ ডিগ্রি ভাগ বহিঃকোণের পরিমাণ
উত্তর: ৩৬০ ডিগ্রি ভাগ ৪৫ ডিগ্রি = ৮
সঠিক উত্তর: C) ১/২
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো চার এর পাওয়ার এক্স যোগ চার এর পাওয়ার এক বিয়োগ এক্স সমান চার।
ধরি,
চার এর পাওয়ার এক্স সমান ওয়াই
অতএব,
ওয়াই যোগ চার ভাগ ওয়াই সমান চার
সুতরাং,
ওয়াই স্কয়ার বিয়োগ চার ওয়াই যোগ চার সমান শূন্য
উত্তর: এক্স সমান এক ভাগ দুই
সঠিক উত্তর: C) ১০
প্রদত্ত তথ্য:
x ও y এর মানের গড় ৯
z এর মান ১২
ধরি,
x ও y এর যোগফল = ৯ × ২ = ১৮
z এর মান = ১২
অতএব,
তিনটি সংখ্যার মোট যোগফল = ১৮ + ১২ = ৩০
মোট সংখ্যার পরিমাণ = ৩
সুতরাং,
x, y এবং z এর মানের গড় = ৩০ ÷ ৩ = ১০
উত্তর: ১০
সঠিক উত্তর: C) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার অনুপাত = ৫ : ৬
সংখ্যা দুটির গসাগু = ৪
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৫ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৬ক
সংখ্যা দুটির গসাগু = ক
অতএব,
ক = ৪
প্রথম সংখ্যাটি = ৫ × ৪ = ২০
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৬ × ৪ = ২৪
সুতরাং,
ছোট সংখ্যাটি = ২০
উত্তর: ২০
সঠিক উত্তর: C) ৪ গুণ
প্রদত্ত তথ্য:
একটি সরলরেখা এবং তার অর্ধেকের উপর বর্গ অঙ্কিত হয়েছে
ধরি,
সরলরেখাটির দৈর্ঘ্য = ক
সরলরেখার অর্ধেকের দৈর্ঘ্য = ক ÷ ২
অতএব,
সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = ক × ক = ক২
অর্ধেকের উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = (ক ÷ ২) × (ক ÷ ২) = ক২ ÷ ৪
সুতরাং,
বর্গ দুটির তুলনামূলক অনুপাত = ক২ ÷ (ক২ ÷ ৪) = ৪
উত্তর: ৪ গুণ
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয়
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = ৬ গুণ a এর বর্গ গুণ b গুণ c
দ্বিতীয় রাশি = ৪ গুণ a এর ঘন গুণ b এর বর্গ গুণ c এর বর্গ
ধরি,
সংখ্যা সহগ দুটির মান = ৬ এবং ৪
বীজগণিতীয় রাশিগুলোর সাধারণ উৎপাদক = a এবং b এবং c
অতএব,
সংখ্যা ৬ এবং ৪ এর গসাগু = ২
a এর সর্বোচ্চ সাধারণ ঘাত = a এর বর্গ
b এবং c এর সাধারণ ঘাত = b এবং c
সুতরাং,
পূর্ণ সাংখ্যিক এবং বীজগণিতীয় গসাগু = ২ গুণ a এর বর্গ গুণ b গুণ c
যা ২a স্কয়ার bc এর সমান
উত্তর: ২a স্কয়ার bc (যেহেতু অপশনে ২a স্কয়ার bc নেই, তাই সঠিক উত্তর কোনটিই নয়)
সঠিক উত্তর: B) ৫০%
প্রদত্ত তথ্য:
এক টাকায় ৩টি করে আম ক্রয় করা হয়
এক টাকায় ২টি করে আম বিক্রয় করা হয়
ধরি,
৩টি আমের ক্রয়মূল্য = ১ টাকা
২টি আমের বিক্রয়মূল্য = ১ টাকা
অতএব,
১টি আমের ক্রয়মূল্য = ১ ÷ ৩ টাকা
১টি আমের বিক্রয়মূল্য = ১ ÷ ২ টাকা
সুতরাং,
লাভ = (১ ÷ ২) − (১ ÷ ৩) টাকা = (৩ − ২) ÷ ৬ টাকা = ১ ÷ ৬ টাকা
উত্তর: শতকরা লাভ = ((১ ÷ ৬) ÷ (১ ÷ ৩)) × ১০০% = ৫০%
সঠিক উত্তর: B) ৩০ মিনিট পর
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ঘড়িটি বাজে প্রতি ১০ মিনিট অন্তর
দ্বিতীয় ঘড়িটি বাজে প্রতি ১৫ মিনিট অন্তর
ধরি,
ঘড়ি দুটি একসাথে বাজার পর পরবর্তী একসাথে বাজার সময়টি হবে ১০ এবং ১৫ এর লসাগু
অতএব,
১০ এর গুণিতকগুলি হলো ১০, ২০, ৩০, ৪০, ৫০
১৫ এর গুণিতকগুলি হলো ১৫, ৩০, ৪৫, ৬০
সুতরাং,
১০ এবং ১৫ এর লসাগু বা ক্ষুদ্রতম সাধারণ গুণিতক হলো ৩০
উত্তর: ৩০ মিনিট পর
সঠিক উত্তর: D) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
x − (১ ÷ x) = ১
ধরি,
বীজগণিতের মান নির্ণয়ের সূত্র ব্যবহার করতে হবে
এখানে প্রদত্ত মান হলো x − (১ ÷ x) = ১
আমরা জানি ঘন এর অনুসিদ্ধান্ত হলো (a − b) এর হোল কিউব + ৩ab গুণ (a − b)
অতএব,
প্রদত্ত রাশিটি হলো x এর কিউব − (১ ÷ x এর কিউব)
সূত্র অনুযায়ী মান বসাই প্রথম অংশ হবে ১ এর কিউব
দ্বিতীয় অংশ হবে ৩ গুণ ১
সুতরাং,
হিসাব করে পাই ১ + ৩
যোগফল হলো ৪
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয়
প্রদত্ত তথ্য:
টাকায় পাঁচটি মার্বেল বিক্রয় করা হয়
১২% ক্ষতি হয় এবং ১০% লাভ করতে হবে
ধরি,
মার্বেলটির ক্রয়মূল্য এক টাকা
১২% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য সমান একশ বিয়োগ বারো অর্থাৎ আটাশি টাকা
অতএব,
প্রথম ক্ষেত্রে পাঁচটি মার্বেল বিক্রয়ের মূল্য আটাশি টাকা
১০% লাভে বিক্রয়মূল্য সমান একশ যোগ দশ অর্থাৎ একশ দশ টাকা
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে,
একশ দশ টাকায় মার্বেল বিক্রয় করতে হবে পাঁচটি
এক টাকায় মার্বেল বিক্রয় করতে হবে পাঁচ গুণ একশ দশ ভাগ আটাশি টি
সুতরাং,
এক টাকায় মার্বেল বিক্রয় করতে হবে পাঁচ জন মার্বেল অর্থাৎ চার দশমিক নয় পাঁচটি
উত্তর: চারটি মার্বেল
সঠিক উত্তর: D) ২xy
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় রাশিটি হলো x² − ৮x − ৮y + ১৬ + y²
ধরি,
রাশিটিকে সাজিয়ে পাই x² + y² − ৮x − ৮y + ১৬
অতএব,
পূর্ণ বর্গ করার জন্য প্রয়োজনীয় সূত্র হলো (x − ৪)² + (y − ৪)²
পরবর্তী ধাপে পাই,
x² − ৮x + ১৬ + y² − ৮y + ১৬
সুতরাং,
অতিরিক্ত যোগ করতে হবে ২xy
উত্তর: ২xy
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) ২১/১১/২০২১
কেন সঠিক:
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন চিকিৎসাজনিত কারণে অ্যানেস্থেসিয়া নেওয়ার সময় নিয়ম অনুযায়ী দেশটির ক্ষমতা সাময়িকভাবে ভাইস প্রেসিডেন্টের কাছে হস্তান্তর করেন।
- এই প্রক্রিয়ায় মার্কিন ইতিহাসে প্রথম নারী হিসেবে কমলা হ্যারিস ২১ নভেম্বর ২০২১ তারিখে ৮৫ মিনিট বা প্রায় ৪৮ মিনিট নয়, বরং প্রায় ৮৫ মিনিটের জন্য ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। প্রদত্ত প্রশ্নে ৪৮ মিনিট উল্লেখ থাকলেও ক্ষমতা হস্ততারিখটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭/১১/২০২১ — এই তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতা হস্তান্তরের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি।
B) ১৯/১১/২০২১ — এই তারিখটি মার্কিন প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা হস্তান্তরের ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ২১/১১/২০২১ — এটিই সেই ঐতিহাসিক তারিখ যেদিন কমলা হ্যারিস প্রথমবারের মতো মার্কিন প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা সাময়িকভাবে লাভ করেছিলেন।
D) ২২/১১/২০২১ — এটি ঐতিহাসিক ক্ষমতার সাময়িক হস্তান্তরের পরবর্তী দিন, যা সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
নভেম্বর মাসের একুশ তারিখে কমলা হ্যারিস প্রথম নারী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িক ক্ষমতা পেয়েছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) ১১ টি
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র দেশকে সামরিকভাবে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- সুশৃঙ্খলভাবে অপারেশন পরিচালনা ও পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ চালানোর জন্য এই প্রশাসনিক বিভাজন করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯ টি — এটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে সেক্টর ৯টি করার চিন্তা থাকলেও পরবর্তীতে সেক্টরের সংখ্যা ১১টি নির্ধারণ করা হয়।
B) ১০ টি — এটি ভুল কারণ ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ সেক্টর, যার কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা ছিল না এবং মোট সেক্টর সংখ্যা ১০টি ছিল না।
C) ১১ টি — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
D) ১২ টি — এটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর সংখ্যা ১২টি ছিল না, বরং ১১টি সেক্টর ও ৬৪টি সাব-সেক্টর ছিল।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর মনে রাখতে মনে রাখুন, এক এক করে এগারোটি (১১) সেক্টরে দেশ ভাগ হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) ১৭/১২/২০২০
কেন সঠিক:
- ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের পর বন্ধ হয়ে যাওয়া এই রেলপথ দীর্ঘ ৫৫ বছর পর ২০২০ সালের ১৭ই ডিসেম্বর পুনরায় চালু হয়।
