বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক (নন-টেকনিক্যাল) পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩।

পদের নাম: সহকারী পরিচালক (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a মীর মশাররফ হোসেন
b ইসমাইল হোসেন সিরাজি
c কাজী নজরুল ইসলাম
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মীর মশাররফ হোসেন ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত উদ্ধৃতিটি উনিশ শতকের প্রখ্যাত বাঙালি মুসলিম সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের রচনা থেকে নেওয়া হয়েছে। - মাতৃভাষার প্রতি গভীর অনুরাগ ও সম্মান প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে তিনি এই অমর বাণী প্রচার করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মীর মশাররফ হোসেন বাংলা গদ্যসাহিত্যের অন্যতম পথিকৃৎ এবং বিষাদসিন্ধু উপন্যাসের জন্য সর্বাধিক পরিচিত। - তিনি ঊনবিংশ শতকের বাঙালি সমাজের নানা কুসংস্কার ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহিত্যকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাতৃভাষা মানুষের মনের ভাব প্রকাশের সবচেয়ে বড় মাধ্যম এবং এর প্রতি অবহেলা জাতির পতন ডেকে আনে। ব্যাখ্যা: আলোচ্য উদ্ধৃতির মূল ভাব হলো মাতৃভাষার প্রতি ভক্তি ও ভালোবাসা না থাকলে প্রকৃত দেশপ্রেম ও মানবতা অর্জন করা যায় না। উদাহরণ ২: মীর মশাররফ হোসেন রচিত বিষাদসিন্ধু একটি ঐতিহাসিক ও ক্লাসিকধর্মী উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যকর্মটি তার গদ্যশৈলী ও শক্তিশালী শব্দচয়নের কারণে বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মীর মশাররফ হোসেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ উল্লিখিত উদ্ধৃতিটি তারই রচনা থেকে সংগৃহীত। B) ইসমাইল হোসেন সিরাজি — ইনি একজন প্রখ্যাত জাতীয়তাবাদী সাহিত্যিক হলেও এই নির্দিষ্ট উদ্ধৃতির রচয়িতা নন। C) কাজী নজরুল ইসলাম — বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি মাতৃভাষার পক্ষে বহু কথা বললেও এই উদ্ধৃতিটি তার নয়। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মাতৃভাষার পক্ষে অনেক বাণী দিলেও এই নির্দিষ্ট উক্তিটি মীর মশাররফ হোসেনের। ৫ মনে রাখার টিপস: - মাতৃভাষার প্রতি ভক্তি নিয়ে কথা বলা উনিশ শতকের নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেনের লেখার একটি অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। - উক্তিটির সঙ্গে তার মানবতাবাদী ও সংস্কারমুক্ত চেতনার মিল খুঁজে পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত সাহিত্যিকদের অমর বাণী ও উক্তি প্রায়ই আসে। - মীর মশাররফ হোসেনের জন্মস্থান কুষ্টিয়া এবং তিনি গদ্য ও নাটকে বিশেষ অবদান রেখেছেন।
a জীবন
b জীবিকা
c জীবাণু
d জীবনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জীবনী ১. কেন সঠিক: - জীবনী শব্দটির মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা বিষয়ের বৈশিষ্ট্য, চরিত্র বা জীবনবৃত্তান্ত সংক্রান্ত বিশেষ্য বা বিশেষণ রূপকে বোঝানো হয়। - এখানে 'জীবন' শব্দের সঙ্গে 'ই' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষ্য পদটি বিশেষণ পদে রূপান্তরিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পদ প্রকরণের নিয়ম অনুযায়ী যে পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ বলে। - বিশেষ্য পদের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে অনেক সময় বিশেষণ পদ গঠন করা হয়, যেমন জীবন থেকে জীবনী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথের একটি বিখ্যাত জীবনীগ্রন্থ আছে। ব্যাখ্যা: এখানে জীবনী শব্দটি গ্রন্থ নামক বিশেষ্য পদের গুণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে। উদাহরণ ২: নেতাজির জীবনী পাঠ করা উচিত। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে জীবনী শব্দটি জীবনবৃত্তান্ত সংক্রান্ত বিশেষণ হিসেবে কাজ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবন — এটি একটি মৌলিক বিশেষ্য পদ যার অর্থ প্রাণ বা সত্তা। B) জীবিকা — এটি জীবিকা অর্জনের উপায় অর্থে একটি বিশেষ্য পদ। C) জীবাণু — এটি একটি বিশেষ্য পদ যা ক্ষুদ্র জীবকে বোঝায়। D) জীবনী — এটি সঠিক উত্তর যা জীবন সম্পর্কিত বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের শেষে 'ই' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যদি তা কোনো বিশেষ্যকে বিশেষভাবে নির্দেশ করে, তবে তা সাধারণত বিশেষণ হয়। - জীবন শব্দের বিশেষণ রূপ হলো জীবনী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দ রূপান্তর ও পদ নির্ণয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ্য থেকে বিশেষণ পদ চেনার জন্য বাক্যে তার ব্যবহারের ওপর নজর দিতে হবে।
a বাংলাদেশ
b নেপাল
c ভুটান
d উড়িষ্যা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নেপাল ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন ও সাহিত্যকর্ম যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের পদসংকলন। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্তری ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন। ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা আদি বাংলা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের পদকর্তা কাহ্নপা। তিনি চর্যাপদের সর্বাধিক সংখ্যক অর্থাৎ তেরোটি পদ রচনা করেছেন। ব্যাখ্যা: চর্যাপদে চব্বিশ জন বা ছাব্বিশ জন পদকর্তার নাম পাওয়া যায় এবং কাহ্নপা তাদের মধ্যে প্রধান ছিলেন। উদাহরণ ২: চর্যাপদের প্রাপ্ত পুথির নাম চর্যাচর্যবিনিশ্চয়। ব্যাখ্যা: পুথিটির মূল নাম ছিল আচার্য চর্যাচর্যবিনিশ্চয় এবং এটি মূলত গান ও তার টীকার সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান নয় বরং চর্যাপদের ভাষা ও সংস্কৃতির মূল উৎসভূমি। C) ভুটান — ভুটান থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করা হয়নি, যদিও পরবর্তী সময়ে তিব্বতি অনুবাদ ও পুথির সন্ধান সেখানে পাওয়া গেছে। D) উড়িষ্যা — উড়িষ্যা চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান নয়, তবে চর্যাপদের অনেক পদকর্তার জন্মস্থান এই অঞ্চলে ছিল বলে ধারণা করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালে গিয়ে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। এইভাবে মনে রাখতে পারো যে আবিষ্কারের স্থান হলো নেপাল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ আবিষ্কারের সাল ১৯০৭ এবং প্রকাশের সাল ১৯১৬ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই দুটি সাল বারবার আসে।
a অশোক মিত্র
b নীরদচন্দ্র চৌধুরী
c দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
d অতুল সুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নীরদচন্দ্র চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - 'আত্মঘাতী বাঙালী' গ্রন্থটির রচয়িতা প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক ও চিন্তাবিদ নীরদচন্দ্র চৌধুরী। - এই গ্রন্থে বাঙালি জাতির আত্মঘাতী চরিত্র, মনস্তত্ত্ব ও ইতিহাস সমালোচনামূলকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নীরদচন্দ্র চৌধুরী বিশ শতকের অন্যতম বিতর্কিত ও প্রজ্ঞাবান বাঙালি লেখক ও বুদ্ধিজীবী। - তাঁর রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো 'আত্মঘাতী রবীন্দ্রনাথ' এবং তাঁর বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'অজ্ঞাতবাস'। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আত্মঘাতী রবীন্দ্রনাথ ব্যাখ্যা: এটিও নীরদচন্দ্র চৌধুরীর একটি বিখ্যাত সাহিত্য সমালোচনামূলক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: আত্মজীবনী ব্যাখ্যা: এটি নীরদচন্দ্র চৌধুরীর আত্মজীবনীমূলক রচনার প্রথম খণ্ড যা তাঁকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অশোক মিত্র — তিনি একজন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও লেখক হলেও এই গ্রন্থটি তাঁর রচিত নয়। B) নীরদচন্দ্র চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই বিখ্যাত একটি গ্রন্থ। C) দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় — তিনি একজন বিখ্যাত মার্ক্সবাদী দার্শনিক ও পন্ডিত হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। D) অতুল সুর — তিনি বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ ও সমাজবিজ্ঞানী হলেও এই বিশেষ গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আত্মঘাতীমূলক বিখ্যাত দুটি গ্রন্থ 'আত্মঘাতী বাঙালী' ও 'আত্মঘাতী রবীন্দ্রনাথ' উভয়ের রচয়িতাই নীরদচন্দ্র চৌধুরী। - লেখকের নামের প্রথম অক্ষর ন এবং গ্রন্থের নামের আত্মঘাতী শব্দটি মিলিয়ে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আত্মজীবনী ও সমালোচনামূলক প্রবন্ধের রচয়িতা হিসেবে নীরদচন্দ্র চৌধুরীর নাম প্রায়ই আসে। - লেখকদের বিখ্যাত মননশীল রচনাগুলো আলাদা করে নোট করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a যৌগিক ধ্বনি
b মৌলিক স্বরধ্বনি
c বর্ণ
d অক্ষর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অক্ষর ১. কেন সঠিক: - নিঃশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসে বা এক ঝটকায় শব্দের যে অংশ উচ্চারিত হয় তাকে অক্ষর বা সিলেবল বলা হয়। - এটি মূলত বাকযন্ত্রের একটি ঝটকার সঙ্গে সম্পর্কিত, যেখানে একাধিক ধ্বনি মিলে একটি একক উচ্চারণের সৃষ্টি করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - অক্ষর হলো বাক্যের বা শব্দের সেই ক্ষুদ্রতম অংশ যা এক ধাক্কায় বা নিঃশ্বাসের এক প্রচেষ্টায় উচ্চারিত হয়। - অক্ষর মূলত দুই প্রকার, যথা মুক্তাক্ষর এবং রুদ্ধাক্ষর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাত ব্যাখ্যা: ভাত শব্দটি একবারে বা এক নিঃশ্বাসে উচ্চারিত হয়, তাই এটি একটি একাক্ষর শব্দ। উদাহরণ ২: কলম ব্যাখ্যা: কলম শব্দটিতে ক এবং লম এভাবে দুটি ঝটকায় উচ্চারণ হয়, তাই এটি দুই অক্ষর বিশিষ্ট শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যৌগিক ধ্বনি — দুটি স্বরধ্বনি একত্রে দ্রুত উচ্চারিত হয়ে যে ধ্বনির সৃষ্টি করে তাকে যৌগিক ধ্বনি বলে, যা নিঃশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসের সংজ্ঞা নয়। B) মৌলিক স্বরধ্বনি — যে স্বরধ্বনিকে ভাঙা যায় না বা অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়া একা উচ্চারিত হতে পারে তাকে মৌলিক স্বরধ্বনি বলে। C) বর্ণ — ধ্বনির লিখিত রূপকে বর্ণ বলা হয়, যা নিঃশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনিগুচ্ছের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) অক্ষর — এটি সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিঃশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াস বা এক ধাক্কা মানেই হলো অক্ষর। - শব্দকে ভেঙে যতবার হাততালি দিয়ে উচ্চারণ করা যায়, সেটাই অক্ষরের সংখ্যা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি ও বর্ণের পাশাপাশি অক্ষর সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - মুক্তাক্ষর স্বরান্ত এবং রুদ্ধাক্ষর ব্যঞ্জনান্ত হয়, এই বিষয়টি অক্ষর গণনার সময় মনে রাখতে হবে।
a পুঁথি সাহিত্য
b নাথ সাহিত্য
c বৈষ্ণব পদ সাহিত্য
d কবিগান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কবিগান ১. কেন সঠিক: - এন্টনি ফিরিঙ্গি বাংলা কবিগানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও বিখ্যাত রচয়িতা এবং গায়ক। - অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে এবং উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে বাংলায় কবিগানের যে সোনালী যুগ ছিল, তিনি তার অন্যতম প্রধান প্রতিনিধি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এন্টনি ফিরিঙ্গি ছিলেন পর্তুগাল বংশোদ্ভূত একজন বাঙালি কবিওয়াল যিনি বাংলায় কবিগান রচনা ও পরিবেশন করতেন। - কবিগান হলো দুই দলের গায়কদের মধ্যে ছন্দে ছন্দে প্রতিযোগিতামূলক ও তাৎক্ষণিক গান পরিবেশনের একটি ঐতিহ্যবাহী লোকায়ত ধারা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোবরার লড়াই ব্যাখ্যা: এটি সে Cকালের কবিগানের একটি ঐতিহাসিক ধারা যেখানে দুই কবিওয়াল প্রতিযোগিতায় অংশ নিতেন। উদাহরণ ২: ভোলা ময়রা ও হরু ঠাকুর ব্যাখ্যা: এরাও এন্টনি ফিরিঙ্গির সমসাময়িক বিখ্যাত কবিগান রচয়িতা ও গায়ক ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুঁথি সাহিত্য — পুঁথি সাহিত্য মধ্যযুগের ইসলামি ও লোককাহিনিভিত্তিক কাব্যের ধারা, যা কবিগানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) নাথ সাহিত্য — নাথ সাহিত্য বৌদ্ধ সহজিয়া ও নাথ ধর্মের যোগসাধনাভিত্তিক সাহিত্য, যা কবিগানের অন্তর্ভুক্ত নয়। C) বৈষ্ণব পদ সাহিত্য — বৈষ্ণব পদ সাহিত্য শ্রীকৃষ্ণ ও রাধার প্রেমলীলা এবং ভক্তিভাবের পদাবলির ধারা, যা কবিগানের থেকে আলাদা। D) কবিগান — এই অপশনটি সঠিক কারণ এন্টনি ফিরিঙ্গি মূলত কবিগান ও লড়াই গানের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: এন্টনি ফিরিঙ্গি ছিলেন ভিন্ন জাতির কিন্তু বাংলা কবিগানের এক অবিসংবাদিত নাম। ফিরিঙ্গি মানে বিদেশি হলেও তিনি বাংলায় কবিগান গেয়ে অমর হয়ে আছেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিগান ও কবিওয়ালদের নাম প্রায়ই আসে। ভোলা ময়রা, রাম বসু এবং এন্টনি ফিরিঙ্গির নাম কবিগানের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।
a দৌলত কাজী
b আলাওল
c মাগন ঠাকুর
d সাবিরিদ খান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আলাওল ১. কেন সঠিক: 'তোহফা' মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত নীতিমূলক ও ধর্মাশ্রয়ী কাব্য। মহাকবি আলাওল রোমান্টিক ধারার অন্যতম প্রধান কবি হলেও 'তোহফা' কাব্যটি তিনি ফারসি ভাষার ধর্মীয় ও নৈতিক উপদেশের অনুসরণে রচনা করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাকবি আলাওল সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজসভার সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি। তার বিখ্যাত কাব্য 'পদ্মাবত', 'সপ্তপয়কর', 'সিকান্দরনামা' এবং 'তোহফা' মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'পদ্মাবত' কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি আলাওলের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি এবং মালিক মুহম্মদ জায়সির পদুমাবত কাব্যের বঙ্গানুবাদ। উদাহরণ ২: 'সপ্তপয়কর' কাব্য। ব্যাখ্যা: এটিও আলাওলের একটি বিখ্যাত অনুবাদ কাব্য যা ফারসি সাহিত্য থেকে অনূদিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৌলত কাজী — দৌলত কাজী 'সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী' কাব্যের রচয়িতা, 'তোহফা' কাব্যের নন। B) আলাওল — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে। C) মাগন ঠাকুর — মাগন ঠাকুর আরাকান রাজসভার মন্ত্রী ও পৃষ্ঠপোষক ছিলেন, তিনি 'চন্দ্রাবতী' কাব্য রচনা করেন। D) সাবিরিদ খান — সাবিরিদ খান মধ্যযুগের একজন কবি যিনি 'হানিফা ও মদিনার লড়াই' কাব্য রচনা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: তোহফা মানে উপহার, আর মহাকবি আলাওল আমাদের বাংলা সাহিত্যে অনেক সুন্দর উপহার বা কাব্য দিয়েছেন। আলাওলের নীতিমূলক উপহার কাব্যটি হলো 'তোহফা'। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের কবি আলাওল প্রধানত আরাকান রাজসভার অমাত্য মাগন ঠাকুরের অনুরোধে কাব্য রচনা শুরু করেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে 'তোহফা' কার রচনা বা কোন ভাষার অনুসরণে রচিত।
a রত্না + কার
b রত্ন + আকর
c রত্ন + কর
d রত্না + আকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রত্ন + আকর ১. কেন সঠিক: - রত্নাকর শব্দটি স্বরসন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে। এখানে প্রথম শব্দের শেষের অ এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুর আ মিলে দীর্ঘ আ হয়েছে। - আকর শব্দের অর্থ হলো খনি বা আধার। রত্ন এবং আকর মিলে রত্নাকর শব্দের অর্থ দাঁড়ায় রত্নের খনি বা সমুদ্র। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অ বা আ কারের পর অ বা আ কার থাকলে উভয় মিলে দীর্ঘ আ কার হয় এবং তা আগের ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। - রত্ন শব্দের ন এর সঙ্গে অ এবং আকর শব্দের শুরুতে আ যুক্ত হয়ে রত্নাকর গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয়। ব্যাখ্যা: এখানেও অ এবং আ মিলে আ হয়েছে। উদাহরণ ২: নদী + ইন্দ্র = ন্দীন্দ্র। ব্যাখ্যা: এটি ই কারের সন্ধির উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রত্না + কার — রত্না বলে কোনো শব্দ বাংলায় নেই এবং কার দ্বারা কোনো অর্থ প্রকাশ পায় না। B) রত্ন + আকর — এটি সঠিক উত্তর। C) রত্ন + কর — কর শব্দের অর্থ হাত বা কর আদায়, যা খনি অর্থে ব্যবহার হয় না। D) রত্না + আকার — রত্না শব্দের কোনো অর্থ নেই এবং আকার ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - খনি বোঝাতে আকর শব্দ ব্যবহার হয়। রত্নের খনি হলো রত্নাকর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় এই ধরনের সন্ধি প্রায়ই আসে। দীর্ঘ স্বরের নিয়মগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a 1841
b 1842
c 1843
d 1850
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬ আগস্ট ১৮৪৩ ১. কেন সঠিক: 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৬ আগস্ট ১৮৪৩ সালে (১ ভাদ্র ১২৫০ বঙ্গাব্দ)। এই পত্রিকার মূল লক্ষ্য ছিল বাংলা ভাষায় উপনিষদের প্রচার ও ব্রহ্মধর্মের আদর্শ প্রসার করা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র হিসেবে আক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস ও কলকাতার জোড়াসাঁকো থেকে এটি প্রকাশিত হয়। এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন অক্ষয় কুমার দত্ত এবং এর নেপথ্যে মূল ভূমিকা পালন করেছিলেন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অক্ষয় কুমার দত্ত রচিত 'চারু পাঠ' ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকের একটি বিখ্যাত শিক্ষামূলক ও নৈতিক গ্রন্থ যা এই যুগের গদ্যচর্চাকে সমৃদ্ধ করেছে। উদাহরণ ২: দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'আত্মজীবনী' ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রামাণিক আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ যা তৎকালীন সমাজ ও ব্রহ্ম আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1841 — এই সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি কারণ তত্ত্ববোধিনী সভাই গঠিত হয় ১৮৩৯ সালে। B) 1842 — এই সালে পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়নি যদিও এর প্রস্তুতিমূলক কাজ ও সভা তখন সক্রিয় ছিল। C) 1843 — এই সালটি সঠিক এবং এই বছরেই পত্রিকাটি প্রথম আলোর মুখ দেখে। D) 1850 — এই সালটি ভুল কারণ এর অনেক আগেই ১৮৪৩ সালে পত্রিকাটির প্রকাশনা শুরু হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার প্রকাশসাল মনে রাখতে ১৮৪৩ সংখ্যাটিকে এভাবে মনে রাখতে পারো যে দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৩৯ সালে সভা গড়ে চার বছর পর ১৮৪৩ সালে পত্রিকা আনেন। অক্ষয় কুমার দত্ত এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন যা মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন অক্ষয় কুমার দত্ত এবং এর প্রতিষ্ঠাতা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। এই ধরনের সাময়িকী ও পত্রিকার প্রকাশকাল বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a নেতিবাচক
b অজানা
c বিয়োগাত্মক
d অভাব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অভাব ১. কেন সঠিক: - 'অচিন' শব্দটিতে 'অ' উপসর্গটি কোনো কিছুর অনুপস্থিতি বা ঘাটতি বোঝাতে 'অভাব' অর্থে যুক্ত হয়েছে। - এখানে 'চিন' বা পরিচিতির অভাব বোঝাতেই 'অচিন' শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত দেশি ও বিদেশি উপসর্গের মধ্যে 'অ' একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা না বা অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অকেজো ব্যাখ্যা: এখানে 'অ' উপসর্গটি কাজের অভাব বা নিষ্ক্রিয়তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: অকর্মা ব্যাখ্যা: এখানে 'অ' উপসর্গটি কর্ম বা কাজের অভাব অর্থে যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেতিবাচক — এটি সরাসরি কোনো ভাব প্রকাশ করে কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে উপসর্গটির নির্দিষ্ট অর্থের নাম 'অভাব'। B) অজানা — এটি নিজেই একটি শব্দ, 'অ' উপসর্গের সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণগত অর্থ এটি নয়। C) বিয়োগাত্মক — এটি গাণিতিক বা ভিন্নার্থক শব্দ, বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গের ক্ষেত্রে এই পরিভাষা প্রযোজ্য নয়। D) অভাব — এটি সঠিক কারণ ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী এখানে 'অ' উপসর্গটি অভাব অর্থে বসেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলা উপসর্গ 'অ' সাধারণত না, নেই বা অভাব অর্থ প্রকাশ করতে শব্দের শুরুতে বসে। - অচেনা, অজানা বা অচিন শব্দ দেখলে বুঝবে সেখানে পরিচিতির অভাব বোঝানো হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খাঁটি বাংলা উপসর্গগুলোর সুনির্দিষ্ট অর্থ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - অপশনগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য করে উপসর্গের আসল ব্যাকরণগত অর্থ নির্বাচন করতে হবে।
a চর্যাপদ
b মঙ্গলকাব্য
c পদাবলি
d রোমান্সকাব্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদের ভাষা ছিল এক বিশেষ ধরনের আলো-আঁধারি বা প্রচ্ছন্ন অর্থবহ ভাষা, যা সাধনসঙ্গীতের রূপক হিসেবে ব্যবহৃত হতো। - মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এই ভাষাকে 'সন্ধ্যাভাষা' বা আলো-আঁধারি ভাষা নামে অভিহিত করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন এবং বৌদ্ধ সহজিয়া সাহিত্যের ঐতিহাসিক গ্রন্থ। - হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের টিকাকার মুনীদত্ত চর্যাপদের ভাষাকে 'সন্ধ্যাভাষা' বলেছেন। ব্যাখ্যা: তান্ত্রিক বৌদ্ধ সাধকদের গুহ্য বা গোপন কথা বোঝার জন্য এই পরিভাষা ব্যবহৃত হতো। উদাহরণ ২: ড. সুকুমার সেন চর্যাপদের ভাষাকে 'সন্ধ্যাভাষা' না বলে 'সন্ধ্যা ভাষা' বা সন্ধিযুক্ত ভাষা বলেছেন। ব্যাখ্যা: পণ্ডিতদের মধ্যে এই ভাষা নিয়ে বিভিন্ন মতামত থাকলেও পরীক্ষার জন্য হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতটিই প্রধান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চর্যাপদ — সঠিক উত্তর কারণ এর ভাষার বৈশিষ্ট্যই হলো সন্ধ্যাভাষা। B) মঙ্গলকাব্য — মধ্যযুগের দেবদেবী কেন্দ্র করে রচিত জনপ্রিয় কাব্য ধারা যার ভাষা সহজ ও লৌকিক। C) পদাবলি — বৈষ্ণব কবিদের রচিত পদ সংকলন যা ব্রজবুলি ও মধ্যযুগের বাংলায় রচিত। D) রোমান্সকাব্য — মধ্যযুগের কবিদের দ্বারা রচিত লৌকিক প্রেমকাহিনি নির্ভর কাব্য ধারা। ৫ মনে রাখার টিপস: সন্ধ্যাভাষা পেলেই চোখ বন্ধ করে চর্যাপদ উত্তর করবে কারণ এটি চর্যাপদের ভাষার সবচেয়ে বিখ্যাত ও পরীক্ষাগারে বারবার আসা বৈশিষ্ট্য। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এটি প্রকাশিত হয় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে। এই দুটি তথ্য বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a আরবি ভাষা হতে
b পর্তুগিজ ভাষা হতে
c ওলন্দাজ ভাষা হতে
d ফরাসি ভাষা হতে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পর্তুগিজ ভাষা হতে ১. কেন সঠিক: - 'আনারস' এবং 'চাবি' শব্দ দুটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - পর্তুগিজরা ব্যবসায়িক ও ঔপনিবেশিক কারণে বাংলায় আসার ফলে তাদের ভাষার অনেক শব্দ বাংলা শব্দভান্ডারে স্থায়ীভাবে মিশে গেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়, যেমন তদ্ভব, তৎসম, অর্ধতৎসম, দেশি এবং বিদেশি শব্দ। - পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো মূলত আমাদের দৈনন্দিন জীবন, খাদ্য, ধর্ম এবং ব্যবহারের নানা উপকরণের সঙ্গে জড়িত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাদ্রি ব্যাখ্যা: এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা ধর্মীয় কাজে ব্যবহৃত হয় এবং বাংলা ভাষায় বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: বালতি ব্যাখ্যা: এটি দৈনন্দিন কাজে ব্যবহৃত একটি পর্তুগিজ শব্দ যা আমাদের শব্দভান্ডারে সফলভাবে গৃহিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি ভাষা হতে — ভুল কারণ 'আনারস' ও 'চাবি' শব্দ আরবি ভাষা থেকে আসেনি, আরবি শব্দ হলো আদালত, কলম ইত্যাদি। B) পর্তুগিজ ভাষা হতে — এটি সঠিক অপশন এবং এই শব্দ দুটি পর্তুগিজ ভাষা থেকেই বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। C) ওলন্দাজ ভাষা হতে — ভুল কারণ ওলন্দাজ শব্দ হলো হরতন, تاس ইত্যাদি, যা এই শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) ফরাসি ভাষা হতে — ভুল কারণ ফরাসি শব্দ হলো কার্তুজ, কুপন ইত্যাদি, যা পর্তুগিজ শব্দের উৎস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পর্তুগিজ শব্দগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো প্রতিদিনের ব্যবহার্য জিনিস যেমন আনারস, চাবি, বালতি, গামলা ইত্যাদির একটি তালিকা তৈরি করা। - বিদেশি শব্দের উৎস মনে রাখতে শব্দগুলোর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট মাথায় রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - পর্তুগিজ ও ওলন্দাজ শব্দগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a চাঁদ
b সূর্য
c নক্ষত্র
d গগন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চাঁদ ১. কেন সঠিক: - তদ্ভব শব্দ হলো সেই শব্দ, যা প্রাকৃত বা অপভ্রংশ ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে সংস্কৃত থেকে বিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে। - 'চাঁদ' শব্দটি সংস্কৃত 'চন্দ্র' শব্দ থেকে প্রাকৃত 'চন্দ' হয়ে বিবর্তিত রূপ হিসেবে বাংলা ভাষায় স্থান লাভ করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যার একটি হলো তদ্ভব শব্দ। - তদ্ভব শব্দের অর্থ হলো তা থেকে উৎপন্ন, অর্থাৎ সংস্কৃত ভাষা থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে যে শব্দগুলো সৃষ্টি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাত ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত হস্ত শব্দ থেকে প্রাকৃত হথ হয়ে তদ্ভব হিসেবে বাংলা ভাষায় এসেছে। উদাহরণ ২: কান ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত কর্ণ শব্দ থেকে প্রাকৃত কন্ণ হয়ে তদ্ভব হিসেবে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁদ — এটি তদ্ভব শব্দ এবং এটি সংস্কৃত চন্দ্র শব্দ থেকে বিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে। B) সূর্য — এটি একটি তৎসম শব্দ, যা সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিত অবস্থায় বাংলা ভাষায় এসেছে। C) নক্ষত্র — এটি একটি তৎসম শব্দ এবং এর বাংলা তদ্ভব রূপ হলো নখত্ত বা নক্ষত্র জাতীয় পরিবর্তিত রূপ। D) গগন — এটি একটি তৎসম শব্দ, যার অর্থ আকাশ এবং এটি সরাসরি সংস্কৃত থেকে বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - তদ্ভব শব্দ চেনার উপায় হলো এগুলো সাধারণত প্রাকৃত ভাষার ধাপ পেরিয়ে সহজ ও স্বাভাবিক রূপ ধারণ করে। - তৎসম শব্দের তুলনায় তদ্ভব শব্দের রূপ কিছুটা পরিবর্তিত বা ভাঙা প্রকৃতির হয়ে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও শব্দের উৎস থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও দেশি শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a সমাস
b সন্ধি
c উপসর্গ
d প্রত্যয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমাস ১. কেন সঠিক: নবান্ন শব্দটি সমাস প্রক্রিয়ায় গঠিত হয়েছে এবং এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। নম (নতুন) অন্ন সমাসবদ্ধ হয়ে নবান্ন শব্দটি গঠন করে যেখানে মাঝের পদটি লোপ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা পদগুলো সম্পূর্ণভাবে লোপ পেয়ে একটি নতুন পদ গঠন করে তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। নবন (নতুন) যে অন্ন সমান নবান্ন, এখানে মধ্যবর্তী যে পদটি বিলুপ্ত হয়ে নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন সমান সিংহাসন ব্যাখ্যা: মাঝের চিহ্নিত পদটি লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: পল মিশ্রিত অম্ল সমান পোলাও ব্যাখ্যা: মাঝের মিশ্রিত পদটি লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ নবান্ন শব্দটি সমাসবদ্ধ পদ। B) সন্ধি — নবান্ন শব্দটিকে নব যোগ অন্ন এভাবে সন্ধি বিচ্ছেদ করা গেলেও এটি মূলত সমাসের নিয়মে গঠিত শব্দ। C) উপসর্গ — উপসর্গের কাজ শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি করা যা এখানে ঘটেনি। D) প্রত্যয় — প্রত্যয় শব্দের পরে যুক্ত হয় কিন্তু এখানে দুটি পূর্ণ পদের মিলনে সমাস হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: নরম নতুন অন্ন খাওয়ার উৎসব হলো নবান্ন, যা মাঝের পদ লোপ পেয়ে সমাস হয়। সমাসের ক্ষেত্রে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় মনে রাখতে এই শব্দ বারবার চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। নবান্ন, সিংহাসন এবং পোলাও শব্দগুলোর ব্যাসবাক্য ও সমাসের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a কুল
b গ্রাম
c বৃন্দ
d বর্গ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গ্রাম ১. কেন সঠিক: - বাংলা ব্যাকরণে বচন নির্ধারণের সময় শব্দের প্রাণবাচকতা বা অপ্রাণবাচকতা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। - অপ্রাণীবাচক বা জড় পদার্থের বহুবচনে সাধারণত গ্রাম, পুঞ্জ, দাম, থুপি, পাল ইত্যাদি শব্দ ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় বিশেষ্য পদের সংখ্যা বোঝানোর জন্য বচন ব্যবহৃত হয় এবং বচন দুই প্রকার যথা একবচন ও বহুবচন। - অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুবচন বোঝাতে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় বা সমষ্টিবাচক শব্দ যুক্ত করা হয় যা ভাষার প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তারকামণ্ডলী বা তারাকাপুঞ্জ আকাশে জ্বলছে। ব্যাখ্যা: এখানে তারা অপ্রাণীবাচক শব্দ হওয়ায় এর বহুবচনে কুঞ্জ বা পুঞ্জ জাতীয় শব্দ বসেছে। উদাহরণ ২: মশাগুলো দল বেঁধে উড়ছে। ব্যাখ্যা: মশা প্রাণীবাচক হলেও অনেক ক্ষেত্রে অপ্রাণীর মতো বহুবচনে বিশেষ শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুল — এটি সাধারণত মানবজাতি বা প্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয় যেমন শিক্ষককুল। B) গ্রাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয়। C) বৃন্দ — এটি কেবল সম্মানিত প্রাণীবাচক বা মনুষ্যবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয় যেমন ভক্তবৃন্দ। D) বর্গ — এটি সাধারণত মনুষ্যবাচক বিশেষ শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয় যেমন মন্ত্রীবর্গ। ৫ মনে রাখার টিপস: - অপ্রাণীর গ্রামে মানুষ থাকে না, তাই অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনে গ্রাম ব্যবহার করা হয়। - সম্মানিত মানুষের জন্য বৃন্দ এবং সাধারণ মানুষের জন্য বর্গ ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাণীবাচক ও অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। - শব্দগুলোর উৎস এবং ব্যবহার ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
a প্রাতিপদিক
b নামপদ
c মৌলিক শব্দ
d কৃদন্ত শব্দ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাতিপদিক ১. কেন সঠিক: - বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলা হয়। এটি মূলত শব্দের মূল রূপ যার সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত থাকে না। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - প্রাতিপদিক হলো বিভক্তিহীন নামশব্দ বা শব্দের মূল রূপ। যেমন, কলম, ফুল, বই ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফুল ব্যাখ্যা: ফুল একটি বিভক্তিহীন নাম শব্দ, তাই এটি প্রাতিপদিক। উদাহরণ ২: বই ব্যাখ্যা: বই শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই, তাই এটি প্রাতিপদিক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাতিপদিক — এটি সঠিক উত্তর। B) নামপদ — বিভক্তিযুক্ত পদকে নামপদ বলা হয়, কেবল বিভক্তিহীন মূল শব্দ নয়। C) মৌলিক শব্দ — যে শব্দ ভেঙে আলাদা করা যায় না তাকে মৌলিক শব্দ বলে, এটি বিভক্তির সাথে সম্পর্কিত নয়। D) কৃদন্ত শব্দ — প্রত্যয়যুক্ত ক্রিয়ামূলের সাথে গঠিত শব্দকে কৃদন্ত শব্দ বলা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাতিপদিক মানে পদের আদি রূপ বা বিভক্তিহীন শব্দ। বিভক্তি যোগ করলেই তা পদে পরিণত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরীক্ষায় প্রায়ই বিভক্তিহীন শব্দকে কী বলে তা জানতে চাওয়া হয়। শব্দটির মূল রূপ এবং পদের পার্থক্য পরিষ্কার রাখতে হবে।
a আষাঢ়ে কথা
b সৌভাগ্যের বিষয়
c আনন্দের বিষয়
d মজা পাওয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৌভাগ্যের বিষয় ১. কেন সঠিক: - 'একাদশে বৃহস্পতি' একটি প্রখ্যাত বাংলা বাগধারা যার অর্থ সৌভাগ্যের সুসময় বা ভাগ্য ফিরে আসা। - এখানে বৃহস্পতি গ্রহকে জ্যোতিষশাস্ত্রের বিচারে সৌভাগ্যের কারক হিসেবে ধরা হয়েছে এবং একাদশ ভাব হলো লাভের স্থান। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। - এই বাগধারার পেছনের প্রেক্ষাপট হলো জ্যোতিষশাস্ত্র যেখানে মানুষের জন্মকুণ্ডলীতে বৃহস্পতি গ্রহ একাদশ ঘরে অবস্থান করলে তাকে অত্যন্ত শুভ ও সৌভাগ্যের লক্ষণ বলে মনে করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এতদিন নানা কষ্টে কাটলেও চাকুরি পাওয়ার পর তার যেন একাদশে বৃহস্পতি উঠেছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে হঠাৎ ভাগ্য পরিবর্তন বা সৌভাগ্যের সূচনা বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ব্যবসাটায় প্রথমবারেই লাভ হওয়ায় তার একাদশে বৃহস্পতি দশা চলছে। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যবসায়িক সাফল্য এবং অনুকূল ভাগ্যের অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আষাঢ়ে কথা — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ অসম্ভব বা অবাস্তব গল্প, যা মূল বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) সৌভাগ্যের বিষয় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি সরাসরি 'একাদশে বৃহস্পতি' বাগধারার অর্থ প্রকাশ করে। C) আনন্দের বিষয় — এই অপশনটি ভুল কারণ আনন্দ বোঝাতে 'খুশির খোরাক' বা অন্য বাগধারা ব্যবহার হয়, এটি ভাগ্যের সঙ্গে যুক্ত নয়। D) মজা পাওয়া — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ আনন্দ বা উল্লাস করা, যা সৌভাগ্যের সুসময়ের সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার সহজ কৌশল হলো আকাশে বৃহস্পতি গ্রহের অবস্থান একাদশ ঘরে গেলেই মানুষের ভাগ্য খুলে যায় এবং সৌভাগ্য আসে। - জ্যোতিষশাস্ত্রের এই ধারণাকে মাথায় রাখলেই পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জ্যোতিষশাস্ত্র বা সংখ্যাভিত্তিক বাগধারা যেমন একাদশে বৃহস্পতি বা পঞ্চত্বপ্রাপ্তি থেকে প্রশ্ন আসে। - এই ধরনের বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ না ধরে এর প্রমিত ও ঐতিহ্যগত অর্থ মুখস্থ রাখতে হবে।
a সুঁচিশ্মিতা
b সুচিস্মিতা
c সুচিষ্মিতা
d শুচিস্মিতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শুচিস্মিতা ১. কেন সঠিক: - 'শুচিস্মিতা' শব্দের অর্থ পবিত্র বা সুন্দর হাসি যার। এটি একটি বহুব্রীহি সমাসবদ্ধ পদ। - বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'শুচি' শব্দে তালব্য শ (শ) ব্যবহৃত হয় এবং 'স্মিতা' অংশে দন্ত্য স (স) থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানে তালব্য শ (শ), মূর্ধন্য ষ (ষ) এবং দন্ত্য স (স)-এর সঠিক প্রয়োগ নির্ধারণের কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। তৎসম শব্দে ই-কার বা উ-কারান্ত উপসর্গের পর ক, খ, প, ফ থাকলে সাধারণত মূর্ধন্য ষ হয়, তবে এই নিয়মের বাইরে বহু শব্দে স্বভাবতই তালব্য শ ও দন্ত্য স ব্যবহৃত হয়। - 'শুচি' একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ পবিত্র, এবং 'স্মিতা' অর্থ মৃদুহাস্যযুক্তা। এই দুটি শব্দ মিলে গঠিত যুক্ত শব্দে কোনো অপ্রাসঙ্গিক মূর্ধন্য ষ বা ভুল শ যুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই, তাই প্রমিত বানানে এটি 'শুচিস্মিতা' হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরিষ্কার ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ শব্দ যেখানে তালব্য শ ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: সুস্মিতা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে সুন্দর হাসির অর্থে দন্ত্য স ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুঁচিশ্মিতা — এখানে চন্দ্রবিন্দু এবং ভুল শ ব্যবহারের কারণে বানানটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে। B) সুচিস্মিতা — এখানে তালব্য শ এর পরিবর্তে দন্ত্য স ব্যবহার করায় মূল শব্দের বানান সঠিক হয়নি। C) সুচিষ্মিতা — এখানে তালব্য শ এর পরিবর্তে ভুলভাবে মূর্ধন্য ষ ব্যবহার করা হয়েছে। D) শুচিস্মিতা — এটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক এবং নির্ভুল বানান। ৫. মনে রাখার টিপস: - পবিত্র অর্থে ব্যবহৃত 'শুচি' শব্দটিতে সবসময় তালব্য শ (শ) বসে। - হাসিমুখ বোঝাতে 'স্মিতা' অংশে সবসময় দন্ত্য স (স) ব্যবহার করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্ত্রীবাচক বা গুণবাচক নাম সংক্রান্ত বানান প্রায়ই আসে। - 'শুচি' সম্পর্কিত অন্যান্য শব্দ যেমন শুচিভদ্র বা শুচিতা বানানেও তালব্য শ ব্যবহার করা হয় তা মনে রাখতে হবে।
