সঠিক উত্তর: C) অন্নদামঙ্গল
১. কেন সঠিক:
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সবচেয়ে প্রসিদ্ধ কাব্য হলো অন্নদামঙ্গল। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শেষ কবি ভারতচন্দ্র এই কাব্য রচনা করে নদিয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার শেষ কবি এবং অষ্টাদশ শতকের প্রখ্যাত কবি। ১৭৫২ থেকে ১৭৫৩ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে তিনি মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের নির্দেশে অন্নদামঙ্গল কাব্য রচনা করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্যাসুন্দর
ব্যাখ্যা: এটি অন্নদামঙ্গল কাব্যের দ্বিতীয় অংশ এবং ভারতচন্দ্রের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি প্রণয়োপাখ্যান।
উদাহরণ ২: মানসিংহ
ব্যাখ্যা: এটি অন্নদামঙ্গল কাব্যের তৃতীয় অংশ বা অন্নপূর্ণার মাহাত্ম্যমূলক অংশ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অভয়ামঙ্গল — এই নামে কোনো বিখ্যাত মধ্যযুগীয় মঙ্গলকাব্য মূল ধারায় ব্যাপকভাবে পরিচিত নয় এবং এটি ভারতচন্দ্রের রচনা নয়।
B) শিবমঙ্গল — শিবের মহিমা প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত কিছু ক্ষুদ্র কাব্য বা পদ থাকলেও এটি ভারতচন্দ্রের কোনো স্বতন্ত্র প্রধান কাব্য নয়।
D) চণ্ডীমঙ্গল — এটি মধ্যযুগের আরেকটি বিখ্যাত মঙ্গলকাব্য ধারা যার প্রধান কবি মুক্তারাম সেন ও দ্বিজ মাধব এবং সর্বশ্রেষ্ঠ কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভারতচন্দ্রের নামের সঙ্গে অন্নদামঙ্গল মেলাতে এভাবে মনে রাখতে পারো যে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর মানেই অন্নদামঙ্গল কাব্যের অন্নপূর্ণা ও বিদ্যাসুন্দরের অমর কথকতা। মঙ্গলকাব্য বলতেই মধ্যযুগের এই শেষ কবির অন্নদামঙ্গল নামটি বারবার পরীক্ষায় আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের শেষ কবি হিসেবে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের উপাধি ছিল রায়গুণাকর এবং তাঁর জন্ম বর্তমান হাওড়া জেলার পেণ্ডো বা পান্ডুয়া গ্রামে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই কবি ভারতচন্দ্রের কাল ও তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্য সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) আরেক ফাল্গুন
১. কেন সঠিক:
- 'আরেক ফাল্গুন' গল্প বা উপন্যাস কোনোটিই কাজী নজরুল ইসলামের লেখা নয়, এটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জহির রায়হানের বিখ্যাত উপন্যাস।
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও তিনি সফলভাবে ছোটগল্প, উপন্যাস ও নাটক রচনা করেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসের রচয়িতা জহির রায়হান, যিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এই উপন্যাসটি রচনা করেন।
- কাজী নজরুল ইসলামের ছোটগল্প গ্রন্থের মধ্যে 'ব্যথার দান', 'রিক্তের বেদন' ও 'মৃত্যুক্ষুধা' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জহির রায়হানের উপন্যাস 'হাজার বছর ধরে'
ব্যাখ্যা: এটি জহির রায়হানের লেখা বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস 'মৃত্যুক্ষুধা'
ব্যাখ্যা: এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত সমাজবাস্তবতাবাদী উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আরেক ফাল্গুন — এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা নয়, বরং প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জহির রায়হানের বিখ্যাত উপন্যাস।
B) ব্যথার দান — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত ছোটগল্প গ্রন্থ।
C) রিক্তের বেদন — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প সংকলন।
D) মৃত্যুক্ষুধা — এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা প্রশ্নানুসারে তাঁরই রচনা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের গল্পের ক্ষেত্রে 'ব্যথা' ও 'রিক্ত' শব্দযুক্ত বইগুলো এবং 'মৃত্যুক্ষুধা' উপন্যাসটি মাথায় রাখবে।
- জহির রায়হানের ভাষা আন্দোলনভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস হলো 'আরেক ফাল্গুন'।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসের মূল পটভূমি হলো ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ও ভাষা আন্দোলন।
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম গল্পগ্রন্থ 'ব্যথার দান' ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) মুখচন্দ্র
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত সঠিক উত্তরে মুখচন্দ্র শব্দটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ, উপমিত কর্মধারয়ের নয়। তবে প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তর অনুসারে আমরা বিশ্লেষণ করছি।
- সাধারণ বস্তু বা ব্যক্তির সাথে কল্পিত বা অভেদ বোঝাতে রূপক কর্মধারয় হয়, যেখানে মুখ ও চন্দ্রের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উপমিত কর্মধারয় সমাসে সাধারণ গুণের উল্লেখ না করে উপমেয়ের সাথে উপমানের তুলনা করা হয় এবং মাঝখানে তুলনাবাচক পদের লোপ পায়।
- এখানে মুখ (উপমেয়) ও চন্দ্র (উপমান) এর মধ্যে অভেদ কল্পনা করায় এটি মূলত রূপক কর্মধারয় সমাস হিসেবে ব্যাকরণগতভাবে অধিকতর সঠিক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাদসিন্ধু
ব্যাখ্যা: বিষাদ রূপ সিন্ধু, এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের একটি классический উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ক্রাধানল
ব্যাখ্যা: ক্রোধ রূপ অনল, এখানেও অভেদ বোঝাতে রূপক কর্মধারয় সমাস হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুখচন্দ্র — মুখ চন্দ্রের ন্যায়, এই বাক্যে উপমিত কর্মধারয় সমাস হওয়ার কথা থাকলেও প্রমিত ব্যাকরণে এটি রূপক কর্মধারয় হিসেবে গণ্য।
B) কাঁচা-মিঠা — এটি একটি সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ, যা কর্মধারয় সমাসের আওতাভুক্ত নয়।
C) চন্দ্রমুখ — চন্দ্রের ন্যায় মুখ, এটি সঠিক উপমিত কর্মধারয় সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ।
D) মনমাঝি — মন রূপ মাঝি, এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের অপর একটি পরিচিত উদাহরণ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উপমিত সমাসে ন্যায় শব্দ মাঝে বা শেষে বসে এবং উপমান ও উপমেয়ের তুলনা বোঝায়।
- রূপক সমাসে ব্যাসবাক্যে রূপ বা সে শব্দ ব্যবহার করা হয় এবং অভেদ কল্পনা করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কর্মধারয় সমাস চেনার জন্য ব্যাসবাক্য এবং পূর্বপদ ও পরপদের সম্পর্ক ভালোভাবে বুঝতে হবে।
- পরীক্ষামূলক প্রশ্নপত্রে এরকম ব্যতিক্রমী বা দ্ব্যর্থক শব্দ এলে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
'প্রাগৈতিহাসিক' বাংলা ছোটগল্প সাহিত্যের একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি। বাংলা কথাসাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও মার্কসবাদী চিন্তাধারার সফল প্রয়োগের জন্য মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এই গল্পের মাধ্যমে স্মরণীয় হয়ে আছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসে ও ছোটগল্পে অবচেতনের গভীর স্তর এবং বাস্তব জীবনের নির্মম চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন। 'প্রাগৈতিহাসিক' গল্পে মানুষের আদিম প্রবৃত্তি, বেঁচে থাকার তাগিদ এবং সামাজিক জীবনের দ্বন্দ্ব অসাধারণভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস 'পদ্মা নদীর মাঝি'।
ব্যাখ্যা: এটি পদ্মা নদীর ধারের জেলেদের জীবন সংগ্রাম নিয়ে রচিত একটি ক্লাসিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস 'পুতুলনাচের ইতিকথা'।
ব্যাখ্যা: এটি গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের মনস্তত্ত্ব ও জীবনদর্শন নিয়ে রচিত কালজয়ী শিল্পকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই গল্পের রচয়িতা।
B) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি প্রকৃতি ও অরণ্যনির্ভর কথাসাহিত্যের জন্য বিখ্যাত, 'প্রাগৈতিহাসিক' তার লেখা নয়।
C) আবু জাফর শামসুদ্দীন — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও সাংবাদিক, তবে এই গল্পের লেখক নন।
D) শওকত ওসমান — তিনি মূলত সমাজবাস্তবতা ও ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাসের জন্য পরিচিত, 'প্রাগৈতিহাসিক' তার রচনা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রাগৈতিহাসিক মানুষের আদিম আচরণ ও মনস্তত্ত্ব বুঝতে হলে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই গল্পটি মনে রাখতে হবে। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামের সাথে 'প্রাগৈতিহাসিক' ছোটগল্পটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছোটগল্প ও উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে। 'প্রাগৈতিহাসিক' গল্পের মূল চরিত্র ভিখু এবং কুসুম, যা চরিত্রভিত্তিক প্রশ্নেও কাজে লাগে।
সঠিক উত্তর: D) তিন প্রকার
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষায় উপসর্গ প্রধানত তিন প্রকার। এগুলো হলো খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যেসব শব্দাংশ মূল শব্দের আগে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে তাকে উপসর্গ বলে। বাংলা ব্যাকরণে উৎসের ভিত্তিতে উপসর্গগুলোকে এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনাদর
ব্যাখ্যা: এখানে অ উপসর্গটি বাংলা উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: প্রগতি
ব্যাখ্যা: এখানে প্র উপসর্গটি তৎসম উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুই প্রকার — বাংলা ভাষায় উপসর্গ দুই প্রকার নয়, কারণ বিদেশি উপসর্গকেও এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
B) চার প্রকার — উপসর্গ চার প্রকার বলার কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই।
C) পাঁচ প্রকার — উপসর্গ পাঁচ প্রকার নয়, এটি ভুল তথ্য।
D) তিন প্রকার — এটি সঠিক কারণ উপসর্গ খাঁটি বাংলা, তৎসম ও বিদেশি এই তিন ভাগে বিভক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
উপসর্গের প্রকার মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো বাংলা ভাষায় তিন ধরণের অতিথি আসে, দেশি, ভারতীয় বা তৎসম এবং বিদেশি। এভাবে তিন প্রকার উপসর্গ মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গের সংখ্যা ও প্রকারভেদ থেকে প্রশ্ন আসে। খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি এবং তৎসম উপসর্গ কুড়িটি, এই সংখ্যাগুলো ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) আরবি
১. কেন সঠিক:
- কলম শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
- এটি মূলত আরবি কলম শব্দ থেকে এসেছে যার অর্থ লেখার নালা বা নল।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শব্দের উৎস বা শব্দের শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দে ভাগ করা হয়।
- আরবি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত যা ধর্ম, প্রশাসন, আইন ও দৈনন্দিন জীবনের নানা ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আদালত
ব্যাখ্যা: এটি একটি আরবি শব্দ যা বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা ও দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: কলম
ব্যাখ্যা: এটি আরবি ভাষার শব্দ যা লেখার কাজে ব্যবহৃত একটি অত্যন্ত পরিচিত ও বহুল ব্যবহৃত বিদেশি শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আরবি — এই অপশনটি সঠিক কারণ কলম শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় অনেক শব্দ আসলেও কলম শব্দটি ফারসি নয়, এটি আরবি।
C) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে কার্তুজ ও রেস্তোরাঁ போன்ற কিছু শব্দ আসলেও কলম ফরাসি শব্দ নয়।
D) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে দারোগা ও চাকর শব্দ এসেছে, তবে কলম তুর্কি শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আরবি শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ধর্ম, আইন ও পড়াশোনা সংক্রান্ত শব্দগুলো প্রায়ই আরবি হয়।
- কলম যেহেতু লেখাপড়ার প্রধান উপকরণ, তাই এটি আরবি শব্দ হিসেবে মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- আরবি ও ফারসি শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) তারিখ বাচক
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষায় মাসের দিন বা তারিখ প্রকাশের জন্য যে শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়, সেগুলোকে তারিখ বাচক শব্দ বলা হয়।
'পহেলা' শব্দটি মাসের প্রথম দিন বা ১ তারিখ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি একটি তারিখ বাচক শব্দ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা সংখ্যাবাচক শব্দ প্রধানত চার প্রকার যথা অঙ্কবাচক, ক্রমবাচক, পূরণবাচক ও তারিখবাচক।
মাসের দিন বা তারিখ বোঝাতে যে শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়, তার মধ্যে ১ থেকে ৪ পর্যন্ত ফার্সি শব্দ এবং বাকিগুলো বাংলা বা তৎসম শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পহেলা বৈশাখ
ব্যাখ্যা: এখানে পহেলা শব্দটি বৈশাখ মাসের প্রথম তারিখ বা দিনকে নির্দেশ করছে।
উদাহরণ ২: দশই মাঘ
ব্যাখ্যা: এটি মাঘ মাসের ১০ তারিখ বা দিনকে নির্দেশকারী একটি তারিখ বাচক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংখ্যাবাচক — সংখ্যাবাচক শব্দ কোনো বস্তুর পরিমাণ বা সংখ্যা নির্দেশ করে, কিন্তু পহেলা নির্দিষ্ট কোনো পরিমাণ বা সাধারণ সংখ্যা নয়।
B) গণনা বাচক — গণনা বাচক শব্দ বস্তু গণনা করার কাজে ব্যবহৃত হয়, যেমন এক, দুই, তিন ইত্যাদি।
C) পূরণ বাচক — পূরণ বাচক শব্দ কোনো序列 বা ক্রমের অবস্থান বোঝায়, যেমন প্রথম, দ্বিতীয় ইত্যাদি।
D) তারিখ বাচক — এটি সঠিক কারণ পহেলা শব্দটি মাসের প্রথম তারিখ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
মাসের ১ থেকে ১৮ তারিখ পর্যন্ত বোঝাতে পহেলা, দোসরা, তেসরা ইত্যাদি বিশেষ তারিখ বাচক শব্দ ব্যবহার করা হয়।
বাংলায় তারিখ বোঝানোর এই রূপগুলো মনে রাখলে সংখ্যাবাচক ও পূরণবাচক শব্দের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ব্যাকরণে পহেলা, দোসরা, তেসরা শব্দগুলো ফার্সি ভাষা থেকে এসেছে এবং এগুলো তারিখ বাচক শব্দের অন্তর্ভুক্ত।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংখ্যাবাচক শব্দের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) সু + আগত
১. কেন সঠিক:
- 'স্বাগত' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো সু যোগ আগত, যা স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।
- এখানে প্রথম পদের শেষে উকার এবং দ্বিতীয় পদের শুরুতে আ আছে, যা মিলে ব-ফলা বা ব তৈরি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ই-কার বা উ-কারের পর ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে ই-কার বা উ-কারের স্থানে যথাক্রমে য এবং ব হয়, একে ই-কার বা উ-কারের পর স্বরধ্বনি থাকলে য-ফলা বা ব-ফলা হওয়া বলে।
- সু পদের উ এবং আগত পদের আ মিলে ওয়া বা ব-আ যুক্ত হয়ে স্বাগ হয়েছে এবং এর সঙ্গে গত যুক্ত হয়োগত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনু + ইত = অন্বিত
ব্যাখ্যা: এখানে উ-কারের পর ই আসার কারণে উ-কার পরিবর্তিত হয়ে ব হয়েছে।
উদাহরণ ২: মধু + আলয় = মধ্যালয়
ব্যাখ্যা: এখানে উ-কারের পর আ আসার কারণে উ-কার পরিবর্তিত হয়ে ব হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সু + আগত — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কারণ এটি ব্যাকরণের নিয়ম মেনে সাধিত হয়েছে।
B) স্ব + আগত — স্ব কোনো মূল শব্দ বা উপসর্গ নয়, তাই এই বিচ্ছেদ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
C) সা + আগত — সা কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা উপসর্গ নয়, তাই এই বিচ্ছেদ ভুল।
D) স্ব্ + আগত — স্ব্ হসন্তযুক্ত হওয়ায় এটি দিয়ে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী সন্ধি গঠন করা সম্ভব নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ব-ফলাযুক্ত সন্ধির ক্ষেত্রে সাধারণত প্রথম শব্দটিতে উ বা উ-কার থাকে এবং দ্বিতীয় শব্দটিতে স্বরবর্ণ থাকে।
- স্বাগত শব্দটির শুরুতে স-এ ব-ফলা দেখলে প্রথমে সু উপসর্গ ধরে সন্ধি করার চেষ্টা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ই-কার ও উ-কারের সন্ধি প্রায়ই আসে।
- সু উপসর্গ যোগে গঠিত এই সন্ধিটি বারবার অনুশীলন করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: A) ১১ জ্যৈষ্ঠ
১. কেন সঠিক:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাঁর জন্মতারিখ ও জন্ম সাল প্রায়ই আসে, যা বাংলা ও ইংরেজি উভয় পঞ্জিকা অনুসারে মুখস্থ রাখা জরুরি।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি একই সঙ্গে ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক ও সংগীতজ্ঞ হিসেবে পরিচিত।
তাঁর রচিত অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থ বাংলা কবিতায় এক নতুন যুগান্তর সৃষ্টি করেছিল এবং তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ২৫ বৈশাখ
ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মতারিখ, যা বাংলা ১৩০৬ সালের আগে অর্থাৎ ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
উদাহরণ ২: ২২ শ্রাবণ
ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস, তিনি ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের ২২ শ্রাবণ মৃত্যুবরণ করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১১ জ্যৈষ্ঠ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে কাজী নজরুল ইসলাম জন্মগ্রহণ করেন।
B) ২২ শ্রাবণ — এটি ভুল অপশন কারণ এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ তারিখ।
C) ১২ ভাদ্র — এটি ভুল অপশন কারণ এই দিনে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মৃত্যুবরণ করেন।
D) ২৫ বৈশাখ — এটি ভুল অপশন কারণ এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মতারিখ।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের জন্ম মনে রাখার সহজ উপায় হলো তিনি ১১ জ্যৈষ্ঠ জন্মগ্রহণ করেন এবং ১২ ভাদ্র মৃত্যুবরণ করেন।
জন্ম ও মৃত্যুর মাস এবং তারিখের ক্রম মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ও মৃত্যুর তারিখ এবং সাল (বাংলা ও ইংরেজি উভয় সন) ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় এই তথ্যগুলো প্রায়ই পুনরাবৃত্তি হয়।
সঠিক উত্তর: B) ধ্বনি
১. কেন সঠিক:
মানুষের মুখনিঃসৃত ক্ষুদ্রতম আওয়াজ বা বোধগম্য একক হলো ধ্বনি, যা ভাষার মূল বা মৌলিক উপাদান হিসেবে বিবেচিত।
ভাষার প্রাথমিক ভিত্তি হলো ধ্বনি, কারণ ধ্বনি থেকেই শব্দ এবং শব্দ থেকেই বাক্য তৈরি হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ধ্বনি হলো ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক, যা কান দিয়ে শোনা যায় এবং মুখ দিয়ে উচ্চারণ করা যায়।
ভাষার প্রধান উপাদান চারটি যথা ধ্বনি, শব্দ, বাক্য এবং অর্থ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ, আ, ক, খ
ব্যাখ্যা: এগুলো একেকটি মৌলিক ধ্বনি বা বর্ণ, যা দিয়ে ভাষার শব্দ গঠিত হয়।
উদাহরণ ২: কলম
ব্যাখ্যা: ক, ল এবং ম এই তিনটি ধ্বনি বা বর্ণ মিলে একটি অর্থপূর্ণ শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, কিন্তু ভাষার মূল বা উচ্চারিত উপাদান হলো ধ্বনি।
C) শব্দ — এক বা একাধিক ধ্বনি মিলে শব্দ তৈরি হয়, তাই শব্দ ভাষার মূল উপাদান নয় বরং পরবর্তী ধাপ।
D) বাক্য — শব্দ বা পদের সমন্বয়ে বাক্য গঠিত হয়, যা ভাষার সবচেয়ে বড় একক।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভাষার মূল উপাদান জানতে চাইলে প্রথমে ধ্বনি মনে রাখবে কারণ ধ্বনি ছাড়া কোনো শব্দ বা বাক্য তৈরি হয় না।
ধ্বনি হলো ভাষার ইট এবং বাক্য হলো সম্পূর্ণ ভবন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ভাষার মূল উপাদান কী এই প্রশ্নটি আসে।
মনে রাখবে ভাষার মৌলিক বা মূল উপাদান ধ্বনি এবং লেখার মূল উপাদান বর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) শাহ মুহম্মদ সগীর
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস অনুযায়ী শাহ মুহম্মদ সগীর হলেন প্রথম মুসলমান কবি। সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে তিনি বিখ্যাত ইউসুফ জোলেখা কাব্য রচনা করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
তিনি মধ্যযুগের সুলতানি আমলের একজন বিশিষ্ট কবি ছিলেন। তার রচিত ইউসুফ জোলেখা বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক প্রণয়োপাখ্যান হিসেবে স্বীকৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইউসুফ জোলেখা কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি শাহ মুহম্মদ সগীর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবির বিখ্যাত প্রণয়মূলক কাব্য।
উদাহরণ ২: লয়লা মজনু কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের দ্বারা রচিত অনুরূপ আরেকটি বিখ্যাত প্রণয়োপাখ্যান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দৌলত উজির বাহরাম খান — ইনি মধ্যযুগের একজন কবি হলেও প্রথম মুসলমান কবি নন। তার বিখ্যাত কাব্য লাইলী মজনু।
B) আলাওল — ইনি সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকবি। তার বিখ্যাত কাব্য পদ্মাবতী, তবে তিনি প্রথম মুসলমান কবি নন।
C) শাহ মুহম্মদ সগীর — এটি সঠিক উত্তর।
D) দৌলত কাজী — ইনি সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক ধারার কবি এবং সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্যের প্রণেতা, তবে প্রথম কবি নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
মুসলমান কবিদের মধ্যে সবার আগে আসেন সগীর। এভাবে মনে রাখতে পারো যে সগীর মানে ছোট বা প্রথম সারির কবি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের সূচনার কবিদের নাম বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যযুগের প্রথম কাব্য বা কবির নাম প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) গৃহদাহ
১. কেন সঠিক:
- অচলা কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'গৃহদাহ' উপন্যাসের একটি অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় নারী চরিত্র।
- এই উপন্যাসে মহিম, সুরেশ ও অচলার মধ্যকার ত্রিমুখী জটিল প্রেম এবং মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'গৃহদাহ' উপন্যাসের রচিয়তা হলেন বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
- ১৯২০ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে তৎকালীন বাঙালি সমাজের সংস্কার, দাম্পত্য জীবন এবং মানুষের অন্তরের জটিল আবেগ ও দহন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রীকান্ত
ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস যেখানে রাজলক্ষ্মী ও অভয়া চরিত্র দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ ২: চরিত্রহীন
ব্যাখ্যা: এটিও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস যেখানে কিরণময়ী ও সাবিত্রী প্রধান নারী চরিত্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দেনা পাওনা — এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হলো ষোড়শী ও আলয়, তাই এটি সঠিক নয়।
B) দত্তা — এই উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্র হলো বিজয়া, তাই অচলা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) গৃহদাহ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে।
D) চরিত্রহীন — এই উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্রগুলো হলো কিরণময়ী ও সাবিত্রী, তাই অচলা চরিত্রটি এখানে নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শরৎচন্দ্রের ত্রিমুখী প্রেমের উপন্যাস মানেই 'গৃহদাহ' এবং এর প্রধান নারী চরিত্র হলো অচলা।
- মহিম, সুরেশ ও অচলার ত্রিকোণ প্রেমের গল্প মনে রাখলেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত চরিত্র ও উপন্যাসগুলোর নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন সমাধানের জন্য উপন্যাসের নাম এবং মূল চরিত্রগুলোর নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) যৌগিক বাক্য
১. কেন সঠিক:
- এই বাক্যে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য বা সরল বাক্য 'তার বয়স বেড়েছে' এবং 'বুদ্ধি বাড়েনি' একটি যোজক দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
- এখানে 'কিন্তু' একটি অব্যয় বা সংযোগকারী শব্দ, যা দুটি বিপরীতধর্মী খণ্ডবাক্যকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে বাক্যে দুটি বা ততোধিক স্বাধীন সরল বাক্য এবং, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
- যৌগিক বাক্যের প্রতিটি খণ্ডবাক্য নিজের অর্থ প্রকাশের জন্য অন্য খণ্ডবাক্যের ওপর নির্ভরশীল নয় এবং তারা স্বাধীনভাবে পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে অনেক চেষ্টা করল কিন্তু সফল হতে পারল না।
ব্যাখ্যা: এখানে 'কিন্তু' অব্যয় দুটি স্বাধীন বাক্যকে যুক্ত করে যৌগিক বাক্য তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: রাত হলো এবং আকাশে চাঁদ উঠল।
ব্যাখ্যা: এখানে 'এবং' অব্যয় দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্যকে সংযুক্ত করে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরল বাক্য — এই অপশন ভুল কারণ সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু এখানে দুটি খণ্ডবাক্য আছে।
B) বৈপরীত্যমূলক বাক্য — এই অপশন ভুল কারণ বাংলা ব্যাকরণে বাক্য গঠনের রূপভেদে বৈপরীত্যমূলক বাক্য নামে কোনো নির্দিষ্ট প্রধান শ্রেণি নেই।
D) মিশ্র বাক্য — এই অপশন ভুল কারণ মিশ্র বা জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীন এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে, যা এখানে নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- এবং, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা, অতএব ইত্যাদি অব্যয় থাকলে চোখ বন্ধ করে সেটিকে যৌগিক বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে।
- দুটি স্বাধীন বাক্য যখন মাঝখানে যোজক দ্বারা মিলে যায়, তখন তা যৌগিক বাক্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য চেনার প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই যোজক দেখে বাক্যের প্রকার নির্ণয় করা শিখতে হবে।
- সরল, জটিল ও যৌগিক বাক্যের চেনার উপায়গুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) চলিত ভাষা
১. কেন সঠিক:
- সবুজপত্র পত্রিকা বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল।
- এই পত্রিকার মাধ্যমে সাধু ভাষার কৃত্রিম আড়ষ্টতা দূর করে মুখের ভাষাকে লেখার বাহন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সবুজপত্র পত্রিকা ১৯১৪ সালের এপ্রিল মাসে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী।
- এই পত্রিকাকে কেন্দ্র করেই বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরী ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ সংকলন তেলেনাপোস্টার আবিষ্কার বা বীরবলের হালখাতা চলিত ভাষারীতিতে রচিত।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থগুলোতে চলিত ভাষার সহজ ও সাবলীল রূপ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রমথ চৌধুরীর লেখার অনুকরণে রচিত বীরূহের কথা চলিত ভাষায় লেখা।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়িয়ে দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাধু ভাষা — সবুজপত্র সাধু ভাষার প্রচলন করতে আসেনি বরং সাধু ভাষার একপেশে আধিপত্য ভেঙে চলিত ভাষাকে প্রতিষ্ঠা করেছিল।
B) চলিত ভাষা — এই অপশনটি সঠিক কারণ সবুজপত্র পত্রিকার হাত ধরেই চলিত রীতি সর্বজনগ্রাহ্য রূপ পায়।
C) উপভাষা — উপভাষা নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের মুখের বুলি, যা সাহিত্যিক ভাষারীতি হিসেবে প্রমিত রূপ পায়নি।
D) আঞ্চলিক ভাষা — আঞ্চলিক ভাষা সীমিত এলাকার মানুষের মুখের ভাষা, যা সর্বজনীন সাহিত্য বা পত্রিকায় প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সবুজপত্র পত্রিকা মানেই প্রমথ চৌধুরী এবং চলিত ভাষার জয়যাত্রা।
- পত্রিকায় ব্যবহৃত বীরবল ছদ্মনামটি চলিত রীতির আন্দোলনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদকের নাম প্রায়ই আসে।
- চলিত ভাষারীতির প্রবর্তক হিসেবে প্রমথ চৌধুরীর অবদান ও সবুজপত্র প্রকাশের সালটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) দিগদর্শন
১. কেন সঠিক:
- দিগদর্শন হলো প্রথম বাংলা সাময়িক পত্র বা মাসিক পত্রিকা, যা ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত হয়।
- সাময়িক পত্র বলতে এমন প্রকাশনাকে বোঝায় যা নির্দিষ্ট সময় পরপর অর্থাৎ সাপ্তাহিক, মাসিক বা ত্রৈমাসিক হিসেবে প্রকাশিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দিগদর্শন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান এবং এর পৃষ্ঠপোষক ছিলেন উইলিয়াম কেরি।
- এই পত্রিকায় ইতিহাস, বিজ্ঞান ও নৈতিকতা বিষয়ক বিভিন্ন শিক্ষণীয় প্রবন্ধ প্রকাশিত হতো যা তৎকালীন শিক্ষার্থীদের উপকারে আসত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমাচার দর্পণ
ব্যাখ্যা: এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সাপ্তাহিক সংবাদপত্র, তবে সাময়িক পত্র হিসেবে দিগদর্শন আগে প্রকাশিত হয়েছিল।
উদাহরণ ২: বঙ্গদূত
ব্যাখ্যা: এটি ১৮২৯ সালে প্রকাশিত একটি বহুভাষিক সাপ্তাহিক পত্রিকা, যার সঙ্গে রামমোহন রায় যুক্ত ছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেঙ্গল গেজেট — এটি প্রথম মুদ্রিত সংবাদপত্র এবং এটি ইংরেজিতে প্রকাশিত হয়েছিল, তাই এটি প্রথম বাংলা সাময়িক পত্র নয়।
B) দিগদর্শন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত প্রথম বাংলা মাসিক সাময়িক পত্র।
C) বঙ্গদূত — এটি ১৮২৯ সালে প্রকাশিত হয়, যা দিগদর্শনের অনেক পরে প্রকাশিত একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা।
D) সমাচার দর্পণ — এটি প্রথম বাংলা সাপ্তাহিক সংবাদপত্র, যা দিগদর্শনের কয়েক মাস পর ১৮১৮ সালের মে মাসে প্রকাশিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মাসিকের ক্ষেত্রে দি দিয়ে দিগদর্শন মনে রাখতে পারো কারণ এটি প্রথম মাসিক সাময়িক পত্র।
- সংবাদপত্র ও সাময়িক পত্রের মধ্যে পার্থক্য মনে রাখবে যে সংবাদপত্র সাপ্তাহিক বা দৈনিক হয় এবং সাময়িক পত্র সাধারণত মাসিক হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রথম বাংলা সাময়িক পত্র এবং প্রথম বাংলা সংবাদপত্রের মধ্যে পার্থক্য প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে।
- দিগদর্শন হলো প্রথম সাময়িক পত্র বা মাসিক পত্রিকা এবং সমাচার দর্পণ হলো প্রথম সংবাদপত্র।
সঠিক উত্তর: B) হাঙর নদী গ্রেনেড
১. কেন সঠিক:
- হাঙর নদী গ্রেনেড উপন্যাসটি মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত শিল্পকর্ম।
- উপন্যাসের মূল চরিত্র বুড়ি তার সন্তানকে বাঁচানোর জন্য এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই উপন্যাসটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন।
- ১৯৭৫ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের বর্বরতা ও বাঙালি নারীর ত্যাগের চিত্র ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জাহানারা ইমামের একাত্তরের দিনগুলি।
ব্যাখ্যা: এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ ও ডায়েরি।
উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের জাহান্নাম হইতে বিদায়।
ব্যাখ্যা: এটিও মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্রীতদাসের হাসি — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি রূপক উপন্যাস যা আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে রচিত।
B) হাঙর নদী গ্রেনেড — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
C) আব্দুল্লাহ — এটি কাজী ইমদাদুল হক রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস।
D) লাল শালু — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি সমাজ বাস্তবতাবাচক উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
সেলিনা হোসেনের বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখার সহজ সূত্র হলো হাঙর নদী গ্রেনেড।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সেলিনা হোসেন মূলত তার ঐতিহাসিক ও সামাজিক উপন্যাসের জন্য পরিচিত। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে তার এই রচনাটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) মেঘমালা
১. কেন সঠিক:
- কাদম্বিনী শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো মেঘমালা বা ঘন মেঘের সারি।
- সংস্কৃত ভাষা থেকে তৎসম শব্দ হিসেবে এটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দ সম্পর্কিত প্রশ্ন।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রমিত বাংলা শব্দের সঠিক অর্থ নির্ণয়ের জন্য এই ধরনের প্রশ্ন আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বারিধর
ব্যাখ্যা: বারিধর শব্দের অর্থ মেঘ, যা কাদম্বিনী শব্দের সমার্থক।
উদাহরণ ২: জলধর
ব্যাখ্যা: জলধর শব্দের অর্থও মেঘ, যা মেঘমালা বা কাদম্বিনীর সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নদী — নদী বলতে প্রবহমান জলধারাকে বোঝায়, যা মেঘমালার সমার্থক নয়।
B) মেঘমালা — এই অপশনটি সঠিক এবং কাদম্বিনী শব্দের সমার্থক।
C) হীত কামনা — হীত কামনা বলতে মঙ্গল চাওয়াকে বোঝায়, যার সঙ্গে মেঘের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) বলহীনা — বলহীনা অর্থ শক্তিহীন বা দুর্বল, যা কাদম্বিনী শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কাদম্বিনী শব্দের শেষাংশে বিনী আছে এবং এর অর্থ মেঘমালা, এটি মনে রাখতে মেঘমালার সঙ্গে মিলিয়ে পড়তে পারো।
- রবীন্দ্রসাহিত্যে কাদম্বিনী চরিত্রটি খুব বিখ্যাত, যা দিয়েও মেঘের বিষয়টি মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের তৎসম শব্দের অর্থ প্রায়ই আসে।
- সমার্থক শব্দ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে মেঘ বা বারির অন্যান্য প্রতিশব্দগুলো একসঙ্গে পড়ে নিতে পারো।
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- 'বই পড়া' প্রবন্ধটির রচয়িতা বিখ্যাত প্রমথ চৌধুরী, যিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত।
- প্রবন্ধটিতে স্বশিক্ষিত হওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে এবং লাইব্রেরির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামে লিখতেন এবং তার সাহিত্যিক গুরু ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- তার বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ 'বীরবলের হালখাতা' ও 'তেল नमक হরেক রকম'।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'বীরবলের হালখাতা' প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এটি তার প্রবন্ধ রচনার মুন্সিয়ানার পরিচয় বহন করে।
উদাহরণ ২: 'সন্দেশ' পত্রিকা প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়নি, তবে তিনি সাহিত্যচর্চায় অনন্য অবদান রেখেছেন।
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের সাহিত্যকর্মের পরিধি বোঝাতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখক নন, তবে প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক গুরু ও চিন্তার প্রেরণা ছিলেন।
B) প্রমথ চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটিই এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
C) মোতাহের হোসেন চৌধুরী — তিনি 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখক নন, তবে তার বিখ্যাত প্রবন্ধ 'সংস্কৃতি কথা'।
D) হায়াৎ মাহমুদ — তিনি একজন আধুনিক প্রাবন্ধিক ও গবেষক, যিনি 'বই পড়া' প্রবন্ধটি লেখেননি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ মানেই জ্ঞানচর্চা ও বীরবলী শৈলী।
- 'বই পড়া' প্রবন্ধটি শিক্ষালাভ ও মননশীলতার প্রতীক।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের নাম ও প্রবন্ধের নাম মেলানোর প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম 'বীরবল' এবং তার সম্পাদিত পত্রিকার নাম 'সবুজপত্র'।
সঠিক উত্তর: D) কবর
১. কেন সঠিক:
ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত প্রথম নাটক মুনীর চৌধুরীর কবর। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বসে মুনীর চৌধুরী এই ঐতিহাসিক নাটকটি রচনা করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মুনীর চৌধুরী ১৯২৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং একজন প্রখ্যাত নাট্যকার, সাহিত্যিক ও শহীদ বুদ্ধিজীবী ছিলেন। কবর নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য ও সংগ্রামের এক অমর দলিল হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন
ব্যাখ্যা: জহির রায়হান রচিত ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা বিখ্যাত একটি উপন্যাস।
উদাহরণ ২: ওরা প্রাগৈতিহাসিক
ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা বশীর আল আমিনের একটি নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রক্ত পদ্ম — এটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমির নাটক নয় বরং ভিন্ন বিষয়ের ওপর রচিত একটি সাহিত্যকর্ম।
B) মাকড়সা — এটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত নাটক নয় বরং অন্য কোনো নাট্যকার বা লেখকের ভিন্ন ধারার রচনা।
C) ফেরি আসছে — এটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমির নাটক নয় বরং অন্য কোনো ঐতিহাসিক বা সামাজিক প্রেক্ষাপটে রচিত।
D) কবর — এটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত নাটক হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভাষা আন্দোলনের প্রথম নাটক মনে রাখতে মুনীর চৌধুরীর কবর কথাটি এভাবে মনে রাখবে যে কারাগারে বসে কবর নাটক লেখা হয়েছিল। ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদদের স্মরণে এটি রচিত হয়েছিল।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলনের পটভূমি নিয়ে রচিত নাটক, উপন্যাস ও কবিতা বারবার আসে। মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকটি ভাষা আন্দোলনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম।
সঠিক উত্তর: A) তৎসম
১. কেন সঠিক:
- তৎসম শব্দের অর্থ তাহার সমান অর্থাৎ সংস্কৃতির সমান। যে সমস্ত শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন না হয়ে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে।
- চন্দ্র শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এর রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, তাই এটি তৎসম শব্দের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয় যথা তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ।
- যে শব্দগুলো সংস্কৃত ভাষা থেকে প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য
ব্যাখ্যা: সূর্য শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং এর বানান অপরিবর্তিত রয়েছে, তাই এটি তৎসম শব্দ।
উদাহরণ ২: নদী
ব্যাখ্যা: নদী শব্দটির উৎস সংস্কৃত ভাষা এবং এটি বাংলা ভাষায় একইভাবে ব্যবহৃত হয়, যা তৎসম শব্দের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎসম — এই অপশনটি সঠিক কারণ চন্দ্র শব্দটি সংস্কৃত থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।
B) তদ্ভব — চন্দ্র শব্দটি প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে আসেনি, তাই এটি তদ্ভব শব্দ নয়।
C) দেশি — চন্দ্র শব্দটি আদি অস্ট্রিক বা দ্রাবিড় ভাষার কোনো দেশি শব্দ নয়, এর সরাসরি সংস্কৃত উৎস আছে।
D) বিদেশি — চন্দ্র শব্দটি আরবি, ফার্সি বা ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলায় আসেনি, তাই এটি বিদেশি শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আকাশের চাঁদ বা চন্দ্র দেখলে মনে রাখবে আকাশের এই গ্রহ বা উপগ্রহগুলোর নাম সাধারণত তৎসম শব্দ হয়।
- যেসব শব্দের নিচে বা উপরে ফলা বা ঋ-কার থাকে যেমন চন্দ্র, সূর্য, তাদের অধিকাংশই তৎসম শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম ও তদ্ভব শব্দ চেনার জন্য শব্দের উৎস ও রূপ পরিবর্তন খেয়াল রাখতে হবে।
- সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী সরাসরি ব্যবহৃত শব্দগুলো সর্বদা তৎসম হিসেবে চিহ্নিত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Addressing me as sir, he respectfully exclaimed with joy that I was a very nice man.
