সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
'সবুজ পত্র' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী মাসিক পত্রিকা, যার সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী।
এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তন ঘটে এবং বুদ্ধিবৃত্তিক লেখার ধারা সূচিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির প্রবক্তা এবং বীরবল ছদ্মনামের জনক।
১৯১৪ সালের বৈশাখ মাসে তাঁর সম্পাদনায় 'সবুজ পত্র' পত্রিকা প্রকাশিত হয় যা বাংলা গদ্যে এক নতুন বিপ্লব আনে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চতুরঙ্গ' উপন্যাসটি প্রথম 'সবুজ পত্র' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যকর্মটি সবুজ পত্র পত্রিকার মাধ্যমে প্রকাশ পেয়ে বাংলা উপন্যাসের গতিপথ বদলে দিয়েছিল।
উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ গ্রন্থ 'বীরবলের হালখাতা'।
ব্যাখ্যা: এটি সবুজ পত্র আন্দোলনের আদর্শে লেখা প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত মননশীল প্রবন্ধ সংকলন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি সবুজ পত্রের প্রধান লেখক ও পৃষ্ঠপোষক ছিলেন, কিন্তু পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী।
B) প্রমথ চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি সবুজ পত্র পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন।
C) উইলিয়াম কেরা — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যাপক এবং শ্রীরামপুর মিশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, সবুজ পত্রের সঙ্গে নন।
D) বুদ্ধদেব বসু — তিনি আধুনিক যুগের কবি এবং 'কবিতা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, সবুজ পত্রের সম্পাদক নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
সবুজ ও প্রমথ এই দুটি শব্দ একসাথে মনে রাখবে কারণ সবুজ পত্র পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী।
চলিত রীতির জনক প্রমথ চৌধুরী সবুজ রঙের পাতার মতো সতেজ গদ্যধারা এই পত্রিকায় নিয়ে এসেছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সবুজ পত্র পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালে এবং এর সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী বীরবল ছদ্মনামে লিখতেন।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে চলিত রীতির প্রবর্তক কে অথবা সবুজ পত্রের সম্পাদক কে।
সঠিক উত্তর: B) ভাষা
১. কেন সঠিক:
- মানুষের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে ব্যাকরণের আগেই ভাষার সৃষ্টি হয়েছে।
- মানুষ প্রথমে মুখে কথা বলে মনের ভাব প্রকাশ করতে শেখে, যা পরবর্তীতে ভাষার রূপ নেয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ভাষা মানুষের মুখনিঃসৃত অর্থপূর্ণ ধ্বনির সমষ্টি, যা সৃষ্টির সূলগ্ন থেকে মানুষ ব্যবহার করে আসছে।
- ভাষা ব্যবহারের দীর্ঘকাল পর সেই ভাষার শৃঙ্খলা রক্ষা ও শুদ্ধভাবে লেখার জন্য ব্যাকরণের সৃষ্টি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আদিম মানুষের ইশারা-ইঙ্গিত ও ধ্বনি উচ্চারণ
ব্যাখ্যা: মানুষ ভাষার সৃষ্টি করার আগে বিভিন্ন শব্দ ও ধ্বনি দিয়ে যোগাযোগ করত, যা ভাষার প্রাথমিক রূপ।
উদাহরণ ২: প্রাচীন মানুষের কথ্য ভাষা
ব্যাখ্যা: পৃথিবীর প্রাচীন ভাষাগুলো ব্যাকরণ রচিত হওয়ার বহু আগে থেকেই মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত ছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্যাকরণ — ব্যাকরণ মানুষের কথ্য ভাষার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তীতে তৈরি হয়, তাই এটি আগে সৃষ্টি হতে পারে না।
C) ব্যাকরণ ও ভাষা উভয়ই এক সাথে — ভাষা আগে সৃষ্টি হয়েছে এবং ব্যাকরণ পরে তার শৃঙ্খলা বিধানের জন্য এসেছে, তাই এক সাথে সৃষ্টি হয়নি।
D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আগে মানুষ কথা বলেছে, তাই ভাষা আগে এসেছে। পরে নিয়ম এসেছে, তাই ব্যাকরণ পরে সৃষ্টি হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভাষা মানুষের মুখনিঃসৃত ধ্বনি আর ব্যাকরণ হলো ভাষার শৃঙ্খলার রূপরেখা। এই ধরনের তাত্ত্বিক প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) লুই পা
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের প্রথম পদটি রচনা করেছিলেন লুই পা এবং ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে তিনিই বাংলা সাহিত্যের আদি কবি। চর্যাপদের প্রথম পদ জয় জয় বাঁদু সুরুঅইঠা গানের রচয়িতা হিসেবে লুই পা কে বাংলা ভাষার প্রথম কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন যা মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। চর্যাপদে সর্বমোট ২৪ জন বা কারও মতে ২৩ জন পদকর্তা পদ রচনা করেছেন যাদের মধ্যে লুই পা সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বা প্রথম পদের রচয়িতা হিসেবে পরিচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লুই পা রচিত চর্যাপদের প্রথম পদটি হলো কায় তরুবর পঞ্চ বি ডাল চঞ্চল চিয়ে পৈঠো কাল।
ব্যাখ্যা: এই পদটিতে মানবদেহকে একটি তরুর সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে যার পাঁচটি ডাল এবং যেখানে পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের নিষ্ক্রিয়তার কথা বলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী একে হাজার বছরের পুরানো বাংলা ভাষার গান হিসেবে প্রমাণ করেছেন।
ব্যাখ্যা: এই আবিষ্কারের মাধ্যমে প্রমাণিত হয় বাংলা ভাষার উৎপত্তি আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাহ্ন পা — ইনি চর্যাপদের সর্বাধিক সংখ্যক অর্থাৎ ১৩ টি পদ রচনা করলেও বাংলা সাহিত্যের আদি কবি নন।
B) ঢেনঢন পা — ইনি চর্যাপদের একজন পদকর্তা যিনি একটিমাত্র পদ রচনা করেছেন কিন্তু আদি কবি নন।
D) ভুশুকু পা — ইনি চর্যাপদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পদকর্তা যিনি আটটি পদ রচনা করেছেন তবে প্রথম পদ বা আদি কবি নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
আদি বা প্রথম বোঝাতে লুই পা নামের শুরুতে ল অক্ষরটি মনে রাখতে পারো কারণ ল তে প্রথম বা লুই পা আসে। চর্যাপদের পদকর্তাদের মধ্যে যার নাম প্রথমে আসে তিনিই আদি কবি লুই পা।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ এবং এর আদি কবি লুই পা সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে আদি কবি লুই পা এবং হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে সর্বমোট পদসংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি।
সঠিক উত্তর: B) বাল্মীকি
১. কেন সঠিক:
মহর্ষি বাল্মীকি সংস্কৃত ভাষার আদি মহাকাব্য রামায়ণের রচয়িতা হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। প্রাচীন ভারতের পৌরাণিক আখ্যান ও শ্রীরামচন্দ্রের জীবনবৃত্তান্ত তাঁরই তপোময় ও কাব্যিক রূপলাবণ্যে মূর্ত হয়ে উঠেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ও প্রাচীনতম মহাকাব্য হলো রামায়ণ। মহর্ষি বাল্মীকি এই বিশাল কাব্যটি শ্লোক ছন্দে রচনা করেছিলেন, যা আদি কাব্য এবং এর রচয়িতাকে আদি কবি বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহাভারত
ব্যাখ্যা: এটি কৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস রচিত ভারতীয় সংস্কৃতির আরেকটি অন্যতম প্রধান ও বিশাল মহাকাব্য।
উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন যা রচনা করেছেন বড়ু চণ্ডীদাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস — ইনি রামায়ণের লেখক নন, বরং হিন্দুধর্মের অন্যতম মহাগ্রন্থ মহাভারতের ঐতিহাসিক রচয়িতা।
B) বাল্মীকি — ইনি রামায়ণের মূল রচয়িতা এবং সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত।
C) কাহ্ন পা — ইনি চর্যাপদের একজন বিশিষ্ট পদকর্তা ও সিদ্ধাচার্য, রামায়ণের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
D) মালাধর বসু — ইনি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্যের প্রখ্যাত অনুবাদক ও রচয়িতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
রামায়ণ শব্দটি মনে রাখতে আদি কবি বাল্মীকি নামটির সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। মহাভারতের ক্ষেত্রে ব্যাসদেব আর রামায়ণের ক্ষেত্রে বাল্মীকি এই পার্থক্যটি মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মহাকাব্য এবং এর রচয়িতা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। রামায়ণের রচয়িতা বাল্মীকি এবং মহাভারতের রচয়িতা কৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস, এই তথ্যটি নিশ্চিত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সংস্কৃত
১. কেন সঠিক:
- গীত গোবিন্দ কাব্যটি দ্বাদশ শতাব্দীতে সংস্কৃত ভাষায় রচিত হয়েছিল।
- এর রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত সংস্কৃত কবি জয়দেব।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- গীত গোবিন্দ সংস্কৃত সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গীতকাব্য এবং জয়দেবের অমর কীর্তি।
- এই কাব্যে শ্রীকৃষ্ণ ও রাধার প্রেমের পৌরাণিক কাহিনী এবং ভক্তিভাব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মেঘদূত
ব্যাখ্যা: এটি মহাকবি কালিদাস কর্তৃক সংস্কৃতে রচিত একটি বিখ্যাত সংস্কৃত কাব্য।
উদাহরণ ২: কুমারসম্ভবম
ব্যাখ্যা: এটিও মহাকবি কালিদাসের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সংস্কৃত মহাকাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাচীন বাংলা — প্রাচীন বাংলায় চর্যাপদ রচিত হলেও গীত গোবিন্দ এই ভাষায় রচিত হয়নি।
B) সংস্কৃত — এই অপশনটি সঠিক এবং জয়দেব এই ভাষাতেই কাব্যটি রচনা করেছিলেন।
C) ব্রজবুলি — ব্রজবুলি কোনো স্বতন্ত্র ভাষা নয়, এটি বাংলা ও মৈথিলীর মিশ্রণে গঠিত একটি কৃত্রিম কাব্যভাষা যা পরবর্তীকালে ব্যবহৃত হয়।
D) অবহট্ঠ — অবহট্ঠ প্রাচীন ও মধ্যযুগের একটি প্রাকৃত ভাষার রূপ, যা গীত গোবিন্দ রচনার মাধ্যম ছিল না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংস্কৃত ভাষার বিখ্যাত গীতকাব্য মনে রাখতে জয়দেব ও গীত গোবিন্দ নামটি একসাথে মনে রাখবে।
- জয়দেব সংস্কৃত ভাষার কবি, তাই তাঁর রচনাও সংস্কৃত ভাষাতেই হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- গীত গোবিন্দ কাব্যের রচয়িতা জয়দেব সেন রাজাদের সভাকবি ছিলেন।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই কাব্যের ভাষা ও রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) ভারতচন্দ্র
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের সর্বশেষ এবং অন্যতম প্রতিভাবান কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরকে মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।
তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্য 'অন্নদামঙ্গল' অষ্টাদশ শতকের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও শিল্পসম্মত দীর্ঘ কাব্য।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর নদীয়া জেলার পেঁওড় গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং বর্ধমানের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন।
তাঁর প্রধান সাহিত্যকর্মের মধ্যে অন্নদামঙ্গল, বিদ্যাসুন্দর ও সত্যনারায়নব্রতকথা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের অন্নদামঙ্গল কাব্য।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যের ঈশ্বর পাটনী চরিত্রের উক্তি বরেণ্য লাইন হিসেবে সমাদৃত।
উদাহরণ ২: ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের বিদ্যাসুন্দর কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত লৌকিক প্রেমের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কানাহরি দত্ত — ইনি মধ্যযুগের একজন মনসা মঙ্গল কাব্যের আদি কবি, তবে শ্রেষ্ঠ কবি নন।
B) মুকুন্দ রাম — ইনি মধ্যযুগের চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি হলেও সমগ্র মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ কবি নন।
C) চণ্ডীদাস — ইনি মধ্যযুগের পদাবলি সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি, তবে সমগ্র মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে বিবেচিত হন না।
D) ভারতচন্দ্র — প্রদত্ত প্রশ্ন অনুযায়ী এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি মধ্যযুগের সর্বশেষ ও শ্রেষ্ঠ কবি।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ কবি মনে রাখার জন্য ভারতচন্দ্রের উপাধি গুণাকর এবং তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্য অন্নদামঙ্গল মনে রাখতে পারো।
শেষ যুগে শ্রেষ্ঠ ভারতচন্দ্র এভাবে ছোট একটি ছন্দ মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ কবি কে এই প্রশ্নটি আসে।
একইভাবে বিভিন্ন যুগের শ্রেষ্ঠ কবি বা সাহিত্যিকদের নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে মুখস্থ করা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) ভাষণ
১. কেন সঠিক:
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী 'ভাষণ' শব্দটিতে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে।
- তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে 'ষ' এর পরে সাধারণত মূর্ধন্য ণ বসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নত্ব বিধান অনুযায়ী ট বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য ণ হয়।
- এছাড়া রি, র, ষ এর পরে তৎসম শব্দে সবসময় মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভূষণ
ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে ষ এর পরে ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: শোষণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও মূর্ধন্য ষ এর নিয়মানুসারে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাষণ — এটি প্রমিত ও সঠিক বানান।
B) ভাষন — এই অপশনটিতে ভুল উত্তর দেওয়া হয়েছে কারণ এখানে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে।
C) ভাসন — এখানে বানানে মূল অক্ষর ভুল রয়েছে এবং মূর্ধন্য ণ এর পরিবর্তে দন্ত্য ন আছে।
D) ভাসং — এখানে অনুস্বার ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল বানান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংস্কৃত তৎসম শব্দে ষ এর পরে সর্বদা মূর্ধন্য ণ বসে।
- এই নিয়মের কারণে ভাষণ বানান সবসময় মূর্ধন্য ণ দিয়ে লিখতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নত্ব বিধানের নিয়ম থেকে প্রায়ই বানান সংশোধনের প্রশ্ন আসে।
- রি, র, ষ এর পরে ন না হয়ে ণ হয়, এই নিয়মটি মনে রাখলে এই ধরনের বানান সহজে নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) উনিশ শতকে
১. কেন সঠিক:
- বাংলা গদ্যের প্রকৃত সূচনা ও বিকাশ ঘটে উনিশ শতকে।
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের হাত ধরে উনিশ শতকের শুরুতে গদ্য লেখার আধুনিক ধারার সূত্রপাত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের প্রধান মাধ্যম ছিল পদ্য বা কবিতা।
- উনিশ শতকে এসে গদ্যের জোরালো বিকাশ ঘটে, যাকে বাংলা গদ্যের জন্মলগ্ন বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাজা রামমোহন রায়ের বেদান্তগ্রন্থ
ব্যাখ্যা: উনিশ শতকের শুরুতে বাংলা গদ্যে দর্শন ও সমাজ সংস্কারের কথা লেখা হয়।
উদাহরণ ২: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বেতাল পঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা: উনিশ শতকের মধ্যভাগে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি বাংলা গদ্যের রূপকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নবম শতকে — এই সময়ে বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন চর্যাপদ রচিত হয়, যা গদ্য নয় পদ্য বা গান।
B) ত্রয়োদশ শতকে — ত্রয়োদশ শতকে বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সূচনা হয় এবং সেসময়েও পদ্যে কাব্য রচিত হতো।
C) ষোড়শ শতকে — ষোড়শ শতকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পরবর্তী বৈষ্ণব পদাবলী ও মঙ্গলকাব্য রচিত হয়, যা পদ্যভিত্তিক।
D) উনিশ শতকে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই শতকেই আধুনিক বাংলা গদ্যের সৃষ্টি ও বিকাশ ঘটে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে পদ্যের যুগ হলো প্রাচীন ও মধ্যযুগ, আর গদ্যের যুগ হলো আধুনিক যুগ তথা উনিশ শতক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর উনিশ শতকের ব্যক্তিত্ব।
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮০০ সালে, যা গদ্যের বিকাশে ভূমিকা রাখে।
সঠিক উত্তর: B) বহুব্রীহি
১. কেন সঠিক:
নদীমাতৃক শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো নদীই মাতা যার। এটি সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ।
এখানে নদী ও মাতা দুটি ভিন্ন পদ মিলে এমন এক পদ গঠন করেছে যা নদী বা মাতা কোনোটিকে সরাসরি না বুঝিয়ে অন্য একটি বিশেষ অর্থ অর্থাৎ দেশকে নির্দেশ করছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
নদীমাতৃক শব্দটিতে পূর্বপদ বিশেষ্য এবং পরপদ বিশেষ্য হলেও সমস্ত পদটি একটি দেশ বা অঞ্চলকে বিশেষায়িত করার কারণে এটি বহুব্রীহি সমাস হিসেবে গণ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বীণাপাণি
ব্যাখ্যা: বীণা পাণিতে যার, এটি ব্যধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ যা দেবী সরস্বতীকে বোঝায়।
উদাহরণ ২: আয়তলোচনা
ব্যাখ্যা: আয়ত লোচন যার, এটি সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ যা সুন্দর চোখ বিশিষ্ট নারীকে বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু এখানে অন্য পদ বোঝায়।
B) বহুব্রীহি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে সমস্যমান পদগুলোর বাইরে নতুন অর্থ প্রকাশ পায়।
C) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে একটি পদ বিশেষ্য এবং অন্যটি বিশেষণ হয় অথবা দুটিই বিশেষণ বা বিশেষ্য হতে পারে এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়।
D) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বসে এবং অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মাতৃক বা ধন্য শব্দ যুক্ত অনেক শব্দই বহুব্রীহি সমাস হয়। যেমন নদীমাতৃক অর্থ নদী মাতা যার।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ বিশেষ্য এবং পরপদ বিশেষ্য বা বিশেষণ হয়। এই নিয়মটি মনে রাখলে BCS পরীক্ষায় বহুব্রীহি সমাস সহজে চিহ্নিত করা যায়।
**প্রশ্নের ধরন শনাক্তকরণ:** ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ / বাংলা ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: প্রদত্ত প্রশ্নে কিছু ত্রুটি রয়েছে। বাংলা বর্ণমালায় 'ক্ষ' একটি যুক্তাক্ষর এবং এটি গঠিত হয় 'ক্' এবং 'ষ' এর যোগে। প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক উত্তরটি সরাসরি নেই, তবে ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী সঠিক রূপটি হলো 'ক্' + 'ষ'।
১. কেন সঠিক:
- বাংলা বর্ণমালায় 'ক্ষ' একটি যৌগিক বর্ণ বা যুক্তবর্ণ।
- এটি মূলত ক এবং ষ এর মিলনে গঠিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বর্ণমালায় চারটি মৌলিক যুক্তবর্ণ রয়েছে যার উচ্চারণ ও গঠন কিছুটা ভিন্ন।
- 'ক্ষ' বর্ণটি ব্যাকরণে ক এবং ষ এর যুক্তরূপ হিসেবে গণ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্ষমা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'ক্ষ' যুক্তবর্ণটি ব্যবহৃত হয়েছে যার গঠন বিশ্লেষণ করলে ক এবং ষ পাওয়া যায়।
উদাহরণ ২: ক্ষতি
ব্যাখ্যা: এখানেও 'ক্ষ' বর্ণটি শব্দের শুরুতে বসেছে এবং এর মূল গঠন একই রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্ত্ + থ্ + ম্ — এটি কোনো পরিচিত মানসম্মত যুক্তবর্ণ নয়।
B) ক্ত্ + ষ — এখানে ক্ত্ অতিরিক্ত থাকায় এটি ভুল।
C) ষ্ + স্ + ম্ — এটি অন্য কোনো যুক্তবর্ণের অংশ হতে পারে, ক্ষ এর নয়।
D) ক্ত্ + থ — এটি ক্ষ এর সঠিক গঠন নির্দেশ করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্ষ লেখার সময় মনে রাখবে এটি ক এবং ষ এর যোগফল।
- যুক্তবর্ণের গঠন ভালোভাবে খেয়াল করলে পরীক্ষা ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যুক্তবর্ণের সঠিক ভাঙা রূপ জানতে চাওয়া হয়।
- প্রমিত বাংলা বানান ও বর্ণমালা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এসব প্রশ্নের উত্তর সহজে দেওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) পরি + আলোচনা
১. কেন সঠিক:
- পরি উপসর্গের সাথে আলোচনা শব্দের মিলনে পর্যালোচনা শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- ই বা ঈ কারের পর ই বা ঈ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ই বা ঈ স্থানে য ফলা হয়, এই নিয়মে পরি শব্দের ই কার য ফলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের ই ণ সন্ধি বা স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম।
- এখানে পরি শব্দের শেষে ই ধ্বনি এবং আলোচনা শব্দের শুরুতে আ ধ্বনি মিলে য যুক্ত আ অর্থাৎ যা তৈরি করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রতি + এক = প্রত্যেক
ব্যাখ্যা: ই কারের পর এ ধ্বনি থাকায় ই স্থানে য ফলা যুক্ত হয়ে প্রত্যেক শব্দটি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: যদি + অপি = যদিপি
ব্যাখ্যা: ই কারের পর অ ধ্বনি থাকায় ই স্থানে য ফলা যুক্ত হয়ে যদ্যপি শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পর্য + আলোচনা — পর্য কোনো অর্থবহ উপসর্গ বা শব্দ নয়, তাই এই সন্ধি গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
B) পরি + আলোচনা — এটি সঠিক উত্তর।
C) পর্য্য + লোচনা — পর্য্য বানানটি ভুল এবং লোচনা শব্দটির সাথে পরি উপসর্গের মূল মিলনের নিয়ম এখানে মানা হয়নি।
D) পর্য্য + আলোচনা — পর্য্য কোনো সঠিক শব্দ বা উপসর্গ নয়, তাই এটি ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রি বা পরি উপসর্গ যুক্ত শব্দের সন্ধিতে সাধারণত রেফ বা য ফলা আসে।
- পর্যালোচনা শব্দটি ভাঙলে পরি এবং আলোচনা পাওয়া যায়, এটি বারবার চর্চা করলে মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ যোগে গঠিত সন্ধি প্রায়ই আসে।
- ই ণ সন্ধির নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) চাঁদ
১. কেন সঠিক:
- সংস্কৃত শব্দ 'চন্দ্র' প্রাকৃত ও অপভ্রংশের বিবর্তনের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে সরাসরি বাংলা ভাষায় 'চাঁদ' রূপ লাভ করেছে।
- উৎপত্তির দিক থেকে প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে সংস্কৃত থেকে আগত শব্দগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়।
- প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে প্রাকৃত ও অপভ্রংশের স্তর পেরিয়ে যে শব্দগুলো পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হস্ত থেকে হাত
ব্যাখ্যা: সংস্কৃত হস্ত শব্দটি প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় হাত তদ্ভব শব্দে পরিণত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মৎস থেকে মাছ
ব্যাখ্যা: সংস্কৃত মৎস শব্দটি প্রাকৃত ভাষার হাত ধরে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় মাছ তদ্ভব শব্দরূপে এসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চন্দ — এটি কোনো প্রমিত তদ্ভব রূপ নয় বরং চন্দ্র শব্দের একটি কথ্য বা বিকৃত রূপ মাত্র।
B) চাঁদ — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রমিত তদ্ভব রূপ হিসেবে পরীক্ষিত ও গ্রহণযোগ্য।
C) চান্দ — এটি সাধু বা প্রমিত বাংলার পরিবর্তে আঞ্চলিক বা কাব্যে ব্যবহৃত রূপ, প্রমিত তদ্ভব রূপ নয়।
D) চন্দ্রিমা — এটি তদ্ভব শব্দ নয় বরং চন্দ্র শব্দের সঙ্গে ইমা প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি তৎসম তদ্ধিতান্ত শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংস্কৃত মূল শব্দের সাথে বাংলা তদ্ভব রূপের ক্ষেত্রে প্রায়শই চন্দ্রবিন্দু এবং স্বরধ্বনির পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।
- তৎসম শব্দের প্রাকৃত বিবর্তিত সহজ রূপই হলো তদ্ভব শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম ও তদ্ভব শব্দের জোড় নির্ণয় প্রায়ই আসে।
- চন্দ্র থেকে চাঁদ, হস্ত থেকে হাত এবং মৎস থেকে মাছ এই রূপান্তরগুলো ব্যাকরণ অংশে খুব জনপ্রিয়।
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণে ৭মী
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে ক্রিয়ার আধার অর্থাৎ সময়, স্থান বা অবস্থাকে অধিকরণ কারক বলা হয়।
- এখানে 'আষাঢ়ে' শব্দটি দ্বারা সময় বা কাল বোঝানো হয়েছে এবং এর সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত আছে, যা ৭মী বিভক্তির রূপ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়ার সম্পাদনের সময় বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে।
- অধিকরণ কারকে সাধারণত ৭মী বা এ, য়, তে বিভক্তি যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রভাতে সূর্য ওঠে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'প্রভাতে' একটি সময় নির্দেশক শব্দ এবং এতে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি কালবাচক অধিকরণে ৭মী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: বনে বাঘ থাকে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'বনে' একটি স্থান নির্দেশক শব্দ এবং এতে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি স্থানবাচক অধিকরণে ৭মী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তায় ৭মী — বাক্যটিতে বৃষ্টি নিজেই কর্তা বা সম্পাদনকারী নয়, বরং বৃষ্টি নামার সময় বা কাল বোঝাচ্ছে তাই এটি কর্তারক কারক নয়।
B) কর্মে ৭মী — কর্মকারক হলো যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, এখানে বৃষ্টি কোনো কর্ম নয় তাই এটি কর্মকারক নয়।
C) অপাদানে ৭মী — অপাদান কারক হলো যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীত বা রক্ষিত হয়, এখানে এমন কোনো অর্থ প্রকাশ পায়নি।
D) অধিকরণে ৭মী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে আষাঢ় মাস নামক সময় বা কাল বোঝানো হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে কোথায় এবং কখন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত অধিকরণ কারক হয়।
- সময় বা কাল বোঝালে তাকে কালবাচক অধিকরণ বলা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মাস বা ঋতুর নামের সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকলে তা কালবাচক অধিকরণে ৭মী বিভক্তি হয়।
- কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক এবং পরে বিভক্তি নির্ণয় করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কারণ 'কারাগার রোজনামচা' তার লেখা একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- এই গ্রন্থে ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তার কারাবন্দী জীবনের দিনলিপি ও রাজনৈতিক ভাবনা স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সংশ্লিষ্ট লেখক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের মহানায়ক।
- কারাগার রোজনামচা গ্রন্থটি ২০১৭ সালের মার্চ মাসে বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত তার দ্বিতীয় কারাগারের ডায়েরি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী
ব্যাখ্যা: এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: আমার দেখা নয়া চীন
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর চীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতার ওপর রচিত একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী বিশ্বকবি হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
B) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং এই গ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে পরীক্ষিত।
C) শেখ হাসিনা — ইনি বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুর তনয়া হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থের রচয়িতা নন।
D) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি হলেও এই ডায়েরি গ্রন্থের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বঙ্গবন্ধু জেলের ভেতরে যে দিনলিপি লিখেছেন, সেটাই হলো কারাগারের রোজনামচা।
- জেল বা কারাগার সম্পর্কিত লেখা মানেই ধরে নিতে হবে তা বঙ্গবন্ধুর লেখা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্গবন্ধুর লেখা গ্রন্থগুলোর নাম ও প্রকাশকাল প্রায়ই আসে।
- বঙ্গবন্ধুর লেখা তিনটি প্রধান গ্রন্থ হলো অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগার রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়া চীন।
সঠিক উত্তর: B) শহীদুল্লাহ কায়সার
১. কেন সঠিক:
- সংশপ্তক উপন্যাসের রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক শহীদুল্লাহ কায়সার।
- এই উপন্যাসটি বাঙালি জাতির জীবনে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত যুদ্ধোত্তর উপন্যাস।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শহীদুল্লাহ কায়সার ১৯২৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে নিখোঁজ হন।
- সংশপ্তক উপন্যাসটি গ্রামীণ সমাজের দ্বন্দ্ব এবং মানুষের জীবনসংগ্রামের এক অনন্য দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সারেং বৌ
ব্যাখ্যা: এটি শহীদুল্লাহ কায়সারের অপর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস।
উদাহরণ ২: পাণ্ডুলিপি
ব্যাখ্যা: এটিও শহীদুল্লাহ কায়সারের একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুনীর চৌধুরী — মুনীর চৌধুরী মূলত একজন নাট্যকার ও শিক্ষাবিদ ছিলেন, তার বিখ্যাত নাটক কবর।
B) শহীদুল্লাহ কায়সার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক।
C) জহির রায়হান — জহির রায়হান একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্রকার, তার বিখ্যাত উপন্যাস বরফ গলা নদী।
D) শওকত ওসমান — শওকত ওসমান একজন খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক, তার বিখ্যাত উপন্যাস ক্রীতদাসের হাসি।
৫. মনে রাখার টিপস:
শহীদুল্লাহ কায়সারের নামের সাথে সংশপ্তক ও সারেং বৌ উপন্যাস দুটি মনে রাখতে হবে।
কায়সার মানে রাজা, তার রাজত্বে সংশপ্তক ও সারেং বৌ নিয়ে চমৎকার গল্প আছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ও সমসাময়িক উপন্যাস থেকে প্রশ্ন আসে।
শহীদুল্লাহ কায়সারের সংশপ্তক উপন্যাসটি অনেকবার পরীক্ষায় এসেছে, তাই এটি ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মহীয়সী
১. কেন সঠিক:
- মহীয়ান শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হলো মহীয়সী।
- মহীয়ান শব্দের অর্থ অত্যন্ত গরীয়ান, মহান বা তেজীয়ান।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়মে কিছু বিশেষ শব্দে দীর্ঘ ই কার যুক্ত করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা হয়।
- মহীয়ান একটি বিশেষণ পদ এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ মহীয়সী গঠিত হয় ঈ প্রত্যয় যোগে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গরীয়ান স্ত্রীবাচক শব্দ গরীয়সী
ব্যাখ্যা: গরীয়ান শব্দের মতো একই নিয়মে গরীয়সী স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: তেজীয়ান স্ত্রীবাচক শব্দ তেজীয়সী
ব্যাখ্যা: তেজীয়ান শব্দের ক্ষেত্রেও একই ব্যাকরণগত নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মহীয়সী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রমিত বানান ও সঠিক রূপ।
B) মহীয়াসী — এই বানানে অতিরিক্ত আ কার যুক্ত থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) মহীয়াসি — এই বানানে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করায় বানানটি অশুদ্ধ হয়েছে।
D) মহীয়যী — এই রূপটি বাংলা ব্যাকরণে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসঠিক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইন প্রত্যয়ান্ত পুংলিঙ্গ শব্দের স্ত্রীবাচক রূপে ঈসী যুক্ত হয়।
- মহীয়ান থেকে মহীয়সী এবং গরীয়ান থেকে গরীয়সী মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বিশেষ লিঙ্গান্তর প্রায়ই আসে।
- প্রমিত বানান মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
১. কেন সঠিক:
- 'চিলেকোঠার সেপাই' বাংলা কথাসাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস যার রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস।
- উপন্যাসটি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে এবং এতে তৎকালীন ঢাকার সমাজজীবন ও রাজনীতি নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বিংশ শতাব্দীর ষাটের দশকের অন্যতম প্রধান ও প্রভাবশালী বাঙালি ঔপন্যাসিক ও গল্পকার।
- তাঁর রচিত একমাত্র অপরূপ সৃষ্টি 'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসে গণঅভ্যুত্থানের আবহ এবং খোঁয়ার ও আলতাফ চরিত্রের মাধ্যমে নিম্নবর্গীয় মানুষের সংগ্রাম প্রকাশ পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খোয়াবনামা
ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের অপর একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা তেভাগা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত।
উদাহরণ ২: অন্য ঘর অন্য স্বর
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ছোটগল্পের গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শওকত আলী — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও 'চিলেকোঠার সেপাই' তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে 'প্রদোষে প্রাকৃতজন'।
B) শওকত ওসমান — তিনি বাংলা সাহিত্যে তাঁর অনন্য অবদানের জন্য পরিচিত হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'জননী'।
C) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়।
D) সত্যেন সেন — তিনি ঐতিহাসিক ও সমাজসচেতন উপন্যাস লিখলেও এই নির্দিষ্ট উপন্যাসের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইলিয়াসের দুটি মাত্র উপন্যাস রয়েছে, যার একটি 'চিলেকোঠার সেপাই' এবং অন্যটি 'খোয়াবনামা'।
- এই দুটি বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখলে বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই লেখকের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের পটভূমিতে রচিত শ্রেষ্ঠ উপন্যাস হলো 'চিলেকোঠার সেপাই'।
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলোর নাম যেমন খোয়ার ও উসমান প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: A) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
- 'দৈনিক নবযুগ' পত্রিকাটির সঙ্গে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাম বিশেষভাবে জড়িত।
- ১৯২০ সালের জুলাই মাসে প্রকাশিত এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক এবং একই সঙ্গে কাজী নজরুল ইসলাম এর যুগ্ম সম্পাদক বা পরবর্তীতে সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের জাতীয় কবি এবং বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত।
- তিনি সাংবাদিকতার সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত ছিলেন এবং 'দৈনিক নবযুগ' ছাড়াও 'دوهنيك لانگل' বা 'লাঙল', 'ধূমকেতু' ইত্যাদি পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'ধূমকেতু' পত্রিকা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: 'লাঙল' পত্রিকা
ব্যাখ্যা: এটি শ্রমিক ও প্রজাদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে প্রকাশিত একটি পত্রিকা যার প্রধান সম্পাদক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি দৈনিক নবযুগ পত্রিকার সঙ্গে সম্পাদক হিসেবে যুক্ত ছিলেন।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ্বকবি এবং নোবেলজয়ী সাহিত্যিক হলেও এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না।
C) মোজাম্মেল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক ও কবি হলেও এই পত্রিকার সঙ্গে তার সম্পাদনার সম্পর্ক ছিল না।
