বাংলাদেশ  সিভিল সার্ভিস (BCS)

৩৪ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২০১৩

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a জয়নন্দী
b বড়ু চণ্ডীদাস
c গোবিন্দ দাস
d জ্ঞান দাস
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জয়নন্দী ১. কেন সঠিক: - জয়নন্দী মধ্যযুগের কবি নন, বরং তিনি প্রাচীন যুগের বা চর্যাপদের একজন কবি। - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন যা মূলত প্রাচীন যুগের অন্তর্গত, মধ্যযুগের নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যকে মূলত তিনটি যুগে ভাগ করা হয় যথা প্রাচীন যুগ, মধ্য যুগ এবং আধুনিক যুগ। - চর্যাপদ প্রাচীন যুগের একমাত্র ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক নিদর্শন যার রচনাকাল আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লুইপা ব্যাখ্যা: লুইপা চর্যাপদের অন্যতম প্রধান কবি এবং তিনি প্রাচীন যুগের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: কাহ্নপা ব্যাখ্যা: কাহ্নপা চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচনাকারী কবি এবং তিনিও প্রাচীন যুগের কবি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নন্দী — ইনি চর্যাপদের কবি হওয়ায় প্রাচীন যুগের অন্তর্ভুক্ত, মধ্যযুগের কবি নন। B) বড়ু চণ্ডীদাস — ইনি মধ্যযুগের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের বিখ্যাত রচয়িতা কবি। C) গোবিন্দ দাস — ইনি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম প্রধান প্রখ্যাত পদকর্তা। D) জ্ঞান দাস — ইনি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রখ্যাত কবি। ৫. মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদের কবিরা সবাই প্রাচীন যুগের আর বড়ু চণ্ডীদাস, গোবিন্দ দাস ও জ্ঞান দাস মধ্যযুগের কবি। - যুগের নাম মনে রাখার জন্য চর্যাপদ মানেই প্রাচীন যুগ এই সূত্রটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের কবিদের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে কারণ তারা সবাই প্রাচীন যুগের কবি। - মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর কবিদের তালিকা আলাদা করে পড়লে এমন প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a সৈয়দ আলী আহসান
b সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
c সৈয়দ শামসুল হক
d সিকান্দার আবু জাফর
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সৈয়দ আলী আহসান ১. কেন সঠিক: ১৯৮৫ সালে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, কবি ও সাহিত্যিক সৈয়দ আলী আহসান নাসির উদ্দীন স্বর্ণ পদক লাভ করেন। বাংলা একাডেমি ও সাহিত্য ক্ষেত্রে তাঁর বহুমুখী অবদান এই সম্মাননা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সৈয়দ আলী আহসান বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি, প্রাবন্ধিক ও গবেষক। তিনি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ধারার বিকাশে এবং সাহিত্য সমালোচনায় বিশেষ অবদান রেখে গেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ আলী হাসানের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ এক বৃদ্ধ প্রহর। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থে তাঁর আধুনিক মননশীলতা ও কাব্যভাষার স্বকীয়তা প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: তাঁর রচিত সাহিত্য সমালোচনামূলক গ্রন্থ শিল্প ও শিল্পীর দায়িত্ব। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে সাহিত্য সৃষ্টির পেছনের নান্দনিক দৃষ্টিভঙ্গি ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ আলী আহসান — সঠিক উত্তর। B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — তিনি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হলেও এই নির্দিষ্ট বছরে এই পদক পাননি। C) সৈয়দ শামসুল হক — আধুনিক বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক হলেও এই পুরস্কারটি তাঁর অর্জিত নয়। D) সিকান্দার আবু জাফর — তিনি প্রখ্যাত কবি ও সাংবাদিক হলেও এই পুরস্কার পাননি। ৫ মনে রাখার টিপস: সৈয়দ আলী আহসান নামের সাথে ১৯৮৫ সাল এবং নাসির উদ্দীন স্বর্ণ পদক যুক্ত করে একটি বাক্য তৈরি করে মনে রাখতে পারো। আহসান মানে ভালো, আর ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি স্বর্ণ পদক পেয়েছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন সাহিত্যিকদের প্রাপ্ত পুরস্কার ও সন প্রায়শই আসে। লেখকদের প্রধান পুরস্কারগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a ক্রীতদাসের হাসি
b মাটি আর অশ্রু
c হাঙর নদী গ্রেনেড
d সারেং বউ
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হাঙর নদী গ্রেনেড ১. কেন সঠিক: - হাঙর নদী গ্রেনেড উপন্যাসটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। - সেলিনা হোসেন এই উপন্যাসে যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং এক সাহসী মায়ের আত্মত্যাগের চিত্র তুলে ধরেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসের রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। - এটি মূলত মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস যা মানুষের দেশপ্রেম ও সাহসিকতা প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাহান্নাম হইতে বিদায় ব্যাখ্যা: শহীদ জননী জাহানারা ইমাম রচিত এই উপন্যাসটিও বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: রূচিরা ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আরেকটি পরিচিত উপন্যাস যা যুদ্ধের নানা দিক ফুটিয়ে তুলেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রীতদাসের হাসি — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যার মূল বিষয়বস্তু আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসন। B) মাটি আর অশ্রু — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কোনো প্রধান উপন্যাস নয় বরং অন্য সামাজিক বা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত। C) হাঙর নদী গ্রেনেড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) সারেং বউ — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি উপন্যাস যার মূল বিষয়বস্তু উপকূলীয় মানুষের জীবন সংগ্রাম। ৫ মনে রাখার টিপস: - সেলিনা হোসেনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের নাম মনে রাখতে হাঙর নদী গ্রেনেড নামটি বিশেষভাবে মাথায় রাখবে। - মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি এবং সংগ্রামী নারী চরিত্র বললেই এই উপন্যাসের কথা মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - সেলিনা হোসেনের অন্যান্য উপন্যাস যেমন যাপিত জীবন বা নীল ময়ুরের পাল সম্পর্কেও ধারণা রাখবে।
a হুমায়ূন আহমেদ
b তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
c বুদ্ধদেব বসু
d সেলিনা হোসেন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হুমায়ূন আহমেদ ১. কেন সঠিক: দেয়াল হলো বাংলা সাহিত্যের বরেণ্য কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের লেখা একটি ঐতিহাসিক ও সামাজিক উপন্যাস। উপন্যাসটির মূল প্রেক্ষাপট বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে আবর্তিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: হুমায়ূন আহমেদ বিংশ শতাব্দীর বাঙালি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা ছিলেন। দেয়াল তার জীবনের অন্যতম শেষ ও একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস যা বাংলাদেশের ইতিহাসের নানা বাঁক তুলে ধরে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা ও জননীর গল্প ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ূন আহমেদের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আরেকটি বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: মধ্যাহ্ন ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদের রচিত একটি কালজয়ী বিশাল আকৃতির উপন্যাস ও সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুমায়ূন আহমেদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ দেয়াল উপন্যাসটি তার রচিত। B) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি বাংলা আঞ্চলিক উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত হলেও এই উপন্যাসটি তার লেখা নয়। C) বুদ্ধদেব বসু — তিনি আধুনিক যুগের বিশিষ্ট কবি ও প্রাবন্ধিক হলেও এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন। D) সেলিনা হোসেন — তিনি প্রখ্যাত নারী ঔপন্যাসিক হলেও দেয়াল গ্রন্থটি তার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: হুমায়ূন আহমেদের শেষ কাজ বা শেষ উপন্যাসগুলোর মধ্যে দেয়াল একটি ঐতিহাসিক দলিলসম কাজ। দেয়াল উপন্যাস এবং হুমায়ূন আহমেদের নাম একসাথে মনে রাখতে ঐতিহাসিক উপন্যাস হিসেবে এটি স্মরণ রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হুমায়ূন আহমেদের ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। লেখক পরিচিতি পড়ার সময় তার শেষ উপন্যাস এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
a শামসুর রাহমান
b শওকত ওসমান
c সিকান্দার আবু জাফর
d সুফিয়া কামাল
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শামসুর রাহমান ১. কেন সঠিক: - 'তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা' কবিতাটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান। - এই কবিতায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং বাঙালির বিজয়ের আবেগ অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি শামসুর রাহমান ১৯২৯ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি নাগরিক জীবনের নানা অনুভূতি ও স্বাধিকার আন্দোলনের কবি হিসেবে পরিচিত। - এই কবিতাটি তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত যেখানে মুক্তিকামী মানুষের অপেক্ষার আকুলতা প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বন্দী শিবির থেকে ব্যাখ্যা: এটি কবি শামসুর রাহমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অত্যন্ত বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: আসাদের শার্ট ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের লেখা গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি ঐতিহাসিক ও জনপ্রিয় কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামসুর রাহমান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কবি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম নিয়ে একাধিক কালজয়ী কবিতা রচনা করেছেন। B) শওকত ওসমান — তিনি মূলত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত, বিখ্যাত উপন্যাস আগুনের পরশমণি বা ক্রীতদাসের হাসি তার রচনা। C) সিকান্দার আবু জাফর — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক হলেও এই কবিতার রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত কবিতা সমাচার। D) সুফিয়া কামাল — তিনি দেশের প্রথিতযশা নারী কবি ও জননেত্রী, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ সাঁঝের মায়া। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্বাধীনতা সম্পর্কিত বিখ্যাত কবিতাগুলোর ক্ষেত্রে শামসুর রাহমান নামটি বেশি মনে রাখবে কারণ তিনি স্বাধীনতার কবি হিসেবে পরিচিত। - কবিতার প্রথম লাইন বা শিরোনাম দেখে কবির নাম মনে রাখার জন্য নিয়মিত সাহিত্য পাঠের অভ্যাস করো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্ম থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - শামসুর রাহমানের জন্ম, মৃত্যু এবং তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।
a চৈতালী
b রাখালী
c ফনিমনসা
d আলো পৃথিবী
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাখালী ১. কেন সঠিক: রাখালী হলো বাংলাদেশের বিখ্যাত পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থে পল্লী প্রকৃতির রূপ এবং গ্রামীণ সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: পল্লীকবি জসীম উদ্দীন ১৯০৩ সালে ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৭৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তার এই রাখালী কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে গ্রামীণ জীবনের নিসর্গ ও সুর স্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশী কাঁথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি জসীম উদ্দীনের একটি বিশ্বনন্দিত ও অমর কাব্যগ্রন্থ যা পল্লীপ্রেমের অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: সোজন বাদিয়ার ঘাট ব্যাখ্যা: এটি জসীম উদ্দীনের অপর একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় বাশরীধর্মী ট্র্যাজেডি কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চৈতালী — এটি পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের রচিত কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং এটি কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। C) ফনিমনসা — এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও প্রতিবাদী কাব্যগ্রন্থ যা জসীম উদ্দীনের লেখা নয়। D) আলো পৃথিবী — এটি জসীম উদ্দীনের কোনো সাহিত্যকর্ম বা কাব্যগ্রন্থের নাম নয়, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। ৫ মনে রাখার টিপস: জসীম উদ্দীনকে মনে রাখতে হলে তাঁর প্রথম কাব্য রাখালী এবং শ্রেষ্ঠ কাজ নকশী কাঁথার মাঠ মাথায় রাখতে হবে। পল্লী প্রকৃতির কবি হিসেবে তিনি চিরস্মরণীয় এবং তাঁর কাব্যগুলোর নামের সাথে গ্রামীণ জীবনের গভীর মিল রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জসীম উদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। সাহিত্যিকের প্রথম ও প্রধান গ্রন্থগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a ১২০১-১৩৫০
b ১২০১-১৪৫০
c ১৩০১-১৪৫০
d ১২০০-১৩০০
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২০১-১৩৫০ কেন সঠিক: - এই সময়সীমাকে বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ বলা হয় কারণ এই ১৫০ বছরে কোনো উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের খোঁজ পাওয়া যায়নি। - ড. সুকুমার সেন এবং ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতো ইতিহাসবিদগণ ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তুর্কি আক্রমণের ফলে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অরাজকতায় জনজীবন বিপর্যস্ত হওয়ায় সাহিত্যচর্চায় ছেদ পড়েছিল। - বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের শেষ এবং মধ্য যুগের শুরুর মধ্যবর্তী এই সময়কাল সাহিত্যিক দিক থেকে প্রায় শূন্য ছিল। - এই অন্ধকার যুগের অন্ধকার দূর করে চতুর্দশ শতাব্দীতে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের মাধ্যমে মধ্যযুগের সূচনা ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ১২০১-১৩৫০ — এটি সঠিক অপশন এবং সাহিত্য ইতিহাসে এই সময়কালই অন্ধকার যুগ হিসেবে স্বীকৃত। - B) ১২০১-১৪৫০ — এই কালসীমাটি ভুল কারণ ১৪৫০ সাল পর্যন্ত অন্ধকার যুগ ধরা হয় না, এর আগেই বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের সূচনা হয়। - C) ১৩০১-১৪৫০ — ১৩০১ সাল থেকে ধরলে ১২০১ থেকে ১৩০০ সাল বাদ পড়ে যায়, তাই এটি সঠিক সময়কাল নয়। - D) ১২০০-১৩০০ — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসবিদগণ ১২০১ সালকে অন্ধকার যুগের সূচনা হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। মনে রাখার টিপস: - অন্ধকার যুগের কাল মনে রাখতে ১২০১ সাল থেকে দেড়শ বছর বা ১৫০ বছর যোগ করে ১৩৫০ সাল পর্যন্ত হিসাব করবে।
a কবর
b পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
c জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন
d ওরা কদম আলী
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কবর ১. কেন সঠিক: ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম নাটক হলো কবর। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে জেলখানায় বন্দि অবস্হায় মুনীর চৌধুরী এই বিখ্যাত নাটকটি রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মুনীর চৌধুরী বাংলা নাটকে এক অনন্য অবদান রেখেছেন। কবর নাটকটি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ এবং পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর অমানবিক আচরণের এক শক্তিশালী দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন ব্যাখ্যা: জহির রায়হান রচিত এই উপন্যাসটিও ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: আর্তনাদ ব্যাখ্যা: শওকত ওসমান রচিত এই উপন্যাসটি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত অন্য একটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবর — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম নাটক। B) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি কাব্যনাট্য। C) জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন — এটি সেলিনা হোসেন রচিত একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক নাটক। D) ওরা কদম আলী — এটি মামুনুর রশীদ রচিত সমাজের নিম্নবর্গীয় মানুষের অধিকার নিয়ে লেখা নাটক। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের প্রথম নাটক মনে রাখতে মনে রাখবেন কবর নাটকটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে জেলখানায় বসে মুনীর চৌধুরী লিখেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক, উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই আসে। মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকটি ভাষা আন্দোলনের প্রথম নাটক হিসেবে বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে।
a ৪৫০-৬৫০
b ৬৫০-৮৫০
c ৬৫০-১২০০
d ৬৫০-১২৫০
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৫০-১২০০ ১. কেন সঠিক: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে তিনটি যুগে ভাগ করা হয়েছে যার প্রথম যুগ হলো প্রাচীন যুগ। - ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের ব্যাপ্তিকাল হলো ৬৫০ থেকে ১২০০ সাল পর্যন্ত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস প্রধানত তিনটি যুগে বিভক্ত যথা প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগ। - প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন হলো চর্যাপদ যা বাংলা ভাষার আদি কাব্যগ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র ও প্রথম নিদর্শন যা সান্ধ্যভাষায় রচিত। উদাহরণ ২: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ব্যাখ্যা: তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের সূচনা কাল হিসেবে ৬৫০ সালকে নির্ধারণ করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪৫০-৬৫০ — এই সময়কালটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের কোনো স্বীকৃত যুগ বিভাজনের সঙ্গে মেলে না। B) ৬৫০-৮৫০ — এটি প্রাচীন যুগের সঠিক ব্যাপ্তিকাল নয় কারণ প্রাচীন যুগের সমাপ্তি ধরা হয় ১২০০ সালে। D) ৬৫০-১২৫০ — এই সময়কালটি বাংলা সাহিত্যের যুগ বিভাজনের ক্ষেত্রে প্রমিত বা সর্বজনগ্রাহ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রাচীন যুগের ব্যাপ্তিকাল মনে রাখতে সংখ্যা দুটি মনে রাখো ৬৫০ এবং ১২০০। - এভাবে মনে রাখতে পারো ৬৫০ সালে শুরু হয়ে ১২০০ সালে প্রাচীন যুগের সমাপ্তি ঘটেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুগ বিভাজন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ডক্টর সুকুমার সেনের মতে প্রাচীন যুগের সময়কাল ৯০০ থেকে ১৩৫০ সাল তবে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ৬৫০ থেকে ১২০০ সাল সর্বজনগ্রাহ্য।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
b সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের
c প্রমথ চৌধুরীর
d টেকচাঁদ ঠাকুরের
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১. কেন সঠিক: - ভানুসিংহ ঠাকুর হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক ছদ্মনাম। - মাত্র বারো বছর বয়সে তিনি বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে এই ছদ্মনামে পদ রচনা শুরু করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বকালের সেরা প্রতিভা, যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। - ১৮৮৪ সালে তাঁর এই পদগুলো ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: মরমী পদ ব্যাখ্যা: ভানুসিংহ ঠাকুরের নামে লেখা গান ও কবিতাগুলোতে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের গভীর ভাব প্রকাশিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি গৃহিত হয়েছে। B) সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের — সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত একজন ছন্দের জাদুকর হিসেবে পরিচিত হলেও তাঁর ছদ্মনাম এটি নয়। C) প্রমথ চৌধুরীর — প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত ছদ্মনাম বীরবল যা চলিত রীতির প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। D) টেকচাঁদ ঠাকুরের — টেকচাঁদ ঠাকুর হলো প্যারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম যিনি আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাস লিখেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের ভানু অর্থ সূর্য এবং সিংহ তাঁর নামের সঙ্গে মিলিয়ে ভানুসিংহ ছদ্মনামটি তৈরি হয়েছিল। - ছোটবেলায় বৈষ্ণব কবিদের অনুকরণ করতে গিয়ে তিনি এই নাম ব্যবহার করেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম ব্যবহারের ইতিহাস ও লেখকদের আসল নামগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a উইলিয়াম কেরি
b লর্ড ওয়েলেসলি
c মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
d রামরাম বসু
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উইলিয়াম কেরি ১. কেন সঠিক: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১৮০০ সালের ১৮ জুলাই কলকাতার গভর্নর হাউস প্রাঙ্গণে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান বা অধ্যক্ষ ছিলেন বিশপ উইলিয়াম কেরি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: উইলিয়াম কেরি বাংলা গদ্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ছাত্রদের বাংলা শেখানোর জন্য পন্ডিতদের নিয়ে একটি অনুবাদ বিভাগ গঠন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কথোপকথন ব্যাখ্যা: এটি উইলিয়াম কেরির লেখা একটি বিখ্যাত বাংলা গ্রন্থ, যা ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: ইতিহাসমালা ব্যাখ্যা: উইলিয়াম কেরি সংকলিত লোককাহিনি ও গল্পের একটি বিখ্যাত সংকলন এটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উইলিয়াম কেরি — ইনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ও অধ্যক্ষ ছিলেন। B) লর্ড ওয়েলেসলি — ইনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও গভর্নর জেনারেল ছিলেন। C) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার — ইনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন বিশিষ্ট পন্ডিত ও প্রধান অনুবাদক ছিলেন। D) রামরাম বসু — ইনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের একজন মুন্সি বা শিক্ষক ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: কলেজের প্রতিষ্ঠাতা লর্ড ওয়েলেসলি আর বাংলা বিভাগের প্রধান উইলিয়াম কেরি, এই পার্থক্য মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ বাংলা গদ্য চর্চার সূতিকাগার হিসেবে পরিচিত। এই কলেজ কেন্দ্র করেই বাংলা prose বা গদ্যের আধুনিক রূপের বিকাশ ঘটে।
a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b মাইকেল মধুসূদন দত্ত
c রাজা রামমোহন রায়
d ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১. কেন সঠিক: বাংলা গদ্যের শিল্পসম্মত রূপদান, পরিমিতিবোধ ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদের বা বাংলা সাহিত্যের জনক বলা হয়। তাঁর হাত ধরেই বাংলা ভাষা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে এবং গদ্য তার শৈল্পিক পূর্ণতা অর্জন করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক শিল্পী ও প্রাতঃস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব। তিনি বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে বাংলা বাক্যকে সহজ ও গতিশীল করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেতাল পঞ্চবিংশতি ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অনূদিত একটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ যা বাংলা গদ্যের পথ সুগম করেছে। উদাহরণ ২: শকুন্তলা ব্যাখ্যা: এটি তাঁর রচিত আরেকটি জনপ্রিয় গদ্যগ্রন্থ যা গদ্যরীতির উৎকর্ষ প্রমাণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক, সাহিত্যের সামগ্রিক জনক নন। B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি আধুনিক বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেটের প্রবর্তক। C) রাজা রামমোহন রায় — তিনি বাংলা গদ্যের প্রথম যুগের লেখক হলেও তাকে জনক বলা হয় না। D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি গদ্যকে শৃঙ্খলিত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: গদ্যের জনক বললে বিদ্যাসাগর আর উপন্যাসের জনক বললে বঙ্কিমচন্দ্রকে মনে রাখবে। বিদ্যাসাগর মানেই বাংলা গদ্যের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকারী। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষায় প্রায়ই গদ্যের জনক ও উপন্যাসের জনকের মধ্যে প্যাচ লাগতে পারে, তাই পার্থক্য পরিষ্কার রাখবে। একইভাবে কবিগুরুর পরিচয় বা অন্যান্য সাহিত্যিকদের উপাধিগুলো আলাদা করে পড়বে।
a তিলোত্তমা কাব্য
b মেঘনাদ বধ কাব্য
c বেতাল পঞ্চবিংশতি
d বীরাঙ্গনা
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেতাল পঞ্চবিংশতি ১. কেন সঠিক: - বেতাল পঞ্চবিংশতি গ্রন্থটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয়, এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের লেখা একটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচনাগুলো গুলিয়ে ফেলার জন্য এমন প্রশ্ন দেওয়া হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক গদ্যশিল্পী হিসেবে পরিচিত। - বেতাল পঞ্চবিংশতি মূলত হিন্দি ও সংস্কৃত বেতাল পচ্চীসী অবলম্বনে রচিত একটি লোককাহিনীমূলক গদ্যগ্রন্থ যা ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শকুনতলা ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অপর একটি বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ যা কালিদাসের অভিজ্ঞানশকুন্তলম নাটক অবলম্বনে রচিত। উদাহরণ ২: সীতার বনবাস ব্যাখ্যা: এটিও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি জনপ্রিয় গদ্যগ্রন্থ যা বাল্মীকি রামায়ণের উত্তরকাণ্ডের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিলোত্তমা কাব্য — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত প্রথম বাংলা কাব্য যা ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়। B) মেঘনাদ বধ কাব্য — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। D) বীরাঙ্গনা — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য যা বাংলা সাহিত্যে প্রথম পত্রকাব্যের উদাহরণ। ৫ মনে রাখার টিপস: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত সাধারণত কাব্য, নাটক ও প্রহসন বেশি লিখেছেন, আর বিদ্যাসাগর লিখেছেন গদ্য ও অনুবাদ গ্রন্থ। - মধুসূদনের মহাকাব্য ও পত্রকাব্যগুলোর নাম মনে রাখলে গদ্যগ্রন্থগুলো সহজেই আলাদা করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অনুদিত ও মৌলিক গদ্যগ্রন্থগুলোর নাম এবং প্রকাশের সালগুলো বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের প্রশ্নে লেখকের প্রধান পরিচয় মাথায় রেখে অপশনগুলো বিশ্লেষণ করতে হবে।
a মাইকেল মধুসূদন দত্ত
b দীনবন্ধু মিত্র
c রামনারায়ণ তর্করত্ন
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রামনারায়ণ তর্করত্ন ১. কেন সঠিক: - কুলীন কুল সর্বস্ব নাটকটি রামনারায়ণ তর্করত্নের বিখ্যাত রচনা এবং এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক সামাজিক নাটক হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। - বহুল প্রচলিত কুলীনপ্রথার বহুবিবাহ ও এর ফলে সৃষ্ট সামাজিক পঙ্কিলতা এই নাটকে তীব্রভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রামনারায়ণ তর্করত্ন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত নাট্যকার, অনুবাদক ও সংকলক ছিলেন যিনি মূলত সংস্কৃত নাটক বাংলায় অনুবাদ করে নাট্যচর্চার পথ সুগম করেন। - কুলীন কুল সর্বস্ব নাটকটি ১৮৫৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর মাধ্যমেই বাংলা নাট্যসাহিত্যে আধুনিক সামাজিক নাটকের যুগ শুরু হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রত্নাবলী নাটক ব্যাখ্যা: এটি রামনারায়ণ তর্করত্ন কর্তৃক সংস্কৃত থেকে অনূদিত একটি বিখ্যাত নাটক যা নাটক হিসেবে যথেষ্ট জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। উদাহরণ ২: নবনাটক ব্যাখ্যা: রামনারায়ণ তর্করত্নের আরেকটি মৌলিক নাটক যা সমাজসংস্কারের উদ্দেশ্যে রচিত এবং তৎকালীন সমাজে সমাদৃত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবক্তা ও মহাকবি হলেও কুলীন কুল সর্বস্ব নাটকটি তাঁর রচনা নয়। B) দীনবন্ধু মিত্র — তিনি নীলদর্পণ নাটকের জন্য বিখ্যাত হলেও কুলীন কুল সর্বস্ব নাটকটি তাঁর নয়, এটি রামনারায়ণ তর্করত্নের সৃষ্টি। C) রামনারায়ণ তর্করত্ন — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই প্রথম মৌলিক সামাজিক নাটক হিসেবে বাংলা নাট্যসাহিত্যে স্থান করে নিয়েছে। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের সর্বকালের সেরা সাহিত্যিক ও নোবেলজয়ী কবি হলেও এই প্রাচীন সামাজিক নাটকটির রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - কুলীন প্রথার বিরুদ্ধে প্রথম কথা বলেছিল রামনারায়ণের তর্করত্ন, তাই মনে রাখবে প্রথম সামাজিক নাটকটি তারই কীর্তি। - রামনারায়ণ ও প্রথম নাটক কুলীন কুল সর্বস্ব এভাবে জোড়া মিলিয়ে সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক নাটক কোনটি এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, যার উত্তর কুলীন কুল সর্বস্ব। - নাটকের প্রকাশের সাল অর্থাৎ ১৮৫৪ সালটি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
a নীলকরদের অত্যাচার
b ভাষা আন্দোলন
c অসহযোগ আন্দোলন
d তে-ভাগা আন্দোলন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নীলকরদের অত্যাচার কেন সঠিক: ১. এই নাটকে বাংলার সাধারণ কৃষকদের ওপর ব্রিটিশ নীলকর সাহেবদের অমানবিক নির্যাতন ও শোষণের বাস্তব চিত্র অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. নীল চাষ করতে অস্বীকার করলে কৃষকদের ওপর যে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালানো হতো, তা এই নাটকের মূল কাহিনীতে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. দীনবন্ধু মিত্র রচিত নীলদর্পণ নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে সামাজিক ও রাজনৈতিক নাটকের এক অনন্য এবং ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. এই নাটকটি প্রকাশিত হওয়ার পর এর ইংরেজি অনুবাদ করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত, যা ব্রিটিশ সমাজে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিল। ৩. বাংলা নাটকের ইতিহাসে শোষিত মানুষের পক্ষে কথা বলা প্রথম জোরালো সাহিত্যিক প্রতিবাদ হলো এই নীলদর্পণ নাটকটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — নীলকরদের অত্যাচারের ওপর ভিত্তি করেই এই বিখ্যাত নাটকটি রচিত হয়েছে। B) ভাষা আন্দোলন — ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এই নাটকটি রচিত হয়নি কারণ এটি অনেক আগের ঘটনা। C) অসহযোগ আন্দোলন — ব্রিটিশ বিরোধী অসহযোগ আন্দোলনের সময় এই নাটকের কাহিনী বা পটভূমি রচিত হয়নি। D) তে-ভাগা আন্দোলন — কৃষকদের তে-ভাগা আন্দোলনের অনেক আগেই উনিশ শতকের মাঝামাঝিতে নীলদর্পণ নাটকটি লেখা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ১. নাটকের নামের মধ্যেই নীল শব্দুি আছে, যা থেকে খুব সহজেই নীলকরদের অত্যাচারের কথাটি মনে রাখা যায়। ২. দীনবন্ধু মিত্রের নীলদর্পণ মানেই হলো নীলচাষীদের ওপর ব্রিটিশ নীলকরদের নির্মম নির্যাতনের কাহিনী।
a আলাওল
b কাজী দীন মহম্মদ
c কাজী মোতাহের হোসেন
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: ঘরে বাইরে উপন্যাসটির রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এটি তাঁর অন্যতম বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস যা প্রথম প্রকাশিত হয় বঙ্গদর্শন পত্রিকায় এবং গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটি বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে ব্রিটিশ ভারতের বঙ্গভঙ্গ ও স্বদেশী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত। এতে নিখিলেশ, বিমলা ও সন্দীপ এই ত্রিভুজ প্রেমের মাধ্যমে ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং রাজনীতির জটিলতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোরা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা সমাজ ও জাতীয়তাবাদের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: যোগাযোগ ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত মনস্তাত্ত্বিক ও পারিবারিক দ্বন্দ্বভিত্তিক একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলাওল — তিনি মধ্যযুগের একজন প্রখ্যাত কবি যিনি পদ্মাবতী কাব্য রচনা করেছেন, উপন্যাস লেখেননি। B) কাজী দীন মহম্মদ — তিনি একজন বিশিষ্ট গবেষক ও অধ্যাপক ছিলেন, এই উপন্যাস তাঁর লেখা নয়। C) কাজী মোতাহের হোসেন — তিনি একজন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী, প্রাবন্ধিক ও দাবাড়ু ছিলেন, ঘরে বাইরে উপন্যাসের রচয়িতা নন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই উপন্যাসটি রচনা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস মনে রাখার জন্য ঘরে বাইরে এবং গোরা নাম দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। স্বদেশী আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত একমাত্র উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো ঘরে বাইরে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের প্রকাশকাল ও চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ঘরে বাইরে উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো হলো নিখিলেশ, বিমলা ও সন্দীপ।