কেন সঠিক:
- রিপোর্টিং স্পিচে 'sir' থাকলে addressing as sir এবং আনন্দ প্রকাশ করায় exclaimed with joy বসে।
- এক্সক্লামেটরি সেন্টেন্সে what যুক্ত বাক্যকে assertive করার সময় subject ও verb-এর পরে very বসে এবং তা indirect করার সময় past tense হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He asked me what a nice man I was. — এখানে রিপোর্টেড স্পিচটি এক্সক্লামেটরি হওয়া সত্ত্বেও asked ব্যবহার করা হয়েছে এবং 'sir' শব্দটির কোনো রূপান্তর নেই।
B) Respectfully he exclaimed with joy that I was a very nice man. — এই অপশনে 'sir' সম্বোধনের জন্য addressing as sir অংশটি বাদ দেওয়া হয়েছে।
C) He asked me what a mice man I was. — এখানে প্রশ্নবোধক verb ব্যবহার করা হয়েছে এবং বানানে mice লিখে ভুল করা হয়েছে।
D) Addressing me as sir, he respectfully exclaimed with joy that I was a very nice man. — এটি নিয়মানুযায়ী সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
এক্সক্লামেটরি বাক্যে sir থাকলে addressing as sir এবং আনন্দ প্রকাশ পেলে exclaimed বাক্যের শুরুতে বসে।
সঠিক উত্তর: D) Attendance
কেন সঠিক:
- ইংরেজি বানানের নিয়ম অনুযায়ী শব্দটির মূল রূপের শেষে a-n-c-e যুক্ত হয়, e-n-c-e নয়।
- Attend শব্দের সাথে a-n-c-e প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক বানানটি গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Attendence — শেষের অংশ e-n-c-e ভুল, কারণ সঠিক প্রত্যয়টি a-n-c-e হবে।
B) Atendance — শুরুর দিকে t বর্ণটি একটি কম আছে, সঠিক বানান হলো a-t-t-e-n-d-a-n-c-e।
C) Attandence — প্রথম অংশে a-t-t-a ভুল, কারণ সঠিক রূপটি a-t-t-e-n হবে এবং শেষের অংশও ভুল।
D) Attendance — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি বানানের সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে তৈরি হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Attend শব্দের শেষে ance যোগ করার সময় মনে রাখবে শেষের t-এর পর e এবং n-এর পর a হবে।
সঠিক উত্তর: A) by
প্রদত্ত তথ্য:
খাদ্যের গড় মূল্য কমেছে ১৩ শতাংশ
ধরি,
পূর্বের মূল্য = ১০০ শতাংশ
বর্তমান মূল্য = ১০০ শতাংশ − ১৩ শতাংশ
অতএব,
হ্রাসের পরিমাণ নির্দিষ্ট করে বোঝাতে বাই প্রিপজিশন বসে
তাই মূল্য হ্রাসের ক্ষেত্রে বাই ব্যবহার করা হয়
সুতরাং,
সঠিক উত্তর হবে বাই প্রিপজিশন
উত্তর: A) by
সঠিক উত্তর: D) though
কেন সঠিক:
- শূন্যস্থানের উভয় পাশের বাক্যাংশের মধ্যে বিপরীত বা বৈসাদৃশ্য বোঝাতে Conjunction হিসেবে though ব্যবহার করা হয়।
- তাকে চিনতে না পারা এবং সে পূর্বে সাক্ষাতের কথা বলা দুটি বিপরীত পরিস্থিতির মধ্যে সংযোগ ঘটাতে এখানে though সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) unless — যার অর্থ যদি না, এটি শর্ত বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে বিপরীত ভাব প্রকাশে ব্যর্থ।
B) however — যার অর্থ যাই হোক না কেন, এটি সাধারণত বাক্যের শুরুতে বা কমা দ্বারা আলাদা হয়ে বসে এবং এখানে অর্থসংগত নয়।
C) despite — যার অর্থ সত্যেও, এটি preposition হওয়ায় এর পর clause না বসে noun বা gerund বসে।
D) though — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানে বৈপরীত্য প্রকাশ করতে পুরোপুরি উপযুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে যদি বিপরীত অর্থ প্রকাশ পায়, তবে conjunction হিসেবে although বা though বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Unclear
কেন সঠিক:
- blurry শব্দের অর্থ অস্পষ্ট বা ঝাপসা, যা unclear বা অস্পষ্ট শব্দের সমার্থক।
- বাক্যে বলা হয়েছে লেখাগুলো পড়তে সমস্যা হচ্ছিল কারণ সেগুলো ছিল ঝাপসা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Small — small অর্থ ছোট, যা ঝাপসা বা অস্পষ্ট শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
B) Unclear — এটি সঠিক উত্তর কারণ unclear অর্থ অস্পষ্ট বা যা পরিষ্কার নয়।
C) Unknown — unknown অর্থ অজানা, যা দৃশ্যমান লেখার ঝাপসা হওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) Difficult — difficult অর্থ কঠিন, যা পড়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও blurry শব্দের সঠিক অর্থ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Blurry এবং Unclear উভয় শব্দই দৃষ্টির অস্পষ্টতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: C) in the recent time
কেন সঠিক:
- lately শব্দটি একটি অ্যাডভার্ব যা সম্প্রতি বা ইদানীং ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- Present Perfect টেন্সের বাক্যে এই শব্দটি প্রায়শই ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in the past — এটি অতীতের কোনো নির্দিষ্ট সময়কে নির্দেশ করে, যা lately শব্দের সাম্প্রতিক অর্থের বিপরীত।
B) at this moment — এটি বর্তমান মুহূর্ত বা ঠিক এই সময়কে বোঝায়, যা lately বা সাম্প্রতিককালের সমার্থক নয়।
C) in the recent time — এটি সঠিক উত্তর কারণ lately এবং recent time উভয়ই ইদানীং বা সাম্প্রতিক সময় বোঝায়।
D) d) one more time — এটি পুনরায় বা আরও একবার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা lately শব্দের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
Lately মানে লেটেস্ট বা সাম্প্রতিক ঘটনা, যা রিসেন্ট টাইমের সঙ্গে মিলে যায়।
সঠিক উত্তর: C) Deepen
কেন সঠিক:
- 'Deep' হলো একটি অ্যাডজেক্টিভ যার সঙ্গে 'en' সাফিক্স যোগ করে ভার্ব বা ক্রিয়া গঠন করা হয়েছে।
- কোনো শব্দের শেষে 'en' যুক্ত করে সেটিকে ভার্বে রূপান্তর করা ইংরেজি ব্যাকরণের একটি সাধারণ নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Depth — এটি 'deep' শব্দের নাউন বা বিশেষ্য রূপ, তাই এটি ভার্ব হিসেবে সঠিক নয়।
B) Endeep — এটি ইংরেজিতে কোনো অর্থপূর্ণ বা প্রচলিত শব্দ নয়।
C) Deepen — এটি সঠিক ভার্ব বা ক্রিয়াপদ।
D) In depth — এটি একটি ফ্রেজ বা বাক্যাংশ, যা কোনো একক শব্দের ভার্ব রূপ হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
বেশ কিছু অ্যাডজেক্টিভ শব্দের শেষে 'en' যোগ করে ভার্ব তৈরি করা যায় যেমন wide থেকে widen এবং short থেকে shorten।
সঠিক উত্তর: B) you are known to me.
কেন সঠিক:
- Active voice-এর subject (I) passive voice-এ preposition 'to'-এর object হিসেবে বসেছে।
- 'Know' verb-এর পর সাধারণত passive voice-এ 'by' না বসে 'to' preposition বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) you are known by me. — 'Know' verb-এর পর passive voice-এ সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী 'by' বসে না, তাই এটি ভুল।
B) you are known to me. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর ব্যাকরণগত গঠন সম্পূর্ণ সঠিক।
C) you are knowing to me. — 'Know' একটি stative verb হওয়ায় এর continuous form হয় না।
D) you are known at me — 'Know' verb-এর পর 'at' preposition ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Know verb যুক্ত Active voice-কে Passive করার সময় by-এর পরিবর্তে সর্বদা to preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) International English Language Testing System.
কেন সঠিক:
- IELTS হলো একটি আন্তর্জাতিক মানসম্মত পরীক্ষা যা ইংরেজি ভাষা দক্ষতার মূল্যায়ন করে।
- এই নামের শেষ দুটি শব্দ হলো Testing System, যা ভাষা যাচাইয়ের পদ্ধতিকে নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) International English Language Teaching Teaching System — Teaching শব্দটির অর্থ শিক্ষাদান, যা এই পরীক্ষার উদ্দেশ্য যাচাইয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) International English Language Testing Skill — Skill শব্দটির পরিবর্তে এখানে System হবে কারণ এটি সামগ্রিক ব্যবস্থার নাম।
D) International English Language Teaching Skill — Teaching এবং Skill উভয় শব্দই এই পরীক্ষার প্রাতিষ্ঠানিক নামের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
আইইএলটিএস হলো ভাষা যাচাইয়ের পদ্ধতি, তাই মনে রাখবে Teaching নয় বরং Testing System কথাটি সঠিক।
সঠিক উত্তর: B) Essential
কেন সঠিক:
- Indispensable শব্দের অর্থ হলো অপরিহার্য বা যা ছাড়া চলে না।
- Essential শব্দটির অর্থও প্রয়োজনীয় বা অপরিহার্য, যা মূল শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Trivial — এর অর্থ তুচ্ছ বা অগুরুত্বপূর্ণ, যা অপরিহার্যের বিপরীত।
B) Essential — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Negligible — এর অর্থ নগণ্য বা উপেক্ষণীয়, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।
D) Worthy — এর অর্থ যোগ্য বা মূল্যবান, যা অপরিহার্য অর্থে পুরোপুরি উপযুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Indispensable মানে যা ডিসপেন্স বা বাদ দেওয়া যায় না, অর্থাৎ যা একদম Essential বা অপরিহার্য।
সঠিক উত্তর: B) The bird flies in the sky.
কেন সঠিক:
- নির্দিষ্ট কোনো প্রজাতির বা সাধারণ অর্থে পাখি বোঝাতে সাবজেক্টের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল The বসে।
- সাবজেক্ট The bird হলো থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার এবং বাক্যটি চিরন্তন সত্য হওয়ায় মূল ভার্বের সাথে s যুক্ত হয়ে flies হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Bird fly in the sky. — এখানে সাবজেক্ট সিঙ্গুলার হলেও ভার্বের সাথে s যুক্ত হয়নি এবং নির্দিষ্ট আর্টিকেল ব্যবহার করা হয়নি।
B) The bird flies in the sky. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই।
C) A bird fly in the sky. — এখানে আনকাউন্টেবল বা নির্দিষ্ট অর্থে সঠিক আর্টিকেল ব্যবহার করা হয়নি এবং ভার্ব প্লুরাল রাখা হয়েছে।
D) A bird fly in sky. — এখানে আর্টিকেলের ভুল নিয়ম প্রয়োগ করা হয়েছে এবং sky শব্দের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল the ব্যবহার করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট কোনো সাধারণ প্রাণীকে বোঝাতে তার পূর্বে The বসে এবং সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার হলে প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে ভার্বের সাথে s বা es যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) W.S. Maugham
কেন সঠিক:
- 'The Luncheon' একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যার রচয়িতা বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার উইলিয়াম সমারসেট মম (W.S. Maugham)।
- গল্পটিতে লেখকের সঙ্গে এক অভাবী সাহিত্যপ্রেমী মহিলার বিলাসবহুল রেস্তোরাঁয় দুপুরের খাবার খাওয়ার একটি হাস্যরসাত্মক ঘটনা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) William Shakespeare — তিনি মূলত রেনেসাঁ যুগের বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি ছিলেন, ছোটগল্পের জন্য পরিচিত নন।
B) William Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের প্রখ্যাত কবি ও প্রকৃতিপ্রেমী সাহিত্যিক ছিলেন, এই গল্পের লেখক নন।
C) W.S. Maugham — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়।
D) T.S. Eliot — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিকতাবাদী কবি, নাট্যকার ও সাহিত্য সমালোচক ছিলেন, এই গল্পের রচয়িতা নন।
মনে রাখার টিপস:
লাঞ্চ বা দুপুরের খাবার খাওয়ার দাওয়াত নিয়ে লেখা মজার গল্পটির লেখক হলেন মম (Maugham)।
সঠিক উত্তর: C) adjective
কেন সঠিক:
- বাক্যের মেক ভার্বের পর অবজেক্ট মি এবং তারপর কমপ্লিমেন্ট হিসেবে বসে nostalgic শব্দটি বাক্যের সাবজেক্টের অবস্থার বর্ণনা দিচ্ছে।
- কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করায় nostalgic শব্দটি এখানে adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) verb — এটি কোনো কাজের নাম বা ক্রিয়া নির্দেশ করছে না, তাই এটি verb নয়।
B) noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না, তাই এটি noun নয়।
C) adjective — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি pronoun-এর দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে।
D) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb-কে মডিফাই করছে না, তাই এটি adverb নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো শব্দ যদি noun বা pronoun-এর অবস্থা বা গুণ বোঝায়, তবে সেটি adjective হয়।
সঠিক উত্তর: A) younger than
কেন সঠিক:
- দুই ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে তুলনা বোঝাতে তুলনামূলক ডিগ্রি বা Comparative Degree ব্যবহৃত হয়।
- Comparative Adjective-এর পর সাধারণত than বসে, তাই younger-এর পর than সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) younger than — এটি সঠিক উত্তর কারণ তুলনামূলক বাক্যে younger-এর পর than বসে।
B) as young — এটি Positive Degree-এর গঠন, যা তুলনা করার ক্ষেত্রে অসম্পূর্ণ কারণ এর পর as নেই।
C) younger by — এটি ভুল কারণ এখানে সময়ের ব্যবধান বোঝাতে by বসে না, বরং তুলনা করতে than প্রয়োজন।
D) very young — এটি Positive Degree এবং এখানে কোনো তুলনার রূপ নেই, তাই শূন্যস্থানে এটি বসে না।
মনে রাখার টিপস:
Comparative Degree-এর adjective-এর শেষে er থাকলে তার ঠিক পরেই than ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Impede
কেন সঠিক:
- 'Facilitate' শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু সহজ করা, সহায়তা করা বা গতিশীল করা।
- অন্যদিকে 'Impede' শব্দের অর্থ হলো বাধা সৃষ্টি করা, মন্থর করা বা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা, যা সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Encourage — এর অর্থ উৎসাহিত করা, যা 'facilitate' শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
B) Impede — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বাধা সৃষ্টি করা, যা সহজ করার বিপরীত।
C) Increase — এর অর্থ বৃদ্ধি করা, যা প্রদত্ত শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
D) Promote — এর অর্থ উন্নতি বা প্রসার ঘটানো, যা 'facilitate' শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ফ্যাসিলিটি বা সুবিধা থেকে আসে facilitate যার অর্থ সহজ করা, আর ইম্পেড মানে গতি থামিয়ে দেওয়া বা বাধা দেওয়া।
সঠিক উত্তর: A) A letter was written to me by him.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি Past Indefinite Tense-এ আছে, তাই Passive করার সময় was এবং মূল Verb-এর Past Participle (written) ব্যবহৃত হয়েছে।
- Active Voice-এর Object (a letter) এখানে Subject হয়েছে এবং Subject (he) Object (him) হিসেবে পরিবর্তিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A letter was written to me by him. — এটি সঠিক উত্তর।
B) A letter is written to my by him. — Present Tense ব্যবহার করায় এবং my ভুলভাবে ব্যবহার করায় এটি ভুল।
C) A letter had written to me by him. — Past Perfect Tense ব্যবহার করায় এবং গঠন সঠিক না থাকায় এটি ভুল।
D) A letter was written by me to him. — Subject এবং Object-এর স্থান ভুলভাবে পরিবর্তন করায় অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে।
মনে রাখার টিপস:
Active Voice-এর Past Indefinite Tense-কে Passive করার সময় Subject-এর পর was বা were এবং Verb-এর Past Participle বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) watched
কেন সঠিক:
- বাক্যে last night বা অতীতের নির্দেশক সময় উল্লেখ থাকায় এটি Past Indefinite Tense হবে।
- Past Indefinite Tense-এর গঠনে মূল verb-এর Past Form (V2) ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) have watched — এটি Present Perfect Tense, যা অতীত নির্দেশক শব্দের সাথে বসে না।
B) had watched — অতীতকালের দুটি ঘটনার মধ্যে আগের ঘটনা বোঝাতে এটি বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) watched — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি verb-এর Past Form প্রকাশ করে।
D) have been watching — এটি Present Perfect Continuous Tense, যা অতীতের নির্দিষ্ট সময়ের ক্ষেত্রে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে yesterday,ago,last night বা the other day থাকলে verb-এর Past Form বা Past Indefinite Tense হয়।
সঠিক উত্তর: C) Ante meridiem
কেন সঠিক:
- a.m. শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Ante meridiem থেকে এসেছে, যার অর্থ দুপুরের আগে।
- এটি রাত বারোটা থেকে দুপুর বারোটার পূর্ব পর্যন্ত সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Anno meridiem — এটি একটি ভুল ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, এর কোনো সঠিক শাব্দিক অর্থ বা প্রচলন নেই।
B) After morning — এটি ইংরেজি শব্দ হলেও a.m. এর পূর্ণরূপ নয় এবং এর অর্থ সকালের পরে।
D) Anti-meriden — এটি একটি বানান ভুল শব্দ এবং এর বানান বা অর্থ কোনোভাবেই সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ante অর্থ আগে এবং meridiem অর্থ দুপুর, তাই a.m. মানে দুপুরের আগের সময়।
সঠিক উত্তর: C) at
কেন সঠিক:
- কোনো নির্দিষ্ট মূল্য বা হারে কোনো কিছু বিক্রি করা বোঝালে preposition হিসেবে at ব্যবহৃত হয়।
- এখানে প্রতি কেজি চালের নির্দিষ্ট দাম বোঝাতে sells শব্দের পর at বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) over — সীমা বা পরিমাণের উপরে বোঝাতে over বসে, যা এখানে মূল্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) in — নির্দিষ্ট এলাকা বা মাধ্যমের মধ্যে বোঝাতে in বসে, যা দামের ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
C) at — নির্দিষ্ট মূল্য বা হার বোঝাতে সঠিক preposition হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
D) to — কোনো কিছুর দিকে বা প্রতি নির্দেশ করতে to বসে, যা এখানে অর্থের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট কোনো দাম বা হারে বিক্রি করা বোঝালে always at বসে।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: B) I am tired as I have been working since 7 O'clock in the morning.
কেন সঠিক:
- অতীতে শুরু হয়ে এখনো চলছে এমন কাজ বোঝাতে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করা হয়।
- নির্দিষ্ট সময় বোঝাতে since এবং কাজের ধারাবাহিকতা বোঝাতে have been + verb-ing বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I am tired as I was working since 7 O'clock in the morning. — Past Continuous Tense অতীতকালের অসম্পূর্ণ কাজ বোঝায়, যা বর্তমানের ক্লান্তির কারণ প্রকাশ করতে অক্ষম।
B) I am tired as I have been working since 7 O'clock in the morning. — এটি সঠিক কারণ এতে বর্তমানের ক্লান্তির সঙ্গে অতীতের শুরু হওয়া চলমান কাজের সঠিক সংযোগ রয়েছে।
C) I am tired as I am working since 7 O'clock in the morning. — Present Continuous Tense-এর সঙ্গে since বা for ব্যবহার করে সময়ের ব্যপ্তি প্রকাশ করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) I am tired as I had been working since 7 O'clock in the morning. — Past Perfect Continuous Tense অতীতের একটি নির্দিষ্ট সময়ের পূর্ব পর্যন্ত চলমান কাজ বোঝায়, যা বর্তমান অবস্থার কারণ হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে since বা for এবং সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং তার ফল বর্তমানে বিদ্যমান থাকলে Present Perfect Continuous Tense হয়।
সঠিক উত্তর: B) আয়ত
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তে অন্তলিখিত একটি সামান্তরিকের বিপরীত কোণগুলোর সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি
সামান্তরিকের বিপরীত কোণগুলো পরস্পর সমান হয়
ধরি,
সামান্তরিকের একটি কোণ = ক ডিগ্রি
তাহলে তার বিপরীত কোণটিও = ক ডিগ্রি হবে
অতএব,
ক + ক = ১৮০ ডিগ্রি
২ × ক = ১৮০ ডিগ্রি
সুতরাং,
ক = ৯০ ডিগ্রি এবং প্রতিটি কোণ সমকোণ
উত্তর: আয়ত
সঠিক উত্তর: A) a + b > c
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের তিন বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে a, b এবং c
ধরি,
ত্রিভুজটির যেকোনো দুটি বাহুর যোগফল তৃতীয় বাহু থেকে বৃহত্তর হতে হবে
অতএব,
প্রথম শর্ত অনুযায়ী প্রথম দুই বাহুর যোগফল তৃতীয় বাহু অপেক্ষা বড় হবে
অর্থাৎ a + b > c
সুতরাং,
ত্রিভুজ গঠনের অসমতা অনুসারে এটিই একমাত্র সঠিক শর্ত
উত্তর: a + b > c
সঠিক উত্তর: D) প্রবৃদ্ধ কোণ
প্রদত্ত তথ্য:
কোণের পরিমাপ = ১৮১°
ধরি,
যে কোণের পরিমাপ ১৮০° অপেক্ষা বড় কিন্তু ৩৬০° অপেক্ষা ছোট তাকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলে
অতএব,
১৮১° কোণটি ১৮০° অপেক্ষা বড়
সুতরাং,
এটি একটি প্রবৃদ্ধ কোণ
উত্তর: প্রবৃদ্ধ কোণ
সঠিক উত্তর: A) ১০⁻⁶মি³
প্রদত্ত তথ্য:
১ সেন্টিমিটার = ১০⁻² মিটার
ধরি,
আয়তন নির্ণয়ের জন্য সেন্টিমিটারকে মিটারে রূপান্তর করতে হবে
অতএব,
১ সেন্টিমিটার কিউব = (১০⁻² মিটার) × (১০⁻² মিটার) × (১০⁻২ মিটার)
সুতরাং,
১০⁻² × ১০⁻২ × ১০⁻২ = ১০⁻⁶ মিটার কিউব
উত্তর: ১০⁻⁶মি³
সঠিক উত্তর: B) ঘনক
প্রদত্ত তথ্য:
জ্যামিতিক বস্তুর মাত্রা বিশ্লেষণ করতে হবে
ত্রিমাত্রিক বস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং উচ্চতা থাকে
ধরি,
বিন্দুর মাত্রা = শূন্য
রেখার মাত্রা = এক
তলের মাত্রা = দুই
অতএব,
বিন্দুর কোনো মাত্রা নেই
রেখার শুধু দৈর্ঘ্য আছে
তলের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ আছে
সুতরাং,
ঘনকের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং উচ্চতা তিনটিই বিদ্যমান
উত্তর: B) ঘনক
সঠিক উত্তর: C) লালমনিরহাট
কেন সঠিক:
- দহগ্রাম বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ও সবচেয়ে পরিচিত ছিটমহল, যা লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার অন্তর্ভুক্ত।
- ২০১৫ সালের ১ আগস্ট ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে এটি স্থায়ীভাবে বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নীলফামারী — এই জেলার ভৌগোলিক সীমানায় কোনো ছিটমহল ছিল না, তাই এটি সঠিক নয়।
B) কুড়িগ্রাম — এই জেলায় পূর্বের কিছু ছিটমহল থাকলেও দহগ্রাম এখানে অবস্থিত নয়।
C) লালমনিরহাট — এই অপশনটি সঠিক, কারণ দহগ্রাম এই জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত।
D) দিনাজপুর — এই জেলায় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার অন্য কিছু ছিটমহল থাকলেও দহগ্রাম এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
লাল রঙের পাট দিয়ে দহগ্রাম ছিটমহল তৈরি, এভাবে মনে রাখলে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) রাষ্ট্রপতি
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের ১ দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন।
- সংসদের ভেঙে যাওয়ার পর বা প্রবর্তনের সময় রাষ্ট্রপতি লিখিত আদেশের মাধ্যমে এই অধিবেশন ডাকেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্পীকার — স্পীকার সংসদের অধিবেশন পরিচালনা করেন, কিন্তু তা আহ্বান করার সাংবিধানিক ক্ষমতা স্পীকারের নেই।
B) প্রধানমন্ত্রী — প্রধানমন্ত্রী সরকার প্রধান হলেও তিনি কেবল রাষ্ট্রপতিকে অধিবেশন আহ্বানের পরামর্শ দিতে পারেন, নিজে সরাসরি আহ্বান করতে পারেন না।
C) রাষ্ট্রপতি — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ সংবিধান অনুযায়ী অধিবেশন আহ্বান করার একক সাংবিধানিক ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির রয়েছে।
D) প্রধান বিচারপতি — প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগের প্রধান এবং আইনপ্রণেতাদের সাথে সংসদের অধিবেশন আহ্বানের কোনো সাংবিধানিক সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
সংসদের অধিবেশন আহ্বান ও ভাঙার চাবিকাঠি রাষ্ট্রপতির হাতে থাকে।
সঠিক উত্তর: D) ১১ নং
কেন সঠিক:
- বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি ১৯৭১ সালে ১১ নম্বর সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
- ১১ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম এ তাহের এবং এই সেক্টরের অধীন ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও রংপুর অঞ্চলের কিছু অংশে তিনি যুদ্ধ পরিচালনা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯ নং — এটি খুলনা ও বরিশাল অঞ্চল নিয়ে গঠিত সেক্টর ছিল, যেখানে তারামন বিবি যুদ্ধ করেননি।
B) ৪ নং — এটি সিলেট অঞ্চল নিয়ে গঠিত সেক্টর ছিল, যা তারামন বিবি পরিচালিত এলাকার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ৮ নং — এটি কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা অঞ্চল নিয়ে গঠিত সেক্টর ছিল, যেখানে এই বীর প্রতীক যুদ্ধ করেননি।
D) ১১ নং — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই সেক্টরেই যুদ্ধ করেছিলেন এবং সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
তারামন বিবি ১১ নম্বর সেক্টরের যোদ্ধা ছিলেন, মনে রাখতে তারামন শব্দের শেষ অক্ষর ন এবং ১১ নম্বরের সঙ্গে নামের মিল রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) জার্মানি
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ মাত্র পাঁচটি এবং তাদেরই ভেটো প্রদানের ক্ষমতা রয়েছে।
- জার্মানি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়, তাই এই দেশের কোনো ভেটো ক্ষমতা নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাষ্ট্র — এটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য এবং এর ভেটো ক্ষমতা রয়েছে।
B) যুক্তরাজ্য — এটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য এবং এর ভেটো ক্ষমতা রয়েছে।
C) রাশিয়া — এটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য এবং এর ভেটো ক্ষমতা রয়েছে।
D) জার্মানি — এটি জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
নিরাপত্তার স্থায়ী সদস্য ৫টি দেশ হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, চীন ও ফ্রান্স। এদের বাইরে জার্মানি বা অন্য কোনো দেশের ভেটো ক্ষমতা নেই।
সঠিক উত্তর: C) 153
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানে মূল অনুচ্ছেদ সংখ্যা ১৫৩টি।
- সংবিধান প্রণয়নের পর থেকে এর মূল অনুচ্ছেদ সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 150 — এই সংখ্যাটি সংবিধানের অনুচ্ছেদ সংখ্যার সঙ্গে মিলে না।
B) 140 — এটি সংবিধানের কোনো অনুচ্ছেদ সংখ্যার সঠিক মান নয়।
C) 153 — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের সংবিধানের মোট অনুচ্ছেদ সংখ্যা।
D) 151 — এই সংখ্যাটি সংবিধানের অনুচ্ছেদ সংখ্যার ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের সংবিধানের মোট অনুচ্ছেদ সংখ্যা ১৫৩ এবং এর সাথে ৭টি তফসিল রয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) শহীদুল ইসলাম লালু
কেন সঠিক:
- শহীদুল ইসলাম লালু মাত্র ১৩ বছর বয়সে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন।
- বয়সের দিক থেকে সবচেয়ে কম বয়সে খেতাবপ্রাপ্ত হওয়ায় তিনি সর্বকনিষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শহীদুল ইসলাম লালু — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি সর্বকনিষ্ঠ বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা।
B) হামিদুর রহমান — তিনি সর্বকনিষ্ঠ বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, সর্বকনিষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা নন।
C) নুর মোহাম্মদ শেখ — তিনি একজন বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বয়সে সর্বকনিষ্ঠ নন।
D) মোস্তফা কামাল — তিনিও একজন বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, বয়সের দিক থেকে সর্বকনিষ্ঠ নন।
মনে রাখার টিপস:
লালু মানেই লাল বয়স বা কম বয়স, যিনি সর্বকনিষ্ঠ বীর প্রতীক।
সঠিক উত্তর: D) ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭
কেন সঠিক:
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- এই চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলা সশস্ত্র সংঘাতের অবসান ঘটে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২ নভেম্বর ১৯৯৭ — এই তারিখে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি একটি ভুল তারিখ।
B) ২৫ ডিসেম্বর ১৯৯৭ — এই তারিখে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি খ্রিস্টান ধর্মীয় উৎসব বড়দিনের দিন।
সি) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৯৮ — এটি বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবসের বছর হলেও শান্তি চুক্তির সঠিক তারিখ বা সাল নয়।
ডি) ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭ — এটি পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির সঠিক ও ঐতিহাসিক স্বাক্ষরের তারিখ।
মনে রাখার টিপস:
শান্তি চুক্তির সাল মনে রাখতে ১৯৯৭ সংখ্যাটি মনে রাখুন এবং মাসটি ডিসেম্বর ও তারিখটি ২ মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) ইরাক
কেন সঠিক:
- ইরাক ১৯৭২ সালের ৮ জুলাই বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশের স্বীকৃতি প্রদান করে।
- এটিই প্রথম কোনো আরব দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেনেগাল — সেনেগাল প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে ১৯৭২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়, আরব দেশ নয়।
B) সৌদি আরব — সৌদি আরব প্রথম সারির মুসলিম দেশ হলেও বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৬ সালের ১৬ আগস্ট।
C) ইরাক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) মিসর — মিসর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৩ সালের ৮ জুলাই, ইরাকের পরে।
মনে রাখার টিপস:
আরব দেশের মধ্যে স্বীকৃতিতে সবার আগে ইরাক আসে, আর আফ্রিকান দেশ হিসেবে সবার আগে আসে সেনেগাল।
সঠিক উত্তর: B) ইয়াংসিকিয়াং
কেন সঠিক:
- ইয়াংসিকিয়াং নদী চীনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত এশিয়ার দীর্ঘতম এবং বিশ্বের তৃতীয় দীর্ঘতম নদী।
- এর আনুমানিক দৈর্ঘ্য প্রায় ৬৩০০ কিলোমিটার, যা এশিয়ার অন্য যেকোনো নদীর চেয়ে বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হোয়াংহো — এটি এশিয়ার দীর্ঘতম নদী নয়, এটি চীনের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
B) ইয়াংসিকিয়াং — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এশিয়ার দীর্ঘতম নদী।
C) গঙ্গা — এটি বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধান নদী হলেও এশিয়ার দীর্ঘতম নদী নয়।
D) সিন্ধু — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি প্রধান নদী, তবে এর দৈর্ঘ্য ইয়াংসিকিয়াং নদীর চেয়ে কম।
মনে রাখার টিপস:
এশিয়ার দীর্ঘতম নদীর নাম মনে রাখতে ইয়াংসিকিয়াং নামের শুরুতে থাকা 'ইয়াং' শব্দটিকে প্রধান সূত্র হিসেবে ধরতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) নিরক্ষরেখা
কেন সঠিক:
- নিরক্ষরেখা পৃথিবীর মধ্য দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত কল্পিত রেখা হওয়ায় এখানে সারা বছর সূর্যের আলো প্রায় লম্বভাবে পড়ে।
- এই অঞ্চলে সূর্য সারা বছর লম্বালম্বিভাবে কিরণ দেওয়ায় দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য প্রায় সমান থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেরুরেখা — এটি পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরুকে সংযোগকারী অক্ষ, যার উপর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয় না এবং এখানে চরম জলবায়ু বিরাজ করে।
B) নিরক্ষরেখা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
C) অক্ষরেখা — এটি গোলকের সমান্তরাল বৃত্তাকার রেখা, যার মধ্যে কেবল নিরক্ষরেখা ছাড়া অন্য কোনো নির্দিষ্ট রেখার উপর সারা বছর লম্বভাবে সূর্য কিরণ দেয় না।
D) দ্রাঘিমারেখা — এটি উত্তর ও দক্ষিণ মেরুকে সংযোগকারী কাল্পনিক অর্ধবৃত্ত, যা সময়ের হিসাবের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এর উপর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেওয়ার কোনো ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
পৃথিবীর ঠিক মাঝখানের রেখা হলো নিরক্ষরেখা, আর মাঝখানে বলেই সেখানে সূর্যের আলো সবচেয়ে সোজা বা লম্বভাবে পড়ে।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৪৯
কেন সঠিক:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়ন ও সাম্যবাদের বিস্তার রোধ করতে এবং পশ্চিমা দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই সামরিক জোট গঠিত হয়।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বারোটি প্রতিষ্ঠাতা দেশ মিলে ন্যাটো প্রতিষ্ঠা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৪৯ — এটি ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সঠিক সাল এবং এই বছরেই ওয়াশিংটন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
B) ১৯৫৪ — এটি সিটো বা সাউথইস্ট এশিয়ান ট্রিটি অর্গানাইজেশন গঠনের সাল, যা ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ১৯৫৫ — এটি ন্যাটোর বিরোধিতা করার জন্য সোভিয়েত নেতৃত্বাধীন ওয়ারশ চুক্তি বা ওয়ারশ প্যাক গঠনের সাল।
D) ১৯৬৬ — এই বছরে ফ্রান্স ন্যাটো জোটের সামরিক কমান্ড থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়, যা প্রতিষ্ঠার সাল নয়।
মনে রাখার টিপস:
ন্যাটো প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন এভাবে যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার চার বছর পর ১৯৪৯ সালে এটি গঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) সুইডেন
কেন সঠিক:
- সুইডেন বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশগুলোর শীর্ষ জোট জি-সেভেন (G-7) এর সদস্য নয়।
- জি-সেভেন জোটে মূলত যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও জাপান এই সাতটি দেশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কানাডা — এটি জি-সেভেন জোটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও স্থায়ী সদস্য দেশ।
B) ইতালি — এটি জি-সেভেন জোটের সদস্য এবং ইউরোপের অন্যতম প্রধান শিল্পোন্নত দেশ।
C) সুইডেন — এটি জি-সেভেন জোটের সদস্য নয়, তবে এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ।
D) জাপান — এটি জি-সেভেন জোটের সদস্য এবং এশিয়া মহাদেশ থেকে একমাত্র প্রতিনিধিত্বকারী দেশ।
মনে রাখার টিপস:
জি-সেভেন জোটে সাতটি দেশ আছে, যার মধ্যে ইউরোপের বাইরের দেশ কানাডা, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের দেশ যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি ও ইতালি অন্তর্ভুক্ত; এখানে সুইডেন নেই।
সঠিক উত্তর: B) ইন্দোনেশিয়া
কেন সঠিক:
- ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় ২৭ কোটি সত্তর লক্ষ, যা বিশ্বের যেকোনো মুসলিম দেশের তুলনায় সর্বাধিক।
- বিশ্বের মোট মুসলিম জনসংখ্যার দিক থেকেও এই দ্বীপরাষ্ট্রটি প্রথম অবস্থানে রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ — জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ, প্রথম নয়।
B) ইন্দোনেশিয়া — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং জনসংখ্যার ভিত্তিতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ।
C) মালয়েশিয়া — মালয়েশিয়ার জনসংখ্যা ইন্দোনেশিয়ার তুলনায় অনেক কম এবং এটি মুসলিম প্রধান দেশ হলেও জনসংখ্যার শীর্ষে নয়।
D) সৌদি আরব — ইসলাম ধর্মের উৎপত্তিস্থল হলেও জনসংখ্যার বিচারে সৌদি আরব ইন্দোনেশিয়ার চেয়ে অনেক পিছিয়ে রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ মনে রাখতে "ই" দিয়ে ইন্দোনেশিয়া মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) ম্যানিলা
কেন সঠিক:
- এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবি ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর ফিলিপাইনের ম্যানিলা শহরের অন্দালুয়োগে অবস্থিত।
- এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করার জন্য এই আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হংকং — এটি এশিয়ার একটি প্রধান অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হলেও এখানে এই ব্যাংকের সদর দপ্তর নেই।
B) সিঙ্গাপুর — এটি একটি উন্নত দেশ ও আর্থিক হাব হওয়া সত্ত্বেও এখানে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত নয়।
C) ম্যানিলা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই ব্যাংকটির মূল সদর দপ্তর অবস্থিত।
D) ব্যাংকক — এটি থাইল্যান্ডের রাজধানী এবং আঞ্চলিক কার্যালয় থাকলেও এটি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের মূল সদর দপ্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
এশিয়ার উন্নয়ন মানেই ম্যানিলা মানুষের মুখে মুখে।
সঠিক উত্তর: B) ৪°C
১. কেন সঠিক:
পানির ব্যতিক্রমী প্রসারণের কারণে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয়।
সাধারণত তরল পদার্থকে ঠান্ডা করলে এর আয়তন কমে এবং ঘনত্ব বাড়ে, কিন্তু পানি শূন্য থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ঠান্ডা করলে আয়তন না কমে বরং বাড়ে এবং ঘনত্ব কমে যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: পানির ঘনত্ব হলো একক আয়তনে পানির ভর, যা চার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সর্বোচ্চ ১ গ্রাম প্রতি ঘনসেন্টিমিটার হয়।
কার্যপ্রণালি: তাপমাত্রা চার ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলে পানির অণুগুলোর মধ্যে হাইড্রোজেন বন্ধনের কারণে সুনির্দিষ্ট শূন্যস্থানযুক্ত জালিকা তৈরি হয়, ফলে আয়তন বৃদ্ধি পায়।
কারণ ও ফলাফল: আয়তন বাড়ার কারণে নির্দিষ্ট ভরের পানির ঘনত্ব হ্রাস পায়, যা জলজ প্রাণীদের বেঁচে থাকতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশের পুকুরের উপরিভাগের পানি জমে বরফ হলেও তলদেশের চার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পানিতে মাছ ও জলজ প্রাণীরা বেঁচে থাকে।
ব্যাখ্যা: বরফের ঘনত্ব পানির চেয়ে কম হওয়ায় বরফ উপরে ভেসে থাকে এবং তলদেশে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার ভারী পানি নিচে অবস্থান করে।
উদাহরণ ২: শীতকালে পানি জমে বরফে পরিণত হলে পাইপ ফেটে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।
ব্যাখ্যা: পানি বরফে পরিণত হলে আয়তন প্রায় নয় শতাংশ বৃদ্ধি পায় এবং অতিরিক্ত প্রসারণের চাপে পাইপ ফেটে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০°C — এই তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব চার ডিগ্রি সেলসিয়াসের তুলনায় কম থাকে কারণ তাপমাত্রা বাড়লে পানির অণুগুলোর গতিশক্তি বৃদ্ধি পেয়ে আয়তন সামান্য বেড়ে যায়।
B) ৪°C — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি পানির সর্বোচ্চ ঘনত্বের তাপমাত্রা হিসেবে পরীক্ষামূলকভাবে প্রমাণিত।
C) ৪৫°C — এই তাপমাত্রায় পানি বেশ উষ্ণ থাকে এবং উচ্চ তাপমাত্রার কারণে পানির প্রসারণ ঘটে ঘনত্ব অনেক কমে যায়।
D) ১০০°C — এটি স্বাভাবিক চাপে পানির স্ফুটনাঙ্ক, যেখানে পানি বাষ্পে পরিণত হতে শুরু করে এবং এর ঘনত্ব সর্বনিম্ন স্তরের কাছাকাছি থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
পানির ক্ষেত্রে সংখ্যা চার হলো যাদুকরী সংখ্যা, কারণ চার ডিগ্রি সেলসিয়াসে ঘনত্ব সর্বোচ্চ এবং আয়তন সর্বনিম্ন হয়।
চার অক্ষর বিশিষ্ট শব্দ ঘনত্ব মনে রেখে তার সঙ্গে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস মিলিয়ে এই প্রশ্নটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পানির এই ব্যতিক্রমী আচরণকে পানির অ্যানোমালাস প্রসারণ বলা হয়, যা চার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ঘটে থাকে।
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি ঘুরিয়ে আসে যে বরফের ঘনত্ব পানির চেয়ে কম না বেশি।
সঠিক উত্তর: B) পানি
১. কেন সঠিক:
পানির আপেক্ষিক তাপ সবচেয়ে বেশি হওয়ার কারণে এটি পরিবেশের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
প্রকৃতিতে পানির এই অনন্য বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি প্রচুর পরিমাণ তাপ শোষণ বা বর্জন করতে পারে without experiencing rapid temperature changes.