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও যোগাযোগ বৃদ্ধির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভার্চুয়ালি এই ট্রেন চলাচল উদ্বোধন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭/১২/২০২০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই তারিখেই চিলাহাটি ও হলদিবাড়ি মধ্যে ট্রেন চলাচল আনুষ্ঠানিকভাবে পুনরায় শুরু হয়।
B) ১৬/১২/২০২০ — এই তারিখে বাংলাদেশের মহান বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীর প্রাক্কালে বিজয় দিবস পালিত হয়, কিন্তু রেল যোগাযোগ চালু হয় তার পরের দিন।
C) ১৫/১২/২০২০ — এই তারিখে এই রেলপথ চালুর কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি, এটি একটি ভুল তারিখ।
D) ১৮/১২/২০২০ — এটি সঠিক তারিখের পরবর্তী দিন, তাই এই অপশনটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিজয় দিবসের ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ১৭ ডিসেম্বর ২০২০ সালে ৫৫ বছর পর চিলাহাটি-হলদিবাড়ি ট্রেন চালু হয়।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৫৪
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি এর দ্বিতীয় ইসলামিক সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্যপদ লাভ করে।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওই সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে যোগদানের মাধ্যমেই বাংলাদেশ এই সংস্থায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭৩ — এই সালে বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করেনি, কারণ তখনো এই সংস্থায় যোগদানের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি।
B) ১৯৭৪ — এটি সঠিক সাল, কারণ এই বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে লাহোর সম্মেলনে বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করে।
C) ১৯৭৫ — এই সালটি সঠিক নয়, কারণ বাংলাদেশ এর এক বছর আগেই ওআইসি এর সদস্যপদ পেয়েছিল।
D) ১৯৭৬ — এই সালটি ভুল, কারণ ১৯৭৪ সালেই বাংলাদেশ সংস্থটির আনুষ্ঠানিক সদস্যপদ অর্জন করেছিল।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে স্বাধীন দেশের স্বীকৃতি পাওয়ার পর পরই ওআইসি এর সদস্য হয়, যা মনে রাখতে বাহাত্তরের দুই বছর পর অর্থাৎ চুয়াত্তর সালটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ১৩৭
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা বা প্রতিষ্ঠার বিধান করার ক্ষমতা মহামান্য রাষ্ট্রপতির রয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলেই বাংলাদেশে সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৩৬ — এই অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের কার্যাবলি আইন দ্বারা সীমিত করার বিধান রয়েছে।
B) ১৩৭ — এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়।
C) ১৩৮ — এই অনুচ্ছেদে কমিশনের সদস্যদের নিয়োগ ও পদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
D) ১৪০ — এই অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব ও কার্যাবলি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদে কমিশন গঠন এবং ১৩৮ অনুচ্ছেদে সদস্য নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। গঠন আগে হয়, তাই ১৩৭ হলো কমিশন গঠনের অনুচ্ছেদ।
সঠিক উত্তর: A) আইসল্যান্ড
কেন সঠিক:
- আইসল্যান্ড বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বৈশ্বিক লিঙ্গ বৈষম্য প্রতিবেদনে টানা ১২ বছর ধরে নারী-পুরুষের সমতায় বিশ্বে প্রথম স্থান অধিকার করে আসছে।
- এই সূচকে রাজনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে লিঙ্গভিত্তিক ব্যবধান দূর করার ক্ষেত্রে দেশটির অর্জন বিশ্বে সর্বোচ্চ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইসল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ দেশটি এই সূচকে শীর্ষস্থান দখল করেছে।
B) ফিনল্যান্ড — এই প্রতিবেদনে দেশটি দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) নরওয়ে — এই সূচকে দেশটির অবস্থান উর্ধ্বমুখী হলেও শীর্ষস্থানে আইসল্যান্ড রয়েছে।
D) নিউজিল্যান্ড — লিঙ্গ সমতায় ভালো অবস্থানে থাকলেও দেশটি এই প্রতিবেদনের শীর্ষে নেই।
মনে রাখার টিপস:
লিঙ্গ সমতায় বরফের দেশ আইসল্যান্ড সবার শীর্ষে।
সঠিক উত্তর: A) হস্তলিপি বিদ্যা
কেন সঠিক:
- গ্রিক শব্দ ক্যালি অর্থ সুন্দর এবং গ্রাফিন অর্থ লেখা থেকে ক্যালিগ্রাফি শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।
- এটি মূলত সুন্দর ও শৈল্পিক হাতের লেখার শিল্পকে বোঝায়, যা বিভিন্ন ঐতিহাসিক নথিপত্র ও লিপিকলায় ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হস্তলিপি বিদ্যা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্যালিগ্রাফি বলতে সুন্দর হাতের লেখার শিল্প বা বিদ্যাকেই বোঝায়।
B) কালি কলমে আঁকা — এটি ছবি আঁকার একটি মাধ্যম হতে পারে, কিন্তু নির্দিষ্টভাবে সুন্দর হাতের লেখার শিল্পকে বোঝায় না।
C) রেখাচিত্র — এটি কোনো দৃশ্য বা বস্তুর রূপরেখা প্রকাশ করে, যা শৈল্পিক হস্তলিপির সংজ্ঞার আওতাভুক্ত নয়।
D) গ্রাফিক্স চিত্র — এটি আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি ডিজিটাল বা ভিজ্যুয়াল ডিজাইন, যা ঐতিহ্যবাহী হস্তলিপি থেকে আলাদা।
মনে রাখার টিপস:
ক্যালিগ্রাফি শব্দটির গ্রিক মূল ক্যালি মানে সুন্দর এবং গ্রাফ মানে লেখা, তাই এটি সুন্দর হাতের লিপি বা হস্তলিপি বিদ্যা।
সঠিক উত্তর: D) লন নল
কেন সঠিক:
- জেনারেল লন নল ১৯৭০ সালে কম্বোডিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান প্রিন্স নরোত্তম সিহানুককে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করেন।
- এরপর তিনি রাজতন্ত্র বিলোপ করে খেমার প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন এবং নিজেকে দেশের রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রিন্স নরোত্তম সিহানুক — তিনি কম্বোডিয়ার রাজা ও রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন, লন নলের অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হন এবং রাজতন্ত্র বিলোপ করেন।
B) হেন সামরিন — তিনি কম্বোডিয়ার একজন কমিউনিস্ট নেতা ও রাজনীতিবিদ ছিলেন, যিনি পরবর্তীকালে পল পটের পতনের পর ক্ষমতায় আসেন।
C) পল পট — তিনি কম্বোডিয়ার খেমার রুজ আন্দোলনের প্রধান ও কমিউনিস্ট নেতা ছিলেন, রাজতন্ত্র বিলোপের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না।
D) লন নল — তিনি ১৯৭০ সালে ক্ষমতা দখল করে রাজতন্ত্র বিলোপ করেছিলেন বিধায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
কম্বোডিয়ার রাজতন্ত্র বিলোপ করেছিলেন লন নল, মনে রাখুন লন নল মানেই রাজতন্ত্রের অবসান।
সঠিক উত্তর: B) World Bank
কেন সঠিক:
- বিশ্বব্যাংক (World Bank) প্রতিবছর বিশ্ব অর্থনীতির বিভিন্ন সূচক নিয়ে এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে।
- এই প্রতিবেদনে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচন সম্পর্কিত তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) UNDP — এটি জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি, যা মূলত মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন (Human Development Report) প্রকাশ করে।
B) World Bank — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) IMF — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, যা ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক (World Economic Outlook) প্রকাশ করে।
D) BRICS — এটি উদীয়মান অর্থনৈতিক জোট, যা কোনো বৈমিত্তিক বা নিয়মিত উন্নয়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
উন্নয়ন বা Development শব্দটি দেখলে সাধারণত বিশ্বব্যাংক বা World Bank-কে উত্তর হিসেবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) ৫ম তফসিল