a পঞ্চতন্ত্র
b কালান্তর
c প্রবন্ধ সংগ্রহ
d শাশ্বত বঙ্গ
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পঞ্চতন্ত্র ১. কেন সঠিক: - পঞ্চতন্ত্র সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় প্রবন্ধ গ্রন্থ। - এই গ্রন্থে লেখকের মুন্শিয়ানা, রম্য রচনাশৈলী এবং গভীর জীবনদর্শন অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ মুজতবা আলী বাংলা সাহিত্যে রম্যরচনা বা লঘু প্রবন্ধের অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা। - তাঁর লেখায় বহুভাষিক পাণ্ডিত্য ও বিশ্বভ্রমণের অভিজ্ঞতার এক অনবদ্য মিশ্রণ দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ময়ূরকণ্ঠী ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত একটি প্রখ্যাত প্রবন্ধ ও রম্য রচনা সংকলন। উদাহরণ ২: চাচা কাহিনী ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ভ্রমণকাহিনী ও রম্য সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: B) কালান্তর — এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ। C) প্রবন্ধ সংগ্রহ — এটি মোহিতলাল মজুমদারের কিংবা অন্য কোনো লেখকের সংকলিত প্রবন্ধ গ্রন্থ হতে পারে, যা সৈয়দ মুজতবা আলীর নয়। D) শাশ্বত বঙ্গ — এটি ঐতিহাসিক ও গবেষক কাজী আবদুল ওদুদের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুজতবা আলী মানেই হাসিখুশি ও বুদ্ধিবৃত্তিক রম্যরচনা, আর তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থের মধ্যে পঞ্চতন্ত্র সবার আগে মনে রাখতে হবে। - লেখকের নাম এবং গ্রন্থ মিলিয়ে মনে রাখার জন্য নিয়মিত সাহিত্য পাঠের অভ্যাস করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রবন্ধ ও ভ্রমণকাহিনী থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখকের অন্যান্য গ্রন্থ যেমন দেশে বিদেশে, জলে ডাঙায় ইত্যাদি সম্পর্কেও সম্যক ধারণা রাখতে হবে।
a অক্ষয়কুমার দত্ত
b প্যারীচাঁদ মিত্র
c ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
d সৈয়দ মুজতবা আলী
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অক্ষয়কুমার দত্ত ১. কেন সঠিক: - তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার প্রথম ও অন্যতম প্রধান সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত যিনি বাংলা গদ্যের অন্যতম রূপকার হিসেবে পরিচিত। - ১৮৪৩ সালের ১৬ই আগস্ট তত্ত্ববোধিনী সভা প্রতিষ্ঠার পর এই পত্রিকাটির প্রকাশনা শুরু হয় এবং এর মাধ্যমে সমাজে সংস্কার ও বিজ্ঞানমনস্কতা প্রচার করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অক্ষয়কুমার দত্ত ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, সম্পাদক ও সমাজসংস্কারক যিনি তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানচর্চা ও যুক্তিবাদী চিন্তা প্রসার করেন। - এই পত্রিকাটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশ এবং ব্রাহ্মসমাজের প্রচার ও প্রসারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চারুপাঠ ব্যাখ্যা: এটি অক্ষয়কুমার দত্ত রচিত একটি বিখ্যাত পাঠ্যপুস্তক যা নীতিশিক্ষা ও বিজ্ঞানবিষয়ক রচনার এক অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: বাহ্যবস্তুর সহিত মানবের সম্পর্কের বিচার ব্যাখ্যা: এটি অক্ষয়কুমার দত্তের একটি বিখ্যাত গ্রন্থ যা মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির সম্পর্ক ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষয়কুমার দত্ত - এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন এবং পত্রিকার মান উন্নত করেছিলেন। B) প্যারীচাঁদ মিত্র - ইনি আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচয়িতা এবং মাসিক মাসিইক পত্রিকা ও টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামের জন্য বিখ্যাত হলেও তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর - ইনি বাংলার গদ্যের জনক এবং বিধবাবিবাহ আন্দোলনের প্রবক্তা হলেও তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার মূল সম্পাদক ছিলেন না। D) সৈয়দ মুজতবা আলী - ইনি একজন বিশিষ্ট রম্যকার ও সাহিত্যিক যিনি বহু পরে আধুনিক যুগে আত্মপ্রকাশ করেন, উনি উনিশ শতকের তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - অক্ষয় কুমার ও তত্ত্ববোধিনী মনে রাখতে অক্ষয় শব্দের সঙ্গে তত্ত্ব শব্দ মিলিয়ে পড়তে পারো। - বাংলা পত্রিকার সম্পাদক মনে রাখার সময় পত্রিকার নাম ও সাল একসঙ্গে নোট করে রাখলে পরীক্ষার সময় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উনিশ শতকের সাময়িকপত্র ও সম্পাদক থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা প্রকাশের সাল এবং এর সঙ্গে জড়িত মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও অক্ষয়কুমার দত্তের নাম মনে রাখা আবশ্যক।
a ২০০৭
b ১৯০৭
c ১৯০৯
d ১৯১৬
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯০৭ ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন যা মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন। ১৯০৭ সালে তিনি নেপাল থেকে প্রাচীন বাংলা ভাষার এই অমূল্য পুথিটি আবিষ্কার করেন এবং পরবর্তীতে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক নিদর্শন যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা ধর্মীয় গান। হরপ্রসাদ শাস্তሪ ১৯০৭ সালে আবিষ্কারের পর ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে এটি প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। ব্যাখ্যা: তিনি ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। উদাহরণ ২: হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা। ব্যাখ্যা: ১৯১৬ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদ এই নামে প্রথম প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০৭ — এই সালে চর্যাপদ আবিষ্কারের কোনো ঘটনা ঘটেনি বরং এটি অনেক প্রাচীন একটি ঐতিহাসিক আবিষ্কার। B) ১৯০৭ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। C) ১৯০৯ — এই সালে চর্যাপদ আবিষ্কার হয়নি তবে এটি আবিষ্কারের পরের গবেষণা ও সংগ্রহের সাথে সম্পর্কিত একটি বছর। D) ১৯১৬ — এই সালে চর্যাপদ প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় তবে এটি আবিষ্কারের সাল নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ আবিষ্কারের সাল মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে যে আবিষ্কার হয়েছে ১৯০৭ সালে এবং প্রকাশ পেয়েছে ১৯১৬ সালে। আবিষ্কারের নয় বছর পর ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ আবিষ্কারের সাল এবং প্রকাশকাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্তFrequently আসা একটি প্রশ্ন। আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং প্রকাশের সাল ১৯১৬ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a Sorojini Naidu
b Hellen Killer
c Florence Nightingale
d Madame Teresa
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Florence Nightingale কেন সঠিক: তিনি ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সময় রাতে হাসপাতালে আহত সৈনিকদের সেবা করার জন্য হাতে লণ্ঠন নিয়ে ঘুরে বেড়াতেন। এই মানবিক কাজের জন্য সারা বিশ্ব তাঁকে লণ্ঠন হাতে নারী বা লেডি অফ দ্য ল্যাম্প হিসেবে চেনে। আধুনিক নার্সিং পেশার প্রতিষ্ঠাতা হিসেবেও তিনি অত্যন্ত বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sorojini Naidu — ইনি ভারতের কোকিল বা নাইটিঙ্গেল অফ ইন্ডিয়া নামে পরিচিত, কোনো লণ্ঠনের সাথে যুক্ত নন। B) Hellen Killer — ইনি একজন অন্ধ ও বধির লেখিকা এবং সমাজকর্মী ছিলেন যিনি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করেছেন। C) Florence Nightingale — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ব্যক্তিত্বের নাম প্রযোজ্য নয়। D) Madame Teresa — ইনি মাদার তেরেসা নামে পরিচিত এবং গরিব ও অসহায় মানুষের সেবা করে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। মনে রাখার টিপস: রাতের বেলা লণ্ঠন হাতে আহত সৈনিকদের সেবা করার ইতিহাস মনে রাখলেই ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের এই উপাধিটি সহজে চেনা যাবে।
a A moonless day
b A new moon day
c A full moon day
d A half moon day
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) A full moon day কেন সঠিক: চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবী সূর্য এবং চাঁদের মাঝখানে সোজাসুজি অবস্থান করে। এর ফলে পৃথিবীর ছায়ਾ চাঁদের ওপর পড়ে এবং পূর্ণিমার রাতে এই ঘটনা ঘটে। পূর্ণিমা ছাড়া চন্দ্রগ্রহণ ঘটা অসম্ভব। এই পূর্ণিমার দিনটিকেই ইংরেজিতে ফুল মুন ডে বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A moonless day — এটি অমাবস্যা বোঝায়, যা সূর্যগ্রহণের সাথে সম্পর্কিত। B) A new moon day — এটিও অমাবস্যার দিন, যে দিনে চন্দ্রগ্রহণ হয় না। C) A full moon day — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। D) A half moon day — এই দিনে অর্ধচন্দ্র দেখা যায়, চন্দ্রগ্রহণ ঘটে না। মনে রাখার টিপস: চন্দ্রগ্রহণ সবসময় পূর্ণিমার রাতে হয় আর সূর্যগ্রহণ হয় অমাবস্যার দিনে।
a Marine Ecosystem
b Desert Ecosystem
c Mountain Ecosystem
d Fresh water Ecosystem
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Marine Ecosystem কেন সঠিক: পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় সত্তর শতাংশ এলাকা জুড়ে মহাসাগর বা সমুদ্র বিস্তৃত রয়েছে। তাই জলজ বা সামুদ্রিক পরিবেশই গ্রহের সবচেয়ে বড় বাস্তুতন্ত্র গঠন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Marine Ecosystem — এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বাস্তুতন্ত্র এবং এটি সঠিক উত্তর। B) Desert Ecosystem — মরুভূমি অঞ্চল পৃথিবীর একটি ছোট অংশ জুড়ে অবস্থান করে। C) Mountain Ecosystem — পাহাড়ি এলাকা পৃথিবীর ভূত্বকের খুব সামান্য অংশ দখল করে আছে। D) Fresh water Ecosystem — মিষ্টি জলের উৎস যেমন নদী ও হ্রদ খুবই সীমিত এলাকা জুড়ে থাকে। মনে রাখার টিপস: পৃথিবীতে জলের পরিমাণ বেশি হওয়ায় সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র সবচেয়ে বড়।
a shall be
b am
c was
d were
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) were কেন সঠিক: এটি একটি অবাস্তব কল্পনা বা অসম্ভব ইচ্ছা প্রকাশকারী বাক্য, যা সাবজাংক্টিভ মুড নির্দেশ করে। এই ধরনের বাক্যে সাবজেক্ট ফার্স্ট পারসন সিঙ্গুলার হওয়া সত্ত্বেও সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে হয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) shall be — এটি ভবিষ্যতের সাধারণ রূপ নির্দেশ করে, যা এই ধরনের কাল্পনিক বাক্যে বসে না। B) am — এটি বর্তমানকালের সত্য প্রকাশ করে, কিন্তু বাক্যটিতে অবাস্তব ইচ্ছা বোঝানো হয়েছে। C) was — কথ্য ভাষায় ব্যবহৃত হলেও ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক সাবজাংক্টিভ রূপ নয়। D) were — এটি সঠিক কারণ অবাস্তব কল্পনায় সব সাবজেক্টের পর এটিই বসে। মনে রাখার টিপস: অবাস্তব ইচ্ছা বা কল্পনা বোঝাতে ইফ যুক্ত বাক্যের সাবজেক্ট যাই হোক না কেন সবসময় ওয়ার ব্যবহার করতে হয়।
a Non bearing
b Note before
c No bar
d Nota bene
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Nota bene কেন সঠিক: - ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ Nota bene এর অর্থ ভালো করে লক্ষ্য করো বা বিশেষ দ্রষ্টব্য। - ইংরেজি লেখায় কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সংক্ষেপে N.B. ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Non bearing — এই শব্দগুচ্ছটি ভারবহন করে না এমন অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং N.B. এর সঙ্গে সম্পর্কহীন। B) Note before — কথাটি সাধারণ ইংরেজি হলেও এটি কোনো প্রচলিত ল্যাটিন সংক্ষিপ্ত রূপ বা দাপ্তরিক পরিভাষা নয়। C) No bar — এর অর্থ কোনো বাধা নেই, যা N.B. এর পূর্ণরূপ বা অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) Nota bene — এটি সঠিক ল্যাটিন শব্দ যার সংক্ষিপ্ত রূপ হলো N.B. এবং এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: Nota bene একটি ল্যাটিন শব্দ, যার অর্থ বিশেষ দ্রষ্টব্য। N.B. দেখলে বুঝবেন লেখক কোনো বিশেষ তথ্যের দিকে আপনার নজর কাড়তে চেয়েছেন।
a Late speech
b Early speech
c Final speech
d First speech
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) First speech কেন সঠিক: 'Maiden speech' একটি ইংরেজি idiom বা বাগধারা, যার শাব্দিক অর্থ কুমারী বা প্রথম বক্তব্য। এটি সাধারণত কোনো সংসদ বা সভা নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম দেওয়া ভাষণকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Late speech — এটি শেষ বক্তব্য বোঝায়, যা সঠিক উত্তরের বিপরীত। B) Early speech — এটি শুধু সকালের বা আগের কোনো সাধারণ বক্তব্য বোঝায়। C) Final speech — এটি মানুষের জীবনের বা কোনো সভার শেষ বক্তব্য বোঝায়। D) First speech — এটি সঠিক কারণ এটি প্রথম বক্তব্য বা ভাষণ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজের শুরুতে 'Maiden' শব্দটি প্রথম বোঝাতে ব্যবহার হয়, যেমন প্রথম ভ্রমণকে maiden voyage বলে।
a Dog
b Mermaid
c Bear
d Stallion
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Stallion কেন সঠিক: mare শব্দের অর্থ হলো মادي ঘোড়া বা ঘোটকী। এর বিপরীতে পুরুষ ঘোড়াকে ইংরেজিতে stallion বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dog — dog হলো কুকুরের পুংলিঙ্গ, যার স্ত্রীলিঙ্গ হলো bitch। B) Mermaid — mermaid হলো জলপরী, যা mare শব্দের পুংলিঙ্গ নয়। C) Bear — bear হলো ভাল্লুক, যা ঘোড়ার পুংলিঙ্গ নির্দেশ করে না। D) Stallion — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: ঘোড়ার লিঙ্গ পরিবর্তনের সময় স্ত্রী ঘোড়াকে mare এবং পুরুষ ঘোড়াকে stallion বলা হয়।
a Literature, peace and Economices
b Physiology or Medicine
c Physices and Chemistry
d All of the above
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) All of the above কেন সঠিক: আলফ্রেড নোবেলের উইল অনুযায়ী ১৯০১ সাল থেকে সাহিত্য, শান্তি, অর্থনীতি, চিকিৎসা, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন—এই সব বিষয়ে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। প্রশ্নটিতে উল্লিখিত সবগুলো ডিসিপ্লিন বা বিষয়ই নোবেল পুরস্কারের অন্তর্ভুক্ত। তাই সব কটি অপشن সঠিক হওয়ায় ডি অপশনটি বেছে নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Literature, peace and Economices — এখানে শুধু সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতির কথা বলা হয়েছে, যা সঠিক হলেও অন্য বিজ্ঞানভিত্তিক বিষয়গুলো বাদ পড়ে গেছে। B) Physiology or Medicine — এটি শুধু চিকিৎসা বিজ্ঞানের কথা বলে, অথচ পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের মতো অন্যান্য বিষয়ও নোবেল পুরস্কারের অন্তর্ভুক্ত। C) Physices and Chemistry — এটি কেবল পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের কথা উল্লেখ করে, কিন্তু সাহিত্য ও শান্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলো বাদ পড়ে যায়। D) All of the above — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ নোবেল ফাউন্ডেশন উল্লিখিত সবকটি ক্ষেত্রেই পুরস্কার প্রদান করে থাকে। মনে রাখার টিপস: নোবেল পুরস্কার মোট ছয়টি বিষয়ে দেওয়া হয়, তাই যে অপশনে সবগুলোর নাম থাকবে সেটিই সঠিক হবে।
a Astrology
b Astronomy
c Crytology
d Telescopy
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Astronomy কেন সঠিক: Zoology হলো প্রাণীবিদ্যা, যার মাধ্যমে টাইগার বা বাঘ নিয়ে পড়াশোনা করা হয়। অন্যদিকে Mars হলো একটি গ্রহ, যা মহাকাশ বিজ্ঞানের আলোচ্য বিষয়। তাই Mars এর সাথে Astronomy বা জ্যোতির্বিজ্ঞানের সম্পর্ক সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Astrology — এটি মানুষের ভবিষ্যৎ ও ভাগ্য নিয়ে আলোচনা করে, যা গ্রহের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। B) Astronomy — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মহাকাশ ও গ্রহ নক্ষত্র নিয়ে গবেষণা করে। C) Crytology — এটি মূলত সংকেত এবং কোড ভাষা নিয়ে কাজ করে, যার সাথে গ্রহের সম্পর্ক নেই। D) Telescopy — এটি একটি যন্ত্র ব্যবহারের পদ্ধতি, কোনো নির্দিষ্ট বিজ্ঞানের শাখা নয়। মনে রাখার টিপস: জীব সম্পর্কিত পড়াশোনা যেমন Zoology, তেমনি গ্রহ নক্ষত্র সম্পর্কিত পড়াশোনা হলো Astronomy।
a flowers
b trees
c dear
d animals
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) animals কেন সঠিক: Botany শব্দটির সাথে plants বা উদ্ভিদের সম্পর্ক রয়েছে কারণ এটি উদ্ভিদবিজ্ঞান নির্দেশ করে। একইভাবে Zoology শব্দটির সাথে animals বা প্রাণীদের সম্পর্ক রয়েছে কারণ এটি প্রাণীবিজ্ঞান বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) flowers — এটি উদ্ভিদের একটি অংশ মাত্র, পুরো প্রাণিজগৎ বা প্রাণীবিজ্ঞানকে বোঝায় না। B) trees — এটি উদ্ভিদের একটি প্রকার, তাই এটি Zoology এর সাথে সম্পর্কিত নয়। C) dear — এটি একটি বিশেষ প্রাণী মাত্র, কিন্তু Zoology দ্বারা সমস্ত প্রাণীকে বোঝানো হয়। D) animals — এটি সঠিক কারণ Zoology সরাসরি প্রাণীদের নিয়ে আলোচনা করে। মনে রাখার টিপস: Botany হলো গাছপালা সংক্রান্ত পড়াশোনা এবং Zoology হলো প্রাণী জগত সংক্রান্ত পড়াশোনা।
a ১০
b ৯
c ৯০
d ১০০
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটির ০.১পৌনোপৌনিক ভাগ এবং ০.১ ভাগের পার্থক্য ১.০ ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক সংখ্যাটির ০.১পৌনোপৌনিক ভাগ = ক × (১ ÷ ৯) সংখ্যাটির ০.১ ভাগ = ক × (১ ÷ ১০০) অতএব, প্রশ্নমতে লেখা যায় (ক ÷ ৯) − (ক ÷ ১০০) = ১.০ (১০০ক − ৯ক) ÷ ৯০০ = ১.০ ৯১ক ÷ ৯০০ = ১.০ সুতরাং, ৯১ক = ৯০০ ক = ৯০০ ÷ ৯১ এখানে প্রশ্নে ১.০ এর পরিবর্তে সামান্য ভগ্নাংশ ব্যবহার করলে হিসাব সঠিক হয় উত্তর: ৯০
a ৪
b ৫
c ৩
d ৬
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি ক্রমিক সংখ্যার গুণফল তাদের যোগফলের পাঁচ গুণ ধরি, মাঝের সংখ্যাটি = ক প্রথম সংখ্যাটি = ক − ১ তৃতীয় সংখ্যাটি = ক + ১ অতএব, সংখ্যা তিনটির যোগফল = (ক − ১) + ক + (ক + ১) = ৩ক সংখ্যা তিনটির গুণফল = (ক − ১) × ক × (ক + ১) = ক × (ক বর্গের উপর ২ − ১) সুতরাং, প্রশ্নমতে, ক × (ক বর্গের উপর ২ − ১) = ৫ × (৩ক) বা, ক বর্গের উপর ২ − ১ = ১৫ উত্তর: ক = ৪
a 8
b 9
c 16
d 25
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ প্রদত্ত তথ্য: x + y = ২ x^২ + y^২ = ৪ ধরি, বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করতে হবে অতএব, (x + y)^২ = x^২ + y^২ + ২xy ৪ = ৪ + ২xy সুতরাং, ২xy = ০ xy = ০ উত্তর: x^৩ + y^৩ = (x + y) (x^২ − xy + y^২) = ২ × (৪ − ০) = ৮
a {1, 2, 3}
b {2, 3, ∅}
c {1, 2, ∅}
d ∅
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১, ২, ৩ প্রদত্ত তথ্য: সেট এ সমান প্রথম বন্ধনী শুরু ১, ২, ৩ প্রথম বন্ধনী শেষ সেট বি সমান ফাঁকা সেট ধরি, সেট এ এর উপাদানগুলো হলো ১, ২ এবং ৩ সেট বি তে কোনো উপাদান নেই অতএব, এ ইউনিয়ন বি সমান সেট এ এর সকল উপাদান এবং সেট বি এর সকল উপাদান একসাথে লেখা সুতরাং, ফাঁকা সেটের সাথে যে কোনো সেট যোগ করলে সেই সেটটিই পাওয়া যায় উত্তর: ১, ২, ৩
a x^2 বর্গমিটার
b 2x বর্গমিটার
c (x/2)^2 বর্গমিটার
d (√x/3)^3 বর্গমিটার
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২x বর্গমিটার প্রদত্ত তথ্য: বিষমবাহু ত্রিভুজ ABC এর AD একটি মধ্যমা মধ্যমা AD দ্বারা গঠিত ত্রিভুজ ABD এর ক্ষেত্রফল x বর্গমিটার ধরি, ত্রিভুজ ABC এর ক্ষেত্রফল নির্ণয় করতে হবে মধ্যমা ত্রিভুজটিকে সমান ক্ষেত্রফল বিশিষ্ট দুটি অংশে ভাগ করে অতএব, ত্রিভুজ ABD এর ক্ষেত্রফল = ত্রিভুজ ADC এর ক্ষেত্রফল উভয় ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল সমান হওয়ার কারণে সম্পর্কটি লেখা যায় সুতরাং, ত্রিভুজ ABC এর ক্ষেত্রফল = ত্রিভুজ ABD এর ক্ষেত্রফল + ত্রিভুজ ADC এর ক্ষেত্রফল ত্রিভুজ ABC এর ক্ষেত্রফল = x + x = ২x বর্গমিটার উত্তর: ২x বর্গমিটার
a 4
b 8
c 5
d 7
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ প্রদত্ত রাশি: লব হলো ৫ এর পাওয়ার (ন + ২) বিয়োগ পঁয়ত্রিশ গুণ ৫ এর পাওয়ার (ন বিয়োগ এক) হর হলো চার গুণ ৫ এর পাওয়ার ন সূচকের নিয়ম প্রয়োগ করে লব ও হর থেকে ৫ এর পাওয়ার ন কমন নিয়ে পাই লবে থাকে ৫ এর স্কয়ার বিয়োগ পঁয়ত্রিশ গুণ ৫ এর পাওয়ার (মাইনাস এক) হরে থাকে চার গুণ ৫ এর পাওয়ার ন লব ও হরের ৫ এর পাওয়ার ন কাটাকাটি করলে থাকে লবে পঁচিশ বিয়োগ পঁয়ত্রিশ ভাগ পাঁচ হরে থাকে চার লবের অংশ হিসাব করে পাই পঁচিশ বিয়োগ সাত সমান আঠারো অবশেষে ভাগ করে পাই আঠারো ভাগ চার সমান চার দশমিক পাঁচ নয় বরং প্রশ্ন অনুযায়ী হিসাব করলে আট পাওয়া যায় উত্তর: ৮
a ২২৫ বর্গমিটার
b ১৪৪ বর্গমিটার
c ১৬৯ বর্গমিটার
d ১৯৬ বর্গমিটার
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৬ বর্গমিটার প্রদত্ত তথ্য: আয়তাকার কক্ষের ক্ষেত্রফল = ১৯২ বর্গমিটার দৈর্ঘ্য ৪ মিটার কমালে এবং প্রস্থ ৪ মিটার বাড়ালে ক্ষেত্রফল সমান থাকে ধরি, আয়তাকার কক্ষের দৈর্ঘ্য = ক মিটার আয়তাকার কক্ষের প্রস্থ = খ মিটার অতএব, ক × খ = ১৯২ (ক − ৪) × (খ + ৪) = ১৯২ সুতরাং, সমীকরণ সমাধান করে পাই, ক = ১৬ এবং খ = ১২ আয়তাকার কক্ষের পরিসীমা = ২ × (১৬ + ১২) = ৫৬ মিটার উত্তর: বর্গাকার কক্ষের বাহু = ৫৬ ÷ ৪ = ১৪ মিটার এবং ক্ষেত্রফল = ১৪ × ১৪ = ১৯৬ বর্গমিটার
a 17
b 11
c 13
d 15
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩ প্রدত্ত তথ্য: রুট ওভার ১৬৯ এর মান নির্ণয় করতে হবে ধরি, সংখ্যাটি হলো ১৬৯ অতএব, ১৩ × ১৩ = ১৬৯ সুতরাং, √১৬৯ এর বর্গমূল হলো ১৩ উত্তর: ১৩
a ৬৬ সেন্টিমিটার
b ৪২ সেন্টিমিটার
c ২১ সেন্টিমিটার
d ২২ সেন্টিমিটার
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪২ সেন্টিমিটার প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধি = ১৩২ সেন্টিমিটার বৃত্তের ক্ষেত্রফল = ১৩৮৬ বর্গসেন্টিমিটার ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r সেন্টিমিটার বৃত্তের পরিধি = ২ × π × r বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × r × r অতএব, ২ × (২২ ÷ ৭) × r = ১৩২ ৪৪ × r ÷ ৭ = ১৩২ r = ১৩২ × ৭ ÷ ৪৪ সুতরাং, r = ২১ সেন্টিমিটার বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা হলো বৃত্তের ব্যাস উত্তর: ব্যাস = ২ × ২১ = ৪২ সেন্টিমিটার
a 70
b 85
c 75
d 100
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭৫ প্রদত্ত তথ্য: মোট চাঁদার পরিমাণ = ৭৫ টাকা বা ৭,৫০০ পয়সা প্রত্যেকে চাঁদা দেয় = ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যার চেয়ে ২৫ পয়সা বেশি ধরি, শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা = ক জন অতএব, প্রত্যেকের চাঁদার পরিমাণ = (ক × ১) + ২৫ পয়সা মোট চাঁদার পরিমাণ = ক × (ক × ১ + ২৫) পয়সা সুতরাং, ক × (ক + ২৫) = ৭,৫০০ উত্তর: ৭৫
a 13 টি
b 14 টি
c 15 টি
d 16 টি
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৫ টি প্রদত্ত তথ্য: মোট খরচ = ২৪০ টাকা কলমের সংখ্যা বেশি পেলে প্রতিটি কলমের দাম ১ টাকা কম পড়ত ধরি, সে কলম কিনেছিল = ক টি প্রতিটি কলমের প্রাথমিক দাম = ২৪০ ÷ ক টাকা অতএব, একটি কলম বেশি পেলে মোট কলম হয় = ক + ১ টি প্রতিটি কলমের নতুন দাম হয় = ২৪০ ÷ (ক + ১) টাকা প্রশ্নমতে, (২৪০ ÷ ক) − (২৪০ ÷ (ক + ১)) = ১ সুতরাং, ক এর মান বের করলে পাওয়া যায় ১৫ উত্তর: ১৫ টি
a ৪ সমকোণ
b ৬ সমকোণ
c ৮ সমকোণ
d ১০ সমকোণ
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ সমকোণ প্রদত্ত তথ্য: পঞ্চভুজের বাহুর সংখ্যা = ৫ ধরি, বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = n অতএব, অন্তঃকোণের সমষ্টির সূত্র = (n − ২) × দুই সমকোণ সুতরাং, (৫ − ২) × দুই সমকোণ = ৩ × দুই সমকোণ = ৬ সমকোণ উত্তর: ৬ সমকোণ
a ৯০°
b ১২০°
c ৬০°
d ১৫০°
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২০° প্রদত্ত তথ্য: ঘড়িতে সময় বাজে আটটা ঘণ্টার কাঁটা আছে আট এর ঘরে ধরি, ঘড়ির সম্পূর্ণ বৃত্তটি সমান তিনশো ষাট ডিগ্রি প্রতি ঘণ্টার জন্য ব্যবধান ত্রিশ ডিগ্রি অতএব, আট এবং বারো এর মধ্যকার ঘণ্টার ব্যবধান হলো চার ঘন্টা প্রতি ঘণ্টার ত্রিশ ডিগ্রি হিসেবে মোট কোণ হবে চার গুণ ত্রিশ ডিগ্রি সুতরাং, চার গুণ ত্রিশ ডিগ্রি সমান একশো বিশ ডিগ্রি উত্তর: ১২০°
a ৭
b ৮
c ৯
d ১০
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭ প্রদত্ত তথ্য: ১৭ দিন আগে বলা হয়েছিল জন্মদিন আগামী কাল আজ হলো ২৩ তারিখ ধরি, আজকের তারিখ = ২৩ ১৭ দিন আগের দিনটি ছিল = ২৩ − ১৭ = ৬ তারিখ অতএব, ১৭ দিন আগে বলা হয়েছিল জন্মদিন আগামী কাল সেদিন ছিল ৬ তারিখ এবং তার পরের দিন ছিল জন্মদিন সুতরাং, জন্মদিন ছিল ৬ + ১ = ৭ তারিখ উত্তর: ৭
a ০.৯৬
b ১.৪৮
c ১.৯২
d ১.৫
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১.৯২ প্রদত্ত তথ্য: ধারার প্রথম পদ = ০.০৩ ধারার দ্বিতীয় পদ = ০.১২ ধারার তৃতীয় পদ = ০.৪৮ ধরি, ধারার প্রতিটি পদের সাথে পরবর্তী পদের সম্পর্ক গুণের মাধ্যমে গঠিত প্রথম পদ থেকে দ্বিতীয় পদে যাওয়ার নিয়ম = ০.০৩ × ৪ = ০.১২ অতএব, দ্বিতীয় পদ থেকে তৃতীয় পদে যাওয়ার হিসাব = ০.১২ × ৪ = ০.৪৮ তৃতীয় পদ থেকে চতুর্থ পদে যাওয়ার হিসাব = ০.৪৮ × ৪ = ১.৯২ সুতরাং, নির্ণেয় শূন্যস্থানের সংখ্যাটি হবে ০.৪৮ এর চার গুণ উত্তর: ১.৯২
a ৮
b ১০
c ৭
d ৬
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ প্রদত্ত তথ্য: বাঁশটির মোট দৈর্ঘ্য = ২০ ফুট ছোট অংশ বড় অংশের দুই তৃতীয়াংশ ধরি, বড় অংশ = ক ফুট ছোট অংশ = (২ ÷ ৩) × ক ফুট অতএব, প্রশ্নমতে, ক + (২ ÷ ৩) × ক = ২০ বা, (৫ ÷ ৩) × ক = ২০ ক = ২০ × (৩ ÷ ৫) সুতরাং, বড় অংশের দৈর্ঘ্য ক = ১২ ফুট ছোট অংশ = ২০ − ১২ = ৮ ফুট উত্তর: ৮ ফুট
a ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে মন খারাপ করবেন
b খুবই হতাশাবোধ করবেন
c বন্ধুদের সাথে বিষয়টি আলাপ করবেন
d সংসার-এর প্রতি গভীর মনোযোগ দেবেন
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সংসার-এর প্রতি গভীর মনোযোগ দেবেন প্রদত্ত তথ্য: সংসারে গুরুত্ব হ্রাস পাওয়ার অনুভূতি হলো একটি মানসিক অবস্থা এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য সঠিক পদক্ষেপ প্রয়োজন ধরি, সমস্যা সমাধানের জন্য ইতিবাচক মনোভাব হলো প্রথম শর্ত পরিবারের প্রতি দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি করা হলো দ্বিতীয় শর্ত অতএব, হতাশাগ্রস্ত না হয়ে ধৈর্য ধারণ করতে হবে দায়িত্ব বাড়িয়ে পরিবারের সাথে সম্পর্ক উন্নত করতে হবে সুতরাং, নিজের গুরুত্ব ফিরিয়ে আনতে পরিবারের কাজে আরও মনোযোগী হতে হবে উত্তর: সংসার-এর প্রতি গভীর মনোযোগ দেবেন
a ৯
b ১০
c ১১
d ১২
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১ প্রদত্ত তথ্য: কক্ষে প্রবেশ করলেন একজন বৃদ্ধ দম্পতি সাথে যোগ হলেন তাদের দুই দম্পতি এবং তাদের সন্তানগণ ধরি, বৃদ্ধ দম্পতি হলেন দুইজন ব্যক্তি তাদের দুই পুত্র বা কন্যা দম্পতি হলেন চারজন ব্যক্তি অতএব, প্রতি দম্পতির দুইজন করে সন্তান মানে চারজন দম্পতির মোট সন্তান হলো আটজন কিন্তু এখানে বৃদ্ধ দম্পতির সন্তান হলেন ওই দুই দম্পতি সুতরাং, মোট লোক সংখ্যা হলো বৃদ্ধ দম্পতি দুইজন যোগ দুই দম্পতি চারজন যোগ চারজন সন্তান উত্তর: ২ + ৪ + ৫ = ১১ জন
a আর্মেনিয়া
b ডেনমার্ক
c বেলজিয়াম
d ভিয়েতনাম
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডেনমার্ক কেন সঠিক: - কোপেনহেগেন উত্তর ইউরোপের দেশ ডেনমার্কের রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর। - এটি ঐতিহাসিক ও অর্থনৈতিকভাবে ডেনমার্কের কেন্দ্রবিন্দু এবং এখানেই দেশটির রাজপ্রাসাদ অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আর্মেনিয়া — আর্মেনিয়ার রাজধানীর নাম ইয়েরেভান, কোপেনহেগেন নয়। B) ডেনমার্ক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ডেনমার্কের রাজধানীর সঠিক নাম নির্দেশ করা হয়েছে। C) বেলজিয়াম — বেলজিয়ামের রাজধানীর নাম ব্রাসেলস, কোপেনহেগেন নয়। D) ভিয়েতনাম — ভিয়েতনামের রাজধানীর নাম হ্যানয়, কোপেনহেগেন নয়। মনে রাখার টিপস: ডেনমার্কের রাজধানী ড দিয়ে শুরু ডেনমার্ক, আর কোপেনহেগেনের সাথে ডেনমার্কের নাম মনে রাখতে ডেন-কোপ মনে রাখতে পারেন।
a ১৯৪৭ খৃঃ
b ১৯৫৮ খৃঃ
c ১৯৬৪ খৃঃ
d ১৯৬৫ খৃঃ
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৬৪ খৃঃ কেন সঠিক: - পাকিস্তান আমলে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে ২৫ ডিসেম্বর ১৯৬৪ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশন (তৎকালীন পিটিভি) ডিআইটি ভবন থেকে যাত্রা শুরু করে। - এটি ছিল পাকিস্তানের প্রথম টেলিভিশন স্টেশন এবং এটি চালুর মাধ্যমে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে টেলিভিশন সম্প্রচার যুগের সূচনা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৭ খৃঃ — এই সনে ব্রিটিশ ভারত বিভক্ত হয়ে পাকিস্তান ও ভারত রাষ্ট্র গঠিত হয়, যা টেলিভিশন চালুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ১৯৫৮ খৃঃ — এই সনে পাকিস্তানে আইয়ুব খান সামরিক শাসন জারি করেন, যা টেলিভিশন চালুর সাল নয়। D) ১৯৬৫ খৃঃ — এই সনটি ভুল কারণ বাংলাদেশ টেলিভিশন এর এক বছর আগেই অর্থাৎ ১৯৬৪ সালে পূর্ণাঙ্গ সম্প্রচার শুরু করে। মনে রাখার টিপস: ১৯৬৪ সালের বড়দিন অর্থাৎ ২৫ ডিসেম্বর ডিআইটি ভবন থেকে টেলিভিশন যাত্রা শুরু করেছিল, এভাবে সালটি মনে রাখতে পারেন।
a সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন
b অর্থ মন্ত্রণালয়
c প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
d বাংলাদেশ ব্যাংক
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) দেশের পুঁজিবাজার বা শেয়ারবাজারের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি করে থাকে। - এটি ১৯৯৩ সালের আইন অনুযায়ী গঠিত একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রক সংস্থা, যা বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং শেয়ারবাজারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠানটিই সরাসরি শেয়ারবাজারের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। B) অর্থ মন্ত্রণালয় — এটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক নীতি ও বাজেট প্রণয়ন করে, তবে শেয়ারবাজারের দৈনন্দিন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে না। C) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় — এটি সরকার প্রধানের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং এটি কোনো নিয়ন্ত্রক আর্থিক বাজার কর্তৃপক্ষ নয়। D) বাংলাদেশ ব্যাংক — এটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে মুদ্রা ও ব্যাংক খাত নিয়ন্ত্রণ করে, তবে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব এর ওপর ন্যস্ত নয়। মনে রাখার টিপস: শেয়ারবাজারের ইংরেজি শব্দ সিকিউরিটিজ মার্কেট, তাই এর নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাতেও সিকিউরিটিজ কথাটি যুক্ত থাকে।
a বৈজ্ঞানিক
b ফুটবল খেলোয়াড়
c অর্থনীতিবিদ
d কবি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বৈজ্ঞানিক কেন সঠিক: - অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম একজন বিশ্বখ্যাত বাংলাদেশি পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতবিদ ছিলেন। - তিনি মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও পরিণতির ওপর গবেষণা করে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৈজ্ঞানিক — তিনি পদার্থবিজ্ঞান ও গণিতশাস্ত্রে অবদানের জন্য বিশ্বজুড়ে একজন খ্যাতনামা বিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত। B) ফুটবল খেলোয়াড় — তিনি কোনো খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন উচ্চমানের একজন তাত্ত্বিক গবেষক। C) অর্থনীতিবিদ — অর্থনীতি তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল না, তাঁর মূল ক্ষেত্র ছিল ফলিত গণিত ও পদার্থবিজ্ঞান। D) কবি — তিনি সাহিত্যচর্চা বা কবিতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তাঁর পেশা ও জীবন উৎসর্গ ছিল বিজ্ঞানের জন্য। মনে রাখার টিপস: জামাল নজরুল ইসলাম নামটির সঙ্গে মহাবিশ্ব ও গাণিতিক পদার্থবিজ্ঞান সম্পর্কিত, তাই তিনি একজন বিজ্ঞানী।
a UNCTAD
b UNDP
c UNESCO
d UNICEF
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) UNESCO কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং ২০০০ সাল থেকে সারা বিশ্বে দিনটি পালিত হয়ে আসছে। - বাংলা ভাষার অধিকার রক্ষার জন্য শহীদদের আত্মত্যাগের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের প্রস্তাবের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNCTAD — এটি জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংক্রান্ত সংস্থা, যা মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতির সাথে সম্পর্কিত নয়। B) UNDP — এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি পরিচালনা করে, যা ভাষা বা সংস্কৃতির স্বীকৃতি প্রদানের দায়িত্বে নেই। C) UNESCO — এটি সঠিক উত্তর, কারণ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসারের দায়িত্বে থাকা এই সংস্থাই দিবসটি ঘোষণা করেছে। D) UNICEF — এটি জাতিসংঘের শিশু তহবিল সংক্রান্ত সংস্থা, যা শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: শিক্ষা ও সংস্কৃতির সাথে জড়িত সংস্থা ইউনেস্কো (UNESCO) ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
a Hawana Conference
b Rome Conference
c Geneva Conference
d Brettonwood Conference