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: একক ভরের কোনো পদার্থের তাপমাত্রা এক ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি করতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন হয়, তাকে ওই পদার্থের আপেক্ষিক তাপ বলে।
কার্যপ্রণালি: পানির অণুগুলোর মধ্যে শক্তিশালী হাইড্রোজেন বন্ধন বিদ্যমান থাকায় তাপ প্রয়োগ করলে অধিকাংশ শক্তি এই বন্ধন ভাঙতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গ্রীষ্মকালে সমুদ্রের পানি উপকূলীয় এলাকার তাপমাত্রা সহনীয় রাখে।
ব্যাখ্যা: পানি ধীরে ধীরে তাপ শোষণ করে এবং পরিবেশের অতিরিক্ত উষ্ণতা রোধ করে।
উদাহরণ ২: ইঞ্জিন ঠান্ডা করার কুল্যান্ট হিসেবে পানি ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: পানি দ্রুত ইঞ্জিন থেকে প্রচুর তাপ শোষণ করে মোটরকে নিরাপদ রাখতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বায়ু — বায়ুর আপেক্ষিক তাপ পানির তুলনায় অনেক কম এবং এটি দ্রুত গরম বা ঠান্ডা হয়।
B) পানি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর আপেক্ষিক তাপ অন্যান্য সাধারণ পদার্থের চেয়ে সর্বোচ্চ।
C) লোহা — লোহার আপেক্ষিক তাপ বেশ কম তাই এটি দ্রুত তাপ শোষণ করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
D) তামা — তামার আপেক্ষিক তাপ কম হওয়ায় এটি তাপের সুপরিবাহী হিসেবে দ্রুত তাপ ছড়ায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রকৃতিতে তাপ ধরে রাখার ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি যার, তার নাম পানি।
পানির আপেক্ষিক তাপ প্রায় চার হাজার দুই শ জুল প্রতি কেজি প্রতি কেলভিন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
আপেক্ষিক তাপের একক হলো জুল প্রতি কেজি প্রতি কেলভিন।
সমুদ্রের কাছাকাছি জলবায়ু সমভাবাপন্ন হওয়ার মূল কারণ পানির এই উচ্চ আপেক্ষিক তাপ।
সঠিক উত্তর: A) Ca(OCl)Cl
১. কেন সঠিক:
- ব্লিচিং পাউডার মূলত ক্যালসিয়াম হাইপোফ্লোরাইট, ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড এবং ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের একটি জটিল মিশ্রণ।
- এর মূল কার্যকরী উপাদান হলো ক্যালসিয়াম হাইপোফ্লোরাইট, যার রাসায়নিক সংকেত Ca(OCl)Cl লেখা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: শুষ্ক কলি চুন বা ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের ওপর ক্লোরিন গ্যাস চালনা করে ব্লিচিং পাউডার প্রস্তুত করা হয়।
- রাসায়নিক বিক্রিয়া: ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের সাথে ক্লোরিন বিক্রিয়া করে ব্লিচিং পাউডার ও পানি উৎপন্ন করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: এটি মূলত জীবাণুনাশক, কাগজের সজ্জা সাদা করতে এবং কাপড় থেকে দাগ তুলতে বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ময়লা কাপড়ে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা।
ব্যাখ্যা: ব্লিচিং পাউডার থেকে উৎপন্ন ক্লোরিন কাপড়ের রঙিন ও অপদ্রব্য যৌগের সাথে বিক্রিয়া করে সেগুলোকে বর্ণহীন ও পরিষ্কার করে।
উদাহরণ ২: পানির পাম্প বা জলাশয়ে ব্লিচিং পাউডার ছিটানো।
ব্যাখ্যা: ব্লিচিং পাউডার পানিতে থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণু ধ্বংস করে পানিকে নিরাপদ ও পানোপযোগী করে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Ca(OCl)Cl — এটি ব্লিচিং পাউডারের সঠিক এবং প্রধান কার্যকরী রাসায়নিক সংকেত।
B) C₆H₆O — এটি ফেনল বা কার্বোলিক এসিডের রাসায়নিক সংকেত, যা এক ধরনের জৈব যৌগ।
C) CaCO₃ — এটি ক্যালসিয়াম কার্বনেট বা চুনাপাথরের রাসায়নিক সংকেত, যা ব্লিচিং পাউডার নয়।
D) HCl — এটি হাইড্রোক্লোরিক এসিডের রাসায়নিক সংকেত, যা একটি শক্তিশালী অজৈব এসিড।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ব্লিচিং পাউডারের সংকেতে একটি ক্যালসিয়াম পরমাণু, একটি অক্সিজেন পরমাণু এবং দুটি ক্লোরিন পরমাণু একটি বিশেষ বিন্যাসে যুক্ত থাকে।
- সংকেতটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো ক্যালসিয়াম (Ca) এর সাথে ওক্লি (OCl) এবং ক্লোরিন (Cl) যুক্ত করা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ব্লিচিং পাউডার প্রস্তুত করতে শুষ্ক কলি চুন ব্যবহার করা হয়, ভেজা চুন ব্যবহার করলে বিক্রিয়া ঠিকভাবে হয় না।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার আসে, তাই এর বাণিজ্যিক নাম ও রাসায়নিক নাম ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) Solar energy
১. কেন সঠিক:
সৌরশক্তি ব্যবহারের ফলে কোনো ধরনের ক্ষতিকর গ্রিনহাউস গ্যাস বা বিষাক্ত বর্জ্য উৎপন্ন হয় না, যা পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখে।
এটি একটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হওয়ায় ফুরিয়ে যাওয়ার কোনো ভয় নেই এবং এটি প্রকৃতির নিজস্ব শক্তিকে কাজে লাগায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: নবায়নযোগ্য শক্তি হলো এমন শক্তি যা প্রাকৃতিক উৎস থেকে অবিরাম উৎপাদিত হয় এবং কখনো নিঃশেষ হয় না।
কার্যপ্রণালি: সোলার প্যানেলের ফটোভোল্টেইক কোষ সূর্যালোকের ফোটন কণাকে সরাসরি শোষণ করে ইলেকট্রন উত্তেজিত করার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে।
বাস্তব প্রয়োগ: বাড়ির ছাদে সোলার প্যানেল বসিয়ে বা সোলার সেচ পাম্প ব্যবহার করে পরিবেশবান্ধব উপায়ে দৈনন্দিন বিদ্যুতের চাহিদা মেটানো হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাসাবাড়ির ছাদে স্থাপিত সোলার প্যানেল ব্যবস্থা।
ব্যাখ্যা: এটি সূর্যের আলোকে কাজে লাগিয়ে ক্ষতিকারক ধোঁয়া ছাড়াই ঘরের বাতির ও পাখার বিদ্যুতের চাহিদা মেটায়।
উদাহরণ ২: মহাসড়কের সৌরশক্তি চালিত স্ট্রিট লাইট।
ব্যাখ্যা: এটি দিনের বেলা সূর্যের আলো জমিয়ে রেখে রাতের বেলা চারপাশ আলোকিত করে, যা জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Nuclear power plant — পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিবেশবান্ধব নয় কারণ এর ফলে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ তেজস্ক্রিয় বর্জ্য উৎপন্ন হয়।
B) Gas power plant — গ্যাস বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিবেশবান্ধব নয় কারণ এটি পোড়ানোর সময় কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস নির্গত করে।
C) Oil power plant — তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিবেশবান্ধব নয় কারণ এটি গ্রিনহাউস গ্যাস ও সালফার ডাই অক্সাইড ছড়ায়।
D) Solar energy — এটি সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব শক্তি কারণ এটি পরিচালনায় কোনো দূষণ বা ক্ষতিকর বর্জ্য হয় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
সৌরশক্তি বা সোলার এনার্জি হলো সূর্যের আলো থেকে পাওয়া শক্তি, যা প্রকৃতিকে দূষণমুক্ত রাখে।
নবায়নযোগ্য শক্তির উৎসগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে সহজলভ্য এবং সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পরিবেশ দূষণ রোধে বর্তমানে জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
এই টপিক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন শক্তি উৎসটি পরিবেশবান্ধব বা কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন করে না।
সঠিক উত্তর: D) হলুদ
১. কেন সঠিক:
- হলুদ আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে কম বা ভালো হয় না কারণ উদ্ভিদের ক্লোরোফিল এই আলো শোষণ করতে পারে না।
- উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান আলোর নির্দিষ্ট কিছু তরঙ্গদৈর্ঘ্য ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে হলুদ অংশটি প্রতিফলিত হয়ে ফিরে যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: সালোকসংশ্লেষণ হলো সেই জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইড থেকে শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে।
- কার্যপ্রণালি: উদ্ভিদের পাতায় উপস্থিত ক্লোরোফিল রঙ্গক প্রধানত লাল এবং নীল আলো সবচেয়ে বেশি শোষণ করে খাদ্য তৈরির হার বাড়ায়।
- কারণ ও ফলাফল: হলুদ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ক্লোরোফিলের শোষণ বর্ণালীর সঙ্গে মিলে না যাওয়ায় এই আলো উদ্ভিদের কোনো কাজে লাগে না এবং সালোকসংশ্লেষণের হার প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাচঘর বা গ্রিনহাউসে হলুদ রঙের কাচ ব্যবহার করলে গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
ব্যাখ্যা: হলুদ কাচ কেবল হলুদ আলো প্রবেশ করতে দেওয়ায় উদ্ভিদ প্রয়োজনীয় শক্তি পায় না।
উদাহরণ ২: অন্ধকার ঘরে হলুদ বাল্ব জ্বেলে গাছ রাখলে গাছ সতেজ থাকে না।
ব্যাখ্যা: উদ্ভিদের খাদ্য তৈরির জন্য লাল ও নীল আলোর প্রয়োজন যা হলুদ বাল্ব সরবরাহ করতে পারে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাল — লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণ খুব ভালো হয় কারণ ক্লোরোফিল এই আলো প্রচুর পরিমাণে শোষণ করে।
B) নীল — নীল আলোতেও সালোকসংশ্লেষণের হার অত্যন্ত বেশি হয় যা উদ্ভিদের অঙ্গ গঠনে সাহায্য করে।
C) কমলা — কমলা আলো দৃশ্যমান বর্ণালীর অংশ এবং এটিও সালোকসংশ্লেষণে মাঝারি মাত্রায় ব্যবহৃত হয়।
D) হলুদ — হলুদ আলোতে ক্লোরোফিল সক্রিয় হয় না এবং এই আলো প্রতিফলিত হয়ে নষ্ট হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সালোকসংশ্লেষণে লাল ও নীল আলো হলো সবচেয়ে প্রিয় এবং হলুদ হলো সবচেয়ে অপছন্দের আলো।
- রামধনু বা দৃশ্যমানের মাঝখানের হলুদ রঙে গাছ কাজ করে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভালো হয় লাল ও নীল আলোতে।
- একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন আলোতে সালোকসংশ্লেষণের হার সর্বোচ্চ।
সঠিক উত্তর: A) পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
১. কেন সঠিক:
- অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন নীতি কাজ করে।
- আলোর এই নীতির কারণে আলো ফাইবার নলের ভেতরে বারবার প্রতিফলিত হয়ে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চলে যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: আলো যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে প্রবেশ করে এবং আপতন কোণ সংকট কোণের চেয়ে বেশি হয়, তখন আলো প্রতিসৃত না হয়ে সম্পূর্ণভাবে প্রতিফলিত হয়ে ঘন মাধ্যমে ফিরে আসে। একে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে।
- কার্যপ্রণালি: অপটিক্যাল ফাইবারের ভেতরের অংশকে কোর এবং বাইরের আবরণকে ক্ল্যাডিং বলে। কোরের প্রতিসরাঙ্ক ক্ল্যাডিংয়ের প্রতিসরাঙ্ক অপেক্ষা বেশি থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মরুভূমির মরিচিকা।
ব্যাখ্যা: আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের কারণে মরুভূমিতে বা পিচ ঢালা রাস্তায় মরিচিকার সৃষ্টি হয়।
উদাহরণ ২: হীরকের উজ্জ্বলতা।
ব্যাখ্যা: হীরকের ভেতর আলো প্রবেশ করার পর বারবার পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলিত হয় বলে হীরা উজ্জ্বল দেখায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি অপটিক্যাল ফাইবারের মূল কার্যনীতি।
B) প্রতিসরণ — এটি আলোর এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যাওয়ার ঘটনা, যা অপটিক্যাল ফাইবারের ভেতরে প্রধান কার্যনীতি নয়।
C) অপবর্তন — এটি কোনো বাধা অতিক্রম করে আলোর বাঁকা হয়ে যাওয়ার ঘটনা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) প্রতিফলন — এটি সাধারণ আয়নায় আলোর ফিরে আসার ঘটনা, কিন্তু অপটিক্যাল ফাইবারে মাধ্যম পরিবর্তনের নির্দিষ্ট শর্তে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অপটিক্যাল ফাইবার মানেই পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন। ফাইবার শব্দটি দেখলেই পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন উত্তর নির্বাচন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অপটিক্যাল ফাইবারের কোর ও ক্ল্যাডিংয়ের প্রতিসরাঙ্ক সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- টেলিকমিউনিকেশন ও দ্রুত গতির ইন্টারনেট সংযোগে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) ৯১.৬%
১. কেন সঠিক:
- ২২ ক্যারেট স্বর্ণে খাঁটি স্বর্ণের পরিমাণ শতকরা হিসেবে ৯১.৬ শতাংশ বা প্রায় ৯১.৬৬ ভাগ।
- গয়না তৈরির সময় খাঁটি ২৪ ক্যারেট স্বর্ণ খুব নরম হওয়ায় এর সঙ্গে তামা বা রূপার মতো ধাতু মেশাতে হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: স্বর্ণের বিশুদ্ধতা পরিমাপ করা হয় ক্যারেট এককের মাধ্যমে যেখানে ২৪ ক্যারেটকে শতভাগ খাঁটি ধরা হয়।
- কার্যপ্রণালি: ২২ অংশ স্বর্ণের সঙ্গে ২ অংশ অন্যান্য ধাতু মিশিয়ে মোট ২৪ অংশ বা ২২ ক্যারেট তৈরি করা হয়।
- হিসাব: ২২ ভাগ ২৪ এর কত শতাংশ তা বের করতে (২২ ÷ ২৪) × ১০০ হিসাব করলে ৯১.৬৬ শতাংশ পাওয়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ২২ ক্যারেটের গলার হার
ব্যাখ্যা: এই হারে প্রতি ১ গ্রাম ওজনে প্রায় ০.৯১৬ গ্রাম খাঁটি স্বর্ণ এবং বাকি অংশ অন্য ধাতু থাকে।
উদাহরণ ২: ১৮ ক্যারেটের আংটি
ব্যাখ্যা: ১৮ ক্যারেটে ৭৫ শতাংশ খাঁটি স্বর্ণ থাকে যা ২২ ক্যারেটের চেয়ে কম বিশুদ্ধ ও অধিক শক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০০% — এই মানটি শুধু ২৪ ক্যারেট বা সম্পূর্ণ খাঁটি স্বর্ণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যা অলংকার তৈরিতে সাধারণত ব্যবহৃত হয় না।
B) ৯৫.৩% — এটি কোনো প্রচলিত ক্যারেট মানের বিশুদ্ধতা নয় এবং হিসাবের নিয়মের সঙ্গে মেলে না।
C) ৯১.৬% — এটি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের বিশুদ্ধতার সঠিক শতকরা মান যা অলংকার শিল্পে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
D) ৭৫% — এই শতকরা মানটি ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের বিশুদ্ধতা নির্দেশ করে কারণ ১৮ কে ২৪ দ্বারা ভাগ করে ১০০ দ্বারা গুণ করলে ৭৫ পাওয়া যায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্যারেট মানকে ২৪ দিয়ে ভাগ করে ১০০ দিয়ে গুণ করলেই শতকরা বিশুদ্ধতা পাওয়া যায়।
- যেমন ২২ ক্যারেটের জন্য ২২ কে ২৪ দ্বারা ভাগ করলে ৯১.৬ শতাংশ পাওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- স্বর্ণের বিশুদ্ধতা পরিমাপের একক হলো ক্যারেট এবং ২৪ ক্যারেট হলো সবচেয়ে খাঁটি রূপ।
- পরীক্ষায় প্রায়ই ১৮, ২১ ও ২২ ক্যারেট স্বর্ণের শতকরা পরিমাণ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) ৪ টি
১. কেন সঠিক:
মহাবিশ্বের সমস্ত বস্তুর পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া এবং বল প্রয়োগের ধরণকে নিয়ন্ত্রণ করে এমন মৌলিক বল মূলত চারটি।
এই বলগুলো প্রকৃতির সমস্ত শক্তি এবং গতির মূল উৎস হিসেবে কাজ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: মহাকর্ষ বল, তড়িচ্চুম্বকীয় বল, সবল নিউক্লীয় বল এবং দুর্বল নিউক্লীয় বল।
কার্যপ্রণালি: মহাকর্ষ বল ভরযুক্ত বস্তুর আকর্ষণ বোঝায়, আর তড়িচ্চুম্বকীয় বল আধানযুক্ত কণার মধ্যে কাজ করে।
কারণ ও ফলাফল: সবল নিউক্লীয় বল পরমাণুর কেন্দ্রকে একত্রিত রাখে এবং দুর্বল নিউক্লীয় বল তেজস্ক্রিয় ক্ষয় ঘটায়।
বাস্তব প্রয়োগ: মহাকর্ষ বলের কারণে আমরা মাটিতে হেঁটে বেড়াই এবং গ্রহগুলো সূর্যের চারপাশে ঘোরে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্যকে কেন্দ্র করে পৃথিবীর প্রদক্ষিণ।
ব্যাখ্যা: এটি মহাকর্ষ বলের কারণে ঘটে থাকে।
উদাহরণ ২: পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রনের অবস্থান।
ব্যাখ্যা: এটি সবল নিউক্লীয় বলের কারণে শক্তভাবে আবদ্ধ থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩ টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ মৌলিক বলের সংখ্যা তিনটি নয়।
B) ৪ টি — এটি সঠিক এবং সর্বজনস্বীকৃত বৈজ্ঞানিক তথ্য।
C) ৫ টি — পদার্থবিজ্ঞানে বর্তমানে পাঁচ6টি মৌলিক বলের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়নি।
D) ৬ টি — এই সংখ্যাটি কোয়ার্কের ফ্লেভার বা অন্য কোনো ধারণার সাথে সম্পর্কিত হতে পারে, মৌলিক বলের ক্ষেত্রে নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মৌলিক বল মনে রাখার সহজ উপায় হলো মহাকর্ষ, তড়িচ্চুম্বক, সবল ও দুর্বল নিউক্লীয় বল।
প্রকৃতিতে বল কয়টি তা মনে রাখতে সংখ্যাটি সবসময় চার মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সবল নিউক্লীয় বল প্রকৃতিতে সবচেয়ে শক্তিশালী এবং মহাকর্ষ বল সবচেয়ে দুর্বল বল।
এই টপিক থেকে প্রায়ই কোন বলের পাল্লা বা শক্তি কেমন তা নিয়ে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) ৩ টি
১. কেন সঠিক:
প্রকৃতিতে হাইড্রোজেনের মোট তিনটি আইসোটোপ পাওয়া যায়। এগুলো হলো প্রোনাশ, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
আইসোটোপ হলো একই মৌলের ভিন্ন পরমাণু যাদের প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন। হাইড্রোজেনের ক্ষেত্রে তিনটি পরমাণুরই প্রোটন সংখ্যা ১, কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন যথাক্রমে ০, ১ এবং ২।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাধারণ পানির আণুতে প্রোনাশ আইসোটোপ থাকে যা আমরা পান করি।
ব্যাখ্যা: এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পরিমাণে প্রাপ্ত হাইড্রোজেনের রূপ।
উদাহরণ ২: ভারী পানিতে ডিউটেরিয়াম আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা: পারমাণবিক চুল্লিতে মডারেটর হিসেবে ভারী পানি ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ টি - এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ প্রকৃতিতে হাইড্রোজেনের দুটি নয়, তিনটি স্থায়ী ও অস্থায়ী আইসোটোপ বিদ্যমান।
B) ৩ টি - এটি সঠিক উত্তর কারণ হাইড্রোজেনের প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম নামক তিনটি আইসোটোপ রয়েছে।
C) ৪ টি - এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ হাইড্রোজেনের চার নম্বর কোনো প্রাকৃতিক স্থিতিশীল আইসোটোপ নেই।
D) ৫ টি - এই সংখ্যাটি ভুল কারণ বৈজ্ঞানিকভাবে হাইড্রোজেনের মোট আইসোটোপের সংখ্যা পাঁচটি নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ মনে রাখার সহজ উপায় হলো পিডিটি অর্থাৎ প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম। এদের ভরসংখ্যা যথাক্রমে ১, ২ এবং ৩।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ট্রিটিয়াম হলো হাইড্রোজেনের একমাত্র তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) গামা
১. কেন সঠিক:
গামা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি কারণ এটি ফোটন কণা বা তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ। এর কোনো ভর বা আধান না থাকায় এটি বস্তুর ভেতরে খুব সহজে প্রবেশ করতে পারে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তেজস্ক্রিয় মৌল থেকে নির্গত তিন ধরনের রশ্মির মধ্যে গামা রশ্মির ভর ও আধান শূন্য। ফলে পদার্থের পরমাণুর সঙ্গে এর সংঘর্ষ কম হয় এবং এটি অনেকদূর ভেদ করে চলে যেতে পারে।
বাস্তব প্রয়োগ: ক্যানসার চিকিৎসায় টিউমারের কোষ ধ্বংস করতে এবং চিকিৎসাকেন্দ্রের যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করতে গামা রশ্মি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সীসার ভারী পাত।
ব্যাখ্যা: আলফা ও বিটা রশ্মি কাগজের পাতা বা অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল দিয়েই আটকানো যায়, কিন্তু গামা রশ্মি আটকাতে পুরু সীসার দেওয়াল বা কংক্রিটের প্রয়োজন হয়।
উদাহরণ ২: মহাজাগতিক গামা রশ্মি বিস্ফোরণ।
ব্যাখ্যা: মহাকাশের গ্যালাক্সি থেকে আসা গামা রশ্মি কোটি কোটি আলোকবর্ষ পথ পাড়ি দিয়ে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ভেদ করে আমাদের কাছে পৌঁছায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলফা — এটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াস হওয়ায় এর ভর ও আধান বেশি, তাই এর ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে কম।
B) বিটা — এটি ইলেকট্রন প্রবাহ হওয়ায় এর ভেদন ক্ষমতা আলফার চেয়ে বেশি কিন্তু গামার চেয়ে অনেক কম।
C) গামা — এটি সঠিক উত্তর, তাই এর ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
D) সবগুলির সমান — এই অপশনটি ভুল কারণ তেজস্ক্রিয় রশ্মিগুলোর ভেদন ক্ষমতা ভিন্ন।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভেদমুক্ত গামা সবার সেরা, আলফা কাগজেই আটকায় যারা। এভাবে মনে রাখতে পারো যে আলফার ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে কম এবং গামার সবচেয়ে বেশি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তেজস্ক্রিয়তা থেকে বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে। গামা রশ্মি আধানহীন এবং এর গতি আলোর গতির সমান, এই তথ্যগুলো মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) H₂
১. কেন সঠিক:
- গ্যাসের ব্যাপন হার গ্যাসটির আণবিক ভরের ওপর নির্ভর করে এবং আণবিক ভর কম হলে ব্যাপন হার বেশি হয়।
- হাইড্রোজেন গ্যাসের আণবিক ভর সবচেয়ে কম হওয়ায় এটি অন্যান্য গ্যাসের তুলনায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: কোনো মাধ্যমে গ্যাসের অণুগুলোর স্বতঃস্ফূর্ত ও সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।
- সূত্র/তত্ত্ব: গ্রাহামের গ্যাস ব্যাপন সূত্র অনুসারে, নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ও চাপে কোনো গ্যাসের ব্যাপন হার গ্যাসটির ঘনত্বের বা আণবিক ভরের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক। অর্থাৎ ব্যাপন হার আণবিক ভরের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্কযুক্ত।
- কার্যপ্রণালি: কম আণবিক ভরের গ্যাসের অণুগুলোর গতিশক্তি বেশি থাকে, তাই তারা দ্রুত চলাচল করে এবং বেশি হারে ব্যাপন ঘটায়।
- বাস্তব প্রয়োগ: সুগন্ধি বা রান্নার গ্যাসের গন্ধ বাতাসে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ব্যাপন প্রক্রিয়ার কারণে ঘটে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেলুনে হিলিয়াম গ্যাস ভরার পর তা দ্রুত ছোট হয়ে যাওয়া।
ব্যাখ্যা: হিলিয়ামের আণবিক ভর কম থাকায় এর ব্যাপন হার বেশি হয় এবং এটি বেলুনের ক্ষুদ্র ছিদ্র দিয়ে দ্রুত বেরিয়ে যায়।
উদাহরণ ২: ঘরের এক কোণে পারফিউম স্প্রে করলে অন্য কোণে গন্ধ পৌঁছানো।
ব্যাখ্যা: হালকা অণুগুলো দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে বলেই আমরা অল্প সময়ে গন্ধ পাই।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) N₂ — নাইট্রোজেনের আণবিক ভর আঠারো, যা হাইড্রোজেনের চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় এর ব্যাপন হার কম।
B) O₂ — অক্সিজেনের আণবিক ভর বত্রিশ, যা হাইড্রোজেন অপেক্ষা বেশি হওয়ায় ব্যাপন হার কম হয়।
C) CO₂ — কার্বন ডাই-অক্সাইডের আণবিক ভর চুয়াল্লিশ, যা তুলনামূলক ভারী হওয়ায় এর ব্যাপন হার সবচেয়ে কমগুলোর একটি।
D) H₂ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর আণবিক ভর মাত্র দুই, যা প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যার ভর কম, তার বেগ ও ব্যাপন হার বেশি।
- হালকা গ্যাস বাতাসে দ্রুত ছোটে, তাই হাইড্রোজেন সবার চেয়ে এগিয়ে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- গ্রাহামের ব্যাপন সূত্র থেকে বিসিএস বা অন্যান্য পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে কোন গ্যাসের ব্যাপন হার বেশি বা কম।
- আণবিক ভর বের করে খুব সহজেই এই ধরনের প্রশ্নের সঠিক উত্তর নির্ধারণ করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) NH₃
১. কেন সঠিক:
- অ্যামোনিয়া জলীয় দ্রবণে হাইড্রোক্সাইড আয়ন উৎপন্ন করে ক্ষারীয় বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
- এতে ধাতু বা ধাতুর মতো কাজ করা মূলক না থাকলেও লুইস ক্ষারক হিসেবে এটি প্রোটন গ্রহণ করতে পারে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: যে সকল যৌগ জলীয় দ্রবণে OH মাইনাস আয়ন উৎপন্ন করে অথবা প্রোটন গ্রহণ করে তাদের ক্ষার বা ক্ষারক বলে।
- কার্যপ্রণালি: অ্যামোনিয়া পানির সাথে বিক্রিয়া করে ammonium ion এবং hydroxyl ion উৎপন্ন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ্যামোনিয়া গ্যাস লাল লিটমাস কাগজকে নীল করে।
ব্যাখ্যা: এটি ক্ষারীয় পদার্থের একটি মৌলিক রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য।
উদাহরণ ২: কাচ পরিষ্কার করার লিকুইডে অ্যামোনিয়ার ব্যবহার।
ব্যাখ্যা: অ্যামোনিয়ার ক্ষারীয় গুণ ময়লা ও তেলতেলে ভাব সহজে দূর করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) NH₃ — এটি একটি ক্ষারক কারণ এটি পানিতে হাইড্রোক্সাইড আয়ন তৈরি করে এবং প্রোটন গ্রহণ করতে পারে।
B) Na₂SO₄ — এটি একটি নিরপেক্ষ লবণ যা সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও সালফিউরিক এসিডের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন হয়।
C) NaCl — এটি সাধারণ লবণ বা সোডিয়াম ক্লোরাইড যা এসিড ও ক্ষার neutralized হয়ে তৈরি হয়।
D) HNO₂ — এটি নাইট্রাস এসিড যা জলীয় দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়ন উৎপন্ন করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ধাতব হাইড্রোক্সাইড ছাড়াও কিছু যৌগ যেমন অ্যামোনিয়া ক্ষারক হতে পারে কারণ এদের লোন পেয়ার ইলেকট্রন থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- লুইস তত্ত্ব অনুযায়ী ইলেকট্রন জোড় দাতা যৌগসমূহ ক্ষারক হিসেবে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: A) শূন্য
১. কেন সঠিক:
পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য হয় কারণ কেন্দ্রের দিকে বস্তুর ওপর সব দিক থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশের আকর্ষণ বল সমানভাবে কাজ করে এবং পরস্পরকে বাতিল করে দেয়।
এছাড়াও, পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব শূন্য হওয়ায় এবং পৃথিবীর কেন্দ্র পর্যন্ত কার্যকর ভর শূন্য বিবেচনা করায় অভিকর্ষজ ত্বরণ শূন্য হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: অভিকর্ষজ ত্বরণ হলো অভিকর্ষ বলের প্রভাবে ভূ-পৃষ্ঠে মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হার।
সূত্র: গাণিতিক সূত্র অনুযায়ী অভিকর্ষজ ত্বরণ জি সমান মহাকর্ষীয় ধ্রুবক জি গুণ পৃথিবীর ভর এম এবং একে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ আর এর বর্গ দ্বারা ভাগ করতে হয়।
কার্যপ্রণালি: যতই পৃথিবীর গভীরে যাওয়া যায়, ততই কার্যকর ভর কমতে থাকে এবং কেন্দ্রে পৌঁছালে এই কার্যকর ভর শূন্য হয়ে যায়।
বাস্তব প্রয়োগ: পৃথিবীর কেন্দ্রে কোনো বস্তুর ওজন থাকে না বললেই চলে, যদিও বস্তুটির ভর অপরিবর্তিত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লিফটের তার ছিঁড়ে নিচে পড়ার সময় ভেতরে থাকা ব্যক্তি যেমন ওজনহীনতা অনুভব করেন, পৃথিবীর কেন্দ্রেও বস্তুর ক্ষেত্রে ঠিক তেমনি অভিকর্ষজ বল কাজ করে না।
ব্যাখ্যা: এই অবস্থায় ব্যক্তির ওপর ত্বরণ বা বল শূন্য হয়ে যাওয়ার কারণে ওজন শূন্য অনুভূত হয়।
উদাহরণ ২: একটি সুড়ঙ্গ খুঁড়ে পৃথিবীর ঠিক কেন্দ্রে কোনো বস্তুকে ঝুলিয়ে দিলে তা স্থির হয়ে থাকবে এবং নিচে পড়বে না।
ব্যাখ্যা: এর কারণ হলো কেন্দ্রের দিকে সব দিক থেকে সমান আকর্ষণ বল কাজ করায় লব্ধি বল শূন্য হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শূন্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ পৃথিবীর কেন্দ্রে কার্যকর ভর ও আকর্ষণ বল শূন্য হওয়ায় অভিকর্ষজ ত্বরণ থাকে না।
B) 9.8 m/s² — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি সাধারণত সমুদ্রপৃষ্ঠে বা ভূ-পৃষ্ঠের স্বাভাবিক অভিকর্ষজ ত্বরণের মান নির্দেশ করে।
C) 4.9 m/s² — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে নির্দিষ্ট উচ্চতায় বা গভীরতায় ত্বরণের একটি আনুমানিক হিসাব হতে পারে, কেন্দ্রের মান নয়।
D) অসীম — এই অপশনটি ভুল কারণ অভিকর্ষজ ত্বরণ কেন্দ্র থেকে দূরে গেলে কমে এবং কেন্দ্রে শূন্য হয়, অসীম হতে পারে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
পৃথিবীর কেন্দ্রে গেলেই সবকিছু শূন্য হয়ে যায়, তাই মনে রাখবে কেন্দ্রের ত্বরণ মানেই শূন্য।
গভীরতা বাড়লে অভিকর্ষজ ত্বরণ কমতে থাকে এবং কেন্দ্রে পৌঁছালে তা একেবারে শূন্যে নেমে আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে ভূ-পৃষ্ঠ থেকে গভীরে গেলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কী হয়।
মনে রাখবে, ভূ-পৃষ্ঠ থেকে কেন্দ্রে গেলে অভিকর্ষজ ত্বরণ কমতে থাকে এবং কেন্দ্রে এর মান শূন্য হয়, যা মেরু বা বিষুব অঞ্চলের মানের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা।
সঠিক উত্তর: A) O₂
১. কেন সঠিক:
অক্সিজেন গ্যাস গ্রীন হাউজ গ্যাস নয় কারণ এটি বায়ুমণ্ডলের দীর্ঘস্থায়ী তাপ শোষণ করে রাখতে পারে না। গ্রীন হাউজ গ্যাস হতে হলে অণুকে অন্তত তিনটি পরমাণুবিশিষ্ট বা জটিল গঠনসম্পন্ন হতে হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: গ্রীন হাউজ গ্যাস হলো সেই গ্যাসগুলো যা পৃথিবী থেকে বিকিরিত তাপ শোষণ করে বায়ুমণ্ডলে আটকে রাখে এবং বিশ্ব উষ্ণায়নে ভূমিকা রাখে।
কার্যপ্রণালি: অক্সিজেন দ্বি-পারমাণবিক গ্যাস হওয়ায় এর অণু অবলোহিত রশ্মি বা তাপ শোষণ করতে পারে না এবং তাপ সহজে ভেদ করে চলে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস সূর্যের আলো আসতে দিলেও পৃথিবী থেকে ফিরে যাওয়া তাপ আটকে রাখে।
ব্যাখ্যা: এটি গ্রীন হাউজ প্রভাব সৃষ্টি করে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ধরে রাখতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: জলীয় বাষ্প প্রকৃতির অন্যতম শক্তিশালী গ্রীন হাউজ গ্যাস হিসেবে কাজ করে।
ব্যাখ্যা: এটি বায়ুমণ্ডলে তাপ ধরে রেখে প্রাকৃতিকভাবে পৃথিবীকম্বল উষ্ণ রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) O₂ — এটি দ্বি-পারমাণবিক সরল গ্যাস এবং এর কোনো তাপ শোষণ ক্ষমতা নেই বলে এটি গ্রীন হাউজ গ্যাস নয়।
B) O₃ — ওজোন একটি ত্রি-পারমাণবিক গ্যাস এবং এটি বায়ুমণ্ডলে তাপ শোষণ করায় এটি একটি গ্রীন হাউজ গ্যাস।
C) Water Vapor — জলীয় বাষ্প একটি প্রধান গ্রীন হাউজ গ্যাস যা প্রচুর পরিমাণে তাপ শোষণ করতে পারে।
D) CO₂ — কার্বন ডাই অক্সাইড জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে উৎপন্ন হয় এবং এটি একটি অন্যতম প্রধান গ্রীন হাউজ গ্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
যেসকল গ্যাসের অণুতে তিন বা ততোধিক পরমাণু থাকে যেমন কার্বন ডাই অক্সাইড, ওজোন ও জলীয় বাষ্প, সেগুলো সাধারণত গ্রীন হাউজ গ্যাস হয়। অক্সিজেন বা নাইট্রোজেনের মতো সরল গ্যাস গ্রীন হাউজ গ্যাস নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা গ্রীন হাউজ গ্যাস হলো জলীয় বাষ্প।
গ্রীন হাউজ গ্যাসগুলোর নাম মনে রাখার জন্য কার্বন ডাই অক্সাইড, মিথেন, জলীয় বাষ্প এবং নাইট্রাস অক্সাইডের নাম ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ১৮৯৬
১. কেন সঠিক:
- সুইডিশ বিজ্ঞানী ও নোবেলজয়ী রসায়নবিদ সভান্তে আরহেনিয়াস ১৮৯৬ সালে প্রথম বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধির কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির বিষয়টি বৈজ্ঞানিকভাবে ব্যাখ্যা করেন এবং গ্রিনহাউস শব্দটি ব্যবহার করেন।
- তার এই যুগান্তকারী গবেষণার মাধ্যমেই আধুনিক জলবায়ু পরিবর্তন ও গ্লোবাল ওয়ার্মিং ধারণার সূত্রপাত ঘটেছিল।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: গ্রিনহাউস ইফেক্ট হলো এমন একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যেখানে বায়ুমণ্ডলের নির্দিষ্ট কিছু গ্যাস সূর্যের তাপ আটকে রেখে পৃথিবীর পৃষ্ঠকে উষ্ণ রাখে।
- কারণ ও ফলাফল: শিল্পায়ন ও জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা অতিরিক্ত তাপ আটকে রেখে বিশ্ব উষ্ণায়ন ঘটায়।
- বাস্তব প্রয়োগ: শীতপ্রধান দেশে কাঁচের ঘরে গাছপালা চাষের জন্য এই নীতি ব্যবহার করা হয়, যেখানে কাঁচ ভেতরকার তাপ বাইরে যেতে বাধা দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশের কাঁচের ঘর
ব্যাখ্যা: কাঁচের ঘর সূর্যের আলো ভেতরে ঢুকতে দিলেও ভেতরের তাপ বাইরে যেতে দেয় না, ফলে বাইরের বরফাবৃত পরিবেশের মধ্যেও ভেতরের গাছপালা উষ্ণ থাকে।
উদাহরণ ২: সূর্যের আলোয় ঢাকা বন্ধ গাড়ি
ব্যাখ্যা: রোদে রাখা বন্ধ গাড়ির জানালার কাঁচ ভেদ করে সূর্যের আলো ভেতরে প্রবেশ করে এবং তাপ আটকে ফেলে গাড়িটির ভেতর তীব্র গরম করে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯৬ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এর শত বছর আগেই গ্রিনহাউস শব্দটি প্রথম ব্যবহৃত ও বৈজ্ঞানিকভাবে আলোচিত হয়েছিল।
B) ১৮৯৬ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বিজ্ঞানী সভান্তে আরহেনিয়াস গ্রিনহাউস প্রভাব ও কার্বন ডাই অক্সাইডের ভূমিকা প্রথম প্রকাশ করেন।
C) ১৮৯০ — এটি ভুল কারণ এই সালে গ্রিনহাউস সংক্রান্ত কোনো সুনির্দিষ্ট ঐতিহাসিক বা বৈজ্ঞানিক ঘোষণা আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত হয়নি।
D) ১৯৫০ — এটি ভুল কারণ এই সময়ে গ্রিনহাউস ইফেক্ট প্রথম আবিষ্কৃত হয়নি, বরং বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝিতে এ নিয়ে আরও আধুনিক গবেষণা শুরু হয়েছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ১৮৯৬ সাল মনে রাখতে মনে রাখুন বিজ্ঞানী আরহেনিয়াস উনিশ শতকের শেষের দিকে একানব্বই বছর নয় বরং আঠারোশো ছিয়ানব্বই সালে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রথম বার্তা দিয়েছিলেন।