a সমান ব্যবহারে
b একগ্রতায়
c সমভাবনায়
d একযোগে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একযোগে ১. কেন সঠিক: - 'সমভিভ্যাহারে' শব্দটির আক্ষরিক ও প্রমিত অর্থ হলো একসাথে, একত্রে বা একযোগে। - এটি বাংলা ব্যাকরণে এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ সংক্রান্ত প্রশ্নে প্রায়ই দেখা যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি প্রাচীন ও তৎসম শব্দ যা মূলত বিশেষ্য বা ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। - শব্দটির সঠিক অর্থ না জানলে পরীক্ষার্থীরা প্রায়ই এটিকে সমান ব্যবহার বা সমভাবনা ভেবে ভুল করতে পারেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাইয়ে ভাইয়ে সমভিভ্যাহারে বাজারে গেল। ব্যাখ্যা: এখানে 'সমভিভ্যাহারে' শব্দটি একসাথে বা দলবদ্ধভাবে যাওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: তারা সমভিভ্যাহারে কাজটি সম্পন্ন করেছিল। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে শব্দটি সবার যৌথ অংশগ্রহণ বা একযোগে কাজ করা প্রকাশ করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমান ব্যবহারে — এটি শব্দের মূল অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয় কারণ সমভিভ্যাহার মানে ব্যবহার বোঝায় না। B) একগ্রতায় — একাগ্রতা বা মনোযোগ বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয় না। C) সমভাবনায় — একই রকম চিন্তা বা মনোভাব প্রকাশ করতে সমভাবনা বলা হয়, যা এই শব্দের সঠিক অর্থ নয়। D) একযোগে — এটি মূল শব্দের সঠিক এবং প্রমিত অর্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: - সমভিভ্যাহার শব্দের শুরুতে সম আছে যার অর্থ একসাথে বা একত্রে। - এভাবে মিল রেখে মনে রাখতে হবে যে সমভিভ্যাহার মানে হলো একযোগে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য সরকারি চাকরির পরীক্ষায় কঠিন শব্দের অর্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অপরিচিত শব্দ দেখলে ঘাবড়ে না গিয়ে তার উৎস ও প্রমিত অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a নিখুঁত
b নিমরাজী
c অবহেলা
d আনমনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিমরাজী ১. কেন সঠিক: - নিমরাজী শব্দটিতে 'নিম' উপসর্গটি যুক্ত হয়েছে, যা একটি ফারসি বা বিদেশি উপসর্গ। - ফারসি ভাষায় 'নিম' শব্দের অর্থ হলো অর্ধেক বা আধা, যেমন নিমরাজী শব্দের অর্থ অর্ধরাজি বা আংশিক সম্মত। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়, যথা বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিমরাজি ব্যাখ্যা: এখানে 'নিম' ফারসি উপসর্গ যোগে গঠিত হয়েছে যার অর্থ অর্ধেক রাজি। উদাহরণ ২: ফি বছর ব্যাখ্যা: এখানে 'ফি' একটি আরবি উপসর্গ যা প্রতি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিখুঁত — এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'নি' যোগে গঠিত শব্দ, তাই এটি বিদেশি উপসর্গ নয়। B) নিমরাজী — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে বিদেশি উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে। C) অবহেলা — এটি সংস্কৃত উপসর্গ 'অব' যোগে গঠিত শব্দ, তাই এটি বিদেশি উপসর্গ নয়। D) আনমনা — এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'আনা' বা 'আন' যোগে গঠিত শব্দ, তাই এটি বিদেশি উপসর্গ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিদেশি উপসর্গগুলো সহজে মনে রাখতে ফারসি উপসর্গ যেমন দর, নিম, বদ, কম, বর, কার মনে রাখতে পারো। - নিমরাজী শব্দের নিম অংশটি দেখলেই বুঝতে পারবে এটি ফারসি ভাষা থেকে আগত বিদেশি উপসর্গ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি উপসর্গ যেমন ফি, দর, নিম, বর চিহ্নিত করতে বলা হয়। - বাংলা, সংস্কৃত এবং বিদেশি উপসর্গের উৎসগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a স্বরবৃত্ত
b অক্ষরবৃত্ত
c পয়ার
d মাত্রাবৃত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্বরবৃত্ত ১. কেন সঠিক: বাংলা ছন্দের মূল চারটি পর্বের মধ্যে স্বরবৃত্ত ছন্দের মূল পর্ব সাধারণত চার মাত্রার হয়ে থাকে। এটি মূলত বাংলা ভাষাভাষীদের মুখের বুলির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা লৌকিক বা দলবৃত্ত ছন্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: স্বরবৃত্ত ছন্দকে দলবৃত্ত বা লৌকিক ছন্দ বলা হয় কারণ এর মূল ভিত্তি হলো দল বা সিলেবল। এই ছন্দে ধ্বনির দ্রুত লয় বা দ্রুত গতি পরিলক্ষিত হয় এবং এতে অতিরিক্ত ঝোঁক বা শ্বাসাঘাত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রোদ উঠেছে মেঘ কেটেছে, ধান কেটে নে ও ভাই। ব্যাখ্যা: এই পঙক্তির প্রতিটি পর্ব চার মাত্রার এবং এর লয় খুবই দ্রুত। উদাহরণ ২: আম পাতা জোড়া জোড়া, মারব চাবুক চড়ব ঘোড়া। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ছড়ার চিরচেনা রূপ যেখানে চার মাত্রার পর্বের নিয়ম নিখুঁতভাবে পালিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরবৃত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই ছন্দের মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা চার। B) অক্ষরবৃত্ত — এই অপশনের ছন্দকে মিশ্র কলাবৃত্ত বলা হয় এবং এর মূল পর্ব সাধারণত আট মাত্রার হয়ে থাকে। C) পয়ার — পয়ার হলো অক্ষরবৃত্ত ছন্দের একটি বিশেষ রূপ যা মূলত আট ও ছয় মাত্রার পর্ব নিয়ে গঠিত হয়। D) মাত্রাবৃত্ত — এই অপশনের ছন্দকে কলাবৃত্ত বলা হয় যার মূল পর্ব সাধারণত ছাব্বিশ মাত্রার হয়ে থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বরবৃত্ত মানেই চার মাত্রা এবং ছড়ার ছন্দ। ছোটবেলার ছড়াগুলো মনে রাখলেই এই ছন্দের বৈশিষ্ট্য সহজে বোঝা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছন্দের পর্ব ও মাত্রা নির্ণয় করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। স্বরবৃত্ত মানে চার মাত্রা, অক্ষরবৃত্ত মানে আট মাত্রা এবং মাত্রাবৃত্ত মানে সাধারণত সল বা আট মাত্রা এটি মনে রাখা জরুরি।
a মহাকাব্য
b গীতিকাব্য
c আখ্যানকাব্য
d পত্রকাব্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পত্রকাব্য ১. কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত 'বীরাঙ্গনা' বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য। - পৌরাণিক কাহিনীর ভিত্তিতে পত্রাকারে রচিত কাব্যগুলোতে নারী চরিত্রগুলোর আবেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেটের প্রবর্তক। - বীরাঙ্গনা কাব্যের মোট পত্রে সংখ্যা এগারোটি যেখানে পৌরাণিক নারীরা তাদের স্বামীকে বা প্রেমিককে পত্র লিখেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। উদাহরণ ২: চতুর্দশপদী কবিতাবলী ব্যাখ্যা: এটি মধুসূদন দত্তের রচিত সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাকাব্য — মেঘনাদবধ কাব্য মহাকাব্য হলেও বীরাঙ্গনা একটি পত্রকাব্য। B) গীতিকাব্য — বীরাঙ্গনা ব্যক্তিগত অনুভূতির প্রকাশ হলেও এটি গীতিকাব্য নয়। C) আখ্যানকাব্য — এতে কাহিনী থাকলেও এটি পত্রাকারে রচিত পদ্যরূপ। D) পত্রকাব্য — এটি সঠিক কারণ কাব্যটির প্রতিটি অংশ একেকটি পত্র বা চিঠি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বীরাঙ্গনা মানেই পত্রকাব্য, যেখানে নারী চরিত্ররা চিঠি লিখে মনের কথা প্রকাশ করেছেন। - মধুসূদনের মহাকাব্য হলো মেঘনাদবধ এবং পত্রকাব্য হলো বীরাঙ্গনা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বীরাঙ্গনা কাব্যের রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই বীরাঙ্গনা কাব্যের ধরন সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a নিষ্ঠা
b সততা
c সংযম
d সদাচার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সদাচার ১. কেন সঠিক: শিষ্টাচার শব্দের অর্থ হলো ভালো আচরণ, ভদ্রতা বা শিষ্ট বা ভালো আচরণ। সদাচার শব্দের অর্থও ভালো আচরণ বা সৎ চরিত্র, যা শিষ্টাচারের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ হলো সেই শব্দগুলো যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের প্রচলিত ও প্রমিত অর্থ বিবেচনা করে সবচেয়ে উপযুক্ত সমার্থক শব্দটি নির্বাচন করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৌজন্য ব্যাখ্যা: এটি শিষ্টাচারের আরেকটি ভালো সমার্থক শব্দ যা মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার বোঝায়। উদাহরণ ২: বিনয় ব্যাখ্যা: এটিও শিষ্টাচারের সাথে সম্পর্কিত একটি শব্দ যা নম্রতা প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিষ্ঠা — এর অর্থ গভীর একাগ্রতা বা অনুরাগ, যা সরাসরি আচরণের সমার্থক নয়। B) সততা — এর অর্থ সাধুতা বা অসততার বিপরীত গুণ, যা মূলত নৈতিকতার সাথে জড়িত। C) সংযম — এর অর্থ প্রবৃত্তি বা ইন্দ্রিয়ের নিগ্রহ বা নিয়ন্ত্রণ, যা আচরণের সমার্থক নয়। D) সদাচার — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ ভালো আচরণ বা শিষ্টাচার। ৫. মনে রাখার টিপস: শিষ্ট মানে ভালো, আর আচরণ মানে ব্যবহার। তাই শিষ্টাচারের সমার্থক হিসেবে ভালো বা সৎ আচরণের সমার্থক শব্দ সদাচার নির্বাচন করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সমার্থক শব্দ নির্বাচনে প্রমিত বাংলা অভিধানের অর্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। কাছাকাছি অর্থের শব্দ থাকলেও সবচেয়ে নিখুঁত প্রতিশব্দটিই উত্তর হিসেবে বেছে নিতে হয়।
a হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
b দীনেশচন্দ্র সেন
c দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
d চন্দ্রকুমার দে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চন্দ্রকুমার দে ১. কেন সঠিক: - ময়মনসিংহ গীতিকা ও পূর্ববঙ্গ গীতিকা সংকলনে মাঠপর্যায়ে ঘুরে গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের মুখ থেকে গান ও গাথা সংগ্রহ করেছিলেন চন্দ্রকুমার দে। - ড দীনেশচন্দ্র সেন সংকলনগুলোর সম্পাদক ও প্রকাশক হলেও মাঠের আসল সংগ্রাহক ছিলেন চন্দ্রকুমার দে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চন্দ্রকুমার দে ময়মনসিংহ অঞ্চলের নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রামীণ লোকসাহিত্য সংগ্রহ করতেন। - সংগৃহীত এই লোকগাথাগুলো পরবর্তীতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ড দীনেশচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় পূর্ববঙ্গ গীতিকা ও ময়মনসিংহ গীতিকা নামে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহুয়ার পালা ব্যাখ্যা: চন্দ্রকুমার দে সংগৃহীত বিখ্যাত একটি লোকগাথা হলো মহুয়ার পালা। উদাহরণ ২: মলুয়ার পালা ব্যাখ্যা: এটিও চন্দ্রকুমার দে সংগৃহীত অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি লোকগাথা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — তিনি চর্যাপদের আবিষ্কারক এবং প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের গবেষক, লোকগাথা সংগ্রাহক নন। B) দীনেশচন্দ্র সেন — তিনি পূর্ববঙ্গ গীতিকার সম্পাদক ও সংকলক, কিন্তু মাঠপর্যায়ে গিয়ে সরাসরি সংগ্রহকারী নন। C) দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার — তিনি ঠাকুরমার ঝুলি ও লোকরূপকথা সংকলনের জন্য বিখ্যাত, পূর্ববঙ্গ গীতিকার সংগ্রাহক নন। D) চন্দ্রকুমার দে — তিনি ময়মনসিংহ ও পূর্ববঙ্গ গীতিকার মূল সংগ্রাহক হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - সংগ্রহ করেছেন চন্দ্রকুমার আর প্রকাশ বা সম্পাদনা করেছেন দীনেশচন্দ্র সেন। - নামের প্রথম অক্ষর মনে রাখতে পারো চন্দ্রকুমার সংগ্রহের চ এবং সংকলনের স। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ময়মনসিংহ গীতিকার সংগ্রাহক কে, যার উত্তর হবে চন্দ্রকুমার দে। - একই সঙ্গে সম্পাদক কে জিজ্ঞেস করলে উত্তর হবে ড দীনেশচন্দ্র সেন।
a পলাশীর যুদ্ধ
b ছিয়াত্তরের মন্বন্তর
c পানিপথের ৩য় যুদ্ধ
d সিপাহীবিদ্রোহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পানিপথের ৩য় যুদ্ধ ১. কেন সঠিক: মহাকবি কায়কোবাদ রচিত মহাশ্মশান একটি ঐতিহাসিক মহাকাব্যের পটভূমি হলো ১৭৬১ সালে সংঘটিত পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ। এই যুদ্ধে মারাঠা ও আফগান শাসক আহমদ শাহ আবদালীর বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ হয় এবং তার ভয়াবহ পরিণতির চিত্র এই কাব্যে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কায়কোবাদ ছদ্মনাম না হলেও তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত মুসলিম মহাকবি যার মূল নাম কাজেম আল কোরেশী। মহাশ্মশান কাব্যটি ১৯০৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম বৃহৎ আকারের ঐতিহাসিক মহাকাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাশ্মশান মহাকাব্য ব্যাখ্যা: পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের ভয়াবহ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে রচিত মহাকাব্য। উদাহরণ ২: অমিয়দূত কাব্য ব্যাখ্যা: এটিও কবি কায়কোবাদ রচিত একটি অন্যতম জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পলাশীর যুদ্ধ — এই ঐতিহাসিক পটভূমিতে নবীন সেন পলাশী যুদ্ধ কাব্য রচনা করেছেন যা কায়কোবাদের মহাশ্মশান নয়। B) ছিয়াত্তরের মন্বন্তর — এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ব্যাংকিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আনন্দমঠ উপন্যাস রচনা করেছিলেন। D) সিপাহীবিদ্রোহ — এই ঐতিহাসিক ঘটনার পটভূমিতে বাংলা সাহিত্যে সরাসরি কোনো মহাকাব্য রচিত হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: কায়কোবাদের মহাশ্মশান কাব্যে পানিপথের যুদ্ধের কথা বলা হয়েছে। পানিপথ শব্দটির সাথে মহাশ্মশান শব্দটি মিলিয়ে সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক পটভূমিভিত্তিক সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মহাশ্মশান কাব্যের রচয়িতা এবং এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a William Faulkner
b Grahame Greene
c Toni Morrison
d T.S. Eliots
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Grahame Greene কেন সঠিক: - গ্রাহাম গ্রিন তাঁর জনপ্রিয় উপন্যাস ও রাজনৈতিক থ্রিলারের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত হলেও সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেননি। - তিনি নোবেল পুরস্কারের জন্য বেশ কয়েকবার মনোনীত হলেও শেষ পর্যন্ত তা পাননি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Faulkner — উইলিয়াম ফকনার আমেরিকান কথাসাহিত্যিক এবং তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছিলেন। B) Grahame Greene — গ্রাহাম গ্রিন সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পাননি, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) Toni Morrison — টনি মরিসন একজন প্রভাবশালী আমেরিকান ঔপন্যাসিক যিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। D) T.S. Eliots — টি এস এলিয়ট বিখ্যাত কবি ও প্রাবন্ধিক যিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: গ্রাহাম গ্রিন (Grahame Greene) হলেন সেই বিখ্যাত লেখক যিনি বারবার নোবেল পুরস্কারের মনোনয়ন পেলেও তা জয় করতে পারেননি।
a as high as
b so high as
c as high to
d as high for
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) as high as কেন সঠিক: - তুলনামূলক বা চরম পরিমাণ বোঝাতে as...as স্ট্রাকচার ব্যবহার করা হয়। - এখানে দামের উচ্চসীমা বা পরিমাণ বোঝাতে as high as সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as high as — এটি সঠিক কারণ এটি তুলনা ও পরিমাণের সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। B) so high as — সাধারণত নেতিবাচক বাক্যে so...as বসে, যা এই affirmative বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। C) as high to — ইংরেজী ব্যাকরণে high এর পর preposition হিসেবে to বসে না। D) as high for — এই বাক্যের অর্থে for preposition ব্যবহার grammatically সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: পরিমাণ বা দামের ক্ষেত্রে চরম সীমা বোঝাতে as high as ব্যবহার করবে।
a Foggy
b Unfair
c Cut a bad figure
d The last part
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The last part কেন সঠিক: - 'Fag end' একটি ইংরেজি ইডিওম, যার আক্ষরিক অর্থ কোনো বস্তুর শেষ অবশিষ্টাংশ বা শেষ অংশ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত কোনো কিছুর সমাপ্তি বা শেষ পর্যায় বোঝাতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Foggy — এই শব্দের অর্থ কুয়াশাচ্ছন্ন, যা প্রদত্ত ইডিওমের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) Unfair — এর অর্থ অন্যায় বা অসদুপায়, যা ফ্রেজটির মূল অর্থের বিপরীত। সি) Cut a bad figure — এটি একটি আলাদা ইডিওম যার অর্থ লজ্জিত হওয়া বা খারাপ করা। D) The last part — এটি 'Fag end' এর সমার্থক এবং সঠিক অর্থ নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: সিগারেটের শেষ অংশ বা ফক শেষ বোঝাতে 'Fag end' অর্থাৎ শেষ অংশ মনে রাখতে পারো।
a Shakespeare
b Wordsworth
c Keats
d Eliot
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Keats কেন সঠিক: - উক্তিটি বিখ্যাত ইংরেজ রোমান্টিক কবি জন কিটসের 'Ode on a Grecian Urn' কবিতার শেষ দুটি চরণের অংশ। - এই অমর পংক্তির মাধ্যমে কবি সৌন্দর্য ও সত্যের চিরন্তন অভিন্নতা এবং শিল্পের অমরত্ব প্রকাশ করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shakespeare — তিনি রেনেসাঁ যুগের বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি হলেও এই অমর দার্শনিক উক্তিটি তাঁর কোনো নাটক বা কবিতার নয়। B) Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের প্রকৃতিবাদী কবি হলেও এই বিখ্যাত নান্দনিক পংক্তিটি তাঁর রচনার অন্তর্ভুক্ত নয়। C) Keats — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক বিধায় এখানে এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। D) Eliot — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুগের কবি ও সমালোচক, তাই এই ধ্রুপদী রোমান্টিক উক্তির সাথে তাঁর লেখার মিল নেই। মনে রাখার টিপস: গ্রিক ইউআরএন বা কলসি নিয়ে বিখ্যাত কবিতা লিখেছিলেন জন কিটস, যেখানে তিনি সত্য ও সৌন্দর্যের কথা বলেছেন।
a 11-19 years
b 80-89 years
c 40-50 years
d 60-80 years
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 80-89 years কেন সঠিক: - Octogenarian শব্দটি এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যার বয়স আশির কোঠায় অর্থাৎ আশি থেকে উননব্বই বছরের মধ্যে। - ল্যাটিন শব্দ অক্টোগো থেকে এটি এসেছে যার অর্থ আশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 11-19 years — এই বয়সের ব্যক্তিদের টিনএজার বা কিশোর বলা হয়। B) 80-89 years — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর যা আশি থেকে উননব্বই বছরের বয়সসীমা নির্দেশ করে। C) 40-50 years — চল্লিশ থেকে উনপঞ্চাশ বছর বয়সিদের বলা হয় কোয়াড্রাজিনরিয়ান। D) 60-80 years — ষাট থেকে উনসত্তর বছর বয়সের ব্যক্তিদের সেক্সাজিনরিয়ান বলা হয়। মনে রাখার টিপস: Octo মানে আট, তাই আশির কোঠার বয়স বোঝাতে Octogenarian শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
a is
b had
c been
d were
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) were কেন সঠিক: - বাক্যে as if বা as though থাকলে এবং তার আগের অংশ present tense হলে পরের অংশে past indefinite tense বসে। - verb হিসেবে to be verb ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবজেক্ট singular হওয়া সত্ত্বেও নিয়ম অনুযায়ী সবসময় were বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — বাক্যের প্রথমাংশ present tense হলেও as if এর পরে present tense বসে না, তাই এটি ভুল। B) had — নিয়ম অনুযায়ী এখানে past indefinite tense বসবে, কিন্তু had বসালে past perfect tense হয়ে যায় যা অসামঞ্জস্যপূর্ণ। সি) been — auxiliary verb ছাড়া একা been বসতে পারে না এবং এটি এখানে কাঠামোর সাথে মেলে না। ডি) were — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি past indefinite tense নির্দেশ করে এবং singular subject এর পরেও were বসে। মনে রাখার টিপস: as if যুক্ত বাক্যে অমূলক বা কাল্পনিক কিছু বোঝালে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন, সবসময় be verb হিসেবে were বসবে।
a Vague idea
b Inoffensive expression
c A sonnet
d Wise saying
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Inoffensive expression কেন সঠিক: - ইউফেমিজম (Euphemism) অর্থ মৃদু বা শালীন ভাষা, যা কোনো অপ্রিয়, কঠোর বা আপত্তিকর বিষয়কে ভদ্র ও গ্রহণযোগ্যভাবে প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। - উদাহরণস্বরূপ, মারা যাওয়ার পরিবর্তে 'passed away' বলা একটি ইউফেমিজম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vague idea — এর অর্থ অস্পষ্ট ধারণা, যা ইউফেমিজমের নির্দিষ্ট বা শালীন অর্থ প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) Inoffensive expression — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ এমন অভিব্যক্তি যা কাউকে আঘাত করে না বা অভদ্র শোনায় না। C) A sonnet — এটি চৌদ্দ চরণের একটি নির্দিষ্ট কবিতার রূপ, যা শব্দের শালীন প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়। D) Wise saying — এর অর্থ প্রবচন বা জ্ঞানী উক্তি, যা নীতিবাক্য বোঝায় কিন্তু অপ্রিয় সত্যের মৃদু প্রকাশ নয়। মনে রাখার টিপস: ইউফেমিজম মানে ভালো কথা বা ভদ্র ভাষায় কোনো কঠিন সত্য বলা।
a Achieves
b Submit
c Win
d Conquer
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Submit কেন সঠিক: - 'Succumb' একটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা অর্থ হলো আত্মসমর্পণ করা বা কাছে হার মানা। - 'Submit' শব্দের অর্থও আত্মসমর্পণ করা বা বশ্যতা স্বীকার করা, যা 'Succumb' শব্দের সমর্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Achieves — এর অর্থ অর্জন করা, যা 'Succumb' শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Submit — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ আত্মসমর্পণ করা। C) Win — এর অর্থ জয়লাভ করা, যা পরাজয় বা নমন বোঝানো 'Succumb' এর বিপরীত। D) Conquer — এর অর্থ জয় করা বা অধিকার করা, যা বশ্যতা শিকার করার বিপরীত। মনে রাখার টিপস: 'Succumb' মানে নিচে (Sub) পড়ে যাওয়া বা হেরে যাওয়া, যা 'Submit' এর সাথে মিলে যায়।
a at
b with
c in
d for
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) in কেন সঠিক: - কোনো অপরাধমূলক কাজ, ষড়যন্ত্র বা বিষয়ে জড়িত থাকা বোঝাতে 'be concerned in' প্রিপজিশনাল ফ্রেজটি ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত বাক্যে আটজন ব্যক্তি একটি ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত ছিল বোঝানো হয়েছে, তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে in। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — কোনো বিষয় দেখে বিস্মিত হওয়া বা দুঃখ প্রকাশ করা বোঝাতে 'concerned at' ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) with — কোনো বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থাকা বা কোনো ব্যক্তির সাথে উদ্বিগ্ন হওয়া বোঝাতে 'concerned with' ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ষড়যন্ত্রের ক্ষেত্রে এটি বসে না। D) for — কারও জন্য উদ্বিগ্ন বা চিন্তিত থাকা বোঝাতে 'concerned for' ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: ষড়যন্ত্র বা অপরাধমূলক কোনো কাজের সাথে জড়িত থাকা বোঝালে সবসময় 'concerned in' ব্যবহার করবে।
a Gerund
b Apposition
c Preposition
d Conjunction
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Preposition কেন সঠিক: - 'regarding' শব্দটি noun phrase 'any problem'-এর পূর্বে বসে noun বা pronoun-এর সঙ্গে বাক্যের অন্য শব্দের সম্পর্ক স্থাপন করেছে। - preposition-এর সাধারণ কাজ হলো noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে তার সম্পর্ক নির্দেশ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gerund — gerund হলো verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়ে noun-এর কাজ করে, কিন্তু এখানে regarding কোনো কাজের নাম বোঝাচ্ছে না। B) Apposition — apposition হলো পাশাপাশি দুটি noun বা noun phrase বসে একই ব্যক্তিকে বা বস্তুকে নির্দেশ করা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Preposition — প্রদত্ত উত্তর সঠিক, কারণ এটি এখানে সম্পর্কে বোঝাতে preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। D) Conjunction — conjunction দুটি শব্দ বা বাক্যাংশকে যুক্ত করে, কিন্তু regarding এখানে কোনো সংযোজক হিসেবে কাজ করছে না। মনে রাখার টিপস: regarding, concerning, regarding বা about শব্দের অর্থ যখন কোনো কিছু সম্পর্কে বোঝায় এবং তারপরে noun থাকে, তখন তা সাধারণত preposition হয়।
a Morphology
b Etymology
c Syntax
d Semantics
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Syntax কেন সঠিক: - Syntax হলো ইংরেজি ব্যাকরণের সেই শাখা যা বাক্যে শব্দের সঠিক বিন্যাস ও গঠন নিয়ে আলোচনা করে। - এটি নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে শব্দগুলোকে সাজিয়ে অর্থপূর্ণ বাক্য তৈরি করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Morphology — এটি ব্যাকরণের এমন একটি শাখা যা শব্দের অভ্যন্তরীণ গঠন এবং রূপ নিয়ে আলোচনা করে। B) Etymology — এটি শব্দের উৎস, উৎপত্তি এবং ইতিহাস সম্পর্কিত আলোচনা করে। D) Semantics — এটি ভাষার শব্দ ও বাক্যের অর্থ বা তাৎপর্য নিয়ে গবেষণা করে। মনে রাখার টিপস: শব্দের গঠন হলো Morphology এবং বাক্যের গঠন হলো Syntax।
a To dilute
b Wait impatiently
c Waste of time
d Repeat
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Waste of time কেন সঠিক: - 'Dilly-dally' একটি ইংরেজি ইডিয়ম যার অর্থ সময় নষ্ট করা বা কোনো সিদ্ধান্ত নিতে অযথা দেরি করা। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'Waste of time' বাক্যটির ভাবার্থ সবচেয়ে সঠিকভাবে প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To dilute — এর অর্থ লঘু করা বা পাতলা করা, যা এই ইডিয়মের অর্থের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) Wait impatiently — এর অর্থ অধৈর্য হয়ে অপেক্ষা করা, যা 'dilly-dally' শব্দের অর্থের বিপরীত। C) Waste of time — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) Repeat — এর অর্থ পুনরাবৃত্তি করা, যা এই ইডিয়মের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: 'Dilly-dally' শব্দটিতে সময় নষ্ট করার ভাব প্রকাশ পায়, তাই এটি 'Waste of time' এর সমার্থক।
a Bind
b Require
c Bother
d Censure
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Bother কেন সঠিক: - 'Oblige' শব্দের অর্থ হলো কাউকে বাধ্য করা, কৃতজ্ঞ করা বা কারো উপকার করা। - এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে 'Bother' ব্যবহৃত হয় যার অর্থ বিরক্ত করা বা কষ্ট দেওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bind — এটি 'Oblige'-এর সমার্থক শব্দ হিসেবে কাজ করে কারণ এর অর্থও বাঁধা বা বাধ্য করা। B) Require — এটি 'Oblige'-এর কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে যার অর্থ প্রয়োজন হওয়া বা দাবি করা। C) Bother — এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ কারণ এর অর্থ বিরক্ত করা। D) Censure — এর অর্থ তীব্র নিন্দা করা, যা এই শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে উপযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: Oblige মানে উপকার করে বাধ্য করা, আর Bother মানে বিরক্ত বা বিব্রত করা।
a Planned
b Improvise
c Impromptu
d Immediate
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Impromptu কেন সঠিক: - 'Extempore' শব্দের অর্থ হলো পূর্বপ্রস্তুতিহীন বা তাৎক্ষণিক কোনো বক্তৃতা বা কাজ। - 'Impromptu' শব্দটির অর্থও পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়া বা তাৎক্ষণিক, যা মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Planned — এর অর্থ পরিকল্পিত বা পূর্বনির্ধারিত, যা 'Extempore' শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Improvise — এর অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে কোনো কিছু তৈরি করা, এটি ভার্ব হলেও 'Extempore' একটি অ্যাডজেক্টিভ বা অ্যাডভার্ব। C) Impromptu — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ পূর্বপ্রস্তুতিহীন বা তাৎক্ষণিক। D) Immediate — এর অর্থ তাৎক্ষণিক বা দ্রুত, তবে এটি মূলত সময় নির্দেশ করে, কোনো কাজের প্রস্তুতিহীনতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: 'Extempore' এবং 'Impromptu' দুটি শব্দই কোনো প্রস্তুতি ছাড়া হঠাৎ করে কিছু করা বা বলা বোঝাতে সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a The French people
b The French language
c The French manners
d The French society
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The French language কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে ভাষার নামের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল 'the' বসলে তা সেই দেশের ভাষাকে নির্দেশ করে। - এখানে 'French' শব্দের পূর্বে 'The' থাকার কারণে এটি নির্দিষ্ট করে ফ্রেঞ্চ বা ফরাসি ভাষাকে বোঝাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The French people — ভাষার নামের পূর্বে 'the' বসালে জাতি বোঝায় না, বরং নির্দিষ্ট ভাষাকে বোঝায়। B) The French language — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'the' যুক্ত হওয়ায় এটি ফ্রেঞ্চ ভাষাকে নির্দেশ করেছে। C) The French manners — এটি ফরাসিদের আচার-আচরণ বোঝায়, যার সঙ্গে ব্যাকরণের এই নিয়ম সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) The French society — এটি ফরাসি সমাজকে বোঝায়, যা ভাষার নামের নির্দিষ্ট নিয়ম থেকে আলাদা। মনে রাখার টিপস: ভাষার নামের আগে the বসালে ভাষা হয়, আর জাতির নামের আগে the বসালে সেই দেশের জনগণ বোঝায়।
a A period of being care free
b Hot weather
c A period misfortune
d When dog roam the streets
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ (ইংরেজি ইডিয়ম ও ফ্রেজ) সঠিক উত্তর: B) Hot weather কেন সঠিক: - 'Dog days' একটি ইংরেজি ইডিয়ম, যার আক্ষরিক অর্থ কুকুরের দিন হলেও এটি মূলত বছরের সবচেয়ে গরম আবহাওয়াকে বোঝায়। - প্রাচীন জ্যোতির্বিজ্ঞান অনুযায়ী, গ্রীষ্মকালে সিরিয়াস বা লুব্ধক তারা সূর্যের সঙ্গে আকাশে উদিত হওয়ার সময় আবহাওয়া সবচেয়ে বেশি উষ্ণ হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A period of being care free — এটি সঠিক নয় কারণ এই ইডিয়মটি দায়িত্বহীন বা উদ্বেগহীন কোনো সময়কে নির্দেশ করে না। B) Hot weather — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি বছরের সবচেয়ে উষ্ণ বা গরম দিনগুলোকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) A period misfortune — এটি সঠিক নয় কারণ এটি কোনো দুর্ভাগ্যের সময় বা খারাপ পরিস্থিতি বোঝায় না। D) When dog roam the streets — এটি সঠিক নয় কারণ এটি আক্ষরিক অর্থে রাস্তায় কুকুর ঘোরার দৃশ্য বোঝাতে ব্যবহার করা হয় না। মনে রাখার টিপস: গ্রীষ্মের অতিরিক্ত গরমে কুকুর যেমন হাঁপায়, তেমনি 'Dog days' বললেই বছরের সবচেয়ে গরম আবহাওয়া বুঝবে।
a Distribute
b Export
c Import
d Smuggle
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Smuggle কেন সঠিক: - 'Bootleg' শব্দটির অর্থ বেআইনিভাবে মদ বা অন্য কোনো দ্রব্য তৈরি, পরিবহন বা বিক্রি করা, যার সঙ্গে চোরাচালানের সরাসরি মিল রয়েছে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ইংরেজি অংশে সমার্থক শব্দ বা Vocabulary হিসেবে 'Bootleg' এর সঠিক উত্তর হিসেবে 'Smuggle' বা চোরাচালান করা গ্রহণযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Distribute — এর অর্থ বিতরণ করা, যা কোনো বস্তুর গোপন বা অবৈধ স্থানান্তর বোঝায় না। B) Export — এর অর্থ রপ্তানি করা, যা সাধারণত বৈধভাবে এক দেশ থেকে অন্য দেশে পণ্য পাঠানো বোঝায়। C) Import — এর অর্থ আমদানি করা, যা সরকারের নিয়ম মেনে বৈধভাবে বিদেশ থেকে পণ্য আনা বোঝায়। D) Smuggle — এর অর্থ চোরাচালান করা, যা বেআইনিভাবে সীমান্ত পার করে পণ্য আনা বা নেওয়ার সঙ্গে যুক্ত এবং bootleg এর সমার্থক। মনে রাখার টিপস: বুট বা জুতার ভেতরে করে গোপনে কিছু পাচার করা বা চোরাচালান করা বোঝাতে 'Bootleg' এবং 'Smuggle' শব্দ দুটি ব্যবহার করা হয়।
a Thrown
b Fallen
c Put
d Cast
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Cast কেন সঠিক: - 'Cast off' একটি উপযুক্ত ফ্রেড ভার্ব যার অর্থ ত্যাগ করা বা ঝরিয়ে ফেলা। - গাছ সাধারণত শীতকালে বা শুষ্ক মৌসুমে তাদের পাতা ঝরিয়ে ফেলে, তাই এখানে 'cast' শব্দটি যথাযথ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Thrown — 'Throw off' অর্থ কোনো কিছু দূরে নিক্ষেপ করা, যা গাছের পাতা ঝরার ক্ষেত্রে মানানসই নয়। B) Fallen — 'Fall' নিজেই একটি ভার্ব যার পাস্ট পার্টিসিপল 'fallen', এর সঙ্গে অতিরিক্ত 'off' ব্যবহার করলে ব্যাকরণগত ত্রুটি হয়। চন্দ্রগুপ্ত সি) Put — 'Put off' অর্থ স্থগিত করা, যা গাছের পাতা ঝরে পড়ার প্রসঙ্গের সঙ্গে সম্পূর্ণ অমিল। D) Cast — এটি সঠিক অপশন এবং ফ্রেড ভার্ব 'cast off' হিসেবে পাতার ক্ষেত্রে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: গাছ পাতা ফেলে দিলে মনে রাখবে 'Cast off', কারণ পাতা ঝরানো অর্থে এই ফ্রেড ভার্বটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
a An adverb clause
b An adjective
c None clause
d Adverb clause of reason
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) An adverb clause কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে so that অংশটি প্রধান ক্লজ বা কাজের উদ্দেশ্য প্রকাশ করছে। - উদ্দেশ্য বোঝাতে so that দ্বারা গঠিত সাবর্ডিনেট ক্লজটি সবসময় Adverb Clause হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) An adverb clause — এটি সঠিক উত্তর কারণ so that যুক্ত ক্লজটি এখানে Adverb Clause of Purpose প্রকাশ করেছে। B) An adjective — এটি ভুল কারণ এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনকে মডিফাই করছে না। C) None clause — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক কোনো পদের নাম নয়। D) Adverb clause of reason — এটি ভুল কারণ so that এখানে কারণ নয়, বরং উদ্দেশ্য বা Purpose বোঝাচ্ছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে so that বা in order that দেখলে বুঝবে এটি কাজের উদ্দেশ্য বোঝাচ্ছে এবং এটি সবসময় Adverb Clause of Purpose হবে।
a To concentrate
b To suspect
c To read carefully
d To grasp the hidden meaning
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) To grasp the hidden meaning কেন সঠিক: - এই প্রবচন বা ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ লাইনের মাঝখানে পড়া হলেও রূপক অর্থে এর অর্থ হলো লেখার ভেতরের গোপন বা অন্তর্নিহিত অর্থ বুঝে নেওয়া। - কোনো লেখার গভীরের বার্তা বা লেখকের মনের আসল উদ্দেশ্য বুঝতে এই বাক্যাংশটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To concentrate — এর অর্থ মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করা, যা কোনো গোপন অর্থ উদ্ধারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) To suspect — এর অর্থ সন্দেহ করা, যা সরাসরি কোনো লেখা পড়ার অন্তর্নিহিত অর্থের সঙ্গে মিলে না। C) To read carefully — এর অর্থ মনোযোগ দিয়ে পড়া; এটি আক্ষরিক পঠন বোঝায়, গোপন বা প্রচ্ছন্ন অর্থ বোঝা নয়। D) To grasp the hidden meaning — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং লাইনের মাঝখানে পড়ার রূপক অর্থকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: লাইনের মাঝে তো কিছু লেখা থাকে না, তাই সেখানে লুকিয়ে থাকা বা অদৃশ্য অর্থ খুঁজে বের করাই হলো এই ইডিয়মের মূল কথা।
a am
b were
c was
d shall be
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) were কেন সঠিক: - এটি একটি অবাস্তব ইচ্ছা বা কাল্পনিক শর্ত নির্দেশক সাবজাংক্টিভ মুড-এর বাক্য। - সাবজাংক্টিভ মুডের ক্ষেত্রে সাবজেক্ট সিঙ্গুলার হলেও বি ভার্বের পরিবর্তে সর্বদা were বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) am — এটি প্রেজেন্ট টেন্সের ক্ষেত্রে প্রথম পুরুষের সাথে বসে, যা কাল্পনিক শর্তে প্রযোজ্য নয়। B) were — এটি সঠিক উত্তর, কারণ কাল্পনিক বা অসম্ভব ইচ্ছার ক্ষেত্রে সব সাবজেক্টের পর were বসে। সি) was — কথ্য বাংলায় বা সাধারণ পাস্ট টেন্সে ব্যবহৃত হলেও ব্যাকরণগতভাবে সাবজাংক্টিভ মুডে এটি ভুল। D) shall be — এটি ফিউচার ইনডিফিনিট টেন্সের রূপ, যা বর্তমান বা অতীতের কাল্পনিক ইচ্ছার সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: অবাস্তব ইচ্ছা বা কল্পনা বোঝাতে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন, বি ভার্ব হিসেবে সবসময় were ব্যবহার করবে।
a By whom am I called?
b By whom I am called?