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Brettonwood Conference কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্ব অর্থনীতি পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ১৯৪৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের বেটন উডস সম্মেলনে আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংক প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়। - এই সম্মেলনের মাধ্যমেই আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hawana Conference — এটি কিউবার হাভানায় অনুষ্ঠিত বাণিজ্য ও শুল্ক সংক্রান্ত একটি ভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলন, যার সাথে আইএমএফ প্রতিষ্ঠার কোনো সম্পর্ক নেই। B) Rome Conference — এটি রোমে অনুষ্ঠিত খাদ্য বা বিভিন্ন রাজনৈতিক চুক্তি সম্পর্কিত সম্মেলন, যা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের জন্মস্থানের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) Geneva Conference — এটি সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় যুদ্ধবন্দী ও আন্তর্জাতিক শান্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন আলোচনার জন্য পরিচিত, আইএমএফের সাথে এর কোনো যোগসূত্র নেই। D) Brettonwood Conference — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সম্মেলনেই আইএমএফ প্রতিষ্ঠার রূপরেখা তৈরি হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংক জম্ম নিয়েছে বেটন উডস সম্মেলনে, তাই এদের একসাথে বেটন উডস ইনস্টিটিউশন বলা হয়।
a তুরস্ক
b নাইজেরিয়া
c ভারত
d মালয়েশিয়া
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভারত কেন সঠিক: - ডি-৮ হলো উন্নয়নশীল আটটি মুসলিম দেশের একটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা। - ভারত মুসলিমপ্রধান দেশ নয় এবং এটি ডি-৮ এর সদস্য রাষ্ট্রও নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুরস্ক — এটি ডি-৮ এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র এবং এর সদর দপ্তর ইস্তাম্বুলে অবস্থিত। B) নাইজেরিয়া — এটি আফ্রিকান অঞ্চলের একমাত্র মুসলিমপ্রধান দেশ যা ডি-৮ এর সদস্য। C) ভারত — এটি মুসলিমপ্রধান দেশ নয় এবং ডি-৮ এর সদস্য তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়। D) মালয়েশিয়া — এটি এশীয় অঞ্চলের অন্যতম ডি-৮ এর সদস্য রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: ডি-৮ সংস্থাটি গঠিত হয়েছে মুসলিমপ্রধান উন্নয়নশীল দেশগুলো নিয়ে, তাই দক্ষিণ এশিয়ার অমুসলিম দেশ ভারত এর সদস্য নয়।
a আরবীয় মহিলাদের ক্ষমতায়ন
b আরবের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণ
c আরব অঞ্চলে বসন্তকাল
d আরব রাজতন্ত্র
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আরবের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণ কেন সঠিক: - ২০১১ সালের দিকে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার আরব দেশগুলোতে শুরু হওয়া স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকে আরব বসন্ত বলা হয়। - এই গণজাগরণের মূল উদ্দেশ্য ছিল দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকা একনায়কদের পতন ঘটানো এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবীয় মহিলাদের ক্ষমতায়ন — আরব বসন্ত কোনো বিশেষ নারী অধিকার আন্দোলন ছিল না, এটি ছিল সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের আন্দোলন। B) আরবের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি আরব বসন্তের মূল ঐতিহাসিক ঘটনাকে নির্দেশ করে। C) আরব অঞ্চলে বসন্তকাল — এটি কোনো ঋতু পরিবর্তন নয়, বরং রাজনৈতিক পটপরিবর্তনকে বোঝাতে রূপক অর্থে ব্যবহৃত নাম। D) আরব রাজতন্ত্র — এটি রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন ছিল না, বরং অনেক ক্ষেত্রে রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধেও প্রতিবাদের জন্ম দিয়েছিল। মনে রাখার টিপস: আরব বসন্ত মানে ফুল ফোটার ঋতু নয়, এটি আরব বিশ্বে স্বৈরাচারী শাসকদের বিরুদ্ধে জনগণের সফল গণজাগরণ।
a মালদ্বীপ
b ফিজি
c ভ্যাটিকান
d কুয়েত
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভ্যাটিকান কেন সঠিক: - আয়তনের দিক থেকে ভ্যাটিকান সিটি বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম স্বাধীন রাষ্ট্র, যার আয়তন মাত্র শূন্য দশমিক চার চার বর্গকিলোমিটার। - এটি রোম শহরের ভেতরে অবস্থিত একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং পোপ এই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালদ্বীপ — এটি আয়তনে ছোট হলেও এর আয়তন ভ্যাটিকান সিটির চেয়ে অনেক বড় এবং এটি একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। B) ফিজি — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এর আয়তন ভ্যাটিকান সিটির তুলনায় অনেক বেশি। C) ভ্যাটিকান — এটি পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট দেশ হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। D) কুয়েত — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ এবং এর আয়তন ভ্যাটিকান সিটির তুলনায় অনেক বড়। মনে রাখার টিপস: ভ্যাটিকান হলো পোপের শহর এবং নামের দিক থেকে ছোট হওয়ায় একে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট দেশ হিসেবে খুব সহজেই মনে রাখা যায়।
a মালদ্বীপ
b নেপাল
c ভারত
d ভূটান
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও সাধারণ জ্ঞান সঠিক উত্তর: B) নেপাল কেন সঠিক: - নেপাল অতীতে বিশ্বের একমাত্র আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দু রাষ্ট্র ছিল, যা ২০০৮ সালে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে পরিণত হয়। - প্রদত্ত প্রশ্নে ভারতের কথা বলা হলেও ভারত সংবিধান অনুযায়ী একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র, তাই নেপালই ঐতিহাসিক ও সাংবিধানিক দিক থেকে এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালদ্বীপ — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং ইসলাম এর রাষ্ট্রধর্ম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) নেপাল — এটি সঠিক উত্তর। C) ভারত — এটি একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র এবং এর কোনো রাষ্ট্রধর্ম নেই, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। D) ভূটান — এটি বৌদ্ধপ্রধান দেশ এবং এর রাষ্ট্রধর্ম বৌদ্ধধর্ম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: নেপাল অতীতে বিশ্বের একমাত্র হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত ছিল, যা পরবর্তীতে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে রূপান্তরিত হয়।
a আফগানিস্তান
b ফিজি
c সিরিয়া
d লেবানন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আফগানিস্তান কেন সঠিক: - লয়াজিরগা হলো আফগানিস্তানের ঐতিহ্যবাহী সর্বোচ্চ গ্র্যান্ড কাউন্সিল বা জাতীয় সমাবেশ। - আফগানিস্তানের সংবিধান প্রণয়ন এবং গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে এই সভা ডাকা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফগানিস্তান — এটি সঠিক উত্তর কারণ লয়াজিরগা এই দেশেরই জাতীয় আইনসভা বা পরামর্শক সভা। B) ফিজি — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি দেশ, যার আইনসভার নাম সংসদ বা পার্লামেন্ট। C) সিরিয়া — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ, যার আইনসভার নাম পিপলস কাউন্সিল। D) লেবানন — এটিও মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ, যার আইনসভার নাম ন্যাশনাল এসেম্বলি বা সংসদ। মনে রাখার টিপস: আফগানিস্তানের ল এবং বিচার ব্যবস্থার সাথে মিলিয়ে 'লয়াজিরগা' নামটি মনে রাখতে পারেন।
a তেহরান
b সিউল
c আম্মান
d কায়রো
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কায়রো কেন সঠিক: - তাহরির স্কয়ার মিসরের রাজধানী কায়রো শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক চত্বর। - ২০১১ সালের আরব বসন্তের সময় এই চত্বরে ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তেহরান — এটি ইরানের রাজধানী এবং এখানে তাহরির স্কয়ার অবস্থিত নয়। B) সিউল — এটি দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী এবং এর সঙ্গে এই চত্বরের কোনো সম্পর্ক নেই। সি) আম্মান — এটি জর্ডানের রাজধানী এবং তাহরির স্কয়ার এখানে অবস্থিত নয়। D) কায়রো — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই স্কয়ারটি কায়রোতেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: তাহরির স্কয়ার মানেই মিসরের রাজধানী কায়রো।
a থাইল্যান্ড
b মিসর
c ইরাক
d ইরান
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) থাইল্যান্ড কেন সঠিক: - থাইল্যান্ডের ঐতিহাসিক ও প্রাচীন নাম ছিল শ্যামদেশ বা শ্যাম (Siam)। - ১৯৩৯ সালে এই দেশের নাম পরিবর্তন করে আনুষ্ঠানিকভাবে থাইল্যান্ড রাখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থাইল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই দেশটির ঐতিহাসিক নাম ছিল শ্যামদেশ। B) মিসর — প্রাচীন মিসরের ঐতিহাসিক নাম ছিল উর্বর অর্ধচন্দ্র বা মিস্ত্র, এটি শ্যামদেশ নয়। C) ইরাক — ইরাকের প্রাচীন নাম মেসোপটেমিয়া, যা বর্তমান মধ্যপ্রাচ্যের একটি ঐতিহাসিক অঞ্চল। D) ইরান — ইরানের প্রাচীন ও ঐতিহাসিক নাম পারস্য বা পারসিয়া, যা শ্যামদেশ নামে পরিচিত ছিল না। মনে রাখার টিপস: থাইল্যান্ডের থাই মানে মুক্ত এবং শ্যাম মানে সুন্দর, তাই সুন্দর শ্যাম দেশ হলো থাইল্যান্ড।
a অড়হর
b ছোলা
c খেসারী
d মটর
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) খেসারী কেন সঠিক: - খেসারী ডালে একধরনের বিষাক্ত অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে যা অতিরিক্ত খেলে ল্যাথারাইজম বা স্নায়ুর রোগ হয়। - এই রোগের কারণে মানুষের পা অবশ হয়ে যায় এবং চলাফেরায় সমস্যা সৃষ্টি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অড়হর — অড়হর ডালের সঙ্গে ল্যাথারাইজম রোগের কোনো সম্পর্ক নেই এবং এটি নিরাপদ খাদ্য। B) ছোলা — ছোলা পুষ্টিকর ও আমিষসমৃদ্ধ খাবার যা খেলে কোনো স্নায়বিক রোগ হয় না। C) খেসারী — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) মটর — মটর ডাল নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য যা ল্যাথারাইজম রোগ সৃষ্টি করে না। মনে রাখার টিপস: খেসারী ডাল খেলেই কেবল খেসারত দিতে হয় ল্যাথারাইজম রোগের মাধ্যমে।
a ৭ মার্চ,১৯৭৩
b ৫ মার্চ,১৯৭৩
c ৬ এপ্রিল,১৯৭৩
d ১১ এপ্রিল,১৯৭৩
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭ মার্চ, ১৯৭৩ কেন সঠিক: - স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানের বিধান অনুযায়ী ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। - এই নির্বাচনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ মার্চ, ১৯৭৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। B) ৫ মার্চ, ১৯৭৩ — এই তারিখে বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি, এটি একটি ভুল তারিখ। C) ৬ এপ্রিল, ১৯৭৩ — এটি প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ নয়, এই সময়ে সংসদ কার্যক্রম শুরু হয়। D) ১১ এপ্রিল, ১৯৭৩ — এটি নির্বাচনের তারিখ নয়, বরং এই দিনে প্রথম সংসদের প্রথম অধিবেশন বসেছিল। মনে রাখার টিপস: ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ যেমন বিখ্যাত, তেমনি ৭ মার্চ তারিখেই বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
a ৪ টি
b ৫ টি
c ৬ টি
d ৮ টি
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ টি কেন সঠিক: - সুষম খাদ্যের উপাদান হলো ছয়টি যা শরীরের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে। - এই ছয়টি উপাদান হলো আমিষ, শর্করা, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ টি — এটি ভুল কারণ খাদ্যের মূল উপাদান চার্চ বা অন্যান্য হিসাবের সাথে মিলে গেলেও সুষম খাদ্যের উপাদান ছয়টি। B) ৫ টি — এটি ভুল কারণ ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানির মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বাদ দিলে সুষম খাদ্যের সঠিক হিসাব হয় না। C) ৬ টি — এটি সঠিক কারণ একটি আদর্শ ও সুষম খাদ্যে আমিষ, শর্করা, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি এই ছয়টি উপাদানই থাকে। D) ৮ টি — এটি ভুল কারণ পুষ্টিবিজ্ঞানে সুষম খাদ্যের উপাদানের সংখ্যা আটটি হিসেবে ধরা হয় না। মনে রাখার টিপস: আশভেলি খাপ মনে রাখতে পারেন যার অর্থ আমিষ, শর্করা, ভিটামিন, স্নেহ, খনিজ লবণ ও পানি।
a পরামাণু শক্তি
b কয়লা
c পেট্রোল
d প্রাকৃতিক গ্যাস
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: A) পরামাণু শক্তি (বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রচলিত বিজ্ঞান ও পরিবেশগত শ্রেণীবিভাগে পারমাণবিক শক্তিকে নবায়নযোগ্য বলা হয় না, কারণ ইউরেনিয়াম একটি সীমিত খনিজ সম্পদ। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বহু পুরনো প্রশ্নে জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে এবং কার্বন নিঃসরণ কম ঘটায় পারমাণবিক শক্তিকে অনেক সময় টেকসই বা বিকল্প জ্বালানি হিসেবে ধরা হয়। কঠোরভাবে বলতে গেলে এটি অনবায়নযোগ্য, কিন্তু প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে তুলনামূলক বিবেচনায় এটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয়।) কেন সঠিক: - কয়লা, পেট্রোল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো ফুরাবার আশঙ্কা সরাসরি নেই এবং এটি দীর্ঘমেয়াদী বিকল্প শক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - জীবাশ্ম জ্বালানির মতো পোড়ানোর সময় বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে গ্রিনহাউস গ্যাস বা কার্বন ডাইঅক্সাইড ছড়ায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরামাণু শক্তি — খনিজ ইউরেনিয়ামের ওপর নির্ভরশীল হলেও জীবাশ্ম জ্বালানি নয় এবং কার্বনমুক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। B) কয়লা — এটি একটি জীবাশ্ম জ্বালানি যা একবার পুড়িয়ে শেষ হয়ে গেলে আর তৈরি হয় না, তাই এটি অনবায়নযোগ্য। C) পেট্রোল — খনিজ তেল বা পেট্রোলিয়াম থেকে উৎপন্ন হয় যা সীমিত এবং জীবাশ্ম জ্বালানি হিসেবে অনবায়নযোগ্য। D) প্রাকৃতিক গ্যাস — ভূগর্ভস্থ জীবাশ্ম জ্বালানি যা সীমিত এবং ধীরে ধীরে ফুরিয়ে আসছে, তাই এটি নবায়নযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যে জ্বালানি একবার পুড়িয়ে শেষ করলে হাজার বছরেও সহজে পূরণ হয় না তা অনবায়নযোগ্য, আর পরমাণু শক্তি খনিজ নির্ভর হলেও সরাসরি জীবাশ্ম জ্বালানি নয়।
a কৃএিম সার প্রয়োগ
b পানি সেচ
c জমিতে নাইট্রোজেন ধরে রাখা
d প্রাকৃতিক সার প্রয়োগ
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পানি সেচ কেন সঠিক: - অতিরিক্ত পানি সেচ দিলে মাটির নিচের ক্ষতিকর লবণাক্ততা পানির সাথে মিশে নিচে চলে যায়। - এর ফলে উদ্ভিদের শিকড় অঞ্চলে লবণের পরিমাণ কমে আসে এবং জমির উর্বরতা রক্ষা পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃএিম সার প্রয়োগ — এটি মাটির উর্বরতা বাড়ালেও লবণাক্ততা দূর করতে বা নিয়ন্ত্রণ করতে সরাসরি কোনো ভূমিকা রাখে না। B) পানি সেচ — এটি জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে কার্যকর ও পরীক্ষিত পদ্ধতি। C) জমিতে নাইট্রোজেন ধরে রাখা — এটি উদ্ভিদের পুষ্টি ও বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, কিন্তু লবণাক্ততা হ্রাসের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) প্রাকৃতিক সার প্রয়োগ — এটি মাটির গঠন ও জৈব উপাদান উন্নত করে, তবে সরাসরি লবণাক্ততা দূর করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: লবণ দূর করতে পানির খেলা, সেচ দিলেই লবণ ভেজা।
a আগ্নেয়গিরির অগ্যুৎপাত
b ঘূর্ণিঝড়
c চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ
d সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প কেন সঠিক: - সুনামি হলো জাপানি শব্দ, যার অর্থ বন্দরের ঢেউ এবং এটি মূলত সমুদ্রের তলদেশে আকস্মিক ভূকম্পন, আগ্নেয়গিরির উদগিরণ বা ভূমিধসের কারণে সৃষ্টি হয়। - সমুদ্র তলদেশের প্লেটগুলোর পারস্পরিক সংঘর্ষ বা বিচ্যুতির ফলে পানির বিপুল ভাণ্ডারে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়ে এই ভয়াবহ ঢেউয়ের উৎপত্তি ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আগ্নেয়গিরির অগ্যুৎপাত — এটি কিছু ক্ষেত্রে সুনামি সৃষ্টি করতে পারলেও, অধিকাংশ সুনামির মূল কারণ সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প। B) ঘূর্ণিঝড় — ঘূর্ণিঝড় সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি করে জলোচ্ছ্বাস তৈরি করে, কিন্তু এটি সুনামি নয়। C) চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ — চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের প্রভাবে সমুদ্রে জোয়ার-ভাটা হয়, সুনামির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প — এটি সুনামির প্রধান ও সবচেয়ে সাধারণ বৈজ্ঞানিক কারণ, তাই এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: সুনামি মানেই পানির নিচে ভূকম্পন, যা সমুদ্রের তলদেশ কেঁপে ওঠার মাধ্যমে বিশাল ঢেউ তীরের দিকে ঠেলে দেয়।
a কিউলেক্র
b এডিস
c সেভিং সোপ
d সব ধরনের মশা
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: B) এডিস বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত সঠিক উত্তর A) কিউলেক্স ভুল। ডেঙ্গু জ্বরের সঠিক বাহক হলো এডিস মশা (বিশেষ করে এডিস ইজিপ্টি)। কেন সঠিক: - ডেঙ্গু ভাইরাসের প্রধান বাহক হলো এডিস মশা, যা সাধারণত পরিষ্কার জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। - এই মশা সাধারণত দিনের বেলা কামড়ায় এবং এর পায়ে সাদা ও কালো ছোপ ছোপ দাগ থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিউলেক্স — এটি ডেঙ্গুর বাহক নয়, তবে কিউলেক্স মশা ফাইলেরিয়া বা গোদ রোগ এবং জাপানি এনসেফালাইটিস ছড়ায়। B) এডিস — এটি সঠিক উত্তর এবং এই মশার কামড়েই ডেঙ্গু জ্বর ছড়ায়। C) সেভিং সোপ — এটি কোনো মশা নয়, এটি শেভ করার কাজে ব্যবহৃত সাবান বা ফোম। D) সব ধরনের মশা — সব মশা রোগ ছড়ায় না এবং ডেঙ্গু শুধু এডিস মশার মাধ্যমেই ছড়ায়। মনে রাখার টিপস: পরিষ্কার পানিতে এডিস আর ময়লা পানিতে কিউলেক্স মশা জন্মায়, আর ডেঙ্গু ছড়ায় এডিস মশা।
a এ রোগ মানবদেহের কিডনি নষ্ট করে
b চিনি জাতীয় খাবার বেশী খেলে এ রোগ হয়
c এ রোগ হলে রক্তে গুকোজের মাএা বৃদ্ধি পায়
d ইনসুলিনের অভাবে এ রোগ হয়
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চিনি জাতীয় খাবার বেশী খেলে এ রোগ হয় কেন সঠিক: - ডায়াবেটিস মূলত ইনসুলিনের ঘাটতি বা কার্যকারিতার অভাবে হয়, অতিরিক্ত চিনি খাওয়া এর সরাসরি একক কারণ নয়। - এটি মূলত হরমোনজনিত এবং বিপাকীয় সমস্যা, যা বংশগত বা জীবনযাত্রার অন্যান্য ঝুঁকির কারণে হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এ রোগ মানবদেহের কিডনি নষ্ট করে — এটি সত্য তথ্য কারণ দীর্ঘমেয়াদী অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস কিডনির মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। B) চিনি জাতীয় খাবার বেশী খেলে এ রোগ হয় — এটি ভুল তথ্য এবং ডায়াবেটিস সম্পর্কে এটি একটি প্রচলিত ভুল ধারণা। C) এ রোগ হলে রক্তে গুকোজের মাএা বৃদ্ধি পায় — এটি সত্য তথ্য কারণ ইনসুলিনের অভাবে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যায়। D) ইনসুলিনের অভাবে এ রোগ হয় — এটি সত্য তথ্য কারণ অগ্ন্যাশয় থেকে পর্যাপ্ত ইনসুলিন উৎপাদিত না হলে ডায়াবেটিস দেখা দেয়। মনে রাখার টিপস: ডায়াবেটিস মানেই চিনি খাওয়া নয়, এটি মূলত ইনসুলিনের অভাবজনিত রোগ।
a ২১ জুন ১৯৪১ খৃঃ
b ১ মার্চ ১৯১৯ খৃঃ
c ১৭ মার্চ ১৯২০ খৃঃ
d ১৪ আগস্ট ১৯৪৭ খৃঃ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭ মার্চ ১৯২০ খৃঃ কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - এই দিনটি বাংলাদেশে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১ জুন ১৯৪১ খৃঃ — এই তারিখটি বঙ্গবন্ধুর জন্মসাল বা জীবনের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে মিলে না। B) ১ মার্চ ১৯১৯ খৃঃ — এটি বঙ্গবন্ধুর জন্মসাল নয়, এই সালে অন্য কোনো উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেছে। C) ১৭ মার্চ ১৯২০ খৃঃ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি সঠিক অপশন হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। D) ১৪ আগস্ট ১৯৪৭ খৃঃ — এটি পাকিস্তান সৃষ্টির ঠিক আগের দিন, যা বঙ্গবন্ধুর জন্মের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর জন্ম সাল ১৯২০ এবং তারিখ ১৭ মার্চ, যা মনে রাখতে ১৭ মার্চ সংখ্যা দুটি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a ৩১ জানুয়ারি
b ৩০ মার্চ
c ৩০ এপ্রিল
d ৩১ মে
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩১ মে কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ১৯৮৭ সাল থেকে প্রতি বছর ৩১ মে তারিখটিকে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। - তামাক ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং তামাকের ব্যবহার হ্রাসের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে এই দিনটি পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩১ জানুয়ারি — এই তারিখে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালন করা হয় না এবং এটি একটি সাধারণ মাস ও তারিখ। B) ৩০ মার্চ — এই তারিখে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসের কোনো ঐতিহাসিক বা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নেই। C) ৩০ এপ্রিল — এই তারিখে তামাকবিরোধী কোনো আন্তর্জাতিক দিবস নির্ধারিত বা পালিত হয় না। D) ৩১ মে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস হিসেবে নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: বছরের শেষ দিন অর্থাৎ মে মাসের একত্রিশ তারিখে তামাককে না বলুন, এভাবে দিনটি মনে রাখতে পারেন।
a প্যারিস
b জেনেভা
c রোম
d লন্ডন
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লন্ডন কেন সঠিক: - অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাషন্যাল একটি বিশ্বখ্যাত মানবাধিকার রক্ষা আন্দোলন সংস্থা। - এই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের প্রধান কার্যালয় যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর সদর দপ্তর, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের নয়। B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের নয়। C) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের নয়। D) লন্ডন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরেই সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: মানবাধিকারের পক্ষে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর মনে রাখতে লন্ডন শহরের নাম মাথায় রাখুন।
a সাগর
b হ্রদ
c নদী
d বৃষ্টি
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বৃষ্টি কেন সঠিক: - আকাশে জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয়ে সরাসরি বৃষ্টির ফোঁটায় পরিণত হয়, যা প্রকৃতিতে প্রাপ্ত পানির সবচেয়ে বিশুদ্ধতম রূপ। - এতে লবণ বা অন্য কোনো খনিজের পরিমাণ খুব কম থাকে বলে এটিকে মৃদু পানি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাগর — সাগরের পানিতে প্রচুর পরিমাণে লবণ ও বিভিন্ন খনিজ দ্রবীভূত থাকে, তাই এটি মৃদু পানি নয়। B) হ্রদ — হ্রদের পানি মিঠা হলেও ভৌগোলিক অবস্থার কারণে এতে বিভিন্ন খনিজ ও মাটির উপাদান মিশে থাকে। সি) নদী — নদীর পানিতে মাটি, বালি এবং বিভিন্ন পলিথিন বা খনিজ মিশ্রিত থাকে, যা পুরোপুরি মৃদু পানি নয়। ডি) বৃষ্টি — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি মৃদু পানির প্রধান প্রাকৃতিক উৎস। মনে রাখার টিপস: আকাশ থেকে সরাসরি ঝরে পড়া বৃষ্টির পানি হলো প্রকৃতির সবচেয়ে বিশুদ্ধ ও মৃদু পানি।
a শুশুক
b তিমি
c ইলিশ
d হাঙ্গর
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / জীববিজ্ঞান সঠিক উত্তর: A) শুশুক কেন সঠিক: - শুশুক হলো স্তন্যপায়ী জলজ প্রাণী, যা মাছের মতো ফুলকার সাহায্যে নয় বরং ফুসফুসের মাধ্যমে বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে। - পানির ওপরে এসে এরা মাথার ওপরের ছিদ্র দিয়ে শ্বাস নেয় এবং বায়ুর সংস্পর্শে না এলে বাঁচতে পারে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শুশুক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রযোজ্য নয়। B) তিমি — তিমিও বাতাসে নিঃশ্বাস নেয়, তবে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞানে স্বাদু পানির স্তন্যপায়ী হিসেবে শুশুককে বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়। C) ইলিশ — এটি মাছ এবং এরা ফুলকার সাহায্যে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন গ্রহণ করে, বাতাস থেকে নিঃশ্বাস নেয় না। D) হাঙ্গর — এটি তরুণাস্থিময় মাছ এবং এরাও ফুলকার সাহায্যে পানির নিচেই শ্বাসকার্য চালায়। মনে রাখার টিপস: শুশুক ও তিমি হলো স্তন্যপায়ী প্রাণী, তাই পানিতে থাকলেও এদের বাঁচার জন্য বাতাসে নিঃশ্বাস নিতে হয়।
a ২৬ মার্চ,১৯৭১
b ১০ এপ্রিল,১৯৭১
c ৬ সেপ্টেম্বর,১৯৭১
d ১০ নভেম্বর,১৯৭১
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ কেন সঠিক: - এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয় এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়। - অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী এই ঘোষণাপত্র পাঠ করেন এবং এর মাধ্যমে সাংবিধানিক ভিত্তি তৈরি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ মার্চ, ১৯৭১ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের তারিখ, যেদিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। B) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ — এটি মুজিবনগরে স্বাধীনতা ঘোষণা ও সরকার গঠনের ঐতিহাসিক তারিখ। C) ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ — এটি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ তারিখ নয়। D) ১০ নভেম্বর, ১৯৭১ — এটি এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে সঠিক নয়, কারণ সরকার গঠিত হয় অনেক আগে এপ্রিল মাসে। মনে রাখার টিপস: ২৬ মার্চ স্বাধীনতা শুরু আর ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠন।
a ১৭০০ সালে
b ১৭৬২ সালে
c ১৭৯৩ সালে
d ১৯৬৫ সালে
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭৯৩ সালে কেন সঠিক: - ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন। - এই আইনের মাধ্যমে জমিদারদের জমির স্থায়ী মালিকানা প্রদান করা হয় এবং রাজস্বের হার চিরকালের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭০০ সালে — এই সময়ে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করা হয়নি, এটি মুঘল আমলের শেষ দিক। B) ১৭৬২ সালে — এই সালে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু হয়নি, এটি লর্ড কর্নওয়ালিসের শাসনকাল থেকেও আগের সময়। C) ১৭৯৩ সালে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই সালেই লর্ড কর্নওয়ালিস এই বন্দোবস্ত চালু করেন। D) ১৯৬৫ সালে — এটি আধুনিক কালের একটি সাল, যার সঙ্গে ব্রিটিশ আমলের এই ঐতিহাসিক ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: করপোরেট বা কর্নওয়ালিস শব্দটি মনে রাখুন, যিনি ১৭৯৩ সালে কর বা রাজস্ব আদায় চিরস্থায়ী করেছিলেন।
a যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে
b নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে
c সুইজারল্যান্ডের বার্নে
d কানাডার অটোয়ায়
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক বিচার আদালত বা International Court of Justice জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ। - এই আদালতের সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরের পিস প্যালেসে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে — এটি জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর অবস্থিত, আন্তর্জাতিক আদালতের নয়। B) নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে — এটি সঠিক উত্তর কারণ আন্তর্জাতিক বিচার আদালত এখানেই অবস্থিত। C) সুইজারল্যান্ডের বার্নে — এটি সুইজারল্যান্ডের রাজধানী হলেও এই আদালতের সদর দপ্তর এখানে নয়। D) কানাডার অটোয়ায় — এটি কানাডার রাজধানী, আন্তর্জাতিক আদালতের সঙ্গে এর কোনো সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক আদালতের বিচার কাজ শান্তি রক্ষা নিয়ে কাজ করে, তাই এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের শান্তি প্রাসাদ বা পিস প্যালেসে দ্য হেগ শহরে অবস্থিত।
a মাহমুদুন্নবী
b আব্দুল লতিফ
c ফয়সাল মাহদি
d আলতাফ মাহমুদ
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) আব্দুল লতিফ কেন সঠিক: - ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে আবদুল গাফফার চৌধুরীর রচিত এই গানটির প্রথম সুরকার ও গীতিকার ছিলেন সুরকার আব্দুল লতিফ। - ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত প্রভাত ফেরী সংকলনে গানটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং সে সময়ই আব্দুল লতিফ প্রথম এর সুরারোপ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাহমুদুন্নবী — তিনি একজন প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী হলেও এই গানটির প্রথম সুরকার নন। B) আব্দুল লতিফ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ১৯৫৩ সালে গানটিতে প্রথম সুর দিয়েছিলেন। C) ফয়সাল মাহদি — তিনি আধুনিক যুগের একজন শিল্পী, ভাষা আন্দোলনের সময় এই গানটির সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না। D) আলতাফ মাহমুদ — তিনি গানটির অত্যন্ত জনপ্রিয় বর্তমান সুরকার হলেও প্রথম সুরকার নন, তিনি শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের ১৯৫৬ সালের একটি নাটকের জন্য এর দ্বিতীয় সুরটি করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: ভাষার টানে প্রথম গান গেয়ে ও সুর দিয়ে যিনি লতিফ (আব্দুল লতিফ) হলেন, তিনিই প্রথম সুরকার।
a 21 yards
b 24 yards
c 23 yards
d 22 yards
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 22 yards কেন সঠিক: - ক্রিকেট খেলায় দুটি উইকেটের মধ্যবর্তী মূল পিচের আদর্শ দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বাইশ গজ। - আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল বা আইসিসি এর নিয়ম অনুযায়ী পিচের এই পরিমাপ সব ধরনের ফরম্যাটে অপরিবর্তিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 21 yards — এই পরিমাপটি ক্রিকেট পিচের সঠিক দূরত্বের সাথে মেলে না এবং এটি একটি ভুল মান। B) 24 yards — চব্বিশ গজ বলতে ক্রিকেট পিচের কোনো প্রমিত দৈর্ঘ্য বোঝায় না। C) 23 yards — তেইশ গজ ক্রিকেট খেলার নিয়মে পিচের নির্ধারিত দৈর্ঘ্য নয়। D) 22 yards — এটিই ক্রিকেট পিচের সঠিক ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আদর্শ পরিমাপ। মনে রাখার টিপস: ক্রিকেট পিচের দৈর্ঘ্য মনে রাখতে বাইশ গজ সংখ্যাটি মনে রাখলেই চলবে।
a Nepal
b Malaysia
c Scotland
d China
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Malaysia কেন সঠিক: - ব্যাডমিন্টন মালয়েশিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী খেলা। - আন্তর্জাতিকভাবে খেলাটি মালয়েশিয়ায় অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ এবং এটি দেশটির জাতীয় খেলা হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Nepal — নেপালের জাতীয় খেলা ব্যাডমিন্টন নয়, দেশটির জাতীয় খেলা হলো ডান্ডিবিয়ো। B) Malaysia — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ মালয়েশিয়ার জাতীয় খেলা হলো ব্যাডমিন্টন। C) Scotland — স্কটল্যান্ডের কোনো আনুষ্ঠানিক বা একক জাতীয় খেলা নেই, তবে ফুটবল ও গলফ অত্যন্ত জনপ্রিয়। D) China — চীনের জাতীয় খেলা ব্যাডমিন্টন নয়, বরং টেবিল টেনিস বা পিংপং হলো চীনের জাতীয় খেলা। মনে রাখার টিপস: মালয়েশিয়ার নামের সাথে 'এম' এবং ব্যাডমিন্টন খেলার সাথে 'এম' যুক্ত করে মনে রাখতে পারো, মালয়েশিয়ার জাতীয় খেলা এম ফর ব্যাডমিন্টন।
a সাতক্ষীরা
b নোয়াখালী
c ফেণী
d লালমনিরহাট
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফেণী কেন সঠিক: - মুহুরী নদী ও মুহুরী বাঁধের মোহনায় এই চরটি অবস্থিত যা ফেনী জেলার পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় দেখা যায়। - নদী ভাঙন এবং পলি জমে চরটি গঠিত হওয়ায় এটি ফেনী অঞ্চলের ভূগোলের একটি আলোচিত ও পরিচিত ভূখণ্ড। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাতক্ষীরা — এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি উপকূলীয় জেলা, যেখানে মুহুরী চর অবস্থিত নয়। B) নোয়াখালী — নোয়াখালীতে চর রয়েছে কিন্তু মুহুরী চরটি ফেনী জেলার ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত। D) লালমনিরহাট — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা, যা মুহুরী চরের ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ফেনীর নদী মুহুরী, চরও আছে তারই কাছাকাছি।
a আয়োডিন
b আয়রন
c ম্যাগনেসিয়াম
d ফসফরাস
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফসফরাস কেন সঠিক: - ক্যালসিয়ামের সাথে মিলে ফসফরাস মানবদেহের হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত করতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। - দেহের মোট ফসফরাসের প্রায় আশি শতাংশ হাড় ও দাঁতে জমা থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়োডিন — এটি থাইরয়েড হরমোন উৎপাদনে সহায়তা করে এবং গলগণ্ড রোগ প্রতিরোধ করে, হাড় বা দাঁত মজবুত করার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। B) আয়রন — এটি রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরিতে এবং দেহে অক্সিজেন পরিবহনে সহায়তা করে, হাড় বা দাঁতের গঠন এর প্রধান কাজ নয়। C) ম্যাগনেসিয়াম — এটি পেশির কার্যকারিতা ও স্নায়ুর সুস্থতায় সাহায্য করে, তবে হাড় ও দাঁত গঠনের মূল উপাদান হিসেবে ফসফরাস প্রধান। D) ফসফরাস — এটি ক্যালসিয়ামের সাথে இணைந்து হাড় ও দাঁতকে শক্ত ও মজবুত করে। মনে রাখার টিপস: হাড় ও দাঁতের প্রধান দুই বন্ধু হলো ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস।
a জিকা
b ইউএনডিপি
c বিশ্বব্যাংক
d আইএমএফ
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিশ্বব্যাংক কেন সঠিক: - বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের (BDF) সভা আয়োজন ও এর কার্যক্রম সমন্বয় করার প্রধান দায়িত্ব পালন করে বিশ্বব্যাংক। - বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বৈদেশিক সাহায্য সমন্বয় ও ব্যবস্থাপনায় এই সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জিকা (JICA) — এটি জাপানের দাতা সংস্থা, যা বিভিন্ন প্রকল্পে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দেয় কিন্তু ফোরামের সমন্বয়কারী নয়। B) ইউএনডিপি (UNDP) — এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি, যা দেশের সামাজিক ও মানব উন্নয়নে কাজ করে তবে এই ফোরামের সমন্বয় করে না। C) বিশ্বব্যাংক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) আইএমএফ (IMF) — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, যা মূলত সামষ্টিক অর্থনীতি ও মুদ্রানীতি নিয়ে কাজ করে কিন্তু এই ফোরামের সমন্বয়কারী নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের বৈঠক মানেই মাথায় রাখবে বিশ্বব্যাংকের কথা, কারণ দেশের উন্নয়নে অর্থায়নের প্রধান সমন্বয়ক তারাই।