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রদত্ত ঐতিহাসিক ভাষণের বাংলা পাঠ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক ভাষণটি সংবিধানের তফসিলে সংযোজন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪র্থ তফসিল — এই তফসিলে ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রবর্তনের সময়কার অন্তর্বর্তীকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী সম্পর্কে বলা হয়েছে।
B) ৫ম তফসিল — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই তফসিলেই অবস্থিত এবং এতে ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
C) ৬ষ্ঠ তফসিল — এই তফসিলে ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
D) ৭ম তফসিল — এই তফসিলে ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল জারি করা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সম্পর্কে বলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সাত নম্বর ভাষণটি সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে আছে, সংখ্যা দুটি মনে রাখলেই বিভ্রান্তি দূর হবে।
সঠিক উত্তর: A) বিষবেক
কেন সঠিক:
- বিষবেক হলো মধ্য এশিয়ার দেশ কিরগিজস্তানের রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর।
- এটি চু উপত্যকায় অবস্থিত দেশটির প্রধান রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিষবেক — এটি কিরগিজস্তানের রাজধানী হিসেবে সঠিক।
B) আলমাআতা — এটি কাজিস্তান দেশের একটি প্রধান শহর ও সাবেক রাজধানী, কিরগিজস্তানের রাজধানী নয়।
C) আশাখাবাদ — এটি তুর্কমেনিস্তান দেশের রাজধানী, কিরগিজস্তানের রাজধানী নয়।
D) উলানবাটোর — এটি মঙ্গোলিয়া দেশের রাজধানী, কিরগিজস্তানের রাজধানী নয়।
মনে রাখার টিপস:
কিরগিজস্তানের নামের শুরুতে বি আছে এবং রাজধানী বিষবেকের শুরুতেও বি অক্ষর আছে।
সঠিক উত্তর: A) ১০ এপ্রিল ১৯৭১
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়।
- এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘোষণা করা স্বাধীনতাকে আইনগত ভিত্তি দেওয়া হয় এবং অধ্যাপক ইউসুফ আলী এটি পাঠ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়।
B) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারির দিন নয়, বরং এই দিনে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করে।
C) ৭ মার্চ ১৯৭১ — এই ঐতিহাসিক দিনে রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন, কিন্তু কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র জারি করা হয়নি।
D) ২৫ মার্চ ১৯৭১ — এই রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী অপারেশন সার্চলাইট পরিচালনা করে গণহত্যা শুরু করে এবং ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
মনে রাখার টিপস:
ঘোষণা আসে আগে (১০ এপ্রিল), সরকার শপথ নেয় পরে (১৭ এপ্রিল)।
সঠিক উত্তর: B) বিজয় কেতন
কেন সঠিক:
- ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি জাদুঘর ও স্মৃতিস্তম্ভটির নাম বিজয় কেতন।
- এখানে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান ও ঐতিহাসিক বিভিন্ন স্মারক সংরক্ষিত আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বাধীনতা সোপান — এটি ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের কোনো স্মৃতিস্তম্ভ নয়।
B) বিজয় কেতন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ।
C) রক্ত সোপান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় এবং এটি অন্য কোনো পরিচিত স্মৃতিস্তম্ভের নাম।
D) বিজয় স্তম্ভ — এটি ঢাকা সেনানিবাসের নির্দিষ্ট স্মৃতিস্তম্ভের নাম নয়, এটি ভিন্ন কোনো স্থাপনাকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
সেনানিবাসে ওড়ার মতো নিশান বা কেতন থাকে, তাই ঢাকা সেনানিবাসের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের নাম বিজয় কেতন।
সঠিক উত্তর: B) মোবারক আহমেদ খান
কেন সঠিক:
- বিজ্ঞানী মোবারক আহমেদ খান পাটের সেলুলোজ ব্যবহার করে পরিবেশবান্ধব ও পচনশীল পলিমার ব্যাগ উদ্ভাবন করেন, যা সোনালিন নামে পরিচিত।
- প্লাস্টিক দূষণ রোধে পাট থেকে তৈরি এই বিকল্প ব্যাগ আবিষ্কার দেশের জন্য একটি বড় বৈজ্ঞানিক সাফল্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ড. মাকছুদুল আলম — তিনি পাটের জিনোম সিকোয়েন্সিং বা জীবনরহস্য আবিষ্কারের সাথে যুক্ত ছিলেন, পলিমার ব্যাগ উদ্ভাবক নন।
B) মোবারক আহমেদ খান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) মাইনুল হোসেন — তিনি এই নির্দিষ্ট পাটজাত পলিমার ব্যাগ উদ্ভাবনের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
D) শাহীদুল সিরাজ — তিনি এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত কোনো পরিচিত ব্যক্তিত্ব নন।
মনে রাখার টিপস:
প্লাস্টিক ব্যাগের বিকল্প হিসেবে পরিবেশবান্ধব সোনালি ব্যাগ বা পলিমার ব্যাগের উদ্ভাবক হলেন মোবারক আহমেদ খান।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) কামরুল হাসান
কেন সঠিক:
- শিল্পী কামরুল হাসান ১৯৭১ সালে বর্তমান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত রূপটি ডিজাইন করেছিলেন।
- তাঁর নকশাকৃত পতাকাই পরবর্তীতে সরকারিভাবে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা হিসেবে গৃহীত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জয়নুল আবেদীন — তিনি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা হলেও জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
B) কামরুল হাসান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) হামিদুর রহমান — তিনি ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল স্থপতি ও নকশাকার, জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
D) হাশেম খান — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও বইয়ের প্রচ্ছদশিল্পী, তবে তিনি জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
মনে রাখার টিপস:
কামরুল হাসান মানেই পতাকার ফাইনাল ডিজাইন।
সঠিক উত্তর: B) ৩১ মে
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কতৃক তামাক ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য প্রতিবছর এই দিনটি পালন করা হয়।
- ১৯৮৭ সাল থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩০ এপ্রিল — এই তারিখে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত হয় না এবং এটি অন্য কোনো আন্তর্জাতিক দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত।
B) ৩১ মে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশনের পরিবর্তে সঠিক তথ্য হিসেবে বিবেচিত।
C) ৩০ জুন — এই তারিখে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত হয় না, এটি অন্য ঘটনার জন্য নির্ধারিত।
D) ৩১ জুলাই — এই তারিখে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত হয় না এবং এটি তামাক বিরোধী দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি বছরের পঞ্চম মাস মে এর শেষ দিন অর্থাৎ ৩১ মে হলো বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস।
সঠিক উত্তর: B) পুণ্ড্র
কেন সঠিক:
- পুণ্ড্র হলো বাংলার প্রাচীনতম জনপদ, যার রাজধানী ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা বর্তমান মহাস্থানগড়।
- ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক সূত্র অনুযায়ী অন্যান্য জনপদের তুলনায় এর প্রাচীনত্বের প্রমাণ সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমতট — এটি প্রাচীন বাংলার একটি জনপদ হলেও পুণ্ড্রর মতো প্রাচীনতম নয়, এর অন্তর্ভুক্ত ছিল বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল।
B) পুণ্ড্র — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
C) গৌড় — এটি পরবর্তী সময়ের একটি বিখ্যাত জনপদ ও রাজনৈতিক কেন্দ্র, যা প্রাচীনতম জনপদের তালিকায় পুণ্ড্রর পরেই আসে।
D) হরিকেল — এটি প্রাচীন বাংলার অপর একটি জনপদ যার অবস্থান ছিল বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে, যা পুণ্ড্রর সমসাময়িক বা প্রাচীনতম নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলার আদি বা প্রথম জনপদ কোনটি জানতে চাইলে সবার আগে পুণ্ড্র বা মহাস্থানগড়ের কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) মীর জুমলা