c By whom am I being called?
d Whom am I called by?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) By whom am I being called? কেন সঠিক: - বাক্যের শুরুতে Who থাকলে প্যাসিভ করার সময় প্রথমে By whom বসে এবং Present Continuous Tense-এর ক্ষেত্রে am being, is being বা are being ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত বাক্যের Subject 'me' প্যাসিভ করার সময় Nominative রূপ 'I' হয়ে যায় এবং I-এর পরে am being বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom am I called? — এটি Present Indefinite Tense-এর প্যাসিভ রূপ, কিন্তু মূল বাক্যটি Present Continuous Tense-এ ছিল। B) By whom I am called? — এটি ভুল কারণ Interrogative Sentence-এ Auxiliary Verb Subject-এর আগে বসার নিয়ম এখানে মানা হয়নি। C) By whom am I being called? — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল অপশনের বর্ণনায় এটি প্রযোজ্য নয়। D) Whom am I called by? — আধুনিক ইংরেজিতে এটি গ্রহণযোগ্য হলেও স্ট্যান্ডার্ড নিয়মে 'By whom' দিয়ে শুরু করা অধিকতর সঠিক এবং এটিও টেন্সের নিয়মে ভুল। মনে রাখার টিপস: Who যুক্ত Active Voice-কে Passive করার সময় প্রথমে By whom এবং Continuous Tense-এর জন্য being যোগ করতে হয়।
a Adults
b Children
c Women
d Old people
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Children কেন সঠিক: - 'Pediatric' একটি চিকিৎসা বিজ্ঞান সংক্রান্ত পরিভাষা, যা শিশু রোগ ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত চিকিৎসাবিজ্ঞানের শাখাকে নির্দেশ করে। - গ্রিক শব্দ 'pais' (শিশু) এবং 'iatros' (চিকিৎসক) থেকে এই শব্দটি এসেছে, যার মূল লক্ষ্য শিশুদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adults — প্রাপ্তবয়স্কদের চিকিৎসা সংক্রান্ত চিকিৎসাবিজ্ঞানের শাখাকে 'Adult medicine' বা সাধারণ চিকিৎসা বলা হয়, 'Pediatric' নয়। B) Children — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দটি শিশুদের চিকিৎসা সংক্রান্ত বিশেষায়িত শাখাকে নির্দেশ করে। C) Women — নারীদের স্বাস্থ্য ও রোগ সংক্রান্ত চিকিৎসাবিজ্ঞানের শাখাকে 'Gynecology' বলা হয়, যা 'Pediatric' নয়। D) Old people — প্রবীণ বা বৃদ্ধদের চিকিৎসাসংক্রান্ত চিকিৎসাবিজ্ঞানের শাখাকে 'Geriatrics' বলা হয়, যা 'Pediatric' থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দ 'Pediatric' এর শুরুতেই 'Paed' বা 'Ped' আছে, যার অর্থ শিশু। তাই এটি সবসময় শিশুদের চিকিৎসাবিজ্ঞানের সঙ্গে সম্পর্কিত।
a √48
b √24
c 1
d √20
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) √২৪ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x² + px + ৬ = ০ মূল দুটি সমান এবং p > ০ ধরি, দ্বিঘাত সমীকরণের মূলদ্বয় সমান হওয়ার শর্ত হলো পৃথায়ক বা ডিস্ক্রিমিন্যান্ট শূন্য হবে অর্থাৎ b² − ৪ac = ০ অতএব, এখানে a = ১, b = p এবং c = ৬ সুতরাং p² − (৪ × ১ × ৬) = ০ সুতরাং, p² − ২৪ = ০ ফলে p² = ২৪ উত্তর: p = √২৪
a 12
b 24
c 21
d 15
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২১ প্রদত্ত তথ্য: ক এর কাজের ক্ষমতা খ এর দ্বিগুণ তারা দুজন একত্রে কাজটি করে চৌদ্দ দিনে ধরি, খ একা কাজটি করতে পারে = ক খ এর দ্বিগুণ সময় অর্থাৎ দুই ক দিনে ক এর একদিনের কাজ = এক ভাগ ক অংশ অতএব, খ এর একদিনের কাজ = এক ভাগ দুই ক অংশ একত্রে একদিনের কাজ = এক ভাগ ক + এক ভাগ দুই ক অংশ একত্রে একদিনের কাজ যোগ করলে হয় তিন ভাগ দুই ক অংশ সুতরাং, শর্তমতে, তিন ভাগ দুই ক অংশ কাজ করে এক দিনে সম্পূর্ণ কাজটি করতে সময় লাগে চৌদ্দ গুণ তিন ভাগ দুই দিন উত্তর: একান্ন ভাগ দুই সমান একুশ দিন
a 4
b 12
c 6
d 9
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৭ : ৫ সংখ্যা দুইটির লসাগু ১৪০ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৭ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৫ক অতএব, সংখ্যা দুইটির গসাগু = ক সংখ্যা দুইটির লসাগু = ৭ × ৫ × ক = ৩৫ক সুতরাং, ৩৫ক = ১৪০ ক = ১৪০ ÷ ৩৫ = ৪ উত্তর: ৪
a ৮% বৃদ্ধি
b ৮% হ্রাস
c ১০৮% বৃদ্ধি
d ১০৮% হ্রাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮% বৃদ্ধি প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য কুড়ি শতাংশ বৃদ্ধি করা হলো আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ দশ শতাংশ হ্রাস করা হলো ধরি, আয়তক্ষেত্রের প্রাথমিক দৈর্ঘ্য = ১০০ একক আয়তক্ষেত্রের প্রাথমিক প্রস্থ = ১০০ একক অতএব, প্রাথমিক ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক নতুন দৈর্ঘ্য = ১০০ + ২০ = ১২০ একক নতুন প্রস্থ = ১০০ − ১০ = ৯০ একক সুতরাং, নতুন ক্ষেত্রফল = ১২০ × ৯০ = ১০৮০০ বর্গ একক ক্ষেত্রফলের বৃদ্ধি = ১০৮০০ − ১০০০০ = ৮০০ বর্গ একক উত্তর: ক্ষেত্রফলের শতকরা পরিবর্তন = ৮% বৃদ্ধি
a 30
b 20
c 18
d 10
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: সুষম বহুভুজের প্রত্যেকটি অন্তঃকোণ = ১৬৮° ধরি, বহুভুজের বাহুসংখ্যা = ক বহুভুজের প্রতিটি বহিঃকোণ = ১৮০° − ১৬৮° = ১২° অতএব, আমরা জানি, সুষম বহুভুজের বহিঃকোণগুলির সমষ্টি = ৩৬০° বাহুসংখ্যা ক = ৩৬০° ÷ ১২° সুতরাং, ক = ৩০ উত্তর: ৩০
a লাভ ২৫%
b ক্ষতি ২৫%
c লাভ ১০%
d ক্ষতি ৫০%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্ষতি ৫০% প্রদত্ত তথ্য: ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্যের দ্বিগুণ ধরি, বিক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ক্রয়মূল্য = ২০০ টাকা অতএব, এখানে ক্রয়মূল্য বেশি হওয়ায় ক্ষতি হয়েছে ক্ষতির পরিমাণ = ২০০ টাকা − ১০০ টাকা = ১০০ টাকা সুতরাং, শতকরা ক্ষতি = (১০০ ÷ ২০০) × ১০০% = ৫০% উত্তর: ক্ষতি ৫০%
a 17
b 18
c 19
d 21
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯ প্রদত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো ৫, ৭, ১০, ১৪, শূন্যস্থান, ২৫ ধরি, সংখ্যাগুলোর মধ্যকার ক্রমিক পার্থক্য বের করতে হবে অতএব, প্রথম ও দ্বিতীয় সংখ্যার পার্থক্য = ৭ − ৫ = ২ দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যার পার্থক্য = ১০ − ৭ = ৩ তৃতীয় ও চতুর্থ সংখ্যার পার্থক্য = ১৪ − ১০ = ৪ সুতরাং, চতুর্থ ও পঞ্চম সংখ্যার পার্থক্য হবে = ৪ + ১ = ৫ শূন্যস্থানের সংখ্যাটি হবে = ১৪ + ৫ = ১৯ উত্তর: ১৯
a 1 : 2
b 5 : 2
c 2 : 1
d 4 : 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ : ১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য এবং দ্বিতীয় বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা সমান। বর্গক্ষেত্রের কর্ণের অনুপাত নির্ণয় করতে হবে। ধরি, দ্বিতীয় বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক দ্বিতীয় বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × ক অতএব, প্রথম বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ৪ × ক প্রথম বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = √২ × (৪ × ক) সুতরাং, দ্বিতীয় বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = √২ × ক কর্ণের অনুপাত = (√২ × ৪ × ক) : (√২ × ক) উত্তর: ৪ : ১
a 20
b 24
c 28
d 30
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো ১০০৮ ধরি, সংখ্যাটিকে মৌলিক উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে অতএব, ১০০৮ কে ২ দ্বারা ভাগ করে পাই ৫০৪, ২৫৪, ১২৬, ৬৩ সুতরাং, ১০০৮ = ২ এর পাওয়ার ৪ × ৩ এর পাওয়ার ২ × ৭ এর পাওয়ার ১ অতএব, ভাজক সংখ্যা নির্ণয়ের জন্য প্রতিটি মৌলিক উৎপাদকের পাওয়ারের সাথে ১ যোগ করে গুণ করতে হবে সুতরাং, ভাজক সংখ্যা = (৪ + ১) × (২ + ১) × (১ + ১) উত্তর: ৫ × ৩ × ২ = ৩০
a 40
b 50
c 60
d 70
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫০ প্রদত্ত তথ্য: x + y = ৮ x − y = ৬ ধরি, প্রথম সমীকরণ = x + y = ৮ দ্বিতীয় সমীকরণ = x − y = ৬ নির্ণেয় রাশি = x² + y² অতএব, বীজগণিতের সূত্র অনুসারে, x² + y² = ( (x + y)² + (x − y)² ) ÷ ২ সুতরাং, x² + y² = ( ৮² + ৬² ) ÷ ২ x² + y² = ( ৬৪ + ৩৬ ) ÷ ২ উত্তর: ১০০ ÷ ২ = ৫০
a ৩০°
b ৬০°
c ৯০°
d ১২০°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০° প্রদত্ত তথ্য: কোণের মান তার সম্পূরক কোণের অর্ধেকের সমান ধরি, কোণটির মান = ক ডিগ্রি সম্পূরক কোণটির মান = ১৮০ ডিগ্রি − ক ডিগ্রি অতএব, শর্তানুযায়ী, ক = (১৮০ ডিগ্রি − ক ডিগ্রি) ÷ ২ বা, ২ × ক = ১৮০ ডিগ্রি − ক ডিগ্রি বা, ২ × ক + ক = ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, ৩ × ক = ১৮০ ডিগ্রি ক = ১৮০ ডিগ্রি ÷ ৩ উত্তর: ৬০°
a 48
b 58
c 58
d 60
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫৮ প্রদত্ত তথ্য: ৩ দ্বারা ভাগ করলে অবশিষ্ট থাকে ১ ৪ দ্বারা ভাগ করলে অবশিষ্ট থাকে ২ ৫ দ্বারা ভাগ করলে অবশিষ্ট থাকে ৩ ৬ দ্বারা ভাগ করলে অবশিষ্ট থাকে ৪ ধরি, ভাজক এবং অবশিষ্টের পার্থক্য = ৩ − ১ = ২ ভাজক এবং অবশিষ্টের পার্থক্য = ৪ − ২ = ২ ভাজক এবং অবশিষ্টের পার্থক্য = ৫ − ৩ = ২ ভাজক এবং অবশিষ্টের পার্থক্য = ৬ − ৪ = ২ অতএব, ৩, ৪, ৫ ও ৬ এর লসাগু = ৬০ নির্ণেয় সংখ্যাটি হবে লসাগু থেকে পার্থক্য ২ কম সুতরাং, সংখ্যাটি = ৬০ − ২ = ৫৮ উত্তর: ৫৮
a 3√2
b 18√3
c 12√3
d 8
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮√৩ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, x = √৩ + √২ ধরি, ব্যস্ত অনুপাত নির্ণয় করতে হবে এখানে 1 ভাগ x এর মান বের করতে হবে অতএব, 1 ভাগ x = ১ ভাগ (√৩ + √২) হরের বিপরীত রাশি দ্বারা লব ও হরকে গুণ করে পাই সুতরাং, 1 ভাগ x = √৩ − √২ এখন x এবং 1 ভাগ x এর যোগফল নির্ণয় করি উত্তর: x + 1 ভাগ x = ২√৩ মান নির্ণয়ের সূত্রে বসিয়ে পাই, ১৮√৩
a প্যারিসে
b জুরিখে
c দাভোসে
d বার্ণে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দাভোসে কেন সঠিক: - সুইজারল্যান্ডের দাভোস শহরে প্রতি বছর ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। - এই সম্মেলনে বিশ্বের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নেতারা বৈশ্বিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিসে — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর সদর দপ্তর, তবে এখানে ডাব্লিউইএফ-এর বার্ষিক অধিবেশন হয় না। B) জুরিখে — এটি সুইজারল্যান্ডের বৃহত্তম শহর ও আর্থিক কেন্দ্র হলেও এখানে এই অধিবেশন বসে না। C) দাভোসে — এটি সঠিক উত্তর। D) বার্ণে — এটি সুইজারল্যান্ডের রাজধানী হলেও এটি ডাব্লিউইএফ-এর বার্ষিক অধিবেশনের স্থান নয়। মনে রাখার টিপস: ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বৈঠক মানেই সুইজারল্যান্ডের পাহাড়ি শহর দাভোস।
a ২৬.৫° সে.
b ৩৫° সে.
c 37.5
d ৪০.৫° সে.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৬.৫° সে. কেন সঠিক: - ট্রপিক্যাল সাইক্লোন বা ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য সাগর পৃষ্ঠের পানির তাপমাত্রা কমপক্ষে ২৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হওয়া আবশ্যক। - এই তাপমাত্রার কারণে সমুদ্রের পানি দ্রুত বাষ্পীভূত হয়ে ওপরে ওঠে এবং ঘূর্ণিবায়ু সৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬.৫° সে. — এটি ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় সর্বনিম্ন সাগর পৃষ্ঠের তাপমাত্রা, যা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। B) ৩৫° সে. — এই তাপমাত্রা অনেক বেশি এবং এটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির ন্যূনতম তাপমাত্রা নয়, বরং নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার কাছাকাছি। C) 37.5 — এই তাপমাত্রাটি ভুল এবং এটি সাইক্লোন সৃষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় আদর্শ বা ন্যূনতম তাপমাত্রা নির্দেশ করে না। D) ৪০.৫° সে. — এত উচ্চ তাপমাত্রা সাধারণত স্বাভাবিক সমুদ্রপৃষ্ঠে থাকে না এবং এটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির কোনো আদর্শ মান নয়। মনে রাখার টিপস: সাইক্লোন তৈরির জন্য আড়াই কুড়ি বা ২৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার প্রয়োজন হয়, এই সংখ্যাটি মনে রাখলেই উত্তর মেলানো সহজ হবে।
a 2
b 3
c 4
d 5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ কেন সঠিক: - মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে মোট ৩টি জেলা অবস্থিত। - জেলা তিনটি হলো বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও কক্সবাজার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ — সঠিক উত্তরের চেয়ে কম সংখ্যা হওয়ায় এটি ভুল। B) ৩ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের ঠিক ৩টি জেলার সীমান্ত রয়েছে। C) ৪ — সঠিক উত্তরের চেয়ে বেশি হওয়ায় এই অপশনটি ভুল। D) ৫ — ভুল সংখ্যা নির্দেশ করায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মায়ানমারের সীমানায় থাকা ৩টি জেলা মনে রাখতে বারাক (বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, কক্সবাজার) শব্দটি মনে রাখতে পারেন।
a রাশিয়া
b ডেনমার্ক
c সুইডেন
d ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাশিয়া কেন সঠিক: - ফিনল্যান্ড দীর্ঘকাল সুইডেনের অধীন থাকার পর ১৮০৯ সালে রাশিয়ার সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয় এবং একটি স্বায়ত্তশাসিত গ্র্যান্ড ডাচি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। - প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় রাশিয়ায় বলশেভিক বিপ্লবের সুযোগ নিয়ে ফিনল্যান্ড ১৯১৭ সালের ৬ ডিসেম্বর রাশিয়া থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফিনল্যান্ড রাশিয়ার অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ছিল। B) ডেনমার্ক — ডেনমার্কের উপনিবেশ ফিনল্যান্ড ছিল না, ডেনমার্ক মূলত নরওয়ে ও আইসল্যান্ড শাসন করত। C) সুইডেন — ফিনল্যান্ড দীর্ঘকাল সুইডেনের শাসনাধীন ছিল, কিন্তু এটি শেষ উপনিবেশ হিসেবে রাশিয়ার অধীনে ছিল এবং প্রশ্নটি শেষ স্বাধীনতাপ্রাপ্তির আগের অবস্থাকে নির্দেশ করে। D) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ড বা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের কোনো ঔপনিবেশিক শাসন ফিনল্যান্ডের ওপর ছিল না। মনে রাখার টিপস: ফিনল্যান্ডের শেষ প্রভু ছিল রাশিয়া, যেখান থেকে তারা মুক্তি পায় ১৯১৭ সালে।
a তুর্কমেনিস্তান
b তাজিকিস্তান
c উজবেকিস্তান
d কাজাখস্থান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাজাখস্তান কেন সঠিক: - কাজাখস্তান মধ্য এশিয়ার একটি দেশ হলেও এর সাথে আফগানিস্তানের কোনো ভৌগোলিক সীমান্ত নেই। - আফগানিস্তানের সাথে মধ্য এশিয়ার কেবল তিনটি দেশের সীমান্ত রয়েছে, যার মধ্যে কাজাখস্তান অন্তর্ভুক্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুর্কমেনিস্তান — এই দেশটির সাথে আফগানিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সরাসরি সীমান্ত রয়েছে। B) তাজিকিস্তান — এই দেশটির সাথে আফগানিস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সরাসরি সীমান্ত রয়েছে। C) উজবেকিস্তান — এই দেশটির সাথে আফগানিস্তানের উত্তরের ক্ষুদ্র একটি অংশজুড়ে সীমান্ত রয়েছে। D) কাজাখস্তান — ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এটি মধ্য এশিয়ার উত্তরাংশে অবস্থিত এবং আফগানিস্তান থেকে বেশ দূরে। মনে রাখার টিপস: আফগানিস্তানের সাথে মধ্য এশিয়ার ৩টি দেশের সীমান্ত আছে (তুর্কমেনিস্তান, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান), কাজাখস্তান এদের বাইরে।
a যুক্তরাষ্ট্র
b ভারত
c চীন
d যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চীন কেন সঠিক: - প্রাচীন চীনে সরকারি চাকুরিতে মেধা যাচাইয়ের জন্য লিখিত পরীক্ষা পদ্ধতির সূচনা হয়েছিল। - সু ও সং রাজবংশের আমলে এই সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা পদ্ধতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র আধুনিক সিভিল সার্ভিস ব্যবস্থার প্রবর্তক নয়, তারা ১৮৮৩ সালের পেন্ডলটন অ্যাক্টের মাধ্যমে মেধাভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করে। B) ভারত — ভারতে ব্রিটিশ আমলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রচলন হলেও আধুনিক মেধাভিত্তিক পদ্ধতির উন্মেষ সেখানে ঘটেনি। চীন — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্যে ১৮৫৫ সালের পর নর্থকোর্ট ট্রেভলিয়ান রিপোর্টের ভিত্তিতে মেধাভিত্তিক সিভিল সার্ভিস চালু হয়, যা চীনের পরে। মনে রাখার টিপস: সিভিল সার্ভিসের মেধাভিত্তিক পরীক্ষার আদি উৎস হলো প্রাচ্যের দেশ চীন।
a ব্রিটিশ আমলে
b সুলতানি আমলে
c নবাবি আমলে
d মোগল আমলে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মোগল আমলে কেন সঠিক: - ১৬১০ সালে সুবেদার ইসলাম খান ঢাকা মোগল সুবাদারদের রাজধানী ঘোষণা করেন এবং এর নাম দেন জাহাঙ্গীরনগর। - এর মাধ্যমেই মূলত সুসংগঠিত প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার মাধ্যমে ঢাকা শহরের গোড়াপত্তন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রিটিশ আমলে — ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বাংলার রাজধানী না থাকলেও পরবর্তীতে জেলা ও বিভাগীয় শহর হিসেবে এর আধুনিক বিকাশ ঘটেছিল। B) সুলতানি আমলে — সুলতানি আমলে প্রশাসনিক কেন্দ্র সোনারগাঁও ও পানাম নগরকেন্দ্রিক ছিল, ঢাকা তখন একটি সাধারণ জনপদ বা বাজার ছিল। C) নবাবি আমলে — মোগল সুবেদার বা নবাব মুর্শিদ কুলি খাঁ রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তরের ফলে ঢাকার গোড়াপত্তনের সময় এটি ছিল পরবর্তী পর্যায়। D) মোগল আমলে — মোগল আমলে ১৬১০ সালে সুবেদার ইসলাম খান ঢাকা রাজধানী করার মাধ্যমে এর গোড়াপত্তন করেন। মনে রাখার টিপস: ঢাকা শহরের গোড়াপত্তন মোগল আমলে ১৬১০ সালে করেছিলেন সুবেদার ইসলাম খান।
a James Webb Space Telescope
b NROL-87
c DART
d Noor-2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) DART কেন সঠিক: - ডিএআরটি (DART) বা ডাবল অ্যাস্টেরয়েড রিডাইরেকশন টেস্ট হলো নাসার একটি গ্রহাণু প্রতিরক্ষা মিশন। - এটি ২০২২ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর সফলভাবে ডিিমরফস নামক একটি গ্রহাণুকে ধাক্কা দিয়ে তার গতিপথ পরিবর্তন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) James Webb Space Telescope — এটি একটি মহাশূন্য দূরবীক্ষণ যন্ত্র বা টেলিস্কোপ, যা মহাকাশের গভীরের ছবি তোলার কাজে ব্যবহৃত হয়। B) NROL-87 — এটি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল রিকন্যাসান্স অফিসের একটি গোপনীয় সামরিক গোয়েন্দা স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহ। C) DART — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Noor-2 — এটি ইরানের মহাকাশে পাঠানো একটি সামরিক গোয়েন্দা স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহ। মনে রাখার টিপস: নাসার গ্রহাণু ধাক্কা দেওয়ার সফল মিশনের নাম ডিএআরটি (DART), যার পূর্ণরূপ হলো ডাবল অ্যাস্টেরয়েড রিডাইরেকশন টেস্ট।
a জাতীয় সংসদ
b শাসন বিভাগ
c সুপ্রিম কোর্ট
d আইন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুপ্রিম কোর্ট কেন সঠিক: - গণপ্রজাত বাংলাদেশের সংবিধান দেশের সর্বোচ্চ আইন এবং এর ব্যাখ্যা ও সুরক্ষার দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত। - সুপ্রিম কোর্ট সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং যেকোনো আইন সংবিধানসম্মত কি না তা যাচাই করার একচ্ছত্র এখতিয়ার রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতীয় সংসদ — এটি দেশের আইন প্রণয়নকারী সর্বোচ্চ অঙ্গ, সংবিধানের রক্ষক নয়। B) শাসন বিভাগ — এটি আইন প্রয়োগ ও দেশ পরিচালনা করে, সংবিধানের ব্যাখ্যা বা সুরক্ষা প্রদান করে না। C) সুপ্রিম কোর্ট — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সংবিধানের চূড়ান্ত রক্ষক ও ব্যাখ্যাকারী। D) আইন মন্ত্রণালয় — এটি সরকারের একটি প্রশাসনিক বিভাগ যা আইন প্রণয়নে সহায়তা করে, সংবিধানের রক্ষক নয়। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের অভিভাবক বা রক্ষক হলো বিচার বিভাগ, যার শীর্ষে রয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
a ৩টি
b ৪টি
c ৬টি
d ৫টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩টি কেন সঠিক: - ছয় দফার অর্থনৈতিক দাবিগুলোর মধ্যে ছিল মুদ্রা বা অর্থসংস্থান সংক্রান্ত দফা, রাজস্ব বা কর আদায় সংক্রান্ত দফা এবং বৈদেশিক বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষা সংক্রান্ত দফা। - এই তিনটি দফা পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণ ও স্বায়ত্তশাসন অর্জনের লক্ষ্যে প্রণীত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩টি — এই অপশনটি সঠিক কারণ ছয় দফার দ্বিতীয়, তৃতীয় এবং চতুর্থ দফা সরাসরি অর্থনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল। B) ৪টি — এই অপশনটি ভুল কারণ ছয় দফায় অর্থনীতি বিষয়ক দফা চার্চটি ছিল না, বরং নির্দিষ্টভাবে তিনটি দফা অর্থনীতি নিয়ে গঠিত ছিল। C) ৬টি — এই অপশনটি ভুল কারণ ছয় দফা সম্পূর্ণ প্রস্তাবে মোট ছয়টি দফা ছিল, যার মধ্যে মাত্র তিনটি অর্থনীতি এবং বাকিগুলো শাসনতান্ত্রিক ও সামরিক বিষয়াদি সম্পর্কিত ছিল। D) ৫টি — এই অপশনটি ভুল কারণ ছয় দফায় অর্থনীতি বিষয়ক দফার সংখ্যা কখনোই পাঁচ্চটি ছিল না। মনে রাখার টিপস: ছয় দফার অর্থনীতি বিষয়ক দফা মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন অর্ধেক, অর্থাৎ ছয়টির মধ্যে অর্ধেক বা তিনটি দফা ছিল অর্থনীতি সম্পর্কিত।
a কানাডায়
b জেনেভায়
c কাতারে
d মালয়েশিয়ায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কানাডায় প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও পরিবেশ কেন সঠিক: - জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্য বিষয়ক সম্মেলন সিওপি পনেরো বা COP - ১৫ ২০২২ সালের ডিসেম্বরে কানাডার মন্ট্রিলে অনুষ্ঠিত হয়। - এই সম্মেলনে কুয়েমিনো মন্ট্রিলে বৈশ্বিক জীববৈচিত্র্য ফ্রেমওয়ার্ক গৃহীত হয়, যার লক্ষ্য দুই হাজার ত্রিশ সালের মধ্যে পৃথিবীর ত্রিশ শতাংশ এলাকা সংরক্ষণ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানাডায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ সম্মেলনটি কানাডার মন্ট্রিলে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। B) জেনেভায় — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান কার্যালয় অবস্থিত হলেও এই সম্মেলনের আয়োজক ছিল না। C) কাতারে — এটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ এবং ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২২ আয়োজন করলেও এই পরিবেশ সম্মেলনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) মালয়েশিয়ায় — এটি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ এবং জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হলেও এই নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক সম্মেলন এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কানাডার ঠান্ডায় পনেরো নম্বর সম্মেলন বসেছিল।
a সোভিয়েত ইউনিয়ন
b যুক্তরাজ্য
c যুক্তরাষ্ট্র
d ফ্রান্স
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সোভিয়েত ইউনিয়ন কেন সঠিক: - মুক্তিযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করেছিল। - তাদের এই কূটনৈতিক সহায়তার ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের যৌথ সামরিক চাপ প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোভিয়েত ইউনিয়ন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য সরাসরি ভেটো দেয়নি, তারা যুদ্ধবিরতির পক্ষে এবং নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের চেষ্টা করেছিল। সি) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল এবং পাকিস্তানের পক্ষে সপ্তম নৌবহর পাঠিয়েছিল। D) ফ্রান্স — ফ্রান্স বাংলাদেশের পক্ষে নৈতিক সমর্থন জানালেও নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো প্রয়োগ করেনি। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্র যখন পাকিস্তানের পক্ষে ছিল, তখন তার বিরোধিতা করতে একমাত্র সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেটো দিয়েছিল।
a বাংলাদেশ
b ভারত
c যুক্তরাষ্ট্র
d সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তি স্থাপন কমিশনের (PBC) ২০২২ সালের জন্য সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিল। - বিশ্বশান্তি রক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অসামান্য অবদান এবং পেশাদারিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ এই দায়িত্ব দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ ২০২২ সালে এই কমিশনের সভাপতিত্ব লাভ করেছিল। B) ভারত — ভারত এই নির্দিষ্ট সালের জন্য জাতিসংঘের শান্তি স্থাপন কমিশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়নি। C) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হলেও ২০২২ সালে এই কমিশনের সভাপতি হয়নি। D) সুইজারল্যান্ড — সুইজারল্যান্ড জাতিসংঘের শান্তি স্থাপন কমিশনের সদস্য হলেও ২০২২ সালের সভাপতির দায়িত্ব পায়নি। মনে রাখার টিপস: শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশের গৌরবময় ভূমিকা স্মরণ করলেই মনে রাখা যায় যে বাংলাদেশ ২০২২ সালে শান্তি স্থাপন কমিশনের সভাপতি হয়েছিল।
a Weapon of Mass Destruction
b Worldwide Mass Destruction
c Weapons for Massive Destruction
d Weapons of Missile Defence
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Weapon of Mass Destruction কেন সঠিক: - WMD বলতে এমন অস্ত্রকে বোঝায় যা একসাথে বিপুল পরিমাণ মানুষের প্রাণহানি ঘটাতে এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে সক্ষম। - সামরিক পরিভাষায় পারমাণবিক, জৈবিক ও রাসায়নিক অস্ত্রকে সম্মিলিতভাবে এই নামে অভিহিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Weapon of Mass Destruction — এটি সামরিক পরিভাষায় ব্যাপক ধ্বংসাত্মক অস্ত্র বোঝাতে সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ শব্দগুচ্ছ। B) Worldwide Mass Destruction — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ বিশ্বব্যাপী ধ্বংস বোঝাতে এই পরিভাষা সামরিক ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় না। C) Weapons for Massive Destruction — শব্দবিন্যাসগত ভুলের কারণে সামরিক বা দাপ্তরিকভাবে এই রূপটি ব্যবহার করা হয় না। D) Weapons of Missile Defence — এটি মিসাইল বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বোঝায়, যা ব্যাপক ধ্বংসাত্মক অস্ত্রের সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: WMD এর পূর্ণরূপে 'Mass' শব্দের অর্থ বিশাল এবং 'Destruction' অর্থ ধ্বংস, যা দিয়ে একসাথে বহু প্রাণহানির অস্ত্রকে বোঝায়।
a অশোক মৌর্য
b চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
c সমুদ্রগুপ্ত মৌর্য
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য কেন সঠিক: - খ্রিস্টপূর্ব ৩২১ অব্দে তিনি নন্দ বংশের পতন ঘটিয়ে ভারতের প্রথম ও বৃহত্তম মৌর্য সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। - তার এই সাম্রাজ্যের বিস্তার বর্তমান বাংলাদেশ তথা প্রাচীন বাংলার পুণ্ড্রবর্ধন অঞ্চল পর্যন্ত প্রসারিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অশোক মৌর্য — তিনি চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যর পৌত্র এবং মৌর্য বংশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন, প্রতিষ্ঠাতা নন। B) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) সমুদ্রগুপ্ত মৌর্য — তিনি গুপ্ত বংশের পরাক্রমশালী রাজা ছিলেন, কোনো মৌর্য সম্রাট বা প্রতিষ্ঠাতা নন। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর বি অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা মনে রাখতে চন্দ্র শব্দের প্রথম অক্ষর এবং মৌর্য বংশের প্রতিষ্ঠাতা শব্দটি একসাথে মনে রাখুন।
a বাবর
b হুমায়ুন
c আকবর
d জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হুমায়ুন কেন সঠিক: - মোগল সম্রাট হুমায়ুন ১৫৩৮ সালে গৌড় দখল করার পর এর নাম রাখেন জান্নাতাবাদ। - তৎকালীন সময়ে মোগল শাসকদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বিজিত অঞ্চলের নান্দনিক নামকরণের ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে এই নাম রাখা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাবর — তিনি মোগল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হলেও বাংলার নাম জান্নাতাবাদ রাখেননি। B) হুমায়ুন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। C) আকبر — তিনি বাংলার নাম সুবা বাংলা করেছিলেন, জান্নাতাবাদ রাখেননি। D) জাহাঙ্গীর — তার শাসনামলে সুবা বাংলার রাজধানী ছিল ঢাকামুখী, জান্নাতাবাদ নামকরণ তিনি করেননি। মনে রাখার টিপস: হুমায়ুনের নাম এবং জান্নাতাবাদ নামের প্রথম অক্ষর মনে রেখে সহজে মনে রাখা যায় যে হুমায়ুন বাংলার নাম জান্নাতাবাদ রেখেছিলেন।
a লক্ষ্মীপুর
b মেহেরপুর
c ঝালকাঠি
d রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাঙ্গামাটি কেন সঠিক: - রাঙ্গামাটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা এবং ভৌগোলিকভাবে এটি একটি মাত্র সংসদীয় আসন বা নির্বাচনী এলাকা নিয়ে গঠিত। - জনসংখ্যার ঘনত্ব ও ভৌগোলিক আয়তনের বিন্যাসের ওপর ভিত্তি করে নির্বাচন কমিশন এই জেলাটিকে একক সংসদীয় আসন হিসেবে নির্ধারণ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লক্ষ্মীপুর — এই জেলাটিতে একাধিক সংসদীয় আসন রয়েছে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) মেহেরপুর — এই জেলাটিতে একাধিক সংসদীয় আসন রয়েছে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) ঝালকাঠি — এই জেলাটিতে একাধিক সংসদীয় আসন রয়েছে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। D) রাঙ্গামাটি — এই জেলাটি একটি মাত্র সংসদীয় আসন বিশিষ্ট হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি আয়তনে সবচেয়ে বড় হলেও পাহাড়ি ভৌগোলিক কারণে এর সংসদীয় আসন সংখ্যা মাত্র একটি।
a Conference of Paris
b Conference of the Parties
c Conference of the Power
d Conference of the Protocol
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Conference of the Parties কেন সঠিক: - জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন কাঠামোগত কনভেনশনের স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন বোঝাতে এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহৃত হয়। - এখানে পক্ষসমূহ বা সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সম্মেলন অর্থে Parties শব্দটি নির্দিষ্ট করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Conference of Paris — এটি প্যারিস চুক্তি বা সম্মেলন বোঝায়, যা COP-এর সার্বজনীন রূপ নয়। B) Conference of the Parties — এটি সঠিক উত্তর এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সম্মেলন বোঝায়। C) Conference of the Power — এটি কোনো দাপ্তরিক বা পরিবেশগত শব্দসংক্ষেপ নয়। D) Conference of the Protocol — এটি প্রটোকল সংক্রান্ত সম্মেলন বোঝায়, যা COP-এর পূর্ণরূপ নয়। মনে রাখার টিপস: COP মানে হলো সদস্য দেশগুলোর সম্মেলন, যেখানে Parties শব্দটির অর্থ হলো স্বাক্ষরকারী পক্ষ বা দেশসমূহ।
a ঘানায়
b চেকোস্লোভাকিয়ায়
c যুগোস্লাভিয়ায়
d রাশিয়ায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চেকোস্লোভাকিয়ায় কেন সঠিক: - এটি ১৯৮৯ সালে চেকোস্লোভাকিয়ায় সংঘটিত একটি রক্তপাতহীন জনপ্রিয় আন্দোলন ছিল, যা কমিউনিস্ট শাসনের অবসান ঘটায়। - এই বিপ্লবের ফলে দেশটিতে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরিত হয় এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সূচনা ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘানায় — এটি আফ্রিকার একটি দেশ এবং এখানে এই নামে কোনো ঐতিহাসিক বিপ্লব সংঘটিত হয়নি। B) চেকোস্লোভাকিয়ায় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই দেশেই ভেলভেট বিপ্লব ঘটেছিল। C) যুগোস্লাভিয়ায় — এই রাষ্ট্রে বিভিন্ন জাতিগত সংঘাত ও গৃহযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, ভেলভেট বিপ্লব নয়। D) রাশিয়ায় — রাশিয়ায় সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল ১৯১৭ সালের বলশেভিক বিপ্লবের মাধ্যমে। মনে রাখার টিপস: চেকোস্লোভাকিয়ার ভেলভেট বিপ্লব ছিল রক্তহীন বা নরম, যার নাম থেকেই 'ভেলভেট' শব্দটি এসেছে।
a জ্যানেট ইয়েলেন
b জিনা মাসা আমিনি
c দিনা বলুয়ার্তে
d লিন মার্লবা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দিনা বলুয়ার্তে কেন সঠিক: - দিনা বলুয়ার্তে ২০২২ সালে পেরুর প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতাগ্রহণ করেন। - তিনি দেশটির সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্যানেট ইয়েলেন — ইনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী অর্থমন্ত্রী, পেরুর প্রেসিডেন্ট নন। B) জিনা মাসা আমিনি — ইনি ইরানের কুর্দি তরুণী, যাঁর মৃত্যুর পর দেশটিতে আন্দোলন শুরু হয়। C) দিনা বলুয়ার্তে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) লিন মার্লবা — ইনি এই পদের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন। মনে রাখার টিপস: পেরুর প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হলেন দিনা বলুয়ার্তে, যাঁর নামের সাথে পে নামের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
a চীন
b ভিয়েতনাম
c রাশিয়া
d উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চীন কেন সঠিক: - ২০২০ সালের পর থেকে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে চীনা কূটনীতিকদের আগ্রাসী ও কড়া ভাষায় জবাব দেওয়ার নতুন কৌশলকে নেকড়েযোদ্ধা কূটনীতি বলা হয়। - চীনা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চরিত্র নেকড়েযোদ্ধা থেকে এই নামকরণ করা হয়েছে, যা দেশের স্বার্থ রক্ষায় যেকোনো সমালোচনার তৎক্ষণাৎ এবং কঠোর প্রতিবাদের প্রতীক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ চীনা কূটনীতিকরাই এই আক্রমণাত্মক কূটনৈতিক নীতিটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেছেন। B) ভিয়েতনাম — এই দেশের সাথে এই কূটনীতির কোনো সম্পর্ক নেই, তাদের কূটনীতি ভিন্ন ধারার। C) রাশিয়া — রাশিয়া ঐতিহ্যগতভাবে কঠোর কূটনীতি অনুসরণ করলেও এই নির্দিষ্ট কূটনৈতিক পদের সাথে তাদের নাম যুক্ত নয়। D) উত্তর কোরিয়া — উত্তর কোরিয়া কূটনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন এবং তাদের নিজস্ব নীতি রয়েছে, যা এই নামে পরিচিত নয়। মনে রাখার টিপস: নেকড়েযোদ্ধা শুনলেই মনে রাখবে আক্রমণাত্মক চীন, যারা কূটনীতিতে কোনো ছাড় দিতে নারাজ।
a কিলো-ক্লাস
b মিং-ক্লাস
c ডলফিন-ক্লাস
d হাং-ক্লাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মিং-ক্লাস কেন সঠিক: - বাংলাদেশ নৌবাহিনী চীন থেকে যে দুটি প্রচলিত ডিজেল-ইলেকট্রিক ডুবোজাহাজ সংগ্রহ করেছে, তা টাইপ ০৩৫ বা মিং-ক্লাস সাবমেরিন হিসেবে পরিচিত। - এই ডুবোজাহাজ দুটি যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ত্রিমাত্রিক শক্তি হিসেবে পূর্ণতা লাভ করে এবং সাবমেরিন যুগের সূচনা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিলো-ক্লাস — এটি রুশ প্রযুক্তির ডুবোজাহাজ শ্রেণী, যা বাংলাদেশ নৌবাহিনী চীন থেকে ক্রয় করেনি। B) মিং-ক্লাস — এটি চীন থেকে ক্রয়কৃত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ডুবোজাহাজ দুটির সঠিক শ্রেণী। C) ডলফিন-ক্লাস — এটি মূলত ইসরায়েলি নৌবাহিনীর ডুবোজাহাজ শ্রেণী, যার সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো সংযোগ নেই। D) হাং-ক্লাস — এটি কোনো প্রচলিত ডুবোজাহাজ শ্রেণী নয়, যা এই প্রশ্নের জন্য সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ নৌবাহিনী চীনের কাছ থেকে মিং-ক্লাস ডুবোজাহাজ দুটি সংগ্রহ করেছে, যেখানে মিং শব্দটি দিয়ে চীনের তৈরি সাবমেরিন শ্রেণীকে মনে রাখা যায়।
a জর্জ ওয়াশিংটন
b আব্রাহাম লিংকন
c উড্রো উইলসন
