বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে বিটিভি প্রকৌশলী পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩।

পদের নাম: উপসহকারী প্রকৌশলী (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (68)

a চর্যাগীতিকা
b শূন্যপুরাণ
c শেখ শুভোদয়া
d বৈষ্ণব পদাবলী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চর্যাগীতিকা ১. কেন সঠিক: - চর্যাগীতিকা হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন, যা আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে রচিত হয়েছে। - মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনা ও ধর্মের গূঢ় তত্ত্ব প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত এক ধরণের গান। - ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর 'ওডিবিএল' গ্রন্থে প্রমাণ করেছেন যে চর্যাপদের ভাষা বাংলা ভাষার আদি রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবুজের অভিযান ব্যাখ্যা: এটি বাংলা কবিতার একটি বিখ্যাত সৃষ্টি, যা বাংলা সাহিত্যের ধারাবাহিক বিকাশের পরিচয় দেয়। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ব্যাখ্যা: এটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চর্যাগীতিকা — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন। B) শূন্যপুরাণ — রামাই পণ্ডিত রচিত মধ্যযুগের একটি ধর্মীয় গ্রন্থ, যা চর্যাপদের মতো আদি নিদর্শন নয়। C) শেখ শুভোদয়া — হলায়ুধ মিশ্র রচিত সংস্কৃত ভাষায় রচিত একটি গ্রন্থ, যা বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন নয়। D) বৈষ্ণব পদাবলী — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান ধারা, যা আদি নিদর্শন নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন মনে রাখতে চর শব্দ দিয়ে চর্যাগীতিকা বা চর্যাপদ মনে রাখা যায়। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এটি আবিষ্কার করেছিলেন, এই তথ্যটি পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের আবিষ্কারক, আবিষ্কার সাল এবং এর ভাষা নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। চর্যাপদের পদকর্তা কাহ্নপাদের পদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
a জননী
b ঘরে-বাইরে
c দেয়াল
d সংশপ্তক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দেয়াল ১. কেন সঠিক: - 'দেয়াল' বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ইতিহাসবিদ হুমায়ূন আহমেদের একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে বিশেষ করে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তী রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'দেয়াল' উপন্যাসের রচয়িতা হলেন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ। - এটি তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত শেষ উপন্যাস এবং এতে বাস্তব ইতিহাসের সঙ্গে কাল্পনিক চরিত্রের মিশ্রণে একটি বিশেষ সময়কালকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'আগুনের পরশমণি' ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, যা চলচ্চিত্রেও রূপায়িত হয়েছে। উদাহরণ ২: 'একটি কালাা মেঘ' ব্যাখ্যা: এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের একটি পরিচিত উদাহরণ যা সেকালের ভয়াবহ দিনগুলোর কথা বলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জননী — এটি শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, যা গ্রামীণ জীবনের দুঃখ-কষ্ট নিয়ে লেখা এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। B) ঘরে-বাইরে — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস, যা বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত। D) সংশপ্তক — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা মূলত গ্রামীণ সমাজ ও পাকিস্তান আমলের রাজনৈতিক পটভূমি নিয়ে রচিত হলেও সরাসরি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - হুমায়ূন আহমেদের শেষ উপন্যাস 'দেয়াল' এবং এটি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও পটভূমিকে ধারণ করে লেখা হয়েছে। - ঐতিহাসিক পটভূমি এবং শেষ উপন্যাস হিসেবে এটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ও নাটক থেকে প্রশ্ন আসে। - লেখকের নাম এবং উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ্ + ন
b হ্ + ণ
c ন্ + হ
d ণ্ + হ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হ্ + ণ ১. কেন সঠিক: - 'হ্ম' একটি যুক্তবর্ণ যা বাংলা বর্ণমালার হ এবং ণ বর্ণের মিলনে গঠিত হয়। - এখানে হ বর্ণটি প্রধান ধ্বনি হিসেবে প্রথমে বসে এবং তার নিচে ণ বর্ণটি যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ অংশের এই প্রশ্নে বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের যুক্তরূপ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। - বাংলা ব্যাকরণে দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ একত্রে মিলে যুক্তবর্ণ গঠন করার সময় অনেক সময় তাদের স্বাভাবিক রূপ পরিবর্তিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রহ্ম ব্যাখ্যা: ব্রহ্ম শব্দটিতে হ এবং ণ মিলে হ্ম যুক্তবর্ণটি গঠিত হয়েছে যার উচ্চারণ ভ্রোম এর মতো হয়। উদাহরণ ২: ব্রাহ্মণ ব্যাখ্যা: ব্রাহ্মণ শব্দটিতে হ্ম যুক্তবর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম মেনে চলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ্ + ন — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এতে হ বর্ণটি অনুপস্থিত এবং ন বর্ণের সঙ্গে হ যুক্ত হয়নি। B) হ্ + ণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ হ্ম যুক্তবর্ণটি হ এবং ণ বর্ণের সমন্বয়েই গঠিত হয়। C) ন্ + হ — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে ন প্রথমে এবং হ পরে রয়েছে যা হ্ম এর বিপরীত রূপ। D) ণ্ + হ — এই অপশনটি ভুল কারণ হ্ম যুক্তবর্ণে ণ প্রথমে থাকে না এবং এটি ভুল বিন্যাস। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্রহ্ম বা ব্রাহ্মণ শব্দ দুটি মনে রাখলে হ্ম যুক্তবর্ণে হ এবং ণ যুক্ত থাকে তা সহজে মনে রাখা যায়। - যুক্তবর্ণের ক্ষেত্রে প্রথম বর্ণ কোনটি এবং দ্বিতীয় বর্ণ কোনটি তা লেখার সময় খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জটিল যুক্তবর্ণ ভেঙে কোন কোন বর্ণ গঠিত তা জানতে চাওয়া হয়। - প্রমিত বাংলা বানানে হ্ম এবং হ্ন এর পার্থক্য ভালোভাবে বুঝে উত্তর করতে হবে।
a চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতু উপাখ্যান
b অন্নদামঙ্গল কাব্যের মানসিংহ ভবানন্দ উপাখ্যান
c মনসামঙ্গল
d ধর্মমঙ্গল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতু উপাখ্যান ১. কেন সঠিক: ভানু দত্ত চরিত্রটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য তথা মঙ্গলকাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ধারা চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতু উপাখ্যের একটি গৌণ চরিত্র। মধ্যযুগের কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী রচিত চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আখেটিক খণ্ডে কালকেতু ও ফুল্লরার উপাখ্যানে ভানু দত্তের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চণ্ডীমঙ্গল কাব্যধারার শ্রেষ্ঠ কবি হলেন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী, যিনি কঙ্কণ বা কবিকঙ্কণ উপাধিতে ভূষিত হন। এই কাব্যে দেবীর মহিমা প্রচারের পাশাপাশি তৎকালীন গ্রামীণ সমাজ ও সাধারণ মানুষের বাস্তব জীবনের নিখুঁত চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কালকেতু ও ফুল্লরা ব্যাখ্যা: এরা চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আখেটিক উপাখ্যের কেন্দ্রীয় চরিত্র, যারা দরিদ্র জীবন থেকে দেবীর কৃপায় রাজা হন। উদাহরণ ২: মুরারি শীল ব্যাখ্যা: ইনিও চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতু উপাখ্যের একজন উল্লেখযোগ্য চরিত্র, যিনি কালকেতুর আংটি ভাঙাতে সাহায্য করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতু উপাখ্যান — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভানু দত্ত এই উপাখ্যের সঙ্গেই সরাসরি সম্পৃক্ত। B) অন্নদামঙ্গল কাব্যের মানসিংহ ভবানন্দ উপাখ্যান — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত অন্য ধারার মঙ্গলকাব্য। C) মনসামঙ্গল — এই অপশনটি ভুল কারণ মনসামঙ্গল কাব্যের মূল বিষয়বস্তু দেবী মনসার পূজা ও চম্পক নগরের সওদাগর চাঁদ সওদাগর। D) ধর্মমঙ্গল — এই অপশনটি ভুল কারণ ধর্মমঙ্গল কাব্য প্রধানত লাউসেনের বীরত্বগাথা ও ধর্মঠাকুরের পূচার প্রচার নিয়ে রচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: ভানু দত্ত চরিত্রটি মনে রাখতে মনে রাখুন কালকেতু যখন রাজ্য স্থাপন করেন, তখন তাঁর রাজ্যে বিভিন্ন পেশার মানুষ আসে এবং ভানু দত্তও তাদেরই একজন। মঙ্গলকাব্যের চরিত্র মনে রাখার জন্য কাব্যের মূল উপাখ্যান এবং চরিত্রগুলোর তালিকা আলাদা করে নোট করে নিন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মঙ্গলকাব্যের চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে কালকেতু ও চাঁদ সওদাগরের উপাখ্যের চরিত্রগুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন সমাধানের জন্য মূল পাঠের সংক্ষিপ্তসার বা চরিত্র তালিকা ভালোভাবে অধ্যয়ন করা আবশ্যক।
a কবি জসীম উদ্দীন
b কাজী নজরুল ইসলাম
c কবি চণ্ডীদাস
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কবি চণ্ডীদাস ১. কেন সঠিক: - 'সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই' এই অমর বাণীটি মধ্যযুগের পদাবলি সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি দ্বিজ চণ্ডীদাসের রচনা। - এটি বৈষ্ণব পদাবলির সহজিয়া দর্শন এবং মানবতাবাদী চেতনার এক অনন্য প্রকাশ, যেখানে মানুষের মর্যাদাকে সর্বেসর্বা বলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দ্বিজ চণ্ডীদাস মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের আগের সময়কার কবি এবং বৈষ্ণব পদাবলির আদি কবি হিসেবে পরিচিত। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য বা সহজিয়া ধর্মতত্ত্বে মানবপ্রেম ও মনুষ্যত্বকে ধর্মের চেয়েও উর্ধ্বে স্থান দেওয়া হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চণ্ডীদাসের পদ ব্যাখ্যা: চণ্ডীদাস মূলত রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের পদ রচনা করলেও তার কাব্যে মানবপ্রেমের জয়গান স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাস তুলনা ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি হলেও চণ্ডীদাস খাঁটি বাংলা ভাষায় মানবমনের গভীর বেদনা ও প্রেমের আকুতি প্রকাশ করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবি জসীম উদ্দীন — ইনি আধুনিক যুগের পল্লিকবি; মধ্যযুগের মানবতাবাদী এই উদ্ধৃতির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। B) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি আধুনিক যুগের বিদ্রোহী কবি ও সাম্যের কবি; তাঁর বিখ্যাত কবিতার নাম সাম্যবাদী হলেও এই লাইনটি তাঁর নয়। C) কবি চণ্ডীদাস — এটি সঠিক উত্তর। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি নোবেলজয়ী আধুনিক বিশ্বকবি; এই বিখ্যাত মধ্যযুগীয় পঙক্তির রচয়িতা তিনি নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - মানুষ সত্য কথাটি মনে রাখতে চণ্ডীদাসের সহজিয়া মানবধর্মের কথা মাথায় রাখবে। - মধ্যযুগের মানবতাবাদের প্রতীক হিসেবে চণ্ডীদাস নামটি মনে রাখা সবচেয়ে সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই উদ্ধৃতিটি প্রায়ই আসে এবং এটি মধ্যযুগের মানবতাবাদী চেতনার প্রধান নিদর্শন। - মধ্যযুগের যেকোনো বিখ্যাত পঙক্তি আসলে কবি চণ্ডীদাস বা বিদ্যাপতির নাম ভালোভাবে যাচাই করে উত্তর করতে হবে।
a বাস্তব
b দৃশ্যমান
c দৃষ্টমান
d সদৃশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দৃশ্যমান ১. কেন সঠিক: - অদৃশ্য শব্দের আক্ষরিক অর্থ যা দেখা যায় না এবং এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো দৃশ্যমান যার অর্থ যা দেখা যায়। - শব্দের অর্থগত বিপরীত দিক বিবেচনা করে সঠিক উত্তর নির্ধারণ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রকাশ × গোপন ব্যাখ্যা: প্রকাশ শব্দের অর্থ যা সবার সামনে দৃশ্যমান এবং গোপন শব্দের অর্থ যা আড়ালে রাখা হয়। উদাহরণ ২: স্বর্গ × নরক ব্যাখ্যা: স্বর্গ এবং নরক দুটি পরস্পর বিপরীতার্থক বিশেষ্য পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাস্তব — বাস্তব শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ অবাস্তব বা কাল্পনিক, যা অদৃশ্য শব্দের সঠিক বিপরীত নয়। C) দৃষ্টমান — দৃষ্টমান শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে প্রমিত বা বহুল ব্যবহৃত বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। D) সদৃশ — সদৃশ শব্দের অর্থ মিল থাকা বা সাদৃশ্যপূর্ণ, যা বিপরীতার্থক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অ উপসর্গযুক্ত শব্দের বিপরীত শব্দ গঠন করার সময় মূল শব্দের সঙ্গে মিল রেখে বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচন করতে হয়। - দৃশ্য শব্দের সঙ্গে মান প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দৃশ্যমান শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। - শব্দের অর্থ পরিষ্কার থাকলে বিপরীত শব্দ খুব সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।
a উনিশ
b বিশ
c একুশ
d বাইশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একুশ ১. কেন সঠিক: - খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট একচল্লিশটি এবং এর মধ্যে সংখ্যাবাচক উপসর্গ অন্যতম একটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - একুশ শব্দটি এখানে সংখ্যাবাচক খাঁটি বাংলা উপসর্গ হিসেবে কাজ করেছে যা নির্দিষ্ট মাত্রা প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন বা সম্প্রসারণ ঘটায়। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয় যেমন খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একুশ ব্যাখ্যা: এটি একটি সংখ্যাবাচক শব্দ যা বাংলা উপসর্গের তালিকায় নির্দিষ্ট সংখ্যা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: উনিশ ব্যাখ্যা: এটিও একটি সংখ্যাবাচক শব্দ তবে এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ হিসেবে গণ্য হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উনিশ — এটি একটি সংখ্যা হলেও বাংলা ব্যাকরণের নিয়মানুযায়ী খাঁটি বাংলা উপসর্গের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। B) বিশ — এটি একটি সংখ্যাবাচক শব্দ যা প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে খাঁটি বাংলা উপসর্গ হিসেবে স্বীকৃত নয়। C) একুশ — এটি সঠিক কারণ বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) বাইশ — এটি সংখ্যাবাচক শব্দ হলেও উপসর্গ হিসেবে বাংলা ব্যাকরণে এর কোনো স্বীকৃতি নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - খাঁটি বাংলা উপসর্গগুলো মনে রাখার জন্য নির্দিষ্ট ছন্দ বা কবিতা মুখস্থ করা যেতে পারে। - সংখ্যাবাচক উপসর্গগুলোর ক্ষেত্রে তালিকাটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই খাঁটি বাংলা উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। - উপসর্গ চেনার জন্য শব্দের মূল অংশ এবং তার আগের অব্যয় অংশ আলাদা করে দেখার অভ্যাস করতে হবে।
a বিশেষ্য
b বিশেষণ
c অব্যয়
d সর্বনাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশেষ্য ১. কেন সঠিক: - লাবণ্য শব্দটি একটি গুণের নাম প্রকাশ করে, যা বাক্যে বিশেষ্য পদের কাজ করে। - বাংলায় যে পদ কোনো কিছুর নাম, গুণ বা অবস্থার নাম বোঝায়, তাকে বিশেষ্য পদ বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদ প্রধানত ছয় প্রকার, যার মধ্যে গুণবাচক বিশেষ্য অন্যতম। - লাবণ্য হলো লবঙ্গ বা রূপের মাধুর্য নামক গুণের নাম, যা বিশেষ্য পদ হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মধুরতা একটি মিষ্টি গুণ। ব্যাখ্যা: মধুরতা শব্দের মাধ্যমে একটি গুণের নাম বোঝানো হয়েছে, যা বিশেষ্য পদের উদাহরণ। উদাহরণ ২: সততা মানুষের বড় সম্পদ। ব্যাখ্যা: সততা শব্দটি মানুষের সৎ গুণের নাম প্রকাশ করায় এটি গুণবাচক বিশেষ্য পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ লাবণ্য একটি গুণের নাম। B) বিশেষণ — বিশেষণ পদ কোনো দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে, কিন্তু লাবণ্য নিজে কোনো বিশেষণ নয় এটি গুণের নাম। C) অব্যয় — অব্যয় পদের কোনো পরিবর্তন হয় না এবং এটি পদগুলোকে যুক্ত করে, যা লাবণ্য শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) সর্বনাম — সর্বনাম পদ বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু লাবণ্য কোনো পদের বদলের নাম নয় বরং এটি মূল নাম। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের শেষে তা, ত্ব, য বা ম্য প্রত্যয় যুক্ত থাকলে সাধারণত তা ভাববাচক বা গুণবাচক বিশেষ্য হয়। - রূপ, রস, গন্ধ ও গুণের নাম সবসময় বিশেষ্য পদ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য পদের প্রকারভেদ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ্য পদ চেনার জন্য শব্দের অর্থ এবং বাক্যে তার ব্যবহার লক্ষ করতে হবে।
a উপকারইচ্ছ
b উপকারী
c সাহায্যকারী
d উপচিকীর্ষা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপচিকীর্ষা ১. কেন সঠিক: - 'উপকার করার ইচ্ছা' এক কথায় প্রকাশ করলে হয় 'উপচিকীর্ষা'। এটি সংস্কৃতে তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত একটি শব্দ যা বাংলা ব্যাকরণে এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্যের সংক্ষিপ্তকরণের মাধ্যমে ভাবের উৎকর্ষ সাধনের জন্য এককথায় প্রকাশ ব্যবহার করা হয়। এটি শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করার একটি কার্যকর উপায় এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জয় করার ইচ্ছা = জিগীষা ব্যাখ্যা: কোনো কিছু জয় করার তীব্র বাসনা বা ইচ্ছাকে এক কথায় জিগীষা বলা হয়। উদাহরণ ২: লাভ করার ইচ্ছা = লিপ্সা ব্যাখ্যা: কোনো বস্তু বা কিছু প্রাপ্ত করার প্রবল আকাঙ্ক্ষাকে এক কথায় লিপ্সা বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপকারইচ্ছ — এটি কোনো প্রমিত বাংলা শব্দ নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক গঠন নয়। B) উপকারী — এর অর্থ যে উপকার করে, অর্থাৎ এটি উপকার করার ইচ্ছাকে বোঝায় না। C) সাহায্যকারী — এর অর্থ যে সাহায্য করে, যা উপকার করার ইচ্ছার সমার্থক নয়। D) উপচিকীর্ষা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ উপকার করার ইচ্ছা। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইচ্ছা বোঝাতে শব্দের শেষে সাধারণত আকার ও যুক্তবর্ণের ব্যবহার থাকে যেমন উপচিকীর্ষা ও জিগীষা। মিলযুক্ত শব্দগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষার হলে দ্রুত সঠিক উত্তর চেনা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইচ্ছা সংক্রান্ত এককথায় প্রকাশ যেমন মুমূর্ষু, বিবক্ষু ও বুভুক্ষা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই শব্দগুলোর বানান এবং অর্থ একসাথে ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a গাজী মাজহারুল আনোয়ার
b গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
c নজরুল ইসলাম বাবু
d সত্য সাহা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার ১. কেন সঠিক: 'শোন একটি মুজিবরের কণ্ঠ থেকে' গানটির গীতিকার হলেন বিশিষ্ট গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার। এই গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত হয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের মনে দারুণ উদ্দীপনা জুগিয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার বাংলা আধুনিক গান ও দেশাত্মবোধক গানের জগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। এই বিখ্যাত গানটিতে সুরারোপ করেছিলেন অংশুমান রায় এবং প্রথম কণ্ঠ দিয়েছিলেন বা শিল্পী হিসেবে গেয়েছিলেন অংশুমান রায় নিজেই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'কারার ঐ লোহকপাট' গানটির রচয়িতা কাজী নজরুল ইসলাম। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম বিখ্যাত একটি বিদ্রোহী ও উদ্দীপনামূলক গান। উদাহরণ ২: 'ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা' গানটির রচয়িতা দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রখ্যাত দেশাত্মবোধক বাংলা গান যা মানুষের মনে দেশপ্রেম জাগায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গাজী মাজহারুল আনোয়ার — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত গীতিকার হলেও এই নির্দিষ্ট গানটির গীতিকার নন। B) গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার — এই অপশনটি সঠিক এবং গানটির রচয়িতা হিসেবে পরীক্ষিত সত্য। C) নজরুল ইসলাম বাবু — তিনি 'সব কটা জানালা খুলে দাও না'সহ বহু বিখ্যাত গানের গীতিকার হলেও এই গানটি তাঁর লেখা নয়। D) সত্য সাহা — তিনি একজন খ্যাতনামা সংগীত পরিচালক ও সুরকার, এই গানের গীতিকার নন। ৫. মনে রাখার টিপস: মুজিবরের কণ্ঠের গান শোনানোর জন্য গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার কলম ধরেছিলেন। এভাবে গীতিকার মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গান ও তার গীতিকার বা সুরকার থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই বিখ্যাত গানগুলোর গীতিকার ও সুরকারদের নাম আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
a বনফুল
b বীরবল
c যাযাবর
d নীললোহিত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বীরবল ১. কেন সঠিক: প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম হিসেবে বীরবল নামটি ব্যবহার করতেন। তাঁর প্রকাশিত সাহিত্যিক ছদ্মনামটি বাংলা সাহিত্যে বুদ্ধির মুক্তি ও কৌতুকপূর্ণ গদ্যরীতির প্রতীক হিসেবে পরিচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলতি গদ্যরীতির প্রবর্তক এবং প্রথম সার্থক প্রাবন্ধিক হিসেবে খ্যাত। তিনি ১৯১৪ সালে সবুজপত্র পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন যার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরীর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থের নাম বীরবলের হালখাতা। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিতে সমাজ, সাহিত্য ও জীবনদর্শন নিয়ে তাঁর মননশীল ও শাণিত চিন্তা প্রকাশিত হয়েছে। উদাহরণ ২: তাঁর সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকা বাংলা সাহিত্যকে নতুন রূপ দেয়। ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমে চলিত ভাষারীতি প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তিনি নেতৃত্ব দেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বনফুল — এই ছদ্মনামটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের। C) যাযাবর — এই ছদ্মনামটি প্রখ্যাত লেখক বিনয় ঘোষের সাহিত্যকর্মে ব্যবহৃত হতো। D) নীললোহিত — এই বিখ্যাত ছদ্মনামটি আধুনিক কথাসাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম মনে রাখতে প্রমথ শব্দের প্র এবং বীরবলের বীর যুক্ত করে প্রবীর বা বীর প্রমথ এভাবে মনে রাখা যায়। বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত লেখকদের ছদ্মনামগুলো একটি তালিকায় লিখে প্রতিদিন একবার চোখ বুলিয়ে নিলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। প্রমথ চৌধুরীর পৈতৃক নিবাস সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার হরিপুর গ্রামে এবং তাঁর স্ত্রীর নাম ইন্দিরা দেবী।
a অলুক্ষণে
b আসন্ন বিপদ
c অস্থির
d অকর্মণ্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অস্থির ১. কেন সঠিক: - "পায়ের তলায় সর্ষে" একটি বিখ্যাত বাংলা বাগধারা যার সাধারণ অর্থ হলো ঘোরাঘুরি করার প্রবৃত্তি বা এক জায়গায় স্থির না থাকা। - প্রদত্ত প্রশ্নের ক্ষেত্রে এই বাগধারাটি মানুষের অস্থির স্বভাব এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে ঘুরে বেড়ানোর প্রবণতাকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে থাকে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছেলেটির পায়ে যেন সর্ষে লেগেছে, কোনোভাবেই এক জায়গায় বেশিক্ষণ বসে থাকে না। ব্যাখ্যা: এখানে ছেলেটির চরম অস্থিরতা ও বারবার স্থান পরিবর্তনের স্বভাব বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সারাদিন কাজের ধান্দায় তার পায়ে সর্ষে গুঁজে যেন সে সারা শহর ঘুরে বেড়াচ্ছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ব্যক্তির ক্রমাগত ছোটাছুটি করা এবং স্থির না থাকার বিষয়টি স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অলুক্ষণে — এই শব্দের অর্থ অশুভ বা যা অমঙ্গল ডেকে আনে, যা আলোচ্য বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) আসন্ন বিপদ — এর অর্থ খুব শীঘ্রই ঘটতে পারে এমন কোনো বড় সংকট, যা অস্থিরতার সমার্থক নয়। C) অস্থির — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ এক জায়গায় স্থির না থাকা এবং এটি সর্ষে ছিটানোর মতো ছটফট অবস্থাকে বোঝায়। D) অকর্মণ্য — এর অর্থ কোনো কাজের যোগ্য নয় বা অলস, যা ঘুরে বেড়ানো বা অস্থিরতার সম্পূর্ণ বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - সর্ষে দানা যেমন সবসময় লাফায় বা নড়েচড়ে থাকে, তেমনি মানুষের পা যখন সবসময় নড়ে বা এক জায়গায় টিকে থাকে না, তাকে অস্থির বা পায়ের তলায় সর্ষে বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ঘুরে বেড়ানো বা চঞ্চল স্বভাবের মানুষের জন্য বিভিন্ন বাগধারা যেমন আউলা বা হাতের পাঁচের মতো শব্দ আসে, তাই অর্থ বুঝে মুখস্থ করতে হবে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c জীবনানন্দ দাশ
d জসীমউদ্দীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - "কবিতার কথা" হলো আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত ও চিন্তাশীল প্রবন্ধগ্রন্থ। - এই গ্রন্থে কবি কবিতার রূপ, প্রকৃতি, আধুনিকতা এবং সৃষ্টিপ্রক্রিয়া সম্পর্কে গভীর তাত্ত্বিক ও মননশীল আলোচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ ছিলেন বাংলা সাহিত্যের রূপসী বাংলার কবি এবং আধুনিক কবিতার নির্জনতম স্রষ্টা। - তাঁর প্রবন্ধগুলোতে তাঁর কাব্যদর্শনের অনন্য রূপ প্রকাশ পেয়েছে, যা বাংলা সাহিত্যালোচকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধগ্রন্থ "কবিতা এ কথকতা" ব্যাখ্যা: এটি তাঁর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ গদ্যকর্ম যেখানে কবিতা ও সাহিত্য সম্পর্কে তাঁর নিজস্ব ভাবনা প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধগ্রন্থ "বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি" ব্যাখ্যা: যদিও এটি তাঁর কবিতার লাইন, তবে তাঁর গদ্য ও প্রবন্ধেও বাংলার প্রকৃতি ও ইতিহাস গভীরভাবে এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি নোবেলজয়ী বিশ্বকবি ও ঔপন্যাসিক হলেও "কবিতার কথা" তাঁর প্রবন্ধগ্রন্থ নয়, তাঁর প্রবন্ধের মধ্যে "সাহিত্য" বা "প্রাচীন সাহিত্য" উল্লেখযোগ্য। B) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি ও বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও "কবিতার কথা" তাঁর লেখা কোনো প্রবন্ধগ্রন্থ নয়। D) জসীমউদ্দীন — ইনি পল্লীকবি হিসেবে বিখ্যাত হলেও "কবিতার কথা" তাঁর রচিত কোনো প্রবন্ধগ্রন্থ বা সাহিত্যকর্ম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কবিতার আধুনিক রূপ ও দর্শন নিয়ে গভীর চিন্তা করেছেন রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশ, তাই কবিতার কথা বললেই জীবনানন্দ দাশকে মনে রাখবে। - গদ্যেও তিনি ছিলেন আধুনিক ও চিন্তাশীল, যা তাঁর এই প্রবন্ধগ্রন্থের নাম থেকেই বোঝা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধগ্রন্থগুলোর মধ্যে "কবিতার কথা" এবং "রবীন্দ্রের কবিতা" সর্বাধিক পরীক্ষামুখী প্রশ্ন। - এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে কবির কাব্যগ্রন্থ এবং প্রবন্ধগ্রন্থগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা ভালো।
a আলতাফ মাহমুদ
b আলাউদ্দীন আলী
c সুজেয় শ্যাম
d আব্দুল লতিফ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আব্দুল লতিফ ১. কেন সঠিক: 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' বিখ্যাত গানটির প্রথম সুরকার আব্দুল লতিফ। ১৯৫৩ সালে ভাষা আন্দোলনের রক্তস্নাত স্মরণে আব্দুল হালিম চৌধুরী রচিত এই গানে প্রথম সুরারোপ করেছিলেন তিনি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই গানটি বাংলা ভাষা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ও ঐতিহাসিক একটি সাংস্কৃতিক সৃষ্টি। পরবর্তীকালে আলতাফ মাহমুদ এই গানে নতুন করে সুরারোপ করেন এবং তাঁর সুর করা রূপটিই আজ সর্বাধিক জনপ্রিয় ও প্র্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'ও আমার দেশের মাটি তোমার পরে ঠেকাই মাথা' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি দেশাত্মবোধক গান এবং এর সুরকার স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। উদাহরণ ২: 'নোঙর ফেলেছি দেখা হবে বন্ধু' ব্যাখ্যা: এই আধুনিক বাংলা গানটির গীতিকার ও সুরকার লাকী ইনাম এবং এটি বাংলা গানের ইতিহাসে বেশ জনপ্রিয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলতাফ মাহমুদ — তিনি এই গানটির প্রথম সুরকার নন, বরং তিনি এই গানে পরবর্তীতে অত্যন্ত জনপ্রিয় দ্বিতীয় সুরারোপ করেছিলেন। B) আলাউদ্দীন আলী — তিনি একজন প্রখ্যাত সুরকার হলেও এই ঐতিহাসিক অমর গানের প্রথম সুরকার নন। C) সুজেয় শ্যাম — তিনি বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক যিনি মুক্তিযুদ্ধের বহু গানে সুর দিয়েছেন, তবে এই গানের সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। D) আব্দুল লতিফ — তিনি এই বিখ্যাত গানটির প্রথম সুরকার এবং সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: মনে রাখতে হবে যে প্রথম সুরকার হলেন আব্দুল লতিফ এবং জনপ্রিয় সুরকার হলেন আলতাফ মাহমুদ। পরীক্ষার প্রশ্নে প্রথম সুরকার চাইলে আব্দুল লতিফ দাগাতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই গানটির রচয়িতা হলেন সাংবাদিক ও কলামিস্ট আব্দুল হালিম চৌধুরী এবং প্রথম সুরকার আব্দুল লতিফ। ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক যেকোনো পরীক্ষার জন্য এই তথ্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a সংবাদ প্রভাকর
b সমাচার দর্পণ
c সবুজপত্র
d দিগদর্শন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সমাচার দর্পণ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্রের নাম সমাচার দর্পণ। এটি ১৮১৮ সালের ২৩শে মে শ্রীরামপুর ব্যাপ্টিস্ট মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই সংবাদপত্রের সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান। এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও সংবাদ সংগ্রহের নেপথ্যে ছিলেন উইলিয়াম কেরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিগদর্শন ব্যাখ্যা: এটি সমাচার দর্পণের আগে প্রকাশিত মাসিক পত্রিকা হলেও এটি সংবাদপত্র ছিল না। উদাহরণ ২: সংবাদ প্রভাকর ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় ১৮৩১ সালে প্রকাশিত প্রথম বাংলা দৈনিক সংবাদপত্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংবাদ প্রভাকর - এটি প্রথম বাংলা দৈনিক সংবাদপত্র হলেও প্রথম প্রকাশিত সংবাদপত্র নয়। B) সমাচার দর্পণ - এটি বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র এবং সঠিক উত্তর। C) সবুজপত্র - এটি বাংলা চলিত রীতির প্রবর্তক সাহিত্য পত্রিকা যা বিংশ শতাব্দীতে প্রকাশিত হয়। D) দিগদর্শন - এটি প্রথম প্রকাশিত মাসিক পত্রিকা, যা কোনো সংবাদপত্র ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: পত্রিকা মানেই দর্পণ আয়নার মতো সত্য দেখায়, তাই প্রথম সংবাদপত্র হলো সমাচার দর্পণ। ১৮১৮ সালের ২৩শে মে এটি প্রকাশিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সংবাদপত্র ও সাময়িকী থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। প্রথম সংবাদপত্র এবং প্রথম দৈনিক পত্রিকার পার্থক্য মনে রাখতে হবে।