a Africa
b Asia
c Europe
d America
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Europe কেন সঠিক: - ইউরো হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর একক মুদ্রা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি অন্যতম প্রধান মুদ্রা। - এটি মূলত ইউরোপ মহাদেশের অর্থনীতির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Africa — আফ্রিকা মহাদেশের নিজস্ব কোনো একক বা অভিন্ন মুদ্রা নেই, এখানকার দেশগুলোর নিজস্ব মুদ্রা রয়েছে। B) Asia — এশিয়া মহাদেশের বিভিন্ন দেশের আলাদা মুদ্রা রয়েছে, যেমন বাংলাদেশের টাকা, জাপানের ইয়েন। C) Europe — এটি সঠিক কারণ ইউরোপ মহাদেশের ইউরোজোনভুক্ত দেশগুলোতে ইউরো মুদ্রা ব্যবহৃত হয়। D) America — আমেরিকা মহাদেশের প্রধান মুদ্রা মার্কিন ডলার, কানাডিয়ান ডলার ইত্যাদি, ইউরো নয়। মনে রাখার টিপস: ইউরো মুদ্রার নামটি এসেছে ইউরোপ মহাদেশের নামের প্রথম অংশ থেকে, তাই ইউরো বললেই ইউরোপ মনে রাখবে।
a কর্ণফুলী
b হালদা
c সাংগু
d নাফ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাফ কেন সঠিক: - নাফ নদী বাংলাদেশ ও মায়ানমার সীমানায় অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক জলসীমা। - এই নদীটি টেকনাফ ও মায়ানমারের মংডু শহরের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্ণফুলী — এটি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার প্রধান নদী, যা মায়ানমার সীমান্ত নয় বরং কাপ্তাই হয়ে প্রবাহিত হয়েছে। B) হালদা — এটি কর্ণফুলী নদীর একটি প্রধান উপনদী এবং রুই জাতীয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র, যা সীমান্ত নদী নয়। সি) সাংগু — এটি বান্দরবান ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের একটি পাহাড়ি নদী, যা বাংলাদেশ ও মায়ানমারকে বিভক্ত করেনি। D) নাফ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশ ও মায়ানমারকে ভৌগোলিকভাবে বিভক্তকারী নদী। মনে রাখার টিপস: নাফ নদীর তীরে টেকনাফ অবস্থিত এবং এটি মায়ানমারকে আলাদা করেছে।
a ভাত
b গরুর মাংস
c মসুর ডাল
d ময়দা
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মসুর ডাল ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে প্রতি ১০০ গ্রাম মসুর ডালে প্রোটিনের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে বেশি থাকে। - ডাল জাতীয় খাদ্য উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে এবং শরীরের আমিষের চাহিদা পূরণে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: প্রোটিন হলো অ্যামাইনো অ্যাসিডের একটি জটিল পলিমার যা দেহের কোষ গঠন ও ক্ষয়পূরণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। - কারণ ও ফলাফল: উদ্ভিজ্জ প্রোটিন গ্রহণের ফলে শরীরে প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড সরবরাহ হয় যা পেশির বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মসুর ডালের স্যুপ বা খিচুড়ি। ব্যাখ্যা: এটি নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রেখে সহজে উদ্ভিজ্জ আমিষের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। উদাহরণ ২: ছোলা ও মটরশুঁটি। ব্যাখ্যা: এগুলোও ডাল জাতীয় খাদ্য এবং প্রোটিনের ভালো উৎস হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাত — ভাত প্রধানত শর্করা বা কার্বোহাইড্রেটের উৎস, এতে প্রোটিনের পরিমাণ খুব কম থাকে। B) গরুর মাংস — গরুর মাংসে প্রচুর প্রোটিন থাকলেও প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে মসুর ডালের প্রোটিনের ঘনত্ব ও সহজপাচ্যতা প্রতিযোগিতামূলক বিচারে সঠিক হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। D) ময়দা — ময়দা মূলত শর্করা বা গ্লুটেনযুক্ত উপাদান, যা আমিষের প্রধান উৎস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডাল মানেই আমিষ বা প্রোটিনের ভাণ্ডার, যা উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের অন্যতম সেরা উৎস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের উৎস হিসেবে ডাল এবং প্রাণিজ প্রোটিনের উৎস হিসেবে মাংস ও ডিমের নাম মনে রাখা আবশ্যক।
a তামা
b রূপা
c সোনা
d কার্বন
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রূপা ১. কেন সঠিক: - রূপার মুক্ত ইলেকট্রনের সংখ্যা এবং এর স্ফটিক কাঠামোর পরমাণুগুলোর বিন্যাস এমন যে এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ সহজে প্রবাহিত হতে পারে। - ধাতু হিসেবে এটি ইলেকট্রন প্রবাহে সবচেয়ে কম বাধা প্রদান করে, যার কারণে এর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পদার্থের যে গুণের কারণে এর মধ্য দিয়ে সহজে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে তাকে বিদ্যুৎ পরিবাহিতা বলে। - কার্যপ্রণালি: পরিবাহীর ভেতরে থাকা মুক্ত ইলেকট্রনগুলো বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র প্রয়োগ করলে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দ্রুত চলাচল করে, যা বিদ্যুৎ প্রবাহ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারের ভেতরের সার্কিট বা প্রসেসরের পিন তৈরিতে রূপার প্রলেপ ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি সিগন্যাল আদান-প্রদান দ্রুত করতে এবং শক্তির অপচয় কমাতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: উচ্চমানের অডিও ক্যাবল তৈরিতে রূপার তার ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি শব্দের গুণগত মান ঠিক রেখে নিখুঁতভাবে বৈদ্যুতিক সংকেত পরিবহন করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামা — তামার পরিবাহিতা খুব ভালো এবং দামে সস্তা হওয়ায় এটি বহুল ব্যবহৃত হয়, তবে রূপার চেয়ে এর পরিবাহিতা কিছুটা কম। B) রূপা — এটি সঠিক উত্তর কারণ সব ধাতুর মধ্যে এর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি। C) সোনা — সোনার মরিচা পড়ে না বলে এটি গুরুত্বপূর্ণ কানেক্টরে ব্যবহার করা হয়, তবে এর পরিবাহিতা রূপা বা তামার চেয়ে কম। D) কার্বন — এটি একটি অধাতু এবং এর বিশেষ রূপ গ্রাফাইট কিছুটা বিদ্যুৎ পরিবাহী হলেও তা ধাতুগুলোর মতো উচ্চ পরিবাহী নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ধাতুগুলোর পরিবাহিতার ক্রম মনে রাখার কৌশল হলো রূপা প্রথমে, তামা দ্বিতীয় এবং সোনা তৃতীয় স্থানে থাকে। - রূপার রাসায়নিক প্রতীক এজি, যার পরিবাহিতা সব ধাতুর তুলনায় সর্বোচ্চ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন ধাতুর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি। - তামা সস্তা হওয়ায় গৃহস্থালির বৈদ্যুতিক তারে তামা ব্যবহার করা হয়, যদিও রূপার পরিবাহিতা বেশি।
a জুওলজী
b বায়োলজী
c ইভোলিউশন
d জেনেটিক্স
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইভোলিউশন ১. কেন সঠিক: - প্রাণী জগতের উৎপত্তি ও বংশগত পরিবর্তন বা ক্রমবিকাশকে বিবর্তন বা ইভোলিউশন বলা হয়। - কোটি কোটি বছর ধরে ক্ষুদ্র ও সরল জীব থেকে ধীরে ধীরে জটিল জীবের সৃষ্টি হওয়ার বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া এটি। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ইভোলিউশন বা বিবর্তন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সময়ের সাথে সাথে জীবের বংশধরদের জিনগত বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন ঘটে। - কার্যপ্রণালি: প্রাকৃতিক নির্বাচন এবং পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে এই পরিবর্তন প্রজন্মান্তরে সঞ্চারিত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: জীবাশ্ম বিজ্ঞান এবং আধুনিক জিনতত্ত্বে এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জীবের অতীত ইতিহাস ও বিবর্তনিক ধারা ব্যাখ্যা করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিমির পেছনের অবশিষ্টাংশ অঙ্গ বা মানুষের অ্যাপেন্ডিক্স। ব্যাখ্যা: এগুলি প্রমাণ করে যে অতীতে জীবগুলোর শারীরিক গঠন ভিন্ন ছিল এবং পরিবেশের পরিবর্তনে তা পরিবর্তিত হয়েছে। উদাহরণ ২: পেপার মথ বা শিল্প বিপ্লবের সময়ের মথের রঙের পরিবর্তন। ব্যাখ্যা: ধোঁয়া ও ময়লার কারণে গাছের বাকলের রং বদলে যাওয়ায় গাঢ় রঙের মথ বেঁচে থাকার সুবিধা পায় এবং বংশ বিস্তার করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জুওলজী — এটি জীববিজ্ঞানের সেই শাখা যেখানে প্রাণী এবং তাদের শারীরবৃত্তীয় গঠন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। B) বায়োলজী — এটি সামগ্রিকভাবে জীবন এবং জীবদেহ সম্পর্কিত বিজ্ঞান যার মধ্যে উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয়ই অন্তর্ভুক্ত। D) জেনেটিক্স — এটি জীববিজ্ঞানের শাখা যেখানে জিন, বংশগতি এবং বংশপরম্পরায় বৈশিষ্ট্যের সঞ্চারণ নিয়ে গবেষণা করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - উৎপত্তি মানে শুরু আর বংশ সম্বন্ধীয় ক্রমবিকাশ মানে ইভোলিউশন বা বিবর্তন। - বায়োলজি মানে জীবন বিজ্ঞান এবং জুওলজী মানে শুধু প্রাণী বিজ্ঞান, তাই এগুলো সঠিক নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিবর্তনবাদের জনক চার্লস ডারউইনের নাম এবং তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ অন দ্য অরিজিন অব স্পিসিজ মনে রাখা জরুরি। - এই টপিক থেকে ডারউইনের প্রাকৃতিক নির্বাচন মতবাদ নিয়ে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a পরিপাক
b খাদ্য গ্রহণ
c শ্বসন
d রক্ত সংবহন
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শ্বসন ১. কেন সঠিক: - শ্বসন হলো সেই জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে জীবকোষ খাদ্যবস্তুকে জারিত করে সঞ্চিত স্থিতিস্থাপক শক্তিকে গতিশক্তি বা তাপশক্তিতে রূপান্তরিত করে। - এই প্রক্রিয়ায় খাবার থেকে প্রাপ্ত গ্লুকোজ অক্সিজেনের সহায়তায় ভেঙে কার্বন ডাই অক্সাইড, পানি এবং প্রচুর পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন করে যা কোষের কাজে লাগে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: শ্বসন একটি বিপাকীয় প্রক্রিয়া যা কোষে প্রতিনিয়ত ঘটে এবং এটি জীবনের চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করে। - কার্যপ্রণালি: কোষের মাইটোকন্ড্রিয়ায় ক্রেবস চক্র এবং ইলেকট্রন পরিবহন তন্ত্রের মাধ্যমে গ্লুকোজ জারিত হয়ে অ্যাডেনোসিন ট্রাইফসফেট বা এটিপি তৈরি করে। - কারণ ও ফলাফল: খাদ্য সরাসরি শক্তি সরবরাহ করতে পারে না, তাই শ্বসনের মাধ্যমে খাদ্য ভেঙে এটিপি নামক জৈব মুদ্রায় শক্তি সঞ্চিত হয় যা দেহ ব্যবহার করে। - সমীকরণ: গ্লুকোজ + অক্সিজেন থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড + পানি + শক্তি উৎপন্ন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দৌড়ানোর সময় পেশিকোষে অক্সিজেনের উপস্থিতিতে দ্রুত শ্বসন ঘটে। ব্যাখ্যা: এটি পেশিকে দ্রুত শক্তি জোগায় যাতে আমরা গতিশীল থাকতে পারি। উদাহরণ ২: উদ্ভিদের বীজ অঙ্কুরোদগমের সময় প্রচুর শ্বসন চালায়। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত শক্তি বীজের চারাগাফে পরিণত হতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিপাক — পরিপাক কেবল জটিল খাদ্যকে সরল উপাদানে পরিণত করে, কিন্তু সরাসরি শক্তি উৎপাদন করে না। B) খাদ্য গ্রহণ — খাদ্য গ্রহণ হলো শক্তি উৎপাদনের কাঁচামাল সংগ্রহের প্রাথমিক ধাপ মাত্র। D) রক্ত সংবহন — রক্ত সংবহন কেবল অক্সিজেন ও পুষ্টি উপাদান কোষে পরিবহন করে, শক্তি উৎপাদন করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - খাদ্যের কাজ হলো পুষ্টি দেওয়া আর শ্বসনের কাজ হলো সেই খাদ্য থেকে শক্তি বের করা। - মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র বা পাওয়ার হাউজ বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শ্বসন প্রক্রিয়ায় প্রধানত শক্তি এটিপি হিসেবে জমা হয়, তাই এটিপিকে শক্তির মুদ্রা বলা হয়। - কোন অঙ্গাণুতে শ্বসনের প্রধান ধাপ ঘটে, এই প্রশ্নটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a ঘনত্ব কম
b ঘনত্ব বেশি
c তাপমাত্রা বেশি
d দ্রবণীয়তা বেশি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঘনত্ব বেশি ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়। সঠিক উত্তর হবে বরফের ঘনত্ব পানির তুলনায় কম। - পানির ব্যতিক্রমী প্রসারণের কারণে তরল পানির তুলনায় বরফের আয়তন বেশি এবং ঘনত্ব কম হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সাধারণত অধিকাংশ পদার্থ তরল থেকে কঠিন হলে আয়তন কমে এবং ঘনত্ব বাড়ে, কিন্তু পানির ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম ঘটে। - কার্যপ্রণালি: পানি যখন শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে জমে বরফে পরিণত হয়, তখন এর অণুগুলো হাইড্রোজেন বন্ধনের মাধ্যমে একটি ফাঁপা জালিকাকার গঠন তৈরি করে। - কারণ ও ফলাফল: এই ফাঁপা কাঠামোর কারণে বরফের অণুগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব বেড়ে যায়, ফলে একই ভরের বরফ পানির চেয়ে বেশি জায়গা দখল করে এবং ঘনত্ব কমে যায়। - বাস্তব প্রয়োগ: পুকুর বা হ্রদের উপরিভাগের পানি জমে বরফ হলে তা কম ঘনত্বের কারণে ভেসে থাকে এবং নিচের তরল পানিকে মাছ ও জলজ প্রাণীর বেঁচে থাকার সুযোগ করে দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশের হ্রদের ওপর বরফের আস্তরণ পড়া। ব্যাখ্যা: কম ঘনত্বের কারণে বরফ ওপরের স্তরে ভেসে থাকে এবং নিচের জলজ পরিবেশকে বরফ হওয়া থেকে রক্ষা করে। উদাহরণ ২: জুসের গ্লাসে বরফের টুকরো দেওয়া। ব্যাখ্যা: বরফের টুকরো পানীয়ের ওপর ভেসে থাকে কারণ বরফের ঘনত্ব পানীয়ের ঘনত্বের চেয়ে কম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘনত্ব কম — এটি প্রকৃত বৈজ্ঞানিক সত্য এবং বাস্তব ঘটনা, যদিও প্রশ্নে ভুল উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। B) ঘনত্ব বেশি — এটি ভুল বক্তব্য হলেও প্রদত্ত প্রশ্নপত্রে এটিকে সঠিক উত্তর হিসেবে দেখানো হয়েছে। C) তাপমাত্রা বেশি — বরফ ও পানির ভাসার ঘটনার সঙ্গে তাপমাত্রার প্রত্যক্ষ কোনো তুলনা এভাবে প্রযোজ্য নয়। D) দ্রবণীয়তা বেশি — বরফ ও পানির ভাসমান অবস্থার সঙ্গে দ্রবণীয়তার কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে, ফাঁপা গঠনের কারণে বরফ হালকা হয় এবং হালকা বস্তু সবসময় ভারী পদার্থের ওপর ভাসে। - পানি থেকে বরফ হলে আয়তন বাড়ে এবং ঘনত্ব কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ এক হাজার কিলোগ্রাম প্রতি ঘনমিটার। - পানির এই ব্যতিক্রমী প্রসারণের ফলে জলজ প্রাণীকূল চরম ঠান্ডায়ও বেঁচে থাকতে পারে।
a নাইট্রিক
b সালফিউরিক
c হাইড্রোক্লোরিক
d পারক্লোরিক
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সালফিউরিক ১. কেন সঠিক: গাড়ীর স্টোরেজ ব্যাটারী বা লিড-এসিড ব্যাটারীতে শক্তি সঞ্চয় ও পরিবহনের জন্য সালফিউরিক এসিড ব্যবহার করা হয়। এই এসিড তড়িৎবিশ্লেষ্য বা ইলেক্ট্রোলাইট হিসেবে কাজ করে যা ব্যাটারীর ভেতরে রাসায়নিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: লিড-এসিড ব্যাটারী এক ধরণের রিচার্জেবল ব্যাটারী যেখানে সালফিউরিক এসিডের জলীয় দ্রবণ তড়িৎবিশ্লেষ্য হিসেবে কাজ করে। রাসায়নিক সংকেত: গাড়ীর ব্যাটারীতে ব্যবহৃত সালফিউরিক এসিডের রাসায়নিক সংকেত এইচ টু এস ও ফোর এবং পাতিত পানির মিশ্রণ থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইপিএস বা ইউপিএস এর ব্যাটারী। ব্যাখ্যা: বিদ্যুৎ চলে গেলে এই ব্যাটারীগুলো সালফিউরিক এসিড ও সীসার বিক্রিয়ার মাধ্যমে আমাদের বাড়িতে আলো ও পাখা সচল রাখতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। উদাহরণ ২: পেট্রোলচালিত প্রাইভেট কারের স্টার্ট মোটর। ব্যাখ্যা: গাড়ী স্টার্ট করার মুহূর্তে ব্যাটারীর ভেতরে থাকা সালফিউরিক এসিড তীব্র রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিশাল পরিমাণ বিদ্যুৎ শক্তি সরবরাহ করে ইঞ্জিন চালু করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইট্রিক — এটি একটি তীব্র ক্ষয়কারী এসিড যা গাড়ীর ব্যাটারীর সীসা প্লেটের স্থায়ী ক্ষতিসাধন করে এবং এটি তড়িৎবিশ্লেষ্য হিসেবে অনুপযুক্ত। B) সালফিউরিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর সঠিক ঘনত্ব সীসা প্লেটের সাথে বিক্রিয়া করে সহজে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চয় করতে পারে। C) হাইড্রোক্লোরিক — এটি ব্যবহার করলে ব্যাটারীর ভেতরে ক্ষতিকর বিষাক্ত ক্লোরিন গ্যাস উৎপন্ন হতে পারে যা ব্যাটারীর স্থায়ী আয়ু কমিয়ে দেয়। D) পারক্লোরিক — এটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং বিপজ্জনক এসিড যা গাড়ীর মতো সাধারণ যানবাহনে ব্যবহারের জন্য অতিরিক্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও ব্যয়বহুল। ৫. মনে রাখার টিপস: গাড়ীর ব্যাটারী মানেই এস দিয়ে শুরু সালফিউরিক এসিড এবং এটি পানির সাথে মিশে আয়ন তৈরি করে বিদ্যুৎ চালায়। ব্যাটারীর এসিডের নাম মনে রাখতে লেড-এসিড ব্যাটারী এবং সালফিউরিক এসিডের আদ্যক্ষর মিলিয়ে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: লিড-এসিড ব্যাটারীতে পাতিত পানির সাথে কত শতাংশ সালফিউরিক এসিড থাকে তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। এই প্রশ্নটি থেকে পরবর্তীতে ব্যাটারীর তড়িৎবিশ্লেষ্য বা ইলেক্ট্রোলাইট কী এবং গাড়ীর ব্যাটারীতে কোন ধাতব প্লেট ব্যবহার করা হয় সে সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a All parts of the plants
b Roots of the plant
c Stems of the plants
d Green parts of the plants
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Green parts of the plants ১. কেন সঠিক: উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য ক্লোরোফিল নামক রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতি অপরিহার্য। উদ্ভিদের সবুজ অংশেই মূলত এই ক্লোরোফিল থাকে যা সূর্যের আলো শোষণ করে খাদ্য তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: সালোকসংশ্লেষণ হলো এমন একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোক, কার্বন ডাই অক্সাইড এবং পানির সাহায্যে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে। কার্যপ্রণালি: উদ্ভিদের কোষে থাকা ক্লোরোপ্লাস্ট নামক প্লাস্টিডে ক্লোরোফিল থাকে যা সৌরশক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম গাছের সবুজ পাতা। ব্যাখ্যা: পাতার কোষে প্রচুর ক্লোরোফিল থাকায় এটি সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বেশি অংশগ্রহণ করে। উদাহরণ ২: কচি সবুজ ডাঁটা বা কাণ্ড। ব্যাখ্যা: কিছু উদ্ভিদের পাতা না থাকলেও কচি সবুজ কাণ্ড সালোকসংশ্লেষণ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) All parts of the plants — উদ্ভিদের সব অংশে ক্লোরোফিল থাকে না, যেমন মূল বা কাণ্ডের শক্ত অংশ, তাই সব অংশে সালোকসংশ্লেষণ হয় না। B) Roots of the plant — উদ্ভিদের মূল সাধারণত মাটির নিচে থাকে এবং তাতে ক্লোরোফিল ও সূর্যালোকের অনুপস্থিতির কারণে সালোকসংশ্লেষণ হয় না। C) Stems of the plants — সব কাণ্ড সবুজ বা ক্লোরোফিলযুক্ত হয় না, তাই সব কাণ্ড সালোকসংশ্লেষণ করতে পারে না। D) Green parts of the plants — এটি সঠিক কারণ শুধুমাত্র ক্লোরোফিলযুক্ত সবুজ অংশেই সালোকসংশ্লেষণ ঘটে। ৫. মনে রাখার টিপস: সবুজ মানেই ক্লোরোফিল এবং ক্লোরোফিল মানেই সালোকসংশ্লেষণ। উদ্ভিদের যে অংশ সবুজ, সেখানেই খাদ্য তৈরি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সালোকসংশ্লেষণে কোন গ্যাস নির্গত হয় এবং কোন গ্যাস গৃহিত হয় তা বারবার পরীক্ষায় আসে। এই প্রক্রিয়া প্রধানত উদ্ভিদ কোষের ক্লোরোপ্লাস্টে সম্পন্ন হয়।
a অগ্ন্যাশয় হতে
b প্যানক্রিয়াস হতে
c লিভার হতে
d পিটুইটারী গ্লান্ড হতে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অগ্ন্যাশয় হতে ১. কেন সঠিক: - অগ্ন্যাশয়ের নির্দিষ্ট কোষ গুচ্ছ থেকে ইনসুলিন হরমোন সরাসরি রক্তে নিঃসৃত হয়। - এই হরমোন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অগ্ন্যাশয় মানবদেহের একটি মিশ্র গ্রন্থি যা একাধারে পরিপাক রস ও হরমোন উৎপন্ন করে। - কার্যপ্রণালি: অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অফ ল্যাঙ্গারহ্যান্স নামক অংশের বিটা কোষ থেকে ইনসুলিন তৈরি ও নিঃসৃত হয়। - কারণ ও ফলাফল: ইনসুলিনের ঘাটতি ঘটলে কোষে গ্লুকোজ প্রবেশ করতে পারে না ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডায়াবেটিস রোগী ব্যাখ্যা: অগ্ন্যাশয় পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে না পারলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায় যাকে ডায়াবেটিস বলা হয়। উদাহরণ ২: মিষ্টি খাওয়ার পর ইনসুলিন নিঃসরণ ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত শর্করা জাতীয় খাবার খাওয়ার পর অগ্ন্যাশয় দ্রুত ইনসুলিন ছড়িয়ে দিয়ে রক্তের গ্লুকোজ কোষে পৌঁছে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্ন্যাশয় হতে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর বিটা কোষ থেকে ইনসুলিন হরমোন উৎপাদিত ও নিঃসৃত হয়। B) প্যানক্রিয়াস হতে — এটি সঠিক উত্তর হতে পারত যদি অগ্ন্যাশয়ের ইংরেজি নাম বাংলায় লেখা না থাকতো কিন্তু অপশন এ এবং বি একই অঙ্গ বোঝালেও প্রমিত বাংলায় প্রথমটি সঠিক ধরা হয়েছে। C) লিভার হতে — লিভার বা যকৃৎ মানবদেহের বৃহত্তম গ্রন্থি যা পিত্তরস উৎপন্ন করে এবং গ্লাইকোজেন সঞ্চয় করে তবে ইনসুলিন এখান থেকে নিঃসৃত হয় না। D) পিটুইটারী গ্লান্ড হতে — পিটুইটারি গ্রন্থি মস্তিষ্কের নিচে অবস্থিত যা গ্রোথ হরমোন সহ অন্যান্য প্রধান হরমোন নিঃসরণ করে কিন্তু ইনসুলিন নিঃসরণ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: অগ্ন্যাশয়ের আ দিয়ে ইনসুলিনের অ মনে রাখা যায় এবং অগ্ন্যাশয়কে ইংরেজিতে প্যানক্রিয়াস বলে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইনসুলিন উৎপাদনকারী কোষের নাম এবং এর কাজ বারবার আসে।
a অক্সিজেন পরিবহন করা
b রোগ প্রতিরোধ করা
c রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা
d উল্লেখিত সবকয়টিই
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অক্সিজেন পরিবহন করা ১. কেন সঠিক: হিমোগ্লোবিন হলো লোহিত রক্তকণিকায় অবস্থিত এক ধরনের লৌহঘটিত প্রোটিন যা ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে। এটি রক্তের মাধ্যমে শরীরের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং কোষের বিপাকক্রিয়া সচল রাখে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: হিমোগ্লোবিন ফুসফুসের অ্যালভিওলাই থেকে অক্সিজেন অণুর সঙ্গে অস্থায়ীভাবে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন গঠন করে। কার্যপ্রণালি: রক্ত সংবহনতন্ত্রের মাধ্যমে এই অক্সিহিমোগ্লোবিন শরীরের বিভিন্ন কলার কোষে পৌঁছায় এবং অক্সিজেনের চাহিদা মেটায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উচ্চ পাহাড়ে ওঠার সময় বাতাসের চাপ কমে যাওয়ায় শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয়। ব্যাখ্যা: এই পরিস্থিতিতে শরীর হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়াতে লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদনে উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। উদাহরণ ২: কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের বিষক্রিয়ায় মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে। ব্যাখ্যা: কার্বন মনোক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে অক্সিজেনের চেয়ে বহু গুণ বেশি শক্তিতে যুক্ত হয়ে অক্সিজেন পরিবহন বাধাগ্রস্ত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সিজেন পরিবহন করা — এটি সঠিক কারণ হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ হলো ফুসফুস থেকে কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করা। B) রোগ প্রতিরোধ করা — এটি ভুল কারণ রক্তে অবস্থিত শ্বেত রক্তকণিকা বা লিউকোসাইট প্রধানত রোগ প্রতিরোধে কাজ করে। C) রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা — এটি ভুল কারণ রক্তের অনুচক্রিকা বা প্লাটিলেট এবং ফাইব্রিনোজেন রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। D) উল্লেখিত সবকয়টিই — এটি ভুল কারণ অপশন বি এবং সি হিমোগ্লোবিনের কাজ নয়, তাই সবকয়টি সঠিক হতে পারে না। ৫ মনে রাখার টিপস: হিমোগ্লোবিন শব্দের হিম অংশটি লোহা নির্দেশ করে আর গ্লোবিন হলো প্রোটিন। লোহা যেমন চুম্বকের দিকে টানে, তেমনি হিমোগ্লোবিনের লোহা অক্সিজেনকে নিজের দিকে টেনে কোষে পৌঁছে দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: হিমোগ্লোবিনের অভাবে মানবদেহে অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন ধাতুটি হিমোগ্লোবিনের প্রধান উপাদান, যার উত্তর হলো লোহা।
a নিউট্রন ও প্রোট্রন
b ইলেক্ট্রন ও প্রোটন
c নিউট্রন ও পজিট্রন
d ইলেক্ট্রন ও পজিট্রন
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিউট্রন ও প্রোট্রন ১. কেন সঠিক: পরমাণুর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন একত্রে অবস্থান করে। এদের একত্রে নিউক্লিয়ন বলা হয় এবং পরমাণুর প্রায় সম্পূর্ণ ভর এই অংশে পুঞ্জীভূত থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পরমাণুর কেন্দ্রকে নিউক্লিয়াস বলে যেখানে ধনাত্মক আধানযুক্ত প্রোটন এবং আধানহীন নিউট্রন অত্যন্ত শক্তিশালী নিউক্লীয় বল দ্বারা আবদ্ধ থাকে। কার্যপ্রণালি: প্রোটনগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বৈদ্যুতিক বিকর্ষণ থাকা সত্ত্বেও সবল নিউক্লীয় বল নিউক্লিয়াসকে একত্রে ধরে রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কার্বন পরমাণুর নিউক্লিয়াস। ব্যাখ্যা: সাধারণ কার্বনের নিউক্লিয়াসে ছয়টি প্রোটন ও ছয়টি নিউট্রন থাকে যা এর ভর নির্ধারণ করে। উদাহরণ ২: সোডিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াস। ব্যাখ্যা: সোডিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াসে এগারোটি প্রোটন ও বারোটি নিউট্রন একত্রে অবস্থান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউট্রন ও প্রোট্রন — এটি সঠিক উত্তর কারণ পরমাণুর নিউক্লিয়াসে কেবল এই দুটি কণিকাই প্রধানত থাকে। B) ইলেক্ট্রন ও প্রোটন — ইলেক্ট্রন নিউক্লিয়াসের বাইরে বিভিন্ন কক্ষপথে আবর্তন করে, নিউক্লিয়াসে থাকে না। C) নিউট্রন ও পজিট্রন — পজিট্রন হলো ইলেক্ট্রনের প্রতি কণা, যা স্বাভাবিক পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকে না। D) ইলেক্ট্রন ও পজিট্রন — এদের কোনোটিই পরমাণুর নিউক্লিয়াসের স্থায়ী উপাদান নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: পরমাণুর নিউক্লিয়াসের উপাদান মনে রাখার সহজ শব্দ হলো প্রোপা, অর্থাৎ প্রোটন ও নিউট্রন পরমাণুর ভেতরে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরমাণুর মোট ভরের প্রায় নব্বই শতাংশ বা তার বেশি আসে নিউক্লিয়াস থেকে। এই ধারণা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে পরমাণুর কোন কণা আধানহীন, যার উত্তর হলো নিউট্রন।
a গ্লাইকোজেন
b গ্লুকোজ
c ফ্রুক্টোজ
d সুক্রোজ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গ্লাইকোজেন কেন সঠিক: ১. আমাদের দেহে অতিরিক্ত শর্করা জাতীয় খাদ্য যকৃৎ বা লিভারে জমা থাকে। ২. এই জমানো খাদ্য পরবর্তী সময়ে শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: ১. শর্করা বিপাকের সময় অতিরিক্ত গ্লুকোজ হরমোনের প্রভাবে যকৃতে জমা হয়। ২. ইনসুলিন হরমোনের প্রভাবে অতিরিক্ত গ্লুকোজ প্রক্রিয়াজাত হয়ে পলিস্যাকারাইড রূপে সঞ্চিত হয়। ৩. যেমন, মানবদেহে অতিরিক্ত খাবার গ্লাইকোজেন রূপে যকৃৎ ও পেশীতে জমা থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্লাইকোজেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। B) গ্লুকোজ — এটি রক্তের সরল শর্করা এবং এটি কোষে শক্তি উৎপাদনে সরাসরি ব্যবহৃত হয়। C) ফ্রুক্টোজ — এটি মূলত ফল ও মধুর মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা। D) সুক্রোজ — এটি আমাদের সাধারণ চিনি যা উদ্ভিদ থেকে পাওয়া যায়। মনে রাখার টিপস: ১. প্রাণীদের সঞ্চয়ী খাদ্য হলো গ্লাইকোজেন। ২. লিভারে জমা হয় তাই এর নাম লিভার স্টার্চ বা গ্লাইকোজেন।
a সালফার
b ফসফরাস
c নাইট্রোজেন
d পটাশিয়াম
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাইট্রোজেন ১. কেন সঠিক: - ইউরিয়া সার মাটিতে প্রয়োগ করার পর উদ্ভিদের মূলের মাধ্যমে নাইট্রোজেন খাদ্য উপাদান হিসেবে গ্রহণ করে। - উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য নাইট্রোজেন একটি অতি প্রয়োজনীয় প্রধান পুষ্টি উপাদান বা ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ইউরিয়া একটি জৈব রাসায়নিক সার যার রাসায়নিক সংকেত CO(NH2)2 এবং এতে প্রায় ৪৬ শতাংশ নাইট্রোজেন থাকে। - কার্যপ্রণালি: মাটিতে প্রয়োগের পর ইউরিয়া এনজাইমের প্রভাবে ভেঙে অ্যামোনিয়া ও পরে নাইট্র্রেট আয়নে পরিণত হয় যা উদ্ভিদ শোষণ করে। - কারণ ও ফলাফল: উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া জোরদার করতে এবং সবুজ পাতার বৃদ্ধিতে নাইট্রোজেন সরাসরি ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধান ক্ষেতে ইউরিয়া সার প্রয়োগ। ব্যাখ্যা: ধানের কুশি ও গাছের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে ইউরিয়া থেকে প্রাপ্ত নাইট্রোজেন অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে। উদাহরণ ২: শাকসবজির পাতা সবুজ ও সতেজ রাখা। ব্যাখ্যা: নাইট্রোজেনের উপস্থিতির কারণে ক্লোরোফিল তৈরি হয় যা শাকসবজির বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সালফার — সালফার উদ্ভিদের প্রোটিন গঠনে সাহায্য করে তবে এটি ইউরিয়া থেকে আসে না, বরং জিপসাম বা অন্য সার থেকে আসে। B) ফসফরাস — ফসফরাস উদ্ভিদের শিকড় ও ফুল উৎপাদনে সাহায্য করে, যা টিএসপি বা ডিএপি সারে থাকে। C) নাইট্রোজেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইউরিয়া প্রধানত নাইট্রোজেন সরবরাহ করে। D) পটাশিয়াম — পটাশিয়াম উদ্ভিদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, যা এমওপি বা পটাশ সারে পাওয়া যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: ইউরিয়া মানেই নাইট্রোজেন, কারণ ইউরিয়ার নামের সাথে নাইট্রোজেন শব্দটি অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। সারের ধরন এবং তার প্রধান উপাদান মনে রাখার জন্য নিয়মিত ছক চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ প্রায় ৪৬ শতাংশ যা প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে। এই প্রশ্নটি থেকে উদ্ভিদের প্রধান পুষ্টি উপাদান বা ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট সম্পর্কে ধারণা পরিষ্কার হয়।
a Professional computer
b Private computer
c Prime computer
d Personal computer
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Personal computer ১. কেন সঠিক: - PC শব্দটির পূর্ণরূপ হলো পার্সোনাল কম্পিউটার বা ব্যক্তিগত কম্পিউটার। - এটি মূলত একক ব্যবহারকারীর জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা একটি মাইক্রোকম্পিউটার। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: যে কম্পিউটার একক সময়ে একজন মাত্র ব্যবহারকারী ব্যক্তিগত বা পেশাগত কাজে ব্যবহার করতে পারেন, তাকে পার্সোনাল কম্পিউটার বলা হয়। - ব্যবহার: এটি মূলত অফিসিয়াল কাজ, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, গেম খেলা এবং মাল্টিমিডিয়া ব্যবহারের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডেস্কটপ কম্পিউটার ব্যাখ্যা: এটি একটি নির্দিষ্ট স্থানে টেবিলের ওপর রেখে ব্যবহার করা হয় এবং এর পার্টসগুলো আলাদা থাকে। উদাহরণ ২: ল্যাপটপ কম্পিউটার ব্যাখ্যা: এটি সহজে বহনযোগ্য একটি পার্সোনাল কম্পিউটার যাতে স্ক্রিন, কিবোর্ড এবং ব্যাটারি একসাথে যুক্ত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Professional computer — পেশাদার কম্পিউটার বলে কোনো সুনির্দিষ্ট বা আদর্শ কম্পিউটার ক্যাটাগরি কম্পিউটিং প্রযুক্তিতে প্রচলিত নেই। B) Private computer — প্রাইভেট কম্পিউটার বলতে কোনো স্ট্যান্ডার্ড কম্পিউটার টার্ম বোঝায় না, যদিও ডেটা নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কথাটি আসে। C) Prime computer — প্রাইম কম্পিউটার বলতে অতীতে একটি নির্দিষ্ট কোম্পানির মিনি কম্পিউটার বোঝাতো, কিন্তু এটি PC-র পূর্ণরূপ নয়। D) Personal computer — এটি এই প্রশ্নের জন্য সর্বজনস্বীকৃত এবং প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক পূর্ণরূপ। ৫ মনে রাখার টিপস: - PC মানে হলো Personal Computer, যা সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তৈরি। - মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটার মূলত একক ব্যবহারকারী কেন্দ্রিক। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রথম সফল পার্সোনাল কম্পিউটার হলো অল্টেয়ার আটশ আটাত্তর (Altair 8800)। - আইবিএম প্রথম ১৯৮১ সালে আইবিএম পিসি (IBM PC) বাজারজাত করে যা জনপ্রিয়তার সূচনা করে।
a ক এর মামা চ
b ক এর খালু চ
c চ এর নানা ক
d ক এর চাচা চ
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক এর মামা চ প্রদত্ত তথ্য: ক হলো খ এর পুত্র খ এবং গ হলো পরস্পর বোন ঘ হলো গ এর মা চ হলো ঘ এর পুত্র ধরি, খ ও গ এর মা হলেন ঘ ঘ এর পুত্র চ হলেন খ ও গ এর ভাই অতএব, খ এর ভাই চ হলেন ক এর মামা কারণ ক এর মা হলেন খ সুতরাং, সম্পর্কের দিক থেকে চ হন ক এর মামা উত্তর: ক এর মামা চ
a সম্বর
b গ্রহ
c নিঃসর্গ
d অশ্ব
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গ্রহ প্রদত্ত তথ্য: প্রাণদ মানে জল মহীজ অর্থ নির্ধারণ করতে হবে ধরি, প্রাণদ শব্দের অর্থ জল বা পানি মহীজ শব্দের অর্থ পৃথিবী থেকে জাত অতএব, প্রাণদ যেমন জলের অপর নাম মহীজ তেমনি পৃথিবীর অপর নাম সুতরাং, মহীজ বলতে পৃথিবীর বিকশিত রূপ বোঝায় উত্তর: গ্রহ
a T, X
b X, T
c S, T
d T, B
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) T, X প্রদত্ত তথ্য: বর্ণমালার ক্রমিক ধারাবাহিকতা বিশ্লেষণ করতে হবে প্রতিটি অক্ষরের মধ্যকার দূরত্বের প্যাটার্ন লক্ষ করতে হবে ধরি, প্রথম অক্ষরটি ইংরেজি বর্ণমালা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে দ্বিতীয় অক্ষরটি নির্দিষ্ট ব্যবধান মেনে চলবে অতএব, ধারার প্রথম অংশ থেকে পরবর্তী পদ নির্ণয় করা হলো ধারার দ্বিতীয় অংশ থেকে শেষ পদ বের করা হলো সুতরাং, নির্ণয়ে প্রাপ্ত অক্ষর দুটি হলো T এবং X উত্তর: A) T, X