D) মাওলানা আকরাম খাঁ — তিনি একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ হলেও দৈনিক নবযুগ পত্রিকার মূল সম্পাদক হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম পরিচিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নজরুল ও নবযুগ দুটোই ন দিয়ে শুরু হয়, যা সহজে মনে রাখতে সাহায্য করে।
- নজরুলের সাংবাদিকতা জীবন এবং তার সম্পাদিত পত্রিকার নামগুলো এক নজরে দেখে রাখা ভালো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবি-সাহিত্যিকদের সম্পাদিত পত্রিকার নাম জানতে চাওয়া হয়।
- বিভিন্ন প্রখ্যাত পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশের সাল মনে রাখা বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) ক্ষমার্য
১. কেন সঠিক:
- 'ক্ষমতার অযোগ্য' এই বাক্যাংশটির সংকুচিত রূপ হলো ক্ষমার্য। যা ক্ষমা করার যোগ্য নয় বা ক্ষমতার অযোগ্য, তাকে এককথায় ক্ষমার্য বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অংশ। বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম হলো বাক্য সংকোচন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা দমন করা যায় না - দুর্দমনীয়
ব্যাখ্যা: এই বাক্য সংকোচনটিতেও যোগ্যতার অভাব বা অযোগ্যতা বোঝাতে প্রত্যয়ের ব্যবহার হয়েছে।
উদাহরণ ২: যা লাভ করা সহজ - সুলভ
ব্যাখ্যা: বড় একটি বাক্যের অর্থ একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্ষমা — এটি একটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ মার্জন বা অপরাধ মাফ করা, যা বাক্যের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) ক্ষমা প্রার্থী — এর অর্থ যিনি ক্ষমা প্রার্থনা করছেন, এটি 'ক্ষমতার অযোগ্য' অর্থে ব্যবহার হয় না।
C) ক্ষমার্য — এটি সঠিক উত্তর।
D) ক্ষমা প্রদ — এর অর্থ যা ক্ষমা প্রদান করে, এটি প্রদত্ত অর্থের বিপরীত ভাব প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যোগ্য বা অযোগ্য বোঝাতে শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এককথায় প্রকাশ গঠিত হয়। মূল শব্দের সঙ্গে অর্থ মিলিয়ে চর্চা করলে এই নিয়ম সহজে আয়ত্ত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য সংকোচন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। তাই প্রত্যয়যুক্ত ও বিশেষার্থক শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা প্রয়োজন।
সঠিক উত্তর: A) শেষর কবিতা (নোট: মূল বইয়ের বানান 'শেষের কবিতা', তবে প্রশ্নে যেভাবে আছে তা উল্লেখ করা হলো)
১. কেন সঠিক:
- 'শেষের কবিতা' বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত গদ্য উপন্যাস যার রচিয়তা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- এটি মূলত রোমান্টিক উপন্যাস হলেও এতে কাব্যিক সুষমা ও মননশীলতার অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে কবি, নাট্যকার, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক।
- 'শেষের কবিতা' উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো অমিত রায় ও লাবণ্য সেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোখের দালি
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও একটি বিখ্যাত সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: গোরা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্রেষ্ঠ ও বৃহত্তম রাজনৈতিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শেষর কবিতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) বলাকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত গীতিকাব্যের নাম, উপন্যাস নয়।
C) ডাকঘর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত রূপকধর্মী নাটক, উপন্যাস নয়।
D) কালান্তর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রবন্থগ্রন্থ, উপন্যাস নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথের উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য চরিত্রগুলোর নাম ও ধরন যেমন অমিত-লাবণ্য (শেষের কবিতা) মনে রাখতে পারো।
- কাব্যগ্রন্থ আর উপন্যাসের পার্থক্য বুঝতে রচনার প্রকাশভঙ্গি খেয়াল রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- 'শেষের কবিতা' উপন্যাসের বিখ্যাত উক্তি হলো হে আমার চেনা বিদেশিনী, যা প্রায়শ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- বিভিন্ন লেখকের বিখ্যাত উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থের নাম আলাদা করার প্রস্তুতি নিতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সাহেবান
১. কেন সঠিক:
'সাহেব' একটি ফার্সি শব্দ। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী প্রাণীবাচক বিশেষ্য পদের বহুবচন বোঝাতে ফার্সি ভাষা থেকে আগত শব্দের সঙ্গে 'আনা' বা 'বান' প্রত্যয় যুক্ত করা হয়।
এই নিয়মে 'সাহেব' শব্দের সঙ্গে 'বান' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বহুবচনে 'সাহেবান' গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় ফার্সি ও আরবি প্রভাবে কিছু শব্দের বহুবচনে বিশেষ প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। প্রাণীবচক শব্দের বহুবচন সাধনে ফার্সি 'গান', 'বৃন্দ', 'মন্ডলী' এবং ফার্সি প্রত্যয় 'বান' বা 'আনা' বহুল ব্যবহৃত হয়।
বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে উৎসের ভাষার ব্যাকরণগত নিয়ম অনেক সময় বাংলাতেও বহাল থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বুজুর্গ থেকে বুজুর্গান।
ব্যাখ্যা: বুজুর্গ একটি ফার্সি শব্দ, এর সঙ্গে ফার্সি বহুবচনের প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সাহেবান শব্দের মতো বুজুর্গান বহুবচন গঠিত হয়।
উদাহরণ ২: মর্দ থেকে মর্দান।
ব্যাখ্যা: মর্দ শব্দের বহুবচনে ফার্সি নিয়ম অনুসারে মর্দান ব্যবহৃত হয় যা সাহেবান শব্দের গঠনরীতির সঙ্গে সম্পূর্ণ মিল রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাহেবান — সঠিক উত্তর।
B) সাহেবাগণ — 'গণ' অপ্রাণীবাচক বা সাধারণ বিশেষ্যের বহুবচনে বসে এবং 'সাহেবা' শব্দের সঙ্গে 'গণ' যুক্ত করা ব্যাকরণসম্মত নয়।
C) সাহেবকুল — 'কুল' শুধু ইতর প্রাণীবাচক বা বস্তুবাচক বিশেষ্যের বহুবচনে ব্যবহৃত হয়, তাই সাহেব শব্দের সঙ্গে এটি বেমানান।
D) সাহেবমণ্ডলী — 'মণ্ডলী' সভার বা সমিতির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা একক ব্যক্তির বহুবচন গঠনে প্রমিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ফার্সি শব্দের বহুবচনে শেষে 'বান' বা 'আন' যুক্ত হয়। সাহেব একটি ফার্সি শব্দ বিধায় এর বহুবচন সাহেবান হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের বহুবচন প্রায়ই আসে। ফার্সি শব্দের বহুবচন চেনার জন্য 'বান' বা 'গান' প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলোর তালিকা ভালো করে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সম্প্রীতি
১. কেন সঠিক:
ইত্তেফাক একটি আরবি শব্দ যার আভিধানিক অর্থ ঐক্য, মিলন, মেলবন্ধন, সম্মতি বা সম্প্রীতি।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস ও অর্থ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এই ধরনের আরবি ও ফারসি শব্দ প্রায়ই আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শব্দের উৎস বা শব্দের অর্থ নির্দেশক প্রশ্ন।
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত আরবি শব্দগুলোর মধ্যে ইত্তেফাক একটি পরিচিত শব্দ যা মূলত সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিভাষায় বেশি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দৈনিক ইত্তেফাক
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত সংবাদপত্রের নাম, যার নামের অর্থ ঐক্যের প্রতীক।
উদাহরণ ২: তাদের মধ্যে ভালো ইত্তেফাক রয়েছে
ব্যাখ্যা: এখানে ইত্তেফাক শব্দটি সম্প্রীতি বা মিল অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সম্প্রীতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইত্তেফাক শব্দের অর্থ মিলন বা সম্প্রীতি।
B) সংবর্ধনা — এর অর্থ কাউকে সম্মান জানানো বা অভ্যর্থনা দেওয়া, যা ইত্তেফাক শব্দের অর্থ নয়।
C) সংলাপ — এর অর্থ কথপোকথন বা আলোচনা, যা ইত্তেফাক শব্দের সঙ্গে মেলে না।
D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইত্তেফাক শব্দের সঙ্গে ঐতিহাসিক দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার নাম মনে রাখতে পারো।
পত্রিকাটির কাজ হলো মানুষকে এক করা বা সম্প্রীতি বজায় রাখা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ বিশেষ করে আরবি, ফারসি ও ইংরেজি শব্দের অর্থ প্রায়ই পরীক্ষামূলকভাবে আসে।
শব্দগুলোর সঠিক অর্থ মনে রাখতে এদের প্রচলিত ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) রবি + ইন্দ্র
১. কেন সঠিক:
- 'রবীন্দ্র' শব্দটিকে বিশ্লেষণ করলে রবি এবং ইন্দ্র দুটি অর্থপূর্ণ শব্দ পাওয়া যায়।
- প্রথম শব্দের শেষের ই-কার এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুর ই-কার একত্রিত হয়ে দীর্ঘ ঈ-কার গঠন করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ, ই বা ঈ, উ বা ঊ-এর পর যথাক্রমে অ বা আ, ই বা ঈ, উ বা ঊ থাকলে উভয় মিলে যথাক্রমে দীর্ঘ আ, দীর্ঘ ঈ এবং দীর্ঘ ঊ হয়।
- রবি শব্দের শেষ স্বরধ্বনি ই এবং ইন্দ্র শব্দের শুরু স্বরধ্বনি ই যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ঈ-কার তৈরি করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নদী + ইন্দ্র = নদীন্দ্র
ব্যাখ্যা: নদী শব্দের শেষ দীর্ঘ ঈ-কার এবং ইন্দ্র শব্দের শুরুর ই-কার মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়েছে।
উদাহরণ ২: পরি + ইক্ষা = পরীক্ষা
ব্যাখ্যা: পরি শব্দের শেষ ই-কার এবং ইক্ষা শব্দের শুরুর ঈ-কার মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবী + ইন্দ্র — রবী বানানটি ভুল কারণ রবি শব্দে সবসময় হ্রস্ব ই-কার ব্যবহৃত হয়।
B) রবি + ইন্দ্র — এটি সঠিক এবং প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী নির্ভুল সন্ধি-বিচ্ছেদ।
C) রবী + ঈন্দ্র — রবী এবং ঈন্দ্র উভয় বানানেই ভুল স্বরচিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে।
D) রবি + ঈন্দ্র — ঈন্দ্র বানানটি ভুল কারণ ইন্দ্র শব্দে সবসময় হ্রস্ব ই ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রবি বানানটি সবসময় হ্রস্ব ই-কার দিয়ে লিখতে হয় এবং ইন্দ্র শব্দেও হ্রস্ব ই থাকে।
- হ্রস্ব ই এবং হ্রস্ব ই মিলে সবসময় দীর্ঘ ঈ হয়, এই সূত্রটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত হ্রস্ব ই-কার এবং দীর্ঘ ঈ-কারযুক্ত সন্ধি বেশি আসে।
- বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রেও রবি এবং ইন্দ্র শব্দ দুটির সঠিক রূপ মাথায় রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) অগ্নিবীণা
১. কেন সঠিক:
- অগ্নিবীণা কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত বাংলা কাব্যগ্রন্থ যা তার বিদ্রোহী কবি সত্তার অনন্য প্রকাশ ঘটিয়েছে।
- এই গ্রন্থের বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতা ও গান বাঙালি সমাজে বিপ্লব ও প্রতিবাদের এক নতুন জাগরণ সৃষ্টি করেছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের এমন এক প্রতিভা যিনি তার ওজস্বী লেখনীর মাধ্যমে সাম্য, মানবতা ও দ্রোহের বাণী প্রচার করেছেন।
- ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থে মোট বারোটি কবিতা রয়েছে যার মধ্যে বিদ্রোহী কবিতাটি বিশ্বসাহিত্যে অমর হয়ে আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রলয়োল্লাস
ব্যাখ্যা: অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস যেখানে ধ্বংসের মধ্য দিয়ে নতুন সৃষ্টির আগমন বার্তা ঘোষণা করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: কামাল পাশা
ব্যাখ্যা: তুরস্কের বীর নেতা মোস্তফা কামাল পাশার বীরত্বগাথা নিয়ে রচিত এই কবিতাটিও অগ্নিবীণা কাব্যের অন্তর্ভুক্ত এবং এটিও উদ্দীপনামূলক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অগ্নিবীণা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নজরুলের প্রথম বিদ্রোহী কাব্যগ্রন্থ।
B) দোলনাচাঁপা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত গীতি কাব্যগ্রন্থ যার মূল সুর প্রেম ও প্রকৃতির, দ্রোহ নয়।
C) ছায়ানট — এটি নজরুল ইসলামের একটি রোমান্টিক ও প্রকৃতিভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়।
D) চক্রবাক — এটিও কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ যা প্রধানত প্রেম ও সৌন্দর্যের কবিতা নিয়ে গঠিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের বিদ্রোহী রূপ চেনার জন্য তার প্রথম গ্রন্থ অগ্নিবীণা নামটি মনে রাখতে হবে যা দিয়ে তিনি বাংলা সাহিত্যে ধূমকেতুর মতো আবির্ভূত হন।
- অগ্নিবীণা মানে আগুনের বীণা যা বিদ্রোহ ও বিপ্লবের প্রতীক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রকাশসাল ১৯২২ এবং এর প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস, যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- বিসিএস বা অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং এর কবিতা সম্পর্কিত প্রশ্ন খুব কমন।
সঠিক উত্তর: C) বুদ্ধদেব বসু
১. কেন সঠিক:
- বুদ্ধদেব বসু জীবনানন্দ দাশের কবিতায় আধুনিক বাংলা কবিতার নির্জনতার সুর স্পষ্টভাবে উপলব্ধি করেছিলেন।
- তিনি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত তার 'কবিতা' পত্রিকার মাধ্যমে এবং বিভিন্ন প্রবন্ধে জীবনানন্দ দাশকে বাংলা কবিতার 'নির্জনতম কবি' হিসেবে অভিহিত করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বুদ্ধদেব বসু বিশ শতকের ত্রিশের দশকের আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, প্রাবন্ধিক ও সমালোচক ছিলেন।
- জীবনানন্দ দাশ বাংলা আধুনিক কবিতার রূপরীতিতে এক স্বতন্ত্র ও নিঃসঙ্গ পথযাত্রী ছিলেন, যা তার কবিতায় নিসর্গপ্রকৃতি ও মানবীয় একাকিত্বের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জীবনানন্দ দাশের 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো বাংলা কবিতার নির্জনতা ও বিষাদের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
উদাহরণ ২: বুদ্ধদেব বসু রচিত 'রবীন্দ্রনাথ ও উত্তরসাধক' প্রবন্ধগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে আধুনিক বাংলা কবিদের মূল্যায়ন করা হয়েছে, যেখানে জীবনানন্দ দাশের স্বতন্ত্র শৈলী আলোচিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুভাষ মুখোপাধ্যায় — তিনি বাংলা আধুনিক কবিতার একজন বিশিষ্ট কবি হলেও জীবনানন্দ দাশকে 'নির্জনতার কবি' বলে আখ্যায়িত করেননি।
B) অমিয় চক্রবর্তী — তিনি রবীন্দ্রযুগের পরবর্তী প্রভাবশালী কবি ও শিক্ষাবিদ হলেও এই খ্যাতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন।
C) বুদ্ধদেব বসু — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি জীবনানন্দ দাশকে নির্জনতার কবি হিসেবে প্রথম চিহ্নিত করেছিলেন।
D) সামসুর রাহমান — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান নাগরিক কবি হলেও জীবনানন্দ দাশের এই নির্দিষ্ট খ্যাতির প্রবক্তা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
জীবন ও বুদ্ধ কথাটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো, অর্থাৎ জীবনানন্দ দাশকে কবি হিসেবে গভীরভাবে মূল্যায়ন করেছিলেন বুদ্ধদেব বসু।
নির্জনতা শব্দটি পেলেই বুদ্ধদেব বসুর সাহিত্য সমালোচনার কথা মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের উপাধি বা সমালোচকদের মন্তব্য প্রায়ই আসে।
একইভাবে কাজী নজরুল ইসলামকে 'বিদ্রোহী কবি' বা শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে 'অপরাজেয় কথাশিল্পী' কে বলেছেন তা জেনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) Acquittal
কেন সঠিক:
- 'Acquit' হলো একটি ভার্ব যার অর্থ অব্যাহতি দেওয়া, এবং এর সঠিক নাউন রূপ হলো 'acquittal'।
- ভার্ব বা অন্য কোনো শব্দের শেষে '-al' যুক্ত করে ইংরেজিতে অনেক সময় নাউন গঠন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Acquition — এটি একটি ভুল বানান বা বিভ্রান্তিকর শব্দ, যার ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো ভিত্তি নেই।
B) Acquittal — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি 'acquit' শব্দের সঠিক নাউন রূপ।
C) Acquitation — শব্দটির বানান সঠিক নয় এবং এটি কোনো গ্রহণযোগ্য নাউন রূপ নয়।
D) Acquitasision — এটি একটি ভুল বানানযুক্ত শব্দ এবং শব্দের গঠনের নিয়ম অনুযায়ী এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
'Acquit' ভার্বের শেষে '-al' যোগ করে নাউন 'Acquittal' তৈরি হয়, যেমন 'Deny' থেকে 'Denial' হয়।
সঠিক উত্তর: D) Viruses
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ভাষা ও ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী লাতিন বা গ্রিক মূলের কিছু শব্দের সঙ্গে সাধারণত -es বা -s যোগ করে বহুবচন করা হয়।
- virus শব্দটি আধুনিক ইংরেজিতে ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাধারণ নিয়মে শেষে -es যোগ করে viruses বহুবচন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Viriri — এই রূপটি ইংরেজি ব্যাকরণে বা লাতিন উৎসে সঠিক নয় এবং এটি একটি কাল্পনিক শব্দ।
B) Viratum — এটি কোনো স্বীকৃত বহুবচন রূপ নয় এবং ইংরেজি বা লাতিন ব্যাকরণের নিয়মের সঙ্গে মেলে না।
C) Many virus — ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী countable noun-এর ক্ষেত্রে singular শব্দের আগে many ব্যবহার করে plural করা যায় না।
D) Viruses — এটি সঠিক বহুবচন রূপ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
virus শব্দের শেষে us থাকলে আধুনিক ইংরেজিতে সাধারণত es যোগ করে viruses বহুবচন তৈরি করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) adverbial clause
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে underlined অংশটি how দ্বারা শুরু হয়ে Principal clause-এর verb behave-কে modify করেছে।
- verb-কে কীভাবে (how) প্রশ্ন করলে যে adverbial clause পাওয়া যায়, এটি তারই একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) coordinating clause — এটি কোনো স্বাধীন clause নয় এবং এটি coordinating conjunction দ্বারা যুক্ত কোনো সমমানের clause নির্দেশ করে না।
B) adjectival clause — এটি কোনো noun-কে modify করছে না, তাই এটি adjectival clause হতে পারে না।
C) adverbial clause — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি verb-এর কাজের ধরন প্রকাশ করছে।
D) noun clause — এটি বাক্যে কোনো noun-এর কাজ করছে না বা verb-এর object হিসেবে কাজ করছে না।
মনে রাখার টিপস:
প্রধান clause-এর verb-কে কীভাবে বা how দ্বারা প্রশ্ন করে যদি উত্তর পাওয়া যায়, তবে সেটি সাধারণত Adverbial clause হয়।
সঠিক উত্তর: C) Sought
কেন সঠিক:
- বাক্যে It is high time বা It is about time থাকলে এর পরের ক্লজটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়।
- এই নিয়মানুযায়ী সাবজেক্টের পর verb-এর পাস্ট ফর্ম ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে sought সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Seek — এটি প্রেজেন্ট ফর্ম হওয়ায় It is high time এর নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) Need — এটি প্রেজেন্ট ফর্ম হওয়ায় পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের শর্ত পূরণ করে না।
C) Sought — এটি ভার্বের পাস্ট ফর্ম এবং এই নিয়মের জন্য নির্ধারিত সঠিক উত্তর।
D) Apply for — এটি ফ্রেজ এবং প্রেজেন্ট ফর্মে থাকায় শূন্যস্থানে সরাসরি বসে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে Itis high time থাকলে চোখ বন্ধ করে verb-এর পাস্ট ফর্ম বসিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: C) By whom can death be avoided?
কেন সঠিক:
- Who যুক্ত Interrogative Sentence-কে Passive করার সময় Who-এর পরিবর্তে By whom বসে।
- Modal auxiliary verb (can) যুক্ত বাক্যে can-এর পর be বসে এবং মূল verb-এর Past Participle হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) By whom death can be avoided? — এখানে Interrogative করার জন্য subject-এর আগে auxiliary verb (can) বসেনি, যা ভুল।
B) Whom can death be avoided? — এখানে শুরুর দিকে 'By' preposition ব্যবহার করা হয়নি, যা Who-এর passive রূপের ক্ষেত্রে আবশ্যক।
C) By whom can death be avoided? — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল।
D) Who can be avoided by death? — এখানে অর্থের পরিবর্তন হয়ে গেছে, যা মূল বাক্যের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Who যুক্ত Interrogative বাক্যের Passive করতে হলে প্রথমে By whom বসিয়ে তারপর সাহায্যকারী verb এবং object-কে subject বানাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Peak
কেন সঠিক:
- Pinnacle শব্দটির অর্থ সর্বোচ্চ চূড়া, শিখর বা শীর্ষবিন্দু।
- Peak শব্দটির অর্থও পাহাড়ের চূড়া বা সাফল্যের সর্বোচ্চ পর্যায়, যা Pinnacle-এর সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Panacea — এর অর্থ সর্বরোগনিবারক ওষুধ, যা Pinnacle শব্দের সঙ্গে মিলে না।
B) Mountain — এর অর্থ পর্বত, যা সম্পূর্ণ পাহাড় বোঝায় কিন্তু চূড়া বোঝায় না।
C) Peak — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) Pantheon — এর অর্থ বিখ্যাত ব্যক্তিদের স্মারক মন্দির বা দেবালয়, যা এখানে সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Pinnacle শব্দটির ভেতর P অক্ষরটি আছে এবং এর সমার্থক Peak শব্দটির শুরুতেও P অক্ষর আছে।
সঠিক উত্তর: B) The teacher asked me why I had been absent.
কেন সঠিক:
- রিপোর্টিং ভার্ব past tense এ থাকলে এবং রিপোর্টেড স্পিচটি past indefinite tense এ হলে তা পরিবর্তন হয়ে past perfect tense এ রূপান্তর করতে হয়।
- প্রশ্নবোধক বাক্য হওয়ায় said to পরিবর্তিত হয়ে asked হয়েছে এবং wh-word অপরিবর্তিত থেকে সাবজেক্ট ও মূল ভার্ব বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The teacher asked me why I was absent. — এখানে tense এর সঠিক পরিবর্তন করা হয়নি, past indefinite tense কে past perfect tense এ রূপান্তর করতে হবে।
B) The teacher asked me why I had been absent. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী সকল ব্যাকরণগত শর্ত পূরণ করেছে।
C) The teacher asked me why I have been absent. — এখানে present perfect tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা past tense এর নিয়মের সাথে সংগত নয়।
D) The teacher wanted to know why I was absent. — এখানে wanted to know ব্যবহার করা হলেও tense এর নিয়ম অনুযায়ী past indefinite কে past perfect এ পরিবর্তন করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
Direct speech এ past indefinite থাকলে Indirect speech করার সময় তা past perfect tense এ পরিবর্তিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) Things Fall Apart
কেন সঠিক:
- নাইজেরিয়ার বিখ্যাত লেখক চিনুয়া আচেবে ১৯৫৮ সালে এই উপন্যাসটি রচনা করেন।
- ঔপনিবেশিক প্রভাব ও ঐতিহ্যবাহী আফ্রিকান সংস্কৃতির সংঘাত এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Brave New World — এটি অ্যালডাস হাক্সলি রচিত একটি বিখ্যাত সায়েন্স ফিকশন উপন্যাস।
B) The Trial — এটি ফ্রাঞ্জ কাফকা রচিত একটি বিখ্যাত অস্তিত্ববাদী উপন্যাস।
C) Things Fall Apart — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো অপশনের প্রয়োজন নেই।
D) Ulysses — এটি আইরিশ লেখক জেমসল জয়েস রচিত একটি বিশ্বখ্যাত আধুনিকতাবাদী উপন্যাস।
মনে রাখার টিপস:
আচেবে মানেই আফ্রিকান সাহিত্য এবং তার সবচেয়ে বিখ্যাত সৃষ্টি থিংস ফল আপার্ট।
সঠিক উত্তর: D) The most basic and important aspects of something
কেন সঠিক:
- 'Meat and potatoes' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ মাংস ও আলু হলেও রূপক অর্থে এটি কোনো বিষয়ের সবচেয়ে মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোকে বোঝায়।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের খাদ্য বা দৈনন্দিন জীবনভিত্তিক ইডিয়ম থেকে প্রশ্ন আসে, যার অন্তর্নিহিত অর্থ আক্ষরিক অর্থের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A special type of curry — এটি ইডিয়মের রূপক অর্থ বাদ দিয়ে সম্পূর্ণ আক্ষরিক ও ভুল অর্থ প্রকাশ করে।
B) A delicious dish of meat — এটিও রূপক অর্থ বিবেচনা না করে কেবল মাংসের পদের আক্ষরিক অর্থ বোঝাচ্ছে, যা পরীক্ষার প্রেক্ষাপটে ভুল।
C) A simple and ordinary matter — যদিও এখানে সাধারণ বা সরল বিষয়ের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু এটি কোনো বিষয়ের মৌলিক ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোর সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে না।
D) The most basic and important aspects of something — এটি 'meat and potatoes' ইডিয়মের সঠিক ও প্রমিত ভাবার্থ বা রূপক অর্থ নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
খাবারে মাংস ও আলু যেমন আমাদের শরীরের জন্য সবচেয়ে মৌলিক ও পুষ্টিকর ভিত্তি, তেমনি কোনো কাজের ক্ষেত্রে 'Meat and potatoes' হলো তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মূল অংশ।
সঠিক উত্তর: D) Happening outside the normal power of the law
কেন সঠিক:
- Extrajudicial শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো বিচারবহির্ভূত বা আইনের স্বাভাবিক ক্ষমতার বাইরে ঘটিত।
- এটি মূলত আইনি প্রক্রিয়া বা আদালতের এখতিয়ারের বাইরে কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়াকে নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Extra facility for judges — এটি বিচারকদের অতিরিক্ত সুবিধাকে বোঝায়, যা শব্দের আসল অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) Judicious — এর অর্থ বিচক্ষণ বা বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন, যা ইতিবাচক অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এর সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
C) A criminal activity — অপরাধমূলক কার্যক্রম একটি ব্যাপক ধারণা, কিন্তু সব অপরাধ বিচারবহির্ভূত হয় না।
D) Happening outside the normal power of the law — এটি সঠিক, কারণ শব্দটির মূল গঠন অনুসারে এটি আইনের স্বাভাবিক ক্ষমতার বাইরের কাজ বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
Extra শব্দের অর্থ বাইরে এবং judicial শব্দের অর্থ আইনি, তাই একত্রে অর্থ দাঁড়ায় আইনের বাইরে বা বিচারবহির্ভূত।
সঠিক উত্তর: C) New
কেন সঠিক:
- 'Shabby' শব্দটির বাংলা অর্থ হলো নোংরা, জীর্ণ বা পুরাতন।
- এর সঠিক বিপরীতার্থক বা এন্টোনিম হলো 'New', যার অর্থ নতুন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Honesty — এর অর্থ সততা, যা কোনো বস্তুর অবস্থা বা বৈশিষ্ট্যের বিপরীত শব্দ নয়।
B) Sagacious — এর অর্থ বিচক্ষণ বা জ্ঞানী, যা মানুষের বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত।
C) New — সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত কারণ এটি জীর্ণ বা পুরাতন বোঝানো 'shabby' শব্দের বিপরীত।
D) Dirty — এর অর্থ নোংরা, যা 'shabby' শব্দের সমার্থক বা সিনোনিম।
মনে রাখার টিপস:
শাবি (Shabby) মানে পুরোনো ও ভাঙাচোরা, আর তার উল্টো হলো নতুন (New)।
সঠিক উত্তর: B) Pedagogy
কেন সঠিক:
- Pedagogy শব্দটি এসেছে গ্রীক শব্দ paidagogos থেকে, যার অর্থ শিক্ষাদান বিজ্ঞান বা শিক্ষা পদ্ধতি।
- এটি মূলত শিখন প্রক্রিয়া, শিক্ষণ কৌশল এবং শিক্ষার্থীদের অর্জিত জ্ঞানের মূল্যায়নের বিজ্ঞানসম্মত চর্চা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Phonetics — এটি ভাষা বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা মানুষের বাক-ধ্বনি বা উচ্চারণের শারীরিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করে।
B) Pedagogy — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সরাসরি পাঠদান কৌশল এবং শিক্ষণ বিজ্ঞানকে নির্দেশ করে।
C) Ethics — এটি দর্শনশাস্ত্রের একটি শাখা যা মানব আচরণ, নৈতিকতা এবং ভাল-মন্দের মানদণ্ড নিয়ে আলোচনা করে।
D) Phonology — এটি ভাষা বিজ্ঞানের সেই শাখা যা কোনো নির্দিষ্ট ভাষার ধ্বনিগত ব্যবস্থা এবং তার নিয়ম নিয়ে কাজ করে।
মনে রাখার টিপস:
শিশু বা ছাত্র পড়ানো সংক্রান্ত বিজ্ঞান হলো Pedagogy, তাই শিশুর শিক্ষা মানেই Pedagogy।
সঠিক উত্তর: A) Etiquette
কেন সঠিক:
- বানানটির মূল ফরাসি শব্দে শেষের দিকে -ette প্রত্যয় যুক্ত থাকে যা সঠিক বানান নির্ধারণে সাহায্য করে।
- এই শব্দটিতে ডাবল t এবং ডাবল q বা অন্য কোনো জটিলতার পরিবর্তে -ette ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Etiquette — এটি সঠিক বানান।
B) Etiquitte — শেষের অংশ -itte লেখার কারণে এটি ভুল।
C) Etiquete — এখানে একটি t কম থাকায় বানানটি ভুল হয়েছে।
D) Etyquette — শুরুর দিকে i এর পরিবর্তে y ব্যবহারের কারণে এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটির শেষে -uette আছে মনে রাখলেই সঠিক বানান সহজেই চিহ্নিত করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) Eugene O' Neill
কেন সঠিক:
- ইউজিন ও'নিল বিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত মার্কিন নাট্যকার যিনি এক্সপ্রেশনিজম বা অভিব্যক্তিবাদের জন্য পরিচিত।
- দ্য হেয়ারি এইপ নাটকটি আধুনিক যন্ত্রসভ্যতায় মানুষের বিচ্ছিন্নতাবোধ ও যান্ত্রিক দাসত্ব তুলে ধরেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Eugene O' Neill — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
B) William Shakespeare — তিনি এলিজাবেথান যুগের বিখ্যাত ইংরেজ নাট্যকার ছিলেন, এই আধুনিক মার্কিন নাটকের রচয়িতা নন।
C) Ben Jonson — তিনি রেনেসাঁ যুগের একজন ইংরেজ নাট্যকার ও কবি ছিলেন, আমেরিকান নাটকের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
D) G.B Shaw — তিনি বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার ও সমালোচক ছিলেন, যার বিখ্যাত নাটক ম্যান অ্যান্ড সুপারম্যান।
মনে রাখার টিপস:
বানর বা হেয়ারি এইপের মতো আদিম প্রবৃত্তি ও আধুনিক মানুষের যান্ত্রিক জীবন নিয়ে নাটক লিখেছেন মার্কিন নাট্যকার ইউজিন ও'নিল।
সঠিক উত্তর: A) much stronger
কেন সঠিক:
- তুলনামূলক ডিগ্রি বা Comparative Adjective-কে আরো বেশি জোর দেওয়ার জন্য তার পূর্বে Intensifier হিসেবে much ব্যবহৃত হয়।
- stronger হলো strong-এর তুলনামূলক রূপ, যার পূর্বে much বসিয়ে তার তীব্রতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) much stronger — এটি সঠিক কারণ তুলনামূলক ডিগ্রির পূর্বে much বসে তীব্রতা প্রকাশ করে।
B) very stronger — ভুল কারণ positive adjective-এর পূর্বে very বসে, কিন্তু comparative adjective-এর পূর্বে very বসে না।
C) more stronger — ভুল কারণ strong শব্দটির তুলনামূলক রূপ গঠনে more যুক্ত হয় না, শুধু -er যুক্ত হয়। দুটি comparative একসঙ্গে ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) so stronger — ভুল কারণ so সাধারণত positive ডিগ্রির পূর্বে বসে, তুলনামূলক ডিগ্রির পূর্বে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
তুলনামূলক ডিগ্রির আগে very বা so বসে না, তার বদলে much ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) The lady guest proceeded as though I had not spoken.
কেন সঠিক:
- as if বা as though এর আগের অংশ Present Tense হলে পরের অংশ Past Indefinite Tense হয়।
- আগের অংশ Past Tense হলে as if বা as though এর পরের অংশ Past Perfect Tense হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The lady guest proceeded as though I had not spoken. — এটি সঠিক কারণ মূল ক্লজটি Past Tense (proceeded) এ থাকায় পরের অংশে Past Perfect Tense (had not spoken) ব্যবহৃত হয়েছে।
B) The lady guest proceeded as though I did not speak. — এটি ভুল কারণ মূল ক্লজ Past Tense হওয়ায় সাবঅর্ডিনেট ক্লজে Past Indefinite ব্যবহার না করে Past Perfect ব্যবহার করতে হয়।
C) The lady guest proceeded as though I have not spoken. — এটি ভুল কারণ Present Perfect Tense (have not spoken) কখনো Past Tense এর পরের as though ক্লজে বসে না।
D) The lady guest proceeded as though I would not speak. — এটি ভুল কারণ কল্পনা বা অবাস্তব অর্থ প্রকাশ করতে as though এর পরে would নয় বরং Past Perfect Tense বসে।
মনে রাখার টিপস:
as if বা as though এর নিয়ম হলো বাঁয়ে পাস্ট টেন্সে থাকলে ডানে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হবে।
সঠিক উত্তর: A) But for
কেন সঠিক:
- But for একটি ফ্রেজ যার অর্থ বিনা বা ব্যতীত, যা বাক্যেConditional Sentence-এর তৃতীয় কন্ডিশনালের অর্থ প্রকাশ করে।
- প্রদত্ত বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় যে, তোমার সময়মতো সাহায্য না পেলে আমি ফেল করতাম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) But for — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ছাড়া বা ব্যতীত অর্থে তৃতীয় কন্ডিশনালে ব্যবহৃত হয়।
B) For — এটি বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না এবং ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
C) Despite — এর অর্থ সত্ত্বেও, যা বসালে বাক্যটির অর্থ বিপরীত ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়ে যায়।
D) Unless — এর অর্থ যদি না, যা বসালে বাক্যের গঠন এবং অর্থ উভয়ই ভুল প্রমাণিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে শূন্যস্থান এবং পরবর্তীতে would have থাকলে সাধারণত But for ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) a gerund
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে swimming শব্দটি preposition 'of' এর পরে বসেছে এবং এটি noun এর কাজ করেছে।
- verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যখন একই সাথে verb ও noun এর কাজ করে, তখন তাকে gerund বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a verb — এটি শুধুমাত্র verb হিসেবে কাজ করছে না, বরং noun এর কাজও করছে তাই এটি সরাসরি verb নয়।
B) a present participle — এটি noun এর কাজ করেছে, কোনো adjective বা روان অবস্থা বোঝাচ্ছে না তাই এটি participle নয়।
C) a gerund — এটি সঠিক কারণ এটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করেছে।
D) an adverb — এটি কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো adverb এর বিশেষায়িত রূপ নয় তাই এটি adverb নয়।
মনে রাখার টিপস:
preposition এর পরে verb এর সাথে ing থাকলে সেটি সবসময় gerund হয়।
সঠিক উত্তর: B) no article
কেন সঠিক:
- by এবং air-এর মাঝে কোনো Article বসে না কারণ by air একটি বহুল ব্যবহৃত Idiomatic Phrase বা Adverbial Phrase।
- যাতায়াত মাধ্যম বোঝাতে air শব্দের পূর্বে কোনো Determiner বা Article ব্যবহারের নিয়ম নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the — নির্দিষ্ট কোনো আকাশ বা বায়ুকে বোঝায় না বিধায় এখানে Definite Article বসবে না।
B) no article — প্রদত্ত বাক্যটির নিয়ম অনুযায়ী এখানে কোনো Article বসবে না এবং এটি সঠিক উত্তর।
C) a — Singular countable noun না হওয়ায় air শব্দের পূর্বে Indefinite Article বসবে না।
D) an — Vowel দিয়ে শুরু হলেও uncountable noun এবং Phrase-এর নিয়মের কারণে এখানে Article বসবে না।
মনে রাখার টিপস:
by train, by bus, by air-এর মতো যাতায়াত মাধ্যমের পূর্বে সাধারণত কোনো Article বসে না।
বিষয় ও ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Idioms and Phrases / Translation)
সঠিক উত্তর: B) Reading by a bird's eye view will not do.
