বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে সহকারী তথ্য কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২।

পদের নাম: সহকারী তথ্য কর্মকর্তা (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a কেকা
b কূজন
c ঝংকার
d বূংহিত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কূজন ১. কেন সঠিক: - পাখির ডাক এক কথায় কূজন বলা হয়। - কূজন শব্দের অর্থ হলো পাখির মধুর কলরব বা কিচিরমিচির শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো ব্যাকরণের একটি অংশ। - বড় অর্থবোধক বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করাকে এককথায় প্রকাশ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘের ডাক - মন্দ্র ব্যাখ্যা: মেঘের গভীর ও গর্জনময় শব্দকে এককথায় মন্দ্র বলা হয়। উদাহরণ ২: কুকুরের ডাক - বুক্কন ব্যাখ্যা: কুকুরের শব্দ বা ডাককে এককথায় বুক্কন বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কেকা - ময়ূরের ডাককে এককথায় কেকা বলা হয়, যা পাখির সাধারণ ডাকের সঙ্গে মিলে না। B) কূজন - এটি সঠিক উত্তর এবং পাখির ডাক অর্থ প্রকাশ করে। C) ঝংকার - নূপুর বা বাদ্যযন্ত্রের শব্দকে ঝংকার বলা হয়, পাখির ডাক নয়। D) বূংহিত - হাতির ডাককে এককথায় বূংহিত বলা হয়, পাখির ডাক বোঝায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক দিয়ে কূজন এবং ক দিয়ে কলরব মনে রাখা সহজ। - পাখির গান বা কূজন সবসময় মিষ্টি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এককথায় প্রকাশ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত আসে। - পশুপাখির ডাকবাচক শব্দগুলো বারবার অনুশীলন করা উচিত।
a প্রেষণ
b প্রাারম্ভিক
c প্রকল্প
d প্রায়োগিক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রারম্ভিক ১. কেন সঠিক: - Preliminary শব্দের বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো প্রারম্ভিক, যার অর্থ কোনো কাজের শুরু বা প্রাথমিক ধাপ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি প্রশাসনিক ও সাধারণ শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা নির্ধারণের জন্য এই শব্দটির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্র বা দাপ্তরিক কাজের জন্য নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়। - বাংলা ভাষায় ইংরেজি শব্দের যথাযথ ভাব প্রকাশ করার জন্য বাংলা একাডেমি কর্তৃক অনুমোদিত পরিভাষাগুলো মনে রাখা আবশ্যক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Preliminary examination ব্যাখ্যা: এর সঠিক বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো প্রারম্ভিক পরীক্ষা বা প্রাথমিক পরীক্ষা। উদাহরণ ২: Preliminary report ব্যাখ্যা: এর বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো প্রারম্ভিক প্রতিবেদন বা প্রাথমিক প্রতিবেদন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রেষণ — এই শব্দের ইংরেজি পারিভাষিক রূপ হলো Dispatch বা Mission, যা Preliminary শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) প্রারম্ভিক — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি Preliminary শব্দের সঠিক পারিভাষিক রূপ। C) প্রকল্প — এই শব্দের ইংরেজি পারিভাষিক রূপ হলো Project, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) প্রায়োগিক — এই শব্দের ইংরেজি পারিভাষিক রূপ হলো Applied, যা Preliminary শব্দের সমার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - Preliminary শব্দের শুরুতে Pre আছে যার অর্থ পূর্বে বা শুরুতে, তাই এর বাংলা প্রারম্ভিক বা প্রাথমিক হবে। - ইংরেজি শব্দের উপসর্গ মিলিয়ে পরিভাষা মনে রাখার অভ্যাস করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি দাপ্তরিক ও সাধারণ শব্দের পরিভাষা প্রায়ই আসে। - বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত পরিভাষাগুলো বারবার চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর পাওয়া সহজ হয়।
a কবুতর
b কোকিল
c খরগোশ
d ময়ূর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কোকিল ১. কেন সঠিক: 'পরভৃত' শব্দটি এককথায় প্রকাশ বা শব্দের অর্থ সংক্রান্ত। পর শব্দের অর্থ অন্যের এবং ভৃত শব্দের অর্থ পোষিত বা প্রতিপালিত। কোকিল নিজের ডিম নিজে তা দেয় না, কাকের বাসায় ডিম পাড়ে এবং কাকের দ্বারাই তাদের ছানা প্রতিপালিত হয়, তাই কোকিলকে পরভৃত বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি একটি বিশেষ শব্দার্থ বা এককথায় প্রকাশের উদাহরণ যেখানে শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ দ্বারা কোনো নির্দিষ্ট প্রাণীকে বোঝানো হয়। বাংলা ব্যাকরণে অনেক শব্দ রয়েছে যা তাদের সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো প্রাণী বা বস্তুকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরোপজীবী ব্যাখ্যা: যে অন্যের উপর বেঁচে থাকে, তাকে এককথায় পরোপজীবী বলে। উদাহরণ ২: অন্যমনা ব্যাখ্যা: যার মন অন্য দিকে নিয়োজিত, তাকে এককথায় অন্যমনা বলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবুতর — কবুতর শব্দের অর্থ পারাবত বা কপোত যা পরভৃত শব্দের সঙ্গে মেলে না। B) কোকিল — এটি সঠিক উত্তর কারণ কোকিল অন্যের দ্বারা প্রতিপালিত হয়। C) খরগোশ — খরগোশ একটি স্তন্যপায়ী দ্রুতগামী প্রাণী যা পরভৃত শব্দের অর্থ নয়। D) ময়ূর — ময়ূর জাতীয় পাখি যার সঙ্গে পরভৃত শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই। উল্লেখ্য, প্রশ্নে প্রদেয় ভুল উত্তর সংশোধন করে সঠিক উত্তর B নির্ধারণ করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: পর মানে অন্য এবং ভৃত মানে পোষা। অন্যের দ্বারা যে পোষে বা বাড়ে, সে হলো কোকিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পাখি সংক্রান্ত এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে। কোকিলের সমার্থক শব্দ হিসেবে পরভৃত, বসন্তদূত, পিক ইত্যাদি মনে রাখতে হবে।
a রিক্তের বেদন
b যুগবাণী
c সঞ্চিতা
d চোখের বালি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রিক্তের বেদন ১. কেন সঠিক: - 'রিক্তের বেদন' হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ। - এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৫ সালে এবং এতে মোট সাতটি গল্প রয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক। - তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ব্যথার দান, শিউলিমালা ও পদ্মঘেরা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যথার দান ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: শিউলিমালা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের অপর একটি জনপ্রিয় গল্পগ্রন্থ যা তাঁর মননশীল ও রোমান্টিক ধারার গল্পের পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিক্তের বেদন — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ। B) যুগবাণী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের কোনো গল্পগ্রন্থ নয়, বরং একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। C) সঞ্চিতা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন বা কাব্যগ্রন্থ। D) চোখের বালি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয়, বরং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের গল্পগ্রন্থ মনে রাখার সহজ উপায় হলো রিক্তের বেদন, ব্যথার দান ও শিউলিমালা নামের বেদনা ও ফুলবাচক শব্দগুলো মনে রাখা। - কাব্যগ্রন্থ ও প্রবন্ধগ্রন্থের সঙ্গে গল্পগ্রন্থ গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের প্রথম গল্পগ্রন্থ বা কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই আসে। - নজরুলের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ রিক্তের বেদন এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ বায়তুল আম্বিয়া বা অগ্নিবীণা (সংকলন ভেদে)।
a শাহ মুহম্মদ সগীর
b সৈয়দ সুলতান
c দৌলত উজির বাহরাম খান
d আলাওল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দৌলত উজির বাহরাম খান ১. কেন সঠিক: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে 'লায়লী-মজনু' কাব্য রচনা এবং অনুবাদের জন্য দৌলত উজির বাহরাম খান বিশেষভাবে পরিচিত। ষোল শতকের এই কবি নবজাতক যুগের মধ্যযুগের কাব্যধারায় ফার্সি রোমান্টিক কাহিনীর সফল বাংলা রূপান্তর ঘটিয়েছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: দৌলত উজির বাহরাম খান ষোল শতকের মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি ও চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বরকলের অধিবাসী ছিলেন। তিনি বাংলার সুলতান গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহের উজির বা মন্ত্রী ছিলেন বলে নামের সঙ্গে উজির উপাধি যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউসুফ জোলেখা - শাহ মুহম্মদ সগীর ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলার অন্যতম প্রথম ও জনপ্রিয় কাব্য যা ফার্সি ভাষার অনুকরণে রচিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: সয়ফুল মুলক বদিউজ্জামান - সৈয়দ সুলতান ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার এক বিশিষ্ট কবির বিখ্যাত পীর ও রোমান্টিক কাহিনীভিত্তিক কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাহ মুহম্মদ সগীর — তিনি মধ্যযুগের প্রথম দিকের কবি এবং তাঁর বিখ্যাত রচনা হলো 'ইউসুফ জোলেখা'। B) সৈয়দ সুলতান — তিনি মধ্যযুগের নবী জীবনী ও ধর্মীয় কাব্যের জন্য বিখ্যাত, তাঁর রচনা 'নবী বংশ'। D) আলাওল — তিনি মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি এবং তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য 'পদ্মাবতী'। ৫ মনে রাখার টিপস: বাহরাম খানের বাহুতে মজনুর শক্তি ছিল এভাবে মনে রাখতে পারো যে 'লায়লী-মজনু' কাব্যের অনুবাদক দৌলত উজির বাহরাম খান। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানগুলো সাধারণত ফার্সি ভাষা থেকে বাংলায় অনূদিত বা রূপান্তরিত হতো। পরীক্ষার্থীদের জন্য কবি ও তাঁদের বিখ্যাত কাব্যের নাম মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
a রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
b কাজী আবদুল ওদুদ
c আবুল ফজল
d কাজী মোতাহার হোসেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ১. কেন সঠিক: - বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন নারীজাগরণ ও নারীশিক্ষার অগ্রদূত হলেও তিনি সরাসরি 'বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। - 'বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলন মূলত মুসলিম সমাজের সংকীর্ণতা ও কুসংস্কার দূর করে চিন্তার স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে গঠিত মুসলিম সাহিত্য সমাজকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ১৯২৬ সালে ঢাকায় 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ' গঠিত হয় এবং এর মূল স্লোগান ছিল বুদ্ধির মুক্তি। - এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত প্রধান ব্যক্তিরা ছিলেন কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল ফজল, কাজী মোতাহার হোসেন ও প্রিন্সিপাল ইবরাহিম খাঁ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী আবদুল ওদুদ রচিত 'শাশ্বত বঙ্গ' ব্যাখ্যা: এটি বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও চিন্তাজাগানিয়া সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: আবুল ফজলের 'সমাজ ও সাহিত্য' ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে সমাজ সংস্কার ও বুদ্ধির মুক্তির নানা দিক স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন — তিনি নারীশিক্ষা ও নারী অধিকার নিয়ে কাজ করলেও 'বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের সাংগঠনিক সদস্য ছিলেন না। B) কাজী আবদুল ওদুদ — তিনি মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান প্রবক্তা ছিলেন। C) আবুল ফজল — তিনি এই আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন এবং মুক্তবুদ্ধি চর্চায় সাহিত্য রচনা করেছেন। D) কাজী মোতাহার হোসেন — তিনি মুসলিম সাহিত্য সমাজের একজন সক্রিয় সংগঠক ও বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম রূপকার ছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন মানেই মুসলিম সাহিত্য সমাজ এবং কাজী আবদুল ওদুদ বা আবুল ফজল। - রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন নারী আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত, তাই তিনি এই আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুসলিম সাহিত্য সমাজ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর মুখপত্র কী ছিল, তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। - মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্রের নাম ছিল 'শিখা' এবং এর বিখ্যাত স্লোগান ছিল বুদ্ধির মুক্তি।
a রামপ্রসাদ সেন
b রামনিধি গুপ্ত
c দাশরথি রায়
d এন্টনি ফিরিঙ্গি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রামপ্রসাদ সেন ১. কেন সঠিক: - শাক্ত পদাবলীর বিকাশে এবং জনপ্রিয়তায় রামপ্রসাদ সেনের অবদান সবচেয়ে বেশি। - তাঁর রচিত পদগুলো প্রধানত মা কালীর বন্দনা ও ভক্তিমূলক গান হিসেবে পরিচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রামপ্রসাদ সেন অষ্টাদশ শতকের একজন প্রখ্যাত কবি ও সাধক। - তিনি বাংলা সাহিত্যে শাক্ত পদাবলীর ধারাকে সমৃদ্ধ করেছেন এবং তাঁকে সাধক কবি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যাকুন্দর ব্যাখ্যা: এটি রামপ্রসাদ সেনের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: কালীকীর্তন ব্যাখ্যা: এটি শাক্ত পদাবলীর ওপর রচিত রামপ্রসাদ সেনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামপ্রসাদ সেন — এটি সঠিক উত্তর। B) রামনিধি গুপ্ত — তিনি শাক্ত পদাবলীর জন্য বিখ্যাত নন, বরং তিনি বাংলা খেয়াল গানের জন্য পরিচিত। C) দাশরথি রায় — তিনি পাঁচালি গানের জন্য বিখ্যাত, শাক্ত পদাবলীর প্রধান কবি নন। D) এন্টনি ফিরিঙ্গি — তিনি বাঙালি কবি হলেও শাক্ত পদাবলীর পরিবর্তে কবিয়াল ও অগমণি গানের জন্য পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাধক রামপ্রসাদ মানেই শাক্ত পদাবলী এবং মা কালীর গান। - শাক্ত পদাবলীর আদি বা প্রধান কবি মনে রাখতে রামপ্রসাদ সেন নামটিকে প্রথমে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শাক্ত পদাবলীর রচয়িতা হিসেবে প্রায়ই রামপ্রসাদ সেনের নাম আসে। - বৈষ্ণব পদাবলীর ক্ষেত্রে যেমন বিদ্যাপতি বা চণ্ডীদাস বিখ্যাত, শাক্ত পদাবলীতে তেমনি রামপ্রসাদ সেন প্রধান।
a সিকান্দার আবু জাফর
b মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন
c মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
d আবুল কালাম শামসুদ্দীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন ১. কেন সঠিক: - 'সওগাত' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন। ১৯১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে কলকাতা থেকে এই সাহিত্য পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। - বাংলা মুসলিম সাহিত্য সমাজ গঠন এবং মুক্তবুদ্ধি চর্চায় এই পত্রিকার ঐতিহাসিক অবদান রয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন ছিলেন একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সম্পাদক। তিনি ১৯২৬ সালে বিখ্যাত শিশুতোষ পত্রিকা 'সাপ্তাহিক মোহাম্মদী' এবং নারীদের জন্য 'বেগম' পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা করেন। - 'সওগাত' পত্রিকা কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম প্রচারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। কাজী নজরুলের 'বিদ্রোহী' কবিতাটি এই পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুলের 'বিদ্রোহী' কবিতা। ব্যাখ্যা: এই বিখ্যাত কবিতাটি সওগাত পত্রিকায় প্রকাশিত হয়ে বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল। উদাহরণ ২: বেগম পত্রিকা। ব্যাখ্যা: মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন নারীদের সাহিত্যচর্চা এগিয়ে নিতে বেগম পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন যার প্রথম সম্পাদক ছিলেন সওফিয়া খাতুন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিকান্দার আবু জাফর — তিনি সওগাত পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না, বরং তিনি বিখ্যাত 'সমকাল' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন। B) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি সওগাত পত্রিকার দীর্ঘকালীন সফল সম্পাদক ছিলেন। C) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি ছিলেন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও গবেষক, যিনি সওগাত পত্রিকার সঙ্গে সম্পাদক হিসেবে যুক্ত ছিলেন না। D) আবুল কালাম শামসুদ্দীন — তিনি একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সাহিত্যিক হলেও সওগাত পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সওগাত অর্থ উপঢৌকন বা উপহার। মনে রাখতে পারেন মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বাংলা সাহিত্যকে একটি সুন্দর উপহার হিসেবে সওগাত পত্রিকা দিয়েছেন। - সম্পাদক হিসেবে তাঁর নামের প্রথম অক্ষর ম এবং সওগাত শব্দের শুরুতেও স আছে, এভাবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা এবং সম্পাদকের নাম প্রায়ই আসে। - সওগাত পত্রিকার প্রকাশকাল এবং এর সঙ্গে কাজী নজরুলের সম্পৃক্ততার ইতিহাস ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a সৈয়দ শামসুল হক
b জাহানারা ইমাম
c হুমায়ুন আহমেদ
d নীলিমা ইব্রাহিম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হুমায়ুন আহমেদ ১. কেন সঠিক: 'জোছনা ও জননীর গল্প' বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস যার রচয়িতা হুমায়ুন আহমেদ। এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের চিত্র অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: হুমায়ুন আহমেদ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। তার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের মধ্যে 'জোছনা ও জননীর গল্প' অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রামাণ্য সাহিত্যকর্ম হিসেবে বিবেচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের যীশু ব্যাখ্যা: এটি শাহরিয়ার কবির রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক শিশুতোষ উপন্যাস। উদাহরণ ২: আগুনের পরশমণি ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ুন আহমেদ রচিত আরেকটি জনপ্রিয় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও কবি হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন, তার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস হলো নীলদংশন। B) জাহানারা ইমাম — তিনি শহীদ জননী হিসেবে পরিচিত এবং তার বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা হলো একাত্তরের দিনগুলি। D) নীলিমা ইব্রাহিম — তিনি একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত গ্রন্থ হলো আমি বীরঙ্গনা বলছি। ৫ মনে রাখার টিপস: জননী শব্দটির সাথে হুমায়ুন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক শ্রেষ্ঠ উপন্যাস জোছনা ও জননীর গল্প মনে রাখা সহজ। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দীর্ঘ উপন্যাস লেখার জন্য হুমায়ুন আহমেদ এই বিশেষ গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। হুমায়ুন আহমেদের অন্যান্য বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের নাম যেমন আগুনের পরশমণি এবং ১৯৭১ ভালোভাবে জেনে রাখা প্রয়োজন।
a জলজ
b ক্ষণপ্রভা
c কুরচি
d জলদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জলদ ১. কেন সঠিক: - 'জলদ' শব্দটির অর্থ হলো যা জল ধারণ করে বা বর্ষণ করে, অর্থাৎ মেঘ। সংস্কৃত ভাষায় 'জল' শব্দের সঙ্গে 'দ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে। - বাংলা ব্যাকরণে শব্দের উৎস ও অর্থের দিক থেকে এটি একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ সমার্থক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে শব্দের অর্থ ও ভাবগত মিলের কারণে সমার্থক শব্দের ব্যবহার করা হয়। মেঘ শব্দের ক্ষেত্রে সংস্কৃত জলের সাথে 'দ' (দাতা বা প্রদানকারী) কিংবা 'ধর' (ধারণকারী) যুক্ত করে বিভিন্ন সমার্থক শব্দ তৈরি হয়। - মেঘ শব্দের অন্যান্য প্রমিত সমার্থক শব্দ হলো জলধর, অব্র, পয়োধর, নীরদ, বারিদ ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জলধর ব্যাখ্যা: জল ধারণ করে যা, অর্থাৎ জলধর হলো মেঘের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: নীরদ ব্যাখ্যা: নীর অর্থ পানি এবং দ অর্থ প্রদানকারী, সুতরাং নীরদ শব্দের অর্থ মেঘ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জলজ — জলজ শব্দের অর্থ যা জলে জন্মায়, যেমন শাপলা বা পিন্টু, এটি মেঘের সমার্থক নয়। B) ক্ষণপ্রভা — ক্ষণপ্রভা শব্দের অর্থ যা ক্ষণকালের জন্য প্রভা বা আলো ছড়ায়, অর্থাৎ বিদ্যুৎ। C) কুরচি — কুরচি হলো এক ধরণের ঔষধি উদ্ভিদ বা গাছ, যা মেঘের সমার্থক শব্দ নয়। D) জলদ — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ মেঘ বা জল প্রদানকারী। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত শব্দে জলের সমার্থক শব্দের শেষে 'দ' অথবা 'ধর' থাকলে সাধারণত তা মেঘ বোঝায় এবং 'ধি' বা 'নিধি' থাকলে তা সমুদ্র বোঝায়। - যেমন জলদ মানে মেঘ এবং জলধি মানে সমুদ্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জলদ ও জলধি শব্দের পার্থক্য প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে। - শব্দের মূল অংশ চিনে সঠিক অর্থ নির্ণয় করার কৌশল রপ্ত করলে এ জাতীয় প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
a মেনিমুখো
b ভিজে বিড়াল
c ভূষণ্ডীর কাক
d ভালুক জ্বর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভিজে বিড়াল ১. কেন সঠিক: - 'ভিজে বিড়াল' বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ হলো ভেজা বিড়াল, তবে প্রমিত অর্থে এর ভাবার্থ হলো অত্যন্ত কাপট্যপূর্ণ বা ভণ্ড স্বভাবের ব্যক্তি। - সমাজে যারা অত্যন্ত শান্ত ও অমায়িক সেজে ভেতরে ভেতরে নানা কূটকৌশল বা প্রতারণা চালায়, তাদের বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ ধরনের বাকরীতি, যা শব্দের সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লোকটিকে প্রথম দেখায় খুব সাধাসিধে মনে হলেও আসলে সে একটি ভিজে বিড়াল। ব্যাখ্যা: এখানে মানুষের বাহ্যিক শান্ত ভাবের আড়ালে তার কূটিল স্বভাব বা কপটতা বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: অফিসের বড়বাবু সামনে খুব মিষ্টি কথা বলেন, কিন্তু কাজের বেলায় তিনি একদম ভিজে বিড়াল। ব্যাখ্যা: এখানেও মুখের মিষ্টি কথার আড়ালে ক্ষতিকর বা কপট মানসিকতা প্রকাশ করার জন্য বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেনিমুখো — এই বাগধারাটির অর্থ লাজুক বা পীরণহীন নির্বোধ ব্যক্তি, যা কপট শব্দের সমার্থক নয়। B) ভিজে বিড়াল — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ কপট বা ভণ্ড। C) ভূষণ্ডীর কাক — এই বাগধারাটির অর্থ দীর্ঘজীবী ব্যক্তি বা বহুদর্শী চতুর ব্যক্তি, যা কাপট্যের অর্থে বসে না। D) ভালুক জ্বর — এই বাগধারাটির অর্থ খ্যাপামি বা অলসতার অজুহাত, যা কপট ব্যক্তির সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিড়াল সাধারণত জল দেখলে ভয় পায়, কিন্তু যে বিড়াল ইচ্ছাকৃতভাবে ভিজে শান্ত হয়ে বসে থাকে সে সুযোগ বুঝে মাছ চুরি করে। - এই কৌশলগত ভাবটি মনে রাখলে 'ভিজে বিড়াল' মানে যে কপট বা ভণ্ড ব্যক্তি, তা খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মানবস্বভাব সংক্রান্ত বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - এ ক্ষেত্রে শব্দের আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা রূপক অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
a পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
b রাইফেল রোটি আওরাত
c আগুনের পরশমণি
d জীবন আমার বোন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ১. কেন সঠিক: - 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কোনো উপন্যাস নয়, এটি শহীদ কাদরী রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য। - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো সেই গদ্যধর্মী সাহিত্যকর্ম, যার মূল পটভূমি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং বাঙালি জাতির সশস্ত্র সংগ্রাম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শহীদ কাদরী আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, যিনি তার নগরকেন্দ্রিক ও পরিশীলিত কাব্যভাষার জন্য পরিচিত। - 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' কাব্যনাট্যে গ্রামীণ জনপদে মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট ও সাধারণ মানুষের সাহসিকতা নাট্যরূপে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেলিনা হোসেন রচিত 'যাঁরা বৃষ্টিতে ভিজেছিল' একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার নানা বেদনাদায়ক ও গৌরবময় ঘটনার বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের পটভূমিতে রচিত বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত প্রভাবশালী একটি উপন্যাস যা মুক্তিযুরোধীদের স্বরূপ উন্মোচন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এটি উপন্যাস নয়, বরং শহীদ কাদরী রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য। B) রাইফেল রোটি আওরাত — এটি আনোয়ার পাশা রচিত ১৯৭১ সালের পটভূমিতে লেখা প্রথম প্রকাশিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ইংরেজি ভাষার বাংলা উপন্যাস। C) আগুনের পরশমণি — এটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি জনপ্রিয় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। D) জীবন আমার বোন — এটি মাহমুদুল হক রচিত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অত্যন্ত প্রশংসিত একটি উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - নাটক ও উপন্যাসের পার্থক্য মনে রাখলে সহজেই এ ধরনের প্রশ্ন সমাধান করা সম্ভব। - শহীদ কাদরীর প্রধান একক নাটক বা কাব্যনাট্য হলো পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস এবং নাটকগুলোর নাম ও লেখকের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা উচিত। - অনেক সময় কাব্যনাট্য বা নাটককে উপন্যাস হিসেবে অপশনে দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়, তাই রচনার রূপ বা ফর্ম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
a দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ণ
b দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ
c প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ
d তৃতীয় বর্ণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ ১. কেন সঠিক: - মহাপ্রাণ ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের আধিক্য থাকে এবং জোর বেশি লাগে। - বর্গের প্রতিটির দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ ধ্বনি হিসেবে গণ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের বর্গীয় ধ্বনিগুলোকে প্রাণের উপস্থিতি অনুযায়ী অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ ভাগে ভাগ করা হয়। - বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ ধ্বনি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খ এবং ঘ ব্যাখ্যা: ক বর্গের দ্বিতীয় বর্ণ খ এবং চতুর্থ বর্ণ ঘ উভয়ই মহাপ্রাণ ধ্বনি। উদাহরণ ২: ছ এবং ঝ ব্যাখ্যা: চ বর্গের দ্বিতীয় বর্ণ ছ এবং চতুর্থ বর্ণ ঝ উভয়ই মহাপ্রাণ ধ্বনি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ণ — দ্বিতীয় বর্ণ মহাপ্রাণ হলেও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ ধ্বনি। B) দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ — এটি সঠিক অপশন এবং বর্গের মহাপ্রাণ ধ্বনির নির্দেশক। C) প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ — প্রথম বর্ণ অল্পপ্রাণ এবং দ্বিতীয় বর্ণ মহাপ্রাণ ধ্বনি। D) তৃতীয় বর্ণ — তৃতীয় বর্ণটি এককভাবে মহাপ্রাণ নয়, এটি অল্পপ্রাণ ধ্বনি। ৫ মনে রাখার টিপস: - মহাপ্রাণ ধ্বনি মনে রাখার সহজ সূত্র হলো বিজোড় সংখ্যা অল্পপ্রাণ এবং জোড় সংখ্যা মহাপ্রাণ। - অর্থাৎ জোড় ক্রমের দুই ও চার হলো মহাপ্রাণ ধ্বনি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় ধ্বনি তত্ত্ব থেকে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ ধ্বনি চিহ্নিত করার জন্য বর্গের ক্রম মনে রাখা জরুরি।
a গিন্নী
b হাত
c হাথ
d পুত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পুত্র ১. কেন সঠিক: পুত্র শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলায় এসেছে। উৎস অনুযায়ী বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে যে কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়, তার মধ্যে তৎসম শব্দ অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিতভাবে বা অবিকৃত রূপে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। তৎসম শব্দের অর্থ তাহার সমান অর্থাৎ সংস্কৃতির সমান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য ব্যাখ্যা: সূর্য শব্দটি সংস্কৃত থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে তাই এটি একটি তৎসম শব্দ। উদাহরণ ২: নদী ব্যাখ্যা: নদী শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিতভাবে বাংলায় গৃহিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গিন্নী - এটি একটি অর্ধ-তৎসম শব্দ, যা সংস্কৃত গৃহিণী শব্দ থেকে পরিবর্তিত হয়ে এসেছে। B) হাত - এটি একটি তদ্ভব শব্দ, যা সংস্কৃত হস্ত শব্দ থেকে প্রাকৃত হয়ে বাংলায় এসেছে। C) হাথ - এটি হাত শব্দের একটি আঞ্চলিক বা অপ্রচলিত রূপ, যা কোনো মৌলিক শব্দশ্রেণির অন্তর্ভুক্ত নয়। D) পুত্র - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি তৎসম শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত শ, ষ, ণ, ঋ-কার এবং যুক্তবর্ণযুক্ত শব্দ যেমন পুত্র, চন্দ্র, সূর্য সাধারণত তৎসম শব্দ হয়। উৎস চেনার এই সাধারণ নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষ সহজে সঠিক উত্তর চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম ও তদ্ভব শব্দের পার্থক্য প্রায়ই আসে। হস্ত থেকে হাত হলো তদ্ভব, আর সরাসরি পুত্র হলো তৎসম।
a অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b দীনবন্ধু মিত্র
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d প্যারীচাঁদ মিত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: 'ভানুসিংহ ঠাকুর' হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছদ্মনাম। কৈশোরে বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে পদ রচনা করে তিনি এই ভনিতা ব্যবহার করতেন, যা পরে তার সাহিত্যিক পরিচয়ের অংশ হয়ে ওঠে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক। তিনি ভানুসিংহ ঠাকুরের ছদ্মনামে মূলত 'ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী' নামক বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কিশোর বয়সে রচিত বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: বনফুল ব্যাখ্যা: এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় ছদ্মনাম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা চিত্রকলার পুনর্জাগরণের অগ্রদূত এবং বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও লেখক, যার ছদ্মনাম এটি নয়। B) দীনবন্ধু মিত্র — ইনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত নাট্যকার, যার বিখ্যাত নাটক হলো নীলদর্পণ। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তার বিখ্যাত ছদ্মনাম। D) প্যারীচাঁদ মিত্র — ইনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে আলালের ঘরের দুলাল রচনা করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম বয়সের ভনিতা ছিল ভানুসিংহ, যার মাধ্যমে তিনি বৈষ্ণব পদ রচনা করতেন। কবিগুরুর এই বিশেষ ছদ্মনামটি মনে রাখলে পরীক্ষামূলক সাহিত্য প্রশ্নে সহজেই উত্তর করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা লেখকদের ছদ্মনাম থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পাশাপাশি অন্যান্য লেখকের ছদ্মনামগুলোও ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a অগ্নিবীণা
b নীলদর্পণ
c মেঘনাদবধ কাব্য
d দুর্গেশনন্দিনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নীলদর্পণ ১. কেন সঠিক: - নীলদর্পণ নাটকটি বাংলার প্রথম ঢাকা থেকে প্রকাশিত গ্রন্থ বা নাটক হিসেবে ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে। - ১৮৬০ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত হওয়ার মাধ্যমে ঢাকার মুদ্রণ শিল্পের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নীলদর্পণ নাটকের রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৮৬০ সালে কলকাতার রামচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মুদ্রণযন্ত্র থেকে প্রথম মুদ্রিত হলেও ঢাকা থেকে প্রকাশের ইতিহাস ভিন্ন। - ১৮৬১ সালে ঢাকার বাংলাবাজারের রবার্টসন সাহেবের প্রেট বা মুদ্রণযন্ত্র থেকে জেমস লংয়ের তত্ত্বাবধানে নীলদর্পণ নাটকের ইংরেজি অনুবাদ The Indigo Planting Mirror ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হুতোম প্যাঁচার নকশা ব্যাখ্যা: এটি কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ যা ১৮৬২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি কলকাতার মুখার্জি অ্যান্ড কোং থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত উপন্যাস যা ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটিও কলকাতা থেকেই প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নিবীণা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২২ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়নি। B) নীলদর্পণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর ইংরেজি অনুবাদ ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল এবং বাংলা নাট্যসাহিত্যে এটি প্রথম ঢাকার সাথে সরাসরি মুদ্রণ সম্পৃক্ত গ্রন্থ। C) মেঘনাদবধ কাব্য — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য যা ১৮৬১ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রকাশের সাথে ঢাকার কোনো সম্পর্ক নেই। D) দুর্গেশনন্দিনী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস যা ১৯৬৫ সালে নয় বরং ১৮৬৫ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - নীল রঙের ঢাকা শহরের দর্পণ বা আয়না এভাবে মনে রাখতে পারো যে নীলদর্পণ গ্রন্থটির মুদ্রণ বা প্রকাশের সাথে ঢাকার নাম জড়িত। - প্রথম প্রকাশিত ঢাকা সম্পর্কিত সাহিত্যকর্ম মনে রাখার জন্য নীলদর্পণ নামটি সবার আগে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নীলদর্পণ নাটকের ইংরেজি অনুবাদ করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত যা রেভারেন্ড জেমস লংয়ের নামে প্রকাশিত হয়েছিল। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বা ঢাকার প্রথম মুদ্রণ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসলে নীলদর্পণ উত্তর হিসেবে বেশি আসে।
a মণিষি
b মনীষী
c মনিষি