d ট্রুম্যান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আব্রাহাম লিংকন কেন সঠিক: - গেটিসবার্গ শহরের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ষোড়শ প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের নাম জড়িত। - আমেরিকান গৃহযুদ্ধের সময় ১৮৬৩ সালের নভেম্বর মাসে তিনি এই শহরে বিখ্যাত গেটিসবার্গ ভাষণ প্রদান করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জর্জ ওয়াশিংটন — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং দেশটির স্বাধীনতা যুদ্ধের সেনাপতি ছিলেন, গেটিসবার্গ ভাষণের সাথে তার সম্পর্ক নেই। B) আব্রাহাম লিংকন — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনেই রয়েছে এবং তার ঐতিহাসিক গেটিসবার্গ ভাষণের জন্যই শহরটি বিশ্বে পরিচিত। C) উড্রো উইলসন — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আটাশতম প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। D) ট্রুম্যান — হ্যারি এস ট্রুম্যান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তেত্রিশতম প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষভাগে তার দায়িত্বকাল ছিল। মনে রাখার টিপস: লিংকন ও গেটিসবার্গ দুটি নামই মার্কিন গৃহযুদ্ধের ইতিহাস পড়ার সময় একত্রে মনে রাখা যায়।
a ভিয়েতনাম
b ফিলিপাইন
c থাইল্যান্ড
d শ্রীলংকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শ্রীলংকা কেন সঠিক: - শ্রীলংকা দক্ষিণ এশিয়ার দেশ এবং এটি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সংস্থা আসিয়ান এর সদস্য নয়। - আসিয়ান এর সদস্য দেশগুলো দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিয়েতনাম — এটি আসিয়ান ভুক্ত দেশ এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত। B) ফিলিপাইন — এটি আসিয়ান ভুক্ত দেশ এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত। C) থাইল্যান্ড — এটি আসিয়ান ভুক্ত দেশ এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত। D) শ্রীলংকা — এটি আসিয়ান এর সদস্য নয় কারণ এটি দক্ষিণ এশিয়ার দেশ। মনে রাখার টিপস: আসিয়ান দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট, তাই দক্ষিণ এশিয়ার দেশ শ্রীলংকা এর সদস্য নয়।
a 12
b 13
c 14
d 15
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএস দেশের জাতীয় আয় ও জিডিপি গণনার জন্য অর্থনীতিকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ১৫টি প্রধান খাতে বিভক্ত করেছে। - এই ১৫টি খাতের মধ্যে কৃষি, শিল্প, সেবা এবং অন্যান্য উপখাত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমের হিসাব রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ — এই সংখ্যাটি বর্তমান জাতীয় আয় গণনার নিয়মের সাথে মিলে না এবং এটি কম সংখ্যক খাত নির্দেশ করে। B) ১৩ — অতীতে বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট উপখাত গণনার ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটি থাকতে পারে, কিন্তু বর্তমান জাতীয় আয় গণনার মূল খাত ১৫টি। C) ১৪ — এটি সঠিক কাঠামোর চেয়ে একটি কম সংখ্যা এবং জাতীয় আয় গণনার ১৫টি খাতের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) ১৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ অর্থনীতিকে মোট ১৫টি প্রধান খাতে ভাগ করে জাতীয় আয় হিসাব করে। মনে রাখার টিপস: জাতীয় আয় গণনার ক্ষেত্রে ১৫টি খাত মনে রাখতে ১৫ সংখ্যাটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক কাঠামো হিসেবে ধরে রাখতে পারো।
a জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী
b এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক
c বিশ্বব্যাংক
d জাতিসংঘ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিশ্বব্যাংক কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক ১৯৯২ সালে সুশাসনের ৪টি মূল স্তম্ভ ঘোষণা করে, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই চারটি স্তম্ভ হলো জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, আইনের শাসন এবং জনঅংশগ্রহণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী — এটি সুশাসনের পাঁচটি মূল বৈশিষ্ট্যের কথা বলে, তবে বিশ্বব্যাংকের ৪ স্তম্ভের প্রবক্তা নয়। B) এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক — এটি সুশাসনের ক্ষেত্রে ভিন্ন ধারণা বা সূচক ব্যবহার করে থাকে। C) বিশ্বব্যাংক — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনের সঙ্গেই সম্পর্কিত। D) জাতিসংঘ — এটি মূলত মানবাধিকার ও টেকসই উন্নয়নের ওপর বেশি জোর দেয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের ব্যাংক হলো টাকার হিসাবের জায়গা, তাই শাসন করতে গেলে ৪টি হিসাব (স্তম্ভ) লাগে।
a Medicine
b Technology
c Law
d Politics
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Politics কেন সঠিক: - Plebiscite শব্দের বাংলা অর্থ গণভোট, যা কোনো দেশের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বা সার্বভৌমত্ব নির্ধারণে জনগণের সরাসরি মতামত গ্রহণের প্রক্রিয়া। - এটি সরাসরি রাষ্ট্র পরিচালনা, সরকারব্যবস্থা বা আন্তর্জাতিক সীমানা পরিবর্তনের মতো রাজনৈতিক বিষয়ের সঙ্গে জড়িত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Medicine — এটি চিকিৎসা বিজ্ঞান সংক্রান্ত বিষয়, যা Plebiscite শব্দের রাজনৈতিক অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না। B) Technology — এটি প্রযুক্তি ও প্রকৌশল বিষয়ক শব্দ, যা রাজনৈতিক জনমত গ্রহণের এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। সি) Law — আইন সম্পর্কিত হলেও Plebiscite মূলত একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও সাংবিধানিক মাধ্যম, যা সরাসরি রাজনীতির আওতাভুক্ত। D) Politics — এটি সঠিক উত্তর কারণ গণভোট একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে জনগণ নীতি বা শাসনপদ্ধতির পক্ষে বা বিপক্ষে রায় দেয়। মনে রাখার টিপস: Plebiscite শব্দটি দেখলে ভোট বা জনমত মনে রাখবে, আর জনমত বা গণভোট সবসময় রাজনীতির অংশ।
a পর্তুগিজরা
b ইংরেজরা
c ওলন্দাজরা
d ফরাসিরা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পর্তুগিজরা কেন সঠিক: - ১৫০৮ সালে ভাস্কো দা গামার পথ ধরে পর্তুগিজরা ভারতীয় উপমহাদেশে আসেন এবং পরবর্তীতে বাংলায় বাণিজ্য ও বসতি স্থাপন করেন। - ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে তারাই প্রথম সামুদ্রিক পথে বাংলায় আগমন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগিজরা — এটি সঠিক উত্তর। B) ইংরেজরা — ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠনের মাধ্যমে তারা পর্তুগিজদের অনেক পরে বাংলায় এসেছিল। C) ওলন্দাজরা — তারা ষোড়শ শতাব্দীর শেষভাগে বা সপ্তদশ শতকের শুরুতে বাণিজ্য করতে বাংলায় আসে। D) ফরাসিরা — ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হওয়ার পর তারা সপ্তদশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলায় আসে। মনে রাখার টিপস: ইউরোপীয়দের মধ্যে বাংলায় আসার ক্রম মনে রাখার কৌশল হলো প-ও-ই-ফ, অর্থাৎ পর্তুগিজ, ওলন্দাজ, ইংরেজ ও ফরাসি।
a DNA
b RNA
c RNA + DNA
d mRNA
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) RNA ১. কেন সঠিক: - কোভিড-১৯ রোগের জন্য দায়ী ভাইরাসটি হলো সার্স-কোভ-টু। এটি মূলত একক স্ট্র্যান্ডযুক্ত রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড বা RNA বহনকারী ভাইরাস। - এই ভাইরাসের জিনোম বা বংশগত উপাদান হিসেবে শুধুমাত্র RNA থাকে, যা এর পোষকদেহের কোষে প্রবেশ করে বংশবৃদ্ধি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অণুজীববিজ্ঞান ও ভাইরাসের গঠন অনুযায়ী, যেসকল ভাইরাস তাদের বংশগত বস্তু বা জিনোম সংরক্ষণের জন্য RNA ব্যবহার করে তাদেরকে RNA ভাইরাস বলা হয়। - কার্যপ্রণালি: এই ভাইরাস কোষে প্রবেশের পর নিজ RNA-এর প্রতিলিপি তৈরি করে এবং পোষক কোষের রাইবোজোমকে ব্যবহার করে নতুন প্রোটিন তৈরি ও বংশবিস্তার সম্পন্ন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইনফ্লুয়েঞ্জা বা সাধারণ সর্দি-কাশির ভাইরাস। ব্যাখ্যা: এটিও RNA ভাইরাসের অন্তর্ভুক্ত, যা খুব দ্রুত পরিব্যক্তি বা মিউটেশন ঘটাতে পারে। উদাহরণ ২: পোলিও ভাইরাস বা এইচআইভি ভাইরাস। ব্যাখ্যা: এগুলিও RNA ভাইরাস এবং মানবদেহে আক্রমণ করে বিভিন্ন মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) DNA — সঠিক নয় কারণ কোভিড-১৯ ভাইরাসের বংশগত উপাদান DNA নয়, বরং এর জিনোম হলো RNA। B) RNA — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ভাইরাসের প্রধান জিনগত উপাদান হলো একক স্ট্র্যান্ডযুক্ত রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড। C) RNA + DNA — সঠিক নয় কারণ কোনো প্রাকৃতিক করোনা ভাইরাস একই সাথে জিনোম হিসেবে DNA এবং RNA উভয়টি বহন করে না। D) mRNA — সঠিক নয় কারণ মেসেঞ্জার RNA হলো জিন তৈরির প্রক্রিয়ার একটি ধাপ, যা কিছু টিকায় ব্যবহৃত হয় কিন্তু পুরো ভাইরাসের সম্পূর্ণ জিনোম কেবল mRNA নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - করোনা বা কোভিড ভাইরাস একটি RNA ভাইরাস, এই কথাটি মনে রাখতে করোনাসংক্রান্ত ভাইরাসের নামের সাথে RNA শব্দটি যুক্ত করে পড়তে পারো। - ডেঙ্গু, পোলিও ও ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো কোভিড-১৯ ও RNA ভাইরাসের পরিবারভুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় করোনা ভাইরাস বা সার্স-কোভ-টু কোন ধরনের ভাইরাস, তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - একই ধারণা থেকে অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যে, হেপাটাইটিস বি কোন ধরনের ভাইরাস, যার উত্তর হবে DNA ভাইরাস।
a ওয়্যারলেস মিডিয়া
b কো - এক্সিয়েল কেবল
c অপটিক্যাল ফাইবার
d তামার তার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অপটিক্যাল ফাইবার ১. কেন সঠিক: - অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পালস বা সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব দ্রুত তথ্য বা ডেটা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পাঠানো হয়। - আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন নীতি কাজে লাগিয়ে এই যোগাযোগ ব্যবস্থা পরিচালিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অপটিক্যাল ফাইবার হলো অত্যন্ত সরু ও নমনীয় কাচ বা প্লাস্টিক তন্তু, যা আলোর মাধ্যমে ডেটা পরিবহন করে। - কার্যপ্রণালি: ফাইবার অপটিক্সের ভেতরে আলোর রশ্মি এমনভাবে আপতিত হয় যে তা মাধ্যম পরিবর্তন না করে বারবার পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে সামনে এগিয়ে যায়। - বাস্তব প্রয়োগ: আধুনিক টেলিযোগাযোগ, উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা এবং সাবমেরিন ক্যাবল নেটওয়ার্কে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ। ব্যাখ্যা: ঘরে বসে যে দ্রুতগতির ইন্টারনেট আমরা ব্যবহার করি, তার পেছনে অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে আলোর গতিতে ডেটা স্থানান্তরের ভূমিকা রয়েছে। উদাহরণ ২: ল্যাপারোস্কোপি চিকিৎসা পদ্ধতি। ব্যাখ্যা: চিকিৎসাবিজ্ঞানে মানবদেহের ভেতরের অংশ দেখার জন্য অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করা হয়, যা আলোর পালস বা রশ্মিকে দেহের ভেতরে পাঠায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়্যারলেস মিডিয়া — এটি কোনো তার বা ফাইবার নয়, বরং রেডিও তরঙ্গ বা ওয়াইফাইয়ের মাধ্যমে শূন্যে ডেটা পাঠায়। B) কো - এক্সিয়েল কেবল — এটি তামার তৈরি একটি তার, যেখানে আলোর বদলে বৈদ্যুতিক সংকেত বা পালস ব্যবহৃত হয়। D) তামার তার — এটি বৈদ্যুতিক পরিবাহী, যার মধ্য দিয়ে আলোর পালস নয় বরং বিদ্যুৎ প্রবাহ বা ইলেকট্রন চলাচল করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - অপটিক্যাল মানেই আলো, তাই অপটিক্যাল ফাইবারের সঙ্গে আলোর পালস কথাটি মনে রাখবে। - কাচের তৈরি এই তারে বিদ্যুৎ নয়, আলোর গতিতে তথ্য আদান-প্রদান হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর কোন ঘটনা ঘটে, এই প্রশ্নটি বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - ফাইবার অপটিক্সের মূল নীতি হলো আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন এবং এর জনক নরিন্দর সিং কাপানি।
a জন্ডিস
b নিউমোনিয়া
c চোখ ওঠা
d এইচআইভি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিউমোনিয়া ১. কেন সঠিক: - নিউমোনিয়া মূলত ব্যাকটেরিয়া (যেমন স্ট্রেপ্টোককাস নিউমোনিয়া) অথবা ছত্রাকের সংক্রমণের কারণে ফুসফুসে হওয়া একটি রোগ, যা কোনো ভাইরাসজনিত রোগ নয়। - রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের ভিন্নতার কারণে নিউমোনিয়ার চিকিৎসা সাধারণ সর্দি-কাশি বা অন্যান্য ভাইরাল সংক্রমণের চেয়ে আলাদা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অণুজীববিজ্ঞান ও মানবদেহ সংক্রান্ত এই অধ্যায়ে রোগ সৃষ্টিকারী প্যাথোজেন বা জীবাণুর প্রকারভেদ নিয়ে আলোচনা করা হয়। - কারণ ও ফলাফল: ব্যাকটেরিয়াজনিত নিউমোনিয়ার ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর হলেও ভাইরাসজনিত রোগে তা কাজ করে না। - বাস্তব প্রয়োগ: ফুসফুসের অ্যালভিওলাই বা বায়ুথলিতে পুঁজ ও তরল জমে নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে, যা শ্বাসপ্রশ্বাসকে বাধাগ্রস্ত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্ট্রেপ্টোককাস নিউমোনিয়া ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ। ব্যাখ্যা: এটি নিউমোনিয়া রোগের সবচেয়ে সাধারণ ব্যাকটেরিয়াভিত্তিক কারণ, যা ফুসফুসে প্রদাহ সৃষ্টি করে। উদাহরণ ২: সাধারণ সর্দি বা ইনফ্লুয়েঞ্জা। ব্যাখ্যা: এগুলো সম্পূর্ণভাবে ভাইরাসজনিত রোগ, যা নিউমোনিয়ার মতো ফুসফুসের গুরুতর সংক্রমণের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন্ডিস — এটি হেপাটাইটিস ভাইরাসের কারণে হতে পারে, তাই এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ। B) নিউমোনিয়া — এটি প্রধানত ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমিত হয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) চোখ ওঠা — বা কনজাঙ্কটিভাইটিস অনেক সময় অ্যাডেনোভাইরাসের মতো ভাইরাস দ্বারা ছড়ায়। D) এইচআইভি — হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি সুপরিচিত ও মারাত্মক ভাইরাসজনিত রোগ। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিউমোনিয়ার শুরু 'নিউ' শব্দ দিয়ে, যা ফুসফুসের ইনফেকশন হিসেবে ব্যাকটেরিয়াভিত্তিক বলে মনে রাখতে পারো। - জন্ডিস, চোখ ওঠা এবং এইচআইভি নামের রোগগুলো সাধারণত ভাইরাস আক্রমণের সাথে সরাসরি যুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন রোগ কোন জীবাণু (ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক বা প্রোটোজোয়া) দ্বারা হয়, তা জানতে চাওয়া হয়। - এই প্রশ্নটি থেকে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসবাহিত রোগের পার্থক্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করা যায়।
a পিলি
b ফ্ল্যাজেলা
c শীথ
d ক্যাপসুলস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্ল্যাজেলা ১. কেন সঠিক: ব্যাক্রিয়ার গমনাগমন বা স্থানান্তরের প্রধান অঙ্গ হলো ফ্ল্যাজেলা। এটি প্রোটিন দিয়ে তৈরি এক ধরনের সুতার মতো অংশ যা ব্যাকটেরিয়াকে তরল মাধ্যমে সাঁতার কাটতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ফ্ল্যাজেলা হলো প্রোটিন নির্মিত কষা বা চাবুকের মতো অঙ্গ যা ঘূর্ণন গতির মাধ্যমে অণুজীবকে চালিত করে। কার্যপ্রণালি: ফ্ল্যাজেলা আবর্তিত হয়ে প্রপেলারের মতো কাজ করে এবং ব্যাকটেরিয়াকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়া শরীরের ভেতর ফ্ল্যাজেলার সাহায্যে তরল মাধ্যমে চলাচল করে। ব্যাখ্যা: এটি ফ্ল্যাজেলার সাহায্যে রক্ত বা অন্যান্য তরলে সাঁতার কেটে সংক্রমণ ছড়ায়। উদাহরণ ২: ভিবরিও কলেরার একটিমাত্র ফ্ল্যাজেলা থাকে যা তাকে দ্রুত সাঁতার কাটতে সাহায্য করে। ব্যাখ্যা: এই অঙ্গের কারণে ব্যাকটেরিয়াটি দ্রুত গতিতে অন্ত্রের মিউকাস ভেদ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিলি — এটি মূলত ব্যাকটেরিয়াকে কোনো তলের সাথে বা অন্য ব্যাকটেরিয়ার সাথে সংযুক্ত হতে সাহায্য করে, গতিশীলতার সাথে এর সম্পর্ক নেই। B) ফ্ল্যাজেলা — এটি ব্যাকটেরিয়ার গতিশীলতার জন্য সরাসরি দায়ী এবং সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত। C) শীথ — এটি ব্যাকটেরিয়ার বাইরের সুরক্ষামূলক আস্তরণ হিসেবে কাজ করে, যা গতির সাথে সম্পর্কিত নয়। D) ক্যাপসুলস — এটি ব্যাকটেরিয়ার কোষে গঠিত পিচ্ছিল বহিরাবরণ যা রোগজীবাণুকে ফ্যাগোসাইটোসিস থেকে রক্ষা করে। ৫ মনে রাখার টিপস: ফ্ল্যাজেলা শব্দটিতে ফ আছে এবং ফ দিয়ে ফেরার বা চলাফেরা বোঝায়, যা ব্যাকটেরিয়ার গতির সাথে মিলে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ফ্ল্যাজেলার উপস্থিতি এবং বিন্যাস বিভিন্ন প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া শনাক্তকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একই ধারণা থেকে আসতে পারে যে ব্যাকটেরিয়ার কোন অঙ্গটি অনুবন্ধনে সাহায্য করে।
a পরাচুম্বক
b ডায়াচুম্বক
c ফেরোচুম্বক
d এন্টিফেরোচুম্বক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডায়াচুম্বক ১. কেন সঠিক: পানির অণুতে কোনো অযুগ্ম ইলেকট্রন না থাকায় এটি চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা হালকাভাবে বিকর্ষিত হয়। চুম্বকের প্রতি এই দুর্বল বিকর্ষণের কারণে পানির অণু ডায়াচুম্বক পদার্থের অন্তর্ভুক্ত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: যেসব পদার্থ চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা ক্ষীণভাবে বিকর্ষিত হয় এবং চৌম্বক ক্ষেত্রের বিপরীত দিকে সামান্য চুম্বকীভুত হয়, তাদের ডায়াচুম্বক পদার্থ বলে। কার্যপ্রণালি: শক্তিশালী চুম্বকের কাছাকাছি আনলে ডায়াচুম্বক পদার্থের ইলেকট্রনগুলোর কক্ষপথ এমনভাবে পরিবর্তিত হয় যা মূল চৌম্বক ক্ষেত্রকে বাধা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পানি ব্যাখ্যা: মানবদেহের প্রায় সত্তর শতাংশ পানি হওয়ায় শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্রে জীবন্ত প্রাণী বা পানির ফোঁটা সামান্য ভাসমান থাকতে পারে। উদাহরণ ২: বিসমাথ ব্যাখ্যা: বিসমাথ একটি ডায়াচুম্বক ধাতু যা চুম্বক ক্ষেত্র থেকে দূরে সরে থাকতে পছন্দ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরাচুম্বক — পরাচুম্বক পদার্থ চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা মৃদুভাবে আকৃষ্ট হয়, কিন্তু পানি আকৃষ্ট হয় না বরং বিকর্ষিত হয়। B) ডায়াচুম্বক — এটি সঠিক কারণ পানি চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিকর্ষিত হয়। C) ফেরোচুম্বক — ফেরোচুম্বক পদার্থ যেমন লোহা বা নিকেল চুম্বক দ্বারা প্রবলভাবে আকৃষ্ট হয়, যা পানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) এন্টিফেরোচুম্বক — এটি এক বিশেষ ধরনের চৌম্বকত্ব যেখানে পরমাণুর ম্যাগনেটিক মুহূর্ত বিপরীতমুখী ও সমান হয়, যা পানির অণুর ক্ষেত্রে ঘটে না। ৫ মনে রাখার টিপস: পানির নিচে থাকা মানেই দূরে পালানো বা বিকর্ষিত হওয়া, তাই পানি হলো ডায়াচুম্বক। ডায়া শব্দটিকে দূরে থাকা বা বিকর্ষণের সঙ্গে মিলিয়ে সহজেই মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পানি, তামা এবং সোনা হলো বহুল ব্যবহৃত ডায়াচুম্বক পদার্থের উদাহরণ যা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। লৌহ, কোবাল্ট এবং নিকেল হলো ফেরোচুম্বক পদার্থের ক্লাসিক উদাহরণ।
a ই
b কে
c বি-কমপ্লেক্স
d এ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বি-কমপ্লেক্স ১. কেন সঠিক: চা পাতায় ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের বিভিন্ন উপাদান বিশেষ করে ভিটামিন বি১ বা থায়ামিন, ভিটামিন বি২ বা রিবোফ্লাভিন এবং ভিটামিন বি৩ বা নায়াসিন প্রচুর পরিমাণে থাকে। পানিতে দ্রবণীয় হওয়ার কারণে চা তৈরির সময় গরম পানিতে চা পাতার এই ভিটামিনগুলো সহজেই মিশে যায় এবং আমাদের শরীরে প্রবেশ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: চা পাতা ক্যামেলিয়া সিনেনেসিস নামক উদ্ভিদের পাতা থেকে সংগ্রহ করা হয় যা পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ। কার্যপ্রণালি: চা পাতা প্রক্রিয়াজাতকরণের পরও এর মধ্যে বিভিন্ন খনিজ লবণ এবং ভিটামিন বি কমপ্লেক্স অক্ষত থাকে। বাস্তব প্রয়োগ: প্রতিদিন সকালে বা কাজের ফাঁকে এক কাপ চা আমাদের শরীরে ক্লান্তি দূর করার পাশাপাশি ভিটামিন বি এর ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গরম পানিতে চা পাতা ফুটিয়ে লাল বা সবুজ চা তৈরি করা। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় চা পাতার ভেতর থাকা ভিটামিন বি কমপ্লেক্স পানিতে দ্রবীভূত হয়ে পানীয়ের মাধ্যমে আমাদের দেহে প্রবেশ করে। উদাহরণ ২: অতিরিক্ত আঁচে বা দীর্ঘ সময় চা পাতা ফোটানো। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত তাপে ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের কিছু অংশ নষ্ট হতে পারে, তাই সঠিক তাপমাত্রায় চা তৈরি করা উচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ই — ভিটামিন ই প্রধানত উদ্ভিদের তেল, বাদাম এবং বীজ জাতীয় খাবারে পাওয়া যায়, চা পাতায় এর উপস্থিতি প্রধান নয়। B) কে — ভিটামিন কে সবুজ শাকসবজি এবং মটরশুঁটিতে বেশি থাকে, যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। C) বি-কমপ্লেক্স — এটি চা পাতায় প্রচুর পরিমাণে থাকা ভিটামিন যা কোষের শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে। D) এ — ভিটামিন এ গাজর, মিষ্টি আলু এবং কলিজায় পাওয়া যায় যা দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে। ৫. মনে রাখার টিপস: চা পান করলে যেমন শরীর চাঙ্গা হয়, তেমনি মনে রাখবে চায়ে থাকে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স যা শরীরের শক্তি জোগাতে কাজ করে। বি-কমপ্লেক্স হলো এমন একগুচ্ছ ভিটামিন যা পানিতে দ্রবীভূত হয় এবং চা যেহেতু আমরা পান করি, তাই এটি খুব সহজেই শরীর শোষণ করে নেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চা পাতায় ক্যাফেইন এবং ট্যানিন নামক উপাদানও থাকে যা স্নায়ুতন্ত্রকে উদ্দীপিত করে। ভবিষ্যতের পরীক্ষার জন্য মনে রেখো, ভিটামিন সি এবং বি হলো পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন, যার মধ্যে চা পাতায় বি কমপ্লেক্স পাওয়া যায়।
a Java
b MySQL
c Oracle
d সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Java ১. কেন সঠিক: Structured Query Language বা SQL হলো এমন একটি বিশেষ ভাষা যা ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম থেকে ডেটা পুনরুদ্ধার ও পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Java হলো একটি অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ, যা দিয়ে সফটওয়্যার বা অ্যাপ তৈরি করা হয়, ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: SQL এর পূর্ণরূপ Structured Query Language। এটি রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম থেকে ডেটা অনুসন্ধান, ইনসার্ট, আপডেট ও ডিলিট করার জন্য ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড ভাষা। বৈশিষ্ট্য: এটি কোনো সাধারণ প্রোগ্রামিং ভাষা নয়, বরং ডেটা ম্যানিপুলেশন এবং ডেটা ডেফিনেশনের জন্য ব্যবহৃত একটি ডিক্লোরেটিভ ভাষা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: MySQL ডেটাবেজে কোনো টেবিল থেকে তথ্য খোঁজার জন্য SELECT * FROM users কমান্ড ব্যবহার করা হয়, যা SQL-এর অংশ। ব্যাখ্যা: এই কোডটি ডেটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী ডেটা খুঁজে বের করতে সরাসরি কাজ করে। উদাহরণ ২: ব্যাংকিং সফটওয়্যারে গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স দেখার জন্য ডেটাবেজ কুয়েরি চালানো হয়। ব্যাখ্যা: SQL কুয়েরির মাধ্যমে ডেটাবেজ থেকে নির্ভুল ও দ্রুত তথ্য ক্লায়েন্ট অ্যাপ্লিকেশনে পাঠানো হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Java — এটি একটি উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা, যার মাধ্যমে সম্পূর্ণ অ্যাপ্লিকেশন বা সফটওয়্যার তৈরি করা হয়, ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ নয়। B) MySQL — এটি একটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যা ডেটা পরিচালনার জন্য SQL ব্যবহার করে। C) Oracle — এটি একটি শক্তিশালী এন্টারপ্রাইজ লেভেলের ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যা নিজস্ব এসকিউএল কাঠামোর ওপর কাজ করে। D) সবগুলো — যেহেতু শুধু জাভা এসকিউএল নয় এবং বাকি দুটি এসকিউএল ভিত্তিক ডেটাবেজ, তাই এই অপশন সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: এসকিউএল হলো ডেটাবেজের ভাষা আর জাভা হলো অ্যাপ বানানোর ভাষা। নামের শেষে ল্যাঙ্গুয়েজ থাকলেও জাভা দিয়ে ডেটাবেজ কুয়েরি লেখা যায় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার পরীক্ষায় প্রায়ই ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ এবং প্রোগ্রামিং ভাষার পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। ওরাকল এবং মাইএসকিউএল হলো ডিবিএমএস সফটওয়্যার যা এসকিউএল সমর্থন করে।
a অ্যালুমিনিয়াম
b সিলিকন
c প্লাস্টিক
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিলিকন ১. কেন সঠিক: কম্পিউটারের মূল মেমোরি যেমন RAM বা ROM এবং প্রসেসর তৈরিতে প্রধান উপাদান হিসেবে সিলিকন ব্যবহার করা হয়। সিলিকন একটি সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী উপাদান যার বিদ্যুৎ পরিবাহিতা অবস্থা বুঝে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: সিলিকন হলো পৃথিবীর ভূত্বকে প্রাপ্ত দ্বিতীয় সর্বাধিক লভ্য মৌলিক পদার্থ যা ইলেকট্রনিক্সে সেমিকন্ডাক্টর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: সিলিকনের সাথে বিভিন্ন ভেজাল মিশিয়ে এর মধ্য দিয়ে নিয়ন্ত্রিতভাবে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করা হয় যা লজিক গেট ও মেমোরি সেল তৈরিতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনের প্রসেসর চিপ ব্যাখ্যা: মোবাইল বা কম্পিউটারের ভেতরে থাকা প্রধান চিপগুলো সিলিকন ওয়েফারের ওপর তৈরি করা হয়। উদাহরণ ২: মাদারবোর্ডের বিভিন্ন আইসি ব্যাখ্যা: কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে থাকা বিভিন্ন ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা আইসি সিলিকন দিয়ে তৈরি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যালুমিনিয়াম — অ্যালুমিনিয়াম একটি ভালো বিদ্যুৎ পরিবাহী ধাতু হওয়ায় এটি দিয়ে সেমিকন্ডাক্টর চিপ বা মেমোরি তৈরি করা যায় না। B) সিলিকন — এটি সঠিক উত্তর। C) প্লাস্টিক — প্লাস্টিক হলো বিদ্যুৎ পরিবাহী নয় এমন একটি উপাদান বা ইনসুলেটর, যা মেমোরি তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সিলিকন সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কম্পিউটার এবং ইলেকট্রনিক্সের প্রাণ বলা হয় সেমিকন্ডাক্টরকে আর সেমিকন্ডাক্টরের রাজা হলো সিলিকন। সিলিকন ভ্যালি নামটি মনে রাখলেও প্রযুক্তি ও সিলিকনের সম্পর্ক সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সিলিকন হলো পর্যায় সারণির একটি অর্ধপরিবাহী মৌল। কম্পিউটারের মেইন মেমোরি ও মাইক্রোপ্রসেসর তৈরিতে সিলিকন ব্যবহারের প্রধান কারণ এর চমৎকার অর্ধপরিবাহী গুণাগুণ।
a Oracle
b MS - Word
c C
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Oracle ১. কেন সঠিক: - ওরাকল একটি বিশ্বখ্যাত ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যা ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনা এবং কোয়েরি পরিচালনার জন্য বিশেষ ডেটাবেজ ভাষা বা কিউয়ারি ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে। - এটি মূলত এন্টারপ্রাইজ লেভেলের বিশাল ডেটাবেজ পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত একটি শক্তিশালী রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার ভাষা যা ডেটাবেজে ডেটা তৈরি, সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার এবং আপডেট করতে ব্যবহৃত হয়। - কার্যপদ্ধতি: এটি স্ট্রাকচার্ড কিউয়ারি ল্যাঙ্গুয়েজ বা এসকিউএল এর মাধ্যমে ডেটাবেজের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী ডেটা প্রক্রিয়াজাত করে। - ব্যবহার: বড় বড় ব্যাংক, বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি দপ্তরে বিশাল পরিমাণ ডেটা নিরাপদে সংরক্ষণ করতে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাংকিং সিস্টেম ব্যাখ্যা: একটি ব্যাংকের কোটি কোটি গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট তথ্য এবং লেনদেনের হিসাব নিরাপদে সংরক্ষণ ও দ্রুত খোঁজার জন্য ওরাকল ডেটাবেজ ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং ব্যাখ্যা: বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং সরবরাহ শৃঙ্খল ডেটা নিয়ন্ত্রণের জন্য এই ডেটাবেজ প্রযুক্তি কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Oracle — এটি ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনা এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত ভাষা বা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে, তাই এটি সঠিক উত্তর। B) MS-Word — মাইক্রোসফট ওয়ার্ড কোনো ডেটাবেজ ভাষা নয়, এটি একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা মূলত ডকুমেন্ট বা লেখা তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। C) C — সি একটি উচ্চ স্তরের সাধারণ উদ্দেশ্যমূলক প্রজেক্ট বা সিস্টেম প্রোগ্রামিং ভাষা, এটি কোনো ডেটাবেজ ভাষা নয়। D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক উত্তর, তাই এই অপشن প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ওরাকল নামটির সঙ্গে ডেটাবেজ শব্দটি যুক্ত করে মনে রাখতে হবে। - মনে রাখতে হবে এমএস ওয়ার্ড হলো লেখার কাজ এবং সি হলো প্রোগ্রাম তৈরির ভাষা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওরাকল হলো বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ডেটাবেজ সফটওয়্যার এবং প্রোগ্রামিং ভাষার মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
a Malware
b Firmware
c Virus
d Flip-flop
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Firmware ১. কেন সঠিক: - ফার্মওয়্যার হলো এক ধরণের স্থায়ী সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের রম বা রিড অনলি মেমোরিতে সংরক্ষিত থাকে। - এটি হার্ডওয়্যার এবং অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে এবং যন্ত্রাঞ্চল সচল রাখে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: রম বা রিড অনলি মেমোরিতে স্থায়ীভাবে কোড আকারে লিখিত প্রোগ্রামই হলো ফার্মওয়্যার। - কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথে এটি রমের ভেতর থেকে কাজ শুরু করে এবং ভেতরের যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি সহজে পরিবর্তনযোগ্য নয় এবং কম্পিউটার বন্ধ করলেও এর তথ্য মুছে যায় না। - ব্যবহার: মাদারবোর্ডের বায়োস বা বেসিক ইনপুট আউটপুট সিস্টেম এবং প্রিন্সিপাল রাউটারের কার্যপরিচালনায় এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারের বায়োস ব্যাখ্যা: কম্পিউটার অন করার সময় মাদারবোর্ডের রম চিপে থাকা বায়োস ফার্মওয়্যার হার্ডওয়্যার সচল করে। উদাহরণ ২: টিভি রিমোটের কন্ট্রোল প্রোগ্রাম ব্যাখ্যা: ডিজিটাল টেলিভিশনের রিমোটের বোতাম চাপলে যে নির্দেশ কাজ করে তা ফার্মওয়্যার দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Malware — এটি ক্ষতিকর সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারের ক্ষতি করার জন্য তৈরি হয় কিন্তু রমভিত্তিক কোনো প্রোগ্রাম নয়। B) Firmware — এটি সঠিক উত্তর। C) Virus — এটি এক ধরণের আত্মপ্রতিলিপিকরণ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষতিকর প্রোগ্রাম, যা সিস্টেমের ফাইল নষ্ট করে। D) Flip-flop — এটি একটি ইলেকট্রনিক সার্কিট বা লজিক গেট, যা এক বিট ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে কিন্তু কোনো প্রোগ্রাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মাঝামাঝি অবস্থান বলে এর নাম ফার্মওয়্যার। - রম বা রিড অনলি মেমোরি মানেই সেখানে স্থায়ী ফার্মওয়্যার থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্পিউটারের বায়োস হলো ফার্মওয়্যারের সবচেয়ে পরিচিত বাস্তব উদাহরণ। - এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a Google Crome
b Microsoft Windows
c Adobe Photoshop
d Zoom
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: প্রদত্ত প্রশ্নে একটি প্রযুক্তিগত ভুল রয়েছে। সঠিক উত্তর হলো কোনোটিই নয় বা প্রশ্নটি সংশোধিত হওয়া প্রয়োজন। গুগল ক্রোম (Google Chrome) একটি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার নয়, বরং এটি গুগলের একটি প্রোপাইটারিয়ট বা স্বত্বাধিকারী সফটওয়্যার যার সোর্স কোড উন্মুক্ত নয়। তবে গুগলের ক্রোমিয়ামের (Chromium) ওপর ভিত্তি করে এটি তৈরি এবং ক্রোমিয়াম ওপেন সোর্স। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রশ্নটি সংশোধন সাপেক্ষ। ১. কেন সঠিক: - ওপেন সোর্স সফটওয়্যার বলতে বোঝায় যার সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত এবং ব্যবহারকারী কোড পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করতে পারে। - গুগল ক্রোম ব্রাউজারটি সরাসরি ওপেন সোর্স নয়, যদিও এর মূল ভিত্তি ক্রোমিয়াম ওপেন সোর্স প্রজেক্টের অংশ। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: যে সফটওয়্যারের সোর্স কোড বিনামূল্যে উন্মুক্ত থাকে এবং যে কেউ তা পরিবর্তন বা পরিমার্জন করতে পারে তাকে ওপেন সোর্স সফটওয়্যার বলে। - কার্যপদ্ধতি: ওপেন সোর্স সফটওয়্যার ডেভেলপারদের কোড শেয়ার করতে এবং যৌথভাবে অ্যাপ্লিকেশন উন্নত করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম। ব্যাখ্যা: লিনাক্স হলো একটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যার কোড ব্যবহারকারীরা স্বাধীনভাবে পরিবর্তন করতে পারেন। উদাহরণ ২: ভিসিএল মিডিয়া প্লেয়ার। ব্যাখ্যা: এটি একটি ফ্রি এবং ওপেন সোর্স মাল্টিমিডিয়া প্লেয়ার যা সব ধরনের মিডিয়া ফাইল চালাতে সক্ষম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Google Chrome — এটি সরাসরি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার নয়, কারণ এর মূল বাণিজ্যিক বাইনারি কোডের ওপর গুগল নিয়ন্ত্রণ করে। B) Microsoft Windows — এটি সম্পূর্ণভাবে ক্লোজড সোর্স এবং প্রোপাইটারিয়ট অপারেটিং সিস্টেম যার কোড সাধারণের জন্য উন্মুক্ত নয়। C) Adobe Photoshop — এটি একটি পেইড এবং প্রোপাইটারিয়ট গ্রাফিক্স এডিটিং সফটওয়্যার যার সোর্স কোড গোপনীয়। D) Zoom — এটি একটি প্রোপাইটারিয়ট ভিডিও কনফারেন্সিং সফটওয়্যার যা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে, বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর বাণিজ্যিক ব্রাউজার বা অপারেটিং সিস্টেম যেমন উইন্ডোজ বা ফটোশপ সাধারণত প্রোপাইটারিয়ট হয়। - ওপেন সোর্স চেনার সহজ উপায় হলো লিনাক্স বা ফায়ারফক্সের মতো সফটওয়্যারগুলো কোড পরিবর্তনের স্বাধীনতা দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওপেন সোর্স সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে গ্নু বা লিনাক্স এবং প্রোপাইটারিয়ট সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ বা অফিস স্ট্যান্ডার্ড উদাহরণ হিসেবে আসে। - পরীক্ষায় সফটওয়্যার লাইসেন্সিং সংক্রান্ত প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা থাকে।

মোট প্রশ্ন (25)

a যৌগিক ধ্বনি
b মৌলিক স্বরধ্বনি
c বর্ণ