কেন সঠিক:
- 'ভাসা ভাসা পড়ায় কাজ হবে না' বাক্যটির ভাবানুবাদ বা সঠিক ইংরেজি রূপ হলো পাখির চোখের দৃষ্টি বা ওপর থেকে দেখার মতো ভাসা ভাসা পড়াশোনা কোনো সুফল দেয় না।
- 'By a bird's eye view' বা 'at a bird's eye view' একটি প্রচলিত ইডিয়ম, যার অর্থ ওপর থেকে বা ভাসা ভাসাভাবে কোনো কিছু দেখা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Reading by fits and starts will not do. — 'By fits and starts' অর্থ অনিয়মিতভাবে, যা ভাসা ভাসা পড়ার সঠিক ইংরেজি নয়।
B) Reading by a bird's eye view will not do. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ভাসা ভাসা পড়ার সঠিক ইংরেজি রূপ।
C) Reading at a glance will not do. — 'At a glance' অর্থ এক পলকে বা প্রথম দেখাতেই, যা এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে প্রযোজ্য নয়।
D) Reading intermittently will not do. — 'Intermittently' অর্থ বিরতি দিয়ে দিয়ে বা থেমে থেমে, যা ভাসা ভাসা পড়ার অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
পাখির ওড়ার মতো ওপর থেকে ভাসা ভাসা দেখার ইংরেজি হলো 'bird's eye view'।
সঠিক উত্তর: C) Polyglot
কেন সঠিক:
- Polyglot শব্দটি বিবাহ সংক্রান্ত নয়, বরং এটি এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি একাধিক ভাষা জানেন বা বলতে পারেন।
- ম্যারেজ বা বিবাহ সংক্রান্ত শব্দের সঙ্গে এই শব্দটির কোনো সম্পর্ক নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Monogamy — এটি একবিবাহ প্রথাকে বোঝায়, যা বিবাহ সম্পর্কিত একটি শব্দ।
B) Polyandry — এটি বহুবিবাহ প্রথাকে বোঝায় যেখানে একজন নারীর একাধিক স্বামী থাকে।
C) Polyglot — এটি ভাষা সম্পর্কিত শব্দ হওয়ায় এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) Polygamy — এটি বহুবিবাহ প্রথাকে বোঝায় যা বিবাহ সম্পর্কিত একটি শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটির শুরুতে থাকা Poly শব্দটির অর্থ বহু এবং শেষে থাকা glot শব্দটির সংযোগ গ্লটোলোজি বা ভাষা বিজ্ঞানের সঙ্গে।
সঠিক উত্তর: B) No sooner had he seen me than he ran away.
কেন সঠিক:
- No sooner had এর পর Past Participle এবং পরবর্তী ক্লজে Past Indefinite Tense ব্যবহৃত হয়।
- No sooner এর সাথে সবসময় than যুক্ত হয়, অন্য কোনো conjunction বসে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) No sooner had he seen me before he ran away. — No sooner এর সাথে before ব্যবহৃত হয় না, সঠিক conjunction হলো than।
B) No sooner had he seen me than he ran away. — এটি সঠিক অপশন কারণ গঠন ও নিয়ম সম্পূর্ণ নির্ভুল রয়েছে।
C) Hardly he saw me when he ran away. — এটি ভুল কারণ Hardly বা Scarcely এর পর Subject এর আগে auxiliary verb বসে এবং এখানে had নেই।
D) Scarcely had he scen me than he ran away. — এখানে Scarcely এর সাথে than ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, কারণ Scarcely এর সাথে when বা before বসে।
মনে রাখার টিপস:
No sooner থাকলে than বসে, আর Scarcely বা Hardly থাকলে when বা before বসে।
সঠিক উত্তর: C) across
কেন সঠিক:
- কোনো নির্দিষ্ট এলাকার চারদিকে বা সমস্ত অংশ জুড়ে কোনো কিছু ছড়িয়ে পড়া বোঝালে preposition হিসেবে across ব্যবহৃত হয়।
- এখানে সারা পৃথিবী জুড়ে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার অর্থ প্রকাশ করায় across সঠিক preposition হিসেবে বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on — কোনো তলের উপরে স্পর্শ করে অবস্থান বোঝাতে on বসে, যা এই বাক্যের ভাবের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
B) into — কোনো কিছুর ভেতরে প্রবেশ করা বা গতিশীল অবস্থা বোঝাতে into ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) across — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) above — কোনো কিছুর উপরে উচ্চতা বোঝাতে, যা স্পর্শ করে থাকে না, এমন ক্ষেত্রে above বসে।
মনে রাখার টিপস:
সারা পৃথিবী বা কোনো বিশাল এলাকা জুড়ে কোনো কিছু ছড়িয়ে পড়া বা ব্যাপৃত হওয়া বোঝালে সর্বদা across preposition ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) Avoid
কেন সঠিক:
- 'Fight shy of' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ কোনো কিছু এড়িয়ে চলা বা দূরে থাকা।
- প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই বাগধারার আক্ষরিক ও ভাবার্থের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Avoid — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি 'fight shy of' বাগধারাটির সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
B) Quarrel — এর অর্থ ঝগড়া করা, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
ফ্রি
C) Flee — এর অর্থ পালিয়ে যাওয়া, যা কোনো দায়িত্ব বা কাজ থেকে সচেতনভাবে দূরে থাকাকে বোঝায় না।
D) Struggle — এর অর্থ সংগ্রাম করা, যা এই বাগধারার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
'Fight shy' মানে লড়াই করতে লজ্জা পাওয়া বা পিছিয়ে আসা, অর্থাৎ কোনো কিছু এড়িয়ে চলা (Avoid)।
সঠিক উত্তর: C) for
কেন সঠিক:
- Compensate verb-টির পর কোনো ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া অর্থে সাধারণত for preposition বসে।
- এখানে the loss ক্ষতি নির্দেশ করায় এর পূর্বে সঠিক preposition হিসেবে for ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) of — Compensate-এর পর সাধারণত of বসে না কারণ এটি সঠিক collocation গঠন করে না।
B) with — কোনো ব্যক্তির সাথে ক্ষতিপূরণ বোঝাতে with বসে না, তাই এই অপশনটি এখানে ভুল।
C) for — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ক্ষতি বা ভুলের জন্য ক্ষতিপূরণ বোঝাতে compensate-এর পরে for বসে।
D) about — কোনো বিষয়ের সম্পর্কে বোঝাতে about বসে, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
ক্ষতি পূরণের ক্ষেত্রে ক্ষতির কারণ বোঝাতে Compensate-এর পর সবসময় for ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) ৪৯৫০
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো ১ + ২ + ৩ + ৪ + ...... + ৯৯
এখানে শেষ পদ = ৯৯
ধরি,
প্রথম পদ = ১
পদের সংখ্যা n = ৯৯
অতএব,
সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র হলো (n × (n + ১)) ÷ ২
এখানে n এর মান ৯৯ বসাতে হবে
সুতরাং,
যোগফল = (৯৯ × (৯৯ + ১)) ÷ ২
যোগফল = (৯৯ × ১০০) ÷ ২ = ৪৯৫০
উত্তর: ৪৯৫০
সঠিক উত্তর: A) উপবৃত্ত
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো তিন গুণ এক্স স্কয়ার প্লাস চার গুণ ওয়াই স্কয়ার সমান বারো
ধরি,
সমীকরণটির আদর্শ রূপ পেতে হলে ডানপক্ষ এক হতে হবে
অতএব,
সমীকরণের উভয়পক্ষকে বারো দিয়ে ভাগ করতে হবে
সুতরাং,
এক্স স্কয়ার ভাগ চার প্লাস ওয়াই স্কয়ার ভাগ তিন সমান এক হয়
উত্তর: A) উপবৃত্ত
সঠিক উত্তর: A) ১
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো (x^p ÷ x^q)^(p+q) × (x^q ÷ x^r)^(q+r) × (x^r ÷ x^p)^(r+p)
ধরি,
সূচকের নিয়ম অনুযায়ী ভাগ থাকলে পাওয়ার বিয়োগ হয়
তাই প্রথম অংশটি হলো x^(p−q) এর সাথে (p+q) এর গুণফল
অতএব,
প্রথম অংশের মান হলো x^(p^2 − q^2)
একইভাবে দ্বিতীয় অংশের মান হলো x^(q^2 − r^2) এবং তৃতীয় অংশের মান হলো x^(r^2 − p^2)
সুতরাং,
গুণের সময় বেস এক থাকলে পাওয়ারগুলো যোগ হয়
ফলে x এর মাথার উপর সব পাওয়ার যোগ হয়ে শূন্য হয়
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: C) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
x − (১ ÷ x) = ১
ধরি,
রাশিটি হলো x³ − (১ ÷ x³)
অতএব,
সূত্র প্রয়োগ করে পাই,
(x − (১ ÷ x))³ + ৩ × x × (১ ÷ x) × (x − (১ ÷ x))
সুতরাং,
মান বসিয়ে পাই, (১)³ + ৩ × ১
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: D) ৪০০০
প্রদত্ত তথ্য:
অনুপস্থিত ছাত্রের সংখ্যা = ১৩৫ জন
অনুপস্থিতির হার = ৩%
ধরি,
স্কুলের মোট ছাত্র সংখ্যা = ক জন
অতএব,
ক এর ৩% = ১৩৫
ক × (৩ ÷ ১০০) = ১৩৫
সুতরাং,
ক = (১৩৫ × ১০০) ÷ ৩
ক = ৪৫০০
উত্তর: ৪৫০০ জন
সঠিক উত্তর: D) −৩/২
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ৪ এর উপরে x + ৪ এবং ডানপাশে ৩২
ধরি,
৪ কে দুই এর ভিত্তим রূপে লেখা যায় যেমন দুই এর বর্গ চার
৩২ কে দুই এর ঘাত রূপে লেখা যায় যেমন দুই এর পাঁচ ঘাত বত্রিশ
অতএব,
বামপক্ষের ভিত্তির উপরে দুই গুণ x + চার লেখা যায়
ডানপক্ষের ভিত্তির উপরে পাঁচ লেখা যায়
সুতরাং,
দুই গুণ x যোগ আট সমান পাঁচ লেখা যায়
দুই গুণ x সমান পাঁচ বিয়োগ আট লেখা যায়
উত্তর: x সমান মাইনাস তিন ভাগ দুই
সঠিক উত্তর: C) ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ২
দ্বিতীয় সংখ্যা = ৫
তৃতীয় সংখ্যা = ৬
ধরি,
চতুর্থ সমানুপাতী = ক
অতএব,
প্রথম সংখ্যা ÷ দ্বিতীয় সংখ্যা = তৃতীয় সংখ্যা ÷ চতুর্থ সমানুপাতী
২ ÷ ৫ = ৬ ÷ ক
সুতরাং,
২ × ক = ৫ × ৬
২ × ক = ৩০
উত্তর: ক = ৩০ ÷ ২ = ১৫
সঠিক উত্তর: B) ৫n + ৩
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো আট যোগ তেরো যোগ আঠারো ডট ডট ডট
এটি একটি সমান্তর ধারা
ধরি,
প্রথম পদ a = আট
সাধারণ অন্তর d = তেরো বিয়োগ আট = পাঁচ
অতএব,
সমান্তর ধারার n তম পদের সূত্র হলো
a যোগ বন্ধনী শুরু n বিয়োগ এক বন্ধনী শেষ গুণ d
সুতরাং,
আট যোগ বন্ধনী শুরু n বিয়োগ এক বন্ধনী শেষ গুণ পাঁচ
সমান আট যোগ পাঁচ n বিয়োগ পাঁচ
উত্তর: পাঁচ n যোগ তিন
সঠিক উত্তর: B) ৪/১১
প্রদত্ত তথ্য:
১০ থেকে ২০ পর্যন্ত মোট সংখ্যা রয়েছে ১১টি
এই সংখ্যাগুলো হলো ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২০
ধরি,
মোট সম্ভাব্য ফলাফল বা ঘটনার সংখ্যা = ১১
মৌলিক সংখ্যাগুলো চিহ্নিত করা হলো
অতএব,
১০ থেকে ২০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ১১, ১৩, ১৭, ১৯
এই মৌলিক সংখ্যাগুলোর মোট পরিমাণ = ৪টি
সুতরাং,
মৌলিক সংখ্যা পাওয়ার সম্ভাবনা = অনুকূল ফলাফল ÷ মোট ফলাফল
উত্তর: ৪/১১
সঠিক উত্তর: A) ৩০°
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো cosθ − sin(২θ) = ০
ধরি,
sin(২θ) = ২sinθcosθ
সমীকরণটি দাঁড়ায় cosθ − ২sinθcosθ = ০
অতএব,
cosθ(১ − ২sinθ) = ০
এখান থেকে লেখা যায় cosθ = ০ অথবা ১ − ২sinθ = ০
সুতরাং,
১ − ২sinθ = ০ হলে sinθ = ১ ÷ ২
আমরা জানি sin(৩০°) = ১ ÷ ২
উত্তর: ৩০°
সঠিক উত্তর: B) π/২
প্রদত্ত তথ্য:
একটি বৃত্ত এবং তার উপর একটি স্পর্শক দেওয়া আছে
স্পর্শবিন্দু দিয়ে বৃত্তের একটি ব্যাসার্ধ অঙ্কন করা হলো
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র ও স্পর্শবিন্দু নির্দিষ্ট করা হলো
স্পর্শক এবং ব্যাসার্ধের মধ্যবর্তী কোণ নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
জ্যামিতির উপপাদ্য অনুসারে স্পর্শক সবসময় ব্যাসার্ধের উপর লম্ব হয়
লম্ব হওয়ার কারণে উৎপন্ন কোণের পরিমাণ নব্বই ডিগ্রি হয়
সুতরাং,
নব্বই ডিগ্রির রেডিয়ান মান পাই ভাগ দুই হয়
উত্তর: B) π/২
সঠিক উত্তর: A) পরিসীমা অপেক্ষা ক্ষুদ্রতর
প্রদত্ত তথ্য:
মনে করি, একটি ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য ক, খ এবং গ
ত্রিভুজটির মধ্যমাগুলোর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে প, ফ এবং ব
ধরি,
ত্রিভুজের যেকোনো দুই বাহুর সমষ্টি তৃতীয় বাহু অপেক্ষা বৃহত্তর
অর্থাৎ (ক + খ) > প এবং অন্যান্য বাহুর ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য
অতএব,
ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয়ের সমষ্টি নির্ণয়ের জন্য জ্যামিতিক অসমতা ব্যবহার করা হয়
প্রতিটি মধ্যমার দৈর্ঘ্য সংশ্লিষ্ট বাহুদ্বয়ের অর্ধপরিসীমার সাথে তুলনা করা হয়
সুতরাং,
তিনটি মধ্যমার যোগফল ত্রিভুজটির বাহুগুলোর যোগফল অর্থাৎ পরিসীমার চেয়ে ছোট হয়
তাই মধ্যমাত্রয়ের সমষ্টি ত্রিভুজের পরিসীমা অপেক্ষা ক্ষুদ্রতর হয়
উত্তর: A) পরিসীমা অপেক্ষা ক্ষুদ্রতর
সঠিক উত্তর: C) ৩০,০০০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
খরচ ১/২ অংশ থেকে কমে ১/৩ অংশ হলে ৫,০০০ টাকা কম খরচ হয়
ধরি,
ব্যক্তির মোট আয় = ক টাকা
অতএব,
প্রথম খরচ = ক ÷ ২ টাকা
দ্বিতীয় খরচ = ক ÷ ৩ টাকা
খরচের পার্থক্য = (ক ÷ ২) − (ক ÷ ৩) টাকা
সুতরাং,
প্রশ্নমতে, (ক ÷ ২) − (ক ÷ ৩) = ৫,০০০
উত্তর: ক এর মান ৩০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর: A) ২
প্রদত্ত তথ্য:
মূল সংখ্যাটি হলো ৬৫৮৯
এর সাথে একটি ক্ষুদ্রতম সংখ্যা যোগ করতে হবে
ধরি,
সংখ্যাটি হলো ৬৫৮৯
এর কাছাকাছি পূর্ণবর্গ সংখ্যাটি বের করতে হবে
অতএব,
৮১ এর বর্গ = ৬৫৬১
৮২ এর বর্গ = ৬৭২৪
সুতরাং,
৬৭২৪ এবং ৬৫৫৮ এর পার্থক্য বের করতে হবে
৬৭২৪ − ৬৫৫৮ = ২
উত্তর: ২
সঠিক উত্তর: C) কৃত্রিম উপগ্রহের নাম
কেন সঠিক:
- বঙ্গবন্ধু-১ হলো বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট।
- এটি ২০১৮ সালের ১১ই মে আমেরিকার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেতুর নাম — বঙ্গবন্ধু-১ কোনো সেতু নয়, এটি একটি মহাকাশভিত্তিক স্যাটেলাইট।
B) ডিজিটাল ডাটা সেন্টারের নাম — এটি কোনো ডাটা সেন্টার বা তথ্য সংরক্ষণের কেন্দ্র নয়।
C) কৃত্রিম উপগ্রহের নাম — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়।
D) বিদ্যুৎকেন্দ্রের নাম — এটি কোনো বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নয়।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধু নামের সাথে মহাকাশ বা স্যাটেলাইট শব্দটি যুক্ত থাকলেই বুঝবে এটি কৃত্রিম উপগ্রহ।
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকারের উপরাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করে মুক্তিযুদ্ধ সফলভাবে পরিচালনা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তাজুদ্দীন আহমদ — তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন না।
B) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) এ এইচ এম কামারুজ্জামান — তিনি মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন।
D) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন, তবে তিনি পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকায় অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজুদ্দীন আর অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
সঠিক উত্তর: C) দুর্নীতি দমন কমিশন
কেন সঠিক:
- দুর্নীতি দমন কমিশন একটি সংবিধিবদ্ধ বা আইন দ্বারা গঠিত স্বাধীন প্রতিষ্ঠান, সংবিধানের মাধ্যমে গঠিত নয়।
- এটি দুদক আইন ২০০৪ এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং এর ক্ষমতা ও গঠন সংসদের আইনের ওপর নির্ভরশীল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুপ্রিম কোর্ট — এটি সংবিধানের ৯৪ অনুচ্ছেদের অধীনে গঠিত একটি স্থায়ী সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
B) নির্বাচন কমিশন — এটি সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদের অধীনে গঠিত একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
C) দুর্নীতি দমন কমিশন — এটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) পাবলিক সার্ভিস কমিশন — এটি সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদের অধীনে গঠিত একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের বাইরে আইন পাস করে গঠিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, যেমন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সঠিক উত্তর: B) নওগাঁ
কেন সঠিক:
- সোমপুর মহাবিহার নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার পাহাড়পুর নামক স্থানে অবস্থিত।
- এটি অষ্টম শতাব্দীতে পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপাল নির্মাণ করেন এবং এটি একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ বিহার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহী — রাজশাহী বিভাগে এই বিহারটি অবস্থিত হলেও এটি রাজশাহী জেলায় নয়।
B) নওগাঁ — এই অপশনটি সঠিক কারণ সোমপুর মহাবিহার নওগাঁ জেলাতেই অবস্থিত।
C) জয়পুরহাট — জয়পুরহাট জেলার নিকটবর্তী হলেও এটি জয়পুরহাটে অবস্থিত নয়।
D) কুমিল্লা — কুমিল্লায় ময়নামতি ও শালবন বিহার অবস্থিত, সোমপুর মহাবিহার নয়।
মনে রাখার টিপস:
ধর্মপাল সোমপুর পাহাড়ে বসে সোমপুর মহাবিহার গড়লেন, যা নওগাঁ জেলায় অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) ইসরাইল
কেন সঠিক:
- হাইফা শহরটি ভূমধ্যাগারের উপকূলে অবস্থিত ইসরাইলের তৃতীয় বৃহত্তম ও অন্যতম প্রধান সমুদ্র বন্দর।
- মধ্যপ্রাচ্যের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এবং কৌশলগত অবস্থানের কারণে এই বন্দরটির অর্থনৈতিক ও সামরিক গুরুত্ব অনেক বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরান — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ, যার প্রধান বন্দরগুলোর মধ্যে আব্বাস ও চাবাহার অন্যতম, হাইফা এখানে অবস্থিত নয়।
B) ইসরাইল — এই অপশনটি সঠিক, কারণ হাইফা বন্দরটি এখানেই অবস্থিত।
C) কুয়েত — এটি পারস্য উপসাগরের তীরবর্তী একটি দেশ, যার প্রধান বন্দর শোয়াইবা ও শুখাইখ, হাইফা এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) মিশর — এটি আফ্রিকা ও এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত একটি দেশ, যার প্রধান বন্দর আলেকজান্দ্রিয়া ও পোর্ট সাইদ, হাইফা এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
ইসরাইলের প্রধান সমুদ্র বন্দর মনে রাখতে হাইফা (Haifa) নামটি মনে রাখুন, যা ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) দিনাজপুর
কেন সঠিক:
- রামসাগর দীঘি বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার তেতুলিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক মানবসৃষ্ট দিঘী।
- এটি ১৭৫০ থেকে ১৭০৩ সালের মধ্যে রাজা রামনাথের আমলে খনন করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিলেট — এটি বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি পাহাড়ি জেলা যেখানে রামসাগর দীঘি অবস্থিত নয়।
B) চট্টগ্রাম — এটি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি উপকূলীয় ও পাহাড়ি জেলা যেখানে রামসাগর দীঘি অবস্থিত নয়।
C) নীলফামারী — এটি উত্তরাঞ্চলের একটি জেলা হলেও রামসাগর দীঘি এখানে অবস্থিত নয়।
D) দিনাজপুর — এটি সঠিক কারণ রামসাগর দীঘি ভৌগোলিকভাবে এই জেলাতেই অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
দিনাজপুরের 'দি' এবং রামসাগরের 'দিঘী' মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে রামসাগর দীঘি দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) প্যারিস
কেন সঠিক:
- ইউনেস্কো বা জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থার মূল সদর দপ্তর ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত।
- এই সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং বিজ্ঞানের প্রসারে কাজ করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে আন্তর্জাতিক মারিটাইম অর্গানাইজেশনের সদর দপ্তর অবস্থিত।
B) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের শহর এবং এখানে জাতিসংঘের মূল সচিবালয় অবস্থিত।
C) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং এখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ডব্লিউটিও-এর সদর দপ্তর অবস্থিত।
D) প্যারিস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
প্যারেট করে ইউনেস্কো সংস্কৃতির শিক্ষা দেয়, এভাবে ইউনেস্কো মানেই প্যারিস মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) শ্রীলংকা
কেন সঠিক:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ান (ASEAN)-এর সদস্য দেশ ১০টি।
- শ্রীলংকা দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র হওয়ায় এটি আসিয়ানের সদস্য নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিয়েতনাম — এটি আসিয়ান জোটের একটি প্রতিষ্ঠাতা বা বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র।
B) ফিলিপাইন — এটি আসিয়ান জোটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র।
C) থাইল্যান্ড — এটি আসিয়ান জোটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র।
D) শ্রীলংকা — এটি আসিয়ানের সদস্য নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
আসিয়ান দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জোট, আর শ্রীলংকা দক্ষিণ এশিয়ার দেশ।
সঠিক উত্তর: D) চীন
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা পনেরোটি, যার মধ্যে পাঁচটি স্থায়ী এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র।
- চীন এই পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশের একটি এবং অন্য চারটি দেশ হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া ও ফ্রান্স।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্প্যান — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ নয় এবং এটি কোনো মানসম্মত বা সঠিক রাষ্ট্রীয় নামও নয়।
B) ব্রাজিল — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ নয়, তবে তারা দীর্ঘকাল ধরে স্থায়ী সদস্য পদের জন্য দাবি জানিয়ে আসছে।
C) দক্ষিণ আফ্রিকা — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ নয় এবং এটি আফ্রিকা মহাদেশের একটি রাষ্ট্র।
D) চীন — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অন্যতম স্থায়ী সদস্য দেশ এবং এর ভেটো প্রদানের ক্ষমতা রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
স্থায়ী সদস্য দেশগুলো মনে রাখার সহজ শব্দ হলো ফ্রেঞ্চ (FRANCE) অর্থাৎ ফ্রান্স, রাশিয়া, আমেরিকা, চীন ও ইংল্যান্ড।
সঠিক উত্তর: C) Line of Control
কেন সঠিক:
- এটি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ রেখাকে নির্দেশ করে।
- ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তির মাধ্যমে এই সীমারেশা নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Line of Access Control — এটি কোনো স্বীকৃত আন্তর্জাতিক বা ভূরাজনৈতিক সীমারেশা নয়।
B) Line of Actual Control — এটি মূলত ভারত ও চীনের মধ্যকার প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখাকে বোঝায়।
C) Line of Control — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত রয়েছে।
D) Line of No crossing — এটি সীমান্ত সংক্রান্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বা প্রচলিত ভূরাজনৈতিক পরিভাষা নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার কাশ্মীর নিয়ন্ত্রণ রেখা মনে রাখতে সংক্ষেপে এলওসি বা এলওসি যুদ্ধ শব্দ দুটি স্মরণ রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) সামরিক
কেন সঠিক:
- ন্যাটো হলো উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলের দেশগুলোর একটি সামরিক জোট, যার মূল উদ্দেশ্য সম্মিলিত প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করা।
- এই জোটের সদস্য দেশগুলোর ওপর কেউ আক্রমণ করলে তা সবার ওপর আক্রমণ বলে গণ্য করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সামরিক — এটি একটি সামরিক জোট হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) রাজনৈতিক — এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে গঠিত হয়নি, এর মূল ভিত্তি হলো সামরিক প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা।
C) সামাজিক — সামাজিক কল্যাণ বা উন্নয়নের জন্য এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটি গঠিত হয়নি।
D) সাংস্কৃতিক — সাংস্কৃতিক বিনিময় বা প্রসারের উদ্দেশ্যে এই সামরিক জোটটি প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
ন্যাটো নামের ভেতরেই নিরাপত্তার বিষয়টি জড়িত, তাই এটি একটি সামরিক জোট।
সঠিক উত্তর: A) 1921
কেন সঠিক:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১ জুলাই ১৯২১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে।
- ব্রিটিশ ভারতের অধীন নাথান কমিশনের সুপারিশে ১৯২০ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1921 — এটি সঠিক কারণ এই সালেই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়।
B) 1922 — এটি ভুল কারণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সাল এটি নয়।
C) 1915 — এটি ভুল কারণ নাথান কমিটি গঠিত হয়েছিল ১৯১২ সালে, এই সালে নয়।
D) 1992 — এটি ভুল কারণ এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বহু পরের একটি সাল।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে শেষ অঙ্ক দুটি মনে রাখুন, একুশ (১৯২১)।
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাষ্ট্র
কেন সঠিক:
- লুই আই কান ১৯০১ সালে এস্তোনিয়ায় জন্মগ্রহণ করলেও পরবর্তীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব লাভ করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবেই পরিচিত হন।
- তিনি পেশাগত জীবনে যুক্তরাষ্ট্রের একজন প্রখ্যাত স্থপতি ছিলেন এবং শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের নকশা প্রণয়ন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রান্স — ফ্রান্স ইউরোপের একটি দেশ এবং লুই আই কান কখনো ফ্রান্সের নাগরিক ছিলেন না।
B) কানাডা — কানাডা উত্তর আমেরিকার দেশ হলেও লুই আই কান কানাডার নাগরিক ছিলেন না।
C) যুক্তরাষ্ট্র — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও স্থপতি ছিলেন।
D) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য ইউরোপের দেশ এবং লুই আই কানের জন্ম বা নাগরিকত্ব যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি লুই আই কান যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ছিলেন, তাই আমেরিকার সঙ্গে তাঁর নাম মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Belt and Road Initiative
কেন সঠিক:
- চীন সরকারের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের একটি বিশাল অর্থনৈতিক কৌশলগত প্রকল্প হলো এটি।
- ২০১৩ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই উদ্যোগের ঘোষণা দেন, যার মূল লক্ষ্য স্থল ও জলপথে বৈশ্বিক সংযোগ স্থাপন করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Belt and Road Initiative - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের সম্পূর্ণ অর্থ এবং প্রেক্ষাপট সঠিক হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।
B) Basic Regional Initiative - এই শব্দগুচ্ছটি কোনো বাস্তব মেগা-প্রকল্পের নাম নয় এবং এটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক নয়।
C) Build Regional Infrastructure - এটি সাধারণ একটি অবকাঠামোগত শব্দগুচ্ছ হলেও চীন সরকারের নির্দিষ্ট কোনো মেগা-প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক নাম এটি নয়।
D) Big Road Infrastructure - এটি একটি মনগড়া শব্দগুচ্ছ যা চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্পের অফিসিয়াল নামের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
BRI-এর পূর্ণরূপ মনে রাখতে শুধু মনে রাখবে যে এর অর্থ হলো পথ বা বেল্ট এবং সড়ক সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক উদ্যোগ।
সঠিক উত্তর: C) জার্মানি
কেন সঠিক:
- বিশ্বে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ মোট নয়টি, যার মধ্যে জার্মানি অন্তর্ভুক্ত নয়।
- ন্যাটো জোটের পরমাণু অংশীদারিত্ব নীতির আওতায় জার্মানির মাটিতে মার্কিন পারমাণবিক অস্ত্র মজুত থাকলেও জার্মানি নিজে পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত — ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে একটি পরমাণু অস্ত্রধারী দেশ এবং তারা ১৯৯৮ সালে পরমাণু পরীক্ষা চালায়।
B) পাকিস্তান — পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বমঞ্চে স্বীকৃত একটি পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র।
C) জার্মানি — জার্মানি কোনো পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ নয় এবং তারা এনপিটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
D) উত্তর কোরিয়া — উত্তর কোরিয়া ২০০৬ সালে প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা চালিয়ে নিজেদের পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করে।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের ৯টি পারমাণবিক দেশ হলো যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন, ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল ও উত্তর কোরিয়া; এর বাইরে জার্মানি পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ নয়।
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাজ্য
কেন সঠিক:
- যুক্তরাজ্য অতীতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য ছিল কিন্তু ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি ব্রেক্সিট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সংস্থাটি থেকে বেরিয়ে যায়।
- বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য সংখ্যা সাতাশটি এবং যুক্তরাজ্য এর বাইরে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রান্স — ফ্রান্স ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র।
B) ইতালি — ইতালি ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র।
C) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য ব্রেক্সিট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করায় এটি সঠিক উত্তর।
D) পোল্যান্ড — পোল্যান্ড ইউরোপীয় ইউনিয়নের বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাজ্য ব্রেক্সিটের মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছেড়ে গেছে, তাই এটি ইইউ-ভুক্ত দেশ নয়।
সঠিক উত্তর: B) সিয়েরা লিওন
কেন সঠিক:
- পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সিয়েরা লিওন ২০০২ সালে বাংলা ভাষাকে তাদের অন্যতম সরকারি ভাষার মর্যাদা দেয়।
- সে দেশের শান্তিশৃঙ্খলার নিরাপত্তায় নিয়োজিত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী বাহিনীর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মান জানানো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কঙ্গো — এটি মধ্য আফ্রিকার একটি দেশ, যার সরকারি ভাষা ফরাসি এবং বাংলা ভাষার সঙ্গে এর এমন কোনো ঐতিহাসিক বা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নেই।
B) সিয়েরা লিওন — এটি একমাত্র বিদেশি রাষ্ট্র যা বাংলাদেশকে ভালোবেসে এবং শান্তিরক্ষীদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাকে সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
C) বেনিন — এটি পশ্চিম আফ্রিকার একটি ফরাসিভাষী দেশ, যা বাংলা ভাষাকে সরকারি ভাষার স্বীকৃতি দেয়নি।
D) দক্ষিণ সুদান — এটি পূর্ব আফ্রিকার একটি নবীন রাষ্ট্র, যার প্রধান সরকারি ভাষা ইংরেজি এবং বাংলার সঙ্গে এই ধরনের কোনো সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
সিয়েরা লিওনে আমাদের শান্তিরক্ষীরা কাজ করেছেন, তাই তাদের সম্মান জানাতে দেশটি বাংলাকে সরকারি ভাষা করেছে।
সঠিক উত্তর: B) James Webb space Telescope
কেন সঠিক:
- এটি ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর মহাশূন্যে প্রেরিত সর্বাধুনিক ও সবচেয়ে বড় ইনফ্রারেড স্পেস টেলিস্কোপ।
- হাবল টেলিস্কোপের উত্তরসূরি হিসেবে মহাবিশ্বের প্রাচীনতম গ্যালাক্সি ও নক্ষত্রের জন্মরহস্য উন্মোচনে এটি কাজ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Kepler Space Telescope — এটি মূলত সৌরমন্ডলের বাইরে অবস্থিত বহির্গ্রহ বা এক্সোপ্ল্যানেট আবিষ্কারের উদ্দেশ্যে প্রেরিত হয়েছিল, যা ২০২১ সালের ডিসেম্বরে মহাশূন্যে পাঠানো হয়নি।
B) James Webb space Telescope — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর মহাশূন্যে সফলভাবে প্রেরিত হয়েছিল।
C) Hubble Space Telescope — এটি একটি পুরোনো টেলিস্কোপ যা ১৯৯০ সালের এপ্রিল মাসে মহাশূন্যে প্রেরণ করা হয়েছিল, ২০২১ সালে নয়।
D) Neil Armstrong Space Telescope — এই নামের কোনো বিখ্যাত বা প্রাতিষ্ঠানিক স্পেস টেলিস্কোপ মহাশূন্যে প্রেরণ করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
মহাশূন্যের গভীরে দেখতে ওয়েবের জাল বোনা হয়েছে, তাই ২০২১ সালের বড়দিনে প্রেরিত টেলিস্কোপটির নাম জেমস ওয়েব।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৭১
কেন সঠিক:
- বিশ্বের প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচটি ১৯৭১ সালের ৫ জানুয়ারি মেলবোর্নে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- টেস্ট ম্যাচ বৃষ্টির কারণে বাতিল হওয়ায় অতিরিক্ত সময় হিসেবে এই সীমিত ওভারের ম্যাচটি খেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭০ — এই সালে আন্তর্জাতিক একদিনের ক্রিকেট ম্যাচের কোনো আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়নি।
B) ১৯৭১ — এই সালেই ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচটি সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
C) ১৯৭২ — এই সালটি প্রথম একদিনের ম্যাচের পর অর্থাৎ পরের বছর হওয়ায় সঠিক নয়।
D) ১৯৭৫ — এই সালে প্রথম ক্রিকেট বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল, কিন্তু প্রথম ওয়ানডে ম্যাচটি এর চার বছর আগেই শুরু হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধের সালেই বিশ্বের প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ শুরু হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) ৫০
কেন সঠিক:
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষিত আছে।