কেন সঠিক:
- মোঘল সুবাদার মীর জুমলা ১৬৬০ থেকে ১৬৬৩ সালের মধ্যে ঢাকা রক্ষা ও রাজস্ব আদাবের সুবিধার্থে ঢাকার প্রবেশদ্বারে এই গেট নির্মাণ করেন।
- এটি মূলত মেইন গেট বা মির্জাপুর গেট নামে পরিচিত ছিল যা পরবর্তীতে ঢাকা গেট হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শায়েস্তা খাঁ — তিনি মোঘল সুবাদার ছিলেন এবং নানা স্থাপনা নির্মাণ করলেও ঢাকা গেটের নির্মাতা নন।
B) নবাব আব্দুল গণি — তিনি ঢাকার একজন প্রভাবশালী জমিদার ও নবাব ছিলেন যিনি পরবর্তী সময়ে অনেক উন্নয়ন কাজ করেন কিন্তু এর নির্মাতা নন।
C) লর্ড কার্জন — তিনি বিংশ শতাব্দীর শুরুতে ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় ছিলেন, যা ঢাকা গেট নির্মাণের অনেক পরের ঘটনা।
D) মীর জুমলা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
মীর জুমলা মানেই গেট খোলা, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে মোঘল সুবাদার মীর জুমলা ঢাকা শহর সুরক্ষায় ঢাকা গেট নির্মাণ করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: B) চীন
কেন সঠিক:
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী চীন বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বৃহত্তম পণ্য বাণিজ্যের অংশীদার।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে চীনের পণ্যের আমদানি ও রপ্তানি পরিমাণ অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় সবচেয়ে বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাজ্য — ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রেক্সিটের মাধ্যমে বেরিয়ে যাওয়ার পর যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাণিজ্যের পরিমাণ আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।
B) চীন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) কানাডা — কানাডার সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ভালো হলেও তা চীনের মতো এত বিশাল পরিসরের নয়।
D) জাপান — জাপানের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি থাকলেও সামগ্রिक বাণিজ্যের দিক থেকে চীন এগিয়ে রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ইউরোপের বাজারে সবচেয়ে বেশি পণ্য পাঠায় এবং ইউরোপ থেকে সবচেয়ে বেশি পণ্য কেনে এশিয়ার পরাশক্তি চীন।
সঠিক উত্তর: D) বিচার ব্যবস্থা
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক ছয় দফায় বিচার ব্যবস্থার কোনো আলাদা দফা ছিল না।
- ছয় দফার আওতায় শাসনতন্ত্র, অর্থনীতি, মুদ্রা এবং প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত ক্ষমতা অন্তর্ভুক্ত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শাসনতান্ত্রিক কাঠামো — ছয় দফার প্রথম দফায় পাকিস্তানের শাসনতান্ত্রিক কাঠামো কেমন হবে তা উল্লেখ ছিল।
B) কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা — ছয় দফার দ্বিতীয় দফায় কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা কেবল প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক মুদ্রার মধ্যে সীমিত রাখার কথা বলা হয়েছিল।
C) স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা — ছয় দফার তৃতীয় দফায় দুটি পৃথক বা দুটি মুক্ত মুদ্রার প্রচলনের কথা বলা হয়েছিল।
D) বিচার ব্যবস্থা — এই বিষয়টি ছয় দফার কোনো দফায় অন্তর্ভুক্ত ছিল না বিধায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
ছয় দফার বিষয়গুলো মনে রাখতে শাসনতন্ত্র, অর্থনীতি, মুদ্রা, কর, বৈদেশিক বাণিজ্য ও মিলিশিয়া এই মূল ক্ষেত্রগুলো মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকারের সাথে জি টু জি বা সরকার থেকে সরকার চুক্তির মাধ্যমে ভারত, চীন ও জাপান প্রত্যেকেই বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করেছে।
- বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এই দেশগুলোর জন্য পৃথক অর্থনৈতিক অঞ্চল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত — ভারত একা জি টু জি উদ্যোগে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করলেও চীন ও জাপানও একই প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকায় এই অপশনটি এককভাবে সম্পূর্ণ উত্তর নয়।
B) চীন — চীন জি টু জি উদ্যোগে অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন করলেও শুধু এই দেশটি এককভাবে উত্তর নয়, কারণ ভারত ও জাপানও এর সাথে জড়িত।
সি) জাপান — জাপানের পাশাপাশি ভারত ও চীনও জি টু জি চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করায় এটিও একমাত্র উত্তর নয়।
D) সবগুলো — ভারত, চীন এবং জাপান তিনটি দেশই জি টু জি উদ্যোগে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করায় এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
জি টু জি অর্থনৈতিক অঞ্চলের ক্ষেত্রে এশিয়ার তিন অর্থনৈতিক শক্তি ভারত, চীন এবং জাপান একত্রে যুক্ত আছে।
সঠিক উত্তর: A) নাইট্রোজেন
১. কেন সঠিক:
- উদ্ভিদের পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার মূল কারণ হলো উদ্ভিদে নাইট্রোজেনের ঘাটতি। নাইট্রোজেন উদ্ভিদের ক্লোরোফিল অণু তৈরির প্রধান উপাদান।
- নাইট্রোজেনের অভাবে ক্লোরোফিল তৈরি বন্ধ হয়ে যায়, ফলে পাতার সবুজ রং নষ্ট হয়ে ক্লোরোসিস বা হলুদ বর্ণ ধারণ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ক্লোরোসিস হলো এমন একটি উদ্ভিদের রোগ যেখানে পাতা পর্যাপ্ত ক্লোরোফিল উৎপাদনে ব্যর্থ হয় এবং ফ্যাকাশে বা হলুদ বর্ণ ধারণ করে।
- কার্যপ্রণালি: নাইট্রোজেন উদ্ভিদের অ্যামিনো অ্যাসিড, প্রোটিন এবং ক্লোরোফিলের গঠনপ্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হওয়ায় এর অভাবে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।
- কারণ ও ফলাফল: উদ্ভিদের বয়স্ক পাতাগুলো থেকে নাইট্রোজেন নতুন পাতার দিকে স্থানান্তরিত হয়, তাই প্রথমে নিচের বা বয়স্ক পাতাগুলো হলুদ হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে বৃদ্ধি কমে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ধান ক্ষেতে ইউরিয়া সারের অভাব দেখা দিলে গাছের পাতা হলুদ বর্ণ ধারণ করে।
ব্যাখ্যা: ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেন থাকে, যা প্রয়োগ করলে গাছের পাতা আবার সবুজ ও সতেজ হয়ে ওঠে।
উদাহরণ ২: টব বা বাগানের পাতাবাহারী গাছে নিয়মিত নাইট্রোজেনযুক্ত সার না দিলে পাতাগুলো ফ্যাকাশে হয়ে যায়।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য নাইট্রোজেন একটি অত্যন্ত অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রোজেন — এটি সঠিক কারণ নাইট্রোজেনের অভাবে পাতায় ক্লোরোফিল গঠিত হতে পারে না এবং পাতা হলুদ হয়ে যায়।
B) ফসফরাস — ফসফরাসের অভাবে উদ্ভিদের পাতা ও কান্ডের বেগুনি বা কালচে ছোপ দেখা দেয়, যা হলুদ পাতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
C) ইউরিয়া — এটি কোনো মৌলিক পুষ্টি উপাদান নয়, বরং এটি একটি সার যা উদ্ভিদে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে থাকে।
D) পটাশিয়াম — পটাশিয়ামের অভাবে পাতার কিনারা বা প্রান্ত হলুদ বা খয়েরি হয়ে যায় এবং পাতা কুঁকড়ে যায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নাইট্রোজেন মানে নতুন পাতা সবুজ রাখা; এর অভাবে পাতা হয়ে যায় হলুদ।
- নাইট্রোজেন ঘাটতিতে ক্লোরোফিল কমে, তাই পাতার সবুজ রূপ হারিয়ে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদানের অভাবজনিত লক্ষণ থেকে প্রায়ই বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
- ক্লোরোসিসের প্রধান কারণ কী এবং কোন মৌলের অভাবে পাতা হলুদ হয়, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ১ : ৭০০
১. কেন সঠিক:
মানবদেহের রক্তে লোহিত রক্তকণিকা এবং শ্বেত রক্তকণিকার স্বাভাবিক সংখ্যাগত অনুপাত প্রায় ৭০০:১।