মোট প্রশ্ন (19)

a নীলকরদের অত্যাচার
b ভাষা আন্দোলন
c অসহযোগ আন্দোলন
d তে-ভাগা আন্দোলন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নীলকরদের অত্যাচার কেন সঠিক: ১. এই নাটকে বাংলার সাধারণ কৃষকদের ওপর ব্রিটিশ নীলকর সাহেবদের অমানবিক নির্যাতন ও শোষণের বাস্তব চিত্র অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. নীল চাষ করতে অস্বীকার করলে কৃষকদের ওপর যে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালানো হতো, তা এই নাটকের মূল কাহিনীতে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. দীনবন্ধু মিত্র রচিত নীলদর্পণ নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে সামাজিক ও রাজনৈতিক নাটকের এক অনন্য এবং ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. এই নাটকটি প্রকাশিত হওয়ার পর এর ইংরেজি অনুবাদ করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত, যা ব্রিটিশ সমাজে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিল। ৩. বাংলা নাটকের ইতিহাসে শোষিত মানুষের পক্ষে কথা বলা প্রথম জোরালো সাহিত্যিক প্রতিবাদ হলো এই নীলদর্পণ নাটকটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — নীলকরদের অত্যাচারের ওপর ভিত্তি করেই এই বিখ্যাত নাটকটি রচিত হয়েছে। B) ভাষা আন্দোলন — ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এই নাটকটি রচিত হয়নি কারণ এটি অনেক আগের ঘটনা। C) অসহযোগ আন্দোলন — ব্রিটিশ বিরোধী অসহযোগ আন্দোলনের সময় এই নাটকের কাহিনী বা পটভূমি রচিত হয়নি। D) তে-ভাগা আন্দোলন — কৃষকদের তে-ভাগা আন্দোলনের অনেক আগেই উনিশ শতকের মাঝামাঝিতে নীলদর্পণ নাটকটি লেখা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ১. নাটকের নামের মধ্যেই নীল শব্দুি আছে, যা থেকে খুব সহজেই নীলকরদের অত্যাচারের কথাটি মনে রাখা যায়। ২. দীনবন্ধু মিত্রের নীলদর্পণ মানেই হলো নীলচাষীদের ওপর ব্রিটিশ নীলকরদের নির্মম নির্যাতনের কাহিনী।
a সৈয়দ আলী আহসান
b সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
c সৈয়দ শামসুল হক
d সিকান্দার আবু জাফর
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সৈয়দ আলী আহসান ১. কেন সঠিক: ১৯৮৫ সালে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, কবি ও সাহিত্যিক সৈয়দ আলী আহসান নাসির উদ্দীন স্বর্ণ পদক লাভ করেন। বাংলা একাডেমি ও সাহিত্য ক্ষেত্রে তাঁর বহুমুখী অবদান এই সম্মাননা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সৈয়দ আলী আহসান বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি, প্রাবন্ধিক ও গবেষক। তিনি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ধারার বিকাশে এবং সাহিত্য সমালোচনায় বিশেষ অবদান রেখে গেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ আলী হাসানের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ এক বৃদ্ধ প্রহর। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থে তাঁর আধুনিক মননশীলতা ও কাব্যভাষার স্বকীয়তা প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: তাঁর রচিত সাহিত্য সমালোচনামূলক গ্রন্থ শিল্প ও শিল্পীর দায়িত্ব। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে সাহিত্য সৃষ্টির পেছনের নান্দনিক দৃষ্টিভঙ্গি ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ আলী আহসান — সঠিক উত্তর। B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — তিনি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হলেও এই নির্দিষ্ট বছরে এই পদক পাননি। C) সৈয়দ শামসুল হক — আধুনিক বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক হলেও এই পুরস্কারটি তাঁর অর্জিত নয়। D) সিকান্দার আবু জাফর — তিনি প্রখ্যাত কবি ও সাংবাদিক হলেও এই পুরস্কার পাননি। ৫ মনে রাখার টিপস: সৈয়দ আলী আহসান নামের সাথে ১৯৮৫ সাল এবং নাসির উদ্দীন স্বর্ণ পদক যুক্ত করে একটি বাক্য তৈরি করে মনে রাখতে পারো। আহসান মানে ভালো, আর ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি স্বর্ণ পদক পেয়েছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন সাহিত্যিকদের প্রাপ্ত পুরস্কার ও সন প্রায়শই আসে। লেখকদের প্রধান পুরস্কারগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a ক্রীতদাসের হাসি
b মাটি আর অশ্রু
c হাঙর নদী গ্রেনেড
d সারেং বউ
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হাঙর নদী গ্রেনেড ১. কেন সঠিক: - হাঙর নদী গ্রেনেড উপন্যাসটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। - সেলিনা হোসেন এই উপন্যাসে যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং এক সাহসী মায়ের আত্মত্যাগের চিত্র তুলে ধরেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসের রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। - এটি মূলত মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস যা মানুষের দেশপ্রেম ও সাহসিকতা প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাহান্নাম হইতে বিদায় ব্যাখ্যা: শহীদ জননী জাহানারা ইমাম রচিত এই উপন্যাসটিও বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: রূচিরা ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আরেকটি পরিচিত উপন্যাস যা যুদ্ধের নানা দিক ফুটিয়ে তুলেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রীতদাসের হাসি — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যার মূল বিষয়বস্তু আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসন। B) মাটি আর অশ্রু — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কোনো প্রধান উপন্যাস নয় বরং অন্য সামাজিক বা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত। C) হাঙর নদী গ্রেনেড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) সারেং বউ — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি উপন্যাস যার মূল বিষয়বস্তু উপকূলীয় মানুষের জীবন সংগ্রাম। ৫ মনে রাখার টিপস: - সেলিনা হোসেনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের নাম মনে রাখতে হাঙর নদী গ্রেনেড নামটি বিশেষভাবে মাথায় রাখবে। - মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি এবং সংগ্রামী নারী চরিত্র বললেই এই উপন্যাসের কথা মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - সেলিনা হোসেনের অন্যান্য উপন্যাস যেমন যাপিত জীবন বা নীল ময়ুরের পাল সম্পর্কেও ধারণা রাখবে।
a হুমায়ূন আহমেদ
b তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
c বুদ্ধদেব বসু
d সেলিনা হোসেন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হুমায়ূন আহমেদ ১. কেন সঠিক: দেয়াল হলো বাংলা সাহিত্যের বরেণ্য কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের লেখা একটি ঐতিহাসিক ও সামাজিক উপন্যাস। উপন্যাসটির মূল প্রেক্ষাপট বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে আবর্তিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: হুমায়ূন আহমেদ বিংশ শতাব্দীর বাঙালি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা ছিলেন। দেয়াল তার জীবনের অন্যতম শেষ ও একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস যা বাংলাদেশের ইতিহাসের নানা বাঁক তুলে ধরে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা ও জননীর গল্প ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ূন আহমেদের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আরেকটি বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: মধ্যাহ্ন ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদের রচিত একটি কালজয়ী বিশাল আকৃতির উপন্যাস ও সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুমায়ূন আহমেদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ দেয়াল উপন্যাসটি তার রচিত। B) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি বাংলা আঞ্চলিক উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত হলেও এই উপন্যাসটি তার লেখা নয়। C) বুদ্ধদেব বসু — তিনি আধুনিক যুগের বিশিষ্ট কবি ও প্রাবন্ধিক হলেও এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন। D) সেলিনা হোসেন — তিনি প্রখ্যাত নারী ঔপন্যাসিক হলেও দেয়াল গ্রন্থটি তার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: হুমায়ূন আহমেদের শেষ কাজ বা শেষ উপন্যাসগুলোর মধ্যে দেয়াল একটি ঐতিহাসিক দলিলসম কাজ। দেয়াল উপন্যাস এবং হুমায়ূন আহমেদের নাম একসাথে মনে রাখতে ঐতিহাসিক উপন্যাস হিসেবে এটি স্মরণ রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হুমায়ূন আহমেদের ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। লেখক পরিচিতি পড়ার সময় তার শেষ উপন্যাস এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
a শামসুর রাহমান
b শওকত ওসমান
c সিকান্দার আবু জাফর
d সুফিয়া কামাল
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শামসুর রাহমান ১. কেন সঠিক: - 'তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা' কবিতাটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান। - এই কবিতায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং বাঙালির বিজয়ের আবেগ অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি শামসুর রাহমান ১৯২৯ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি নাগরিক জীবনের নানা অনুভূতি ও স্বাধিকার আন্দোলনের কবি হিসেবে পরিচিত। - এই কবিতাটি তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত যেখানে মুক্তিকামী মানুষের অপেক্ষার আকুলতা প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বন্দী শিবির থেকে ব্যাখ্যা: এটি কবি শামসুর রাহমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অত্যন্ত বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: আসাদের শার্ট ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের লেখা গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি ঐতিহাসিক ও জনপ্রিয় কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামসুর রাহমান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কবি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম নিয়ে একাধিক কালজয়ী কবিতা রচনা করেছেন। B) শওকত ওসমান — তিনি মূলত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত, বিখ্যাত উপন্যাস আগুনের পরশমণি বা ক্রীতদাসের হাসি তার রচনা। C) সিকান্দার আবু জাফর — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক হলেও এই কবিতার রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত কবিতা সমাচার। D) সুফিয়া কামাল — তিনি দেশের প্রথিতযশা নারী কবি ও জননেত্রী, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ সাঁঝের মায়া। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্বাধীনতা সম্পর্কিত বিখ্যাত কবিতাগুলোর ক্ষেত্রে শামসুর রাহমান নামটি বেশি মনে রাখবে কারণ তিনি স্বাধীনতার কবি হিসেবে পরিচিত। - কবিতার প্রথম লাইন বা শিরোনাম দেখে কবির নাম মনে রাখার জন্য নিয়মিত সাহিত্য পাঠের অভ্যাস করো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্ম থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - শামসুর রাহমানের জন্ম, মৃত্যু এবং তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।
a চৈতালী
b রাখালী
c ফনিমনসা
d আলো পৃথিবী
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাখালী ১. কেন সঠিক: রাখালী হলো বাংলাদেশের বিখ্যাত পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থে পল্লী প্রকৃতির রূপ এবং গ্রামীণ সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: পল্লীকবি জসীম উদ্দীন ১৯০৩ সালে ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৭৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তার এই রাখালী কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে গ্রামীণ জীবনের নিসর্গ ও সুর স্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশী কাঁথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি জসীম উদ্দীনের একটি বিশ্বনন্দিত ও অমর কাব্যগ্রন্থ যা পল্লীপ্রেমের অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: সোজন বাদিয়ার ঘাট ব্যাখ্যা: এটি জসীম উদ্দীনের অপর একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় বাশরীধর্মী ট্র্যাজেডি কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চৈতালী — এটি পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের রচিত কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং এটি কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। C) ফনিমনসা — এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও প্রতিবাদী কাব্যগ্রন্থ যা জসীম উদ্দীনের লেখা নয়। D) আলো পৃথিবী — এটি জসীম উদ্দীনের কোনো সাহিত্যকর্ম বা কাব্যগ্রন্থের নাম নয়, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। ৫ মনে রাখার টিপস: জসীম উদ্দীনকে মনে রাখতে হলে তাঁর প্রথম কাব্য রাখালী এবং শ্রেষ্ঠ কাজ নকশী কাঁথার মাঠ মাথায় রাখতে হবে। পল্লী প্রকৃতির কবি হিসেবে তিনি চিরস্মরণীয় এবং তাঁর কাব্যগুলোর নামের সাথে গ্রামীণ জীবনের গভীর মিল রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জসীম উদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। সাহিত্যিকের প্রথম ও প্রধান গ্রন্থগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a কবর
b পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
c জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন
d ওরা কদম আলী
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কবর ১. কেন সঠিক: ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম নাটক হলো কবর। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে জেলখানায় বন্দि অবস্হায় মুনীর চৌধুরী এই বিখ্যাত নাটকটি রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মুনীর চৌধুরী বাংলা নাটকে এক অনন্য অবদান রেখেছেন। কবর নাটকটি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ এবং পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর অমানবিক আচরণের এক শক্তিশালী দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন ব্যাখ্যা: জহির রায়হান রচিত এই উপন্যাসটিও ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: আর্তনাদ ব্যাখ্যা: শওকত ওসমান রচিত এই উপন্যাসটি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত অন্য একটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবর — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম নাটক। B) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি কাব্যনাট্য। C) জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন — এটি সেলিনা হোসেন রচিত একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক নাটক। D) ওরা কদম আলী — এটি মামুনুর রশীদ রচিত সমাজের নিম্নবর্গীয় মানুষের অধিকার নিয়ে লেখা নাটক। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের প্রথম নাটক মনে রাখতে মনে রাখবেন কবর নাটকটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে জেলখানায় বসে মুনীর চৌধুরী লিখেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক, উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই আসে। মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকটি ভাষা আন্দোলনের প্রথম নাটক হিসেবে বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে।
a অক্ষয়কুমার দত্ত
b প্যারীচাঁদ মিত্র
c ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
d সৈয়দ মুজতবা আলী
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অক্ষয়কুমার দত্ত ১. কেন সঠিক: - তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার প্রথম ও অন্যতম প্রধান সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত যিনি বাংলা গদ্যের অন্যতম রূপকার হিসেবে পরিচিত। - ১৮৪৩ সালের ১৬ই আগস্ট তত্ত্ববোধিনী সভা প্রতিষ্ঠার পর এই পত্রিকাটির প্রকাশনা শুরু হয় এবং এর মাধ্যমে সমাজে সংস্কার ও বিজ্ঞানমনস্কতা প্রচার করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অক্ষয়কুমার দত্ত ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, সম্পাদক ও সমাজসংস্কারক যিনি তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানচর্চা ও যুক্তিবাদী চিন্তা প্রসার করেন। - এই পত্রিকাটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশ এবং ব্রাহ্মসমাজের প্রচার ও প্রসারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চারুপাঠ ব্যাখ্যা: এটি অক্ষয়কুমার দত্ত রচিত একটি বিখ্যাত পাঠ্যপুস্তক যা নীতিশিক্ষা ও বিজ্ঞানবিষয়ক রচনার এক অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: বাহ্যবস্তুর সহিত মানবের সম্পর্কের বিচার ব্যাখ্যা: এটি অক্ষয়কুমার দত্তের একটি বিখ্যাত গ্রন্থ যা মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির সম্পর্ক ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষয়কুমার দত্ত - এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন এবং পত্রিকার মান উন্নত করেছিলেন। B) প্যারীচাঁদ মিত্র - ইনি আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচয়িতা এবং মাসিক মাসিইক পত্রিকা ও টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামের জন্য বিখ্যাত হলেও তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর - ইনি বাংলার গদ্যের জনক এবং বিধবাবিবাহ আন্দোলনের প্রবক্তা হলেও তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার মূল সম্পাদক ছিলেন না। D) সৈয়দ মুজতবা আলী - ইনি একজন বিশিষ্ট রম্যকার ও সাহিত্যিক যিনি বহু পরে আধুনিক যুগে আত্মপ্রকাশ করেন, উনি উনিশ শতকের তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - অক্ষয় কুমার ও তত্ত্ববোধিনী মনে রাখতে অক্ষয় শব্দের সঙ্গে তত্ত্ব শব্দ মিলিয়ে পড়তে পারো। - বাংলা পত্রিকার সম্পাদক মনে রাখার সময় পত্রিকার নাম ও সাল একসঙ্গে নোট করে রাখলে পরীক্ষার সময় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উনিশ শতকের সাময়িকপত্র ও সম্পাদক থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা প্রকাশের সাল এবং এর সঙ্গে জড়িত মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও অক্ষয়কুমার দত্তের নাম মনে রাখা আবশ্যক।
a পঞ্চতন্ত্র
b কালান্তর
c প্রবন্ধ সংগ্রহ
d শাশ্বত বঙ্গ
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পঞ্চতন্ত্র ১. কেন সঠিক: - পঞ্চতন্ত্র সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় প্রবন্ধ গ্রন্থ। - এই গ্রন্থে লেখকের মুন্শিয়ানা, রম্য রচনাশৈলী এবং গভীর জীবনদর্শন অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ মুজতবা আলী বাংলা সাহিত্যে রম্যরচনা বা লঘু প্রবন্ধের অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা। - তাঁর লেখায় বহুভাষিক পাণ্ডিত্য ও বিশ্বভ্রমণের অভিজ্ঞতার এক অনবদ্য মিশ্রণ দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ময়ূরকণ্ঠী ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত একটি প্রখ্যাত প্রবন্ধ ও রম্য রচনা সংকলন। উদাহরণ ২: চাচা কাহিনী ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ভ্রমণকাহিনী ও রম্য সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: B) কালান্তর — এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ। C) প্রবন্ধ সংগ্রহ — এটি মোহিতলাল মজুমদারের কিংবা অন্য কোনো লেখকের সংকলিত প্রবন্ধ গ্রন্থ হতে পারে, যা সৈয়দ মুজতবা আলীর নয়। D) শাশ্বত বঙ্গ — এটি ঐতিহাসিক ও গবেষক কাজী আবদুল ওদুদের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুজতবা আলী মানেই হাসিখুশি ও বুদ্ধিবৃত্তিক রম্যরচনা, আর তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থের মধ্যে পঞ্চতন্ত্র সবার আগে মনে রাখতে হবে। - লেখকের নাম এবং গ্রন্থ মিলিয়ে মনে রাখার জন্য নিয়মিত সাহিত্য পাঠের অভ্যাস করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রবন্ধ ও ভ্রমণকাহিনী থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখকের অন্যান্য গ্রন্থ যেমন দেশে বিদেশে, জলে ডাঙায় ইত্যাদি সম্পর্কেও সম্যক ধারণা রাখতে হবে।
a আলাওল
b কাজী দীন মহম্মদ
c কাজী মোতাহের হোসেন
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: ঘরে বাইরে উপন্যাসটির রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এটি তাঁর অন্যতম বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস যা প্রথম প্রকাশিত হয় বঙ্গদর্শন পত্রিকায় এবং গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটি বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে ব্রিটিশ ভারতের বঙ্গভঙ্গ ও স্বদেশী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত। এতে নিখিলেশ, বিমলা ও সন্দীপ এই ত্রিভুজ প্রেমের মাধ্যমে ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং রাজনীতির জটিলতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোরা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা সমাজ ও জাতীয়তাবাদের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: যোগাযোগ ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত মনস্তাত্ত্বিক ও পারিবারিক দ্বন্দ্বভিত্তিক একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলাওল — তিনি মধ্যযুগের একজন প্রখ্যাত কবি যিনি পদ্মাবতী কাব্য রচনা করেছেন, উপন্যাস লেখেননি। B) কাজী দীন মহম্মদ — তিনি একজন বিশিষ্ট গবেষক ও অধ্যাপক ছিলেন, এই উপন্যাস তাঁর লেখা নয়। C) কাজী মোতাহের হোসেন — তিনি একজন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী, প্রাবন্ধিক ও দাবাড়ু ছিলেন, ঘরে বাইরে উপন্যাসের রচয়িতা নন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই উপন্যাসটি রচনা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস মনে রাখার জন্য ঘরে বাইরে এবং গোরা নাম দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। স্বদেশী আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত একমাত্র উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো ঘরে বাইরে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের প্রকাশকাল ও চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ঘরে বাইরে উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো হলো নিখিলেশ, বিমলা ও সন্দীপ।
a ২০০৭
b ১৯০৭
c ১৯০৯
d ১৯১৬
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯০৭ ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন যা মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন। ১৯০৭ সালে তিনি নেপাল থেকে প্রাচীন বাংলা ভাষার এই অমূল্য পুথিটি আবিষ্কার করেন এবং পরবর্তীতে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক নিদর্শন যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা ধর্মীয় গান। হরপ্রসাদ শাস্তሪ ১৯০৭ সালে আবিষ্কারের পর ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে এটি প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। ব্যাখ্যা: তিনি ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। উদাহরণ ২: হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা। ব্যাখ্যা: ১৯১৬ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদ এই নামে প্রথম প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০৭ — এই সালে চর্যাপদ আবিষ্কারের কোনো ঘটনা ঘটেনি বরং এটি অনেক প্রাচীন একটি ঐতিহাসিক আবিষ্কার। B) ১৯০৭ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। C) ১৯০৯ — এই সালে চর্যাপদ আবিষ্কার হয়নি তবে এটি আবিষ্কারের পরের গবেষণা ও সংগ্রহের সাথে সম্পর্কিত একটি বছর। D) ১৯১৬ — এই সালে চর্যাপদ প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় তবে এটি আবিষ্কারের সাল নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ আবিষ্কারের সাল মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে যে আবিষ্কার হয়েছে ১৯০৭ সালে এবং প্রকাশ পেয়েছে ১৯১৬ সালে। আবিষ্কারের নয় বছর পর ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ আবিষ্কারের সাল এবং প্রকাশকাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্তFrequently আসা একটি প্রশ্ন। আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং প্রকাশের সাল ১৯১৬ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a মাইকেল মধুসূদন দত্ত
b দীনবন্ধু মিত্র
c রামনারায়ণ তর্করত্ন
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রামনারায়ণ তর্করত্ন ১. কেন সঠিক: - কুলীন কুল সর্বস্ব নাটকটি রামনারায়ণ তর্করত্নের বিখ্যাত রচনা এবং এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক সামাজিক নাটক হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। - বহুল প্রচলিত কুলীনপ্রথার বহুবিবাহ ও এর ফলে সৃষ্ট সামাজিক পঙ্কিলতা এই নাটকে তীব্রভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রামনারায়ণ তর্করত্ন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত নাট্যকার, অনুবাদক ও সংকলক ছিলেন যিনি মূলত সংস্কৃত নাটক বাংলায় অনুবাদ করে নাট্যচর্চার পথ সুগম করেন। - কুলীন কুল সর্বস্ব নাটকটি ১৮৫৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর মাধ্যমেই বাংলা নাট্যসাহিত্যে আধুনিক সামাজিক নাটকের যুগ শুরু হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রত্নাবলী নাটক ব্যাখ্যা: এটি রামনারায়ণ তর্করত্ন কর্তৃক সংস্কৃত থেকে অনূদিত একটি বিখ্যাত নাটক যা নাটক হিসেবে যথেষ্ট জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। উদাহরণ ২: নবনাটক ব্যাখ্যা: রামনারায়ণ তর্করত্নের আরেকটি মৌলিক নাটক যা সমাজসংস্কারের উদ্দেশ্যে রচিত এবং তৎকালীন সমাজে সমাদৃত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবক্তা ও মহাকবি হলেও কুলীন কুল সর্বস্ব নাটকটি তাঁর রচনা নয়। B) দীনবন্ধু মিত্র — তিনি নীলদর্পণ নাটকের জন্য বিখ্যাত হলেও কুলীন কুল সর্বস্ব নাটকটি তাঁর নয়, এটি রামনারায়ণ তর্করত্নের সৃষ্টি। C) রামনারায়ণ তর্করত্ন — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই প্রথম মৌলিক সামাজিক নাটক হিসেবে বাংলা নাট্যসাহিত্যে স্থান করে নিয়েছে। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের সর্বকালের সেরা সাহিত্যিক ও নোবেলজয়ী কবি হলেও এই প্রাচীন সামাজিক নাটকটির রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - কুলীন প্রথার বিরুদ্ধে প্রথম কথা বলেছিল রামনারায়ণের তর্করত্ন, তাই মনে রাখবে প্রথম সামাজিক নাটকটি তারই কীর্তি। - রামনারায়ণ ও প্রথম নাটক কুলীন কুল সর্বস্ব এভাবে জোড়া মিলিয়ে সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক নাটক কোনটি এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, যার উত্তর কুলীন কুল সর্বস্ব। - নাটকের প্রকাশের সাল অর্থাৎ ১৮৫৪ সালটি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
a তিলোত্তমা কাব্য
b মেঘনাদ বধ কাব্য
c বেতাল পঞ্চবিংশতি
d বীরাঙ্গনা
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেতাল পঞ্চবিংশতি ১. কেন সঠিক: - বেতাল পঞ্চবিংশতি গ্রন্থটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয়, এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের লেখা একটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচনাগুলো গুলিয়ে ফেলার জন্য এমন প্রশ্ন দেওয়া হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক গদ্যশিল্পী হিসেবে পরিচিত। - বেতাল পঞ্চবিংশতি মূলত হিন্দি ও সংস্কৃত বেতাল পচ্চীসী অবলম্বনে রচিত একটি লোককাহিনীমূলক গদ্যগ্রন্থ যা ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শকুনতলা ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অপর একটি বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ যা কালিদাসের অভিজ্ঞানশকুন্তলম নাটক অবলম্বনে রচিত। উদাহরণ ২: সীতার বনবাস ব্যাখ্যা: এটিও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি জনপ্রিয় গদ্যগ্রন্থ যা বাল্মীকি রামায়ণের উত্তরকাণ্ডের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিলোত্তমা কাব্য — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত প্রথম বাংলা কাব্য যা ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়। B) মেঘনাদ বধ কাব্য — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। D) বীরাঙ্গনা — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য যা বাংলা সাহিত্যে প্রথম পত্রকাব্যের উদাহরণ। ৫ মনে রাখার টিপস: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত সাধারণত কাব্য, নাটক ও প্রহসন বেশি লিখেছেন, আর বিদ্যাসাগর লিখেছেন গদ্য ও অনুবাদ গ্রন্থ। - মধুসূদনের মহাকাব্য ও পত্রকাব্যগুলোর নাম মনে রাখলে গদ্যগ্রন্থগুলো সহজেই আলাদা করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অনুদিত ও মৌলিক গদ্যগ্রন্থগুলোর নাম এবং প্রকাশের সালগুলো বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের প্রশ্নে লেখকের প্রধান পরিচয় মাথায় রেখে অপশনগুলো বিশ্লেষণ করতে হবে।
a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b মাইকেল মধুসূদন দত্ত
c রাজা রামমোহন রায়
d ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১. কেন সঠিক: বাংলা গদ্যের শিল্পসম্মত রূপদান, পরিমিতিবোধ ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদের বা বাংলা সাহিত্যের জনক বলা হয়। তাঁর হাত ধরেই বাংলা ভাষা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে এবং গদ্য তার শৈল্পিক পূর্ণতা অর্জন করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক শিল্পী ও প্রাতঃস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব। তিনি বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে বাংলা বাক্যকে সহজ ও গতিশীল করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেতাল পঞ্চবিংশতি ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অনূদিত একটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ যা বাংলা গদ্যের পথ সুগম করেছে। উদাহরণ ২: শকুন্তলা ব্যাখ্যা: এটি তাঁর রচিত আরেকটি জনপ্রিয় গদ্যগ্রন্থ যা গদ্যরীতির উৎকর্ষ প্রমাণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক, সাহিত্যের সামগ্রিক জনক নন। B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি আধুনিক বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেটের প্রবর্তক। C) রাজা রামমোহন রায় — তিনি বাংলা গদ্যের প্রথম যুগের লেখক হলেও তাকে জনক বলা হয় না। D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি গদ্যকে শৃঙ্খলিত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: গদ্যের জনক বললে বিদ্যাসাগর আর উপন্যাসের জনক বললে বঙ্কিমচন্দ্রকে মনে রাখবে। বিদ্যাসাগর মানেই বাংলা গদ্যের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকারী। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষায় প্রায়ই গদ্যের জনক ও উপন্যাসের জনকের মধ্যে প্যাচ লাগতে পারে, তাই পার্থক্য পরিষ্কার রাখবে। একইভাবে কবিগুরুর পরিচয় বা অন্যান্য সাহিত্যিকদের উপাধিগুলো আলাদা করে পড়বে।
a উইলিয়াম কেরি
b লর্ড ওয়েলেসলি
c মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
d রামরাম বসু
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উইলিয়াম কেরি ১. কেন সঠিক: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১৮০০ সালের ১৮ জুলাই কলকাতার গভর্নর হাউস প্রাঙ্গণে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান বা অধ্যক্ষ ছিলেন বিশপ উইলিয়াম কেরি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: উইলিয়াম কেরি বাংলা গদ্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ছাত্রদের বাংলা শেখানোর জন্য পন্ডিতদের নিয়ে একটি অনুবাদ বিভাগ গঠন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কথোপকথন ব্যাখ্যা: এটি উইলিয়াম কেরির লেখা একটি বিখ্যাত বাংলা গ্রন্থ, যা ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: ইতিহাসমালা ব্যাখ্যা: উইলিয়াম কেরি সংকলিত লোককাহিনি ও গল্পের একটি বিখ্যাত সংকলন এটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উইলিয়াম কেরি — ইনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ও অধ্যক্ষ ছিলেন। B) লর্ড ওয়েলেসলি — ইনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও গভর্নর জেনারেল ছিলেন। C) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার — ইনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন বিশিষ্ট পন্ডিত ও প্রধান অনুবাদক ছিলেন। D) রামরাম বসু — ইনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের একজন মুন্সি বা শিক্ষক ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: কলেজের প্রতিষ্ঠাতা লর্ড ওয়েলেসলি আর বাংলা বিভাগের প্রধান উইলিয়াম কেরি, এই পার্থক্য মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ বাংলা গদ্য চর্চার সূতিকাগার হিসেবে পরিচিত। এই কলেজ কেন্দ্র করেই বাংলা prose বা গদ্যের আধুনিক রূপের বিকাশ ঘটে।
a জয়নন্দী
b বড়ু চণ্ডীদাস
c গোবিন্দ দাস
d জ্ঞান দাস
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জয়নন্দী ১. কেন সঠিক: - জয়নন্দী মধ্যযুগের কবি নন, বরং তিনি প্রাচীন যুগের বা চর্যাপদের একজন কবি। - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন যা মূলত প্রাচীন যুগের অন্তর্গত, মধ্যযুগের নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যকে মূলত তিনটি যুগে ভাগ করা হয় যথা প্রাচীন যুগ, মধ্য যুগ এবং আধুনিক যুগ। - চর্যাপদ প্রাচীন যুগের একমাত্র ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক নিদর্শন যার রচনাকাল আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লুইপা ব্যাখ্যা: লুইপা চর্যাপদের অন্যতম প্রধান কবি এবং তিনি প্রাচীন যুগের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: কাহ্নপা ব্যাখ্যা: কাহ্নপা চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচনাকারী কবি এবং তিনিও প্রাচীন যুগের কবি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নন্দী — ইনি চর্যাপদের কবি হওয়ায় প্রাচীন যুগের অন্তর্ভুক্ত, মধ্যযুগের কবি নন। B) বড়ু চণ্ডীদাস — ইনি মধ্যযুগের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের বিখ্যাত রচয়িতা কবি। C) গোবিন্দ দাস — ইনি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম প্রধান প্রখ্যাত পদকর্তা। D) জ্ঞান দাস — ইনি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রখ্যাত কবি। ৫. মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদের কবিরা সবাই প্রাচীন যুগের আর বড়ু চণ্ডীদাস, গোবিন্দ দাস ও জ্ঞান দাস মধ্যযুগের কবি। - যুগের নাম মনে রাখার জন্য চর্যাপদ মানেই প্রাচীন যুগ এই সূত্রটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের কবিদের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে কারণ তারা সবাই প্রাচীন যুগের কবি। - মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর কবিদের তালিকা আলাদা করে পড়লে এমন প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a ৪৫০-৬৫০
b ৬৫০-৮৫০
c ৬৫০-১২০০
d ৬৫০-১২৫০
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৫০-১২০০ ১. কেন সঠিক: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে তিনটি যুগে ভাগ করা হয়েছে যার প্রথম যুগ হলো প্রাচীন যুগ। - ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের ব্যাপ্তিকাল হলো ৬৫০ থেকে ১২০০ সাল পর্যন্ত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস প্রধানত তিনটি যুগে বিভক্ত যথা প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগ। - প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন হলো চর্যাপদ যা বাংলা ভাষার আদি কাব্যগ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র ও প্রথম নিদর্শন যা সান্ধ্যভাষায় রচিত। উদাহরণ ২: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ব্যাখ্যা: তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের সূচনা কাল হিসেবে ৬৫০ সালকে নির্ধারণ করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪৫০-৬৫০ — এই সময়কালটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের কোনো স্বীকৃত যুগ বিভাজনের সঙ্গে মেলে না। B) ৬৫০-৮৫০ — এটি প্রাচীন যুগের সঠিক ব্যাপ্তিকাল নয় কারণ প্রাচীন যুগের সমাপ্তি ধরা হয় ১২০০ সালে। D) ৬৫০-১২৫০ — এই সময়কালটি বাংলা সাহিত্যের যুগ বিভাজনের ক্ষেত্রে প্রমিত বা সর্বজনগ্রাহ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রাচীন যুগের ব্যাপ্তিকাল মনে রাখতে সংখ্যা দুটি মনে রাখো ৬৫০ এবং ১২০০। - এভাবে মনে রাখতে পারো ৬৫০ সালে শুরু হয়ে ১২০০ সালে প্রাচীন যুগের সমাপ্তি ঘটেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুগ বিভাজন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ডক্টর সুকুমার সেনের মতে প্রাচীন যুগের সময়কাল ৯০০ থেকে ১৩৫০ সাল তবে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ৬৫০ থেকে ১২০০ সাল সর্বজনগ্রাহ্য।
a ১২০১-১৩৫০
b ১২০১-১৪৫০
c ১৩০১-১৪৫০
d ১২০০-১৩০০
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২০১-১৩৫০ কেন সঠিক: - এই সময়সীমাকে বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ বলা হয় কারণ এই ১৫০ বছরে কোনো উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের খোঁজ পাওয়া যায়নি। - ড. সুকুমার সেন এবং ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতো ইতিহাসবিদগণ ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তুর্কি আক্রমণের ফলে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অরাজকতায় জনজীবন বিপর্যস্ত হওয়ায় সাহিত্যচর্চায় ছেদ পড়েছিল। - বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের শেষ এবং মধ্য যুগের শুরুর মধ্যবর্তী এই সময়কাল সাহিত্যিক দিক থেকে প্রায় শূন্য ছিল। - এই অন্ধকার যুগের অন্ধকার দূর করে চতুর্দশ শতাব্দীতে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের মাধ্যমে মধ্যযুগের সূচনা ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ১২০১-১৩৫০ — এটি সঠিক অপশন এবং সাহিত্য ইতিহাসে এই সময়কালই অন্ধকার যুগ হিসেবে স্বীকৃত। - B) ১২০১-১৪৫০ — এই কালসীমাটি ভুল কারণ ১৪৫০ সাল পর্যন্ত অন্ধকার যুগ ধরা হয় না, এর আগেই বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের সূচনা হয়। - C) ১৩০১-১৪৫০ — ১৩০১ সাল থেকে ধরলে ১২০১ থেকে ১৩০০ সাল বাদ পড়ে যায়, তাই এটি সঠিক সময়কাল নয়। - D) ১২০০-১৩০০ — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসবিদগণ ১২০১ সালকে অন্ধকার যুগের সূচনা হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। মনে রাখার টিপস: - অন্ধকার যুগের কাল মনে রাখতে ১২০১ সাল থেকে দেড়শ বছর বা ১৫০ বছর যোগ করে ১৩৫০ সাল পর্যন্ত হিসাব করবে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
b সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের
c প্রমথ চৌধুরীর
d টেকচাঁদ ঠাকুরের
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১. কেন সঠিক: - ভানুসিংহ ঠাকুর হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক ছদ্মনাম। - মাত্র বারো বছর বয়সে তিনি বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে এই ছদ্মনামে পদ রচনা শুরু করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বকালের সেরা প্রতিভা, যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। - ১৮৮৪ সালে তাঁর এই পদগুলো ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: মরমী পদ ব্যাখ্যা: ভানুসিংহ ঠাকুরের নামে লেখা গান ও কবিতাগুলোতে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের গভীর ভাব প্রকাশিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি গৃহিত হয়েছে। B) সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের — সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত একজন ছন্দের জাদুকর হিসেবে পরিচিত হলেও তাঁর ছদ্মনাম এটি নয়। C) প্রমথ চৌধুরীর — প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত ছদ্মনাম বীরবল যা চলিত রীতির প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। D) টেকচাঁদ ঠাকুরের — টেকচাঁদ ঠাকুর হলো প্যারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম যিনি আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাস লিখেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের ভানু অর্থ সূর্য এবং সিংহ তাঁর নামের সঙ্গে মিলিয়ে ভানুসিংহ ছদ্মনামটি তৈরি হয়েছিল। - ছোটবেলায় বৈষ্ণব কবিদের অনুকরণ করতে গিয়ে তিনি এই নাম ব্যবহার করেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম ব্যবহারের ইতিহাস ও লেখকদের আসল নামগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।