d মনিষী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মনীষী ১. কেন সঠিক: - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী 'মনীষী' শব্দটিতে দীর্ঘ 'ঈ-কার' যুক্ত হয়। - প্রমিত বাংলা বানান নিয়ম অনুসারে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের বানানে এই বিশেষ রূপটি নির্ধারিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম শব্দসমূহের বানান মূল সংস্কৃত ব্যাকরণ এবং বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। - মনীষী শব্দটিতে 'মনীষ্' প্রত্যয় বা তৎসম রূপের প্রভাবে শেষের বর্ণটিতে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়, যা হ্রস্ব ই-কার দিলে ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুধী ব্যাখ্যা: এটিও একটি তৎসম শব্দ যেখানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: গুণী ব্যাখ্যা: এই শব্দটির শেষেও দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মণিষি — এই বানানে শেষের বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা শুদ্ধ নয়। B) মনীষী — এটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং প্রমিত বানান রূপ। C) মনিষি — এই বানানে প্রথম বর্ণে হ্রস্ব ই এবং শেষের বর্ণে হ্রস্ব ই ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। D) মনিষী — এই বানানে প্রথম বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নিয়ম বহির্ভূত। ৫. মনে রাখার টিপস: - জ্ঞানী, গুণী, মন্ত্রী, মনীষী—এসব শব্দের শেষে সাধারণত দীর্ঘ ঈ-কার বসে। - বানানটি মনে রাখতে ম-ন-ষ এর সাথে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত করার বিষয়টি চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বানানের শুদ্ধতা নির্ণয়ে এই ধরনের তৎসম শব্দ প্রায়ই আসে। - শব্দের শেষে সাধারণত দীর্ঘ ঈ-কারযুক্ত তৎসম শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে পরীক্ষা সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a আমি বাঙালি বলছি
b আমি বীরাঙ্গনা বলছি
c বাঙালি জীবনে রমণী
d বীরাঙ্গনার গাথা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আমি বীরাঙ্গনা বলছি ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো আমি বীরাঙ্গনা বলছি। এটি বাংলাদেশের ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতিত মা-বোনদের আত্মত্যাগের ওপর রচিত একটি প্রামাণ্য ও ঐতিহাসিক গ্রন্থ। - ড. নীলিমা ইব্রাহিম অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে যুদ্ধকালীন বীরাঙ্গনাদের বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা এই গ্রন্থে তুলে ধরেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের লেখক ও সাহিত্যকর্মের আওতাভুক্ত। ড. নীলিমা ইব্রাহিম ছিলেন একাধারে শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী। - তাঁর এই গ্রন্থটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং নারী নির্যাতনের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাহানারা ইমামের একাত্তরের দিনগুলি। ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও প্রামাণ্য গ্রন্থ। উদাহরণ ২: সেলিনা হোসেনের যাপিত জীবন। ব্যাখ্যা: এটি মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালির আন্দোলনভিত্তিক একটি প্রখ্যাত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমি বাঙালি বলছি — এটি ড. নীলিমা ইব্রাহিমের কোনো বিখ্যাত গ্রন্থের নাম নয়। এটি মূলত একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। B) আমি বীরাঙ্গনা বলছি — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি ড. নীলিমা ইব্রাহিমের একটি বিখ্যাত গ্রন্থ। C) বাঙালি জীবনে রমণী — এটি এই লেখকের কোনো গ্রন্থ নয়। এটি মূলত একটি কাল্পনিক নাম। D) বীরাঙ্গনার গাথা — এই নামের কোনো প্রামাণ্য গ্রন্থ ড. নীলিমা ইব্রাহিম রচনা করেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: - নীলিমা ইব্রাহিম নামটির সঙ্গে বীরাঙ্গনা শব্দটি মনে রাখতে হবে। বীরাঙ্গনাদের নিয়ে তাঁর বিখ্যাত কাজের নামই হলো আমি বীরাঙ্গনা বলছি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুক্তিযুদ্ধে নারীদের অবদান ও নির্যাতনের ইতিহাস জানতে ড. নীলিমা ইব্রাহিমের এই গ্রন্থটি থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্যান্য লেখকের প্রামাণ্য গ্রন্থগুলোও পরীক্ষার জন্য পড়তে হবে।
a মলুয়া
b দেওয়ানা আশিকানা
c চন্দ্রাবতী
d পদ্মাবতী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মলুয়া ১. কেন সঠিক: - মলুয়া একটি বিখ্যাত বাংলা লোকসাহিত্য বা পালাগান, যা ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্ভুক্ত। - গবেষক চন্দ্রকুমার দে ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই লোকগাথাগুলো সংগ্রহ করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চন্দ্রকুমার দে দীনেশচন্দ্র সেনের উদ্যোগে ময়মনসিংহ অঞ্চলের লোকসাহিত্য সংগ্রহ করেন। - এই পালাগানগুলো গ্রামীণ সমাজের মানুষের সুখ দুঃখ ও প্রেমের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহুয়া ব্যাখ্যা: এটিও চন্দ্রকুমার দে সংগৃহীত ময়মনসিংহ গীতিকার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় পালাগান। উদাহরণ ২: দেওয়ানা মদিনা ব্যাখ্যা: ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্ভুক্ত এই পালাগানটিও চন্দ্রকুমার দে সংগ্রহ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মলুয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি চন্দ্রকুমার দে সংগৃহীত পালাগান। B) দেওয়ানা আশিকানা — এটি কোনো প্রামাণিক ময়মনসিংহ গীতিকা নয় এবং চন্দ্রকুমার দে এটি সংগ্রহ করেননি। C) চন্দ্রাবতী — এটি মধ্যযুগের প্রথম নারী কবি চন্দ্রাবতীর লেখা মহাকাব্যিক রচনা, লোকসংগ্রহ নয়। D) পদ্মাবতী — এটি কবি আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত মধ্যযুগের রোমান্টিক কাব্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - ময়মনসিংহ গীতিকার সংগ্রাহক মানেই চন্দ্রকুমার দে এবং সম্পাদক দীনেশচন্দ্র সেন। - মলুয়া ও মহুয়া নামের পালাগানগুলো চন্দ্রকুমার দে এর প্রধান সংগ্রহ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ময়মনসিংহ গীতিকা থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সংগ্রাহক ও রচয়িতার পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a আবদুল গাফফার চৌধুরী
b শামসুর রাহমান
c হাসান হাফিজুর রহমান
d মুনীর চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হাসান হাফিজুর রহমান ১. কেন সঠিক: ভাষা-আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সাহিত্য সংকলনটির নাম একুশে ফেব্রুয়ারি। এই ঐতিহাসিক সংকলনটির সম্পাদক ছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও গবেষক হাসান হাফিজুর রহমান। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১৯৫৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশিত এই সংকলনে ভাষা আন্দোলনের ওপর রচিত কবিতা, প্রবন্ধ, গল্প ও গান স্থান পেয়েছিল। তৎকালীন সময়ে ভাষা আন্দোলনের পক্ষে এটি ছিল একটি সাহসী ও যুগান্তকারী প্রকাশনা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন ব্যাখ্যা: জহির রায়হান রচিত ভাষাভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা। উদাহরণ ২: আর্তনাদ ব্যাখ্যা: শওকত ওসমান রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক অপর একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবদুল গাফফার চৌধুরী — তিনি বিখ্যাত আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি গানের রচয়িতা হলেও এই সংকলনের সম্পাদক ছিলেন না। B) শামসুর রাহমান — তিনি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত কবি হলেও এই সংকলনের সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি ভাষা-আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সাহিত্য সংকলন একুশে ফেব্রুয়ারি এর সম্পাদক ছিলেন। D) মুনীর চৌধুরী — তিনি কবর নাটকের নাট্যকার এবং ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও এই সংকলনটির সম্পাদক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলন মানেই হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদিত একুশে ফেব্রুয়ারি। সম্পাদক হিসেবে হাসান নামটি মনে রাখতে পারেন কারণ তিনি প্রথম সংকলনের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রথম সাহিত্য সংকলনের সম্পাদক কে তা প্রায়ই আসে। একুশে ফেব্রুয়ারি সংকলনটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৫৩ সালে, যা সালসহ মনে রাখা জরুরি।
a আসাদ চৌধুরী
b আবুল হাসান
c ত্রিদিব দস্তিদার
d নির্মলেন্দু গুণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নির্মলেন্দু গুণ ১. কেন সঠিক: - 'হুলিয়া' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত পরিচিত কবিতা যার রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি নির্মলেন্দু গুণ। - এই কবিতায় ষাটের দশকের শেষভাগে বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলন এবং পরবর্তী উত্তাল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের গভীর চিত্র ফুটে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি নির্মলেন্দু গুণ ১৯৪৫ সালের ২১ জুন নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার কাশিনগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর প্রকাশিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে প্রেমাংশুর রক্তচাই, বাংলার মাটি বাংলার জল এবং চাষাভাষার কাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রেমাংশুর রক্তচাই ব্যাখ্যা: এটি কবি নির্মলেন্দু গুণের অত্যন্ত বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ যেখানে হুলিয়া কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উদাহরণ ২: চাষাভাষার কাব্য ব্যাখ্যা: এটিও কবি নির্মলেন্দু গুণের একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা কবিতায় বিশেষ অবদান রেখেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আসাদ চৌধুরী — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও প্রাবন্ধিক হলেও 'হুলিয়া' কবিতার রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ বাতাসের নানা রঙ। B) আবুল হাসান — তিনি ষাটের দশকের অন্যতম প্রভাবশালী কবি হলেও এই কবিতাটি তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ রাজা যায় রাজা আসে। C) ত্রিদিব দস্তিদার — তিনি বিশিষ্ট বাঙালি কবি হলেও 'হুলিয়া' কবিতার সঙ্গে তাঁর নাম যুক্ত নয়, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ দুই মেরুর ফানুস। D) নির্মলেন্দু গুণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই 'হুলিয়া' কবিতার প্রখ্যাত রচয়িতা। ৫. মনে রাখার টিপস: - গুণী মানুষের হুলিয়া জারি হয় না, তাই হুলিয়া কবিতার কবি নির্মলেন্দু গুণ। - কবির নামের সঙ্গে কবিতার নামের ছন্দ মিলিয়ে এটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক কবিদের বিখ্যাত কবিতা ও কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - নির্মলেন্দু গুণের কবিতা ও জন্মস্থান সংক্রান্ত তথ্যগুলো বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a সময় + অনু
b সং + জন
c সম্ + যোজন
d সং + যোজন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সম্ + যোজন ১. কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে ম-कारের পর অন্তস্থ বর্ণ য থাকলে ম স্থানে অনুস্বার অথবা পদের শেষের ম স্থানে ম-হসন্ত হয়। - সম্ উপসর্গের সঙ্গে যোজন শব্দের মিলনে সংযোজন শব্দটি গঠিত হয়েছে যেখানে ম-হসন্ত এবং য যুক্ত হয়ে সংরূপ ধারণ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম হলো পদের অন্তস্থিত ম কিংবা পদমধ্যস্থ ম-এর পর য, র, ল, ব কিংবা শ, ষ, স, হ থাকলে ম স্থানে অনুস্বার হয় অথবা পরবর্তী বর্ণের বর্গের পঞ্চম বর্ণ হয়। - এখানে সম্ পদের ম-এর পর য থাকার কারণে নিয়মানুযায়ী সম্ যুক্ত যোজন সমান সংযোজন হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সম্ + যোগ = সংযোগ ব্যাখ্যা: ম-হসন্তের পর য থাকার কারণে ম স্থানে অনুস্বার যুক্ত হয়ে সংযোগ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: সম্ + লাপ = সংলাপ ব্যাখ্যা: ম-হসন্তের পর ল থাকার কারণে নিয়মানুযায়ী ম স্থানে অনুস্বার যুক্ত হয়ে সংলাপ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সময় + অনু — এটি কোনো অর্থপূর্ণ সন্ধি নয় এবং এর মাধ্যমে সংযোজন শব্দ গঠন করা ব্যাকরণগতভাবে অসম্ভব। B) সং + জন — এখানে জন শব্দের আগে সং ব্যবহার করা হলেও মূল উপসর্গ সম্ এবং সঠিক সন্ধির নিয়ম এখানে মানা হয়নি। D) সং + যোজন — এখানে ম-হসন্ত বাদ দিয়ে সরাসরি সং লেখা হয়েছে যা ব্যঞ্জনসন্ধির সঠিক রূপের নিয়মের পরিপন্থী। ৫. মনে রাখার টিপস: - সম্ উপসর্গযুক্ত শব্দের সন্ধিতে ম-এর স্থানে অনুস্বার হয় এবং ভাঙার সময় সম্ লিখতে হয়। - পরীক্ষার হলে সন্ধি বিচ্ছেদের সময় হসন্তযুক্ত সম্ অপশনটিকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সম্ উপসর্গযুক্ত ব্যঞ্জনসন্ধি প্রায়ই আসে। - সংযোগ, সংরক্ষণ, সংহার ইত্যাদি শব্দগুলো একই নিয়মে সাধিত হয়।
a বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ
b বসন্তকুমার সেন
c বসন্তকুমার দে
d বাসন্তী সেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ ১. কেন সঠিক: - 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যটি ১৯০৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়ার কাকড়িয়াপাড়া গ্রামের ষাঁড়েশ্বর তলা নিবাসী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের গোয়ালঘর থেকে আবিষ্কার করেন বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ। - এই আবিষ্কার বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের ইতিহাস অনুসন্ধানে এক যুগান্তকারী ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ ছিলেন একজন বিশিষ্ট গবেষক, সম্পাদক ও প্রাচীন বাংলা সাহিত্য উদ্ধারকারী। - তিনি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ-এর সম্পাদনায় 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের নিদর্শন এবং রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বিষয়ক একটি প্রাক-চৈতন্য যুগের কাব্য। উদাহরণ ২: চর্যাপদ আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। ব্যাখ্যা: প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন চর্যাপদ মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি আবিষ্কার ও সম্পাদনা করেছিলেন। B) বসন্তকুমার সেন — এই নামে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বা প্রাচীন পুথি আবিষ্কারের সঙ্গে কোনো বিখ্যাত গবেষক নেই। C) বসন্তকুমার দে — প্রত্নতাত্ত্বিক ও গবেষক হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত নন। D) বাসন্তী সেন — ইনি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন পুথি আবিষ্কারক বা গবেষক হিসেবে পরিচিত কোনো ব্যক্তিত্ব নন। ৫. মনে রাখার টিপস: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের আবিষ্কারক মনে রাখার সহজ সূত্র হলো বসন্তকাল মানেই নতুন কিছু আবিষ্কার বা ফুল ফোটার ঋতু, তাই বসন্তরঞ্জন রায় শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কার করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি আবিষ্কারের স্থান ছিল বাঁকুড়া জেলা এবং এটি আবিষ্কারের পর বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয়। মধ্যযুগের সাহিত্যের আদি নিদর্শন সম্পর্কিত প্রশ্নে এই তথ্যটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a লিখিত রূপ
b উচ্চারিত রূপ
c ভাবরূপ
d অনূদিত রূপ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লিখিত রূপ ১. কেন সঠিক: বর্ণ হলো মানুষের মুখ থেকে নিঃসৃত ধ্বনি বা আওয়াজ লেখার জন্য ব্যবহৃত প্রতীক বা লিখিত রূপ। ধ্বনি হলো ভাষার মূল ভিত্তি যা কানে শোনা যায়, আর বর্ণ হলো সেই ধ্বনির দৃশ্যমান বা লিখিত রূপ যা চোখে দেখা যায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ভাষার মৌলিক উপাদান ধ্বনি নির্দেশ করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু লিখিত চিহ্ন বা প্রতীক ব্যবহার করা হয় এবং এই প্রতীকগুলোকেই বর্ণ বলা হয়। বাংলা বর্ণমালায় মোট পঞ্চাশটি বর্ণ রয়েছে যার মধ্যে স্বরবর্ণ এগারোটি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ উচল্লিশটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি একটি স্বরধ্বনি প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট করা লিখিত বর্ণ রূপ। উদাহরণ ২: ক ব্যাখ্যা: এটি একটি ব্যঞ্জনধ্বনি প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট করা লিখিত বর্ণ রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিখিত রূপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ধ্বনিকে দৃশ্যমান করতে বর্ণ ব্যবহার করা হয়। B) উচ্চারিত রূপ — ধ্বনি হলো উচ্চারিত রূপ, বর্ণ নয় তাই এই অপশন ভুল। C) ভাবরূপ — ভাষার মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ পায় কিন্তু বর্ণ সরাসরি ভাব নয় তাই ভুল। D) অনূদিত রূপ — এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় রূপান্তরকে অনুবাদ বলে যা বর্ণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ধ্বনি শোনা যায় আর বর্ণ লেখা যায় এই সহজ সূত্রটি মনে রাখলে আর ভুল হবে না। ধ্বনি ও বর্ণের পার্থক্য বুঝতে কান বনাম চোখের তুলনা মনে রাখা যেতে পারে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় মোট পঞ্চাশটি বর্ণ রয়েছে এবং এর মধ্যে স্বরবর্ণ এগারোটি ও ব্যঞ্জনবর্ণ উচল্লিশটি। ধ্বনি হলো মৌখিক রূপ আর বর্ণ হলো লিখিত রূপ এই মৌলিক বিষয়টি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a কালিকামঙ্গল কাব্য
b মনসামঙ্গল কাব্য
c অন্নদামঙ্গল কাব্য
d চণ্ডীমঙ্গল কাব্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অন্নদামঙ্গল কাব্য ১. কেন সঠিক: - 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত উদ্ধৃতি যা ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের অন্নদামঙ্গল কাব্যের মধ্যযুগের কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের রচনা থেকে এসেছে। - ঈশ্বরচন্দ্র ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর অন্নদামঙ্গল কাব্যের শেষ পর্বে ঈশ্বরী পাটনীর এই বিখ্যাত প্রার্থনাবাণীটি সংযোজন করেছেন যা তৎকালীন সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর অষ্টাদশ শতকের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও শেষ কবি যিনি নদিয়ার মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন। - তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো অন্নদামঙ্গল কাব্য যা তিনটি খণ্ড নিয়ে গঠিত এবং এতে অন্নপূর্ণা দেবীর মহিমা ও বিদ্যাসুন্দর কাহিনীর বর্ণনা রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যাসুন্দর কাব্য ব্যাখ্যা: এটি অন্নদামঙ্গল কাব্যের দ্বিতীয় খণ্ডের অন্তর্ভুক্ত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রণয়োপাখ্যানমূলক অংশ। উদাহরণ ২: নাগরের লক্ষ্মী ঘরের ঝি ব্যাখ্যা: এটিও ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল কাব্যের একটি বহুল প্রচলিত ও পরিচিত প্রবচনমূলক পংক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কালিকামঙ্গল কাব্য — এটি বিদ্যাসুন্দর কাব্যের অপর নাম হলেও মূল অন্নদামঙ্গল কাব্যের অংশ হিসেবে এই নির্দিষ্ট উদ্ধৃতিটি এখানে পাওয়া যায় না। B) মনসামঙ্গল কাব্য — এটি মঙ্গলকাব্যের অন্য একটি ধারা যা দেবী মনসার পূজাপ্রচার ও মাহাত্ম্য নিয়ে রচিত এবং এর সঙ্গে এই উদ্ধৃতির কোনো সম্পর্ক নেই। C) অন্নদামঙ্গল কাব্য — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের বিখ্যাত কাব্য যা তিনটি খণ্ডে বিভক্ত। D) চণ্ডীমঙ্গল কাব্য — এটি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী রচিত দেবী চণ্ডীর মাহাত্ম্য প্রচারের কাব্য যা এই নির্দিষ্ট প্রবচনের উৎস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - দুধে ভাতের প্রার্থনা করেছিলেন ঈশ্বরী পাটনী আর এই চরিত্রটি রয়েছে ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল কাব্যে। - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের সমাপ্তি ঘটিয়েছিল অন্নদামঙ্গল কাব্য এবং এর মাধ্যমেই ভারতচন্দ্রের খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবি ও তাঁদের বিখ্যাত কাব্যের নাম প্রায়ই জিজ্ঞাসা করা হয়। - ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের উপাধি ছিল রায়গুণাকর এবং তাঁর কাব্য বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের শেষের এক অনন্য দলিল।
a One's promises are kept.
b One's promises must kept.
c One's promises were kept
d One's promises must be kept.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) One's promises must be kept. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'one's' possessive pronoun থাকায় প্যাসিভ করার সময় তা অপরিবর্তিত থাকে এবং 'one' বা 'one's' উহ্য রাখা হয়। - Modal auxiliary verb (must)-যুক্ত Active voice-কে Passive করার নিয়ম হলো Object-এর Subject রূপ + must + be + Verb-এর past participle রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) One's promises are kept. — এখানে প্রয়োজনীয় modal auxiliary verb (must) বাদ দেওয়া হয়েছে, তাই অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে। B) One's promises must kept. — modal verb-এর পর সরাসরি past participle ব্যবহার করা হয়েছে, মাঝে নিয়ম অনুযায়ী 'be' verb যুক্ত করা হয়নি। C) One's promises were kept — বাক্যের tense পরিবর্তন করে past tense করা হয়েছে, যা মূল বাক্যের present modal অর্থ প্রকাশ করে না। D) One's promises must be kept. — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে modal verb-এর পর সঠিক নিয়মে 'be' এবং verb-এর past participle ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Active voice-এ must থাকলে Passive করার সময় must-এর পর একটি be যোগ করতে হয় এবং মূল verb-এর past participle form বসাতে হয়।
a an award
b to be awarded
c awarded
d awarding
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) awarded কেন সঠিক: - বাক্যটির অর্থ হলো নেলসন ম্যান্ডেলা ১৯৯৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন, যা প্যাসাইভ ভয়েস নির্দেশ করে। - সাবজেক্ট নিজেই কাজটি করছে না বরং পুরস্কারপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে সঠিক প্যাসাইভ স্ট্রাকচার গঠনে পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম awarded ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an award — এটি একটি নাউন ফ্রেজ, যা সরাসরি মূল ভার্ব হিসেবে গ্যাপে বসে বাক্যকে ব্যাকরণগতভাবে ভুল করে তোলে। B) to be awarded — ইনফিনিটিভ রূপটি এখানে সেন্টেন্সের মূল সমাপিকা ক্রিয়া বা প্যাসাইভ প্রেডিকেট গঠন করতে পারে না। C) awarded — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে পুনরায় ভুল অপশন হিসেবে ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই, তবে এটিই একমাত্র ব্যাকরণগতভাবে সঠিক পাস্ট পার্টিসিপল। D) awarding — এই প্রেজেন্ট পার্টিসিপল ফর্মটি ব্যবহার করলে বাক্যটি অ্যাক্টিভ অর্থ প্রকাশ করবে, যা ম্যান্ডেলার পুরস্কার পাওয়ার ঘটনার বিপরীত অর্থ দাঁড় করায়। মনে রাখার টিপস: কোনো ব্যক্তি সম্মাননা বা পুরস্কার লাভ করেছেন বুঝাতে প্যাসাইভ গঠনে সরাসরি V3 বা পাস্ট পার্টিসিপল (যেমন awarded) ব্যবহার করতে হয়।
a are
b is
c were
d was
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) was কেন সঠিক: - বাক্যে 'along with' থাকলে প্রথম Subject (He) অনুযায়ী Verb নির্ধারিত হয়। - Subject 'He' একবচন হওয়ায় Verb-ও singular (was) হবে এবং বাক্যটি অতীতের হওয়ায় Past Tense ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — Subject একবচন এবং বাক্যটি অতীতের হওয়ায় plural বা বর্তমান কালের 'are' ব্যবহার করা ভুল। B) is — Subject একবচন হলেও বাক্যটির শেষে 'last night' থাকায় এটি Past Tense হবে, তাই 'is' ভুল। C) were — 'along with' এর নিয়ম অনুযায়ী Verb প্রথম Subject (He) অনুযায়ী বসে, তাই plural verb 'were' ভুল। D) was — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রথম Subject একবচন এবং বাক্যটি অতীতের নির্দেশক। মনে রাখার টিপস: along with, together with ইত্যাদি দ্বারা একাধিক Subject যুক্ত থাকলে প্রথম Subject অনুযায়ী Verb singular বা plural হয়।
a The more incredible
b The most incredible
c More incredible
d Incredible
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The most incredible কেন সঠিক: - নির্দিষ্ট কোনো গোষ্ঠীর মধ্যে বা সবার মধ্যে সর্বোচ্চ মাত্রা বোঝাতে সুপারলেটিভ ডিগ্রি ব্যবহৃত হয়। - এখানে 'ever heard' বা এ পর্যন্ত শোনা সব গল্পের মধ্যে তুলনা বোঝানো হয়েছে, তাই সুপারলেটিভ ডিগ্রি 'the most incredible' সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The more incredible — তুলনামূলক বা কম্পারেটিভ ডিগ্রি, যা দুটি জিনিসের মধ্যে তুলনা করতে ব্যবহৃত হয়। B) The most incredible — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা সুপারলেটিভ ডিগ্রি নির্দেশ করে। C) More incredible — এটি কম্পারেটিভ ডিগ্রি এবং এর পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল দ্য নেই। D) Incredible — এটি পজিটিভ ডিগ্রি, যা দিয়ে কোনো ধরনের তুলনা বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'ever' বা 'in the world' থাকলে সাধারণত সুপারলেটিভ ডিগ্রি হয়, যার পূর্বে দ্য এবং অ্যাডজেক্টিভের সঙ্গে মোস্ট যুক্ত হয়।
a Since they have some good players.
b Because they have some good players.
c As if they had some good players
d Even though they have some good players.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Even though they have some good players. কেন সঠিক: - বাক্যের প্রথম অংশ 'Our Team seldom wins' (আমাদের দল কদাচিৎ জেতে) একটি নেতিবাচক বা হতাশাজনক অর্থ প্রকাশ করে। - ভালো খেলোয়াড় থাকা সত্ত্বেও দল জেতে না বোঝাতে বিপরীতার্থক বা বিরুদ্ধভাব প্রকাশকারী conjunction হিসেবে Even though ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Since they have some good players. — Since কারণ বা কারণ নির্দেশ করে, যা ভালো খেলোয়াড় থাকার কারণে দল জেতার কথা বলত কিন্তু এখানে বিপরীত অর্থ প্রয়োজন। B) Because they have some good players. — Because ঠিক কারণ বোঝায়, যা কদাচিৎ জেতার এই নেতিবাচক ফলাফলের সাথে অর্থগতভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) As if they had some good players — As if মানে যেন, যা অবাস্তব কল্পনা বোঝাতে subjunctive mood হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। D) Even though they have some good players. — এটি সঠিক, কারণ এটি ভালো খেলোয়াড় থাকা সত্ত্বেও জেতার অভাবের বিপরীত অবস্থাকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: বিপরীত বা অপ্রত্যাশিত ফল বোঝাতে even though, although বা though ব্যবহার করা হয়।
a Carry off
b Carry on
c Carry up
d Carry out
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Carry out কেন সঠিক: - Carry out একটি গ্রুপ ভার্ব, যার অর্থ কোনো আদেশ, নির্দেশ বা নিয়ম নিখুঁতভাবে পালন করা বা বাস্তবায়ন করা। - বাক্যে আপনার আদেশগুলো নিখুঁতভাবে পালন করলে সবকিছু ঠিক থাকবে অর্থ প্রকাশ করতে Carry out সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Carry off — এর অর্থ জয় করা বা ছিনিয়ে নেওয়া, যা এখানে আদেশের ক্ষেত্রে অর্থপূর্ণ নয়। B) Carry on — এর অর্থ চালিয়ে যাওয়া, যা কোনো নির্দেশ পালনের পরিবর্তে কেবল কাজ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। C) Carry up — এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড ফ্রেজাল ভার্ব নয় এবং এর নির্দিষ্ট কোনো অর্থ নেই। D) Carry out — সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ আদেশ বা নির্দেশ পালন করা। মনে রাখার টিপস: আদেশ বা নির্দেশ পালন করার ক্ষেত্রে எப்போதும் Carry out ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহৃত হয়।
a a poem
b a story
c a drama
d a novel
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a drama কেন সঠিক: - নাটক বা ড্রামার মূল ভিত্তি হলো সংঘাত বা দ্বন্দ্ব, যা চরিত্রের কর্ম ও আবেগকে এগিয়ে নিয়ে যায়। - সংঘাত ছাড়া নাটকের প্লট বা কাহিনি সামনের দিকে অগ্রসর হতে পারে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a poem — কবিতার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ছান্দসিক প্রকাশ, আবেগ বা রূপক, নাটকের মতো দৃশ্যমান সংঘাত নয়। B) a story — গল্পে দ্বন্দ্ব থাকতে পারে, তবে এটি গল্পের অপরিহার্য বা প্রধান টেকনিক্যাল বৈশিষ্ট্য নয়। C) a drama — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। D) a novel — উপন্যাসে দ্বন্দ্বের উপস্থিতি থাকলেও তা মূলত বর্ণনামূলক ও বিস্তৃত পরিসরে বিকশিত হয়। মনে রাখার টিপস: নাটক মানেই দ্বন্দ্ব বা সংঘাত, আর ইংরেজি সাহিত্যে Conflict হলো a drama-র প্রাণ।
a a prefix
b a prefix
c a prefix and suffix
d within
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a prefix and suffix কেন সঠিক: - শব্দটিতে মূল শব্দ 'change'-এর পূর্বে 'un-' প্রিফিক্স এবং পরে '-able' সাফিক্স যুক্ত হয়েছে। - তাই এই শব্দটিতে একটি প্রিফিক্স এবং একটি সাফিক্স উভয়ই বিদ্যমান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a prefix — এটি আংশिक সত্য কারণ প্রিফিক্স আছে, কিন্তু সাফিক্সও থাকায় এই অপশনটি সম্পূর্ণ নয়। B) a prefix — এটি পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে এবং শুধু প্রিফিক্স থাকায় সম্পূর্ণ সঠিক নয়। C) a prefix and suffix — এটি সঠিক কারণ শব্দটিতে প্রিফিক্স ও সাফিক্স উভয়ই রয়েছে। D) within — এটি এই প্রশ্নের উত্তরের সাথে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক একটি শব্দ। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দের শুরুতে প্রিফিক্স এবং শেষে সাফিক্স উভয়ই একসাথে থাকতে পারে, যেমন un-change-able.
a Amatuer
b Amature
c Amateur
d Ameteur
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Amateur কেন সঠিক: - এই বানানটির সঠিক উচ্চারণ এবং প্রমিত ইংরেজি বানানরীতি অনুযায়ী এতে 'ateur' অংশটি যুক্ত থাকে। - ফ্রেঞ্চ ভাষা থেকে আসা এই শব্দটিতে 'amate' মূল শব্দের সাথে 'ur' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে Amateur গঠিত হয়েছে যার অর্থ অপেশাদার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Amatuer — বানানটিতে 'u' এবং 'e'-এর সঠিক ক্রম বজায় রাখা হয়নি। B) Amature — বানানটিতে শেষের দিককার সঠিক প্রত্যয় অংশটি অনুপস্থিত রয়েছে। C) Amateur — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক বানান এবং এর গঠন সঠিক রয়েছে। D) Ameteur — বানানটিতে প্রথম ও মধ্যবর্তী স্বরবর্ণের ভুল প্রয়োগ ঘটেছে। মনে রাখার টিপস: শব্দটির শেষে "teur" আছে মনে রাখলে এবং Ama-teur এভাবে ভেঙে পড়লে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a by
b with
c for
d at
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) with কেন সঠিক: - কোনো বস্তু বা উপহার পেয়ে আনন্দিত বা সন্তুষ্ট হওয়া বোঝাতে delighted শব্দের পর with preposition ব্যবহৃত হয়। - এখানে present বা উপহারের প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশ করায় with সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — ব্যক্তির দ্বারা কোনো কাজ করা বোঝাতে passive voice-এ by বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) with — কোনো বস্তু বা উপহার পেয়ে সন্তুষ্ট হওয়া বোঝালে delighted-এর পর with বসে, যা এই বাক্যের জন্য সঠিক। C) for — কোনো কারণ বা উদ্দেশ্যে বোঝাতে for বসে, কিন্তু delighted শব্দের পর নির্দিষ্ট preposition হিসেবে for বসে না। D) at — কোনো ঘটনা, দৃশ্য বা আচরণের কারণে আনন্দিত হলে at বসে, কিন্তু বস্তুগত উপহারের ক্ষেত্রে with বসে। মনে রাখার টিপস: বস্তু বা উপহার পেলে delighted with হয় এবং কোনো ঘটনা বা আচরণ দেখলে delighted at হয়।
a A customary code of behavior
b The way one sings
c Food habit
d Rules and regulations
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) A customary code of behavior কেন সঠিক: - Etiquette শব্দের বাংলা অর্থ হলো ভদ্রতা, শিষ্টাচার বা সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য আচরণের বিধি। - সমাজে চলাফেরার জন্য নির্দিষ্ট কিছু প্রথাগত নিয়ম বা শিষ্টাচারকে etiquette বলা হয়, যা অপশন এ তে সঠিকভাবে নির্দেশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A customary code of behavior — এটি সঠিক উত্তর কারণ etiquette বলতে প্রথাগত আচরণের কোড বা শিষ্টাচারকে বোঝায়। B) The way one sings — এটি গান গাওয়ার ভঙ্গি বা পদ্ধতি বোঝায়, যা শিষ্টাচার বা etiquette এর সাথে সম্পর্কিত নয়। C) Food habit — এটি মানুষের খাদ্যাভ্যাস নির্দেশ করে, যা etiquette বা সামাজিক শিষ্টাচারের একটি ক্ষুদ্র অংশ হতে পারে কিন্তু সম্পূর্ণ অর্থ নয়। D) Rules and regulations — এটি সাধারণত কোনো প্রতিষ্ঠান বা দেশের আইনকানুন বা বিধিমালার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, সামাজিক শিষ্টাচারের ক্ষেত্রে নয়। মনে রাখার টিপস: Etiquette শব্দটি দেখলে সামাজিক আচার-আচরণ বা শিষ্টাচার (Behavior) কথাটি মনে রাখবে।
a John Milton
b Harold Pinter
c Jonathan Swift
d Ben Jonson
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Jonathan Swift কেন সঠিক: - প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। জোনাথন সুইফট একজন ব্রিটিশ বা আইরিশ সাহিত্যিক ছিলেন, যিনি জন্মসূত্রে আইরিশ হলেও আয়ারল্যান্ড ও ব্রিটেন উভয় সাহিত্যেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। - এই প্রশ্নে মূলত আয়ারল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক পরিচয়ের পার্থক্য নির্দেশ করা হয়েছে, কারণ জোনাথন সুইফট আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে অনেক সময় জোনাথন সুইফটকে আইরিশ লেখক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, তবে তিনি ব্রিটিশ সাহিত্যধারার অন্তর্ভুক্ত হিসেবেও পরিগণিত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) John Milton — তিনি একজন বিখ্যাত সপ্তদশ শতাব্দীর ইংরেজ কবি ও সাহিত্যিক ছিলেন, যিনি ব্রিটিশ সাহিত্যের অংশ। B) Harold Pinter — তিনি বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ নাট্যকার এবং সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী, তাই তিনি ব্রিটিশ লেখক। C) Jonathan Swift — তিনি আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে জন্মগ্রহণকারী লেখক এবং তাকে অনেক সময় আইরিশ লেখক হিসেবে গণ্য করা হয়। D) Ben Jonson — তিনি এলিজাবেথান যুগের একজন বিশিষ্ট ইংরেজ নাট্যকার ও কবি ছিলেন, যিনি ব্রিটিশ সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত। মনে রাখার টিপস: জোনাথন সুইফট আয়ারল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করলেও ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাসের অংশ, তাই ব্রিটিশ ও আইরিশ লেখক বাছাইয়ের সময় তার জন্মস্থান ডাবলিন মনে রাখতে হবে।
a aren't they
b are they
c won't they
d don't they
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) aren't they কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি হাবোধক (affirmative) হওয়ায় এর প্রশ্ন ট্যাগ (question tag) অবশ্যই না-বোধক (negative) হবে। - মূল বাক্যের verb হলো are, তাই ট্যাগে are-এর সঙ্গে not যুক্ত হয়ে aren't এবং subject (the students)-এর pronoun হিসেবে they ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) aren't they — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। B) are they — মূল বাক্যটি হাবোধক হওয়ায় এর প্রশ্ন ট্যাগ না-বোধক হতে হবে, তাই এটি ভুল। C) won't they — মূল বাক্যে future tense-এর modal verb (will) নেই, তাই won't ব্যবহার করা ভুল। D) don't they — মূল বাক্যে মূল verb হিসেবে to be verb (are) রয়েছে, তাই do বা don't ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্য হাবোধক হলে প্রশ্ন ট্যাগ না-বোধক করতে হয় এবং বাক্যের auxiliary verb ও subject অনুযায়ী ট্যাগ গঠন করতে হয়।
a Let's do that for you.
b Let do that for you.
c Let me do that for you.
d Let you do that for you.