প্রশ্নটিতে প্রথমে শ্বেত কণিকা এবং পরে লোহিত কণিকার অনুপাত চাওয়া হয়েছে, তাই সঠিক অনুপাতটি ১ : ৭০০ হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: মানবদেহের রক্তরসে প্রধানত তিন ধরনের রক্তকণিকা থাকে, যথা লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অনুচক্রিকা।
কার্যপ্রণালি: প্রতি ঘন মিলিমিটার সুস্থ রক্তে প্রায় সাড়ে চার থেকে পাঁচ লাখ লোহিত রক্তকণিকা এবং মাত্র চার থেকে দশ হাজার শ্বেত রক্তকণিকা থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একজন সুস্থ মানুষের রক্তের নমুনা মাইক্রোস্কোপের নিচে পরীক্ষা করলে প্রতি ৭০০টি লোহিত রক্তকণিকার বিপরীতে মাত্র ১টি শ্বেত রক্তকণিকা দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: এটি মানবদেহে রক্তকণিকাগুলোর স্বাভাবিক সংখ্যাগত ভারসাম্য ও গঠন নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: মানুষের শরীরে কোনো রোগজীবাণু প্রবেশ করলে শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা সাময়িকভাবে বৃদ্ধি পায়।
ব্যাখ্যা: এই পরিবর্তনের ফলে লোহিত ও শ্বেত রক্তকণিকার নির্দিষ্ট অনুপাত সাময়িকভাবে পরিবর্তিত হতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪০০ : ৫০০ — এই অনুপাতটি মানবদেহের রক্তকণিকার স্বাভাবিক সংখ্যার সঙ্গে মেলে না এবং এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক সংখ্যা।
B) ৫ : ১০০ — এই অনুপাতটি লোহিত ও শ্বেত রক্তকণিকার প্রকৃত সংখ্যার বৈজ্ঞানিক অনুপাতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) ১ : ৭০০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ মানবদেহে লোহিত ও শ্বেত রক্তকণিকার অনুপাত প্রায় ৭০০:১ এবং উল্টোভাবে লিখলে ১:৭০০ হয়।
D) ২ : ১০০ — এই অনুপাতটি মানবদেহের রক্তে শ্বেত ও লোহিত রক্তকণিকার পরিমাণের সঠিক বৈজ্ঞানিক মান প্রকাশ করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
রক্তে লোহিত কণিকার সংখ্যা শ্বেত কণিকার চেয়ে অনেক বেশি থাকে।
সংখ্যার দিক থেকে লোহিত কণিকা প্রায় সাত শ গুণ বেশি হওয়ায় অনুপাতটি এক অনুপাত সাত শ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রক্তে লোহিত রক্তকণিকা ও অনুচক্রিকার অনুপাত এবং মানবদেহে রক্তকণিকার আয়ুষ্কাল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
শ্বেত রক্তকণিকার মূল কাজ হলো রোগ প্রতিরোধ করা এবং লোহিত রক্তকণিকার কাজ অক্সিজেন পরিবহন করা।
সঠিক উত্তর: C) অ্যালুমিনিয়াম
১. কেন সঠিক:
- অ্যালুমিনিয়াম একটি প্যারাচৌম্বক বা অ-চৌম্বক পদার্থ, যা চুম্বক দ্বারা আকর্ষিত হয় না।
- চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে এর ভেতরে চুম্বকত্ব তৈরি হয় না বললেই চলে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: যে সকল পদার্থ চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় এবং যাদের কৃত্রিম উপায়ে চুম্বকে পরিণত করা যায়, তাদের চৌম্বক পদার্থ বলে।
- কার্যপ্রণালি: পদার্থের পরমাণুর ইলেকট্রনের স্পিন বা ঘূর্ণনের কারণে চৌম্বক ধর্ম নির্ধারিত হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: যেসব স্থানে চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে যন্ত্রাংশ দূরে রাখতে হয়, সেখানে অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফ্রিজের দরজায় চুম্বক লাগানোর সময় কাঁচা লোহা ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি চৌম্বক পদার্থের আকর্ষণের মাধ্যমে দরজা আটকে রাখতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: বিমানের কাঠামো তৈরিতে অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি হালকা ও অ-চৌম্বক হওয়ায় যন্ত্রপাতিতে চুম্বকের প্রভাব পড়ে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাঁচা লোহা — এটি অত্যন্ত শক্তিশালী চৌম্বক পদার্থ এবং চুম্বক দ্বারা প্রবলভাবে আকৃষ্ট হয়।
B) ইস্পাত — এটি লোহা ও কার্বনের সংকর ধাতু এবং এটিও একটি শক্তিশালী চৌম্বক পদার্থ।
C) অ্যালুমিনিয়াম — এটি অ-চৌম্বক পদার্থ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
D) কোবাল্ট — এটি লোহা ও নিকেলের মতো একটি প্রধান চৌম্বক পদার্থ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- লোহা, ইস্পাত ও কোবাল্ট চুম্বকের বন্ধু, তাই এরা চৌম্বক পদার্থ।
- অ্যালুমিনিয়াম চুম্বকের বন্ধু নয়, তাই এটি অ-চৌম্বক পদার্থ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রকৃতিতে প্রধান চৌম্বক পদার্থ তিনটি লোহা, নিকেল ও কোবাল্ট।
- পরীক্ষায় প্রায়ই অ-চৌম্বক পদার্থ হিসেবে অ্যালুমিনিয়াম বা তামার নাম জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: B) কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি
১. কেন সঠিক:
ক্যান্সার হলো দেহের কোষের অনিয়ন্ত্রিত ও অস্বাভাবিক বিভাজন। স্বাভাবিক কোষের বৃদ্ধি ও মৃত্যুর একটি নির্দিষ্ট চক্র থাকে, কিন্তু ক্যান্সারের ক্ষেত্রে এই চক্রের নিয়ন্ত্রণ নষ্ট হয়ে যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: মানবদেহের কোষগুলো মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়। ডিএনএ মিউটেশনের কারণে কোষগুলো সিগন্যাল অমান্য করে দ্রুত বিভাজিত হতে থাকে এবং টিউমার গঠন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ত্বকের মেলামিন উৎপাদনকারী কোষের অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি থেকে মেলানোমা বা ত্বকের ক্যান্সার হয়।
ব্যাখ্যা: এটি অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে কোষের ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে ঘটে।
উদাহরণ ২: ফুসফুসের কোষে তামাকের ধোঁয়ার রাসায়নিক পদার্থ লাগলে কোষের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
ব্যাখ্যা: এর ফলে ফুসফুসের কোষে অনিয়ন্ত্রিত বিভাজন শুরু হয়ে ফুসফুস ক্যান্সার দেখা দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কোষের অস্বাভাবিক মৃত্যু — কোষের স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রিত মৃত্যুকে অ্যাপোপটোসিস বলে, যা ক্যান্সার নয়।
B) কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি — এটি ক্যান্সারের মূল বৈশিষ্ট্য এবং সঠিক উত্তর।
C) কোষের অস্বাভাবিক জমাট বাধা — এটি রক্ত জমাট বাঁধার ত্রুটি বা থ্রম্বোসিস সম্পর্কিত, ক্যান্সার নয়।
D) সবগুলো — যেহেতু প্রথম ও তৃতীয় অপশন ক্যান্সারের কারণ নয়, তাই এটি ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
ক্যান্সার মানেই কোষের অতিরিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি। কোষের বৃদ্ধি থামানো যায় না বলেই একে ম্যালিগন্যান্ট টিউমার বলা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশ্ব ক্যান্সার দিবস পালিত হয় ৪ ফেব্রুয়ারি। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই কোষ বিভাজন ও ক্যান্সার সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) ২৩ জোড়া
১. কেন সঠিক:
মানবদেহের সাধারণ কোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা মোট ছেচল্লিশটি বা তেইশ জোড়া।
এর মধ্যে বাইশ জোড়া অটোসোম এবং এক জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ক্রোমোজোম হলো কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত ডিএনএ এবং প্রোটিন দ্বারা গঠিত বংশগতির ধারক ও বাহক।
কার্যপ্রণালি: মানবদেহের সাধারণ বা সোমাটিক কোষে ক্রোমোজোম জোড়ায় জোড়ায় অবস্থান করে।
বাস্তব প্রয়োগ: বংশগতির বৈশিষ্ট্য পিতা-মাতা থেকে সন্তানে স্থানান্তরিত হওয়ার ক্ষেত্রে ক্রোমোজোম প্রধান ভূমিকা পালন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের উচ্চতা বা চোখের রঙ নির্ধারণে অটোসোম ক্রোমোজোম ভূমিকা রাখে।
ব্যাখ্যা: এই বৈশিষ্ট্যগুলো পুরুষ ও নারী ভেদে ভিন্ন হয় না।
উদাহরণ ২: মানুষের লিঙ্গ নির্ধারণে এক্স এবং ওয়াই ক্রোমোজোম কাজ করে।
ব্যাখ্যা: এই এক জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম একজন মানুষের পুত্র বা কন্যা হওয়া নিশ্চিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৫ জোড়া — এটি মানবদেহের স্বাভাবিক ক্রোমোজোম সংখ্যা নয়।