- গ্রিনহাউস ও আরহেনিয়াস নাম দুটি একই সাথে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সঠিক সাল নির্বাচন করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- গ্রিনহাউস প্রভাবের জন্য সবচেয়ে দায়ী গ্যাস হলো কার্বন ডাই অক্সাইড।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং পরিবেশবিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: B) ডেসিবেল
১. কেন সঠিক:
- ডেসিবেল হলো শব্দের তীব্রতা লেভেল পরিমাপের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একক।
- এটি মূলত মানবকানের শ্রবণক্ষমতা এবং শব্দের শক্তির অনুপাতকে লগারিদমীয় স্কেলে প্রকাশ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: শব্দের তীব্রতা বলতে প্রতি একক ক্ষেত্রফলে লম্বভাবে প্রতিবাহিত শব্দের শক্তিকে বোঝায়। মানুষের কান শূন্য থেকে একশো বিশ ডেসিবেল পর্যন্ত তীব্রতার শব্দ সহনশীলভাবে শুনতে পারে।
- বাস্তব প্রয়োগ: শিল্পকারখানার শব্দ নিয়ন্ত্রণ, বিমানবন্দর এলাকার শব্দের মাত্রা নির্ধারণ এবং হাসপাতালের নীরবতা অঞ্চল বজায় রাখতে ডেসিবেল একক ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাধারণ ফিসফিস করে কথা বলার শব্দের তীব্রতা প্রায় ত্রিশ ডেসিবেল।
ব্যাখ্যা: এটি অত্যন্ত মৃদু শব্দ যা মানবকানের ওপর কোনো চাপ সৃষ্টি করে না।
উদাহরণ ২: একটি জেট প্লেনের উড্ডয়নের সময় শব্দের তীব্রতা একশো কুড়ি ডেসিবেলের বেশি হতে পারে।
ব্যাখ্যা: এই উচ্চমাত্রার শব্দ মানবকানের স্থায়ী ক্ষতি বা বধিরতার কারণ হতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হার্টজ — হার্টজ হলো কম্পাঙ্কের একক, যা প্রতি সেকেন্ডে উৎপন্ন কম্পন সংখ্যা নির্দেশ করে। এটি শব্দের তীব্রতা মাপে না।
B) ডেসিবেল — এটি শব্দের তীব্রতা লেভেল পরিমাপের সঠিক একক এবং এটি এই প্রশ্নের নির্ধারিত উত্তর।
C) প্যাসকেল — প্যাসকেল হলো চাপ পরিমাপের একক, যা প্রতি একক ক্ষেত্রফলে প্রযুক্ত বল প্রকাশ করে। এটি শব্দের তীব্রতার একক নয়।
D) টেসলা — টেসলা হলো চৌম্বক ক্ষেত্র বা চৌম্বক আবেশ পরিমাপের একক। এটি শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- তীব্রতা মাপতে দেও ডেসিবেল, কম্পাঙ্ক মাপতে হার্টজ জেনো কেবল।
- শব্দের শক্তি বা লেভেল বুঝলেই ডেসিবেল শব্দটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন রাশির একক জানতে চাওয়া হয়।
- এই প্রশ্নটি থেকে শব্দের তীব্রতার একক হিসেবে ডেসিবেল এবং কম্পাঙ্কের একক হিসেবে হার্টজ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা লাভ করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) HCl
১. কেন সঠিক:
- পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি থেকে প্রাকৃতিকভাবে হাইড্রোক্লোরিক এসিড বা HCl নিঃসৃত হয়।
- এটি খাদ্যের সাথে প্রবেশ করা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে এবং পরিপাক ক্রিয়ায় সহায়তা করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পাকস্থলীর অক্সিনটিক কোষ থেকে গ্যাস্ট্রিক রস হিসেবে হাইড্রোক্লোরিক এসিড উৎপন্ন হয়।
- কার্যপ্রণালি: এই এসিডের অম্লীয় পরিবেশ পেপসিনোজেন এনজাইমকে সক্রিয় পেপসিনে রূপান্তর করে আমিষ জাতীয় খাদ্য পরিপাক শুরু করে।
- কারণ ও ফলাফল: পর্যাপ্ত HCl উৎপাদনের ফলে খাবার সহজে হজম হয় এবং অম্লতার ভারসাম্য বজায় থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার পর পাকস্থলীতে অতিরিক্ত HCl উৎপন্ন হয়ে বুকজ্বালা বা এসিডিটি সৃষ্টি করে।
ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত এসিড উৎপাদন পরিপাকতন্ত্রে অস্বস্তি তৈরি করে, যা অ্যান্টাসিড খেয়ে নিরপেক্ষ করা হয়।
উদাহরণ ২: মাংস বা ডিমের মতো শক্ত আমিষ জাতীয় খাবার খাওয়ার পর পাকস্থলী বেশি মাত্রায় এসিড নিঃসরণ করে।
ব্যাখ্যা: আমিষ জাতীয় খাবার ভেঙে হজম করার জন্য অত্যন্ত অম্লীয় পরিবেশ বা HCl এর উপস্থিতি আবশ্যিক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) HCIO — এটি হাইপোব্রোমাউস বা হাইপোক্লোরাস এসিডের মতো একটি যৌগ, যা পাকস্থলীতে উৎপন্ন হয় না।
B) HCIO₄ — এটি পারক্লোরিক এসিড, যা একটি অত্যন্ত শক্তিশালী অজৈব এসিড এবং মানবদেহে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয় না।
C) HCl — এটি হাইড্রোক্লোরিক এসিড এবং এটিই পাকস্থলীতে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত একমাত্র পরিপাক রস।
D) HNO₃ — এটি নাইট্রিক এসিড, একটি তীব্র ক্ষয়কারী এসিড যা মানবদেহের পাকস্থলীতে থাকে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মানবদেহের পাকস্থলীতে যে এসিড থাকে তা ব্যাটারিতে ব্যবহৃত এসিডের রাসায়নিক রূপের সাথে মিলে যায়।
- পাকস্থলীর এসিড মানেই হাইড্রোক্লোরিক এসিড বা HCl, যা আমাদের খাবার হজমে সাহায্য করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে পাকস্থলীতে কোন এসিড থাকে।
- পাকস্থলীর pH এর স্বাভাবিক মাত্রা ১.৫ থেকে ৩.৫ এর মধ্যে থাকে, যা অত্যন্ত অম্লীয়।
প্রশ্নের ধরন: আলো, শব্দ ও তরঙ্গ
সঠিক উত্তর: D) রেডিও ওয়েভ
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে রেডিও ওয়েভের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং কম্পাঙ্ক সবচেয়ে কম।
- ত্যৈতচৌম্বক বর্ণালীতে রেডিও ওয়েভ থেকে শুরু করে গামা রশ্মি পর্যন্ত বিভিন্ন তরঙ্গ রয়েছে যেখানে নিচের দিকে তরঙ্গদৈর্ঘ্য ক্রমান্বয়ে কমতে থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: তড়িৎচৌম্বক বর্ণালীর বিভিন্ন তরঙ্গের মধ্যে তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং কম্পাঙ্কের বিপরীত সম্পর্ক বিদ্যমান।
- কার্যপ্রণালি: তরঙ্গদৈর্ঘ্য বাড়লে কম্পাঙ্ক কমে যায় এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমলে কম্পাঙ্ক বেড়ে যায়।
- বাস্তব প্রয়োগ: রেডিও তরঙ্গ দূরপাল্লার যোগাযোগ, রেডিও সম্প্রচার এবং টেলিভিশন সংকেত প্রেরণে বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রেডিও এবং টেলিভিশন সম্প্রচার
ব্যাখ্যা: রেডিও তরঙ্গ বায়ুমণ্ডলের বাধা অতিক্রম করে অনেক দূর পর্যন্ত সংকেত পাঠাতে পারে কারণ এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য অনেক বেশি।
উদাহরণ ২: ওয়াইফাই এবং ব্লুটুথ প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা: আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় রেডিও তরঙ্গের একটি নির্দিষ্ট পরিসর ব্যবহার করে ডেটা আদান প্রদান করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাল আলো — দৃশ্যমান আলোর মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলেও তা রেডিও ওয়েভের চেয়ে অনেক কম।
B) নীল আলো — দৃশ্যমান আলোর মধ্যে নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম এবং এর কম্পাঙ্ক বেশি।
C) মাইক্রোওয়েভ — মাইক্রোওয়েভের তরঙ্গদৈর্ঘ্য রেডিও ওয়েভের চেয়ে কম এবং অবলোহিত রশ্মির চেয়ে বেশি।
D) রেডিও ওয়েভ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ দৃশ্যমান আলো ও মাইক্রোওয়েভের চেয়ে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সর্বাধিক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ত্যৈতচৌম্বক বর্ণালীর ক্রম মনে রাখতে রেডিও থেকে গামা পর্যন্ত সাজালে রেডিওর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবার ওপরে অর্থাৎ সবচেয়ে বেশি থাকে।
- তরঙ্গদৈর্ঘ্য যার বেশি, তার শক্তি ও কম্পাঙ্ক তত কম হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম।
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তড়িৎচৌম্বক বর্ণালীর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
সঠিক উত্তর: A) ডাইঅপটার
১. কেন সঠিক:
লেন্সের ক্ষমতা হলো কোনো লেন্সের আলোকরশ্মি অভিসারী বা অপসারী করার সামর্থ্যের পরিমাপ। লেন্সের ফোকাস দূরত্বের মিটার এককে প্রকাশিত মানের ব্যস্তানুপাতকে লেন্সের ক্ষমতা বলা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: লেন্সের ফোকাস দূরত্ব যত কম হয়, লেন্সের ক্ষমতা তত বেশি হয়।
সূত্র: ক্ষমতা সমান ১ ভাগ ফোকাস দূরত্ব মিটার এককে।
একক: ক্ষমতার আন্তর্জাতিক একক হলো ডাইঅপটার, যাকে সংক্ষেপে ডি লেখা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চশমার প্রেসক্রিপশনে প্লাস দুই দশমিক শূন্য শূন্য ডাইঅপটার লেখা থাকা।
ব্যাখ্যা: এটি নির্দেশ করে যে ওই লেন্সটি দূরদর্শিতা বা হাইপারোপিয়া ত্রুটি সংশোধনের জন্য ব্যবহৃত উত্তল লেন্স।
উদাহরণ ২: মাইনাস এক দশমিক পাঁচ শূন্য ডাইঅপটার ক্ষমতার লেন্স।
ব্যাখ্যা: এটি নির্দেশ করে যে ওই লেন্সটি নিকট দৃষ্টিশক্তি বা মায়োপিয়া ত্রুটি সংশোধনের জন্য ব্যবহৃত অবতল লেন্স।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডাইঅপটার — এটি লেন্সের ক্ষমতার সঠিক আন্তর্জাতিক একক।
B) ডেসিবেল — এটি শব্দের তীব্রতা বা শব্দ প্রাবল্য পরিমাপের একক।
C) ওয়াট — এটি ক্ষমতা বা শক্তির হার পরিমাপের একক।
D) মিটার — এটি দৈর্ঘ্য বা দূরত্ব পরিমাপের মৌলিক একক।
৫. মনে রাখার টিপস:
ক্ষমতার প্রথম অক্ষর ক এবং ডাইঅপটারের প্রথম অক্ষর ড যুক্ত করে ক-ড বা লেন্সের ক্ষমতা ডাইঅপটারে মাপা হয় এভাবে মনে রাখা যায়। ফোকাস দূরত্ব মিটারে থাকলে তবেই ক্ষমতা ডাইঅপটারে প্রকাশিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
উত্তল লেন্সের ক্ষমতা ধনাত্মক এবং অবতল লেন্সের ক্ষমতা ঋণাত্মক হয়। এই ধারণাটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার পদার্থবিজ্ঞানের অংশে প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
সঠিক উত্তর: D) রন্টজেনিয়াম
১. কেন সঠিক:
- রন্টজেনিয়াম একটি কৃত্রিমভাবে তৈরি তেজস্ক্রিয় মৌল এবং পর্যায় সারণির একাদশ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হলেও এটি ঐতিহ্যবাহী মুদ্রা ধাতু নয়।
- প্রাচীনকাল থেকেই মুদ্রা তৈরিতে কেবল প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্ত কপার, সিলভার ও গোল্ড ব্যবহৃত হয়ে আসছে, যা এই মৌলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পর্যায় সারণির একাদশ শ্রেণিতে কপার, সিলভার, গোল্ড এবং রন্টজেনিয়াম অবস্থিত হলেও প্রথম তিনটি প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্ত এবং মুদ্রা ধাতু হিসেবে পরিচিত।
- কার্যপ্রণালি: রন্টজেনিয়াম পরীক্ষাগারে কৃত্তিম উপায়ে কণা ত্বরক যন্ত্রে ভারী নিউক্লিয়াস সংঘাতের মাধ্যমে তৈরি করা হয় এবং এর অর্ধায়ু অত্যন্ত কম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যে তামা বা কপার দিয়ে মুদ্রা তৈরি করা হতো।
ব্যাখ্যা: এটি দেখায় কপার প্রকৃতির সহজলভ্যতা ও স্থায়িত্বের কারণে প্রাচীনকাল থেকে মুদ্রা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
উদাহরণ ২: প্রাচীন গ্রিসের সময় থেকে রূপা বা সিলভার দিয়ে মুদ্রা তৈরি করা হতো।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে সিলভার ধাতু তার ঔজ্জ্বল্য ও রাসায়নিক নিষ্ক্রিয়তার জন্য মুদ্রার উপাদান হিসেবে সমাদৃত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কপার — এটি পর্যায় সারণির একাদশ শ্রেণির প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্ত একটি মৌল এবং প্রাচীনকাল থেকে মুদ্রা তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
B) সিলভার — এটি রূপা নামে পরিচিত, একটি মূল্যবান প্রাকৃতিক ধাতু এবং বিশ্বজুড়ে মুদ্রা ও অলংকার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
C) গোল্ড — এটি স্বর্ণ নামে পরিচিত, সবচেয়ে পরিচিত মূল্যবান ধাতু যা প্রাচীনকাল থেকে মুদ্রা ও সঞ্চয়ী মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
D) রন্টজেনিয়াম — এটি একটি কৃত্রিম তেজস্ক্রিয় মৌল, যার কোনো ঐতিহাসিক মুদ্রা তৈরির ব্যবহার নেই এবং এটি অত্যন্ত অস্থির প্রকৃতির।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুদ্রা ধাতু চেনার সহজ উপায় হলো তামার তৈরি মুদ্রা, রূপার মুদ্রা এবং সোনার মুদ্রার কথা মনে রাখা।
- পর্যায় সারণির একাদশ শ্রেণির প্রথম তিনটি মৌল মুদ্রা ধাতু হলেও শেষের কৃত্রিম মৌলটি এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় কোন মৌলটি মুদ্রা ধাতু নয় বা কৃত্রিম তেজস্ক্রিয় মৌল।
- পর্যায় সারণির একাদশ শ্রেণির মৌলগুলোর নাম এবং তাদের প্রাকৃত বা কৃত্রিম উৎস সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) DNA এবং প্রোটিন
১. কেন সঠিক:
- ক্রোমোসোমের মূল উপাদান হলো ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড বা DNA এবং হিস্টোনসহ বিভিন্ন প্রোটিন।
- এই দুটি উপাদান একত্রে যুক্ত হয়ে কোষের জিনগত তথ্য সংরক্ষণ করে এবং তা পরবর্তী প্রজন্মে স্থানান্তরিত করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ইউক্যারিওটিক কোষে ক্রোমোসোম মূলত DNA এবং হিস্টোন প্রোটিনের জটিল সংমিশ্রণে গঠিত।
- কার্যপ্রণালি: সুতার মতো দীর্ঘ DNA অণু অত্যন্ত কুন্ডলিত হয়ে ছোট প্রোটিন অণুর চারপাশে পেঁচিয়ে ক্রোমোসোম তৈরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের কোষে থাকা তেইশ জোড়া ক্রোমোসোম।
ব্যাখ্যা: এগুলি DNA ও প্রোটিনের সমন্বয়ে গঠিত বলেই মানুষের বংশগত বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করতে পারে।
উদাহরণ ২: ভাইরাসের ক্ষেত্রে নিউক্লেইক অ্যাসিড ও প্রোটিনের আবরণ।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে বংশগত বস্তু হিসেবে DNA এবং প্রোটিনের যৌথ উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) DNA — শুধু DNA ক্রোমোসোমের সম্পূর্ণ গঠন তৈরি করে না, কারণ এর সাথে প্রোটিন আবশ্যক।
B) DNA এবং প্রোটিন — এটি সঠিক কারণ ক্রোমোসোম এই দুটি উপাদানেই গঠিত।
C) RNA — RNA কোষের আমিষ সংশ্লেষে প্রধান ভূমিকা রাখে, ক্রোমোসোমের প্রধান গঠন উপাদান নয়।
D) প্রোটিন — শুধু প্রোটিন দিয়ে ক্রোমোসোম গঠিত হয় না, এর সাথে DNA থাকা বাধ্যতামূলক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ক্রোমোসোমের গঠন মনে রাখতে ডিপি (DP) বা DNA + Protein এই সংক্ষিপ্ত রূপটি মাথায় রাখতে পারো।
- কোষের কেন্দ্রিকাতে DNA এবং প্রোটিন মিলে জিনের ভাণ্ডার তৈরি করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্রোমোসোমের রাসায়নিক উপাদান সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ক্রোমোসোমে DNA এবং প্রোটিনের অনুপাত কত, এই সম্পর্কিত প্রশ্নও পরবর্তীতে আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) লিউকেমিয়া
১. কেন সঠিক:
লিউকেমিয়া হলো রক্ত কোষের এক ধরনের ক্যান্সার যা মূলত শ্বেত রক্তকণিকার অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে ঘটে।
অস্থিমজ্জায় রক্তকণিকা তৈরির প্রক্রিয়ায় ত্রুটি দেখা দিলে এই মারাত্মক রোগটির সৃষ্টি হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: লিউকেমিয়া হলো রক্তের ক্যান্সার।
কার্যপ্রণালি: মানবদেহের অস্থিমজ্জা অতিরিক্ত এবং অপরিণত শ্বেত রক্তকণিকা উৎপাদন শুরু করে যা স্বাভাবিক রক্তকণিকার কাজ ব্যাহত করে।
কারণ ও ফলাফল: অস্বাভাবিক কোষগুলো সুস্থ লোহিত রক্তকণিকা ও অনুচক্রিকার স্থান দখল করে নেয় ফলে রক্তাল্পতা, ইনফেকশন এবং রক্তপাতের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একজন সুস্থ মানুষের রক্তে শ্বেত রক্তকণিকার একটি নির্দিষ্ট মাত্রা থাকে কিন্তু লিউকেমিয়া রোগীর রক্ত পরীক্ষায় এই মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বহুগুণ বেশি পাওয়া যায়।
ব্যাখ্যা: এটি থেকে বোঝা যায় অস্থিমজ্জা অনিয়ন্ত্রিতভাবে শ্বেত রক্তকণিকা তৈরি করছে যা রোগের মূল লক্ষণ।
উদাহরণ ২: প্রায়শই ঠান্ডা লাগা বা ইনফেকশনে আক্রান্ত হওয়া এবং শরীরে নীলচে দাগ দেখা দেওয়া।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে গেছে এবং রক্ত জমাট বাঁধার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লিউকেমিয়া — এটি রক্ত বা শ্বেত রক্তকণিকার ক্যান্সার বোঝাতে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
B) এ্যানিমিয়া — এটি রক্তে হিমোগ্লোবিন বা লোহিত রক্তকণিকার ঘাটতিজনিত রোগ, যা কোনো ক্যান্সার নয়।
C) Blood Clotting — এটি রক্তের তরল থেকে অর্ধকঠিন বা কঠিন পিণ্ডে পরিণত হওয়ার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, কোনো রোগ বা ক্যান্সার নয়।
D) অ্যানজিয়া — এটি হৃদপিণ্ডে পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ না পাওয়ার কারণে বুকে তীব্র ব্যথার একটি উপসর্গ, যা রক্ত কোষের ক্যান্সার নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
লিউ শব্দটির সাথে রক্তের সংযোগ মনে রাখবে কারণ লিউকোসাইট মানে শ্বেত রক্তকণিকা আর মিয়া মানে অসুস্থতা।
শ্বেত রক্তকণিকার অতিরিক্ত বৃদ্ধি থেকেই মূলত লিউকেমিয়া নামটি এসেছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রক্তে শ্বেত রক্তকণিকার মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়াকে লিউকেমিয়া বলা হয়।
একই রকম প্রশ্ন আসতে পারে লোহিত রক্তকণিকার ঘাটতি জনিত রোগ কোনটি, যার উত্তর হবে এ্যানিমিয়া।
সঠিক উত্তর: B) মিথেন
১. কেন সঠিক:
সিএনজি বা কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন গ্যাস।
প্রাকৃতিক গ্যাসকে উচ্চ চাপে সংকুচিত করে এই জ্বালানি প্রস্তুত করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: সিএনজি হলো মূলত প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি সংকুচিত রূপ যা যানবাহনে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
রাসায়নিক সংকেত: মিথেনের রাসায়নিক সংকেত সিএইচফোর, যেখানে একটি কার্বন পরমাণুর সঙ্গে চারটি হাইড্রোজেন পরমাণু যুক্ত থাকে।
কার্যপ্রণালি: প্রাকৃতিক গ্যাসকে প্রায় দুইশ থেকে আড়াইশ বার চাপে সিলিন্ডারে ভরে তরল বা গ্যাসীয় অবস্থায় সংরক্ষণ করা হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: পরিবেশবান্ধব জ্বালানি হিসেবে বাস, কার ও অটোরিকশায় সিএনজি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা শহরের অনেক সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও বাস।
ব্যাখ্যা: এসব যানবাহন চালাতে পেট্রোল বা ডিজেলের পরিবর্তে সিএনজি ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: বাসার চুলায় ব্যবহৃত প্রাকৃতিক গ্যাস।
ব্যাখ্যা: এই প্রাকৃতিক গ্যাসেরও প্রধান উপাদান মিথেন যা রান্নার কাজে শক্তি জোগায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সিজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের একটি গ্যাস যা সরাসরি দহনে সহায়তা করে কিন্তু সিএনজির মূল উপাদান নয়।
B) মিথেন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান।
C) ইথেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি উপাদান হলেও এর পরিমাণ মিথেনের চেয়ে অনেক কম থাকে।
D) অকটেন — এটি পেট্রোলিয়াম থেকে প্রাপ্ত একটি তরল হাইড্রোকার্বন যা পেট্রোলের গুণমান নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সিএনজি মানেই প্রাকৃতিক গ্যাস আর প্রাকৃতিক গ্যাস মানেই মিথেন।
মিথেন হলো সবচেয়ে সহজ ও হালকা হাইড্রোকার্বন গ্যাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সিএনজির পূর্ণরূপ হলো কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস।
এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) বাড়ে
১. কেন সঠিক:
তাপমাত্রা বাড়লে পরিবাহীর উপাদানের পরমাণুগুলোর কম্পন বৃদ্ধি পায়।
এর ফলে ইলেকট্রন প্রবাহের পথে বাধা বা রোধ বেড়ে যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: পরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে এর রোধ বৃদ্ধির এই সম্পর্কটি একটি নির্দিষ্ট গাণিতিক সমীকরণ দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
সূত্র: রোধের পরিবর্তন প্রকাশের সমীকরণটি হলো আরটি সমান আরজিরোট গুণ বন্ধনী শুরু এক যোগ আলফা টি বন্ধনী শেষ। এখানে আরটি হলো নির্দিষ্ট তাপমাত্রার রোধ, আরজিরোট হলো শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসের রোধ এবং আলফা হলো রোধের উষ্ণতা গুণাঙ্ক।
কার্যপ্রণালি: তাপমাত্রা বাড়লে পরিবাহীর মুক্ত ইলেকট্রনগুলোর গতিশক্তি বেড়ে যায় এবং তারা আয়নগুলোর সঙ্গে বেশি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
কারণ ও ফলাফল: এই ঘনঘন সংঘর্ষের কারণে তড়িৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়, যা রোধ বৃদ্ধি হিসেবে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বৈদ্যুতিক বাল্ব জ্বালানোর কিছু সময় পর ফিলামেন্ট খুব গরম হয়ে যায় এবং এর রোধ বেড়ে যায়।
ব্যাখ্যা: ফিলামেন্ট গরম হওয়ার কারণে এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ কিছুটা হ্রাস পায়।
উদাহরণ ২: লোহার তারের তাপমাত্রা বাড়ালে তারের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ চলাচলের ক্ষমতা কমে যায়।
ব্যাখ্যা: তাপমাত্রা বাড়ার ফলে রোধ বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদ্যুৎ প্রবাহে বেশি বাধা সৃষ্টি হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাড়ে — এই অপশনটি সঠিক কারণ তাপমাত্রা বাড়লে ধাতব পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায়।
B) কমে — এই অপশনটি ভুল কারণ তাপমাত্রা বাড়লে পরিবাহীর রোধ কমে না, বরং অর্ধপরিবাহীর ক্ষেত্রে রোধ কমে।
C) অপরিবর্তিত থাকে — এই অপশনটি ভুল কারণ তাপমাত্রা পরিবর্তন করলে ধাতব পরিবাহীর রোধ কখনো অপরিবর্তিত থাকে না।
D) শূন্য হয় — এই অপশনটি ভুল কারণ বিশেষ কিছু অতিপরিবাহী অবস্থা ছাড়া সাধারণ তাপমাত্রায় পরিবাহীর রোধ কখনোই শূন্য হয় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
তাপমাত্রা বাড়লে পরিবাহীর রোধ বাড়ে, এই কথাটি মনে রাখতে তা বা সূত্রটি মাথায় রাখতে পারো।
অর্থাৎ তাপমাত্রা এবং রোধ সমমুখীভাবে পরিবর্তিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ধাতব পরিবাহীর তাপমাত্রা বাড়লে রোধ বাড়ে, কিন্তু অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা বাড়লে রোধ কমে।
বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় এই দুটি ধারণার ওপর প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) মার্কারী
১. কেন সঠিক:
মার্কারী বা পারদ একটি ব্যতিক্রমী ধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে। এর পারমাণবিক গঠন এবং আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলের দুর্বলতার কারণে এটি কক্ষ তাপমাত্রায় কঠিন না হয়ে তরল হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ধাতু সাধারণত কঠিন হলেও পারদ এর ব্যতিক্রম কারণ এর যোজ্যতা ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসের সঙ্গে খুব শক্তভাবে আবদ্ধ থাকে না। ফলে পারমাণবিক জালক বা ক্রিস্টাল স্ট্রাকচার তৈরি করতে পারে না এবং অণুগুলোর মধ্যে আকর্ষণ কম থাকে।
বাস্তব প্রয়োগ: থার্মোমিটার এবং স্ফিগমোনোমিটার বা রক্তচাপ মাপার যন্ত্রে তাপমাত্রা বা চাপের পরিবর্তনের সঙ্গে পারদের প্রসারণশীলতা ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জ্বর মাপার সাধারণ কাচ থার্মোমিটারে রূপালী রঙের তরল পারদ ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা: শরীরের সামান্য তাপমাত্রার পরিবর্তনে পারদ দ্রুত প্রসারিত হয়ে সঠিক তাপমাত্রা নির্দেশ করতে পারে।
উদাহরণ ২: আবহাওয়া পরিমাপক যন্ত্র বা ব্যারোমিটারে পারদের ব্যবহার।
ব্যাখ্যা: বায়ুমণ্ডলের চাপের তারতম্য নির্ভুলভাবে পরিমাপ করতে তরল পারদের ঘনত্ব ও সান্দ্রতা অত্যন্ত উপযোগী।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রেডিয়াম — এটি একটি তেজস্ক্রিয় ধাতু যা কক্ষ তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে এবং এটি উজ্জ্বল আলো ছড়ায়।
B) জিংক — এটি একটি ভারী ধাতু যা সাধারণ কক্ষ তাপমাত্রায় উজ্জ্বল কঠিন বা শক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।
C) প্লাটিনাম — এটি একটি মূল্যবান রূপালী রঙের কঠিন ধাতু যা অত্যন্ত ক্ষয়রোধী এবং শক্ত হয়।
D) মার্কারী — এটি একমাত্র ধাতু যা স্বাভাবিক কক্ষ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় অবস্থান করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
পারদকে বাংলায় পারদ বা ইংরেজিতে মার্কারী বলা হয় এবং এর রাসায়নিক প্রতীক এইচজি। মনে রাখবে এটিই একমাত্র ধাতু যা থার্মোমিটারে তরল হিসেবে থার্মোমিটারের ভেতরে ওঠানামা করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিটিটিভ পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন অধাতু তরল এবং কোন ধাতু তরল। মনে রাখবে তরল অধাতু হলো ব্রোমিন এবং তরল ধাতু হলো পারদ বা মার্কারী।
সঠিক উত্তর: B) কপার ও টিন
১. কেন সঠিক:
- ব্রোঞ্জ হলো একটি ধাতুসংকর বা সংকর ধাতু, যা মূলত তামা বা কপার এবং টিনের মিশ্রণে তৈরি করা হয়।
- খাঁটি তামা নরম হলেও এর সঙ্গে নির্দিষ্ট অনুপাতে টিন মেশালে এর কাঠিন্য, শক্তি এবং স্থায়িত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: দুই বা ততোধিক ধাতু অথবা একটি ধাতু ও একটি অধাতুর সমসত্ত্ব মিশ্রণকে সংকর ধাতু বা অ্যালয় বলা হয়।
- কার্যপ্রণালি: গলিত তামার সঙ্গে টিন নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশিয়ে এবং পরে ঠান্ডা করে ব্রোঞ্জ তৈরি করা হয়।
- কারণ ও ফলাফল: তামার সঙ্গে টিন মেশানোর ফলে ধাতুর কেলাসের গঠন পরিবর্তিত হয়, যা একে অধিক টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী করে তোলে।
- বাস্তব প্রয়োগ: প্রাচীনকাল থেকেই মূর্তি, মুদ্রা, পদক এবং জাহাজের প্রপেলার তৈরিতে ব্রোঞ্জ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঐতিহাসিক প্রাচীন মুদ্রা তৈরি।
ব্যাখ্যা: প্রাচীন সভ্যতায় টেকসই ও সহজে ক্ষয় হয় না এমন মুদ্রা তৈরিতে কপার ও টিনের এই সংকর ধাতু ব্যবহার করা হতো।
উদাহরণ ২: অলিম্পিক গেমসের ব্রোঞ্জ পদক।
ব্যাখ্যা: ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অধিকারীদের যে পদক দেওয়া হয়, তা এই ব্রোঞ্জ বা তামা ও টিনের সংমিশ্রণ দিয়েই তৈরি করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অ্যালুমিনিয়াম ও টিন — এই দুটি ধাতু মিশিয়ে ব্রোঞ্জ তৈরি হয় না, তবে অ্যালুমিনিয়ামের নিজস্ব বিভিন্ন সংকর ধাতু রয়েছে।
B) কপার ও টিন — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ ব্রোঞ্জের মূল উপাদান হলো কপার ও টিন।
C) কপার ও সিলভার — কপার ও সিলভারের মিশ্রণে রূপালী রঙের সংকর ধাতু তৈরি হতে পারে, কিন্তু একে ব্রোঞ্জ বলে না।
D) কপার ও গোল্ড — কপার ও গোল্ডের মিশ্রণে রঙিন সংকর ধাতু বা সোনালী অলংকার তৈরি হয়, যা ব্রোঞ্জ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ব্রোঞ্জ শব্দটির সঙ্গে কপার ও টিনের সম্পর্ক মনে রাখতে কপার এবং টিনের মিশ্রণের কথা মনে রাখবে।
- সংকর ধাতু মানেই একাধিক ধাতুর মিশ্রণ, আর ব্রোঞ্জের প্রধান উপাদান হলো তামা বা কপার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন সংকর ধাতুর উপাদান প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- পিতল কোন দুটি ধাতুর সংকর, এই প্রশ্নটি ব্রোঞ্জের মতোই সমান গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: A) পেরিস্কোপ
১. কেন সঠিক:
পেরিস্কোপ তৈরিতে সমতল দর্পণ ব্যবহার করা হয় কারণ এটি আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটিয়ে কোনো প্রতিবন্ধকের আড়ালে থাকা বস্তু স্পষ্ট দেখতে সাহায্য করে।
এখানে দুটি সমতল দর্পণকে সমান্তরালে এবং পঁয়তাল্লিশ ডিগ্রি কোণে স্থাপন করা হয় যাতে আলো দুইবার প্রতিফলিত হয়ে দর্শকের চোখে পৌঁছায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: আলোর প্রতিফলন এবং সমতল দর্পণের বৈশিষ্ট্য।
কার্যপ্রণালি: পেরিস্কোপের নলের দুই প্রান্তে দুটি সমতল দর্পণ পরস্পরের সমান্তরালে রাখা হয়। ওপরের দর্পণে বাইরের বস্তুর আলো পড়ে প্রতিফলিত হয়ে নিচে আসে এবং নিচের দর্পণে আবার প্রতিফলিত হয়ে দর্শকের চোখে পড়ে।
বাস্তব প্রয়োগ: সাবমেরিন থেকে পানির নিচে থেকে পানির ওপরের দৃশ্য দেখার জন্য এবং যুদ্ধক্ষেত্রে খাদের ভেতর থেকে শত্রুর গতিবিধি পর্যবেক্ষণে এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাবমেরিনের পেরিস্কোপ।
ব্যাখ্যা: পানির নিচে থেকে সাবমেরিনের নৌকর্মীরা সমুদ্রের উপরিভাগের জাহাজ বা শত্রুর অবস্থান নিরাপদে পর্যবেক্ষণ করতে সমতল দর্পণের এই প্রতিফলন কৌশল ব্যবহার করেন।
উদাহরণ ২: পরিখার ভেতরের পেরিস্কোপ।
ব্যাখ্যা: যুদ্ধক্ষেত্রে সৈনিকরা মাটির গভীরে বা পরিখায় লুকিয়ে থেকে সমতল দর্পণযুক্ত পেরিস্কোপের সাহায্যে মাথার ওপরে শত্রুর আক্রমণ বা চারপাশের পরিস্থিতি দেখতে পান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পেরিস্কোপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে দুটি সমতল দর্পণ নির্দিষ্ট কোণে স্থাপন করে আলো প্রতিফলিত করা হয়।
B) ক্যামেরা — এটি ভুল কারণ ক্যামেরায় প্রতিসরণের নীতিতে কাজ করে এমন উত্তল লেন্স ব্যবহৃত হয়।
C) টেলিস্কোপ — এটি ভুল কারণ দূরবর্তী বস্তু দেখার এই যন্ত্রে একাধিক লেন্স বা অবতল দর্পণ ব্যবহৃত হয়।
D) মাইক্রোস্কোপ — এটি ভুল কারণ অতি ক্ষুদ্র বস্তু বড় করে দেখার এই যন্ত্রে উত্তল লেন্সের প্রতিসরণ ব্যবহার করা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
পেরিস্কোপ শব্দটির সাথে লুকিয়ে থাকা বস্তু দেখার সম্পর্ক রয়েছে এবং এর ভেতরের মূল হাতিয়ার হলো সমতল দর্পণ।
মনে রাখবে যেখানেই বাধা অতিক্রম করে দেখার দরকার হয়, সেখানেই সমতল দর্পণের প্রতিফলন কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সমতল দর্পণে গঠিত প্রতিবিম্ব সর্বদা অসদ, সোজা এবং বস্তুর সমান আকারের হয়।
এই একই প্রতিফলন নীতি ব্যবহার করে পেরিস্কোপের পাশাপাশি ক্যালাইডোস্কোপ বা বহুদর্শী যন্ত্রও তৈরি করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) প্রতিফলন
১. কেন সঠিক:
শব্দ যখন কোনো মাধ্যম দিয়ে চলার সময় কোনো কঠিন বা দৃঢ় মাধ্যমে বাধা পায়, তখন মাধ্যমটির তল থেকে ধাক্কা খেয়ে আবার আগের মাধ্যমে ফিরে আসে। শব্দের এই ফিরে আসাকেই শব্দের প্রতিফলন বলা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: শব্দের প্রতিফলন হলো সেই ঘটনা যেখানে শব্দ তরঙ্গ কোনো প্রতিবন্ধকে বাধা পেয়ে দিক পরিবর্তন করে উৎসের দিকে বা অন্য দিকে ফিরে আসে।
কার্যপ্রণালি: উৎস থেকে উৎপন্ন শব্দ বাতাসে তরঙ্গাকারে ছড়িয়ে পড়ে এবং দূরের দেয়াল বা পাহাড়ের গায়ে বাধা পেয়ে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে।
কারণ ও ফলাফল: উৎস থেকে মূল শব্দ এবং প্রতিফলিত শব্দ শোনার মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান ন্যূনতম শূন্য দশমিক এক সেকেন্ড হলে মূল শব্দের একটি পৃথক পুনরাবৃত্তি শোনা যায়, যাকে প্রতিধ্বনি বলে।
বাস্তব প্রয়োগ: বড় খালি হলরুমে কথা বললে শব্দ বারবার প্রতিফলিত হয়, যা শব্দের অনুবর্তন বা রেইনবারবেশন তৈরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কোনো বড় ফাঁকা মাঠে বা পাহাড়ের সামনে দাঁড়িয়ে উচ্চস্বরে চিৎকার করলে কিছু সময় পর নিজের গলার আওয়াজ আবার শুনতে পাওয়া যায়।
ব্যাখ্যা: পাহাড়ের গায়ে শব্দ বাধা পেয়ে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে বলেই আমাদের কানে প্রতিধ্বনি হিসেবে ধরা পড়ে।
উদাহরণ ২: সমুদ্রের গভীরতা মাপার যন্ত্র বা সোনার প্রযুক্তিতে জাহাজের তলা থেকে শব্দ তরঙ্গের প্রতিফলন ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: শব্দ পানিতে পাঠিয়ে তা সমুদ্রের তলদেশ থেকে ফিরে আসতে কত সময় নেয় তা মেপে গভীরতা নির্ণয় করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রতিফলন — সঠিক উত্তর কারণ শব্দ বাধা পেয়ে ফিরে আসার ফলেই প্রতিধ্বনি সৃষ্টি হয়।
B) প্রতিসরণ — এটি আলোর বা শব্দের এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে ঢোকার সময় দিক পরিবর্তনের ঘটনা, যা প্রতিধ্বনির কারণ নয়।
C) উপরিপাতন — এটি দুটি তরঙ্গের মিলিত হওয়ার ঘটনা, যার ফলে শব্দের ব্যতিচার বা চরম ও অবম দশা সৃষ্টি হতে পারে।
D) সমপাতন — এটি সাধারণ অর্থে দুটি ঘটনার মিলে যাওয়া বোঝায়, যা শব্দবিজ্ঞানের কোনো নির্দিষ্ট মূল তরঙ্গ প্রক্রিয়া নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রতিধ্বনি মানে শব্দের ফিরে আসা এবং ফিরে আসার বৈজ্ঞানিক নাম হলো প্রতিফলন। আলো যেভাবে আয়নায় প্রতিফলিত হয়, শব্দও সেভাবে দেয়ালে প্রতিফলিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিধ্বনি শোনার জন্য উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব প্রায় সতেরো মিটার বা ছত্রিশ দশমিক ছয় ফুট হতে হবে। কান মানুষের শব্দের রেশ শূন্য দশমিক এক সেকেন্ড ধরে রাখে, এই তথ্যটি বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: D) সফটওয়্যার
১. কেন সঠিক:
এন্টিভাইরাস হলো এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা কোডের সমষ্টি যা কোনো ডিভাইসে ইনস্টল করা থাকে।
এটি কম্পিউটারের মেমোরিতে থাকা ফাইল ও প্রোগ্রামগুলো স্ক্যান করে ক্ষতিকর কোড বা ম্যালওয়্যার শনাক্ত ও অপসারণ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: এন্টিভাইরাস হলো এমন একটি ইউটিলিটি সফটওয়্যার যা ক্ষতিকর প্রোগ্রাম বা ভাইরাস শনাক্ত, প্রতিরোধ ও ধ্বংস করতে ব্যবহৃত হয়।
কার্যপদ্ধতি: এটি সিগনেচার ম্যাচিং ও হিউরিস্টিক অ্যানালাইসিসের মাধ্যমে ফাইলের গঠন পরীক্ষা করে ক্ষতিকর কার্যক্রম খুঁজে বের করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্যাসপারস্কি এন্টিভাইরাস
ব্যাখ্যা: এটি একটি জনপ্রিয় এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা কম্পিউটারে প্রবেশ করার আগেই ইন্টারনেট থেকে আসা ভাইরাস ব্লক করে।
উদাহরণ ২: উইন্ডোজ ডিফেন্ডার
ব্যাখ্যা: এটি মাইক্রোসফট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সাথে বিল্ট-ইন বা প্রি-ইনস্টলড সফটওয়্যার হিসেবে থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিস্টেম সফটওয়্যার — সিস্টেম সফটওয়্যার হলো অপারেটিং সিস্টেম বা ড্রাইভার যা হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ করে, এন্টিভাইরাস সরাসরি সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করে না।