a আশিস
b আশীষ
c অশীষ
d আশিষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আশিস ১. কেন সঠিক: বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'আশিস' শব্দের শেষে তালব্য শ-এ ই-কার এবং দন্ত্য স ব্যবহৃত হয়। এই শব্দটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ থেকে আগত হলেও প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী এখানে বিসর্গ বর্জন করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দে বিসর্গ ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমি নির্দিষ্ট প্রমিত নিয়ম নির্ধারণ করেছে। অনেক সংস্কৃত শব্দে বিসর্গ থাকলেও প্রমিত বাংলা বানানে অপ্রয়োজনীয় বিসর্গ বর্জন করা হয়, যার ফলে আশীষ শব্দের পরিবর্তে আশিস রূপটি প্রমিত হিসেবে গৃহীত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিষিধ ব্যাখ্যা: প্রমিত বাংলা বানানে নিষিদ্ধ শব্দের পরিবর্তে অনেক ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে পরিবর্তিত রূপ ব্যবহার করা হয় এবং অপ্রয়োজনীয় বিসর্গ বর্জন করা হয়। উদাহরণ ২: মনঃকষ্ট ব্যাখ্যা: কিছু ক্ষেত্রে সন্ধিজাত বা সমাসবদ্ধ পদে বিসর্গ বহাল থাকে, তবে একক শব্দে বিসর্গ বর্জনের প্রবণতা বেশি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আশিস — এটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক এবং নির্ভুল রূপ। B) আশীষ — এই বানানে দীর্ঘ ঈ-কার এবং মূর্ধন্য ষ বা অতিরিক্ত প্রয়োগের কারণে এটি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী বর্জনীয়। C) অশীষ — এই বানানে আদিতে ও-কার এবং ভুল বর্ণ ব্যবহারের কারণে এটি সম্পূর্ণ ভুল। D) আশিষ — এই বানানে তালব্য শ-এর পরিবর্তে দন্ত্য স বা অন্য বর্ণে ভুল থাকার কারণে এটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: আশিস বানান মনে রাখার সহজ উপায় হলো শেষে সবসময় তালব্য শ-এ হ্রস্ব ই-কার এবং সাধারণ স হবে, কোনো বিসর্গ বা দীর্ঘ ঈ-কার হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আশীর্বাদ বানানটি প্রায়ই আসে, যেখানে আশীর্বাদ শব্দে বিসর্গ ও রেফ থাকে, কিন্তু আশিস শব্দে কোনো বিসর্গ থাকে না। এই পার্থক্যটি পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
a প্রশংসা
b নিন্দা
c অনুপযুক্ত
d উপযুক্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপযুক্ত ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে প্রশস্ত শব্দটি কোনো স্থান বা দূরত্বের বিশালতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়নি। - এখানে সময় বা পরিবেশের উপযোগী হওয়া বা অনুকূল হওয়া অর্থ প্রকাশ করার জন্য উপযুক্ত অর্থে প্রশস্ত শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ তার আভিধানিক বা মূল অর্থের বাইরে গিয়ে প্রসঙ্গের ওপর ভিত্তি করে বিশেষ অর্থে প্রযুক্ত হয়। - প্রশস্ত শব্দটির সাধারণ অর্থ চওড়া, বিস্তৃত বা উদার হলেও বাক্যের ভাব ও প্রসঙ্গের কারণে এটি এখানে সুযোগ বা অনুকূল অবস্থা বোঝাতে উপযুক্ত অর্থে বসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজটি করার জন্য এখনই প্রশস্ত সময়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে প্রশস্ত শব্দটি কোনো কাজের অনুকূল বা উপযুক্ত সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: এই বিষয়ে আলোচনার জন্য এটি প্রশস্ত ক্ষেত্র নয়। ব্যাখ্যা: এখানে প্রশস্ত শব্দটি কোনো বিষয়ে আলোচনার জন্য উপযোগী বা মানানসই নয় এমন অর্থ প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রশংসা — প্রশংসা শব্দের অর্থ গুণকীর্তন বা সাধুবাদ জানানো, যা প্রদত্ত বাক্যের ভাব বা প্রসঙ্গের সঙ্গে মেলে না। B) নিন্দা — নিন্দা শব্দের অর্থ সমালোচনা বা মন্দ বলা, যা প্রশস্ত শব্দের এই বিশেষ ব্যবহারের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) অনুপযুক্ত — অনুপযুক্ত অর্থ যা কাজের উপযোগী নয়, কিন্তু প্রশস্ত শব্দটি এখানে অনুকূল বা উপযুক্ত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। D) উপযুক্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটিতে সময়টি অনুকূল বা কাজের উপযোগী নয় এমন অর্থ প্রকাশ করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যে প্রশস্ত শব্দ দেখলে সবসময় চওড়া বা বিশাল অর্থ না ভেবে বাক্যের মূল ভাব বা পরিবেশের অনুকূল অবস্থা বিবেচনা করবে। - স্থান বা দূরত্বের ক্ষেত্রে প্রশস্ত মানে চওড়া আর সময় বা সুযোগের ক্ষেত্রে প্রশস্ত মানে উপযুক্ত বা অনুকূল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বাক্যেরContext বা প্রসঙ্গ সবার আগে বুঝতে হবে। - অনেক সময় পরিচিত শব্দের অপরিচিত ও বিশেষ ব্যবহার থেকে প্রশ্ন করা হয়, তাই সাবধানে অর্থ নির্ধারণ করতে হবে।
a প্রফুল্ল চন্দ্র সেন
b হীরালাল সেন
c দীনেশচন্দ্র সেন
d অমর্ত্য সেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দীনেশচন্দ্র সেন ১. কেন সঠিক: - দীনেশচন্দ্র সেন ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ময়মনসিংহ অঞ্চলের লোকসাহিত্য সংগ্রহ করে 'ময়মনসিংহ গীতিকা' সংকলন ও সম্পাদনা করেন। - এই গ্রন্থটি বাংলা লোকসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন এবং এতে বাংলার গ্রামীণ জীবনের করুণ ও প্রেমমূলক গাথা স্থান পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দীনেশচন্দ্র সেন ছিলেন বিশিষ্ট গবেষক, প্রাবন্ধিক ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকার যিনি লোকসাহিত্য সংরক্ষণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। - ড. দীনেশচন্দ্র সেনের তত্ত্বাবধানে ও সংগ্রহে এই গীতিকাগুলো গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় যা পরবর্তীতে আন্তর্জাতিকভাবেও প্রশংসিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহুয়া পালা ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্ভুক্ত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রেমের পালা যা এই সংকলনের সাহিত্যিক মান বৃদ্ধি করেছে। উদাহরণ ২: মলুয়া পালা ব্যাখ্যা: ময়মনসিংহ গীতিকার আরেকটি বিখ্যাত করুণ পালা যা তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের চিত্র তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রফুল্ল চন্দ্র সেন — ইনি একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, সাহিত্য সংকলনের সঙ্গে যুক্ত নন। B) হীরালাল সেন — ইনি বাংলা তথা ভারতীয় উপমহাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত একজন প্রখ্যাত চিত্রগ্রাহক ও নির্মাতা। D) অমর্ত্য সেন — ইনি একজন নোবেলজয়ী বিশ্ববিখ্যাত অর্থনীতিবিদ, সাহিত্য সংকলনের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: ময়মনসিংহ গীতিকার সঙ্গে দীনেশচন্দ্র সেনের নাম মনে রাখতে মাথায় রাখবে দীনেশচন্দ্র মানেই লোকসাহিত্যের দিকপাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ময়মনসিংহ গীতিকা ইংরেজিতে অনুবাদ করেন ড্রিমার্স ল্যান্ড অব ইস্ট বেঙ্গলের সংগ্রাহক চন্দ্রকুমার দে এবং জেমস ডি কাসিন্স।
a বুদ্ধদেব বসু
b সমর সেন
c জীবনানন্দ দাশ
d নির্মলেন্দু গুণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - 'ধূসর পান্ডুলিপি' আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ। - ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থে কবির রূপসী বাংলা ও নিসর্গপ্রকৃতির পাশাপাশি মানুষের নিঃসঙ্গতা ও বিষণ্নতার সুর ফুটে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ ১৯০৩ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন এবং আধুনিক বাংলা কবিতার রূপকার হিসেবে পরিচিত। - 'ধূসর পান্ডুলিপি' কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের নাগরিক আধুনিকতা ও রোমান্টিক চেতনার এক অনন্য নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রূপসী বাংলা ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বহুল পঠিত একটি কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — ইনি ত্রিশের দশকের অন্যতম প্রধান কবি ও সাহিত্যিক হলেও 'ধূসর পান্ডুলিপি' তাঁর লেখা নয়। B) সমর সেন — ইনি মার্ক্সবাদী চেতনার আধুনিক কবি হলেও এই নির্দিষ্ট কাব্যগ্রন্থটি তাঁর রচিত নয়। C) জীবনানন্দ দাশ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁরই সৃষ্টি। D) নির্মলেন্দু গুণ — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার প্রথিতযশা কবি হলেও তিনি পরবর্তীকালের লেখক, তাই এই কাব্যগ্রন্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - জীবনানন্দ দাশের পান্ডুলিপি সবসময় ধূসর রঙের হয়, এভাবে মনে রাখতে পারো। - ত্রিশের দশকের প্রধান কবিদের মধ্যে জীবনানন্দ দাশের সঙ্গেই 'ধূসর পান্ডুলিপি' নামটি সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম প্রায়ই আসে। - কবি জীবনানন্দ দাশের জন্মমৃত্যু এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগুলোর প্রকাশসাল মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
a অদ্যাবধি তার শারীরিক অবস্থার উন্নত হয়নি।
b আদ্যাবধি তার শারীরিক অবস্থা উন্নত হয়নি।
c অদ্যাবধি তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি।
d অদ্যাবধি তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অদ্যাবধি তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি। ১. কেন সঠিক: - বাক্যটিতে 'অদ্যাবধি' শব্দের অর্থ হলো আজ পর্যন্ত বা এ পর্যন্ত। শারীরিক অবস্থার ক্ষেত্রে 'উন্নত' বিশেষণ রূপ ব্যবহার না করে বিশেষ্য রূপ 'উন্নতি' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। - এই বাক্যে কারক ও বিভক্তির প্রয়োগ এবং পদের মিল সম্পূর্ণ সঠিক রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্যশুদ্ধির নিয়ম অনুযায়ী বাক্যের পদসংগতি রক্ষা করতে হবে। বিশেষ্য পদের সঙ্গে বিশেষ্য এবং বিশেষণের সঙ্গে বিশেষণ পদ সঠিকভাবে মিল করতে হয়। - এখানে 'শারীরিক অবস্থার' পর ক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে 'উন্নতি' বিশেষ্য পদ ব্যবহার করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এ যাবৎ তার কোনো খবর পাওয়া যায়নি। ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রমিত বাক্য যেখানে সময়ের ব্যবধান বোঝাতে সঠিক শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: অদ্যাবধি এই সমস্যার কোনো সমাধান হয়নি। ব্যাখ্যা: এটি অদ্যাবধি শব্দের সঠিক প্রয়োগ সংবলিত একটি বাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অদ্যাবধি তার শারীরিক অবস্থার উন্নত হয়নি। — 'উন্নত' একটি বিশেষণ পদ, এখানে বিশেষ্য পদ 'উন্নতি' বসা উচিত ছিল। B) আদ্যাবধি তার শারীরিক অবস্থা উন্নত হয়নি। — 'আদ্যাবধি' বানানটি ভুল, সঠিক বানান হলো 'অদ্যাবধি'। C) অদ্যাবধি তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি। — এই অপশনটি এবং ডি অপশনটি হুবহু এক হওয়ায় এটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সঠিক উত্তরের বাইরে রয়েছে, তবে ব্যাকরণগত দিক থেকে এই রূপটিও শুদ্ধ। এখানে প্রশ্নে মুদ্রণজনিত কারণে সি ও ডি একই রকম এসেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে সর্বদা বানান এবং পদের রূপ বিশেষ করে বিশেষ্য ও বিশেষণের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখবে। - অদ্যাবধি বানানটি সবসময় অ-দ-য-আ-ব-ধ-ই আকারে লিখবে এবং এর সঙ্গে বিশেষ্য পদ ব্যবহার করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দার্থ এবং বানান সংক্রান্ত বাক্যশুদ্ধি থেকে প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুসরণ করে বাক্য বিশ্লেষণ করার অভ্যাস করতে হবে।
a মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
b সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
c হুমায়ুন আহমেদ
d আবু ইসহাক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ১. কেন সঠিক: - বাংলা উপন্যাস সাহিত্যে 'লালসালু' উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো 'মজিদ', যার রচয়িতা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। - মজিদ চরিত্রটি গ্রামীণ সমাজে ধর্মের অপব্যাখ্যা করে সাধারণ মানুষের সরলতার সুযোগ নেওয়া এক শোষক চরিত্রের প্রতীক। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা উপন্যাসের ধারায় মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতার এক অনন্য রূপকার। - ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত 'লালসালু' উপন্যাসটি বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি হিসেবে স্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'লালসালু' উপন্যাসের অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হলো 'আকেকা'। ব্যাখ্যা: এটি মজিদের প্রথম স্ত্রী, যে তার মিথ্যা মোহের শিকার হয়েও গ্রামীণ জীবনের বাস্তবতা সহ্য করে। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর অপর বিখ্যাত উপন্যাস 'কাঁদো নদী কাঁদো'। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসেও গ্রামীণ জনপদের মনস্তত্ত্ব ও প্রকৃতির রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম প্রধান লেখক হলেও তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি 'পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কুবের ও কপিলা, মজিদ নয়। B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি 'লালসালু' উপন্যাসের মাধ্যমে মজিদ চরিত্রটি সৃষ্টি করেছেন। C) হুমায়ুন আহমেদ — ইনি আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনপ্রিয় লেখক হলেও তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি হিমু বা বাকের ভাই, মজিদ তাঁর সৃষ্টি নয়। D) আবু ইসহাক — ইনি 'সূর্য দীঘল বাড়ি' উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত যার প্রধান চরিত্র জয়গুন, মজিদ এই লেখকের চরিত্র নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ওয়ালীউল্লাহর মজিদ এবং লালসালু খুব বিখ্যাত, তাই মজিদ দেখলেই সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ও লালসালু একসঙ্গে মনে রাখবে। - মজিদ চরিত্রটি ধর্মকে ব্যবসায় পরিণত করার প্রতীক, এটি মনে রাখলে চরিত্রের তাৎপর্য বুঝতে সুবিধা হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই বিখ্যাত উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো মুখস্থ রাখা জরুরি। - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটক 'বহিপীর' এবং ছোটগল্প 'একটি ছোট গল্প' ও বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
a হরতাল
b নিষিদ্ধ লোবান
c প্রলয় শিখা
d অনল প্রবাহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রলয় শিখা ১. কেন সঠিক: - প্রলয় শিখা হলো বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও নিষিদ্ধ কাব্যগ্রন্থ। - ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় তাঁর উগ্র দেশপ্রেমমূলক লেখার কারণে ব্রিটিশ সরকার এই গ্রন্থটি বাজেয়াপ্ত ও নিষিদ্ধ করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি তাঁর ওজস্বী কবিতা ও গানের মাধ্যমে অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। - প্রলয় শিখা কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৩১ সালে এবং সরকারের দমনপীড়নের মুখে এটি দ্রুত নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষের বাঁশী ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: যুগবাণী ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি রাজনৈতিক ও বিদ্রোহী প্রবন্ধ গ্রন্থ যা তৎকালীন সময়ে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হরতাল — এটি কাজী নজরুল ইসলামের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি সোমেন চন্দের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। B) নিষিদ্ধ লোবান — এটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হকের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। D) অনল প্রবাহ — এটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম অগ্নিবর্শী কবি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের নিষিদ্ধ কাব্যগুলো মনে রাখার জন্য প্রলয় শিখা, বিষের বাঁশী ও ভাঙ্গার গান এই তিনটি নাম একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। - পরীক্ষার হলে লেখকের নামের সঙ্গে কাব্যের নাম মেলানোর সময় প্রকাশকাল খেয়াল রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের নিষিদ্ধ গ্রন্থগুলো থেকে বারবার প্রশ্ন আসে। - অন্য কোনো কবির নিষিদ্ধ গ্রন্থ যেমন জসীমের পদ্মাবতী বা কামিনী রায়ের ক্ষেত্রেও একই রকম সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
a দুই
b তিন
c চার
d পাঁচ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তিন ১. কেন সঠিক: একটি সার্থক বাক্যের প্রধান লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্য তিনটি। এই তিনটি গুণ বা বৈশিষ্ট্য না থাকলে কোনো পংক্তি বা শব্দসমষ্টিকে ব্যাকরণের নিয়মে সার্থক বাক্য বলা যায় না। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: একটি সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ বা বৈশিষ্ট্য হলো আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা। আকাঙ্ক্ষা হলো বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা। আসত্তি হলো বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষা করে পদগুলোকে যথাযথভাবে পরপর সাজিয়ে লেখার বা বলার ধারাবাহিকতা। যোগ্যতা হলো বাক্যের পদগুলোর মধ্যে অর্থের মিল ও ভাবগত সংগতি থাকা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যটিতে আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা তিনটি গুণই সম্পূর্ণরূপে বিদ্যমান থাকায় এটি একটি সার্থক বাক্য। উদাহরণ ২: বর্ষায় বৃষ্টি হয়। ব্যাখ্যা: এটি একটি অর্থপূর্ণ ও grammatically সঠিক বাক্য যেখানে বাক্যের তিনটি প্রধান লক্ষণ স্পষ্টভাবে প্রকাশিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুই — বাক্যের প্রধান লক্ষণ দুটি নয়, কারণ ব্যাকরণ অনুযায়ী সার্থক বাক্যের অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য তিনটি। দুটি বৈশিষ্ট্য থাকলে তা কখনো সম্পূর্ণ সার্থক বাক্য হতে পারে না। B) তিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ সার্থক বাক্যের জন্য আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা এই তিনটি গুণ থাকা বাধ্যতামূলক। C) চার — বাক্যের প্রধান লক্ষণ চারটি নয়, কারণ বাংলা ব্যাকরণে বাক্য গঠনের মূল শর্ত বা গুণ তিনটি হিসেবেই স্বীকৃত। D) পাঁচ — বাক্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য বা লক্ষণ পাঁচটি ধরা হয় না, তাই এই সংখ্যাটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যের প্রধান লক্ষণ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তিন অক্ষর বিশিষ্ট শব্দ 'আসাযো' বা আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা মনে রাখা। এভাবে সংক্ষেপে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসত্তি ও যোগ্যতার সংজ্ঞা থেকে প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে শব্দের অর্থগত মিল না থাকাকে যোগ্যতা বলে এবং পদের সুশৃঙ্খল বিন্যাসকে আসত্তি বলে, এটি মনে রাখা জরুরি।
a He told her that it was a cold day.
b He exclaims that it was a cold day.
c He exclaimed that it was a very cold day.
d He exclaims sorrowfully that it was a cold day.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He exclaimed that it was a very frugal day. (প্রদত্ত প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর C) He exclaimed that it was a very cold day.) কেন সঠিক: - রিপোর্টিং ভার্ব said to পরিবর্তন হয়ে exclaimed হয় এবং Exclamatory sentence-এ what যুক্ত থাকলে the very বসে। - Inverted comma উঠে that বসে এবং Direct Speech-এর Present tense পরিবর্তন হয়ে Past tense (was) হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He told her that it was a cold day. — এটি Assertive sentence-এর নিয়ম অনুযায়ী হয়েছে, কিন্তু প্রদত্ত বাক্যটি Exclamatory হওয়ায় told ব্যবহার করা ভুল। B) He exclaims that it was a cold day. — এখানে Reporting verb বর্তমান কালে (exclaims) রাখা হয়েছে এবং Exclamatory বাক্যের নিয়ম অনুযায়ী very বা great ব্যবহার করা হয়নি। C) He exclaimed that it was a very cold day. — এটি সঠিক অপশন কারণ এতে Narration ও Exclamatory sentence-এর সমস্ত নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলা হয়েছে। D) He exclaims sorrowfully that it was a cold day. — বাক্যটিতে দুঃখ প্রকাশ করার মতো কিছু নেই, তাই sorrowfully ব্যবহার করা সম্পূর্ণ অসঙ্গত। মনে রাখার টিপস: Exclamatory sentence-এ what থাকলে Narration করার সময় exclaimed লিখে that বসাতে হয় এবং adjective-এর আগে very যোগ করতে হয়।
a by
b from
c for
d of
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) from কেন সঠিক: - কোনো বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ কারণে যেমন অতিরিক্ত খাওয়া, বিষক্রিয়া বা ক্লান্তিজনিত কারণে মারা যাওয়া বোঝালে ডাই শব্দের পর্রম প্রিপজিশন বসে। - অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে মৃত্যু ঘটেছে বিধায় এখানে সঠিক প্রিপজিশন হবে ফরম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — কোনো দুর্ঘটনায়, আত্মহ্ত্তায় বা সহিংসতার মাধ্যমে মারা যাওয়া বোঝালে ডাই শব্দের পর বাই বসে। B) from — অতিরিক্ত খাওয়া বা অন্য কোনো পরোক্ষ কারণে মারা যাওয়ার ক্ষেত্রে এটি সঠিক প্রিপজিশন। C) for — দেশের জন্য, কোনো মহৎ উদ্দেশ্যে বা কোনো কিছুর অভাবজনিত কারণে মারা যাওয়া বোঝালে ডাই শব্দের পর ফর বসে। D) of — কোনো রোগ, মহামারি বা না খেয়ে মারা যাওয়া বোঝালে ডাই শব্দের পর অফ বসে। মনে রাখার টিপস: অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে মৃত্যু হলে এবং রোগে মৃত্যু হলে অফ হয় এটি মনে রাখলে ভুল হবে না।
a the
b an
c a
d undoubtedly
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an কেন সঠিক: - শূন্যস্থানের পরের শব্দটি হলো honest, যার শুরুতে vowel sound বা স্বরবর্ণের উচ্চারণ রয়েছে। - ইংরেজি উচ্চারণে h অক্ষরটি এখানে অনুচ্চারিত থাকে এবং 'অরনেস্ট' উচ্চারিত হয় বলে an বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the — নির্দিষ্ট করে বোঝাতে the বসে, কিন্তু এখানে ব্যক্তিটি নির্দিষ্ট নয় বরং যেকোনো সৎ মানুষকে বোঝানো হয়েছে। B) an — এটি সঠিক উত্তর কারণ vowel sound এর আগে an বসে। C) a — consonant sound এর আগে a বসে, কিন্তু honest শব্দটির উচ্চারণ স্বরবর্ণ দিয়ে শুরু হয়। D) undoubtedly — এটি একটি adverb, যা এখানে grammatically প্রযোজ্য নয় কারণ noun এর আগে article দরকার। মনে রাখার টিপস: শব্দের শুরুতে h থাকলেও যদি উচ্চারণে 'অ' বা স্বরবর্ণের মতো শোনায়, তবে a না বসিয়ে an বসাতে হয়।
a Modest
b Harsh
c Clever
d Rude
ব্যাখ্যাঃ
বিষয় ও ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ) সঠিক উত্তর যাচাই: প্রদত্ত সঠিক উত্তর D) Rude সঠিক নয়। 'Gentle' শব্দের সবচেয়ে যথাযথ বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'Harsh' (B)। তাই সঠিক উত্তর হবে B) Harsh। সঠিক উত্তর: B) Harsh কেন সঠিক: - 'Gentle' শব্দের অর্থ মৃদু, কোমল বা ভদ্র। - এর সরাসরি বিপরীত শব্দ হলো 'Harsh', যার অর্থ কর্কশ, কঠোর বা অমায়িক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Modest — এটি 'Gentle' শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ বিনীত বা মার্জিত। B) Harsh — এটি সঠিক বিপরীত শব্দ, যার অর্থ কর্কশ বা কঠোর। C) Clever — এর অর্থ চালাক বা চতুর, যা gentle শব্দের বিপরীত নয়। D) Rude — এটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে অভদ্র বোঝায়, তবে শারীরিক বা আচরণগত কঠোরতা বোঝাতে harsh বেশি উপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: Gentle (নরম) এর বিপরীত হলো Harsh (কঠিন বা কর্কশ)।
a Phenomena
b Formulae
c Terminus
d Oases
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Terminus কেন সঠিক: - Terminus শব্দটির শেষে -us রয়েছে, যা একটি ইংরেজি একবচন বা Singular noun এবং এর বহুবচন হলো Termini। - প্রদত্ত প্রশ্নটিতে Singular বা একবচন শব্দ চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে, যার কারণে Terminus সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Phenomena — এটি Phenomenon শব্দের বহুবচন রূপ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) Formulae — এটি Formula শব্দের বহুবচন রূপ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) Terminus — এটি নিজেই একটি একবচন শব্দ এবং এর বহুবচন হলো Termini। D) Oases — এটি Oasis শব্দের বহুবচন রূপ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ব্যাকরণে যেসব শব্দের শেষে -us থাকে, সাধারণত সেগুলোর বহুবচন করতে শেষে -i বা -ae যোগ করা হয়।
a A song let be sang by her.
b A song let be sung by her.
c Let her a song be sung.
d Let a song be sung by her.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Let a song be sung by her. কেন সঠিক: - Imperative sentence-এর Imperative pronoun যুক্ত 'let' যুক্ত Active voice-কে Passive করার নিয়ম হলো প্রথমে Let বসে + Active-এর object বসে + be বসে + মূল Verb-এর Past Participle Form বসে + by বসে + Subject-এর Objective রূপ বসে। - এখানে 'Let her sing a song' বাক্যের object হলো 'a song', মূল verb হলো 'sing' যার Past Participle হলো 'sung' এবং subject 'she'-এর objective রূপ হলো 'her'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A song let be sang by her. — এখানে 'let' শব্দের সঠিক স্থান পরিবর্তন না করায় এবং 'sing' এর ভুল Past Participle 'sang' ব্যবহার করায় এটি ভুল। B) A song let be sung by her. — বাক্যের শুরুতে 'Let' না বসিয়ে 'A song' বসানোয় এটি Imperative sentence-এর নিয়ম অনুযায়ী সঠিক Passive গঠন হয়নি। C) Let her a song be sung. — এখানে Object এবং Pronoun-এর অবস্থান ভুলভাবে বিন্যস্ত করা হয়েছে এবং সঠিক preposition ব্যবহার করা হয়নি। D) Let a song be sung by her. — এটি নিয়মানুযায়ী সঠিক কারণ এতে 'Let' + object + be + verb-এর Past Participle + by + pronoun-এর objective রূপ সঠিক ক্রমে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: Let যুক্ত Imperative sentence-কে Passive করার সময় গঠন মনে রাখবে: Let + Object-কে Subject + be + V৩ + by + Subject-কে Object।
a I love you more than I can say.
b Money is sweeter than honey.
c No other flower is as beautiful as the rose.
d The Padma Bridge is one of the longest bridges in Asia.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The Padma Bridge is one of the longest bridges in Asia. কেন সঠিক: - বাক্যে 'one of the' থাকার পর সুপারলেটিভ ডিগ্রি বসে এবং তার পরের নাউনটি প্লুরাল হয়। - এখানে 'longest' হলো সুপারলেটিভ ডিগ্রি এবং এর পরে প্লুরাল নাউন 'bridges' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I love you more than I can say. — এটি তুলনামূলক বাক্যের একটি সাধারণ রূপ বা পজিটিভ ভাব প্রকাশ করে, যেখানে কোনো সুপারলেটিভ ডিগ্রি নেই। B) Money is sweeter than honey. — এটি একটি কম্পারেটিভ ডিগ্রি যুক্ত বাক্য কারণ এখানে 'sweeter than' ব্যবহার করা হয়েছে। C) No other flower is as beautiful as the rose. — এটি একটি পজিটিভ ডিগ্রি যুক্ত বাক্য কারণ এখানে 'as ... as' কাঠামো রয়েছে। D) The Padma Bridge is one of the longest bridges in Asia. — এটি সঠিক কারণ এতে 'one of the' এর সাথে সুপারলেটিভ ডিগ্রি 'longest' সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'one of the' থাকলে তার পরে সুপারলেটিভ ডিগ্রি এবং প্লুরাল নাউন বসে।
a advercity
b advarciy
c advarcites
d adversity
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) adversity কেন সঠিক: - adversity শব্দটির অর্থ বিপত্তি বা দুর্ভাগ্যের সময়। - বানানটি গঠনের সঠিক নিয়ম অনুযায়ী এর সঠিক বানান a-d-v-e-r-s-i-t-y হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) advercity — শেষের দিকে s-এর পরিবর্তে c ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে। B) advarciy — প্রথম syllable-এ a এবং শেষের দিকে বানান ভুল থাকার কারণে এটি সঠিক নয়। C) advarcites — বানানটির গঠন সম্পূর্ণ ভুল এবং এটি কোনো সঠিক ইংরেজি শব্দ নয়। D) adversity — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ প্রতিকূলতা বা বিপদ। মনে রাখার টিপস: ad-ver-si-ty বানানটি মনে রাখতে ad, ver, si এবং ty এভাবে ভেঙে উচ্চারণ করে মুখস্থ করতে পারো।
a Inform the police of the matter.
b He prevented me from going there.
c Cut the sentence
d Who is to bell the cat?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Cut the sentence কেন সঠিক: - ইংরেজি ভাষা ও ব্যাকরণে কোনো লেখা বা বাক্য মুছে ফেলা বা বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে 'Cut the sentence' ব্যবহার করা হয় না, বরং সঠিক ভাবপ্রকাশের জন্য 'Cross out' বা 'Delete' ব্যবহার করতে হয়। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে এটিই মূলত ভুল ইংরেজি ব্যবহারের কারণে সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Inform the police of the matter. — এটি একটি সঠিক বাক্য এবং অপরাধ বা ঘটনার ক্ষেত্রে পুলিশকে জানানোর সঠিক নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। B) He prevented me from going there. — এখানে prevent এর পর সঠিক প্রিপজিশন from এবং জিরান্ড ব্যবহৃত হওয়ায় বাক্যটি সম্পূর্ণ সঠিক। C) Cut the sentence — এটি ভুল ইংরেজি প্রয়োগ কারণ বাক্য মুছে ফেলার ক্ষেত্রে কাট শব্দটি মানানসই নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। D) Who is to bell the cat? — এটি একটি বহুল প্রচলিত সঠিক প্রবাদ বাক্য যার অর্থ ঝুঁকি নেওয়া। মনে রাখার টিপস: বাক্য কেটে ফেলা বা মুছে ফেলার ক্ষেত্রে Cut ব্যবহার না করে Cross out ব্যবহার করতে হয়।
a Out of the jungle
b Out of the bush
c Free from difficulties
d Out of the way
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Free from difficulties কেন সঠিক: - 'Out of the wood' একটি ইংরেজি ইডিয়ম যার আক্ষরিক অর্থ হলো জঙ্গল বা বিপদসংকুল বন থেকে বের হয়ে আসা। - রূপক অর্থে এটি কোনো জটিল পরিস্থিতি বা বিপদ থেকে পুরোপুরি মুক্ত হওয়াকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Out of the jungle — এটি ইডিয়মের আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি সঠিক রূপক অর্থ নয়। B) Out of the bush — এটি কোনো পরিচিত সঠিক ইডিয়ম নয় এবং এটি আক্ষরিক অর্থে ঝোপঝাড় থেকে বের হওয়া বোঝায়। C) Free from difficulties — এটি প্রদত্ত ইডিয়মের সঠিক ভাবার্থ বা অর্থ নির্দেশ করে। D) Out of the way — এর অর্থ রাস্তা থেকে সরে যাওয়া বা অপ্রাসঙ্গিক, যা এই ইডিয়মের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বনের মধ্যে হিংস্র প্রাণী ও বিপদের ভয় থাকে, তাই বন বা কাঠ (wood) থেকে বেরিয়ে আসা মানেই বিপদ থেকে মুক্ত হওয়া।
a He went to Rangpur last week, didn't he?
b He went to Rangpur last week, don't he?
c He went to Rangpur last week, isn't he?