- সরাসরি নির্বাচিত ৩০০টি আসনের পাশাপাশি এই সংরক্ষিত আসনগুলো নারী সংসদ সদস্যদের জন্য নির্ধারিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪০ — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা কখনোই ৪০টি ছিল না।
B) ৩৫ — এটি ভুল কারণ অতীতে সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৩০ এবং ৪৫ থাকলেও ৩৫ ছিল না।
C) ৫০ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বর্তমান বিধান অনুযায়ী এটিই সঠিক।
D) ৩০ — এটি ভুল কারণ পূর্বে সংরক্ষিত নারী আসন ৩০টি থাকলেও সংবিধানে তা বাড়িয়ে প্রথমে ৪৫ এবং বর্তমানে ৫০ করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
জাতীয় সংসদের সাধারণ আসন ৩০০ এবং সংরক্ষিত নারী আসন ৫০, অর্থাৎ মোট আসন সংখ্যা সাড়ে তিনশ (৩৫০)।
সঠিক উত্তর: A) রাষ্ট্রপতি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রে নিযুক্ত বিদেশি রাষ্ট্রদূত বা হাইকমিশনারগণ তাদের নিয়োগপত্র বা পরিচয়পত্র মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করেন।
- এটি রাষ্ট্রপ্রধানের একটি সাংবিধানিক ও কূটনৈতিক প্রটোকল, যার মাধ্যমে বৈদেশিক কূটনৈতিক সম্পর্ক আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাষ্ট্রপতি — এই অপশনটি সঠিক কারণ রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তিনি বিদেশি কূটনীতিকদের পরিচয়পত্র গ্রহণ করেন।
B) প্রধানমন্ত্রী — তিনি সরকারপ্রধান এবং নির্বাহী ক্ষমতার প্রধান হলেও কূটনৈতিক পরিচয়পত্র গ্রহণের সাংবিধানিক এখতিয়ার তার নেই।
C) স্পীকার — তিনি জাতীয় সংসদের প্রধান এবং আইনসভার কার্যক্রম পরিচালনা করেন, কূটনৈতিক প্রটোকলের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
D) পররাষ্ট্রমন্ত্রী — তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হলেও রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র গ্রহণের এখতিয়ার কেবল রাষ্ট্রপতির।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদ হলো রাষ্ট্রপতি, তাই বিদেশি দূতগণ দেশের সর্বোচ্চ ব্যক্তির কাছেই প্রথম পরিচয়পত্র পেশ করেন।
সঠিক উত্তর: A) একটি চিত্রকর্ম
কেন সঠিক:
- ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন ও তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিখ্যাত চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের আঁকা একটি ঐতিহাসিক চিত্রকর্ম হলো মনপুরা ৭০।
- শিল্পকলায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পটভূমি ও গ্রামীণ জনপদের মানুষের কষ্ট ফুটিয়ে তোলার জন্য এটি বিশেষভাবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি চিত্রকর্ম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের একটি বিখ্যাত শিল্পকর্ম।
B) একটি ভাস্কর্য — এটি কোনো ভাস্কর্য নয়, যদিও বাংলাদেশে মনপুরা নামে ভাস্কর্য থাকতে পারে তবে এই নির্দিষ্ট নামটি চিত্রকর্মের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
C) একটি উপন্যাস — এটি কোনো সাহিত্যকর্ম বা উপন্যাস নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
D) একটি চলচ্চিত্র — মনপুরা নামে একটি জনপ্রিয় চলচ্চিত্র থাকলেও 'মনপুরা ৭০' কোনো চলচ্চিত্র নয়, এটি একটি চিত্রকর্ম।
মনে রাখার টিপস:
মনপুরা ৭০ নামের শেষে সাল ও চিত্রকর্মের সম্পর্ক মনে রাখতে শিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের ঐতিহাসিক চিত্রকর্ম হিসেবে এটি মাথায় রাখবেন।
সঠিক উত্তর: D) অগ্ন্যাশয়ে
১. কেন সঠিক:
- অগ্ন্যাশয় হলো মানবদেহের একটি মিশ্র গ্রন্থি যার বহিঃক্ষরা অংশ পরিপাক রস এবং অন্তঃক্ষরা অংশ হরমোন উৎপাদন করে।
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স নামক কোষগুচ্ছের বিটা কোষ থেকে ইনসুলিন হরমোন উৎপাদিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ইনসুলিন একটি পেপটাইড হরমোন যা রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সরাসরি রক্তে নিসৃত হয়।
- কার্যপ্রণালি: রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে গেলে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত হয়ে কোষগুলোকে রক্ত থেকে গ্লুকোজ গ্রহণে উদ্দীপ্ত করে।
- কারণ ও ফলাফল: ইনসুলিনের অভাবে কোষে গ্লুকোজ প্রবেশ করতে পারে না ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায় এবং ডায়াবেটিস রোগ হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: ডায়াবেটিস রোগীদের চিকিৎসায় কৃত্রিমভাবে প্রস্তুত ইনসুলিন ইনজেকশন হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মিষ্টি খাবার খাওয়ার পর রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি পায়।
ব্যাখ্যা: এই বর্ধিত গ্লুকোজের মাত্রা কমানোর জন্য অগ্ন্যাশয় থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ইনসুলিন নিঃসৃত হয়।
উদাহরণ ২: ডায়াবেটিস মেলিটাস রোগীর শরীরে ইনসুলিনের পর্যাপ্ত উৎপাদন হয় না।
ব্যাখ্যা: এর ফলে তাদের রক্তে শর্করা জমে যায় এবং বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা তৈরি হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পিত্তাশয়ে — পিত্তথলি যকৃতে উৎপাদিত পিত্তরস সঞ্চয় ও ঘনীভূত করে কিন্তু কোনো হরমোন উৎপাদন করে না।
B) পাকস্থলীতে — পাকস্থলী পরিপাকতন্ত্রের অংশ যা পেপসিন ও হাইড্রোক্লোরিক এসিড ক্ষরণ করে খাবার হজমে সাহায্য করে।
C) ইন্টারফেরনে — ইন্টারফেরন হলো এক প্রকার প্রোটিন যা ভাইরাস আক্রান্ত কোষ দ্বারা উৎপাদিত হয়ে রোগ প্রতিরোধে কাজ করে।
D) অগ্ন্যাশয়ে — অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ ইনসুলিন হরমোন উৎপাদনে সরাসরি ভূমিকা রাখে তাই এটি সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইনসুলিন উৎপাদনের সাথে অগ্ন্যাশয়ের নাম মনে রাখতে অ দিয়ে শুরু শব্দ জোড় মনে রাখা যায়।
- অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ ইনসুলিন তৈরি করে এবং আলফা কোষ গ্লুকাগন তৈরি করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- অগ্ন্যাশয়কে মিশ্র গ্রন্থি বলা হয় কারণ এটি একই সাথে বহিরাগ্রাহী ও অন্তরাগ্রাহী হিসেবে কাজ করে।
- ডায়াবেটিস রোগ কোন হরমোনের অভাবে হয় এবং এর উৎস কী, এই সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বারবার আসে।
প্রশ্নের ধরন: ধাতু ও অধাতু / রসায়ন
সঠিক উত্তর: C) দস্তা
১. কেন সঠিক:
- রসায়নে সক্রিয়তা সিরিজ বা রিঅ্যাক্টিভিটি সিরিজের ওপর ভিত্তি করে ধাতুগুলোর ক্ষয় বা জারণ প্রক্রিয়া নির্ধারিত হয়।
- দস্তা বা জিঙ্ক লোহার চেয়ে অধিক সক্রিয় ধাতু হওয়ায় এটি খুব দ্রুত জারিত হয় এবং পরিবেশের অক্সিজেন ও আর্দ্রতার সঙ্গে বিক্রিয়া করে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: তড়িৎরাসায়নিক সিরিজে যে ধাতু যত ওপরে অবস্থিত, তার ইলেকট্রন ত্যাগ করার এবং জারিত হওয়ার প্রবণতা তত বেশি থাকে।
- কার্যপ্রণালি: দস্তা তার যোজ্যতা ইলেকট্রন সহজে ত্যাগ করে জিঙ্ক আয়নে পরিণত হয়, যা একে অন্য ধাতুর তুলনায় দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হতে সাহায্য করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: লোহার তৈরি সামগ্রীকে মরিচা ও ক্ষয় থেকে রক্ষা করার জন্য দস্তার প্রলেপ দেওয়া হয়, যাকে গ্যালভানাইজিং বলা হয় এবং এখানে দস্তা নিজে বলিদান হয়ে লোহাকে রক্ষা করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গ্যালভানাইজড টিন বা লোহার পাইপ।
ব্যাখ্যা: লোহার ওপর দস্তার প্রলেপ দেওয়ার কারণে পরিবেশের সংস্পর্শে এলে লোহা নয়, বরং ওপরে থাকা দস্তাই প্রথমে ক্ষয়প্রাপ্ত হয় এবং লোহাকে সুরক্ষিত রাখে।
উদাহরণ ২: গ্যালভানিক কোষ বা ড্রাই সেলের জিঙ্ক কন্টেইনার।
ব্যাখ্যা: ব্যাটারির ভেতরে থাকা দস্তার পাত্রটি ব্যবহারের সময় রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তামা — এটি দস্তার চেয়ে কম সক্রিয় ধাতু হওয়ায় বায়ুমণ্ডলে এর ক্ষয় হার অনেক কম এবং এর ওপর সবুজ রঙের বেসিক কপার কার্বনেটের প্রলেপ পড়ে ক্ষয় রোধ হয়।
B) লোহা — এটি দস্তার চেয়ে কম সক্রিয় এবং এর ক্ষয়প্রাপ্ত হতে আর্দ্র বাতাস ও সময়ের প্রয়োজন হয়, তবে গ্যালভানাইজিং প্রক্রিয়ায় লোহাকে রক্ষা করতে দস্তাকে ব্যবহার করা হয়।
C) দস্তা — এটি প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত এবং সহজে ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়া সক্রিয় ধাতু।
D) সোনা — এটি প্রকৃতিতে অত্যন্ত নিষ্ক্রিয় ধাতু হওয়ায় বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন, পানি বা এসিডের সঙ্গে সহজে বিক্রিয়া করে না এবং হাজার বছরেও এর কোনো ক্ষয় হয় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ধাতুগুলোর সক্রিয়তা মনে রাখার শর্টকাট হলো কে না পাই ক্যালো মাজার আল হাদি ভাই, চিনো ফি সিন্নাহ প্রবৃতির মাধ্যমে সক্রিয়তা জানা যায়।
- মনে রাখবে, যে ধাতু যত বেশি সক্রিয়, সে তত দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত বা জারিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- লোহাকে মরিচা থেকে বাঁচাতে দস্তার প্রলেপ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে গ্যালভানাইজিং বলা হয়।
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই ধাতু ও অধাতুর সক্রিয়তা সিরিজ এবং মরিচা পড়ার রাসায়নিক বিক্রিয়া থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) মেন্ডেল
১. কেন সঠিক:
- গ্রেগর জোহান মেন্ডেলকে বংশগতি বিদ্যার জনক বলা হয় কারণ তিনি প্রথম মটরশুঁটি গাছের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে বংশগতির সুনির্দিষ্ট সূত্র আবিষ্কার করেন।
- তার পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে পিতামাতার বৈশিষ্ট্যগুলো নির্দিষ্ট নিয়মে পরবর্তী প্রজন্মে সঞ্চারিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: বংশগতি হলো সেই জৈবিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে পিতামাতার শারীরিক বা জৈবিক বৈশিষ্ট্যগুলো সন্তান-সন্ততিতে স্থানান্তরিত হয়।
- কার্যপ্রণালি: মেন্ডেল ১৮৫৬ থেকে ১৮৬৩ সাল পর্যন্ত তার গির্জার বাগানে মটরশুঁটি গাছ নিয়ে দীর্ঘ পরীক্ষা চালান এবং সাতটি বিপরীত বৈশিষ্ট্য নিয়ে গবেষণা করেন।
- কারণ ও ফলাফল: তিনি কৃত্রিম পরাগায়ন ঘটিয়ে লক্ষ্য করেন যে বৈশিষ্ট্যগুলো এলোমেলোভাবে না গিয়ে সুনির্দিষ্ট অনুপাতে পরবর্তী প্রজন্মে প্রকাশ পায়, যা থেকে তিনি পৃথকীকরণ ও স্বাধীন বিন্যাসের সূত্র প্রদান করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের চোখের রঙের বৈচিত্র্য।
ব্যাখ্যা: বাবা-মায়ের চোখের রঙের ওপর ভিত্তি করে সন্তানদের চোখে বাদামী বা নীল রঙের প্রকাশ ঘটার বিষয়টি মেন্ডেলের বংশগতির সূত্র দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়।
উদাহরণ ২: মটরশুঁটি গাছের দীর্ঘ ও খর্ব আকৃতি।
ব্যাখ্যা: দুটি ভিন্ন আকৃতির মটর গাছের সংকরায়ণের ফলে প্রথম প্রজন্মে প্রকট বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটার বিষয়টি বংশগতির মাধ্যমে স্পষ্ট হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং — ইনি পেনিসিলিন নামক প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেন, যা বংশগতির সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) মেন্ডেল — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বংশগতি বিদ্যার প্রতিষ্ঠাতা।
C) ভন লিউয়েন হুক — ইনি অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে প্রথম ব্যাকটেরিয়া, প্রোটোজোয়া এবং মুক্তজীবী কোষ আবিষ্কার করেন।
D) রাদারফোর্ড — ইনি পরমাণুর নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেন এবং পরমাণুর সৌর মডেল প্রদান করেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
মেন্ডেল ও মটরশুঁটি দুটি শব্দই ম অক্ষর দিয়ে শুরু হয়, তাই বংশগতির জনক বললে মেন্ডেল ও তার মটর গাছের পরীক্ষা সহজেই মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মেন্ডেল তার পরীক্ষার জন্য পিস স্যাটাইভাম বা মিষ্টি মটর গাছ বেছে নিয়েছিলেন। এই টপিক থেকে প্রায়ই মেন্ডেলের সূত্রের অনুপাত বা প্রকট ও প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) পারকিনসন
১. কেন সঠিক:
- মস্তিষ্কের সাবস্টেন্সিয়া নাইগ্রা অঞ্চলের ডোপামিন উৎপাদনকারী কোষগুলো নষ্ট হলে পারকিনসন রোগ হয়।
- ডোপামিন হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ নিউরোট্রান্সমিটার যা শরীরের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পারকিনসন একটি স্নায়বিক বা নিউরোলজিক্যাল ব্যাধি যা মানুষের চলাফেরাকে প্রভাবিত করে।
- কার্যপ্রণালি: ডোপামিনের ঘাটতির কারণে মস্তিষ্ক শরীরের পেশিগুলোকে সঠিকভাবে নির্দেশনা পাঠাতে ব্যর্থ হয়।
- কারণ ও ফলাফল: এর ফলে হাত-পা কাঁপা, পেশি শক্ত হয়ে যাওয়া এবং চলাচলে ধীরগতি দেখা দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বয়স্ক ব্যক্তিদের হাঁটার সময় হাত স্বাভাবিকভাবে না দুলে শক্ত হয়ে ঝুলে থাকা।
ব্যাখ্যা: এটি মস্তিষ্কে ডোপামিনের মাত্রা কমে যাওয়ার প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে দেখা দেয়।
উদাহরণ ২: চেয়ারে বসা অবস্থা থেকে ওঠার চেষ্টা করার সময় শরীর সামনের দিকে নুইয়ে পড়া এবং ভারসাম্য রক্ষা করতে না পারা।
ব্যাখ্যা: ডোপামিনের অভাবে শরীরের পোসচার বা ভঙ্গি নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা নষ্ট হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থ্রমবোসিস — রক্তনালীর ভেতরে রক্ত জমাট বেঁধে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়াকে থ্রমবোসিস বলে, যা স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের কারণ।
B) প্যারালাইসিস — মস্তিষ্কের মোটর কর্টেক্স বা স্পাইনাল কর্ডে আঘাতের কারণে শরীরের কোনো অংশের পেশির নড়াচড়া সম্পূর্ণ বা আংশিক হারিয়ে যাওয়া।
C) এপিলেপসি — এটি এক ধরনের মস্তিষ্কের রোগ যেখানে স্নায়ুকোষের অস্বাভাবিক বৈদ্যুতিক কার্যকলাপের কারণে মৃগী রোগ বা খিঁচুনি হয়।
D) পারকিনসন — মস্তিষ্কের ডোপামিন উৎপাদনকারী কোষ নষ্ট হওয়ার ফলে সৃষ্ট রোগ, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পারকিনসন শব্দটির সঙ্গে ডোপামিন কোষের সম্পর্ক মনে রাখতে ডোপামিন ও পারকিনসন একসাথে জোড়া হিসেবে মনে রাখুন।
- স্নায়ু কোষের ক্ষয়জনিত রোগগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে পরিচিত যা মূলত গতির সাথে সম্পর্কিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্র সংক্রান্ত প্রশ্নে এই তথ্যটি প্রায়ই আসে।
- ডোপামিনের রাসায়নিক কাজ এবং স্নায়ুতন্ত্রের ওপর এর প্রভাব সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) রঞ্জন
১. কেন সঠিক:
রঙিন টেলিভিশনের পিকচার টিউব বা ক্যাথোড রে টিউব থেকে অত্যন্ত অল্প পরিমাণে রঞ্জন রশ্মি বা এক্স রে নির্গত হয়।
এই রশ্মি মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর এবং দীর্ঘ সময় রঙিন টেলিভিশনের সামনে বসে থাকলে স্বাস্থ্যের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: রঞ্জন রশ্মি হলো এক প্রকার উচ্চ শক্তির ও স্বল্প তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তড়িচ্চুম্বকীয় বিকিরণ যা ক্যাথোড রশ্মি কোনো ধাতব পৃষ্ঠে আঘাত করলে উৎপন্ন হয়।
কার্যপ্রণালি: রঙিন টেলিভিশনের পেছনে থাকা ক্যাথোড রে টিউবে ইলেকট্রন দ্রুত গতিতে চালিত হয়ে ফসফরাস স্ক্রিনে আঘাত করে এবং দৃশ্যমান আলো সৃষ্টির পাশাপাশি কিছু পরিমাণ রঞ্জন রশ্মি তৈরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাসপাতালে এক্স রে করার সময় যেভাবে মানবদেহে রঞ্জন রশ্মি প্রয়োগ করা হয়।
ব্যাখ্যা: রঙিন টেলিভিশন থেকেও ঠিক একই ধরনের কম শক্তির রঞ্জন রশ্মি নির্গত হয় যা শরীরের কোষের জন্য ক্ষতিকর।
উদাহরণ ২: পুরোনো মডেলের ভারী কম্পিউটার মনিটর বা ক্যাথোড রে টিউব ডিসপ্লে।
ব্যাখ্যা: এই মনিটরগুলো থেকেও টেলিভিশন স্ক্রিনের মতো একই প্রযুক্তির কারণে রঞ্জন রশ্মি নির্গত হতো।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলফা রশ্মি — এটি মূলত হিলিয়াম নিউক্লিয়াসের একটি স্রোত যা তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত হয় এবং টেলিভিশন থেকে উৎপন্ন হয় না।
B) বিটা রশ্মি — এটি উচ্চ গতির ইলেকট্রন বা পজিট্রনের স্রোত যা তেজস্ক্রিয় ক্ষয়ের ফলে সৃষ্টি হয় কিন্তু রঙিন টিভিতে এর কোনো উৎস নেই।
C) গামা রশ্মি — এটি অত্যন্ত উচ্চ শক্তির তড়িচ্চুম্বকীয় বিকিরণ যা পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে নির্গত হয় এবং সাধারণ টেলিভিশনে এর উপস্থিতি থাকে না।
D) রঞ্জন — এটি সঠিক কারণ রঙিন টেলিভিশনের ক্যাথোড রে টিউব থেকে এই ক্ষতিকর রশ্মিটি নির্গত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
রঙিন টেলিভিশন দেখলে এক্স রে হয় মনে রাখুন, কারণ এক্স রের বাংলা নামই হলো রঞ্জন রশ্মি।
ক্যাথোড রে টিউবযুক্ত ডিভাইসের কথাই মাথায় আনুন যখনই রঙিন টিভি থেকে ক্ষতিকর রশ্মির কথা বলা হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রঙিন টেলিভিশন থেকে নির্গত এই ক্ষতিকর রঞ্জন রশ্মি রোধ করার জন্য পর্দার সামনে বিশেষ ধরনের সীসাযুক্ত কাচ ব্যবহার করা হয়।
এ ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আধুনিক প্রযুক্তির ক্ষতিকর প্রভাব অংশে আসে।
সঠিক উত্তর: A) নাইট্রোজেন
১. কেন সঠিক:
সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বের ভেতরে নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করা হয় কারণ এটি একটি নিষ্ক্রিয় বা কম বিক্রিয়াশীল গ্যাস।
বাল্ব জ্বালানোর সময় ভেতরের ফিলামেন্ট অত্যন্ত উত্তপ্ত হয় এবং নাইট্রোজেন গ্যাস ফিলামেন্টকে বাতাসের অক্সিজেনের সাথে পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: বৈদ্যুতিক বাল্বে টাংস্টেন ধাতুর তৈরি অত্যন্ত চিকন তার বা ফিলামেন্ট ব্যবহার করা হয় যা বিদ্যুৎ প্রবাহে প্রায় দুই হাজার থেকে তিন হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপ উৎপন্ন করে আলো ছড়ায়।
কার্যপ্রণালি: বাল্বের ভেতরে বাতাস বা অক্সিজেন থাকলে উচ্চ তাপমাত্রায় টাংস্টেন ফিলামেন্ট জারিত হয়ে পুড়ে নষ্ট হয়ে যেত, তাই নাইট্রোজেন বা আর্গনের মতো নিষ্ক্রিয় গ্যাস ভরা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাধারণ ইনক্যান্ডেসেন্ট বা টাংস্টেন বাল্ব।
ব্যাখ্যা: এই বাল্বগুলোতে টাংস্টেন ফিলামেন্ট সুরক্ষার জন্য নাইট্রোজেন এবং আর্গন গ্যাসের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: উচ্চ ক্ষমতার হ্যালোজেন বাল্ব।
ব্যাখ্যা: সাধারণ বাল্বের তুলনায় বেশি তাপ ও আলো উৎপন্ন করার জন্য এই বাল্বগুলোতে হ্যালোজেন গ্যাস ও নিষ্ক্রিয় গ্যাসের বিশেষ মিশ্রণ থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রোজেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি টাংস্টেন ফিলামেন্টকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
B) হিলিয়াম — এটি একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস হলেও অত্যন্ত হালকা ও ব্যয়বহুল হওয়ায় সাধারণ বাল্বে ব্যবহার করা হয় না।
C) হাইড্রোজেন — এটি অত্যন্ত দাহ্য এবং বিস্ফোরক গ্যাস হওয়ায় বৈদ্যুতিক বাল্বে ব্যবহার করলে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
D) অক্সিজেন — এটি দহনে সহায়তা করে, তাই বাল্বে অক্সিজেন থাকলে ফিলামেন্ট খুব দ্রুত পুড়ে নষ্ট হয়ে যাবে।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাল্বের ফিলামেন্ট বাঁচাতে নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করা হয়, কারণ নাইট্রোজেন গরম ফিলামেন্টের সাথে সহজে বিক্রিয়া করে না।
সংক্ষেপে মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে টাংস্টেন ফিলামেন্ট রক্ষায় নাইট্রোজেনের ব্যবহার অপরিহার্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট কী দিয়ে তৈরি এই প্রশ্নটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে এবং এর উত্তর হলো টাংস্টেন।
বাল্বের ফিলামেন্ট পুড়ে যাওয়া রোধ করতে নাইট্রোজেনের পাশাপাশি আর্গন গ্যাসও ব্যবহার করা হয়, যা পরীক্ষাতেও বিকল্প হিসেবে থাকতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) ক্রেসকোগ্রাফ
১. কেন সঠিক:
উদ্ভিদের বৃদ্ধি অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে মাপা হয় ক্রেসকোগ্রাফ যন্ত্রের সাহায্যে।
এই যন্ত্রটি উদ্ভিদের বৃদ্ধির হার এত নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে পারে যা খালি চোখে দেখা সম্ভব নয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ক্রেসকোগ্রাফ এমন একটি সংবেদনশীল বৈজ্ঞানিক যন্ত্র যা উদ্ভিদের বৃদ্ধি খুব কম সময়ে কতটুকু হলো তা মাইক্রোমিটার এককের নিখুঁত মাপে পর্দায় ফুটিয়ে তোলে।
আবিষ্কারক: বাঙালি বিজ্ঞানী আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু ১৯০০ সালের দিকে এই যন্ত্রটি আবিষ্কার করেন।
কার্যপ্রণালি: উদ্ভিদের ডগার সঙ্গে লিভার বা সূচ যুক্ত থাকে, যা উদ্ভিদের সামান্য বৃদ্ধিকে বহু গুণ বড় করে রেকর্ডিং ড্রামে বা স্কেলে দেখায়।
বাস্তব প্রয়োগ: উদ্ভিদ শারীরতত্ত্বে বিভিন্ন উদ্দীপক যেমন আলো, তাপমাত্রা ও সারের প্রভাবে উদ্ভিদের বৃদ্ধির তারতম্য গবেষণায় এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু এই যন্ত্রের সাহায্যে প্রমাণ করেছিলেন যে উদ্ভিদেরও প্রাণ আছে এবং তারা বাহ্যিক উত্তেজনায় সাড়া দেয়।
ব্যাখ্যা: উদ্ভিদের বৃদ্ধি এবং সংবেদনশীলতা পরীক্ষার জন্য এটি জৈববিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী পরীক্ষা হিসেবে স্বীকৃত।
উদাহরণ ২: পরীক্ষাগারে গাছের চারা টবে রেখে বিভিন্ন রাসায়নিক সার প্রয়োগের পর এই যন্ত্রে তার বৃদ্ধির হার রেকর্ড করা হয়।
ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে বোঝা যায় কোন নির্দিষ্ট সার উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে কেমন প্রভাব ফেলছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্যালরিমিটার — এটি কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া বা খাদ্যদ্রব্যের তাপ বা শক্তির পরিমাণ মাপার যন্ত্র। উদ্ভিদের বৃদ্ধি মাপার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় না।
B) স্ফিগমোম্যানোমিটার — এটি মানবদেহের রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার পরিমাপ করার জন্য ব্যবহৃত একটি অতি পরিচিত চিকিৎসাবিজ্ঞান সংক্রান্ত যন্ত্র।
C) অক্সানোমিটার — এটিও উদ্ভিদের বৃদ্ধি মাপার একটি পুরোনো যন্ত্র, তবে ক্রেসকোগ্রাফের মতো এটি অতটা সংবেদনশীল বা নিখুঁতভাবে অতি ক্ষুদ্র বৃদ্ধি রেকর্ড করতে পারে না।
D) ক্রেসকোগ্রাফ — এটি উদ্ভিদের বৃদ্ধি নিখুঁতভাবে মাপার সঠিক যন্ত্র এবং অপশনে এটিই সঠিক হিসেবে নির্ধারিত আছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
উদ্ভিদের বৃদ্ধি মানে ক্রেসকোগ্রাফ, কারণ বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুর নাম উদ্ভিদের প্রাণ আবিষ্কারের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
শব্দ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে গাছের বৃদ্ধি বা ক্রেস সম্পর্কিত যন্ত্রটি হলো ক্রেসকোগ্রাফ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি উদ্ভিদবিজ্ঞান অংশের জন্য বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাধারণ জ্ঞান।
পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ক্রেসকোগ্রাফ যন্ত্রটি কোন বিজ্ঞানীর আবিষ্কার, যার উত্তর জগদীশ চন্দ্র বসু।
সঠিক উত্তর: A) প্রবাল দ্বীপ
১. কেন সঠিক:
সেন্টমার্টিন দ্বীপটি প্রধানত কোরাল বা প্রবাল পলির জমে গঠিত হয়েছে, যা এই দ্বীপটিকে অনন্য প্রবাল দ্বীপের মর্যাদা দিয়েছে।
এখানে সামুদ্রিক প্রবালের শক্ত ক্যালসিয়াম কার্বনেট কঙ্কাল দীর্ঘকাল ধরে জমা হয়ে এই ভূখণ্ড তৈরি করেছে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত একটি ছোট দ্বীপ।
বৈশিষ্ট্য: এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং এর আয়তন প্রায় আট বর্গকিলোমিটার।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ
ব্যাখ্যা: এটি অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর ব্যবস্থা, যা প্রবাল দ্বীপ গঠনের প্রক্রিয়াকে স্পষ্টভাবে বোঝায়।
উদাহরণ ২: মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা: এটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র যা সম্পূর্ণভাবে প্রবাল দ্বীপ বা অ্যাটল এর উপর গড়ে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রবাল দ্বীপ — এটি সঠিক কারণ এই দ্বীপটি সামুদ্রিক প্রবালের মৃত দেহাবশেষ এবং চুন depositions দ্বারা গঠিত হয়েছে।
B) কৃত্রিম দ্বীপ — এটি মানুষের তৈরি কোনো দ্বীপ নয়, বরং সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের মাধ্যমে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি হয়েছে।
C) আগ্নেয় দ্বীপ — আগ্নেয়গিরির লাভা উদগীরণের ফলে সমুদ্রের নিচে যে দ্বীপ সৃষ্টি হয় সেন্টমার্টিন সে প্রকৃতির নয়।
D) ব-দ্বীপ — নদী দ্বারা বাহিত পলিমাটি জমে নদীর মোহনায় ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়, কিন্তু সেন্টমার্টিন নদী অববাহিকায় পলি জমে তৈরি হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
সেন্টমার্টিন হলো বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং এটি বঙ্গোপসাগরের বুকে অবস্থিত একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সেন্টমার্টিনের ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রকৃতি প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং এর ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) ডেল্টা
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশের ভূ-আকৃতি দেখতে অনেকটা গ্রীক বর্ণ ডেল্টা বা ত্রিভুজ আকৃতির মতো।
পদ্মা, যমুনা ও মেঘনা নদীর অববাহিকায় পলি জমে বদ্বীপ গঠিত হওয়ায় এই আকৃতি তৈরি হয়েছে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: দক্ষিণ এশিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক বদ্বীপ অঞ্চল।
বৈশিষ্ট্য: দেশের অধিকাংশ ভূভাগ নদীনালা ও পলি দ্বারা গঠিত সমতল ভূমি।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপ
ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বের বৃহত্তম বদ্বীপ যার একটি বিশাল অংশ বাংলাদেশ জুড়ে বিস্তৃত।
উদাহরণ ২: সুন্দরবন
ব্যাখ্যা: বদ্বীপ অঞ্চলের দক্ষিণ প্রান্তে সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলে এই ম্যানগ্রোভ বন গড়ে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলফা — এটি গ্রীক বর্ণমালার প্রথম অক্ষর এবং এর আকৃতির সঙ্গে বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতির কোনো মিল নেই।
B) গামা — এটি গ্রীক বর্ণমালার অন্যতম অক্ষর যা গণিত ও বিজ্ঞানে বহুল ব্যবহৃত হলেও ভূ-আকৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) বেটা — এটি একটি গ্রীক বর্ণ যা বিটা কণা বা কোণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, ভৌগোলিক আকৃতি নয়।
D) ডেল্টা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রীক বর্ণের ত্রিকোণ আকৃতির সঙ্গে বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি হুবহু মিলে যায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ মানেই নদী আর নদী মানেই পলিগঠিত বদ্বীপ বা ডেল্টা।
শব্দ মিল মনে রাখতে পারেন: ডেল্টা মানে ডাল পালা ছড়ানো ত্রিভুজ আকৃতি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশকে বিশ্বের বৃহত্তম বদ্বীপ বলা হয় যা নদীগুলোর পলি জমার মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে।
পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতির শতকরা কত ভাগ সমভূমি।
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গোপসাগরে
১. কেন সঠিক:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের একটি অতলস্পর্শী ডুবুরি খাদ বা সাবমেরিন ক্যানিয়ন।
- এটি মূলত গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র নদ বাহিত পলি জমে গঠিত বদ্বীপের সামনের সামুদ্রিক ভূত্বকের একটি গভীর খাত।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে, সুন্দরবনের দক্ষিণ দিকে এর অবস্থান।
- বৈশিষ্ট্য: এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে হাজার হাজার মিটার গভীর একটি গিরিখাত বা খাদ।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
ব্যাখ্যা: এটি প্রশান্ত মহাসাগরের একটি গভীর খাদ, ঠিক যেমন সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের একটি ডুবুরি খাদ।
উদাহরণ ২: গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন
ব্যাখ্যা: এটি স্থলভাগের একটি বিখ্যাত খাদ, যা সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের সামুদ্রিক রূপের সঙ্গে তুলনীয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেক্সিকো উপসাগরে — এটি উত্তর আমেরিকার একটি উপসাগর, যেখানে এই খাদটি অবস্থিত নয়।
B) পারস্য উপসাগরে — এটি মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ একটি উপসাগর, যার সঙ্গে এই খাতের কোনো সম্পর্ক নেই।
C) বঙ্গোপসাগরে — এই অপশনটি সঠিক এবং সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড এখানেই অবস্থিত।
D) আরব সাগরে — এটি ভারত মহাসাগরের উত্তর অংশের একটি সাগর, যেখানে এই ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড মানে তলহীন স্থান, যা আমাদের দেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত।
- সুন্দরবনের দক্ষিণের সমুদ্রাঞ্চল মনে রাখলেই এর সঠিক অবস্থান সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি সামুদ্রিক ভূত্বক বা খাতের উদাহরণ হিসেবে প্রায়ই আসে।
- এই প্রশ্নটি থেকে সমুদ্রের তলদেশের ভূপ্রকৃতি এবং সাবমেরিন ক্যানিয়ন সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
'সবুজ পত্র' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী মাসিক পত্রিকা, যার সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী।
এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তন ঘটে এবং বুদ্ধিবৃত্তিক লেখার ধারা সূচিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির প্রবক্তা এবং বীরবল ছদ্মনামের জনক।
১৯১৪ সালের বৈশাখ মাসে তাঁর সম্পাদনায় 'সবুজ পত্র' পত্রিকা প্রকাশিত হয় যা বাংলা গদ্যে এক নতুন বিপ্লব আনে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চতুরঙ্গ' উপন্যাসটি প্রথম 'সবুজ পত্র' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যকর্মটি সবুজ পত্র পত্রিকার মাধ্যমে প্রকাশ পেয়ে বাংলা উপন্যাসের গতিপথ বদলে দিয়েছিল।
উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ গ্রন্থ 'বীরবলের হালখাতা'।
ব্যাখ্যা: এটি সবুজ পত্র আন্দোলনের আদর্শে লেখা প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত মননশীল প্রবন্ধ সংকলন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি সবুজ পত্রের প্রধান লেখক ও পৃষ্ঠপোষক ছিলেন, কিন্তু পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী।
B) প্রমথ চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি সবুজ পত্র পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন।
C) উইলিয়াম কেরা — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যাপক এবং শ্রীরামপুর মিশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, সবুজ পত্রের সঙ্গে নন।
D) বুদ্ধদেব বসু — তিনি আধুনিক যুগের কবি এবং 'কবিতা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, সবুজ পত্রের সম্পাদক নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
সবুজ ও প্রমথ এই দুটি শব্দ একসাথে মনে রাখবে কারণ সবুজ পত্র পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী।
চলিত রীতির জনক প্রমথ চৌধুরী সবুজ রঙের পাতার মতো সতেজ গদ্যধারা এই পত্রিকায় নিয়ে এসেছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সবুজ পত্র পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালে এবং এর সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী বীরবল ছদ্মনামে লিখতেন।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে চলিত রীতির প্রবর্তক কে অথবা সবুজ পত্রের সম্পাদক কে।
সঠিক উত্তর: C) বুদ্ধদেব বসু
১. কেন সঠিক:
- বুদ্ধদেব বসু জীবনানন্দ দাশের কবিতায় আধুনিক বাংলা কবিতার নির্জনতার সুর স্পষ্টভাবে উপলব্ধি করেছিলেন।
- তিনি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত তার 'কবিতা' পত্রিকার মাধ্যমে এবং বিভিন্ন প্রবন্ধে জীবনানন্দ দাশকে বাংলা কবিতার 'নির্জনতম কবি' হিসেবে অভিহিত করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বুদ্ধদেব বসু বিশ শতকের ত্রিশের দশকের আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, প্রাবন্ধিক ও সমালোচক ছিলেন।
- জীবনানন্দ দাশ বাংলা আধুনিক কবিতার রূপরীতিতে এক স্বতন্ত্র ও নিঃসঙ্গ পথযাত্রী ছিলেন, যা তার কবিতায় নিসর্গপ্রকৃতি ও মানবীয় একাকিত্বের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জীবনানন্দ দাশের 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো বাংলা কবিতার নির্জনতা ও বিষাদের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
উদাহরণ ২: বুদ্ধদেব বসু রচিত 'রবীন্দ্রনাথ ও উত্তরসাধক' প্রবন্ধগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে আধুনিক বাংলা কবিদের মূল্যায়ন করা হয়েছে, যেখানে জীবনানন্দ দাশের স্বতন্ত্র শৈলী আলোচিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুভাষ মুখোপাধ্যায় — তিনি বাংলা আধুনিক কবিতার একজন বিশিষ্ট কবি হলেও জীবনানন্দ দাশকে 'নির্জনতার কবি' বলে আখ্যায়িত করেননি।