B) ম্যালওয়্যার — ম্যালওয়্যার হলো ক্ষতিকর সফটওয়্যার, আর এন্টিভাইরাস ম্যালওয়্যার ধ্বংস করে, তাই এটি ম্যালওয়্যার নয়।
C) হার্ডওয়্যার — হার্ডওয়্যার হলো কম্পিউটারের দৃশ্যমান ও স্পর্শনীয় শারীরিক অংশ, কিন্তু এন্টিভাইরাস হলো অদৃশ্য কোডের সমষ্টি বা সফটওয়্যার।
D) সফটওয়্যার — এটি সঠিক কারণ এন্টিভাইরাস একটি কোডভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভাইরাস যেমন ক্ষতিকর সফটওয়্যার, তেমনি ভাইরাস তাড়ানোর জন্য যে প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয় তা একটি প্রতিরক্ষামূলক সফটওয়্যার।
সফটওয়্যার কখনো ছোঁয়া যায় না, কেবল রান করা যায়, তাই এন্টিভাইরাসও একটি সফটওয়্যার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার ভাইরাসের নাম ক্রিপার এবং প্রথম বাণিজ্যিক এন্টিভাইরাসের নাম গ্রিডলিয়ার।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এন্টিভাইরাসকে ইউটিলিটি সফটওয়্যারের একটি প্রকার হিসেবে প্রশ্ন করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) প্রিন্টার
১. কেন সঠিক:
প্রিন্টার হলো একটি আউটপুট ডিভাইস কারণ এটি কম্পিউটারের ভেতর থাকা ডিজিটাল বা সফট কপিকে কাগজে প্রিন্ট করে হার্ড কপিতে রূপান্তর করে।
ব্যবহারকারী কম্পিউটারে যা তৈরি করেন বা নির্দেশ দেন, প্রিন্টার তা দৃশ্যমান বা বোধগম্য আউটপুট হিসেবে আমাদের হাতে পৌঁছে দেয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: যে সব হার্ডওয়্যার ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে প্রসেস করা ডেটা ব্যবহারকারীর কাছে দৃশ্যমান, শ্রবণযোগ্য বা প্রিন্টেড আকারে প্রকাশিত হয়, সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার থেকে পাঠানো সিগন্যাল গ্রহণ করে প্রিন্টার কালি বা টোনারের সাহায্যে কাগজের ওপর লেখা বা ছবি ফুটিয়ে তোলে।
ব্যবহার: দাপ্তরিক কাজ, ছবি প্রিন্ট করা, বই ও ডকুমেন্ট তৈরির কাজে প্রিন্টার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মনিটর বা ডিসপ্লে স্ক্রিন।
ব্যাখ্যা: এটি একটি ভিজ্যুয়াল আউটপুট ডিভাইস যা কম্পিউটারের প্রসেসিং ফলাফল চোখের সামনে প্রদর্শন করে।
উদাহরণ ২: স্পিকার।
ব্যাখ্যা: এটি একটি অডিও আউটপুট ডিভাইস যা ডিজিটাল অডিও সিগন্যালকে মানুষের বোধগম্য শব্দে রূপান্তরিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাউস — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটারে নির্দেশ বা ডেটা প্রেরণ করেন।
B) প্রিন্টার — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি প্রসেস করা ডেটা বাইরে প্রকাশ করে।
C) কি বোর্ড — এটি একটি প্রধান ইনপুট ডিভাইস যার সাহায্যে কম্পিউটারে লেখা বা কমান্ড ইনপুট করা হয়।
D) স্ক্যানার — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস যা কাগজের হার্ড কপিকে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে কম্পিউটারে পাঠায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইনপুট মানে কম্পিউটারের ভেতরে তথ্য প্রবেশ করানো যেমন কিবোর্ড ও মাউস।
আউটপুট মানে কম্পিউটার থেকে ফলাফল বাইরে বের করে আনা যেমন প্রিন্টার ও মনিটর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসের শ্রেণিবিভাগ থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
কোন ডিভাইস ইনপুট এবং কোনটি আউটপুট, তা ডিভাইসের কার্যকারিতা বুঝে নির্ধারণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ধ্বনি
১. কেন সঠিক:
মানুষের মুখনিঃসৃত ক্ষুদ্রতম আওয়াজ বা বোধগম্য একক হলো ধ্বনি, যা ভাষার মূল বা মৌলিক উপাদান হিসেবে বিবেচিত।
ভাষার প্রাথমিক ভিত্তি হলো ধ্বনি, কারণ ধ্বনি থেকেই শব্দ এবং শব্দ থেকেই বাক্য তৈরি হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ধ্বনি হলো ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক, যা কান দিয়ে শোনা যায় এবং মুখ দিয়ে উচ্চারণ করা যায়।
ভাষার প্রধান উপাদান চারটি যথা ধ্বনি, শব্দ, বাক্য এবং অর্থ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ, আ, ক, খ
ব্যাখ্যা: এগুলো একেকটি মৌলিক ধ্বনি বা বর্ণ, যা দিয়ে ভাষার শব্দ গঠিত হয়।
উদাহরণ ২: কলম
ব্যাখ্যা: ক, ল এবং ম এই তিনটি ধ্বনি বা বর্ণ মিলে একটি অর্থপূর্ণ শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, কিন্তু ভাষার মূল বা উচ্চারিত উপাদান হলো ধ্বনি।
C) শব্দ — এক বা একাধিক ধ্বনি মিলে শব্দ তৈরি হয়, তাই শব্দ ভাষার মূল উপাদান নয় বরং পরবর্তী ধাপ।
D) বাক্য — শব্দ বা পদের সমন্বয়ে বাক্য গঠিত হয়, যা ভাষার সবচেয়ে বড় একক।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভাষার মূল উপাদান জানতে চাইলে প্রথমে ধ্বনি মনে রাখবে কারণ ধ্বনি ছাড়া কোনো শব্দ বা বাক্য তৈরি হয় না।
ধ্বনি হলো ভাষার ইট এবং বাক্য হলো সম্পূর্ণ ভবন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ভাষার মূল উপাদান কী এই প্রশ্নটি আসে।
মনে রাখবে ভাষার মৌলিক বা মূল উপাদান ধ্বনি এবং লেখার মূল উপাদান বর্ণ।
সঠিক উত্তর: A) মুখচন্দ্র
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত সঠিক উত্তরে মুখচন্দ্র শব্দটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ, উপমিত কর্মধারয়ের নয়। তবে প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তর অনুসারে আমরা বিশ্লেষণ করছি।
- সাধারণ বস্তু বা ব্যক্তির সাথে কল্পিত বা অভেদ বোঝাতে রূপক কর্মধারয় হয়, যেখানে মুখ ও চন্দ্রের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উপমিত কর্মধারয় সমাসে সাধারণ গুণের উল্লেখ না করে উপমেয়ের সাথে উপমানের তুলনা করা হয় এবং মাঝখানে তুলনাবাচক পদের লোপ পায়।
- এখানে মুখ (উপমেয়) ও চন্দ্র (উপমান) এর মধ্যে অভেদ কল্পনা করায় এটি মূলত রূপক কর্মধারয় সমাস হিসেবে ব্যাকরণগতভাবে অধিকতর সঠিক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাদসিন্ধু
ব্যাখ্যা: বিষাদ রূপ সিন্ধু, এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের একটি классический উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ক্রাধানল
ব্যাখ্যা: ক্রোধ রূপ অনল, এখানেও অভেদ বোঝাতে রূপক কর্মধারয় সমাস হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুখচন্দ্র — মুখ চন্দ্রের ন্যায়, এই বাক্যে উপমিত কর্মধারয় সমাস হওয়ার কথা থাকলেও প্রমিত ব্যাকরণে এটি রূপক কর্মধারয় হিসেবে গণ্য।
B) কাঁচা-মিঠা — এটি একটি সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ, যা কর্মধারয় সমাসের আওতাভুক্ত নয়।
C) চন্দ্রমুখ — চন্দ্রের ন্যায় মুখ, এটি সঠিক উপমিত কর্মধারয় সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ।
D) মনমাঝি — মন রূপ মাঝি, এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের অপর একটি পরিচিত উদাহরণ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উপমিত সমাসে ন্যায় শব্দ মাঝে বা শেষে বসে এবং উপমান ও উপমেয়ের তুলনা বোঝায়।
- রূপক সমাসে ব্যাসবাক্যে রূপ বা সে শব্দ ব্যবহার করা হয় এবং অভেদ কল্পনা করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কর্মধারয় সমাস চেনার জন্য ব্যাসবাক্য এবং পূর্বপদ ও পরপদের সম্পর্ক ভালোভাবে বুঝতে হবে।
- পরীক্ষামূলক প্রশ্নপত্রে এরকম ব্যতিক্রমী বা দ্ব্যর্থক শব্দ এলে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) আরেক ফাল্গুন
১. কেন সঠিক:
- 'আরেক ফাল্গুন' গল্প বা উপন্যাস কোনোটিই কাজী নজরুল ইসলামের লেখা নয়, এটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জহির রায়হানের বিখ্যাত উপন্যাস।
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও তিনি সফলভাবে ছোটগল্প, উপন্যাস ও নাটক রচনা করেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসের রচয়িতা জহির রায়হান, যিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এই উপন্যাসটি রচনা করেন।
- কাজী নজরুল ইসলামের ছোটগল্প গ্রন্থের মধ্যে 'ব্যথার দান', 'রিক্তের বেদন' ও 'মৃত্যুক্ষুধা' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জহির রায়হানের উপন্যাস 'হাজার বছর ধরে'
ব্যাখ্যা: এটি জহির রায়হানের লেখা বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস 'মৃত্যুক্ষুধা'
ব্যাখ্যা: এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত সমাজবাস্তবতাবাদী উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আরেক ফাল্গুন — এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা নয়, বরং প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জহির রায়হানের বিখ্যাত উপন্যাস।
B) ব্যথার দান — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত ছোটগল্প গ্রন্থ।
C) রিক্তের বেদন — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প সংকলন।
D) মৃত্যুক্ষুধা — এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা প্রশ্নানুসারে তাঁরই রচনা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের গল্পের ক্ষেত্রে 'ব্যথা' ও 'রিক্ত' শব্দযুক্ত বইগুলো এবং 'মৃত্যুক্ষুধা' উপন্যাসটি মাথায় রাখবে।
- জহির রায়হানের ভাষা আন্দোলনভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস হলো 'আরেক ফাল্গুন'।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসের মূল পটভূমি হলো ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ও ভাষা আন্দোলন।
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম গল্পগ্রন্থ 'ব্যথার দান' ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) অন্নদামঙ্গল
১. কেন সঠিক:
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সবচেয়ে প্রসিদ্ধ কাব্য হলো অন্নদামঙ্গল। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শেষ কবি ভারতচন্দ্র এই কাব্য রচনা করে নদিয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার শেষ কবি এবং অষ্টাদশ শতকের প্রখ্যাত কবি। ১৭৫২ থেকে ১৭৫৩ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে তিনি মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের নির্দেশে অন্নদামঙ্গল কাব্য রচনা করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্যাসুন্দর
ব্যাখ্যা: এটি অন্নদামঙ্গল কাব্যের দ্বিতীয় অংশ এবং ভারতচন্দ্রের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি প্রণয়োপাখ্যান।
উদাহরণ ২: মানসিংহ
ব্যাখ্যা: এটি অন্নদামঙ্গল কাব্যের তৃতীয় অংশ বা অন্নপূর্ণার মাহাত্ম্যমূলক অংশ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অভয়ামঙ্গল — এই নামে কোনো বিখ্যাত মধ্যযুগীয় মঙ্গলকাব্য মূল ধারায় ব্যাপকভাবে পরিচিত নয় এবং এটি ভারতচন্দ্রের রচনা নয়।
B) শিবমঙ্গল — শিবের মহিমা প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত কিছু ক্ষুদ্র কাব্য বা পদ থাকলেও এটি ভারতচন্দ্রের কোনো স্বতন্ত্র প্রধান কাব্য নয়।
D) চণ্ডীমঙ্গল — এটি মধ্যযুগের আরেকটি বিখ্যাত মঙ্গলকাব্য ধারা যার প্রধান কবি মুক্তারাম সেন ও দ্বিজ মাধব এবং সর্বশ্রেষ্ঠ কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভারতচন্দ্রের নামের সঙ্গে অন্নদামঙ্গল মেলাতে এভাবে মনে রাখতে পারো যে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর মানেই অন্নদামঙ্গল কাব্যের অন্নপূর্ণা ও বিদ্যাসুন্দরের অমর কথকতা। মঙ্গলকাব্য বলতেই মধ্যযুগের এই শেষ কবির অন্নদামঙ্গল নামটি বারবার পরীক্ষায় আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের শেষ কবি হিসেবে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের উপাধি ছিল রায়গুণাকর এবং তাঁর জন্ম বর্তমান হাওড়া জেলার পেণ্ডো বা পান্ডুয়া গ্রামে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই কবি ভারতচন্দ্রের কাল ও তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্য সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) তৎসম
১. কেন সঠিক:
- তৎসম শব্দের অর্থ তাহার সমান অর্থাৎ সংস্কৃতির সমান। যে সমস্ত শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন না হয়ে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে।
- চন্দ্র শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এর রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, তাই এটি তৎসম শব্দের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয় যথা তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ।
- যে শব্দগুলো সংস্কৃত ভাষা থেকে প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য
ব্যাখ্যা: সূর্য শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং এর বানান অপরিবর্তিত রয়েছে, তাই এটি তৎসম শব্দ।
উদাহরণ ২: নদী
ব্যাখ্যা: নদী শব্দটির উৎস সংস্কৃত ভাষা এবং এটি বাংলা ভাষায় একইভাবে ব্যবহৃত হয়, যা তৎসম শব্দের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎসম — এই অপশনটি সঠিক কারণ চন্দ্র শব্দটি সংস্কৃত থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।
B) তদ্ভব — চন্দ্র শব্দটি প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে আসেনি, তাই এটি তদ্ভব শব্দ নয়।
C) দেশি — চন্দ্র শব্দটি আদি অস্ট্রিক বা দ্রাবিড় ভাষার কোনো দেশি শব্দ নয়, এর সরাসরি সংস্কৃত উৎস আছে।
D) বিদেশি — চন্দ্র শব্দটি আরবি, ফার্সি বা ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলায় আসেনি, তাই এটি বিদেশি শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আকাশের চাঁদ বা চন্দ্র দেখলে মনে রাখবে আকাশের এই গ্রহ বা উপগ্রহগুলোর নাম সাধারণত তৎসম শব্দ হয়।
- যেসব শব্দের নিচে বা উপরে ফলা বা ঋ-কার থাকে যেমন চন্দ্র, সূর্য, তাদের অধিকাংশই তৎসম শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম ও তদ্ভব শব্দ চেনার জন্য শব্দের উৎস ও রূপ পরিবর্তন খেয়াল রাখতে হবে।
- সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী সরাসরি ব্যবহৃত শব্দগুলো সর্বদা তৎসম হিসেবে চিহ্নিত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- 'বই পড়া' প্রবন্ধটির রচয়িতা বিখ্যাত প্রমথ চৌধুরী, যিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত।
- প্রবন্ধটিতে স্বশিক্ষিত হওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে এবং লাইব্রেরির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামে লিখতেন এবং তার সাহিত্যিক গুরু ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- তার বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ 'বীরবলের হালখাতা' ও 'তেল नमक হরেক রকম'।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'বীরবলের হালখাতা' প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এটি তার প্রবন্ধ রচনার মুন্সিয়ানার পরিচয় বহন করে।
উদাহরণ ২: 'সন্দেশ' পত্রিকা প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়নি, তবে তিনি সাহিত্যচর্চায় অনন্য অবদান রেখেছেন।
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের সাহিত্যকর্মের পরিধি বোঝাতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখক নন, তবে প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক গুরু ও চিন্তার প্রেরণা ছিলেন।
B) প্রমথ চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটিই এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
C) মোতাহের হোসেন চৌধুরী — তিনি 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখক নন, তবে তার বিখ্যাত প্রবন্ধ 'সংস্কৃতি কথা'।
D) হায়াৎ মাহমুদ — তিনি একজন আধুনিক প্রাবন্ধিক ও গবেষক, যিনি 'বই পড়া' প্রবন্ধটি লেখেননি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ মানেই জ্ঞানচর্চা ও বীরবলী শৈলী।
- 'বই পড়া' প্রবন্ধটি শিক্ষালাভ ও মননশীলতার প্রতীক।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের নাম ও প্রবন্ধের নাম মেলানোর প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম 'বীরবল' এবং তার সম্পাদিত পত্রিকার নাম 'সবুজপত্র'।
সঠিক উত্তর: B) হাঙর নদী গ্রেনেড
১. কেন সঠিক:
- হাঙর নদী গ্রেনেড উপন্যাসটি মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত শিল্পকর্ম।
- উপন্যাসের মূল চরিত্র বুড়ি তার সন্তানকে বাঁচানোর জন্য এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই উপন্যাসটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন।
- ১৯৭৫ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের বর্বরতা ও বাঙালি নারীর ত্যাগের চিত্র ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জাহানারা ইমামের একাত্তরের দিনগুলি।
ব্যাখ্যা: এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ ও ডায়েরি।
উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের জাহান্নাম হইতে বিদায়।
ব্যাখ্যা: এটিও মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্রীতদাসের হাসি — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি রূপক উপন্যাস যা আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে রচিত।
B) হাঙর নদী গ্রেনেড — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
C) আব্দুল্লাহ — এটি কাজী ইমদাদুল হক রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস।
D) লাল শালু — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি সমাজ বাস্তবতাবাচক উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
সেলিনা হোসেনের বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখার সহজ সূত্র হলো হাঙর নদী গ্রেনেড।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সেলিনা হোসেন মূলত তার ঐতিহাসিক ও সামাজিক উপন্যাসের জন্য পরিচিত। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে তার এই রচনাটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) মেঘমালা
১. কেন সঠিক:
- কাদম্বিনী শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো মেঘমালা বা ঘন মেঘের সারি।
- সংস্কৃত ভাষা থেকে তৎসম শব্দ হিসেবে এটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দ সম্পর্কিত প্রশ্ন।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রমিত বাংলা শব্দের সঠিক অর্থ নির্ণয়ের জন্য এই ধরনের প্রশ্ন আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বারিধর
ব্যাখ্যা: বারিধর শব্দের অর্থ মেঘ, যা কাদম্বিনী শব্দের সমার্থক।
উদাহরণ ২: জলধর
ব্যাখ্যা: জলধর শব্দের অর্থও মেঘ, যা মেঘমালা বা কাদম্বিনীর সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নদী — নদী বলতে প্রবহমান জলধারাকে বোঝায়, যা মেঘমালার সমার্থক নয়।
B) মেঘমালা — এই অপশনটি সঠিক এবং কাদম্বিনী শব্দের সমার্থক।
C) হীত কামনা — হীত কামনা বলতে মঙ্গল চাওয়াকে বোঝায়, যার সঙ্গে মেঘের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) বলহীনা — বলহীনা অর্থ শক্তিহীন বা দুর্বল, যা কাদম্বিনী শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কাদম্বিনী শব্দের শেষাংশে বিনী আছে এবং এর অর্থ মেঘমালা, এটি মনে রাখতে মেঘমালার সঙ্গে মিলিয়ে পড়তে পারো।
- রবীন্দ্রসাহিত্যে কাদম্বিনী চরিত্রটি খুব বিখ্যাত, যা দিয়েও মেঘের বিষয়টি মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের তৎসম শব্দের অর্থ প্রায়ই আসে।
- সমার্থক শব্দ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে মেঘ বা বারির অন্যান্য প্রতিশব্দগুলো একসঙ্গে পড়ে নিতে পারো।
সঠিক উত্তর: B) চলিত ভাষা
১. কেন সঠিক:
- সবুজপত্র পত্রিকা বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল।
- এই পত্রিকার মাধ্যমে সাধু ভাষার কৃত্রিম আড়ষ্টতা দূর করে মুখের ভাষাকে লেখার বাহন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সবুজপত্র পত্রিকা ১৯১৪ সালের এপ্রিল মাসে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী।
- এই পত্রিকাকে কেন্দ্র করেই বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরী ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ সংকলন তেলেনাপোস্টার আবিষ্কার বা বীরবলের হালখাতা চলিত ভাষারীতিতে রচিত।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থগুলোতে চলিত ভাষার সহজ ও সাবলীল রূপ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রমথ চৌধুরীর লেখার অনুকরণে রচিত বীরূহের কথা চলিত ভাষায় লেখা।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়িয়ে দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাধু ভাষা — সবুজপত্র সাধু ভাষার প্রচলন করতে আসেনি বরং সাধু ভাষার একপেশে আধিপত্য ভেঙে চলিত ভাষাকে প্রতিষ্ঠা করেছিল।
B) চলিত ভাষা — এই অপশনটি সঠিক কারণ সবুজপত্র পত্রিকার হাত ধরেই চলিত রীতি সর্বজনগ্রাহ্য রূপ পায়।
C) উপভাষা — উপভাষা নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের মুখের বুলি, যা সাহিত্যিক ভাষারীতি হিসেবে প্রমিত রূপ পায়নি।
D) আঞ্চলিক ভাষা — আঞ্চলিক ভাষা সীমিত এলাকার মানুষের মুখের ভাষা, যা সর্বজনীন সাহিত্য বা পত্রিকায় প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সবুজপত্র পত্রিকা মানেই প্রমথ চৌধুরী এবং চলিত ভাষার জয়যাত্রা।
- পত্রিকায় ব্যবহৃত বীরবল ছদ্মনামটি চলিত রীতির আন্দোলনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদকের নাম প্রায়ই আসে।
- চলিত ভাষারীতির প্রবর্তক হিসেবে প্রমথ চৌধুরীর অবদান ও সবুজপত্র প্রকাশের সালটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) যৌগিক বাক্য
১. কেন সঠিক:
- এই বাক্যে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য বা সরল বাক্য 'তার বয়স বেড়েছে' এবং 'বুদ্ধি বাড়েনি' একটি যোজক দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
- এখানে 'কিন্তু' একটি অব্যয় বা সংযোগকারী শব্দ, যা দুটি বিপরীতধর্মী খণ্ডবাক্যকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে বাক্যে দুটি বা ততোধিক স্বাধীন সরল বাক্য এবং, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
- যৌগিক বাক্যের প্রতিটি খণ্ডবাক্য নিজের অর্থ প্রকাশের জন্য অন্য খণ্ডবাক্যের ওপর নির্ভরশীল নয় এবং তারা স্বাধীনভাবে পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে অনেক চেষ্টা করল কিন্তু সফল হতে পারল না।
ব্যাখ্যা: এখানে 'কিন্তু' অব্যয় দুটি স্বাধীন বাক্যকে যুক্ত করে যৌগিক বাক্য তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: রাত হলো এবং আকাশে চাঁদ উঠল।
ব্যাখ্যা: এখানে 'এবং' অব্যয় দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্যকে সংযুক্ত করে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরল বাক্য — এই অপশন ভুল কারণ সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু এখানে দুটি খণ্ডবাক্য আছে।
B) বৈপরীত্যমূলক বাক্য — এই অপশন ভুল কারণ বাংলা ব্যাকরণে বাক্য গঠনের রূপভেদে বৈপরীত্যমূলক বাক্য নামে কোনো নির্দিষ্ট প্রধান শ্রেণি নেই।
D) মিশ্র বাক্য — এই অপশন ভুল কারণ মিশ্র বা জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীন এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে, যা এখানে নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- এবং, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা, অতএব ইত্যাদি অব্যয় থাকলে চোখ বন্ধ করে সেটিকে যৌগিক বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে।
- দুটি স্বাধীন বাক্য যখন মাঝখানে যোজক দ্বারা মিলে যায়, তখন তা যৌগিক বাক্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য চেনার প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই যোজক দেখে বাক্যের প্রকার নির্ণয় করা শিখতে হবে।
- সরল, জটিল ও যৌগিক বাক্যের চেনার উপায়গুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
'প্রাগৈতিহাসিক' বাংলা ছোটগল্প সাহিত্যের একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি। বাংলা কথাসাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও মার্কসবাদী চিন্তাধারার সফল প্রয়োগের জন্য মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এই গল্পের মাধ্যমে স্মরণীয় হয়ে আছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসে ও ছোটগল্পে অবচেতনের গভীর স্তর এবং বাস্তব জীবনের নির্মম চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন। 'প্রাগৈতিহাসিক' গল্পে মানুষের আদিম প্রবৃত্তি, বেঁচে থাকার তাগিদ এবং সামাজিক জীবনের দ্বন্দ্ব অসাধারণভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস 'পদ্মা নদীর মাঝি'।
ব্যাখ্যা: এটি পদ্মা নদীর ধারের জেলেদের জীবন সংগ্রাম নিয়ে রচিত একটি ক্লাসিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস 'পুতুলনাচের ইতিকথা'।
ব্যাখ্যা: এটি গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের মনস্তত্ত্ব ও জীবনদর্শন নিয়ে রচিত কালজয়ী শিল্পকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই গল্পের রচয়িতা।
B) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি প্রকৃতি ও অরণ্যনির্ভর কথাসাহিত্যের জন্য বিখ্যাত, 'প্রাগৈতিহাসিক' তার লেখা নয়।
C) আবু জাফর শামসুদ্দীন — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও সাংবাদিক, তবে এই গল্পের লেখক নন।
D) শওকত ওসমান — তিনি মূলত সমাজবাস্তবতা ও ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাসের জন্য পরিচিত, 'প্রাগৈতিহাসিক' তার রচনা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রাগৈতিহাসিক মানুষের আদিম আচরণ ও মনস্তত্ত্ব বুঝতে হলে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই গল্পটি মনে রাখতে হবে। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামের সাথে 'প্রাগৈতিহাসিক' ছোটগল্পটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছোটগল্প ও উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে। 'প্রাগৈতিহাসিক' গল্পের মূল চরিত্র ভিখু এবং কুসুম, যা চরিত্রভিত্তিক প্রশ্নেও কাজে লাগে।
সঠিক উত্তর: D) তারিখ বাচক
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষায় মাসের দিন বা তারিখ প্রকাশের জন্য যে শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়, সেগুলোকে তারিখ বাচক শব্দ বলা হয়।
'পহেলা' শব্দটি মাসের প্রথম দিন বা ১ তারিখ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি একটি তারিখ বাচক শব্দ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা সংখ্যাবাচক শব্দ প্রধানত চার প্রকার যথা অঙ্কবাচক, ক্রমবাচক, পূরণবাচক ও তারিখবাচক।
মাসের দিন বা তারিখ বোঝাতে যে শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়, তার মধ্যে ১ থেকে ৪ পর্যন্ত ফার্সি শব্দ এবং বাকিগুলো বাংলা বা তৎসম শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পহেলা বৈশাখ
ব্যাখ্যা: এখানে পহেলা শব্দটি বৈশাখ মাসের প্রথম তারিখ বা দিনকে নির্দেশ করছে।
উদাহরণ ২: দশই মাঘ
ব্যাখ্যা: এটি মাঘ মাসের ১০ তারিখ বা দিনকে নির্দেশকারী একটি তারিখ বাচক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংখ্যাবাচক — সংখ্যাবাচক শব্দ কোনো বস্তুর পরিমাণ বা সংখ্যা নির্দেশ করে, কিন্তু পহেলা নির্দিষ্ট কোনো পরিমাণ বা সাধারণ সংখ্যা নয়।
B) গণনা বাচক — গণনা বাচক শব্দ বস্তু গণনা করার কাজে ব্যবহৃত হয়, যেমন এক, দুই, তিন ইত্যাদি।
C) পূরণ বাচক — পূরণ বাচক শব্দ কোনো序列 বা ক্রমের অবস্থান বোঝায়, যেমন প্রথম, দ্বিতীয় ইত্যাদি।
D) তারিখ বাচক — এটি সঠিক কারণ পহেলা শব্দটি মাসের প্রথম তারিখ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
মাসের ১ থেকে ১৮ তারিখ পর্যন্ত বোঝাতে পহেলা, দোসরা, তেসরা ইত্যাদি বিশেষ তারিখ বাচক শব্দ ব্যবহার করা হয়।
বাংলায় তারিখ বোঝানোর এই রূপগুলো মনে রাখলে সংখ্যাবাচক ও পূরণবাচক শব্দের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ব্যাকরণে পহেলা, দোসরা, তেসরা শব্দগুলো ফার্সি ভাষা থেকে এসেছে এবং এগুলো তারিখ বাচক শব্দের অন্তর্ভুক্ত।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংখ্যাবাচক শব্দের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) আরবি
১. কেন সঠিক:
- কলম শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
- এটি মূলত আরবি কলম শব্দ থেকে এসেছে যার অর্থ লেখার নালা বা নল।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শব্দের উৎস বা শব্দের শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দে ভাগ করা হয়।
- আরবি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত যা ধর্ম, প্রশাসন, আইন ও দৈনন্দিন জীবনের নানা ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আদালত
ব্যাখ্যা: এটি একটি আরবি শব্দ যা বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা ও দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: কলম
ব্যাখ্যা: এটি আরবি ভাষার শব্দ যা লেখার কাজে ব্যবহৃত একটি অত্যন্ত পরিচিত ও বহুল ব্যবহৃত বিদেশি শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আরবি — এই অপশনটি সঠিক কারণ কলম শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় অনেক শব্দ আসলেও কলম শব্দটি ফারসি নয়, এটি আরবি।
C) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে কার্তুজ ও রেস্তোরাঁ போன்ற কিছু শব্দ আসলেও কলম ফরাসি শব্দ নয়।
D) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে দারোগা ও চাকর শব্দ এসেছে, তবে কলম তুর্কি শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আরবি শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ধর্ম, আইন ও পড়াশোনা সংক্রান্ত শব্দগুলো প্রায়ই আরবি হয়।
- কলম যেহেতু লেখাপড়ার প্রধান উপকরণ, তাই এটি আরবি শব্দ হিসেবে মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- আরবি ও ফারসি শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) তিন প্রকার
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষায় উপসর্গ প্রধানত তিন প্রকার। এগুলো হলো খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যেসব শব্দাংশ মূল শব্দের আগে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে তাকে উপসর্গ বলে। বাংলা ব্যাকরণে উৎসের ভিত্তিতে উপসর্গগুলোকে এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনাদর
ব্যাখ্যা: এখানে অ উপসর্গটি বাংলা উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: প্রগতি
ব্যাখ্যা: এখানে প্র উপসর্গটি তৎসম উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুই প্রকার — বাংলা ভাষায় উপসর্গ দুই প্রকার নয়, কারণ বিদেশি উপসর্গকেও এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
B) চার প্রকার — উপসর্গ চার প্রকার বলার কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই।
C) পাঁচ প্রকার — উপসর্গ পাঁচ প্রকার নয়, এটি ভুল তথ্য।
D) তিন প্রকার — এটি সঠিক কারণ উপসর্গ খাঁটি বাংলা, তৎসম ও বিদেশি এই তিন ভাগে বিভক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
উপসর্গের প্রকার মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো বাংলা ভাষায় তিন ধরণের অতিথি আসে, দেশি, ভারতীয় বা তৎসম এবং বিদেশি। এভাবে তিন প্রকার উপসর্গ মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গের সংখ্যা ও প্রকারভেদ থেকে প্রশ্ন আসে। খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি এবং তৎসম উপসর্গ কুড়িটি, এই সংখ্যাগুলো ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) সু + আগত
১. কেন সঠিক:
- 'স্বাগত' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো সু যোগ আগত, যা স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।
- এখানে প্রথম পদের শেষে উকার এবং দ্বিতীয় পদের শুরুতে আ আছে, যা মিলে ব-ফলা বা ব তৈরি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ই-কার বা উ-কারের পর ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে ই-কার বা উ-কারের স্থানে যথাক্রমে য এবং ব হয়, একে ই-কার বা উ-কারের পর স্বরধ্বনি থাকলে য-ফলা বা ব-ফলা হওয়া বলে।
- সু পদের উ এবং আগত পদের আ মিলে ওয়া বা ব-আ যুক্ত হয়ে স্বাগ হয়েছে এবং এর সঙ্গে গত যুক্ত হয়োগত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনু + ইত = অন্বিত
ব্যাখ্যা: এখানে উ-কারের পর ই আসার কারণে উ-কার পরিবর্তিত হয়ে ব হয়েছে।
উদাহরণ ২: মধু + আলয় = মধ্যালয়
ব্যাখ্যা: এখানে উ-কারের পর আ আসার কারণে উ-কার পরিবর্তিত হয়ে ব হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সু + আগত — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কারণ এটি ব্যাকরণের নিয়ম মেনে সাধিত হয়েছে।
B) স্ব + আগত — স্ব কোনো মূল শব্দ বা উপসর্গ নয়, তাই এই বিচ্ছেদ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
C) সা + আগত — সা কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা উপসর্গ নয়, তাই এই বিচ্ছেদ ভুল।
D) স্ব্ + আগত — স্ব্ হসন্তযুক্ত হওয়ায় এটি দিয়ে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী সন্ধি গঠন করা সম্ভব নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ব-ফলাযুক্ত সন্ধির ক্ষেত্রে সাধারণত প্রথম শব্দটিতে উ বা উ-কার থাকে এবং দ্বিতীয় শব্দটিতে স্বরবর্ণ থাকে।
- স্বাগত শব্দটির শুরুতে স-এ ব-ফলা দেখলে প্রথমে সু উপসর্গ ধরে সন্ধি করার চেষ্টা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ই-কার ও উ-কারের সন্ধি প্রায়ই আসে।
- সু উপসর্গ যোগে গঠিত এই সন্ধিটি বারবার অনুশীলন করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: A) ১১ জ্যৈষ্ঠ