d He went to Rangpur last week, does not he?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He went to Rangpur last week, didn't he? কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে রয়েছে এবং মূল ভারب 'went' ব্যবহার করা হয়েছে। - মূল বাক্যটি হ্যাভ বা বি ভার্ব ছাড়া Affirmative হওয়ায় এর ট্যাগ কুয়েশ্চন তৈরিতে সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে 'did' এবং সাবজেক্ট অনুযায়ী 'he' ব্যবহার করে 'didn't he' লিখতে হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He went to Rangpur last week, didn't he? — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) He went to Rangpur last week, don't he? — পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে 'don't' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) He went to Rangpur last week, isn't he? — এটি পাস্ট টেন্স হওয়ায় প্রেজেন্ট টেন্সের 'isn't' ব্যবহার করা ভুল। D) He went to Rangpur last week, does not he? — পাস্ট টেন্সের জন্য 'does not' ব্যবহার করা যায় না এবং এর সংক্ষিপ্ত রূপও ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: বাক্যে মূল ভার্ব পাস্ট টেন্সে (V2) থাকলে ট্যাগ কুয়েশ্চন করার সময় সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে সবসময় 'did' অথবা 'didn't' ব্যবহার করতে হয়।
a her
b her own beside
c hers
d herself
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) her কেন সঠিক: - preposition 'next to' এর পরে objective pronoun বসে। - 'she' এর objective রূপ হলো 'her'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) her — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি objective pronoun হিসেবে বসেছে। B) her own beside — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং বাক্য গঠনের নিয়ম মেনে চলে না। C) hers — এটি possessive pronoun, যা preposition এর পরে এই বাক্যের অর্থে বসে না। D) herself — এটি reflexive pronoun, এখানে কর্তার ওপর জোর দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। মনে রাখার টিপস: Preposition এর পরে সবসময় pronoun এর objective রূপ বসে, যেমন with her, next to her।
a The girl was reading the novel since last Saturday.
b The girl have been reading the novel since last Saturday.
c The girl has been reading the novel since last Saturday.
d The girl is reading the novel since last Saturday.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The girl has been reading the novel since last Saturday. কেন সঠিক: - বাক্যে since last Saturday থাকায় এটি Present Perfect Continuous Tense হবে। - Subject singular (The girl) হওয়ায় auxiliary verb হিসেবে has been বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The girl was reading the novel since last Saturday. — Past Continuous Tense হওয়ায় since ব্যবহারের নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়। B) The girl have been reading the novel since last Saturday. — Subject singular (The girl) হওয়ায় এরপর have এর পরিবর্তে has বসে। C) The girl has been reading the novel since last Saturday. — এটি সঠিক উত্তর। D) The girl is reading the novel since last Saturday. — Present Continuous Tense হওয়ায় এটি নির্দিষ্ট সময় থেকে চলা কাজের ক্ষেত্রে ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে since বা for এবং সময়ের উল্লেখ থাকলে Subject এর পর has been বা have been এবং মূল verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
a Good night, how are you?
b Good night, how do you do?
c Good evening, how you are?
d Good evening, how are you?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Good evening, how are you? কেন সঠিক: - সন্ধ্যাবেলায় সাক্ষাতের সময় শুভেচ্ছা হিসেবে গুড ইভনিং বলা হয় এবং এরপর কুশল বিনিময়ের জন্য হাউ আর ইউ ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত উত্তরটি ইংরেজি গ্রিটিংস বা সম্ভাষণের ব্যাকরণ ও সামাজিক শিষ্টাচার সম্পূর্ণভাবে মেনে চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Good night, how are you? — রাতে বিদায় নেওয়ার সময় গুড নাইট বলা হয়, তাই সাক্ষাতের সময় এটি ব্যবহার করা ভুল। B) Good night, how do you do? — গুড নাইট রাতে বিদায়ের সময় ব্যবহৃত হয় এবং প্রথম পরিচয়ে হাউ ডু ইউ ডু বলা হয়, যা এখানে অসংগত। C) Good evening, how you are? — বাক্যটিতে সহায়ক ক্রিয়া সাবজেক্টের পরে বসে ভুল গঠন তৈরি করেছে, এটি সঠিক প্রশ্নবোধক বাক্য নয়। D) Good evening, how are you? — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে ধরা হয়নি। মনে রাখার টিপস: সাক্ষাতের সময় গুড ইভনিং এবং বিদায়ের সময় গুড নাইট বলতে হয়।
a Simple sentence
b Compound sentence
c Complex sentence
d Optative sentence
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Compound sentence কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে দুটি স্বাধীন ক্লজ বা খণ্ডবাক্য রয়েছে যা কোঅর্ডিনেটিং কনজাংশন 'yet' দিয়ে যুক্ত হয়েছে। - সরল বাক্যে একটিমাত্র স্বাধীন ক্লজ থাকে এবং জটিল বাক্যে একটি প্রধান ও এক বা একাধিক অধীন ক্লজ থাকে, কিন্তু এখানে উভয় অংশই সমান গুরুত্ব বহন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Simple sentence — এটি ভুল কারণ সরল বাক্যে মাত্র একটি স্বাধীন ক্লজ থাকে, কিন্তু এই বাক্যে দুটি ভিন্ন ভাব প্রকাশকারী খণ্ডবাক্য রয়েছে। B) Compound sentence — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে দুটি স্বাধীন ক্লজ কোঅর্ডিনেটিং কনজাংশন 'yet' দ্বারা যুক্ত হয়েছে। C) Complex sentence — এটি ভুল কারণ জটিল বাক্যে সাবঅর্ডিনেটিং কনজাংশন বা রিলেটিভ প্রোনাউন থাকে, যা এখানে নেই। D) Optative sentence — এটি ভুল কারণ অপটেটিভ সেন্টেন্স দ্বারা ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ করা হয়, যা এই বাক্যের উদ্দেশ্যের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে and, but, or, yet থাকলে সাধারণত তা Compound sentence হয়।
a You would succeed in the examination.
b You should have succeeded in the examination.
c You could succeed in the examination.
d You would have succeeded in the examination.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) You would have succeeded in the examination. কেন সঠিক: - এটি Third Conditional-এর নিয়ম অনুযায়ী গঠিত, যেখানে অতীতের অবাস্তব শর্ত বোঝানো হয়েছে। - If-clauses অংশে Past Perfect Tense (had + V3) থাকলে অপর অংশে would have / could have / might have + V3 বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) You would succeed in the examination. — এখানে প্রধান Clause-এ would + V1 আছে, যা Second Conditional-এর নিয়ম নির্দেশ করে। B) You should have succeeded in the examination. — এটি নৈতিক বাধ্যবাধকতা বোঝায়, যা Conditional Sentences-এর গঠনগত নিয়মের সাথে মিলে না। C) You could succeed in the examination. — এখানে could-এর পরে V1 আছে, কিন্তু নিয়মানুযায়ী could have-এর সাথে মূল Verb-এর Past Participle ফর্ম হওয়া প্রয়োজন ছিল। D) You would have succeeded in the examination. — এটি সঠিক, কারণ এখানে Past Perfect-এর সাথে would have + V3 গঠন পুরোপুরি সঠিক রয়েছে। মনে রাখার টিপস: If + Past Perfect (had + V3) থাকলে অপর অংশে would have + V3 ব্যবহার করতে হয়।
a Personal pronoun
b Demonstrative pronoun
c Indefinite pronoun
d Distributive pronoun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Distributive pronoun কেন সঠিক: - যে pronoun বা সর্বনাম একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্য থেকে প্রত্যেককে আলাদাভাবে পৃথক করে নির্দেশ করে, তাকে distributive pronoun বলে। - each শব্দটি একটি distributive pronoun কারণ এটি কোনো দলের অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি সদস্যকে পৃথকভাবে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Personal pronoun — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুর নামের পরিবর্তে বসে (যেমন: he, she, they), যা each-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) Demonstrative pronoun — এটি দূরবর্তী বা নিকটবর্তী কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে (যেমন: this, that), যা here each নয়। C) Indefinite pronoun — এটি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে অনির্দিষ্টভাবে বোঝায় (যেমন: someone, anybody), অথচ each নির্দিষ্টভাবে প্রত্যেককে আলাদা করে বোঝায়। D) Distributive pronoun — এটি একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে প্রত্যেককে পৃথকভাবে নির্দেশ করায় এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: বাক্যে each দেখলে মনে রাখবে এটি দল থেকে আলাদা করে প্রত্যেককে এক এক করে বুঝায়, তাই এটি distributive pronoun.
a Malicious
b Malice
c Judicious
d Germane
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Judicious কেন সঠিক: - Sagacious শব্দের বাংলা অর্থ হলো বিচক্ষণ, জ্ঞানী বা দূরদর্শী। - Judicious শব্দের অর্থও বিচক্ষণ বা বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন, যা Sagacious শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Malicious — এর অর্থ বিদ্বেষপূর্ণ বা ক্ষতিকারক, যা বিচক্ষণতার বিপরীত। B) Malice — এটি একটি বিশেষ্য পদ এবং এর অর্থ হলো ক্ষতিকারক ইচ্ছা বা বিদ্বেষ। D) Germane — এর অর্থ প্রাসঙ্গিক বা সংগত, যার সঙ্গে Sagacious শব্দের অর্থের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: Sagacious শব্দের শেষে cious আছে এবং Judicious শব্দের শেষেও cious আছে, এভাবে মিল রেখে সমার্থক শব্দ মনে রাখা সহজ হয়।
a noun
b pronoun
c adverb
d adjective
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) pronoun কেন সঠিক: - 'All' শব্দটি এখানে বাক্যের শুরুতে বসে সাবজেক্ট বা কর্তা হিসেবে কাজ করেছে এবং একটি প্রবাদ বাক্যের অংশ হয়েছে। - এটি কোনো বিশেষ noun-কে নির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্ট না করে নিজেই noun-এর পরিবর্তে প্রধান পদ হিসেবে বসেছে, যা Pronoun-এর কাজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট বস্তুর নাম নয়, বরং নামের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়েছে তাই এটি Noun নয়। B) pronoun — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি এখানে Pronoun-এর ভূমিকা পালন করেছে। C) adverb — এটি কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো adverb-কে বিশেষিত করছে না, তাই এটি Adverb নয়। D) adjective — এটি কোনো noun-এর পূর্বে বসে তার দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না, তাই এটি Adjective নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে 'All that' থাকলে সাধারণত 'All' শব্দটি Pronoun হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a Contemplation
b Contemptable
c Contemptible
d Contempt
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Contemptible কেন সঠিক: - Contempt শব্দটির অর্থ অবজ্ঞা বা ঘৃণা, যার সঠিক Adjective রূপ হলো Contemptible যার অর্থ ঘৃণ্য বা তুচ্ছ। - noun বা verb এর সাথে ible প্রত্যয় যুক্ত করে সাধারণত Adjective গঠন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Contemplation — এটি Contemplate verb এর Noun রূপ, যার অর্থ চিন্তা বা ধ্যান। B) Contemptable — এটি একটি বানানগতভাবে ভুল শব্দ, ইংরেজিতে এই ধরনের কোনো শব্দের প্রচলন নেই। C) Contemptible — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Contempt noun এর Adjective রূপ এবং এর অর্থ ঘৃণ্য। D) Contempt — এটি নিজেই একটি Noun, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক Adjective রূপ নয়। মনে রাখার টিপস: Contempt শব্দের শেষে ible যুক্ত করে Adjective (Contemptible) এবং able এর পরিবর্তে ation যুক্ত করে Noun (Contemplation) করা হয়।
a সিঙ্গাপুর
b তাইওয়ান
c ভিয়েতনামী
d থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) থাইল্যান্ড কেন সঠিক: - বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী উত্তর ভারত মহাসাগরের ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করে প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত দেশগুলো। - সিটরাং নামটি প্রস্তাব করেছিল থাইল্যান্ড এবং এটি তাদের দেওয়া একটি ঐতিহ্যবাহী নাম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিঙ্গাপুর — এই দেশ সিটরাং ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের প্যানেলের সদস্য হলেও এই নির্দিষ্ট নামটি তারা প্রস্তাব করেনি। B) তাইওয়ান — তাইওয়ান বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার ঘূর্ণিঝড় নামকরণ প্যানেলের সদস্য রাষ্ট্র নয়। C) ভিয়েতনামী — ভিয়েতনাম এই ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের জন্য কোনো নাম প্রস্তাব করেনি। D) থাইল্যান্ড — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই দেশটি সিটরাং নামটি প্রস্তাব করেছিল। মনে রাখার টিপস: থাইল্যান্ডের থ দিয়ে শুরু হয় না, কিন্তু থাইল্যান্ডের দেওয়া সিটরাং নামটির সাথে থাই সংস্কৃতির সংযোগ রয়েছে।
a ভ্লাদিমির পুতিন
b নিখাইল গর্বাচেভ
c লিও তলস্তয়
d ব্রেজনেভ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিখাইল গর্বাচেভ কেন সঠিক: - নিখাইল গর্বাচেভ ১৯৯১ সালের ডিসেম্বর মাসে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তির পূর্বে দেশটির সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - তার শাসনামলে গ্লাসনসট ও পেরেস্ত্রোইকা নীতির কারণে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ত্বরান্বিত হয় এবং রাষ্ট্রটি ভেঙে খণ্ড খণ্ড হয়ে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভ্লাদিমির পুতিন — তিনি বর্তমান রাশিয়ান ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তির অনেক পরের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। B) নিখাইল গর্বাচেভ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি অবিভক্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের শেষ প্রেসিডেন্ট ছিলেন। C) লিও তলস্তয় — তিনি রাশিয়ার একজন বিখ্যাত ও বিশ্বখ্যাত ঔপন্যাসিক ও দার্শনিক, কোনো রাজনৈতিক নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন না। D) ব্রেজনেভ — তিনি সোভিয়েত ইউনিয়নের একজন শীর্ষ নেতা ছিলেন, তবে সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট নন এবং গর্বাচেভের অনেক আগে ক্ষমতায় ছিলেন। মনে রাখার টিপস: সোভিয়েত ইউনিয়নের শেষ (শেষ মানে জি দিয়ে শেষ বা গর্বাচেভ) নেতা ছিলেন নিখাইল গর্বাচেভ।
a পোভাটিলেস বাংলাদেশ
b প্রোগ্রেসিভ বাংলাদেশ
c এনলাইটেড বাংলাদেশ
d স্মার্ট বাংলাদেশ
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও আইসিটি সঠিক উত্তর: D) স্মার্ট বাংলাদেশ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রূপকল্প হিসেবে ডিজিটাল বাংলাদেশের পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ করা হয়েছে স্মার্ট বাংলাদেশ। - ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত, জ্ঞানভিত্তিক ও প্রযুক্তি নির্ভর রাষ্ট্রে রূপান্তর করার লক্ষ্যেই এই নতুন রূপকল্প ঘোষণা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পোভাটিলেস বাংলাদেশ — এটি দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ বোঝাতে ব্যবহৃত একটি সাধারণ ইংরেজি শব্দগুচ্ছ, যা সরকারের কোনো নির্দিষ্ট সরকারি রূপকল্পের আনুষ্ঠানিক নাম নয়। B) প্রোগ্রেসিভ বাংলাদেশ — এটি একটি সাধারণ অভিব্যক্তি যার অর্থ প্রগতিশীল বাংলাদেশ, এটি কোনো নীতি বা পরিবর্তিত সরকারি রূপকল্পের নাম নয়। C) এনলাইটেড বাংলাদেশ — এটি আলোকিত বাংলাদেশ বোঝায়, যা দেশের কোনো নির্দিষ্ট উন্নয়ন রূপকল্পের পরিবর্তিত বা দাপ্তরিক নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। D) স্মার্ট বাংলাদেশ — এটি ডিজিটাল বাংলাদেশের সফল বাস্তবায়নের পর পরবর্তী লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারিত আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার সরকারি রূপকল্প। মনে রাখার টিপস: ডিজিটাল যুগের পরবর্তী ধাপ হলো স্মার্ট যুগ, তাই ডিজিটাল বাংলাদেশের পরিবর্তিত ও উন্নত রূপ হলো স্মার্ট বাংলাদেশ।
a 1950
b 1970
c 1947
d 1954
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা প্রদত্ত সঠিক উত্তর যাচাই: প্রদত্ত অপশনে সঠিক উত্তর নেই। প্রশ্নটি ছিয়াত্তরের মন্বন্তর সম্পর্কিত, যা বাংলা ১১৭৬ সনে (ইংরেজী ১৭৭০ সালে) সংঘটিত হয়েছিল। প্রদত্ত অপশনের খ (B) তে ১৭৭০ সাল উল্লেখ থাকলেও মূল প্রশ্নে অপশন দেওয়া ছিল ভিন্ন। তাই সঠিক উত্তর হবে ১৭৭০ সাল। সঠিক উত্তর: B) ১৭৭০ কেন সঠিক: - বাংলার ১১৭৬ সনে এবং ইংরেজী ১৭৭০ সালে ব্রিটিশ আমলে এই ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল। - বাংলা সনের সাথে বঙ্গাব্দ ৭৬ যুক্ত থাকায় এই দুর্ভিক্ষ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫০ — এই সালে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর হয়নি, এটি একটি সাধারণ বছর। B) ১৭৭০ — এটি সঠিক সাল হলেও প্রশ্নের অপশন বিন্যাসে এটি বি তে রয়েছে এবং এটিই বাংলার ১৭৭০ সাল নির্দেশ করে। C) ১৯৪৭ — এই সালে ভারত ও পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভ করে, কোনো মন্বন্তর হয়নি। D) ১৯৫৪ — এই সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। মনে রাখার টিপস: ছিয়াত্তর অর্থ ১১৭৬ বাংলা সন, যার ইংরেজি সাল বের করতে হলে ৫৯৩ বছর যোগ করতে হয়, অর্থাৎ ১৭৭০ সাল।
a পৌষ মাস
b মাঘ মাস
c চৈত্র মাস
d মাঘ মাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চৈত্র মাস কেন সঠিক: - পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব বৈসাবি মূলত বাংলা সনের চৈত্র মাসের শেষ দিন এবং নতুন বর্ষবরণের সময় উদ্‌যাপন করা হয়। - ত্রিপুরাদের বৈসু, মারমাদের সাংগ্রাই এবং চাকমাদের বিজু উৎসবের আদ্যক্ষর নিয়ে বৈসাবি শব্দটি গঠিত হয়েছে যা চৈত্র সংক্রান্তির সময় অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পৌষ মাস — এটি সাধারণ শীতকাল ও পৌষ সংক্রান্তির সময়, যা পাহাড়ি বৈসাবি উৎসবের সময়কাল নয়। B) মাঘ মাস — এটি শীতের মাস এবং পাহাড়ি সম্প্রদায়ের এই প্রধান উৎসবটি এই মাসে পালিত হয় না। D) মাঘ মাস — প্রদত্ত অপশনে মাঘ মাস দুবার রয়েছে এবং এটি চৈত্র মাসের সঙ্গে সম্পর্কিত বৈসাবি উৎসবের সময় নয়। মনে রাখার টিপস: বৈসাবি উৎসব মানেই বাংলা বছরের শেষ মাস অর্থাৎ চৈত্র সংক্রান্তির আনন্দ।
a ডায়োড
b ট্রানজিস্টর
c ট্রান্সফরমার
d অ্যাম্প্লিফায়ার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ট্রান্সফরমার কেন সঠিক: - ট্রান্সফরমার পারস্পরিক আবেশ বা মিউচুয়াল ইনডাকশন নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে। - এতে দুটি কয়েল থাকে যেখানে প্রথম কয়েলের পরিবর্তিত প্রবাহ দ্বিতীয় কয়েলে ভোল্টেজ তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডায়োড — এটি পারস্পরিক আবেশে কাজ করে না, এটি সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস যা একমুখী বিদ্যুৎ প্রবাহ নিশ্চিত করে। B) ট্রানজিস্টর — এটি পারস্পরিক আবেশে কাজ করে না, এটি সিগন্যাল বিবর্ধন বা সুইচিংয়ের কাজে ব্যবহৃত সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস। C) ট্রান্সফরমার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি পারস্পরিক আবেশ নীতির মাধ্যমে এসি ভোল্টেজ কমায় বা বাড়ায়। D) অ্যাম্প্লিফায়ার — এটি পারস্পরিক আবেশে কাজ করে না, এটি ইলেকট্রনিক সিগন্যালের মান বা শক্তি বৃদ্ধি করে। মনে রাখার টিপস: ট্রান্সফরমার মানেই পারস্পরিক আবেশ বা মিউচুয়াল ইনডাকশন, যা বৈদ্যুতিক শক্তি স্থানান্তর করে।
a নদ-নদী
b মহাসাগর
c গাছপালা
d ভূ-পৃষ্ঠ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মহাসাগর কেন সঠিক: - পানির উচ্চ আপেক্ষিক তাপ ধারণক্ষমতা থাকার কারণে মহাসাগর বায়ুমণ্ডলের অতিরিক্ত তাপের ৯০ শতাংশের বেশি শোষণ করে নেয়। - পৃথিবীর প্রায় ৭১ শতাংশ অংশ জুড়ে জলরাশি থাকায় এটি বৈশ্বিক জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে তাপ সিংক হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নদ-নদী — নদ-নদীর পানি প্রবাহমান হলেও আয়তনে অত্যন্ত সীমিত হওয়ায় এরা বৈশ্বিক উষ্ণতার খুব সামান্য অংশই শোষণ করতে পারে। B) মহাসাগর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জলাধার হওয়ায় তাপ শোষণে প্রধান ভূমিকা পালন করে। সি) গাছপালা — গাছপালা সালোকসংশ্লেষণ ও বাষ্পীভবনে সাহায্য করলেও উষ্ণতার সিংহভাগ শোষণে অক্ষম। ডি) ভূ-পৃষ্ঠ — ভূ-পৃষ্ঠ বা স্থলভাগ তাপ শোষণ করলেও এর তাপ ধারণক্ষমতা পানির তুলনায় অনেক কম। মনে রাখার টিপস: পৃথিবীতে পানির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি তাই তাপও সবচেয়ে বেশি শোষণ করে মহাসাগর।
a এক বছর
b দুই বছর
c তিন বছর
d চার বছর
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) দুই বছর কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের উভয় কক্ষের (প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট) নির্বাচনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি চার বছরের প্রেসিডেন্ট মেয়াদের ঠিক মাঝপথে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। - মার্কিন রাষ্ট্রপতির চার বছর মেয়াদী ক্ষমতার দুই বছর পূর্ণ হওয়ার পর এই মধ্যবর্তী বা মিডটার্ম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় বলেই একে মধ্যবর্তী নির্বাচন বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক বছর — যুক্তরাষ্ট্রের কোনো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় নির্বাচনে এক বছর অন্তর ভোট গ্রহণের সাংবিধানিক বিধান নেই। B) দুই বছর — যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের চার বছর মেয়াদের ঠিক মাঝখানে এই নির্বাচন হয় বলে এটি সঠিক উত্তর, যদিও প্রদত্ত উত্তরে ভুলবশত চার বছর বলা হয়েছে। সি) তিন বছর — যুক্তরাষ্ট্রের কোনো স্তরের রাষ্ট্রীয় বা কেন্দ্রীয় নির্বাচনে তিন বছর অন্তর মেয়াদপূর্তির নিয়ম নেই। D) চার বছর — যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদের মেয়াদ চার বছর, যা মধ্যবর্তী নির্বাচনের মেয়াদকাল নয় বরং পুরো রাষ্ট্রপতির কার্যকাল। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের চার বছরের মেয়াদকে দুই দিয়ে ভাগ করলে মাঝের সময়টি অর্থাৎ দুই বছর পাওয়া যায়, যা মধ্যবর্তী নির্বাচনের সময়কাল নির্দেশ করে।
a ২২ মার্চ
b ২৩ মার্চ
c ২২ এপ্রিল
d ২৫ এপ্রিল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২২ মার্চ কেন সঠিক: - জাতিসংঘ ১৯৯৩ সাল থেকে প্রতি বছর ২২ মার্চ তারিখটিকে বিশ্ব পানি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। - নিরাপদ পানির গুরুত্ব তুলে ধরতে এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে এই দিবসটি বিশ্বজুড়ে পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২২ মার্চ — এটি বিশ্ব পানি দিবসের নির্ধারিত সঠিক তারিখ। B) ২৩ মার্চ — এই তারিখে বিশ্ব পানি দিবস পালित হয় না, এটি বিশ্ব আবহাওয়া দিবস। C) ২২ এপ্রিল — এই তারিখে বিশ্ব পানি দিবস পালित হয় না, এটি বিশ্ব ধরিত্রী দিবস। D) ২৫ এপ্রিল — এই তারিখে বিশ্ব পানি দিবস পালित হয় না, এটি বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস। মনে রাখার টিপস: মার্চ মাসের ২২ দিন পানি পানের কথা মনে রাখলে বিশ্ব পানি দিবসের তারিখ সহজে মনে রাখা যায়।
a আব্দুল রাজ্জাক গুরনাহ্
b ড. জাঁ তিরোল
c কাঞ্জও ইশিগুরো
d কৈলাশ সত্যার্থী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ড. জাঁ তিরোল কেন সঠিক: - ফরাসি অর্থনীতিবিদ ও নোবেলজয়ী ড. জাঁ তিরোল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তনে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। - তিনি ২০১৪ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন এবং এই সমাবর্তনে তাঁকে সম্মানসূচক ডি-লিট ডিগ্রি প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আব্দুল রাজ্জাক গুরনাহ্ — তিনি তানজানিিয়ার ঔপন্যাসিক এবং ২০২১ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করলেও এই সমাবর্তনের বক্তা ছিলেন না। B) ড. জাঁ তিরোল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) কাঞ্জও ইশিগুরো — তিনি ২০১৭ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী একজন ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক, যিনি এই সমাবর্তনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। D) কৈলাশ সত্যার্থী — তিনি ভারতের একজন শিশু অধিকার কর্মী এবং ২০১৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, যিনি অন্য সমাবর্তনে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন। মনে রাখার টিপস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তনের বক্তা ছিলেন অর্থনীতিতে নোবেলজয়ী ফরাসি পন্ডিত ড. জাঁ তিরোল।
a রুজভেল্ট
b ভল্টেয়ার
c উইনস্টন চার্চিল
d মার্গারেট থ্যাচার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উইনস্টন চার্চিল কেন সঠিক: - উইনস্টন চার্চিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৪০ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - তার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও যুদ্ধকালীন অসামান্য ভূমিকার জন্য তিনি বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রুজভেল্ট — তিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। B) ভল্টেয়ার — তিনি একজন বিখ্যাত ফরাসি দার্শনিক ও লেখক ছিলেন, কোনো রাজনৈতিক নেতা বা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। C) উইনস্টন চার্চিল — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। D) মার্গারেট থ্যাচার — তিনি যুক্তরাজ্যের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন ১৯৭৯ থেকে ১৯৯০ সালের মধ্যে। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাজ্যের যুদ্ধের (War) সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল, যুদ্ধ এবং চার্চিল শব্দ দুটির শুরুর অক্ষর মিলে যায়।
a ২০৪০ সালে
b ২০৩০ সালে
c ২০৪১ সালে
d ২০৫০ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০৪১ সালে কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ গড়ার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। - এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য দ্বিতীয় রূপকল্প বা প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০১০ থেকে ২০৪১ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০৪০ সালে — এটি বাংলাদেশের উন্নত দেশ হওয়ার নির্ধারিত কোনো পরিকল্পনা বা সরকারি লক্ষ্য নয়। B) ২০৩০ সালে — এটি মূলত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা এসডিজি অর্জনের নির্ধারিত সময়সীমা, উন্নত দেশ হওয়ার লক্ষ্য নয়। C) ২০৪১ সালে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) ২০৫০ সালে — এটি জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ডেল্টা প্ল্যানের সঙ্গে সম্পর্কিত, উন্নত দেশ হওয়ার লক্ষ্য নয়। মনে রাখার টিপস: স্মার্ট বাংলাদেশের স্লোগান এবং উন্নত দেশের লক্ষ্য অর্জনে দুই দশকের ব্যবধানে লক্ষ্য ধরা হয়েছে, যার শেষ সালটি হলো একচল্লিশ।
a ২৬ নভেম্বর ১৯৭২
b ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
c ৪ নভেম্বর ১৯৭২
d ৩ নভেম্বর ১৯৭২
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ৪ নভেম্বর ১৯৭২ কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। - এই দিনটিকে বাংলাদেশের সংবিধান দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ নভেম্বর ১৯৭২ — এই তারিখে সংবিধানের ওপর গণপরিষদের সদস্যদের স্বাক্ষর গ্রহণ করা হয়, সংবিধান গৃহীত হয়নি। B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ — এই দিনে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান কার্যকর করা হয়, যা বিজয়ের প্রথম বার্ষিকীতে সম্পন্ন হয়। C) ৪ নভেম্বর ১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। D) ৩ নভেম্বর ১৯৭২ — এই তারিখে খসড়া সংবিধান গণপরিষদে অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হয়। মনে রাখার টিপস: সংবিধান গ্রহণের তারিখ হলো ৪ নভেম্বর এবং কার্যকরের তারিখ হলো ১৬ ডিসেম্বর।
a দূরবর্তী স্থানে সিগন্যাল পাঠানোর জন্য।
b মেসেজ সিগন্যালে পাওয়ার বাড়ানোর জন্য।
c এন্টিনার দৈর্ঘ্য কমানোর জন্য।
d উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবকয়টি ১. কেন সঠিক: তারবিহীন যোগাযোগ ব্যবস্থায় অডিও বা ভিডিও সিগন্যাল সরাসরি অনেক দূরে পাঠানো সম্ভব নয় কারণ এই সিগন্যালের ফ্রিকোয়েন্সি কম এবং শক্তিও কম। উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির বাহক তরঙ্গের সঙ্গে কম ফ্রিকোয়েন্সির মেসেজ সিগন্যাল যুক্ত করার প্রক্রিয়াই হলো মডুলেশন, যা সিগন্যালকে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে এবং এন্টিনার আকার ছোট রাখতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মডুলেশন হলো কম ফ্রিকোয়েন্সির তথ্য সিগন্যালকে উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির বাহক তরঙ্গের সাথে মিশিয়ে দূরের এন্টিনায় প্রেরণের উপযোগী করার প্রক্রিয়া। কার্যপ্রণালি: এর ফলে মূল মেসেজ সিগন্যালের শক্তি বহুগুণ বৃদ্ধি পায় এবং এটি বায়ুমণ্ডলে বাধাহীনভাবে বহু দূর পর্যন্ত ভ্রমণ করতে পারে। কারণ ও ফলাফল: এন্টিনার আদর্শ দৈর্ঘ্য প্রেরিত তরঙ্গের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের চার ভাগের এক ভাগ হতে হয়, তাই মডুলেশনের মাধ্যমে ফ্রিকোয়েন্সি বাড়িয়ে তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমানো হয় এবং এন্টিনাও ছোট করা সম্ভব হয়। বাস্তব প্রয়োগ: রেডিও, টেলিভিশন এবং মোবাইল ফোনের সিগন্যাল সম্প্রচার ও গ্রহণে এই মডুলেশন প্রযুক্তি অপরিহার্যভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রেডিও স্টেশনের এফএম সম্প্রচার। ব্যাখ্যা: রেডিও জকি যে কথা বলেন তা কম ফ্রিকোয়েন্সির সিগন্যাল, যা মডুলেশনের মাধ্যমে উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সিতে রূপান্তরিত হয়ে আমাদের ঘরের রেডিও রিসিভারে পৌঁছে। উদাহরণ ২: হাতে ধরা ওয়াকিটকি বা মোবাইল ফোন। ব্যাখ্যা: মোবাইল ফোনে আমাদের কণ্ঠস্বর মডুলেটেড হয়ে মহাশূন্যে থাকা স্যাটেলাইট বা কাছাকাছি টাওয়ারে পৌঁছায়, যা পরে অন্য প্রান্তে রিসিভ হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দূরবর্তী স্থানে সিগন্যাল পাঠানোর জন্য। — এটি সঠিক কিন্তু অন্য কারণগুলোও সত্য হওয়ায় এটি একমাত্র পূর্ণাঙ্গ উত্তর নয়। B) মেসেজ সিগন্যালে পাওয়ার বাড়ানোর জন্য। — এটিও সঠিক কারণ মডুলেশন সিগন্যালের শক্তি বা পাওয়ার বৃদ্ধি করে, যা অন্য অপশনের সঙ্গে মিলে উত্তর ডি হয়। C) এন্টিনার দৈর্ঘ্য কমানোর জন্য। — এটিও সত্য কারণ উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির কারণে এন্টিনার আকার ব্যবহার উপযোগী ছোট করা যায়। D) উপরের সবকয়টি — এটি সঠিক কারণ এ, বি এবং সি তিনটি কারণই মডুলেশনের ক্ষেত্রে পুরোপুরি প্রযোজ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: মডুলেশনের প্রধান কাজ তিনটি মনে রাখার শর্টকাট হলো দূর, শক্তি এবং এন্টিনা। অর্থাৎ দূরে পাঠাতে, শক্তি বাড়াতে এবং এন্টিনা ছোট করতে মডুলেশন লাগে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম ফ্রিকোয়েন্সির সিগন্যাল সরাসরি পাঠাতে চাইলে বিশাল আকৃতির এন্টিনা প্রয়োজন হয়, যা বাস্তবে অসম্ভব। এই ধরনের প্রশ্ন থেকে প্রায়ই মডুলেশনের প্রয়োজনীয়তা বা এন্টিনার দৈর্ঘ্যের হিসাব সম্পর্কিত এমসিকিউ পরীক্ষায় আসে।