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) Let me do that for you. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে সাবজেক্ট বা উদ্দেশ্য হলো আমি নিজেই কাজটি করে দেব, যা রূপান্তর করার সময় প্রথম পুরুষের অবজেক্ট 'me' ব্যবহার করতে হয়। - 'Let' একটি Imperative বাক্যের সূচনা করে যার পরে সর্বদা সাবজেক্টের অবজেক্টিভ রূপ (যেমন: me, him, her, us) বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let's do that for you — এখানে Let's অর্থ Let us বা আমাদের একসাথে বোঝায়, যা বক্তার একা কাজ করার প্রতিশ্রুতির সাথে মেলে না। B) Let do that for you — এখানে Let এর পর কোনো অবজেক্ট (me/us/him) না থাকায় ব্যাকরণগতভাবে বাক্যটি অসম্পূর্ণ ও ভুল। C) Let me do that for you — এটি সঠিক উত্তর, কারণ বক্তা নিজেই কাজটি করে দেওয়ার প্রস্তাব প্রকাশ করতে 'me' ব্যবহার করেছে। D) Let you do that for you — এখানে 'Let you' ব্যবহার করলে অন্য কাউকে কাজটি করতে অনুমতি দেওয়ার অর্থ প্রকাশ পায়, যা মূল বাক্যের সাথে অসংগত। মনে রাখার টিপস: বক্তা নিজে কোনো কাজ করে দিতে চাইলে Let এর পরে সবসময় me বসবে, আর সবাইকে নিয়ে কিছু করতে চাইলে us বসবে।
a a determiner
b a conjunction
c an adjective
d a pronoun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a pronoun কেন সঠিক: - এখানে All শব্দটি কোনো noun-কে নির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্ট করে বোঝাচ্ছে না, বরং নিজে স্বাধীনভাবে একটি noun-এর পরিবর্তে বসেছে। - বাক্যে All শব্দটি মূল subject হিসেবে বসেছে এবং এর অর্থ দাঁড়াচ্ছে 'সব বস্তু সোনা নয়', যা একটি pronoun-এর কাজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a determiner — determiner হতে হলে শব্দটিকে noun-এর পূর্বে বসে তাকে নির্দেশ করতে হতো, যা এখানে ঘটেনি। B) a conjunction — conjunction দুটি শব্দ বা বাক্যাংশকে যুক্ত করে, কিন্তু এখানে All কোনো সংযোগকারী হিসেবে কাজ করছে না। C) an adjective — adjective হতে হলে শব্দটিকে কোনো noun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করতে হতো, যা এখানে নেই। D) a pronoun — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ All এখানে বিশেষ্য পদের পরিবর্তে pronoun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: noun-এর ঠিক আগে বসে তাকে নির্দেশ করলে determiner হয়, আর একা বসে noun-এর কাজ করলে তা pronoun হয়।
a do you send
b did you send
c are you sending
d were you sending
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) are you sending কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে this year উল্লেখ থাকায় এটি বর্তমান সময়ের একটি চলমান বা নিকট ভবিষ্যতের পরিকল্পনা বোঝায়। - চলমান ঘটনা প্রকাশের জন্য Present Continuous Tense ব্যবহৃত হয়, যার গঠন হচ্ছে Subject-এর পর am/is/are এবং verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) do you send — এটি Present Indefinite Tense, যা নিয়মিত বা চিরন্তন সত্য কাজের ক্ষেত্রে বসে, এই নির্দিষ্ট চলতি বছরের কাজের জন্য প্রযোজ্য নয়। B) did you send — এটি Past Indefinite Tense, যা অতীতকালের নির্দিষ্ট ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই বর্তমান বছরের চলমান কাজের জন্য ভুল। C) are you sending — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি Present Continuous Tense এবং this year বা চলতি বছরের চলমান কাজের সাথে এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) were you sending — এটি Past Continuous Tense, যা অতীতের কোনো নির্দিষ্ট সময়ে চলমান কাজ বোঝায়, বর্তমান সময়ের জন্য এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে this year বা nowadays থাকলে এবং কাজটি চলমান বোঝালে সাধারণত Present Continuous Tense (am/is/are + verb-ing) ব্যবহার করতে হয়।
a Thomas Hardy
b Sir Walter Scott
c George Orwell
d Emile Zola
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: সাহিত্য, লেখক ও সাহিত্যকর্ম সঠিক উত্তর: C) George Orwell কেন সঠিক: - ১৯৪১৯৮৪ বইটি বিখ্যাত ইংরেজি সাহিত্যিক জর্জ অরওয়েল রচিত একটি দূরদর্শী রাজনৈতিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে একনায়কতন্ত্র, সর্বগ্রাসী সরকার এবং নজরদারির ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Thomas Hardy — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন, যার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে টেস অব দ্য ডি উরবারভিলস অন্যতম। B) Sir Walter Scott — তিনি স্কটিশ ঐতিহাসিক উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত, যিনি আইভানহো উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। C) George Orwell — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের বিস্তারিত উপরে উল্লেখ করা হয়েছে। D) Emile Zola — তিনি ফরাসি সাহিত্যিক এবং প্রকৃতিবাদী আন্দোলনের প্রবক্তা ছিলেন, যিনি জারমিনাল উপন্যাসের জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: অরওয়েলের ছদ্মনাম ছিল এরিক আর্থার ব্লেয়ার এবং তাঁর নামের আদ্যক্ষর George আর Nineteen Eighty Four উপন্যাসের শেষের সংখ্যাগুলো মিলিয়ে মনে রাখতে পারো।
a Angry
b Foolish
c Cruel
d Callous
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Cruel কেন সঠিক: - Humane শব্দটির অর্থ দয়ালু, মানবিক বা সহানুভূতিশীল। - এর সরাসরি বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিমি শব্দ হলো Cruel, যার অর্থ নিষ্ঠুর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Angry — এর অর্থ রাগী বা ক্রুদ্ধ, যা মানবিক বা দয়ালু শব্দের বিপরীতার্থক হলেও সঠিক অ্যান্টনিম হিসেবে Cruel বেশি উপযুক্ত। B) Foolish — এর অর্থ বোকামিপূর্ণ বা নির্বোধ, যা বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত এবং humane শব্দের বিপরীত নয়। সি) Cruel — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এর অর্থ নিষ্ঠুর এবং এটি humane শব্দের সরাসরি বিপরীত। D) Callous — এর অর্থ সংবেদনহীন বা অনুভূতিহীন, যা অনেকটা কাছাকাছি হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় humane শব্দের প্রমিত অ্যান্টনিম হিসেবে Cruel নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: Humane শব্দের শুরু হয় Human দিয়ে, যার অর্থ মানুষ এবং মানুষ সাধারণত দয়ালু হয়। এর উল্টো বা নিষ্ঠুর বোঝাতে Cruel ব্যবহার করা হয়।
a Astounding
b Exciting
c Promising
d Lucky
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Lucky কেন সঠিক: - Auspicious শব্দের অর্থ শুভ, অনুকূল বা সৌভাগ্যসূচক। - Lucky শব্দের অর্থ ভাগ্যবান বা শুভ, যা auspicious শব্দের সমার্থক হিসেবে সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Astounding — এর অর্থ বিস্ময়কর বা অত্যাশ্চর্য, যা শুভ বা সৌভাগ্যসূচক অর্থে ব্যবহার করা যায় না। B) Exciting — এর অর্থ রোমাঞ্চকর বা উদ্দীপক, যা auspicious শব্দের সমার্থক নয়। C) Promising — এর অর্থ আশাব্যঞ্জক বা সম্ভাবনাময়, যা কাছাকাছি হলেও সরাসরি প্রতিশব্দ নয়। D) Lucky — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ ভাগ্যবান বা শুভ। মনে রাখার টিপস: Auspicious মানে যার সূচনা শুভ এবং Lucky মানেও শুভ বা সৌভাগ্যবান।
a the, a
b the, the
c a, a
d a, the
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) the, the কেন সঠিক: - নির্দিষ্ট করে বোঝাতে দ্বিতীয় 'Japanese' শব্দটির আগে definite article 'the' বসেছে। - তুলনা বা নির্দিষ্ট ধরন বোঝাতে 'in the way + noun + speak' গঠনে প্রথম শূন্যস্থানেও 'the' বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the, a — দ্বিতীয় শূন্যস্থানে indefinite article 'a' বসলে বাক্যটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। B) the, the — প্রদত্ত উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং নিয়মানুযায়ী উভয় স্থানে 'the' বসবে। C) a, a — ভাষা ও নির্দিষ্ট পন্থার আগে 'a' ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ অস্পষ্ট হয়। D) a, थेट — প্রথম শূন্যস্থানে 'a' বসলে নির্দিষ্ট ভাষা বা পন্থার নিয়ম লঙ্ঘন হয়। মনে রাখার টিপস: কোনো বিশেষ উপায়ে কিছু করা বোঝাতে 'in the way + noun + verb' ফ্রেজ ব্যবহৃত হয়, তাই উভয় স্থানে 'the' বসে।
a When you are ready, I will start the engine.
b When you ready, I will start the engine.
c When you are ready, I start the engine.
d When you will be ready, I will start the engine.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) When you are ready, I will start the engine. কেন সঠিক: - Future indefinite tense যুক্ত প্রধান ক্লজটি যখন subordinate conjunction (যেমন when, if, before) দ্বারা যুক্ত হয়, তখন subordinate clause-টি present indefinite tense হয়। - তাই when যুক্ত অংশটি present (you are ready) এবং পরবর্তী অংশটি future (I will start) হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) When you are ready, I will start the engine. — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার গঠন শতভাগ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। B) When you ready, I will start the engine. — subject এর পর কোনো verb (are) ব্যবহার না করায় বাক্যটি অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) When you are ready, I start the engine. — ভবিষ্যৎকালের অর্থ প্রকাশ করতে দ্বিতীয় অংশে future tense (will start) ব্যবহার করা উচিত ছিল, যা এখানে করা হয়নি। D) When you will be ready, I will start the engine. — when যুক্ত subordinate clause-এ ভবিষ্যৎকাল নির্দেশ করতে will ব্যবহার করা নিয়মবহির্ভূত। মনে রাখার টিপস: Complex sentence-এ when বা if এর সাথে যুক্ত ক্লজটি present tense হলে পরের ক্লজটি future tense হয়।
a Contrast
b Reason and cause
c Purpose
d Result
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Contrast কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'while' কনজাংকশনটি দুটি ভিন্ন বিষয়ের মধ্যে তুলনা বা বৈপরীত্য প্রকাশ করেছে। - প্রথম অংশে একটি সিনেমা ভালো লাগার কথা এবং দ্বিতীয় অংশে অন্যটি বিরক্তিকর হওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা বিপরীত অবস্থাকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Contrast — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটিতে দুটি বিপরীতধর্মী ধারণার তুলনা করা হয়েছে। B) Reason and cause — এটি ভুল কারণ বাক্যটি কোনো ঘটনার কারণ বা ভিত্তি ব্যাখ্যা করছে না। C) Purpose — এটি ভুল কারণ এখানে কোনো উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য বোঝানো হয়নি। D) Result — এটি ভুল কারণ বাক্যটি কোনো কাজের ফলাফল প্রকাশ করছে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'while' বা 'whereas' থাকলে সাধারণত দুটি বিপরীত বিষয়ের তুলনা বা Contrast বোঝায়।
a Gerund
b Present participle
c Principal
d Verbal noun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Present participle কেন সঠিক: - 'burning' শব্দটি noun (something)-এর পূর্বে বসে adjective-এর কাজ করছে এবং চলমান অবস্থা বোঝাচ্ছে। - Verb-এর শেষে ing যুক্ত হয়ে একই সাথে verb ও adjective-এর কাজ করলে তাকে Present participle বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gerund — এটি noun-এর কাজ করে, যা এখানে 'something'-কে modify করার কারণে প্রযোজ্য নয়। B) Present participle — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য। C) Principal — এটি কোনো non-finite verb-এর প্রকারভেদ নয়, বরং এটি প্রধান verb নির্দেশ করে। D) Verbal noun — এটি verb থেকে উৎপন্ন হলেও এর আগে article ও পরে of নিয়ে noun-এর কাজ করে, যা এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: Noun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা বোঝালে এবং চলমান অর্থ প্রকাশ করলে ing যুক্ত verb সবসময় Present participle হয়।
a By whom he was helped?
b By whom was he helped?
c Whom was he helped?
d Whom did he help?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) By whom was he helped? কেন সঠিক: - Active বাক্যে 'Who' থাকলে Passive করার সময় শুরুতে 'By whom' বসাতে হয় এবং টেন্স অনুযায়ী সাহায্যকারী verb ব্যবহার করতে হয়। - বাক্যের কর্তা 'who' এর পরিবর্তে 'he' আসার কারণে তার পূর্বে Past Indefinite Tense অনুযায়ী 'was' সাহায্যকারী verb বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom he was helped? — এখানে সাহায্যকারী verb 'was' কর্তার পূর্বে না বসে পরে বসার কারণে এটি সঠিক interrogative sentence হয়নি। B) By whom was he helped? — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এতে Passive Voice এর নিয়ম ও ইন্টারোগেটিভ বাক্যের গঠন পুরোপুরি সঠিক রয়েছে। C) Whom was he helped? — বাক্যের শুরুতে 'By' preposition না থাকায় এটি grammatically অসম্পূর্ণ ও ভুল। D) Whom did he help? — এটি Past Indefinite Tense এর একটি Active বাক্যের গঠন, যা প্রদত্ত প্রশ্নের Passive রূপ নয়। মনে রাখার টিপস: Active বাক্যে Who থাকলে Passive করার সময় শুরুতে By whom বসবে এবং তারপর tense অনুযায়ী সাহায্যকারী verb ও subject বসবে।
a Information
b Luggage
c News
d Thanks
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Thanks কেন সঠিক: - 'Thanks' শব্দটি সর্বদা প্লুরাল বা বহুবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর শেষে সবসময় এস যুক্ত থাকে। - এটি মূলত কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ক্ষেত্রে একটি বিশেষ প্লুরাল নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার কোনো সিঙ্গুলার রূপ নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Information — এটি একটি আনকাউন্টেবল নাউন এবং এর সঙ্গে এস যুক্ত করে প্লুরাল করা যায় না। B) Luggage — এটিও একটি আনকাউন্টেবল নাউন এবং এটি সর্বদা সিঙ্গুলার হিসেবে গণ্য হয়। C) News — শব্দটির শেষে এস থাকলেও এটি একটি সিঙ্গুলার নাউন এবং এর অর্থ সংবাদ। D) Thanks — এটি বহুবচন রূপেই ব্যবহৃত হয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: কিছু নাউন দেখতে সিঙ্গুলার হলেও সবসময় প্লুরাল হয় যেমন থ্যাংকস, রিগার্ডস, কংগ্রাচুলেশনস।
a শনিবার
b সোমবার
c বুধবার
d রবিবার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বুধবার প্রদত্ত তথ্য: ১৯৭৮ সালের ২৫ জানুয়ারি ছিল বুধবার ১৯৮১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি কি বার হবে তা নির্ণয় করতে হবে ধরি, ১৯৭৮ সাল সাধারণ বছর এবং এর মোট দিন সংখ্যা = ৩৬৫ দিন ১৯৭৯ সাল সাধারণ বছর এবং এর মোট দিন সংখ্যা = ৩৬৫ দিন ১৯৮০ সাল অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ার এবং এর মোট দিন সংখ্যা = ৩৬৬ দিন অতএব, ১৯৭৮ সালের ২৫ জানুয়ারি থেকে ১৯৭৯ সালের ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত দিন সংখ্যা = ৩৬৫ দিন ১৯৭৯ সালের ২৫ জানুয়ারি থেকে ১৯৮০ সালের ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত দিন সংখ্যা = ৩৬৫ দিন ১৯৮০ সালের ২৫ জানুয়ারি থেকে ১৯৮১ সালের ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত দিন সংখ্যা = ৩৬৬ দিন সুতরাং, মোট দিন সংখ্যা = ৩৬৫ + ৩৬৫ + ৩৬৬ = ১০৯৬ দিন ১০৯৬ দিন সমান ১৫৬ সপ্তাহ এবং ৪ দিন অতিরিক্ত ১৯৭৮ সালের ২৫ জানুয়ারি বুধবারের সাথে ৪ দিন যোগ করলে ১৯৮১ সালের ২৫ জানুয়ারি হয় রবিবার ১৯৮১ সালের জানুয়ারি মাসে বাকি থাকে ৩১ − ২৫ = ৬ দিন এবং ফেব্রুয়ারি মাসের ২৫ দিন মোট অতিরিক্ত দিন = ৬ + ২৫ = ৩১ দিন সমান ৪ সপ্তাহ এবং ৩ দিন রবিবার থেকে আরও ৩ দিন এগিয়ে গেলে বার হয় বুধবার উত্তর: বুধবার
a 75
b 73
c 77
d 79
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭৫ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি ধারাবাহিক বিজোড় সংখ্যার যোগফল = ২১৯ ধরি, প্রথম বিজোড় সংখ্যাটি = ক দ্বিতীয় বিজোড় সংখ্যাটি = ক + ২ তৃতীয় বিজোড় সংখ্যাটি = ক + ৪ অতএব, শর্তমতে, ক + ক + ২ + ক + ৪ = ২১৯ বা, ৩ক + ৬ = ২১৯ বা, ৩ক = ২১৯ − ৬ সুতরাং, ৩ক = ২১৩ ক = ২১৩ ÷ ৩ ক = ৭০ উত্তর: শেষ সংখ্যাটি = ৭০ + ৪ = ৭৫
a 4
b 6
c 8
d 2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ প্রدত্ত তথ্য: লগারিদম এর ভিত্তি হলো রুট ২ এবং সংখ্যাটি হলো ষোল ধরি, নির্ণয় মানটি হলো এক্স অতএব, রুট ২ এর পাওয়ার এক্স সমান ষোল দুই এর পাওয়ার এক ভাগ দুই এর পুরোটার পাওয়ার এক্স সমান ষোল দুই এর পাওয়ার এক্স ভাগ দুই সমান দুই এর পাওয়ার চার সুতরাং, বেস সমান হওয়ায় পাওয়ার দুটি সমান লেখা যায় এক্স ভাগ দুই সমান চার উত্তর: আট
a 241
b 263
c 233
d 253
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৫৩ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে সংখ্যাগুলো হলো ২৪১, ২৬৩, ২৩৩ এবং ২৫৩ ধরি, সংখ্যাগুলো মৌলিক বা যৌগিক তা পরীক্ষা করতে হবে কোনো সংখ্যাকে তার চেয়ে ছোট মৌলিক সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে দেখতে হবে অতএব, ২৪১ কে ৭, ১১, ১৩ দ্বারা ভাগ করলে মিলে না তাই এটি মৌলিক সংখ্যা ২৬৩ কে ৭, ১১, ১৩, ১৭ দ্বারা ভাগ করলে মিলে না তাই এটি মৌলিক সংখ্যা ২৩৩ কে ৭, ১১, ১৩ দ্বারা ভাগ করলে মিলে না তাই এটি মৌলিক সংখ্যা সুতরাং, ২৫৩ সংখ্যাটিকে ১১ দ্বারা ভাগ করা যায় কারণ ১১ × ২৩ = ২৫৩ উত্তর: ২৫৩
a 16
b 4
c 8
d 12
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: নীলের বর্তমান বয়স ১২ বছর নীলের বয়স কণ্ঠের বয়সের তিনগুণ ধরি, কণ্ঠের বর্তমান বয়স = ১২ ÷ ৩ = ৪ বছর ধরি, ক বছর পর নীলের বয়স কণ্ঠের বয়সের দ্বিগুণ হবে অতএব, ক বছর পর নীলের বয়স হবে ১২ + ক ক বছর পর কণ্ঠের বয়সের বয়স হবে ৪ + ক সুতরাং, ১২ + ক = ২ × (৪ + ক) উত্তর: ১৬
a ২০টি
b ২১টি
c ১৮টি
d ১২টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০টি প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ গণনা সংক্রান্ত জ্যামিতিক চিত্র সুষম আকৃতির ত্রিভুজ ক্ষেত্র ধরি, ছোট ত্রিভুজের সংখ্যা = ১৬টি মাঝারি ত্রিভুজের সংখ্যা = ৩টি বড় ত্রিভুজের সংখ্যা = ১টি অতএব, একক ত্রিভুজগুলো থেকে পাই ১৬টি সমন্বিত ত্রিভুজগুলো থেকে পাই ৩টি সম্পূর্ণ বড় ত্রিভুজটি হলো ১টি সুতরাং, মোট ত্রিভুজের সংখ্যা = ১৬ + ৩ + ১ = ২০টি উত্তর: ২০টি
a 75.4
b 74.5
c 35.5
d 37.7
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৭.৭ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা = ১২ সে.মি ধরি, বৃত্তের ব্যাস (d) = ১২ সে.মি বৃত্তের ব্যাসার্ধ (r) = ১২ ÷ ২ = ৬ সে.মি অতএব, বৃত্তের পরিধি নির্ণয়ের সূত্র = ২ × π × r এখানে পাই এর মান = ৩.১৪১৬ সুতরাং, পরিধি = ২ × ৩.১৪১৬ × ৬ সে.মি উত্তর: ৩৭.৭ সে.মি
a 3
b 2
c 1
d 1/3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১/৩ প্রদত্ত তথ্য: কস স্কয়ার থিটা বিয়োগ সাইন স্কয়ার থিটা সমান ১/৩ ধরি, প্রথম রাশি = কস স্কয়ার থিটা দ্বিতীয় রাশি = সাইন স্কয়ার থিটা অতএব, কস ফোর থিটা বিয়োগ সাইন ফোর থিটা এটিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করা যায় সুতরাং, কস স্কয়ার থিটা প্লাস সাইন স্কয়ার থিটা গুণ কস স্কয়ার থিটা বিয়োগ সাইন স্কয়ার থিটা উত্তর: ১ × (১/৩) = ১/৩
a {1/2}
b {}
c {7/2}
d {3/2}
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭/২ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো রুট ওভার (২x − ৩) + ৫ = ৩ ধরি, প্রদত্ত সমীকরণটি সমাধান করতে হবে পক্ষান্তর করে বর্গমূল একা করতে হবে অতএব, রুট ওভার (২x − ৩) = ৩ − ৫ রুট ওভার (২x − ৩) = − ২ সুতরাং, উভয়পক্ষ বর্গ করে পাই, ২x − ৩ = ৪ ২x = ৪ + ৩ উত্তর: x = ৭/২
a 5√5 বর্গ সে.মি
b 6√6 বর্গ সে.মি
c 6 বর্গ সে.মি
d 7√7 বর্গ সে.মি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬√৬ বর্গ সে.মি প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য ৫ সে.মি., ৬ সে.মি. ও ৭ সে.মি. ধরি, প্রথম বাহু a = ৫ সে.মি. দ্বিতীয় বাহু b = ৬ সে.মি. তৃতীয় বাহু c = ৭ সে.মি. অতএব, অর্ধপরিসীমা s = (৫ + ৬ + ৭) ÷ ২ s = ১৮ ÷ ২ s = ৯ সে.মি. সুতরাং, ক্ষেত্রফল = √(৯ × (৯ − ৫) × (৯ − ৬) × (৯ − ৭)) ক্ষেত্রফল = √(৯ × ৪ × ৩ × ২) = √২১৬ = ৬√৬ বর্গ সে.মি উত্তর: ৬√৬ বর্গ সে.মি
a x² + y² + 2x + 4y - 4 = 0
b x² + y² - 4x + 2y - 4 = 0
c x² + y² - 2x + 4y - 4 = 0
d x² + y² + 2x - 4y - 4 = 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) x² + y² + 2x − 4y − 4 = 0 প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের কেন্দ্র (h, k) = (− ১, ২) বৃত্তের ব্যাসার্ধ r = ৩ সে.মি ধরি, বৃত্তের সমীকরণ নির্ধারণের সূত্রটি হলো (x − h)² + (y − k)² = r² অতএব, মানের সূত্র প্রয়োগ করে পাই (x − (− ১))² + (y − ২)² = ৩² সুতরাং, (x + ১)² + (y − ২)² = ৯ x² + ২x + ১ + y² − ৪y + ৪ = ৯ উত্তর: x² + y² + ২x − ৪y − ৪ = ০
a 3 + x
b 3 - x
c x - 8
d x + 8
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩ + x প্রদত্ত তথ্য: দ্বিপদী রাশিটি হলো ২৪ + ৫x − x² ধরি, রাশিটিকে মিডল টার্ম বা উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে অতএব, ২৪ + ৫x − x² = ২৪ + ৮x − ৩x − x² সুতরাং, ৮ (৩ + x) − x (৩ + x) = (৩ + x) (৮ − x) উত্তর: ৩ + x
a 355
b 455
c 350
d 605
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬০৫ প্রদত্ত তথ্য: ভাজকগুলো হলো ৩০, ৪০ ও ৫০ প্রতি ক্ষেত্রে অবশিষ্ট থাকে ৫ ধরি, নির্ণেয় লঘিষ্ঠ সংখ্যাটি হলো ৩০, ৪০ ও ৫০ এর লসাগু এবং ৫ এর সমষ্টির সমান অতএব, ৩০, ৪০ ও ৫০ এর লসাগু হলো ৬০০ লসাগুর সাথে অবশিষ্ট ৫ যোগ করতে হবে সুতরাং, নির্ণেয় সংখ্যাটি হবে ৬০০ + ৫ = ৬০৫ উত্তর: ৬০৫
a ২৫%
b ৩০%
c ২৮%
d ৪০%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০% প্রদত্ত তথ্য: মোট ছাত্রের সংখ্যা = ৬০ জন ফেল করা ছাত্রের সংখ্যা = ৪২ জন ধরি, পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = মোট ছাত্র − ফেল করা ছাত্র অতএব, পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = ৬০ − ৪২ = ১৮ জন সুতরাং, পাশের হার = (পাস করা ছাত্রের সংখ্যা ÷ মোট ছাত্র) × ১০০% উত্তর: (১৮ ÷ ৬০) × ১০০% = ৩০%
a 30°
b 45°
c 60°
d 90°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬০° প্রদত্ত তথ্য: দালানের উচ্চতা = ১৫ মিটার ছায়ার দৈর্ঘ্য = ৫√৩ মিটার ধরি, সূর্যের উন্নতি কোণ = থিটা লম্ব = ১৫ মিটার ভূমি = ৫√৩ মিটার অতএব, tan(থিটা) = লম্ব ÷ ভূমি tan(থিটা) = ১৫ ÷ (৫√৩) tan(থিটা) = ৩ ÷ √৩ সুতরাং, tan(থিটা) = √৩ tan(থিটা) = tan(৬০°) উত্তর: ৬০°
a 40√5
b 50√5
c 45
d 45√5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫০√৫ প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ১৫ মিটার আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ১০ মিটার ধরি, আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ক মিটার পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী কর্ণের সূত্র = (দৈর্ঘ্যর ওপর বর্গ + প্রস্থের ওপর বর্গ) এর বর্গমূল ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ অতএব, ক এর ওপর বর্গ + ১০ এর ওপর বর্গ = ১৫ এর ওপর বর্গ ক এর ওপর বর্গ + ১০০ = ২২৫ সুতরাং, ক এর ওপর বর্গ = ২২৫ − ১০০ ক এর ওপর বর্গ = ১২৫ উত্তর: ক = √১২৫ = ৫√৫ মিটার, ক্ষেত্রফল = ৫√৫ × ১০ = ৫০√৫ বর্গমিটার
a 43
b 53
c 64
d 34
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৪ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ৪, ৮, ১৩, ১৯, ২৬ ... প্রথম পদ = ৪, দ্বিতীয় পদ = ৮, তৃতীয় পদ = ১৩ ধরি, পদগুলোর মধ্যবর্তী পার্থক্যগুলো হলো ক্রমানুসারে বাড়ছে প্রথম পার্থক্য ৮ − ৪ = ৪ দ্বিতীয় পার্থক্য ১৩ − ৮ = ৫ তৃতীয় পার্থক্য ১৯ − ১৩ = ৬ চতুর্থ পার্থক্য ২৬ − ১৯ = ৭ অতএব, পঞ্চম পার্থক্য হবে ৮, ষষ্ঠ পার্থক্য হবে ৯, সপ্তম পার্থক্য হবে ১০ অষ্টম পার্থক্য হবে ১১, নবম পার্থক্য হবে ১২ সুতরাং, নবম পদ পাওয়ার জন্য আগের পদের সাথে পার্থক্য যোগ করতে হবে ২৬ + ৭ + ৮ + ৯ + ১০ + ১১ + ১২ = ৬৪ উত্তর: ৬৪
a 24
b 16
c 8
d 4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ প্রদত্ত তথ্য: ৩, ৭ এবং ১৪ এর সমষ্টি ৬ এবং ১০ এর সাথে অজানা সংখ্যা ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, প্রথম তিনটি সংখ্যার যোগফল = ৩ + ৭ + ১৪ = ২৪ প্রথম তিনটি সংখ্যার গড় = ২৪ ÷ ৩ = ৮ সুতরাং, ৬, ১০ এবং ক এর গড় = (৬ + ১০ + ক) ÷ ৩ শর্তমতে, (১৬ + ক) ÷ ৩ = ৮ উত্তর: ক = ৮
a 1275
b 1010
c 1125
d 1250
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২৭৫ প্রدত্ত তথ্য: প্রথম স্বাভাবিক সংখ্যা = ১ শেষ স্বাভাবিক সংখ্যা = ৫০ মোট পদের সংখ্যা = ৫০ ধরি, প্রথম স্বাভাবিক সংখ্যা থেকে শুরু করে ৫০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর সমষ্টি নির্ণয় করতে হবে অতএব, স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল নির্ণয়ের সূত্র ব্যবহার করে পাই যোগফল = (শেষ সংখ্যা × (শেষ সংখ্যা + ১)) ÷ ২ সুতরাং, যোগফল = (৫০ × (৫০ + ১)) ÷ ২ যোগফল = (৫০ × ৫১) ÷ ২ উত্তর: ১২৭৫
a 155
b 160
c 165
d 170
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬৫ প্রদত্ত তথ্য: শিক্ষার্থীর মোট সংখ্যা = ৫১ জন মধ্যক নির্ণয়ের জন্য পদের অবস্থান নির্ধারণ করতে হবে ধরি, মধ্যক পদের অবস্থান = (মোট শিক্ষার্থী + ১) ÷ ২ মধ্যক পদের অবস্থান = (৫১ + ১) ÷ ২ অতএব, মধ্যক পদের অবস্থান = ৫২ ÷ ২ মধ্যক পদের অবস্থান = ২৬ তম পদ সুতরাং, সারণি থেকে ছাব্বিশ তম শিক্ষার্থীর উচ্চতা নির্ণয় করতে হবে মধ্যক শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত মানটি হবে মধ্যক উত্তর: ১৬৫
a 120°
b 150°
c 145°
d 160°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫০° প্রদত্ত তথ্য: ঘড়িতে এখন সময় ৭টা বাজে ঘড়ির সম্পূর্ণ বৃত্তের কোণ ৩৬০° ধরি, ঘড়িতে মোট ১২টি ঘণ্টার ঘর আছে প্রতি ঘণ্টার ঘরের জন্য কোণ = ৩৬০° ÷ ১২ = ৩০° অতএব, ৭টা বাজার সময় ঘণ্টার কাঁটা থাকে ৭ এর ঘরে মিনিটের কাঁটা থাকে ১২ এর ঘরে সুতরাং, ৭টা ও ১২টার মধ্যবর্তী ঘরের সংখ্যা = ৭টি কাঁটা দুটির মধ্যবর্তী কোণ = ৭ × ৩০° = ২১০° উত্তর: ৩৬০° − ২১০° = ১৫০°
a √49
b √7
c √(8/18)
d 0.5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) √৭ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে অমূলদ সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে ধরি, সংখ্যাগুলো হলো √৪৯, √৭, √(৮ ÷ ১৮) এবং ০.৫ অতএব, √৪৯ কে সরল করলে ৭ পাওয়া যায় যা একটি মূলদ সংখ্যা √(৮ ÷ ১৮) কে কাটাকাটি করলে √(৪ ÷ ৯) হয় এবং এর মান দুই তৃতীয়াংশ যা একটি মূলদ সংখ্যা সুতরাং, ০.৫ কে ভগ্নাংশ আকারে লেখা যায় যা একটি মূলদ সংখ্যা উত্তর: √৭ একটি অমূলদ সংখ্যা কারণ এর বর্গমূলের মান পূর্ণসংখ্যা নয় এবং এর দশমিক বিস্তার অসীম ও অনাবرتী
a 1
b 6.4516
c 5.6427
d 7.5438
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬.৪৫১৬ প্রদত্ত তথ্য: ১ ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার ধরি, ১ বর্গ ইঞ্চি সমান ১ ইঞ্চি গুণ ১ ইঞ্চি অতএব, ১ বর্গ ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার গুণ ২.৫৪ সেন্টিমিটার সুতরাং, ১ বর্গ ইঞ্চি সমান ৬.৪৫১৬ বর্গ সেন্টিমিটার উত্তর: ৬.৪৫১৬ বর্গ সেন্টিমিটার
a 15°
b 30°
c 45°
d 60°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৫° প্রদত্ত তথ্য: ট্যান দুই থিটা সমান এক ভাগ রুট তিন ধরি, ট্যান ৩০ ডিগ্রি সমান এক ভাগ রুট তিন অতএব, দুই থিটা সমান ৩০ ডিগ্রি সুতরাং, থিটা সমান ৩০ ডিগ্রি ভাগ দুই উত্তর: ১৫°
a 24
b 28
c 32
d 40
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ প্রদত্ত তথ্য: a + b = √৭ a − b = √৫ ধরি, রাশিটি হলো ৮ab(a² + b²) অতএব, রাশিটিকে লেখা যায় ৪ab × ২(a² + b²) সুতরাং, ৪ab এর সূত্র হলো (a + b)² − (a − b)² এবং ২(a² + b²) এর সূত্র হলো (a + b)² + (a − b)² মান বসিয়ে পাই, ((√৭)² − (√৫)²) × ((√৭)² + (√৫)²) পরবর্তী হিসাব, (৭ − ৫) × (৭ + ৫) চূড়ান্ত হিসাব, ২ × ১২ = ২৪ উত্তর: ২৪
a বাংলাদেশের
b ভারত
c রাশিয়া
d চীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশের কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ, যা ২০১৮ সালের ১১ মে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়। - এই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী দেশের গৌরব অর্জন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশের — এটি বাংলাদেশের নিজস্ব প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ স্যাটেলাইট এবং সঠিক উত্তর। B) ভারত — ভারত এই স্যাটেলাইটের মালিক বা নির্মাতা দেশ নয়, এটি ফ্রান্সের থালেস অ্যালেন স্পেস তৈরি করেছে। C) রাশিয়া — রাশিয়া এই স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিল না, কারণ এটি ফ্যালকন-৯ রকেটের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়। D) চীন — চীন বাংলাদেশের এই স্যাটেলাইট প্রকল্পের অর্থায়ন বা তৈরির সঙ্গে যুক্ত ছিল না। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ হলো বাংলাদেশের প্রথম মহাকাশ জয়, যা আমাদের নিজস্ব প্রযুক্তির যোগাযোগের গর্ব।
a উন্নত কৃষি যন্ত্রপাতির নাম
b উন্নত জাতের ধানের নাম
c বেসরকারি কৃষি সংস্থার নাম
d উন্নত জাতের গমের নাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উন্নত জাতের গমের নাম কেন সঠিক: - সোনালিকা ও আকবর বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে বহুল পরিচিত ও জনপ্রিয় উন্নত জাতের গমের নাম। - এই জাতগুলো একসময় দেশের গম উৎপাদনে বিপ্লব ঘটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উন্নত কৃষি যন্ত্রপাতির নাম — সোনালিকা ও আকবর কোনো যন্ত্র নয়, বরং এগুলো গম ফসলের নির্দিষ্ট জাত। B) উন্নত জাতের ধানের নাম — এই নামগুলো ধানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না, এগুলো গমের উচ্চফলনশীল জাত। C) বেসরকারি কৃষি সংস্থার নাম — এটি কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার নাম নয়, বরং উদ্ভাবিত ফসলের বীজ বা জাত। D) উন্নত জাতের গমের নাম — এটি সঠিক অপশন এবং সোনালিকা ও আকবর উভয়ই গমের জাত। মনে রাখার টিপস: গম চাষে সোনালিকা ও আকবর বিখ্যাত, নাম দুটি মনে রাখলে গম সম্পর্কিত প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a 4
b 5
c 6
d 2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারি মনোগ্রামে বা জাতীয় প্রতীকে মোট চারটি তারকা চিহ্ন রয়েছে। - জাতীয় প্রতীকের উভয় পাশে অবস্থিত ধানের শীষের ওপর দুটি করে মোট চারটি তারকা শোভা পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশের মনোগ্রামে ঠিক চারটি তারকা রয়েছে। B) ৫ — এই অপশনটি ভুল কারণ মনোগ্রামে পাঁচ তারকা ব্যবহারের কোনো সাংবিধানিক বা সরকারি নিয়ম নেই। C) ৬ — এই অপশনটি ভুল কারণ ছয়টি তারকা বাংলাদেশের মনোগ্রামের ডিজাইনে অন্তর্ভুক্ত নয়। D) ২ — এই অপশনটি ভুল কারণ মনোগ্রামে দুইয়ের অধিক অর্থাৎ মোট চারটি তারকা রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে দুইপাশে ধানের শীষের ওপর দুটি করে মোট ৪টি তারকা আছে, সংখ্যাটি মনে রাখতে ৪টি মূলনীতি বা ৪টি তারকার হিসাব মনে রাখুন।
a সৈয়দ নজরুল ইসলাম
b তাজুদ্দীন আহমেদ
c বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
d ক্যপ্টেন এম. মনসুর আলী
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: C) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়। - তাঁর অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি নন। B) তাজুদ্দীন আহমেদ — তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। D) ক্যাপটেন এম. মনসুর আলী — তিনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম ছিল এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি।
a জাতিসংঘ শান্তি পুরস্কার
b সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি
c প্ল্যানেট ফিফটি-ফিফটি
d এমডিজি অ্যাওয়ার্ড-২০১০