অন্য কোনো জীবের কোষে এই সংখ্যা থাকতে পারে।
B) ২৪ জোড়া — এটি মানবদেহের স্বাভাবিক ক্রোমোজোম সংখ্যা নয়।
অন্য কোনো প্রজাতির ক্ষেত্রে এই সংখ্যা প্রযোজ্য হতে পারে।
C) ২৩ জোড়া — এটি মানবদেহের সঠিক ও প্রমিত ক্রোমোজোম সংখ্যা।
এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক।
D) ২২ জোড়া — এটি শুধুমাত্র অটোসোমের সংখ্যা, কিন্তু সেক্স ক্রোমোজোমসহ মোট সংখ্যা তেইশ জোড়া।
তাই এটি পূর্ণাঙ্গ মানব ক্রোমোজোম সংখ্যা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
মানবদেহের ক্রোমোজোম সংখ্যা মনে রাখতে টু ইনটু এন সমান ছেচল্লিশ এই সূত্র মনে রাখবে।
এখানে এন সমান তوبিশ জোড়া বা এক সেট গ্যামেট।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মানবদেহে অটোসোমের সংখ্যা বাইশ জোড়া এবং সেক্স ক্রোমোজোম এক জোড়া।
এ ধরনের প্রশ্ন বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) ফুসফুস
১. কেন সঠিক:
- নিউমোনিয়া একটি সংক্রামক রোগ যা মানবদেহের ফুসফুসকে সরাসরি আক্রমণ করে।
- এই রোগে ফুসফুসের বায়ুথলি বা অ্যালভিওলাইগুলো তরল বা পুজে পূর্ণ হয়ে যায়, ফলে অক্সিজেন আদান-প্রদান ব্যাহত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: নিউমোনিয়া হলো ফুসফুসের একটি তীব্র প্রদাহজনিত সংক্রমণ, যা ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাকের কারণে ঘটে।
- কার্যপ্রণালি: জীবাণু নিঃশ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে প্রবেশ করে এবং অ্যালভিওলাইয়ে বংশবৃদ্ধি করে, যার ফলে শ্লে্উমা জমে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।
- কারণ ও ফলাফল: ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ায় শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয় এবং জ্বর ও কাশি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শীতকালে ঠান্ডা লাগার পর বয়স্ক ব্যক্তিদের নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।
ব্যাখ্যা: ঠান্ডা আবহাওয়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ায় জীবাণু সহজেই ফুসফুসে আক্রমণ করতে পারে।
উদাহরণ ২: হাসপাতালে দীর্ঘদিন ভেন্টিলেশনে থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে হাসপাতাল-অর্জিত নিউমোনিয়া হতে পারে।
ব্যাখ্যা: কৃত্রিম উপায়ে শ্বাসপ্রশ্বাস চালনার সময় জীবাণু সরাসরি ফুসফুসে প্রবেশ করার সুযোগ পায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফুসফুস — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিউমোনিয়া মূলত ফুসফুসের অ্যালভিওলাইকে আক্রমণ করে।
B) যকৃত — যকৃত মানবদেহের বৃহত্তম গ্রন্থি, যা পরিপাক ও বিপাক প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত, নিউমোনিয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
C) কিডনি — কিডনি মানবদেহের রেচনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ যা রক্ত ছেঁকে বর্জ্য পদার্থ ও মূত্র তৈরি করে।
D) প্লীহা — প্লীহা লসিকাতন্ত্রের একটি অংশ যা রক্ত ছাঁকতে এবং রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
নিউমোনিয়া শব্দটির সাথে ফুসফুস বা শ্বাসতন্ত্রের সম্পর্ক মনে রাখতে হবে যে, এই রোগে শ্বাস নিতে কষ্ট হয় এবং ফুসফুসেই সমস্যা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
নিউমোনিয়া সৃষ্টিকারী সবচেয়ে পরিচিত ব্যাকটেরিয়ার নাম স্ট্রিপ্টোকক্কাস নিউমোনিয়া। একই ধারণা থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে নিউমোনিয়া ফুসফুসের কোন অংশে প্রভাব ফেলে।
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাজ্য
১. কেন সঠিক:
যুক্তরাজ্যের স্কটল্যান্ডের রোজলিন ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা প্রথম পূর্ণাঙ্গ বয়স্ক কোষ থেকে ক্লোনিং প্রক্রিয়ায় ডলি নামের ভেড়ার জন্ম দেন।
এটি জীববিজ্ঞানের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ঘটনা কারণ এটি প্রমাণ করে যে একটি বিশেষায়িত শারীরিক কোষ থেকেও সম্পূর্ণ নতুন প্রাণী সৃষ্টি সম্ভব।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: সোমাটিক সেল নিউক্লিয়ার ট্রান্সফার বা এসসিএনটি প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রাপ্তবয়স্ক কোষের নিউক্লিয়াসকে ডিম্বাণুতে প্রতিস্থাপন করে ক্লোন করা হয়।
কার্যপ্রণালি: ভেড়ার স্তন্যগ্রন্থি থেকে একটি দেহকোষ নিয়ে তার নিউক্লিয়াসটি একটি নিউক্লিয়াসশূন্য ডিম্বাণুতে প্রবেশ করানো হয় এবং বৈদ্যুতিক স্পার্কের মাধ্যমে বিভাজন শুরু করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডলি ভেড়ার জন্ম।
ব্যাখ্যা: এটি ১৯৯৬ সালে জন্মগ্রহণকারী বিশ্বের প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী যা পূর্ণাঙ্গ কোষ থেকে ক্লোন করা হয়েছিল।
উদাহরণ ২: অন্যান্য ক্লোন প্রাণী যেমন কার্প মাছ বা গবাদিপশু।
ব্যাখ্যা: ডলির সাফল্যের পর বিজ্ঞানীরা অন্যান্য প্রাণীর ক্ষেত্রেও এই ক্লোনিং প্রযুক্তির সফল প্রয়োগ করেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাজ্য — এটি সঠিক কারণ স্কটল্যান্ডের বিজ্ঞানীরা এই ঐতিহাসিক ক্লোনিং গবেষণা সফলভাবে সম্পন্ন করেছিলেন।
B) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র ক্লোনিং গবেষণায় অনেক এগিয়ে থাকলেও প্রথম প্রাপ্তবয়স্ক কোষের ক্লোন ভেড়া সেখানে জন্মায়নি।
C) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়ায় কৃষি বিজ্ঞান ও প্রাণিবিদ্যা উন্নত হলেও ডলি ভেড়ার জন্ম সেখানে হয়নি।
D) কানাডা — কানাডা চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিখ্যাত হলেও প্রথম ক্লোন ভেড়ার জন্মদাতা দেশ হিসেবে কানাডা স্বীকৃত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাজ্যের স্কটল্যান্ডে ডলি ভেড়ার জন্ম হয়েছিল এটি মনে রাখতে স্কটল্যান্ডের নাম মনে রাখা জরুরি।
ক্লোনিং প্রযুক্তির ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্য নামটি সবার আগে আসে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ডলি ভেড়ার জন্ম সাল ছিল ১৯৯৬ এবং বিজ্ঞানী ছিলেন ইয়ান উইলমুট ও কিথ ক্যাম্পবেল।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রথম ক্লোন প্রাণীর নাম ও আবিষ্কারক দেশ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) একই হয়
১. কেন সঠিক:
পাখার গতি কমানোর জন্য রেগুলেটর ব্যবহার করা হয় যা মূলত বর্তনীর রোধ বাড়িয়ে দেয়।
রোধ বাড়লে প্রবাহ কমে যায় কিন্তু মোট শক্তি খরচ অপরিবর্তিত থাকে কারণ অপচয় হওয়া শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: বৈদ্যুতিক পাখা একটি আবর্তক যন্ত্র যা বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে।
কার্যপ্রণালি: রেগুলেটরের মাধ্যমে বর্তনীতে অতিরিক্ত রোধ যুক্ত করলে মোট তড়িৎপ্রবাহ হ্রাস পায় এবং ফ্যানের গতি কমে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পানির কল কিছুটা বন্ধ করে দিলে যেমন পানি কম পড়ে কিন্তু মূল পাইপের ওপর চাপ একই থাকে।
ব্যাখ্যা: ফ্যানের রেগুলেটর কমালেও ঠিক একইভাবে মূল বিদ্যুৎ সরবরাহ থেকে একই পরিমাণ ক্ষমতা খরচ হতে থাকে।
উদাহরণ ২: গাড়ির ক্লাচ বা ব্রেক প্রয়োগ করে গতি কমালেও ইঞ্জিন সচল থাকলে জ্বালানি খরচ একই থাকে।
ব্যাখ্যা: রেগুলেটর ফ্যানের গতি কমায় কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কম হয় — অনেকেই মনে করেন গতি কমলে বিদ্যুৎ বিল কম আসে যা একটি ভুল ধারণা।
B) খুব কম হয় — এটি বৈজ্ঞানিক সত্যের সম্পূর্ণ বিপরীত এবং অবৈজ্ঞানিক একটি ধারণা।
C) একই হয় — বৈদ্যুতিক শক্তির নিত্যতা সূত্র অনুযায়ী খরচ হওয়া শক্তির পরিমাণ সর্বদা সমান থাকে।
D) বেশি হয় — গতি কমালে বিদ্যুৎ খরচ বৃদ্ধি পাওয়ার কোনো সুযোগ বা কারণ নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
ফ্যানের গতি কম হোক বা বেশি, রেগুলেটর বিদ্যুৎ নষ্ট করে কিন্তু বিল কমায় না।
তাই ফ্যান ধীরে চললেও বিদ্যুৎ খরচ আগের মতোই সমান থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রেগুলেটর বর্তনীর রোধ বৃদ্ধি করে তড়িৎপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