a ইথেন
b মিথেন
c নাইট্রোজেন
d ক্লোরোপিক্রিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্লোরোপিক্রিন ১. কেন সঠিক: ক্লোরোপিক্রিন একটি শক্তিশালী রাসায়নিক যৌগ যা চোখে তীব্র জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে এবং অশ্রু ঝরায়। এটি যুদ্ধক্ষেত্রে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক জনসমাগম ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: কাঁদানে গ্যাস বা রাইট কন্ট্রোল এজেন্ট এমন একদল রাসায়নিক পদার্থ যা শ্লৈষ্মিক ঝিল্লিকে উদ্দীপ্ত করে। রাসায়নিক গঠন: এর রাসায়নিক সংকেত সি সি এল থ্রি এন ও টু এবং এটি নাইট্রোমিথেনের ক্লোরিনযুক্ত জাতক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুলিশ বাহিনী দলাদলি বা সহিংস জনতা নিয়ন্ত্রণের জন্য কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে থাকে। ব্যাখ্যা: এই গ্যাসটি বাতাসে ছড়ালে মানুষের চোখ ও নাকের সংবেদনশীল কোষে তীব্র অস্বস্তি সৃষ্টি করে। উদাহরণ ২: পরীক্ষাগারে ক্লোরোপিক্রিন তৈরির সময় নাইট্রোমিথেনের সঙ্গে ব্লিচিং পাউডার বা সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইটের বিক্রিয়া ঘটানো হয়। ব্যাখ্যা: এই রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে অত্যন্ত ঝাঁঝালো গন্ধযুক্ত তরল পদার্থ উৎপন্ন হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইথেন — এটি একটি সাধারণ অ্যালকেন শ্রেণির হাইড্রোকার্বন গ্যাস যা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর কোনো কাঁদানে বৈশিষ্ট্য নেই। B) মিথেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান যা জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় এবং এটি বর্ণহীন ও গন্ধহীন গ্যাস। C) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান গ্যাস যা নিষ্ক্রিয় প্রকৃতির এবং জীবদেহের আমিষ গঠনে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। D) ক্লোরোপিক্রিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি চোখে তীব্র জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে এবং কাঁদানে গ্যাস হিসেবে পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: ক্লোরোপিক্রিন নামের শুরুতে ক্লোরো শব্দটি আছে যা ক্লোরিন গ্যাসের উপস্থিতি নির্দেশ করে। চোখে পানি আসার কারণ হলো এই যৌগের পিক্রিন অংশ যা অশ্রুগ্রন্থিকে উদ্দীপিত করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাঁদানে গ্যাসের রাসায়নিক নাম জানতে চাওয়া হয়। ক্লোরোপিক্রিনের পাশাপাশি সি এস গ্যাস এবং সি এন গ্যাসও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাঁদানে গ্যাস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a ডায়োড
b ক্লিপার
c ট্রান্সডিউসার
d অ্যাম্প্লিফায়ার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ট্রান্সডিউসার ১. কেন সঠিক: - ট্রান্সডিউসার এমন একটি ইলেকট্রনিক বা ভৌত ডিভাইস যা এক ধরনের শক্তি বা সিগন্যালকে রূপান্তর করে অন্য ধরনের শক্তি বা সিগন্যালে পরিণত করতে পারে। - এটি সাধারণত ইনপুট শক্তিকে ভিন্ন শক্তির আউটপুটে রূপান্তর করার কাজটি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করে থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: শক্তির রূপান্তর প্রক্রিয়ায় ইনপুট সিগন্যালকে অন্য কোনো উপযোগী সিগন্যালে বা শক্তিতে পরিবর্তিত করার প্রযুক্তিগত যন্ত্র হলো ট্রান্সডিউসার। - কার্যপ্রণালি: এই ডিভাইসটি মূলত শক্তি সংরক্ষণের সূত্র মেনে কাজ করে যেখানে শক্তির ধ্বংস বা সৃষ্টি হয় না কেবল রূপান্তর ঘটে। - বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত সেন্সর, স্পিকার ও মাইক্রোফোনে এই প্রযুক্তির বহুল ব্যবহার দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোফোন ব্যাখ্যা: মাইক্রোফোন মুখের শব্দ তরঙ্গ বা যান্ত্রিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করে। উদাহরণ ২: লাউডস্পিকার ব্যাখ্যা: লাউডস্পিকার বৈদ্যুতিক শক্তি বা সিগন্যালকে পুনরায় শব্দ তরঙ্গ বা যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডায়োড — এটি একটি সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস যা কেবল একমুখী বিদ্যুৎ প্রবাহ নিশ্চিত করে এবং এক শক্তি থেকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করে না। B) ক্লিপার — এটি এমন একটি ওয়েভশেপিং সার্কিট যা এসি সিগন্যালের নির্দিষ্ট অংশ কেটে ফেলে বা সীমিত করে। C) ট্রান্সডিউসার — এটি সঠিক উত্তর যা শক্তি রূপান্তরের কাজটি করে থাকে। D) অ্যাম্প্লিফায়ার — এটি দুর্বল বৈদ্যুতিক সিগন্যালের মান বা প্রশস্ততা বৃদ্ধি করে কিন্তু শক্তির মূল রূপ পরিবর্তন করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ট্রান্স শব্দটির অর্থ পরিবর্তন করা এবং ডিউসার বা ডাক্ট শব্দ থেকে রূপান্তরের ধারণাটি মনে রাখা যায়। - এভাবে মনে রাখবে যে ট্রান্সডিউসার সব সময় এক শক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করতে সাহায্য করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শক্তির রূপান্তরকারী যন্ত্র হিসেবে ট্রান্সডিউসারের ব্যবহার প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - সেন্সর এবং অ্যাকচুয়েটর উভয়ই মূলত বিশেষ ধরনের ট্রান্সডিউসারের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে কাজ করে থাকে।
a ২৪০০ মেগাওয়াট
b ২২০০ মেগাওয়াট
c ২৩০০ মেগাওয়াট
d ২১০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪০০ মেগাওয়াট ১. কেন সঠিক: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দুটি ইউনিট রয়েছে এবং প্রতিটি ইউনিট থেকে ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়। দুটি ইউনিট মিলে এই মেগা প্রকল্পের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৪০০ মেগাওয়াট নির্ধারিত হয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পারমাণবিক শক্তি হলো পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে নিয়ন্ত্রিত উপায়ে নিউক্লীয় বিভাজন বা ফিশন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন তাপশক্তি। কার্যপ্রণালি: ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন আঘাত করলে প্রচুর তাপশক্তি উৎপন্ন হয় যা দিয়ে জল ফুটিয়ে উচ্চচাপের বাষ্প তৈরি করা হয়। বাস্তব প্রয়োগ: এই উচ্চচাপের বাষ্প টারবাইন ঘোরায় এবং টারবাইনের সাথে যুক্ত জেনারেটর যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য এবং নক্ষত্রসমূহ। ব্যাখ্যা: সেখানে ফিউশন প্রক্রিয়ায় প্রচুর শক্তি উৎপাদিত হয় যা রূপপুরের ফিশন প্রক্রিয়ার সাথে শক্তির রূপান্তরের দিক থেকে তুলনামূলক। উদাহরণ ২: রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ব্যাখ্যা: এটি জীবাশ্ম জ্বালানি পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে যা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি জ্বালানি প্রযুক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪০০ মেগাওয়াট — এটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সঠিক এবং অনুমোদিত মোট উৎপাদন ক্ষমতা। B) ২২০০ মেগাওয়াট — এই সংখ্যাটি রূপপুরের মোট ক্ষমতার সাথে মেলে না এবং এটি ভুল তথ্য। C) ২৩০০ মেগাওয়াট — এটিও রূপপুরের নকশা বা নির্ধারিত উৎপাদন ক্ষমতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) ২১০০ মেগাওয়াট — এটি একটি ভুল পরিমাপ যা প্রকল্পের প্রকৃত ক্ষমতার চেয়ে কম। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রতিটি ইউনিটে বারোশো মেগাওয়াট করে দুটি ইউনিট আছে, অর্থাৎ বারোশো গুণ দুই সমান চব্বিশশো মেগাওয়াট। এই সহজ গুণটি মনে রাখলেই পরীক্ষার হলে সঠিক সংখ্যাটি খুব দ্রুত বের করা সম্ভব হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র যা পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত। এই কেন্দ্র নির্মাণে রাশিয়ার প্রযুক্তি এবং আর্থিক সহযোগিতা নেওয়া হয়েছে যা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
a গ্লিসারিন
b সোডিয়াম ক্লোরাইড
c ক্যালসিয়াম কার্বনেট
d ফিটকিরি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্যালসিয়াম কার্বনেট ১. কেন সঠিক: ক্যালসিয়াম কার্বনেট পানিতে দ্রবীভূত হয় না কারণ এর আয়নগুলোর মধ্যকার আকর্ষণ বল জলের অণুগুলোর আকর্ষণ বলের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। পানিতে দ্রবীভূত হওয়ার জন্য পদার্থের অণু বা আয়নগুলোর সঙ্গে জলের অণুগুলোর যে আকর্ষণ প্রয়োজন, তা ক্যালসিয়াম কার্বনেটের ক্ষেত্রে অপর্যাপ্ত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: দ্রবণীয়তা হলো কোনো নির্দিষ্ট দ্রাবকে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো দ্রবের দ্রবীভূত হওয়ার সর্বোচ্চ ক্ষমতা। রাসায়নিক সংকেত: ক্যালসিয়াম কার্বনেটের রাসায়নিক সংকেত হলো CaCO৩ এবং এর আয়নিক জালিকা অত্যন্ত শক্ত প্রকৃতির। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চক বা চুনাপাথর জলে ফেলে দিলে তা পাত্রের তলায় থিতিয়ে পড়ে কিন্তু দ্রবীভূত হয় না। ব্যাখ্যা: এটি ক্যালসিয়াম কার্বনেটের অদ্রবণীয়তার একটি সরাসরি দৃশ্যমান বাস্তব উদাহরণ। উদাহরণ ২: ডিমের খোসা বা মার্বেল পাথরের টুকরো জলে ভিজিয়ে রাখলেও তা জলে গলে যায় না। ব্যাখ্যা: মার্বেল ও ডিমের খোসায় ক্যালসিয়াম কার্বনেট থাকে যা জলে অদ্রবণীয় হওয়ায় কঠিন অবস্থায় অপরাজিত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্লিসারিন — এটি একটি অ্যালকোহলজাতীয় জৈব যৌগ যা জলের সঙ্গে যেকোনো অনুপাতে সহজে মিশে যায়। B) সোডিয়াম ক্লোরিড — এটি সাধারণ লবণ যা জলে খুব দ্রুত দ্রবীভূত হয়ে সোডিয়াম ও ক্লোরাইড আয়নে বিভক্ত হয়। C) ক্যালসিয়াম কার্বনেট — এটি জলে অদ্রবণীয় একটি অজৈব লবণ যা চুন প্রস্তুতিতে বা মার্বেল পাথরে পাওয়া যায়। D) ফিটকিরি — এটি একটি দ্বি-লবণ যা জলে অত্যন্ত দ্রবীভূত হয় এবং জল পরিষ্কার করতে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: জলে দ্রবণীয় পদার্থগুলো সাধারণত পোলার বা আয়নিক প্রকৃতির হয় যেমন লবণ ও চিনি। ক্যালসিয়াম কার্বনেট জাতীয় কঠিন পাথর প্রকৃতির পদার্থ জলে দ্রবীভূত হয় না বলে এটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ক্যালসিয়াম কার্বনেট হলো চুনাপাথর, মার্বেল ও ডিমের খোসার মূল রাসায়নিক উপাদান। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে যেখানে কোনটি জলে দ্রবণীয় বা অদ্রবণীয় তা জানতে চাওয়া হয়।
a প্রক্সিমা সেন্টারাই
b আলফা সেন্টুরি
c আলফা সেন্টাউরি
d ভেগা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রক্সিমা সেন্টারাই ১. কেন সঠিক: সূর্য থেকে সবচেয়ে কম দূরত্বে অবস্থিত নক্ষত্র হলো প্রক্সিমা সেন্টারাই। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় চার দশমিক দুই চার আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত একটি লোহিত বামন নক্ষত্র। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: নক্ষত্র হলো এমন মহাজাগতিক বস্তু যার নিজস্ব আলো ও তাপ রয়েছে এবং যা নিউক্লীয় সংযোজন বিক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন করে। মহাকাশ দূরত্ব: মহাকাশে দূরত্ব পরিমাপের একক হলো আলোকবর্ষ, অর্থাৎ আলো এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য আমাদের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র, যা পৃথিবী থেকে মাত্র আট মিনিট বিশ সেকেন্ড আলো আসার দূরত্বে অবস্থিত। ব্যাখ্যা: সূর্য ছাড়া অন্য কোনো নক্ষত্র এত কাছে নেই বলেই সেগুলো রাতের আকাশে ক্ষুদ্র আলোর বিন্দুর মতো দেখায়। উদাহরণ ২: প্রক্সিমা সেন্টারাই খালি চোখে দেখা যায় না কারণ এটি একটি ক্ষীণ লোহিত বামন নক্ষত্র। ব্যাখ্যা: কম ভর ও কম তাপমাত্রার কারণে এই নক্ষত্রের ঔজ্জ্বল্য খুব কম হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রক্সিমা সেন্টারাই — এটি সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র হিসেবে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত এবং সঠিক উত্তর। B) আলফা সেন্টুরি — এটি একটি ত্রৈত নক্ষত্র ব্যবস্থা যার অংশ প্রক্সিমা সেন্টারাই, তবে একক নক্ষত্র হিসেবে এটি কিছুটা দূরে অবস্থিত। C) আলফা সেন্টাউরি — এটি আলফা সেন্টুরি নক্ষত্র ব্যবস্থারই ইংরেজি নামের ভিন্ন বানান, যা সূর্যের দ্বিতীয় বা তৃতীয় নিকটতম নক্ষত্র হিসেবে গণ্য হয়। D) ভেগা — এটি লীরা তারকামণ্ডলীর একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র যা পৃথিবী থেকে প্রায় পঁচিশ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত এবং অনেক বেশি দূরে। ৫. মনে রাখার টিপস: সূর্যের নিকটতম বন্ধু বা প্রক্সি হলো প্রক্সিমা সেন্টারাই। এভাবে প্রক্সি শব্দ থেকে প্রক্সিমা সেন্টারাই মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আলোকবর্ষ হলো দূরত্বের একক, সময়ের একক নয়—এই প্রশ্নটি বিসিএসে প্রায়ই আসে। নিকটতম গ্যালাক্সি বা ছায়াপথ কোনটি, এই সংক্রান্ত প্রশ্নও এর সাথে মিলিয়ে পড়তে হবে।
a কম্যুটোটর
b ফিল্ড ওয়াইন্ডিং
c আর্মেচার ওয়াইন্ডিং
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কম্যুটোটর ১. কেন সঠিক: - ডিসি মেশিনের ক্ষেত্রে কম্যুটোটর হলো এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রধান কার্যকরী উপাদান। - এটি আর্মেচার কয়েলে উৎপন্ন এসি বিদ্যুৎকে বাহ্যিক সার্কিটের জন্য ডিসি বিদ্যুতে রূপান্তরিত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কম্যুটোটর হলো একটি গোলকধাঁধার মতো স্প্লিট রিং বা বিভক্ত বলয় যা আর্মেচারের সাথে ঘোরে। - কার্যপ্রণালি: এটি যান্ত্রিকভাবে কারেন্টের দিক পরিবর্তন করে জেনারেটরের ক্ষেত্রে এসিকে ডিসি এবং মোটরের ক্ষেত্রে ডিসিকে এসি প্রবাহে রূপান্তর করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডিসি জেনারেটর বা ডায়নামো ব্যাখ্যা: সাইকেলের ডায়নামোয় কম্যুটোটর থাকার কারণে ভেতরের এসি বাইরে এসে একমুখী বা ডিসি প্রবাহে পরিণত হয়। উদাহরণ ২: খেলনার ডিসি মোটর ব্যাখ্যা: এই মোটরে কম্যুটোটরের মাধ্যমে প্রতি অর্ধেকাংশ ঘোরার সময় কারেন্টের দিক উল্টে যায়, ফলে মোটরটি একই দিকে ঘুরতে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কম্যুটোটর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ডিসি মেশিনের মূল কাজ তথা বিদ্যুৎ রূপান্তরে সরাসরি ভূমিকা রাখে। B) ফিল্ড ওয়াইন্ডিং — এটি মেশিনে চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে কিন্তু সরাসরি প্রবাহ রূপান্তর করে না। C) আর্মেচার ওয়াইন্ডিং — এটি এমন এক কয়েল যেখানে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়, তবে কম্যুটোটর ছাড়া তা ডিসিতে রূপান্তরিত হয় না। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশনে রয়েছে, তাই এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডিসি মানে ডিরেক্ট কারেন্ট, আর কম্যুটোটর হলো সেই সুইচ যা কারেন্টের ডিরেকশন বা দিক ঠিক রাখে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্যুটোটর সাধারণত তামা এবং মাইকা দিয়ে তৈরি হয়। - এসি জেনারেটরে স্লিপ রিং এবং ডিসি জেনারেটরে কম্যুটোটর ব্যবহৃত হয়।
a টাংস্টেন
b আয়রন
c কার্বন
d লেড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) টাংস্টেন ১. কেন সঠিক: - বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট তৈরিতে টাংস্টেন ব্যবহার করা হয় কারণ এর গলনাঙ্ক অত্যন্ত উচ্চ। - তড়িৎ প্রবাহের ফলে অতিরিক্ত উত্তপ্ত হয়ে এটি আলো ছড়ায় কিন্তু সহজে গলে যায় না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বৈদ্যুতিক শক্তি প্রথমে তাপশক্তি এবং পরে আলো শক্তিতে রূপান্তরিত হওয়ার প্রক্রিয়া। - কার্যপ্রণালি: ফিলামেন্টের রোধ বেশি হওয়ায় বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে তা প্রচণ্ড উত্তপ্ত হয়ে উজ্জ্বল আলো বিকিরণ করে। - বাস্তব প্রয়োগ: সাধারণ ইনক্যান্ডেসেন্ট বাল্ব বা বৈদ্যুতিক বাতিতে টাংস্টেন তারের কুণ্ডলী ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৈদ্যুতিক হিটার বা ইস্ত্রির কুণ্ডলী। ব্যাখ্যা: এগুলোতে নাইক্রোম তার ব্যবহার করা হয় যা উচ্চ তাপেও পুড়ে যায় না। উদাহরণ ২: টাংস্টেন হ্যালোজেন ল্যাম্প। ব্যাখ্যা: সাধারণ বাল্বের চেয়ে এর কার্যকারিতা বেশি এবং এটি তীব্র আলো দিতে সক্ষম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টাংস্টেন — সঠিক উত্তর কারণ এর গলনাঙ্ক প্রায় ৩,৪২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং রোধ উচ্চ। B) আয়রন — এটি লোহা, যার গলনাঙ্ক টাংস্টেনের চেয়ে কম এবং বাতাসে দ্রুত জারিত হয়। C) কার্বন — প্রাচীন বাল্বে কার্বন ফিলামেন্ট ব্যবহার করা হলেও আধুনিক প্রযুক্তিতে তা অকার্যকর। D) লেড — এটি সিসা, যার গলনাঙ্ক খুব কম এবং এটি ফিলামেন্ট হিসেবে ব্যবহারের অযোগ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাল্বের আলো ছড়ানোর ক্ষমতা নির্ভর করে উচ্চ গলনাঙ্ক সম্পন্ন ধাতুর ওপর, যার প্রতীক ডব্লিউ এবং নাম টাংস্টেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - টাংস্টেনের গলনাঙ্ক কত তা বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - বাল্বের ভেতরে নিষ্ক্রিয় গ্যাস যেমন আর্গন ব্যবহার করা হয় যাতে ফিলামেন্ট জারিত না হয়।
a লিন্যাক্স
b ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম
c এম.এস.ওয়ার্ড
d উইন্ডোজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এম.এস.ওয়ার্ড ১. কেন সঠিক: - এম.এস.ওয়ার্ড একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, যা কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়। - এটি মূলত ডকুমেন্ট তৈরি, সম্পাদনা ও ফরম্যাটিংয়ের কাজে ব্যবহার করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: অপারেটিং সিস্টেম হলো সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি মেমোরি ব্যবস্থাপনা, প্রসেস কন্ট্রোল এবং ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ব্যাখ্যা: এটি একটি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম যা কম্পিউটারের সামগ্রিক কার্যক্রম পরিচালনা করে। উদাহরণ ২: লিন্যাক্স ব্যাখ্যা: এটি একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা সার্ভার ও ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিন্যাক্স — এটি একটি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম — এটি কম্পিউটারের একটি পুরোনো কমান্ড-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম। C) এম.এস.ওয়ার্ড — এটি ওয়ার্ড প্রসেসিং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, তাই এটি অপারেটিং সিস্টেম নয়। D) উইন্ডোজ — এটি মাইক্রোসফটের তৈরি বহুল ব্যবহৃত একটি অপারেটিং সিস্টেম। ৫. মনে রাখার টিপস: - ওয়ার্ড, এক্সেল বা পাওয়ারপয়েন্ট হলো কাজের সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন। - উইন্ডোজ, লিন্যাক্স বা ম্যাক হলো সিস্টেমকে চালিত করার অপারেটিং সিস্টেম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সিস্টেম সফটওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখবে। - এম.এস. অফিস হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার প্যাকেজ।
a SMF
b MMF
c LTE
d 5G
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট, মোবাইল যোগাযোগ প্রযুক্তি ও ব্যাকবোন নেটওয়ার্ক সঠিক উত্তর: A) SMF ১. কেন সঠিক: - ব্যাকবোন নেটওয়ার্ক হলো একটি উচ্চগতির ডেটা রুট বা магистраль যা বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে। - SMF (Single-Mode Fiber) হলো একধরনের ফাইবার অপটিক ক্যাবল যার কোর বা কেন্দ্র অত্যন্ত চিকন হয় এবং এটি ডেটাকে অনেক দূর পর্যন্ত লস বা ডেটা লস ছাড়া অতি দ্রুত প্রেরণ করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: SMF-এর পূর্ণরূপ হলো Single-Mode Fiber, যার বাংলা অর্থ একক মোড ফাইবার। এটি এমন একটি ফাইবার অপটিক ক্যাবল যাতে আলোর একটিমাত্র রশ্মি বা মোড চলাচল করতে পারে। - কার্যপদ্ধতি: এই ক্যাবলের কোর খুব চিকন হওয়ায় (প্রায় ৮ থেকে ১০ মাইক্রন) আলো কোনো ধরনের বিক্ষেপণ ছাড়াই সরাসরি সোজা পথে অনেক দূর অগ্রসর হয়। - বৈশিষ্ট্য: এর ব্যান্ডউইথ অনেক বেশি, দীর্ঘ দূরত্বে ডেটা প্রেরণে সিগন্যাল দুর্বল হয় না এবং এতে ডেটা ট্রান্সমিশনের গতি অত্যন্ত দ্রুত হয়। - ব্যবহার: সাবমেরিন কেবল, দেশজুড়ে ইন্টারনেট ব্যাকবোন এবং টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্কে প্রচুর পরিমাণে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম সাবমেরিন ক্যাবল সংযোগ ব্যাখ্যা: দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে বা আন্তর্জাতিক ডেটা যোগাযোগের জন্য এই বিশাল দূরত্বে সিগন্যাল অক্ষুণ্ণ রাখতে এসএমএফ ক্যাবল ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: মোবাইল অপারেটরদের টাওয়ারের মধ্যকার ব্যাকহউল যোগাযোগ ব্যাখ্যা: বিভিন্ন মোবাইল টাওয়ার থেকে মূল সার্ভারে উচ্চগতির ডেটা আদান-প্রদানের জন্য এসএমএফ ক্যাবলের মাধ্যমে ব্যাকবোন তৈরি করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) SMF — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দীর্ঘ দূরত্বের ব্যাকবোন যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। B) MMF — এটি Multi-Mode Fiber, যা কম দূরত্বের জন্য যেমন লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা বিল্ডিংয়ের ভেতরে ব্যবহারের উপযোগী, ব্যাকবোনের জন্য এটি কম উপযুক্ত। C) LTE — এটি Long Term Evolution যা একটি চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি, ব্যাকবোন ফাইবার যোগাযোগ ব্যবস্থা নয়। D) 5G — এটি পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি, যা তারহীন যোগাযোগের মাধ্যম এবং প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি প্রযুক্তিগতভাবে ভুল হওয়ায় এটি ব্যাকবোন ফাইবার ক্যাবলের সমতুল্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - SMF-এর S দিয়ে Single মনে রাখবে, যা লম্বা দূরত্বে সিঙ্গেল লাইনে ডেটা পাঠায় এবং ব্যাকবোনের মতো দীর্ঘ পথে ব্যবহৃত হয়। - M দিয়ে Multi মনে রাখবে, যা ঘরের ভেতরে বা ছোট পরিসরে ডেটা ছড়ায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ফাইবার অপটিক ক্যাবলে ডেটা স্থানান্তরের মূল ভিত্তি হলো পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন। - দীর্ঘ দূরত্বের ব্যাকবোন নেটওয়ার্কে সবসময় সিঙ্গেল মোড ফাইবার অপটিক ক্যাবল প্রাধান্য পায়।
a ক্যাশ মেমোরি
b মেইন মেমোরি
c ভার্চুয়াল মেমোরি
d চৌম্বক মেমোরি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক্যাশ মেমোরি ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার স্থাপত্যে মেমোরি হায়ারার্কি বা স্তরবিন্যাসে ক্যাশ মেমোরি প্রসেসরের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থান করে। প্রসেসর যে ডেটা বা নির্দেশ নিয়ে কাজ করে, তা দ্রুত সরবরাহের জন্য এটি ব্যবহার করা হয় বিধায় এর গতি সবচেয়ে বেশি। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ক্যাশ মেমোরি হলো কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট বা সিপিইউ-র অভ্যন্তরীণ অতি দ্রুতগতির একটি ক্ষণস্থায়ী স্মৃতিভাণ্ডার। কার্যপদ্ধতি: সিপিইউ কোনো কাজের ডেটা চাইলে প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে, না পেলে মেইন মেমোরি থেকে তা ক্যাশ মেমোরিতে এনে তারপর প্রসেস করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রান্নার সময় মসলার কৌটা হাতের কাছে রাখা। ব্যাখ্যা: ক্যাশ মেমোরি হলো রান্নার সময় হাতের কাছে রাখা মসলার কৌটার মতো, যা রান্নার কাজ দ্রুত করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: কম্পিউটারে ভারী গেম খেলার সময় ফ্রেম রেট ঠিক রাখা। ব্যাখ্যা: গেমের প্রয়োজনীয় ডেটা ক্যাশ মেমোরিতে দ্রুত জমা থাকে বলে গেমের গতিশীলতা বজায় থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যাশ মেমোরি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সিলিকন চিপ দিয়ে তৈরি এবং প্রসেসরের স্পিডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করতে পারে। B) মেইন মেমোরি — এটি র্যাম নামে পরিচিত এবং ক্যাশ মেমোরির তুলনায় এর গতি বেশ কম। C) ভার্চুয়াল মেমোরি — এটি হার্ডডিস্কের কিছু অংশ নিয়ে তৈরি হয় এবং গতির দিক থেকে এটি সবচেয়ে ধীরগতির মেমোরি। D) চৌম্বক মেমোরি — হার্ডডিস্ক ড্রাইভ বা ম্যাগনেটিক টেপ মেমোরি যান্ত্রিক গতির কারণে ইলেকট্রনিক মেমোরির চেয়ে অনেক ধীরগতির হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মেমোরির গতি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সিপিইউ-র যত কাছে থাকবে মেমোরি, তার স্পিড তত বেশি হবে। ক্যাশ মেমোরি সিপিইউ-র সবচেয়ে কাছে থাকে তাই এটি সবচেয়ে দ্রুতগতির হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের মেমোরি হায়ারার্কিতে গতি ও আকারের বিপরীত সম্পর্ক বিদ্যমান, অর্থাৎ গতি বাড়লে আকার কমে যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন মেমোরি প্রসেসরের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থান করে।
a GEO
b LEO
c MEO
d HEO
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) LEO ১. কেন সঠিক: - LEO স্যাটেলাইটে কম পাওয়ার প্রয়োজন হয় কারণ এটি পৃথিবীর খুব কাছাকাছি কক্ষপথে অবস্থান করে। - ভূ-পৃষ্ঠের কাছাকাছি থাকার কারণে সিগন্যাল প্রেরণে কম শক্তি বা ক্ষমতার প্রয়োজন হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: LEO-র পূর্ণরূপ Low Earth Orbit। এটি ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার থেকে দুই হাজার কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করে। - কার্যপদ্ধতি: এই স্যাটেলাইটগুলো খুব দ্রুত গতিতে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে এবং সরাসরি ডিভাইস বা স্টেশনে ডেটা আদান-প্রদান করে। - বৈশিষ্ট্য: এর সিগন্যাল প্রোপাগেশন ডিলে বা ল্যাটেন্সি খুবই কম হয়, যা রিয়েল-টাইম যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। - ব্যবহার: আধুনিক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা যেমন স্টারলিংক এবং রিমোট সেন্সিং বা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্টারলিংক ইন্টারনেট সেবা ব্যাখ্যা: এটি এলইও স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবহারকারীদের কাছে কম লেটেন্সিতে দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পৌঁছে দেয়। উদাহরণ ২: আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ স্যাটেলাইট ব্যাখ্যা: পৃথিবীর খুব কাছাকাছি থেকে ছবি তোলার কারণে এই স্যাটেলাইটগুলো অত্যন্ত নিখুঁত এবং পরিষ্কার ডেটা সংগ্রহ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) GEO — জিওস্টেশনারি স্যাটেলাইট পৃথিবী থেকে অনেক দূরে প্রায় ছত্রিশ হাজার কিলোমিটার উঁচুতে থাকে বলে সিগন্যাল পাঠাতে অনেক বেশি পাওয়ার বা শক্তির প্রয়োজন হয়। B) LEO — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি পৃথিবীর কাছাকাছি থাকায় সিগন্যাল পৌঁছাতে কম শক্তির প্রয়োজন হয়। C) MEO — মিডিয়াম আর্থ অরবিট স্যাটেলাইট জিও থেকে কাছে হলেও এলইও-র চেয়ে দূরে থাকে, তাই এতে এলইও-র তুলনায় বেশি পাওয়ার প্রয়োজন হয়। D) HEO — হাইলি ইলিপ্টিক্যাল অরবিট স্যাটেলাইট অত্যন্ত দীর্ঘ ও উৎকেন্দ্রিক কক্ষপথে ঘোরে, ফলে এর দূরত্বের তারতম্যের কারণে উচ্চ ক্ষমতার প্রয়োজন হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - দূরত্ব যত কম, পাওয়ার বা শক্তির প্রয়োজন তত কম। - এলইও মানে লো বা নিচে, তাই এর জন্য সবচেয়ে কম পাওয়ার লাগে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - লেটেন্সি বা সিগন্যাল পেমেন্ট সবচেয়ে কম হয় এলইও স্যাটেলাইটে। - জিপিএস বা গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেমে সাধারণত এমইও স্যাটেলাইট ব্যবহার করা হয়।

মোট প্রশ্ন (23)

a বিশেষ্য
b বিশেষণ
c অব্যয়
d সর্বনাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশেষ্য ১. কেন সঠিক: - লাবণ্য শব্দটি একটি গুণের নাম প্রকাশ করে, যা বাক্যে বিশেষ্য পদের কাজ করে। - বাংলায় যে পদ কোনো কিছুর নাম, গুণ বা অবস্থার নাম বোঝায়, তাকে বিশেষ্য পদ বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদ প্রধানত ছয় প্রকার, যার মধ্যে গুণবাচক বিশেষ্য অন্যতম। - লাবণ্য হলো লবঙ্গ বা রূপের মাধুর্য নামক গুণের নাম, যা বিশেষ্য পদ হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মধুরতা একটি মিষ্টি গুণ। ব্যাখ্যা: মধুরতা শব্দের মাধ্যমে একটি গুণের নাম বোঝানো হয়েছে, যা বিশেষ্য পদের উদাহরণ। উদাহরণ ২: সততা মানুষের বড় সম্পদ। ব্যাখ্যা: সততা শব্দটি মানুষের সৎ গুণের নাম প্রকাশ করায় এটি গুণবাচক বিশেষ্য পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ লাবণ্য একটি গুণের নাম। B) বিশেষণ — বিশেষণ পদ কোনো দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে, কিন্তু লাবণ্য নিজে কোনো বিশেষণ নয় এটি গুণের নাম। C) অব্যয় — অব্যয় পদের কোনো পরিবর্তন হয় না এবং এটি পদগুলোকে যুক্ত করে, যা লাবণ্য শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) সর্বনাম — সর্বনাম পদ বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু লাবণ্য কোনো পদের বদলের নাম নয় বরং এটি মূল নাম। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের শেষে তা, ত্ব, য বা ম্য প্রত্যয় যুক্ত থাকলে সাধারণত তা ভাববাচক বা গুণবাচক বিশেষ্য হয়। - রূপ, রস, গন্ধ ও গুণের নাম সবসময় বিশেষ্য পদ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য পদের প্রকারভেদ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ্য পদ চেনার জন্য শব্দের অর্থ এবং বাক্যে তার ব্যবহার লক্ষ করতে হবে।
a ্ + ন
b হ্ + ণ
c ন্ + হ