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) এমডিজি অ্যাওয়ার্ড-২০১০ কেন সঠিক: - শিশু মৃত্যুর হার হ্রাসে বিশেষ সাফল্যের জন্য ২০১০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জাতিসংঘের এমডিজি অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। - নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশের অগ্রগতির স্বীকৃতিস্বরূপ এই আন্তর্জাতিক সম্মাননা দেওয়া হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতিসংঘ শান্তি পুরস্কার — এটি অন্য কোনো শান্তির কাজের জন্য প্রদান করা হয়, শিশু মৃত্যুর হার হ্রাসের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। B) সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি — এটি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক শিক্ষাগত বা অন্যান্য অবদানের জন্য প্রদান করা হয়, এটি কোনো নির্দিষ্ট এমডিজি অ্যাওয়ার্ড নয়। C) প্ল্যানেট ফিফটি-ফিফটি — এটি নারী অধিকার ও লিঙ্গ সমতা অর্জনের স্বীকৃতি স্বরূপ জাতিসংঘের একটি বিশেষ উদ্যোগ ও সম্মাননা। D) এমডিজি অ্যাওয়ার্ড-২০১০ — এটিই সঠিক উত্তর কারণ শিশু মৃত্যুর হার হ্রাসের সাফল্য এই পুরস্কারের সাথেই যুক্ত। মনে রাখার টিপস: শিশুর মৃত্যু রোধে ২০১০ সালে সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে এমডিজি অ্যাওয়ার্ড পাওয়া যায়।
a 15
b 17
c 21
d 27
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭ কেন সঠিক: - জাতিসংঘ ২০১৫ সালে টেকসই উন্নয়নের জন্য ২০৩০ এজেন্ডা গ্রহণ করে যার মূল ভিত্তি হলো ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা এসডিজি। - এই ১৭টি লক্ষ্যের আওতায় দারিদ্র্য বিমোচন, অসমতা হ্রাস এবং জলবায়ু পরিবর্তন রোধসহ মোট ১৬৯টি নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ — এই সংখ্যাটি এমডিজি বা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের সঙ্গে নয়। B) ১৭ — এটি সঠিক উত্তর কারণ টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডায় মোট ১৭টি লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে। C) ২১ — এই সংখ্যাটি টেকসই উন্নয়ন বা এসডিজির মোট লক্ষ্যসংখ্যার সঙ্গে মেলে না। D) ২৭ — এটি একটি ভুল সংখ্যা যা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের নির্ধারিত সংখ্যার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: টেকসই উন্নয়নের বছর হলো ২০৩০ সাল এবং এর লক্ষ্য সংখ্যা হলো ১৭। সাল ও লক্ষ্যের সংখ্যা মাথায় রাখলে সহজেই উত্তর মনে রাখা যায়।
a অ্যাপোলো-১২
b অ্যাপোলো-১৪
c অ্যাপোলো-১১
d অ্যাপোলো-১৫
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যাপোলো-১১ কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত এই মহাকাশযানটি ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই প্রথমবারের মতো মানুষের চন্দ্রপৃষ্ঠে সফল অবতরণ নিশ্চিত করেছিল। - এই অভিযانের মাধ্যমে নভোচারী নীল আর্মস্ট্রং এবং এডউইন অলড্রিন চাঁদের মাটিতে প্রথম পা রেখেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যাপোলো-১২ — এটি ১৯৬৯ সালের নভেম্বরে চাঁদে পাঠানো দ্বিতীয় মনুষ্যবাহী মিশন, প্রথম অবতরণকারী যান নয়। B) অ্যাপোলো-১৪ — এটি ১৯৭১ সালের জানুয়ারিতে চাঁদের উদ্দেশ্যে প্রেরিত তৃতীয় সফল মনুষ্যবাহী অবতরণ মিশন। C) অ্যাপোলো-১১ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য প্রেক্ষাপটে ভুল হিসেবে বিবেচিত। D) অ্যাপোলো-১৫ — এটি ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে পরিচালিত চন্দ্রপৃষ্ঠে চতুর্থ মনুষ্যবাহী অবতরণ মিশন। মনে রাখার টিপস: চাঁদে প্রথম মানুষ পাঠানো সফল অভিযানটি ছিল অ্যাপোলো-১১, যা সংখ্যায় জোড়ার আগের সংখ্যা অর্থাৎ এগারো।
a প্যালেস্টাইন
b উইঘুর মুসলিম
c বলিভারিয়ান বিপ্লব
d জেসমিন বিপ্লব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্যালেস্টাইন কেন সঠিক: - ইন্তিফাদা একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ গণজাগরণ বা বিদ্রোহ। - ফিলিস্তিনি জনগণ ইসরায়েলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে যে গণআন্দোলন গড়ে তুলেছিল, তাকে ইন্তিফাদা বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যালেস্টাইন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দটি ফিলিস্তিনিদের আন্দোলনের সাথেই বিশ্বজুড়ে পরিচিত। B) উইঘুর মুসলিম — এটি চীনের জিনজিয়াং প্রদেশের একটি জাতিগোষ্ঠী, তাদের আন্দোলনের সাথে এই শব্দটি যুক্ত নয়। C) বলিভারিয়ান বিপ্লব — এটি লাতিন আমেরিকার ভেনেজুয়েলায় সংঘটিত একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলন। D) জেসমিন বিপ্লব — এটি ২০১০ ও ২০১১ সালে তিউনিসিয়ায় সংঘটিত সরকারবিরোধী গণঅভ্যুত্থান। মনে রাখার টিপস: ইন্তিফাদা শব্দটি মনে রাখতে ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী মানুষের পাথরে ছুড়ে মারা গণআন্দোলনের কথা স্মরণ করতে হবে।
a ডিসেম্বর-২০১৯
b জানুয়ারি-২০২০
c ফেব্রুয়ারি-২০২০
d মার্চ-২০২০
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মার্চ-২০২০ কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১১ মার্চ ২০২০ সালে কোভিড-১৯ সংক্রমণকে বিশ্বব্যাপী অতিমারী বা মহামারী হিসেবে ঘোষণা করে। - সারা বিশ্বে রোগটির দ্রুত বিস্তার ও ভয়াবহতার কারণে এই বৈশ্বিক মহামারী ঘোষণা করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডিসেম্বর-২০১৯ — এই সময়ে চীনের উহান শহরে প্রথম কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত করা হয়, অতিমারী ঘোষণা করা হয়নি। B) জানুয়ারি-২০২০ — এই সময়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কোভিড-১৯ এর কারণে বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা জারি করে, অতিমারী ঘোষণা নয়। C) ফেব্রুয়ারি-২০২০ — এই মাসে রোগটি চীনের বাইরে বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে কিন্তু অতিমারীর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। D) মার্চ-২০২০ — এই মাসেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পরিস্থিতি বিবেচনা করে একে আনুষ্ঠানিকভাবে অতিমারী হিসেবে ঘোষণা করে। মনে রাখার টিপস: কোভিড রোগটি ডিসেম্বরে চীনে শুরু হলেও বিশ্বব্যাপী অতিমারী ঘোষণা করা হয়েছিল ২০২০ সালের মার্চ মাসে।
a চট্টগ্রাম
b রাঙ্গামাটি
c চাঁপাইনবাবগঞ্জ
d জামালপুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চাঁপাইনবাবগঞ্জ কেন সঠিক: - গম্ভীরা গান চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ঐতিহ্যবাহী লোকসংগীত ও নাট্যরীতি। - এই গানে সাধারণত নানা সামাজিক সমস্যা, হাস্যরস ও নাট্যরূপের মাধ্যমে সমাজের চিত্র তুলে ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — এই অঞ্চলের জনপ্রিয় লোকসংগীত হলো ভাওয়াইয়া, মাইজভাণ্ডারী ও সাম্পানওয়ালার গান, গম্ভীরা নয়। B) রাঙ্গামাটি — এটি পাহাড়ি অঞ্চল, এখানকার প্রধান লোকসংগীত হলো চাকমা, মারমা ও তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী গান। C) চাঁপাইনবাবগঞ্জ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কোনো ব্যাখ্যা নেই। D) জামালপুর — এই অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসংস্কৃতির মধ্যে জারি, সারি ও ভাটিয়ালি গান অন্যতম, গম্ভীরা নয়। মনে রাখার টিপস: চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম আর গম্ভীরার গান খুব বিখ্যাত, এভাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও গম্ভীরা একসঙ্গে মনে রাখতে পারেন।
a ১৯৭০ সালে
b ১৯৬৬ সালে
c ১৯৫৬ সালে
d ১৯৬৫ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৬৬ সালে কেন সঠিক: - বাঙালির মুক্তি সনদ হিসেবে পরিচিত ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে পেশ করা হয়। - তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই দাবি উত্থাপন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭০ সালে — এই বছরে পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় যেখানে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। B) ১৯৬৬ সালে — এই বছর ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করা হয়েছিল যা সঠিক উত্তর। C) ১৯৫৬ সালে — এই বছরে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান প্রণীত হয় এবং পূর্ব পাকিস্তানের নাম পূর্ব পাকিস্তান করা হয়। D) ১৯৬৫ সালে — এই বছরে পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে ১৭ দিনব্যাপী যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ছয় দফা দাবির সাল মনে রাখতে ছয় সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা ১৯৬৬ সালের শেষ অংকের সঙ্গে মিলে যায়।
a উপজেলা পরিষদ
b পল্লী বিদ্যুৎ
c সিটি কর্পোরেশন
d পৌরসভা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পল্লী বিদ্যুৎ কেন সঠিক: - পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি একটি স্বায়ত্তশাসিত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, যা বিদ্যুৎ বিতরণ ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত। - এটি সংবিধিবদ্ধ বা স্থানীয় সরকার কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং এটি একটি সরকারি বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপজেলা পরিষদ — এটি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার একটি অন্যতম স্তর এবং পল্লী অঞ্চলের প্রশাসনিক উন্নয়নের কাজ করে। C) সিটি কর্পোরেশন — এটি দেশের বড় শহরগুলোর জন্য গঠিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের একটি রূপ। D) পৌরসভা — এটি শহর অঞ্চলের নাগরিকদের বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা প্রদানের জন্য গঠিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান। B) পল্লী বিদ্যুৎ — এটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নয়, বরং বিদ্যুৎ খাতের সাথে সম্পর্কিত একটি স্বায়ত্তশাসিত সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। মনে রাখার টিপস: স্থানীয় সরকার বলতে বোঝায় উপজেলা, জেলা, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনকে, আর বিদ্যুৎ হলো সেবামূলক সরকারি প্রতিষ্ঠান।
a চীন
b জাপান
c ভারত
d পাকিস্তান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চীন কেন সঠিক: - ২০১৩ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই মেগা প্রকল্পের ঘোষণা দেন, যা পূর্বে ওয়ান বেলট ওয়ান রোড নামে পরিচিত ছিল। - এশিয়ার সাথে ইউরোপ ও আফ্রিকার যোগাযোগ এবং বাণিজ্য বৃদ্ধি করাই এই বিশ্বব্যাপী অবকাঠামো উন্নয়ন উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রস্তাব চীন সরকারের পক্ষ থেকেই প্রথম উত্থাপন করা হয়। B) জাপান — জাপান এই উদ্যোগের প্রস্তাবক নয়, তবে তারা এশিয়ায় নিজস্ব মানসম্মত অবকাঠামো অর্থায়ন এবং মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল নিয়ে কাজ করে। C) ভারত — ভারত এই উদ্যোগের প্রস্তাবক নয় এবং সার্বভৌমত্ব সম্পর্কিত উদ্বেগের কারণে তারা বেল্ট এন্ড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্পে যোগ দেয়নি। D) পাকিস্তান — পাকিস্তান এই প্রকল্পের প্রস্তাবক নয়, বরং এর প্রধান অংশীদার বা সুবিধাভোগী দেশ যার মধ্যে চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর বা সিপিইসি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বেল্ট এন্ড ইনিশিয়েটিভ বা বিআরআই বললেই সিল্ক রোডের আধুনিক রূপদাতা হিসেবে চীনের কথা মনে রাখতে হবে।
a গ্রামীণ ব্যাংক
b মাদার তেরেসা ফাউন্ডেশন
c আইসিডিডিআরবি
d রেডক্রস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রেডক্রস কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি যুদ্ধের সময় মানবতার সেবা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার অবদানের জন্য ১৯১৭, ১৯৪৪ এবং ১৯৬৩ সালে মোট তিনবার নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে। - একমাত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে এটি এই বিরল সম্মান অর্জন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রামীণ ব্যাংক — এটি দারিদ্র্য বিমোচনে অবদানের জন্য ২০০৬ সালে একবার নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে। B) মাদার তেরেসা ফাউন্ডেশন — মাদার তেরেসা ব্যক্তিগতভাবে নোবেল পেলেও এই প্রতিষ্ঠানটি তিনবার নোবেল পুরস্কার পায়নি। C) আইসিডিডিআরবি — এটি বাংলাদেশের একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা একবারও নোবেল পুরস্কার লাভ করেনি। D) রেডক্রস — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংস্থাটি তিনবার নোবেল শান্তি পুরস্কার অর্জন করেছে। মনে রাখার টিপস: রেডক্রসের প্রতীক মানেই মানবতার সেবা, আর এই সেবা তিনবার নোবেল জয় করেছে।
a ইন্টেগ্রিটি
b পারসেভারেন্স
c কিউরিওসিটি
d অপরচুনিটি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পারসেভারেন্স কেন সঠিক: - মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার মার্স টোয়েন্টিফোর মিশনটির মূল রোভারের নাম পারসেভারেন্স, যা মঙ্গলের মাটিতে সফলভাবে অবতরণ করেছে। - এটি মঙ্গলগ্রহের প্রাচীন জীবনের চিহ্ন সন্ধান এবং সেখানে ভবিষ্যতে মানব অভিযانের উপযোগী নমুনা সংগ্রহ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইন্টেগ্রিটি — এটি পারসেভারেন্স রোভারের সঙ্গে মঙ্গলে যাওয়া একটি ছোট ড্রোন বা হেলিকপ্টার, যা মঙ্গলের আকাশে সফলভাবে ওড়ে। B) পারসেভারেন্স — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) কিউরিওসিটি — এটি নাসার পূর্বে পাঠানো একটি মঙ্গলযান, যা ২০১২ সালে মঙ্গলে অবতরণ করেছিল কিন্তু এটি সর্বশেষ নয়। D) অপরচুনিটি — এটি নাসার পাঠানো অনেক পুরোনো একটি রোভার, যা দীর্ঘকাল কাজ করার পর ২০১৮ সালে নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। মনে রাখার টিপস: নাসার সর্বশেষ মার্স রোভারের নাম পারসেভারেন্স, যার বাংলা অর্থ অধ্যবসায়।
a 1779
b 1789
c 1757
d 1792
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭৮৯ কেন সঠিক: - ফরাসি বিপ্লব ১৭৮৯ সালের ৫ মে শুরু হয়ে ৯ নভেম্বর ১৭৯৯ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল। - এই বিপ্লবের মাধ্যমে ফ্রান্সে রাজতন্ত্রের পতন ঘটে এবং সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার স্লোগান বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৭৯ — এই সালে ফরাসি বিপ্লব ঘটেনি, এটি বিপ্লবের আগের একটি সাধারণ বছর মাত্র। B) ১৭৮৯ — এটি ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হওয়ার সঠিক সাল এবং বিশ্ব ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বছর। C) ১৭৫৭ — এটি ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের বছর, ফরাসি বিপ্লবের নয়। D) ১৭৯২ — এই সালে ফরাসি রাজতন্ত্রের সম্পূর্ণ বিলুপ্তি ঘটে এবং প্রথম ফরাসি প্রজাতন্ত্র ঘোষিত হয়, কিন্তু বিপ্লব শুরু হয়েছিল ১৭৮৯ সালে। মনে রাখার টিপস: ফরাসি বিপ্লব শুরু হয় ১৭৮৯ সালে, অর্থাৎ ১৭৮০ এর দশকের শেষ বছরে।
a ১ মার্চ, ১৯১৯
b ১৭ মার্চ, ১৯২০
c ১৪ আগস্ট, ১৯৪৭
d ২১ জুন, ১৯৪১
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭ মার্চ, ১৯২০ কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - এই দিনটি বাংলাদেশে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ মার্চ, ১৯১৯ — এই তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম হয়নি এবং এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক ঐতিহাসিক সাল ও তারিখ নয়। B) ১৭ মার্চ, ২০২০ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল অপশন হিসেবে বিবেচিত হবে না। C) ১৪ আগস্ট, ১৯৪৭ — এটি পাকিস্তানের স্বাধীনতা লাভের আগের দিন এবং ব্রিটিশ ভারত ভাগের তারিখ, যা বঙ্গবন্ধুর জন্ম তারিখ নয়। D) ২১ জুন, ১৯৪১ — এটি ইতিহাসের একটি সাধারণ তারিখ এবং এর সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর জন্ম তারিখের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর জন্মসাল মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ১৯২০ এবং তারিখটি ১৭ মার্চ।
a আরব বিশ্বে গণজাগরণ
b আরব অঞ্চলের বসন্তকাল
c আরব রাজতন্ত্র
d আরবদের নারীদের ক্ষমতায়ন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আরব বিশ্বে গণজাগরণ কেন সঠিক: - ২০১০ সালের শেষের দিকে তিউনিসিয়ায় শুরু হওয়া এই আন্দোলন আরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্বৈরশাসকদের বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভ হিসেবে ছড়িয়ে পড়েছিল। - এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল রাজনৈতিক সংস্কার, দুর্নীতি দূর করা এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরব বিশ্বে গণজাগরণ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ আরব বসন্ত বলতে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোর রাজনৈতিক পরিবর্তন ও গণআন্দোলনকে বোঝায়। B) আরব অঞ্চলের বসন্তকাল — এটি ঋতু পরিবর্তন সংক্রান্ত কোনো ভৌগোলিক বা প্রকৃত বসন্তকাল নয়, বরং এটি একটি রাজনৈতিক পরিভাষা। C) আরব রাজতন্ত্র — আরব বসন্তের ফলে অনেক রাজতন্ত্রের পতন ঘটেনি বা এটি কোনো নির্দিষ্ট রাজতন্ত্রের নাম নয়, বরং রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধেও বহু স্থানে আন্দোলন হয়েছিল। D) আরবদের নারীদের ক্ষমতায়ন — নারীরা এই আন্দোলনে অংশ নিলেও এটি কেবল নারীদের ক্ষমতায়নের আন্দোলন ছিল না, বরং সমগ্র জনগণের সার্বিক অধিকার আদায়ের আন্দোলন ছিল। মনে রাখার টিপস: আরব বসন্ত মানে ফুল ফোটার ঋতু নয়, এটি আরব বিশ্বে স্বৈরাচারবিরোধী রাজনৈতিক জাগরণ।
a আমেরিকা
b সোভিয়েত ইউনিয়ন
c যুক্তরাজ্য
d ফ্রান্স
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সোভিয়েত ইউনিয়ন কেন সঠিক: - সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ স্পুটনিক-১ মহাশূন্যে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করে। - এই ঐতিহাসিক ঘটনাটির মাধ্যমে মানবজাতির মহাকাশ যুগের সূচনা ঘটেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমেরিকা — আমেরিকা ১৯৫৮ সালের ৩১ জানুয়ারি তাদের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ এক্সপ্লোরার-১ উৎক্ষেপণ করে, যা স্পুটনিক-১ এর পরে। B) সোভিয়েত ইউনিয়ন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই দেশটিই বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ সফলভাবে মহাকাশচারণে পাঠায়। C) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ প্রস্পরো এক্স-থ্রি ১৯৭১ সালে উৎক্ষেপণ করেছিল। D) ফ্রান্স — ফ্রান্স ১৯৬৫ সালে তাদের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ ব্রিয়াস্ট-এ মহাশূন্যে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করে। মনে রাখার টিপস: মহাকাশ জয়ের দৌড়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন সবসময় এগিয়ে ছিল, তাই প্রথম স্যাটেলাইট স্পুটনিক-১ ও তারাই পাঠিয়েছে।
a ঢাকার টি এস সি মোড়ে
b ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
c রেসকোর্স ময়দানে
d রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন সঠিক: - সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত। - এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত একটি ঐতিহাসিক ভাস্কর্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকার টি এস সি মোড়ে — এই স্থানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ও অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্য অবস্থিত। B) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে — এই প্রাঙ্গণে অপরাজেয় বাংলা এবং স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্যগুলো অবস্থিত। C) রেসকোর্স ময়দানে — ঐতিহাসিক এই ময়দানে বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অবস্থিত এবং এখানে শিখা চিরন্তন রয়েছে। D) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ভাস্কর্যটি এখানেই স্থাপিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: রাবি ক্যাম্পাসে সাবাস।
a জিব্রাল্টার প্রণালি
b বসফরাস প্রণালি
c বাবেল মান্দেব প্রণালি
d বেরিং প্রণালি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাবেল মান্দেব প্রণালি কেন সঠিক: - এটি এশিয়া মহাদেশের ইয়েমেন ও আফ্রিকা মহাদেশের জিবুতি এবং ইরিত্রিয়াকে পৃথক করেছে। - এটি লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জিব্রাল্টার প্রণালি — এটি ইউরোপ মহাদেশের স্পেন ও আফ্রিকা মহাদেশের মরক্কোকে পৃথক করেছে এবং আটমাদিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। B) বসফরাস প্রণালি — এটি এশিয়া মাইনর বা এশীয় তুরস্ককে ইউরোপীয় তুরস্ক থেকে পৃথক করেছে এবং কৃষ্ণ সাগরকে মারমারা সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। সি) বাবেল মান্দেব প্রণালি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো প্রযোজ্যতা নেই। D) বেরিং প্রণালি — এটি এশিয়া মহাদেশের সাইবেরিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের আলাস্কাকে পৃথক করেছে এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে আর্টিক মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। মনে রাখার টিপস: আফ্রিকা ও এশিয়ার মাঝখানে চোখের জলের মতো মান্দেব প্রণালি দুই মহাদেশকে আলাদা করেছে।
a 2018
b 2011
c 2000
d 2003
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০০ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৬ জুন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের পূর্ণ সদস্য বা টেস্ট মর্যাদার স্বীকৃতি লাভ করে। - এই বছরের ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে ঢাকা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ দলের ঐতিহাসিক অভিষেক টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১৮ — এই সালে বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করেনি, এটি বর্তমান সময়ের অনেক পরের একটি সাল। B) ২০১১ — এই সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ওয়ানডে বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক ছিল, টেস্ট মর্যাদা লাভের সাল এটি নয়। C) ২০০০ — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়, বরং প্রশ্নের কাঙ্ক্ষিত উত্তর। D) ২০০৩ — এই সালে বাংলাদেশ দল ওয়ানডে ও টেস্ট খেললেও এটি টেস্ট মর্যাদা লাভের সাল নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ টেস্ট পরিবারে যোগ দেয় দুই হাজার সালে এবং অভিষেক ম্যাচে প্রতিপক্ষ ছিল শক্তিশালী ভারত।
a 1
b 2
c 3
d 4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ ১. কেন সঠিক: মহাবিশ্বে গ্যালাক্সি বা ছায়াপথ প্রধানত তিনটি ভৌগোলিক ও গঠনগত আকারে বিভক্ত। এগুলোর আকৃতি স্পাইরাল বা পেঁচানো, ইলিপ্টিক্যাল বা উপবৃত্তাকার এবং ইরেগুলার বা অনিয়মিত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ছায়াপথ হলো মহাকর্ষ বল দ্বারা একত্রে আবদ্ধ নক্ষত্র, গ্যাস, ধূলিকণা ও অদৃশ্য ডার্ক ম্যাটার সমন্বয়ে গঠিত বিশাল সিস্টেম। কার্যপ্রণালি: নক্ষত্র ও পদার্থের ঘূর্ণন এবং মহাকর্ষীয় আকর্ষণের ওপর ভিত্তি করে হাবল ক্লাসিফিকেশন অনুযায়ী ছায়াপথের এই তিনটি প্রধান রূপ দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মিল্কিওয়ে ছায়াপথ। ব্যাখ্যা: এটি একটি স্পাইরাল বা পেঁচানো আকৃতির ছায়াপথ, যেখানে আমাদের সৌরজগৎ অবস্থান করছে। উদাহরণ ২: লার্জ ম্যাজেলানিক ক্লাউড। ব্যাখ্যা: এটি একটি ইরেগুলার বা অনিয়মিত আকৃতির ছায়াপথ, যার সুনির্দিষ্ট কোনো জ্যামিতিক গঠন নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1 — ভুল, কারণ মহাবিশ্বে কেবল এক ধরনের ছায়াপথ থাকে না, বরং গঠনভেদে একাধিক প্রকারভেদ রয়েছে। B) 2 — ভুল, কারণ ছায়াপথকে কেবল দুটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায় না, এর প্রধান রূপ তিনটি। C) 3 — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ছায়াপথ প্রধানত তিন প্রকারের হয়ে থাকে। D) 4 — ভুল, কারণ বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে চার ধরনের প্রধান ছায়াপথ চিহ্নিত করা হয়নি, মূল শ্রেণী তিনটি। ৫. মনে রাখার টিপস: ছায়াপথের প্রধান প্রকার মনে রাখার জন্য এসআইআই শব্দ বা সূত্র মনে রাখতে পারো। এখানে এস দিয়ে স্পাইরাল, প্রথম আই দিয়ে ইলিপ্টিক্যাল এবং দ্বিতীয় আই দিয়ে ইরেগুলার বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আমাদের নিকটতম গ্যালাক্সির নাম অ্যান্ড্রোমিডা এবং এটি একটি স্পাইরাল ছায়াপথ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি কোন ধরনের।
a মৎস্য চাষ
b পাখি পালন বিদ্যা
c মৌমাছি চাষ
d রেশম চাষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পাখি পালন বিদ্যা ১. কেন সঠিক: - এভিকালচার হলো পাখি পালন, প্রজনন এবং পরিচর্যা সম্পর্কিত বিজ্ঞানসম্মত বিদ্যা। - এটি মূলত গৃহপালিত বা বন্দী অবস্থায় পাখির স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং বংশবৃদ্ধি নিয়ে কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: এভিকালচার হলো প্রাণিবিজ্ঞানের একটি বিশেষ শাখা যা পাখির জীবনচক্র ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করে। - কার্যপ্রণালি: এতে পাখিদের সঠিক খাদ্যতালিকা তৈরি, প্রজনন পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করা হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: বাণিজ্যিক খামারে মুরগি, কবুতর বা সজ্জামূলক পাখি পালনে এই বিদ্যার ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাণিজ্যিক পোলট্রি খামারে এভিকালচারের নিয়ম মেনে ডিম ও মাংস উৎপাদনের জন্য মুরগি পালন করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক অর্থনীতিতে আমিষের চাহিদা পূরণে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: চিড়িয়াখানা বা পাখি সংরক্ষণ কেন্দ্রে এভিকালচারের মাধ্যমে বিরল প্রজাতির পাখির বংশবৃদ্ধি করানো হয়। ব্যাখ্যা: এটি জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতি সংরক্ষণে ভূমিকা রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৎস্য চাষ — এটি মৎস্যবিজ্ঞান বা অ্যাকোয়াকালচার নামে পরিচিত, যেখানে মাছের চাষ ও ব্যবস্থাপনা শেখানো হয়। B) পাখি পালন বিদ্যা — এটি সঠিক উত্তর যা এভিকালচার নামে পরিচিত। C) মৌমাছি চাষ — এটি অ্যাপিকালচার নামে পরিচিত, যা মৌমাছি পালন ও মধু উৎপাদনের সাথে যুক্ত। D) রেশম চাষ — এটি সেরিকালচার নামে পরিচিত, যা রেশম পোকা পালন ও রেশম সুতা উৎপাদনের সাথে সম্পর্কিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি শব্দ এভিস অর্থ পাখি, তাই পাখি সম্পর্কিত পালন বিদ্যা হলো এভিকালচার। - নামের মিল মনে রেখে অপশন থেকে সঠিক উত্তর সহজে আলাদা করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিভিন্ন কৃষিভিত্তিক চাষাবাদ বা প্রাণি পালনের নাম BCS ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - এভিকালচার, অ্যাপিকালচার এবং সেরিকালচার এর মতো শব্দগুলোর বৈজ্ঞানিক নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a পদার্থ বিজ্ঞান
b চিকিৎসা বিজ্ঞান
c জীব বিজ্ঞান
d অর্থনীতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চিকিৎসা বিজ্ঞান ১. কেন সঠিক: ইবনে সিনা ছিলেন মধ্যযুগের একজন প্রখ্যাত মুসলিম পন্ডিত যিনি চিকিৎসা বিজ্ঞানে অভূতপূর্ব অবদান রেখেছিলেন। তাঁর রচিত আল কানুন ফি আল তিব্ব কিতাবটি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ইউরোপের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা বিজ্ঞানের মূল পাঠ্যবই হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: চিকিৎসা বিজ্ঞান হলো মানুষের স্বাস্থ্যরক্ষা, রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা এবং রোগ প্রতিরোধের সাথে সম্পর্কিত বিজ্ঞান শাখা। কার্যপ্রণালি: ইবনে সিনা উদ্ভিজ্জ ও খনিজ উৎস থেকে ওষুধ প্রস্তুতের নিয়ম এবং মানুষের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের কার্যপ্রণালি নিখুঁতভাবে বর্ণনা করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আল কানুন ফি আল তিব্ব গ্রন্থটি প্রায় ছয়শত বছর ধরে ইউরোপ ও এশিয়ার চিকিৎসকদের প্রধান নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করেছে। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে প্রাচীন কালেও চিকিৎসাবিজ্ঞানে সুশৃঙ্খল গবেষণা ও দলিল সংরক্ষণের ব্যবস্থা ছিল। উদাহরণ ২: সংক্রামক রোগ কিভাবে ছড়ায় সে সম্পর্কে ইবনে সিনা প্রথম কোয়ারেন্টাইন বা সঙ্গনিরোধ ব্যবস্থার ধারণা দেন। ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক মহামারী প্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদার্থ বিজ্ঞান — ইবনে সিনা পদার্থবিজ্ঞানে কিছু কাজ করলেও তিনি মূলত চিকিৎসা বিজ্ঞানের জন্য সর্বাধিক বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছেন। B) চিকিৎসা বিজ্ঞান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি চিকিৎসা শাস্ত্রে অসামান্য অবদান রেখেছেন এবং তাকে আধুনিক চিকিৎসার অন্যতম জনক বলা হয়। C) জীব বিজ্ঞান — ইবনে সিনা জীববিজ্ঞানে কিছু পর্যবেক্ষণ করলেও তাঁর প্রধান ও সর্বশ্রেষ্ঠ অবদানের ক্ষেত্র ছিল চিকিৎসা বিজ্ঞান। D) অর্থনীতি — ইবনে সিনা অর্থনীতি নিয়ে কোনো উল্লেখযোগ্য মৌলিক গ্রন্থ রচনা করেননি বা এই বিষয়ে তাঁর বিশেষ কোনো পন্ডিতত্ব ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: ইবনে সিনা মানেই চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং তার বিখ্যাত বইয়ের নাম আল কানুন ফি আল তিব্ব। চিকিৎসা জগতের মুকুটহীন সম্রাট হিসেবে তাকে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইবনে সিনার লেখা বইয়ের নাম প্রায়ই আসে। তিনি প্রাচ্যের বিশিষ্ট দার্শনিক ও চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

মোট প্রশ্ন (25)

a দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ণ
b দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ
c প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ
d তৃতীয় বর্ণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ ১. কেন সঠিক: - মহাপ্রাণ ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের আধিক্য থাকে এবং জোর বেশি লাগে। - বর্গের প্রতিটির দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ ধ্বনি হিসেবে গণ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের বর্গীয় ধ্বনিগুলোকে প্রাণের উপস্থিতি অনুযায়ী অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ ভাগে ভাগ করা হয়। - বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ ধ্বনি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খ এবং ঘ ব্যাখ্যা: ক বর্গের দ্বিতীয় বর্ণ খ এবং চতুর্থ বর্ণ ঘ উভয়ই মহাপ্রাণ ধ্বনি। উদাহরণ ২: ছ এবং ঝ ব্যাখ্যা: চ বর্গের দ্বিতীয় বর্ণ ছ এবং চতুর্থ বর্ণ ঝ উভয়ই মহাপ্রাণ ধ্বনি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ণ — দ্বিতীয় বর্ণ মহাপ্রাণ হলেও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ ধ্বনি। B) দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ — এটি সঠিক অপশন এবং বর্গের মহাপ্রাণ ধ্বনির নির্দেশক। C) প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ — প্রথম বর্ণ অল্পপ্রাণ এবং দ্বিতীয় বর্ণ মহাপ্রাণ ধ্বনি। D) তৃতীয় বর্ণ — তৃতীয় বর্ণটি এককভাবে মহাপ্রাণ নয়, এটি অল্পপ্রাণ ধ্বনি। ৫ মনে রাখার টিপস: - মহাপ্রাণ ধ্বনি মনে রাখার সহজ সূত্র হলো বিজোড় সংখ্যা অল্পপ্রাণ এবং জোড় সংখ্যা মহাপ্রাণ। - অর্থাৎ জোড় ক্রমের দুই ও চার হলো মহাপ্রাণ ধ্বনি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় ধ্বনি তত্ত্ব থেকে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ ধ্বনি চিহ্নিত করার জন্য বর্গের ক্রম মনে রাখা জরুরি।
a কেকা
b কূজন
c ঝংকার
d বূংহিত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কূজন ১. কেন সঠিক: - পাখির ডাক এক কথায় কূজন বলা হয়। - কূজন শব্দের অর্থ হলো পাখির মধুর কলরব বা কিচিরমিচির শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো ব্যাকরণের একটি অংশ। - বড় অর্থবোধক বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করাকে এককথায় প্রকাশ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘের ডাক - মন্দ্র ব্যাখ্যা: মেঘের গভীর ও গর্জনময় শব্দকে এককথায় মন্দ্র বলা হয়। উদাহরণ ২: কুকুরের ডাক - বুক্কন ব্যাখ্যা: কুকুরের শব্দ বা ডাককে এককথায় বুক্কন বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কেকা - ময়ূরের ডাককে এককথায় কেকা বলা হয়, যা পাখির সাধারণ ডাকের সঙ্গে মিলে না। B) কূজন - এটি সঠিক উত্তর এবং পাখির ডাক অর্থ প্রকাশ করে। C) ঝংকার - নূপুর বা বাদ্যযন্ত্রের শব্দকে ঝংকার বলা হয়, পাখির ডাক নয়। D) বূংহিত - হাতির ডাককে এককথায় বূংহিত বলা হয়, পাখির ডাক বোঝায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক দিয়ে কূজন এবং ক দিয়ে কলরব মনে রাখা সহজ। - পাখির গান বা কূজন সবসময় মিষ্টি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এককথায় প্রকাশ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত আসে। - পশুপাখির ডাকবাচক শব্দগুলো বারবার অনুশীলন করা উচিত।
a অগ্নিবীণা
b নীলদর্পণ
c মেঘনাদবধ কাব্য