এই প্রশ্নটি থেকে পরবর্তীতে বৈদ্যুতিক ক্ষমতা এবং রোধের সম্পর্ক সম্পর্কিত এমসিকিউ আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) ভিটামিন সি
১. কেন সঠিক:
ডিমে প্রায় সব ধরনের পুষ্টি উপাদান ও ভিটামিন থাকলেও এতে ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক অ্যাসিড সম্পূর্ণ অনুপস্থিত থাকে।
মুরগির ডিম পরিপক্ব হওয়ার সময় বা কুসুম ও সাদা অংশে ভিটামিন সি সংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় জৈব রাসায়নিক এনজাইম বা প্রক্রিয়া থাকে না।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ভিটামিন সি হলো একটি পানি-দ্রবণীয় ভিটামিন যা মূলত উদ্ভিজ্জ উৎস যেমন লেবু, কমলা, টমেটো এবং কাঁচামরিচে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।
কার্যপ্রণালি: প্রাণিদেহে ভিটামিন সি উৎপাদনের জিনগত সক্ষমতা না থাকায় প্রাণী ও পাখির খাবারে এটি বাইরে থেকে সরবরাহ করতে হয়, যা ডিমে জমা হতে পারে না।
বাস্তব প্রয়োগ: মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কোলাজেন তৈরির জন্য আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিমের পাশাপাশি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফলমূল রাখা জরুরি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সারভাইভাল ফুড হিসেবে ডিম
ব্যাখ্যা: সামুদ্রিক অভিযাত্রীরা শুধু ডিম খেয়ে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে পারলেও ভিটামিন সি এর অভাবে তাদের একসময় স্কার্ভি রোগ দেখা দিত।
উদাহরণ ২: ডিমের অমলেট ও সালাদ
ব্যাখ্যা: ডিমের তৈরি খাবারে ভিটামিন সি এর ঘাটতি পূরণের জন্য এর সাথে টমেটো বা লেবুর রস মিশিয়ে রান্না করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন এ — ডিমের কুসুমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ থাকে যা চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে।
B) ভিটামিন বি — ডিমে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স বিশেষ করে ভিটামিন বি ১২ ও রিবোফ্লাভিন পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে।
C) ভিটামিন সি — ডিমে ভিটামিন সি থাকে না, এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়।
D) ভিটামিন ডি — ডিমের কুসুম প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন ডি এর একটি অন্যতম সেরা উৎস।
৫. মনে রাখার টিপস:
ডিম হলো প্রায় আদর্শ খাবার, তবে টক জাতীয় ফল বা সালাদ ছাড়া এটি দিয়ে ভিটামিন সি এর চাহিদা মেটানো যায় না।
সব পুষ্টি উপাদান ডিমে থাকলেও সি নেই, এটি মনে রাখলেই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তর দেওয়া সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ডিম থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য চাকриর পরীক্ষায় ভিটামিন এ ও ডি এর উৎস নিয়ে প্রশ্ন আসে।
ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয় এবং এটি সহজে পানিতে দ্রবীভূত হয়, এই তথ্যগুলো পুষ্টিবিজ্ঞানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) স্মলপক্স
১. কেন সঠিক:
স্মলপক্স বা বসন্ত রোগটি একটি ডিএনএ ভাইরাস দ্বারা সংঘটিত হয়, যা ভ্যারিওলা ভাইরাস নামে পরিচিত।
এই ভাইরাসটি মানবদেহে প্রবেশ করে কোষে বংশবিস্তার করে এবং ত্বকে গুটি বা ফুসকুড়ি সৃষ্টি করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: যেসব ভাইরাসের বংশগত বস্তু বা জিনোম হিসেবে ডিএনএ থাকে, তাদেরকে ডিএনএ ভাইরাস বলা হয়।
কার্যপ্রণালি: ডিএনএ ভাইরাস কোষে প্রবেশ করে হোস্ট কোষের নিউক্লিয়াসে নিজের ডিএনএ প্রতিলিপি তৈরি করে নতুন ভাইরাস গঠন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হার্পিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস।
ব্যাখ্যা: এটি একটি পরিচিত ডিএনএ ভাইরাস যা মানবদেহে ঠোঁটে বা ত্বকে ঘা সৃষ্টি করে।
উদাহরণ ২: হেপাটাইটিস বি ভাইরাস।
ব্যাখ্যা: এটি যকৃতে সংক্রমণ ঘটায় এবং এটিও একটি ডিএনএ ভাইরাসের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডেঙ্গুজ্বর — এটি একটি আরএনএ ভাইরাসঘটিত রোগ যা এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়।
B) স্মলপক্স — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি ডিএনএ ভাইরাসঘটিত রোগ।
C) কোভিড-১৯ — এটি সার্স কোভ টু নামক আরএনএ ভাইরাস দ্বারা সংঘটিত হয়।
D) পোলিও — এটি পোলিওভাইরাস নামক এন্টারোভাইরাস দ্বারা হয় যা একটি আরএনএ ভাইরাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
ডিএনএ ভাইরাস মনে রাখার একটি সহজ ছন্দ হলো, হার্পিস ও স্মলপক্স হেপাটাইটিস বি নিয়ে ডিএনএ তৈরি করে।
এই কৌশলটি দিয়ে প্রধান ডিএনএ ভাইরাসগুলো সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৭৯ সালে টিকাদানের মাধ্যমে পৃথিবী থেকে স্মলপক্স বা গুটিবসন্ত সম্পূর্ণ নির্মূল ঘোষণা করে।
পরীক্ষায় প্রায়ই ডিএনএ এবং আরএনএ ভাইরাসের নাম আলাদা করতে বলা হয়, তাই ভাইরাসগুলোর শ্রেণিবিভাগ ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সাইপ্রাস
১. কেন সঠিক:
করোনাভাইরাসের ডেল্টাক্রন হলো ডেল্টা এবং ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের একটি মিশ্র বা রিকম্বিন্যান্ট রূপ। এটি প্রথম ভূমধ্যসাগরীয় দেশ সাইপ্রাসের বিজ্ঞানীরা ল্যাবরেটরিতে শনাক্ত করেছিলেন।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: রিকম্বিন্যান্ট ভ্যারিয়েন্ট হলো এমন একটি ভাইরাস যা দুটি ভিন্ন স্ট্রেইনের জিনগত উপাদান নিজেদের মধ্যে পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে তৈরি করে। যখন একই কোষ একই সাথে দুটি ভিন্ন ভ্যারিয়েন্ট দ্বারা আক্রান্ত হয়, তখন এই মিশ্রণ ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফ্লু ভাইরাস মিউটেশন। ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস বিভিন্ন প্রাণীর স্ট্রেইনের জিন বিনিময় করে নতুন রূপ নেয়।
ব্যাখ্যা: এটি ভাইরাসের অভিযোজন ক্ষমতা এবং দ্রুত পরিবর্তনের প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াকে ফুটিয়ে তোলে।
উদাহরণ ২: জিনের পুনরুৎপাদন। জীবদেহে ক্রসিং ওভারের মাধ্যমে নতুন বৈশিষ্ট্য তৈরি হয়।
ব্যাখ্যা: এটি জীববিজ্ঞানের একটি মৌলিক প্রক্রিয়া যা জিনগত বৈচিত্র্য সৃষ্টি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইসরাইল — ইসরাইল প্রথম ডেল্টাক্রন শনাক্তকারী দেশ নয়, যদিও সেখানে অনেক কোভিড বৈচিত্র্য প্রথম পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।
B) সাইপ্রাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশেই প্রথম ডেল্টাক্রন ভ্যারিয়েন্টটি অফিশিয়ভাবে শনাক্ত হয়।
C) তাইওয়ান — তাইওয়ান ডেল্টাক্রন আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত নয়, তবে তারা মহামারী ব্যবস্থাপনায় সফল দেশ।
D) ইরান — ইরান মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ যা কোভিডের ডেল্টা ঢেউয়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল কিন্তু ডেল্টাক্রনের উৎপত্তিস্থল নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ডেল্টাক্রন নামের মিশ্র ভাইরাসের প্রথম খোঁজ মিলেছিল সাইপ্রাসে। মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারেন সাইপ্রাসের সমুদ্র সৈকতে প্রথম ডেল্টা ও ওমিক্রনের মিলন ঘটেছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক কালে আবিষ্কৃত ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার স্ট্রেইনের উৎস দেশ প্রায়শই আসে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে ওমিক্রন প্রথম কোন দেশে শনাক্ত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) ১০ নিউটন
১. কেন সঠিক:
বায়ুমণ্ডলীয় চাপের কারণে প্রতি বর্গ সেন্টিমিটার ক্ষেত্রফলের ওপর প্রায় ১০ নিউটন বল প্রয়োগ হয়।