d ণ্ + হ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হ্ + ণ ১. কেন সঠিক: - 'হ্ম' একটি যুক্তবর্ণ যা বাংলা বর্ণমালার হ এবং ণ বর্ণের মিলনে গঠিত হয়। - এখানে হ বর্ণটি প্রধান ধ্বনি হিসেবে প্রথমে বসে এবং তার নিচে ণ বর্ণটি যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ অংশের এই প্রশ্নে বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের যুক্তরূপ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। - বাংলা ব্যাকরণে দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ একত্রে মিলে যুক্তবর্ণ গঠন করার সময় অনেক সময় তাদের স্বাভাবিক রূপ পরিবর্তিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রহ্ম ব্যাখ্যা: ব্রহ্ম শব্দটিতে হ এবং ণ মিলে হ্ম যুক্তবর্ণটি গঠিত হয়েছে যার উচ্চারণ ভ্রোম এর মতো হয়। উদাহরণ ২: ব্রাহ্মণ ব্যাখ্যা: ব্রাহ্মণ শব্দটিতে হ্ম যুক্তবর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম মেনে চলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ্ + ন — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এতে হ বর্ণটি অনুপস্থিত এবং ন বর্ণের সঙ্গে হ যুক্ত হয়নি। B) হ্ + ণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ হ্ম যুক্তবর্ণটি হ এবং ণ বর্ণের সমন্বয়েই গঠিত হয়। C) ন্ + হ — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে ন প্রথমে এবং হ পরে রয়েছে যা হ্ম এর বিপরীত রূপ। D) ণ্ + হ — এই অপশনটি ভুল কারণ হ্ম যুক্তবর্ণে ণ প্রথমে থাকে না এবং এটি ভুল বিন্যাস। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্রহ্ম বা ব্রাহ্মণ শব্দ দুটি মনে রাখলে হ্ম যুক্তবর্ণে হ এবং ণ যুক্ত থাকে তা সহজে মনে রাখা যায়। - যুক্তবর্ণের ক্ষেত্রে প্রথম বর্ণ কোনটি এবং দ্বিতীয় বর্ণ কোনটি তা লেখার সময় খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জটিল যুক্তবর্ণ ভেঙে কোন কোন বর্ণ গঠিত তা জানতে চাওয়া হয়। - প্রমিত বাংলা বানানে হ্ম এবং হ্ন এর পার্থক্য ভালোভাবে বুঝে উত্তর করতে হবে।
a অলুক্ষণে
b আসন্ন বিপদ
c অস্থির
d অকর্মণ্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অস্থির ১. কেন সঠিক: - "পায়ের তলায় সর্ষে" একটি বিখ্যাত বাংলা বাগধারা যার সাধারণ অর্থ হলো ঘোরাঘুরি করার প্রবৃত্তি বা এক জায়গায় স্থির না থাকা। - প্রদত্ত প্রশ্নের ক্ষেত্রে এই বাগধারাটি মানুষের অস্থির স্বভাব এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে ঘুরে বেড়ানোর প্রবণতাকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে থাকে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছেলেটির পায়ে যেন সর্ষে লেগেছে, কোনোভাবেই এক জায়গায় বেশিক্ষণ বসে থাকে না। ব্যাখ্যা: এখানে ছেলেটির চরম অস্থিরতা ও বারবার স্থান পরিবর্তনের স্বভাব বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সারাদিন কাজের ধান্দায় তার পায়ে সর্ষে গুঁজে যেন সে সারা শহর ঘুরে বেড়াচ্ছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ব্যক্তির ক্রমাগত ছোটাছুটি করা এবং স্থির না থাকার বিষয়টি স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অলুক্ষণে — এই শব্দের অর্থ অশুভ বা যা অমঙ্গল ডেকে আনে, যা আলোচ্য বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) আসন্ন বিপদ — এর অর্থ খুব শীঘ্রই ঘটতে পারে এমন কোনো বড় সংকট, যা অস্থিরতার সমার্থক নয়। C) অস্থির — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ এক জায়গায় স্থির না থাকা এবং এটি সর্ষে ছিটানোর মতো ছটফট অবস্থাকে বোঝায়। D) অকর্মণ্য — এর অর্থ কোনো কাজের যোগ্য নয় বা অলস, যা ঘুরে বেড়ানো বা অস্থিরতার সম্পূর্ণ বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - সর্ষে দানা যেমন সবসময় লাফায় বা নড়েচড়ে থাকে, তেমনি মানুষের পা যখন সবসময় নড়ে বা এক জায়গায় টিকে থাকে না, তাকে অস্থির বা পায়ের তলায় সর্ষে বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ঘুরে বেড়ানো বা চঞ্চল স্বভাবের মানুষের জন্য বিভিন্ন বাগধারা যেমন আউলা বা হাতের পাঁচের মতো শব্দ আসে, তাই অর্থ বুঝে মুখস্থ করতে হবে।
a হরতাল
b নিষিদ্ধ লোবান
c প্রলয় শিখা
d অনল প্রবাহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রলয় শিখা ১. কেন সঠিক: - প্রলয় শিখা হলো বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও নিষিদ্ধ কাব্যগ্রন্থ। - ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় তাঁর উগ্র দেশপ্রেমমূলক লেখার কারণে ব্রিটিশ সরকার এই গ্রন্থটি বাজেয়াপ্ত ও নিষিদ্ধ করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি তাঁর ওজস্বী কবিতা ও গানের মাধ্যমে অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। - প্রলয় শিখা কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৩১ সালে এবং সরকারের দমনপীড়নের মুখে এটি দ্রুত নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষের বাঁশী ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: যুগবাণী ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি রাজনৈতিক ও বিদ্রোহী প্রবন্ধ গ্রন্থ যা তৎকালীন সময়ে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হরতাল — এটি কাজী নজরুল ইসলামের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি সোমেন চন্দের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। B) নিষিদ্ধ লোবান — এটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হকের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। D) অনল প্রবাহ — এটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম অগ্নিবর্শী কবি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের নিষিদ্ধ কাব্যগুলো মনে রাখার জন্য প্রলয় শিখা, বিষের বাঁশী ও ভাঙ্গার গান এই তিনটি নাম একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। - পরীক্ষার হলে লেখকের নামের সঙ্গে কাব্যের নাম মেলানোর সময় প্রকাশকাল খেয়াল রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের নিষিদ্ধ গ্রন্থগুলো থেকে বারবার প্রশ্ন আসে। - অন্য কোনো কবির নিষিদ্ধ গ্রন্থ যেমন জসীমের পদ্মাবতী বা কামিনী রায়ের ক্ষেত্রেও একই রকম সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
a মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
b সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
c হুমায়ুন আহমেদ
d আবু ইসহাক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ১. কেন সঠিক: - বাংলা উপন্যাস সাহিত্যে 'লালসালু' উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো 'মজিদ', যার রচয়িতা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। - মজিদ চরিত্রটি গ্রামীণ সমাজে ধর্মের অপব্যাখ্যা করে সাধারণ মানুষের সরলতার সুযোগ নেওয়া এক শোষক চরিত্রের প্রতীক। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা উপন্যাসের ধারায় মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতার এক অনন্য রূপকার। - ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত 'লালসালু' উপন্যাসটি বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি হিসেবে স্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'লালসালু' উপন্যাসের অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হলো 'আকেকা'। ব্যাখ্যা: এটি মজিদের প্রথম স্ত্রী, যে তার মিথ্যা মোহের শিকার হয়েও গ্রামীণ জীবনের বাস্তবতা সহ্য করে। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর অপর বিখ্যাত উপন্যাস 'কাঁদো নদী কাঁদো'। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসেও গ্রামীণ জনপদের মনস্তত্ত্ব ও প্রকৃতির রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম প্রধান লেখক হলেও তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি 'পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কুবের ও কপিলা, মজিদ নয়। B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি 'লালসালু' উপন্যাসের মাধ্যমে মজিদ চরিত্রটি সৃষ্টি করেছেন। C) হুমায়ুন আহমেদ — ইনি আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনপ্রিয় লেখক হলেও তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি হিমু বা বাকের ভাই, মজিদ তাঁর সৃষ্টি নয়। D) আবু ইসহাক — ইনি 'সূর্য দীঘল বাড়ি' উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত যার প্রধান চরিত্র জয়গুন, মজিদ এই লেখকের চরিত্র নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ওয়ালীউল্লাহর মজিদ এবং লালসালু খুব বিখ্যাত, তাই মজিদ দেখলেই সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ও লালসালু একসঙ্গে মনে রাখবে। - মজিদ চরিত্রটি ধর্মকে ব্যবসায় পরিণত করার প্রতীক, এটি মনে রাখলে চরিত্রের তাৎপর্য বুঝতে সুবিধা হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই বিখ্যাত উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো মুখস্থ রাখা জরুরি। - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটক 'বহিপীর' এবং ছোটগল্প 'একটি ছোট গল্প' ও বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
a অদ্যাবধি তার শারীরিক অবস্থার উন্নত হয়নি।
b আদ্যাবধি তার শারীরিক অবস্থা উন্নত হয়নি।
c অদ্যাবধি তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি।
d অদ্যাবধি তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অদ্যাবধি তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি। ১. কেন সঠিক: - বাক্যটিতে 'অদ্যাবধি' শব্দের অর্থ হলো আজ পর্যন্ত বা এ পর্যন্ত। শারীরিক অবস্থার ক্ষেত্রে 'উন্নত' বিশেষণ রূপ ব্যবহার না করে বিশেষ্য রূপ 'উন্নতি' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। - এই বাক্যে কারক ও বিভক্তির প্রয়োগ এবং পদের মিল সম্পূর্ণ সঠিক রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্যশুদ্ধির নিয়ম অনুযায়ী বাক্যের পদসংগতি রক্ষা করতে হবে। বিশেষ্য পদের সঙ্গে বিশেষ্য এবং বিশেষণের সঙ্গে বিশেষণ পদ সঠিকভাবে মিল করতে হয়। - এখানে 'শারীরিক অবস্থার' পর ক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে 'উন্নতি' বিশেষ্য পদ ব্যবহার করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এ যাবৎ তার কোনো খবর পাওয়া যায়নি। ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রমিত বাক্য যেখানে সময়ের ব্যবধান বোঝাতে সঠিক শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: অদ্যাবধি এই সমস্যার কোনো সমাধান হয়নি। ব্যাখ্যা: এটি অদ্যাবধি শব্দের সঠিক প্রয়োগ সংবলিত একটি বাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অদ্যাবধি তার শারীরিক অবস্থার উন্নত হয়নি। — 'উন্নত' একটি বিশেষণ পদ, এখানে বিশেষ্য পদ 'উন্নতি' বসা উচিত ছিল। B) আদ্যাবধি তার শারীরিক অবস্থা উন্নত হয়নি। — 'আদ্যাবধি' বানানটি ভুল, সঠিক বানান হলো 'অদ্যাবধি'। C) অদ্যাবধি তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি। — এই অপশনটি এবং ডি অপশনটি হুবহু এক হওয়ায় এটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সঠিক উত্তরের বাইরে রয়েছে, তবে ব্যাকরণগত দিক থেকে এই রূপটিও শুদ্ধ। এখানে প্রশ্নে মুদ্রণজনিত কারণে সি ও ডি একই রকম এসেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে সর্বদা বানান এবং পদের রূপ বিশেষ করে বিশেষ্য ও বিশেষণের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখবে। - অদ্যাবধি বানানটি সবসময় অ-দ-য-আ-ব-ধ-ই আকারে লিখবে এবং এর সঙ্গে বিশেষ্য পদ ব্যবহার করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দার্থ এবং বানান সংক্রান্ত বাক্যশুদ্ধি থেকে প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুসরণ করে বাক্য বিশ্লেষণ করার অভ্যাস করতে হবে।
a বুদ্ধদেব বসু
b সমর সেন
c জীবনানন্দ দাশ
d নির্মলেন্দু গুণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - 'ধূসর পান্ডুলিপি' আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ। - ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থে কবির রূপসী বাংলা ও নিসর্গপ্রকৃতির পাশাপাশি মানুষের নিঃসঙ্গতা ও বিষণ্নতার সুর ফুটে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ ১৯০৩ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন এবং আধুনিক বাংলা কবিতার রূপকার হিসেবে পরিচিত। - 'ধূসর পান্ডুলিপি' কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের নাগরিক আধুনিকতা ও রোমান্টিক চেতনার এক অনন্য নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রূপসী বাংলা ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বহুল পঠিত একটি কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — ইনি ত্রিশের দশকের অন্যতম প্রধান কবি ও সাহিত্যিক হলেও 'ধূসর পান্ডুলিপি' তাঁর লেখা নয়। B) সমর সেন — ইনি মার্ক্সবাদী চেতনার আধুনিক কবি হলেও এই নির্দিষ্ট কাব্যগ্রন্থটি তাঁর রচিত নয়। C) জীবনানন্দ দাশ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁরই সৃষ্টি। D) নির্মলেন্দু গুণ — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার প্রথিতযশা কবি হলেও তিনি পরবর্তীকালের লেখক, তাই এই কাব্যগ্রন্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - জীবনানন্দ দাশের পান্ডুলিপি সবসময় ধূসর রঙের হয়, এভাবে মনে রাখতে পারো। - ত্রিশের দশকের প্রধান কবিদের মধ্যে জীবনানন্দ দাশের সঙ্গেই 'ধূসর পান্ডুলিপি' নামটি সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম প্রায়ই আসে। - কবি জীবনানন্দ দাশের জন্মমৃত্যু এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগুলোর প্রকাশসাল মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
a প্রশংসা
b নিন্দা
c অনুপযুক্ত
d উপযুক্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপযুক্ত ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে প্রশস্ত শব্দটি কোনো স্থান বা দূরত্বের বিশালতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়নি। - এখানে সময় বা পরিবেশের উপযোগী হওয়া বা অনুকূল হওয়া অর্থ প্রকাশ করার জন্য উপযুক্ত অর্থে প্রশস্ত শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ তার আভিধানিক বা মূল অর্থের বাইরে গিয়ে প্রসঙ্গের ওপর ভিত্তি করে বিশেষ অর্থে প্রযুক্ত হয়। - প্রশস্ত শব্দটির সাধারণ অর্থ চওড়া, বিস্তৃত বা উদার হলেও বাক্যের ভাব ও প্রসঙ্গের কারণে এটি এখানে সুযোগ বা অনুকূল অবস্থা বোঝাতে উপযুক্ত অর্থে বসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজটি করার জন্য এখনই প্রশস্ত সময়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে প্রশস্ত শব্দটি কোনো কাজের অনুকূল বা উপযুক্ত সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: এই বিষয়ে আলোচনার জন্য এটি প্রশস্ত ক্ষেত্র নয়। ব্যাখ্যা: এখানে প্রশস্ত শব্দটি কোনো বিষয়ে আলোচনার জন্য উপযোগী বা মানানসই নয় এমন অর্থ প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রশংসা — প্রশংসা শব্দের অর্থ গুণকীর্তন বা সাধুবাদ জানানো, যা প্রদত্ত বাক্যের ভাব বা প্রসঙ্গের সঙ্গে মেলে না। B) নিন্দা — নিন্দা শব্দের অর্থ সমালোচনা বা মন্দ বলা, যা প্রশস্ত শব্দের এই বিশেষ ব্যবহারের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) অনুপযুক্ত — অনুপযুক্ত অর্থ যা কাজের উপযোগী নয়, কিন্তু প্রশস্ত শব্দটি এখানে অনুকূল বা উপযুক্ত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। D) উপযুক্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটিতে সময়টি অনুকূল বা কাজের উপযোগী নয় এমন অর্থ প্রকাশ করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যে প্রশস্ত শব্দ দেখলে সবসময় চওড়া বা বিশাল অর্থ না ভেবে বাক্যের মূল ভাব বা পরিবেশের অনুকূল অবস্থা বিবেচনা করবে। - স্থান বা দূরত্বের ক্ষেত্রে প্রশস্ত মানে চওড়া আর সময় বা সুযোগের ক্ষেত্রে প্রশস্ত মানে উপযুক্ত বা অনুকূল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বাক্যেরContext বা প্রসঙ্গ সবার আগে বুঝতে হবে। - অনেক সময় পরিচিত শব্দের অপরিচিত ও বিশেষ ব্যবহার থেকে প্রশ্ন করা হয়, তাই সাবধানে অর্থ নির্ধারণ করতে হবে।
a আশিস
b আশীষ
c অশীষ
d আশিষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আশিস ১. কেন সঠিক: বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'আশিস' শব্দের শেষে তালব্য শ-এ ই-কার এবং দন্ত্য স ব্যবহৃত হয়। এই শব্দটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ থেকে আগত হলেও প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী এখানে বিসর্গ বর্জন করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দে বিসর্গ ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমি নির্দিষ্ট প্রমিত নিয়ম নির্ধারণ করেছে। অনেক সংস্কৃত শব্দে বিসর্গ থাকলেও প্রমিত বাংলা বানানে অপ্রয়োজনীয় বিসর্গ বর্জন করা হয়, যার ফলে আশীষ শব্দের পরিবর্তে আশিস রূপটি প্রমিত হিসেবে গৃহীত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিষিধ ব্যাখ্যা: প্রমিত বাংলা বানানে নিষিদ্ধ শব্দের পরিবর্তে অনেক ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে পরিবর্তিত রূপ ব্যবহার করা হয় এবং অপ্রয়োজনীয় বিসর্গ বর্জন করা হয়। উদাহরণ ২: মনঃকষ্ট ব্যাখ্যা: কিছু ক্ষেত্রে সন্ধিজাত বা সমাসবদ্ধ পদে বিসর্গ বহাল থাকে, তবে একক শব্দে বিসর্গ বর্জনের প্রবণতা বেশি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আশিস — এটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক এবং নির্ভুল রূপ। B) আশীষ — এই বানানে দীর্ঘ ঈ-কার এবং মূর্ধন্য ষ বা অতিরিক্ত প্রয়োগের কারণে এটি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী বর্জনীয়। C) অশীষ — এই বানানে আদিতে ও-কার এবং ভুল বর্ণ ব্যবহারের কারণে এটি সম্পূর্ণ ভুল। D) আশিষ — এই বানানে তালব্য শ-এর পরিবর্তে দন্ত্য স বা অন্য বর্ণে ভুল থাকার কারণে এটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: আশিস বানান মনে রাখার সহজ উপায় হলো শেষে সবসময় তালব্য শ-এ হ্রস্ব ই-কার এবং সাধারণ স হবে, কোনো বিসর্গ বা দীর্ঘ ঈ-কার হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আশীর্বাদ বানানটি প্রায়ই আসে, যেখানে আশীর্বাদ শব্দে বিসর্গ ও রেফ থাকে, কিন্তু আশিস শব্দে কোনো বিসর্গ থাকে না। এই পার্থক্যটি পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
a সংবাদ প্রভাকর
b সমাচার দর্পণ
c সবুজপত্র
d দিগদর্শন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সমাচার দর্পণ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্রের নাম সমাচার দর্পণ। এটি ১৮১৮ সালের ২৩শে মে শ্রীরামপুর ব্যাপ্টিস্ট মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই সংবাদপত্রের সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান। এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও সংবাদ সংগ্রহের নেপথ্যে ছিলেন উইলিয়াম কেরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিগদর্শন ব্যাখ্যা: এটি সমাচার দর্পণের আগে প্রকাশিত মাসিক পত্রিকা হলেও এটি সংবাদপত্র ছিল না। উদাহরণ ২: সংবাদ প্রভাকর ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় ১৮৩১ সালে প্রকাশিত প্রথম বাংলা দৈনিক সংবাদপত্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংবাদ প্রভাকর - এটি প্রথম বাংলা দৈনিক সংবাদপত্র হলেও প্রথম প্রকাশিত সংবাদপত্র নয়। B) সমাচার দর্পণ - এটি বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র এবং সঠিক উত্তর। C) সবুজপত্র - এটি বাংলা চলিত রীতির প্রবর্তক সাহিত্য পত্রিকা যা বিংশ শতাব্দীতে প্রকাশিত হয়। D) দিগদর্শন - এটি প্রথম প্রকাশিত মাসিক পত্রিকা, যা কোনো সংবাদপত্র ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: পত্রিকা মানেই দর্পণ আয়নার মতো সত্য দেখায়, তাই প্রথম সংবাদপত্র হলো সমাচার দর্পণ। ১৮১৮ সালের ২৩শে মে এটি প্রকাশিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সংবাদপত্র ও সাময়িকী থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। প্রথম সংবাদপত্র এবং প্রথম দৈনিক পত্রিকার পার্থক্য মনে রাখতে হবে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c জীবনানন্দ দাশ
d জসীমউদ্দীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - "কবিতার কথা" হলো আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত ও চিন্তাশীল প্রবন্ধগ্রন্থ। - এই গ্রন্থে কবি কবিতার রূপ, প্রকৃতি, আধুনিকতা এবং সৃষ্টিপ্রক্রিয়া সম্পর্কে গভীর তাত্ত্বিক ও মননশীল আলোচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ ছিলেন বাংলা সাহিত্যের রূপসী বাংলার কবি এবং আধুনিক কবিতার নির্জনতম স্রষ্টা। - তাঁর প্রবন্ধগুলোতে তাঁর কাব্যদর্শনের অনন্য রূপ প্রকাশ পেয়েছে, যা বাংলা সাহিত্যালোচকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধগ্রন্থ "কবিতা এ কথকতা" ব্যাখ্যা: এটি তাঁর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ গদ্যকর্ম যেখানে কবিতা ও সাহিত্য সম্পর্কে তাঁর নিজস্ব ভাবনা প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধগ্রন্থ "বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি" ব্যাখ্যা: যদিও এটি তাঁর কবিতার লাইন, তবে তাঁর গদ্য ও প্রবন্ধেও বাংলার প্রকৃতি ও ইতিহাস গভীরভাবে এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি নোবেলজয়ী বিশ্বকবি ও ঔপন্যাসিক হলেও "কবিতার কথা" তাঁর প্রবন্ধগ্রন্থ নয়, তাঁর প্রবন্ধের মধ্যে "সাহিত্য" বা "প্রাচীন সাহিত্য" উল্লেখযোগ্য। B) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি ও বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও "কবিতার কথা" তাঁর লেখা কোনো প্রবন্ধগ্রন্থ নয়। D) জসীমউদ্দীন — ইনি পল্লীকবি হিসেবে বিখ্যাত হলেও "কবিতার কথা" তাঁর রচিত কোনো প্রবন্ধগ্রন্থ বা সাহিত্যকর্ম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কবিতার আধুনিক রূপ ও দর্শন নিয়ে গভীর চিন্তা করেছেন রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশ, তাই কবিতার কথা বললেই জীবনানন্দ দাশকে মনে রাখবে। - গদ্যেও তিনি ছিলেন আধুনিক ও চিন্তাশীল, যা তাঁর এই প্রবন্ধগ্রন্থের নাম থেকেই বোঝা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধগ্রন্থগুলোর মধ্যে "কবিতার কথা" এবং "রবীন্দ্রের কবিতা" সর্বাধিক পরীক্ষামুখী প্রশ্ন। - এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে কবির কাব্যগ্রন্থ এবং প্রবন্ধগ্রন্থগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা ভালো।
a বনফুল
b বীরবল
c যাযাবর
d নীললোহিত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বীরবল ১. কেন সঠিক: প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম হিসেবে বীরবল নামটি ব্যবহার করতেন। তাঁর প্রকাশিত সাহিত্যিক ছদ্মনামটি বাংলা সাহিত্যে বুদ্ধির মুক্তি ও কৌতুকপূর্ণ গদ্যরীতির প্রতীক হিসেবে পরিচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলতি গদ্যরীতির প্রবর্তক এবং প্রথম সার্থক প্রাবন্ধিক হিসেবে খ্যাত। তিনি ১৯১৪ সালে সবুজপত্র পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন যার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরীর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থের নাম বীরবলের হালখাতা। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিতে সমাজ, সাহিত্য ও জীবনদর্শন নিয়ে তাঁর মননশীল ও শাণিত চিন্তা প্রকাশিত হয়েছে। উদাহরণ ২: তাঁর সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকা বাংলা সাহিত্যকে নতুন রূপ দেয়। ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমে চলিত ভাষারীতি প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তিনি নেতৃত্ব দেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বনফুল — এই ছদ্মনামটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের। C) যাযাবর — এই ছদ্মনামটি প্রখ্যাত লেখক বিনয় ঘোষের সাহিত্যকর্মে ব্যবহৃত হতো। D) নীললোহিত — এই বিখ্যাত ছদ্মনামটি আধুনিক কথাসাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম মনে রাখতে প্রমথ শব্দের প্র এবং বীরবলের বীর যুক্ত করে প্রবীর বা বীর প্রমথ এভাবে মনে রাখা যায়। বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত লেখকদের ছদ্মনামগুলো একটি তালিকায় লিখে প্রতিদিন একবার চোখ বুলিয়ে নিলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। প্রমথ চৌধুরীর পৈতৃক নিবাস সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার হরিপুর গ্রামে এবং তাঁর স্ত্রীর নাম ইন্দিরা দেবী।
a দুই
b তিন
c চার
d পাঁচ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তিন ১. কেন সঠিক: একটি সার্থক বাক্যের প্রধান লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্য তিনটি। এই তিনটি গুণ বা বৈশিষ্ট্য না থাকলে কোনো পংক্তি বা শব্দসমষ্টিকে ব্যাকরণের নিয়মে সার্থক বাক্য বলা যায় না। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: একটি সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ বা বৈশিষ্ট্য হলো আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা। আকাঙ্ক্ষা হলো বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা। আসত্তি হলো বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষা করে পদগুলোকে যথাযথভাবে পরপর সাজিয়ে লেখার বা বলার ধারাবাহিকতা। যোগ্যতা হলো বাক্যের পদগুলোর মধ্যে অর্থের মিল ও ভাবগত সংগতি থাকা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যটিতে আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা তিনটি গুণই সম্পূর্ণরূপে বিদ্যমান থাকায় এটি একটি সার্থক বাক্য। উদাহরণ ২: বর্ষায় বৃষ্টি হয়। ব্যাখ্যা: এটি একটি অর্থপূর্ণ ও grammatically সঠিক বাক্য যেখানে বাক্যের তিনটি প্রধান লক্ষণ স্পষ্টভাবে প্রকাশিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুই — বাক্যের প্রধান লক্ষণ দুটি নয়, কারণ ব্যাকরণ অনুযায়ী সার্থক বাক্যের অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য তিনটি। দুটি বৈশিষ্ট্য থাকলে তা কখনো সম্পূর্ণ সার্থক বাক্য হতে পারে না। B) তিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ সার্থক বাক্যের জন্য আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা এই তিনটি গুণ থাকা বাধ্যতামূলক। C) চার — বাক্যের প্রধান লক্ষণ চারটি নয়, কারণ বাংলা ব্যাকরণে বাক্য গঠনের মূল শর্ত বা গুণ তিনটি হিসেবেই স্বীকৃত। D) পাঁচ — বাক্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য বা লক্ষণ পাঁচটি ধরা হয় না, তাই এই সংখ্যাটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যের প্রধান লক্ষণ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তিন অক্ষর বিশিষ্ট শব্দ 'আসাযো' বা আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা মনে রাখা। এভাবে সংক্ষেপে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসত্তি ও যোগ্যতার সংজ্ঞা থেকে প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে শব্দের অর্থগত মিল না থাকাকে যোগ্যতা বলে এবং পদের সুশৃঙ্খল বিন্যাসকে আসত্তি বলে, এটি মনে রাখা জরুরি।
a চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতু উপাখ্যান
b অন্নদামঙ্গল কাব্যের মানসিংহ ভবানন্দ উপাখ্যান
c মনসামঙ্গল
d ধর্মমঙ্গল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতু উপাখ্যান ১. কেন সঠিক: ভানু দত্ত চরিত্রটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য তথা মঙ্গলকাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ধারা চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতু উপাখ্যের একটি গৌণ চরিত্র। মধ্যযুগের কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী রচিত চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আখেটিক খণ্ডে কালকেতু ও ফুল্লরার উপাখ্যানে ভানু দত্তের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চণ্ডীমঙ্গল কাব্যধারার শ্রেষ্ঠ কবি হলেন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী, যিনি কঙ্কণ বা কবিকঙ্কণ উপাধিতে ভূষিত হন। এই কাব্যে দেবীর মহিমা প্রচারের পাশাপাশি তৎকালীন গ্রামীণ সমাজ ও সাধারণ মানুষের বাস্তব জীবনের নিখুঁত চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কালকেতু ও ফুল্লরা ব্যাখ্যা: এরা চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আখেটিক উপাখ্যের কেন্দ্রীয় চরিত্র, যারা দরিদ্র জীবন থেকে দেবীর কৃপায় রাজা হন। উদাহরণ ২: মুরারি শীল ব্যাখ্যা: ইনিও চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতু উপাখ্যের একজন উল্লেখযোগ্য চরিত্র, যিনি কালকেতুর আংটি ভাঙাতে সাহায্য করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতু উপাখ্যান — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভানু দত্ত এই উপাখ্যের সঙ্গেই সরাসরি সম্পৃক্ত। B) অন্নদামঙ্গল কাব্যের মানসিংহ ভবানন্দ উপাখ্যান — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত অন্য ধারার মঙ্গলকাব্য। C) মনসামঙ্গল — এই অপশনটি ভুল কারণ মনসামঙ্গল কাব্যের মূল বিষয়বস্তু দেবী মনসার পূজা ও চম্পক নগরের সওদাগর চাঁদ সওদাগর। D) ধর্মমঙ্গল — এই অপশনটি ভুল কারণ ধর্মমঙ্গল কাব্য প্রধানত লাউসেনের বীরত্বগাথা ও ধর্মঠাকুরের পূচার প্রচার নিয়ে রচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: ভানু দত্ত চরিত্রটি মনে রাখতে মনে রাখুন কালকেতু যখন রাজ্য স্থাপন করেন, তখন তাঁর রাজ্যে বিভিন্ন পেশার মানুষ আসে এবং ভানু দত্তও তাদেরই একজন। মঙ্গলকাব্যের চরিত্র মনে রাখার জন্য কাব্যের মূল উপাখ্যান এবং চরিত্রগুলোর তালিকা আলাদা করে নোট করে নিন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মঙ্গলকাব্যের চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে কালকেতু ও চাঁদ সওদাগরের উপাখ্যের চরিত্রগুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন সমাধানের জন্য মূল পাঠের সংক্ষিপ্তসার বা চরিত্র তালিকা ভালোভাবে অধ্যয়ন করা আবশ্যক।
a জননী
b ঘরে-বাইরে
c দেয়াল
d সংশপ্তক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দেয়াল ১. কেন সঠিক: - 'দেয়াল' বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ইতিহাসবিদ হুমায়ূন আহমেদের একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে বিশেষ করে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তী রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'দেয়াল' উপন্যাসের রচয়িতা হলেন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ। - এটি তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত শেষ উপন্যাস এবং এতে বাস্তব ইতিহাসের সঙ্গে কাল্পনিক চরিত্রের মিশ্রণে একটি বিশেষ সময়কালকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'আগুনের পরশমণি' ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, যা চলচ্চিত্রেও রূপায়িত হয়েছে। উদাহরণ ২: 'একটি কালাা মেঘ' ব্যাখ্যা: এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের একটি পরিচিত উদাহরণ যা সেকালের ভয়াবহ দিনগুলোর কথা বলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জননী — এটি শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, যা গ্রামীণ জীবনের দুঃখ-কষ্ট নিয়ে লেখা এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। B) ঘরে-বাইরে — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস, যা বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত। D) সংশপ্তক — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা মূলত গ্রামীণ সমাজ ও পাকিস্তান আমলের রাজনৈতিক পটভূমি নিয়ে রচিত হলেও সরাসরি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - হুমায়ূন আহমেদের শেষ উপন্যাস 'দেয়াল' এবং এটি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও পটভূমিকে ধারণ করে লেখা হয়েছে। - ঐতিহাসিক পটভূমি এবং শেষ উপন্যাস হিসেবে এটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ও নাটক থেকে প্রশ্ন আসে। - লেখকের নাম এবং উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a কবি জসীম উদ্দীন