d অক্ষর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অক্ষর ১. কেন সঠিক: - নিঃশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসে বা এক ঝটকায় শব্দের যে অংশ উচ্চারিত হয় তাকে অক্ষর বা সিলেবল বলা হয়। - এটি মূলত বাকযন্ত্রের একটি ঝটকার সঙ্গে সম্পর্কিত, যেখানে একাধিক ধ্বনি মিলে একটি একক উচ্চারণের সৃষ্টি করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - অক্ষর হলো বাক্যের বা শব্দের সেই ক্ষুদ্রতম অংশ যা এক ধাক্কায় বা নিঃশ্বাসের এক প্রচেষ্টায় উচ্চারিত হয়। - অক্ষর মূলত দুই প্রকার, যথা মুক্তাক্ষর এবং রুদ্ধাক্ষর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাত ব্যাখ্যা: ভাত শব্দটি একবারে বা এক নিঃশ্বাসে উচ্চারিত হয়, তাই এটি একটি একাক্ষর শব্দ। উদাহরণ ২: কলম ব্যাখ্যা: কলম শব্দটিতে ক এবং লম এভাবে দুটি ঝটকায় উচ্চারণ হয়, তাই এটি দুই অক্ষর বিশিষ্ট শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যৌগিক ধ্বনি — দুটি স্বরধ্বনি একত্রে দ্রুত উচ্চারিত হয়ে যে ধ্বনির সৃষ্টি করে তাকে যৌগিক ধ্বনি বলে, যা নিঃশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসের সংজ্ঞা নয়। B) মৌলিক স্বরধ্বনি — যে স্বরধ্বনিকে ভাঙা যায় না বা অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়া একা উচ্চারিত হতে পারে তাকে মৌলিক স্বরধ্বনি বলে। C) বর্ণ — ধ্বনির লিখিত রূপকে বর্ণ বলা হয়, যা নিঃশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনিগুচ্ছের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) অক্ষর — এটি সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিঃশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াস বা এক ধাক্কা মানেই হলো অক্ষর। - শব্দকে ভেঙে যতবার হাততালি দিয়ে উচ্চারণ করা যায়, সেটাই অক্ষরের সংখ্যা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি ও বর্ণের পাশাপাশি অক্ষর সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - মুক্তাক্ষর স্বরান্ত এবং রুদ্ধাক্ষর ব্যঞ্জনান্ত হয়, এই বিষয়টি অক্ষর গণনার সময় মনে রাখতে হবে।
a অশোক মিত্র
b নীরদচন্দ্র চৌধুরী
c দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
d অতুল সুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নীরদচন্দ্র চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - 'আত্মঘাতী বাঙালী' গ্রন্থটির রচয়িতা প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক ও চিন্তাবিদ নীরদচন্দ্র চৌধুরী। - এই গ্রন্থে বাঙালি জাতির আত্মঘাতী চরিত্র, মনস্তত্ত্ব ও ইতিহাস সমালোচনামূলকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নীরদচন্দ্র চৌধুরী বিশ শতকের অন্যতম বিতর্কিত ও প্রজ্ঞাবান বাঙালি লেখক ও বুদ্ধিজীবী। - তাঁর রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো 'আত্মঘাতী রবীন্দ্রনাথ' এবং তাঁর বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'অজ্ঞাতবাস'। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আত্মঘাতী রবীন্দ্রনাথ ব্যাখ্যা: এটিও নীরদচন্দ্র চৌধুরীর একটি বিখ্যাত সাহিত্য সমালোচনামূলক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: আত্মজীবনী ব্যাখ্যা: এটি নীরদচন্দ্র চৌধুরীর আত্মজীবনীমূলক রচনার প্রথম খণ্ড যা তাঁকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অশোক মিত্র — তিনি একজন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও লেখক হলেও এই গ্রন্থটি তাঁর রচিত নয়। B) নীরদচন্দ্র চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই বিখ্যাত একটি গ্রন্থ। C) দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় — তিনি একজন বিখ্যাত মার্ক্সবাদী দার্শনিক ও পন্ডিত হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। D) অতুল সুর — তিনি বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ ও সমাজবিজ্ঞানী হলেও এই বিশেষ গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আত্মঘাতীমূলক বিখ্যাত দুটি গ্রন্থ 'আত্মঘাতী বাঙালী' ও 'আত্মঘাতী রবীন্দ্রনাথ' উভয়ের রচয়িতাই নীরদচন্দ্র চৌধুরী। - লেখকের নামের প্রথম অক্ষর ন এবং গ্রন্থের নামের আত্মঘাতী শব্দটি মিলিয়ে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আত্মজীবনী ও সমালোচনামূলক প্রবন্ধের রচয়িতা হিসেবে নীরদচন্দ্র চৌধুরীর নাম প্রায়ই আসে। - লেখকদের বিখ্যাত মননশীল রচনাগুলো আলাদা করে নোট করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a বাংলাদেশ
b নেপাল
c ভুটান
d উড়িষ্যা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নেপাল ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন ও সাহিত্যকর্ম যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের পদসংকলন। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্তری ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন। ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা আদি বাংলা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের পদকর্তা কাহ্নপা। তিনি চর্যাপদের সর্বাধিক সংখ্যক অর্থাৎ তেরোটি পদ রচনা করেছেন। ব্যাখ্যা: চর্যাপদে চব্বিশ জন বা ছাব্বিশ জন পদকর্তার নাম পাওয়া যায় এবং কাহ্নপা তাদের মধ্যে প্রধান ছিলেন। উদাহরণ ২: চর্যাপদের প্রাপ্ত পুথির নাম চর্যাচর্যবিনিশ্চয়। ব্যাখ্যা: পুথিটির মূল নাম ছিল আচার্য চর্যাচর্যবিনিশ্চয় এবং এটি মূলত গান ও তার টীকার সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান নয় বরং চর্যাপদের ভাষা ও সংস্কৃতির মূল উৎসভূমি। C) ভুটান — ভুটান থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করা হয়নি, যদিও পরবর্তী সময়ে তিব্বতি অনুবাদ ও পুথির সন্ধান সেখানে পাওয়া গেছে। D) উড়িষ্যা — উড়িষ্যা চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান নয়, তবে চর্যাপদের অনেক পদকর্তার জন্মস্থান এই অঞ্চলে ছিল বলে ধারণা করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালে গিয়ে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। এইভাবে মনে রাখতে পারো যে আবিষ্কারের স্থান হলো নেপাল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ আবিষ্কারের সাল ১৯০৭ এবং প্রকাশের সাল ১৯১৬ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই দুটি সাল বারবার আসে।
a জীবন
b জীবিকা
c জীবাণু
d জীবনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জীবনী ১. কেন সঠিক: - জীবনী শব্দটির মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা বিষয়ের বৈশিষ্ট্য, চরিত্র বা জীবনবৃত্তান্ত সংক্রান্ত বিশেষ্য বা বিশেষণ রূপকে বোঝানো হয়। - এখানে 'জীবন' শব্দের সঙ্গে 'ই' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষ্য পদটি বিশেষণ পদে রূপান্তরিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পদ প্রকরণের নিয়ম অনুযায়ী যে পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ বলে। - বিশেষ্য পদের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে অনেক সময় বিশেষণ পদ গঠন করা হয়, যেমন জীবন থেকে জীবনী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথের একটি বিখ্যাত জীবনীগ্রন্থ আছে। ব্যাখ্যা: এখানে জীবনী শব্দটি গ্রন্থ নামক বিশেষ্য পদের গুণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে। উদাহরণ ২: নেতাজির জীবনী পাঠ করা উচিত। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে জীবনী শব্দটি জীবনবৃত্তান্ত সংক্রান্ত বিশেষণ হিসেবে কাজ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবন — এটি একটি মৌলিক বিশেষ্য পদ যার অর্থ প্রাণ বা সত্তা। B) জীবিকা — এটি জীবিকা অর্জনের উপায় অর্থে একটি বিশেষ্য পদ। C) জীবাণু — এটি একটি বিশেষ্য পদ যা ক্ষুদ্র জীবকে বোঝায়। D) জীবনী — এটি সঠিক উত্তর যা জীবন সম্পর্কিত বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের শেষে 'ই' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যদি তা কোনো বিশেষ্যকে বিশেষভাবে নির্দেশ করে, তবে তা সাধারণত বিশেষণ হয়। - জীবন শব্দের বিশেষণ রূপ হলো জীবনী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দ রূপান্তর ও পদ নির্ণয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ্য থেকে বিশেষণ পদ চেনার জন্য বাক্যে তার ব্যবহারের ওপর নজর দিতে হবে।
a মীর মশাররফ হোসেন
b ইসমাইল হোসেন সিরাজি
c কাজী নজরুল ইসলাম
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মীর মশাররফ হোসেন ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত উদ্ধৃতিটি উনিশ শতকের প্রখ্যাত বাঙালি মুসলিম সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের রচনা থেকে নেওয়া হয়েছে। - মাতৃভাষার প্রতি গভীর অনুরাগ ও সম্মান প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে তিনি এই অমর বাণী প্রচার করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মীর মশাররফ হোসেন বাংলা গদ্যসাহিত্যের অন্যতম পথিকৃৎ এবং বিষাদসিন্ধু উপন্যাসের জন্য সর্বাধিক পরিচিত। - তিনি ঊনবিংশ শতকের বাঙালি সমাজের নানা কুসংস্কার ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহিত্যকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাতৃভাষা মানুষের মনের ভাব প্রকাশের সবচেয়ে বড় মাধ্যম এবং এর প্রতি অবহেলা জাতির পতন ডেকে আনে। ব্যাখ্যা: আলোচ্য উদ্ধৃতির মূল ভাব হলো মাতৃভাষার প্রতি ভক্তি ও ভালোবাসা না থাকলে প্রকৃত দেশপ্রেম ও মানবতা অর্জন করা যায় না। উদাহরণ ২: মীর মশাররফ হোসেন রচিত বিষাদসিন্ধু একটি ঐতিহাসিক ও ক্লাসিকধর্মী উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যকর্মটি তার গদ্যশৈলী ও শক্তিশালী শব্দচয়নের কারণে বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মীর মশাররফ হোসেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ উল্লিখিত উদ্ধৃতিটি তারই রচনা থেকে সংগৃহীত। B) ইসমাইল হোসেন সিরাজি — ইনি একজন প্রখ্যাত জাতীয়তাবাদী সাহিত্যিক হলেও এই নির্দিষ্ট উদ্ধৃতির রচয়িতা নন। C) কাজী নজরুল ইসলাম — বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি মাতৃভাষার পক্ষে বহু কথা বললেও এই উদ্ধৃতিটি তার নয়। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মাতৃভাষার পক্ষে অনেক বাণী দিলেও এই নির্দিষ্ট উক্তিটি মীর মশাররফ হোসেনের। ৫ মনে রাখার টিপস: - মাতৃভাষার প্রতি ভক্তি নিয়ে কথা বলা উনিশ শতকের নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেনের লেখার একটি অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। - উক্তিটির সঙ্গে তার মানবতাবাদী ও সংস্কারমুক্ত চেতনার মিল খুঁজে পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত সাহিত্যিকদের অমর বাণী ও উক্তি প্রায়ই আসে। - মীর মশাররফ হোসেনের জন্মস্থান কুষ্টিয়া এবং তিনি গদ্য ও নাটকে বিশেষ অবদান রেখেছেন।
a মহাকাব্য
b গীতিকাব্য
c আখ্যানকাব্য
d পত্রকাব্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পত্রকাব্য ১. কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত 'বীরাঙ্গনা' বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য। - পৌরাণিক কাহিনীর ভিত্তিতে পত্রাকারে রচিত কাব্যগুলোতে নারী চরিত্রগুলোর আবেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেটের প্রবর্তক। - বীরাঙ্গনা কাব্যের মোট পত্রে সংখ্যা এগারোটি যেখানে পৌরাণিক নারীরা তাদের স্বামীকে বা প্রেমিককে পত্র লিখেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। উদাহরণ ২: চতুর্দশপদী কবিতাবলী ব্যাখ্যা: এটি মধুসূদন দত্তের রচিত সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাকাব্য — মেঘনাদবধ কাব্য মহাকাব্য হলেও বীরাঙ্গনা একটি পত্রকাব্য। B) গীতিকাব্য — বীরাঙ্গনা ব্যক্তিগত অনুভূতির প্রকাশ হলেও এটি গীতিকাব্য নয়। C) আখ্যানকাব্য — এতে কাহিনী থাকলেও এটি পত্রাকারে রচিত পদ্যরূপ। D) পত্রকাব্য — এটি সঠিক কারণ কাব্যটির প্রতিটি অংশ একেকটি পত্র বা চিঠি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বীরাঙ্গনা মানেই পত্রকাব্য, যেখানে নারী চরিত্ররা চিঠি লিখে মনের কথা প্রকাশ করেছেন। - মধুসূদনের মহাকাব্য হলো মেঘনাদবধ এবং পত্রকাব্য হলো বীরাঙ্গনা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বীরাঙ্গনা কাব্যের রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই বীরাঙ্গনা কাব্যের ধরন সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a স্বরবৃত্ত
b অক্ষরবৃত্ত
c পয়ার
d মাত্রাবৃত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্বরবৃত্ত ১. কেন সঠিক: বাংলা ছন্দের মূল চারটি পর্বের মধ্যে স্বরবৃত্ত ছন্দের মূল পর্ব সাধারণত চার মাত্রার হয়ে থাকে। এটি মূলত বাংলা ভাষাভাষীদের মুখের বুলির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা লৌকিক বা দলবৃত্ত ছন্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: স্বরবৃত্ত ছন্দকে দলবৃত্ত বা লৌকিক ছন্দ বলা হয় কারণ এর মূল ভিত্তি হলো দল বা সিলেবল। এই ছন্দে ধ্বনির দ্রুত লয় বা দ্রুত গতি পরিলক্ষিত হয় এবং এতে অতিরিক্ত ঝোঁক বা শ্বাসাঘাত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রোদ উঠেছে মেঘ কেটেছে, ধান কেটে নে ও ভাই। ব্যাখ্যা: এই পঙক্তির প্রতিটি পর্ব চার মাত্রার এবং এর লয় খুবই দ্রুত। উদাহরণ ২: আম পাতা জোড়া জোড়া, মারব চাবুক চড়ব ঘোড়া। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ছড়ার চিরচেনা রূপ যেখানে চার মাত্রার পর্বের নিয়ম নিখুঁতভাবে পালিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরবৃত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই ছন্দের মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা চার। B) অক্ষরবৃত্ত — এই অপশনের ছন্দকে মিশ্র কলাবৃত্ত বলা হয় এবং এর মূল পর্ব সাধারণত আট মাত্রার হয়ে থাকে। C) পয়ার — পয়ার হলো অক্ষরবৃত্ত ছন্দের একটি বিশেষ রূপ যা মূলত আট ও ছয় মাত্রার পর্ব নিয়ে গঠিত হয়। D) মাত্রাবৃত্ত — এই অপশনের ছন্দকে কলাবৃত্ত বলা হয় যার মূল পর্ব সাধারণত ছাব্বিশ মাত্রার হয়ে থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বরবৃত্ত মানেই চার মাত্রা এবং ছড়ার ছন্দ। ছোটবেলার ছড়াগুলো মনে রাখলেই এই ছন্দের বৈশিষ্ট্য সহজে বোঝা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছন্দের পর্ব ও মাত্রা নির্ণয় করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। স্বরবৃত্ত মানে চার মাত্রা, অক্ষরবৃত্ত মানে আট মাত্রা এবং মাত্রাবৃত্ত মানে সাধারণত সল বা আট মাত্রা এটি মনে রাখা জরুরি।
a নিখুঁত
b নিমরাজী
c অবহেলা
d আনমনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিমরাজী ১. কেন সঠিক: - নিমরাজী শব্দটিতে 'নিম' উপসর্গটি যুক্ত হয়েছে, যা একটি ফারসি বা বিদেশি উপসর্গ। - ফারসি ভাষায় 'নিম' শব্দের অর্থ হলো অর্ধেক বা আধা, যেমন নিমরাজী শব্দের অর্থ অর্ধরাজি বা আংশিক সম্মত। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়, যথা বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিমরাজি ব্যাখ্যা: এখানে 'নিম' ফারসি উপসর্গ যোগে গঠিত হয়েছে যার অর্থ অর্ধেক রাজি। উদাহরণ ২: ফি বছর ব্যাখ্যা: এখানে 'ফি' একটি আরবি উপসর্গ যা প্রতি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিখুঁত — এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'নি' যোগে গঠিত শব্দ, তাই এটি বিদেশি উপসর্গ নয়। B) নিমরাজী — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে বিদেশি উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে। C) অবহেলা — এটি সংস্কৃত উপসর্গ 'অব' যোগে গঠিত শব্দ, তাই এটি বিদেশি উপসর্গ নয়। D) আনমনা — এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'আনা' বা 'আন' যোগে গঠিত শব্দ, তাই এটি বিদেশি উপসর্গ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিদেশি উপসর্গগুলো সহজে মনে রাখতে ফারসি উপসর্গ যেমন দর, নিম, বদ, কম, বর, কার মনে রাখতে পারো। - নিমরাজী শব্দের নিম অংশটি দেখলেই বুঝতে পারবে এটি ফারসি ভাষা থেকে আগত বিদেশি উপসর্গ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি উপসর্গ যেমন ফি, দর, নিম, বর চিহ্নিত করতে বলা হয়। - বাংলা, সংস্কৃত এবং বিদেশি উপসর্গের উৎসগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a সমান ব্যবহারে
b একগ্রতায়
c সমভাবনায়
d একযোগে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একযোগে ১. কেন সঠিক: - 'সমভিভ্যাহারে' শব্দটির আক্ষরিক ও প্রমিত অর্থ হলো একসাথে, একত্রে বা একযোগে। - এটি বাংলা ব্যাকরণে এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ সংক্রান্ত প্রশ্নে প্রায়ই দেখা যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি প্রাচীন ও তৎসম শব্দ যা মূলত বিশেষ্য বা ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। - শব্দটির সঠিক অর্থ না জানলে পরীক্ষার্থীরা প্রায়ই এটিকে সমান ব্যবহার বা সমভাবনা ভেবে ভুল করতে পারেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাইয়ে ভাইয়ে সমভিভ্যাহারে বাজারে গেল। ব্যাখ্যা: এখানে 'সমভিভ্যাহারে' শব্দটি একসাথে বা দলবদ্ধভাবে যাওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: তারা সমভিভ্যাহারে কাজটি সম্পন্ন করেছিল। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে শব্দটি সবার যৌথ অংশগ্রহণ বা একযোগে কাজ করা প্রকাশ করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমান ব্যবহারে — এটি শব্দের মূল অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয় কারণ সমভিভ্যাহার মানে ব্যবহার বোঝায় না। B) একগ্রতায় — একাগ্রতা বা মনোযোগ বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয় না। C) সমভাবনায় — একই রকম চিন্তা বা মনোভাব প্রকাশ করতে সমভাবনা বলা হয়, যা এই শব্দের সঠিক অর্থ নয়। D) একযোগে — এটি মূল শব্দের সঠিক এবং প্রমিত অর্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: - সমভিভ্যাহার শব্দের শুরুতে সম আছে যার অর্থ একসাথে বা একত্রে। - এভাবে মিল রেখে মনে রাখতে হবে যে সমভিভ্যাহার মানে হলো একযোগে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য সরকারি চাকরির পরীক্ষায় কঠিন শব্দের অর্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অপরিচিত শব্দ দেখলে ঘাবড়ে না গিয়ে তার উৎস ও প্রমিত অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a সুঁচিশ্মিতা
b সুচিস্মিতা
c সুচিষ্মিতা
d শুচিস্মিতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শুচিস্মিতা ১. কেন সঠিক: - 'শুচিস্মিতা' শব্দের অর্থ পবিত্র বা সুন্দর হাসি যার। এটি একটি বহুব্রীহি সমাসবদ্ধ পদ। - বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'শুচি' শব্দে তালব্য শ (শ) ব্যবহৃত হয় এবং 'স্মিতা' অংশে দন্ত্য স (স) থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানে তালব্য শ (শ), মূর্ধন্য ষ (ষ) এবং দন্ত্য স (স)-এর সঠিক প্রয়োগ নির্ধারণের কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। তৎসম শব্দে ই-কার বা উ-কারান্ত উপসর্গের পর ক, খ, প, ফ থাকলে সাধারণত মূর্ধন্য ষ হয়, তবে এই নিয়মের বাইরে বহু শব্দে স্বভাবতই তালব্য শ ও দন্ত্য স ব্যবহৃত হয়। - 'শুচি' একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ পবিত্র, এবং 'স্মিতা' অর্থ মৃদুহাস্যযুক্তা। এই দুটি শব্দ মিলে গঠিত যুক্ত শব্দে কোনো অপ্রাসঙ্গিক মূর্ধন্য ষ বা ভুল শ যুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই, তাই প্রমিত বানানে এটি 'শুচিস্মিতা' হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরিষ্কার ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ শব্দ যেখানে তালব্য শ ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: সুস্মিতা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে সুন্দর হাসির অর্থে দন্ত্য স ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুঁচিশ্মিতা — এখানে চন্দ্রবিন্দু এবং ভুল শ ব্যবহারের কারণে বানানটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে। B) সুচিস্মিতা — এখানে তালব্য শ এর পরিবর্তে দন্ত্য স ব্যবহার করায় মূল শব্দের বানান সঠিক হয়নি। C) সুচিষ্মিতা — এখানে তালব্য শ এর পরিবর্তে ভুলভাবে মূর্ধন্য ষ ব্যবহার করা হয়েছে। D) শুচিস্মিতা — এটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক এবং নির্ভুল বানান। ৫. মনে রাখার টিপস: - পবিত্র অর্থে ব্যবহৃত 'শুচি' শব্দটিতে সবসময় তালব্য শ (শ) বসে। - হাসিমুখ বোঝাতে 'স্মিতা' অংশে সবসময় দন্ত্য স (স) ব্যবহার করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্ত্রীবাচক বা গুণবাচক নাম সংক্রান্ত বানান প্রায়ই আসে। - 'শুচি' সম্পর্কিত অন্যান্য শব্দ যেমন শুচিভদ্র বা শুচিতা বানানেও তালব্য শ ব্যবহার করা হয় তা মনে রাখতে হবে।
a আষাঢ়ে কথা
b সৌভাগ্যের বিষয়
c আনন্দের বিষয়
d মজা পাওয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৌভাগ্যের বিষয় ১. কেন সঠিক: - 'একাদশে বৃহস্পতি' একটি প্রখ্যাত বাংলা বাগধারা যার অর্থ সৌভাগ্যের সুসময় বা ভাগ্য ফিরে আসা। - এখানে বৃহস্পতি গ্রহকে জ্যোতিষশাস্ত্রের বিচারে সৌভাগ্যের কারক হিসেবে ধরা হয়েছে এবং একাদশ ভাব হলো লাভের স্থান। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। - এই বাগধারার পেছনের প্রেক্ষাপট হলো জ্যোতিষশাস্ত্র যেখানে মানুষের জন্মকুণ্ডলীতে বৃহস্পতি গ্রহ একাদশ ঘরে অবস্থান করলে তাকে অত্যন্ত শুভ ও সৌভাগ্যের লক্ষণ বলে মনে করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এতদিন নানা কষ্টে কাটলেও চাকুরি পাওয়ার পর তার যেন একাদশে বৃহস্পতি উঠেছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে হঠাৎ ভাগ্য পরিবর্তন বা সৌভাগ্যের সূচনা বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ব্যবসাটায় প্রথমবারেই লাভ হওয়ায় তার একাদশে বৃহস্পতি দশা চলছে। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যবসায়িক সাফল্য এবং অনুকূল ভাগ্যের অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আষাঢ়ে কথা — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ অসম্ভব বা অবাস্তব গল্প, যা মূল বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) সৌভাগ্যের বিষয় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি সরাসরি 'একাদশে বৃহস্পতি' বাগধারার অর্থ প্রকাশ করে। C) আনন্দের বিষয় — এই অপশনটি ভুল কারণ আনন্দ বোঝাতে 'খুশির খোরাক' বা অন্য বাগধারা ব্যবহার হয়, এটি ভাগ্যের সঙ্গে যুক্ত নয়। D) মজা পাওয়া — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ আনন্দ বা উল্লাস করা, যা সৌভাগ্যের সুসময়ের সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার সহজ কৌশল হলো আকাশে বৃহস্পতি গ্রহের অবস্থান একাদশ ঘরে গেলেই মানুষের ভাগ্য খুলে যায় এবং সৌভাগ্য আসে। - জ্যোতিষশাস্ত্রের এই ধারণাকে মাথায় রাখলেই পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জ্যোতিষশাস্ত্র বা সংখ্যাভিত্তিক বাগধারা যেমন একাদশে বৃহস্পতি বা পঞ্চত্বপ্রাপ্তি থেকে প্রশ্ন আসে। - এই ধরনের বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ না ধরে এর প্রমিত ও ঐতিহ্যগত অর্থ মুখস্থ রাখতে হবে।
a প্রাতিপদিক
b নামপদ
c মৌলিক শব্দ
d কৃদন্ত শব্দ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাতিপদিক ১. কেন সঠিক: - বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলা হয়। এটি মূলত শব্দের মূল রূপ যার সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত থাকে না। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - প্রাতিপদিক হলো বিভক্তিহীন নামশব্দ বা শব্দের মূল রূপ। যেমন, কলম, ফুল, বই ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফুল ব্যাখ্যা: ফুল একটি বিভক্তিহীন নাম শব্দ, তাই এটি প্রাতিপদিক। উদাহরণ ২: বই ব্যাখ্যা: বই শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই, তাই এটি প্রাতিপদিক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাতিপদিক — এটি সঠিক উত্তর। B) নামপদ — বিভক্তিযুক্ত পদকে নামপদ বলা হয়, কেবল বিভক্তিহীন মূল শব্দ নয়। C) মৌলিক শব্দ — যে শব্দ ভেঙে আলাদা করা যায় না তাকে মৌলিক শব্দ বলে, এটি বিভক্তির সাথে সম্পর্কিত নয়। D) কৃদন্ত শব্দ — প্রত্যয়যুক্ত ক্রিয়ামূলের সাথে গঠিত শব্দকে কৃদন্ত শব্দ বলা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাতিপদিক মানে পদের আদি রূপ বা বিভক্তিহীন শব্দ। বিভক্তি যোগ করলেই তা পদে পরিণত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরীক্ষায় প্রায়ই বিভক্তিহীন শব্দকে কী বলে তা জানতে চাওয়া হয়। শব্দটির মূল রূপ এবং পদের পার্থক্য পরিষ্কার রাখতে হবে।
a কুল
b গ্রাম
c বৃন্দ
d বর্গ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গ্রাম ১. কেন সঠিক: - বাংলা ব্যাকরণে বচন নির্ধারণের সময় শব্দের প্রাণবাচকতা বা অপ্রাণবাচকতা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। - অপ্রাণীবাচক বা জড় পদার্থের বহুবচনে সাধারণত গ্রাম, পুঞ্জ, দাম, থুপি, পাল ইত্যাদি শব্দ ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় বিশেষ্য পদের সংখ্যা বোঝানোর জন্য বচন ব্যবহৃত হয় এবং বচন দুই প্রকার যথা একবচন ও বহুবচন। - অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুবচন বোঝাতে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় বা সমষ্টিবাচক শব্দ যুক্ত করা হয় যা ভাষার প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তারকামণ্ডলী বা তারাকাপুঞ্জ আকাশে জ্বলছে। ব্যাখ্যা: এখানে তারা অপ্রাণীবাচক শব্দ হওয়ায় এর বহুবচনে কুঞ্জ বা পুঞ্জ জাতীয় শব্দ বসেছে। উদাহরণ ২: মশাগুলো দল বেঁধে উড়ছে। ব্যাখ্যা: মশা প্রাণীবাচক হলেও অনেক ক্ষেত্রে অপ্রাণীর মতো বহুবচনে বিশেষ শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুল — এটি সাধারণত মানবজাতি বা প্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয় যেমন শিক্ষককুল। B) গ্রাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয়। C) বৃন্দ — এটি কেবল সম্মানিত প্রাণীবাচক বা মনুষ্যবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয় যেমন ভক্তবৃন্দ। D) বর্গ — এটি সাধারণত মনুষ্যবাচক বিশেষ শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয় যেমন মন্ত্রীবর্গ। ৫ মনে রাখার টিপস: - অপ্রাণীর গ্রামে মানুষ থাকে না, তাই অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনে গ্রাম ব্যবহার করা হয়। - সম্মানিত মানুষের জন্য বৃন্দ এবং সাধারণ মানুষের জন্য বর্গ ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাণীবাচক ও অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। - শব্দগুলোর উৎস এবং ব্যবহার ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
a সমাস
b সন্ধি
c উপসর্গ
d প্রত্যয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমাস ১. কেন সঠিক: নবান্ন শব্দটি সমাস প্রক্রিয়ায় গঠিত হয়েছে এবং এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। নম (নতুন) অন্ন সমাসবদ্ধ হয়ে নবান্ন শব্দটি গঠন করে যেখানে মাঝের পদটি লোপ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা পদগুলো সম্পূর্ণভাবে লোপ পেয়ে একটি নতুন পদ গঠন করে তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। নবন (নতুন) যে অন্ন সমান নবান্ন, এখানে মধ্যবর্তী যে পদটি বিলুপ্ত হয়ে নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন সমান সিংহাসন ব্যাখ্যা: মাঝের চিহ্নিত পদটি লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: পল মিশ্রিত অম্ল সমান পোলাও ব্যাখ্যা: মাঝের মিশ্রিত পদটি লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ নবান্ন শব্দটি সমাসবদ্ধ পদ। B) সন্ধি — নবান্ন শব্দটিকে নব যোগ অন্ন এভাবে সন্ধি বিচ্ছেদ করা গেলেও এটি মূলত সমাসের নিয়মে গঠিত শব্দ। C) উপসর্গ — উপসর্গের কাজ শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি করা যা এখানে ঘটেনি। D) প্রত্যয় — প্রত্যয় শব্দের পরে যুক্ত হয় কিন্তু এখানে দুটি পূর্ণ পদের মিলনে সমাস হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: নরম নতুন অন্ন খাওয়ার উৎসব হলো নবান্ন, যা মাঝের পদ লোপ পেয়ে সমাস হয়। সমাসের ক্ষেত্রে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় মনে রাখতে এই শব্দ বারবার চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। নবান্ন, সিংহাসন এবং পোলাও শব্দগুলোর ব্যাসবাক্য ও সমাসের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a চাঁদ
b সূর্য
c নক্ষত্র
d গগন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চাঁদ ১. কেন সঠিক: - তদ্ভব শব্দ হলো সেই শব্দ, যা প্রাকৃত বা অপভ্রংশ ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে সংস্কৃত থেকে বিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে। - 'চাঁদ' শব্দটি সংস্কৃত 'চন্দ্র' শব্দ থেকে প্রাকৃত 'চন্দ' হয়ে বিবর্তিত রূপ হিসেবে বাংলা ভাষায় স্থান লাভ করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যার একটি হলো তদ্ভব শব্দ। - তদ্ভব শব্দের অর্থ হলো তা থেকে উৎপন্ন, অর্থাৎ সংস্কৃত ভাষা থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে যে শব্দগুলো সৃষ্টি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাত ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত হস্ত শব্দ থেকে প্রাকৃত হথ হয়ে তদ্ভব হিসেবে বাংলা ভাষায় এসেছে। উদাহরণ ২: কান ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত কর্ণ শব্দ থেকে প্রাকৃত কন্ণ হয়ে তদ্ভব হিসেবে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁদ — এটি তদ্ভব শব্দ এবং এটি সংস্কৃত চন্দ্র শব্দ থেকে বিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে। B) সূর্য — এটি একটি তৎসম শব্দ, যা সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিত অবস্থায় বাংলা ভাষায় এসেছে। C) নক্ষত্র — এটি একটি তৎসম শব্দ এবং এর বাংলা তদ্ভব রূপ হলো নখত্ত বা নক্ষত্র জাতীয় পরিবর্তিত রূপ। D) গগন — এটি একটি তৎসম শব্দ, যার অর্থ আকাশ এবং এটি সরাসরি সংস্কৃত থেকে বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - তদ্ভব শব্দ চেনার উপায় হলো এগুলো সাধারণত প্রাকৃত ভাষার ধাপ পেরিয়ে সহজ ও স্বাভাবিক রূপ ধারণ করে। - তৎসম শব্দের তুলনায় তদ্ভব শব্দের রূপ কিছুটা পরিবর্তিত বা ভাঙা প্রকৃতির হয়ে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও শব্দের উৎস থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও দেশি শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a আরবি ভাষা হতে
b পর্তুগিজ ভাষা হতে
c ওলন্দাজ ভাষা হতে
d ফরাসি ভাষা হতে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পর্তুগিজ ভাষা হতে ১. কেন সঠিক: - 'আনারস' এবং 'চাবি' শব্দ দুটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - পর্তুগিজরা ব্যবসায়িক ও ঔপনিবেশিক কারণে বাংলায় আসার ফলে তাদের ভাষার অনেক শব্দ বাংলা শব্দভান্ডারে স্থায়ীভাবে মিশে গেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়, যেমন তদ্ভব, তৎসম, অর্ধতৎসম, দেশি এবং বিদেশি শব্দ। - পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো মূলত আমাদের দৈনন্দিন জীবন, খাদ্য, ধর্ম এবং ব্যবহারের নানা উপকরণের সঙ্গে জড়িত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাদ্রি ব্যাখ্যা: এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা ধর্মীয় কাজে ব্যবহৃত হয় এবং বাংলা ভাষায় বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: বালতি ব্যাখ্যা: এটি দৈনন্দিন কাজে ব্যবহৃত একটি পর্তুগিজ শব্দ যা আমাদের শব্দভান্ডারে সফলভাবে গৃহিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি ভাষা হতে — ভুল কারণ 'আনারস' ও 'চাবি' শব্দ আরবি ভাষা থেকে আসেনি, আরবি শব্দ হলো আদালত, কলম ইত্যাদি। B) পর্তুগিজ ভাষা হতে — এটি সঠিক অপশন এবং এই শব্দ দুটি পর্তুগিজ ভাষা থেকেই বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। C) ওলন্দাজ ভাষা হতে — ভুল কারণ ওলন্দাজ শব্দ হলো হরতন, تاس ইত্যাদি, যা এই শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) ফরাসি ভাষা হতে — ভুল কারণ ফরাসি শব্দ হলো কার্তুজ, কুপন ইত্যাদি, যা পর্তুগিজ শব্দের উৎস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পর্তুগিজ শব্দগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো প্রতিদিনের ব্যবহার্য জিনিস যেমন আনারস, চাবি, বালতি, গামলা ইত্যাদির একটি তালিকা তৈরি করা। - বিদেশি শব্দের উৎস মনে রাখতে শব্দগুলোর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট মাথায় রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - পর্তুগিজ ও ওলন্দাজ শব্দগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a চর্যাপদ
b মঙ্গলকাব্য
c পদাবলি
d রোমান্সকাব্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদের ভাষা ছিল এক বিশেষ ধরনের আলো-আঁধারি বা প্রচ্ছন্ন অর্থবহ ভাষা, যা সাধনসঙ্গীতের রূপক হিসেবে ব্যবহৃত হতো। - মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এই ভাষাকে 'সন্ধ্যাভাষা' বা আলো-আঁধারি ভাষা নামে অভিহিত করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন এবং বৌদ্ধ সহজিয়া সাহিত্যের ঐতিহাসিক গ্রন্থ। - হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের টিকাকার মুনীদত্ত চর্যাপদের ভাষাকে 'সন্ধ্যাভাষা' বলেছেন। ব্যাখ্যা: তান্ত্রিক বৌদ্ধ সাধকদের গুহ্য বা গোপন কথা বোঝার জন্য এই পরিভাষা ব্যবহৃত হতো। উদাহরণ ২: ড. সুকুমার সেন চর্যাপদের ভাষাকে 'সন্ধ্যাভাষা' না বলে 'সন্ধ্যা ভাষা' বা সন্ধিযুক্ত ভাষা বলেছেন। ব্যাখ্যা: পণ্ডিতদের মধ্যে এই ভাষা নিয়ে বিভিন্ন মতামত থাকলেও পরীক্ষার জন্য হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতটিই প্রধান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চর্যাপদ — সঠিক উত্তর কারণ এর ভাষার বৈশিষ্ট্যই হলো সন্ধ্যাভাষা। B) মঙ্গলকাব্য — মধ্যযুগের দেবদেবী কেন্দ্র করে রচিত জনপ্রিয় কাব্য ধারা যার ভাষা সহজ ও লৌকিক। C) পদাবলি — বৈষ্ণব কবিদের রচিত পদ সংকলন যা ব্রজবুলি ও মধ্যযুগের বাংলায় রচিত। D) রোমান্সকাব্য — মধ্যযুগের কবিদের দ্বারা রচিত লৌকিক প্রেমকাহিনি নির্ভর কাব্য ধারা। ৫ মনে রাখার টিপস: সন্ধ্যাভাষা পেলেই চোখ বন্ধ করে চর্যাপদ উত্তর করবে কারণ এটি চর্যাপদের ভাষার সবচেয়ে বিখ্যাত ও পরীক্ষাগারে বারবার আসা বৈশিষ্ট্য। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এটি প্রকাশিত হয় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে। এই দুটি তথ্য বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a নেতিবাচক
b অজানা
c বিয়োগাত্মক
d অভাব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অভাব ১. কেন সঠিক: - 'অচিন' শব্দটিতে 'অ' উপসর্গটি কোনো কিছুর অনুপস্থিতি বা ঘাটতি বোঝাতে 'অভাব' অর্থে যুক্ত হয়েছে। - এখানে 'চিন' বা পরিচিতির অভাব বোঝাতেই 'অচিন' শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত দেশি ও বিদেশি উপসর্গের মধ্যে 'অ' একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা না বা অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অকেজো ব্যাখ্যা: এখানে 'অ' উপসর্গটি কাজের অভাব বা নিষ্ক্রিয়তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: অকর্মা ব্যাখ্যা: এখানে 'অ' উপসর্গটি কর্ম বা কাজের অভাব অর্থে যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেতিবাচক — এটি সরাসরি কোনো ভাব প্রকাশ করে কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে উপসর্গটির নির্দিষ্ট অর্থের নাম 'অভাব'। B) অজানা — এটি নিজেই একটি শব্দ, 'অ' উপসর্গের সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণগত অর্থ এটি নয়। C) বিয়োগাত্মক — এটি গাণিতিক বা ভিন্নার্থক শব্দ, বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গের ক্ষেত্রে এই পরিভাষা প্রযোজ্য নয়। D) অভাব — এটি সঠিক কারণ ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী এখানে 'অ' উপসর্গটি অভাব অর্থে বসেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলা উপসর্গ 'অ' সাধারণত না, নেই বা অভাব অর্থ প্রকাশ করতে শব্দের শুরুতে বসে। - অচেনা, অজানা বা অচিন শব্দ দেখলে বুঝবে সেখানে পরিচিতির অভাব বোঝানো হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খাঁটি বাংলা উপসর্গগুলোর সুনির্দিষ্ট অর্থ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - অপশনগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য করে উপসর্গের আসল ব্যাকরণগত অর্থ নির্বাচন করতে হবে।
a 1841
b 1842
c 1843
d 1850