পৃথিবীর ওপরে থাকা বায়ুর স্তরের ওজনের কারণেই এই চাপের সৃষ্টি হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: সমুদ্রপৃষ্ঠে স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হলো ১ বায়ুমণ্ডল বা প্রায় ১০১৩২৫ প্যাসকেল।
কার্যপ্রণালি: প্যাসকেল একক হলো প্রতি বর্গমিটারে এক নিউটন বল, এবং এককগুলো রূপান্তর করলে প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে প্রায় ১০ নিউটন বল পাওয়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমাদের শরীরের ওপর বায়ুমণ্ডলের এই চাপ প্রতিনিয়ত কাজ করছে।
ব্যাখ্যা: আমাদের দেহের ভেতরের তরল পদার্থের চাপ বাইরের বায়ুমণ্ডলীয় চাপের সমান হওয়ায় আমরা এই চাপ অনুভব করি না।
উদাহরণ ২: মানুষের হাতের তালুতে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ।
ব্যাখ্যা: হাতের তালুর ক্ষেত্রফল প্রায় ১০০ বর্গ সেন্টিমিটার হলে বায়ুর চাপ প্রায় ১০০০ নিউটন বল প্রয়োগ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ নিউটন — এই অপশনটি সঠিক কারণ হিসাব অনুযায়ী প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে বায়ুর চাপ প্রায় ১০ নিউটন হয়।
B) ৫ নিউটন — এই মানটি সঠিক নয় কারণ এটি সমুদ্রপৃষ্ঠের প্রকৃত বায়ুমণ্ডলীয় চাপের অর্ধেক।
C) ১০ মেট্রিকটন — এটি ভুল কারণ মেট্রিকটন ভরের একক এবং বায়ুর চাপের একক নিউটন।
D) ৫ মেট্রিকটন — এটি ভুল মান এবং ভুল একক নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ মনে রাখতে ১০ সংখ্যাটি মনে রাখো, কারণ প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে বলের পরিমাণ প্রায় ১০ নিউটন।
একক হিসেবে চাপের ক্ষেত্রে নিউটন প্রতি বর্গ সেন্টিমিটার ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিমাপের যন্ত্রের নাম ব্যারোমিটার এবং এটি আবিষ্কার করেন ইভানগেলিস্টা টরিসেলি।
পরীক্ষায় প্রায়ই বায়ুমণ্ডলীয় চাপের মান প্যাসকেল, এটিএম বা সেন্টিমিটার পারদ স্তম্ভের এককে জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: B) পশ্চিম
১. কেন সঠিক:
- এশিয়া মহাদেশের মূল ভূখণ্ডের সাপেক্ষে আরব উপদ্বীপের ভৌগোলিক অবস্থান পশ্চিম দিকে অবস্থিত। এটি পৃথিবীর বৃহত্তম উপদ্বীপ এবং এর তিন দিক জল দ্বারা বেষ্টিত।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: আরব উপদ্বীপ দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি আফ্রিকা মহাদেশের খুব কাছাকাছি।
- বৈশিষ্ট্য: এই অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি প্রধানত মরুভূমিময় এবং এর চারপাশে লোহিত সাগর, আরব সাগর ও পারস্য উপসাগর রয়েছে।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: রুব আল খালি মরুভূমি
ব্যাখ্যা: এটি আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ অংশে অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম বালুকাময় মরুভূমি, যা এই অঞ্চলের শুষ্ক জলবায়ুর পরিচায়ক।
উদাহরণ ২: পারস্য উপসাগর
ব্যাখ্যা: এটি আরব উপদ্বীপের উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ জলরাশি, যা এই অঞ্চলের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলোকে সংযুক্ত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উত্তর পশ্চিম — এই দিকটিতে এশিয়ার মধ্য এশীয় অঞ্চল ও ককেশাস অবস্থিত, আরব উপদ্বীপ নয়।
B) পশ্চিম — এটি সঠিক উত্তর কারণ উপদ্বীপটি মহাদেশের পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত।
C) উত্তর পূর্ব — এই দিকটিতে সাইবেরিয়া ও পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো অবস্থিত।
D) দক্ষিণ পূর্ব — এই দিকটিতে দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো অবস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মানচিত্রে এশিয়া মহাদেশের মানচিত্রের দিকে তাকালে বাম দিক বা পশ্চিম প্রান্তে জুতার আকৃতির মতো আরব উপদ্বীপ দেখতে পাওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিশ্ব ভূগোলে উপসাগর, উপদ্বীপ এবং মহাদেশীয় অবস্থান থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
- আরব উপদ্বীপ কোন মহাদেশের অংশ এবং এর চারপাশের জলসীমা কী, তা ভালোভাবে জেনে রাখা প্রয়োজন।
সঠিক উত্তর: B) মঙ্গোলিয়া
১. কেন সঠিক:
- মঙ্গোলিয়া একটি স্থলবেষ্টিত দেশ যার কোনো সমুদ্র উপকূল বা সমুদ্রের সাথে সরাসরি সংযোগ নেই।
- এটি এশিয়া মহাদেশের মধ্যভাগে অবস্থিত এবং এর চারপাশ স্থলভাগ দ্বারা সম্পূর্ণভাবে বেষ্টিত।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: পূর্ব এশিয়ায় রাশিয়া ও চীনের মাঝখানে অবস্থিত একটি ভূবেষ্টিত রাষ্ট্র।
- বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ভূবেষ্টিত দেশ এবং এর বেশিরভাগ অংশজুড়ে উচ্চ মালভূমি ও তৃণভূমি রয়েছে।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: নেপাল
ব্যাখ্যা: এটিও একটি স্থলবেষ্টিত দেশ যার কোনো সমুদ্র উপকূল নেই।
উদাহরণ ২: সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা: এটি ইউরোপের একটি স্থলবেষ্টিত দেশ যার সমুদ্রের সাথে কোনো সংযোগ নেই।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কম্বোডিয়া — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ এবং এর সমুদ্র উপকূল রয়েছে।
B) মঙ্গোলিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর কোনো সমুদ্র উপকূল নেই।
C) তানজানিয়া — এটি পূর্ব আফ্রিকার দেশ এবং এর পূর্বে ভারত মহাসাগরের উপকূল রয়েছে।
D) সোমালিয়া — এটি পূর্ব আফ্রিকার দেশ এবং এর দীর্ঘ সমুদ্র উপকূল রয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মঙ্গোলিয়া ও নেপালের মতো যেসব দেশের চারদিকে কেবল স্থলসীমা থাকে, তাদের ভূবেষ্টিত বা স্থলবেষ্টিত দেশ বলে।
- সমুদ্রের সাথে সরাসরি সংযোগ না থাকা দেশগুলোকে ম্যাপে খুঁজলে কেবল অন্য দেশের সীমান্ত দেখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এশিয়ার বৃহত্তম ভূবেষ্টিত দেশ কোনটি, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- একই ধারণা থেকে বিশ্বের বৃহত্তম ভূবেষ্টিত দেশ বা অন্য মহাদেশের স্থলবেষ্টিত দেশ সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) চেলিউস্কিনের অগ্রভাগ
১. কেন সঠিক:
- চেলিউস্কিনের অগ্রভাগ বা কেপ চেলিউস্কিন হলো রাশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলের তাইমির উপদ্বীপে অবস্থিত এশিয়া মহাদেশের সর্ব উত্তরের স্থলবিন্দু।
- এটি প্রায় ৭৭° ৪৩° উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত এবং এর উত্তর দিকটি সরাসরি উত্তর মহাসাগরের মুখোমুখি।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: রাশিয়া, সাইবেরিয়া অঞ্চল, এশিয়া মহাদেশ।
- বৈশিষ্ট্য: এটি আর্কটিক বৃত্তের অনেক উত্তরে অবস্থিত হওয়ায় বছরের বেশিরভাগ সময় বরফে আচ্ছাদিত থাকে এবং এখানে তীব্র ঠান্ডা বিরাজ করে।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: কেপ রোটান
ব্যাখ্যা: এটি ইউরোপের সর্ব উত্তরের ভূখণ্ড নির্দেশ করে, যা মহাদেশীয় চরম বিন্দুগুলোর তুলনামূলক অধ্যয়নে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: কেপ ফাহলেভি
ব্যাখ্যা: এটি আফ্রিকার সর্ব উত্তরের বিন্দু, যা বিভিন্ন মহাদেশের চরম ভৌগোলিক অবস্থান বুঝতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইপোচিন — এটি এশিয়ার কোনো চরম ভৌগোলিক বিন্দু নয়।
B) চেলিউস্কিনের অগ্রভাগ — এটি সঠিক উত্তর।
C) বেবা অন্তরীপ — এটি আফ্রিকার সর্ব দক্ষিণের বিন্দু কেপ অব গুড হোপের কাছাকাছি কোনো স্থান নয় এবং এশিয়ার সর্ব উত্তরের বিন্দুও নয়।
D) আইসল্যান্ড — এটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ দেশ, এশিয়ার কোনো বিন্দু নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- এশিয়ার উত্তর মানেই বরফাবৃত চেলিউস্কিন অন্তরীপ।
- উত্তর দিক চ দিয়ে শুরু, চেলিউস্কিনও চ দিয়ে শুরু।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এশিয়ার সর্ব উত্তরের বিন্দু যেমন কেপ চেলিউস্কিন, তেমনি সর্ব দক্ষিণের বিন্দু কেপ পিয়ালায়।
- মহাদেশের চরম বিন্দুগুলো থেকে প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)