b কাজী নজরুল ইসলাম
c কবি চণ্ডীদাস
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কবি চণ্ডীদাস ১. কেন সঠিক: - 'সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই' এই অমর বাণীটি মধ্যযুগের পদাবলি সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি দ্বিজ চণ্ডীদাসের রচনা। - এটি বৈষ্ণব পদাবলির সহজিয়া দর্শন এবং মানবতাবাদী চেতনার এক অনন্য প্রকাশ, যেখানে মানুষের মর্যাদাকে সর্বেসর্বা বলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দ্বিজ চণ্ডীদাস মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের আগের সময়কার কবি এবং বৈষ্ণব পদাবলির আদি কবি হিসেবে পরিচিত। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য বা সহজিয়া ধর্মতত্ত্বে মানবপ্রেম ও মনুষ্যত্বকে ধর্মের চেয়েও উর্ধ্বে স্থান দেওয়া হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চণ্ডীদাসের পদ ব্যাখ্যা: চণ্ডীদাস মূলত রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের পদ রচনা করলেও তার কাব্যে মানবপ্রেমের জয়গান স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাস তুলনা ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি হলেও চণ্ডীদাস খাঁটি বাংলা ভাষায় মানবমনের গভীর বেদনা ও প্রেমের আকুতি প্রকাশ করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবি জসীম উদ্দীন — ইনি আধুনিক যুগের পল্লিকবি; মধ্যযুগের মানবতাবাদী এই উদ্ধৃতির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। B) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি আধুনিক যুগের বিদ্রোহী কবি ও সাম্যের কবি; তাঁর বিখ্যাত কবিতার নাম সাম্যবাদী হলেও এই লাইনটি তাঁর নয়। C) কবি চণ্ডীদাস — এটি সঠিক উত্তর। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি নোবেলজয়ী আধুনিক বিশ্বকবি; এই বিখ্যাত মধ্যযুগীয় পঙক্তির রচয়িতা তিনি নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - মানুষ সত্য কথাটি মনে রাখতে চণ্ডীদাসের সহজিয়া মানবধর্মের কথা মাথায় রাখবে। - মধ্যযুগের মানবতাবাদের প্রতীক হিসেবে চণ্ডীদাস নামটি মনে রাখা সবচেয়ে সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই উদ্ধৃতিটি প্রায়ই আসে এবং এটি মধ্যযুগের মানবতাবাদী চেতনার প্রধান নিদর্শন। - মধ্যযুগের যেকোনো বিখ্যাত পঙক্তি আসলে কবি চণ্ডীদাস বা বিদ্যাপতির নাম ভালোভাবে যাচাই করে উত্তর করতে হবে।
a বাস্তব
b দৃশ্যমান
c দৃষ্টমান
d সদৃশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দৃশ্যমান ১. কেন সঠিক: - অদৃশ্য শব্দের আক্ষরিক অর্থ যা দেখা যায় না এবং এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো দৃশ্যমান যার অর্থ যা দেখা যায়। - শব্দের অর্থগত বিপরীত দিক বিবেচনা করে সঠিক উত্তর নির্ধারণ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রকাশ × গোপন ব্যাখ্যা: প্রকাশ শব্দের অর্থ যা সবার সামনে দৃশ্যমান এবং গোপন শব্দের অর্থ যা আড়ালে রাখা হয়। উদাহরণ ২: স্বর্গ × নরক ব্যাখ্যা: স্বর্গ এবং নরক দুটি পরস্পর বিপরীতার্থক বিশেষ্য পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাস্তব — বাস্তব শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ অবাস্তব বা কাল্পনিক, যা অদৃশ্য শব্দের সঠিক বিপরীত নয়। C) দৃষ্টমান — দৃষ্টমান শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে প্রমিত বা বহুল ব্যবহৃত বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। D) সদৃশ — সদৃশ শব্দের অর্থ মিল থাকা বা সাদৃশ্যপূর্ণ, যা বিপরীতার্থক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অ উপসর্গযুক্ত শব্দের বিপরীত শব্দ গঠন করার সময় মূল শব্দের সঙ্গে মিল রেখে বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচন করতে হয়। - দৃশ্য শব্দের সঙ্গে মান প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দৃশ্যমান শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। - শব্দের অর্থ পরিষ্কার থাকলে বিপরীত শব্দ খুব সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।
a উনিশ
b বিশ
c একুশ
d বাইশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একুশ ১. কেন সঠিক: - খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট একচল্লিশটি এবং এর মধ্যে সংখ্যাবাচক উপসর্গ অন্যতম একটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - একুশ শব্দটি এখানে সংখ্যাবাচক খাঁটি বাংলা উপসর্গ হিসেবে কাজ করেছে যা নির্দিষ্ট মাত্রা প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন বা সম্প্রসারণ ঘটায়। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয় যেমন খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একুশ ব্যাখ্যা: এটি একটি সংখ্যাবাচক শব্দ যা বাংলা উপসর্গের তালিকায় নির্দিষ্ট সংখ্যা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: উনিশ ব্যাখ্যা: এটিও একটি সংখ্যাবাচক শব্দ তবে এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ হিসেবে গণ্য হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উনিশ — এটি একটি সংখ্যা হলেও বাংলা ব্যাকরণের নিয়মানুযায়ী খাঁটি বাংলা উপসর্গের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। B) বিশ — এটি একটি সংখ্যাবাচক শব্দ যা প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে খাঁটি বাংলা উপসর্গ হিসেবে স্বীকৃত নয়। C) একুশ — এটি সঠিক কারণ বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) বাইশ — এটি সংখ্যাবাচক শব্দ হলেও উপসর্গ হিসেবে বাংলা ব্যাকরণে এর কোনো স্বীকৃতি নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - খাঁটি বাংলা উপসর্গগুলো মনে রাখার জন্য নির্দিষ্ট ছন্দ বা কবিতা মুখস্থ করা যেতে পারে। - সংখ্যাবাচক উপসর্গগুলোর ক্ষেত্রে তালিকাটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই খাঁটি বাংলা উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। - উপসর্গ চেনার জন্য শব্দের মূল অংশ এবং তার আগের অব্যয় অংশ আলাদা করে দেখার অভ্যাস করতে হবে।
a উপকারইচ্ছ
b উপকারী
c সাহায্যকারী
d উপচিকীর্ষা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপচিকীর্ষা ১. কেন সঠিক: - 'উপকার করার ইচ্ছা' এক কথায় প্রকাশ করলে হয় 'উপচিকীর্ষা'। এটি সংস্কৃতে তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত একটি শব্দ যা বাংলা ব্যাকরণে এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্যের সংক্ষিপ্তকরণের মাধ্যমে ভাবের উৎকর্ষ সাধনের জন্য এককথায় প্রকাশ ব্যবহার করা হয়। এটি শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করার একটি কার্যকর উপায় এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জয় করার ইচ্ছা = জিগীষা ব্যাখ্যা: কোনো কিছু জয় করার তীব্র বাসনা বা ইচ্ছাকে এক কথায় জিগীষা বলা হয়। উদাহরণ ২: লাভ করার ইচ্ছা = লিপ্সা ব্যাখ্যা: কোনো বস্তু বা কিছু প্রাপ্ত করার প্রবল আকাঙ্ক্ষাকে এক কথায় লিপ্সা বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপকারইচ্ছ — এটি কোনো প্রমিত বাংলা শব্দ নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক গঠন নয়। B) উপকারী — এর অর্থ যে উপকার করে, অর্থাৎ এটি উপকার করার ইচ্ছাকে বোঝায় না। C) সাহায্যকারী — এর অর্থ যে সাহায্য করে, যা উপকার করার ইচ্ছার সমার্থক নয়। D) উপচিকীর্ষা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ উপকার করার ইচ্ছা। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইচ্ছা বোঝাতে শব্দের শেষে সাধারণত আকার ও যুক্তবর্ণের ব্যবহার থাকে যেমন উপচিকীর্ষা ও জিগীষা। মিলযুক্ত শব্দগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষার হলে দ্রুত সঠিক উত্তর চেনা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইচ্ছা সংক্রান্ত এককথায় প্রকাশ যেমন মুমূর্ষু, বিবক্ষু ও বুভুক্ষা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই শব্দগুলোর বানান এবং অর্থ একসাথে ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a গাজী মাজহারুল আনোয়ার
b গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
c নজরুল ইসলাম বাবু
d সত্য সাহা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার ১. কেন সঠিক: 'শোন একটি মুজিবরের কণ্ঠ থেকে' গানটির গীতিকার হলেন বিশিষ্ট গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার। এই গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত হয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের মনে দারুণ উদ্দীপনা জুগিয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার বাংলা আধুনিক গান ও দেশাত্মবোধক গানের জগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। এই বিখ্যাত গানটিতে সুরারোপ করেছিলেন অংশুমান রায় এবং প্রথম কণ্ঠ দিয়েছিলেন বা শিল্পী হিসেবে গেয়েছিলেন অংশুমান রায় নিজেই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'কারার ঐ লোহকপাট' গানটির রচয়িতা কাজী নজরুল ইসলাম। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম বিখ্যাত একটি বিদ্রোহী ও উদ্দীপনামূলক গান। উদাহরণ ২: 'ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা' গানটির রচয়িতা দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রখ্যাত দেশাত্মবোধক বাংলা গান যা মানুষের মনে দেশপ্রেম জাগায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গাজী মাজহারুল আনোয়ার — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত গীতিকার হলেও এই নির্দিষ্ট গানটির গীতিকার নন। B) গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার — এই অপশনটি সঠিক এবং গানটির রচয়িতা হিসেবে পরীক্ষিত সত্য। C) নজরুল ইসলাম বাবু — তিনি 'সব কটা জানালা খুলে দাও না'সহ বহু বিখ্যাত গানের গীতিকার হলেও এই গানটি তাঁর লেখা নয়। D) সত্য সাহা — তিনি একজন খ্যাতনামা সংগীত পরিচালক ও সুরকার, এই গানের গীতিকার নন। ৫. মনে রাখার টিপস: মুজিবরের কণ্ঠের গান শোনানোর জন্য গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার কলম ধরেছিলেন। এভাবে গীতিকার মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গান ও তার গীতিকার বা সুরকার থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই বিখ্যাত গানগুলোর গীতিকার ও সুরকারদের নাম আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
a চর্যাগীতিকা
b শূন্যপুরাণ
c শেখ শুভোদয়া
d বৈষ্ণব পদাবলী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চর্যাগীতিকা ১. কেন সঠিক: - চর্যাগীতিকা হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন, যা আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে রচিত হয়েছে। - মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনা ও ধর্মের গূঢ় তত্ত্ব প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত এক ধরণের গান। - ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর 'ওডিবিএল' গ্রন্থে প্রমাণ করেছেন যে চর্যাপদের ভাষা বাংলা ভাষার আদি রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবুজের অভিযান ব্যাখ্যা: এটি বাংলা কবিতার একটি বিখ্যাত সৃষ্টি, যা বাংলা সাহিত্যের ধারাবাহিক বিকাশের পরিচয় দেয়। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ব্যাখ্যা: এটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চর্যাগীতিকা — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন। B) শূন্যপুরাণ — রামাই পণ্ডিত রচিত মধ্যযুগের একটি ধর্মীয় গ্রন্থ, যা চর্যাপদের মতো আদি নিদর্শন নয়। C) শেখ শুভোদয়া — হলায়ুধ মিশ্র রচিত সংস্কৃত ভাষায় রচিত একটি গ্রন্থ, যা বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন নয়। D) বৈষ্ণব পদাবলী — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান ধারা, যা আদি নিদর্শন নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন মনে রাখতে চর শব্দ দিয়ে চর্যাগীতিকা বা চর্যাপদ মনে রাখা যায়। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এটি আবিষ্কার করেছিলেন, এই তথ্যটি পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের আবিষ্কারক, আবিষ্কার সাল এবং এর ভাষা নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। চর্যাপদের পদকর্তা কাহ্নপাদের পদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
a আলতাফ মাহমুদ
b আলাউদ্দীন আলী
c সুজেয় শ্যাম
d আব্দুল লতিফ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আব্দুল লতিফ ১. কেন সঠিক: 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' বিখ্যাত গানটির প্রথম সুরকার আব্দুল লতিফ। ১৯৫৩ সালে ভাষা আন্দোলনের রক্তস্নাত স্মরণে আব্দুল হালিম চৌধুরী রচিত এই গানে প্রথম সুরারোপ করেছিলেন তিনি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই গানটি বাংলা ভাষা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ও ঐতিহাসিক একটি সাংস্কৃতিক সৃষ্টি। পরবর্তীকালে আলতাফ মাহমুদ এই গানে নতুন করে সুরারোপ করেন এবং তাঁর সুর করা রূপটিই আজ সর্বাধিক জনপ্রিয় ও প্র্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'ও আমার দেশের মাটি তোমার পরে ঠেকাই মাথা' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি দেশাত্মবোধক গান এবং এর সুরকার স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। উদাহরণ ২: 'নোঙর ফেলেছি দেখা হবে বন্ধু' ব্যাখ্যা: এই আধুনিক বাংলা গানটির গীতিকার ও সুরকার লাকী ইনাম এবং এটি বাংলা গানের ইতিহাসে বেশ জনপ্রিয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলতাফ মাহমুদ — তিনি এই গানটির প্রথম সুরকার নন, বরং তিনি এই গানে পরবর্তীতে অত্যন্ত জনপ্রিয় দ্বিতীয় সুরারোপ করেছিলেন। B) আলাউদ্দীন আলী — তিনি একজন প্রখ্যাত সুরকার হলেও এই ঐতিহাসিক অমর গানের প্রথম সুরকার নন। C) সুজেয় শ্যাম — তিনি বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক যিনি মুক্তিযুদ্ধের বহু গানে সুর দিয়েছেন, তবে এই গানের সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। D) আব্দুল লতিফ — তিনি এই বিখ্যাত গানটির প্রথম সুরকার এবং সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: মনে রাখতে হবে যে প্রথম সুরকার হলেন আব্দুল লতিফ এবং জনপ্রিয় সুরকার হলেন আলতাফ মাহমুদ। পরীক্ষার প্রশ্নে প্রথম সুরকার চাইলে আব্দুল লতিফ দাগাতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই গানটির রচয়িতা হলেন সাংবাদিক ও কলামিস্ট আব্দুল হালিম চৌধুরী এবং প্রথম সুরকার আব্দুল লতিফ। ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক যেকোনো পরীক্ষার জন্য এই তথ্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a প্রফুল্ল চন্দ্র সেন
b হীরালাল সেন
c দীনেশচন্দ্র সেন
d অমর্ত্য সেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দীনেশচন্দ্র সেন ১. কেন সঠিক: - দীনেশচন্দ্র সেন ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ময়মনসিংহ অঞ্চলের লোকসাহিত্য সংগ্রহ করে 'ময়মনসিংহ গীতিকা' সংকলন ও সম্পাদনা করেন। - এই গ্রন্থটি বাংলা লোকসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন এবং এতে বাংলার গ্রামীণ জীবনের করুণ ও প্রেমমূলক গাথা স্থান পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দীনেশচন্দ্র সেন ছিলেন বিশিষ্ট গবেষক, প্রাবন্ধিক ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকার যিনি লোকসাহিত্য সংরক্ষণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। - ড. দীনেশচন্দ্র সেনের তত্ত্বাবধানে ও সংগ্রহে এই গীতিকাগুলো গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় যা পরবর্তীতে আন্তর্জাতিকভাবেও প্রশংসিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহুয়া পালা ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্ভুক্ত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রেমের পালা যা এই সংকলনের সাহিত্যিক মান বৃদ্ধি করেছে। উদাহরণ ২: মলুয়া পালা ব্যাখ্যা: ময়মনসিংহ গীতিকার আরেকটি বিখ্যাত করুণ পালা যা তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের চিত্র তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রফুল্ল চন্দ্র সেন — ইনি একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, সাহিত্য সংকলনের সঙ্গে যুক্ত নন। B) হীরালাল সেন — ইনি বাংলা তথা ভারতীয় উপমহাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত একজন প্রখ্যাত চিত্রগ্রাহক ও নির্মাতা। D) অমর্ত্য সেন — ইনি একজন নোবেলজয়ী বিশ্ববিখ্যাত অর্থনীতিবিদ, সাহিত্য সংকলনের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: ময়মনসিংহ গীতিকার সঙ্গে দীনেশচন্দ্র সেনের নাম মনে রাখতে মাথায় রাখবে দীনেশচন্দ্র মানেই লোকসাহিত্যের দিকপাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ময়মনসিংহ গীতিকা ইংরেজিতে অনুবাদ করেন ড্রিমার্স ল্যান্ড অব ইস্ট বেঙ্গলের সংগ্রাহক চন্দ্রকুমার দে এবং জেমস ডি কাসিন্স।

মোট প্রশ্ন (20)

a Personal pronoun
b Demonstrative pronoun
c Indefinite pronoun
d Distributive pronoun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Distributive pronoun কেন সঠিক: - যে pronoun বা সর্বনাম একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্য থেকে প্রত্যেককে আলাদাভাবে পৃথক করে নির্দেশ করে, তাকে distributive pronoun বলে। - each শব্দটি একটি distributive pronoun কারণ এটি কোনো দলের অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি সদস্যকে পৃথকভাবে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Personal pronoun — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুর নামের পরিবর্তে বসে (যেমন: he, she, they), যা each-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) Demonstrative pronoun — এটি দূরবর্তী বা নিকটবর্তী কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে (যেমন: this, that), যা here each নয়। C) Indefinite pronoun — এটি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে অনির্দিষ্টভাবে বোঝায় (যেমন: someone, anybody), অথচ each নির্দিষ্টভাবে প্রত্যেককে আলাদা করে বোঝায়। D) Distributive pronoun — এটি একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে প্রত্যেককে পৃথকভাবে নির্দেশ করায় এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: বাক্যে each দেখলে মনে রাখবে এটি দল থেকে আলাদা করে প্রত্যেককে এক এক করে বুঝায়, তাই এটি distributive pronoun.
a He told her that it was a cold day.
b He exclaims that it was a cold day.
c He exclaimed that it was a very cold day.
d He exclaims sorrowfully that it was a cold day.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He exclaimed that it was a very frugal day. (প্রদত্ত প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর C) He exclaimed that it was a very cold day.) কেন সঠিক: - রিপোর্টিং ভার্ব said to পরিবর্তন হয়ে exclaimed হয় এবং Exclamatory sentence-এ what যুক্ত থাকলে the very বসে। - Inverted comma উঠে that বসে এবং Direct Speech-এর Present tense পরিবর্তন হয়ে Past tense (was) হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He told her that it was a cold day. — এটি Assertive sentence-এর নিয়ম অনুযায়ী হয়েছে, কিন্তু প্রদত্ত বাক্যটি Exclamatory হওয়ায় told ব্যবহার করা ভুল। B) He exclaims that it was a cold day. — এখানে Reporting verb বর্তমান কালে (exclaims) রাখা হয়েছে এবং Exclamatory বাক্যের নিয়ম অনুযায়ী very বা great ব্যবহার করা হয়নি। C) He exclaimed that it was a very cold day. — এটি সঠিক অপশন কারণ এতে Narration ও Exclamatory sentence-এর সমস্ত নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলা হয়েছে। D) He exclaims sorrowfully that it was a cold day. — বাক্যটিতে দুঃখ প্রকাশ করার মতো কিছু নেই, তাই sorrowfully ব্যবহার করা সম্পূর্ণ অসঙ্গত। মনে রাখার টিপস: Exclamatory sentence-এ what থাকলে Narration করার সময় exclaimed লিখে that বসাতে হয় এবং adjective-এর আগে very যোগ করতে হয়।
a I love you more than I can say.
b Money is sweeter than honey.
c No other flower is as beautiful as the rose.
d The Padma Bridge is one of the longest bridges in Asia.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The Padma Bridge is one of the longest bridges in Asia. কেন সঠিক: - বাক্যে 'one of the' থাকার পর সুপারলেটিভ ডিগ্রি বসে এবং তার পরের নাউনটি প্লুরাল হয়। - এখানে 'longest' হলো সুপারলেটিভ ডিগ্রি এবং এর পরে প্লুরাল নাউন 'bridges' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I love you more than I can say. — এটি তুলনামূলক বাক্যের একটি সাধারণ রূপ বা পজিটিভ ভাব প্রকাশ করে, যেখানে কোনো সুপারলেটিভ ডিগ্রি নেই। B) Money is sweeter than honey. — এটি একটি কম্পারেটিভ ডিগ্রি যুক্ত বাক্য কারণ এখানে 'sweeter than' ব্যবহার করা হয়েছে। C) No other flower is as beautiful as the rose. — এটি একটি পজিটিভ ডিগ্রি যুক্ত বাক্য কারণ এখানে 'as ... as' কাঠামো রয়েছে। D) The Padma Bridge is one of the longest bridges in Asia. — এটি সঠিক কারণ এতে 'one of the' এর সাথে সুপারলেটিভ ডিগ্রি 'longest' সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'one of the' থাকলে তার পরে সুপারলেটিভ ডিগ্রি এবং প্লুরাল নাউন বসে।
a A song let be sang by her.
b A song let be sung by her.
c Let her a song be sung.
d Let a song be sung by her.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Let a song be sung by her. কেন সঠিক: - Imperative sentence-এর Imperative pronoun যুক্ত 'let' যুক্ত Active voice-কে Passive করার নিয়ম হলো প্রথমে Let বসে + Active-এর object বসে + be বসে + মূল Verb-এর Past Participle Form বসে + by বসে + Subject-এর Objective রূপ বসে। - এখানে 'Let her sing a song' বাক্যের object হলো 'a song', মূল verb হলো 'sing' যার Past Participle হলো 'sung' এবং subject 'she'-এর objective রূপ হলো 'her'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A song let be sang by her. — এখানে 'let' শব্দের সঠিক স্থান পরিবর্তন না করায় এবং 'sing' এর ভুল Past Participle 'sang' ব্যবহার করায় এটি ভুল। B) A song let be sung by her. — বাক্যের শুরুতে 'Let' না বসিয়ে 'A song' বসানোয় এটি Imperative sentence-এর নিয়ম অনুযায়ী সঠিক Passive গঠন হয়নি। C) Let her a song be sung. — এখানে Object এবং Pronoun-এর অবস্থান ভুলভাবে বিন্যস্ত করা হয়েছে এবং সঠিক preposition ব্যবহার করা হয়নি। D) Let a song be sung by her. — এটি নিয়মানুযায়ী সঠিক কারণ এতে 'Let' + object + be + verb-এর Past Participle + by + pronoun-এর objective রূপ সঠিক ক্রমে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: Let যুক্ত Imperative sentence-কে Passive করার সময় গঠন মনে রাখবে: Let + Object-কে Subject + be + V৩ + by + Subject-কে Object।
a Phenomena
b Formulae
c Terminus
d Oases
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Terminus কেন সঠিক: - Terminus শব্দটির শেষে -us রয়েছে, যা একটি ইংরেজি একবচন বা Singular noun এবং এর বহুবচন হলো Termini। - প্রদত্ত প্রশ্নটিতে Singular বা একবচন শব্দ চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে, যার কারণে Terminus সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Phenomena — এটি Phenomenon শব্দের বহুবচন রূপ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) Formulae — এটি Formula শব্দের বহুবচন রূপ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) Terminus — এটি নিজেই একটি একবচন শব্দ এবং এর বহুবচন হলো Termini। D) Oases — এটি Oasis শব্দের বহুবচন রূপ, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ব্যাকরণে যেসব শব্দের শেষে -us থাকে, সাধারণত সেগুলোর বহুবচন করতে শেষে -i বা -ae যোগ করা হয়।
a the
b an
c a
d undoubtedly
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an কেন সঠিক: - শূন্যস্থানের পরের শব্দটি হলো honest, যার শুরুতে vowel sound বা স্বরবর্ণের উচ্চারণ রয়েছে। - ইংরেজি উচ্চারণে h অক্ষরটি এখানে অনুচ্চারিত থাকে এবং 'অরনেস্ট' উচ্চারিত হয় বলে an বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the — নির্দিষ্ট করে বোঝাতে the বসে, কিন্তু এখানে ব্যক্তিটি নির্দিষ্ট নয় বরং যেকোনো সৎ মানুষকে বোঝানো হয়েছে। B) an — এটি সঠিক উত্তর কারণ vowel sound এর আগে an বসে। C) a — consonant sound এর আগে a বসে, কিন্তু honest শব্দটির উচ্চারণ স্বরবর্ণ দিয়ে শুরু হয়। D) undoubtedly — এটি একটি adverb, যা এখানে grammatically প্রযোজ্য নয় কারণ noun এর আগে article দরকার। মনে রাখার টিপস: শব্দের শুরুতে h থাকলেও যদি উচ্চারণে 'অ' বা স্বরবর্ণের মতো শোনায়, তবে a না বসিয়ে an বসাতে হয়।
a Modest
b Harsh
c Clever
d Rude
ব্যাখ্যাঃ
বিষয় ও ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ) সঠিক উত্তর যাচাই: প্রদত্ত সঠিক উত্তর D) Rude সঠিক নয়। 'Gentle' শব্দের সবচেয়ে যথাযথ বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'Harsh' (B)। তাই সঠিক উত্তর হবে B) Harsh। সঠিক উত্তর: B) Harsh কেন সঠিক: - 'Gentle' শব্দের অর্থ মৃদু, কোমল বা ভদ্র। - এর সরাসরি বিপরীত শব্দ হলো 'Harsh', যার অর্থ কর্কশ, কঠোর বা অমায়িক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Modest — এটি 'Gentle' শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ বিনীত বা মার্জিত। B) Harsh — এটি সঠিক বিপরীত শব্দ, যার অর্থ কর্কশ বা কঠোর। C) Clever — এর অর্থ চালাক বা চতুর, যা gentle শব্দের বিপরীত নয়। D) Rude — এটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে অভদ্র বোঝায়, তবে শারীরিক বা আচরণগত কঠোরতা বোঝাতে harsh বেশি উপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: Gentle (নরম) এর বিপরীত হলো Harsh (কঠিন বা কর্কশ)।
a Inform the police of the matter.
b He prevented me from going there.
c Cut the sentence
d Who is to bell the cat?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Cut the sentence কেন সঠিক: - ইংরেজি ভাষা ও ব্যাকরণে কোনো লেখা বা বাক্য মুছে ফেলা বা বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে 'Cut the sentence' ব্যবহার করা হয় না, বরং সঠিক ভাবপ্রকাশের জন্য 'Cross out' বা 'Delete' ব্যবহার করতে হয়। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে এটিই মূলত ভুল ইংরেজি ব্যবহারের কারণে সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Inform the police of the matter. — এটি একটি সঠিক বাক্য এবং অপরাধ বা ঘটনার ক্ষেত্রে পুলিশকে জানানোর সঠিক নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। B) He prevented me from going there. — এখানে prevent এর পর সঠিক প্রিপজিশন from এবং জিরান্ড ব্যবহৃত হওয়ায় বাক্যটি সম্পূর্ণ সঠিক। C) Cut the sentence — এটি ভুল ইংরেজি প্রয়োগ কারণ বাক্য মুছে ফেলার ক্ষেত্রে কাট শব্দটি মানানসই নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। D) Who is to bell the cat? — এটি একটি বহুল প্রচলিত সঠিক প্রবাদ বাক্য যার অর্থ ঝুঁকি নেওয়া। মনে রাখার টিপস: বাক্য কেটে ফেলা বা মুছে ফেলার ক্ষেত্রে Cut ব্যবহার না করে Cross out ব্যবহার করতে হয়।
a Out of the jungle
b Out of the bush
c Free from difficulties
d Out of the way
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Free from difficulties কেন সঠিক: - 'Out of the wood' একটি ইংরেজি ইডিয়ম যার আক্ষরিক অর্থ হলো জঙ্গল বা বিপদসংকুল বন থেকে বের হয়ে আসা। - রূপক অর্থে এটি কোনো জটিল পরিস্থিতি বা বিপদ থেকে পুরোপুরি মুক্ত হওয়াকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Out of the jungle — এটি ইডিয়মের আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি সঠিক রূপক অর্থ নয়। B) Out of the bush — এটি কোনো পরিচিত সঠিক ইডিয়ম নয় এবং এটি আক্ষরিক অর্থে ঝোপঝাড় থেকে বের হওয়া বোঝায়। C) Free from difficulties — এটি প্রদত্ত ইডিয়মের সঠিক ভাবার্থ বা অর্থ নির্দেশ করে। D) Out of the way — এর অর্থ রাস্তা থেকে সরে যাওয়া বা অপ্রাসঙ্গিক, যা এই ইডিয়মের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বনের মধ্যে হিংস্র প্রাণী ও বিপদের ভয় থাকে, তাই বন বা কাঠ (wood) থেকে বেরিয়ে আসা মানেই বিপদ থেকে মুক্ত হওয়া।
a Good night, how are you?
b Good night, how do you do?
c Good evening, how you are?
d Good evening, how are you?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Good evening, how are you? কেন সঠিক: - সন্ধ্যাবেলায় সাক্ষাতের সময় শুভেচ্ছা হিসেবে গুড ইভনিং বলা হয় এবং এরপর কুশল বিনিময়ের জন্য হাউ আর ইউ ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত উত্তরটি ইংরেজি গ্রিটিংস বা সম্ভাষণের ব্যাকরণ ও সামাজিক শিষ্টাচার সম্পূর্ণভাবে মেনে চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Good night, how are you? — রাতে বিদায় নেওয়ার সময় গুড নাইট বলা হয়, তাই সাক্ষাতের সময় এটি ব্যবহার করা ভুল। B) Good night, how do you do? — গুড নাইট রাতে বিদায়ের সময় ব্যবহৃত হয় এবং প্রথম পরিচয়ে হাউ ডু ইউ ডু বলা হয়, যা এখানে অসংগত। C) Good evening, how you are? — বাক্যটিতে সহায়ক ক্রিয়া সাবজেক্টের পরে বসে ভুল গঠন তৈরি করেছে, এটি সঠিক প্রশ্নবোধক বাক্য নয়। D) Good evening, how are you? — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে ধরা হয়নি। মনে রাখার টিপস: সাক্ষাতের সময় গুড ইভনিং এবং বিদায়ের সময় গুড নাইট বলতে হয়।
a The girl was reading the novel since last Saturday.
b The girl have been reading the novel since last Saturday.