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬ আগস্ট ১৮৪৩ ১. কেন সঠিক: 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৬ আগস্ট ১৮৪৩ সালে (১ ভাদ্র ১২৫০ বঙ্গাব্দ)। এই পত্রিকার মূল লক্ষ্য ছিল বাংলা ভাষায় উপনিষদের প্রচার ও ব্রহ্মধর্মের আদর্শ প্রসার করা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র হিসেবে আক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস ও কলকাতার জোড়াসাঁকো থেকে এটি প্রকাশিত হয়। এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন অক্ষয় কুমার দত্ত এবং এর নেপথ্যে মূল ভূমিকা পালন করেছিলেন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অক্ষয় কুমার দত্ত রচিত 'চারু পাঠ' ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকের একটি বিখ্যাত শিক্ষামূলক ও নৈতিক গ্রন্থ যা এই যুগের গদ্যচর্চাকে সমৃদ্ধ করেছে। উদাহরণ ২: দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'আত্মজীবনী' ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রামাণিক আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ যা তৎকালীন সমাজ ও ব্রহ্ম আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1841 — এই সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি কারণ তত্ত্ববোধিনী সভাই গঠিত হয় ১৮৩৯ সালে। B) 1842 — এই সালে পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়নি যদিও এর প্রস্তুতিমূলক কাজ ও সভা তখন সক্রিয় ছিল। C) 1843 — এই সালটি সঠিক এবং এই বছরেই পত্রিকাটি প্রথম আলোর মুখ দেখে। D) 1850 — এই সালটি ভুল কারণ এর অনেক আগেই ১৮৪৩ সালে পত্রিকাটির প্রকাশনা শুরু হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার প্রকাশসাল মনে রাখতে ১৮৪৩ সংখ্যাটিকে এভাবে মনে রাখতে পারো যে দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৩৯ সালে সভা গড়ে চার বছর পর ১৮৪৩ সালে পত্রিকা আনেন। অক্ষয় কুমার দত্ত এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন যা মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন অক্ষয় কুমার দত্ত এবং এর প্রতিষ্ঠাতা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। এই ধরনের সাময়িকী ও পত্রিকার প্রকাশকাল বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a রত্না + কার
b রত্ন + আকর
c রত্ন + কর
d রত্না + আকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রত্ন + আকর ১. কেন সঠিক: - রত্নাকর শব্দটি স্বরসন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে। এখানে প্রথম শব্দের শেষের অ এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুর আ মিলে দীর্ঘ আ হয়েছে। - আকর শব্দের অর্থ হলো খনি বা আধার। রত্ন এবং আকর মিলে রত্নাকর শব্দের অর্থ দাঁড়ায় রত্নের খনি বা সমুদ্র। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অ বা আ কারের পর অ বা আ কার থাকলে উভয় মিলে দীর্ঘ আ কার হয় এবং তা আগের ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। - রত্ন শব্দের ন এর সঙ্গে অ এবং আকর শব্দের শুরুতে আ যুক্ত হয়ে রত্নাকর গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয়। ব্যাখ্যা: এখানেও অ এবং আ মিলে আ হয়েছে। উদাহরণ ২: নদী + ইন্দ্র = ন্দীন্দ্র। ব্যাখ্যা: এটি ই কারের সন্ধির উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রত্না + কার — রত্না বলে কোনো শব্দ বাংলায় নেই এবং কার দ্বারা কোনো অর্থ প্রকাশ পায় না। B) রত্ন + আকর — এটি সঠিক উত্তর। C) রত্ন + কর — কর শব্দের অর্থ হাত বা কর আদায়, যা খনি অর্থে ব্যবহার হয় না। D) রত্না + আকার — রত্না শব্দের কোনো অর্থ নেই এবং আকার ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - খনি বোঝাতে আকর শব্দ ব্যবহার হয়। রত্নের খনি হলো রত্নাকর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় এই ধরনের সন্ধি প্রায়ই আসে। দীর্ঘ স্বরের নিয়মগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a দৌলত কাজী
b আলাওল
c মাগন ঠাকুর
d সাবিরিদ খান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আলাওল ১. কেন সঠিক: 'তোহফা' মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত নীতিমূলক ও ধর্মাশ্রয়ী কাব্য। মহাকবি আলাওল রোমান্টিক ধারার অন্যতম প্রধান কবি হলেও 'তোহফা' কাব্যটি তিনি ফারসি ভাষার ধর্মীয় ও নৈতিক উপদেশের অনুসরণে রচনা করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাকবি আলাওল সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজসভার সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি। তার বিখ্যাত কাব্য 'পদ্মাবত', 'সপ্তপয়কর', 'সিকান্দরনামা' এবং 'তোহফা' মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'পদ্মাবত' কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি আলাওলের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি এবং মালিক মুহম্মদ জায়সির পদুমাবত কাব্যের বঙ্গানুবাদ। উদাহরণ ২: 'সপ্তপয়কর' কাব্য। ব্যাখ্যা: এটিও আলাওলের একটি বিখ্যাত অনুবাদ কাব্য যা ফারসি সাহিত্য থেকে অনূদিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৌলত কাজী — দৌলত কাজী 'সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী' কাব্যের রচয়িতা, 'তোহফা' কাব্যের নন। B) আলাওল — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে। C) মাগন ঠাকুর — মাগন ঠাকুর আরাকান রাজসভার মন্ত্রী ও পৃষ্ঠপোষক ছিলেন, তিনি 'চন্দ্রাবতী' কাব্য রচনা করেন। D) সাবিরিদ খান — সাবিরিদ খান মধ্যযুগের একজন কবি যিনি 'হানিফা ও মদিনার লড়াই' কাব্য রচনা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: তোহফা মানে উপহার, আর মহাকবি আলাওল আমাদের বাংলা সাহিত্যে অনেক সুন্দর উপহার বা কাব্য দিয়েছেন। আলাওলের নীতিমূলক উপহার কাব্যটি হলো 'তোহফা'। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের কবি আলাওল প্রধানত আরাকান রাজসভার অমাত্য মাগন ঠাকুরের অনুরোধে কাব্য রচনা শুরু করেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে 'তোহফা' কার রচনা বা কোন ভাষার অনুসরণে রচিত।
a পুঁথি সাহিত্য
b নাথ সাহিত্য
c বৈষ্ণব পদ সাহিত্য
d কবিগান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কবিগান ১. কেন সঠিক: - এন্টনি ফিরিঙ্গি বাংলা কবিগানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও বিখ্যাত রচয়িতা এবং গায়ক। - অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে এবং উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে বাংলায় কবিগানের যে সোনালী যুগ ছিল, তিনি তার অন্যতম প্রধান প্রতিনিধি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এন্টনি ফিরিঙ্গি ছিলেন পর্তুগাল বংশোদ্ভূত একজন বাঙালি কবিওয়াল যিনি বাংলায় কবিগান রচনা ও পরিবেশন করতেন। - কবিগান হলো দুই দলের গায়কদের মধ্যে ছন্দে ছন্দে প্রতিযোগিতামূলক ও তাৎক্ষণিক গান পরিবেশনের একটি ঐতিহ্যবাহী লোকায়ত ধারা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোবরার লড়াই ব্যাখ্যা: এটি সে Cকালের কবিগানের একটি ঐতিহাসিক ধারা যেখানে দুই কবিওয়াল প্রতিযোগিতায় অংশ নিতেন। উদাহরণ ২: ভোলা ময়রা ও হরু ঠাকুর ব্যাখ্যা: এরাও এন্টনি ফিরিঙ্গির সমসাময়িক বিখ্যাত কবিগান রচয়িতা ও গায়ক ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুঁথি সাহিত্য — পুঁথি সাহিত্য মধ্যযুগের ইসলামি ও লোককাহিনিভিত্তিক কাব্যের ধারা, যা কবিগানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) নাথ সাহিত্য — নাথ সাহিত্য বৌদ্ধ সহজিয়া ও নাথ ধর্মের যোগসাধনাভিত্তিক সাহিত্য, যা কবিগানের অন্তর্ভুক্ত নয়। C) বৈষ্ণব পদ সাহিত্য — বৈষ্ণব পদ সাহিত্য শ্রীকৃষ্ণ ও রাধার প্রেমলীলা এবং ভক্তিভাবের পদাবলির ধারা, যা কবিগানের থেকে আলাদা। D) কবিগান — এই অপশনটি সঠিক কারণ এন্টনি ফিরিঙ্গি মূলত কবিগান ও লড়াই গানের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: এন্টনি ফিরিঙ্গি ছিলেন ভিন্ন জাতির কিন্তু বাংলা কবিগানের এক অবিসংবাদিত নাম। ফিরিঙ্গি মানে বিদেশি হলেও তিনি বাংলায় কবিগান গেয়ে অমর হয়ে আছেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিগান ও কবিওয়ালদের নাম প্রায়ই আসে। ভোলা ময়রা, রাম বসু এবং এন্টনি ফিরিঙ্গির নাম কবিগানের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।
a নিষ্ঠা
b সততা
c সংযম
d সদাচার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সদাচার ১. কেন সঠিক: শিষ্টাচার শব্দের অর্থ হলো ভালো আচরণ, ভদ্রতা বা শিষ্ট বা ভালো আচরণ। সদাচার শব্দের অর্থও ভালো আচরণ বা সৎ চরিত্র, যা শিষ্টাচারের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ হলো সেই শব্দগুলো যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের প্রচলিত ও প্রমিত অর্থ বিবেচনা করে সবচেয়ে উপযুক্ত সমার্থক শব্দটি নির্বাচন করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৌজন্য ব্যাখ্যা: এটি শিষ্টাচারের আরেকটি ভালো সমার্থক শব্দ যা মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার বোঝায়। উদাহরণ ২: বিনয় ব্যাখ্যা: এটিও শিষ্টাচারের সাথে সম্পর্কিত একটি শব্দ যা নম্রতা প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিষ্ঠা — এর অর্থ গভীর একাগ্রতা বা অনুরাগ, যা সরাসরি আচরণের সমার্থক নয়। B) সততা — এর অর্থ সাধুতা বা অসততার বিপরীত গুণ, যা মূলত নৈতিকতার সাথে জড়িত। C) সংযম — এর অর্থ প্রবৃত্তি বা ইন্দ্রিয়ের নিগ্রহ বা নিয়ন্ত্রণ, যা আচরণের সমার্থক নয়। D) সদাচার — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ ভালো আচরণ বা শিষ্টাচার। ৫. মনে রাখার টিপস: শিষ্ট মানে ভালো, আর আচরণ মানে ব্যবহার। তাই শিষ্টাচারের সমার্থক হিসেবে ভালো বা সৎ আচরণের সমার্থক শব্দ সদাচার নির্বাচন করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সমার্থক শব্দ নির্বাচনে প্রমিত বাংলা অভিধানের অর্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। কাছাকাছি অর্থের শব্দ থাকলেও সবচেয়ে নিখুঁত প্রতিশব্দটিই উত্তর হিসেবে বেছে নিতে হয়।
a পলাশীর যুদ্ধ
b ছিয়াত্তরের মন্বন্তর
c পানিপথের ৩য় যুদ্ধ
d সিপাহীবিদ্রোহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পানিপথের ৩য় যুদ্ধ ১. কেন সঠিক: মহাকবি কায়কোবাদ রচিত মহাশ্মশান একটি ঐতিহাসিক মহাকাব্যের পটভূমি হলো ১৭৬১ সালে সংঘটিত পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ। এই যুদ্ধে মারাঠা ও আফগান শাসক আহমদ শাহ আবদালীর বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ হয় এবং তার ভয়াবহ পরিণতির চিত্র এই কাব্যে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কায়কোবাদ ছদ্মনাম না হলেও তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত মুসলিম মহাকবি যার মূল নাম কাজেম আল কোরেশী। মহাশ্মশান কাব্যটি ১৯০৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম বৃহৎ আকারের ঐতিহাসিক মহাকাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাশ্মশান মহাকাব্য ব্যাখ্যা: পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের ভয়াবহ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে রচিত মহাকাব্য। উদাহরণ ২: অমিয়দূত কাব্য ব্যাখ্যা: এটিও কবি কায়কোবাদ রচিত একটি অন্যতম জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পলাশীর যুদ্ধ — এই ঐতিহাসিক পটভূমিতে নবীন সেন পলাশী যুদ্ধ কাব্য রচনা করেছেন যা কায়কোবাদের মহাশ্মশান নয়। B) ছিয়াত্তরের মন্বন্তর — এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ব্যাংকিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আনন্দমঠ উপন্যাস রচনা করেছিলেন। D) সিপাহীবিদ্রোহ — এই ঐতিহাসিক ঘটনার পটভূমিতে বাংলা সাহিত্যে সরাসরি কোনো মহাকাব্য রচিত হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: কায়কোবাদের মহাশ্মশান কাব্যে পানিপথের যুদ্ধের কথা বলা হয়েছে। পানিপথ শব্দটির সাথে মহাশ্মশান শব্দটি মিলিয়ে সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক পটভূমিভিত্তিক সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মহাশ্মশান কাব্যের রচয়িতা এবং এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
b দীনেশচন্দ্র সেন
c দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
d চন্দ্রকুমার দে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চন্দ্রকুমার দে ১. কেন সঠিক: - ময়মনসিংহ গীতিকা ও পূর্ববঙ্গ গীতিকা সংকলনে মাঠপর্যায়ে ঘুরে গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের মুখ থেকে গান ও গাথা সংগ্রহ করেছিলেন চন্দ্রকুমার দে। - ড দীনেশচন্দ্র সেন সংকলনগুলোর সম্পাদক ও প্রকাশক হলেও মাঠের আসল সংগ্রাহক ছিলেন চন্দ্রকুমার দে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চন্দ্রকুমার দে ময়মনসিংহ অঞ্চলের নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রামীণ লোকসাহিত্য সংগ্রহ করতেন। - সংগৃহীত এই লোকগাথাগুলো পরবর্তীতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ড দীনেশচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় পূর্ববঙ্গ গীতিকা ও ময়মনসিংহ গীতিকা নামে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহুয়ার পালা ব্যাখ্যা: চন্দ্রকুমার দে সংগৃহীত বিখ্যাত একটি লোকগাথা হলো মহুয়ার পালা। উদাহরণ ২: মলুয়ার পালা ব্যাখ্যা: এটিও চন্দ্রকুমার দে সংগৃহীত অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি লোকগাথা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — তিনি চর্যাপদের আবিষ্কারক এবং প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের গবেষক, লোকগাথা সংগ্রাহক নন। B) দীনেশচন্দ্র সেন — তিনি পূর্ববঙ্গ গীতিকার সম্পাদক ও সংকলক, কিন্তু মাঠপর্যায়ে গিয়ে সরাসরি সংগ্রহকারী নন। C) দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার — তিনি ঠাকুরমার ঝুলি ও লোকরূপকথা সংকলনের জন্য বিখ্যাত, পূর্ববঙ্গ গীতিকার সংগ্রাহক নন। D) চন্দ্রকুমার দে — তিনি ময়মনসিংহ ও পূর্ববঙ্গ গীতিকার মূল সংগ্রাহক হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - সংগ্রহ করেছেন চন্দ্রকুমার আর প্রকাশ বা সম্পাদনা করেছেন দীনেশচন্দ্র সেন। - নামের প্রথম অক্ষর মনে রাখতে পারো চন্দ্রকুমার সংগ্রহের চ এবং সংকলনের স। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ময়মনসিংহ গীতিকার সংগ্রাহক কে, যার উত্তর হবে চন্দ্রকুমার দে। - একই সঙ্গে সম্পাদক কে জিজ্ঞেস করলে উত্তর হবে ড দীনেশচন্দ্র সেন।

মোট প্রশ্ন (23)

a is
b had
c been
d were
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) were কেন সঠিক: - বাক্যে as if বা as though থাকলে এবং তার আগের অংশ present tense হলে পরের অংশে past indefinite tense বসে। - verb হিসেবে to be verb ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবজেক্ট singular হওয়া সত্ত্বেও নিয়ম অনুযায়ী সবসময় were বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — বাক্যের প্রথমাংশ present tense হলেও as if এর পরে present tense বসে না, তাই এটি ভুল। B) had — নিয়ম অনুযায়ী এখানে past indefinite tense বসবে, কিন্তু had বসালে past perfect tense হয়ে যায় যা অসামঞ্জস্যপূর্ণ। সি) been — auxiliary verb ছাড়া একা been বসতে পারে না এবং এটি এখানে কাঠামোর সাথে মেলে না। ডি) were — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি past indefinite tense নির্দেশ করে এবং singular subject এর পরেও were বসে। মনে রাখার টিপস: as if যুক্ত বাক্যে অমূলক বা কাল্পনিক কিছু বোঝালে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন, সবসময় be verb হিসেবে were বসবে।
a Foggy
b Unfair
c Cut a bad figure
d The last part
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The last part কেন সঠিক: - 'Fag end' একটি ইংরেজি ইডিওম, যার আক্ষরিক অর্থ কোনো বস্তুর শেষ অবশিষ্টাংশ বা শেষ অংশ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত কোনো কিছুর সমাপ্তি বা শেষ পর্যায় বোঝাতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Foggy — এই শব্দের অর্থ কুয়াশাচ্ছন্ন, যা প্রদত্ত ইডিওমের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) Unfair — এর অর্থ অন্যায় বা অসদুপায়, যা ফ্রেজটির মূল অর্থের বিপরীত। সি) Cut a bad figure — এটি একটি আলাদা ইডিওম যার অর্থ লজ্জিত হওয়া বা খারাপ করা। D) The last part — এটি 'Fag end' এর সমার্থক এবং সঠিক অর্থ নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: সিগারেটের শেষ অংশ বা ফক শেষ বোঝাতে 'Fag end' অর্থাৎ শেষ অংশ মনে রাখতে পারো।
a By whom am I called?
b By whom I am called?
c By whom am I being called?
d Whom am I called by?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) By whom am I being called? কেন সঠিক: - বাক্যের শুরুতে Who থাকলে প্যাসিভ করার সময় প্রথমে By whom বসে এবং Present Continuous Tense-এর ক্ষেত্রে am being, is being বা are being ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত বাক্যের Subject 'me' প্যাসিভ করার সময় Nominative রূপ 'I' হয়ে যায় এবং I-এর পরে am being বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom am I called? — এটি Present Indefinite Tense-এর প্যাসিভ রূপ, কিন্তু মূল বাক্যটি Present Continuous Tense-এ ছিল। B) By whom I am called? — এটি ভুল কারণ Interrogative Sentence-এ Auxiliary Verb Subject-এর আগে বসার নিয়ম এখানে মানা হয়নি। C) By whom am I being called? — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল অপশনের বর্ণনায় এটি প্রযোজ্য নয়। D) Whom am I called by? — আধুনিক ইংরেজিতে এটি গ্রহণযোগ্য হলেও স্ট্যান্ডার্ড নিয়মে 'By whom' দিয়ে শুরু করা অধিকতর সঠিক এবং এটিও টেন্সের নিয়মে ভুল। মনে রাখার টিপস: Who যুক্ত Active Voice-কে Passive করার সময় প্রথমে By whom এবং Continuous Tense-এর জন্য being যোগ করতে হয়।
a Adults
b Children
c Women
d Old people
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Children কেন সঠিক: - 'Pediatric' একটি চিকিৎসা বিজ্ঞান সংক্রান্ত পরিভাষা, যা শিশু রোগ ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত চিকিৎসাবিজ্ঞানের শাখাকে নির্দেশ করে। - গ্রিক শব্দ 'pais' (শিশু) এবং 'iatros' (চিকিৎসক) থেকে এই শব্দটি এসেছে, যার মূল লক্ষ্য শিশুদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adults — প্রাপ্তবয়স্কদের চিকিৎসা সংক্রান্ত চিকিৎসাবিজ্ঞানের শাখাকে 'Adult medicine' বা সাধারণ চিকিৎসা বলা হয়, 'Pediatric' নয়। B) Children — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দটি শিশুদের চিকিৎসা সংক্রান্ত বিশেষায়িত শাখাকে নির্দেশ করে। C) Women — নারীদের স্বাস্থ্য ও রোগ সংক্রান্ত চিকিৎসাবিজ্ঞানের শাখাকে 'Gynecology' বলা হয়, যা 'Pediatric' নয়। D) Old people — প্রবীণ বা বৃদ্ধদের চিকিৎসাসংক্রান্ত চিকিৎসাবিজ্ঞানের শাখাকে 'Geriatrics' বলা হয়, যা 'Pediatric' থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দ 'Pediatric' এর শুরুতেই 'Paed' বা 'Ped' আছে, যার অর্থ শিশু। তাই এটি সবসময় শিশুদের চিকিৎসাবিজ্ঞানের সঙ্গে সম্পর্কিত।
a 11-19 years
b 80-89 years
c 40-50 years
d 60-80 years
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 80-89 years কেন সঠিক: - Octogenarian শব্দটি এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যার বয়স আশির কোঠায় অর্থাৎ আশি থেকে উননব্বই বছরের মধ্যে। - ল্যাটিন শব্দ অক্টোগো থেকে এটি এসেছে যার অর্থ আশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 11-19 years — এই বয়সের ব্যক্তিদের টিনএজার বা কিশোর বলা হয়। B) 80-89 years — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর যা আশি থেকে উননব্বই বছরের বয়সসীমা নির্দেশ করে। C) 40-50 years — চল্লিশ থেকে উনপঞ্চাশ বছর বয়সিদের বলা হয় কোয়াড্রাজিনরিয়ান। D) 60-80 years — ষাট থেকে উনসত্তর বছর বয়সের ব্যক্তিদের সেক্সাজিনরিয়ান বলা হয়। মনে রাখার টিপস: Octo মানে আট, তাই আশির কোঠার বয়স বোঝাতে Octogenarian শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
a at
b with
c in
d for
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) in কেন সঠিক: - কোনো অপরাধমূলক কাজ, ষড়যন্ত্র বা বিষয়ে জড়িত থাকা বোঝাতে 'be concerned in' প্রিপজিশনাল ফ্রেজটি ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত বাক্যে আটজন ব্যক্তি একটি ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত ছিল বোঝানো হয়েছে, তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে in। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — কোনো বিষয় দেখে বিস্মিত হওয়া বা দুঃখ প্রকাশ করা বোঝাতে 'concerned at' ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) with — কোনো বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থাকা বা কোনো ব্যক্তির সাথে উদ্বিগ্ন হওয়া বোঝাতে 'concerned with' ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ষড়যন্ত্রের ক্ষেত্রে এটি বসে না। D) for — কারও জন্য উদ্বিগ্ন বা চিন্তিত থাকা বোঝাতে 'concerned for' ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: ষড়যন্ত্র বা অপরাধমূলক কোনো কাজের সাথে জড়িত থাকা বোঝালে সবসময় 'concerned in' ব্যবহার করবে।
a Morphology
b Etymology
c Syntax
d Semantics
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Syntax কেন সঠিক: - Syntax হলো ইংরেজি ব্যাকরণের সেই শাখা যা বাক্যে শব্দের সঠিক বিন্যাস ও গঠন নিয়ে আলোচনা করে। - এটি নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে শব্দগুলোকে সাজিয়ে অর্থপূর্ণ বাক্য তৈরি করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Morphology — এটি ব্যাকরণের এমন একটি শাখা যা শব্দের অভ্যন্তরীণ গঠন এবং রূপ নিয়ে আলোচনা করে। B) Etymology — এটি শব্দের উৎস, উৎপত্তি এবং ইতিহাস সম্পর্কিত আলোচনা করে। D) Semantics — এটি ভাষার শব্দ ও বাক্যের অর্থ বা তাৎপর্য নিয়ে গবেষণা করে। মনে রাখার টিপস: শব্দের গঠন হলো Morphology এবং বাক্যের গঠন হলো Syntax।
a Bind
b Require
c Bother
d Censure
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Bother কেন সঠিক: - 'Oblige' শব্দের অর্থ হলো কাউকে বাধ্য করা, কৃতজ্ঞ করা বা কারো উপকার করা। - এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে 'Bother' ব্যবহৃত হয় যার অর্থ বিরক্ত করা বা কষ্ট দেওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bind — এটি 'Oblige'-এর সমার্থক শব্দ হিসেবে কাজ করে কারণ এর অর্থও বাঁধা বা বাধ্য করা। B) Require — এটি 'Oblige'-এর কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে যার অর্থ প্রয়োজন হওয়া বা দাবি করা। C) Bother — এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ কারণ এর অর্থ বিরক্ত করা। D) Censure — এর অর্থ তীব্র নিন্দা করা, যা এই শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে উপযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: Oblige মানে উপকার করে বাধ্য করা, আর Bother মানে বিরক্ত বা বিব্রত করা।
a To dilute
b Wait impatiently
c Waste of time
d Repeat
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Waste of time কেন সঠিক: - 'Dilly-dally' একটি ইংরেজি ইডিয়ম যার অর্থ সময় নষ্ট করা বা কোনো সিদ্ধান্ত নিতে অযথা দেরি করা। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'Waste of time' বাক্যটির ভাবার্থ সবচেয়ে সঠিকভাবে প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To dilute — এর অর্থ লঘু করা বা পাতলা করা, যা এই ইডিয়মের অর্থের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) Wait impatiently — এর অর্থ অধৈর্য হয়ে অপেক্ষা করা, যা 'dilly-dally' শব্দের অর্থের বিপরীত। C) Waste of time — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) Repeat — এর অর্থ পুনরাবৃত্তি করা, যা এই ইডিয়মের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: 'Dilly-dally' শব্দটিতে সময় নষ্ট করার ভাব প্রকাশ পায়, তাই এটি 'Waste of time' এর সমার্থক।
a Gerund
b Apposition
c Preposition
d Conjunction
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Preposition কেন সঠিক: - 'regarding' শব্দটি noun phrase 'any problem'-এর পূর্বে বসে noun বা pronoun-এর সঙ্গে বাক্যের অন্য শব্দের সম্পর্ক স্থাপন করেছে। - preposition-এর সাধারণ কাজ হলো noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে তার সম্পর্ক নির্দেশ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gerund — gerund হলো verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়ে noun-এর কাজ করে, কিন্তু এখানে regarding কোনো কাজের নাম বোঝাচ্ছে না। B) Apposition — apposition হলো পাশাপাশি দুটি noun বা noun phrase বসে একই ব্যক্তিকে বা বস্তুকে নির্দেশ করা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Preposition — প্রদত্ত উত্তর সঠিক, কারণ এটি এখানে সম্পর্কে বোঝাতে preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। D) Conjunction — conjunction দুটি শব্দ বা বাক্যাংশকে যুক্ত করে, কিন্তু regarding এখানে কোনো সংযোজক হিসেবে কাজ করছে না। মনে রাখার টিপস: regarding, concerning, regarding বা about শব্দের অর্থ যখন কোনো কিছু সম্পর্কে বোঝায় এবং তারপরে noun থাকে, তখন তা সাধারণত preposition হয়।
a William Faulkner
b Grahame Greene
c Toni Morrison
d T.S. Eliots
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Grahame Greene কেন সঠিক: - গ্রাহাম গ্রিন তাঁর জনপ্রিয় উপন্যাস ও রাজনৈতিক থ্রিলারের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত হলেও সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেননি। - তিনি নোবেল পুরস্কারের জন্য বেশ কয়েকবার মনোনীত হলেও শেষ পর্যন্ত তা পাননি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Faulkner — উইলিয়াম ফকনার আমেরিকান কথাসাহিত্যিক এবং তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছিলেন। B) Grahame Greene — গ্রাহাম গ্রিন সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পাননি, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) Toni Morrison — টনি মরিসন একজন প্রভাবশালী আমেরিকান ঔপন্যাসিক যিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। D) T.S. Eliots — টি এস এলিয়ট বিখ্যাত কবি ও প্রাবন্ধিক যিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: গ্রাহাম গ্রিন (Grahame Greene) হলেন সেই বিখ্যাত লেখক যিনি বারবার নোবেল পুরস্কারের মনোনয়ন পেলেও তা জয় করতে পারেননি।
a Vague idea
b Inoffensive expression
c A sonnet
d Wise saying
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Inoffensive expression কেন সঠিক: - ইউফেমিজম (Euphemism) অর্থ মৃদু বা শালীন ভাষা, যা কোনো অপ্রিয়, কঠোর বা আপত্তিকর বিষয়কে ভদ্র ও গ্রহণযোগ্যভাবে প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। - উদাহরণস্বরূপ, মারা যাওয়ার পরিবর্তে 'passed away' বলা একটি ইউফেমিজম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vague idea — এর অর্থ অস্পষ্ট ধারণা, যা ইউফেমিজমের নির্দিষ্ট বা শালীন অর্থ প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) Inoffensive expression — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ এমন অভিব্যক্তি যা কাউকে আঘাত করে না বা অভদ্র শোনায় না। C) A sonnet — এটি চৌদ্দ চরণের একটি নির্দিষ্ট কবিতার রূপ, যা শব্দের শালীন প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়। D) Wise saying — এর অর্থ প্রবচন বা জ্ঞানী উক্তি, যা নীতিবাক্য বোঝায় কিন্তু অপ্রিয় সত্যের মৃদু প্রকাশ নয়। মনে রাখার টিপস: ইউফেমিজম মানে ভালো কথা বা ভদ্র ভাষায় কোনো কঠিন সত্য বলা।
a Thrown
b Fallen
c Put
d Cast
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Cast কেন সঠিক: - 'Cast off' একটি উপযুক্ত ফ্রেড ভার্ব যার অর্থ ত্যাগ করা বা ঝরিয়ে ফেলা। - গাছ সাধারণত শীতকালে বা শুষ্ক মৌসুমে তাদের পাতা ঝরিয়ে ফেলে, তাই এখানে 'cast' শব্দটি যথাযথ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Thrown — 'Throw off' অর্থ কোনো কিছু দূরে নিক্ষেপ করা, যা গাছের পাতা ঝরার ক্ষেত্রে মানানসই নয়। B) Fallen — 'Fall' নিজেই একটি ভার্ব যার পাস্ট পার্টিসিপল 'fallen', এর সঙ্গে অতিরিক্ত 'off' ব্যবহার করলে ব্যাকরণগত ত্রুটি হয়। চন্দ্রগুপ্ত সি) Put — 'Put off' অর্থ স্থগিত করা, যা গাছের পাতা ঝরে পড়ার প্রসঙ্গের সঙ্গে সম্পূর্ণ অমিল। D) Cast — এটি সঠিক অপশন এবং ফ্রেড ভার্ব 'cast off' হিসেবে পাতার ক্ষেত্রে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: গাছ পাতা ফেলে দিলে মনে রাখবে 'Cast off', কারণ পাতা ঝরানো অর্থে এই ফ্রেড ভার্বটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
a Shakespeare
b Wordsworth
c Keats
d Eliot
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Keats কেন সঠিক: - উক্তিটি বিখ্যাত ইংরেজ রোমান্টিক কবি জন কিটসের 'Ode on a Grecian Urn' কবিতার শেষ দুটি চরণের অংশ। - এই অমর পংক্তির মাধ্যমে কবি সৌন্দর্য ও সত্যের চিরন্তন অভিন্নতা এবং শিল্পের অমরত্ব প্রকাশ করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shakespeare — তিনি রেনেসাঁ যুগের বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি হলেও এই অমর দার্শনিক উক্তিটি তাঁর কোনো নাটক বা কবিতার নয়। B) Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের প্রকৃতিবাদী কবি হলেও এই বিখ্যাত নান্দনিক পংক্তিটি তাঁর রচনার অন্তর্ভুক্ত নয়। C) Keats — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক বিধায় এখানে এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। D) Eliot — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুগের কবি ও সমালোচক, তাই এই ধ্রুপদী রোমান্টিক উক্তির সাথে তাঁর লেখার মিল নেই। মনে রাখার টিপস: গ্রিক ইউআরএন বা কলসি নিয়ে বিখ্যাত কবিতা লিখেছিলেন জন কিটস, যেখানে তিনি সত্য ও সৌন্দর্যের কথা বলেছেন।
a as high as
b so high as
c as high to
d as high for
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) as high as কেন সঠিক: - তুলনামূলক বা চরম পরিমাণ বোঝাতে as...as স্ট্রাকচার ব্যবহার করা হয়। - এখানে দামের উচ্চসীমা বা পরিমাণ বোঝাতে as high as সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as high as — এটি সঠিক কারণ এটি তুলনা ও পরিমাণের সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। B) so high as — সাধারণত নেতিবাচক বাক্যে so...as বসে, যা এই affirmative বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। C) as high to — ইংরেজী ব্যাকরণে high এর পর preposition হিসেবে to বসে না। D) as high for — এই বাক্যের অর্থে for preposition ব্যবহার grammatically সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: পরিমাণ বা দামের ক্ষেত্রে চরম সীমা বোঝাতে as high as ব্যবহার করবে।
a The French people
b The French language
c The French manners
d The French society
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The French language কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে ভাষার নামের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল 'the' বসলে তা সেই দেশের ভাষাকে নির্দেশ করে। - এখানে 'French' শব্দের পূর্বে 'The' থাকার কারণে এটি নির্দিষ্ট করে ফ্রেঞ্চ বা ফরাসি ভাষাকে বোঝাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The French people — ভাষার নামের পূর্বে 'the' বসালে জাতি বোঝায় না, বরং নির্দিষ্ট ভাষাকে বোঝায়। B) The French language — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'the' যুক্ত হওয়ায় এটি ফ্রেঞ্চ ভাষাকে নির্দেশ করেছে। C) The French manners — এটি ফরাসিদের আচার-আচরণ বোঝায়, যার সঙ্গে ব্যাকরণের এই নিয়ম সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) The French society — এটি ফরাসি সমাজকে বোঝায়, যা ভাষার নামের নির্দিষ্ট নিয়ম থেকে আলাদা। মনে রাখার টিপস: ভাষার নামের আগে the বসালে ভাষা হয়, আর জাতির নামের আগে the বসালে সেই দেশের জনগণ বোঝায়।
a An adverb clause
b An adjective
c None clause
d Adverb clause of reason
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) An adverb clause কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে so that অংশটি প্রধান ক্লজ বা কাজের উদ্দেশ্য প্রকাশ করছে। - উদ্দেশ্য বোঝাতে so that দ্বারা গঠিত সাবর্ডিনেট ক্লজটি সবসময় Adverb Clause হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) An adverb clause — এটি সঠিক উত্তর কারণ so that যুক্ত ক্লজটি এখানে Adverb Clause of Purpose প্রকাশ করেছে। B) An adjective — এটি ভুল কারণ এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনকে মডিফাই করছে না। C) None clause — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক কোনো পদের নাম নয়। D) Adverb clause of reason — এটি ভুল কারণ so that এখানে কারণ নয়, বরং উদ্দেশ্য বা Purpose বোঝাচ্ছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে so that বা in order that দেখলে বুঝবে এটি কাজের উদ্দেশ্য বোঝাচ্ছে এবং এটি সবসময় Adverb Clause of Purpose হবে।
a am
b were
c was
d shall be
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) were কেন সঠিক: - এটি একটি অবাস্তব ইচ্ছা বা কাল্পনিক শর্ত নির্দেশক সাবজাংক্টিভ মুড-এর বাক্য। - সাবজাংক্টিভ মুডের ক্ষেত্রে সাবজেক্ট সিঙ্গুলার হলেও বি ভার্বের পরিবর্তে সর্বদা were বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) am — এটি প্রেজেন্ট টেন্সের ক্ষেত্রে প্রথম পুরুষের সাথে বসে, যা কাল্পনিক শর্তে প্রযোজ্য নয়। B) were — এটি সঠিক উত্তর, কারণ কাল্পনিক বা অসম্ভব ইচ্ছার ক্ষেত্রে সব সাবজেক্টের পর were বসে। সি) was — কথ্য বাংলায় বা সাধারণ পাস্ট টেন্সে ব্যবহৃত হলেও ব্যাকরণগতভাবে সাবজাংক্টিভ মুডে এটি ভুল। D) shall be — এটি ফিউচার ইনডিফিনিট টেন্সের রূপ, যা বর্তমান বা অতীতের কাল্পনিক ইচ্ছার সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: অবাস্তব ইচ্ছা বা কল্পনা বোঝাতে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন, বি ভার্ব হিসেবে সবসময় were ব্যবহার করবে।
a A period of being care free
b Hot weather
c A period misfortune
d When dog roam the streets
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ (ইংরেজি ইডিয়ম ও ফ্রেজ) সঠিক উত্তর: B) Hot weather কেন সঠিক: - 'Dog days' একটি ইংরেজি ইডিয়ম, যার আক্ষরিক অর্থ কুকুরের দিন হলেও এটি মূলত বছরের সবচেয়ে গরম আবহাওয়াকে বোঝায়। - প্রাচীন জ্যোতির্বিজ্ঞান অনুযায়ী, গ্রীষ্মকালে সিরিয়াস বা লুব্ধক তারা সূর্যের সঙ্গে আকাশে উদিত হওয়ার সময় আবহাওয়া সবচেয়ে বেশি উষ্ণ হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A period of being care free — এটি সঠিক নয় কারণ এই ইডিয়মটি দায়িত্বহীন বা উদ্বেগহীন কোনো সময়কে নির্দেশ করে না। B) Hot weather — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি বছরের সবচেয়ে উষ্ণ বা গরম দিনগুলোকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) A period misfortune — এটি সঠিক নয় কারণ এটি কোনো দুর্ভাগ্যের সময় বা খারাপ পরিস্থিতি বোঝায় না। D) When dog roam the streets — এটি সঠিক নয় কারণ এটি আক্ষরিক অর্থে রাস্তায় কুকুর ঘোরার দৃশ্য বোঝাতে ব্যবহার করা হয় না। মনে রাখার টিপস: গ্রীষ্মের অতিরিক্ত গরমে কুকুর যেমন হাঁপায়, তেমনি 'Dog days' বললেই বছরের সবচেয়ে গরম আবহাওয়া বুঝবে।
a Distribute
b Export
c Import
d Smuggle
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Smuggle কেন সঠিক: - 'Bootleg' শব্দটির অর্থ বেআইনিভাবে মদ বা অন্য কোনো দ্রব্য তৈরি, পরিবহন বা বিক্রি করা, যার সঙ্গে চোরাচালানের সরাসরি মিল রয়েছে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ইংরেজি অংশে সমার্থক শব্দ বা Vocabulary হিসেবে 'Bootleg' এর সঠিক উত্তর হিসেবে 'Smuggle' বা চোরাচালান করা গ্রহণযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Distribute — এর অর্থ বিতরণ করা, যা কোনো বস্তুর গোপন বা অবৈধ স্থানান্তর বোঝায় না। B) Export — এর অর্থ রপ্তানি করা, যা সাধারণত বৈধভাবে এক দেশ থেকে অন্য দেশে পণ্য পাঠানো বোঝায়। C) Import — এর অর্থ আমদানি করা, যা সরকারের নিয়ম মেনে বৈধভাবে বিদেশ থেকে পণ্য আনা বোঝায়। D) Smuggle — এর অর্থ চোরাচালান করা, যা বেআইনিভাবে সীমান্ত পার করে পণ্য আনা বা নেওয়ার সঙ্গে যুক্ত এবং bootleg এর সমার্থক। মনে রাখার টিপস: বুট বা জুতার ভেতরে করে গোপনে কিছু পাচার করা বা চোরাচালান করা বোঝাতে 'Bootleg' এবং 'Smuggle' শব্দ দুটি ব্যবহার করা হয়।