B) অমিয় চক্রবর্তী — তিনি রবীন্দ্রযুগের পরবর্তী প্রভাবশালী কবি ও শিক্ষাবিদ হলেও এই খ্যাতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন।
C) বুদ্ধদেব বসু — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি জীবনানন্দ দাশকে নির্জনতার কবি হিসেবে প্রথম চিহ্নিত করেছিলেন।
D) সামসুর রাহমান — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান নাগরিক কবি হলেও জীবনানন্দ দাশের এই নির্দিষ্ট খ্যাতির প্রবক্তা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
জীবন ও বুদ্ধ কথাটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো, অর্থাৎ জীবনানন্দ দাশকে কবি হিসেবে গভীরভাবে মূল্যায়ন করেছিলেন বুদ্ধদেব বসু।
নির্জনতা শব্দটি পেলেই বুদ্ধদেব বসুর সাহিত্য সমালোচনার কথা মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের উপাধি বা সমালোচকদের মন্তব্য প্রায়ই আসে।
একইভাবে কাজী নজরুল ইসলামকে 'বিদ্রোহী কবি' বা শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে 'অপরাজেয় কথাশিল্পী' কে বলেছেন তা জেনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) অগ্নিবীণা
১. কেন সঠিক:
- অগ্নিবীণা কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত বাংলা কাব্যগ্রন্থ যা তার বিদ্রোহী কবি সত্তার অনন্য প্রকাশ ঘটিয়েছে।
- এই গ্রন্থের বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতা ও গান বাঙালি সমাজে বিপ্লব ও প্রতিবাদের এক নতুন জাগরণ সৃষ্টি করেছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের এমন এক প্রতিভা যিনি তার ওজস্বী লেখনীর মাধ্যমে সাম্য, মানবতা ও দ্রোহের বাণী প্রচার করেছেন।
- ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থে মোট বারোটি কবিতা রয়েছে যার মধ্যে বিদ্রোহী কবিতাটি বিশ্বসাহিত্যে অমর হয়ে আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রলয়োল্লাস
ব্যাখ্যা: অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস যেখানে ধ্বংসের মধ্য দিয়ে নতুন সৃষ্টির আগমন বার্তা ঘোষণা করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: কামাল পাশা
ব্যাখ্যা: তুরস্কের বীর নেতা মোস্তফা কামাল পাশার বীরত্বগাথা নিয়ে রচিত এই কবিতাটিও অগ্নিবীণা কাব্যের অন্তর্ভুক্ত এবং এটিও উদ্দীপনামূলক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অগ্নিবীণা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নজরুলের প্রথম বিদ্রোহী কাব্যগ্রন্থ।
B) দোলনাচাঁপা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত গীতি কাব্যগ্রন্থ যার মূল সুর প্রেম ও প্রকৃতির, দ্রোহ নয়।
C) ছায়ানট — এটি নজরুল ইসলামের একটি রোমান্টিক ও প্রকৃতিভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়।
D) চক্রবাক — এটিও কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ যা প্রধানত প্রেম ও সৌন্দর্যের কবিতা নিয়ে গঠিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের বিদ্রোহী রূপ চেনার জন্য তার প্রথম গ্রন্থ অগ্নিবীণা নামটি মনে রাখতে হবে যা দিয়ে তিনি বাংলা সাহিত্যে ধূমকেতুর মতো আবির্ভূত হন।
- অগ্নিবীণা মানে আগুনের বীণা যা বিদ্রোহ ও বিপ্লবের প্রতীক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রকাশসাল ১৯২২ এবং এর প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস, যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- বিসিএস বা অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং এর কবিতা সম্পর্কিত প্রশ্ন খুব কমন।
সঠিক উত্তর: B) রবি + ইন্দ্র
১. কেন সঠিক:
- 'রবীন্দ্র' শব্দটিকে বিশ্লেষণ করলে রবি এবং ইন্দ্র দুটি অর্থপূর্ণ শব্দ পাওয়া যায়।
- প্রথম শব্দের শেষের ই-কার এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুর ই-কার একত্রিত হয়ে দীর্ঘ ঈ-কার গঠন করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ, ই বা ঈ, উ বা ঊ-এর পর যথাক্রমে অ বা আ, ই বা ঈ, উ বা ঊ থাকলে উভয় মিলে যথাক্রমে দীর্ঘ আ, দীর্ঘ ঈ এবং দীর্ঘ ঊ হয়।
- রবি শব্দের শেষ স্বরধ্বনি ই এবং ইন্দ্র শব্দের শুরু স্বরধ্বনি ই যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ঈ-কার তৈরি করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নদী + ইন্দ্র = নদীন্দ্র
ব্যাখ্যা: নদী শব্দের শেষ দীর্ঘ ঈ-কার এবং ইন্দ্র শব্দের শুরুর ই-কার মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়েছে।
উদাহরণ ২: পরি + ইক্ষা = পরীক্ষা
ব্যাখ্যা: পরি শব্দের শেষ ই-কার এবং ইক্ষা শব্দের শুরুর ঈ-কার মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবী + ইন্দ্র — রবী বানানটি ভুল কারণ রবি শব্দে সবসময় হ্রস্ব ই-কার ব্যবহৃত হয়।
B) রবি + ইন্দ্র — এটি সঠিক এবং প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী নির্ভুল সন্ধি-বিচ্ছেদ।
C) রবী + ঈন্দ্র — রবী এবং ঈন্দ্র উভয় বানানেই ভুল স্বরচিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে।
D) রবি + ঈন্দ্র — ঈন্দ্র বানানটি ভুল কারণ ইন্দ্র শব্দে সবসময় হ্রস্ব ই ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রবি বানানটি সবসময় হ্রস্ব ই-কার দিয়ে লিখতে হয় এবং ইন্দ্র শব্দেও হ্রস্ব ই থাকে।
- হ্রস্ব ই এবং হ্রস্ব ই মিলে সবসময় দীর্ঘ ঈ হয়, এই সূত্রটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত হ্রস্ব ই-কার এবং দীর্ঘ ঈ-কারযুক্ত সন্ধি বেশি আসে।
- বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রেও রবি এবং ইন্দ্র শব্দ দুটির সঠিক রূপ মাথায় রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) সম্প্রীতি
১. কেন সঠিক:
ইত্তেফাক একটি আরবি শব্দ যার আভিধানিক অর্থ ঐক্য, মিলন, মেলবন্ধন, সম্মতি বা সম্প্রীতি।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস ও অর্থ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এই ধরনের আরবি ও ফারসি শব্দ প্রায়ই আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শব্দের উৎস বা শব্দের অর্থ নির্দেশক প্রশ্ন।
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত আরবি শব্দগুলোর মধ্যে ইত্তেফাক একটি পরিচিত শব্দ যা মূলত সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিভাষায় বেশি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দৈনিক ইত্তেফাক
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত সংবাদপত্রের নাম, যার নামের অর্থ ঐক্যের প্রতীক।
উদাহরণ ২: তাদের মধ্যে ভালো ইত্তেফাক রয়েছে
ব্যাখ্যা: এখানে ইত্তেফাক শব্দটি সম্প্রীতি বা মিল অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সম্প্রীতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইত্তেফাক শব্দের অর্থ মিলন বা সম্প্রীতি।
B) সংবর্ধনা — এর অর্থ কাউকে সম্মান জানানো বা অভ্যর্থনা দেওয়া, যা ইত্তেফাক শব্দের অর্থ নয়।
C) সংলাপ — এর অর্থ কথপোকথন বা আলোচনা, যা ইত্তেফাক শব্দের সঙ্গে মেলে না।
D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইত্তেফাক শব্দের সঙ্গে ঐতিহাসিক দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার নাম মনে রাখতে পারো।
পত্রিকাটির কাজ হলো মানুষকে এক করা বা সম্প্রীতি বজায় রাখা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ বিশেষ করে আরবি, ফারসি ও ইংরেজি শব্দের অর্থ প্রায়ই পরীক্ষামূলকভাবে আসে।
শব্দগুলোর সঠিক অর্থ মনে রাখতে এদের প্রচলিত ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সাহেবান
১. কেন সঠিক:
'সাহেব' একটি ফার্সি শব্দ। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী প্রাণীবাচক বিশেষ্য পদের বহুবচন বোঝাতে ফার্সি ভাষা থেকে আগত শব্দের সঙ্গে 'আনা' বা 'বান' প্রত্যয় যুক্ত করা হয়।
এই নিয়মে 'সাহেব' শব্দের সঙ্গে 'বান' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বহুবচনে 'সাহেবান' গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় ফার্সি ও আরবি প্রভাবে কিছু শব্দের বহুবচনে বিশেষ প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। প্রাণীবচক শব্দের বহুবচন সাধনে ফার্সি 'গান', 'বৃন্দ', 'মন্ডলী' এবং ফার্সি প্রত্যয় 'বান' বা 'আনা' বহুল ব্যবহৃত হয়।
বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে উৎসের ভাষার ব্যাকরণগত নিয়ম অনেক সময় বাংলাতেও বহাল থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বুজুর্গ থেকে বুজুর্গান।
ব্যাখ্যা: বুজুর্গ একটি ফার্সি শব্দ, এর সঙ্গে ফার্সি বহুবচনের প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সাহেবান শব্দের মতো বুজুর্গান বহুবচন গঠিত হয়।
উদাহরণ ২: মর্দ থেকে মর্দান।
ব্যাখ্যা: মর্দ শব্দের বহুবচনে ফার্সি নিয়ম অনুসারে মর্দান ব্যবহৃত হয় যা সাহেবান শব্দের গঠনরীতির সঙ্গে সম্পূর্ণ মিল রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাহেবান — সঠিক উত্তর।
B) সাহেবাগণ — 'গণ' অপ্রাণীবাচক বা সাধারণ বিশেষ্যের বহুবচনে বসে এবং 'সাহেবা' শব্দের সঙ্গে 'গণ' যুক্ত করা ব্যাকরণসম্মত নয়।
C) সাহেবকুল — 'কুল' শুধু ইতর প্রাণীবাচক বা বস্তুবাচক বিশেষ্যের বহুবচনে ব্যবহৃত হয়, তাই সাহেব শব্দের সঙ্গে এটি বেমানান।
D) সাহেবমণ্ডলী — 'মণ্ডলী' সভার বা সমিতির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা একক ব্যক্তির বহুবচন গঠনে প্রমিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ফার্সি শব্দের বহুবচনে শেষে 'বান' বা 'আন' যুক্ত হয়। সাহেব একটি ফার্সি শব্দ বিধায় এর বহুবচন সাহেবান হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের বহুবচন প্রায়ই আসে। ফার্সি শব্দের বহুবচন চেনার জন্য 'বান' বা 'গান' প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলোর তালিকা ভালো করে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) শেষর কবিতা (নোট: মূল বইয়ের বানান 'শেষের কবিতা', তবে প্রশ্নে যেভাবে আছে তা উল্লেখ করা হলো)
১. কেন সঠিক:
- 'শেষের কবিতা' বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত গদ্য উপন্যাস যার রচিয়তা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- এটি মূলত রোমান্টিক উপন্যাস হলেও এতে কাব্যিক সুষমা ও মননশীলতার অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে কবি, নাট্যকার, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক।
- 'শেষের কবিতা' উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো অমিত রায় ও লাবণ্য সেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোখের দালি
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও একটি বিখ্যাত সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: গোরা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্রেষ্ঠ ও বৃহত্তম রাজনৈতিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শেষর কবিতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) বলাকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত গীতিকাব্যের নাম, উপন্যাস নয়।
C) ডাকঘর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত রূপকধর্মী নাটক, উপন্যাস নয়।
D) কালান্তর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রবন্থগ্রন্থ, উপন্যাস নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথের উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য চরিত্রগুলোর নাম ও ধরন যেমন অমিত-লাবণ্য (শেষের কবিতা) মনে রাখতে পারো।
- কাব্যগ্রন্থ আর উপন্যাসের পার্থক্য বুঝতে রচনার প্রকাশভঙ্গি খেয়াল রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- 'শেষের কবিতা' উপন্যাসের বিখ্যাত উক্তি হলো হে আমার চেনা বিদেশিনী, যা প্রায়শ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- বিভিন্ন লেখকের বিখ্যাত উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থের নাম আলাদা করার প্রস্তুতি নিতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ক্ষমার্য
১. কেন সঠিক:
- 'ক্ষমতার অযোগ্য' এই বাক্যাংশটির সংকুচিত রূপ হলো ক্ষমার্য। যা ক্ষমা করার যোগ্য নয় বা ক্ষমতার অযোগ্য, তাকে এককথায় ক্ষমার্য বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অংশ। বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম হলো বাক্য সংকোচন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা দমন করা যায় না - দুর্দমনীয়
ব্যাখ্যা: এই বাক্য সংকোচনটিতেও যোগ্যতার অভাব বা অযোগ্যতা বোঝাতে প্রত্যয়ের ব্যবহার হয়েছে।
উদাহরণ ২: যা লাভ করা সহজ - সুলভ
ব্যাখ্যা: বড় একটি বাক্যের অর্থ একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্ষমা — এটি একটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ মার্জন বা অপরাধ মাফ করা, যা বাক্যের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) ক্ষমা প্রার্থী — এর অর্থ যিনি ক্ষমা প্রার্থনা করছেন, এটি 'ক্ষমতার অযোগ্য' অর্থে ব্যবহার হয় না।
C) ক্ষমার্য — এটি সঠিক উত্তর।
D) ক্ষমা প্রদ — এর অর্থ যা ক্ষমা প্রদান করে, এটি প্রদত্ত অর্থের বিপরীত ভাব প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যোগ্য বা অযোগ্য বোঝাতে শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এককথায় প্রকাশ গঠিত হয়। মূল শব্দের সঙ্গে অর্থ মিলিয়ে চর্চা করলে এই নিয়ম সহজে আয়ত্ত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য সংকোচন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। তাই প্রত্যয়যুক্ত ও বিশেষার্থক শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা প্রয়োজন।
সঠিক উত্তর: A) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
- 'দৈনিক নবযুগ' পত্রিকাটির সঙ্গে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাম বিশেষভাবে জড়িত।
- ১৯২০ সালের জুলাই মাসে প্রকাশিত এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক এবং একই সঙ্গে কাজী নজরুল ইসলাম এর যুগ্ম সম্পাদক বা পরবর্তীতে সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের জাতীয় কবি এবং বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত।
- তিনি সাংবাদিকতার সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত ছিলেন এবং 'দৈনিক নবযুগ' ছাড়াও 'دوهنيك لانگل' বা 'লাঙল', 'ধূমকেতু' ইত্যাদি পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'ধূমকেতু' পত্রিকা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: 'লাঙল' পত্রিকা
ব্যাখ্যা: এটি শ্রমিক ও প্রজাদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে প্রকাশিত একটি পত্রিকা যার প্রধান সম্পাদক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি দৈনিক নবযুগ পত্রিকার সঙ্গে সম্পাদক হিসেবে যুক্ত ছিলেন।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ্বকবি এবং নোবেলজয়ী সাহিত্যিক হলেও এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না।
C) মোজাম্মেল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক ও কবি হলেও এই পত্রিকার সঙ্গে তার সম্পাদনার সম্পর্ক ছিল না।
D) মাওলানা আকরাম খাঁ — তিনি একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ হলেও দৈনিক নবযুগ পত্রিকার মূল সম্পাদক হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম পরিচিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নজরুল ও নবযুগ দুটোই ন দিয়ে শুরু হয়, যা সহজে মনে রাখতে সাহায্য করে।
- নজরুলের সাংবাদিকতা জীবন এবং তার সম্পাদিত পত্রিকার নামগুলো এক নজরে দেখে রাখা ভালো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবি-সাহিত্যিকদের সম্পাদিত পত্রিকার নাম জানতে চাওয়া হয়।
- বিভিন্ন প্রখ্যাত পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশের সাল মনে রাখা বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
১. কেন সঠিক:
- 'চিলেকোঠার সেপাই' বাংলা কথাসাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস যার রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস।
- উপন্যাসটি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে এবং এতে তৎকালীন ঢাকার সমাজজীবন ও রাজনীতি নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বিংশ শতাব্দীর ষাটের দশকের অন্যতম প্রধান ও প্রভাবশালী বাঙালি ঔপন্যাসিক ও গল্পকার।
- তাঁর রচিত একমাত্র অপরূপ সৃষ্টি 'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসে গণঅভ্যুত্থানের আবহ এবং খোঁয়ার ও আলতাফ চরিত্রের মাধ্যমে নিম্নবর্গীয় মানুষের সংগ্রাম প্রকাশ পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খোয়াবনামা
ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের অপর একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা তেভাগা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত।
উদাহরণ ২: অন্য ঘর অন্য স্বর
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ছোটগল্পের গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শওকত আলী — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও 'চিলেকোঠার সেপাই' তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে 'প্রদোষে প্রাকৃতজন'।
B) শওকত ওসমান — তিনি বাংলা সাহিত্যে তাঁর অনন্য অবদানের জন্য পরিচিত হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'জননী'।
C) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়।
D) সত্যেন সেন — তিনি ঐতিহাসিক ও সমাজসচেতন উপন্যাস লিখলেও এই নির্দিষ্ট উপন্যাসের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইলিয়াসের দুটি মাত্র উপন্যাস রয়েছে, যার একটি 'চিলেকোঠার সেপাই' এবং অন্যটি 'খোয়াবনামা'।
- এই দুটি বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখলে বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই লেখকের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের পটভূমিতে রচিত শ্রেষ্ঠ উপন্যাস হলো 'চিলেকোঠার সেপাই'।
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলোর নাম যেমন খোয়ার ও উসমান প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: A) মহীয়সী
১. কেন সঠিক:
- মহীয়ান শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হলো মহীয়সী।
- মহীয়ান শব্দের অর্থ অত্যন্ত গরীয়ান, মহান বা তেজীয়ান।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়মে কিছু বিশেষ শব্দে দীর্ঘ ই কার যুক্ত করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা হয়।
- মহীয়ান একটি বিশেষণ পদ এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ মহীয়সী গঠিত হয় ঈ প্রত্যয় যোগে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গরীয়ান স্ত্রীবাচক শব্দ গরীয়সী
ব্যাখ্যা: গরীয়ান শব্দের মতো একই নিয়মে গরীয়সী স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: তেজীয়ান স্ত্রীবাচক শব্দ তেজীয়সী
ব্যাখ্যা: তেজীয়ান শব্দের ক্ষেত্রেও একই ব্যাকরণগত নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মহীয়সী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রমিত বানান ও সঠিক রূপ।
B) মহীয়াসী — এই বানানে অতিরিক্ত আ কার যুক্ত থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) মহীয়াসি — এই বানানে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করায় বানানটি অশুদ্ধ হয়েছে।
D) মহীয়যী — এই রূপটি বাংলা ব্যাকরণে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসঠিক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইন প্রত্যয়ান্ত পুংলিঙ্গ শব্দের স্ত্রীবাচক রূপে ঈসী যুক্ত হয়।
- মহীয়ান থেকে মহীয়সী এবং গরীয়ান থেকে গরীয়সী মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বিশেষ লিঙ্গান্তর প্রায়ই আসে।
- প্রমিত বানান মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) শহীদুল্লাহ কায়সার
১. কেন সঠিক:
- সংশপ্তক উপন্যাসের রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক শহীদুল্লাহ কায়সার।
- এই উপন্যাসটি বাঙালি জাতির জীবনে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত যুদ্ধোত্তর উপন্যাস।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শহীদুল্লাহ কায়সার ১৯২৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে নিখোঁজ হন।
- সংশপ্তক উপন্যাসটি গ্রামীণ সমাজের দ্বন্দ্ব এবং মানুষের জীবনসংগ্রামের এক অনন্য দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সারেং বৌ
ব্যাখ্যা: এটি শহীদুল্লাহ কায়সারের অপর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস।
উদাহরণ ২: পাণ্ডুলিপি
ব্যাখ্যা: এটিও শহীদুল্লাহ কায়সারের একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুনীর চৌধুরী — মুনীর চৌধুরী মূলত একজন নাট্যকার ও শিক্ষাবিদ ছিলেন, তার বিখ্যাত নাটক কবর।
B) শহীদুল্লাহ কায়সার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক।
C) জহির রায়হান — জহির রায়হান একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্রকার, তার বিখ্যাত উপন্যাস বরফ গলা নদী।
D) শওকত ওসমান — শওকত ওসমান একজন খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক, তার বিখ্যাত উপন্যাস ক্রীতদাসের হাসি।
৫. মনে রাখার টিপস:
শহীদুল্লাহ কায়সারের নামের সাথে সংশপ্তক ও সারেং বৌ উপন্যাস দুটি মনে রাখতে হবে।
কায়সার মানে রাজা, তার রাজত্বে সংশপ্তক ও সারেং বৌ নিয়ে চমৎকার গল্প আছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ও সমসাময়িক উপন্যাস থেকে প্রশ্ন আসে।
শহীদুল্লাহ কায়সারের সংশপ্তক উপন্যাসটি অনেকবার পরীক্ষায় এসেছে, তাই এটি ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কারণ 'কারাগার রোজনামচা' তার লেখা একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- এই গ্রন্থে ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তার কারাবন্দী জীবনের দিনলিপি ও রাজনৈতিক ভাবনা স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সংশ্লিষ্ট লেখক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের মহানায়ক।
- কারাগার রোজনামচা গ্রন্থটি ২০১৭ সালের মার্চ মাসে বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত তার দ্বিতীয় কারাগারের ডায়েরি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী
ব্যাখ্যা: এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: আমার দেখা নয়া চীন
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর চীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতার ওপর রচিত একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী বিশ্বকবি হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
B) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং এই গ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে পরীক্ষিত।
C) শেখ হাসিনা — ইনি বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুর তনয়া হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থের রচয়িতা নন।
D) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি হলেও এই ডায়েরি গ্রন্থের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বঙ্গবন্ধু জেলের ভেতরে যে দিনলিপি লিখেছেন, সেটাই হলো কারাগারের রোজনামচা।
- জেল বা কারাগার সম্পর্কিত লেখা মানেই ধরে নিতে হবে তা বঙ্গবন্ধুর লেখা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্গবন্ধুর লেখা গ্রন্থগুলোর নাম ও প্রকাশকাল প্রায়ই আসে।
- বঙ্গবন্ধুর লেখা তিনটি প্রধান গ্রন্থ হলো অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগার রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়া চীন।
সঠিক উত্তর: B) ভাষা
১. কেন সঠিক:
- মানুষের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে ব্যাকরণের আগেই ভাষার সৃষ্টি হয়েছে।
- মানুষ প্রথমে মুখে কথা বলে মনের ভাব প্রকাশ করতে শেখে, যা পরবর্তীতে ভাষার রূপ নেয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ভাষা মানুষের মুখনিঃসৃত অর্থপূর্ণ ধ্বনির সমষ্টি, যা সৃষ্টির সূলগ্ন থেকে মানুষ ব্যবহার করে আসছে।
- ভাষা ব্যবহারের দীর্ঘকাল পর সেই ভাষার শৃঙ্খলা রক্ষা ও শুদ্ধভাবে লেখার জন্য ব্যাকরণের সৃষ্টি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আদিম মানুষের ইশারা-ইঙ্গিত ও ধ্বনি উচ্চারণ
ব্যাখ্যা: মানুষ ভাষার সৃষ্টি করার আগে বিভিন্ন শব্দ ও ধ্বনি দিয়ে যোগাযোগ করত, যা ভাষার প্রাথমিক রূপ।
উদাহরণ ২: প্রাচীন মানুষের কথ্য ভাষা
ব্যাখ্যা: পৃথিবীর প্রাচীন ভাষাগুলো ব্যাকরণ রচিত হওয়ার বহু আগে থেকেই মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত ছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্যাকরণ — ব্যাকরণ মানুষের কথ্য ভাষার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তীতে তৈরি হয়, তাই এটি আগে সৃষ্টি হতে পারে না।
C) ব্যাকরণ ও ভাষা উভয়ই এক সাথে — ভাষা আগে সৃষ্টি হয়েছে এবং ব্যাকরণ পরে তার শৃঙ্খলা বিধানের জন্য এসেছে, তাই এক সাথে সৃষ্টি হয়নি।
D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আগে মানুষ কথা বলেছে, তাই ভাষা আগে এসেছে। পরে নিয়ম এসেছে, তাই ব্যাকরণ পরে সৃষ্টি হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভাষা মানুষের মুখনিঃসৃত ধ্বনি আর ব্যাকরণ হলো ভাষার শৃঙ্খলার রূপরেখা। এই ধরনের তাত্ত্বিক প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণে ৭মী
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে ক্রিয়ার আধার অর্থাৎ সময়, স্থান বা অবস্থাকে অধিকরণ কারক বলা হয়।
- এখানে 'আষাঢ়ে' শব্দটি দ্বারা সময় বা কাল বোঝানো হয়েছে এবং এর সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত আছে, যা ৭মী বিভক্তির রূপ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়ার সম্পাদনের সময় বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে।
- অধিকরণ কারকে সাধারণত ৭মী বা এ, য়, তে বিভক্তি যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রভাতে সূর্য ওঠে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'প্রভাতে' একটি সময় নির্দেশক শব্দ এবং এতে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি কালবাচক অধিকরণে ৭মী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: বনে বাঘ থাকে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'বনে' একটি স্থান নির্দেশক শব্দ এবং এতে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি স্থানবাচক অধিকরণে ৭মী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তায় ৭মী — বাক্যটিতে বৃষ্টি নিজেই কর্তা বা সম্পাদনকারী নয়, বরং বৃষ্টি নামার সময় বা কাল বোঝাচ্ছে তাই এটি কর্তারক কারক নয়।
B) কর্মে ৭মী — কর্মকারক হলো যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, এখানে বৃষ্টি কোনো কর্ম নয় তাই এটি কর্মকারক নয়।
C) অপাদানে ৭মী — অপাদান কারক হলো যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীত বা রক্ষিত হয়, এখানে এমন কোনো অর্থ প্রকাশ পায়নি।
D) অধিকরণে ৭মী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে আষাঢ় মাস নামক সময় বা কাল বোঝানো হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে কোথায় এবং কখন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত অধিকরণ কারক হয়।
- সময় বা কাল বোঝালে তাকে কালবাচক অধিকরণ বলা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মাস বা ঋতুর নামের সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকলে তা কালবাচক অধিকরণে ৭মী বিভক্তি হয়।
- কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক এবং পরে বিভক্তি নির্ণয় করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) চাঁদ
১. কেন সঠিক:
- সংস্কৃত শব্দ 'চন্দ্র' প্রাকৃত ও অপভ্রংশের বিবর্তনের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে সরাসরি বাংলা ভাষায় 'চাঁদ' রূপ লাভ করেছে।
- উৎপত্তির দিক থেকে প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে সংস্কৃত থেকে আগত শব্দগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়।
- প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে প্রাকৃত ও অপভ্রংশের স্তর পেরিয়ে যে শব্দগুলো পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হস্ত থেকে হাত
ব্যাখ্যা: সংস্কৃত হস্ত শব্দটি প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় হাত তদ্ভব শব্দে পরিণত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মৎস থেকে মাছ
ব্যাখ্যা: সংস্কৃত মৎস শব্দটি প্রাকৃত ভাষার হাত ধরে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় মাছ তদ্ভব শব্দরূপে এসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চন্দ — এটি কোনো প্রমিত তদ্ভব রূপ নয় বরং চন্দ্র শব্দের একটি কথ্য বা বিকৃত রূপ মাত্র।
B) চাঁদ — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রমিত তদ্ভব রূপ হিসেবে পরীক্ষিত ও গ্রহণযোগ্য।
C) চান্দ — এটি সাধু বা প্রমিত বাংলার পরিবর্তে আঞ্চলিক বা কাব্যে ব্যবহৃত রূপ, প্রমিত তদ্ভব রূপ নয়।
D) চন্দ্রিমা — এটি তদ্ভব শব্দ নয় বরং চন্দ্র শব্দের সঙ্গে ইমা প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি তৎসম তদ্ধিতান্ত শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংস্কৃত মূল শব্দের সাথে বাংলা তদ্ভব রূপের ক্ষেত্রে প্রায়শই চন্দ্রবিন্দু এবং স্বরধ্বনির পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।
- তৎসম শব্দের প্রাকৃত বিবর্তিত সহজ রূপই হলো তদ্ভব শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম ও তদ্ভব শব্দের জোড় নির্ণয় প্রায়ই আসে।
- চন্দ্র থেকে চাঁদ, হস্ত থেকে হাত এবং মৎস থেকে মাছ এই রূপান্তরগুলো ব্যাকরণ অংশে খুব জনপ্রিয়।
সঠিক উত্তর: B) পরি + আলোচনা
১. কেন সঠিক:
- পরি উপসর্গের সাথে আলোচনা শব্দের মিলনে পর্যালোচনা শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- ই বা ঈ কারের পর ই বা ঈ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ই বা ঈ স্থানে য ফলা হয়, এই নিয়মে পরি শব্দের ই কার য ফলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের ই ণ সন্ধি বা স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম।
- এখানে পরি শব্দের শেষে ই ধ্বনি এবং আলোচনা শব্দের শুরুতে আ ধ্বনি মিলে য যুক্ত আ অর্থাৎ যা তৈরি করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রতি + এক = প্রত্যেক
ব্যাখ্যা: ই কারের পর এ ধ্বনি থাকায় ই স্থানে য ফলা যুক্ত হয়ে প্রত্যেক শব্দটি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: যদি + অপি = যদিপি
ব্যাখ্যা: ই কারের পর অ ধ্বনি থাকায় ই স্থানে য ফলা যুক্ত হয়ে যদ্যপি শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পর্য + আলোচনা — পর্য কোনো অর্থবহ উপসর্গ বা শব্দ নয়, তাই এই সন্ধি গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
B) পরি + আলোচনা — এটি সঠিক উত্তর।
C) পর্য্য + লোচনা — পর্য্য বানানটি ভুল এবং লোচনা শব্দটির সাথে পরি উপসর্গের মূল মিলনের নিয়ম এখানে মানা হয়নি।
D) পর্য্য + আলোচনা — পর্য্য কোনো সঠিক শব্দ বা উপসর্গ নয়, তাই এটি ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রি বা পরি উপসর্গ যুক্ত শব্দের সন্ধিতে সাধারণত রেফ বা য ফলা আসে।
- পর্যালোচনা শব্দটি ভাঙলে পরি এবং আলোচনা পাওয়া যায়, এটি বারবার চর্চা করলে মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ যোগে গঠিত সন্ধি প্রায়ই আসে।
- ই ণ সন্ধির নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
**প্রশ্নের ধরন শনাক্তকরণ:** ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ / বাংলা ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: প্রদত্ত প্রশ্নে কিছু ত্রুটি রয়েছে। বাংলা বর্ণমালায় 'ক্ষ' একটি যুক্তাক্ষর এবং এটি গঠিত হয় 'ক্' এবং 'ষ' এর যোগে। প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক উত্তরটি সরাসরি নেই, তবে ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী সঠিক রূপটি হলো 'ক্' + 'ষ'।
১. কেন সঠিক:
- বাংলা বর্ণমালায় 'ক্ষ' একটি যৌগিক বর্ণ বা যুক্তবর্ণ।
- এটি মূলত ক এবং ষ এর মিলনে গঠিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বর্ণমালায় চারটি মৌলিক যুক্তবর্ণ রয়েছে যার উচ্চারণ ও গঠন কিছুটা ভিন্ন।
- 'ক্ষ' বর্ণটি ব্যাকরণে ক এবং ষ এর যুক্তরূপ হিসেবে গণ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্ষমা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'ক্ষ' যুক্তবর্ণটি ব্যবহৃত হয়েছে যার গঠন বিশ্লেষণ করলে ক এবং ষ পাওয়া যায়।
উদাহরণ ২: ক্ষতি
ব্যাখ্যা: এখানেও 'ক্ষ' বর্ণটি শব্দের শুরুতে বসেছে এবং এর মূল গঠন একই রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্ত্ + থ্ + ম্ — এটি কোনো পরিচিত মানসম্মত যুক্তবর্ণ নয়।
B) ক্ত্ + ষ — এখানে ক্ত্ অতিরিক্ত থাকায় এটি ভুল।
C) ষ্ + স্ + ম্ — এটি অন্য কোনো যুক্তবর্ণের অংশ হতে পারে, ক্ষ এর নয়।
D) ক্ত্ + থ — এটি ক্ষ এর সঠিক গঠন নির্দেশ করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্ষ লেখার সময় মনে রাখবে এটি ক এবং ষ এর যোগফল।
- যুক্তবর্ণের গঠন ভালোভাবে খেয়াল করলে পরীক্ষা ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যুক্তবর্ণের সঠিক ভাঙা রূপ জানতে চাওয়া হয়।