c The girl has been reading the novel since last Saturday.
d The girl is reading the novel since last Saturday.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The girl has been reading the novel since last Saturday. কেন সঠিক: - বাক্যে since last Saturday থাকায় এটি Present Perfect Continuous Tense হবে। - Subject singular (The girl) হওয়ায় auxiliary verb হিসেবে has been বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The girl was reading the novel since last Saturday. — Past Continuous Tense হওয়ায় since ব্যবহারের নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়। B) The girl have been reading the novel since last Saturday. — Subject singular (The girl) হওয়ায় এরপর have এর পরিবর্তে has বসে। C) The girl has been reading the novel since last Saturday. — এটি সঠিক উত্তর। D) The girl is reading the novel since last Saturday. — Present Continuous Tense হওয়ায় এটি নির্দিষ্ট সময় থেকে চলা কাজের ক্ষেত্রে ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে since বা for এবং সময়ের উল্লেখ থাকলে Subject এর পর has been বা have been এবং মূল verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
a Malicious
b Malice
c Judicious
d Germane
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Judicious কেন সঠিক: - Sagacious শব্দের বাংলা অর্থ হলো বিচক্ষণ, জ্ঞানী বা দূরদর্শী। - Judicious শব্দের অর্থও বিচক্ষণ বা বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন, যা Sagacious শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Malicious — এর অর্থ বিদ্বেষপূর্ণ বা ক্ষতিকারক, যা বিচক্ষণতার বিপরীত। B) Malice — এটি একটি বিশেষ্য পদ এবং এর অর্থ হলো ক্ষতিকারক ইচ্ছা বা বিদ্বেষ। D) Germane — এর অর্থ প্রাসঙ্গিক বা সংগত, যার সঙ্গে Sagacious শব্দের অর্থের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: Sagacious শব্দের শেষে cious আছে এবং Judicious শব্দের শেষেও cious আছে, এভাবে মিল রেখে সমার্থক শব্দ মনে রাখা সহজ হয়।
a noun
b pronoun
c adverb
d adjective
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) pronoun কেন সঠিক: - 'All' শব্দটি এখানে বাক্যের শুরুতে বসে সাবজেক্ট বা কর্তা হিসেবে কাজ করেছে এবং একটি প্রবাদ বাক্যের অংশ হয়েছে। - এটি কোনো বিশেষ noun-কে নির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্ট না করে নিজেই noun-এর পরিবর্তে প্রধান পদ হিসেবে বসেছে, যা Pronoun-এর কাজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট বস্তুর নাম নয়, বরং নামের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়েছে তাই এটি Noun নয়। B) pronoun — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি এখানে Pronoun-এর ভূমিকা পালন করেছে। C) adverb — এটি কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো adverb-কে বিশেষিত করছে না, তাই এটি Adverb নয়। D) adjective — এটি কোনো noun-এর পূর্বে বসে তার দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না, তাই এটি Adjective নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে 'All that' থাকলে সাধারণত 'All' শব্দটি Pronoun হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a advercity
b advarciy
c advarcites
d adversity
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) adversity কেন সঠিক: - adversity শব্দটির অর্থ বিপত্তি বা দুর্ভাগ্যের সময়। - বানানটি গঠনের সঠিক নিয়ম অনুযায়ী এর সঠিক বানান a-d-v-e-r-s-i-t-y হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) advercity — শেষের দিকে s-এর পরিবর্তে c ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে। B) advarciy — প্রথম syllable-এ a এবং শেষের দিকে বানান ভুল থাকার কারণে এটি সঠিক নয়। C) advarcites — বানানটির গঠন সম্পূর্ণ ভুল এবং এটি কোনো সঠিক ইংরেজি শব্দ নয়। D) adversity — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ প্রতিকূলতা বা বিপদ। মনে রাখার টিপস: ad-ver-si-ty বানানটি মনে রাখতে ad, ver, si এবং ty এভাবে ভেঙে উচ্চারণ করে মুখস্থ করতে পারো।
a her
b her own beside
c hers
d herself
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) her কেন সঠিক: - preposition 'next to' এর পরে objective pronoun বসে। - 'she' এর objective রূপ হলো 'her'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) her — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি objective pronoun হিসেবে বসেছে। B) her own beside — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং বাক্য গঠনের নিয়ম মেনে চলে না। C) hers — এটি possessive pronoun, যা preposition এর পরে এই বাক্যের অর্থে বসে না। D) herself — এটি reflexive pronoun, এখানে কর্তার ওপর জোর দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। মনে রাখার টিপস: Preposition এর পরে সবসময় pronoun এর objective রূপ বসে, যেমন with her, next to her।
a You would succeed in the examination.
b You should have succeeded in the examination.
c You could succeed in the examination.
d You would have succeeded in the examination.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) You would have succeeded in the examination. কেন সঠিক: - এটি Third Conditional-এর নিয়ম অনুযায়ী গঠিত, যেখানে অতীতের অবাস্তব শর্ত বোঝানো হয়েছে। - If-clauses অংশে Past Perfect Tense (had + V3) থাকলে অপর অংশে would have / could have / might have + V3 বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) You would succeed in the examination. — এখানে প্রধান Clause-এ would + V1 আছে, যা Second Conditional-এর নিয়ম নির্দেশ করে। B) You should have succeeded in the examination. — এটি নৈতিক বাধ্যবাধকতা বোঝায়, যা Conditional Sentences-এর গঠনগত নিয়মের সাথে মিলে না। C) You could succeed in the examination. — এখানে could-এর পরে V1 আছে, কিন্তু নিয়মানুযায়ী could have-এর সাথে মূল Verb-এর Past Participle ফর্ম হওয়া প্রয়োজন ছিল। D) You would have succeeded in the examination. — এটি সঠিক, কারণ এখানে Past Perfect-এর সাথে would have + V3 গঠন পুরোপুরি সঠিক রয়েছে। মনে রাখার টিপস: If + Past Perfect (had + V3) থাকলে অপর অংশে would have + V3 ব্যবহার করতে হয়।
a Contemplation
b Contemptable
c Contemptible
d Contempt
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Contemptible কেন সঠিক: - Contempt শব্দটির অর্থ অবজ্ঞা বা ঘৃণা, যার সঠিক Adjective রূপ হলো Contemptible যার অর্থ ঘৃণ্য বা তুচ্ছ। - noun বা verb এর সাথে ible প্রত্যয় যুক্ত করে সাধারণত Adjective গঠন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Contemplation — এটি Contemplate verb এর Noun রূপ, যার অর্থ চিন্তা বা ধ্যান। B) Contemptable — এটি একটি বানানগতভাবে ভুল শব্দ, ইংরেজিতে এই ধরনের কোনো শব্দের প্রচলন নেই। C) Contemptible — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Contempt noun এর Adjective রূপ এবং এর অর্থ ঘৃণ্য। D) Contempt — এটি নিজেই একটি Noun, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক Adjective রূপ নয়। মনে রাখার টিপস: Contempt শব্দের শেষে ible যুক্ত করে Adjective (Contemptible) এবং able এর পরিবর্তে ation যুক্ত করে Noun (Contemplation) করা হয়।
a Simple sentence
b Compound sentence
c Complex sentence
d Optative sentence
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Compound sentence কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে দুটি স্বাধীন ক্লজ বা খণ্ডবাক্য রয়েছে যা কোঅর্ডিনেটিং কনজাংশন 'yet' দিয়ে যুক্ত হয়েছে। - সরল বাক্যে একটিমাত্র স্বাধীন ক্লজ থাকে এবং জটিল বাক্যে একটি প্রধান ও এক বা একাধিক অধীন ক্লজ থাকে, কিন্তু এখানে উভয় অংশই সমান গুরুত্ব বহন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Simple sentence — এটি ভুল কারণ সরল বাক্যে মাত্র একটি স্বাধীন ক্লজ থাকে, কিন্তু এই বাক্যে দুটি ভিন্ন ভাব প্রকাশকারী খণ্ডবাক্য রয়েছে। B) Compound sentence — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে দুটি স্বাধীন ক্লজ কোঅর্ডিনেটিং কনজাংশন 'yet' দ্বারা যুক্ত হয়েছে। C) Complex sentence — এটি ভুল কারণ জটিল বাক্যে সাবঅর্ডিনেটিং কনজাংশন বা রিলেটিভ প্রোনাউন থাকে, যা এখানে নেই। D) Optative sentence — এটি ভুল কারণ অপটেটিভ সেন্টেন্স দ্বারা ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ করা হয়, যা এই বাক্যের উদ্দেশ্যের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে and, but, or, yet থাকলে সাধারণত তা Compound sentence হয়।
a He went to Rangpur last week, didn't he?
b He went to Rangpur last week, don't he?
c He went to Rangpur last week, isn't he?
d He went to Rangpur last week, does not he?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He went to Rangpur last week, didn't he? কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে রয়েছে এবং মূল ভারب 'went' ব্যবহার করা হয়েছে। - মূল বাক্যটি হ্যাভ বা বি ভার্ব ছাড়া Affirmative হওয়ায় এর ট্যাগ কুয়েশ্চন তৈরিতে সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে 'did' এবং সাবজেক্ট অনুযায়ী 'he' ব্যবহার করে 'didn't he' লিখতে হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He went to Rangpur last week, didn't he? — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) He went to Rangpur last week, don't he? — পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে 'don't' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) He went to Rangpur last week, isn't he? — এটি পাস্ট টেন্স হওয়ায় প্রেজেন্ট টেন্সের 'isn't' ব্যবহার করা ভুল। D) He went to Rangpur last week, does not he? — পাস্ট টেন্সের জন্য 'does not' ব্যবহার করা যায় না এবং এর সংক্ষিপ্ত রূপও ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: বাক্যে মূল ভার্ব পাস্ট টেন্সে (V2) থাকলে ট্যাগ কুয়েশ্চন করার সময় সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে সবসময় 'did' অথবা 'didn't' ব্যবহার করতে হয়।
a by
b from
c for
d of
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) from কেন সঠিক: - কোনো বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ কারণে যেমন অতিরিক্ত খাওয়া, বিষক্রিয়া বা ক্লান্তিজনিত কারণে মারা যাওয়া বোঝালে ডাই শব্দের পর্রম প্রিপজিশন বসে। - অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে মৃত্যু ঘটেছে বিধায় এখানে সঠিক প্রিপজিশন হবে ফরম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — কোনো দুর্ঘটনায়, আত্মহ্ত্তায় বা সহিংসতার মাধ্যমে মারা যাওয়া বোঝালে ডাই শব্দের পর বাই বসে। B) from — অতিরিক্ত খাওয়া বা অন্য কোনো পরোক্ষ কারণে মারা যাওয়ার ক্ষেত্রে এটি সঠিক প্রিপজিশন। C) for — দেশের জন্য, কোনো মহৎ উদ্দেশ্যে বা কোনো কিছুর অভাবজনিত কারণে মারা যাওয়া বোঝালে ডাই শব্দের পর ফর বসে। D) of — কোনো রোগ, মহামারি বা না খেয়ে মারা যাওয়া বোঝালে ডাই শব্দের পর অফ বসে। মনে রাখার টিপস: অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে মৃত্যু হলে এবং রোগে মৃত্যু হলে অফ হয় এটি মনে রাখলে ভুল হবে না।

মোট প্রশ্ন (13)

a পৌষ মাস
b মাঘ মাস
c চৈত্র মাস
d মাঘ মাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চৈত্র মাস কেন সঠিক: - পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব বৈসাবি মূলত বাংলা সনের চৈত্র মাসের শেষ দিন এবং নতুন বর্ষবরণের সময় উদ্‌যাপন করা হয়। - ত্রিপুরাদের বৈসু, মারমাদের সাংগ্রাই এবং চাকমাদের বিজু উৎসবের আদ্যক্ষর নিয়ে বৈসাবি শব্দটি গঠিত হয়েছে যা চৈত্র সংক্রান্তির সময় অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পৌষ মাস — এটি সাধারণ শীতকাল ও পৌষ সংক্রান্তির সময়, যা পাহাড়ি বৈসাবি উৎসবের সময়কাল নয়। B) মাঘ মাস — এটি শীতের মাস এবং পাহাড়ি সম্প্রদায়ের এই প্রধান উৎসবটি এই মাসে পালিত হয় না। D) মাঘ মাস — প্রদত্ত অপশনে মাঘ মাস দুবার রয়েছে এবং এটি চৈত্র মাসের সঙ্গে সম্পর্কিত বৈসাবি উৎসবের সময় নয়। মনে রাখার টিপস: বৈসাবি উৎসব মানেই বাংলা বছরের শেষ মাস অর্থাৎ চৈত্র সংক্রান্তির আনন্দ।
a 1950
b 1970
c 1947
d 1954
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা প্রদত্ত সঠিক উত্তর যাচাই: প্রদত্ত অপশনে সঠিক উত্তর নেই। প্রশ্নটি ছিয়াত্তরের মন্বন্তর সম্পর্কিত, যা বাংলা ১১৭৬ সনে (ইংরেজী ১৭৭০ সালে) সংঘটিত হয়েছিল। প্রদত্ত অপশনের খ (B) তে ১৭৭০ সাল উল্লেখ থাকলেও মূল প্রশ্নে অপশন দেওয়া ছিল ভিন্ন। তাই সঠিক উত্তর হবে ১৭৭০ সাল। সঠিক উত্তর: B) ১৭৭০ কেন সঠিক: - বাংলার ১১৭৬ সনে এবং ইংরেজী ১৭৭০ সালে ব্রিটিশ আমলে এই ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল। - বাংলা সনের সাথে বঙ্গাব্দ ৭৬ যুক্ত থাকায় এই দুর্ভিক্ষ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫০ — এই সালে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর হয়নি, এটি একটি সাধারণ বছর। B) ১৭৭০ — এটি সঠিক সাল হলেও প্রশ্নের অপশন বিন্যাসে এটি বি তে রয়েছে এবং এটিই বাংলার ১৭৭০ সাল নির্দেশ করে। C) ১৯৪৭ — এই সালে ভারত ও পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভ করে, কোনো মন্বন্তর হয়নি। D) ১৯৫৪ — এই সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। মনে রাখার টিপস: ছিয়াত্তর অর্থ ১১৭৬ বাংলা সন, যার ইংরেজি সাল বের করতে হলে ৫৯৩ বছর যোগ করতে হয়, অর্থাৎ ১৭৭০ সাল।
a ডায়োড
b ট্রানজিস্টর
c ট্রান্সফরমার
d অ্যাম্প্লিফায়ার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ট্রান্সফরমার কেন সঠিক: - ট্রান্সফরমার পারস্পরিক আবেশ বা মিউচুয়াল ইনডাকশন নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে। - এতে দুটি কয়েল থাকে যেখানে প্রথম কয়েলের পরিবর্তিত প্রবাহ দ্বিতীয় কয়েলে ভোল্টেজ তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডায়োড — এটি পারস্পরিক আবেশে কাজ করে না, এটি সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস যা একমুখী বিদ্যুৎ প্রবাহ নিশ্চিত করে। B) ট্রানজিস্টর — এটি পারস্পরিক আবেশে কাজ করে না, এটি সিগন্যাল বিবর্ধন বা সুইচিংয়ের কাজে ব্যবহৃত সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস। C) ট্রান্সফরমার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি পারস্পরিক আবেশ নীতির মাধ্যমে এসি ভোল্টেজ কমায় বা বাড়ায়। D) অ্যাম্প্লিফায়ার — এটি পারস্পরিক আবেশে কাজ করে না, এটি ইলেকট্রনিক সিগন্যালের মান বা শক্তি বৃদ্ধি করে। মনে রাখার টিপস: ট্রান্সফরমার মানেই পারস্পরিক আবেশ বা মিউচুয়াল ইনডাকশন, যা বৈদ্যুতিক শক্তি স্থানান্তর করে।
a ২২ মার্চ
b ২৩ মার্চ
c ২২ এপ্রিল
d ২৫ এপ্রিল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২২ মার্চ কেন সঠিক: - জাতিসংঘ ১৯৯৩ সাল থেকে প্রতি বছর ২২ মার্চ তারিখটিকে বিশ্ব পানি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। - নিরাপদ পানির গুরুত্ব তুলে ধরতে এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে এই দিবসটি বিশ্বজুড়ে পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২২ মার্চ — এটি বিশ্ব পানি দিবসের নির্ধারিত সঠিক তারিখ। B) ২৩ মার্চ — এই তারিখে বিশ্ব পানি দিবস পালित হয় না, এটি বিশ্ব আবহাওয়া দিবস। C) ২২ এপ্রিল — এই তারিখে বিশ্ব পানি দিবস পালित হয় না, এটি বিশ্ব ধরিত্রী দিবস। D) ২৫ এপ্রিল — এই তারিখে বিশ্ব পানি দিবস পালित হয় না, এটি বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস। মনে রাখার টিপস: মার্চ মাসের ২২ দিন পানি পানের কথা মনে রাখলে বিশ্ব পানি দিবসের তারিখ সহজে মনে রাখা যায়।
a ২৬ নভেম্বর ১৯৭২
b ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
c ৪ নভেম্বর ১৯৭২
d ৩ নভেম্বর ১৯৭২
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ৪ নভেম্বর ১৯৭২ কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। - এই দিনটিকে বাংলাদেশের সংবিধান দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ নভেম্বর ১৯৭২ — এই তারিখে সংবিধানের ওপর গণপরিষদের সদস্যদের স্বাক্ষর গ্রহণ করা হয়, সংবিধান গৃহীত হয়নি। B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ — এই দিনে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান কার্যকর করা হয়, যা বিজয়ের প্রথম বার্ষিকীতে সম্পন্ন হয়। C) ৪ নভেম্বর ১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। D) ৩ নভেম্বর ১৯৭২ — এই তারিখে খসড়া সংবিধান গণপরিষদে অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হয়। মনে রাখার টিপস: সংবিধান গ্রহণের তারিখ হলো ৪ নভেম্বর এবং কার্যকরের তারিখ হলো ১৬ ডিসেম্বর।
a আব্দুল রাজ্জাক গুরনাহ্
b ড. জাঁ তিরোল
c কাঞ্জও ইশিগুরো
d কৈলাশ সত্যার্থী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ড. জাঁ তিরোল কেন সঠিক: - ফরাসি অর্থনীতিবিদ ও নোবেলজয়ী ড. জাঁ তিরোল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তনে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। - তিনি ২০১৪ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন এবং এই সমাবর্তনে তাঁকে সম্মানসূচক ডি-লিট ডিগ্রি প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আব্দুল রাজ্জাক গুরনাহ্ — তিনি তানজানিিয়ার ঔপন্যাসিক এবং ২০২১ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করলেও এই সমাবর্তনের বক্তা ছিলেন না। B) ড. জাঁ তিরোল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) কাঞ্জও ইশিগুরো — তিনি ২০১৭ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী একজন ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক, যিনি এই সমাবর্তনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। D) কৈলাশ সত্যার্থী — তিনি ভারতের একজন শিশু অধিকার কর্মী এবং ২০১৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, যিনি অন্য সমাবর্তনে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন। মনে রাখার টিপস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তনের বক্তা ছিলেন অর্থনীতিতে নোবেলজয়ী ফরাসি পন্ডিত ড. জাঁ তিরোল।
a পোভাটিলেস বাংলাদেশ
b প্রোগ্রেসিভ বাংলাদেশ
c এনলাইটেড বাংলাদেশ
d স্মার্ট বাংলাদেশ
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও আইসিটি সঠিক উত্তর: D) স্মার্ট বাংলাদেশ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রূপকল্প হিসেবে ডিজিটাল বাংলাদেশের পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ করা হয়েছে স্মার্ট বাংলাদেশ। - ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত, জ্ঞানভিত্তিক ও প্রযুক্তি নির্ভর রাষ্ট্রে রূপান্তর করার লক্ষ্যেই এই নতুন রূপকল্প ঘোষণা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পোভাটিলেস বাংলাদেশ — এটি দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ বোঝাতে ব্যবহৃত একটি সাধারণ ইংরেজি শব্দগুচ্ছ, যা সরকারের কোনো নির্দিষ্ট সরকারি রূপকল্পের আনুষ্ঠানিক নাম নয়। B) প্রোগ্রেসিভ বাংলাদেশ — এটি একটি সাধারণ অভিব্যক্তি যার অর্থ প্রগতিশীল বাংলাদেশ, এটি কোনো নীতি বা পরিবর্তিত সরকারি রূপকল্পের নাম নয়। C) এনলাইটেড বাংলাদেশ — এটি আলোকিত বাংলাদেশ বোঝায়, যা দেশের কোনো নির্দিষ্ট উন্নয়ন রূপকল্পের পরিবর্তিত বা দাপ্তরিক নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। D) স্মার্ট বাংলাদেশ — এটি ডিজিটাল বাংলাদেশের সফল বাস্তবায়নের পর পরবর্তী লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারিত আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার সরকারি রূপকল্প। মনে রাখার টিপস: ডিজিটাল যুগের পরবর্তী ধাপ হলো স্মার্ট যুগ, তাই ডিজিটাল বাংলাদেশের পরিবর্তিত ও উন্নত রূপ হলো স্মার্ট বাংলাদেশ।
a নদ-নদী
b মহাসাগর
c গাছপালা
d ভূ-পৃষ্ঠ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মহাসাগর কেন সঠিক: - পানির উচ্চ আপেক্ষিক তাপ ধারণক্ষমতা থাকার কারণে মহাসাগর বায়ুমণ্ডলের অতিরিক্ত তাপের ৯০ শতাংশের বেশি শোষণ করে নেয়। - পৃথিবীর প্রায় ৭১ শতাংশ অংশ জুড়ে জলরাশি থাকায় এটি বৈশ্বিক জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে তাপ সিংক হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নদ-নদী — নদ-নদীর পানি প্রবাহমান হলেও আয়তনে অত্যন্ত সীমিত হওয়ায় এরা বৈশ্বিক উষ্ণতার খুব সামান্য অংশই শোষণ করতে পারে। B) মহাসাগর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জলাধার হওয়ায় তাপ শোষণে প্রধান ভূমিকা পালন করে। সি) গাছপালা — গাছপালা সালোকসংশ্লেষণ ও বাষ্পীভবনে সাহায্য করলেও উষ্ণতার সিংহভাগ শোষণে অক্ষম। ডি) ভূ-পৃষ্ঠ — ভূ-পৃষ্ঠ বা স্থলভাগ তাপ শোষণ করলেও এর তাপ ধারণক্ষমতা পানির তুলনায় অনেক কম। মনে রাখার টিপস: পৃথিবীতে পানির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি তাই তাপও সবচেয়ে বেশি শোষণ করে মহাসাগর।
a ভ্লাদিমির পুতিন
b নিখাইল গর্বাচেভ
c লিও তলস্তয়
d ব্রেজনেভ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিখাইল গর্বাচেভ কেন সঠিক: - নিখাইল গর্বাচেভ ১৯৯১ সালের ডিসেম্বর মাসে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তির পূর্বে দেশটির সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - তার শাসনামলে গ্লাসনসট ও পেরেস্ত্রোইকা নীতির কারণে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ত্বরান্বিত হয় এবং রাষ্ট্রটি ভেঙে খণ্ড খণ্ড হয়ে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভ্লাদিমির পুতিন — তিনি বর্তমান রাশিয়ান ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তির অনেক পরের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। B) নিখাইল গর্বাচেভ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি অবিভক্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের শেষ প্রেসিডেন্ট ছিলেন। C) লিও তলস্তয় — তিনি রাশিয়ার একজন বিখ্যাত ও বিশ্বখ্যাত ঔপন্যাসিক ও দার্শনিক, কোনো রাজনৈতিক নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন না। D) ব্রেজনেভ — তিনি সোভিয়েত ইউনিয়নের একজন শীর্ষ নেতা ছিলেন, তবে সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট নন এবং গর্বাচেভের অনেক আগে ক্ষমতায় ছিলেন। মনে রাখার টিপস: সোভিয়েত ইউনিয়নের শেষ (শেষ মানে জি দিয়ে শেষ বা গর্বাচেভ) নেতা ছিলেন নিখাইল গর্বাচেভ।
a সিঙ্গাপুর
b তাইওয়ান
c ভিয়েতনামী
d থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) থাইল্যান্ড কেন সঠিক: - বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী উত্তর ভারত মহাসাগরের ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করে প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত দেশগুলো। - সিটরাং নামটি প্রস্তাব করেছিল থাইল্যান্ড এবং এটি তাদের দেওয়া একটি ঐতিহ্যবাহী নাম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিঙ্গাপুর — এই দেশ সিটরাং ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের প্যানেলের সদস্য হলেও এই নির্দিষ্ট নামটি তারা প্রস্তাব করেনি। B) তাইওয়ান — তাইওয়ান বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার ঘূর্ণিঝড় নামকরণ প্যানেলের সদস্য রাষ্ট্র নয়। C) ভিয়েতনামী — ভিয়েতনাম এই ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের জন্য কোনো নাম প্রস্তাব করেনি। D) থাইল্যান্ড — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই দেশটি সিটরাং নামটি প্রস্তাব করেছিল। মনে রাখার টিপস: থাইল্যান্ডের থ দিয়ে শুরু হয় না, কিন্তু থাইল্যান্ডের দেওয়া সিটরাং নামটির সাথে থাই সংস্কৃতির সংযোগ রয়েছে।
a এক বছর
b দুই বছর
c তিন বছর
d চার বছর
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) দুই বছর কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের উভয় কক্ষের (প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট) নির্বাচনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি চার বছরের প্রেসিডেন্ট মেয়াদের ঠিক মাঝপথে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। - মার্কিন রাষ্ট্রপতির চার বছর মেয়াদী ক্ষমতার দুই বছর পূর্ণ হওয়ার পর এই মধ্যবর্তী বা মিডটার্ম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় বলেই একে মধ্যবর্তী নির্বাচন বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক বছর — যুক্তরাষ্ট্রের কোনো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় নির্বাচনে এক বছর অন্তর ভোট গ্রহণের সাংবিধানিক বিধান নেই। B) দুই বছর — যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের চার বছর মেয়াদের ঠিক মাঝখানে এই নির্বাচন হয় বলে এটি সঠিক উত্তর, যদিও প্রদত্ত উত্তরে ভুলবশত চার বছর বলা হয়েছে। সি) তিন বছর — যুক্তরাষ্ট্রের কোনো স্তরের রাষ্ট্রীয় বা কেন্দ্রীয় নির্বাচনে তিন বছর অন্তর মেয়াদপূর্তির নিয়ম নেই। D) চার বছর — যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদের মেয়াদ চার বছর, যা মধ্যবর্তী নির্বাচনের মেয়াদকাল নয় বরং পুরো রাষ্ট্রপতির কার্যকাল। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের চার বছরের মেয়াদকে দুই দিয়ে ভাগ করলে মাঝের সময়টি অর্থাৎ দুই বছর পাওয়া যায়, যা মধ্যবর্তী নির্বাচনের সময়কাল নির্দেশ করে।
a রুজভেল্ট
b ভল্টেয়ার
c উইনস্টন চার্চিল
d মার্গারেট থ্যাচার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উইনস্টন চার্চিল কেন সঠিক: - উইনস্টন চার্চিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৪০ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - তার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও যুদ্ধকালীন অসামান্য ভূমিকার জন্য তিনি বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রুজভেল্ট — তিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। B) ভল্টেয়ার — তিনি একজন বিখ্যাত ফরাসি দার্শনিক ও লেখক ছিলেন, কোনো রাজনৈতিক নেতা বা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। C) উইনস্টন চার্চিল — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। D) মার্গারেট থ্যাচার — তিনি যুক্তরাজ্যের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন ১৯৭৯ থেকে ১৯৯০ সালের মধ্যে। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাজ্যের যুদ্ধের (War) সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল, যুদ্ধ এবং চার্চিল শব্দ দুটির শুরুর অক্ষর মিলে যায়।
a ২০৪০ সালে
b ২০৩০ সালে
c ২০৪১ সালে
d ২০৫০ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০৪১ সালে কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ গড়ার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। - এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য দ্বিতীয় রূপকল্প বা প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০১০ থেকে ২০৪১ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০৪০ সালে — এটি বাংলাদেশের উন্নত দেশ হওয়ার নির্ধারিত কোনো পরিকল্পনা বা সরকারি লক্ষ্য নয়। B) ২০৩০ সালে — এটি মূলত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা এসডিজি অর্জনের নির্ধারিত সময়সীমা, উন্নত দেশ হওয়ার লক্ষ্য নয়। C) ২০৪১ সালে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) ২০৫০ সালে — এটি জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ডেল্টা প্ল্যানের সঙ্গে সম্পর্কিত, উন্নত দেশ হওয়ার লক্ষ্য নয়। মনে রাখার টিপস: স্মার্ট বাংলাদেশের স্লোগান এবং উন্নত দেশের লক্ষ্য অর্জনে দুই দশকের ব্যবধানে লক্ষ্য ধরা হয়েছে, যার শেষ সালটি হলো একচল্লিশ।

মোট প্রশ্ন (8)

a টাংস্টেন
b আয়রন
c কার্বন
d লেড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) টাংস্টেন ১. কেন সঠিক: - বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট তৈরিতে টাংস্টেন ব্যবহার করা হয় কারণ এর গলনাঙ্ক অত্যন্ত উচ্চ। - তড়িৎ প্রবাহের ফলে অতিরিক্ত উত্তপ্ত হয়ে এটি আলো ছড়ায় কিন্তু সহজে গলে যায় না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বৈদ্যুতিক শক্তি প্রথমে তাপশক্তি এবং পরে আলো শক্তিতে রূপান্তরিত হওয়ার প্রক্রিয়া। - কার্যপ্রণালি: ফিলামেন্টের রোধ বেশি হওয়ায় বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে তা প্রচণ্ড উত্তপ্ত হয়ে উজ্জ্বল আলো বিকিরণ করে। - বাস্তব প্রয়োগ: সাধারণ ইনক্যান্ডেসেন্ট বাল্ব বা বৈদ্যুতিক বাতিতে টাংস্টেন তারের কুণ্ডলী ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৈদ্যুতিক হিটার বা ইস্ত্রির কুণ্ডলী। ব্যাখ্যা: এগুলোতে নাইক্রোম তার ব্যবহার করা হয় যা উচ্চ তাপেও পুড়ে যায় না। উদাহরণ ২: টাংস্টেন হ্যালোজেন ল্যাম্প। ব্যাখ্যা: সাধারণ বাল্বের চেয়ে এর কার্যকারিতা বেশি এবং এটি তীব্র আলো দিতে সক্ষম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টাংস্টেন — সঠিক উত্তর কারণ এর গলনাঙ্ক প্রায় ৩,৪২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং রোধ উচ্চ। B) আয়রন — এটি লোহা, যার গলনাঙ্ক টাংস্টেনের চেয়ে কম এবং বাতাসে দ্রুত জারিত হয়। C) কার্বন — প্রাচীন বাল্বে কার্বন ফিলামেন্ট ব্যবহার করা হলেও আধুনিক প্রযুক্তিতে তা অকার্যকর। D) লেড — এটি সিসা, যার গলনাঙ্ক খুব কম এবং এটি ফিলামেন্ট হিসেবে ব্যবহারের অযোগ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাল্বের আলো ছড়ানোর ক্ষমতা নির্ভর করে উচ্চ গলনাঙ্ক সম্পন্ন ধাতুর ওপর, যার প্রতীক ডব্লিউ এবং নাম টাংস্টেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - টাংস্টেনের গলনাঙ্ক কত তা বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - বাল্বের ভেতরে নিষ্ক্রিয় গ্যাস যেমন আর্গন ব্যবহার করা হয় যাতে ফিলামেন্ট জারিত না হয়।