১. কেন সঠিক:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাঁর জন্মতারিখ ও জন্ম সাল প্রায়ই আসে, যা বাংলা ও ইংরেজি উভয় পঞ্জিকা অনুসারে মুখস্থ রাখা জরুরি।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি একই সঙ্গে ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক ও সংগীতজ্ঞ হিসেবে পরিচিত।
তাঁর রচিত অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থ বাংলা কবিতায় এক নতুন যুগান্তর সৃষ্টি করেছিল এবং তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ২৫ বৈশাখ
ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মতারিখ, যা বাংলা ১৩০৬ সালের আগে অর্থাৎ ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
উদাহরণ ২: ২২ শ্রাবণ
ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস, তিনি ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের ২২ শ্রাবণ মৃত্যুবরণ করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১১ জ্যৈষ্ঠ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে কাজী নজরুল ইসলাম জন্মগ্রহণ করেন।
B) ২২ শ্রাবণ — এটি ভুল অপশন কারণ এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ তারিখ।
C) ১২ ভাদ্র — এটি ভুল অপশন কারণ এই দিনে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মৃত্যুবরণ করেন।
D) ২৫ বৈশাখ — এটি ভুল অপশন কারণ এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মতারিখ।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের জন্ম মনে রাখার সহজ উপায় হলো তিনি ১১ জ্যৈষ্ঠ জন্মগ্রহণ করেন এবং ১২ ভাদ্র মৃত্যুবরণ করেন।
জন্ম ও মৃত্যুর মাস এবং তারিখের ক্রম মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ও মৃত্যুর তারিখ এবং সাল (বাংলা ও ইংরেজি উভয় সন) ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় এই তথ্যগুলো প্রায়ই পুনরাবৃত্তি হয়।
সঠিক উত্তর: C) শাহ মুহম্মদ সগীর
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস অনুযায়ী শাহ মুহম্মদ সগীর হলেন প্রথম মুসলমান কবি। সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে তিনি বিখ্যাত ইউসুফ জোলেখা কাব্য রচনা করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
তিনি মধ্যযুগের সুলতানি আমলের একজন বিশিষ্ট কবি ছিলেন। তার রচিত ইউসুফ জোলেখা বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক প্রণয়োপাখ্যান হিসেবে স্বীকৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইউসুফ জোলেখা কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি শাহ মুহম্মদ সগীর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবির বিখ্যাত প্রণয়মূলক কাব্য।
উদাহরণ ২: লয়লা মজনু কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের দ্বারা রচিত অনুরূপ আরেকটি বিখ্যাত প্রণয়োপাখ্যান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দৌলত উজির বাহরাম খান — ইনি মধ্যযুগের একজন কবি হলেও প্রথম মুসলমান কবি নন। তার বিখ্যাত কাব্য লাইলী মজনু।
B) আলাওল — ইনি সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকবি। তার বিখ্যাত কাব্য পদ্মাবতী, তবে তিনি প্রথম মুসলমান কবি নন।
C) শাহ মুহম্মদ সগীর — এটি সঠিক উত্তর।
D) দৌলত কাজী — ইনি সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক ধারার কবি এবং সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্যের প্রণেতা, তবে প্রথম কবি নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
মুসলমান কবিদের মধ্যে সবার আগে আসেন সগীর। এভাবে মনে রাখতে পারো যে সগীর মানে ছোট বা প্রথম সারির কবি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের সূচনার কবিদের নাম বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যযুগের প্রথম কাব্য বা কবির নাম প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) গৃহদাহ
১. কেন সঠিক:
- অচলা কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'গৃহদাহ' উপন্যাসের একটি অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় নারী চরিত্র।
- এই উপন্যাসে মহিম, সুরেশ ও অচলার মধ্যকার ত্রিমুখী জটিল প্রেম এবং মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'গৃহদাহ' উপন্যাসের রচিয়তা হলেন বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
- ১৯২০ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে তৎকালীন বাঙালি সমাজের সংস্কার, দাম্পত্য জীবন এবং মানুষের অন্তরের জটিল আবেগ ও দহন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রীকান্ত
ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস যেখানে রাজলক্ষ্মী ও অভয়া চরিত্র দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ ২: চরিত্রহীন
ব্যাখ্যা: এটিও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস যেখানে কিরণময়ী ও সাবিত্রী প্রধান নারী চরিত্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দেনা পাওনা — এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হলো ষোড়শী ও আলয়, তাই এটি সঠিক নয়।
B) দত্তা — এই উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্র হলো বিজয়া, তাই অচলা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) গৃহদাহ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে।
D) চরিত্রহীন — এই উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্রগুলো হলো কিরণময়ী ও সাবিত্রী, তাই অচলা চরিত্রটি এখানে নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শরৎচন্দ্রের ত্রিমুখী প্রেমের উপন্যাস মানেই 'গৃহদাহ' এবং এর প্রধান নারী চরিত্র হলো অচলা।
- মহিম, সুরেশ ও অচলার ত্রিকোণ প্রেমের গল্প মনে রাখলেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত চরিত্র ও উপন্যাসগুলোর নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন সমাধানের জন্য উপন্যাসের নাম এবং মূল চরিত্রগুলোর নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) দিগদর্শন
১. কেন সঠিক:
- দিগদর্শন হলো প্রথম বাংলা সাময়িক পত্র বা মাসিক পত্রিকা, যা ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত হয়।
- সাময়িক পত্র বলতে এমন প্রকাশনাকে বোঝায় যা নির্দিষ্ট সময় পরপর অর্থাৎ সাপ্তাহিক, মাসিক বা ত্রৈমাসিক হিসেবে প্রকাশিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দিগদর্শন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান এবং এর পৃষ্ঠপোষক ছিলেন উইলিয়াম কেরি।
- এই পত্রিকায় ইতিহাস, বিজ্ঞান ও নৈতিকতা বিষয়ক বিভিন্ন শিক্ষণীয় প্রবন্ধ প্রকাশিত হতো যা তৎকালীন শিক্ষার্থীদের উপকারে আসত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমাচার দর্পণ
ব্যাখ্যা: এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সাপ্তাহিক সংবাদপত্র, তবে সাময়িক পত্র হিসেবে দিগদর্শন আগে প্রকাশিত হয়েছিল।
উদাহরণ ২: বঙ্গদূত
ব্যাখ্যা: এটি ১৮২৯ সালে প্রকাশিত একটি বহুভাষিক সাপ্তাহিক পত্রিকা, যার সঙ্গে রামমোহন রায় যুক্ত ছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেঙ্গল গেজেট — এটি প্রথম মুদ্রিত সংবাদপত্র এবং এটি ইংরেজিতে প্রকাশিত হয়েছিল, তাই এটি প্রথম বাংলা সাময়িক পত্র নয়।
B) দিগদর্শন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত প্রথম বাংলা মাসিক সাময়িক পত্র।
C) বঙ্গদূত — এটি ১৮২৯ সালে প্রকাশিত হয়, যা দিগদর্শনের অনেক পরে প্রকাশিত একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা।
D) সমাচার দর্পণ — এটি প্রথম বাংলা সাপ্তাহিক সংবাদপত্র, যা দিগদর্শনের কয়েক মাস পর ১৮১৮ সালের মে মাসে প্রকাশিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মাসিকের ক্ষেত্রে দি দিয়ে দিগদর্শন মনে রাখতে পারো কারণ এটি প্রথম মাসিক সাময়িক পত্র।
- সংবাদপত্র ও সাময়িক পত্রের মধ্যে পার্থক্য মনে রাখবে যে সংবাদপত্র সাপ্তাহিক বা দৈনিক হয় এবং সাময়িক পত্র সাধারণত মাসিক হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রথম বাংলা সাময়িক পত্র এবং প্রথম বাংলা সংবাদপত্রের মধ্যে পার্থক্য প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে।
- দিগদর্শন হলো প্রথম সাময়িক পত্র বা মাসিক পত্রিকা এবং সমাচার দর্পণ হলো প্রথম সংবাদপত্র।
সঠিক উত্তর: D) কবর
১. কেন সঠিক:
ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত প্রথম নাটক মুনীর চৌধুরীর কবর। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বসে মুনীর চৌধুরী এই ঐতিহাসিক নাটকটি রচনা করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মুনীর চৌধুরী ১৯২৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং একজন প্রখ্যাত নাট্যকার, সাহিত্যিক ও শহীদ বুদ্ধিজীবী ছিলেন। কবর নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য ও সংগ্রামের এক অমর দলিল হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন
ব্যাখ্যা: জহির রায়হান রচিত ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা বিখ্যাত একটি উপন্যাস।
উদাহরণ ২: ওরা প্রাগৈতিহাসিক
ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা বশীর আল আমিনের একটি নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রক্ত পদ্ম — এটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমির নাটক নয় বরং ভিন্ন বিষয়ের ওপর রচিত একটি সাহিত্যকর্ম।
B) মাকড়সা — এটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত নাটক নয় বরং অন্য কোনো নাট্যকার বা লেখকের ভিন্ন ধারার রচনা।
C) ফেরি আসছে — এটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমির নাটক নয় বরং অন্য কোনো ঐতিহাসিক বা সামাজিক প্রেক্ষাপটে রচিত।
D) কবর — এটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত নাটক হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভাষা আন্দোলনের প্রথম নাটক মনে রাখতে মুনীর চৌধুরীর কবর কথাটি এভাবে মনে রাখবে যে কারাগারে বসে কবর নাটক লেখা হয়েছিল। ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদদের স্মরণে এটি রচিত হয়েছিল।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলনের পটভূমি নিয়ে রচিত নাটক, উপন্যাস ও কবিতা বারবার আসে। মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকটি ভাষা আন্দোলনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম।
সঠিক উত্তর: B) The bird flies in the sky.
কেন সঠিক:
- নির্দিষ্ট কোনো প্রজাতির বা সাধারণ অর্থে পাখি বোঝাতে সাবজেক্টের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল The বসে।
- সাবজেক্ট The bird হলো থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার এবং বাক্যটি চিরন্তন সত্য হওয়ায় মূল ভার্বের সাথে s যুক্ত হয়ে flies হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Bird fly in the sky. — এখানে সাবজেক্ট সিঙ্গুলার হলেও ভার্বের সাথে s যুক্ত হয়নি এবং নির্দিষ্ট আর্টিকেল ব্যবহার করা হয়নি।
B) The bird flies in the sky. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই।
C) A bird fly in the sky. — এখানে আনকাউন্টেবল বা নির্দিষ্ট অর্থে সঠিক আর্টিকেল ব্যবহার করা হয়নি এবং ভার্ব প্লুরাল রাখা হয়েছে।
D) A bird fly in sky. — এখানে আর্টিকেলের ভুল নিয়ম প্রয়োগ করা হয়েছে এবং sky শব্দের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল the ব্যবহার করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট কোনো সাধারণ প্রাণীকে বোঝাতে তার পূর্বে The বসে এবং সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার হলে প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে ভার্বের সাথে s বা es যুক্ত করতে হয়।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: B) I am tired as I have been working since 7 O'clock in the morning.
কেন সঠিক:
- অতীতে শুরু হয়ে এখনো চলছে এমন কাজ বোঝাতে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করা হয়।
- নির্দিষ্ট সময় বোঝাতে since এবং কাজের ধারাবাহিকতা বোঝাতে have been + verb-ing বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I am tired as I was working since 7 O'clock in the morning. — Past Continuous Tense অতীতকালের অসম্পূর্ণ কাজ বোঝায়, যা বর্তমানের ক্লান্তির কারণ প্রকাশ করতে অক্ষম।
B) I am tired as I have been working since 7 O'clock in the morning. — এটি সঠিক কারণ এতে বর্তমানের ক্লান্তির সঙ্গে অতীতের শুরু হওয়া চলমান কাজের সঠিক সংযোগ রয়েছে।
C) I am tired as I am working since 7 O'clock in the morning. — Present Continuous Tense-এর সঙ্গে since বা for ব্যবহার করে সময়ের ব্যপ্তি প্রকাশ করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) I am tired as I had been working since 7 O'clock in the morning. — Past Perfect Continuous Tense অতীতের একটি নির্দিষ্ট সময়ের পূর্ব পর্যন্ত চলমান কাজ বোঝায়, যা বর্তমান অবস্থার কারণ হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে since বা for এবং সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং তার ফল বর্তমানে বিদ্যমান থাকলে Present Perfect Continuous Tense হয়।
সঠিক উত্তর: C) at
কেন সঠিক:
- কোনো নির্দিষ্ট মূল্য বা হারে কোনো কিছু বিক্রি করা বোঝালে preposition হিসেবে at ব্যবহৃত হয়।
- এখানে প্রতি কেজি চালের নির্দিষ্ট দাম বোঝাতে sells শব্দের পর at বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) over — সীমা বা পরিমাণের উপরে বোঝাতে over বসে, যা এখানে মূল্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) in — নির্দিষ্ট এলাকা বা মাধ্যমের মধ্যে বোঝাতে in বসে, যা দামের ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
C) at — নির্দিষ্ট মূল্য বা হার বোঝাতে সঠিক preposition হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
D) to — কোনো কিছুর দিকে বা প্রতি নির্দেশ করতে to বসে, যা এখানে অর্থের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট কোনো দাম বা হারে বিক্রি করা বোঝালে always at বসে।
সঠিক উত্তর: D) Attendance
কেন সঠিক:
- ইংরেজি বানানের নিয়ম অনুযায়ী শব্দটির মূল রূপের শেষে a-n-c-e যুক্ত হয়, e-n-c-e নয়।
- Attend শব্দের সাথে a-n-c-e প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক বানানটি গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Attendence — শেষের অংশ e-n-c-e ভুল, কারণ সঠিক প্রত্যয়টি a-n-c-e হবে।
B) Atendance — শুরুর দিকে t বর্ণটি একটি কম আছে, সঠিক বানান হলো a-t-t-e-n-d-a-n-c-e।
C) Attandence — প্রথম অংশে a-t-t-a ভুল, কারণ সঠিক রূপটি a-t-t-e-n হবে এবং শেষের অংশও ভুল।
D) Attendance — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি বানানের সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে তৈরি হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Attend শব্দের শেষে ance যোগ করার সময় মনে রাখবে শেষের t-এর পর e এবং n-এর পর a হবে।
সঠিক উত্তর: D) though
কেন সঠিক:
- শূন্যস্থানের উভয় পাশের বাক্যাংশের মধ্যে বিপরীত বা বৈসাদৃশ্য বোঝাতে Conjunction হিসেবে though ব্যবহার করা হয়।
- তাকে চিনতে না পারা এবং সে পূর্বে সাক্ষাতের কথা বলা দুটি বিপরীত পরিস্থিতির মধ্যে সংযোগ ঘটাতে এখানে though সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) unless — যার অর্থ যদি না, এটি শর্ত বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে বিপরীত ভাব প্রকাশে ব্যর্থ।
B) however — যার অর্থ যাই হোক না কেন, এটি সাধারণত বাক্যের শুরুতে বা কমা দ্বারা আলাদা হয়ে বসে এবং এখানে অর্থসংগত নয়।
C) despite — যার অর্থ সত্যেও, এটি preposition হওয়ায় এর পর clause না বসে noun বা gerund বসে।
D) though — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানে বৈপরীত্য প্রকাশ করতে পুরোপুরি উপযুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে যদি বিপরীত অর্থ প্রকাশ পায়, তবে conjunction হিসেবে although বা though বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) International English Language Testing System.
কেন সঠিক:
- IELTS হলো একটি আন্তর্জাতিক মানসম্মত পরীক্ষা যা ইংরেজি ভাষা দক্ষতার মূল্যায়ন করে।
- এই নামের শেষ দুটি শব্দ হলো Testing System, যা ভাষা যাচাইয়ের পদ্ধতিকে নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) International English Language Teaching Teaching System — Teaching শব্দটির অর্থ শিক্ষাদান, যা এই পরীক্ষার উদ্দেশ্য যাচাইয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) International English Language Testing Skill — Skill শব্দটির পরিবর্তে এখানে System হবে কারণ এটি সামগ্রিক ব্যবস্থার নাম।
D) International English Language Teaching Skill — Teaching এবং Skill উভয় শব্দই এই পরীক্ষার প্রাতিষ্ঠানিক নামের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
আইইএলটিএস হলো ভাষা যাচাইয়ের পদ্ধতি, তাই মনে রাখবে Teaching নয় বরং Testing System কথাটি সঠিক।
সঠিক উত্তর: B) Impede
কেন সঠিক:
- 'Facilitate' শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু সহজ করা, সহায়তা করা বা গতিশীল করা।
- অন্যদিকে 'Impede' শব্দের অর্থ হলো বাধা সৃষ্টি করা, মন্থর করা বা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা, যা সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Encourage — এর অর্থ উৎসাহিত করা, যা 'facilitate' শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
B) Impede — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বাধা সৃষ্টি করা, যা সহজ করার বিপরীত।
C) Increase — এর অর্থ বৃদ্ধি করা, যা প্রদত্ত শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
D) Promote — এর অর্থ উন্নতি বা প্রসার ঘটানো, যা 'facilitate' শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ফ্যাসিলিটি বা সুবিধা থেকে আসে facilitate যার অর্থ সহজ করা, আর ইম্পেড মানে গতি থামিয়ে দেওয়া বা বাধা দেওয়া।
সঠিক উত্তর: A) younger than
কেন সঠিক:
- দুই ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে তুলনা বোঝাতে তুলনামূলক ডিগ্রি বা Comparative Degree ব্যবহৃত হয়।
- Comparative Adjective-এর পর সাধারণত than বসে, তাই younger-এর পর than সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) younger than — এটি সঠিক উত্তর কারণ তুলনামূলক বাক্যে younger-এর পর than বসে।
B) as young — এটি Positive Degree-এর গঠন, যা তুলনা করার ক্ষেত্রে অসম্পূর্ণ কারণ এর পর as নেই।
C) younger by — এটি ভুল কারণ এখানে সময়ের ব্যবধান বোঝাতে by বসে না, বরং তুলনা করতে than প্রয়োজন।
D) very young — এটি Positive Degree এবং এখানে কোনো তুলনার রূপ নেই, তাই শূন্যস্থানে এটি বসে না।
মনে রাখার টিপস:
Comparative Degree-এর adjective-এর শেষে er থাকলে তার ঠিক পরেই than ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) adjective
কেন সঠিক:
- বাক্যের মেক ভার্বের পর অবজেক্ট মি এবং তারপর কমপ্লিমেন্ট হিসেবে বসে nostalgic শব্দটি বাক্যের সাবজেক্টের অবস্থার বর্ণনা দিচ্ছে।
- কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করায় nostalgic শব্দটি এখানে adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) verb — এটি কোনো কাজের নাম বা ক্রিয়া নির্দেশ করছে না, তাই এটি verb নয়।
B) noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না, তাই এটি noun নয়।
C) adjective — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি pronoun-এর দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে।
D) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb-কে মডিফাই করছে না, তাই এটি adverb নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো শব্দ যদি noun বা pronoun-এর অবস্থা বা গুণ বোঝায়, তবে সেটি adjective হয়।
সঠিক উত্তর: C) W.S. Maugham
কেন সঠিক:
- 'The Luncheon' একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যার রচয়িতা বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার উইলিয়াম সমারসেট মম (W.S. Maugham)।
- গল্পটিতে লেখকের সঙ্গে এক অভাবী সাহিত্যপ্রেমী মহিলার বিলাসবহুল রেস্তোরাঁয় দুপুরের খাবার খাওয়ার একটি হাস্যরসাত্মক ঘটনা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) William Shakespeare — তিনি মূলত রেনেসাঁ যুগের বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি ছিলেন, ছোটগল্পের জন্য পরিচিত নন।
B) William Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের প্রখ্যাত কবি ও প্রকৃতিপ্রেমী সাহিত্যিক ছিলেন, এই গল্পের লেখক নন।
C) W.S. Maugham — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়।
D) T.S. Eliot — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিকতাবাদী কবি, নাট্যকার ও সাহিত্য সমালোচক ছিলেন, এই গল্পের রচয়িতা নন।
মনে রাখার টিপস:
লাঞ্চ বা দুপুরের খাবার খাওয়ার দাওয়াত নিয়ে লেখা মজার গল্পটির লেখক হলেন মম (Maugham)।
সঠিক উত্তর: D) Addressing me as sir, he respectfully exclaimed with joy that I was a very nice man.
কেন সঠিক:
- রিপোর্টিং স্পিচে 'sir' থাকলে addressing as sir এবং আনন্দ প্রকাশ করায় exclaimed with joy বসে।
- এক্সক্লামেটরি সেন্টেন্সে what যুক্ত বাক্যকে assertive করার সময় subject ও verb-এর পরে very বসে এবং তা indirect করার সময় past tense হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He asked me what a nice man I was. — এখানে রিপোর্টেড স্পিচটি এক্সক্লামেটরি হওয়া সত্ত্বেও asked ব্যবহার করা হয়েছে এবং 'sir' শব্দটির কোনো রূপান্তর নেই।
B) Respectfully he exclaimed with joy that I was a very nice man. — এই অপশনে 'sir' সম্বোধনের জন্য addressing as sir অংশটি বাদ দেওয়া হয়েছে।
C) He asked me what a mice man I was. — এখানে প্রশ্নবোধক verb ব্যবহার করা হয়েছে এবং বানানে mice লিখে ভুল করা হয়েছে।
D) Addressing me as sir, he respectfully exclaimed with joy that I was a very nice man. — এটি নিয়মানুযায়ী সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
এক্সক্লামেটরি বাক্যে sir থাকলে addressing as sir এবং আনন্দ প্রকাশ পেলে exclaimed বাক্যের শুরুতে বসে।
সঠিক উত্তর: B) Essential
কেন সঠিক:
- Indispensable শব্দের অর্থ হলো অপরিহার্য বা যা ছাড়া চলে না।
- Essential শব্দটির অর্থও প্রয়োজনীয় বা অপরিহার্য, যা মূল শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Trivial — এর অর্থ তুচ্ছ বা অগুরুত্বপূর্ণ, যা অপরিহার্যের বিপরীত।
B) Essential — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Negligible — এর অর্থ নগণ্য বা উপেক্ষণীয়, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।
D) Worthy — এর অর্থ যোগ্য বা মূল্যবান, যা অপরিহার্য অর্থে পুরোপুরি উপযুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Indispensable মানে যা ডিসপেন্স বা বাদ দেওয়া যায় না, অর্থাৎ যা একদম Essential বা অপরিহার্য।
সঠিক উত্তর: B) you are known to me.
কেন সঠিক:
- Active voice-এর subject (I) passive voice-এ preposition 'to'-এর object হিসেবে বসেছে।
- 'Know' verb-এর পর সাধারণত passive voice-এ 'by' না বসে 'to' preposition বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) you are known by me. — 'Know' verb-এর পর passive voice-এ সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী 'by' বসে না, তাই এটি ভুল।
B) you are known to me. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর ব্যাকরণগত গঠন সম্পূর্ণ সঠিক।
C) you are knowing to me. — 'Know' একটি stative verb হওয়ায় এর continuous form হয় না।
D) you are known at me — 'Know' verb-এর পর 'at' preposition ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Know verb যুক্ত Active voice-কে Passive করার সময় by-এর পরিবর্তে সর্বদা to preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Deepen
কেন সঠিক:
- 'Deep' হলো একটি অ্যাডজেক্টিভ যার সঙ্গে 'en' সাফিক্স যোগ করে ভার্ব বা ক্রিয়া গঠন করা হয়েছে।
- কোনো শব্দের শেষে 'en' যুক্ত করে সেটিকে ভার্বে রূপান্তর করা ইংরেজি ব্যাকরণের একটি সাধারণ নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Depth — এটি 'deep' শব্দের নাউন বা বিশেষ্য রূপ, তাই এটি ভার্ব হিসেবে সঠিক নয়।
B) Endeep — এটি ইংরেজিতে কোনো অর্থপূর্ণ বা প্রচলিত শব্দ নয়।
C) Deepen — এটি সঠিক ভার্ব বা ক্রিয়াপদ।
D) In depth — এটি একটি ফ্রেজ বা বাক্যাংশ, যা কোনো একক শব্দের ভার্ব রূপ হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
বেশ কিছু অ্যাডজেক্টিভ শব্দের শেষে 'en' যোগ করে ভার্ব তৈরি করা যায় যেমন wide থেকে widen এবং short থেকে shorten।
সঠিক উত্তর: C) in the recent time
কেন সঠিক:
- lately শব্দটি একটি অ্যাডভার্ব যা সম্প্রতি বা ইদানীং ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- Present Perfect টেন্সের বাক্যে এই শব্দটি প্রায়শই ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in the past — এটি অতীতের কোনো নির্দিষ্ট সময়কে নির্দেশ করে, যা lately শব্দের সাম্প্রতিক অর্থের বিপরীত।
B) at this moment — এটি বর্তমান মুহূর্ত বা ঠিক এই সময়কে বোঝায়, যা lately বা সাম্প্রতিককালের সমার্থক নয়।
C) in the recent time — এটি সঠিক উত্তর কারণ lately এবং recent time উভয়ই ইদানীং বা সাম্প্রতিক সময় বোঝায়।
D) d) one more time — এটি পুনরায় বা আরও একবার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা lately শব্দের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
Lately মানে লেটেস্ট বা সাম্প্রতিক ঘটনা, যা রিসেন্ট টাইমের সঙ্গে মিলে যায়।
সঠিক উত্তর: B) Unclear
কেন সঠিক:
- blurry শব্দের অর্থ অস্পষ্ট বা ঝাপসা, যা unclear বা অস্পষ্ট শব্দের সমার্থক।
- বাক্যে বলা হয়েছে লেখাগুলো পড়তে সমস্যা হচ্ছিল কারণ সেগুলো ছিল ঝাপসা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Small — small অর্থ ছোট, যা ঝাপসা বা অস্পষ্ট শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
B) Unclear — এটি সঠিক উত্তর কারণ unclear অর্থ অস্পষ্ট বা যা পরিষ্কার নয়।
C) Unknown — unknown অর্থ অজানা, যা দৃশ্যমান লেখার ঝাপসা হওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) Difficult — difficult অর্থ কঠিন, যা পড়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও blurry শব্দের সঠিক অর্থ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Blurry এবং Unclear উভয় শব্দই দৃষ্টির অস্পষ্টতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) by
প্রদত্ত তথ্য:
খাদ্যের গড় মূল্য কমেছে ১৩ শতাংশ
ধরি,
পূর্বের মূল্য = ১০০ শতাংশ
বর্তমান মূল্য = ১০০ শতাংশ − ১৩ শতাংশ
অতএব,
হ্রাসের পরিমাণ নির্দিষ্ট করে বোঝাতে বাই প্রিপজিশন বসে
তাই মূল্য হ্রাসের ক্ষেত্রে বাই ব্যবহার করা হয়
সুতরাং,
সঠিক উত্তর হবে বাই প্রিপজিশন
উত্তর: A) by
সঠিক উত্তর: C) watched
কেন সঠিক:
- বাক্যে last night বা অতীতের নির্দেশক সময় উল্লেখ থাকায় এটি Past Indefinite Tense হবে।
- Past Indefinite Tense-এর গঠনে মূল verb-এর Past Form (V2) ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) have watched — এটি Present Perfect Tense, যা অতীত নির্দেশক শব্দের সাথে বসে না।
B) had watched — অতীতকালের দুটি ঘটনার মধ্যে আগের ঘটনা বোঝাতে এটি বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) watched — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি verb-এর Past Form প্রকাশ করে।
D) have been watching — এটি Present Perfect Continuous Tense, যা অতীতের নির্দিষ্ট সময়ের ক্ষেত্রে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে yesterday,ago,last night বা the other day থাকলে verb-এর Past Form বা Past Indefinite Tense হয়।
সঠিক উত্তর: C) Ante meridiem
কেন সঠিক:
- a.m. শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Ante meridiem থেকে এসেছে, যার অর্থ দুপুরের আগে।
- এটি রাত বারোটা থেকে দুপুর বারোটার পূর্ব পর্যন্ত সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Anno meridiem — এটি একটি ভুল ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, এর কোনো সঠিক শাব্দিক অর্থ বা প্রচলন নেই।
B) After morning — এটি ইংরেজি শব্দ হলেও a.m. এর পূর্ণরূপ নয় এবং এর অর্থ সকালের পরে।
D) Anti-meriden — এটি একটি বানান ভুল শব্দ এবং এর বানান বা অর্থ কোনোভাবেই সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ante অর্থ আগে এবং meridiem অর্থ দুপুর, তাই a.m. মানে দুপুরের আগের সময়।
সঠিক উত্তর: A) A letter was written to me by him.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি Past Indefinite Tense-এ আছে, তাই Passive করার সময় was এবং মূল Verb-এর Past Participle (written) ব্যবহৃত হয়েছে।
- Active Voice-এর Object (a letter) এখানে Subject হয়েছে এবং Subject (he) Object (him) হিসেবে পরিবর্তিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A letter was written to me by him. — এটি সঠিক উত্তর।
B) A letter is written to my by him. — Present Tense ব্যবহার করায় এবং my ভুলভাবে ব্যবহার করায় এটি ভুল।
C) A letter had written to me by him. — Past Perfect Tense ব্যবহার করায় এবং গঠন সঠিক না থাকায় এটি ভুল।
D) A letter was written by me to him. — Subject এবং Object-এর স্থান ভুলভাবে পরিবর্তন করায় অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে।
মনে রাখার টিপস:
Active Voice-এর Past Indefinite Tense-কে Passive করার সময় Subject-এর পর was বা were এবং Verb-এর Past Participle বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) a + b > c
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের তিন বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে a, b এবং c
ধরি,
ত্রিভুজটির যেকোনো দুটি বাহুর যোগফল তৃতীয় বাহু থেকে বৃহত্তর হতে হবে
অতএব,
প্রথম শর্ত অনুযায়ী প্রথম দুই বাহুর যোগফল তৃতীয় বাহু অপেক্ষা বড় হবে
অর্থাৎ a + b > c
সুতরাং,
ত্রিভুজ গঠনের অসমতা অনুসারে এটিই একমাত্র সঠিক শর্ত
উত্তর: a + b > c
সঠিক উত্তর: D) প্রবৃদ্ধ কোণ
প্রদত্ত তথ্য:
কোণের পরিমাপ = ১৮১°
ধরি,
যে কোণের পরিমাপ ১৮০° অপেক্ষা বড় কিন্তু ৩৬০° অপেক্ষা ছোট তাকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলে
অতএব,
১৮১° কোণটি ১৮০° অপেক্ষা বড়
সুতরাং,
এটি একটি প্রবৃদ্ধ কোণ
উত্তর: প্রবৃদ্ধ কোণ
সঠিক উত্তর: B) ঘনক
প্রদত্ত তথ্য:
জ্যামিতিক বস্তুর মাত্রা বিশ্লেষণ করতে হবে
ত্রিমাত্রিক বস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং উচ্চতা থাকে
ধরি,
বিন্দুর মাত্রা = শূন্য
রেখার মাত্রা = এক
তলের মাত্রা = দুই
অতএব,
বিন্দুর কোনো মাত্রা নেই
রেখার শুধু দৈর্ঘ্য আছে
তলের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ আছে
সুতরাং,
ঘনকের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং উচ্চতা তিনটিই বিদ্যমান
উত্তর: B) ঘনক
সঠিক উত্তর: A) ১০⁻⁶মি³
প্রদত্ত তথ্য:
১ সেন্টিমিটার = ১০⁻² মিটার
ধরি,
আয়তন নির্ণয়ের জন্য সেন্টিমিটারকে মিটারে রূপান্তর করতে হবে
অতএব,
১ সেন্টিমিটার কিউব = (১০⁻² মিটার) × (১০⁻² মিটার) × (১০⁻২ মিটার)
সুতরাং,
১০⁻² × ১০⁻২ × ১০⁻২ = ১০⁻⁶ মিটার কিউব
উত্তর: ১০⁻⁶মি³
সঠিক উত্তর: B) আয়ত
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তে অন্তলিখিত একটি সামান্তরিকের বিপরীত কোণগুলোর সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি
সামান্তরিকের বিপরীত কোণগুলো পরস্পর সমান হয়
ধরি,
সামান্তরিকের একটি কোণ = ক ডিগ্রি
তাহলে তার বিপরীত কোণটিও = ক ডিগ্রি হবে
অতএব,
ক + ক = ১৮০ ডিগ্রি
২ × ক = ১৮০ ডিগ্রি
সুতরাং,
ক = ৯০ ডিগ্রি এবং প্রতিটি কোণ সমকোণ
উত্তর: আয়ত
সঠিক উত্তর: A) শহীদুল ইসলাম লালু
কেন সঠিক:
- শহীদুল ইসলাম লালু মাত্র ১৩ বছর বয়সে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন।
- বয়সের দিক থেকে সবচেয়ে কম বয়সে খেতাবপ্রাপ্ত হওয়ায় তিনি সর্বকনিষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শহীদুল ইসলাম লালু — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি সর্বকনিষ্ঠ বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা।
B) হামিদুর রহমান — তিনি সর্বকনিষ্ঠ বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, সর্বকনিষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা নন।
C) নুর মোহাম্মদ শেখ — তিনি একজন বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বয়সে সর্বকনিষ্ঠ নন।
D) মোস্তফা কামাল — তিনিও একজন বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, বয়সের দিক থেকে সর্বকনিষ্ঠ নন।
মনে রাখার টিপস:
লালু মানেই লাল বয়স বা কম বয়স, যিনি সর্বকনিষ্ঠ বীর প্রতীক।
সঠিক উত্তর: D) ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭
কেন সঠিক:
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- এই চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলা সশস্ত্র সংঘাতের অবসান ঘটে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২ নভেম্বর ১৯৯৭ — এই তারিখে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি একটি ভুল তারিখ।
B) ২৫ ডিসেম্বর ১৯৯৭ — এই তারিখে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি খ্রিস্টান ধর্মীয় উৎসব বড়দিনের দিন।
সি) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৯৮ — এটি বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবসের বছর হলেও শান্তি চুক্তির সঠিক তারিখ বা সাল নয়।
ডি) ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭ — এটি পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির সঠিক ও ঐতিহাসিক স্বাক্ষরের তারিখ।
মনে রাখার টিপস:
শান্তি চুক্তির সাল মনে রাখতে ১৯৯৭ সংখ্যাটি মনে রাখুন এবং মাসটি ডিসেম্বর ও তারিখটি ২ মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) ইরাক
কেন সঠিক:
- ইরাক ১৯৭২ সালের ৮ জুলাই বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশের স্বীকৃতি প্রদান করে।
- এটিই প্রথম কোনো আরব দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেনেগাল — সেনেগাল প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে ১৯৭২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়, আরব দেশ নয়।
B) সৌদি আরব — সৌদি আরব প্রথম সারির মুসলিম দেশ হলেও বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৬ সালের ১৬ আগস্ট।
C) ইরাক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) মিসর — মিসর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৩ সালের ৮ জুলাই, ইরাকের পরে।
মনে রাখার টিপস:
আরব দেশের মধ্যে স্বীকৃতিতে সবার আগে ইরাক আসে, আর আফ্রিকান দেশ হিসেবে সবার আগে আসে সেনেগাল।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৪৯
কেন সঠিক:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়ন ও সাম্যবাদের বিস্তার রোধ করতে এবং পশ্চিমা দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই সামরিক জোট গঠিত হয়।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বারোটি প্রতিষ্ঠাতা দেশ মিলে ন্যাটো প্রতিষ্ঠা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৪৯ — এটি ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সঠিক সাল এবং এই বছরেই ওয়াশিংটন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
B) ১৯৫৪ — এটি সিটো বা সাউথইস্ট এশিয়ান ট্রিটি অর্গানাইজেশন গঠনের সাল, যা ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ১৯৫৫ — এটি ন্যাটোর বিরোধিতা করার জন্য সোভিয়েত নেতৃত্বাধীন ওয়ারশ চুক্তি বা ওয়ারশ প্যাক গঠনের সাল।
D) ১৯৬৬ — এই বছরে ফ্রান্স ন্যাটো জোটের সামরিক কমান্ড থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়, যা প্রতিষ্ঠার সাল নয়।
মনে রাখার টিপস:
ন্যাটো প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন এভাবে যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার চার বছর পর ১৯৪৯ সালে এটি গঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) ইয়াংসিকিয়াং
কেন সঠিক:
- ইয়াংসিকিয়াং নদী চীনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত এশিয়ার দীর্ঘতম এবং বিশ্বের তৃতীয় দীর্ঘতম নদী।
- এর আনুমানিক দৈর্ঘ্য প্রায় ৬৩০০ কিলোমিটার, যা এশিয়ার অন্য যেকোনো নদীর চেয়ে বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হোয়াংহো — এটি এশিয়ার দীর্ঘতম নদী নয়, এটি চীনের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
B) ইয়াংসিকিয়াং — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এশিয়ার দীর্ঘতম নদী।
C) গঙ্গা — এটি বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধান নদী হলেও এশিয়ার দীর্ঘতম নদী নয়।
D) সিন্ধু — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি প্রধান নদী, তবে এর দৈর্ঘ্য ইয়াংসিকিয়াং নদীর চেয়ে কম।
মনে রাখার টিপস:
এশিয়ার দীর্ঘতম নদীর নাম মনে রাখতে ইয়াংসিকিয়াং নামের শুরুতে থাকা 'ইয়াং' শব্দটিকে প্রধান সূত্র হিসেবে ধরতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) নিরক্ষরেখা
কেন সঠিক:
- নিরক্ষরেখা পৃথিবীর মধ্য দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত কল্পিত রেখা হওয়ায় এখানে সারা বছর সূর্যের আলো প্রায় লম্বভাবে পড়ে।
- এই অঞ্চলে সূর্য সারা বছর লম্বালম্বিভাবে কিরণ দেওয়ায় দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য প্রায় সমান থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেরুরেখা — এটি পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরুকে সংযোগকারী অক্ষ, যার উপর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয় না এবং এখানে চরম জলবায়ু বিরাজ করে।
B) নিরক্ষরেখা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
C) অক্ষরেখা — এটি গোলকের সমান্তরাল বৃত্তাকার রেখা, যার মধ্যে কেবল নিরক্ষরেখা ছাড়া অন্য কোনো নির্দিষ্ট রেখার উপর সারা বছর লম্বভাবে সূর্য কিরণ দেয় না।
D) দ্রাঘিমারেখা — এটি উত্তর ও দক্ষিণ মেরুকে সংযোগকারী কাল্পনিক অর্ধবৃত্ত, যা সময়ের হিসাবের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এর উপর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেওয়ার কোনো ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
পৃথিবীর ঠিক মাঝখানের রেখা হলো নিরক্ষরেখা, আর মাঝখানে বলেই সেখানে সূর্যের আলো সবচেয়ে সোজা বা লম্বভাবে পড়ে।
সঠিক উত্তর: C) 153
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানে মূল অনুচ্ছেদ সংখ্যা ১৫৩টি।
- সংবিধান প্রণয়নের পর থেকে এর মূল অনুচ্ছেদ সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 150 — এই সংখ্যাটি সংবিধানের অনুচ্ছেদ সংখ্যার সঙ্গে মিলে না।
B) 140 — এটি সংবিধানের কোনো অনুচ্ছেদ সংখ্যার সঠিক মান নয়।
C) 153 — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের সংবিধানের মোট অনুচ্ছেদ সংখ্যা।
D) 151 — এই সংখ্যাটি সংবিধানের অনুচ্ছেদ সংখ্যার ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের সংবিধানের মোট অনুচ্ছেদ সংখ্যা ১৫৩ এবং এর সাথে ৭টি তফসিল রয়েছে।
সঠিক উত্তর: D) জার্মানি
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ মাত্র পাঁচটি এবং তাদেরই ভেটো প্রদানের ক্ষমতা রয়েছে।
- জার্মানি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়, তাই এই দেশের কোনো ভেটো ক্ষমতা নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাষ্ট্র — এটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য এবং এর ভেটো ক্ষমতা রয়েছে।
B) যুক্তরাজ্য — এটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য এবং এর ভেটো ক্ষমতা রয়েছে।
C) রাশিয়া — এটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য এবং এর ভেটো ক্ষমতা রয়েছে।
D) জার্মানি — এটি জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
নিরাপত্তার স্থায়ী সদস্য ৫টি দেশ হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, চীন ও ফ্রান্স। এদের বাইরে জার্মানি বা অন্য কোনো দেশের ভেটো ক্ষমতা নেই।
সঠিক উত্তর: D) ১১ নং
কেন সঠিক:
- বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি ১৯৭১ সালে ১১ নম্বর সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
- ১১ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম এ তাহের এবং এই সেক্টরের অধীন ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও রংপুর অঞ্চলের কিছু অংশে তিনি যুদ্ধ পরিচালনা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯ নং — এটি খুলনা ও বরিশাল অঞ্চল নিয়ে গঠিত সেক্টর ছিল, যেখানে তারামন বিবি যুদ্ধ করেননি।
B) ৪ নং — এটি সিলেট অঞ্চল নিয়ে গঠিত সেক্টর ছিল, যা তারামন বিবি পরিচালিত এলাকার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ৮ নং — এটি কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা অঞ্চল নিয়ে গঠিত সেক্টর ছিল, যেখানে এই বীর প্রতীক যুদ্ধ করেননি।
D) ১১ নং — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই সেক্টরেই যুদ্ধ করেছিলেন এবং সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
তারামন বিবি ১১ নম্বর সেক্টরের যোদ্ধা ছিলেন, মনে রাখতে তারামন শব্দের শেষ অক্ষর ন এবং ১১ নম্বরের সঙ্গে নামের মিল রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) রাষ্ট্রপতি
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের ১ দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন।
- সংসদের ভেঙে যাওয়ার পর বা প্রবর্তনের সময় রাষ্ট্রপতি লিখিত আদেশের মাধ্যমে এই অধিবেশন ডাকেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্পীকার — স্পীকার সংসদের অধিবেশন পরিচালনা করেন, কিন্তু তা আহ্বান করার সাংবিধানিক ক্ষমতা স্পীকারের নেই।
B) প্রধানমন্ত্রী — প্রধানমন্ত্রী সরকার প্রধান হলেও তিনি কেবল রাষ্ট্রপতিকে অধিবেশন আহ্বানের পরামর্শ দিতে পারেন, নিজে সরাসরি আহ্বান করতে পারেন না।
C) রাষ্ট্রপতি — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ সংবিধান অনুযায়ী অধিবেশন আহ্বান করার একক সাংবিধানিক ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির রয়েছে।
D) প্রধান বিচারপতি — প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগের প্রধান এবং আইনপ্রণেতাদের সাথে সংসদের অধিবেশন আহ্বানের কোনো সাংবিধানিক সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
সংসদের অধিবেশন আহ্বান ও ভাঙার চাবিকাঠি রাষ্ট্রপতির হাতে থাকে।
সঠিক উত্তর: C) লালমনিরহাট
কেন সঠিক:
- দহগ্রাম বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ও সবচেয়ে পরিচিত ছিটমহল, যা লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার অন্তর্ভুক্ত।
- ২০১৫ সালের ১ আগস্ট ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে এটি স্থায়ীভাবে বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নীলফামারী — এই জেলার ভৌগোলিক সীমানায় কোনো ছিটমহল ছিল না, তাই এটি সঠিক নয়।
B) কুড়িগ্রাম — এই জেলায় পূর্বের কিছু ছিটমহল থাকলেও দহগ্রাম এখানে অবস্থিত নয়।
C) লালমনিরহাট — এই অপশনটি সঠিক, কারণ দহগ্রাম এই জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত।
D) দিনাজপুর — এই জেলায় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার অন্য কিছু ছিটমহল থাকলেও দহগ্রাম এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
লাল রঙের পাট দিয়ে দহগ্রাম ছিটমহল তৈরি, এভাবে মনে রাখলে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) সুইডেন
কেন সঠিক:
- সুইডেন বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশগুলোর শীর্ষ জোট জি-সেভেন (G-7) এর সদস্য নয়।
- জি-সেভেন জোটে মূলত যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও জাপান এই সাতটি দেশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কানাডা — এটি জি-সেভেন জোটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও স্থায়ী সদস্য দেশ।
B) ইতালি — এটি জি-সেভেন জোটের সদস্য এবং ইউরোপের অন্যতম প্রধান শিল্পোন্নত দেশ।
C) সুইডেন — এটি জি-সেভেন জোটের সদস্য নয়, তবে এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ।
D) জাপান — এটি জি-সেভেন জোটের সদস্য এবং এশিয়া মহাদেশ থেকে একমাত্র প্রতিনিধিত্বকারী দেশ।
মনে রাখার টিপস:
জি-সেভেন জোটে সাতটি দেশ আছে, যার মধ্যে ইউরোপের বাইরের দেশ কানাডা, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের দেশ যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি ও ইতালি অন্তর্ভুক্ত; এখানে সুইডেন নেই।
সঠিক উত্তর: B) ইন্দোনেশিয়া
কেন সঠিক:
- ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় ২৭ কোটি সত্তর লক্ষ, যা বিশ্বের যেকোনো মুসলিম দেশের তুলনায় সর্বাধিক।
- বিশ্বের মোট মুসলিম জনসংখ্যার দিক থেকেও এই দ্বীপরাষ্ট্রটি প্রথম অবস্থানে রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ — জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ, প্রথম নয়।
B) ইন্দোনেশিয়া — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং জনসংখ্যার ভিত্তিতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ।
C) মালয়েশিয়া — মালয়েশিয়ার জনসংখ্যা ইন্দোনেশিয়ার তুলনায় অনেক কম এবং এটি মুসলিম প্রধান দেশ হলেও জনসংখ্যার শীর্ষে নয়।
D) সৌদি আরব — ইসলাম ধর্মের উৎপত্তিস্থল হলেও জনসংখ্যার বিচারে সৌদি আরব ইন্দোনেশিয়ার চেয়ে অনেক পিছিয়ে রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ মনে রাখতে "ই" দিয়ে ইন্দোনেশিয়া মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) ম্যানিলা
কেন সঠিক:
- এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবি ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর ফিলিপাইনের ম্যানিলা শহরের অন্দালুয়োগে অবস্থিত।
- এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করার জন্য এই আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হংকং — এটি এশিয়ার একটি প্রধান অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হলেও এখানে এই ব্যাংকের সদর দপ্তর নেই।
B) সিঙ্গাপুর — এটি একটি উন্নত দেশ ও আর্থিক হাব হওয়া সত্ত্বেও এখানে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত নয়।
C) ম্যানিলা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই ব্যাংকটির মূল সদর দপ্তর অবস্থিত।
D) ব্যাংকক — এটি থাইল্যান্ডের রাজধানী এবং আঞ্চলিক কার্যালয় থাকলেও এটি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের মূল সদর দপ্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
এশিয়ার উন্নয়ন মানেই ম্যানিলা মানুষের মুখে মুখে।
সঠিক উত্তর: B) DNA এবং প্রোটিন
১. কেন সঠিক:
- ক্রোমোসোমের মূল উপাদান হলো ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড বা DNA এবং হিস্টোনসহ বিভিন্ন প্রোটিন।
- এই দুটি উপাদান একত্রে যুক্ত হয়ে কোষের জিনগত তথ্য সংরক্ষণ করে এবং তা পরবর্তী প্রজন্মে স্থানান্তরিত করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ইউক্যারিওটিক কোষে ক্রোমোসোম মূলত DNA এবং হিস্টোন প্রোটিনের জটিল সংমিশ্রণে গঠিত।
- কার্যপ্রণালি: সুতার মতো দীর্ঘ DNA অণু অত্যন্ত কুন্ডলিত হয়ে ছোট প্রোটিন অণুর চারপাশে পেঁচিয়ে ক্রোমোসোম তৈরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের কোষে থাকা তেইশ জোড়া ক্রোমোসোম।
ব্যাখ্যা: এগুলি DNA ও প্রোটিনের সমন্বয়ে গঠিত বলেই মানুষের বংশগত বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করতে পারে।
উদাহরণ ২: ভাইরাসের ক্ষেত্রে নিউক্লেইক অ্যাসিড ও প্রোটিনের আবরণ।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে বংশগত বস্তু হিসেবে DNA এবং প্রোটিনের যৌথ উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) DNA — শুধু DNA ক্রোমোসোমের সম্পূর্ণ গঠন তৈরি করে না, কারণ এর সাথে প্রোটিন আবশ্যক।
B) DNA এবং প্রোটিন — এটি সঠিক কারণ ক্রোমোসোম এই দুটি উপাদানেই গঠিত।
C) RNA — RNA কোষের আমিষ সংশ্লেষে প্রধান ভূমিকা রাখে, ক্রোমোসোমের প্রধান গঠন উপাদান নয়।
D) প্রোটিন — শুধু প্রোটিন দিয়ে ক্রোমোসোম গঠিত হয় না, এর সাথে DNA থাকা বাধ্যতামূলক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ক্রোমোসোমের গঠন মনে রাখতে ডিপি (DP) বা DNA + Protein এই সংক্ষিপ্ত রূপটি মাথায় রাখতে পারো।
- কোষের কেন্দ্রিকাতে DNA এবং প্রোটিন মিলে জিনের ভাণ্ডার তৈরি করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্রোমোসোমের রাসায়নিক উপাদান সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ক্রোমোসোমে DNA এবং প্রোটিনের অনুপাত কত, এই সম্পর্কিত প্রশ্নও পরবর্তীতে আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) হলুদ
১. কেন সঠিক:
- হলুদ আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে কম বা ভালো হয় না কারণ উদ্ভিদের ক্লোরোফিল এই আলো শোষণ করতে পারে না।
- উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান আলোর নির্দিষ্ট কিছু তরঙ্গদৈর্ঘ্য ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে হলুদ অংশটি প্রতিফলিত হয়ে ফিরে যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: সালোকসংশ্লেষণ হলো সেই জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইড থেকে শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে।
- কার্যপ্রণালি: উদ্ভিদের পাতায় উপস্থিত ক্লোরোফিল রঙ্গক প্রধানত লাল এবং নীল আলো সবচেয়ে বেশি শোষণ করে খাদ্য তৈরির হার বাড়ায়।
- কারণ ও ফলাফল: হলুদ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ক্লোরোফিলের শোষণ বর্ণালীর সঙ্গে মিলে না যাওয়ায় এই আলো উদ্ভিদের কোনো কাজে লাগে না এবং সালোকসংশ্লেষণের হার প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাচঘর বা গ্রিনহাউসে হলুদ রঙের কাচ ব্যবহার করলে গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
ব্যাখ্যা: হলুদ কাচ কেবল হলুদ আলো প্রবেশ করতে দেওয়ায় উদ্ভিদ প্রয়োজনীয় শক্তি পায় না।
উদাহরণ ২: অন্ধকার ঘরে হলুদ বাল্ব জ্বেলে গাছ রাখলে গাছ সতেজ থাকে না।
ব্যাখ্যা: উদ্ভিদের খাদ্য তৈরির জন্য লাল ও নীল আলোর প্রয়োজন যা হলুদ বাল্ব সরবরাহ করতে পারে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাল — লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণ খুব ভালো হয় কারণ ক্লোরোফিল এই আলো প্রচুর পরিমাণে শোষণ করে।
B) নীল — নীল আলোতেও সালোকসংশ্লেষণের হার অত্যন্ত বেশি হয় যা উদ্ভিদের অঙ্গ গঠনে সাহায্য করে।
C) কমলা — কমলা আলো দৃশ্যমান বর্ণালীর অংশ এবং এটিও সালোকসংশ্লেষণে মাঝারি মাত্রায় ব্যবহৃত হয়।
D) হলুদ — হলুদ আলোতে ক্লোরোফিল সক্রিয় হয় না এবং এই আলো প্রতিফলিত হয়ে নষ্ট হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সালোকসংশ্লেষণে লাল ও নীল আলো হলো সবচেয়ে প্রিয় এবং হলুদ হলো সবচেয়ে অপছন্দের আলো।
- রামধনু বা দৃশ্যমানের মাঝখানের হলুদ রঙে গাছ কাজ করে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভালো হয় লাল ও নীল আলোতে।
- একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন আলোতে সালোকসংশ্লেষণের হার সর্বোচ্চ।
সঠিক উত্তর: D) Solar energy
১. কেন সঠিক:
সৌরশক্তি ব্যবহারের ফলে কোনো ধরনের ক্ষতিকর গ্রিনহাউস গ্যাস বা বিষাক্ত বর্জ্য উৎপন্ন হয় না, যা পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখে।
এটি একটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হওয়ায় ফুরিয়ে যাওয়ার কোনো ভয় নেই এবং এটি প্রকৃতির নিজস্ব শক্তিকে কাজে লাগায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: নবায়নযোগ্য শক্তি হলো এমন শক্তি যা প্রাকৃতিক উৎস থেকে অবিরাম উৎপাদিত হয় এবং কখনো নিঃশেষ হয় না।
কার্যপ্রণালি: সোলার প্যানেলের ফটোভোল্টেইক কোষ সূর্যালোকের ফোটন কণাকে সরাসরি শোষণ করে ইলেকট্রন উত্তেজিত করার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে।
বাস্তব প্রয়োগ: বাড়ির ছাদে সোলার প্যানেল বসিয়ে বা সোলার সেচ পাম্প ব্যবহার করে পরিবেশবান্ধব উপায়ে দৈনন্দিন বিদ্যুতের চাহিদা মেটানো হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাসাবাড়ির ছাদে স্থাপিত সোলার প্যানেল ব্যবস্থা।
ব্যাখ্যা: এটি সূর্যের আলোকে কাজে লাগিয়ে ক্ষতিকারক ধোঁয়া ছাড়াই ঘরের বাতির ও পাখার বিদ্যুতের চাহিদা মেটায়।
উদাহরণ ২: মহাসড়কের সৌরশক্তি চালিত স্ট্রিট লাইট।
ব্যাখ্যা: এটি দিনের বেলা সূর্যের আলো জমিয়ে রেখে রাতের বেলা চারপাশ আলোকিত করে, যা জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Nuclear power plant — পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিবেশবান্ধব নয় কারণ এর ফলে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ তেজস্ক্রিয় বর্জ্য উৎপন্ন হয়।
B) Gas power plant — গ্যাস বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিবেশবান্ধব নয় কারণ এটি পোড়ানোর সময় কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস নির্গত করে।
C) Oil power plant — তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিবেশবান্ধব নয় কারণ এটি গ্রিনহাউস গ্যাস ও সালফার ডাই অক্সাইড ছড়ায়।
D) Solar energy — এটি সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব শক্তি কারণ এটি পরিচালনায় কোনো দূষণ বা ক্ষতিকর বর্জ্য হয় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
সৌরশক্তি বা সোলার এনার্জি হলো সূর্যের আলো থেকে পাওয়া শক্তি, যা প্রকৃতিকে দূষণমুক্ত রাখে।
নবায়নযোগ্য শক্তির উৎসগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে সহজলভ্য এবং সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পরিবেশ দূষণ রোধে বর্তমানে জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
এই টপিক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন শক্তি উৎসটি পরিবেশবান্ধব বা কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন করে না।
সঠিক উত্তর: A) Ca(OCl)Cl
১. কেন সঠিক:
- ব্লিচিং পাউডার মূলত ক্যালসিয়াম হাইপোফ্লোরাইট, ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড এবং ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের একটি জটিল মিশ্রণ।
- এর মূল কার্যকরী উপাদান হলো ক্যালসিয়াম হাইপোফ্লোরাইট, যার রাসায়নিক সংকেত Ca(OCl)Cl লেখা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: শুষ্ক কলি চুন বা ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের ওপর ক্লোরিন গ্যাস চালনা করে ব্লিচিং পাউডার প্রস্তুত করা হয়।
- রাসায়নিক বিক্রিয়া: ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের সাথে ক্লোরিন বিক্রিয়া করে ব্লিচিং পাউডার ও পানি উৎপন্ন করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: এটি মূলত জীবাণুনাশক, কাগজের সজ্জা সাদা করতে এবং কাপড় থেকে দাগ তুলতে বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ময়লা কাপড়ে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা।
ব্যাখ্যা: ব্লিচিং পাউডার থেকে উৎপন্ন ক্লোরিন কাপড়ের রঙিন ও অপদ্রব্য যৌগের সাথে বিক্রিয়া করে সেগুলোকে বর্ণহীন ও পরিষ্কার করে।
উদাহরণ ২: পানির পাম্প বা জলাশয়ে ব্লিচিং পাউডার ছিটানো।
ব্যাখ্যা: ব্লিচিং পাউডার পানিতে থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণু ধ্বংস করে পানিকে নিরাপদ ও পানোপযোগী করে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Ca(OCl)Cl — এটি ব্লিচিং পাউডারের সঠিক এবং প্রধান কার্যকরী রাসায়নিক সংকেত।
B) C₆H₆O — এটি ফেনল বা কার্বোলিক এসিডের রাসায়নিক সংকেত, যা এক ধরনের জৈব যৌগ।
C) CaCO₃ — এটি ক্যালসিয়াম কার্বনেট বা চুনাপাথরের রাসায়নিক সংকেত, যা ব্লিচিং পাউডার নয়।
D) HCl — এটি হাইড্রোক্লোরিক এসিডের রাসায়নিক সংকেত, যা একটি শক্তিশালী অজৈব এসিড।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ব্লিচিং পাউডারের সংকেতে একটি ক্যালসিয়াম পরমাণু, একটি অক্সিজেন পরমাণু এবং দুটি ক্লোরিন পরমাণু একটি বিশেষ বিন্যাসে যুক্ত থাকে।
- সংকেতটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো ক্যালসিয়াম (Ca) এর সাথে ওক্লি (OCl) এবং ক্লোরিন (Cl) যুক্ত করা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ব্লিচিং পাউডার প্রস্তুত করতে শুষ্ক কলি চুন ব্যবহার করা হয়, ভেজা চুন ব্যবহার করলে বিক্রিয়া ঠিকভাবে হয় না।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার আসে, তাই এর বাণিজ্যিক নাম ও রাসায়নিক নাম ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) পানি
১. কেন সঠিক:
পানির আপেক্ষিক তাপ সবচেয়ে বেশি হওয়ার কারণে এটি পরিবেশের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
প্রকৃতিতে পানির এই অনন্য বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি প্রচুর পরিমাণ তাপ শোষণ বা বর্জন করতে পারে without experiencing rapid temperature changes.
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: একক ভরের কোনো পদার্থের তাপমাত্রা এক ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি করতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন হয়, তাকে ওই পদার্থের আপেক্ষিক তাপ বলে।
কার্যপ্রণালি: পানির অণুগুলোর মধ্যে শক্তিশালী হাইড্রোজেন বন্ধন বিদ্যমান থাকায় তাপ প্রয়োগ করলে অধিকাংশ শক্তি এই বন্ধন ভাঙতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গ্রীষ্মকালে সমুদ্রের পানি উপকূলীয় এলাকার তাপমাত্রা সহনীয় রাখে।
ব্যাখ্যা: পানি ধীরে ধীরে তাপ শোষণ করে এবং পরিবেশের অতিরিক্ত উষ্ণতা রোধ করে।
উদাহরণ ২: ইঞ্জিন ঠান্ডা করার কুল্যান্ট হিসেবে পানি ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: পানি দ্রুত ইঞ্জিন থেকে প্রচুর তাপ শোষণ করে মোটরকে নিরাপদ রাখতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বায়ু — বায়ুর আপেক্ষিক তাপ পানির তুলনায় অনেক কম এবং এটি দ্রুত গরম বা ঠান্ডা হয়।
B) পানি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর আপেক্ষিক তাপ অন্যান্য সাধারণ পদার্থের চেয়ে সর্বোচ্চ।
C) লোহা — লোহার আপেক্ষিক তাপ বেশ কম তাই এটি দ্রুত তাপ শোষণ করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
D) তামা — তামার আপেক্ষিক তাপ কম হওয়ায় এটি তাপের সুপরিবাহী হিসেবে দ্রুত তাপ ছড়ায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রকৃতিতে তাপ ধরে রাখার ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি যার, তার নাম পানি।
পানির আপেক্ষিক তাপ প্রায় চার হাজার দুই শ জুল প্রতি কেজি প্রতি কেলভিন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
আপেক্ষিক তাপের একক হলো জুল প্রতি কেজি প্রতি কেলভিন।
সমুদ্রের কাছাকাছি জলবায়ু সমভাবাপন্ন হওয়ার মূল কারণ পানির এই উচ্চ আপেক্ষিক তাপ।
সঠিক উত্তর: B) ৪°C
১. কেন সঠিক:
পানির ব্যতিক্রমী প্রসারণের কারণে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয়।
সাধারণত তরল পদার্থকে ঠান্ডা করলে এর আয়তন কমে এবং ঘনত্ব বাড়ে, কিন্তু পানি শূন্য থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ঠান্ডা করলে আয়তন না কমে বরং বাড়ে এবং ঘনত্ব কমে যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: পানির ঘনত্ব হলো একক আয়তনে পানির ভর, যা চার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সর্বোচ্চ ১ গ্রাম প্রতি ঘনসেন্টিমিটার হয়।
কার্যপ্রণালি: তাপমাত্রা চার ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলে পানির অণুগুলোর মধ্যে হাইড্রোজেন বন্ধনের কারণে সুনির্দিষ্ট শূন্যস্থানযুক্ত জালিকা তৈরি হয়, ফলে আয়তন বৃদ্ধি পায়।
কারণ ও ফলাফল: আয়তন বাড়ার কারণে নির্দিষ্ট ভরের পানির ঘনত্ব হ্রাস পায়, যা জলজ প্রাণীদের বেঁচে থাকতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশের পুকুরের উপরিভাগের পানি জমে বরফ হলেও তলদেশের চার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পানিতে মাছ ও জলজ প্রাণীরা বেঁচে থাকে।
ব্যাখ্যা: বরফের ঘনত্ব পানির চেয়ে কম হওয়ায় বরফ উপরে ভেসে থাকে এবং তলদেশে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার ভারী পানি নিচে অবস্থান করে।
উদাহরণ ২: শীতকালে পানি জমে বরফে পরিণত হলে পাইপ ফেটে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।
ব্যাখ্যা: পানি বরফে পরিণত হলে আয়তন প্রায় নয় শতাংশ বৃদ্ধি পায় এবং অতিরিক্ত প্রসারণের চাপে পাইপ ফেটে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০°C — এই তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব চার ডিগ্রি সেলসিয়াসের তুলনায় কম থাকে কারণ তাপমাত্রা বাড়লে পানির অণুগুলোর গতিশক্তি বৃদ্ধি পেয়ে আয়তন সামান্য বেড়ে যায়।
B) ৪°C — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি পানির সর্বোচ্চ ঘনত্বের তাপমাত্রা হিসেবে পরীক্ষামূলকভাবে প্রমাণিত।
C) ৪৫°C — এই তাপমাত্রায় পানি বেশ উষ্ণ থাকে এবং উচ্চ তাপমাত্রার কারণে পানির প্রসারণ ঘটে ঘনত্ব অনেক কমে যায়।
D) ১০০°C — এটি স্বাভাবিক চাপে পানির স্ফুটনাঙ্ক, যেখানে পানি বাষ্পে পরিণত হতে শুরু করে এবং এর ঘনত্ব সর্বনিম্ন স্তরের কাছাকাছি থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
পানির ক্ষেত্রে সংখ্যা চার হলো যাদুকরী সংখ্যা, কারণ চার ডিগ্রি সেলসিয়াসে ঘনত্ব সর্বোচ্চ এবং আয়তন সর্বনিম্ন হয়।
চার অক্ষর বিশিষ্ট শব্দ ঘনত্ব মনে রেখে তার সঙ্গে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস মিলিয়ে এই প্রশ্নটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পানির এই ব্যতিক্রমী আচরণকে পানির অ্যানোমালাস প্রসারণ বলা হয়, যা চার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ঘটে থাকে।
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি ঘুরিয়ে আসে যে বরফের ঘনত্ব পানির চেয়ে কম না বেশি।
সঠিক উত্তর: B) ৩ টি
১. কেন সঠিক:
প্রকৃতিতে হাইড্রোজেনের মোট তিনটি আইসোটোপ পাওয়া যায়। এগুলো হলো প্রোনাশ, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
আইসোটোপ হলো একই মৌলের ভিন্ন পরমাণু যাদের প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন। হাইড্রোজেনের ক্ষেত্রে তিনটি পরমাণুরই প্রোটন সংখ্যা ১, কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন যথাক্রমে ০, ১ এবং ২।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাধারণ পানির আণুতে প্রোনাশ আইসোটোপ থাকে যা আমরা পান করি।
ব্যাখ্যা: এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পরিমাণে প্রাপ্ত হাইড্রোজেনের রূপ।
উদাহরণ ২: ভারী পানিতে ডিউটেরিয়াম আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা: পারমাণবিক চুল্লিতে মডারেটর হিসেবে ভারী পানি ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ টি - এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ প্রকৃতিতে হাইড্রোজেনের দুটি নয়, তিনটি স্থায়ী ও অস্থায়ী আইসোটোপ বিদ্যমান।
B) ৩ টি - এটি সঠিক উত্তর কারণ হাইড্রোজেনের প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম নামক তিনটি আইসোটোপ রয়েছে।
C) ৪ টি - এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ হাইড্রোজেনের চার নম্বর কোনো প্রাকৃতিক স্থিতিশীল আইসোটোপ নেই।
D) ৫ টি - এই সংখ্যাটি ভুল কারণ বৈজ্ঞানিকভাবে হাইড্রোজেনের মোট আইসোটোপের সংখ্যা পাঁচটি নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ মনে রাখার সহজ উপায় হলো পিডিটি অর্থাৎ প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম। এদের ভরসংখ্যা যথাক্রমে ১, ২ এবং ৩।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ট্রিটিয়াম হলো হাইড্রোজেনের একমাত্র তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) H₂
১. কেন সঠিক:
- গ্যাসের ব্যাপন হার গ্যাসটির আণবিক ভরের ওপর নির্ভর করে এবং আণবিক ভর কম হলে ব্যাপন হার বেশি হয়।
- হাইড্রোজেন গ্যাসের আণবিক ভর সবচেয়ে কম হওয়ায় এটি অন্যান্য গ্যাসের তুলনায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: কোনো মাধ্যমে গ্যাসের অণুগুলোর স্বতঃস্ফূর্ত ও সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।
- সূত্র/তত্ত্ব: গ্রাহামের গ্যাস ব্যাপন সূত্র অনুসারে, নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ও চাপে কোনো গ্যাসের ব্যাপন হার গ্যাসটির ঘনত্বের বা আণবিক ভরের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক। অর্থাৎ ব্যাপন হার আণবিক ভরের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্কযুক্ত।
- কার্যপ্রণালি: কম আণবিক ভরের গ্যাসের অণুগুলোর গতিশক্তি বেশি থাকে, তাই তারা দ্রুত চলাচল করে এবং বেশি হারে ব্যাপন ঘটায়।
- বাস্তব প্রয়োগ: সুগন্ধি বা রান্নার গ্যাসের গন্ধ বাতাসে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ব্যাপন প্রক্রিয়ার কারণে ঘটে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেলুনে হিলিয়াম গ্যাস ভরার পর তা দ্রুত ছোট হয়ে যাওয়া।
ব্যাখ্যা: হিলিয়ামের আণবিক ভর কম থাকায় এর ব্যাপন হার বেশি হয় এবং এটি বেলুনের ক্ষুদ্র ছিদ্র দিয়ে দ্রুত বেরিয়ে যায়।
উদাহরণ ২: ঘরের এক কোণে পারফিউম স্প্রে করলে অন্য কোণে গন্ধ পৌঁছানো।
ব্যাখ্যা: হালকা অণুগুলো দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে বলেই আমরা অল্প সময়ে গন্ধ পাই।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) N₂ — নাইট্রোজেনের আণবিক ভর আঠারো, যা হাইড্রোজেনের চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় এর ব্যাপন হার কম।
B) O₂ — অক্সিজেনের আণবিক ভর বত্রিশ, যা হাইড্রোজেন অপেক্ষা বেশি হওয়ায় ব্যাপন হার কম হয়।
C) CO₂ — কার্বন ডাই-অক্সাইডের আণবিক ভর চুয়াল্লিশ, যা তুলনামূলক ভারী হওয়ায় এর ব্যাপন হার সবচেয়ে কমগুলোর একটি।
D) H₂ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর আণবিক ভর মাত্র দুই, যা প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যার ভর কম, তার বেগ ও ব্যাপন হার বেশি।
- হালকা গ্যাস বাতাসে দ্রুত ছোটে, তাই হাইড্রোজেন সবার চেয়ে এগিয়ে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- গ্রাহামের ব্যাপন সূত্র থেকে বিসিএস বা অন্যান্য পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে কোন গ্যাসের ব্যাপন হার বেশি বা কম।