a Planned
b Improvise
c Impromptu
d Immediate
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Impromptu কেন সঠিক: - 'Extempore' শব্দের অর্থ হলো পূর্বপ্রস্তুতিহীন বা তাৎক্ষণিক কোনো বক্তৃতা বা কাজ। - 'Impromptu' শব্দটির অর্থও পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়া বা তাৎক্ষণিক, যা মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Planned — এর অর্থ পরিকল্পিত বা পূর্বনির্ধারিত, যা 'Extempore' শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Improvise — এর অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে কোনো কিছু তৈরি করা, এটি ভার্ব হলেও 'Extempore' একটি অ্যাডজেক্টিভ বা অ্যাডভার্ব। C) Impromptu — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ পূর্বপ্রস্তুতিহীন বা তাৎক্ষণিক। D) Immediate — এর অর্থ তাৎক্ষণিক বা দ্রুত, তবে এটি মূলত সময় নির্দেশ করে, কোনো কাজের প্রস্তুতিহীনতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: 'Extempore' এবং 'Impromptu' দুটি শব্দই কোনো প্রস্তুতি ছাড়া হঠাৎ করে কিছু করা বা বলা বোঝাতে সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a Achieves
b Submit
c Win
d Conquer
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Submit কেন সঠিক: - 'Succumb' একটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা অর্থ হলো আত্মসমর্পণ করা বা কাছে হার মানা। - 'Submit' শব্দের অর্থও আত্মসমর্পণ করা বা বশ্যতা স্বীকার করা, যা 'Succumb' শব্দের সমর্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Achieves — এর অর্থ অর্জন করা, যা 'Succumb' শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Submit — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ আত্মসমর্পণ করা। C) Win — এর অর্থ জয়লাভ করা, যা পরাজয় বা নমন বোঝানো 'Succumb' এর বিপরীত। D) Conquer — এর অর্থ জয় করা বা অধিকার করা, যা বশ্যতা শিকার করার বিপরীত। মনে রাখার টিপস: 'Succumb' মানে নিচে (Sub) পড়ে যাওয়া বা হেরে যাওয়া, যা 'Submit' এর সাথে মিলে যায়।
a To concentrate
b To suspect
c To read carefully
d To grasp the hidden meaning
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) To grasp the hidden meaning কেন সঠিক: - এই প্রবচন বা ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ লাইনের মাঝখানে পড়া হলেও রূপক অর্থে এর অর্থ হলো লেখার ভেতরের গোপন বা অন্তর্নিহিত অর্থ বুঝে নেওয়া। - কোনো লেখার গভীরের বার্তা বা লেখকের মনের আসল উদ্দেশ্য বুঝতে এই বাক্যাংশটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To concentrate — এর অর্থ মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করা, যা কোনো গোপন অর্থ উদ্ধারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) To suspect — এর অর্থ সন্দেহ করা, যা সরাসরি কোনো লেখা পড়ার অন্তর্নিহিত অর্থের সঙ্গে মিলে না। C) To read carefully — এর অর্থ মনোযোগ দিয়ে পড়া; এটি আক্ষরিক পঠন বোঝায়, গোপন বা প্রচ্ছন্ন অর্থ বোঝা নয়। D) To grasp the hidden meaning — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং লাইনের মাঝখানে পড়ার রূপক অর্থকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: লাইনের মাঝে তো কিছু লেখা থাকে না, তাই সেখানে লুকিয়ে থাকা বা অদৃশ্য অর্থ খুঁজে বের করাই হলো এই ইডিয়মের মূল কথা।

মোট প্রশ্ন (13)

a 4
b 12
c 6
d 9
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৭ : ৫ সংখ্যা দুইটির লসাগু ১৪০ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৭ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৫ক অতএব, সংখ্যা দুইটির গসাগু = ক সংখ্যা দুইটির লসাগু = ৭ × ৫ × ক = ৩৫ক সুতরাং, ৩৫ক = ১৪০ ক = ১৪০ ÷ ৩৫ = ৪ উত্তর: ৪
a √48
b √24
c 1
d √20
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) √২৪ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x² + px + ৬ = ০ মূল দুটি সমান এবং p > ০ ধরি, দ্বিঘাত সমীকরণের মূলদ্বয় সমান হওয়ার শর্ত হলো পৃথায়ক বা ডিস্ক্রিমিন্যান্ট শূন্য হবে অর্থাৎ b² − ৪ac = ০ অতএব, এখানে a = ১, b = p এবং c = ৬ সুতরাং p² − (৪ × ১ × ৬) = ০ সুতরাং, p² − ২৪ = ০ ফলে p² = ২৪ উত্তর: p = √২৪
a 1 : 2
b 5 : 2
c 2 : 1
d 4 : 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ : ১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য এবং দ্বিতীয় বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা সমান। বর্গক্ষেত্রের কর্ণের অনুপাত নির্ণয় করতে হবে। ধরি, দ্বিতীয় বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক দ্বিতীয় বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × ক অতএব, প্রথম বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ৪ × ক প্রথম বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = √২ × (৪ × ক) সুতরাং, দ্বিতীয় বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = √২ × ক কর্ণের অনুপাত = (√২ × ৪ × ক) : (√২ × ক) উত্তর: ৪ : ১
a ৩০°
b ৬০°
c ৯০°
d ১২০°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০° প্রদত্ত তথ্য: কোণের মান তার সম্পূরক কোণের অর্ধেকের সমান ধরি, কোণটির মান = ক ডিগ্রি সম্পূরক কোণটির মান = ১৮০ ডিগ্রি − ক ডিগ্রি অতএব, শর্তানুযায়ী, ক = (১৮০ ডিগ্রি − ক ডিগ্রি) ÷ ২ বা, ২ × ক = ১৮০ ডিগ্রি − ক ডিগ্রি বা, ২ × ক + ক = ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, ৩ × ক = ১৮০ ডিগ্রি ক = ১৮০ ডিগ্রি ÷ ৩ উত্তর: ৬০°
a 40
b 50
c 60
d 70
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫০ প্রদত্ত তথ্য: x + y = ৮ x − y = ৬ ধরি, প্রথম সমীকরণ = x + y = ৮ দ্বিতীয় সমীকরণ = x − y = ৬ নির্ণেয় রাশি = x² + y² অতএব, বীজগণিতের সূত্র অনুসারে, x² + y² = ( (x + y)² + (x − y)² ) ÷ ২ সুতরাং, x² + y² = ( ৮² + ৬² ) ÷ ২ x² + y² = ( ৬৪ + ৩৬ ) ÷ ২ উত্তর: ১০০ ÷ ২ = ৫০
a 20
b 24
c 28
d 30
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো ১০০৮ ধরি, সংখ্যাটিকে মৌলিক উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে অতএব, ১০০৮ কে ২ দ্বারা ভাগ করে পাই ৫০৪, ২৫৪, ১২৬, ৬৩ সুতরাং, ১০০৮ = ২ এর পাওয়ার ৪ × ৩ এর পাওয়ার ২ × ৭ এর পাওয়ার ১ অতএব, ভাজক সংখ্যা নির্ণয়ের জন্য প্রতিটি মৌলিক উৎপাদকের পাওয়ারের সাথে ১ যোগ করে গুণ করতে হবে সুতরাং, ভাজক সংখ্যা = (৪ + ১) × (২ + ১) × (১ + ১) উত্তর: ৫ × ৩ × ২ = ৩০
a 17
b 18
c 19
d 21
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯ প্রদত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো ৫, ৭, ১০, ১৪, শূন্যস্থান, ২৫ ধরি, সংখ্যাগুলোর মধ্যকার ক্রমিক পার্থক্য বের করতে হবে অতএব, প্রথম ও দ্বিতীয় সংখ্যার পার্থক্য = ৭ − ৫ = ২ দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যার পার্থক্য = ১০ − ৭ = ৩ তৃতীয় ও চতুর্থ সংখ্যার পার্থক্য = ১৪ − ১০ = ৪ সুতরাং, চতুর্থ ও পঞ্চম সংখ্যার পার্থক্য হবে = ৪ + ১ = ৫ শূন্যস্থানের সংখ্যাটি হবে = ১৪ + ৫ = ১৯ উত্তর: ১৯
a লাভ ২৫%
b ক্ষতি ২৫%
c লাভ ১০%
d ক্ষতি ৫০%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্ষতি ৫০% প্রদত্ত তথ্য: ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্যের দ্বিগুণ ধরি, বিক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ক্রয়মূল্য = ২০০ টাকা অতএব, এখানে ক্রয়মূল্য বেশি হওয়ায় ক্ষতি হয়েছে ক্ষতির পরিমাণ = ২০০ টাকা − ১০০ টাকা = ১০০ টাকা সুতরাং, শতকরা ক্ষতি = (১০০ ÷ ২০০) × ১০০% = ৫০% উত্তর: ক্ষতি ৫০%
a ৮% বৃদ্ধি
b ৮% হ্রাস
c ১০৮% বৃদ্ধি
d ১০৮% হ্রাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮% বৃদ্ধি প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য কুড়ি শতাংশ বৃদ্ধি করা হলো আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ দশ শতাংশ হ্রাস করা হলো ধরি, আয়তক্ষেত্রের প্রাথমিক দৈর্ঘ্য = ১০০ একক আয়তক্ষেত্রের প্রাথমিক প্রস্থ = ১০০ একক অতএব, প্রাথমিক ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক নতুন দৈর্ঘ্য = ১০০ + ২০ = ১২০ একক নতুন প্রস্থ = ১০০ − ১০ = ৯০ একক সুতরাং, নতুন ক্ষেত্রফল = ১২০ × ৯০ = ১০৮০০ বর্গ একক ক্ষেত্রফলের বৃদ্ধি = ১০৮০০ − ১০০০০ = ৮০০ বর্গ একক উত্তর: ক্ষেত্রফলের শতকরা পরিবর্তন = ৮% বৃদ্ধি
a 12
b 24
c 21
d 15
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২১ প্রদত্ত তথ্য: ক এর কাজের ক্ষমতা খ এর দ্বিগুণ তারা দুজন একত্রে কাজটি করে চৌদ্দ দিনে ধরি, খ একা কাজটি করতে পারে = ক খ এর দ্বিগুণ সময় অর্থাৎ দুই ক দিনে ক এর একদিনের কাজ = এক ভাগ ক অংশ অতএব, খ এর একদিনের কাজ = এক ভাগ দুই ক অংশ একত্রে একদিনের কাজ = এক ভাগ ক + এক ভাগ দুই ক অংশ একত্রে একদিনের কাজ যোগ করলে হয় তিন ভাগ দুই ক অংশ সুতরাং, শর্তমতে, তিন ভাগ দুই ক অংশ কাজ করে এক দিনে সম্পূর্ণ কাজটি করতে সময় লাগে চৌদ্দ গুণ তিন ভাগ দুই দিন উত্তর: একান্ন ভাগ দুই সমান একুশ দিন
a 30
b 20
c 18
d 10
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: সুষম বহুভুজের প্রত্যেকটি অন্তঃকোণ = ১৬৮° ধরি, বহুভুজের বাহুসংখ্যা = ক বহুভুজের প্রতিটি বহিঃকোণ = ১৮০° − ১৬৮° = ১২° অতএব, আমরা জানি, সুষম বহুভুজের বহিঃকোণগুলির সমষ্টি = ৩৬০° বাহুসংখ্যা ক = ৩৬০° ÷ ১২° সুতরাং, ক = ৩০ উত্তর: ৩০
a 48
b 58
c 58
d 60
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫৮ প্রদত্ত তথ্য: ৩ দ্বারা ভাগ করলে অবশিষ্ট থাকে ১ ৪ দ্বারা ভাগ করলে অবশিষ্ট থাকে ২ ৫ দ্বারা ভাগ করলে অবশিষ্ট থাকে ৩ ৬ দ্বারা ভাগ করলে অবশিষ্ট থাকে ৪ ধরি, ভাজক এবং অবশিষ্টের পার্থক্য = ৩ − ১ = ২ ভাজক এবং অবশিষ্টের পার্থক্য = ৪ − ২ = ২ ভাজক এবং অবশিষ্টের পার্থক্য = ৫ − ৩ = ২ ভাজক এবং অবশিষ্টের পার্থক্য = ৬ − ৪ = ২ অতএব, ৩, ৪, ৫ ও ৬ এর লসাগু = ৬০ নির্ণেয় সংখ্যাটি হবে লসাগু থেকে পার্থক্য ২ কম সুতরাং, সংখ্যাটি = ৬০ − ২ = ৫৮ উত্তর: ৫৮
a 3√2
b 18√3
c 12√3
d 8
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮√৩ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, x = √৩ + √২ ধরি, ব্যস্ত অনুপাত নির্ণয় করতে হবে এখানে 1 ভাগ x এর মান বের করতে হবে অতএব, 1 ভাগ x = ১ ভাগ (√৩ + √২) হরের বিপরীত রাশি দ্বারা লব ও হরকে গুণ করে পাই সুতরাং, 1 ভাগ x = √৩ − √২ এখন x এবং 1 ভাগ x এর যোগফল নির্ণয় করি উত্তর: x + 1 ভাগ x = ২√৩ মান নির্ণয়ের সূত্রে বসিয়ে পাই, ১৮√৩

মোট প্রশ্ন (28)

a James Webb Space Telescope
b NROL-87
c DART
d Noor-2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) DART কেন সঠিক: - ডিএআরটি (DART) বা ডাবল অ্যাস্টেরয়েড রিডাইরেকশন টেস্ট হলো নাসার একটি গ্রহাণু প্রতিরক্ষা মিশন। - এটি ২০২২ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর সফলভাবে ডিিমরফস নামক একটি গ্রহাণুকে ধাক্কা দিয়ে তার গতিপথ পরিবর্তন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) James Webb Space Telescope — এটি একটি মহাশূন্য দূরবীক্ষণ যন্ত্র বা টেলিস্কোপ, যা মহাকাশের গভীরের ছবি তোলার কাজে ব্যবহৃত হয়। B) NROL-87 — এটি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল রিকন্যাসান্স অফিসের একটি গোপনীয় সামরিক গোয়েন্দা স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহ। C) DART — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Noor-2 — এটি ইরানের মহাকাশে পাঠানো একটি সামরিক গোয়েন্দা স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহ। মনে রাখার টিপস: নাসার গ্রহাণু ধাক্কা দেওয়ার সফল মিশনের নাম ডিএআরটি (DART), যার পূর্ণরূপ হলো ডাবল অ্যাস্টেরয়েড রিডাইরেকশন টেস্ট।
a ২৬.৫° সে.
b ৩৫° সে.
c 37.5
d ৪০.৫° সে.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৬.৫° সে. কেন সঠিক: - ট্রপিক্যাল সাইক্লোন বা ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য সাগর পৃষ্ঠের পানির তাপমাত্রা কমপক্ষে ২৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হওয়া আবশ্যক। - এই তাপমাত্রার কারণে সমুদ্রের পানি দ্রুত বাষ্পীভূত হয়ে ওপরে ওঠে এবং ঘূর্ণিবায়ু সৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬.৫° সে. — এটি ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় সর্বনিম্ন সাগর পৃষ্ঠের তাপমাত্রা, যা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। B) ৩৫° সে. — এই তাপমাত্রা অনেক বেশি এবং এটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির ন্যূনতম তাপমাত্রা নয়, বরং নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার কাছাকাছি। C) 37.5 — এই তাপমাত্রাটি ভুল এবং এটি সাইক্লোন সৃষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় আদর্শ বা ন্যূনতম তাপমাত্রা নির্দেশ করে না। D) ৪০.৫° সে. — এত উচ্চ তাপমাত্রা সাধারণত স্বাভাবিক সমুদ্রপৃষ্ঠে থাকে না এবং এটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির কোনো আদর্শ মান নয়। মনে রাখার টিপস: সাইক্লোন তৈরির জন্য আড়াই কুড়ি বা ২৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার প্রয়োজন হয়, এই সংখ্যাটি মনে রাখলেই উত্তর মেলানো সহজ হবে।
a প্যারিসে
b জুরিখে
c দাভোসে
d বার্ণে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দাভোসে কেন সঠিক: - সুইজারল্যান্ডের দাভোস শহরে প্রতি বছর ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। - এই সম্মেলনে বিশ্বের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নেতারা বৈশ্বিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিসে — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর সদর দপ্তর, তবে এখানে ডাব্লিউইএফ-এর বার্ষিক অধিবেশন হয় না। B) জুরিখে — এটি সুইজারল্যান্ডের বৃহত্তম শহর ও আর্থিক কেন্দ্র হলেও এখানে এই অধিবেশন বসে না। C) দাভোসে — এটি সঠিক উত্তর। D) বার্ণে — এটি সুইজারল্যান্ডের রাজধানী হলেও এটি ডাব্লিউইএফ-এর বার্ষিক অধিবেশনের স্থান নয়। মনে রাখার টিপস: ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বৈঠক মানেই সুইজারল্যান্ডের পাহাড়ি শহর দাভোস।
a পর্তুগিজরা
b ইংরেজরা
c ওলন্দাজরা
d ফরাসিরা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পর্তুগিজরা কেন সঠিক: - ১৫০৮ সালে ভাস্কো দা গামার পথ ধরে পর্তুগিজরা ভারতীয় উপমহাদেশে আসেন এবং পরবর্তীতে বাংলায় বাণিজ্য ও বসতি স্থাপন করেন। - ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে তারাই প্রথম সামুদ্রিক পথে বাংলায় আগমন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগিজরা — এটি সঠিক উত্তর। B) ইংরেজরা — ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠনের মাধ্যমে তারা পর্তুগিজদের অনেক পরে বাংলায় এসেছিল। C) ওলন্দাজরা — তারা ষোড়শ শতাব্দীর শেষভাগে বা সপ্তদশ শতকের শুরুতে বাণিজ্য করতে বাংলায় আসে। D) ফরাসিরা — ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হওয়ার পর তারা সপ্তদশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলায় আসে। মনে রাখার টিপস: ইউরোপীয়দের মধ্যে বাংলায় আসার ক্রম মনে রাখার কৌশল হলো প-ও-ই-ফ, অর্থাৎ পর্তুগিজ, ওলন্দাজ, ইংরেজ ও ফরাসি।
a যুক্তরাষ্ট্র
b ভারত
c চীন
d যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চীন কেন সঠিক: - প্রাচীন চীনে সরকারি চাকুরিতে মেধা যাচাইয়ের জন্য লিখিত পরীক্ষা পদ্ধতির সূচনা হয়েছিল। - সু ও সং রাজবংশের আমলে এই সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা পদ্ধতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র আধুনিক সিভিল সার্ভিস ব্যবস্থার প্রবর্তক নয়, তারা ১৮৮৩ সালের পেন্ডলটন অ্যাক্টের মাধ্যমে মেধাভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করে। B) ভারত — ভারতে ব্রিটিশ আমলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রচলন হলেও আধুনিক মেধাভিত্তিক পদ্ধতির উন্মেষ সেখানে ঘটেনি। চীন — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্যে ১৮৫৫ সালের পর নর্থকোর্ট ট্রেভলিয়ান রিপোর্টের ভিত্তিতে মেধাভিত্তিক সিভিল সার্ভিস চালু হয়, যা চীনের পরে। মনে রাখার টিপস: সিভিল সার্ভিসের মেধাভিত্তিক পরীক্ষার আদি উৎস হলো প্রাচ্যের দেশ চীন।
a ব্রিটিশ আমলে
b সুলতানি আমলে
c নবাবি আমলে
d মোগল আমলে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মোগল আমলে কেন সঠিক: - ১৬১০ সালে সুবেদার ইসলাম খান ঢাকা মোগল সুবাদারদের রাজধানী ঘোষণা করেন এবং এর নাম দেন জাহাঙ্গীরনগর। - এর মাধ্যমেই মূলত সুসংগঠিত প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার মাধ্যমে ঢাকা শহরের গোড়াপত্তন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রিটিশ আমলে — ব্রিটিশ আমলে ঢাকা বাংলার রাজধানী না থাকলেও পরবর্তীতে জেলা ও বিভাগীয় শহর হিসেবে এর আধুনিক বিকাশ ঘটেছিল। B) সুলতানি আমলে — সুলতানি আমলে প্রশাসনিক কেন্দ্র সোনারগাঁও ও পানাম নগরকেন্দ্রিক ছিল, ঢাকা তখন একটি সাধারণ জনপদ বা বাজার ছিল। C) নবাবি আমলে — মোগল সুবেদার বা নবাব মুর্শিদ কুলি খাঁ রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তরের ফলে ঢাকার গোড়াপত্তনের সময় এটি ছিল পরবর্তী পর্যায়। D) মোগল আমলে — মোগল আমলে ১৬১০ সালে সুবেদার ইসলাম খান ঢাকা রাজধানী করার মাধ্যমে এর গোড়াপত্তন করেন। মনে রাখার টিপস: ঢাকা শহরের গোড়াপত্তন মোগল আমলে ১৬১০ সালে করেছিলেন সুবেদার ইসলাম খান।
a তুর্কমেনিস্তান
b তাজিকিস্তান
c উজবেকিস্তান
d কাজাখস্থান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাজাখস্তান কেন সঠিক: - কাজাখস্তান মধ্য এশিয়ার একটি দেশ হলেও এর সাথে আফগানিস্তানের কোনো ভৌগোলিক সীমান্ত নেই। - আফগানিস্তানের সাথে মধ্য এশিয়ার কেবল তিনটি দেশের সীমান্ত রয়েছে, যার মধ্যে কাজাখস্তান অন্তর্ভুক্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুর্কমেনিস্তান — এই দেশটির সাথে আফগানিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সরাসরি সীমান্ত রয়েছে। B) তাজিকিস্তান — এই দেশটির সাথে আফগানিস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সরাসরি সীমান্ত রয়েছে। C) উজবেকিস্তান — এই দেশটির সাথে আফগানিস্তানের উত্তরের ক্ষুদ্র একটি অংশজুড়ে সীমান্ত রয়েছে। D) কাজাখস্তান — ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এটি মধ্য এশিয়ার উত্তরাংশে অবস্থিত এবং আফগানিস্তান থেকে বেশ দূরে। মনে রাখার টিপস: আফগানিস্তানের সাথে মধ্য এশিয়ার ৩টি দেশের সীমান্ত আছে (তুর্কমেনিস্তান, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান), কাজাখস্তান এদের বাইরে।
a রাশিয়া
b ডেনমার্ক
c সুইডেন
d ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাশিয়া কেন সঠিক: - ফিনল্যান্ড দীর্ঘকাল সুইডেনের অধীন থাকার পর ১৮০৯ সালে রাশিয়ার সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয় এবং একটি স্বায়ত্তশাসিত গ্র্যান্ড ডাচি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। - প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় রাশিয়ায় বলশেভিক বিপ্লবের সুযোগ নিয়ে ফিনল্যান্ড ১৯১৭ সালের ৬ ডিসেম্বর রাশিয়া থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফিনল্যান্ড রাশিয়ার অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ছিল। B) ডেনমার্ক — ডেনমার্কের উপনিবেশ ফিনল্যান্ড ছিল না, ডেনমার্ক মূলত নরওয়ে ও আইসল্যান্ড শাসন করত। C) সুইডেন — ফিনল্যান্ড দীর্ঘকাল সুইডেনের শাসনাধীন ছিল, কিন্তু এটি শেষ উপনিবেশ হিসেবে রাশিয়ার অধীনে ছিল এবং প্রশ্নটি শেষ স্বাধীনতাপ্রাপ্তির আগের অবস্থাকে নির্দেশ করে। D) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ড বা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের কোনো ঔপনিবেশিক শাসন ফিনল্যান্ডের ওপর ছিল না। মনে রাখার টিপস: ফিনল্যান্ডের শেষ প্রভু ছিল রাশিয়া, যেখান থেকে তারা মুক্তি পায় ১৯১৭ সালে।
a জাতীয় সংসদ
b শাসন বিভাগ
c সুপ্রিম কোর্ট
d আইন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুপ্রিম কোর্ট কেন সঠিক: - গণপ্রজাত বাংলাদেশের সংবিধান দেশের সর্বোচ্চ আইন এবং এর ব্যাখ্যা ও সুরক্ষার দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত। - সুপ্রিম কোর্ট সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং যেকোনো আইন সংবিধানসম্মত কি না তা যাচাই করার একচ্ছত্র এখতিয়ার রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতীয় সংসদ — এটি দেশের আইন প্রণয়নকারী সর্বোচ্চ অঙ্গ, সংবিধানের রক্ষক নয়। B) শাসন বিভাগ — এটি আইন প্রয়োগ ও দেশ পরিচালনা করে, সংবিধানের ব্যাখ্যা বা সুরক্ষা প্রদান করে না। C) সুপ্রিম কোর্ট — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সংবিধানের চূড়ান্ত রক্ষক ও ব্যাখ্যাকারী। D) আইন মন্ত্রণালয় — এটি সরকারের একটি প্রশাসনিক বিভাগ যা আইন প্রণয়নে সহায়তা করে, সংবিধানের রক্ষক নয়। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের অভিভাবক বা রক্ষক হলো বিচার বিভাগ, যার শীর্ষে রয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
a ৩টি
b ৪টি
c ৬টি
d ৫টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩টি কেন সঠিক: - ছয় দফার অর্থনৈতিক দাবিগুলোর মধ্যে ছিল মুদ্রা বা অর্থসংস্থান সংক্রান্ত দফা, রাজস্ব বা কর আদায় সংক্রান্ত দফা এবং বৈদেশিক বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষা সংক্রান্ত দফা। - এই তিনটি দফা পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণ ও স্বায়ত্তশাসন অর্জনের লক্ষ্যে প্রণীত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩টি — এই অপশনটি সঠিক কারণ ছয় দফার দ্বিতীয়, তৃতীয় এবং চতুর্থ দফা সরাসরি অর্থনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল। B) ৪টি — এই অপশনটি ভুল কারণ ছয় দফায় অর্থনীতি বিষয়ক দফা চার্চটি ছিল না, বরং নির্দিষ্টভাবে তিনটি দফা অর্থনীতি নিয়ে গঠিত ছিল। C) ৬টি — এই অপশনটি ভুল কারণ ছয় দফা সম্পূর্ণ প্রস্তাবে মোট ছয়টি দফা ছিল, যার মধ্যে মাত্র তিনটি অর্থনীতি এবং বাকিগুলো শাসনতান্ত্রিক ও সামরিক বিষয়াদি সম্পর্কিত ছিল। D) ৫টি — এই অপশনটি ভুল কারণ ছয় দফায় অর্থনীতি বিষয়ক দফার সংখ্যা কখনোই পাঁচ্চটি ছিল না। মনে রাখার টিপস: ছয় দফার অর্থনীতি বিষয়ক দফা মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন অর্ধেক, অর্থাৎ ছয়টির মধ্যে অর্ধেক বা তিনটি দফা ছিল অর্থনীতি সম্পর্কিত।
a কানাডায়
b জেনেভায়
c কাতারে
d মালয়েশিয়ায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কানাডায় প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও পরিবেশ কেন সঠিক: - জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্য বিষয়ক সম্মেলন সিওপি পনেরো বা COP - ১৫ ২০২২ সালের ডিসেম্বরে কানাডার মন্ট্রিলে অনুষ্ঠিত হয়। - এই সম্মেলনে কুয়েমিনো মন্ট্রিলে বৈশ্বিক জীববৈচিত্র্য ফ্রেমওয়ার্ক গৃহীত হয়, যার লক্ষ্য দুই হাজার ত্রিশ সালের মধ্যে পৃথিবীর ত্রিশ শতাংশ এলাকা সংরক্ষণ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানাডায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ সম্মেলনটি কানাডার মন্ট্রিলে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। B) জেনেভায় — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান কার্যালয় অবস্থিত হলেও এই সম্মেলনের আয়োজক ছিল না। C) কাতারে — এটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ এবং ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২২ আয়োজন করলেও এই পরিবেশ সম্মেলনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) মালয়েশিয়ায় — এটি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ এবং জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হলেও এই নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক সম্মেলন এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কানাডার ঠান্ডায় পনেরো নম্বর সম্মেলন বসেছিল।
a Medicine
b Technology
c Law
d Politics
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Politics কেন সঠিক: - Plebiscite শব্দের বাংলা অর্থ গণভোট, যা কোনো দেশের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বা সার্বভৌমত্ব নির্ধারণে জনগণের সরাসরি মতামত গ্রহণের প্রক্রিয়া। - এটি সরাসরি রাষ্ট্র পরিচালনা, সরকারব্যবস্থা বা আন্তর্জাতিক সীমানা পরিবর্তনের মতো রাজনৈতিক বিষয়ের সঙ্গে জড়িত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Medicine — এটি চিকিৎসা বিজ্ঞান সংক্রান্ত বিষয়, যা Plebiscite শব্দের রাজনৈতিক অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না। B) Technology — এটি প্রযুক্তি ও প্রকৌশল বিষয়ক শব্দ, যা রাজনৈতিক জনমত গ্রহণের এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। সি) Law — আইন সম্পর্কিত হলেও Plebiscite মূলত একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও সাংবিধানিক মাধ্যম, যা সরাসরি রাজনীতির আওতাভুক্ত। D) Politics — এটি সঠিক উত্তর কারণ গণভোট একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে জনগণ নীতি বা শাসনপদ্ধতির পক্ষে বা বিপক্ষে রায় দেয়। মনে রাখার টিপস: Plebiscite শব্দটি দেখলে ভোট বা জনমত মনে রাখবে, আর জনমত বা গণভোট সবসময় রাজনীতির অংশ।
a জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী
b এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক
c বিশ্বব্যাংক
d জাতিসংঘ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিশ্বব্যাংক কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক ১৯৯২ সালে সুশাসনের ৪টি মূল স্তম্ভ ঘোষণা করে, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই চারটি স্তম্ভ হলো জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, আইনের শাসন এবং জনঅংশগ্রহণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী — এটি সুশাসনের পাঁচটি মূল বৈশিষ্ট্যের কথা বলে, তবে বিশ্বব্যাংকের ৪ স্তম্ভের প্রবক্তা নয়। B) এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক — এটি সুশাসনের ক্ষেত্রে ভিন্ন ধারণা বা সূচক ব্যবহার করে থাকে। C) বিশ্বব্যাংক — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনের সঙ্গেই সম্পর্কিত। D) জাতিসংঘ — এটি মূলত মানবাধিকার ও টেকসই উন্নয়নের ওপর বেশি জোর দেয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের ব্যাংক হলো টাকার হিসাবের জায়গা, তাই শাসন করতে গেলে ৪টি হিসাব (স্তম্ভ) লাগে।
a 12
b 13
c 14
d 15
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএস দেশের জাতীয় আয় ও জিডিপি গণনার জন্য অর্থনীতিকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ১৫টি প্রধান খাতে বিভক্ত করেছে। - এই ১৫টি খাতের মধ্যে কৃষি, শিল্প, সেবা এবং অন্যান্য উপখাত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমের হিসাব রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ — এই সংখ্যাটি বর্তমান জাতীয় আয় গণনার নিয়মের সাথে মিলে না এবং এটি কম সংখ্যক খাত নির্দেশ করে। B) ১৩ — অতীতে বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট উপখাত গণনার ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটি থাকতে পারে, কিন্তু বর্তমান জাতীয় আয় গণনার মূল খাত ১৫টি। C) ১৪ — এটি সঠিক কাঠামোর চেয়ে একটি কম সংখ্যা এবং জাতীয় আয় গণনার ১৫টি খাতের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) ১৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ অর্থনীতিকে মোট ১৫টি প্রধান খাতে ভাগ করে জাতীয় আয় হিসাব করে। মনে রাখার টিপস: জাতীয় আয় গণনার ক্ষেত্রে ১৫টি খাত মনে রাখতে ১৫ সংখ্যাটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক কাঠামো হিসেবে ধরে রাখতে পারো।
a 2
b 3
c 4
d 5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ কেন সঠিক: - মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে মোট ৩টি জেলা অবস্থিত। - জেলা তিনটি হলো বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও কক্সবাজার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ — সঠিক উত্তরের চেয়ে কম সংখ্যা হওয়ায় এটি ভুল। B) ৩ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের ঠিক ৩টি জেলার সীমান্ত রয়েছে। C) ৪ — সঠিক উত্তরের চেয়ে বেশি হওয়ায় এই অপশনটি ভুল। D) ৫ — ভুল সংখ্যা নির্দেশ করায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মায়ানমারের সীমানায় থাকা ৩টি জেলা মনে রাখতে বারাক (বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, কক্সবাজার) শব্দটি মনে রাখতে পারেন।
a জর্জ ওয়াশিংটন
b আব্রাহাম লিংকন
c উড্রো উইলসন
d ট্রুম্যান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আব্রাহাম লিংকন কেন সঠিক: - গেটিসবার্গ শহরের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ষোড়শ প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের নাম জড়িত। - আমেরিকান গৃহযুদ্ধের সময় ১৮৬৩ সালের নভেম্বর মাসে তিনি এই শহরে বিখ্যাত গেটিসবার্গ ভাষণ প্রদান করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জর্জ ওয়াশিংটন — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং দেশটির স্বাধীনতা যুদ্ধের সেনাপতি ছিলেন, গেটিসবার্গ ভাষণের সাথে তার সম্পর্ক নেই। B) আব্রাহাম লিংকন — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনেই রয়েছে এবং তার ঐতিহাসিক গেটিসবার্গ ভাষণের জন্যই শহরটি বিশ্বে পরিচিত। C) উড্রো উইলসন — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আটাশতম প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। D) ট্রুম্যান — হ্যারি এস ট্রুম্যান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তেত্রিশতম প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষভাগে তার দায়িত্বকাল ছিল। মনে রাখার টিপস: লিংকন ও গেটিসবার্গ দুটি নামই মার্কিন গৃহযুদ্ধের ইতিহাস পড়ার সময় একত্রে মনে রাখা যায়।
a জ্যানেট ইয়েলেন
b জিনা মাসা আমিনি
c দিনা বলুয়ার্তে
d লিন মার্লবা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দিনা বলুয়ার্তে কেন সঠিক: - দিনা বলুয়ার্তে ২০২২ সালে পেরুর প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতাগ্রহণ করেন। - তিনি দেশটির সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্যানেট ইয়েলেন — ইনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী অর্থমন্ত্রী, পেরুর প্রেসিডেন্ট নন। B) জিনা মাসা আমিনি — ইনি ইরানের কুর্দি তরুণী, যাঁর মৃত্যুর পর দেশটিতে আন্দোলন শুরু হয়। C) দিনা বলুয়ার্তে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) লিন মার্লবা — ইনি এই পদের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন। মনে রাখার টিপস: পেরুর প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হলেন দিনা বলুয়ার্তে, যাঁর নামের সাথে পে নামের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
a ঘানায়
b চেকোস্লোভাকিয়ায়
c যুগোস্লাভিয়ায়
d রাশিয়ায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চেকোস্লোভাকিয়ায় কেন সঠিক: - এটি ১৯৮৯ সালে চেকোস্লোভাকিয়ায় সংঘটিত একটি রক্তপাতহীন জনপ্রিয় আন্দোলন ছিল, যা কমিউনিস্ট শাসনের অবসান ঘটায়। - এই বিপ্লবের ফলে দেশটিতে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরিত হয় এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সূচনা ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘানায় — এটি আফ্রিকার একটি দেশ এবং এখানে এই নামে কোনো ঐতিহাসিক বিপ্লব সংঘটিত হয়নি। B) চেকোস্লোভাকিয়ায় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই দেশেই ভেলভেট বিপ্লব ঘটেছিল। C) যুগোস্লাভিয়ায় — এই রাষ্ট্রে বিভিন্ন জাতিগত সংঘাত ও গৃহযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, ভেলভেট বিপ্লব নয়। D) রাশিয়ায় — রাশিয়ায় সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল ১৯১৭ সালের বলশেভিক বিপ্লবের মাধ্যমে। মনে রাখার টিপস: চেকোস্লোভাকিয়ার ভেলভেট বিপ্লব ছিল রক্তহীন বা নরম, যার নাম থেকেই 'ভেলভেট' শব্দটি এসেছে।
a Conference of Paris
b Conference of the Parties
c Conference of the Power
d Conference of the Protocol
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Conference of the Parties কেন সঠিক: - জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন কাঠামোগত কনভেনশনের স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন বোঝাতে এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহৃত হয়। - এখানে পক্ষসমূহ বা সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সম্মেলন অর্থে Parties শব্দটি নির্দিষ্ট করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Conference of Paris — এটি প্যারিস চুক্তি বা সম্মেলন বোঝায়, যা COP-এর সার্বজনীন রূপ নয়। B) Conference of the Parties — এটি সঠিক উত্তর এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সম্মেলন বোঝায়। C) Conference of the Power — এটি কোনো দাপ্তরিক বা পরিবেশগত শব্দসংক্ষেপ নয়। D) Conference of the Protocol — এটি প্রটোকল সংক্রান্ত সম্মেলন বোঝায়, যা COP-এর পূর্ণরূপ নয়। মনে রাখার টিপস: COP মানে হলো সদস্য দেশগুলোর সম্মেলন, যেখানে Parties শব্দটির অর্থ হলো স্বাক্ষরকারী পক্ষ বা দেশসমূহ।
a লক্ষ্মীপুর
b মেহেরপুর
c ঝালকাঠি
d রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাঙ্গামাটি কেন সঠিক: - রাঙ্গামাটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা এবং ভৌগোলিকভাবে এটি একটি মাত্র সংসদীয় আসন বা নির্বাচনী এলাকা নিয়ে গঠিত। - জনসংখ্যার ঘনত্ব ও ভৌগোলিক আয়তনের বিন্যাসের ওপর ভিত্তি করে নির্বাচন কমিশন এই জেলাটিকে একক সংসদীয় আসন হিসেবে নির্ধারণ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লক্ষ্মীপুর — এই জেলাটিতে একাধিক সংসদীয় আসন রয়েছে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) মেহেরপুর — এই জেলাটিতে একাধিক সংসদীয় আসন রয়েছে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) ঝালকাঠি — এই জেলাটিতে একাধিক সংসদীয় আসন রয়েছে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। D) রাঙ্গামাটি — এই জেলাটি একটি মাত্র সংসদীয় আসন বিশিষ্ট হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি আয়তনে সবচেয়ে বড় হলেও পাহাড়ি ভৌগোলিক কারণে এর সংসদীয় আসন সংখ্যা মাত্র একটি।
a Weapon of Mass Destruction
b Worldwide Mass Destruction
c Weapons for Massive Destruction
d Weapons of Missile Defence
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Weapon of Mass Destruction কেন সঠিক: - WMD বলতে এমন অস্ত্রকে বোঝায় যা একসাথে বিপুল পরিমাণ মানুষের প্রাণহানি ঘটাতে এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে সক্ষম। - সামরিক পরিভাষায় পারমাণবিক, জৈবিক ও রাসায়নিক অস্ত্রকে সম্মিলিতভাবে এই নামে অভিহিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Weapon of Mass Destruction — এটি সামরিক পরিভাষায় ব্যাপক ধ্বংসাত্মক অস্ত্র বোঝাতে সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ শব্দগুচ্ছ। B) Worldwide Mass Destruction — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ বিশ্বব্যাপী ধ্বংস বোঝাতে এই পরিভাষা সামরিক ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় না। C) Weapons for Massive Destruction — শব্দবিন্যাসগত ভুলের কারণে সামরিক বা দাপ্তরিকভাবে এই রূপটি ব্যবহার করা হয় না। D) Weapons of Missile Defence — এটি মিসাইল বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বোঝায়, যা ব্যাপক ধ্বংসাত্মক অস্ত্রের সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: WMD এর পূর্ণরূপে 'Mass' শব্দের অর্থ বিশাল এবং 'Destruction' অর্থ ধ্বংস, যা দিয়ে একসাথে বহু প্রাণহানির অস্ত্রকে বোঝায়।
a বাংলাদেশ
b ভারত
c যুক্তরাষ্ট্র
d সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তি স্থাপন কমিশনের (PBC) ২০২২ সালের জন্য সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিল। - বিশ্বশান্তি রক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অসামান্য অবদান এবং পেশাদারিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ এই দায়িত্ব দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ ২০২২ সালে এই কমিশনের সভাপতিত্ব লাভ করেছিল। B) ভারত — ভারত এই নির্দিষ্ট সালের জন্য জাতিসংঘের শান্তি স্থাপন কমিশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়নি। C) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হলেও ২০২২ সালে এই কমিশনের সভাপতি হয়নি। D) সুইজারল্যান্ড — সুইজারল্যান্ড জাতিসংঘের শান্তি স্থাপন কমিশনের সদস্য হলেও ২০২২ সালের সভাপতির দায়িত্ব পায়নি। মনে রাখার টিপস: শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশের গৌরবময় ভূমিকা স্মরণ করলেই মনে রাখা যায় যে বাংলাদেশ ২০২২ সালে শান্তি স্থাপন কমিশনের সভাপতি হয়েছিল।
a সোভিয়েত ইউনিয়ন
b যুক্তরাজ্য
c যুক্তরাষ্ট্র
d ফ্রান্স
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সোভিয়েত ইউনিয়ন কেন সঠিক: - মুক্তিযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করেছিল। - তাদের এই কূটনৈতিক সহায়তার ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের যৌথ সামরিক চাপ প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোভিয়েত ইউনিয়ন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য সরাসরি ভেটো দেয়নি, তারা যুদ্ধবিরতির পক্ষে এবং নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের চেষ্টা করেছিল। সি) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল এবং পাকিস্তানের পক্ষে সপ্তম নৌবহর পাঠিয়েছিল। D) ফ্রান্স — ফ্রান্স বাংলাদেশের পক্ষে নৈতিক সমর্থন জানালেও নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো প্রয়োগ করেনি। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্র যখন পাকিস্তানের পক্ষে ছিল, তখন তার বিরোধিতা করতে একমাত্র সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেটো দিয়েছিল।
a ভিয়েতনাম
b ফিলিপাইন
c থাইল্যান্ড
d শ্রীলংকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শ্রীলংকা কেন সঠিক: - শ্রীলংকা দক্ষিণ এশিয়ার দেশ এবং এটি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সংস্থা আসিয়ান এর সদস্য নয়। - আসিয়ান এর সদস্য দেশগুলো দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিয়েতনাম — এটি আসিয়ান ভুক্ত দেশ এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত। B) ফিলিপাইন — এটি আসিয়ান ভুক্ত দেশ এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত। C) থাইল্যান্ড — এটি আসিয়ান ভুক্ত দেশ এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত। D) শ্রীলংকা — এটি আসিয়ান এর সদস্য নয় কারণ এটি দক্ষিণ এশিয়ার দেশ। মনে রাখার টিপস: আসিয়ান দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট, তাই দক্ষিণ এশিয়ার দেশ শ্রীলংকা এর সদস্য নয়।
a অশোক মৌর্য
b চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
c সমুদ্রগুপ্ত মৌর্য
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য কেন সঠিক: - খ্রিস্টপূর্ব ৩২১ অব্দে তিনি নন্দ বংশের পতন ঘটিয়ে ভারতের প্রথম ও বৃহত্তম মৌর্য সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। - তার এই সাম্রাজ্যের বিস্তার বর্তমান বাংলাদেশ তথা প্রাচীন বাংলার পুণ্ড্রবর্ধন অঞ্চল পর্যন্ত প্রসারিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অশোক মৌর্য — তিনি চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যর পৌত্র এবং মৌর্য বংশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন, প্রতিষ্ঠাতা নন। B) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) সমুদ্রগুপ্ত মৌর্য — তিনি গুপ্ত বংশের পরাক্রমশালী রাজা ছিলেন, কোনো মৌর্য সম্রাট বা প্রতিষ্ঠাতা নন। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর বি অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা মনে রাখতে চন্দ্র শব্দের প্রথম অক্ষর এবং মৌর্য বংশের প্রতিষ্ঠাতা শব্দটি একসাথে মনে রাখুন।
a বাবর
b হুমায়ুন
c আকবর
d জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হুমায়ুন কেন সঠিক: - মোগল সম্রাট হুমায়ুন ১৫৩৮ সালে গৌড় দখল করার পর এর নাম রাখেন জান্নাতাবাদ। - তৎকালীন সময়ে মোগল শাসকদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বিজিত অঞ্চলের নান্দনিক নামকরণের ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে এই নাম রাখা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাবর — তিনি মোগল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হলেও বাংলার নাম জান্নাতাবাদ রাখেননি। B) হুমায়ুন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। C) আকبر — তিনি বাংলার নাম সুবা বাংলা করেছিলেন, জান্নাতাবাদ রাখেননি। D) জাহাঙ্গীর — তার শাসনামলে সুবা বাংলার রাজধানী ছিল ঢাকামুখী, জান্নাতাবাদ নামকরণ তিনি করেননি। মনে রাখার টিপস: হুমায়ুনের নাম এবং জান্নাতাবাদ নামের প্রথম অক্ষর মনে রেখে সহজে মনে রাখা যায় যে হুমায়ুন বাংলার নাম জান্নাতাবাদ রেখেছিলেন।
a চীন
b ভিয়েতনাম
c রাশিয়া
d উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চীন কেন সঠিক: - ২০২০ সালের পর থেকে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে চীনা কূটনীতিকদের আগ্রাসী ও কড়া ভাষায় জবাব দেওয়ার নতুন কৌশলকে নেকড়েযোদ্ধা কূটনীতি বলা হয়। - চীনা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চরিত্র নেকড়েযোদ্ধা থেকে এই নামকরণ করা হয়েছে, যা দেশের স্বার্থ রক্ষায় যেকোনো সমালোচনার তৎক্ষণাৎ এবং কঠোর প্রতিবাদের প্রতীক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ চীনা কূটনীতিকরাই এই আক্রমণাত্মক কূটনৈতিক নীতিটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেছেন। B) ভিয়েতনাম — এই দেশের সাথে এই কূটনীতির কোনো সম্পর্ক নেই, তাদের কূটনীতি ভিন্ন ধারার। C) রাশিয়া — রাশিয়া ঐতিহ্যগতভাবে কঠোর কূটনীতি অনুসরণ করলেও এই নির্দিষ্ট কূটনৈতিক পদের সাথে তাদের নাম যুক্ত নয়। D) উত্তর কোরিয়া — উত্তর কোরিয়া কূটনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন এবং তাদের নিজস্ব নীতি রয়েছে, যা এই নামে পরিচিত নয়। মনে রাখার টিপস: নেকড়েযোদ্ধা শুনলেই মনে রাখবে আক্রমণাত্মক চীন, যারা কূটনীতিতে কোনো ছাড় দিতে নারাজ।
a কিলো-ক্লাস
b মিং-ক্লাস
c ডলফিন-ক্লাস
d হাং-ক্লাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মিং-ক্লাস কেন সঠিক: - বাংলাদেশ নৌবাহিনী চীন থেকে যে দুটি প্রচলিত ডিজেল-ইলেকট্রিক ডুবোজাহাজ সংগ্রহ করেছে, তা টাইপ ০৩৫ বা মিং-ক্লাস সাবমেরিন হিসেবে পরিচিত। - এই ডুবোজাহাজ দুটি যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ত্রিমাত্রিক শক্তি হিসেবে পূর্ণতা লাভ করে এবং সাবমেরিন যুগের সূচনা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিলো-ক্লাস — এটি রুশ প্রযুক্তির ডুবোজাহাজ শ্রেণী, যা বাংলাদেশ নৌবাহিনী চীন থেকে ক্রয় করেনি। B) মিং-ক্লাস — এটি চীন থেকে ক্রয়কৃত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ডুবোজাহাজ দুটির সঠিক শ্রেণী। C) ডলফিন-ক্লাস — এটি মূলত ইসরায়েলি নৌবাহিনীর ডুবোজাহাজ শ্রেণী, যার সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো সংযোগ নেই। D) হাং-ক্লাস — এটি কোনো প্রচলিত ডুবোজাহাজ শ্রেণী নয়, যা এই প্রশ্নের জন্য সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ নৌবাহিনী চীনের কাছ থেকে মিং-ক্লাস ডুবোজাহাজ দুটি সংগ্রহ করেছে, যেখানে মিং শব্দটি দিয়ে চীনের তৈরি সাবমেরিন শ্রেণীকে মনে রাখা যায়।

মোট প্রশ্ন (6)

a পরাচুম্বক
b ডায়াচুম্বক
c ফেরোচুম্বক
d এন্টিফেরোচুম্বক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডায়াচুম্বক ১. কেন সঠিক: পানির অণুতে কোনো অযুগ্ম ইলেকট্রন না থাকায় এটি চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা হালকাভাবে বিকর্ষিত হয়। চুম্বকের প্রতি এই দুর্বল বিকর্ষণের কারণে পানির অণু ডায়াচুম্বক পদার্থের অন্তর্ভুক্ত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: যেসব পদার্থ চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা ক্ষীণভাবে বিকর্ষিত হয় এবং চৌম্বক ক্ষেত্রের বিপরীত দিকে সামান্য চুম্বকীভুত হয়, তাদের ডায়াচুম্বক পদার্থ বলে। কার্যপ্রণালি: শক্তিশালী চুম্বকের কাছাকাছি আনলে ডায়াচুম্বক পদার্থের ইলেকট্রনগুলোর কক্ষপথ এমনভাবে পরিবর্তিত হয় যা মূল চৌম্বক ক্ষেত্রকে বাধা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পানি ব্যাখ্যা: মানবদেহের প্রায় সত্তর শতাংশ পানি হওয়ায় শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্রে জীবন্ত প্রাণী বা পানির ফোঁটা সামান্য ভাসমান থাকতে পারে। উদাহরণ ২: বিসমাথ ব্যাখ্যা: বিসমাথ একটি ডায়াচুম্বক ধাতু যা চুম্বক ক্ষেত্র থেকে দূরে সরে থাকতে পছন্দ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরাচুম্বক — পরাচুম্বক পদার্থ চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা মৃদুভাবে আকৃষ্ট হয়, কিন্তু পানি আকৃষ্ট হয় না বরং বিকর্ষিত হয়। B) ডায়াচুম্বক — এটি সঠিক কারণ পানি চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিকর্ষিত হয়। C) ফেরোচুম্বক — ফেরোচুম্বক পদার্থ যেমন লোহা বা নিকেল চুম্বক দ্বারা প্রবলভাবে আকৃষ্ট হয়, যা পানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) এন্টিফেরোচুম্বক — এটি এক বিশেষ ধরনের চৌম্বকত্ব যেখানে পরমাণুর ম্যাগনেটিক মুহূর্ত বিপরীতমুখী ও সমান হয়, যা পানির অণুর ক্ষেত্রে ঘটে না। ৫ মনে রাখার টিপস: পানির নিচে থাকা মানেই দূরে পালানো বা বিকর্ষিত হওয়া, তাই পানি হলো ডায়াচুম্বক। ডায়া শব্দটিকে দূরে থাকা বা বিকর্ষণের সঙ্গে মিলিয়ে সহজেই মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পানি, তামা এবং সোনা হলো বহুল ব্যবহৃত ডায়াচুম্বক পদার্থের উদাহরণ যা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। লৌহ, কোবাল্ট এবং নিকেল হলো ফেরোচুম্বক পদার্থের ক্লাসিক উদাহরণ।
a ই
b কে
c বি-কমপ্লেক্স
d এ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বি-কমপ্লেক্স ১. কেন সঠিক: চা পাতায় ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের বিভিন্ন উপাদান বিশেষ করে ভিটামিন বি১ বা থায়ামিন, ভিটামিন বি২ বা রিবোফ্লাভিন এবং ভিটামিন বি৩ বা নায়াসিন প্রচুর পরিমাণে থাকে। পানিতে দ্রবণীয় হওয়ার কারণে চা তৈরির সময় গরম পানিতে চা পাতার এই ভিটামিনগুলো সহজেই মিশে যায় এবং আমাদের শরীরে প্রবেশ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: চা পাতা ক্যামেলিয়া সিনেনেসিস নামক উদ্ভিদের পাতা থেকে সংগ্রহ করা হয় যা পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ। কার্যপ্রণালি: চা পাতা প্রক্রিয়াজাতকরণের পরও এর মধ্যে বিভিন্ন খনিজ লবণ এবং ভিটামিন বি কমপ্লেক্স অক্ষত থাকে। বাস্তব প্রয়োগ: প্রতিদিন সকালে বা কাজের ফাঁকে এক কাপ চা আমাদের শরীরে ক্লান্তি দূর করার পাশাপাশি ভিটামিন বি এর ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গরম পানিতে চা পাতা ফুটিয়ে লাল বা সবুজ চা তৈরি করা। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় চা পাতার ভেতর থাকা ভিটামিন বি কমপ্লেক্স পানিতে দ্রবীভূত হয়ে পানীয়ের মাধ্যমে আমাদের দেহে প্রবেশ করে। উদাহরণ ২: অতিরিক্ত আঁচে বা দীর্ঘ সময় চা পাতা ফোটানো। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত তাপে ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের কিছু অংশ নষ্ট হতে পারে, তাই সঠিক তাপমাত্রায় চা তৈরি করা উচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ই — ভিটামিন ই প্রধানত উদ্ভিদের তেল, বাদাম এবং বীজ জাতীয় খাবারে পাওয়া যায়, চা পাতায় এর উপস্থিতি প্রধান নয়। B) কে — ভিটামিন কে সবুজ শাকসবজি এবং মটরশুঁটিতে বেশি থাকে, যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। C) বি-কমপ্লেক্স — এটি চা পাতায় প্রচুর পরিমাণে থাকা ভিটামিন যা কোষের শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে। D) এ — ভিটামিন এ গাজর, মিষ্টি আলু এবং কলিজায় পাওয়া যায় যা দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে। ৫. মনে রাখার টিপস: চা পান করলে যেমন শরীর চাঙ্গা হয়, তেমনি মনে রাখবে চায়ে থাকে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স যা শরীরের শক্তি জোগাতে কাজ করে। বি-কমপ্লেক্স হলো এমন একগুচ্ছ ভিটামিন যা পানিতে দ্রবীভূত হয় এবং চা যেহেতু আমরা পান করি, তাই এটি খুব সহজেই শরীর শোষণ করে নেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চা পাতায় ক্যাফেইন এবং ট্যানিন নামক উপাদানও থাকে যা স্নায়ুতন্ত্রকে উদ্দীপিত করে। ভবিষ্যতের পরীক্ষার জন্য মনে রেখো, ভিটামিন সি এবং বি হলো পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন, যার মধ্যে চা পাতায় বি কমপ্লেক্স পাওয়া যায়।
a জন্ডিস
b নিউমোনিয়া
c চোখ ওঠা
d এইচআইভি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিউমোনিয়া ১. কেন সঠিক: - নিউমোনিয়া মূলত ব্যাকটেরিয়া (যেমন স্ট্রেপ্টোককাস নিউমোনিয়া) অথবা ছত্রাকের সংক্রমণের কারণে ফুসফুসে হওয়া একটি রোগ, যা কোনো ভাইরাসজনিত রোগ নয়। - রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের ভিন্নতার কারণে নিউমোনিয়ার চিকিৎসা সাধারণ সর্দি-কাশি বা অন্যান্য ভাইরাল সংক্রমণের চেয়ে আলাদা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অণুজীববিজ্ঞান ও মানবদেহ সংক্রান্ত এই অধ্যায়ে রোগ সৃষ্টিকারী প্যাথোজেন বা জীবাণুর প্রকারভেদ নিয়ে আলোচনা করা হয়। - কারণ ও ফলাফল: ব্যাকটেরিয়াজনিত নিউমোনিয়ার ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর হলেও ভাইরাসজনিত রোগে তা কাজ করে না। - বাস্তব প্রয়োগ: ফুসফুসের অ্যালভিওলাই বা বায়ুথলিতে পুঁজ ও তরল জমে নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে, যা শ্বাসপ্রশ্বাসকে বাধাগ্রস্ত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্ট্রেপ্টোককাস নিউমোনিয়া ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ। ব্যাখ্যা: এটি নিউমোনিয়া রোগের সবচেয়ে সাধারণ ব্যাকটেরিয়াভিত্তিক কারণ, যা ফুসফুসে প্রদাহ সৃষ্টি করে। উদাহরণ ২: সাধারণ সর্দি বা ইনফ্লুয়েঞ্জা। ব্যাখ্যা: এগুলো সম্পূর্ণভাবে ভাইরাসজনিত রোগ, যা নিউমোনিয়ার মতো ফুসফুসের গুরুতর সংক্রমণের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন্ডিস — এটি হেপাটাইটিস ভাইরাসের কারণে হতে পারে, তাই এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ। B) নিউমোনিয়া — এটি প্রধানত ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমিত হয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) চোখ ওঠা — বা কনজাঙ্কটিভাইটিস অনেক সময় অ্যাডেনোভাইরাসের মতো ভাইরাস দ্বারা ছড়ায়। D) এইচআইভি — হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি সুপরিচিত ও মারাত্মক ভাইরাসজনিত রোগ। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিউমোনিয়ার শুরু 'নিউ' শব্দ দিয়ে, যা ফুসফুসের ইনফেকশন হিসেবে ব্যাকটেরিয়াভিত্তিক বলে মনে রাখতে পারো। - জন্ডিস, চোখ ওঠা এবং এইচআইভি নামের রোগগুলো সাধারণত ভাইরাস আক্রমণের সাথে সরাসরি যুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন রোগ কোন জীবাণু (ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক বা প্রোটোজোয়া) দ্বারা হয়, তা জানতে চাওয়া হয়। - এই প্রশ্নটি থেকে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসবাহিত রোগের পার্থক্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করা যায়।
a ওয়্যারলেস মিডিয়া
b কো - এক্সিয়েল কেবল
c অপটিক্যাল ফাইবার
d তামার তার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অপটিক্যাল ফাইবার ১. কেন সঠিক: - অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পালস বা সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব দ্রুত তথ্য বা ডেটা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পাঠানো হয়। - আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন নীতি কাজে লাগিয়ে এই যোগাযোগ ব্যবস্থা পরিচালিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অপটিক্যাল ফাইবার হলো অত্যন্ত সরু ও নমনীয় কাচ বা প্লাস্টিক তন্তু, যা আলোর মাধ্যমে ডেটা পরিবহন করে। - কার্যপ্রণালি: ফাইবার অপটিক্সের ভেতরে আলোর রশ্মি এমনভাবে আপতিত হয় যে তা মাধ্যম পরিবর্তন না করে বারবার পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে সামনে এগিয়ে যায়। - বাস্তব প্রয়োগ: আধুনিক টেলিযোগাযোগ, উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা এবং সাবমেরিন ক্যাবল নেটওয়ার্কে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ। ব্যাখ্যা: ঘরে বসে যে দ্রুতগতির ইন্টারনেট আমরা ব্যবহার করি, তার পেছনে অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে আলোর গতিতে ডেটা স্থানান্তরের ভূমিকা রয়েছে। উদাহরণ ২: ল্যাপারোস্কোপি চিকিৎসা পদ্ধতি। ব্যাখ্যা: চিকিৎসাবিজ্ঞানে মানবদেহের ভেতরের অংশ দেখার জন্য অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করা হয়, যা আলোর পালস বা রশ্মিকে দেহের ভেতরে পাঠায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়্যারলেস মিডিয়া — এটি কোনো তার বা ফাইবার নয়, বরং রেডিও তরঙ্গ বা ওয়াইফাইয়ের মাধ্যমে শূন্যে ডেটা পাঠায়। B) কো - এক্সিয়েল কেবল — এটি তামার তৈরি একটি তার, যেখানে আলোর বদলে বৈদ্যুতিক সংকেত বা পালস ব্যবহৃত হয়। D) তামার তার — এটি বৈদ্যুতিক পরিবাহী, যার মধ্য দিয়ে আলোর পালস নয় বরং বিদ্যুৎ প্রবাহ বা ইলেকট্রন চলাচল করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - অপটিক্যাল মানেই আলো, তাই অপটিক্যাল ফাইবারের সঙ্গে আলোর পালস কথাটি মনে রাখবে। - কাচের তৈরি এই তারে বিদ্যুৎ নয়, আলোর গতিতে তথ্য আদান-প্রদান হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর কোন ঘটনা ঘটে, এই প্রশ্নটি বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - ফাইবার অপটিক্সের মূল নীতি হলো আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন এবং এর জনক নরিন্দর সিং কাপানি।
a পিলি
b ফ্ল্যাজেলা
c শীথ
d ক্যাপসুলস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্ল্যাজেলা ১. কেন সঠিক: ব্যাক্রিয়ার গমনাগমন বা স্থানান্তরের প্রধান অঙ্গ হলো ফ্ল্যাজেলা। এটি প্রোটিন দিয়ে তৈরি এক ধরনের সুতার মতো অংশ যা ব্যাকটেরিয়াকে তরল মাধ্যমে সাঁতার কাটতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ফ্ল্যাজেলা হলো প্রোটিন নির্মিত কষা বা চাবুকের মতো অঙ্গ যা ঘূর্ণন গতির মাধ্যমে অণুজীবকে চালিত করে। কার্যপ্রণালি: ফ্ল্যাজেলা আবর্তিত হয়ে প্রপেলারের মতো কাজ করে এবং ব্যাকটেরিয়াকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়া শরীরের ভেতর ফ্ল্যাজেলার সাহায্যে তরল মাধ্যমে চলাচল করে। ব্যাখ্যা: এটি ফ্ল্যাজেলার সাহায্যে রক্ত বা অন্যান্য তরলে সাঁতার কেটে সংক্রমণ ছড়ায়। উদাহরণ ২: ভিবরিও কলেরার একটিমাত্র ফ্ল্যাজেলা থাকে যা তাকে দ্রুত সাঁতার কাটতে সাহায্য করে। ব্যাখ্যা: এই অঙ্গের কারণে ব্যাকটেরিয়াটি দ্রুত গতিতে অন্ত্রের মিউকাস ভেদ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিলি — এটি মূলত ব্যাকটেরিয়াকে কোনো তলের সাথে বা অন্য ব্যাকটেরিয়ার সাথে সংযুক্ত হতে সাহায্য করে, গতিশীলতার সাথে এর সম্পর্ক নেই। B) ফ্ল্যাজেলা — এটি ব্যাকটেরিয়ার গতিশীলতার জন্য সরাসরি দায়ী এবং সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত। C) শীথ — এটি ব্যাকটেরিয়ার বাইরের সুরক্ষামূলক আস্তরণ হিসেবে কাজ করে, যা গতির সাথে সম্পর্কিত নয়। D) ক্যাপসুলস — এটি ব্যাকটেরিয়ার কোষে গঠিত পিচ্ছিল বহিরাবরণ যা রোগজীবাণুকে ফ্যাগোসাইটোসিস থেকে রক্ষা করে। ৫ মনে রাখার টিপস: ফ্ল্যাজেলা শব্দটিতে ফ আছে এবং ফ দিয়ে ফেরার বা চলাফেরা বোঝায়, যা ব্যাকটেরিয়ার গতির সাথে মিলে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ফ্ল্যাজেলার উপস্থিতি এবং বিন্যাস বিভিন্ন প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া শনাক্তকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একই ধারণা থেকে আসতে পারে যে ব্যাকটেরিয়ার কোন অঙ্গটি অনুবন্ধনে সাহায্য করে।
a DNA
b RNA
c RNA + DNA
d mRNA
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) RNA ১. কেন সঠিক: - কোভিড-১৯ রোগের জন্য দায়ী ভাইরাসটি হলো সার্স-কোভ-টু। এটি মূলত একক স্ট্র্যান্ডযুক্ত রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড বা RNA বহনকারী ভাইরাস। - এই ভাইরাসের জিনোম বা বংশগত উপাদান হিসেবে শুধুমাত্র RNA থাকে, যা এর পোষকদেহের কোষে প্রবেশ করে বংশবৃদ্ধি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অণুজীববিজ্ঞান ও ভাইরাসের গঠন অনুযায়ী, যেসকল ভাইরাস তাদের বংশগত বস্তু বা জিনোম সংরক্ষণের জন্য RNA ব্যবহার করে তাদেরকে RNA ভাইরাস বলা হয়। - কার্যপ্রণালি: এই ভাইরাস কোষে প্রবেশের পর নিজ RNA-এর প্রতিলিপি তৈরি করে এবং পোষক কোষের রাইবোজোমকে ব্যবহার করে নতুন প্রোটিন তৈরি ও বংশবিস্তার সম্পন্ন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইনফ্লুয়েঞ্জা বা সাধারণ সর্দি-কাশির ভাইরাস। ব্যাখ্যা: এটিও RNA ভাইরাসের অন্তর্ভুক্ত, যা খুব দ্রুত পরিব্যক্তি বা মিউটেশন ঘটাতে পারে। উদাহরণ ২: পোলিও ভাইরাস বা এইচআইভি ভাইরাস। ব্যাখ্যা: এগুলিও RNA ভাইরাস এবং মানবদেহে আক্রমণ করে বিভিন্ন মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) DNA — সঠিক নয় কারণ কোভিড-১৯ ভাইরাসের বংশগত উপাদান DNA নয়, বরং এর জিনোম হলো RNA। B) RNA — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ভাইরাসের প্রধান জিনগত উপাদান হলো একক স্ট্র্যান্ডযুক্ত রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড। C) RNA + DNA — সঠিক নয় কারণ কোনো প্রাকৃতিক করোনা ভাইরাস একই সাথে জিনোম হিসেবে DNA এবং RNA উভয়টি বহন করে না। D) mRNA — সঠিক নয় কারণ মেসেঞ্জার RNA হলো জিন তৈরির প্রক্রিয়ার একটি ধাপ, যা কিছু টিকায় ব্যবহৃত হয় কিন্তু পুরো ভাইরাসের সম্পূর্ণ জিনোম কেবল mRNA নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - করোনা বা কোভিড ভাইরাস একটি RNA ভাইরাস, এই কথাটি মনে রাখতে করোনাসংক্রান্ত ভাইরাসের নামের সাথে RNA শব্দটি যুক্ত করে পড়তে পারো। - ডেঙ্গু, পোলিও ও ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো কোভিড-১৯ ও RNA ভাইরাসের পরিবারভুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় করোনা ভাইরাস বা সার্স-কোভ-টু কোন ধরনের ভাইরাস, তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - একই ধারণা থেকে অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যে, হেপাটাইটিস বি কোন ধরনের ভাইরাস, যার উত্তর হবে DNA ভাইরাস।

মোট প্রশ্ন (5)

a Google Crome
b Microsoft Windows
c Adobe Photoshop
d Zoom
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: প্রদত্ত প্রশ্নে একটি প্রযুক্তিগত ভুল রয়েছে। সঠিক উত্তর হলো কোনোটিই নয় বা প্রশ্নটি সংশোধিত হওয়া প্রয়োজন। গুগল ক্রোম (Google Chrome) একটি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার নয়, বরং এটি গুগলের একটি প্রোপাইটারিয়ট বা স্বত্বাধিকারী সফটওয়্যার যার সোর্স কোড উন্মুক্ত নয়। তবে গুগলের ক্রোমিয়ামের (Chromium) ওপর ভিত্তি করে এটি তৈরি এবং ক্রোমিয়াম ওপেন সোর্স। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রশ্নটি সংশোধন সাপেক্ষ। ১. কেন সঠিক: - ওপেন সোর্স সফটওয়্যার বলতে বোঝায় যার সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত এবং ব্যবহারকারী কোড পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করতে পারে। - গুগল ক্রোম ব্রাউজারটি সরাসরি ওপেন সোর্স নয়, যদিও এর মূল ভিত্তি ক্রোমিয়াম ওপেন সোর্স প্রজেক্টের অংশ। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: যে সফটওয়্যারের সোর্স কোড বিনামূল্যে উন্মুক্ত থাকে এবং যে কেউ তা পরিবর্তন বা পরিমার্জন করতে পারে তাকে ওপেন সোর্স সফটওয়্যার বলে। - কার্যপদ্ধতি: ওপেন সোর্স সফটওয়্যার ডেভেলপারদের কোড শেয়ার করতে এবং যৌথভাবে অ্যাপ্লিকেশন উন্নত করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম। ব্যাখ্যা: লিনাক্স হলো একটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যার কোড ব্যবহারকারীরা স্বাধীনভাবে পরিবর্তন করতে পারেন। উদাহরণ ২: ভিসিএল মিডিয়া প্লেয়ার। ব্যাখ্যা: এটি একটি ফ্রি এবং ওপেন সোর্স মাল্টিমিডিয়া প্লেয়ার যা সব ধরনের মিডিয়া ফাইল চালাতে সক্ষম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Google Chrome — এটি সরাসরি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার নয়, কারণ এর মূল বাণিজ্যিক বাইনারি কোডের ওপর গুগল নিয়ন্ত্রণ করে। B) Microsoft Windows — এটি সম্পূর্ণভাবে ক্লোজড সোর্স এবং প্রোপাইটারিয়ট অপারেটিং সিস্টেম যার কোড সাধারণের জন্য উন্মুক্ত নয়। C) Adobe Photoshop — এটি একটি পেইড এবং প্রোপাইটারিয়ট গ্রাফিক্স এডিটিং সফটওয়্যার যার সোর্স কোড গোপনীয়। D) Zoom — এটি একটি প্রোপাইটারিয়ট ভিডিও কনফারেন্সিং সফটওয়্যার যা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে, বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর বাণিজ্যিক ব্রাউজার বা অপারেটিং সিস্টেম যেমন উইন্ডোজ বা ফটোশপ সাধারণত প্রোপাইটারিয়ট হয়। - ওপেন সোর্স চেনার সহজ উপায় হলো লিনাক্স বা ফায়ারফক্সের মতো সফটওয়্যারগুলো কোড পরিবর্তনের স্বাধীনতা দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওপেন সোর্স সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে গ্নু বা লিনাক্স এবং প্রোপাইটারিয়ট সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ বা অফিস স্ট্যান্ডার্ড উদাহরণ হিসেবে আসে। - পরীক্ষায় সফটওয়্যার লাইসেন্সিং সংক্রান্ত প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা থাকে।
a Malware
b Firmware
c Virus
d Flip-flop
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Firmware ১. কেন সঠিক: - ফার্মওয়্যার হলো এক ধরণের স্থায়ী সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের রম বা রিড অনলি মেমোরিতে সংরক্ষিত থাকে। - এটি হার্ডওয়্যার এবং অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে এবং যন্ত্রাঞ্চল সচল রাখে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: রম বা রিড অনলি মেমোরিতে স্থায়ীভাবে কোড আকারে লিখিত প্রোগ্রামই হলো ফার্মওয়্যার। - কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথে এটি রমের ভেতর থেকে কাজ শুরু করে এবং ভেতরের যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি সহজে পরিবর্তনযোগ্য নয় এবং কম্পিউটার বন্ধ করলেও এর তথ্য মুছে যায় না। - ব্যবহার: মাদারবোর্ডের বায়োস বা বেসিক ইনপুট আউটপুট সিস্টেম এবং প্রিন্সিপাল রাউটারের কার্যপরিচালনায় এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারের বায়োস ব্যাখ্যা: কম্পিউটার অন করার সময় মাদারবোর্ডের রম চিপে থাকা বায়োস ফার্মওয়্যার হার্ডওয়্যার সচল করে। উদাহরণ ২: টিভি রিমোটের কন্ট্রোল প্রোগ্রাম ব্যাখ্যা: ডিজিটাল টেলিভিশনের রিমোটের বোতাম চাপলে যে নির্দেশ কাজ করে তা ফার্মওয়্যার দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Malware — এটি ক্ষতিকর সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারের ক্ষতি করার জন্য তৈরি হয় কিন্তু রমভিত্তিক কোনো প্রোগ্রাম নয়। B) Firmware — এটি সঠিক উত্তর। C) Virus — এটি এক ধরণের আত্মপ্রতিলিপিকরণ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষতিকর প্রোগ্রাম, যা সিস্টেমের ফাইল নষ্ট করে। D) Flip-flop — এটি একটি ইলেকট্রনিক সার্কিট বা লজিক গেট, যা এক বিট ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে কিন্তু কোনো প্রোগ্রাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মাঝামাঝি অবস্থান বলে এর নাম ফার্মওয়্যার। - রম বা রিড অনলি মেমোরি মানেই সেখানে স্থায়ী ফার্মওয়্যার থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্পিউটারের বায়োস হলো ফার্মওয়্যারের সবচেয়ে পরিচিত বাস্তব উদাহরণ। - এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a Oracle
b MS - Word
c C
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Oracle ১. কেন সঠিক: - ওরাকল একটি বিশ্বখ্যাত ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যা ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনা এবং কোয়েরি পরিচালনার জন্য বিশেষ ডেটাবেজ ভাষা বা কিউয়ারি ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে। - এটি মূলত এন্টারপ্রাইজ লেভেলের বিশাল ডেটাবেজ পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত একটি শক্তিশালী রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার ভাষা যা ডেটাবেজে ডেটা তৈরি, সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার এবং আপডেট করতে ব্যবহৃত হয়। - কার্যপদ্ধতি: এটি স্ট্রাকচার্ড কিউয়ারি ল্যাঙ্গুয়েজ বা এসকিউএল এর মাধ্যমে ডেটাবেজের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী ডেটা প্রক্রিয়াজাত করে। - ব্যবহার: বড় বড় ব্যাংক, বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি দপ্তরে বিশাল পরিমাণ ডেটা নিরাপদে সংরক্ষণ করতে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাংকিং সিস্টেম ব্যাখ্যা: একটি ব্যাংকের কোটি কোটি গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট তথ্য এবং লেনদেনের হিসাব নিরাপদে সংরক্ষণ ও দ্রুত খোঁজার জন্য ওরাকল ডেটাবেজ ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং ব্যাখ্যা: বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং সরবরাহ শৃঙ্খল ডেটা নিয়ন্ত্রণের জন্য এই ডেটাবেজ প্রযুক্তি কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Oracle — এটি ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনা এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত ভাষা বা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে, তাই এটি সঠিক উত্তর। B) MS-Word — মাইক্রোসফট ওয়ার্ড কোনো ডেটাবেজ ভাষা নয়, এটি একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা মূলত ডকুমেন্ট বা লেখা তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। C) C — সি একটি উচ্চ স্তরের সাধারণ উদ্দেশ্যমূলক প্রজেক্ট বা সিস্টেম প্রোগ্রামিং ভাষা, এটি কোনো ডেটাবেজ ভাষা নয়। D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক উত্তর, তাই এই অপشن প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ওরাকল নামটির সঙ্গে ডেটাবেজ শব্দটি যুক্ত করে মনে রাখতে হবে। - মনে রাখতে হবে এমএস ওয়ার্ড হলো লেখার কাজ এবং সি হলো প্রোগ্রাম তৈরির ভাষা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওরাকল হলো বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ডেটাবেজ সফটওয়্যার এবং প্রোগ্রামিং ভাষার মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
a অ্যালুমিনিয়াম
b সিলিকন
c প্লাস্টিক
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিলিকন ১. কেন সঠিক: কম্পিউটারের মূল মেমোরি যেমন RAM বা ROM এবং প্রসেসর তৈরিতে প্রধান উপাদান হিসেবে সিলিকন ব্যবহার করা হয়। সিলিকন একটি সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী উপাদান যার বিদ্যুৎ পরিবাহিতা অবস্থা বুঝে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: সিলিকন হলো পৃথিবীর ভূত্বকে প্রাপ্ত দ্বিতীয় সর্বাধিক লভ্য মৌলিক পদার্থ যা ইলেকট্রনিক্সে সেমিকন্ডাক্টর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: সিলিকনের সাথে বিভিন্ন ভেজাল মিশিয়ে এর মধ্য দিয়ে নিয়ন্ত্রিতভাবে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করা হয় যা লজিক গেট ও মেমোরি সেল তৈরিতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনের প্রসেসর চিপ ব্যাখ্যা: মোবাইল বা কম্পিউটারের ভেতরে থাকা প্রধান চিপগুলো সিলিকন ওয়েফারের ওপর তৈরি করা হয়। উদাহরণ ২: মাদারবোর্ডের বিভিন্ন আইসি ব্যাখ্যা: কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে থাকা বিভিন্ন ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা আইসি সিলিকন দিয়ে তৈরি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যালুমিনিয়াম — অ্যালুমিনিয়াম একটি ভালো বিদ্যুৎ পরিবাহী ধাতু হওয়ায় এটি দিয়ে সেমিকন্ডাক্টর চিপ বা মেমোরি তৈরি করা যায় না। B) সিলিকন — এটি সঠিক উত্তর। C) প্লাস্টিক — প্লাস্টিক হলো বিদ্যুৎ পরিবাহী নয় এমন একটি উপাদান বা ইনসুলেটর, যা মেমোরি তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সিলিকন সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কম্পিউটার এবং ইলেকট্রনিক্সের প্রাণ বলা হয় সেমিকন্ডাক্টরকে আর সেমিকন্ডাক্টরের রাজা হলো সিলিকন। সিলিকন ভ্যালি নামটি মনে রাখলেও প্রযুক্তি ও সিলিকনের সম্পর্ক সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সিলিকন হলো পর্যায় সারণির একটি অর্ধপরিবাহী মৌল। কম্পিউটারের মেইন মেমোরি ও মাইক্রোপ্রসেসর তৈরিতে সিলিকন ব্যবহারের প্রধান কারণ এর চমৎকার অর্ধপরিবাহী গুণাগুণ।
a Java
b MySQL
c Oracle
d সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Java ১. কেন সঠিক: Structured Query Language বা SQL হলো এমন একটি বিশেষ ভাষা যা ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম থেকে ডেটা পুনরুদ্ধার ও পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Java হলো একটি অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ, যা দিয়ে সফটওয়্যার বা অ্যাপ তৈরি করা হয়, ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: SQL এর পূর্ণরূপ Structured Query Language। এটি রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম থেকে ডেটা অনুসন্ধান, ইনসার্ট, আপডেট ও ডিলিট করার জন্য ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড ভাষা। বৈশিষ্ট্য: এটি কোনো সাধারণ প্রোগ্রামিং ভাষা নয়, বরং ডেটা ম্যানিপুলেশন এবং ডেটা ডেফিনেশনের জন্য ব্যবহৃত একটি ডিক্লোরেটিভ ভাষা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: MySQL ডেটাবেজে কোনো টেবিল থেকে তথ্য খোঁজার জন্য SELECT * FROM users কমান্ড ব্যবহার করা হয়, যা SQL-এর অংশ। ব্যাখ্যা: এই কোডটি ডেটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী ডেটা খুঁজে বের করতে সরাসরি কাজ করে। উদাহরণ ২: ব্যাংকিং সফটওয়্যারে গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স দেখার জন্য ডেটাবেজ কুয়েরি চালানো হয়। ব্যাখ্যা: SQL কুয়েরির মাধ্যমে ডেটাবেজ থেকে নির্ভুল ও দ্রুত তথ্য ক্লায়েন্ট অ্যাপ্লিকেশনে পাঠানো হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Java — এটি একটি উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা, যার মাধ্যমে সম্পূর্ণ অ্যাপ্লিকেশন বা সফটওয়্যার তৈরি করা হয়, ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ নয়। B) MySQL — এটি একটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যা ডেটা পরিচালনার জন্য SQL ব্যবহার করে। C) Oracle — এটি একটি শক্তিশালী এন্টারপ্রাইজ লেভেলের ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যা নিজস্ব এসকিউএল কাঠামোর ওপর কাজ করে। D) সবগুলো — যেহেতু শুধু জাভা এসকিউএল নয় এবং বাকি দুটি এসকিউএল ভিত্তিক ডেটাবেজ, তাই এই অপশন সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: এসকিউএল হলো ডেটাবেজের ভাষা আর জাভা হলো অ্যাপ বানানোর ভাষা। নামের শেষে ল্যাঙ্গুয়েজ থাকলেও জাভা দিয়ে ডেটাবেজ কুয়েরি লেখা যায় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার পরীক্ষায় প্রায়ই ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ এবং প্রোগ্রামিং ভাষার পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। ওরাকল এবং মাইএসকিউএল হলো ডিবিএমএস সফটওয়্যার যা এসকিউএল সমর্থন করে।