- প্রমিত বাংলা বানান ও বর্ণমালা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এসব প্রশ্নের উত্তর সহজে দেওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) বহুব্রীহি
১. কেন সঠিক:
নদীমাতৃক শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো নদীই মাতা যার। এটি সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ।
এখানে নদী ও মাতা দুটি ভিন্ন পদ মিলে এমন এক পদ গঠন করেছে যা নদী বা মাতা কোনোটিকে সরাসরি না বুঝিয়ে অন্য একটি বিশেষ অর্থ অর্থাৎ দেশকে নির্দেশ করছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
নদীমাতৃক শব্দটিতে পূর্বপদ বিশেষ্য এবং পরপদ বিশেষ্য হলেও সমস্ত পদটি একটি দেশ বা অঞ্চলকে বিশেষায়িত করার কারণে এটি বহুব্রীহি সমাস হিসেবে গণ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বীণাপাণি
ব্যাখ্যা: বীণা পাণিতে যার, এটি ব্যধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ যা দেবী সরস্বতীকে বোঝায়।
উদাহরণ ২: আয়তলোচনা
ব্যাখ্যা: আয়ত লোচন যার, এটি সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ যা সুন্দর চোখ বিশিষ্ট নারীকে বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু এখানে অন্য পদ বোঝায়।
B) বহুব্রীহি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে সমস্যমান পদগুলোর বাইরে নতুন অর্থ প্রকাশ পায়।
C) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে একটি পদ বিশেষ্য এবং অন্যটি বিশেষণ হয় অথবা দুটিই বিশেষণ বা বিশেষ্য হতে পারে এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়।
D) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বসে এবং অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মাতৃক বা ধন্য শব্দ যুক্ত অনেক শব্দই বহুব্রীহি সমাস হয়। যেমন নদীমাতৃক অর্থ নদী মাতা যার।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ বিশেষ্য এবং পরপদ বিশেষ্য বা বিশেষণ হয়। এই নিয়মটি মনে রাখলে BCS পরীক্ষায় বহুব্রীহি সমাস সহজে চিহ্নিত করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) উনিশ শতকে
১. কেন সঠিক:
- বাংলা গদ্যের প্রকৃত সূচনা ও বিকাশ ঘটে উনিশ শতকে।
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের হাত ধরে উনিশ শতকের শুরুতে গদ্য লেখার আধুনিক ধারার সূত্রপাত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের প্রধান মাধ্যম ছিল পদ্য বা কবিতা।
- উনিশ শতকে এসে গদ্যের জোরালো বিকাশ ঘটে, যাকে বাংলা গদ্যের জন্মলগ্ন বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাজা রামমোহন রায়ের বেদান্তগ্রন্থ
ব্যাখ্যা: উনিশ শতকের শুরুতে বাংলা গদ্যে দর্শন ও সমাজ সংস্কারের কথা লেখা হয়।
উদাহরণ ২: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বেতাল পঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা: উনিশ শতকের মধ্যভাগে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি বাংলা গদ্যের রূপকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নবম শতকে — এই সময়ে বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন চর্যাপদ রচিত হয়, যা গদ্য নয় পদ্য বা গান।
B) ত্রয়োদশ শতকে — ত্রয়োদশ শতকে বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সূচনা হয় এবং সেসময়েও পদ্যে কাব্য রচিত হতো।
C) ষোড়শ শতকে — ষোড়শ শতকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পরবর্তী বৈষ্ণব পদাবলী ও মঙ্গলকাব্য রচিত হয়, যা পদ্যভিত্তিক।
D) উনিশ শতকে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই শতকেই আধুনিক বাংলা গদ্যের সৃষ্টি ও বিকাশ ঘটে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে পদ্যের যুগ হলো প্রাচীন ও মধ্যযুগ, আর গদ্যের যুগ হলো আধুনিক যুগ তথা উনিশ শতক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর উনিশ শতকের ব্যক্তিত্ব।
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮০০ সালে, যা গদ্যের বিকাশে ভূমিকা রাখে।
সঠিক উত্তর: A) ভাষণ
১. কেন সঠিক:
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী 'ভাষণ' শব্দটিতে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে।
- তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে 'ষ' এর পরে সাধারণত মূর্ধন্য ণ বসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নত্ব বিধান অনুযায়ী ট বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য ণ হয়।
- এছাড়া রি, র, ষ এর পরে তৎসম শব্দে সবসময় মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভূষণ
ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে ষ এর পরে ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: শোষণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও মূর্ধন্য ষ এর নিয়মানুসারে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাষণ — এটি প্রমিত ও সঠিক বানান।
B) ভাষন — এই অপশনটিতে ভুল উত্তর দেওয়া হয়েছে কারণ এখানে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে।
C) ভাসন — এখানে বানানে মূল অক্ষর ভুল রয়েছে এবং মূর্ধন্য ণ এর পরিবর্তে দন্ত্য ন আছে।
D) ভাসং — এখানে অনুস্বার ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল বানান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংস্কৃত তৎসম শব্দে ষ এর পরে সর্বদা মূর্ধন্য ণ বসে।
- এই নিয়মের কারণে ভাষণ বানান সবসময় মূর্ধন্য ণ দিয়ে লিখতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নত্ব বিধানের নিয়ম থেকে প্রায়ই বানান সংশোধনের প্রশ্ন আসে।
- রি, র, ষ এর পরে ন না হয়ে ণ হয়, এই নিয়মটি মনে রাখলে এই ধরনের বানান সহজে নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) ভারতচন্দ্র
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের সর্বশেষ এবং অন্যতম প্রতিভাবান কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরকে মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।
তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্য 'অন্নদামঙ্গল' অষ্টাদশ শতকের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও শিল্পসম্মত দীর্ঘ কাব্য।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর নদীয়া জেলার পেঁওড় গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং বর্ধমানের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন।
তাঁর প্রধান সাহিত্যকর্মের মধ্যে অন্নদামঙ্গল, বিদ্যাসুন্দর ও সত্যনারায়নব্রতকথা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের অন্নদামঙ্গল কাব্য।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যের ঈশ্বর পাটনী চরিত্রের উক্তি বরেণ্য লাইন হিসেবে সমাদৃত।
উদাহরণ ২: ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের বিদ্যাসুন্দর কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত লৌকিক প্রেমের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কানাহরি দত্ত — ইনি মধ্যযুগের একজন মনসা মঙ্গল কাব্যের আদি কবি, তবে শ্রেষ্ঠ কবি নন।
B) মুকুন্দ রাম — ইনি মধ্যযুগের চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি হলেও সমগ্র মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ কবি নন।
C) চণ্ডীদাস — ইনি মধ্যযুগের পদাবলি সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি, তবে সমগ্র মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে বিবেচিত হন না।
D) ভারতচন্দ্র — প্রদত্ত প্রশ্ন অনুযায়ী এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি মধ্যযুগের সর্বশেষ ও শ্রেষ্ঠ কবি।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ কবি মনে রাখার জন্য ভারতচন্দ্রের উপাধি গুণাকর এবং তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্য অন্নদামঙ্গল মনে রাখতে পারো।
শেষ যুগে শ্রেষ্ঠ ভারতচন্দ্র এভাবে ছোট একটি ছন্দ মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ কবি কে এই প্রশ্নটি আসে।
একইভাবে বিভিন্ন যুগের শ্রেষ্ঠ কবি বা সাহিত্যিকদের নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে মুখস্থ করা উচিত।
সঠিক উত্তর: B) সংস্কৃত
১. কেন সঠিক:
- গীত গোবিন্দ কাব্যটি দ্বাদশ শতাব্দীতে সংস্কৃত ভাষায় রচিত হয়েছিল।
- এর রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত সংস্কৃত কবি জয়দেব।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- গীত গোবিন্দ সংস্কৃত সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গীতকাব্য এবং জয়দেবের অমর কীর্তি।
- এই কাব্যে শ্রীকৃষ্ণ ও রাধার প্রেমের পৌরাণিক কাহিনী এবং ভক্তিভাব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মেঘদূত
ব্যাখ্যা: এটি মহাকবি কালিদাস কর্তৃক সংস্কৃতে রচিত একটি বিখ্যাত সংস্কৃত কাব্য।
উদাহরণ ২: কুমারসম্ভবম
ব্যাখ্যা: এটিও মহাকবি কালিদাসের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সংস্কৃত মহাকাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাচীন বাংলা — প্রাচীন বাংলায় চর্যাপদ রচিত হলেও গীত গোবিন্দ এই ভাষায় রচিত হয়নি।
B) সংস্কৃত — এই অপশনটি সঠিক এবং জয়দেব এই ভাষাতেই কাব্যটি রচনা করেছিলেন।
C) ব্রজবুলি — ব্রজবুলি কোনো স্বতন্ত্র ভাষা নয়, এটি বাংলা ও মৈথিলীর মিশ্রণে গঠিত একটি কৃত্রিম কাব্যভাষা যা পরবর্তীকালে ব্যবহৃত হয়।
D) অবহট্ঠ — অবহট্ঠ প্রাচীন ও মধ্যযুগের একটি প্রাকৃত ভাষার রূপ, যা গীত গোবিন্দ রচনার মাধ্যম ছিল না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংস্কৃত ভাষার বিখ্যাত গীতকাব্য মনে রাখতে জয়দেব ও গীত গোবিন্দ নামটি একসাথে মনে রাখবে।
- জয়দেব সংস্কৃত ভাষার কবি, তাই তাঁর রচনাও সংস্কৃত ভাষাতেই হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- গীত গোবিন্দ কাব্যের রচয়িতা জয়দেব সেন রাজাদের সভাকবি ছিলেন।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই কাব্যের ভাষা ও রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) বাল্মীকি
১. কেন সঠিক:
মহর্ষি বাল্মীকি সংস্কৃত ভাষার আদি মহাকাব্য রামায়ণের রচয়িতা হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। প্রাচীন ভারতের পৌরাণিক আখ্যান ও শ্রীরামচন্দ্রের জীবনবৃত্তান্ত তাঁরই তপোময় ও কাব্যিক রূপলাবণ্যে মূর্ত হয়ে উঠেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ও প্রাচীনতম মহাকাব্য হলো রামায়ণ। মহর্ষি বাল্মীকি এই বিশাল কাব্যটি শ্লোক ছন্দে রচনা করেছিলেন, যা আদি কাব্য এবং এর রচয়িতাকে আদি কবি বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহাভারত
ব্যাখ্যা: এটি কৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস রচিত ভারতীয় সংস্কৃতির আরেকটি অন্যতম প্রধান ও বিশাল মহাকাব্য।
উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন যা রচনা করেছেন বড়ু চণ্ডীদাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস — ইনি রামায়ণের লেখক নন, বরং হিন্দুধর্মের অন্যতম মহাগ্রন্থ মহাভারতের ঐতিহাসিক রচয়িতা।
B) বাল্মীকি — ইনি রামায়ণের মূল রচয়িতা এবং সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত।
C) কাহ্ন পা — ইনি চর্যাপদের একজন বিশিষ্ট পদকর্তা ও সিদ্ধাচার্য, রামায়ণের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
D) মালাধর বসু — ইনি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্যের প্রখ্যাত অনুবাদক ও রচয়িতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
রামায়ণ শব্দটি মনে রাখতে আদি কবি বাল্মীকি নামটির সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। মহাভারতের ক্ষেত্রে ব্যাসদেব আর রামায়ণের ক্ষেত্রে বাল্মীকি এই পার্থক্যটি মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মহাকাব্য এবং এর রচয়িতা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। রামায়ণের রচয়িতা বাল্মীকি এবং মহাভারতের রচয়িতা কৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস, এই তথ্যটি নিশ্চিত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) লুই পা
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের প্রথম পদটি রচনা করেছিলেন লুই পা এবং ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে তিনিই বাংলা সাহিত্যের আদি কবি। চর্যাপদের প্রথম পদ জয় জয় বাঁদু সুরুঅইঠা গানের রচয়িতা হিসেবে লুই পা কে বাংলা ভাষার প্রথম কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন যা মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। চর্যাপদে সর্বমোট ২৪ জন বা কারও মতে ২৩ জন পদকর্তা পদ রচনা করেছেন যাদের মধ্যে লুই পা সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বা প্রথম পদের রচয়িতা হিসেবে পরিচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লুই পা রচিত চর্যাপদের প্রথম পদটি হলো কায় তরুবর পঞ্চ বি ডাল চঞ্চল চিয়ে পৈঠো কাল।
ব্যাখ্যা: এই পদটিতে মানবদেহকে একটি তরুর সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে যার পাঁচটি ডাল এবং যেখানে পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের নিষ্ক্রিয়তার কথা বলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী একে হাজার বছরের পুরানো বাংলা ভাষার গান হিসেবে প্রমাণ করেছেন।
ব্যাখ্যা: এই আবিষ্কারের মাধ্যমে প্রমাণিত হয় বাংলা ভাষার উৎপত্তি আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাহ্ন পা — ইনি চর্যাপদের সর্বাধিক সংখ্যক অর্থাৎ ১৩ টি পদ রচনা করলেও বাংলা সাহিত্যের আদি কবি নন।
B) ঢেনঢন পা — ইনি চর্যাপদের একজন পদকর্তা যিনি একটিমাত্র পদ রচনা করেছেন কিন্তু আদি কবি নন।
D) ভুশুকু পা — ইনি চর্যাপদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পদকর্তা যিনি আটটি পদ রচনা করেছেন তবে প্রথম পদ বা আদি কবি নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
আদি বা প্রথম বোঝাতে লুই পা নামের শুরুতে ল অক্ষরটি মনে রাখতে পারো কারণ ল তে প্রথম বা লুই পা আসে। চর্যাপদের পদকর্তাদের মধ্যে যার নাম প্রথমে আসে তিনিই আদি কবি লুই পা।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ এবং এর আদি কবি লুই পা সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে আদি কবি লুই পা এবং হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে সর্বমোট পদসংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি।
সঠিক উত্তর: A) much stronger
কেন সঠিক:
- তুলনামূলক ডিগ্রি বা Comparative Adjective-কে আরো বেশি জোর দেওয়ার জন্য তার পূর্বে Intensifier হিসেবে much ব্যবহৃত হয়।
- stronger হলো strong-এর তুলনামূলক রূপ, যার পূর্বে much বসিয়ে তার তীব্রতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) much stronger — এটি সঠিক কারণ তুলনামূলক ডিগ্রির পূর্বে much বসে তীব্রতা প্রকাশ করে।
B) very stronger — ভুল কারণ positive adjective-এর পূর্বে very বসে, কিন্তু comparative adjective-এর পূর্বে very বসে না।
C) more stronger — ভুল কারণ strong শব্দটির তুলনামূলক রূপ গঠনে more যুক্ত হয় না, শুধু -er যুক্ত হয়। দুটি comparative একসঙ্গে ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) so stronger — ভুল কারণ so সাধারণত positive ডিগ্রির পূর্বে বসে, তুলনামূলক ডিগ্রির পূর্বে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
তুলনামূলক ডিগ্রির আগে very বা so বসে না, তার বদলে much ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) adverbial clause
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে underlined অংশটি how দ্বারা শুরু হয়ে Principal clause-এর verb behave-কে modify করেছে।
- verb-কে কীভাবে (how) প্রশ্ন করলে যে adverbial clause পাওয়া যায়, এটি তারই একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) coordinating clause — এটি কোনো স্বাধীন clause নয় এবং এটি coordinating conjunction দ্বারা যুক্ত কোনো সমমানের clause নির্দেশ করে না।
B) adjectival clause — এটি কোনো noun-কে modify করছে না, তাই এটি adjectival clause হতে পারে না।
C) adverbial clause — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি verb-এর কাজের ধরন প্রকাশ করছে।
D) noun clause — এটি বাক্যে কোনো noun-এর কাজ করছে না বা verb-এর object হিসেবে কাজ করছে না।
মনে রাখার টিপস:
প্রধান clause-এর verb-কে কীভাবে বা how দ্বারা প্রশ্ন করে যদি উত্তর পাওয়া যায়, তবে সেটি সাধারণত Adverbial clause হয়।
সঠিক উত্তর: C) Sought
কেন সঠিক:
- বাক্যে It is high time বা It is about time থাকলে এর পরের ক্লজটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়।
- এই নিয়মানুযায়ী সাবজেক্টের পর verb-এর পাস্ট ফর্ম ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে sought সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Seek — এটি প্রেজেন্ট ফর্ম হওয়ায় It is high time এর নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) Need — এটি প্রেজেন্ট ফর্ম হওয়ায় পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের শর্ত পূরণ করে না।
C) Sought — এটি ভার্বের পাস্ট ফর্ম এবং এই নিয়মের জন্য নির্ধারিত সঠিক উত্তর।
D) Apply for — এটি ফ্রেজ এবং প্রেজেন্ট ফর্মে থাকায় শূন্যস্থানে সরাসরি বসে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে Itis high time থাকলে চোখ বন্ধ করে verb-এর পাস্ট ফর্ম বসিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: C) By whom can death be avoided?
কেন সঠিক:
- Who যুক্ত Interrogative Sentence-কে Passive করার সময় Who-এর পরিবর্তে By whom বসে।
- Modal auxiliary verb (can) যুক্ত বাক্যে can-এর পর be বসে এবং মূল verb-এর Past Participle হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) By whom death can be avoided? — এখানে Interrogative করার জন্য subject-এর আগে auxiliary verb (can) বসেনি, যা ভুল।
B) Whom can death be avoided? — এখানে শুরুর দিকে 'By' preposition ব্যবহার করা হয়নি, যা Who-এর passive রূপের ক্ষেত্রে আবশ্যক।
C) By whom can death be avoided? — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল।
D) Who can be avoided by death? — এখানে অর্থের পরিবর্তন হয়ে গেছে, যা মূল বাক্যের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Who যুক্ত Interrogative বাক্যের Passive করতে হলে প্রথমে By whom বসিয়ে তারপর সাহায্যকারী verb এবং object-কে subject বানাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Peak
কেন সঠিক:
- Pinnacle শব্দটির অর্থ সর্বোচ্চ চূড়া, শিখর বা শীর্ষবিন্দু।
- Peak শব্দটির অর্থও পাহাড়ের চূড়া বা সাফল্যের সর্বোচ্চ পর্যায়, যা Pinnacle-এর সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Panacea — এর অর্থ সর্বরোগনিবারক ওষুধ, যা Pinnacle শব্দের সঙ্গে মিলে না।
B) Mountain — এর অর্থ পর্বত, যা সম্পূর্ণ পাহাড় বোঝায় কিন্তু চূড়া বোঝায় না।
C) Peak — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) Pantheon — এর অর্থ বিখ্যাত ব্যক্তিদের স্মারক মন্দির বা দেবালয়, যা এখানে সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Pinnacle শব্দটির ভেতর P অক্ষরটি আছে এবং এর সমার্থক Peak শব্দটির শুরুতেও P অক্ষর আছে।
সঠিক উত্তর: B) The teacher asked me why I had been absent.
কেন সঠিক:
- রিপোর্টিং ভার্ব past tense এ থাকলে এবং রিপোর্টেড স্পিচটি past indefinite tense এ হলে তা পরিবর্তন হয়ে past perfect tense এ রূপান্তর করতে হয়।
- প্রশ্নবোধক বাক্য হওয়ায় said to পরিবর্তিত হয়ে asked হয়েছে এবং wh-word অপরিবর্তিত থেকে সাবজেক্ট ও মূল ভার্ব বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The teacher asked me why I was absent. — এখানে tense এর সঠিক পরিবর্তন করা হয়নি, past indefinite tense কে past perfect tense এ রূপান্তর করতে হবে।
B) The teacher asked me why I had been absent. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী সকল ব্যাকরণগত শর্ত পূরণ করেছে।
C) The teacher asked me why I have been absent. — এখানে present perfect tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা past tense এর নিয়মের সাথে সংগত নয়।
D) The teacher wanted to know why I was absent. — এখানে wanted to know ব্যবহার করা হলেও tense এর নিয়ম অনুযায়ী past indefinite কে past perfect এ পরিবর্তন করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
Direct speech এ past indefinite থাকলে Indirect speech করার সময় তা past perfect tense এ পরিবর্তিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) Things Fall Apart
কেন সঠিক:
- নাইজেরিয়ার বিখ্যাত লেখক চিনুয়া আচেবে ১৯৫৮ সালে এই উপন্যাসটি রচনা করেন।
- ঔপনিবেশিক প্রভাব ও ঐতিহ্যবাহী আফ্রিকান সংস্কৃতির সংঘাত এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Brave New World — এটি অ্যালডাস হাক্সলি রচিত একটি বিখ্যাত সায়েন্স ফিকশন উপন্যাস।
B) The Trial — এটি ফ্রাঞ্জ কাফকা রচিত একটি বিখ্যাত অস্তিত্ববাদী উপন্যাস।
C) Things Fall Apart — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো অপশনের প্রয়োজন নেই।
D) Ulysses — এটি আইরিশ লেখক জেমসল জয়েস রচিত একটি বিশ্বখ্যাত আধুনিকতাবাদী উপন্যাস।
মনে রাখার টিপস:
আচেবে মানেই আফ্রিকান সাহিত্য এবং তার সবচেয়ে বিখ্যাত সৃষ্টি থিংস ফল আপার্ট।
সঠিক উত্তর: D) The most basic and important aspects of something
কেন সঠিক:
- 'Meat and potatoes' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ মাংস ও আলু হলেও রূপক অর্থে এটি কোনো বিষয়ের সবচেয়ে মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোকে বোঝায়।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের খাদ্য বা দৈনন্দিন জীবনভিত্তিক ইডিয়ম থেকে প্রশ্ন আসে, যার অন্তর্নিহিত অর্থ আক্ষরিক অর্থের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A special type of curry — এটি ইডিয়মের রূপক অর্থ বাদ দিয়ে সম্পূর্ণ আক্ষরিক ও ভুল অর্থ প্রকাশ করে।
B) A delicious dish of meat — এটিও রূপক অর্থ বিবেচনা না করে কেবল মাংসের পদের আক্ষরিক অর্থ বোঝাচ্ছে, যা পরীক্ষার প্রেক্ষাপটে ভুল।
C) A simple and ordinary matter — যদিও এখানে সাধারণ বা সরল বিষয়ের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু এটি কোনো বিষয়ের মৌলিক ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোর সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে না।
D) The most basic and important aspects of something — এটি 'meat and potatoes' ইডিয়মের সঠিক ও প্রমিত ভাবার্থ বা রূপক অর্থ নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
খাবারে মাংস ও আলু যেমন আমাদের শরীরের জন্য সবচেয়ে মৌলিক ও পুষ্টিকর ভিত্তি, তেমনি কোনো কাজের ক্ষেত্রে 'Meat and potatoes' হলো তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মূল অংশ।
সঠিক উত্তর: D) Happening outside the normal power of the law
কেন সঠিক:
- Extrajudicial শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো বিচারবহির্ভূত বা আইনের স্বাভাবিক ক্ষমতার বাইরে ঘটিত।
- এটি মূলত আইনি প্রক্রিয়া বা আদালতের এখতিয়ারের বাইরে কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়াকে নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Extra facility for judges — এটি বিচারকদের অতিরিক্ত সুবিধাকে বোঝায়, যা শব্দের আসল অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) Judicious — এর অর্থ বিচক্ষণ বা বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন, যা ইতিবাচক অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এর সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
C) A criminal activity — অপরাধমূলক কার্যক্রম একটি ব্যাপক ধারণা, কিন্তু সব অপরাধ বিচারবহির্ভূত হয় না।
D) Happening outside the normal power of the law — এটি সঠিক, কারণ শব্দটির মূল গঠন অনুসারে এটি আইনের স্বাভাবিক ক্ষমতার বাইরের কাজ বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
Extra শব্দের অর্থ বাইরে এবং judicial শব্দের অর্থ আইনি, তাই একত্রে অর্থ দাঁড়ায় আইনের বাইরে বা বিচারবহির্ভূত।
সঠিক উত্তর: C) New
কেন সঠিক:
- 'Shabby' শব্দটির বাংলা অর্থ হলো নোংরা, জীর্ণ বা পুরাতন।
- এর সঠিক বিপরীতার্থক বা এন্টোনিম হলো 'New', যার অর্থ নতুন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Honesty — এর অর্থ সততা, যা কোনো বস্তুর অবস্থা বা বৈশিষ্ট্যের বিপরীত শব্দ নয়।
B) Sagacious — এর অর্থ বিচক্ষণ বা জ্ঞানী, যা মানুষের বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত।
C) New — সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত কারণ এটি জীর্ণ বা পুরাতন বোঝানো 'shabby' শব্দের বিপরীত।
D) Dirty — এর অর্থ নোংরা, যা 'shabby' শব্দের সমার্থক বা সিনোনিম।
মনে রাখার টিপস:
শাবি (Shabby) মানে পুরোনো ও ভাঙাচোরা, আর তার উল্টো হলো নতুন (New)।
সঠিক উত্তর: B) Pedagogy
কেন সঠিক:
- Pedagogy শব্দটি এসেছে গ্রীক শব্দ paidagogos থেকে, যার অর্থ শিক্ষাদান বিজ্ঞান বা শিক্ষা পদ্ধতি।
- এটি মূলত শিখন প্রক্রিয়া, শিক্ষণ কৌশল এবং শিক্ষার্থীদের অর্জিত জ্ঞানের মূল্যায়নের বিজ্ঞানসম্মত চর্চা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Phonetics — এটি ভাষা বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা মানুষের বাক-ধ্বনি বা উচ্চারণের শারীরিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করে।
B) Pedagogy — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সরাসরি পাঠদান কৌশল এবং শিক্ষণ বিজ্ঞানকে নির্দেশ করে।
C) Ethics — এটি দর্শনশাস্ত্রের একটি শাখা যা মানব আচরণ, নৈতিকতা এবং ভাল-মন্দের মানদণ্ড নিয়ে আলোচনা করে।
D) Phonology — এটি ভাষা বিজ্ঞানের সেই শাখা যা কোনো নির্দিষ্ট ভাষার ধ্বনিগত ব্যবস্থা এবং তার নিয়ম নিয়ে কাজ করে।
মনে রাখার টিপস:
শিশু বা ছাত্র পড়ানো সংক্রান্ত বিজ্ঞান হলো Pedagogy, তাই শিশুর শিক্ষা মানেই Pedagogy।
সঠিক উত্তর: A) Etiquette
কেন সঠিক:
- বানানটির মূল ফরাসি শব্দে শেষের দিকে -ette প্রত্যয় যুক্ত থাকে যা সঠিক বানান নির্ধারণে সাহায্য করে।
- এই শব্দটিতে ডাবল t এবং ডাবল q বা অন্য কোনো জটিলতার পরিবর্তে -ette ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Etiquette — এটি সঠিক বানান।
B) Etiquitte — শেষের অংশ -itte লেখার কারণে এটি ভুল।
C) Etiquete — এখানে একটি t কম থাকায় বানানটি ভুল হয়েছে।
D) Etyquette — শুরুর দিকে i এর পরিবর্তে y ব্যবহারের কারণে এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটির শেষে -uette আছে মনে রাখলেই সঠিক বানান সহজেই চিহ্নিত করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) Eugene O' Neill
কেন সঠিক:
- ইউজিন ও'নিল বিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত মার্কিন নাট্যকার যিনি এক্সপ্রেশনিজম বা অভিব্যক্তিবাদের জন্য পরিচিত।
- দ্য হেয়ারি এইপ নাটকটি আধুনিক যন্ত্রসভ্যতায় মানুষের বিচ্ছিন্নতাবোধ ও যান্ত্রিক দাসত্ব তুলে ধরেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Eugene O' Neill — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
B) William Shakespeare — তিনি এলিজাবেথান যুগের বিখ্যাত ইংরেজ নাট্যকার ছিলেন, এই আধুনিক মার্কিন নাটকের রচয়িতা নন।
C) Ben Jonson — তিনি রেনেসাঁ যুগের একজন ইংরেজ নাট্যকার ও কবি ছিলেন, আমেরিকান নাটকের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
D) G.B Shaw — তিনি বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার ও সমালোচক ছিলেন, যার বিখ্যাত নাটক ম্যান অ্যান্ড সুপারম্যান।
মনে রাখার টিপস:
বানর বা হেয়ারি এইপের মতো আদিম প্রবৃত্তি ও আধুনিক মানুষের যান্ত্রিক জীবন নিয়ে নাটক লিখেছেন মার্কিন নাট্যকার ইউজিন ও'নিল।
সঠিক উত্তর: B) Acquittal
কেন সঠিক:
- 'Acquit' হলো একটি ভার্ব যার অর্থ অব্যাহতি দেওয়া, এবং এর সঠিক নাউন রূপ হলো 'acquittal'।
- ভার্ব বা অন্য কোনো শব্দের শেষে '-al' যুক্ত করে ইংরেজিতে অনেক সময় নাউন গঠন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Acquition — এটি একটি ভুল বানান বা বিভ্রান্তিকর শব্দ, যার ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো ভিত্তি নেই।
B) Acquittal — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি 'acquit' শব্দের সঠিক নাউন রূপ।
C) Acquitation — শব্দটির বানান সঠিক নয় এবং এটি কোনো গ্রহণযোগ্য নাউন রূপ নয়।
D) Acquitasision — এটি একটি ভুল বানানযুক্ত শব্দ এবং শব্দের গঠনের নিয়ম অনুযায়ী এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
'Acquit' ভার্বের শেষে '-al' যোগ করে নাউন 'Acquittal' তৈরি হয়, যেমন 'Deny' থেকে 'Denial' হয়।
সঠিক উত্তর: A) The lady guest proceeded as though I had not spoken.
কেন সঠিক:
- as if বা as though এর আগের অংশ Present Tense হলে পরের অংশ Past Indefinite Tense হয়।
- আগের অংশ Past Tense হলে as if বা as though এর পরের অংশ Past Perfect Tense হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The lady guest proceeded as though I had not spoken. — এটি সঠিক কারণ মূল ক্লজটি Past Tense (proceeded) এ থাকায় পরের অংশে Past Perfect Tense (had not spoken) ব্যবহৃত হয়েছে।
B) The lady guest proceeded as though I did not speak. — এটি ভুল কারণ মূল ক্লজ Past Tense হওয়ায় সাবঅর্ডিনেট ক্লজে Past Indefinite ব্যবহার না করে Past Perfect ব্যবহার করতে হয়।
C) The lady guest proceeded as though I have not spoken. — এটি ভুল কারণ Present Perfect Tense (have not spoken) কখনো Past Tense এর পরের as though ক্লজে বসে না।
D) The lady guest proceeded as though I would not speak. — এটি ভুল কারণ কল্পনা বা অবাস্তব অর্থ প্রকাশ করতে as though এর পরে would নয় বরং Past Perfect Tense বসে।
মনে রাখার টিপস:
as if বা as though এর নিয়ম হলো বাঁয়ে পাস্ট টেন্সে থাকলে ডানে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হবে।
সঠিক উত্তর: A) But for
কেন সঠিক:
- But for একটি ফ্রেজ যার অর্থ বিনা বা ব্যতীত, যা বাক্যেConditional Sentence-এর তৃতীয় কন্ডিশনালের অর্থ প্রকাশ করে।
- প্রদত্ত বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় যে, তোমার সময়মতো সাহায্য না পেলে আমি ফেল করতাম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) But for — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ছাড়া বা ব্যতীত অর্থে তৃতীয় কন্ডিশনালে ব্যবহৃত হয়।
B) For — এটি বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না এবং ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
C) Despite — এর অর্থ সত্ত্বেও, যা বসালে বাক্যটির অর্থ বিপরীত ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়ে যায়।
D) Unless — এর অর্থ যদি না, যা বসালে বাক্যের গঠন এবং অর্থ উভয়ই ভুল প্রমাণিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে শূন্যস্থান এবং পরবর্তীতে would have থাকলে সাধারণত But for ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) a gerund
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে swimming শব্দটি preposition 'of' এর পরে বসেছে এবং এটি noun এর কাজ করেছে।
- verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যখন একই সাথে verb ও noun এর কাজ করে, তখন তাকে gerund বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a verb — এটি শুধুমাত্র verb হিসেবে কাজ করছে না, বরং noun এর কাজও করছে তাই এটি সরাসরি verb নয়।
B) a present participle — এটি noun এর কাজ করেছে, কোনো adjective বা روان অবস্থা বোঝাচ্ছে না তাই এটি participle নয়।
C) a gerund — এটি সঠিক কারণ এটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করেছে।
D) an adverb — এটি কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো adverb এর বিশেষায়িত রূপ নয় তাই এটি adverb নয়।
মনে রাখার টিপস:
preposition এর পরে verb এর সাথে ing থাকলে সেটি সবসময় gerund হয়।
সঠিক উত্তর: B) no article
কেন সঠিক:
- by এবং air-এর মাঝে কোনো Article বসে না কারণ by air একটি বহুল ব্যবহৃত Idiomatic Phrase বা Adverbial Phrase।
- যাতায়াত মাধ্যম বোঝাতে air শব্দের পূর্বে কোনো Determiner বা Article ব্যবহারের নিয়ম নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the — নির্দিষ্ট কোনো আকাশ বা বায়ুকে বোঝায় না বিধায় এখানে Definite Article বসবে না।
B) no article — প্রদত্ত বাক্যটির নিয়ম অনুযায়ী এখানে কোনো Article বসবে না এবং এটি সঠিক উত্তর।
C) a — Singular countable noun না হওয়ায় air শব্দের পূর্বে Indefinite Article বসবে না।
D) an — Vowel দিয়ে শুরু হলেও uncountable noun এবং Phrase-এর নিয়মের কারণে এখানে Article বসবে না।
মনে রাখার টিপস:
by train, by bus, by air-এর মতো যাতায়াত মাধ্যমের পূর্বে সাধারণত কোনো Article বসে না।
বিষয় ও ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Idioms and Phrases / Translation)
সঠিক উত্তর: B) Reading by a bird's eye view will not do.