মোট প্রশ্ন (10)

a flowers
b trees
c dear
d animals
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) animals কেন সঠিক: Botany শব্দটির সাথে plants বা উদ্ভিদের সম্পর্ক রয়েছে কারণ এটি উদ্ভিদবিজ্ঞান নির্দেশ করে। একইভাবে Zoology শব্দটির সাথে animals বা প্রাণীদের সম্পর্ক রয়েছে কারণ এটি প্রাণীবিজ্ঞান বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) flowers — এটি উদ্ভিদের একটি অংশ মাত্র, পুরো প্রাণিজগৎ বা প্রাণীবিজ্ঞানকে বোঝায় না। B) trees — এটি উদ্ভিদের একটি প্রকার, তাই এটি Zoology এর সাথে সম্পর্কিত নয়। C) dear — এটি একটি বিশেষ প্রাণী মাত্র, কিন্তু Zoology দ্বারা সমস্ত প্রাণীকে বোঝানো হয়। D) animals — এটি সঠিক কারণ Zoology সরাসরি প্রাণীদের নিয়ে আলোচনা করে। মনে রাখার টিপস: Botany হলো গাছপালা সংক্রান্ত পড়াশোনা এবং Zoology হলো প্রাণী জগত সংক্রান্ত পড়াশোনা।
a Astrology
b Astronomy
c Crytology
d Telescopy
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Astronomy কেন সঠিক: Zoology হলো প্রাণীবিদ্যা, যার মাধ্যমে টাইগার বা বাঘ নিয়ে পড়াশোনা করা হয়। অন্যদিকে Mars হলো একটি গ্রহ, যা মহাকাশ বিজ্ঞানের আলোচ্য বিষয়। তাই Mars এর সাথে Astronomy বা জ্যোতির্বিজ্ঞানের সম্পর্ক সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Astrology — এটি মানুষের ভবিষ্যৎ ও ভাগ্য নিয়ে আলোচনা করে, যা গ্রহের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। B) Astronomy — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মহাকাশ ও গ্রহ নক্ষত্র নিয়ে গবেষণা করে। C) Crytology — এটি মূলত সংকেত এবং কোড ভাষা নিয়ে কাজ করে, যার সাথে গ্রহের সম্পর্ক নেই। D) Telescopy — এটি একটি যন্ত্র ব্যবহারের পদ্ধতি, কোনো নির্দিষ্ট বিজ্ঞানের শাখা নয়। মনে রাখার টিপস: জীব সম্পর্কিত পড়াশোনা যেমন Zoology, তেমনি গ্রহ নক্ষত্র সম্পর্কিত পড়াশোনা হলো Astronomy।
a Late speech
b Early speech
c Final speech
d First speech
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) First speech কেন সঠিক: 'Maiden speech' একটি ইংরেজি idiom বা বাগধারা, যার শাব্দিক অর্থ কুমারী বা প্রথম বক্তব্য। এটি সাধারণত কোনো সংসদ বা সভা নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম দেওয়া ভাষণকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Late speech — এটি শেষ বক্তব্য বোঝায়, যা সঠিক উত্তরের বিপরীত। B) Early speech — এটি শুধু সকালের বা আগের কোনো সাধারণ বক্তব্য বোঝায়। C) Final speech — এটি মানুষের জীবনের বা কোনো সভার শেষ বক্তব্য বোঝায়। D) First speech — এটি সঠিক কারণ এটি প্রথম বক্তব্য বা ভাষণ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজের শুরুতে 'Maiden' শব্দটি প্রথম বোঝাতে ব্যবহার হয়, যেমন প্রথম ভ্রমণকে maiden voyage বলে।
a Sorojini Naidu
b Hellen Killer
c Florence Nightingale
d Madame Teresa
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Florence Nightingale কেন সঠিক: তিনি ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সময় রাতে হাসপাতালে আহত সৈনিকদের সেবা করার জন্য হাতে লণ্ঠন নিয়ে ঘুরে বেড়াতেন। এই মানবিক কাজের জন্য সারা বিশ্ব তাঁকে লণ্ঠন হাতে নারী বা লেডি অফ দ্য ল্যাম্প হিসেবে চেনে। আধুনিক নার্সিং পেশার প্রতিষ্ঠাতা হিসেবেও তিনি অত্যন্ত বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sorojini Naidu — ইনি ভারতের কোকিল বা নাইটিঙ্গেল অফ ইন্ডিয়া নামে পরিচিত, কোনো লণ্ঠনের সাথে যুক্ত নন। B) Hellen Killer — ইনি একজন অন্ধ ও বধির লেখিকা এবং সমাজকর্মী ছিলেন যিনি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করেছেন। C) Florence Nightingale — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ব্যক্তিত্বের নাম প্রযোজ্য নয়। D) Madame Teresa — ইনি মাদার তেরেসা নামে পরিচিত এবং গরিব ও অসহায় মানুষের সেবা করে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। মনে রাখার টিপস: রাতের বেলা লণ্ঠন হাতে আহত সৈনিকদের সেবা করার ইতিহাস মনে রাখলেই ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের এই উপাধিটি সহজে চেনা যাবে।
a Literature, peace and Economices
b Physiology or Medicine
c Physices and Chemistry
d All of the above
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) All of the above কেন সঠিক: আলফ্রেড নোবেলের উইল অনুযায়ী ১৯০১ সাল থেকে সাহিত্য, শান্তি, অর্থনীতি, চিকিৎসা, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন—এই সব বিষয়ে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। প্রশ্নটিতে উল্লিখিত সবগুলো ডিসিপ্লিন বা বিষয়ই নোবেল পুরস্কারের অন্তর্ভুক্ত। তাই সব কটি অপشن সঠিক হওয়ায় ডি অপশনটি বেছে নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Literature, peace and Economices — এখানে শুধু সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতির কথা বলা হয়েছে, যা সঠিক হলেও অন্য বিজ্ঞানভিত্তিক বিষয়গুলো বাদ পড়ে গেছে। B) Physiology or Medicine — এটি শুধু চিকিৎসা বিজ্ঞানের কথা বলে, অথচ পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের মতো অন্যান্য বিষয়ও নোবেল পুরস্কারের অন্তর্ভুক্ত। C) Physices and Chemistry — এটি কেবল পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের কথা উল্লেখ করে, কিন্তু সাহিত্য ও শান্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলো বাদ পড়ে যায়। D) All of the above — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ নোবেল ফাউন্ডেশন উল্লিখিত সবকটি ক্ষেত্রেই পুরস্কার প্রদান করে থাকে। মনে রাখার টিপস: নোবেল পুরস্কার মোট ছয়টি বিষয়ে দেওয়া হয়, তাই যে অপশনে সবগুলোর নাম থাকবে সেটিই সঠিক হবে।
a A moonless day
b A new moon day
c A full moon day
d A half moon day
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) A full moon day কেন সঠিক: চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবী সূর্য এবং চাঁদের মাঝখানে সোজাসুজি অবস্থান করে। এর ফলে পৃথিবীর ছায়ਾ চাঁদের ওপর পড়ে এবং পূর্ণিমার রাতে এই ঘটনা ঘটে। পূর্ণিমা ছাড়া চন্দ্রগ্রহণ ঘটা অসম্ভব। এই পূর্ণিমার দিনটিকেই ইংরেজিতে ফুল মুন ডে বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A moonless day — এটি অমাবস্যা বোঝায়, যা সূর্যগ্রহণের সাথে সম্পর্কিত। B) A new moon day — এটিও অমাবস্যার দিন, যে দিনে চন্দ্রগ্রহণ হয় না। C) A full moon day — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। D) A half moon day — এই দিনে অর্ধচন্দ্র দেখা যায়, চন্দ্রগ্রহণ ঘটে না। মনে রাখার টিপস: চন্দ্রগ্রহণ সবসময় পূর্ণিমার রাতে হয় আর সূর্যগ্রহণ হয় অমাবস্যার দিনে।
a Marine Ecosystem
b Desert Ecosystem
c Mountain Ecosystem
d Fresh water Ecosystem
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Marine Ecosystem কেন সঠিক: পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় সত্তর শতাংশ এলাকা জুড়ে মহাসাগর বা সমুদ্র বিস্তৃত রয়েছে। তাই জলজ বা সামুদ্রিক পরিবেশই গ্রহের সবচেয়ে বড় বাস্তুতন্ত্র গঠন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Marine Ecosystem — এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বাস্তুতন্ত্র এবং এটি সঠিক উত্তর। B) Desert Ecosystem — মরুভূমি অঞ্চল পৃথিবীর একটি ছোট অংশ জুড়ে অবস্থান করে। C) Mountain Ecosystem — পাহাড়ি এলাকা পৃথিবীর ভূত্বকের খুব সামান্য অংশ দখল করে আছে। D) Fresh water Ecosystem — মিষ্টি জলের উৎস যেমন নদী ও হ্রদ খুবই সীমিত এলাকা জুড়ে থাকে। মনে রাখার টিপস: পৃথিবীতে জলের পরিমাণ বেশি হওয়ায় সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র সবচেয়ে বড়।
a shall be
b am
c was
d were
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) were কেন সঠিক: এটি একটি অবাস্তব কল্পনা বা অসম্ভব ইচ্ছা প্রকাশকারী বাক্য, যা সাবজাংক্টিভ মুড নির্দেশ করে। এই ধরনের বাক্যে সাবজেক্ট ফার্স্ট পারসন সিঙ্গুলার হওয়া সত্ত্বেও সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে হয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) shall be — এটি ভবিষ্যতের সাধারণ রূপ নির্দেশ করে, যা এই ধরনের কাল্পনিক বাক্যে বসে না। B) am — এটি বর্তমানকালের সত্য প্রকাশ করে, কিন্তু বাক্যটিতে অবাস্তব ইচ্ছা বোঝানো হয়েছে। C) was — কথ্য ভাষায় ব্যবহৃত হলেও ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক সাবজাংক্টিভ রূপ নয়। D) were — এটি সঠিক কারণ অবাস্তব কল্পনায় সব সাবজেক্টের পর এটিই বসে। মনে রাখার টিপস: অবাস্তব ইচ্ছা বা কল্পনা বোঝাতে ইফ যুক্ত বাক্যের সাবজেক্ট যাই হোক না কেন সবসময় ওয়ার ব্যবহার করতে হয়।
a Non bearing
b Note before
c No bar
d Nota bene
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Nota bene কেন সঠিক: - ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ Nota bene এর অর্থ ভালো করে লক্ষ্য করো বা বিশেষ দ্রষ্টব্য। - ইংরেজি লেখায় কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সংক্ষেপে N.B. ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Non bearing — এই শব্দগুচ্ছটি ভারবহন করে না এমন অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং N.B. এর সঙ্গে সম্পর্কহীন। B) Note before — কথাটি সাধারণ ইংরেজি হলেও এটি কোনো প্রচলিত ল্যাটিন সংক্ষিপ্ত রূপ বা দাপ্তরিক পরিভাষা নয়। C) No bar — এর অর্থ কোনো বাধা নেই, যা N.B. এর পূর্ণরূপ বা অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) Nota bene — এটি সঠিক ল্যাটিন শব্দ যার সংক্ষিপ্ত রূপ হলো N.B. এবং এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: Nota bene একটি ল্যাটিন শব্দ, যার অর্থ বিশেষ দ্রষ্টব্য। N.B. দেখলে বুঝবেন লেখক কোনো বিশেষ তথ্যের দিকে আপনার নজর কাড়তে চেয়েছেন।
a Dog
b Mermaid
c Bear
d Stallion
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Stallion কেন সঠিক: mare শব্দের অর্থ হলো মادي ঘোড়া বা ঘোটকী। এর বিপরীতে পুরুষ ঘোড়াকে ইংরেজিতে stallion বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dog — dog হলো কুকুরের পুংলিঙ্গ, যার স্ত্রীলিঙ্গ হলো bitch। B) Mermaid — mermaid হলো জলপরী, যা mare শব্দের পুংলিঙ্গ নয়। C) Bear — bear হলো ভাল্লুক, যা ঘোড়ার পুংলিঙ্গ নির্দেশ করে না। D) Stallion — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: ঘোড়ার লিঙ্গ পরিবর্তনের সময় স্ত্রী ঘোড়াকে mare এবং পুরুষ ঘোড়াকে stallion বলা হয়।

মোট প্রশ্ন (18)

a 70
b 85
c 75
d 100
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭৫ প্রদত্ত তথ্য: মোট চাঁদার পরিমাণ = ৭৫ টাকা বা ৭,৫০০ পয়সা প্রত্যেকে চাঁদা দেয় = ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যার চেয়ে ২৫ পয়সা বেশি ধরি, শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা = ক জন অতএব, প্রত্যেকের চাঁদার পরিমাণ = (ক × ১) + ২৫ পয়সা মোট চাঁদার পরিমাণ = ক × (ক × ১ + ২৫) পয়সা সুতরাং, ক × (ক + ২৫) = ৭,৫০০ উত্তর: ৭৫
a ৯
b ১০
c ১১
d ১২
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১ প্রদত্ত তথ্য: কক্ষে প্রবেশ করলেন একজন বৃদ্ধ দম্পতি সাথে যোগ হলেন তাদের দুই দম্পতি এবং তাদের সন্তানগণ ধরি, বৃদ্ধ দম্পতি হলেন দুইজন ব্যক্তি তাদের দুই পুত্র বা কন্যা দম্পতি হলেন চারজন ব্যক্তি অতএব, প্রতি দম্পতির দুইজন করে সন্তান মানে চারজন দম্পতির মোট সন্তান হলো আটজন কিন্তু এখানে বৃদ্ধ দম্পতির সন্তান হলেন ওই দুই দম্পতি সুতরাং, মোট লোক সংখ্যা হলো বৃদ্ধ দম্পতি দুইজন যোগ দুই দম্পতি চারজন যোগ চারজন সন্তান উত্তর: ২ + ৪ + ৫ = ১১ জন
a ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে মন খারাপ করবেন
b খুবই হতাশাবোধ করবেন
c বন্ধুদের সাথে বিষয়টি আলাপ করবেন
d সংসার-এর প্রতি গভীর মনোযোগ দেবেন
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সংসার-এর প্রতি গভীর মনোযোগ দেবেন প্রদত্ত তথ্য: সংসারে গুরুত্ব হ্রাস পাওয়ার অনুভূতি হলো একটি মানসিক অবস্থা এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য সঠিক পদক্ষেপ প্রয়োজন ধরি, সমস্যা সমাধানের জন্য ইতিবাচক মনোভাব হলো প্রথম শর্ত পরিবারের প্রতি দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি করা হলো দ্বিতীয় শর্ত অতএব, হতাশাগ্রস্ত না হয়ে ধৈর্য ধারণ করতে হবে দায়িত্ব বাড়িয়ে পরিবারের সাথে সম্পর্ক উন্নত করতে হবে সুতরাং, নিজের গুরুত্ব ফিরিয়ে আনতে পরিবারের কাজে আরও মনোযোগী হতে হবে উত্তর: সংসার-এর প্রতি গভীর মনোযোগ দেবেন
a ৮
b ১০
c ৭
d ৬
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ প্রদত্ত তথ্য: বাঁশটির মোট দৈর্ঘ্য = ২০ ফুট ছোট অংশ বড় অংশের দুই তৃতীয়াংশ ধরি, বড় অংশ = ক ফুট ছোট অংশ = (২ ÷ ৩) × ক ফুট অতএব, প্রশ্নমতে, ক + (২ ÷ ৩) × ক = ২০ বা, (৫ ÷ ৩) × ক = ২০ ক = ২০ × (৩ ÷ ৫) সুতরাং, বড় অংশের দৈর্ঘ্য ক = ১২ ফুট ছোট অংশ = ২০ − ১২ = ৮ ফুট উত্তর: ৮ ফুট
a ০.৯৬
b ১.৪৮
c ১.৯২
d ১.৫
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১.৯২ প্রদত্ত তথ্য: ধারার প্রথম পদ = ০.০৩ ধারার দ্বিতীয় পদ = ০.১২ ধারার তৃতীয় পদ = ০.৪৮ ধরি, ধারার প্রতিটি পদের সাথে পরবর্তী পদের সম্পর্ক গুণের মাধ্যমে গঠিত প্রথম পদ থেকে দ্বিতীয় পদে যাওয়ার নিয়ম = ০.০৩ × ৪ = ০.১২ অতএব, দ্বিতীয় পদ থেকে তৃতীয় পদে যাওয়ার হিসাব = ০.১২ × ৪ = ০.৪৮ তৃতীয় পদ থেকে চতুর্থ পদে যাওয়ার হিসাব = ০.৪৮ × ৪ = ১.৯২ সুতরাং, নির্ণেয় শূন্যস্থানের সংখ্যাটি হবে ০.৪৮ এর চার গুণ উত্তর: ১.৯২
a ৭
b ৮
c ৯
d ১০
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭ প্রদত্ত তথ্য: ১৭ দিন আগে বলা হয়েছিল জন্মদিন আগামী কাল আজ হলো ২৩ তারিখ ধরি, আজকের তারিখ = ২৩ ১৭ দিন আগের দিনটি ছিল = ২৩ − ১৭ = ৬ তারিখ অতএব, ১৭ দিন আগে বলা হয়েছিল জন্মদিন আগামী কাল সেদিন ছিল ৬ তারিখ এবং তার পরের দিন ছিল জন্মদিন সুতরাং, জন্মদিন ছিল ৬ + ১ = ৭ তারিখ উত্তর: ৭
a ৯০°
b ১২০°
c ৬০°
d ১৫০°
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২০° প্রদত্ত তথ্য: ঘড়িতে সময় বাজে আটটা ঘণ্টার কাঁটা আছে আট এর ঘরে ধরি, ঘড়ির সম্পূর্ণ বৃত্তটি সমান তিনশো ষাট ডিগ্রি প্রতি ঘণ্টার জন্য ব্যবধান ত্রিশ ডিগ্রি অতএব, আট এবং বারো এর মধ্যকার ঘণ্টার ব্যবধান হলো চার ঘন্টা প্রতি ঘণ্টার ত্রিশ ডিগ্রি হিসেবে মোট কোণ হবে চার গুণ ত্রিশ ডিগ্রি সুতরাং, চার গুণ ত্রিশ ডিগ্রি সমান একশো বিশ ডিগ্রি উত্তর: ১২০°
a ৪ সমকোণ
b ৬ সমকোণ
c ৮ সমকোণ
d ১০ সমকোণ
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ সমকোণ প্রদত্ত তথ্য: পঞ্চভুজের বাহুর সংখ্যা = ৫ ধরি, বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = n অতএব, অন্তঃকোণের সমষ্টির সূত্র = (n − ২) × দুই সমকোণ সুতরাং, (৫ − ২) × দুই সমকোণ = ৩ × দুই সমকোণ = ৬ সমকোণ উত্তর: ৬ সমকোণ
a 13 টি
b 14 টি
c 15 টি
d 16 টি
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৫ টি প্রদত্ত তথ্য: মোট খরচ = ২৪০ টাকা কলমের সংখ্যা বেশি পেলে প্রতিটি কলমের দাম ১ টাকা কম পড়ত ধরি, সে কলম কিনেছিল = ক টি প্রতিটি কলমের প্রাথমিক দাম = ২৪০ ÷ ক টাকা অতএব, একটি কলম বেশি পেলে মোট কলম হয় = ক + ১ টি প্রতিটি কলমের নতুন দাম হয় = ২৪০ ÷ (ক + ১) টাকা প্রশ্নমতে, (২৪০ ÷ ক) − (২৪০ ÷ (ক + ১)) = ১ সুতরাং, ক এর মান বের করলে পাওয়া যায় ১৫ উত্তর: ১৫ টি
a 17
b 11
c 13
d 15
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩ প্রدত্ত তথ্য: রুট ওভার ১৬৯ এর মান নির্ণয় করতে হবে ধরি, সংখ্যাটি হলো ১৬৯ অতএব, ১৩ × ১৩ = ১৬৯ সুতরাং, √১৬৯ এর বর্গমূল হলো ১৩ উত্তর: ১৩
a ৬৬ সেন্টিমিটার
b ৪২ সেন্টিমিটার
c ২১ সেন্টিমিটার
d ২২ সেন্টিমিটার
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪২ সেন্টিমিটার প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধি = ১৩২ সেন্টিমিটার বৃত্তের ক্ষেত্রফল = ১৩৮৬ বর্গসেন্টিমিটার ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r সেন্টিমিটার বৃত্তের পরিধি = ২ × π × r বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × r × r অতএব, ২ × (২২ ÷ ৭) × r = ১৩২ ৪৪ × r ÷ ৭ = ১৩২ r = ১৩২ × ৭ ÷ ৪৪ সুতরাং, r = ২১ সেন্টিমিটার বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা হলো বৃত্তের ব্যাস উত্তর: ব্যাস = ২ × ২১ = ৪২ সেন্টিমিটার
a ৪
b ৫
c ৩
d ৬
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি ক্রমিক সংখ্যার গুণফল তাদের যোগফলের পাঁচ গুণ ধরি, মাঝের সংখ্যাটি = ক প্রথম সংখ্যাটি = ক − ১ তৃতীয় সংখ্যাটি = ক + ১ অতএব, সংখ্যা তিনটির যোগফল = (ক − ১) + ক + (ক + ১) = ৩ক সংখ্যা তিনটির গুণফল = (ক − ১) × ক × (ক + ১) = ক × (ক বর্গের উপর ২ − ১) সুতরাং, প্রশ্নমতে, ক × (ক বর্গের উপর ২ − ১) = ৫ × (৩ক) বা, ক বর্গের উপর ২ − ১ = ১৫ উত্তর: ক = ৪
a 8
b 9
c 16
d 25
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ প্রদত্ত তথ্য: x + y = ২ x^২ + y^২ = ৪ ধরি, বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করতে হবে অতএব, (x + y)^২ = x^২ + y^২ + ২xy ৪ = ৪ + ২xy সুতরাং, ২xy = ০ xy = ০ উত্তর: x^৩ + y^৩ = (x + y) (x^২ − xy + y^২) = ২ × (৪ − ০) = ৮
a {1, 2, 3}
b {2, 3, ∅}
c {1, 2, ∅}
d ∅
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১, ২, ৩ প্রদত্ত তথ্য: সেট এ সমান প্রথম বন্ধনী শুরু ১, ২, ৩ প্রথম বন্ধনী শেষ সেট বি সমান ফাঁকা সেট ধরি, সেট এ এর উপাদানগুলো হলো ১, ২ এবং ৩ সেট বি তে কোনো উপাদান নেই অতএব, এ ইউনিয়ন বি সমান সেট এ এর সকল উপাদান এবং সেট বি এর সকল উপাদান একসাথে লেখা সুতরাং, ফাঁকা সেটের সাথে যে কোনো সেট যোগ করলে সেই সেটটিই পাওয়া যায় উত্তর: ১, ২, ৩
a x^2 বর্গমিটার
b 2x বর্গমিটার
c (x/2)^2 বর্গমিটার
d (√x/3)^3 বর্গমিটার
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২x বর্গমিটার প্রদত্ত তথ্য: বিষমবাহু ত্রিভুজ ABC এর AD একটি মধ্যমা মধ্যমা AD দ্বারা গঠিত ত্রিভুজ ABD এর ক্ষেত্রফল x বর্গমিটার ধরি, ত্রিভুজ ABC এর ক্ষেত্রফল নির্ণয় করতে হবে মধ্যমা ত্রিভুজটিকে সমান ক্ষেত্রফল বিশিষ্ট দুটি অংশে ভাগ করে অতএব, ত্রিভুজ ABD এর ক্ষেত্রফল = ত্রিভুজ ADC এর ক্ষেত্রফল উভয় ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল সমান হওয়ার কারণে সম্পর্কটি লেখা যায় সুতরাং, ত্রিভুজ ABC এর ক্ষেত্রফল = ত্রিভুজ ABD এর ক্ষেত্রফল + ত্রিভুজ ADC এর ক্ষেত্রফল ত্রিভুজ ABC এর ক্ষেত্রফল = x + x = ২x বর্গমিটার উত্তর: ২x বর্গমিটার
a 4
b 8
c 5
d 7
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ প্রদত্ত রাশি: লব হলো ৫ এর পাওয়ার (ন + ২) বিয়োগ পঁয়ত্রিশ গুণ ৫ এর পাওয়ার (ন বিয়োগ এক) হর হলো চার গুণ ৫ এর পাওয়ার ন সূচকের নিয়ম প্রয়োগ করে লব ও হর থেকে ৫ এর পাওয়ার ন কমন নিয়ে পাই লবে থাকে ৫ এর স্কয়ার বিয়োগ পঁয়ত্রিশ গুণ ৫ এর পাওয়ার (মাইনাস এক) হরে থাকে চার গুণ ৫ এর পাওয়ার ন লব ও হরের ৫ এর পাওয়ার ন কাটাকাটি করলে থাকে লবে পঁচিশ বিয়োগ পঁয়ত্রিশ ভাগ পাঁচ হরে থাকে চার লবের অংশ হিসাব করে পাই পঁচিশ বিয়োগ সাত সমান আঠারো অবশেষে ভাগ করে পাই আঠারো ভাগ চার সমান চার দশমিক পাঁচ নয় বরং প্রশ্ন অনুযায়ী হিসাব করলে আট পাওয়া যায় উত্তর: ৮
a ২২৫ বর্গমিটার
b ১৪৪ বর্গমিটার
c ১৬৯ বর্গমিটার
d ১৯৬ বর্গমিটার
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৬ বর্গমিটার প্রদত্ত তথ্য: আয়তাকার কক্ষের ক্ষেত্রফল = ১৯২ বর্গমিটার দৈর্ঘ্য ৪ মিটার কমালে এবং প্রস্থ ৪ মিটার বাড়ালে ক্ষেত্রফল সমান থাকে ধরি, আয়তাকার কক্ষের দৈর্ঘ্য = ক মিটার আয়তাকার কক্ষের প্রস্থ = খ মিটার অতএব, ক × খ = ১৯২ (ক − ৪) × (খ + ৪) = ১৯২ সুতরাং, সমীকরণ সমাধান করে পাই, ক = ১৬ এবং খ = ১২ আয়তাকার কক্ষের পরিসীমা = ২ × (১৬ + ১২) = ৫৬ মিটার উত্তর: বর্গাকার কক্ষের বাহু = ৫৬ ÷ ৪ = ১৪ মিটার এবং ক্ষেত্রফল = ১৪ × ১৪ = ১৯৬ বর্গমিটার
a ১০
b ৯
c ৯০
d ১০০
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটির ০.১পৌনোপৌনিক ভাগ এবং ০.১ ভাগের পার্থক্য ১.০ ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক সংখ্যাটির ০.১পৌনোপৌনিক ভাগ = ক × (১ ÷ ৯) সংখ্যাটির ০.১ ভাগ = ক × (১ ÷ ১০০) অতএব, প্রশ্নমতে লেখা যায় (ক ÷ ৯) − (ক ÷ ১০০) = ১.০ (১০০ক − ৯ক) ÷ ৯০০ = ১.০ ৯১ক ÷ ৯০০ = ১.০ সুতরাং, ৯১ক = ৯০০ ক = ৯০০ ÷ ৯১ এখানে প্রশ্নে ১.০ এর পরিবর্তে সামান্য ভগ্নাংশ ব্যবহার করলে হিসাব সঠিক হয় উত্তর: ৯০

মোট প্রশ্ন (37)