d দুর্গেশনন্দিনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নীলদর্পণ ১. কেন সঠিক: - নীলদর্পণ নাটকটি বাংলার প্রথম ঢাকা থেকে প্রকাশিত গ্রন্থ বা নাটক হিসেবে ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে। - ১৮৬০ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত হওয়ার মাধ্যমে ঢাকার মুদ্রণ শিল্পের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নীলদর্পণ নাটকের রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৮৬০ সালে কলকাতার রামচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মুদ্রণযন্ত্র থেকে প্রথম মুদ্রিত হলেও ঢাকা থেকে প্রকাশের ইতিহাস ভিন্ন। - ১৮৬১ সালে ঢাকার বাংলাবাজারের রবার্টসন সাহেবের প্রেট বা মুদ্রণযন্ত্র থেকে জেমস লংয়ের তত্ত্বাবধানে নীলদর্পণ নাটকের ইংরেজি অনুবাদ The Indigo Planting Mirror ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হুতোম প্যাঁচার নকশা ব্যাখ্যা: এটি কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ যা ১৮৬২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি কলকাতার মুখার্জি অ্যান্ড কোং থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত উপন্যাস যা ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটিও কলকাতা থেকেই প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নিবীণা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২২ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়নি। B) নীলদর্পণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর ইংরেজি অনুবাদ ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল এবং বাংলা নাট্যসাহিত্যে এটি প্রথম ঢাকার সাথে সরাসরি মুদ্রণ সম্পৃক্ত গ্রন্থ। C) মেঘনাদবধ কাব্য — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য যা ১৮৬১ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রকাশের সাথে ঢাকার কোনো সম্পর্ক নেই। D) দুর্গেশনন্দিনী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস যা ১৯৬৫ সালে নয় বরং ১৮৬৫ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - নীল রঙের ঢাকা শহরের দর্পণ বা আয়না এভাবে মনে রাখতে পারো যে নীলদর্পণ গ্রন্থটির মুদ্রণ বা প্রকাশের সাথে ঢাকার নাম জড়িত। - প্রথম প্রকাশিত ঢাকা সম্পর্কিত সাহিত্যকর্ম মনে রাখার জন্য নীলদর্পণ নামটি সবার আগে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নীলদর্পণ নাটকের ইংরেজি অনুবাদ করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত যা রেভারেন্ড জেমস লংয়ের নামে প্রকাশিত হয়েছিল। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বা ঢাকার প্রথম মুদ্রণ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসলে নীলদর্পণ উত্তর হিসেবে বেশি আসে।
a প্রেষণ
b প্রাারম্ভিক
c প্রকল্প
d প্রায়োগিক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রারম্ভিক ১. কেন সঠিক: - Preliminary শব্দের বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো প্রারম্ভিক, যার অর্থ কোনো কাজের শুরু বা প্রাথমিক ধাপ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি প্রশাসনিক ও সাধারণ শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা নির্ধারণের জন্য এই শব্দটির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্র বা দাপ্তরিক কাজের জন্য নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়। - বাংলা ভাষায় ইংরেজি শব্দের যথাযথ ভাব প্রকাশ করার জন্য বাংলা একাডেমি কর্তৃক অনুমোদিত পরিভাষাগুলো মনে রাখা আবশ্যক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Preliminary examination ব্যাখ্যা: এর সঠিক বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো প্রারম্ভিক পরীক্ষা বা প্রাথমিক পরীক্ষা। উদাহরণ ২: Preliminary report ব্যাখ্যা: এর বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো প্রারম্ভিক প্রতিবেদন বা প্রাথমিক প্রতিবেদন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রেষণ — এই শব্দের ইংরেজি পারিভাষিক রূপ হলো Dispatch বা Mission, যা Preliminary শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) প্রারম্ভিক — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি Preliminary শব্দের সঠিক পারিভাষিক রূপ। C) প্রকল্প — এই শব্দের ইংরেজি পারিভাষিক রূপ হলো Project, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) প্রায়োগিক — এই শব্দের ইংরেজি পারিভাষিক রূপ হলো Applied, যা Preliminary শব্দের সমার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - Preliminary শব্দের শুরুতে Pre আছে যার অর্থ পূর্বে বা শুরুতে, তাই এর বাংলা প্রারম্ভিক বা প্রাথমিক হবে। - ইংরেজি শব্দের উপসর্গ মিলিয়ে পরিভাষা মনে রাখার অভ্যাস করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি দাপ্তরিক ও সাধারণ শব্দের পরিভাষা প্রায়ই আসে। - বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত পরিভাষাগুলো বারবার চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর পাওয়া সহজ হয়।
a বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ
b বসন্তকুমার সেন
c বসন্তকুমার দে
d বাসন্তী সেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ ১. কেন সঠিক: - 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যটি ১৯০৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়ার কাকড়িয়াপাড়া গ্রামের ষাঁড়েশ্বর তলা নিবাসী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের গোয়ালঘর থেকে আবিষ্কার করেন বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ। - এই আবিষ্কার বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের ইতিহাস অনুসন্ধানে এক যুগান্তকারী ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ ছিলেন একজন বিশিষ্ট গবেষক, সম্পাদক ও প্রাচীন বাংলা সাহিত্য উদ্ধারকারী। - তিনি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ-এর সম্পাদনায় 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের নিদর্শন এবং রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বিষয়ক একটি প্রাক-চৈতন্য যুগের কাব্য। উদাহরণ ২: চর্যাপদ আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। ব্যাখ্যা: প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন চর্যাপদ মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি আবিষ্কার ও সম্পাদনা করেছিলেন। B) বসন্তকুমার সেন — এই নামে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বা প্রাচীন পুথি আবিষ্কারের সঙ্গে কোনো বিখ্যাত গবেষক নেই। C) বসন্তকুমার দে — প্রত্নতাত্ত্বিক ও গবেষক হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত নন। D) বাসন্তী সেন — ইনি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন পুথি আবিষ্কারক বা গবেষক হিসেবে পরিচিত কোনো ব্যক্তিত্ব নন। ৫. মনে রাখার টিপস: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের আবিষ্কারক মনে রাখার সহজ সূত্র হলো বসন্তকাল মানেই নতুন কিছু আবিষ্কার বা ফুল ফোটার ঋতু, তাই বসন্তরঞ্জন রায় শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কার করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি আবিষ্কারের স্থান ছিল বাঁকুড়া জেলা এবং এটি আবিষ্কারের পর বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয়। মধ্যযুগের সাহিত্যের আদি নিদর্শন সম্পর্কিত প্রশ্নে এই তথ্যটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a কালিকামঙ্গল কাব্য
b মনসামঙ্গল কাব্য
c অন্নদামঙ্গল কাব্য
d চণ্ডীমঙ্গল কাব্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অন্নদামঙ্গল কাব্য ১. কেন সঠিক: - 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত উদ্ধৃতি যা ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের অন্নদামঙ্গল কাব্যের মধ্যযুগের কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের রচনা থেকে এসেছে। - ঈশ্বরচন্দ্র ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর অন্নদামঙ্গল কাব্যের শেষ পর্বে ঈশ্বরী পাটনীর এই বিখ্যাত প্রার্থনাবাণীটি সংযোজন করেছেন যা তৎকালীন সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর অষ্টাদশ শতকের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও শেষ কবি যিনি নদিয়ার মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন। - তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো অন্নদামঙ্গল কাব্য যা তিনটি খণ্ড নিয়ে গঠিত এবং এতে অন্নপূর্ণা দেবীর মহিমা ও বিদ্যাসুন্দর কাহিনীর বর্ণনা রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যাসুন্দর কাব্য ব্যাখ্যা: এটি অন্নদামঙ্গল কাব্যের দ্বিতীয় খণ্ডের অন্তর্ভুক্ত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রণয়োপাখ্যানমূলক অংশ। উদাহরণ ২: নাগরের লক্ষ্মী ঘরের ঝি ব্যাখ্যা: এটিও ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল কাব্যের একটি বহুল প্রচলিত ও পরিচিত প্রবচনমূলক পংক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কালিকামঙ্গল কাব্য — এটি বিদ্যাসুন্দর কাব্যের অপর নাম হলেও মূল অন্নদামঙ্গল কাব্যের অংশ হিসেবে এই নির্দিষ্ট উদ্ধৃতিটি এখানে পাওয়া যায় না। B) মনসামঙ্গল কাব্য — এটি মঙ্গলকাব্যের অন্য একটি ধারা যা দেবী মনসার পূজাপ্রচার ও মাহাত্ম্য নিয়ে রচিত এবং এর সঙ্গে এই উদ্ধৃতির কোনো সম্পর্ক নেই। C) অন্নদামঙ্গল কাব্য — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের বিখ্যাত কাব্য যা তিনটি খণ্ডে বিভক্ত। D) চণ্ডীমঙ্গল কাব্য — এটি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী রচিত দেবী চণ্ডীর মাহাত্ম্য প্রচারের কাব্য যা এই নির্দিষ্ট প্রবচনের উৎস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - দুধে ভাতের প্রার্থনা করেছিলেন ঈশ্বরী পাটনী আর এই চরিত্রটি রয়েছে ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল কাব্যে। - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের সমাপ্তি ঘটিয়েছিল অন্নদামঙ্গল কাব্য এবং এর মাধ্যমেই ভারতচন্দ্রের খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবি ও তাঁদের বিখ্যাত কাব্যের নাম প্রায়ই জিজ্ঞাসা করা হয়। - ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের উপাধি ছিল রায়গুণাকর এবং তাঁর কাব্য বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের শেষের এক অনন্য দলিল।
a কবুতর
b কোকিল
c খরগোশ
d ময়ূর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কোকিল ১. কেন সঠিক: 'পরভৃত' শব্দটি এককথায় প্রকাশ বা শব্দের অর্থ সংক্রান্ত। পর শব্দের অর্থ অন্যের এবং ভৃত শব্দের অর্থ পোষিত বা প্রতিপালিত। কোকিল নিজের ডিম নিজে তা দেয় না, কাকের বাসায় ডিম পাড়ে এবং কাকের দ্বারাই তাদের ছানা প্রতিপালিত হয়, তাই কোকিলকে পরভৃত বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি একটি বিশেষ শব্দার্থ বা এককথায় প্রকাশের উদাহরণ যেখানে শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ দ্বারা কোনো নির্দিষ্ট প্রাণীকে বোঝানো হয়। বাংলা ব্যাকরণে অনেক শব্দ রয়েছে যা তাদের সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো প্রাণী বা বস্তুকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরোপজীবী ব্যাখ্যা: যে অন্যের উপর বেঁচে থাকে, তাকে এককথায় পরোপজীবী বলে। উদাহরণ ২: অন্যমনা ব্যাখ্যা: যার মন অন্য দিকে নিয়োজিত, তাকে এককথায় অন্যমনা বলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবুতর — কবুতর শব্দের অর্থ পারাবত বা কপোত যা পরভৃত শব্দের সঙ্গে মেলে না। B) কোকিল — এটি সঠিক উত্তর কারণ কোকিল অন্যের দ্বারা প্রতিপালিত হয়। C) খরগোশ — খরগোশ একটি স্তন্যপায়ী দ্রুতগামী প্রাণী যা পরভৃত শব্দের অর্থ নয়। D) ময়ূর — ময়ূর জাতীয় পাখি যার সঙ্গে পরভৃত শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই। উল্লেখ্য, প্রশ্নে প্রদেয় ভুল উত্তর সংশোধন করে সঠিক উত্তর B নির্ধারণ করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: পর মানে অন্য এবং ভৃত মানে পোষা। অন্যের দ্বারা যে পোষে বা বাড়ে, সে হলো কোকিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পাখি সংক্রান্ত এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে। কোকিলের সমার্থক শব্দ হিসেবে পরভৃত, বসন্তদূত, পিক ইত্যাদি মনে রাখতে হবে।
a শাহ মুহম্মদ সগীর
b সৈয়দ সুলতান
c দৌলত উজির বাহরাম খান
d আলাওল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দৌলত উজির বাহরাম খান ১. কেন সঠিক: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে 'লায়লী-মজনু' কাব্য রচনা এবং অনুবাদের জন্য দৌলত উজির বাহরাম খান বিশেষভাবে পরিচিত। ষোল শতকের এই কবি নবজাতক যুগের মধ্যযুগের কাব্যধারায় ফার্সি রোমান্টিক কাহিনীর সফল বাংলা রূপান্তর ঘটিয়েছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: দৌলত উজির বাহরাম খান ষোল শতকের মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি ও চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বরকলের অধিবাসী ছিলেন। তিনি বাংলার সুলতান গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহের উজির বা মন্ত্রী ছিলেন বলে নামের সঙ্গে উজির উপাধি যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউসুফ জোলেখা - শাহ মুহম্মদ সগীর ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলার অন্যতম প্রথম ও জনপ্রিয় কাব্য যা ফার্সি ভাষার অনুকরণে রচিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: সয়ফুল মুলক বদিউজ্জামান - সৈয়দ সুলতান ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার এক বিশিষ্ট কবির বিখ্যাত পীর ও রোমান্টিক কাহিনীভিত্তিক কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাহ মুহম্মদ সগীর — তিনি মধ্যযুগের প্রথম দিকের কবি এবং তাঁর বিখ্যাত রচনা হলো 'ইউসুফ জোলেখা'। B) সৈয়দ সুলতান — তিনি মধ্যযুগের নবী জীবনী ও ধর্মীয় কাব্যের জন্য বিখ্যাত, তাঁর রচনা 'নবী বংশ'। D) আলাওল — তিনি মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি এবং তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য 'পদ্মাবতী'। ৫ মনে রাখার টিপস: বাহরাম খানের বাহুতে মজনুর শক্তি ছিল এভাবে মনে রাখতে পারো যে 'লায়লী-মজনু' কাব্যের অনুবাদক দৌলত উজির বাহরাম খান। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানগুলো সাধারণত ফার্সি ভাষা থেকে বাংলায় অনূদিত বা রূপান্তরিত হতো। পরীক্ষার্থীদের জন্য কবি ও তাঁদের বিখ্যাত কাব্যের নাম মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
a জলজ
b ক্ষণপ্রভা
c কুরচি
d জলদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জলদ ১. কেন সঠিক: - 'জলদ' শব্দটির অর্থ হলো যা জল ধারণ করে বা বর্ষণ করে, অর্থাৎ মেঘ। সংস্কৃত ভাষায় 'জল' শব্দের সঙ্গে 'দ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে। - বাংলা ব্যাকরণে শব্দের উৎস ও অর্থের দিক থেকে এটি একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ সমার্থক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে শব্দের অর্থ ও ভাবগত মিলের কারণে সমার্থক শব্দের ব্যবহার করা হয়। মেঘ শব্দের ক্ষেত্রে সংস্কৃত জলের সাথে 'দ' (দাতা বা প্রদানকারী) কিংবা 'ধর' (ধারণকারী) যুক্ত করে বিভিন্ন সমার্থক শব্দ তৈরি হয়। - মেঘ শব্দের অন্যান্য প্রমিত সমার্থক শব্দ হলো জলধর, অব্র, পয়োধর, নীরদ, বারিদ ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জলধর ব্যাখ্যা: জল ধারণ করে যা, অর্থাৎ জলধর হলো মেঘের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: নীরদ ব্যাখ্যা: নীর অর্থ পানি এবং দ অর্থ প্রদানকারী, সুতরাং নীরদ শব্দের অর্থ মেঘ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জলজ — জলজ শব্দের অর্থ যা জলে জন্মায়, যেমন শাপলা বা পিন্টু, এটি মেঘের সমার্থক নয়। B) ক্ষণপ্রভা — ক্ষণপ্রভা শব্দের অর্থ যা ক্ষণকালের জন্য প্রভা বা আলো ছড়ায়, অর্থাৎ বিদ্যুৎ। C) কুরচি — কুরচি হলো এক ধরণের ঔষধি উদ্ভিদ বা গাছ, যা মেঘের সমার্থক শব্দ নয়। D) জলদ — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ মেঘ বা জল প্রদানকারী। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত শব্দে জলের সমার্থক শব্দের শেষে 'দ' অথবা 'ধর' থাকলে সাধারণত তা মেঘ বোঝায় এবং 'ধি' বা 'নিধি' থাকলে তা সমুদ্র বোঝায়। - যেমন জলদ মানে মেঘ এবং জলধি মানে সমুদ্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জলদ ও জলধি শব্দের পার্থক্য প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে। - শব্দের মূল অংশ চিনে সঠিক অর্থ নির্ণয় করার কৌশল রপ্ত করলে এ জাতীয় প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
a সৈয়দ শামসুল হক
b জাহানারা ইমাম
c হুমায়ুন আহমেদ
d নীলিমা ইব্রাহিম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হুমায়ুন আহমেদ ১. কেন সঠিক: 'জোছনা ও জননীর গল্প' বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস যার রচয়িতা হুমায়ুন আহমেদ। এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের চিত্র অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: হুমায়ুন আহমেদ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। তার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের মধ্যে 'জোছনা ও জননীর গল্প' অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রামাণ্য সাহিত্যকর্ম হিসেবে বিবেচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের যীশু ব্যাখ্যা: এটি শাহরিয়ার কবির রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক শিশুতোষ উপন্যাস। উদাহরণ ২: আগুনের পরশমণি ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ুন আহমেদ রচিত আরেকটি জনপ্রিয় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও কবি হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন, তার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস হলো নীলদংশন। B) জাহানারা ইমাম — তিনি শহীদ জননী হিসেবে পরিচিত এবং তার বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা হলো একাত্তরের দিনগুলি। D) নীলিমা ইব্রাহিম — তিনি একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত গ্রন্থ হলো আমি বীরঙ্গনা বলছি। ৫ মনে রাখার টিপস: জননী শব্দটির সাথে হুমায়ুন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক শ্রেষ্ঠ উপন্যাস জোছনা ও জননীর গল্প মনে রাখা সহজ। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দীর্ঘ উপন্যাস লেখার জন্য হুমায়ুন আহমেদ এই বিশেষ গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। হুমায়ুন আহমেদের অন্যান্য বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের নাম যেমন আগুনের পরশমণি এবং ১৯৭১ ভালোভাবে জেনে রাখা প্রয়োজন।
a অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b দীনবন্ধু মিত্র
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d প্যারীচাঁদ মিত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: 'ভানুসিংহ ঠাকুর' হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছদ্মনাম। কৈশোরে বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে পদ রচনা করে তিনি এই ভনিতা ব্যবহার করতেন, যা পরে তার সাহিত্যিক পরিচয়ের অংশ হয়ে ওঠে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক। তিনি ভানুসিংহ ঠাকুরের ছদ্মনামে মূলত 'ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী' নামক বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কিশোর বয়সে রচিত বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: বনফুল ব্যাখ্যা: এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় ছদ্মনাম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা চিত্রকলার পুনর্জাগরণের অগ্রদূত এবং বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও লেখক, যার ছদ্মনাম এটি নয়। B) দীনবন্ধু মিত্র — ইনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত নাট্যকার, যার বিখ্যাত নাটক হলো নীলদর্পণ। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তার বিখ্যাত ছদ্মনাম। D) প্যারীচাঁদ মিত্র — ইনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে আলালের ঘরের দুলাল রচনা করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম বয়সের ভনিতা ছিল ভানুসিংহ, যার মাধ্যমে তিনি বৈষ্ণব পদ রচনা করতেন। কবিগুরুর এই বিশেষ ছদ্মনামটি মনে রাখলে পরীক্ষামূলক সাহিত্য প্রশ্নে সহজেই উত্তর করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা লেখকদের ছদ্মনাম থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পাশাপাশি অন্যান্য লেখকের ছদ্মনামগুলোও ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a মণিষি
b মনীষী
c মনিষি
d মনিষী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মনীষী ১. কেন সঠিক: - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী 'মনীষী' শব্দটিতে দীর্ঘ 'ঈ-কার' যুক্ত হয়। - প্রমিত বাংলা বানান নিয়ম অনুসারে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের বানানে এই বিশেষ রূপটি নির্ধারিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম শব্দসমূহের বানান মূল সংস্কৃত ব্যাকরণ এবং বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। - মনীষী শব্দটিতে 'মনীষ্' প্রত্যয় বা তৎসম রূপের প্রভাবে শেষের বর্ণটিতে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়, যা হ্রস্ব ই-কার দিলে ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুধী ব্যাখ্যা: এটিও একটি তৎসম শব্দ যেখানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: গুণী ব্যাখ্যা: এই শব্দটির শেষেও দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মণিষি — এই বানানে শেষের বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা শুদ্ধ নয়। B) মনীষী — এটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং প্রমিত বানান রূপ। C) মনিষি — এই বানানে প্রথম বর্ণে হ্রস্ব ই এবং শেষের বর্ণে হ্রস্ব ই ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। D) মনিষী — এই বানানে প্রথম বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নিয়ম বহির্ভূত। ৫. মনে রাখার টিপস: - জ্ঞানী, গুণী, মন্ত্রী, মনীষী—এসব শব্দের শেষে সাধারণত দীর্ঘ ঈ-কার বসে। - বানানটি মনে রাখতে ম-ন-ষ এর সাথে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত করার বিষয়টি চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বানানের শুদ্ধতা নির্ণয়ে এই ধরনের তৎসম শব্দ প্রায়ই আসে। - শব্দের শেষে সাধারণত দীর্ঘ ঈ-কারযুক্ত তৎসম শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে পরীক্ষা সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a গিন্নী
b হাত
c হাথ
d পুত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পুত্র ১. কেন সঠিক: পুত্র শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলায় এসেছে। উৎস অনুযায়ী বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে যে কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়, তার মধ্যে তৎসম শব্দ অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিতভাবে বা অবিকৃত রূপে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। তৎসম শব্দের অর্থ তাহার সমান অর্থাৎ সংস্কৃতির সমান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য ব্যাখ্যা: সূর্য শব্দটি সংস্কৃত থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে তাই এটি একটি তৎসম শব্দ। উদাহরণ ২: নদী ব্যাখ্যা: নদী শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিতভাবে বাংলায় গৃহিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গিন্নী - এটি একটি অর্ধ-তৎসম শব্দ, যা সংস্কৃত গৃহিণী শব্দ থেকে পরিবর্তিত হয়ে এসেছে। B) হাত - এটি একটি তদ্ভব শব্দ, যা সংস্কৃত হস্ত শব্দ থেকে প্রাকৃত হয়ে বাংলায় এসেছে। C) হাথ - এটি হাত শব্দের একটি আঞ্চলিক বা অপ্রচলিত রূপ, যা কোনো মৌলিক শব্দশ্রেণির অন্তর্ভুক্ত নয়। D) পুত্র - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি তৎসম শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত শ, ষ, ণ, ঋ-কার এবং যুক্তবর্ণযুক্ত শব্দ যেমন পুত্র, চন্দ্র, সূর্য সাধারণত তৎসম শব্দ হয়। উৎস চেনার এই সাধারণ নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষ সহজে সঠিক উত্তর চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম ও তদ্ভব শব্দের পার্থক্য প্রায়ই আসে। হস্ত থেকে হাত হলো তদ্ভব, আর সরাসরি পুত্র হলো তৎসম।
a আসাদ চৌধুরী
b আবুল হাসান
c ত্রিদিব দস্তিদার
d নির্মলেন্দু গুণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নির্মলেন্দু গুণ ১. কেন সঠিক: - 'হুলিয়া' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত পরিচিত কবিতা যার রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি নির্মলেন্দু গুণ। - এই কবিতায় ষাটের দশকের শেষভাগে বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলন এবং পরবর্তী উত্তাল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের গভীর চিত্র ফুটে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি নির্মলেন্দু গুণ ১৯৪৫ সালের ২১ জুন নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার কাশিনগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর প্রকাশিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে প্রেমাংশুর রক্তচাই, বাংলার মাটি বাংলার জল এবং চাষাভাষার কাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রেমাংশুর রক্তচাই ব্যাখ্যা: এটি কবি নির্মলেন্দু গুণের অত্যন্ত বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ যেখানে হুলিয়া কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উদাহরণ ২: চাষাভাষার কাব্য ব্যাখ্যা: এটিও কবি নির্মলেন্দু গুণের একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা কবিতায় বিশেষ অবদান রেখেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আসাদ চৌধুরী — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও প্রাবন্ধিক হলেও 'হুলিয়া' কবিতার রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ বাতাসের নানা রঙ। B) আবুল হাসান — তিনি ষাটের দশকের অন্যতম প্রভাবশালী কবি হলেও এই কবিতাটি তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ রাজা যায় রাজা আসে। C) ত্রিদিব দস্তিদার — তিনি বিশিষ্ট বাঙালি কবি হলেও 'হুলিয়া' কবিতার সঙ্গে তাঁর নাম যুক্ত নয়, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ দুই মেরুর ফানুস। D) নির্মলেন্দু গুণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই 'হুলিয়া' কবিতার প্রখ্যাত রচয়িতা। ৫. মনে রাখার টিপস: - গুণী মানুষের হুলিয়া জারি হয় না, তাই হুলিয়া কবিতার কবি নির্মলেন্দু গুণ। - কবির নামের সঙ্গে কবিতার নামের ছন্দ মিলিয়ে এটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক কবিদের বিখ্যাত কবিতা ও কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - নির্মলেন্দু গুণের কবিতা ও জন্মস্থান সংক্রান্ত তথ্যগুলো বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
b রাইফেল রোটি আওরাত
c আগুনের পরশমণি
d জীবন আমার বোন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ১. কেন সঠিক: - 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কোনো উপন্যাস নয়, এটি শহীদ কাদরী রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য। - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো সেই গদ্যধর্মী সাহিত্যকর্ম, যার মূল পটভূমি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং বাঙালি জাতির সশস্ত্র সংগ্রাম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শহীদ কাদরী আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, যিনি তার নগরকেন্দ্রিক ও পরিশীলিত কাব্যভাষার জন্য পরিচিত। - 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' কাব্যনাট্যে গ্রামীণ জনপদে মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট ও সাধারণ মানুষের সাহসিকতা নাট্যরূপে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেলিনা হোসেন রচিত 'যাঁরা বৃষ্টিতে ভিজেছিল' একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার নানা বেদনাদায়ক ও গৌরবময় ঘটনার বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের পটভূমিতে রচিত বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত প্রভাবশালী একটি উপন্যাস যা মুক্তিযুরোধীদের স্বরূপ উন্মোচন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এটি উপন্যাস নয়, বরং শহীদ কাদরী রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য। B) রাইফেল রোটি আওরাত — এটি আনোয়ার পাশা রচিত ১৯৭১ সালের পটভূমিতে লেখা প্রথম প্রকাশিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ইংরেজি ভাষার বাংলা উপন্যাস। C) আগুনের পরশমণি — এটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি জনপ্রিয় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। D) জীবন আমার বোন — এটি মাহমুদুল হক রচিত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অত্যন্ত প্রশংসিত একটি উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - নাটক ও উপন্যাসের পার্থক্য মনে রাখলে সহজেই এ ধরনের প্রশ্ন সমাধান করা সম্ভব। - শহীদ কাদরীর প্রধান একক নাটক বা কাব্যনাট্য হলো পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস এবং নাটকগুলোর নাম ও লেখকের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা উচিত। - অনেক সময় কাব্যনাট্য বা নাটককে উপন্যাস হিসেবে অপশনে দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়, তাই রচনার রূপ বা ফর্ম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
a মেনিমুখো
b ভিজে বিড়াল
c ভূষণ্ডীর কাক
d ভালুক জ্বর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভিজে বিড়াল ১. কেন সঠিক: - 'ভিজে বিড়াল' বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ হলো ভেজা বিড়াল, তবে প্রমিত অর্থে এর ভাবার্থ হলো অত্যন্ত কাপট্যপূর্ণ বা ভণ্ড স্বভাবের ব্যক্তি। - সমাজে যারা অত্যন্ত শান্ত ও অমায়িক সেজে ভেতরে ভেতরে নানা কূটকৌশল বা প্রতারণা চালায়, তাদের বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ ধরনের বাকরীতি, যা শব্দের সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লোকটিকে প্রথম দেখায় খুব সাধাসিধে মনে হলেও আসলে সে একটি ভিজে বিড়াল। ব্যাখ্যা: এখানে মানুষের বাহ্যিক শান্ত ভাবের আড়ালে তার কূটিল স্বভাব বা কপটতা বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: অফিসের বড়বাবু সামনে খুব মিষ্টি কথা বলেন, কিন্তু কাজের বেলায় তিনি একদম ভিজে বিড়াল। ব্যাখ্যা: এখানেও মুখের মিষ্টি কথার আড়ালে ক্ষতিকর বা কপট মানসিকতা প্রকাশ করার জন্য বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেনিমুখো — এই বাগধারাটির অর্থ লাজুক বা পীরণহীন নির্বোধ ব্যক্তি, যা কপট শব্দের সমার্থক নয়। B) ভিজে বিড়াল — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ কপট বা ভণ্ড। C) ভূষণ্ডীর কাক — এই বাগধারাটির অর্থ দীর্ঘজীবী ব্যক্তি বা বহুদর্শী চতুর ব্যক্তি, যা কাপট্যের অর্থে বসে না। D) ভালুক জ্বর — এই বাগধারাটির অর্থ খ্যাপামি বা অলসতার অজুহাত, যা কপট ব্যক্তির সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিড়াল সাধারণত জল দেখলে ভয় পায়, কিন্তু যে বিড়াল ইচ্ছাকৃতভাবে ভিজে শান্ত হয়ে বসে থাকে সে সুযোগ বুঝে মাছ চুরি করে। - এই কৌশলগত ভাবটি মনে রাখলে 'ভিজে বিড়াল' মানে যে কপট বা ভণ্ড ব্যক্তি, তা খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মানবস্বভাব সংক্রান্ত বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - এ ক্ষেত্রে শব্দের আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা রূপক অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
a সিকান্দার আবু জাফর
b মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন
c মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