কেন সঠিক:
- 'ভাসা ভাসা পড়ায় কাজ হবে না' বাক্যটির ভাবানুবাদ বা সঠিক ইংরেজি রূপ হলো পাখির চোখের দৃষ্টি বা ওপর থেকে দেখার মতো ভাসা ভাসা পড়াশোনা কোনো সুফল দেয় না।
- 'By a bird's eye view' বা 'at a bird's eye view' একটি প্রচলিত ইডিয়ম, যার অর্থ ওপর থেকে বা ভাসা ভাসাভাবে কোনো কিছু দেখা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Reading by fits and starts will not do. — 'By fits and starts' অর্থ অনিয়মিতভাবে, যা ভাসা ভাসা পড়ার সঠিক ইংরেজি নয়।
B) Reading by a bird's eye view will not do. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ভাসা ভাসা পড়ার সঠিক ইংরেজি রূপ।
C) Reading at a glance will not do. — 'At a glance' অর্থ এক পলকে বা প্রথম দেখাতেই, যা এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে প্রযোজ্য নয়।
D) Reading intermittently will not do. — 'Intermittently' অর্থ বিরতি দিয়ে দিয়ে বা থেমে থেমে, যা ভাসা ভাসা পড়ার অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
পাখির ওড়ার মতো ওপর থেকে ভাসা ভাসা দেখার ইংরেজি হলো 'bird's eye view'।
সঠিক উত্তর: C) Polyglot
কেন সঠিক:
- Polyglot শব্দটি বিবাহ সংক্রান্ত নয়, বরং এটি এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি একাধিক ভাষা জানেন বা বলতে পারেন।
- ম্যারেজ বা বিবাহ সংক্রান্ত শব্দের সঙ্গে এই শব্দটির কোনো সম্পর্ক নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Monogamy — এটি একবিবাহ প্রথাকে বোঝায়, যা বিবাহ সম্পর্কিত একটি শব্দ।
B) Polyandry — এটি বহুবিবাহ প্রথাকে বোঝায় যেখানে একজন নারীর একাধিক স্বামী থাকে।
C) Polyglot — এটি ভাষা সম্পর্কিত শব্দ হওয়ায় এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) Polygamy — এটি বহুবিবাহ প্রথাকে বোঝায় যা বিবাহ সম্পর্কিত একটি শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটির শুরুতে থাকা Poly শব্দটির অর্থ বহু এবং শেষে থাকা glot শব্দটির সংযোগ গ্লটোলোজি বা ভাষা বিজ্ঞানের সঙ্গে।
সঠিক উত্তর: B) No sooner had he seen me than he ran away.
কেন সঠিক:
- No sooner had এর পর Past Participle এবং পরবর্তী ক্লজে Past Indefinite Tense ব্যবহৃত হয়।
- No sooner এর সাথে সবসময় than যুক্ত হয়, অন্য কোনো conjunction বসে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) No sooner had he seen me before he ran away. — No sooner এর সাথে before ব্যবহৃত হয় না, সঠিক conjunction হলো than।
B) No sooner had he seen me than he ran away. — এটি সঠিক অপশন কারণ গঠন ও নিয়ম সম্পূর্ণ নির্ভুল রয়েছে।
C) Hardly he saw me when he ran away. — এটি ভুল কারণ Hardly বা Scarcely এর পর Subject এর আগে auxiliary verb বসে এবং এখানে had নেই।
D) Scarcely had he scen me than he ran away. — এখানে Scarcely এর সাথে than ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, কারণ Scarcely এর সাথে when বা before বসে।
মনে রাখার টিপস:
No sooner থাকলে than বসে, আর Scarcely বা Hardly থাকলে when বা before বসে।
সঠিক উত্তর: C) across
কেন সঠিক:
- কোনো নির্দিষ্ট এলাকার চারদিকে বা সমস্ত অংশ জুড়ে কোনো কিছু ছড়িয়ে পড়া বোঝালে preposition হিসেবে across ব্যবহৃত হয়।
- এখানে সারা পৃথিবী জুড়ে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার অর্থ প্রকাশ করায় across সঠিক preposition হিসেবে বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on — কোনো তলের উপরে স্পর্শ করে অবস্থান বোঝাতে on বসে, যা এই বাক্যের ভাবের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
B) into — কোনো কিছুর ভেতরে প্রবেশ করা বা গতিশীল অবস্থা বোঝাতে into ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) across — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) above — কোনো কিছুর উপরে উচ্চতা বোঝাতে, যা স্পর্শ করে থাকে না, এমন ক্ষেত্রে above বসে।
মনে রাখার টিপস:
সারা পৃথিবী বা কোনো বিশাল এলাকা জুড়ে কোনো কিছু ছড়িয়ে পড়া বা ব্যাপৃত হওয়া বোঝালে সর্বদা across preposition ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) Avoid
কেন সঠিক:
- 'Fight shy of' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ কোনো কিছু এড়িয়ে চলা বা দূরে থাকা।
- প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই বাগধারার আক্ষরিক ও ভাবার্থের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Avoid — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি 'fight shy of' বাগধারাটির সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
B) Quarrel — এর অর্থ ঝগড়া করা, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
ফ্রি
C) Flee — এর অর্থ পালিয়ে যাওয়া, যা কোনো দায়িত্ব বা কাজ থেকে সচেতনভাবে দূরে থাকাকে বোঝায় না।
D) Struggle — এর অর্থ সংগ্রাম করা, যা এই বাগধারার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
'Fight shy' মানে লড়াই করতে লজ্জা পাওয়া বা পিছিয়ে আসা, অর্থাৎ কোনো কিছু এড়িয়ে চলা (Avoid)।
সঠিক উত্তর: D) Viruses
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ভাষা ও ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী লাতিন বা গ্রিক মূলের কিছু শব্দের সঙ্গে সাধারণত -es বা -s যোগ করে বহুবচন করা হয়।
- virus শব্দটি আধুনিক ইংরেজিতে ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাধারণ নিয়মে শেষে -es যোগ করে viruses বহুবচন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Viriri — এই রূপটি ইংরেজি ব্যাকরণে বা লাতিন উৎসে সঠিক নয় এবং এটি একটি কাল্পনিক শব্দ।
B) Viratum — এটি কোনো স্বীকৃত বহুবচন রূপ নয় এবং ইংরেজি বা লাতিন ব্যাকরণের নিয়মের সঙ্গে মেলে না।
C) Many virus — ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী countable noun-এর ক্ষেত্রে singular শব্দের আগে many ব্যবহার করে plural করা যায় না।
D) Viruses — এটি সঠিক বহুবচন রূপ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
virus শব্দের শেষে us থাকলে আধুনিক ইংরেজিতে সাধারণত es যোগ করে viruses বহুবচন তৈরি করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) for
কেন সঠিক:
- Compensate verb-টির পর কোনো ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া অর্থে সাধারণত for preposition বসে।
- এখানে the loss ক্ষতি নির্দেশ করায় এর পূর্বে সঠিক preposition হিসেবে for ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) of — Compensate-এর পর সাধারণত of বসে না কারণ এটি সঠিক collocation গঠন করে না।
B) with — কোনো ব্যক্তির সাথে ক্ষতিপূরণ বোঝাতে with বসে না, তাই এই অপশনটি এখানে ভুল।
C) for — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ক্ষতি বা ভুলের জন্য ক্ষতিপূরণ বোঝাতে compensate-এর পরে for বসে।
D) about — কোনো বিষয়ের সম্পর্কে বোঝাতে about বসে, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
ক্ষতি পূরণের ক্ষেত্রে ক্ষতির কারণ বোঝাতে Compensate-এর পর সবসময় for ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ২
দ্বিতীয় সংখ্যা = ৫
তৃতীয় সংখ্যা = ৬
ধরি,
চতুর্থ সমানুপাতী = ক
অতএব,
প্রথম সংখ্যা ÷ দ্বিতীয় সংখ্যা = তৃতীয় সংখ্যা ÷ চতুর্থ সমানুপাতী
২ ÷ ৫ = ৬ ÷ ক
সুতরাং,
২ × ক = ৫ × ৬
২ × ক = ৩০
উত্তর: ক = ৩০ ÷ ২ = ১৫
সঠিক উত্তর: A) পরিসীমা অপেক্ষা ক্ষুদ্রতর
প্রদত্ত তথ্য:
মনে করি, একটি ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য ক, খ এবং গ
ত্রিভুজটির মধ্যমাগুলোর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে প, ফ এবং ব
ধরি,
ত্রিভুজের যেকোনো দুই বাহুর সমষ্টি তৃতীয় বাহু অপেক্ষা বৃহত্তর
অর্থাৎ (ক + খ) > প এবং অন্যান্য বাহুর ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য
অতএব,
ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয়ের সমষ্টি নির্ণয়ের জন্য জ্যামিতিক অসমতা ব্যবহার করা হয়
প্রতিটি মধ্যমার দৈর্ঘ্য সংশ্লিষ্ট বাহুদ্বয়ের অর্ধপরিসীমার সাথে তুলনা করা হয়
সুতরাং,
তিনটি মধ্যমার যোগফল ত্রিভুজটির বাহুগুলোর যোগফল অর্থাৎ পরিসীমার চেয়ে ছোট হয়
তাই মধ্যমাত্রয়ের সমষ্টি ত্রিভুজের পরিসীমা অপেক্ষা ক্ষুদ্রতর হয়
উত্তর: A) পরিসীমা অপেক্ষা ক্ষুদ্রতর
সঠিক উত্তর: B) π/২
প্রদত্ত তথ্য:
একটি বৃত্ত এবং তার উপর একটি স্পর্শক দেওয়া আছে
স্পর্শবিন্দু দিয়ে বৃত্তের একটি ব্যাসার্ধ অঙ্কন করা হলো
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র ও স্পর্শবিন্দু নির্দিষ্ট করা হলো
স্পর্শক এবং ব্যাসার্ধের মধ্যবর্তী কোণ নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
জ্যামিতির উপপাদ্য অনুসারে স্পর্শক সবসময় ব্যাসার্ধের উপর লম্ব হয়
লম্ব হওয়ার কারণে উৎপন্ন কোণের পরিমাণ নব্বই ডিগ্রি হয়
সুতরাং,
নব্বই ডিগ্রির রেডিয়ান মান পাই ভাগ দুই হয়
উত্তর: B) π/২
সঠিক উত্তর: A) উপবৃত্ত
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো তিন গুণ এক্স স্কয়ার প্লাস চার গুণ ওয়াই স্কয়ার সমান বারো
ধরি,
সমীকরণটির আদর্শ রূপ পেতে হলে ডানপক্ষ এক হতে হবে
অতএব,
সমীকরণের উভয়পক্ষকে বারো দিয়ে ভাগ করতে হবে
সুতরাং,
এক্স স্কয়ার ভাগ চার প্লাস ওয়াই স্কয়ার ভাগ তিন সমান এক হয়
উত্তর: A) উপবৃত্ত
সঠিক উত্তর: A) ৩০°
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো cosθ − sin(২θ) = ০
ধরি,
sin(২θ) = ২sinθcosθ
সমীকরণটি দাঁড়ায় cosθ − ২sinθcosθ = ০
অতএব,
cosθ(১ − ২sinθ) = ০
এখান থেকে লেখা যায় cosθ = ০ অথবা ১ − ২sinθ = ০
সুতরাং,
১ − ২sinθ = ০ হলে sinθ = ১ ÷ ২
আমরা জানি sin(৩০°) = ১ ÷ ২
উত্তর: ৩০°
সঠিক উত্তর: B) ৪/১১
প্রদত্ত তথ্য:
১০ থেকে ২০ পর্যন্ত মোট সংখ্যা রয়েছে ১১টি
এই সংখ্যাগুলো হলো ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২০
ধরি,
মোট সম্ভাব্য ফলাফল বা ঘটনার সংখ্যা = ১১
মৌলিক সংখ্যাগুলো চিহ্নিত করা হলো
অতএব,
১০ থেকে ২০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ১১, ১৩, ১৭, ১৯
এই মৌলিক সংখ্যাগুলোর মোট পরিমাণ = ৪টি
সুতরাং,
মৌলিক সংখ্যা পাওয়ার সম্ভাবনা = অনুকূল ফলাফল ÷ মোট ফলাফল
উত্তর: ৪/১১
সঠিক উত্তর: B) ৫n + ৩
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো আট যোগ তেরো যোগ আঠারো ডট ডট ডট
এটি একটি সমান্তর ধারা
ধরি,
প্রথম পদ a = আট
সাধারণ অন্তর d = তেরো বিয়োগ আট = পাঁচ
অতএব,
সমান্তর ধারার n তম পদের সূত্র হলো
a যোগ বন্ধনী শুরু n বিয়োগ এক বন্ধনী শেষ গুণ d
সুতরাং,
আট যোগ বন্ধনী শুরু n বিয়োগ এক বন্ধনী শেষ গুণ পাঁচ
সমান আট যোগ পাঁচ n বিয়োগ পাঁচ
উত্তর: পাঁচ n যোগ তিন
সঠিক উত্তর: A) ২
প্রদত্ত তথ্য:
মূল সংখ্যাটি হলো ৬৫৮৯
এর সাথে একটি ক্ষুদ্রতম সংখ্যা যোগ করতে হবে
ধরি,
সংখ্যাটি হলো ৬৫৮৯
এর কাছাকাছি পূর্ণবর্গ সংখ্যাটি বের করতে হবে
অতএব,
৮১ এর বর্গ = ৬৫৬১
৮২ এর বর্গ = ৬৭২৪
সুতরাং,
৬৭২৪ এবং ৬৫৫৮ এর পার্থক্য বের করতে হবে
৬৭২৪ − ৬৫৫৮ = ২
উত্তর: ২
সঠিক উত্তর: D) −৩/২
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ৪ এর উপরে x + ৪ এবং ডানপাশে ৩২
ধরি,
৪ কে দুই এর ভিত্তим রূপে লেখা যায় যেমন দুই এর বর্গ চার
৩২ কে দুই এর ঘাত রূপে লেখা যায় যেমন দুই এর পাঁচ ঘাত বত্রিশ
অতএব,
বামপক্ষের ভিত্তির উপরে দুই গুণ x + চার লেখা যায়
ডানপক্ষের ভিত্তির উপরে পাঁচ লেখা যায়
সুতরাং,
দুই গুণ x যোগ আট সমান পাঁচ লেখা যায়
দুই গুণ x সমান পাঁচ বিয়োগ আট লেখা যায়
উত্তর: x সমান মাইনাস তিন ভাগ দুই
সঠিক উত্তর: D) ৪০০০
প্রদত্ত তথ্য:
অনুপস্থিত ছাত্রের সংখ্যা = ১৩৫ জন
অনুপস্থিতির হার = ৩%
ধরি,
স্কুলের মোট ছাত্র সংখ্যা = ক জন
অতএব,
ক এর ৩% = ১৩৫
ক × (৩ ÷ ১০০) = ১৩৫
সুতরাং,
ক = (১৩৫ × ১০০) ÷ ৩
ক = ৪৫০০
উত্তর: ৪৫০০ জন
সঠিক উত্তর: C) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
x − (১ ÷ x) = ১
ধরি,
রাশিটি হলো x³ − (১ ÷ x³)
অতএব,
সূত্র প্রয়োগ করে পাই,
(x − (১ ÷ x))³ + ৩ × x × (১ ÷ x) × (x − (১ ÷ x))
সুতরাং,
মান বসিয়ে পাই, (১)³ + ৩ × ১
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: A) ১
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো (x^p ÷ x^q)^(p+q) × (x^q ÷ x^r)^(q+r) × (x^r ÷ x^p)^(r+p)
ধরি,
সূচকের নিয়ম অনুযায়ী ভাগ থাকলে পাওয়ার বিয়োগ হয়
তাই প্রথম অংশটি হলো x^(p−q) এর সাথে (p+q) এর গুণফল
অতএব,
প্রথম অংশের মান হলো x^(p^2 − q^2)
একইভাবে দ্বিতীয় অংশের মান হলো x^(q^2 − r^2) এবং তৃতীয় অংশের মান হলো x^(r^2 − p^2)
সুতরাং,
গুণের সময় বেস এক থাকলে পাওয়ারগুলো যোগ হয়
ফলে x এর মাথার উপর সব পাওয়ার যোগ হয়ে শূন্য হয়
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: C) ৩০,০০০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
খরচ ১/২ অংশ থেকে কমে ১/৩ অংশ হলে ৫,০০০ টাকা কম খরচ হয়
ধরি,
ব্যক্তির মোট আয় = ক টাকা
অতএব,
প্রথম খরচ = ক ÷ ২ টাকা
দ্বিতীয় খরচ = ক ÷ ৩ টাকা
খরচের পার্থক্য = (ক ÷ ২) − (ক ÷ ৩) টাকা
সুতরাং,
প্রশ্নমতে, (ক ÷ ২) − (ক ÷ ৩) = ৫,০০০
উত্তর: ক এর মান ৩০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর: C) ৪৯৫০
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো ১ + ২ + ৩ + ৪ + ...... + ৯৯
এখানে শেষ পদ = ৯৯
ধরি,
প্রথম পদ = ১
পদের সংখ্যা n = ৯৯
অতএব,
সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র হলো (n × (n + ১)) ÷ ২
এখানে n এর মান ৯৯ বসাতে হবে
সুতরাং,
যোগফল = (৯৯ × (৯৯ + ১)) ÷ ২
যোগফল = (৯৯ × ১০০) ÷ ২ = ৪৯৫০
উত্তর: ৪৯৫০
সঠিক উত্তর: A) সামরিক
কেন সঠিক:
- ন্যাটো হলো উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলের দেশগুলোর একটি সামরিক জোট, যার মূল উদ্দেশ্য সম্মিলিত প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করা।
- এই জোটের সদস্য দেশগুলোর ওপর কেউ আক্রমণ করলে তা সবার ওপর আক্রমণ বলে গণ্য করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সামরিক — এটি একটি সামরিক জোট হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) রাজনৈতিক — এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে গঠিত হয়নি, এর মূল ভিত্তি হলো সামরিক প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা।
C) সামাজিক — সামাজিক কল্যাণ বা উন্নয়নের জন্য এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটি গঠিত হয়নি।
D) সাংস্কৃতিক — সাংস্কৃতিক বিনিময় বা প্রসারের উদ্দেশ্যে এই সামরিক জোটটি প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
ন্যাটো নামের ভেতরেই নিরাপত্তার বিষয়টি জড়িত, তাই এটি একটি সামরিক জোট।
সঠিক উত্তর: A) একটি চিত্রকর্ম
কেন সঠিক:
- ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন ও তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিখ্যাত চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের আঁকা একটি ঐতিহাসিক চিত্রকর্ম হলো মনপুরা ৭০।
- শিল্পকলায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পটভূমি ও গ্রামীণ জনপদের মানুষের কষ্ট ফুটিয়ে তোলার জন্য এটি বিশেষভাবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি চিত্রকর্ম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের একটি বিখ্যাত শিল্পকর্ম।
B) একটি ভাস্কর্য — এটি কোনো ভাস্কর্য নয়, যদিও বাংলাদেশে মনপুরা নামে ভাস্কর্য থাকতে পারে তবে এই নির্দিষ্ট নামটি চিত্রকর্মের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
C) একটি উপন্যাস — এটি কোনো সাহিত্যকর্ম বা উপন্যাস নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
D) একটি চলচ্চিত্র — মনপুরা নামে একটি জনপ্রিয় চলচ্চিত্র থাকলেও 'মনপুরা ৭০' কোনো চলচ্চিত্র নয়, এটি একটি চিত্রকর্ম।
মনে রাখার টিপস:
মনপুরা ৭০ নামের শেষে সাল ও চিত্রকর্মের সম্পর্ক মনে রাখতে শিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের ঐতিহাসিক চিত্রকর্ম হিসেবে এটি মাথায় রাখবেন।
সঠিক উত্তর: A) রাষ্ট্রপতি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রে নিযুক্ত বিদেশি রাষ্ট্রদূত বা হাইকমিশনারগণ তাদের নিয়োগপত্র বা পরিচয়পত্র মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করেন।
- এটি রাষ্ট্রপ্রধানের একটি সাংবিধানিক ও কূটনৈতিক প্রটোকল, যার মাধ্যমে বৈদেশিক কূটনৈতিক সম্পর্ক আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাষ্ট্রপতি — এই অপশনটি সঠিক কারণ রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তিনি বিদেশি কূটনীতিকদের পরিচয়পত্র গ্রহণ করেন।
B) প্রধানমন্ত্রী — তিনি সরকারপ্রধান এবং নির্বাহী ক্ষমতার প্রধান হলেও কূটনৈতিক পরিচয়পত্র গ্রহণের সাংবিধানিক এখতিয়ার তার নেই।
C) স্পীকার — তিনি জাতীয় সংসদের প্রধান এবং আইনসভার কার্যক্রম পরিচালনা করেন, কূটনৈতিক প্রটোকলের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
D) পররাষ্ট্রমন্ত্রী — তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হলেও রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র গ্রহণের এখতিয়ার কেবল রাষ্ট্রপতির।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদ হলো রাষ্ট্রপতি, তাই বিদেশি দূতগণ দেশের সর্বোচ্চ ব্যক্তির কাছেই প্রথম পরিচয়পত্র পেশ করেন।
সঠিক উত্তর: C) ৫০
কেন সঠিক:
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষিত আছে।
- সরাসরি নির্বাচিত ৩০০টি আসনের পাশাপাশি এই সংরক্ষিত আসনগুলো নারী সংসদ সদস্যদের জন্য নির্ধারিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪০ — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা কখনোই ৪০টি ছিল না।
B) ৩৫ — এটি ভুল কারণ অতীতে সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৩০ এবং ৪৫ থাকলেও ৩৫ ছিল না।
C) ৫০ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বর্তমান বিধান অনুযায়ী এটিই সঠিক।
D) ৩০ — এটি ভুল কারণ পূর্বে সংরক্ষিত নারী আসন ৩০টি থাকলেও সংবিধানে তা বাড়িয়ে প্রথমে ৪৫ এবং বর্তমানে ৫০ করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
জাতীয় সংসদের সাধারণ আসন ৩০০ এবং সংরক্ষিত নারী আসন ৫০, অর্থাৎ মোট আসন সংখ্যা সাড়ে তিনশ (৩৫০)।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৭১
কেন সঠিক:
- বিশ্বের প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচটি ১৯৭১ সালের ৫ জানুয়ারি মেলবোর্নে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- টেস্ট ম্যাচ বৃষ্টির কারণে বাতিল হওয়ায় অতিরিক্ত সময় হিসেবে এই সীমিত ওভারের ম্যাচটি খেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭০ — এই সালে আন্তর্জাতিক একদিনের ক্রিকেট ম্যাচের কোনো আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়নি।
B) ১৯৭১ — এই সালেই ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচটি সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
C) ১৯৭২ — এই সালটি প্রথম একদিনের ম্যাচের পর অর্থাৎ পরের বছর হওয়ায় সঠিক নয়।
D) ১৯৭৫ — এই সালে প্রথম ক্রিকেট বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল, কিন্তু প্রথম ওয়ানডে ম্যাচটি এর চার বছর আগেই শুরু হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধের সালেই বিশ্বের প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ শুরু হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) James Webb space Telescope
কেন সঠিক:
- এটি ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর মহাশূন্যে প্রেরিত সর্বাধুনিক ও সবচেয়ে বড় ইনফ্রারেড স্পেস টেলিস্কোপ।
- হাবল টেলিস্কোপের উত্তরসূরি হিসেবে মহাবিশ্বের প্রাচীনতম গ্যালাক্সি ও নক্ষত্রের জন্মরহস্য উন্মোচনে এটি কাজ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Kepler Space Telescope — এটি মূলত সৌরমন্ডলের বাইরে অবস্থিত বহির্গ্রহ বা এক্সোপ্ল্যানেট আবিষ্কারের উদ্দেশ্যে প্রেরিত হয়েছিল, যা ২০২১ সালের ডিসেম্বরে মহাশূন্যে পাঠানো হয়নি।
B) James Webb space Telescope — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর মহাশূন্যে সফলভাবে প্রেরিত হয়েছিল।
C) Hubble Space Telescope — এটি একটি পুরোনো টেলিস্কোপ যা ১৯৯০ সালের এপ্রিল মাসে মহাশূন্যে প্রেরণ করা হয়েছিল, ২০২১ সালে নয়।
D) Neil Armstrong Space Telescope — এই নামের কোনো বিখ্যাত বা প্রাতিষ্ঠানিক স্পেস টেলিস্কোপ মহাশূন্যে প্রেরণ করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
মহাশূন্যের গভীরে দেখতে ওয়েবের জাল বোনা হয়েছে, তাই ২০২১ সালের বড়দিনে প্রেরিত টেলিস্কোপটির নাম জেমস ওয়েব।
সঠিক উত্তর: B) সিয়েরা লিওন
কেন সঠিক:
- পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সিয়েরা লিওন ২০০২ সালে বাংলা ভাষাকে তাদের অন্যতম সরকারি ভাষার মর্যাদা দেয়।
- সে দেশের শান্তিশৃঙ্খলার নিরাপত্তায় নিয়োজিত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী বাহিনীর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মান জানানো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কঙ্গো — এটি মধ্য আফ্রিকার একটি দেশ, যার সরকারি ভাষা ফরাসি এবং বাংলা ভাষার সঙ্গে এর এমন কোনো ঐতিহাসিক বা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নেই।
B) সিয়েরা লিওন — এটি একমাত্র বিদেশি রাষ্ট্র যা বাংলাদেশকে ভালোবেসে এবং শান্তিরক্ষীদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাকে সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
C) বেনিন — এটি পশ্চিম আফ্রিকার একটি ফরাসিভাষী দেশ, যা বাংলা ভাষাকে সরকারি ভাষার স্বীকৃতি দেয়নি।
D) দক্ষিণ সুদান — এটি পূর্ব আফ্রিকার একটি নবীন রাষ্ট্র, যার প্রধান সরকারি ভাষা ইংরেজি এবং বাংলার সঙ্গে এই ধরনের কোনো সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
সিয়েরা লিওনে আমাদের শান্তিরক্ষীরা কাজ করেছেন, তাই তাদের সম্মান জানাতে দেশটি বাংলাকে সরকারি ভাষা করেছে।
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাজ্য
কেন সঠিক:
- যুক্তরাজ্য অতীতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য ছিল কিন্তু ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি ব্রেক্সিট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সংস্থাটি থেকে বেরিয়ে যায়।
- বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য সংখ্যা সাতাশটি এবং যুক্তরাজ্য এর বাইরে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রান্স — ফ্রান্স ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র।
B) ইতালি — ইতালি ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র।
C) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য ব্রেক্সিট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করায় এটি সঠিক উত্তর।
D) পোল্যান্ড — পোল্যান্ড ইউরোপীয় ইউনিয়নের বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাজ্য ব্রেক্সিটের মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছেড়ে গেছে, তাই এটি ইইউ-ভুক্ত দেশ নয়।
সঠিক উত্তর: C) জার্মানি
কেন সঠিক:
- বিশ্বে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ মোট নয়টি, যার মধ্যে জার্মানি অন্তর্ভুক্ত নয়।
- ন্যাটো জোটের পরমাণু অংশীদারিত্ব নীতির আওতায় জার্মানির মাটিতে মার্কিন পারমাণবিক অস্ত্র মজুত থাকলেও জার্মানি নিজে পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত — ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে একটি পরমাণু অস্ত্রধারী দেশ এবং তারা ১৯৯৮ সালে পরমাণু পরীক্ষা চালায়।
B) পাকিস্তান — পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বমঞ্চে স্বীকৃত একটি পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র।
C) জার্মানি — জার্মানি কোনো পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ নয় এবং তারা এনপিটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
D) উত্তর কোরিয়া — উত্তর কোরিয়া ২০০৬ সালে প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা চালিয়ে নিজেদের পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করে।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের ৯টি পারমাণবিক দেশ হলো যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন, ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল ও উত্তর কোরিয়া; এর বাইরে জার্মানি পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ নয়।
সঠিক উত্তর: A) Belt and Road Initiative
কেন সঠিক:
- চীন সরকারের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের একটি বিশাল অর্থনৈতিক কৌশলগত প্রকল্প হলো এটি।
- ২০১৩ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই উদ্যোগের ঘোষণা দেন, যার মূল লক্ষ্য স্থল ও জলপথে বৈশ্বিক সংযোগ স্থাপন করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Belt and Road Initiative - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের সম্পূর্ণ অর্থ এবং প্রেক্ষাপট সঠিক হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।
B) Basic Regional Initiative - এই শব্দগুচ্ছটি কোনো বাস্তব মেগা-প্রকল্পের নাম নয় এবং এটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক নয়।
C) Build Regional Infrastructure - এটি সাধারণ একটি অবকাঠামোগত শব্দগুচ্ছ হলেও চীন সরকারের নির্দিষ্ট কোনো মেগা-প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক নাম এটি নয়।
D) Big Road Infrastructure - এটি একটি মনগড়া শব্দগুচ্ছ যা চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্পের অফিসিয়াল নামের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
BRI-এর পূর্ণরূপ মনে রাখতে শুধু মনে রাখবে যে এর অর্থ হলো পথ বা বেল্ট এবং সড়ক সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক উদ্যোগ।
সঠিক উত্তর: B) ইসরাইল
কেন সঠিক:
- হাইফা শহরটি ভূমধ্যাগারের উপকূলে অবস্থিত ইসরাইলের তৃতীয় বৃহত্তম ও অন্যতম প্রধান সমুদ্র বন্দর।
- মধ্যপ্রাচ্যের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এবং কৌশলগত অবস্থানের কারণে এই বন্দরটির অর্থনৈতিক ও সামরিক গুরুত্ব অনেক বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরান — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ, যার প্রধান বন্দরগুলোর মধ্যে আব্বাস ও চাবাহার অন্যতম, হাইফা এখানে অবস্থিত নয়।
B) ইসরাইল — এই অপশনটি সঠিক, কারণ হাইফা বন্দরটি এখানেই অবস্থিত।
C) কুয়েত — এটি পারস্য উপসাগরের তীরবর্তী একটি দেশ, যার প্রধান বন্দর শোয়াইবা ও শুখাইখ, হাইফা এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) মিশর — এটি আফ্রিকা ও এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত একটি দেশ, যার প্রধান বন্দর আলেকজান্দ্রিয়া ও পোর্ট সাইদ, হাইফা এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
ইসরাইলের প্রধান সমুদ্র বন্দর মনে রাখতে হাইফা (Haifa) নামটি মনে রাখুন, যা ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাষ্ট্র
কেন সঠিক:
- লুই আই কান ১৯০১ সালে এস্তোনিয়ায় জন্মগ্রহণ করলেও পরবর্তীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব লাভ করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবেই পরিচিত হন।
- তিনি পেশাগত জীবনে যুক্তরাষ্ট্রের একজন প্রখ্যাত স্থপতি ছিলেন এবং শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের নকশা প্রণয়ন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রান্স — ফ্রান্স ইউরোপের একটি দেশ এবং লুই আই কান কখনো ফ্রান্সের নাগরিক ছিলেন না।
B) কানাডা — কানাডা উত্তর আমেরিকার দেশ হলেও লুই আই কান কানাডার নাগরিক ছিলেন না।
C) যুক্তরাষ্ট্র — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও স্থপতি ছিলেন।
D) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য ইউরোপের দেশ এবং লুই আই কানের জন্ম বা নাগরিকত্ব যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি লুই আই কান যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ছিলেন, তাই আমেরিকার সঙ্গে তাঁর নাম মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) Line of Control
কেন সঠিক:
- এটি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ রেখাকে নির্দেশ করে।
- ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তির মাধ্যমে এই সীমারেশা নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Line of Access Control — এটি কোনো স্বীকৃত আন্তর্জাতিক বা ভূরাজনৈতিক সীমারেশা নয়।
B) Line of Actual Control — এটি মূলত ভারত ও চীনের মধ্যকার প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখাকে বোঝায়।
C) Line of Control — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত রয়েছে।
D) Line of No crossing — এটি সীমান্ত সংক্রান্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বা প্রচলিত ভূরাজনৈতিক পরিভাষা নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার কাশ্মীর নিয়ন্ত্রণ রেখা মনে রাখতে সংক্ষেপে এলওসি বা এলওসি যুদ্ধ শব্দ দুটি স্মরণ রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) চীন
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা পনেরোটি, যার মধ্যে পাঁচটি স্থায়ী এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র।
- চীন এই পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশের একটি এবং অন্য চারটি দেশ হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া ও ফ্রান্স।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্প্যান — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ নয় এবং এটি কোনো মানসম্মত বা সঠিক রাষ্ট্রীয় নামও নয়।
B) ব্রাজিল — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ নয়, তবে তারা দীর্ঘকাল ধরে স্থায়ী সদস্য পদের জন্য দাবি জানিয়ে আসছে।
C) দক্ষিণ আফ্রিকা — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ নয় এবং এটি আফ্রিকা মহাদেশের একটি রাষ্ট্র।
D) চীন — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অন্যতম স্থায়ী সদস্য দেশ এবং এর ভেটো প্রদানের ক্ষমতা রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
স্থায়ী সদস্য দেশগুলো মনে রাখার সহজ শব্দ হলো ফ্রেঞ্চ (FRANCE) অর্থাৎ ফ্রান্স, রাশিয়া, আমেরিকা, চীন ও ইংল্যান্ড।
সঠিক উত্তর: D) শ্রীলংকা
কেন সঠিক:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ান (ASEAN)-এর সদস্য দেশ ১০টি।
- শ্রীলংকা দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র হওয়ায় এটি আসিয়ানের সদস্য নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিয়েতনাম — এটি আসিয়ান জোটের একটি প্রতিষ্ঠাতা বা বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র।
B) ফিলিপাইন — এটি আসিয়ান জোটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র।
C) থাইল্যান্ড — এটি আসিয়ান জোটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র।
D) শ্রীলংকা — এটি আসিয়ানের সদস্য নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
আসিয়ান দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জোট, আর শ্রীলংকা দক্ষিণ এশিয়ার দেশ।
সঠিক উত্তর: D) প্যারিস
কেন সঠিক:
- ইউনেস্কো বা জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থার মূল সদর দপ্তর ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত।
- এই সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং বিজ্ঞানের প্রসারে কাজ করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে আন্তর্জাতিক মারিটাইম অর্গানাইজেশনের সদর দপ্তর অবস্থিত।
B) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের শহর এবং এখানে জাতিসংঘের মূল সচিবালয় অবস্থিত।
C) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং এখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ডব্লিউটিও-এর সদর দপ্তর অবস্থিত।
D) প্যারিস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
প্যারেট করে ইউনেস্কো সংস্কৃতির শিক্ষা দেয়, এভাবে ইউনেস্কো মানেই প্যারিস মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) দিনাজপুর
কেন সঠিক:
- রামসাগর দীঘি বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার তেতুলিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক মানবসৃষ্ট দিঘী।
- এটি ১৭৫০ থেকে ১৭০৩ সালের মধ্যে রাজা রামনাথের আমলে খনন করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিলেট — এটি বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি পাহাড়ি জেলা যেখানে রামসাগর দীঘি অবস্থিত নয়।
B) চট্টগ্রাম — এটি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি উপকূলীয় ও পাহাড়ি জেলা যেখানে রামসাগর দীঘি অবস্থিত নয়।
C) নীলফামারী — এটি উত্তরাঞ্চলের একটি জেলা হলেও রামসাগর দীঘি এখানে অবস্থিত নয়।
D) দিনাজপুর — এটি সঠিক কারণ রামসাগর দীঘি ভৌগোলিকভাবে এই জেলাতেই অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
দিনাজপুরের 'দি' এবং রামসাগরের 'দিঘী' মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে রামসাগর দীঘি দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকারের উপরাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করে মুক্তিযুদ্ধ সফলভাবে পরিচালনা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তাজুদ্দীন আহমদ — তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন না।
B) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) এ এইচ এম কামারুজ্জামান — তিনি মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন।
D) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন, তবে তিনি পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকায় অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজুদ্দীন আর অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
সঠিক উত্তর: C) দুর্নীতি দমন কমিশন
কেন সঠিক:
- দুর্নীতি দমন কমিশন একটি সংবিধিবদ্ধ বা আইন দ্বারা গঠিত স্বাধীন প্রতিষ্ঠান, সংবিধানের মাধ্যমে গঠিত নয়।
- এটি দুদক আইন ২০০৪ এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং এর ক্ষমতা ও গঠন সংসদের আইনের ওপর নির্ভরশীল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুপ্রিম কোর্ট — এটি সংবিধানের ৯৪ অনুচ্ছেদের অধীনে গঠিত একটি স্থায়ী সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
B) নির্বাচন কমিশন — এটি সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদের অধীনে গঠিত একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
C) দুর্নীতি দমন কমিশন — এটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) পাবলিক সার্ভিস কমিশন — এটি সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদের অধীনে গঠিত একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের বাইরে আইন পাস করে গঠিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, যেমন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সঠিক উত্তর: B) নওগাঁ
কেন সঠিক:
- সোমপুর মহাবিহার নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার পাহাড়পুর নামক স্থানে অবস্থিত।
- এটি অষ্টম শতাব্দীতে পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপাল নির্মাণ করেন এবং এটি একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ বিহার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহী — রাজশাহী বিভাগে এই বিহারটি অবস্থিত হলেও এটি রাজশাহী জেলায় নয়।
B) নওগাঁ — এই অপশনটি সঠিক কারণ সোমপুর মহাবিহার নওগাঁ জেলাতেই অবস্থিত।
C) জয়পুরহাট — জয়পুরহাট জেলার নিকটবর্তী হলেও এটি জয়পুরহাটে অবস্থিত নয়।
D) কুমিল্লা — কুমিল্লায় ময়নামতি ও শালবন বিহার অবস্থিত, সোমপুর মহাবিহার নয়।
মনে রাখার টিপস:
ধর্মপাল সোমপুর পাহাড়ে বসে সোমপুর মহাবিহার গড়লেন, যা নওগাঁ জেলায় অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) কৃত্রিম উপগ্রহের নাম
কেন সঠিক:
- বঙ্গবন্ধু-১ হলো বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট।
- এটি ২০১৮ সালের ১১ই মে আমেরিকার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেতুর নাম — বঙ্গবন্ধু-১ কোনো সেতু নয়, এটি একটি মহাকাশভিত্তিক স্যাটেলাইট।
B) ডিজিটাল ডাটা সেন্টারের নাম — এটি কোনো ডাটা সেন্টার বা তথ্য সংরক্ষণের কেন্দ্র নয়।
C) কৃত্রিম উপগ্রহের নাম — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়।
D) বিদ্যুৎকেন্দ্রের নাম — এটি কোনো বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নয়।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধু নামের সাথে মহাকাশ বা স্যাটেলাইট শব্দটি যুক্ত থাকলেই বুঝবে এটি কৃত্রিম উপগ্রহ।
সঠিক উত্তর: A) 1921
কেন সঠিক:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১ জুলাই ১৯২১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে।
- ব্রিটিশ ভারতের অধীন নাথান কমিশনের সুপারিশে ১৯২০ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1921 — এটি সঠিক কারণ এই সালেই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়।
B) 1922 — এটি ভুল কারণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সাল এটি নয়।
C) 1915 — এটি ভুল কারণ নাথান কমিটি গঠিত হয়েছিল ১৯১২ সালে, এই সালে নয়।
D) 1992 — এটি ভুল কারণ এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বহু পরের একটি সাল।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে শেষ অঙ্ক দুটি মনে রাখুন, একুশ (১৯২১)।
সঠিক উত্তর: D) অগ্ন্যাশয়ে
১. কেন সঠিক:
- অগ্ন্যাশয় হলো মানবদেহের একটি মিশ্র গ্রন্থি যার বহিঃক্ষরা অংশ পরিপাক রস এবং অন্তঃক্ষরা অংশ হরমোন উৎপাদন করে।
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স নামক কোষগুচ্ছের বিটা কোষ থেকে ইনসুলিন হরমোন উৎপাদিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ইনসুলিন একটি পেপটাইড হরমোন যা রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সরাসরি রক্তে নিসৃত হয়।
- কার্যপ্রণালি: রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে গেলে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত হয়ে কোষগুলোকে রক্ত থেকে গ্লুকোজ গ্রহণে উদ্দীপ্ত করে।
- কারণ ও ফলাফল: ইনসুলিনের অভাবে কোষে গ্লুকোজ প্রবেশ করতে পারে না ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায় এবং ডায়াবেটিস রোগ হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: ডায়াবেটিস রোগীদের চিকিৎসায় কৃত্রিমভাবে প্রস্তুত ইনসুলিন ইনজেকশন হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মিষ্টি খাবার খাওয়ার পর রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি পায়।
ব্যাখ্যা: এই বর্ধিত গ্লুকোজের মাত্রা কমানোর জন্য অগ্ন্যাশয় থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ইনসুলিন নিঃসৃত হয়।
উদাহরণ ২: ডায়াবেটিস মেলিটাস রোগীর শরীরে ইনসুলিনের পর্যাপ্ত উৎপাদন হয় না।
ব্যাখ্যা: এর ফলে তাদের রক্তে শর্করা জমে যায় এবং বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা তৈরি হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পিত্তাশয়ে — পিত্তথলি যকৃতে উৎপাদিত পিত্তরস সঞ্চয় ও ঘনীভূত করে কিন্তু কোনো হরমোন উৎপাদন করে না।
B) পাকস্থলীতে — পাকস্থলী পরিপাকতন্ত্রের অংশ যা পেপসিন ও হাইড্রোক্লোরিক এসিড ক্ষরণ করে খাবার হজমে সাহায্য করে।
C) ইন্টারফেরনে — ইন্টারফেরন হলো এক প্রকার প্রোটিন যা ভাইরাস আক্রান্ত কোষ দ্বারা উৎপাদিত হয়ে রোগ প্রতিরোধে কাজ করে।
D) অগ্ন্যাশয়ে — অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ ইনসুলিন হরমোন উৎপাদনে সরাসরি ভূমিকা রাখে তাই এটি সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইনসুলিন উৎপাদনের সাথে অগ্ন্যাশয়ের নাম মনে রাখতে অ দিয়ে শুরু শব্দ জোড় মনে রাখা যায়।
- অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ ইনসুলিন তৈরি করে এবং আলফা কোষ গ্লুকাগন তৈরি করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- অগ্ন্যাশয়কে মিশ্র গ্রন্থি বলা হয় কারণ এটি একই সাথে বহিরাগ্রাহী ও অন্তরাগ্রাহী হিসেবে কাজ করে।
- ডায়াবেটিস রোগ কোন হরমোনের অভাবে হয় এবং এর উৎস কী, এই সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বারবার আসে।
প্রশ্নের ধরন: ধাতু ও অধাতু / রসায়ন
সঠিক উত্তর: C) দস্তা
১. কেন সঠিক:
- রসায়নে সক্রিয়তা সিরিজ বা রিঅ্যাক্টিভিটি সিরিজের ওপর ভিত্তি করে ধাতুগুলোর ক্ষয় বা জারণ প্রক্রিয়া নির্ধারিত হয়।
- দস্তা বা জিঙ্ক লোহার চেয়ে অধিক সক্রিয় ধাতু হওয়ায় এটি খুব দ্রুত জারিত হয় এবং পরিবেশের অক্সিজেন ও আর্দ্রতার সঙ্গে বিক্রিয়া করে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: তড়িৎরাসায়নিক সিরিজে যে ধাতু যত ওপরে অবস্থিত, তার ইলেকট্রন ত্যাগ করার এবং জারিত হওয়ার প্রবণতা তত বেশি থাকে।
- কার্যপ্রণালি: দস্তা তার যোজ্যতা ইলেকট্রন সহজে ত্যাগ করে জিঙ্ক আয়নে পরিণত হয়, যা একে অন্য ধাতুর তুলনায় দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হতে সাহায্য করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: লোহার তৈরি সামগ্রীকে মরিচা ও ক্ষয় থেকে রক্ষা করার জন্য দস্তার প্রলেপ দেওয়া হয়, যাকে গ্যালভানাইজিং বলা হয় এবং এখানে দস্তা নিজে বলিদান হয়ে লোহাকে রক্ষা করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গ্যালভানাইজড টিন বা লোহার পাইপ।
ব্যাখ্যা: লোহার ওপর দস্তার প্রলেপ দেওয়ার কারণে পরিবেশের সংস্পর্শে এলে লোহা নয়, বরং ওপরে থাকা দস্তাই প্রথমে ক্ষয়প্রাপ্ত হয় এবং লোহাকে সুরক্ষিত রাখে।
উদাহরণ ২: গ্যালভানিক কোষ বা ড্রাই সেলের জিঙ্ক কন্টেইনার।
ব্যাখ্যা: ব্যাটারির ভেতরে থাকা দস্তার পাত্রটি ব্যবহারের সময় রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তামা — এটি দস্তার চেয়ে কম সক্রিয় ধাতু হওয়ায় বায়ুমণ্ডলে এর ক্ষয় হার অনেক কম এবং এর ওপর সবুজ রঙের বেসিক কপার কার্বনেটের প্রলেপ পড়ে ক্ষয় রোধ হয়।
B) লোহা — এটি দস্তার চেয়ে কম সক্রিয় এবং এর ক্ষয়প্রাপ্ত হতে আর্দ্র বাতাস ও সময়ের প্রয়োজন হয়, তবে গ্যালভানাইজিং প্রক্রিয়ায় লোহাকে রক্ষা করতে দস্তাকে ব্যবহার করা হয়।
C) দস্তা — এটি প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত এবং সহজে ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়া সক্রিয় ধাতু।
D) সোনা — এটি প্রকৃতিতে অত্যন্ত নিষ্ক্রিয় ধাতু হওয়ায় বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন, পানি বা এসিডের সঙ্গে সহজে বিক্রিয়া করে না এবং হাজার বছরেও এর কোনো ক্ষয় হয় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ধাতুগুলোর সক্রিয়তা মনে রাখার শর্টকাট হলো কে না পাই ক্যালো মাজার আল হাদি ভাই, চিনো ফি সিন্নাহ প্রবৃতির মাধ্যমে সক্রিয়তা জানা যায়।
- মনে রাখবে, যে ধাতু যত বেশি সক্রিয়, সে তত দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত বা জারিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- লোহাকে মরিচা থেকে বাঁচাতে দস্তার প্রলেপ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে গ্যালভানাইজিং বলা হয়।
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই ধাতু ও অধাতুর সক্রিয়তা সিরিজ এবং মরিচা পড়ার রাসায়নিক বিক্রিয়া থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) মেন্ডেল
১. কেন সঠিক:
- গ্রেগর জোহান মেন্ডেলকে বংশগতি বিদ্যার জনক বলা হয় কারণ তিনি প্রথম মটরশুঁটি গাছের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে বংশগতির সুনির্দিষ্ট সূত্র আবিষ্কার করেন।
- তার পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে পিতামাতার বৈশিষ্ট্যগুলো নির্দিষ্ট নিয়মে পরবর্তী প্রজন্মে সঞ্চারিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: বংশগতি হলো সেই জৈবিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে পিতামাতার শারীরিক বা জৈবিক বৈশিষ্ট্যগুলো সন্তান-সন্ততিতে স্থানান্তরিত হয়।
- কার্যপ্রণালি: মেন্ডেল ১৮৫৬ থেকে ১৮৬৩ সাল পর্যন্ত তার গির্জার বাগানে মটরশুঁটি গাছ নিয়ে দীর্ঘ পরীক্ষা চালান এবং সাতটি বিপরীত বৈশিষ্ট্য নিয়ে গবেষণা করেন।
- কারণ ও ফলাফল: তিনি কৃত্রিম পরাগায়ন ঘটিয়ে লক্ষ্য করেন যে বৈশিষ্ট্যগুলো এলোমেলোভাবে না গিয়ে সুনির্দিষ্ট অনুপাতে পরবর্তী প্রজন্মে প্রকাশ পায়, যা থেকে তিনি পৃথকীকরণ ও স্বাধীন বিন্যাসের সূত্র প্রদান করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের চোখের রঙের বৈচিত্র্য।
ব্যাখ্যা: বাবা-মায়ের চোখের রঙের ওপর ভিত্তি করে সন্তানদের চোখে বাদামী বা নীল রঙের প্রকাশ ঘটার বিষয়টি মেন্ডেলের বংশগতির সূত্র দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়।
উদাহরণ ২: মটরশুঁটি গাছের দীর্ঘ ও খর্ব আকৃতি।
ব্যাখ্যা: দুটি ভিন্ন আকৃতির মটর গাছের সংকরায়ণের ফলে প্রথম প্রজন্মে প্রকট বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটার বিষয়টি বংশগতির মাধ্যমে স্পষ্ট হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং — ইনি পেনিসিলিন নামক প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেন, যা বংশগতির সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) মেন্ডেল — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বংশগতি বিদ্যার প্রতিষ্ঠাতা।
C) ভন লিউয়েন হুক — ইনি অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে প্রথম ব্যাকটেরিয়া, প্রোটোজোয়া এবং মুক্তজীবী কোষ আবিষ্কার করেন।
D) রাদারফোর্ড — ইনি পরমাণুর নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেন এবং পরমাণুর সৌর মডেল প্রদান করেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
মেন্ডেল ও মটরশুঁটি দুটি শব্দই ম অক্ষর দিয়ে শুরু হয়, তাই বংশগতির জনক বললে মেন্ডেল ও তার মটর গাছের পরীক্ষা সহজেই মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মেন্ডেল তার পরীক্ষার জন্য পিস স্যাটাইভাম বা মিষ্টি মটর গাছ বেছে নিয়েছিলেন। এই টপিক থেকে প্রায়ই মেন্ডেলের সূত্রের অনুপাত বা প্রকট ও প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) পারকিনসন
১. কেন সঠিক:
- মস্তিষ্কের সাবস্টেন্সিয়া নাইগ্রা অঞ্চলের ডোপামিন উৎপাদনকারী কোষগুলো নষ্ট হলে পারকিনসন রোগ হয়।
- ডোপামিন হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ নিউরোট্রান্সমিটার যা শরীরের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পারকিনসন একটি স্নায়বিক বা নিউরোলজিক্যাল ব্যাধি যা মানুষের চলাফেরাকে প্রভাবিত করে।
- কার্যপ্রণালি: ডোপামিনের ঘাটতির কারণে মস্তিষ্ক শরীরের পেশিগুলোকে সঠিকভাবে নির্দেশনা পাঠাতে ব্যর্থ হয়।
- কারণ ও ফলাফল: এর ফলে হাত-পা কাঁপা, পেশি শক্ত হয়ে যাওয়া এবং চলাচলে ধীরগতি দেখা দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বয়স্ক ব্যক্তিদের হাঁটার সময় হাত স্বাভাবিকভাবে না দুলে শক্ত হয়ে ঝুলে থাকা।
ব্যাখ্যা: এটি মস্তিষ্কে ডোপামিনের মাত্রা কমে যাওয়ার প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে দেখা দেয়।
উদাহরণ ২: চেয়ারে বসা অবস্থা থেকে ওঠার চেষ্টা করার সময় শরীর সামনের দিকে নুইয়ে পড়া এবং ভারসাম্য রক্ষা করতে না পারা।
ব্যাখ্যা: ডোপামিনের অভাবে শরীরের পোসচার বা ভঙ্গি নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা নষ্ট হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থ্রমবোসিস — রক্তনালীর ভেতরে রক্ত জমাট বেঁধে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়াকে থ্রমবোসিস বলে, যা স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের কারণ।
B) প্যারালাইসিস — মস্তিষ্কের মোটর কর্টেক্স বা স্পাইনাল কর্ডে আঘাতের কারণে শরীরের কোনো অংশের পেশির নড়াচড়া সম্পূর্ণ বা আংশিক হারিয়ে যাওয়া।
C) এপিলেপসি — এটি এক ধরনের মস্তিষ্কের রোগ যেখানে স্নায়ুকোষের অস্বাভাবিক বৈদ্যুতিক কার্যকলাপের কারণে মৃগী রোগ বা খিঁচুনি হয়।
D) পারকিনসন — মস্তিষ্কের ডোপামিন উৎপাদনকারী কোষ নষ্ট হওয়ার ফলে সৃষ্ট রোগ, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পারকিনসন শব্দটির সঙ্গে ডোপামিন কোষের সম্পর্ক মনে রাখতে ডোপামিন ও পারকিনসন একসাথে জোড়া হিসেবে মনে রাখুন।
- স্নায়ু কোষের ক্ষয়জনিত রোগগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে পরিচিত যা মূলত গতির সাথে সম্পর্কিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্র সংক্রান্ত প্রশ্নে এই তথ্যটি প্রায়ই আসে।
- ডোপামিনের রাসায়নিক কাজ এবং স্নায়ুতন্ত্রের ওপর এর প্রভাব সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) রঞ্জন
১. কেন সঠিক:
রঙিন টেলিভিশনের পিকচার টিউব বা ক্যাথোড রে টিউব থেকে অত্যন্ত অল্প পরিমাণে রঞ্জন রশ্মি বা এক্স রে নির্গত হয়।
এই রশ্মি মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর এবং দীর্ঘ সময় রঙিন টেলিভিশনের সামনে বসে থাকলে স্বাস্থ্যের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: রঞ্জন রশ্মি হলো এক প্রকার উচ্চ শক্তির ও স্বল্প তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তড়িচ্চুম্বকীয় বিকিরণ যা ক্যাথোড রশ্মি কোনো ধাতব পৃষ্ঠে আঘাত করলে উৎপন্ন হয়।
কার্যপ্রণালি: রঙিন টেলিভিশনের পেছনে থাকা ক্যাথোড রে টিউবে ইলেকট্রন দ্রুত গতিতে চালিত হয়ে ফসফরাস স্ক্রিনে আঘাত করে এবং দৃশ্যমান আলো সৃষ্টির পাশাপাশি কিছু পরিমাণ রঞ্জন রশ্মি তৈরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাসপাতালে এক্স রে করার সময় যেভাবে মানবদেহে রঞ্জন রশ্মি প্রয়োগ করা হয়।
ব্যাখ্যা: রঙিন টেলিভিশন থেকেও ঠিক একই ধরনের কম শক্তির রঞ্জন রশ্মি নির্গত হয় যা শরীরের কোষের জন্য ক্ষতিকর।
উদাহরণ ২: পুরোনো মডেলের ভারী কম্পিউটার মনিটর বা ক্যাথোড রে টিউব ডিসপ্লে।
ব্যাখ্যা: এই মনিটরগুলো থেকেও টেলিভিশন স্ক্রিনের মতো একই প্রযুক্তির কারণে রঞ্জন রশ্মি নির্গত হতো।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলফা রশ্মি — এটি মূলত হিলিয়াম নিউক্লিয়াসের একটি স্রোত যা তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত হয় এবং টেলিভিশন থেকে উৎপন্ন হয় না।
B) বিটা রশ্মি — এটি উচ্চ গতির ইলেকট্রন বা পজিট্রনের স্রোত যা তেজস্ক্রিয় ক্ষয়ের ফলে সৃষ্টি হয় কিন্তু রঙিন টিভিতে এর কোনো উৎস নেই।
C) গামা রশ্মি — এটি অত্যন্ত উচ্চ শক্তির তড়িচ্চুম্বকীয় বিকিরণ যা পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে নির্গত হয় এবং সাধারণ টেলিভিশনে এর উপস্থিতি থাকে না।
D) রঞ্জন — এটি সঠিক কারণ রঙিন টেলিভিশনের ক্যাথোড রে টিউব থেকে এই ক্ষতিকর রশ্মিটি নির্গত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
রঙিন টেলিভিশন দেখলে এক্স রে হয় মনে রাখুন, কারণ এক্স রের বাংলা নামই হলো রঞ্জন রশ্মি।
ক্যাথোড রে টিউবযুক্ত ডিভাইসের কথাই মাথায় আনুন যখনই রঙিন টিভি থেকে ক্ষতিকর রশ্মির কথা বলা হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রঙিন টেলিভিশন থেকে নির্গত এই ক্ষতিকর রঞ্জন রশ্মি রোধ করার জন্য পর্দার সামনে বিশেষ ধরনের সীসাযুক্ত কাচ ব্যবহার করা হয়।
এ ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আধুনিক প্রযুক্তির ক্ষতিকর প্রভাব অংশে আসে।
সঠিক উত্তর: A) নাইট্রোজেন
১. কেন সঠিক:
সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বের ভেতরে নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করা হয় কারণ এটি একটি নিষ্ক্রিয় বা কম বিক্রিয়াশীল গ্যাস।
বাল্ব জ্বালানোর সময় ভেতরের ফিলামেন্ট অত্যন্ত উত্তপ্ত হয় এবং নাইট্রোজেন গ্যাস ফিলামেন্টকে বাতাসের অক্সিজেনের সাথে পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: বৈদ্যুতিক বাল্বে টাংস্টেন ধাতুর তৈরি অত্যন্ত চিকন তার বা ফিলামেন্ট ব্যবহার করা হয় যা বিদ্যুৎ প্রবাহে প্রায় দুই হাজার থেকে তিন হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপ উৎপন্ন করে আলো ছড়ায়।
কার্যপ্রণালি: বাল্বের ভেতরে বাতাস বা অক্সিজেন থাকলে উচ্চ তাপমাত্রায় টাংস্টেন ফিলামেন্ট জারিত হয়ে পুড়ে নষ্ট হয়ে যেত, তাই নাইট্রোজেন বা আর্গনের মতো নিষ্ক্রিয় গ্যাস ভরা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাধারণ ইনক্যান্ডেসেন্ট বা টাংস্টেন বাল্ব।
ব্যাখ্যা: এই বাল্বগুলোতে টাংস্টেন ফিলামেন্ট সুরক্ষার জন্য নাইট্রোজেন এবং আর্গন গ্যাসের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: উচ্চ ক্ষমতার হ্যালোজেন বাল্ব।
ব্যাখ্যা: সাধারণ বাল্বের তুলনায় বেশি তাপ ও আলো উৎপন্ন করার জন্য এই বাল্বগুলোতে হ্যালোজেন গ্যাস ও নিষ্ক্রিয় গ্যাসের বিশেষ মিশ্রণ থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রোজেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি টাংস্টেন ফিলামেন্টকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
B) হিলিয়াম — এটি একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস হলেও অত্যন্ত হালকা ও ব্যয়বহুল হওয়ায় সাধারণ বাল্বে ব্যবহার করা হয় না।
C) হাইড্রোজেন — এটি অত্যন্ত দাহ্য এবং বিস্ফোরক গ্যাস হওয়ায় বৈদ্যুতিক বাল্বে ব্যবহার করলে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
D) অক্সিজেন — এটি দহনে সহায়তা করে, তাই বাল্বে অক্সিজেন থাকলে ফিলামেন্ট খুব দ্রুত পুড়ে নষ্ট হয়ে যাবে।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাল্বের ফিলামেন্ট বাঁচাতে নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করা হয়, কারণ নাইট্রোজেন গরম ফিলামেন্টের সাথে সহজে বিক্রিয়া করে না।
সংক্ষেপে মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে টাংস্টেন ফিলামেন্ট রক্ষায় নাইট্রোজেনের ব্যবহার অপরিহার্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট কী দিয়ে তৈরি এই প্রশ্নটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে এবং এর উত্তর হলো টাংস্টেন।
বাল্বের ফিলামেন্ট পুড়ে যাওয়া রোধ করতে নাইট্রোজেনের পাশাপাশি আর্গন গ্যাসও ব্যবহার করা হয়, যা পরীক্ষাতেও বিকল্প হিসেবে থাকতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) ক্রেসকোগ্রাফ
১. কেন সঠিক:
উদ্ভিদের বৃদ্ধি অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে মাপা হয় ক্রেসকোগ্রাফ যন্ত্রের সাহায্যে।
এই যন্ত্রটি উদ্ভিদের বৃদ্ধির হার এত নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে পারে যা খালি চোখে দেখা সম্ভব নয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ক্রেসকোগ্রাফ এমন একটি সংবেদনশীল বৈজ্ঞানিক যন্ত্র যা উদ্ভিদের বৃদ্ধি খুব কম সময়ে কতটুকু হলো তা মাইক্রোমিটার এককের নিখুঁত মাপে পর্দায় ফুটিয়ে তোলে।
আবিষ্কারক: বাঙালি বিজ্ঞানী আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু ১৯০০ সালের দিকে এই যন্ত্রটি আবিষ্কার করেন।
কার্যপ্রণালি: উদ্ভিদের ডগার সঙ্গে লিভার বা সূচ যুক্ত থাকে, যা উদ্ভিদের সামান্য বৃদ্ধিকে বহু গুণ বড় করে রেকর্ডিং ড্রামে বা স্কেলে দেখায়।
বাস্তব প্রয়োগ: উদ্ভিদ শারীরতত্ত্বে বিভিন্ন উদ্দীপক যেমন আলো, তাপমাত্রা ও সারের প্রভাবে উদ্ভিদের বৃদ্ধির তারতম্য গবেষণায় এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু এই যন্ত্রের সাহায্যে প্রমাণ করেছিলেন যে উদ্ভিদেরও প্রাণ আছে এবং তারা বাহ্যিক উত্তেজনায় সাড়া দেয়।
ব্যাখ্যা: উদ্ভিদের বৃদ্ধি এবং সংবেদনশীলতা পরীক্ষার জন্য এটি জৈববিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী পরীক্ষা হিসেবে স্বীকৃত।
উদাহরণ ২: পরীক্ষাগারে গাছের চারা টবে রেখে বিভিন্ন রাসায়নিক সার প্রয়োগের পর এই যন্ত্রে তার বৃদ্ধির হার রেকর্ড করা হয়।
ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে বোঝা যায় কোন নির্দিষ্ট সার উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে কেমন প্রভাব ফেলছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্যালরিমিটার — এটি কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া বা খাদ্যদ্রব্যের তাপ বা শক্তির পরিমাণ মাপার যন্ত্র। উদ্ভিদের বৃদ্ধি মাপার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় না।
B) স্ফিগমোম্যানোমিটার — এটি মানবদেহের রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার পরিমাপ করার জন্য ব্যবহৃত একটি অতি পরিচিত চিকিৎসাবিজ্ঞান সংক্রান্ত যন্ত্র।
C) অক্সানোমিটার — এটিও উদ্ভিদের বৃদ্ধি মাপার একটি পুরোনো যন্ত্র, তবে ক্রেসকোগ্রাফের মতো এটি অতটা সংবেদনশীল বা নিখুঁতভাবে অতি ক্ষুদ্র বৃদ্ধি রেকর্ড করতে পারে না।
D) ক্রেসকোগ্রাফ — এটি উদ্ভিদের বৃদ্ধি নিখুঁতভাবে মাপার সঠিক যন্ত্র এবং অপশনে এটিই সঠিক হিসেবে নির্ধারিত আছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
উদ্ভিদের বৃদ্ধি মানে ক্রেসকোগ্রাফ, কারণ বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুর নাম উদ্ভিদের প্রাণ আবিষ্কারের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
শব্দ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে গাছের বৃদ্ধি বা ক্রেস সম্পর্কিত যন্ত্রটি হলো ক্রেসকোগ্রাফ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি উদ্ভিদবিজ্ঞান অংশের জন্য বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাধারণ জ্ঞান।
পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ক্রেসকোগ্রাফ যন্ত্রটি কোন বিজ্ঞানীর আবিষ্কার, যার উত্তর জগদীশ চন্দ্র বসু।
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গোপসাগরে
১. কেন সঠিক:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের একটি অতলস্পর্শী ডুবুরি খাদ বা সাবমেরিন ক্যানিয়ন।
- এটি মূলত গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র নদ বাহিত পলি জমে গঠিত বদ্বীপের সামনের সামুদ্রিক ভূত্বকের একটি গভীর খাত।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে, সুন্দরবনের দক্ষিণ দিকে এর অবস্থান।
- বৈশিষ্ট্য: এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে হাজার হাজার মিটার গভীর একটি গিরিখাত বা খাদ।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
ব্যাখ্যা: এটি প্রশান্ত মহাসাগরের একটি গভীর খাদ, ঠিক যেমন সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের একটি ডুবুরি খাদ।
উদাহরণ ২: গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন
ব্যাখ্যা: এটি স্থলভাগের একটি বিখ্যাত খাদ, যা সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের সামুদ্রিক রূপের সঙ্গে তুলনীয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেক্সিকো উপসাগরে — এটি উত্তর আমেরিকার একটি উপসাগর, যেখানে এই খাদটি অবস্থিত নয়।
B) পারস্য উপসাগরে — এটি মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ একটি উপসাগর, যার সঙ্গে এই খাতের কোনো সম্পর্ক নেই।
C) বঙ্গোপসাগরে — এই অপশনটি সঠিক এবং সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড এখানেই অবস্থিত।
D) আরব সাগরে — এটি ভারত মহাসাগরের উত্তর অংশের একটি সাগর, যেখানে এই ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড মানে তলহীন স্থান, যা আমাদের দেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত।
- সুন্দরবনের দক্ষিণের সমুদ্রাঞ্চল মনে রাখলেই এর সঠিক অবস্থান সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি সামুদ্রিক ভূত্বক বা খাতের উদাহরণ হিসেবে প্রায়ই আসে।
- এই প্রশ্নটি থেকে সমুদ্রের তলদেশের ভূপ্রকৃতি এবং সাবমেরিন ক্যানিয়ন সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) প্রবাল দ্বীপ
১. কেন সঠিক:
সেন্টমার্টিন দ্বীপটি প্রধানত কোরাল বা প্রবাল পলির জমে গঠিত হয়েছে, যা এই দ্বীপটিকে অনন্য প্রবাল দ্বীপের মর্যাদা দিয়েছে।
এখানে সামুদ্রিক প্রবালের শক্ত ক্যালসিয়াম কার্বনেট কঙ্কাল দীর্ঘকাল ধরে জমা হয়ে এই ভূখণ্ড তৈরি করেছে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত একটি ছোট দ্বীপ।
বৈশিষ্ট্য: এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং এর আয়তন প্রায় আট বর্গকিলোমিটার।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ
ব্যাখ্যা: এটি অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর ব্যবস্থা, যা প্রবাল দ্বীপ গঠনের প্রক্রিয়াকে স্পষ্টভাবে বোঝায়।
উদাহরণ ২: মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা: এটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র যা সম্পূর্ণভাবে প্রবাল দ্বীপ বা অ্যাটল এর উপর গড়ে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রবাল দ্বীপ — এটি সঠিক কারণ এই দ্বীপটি সামুদ্রিক প্রবালের মৃত দেহাবশেষ এবং চুন depositions দ্বারা গঠিত হয়েছে।
B) কৃত্রিম দ্বীপ — এটি মানুষের তৈরি কোনো দ্বীপ নয়, বরং সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের মাধ্যমে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি হয়েছে।
C) আগ্নেয় দ্বীপ — আগ্নেয়গিরির লাভা উদগীরণের ফলে সমুদ্রের নিচে যে দ্বীপ সৃষ্টি হয় সেন্টমার্টিন সে প্রকৃতির নয়।
D) ব-দ্বীপ — নদী দ্বারা বাহিত পলিমাটি জমে নদীর মোহনায় ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়, কিন্তু সেন্টমার্টিন নদী অববাহিকায় পলি জমে তৈরি হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
সেন্টমার্টিন হলো বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং এটি বঙ্গোপসাগরের বুকে অবস্থিত একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সেন্টমার্টিনের ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রকৃতি প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং এর ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) ডেল্টা
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশের ভূ-আকৃতি দেখতে অনেকটা গ্রীক বর্ণ ডেল্টা বা ত্রিভুজ আকৃতির মতো।
পদ্মা, যমুনা ও মেঘনা নদীর অববাহিকায় পলি জমে বদ্বীপ গঠিত হওয়ায় এই আকৃতি তৈরি হয়েছে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: দক্ষিণ এশিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক বদ্বীপ অঞ্চল।
বৈশিষ্ট্য: দেশের অধিকাংশ ভূভাগ নদীনালা ও পলি দ্বারা গঠিত সমতল ভূমি।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপ
ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বের বৃহত্তম বদ্বীপ যার একটি বিশাল অংশ বাংলাদেশ জুড়ে বিস্তৃত।
উদাহরণ ২: সুন্দরবন
ব্যাখ্যা: বদ্বীপ অঞ্চলের দক্ষিণ প্রান্তে সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলে এই ম্যানগ্রোভ বন গড়ে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলফা — এটি গ্রীক বর্ণমালার প্রথম অক্ষর এবং এর আকৃতির সঙ্গে বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতির কোনো মিল নেই।
B) গামা — এটি গ্রীক বর্ণমালার অন্যতম অক্ষর যা গণিত ও বিজ্ঞানে বহুল ব্যবহৃত হলেও ভূ-আকৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) বেটা — এটি একটি গ্রীক বর্ণ যা বিটা কণা বা কোণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, ভৌগোলিক আকৃতি নয়।
D) ডেল্টা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রীক বর্ণের ত্রিকোণ আকৃতির সঙ্গে বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি হুবহু মিলে যায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ মানেই নদী আর নদী মানেই পলিগঠিত বদ্বীপ বা ডেল্টা।
শব্দ মিল মনে রাখতে পারেন: ডেল্টা মানে ডাল পালা ছড়ানো ত্রিভুজ আকৃতি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশকে বিশ্বের বৃহত্তম বদ্বীপ বলা হয় যা নদীগুলোর পলি জমার মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে।
পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতির শতকরা কত ভাগ সমভূমি।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)