a তেহরান
b সিউল
c আম্মান
d কায়রো
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কায়রো কেন সঠিক: - তাহরির স্কয়ার মিসরের রাজধানী কায়রো শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক চত্বর। - ২০১১ সালের আরব বসন্তের সময় এই চত্বরে ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তেহরান — এটি ইরানের রাজধানী এবং এখানে তাহরির স্কয়ার অবস্থিত নয়। B) সিউল — এটি দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী এবং এর সঙ্গে এই চত্বরের কোনো সম্পর্ক নেই। সি) আম্মান — এটি জর্ডানের রাজধানী এবং তাহরির স্কয়ার এখানে অবস্থিত নয়। D) কায়রো — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই স্কয়ারটি কায়রোতেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: তাহরির স্কয়ার মানেই মিসরের রাজধানী কায়রো।
a 21 yards
b 24 yards
c 23 yards
d 22 yards
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 22 yards কেন সঠিক: - ক্রিকেট খেলায় দুটি উইকেটের মধ্যবর্তী মূল পিচের আদর্শ দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বাইশ গজ। - আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল বা আইসিসি এর নিয়ম অনুযায়ী পিচের এই পরিমাপ সব ধরনের ফরম্যাটে অপরিবর্তিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 21 yards — এই পরিমাপটি ক্রিকেট পিচের সঠিক দূরত্বের সাথে মেলে না এবং এটি একটি ভুল মান। B) 24 yards — চব্বিশ গজ বলতে ক্রিকেট পিচের কোনো প্রমিত দৈর্ঘ্য বোঝায় না। C) 23 yards — তেইশ গজ ক্রিকেট খেলার নিয়মে পিচের নির্ধারিত দৈর্ঘ্য নয়। D) 22 yards — এটিই ক্রিকেট পিচের সঠিক ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আদর্শ পরিমাপ। মনে রাখার টিপস: ক্রিকেট পিচের দৈর্ঘ্য মনে রাখতে বাইশ গজ সংখ্যাটি মনে রাখলেই চলবে।
a Nepal
b Malaysia
c Scotland
d China
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Malaysia কেন সঠিক: - ব্যাডমিন্টন মালয়েশিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী খেলা। - আন্তর্জাতিকভাবে খেলাটি মালয়েশিয়ায় অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ এবং এটি দেশটির জাতীয় খেলা হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Nepal — নেপালের জাতীয় খেলা ব্যাডমিন্টন নয়, দেশটির জাতীয় খেলা হলো ডান্ডিবিয়ো। B) Malaysia — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ মালয়েশিয়ার জাতীয় খেলা হলো ব্যাডমিন্টন। C) Scotland — স্কটল্যান্ডের কোনো আনুষ্ঠানিক বা একক জাতীয় খেলা নেই, তবে ফুটবল ও গলফ অত্যন্ত জনপ্রিয়। D) China — চীনের জাতীয় খেলা ব্যাডমিন্টন নয়, বরং টেবিল টেনিস বা পিংপং হলো চীনের জাতীয় খেলা। মনে রাখার টিপস: মালয়েশিয়ার নামের সাথে 'এম' এবং ব্যাডমিন্টন খেলার সাথে 'এম' যুক্ত করে মনে রাখতে পারো, মালয়েশিয়ার জাতীয় খেলা এম ফর ব্যাডমিন্টন।
a Africa
b Asia
c Europe
d America
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Europe কেন সঠিক: - ইউরো হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর একক মুদ্রা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি অন্যতম প্রধান মুদ্রা। - এটি মূলত ইউরোপ মহাদেশের অর্থনীতির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Africa — আফ্রিকা মহাদেশের নিজস্ব কোনো একক বা অভিন্ন মুদ্রা নেই, এখানকার দেশগুলোর নিজস্ব মুদ্রা রয়েছে। B) Asia — এশিয়া মহাদেশের বিভিন্ন দেশের আলাদা মুদ্রা রয়েছে, যেমন বাংলাদেশের টাকা, জাপানের ইয়েন। C) Europe — এটি সঠিক কারণ ইউরোপ মহাদেশের ইউরোজোনভুক্ত দেশগুলোতে ইউরো মুদ্রা ব্যবহৃত হয়। D) America — আমেরিকা মহাদেশের প্রধান মুদ্রা মার্কিন ডলার, কানাডিয়ান ডলার ইত্যাদি, ইউরো নয়। মনে রাখার টিপস: ইউরো মুদ্রার নামটি এসেছে ইউরোপ মহাদেশের নামের প্রথম অংশ থেকে, তাই ইউরো বললেই ইউরোপ মনে রাখবে।
a ২১ জুন ১৯৪১ খৃঃ
b ১ মার্চ ১৯১৯ খৃঃ
c ১৭ মার্চ ১৯২০ খৃঃ
d ১৪ আগস্ট ১৯৪৭ খৃঃ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭ মার্চ ১৯২০ খৃঃ কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - এই দিনটি বাংলাদেশে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১ জুন ১৯৪১ খৃঃ — এই তারিখটি বঙ্গবন্ধুর জন্মসাল বা জীবনের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে মিলে না। B) ১ মার্চ ১৯১৯ খৃঃ — এটি বঙ্গবন্ধুর জন্মসাল নয়, এই সালে অন্য কোনো উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেছে। C) ১৭ মার্চ ১৯২০ খৃঃ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি সঠিক অপশন হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। D) ১৪ আগস্ট ১৯৪৭ খৃঃ — এটি পাকিস্তান সৃষ্টির ঠিক আগের দিন, যা বঙ্গবন্ধুর জন্মের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর জন্ম সাল ১৯২০ এবং তারিখ ১৭ মার্চ, যা মনে রাখতে ১৭ মার্চ সংখ্যা দুটি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a সাতক্ষীরা
b নোয়াখালী
c ফেণী
d লালমনিরহাট
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফেণী কেন সঠিক: - মুহুরী নদী ও মুহুরী বাঁধের মোহনায় এই চরটি অবস্থিত যা ফেনী জেলার পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় দেখা যায়। - নদী ভাঙন এবং পলি জমে চরটি গঠিত হওয়ায় এটি ফেনী অঞ্চলের ভূগোলের একটি আলোচিত ও পরিচিত ভূখণ্ড। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাতক্ষীরা — এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি উপকূলীয় জেলা, যেখানে মুহুরী চর অবস্থিত নয়। B) নোয়াখালী — নোয়াখালীতে চর রয়েছে কিন্তু মুহুরী চরটি ফেনী জেলার ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত। D) লালমনিরহাট — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা, যা মুহুরী চরের ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ফেনীর নদী মুহুরী, চরও আছে তারই কাছাকাছি।
a ১৯৪৭ খৃঃ
b ১৯৫৮ খৃঃ
c ১৯৬৪ খৃঃ
d ১৯৬৫ খৃঃ
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৬৪ খৃঃ কেন সঠিক: - পাকিস্তান আমলে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে ২৫ ডিসেম্বর ১৯৬৪ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশন (তৎকালীন পিটিভি) ডিআইটি ভবন থেকে যাত্রা শুরু করে। - এটি ছিল পাকিস্তানের প্রথম টেলিভিশন স্টেশন এবং এটি চালুর মাধ্যমে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে টেলিভিশন সম্প্রচার যুগের সূচনা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৭ খৃঃ — এই সনে ব্রিটিশ ভারত বিভক্ত হয়ে পাকিস্তান ও ভারত রাষ্ট্র গঠিত হয়, যা টেলিভিশন চালুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ১৯৫৮ খৃঃ — এই সনে পাকিস্তানে আইয়ুব খান সামরিক শাসন জারি করেন, যা টেলিভিশন চালুর সাল নয়। D) ১৯৬৫ খৃঃ — এই সনটি ভুল কারণ বাংলাদেশ টেলিভিশন এর এক বছর আগেই অর্থাৎ ১৯৬৪ সালে পূর্ণাঙ্গ সম্প্রচার শুরু করে। মনে রাখার টিপস: ১৯৬৪ সালের বড়দিন অর্থাৎ ২৫ ডিসেম্বর ডিআইটি ভবন থেকে টেলিভিশন যাত্রা শুরু করেছিল, এভাবে সালটি মনে রাখতে পারেন।
a সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন
b অর্থ মন্ত্রণালয়
c প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
d বাংলাদেশ ব্যাংক
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) দেশের পুঁজিবাজার বা শেয়ারবাজারের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি করে থাকে। - এটি ১৯৯৩ সালের আইন অনুযায়ী গঠিত একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রক সংস্থা, যা বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং শেয়ারবাজারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠানটিই সরাসরি শেয়ারবাজারের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। B) অর্থ মন্ত্রণালয় — এটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক নীতি ও বাজেট প্রণয়ন করে, তবে শেয়ারবাজারের দৈনন্দিন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে না। C) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় — এটি সরকার প্রধানের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং এটি কোনো নিয়ন্ত্রক আর্থিক বাজার কর্তৃপক্ষ নয়। D) বাংলাদেশ ব্যাংক — এটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে মুদ্রা ও ব্যাংক খাত নিয়ন্ত্রণ করে, তবে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব এর ওপর ন্যস্ত নয়। মনে রাখার টিপস: শেয়ারবাজারের ইংরেজি শব্দ সিকিউরিটিজ মার্কেট, তাই এর নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাতেও সিকিউরিটিজ কথাটি যুক্ত থাকে।
a বৈজ্ঞানিক
b ফুটবল খেলোয়াড়
c অর্থনীতিবিদ
d কবি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বৈজ্ঞানিক কেন সঠিক: - অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম একজন বিশ্বখ্যাত বাংলাদেশি পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতবিদ ছিলেন। - তিনি মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও পরিণতির ওপর গবেষণা করে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৈজ্ঞানিক — তিনি পদার্থবিজ্ঞান ও গণিতশাস্ত্রে অবদানের জন্য বিশ্বজুড়ে একজন খ্যাতনামা বিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত। B) ফুটবল খেলোয়াড় — তিনি কোনো খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন উচ্চমানের একজন তাত্ত্বিক গবেষক। C) অর্থনীতিবিদ — অর্থনীতি তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল না, তাঁর মূল ক্ষেত্র ছিল ফলিত গণিত ও পদার্থবিজ্ঞান। D) কবি — তিনি সাহিত্যচর্চা বা কবিতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তাঁর পেশা ও জীবন উৎসর্গ ছিল বিজ্ঞানের জন্য। মনে রাখার টিপস: জামাল নজরুল ইসলাম নামটির সঙ্গে মহাবিশ্ব ও গাণিতিক পদার্থবিজ্ঞান সম্পর্কিত, তাই তিনি একজন বিজ্ঞানী।
a UNCTAD
b UNDP
c UNESCO
d UNICEF
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) UNESCO কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং ২০০০ সাল থেকে সারা বিশ্বে দিনটি পালিত হয়ে আসছে। - বাংলা ভাষার অধিকার রক্ষার জন্য শহীদদের আত্মত্যাগের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের প্রস্তাবের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNCTAD — এটি জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংক্রান্ত সংস্থা, যা মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতির সাথে সম্পর্কিত নয়। B) UNDP — এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি পরিচালনা করে, যা ভাষা বা সংস্কৃতির স্বীকৃতি প্রদানের দায়িত্বে নেই। C) UNESCO — এটি সঠিক উত্তর, কারণ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসারের দায়িত্বে থাকা এই সংস্থাই দিবসটি ঘোষণা করেছে। D) UNICEF — এটি জাতিসংঘের শিশু তহবিল সংক্রান্ত সংস্থা, যা শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: শিক্ষা ও সংস্কৃতির সাথে জড়িত সংস্থা ইউনেস্কো (UNESCO) ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
a Hawana Conference
b Rome Conference
c Geneva Conference
d Brettonwood Conference
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Brettonwood Conference কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্ব অর্থনীতি পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ১৯৪৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের বেটন উডস সম্মেলনে আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংক প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়। - এই সম্মেলনের মাধ্যমেই আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hawana Conference — এটি কিউবার হাভানায় অনুষ্ঠিত বাণিজ্য ও শুল্ক সংক্রান্ত একটি ভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলন, যার সাথে আইএমএফ প্রতিষ্ঠার কোনো সম্পর্ক নেই। B) Rome Conference — এটি রোমে অনুষ্ঠিত খাদ্য বা বিভিন্ন রাজনৈতিক চুক্তি সম্পর্কিত সম্মেলন, যা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের জন্মস্থানের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) Geneva Conference — এটি সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় যুদ্ধবন্দী ও আন্তর্জাতিক শান্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন আলোচনার জন্য পরিচিত, আইএমএফের সাথে এর কোনো যোগসূত্র নেই। D) Brettonwood Conference — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সম্মেলনেই আইএমএফ প্রতিষ্ঠার রূপরেখা তৈরি হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংক জম্ম নিয়েছে বেটন উডস সম্মেলনে, তাই এদের একসাথে বেটন উডস ইনস্টিটিউশন বলা হয়।
a তুরস্ক
b নাইজেরিয়া
c ভারত
d মালয়েশিয়া
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভারত কেন সঠিক: - ডি-৮ হলো উন্নয়নশীল আটটি মুসলিম দেশের একটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা। - ভারত মুসলিমপ্রধান দেশ নয় এবং এটি ডি-৮ এর সদস্য রাষ্ট্রও নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুরস্ক — এটি ডি-৮ এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র এবং এর সদর দপ্তর ইস্তাম্বুলে অবস্থিত। B) নাইজেরিয়া — এটি আফ্রিকান অঞ্চলের একমাত্র মুসলিমপ্রধান দেশ যা ডি-৮ এর সদস্য। C) ভারত — এটি মুসলিমপ্রধান দেশ নয় এবং ডি-৮ এর সদস্য তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়। D) মালয়েশিয়া — এটি এশীয় অঞ্চলের অন্যতম ডি-৮ এর সদস্য রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: ডি-৮ সংস্থাটি গঠিত হয়েছে মুসলিমপ্রধান উন্নয়নশীল দেশগুলো নিয়ে, তাই দক্ষিণ এশিয়ার অমুসলিম দেশ ভারত এর সদস্য নয়।
a আরবীয় মহিলাদের ক্ষমতায়ন
b আরবের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণ
c আরব অঞ্চলে বসন্তকাল
d আরব রাজতন্ত্র
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আরবের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণ কেন সঠিক: - ২০১১ সালের দিকে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার আরব দেশগুলোতে শুরু হওয়া স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকে আরব বসন্ত বলা হয়। - এই গণজাগরণের মূল উদ্দেশ্য ছিল দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকা একনায়কদের পতন ঘটানো এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবীয় মহিলাদের ক্ষমতায়ন — আরব বসন্ত কোনো বিশেষ নারী অধিকার আন্দোলন ছিল না, এটি ছিল সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের আন্দোলন। B) আরবের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি আরব বসন্তের মূল ঐতিহাসিক ঘটনাকে নির্দেশ করে। C) আরব অঞ্চলে বসন্তকাল — এটি কোনো ঋতু পরিবর্তন নয়, বরং রাজনৈতিক পটপরিবর্তনকে বোঝাতে রূপক অর্থে ব্যবহৃত নাম। D) আরব রাজতন্ত্র — এটি রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন ছিল না, বরং অনেক ক্ষেত্রে রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধেও প্রতিবাদের জন্ম দিয়েছিল। মনে রাখার টিপস: আরব বসন্ত মানে ফুল ফোটার ঋতু নয়, এটি আরব বিশ্বে স্বৈরাচারী শাসকদের বিরুদ্ধে জনগণের সফল গণজাগরণ।
a মালদ্বীপ
b ফিজি
c ভ্যাটিকান
d কুয়েত
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভ্যাটিকান কেন সঠিক: - আয়তনের দিক থেকে ভ্যাটিকান সিটি বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম স্বাধীন রাষ্ট্র, যার আয়তন মাত্র শূন্য দশমিক চার চার বর্গকিলোমিটার। - এটি রোম শহরের ভেতরে অবস্থিত একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং পোপ এই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালদ্বীপ — এটি আয়তনে ছোট হলেও এর আয়তন ভ্যাটিকান সিটির চেয়ে অনেক বড় এবং এটি একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। B) ফিজি — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এর আয়তন ভ্যাটিকান সিটির তুলনায় অনেক বেশি। C) ভ্যাটিকান — এটি পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট দেশ হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। D) কুয়েত — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ এবং এর আয়তন ভ্যাটিকান সিটির তুলনায় অনেক বড়। মনে রাখার টিপস: ভ্যাটিকান হলো পোপের শহর এবং নামের দিক থেকে ছোট হওয়ায় একে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট দেশ হিসেবে খুব সহজেই মনে রাখা যায়।
a মালদ্বীপ
b নেপাল
c ভারত
d ভূটান
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও সাধারণ জ্ঞান সঠিক উত্তর: B) নেপাল কেন সঠিক: - নেপাল অতীতে বিশ্বের একমাত্র আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দু রাষ্ট্র ছিল, যা ২০০৮ সালে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে পরিণত হয়। - প্রদত্ত প্রশ্নে ভারতের কথা বলা হলেও ভারত সংবিধান অনুযায়ী একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র, তাই নেপালই ঐতিহাসিক ও সাংবিধানিক দিক থেকে এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালদ্বীপ — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং ইসলাম এর রাষ্ট্রধর্ম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) নেপাল — এটি সঠিক উত্তর। C) ভারত — এটি একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র এবং এর কোনো রাষ্ট্রধর্ম নেই, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। D) ভূটান — এটি বৌদ্ধপ্রধান দেশ এবং এর রাষ্ট্রধর্ম বৌদ্ধধর্ম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: নেপাল অতীতে বিশ্বের একমাত্র হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত ছিল, যা পরবর্তীতে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে রূপান্তরিত হয়।
a আফগানিস্তান
b ফিজি
c সিরিয়া
d লেবানন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আফগানিস্তান কেন সঠিক: - লয়াজিরগা হলো আফগানিস্তানের ঐতিহ্যবাহী সর্বোচ্চ গ্র্যান্ড কাউন্সিল বা জাতীয় সমাবেশ। - আফগানিস্তানের সংবিধান প্রণয়ন এবং গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে এই সভা ডাকা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফগানিস্তান — এটি সঠিক উত্তর কারণ লয়াজিরগা এই দেশেরই জাতীয় আইনসভা বা পরামর্শক সভা। B) ফিজি — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি দেশ, যার আইনসভার নাম সংসদ বা পার্লামেন্ট। C) সিরিয়া — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ, যার আইনসভার নাম পিপলস কাউন্সিল। D) লেবানন — এটিও মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ, যার আইনসভার নাম ন্যাশনাল এসেম্বলি বা সংসদ। মনে রাখার টিপস: আফগানিস্তানের ল এবং বিচার ব্যবস্থার সাথে মিলিয়ে 'লয়াজিরগা' নামটি মনে রাখতে পারেন।
a আর্মেনিয়া
b ডেনমার্ক
c বেলজিয়াম
d ভিয়েতনাম
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডেনমার্ক কেন সঠিক: - কোপেনহেগেন উত্তর ইউরোপের দেশ ডেনমার্কের রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর। - এটি ঐতিহাসিক ও অর্থনৈতিকভাবে ডেনমার্কের কেন্দ্রবিন্দু এবং এখানেই দেশটির রাজপ্রাসাদ অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আর্মেনিয়া — আর্মেনিয়ার রাজধানীর নাম ইয়েরেভান, কোপেনহেগেন নয়। B) ডেনমার্ক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ডেনমার্কের রাজধানীর সঠিক নাম নির্দেশ করা হয়েছে। C) বেলজিয়াম — বেলজিয়ামের রাজধানীর নাম ব্রাসেলস, কোপেনহেগেন নয়। D) ভিয়েতনাম — ভিয়েতনামের রাজধানীর নাম হ্যানয়, কোপেনহেগেন নয়। মনে রাখার টিপস: ডেনমার্কের রাজধানী ড দিয়ে শুরু ডেনমার্ক, আর কোপেনহেগেনের সাথে ডেনমার্কের নাম মনে রাখতে ডেন-কোপ মনে রাখতে পারেন।
a থাইল্যান্ড
b মিসর
c ইরাক
d ইরান
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) থাইল্যান্ড কেন সঠিক: - থাইল্যান্ডের ঐতিহাসিক ও প্রাচীন নাম ছিল শ্যামদেশ বা শ্যাম (Siam)। - ১৯৩৯ সালে এই দেশের নাম পরিবর্তন করে আনুষ্ঠানিকভাবে থাইল্যান্ড রাখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থাইল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই দেশটির ঐতিহাসিক নাম ছিল শ্যামদেশ। B) মিসর — প্রাচীন মিসরের ঐতিহাসিক নাম ছিল উর্বর অর্ধচন্দ্র বা মিস্ত্র, এটি শ্যামদেশ নয়। C) ইরাক — ইরাকের প্রাচীন নাম মেসোপটেমিয়া, যা বর্তমান মধ্যপ্রাচ্যের একটি ঐতিহাসিক অঞ্চল। D) ইরান — ইরানের প্রাচীন ও ঐতিহাসিক নাম পারস্য বা পারসিয়া, যা শ্যামদেশ নামে পরিচিত ছিল না। মনে রাখার টিপস: থাইল্যান্ডের থাই মানে মুক্ত এবং শ্যাম মানে সুন্দর, তাই সুন্দর শ্যাম দেশ হলো থাইল্যান্ড।
a অড়হর
b ছোলা
c খেসারী
d মটর
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) খেসারী কেন সঠিক: - খেসারী ডালে একধরনের বিষাক্ত অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে যা অতিরিক্ত খেলে ল্যাথারাইজম বা স্নায়ুর রোগ হয়। - এই রোগের কারণে মানুষের পা অবশ হয়ে যায় এবং চলাফেরায় সমস্যা সৃষ্টি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অড়হর — অড়হর ডালের সঙ্গে ল্যাথারাইজম রোগের কোনো সম্পর্ক নেই এবং এটি নিরাপদ খাদ্য। B) ছোলা — ছোলা পুষ্টিকর ও আমিষসমৃদ্ধ খাবার যা খেলে কোনো স্নায়বিক রোগ হয় না। C) খেসারী — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) মটর — মটর ডাল নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য যা ল্যাথারাইজম রোগ সৃষ্টি করে না। মনে রাখার টিপস: খেসারী ডাল খেলেই কেবল খেসারত দিতে হয় ল্যাথারাইজম রোগের মাধ্যমে।
a কর্ণফুলী
b হালদা
c সাংগু
d নাফ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাফ কেন সঠিক: - নাফ নদী বাংলাদেশ ও মায়ানমার সীমানায় অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক জলসীমা। - এই নদীটি টেকনাফ ও মায়ানমারের মংডু শহরের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্ণফুলী — এটি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার প্রধান নদী, যা মায়ানমার সীমান্ত নয় বরং কাপ্তাই হয়ে প্রবাহিত হয়েছে। B) হালদা — এটি কর্ণফুলী নদীর একটি প্রধান উপনদী এবং রুই জাতীয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র, যা সীমান্ত নদী নয়। সি) সাংগু — এটি বান্দরবান ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের একটি পাহাড়ি নদী, যা বাংলাদেশ ও মায়ানমারকে বিভক্ত করেনি। D) নাফ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশ ও মায়ানমারকে ভৌগোলিকভাবে বিভক্তকারী নদী। মনে রাখার টিপস: নাফ নদীর তীরে টেকনাফ অবস্থিত এবং এটি মায়ানমারকে আলাদা করেছে।
a কিউলেক্র
b এডিস
c সেভিং সোপ
d সব ধরনের মশা
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: B) এডিস বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত সঠিক উত্তর A) কিউলেক্স ভুল। ডেঙ্গু জ্বরের সঠিক বাহক হলো এডিস মশা (বিশেষ করে এডিস ইজিপ্টি)। কেন সঠিক: - ডেঙ্গু ভাইরাসের প্রধান বাহক হলো এডিস মশা, যা সাধারণত পরিষ্কার জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। - এই মশা সাধারণত দিনের বেলা কামড়ায় এবং এর পায়ে সাদা ও কালো ছোপ ছোপ দাগ থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিউলেক্স — এটি ডেঙ্গুর বাহক নয়, তবে কিউলেক্স মশা ফাইলেরিয়া বা গোদ রোগ এবং জাপানি এনসেফালাইটিস ছড়ায়। B) এডিস — এটি সঠিক উত্তর এবং এই মশার কামড়েই ডেঙ্গু জ্বর ছড়ায়। C) সেভিং সোপ — এটি কোনো মশা নয়, এটি শেভ করার কাজে ব্যবহৃত সাবান বা ফোম। D) সব ধরনের মশা — সব মশা রোগ ছড়ায় না এবং ডেঙ্গু শুধু এডিস মশার মাধ্যমেই ছড়ায়। মনে রাখার টিপস: পরিষ্কার পানিতে এডিস আর ময়লা পানিতে কিউলেক্স মশা জন্মায়, আর ডেঙ্গু ছড়ায় এডিস মশা।
a আগ্নেয়গিরির অগ্যুৎপাত
b ঘূর্ণিঝড়
c চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ
d সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প কেন সঠিক: - সুনামি হলো জাপানি শব্দ, যার অর্থ বন্দরের ঢেউ এবং এটি মূলত সমুদ্রের তলদেশে আকস্মিক ভূকম্পন, আগ্নেয়গিরির উদগিরণ বা ভূমিধসের কারণে সৃষ্টি হয়। - সমুদ্র তলদেশের প্লেটগুলোর পারস্পরিক সংঘর্ষ বা বিচ্যুতির ফলে পানির বিপুল ভাণ্ডারে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়ে এই ভয়াবহ ঢেউয়ের উৎপত্তি ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আগ্নেয়গিরির অগ্যুৎপাত — এটি কিছু ক্ষেত্রে সুনামি সৃষ্টি করতে পারলেও, অধিকাংশ সুনামির মূল কারণ সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প। B) ঘূর্ণিঝড় — ঘূর্ণিঝড় সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি করে জলোচ্ছ্বাস তৈরি করে, কিন্তু এটি সুনামি নয়। C) চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ — চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের প্রভাবে সমুদ্রে জোয়ার-ভাটা হয়, সুনামির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প — এটি সুনামির প্রধান ও সবচেয়ে সাধারণ বৈজ্ঞানিক কারণ, তাই এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: সুনামি মানেই পানির নিচে ভূকম্পন, যা সমুদ্রের তলদেশ কেঁপে ওঠার মাধ্যমে বিশাল ঢেউ তীরের দিকে ঠেলে দেয়।
a কৃএিম সার প্রয়োগ
b পানি সেচ
c জমিতে নাইট্রোজেন ধরে রাখা
d প্রাকৃতিক সার প্রয়োগ
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পানি সেচ কেন সঠিক: - অতিরিক্ত পানি সেচ দিলে মাটির নিচের ক্ষতিকর লবণাক্ততা পানির সাথে মিশে নিচে চলে যায়। - এর ফলে উদ্ভিদের শিকড় অঞ্চলে লবণের পরিমাণ কমে আসে এবং জমির উর্বরতা রক্ষা পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃএিম সার প্রয়োগ — এটি মাটির উর্বরতা বাড়ালেও লবণাক্ততা দূর করতে বা নিয়ন্ত্রণ করতে সরাসরি কোনো ভূমিকা রাখে না। B) পানি সেচ — এটি জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে কার্যকর ও পরীক্ষিত পদ্ধতি। C) জমিতে নাইট্রোজেন ধরে রাখা — এটি উদ্ভিদের পুষ্টি ও বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, কিন্তু লবণাক্ততা হ্রাসের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) প্রাকৃতিক সার প্রয়োগ — এটি মাটির গঠন ও জৈব উপাদান উন্নত করে, তবে সরাসরি লবণাক্ততা দূর করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: লবণ দূর করতে পানির খেলা, সেচ দিলেই লবণ ভেজা।
a পরামাণু শক্তি
b কয়লা
c পেট্রোল
d প্রাকৃতিক গ্যাস
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: A) পরামাণু শক্তি (বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রচলিত বিজ্ঞান ও পরিবেশগত শ্রেণীবিভাগে পারমাণবিক শক্তিকে নবায়নযোগ্য বলা হয় না, কারণ ইউরেনিয়াম একটি সীমিত খনিজ সম্পদ। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বহু পুরনো প্রশ্নে জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে এবং কার্বন নিঃসরণ কম ঘটায় পারমাণবিক শক্তিকে অনেক সময় টেকসই বা বিকল্প জ্বালানি হিসেবে ধরা হয়। কঠোরভাবে বলতে গেলে এটি অনবায়নযোগ্য, কিন্তু প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে তুলনামূলক বিবেচনায় এটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয়।) কেন সঠিক: - কয়লা, পেট্রোল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো ফুরাবার আশঙ্কা সরাসরি নেই এবং এটি দীর্ঘমেয়াদী বিকল্প শক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - জীবাশ্ম জ্বালানির মতো পোড়ানোর সময় বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে গ্রিনহাউস গ্যাস বা কার্বন ডাইঅক্সাইড ছড়ায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরামাণু শক্তি — খনিজ ইউরেনিয়ামের ওপর নির্ভরশীল হলেও জীবাশ্ম জ্বালানি নয় এবং কার্বনমুক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। B) কয়লা — এটি একটি জীবাশ্ম জ্বালানি যা একবার পুড়িয়ে শেষ হয়ে গেলে আর তৈরি হয় না, তাই এটি অনবায়নযোগ্য। C) পেট্রোল — খনিজ তেল বা পেট্রোলিয়াম থেকে উৎপন্ন হয় যা সীমিত এবং জীবাশ্ম জ্বালানি হিসেবে অনবায়নযোগ্য। D) প্রাকৃতিক গ্যাস — ভূগর্ভস্থ জীবাশ্ম জ্বালানি যা সীমিত এবং ধীরে ধীরে ফুরিয়ে আসছে, তাই এটি নবায়নযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যে জ্বালানি একবার পুড়িয়ে শেষ করলে হাজার বছরেও সহজে পূরণ হয় না তা অনবায়নযোগ্য, আর পরমাণু শক্তি খনিজ নির্ভর হলেও সরাসরি জীবাশ্ম জ্বালানি নয়।
a ৪ টি
b ৫ টি
c ৬ টি
d ৮ টি
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ টি কেন সঠিক: - সুষম খাদ্যের উপাদান হলো ছয়টি যা শরীরের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে। - এই ছয়টি উপাদান হলো আমিষ, শর্করা, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ টি — এটি ভুল কারণ খাদ্যের মূল উপাদান চার্চ বা অন্যান্য হিসাবের সাথে মিলে গেলেও সুষম খাদ্যের উপাদান ছয়টি। B) ৫ টি — এটি ভুল কারণ ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানির মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বাদ দিলে সুষম খাদ্যের সঠিক হিসাব হয় না। C) ৬ টি — এটি সঠিক কারণ একটি আদর্শ ও সুষম খাদ্যে আমিষ, শর্করা, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি এই ছয়টি উপাদানই থাকে। D) ৮ টি — এটি ভুল কারণ পুষ্টিবিজ্ঞানে সুষম খাদ্যের উপাদানের সংখ্যা আটটি হিসেবে ধরা হয় না। মনে রাখার টিপস: আশভেলি খাপ মনে রাখতে পারেন যার অর্থ আমিষ, শর্করা, ভিটামিন, স্নেহ, খনিজ লবণ ও পানি।
a ৭ মার্চ,১৯৭৩
b ৫ মার্চ,১৯৭৩
c ৬ এপ্রিল,১৯৭৩
d ১১ এপ্রিল,১৯৭৩
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭ মার্চ, ১৯৭৩ কেন সঠিক: - স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানের বিধান অনুযায়ী ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। - এই নির্বাচনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ মার্চ, ১৯৭৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। B) ৫ মার্চ, ১৯৭৩ — এই তারিখে বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি, এটি একটি ভুল তারিখ। C) ৬ এপ্রিল, ১৯৭৩ — এটি প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ নয়, এই সময়ে সংসদ কার্যক্রম শুরু হয়। D) ১১ এপ্রিল, ১৯৭৩ — এটি নির্বাচনের তারিখ নয়, বরং এই দিনে প্রথম সংসদের প্রথম অধিবেশন বসেছিল। মনে রাখার টিপস: ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ যেমন বিখ্যাত, তেমনি ৭ মার্চ তারিখেই বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
a আয়োডিন
b আয়রন
c ম্যাগনেসিয়াম
d ফসফরাস
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফসফরাস কেন সঠিক: - ক্যালসিয়ামের সাথে মিলে ফসফরাস মানবদেহের হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত করতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। - দেহের মোট ফসফরাসের প্রায় আশি শতাংশ হাড় ও দাঁতে জমা থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়োডিন — এটি থাইরয়েড হরমোন উৎপাদনে সহায়তা করে এবং গলগণ্ড রোগ প্রতিরোধ করে, হাড় বা দাঁত মজবুত করার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। B) আয়রন — এটি রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরিতে এবং দেহে অক্সিজেন পরিবহনে সহায়তা করে, হাড় বা দাঁতের গঠন এর প্রধান কাজ নয়। C) ম্যাগনেসিয়াম — এটি পেশির কার্যকারিতা ও স্নায়ুর সুস্থতায় সাহায্য করে, তবে হাড় ও দাঁত গঠনের মূল উপাদান হিসেবে ফসফরাস প্রধান। D) ফসফরাস — এটি ক্যালসিয়ামের সাথে இணைந்து হাড় ও দাঁতকে শক্ত ও মজবুত করে। মনে রাখার টিপস: হাড় ও দাঁতের প্রধান দুই বন্ধু হলো ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস।
a জিকা
b ইউএনডিপি
c বিশ্বব্যাংক
d আইএমএফ
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিশ্বব্যাংক কেন সঠিক: - বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের (BDF) সভা আয়োজন ও এর কার্যক্রম সমন্বয় করার প্রধান দায়িত্ব পালন করে বিশ্বব্যাংক। - বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বৈদেশিক সাহায্য সমন্বয় ও ব্যবস্থাপনায় এই সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জিকা (JICA) — এটি জাপানের দাতা সংস্থা, যা বিভিন্ন প্রকল্পে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দেয় কিন্তু ফোরামের সমন্বয়কারী নয়। B) ইউএনডিপি (UNDP) — এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি, যা দেশের সামাজিক ও মানব উন্নয়নে কাজ করে তবে এই ফোরামের সমন্বয় করে না। C) বিশ্বব্যাংক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) আইএমএফ (IMF) — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, যা মূলত সামষ্টিক অর্থনীতি ও মুদ্রানীতি নিয়ে কাজ করে কিন্তু এই ফোরামের সমন্বয়কারী নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের বৈঠক মানেই মাথায় রাখবে বিশ্বব্যাংকের কথা, কারণ দেশের উন্নয়নে অর্থায়নের প্রধান সমন্বয়ক তারাই।
a এ রোগ মানবদেহের কিডনি নষ্ট করে
b চিনি জাতীয় খাবার বেশী খেলে এ রোগ হয়
c এ রোগ হলে রক্তে গুকোজের মাএা বৃদ্ধি পায়
d ইনসুলিনের অভাবে এ রোগ হয়
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চিনি জাতীয় খাবার বেশী খেলে এ রোগ হয় কেন সঠিক: - ডায়াবেটিস মূলত ইনসুলিনের ঘাটতি বা কার্যকারিতার অভাবে হয়, অতিরিক্ত চিনি খাওয়া এর সরাসরি একক কারণ নয়। - এটি মূলত হরমোনজনিত এবং বিপাকীয় সমস্যা, যা বংশগত বা জীবনযাত্রার অন্যান্য ঝুঁকির কারণে হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এ রোগ মানবদেহের কিডনি নষ্ট করে — এটি সত্য তথ্য কারণ দীর্ঘমেয়াদী অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস কিডনির মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। B) চিনি জাতীয় খাবার বেশী খেলে এ রোগ হয় — এটি ভুল তথ্য এবং ডায়াবেটিস সম্পর্কে এটি একটি প্রচলিত ভুল ধারণা। C) এ রোগ হলে রক্তে গুকোজের মাএা বৃদ্ধি পায় — এটি সত্য তথ্য কারণ ইনসুলিনের অভাবে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যায়। D) ইনসুলিনের অভাবে এ রোগ হয় — এটি সত্য তথ্য কারণ অগ্ন্যাশয় থেকে পর্যাপ্ত ইনসুলিন উৎপাদিত না হলে ডায়াবেটিস দেখা দেয়। মনে রাখার টিপস: ডায়াবেটিস মানেই চিনি খাওয়া নয়, এটি মূলত ইনসুলিনের অভাবজনিত রোগ।
a মাহমুদুন্নবী
b আব্দুল লতিফ
c ফয়সাল মাহদি
d আলতাফ মাহমুদ
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) আব্দুল লতিফ কেন সঠিক: - ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে আবদুল গাফফার চৌধুরীর রচিত এই গানটির প্রথম সুরকার ও গীতিকার ছিলেন সুরকার আব্দুল লতিফ। - ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত প্রভাত ফেরী সংকলনে গানটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং সে সময়ই আব্দুল লতিফ প্রথম এর সুরারোপ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাহমুদুন্নবী — তিনি একজন প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী হলেও এই গানটির প্রথম সুরকার নন। B) আব্দুল লতিফ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ১৯৫৩ সালে গানটিতে প্রথম সুর দিয়েছিলেন। C) ফয়সাল মাহদি — তিনি আধুনিক যুগের একজন শিল্পী, ভাষা আন্দোলনের সময় এই গানটির সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না। D) আলতাফ মাহমুদ — তিনি গানটির অত্যন্ত জনপ্রিয় বর্তমান সুরকার হলেও প্রথম সুরকার নন, তিনি শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের ১৯৫৬ সালের একটি নাটকের জন্য এর দ্বিতীয় সুরটি করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: ভাষার টানে প্রথম গান গেয়ে ও সুর দিয়ে যিনি লতিফ (আব্দুল লতিফ) হলেন, তিনিই প্রথম সুরকার।
a যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে
b নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে
c সুইজারল্যান্ডের বার্নে
d কানাডার অটোয়ায়
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক বিচার আদালত বা International Court of Justice জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ। - এই আদালতের সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরের পিস প্যালেসে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে — এটি জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর অবস্থিত, আন্তর্জাতিক আদালতের নয়। B) নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে — এটি সঠিক উত্তর কারণ আন্তর্জাতিক বিচার আদালত এখানেই অবস্থিত। C) সুইজারল্যান্ডের বার্নে — এটি সুইজারল্যান্ডের রাজধানী হলেও এই আদালতের সদর দপ্তর এখানে নয়। D) কানাডার অটোয়ায় — এটি কানাডার রাজধানী, আন্তর্জাতিক আদালতের সঙ্গে এর কোনো সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক আদালতের বিচার কাজ শান্তি রক্ষা নিয়ে কাজ করে, তাই এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের শান্তি প্রাসাদ বা পিস প্যালেসে দ্য হেগ শহরে অবস্থিত।
a ১৭০০ সালে
b ১৭৬২ সালে
c ১৭৯৩ সালে
d ১৯৬৫ সালে
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭৯৩ সালে কেন সঠিক: - ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন। - এই আইনের মাধ্যমে জমিদারদের জমির স্থায়ী মালিকানা প্রদান করা হয় এবং রাজস্বের হার চিরকালের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭০০ সালে — এই সময়ে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করা হয়নি, এটি মুঘল আমলের শেষ দিক। B) ১৭৬২ সালে — এই সালে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু হয়নি, এটি লর্ড কর্নওয়ালিসের শাসনকাল থেকেও আগের সময়। C) ১৭৯৩ সালে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই সালেই লর্ড কর্নওয়ালিস এই বন্দোবস্ত চালু করেন। D) ১৯৬৫ সালে — এটি আধুনিক কালের একটি সাল, যার সঙ্গে ব্রিটিশ আমলের এই ঐতিহাসিক ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: করপোরেট বা কর্নওয়ালিস শব্দটি মনে রাখুন, যিনি ১৭৯৩ সালে কর বা রাজস্ব আদায় চিরস্থায়ী করেছিলেন।
a ২৬ মার্চ,১৯৭১
b ১০ এপ্রিল,১৯৭১
c ৬ সেপ্টেম্বর,১৯৭১
d ১০ নভেম্বর,১৯৭১
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ কেন সঠিক: - এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয় এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়। - অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী এই ঘোষণাপত্র পাঠ করেন এবং এর মাধ্যমে সাংবিধানিক ভিত্তি তৈরি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ মার্চ, ১৯৭১ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের তারিখ, যেদিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। B) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ — এটি মুজিবনগরে স্বাধীনতা ঘোষণা ও সরকার গঠনের ঐতিহাসিক তারিখ। C) ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ — এটি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ তারিখ নয়। D) ১০ নভেম্বর, ১৯৭১ — এটি এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে সঠিক নয়, কারণ সরকার গঠিত হয় অনেক আগে এপ্রিল মাসে। মনে রাখার টিপস: ২৬ মার্চ স্বাধীনতা শুরু আর ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠন।
a শুশুক
b তিমি
c ইলিশ
d হাঙ্গর
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / জীববিজ্ঞান সঠিক উত্তর: A) শুশুক কেন সঠিক: - শুশুক হলো স্তন্যপায়ী জলজ প্রাণী, যা মাছের মতো ফুলকার সাহায্যে নয় বরং ফুসফুসের মাধ্যমে বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে। - পানির ওপরে এসে এরা মাথার ওপরের ছিদ্র দিয়ে শ্বাস নেয় এবং বায়ুর সংস্পর্শে না এলে বাঁচতে পারে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শুশুক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রযোজ্য নয়। B) তিমি — তিমিও বাতাসে নিঃশ্বাস নেয়, তবে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞানে স্বাদু পানির স্তন্যপায়ী হিসেবে শুশুককে বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়। C) ইলিশ — এটি মাছ এবং এরা ফুলকার সাহায্যে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন গ্রহণ করে, বাতাস থেকে নিঃশ্বাস নেয় না। D) হাঙ্গর — এটি তরুণাস্থিময় মাছ এবং এরাও ফুলকার সাহায্যে পানির নিচেই শ্বাসকার্য চালায়। মনে রাখার টিপস: শুশুক ও তিমি হলো স্তন্যপায়ী প্রাণী, তাই পানিতে থাকলেও এদের বাঁচার জন্য বাতাসে নিঃশ্বাস নিতে হয়।
a সাগর
b হ্রদ
c নদী
d বৃষ্টি
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বৃষ্টি কেন সঠিক: - আকাশে জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয়ে সরাসরি বৃষ্টির ফোঁটায় পরিণত হয়, যা প্রকৃতিতে প্রাপ্ত পানির সবচেয়ে বিশুদ্ধতম রূপ। - এতে লবণ বা অন্য কোনো খনিজের পরিমাণ খুব কম থাকে বলে এটিকে মৃদু পানি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাগর — সাগরের পানিতে প্রচুর পরিমাণে লবণ ও বিভিন্ন খনিজ দ্রবীভূত থাকে, তাই এটি মৃদু পানি নয়। B) হ্রদ — হ্রদের পানি মিঠা হলেও ভৌগোলিক অবস্থার কারণে এতে বিভিন্ন খনিজ ও মাটির উপাদান মিশে থাকে। সি) নদী — নদীর পানিতে মাটি, বালি এবং বিভিন্ন পলিথিন বা খনিজ মিশ্রিত থাকে, যা পুরোপুরি মৃদু পানি নয়। ডি) বৃষ্টি — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি মৃদু পানির প্রধান প্রাকৃতিক উৎস। মনে রাখার টিপস: আকাশ থেকে সরাসরি ঝরে পড়া বৃষ্টির পানি হলো প্রকৃতির সবচেয়ে বিশুদ্ধ ও মৃদু পানি।
a প্যারিস
b জেনেভা
c রোম
d লন্ডন
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লন্ডন কেন সঠিক: - অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাషন্যাল একটি বিশ্বখ্যাত মানবাধিকার রক্ষা আন্দোলন সংস্থা। - এই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের প্রধান কার্যালয় যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর সদর দপ্তর, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের নয়। B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের নয়। C) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের নয়। D) লন্ডন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরেই সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: মানবাধিকারের পক্ষে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর মনে রাখতে লন্ডন শহরের নাম মাথায় রাখুন।
a ৩১ জানুয়ারি
b ৩০ মার্চ
c ৩০ এপ্রিল
d ৩১ মে
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩১ মে কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ১৯৮৭ সাল থেকে প্রতি বছর ৩১ মে তারিখটিকে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। - তামাক ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং তামাকের ব্যবহার হ্রাসের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে এই দিনটি পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩১ জানুয়ারি — এই তারিখে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালন করা হয় না এবং এটি একটি সাধারণ মাস ও তারিখ। B) ৩০ মার্চ — এই তারিখে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসের কোনো ঐতিহাসিক বা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নেই। C) ৩০ এপ্রিল — এই তারিখে তামাকবিরোধী কোনো আন্তর্জাতিক দিবস নির্ধারিত বা পালিত হয় না। D) ৩১ মে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস হিসেবে নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: বছরের শেষ দিন অর্থাৎ মে মাসের একত্রিশ তারিখে তামাককে না বলুন, এভাবে দিনটি মনে রাখতে পারেন।