d আবুল কালাম শামসুদ্দীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন ১. কেন সঠিক: - 'সওগাত' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন। ১৯১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে কলকাতা থেকে এই সাহিত্য পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। - বাংলা মুসলিম সাহিত্য সমাজ গঠন এবং মুক্তবুদ্ধি চর্চায় এই পত্রিকার ঐতিহাসিক অবদান রয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন ছিলেন একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সম্পাদক। তিনি ১৯২৬ সালে বিখ্যাত শিশুতোষ পত্রিকা 'সাপ্তাহিক মোহাম্মদী' এবং নারীদের জন্য 'বেগম' পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা করেন। - 'সওগাত' পত্রিকা কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম প্রচারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। কাজী নজরুলের 'বিদ্রোহী' কবিতাটি এই পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুলের 'বিদ্রোহী' কবিতা। ব্যাখ্যা: এই বিখ্যাত কবিতাটি সওগাত পত্রিকায় প্রকাশিত হয়ে বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল। উদাহরণ ২: বেগম পত্রিকা। ব্যাখ্যা: মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন নারীদের সাহিত্যচর্চা এগিয়ে নিতে বেগম পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন যার প্রথম সম্পাদক ছিলেন সওফিয়া খাতুন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিকান্দার আবু জাফর — তিনি সওগাত পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না, বরং তিনি বিখ্যাত 'সমকাল' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন। B) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি সওগাত পত্রিকার দীর্ঘকালীন সফল সম্পাদক ছিলেন। C) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি ছিলেন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও গবেষক, যিনি সওগাত পত্রিকার সঙ্গে সম্পাদক হিসেবে যুক্ত ছিলেন না। D) আবুল কালাম শামসুদ্দীন — তিনি একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সাহিত্যিক হলেও সওগাত পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সওগাত অর্থ উপঢৌকন বা উপহার। মনে রাখতে পারেন মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বাংলা সাহিত্যকে একটি সুন্দর উপহার হিসেবে সওগাত পত্রিকা দিয়েছেন। - সম্পাদক হিসেবে তাঁর নামের প্রথম অক্ষর ম এবং সওগাত শব্দের শুরুতেও স আছে, এভাবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা এবং সম্পাদকের নাম প্রায়ই আসে। - সওগাত পত্রিকার প্রকাশকাল এবং এর সঙ্গে কাজী নজরুলের সম্পৃক্ততার ইতিহাস ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a রামপ্রসাদ সেন
b রামনিধি গুপ্ত
c দাশরথি রায়
d এন্টনি ফিরিঙ্গি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রামপ্রসাদ সেন ১. কেন সঠিক: - শাক্ত পদাবলীর বিকাশে এবং জনপ্রিয়তায় রামপ্রসাদ সেনের অবদান সবচেয়ে বেশি। - তাঁর রচিত পদগুলো প্রধানত মা কালীর বন্দনা ও ভক্তিমূলক গান হিসেবে পরিচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রামপ্রসাদ সেন অষ্টাদশ শতকের একজন প্রখ্যাত কবি ও সাধক। - তিনি বাংলা সাহিত্যে শাক্ত পদাবলীর ধারাকে সমৃদ্ধ করেছেন এবং তাঁকে সাধক কবি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যাকুন্দর ব্যাখ্যা: এটি রামপ্রসাদ সেনের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: কালীকীর্তন ব্যাখ্যা: এটি শাক্ত পদাবলীর ওপর রচিত রামপ্রসাদ সেনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামপ্রসাদ সেন — এটি সঠিক উত্তর। B) রামনিধি গুপ্ত — তিনি শাক্ত পদাবলীর জন্য বিখ্যাত নন, বরং তিনি বাংলা খেয়াল গানের জন্য পরিচিত। C) দাশরথি রায় — তিনি পাঁচালি গানের জন্য বিখ্যাত, শাক্ত পদাবলীর প্রধান কবি নন। D) এন্টনি ফিরিঙ্গি — তিনি বাঙালি কবি হলেও শাক্ত পদাবলীর পরিবর্তে কবিয়াল ও অগমণি গানের জন্য পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাধক রামপ্রসাদ মানেই শাক্ত পদাবলী এবং মা কালীর গান। - শাক্ত পদাবলীর আদি বা প্রধান কবি মনে রাখতে রামপ্রসাদ সেন নামটিকে প্রথমে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শাক্ত পদাবলীর রচয়িতা হিসেবে প্রায়ই রামপ্রসাদ সেনের নাম আসে। - বৈষ্ণব পদাবলীর ক্ষেত্রে যেমন বিদ্যাপতি বা চণ্ডীদাস বিখ্যাত, শাক্ত পদাবলীতে তেমনি রামপ্রসাদ সেন প্রধান।
a রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
b কাজী আবদুল ওদুদ
c আবুল ফজল
d কাজী মোতাহার হোসেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ১. কেন সঠিক: - বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন নারীজাগরণ ও নারীশিক্ষার অগ্রদূত হলেও তিনি সরাসরি 'বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। - 'বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলন মূলত মুসলিম সমাজের সংকীর্ণতা ও কুসংস্কার দূর করে চিন্তার স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে গঠিত মুসলিম সাহিত্য সমাজকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ১৯২৬ সালে ঢাকায় 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ' গঠিত হয় এবং এর মূল স্লোগান ছিল বুদ্ধির মুক্তি। - এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত প্রধান ব্যক্তিরা ছিলেন কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল ফজল, কাজী মোতাহার হোসেন ও প্রিন্সিপাল ইবরাহিম খাঁ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী আবদুল ওদুদ রচিত 'শাশ্বত বঙ্গ' ব্যাখ্যা: এটি বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও চিন্তাজাগানিয়া সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: আবুল ফজলের 'সমাজ ও সাহিত্য' ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে সমাজ সংস্কার ও বুদ্ধির মুক্তির নানা দিক স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন — তিনি নারীশিক্ষা ও নারী অধিকার নিয়ে কাজ করলেও 'বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের সাংগঠনিক সদস্য ছিলেন না। B) কাজী আবদুল ওদুদ — তিনি মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান প্রবক্তা ছিলেন। C) আবুল ফজল — তিনি এই আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন এবং মুক্তবুদ্ধি চর্চায় সাহিত্য রচনা করেছেন। D) কাজী মোতাহার হোসেন — তিনি মুসলিম সাহিত্য সমাজের একজন সক্রিয় সংগঠক ও বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম রূপকার ছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন মানেই মুসলিম সাহিত্য সমাজ এবং কাজী আবদুল ওদুদ বা আবুল ফজল। - রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন নারী আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত, তাই তিনি এই আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুসলিম সাহিত্য সমাজ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর মুখপত্র কী ছিল, তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। - মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্রের নাম ছিল 'শিখা' এবং এর বিখ্যাত স্লোগান ছিল বুদ্ধির মুক্তি।
a রিক্তের বেদন
b যুগবাণী
c সঞ্চিতা
d চোখের বালি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রিক্তের বেদন ১. কেন সঠিক: - 'রিক্তের বেদন' হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ। - এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৫ সালে এবং এতে মোট সাতটি গল্প রয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক। - তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ব্যথার দান, শিউলিমালা ও পদ্মঘেরা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যথার দান ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: শিউলিমালা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের অপর একটি জনপ্রিয় গল্পগ্রন্থ যা তাঁর মননশীল ও রোমান্টিক ধারার গল্পের পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিক্তের বেদন — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ। B) যুগবাণী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের কোনো গল্পগ্রন্থ নয়, বরং একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। C) সঞ্চিতা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন বা কাব্যগ্রন্থ। D) চোখের বালি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয়, বরং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের গল্পগ্রন্থ মনে রাখার সহজ উপায় হলো রিক্তের বেদন, ব্যথার দান ও শিউলিমালা নামের বেদনা ও ফুলবাচক শব্দগুলো মনে রাখা। - কাব্যগ্রন্থ ও প্রবন্ধগ্রন্থের সঙ্গে গল্পগ্রন্থ গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের প্রথম গল্পগ্রন্থ বা কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই আসে। - নজরুলের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ রিক্তের বেদন এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ বায়তুল আম্বিয়া বা অগ্নিবীণা (সংকলন ভেদে)।
a আমি বাঙালি বলছি
b আমি বীরাঙ্গনা বলছি
c বাঙালি জীবনে রমণী
d বীরাঙ্গনার গাথা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আমি বীরাঙ্গনা বলছি ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো আমি বীরাঙ্গনা বলছি। এটি বাংলাদেশের ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতিত মা-বোনদের আত্মত্যাগের ওপর রচিত একটি প্রামাণ্য ও ঐতিহাসিক গ্রন্থ। - ড. নীলিমা ইব্রাহিম অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে যুদ্ধকালীন বীরাঙ্গনাদের বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা এই গ্রন্থে তুলে ধরেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের লেখক ও সাহিত্যকর্মের আওতাভুক্ত। ড. নীলিমা ইব্রাহিম ছিলেন একাধারে শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী। - তাঁর এই গ্রন্থটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং নারী নির্যাতনের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাহানারা ইমামের একাত্তরের দিনগুলি। ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও প্রামাণ্য গ্রন্থ। উদাহরণ ২: সেলিনা হোসেনের যাপিত জীবন। ব্যাখ্যা: এটি মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালির আন্দোলনভিত্তিক একটি প্রখ্যাত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমি বাঙালি বলছি — এটি ড. নীলিমা ইব্রাহিমের কোনো বিখ্যাত গ্রন্থের নাম নয়। এটি মূলত একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। B) আমি বীরাঙ্গনা বলছি — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি ড. নীলিমা ইব্রাহিমের একটি বিখ্যাত গ্রন্থ। C) বাঙালি জীবনে রমণী — এটি এই লেখকের কোনো গ্রন্থ নয়। এটি মূলত একটি কাল্পনিক নাম। D) বীরাঙ্গনার গাথা — এই নামের কোনো প্রামাণ্য গ্রন্থ ড. নীলিমা ইব্রাহিম রচনা করেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: - নীলিমা ইব্রাহিম নামটির সঙ্গে বীরাঙ্গনা শব্দটি মনে রাখতে হবে। বীরাঙ্গনাদের নিয়ে তাঁর বিখ্যাত কাজের নামই হলো আমি বীরাঙ্গনা বলছি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুক্তিযুদ্ধে নারীদের অবদান ও নির্যাতনের ইতিহাস জানতে ড. নীলিমা ইব্রাহিমের এই গ্রন্থটি থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্যান্য লেখকের প্রামাণ্য গ্রন্থগুলোও পরীক্ষার জন্য পড়তে হবে।
a লিখিত রূপ
b উচ্চারিত রূপ
c ভাবরূপ
d অনূদিত রূপ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লিখিত রূপ ১. কেন সঠিক: বর্ণ হলো মানুষের মুখ থেকে নিঃসৃত ধ্বনি বা আওয়াজ লেখার জন্য ব্যবহৃত প্রতীক বা লিখিত রূপ। ধ্বনি হলো ভাষার মূল ভিত্তি যা কানে শোনা যায়, আর বর্ণ হলো সেই ধ্বনির দৃশ্যমান বা লিখিত রূপ যা চোখে দেখা যায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ভাষার মৌলিক উপাদান ধ্বনি নির্দেশ করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু লিখিত চিহ্ন বা প্রতীক ব্যবহার করা হয় এবং এই প্রতীকগুলোকেই বর্ণ বলা হয়। বাংলা বর্ণমালায় মোট পঞ্চাশটি বর্ণ রয়েছে যার মধ্যে স্বরবর্ণ এগারোটি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ উচল্লিশটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি একটি স্বরধ্বনি প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট করা লিখিত বর্ণ রূপ। উদাহরণ ২: ক ব্যাখ্যা: এটি একটি ব্যঞ্জনধ্বনি প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট করা লিখিত বর্ণ রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিখিত রূপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ধ্বনিকে দৃশ্যমান করতে বর্ণ ব্যবহার করা হয়। B) উচ্চারিত রূপ — ধ্বনি হলো উচ্চারিত রূপ, বর্ণ নয় তাই এই অপশন ভুল। C) ভাবরূপ — ভাষার মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ পায় কিন্তু বর্ণ সরাসরি ভাব নয় তাই ভুল। D) অনূদিত রূপ — এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় রূপান্তরকে অনুবাদ বলে যা বর্ণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ধ্বনি শোনা যায় আর বর্ণ লেখা যায় এই সহজ সূত্রটি মনে রাখলে আর ভুল হবে না। ধ্বনি ও বর্ণের পার্থক্য বুঝতে কান বনাম চোখের তুলনা মনে রাখা যেতে পারে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় মোট পঞ্চাশটি বর্ণ রয়েছে এবং এর মধ্যে স্বরবর্ণ এগারোটি ও ব্যঞ্জনবর্ণ উচল্লিশটি। ধ্বনি হলো মৌখিক রূপ আর বর্ণ হলো লিখিত রূপ এই মৌলিক বিষয়টি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a সময় + অনু
b সং + জন
c সম্ + যোজন
d সং + যোজন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সম্ + যোজন ১. কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে ম-कारের পর অন্তস্থ বর্ণ য থাকলে ম স্থানে অনুস্বার অথবা পদের শেষের ম স্থানে ম-হসন্ত হয়। - সম্ উপসর্গের সঙ্গে যোজন শব্দের মিলনে সংযোজন শব্দটি গঠিত হয়েছে যেখানে ম-হসন্ত এবং য যুক্ত হয়ে সংরূপ ধারণ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম হলো পদের অন্তস্থিত ম কিংবা পদমধ্যস্থ ম-এর পর য, র, ল, ব কিংবা শ, ষ, স, হ থাকলে ম স্থানে অনুস্বার হয় অথবা পরবর্তী বর্ণের বর্গের পঞ্চম বর্ণ হয়। - এখানে সম্ পদের ম-এর পর য থাকার কারণে নিয়মানুযায়ী সম্ যুক্ত যোজন সমান সংযোজন হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সম্ + যোগ = সংযোগ ব্যাখ্যা: ম-হসন্তের পর য থাকার কারণে ম স্থানে অনুস্বার যুক্ত হয়ে সংযোগ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: সম্ + লাপ = সংলাপ ব্যাখ্যা: ম-হসন্তের পর ল থাকার কারণে নিয়মানুযায়ী ম স্থানে অনুস্বার যুক্ত হয়ে সংলাপ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সময় + অনু — এটি কোনো অর্থপূর্ণ সন্ধি নয় এবং এর মাধ্যমে সংযোজন শব্দ গঠন করা ব্যাকরণগতভাবে অসম্ভব। B) সং + জন — এখানে জন শব্দের আগে সং ব্যবহার করা হলেও মূল উপসর্গ সম্ এবং সঠিক সন্ধির নিয়ম এখানে মানা হয়নি। D) সং + যোজন — এখানে ম-হসন্ত বাদ দিয়ে সরাসরি সং লেখা হয়েছে যা ব্যঞ্জনসন্ধির সঠিক রূপের নিয়মের পরিপন্থী। ৫. মনে রাখার টিপস: - সম্ উপসর্গযুক্ত শব্দের সন্ধিতে ম-এর স্থানে অনুস্বার হয় এবং ভাঙার সময় সম্ লিখতে হয়। - পরীক্ষার হলে সন্ধি বিচ্ছেদের সময় হসন্তযুক্ত সম্ অপশনটিকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সম্ উপসর্গযুক্ত ব্যঞ্জনসন্ধি প্রায়ই আসে। - সংযোগ, সংরক্ষণ, সংহার ইত্যাদি শব্দগুলো একই নিয়মে সাধিত হয়।
a আবদুল গাফফার চৌধুরী
b শামসুর রাহমান
c হাসান হাফিজুর রহমান
d মুনীর চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হাসান হাফিজুর রহমান ১. কেন সঠিক: ভাষা-আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সাহিত্য সংকলনটির নাম একুশে ফেব্রুয়ারি। এই ঐতিহাসিক সংকলনটির সম্পাদক ছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও গবেষক হাসান হাফিজুর রহমান। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১৯৫৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশিত এই সংকলনে ভাষা আন্দোলনের ওপর রচিত কবিতা, প্রবন্ধ, গল্প ও গান স্থান পেয়েছিল। তৎকালীন সময়ে ভাষা আন্দোলনের পক্ষে এটি ছিল একটি সাহসী ও যুগান্তকারী প্রকাশনা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন ব্যাখ্যা: জহির রায়হান রচিত ভাষাভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা। উদাহরণ ২: আর্তনাদ ব্যাখ্যা: শওকত ওসমান রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক অপর একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবদুল গাফফার চৌধুরী — তিনি বিখ্যাত আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি গানের রচয়িতা হলেও এই সংকলনের সম্পাদক ছিলেন না। B) শামসুর রাহমান — তিনি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত কবি হলেও এই সংকলনের সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি ভাষা-আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সাহিত্য সংকলন একুশে ফেব্রুয়ারি এর সম্পাদক ছিলেন। D) মুনীর চৌধুরী — তিনি কবর নাটকের নাট্যকার এবং ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও এই সংকলনটির সম্পাদক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলন মানেই হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদিত একুশে ফেব্রুয়ারি। সম্পাদক হিসেবে হাসান নামটি মনে রাখতে পারেন কারণ তিনি প্রথম সংকলনের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রথম সাহিত্য সংকলনের সম্পাদক কে তা প্রায়ই আসে। একুশে ফেব্রুয়ারি সংকলনটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৫৩ সালে, যা সালসহ মনে রাখা জরুরি।
a মলুয়া
b দেওয়ানা আশিকানা
c চন্দ্রাবতী
d পদ্মাবতী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মলুয়া ১. কেন সঠিক: - মলুয়া একটি বিখ্যাত বাংলা লোকসাহিত্য বা পালাগান, যা ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্ভুক্ত। - গবেষক চন্দ্রকুমার দে ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই লোকগাথাগুলো সংগ্রহ করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চন্দ্রকুমার দে দীনেশচন্দ্র সেনের উদ্যোগে ময়মনসিংহ অঞ্চলের লোকসাহিত্য সংগ্রহ করেন। - এই পালাগানগুলো গ্রামীণ সমাজের মানুষের সুখ দুঃখ ও প্রেমের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহুয়া ব্যাখ্যা: এটিও চন্দ্রকুমার দে সংগৃহীত ময়মনসিংহ গীতিকার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় পালাগান। উদাহরণ ২: দেওয়ানা মদিনা ব্যাখ্যা: ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্ভুক্ত এই পালাগানটিও চন্দ্রকুমার দে সংগ্রহ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মলুয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি চন্দ্রকুমার দে সংগৃহীত পালাগান। B) দেওয়ানা আশিকানা — এটি কোনো প্রামাণিক ময়মনসিংহ গীতিকা নয় এবং চন্দ্রকুমার দে এটি সংগ্রহ করেননি। C) চন্দ্রাবতী — এটি মধ্যযুগের প্রথম নারী কবি চন্দ্রাবতীর লেখা মহাকাব্যিক রচনা, লোকসংগ্রহ নয়। D) পদ্মাবতী — এটি কবি আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত মধ্যযুগের রোমান্টিক কাব্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - ময়মনসিংহ গীতিকার সংগ্রাহক মানেই চন্দ্রকুমার দে এবং সম্পাদক দীনেশচন্দ্র সেন। - মলুয়া ও মহুয়া নামের পালাগানগুলো চন্দ্রকুমার দে এর প্রধান সংগ্রহ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ময়মনসিংহ গীতিকা থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সংগ্রাহক ও রচয়িতার পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

মোট প্রশ্ন (25)

a The more incredible
b The most incredible
c More incredible
d Incredible
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The most incredible কেন সঠিক: - নির্দিষ্ট কোনো গোষ্ঠীর মধ্যে বা সবার মধ্যে সর্বোচ্চ মাত্রা বোঝাতে সুপারলেটিভ ডিগ্রি ব্যবহৃত হয়। - এখানে 'ever heard' বা এ পর্যন্ত শোনা সব গল্পের মধ্যে তুলনা বোঝানো হয়েছে, তাই সুপারলেটিভ ডিগ্রি 'the most incredible' সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The more incredible — তুলনামূলক বা কম্পারেটিভ ডিগ্রি, যা দুটি জিনিসের মধ্যে তুলনা করতে ব্যবহৃত হয়। B) The most incredible — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা সুপারলেটিভ ডিগ্রি নির্দেশ করে। C) More incredible — এটি কম্পারেটিভ ডিগ্রি এবং এর পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল দ্য নেই। D) Incredible — এটি পজিটিভ ডিগ্রি, যা দিয়ে কোনো ধরনের তুলনা বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'ever' বা 'in the world' থাকলে সাধারণত সুপারলেটিভ ডিগ্রি হয়, যার পূর্বে দ্য এবং অ্যাডজেক্টিভের সঙ্গে মোস্ট যুক্ত হয়।
a the, a
b the, the
c a, a
d a, the
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) the, the কেন সঠিক: - নির্দিষ্ট করে বোঝাতে দ্বিতীয় 'Japanese' শব্দটির আগে definite article 'the' বসেছে। - তুলনা বা নির্দিষ্ট ধরন বোঝাতে 'in the way + noun + speak' গঠনে প্রথম শূন্যস্থানেও 'the' বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the, a — দ্বিতীয় শূন্যস্থানে indefinite article 'a' বসলে বাক্যটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। B) the, the — প্রদত্ত উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং নিয়মানুযায়ী উভয় স্থানে 'the' বসবে। C) a, a — ভাষা ও নির্দিষ্ট পন্থার আগে 'a' ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ অস্পষ্ট হয়। D) a, थेट — প্রথম শূন্যস্থানে 'a' বসলে নির্দিষ্ট ভাষা বা পন্থার নিয়ম লঙ্ঘন হয়। মনে রাখার টিপস: কোনো বিশেষ উপায়ে কিছু করা বোঝাতে 'in the way + noun + verb' ফ্রেজ ব্যবহৃত হয়, তাই উভয় স্থানে 'the' বসে।
a Astounding
b Exciting
c Promising
d Lucky
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Lucky কেন সঠিক: - Auspicious শব্দের অর্থ শুভ, অনুকূল বা সৌভাগ্যসূচক। - Lucky শব্দের অর্থ ভাগ্যবান বা শুভ, যা auspicious শব্দের সমার্থক হিসেবে সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Astounding — এর অর্থ বিস্ময়কর বা অত্যাশ্চর্য, যা শুভ বা সৌভাগ্যসূচক অর্থে ব্যবহার করা যায় না। B) Exciting — এর অর্থ রোমাঞ্চকর বা উদ্দীপক, যা auspicious শব্দের সমার্থক নয়। C) Promising — এর অর্থ আশাব্যঞ্জক বা সম্ভাবনাময়, যা কাছাকাছি হলেও সরাসরি প্রতিশব্দ নয়। D) Lucky — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ ভাগ্যবান বা শুভ। মনে রাখার টিপস: Auspicious মানে যার সূচনা শুভ এবং Lucky মানেও শুভ বা সৌভাগ্যবান।
a Let's do that for you.
b Let do that for you.
c Let me do that for you.
d Let you do that for you.
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) Let me do that for you. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে সাবজেক্ট বা উদ্দেশ্য হলো আমি নিজেই কাজটি করে দেব, যা রূপান্তর করার সময় প্রথম পুরুষের অবজেক্ট 'me' ব্যবহার করতে হয়। - 'Let' একটি Imperative বাক্যের সূচনা করে যার পরে সর্বদা সাবজেক্টের অবজেক্টিভ রূপ (যেমন: me, him, her, us) বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let's do that for you — এখানে Let's অর্থ Let us বা আমাদের একসাথে বোঝায়, যা বক্তার একা কাজ করার প্রতিশ্রুতির সাথে মেলে না। B) Let do that for you — এখানে Let এর পর কোনো অবজেক্ট (me/us/him) না থাকায় ব্যাকরণগতভাবে বাক্যটি অসম্পূর্ণ ও ভুল। C) Let me do that for you — এটি সঠিক উত্তর, কারণ বক্তা নিজেই কাজটি করে দেওয়ার প্রস্তাব প্রকাশ করতে 'me' ব্যবহার করেছে। D) Let you do that for you — এখানে 'Let you' ব্যবহার করলে অন্য কাউকে কাজটি করতে অনুমতি দেওয়ার অর্থ প্রকাশ পায়, যা মূল বাক্যের সাথে অসংগত। মনে রাখার টিপস: বক্তা নিজে কোনো কাজ করে দিতে চাইলে Let এর পরে সবসময় me বসবে, আর সবাইকে নিয়ে কিছু করতে চাইলে us বসবে।
a aren't they
b are they
c won't they
d don't they
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) aren't they কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি হাবোধক (affirmative) হওয়ায় এর প্রশ্ন ট্যাগ (question tag) অবশ্যই না-বোধক (negative) হবে। - মূল বাক্যের verb হলো are, তাই ট্যাগে are-এর সঙ্গে not যুক্ত হয়ে aren't এবং subject (the students)-এর pronoun হিসেবে they ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) aren't they — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। B) are they — মূল বাক্যটি হাবোধক হওয়ায় এর প্রশ্ন ট্যাগ না-বোধক হতে হবে, তাই এটি ভুল। C) won't they — মূল বাক্যে future tense-এর modal verb (will) নেই, তাই won't ব্যবহার করা ভুল। D) don't they — মূল বাক্যে মূল verb হিসেবে to be verb (are) রয়েছে, তাই do বা don't ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্য হাবোধক হলে প্রশ্ন ট্যাগ না-বোধক করতে হয় এবং বাক্যের auxiliary verb ও subject অনুযায়ী ট্যাগ গঠন করতে হয়।
a A customary code of behavior
b The way one sings
c Food habit
d Rules and regulations
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) A customary code of behavior কেন সঠিক: - Etiquette শব্দের বাংলা অর্থ হলো ভদ্রতা, শিষ্টাচার বা সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য আচরণের বিধি। - সমাজে চলাফেরার জন্য নির্দিষ্ট কিছু প্রথাগত নিয়ম বা শিষ্টাচারকে etiquette বলা হয়, যা অপশন এ তে সঠিকভাবে নির্দেশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A customary code of behavior — এটি সঠিক উত্তর কারণ etiquette বলতে প্রথাগত আচরণের কোড বা শিষ্টাচারকে বোঝায়। B) The way one sings — এটি গান গাওয়ার ভঙ্গি বা পদ্ধতি বোঝায়, যা শিষ্টাচার বা etiquette এর সাথে সম্পর্কিত নয়। C) Food habit — এটি মানুষের খাদ্যাভ্যাস নির্দেশ করে, যা etiquette বা সামাজিক শিষ্টাচারের একটি ক্ষুদ্র অংশ হতে পারে কিন্তু সম্পূর্ণ অর্থ নয়। D) Rules and regulations — এটি সাধারণত কোনো প্রতিষ্ঠান বা দেশের আইনকানুন বা বিধিমালার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, সামাজিক শিষ্টাচারের ক্ষেত্রে নয়। মনে রাখার টিপস: Etiquette শব্দটি দেখলে সামাজিক আচার-আচরণ বা শিষ্টাচার (Behavior) কথাটি মনে রাখবে।
a a prefix
b a prefix
c a prefix and suffix
d within
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a prefix and suffix কেন সঠিক: - শব্দটিতে মূল শব্দ 'change'-এর পূর্বে 'un-' প্রিফিক্স এবং পরে '-able' সাফিক্স যুক্ত হয়েছে। - তাই এই শব্দটিতে একটি প্রিফিক্স এবং একটি সাফিক্স উভয়ই বিদ্যমান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a prefix — এটি আংশिक সত্য কারণ প্রিফিক্স আছে, কিন্তু সাফিক্সও থাকায় এই অপশনটি সম্পূর্ণ নয়। B) a prefix — এটি পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে এবং শুধু প্রিফিক্স থাকায় সম্পূর্ণ সঠিক নয়। C) a prefix and suffix — এটি সঠিক কারণ শব্দটিতে প্রিফিক্স ও সাফিক্স উভয়ই রয়েছে। D) within — এটি এই প্রশ্নের উত্তরের সাথে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক একটি শব্দ। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দের শুরুতে প্রিফিক্স এবং শেষে সাফিক্স উভয়ই একসাথে থাকতে পারে, যেমন un-change-able.
a One's promises are kept.
b One's promises must kept.
c One's promises were kept
d One's promises must be kept.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) One's promises must be kept. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'one's' possessive pronoun থাকায় প্যাসিভ করার সময় তা অপরিবর্তিত থাকে এবং 'one' বা 'one's' উহ্য রাখা হয়। - Modal auxiliary verb (must)-যুক্ত Active voice-কে Passive করার নিয়ম হলো Object-এর Subject রূপ + must + be + Verb-এর past participle রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) One's promises are kept. — এখানে প্রয়োজনীয় modal auxiliary verb (must) বাদ দেওয়া হয়েছে, তাই অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে। B) One's promises must kept. — modal verb-এর পর সরাসরি past participle ব্যবহার করা হয়েছে, মাঝে নিয়ম অনুযায়ী 'be' verb যুক্ত করা হয়নি। C) One's promises were kept — বাক্যের tense পরিবর্তন করে past tense করা হয়েছে, যা মূল বাক্যের present modal অর্থ প্রকাশ করে না। D) One's promises must be kept. — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে modal verb-এর পর সঠিক নিয়মে 'be' এবং verb-এর past participle ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Active voice-এ must থাকলে Passive করার সময় must-এর পর একটি be যোগ করতে হয় এবং মূল verb-এর past participle form বসাতে হয়।
a an award
b to be awarded
c awarded
d awarding
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) awarded কেন সঠিক: - বাক্যটির অর্থ হলো নেলসন ম্যান্ডেলা ১৯৯৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন, যা প্যাসাইভ ভয়েস নির্দেশ করে। - সাবজেক্ট নিজেই কাজটি করছে না বরং পুরস্কারপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে সঠিক প্যাসাইভ স্ট্রাকচার গঠনে পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম awarded ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an award — এটি একটি নাউন ফ্রেজ, যা সরাসরি মূল ভার্ব হিসেবে গ্যাপে বসে বাক্যকে ব্যাকরণগতভাবে ভুল করে তোলে। B) to be awarded — ইনফিনিটিভ রূপটি এখানে সেন্টেন্সের মূল সমাপিকা ক্রিয়া বা প্যাসাইভ প্রেডিকেট গঠন করতে পারে না। C) awarded — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে পুনরায় ভুল অপশন হিসেবে ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই, তবে এটিই একমাত্র ব্যাকরণগতভাবে সঠিক পাস্ট পার্টিসিপল। D) awarding — এই প্রেজেন্ট পার্টিসিপল ফর্মটি ব্যবহার করলে বাক্যটি অ্যাক্টিভ অর্থ প্রকাশ করবে, যা ম্যান্ডেলার পুরস্কার পাওয়ার ঘটনার বিপরীত অর্থ দাঁড় করায়। মনে রাখার টিপস: কোনো ব্যক্তি সম্মাননা বা পুরস্কার লাভ করেছেন বুঝাতে প্যাসাইভ গঠনে সরাসরি V3 বা পাস্ট পার্টিসিপল (যেমন awarded) ব্যবহার করতে হয়।
a a determiner
b a conjunction
c an adjective
d a pronoun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a pronoun কেন সঠিক: - এখানে All শব্দটি কোনো noun-কে নির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্ট করে বোঝাচ্ছে না, বরং নিজে স্বাধীনভাবে একটি noun-এর পরিবর্তে বসেছে। - বাক্যে All শব্দটি মূল subject হিসেবে বসেছে এবং এর অর্থ দাঁড়াচ্ছে 'সব বস্তু সোনা নয়', যা একটি pronoun-এর কাজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a determiner — determiner হতে হলে শব্দটিকে noun-এর পূর্বে বসে তাকে নির্দেশ করতে হতো, যা এখানে ঘটেনি। B) a conjunction — conjunction দুটি শব্দ বা বাক্যাংশকে যুক্ত করে, কিন্তু এখানে All কোনো সংযোগকারী হিসেবে কাজ করছে না। C) an adjective — adjective হতে হলে শব্দটিকে কোনো noun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করতে হতো, যা এখানে নেই। D) a pronoun — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ All এখানে বিশেষ্য পদের পরিবর্তে pronoun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: noun-এর ঠিক আগে বসে তাকে নির্দেশ করলে determiner হয়, আর একা বসে noun-এর কাজ করলে তা pronoun হয়।
a Angry
b Foolish
c Cruel
d Callous
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Cruel কেন সঠিক: - Humane শব্দটির অর্থ দয়ালু, মানবিক বা সহানুভূতিশীল। - এর সরাসরি বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিমি শব্দ হলো Cruel, যার অর্থ নিষ্ঠুর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Angry — এর অর্থ রাগী বা ক্রুদ্ধ, যা মানবিক বা দয়ালু শব্দের বিপরীতার্থক হলেও সঠিক অ্যান্টনিম হিসেবে Cruel বেশি উপযুক্ত। B) Foolish — এর অর্থ বোকামিপূর্ণ বা নির্বোধ, যা বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত এবং humane শব্দের বিপরীত নয়। সি) Cruel — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এর অর্থ নিষ্ঠুর এবং এটি humane শব্দের সরাসরি বিপরীত। D) Callous — এর অর্থ সংবেদনহীন বা অনুভূতিহীন, যা অনেকটা কাছাকাছি হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় humane শব্দের প্রমিত অ্যান্টনিম হিসেবে Cruel নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: Humane শব্দের শুরু হয় Human দিয়ে, যার অর্থ মানুষ এবং মানুষ সাধারণত দয়ালু হয়। এর উল্টো বা নিষ্ঠুর বোঝাতে Cruel ব্যবহার করা হয়।
a When you are ready, I will start the engine.
b When you ready, I will start the engine.
c When you are ready, I start the engine.