a কম্যুটোটর
b ফিল্ড ওয়াইন্ডিং
c আর্মেচার ওয়াইন্ডিং
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কম্যুটোটর ১. কেন সঠিক: - ডিসি মেশিনের ক্ষেত্রে কম্যুটোটর হলো এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রধান কার্যকরী উপাদান। - এটি আর্মেচার কয়েলে উৎপন্ন এসি বিদ্যুৎকে বাহ্যিক সার্কিটের জন্য ডিসি বিদ্যুতে রূপান্তরিত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কম্যুটোটর হলো একটি গোলকধাঁধার মতো স্প্লিট রিং বা বিভক্ত বলয় যা আর্মেচারের সাথে ঘোরে। - কার্যপ্রণালি: এটি যান্ত্রিকভাবে কারেন্টের দিক পরিবর্তন করে জেনারেটরের ক্ষেত্রে এসিকে ডিসি এবং মোটরের ক্ষেত্রে ডিসিকে এসি প্রবাহে রূপান্তর করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডিসি জেনারেটর বা ডায়নামো ব্যাখ্যা: সাইকেলের ডায়নামোয় কম্যুটোটর থাকার কারণে ভেতরের এসি বাইরে এসে একমুখী বা ডিসি প্রবাহে পরিণত হয়। উদাহরণ ২: খেলনার ডিসি মোটর ব্যাখ্যা: এই মোটরে কম্যুটোটরের মাধ্যমে প্রতি অর্ধেকাংশ ঘোরার সময় কারেন্টের দিক উল্টে যায়, ফলে মোটরটি একই দিকে ঘুরতে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কম্যুটোটর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ডিসি মেশিনের মূল কাজ তথা বিদ্যুৎ রূপান্তরে সরাসরি ভূমিকা রাখে। B) ফিল্ড ওয়াইন্ডিং — এটি মেশিনে চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে কিন্তু সরাসরি প্রবাহ রূপান্তর করে না। C) আর্মেচার ওয়াইন্ডিং — এটি এমন এক কয়েল যেখানে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়, তবে কম্যুটোটর ছাড়া তা ডিসিতে রূপান্তরিত হয় না। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশনে রয়েছে, তাই এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডিসি মানে ডিরেক্ট কারেন্ট, আর কম্যুটোটর হলো সেই সুইচ যা কারেন্টের ডিরেকশন বা দিক ঠিক রাখে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্যুটোটর সাধারণত তামা এবং মাইকা দিয়ে তৈরি হয়। - এসি জেনারেটরে স্লিপ রিং এবং ডিসি জেনারেটরে কম্যুটোটর ব্যবহৃত হয়।
a প্রক্সিমা সেন্টারাই
b আলফা সেন্টুরি
c আলফা সেন্টাউরি
d ভেগা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রক্সিমা সেন্টারাই ১. কেন সঠিক: সূর্য থেকে সবচেয়ে কম দূরত্বে অবস্থিত নক্ষত্র হলো প্রক্সিমা সেন্টারাই। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় চার দশমিক দুই চার আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত একটি লোহিত বামন নক্ষত্র। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: নক্ষত্র হলো এমন মহাজাগতিক বস্তু যার নিজস্ব আলো ও তাপ রয়েছে এবং যা নিউক্লীয় সংযোজন বিক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন করে। মহাকাশ দূরত্ব: মহাকাশে দূরত্ব পরিমাপের একক হলো আলোকবর্ষ, অর্থাৎ আলো এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য আমাদের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র, যা পৃথিবী থেকে মাত্র আট মিনিট বিশ সেকেন্ড আলো আসার দূরত্বে অবস্থিত। ব্যাখ্যা: সূর্য ছাড়া অন্য কোনো নক্ষত্র এত কাছে নেই বলেই সেগুলো রাতের আকাশে ক্ষুদ্র আলোর বিন্দুর মতো দেখায়। উদাহরণ ২: প্রক্সিমা সেন্টারাই খালি চোখে দেখা যায় না কারণ এটি একটি ক্ষীণ লোহিত বামন নক্ষত্র। ব্যাখ্যা: কম ভর ও কম তাপমাত্রার কারণে এই নক্ষত্রের ঔজ্জ্বল্য খুব কম হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রক্সিমা সেন্টারাই — এটি সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র হিসেবে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত এবং সঠিক উত্তর। B) আলফা সেন্টুরি — এটি একটি ত্রৈত নক্ষত্র ব্যবস্থা যার অংশ প্রক্সিমা সেন্টারাই, তবে একক নক্ষত্র হিসেবে এটি কিছুটা দূরে অবস্থিত। C) আলফা সেন্টাউরি — এটি আলফা সেন্টুরি নক্ষত্র ব্যবস্থারই ইংরেজি নামের ভিন্ন বানান, যা সূর্যের দ্বিতীয় বা তৃতীয় নিকটতম নক্ষত্র হিসেবে গণ্য হয়। D) ভেগা — এটি লীরা তারকামণ্ডলীর একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র যা পৃথিবী থেকে প্রায় পঁচিশ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত এবং অনেক বেশি দূরে। ৫. মনে রাখার টিপস: সূর্যের নিকটতম বন্ধু বা প্রক্সি হলো প্রক্সিমা সেন্টারাই। এভাবে প্রক্সি শব্দ থেকে প্রক্সিমা সেন্টারাই মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আলোকবর্ষ হলো দূরত্বের একক, সময়ের একক নয়—এই প্রশ্নটি বিসিএসে প্রায়ই আসে। নিকটতম গ্যালাক্সি বা ছায়াপথ কোনটি, এই সংক্রান্ত প্রশ্নও এর সাথে মিলিয়ে পড়তে হবে।
a গ্লিসারিন
b সোডিয়াম ক্লোরাইড
c ক্যালসিয়াম কার্বনেট
d ফিটকিরি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্যালসিয়াম কার্বনেট ১. কেন সঠিক: ক্যালসিয়াম কার্বনেট পানিতে দ্রবীভূত হয় না কারণ এর আয়নগুলোর মধ্যকার আকর্ষণ বল জলের অণুগুলোর আকর্ষণ বলের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। পানিতে দ্রবীভূত হওয়ার জন্য পদার্থের অণু বা আয়নগুলোর সঙ্গে জলের অণুগুলোর যে আকর্ষণ প্রয়োজন, তা ক্যালসিয়াম কার্বনেটের ক্ষেত্রে অপর্যাপ্ত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: দ্রবণীয়তা হলো কোনো নির্দিষ্ট দ্রাবকে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো দ্রবের দ্রবীভূত হওয়ার সর্বোচ্চ ক্ষমতা। রাসায়নিক সংকেত: ক্যালসিয়াম কার্বনেটের রাসায়নিক সংকেত হলো CaCO৩ এবং এর আয়নিক জালিকা অত্যন্ত শক্ত প্রকৃতির। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চক বা চুনাপাথর জলে ফেলে দিলে তা পাত্রের তলায় থিতিয়ে পড়ে কিন্তু দ্রবীভূত হয় না। ব্যাখ্যা: এটি ক্যালসিয়াম কার্বনেটের অদ্রবণীয়তার একটি সরাসরি দৃশ্যমান বাস্তব উদাহরণ। উদাহরণ ২: ডিমের খোসা বা মার্বেল পাথরের টুকরো জলে ভিজিয়ে রাখলেও তা জলে গলে যায় না। ব্যাখ্যা: মার্বেল ও ডিমের খোসায় ক্যালসিয়াম কার্বনেট থাকে যা জলে অদ্রবণীয় হওয়ায় কঠিন অবস্থায় অপরাজিত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্লিসারিন — এটি একটি অ্যালকোহলজাতীয় জৈব যৌগ যা জলের সঙ্গে যেকোনো অনুপাতে সহজে মিশে যায়। B) সোডিয়াম ক্লোরিড — এটি সাধারণ লবণ যা জলে খুব দ্রুত দ্রবীভূত হয়ে সোডিয়াম ও ক্লোরাইড আয়নে বিভক্ত হয়। C) ক্যালসিয়াম কার্বনেট — এটি জলে অদ্রবণীয় একটি অজৈব লবণ যা চুন প্রস্তুতিতে বা মার্বেল পাথরে পাওয়া যায়। D) ফিটকিরি — এটি একটি দ্বি-লবণ যা জলে অত্যন্ত দ্রবীভূত হয় এবং জল পরিষ্কার করতে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: জলে দ্রবণীয় পদার্থগুলো সাধারণত পোলার বা আয়নিক প্রকৃতির হয় যেমন লবণ ও চিনি। ক্যালসিয়াম কার্বনেট জাতীয় কঠিন পাথর প্রকৃতির পদার্থ জলে দ্রবীভূত হয় না বলে এটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ক্যালসিয়াম কার্বনেট হলো চুনাপাথর, মার্বেল ও ডিমের খোসার মূল রাসায়নিক উপাদান। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে যেখানে কোনটি জলে দ্রবণীয় বা অদ্রবণীয় তা জানতে চাওয়া হয়।
a ২৪০০ মেগাওয়াট
b ২২০০ মেগাওয়াট
c ২৩০০ মেগাওয়াট
d ২১০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪০০ মেগাওয়াট ১. কেন সঠিক: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দুটি ইউনিট রয়েছে এবং প্রতিটি ইউনিট থেকে ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়। দুটি ইউনিট মিলে এই মেগা প্রকল্পের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৪০০ মেগাওয়াট নির্ধারিত হয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পারমাণবিক শক্তি হলো পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে নিয়ন্ত্রিত উপায়ে নিউক্লীয় বিভাজন বা ফিশন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন তাপশক্তি। কার্যপ্রণালি: ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন আঘাত করলে প্রচুর তাপশক্তি উৎপন্ন হয় যা দিয়ে জল ফুটিয়ে উচ্চচাপের বাষ্প তৈরি করা হয়। বাস্তব প্রয়োগ: এই উচ্চচাপের বাষ্প টারবাইন ঘোরায় এবং টারবাইনের সাথে যুক্ত জেনারেটর যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য এবং নক্ষত্রসমূহ। ব্যাখ্যা: সেখানে ফিউশন প্রক্রিয়ায় প্রচুর শক্তি উৎপাদিত হয় যা রূপপুরের ফিশন প্রক্রিয়ার সাথে শক্তির রূপান্তরের দিক থেকে তুলনামূলক। উদাহরণ ২: রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ব্যাখ্যা: এটি জীবাশ্ম জ্বালানি পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে যা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি জ্বালানি প্রযুক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪০০ মেগাওয়াট — এটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সঠিক এবং অনুমোদিত মোট উৎপাদন ক্ষমতা। B) ২২০০ মেগাওয়াট — এই সংখ্যাটি রূপপুরের মোট ক্ষমতার সাথে মেলে না এবং এটি ভুল তথ্য। C) ২৩০০ মেগাওয়াট — এটিও রূপপুরের নকশা বা নির্ধারিত উৎপাদন ক্ষমতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) ২১০০ মেগাওয়াট — এটি একটি ভুল পরিমাপ যা প্রকল্পের প্রকৃত ক্ষমতার চেয়ে কম। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রতিটি ইউনিটে বারোশো মেগাওয়াট করে দুটি ইউনিট আছে, অর্থাৎ বারোশো গুণ দুই সমান চব্বিশশো মেগাওয়াট। এই সহজ গুণটি মনে রাখলেই পরীক্ষার হলে সঠিক সংখ্যাটি খুব দ্রুত বের করা সম্ভব হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র যা পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত। এই কেন্দ্র নির্মাণে রাশিয়ার প্রযুক্তি এবং আর্থিক সহযোগিতা নেওয়া হয়েছে যা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
a ইথেন
b মিথেন
c নাইট্রোজেন
d ক্লোরোপিক্রিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্লোরোপিক্রিন ১. কেন সঠিক: ক্লোরোপিক্রিন একটি শক্তিশালী রাসায়নিক যৌগ যা চোখে তীব্র জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে এবং অশ্রু ঝরায়। এটি যুদ্ধক্ষেত্রে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক জনসমাগম ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: কাঁদানে গ্যাস বা রাইট কন্ট্রোল এজেন্ট এমন একদল রাসায়নিক পদার্থ যা শ্লৈষ্মিক ঝিল্লিকে উদ্দীপ্ত করে। রাসায়নিক গঠন: এর রাসায়নিক সংকেত সি সি এল থ্রি এন ও টু এবং এটি নাইট্রোমিথেনের ক্লোরিনযুক্ত জাতক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুলিশ বাহিনী দলাদলি বা সহিংস জনতা নিয়ন্ত্রণের জন্য কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে থাকে। ব্যাখ্যা: এই গ্যাসটি বাতাসে ছড়ালে মানুষের চোখ ও নাকের সংবেদনশীল কোষে তীব্র অস্বস্তি সৃষ্টি করে। উদাহরণ ২: পরীক্ষাগারে ক্লোরোপিক্রিন তৈরির সময় নাইট্রোমিথেনের সঙ্গে ব্লিচিং পাউডার বা সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইটের বিক্রিয়া ঘটানো হয়। ব্যাখ্যা: এই রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে অত্যন্ত ঝাঁঝালো গন্ধযুক্ত তরল পদার্থ উৎপন্ন হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইথেন — এটি একটি সাধারণ অ্যালকেন শ্রেণির হাইড্রোকার্বন গ্যাস যা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর কোনো কাঁদানে বৈশিষ্ট্য নেই। B) মিথেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান যা জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় এবং এটি বর্ণহীন ও গন্ধহীন গ্যাস। C) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান গ্যাস যা নিষ্ক্রিয় প্রকৃতির এবং জীবদেহের আমিষ গঠনে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। D) ক্লোরোপিক্রিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি চোখে তীব্র জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে এবং কাঁদানে গ্যাস হিসেবে পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: ক্লোরোপিক্রিন নামের শুরুতে ক্লোরো শব্দটি আছে যা ক্লোরিন গ্যাসের উপস্থিতি নির্দেশ করে। চোখে পানি আসার কারণ হলো এই যৌগের পিক্রিন অংশ যা অশ্রুগ্রন্থিকে উদ্দীপিত করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাঁদানে গ্যাসের রাসায়নিক নাম জানতে চাওয়া হয়। ক্লোরোপিক্রিনের পাশাপাশি সি এস গ্যাস এবং সি এন গ্যাসও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাঁদানে গ্যাস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a ডায়োড
b ক্লিপার
c ট্রান্সডিউসার
d অ্যাম্প্লিফায়ার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ট্রান্সডিউসার ১. কেন সঠিক: - ট্রান্সডিউসার এমন একটি ইলেকট্রনিক বা ভৌত ডিভাইস যা এক ধরনের শক্তি বা সিগন্যালকে রূপান্তর করে অন্য ধরনের শক্তি বা সিগন্যালে পরিণত করতে পারে। - এটি সাধারণত ইনপুট শক্তিকে ভিন্ন শক্তির আউটপুটে রূপান্তর করার কাজটি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করে থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: শক্তির রূপান্তর প্রক্রিয়ায় ইনপুট সিগন্যালকে অন্য কোনো উপযোগী সিগন্যালে বা শক্তিতে পরিবর্তিত করার প্রযুক্তিগত যন্ত্র হলো ট্রান্সডিউসার। - কার্যপ্রণালি: এই ডিভাইসটি মূলত শক্তি সংরক্ষণের সূত্র মেনে কাজ করে যেখানে শক্তির ধ্বংস বা সৃষ্টি হয় না কেবল রূপান্তর ঘটে। - বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত সেন্সর, স্পিকার ও মাইক্রোফোনে এই প্রযুক্তির বহুল ব্যবহার দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোফোন ব্যাখ্যা: মাইক্রোফোন মুখের শব্দ তরঙ্গ বা যান্ত্রিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করে। উদাহরণ ২: লাউডস্পিকার ব্যাখ্যা: লাউডস্পিকার বৈদ্যুতিক শক্তি বা সিগন্যালকে পুনরায় শব্দ তরঙ্গ বা যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডায়োড — এটি একটি সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস যা কেবল একমুখী বিদ্যুৎ প্রবাহ নিশ্চিত করে এবং এক শক্তি থেকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করে না। B) ক্লিপার — এটি এমন একটি ওয়েভশেপিং সার্কিট যা এসি সিগন্যালের নির্দিষ্ট অংশ কেটে ফেলে বা সীমিত করে। C) ট্রান্সডিউসার — এটি সঠিক উত্তর যা শক্তি রূপান্তরের কাজটি করে থাকে। D) অ্যাম্প্লিফায়ার — এটি দুর্বল বৈদ্যুতিক সিগন্যালের মান বা প্রশস্ততা বৃদ্ধি করে কিন্তু শক্তির মূল রূপ পরিবর্তন করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ট্রান্স শব্দটির অর্থ পরিবর্তন করা এবং ডিউসার বা ডাক্ট শব্দ থেকে রূপান্তরের ধারণাটি মনে রাখা যায়। - এভাবে মনে রাখবে যে ট্রান্সডিউসার সব সময় এক শক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করতে সাহায্য করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শক্তির রূপান্তরকারী যন্ত্র হিসেবে ট্রান্সডিউসারের ব্যবহার প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - সেন্সর এবং অ্যাকচুয়েটর উভয়ই মূলত বিশেষ ধরনের ট্রান্সডিউসারের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে কাজ করে থাকে।
a দূরবর্তী স্থানে সিগন্যাল পাঠানোর জন্য।
b মেসেজ সিগন্যালে পাওয়ার বাড়ানোর জন্য।
c এন্টিনার দৈর্ঘ্য কমানোর জন্য।
d উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবকয়টি ১. কেন সঠিক: তারবিহীন যোগাযোগ ব্যবস্থায় অডিও বা ভিডিও সিগন্যাল সরাসরি অনেক দূরে পাঠানো সম্ভব নয় কারণ এই সিগন্যালের ফ্রিকোয়েন্সি কম এবং শক্তিও কম। উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির বাহক তরঙ্গের সঙ্গে কম ফ্রিকোয়েন্সির মেসেজ সিগন্যাল যুক্ত করার প্রক্রিয়াই হলো মডুলেশন, যা সিগন্যালকে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে এবং এন্টিনার আকার ছোট রাখতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মডুলেশন হলো কম ফ্রিকোয়েন্সির তথ্য সিগন্যালকে উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির বাহক তরঙ্গের সাথে মিশিয়ে দূরের এন্টিনায় প্রেরণের উপযোগী করার প্রক্রিয়া। কার্যপ্রণালি: এর ফলে মূল মেসেজ সিগন্যালের শক্তি বহুগুণ বৃদ্ধি পায় এবং এটি বায়ুমণ্ডলে বাধাহীনভাবে বহু দূর পর্যন্ত ভ্রমণ করতে পারে। কারণ ও ফলাফল: এন্টিনার আদর্শ দৈর্ঘ্য প্রেরিত তরঙ্গের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের চার ভাগের এক ভাগ হতে হয়, তাই মডুলেশনের মাধ্যমে ফ্রিকোয়েন্সি বাড়িয়ে তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমানো হয় এবং এন্টিনাও ছোট করা সম্ভব হয়। বাস্তব প্রয়োগ: রেডিও, টেলিভিশন এবং মোবাইল ফোনের সিগন্যাল সম্প্রচার ও গ্রহণে এই মডুলেশন প্রযুক্তি অপরিহার্যভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রেডিও স্টেশনের এফএম সম্প্রচার। ব্যাখ্যা: রেডিও জকি যে কথা বলেন তা কম ফ্রিকোয়েন্সির সিগন্যাল, যা মডুলেশনের মাধ্যমে উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সিতে রূপান্তরিত হয়ে আমাদের ঘরের রেডিও রিসিভারে পৌঁছে। উদাহরণ ২: হাতে ধরা ওয়াকিটকি বা মোবাইল ফোন। ব্যাখ্যা: মোবাইল ফোনে আমাদের কণ্ঠস্বর মডুলেটেড হয়ে মহাশূন্যে থাকা স্যাটেলাইট বা কাছাকাছি টাওয়ারে পৌঁছায়, যা পরে অন্য প্রান্তে রিসিভ হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দূরবর্তী স্থানে সিগন্যাল পাঠানোর জন্য। — এটি সঠিক কিন্তু অন্য কারণগুলোও সত্য হওয়ায় এটি একমাত্র পূর্ণাঙ্গ উত্তর নয়। B) মেসেজ সিগন্যালে পাওয়ার বাড়ানোর জন্য। — এটিও সঠিক কারণ মডুলেশন সিগন্যালের শক্তি বা পাওয়ার বৃদ্ধি করে, যা অন্য অপশনের সঙ্গে মিলে উত্তর ডি হয়। C) এন্টিনার দৈর্ঘ্য কমানোর জন্য। — এটিও সত্য কারণ উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির কারণে এন্টিনার আকার ব্যবহার উপযোগী ছোট করা যায়। D) উপরের সবকয়টি — এটি সঠিক কারণ এ, বি এবং সি তিনটি কারণই মডুলেশনের ক্ষেত্রে পুরোপুরি প্রযোজ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: মডুলেশনের প্রধান কাজ তিনটি মনে রাখার শর্টকাট হলো দূর, শক্তি এবং এন্টিনা। অর্থাৎ দূরে পাঠাতে, শক্তি বাড়াতে এবং এন্টিনা ছোট করতে মডুলেশন লাগে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম ফ্রিকোয়েন্সির সিগন্যাল সরাসরি পাঠাতে চাইলে বিশাল আকৃতির এন্টিনা প্রয়োজন হয়, যা বাস্তবে অসম্ভব। এই ধরনের প্রশ্ন থেকে প্রায়ই মডুলেশনের প্রয়োজনীয়তা বা এন্টিনার দৈর্ঘ্যের হিসাব সম্পর্কিত এমসিকিউ পরীক্ষায় আসে।

মোট প্রশ্ন (4)

a GEO
b LEO
c MEO
d HEO
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) LEO ১. কেন সঠিক: - LEO স্যাটেলাইটে কম পাওয়ার প্রয়োজন হয় কারণ এটি পৃথিবীর খুব কাছাকাছি কক্ষপথে অবস্থান করে। - ভূ-পৃষ্ঠের কাছাকাছি থাকার কারণে সিগন্যাল প্রেরণে কম শক্তি বা ক্ষমতার প্রয়োজন হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: LEO-র পূর্ণরূপ Low Earth Orbit। এটি ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার থেকে দুই হাজার কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করে। - কার্যপদ্ধতি: এই স্যাটেলাইটগুলো খুব দ্রুত গতিতে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে এবং সরাসরি ডিভাইস বা স্টেশনে ডেটা আদান-প্রদান করে। - বৈশিষ্ট্য: এর সিগন্যাল প্রোপাগেশন ডিলে বা ল্যাটেন্সি খুবই কম হয়, যা রিয়েল-টাইম যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। - ব্যবহার: আধুনিক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা যেমন স্টারলিংক এবং রিমোট সেন্সিং বা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্টারলিংক ইন্টারনেট সেবা ব্যাখ্যা: এটি এলইও স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবহারকারীদের কাছে কম লেটেন্সিতে দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পৌঁছে দেয়। উদাহরণ ২: আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ স্যাটেলাইট ব্যাখ্যা: পৃথিবীর খুব কাছাকাছি থেকে ছবি তোলার কারণে এই স্যাটেলাইটগুলো অত্যন্ত নিখুঁত এবং পরিষ্কার ডেটা সংগ্রহ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) GEO — জিওস্টেশনারি স্যাটেলাইট পৃথিবী থেকে অনেক দূরে প্রায় ছত্রিশ হাজার কিলোমিটার উঁচুতে থাকে বলে সিগন্যাল পাঠাতে অনেক বেশি পাওয়ার বা শক্তির প্রয়োজন হয়। B) LEO — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি পৃথিবীর কাছাকাছি থাকায় সিগন্যাল পৌঁছাতে কম শক্তির প্রয়োজন হয়। C) MEO — মিডিয়াম আর্থ অরবিট স্যাটেলাইট জিও থেকে কাছে হলেও এলইও-র চেয়ে দূরে থাকে, তাই এতে এলইও-র তুলনায় বেশি পাওয়ার প্রয়োজন হয়। D) HEO — হাইলি ইলিপ্টিক্যাল অরবিট স্যাটেলাইট অত্যন্ত দীর্ঘ ও উৎকেন্দ্রিক কক্ষপথে ঘোরে, ফলে এর দূরত্বের তারতম্যের কারণে উচ্চ ক্ষমতার প্রয়োজন হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - দূরত্ব যত কম, পাওয়ার বা শক্তির প্রয়োজন তত কম। - এলইও মানে লো বা নিচে, তাই এর জন্য সবচেয়ে কম পাওয়ার লাগে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - লেটেন্সি বা সিগন্যাল পেমেন্ট সবচেয়ে কম হয় এলইও স্যাটেলাইটে। - জিপিএস বা গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেমে সাধারণত এমইও স্যাটেলাইট ব্যবহার করা হয়।
a ক্যাশ মেমোরি
b মেইন মেমোরি
c ভার্চুয়াল মেমোরি
d চৌম্বক মেমোরি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক্যাশ মেমোরি ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার স্থাপত্যে মেমোরি হায়ারার্কি বা স্তরবিন্যাসে ক্যাশ মেমোরি প্রসেসরের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থান করে। প্রসেসর যে ডেটা বা নির্দেশ নিয়ে কাজ করে, তা দ্রুত সরবরাহের জন্য এটি ব্যবহার করা হয় বিধায় এর গতি সবচেয়ে বেশি। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ক্যাশ মেমোরি হলো কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট বা সিপিইউ-র অভ্যন্তরীণ অতি দ্রুতগতির একটি ক্ষণস্থায়ী স্মৃতিভাণ্ডার। কার্যপদ্ধতি: সিপিইউ কোনো কাজের ডেটা চাইলে প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে, না পেলে মেইন মেমোরি থেকে তা ক্যাশ মেমোরিতে এনে তারপর প্রসেস করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রান্নার সময় মসলার কৌটা হাতের কাছে রাখা। ব্যাখ্যা: ক্যাশ মেমোরি হলো রান্নার সময় হাতের কাছে রাখা মসলার কৌটার মতো, যা রান্নার কাজ দ্রুত করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: কম্পিউটারে ভারী গেম খেলার সময় ফ্রেম রেট ঠিক রাখা। ব্যাখ্যা: গেমের প্রয়োজনীয় ডেটা ক্যাশ মেমোরিতে দ্রুত জমা থাকে বলে গেমের গতিশীলতা বজায় থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যাশ মেমোরি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সিলিকন চিপ দিয়ে তৈরি এবং প্রসেসরের স্পিডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করতে পারে। B) মেইন মেমোরি — এটি র্যাম নামে পরিচিত এবং ক্যাশ মেমোরির তুলনায় এর গতি বেশ কম। C) ভার্চুয়াল মেমোরি — এটি হার্ডডিস্কের কিছু অংশ নিয়ে তৈরি হয় এবং গতির দিক থেকে এটি সবচেয়ে ধীরগতির মেমোরি। D) চৌম্বক মেমোরি — হার্ডডিস্ক ড্রাইভ বা ম্যাগনেটিক টেপ মেমোরি যান্ত্রিক গতির কারণে ইলেকট্রনিক মেমোরির চেয়ে অনেক ধীরগতির হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মেমোরির গতি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সিপিইউ-র যত কাছে থাকবে মেমোরি, তার স্পিড তত বেশি হবে। ক্যাশ মেমোরি সিপিইউ-র সবচেয়ে কাছে থাকে তাই এটি সবচেয়ে দ্রুতগতির হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের মেমোরি হায়ারার্কিতে গতি ও আকারের বিপরীত সম্পর্ক বিদ্যমান, অর্থাৎ গতি বাড়লে আকার কমে যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন মেমোরি প্রসেসরের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থান করে।
a SMF
b MMF
c LTE
d 5G
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট, মোবাইল যোগাযোগ প্রযুক্তি ও ব্যাকবোন নেটওয়ার্ক সঠিক উত্তর: A) SMF ১. কেন সঠিক: - ব্যাকবোন নেটওয়ার্ক হলো একটি উচ্চগতির ডেটা রুট বা магистраль যা বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে। - SMF (Single-Mode Fiber) হলো একধরনের ফাইবার অপটিক ক্যাবল যার কোর বা কেন্দ্র অত্যন্ত চিকন হয় এবং এটি ডেটাকে অনেক দূর পর্যন্ত লস বা ডেটা লস ছাড়া অতি দ্রুত প্রেরণ করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: SMF-এর পূর্ণরূপ হলো Single-Mode Fiber, যার বাংলা অর্থ একক মোড ফাইবার। এটি এমন একটি ফাইবার অপটিক ক্যাবল যাতে আলোর একটিমাত্র রশ্মি বা মোড চলাচল করতে পারে। - কার্যপদ্ধতি: এই ক্যাবলের কোর খুব চিকন হওয়ায় (প্রায় ৮ থেকে ১০ মাইক্রন) আলো কোনো ধরনের বিক্ষেপণ ছাড়াই সরাসরি সোজা পথে অনেক দূর অগ্রসর হয়। - বৈশিষ্ট্য: এর ব্যান্ডউইথ অনেক বেশি, দীর্ঘ দূরত্বে ডেটা প্রেরণে সিগন্যাল দুর্বল হয় না এবং এতে ডেটা ট্রান্সমিশনের গতি অত্যন্ত দ্রুত হয়। - ব্যবহার: সাবমেরিন কেবল, দেশজুড়ে ইন্টারনেট ব্যাকবোন এবং টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্কে প্রচুর পরিমাণে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম সাবমেরিন ক্যাবল সংযোগ ব্যাখ্যা: দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে বা আন্তর্জাতিক ডেটা যোগাযোগের জন্য এই বিশাল দূরত্বে সিগন্যাল অক্ষুণ্ণ রাখতে এসএমএফ ক্যাবল ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: মোবাইল অপারেটরদের টাওয়ারের মধ্যকার ব্যাকহউল যোগাযোগ ব্যাখ্যা: বিভিন্ন মোবাইল টাওয়ার থেকে মূল সার্ভারে উচ্চগতির ডেটা আদান-প্রদানের জন্য এসএমএফ ক্যাবলের মাধ্যমে ব্যাকবোন তৈরি করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) SMF — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দীর্ঘ দূরত্বের ব্যাকবোন যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। B) MMF — এটি Multi-Mode Fiber, যা কম দূরত্বের জন্য যেমন লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা বিল্ডিংয়ের ভেতরে ব্যবহারের উপযোগী, ব্যাকবোনের জন্য এটি কম উপযুক্ত। C) LTE — এটি Long Term Evolution যা একটি চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি, ব্যাকবোন ফাইবার যোগাযোগ ব্যবস্থা নয়। D) 5G — এটি পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি, যা তারহীন যোগাযোগের মাধ্যম এবং প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি প্রযুক্তিগতভাবে ভুল হওয়ায় এটি ব্যাকবোন ফাইবার ক্যাবলের সমতুল্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - SMF-এর S দিয়ে Single মনে রাখবে, যা লম্বা দূরত্বে সিঙ্গেল লাইনে ডেটা পাঠায় এবং ব্যাকবোনের মতো দীর্ঘ পথে ব্যবহৃত হয়। - M দিয়ে Multi মনে রাখবে, যা ঘরের ভেতরে বা ছোট পরিসরে ডেটা ছড়ায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ফাইবার অপটিক ক্যাবলে ডেটা স্থানান্তরের মূল ভিত্তি হলো পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন। - দীর্ঘ দূরত্বের ব্যাকবোন নেটওয়ার্কে সবসময় সিঙ্গেল মোড ফাইবার অপটিক ক্যাবল প্রাধান্য পায়।
a লিন্যাক্স
b ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম
c এম.এস.ওয়ার্ড
d উইন্ডোজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এম.এস.ওয়ার্ড ১. কেন সঠিক: - এম.এস.ওয়ার্ড একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, যা কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়। - এটি মূলত ডকুমেন্ট তৈরি, সম্পাদনা ও ফরম্যাটিংয়ের কাজে ব্যবহার করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: অপারেটিং সিস্টেম হলো সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি মেমোরি ব্যবস্থাপনা, প্রসেস কন্ট্রোল এবং ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ব্যাখ্যা: এটি একটি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম যা কম্পিউটারের সামগ্রিক কার্যক্রম পরিচালনা করে। উদাহরণ ২: লিন্যাক্স ব্যাখ্যা: এটি একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা সার্ভার ও ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিন্যাক্স — এটি একটি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম — এটি কম্পিউটারের একটি পুরোনো কমান্ড-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম। C) এম.এস.ওয়ার্ড — এটি ওয়ার্ড প্রসেসিং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, তাই এটি অপারেটিং সিস্টেম নয়। D) উইন্ডোজ — এটি মাইক্রোসফটের তৈরি বহুল ব্যবহৃত একটি অপারেটিং সিস্টেম। ৫. মনে রাখার টিপস: - ওয়ার্ড, এক্সেল বা পাওয়ারপয়েন্ট হলো কাজের সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন। - উইন্ডোজ, লিন্যাক্স বা ম্যাক হলো সিস্টেমকে চালিত করার অপারেটিং সিস্টেম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সিস্টেম সফটওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখবে। - এম.এস. অফিস হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার প্যাকেজ।