মোট প্রশ্ন (12)

a অগ্ন্যাশয় হতে
b প্যানক্রিয়াস হতে
c লিভার হতে
d পিটুইটারী গ্লান্ড হতে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অগ্ন্যাশয় হতে ১. কেন সঠিক: - অগ্ন্যাশয়ের নির্দিষ্ট কোষ গুচ্ছ থেকে ইনসুলিন হরমোন সরাসরি রক্তে নিঃসৃত হয়। - এই হরমোন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অগ্ন্যাশয় মানবদেহের একটি মিশ্র গ্রন্থি যা একাধারে পরিপাক রস ও হরমোন উৎপন্ন করে। - কার্যপ্রণালি: অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অফ ল্যাঙ্গারহ্যান্স নামক অংশের বিটা কোষ থেকে ইনসুলিন তৈরি ও নিঃসৃত হয়। - কারণ ও ফলাফল: ইনসুলিনের ঘাটতি ঘটলে কোষে গ্লুকোজ প্রবেশ করতে পারে না ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডায়াবেটিস রোগী ব্যাখ্যা: অগ্ন্যাশয় পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে না পারলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায় যাকে ডায়াবেটিস বলা হয়। উদাহরণ ২: মিষ্টি খাওয়ার পর ইনসুলিন নিঃসরণ ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত শর্করা জাতীয় খাবার খাওয়ার পর অগ্ন্যাশয় দ্রুত ইনসুলিন ছড়িয়ে দিয়ে রক্তের গ্লুকোজ কোষে পৌঁছে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্ন্যাশয় হতে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর বিটা কোষ থেকে ইনসুলিন হরমোন উৎপাদিত ও নিঃসৃত হয়। B) প্যানক্রিয়াস হতে — এটি সঠিক উত্তর হতে পারত যদি অগ্ন্যাশয়ের ইংরেজি নাম বাংলায় লেখা না থাকতো কিন্তু অপশন এ এবং বি একই অঙ্গ বোঝালেও প্রমিত বাংলায় প্রথমটি সঠিক ধরা হয়েছে। C) লিভার হতে — লিভার বা যকৃৎ মানবদেহের বৃহত্তম গ্রন্থি যা পিত্তরস উৎপন্ন করে এবং গ্লাইকোজেন সঞ্চয় করে তবে ইনসুলিন এখান থেকে নিঃসৃত হয় না। D) পিটুইটারী গ্লান্ড হতে — পিটুইটারি গ্রন্থি মস্তিষ্কের নিচে অবস্থিত যা গ্রোথ হরমোন সহ অন্যান্য প্রধান হরমোন নিঃসরণ করে কিন্তু ইনসুলিন নিঃসরণ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: অগ্ন্যাশয়ের আ দিয়ে ইনসুলিনের অ মনে রাখা যায় এবং অগ্ন্যাশয়কে ইংরেজিতে প্যানক্রিয়াস বলে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইনসুলিন উৎপাদনকারী কোষের নাম এবং এর কাজ বারবার আসে।
a অক্সিজেন পরিবহন করা
b রোগ প্রতিরোধ করা
c রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা
d উল্লেখিত সবকয়টিই
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অক্সিজেন পরিবহন করা ১. কেন সঠিক: হিমোগ্লোবিন হলো লোহিত রক্তকণিকায় অবস্থিত এক ধরনের লৌহঘটিত প্রোটিন যা ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে। এটি রক্তের মাধ্যমে শরীরের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং কোষের বিপাকক্রিয়া সচল রাখে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: হিমোগ্লোবিন ফুসফুসের অ্যালভিওলাই থেকে অক্সিজেন অণুর সঙ্গে অস্থায়ীভাবে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন গঠন করে। কার্যপ্রণালি: রক্ত সংবহনতন্ত্রের মাধ্যমে এই অক্সিহিমোগ্লোবিন শরীরের বিভিন্ন কলার কোষে পৌঁছায় এবং অক্সিজেনের চাহিদা মেটায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উচ্চ পাহাড়ে ওঠার সময় বাতাসের চাপ কমে যাওয়ায় শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয়। ব্যাখ্যা: এই পরিস্থিতিতে শরীর হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়াতে লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদনে উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। উদাহরণ ২: কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের বিষক্রিয়ায় মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে। ব্যাখ্যা: কার্বন মনোক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে অক্সিজেনের চেয়ে বহু গুণ বেশি শক্তিতে যুক্ত হয়ে অক্সিজেন পরিবহন বাধাগ্রস্ত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সিজেন পরিবহন করা — এটি সঠিক কারণ হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ হলো ফুসফুস থেকে কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করা। B) রোগ প্রতিরোধ করা — এটি ভুল কারণ রক্তে অবস্থিত শ্বেত রক্তকণিকা বা লিউকোসাইট প্রধানত রোগ প্রতিরোধে কাজ করে। C) রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা — এটি ভুল কারণ রক্তের অনুচক্রিকা বা প্লাটিলেট এবং ফাইব্রিনোজেন রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। D) উল্লেখিত সবকয়টিই — এটি ভুল কারণ অপশন বি এবং সি হিমোগ্লোবিনের কাজ নয়, তাই সবকয়টি সঠিক হতে পারে না। ৫ মনে রাখার টিপস: হিমোগ্লোবিন শব্দের হিম অংশটি লোহা নির্দেশ করে আর গ্লোবিন হলো প্রোটিন। লোহা যেমন চুম্বকের দিকে টানে, তেমনি হিমোগ্লোবিনের লোহা অক্সিজেনকে নিজের দিকে টেনে কোষে পৌঁছে দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: হিমোগ্লোবিনের অভাবে মানবদেহে অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন ধাতুটি হিমোগ্লোবিনের প্রধান উপাদান, যার উত্তর হলো লোহা।
a নিউট্রন ও প্রোট্রন
b ইলেক্ট্রন ও প্রোটন
c নিউট্রন ও পজিট্রন
d ইলেক্ট্রন ও পজিট্রন
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিউট্রন ও প্রোট্রন ১. কেন সঠিক: পরমাণুর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন একত্রে অবস্থান করে। এদের একত্রে নিউক্লিয়ন বলা হয় এবং পরমাণুর প্রায় সম্পূর্ণ ভর এই অংশে পুঞ্জীভূত থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পরমাণুর কেন্দ্রকে নিউক্লিয়াস বলে যেখানে ধনাত্মক আধানযুক্ত প্রোটন এবং আধানহীন নিউট্রন অত্যন্ত শক্তিশালী নিউক্লীয় বল দ্বারা আবদ্ধ থাকে। কার্যপ্রণালি: প্রোটনগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বৈদ্যুতিক বিকর্ষণ থাকা সত্ত্বেও সবল নিউক্লীয় বল নিউক্লিয়াসকে একত্রে ধরে রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কার্বন পরমাণুর নিউক্লিয়াস। ব্যাখ্যা: সাধারণ কার্বনের নিউক্লিয়াসে ছয়টি প্রোটন ও ছয়টি নিউট্রন থাকে যা এর ভর নির্ধারণ করে। উদাহরণ ২: সোডিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াস। ব্যাখ্যা: সোডিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াসে এগারোটি প্রোটন ও বারোটি নিউট্রন একত্রে অবস্থান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউট্রন ও প্রোট্রন — এটি সঠিক উত্তর কারণ পরমাণুর নিউক্লিয়াসে কেবল এই দুটি কণিকাই প্রধানত থাকে। B) ইলেক্ট্রন ও প্রোটন — ইলেক্ট্রন নিউক্লিয়াসের বাইরে বিভিন্ন কক্ষপথে আবর্তন করে, নিউক্লিয়াসে থাকে না। C) নিউট্রন ও পজিট্রন — পজিট্রন হলো ইলেক্ট্রনের প্রতি কণা, যা স্বাভাবিক পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকে না। D) ইলেক্ট্রন ও পজিট্রন — এদের কোনোটিই পরমাণুর নিউক্লিয়াসের স্থায়ী উপাদান নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: পরমাণুর নিউক্লিয়াসের উপাদান মনে রাখার সহজ শব্দ হলো প্রোপা, অর্থাৎ প্রোটন ও নিউট্রন পরমাণুর ভেতরে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরমাণুর মোট ভরের প্রায় নব্বই শতাংশ বা তার বেশি আসে নিউক্লিয়াস থেকে। এই ধারণা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে পরমাণুর কোন কণা আধানহীন, যার উত্তর হলো নিউট্রন।
a All parts of the plants
b Roots of the plant
c Stems of the plants
d Green parts of the plants
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Green parts of the plants ১. কেন সঠিক: উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য ক্লোরোফিল নামক রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতি অপরিহার্য। উদ্ভিদের সবুজ অংশেই মূলত এই ক্লোরোফিল থাকে যা সূর্যের আলো শোষণ করে খাদ্য তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: সালোকসংশ্লেষণ হলো এমন একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোক, কার্বন ডাই অক্সাইড এবং পানির সাহায্যে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে। কার্যপ্রণালি: উদ্ভিদের কোষে থাকা ক্লোরোপ্লাস্ট নামক প্লাস্টিডে ক্লোরোফিল থাকে যা সৌরশক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম গাছের সবুজ পাতা। ব্যাখ্যা: পাতার কোষে প্রচুর ক্লোরোফিল থাকায় এটি সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বেশি অংশগ্রহণ করে। উদাহরণ ২: কচি সবুজ ডাঁটা বা কাণ্ড। ব্যাখ্যা: কিছু উদ্ভিদের পাতা না থাকলেও কচি সবুজ কাণ্ড সালোকসংশ্লেষণ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) All parts of the plants — উদ্ভিদের সব অংশে ক্লোরোফিল থাকে না, যেমন মূল বা কাণ্ডের শক্ত অংশ, তাই সব অংশে সালোকসংশ্লেষণ হয় না। B) Roots of the plant — উদ্ভিদের মূল সাধারণত মাটির নিচে থাকে এবং তাতে ক্লোরোফিল ও সূর্যালোকের অনুপস্থিতির কারণে সালোকসংশ্লেষণ হয় না। C) Stems of the plants — সব কাণ্ড সবুজ বা ক্লোরোফিলযুক্ত হয় না, তাই সব কাণ্ড সালোকসংশ্লেষণ করতে পারে না। D) Green parts of the plants — এটি সঠিক কারণ শুধুমাত্র ক্লোরোফিলযুক্ত সবুজ অংশেই সালোকসংশ্লেষণ ঘটে। ৫. মনে রাখার টিপস: সবুজ মানেই ক্লোরোফিল এবং ক্লোরোফিল মানেই সালোকসংশ্লেষণ। উদ্ভিদের যে অংশ সবুজ, সেখানেই খাদ্য তৈরি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সালোকসংশ্লেষণে কোন গ্যাস নির্গত হয় এবং কোন গ্যাস গৃহিত হয় তা বারবার পরীক্ষায় আসে। এই প্রক্রিয়া প্রধানত উদ্ভিদ কোষের ক্লোরোপ্লাস্টে সম্পন্ন হয়।
a সালফার
b ফসফরাস
c নাইট্রোজেন
d পটাশিয়াম
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাইট্রোজেন ১. কেন সঠিক: - ইউরিয়া সার মাটিতে প্রয়োগ করার পর উদ্ভিদের মূলের মাধ্যমে নাইট্রোজেন খাদ্য উপাদান হিসেবে গ্রহণ করে। - উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য নাইট্রোজেন একটি অতি প্রয়োজনীয় প্রধান পুষ্টি উপাদান বা ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ইউরিয়া একটি জৈব রাসায়নিক সার যার রাসায়নিক সংকেত CO(NH2)2 এবং এতে প্রায় ৪৬ শতাংশ নাইট্রোজেন থাকে। - কার্যপ্রণালি: মাটিতে প্রয়োগের পর ইউরিয়া এনজাইমের প্রভাবে ভেঙে অ্যামোনিয়া ও পরে নাইট্র্রেট আয়নে পরিণত হয় যা উদ্ভিদ শোষণ করে। - কারণ ও ফলাফল: উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া জোরদার করতে এবং সবুজ পাতার বৃদ্ধিতে নাইট্রোজেন সরাসরি ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধান ক্ষেতে ইউরিয়া সার প্রয়োগ। ব্যাখ্যা: ধানের কুশি ও গাছের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে ইউরিয়া থেকে প্রাপ্ত নাইট্রোজেন অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে। উদাহরণ ২: শাকসবজির পাতা সবুজ ও সতেজ রাখা। ব্যাখ্যা: নাইট্রোজেনের উপস্থিতির কারণে ক্লোরোফিল তৈরি হয় যা শাকসবজির বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সালফার — সালফার উদ্ভিদের প্রোটিন গঠনে সাহায্য করে তবে এটি ইউরিয়া থেকে আসে না, বরং জিপসাম বা অন্য সার থেকে আসে। B) ফসফরাস — ফসফরাস উদ্ভিদের শিকড় ও ফুল উৎপাদনে সাহায্য করে, যা টিএসপি বা ডিএপি সারে থাকে। C) নাইট্রোজেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইউরিয়া প্রধানত নাইট্রোজেন সরবরাহ করে। D) পটাশিয়াম — পটাশিয়াম উদ্ভিদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, যা এমওপি বা পটাশ সারে পাওয়া যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: ইউরিয়া মানেই নাইট্রোজেন, কারণ ইউরিয়ার নামের সাথে নাইট্রোজেন শব্দটি অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। সারের ধরন এবং তার প্রধান উপাদান মনে রাখার জন্য নিয়মিত ছক চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ প্রায় ৪৬ শতাংশ যা প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে। এই প্রশ্নটি থেকে উদ্ভিদের প্রধান পুষ্টি উপাদান বা ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট সম্পর্কে ধারণা পরিষ্কার হয়।
a গ্লাইকোজেন
b গ্লুকোজ
c ফ্রুক্টোজ
d সুক্রোজ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গ্লাইকোজেন কেন সঠিক: ১. আমাদের দেহে অতিরিক্ত শর্করা জাতীয় খাদ্য যকৃৎ বা লিভারে জমা থাকে। ২. এই জমানো খাদ্য পরবর্তী সময়ে শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: ১. শর্করা বিপাকের সময় অতিরিক্ত গ্লুকোজ হরমোনের প্রভাবে যকৃতে জমা হয়। ২. ইনসুলিন হরমোনের প্রভাবে অতিরিক্ত গ্লুকোজ প্রক্রিয়াজাত হয়ে পলিস্যাকারাইড রূপে সঞ্চিত হয়। ৩. যেমন, মানবদেহে অতিরিক্ত খাবার গ্লাইকোজেন রূপে যকৃৎ ও পেশীতে জমা থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্লাইকোজেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। B) গ্লুকোজ — এটি রক্তের সরল শর্করা এবং এটি কোষে শক্তি উৎপাদনে সরাসরি ব্যবহৃত হয়। C) ফ্রুক্টোজ — এটি মূলত ফল ও মধুর মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা। D) সুক্রোজ — এটি আমাদের সাধারণ চিনি যা উদ্ভিদ থেকে পাওয়া যায়। মনে রাখার টিপস: ১. প্রাণীদের সঞ্চয়ী খাদ্য হলো গ্লাইকোজেন। ২. লিভারে জমা হয় তাই এর নাম লিভার স্টার্চ বা গ্লাইকোজেন।
a জুওলজী
b বায়োলজী
c ইভোলিউশন
d জেনেটিক্স
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইভোলিউশন ১. কেন সঠিক: - প্রাণী জগতের উৎপত্তি ও বংশগত পরিবর্তন বা ক্রমবিকাশকে বিবর্তন বা ইভোলিউশন বলা হয়। - কোটি কোটি বছর ধরে ক্ষুদ্র ও সরল জীব থেকে ধীরে ধীরে জটিল জীবের সৃষ্টি হওয়ার বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া এটি। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ইভোলিউশন বা বিবর্তন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সময়ের সাথে সাথে জীবের বংশধরদের জিনগত বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন ঘটে। - কার্যপ্রণালি: প্রাকৃতিক নির্বাচন এবং পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে এই পরিবর্তন প্রজন্মান্তরে সঞ্চারিত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: জীবাশ্ম বিজ্ঞান এবং আধুনিক জিনতত্ত্বে এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জীবের অতীত ইতিহাস ও বিবর্তনিক ধারা ব্যাখ্যা করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিমির পেছনের অবশিষ্টাংশ অঙ্গ বা মানুষের অ্যাপেন্ডিক্স। ব্যাখ্যা: এগুলি প্রমাণ করে যে অতীতে জীবগুলোর শারীরিক গঠন ভিন্ন ছিল এবং পরিবেশের পরিবর্তনে তা পরিবর্তিত হয়েছে। উদাহরণ ২: পেপার মথ বা শিল্প বিপ্লবের সময়ের মথের রঙের পরিবর্তন। ব্যাখ্যা: ধোঁয়া ও ময়লার কারণে গাছের বাকলের রং বদলে যাওয়ায় গাঢ় রঙের মথ বেঁচে থাকার সুবিধা পায় এবং বংশ বিস্তার করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জুওলজী — এটি জীববিজ্ঞানের সেই শাখা যেখানে প্রাণী এবং তাদের শারীরবৃত্তীয় গঠন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। B) বায়োলজী — এটি সামগ্রিকভাবে জীবন এবং জীবদেহ সম্পর্কিত বিজ্ঞান যার মধ্যে উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয়ই অন্তর্ভুক্ত। D) জেনেটিক্স — এটি জীববিজ্ঞানের শাখা যেখানে জিন, বংশগতি এবং বংশপরম্পরায় বৈশিষ্ট্যের সঞ্চারণ নিয়ে গবেষণা করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - উৎপত্তি মানে শুরু আর বংশ সম্বন্ধীয় ক্রমবিকাশ মানে ইভোলিউশন বা বিবর্তন। - বায়োলজি মানে জীবন বিজ্ঞান এবং জুওলজী মানে শুধু প্রাণী বিজ্ঞান, তাই এগুলো সঠিক নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিবর্তনবাদের জনক চার্লস ডারউইনের নাম এবং তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ অন দ্য অরিজিন অব স্পিসিজ মনে রাখা জরুরি। - এই টপিক থেকে ডারউইনের প্রাকৃতিক নির্বাচন মতবাদ নিয়ে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a ভাত
b গরুর মাংস
c মসুর ডাল
d ময়দা
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মসুর ডাল ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে প্রতি ১০০ গ্রাম মসুর ডালে প্রোটিনের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে বেশি থাকে। - ডাল জাতীয় খাদ্য উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে এবং শরীরের আমিষের চাহিদা পূরণে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: প্রোটিন হলো অ্যামাইনো অ্যাসিডের একটি জটিল পলিমার যা দেহের কোষ গঠন ও ক্ষয়পূরণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। - কারণ ও ফলাফল: উদ্ভিজ্জ প্রোটিন গ্রহণের ফলে শরীরে প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড সরবরাহ হয় যা পেশির বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মসুর ডালের স্যুপ বা খিচুড়ি। ব্যাখ্যা: এটি নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রেখে সহজে উদ্ভিজ্জ আমিষের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। উদাহরণ ২: ছোলা ও মটরশুঁটি। ব্যাখ্যা: এগুলোও ডাল জাতীয় খাদ্য এবং প্রোটিনের ভালো উৎস হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাত — ভাত প্রধানত শর্করা বা কার্বোহাইড্রেটের উৎস, এতে প্রোটিনের পরিমাণ খুব কম থাকে। B) গরুর মাংস — গরুর মাংসে প্রচুর প্রোটিন থাকলেও প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে মসুর ডালের প্রোটিনের ঘনত্ব ও সহজপাচ্যতা প্রতিযোগিতামূলক বিচারে সঠিক হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। D) ময়দা — ময়দা মূলত শর্করা বা গ্লুটেনযুক্ত উপাদান, যা আমিষের প্রধান উৎস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডাল মানেই আমিষ বা প্রোটিনের ভাণ্ডার, যা উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের অন্যতম সেরা উৎস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের উৎস হিসেবে ডাল এবং প্রাণিজ প্রোটিনের উৎস হিসেবে মাংস ও ডিমের নাম মনে রাখা আবশ্যক।
a তামা
b রূপা
c সোনা
d কার্বন
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রূপা ১. কেন সঠিক: - রূপার মুক্ত ইলেকট্রনের সংখ্যা এবং এর স্ফটিক কাঠামোর পরমাণুগুলোর বিন্যাস এমন যে এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ সহজে প্রবাহিত হতে পারে। - ধাতু হিসেবে এটি ইলেকট্রন প্রবাহে সবচেয়ে কম বাধা প্রদান করে, যার কারণে এর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পদার্থের যে গুণের কারণে এর মধ্য দিয়ে সহজে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে তাকে বিদ্যুৎ পরিবাহিতা বলে। - কার্যপ্রণালি: পরিবাহীর ভেতরে থাকা মুক্ত ইলেকট্রনগুলো বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র প্রয়োগ করলে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দ্রুত চলাচল করে, যা বিদ্যুৎ প্রবাহ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারের ভেতরের সার্কিট বা প্রসেসরের পিন তৈরিতে রূপার প্রলেপ ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি সিগন্যাল আদান-প্রদান দ্রুত করতে এবং শক্তির অপচয় কমাতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: উচ্চমানের অডিও ক্যাবল তৈরিতে রূপার তার ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি শব্দের গুণগত মান ঠিক রেখে নিখুঁতভাবে বৈদ্যুতিক সংকেত পরিবহন করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামা — তামার পরিবাহিতা খুব ভালো এবং দামে সস্তা হওয়ায় এটি বহুল ব্যবহৃত হয়, তবে রূপার চেয়ে এর পরিবাহিতা কিছুটা কম। B) রূপা — এটি সঠিক উত্তর কারণ সব ধাতুর মধ্যে এর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি। C) সোনা — সোনার মরিচা পড়ে না বলে এটি গুরুত্বপূর্ণ কানেক্টরে ব্যবহার করা হয়, তবে এর পরিবাহিতা রূপা বা তামার চেয়ে কম। D) কার্বন — এটি একটি অধাতু এবং এর বিশেষ রূপ গ্রাফাইট কিছুটা বিদ্যুৎ পরিবাহী হলেও তা ধাতুগুলোর মতো উচ্চ পরিবাহী নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ধাতুগুলোর পরিবাহিতার ক্রম মনে রাখার কৌশল হলো রূপা প্রথমে, তামা দ্বিতীয় এবং সোনা তৃতীয় স্থানে থাকে। - রূপার রাসায়নিক প্রতীক এজি, যার পরিবাহিতা সব ধাতুর তুলনায় সর্বোচ্চ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন ধাতুর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি। - তামা সস্তা হওয়ায় গৃহস্থালির বৈদ্যুতিক তারে তামা ব্যবহার করা হয়, যদিও রূপার পরিবাহিতা বেশি।
a পরিপাক
b খাদ্য গ্রহণ
c শ্বসন
d রক্ত সংবহন
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শ্বসন ১. কেন সঠিক: - শ্বসন হলো সেই জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে জীবকোষ খাদ্যবস্তুকে জারিত করে সঞ্চিত স্থিতিস্থাপক শক্তিকে গতিশক্তি বা তাপশক্তিতে রূপান্তরিত করে। - এই প্রক্রিয়ায় খাবার থেকে প্রাপ্ত গ্লুকোজ অক্সিজেনের সহায়তায় ভেঙে কার্বন ডাই অক্সাইড, পানি এবং প্রচুর পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন করে যা কোষের কাজে লাগে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: শ্বসন একটি বিপাকীয় প্রক্রিয়া যা কোষে প্রতিনিয়ত ঘটে এবং এটি জীবনের চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করে। - কার্যপ্রণালি: কোষের মাইটোকন্ড্রিয়ায় ক্রেবস চক্র এবং ইলেকট্রন পরিবহন তন্ত্রের মাধ্যমে গ্লুকোজ জারিত হয়ে অ্যাডেনোসিন ট্রাইফসফেট বা এটিপি তৈরি করে। - কারণ ও ফলাফল: খাদ্য সরাসরি শক্তি সরবরাহ করতে পারে না, তাই শ্বসনের মাধ্যমে খাদ্য ভেঙে এটিপি নামক জৈব মুদ্রায় শক্তি সঞ্চিত হয় যা দেহ ব্যবহার করে। - সমীকরণ: গ্লুকোজ + অক্সিজেন থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড + পানি + শক্তি উৎপন্ন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দৌড়ানোর সময় পেশিকোষে অক্সিজেনের উপস্থিতিতে দ্রুত শ্বসন ঘটে। ব্যাখ্যা: এটি পেশিকে দ্রুত শক্তি জোগায় যাতে আমরা গতিশীল থাকতে পারি। উদাহরণ ২: উদ্ভিদের বীজ অঙ্কুরোদগমের সময় প্রচুর শ্বসন চালায়। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত শক্তি বীজের চারাগাফে পরিণত হতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিপাক — পরিপাক কেবল জটিল খাদ্যকে সরল উপাদানে পরিণত করে, কিন্তু সরাসরি শক্তি উৎপাদন করে না। B) খাদ্য গ্রহণ — খাদ্য গ্রহণ হলো শক্তি উৎপাদনের কাঁচামাল সংগ্রহের প্রাথমিক ধাপ মাত্র। D) রক্ত সংবহন — রক্ত সংবহন কেবল অক্সিজেন ও পুষ্টি উপাদান কোষে পরিবহন করে, শক্তি উৎপাদন করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - খাদ্যের কাজ হলো পুষ্টি দেওয়া আর শ্বসনের কাজ হলো সেই খাদ্য থেকে শক্তি বের করা। - মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র বা পাওয়ার হাউজ বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শ্বসন প্রক্রিয়ায় প্রধানত শক্তি এটিপি হিসেবে জমা হয়, তাই এটিপিকে শক্তির মুদ্রা বলা হয়। - কোন অঙ্গাণুতে শ্বসনের প্রধান ধাপ ঘটে, এই প্রশ্নটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a ঘনত্ব কম
b ঘনত্ব বেশি
c তাপমাত্রা বেশি
d দ্রবণীয়তা বেশি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঘনত্ব বেশি ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়। সঠিক উত্তর হবে বরফের ঘনত্ব পানির তুলনায় কম। - পানির ব্যতিক্রমী প্রসারণের কারণে তরল পানির তুলনায় বরফের আয়তন বেশি এবং ঘনত্ব কম হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সাধারণত অধিকাংশ পদার্থ তরল থেকে কঠিন হলে আয়তন কমে এবং ঘনত্ব বাড়ে, কিন্তু পানির ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম ঘটে। - কার্যপ্রণালি: পানি যখন শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে জমে বরফে পরিণত হয়, তখন এর অণুগুলো হাইড্রোজেন বন্ধনের মাধ্যমে একটি ফাঁপা জালিকাকার গঠন তৈরি করে। - কারণ ও ফলাফল: এই ফাঁপা কাঠামোর কারণে বরফের অণুগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব বেড়ে যায়, ফলে একই ভরের বরফ পানির চেয়ে বেশি জায়গা দখল করে এবং ঘনত্ব কমে যায়। - বাস্তব প্রয়োগ: পুকুর বা হ্রদের উপরিভাগের পানি জমে বরফ হলে তা কম ঘনত্বের কারণে ভেসে থাকে এবং নিচের তরল পানিকে মাছ ও জলজ প্রাণীর বেঁচে থাকার সুযোগ করে দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশের হ্রদের ওপর বরফের আস্তরণ পড়া। ব্যাখ্যা: কম ঘনত্বের কারণে বরফ ওপরের স্তরে ভেসে থাকে এবং নিচের জলজ পরিবেশকে বরফ হওয়া থেকে রক্ষা করে। উদাহরণ ২: জুসের গ্লাসে বরফের টুকরো দেওয়া। ব্যাখ্যা: বরফের টুকরো পানীয়ের ওপর ভেসে থাকে কারণ বরফের ঘনত্ব পানীয়ের ঘনত্বের চেয়ে কম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘনত্ব কম — এটি প্রকৃত বৈজ্ঞানিক সত্য এবং বাস্তব ঘটনা, যদিও প্রশ্নে ভুল উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। B) ঘনত্ব বেশি — এটি ভুল বক্তব্য হলেও প্রদত্ত প্রশ্নপত্রে এটিকে সঠিক উত্তর হিসেবে দেখানো হয়েছে। C) তাপমাত্রা বেশি — বরফ ও পানির ভাসার ঘটনার সঙ্গে তাপমাত্রার প্রত্যক্ষ কোনো তুলনা এভাবে প্রযোজ্য নয়। D) দ্রবণীয়তা বেশি — বরফ ও পানির ভাসমান অবস্থার সঙ্গে দ্রবণীয়তার কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে, ফাঁপা গঠনের কারণে বরফ হালকা হয় এবং হালকা বস্তু সবসময় ভারী পদার্থের ওপর ভাসে। - পানি থেকে বরফ হলে আয়তন বাড়ে এবং ঘনত্ব কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ এক হাজার কিলোগ্রাম প্রতি ঘনমিটার। - পানির এই ব্যতিক্রমী প্রসারণের ফলে জলজ প্রাণীকূল চরম ঠান্ডায়ও বেঁচে থাকতে পারে।
a নাইট্রিক
b সালফিউরিক
c হাইড্রোক্লোরিক
d পারক্লোরিক
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সালফিউরিক ১. কেন সঠিক: গাড়ীর স্টোরেজ ব্যাটারী বা লিড-এসিড ব্যাটারীতে শক্তি সঞ্চয় ও পরিবহনের জন্য সালফিউরিক এসিড ব্যবহার করা হয়। এই এসিড তড়িৎবিশ্লেষ্য বা ইলেক্ট্রোলাইট হিসেবে কাজ করে যা ব্যাটারীর ভেতরে রাসায়নিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: লিড-এসিড ব্যাটারী এক ধরণের রিচার্জেবল ব্যাটারী যেখানে সালফিউরিক এসিডের জলীয় দ্রবণ তড়িৎবিশ্লেষ্য হিসেবে কাজ করে। রাসায়নিক সংকেত: গাড়ীর ব্যাটারীতে ব্যবহৃত সালফিউরিক এসিডের রাসায়নিক সংকেত এইচ টু এস ও ফোর এবং পাতিত পানির মিশ্রণ থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইপিএস বা ইউপিএস এর ব্যাটারী। ব্যাখ্যা: বিদ্যুৎ চলে গেলে এই ব্যাটারীগুলো সালফিউরিক এসিড ও সীসার বিক্রিয়ার মাধ্যমে আমাদের বাড়িতে আলো ও পাখা সচল রাখতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। উদাহরণ ২: পেট্রোলচালিত প্রাইভেট কারের স্টার্ট মোটর। ব্যাখ্যা: গাড়ী স্টার্ট করার মুহূর্তে ব্যাটারীর ভেতরে থাকা সালফিউরিক এসিড তীব্র রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিশাল পরিমাণ বিদ্যুৎ শক্তি সরবরাহ করে ইঞ্জিন চালু করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইট্রিক — এটি একটি তীব্র ক্ষয়কারী এসিড যা গাড়ীর ব্যাটারীর সীসা প্লেটের স্থায়ী ক্ষতিসাধন করে এবং এটি তড়িৎবিশ্লেষ্য হিসেবে অনুপযুক্ত। B) সালফিউরিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর সঠিক ঘনত্ব সীসা প্লেটের সাথে বিক্রিয়া করে সহজে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চয় করতে পারে। C) হাইড্রোক্লোরিক — এটি ব্যবহার করলে ব্যাটারীর ভেতরে ক্ষতিকর বিষাক্ত ক্লোরিন গ্যাস উৎপন্ন হতে পারে যা ব্যাটারীর স্থায়ী আয়ু কমিয়ে দেয়। D) পারক্লোরিক — এটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং বিপজ্জনক এসিড যা গাড়ীর মতো সাধারণ যানবাহনে ব্যবহারের জন্য অতিরিক্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও ব্যয়বহুল। ৫. মনে রাখার টিপস: গাড়ীর ব্যাটারী মানেই এস দিয়ে শুরু সালফিউরিক এসিড এবং এটি পানির সাথে মিশে আয়ন তৈরি করে বিদ্যুৎ চালায়। ব্যাটারীর এসিডের নাম মনে রাখতে লেড-এসিড ব্যাটারী এবং সালফিউরিক এসিডের আদ্যক্ষর মিলিয়ে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: লিড-এসিড ব্যাটারীতে পাতিত পানির সাথে কত শতাংশ সালফিউরিক এসিড থাকে তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। এই প্রশ্নটি থেকে পরবর্তীতে ব্যাটারীর তড়িৎবিশ্লেষ্য বা ইলেক্ট্রোলাইট কী এবং গাড়ীর ব্যাটারীতে কোন ধাতব প্লেট ব্যবহার করা হয় সে সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।

মোট প্রশ্ন (1)

a Professional computer
b Private computer
c Prime computer
d Personal computer
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Personal computer ১. কেন সঠিক: - PC শব্দটির পূর্ণরূপ হলো পার্সোনাল কম্পিউটার বা ব্যক্তিগত কম্পিউটার। - এটি মূলত একক ব্যবহারকারীর জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা একটি মাইক্রোকম্পিউটার। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: যে কম্পিউটার একক সময়ে একজন মাত্র ব্যবহারকারী ব্যক্তিগত বা পেশাগত কাজে ব্যবহার করতে পারেন, তাকে পার্সোনাল কম্পিউটার বলা হয়। - ব্যবহার: এটি মূলত অফিসিয়াল কাজ, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, গেম খেলা এবং মাল্টিমিডিয়া ব্যবহারের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডেস্কটপ কম্পিউটার ব্যাখ্যা: এটি একটি নির্দিষ্ট স্থানে টেবিলের ওপর রেখে ব্যবহার করা হয় এবং এর পার্টসগুলো আলাদা থাকে। উদাহরণ ২: ল্যাপটপ কম্পিউটার ব্যাখ্যা: এটি সহজে বহনযোগ্য একটি পার্সোনাল কম্পিউটার যাতে স্ক্রিন, কিবোর্ড এবং ব্যাটারি একসাথে যুক্ত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Professional computer — পেশাদার কম্পিউটার বলে কোনো সুনির্দিষ্ট বা আদর্শ কম্পিউটার ক্যাটাগরি কম্পিউটিং প্রযুক্তিতে প্রচলিত নেই। B) Private computer — প্রাইভেট কম্পিউটার বলতে কোনো স্ট্যান্ডার্ড কম্পিউটার টার্ম বোঝায় না, যদিও ডেটা নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কথাটি আসে। C) Prime computer — প্রাইম কম্পিউটার বলতে অতীতে একটি নির্দিষ্ট কোম্পানির মিনি কম্পিউটার বোঝাতো, কিন্তু এটি PC-র পূর্ণরূপ নয়। D) Personal computer — এটি এই প্রশ্নের জন্য সর্বজনস্বীকৃত এবং প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক পূর্ণরূপ। ৫ মনে রাখার টিপস: - PC মানে হলো Personal Computer, যা সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তৈরি। - মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটার মূলত একক ব্যবহারকারী কেন্দ্রিক। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রথম সফল পার্সোনাল কম্পিউটার হলো অল্টেয়ার আটশ আটাত্তর (Altair 8800)। - আইবিএম প্রথম ১৯৮১ সালে আইবিএম পিসি (IBM PC) বাজারজাত করে যা জনপ্রিয়তার সূচনা করে।

মোট প্রশ্ন (3)

a ক এর মামা চ
b ক এর খালু চ
c চ এর নানা ক
d ক এর চাচা চ
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক এর মামা চ প্রদত্ত তথ্য: ক হলো খ এর পুত্র খ এবং গ হলো পরস্পর বোন ঘ হলো গ এর মা চ হলো ঘ এর পুত্র ধরি, খ ও গ এর মা হলেন ঘ ঘ এর পুত্র চ হলেন খ ও গ এর ভাই অতএব, খ এর ভাই চ হলেন ক এর মামা কারণ ক এর মা হলেন খ সুতরাং, সম্পর্কের দিক থেকে চ হন ক এর মামা উত্তর: ক এর মামা চ
a সম্বর
b গ্রহ
c নিঃসর্গ
d অশ্ব
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গ্রহ প্রদত্ত তথ্য: প্রাণদ মানে জল মহীজ অর্থ নির্ধারণ করতে হবে ধরি, প্রাণদ শব্দের অর্থ জল বা পানি মহীজ শব্দের অর্থ পৃথিবী থেকে জাত অতএব, প্রাণদ যেমন জলের অপর নাম মহীজ তেমনি পৃথিবীর অপর নাম সুতরাং, মহীজ বলতে পৃথিবীর বিকশিত রূপ বোঝায় উত্তর: গ্রহ
a T, X
b X, T
c S, T
d T, B
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) T, X প্রদত্ত তথ্য: বর্ণমালার ক্রমিক ধারাবাহিকতা বিশ্লেষণ করতে হবে প্রতিটি অক্ষরের মধ্যকার দূরত্বের প্যাটার্ন লক্ষ করতে হবে ধরি, প্রথম অক্ষরটি ইংরেজি বর্ণমালা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে দ্বিতীয় অক্ষরটি নির্দিষ্ট ব্যবধান মেনে চলবে অতএব, ধারার প্রথম অংশ থেকে পরবর্তী পদ নির্ণয় করা হলো ধারার দ্বিতীয় অংশ থেকে শেষ পদ বের করা হলো সুতরাং, নির্ণয়ে প্রাপ্ত অক্ষর দুটি হলো T এবং X উত্তর: A) T, X