d When you will be ready, I will start the engine.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) When you are ready, I will start the engine. কেন সঠিক: - Future indefinite tense যুক্ত প্রধান ক্লজটি যখন subordinate conjunction (যেমন when, if, before) দ্বারা যুক্ত হয়, তখন subordinate clause-টি present indefinite tense হয়। - তাই when যুক্ত অংশটি present (you are ready) এবং পরবর্তী অংশটি future (I will start) হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) When you are ready, I will start the engine. — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার গঠন শতভাগ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। B) When you ready, I will start the engine. — subject এর পর কোনো verb (are) ব্যবহার না করায় বাক্যটি অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) When you are ready, I start the engine. — ভবিষ্যৎকালের অর্থ প্রকাশ করতে দ্বিতীয় অংশে future tense (will start) ব্যবহার করা উচিত ছিল, যা এখানে করা হয়নি। D) When you will be ready, I will start the engine. — when যুক্ত subordinate clause-এ ভবিষ্যৎকাল নির্দেশ করতে will ব্যবহার করা নিয়মবহির্ভূত। মনে রাখার টিপস: Complex sentence-এ when বা if এর সাথে যুক্ত ক্লজটি present tense হলে পরের ক্লজটি future tense হয়।
a Information
b Luggage
c News
d Thanks
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Thanks কেন সঠিক: - 'Thanks' শব্দটি সর্বদা প্লুরাল বা বহুবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর শেষে সবসময় এস যুক্ত থাকে। - এটি মূলত কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ক্ষেত্রে একটি বিশেষ প্লুরাল নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার কোনো সিঙ্গুলার রূপ নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Information — এটি একটি আনকাউন্টেবল নাউন এবং এর সঙ্গে এস যুক্ত করে প্লুরাল করা যায় না। B) Luggage — এটিও একটি আনকাউন্টেবল নাউন এবং এটি সর্বদা সিঙ্গুলার হিসেবে গণ্য হয়। C) News — শব্দটির শেষে এস থাকলেও এটি একটি সিঙ্গুলার নাউন এবং এর অর্থ সংবাদ। D) Thanks — এটি বহুবচন রূপেই ব্যবহৃত হয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: কিছু নাউন দেখতে সিঙ্গুলার হলেও সবসময় প্লুরাল হয় যেমন থ্যাংকস, রিগার্ডস, কংগ্রাচুলেশনস।
a Carry off
b Carry on
c Carry up
d Carry out
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Carry out কেন সঠিক: - Carry out একটি গ্রুপ ভার্ব, যার অর্থ কোনো আদেশ, নির্দেশ বা নিয়ম নিখুঁতভাবে পালন করা বা বাস্তবায়ন করা। - বাক্যে আপনার আদেশগুলো নিখুঁতভাবে পালন করলে সবকিছু ঠিক থাকবে অর্থ প্রকাশ করতে Carry out সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Carry off — এর অর্থ জয় করা বা ছিনিয়ে নেওয়া, যা এখানে আদেশের ক্ষেত্রে অর্থপূর্ণ নয়। B) Carry on — এর অর্থ চালিয়ে যাওয়া, যা কোনো নির্দেশ পালনের পরিবর্তে কেবল কাজ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। C) Carry up — এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড ফ্রেজাল ভার্ব নয় এবং এর নির্দিষ্ট কোনো অর্থ নেই। D) Carry out — সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ আদেশ বা নির্দেশ পালন করা। মনে রাখার টিপস: আদেশ বা নির্দেশ পালন করার ক্ষেত্রে எப்போதும் Carry out ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহৃত হয়।
a Amatuer
b Amature
c Amateur
d Ameteur
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Amateur কেন সঠিক: - এই বানানটির সঠিক উচ্চারণ এবং প্রমিত ইংরেজি বানানরীতি অনুযায়ী এতে 'ateur' অংশটি যুক্ত থাকে। - ফ্রেঞ্চ ভাষা থেকে আসা এই শব্দটিতে 'amate' মূল শব্দের সাথে 'ur' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে Amateur গঠিত হয়েছে যার অর্থ অপেশাদার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Amatuer — বানানটিতে 'u' এবং 'e'-এর সঠিক ক্রম বজায় রাখা হয়নি। B) Amature — বানানটিতে শেষের দিককার সঠিক প্রত্যয় অংশটি অনুপস্থিত রয়েছে। C) Amateur — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক বানান এবং এর গঠন সঠিক রয়েছে। D) Ameteur — বানানটিতে প্রথম ও মধ্যবর্তী স্বরবর্ণের ভুল প্রয়োগ ঘটেছে। মনে রাখার টিপস: শব্দটির শেষে "teur" আছে মনে রাখলে এবং Ama-teur এভাবে ভেঙে পড়লে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a John Milton
b Harold Pinter
c Jonathan Swift
d Ben Jonson
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Jonathan Swift কেন সঠিক: - প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। জোনাথন সুইফট একজন ব্রিটিশ বা আইরিশ সাহিত্যিক ছিলেন, যিনি জন্মসূত্রে আইরিশ হলেও আয়ারল্যান্ড ও ব্রিটেন উভয় সাহিত্যেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। - এই প্রশ্নে মূলত আয়ারল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক পরিচয়ের পার্থক্য নির্দেশ করা হয়েছে, কারণ জোনাথন সুইফট আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে অনেক সময় জোনাথন সুইফটকে আইরিশ লেখক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, তবে তিনি ব্রিটিশ সাহিত্যধারার অন্তর্ভুক্ত হিসেবেও পরিগণিত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) John Milton — তিনি একজন বিখ্যাত সপ্তদশ শতাব্দীর ইংরেজ কবি ও সাহিত্যিক ছিলেন, যিনি ব্রিটিশ সাহিত্যের অংশ। B) Harold Pinter — তিনি বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ নাট্যকার এবং সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী, তাই তিনি ব্রিটিশ লেখক। C) Jonathan Swift — তিনি আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে জন্মগ্রহণকারী লেখক এবং তাকে অনেক সময় আইরিশ লেখক হিসেবে গণ্য করা হয়। D) Ben Jonson — তিনি এলিজাবেথান যুগের একজন বিশিষ্ট ইংরেজ নাট্যকার ও কবি ছিলেন, যিনি ব্রিটিশ সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত। মনে রাখার টিপস: জোনাথন সুইফট আয়ারল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করলেও ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাসের অংশ, তাই ব্রিটিশ ও আইরিশ লেখক বাছাইয়ের সময় তার জন্মস্থান ডাবলিন মনে রাখতে হবে।
a by
b with
c for
d at
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) with কেন সঠিক: - কোনো বস্তু বা উপহার পেয়ে আনন্দিত বা সন্তুষ্ট হওয়া বোঝাতে delighted শব্দের পর with preposition ব্যবহৃত হয়। - এখানে present বা উপহারের প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশ করায় with সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — ব্যক্তির দ্বারা কোনো কাজ করা বোঝাতে passive voice-এ by বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) with — কোনো বস্তু বা উপহার পেয়ে সন্তুষ্ট হওয়া বোঝালে delighted-এর পর with বসে, যা এই বাক্যের জন্য সঠিক। C) for — কোনো কারণ বা উদ্দেশ্যে বোঝাতে for বসে, কিন্তু delighted শব্দের পর নির্দিষ্ট preposition হিসেবে for বসে না। D) at — কোনো ঘটনা, দৃশ্য বা আচরণের কারণে আনন্দিত হলে at বসে, কিন্তু বস্তুগত উপহারের ক্ষেত্রে with বসে। মনে রাখার টিপস: বস্তু বা উপহার পেলে delighted with হয় এবং কোনো ঘটনা বা আচরণ দেখলে delighted at হয়।
a a poem
b a story
c a drama
d a novel
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a drama কেন সঠিক: - নাটক বা ড্রামার মূল ভিত্তি হলো সংঘাত বা দ্বন্দ্ব, যা চরিত্রের কর্ম ও আবেগকে এগিয়ে নিয়ে যায়। - সংঘাত ছাড়া নাটকের প্লট বা কাহিনি সামনের দিকে অগ্রসর হতে পারে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a poem — কবিতার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ছান্দসিক প্রকাশ, আবেগ বা রূপক, নাটকের মতো দৃশ্যমান সংঘাত নয়। B) a story — গল্পে দ্বন্দ্ব থাকতে পারে, তবে এটি গল্পের অপরিহার্য বা প্রধান টেকনিক্যাল বৈশিষ্ট্য নয়। C) a drama — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। D) a novel — উপন্যাসে দ্বন্দ্বের উপস্থিতি থাকলেও তা মূলত বর্ণনামূলক ও বিস্তৃত পরিসরে বিকশিত হয়। মনে রাখার টিপস: নাটক মানেই দ্বন্দ্ব বা সংঘাত, আর ইংরেজি সাহিত্যে Conflict হলো a drama-র প্রাণ।
a Since they have some good players.
b Because they have some good players.
c As if they had some good players
d Even though they have some good players.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Even though they have some good players. কেন সঠিক: - বাক্যের প্রথম অংশ 'Our Team seldom wins' (আমাদের দল কদাচিৎ জেতে) একটি নেতিবাচক বা হতাশাজনক অর্থ প্রকাশ করে। - ভালো খেলোয়াড় থাকা সত্ত্বেও দল জেতে না বোঝাতে বিপরীতার্থক বা বিরুদ্ধভাব প্রকাশকারী conjunction হিসেবে Even though ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Since they have some good players. — Since কারণ বা কারণ নির্দেশ করে, যা ভালো খেলোয়াড় থাকার কারণে দল জেতার কথা বলত কিন্তু এখানে বিপরীত অর্থ প্রয়োজন। B) Because they have some good players. — Because ঠিক কারণ বোঝায়, যা কদাচিৎ জেতার এই নেতিবাচক ফলাফলের সাথে অর্থগতভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) As if they had some good players — As if মানে যেন, যা অবাস্তব কল্পনা বোঝাতে subjunctive mood হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। D) Even though they have some good players. — এটি সঠিক, কারণ এটি ভালো খেলোয়াড় থাকা সত্ত্বেও জেতার অভাবের বিপরীত অবস্থাকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: বিপরীত বা অপ্রত্যাশিত ফল বোঝাতে even though, although বা though ব্যবহার করা হয়।
a are
b is
c were
d was
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) was কেন সঠিক: - বাক্যে 'along with' থাকলে প্রথম Subject (He) অনুযায়ী Verb নির্ধারিত হয়। - Subject 'He' একবচন হওয়ায় Verb-ও singular (was) হবে এবং বাক্যটি অতীতের হওয়ায় Past Tense ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — Subject একবচন এবং বাক্যটি অতীতের হওয়ায় plural বা বর্তমান কালের 'are' ব্যবহার করা ভুল। B) is — Subject একবচন হলেও বাক্যটির শেষে 'last night' থাকায় এটি Past Tense হবে, তাই 'is' ভুল। C) were — 'along with' এর নিয়ম অনুযায়ী Verb প্রথম Subject (He) অনুযায়ী বসে, তাই plural verb 'were' ভুল। D) was — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রথম Subject একবচন এবং বাক্যটি অতীতের নির্দেশক। মনে রাখার টিপস: along with, together with ইত্যাদি দ্বারা একাধিক Subject যুক্ত থাকলে প্রথম Subject অনুযায়ী Verb singular বা plural হয়।
a Contrast
b Reason and cause
c Purpose
d Result
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Contrast কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'while' কনজাংকশনটি দুটি ভিন্ন বিষয়ের মধ্যে তুলনা বা বৈপরীত্য প্রকাশ করেছে। - প্রথম অংশে একটি সিনেমা ভালো লাগার কথা এবং দ্বিতীয় অংশে অন্যটি বিরক্তিকর হওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা বিপরীত অবস্থাকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Contrast — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটিতে দুটি বিপরীতধর্মী ধারণার তুলনা করা হয়েছে। B) Reason and cause — এটি ভুল কারণ বাক্যটি কোনো ঘটনার কারণ বা ভিত্তি ব্যাখ্যা করছে না। C) Purpose — এটি ভুল কারণ এখানে কোনো উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য বোঝানো হয়নি। D) Result — এটি ভুল কারণ বাক্যটি কোনো কাজের ফলাফল প্রকাশ করছে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'while' বা 'whereas' থাকলে সাধারণত দুটি বিপরীত বিষয়ের তুলনা বা Contrast বোঝায়।
a Gerund
b Present participle
c Principal
d Verbal noun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Present participle কেন সঠিক: - 'burning' শব্দটি noun (something)-এর পূর্বে বসে adjective-এর কাজ করছে এবং চলমান অবস্থা বোঝাচ্ছে। - Verb-এর শেষে ing যুক্ত হয়ে একই সাথে verb ও adjective-এর কাজ করলে তাকে Present participle বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gerund — এটি noun-এর কাজ করে, যা এখানে 'something'-কে modify করার কারণে প্রযোজ্য নয়। B) Present participle — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য। C) Principal — এটি কোনো non-finite verb-এর প্রকারভেদ নয়, বরং এটি প্রধান verb নির্দেশ করে। D) Verbal noun — এটি verb থেকে উৎপন্ন হলেও এর আগে article ও পরে of নিয়ে noun-এর কাজ করে, যা এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: Noun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা বোঝালে এবং চলমান অর্থ প্রকাশ করলে ing যুক্ত verb সবসময় Present participle হয়।
a Thomas Hardy
b Sir Walter Scott
c George Orwell
d Emile Zola
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: সাহিত্য, লেখক ও সাহিত্যকর্ম সঠিক উত্তর: C) George Orwell কেন সঠিক: - ১৯৪১৯৮৪ বইটি বিখ্যাত ইংরেজি সাহিত্যিক জর্জ অরওয়েল রচিত একটি দূরদর্শী রাজনৈতিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে একনায়কতন্ত্র, সর্বগ্রাসী সরকার এবং নজরদারির ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Thomas Hardy — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন, যার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে টেস অব দ্য ডি উরবারভিলস অন্যতম। B) Sir Walter Scott — তিনি স্কটিশ ঐতিহাসিক উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত, যিনি আইভানহো উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। C) George Orwell — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের বিস্তারিত উপরে উল্লেখ করা হয়েছে। D) Emile Zola — তিনি ফরাসি সাহিত্যিক এবং প্রকৃতিবাদী আন্দোলনের প্রবক্তা ছিলেন, যিনি জারমিনাল উপন্যাসের জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: অরওয়েলের ছদ্মনাম ছিল এরিক আর্থার ব্লেয়ার এবং তাঁর নামের আদ্যক্ষর George আর Nineteen Eighty Four উপন্যাসের শেষের সংখ্যাগুলো মিলিয়ে মনে রাখতে পারো।
a do you send
b did you send
c are you sending
d were you sending
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) are you sending কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে this year উল্লেখ থাকায় এটি বর্তমান সময়ের একটি চলমান বা নিকট ভবিষ্যতের পরিকল্পনা বোঝায়। - চলমান ঘটনা প্রকাশের জন্য Present Continuous Tense ব্যবহৃত হয়, যার গঠন হচ্ছে Subject-এর পর am/is/are এবং verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) do you send — এটি Present Indefinite Tense, যা নিয়মিত বা চিরন্তন সত্য কাজের ক্ষেত্রে বসে, এই নির্দিষ্ট চলতি বছরের কাজের জন্য প্রযোজ্য নয়। B) did you send — এটি Past Indefinite Tense, যা অতীতকালের নির্দিষ্ট ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই বর্তমান বছরের চলমান কাজের জন্য ভুল। C) are you sending — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি Present Continuous Tense এবং this year বা চলতি বছরের চলমান কাজের সাথে এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) were you sending — এটি Past Continuous Tense, যা অতীতের কোনো নির্দিষ্ট সময়ে চলমান কাজ বোঝায়, বর্তমান সময়ের জন্য এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে this year বা nowadays থাকলে এবং কাজটি চলমান বোঝালে সাধারণত Present Continuous Tense (am/is/are + verb-ing) ব্যবহার করতে হয়।
a By whom he was helped?
b By whom was he helped?
c Whom was he helped?
d Whom did he help?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) By whom was he helped? কেন সঠিক: - Active বাক্যে 'Who' থাকলে Passive করার সময় শুরুতে 'By whom' বসাতে হয় এবং টেন্স অনুযায়ী সাহায্যকারী verb ব্যবহার করতে হয়। - বাক্যের কর্তা 'who' এর পরিবর্তে 'he' আসার কারণে তার পূর্বে Past Indefinite Tense অনুযায়ী 'was' সাহায্যকারী verb বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom he was helped? — এখানে সাহায্যকারী verb 'was' কর্তার পূর্বে না বসে পরে বসার কারণে এটি সঠিক interrogative sentence হয়নি। B) By whom was he helped? — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এতে Passive Voice এর নিয়ম ও ইন্টারোগেটিভ বাক্যের গঠন পুরোপুরি সঠিক রয়েছে। C) Whom was he helped? — বাক্যের শুরুতে 'By' preposition না থাকায় এটি grammatically অসম্পূর্ণ ও ভুল। D) Whom did he help? — এটি Past Indefinite Tense এর একটি Active বাক্যের গঠন, যা প্রদত্ত প্রশ্নের Passive রূপ নয়। মনে রাখার টিপস: Active বাক্যে Who থাকলে Passive করার সময় শুরুতে By whom বসবে এবং তারপর tense অনুযায়ী সাহায্যকারী verb ও subject বসবে।

মোট প্রশ্ন (25)

a 155
b 160
c 165
d 170
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬৫ প্রদত্ত তথ্য: শিক্ষার্থীর মোট সংখ্যা = ৫১ জন মধ্যক নির্ণয়ের জন্য পদের অবস্থান নির্ধারণ করতে হবে ধরি, মধ্যক পদের অবস্থান = (মোট শিক্ষার্থী + ১) ÷ ২ মধ্যক পদের অবস্থান = (৫১ + ১) ÷ ২ অতএব, মধ্যক পদের অবস্থান = ৫২ ÷ ২ মধ্যক পদের অবস্থান = ২৬ তম পদ সুতরাং, সারণি থেকে ছাব্বিশ তম শিক্ষার্থীর উচ্চতা নির্ণয় করতে হবে মধ্যক শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত মানটি হবে মধ্যক উত্তর: ১৬৫
a 24
b 16
c 8
d 4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ প্রদত্ত তথ্য: ৩, ৭ এবং ১৪ এর সমষ্টি ৬ এবং ১০ এর সাথে অজানা সংখ্যা ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, প্রথম তিনটি সংখ্যার যোগফল = ৩ + ৭ + ১৪ = ২৪ প্রথম তিনটি সংখ্যার গড় = ২৪ ÷ ৩ = ৮ সুতরাং, ৬, ১০ এবং ক এর গড় = (৬ + ১০ + ক) ÷ ৩ শর্তমতে, (১৬ + ক) ÷ ৩ = ৮ উত্তর: ক = ৮
a 24
b 28
c 32
d 40
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ প্রদত্ত তথ্য: a + b = √৭ a − b = √৫ ধরি, রাশিটি হলো ৮ab(a² + b²) অতএব, রাশিটিকে লেখা যায় ৪ab × ২(a² + b²) সুতরাং, ৪ab এর সূত্র হলো (a + b)² − (a − b)² এবং ২(a² + b²) এর সূত্র হলো (a + b)² + (a − b)² মান বসিয়ে পাই, ((√৭)² − (√৫)²) × ((√৭)² + (√৫)²) পরবর্তী হিসাব, (৭ − ৫) × (৭ + ৫) চূড়ান্ত হিসাব, ২ × ১২ = ২৪ উত্তর: ২৪
a 75
b 73
c 77
d 79
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭৫ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি ধারাবাহিক বিজোড় সংখ্যার যোগফল = ২১৯ ধরি, প্রথম বিজোড় সংখ্যাটি = ক দ্বিতীয় বিজোড় সংখ্যাটি = ক + ২ তৃতীয় বিজোড় সংখ্যাটি = ক + ৪ অতএব, শর্তমতে, ক + ক + ২ + ক + ৪ = ২১৯ বা, ৩ক + ৬ = ২১৯ বা, ৩ক = ২১৯ − ৬ সুতরাং, ৩ক = ২১৩ ক = ২১৩ ÷ ৩ ক = ৭০ উত্তর: শেষ সংখ্যাটি = ৭০ + ৪ = ৭৫
a ২০টি
b ২১টি
c ১৮টি
d ১২টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০টি প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ গণনা সংক্রান্ত জ্যামিতিক চিত্র সুষম আকৃতির ত্রিভুজ ক্ষেত্র ধরি, ছোট ত্রিভুজের সংখ্যা = ১৬টি মাঝারি ত্রিভুজের সংখ্যা = ৩টি বড় ত্রিভুজের সংখ্যা = ১টি অতএব, একক ত্রিভুজগুলো থেকে পাই ১৬টি সমন্বিত ত্রিভুজগুলো থেকে পাই ৩টি সম্পূর্ণ বড় ত্রিভুজটি হলো ১টি সুতরাং, মোট ত্রিভুজের সংখ্যা = ১৬ + ৩ + ১ = ২০টি উত্তর: ২০টি
a 16
b 4
c 8
d 12
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: নীলের বর্তমান বয়স ১২ বছর নীলের বয়স কণ্ঠের বয়সের তিনগুণ ধরি, কণ্ঠের বর্তমান বয়স = ১২ ÷ ৩ = ৪ বছর ধরি, ক বছর পর নীলের বয়স কণ্ঠের বয়সের দ্বিগুণ হবে অতএব, ক বছর পর নীলের বয়স হবে ১২ + ক ক বছর পর কণ্ঠের বয়সের বয়স হবে ৪ + ক সুতরাং, ১২ + ক = ২ × (৪ + ক) উত্তর: ১৬
a 241
b 263
c 233
d 253
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৫৩ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে সংখ্যাগুলো হলো ২৪১, ২৬৩, ২৩৩ এবং ২৫৩ ধরি, সংখ্যাগুলো মৌলিক বা যৌগিক তা পরীক্ষা করতে হবে কোনো সংখ্যাকে তার চেয়ে ছোট মৌলিক সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে দেখতে হবে অতএব, ২৪১ কে ৭, ১১, ১৩ দ্বারা ভাগ করলে মিলে না তাই এটি মৌলিক সংখ্যা ২৬৩ কে ৭, ১১, ১৩, ১৭ দ্বারা ভাগ করলে মিলে না তাই এটি মৌলিক সংখ্যা ২৩৩ কে ৭, ১১, ১৩ দ্বারা ভাগ করলে মিলে না তাই এটি মৌলিক সংখ্যা সুতরাং, ২৫৩ সংখ্যাটিকে ১১ দ্বারা ভাগ করা যায় কারণ ১১ × ২৩ = ২৫৩ উত্তর: ২৫৩
a 4
b 6
c 8
d 2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ প্রدত্ত তথ্য: লগারিদম এর ভিত্তি হলো রুট ২ এবং সংখ্যাটি হলো ষোল ধরি, নির্ণয় মানটি হলো এক্স অতএব, রুট ২ এর পাওয়ার এক্স সমান ষোল দুই এর পাওয়ার এক ভাগ দুই এর পুরোটার পাওয়ার এক্স সমান ষোল দুই এর পাওয়ার এক্স ভাগ দুই সমান দুই এর পাওয়ার চার সুতরাং, বেস সমান হওয়ায় পাওয়ার দুটি সমান লেখা যায় এক্স ভাগ দুই সমান চার উত্তর: আট
a 15°
b 30°
c 45°
d 60°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৫° প্রদত্ত তথ্য: ট্যান দুই থিটা সমান এক ভাগ রুট তিন ধরি, ট্যান ৩০ ডিগ্রি সমান এক ভাগ রুট তিন অতএব, দুই থিটা সমান ৩০ ডিগ্রি সুতরাং, থিটা সমান ৩০ ডিগ্রি ভাগ দুই উত্তর: ১৫°
a 1
b 6.4516
c 5.6427
d 7.5438
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬.৪৫১৬ প্রদত্ত তথ্য: ১ ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার ধরি, ১ বর্গ ইঞ্চি সমান ১ ইঞ্চি গুণ ১ ইঞ্চি অতএব, ১ বর্গ ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার গুণ ২.৫৪ সেন্টিমিটার সুতরাং, ১ বর্গ ইঞ্চি সমান ৬.৪৫১৬ বর্গ সেন্টিমিটার উত্তর: ৬.৪৫১৬ বর্গ সেন্টিমিটার
a শনিবার
b সোমবার
c বুধবার
d রবিবার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বুধবার প্রদত্ত তথ্য: ১৯৭৮ সালের ২৫ জানুয়ারি ছিল বুধবার ১৯৮১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি কি বার হবে তা নির্ণয় করতে হবে ধরি, ১৯৭৮ সাল সাধারণ বছর এবং এর মোট দিন সংখ্যা = ৩৬৫ দিন ১৯৭৯ সাল সাধারণ বছর এবং এর মোট দিন সংখ্যা = ৩৬৫ দিন ১৯৮০ সাল অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ার এবং এর মোট দিন সংখ্যা = ৩৬৬ দিন অতএব, ১৯৭৮ সালের ২৫ জানুয়ারি থেকে ১৯৭৯ সালের ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত দিন সংখ্যা = ৩৬৫ দিন ১৯৭৯ সালের ২৫ জানুয়ারি থেকে ১৯৮০ সালের ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত দিন সংখ্যা = ৩৬৫ দিন ১৯৮০ সালের ২৫ জানুয়ারি থেকে ১৯৮১ সালের ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত দিন সংখ্যা = ৩৬৬ দিন সুতরাং, মোট দিন সংখ্যা = ৩৬৫ + ৩৬৫ + ৩৬৬ = ১০৯৬ দিন ১০৯৬ দিন সমান ১৫৬ সপ্তাহ এবং ৪ দিন অতিরিক্ত ১৯৭৮ সালের ২৫ জানুয়ারি বুধবারের সাথে ৪ দিন যোগ করলে ১৯৮১ সালের ২৫ জানুয়ারি হয় রবিবার ১৯৮১ সালের জানুয়ারি মাসে বাকি থাকে ৩১ − ২৫ = ৬ দিন এবং ফেব্রুয়ারি মাসের ২৫ দিন মোট অতিরিক্ত দিন = ৬ + ২৫ = ৩১ দিন সমান ৪ সপ্তাহ এবং ৩ দিন রবিবার থেকে আরও ৩ দিন এগিয়ে গেলে বার হয় বুধবার উত্তর: বুধবার
a √49
b √7
c √(8/18)
d 0.5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) √৭ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে অমূলদ সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে ধরি, সংখ্যাগুলো হলো √৪৯, √৭, √(৮ ÷ ১৮) এবং ০.৫ অতএব, √৪৯ কে সরল করলে ৭ পাওয়া যায় যা একটি মূলদ সংখ্যা √(৮ ÷ ১৮) কে কাটাকাটি করলে √(৪ ÷ ৯) হয় এবং এর মান দুই তৃতীয়াংশ যা একটি মূলদ সংখ্যা সুতরাং, ০.৫ কে ভগ্নাংশ আকারে লেখা যায় যা একটি মূলদ সংখ্যা উত্তর: √৭ একটি অমূলদ সংখ্যা কারণ এর বর্গমূলের মান পূর্ণসংখ্যা নয় এবং এর দশমিক বিস্তার অসীম ও অনাবرتী
a 120°
b 150°
c 145°
d 160°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫০° প্রদত্ত তথ্য: ঘড়িতে এখন সময় ৭টা বাজে ঘড়ির সম্পূর্ণ বৃত্তের কোণ ৩৬০° ধরি, ঘড়িতে মোট ১২টি ঘণ্টার ঘর আছে প্রতি ঘণ্টার ঘরের জন্য কোণ = ৩৬০° ÷ ১২ = ৩০° অতএব, ৭টা বাজার সময় ঘণ্টার কাঁটা থাকে ৭ এর ঘরে মিনিটের কাঁটা থাকে ১২ এর ঘরে সুতরাং, ৭টা ও ১২টার মধ্যবর্তী ঘরের সংখ্যা = ৭টি কাঁটা দুটির মধ্যবর্তী কোণ = ৭ × ৩০° = ২১০° উত্তর: ৩৬০° − ২১০° = ১৫০°
a 3
b 2
c 1
d 1/3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১/৩ প্রদত্ত তথ্য: কস স্কয়ার থিটা বিয়োগ সাইন স্কয়ার থিটা সমান ১/৩ ধরি, প্রথম রাশি = কস স্কয়ার থিটা দ্বিতীয় রাশি = সাইন স্কয়ার থিটা অতএব, কস ফোর থিটা বিয়োগ সাইন ফোর থিটা এটিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করা যায় সুতরাং, কস স্কয়ার থিটা প্লাস সাইন স্কয়ার থিটা গুণ কস স্কয়ার থিটা বিয়োগ সাইন স্কয়ার থিটা উত্তর: ১ × (১/৩) = ১/৩
a 1275
b 1010
c 1125
d 1250
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২৭৫ প্রدত্ত তথ্য: প্রথম স্বাভাবিক সংখ্যা = ১ শেষ স্বাভাবিক সংখ্যা = ৫০ মোট পদের সংখ্যা = ৫০ ধরি, প্রথম স্বাভাবিক সংখ্যা থেকে শুরু করে ৫০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর সমষ্টি নির্ণয় করতে হবে অতএব, স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল নির্ণয়ের সূত্র ব্যবহার করে পাই যোগফল = (শেষ সংখ্যা × (শেষ সংখ্যা + ১)) ÷ ২ সুতরাং, যোগফল = (৫০ × (৫০ + ১)) ÷ ২ যোগফল = (৫০ × ৫১) ÷ ২ উত্তর: ১২৭৫
a 75.4
b 74.5
c 35.5
d 37.7
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৭.৭ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা = ১২ সে.মি ধরি, বৃত্তের ব্যাস (d) = ১২ সে.মি বৃত্তের ব্যাসার্ধ (r) = ১২ ÷ ২ = ৬ সে.মি অতএব, বৃত্তের পরিধি নির্ণয়ের সূত্র = ২ × π × r এখানে পাই এর মান = ৩.১৪১৬ সুতরাং, পরিধি = ২ × ৩.১৪১৬ × ৬ সে.মি উত্তর: ৩৭.৭ সে.মি
a 43
b 53
c 64
d 34
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৪ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ৪, ৮, ১৩, ১৯, ২৬ ... প্রথম পদ = ৪, দ্বিতীয় পদ = ৮, তৃতীয় পদ = ১৩ ধরি, পদগুলোর মধ্যবর্তী পার্থক্যগুলো হলো ক্রমানুসারে বাড়ছে প্রথম পার্থক্য ৮ − ৪ = ৪ দ্বিতীয় পার্থক্য ১৩ − ৮ = ৫ তৃতীয় পার্থক্য ১৯ − ১৩ = ৬ চতুর্থ পার্থক্য ২৬ − ১৯ = ৭ অতএব, পঞ্চম পার্থক্য হবে ৮, ষষ্ঠ পার্থক্য হবে ৯, সপ্তম পার্থক্য হবে ১০ অষ্টম পার্থক্য হবে ১১, নবম পার্থক্য হবে ১২ সুতরাং, নবম পদ পাওয়ার জন্য আগের পদের সাথে পার্থক্য যোগ করতে হবে ২৬ + ৭ + ৮ + ৯ + ১০ + ১১ + ১২ = ৬৪ উত্তর: ৬৪
a 40√5
b 50√5
c 45
d 45√5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫০√৫ প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ১৫ মিটার আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ১০ মিটার ধরি, আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ক মিটার পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী কর্ণের সূত্র = (দৈর্ঘ্যর ওপর বর্গ + প্রস্থের ওপর বর্গ) এর বর্গমূল ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ অতএব, ক এর ওপর বর্গ + ১০ এর ওপর বর্গ = ১৫ এর ওপর বর্গ ক এর ওপর বর্গ + ১০০ = ২২৫ সুতরাং, ক এর ওপর বর্গ = ২২৫ − ১০০ ক এর ওপর বর্গ = ১২৫ উত্তর: ক = √১২৫ = ৫√৫ মিটার, ক্ষেত্রফল = ৫√৫ × ১০ = ৫০√৫ বর্গমিটার
a 30°
b 45°
c 60°
d 90°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬০° প্রদত্ত তথ্য: দালানের উচ্চতা = ১৫ মিটার ছায়ার দৈর্ঘ্য = ৫√৩ মিটার ধরি, সূর্যের উন্নতি কোণ = থিটা লম্ব = ১৫ মিটার ভূমি = ৫√৩ মিটার অতএব, tan(থিটা) = লম্ব ÷ ভূমি tan(থিটা) = ১৫ ÷ (৫√৩) tan(থিটা) = ৩ ÷ √৩ সুতরাং, tan(থিটা) = √৩ tan(থিটা) = tan(৬০°) উত্তর: ৬০°
a ২৫%
b ৩০%
c ২৮%
d ৪০%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০% প্রদত্ত তথ্য: মোট ছাত্রের সংখ্যা = ৬০ জন ফেল করা ছাত্রের সংখ্যা = ৪২ জন ধরি, পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = মোট ছাত্র − ফেল করা ছাত্র অতএব, পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = ৬০ − ৪২ = ১৮ জন সুতরাং, পাশের হার = (পাস করা ছাত্রের সংখ্যা ÷ মোট ছাত্র) × ১০০% উত্তর: (১৮ ÷ ৬০) × ১০০% = ৩০%
a 355
b 455
c 350
d 605
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬০৫ প্রদত্ত তথ্য: ভাজকগুলো হলো ৩০, ৪০ ও ৫০ প্রতি ক্ষেত্রে অবশিষ্ট থাকে ৫ ধরি, নির্ণেয় লঘিষ্ঠ সংখ্যাটি হলো ৩০, ৪০ ও ৫০ এর লসাগু এবং ৫ এর সমষ্টির সমান অতএব, ৩০, ৪০ ও ৫০ এর লসাগু হলো ৬০০ লসাগুর সাথে অবশিষ্ট ৫ যোগ করতে হবে সুতরাং, নির্ণেয় সংখ্যাটি হবে ৬০০ + ৫ = ৬০৫ উত্তর: ৬০৫
a 3 + x
b 3 - x
c x - 8
d x + 8
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩ + x প্রদত্ত তথ্য: দ্বিপদী রাশিটি হলো ২৪ + ৫x − x² ধরি, রাশিটিকে মিডল টার্ম বা উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে অতএব, ২৪ + ৫x − x² = ২৪ + ৮x − ৩x − x² সুতরাং, ৮ (৩ + x) − x (৩ + x) = (৩ + x) (৮ − x) উত্তর: ৩ + x
a x² + y² + 2x + 4y - 4 = 0
b x² + y² - 4x + 2y - 4 = 0
c x² + y² - 2x + 4y - 4 = 0
d x² + y² + 2x - 4y - 4 = 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) x² + y² + 2x − 4y − 4 = 0 প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের কেন্দ্র (h, k) = (− ১, ২) বৃত্তের ব্যাসার্ধ r = ৩ সে.মি ধরি, বৃত্তের সমীকরণ নির্ধারণের সূত্রটি হলো (x − h)² + (y − k)² = r² অতএব, মানের সূত্র প্রয়োগ করে পাই (x − (− ১))² + (y − ২)² = ৩² সুতরাং, (x + ১)² + (y − ২)² = ৯ x² + ২x + ১ + y² − ৪y + ৪ = ৯ উত্তর: x² + y² + ২x − ৪y − ৪ = ০
a 5√5 বর্গ সে.মি
b 6√6 বর্গ সে.মি
c 6 বর্গ সে.মি
d 7√7 বর্গ সে.মি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬√৬ বর্গ সে.মি প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য ৫ সে.মি., ৬ সে.মি. ও ৭ সে.মি. ধরি, প্রথম বাহু a = ৫ সে.মি. দ্বিতীয় বাহু b = ৬ সে.মি. তৃতীয় বাহু c = ৭ সে.মি. অতএব, অর্ধপরিসীমা s = (৫ + ৬ + ৭) ÷ ২ s = ১৮ ÷ ২ s = ৯ সে.মি. সুতরাং, ক্ষেত্রফল = √(৯ × (৯ − ৫) × (৯ − ৬) × (৯ − ৭)) ক্ষেত্রফল = √(৯ × ৪ × ৩ × ২) = √২১৬ = ৬√৬ বর্গ সে.মি উত্তর: ৬√৬ বর্গ সে.মি
a {1/2}
b {}
c {7/2}
d {3/2}
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭/২ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো রুট ওভার (২x − ৩) + ৫ = ৩ ধরি, প্রদত্ত সমীকরণটি সমাধান করতে হবে পক্ষান্তর করে বর্গমূল একা করতে হবে অতএব, রুট ওভার (২x − ৩) = ৩ − ৫ রুট ওভার (২x − ৩) = − ২ সুতরাং, উভয়পক্ষ বর্গ করে পাই, ২x − ৩ = ৪ ২x = ৪ + ৩ উত্তর: x = ৭/২

মোট প্রশ্ন (22)

a ঢাকার টি এস সি মোড়ে
b ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
c রেসকোর্স ময়দানে
d রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন সঠিক: - সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত। - এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত একটি ঐতিহাসিক ভাস্কর্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকার টি এস সি মোড়ে — এই স্থানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ও অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্য অবস্থিত। B) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে — এই প্রাঙ্গণে অপরাজেয় বাংলা এবং স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্যগুলো অবস্থিত। C) রেসকোর্স ময়দানে — ঐতিহাসিক এই ময়দানে বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অবস্থিত এবং এখানে শিখা চিরন্তন রয়েছে। D) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ভাস্কর্যটি এখানেই স্থাপিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: রাবি ক্যাম্পাসে সাবাস।
a সৈয়দ নজরুল ইসলাম
b তাজুদ্দীন আহমেদ
c বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
d ক্যপ্টেন এম. মনসুর আলী
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: C) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়। - তাঁর অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি নন। B) তাজুদ্দীন আহমেদ — তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। D) ক্যাপটেন এম. মনসুর আলী — তিনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম ছিল এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি।
a উন্নত কৃষি যন্ত্রপাতির নাম
b উন্নত জাতের ধানের নাম
c বেসরকারি কৃষি সংস্থার নাম
d উন্নত জাতের গমের নাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উন্নত জাতের গমের নাম কেন সঠিক: - সোনালিকা ও আকবর বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে বহুল পরিচিত ও জনপ্রিয় উন্নত জাতের গমের নাম। - এই জাতগুলো একসময় দেশের গম উৎপাদনে বিপ্লব ঘটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উন্নত কৃষি যন্ত্রপাতির নাম — সোনালিকা ও আকবর কোনো যন্ত্র নয়, বরং এগুলো গম ফসলের নির্দিষ্ট জাত। B) উন্নত জাতের ধানের নাম — এই নামগুলো ধানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না, এগুলো গমের উচ্চফলনশীল জাত। C) বেসরকারি কৃষি সংস্থার নাম — এটি কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার নাম নয়, বরং উদ্ভাবিত ফসলের বীজ বা জাত। D) উন্নত জাতের গমের নাম — এটি সঠিক অপশন এবং সোনালিকা ও আকবর উভয়ই গমের জাত। মনে রাখার টিপস: গম চাষে সোনালিকা ও আকবর বিখ্যাত, নাম দুটি মনে রাখলে গম সম্পর্কিত প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a 15
b 17
c 21
d 27
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭ কেন সঠিক: - জাতিসংঘ ২০১৫ সালে টেকসই উন্নয়নের জন্য ২০৩০ এজেন্ডা গ্রহণ করে যার মূল ভিত্তি হলো ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা এসডিজি। - এই ১৭টি লক্ষ্যের আওতায় দারিদ্র্য বিমোচন, অসমতা হ্রাস এবং জলবায়ু পরিবর্তন রোধসহ মোট ১৬৯টি নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ — এই সংখ্যাটি এমডিজি বা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের সঙ্গে নয়। B) ১৭ — এটি সঠিক উত্তর কারণ টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডায় মোট ১৭টি লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে। C) ২১ — এই সংখ্যাটি টেকসই উন্নয়ন বা এসডিজির মোট লক্ষ্যসংখ্যার সঙ্গে মেলে না। D) ২৭ — এটি একটি ভুল সংখ্যা যা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের নির্ধারিত সংখ্যার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: টেকসই উন্নয়নের বছর হলো ২০৩০ সাল এবং এর লক্ষ্য সংখ্যা হলো ১৭। সাল ও লক্ষ্যের সংখ্যা মাথায় রাখলে সহজেই উত্তর মনে রাখা যায়।
a বাংলাদেশের
b ভারত
c রাশিয়া
d চীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশের কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ, যা ২০১৮ সালের ১১ মে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়। - এই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী দেশের গৌরব অর্জন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশের — এটি বাংলাদেশের নিজস্ব প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ স্যাটেলাইট এবং সঠিক উত্তর। B) ভারত — ভারত এই স্যাটেলাইটের মালিক বা নির্মাতা দেশ নয়, এটি ফ্রান্সের থালেস অ্যালেন স্পেস তৈরি করেছে। C) রাশিয়া — রাশিয়া এই স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিল না, কারণ এটি ফ্যালকন-৯ রকেটের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়। D) চীন — চীন বাংলাদেশের এই স্যাটেলাইট প্রকল্পের অর্থায়ন বা তৈরির সঙ্গে যুক্ত ছিল না। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ হলো বাংলাদেশের প্রথম মহাকাশ জয়, যা আমাদের নিজস্ব প্রযুক্তির যোগাযোগের গর্ব।
a অ্যাপোলো-১২
b অ্যাপোলো-১৪
c অ্যাপোলো-১১
d অ্যাপোলো-১৫
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যাপোলো-১১ কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত এই মহাকাশযানটি ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই প্রথমবারের মতো মানুষের চন্দ্রপৃষ্ঠে সফল অবতরণ নিশ্চিত করেছিল। - এই অভিযانের মাধ্যমে নভোচারী নীল আর্মস্ট্রং এবং এডউইন অলড্রিন চাঁদের মাটিতে প্রথম পা রেখেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যাপোলো-১২ — এটি ১৯৬৯ সালের নভেম্বরে চাঁদে পাঠানো দ্বিতীয় মনুষ্যবাহী মিশন, প্রথম অবতরণকারী যান নয়। B) অ্যাপোলো-১৪ — এটি ১৯৭১ সালের জানুয়ারিতে চাঁদের উদ্দেশ্যে প্রেরিত তৃতীয় সফল মনুষ্যবাহী অবতরণ মিশন। C) অ্যাপোলো-১১ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য প্রেক্ষাপটে ভুল হিসেবে বিবেচিত। D) অ্যাপোলো-১৫ — এটি ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে পরিচালিত চন্দ্রপৃষ্ঠে চতুর্থ মনুষ্যবাহী অবতরণ মিশন। মনে রাখার টিপস: চাঁদে প্রথম মানুষ পাঠানো সফল অভিযানটি ছিল অ্যাপোলো-১১, যা সংখ্যায় জোড়ার আগের সংখ্যা অর্থাৎ এগারো।
a জাতিসংঘ শান্তি পুরস্কার
b সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি
c প্ল্যানেট ফিফটি-ফিফটি
d এমডিজি অ্যাওয়ার্ড-২০১০
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) এমডিজি অ্যাওয়ার্ড-২০১০ কেন সঠিক: - শিশু মৃত্যুর হার হ্রাসে বিশেষ সাফল্যের জন্য ২০১০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জাতিসংঘের এমডিজি অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। - নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশের অগ্রগতির স্বীকৃতিস্বরূপ এই আন্তর্জাতিক সম্মাননা দেওয়া হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতিসংঘ শান্তি পুরস্কার — এটি অন্য কোনো শান্তির কাজের জন্য প্রদান করা হয়, শিশু মৃত্যুর হার হ্রাসের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। B) সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি — এটি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক শিক্ষাগত বা অন্যান্য অবদানের জন্য প্রদান করা হয়, এটি কোনো নির্দিষ্ট এমডিজি অ্যাওয়ার্ড নয়। C) প্ল্যানেট ফিফটি-ফিফটি — এটি নারী অধিকার ও লিঙ্গ সমতা অর্জনের স্বীকৃতি স্বরূপ জাতিসংঘের একটি বিশেষ উদ্যোগ ও সম্মাননা। D) এমডিজি অ্যাওয়ার্ড-২০১০ — এটিই সঠিক উত্তর কারণ শিশু মৃত্যুর হার হ্রাসের সাফল্য এই পুরস্কারের সাথেই যুক্ত। মনে রাখার টিপস: শিশুর মৃত্যু রোধে ২০১০ সালে সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে এমডিজি অ্যাওয়ার্ড পাওয়া যায়।
a 4
b 5
c 6
d 2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারি মনোগ্রামে বা জাতীয় প্রতীকে মোট চারটি তারকা চিহ্ন রয়েছে। - জাতীয় প্রতীকের উভয় পাশে অবস্থিত ধানের শীষের ওপর দুটি করে মোট চারটি তারকা শোভা পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশের মনোগ্রামে ঠিক চারটি তারকা রয়েছে। B) ৫ — এই অপশনটি ভুল কারণ মনোগ্রামে পাঁচ তারকা ব্যবহারের কোনো সাংবিধানিক বা সরকারি নিয়ম নেই। C) ৬ — এই অপশনটি ভুল কারণ ছয়টি তারকা বাংলাদেশের মনোগ্রামের ডিজাইনে অন্তর্ভুক্ত নয়। D) ২ — এই অপশনটি ভুল কারণ মনোগ্রামে দুইয়ের অধিক অর্থাৎ মোট চারটি তারকা রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে দুইপাশে ধানের শীষের ওপর দুটি করে মোট ৪টি তারকা আছে, সংখ্যাটি মনে রাখতে ৪টি মূলনীতি বা ৪টি তারকার হিসাব মনে রাখুন।
a ১ মার্চ, ১৯১৯
b ১৭ মার্চ, ১৯২০
c ১৪ আগস্ট, ১৯৪৭
d ২১ জুন, ১৯৪১
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭ মার্চ, ১৯২০ কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - এই দিনটি বাংলাদেশে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ মার্চ, ১৯১৯ — এই তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম হয়নি এবং এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক ঐতিহাসিক সাল ও তারিখ নয়। B) ১৭ মার্চ, ২০২০ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল অপশন হিসেবে বিবেচিত হবে না। C) ১৪ আগস্ট, ১৯৪৭ — এটি পাকিস্তানের স্বাধীনতা লাভের আগের দিন এবং ব্রিটিশ ভারত ভাগের তারিখ, যা বঙ্গবন্ধুর জন্ম তারিখ নয়। D) ২১ জুন, ১৯৪১ — এটি ইতিহাসের একটি সাধারণ তারিখ এবং এর সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর জন্ম তারিখের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর জন্মসাল মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ১৯২০ এবং তারিখটি ১৭ মার্চ।
a 2018
b 2011
c 2000
d 2003
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০০ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৬ জুন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের পূর্ণ সদস্য বা টেস্ট মর্যাদার স্বীকৃতি লাভ করে। - এই বছরের ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে ঢাকা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ দলের ঐতিহাসিক অভিষেক টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১৮ — এই সালে বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করেনি, এটি বর্তমান সময়ের অনেক পরের একটি সাল। B) ২০১১ — এই সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ওয়ানডে বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক ছিল, টেস্ট মর্যাদা লাভের সাল এটি নয়। C) ২০০০ — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়, বরং প্রশ্নের কাঙ্ক্ষিত উত্তর। D) ২০০৩ — এই সালে বাংলাদেশ দল ওয়ানডে ও টেস্ট খেললেও এটি টেস্ট মর্যাদা লাভের সাল নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ টেস্ট পরিবারে যোগ দেয় দুই হাজার সালে এবং অভিষেক ম্যাচে প্রতিপক্ষ ছিল শক্তিশালী ভারত।
a জিব্রাল্টার প্রণালি
b বসফরাস প্রণালি
c বাবেল মান্দেব প্রণালি
d বেরিং প্রণালি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাবেল মান্দেব প্রণালি কেন সঠিক: - এটি এশিয়া মহাদেশের ইয়েমেন ও আফ্রিকা মহাদেশের জিবুতি এবং ইরিত্রিয়াকে পৃথক করেছে। - এটি লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জিব্রাল্টার প্রণালি — এটি ইউরোপ মহাদেশের স্পেন ও আফ্রিকা মহাদেশের মরক্কোকে পৃথক করেছে এবং আটমাদিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। B) বসফরাস প্রণালি — এটি এশিয়া মাইনর বা এশীয় তুরস্ককে ইউরোপীয় তুরস্ক থেকে পৃথক করেছে এবং কৃষ্ণ সাগরকে মারমারা সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। সি) বাবেল মান্দেব প্রণালি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো প্রযোজ্যতা নেই। D) বেরিং প্রণালি — এটি এশিয়া মহাদেশের সাইবেরিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের আলাস্কাকে পৃথক করেছে এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে আর্টিক মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। মনে রাখার টিপস: আফ্রিকা ও এশিয়ার মাঝখানে চোখের জলের মতো মান্দেব প্রণালি দুই মহাদেশকে আলাদা করেছে।
a প্যালেস্টাইন
b উইঘুর মুসলিম
c বলিভারিয়ান বিপ্লব
d জেসমিন বিপ্লব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্যালেস্টাইন কেন সঠিক: - ইন্তিফাদা একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ গণজাগরণ বা বিদ্রোহ। - ফিলিস্তিনি জনগণ ইসরায়েলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে যে গণআন্দোলন গড়ে তুলেছিল, তাকে ইন্তিফাদা বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যালেস্টাইন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দটি ফিলিস্তিনিদের আন্দোলনের সাথেই বিশ্বজুড়ে পরিচিত। B) উইঘুর মুসলিম — এটি চীনের জিনজিয়াং প্রদেশের একটি জাতিগোষ্ঠী, তাদের আন্দোলনের সাথে এই শব্দটি যুক্ত নয়। C) বলিভারিয়ান বিপ্লব — এটি লাতিন আমেরিকার ভেনেজুয়েলায় সংঘটিত একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলন। D) জেসমিন বিপ্লব — এটি ২০১০ ও ২০১১ সালে তিউনিসিয়ায় সংঘটিত সরকারবিরোধী গণঅভ্যুত্থান। মনে রাখার টিপস: ইন্তিফাদা শব্দটি মনে রাখতে ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী মানুষের পাথরে ছুড়ে মারা গণআন্দোলনের কথা স্মরণ করতে হবে।
a আমেরিকা
b সোভিয়েত ইউনিয়ন
c যুক্তরাজ্য
d ফ্রান্স
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সোভিয়েত ইউনিয়ন কেন সঠিক: - সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ স্পুটনিক-১ মহাশূন্যে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করে। - এই ঐতিহাসিক ঘটনাটির মাধ্যমে মানবজাতির মহাকাশ যুগের সূচনা ঘটেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমেরিকা — আমেরিকা ১৯৫৮ সালের ৩১ জানুয়ারি তাদের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ এক্সপ্লোরার-১ উৎক্ষেপণ করে, যা স্পুটনিক-১ এর পরে। B) সোভিয়েত ইউনিয়ন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই দেশটিই বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ সফলভাবে মহাকাশচারণে পাঠায়। C) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ প্রস্পরো এক্স-থ্রি ১৯৭১ সালে উৎক্ষেপণ করেছিল। D) ফ্রান্স — ফ্রান্স ১৯৬৫ সালে তাদের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ ব্রিয়াস্ট-এ মহাশূন্যে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করে। মনে রাখার টিপস: মহাকাশ জয়ের দৌড়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন সবসময় এগিয়ে ছিল, তাই প্রথম স্যাটেলাইট স্পুটনিক-১ ও তারাই পাঠিয়েছে।
a আরব বিশ্বে গণজাগরণ
b আরব অঞ্চলের বসন্তকাল
c আরব রাজতন্ত্র
d আরবদের নারীদের ক্ষমতায়ন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আরব বিশ্বে গণজাগরণ কেন সঠিক: - ২০১০ সালের শেষের দিকে তিউনিসিয়ায় শুরু হওয়া এই আন্দোলন আরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্বৈরশাসকদের বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভ হিসেবে ছড়িয়ে পড়েছিল। - এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল রাজনৈতিক সংস্কার, দুর্নীতি দূর করা এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরব বিশ্বে গণজাগরণ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ আরব বসন্ত বলতে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোর রাজনৈতিক পরিবর্তন ও গণআন্দোলনকে বোঝায়। B) আরব অঞ্চলের বসন্তকাল — এটি ঋতু পরিবর্তন সংক্রান্ত কোনো ভৌগোলিক বা প্রকৃত বসন্তকাল নয়, বরং এটি একটি রাজনৈতিক পরিভাষা। C) আরব রাজতন্ত্র — আরব বসন্তের ফলে অনেক রাজতন্ত্রের পতন ঘটেনি বা এটি কোনো নির্দিষ্ট রাজতন্ত্রের নাম নয়, বরং রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধেও বহু স্থানে আন্দোলন হয়েছিল। D) আরবদের নারীদের ক্ষমতায়ন — নারীরা এই আন্দোলনে অংশ নিলেও এটি কেবল নারীদের ক্ষমতায়নের আন্দোলন ছিল না, বরং সমগ্র জনগণের সার্বিক অধিকার আদায়ের আন্দোলন ছিল। মনে রাখার টিপস: আরব বসন্ত মানে ফুল ফোটার ঋতু নয়, এটি আরব বিশ্বে স্বৈরাচারবিরোধী রাজনৈতিক জাগরণ।
a ডিসেম্বর-২০১৯
b জানুয়ারি-২০২০
c ফেব্রুয়ারি-২০২০
d মার্চ-২০২০
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মার্চ-২০২০ কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১১ মার্চ ২০২০ সালে কোভিড-১৯ সংক্রমণকে বিশ্বব্যাপী অতিমারী বা মহামারী হিসেবে ঘোষণা করে। - সারা বিশ্বে রোগটির দ্রুত বিস্তার ও ভয়াবহতার কারণে এই বৈশ্বিক মহামারী ঘোষণা করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডিসেম্বর-২০১৯ — এই সময়ে চীনের উহান শহরে প্রথম কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত করা হয়, অতিমারী ঘোষণা করা হয়নি। B) জানুয়ারি-২০২০ — এই সময়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কোভিড-১৯ এর কারণে বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা জারি করে, অতিমারী ঘোষণা নয়। C) ফেব্রুয়ারি-২০২০ — এই মাসে রোগটি চীনের বাইরে বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে কিন্তু অতিমারীর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। D) মার্চ-২০২০ — এই মাসেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পরিস্থিতি বিবেচনা করে একে আনুষ্ঠানিকভাবে অতিমারী হিসেবে ঘোষণা করে। মনে রাখার টিপস: কোভিড রোগটি ডিসেম্বরে চীনে শুরু হলেও বিশ্বব্যাপী অতিমারী ঘোষণা করা হয়েছিল ২০২০ সালের মার্চ মাসে।
a 1779
b 1789
c 1757
d 1792
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭৮৯ কেন সঠিক: - ফরাসি বিপ্লব ১৭৮৯ সালের ৫ মে শুরু হয়ে ৯ নভেম্বর ১৭৯৯ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল। - এই বিপ্লবের মাধ্যমে ফ্রান্সে রাজতন্ত্রের পতন ঘটে এবং সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার স্লোগান বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৭৯ — এই সালে ফরাসি বিপ্লব ঘটেনি, এটি বিপ্লবের আগের একটি সাধারণ বছর মাত্র। B) ১৭৮৯ — এটি ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হওয়ার সঠিক সাল এবং বিশ্ব ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বছর। C) ১৭৫৭ — এটি ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের বছর, ফরাসি বিপ্লবের নয়। D) ১৭৯২ — এই সালে ফরাসি রাজতন্ত্রের সম্পূর্ণ বিলুপ্তি ঘটে এবং প্রথম ফরাসি প্রজাতন্ত্র ঘোষিত হয়, কিন্তু বিপ্লব শুরু হয়েছিল ১৭৮৯ সালে। মনে রাখার টিপস: ফরাসি বিপ্লব শুরু হয় ১৭৮৯ সালে, অর্থাৎ ১৭৮০ এর দশকের শেষ বছরে।
a ইন্টেগ্রিটি
b পারসেভারেন্স
c কিউরিওসিটি
d অপরচুনিটি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পারসেভারেন্স কেন সঠিক: - মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার মার্স টোয়েন্টিফোর মিশনটির মূল রোভারের নাম পারসেভারেন্স, যা মঙ্গলের মাটিতে সফলভাবে অবতরণ করেছে। - এটি মঙ্গলগ্রহের প্রাচীন জীবনের চিহ্ন সন্ধান এবং সেখানে ভবিষ্যতে মানব অভিযانের উপযোগী নমুনা সংগ্রহ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইন্টেগ্রিটি — এটি পারসেভারেন্স রোভারের সঙ্গে মঙ্গলে যাওয়া একটি ছোট ড্রোন বা হেলিকপ্টার, যা মঙ্গলের আকাশে সফলভাবে ওড়ে। B) পারসেভারেন্স — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) কিউরিওসিটি — এটি নাসার পূর্বে পাঠানো একটি মঙ্গলযান, যা ২০১২ সালে মঙ্গলে অবতরণ করেছিল কিন্তু এটি সর্বশেষ নয়। D) অপরচুনিটি — এটি নাসার পাঠানো অনেক পুরোনো একটি রোভার, যা দীর্ঘকাল কাজ করার পর ২০১৮ সালে নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। মনে রাখার টিপস: নাসার সর্বশেষ মার্স রোভারের নাম পারসেভারেন্স, যার বাংলা অর্থ অধ্যবসায়।
a গ্রামীণ ব্যাংক
b মাদার তেরেসা ফাউন্ডেশন
c আইসিডিডিআরবি
d রেডক্রস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রেডক্রস কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি যুদ্ধের সময় মানবতার সেবা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার অবদানের জন্য ১৯১৭, ১৯৪৪ এবং ১৯৬৩ সালে মোট তিনবার নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে। - একমাত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে এটি এই বিরল সম্মান অর্জন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রামীণ ব্যাংক — এটি দারিদ্র্য বিমোচনে অবদানের জন্য ২০০৬ সালে একবার নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে। B) মাদার তেরেসা ফাউন্ডেশন — মাদার তেরেসা ব্যক্তিগতভাবে নোবেল পেলেও এই প্রতিষ্ঠানটি তিনবার নোবেল পুরস্কার পায়নি। C) আইসিডিডিআরবি — এটি বাংলাদেশের একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা একবারও নোবেল পুরস্কার লাভ করেনি। D) রেডক্রস — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংস্থাটি তিনবার নোবেল শান্তি পুরস্কার অর্জন করেছে। মনে রাখার টিপস: রেডক্রসের প্রতীক মানেই মানবতার সেবা, আর এই সেবা তিনবার নোবেল জয় করেছে।
a চীন
b জাপান
c ভারত
d পাকিস্তান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চীন কেন সঠিক: - ২০১৩ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই মেগা প্রকল্পের ঘোষণা দেন, যা পূর্বে ওয়ান বেলট ওয়ান রোড নামে পরিচিত ছিল। - এশিয়ার সাথে ইউরোপ ও আফ্রিকার যোগাযোগ এবং বাণিজ্য বৃদ্ধি করাই এই বিশ্বব্যাপী অবকাঠামো উন্নয়ন উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রস্তাব চীন সরকারের পক্ষ থেকেই প্রথম উত্থাপন করা হয়। B) জাপান — জাপান এই উদ্যোগের প্রস্তাবক নয়, তবে তারা এশিয়ায় নিজস্ব মানসম্মত অবকাঠামো অর্থায়ন এবং মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল নিয়ে কাজ করে। C) ভারত — ভারত এই উদ্যোগের প্রস্তাবক নয় এবং সার্বভৌমত্ব সম্পর্কিত উদ্বেগের কারণে তারা বেল্ট এন্ড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্পে যোগ দেয়নি। D) পাকিস্তান — পাকিস্তান এই প্রকল্পের প্রস্তাবক নয়, বরং এর প্রধান অংশীদার বা সুবিধাভোগী দেশ যার মধ্যে চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর বা সিপিইসি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বেল্ট এন্ড ইনিশিয়েটিভ বা বিআরআই বললেই সিল্ক রোডের আধুনিক রূপদাতা হিসেবে চীনের কথা মনে রাখতে হবে।
a উপজেলা পরিষদ
b পল্লী বিদ্যুৎ
c সিটি কর্পোরেশন
d পৌরসভা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পল্লী বিদ্যুৎ কেন সঠিক: - পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি একটি স্বায়ত্তশাসিত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, যা বিদ্যুৎ বিতরণ ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত। - এটি সংবিধিবদ্ধ বা স্থানীয় সরকার কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং এটি একটি সরকারি বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপজেলা পরিষদ — এটি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার একটি অন্যতম স্তর এবং পল্লী অঞ্চলের প্রশাসনিক উন্নয়নের কাজ করে। C) সিটি কর্পোরেশন — এটি দেশের বড় শহরগুলোর জন্য গঠিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের একটি রূপ। D) পৌরসভা — এটি শহর অঞ্চলের নাগরিকদের বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা প্রদানের জন্য গঠিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান। B) পল্লী বিদ্যুৎ — এটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নয়, বরং বিদ্যুৎ খাতের সাথে সম্পর্কিত একটি স্বায়ত্তশাসিত সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। মনে রাখার টিপস: স্থানীয় সরকার বলতে বোঝায় উপজেলা, জেলা, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনকে, আর বিদ্যুৎ হলো সেবামূলক সরকারি প্রতিষ্ঠান।
a ১৯৭০ সালে
b ১৯৬৬ সালে
c ১৯৫৬ সালে
d ১৯৬৫ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৬৬ সালে কেন সঠিক: - বাঙালির মুক্তি সনদ হিসেবে পরিচিত ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে পেশ করা হয়। - তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই দাবি উত্থাপন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭০ সালে — এই বছরে পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় যেখানে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। B) ১৯৬৬ সালে — এই বছর ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করা হয়েছিল যা সঠিক উত্তর। C) ১৯৫৬ সালে — এই বছরে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান প্রণীত হয় এবং পূর্ব পাকিস্তানের নাম পূর্ব পাকিস্তান করা হয়। D) ১৯৬৫ সালে — এই বছরে পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে ১৭ দিনব্যাপী যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ছয় দফা দাবির সাল মনে রাখতে ছয় সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা ১৯৬৬ সালের শেষ অংকের সঙ্গে মিলে যায়।
a চট্টগ্রাম
b রাঙ্গামাটি
c চাঁপাইনবাবগঞ্জ
d জামালপুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চাঁপাইনবাবগঞ্জ কেন সঠিক: - গম্ভীরা গান চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ঐতিহ্যবাহী লোকসংগীত ও নাট্যরীতি। - এই গানে সাধারণত নানা সামাজিক সমস্যা, হাস্যরস ও নাট্যরূপের মাধ্যমে সমাজের চিত্র তুলে ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — এই অঞ্চলের জনপ্রিয় লোকসংগীত হলো ভাওয়াইয়া, মাইজভাণ্ডারী ও সাম্পানওয়ালার গান, গম্ভীরা নয়। B) রাঙ্গামাটি — এটি পাহাড়ি অঞ্চল, এখানকার প্রধান লোকসংগীত হলো চাকমা, মারমা ও তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী গান। C) চাঁপাইনবাবগঞ্জ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কোনো ব্যাখ্যা নেই। D) জামালপুর — এই অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসংস্কৃতির মধ্যে জারি, সারি ও ভাটিয়ালি গান অন্যতম, গম্ভীরা নয়। মনে রাখার টিপস: চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম আর গম্ভীরার গান খুব বিখ্যাত, এভাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও গম্ভীরা একসঙ্গে মনে রাখতে পারেন।

মোট প্রশ্ন (3)

a পদার্থ বিজ্ঞান
b চিকিৎসা বিজ্ঞান
c জীব বিজ্ঞান
d অর্থনীতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চিকিৎসা বিজ্ঞান ১. কেন সঠিক: ইবনে সিনা ছিলেন মধ্যযুগের একজন প্রখ্যাত মুসলিম পন্ডিত যিনি চিকিৎসা বিজ্ঞানে অভূতপূর্ব অবদান রেখেছিলেন। তাঁর রচিত আল কানুন ফি আল তিব্ব কিতাবটি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ইউরোপের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা বিজ্ঞানের মূল পাঠ্যবই হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: চিকিৎসা বিজ্ঞান হলো মানুষের স্বাস্থ্যরক্ষা, রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা এবং রোগ প্রতিরোধের সাথে সম্পর্কিত বিজ্ঞান শাখা। কার্যপ্রণালি: ইবনে সিনা উদ্ভিজ্জ ও খনিজ উৎস থেকে ওষুধ প্রস্তুতের নিয়ম এবং মানুষের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের কার্যপ্রণালি নিখুঁতভাবে বর্ণনা করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আল কানুন ফি আল তিব্ব গ্রন্থটি প্রায় ছয়শত বছর ধরে ইউরোপ ও এশিয়ার চিকিৎসকদের প্রধান নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করেছে। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে প্রাচীন কালেও চিকিৎসাবিজ্ঞানে সুশৃঙ্খল গবেষণা ও দলিল সংরক্ষণের ব্যবস্থা ছিল। উদাহরণ ২: সংক্রামক রোগ কিভাবে ছড়ায় সে সম্পর্কে ইবনে সিনা প্রথম কোয়ারেন্টাইন বা সঙ্গনিরোধ ব্যবস্থার ধারণা দেন। ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক মহামারী প্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদার্থ বিজ্ঞান — ইবনে সিনা পদার্থবিজ্ঞানে কিছু কাজ করলেও তিনি মূলত চিকিৎসা বিজ্ঞানের জন্য সর্বাধিক বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছেন। B) চিকিৎসা বিজ্ঞান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি চিকিৎসা শাস্ত্রে অসামান্য অবদান রেখেছেন এবং তাকে আধুনিক চিকিৎসার অন্যতম জনক বলা হয়। C) জীব বিজ্ঞান — ইবনে সিনা জীববিজ্ঞানে কিছু পর্যবেক্ষণ করলেও তাঁর প্রধান ও সর্বশ্রেষ্ঠ অবদানের ক্ষেত্র ছিল চিকিৎসা বিজ্ঞান। D) অর্থনীতি — ইবনে সিনা অর্থনীতি নিয়ে কোনো উল্লেখযোগ্য মৌলিক গ্রন্থ রচনা করেননি বা এই বিষয়ে তাঁর বিশেষ কোনো পন্ডিতত্ব ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: ইবনে সিনা মানেই চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং তার বিখ্যাত বইয়ের নাম আল কানুন ফি আল তিব্ব। চিকিৎসা জগতের মুকুটহীন সম্রাট হিসেবে তাকে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইবনে সিনার লেখা বইয়ের নাম প্রায়ই আসে। তিনি প্রাচ্যের বিশিষ্ট দার্শনিক ও চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
a 1
b 2
c 3
d 4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ ১. কেন সঠিক: মহাবিশ্বে গ্যালাক্সি বা ছায়াপথ প্রধানত তিনটি ভৌগোলিক ও গঠনগত আকারে বিভক্ত। এগুলোর আকৃতি স্পাইরাল বা পেঁচানো, ইলিপ্টিক্যাল বা উপবৃত্তাকার এবং ইরেগুলার বা অনিয়মিত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ছায়াপথ হলো মহাকর্ষ বল দ্বারা একত্রে আবদ্ধ নক্ষত্র, গ্যাস, ধূলিকণা ও অদৃশ্য ডার্ক ম্যাটার সমন্বয়ে গঠিত বিশাল সিস্টেম। কার্যপ্রণালি: নক্ষত্র ও পদার্থের ঘূর্ণন এবং মহাকর্ষীয় আকর্ষণের ওপর ভিত্তি করে হাবল ক্লাসিফিকেশন অনুযায়ী ছায়াপথের এই তিনটি প্রধান রূপ দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মিল্কিওয়ে ছায়াপথ। ব্যাখ্যা: এটি একটি স্পাইরাল বা পেঁচানো আকৃতির ছায়াপথ, যেখানে আমাদের সৌরজগৎ অবস্থান করছে। উদাহরণ ২: লার্জ ম্যাজেলানিক ক্লাউড। ব্যাখ্যা: এটি একটি ইরেগুলার বা অনিয়মিত আকৃতির ছায়াপথ, যার সুনির্দিষ্ট কোনো জ্যামিতিক গঠন নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1 — ভুল, কারণ মহাবিশ্বে কেবল এক ধরনের ছায়াপথ থাকে না, বরং গঠনভেদে একাধিক প্রকারভেদ রয়েছে। B) 2 — ভুল, কারণ ছায়াপথকে কেবল দুটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায় না, এর প্রধান রূপ তিনটি। C) 3 — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ছায়াপথ প্রধানত তিন প্রকারের হয়ে থাকে। D) 4 — ভুল, কারণ বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে চার ধরনের প্রধান ছায়াপথ চিহ্নিত করা হয়নি, মূল শ্রেণী তিনটি। ৫. মনে রাখার টিপস: ছায়াপথের প্রধান প্রকার মনে রাখার জন্য এসআইআই শব্দ বা সূত্র মনে রাখতে পারো। এখানে এস দিয়ে স্পাইরাল, প্রথম আই দিয়ে ইলিপ্টিক্যাল এবং দ্বিতীয় আই দিয়ে ইরেগুলার বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আমাদের নিকটতম গ্যালাক্সির নাম অ্যান্ড্রোমিডা এবং এটি একটি স্পাইরাল ছায়াপথ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি কোন ধরনের।
a মৎস্য চাষ
b পাখি পালন বিদ্যা
c মৌমাছি চাষ
d রেশম চাষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পাখি পালন বিদ্যা ১. কেন সঠিক: - এভিকালচার হলো পাখি পালন, প্রজনন এবং পরিচর্যা সম্পর্কিত বিজ্ঞানসম্মত বিদ্যা। - এটি মূলত গৃহপালিত বা বন্দী অবস্থায় পাখির স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং বংশবৃদ্ধি নিয়ে কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: এভিকালচার হলো প্রাণিবিজ্ঞানের একটি বিশেষ শাখা যা পাখির জীবনচক্র ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করে। - কার্যপ্রণালি: এতে পাখিদের সঠিক খাদ্যতালিকা তৈরি, প্রজনন পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করা হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: বাণিজ্যিক খামারে মুরগি, কবুতর বা সজ্জামূলক পাখি পালনে এই বিদ্যার ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাণিজ্যিক পোলট্রি খামারে এভিকালচারের নিয়ম মেনে ডিম ও মাংস উৎপাদনের জন্য মুরগি পালন করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক অর্থনীতিতে আমিষের চাহিদা পূরণে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: চিড়িয়াখানা বা পাখি সংরক্ষণ কেন্দ্রে এভিকালচারের মাধ্যমে বিরল প্রজাতির পাখির বংশবৃদ্ধি করানো হয়। ব্যাখ্যা: এটি জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতি সংরক্ষণে ভূমিকা রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৎস্য চাষ — এটি মৎস্যবিজ্ঞান বা অ্যাকোয়াকালচার নামে পরিচিত, যেখানে মাছের চাষ ও ব্যবস্থাপনা শেখানো হয়। B) পাখি পালন বিদ্যা — এটি সঠিক উত্তর যা এভিকালচার নামে পরিচিত। C) মৌমাছি চাষ — এটি অ্যাপিকালচার নামে পরিচিত, যা মৌমাছি পালন ও মধু উৎপাদনের সাথে যুক্ত। D) রেশম চাষ — এটি সেরিকালচার নামে পরিচিত, যা রেশম পোকা পালন ও রেশম সুতা উৎপাদনের সাথে সম্পর্কিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি শব্দ এভিস অর্থ পাখি, তাই পাখি সম্পর্কিত পালন বিদ্যা হলো এভিকালচার। - নামের মিল মনে রেখে অপশন থেকে সঠিক উত্তর সহজে আলাদা করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিভিন্ন কৃষিভিত্তিক চাষাবাদ বা প্রাণি পালনের নাম BCS ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - এভিকালচার, অ্যাপিকালচার এবং সেরিকালচার এর মতো শব্দগুলোর বৈজ্ঞানিক নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।