- আণবিক ভর বের করে খুব সহজেই এই ধরনের প্রশ্নের সঠিক উত্তর নির্ধারণ করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) NH₃
১. কেন সঠিক:
- অ্যামোনিয়া জলীয় দ্রবণে হাইড্রোক্সাইড আয়ন উৎপন্ন করে ক্ষারীয় বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
- এতে ধাতু বা ধাতুর মতো কাজ করা মূলক না থাকলেও লুইস ক্ষারক হিসেবে এটি প্রোটন গ্রহণ করতে পারে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: যে সকল যৌগ জলীয় দ্রবণে OH মাইনাস আয়ন উৎপন্ন করে অথবা প্রোটন গ্রহণ করে তাদের ক্ষার বা ক্ষারক বলে।
- কার্যপ্রণালি: অ্যামোনিয়া পানির সাথে বিক্রিয়া করে ammonium ion এবং hydroxyl ion উৎপন্ন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ্যামোনিয়া গ্যাস লাল লিটমাস কাগজকে নীল করে।
ব্যাখ্যা: এটি ক্ষারীয় পদার্থের একটি মৌলিক রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য।
উদাহরণ ২: কাচ পরিষ্কার করার লিকুইডে অ্যামোনিয়ার ব্যবহার।
ব্যাখ্যা: অ্যামোনিয়ার ক্ষারীয় গুণ ময়লা ও তেলতেলে ভাব সহজে দূর করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) NH₃ — এটি একটি ক্ষারক কারণ এটি পানিতে হাইড্রোক্সাইড আয়ন তৈরি করে এবং প্রোটন গ্রহণ করতে পারে।
B) Na₂SO₄ — এটি একটি নিরপেক্ষ লবণ যা সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও সালফিউরিক এসিডের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন হয়।
C) NaCl — এটি সাধারণ লবণ বা সোডিয়াম ক্লোরাইড যা এসিড ও ক্ষার neutralized হয়ে তৈরি হয়।
D) HNO₂ — এটি নাইট্রাস এসিড যা জলীয় দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়ন উৎপন্ন করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ধাতব হাইড্রোক্সাইড ছাড়াও কিছু যৌগ যেমন অ্যামোনিয়া ক্ষারক হতে পারে কারণ এদের লোন পেয়ার ইলেকট্রন থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- লুইস তত্ত্ব অনুযায়ী ইলেকট্রন জোড় দাতা যৌগসমূহ ক্ষারক হিসেবে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: A) পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
১. কেন সঠিক:
- অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন নীতি কাজ করে।
- আলোর এই নীতির কারণে আলো ফাইবার নলের ভেতরে বারবার প্রতিফলিত হয়ে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চলে যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: আলো যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে প্রবেশ করে এবং আপতন কোণ সংকট কোণের চেয়ে বেশি হয়, তখন আলো প্রতিসৃত না হয়ে সম্পূর্ণভাবে প্রতিফলিত হয়ে ঘন মাধ্যমে ফিরে আসে। একে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে।
- কার্যপ্রণালি: অপটিক্যাল ফাইবারের ভেতরের অংশকে কোর এবং বাইরের আবরণকে ক্ল্যাডিং বলে। কোরের প্রতিসরাঙ্ক ক্ল্যাডিংয়ের প্রতিসরাঙ্ক অপেক্ষা বেশি থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মরুভূমির মরিচিকা।
ব্যাখ্যা: আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের কারণে মরুভূমিতে বা পিচ ঢালা রাস্তায় মরিচিকার সৃষ্টি হয়।
উদাহরণ ২: হীরকের উজ্জ্বলতা।
ব্যাখ্যা: হীরকের ভেতর আলো প্রবেশ করার পর বারবার পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলিত হয় বলে হীরা উজ্জ্বল দেখায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি অপটিক্যাল ফাইবারের মূল কার্যনীতি।
B) প্রতিসরণ — এটি আলোর এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যাওয়ার ঘটনা, যা অপটিক্যাল ফাইবারের ভেতরে প্রধান কার্যনীতি নয়।
C) অপবর্তন — এটি কোনো বাধা অতিক্রম করে আলোর বাঁকা হয়ে যাওয়ার ঘটনা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) প্রতিফলন — এটি সাধারণ আয়নায় আলোর ফিরে আসার ঘটনা, কিন্তু অপটিক্যাল ফাইবারে মাধ্যম পরিবর্তনের নির্দিষ্ট শর্তে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অপটিক্যাল ফাইবার মানেই পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন। ফাইবার শব্দটি দেখলেই পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন উত্তর নির্বাচন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অপটিক্যাল ফাইবারের কোর ও ক্ল্যাডিংয়ের প্রতিসরাঙ্ক সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- টেলিকমিউনিকেশন ও দ্রুত গতির ইন্টারনেট সংযোগে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) কপার ও টিন
১. কেন সঠিক:
- ব্রোঞ্জ হলো একটি ধাতুসংকর বা সংকর ধাতু, যা মূলত তামা বা কপার এবং টিনের মিশ্রণে তৈরি করা হয়।
- খাঁটি তামা নরম হলেও এর সঙ্গে নির্দিষ্ট অনুপাতে টিন মেশালে এর কাঠিন্য, শক্তি এবং স্থায়িত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: দুই বা ততোধিক ধাতু অথবা একটি ধাতু ও একটি অধাতুর সমসত্ত্ব মিশ্রণকে সংকর ধাতু বা অ্যালয় বলা হয়।
- কার্যপ্রণালি: গলিত তামার সঙ্গে টিন নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশিয়ে এবং পরে ঠান্ডা করে ব্রোঞ্জ তৈরি করা হয়।
- কারণ ও ফলাফল: তামার সঙ্গে টিন মেশানোর ফলে ধাতুর কেলাসের গঠন পরিবর্তিত হয়, যা একে অধিক টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী করে তোলে।
- বাস্তব প্রয়োগ: প্রাচীনকাল থেকেই মূর্তি, মুদ্রা, পদক এবং জাহাজের প্রপেলার তৈরিতে ব্রোঞ্জ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঐতিহাসিক প্রাচীন মুদ্রা তৈরি।
ব্যাখ্যা: প্রাচীন সভ্যতায় টেকসই ও সহজে ক্ষয় হয় না এমন মুদ্রা তৈরিতে কপার ও টিনের এই সংকর ধাতু ব্যবহার করা হতো।
উদাহরণ ২: অলিম্পিক গেমসের ব্রোঞ্জ পদক।
ব্যাখ্যা: ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অধিকারীদের যে পদক দেওয়া হয়, তা এই ব্রোঞ্জ বা তামা ও টিনের সংমিশ্রণ দিয়েই তৈরি করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অ্যালুমিনিয়াম ও টিন — এই দুটি ধাতু মিশিয়ে ব্রোঞ্জ তৈরি হয় না, তবে অ্যালুমিনিয়ামের নিজস্ব বিভিন্ন সংকর ধাতু রয়েছে।
B) কপার ও টিন — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ ব্রোঞ্জের মূল উপাদান হলো কপার ও টিন।
C) কপার ও সিলভার — কপার ও সিলভারের মিশ্রণে রূপালী রঙের সংকর ধাতু তৈরি হতে পারে, কিন্তু একে ব্রোঞ্জ বলে না।
D) কপার ও গোল্ড — কপার ও গোল্ডের মিশ্রণে রঙিন সংকর ধাতু বা সোনালী অলংকার তৈরি হয়, যা ব্রোঞ্জ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ব্রোঞ্জ শব্দটির সঙ্গে কপার ও টিনের সম্পর্ক মনে রাখতে কপার এবং টিনের মিশ্রণের কথা মনে রাখবে।
- সংকর ধাতু মানেই একাধিক ধাতুর মিশ্রণ, আর ব্রোঞ্জের প্রধান উপাদান হলো তামা বা কপার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন সংকর ধাতুর উপাদান প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- পিতল কোন দুটি ধাতুর সংকর, এই প্রশ্নটি ব্রোঞ্জের মতোই সমান গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: A) প্রতিফলন
১. কেন সঠিক:
শব্দ যখন কোনো মাধ্যম দিয়ে চলার সময় কোনো কঠিন বা দৃঢ় মাধ্যমে বাধা পায়, তখন মাধ্যমটির তল থেকে ধাক্কা খেয়ে আবার আগের মাধ্যমে ফিরে আসে। শব্দের এই ফিরে আসাকেই শব্দের প্রতিফলন বলা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: শব্দের প্রতিফলন হলো সেই ঘটনা যেখানে শব্দ তরঙ্গ কোনো প্রতিবন্ধকে বাধা পেয়ে দিক পরিবর্তন করে উৎসের দিকে বা অন্য দিকে ফিরে আসে।
কার্যপ্রণালি: উৎস থেকে উৎপন্ন শব্দ বাতাসে তরঙ্গাকারে ছড়িয়ে পড়ে এবং দূরের দেয়াল বা পাহাড়ের গায়ে বাধা পেয়ে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে।
কারণ ও ফলাফল: উৎস থেকে মূল শব্দ এবং প্রতিফলিত শব্দ শোনার মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান ন্যূনতম শূন্য দশমিক এক সেকেন্ড হলে মূল শব্দের একটি পৃথক পুনরাবৃত্তি শোনা যায়, যাকে প্রতিধ্বনি বলে।
বাস্তব প্রয়োগ: বড় খালি হলরুমে কথা বললে শব্দ বারবার প্রতিফলিত হয়, যা শব্দের অনুবর্তন বা রেইনবারবেশন তৈরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কোনো বড় ফাঁকা মাঠে বা পাহাড়ের সামনে দাঁড়িয়ে উচ্চস্বরে চিৎকার করলে কিছু সময় পর নিজের গলার আওয়াজ আবার শুনতে পাওয়া যায়।
ব্যাখ্যা: পাহাড়ের গায়ে শব্দ বাধা পেয়ে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে বলেই আমাদের কানে প্রতিধ্বনি হিসেবে ধরা পড়ে।
উদাহরণ ২: সমুদ্রের গভীরতা মাপার যন্ত্র বা সোনার প্রযুক্তিতে জাহাজের তলা থেকে শব্দ তরঙ্গের প্রতিফলন ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: শব্দ পানিতে পাঠিয়ে তা সমুদ্রের তলদেশ থেকে ফিরে আসতে কত সময় নেয় তা মেপে গভীরতা নির্ণয় করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রতিফলন — সঠিক উত্তর কারণ শব্দ বাধা পেয়ে ফিরে আসার ফলেই প্রতিধ্বনি সৃষ্টি হয়।
B) প্রতিসরণ — এটি আলোর বা শব্দের এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে ঢোকার সময় দিক পরিবর্তনের ঘটনা, যা প্রতিধ্বনির কারণ নয়।
C) উপরিপাতন — এটি দুটি তরঙ্গের মিলিত হওয়ার ঘটনা, যার ফলে শব্দের ব্যতিচার বা চরম ও অবম দশা সৃষ্টি হতে পারে।
D) সমপাতন — এটি সাধারণ অর্থে দুটি ঘটনার মিলে যাওয়া বোঝায়, যা শব্দবিজ্ঞানের কোনো নির্দিষ্ট মূল তরঙ্গ প্রক্রিয়া নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রতিধ্বনি মানে শব্দের ফিরে আসা এবং ফিরে আসার বৈজ্ঞানিক নাম হলো প্রতিফলন। আলো যেভাবে আয়নায় প্রতিফলিত হয়, শব্দও সেভাবে দেয়ালে প্রতিফলিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিধ্বনি শোনার জন্য উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব প্রায় সতেরো মিটার বা ছত্রিশ দশমিক ছয় ফুট হতে হবে। কান মানুষের শব্দের রেশ শূন্য দশমিক এক সেকেন্ড ধরে রাখে, এই তথ্যটি বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: A) পেরিস্কোপ
১. কেন সঠিক:
পেরিস্কোপ তৈরিতে সমতল দর্পণ ব্যবহার করা হয় কারণ এটি আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটিয়ে কোনো প্রতিবন্ধকের আড়ালে থাকা বস্তু স্পষ্ট দেখতে সাহায্য করে।
এখানে দুটি সমতল দর্পণকে সমান্তরালে এবং পঁয়তাল্লিশ ডিগ্রি কোণে স্থাপন করা হয় যাতে আলো দুইবার প্রতিফলিত হয়ে দর্শকের চোখে পৌঁছায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: আলোর প্রতিফলন এবং সমতল দর্পণের বৈশিষ্ট্য।
কার্যপ্রণালি: পেরিস্কোপের নলের দুই প্রান্তে দুটি সমতল দর্পণ পরস্পরের সমান্তরালে রাখা হয়। ওপরের দর্পণে বাইরের বস্তুর আলো পড়ে প্রতিফলিত হয়ে নিচে আসে এবং নিচের দর্পণে আবার প্রতিফলিত হয়ে দর্শকের চোখে পড়ে।
বাস্তব প্রয়োগ: সাবমেরিন থেকে পানির নিচে থেকে পানির ওপরের দৃশ্য দেখার জন্য এবং যুদ্ধক্ষেত্রে খাদের ভেতর থেকে শত্রুর গতিবিধি পর্যবেক্ষণে এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাবমেরিনের পেরিস্কোপ।
ব্যাখ্যা: পানির নিচে থেকে সাবমেরিনের নৌকর্মীরা সমুদ্রের উপরিভাগের জাহাজ বা শত্রুর অবস্থান নিরাপদে পর্যবেক্ষণ করতে সমতল দর্পণের এই প্রতিফলন কৌশল ব্যবহার করেন।
উদাহরণ ২: পরিখার ভেতরের পেরিস্কোপ।
ব্যাখ্যা: যুদ্ধক্ষেত্রে সৈনিকরা মাটির গভীরে বা পরিখায় লুকিয়ে থেকে সমতল দর্পণযুক্ত পেরিস্কোপের সাহায্যে মাথার ওপরে শত্রুর আক্রমণ বা চারপাশের পরিস্থিতি দেখতে পান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পেরিস্কোপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে দুটি সমতল দর্পণ নির্দিষ্ট কোণে স্থাপন করে আলো প্রতিফলিত করা হয়।
B) ক্যামেরা — এটি ভুল কারণ ক্যামেরায় প্রতিসরণের নীতিতে কাজ করে এমন উত্তল লেন্স ব্যবহৃত হয়।
C) টেলিস্কোপ — এটি ভুল কারণ দূরবর্তী বস্তু দেখার এই যন্ত্রে একাধিক লেন্স বা অবতল দর্পণ ব্যবহৃত হয়।
D) মাইক্রোস্কোপ — এটি ভুল কারণ অতি ক্ষুদ্র বস্তু বড় করে দেখার এই যন্ত্রে উত্তল লেন্সের প্রতিসরণ ব্যবহার করা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
পেরিস্কোপ শব্দটির সাথে লুকিয়ে থাকা বস্তু দেখার সম্পর্ক রয়েছে এবং এর ভেতরের মূল হাতিয়ার হলো সমতল দর্পণ।
মনে রাখবে যেখানেই বাধা অতিক্রম করে দেখার দরকার হয়, সেখানেই সমতল দর্পণের প্রতিফলন কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সমতল দর্পণে গঠিত প্রতিবিম্ব সর্বদা অসদ, সোজা এবং বস্তুর সমান আকারের হয়।
এই একই প্রতিফলন নীতি ব্যবহার করে পেরিস্কোপের পাশাপাশি ক্যালাইডোস্কোপ বা বহুদর্শী যন্ত্রও তৈরি করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) লিউকেমিয়া
১. কেন সঠিক:
লিউকেমিয়া হলো রক্ত কোষের এক ধরনের ক্যান্সার যা মূলত শ্বেত রক্তকণিকার অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে ঘটে।
অস্থিমজ্জায় রক্তকণিকা তৈরির প্রক্রিয়ায় ত্রুটি দেখা দিলে এই মারাত্মক রোগটির সৃষ্টি হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: লিউকেমিয়া হলো রক্তের ক্যান্সার।
কার্যপ্রণালি: মানবদেহের অস্থিমজ্জা অতিরিক্ত এবং অপরিণত শ্বেত রক্তকণিকা উৎপাদন শুরু করে যা স্বাভাবিক রক্তকণিকার কাজ ব্যাহত করে।
কারণ ও ফলাফল: অস্বাভাবিক কোষগুলো সুস্থ লোহিত রক্তকণিকা ও অনুচক্রিকার স্থান দখল করে নেয় ফলে রক্তাল্পতা, ইনফেকশন এবং রক্তপাতের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একজন সুস্থ মানুষের রক্তে শ্বেত রক্তকণিকার একটি নির্দিষ্ট মাত্রা থাকে কিন্তু লিউকেমিয়া রোগীর রক্ত পরীক্ষায় এই মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বহুগুণ বেশি পাওয়া যায়।
ব্যাখ্যা: এটি থেকে বোঝা যায় অস্থিমজ্জা অনিয়ন্ত্রিতভাবে শ্বেত রক্তকণিকা তৈরি করছে যা রোগের মূল লক্ষণ।
উদাহরণ ২: প্রায়শই ঠান্ডা লাগা বা ইনফেকশনে আক্রান্ত হওয়া এবং শরীরে নীলচে দাগ দেখা দেওয়া।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে গেছে এবং রক্ত জমাট বাঁধার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লিউকেমিয়া — এটি রক্ত বা শ্বেত রক্তকণিকার ক্যান্সার বোঝাতে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
B) এ্যানিমিয়া — এটি রক্তে হিমোগ্লোবিন বা লোহিত রক্তকণিকার ঘাটতিজনিত রোগ, যা কোনো ক্যান্সার নয়।
C) Blood Clotting — এটি রক্তের তরল থেকে অর্ধকঠিন বা কঠিন পিণ্ডে পরিণত হওয়ার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, কোনো রোগ বা ক্যান্সার নয়।
D) অ্যানজিয়া — এটি হৃদপিণ্ডে পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ না পাওয়ার কারণে বুকে তীব্র ব্যথার একটি উপসর্গ, যা রক্ত কোষের ক্যান্সার নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
লিউ শব্দটির সাথে রক্তের সংযোগ মনে রাখবে কারণ লিউকোসাইট মানে শ্বেত রক্তকণিকা আর মিয়া মানে অসুস্থতা।
শ্বেত রক্তকণিকার অতিরিক্ত বৃদ্ধি থেকেই মূলত লিউকেমিয়া নামটি এসেছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রক্তে শ্বেত রক্তকণিকার মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়াকে লিউকেমিয়া বলা হয়।
একই রকম প্রশ্ন আসতে পারে লোহিত রক্তকণিকার ঘাটতি জনিত রোগ কোনটি, যার উত্তর হবে এ্যানিমিয়া।
সঠিক উত্তর: B) ৪ টি
১. কেন সঠিক:
মহাবিশ্বের সমস্ত বস্তুর পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া এবং বল প্রয়োগের ধরণকে নিয়ন্ত্রণ করে এমন মৌলিক বল মূলত চারটি।
এই বলগুলো প্রকৃতির সমস্ত শক্তি এবং গতির মূল উৎস হিসেবে কাজ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: মহাকর্ষ বল, তড়িচ্চুম্বকীয় বল, সবল নিউক্লীয় বল এবং দুর্বল নিউক্লীয় বল।
কার্যপ্রণালি: মহাকর্ষ বল ভরযুক্ত বস্তুর আকর্ষণ বোঝায়, আর তড়িচ্চুম্বকীয় বল আধানযুক্ত কণার মধ্যে কাজ করে।
কারণ ও ফলাফল: সবল নিউক্লীয় বল পরমাণুর কেন্দ্রকে একত্রিত রাখে এবং দুর্বল নিউক্লীয় বল তেজস্ক্রিয় ক্ষয় ঘটায়।
বাস্তব প্রয়োগ: মহাকর্ষ বলের কারণে আমরা মাটিতে হেঁটে বেড়াই এবং গ্রহগুলো সূর্যের চারপাশে ঘোরে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্যকে কেন্দ্র করে পৃথিবীর প্রদক্ষিণ।
ব্যাখ্যা: এটি মহাকর্ষ বলের কারণে ঘটে থাকে।
উদাহরণ ২: পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রনের অবস্থান।
ব্যাখ্যা: এটি সবল নিউক্লীয় বলের কারণে শক্তভাবে আবদ্ধ থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩ টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ মৌলিক বলের সংখ্যা তিনটি নয়।
B) ৪ টি — এটি সঠিক এবং সর্বজনস্বীকৃত বৈজ্ঞানিক তথ্য।
C) ৫ টি — পদার্থবিজ্ঞানে বর্তমানে পাঁচ6টি মৌলিক বলের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়নি।
D) ৬ টি — এই সংখ্যাটি কোয়ার্কের ফ্লেভার বা অন্য কোনো ধারণার সাথে সম্পর্কিত হতে পারে, মৌলিক বলের ক্ষেত্রে নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মৌলিক বল মনে রাখার সহজ উপায় হলো মহাকর্ষ, তড়িচ্চুম্বক, সবল ও দুর্বল নিউক্লীয় বল।
প্রকৃতিতে বল কয়টি তা মনে রাখতে সংখ্যাটি সবসময় চার মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সবল নিউক্লীয় বল প্রকৃতিতে সবচেয়ে শক্তিশালী এবং মহাকর্ষ বল সবচেয়ে দুর্বল বল।
এই টপিক থেকে প্রায়ই কোন বলের পাল্লা বা শক্তি কেমন তা নিয়ে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) ডেসিবেল
১. কেন সঠিক:
- ডেসিবেল হলো শব্দের তীব্রতা লেভেল পরিমাপের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একক।
- এটি মূলত মানবকানের শ্রবণক্ষমতা এবং শব্দের শক্তির অনুপাতকে লগারিদমীয় স্কেলে প্রকাশ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: শব্দের তীব্রতা বলতে প্রতি একক ক্ষেত্রফলে লম্বভাবে প্রতিবাহিত শব্দের শক্তিকে বোঝায়। মানুষের কান শূন্য থেকে একশো বিশ ডেসিবেল পর্যন্ত তীব্রতার শব্দ সহনশীলভাবে শুনতে পারে।
- বাস্তব প্রয়োগ: শিল্পকারখানার শব্দ নিয়ন্ত্রণ, বিমানবন্দর এলাকার শব্দের মাত্রা নির্ধারণ এবং হাসপাতালের নীরবতা অঞ্চল বজায় রাখতে ডেসিবেল একক ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাধারণ ফিসফিস করে কথা বলার শব্দের তীব্রতা প্রায় ত্রিশ ডেসিবেল।
ব্যাখ্যা: এটি অত্যন্ত মৃদু শব্দ যা মানবকানের ওপর কোনো চাপ সৃষ্টি করে না।
উদাহরণ ২: একটি জেট প্লেনের উড্ডয়নের সময় শব্দের তীব্রতা একশো কুড়ি ডেসিবেলের বেশি হতে পারে।
ব্যাখ্যা: এই উচ্চমাত্রার শব্দ মানবকানের স্থায়ী ক্ষতি বা বধিরতার কারণ হতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হার্টজ — হার্টজ হলো কম্পাঙ্কের একক, যা প্রতি সেকেন্ডে উৎপন্ন কম্পন সংখ্যা নির্দেশ করে। এটি শব্দের তীব্রতা মাপে না।
B) ডেসিবেল — এটি শব্দের তীব্রতা লেভেল পরিমাপের সঠিক একক এবং এটি এই প্রশ্নের নির্ধারিত উত্তর।
C) প্যাসকেল — প্যাসকেল হলো চাপ পরিমাপের একক, যা প্রতি একক ক্ষেত্রফলে প্রযুক্ত বল প্রকাশ করে। এটি শব্দের তীব্রতার একক নয়।
D) টেসলা — টেসলা হলো চৌম্বক ক্ষেত্র বা চৌম্বক আবেশ পরিমাপের একক। এটি শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- তীব্রতা মাপতে দেও ডেসিবেল, কম্পাঙ্ক মাপতে হার্টজ জেনো কেবল।
- শব্দের শক্তি বা লেভেল বুঝলেই ডেসিবেল শব্দটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন রাশির একক জানতে চাওয়া হয়।
- এই প্রশ্নটি থেকে শব্দের তীব্রতার একক হিসেবে ডেসিবেল এবং কম্পাঙ্কের একক হিসেবে হার্টজ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা লাভ করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) ১৮৯৬
১. কেন সঠিক:
- সুইডিশ বিজ্ঞানী ও নোবেলজয়ী রসায়নবিদ সভান্তে আরহেনিয়াস ১৮৯৬ সালে প্রথম বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধির কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির বিষয়টি বৈজ্ঞানিকভাবে ব্যাখ্যা করেন এবং গ্রিনহাউস শব্দটি ব্যবহার করেন।
- তার এই যুগান্তকারী গবেষণার মাধ্যমেই আধুনিক জলবায়ু পরিবর্তন ও গ্লোবাল ওয়ার্মিং ধারণার সূত্রপাত ঘটেছিল।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: গ্রিনহাউস ইফেক্ট হলো এমন একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যেখানে বায়ুমণ্ডলের নির্দিষ্ট কিছু গ্যাস সূর্যের তাপ আটকে রেখে পৃথিবীর পৃষ্ঠকে উষ্ণ রাখে।
- কারণ ও ফলাফল: শিল্পায়ন ও জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা অতিরিক্ত তাপ আটকে রেখে বিশ্ব উষ্ণায়ন ঘটায়।
- বাস্তব প্রয়োগ: শীতপ্রধান দেশে কাঁচের ঘরে গাছপালা চাষের জন্য এই নীতি ব্যবহার করা হয়, যেখানে কাঁচ ভেতরকার তাপ বাইরে যেতে বাধা দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশের কাঁচের ঘর
ব্যাখ্যা: কাঁচের ঘর সূর্যের আলো ভেতরে ঢুকতে দিলেও ভেতরের তাপ বাইরে যেতে দেয় না, ফলে বাইরের বরফাবৃত পরিবেশের মধ্যেও ভেতরের গাছপালা উষ্ণ থাকে।
উদাহরণ ২: সূর্যের আলোয় ঢাকা বন্ধ গাড়ি
ব্যাখ্যা: রোদে রাখা বন্ধ গাড়ির জানালার কাঁচ ভেদ করে সূর্যের আলো ভেতরে প্রবেশ করে এবং তাপ আটকে ফেলে গাড়িটির ভেতর তীব্র গরম করে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯৬ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এর শত বছর আগেই গ্রিনহাউস শব্দটি প্রথম ব্যবহৃত ও বৈজ্ঞানিকভাবে আলোচিত হয়েছিল।
B) ১৮৯৬ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বিজ্ঞানী সভান্তে আরহেনিয়াস গ্রিনহাউস প্রভাব ও কার্বন ডাই অক্সাইডের ভূমিকা প্রথম প্রকাশ করেন।
C) ১৮৯০ — এটি ভুল কারণ এই সালে গ্রিনহাউস সংক্রান্ত কোনো সুনির্দিষ্ট ঐতিহাসিক বা বৈজ্ঞানিক ঘোষণা আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত হয়নি।
D) ১৯৫০ — এটি ভুল কারণ এই সময়ে গ্রিনহাউস ইফেক্ট প্রথম আবিষ্কৃত হয়নি, বরং বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝিতে এ নিয়ে আরও আধুনিক গবেষণা শুরু হয়েছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ১৮৯৬ সাল মনে রাখতে মনে রাখুন বিজ্ঞানী আরহেনিয়াস উনিশ শতকের শেষের দিকে একানব্বই বছর নয় বরং আঠারোশো ছিয়ানব্বই সালে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রথম বার্তা দিয়েছিলেন।
- গ্রিনহাউস ও আরহেনিয়াস নাম দুটি একই সাথে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সঠিক সাল নির্বাচন করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- গ্রিনহাউস প্রভাবের জন্য সবচেয়ে দায়ী গ্যাস হলো কার্বন ডাই অক্সাইড।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং পরিবেশবিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: C) ৯১.৬%
১. কেন সঠিক:
- ২২ ক্যারেট স্বর্ণে খাঁটি স্বর্ণের পরিমাণ শতকরা হিসেবে ৯১.৬ শতাংশ বা প্রায় ৯১.৬৬ ভাগ।
- গয়না তৈরির সময় খাঁটি ২৪ ক্যারেট স্বর্ণ খুব নরম হওয়ায় এর সঙ্গে তামা বা রূপার মতো ধাতু মেশাতে হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: স্বর্ণের বিশুদ্ধতা পরিমাপ করা হয় ক্যারেট এককের মাধ্যমে যেখানে ২৪ ক্যারেটকে শতভাগ খাঁটি ধরা হয়।
- কার্যপ্রণালি: ২২ অংশ স্বর্ণের সঙ্গে ২ অংশ অন্যান্য ধাতু মিশিয়ে মোট ২৪ অংশ বা ২২ ক্যারেট তৈরি করা হয়।
- হিসাব: ২২ ভাগ ২৪ এর কত শতাংশ তা বের করতে (২২ ÷ ২৪) × ১০০ হিসাব করলে ৯১.৬৬ শতাংশ পাওয়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ২২ ক্যারেটের গলার হার
ব্যাখ্যা: এই হারে প্রতি ১ গ্রাম ওজনে প্রায় ০.৯১৬ গ্রাম খাঁটি স্বর্ণ এবং বাকি অংশ অন্য ধাতু থাকে।
উদাহরণ ২: ১৮ ক্যারেটের আংটি
ব্যাখ্যা: ১৮ ক্যারেটে ৭৫ শতাংশ খাঁটি স্বর্ণ থাকে যা ২২ ক্যারেটের চেয়ে কম বিশুদ্ধ ও অধিক শক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০০% — এই মানটি শুধু ২৪ ক্যারেট বা সম্পূর্ণ খাঁটি স্বর্ণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যা অলংকার তৈরিতে সাধারণত ব্যবহৃত হয় না।
B) ৯৫.৩% — এটি কোনো প্রচলিত ক্যারেট মানের বিশুদ্ধতা নয় এবং হিসাবের নিয়মের সঙ্গে মেলে না।
C) ৯১.৬% — এটি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের বিশুদ্ধতার সঠিক শতকরা মান যা অলংকার শিল্পে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
D) ৭৫% — এই শতকরা মানটি ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের বিশুদ্ধতা নির্দেশ করে কারণ ১৮ কে ২৪ দ্বারা ভাগ করে ১০০ দ্বারা গুণ করলে ৭৫ পাওয়া যায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্যারেট মানকে ২৪ দিয়ে ভাগ করে ১০০ দিয়ে গুণ করলেই শতকরা বিশুদ্ধতা পাওয়া যায়।
- যেমন ২২ ক্যারেটের জন্য ২২ কে ২৪ দ্বারা ভাগ করলে ৯১.৬ শতাংশ পাওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- স্বর্ণের বিশুদ্ধতা পরিমাপের একক হলো ক্যারেট এবং ২৪ ক্যারেট হলো সবচেয়ে খাঁটি রূপ।
- পরীক্ষায় প্রায়ই ১৮, ২১ ও ২২ ক্যারেট স্বর্ণের শতকরা পরিমাণ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
প্রশ্নের ধরন: আলো, শব্দ ও তরঙ্গ
সঠিক উত্তর: D) রেডিও ওয়েভ
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে রেডিও ওয়েভের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং কম্পাঙ্ক সবচেয়ে কম।
- ত্যৈতচৌম্বক বর্ণালীতে রেডিও ওয়েভ থেকে শুরু করে গামা রশ্মি পর্যন্ত বিভিন্ন তরঙ্গ রয়েছে যেখানে নিচের দিকে তরঙ্গদৈর্ঘ্য ক্রমান্বয়ে কমতে থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: তড়িৎচৌম্বক বর্ণালীর বিভিন্ন তরঙ্গের মধ্যে তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং কম্পাঙ্কের বিপরীত সম্পর্ক বিদ্যমান।
- কার্যপ্রণালি: তরঙ্গদৈর্ঘ্য বাড়লে কম্পাঙ্ক কমে যায় এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমলে কম্পাঙ্ক বেড়ে যায়।
- বাস্তব প্রয়োগ: রেডিও তরঙ্গ দূরপাল্লার যোগাযোগ, রেডিও সম্প্রচার এবং টেলিভিশন সংকেত প্রেরণে বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রেডিও এবং টেলিভিশন সম্প্রচার
ব্যাখ্যা: রেডিও তরঙ্গ বায়ুমণ্ডলের বাধা অতিক্রম করে অনেক দূর পর্যন্ত সংকেত পাঠাতে পারে কারণ এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য অনেক বেশি।
উদাহরণ ২: ওয়াইফাই এবং ব্লুটুথ প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা: আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় রেডিও তরঙ্গের একটি নির্দিষ্ট পরিসর ব্যবহার করে ডেটা আদান প্রদান করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাল আলো — দৃশ্যমান আলোর মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলেও তা রেডিও ওয়েভের চেয়ে অনেক কম।
B) নীল আলো — দৃশ্যমান আলোর মধ্যে নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম এবং এর কম্পাঙ্ক বেশি।
C) মাইক্রোওয়েভ — মাইক্রোওয়েভের তরঙ্গদৈর্ঘ্য রেডিও ওয়েভের চেয়ে কম এবং অবলোহিত রশ্মির চেয়ে বেশি।
D) রেডিও ওয়েভ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ দৃশ্যমান আলো ও মাইক্রোওয়েভের চেয়ে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সর্বাধিক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ত্যৈতচৌম্বক বর্ণালীর ক্রম মনে রাখতে রেডিও থেকে গামা পর্যন্ত সাজালে রেডিওর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবার ওপরে অর্থাৎ সবচেয়ে বেশি থাকে।
- তরঙ্গদৈর্ঘ্য যার বেশি, তার শক্তি ও কম্পাঙ্ক তত কম হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম।
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তড়িৎচৌম্বক বর্ণালীর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
সঠিক উত্তর: C) HCl
১. কেন সঠিক:
- পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি থেকে প্রাকৃতিকভাবে হাইড্রোক্লোরিক এসিড বা HCl নিঃসৃত হয়।
- এটি খাদ্যের সাথে প্রবেশ করা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে এবং পরিপাক ক্রিয়ায় সহায়তা করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পাকস্থলীর অক্সিনটিক কোষ থেকে গ্যাস্ট্রিক রস হিসেবে হাইড্রোক্লোরিক এসিড উৎপন্ন হয়।
- কার্যপ্রণালি: এই এসিডের অম্লীয় পরিবেশ পেপসিনোজেন এনজাইমকে সক্রিয় পেপসিনে রূপান্তর করে আমিষ জাতীয় খাদ্য পরিপাক শুরু করে।
- কারণ ও ফলাফল: পর্যাপ্ত HCl উৎপাদনের ফলে খাবার সহজে হজম হয় এবং অম্লতার ভারসাম্য বজায় থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার পর পাকস্থলীতে অতিরিক্ত HCl উৎপন্ন হয়ে বুকজ্বালা বা এসিডিটি সৃষ্টি করে।
ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত এসিড উৎপাদন পরিপাকতন্ত্রে অস্বস্তি তৈরি করে, যা অ্যান্টাসিড খেয়ে নিরপেক্ষ করা হয়।
উদাহরণ ২: মাংস বা ডিমের মতো শক্ত আমিষ জাতীয় খাবার খাওয়ার পর পাকস্থলী বেশি মাত্রায় এসিড নিঃসরণ করে।
ব্যাখ্যা: আমিষ জাতীয় খাবার ভেঙে হজম করার জন্য অত্যন্ত অম্লীয় পরিবেশ বা HCl এর উপস্থিতি আবশ্যিক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) HCIO — এটি হাইপোব্রোমাউস বা হাইপোক্লোরাস এসিডের মতো একটি যৌগ, যা পাকস্থলীতে উৎপন্ন হয় না।
B) HCIO₄ — এটি পারক্লোরিক এসিড, যা একটি অত্যন্ত শক্তিশালী অজৈব এসিড এবং মানবদেহে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয় না।
C) HCl — এটি হাইড্রোক্লোরিক এসিড এবং এটিই পাকস্থলীতে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত একমাত্র পরিপাক রস।
D) HNO₃ — এটি নাইট্রিক এসিড, একটি তীব্র ক্ষয়কারী এসিড যা মানবদেহের পাকস্থলীতে থাকে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মানবদেহের পাকস্থলীতে যে এসিড থাকে তা ব্যাটারিতে ব্যবহৃত এসিডের রাসায়নিক রূপের সাথে মিলে যায়।
- পাকস্থলীর এসিড মানেই হাইড্রোক্লোরিক এসিড বা HCl, যা আমাদের খাবার হজমে সাহায্য করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে পাকস্থলীতে কোন এসিড থাকে।
- পাকস্থলীর pH এর স্বাভাবিক মাত্রা ১.৫ থেকে ৩.৫ এর মধ্যে থাকে, যা অত্যন্ত অম্লীয়।
সঠিক উত্তর: D) মার্কারী
১. কেন সঠিক:
মার্কারী বা পারদ একটি ব্যতিক্রমী ধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে। এর পারমাণবিক গঠন এবং আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলের দুর্বলতার কারণে এটি কক্ষ তাপমাত্রায় কঠিন না হয়ে তরল হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ধাতু সাধারণত কঠিন হলেও পারদ এর ব্যতিক্রম কারণ এর যোজ্যতা ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসের সঙ্গে খুব শক্তভাবে আবদ্ধ থাকে না। ফলে পারমাণবিক জালক বা ক্রিস্টাল স্ট্রাকচার তৈরি করতে পারে না এবং অণুগুলোর মধ্যে আকর্ষণ কম থাকে।
বাস্তব প্রয়োগ: থার্মোমিটার এবং স্ফিগমোনোমিটার বা রক্তচাপ মাপার যন্ত্রে তাপমাত্রা বা চাপের পরিবর্তনের সঙ্গে পারদের প্রসারণশীলতা ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জ্বর মাপার সাধারণ কাচ থার্মোমিটারে রূপালী রঙের তরল পারদ ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা: শরীরের সামান্য তাপমাত্রার পরিবর্তনে পারদ দ্রুত প্রসারিত হয়ে সঠিক তাপমাত্রা নির্দেশ করতে পারে।
উদাহরণ ২: আবহাওয়া পরিমাপক যন্ত্র বা ব্যারোমিটারে পারদের ব্যবহার।
ব্যাখ্যা: বায়ুমণ্ডলের চাপের তারতম্য নির্ভুলভাবে পরিমাপ করতে তরল পারদের ঘনত্ব ও সান্দ্রতা অত্যন্ত উপযোগী।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রেডিয়াম — এটি একটি তেজস্ক্রিয় ধাতু যা কক্ষ তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে এবং এটি উজ্জ্বল আলো ছড়ায়।
B) জিংক — এটি একটি ভারী ধাতু যা সাধারণ কক্ষ তাপমাত্রায় উজ্জ্বল কঠিন বা শক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।
C) প্লাটিনাম — এটি একটি মূল্যবান রূপালী রঙের কঠিন ধাতু যা অত্যন্ত ক্ষয়রোধী এবং শক্ত হয়।
D) মার্কারী — এটি একমাত্র ধাতু যা স্বাভাবিক কক্ষ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় অবস্থান করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
পারদকে বাংলায় পারদ বা ইংরেজিতে মার্কারী বলা হয় এবং এর রাসায়নিক প্রতীক এইচজি। মনে রাখবে এটিই একমাত্র ধাতু যা থার্মোমিটারে তরল হিসেবে থার্মোমিটারের ভেতরে ওঠানামা করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিটিটিভ পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন অধাতু তরল এবং কোন ধাতু তরল। মনে রাখবে তরল অধাতু হলো ব্রোমিন এবং তরল ধাতু হলো পারদ বা মার্কারী।
সঠিক উত্তর: A) বাড়ে
১. কেন সঠিক:
তাপমাত্রা বাড়লে পরিবাহীর উপাদানের পরমাণুগুলোর কম্পন বৃদ্ধি পায়।
এর ফলে ইলেকট্রন প্রবাহের পথে বাধা বা রোধ বেড়ে যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: পরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে এর রোধ বৃদ্ধির এই সম্পর্কটি একটি নির্দিষ্ট গাণিতিক সমীকরণ দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
সূত্র: রোধের পরিবর্তন প্রকাশের সমীকরণটি হলো আরটি সমান আরজিরোট গুণ বন্ধনী শুরু এক যোগ আলফা টি বন্ধনী শেষ। এখানে আরটি হলো নির্দিষ্ট তাপমাত্রার রোধ, আরজিরোট হলো শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসের রোধ এবং আলফা হলো রোধের উষ্ণতা গুণাঙ্ক।
কার্যপ্রণালি: তাপমাত্রা বাড়লে পরিবাহীর মুক্ত ইলেকট্রনগুলোর গতিশক্তি বেড়ে যায় এবং তারা আয়নগুলোর সঙ্গে বেশি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
কারণ ও ফলাফল: এই ঘনঘন সংঘর্ষের কারণে তড়িৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়, যা রোধ বৃদ্ধি হিসেবে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বৈদ্যুতিক বাল্ব জ্বালানোর কিছু সময় পর ফিলামেন্ট খুব গরম হয়ে যায় এবং এর রোধ বেড়ে যায়।
ব্যাখ্যা: ফিলামেন্ট গরম হওয়ার কারণে এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ কিছুটা হ্রাস পায়।
উদাহরণ ২: লোহার তারের তাপমাত্রা বাড়ালে তারের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ চলাচলের ক্ষমতা কমে যায়।
ব্যাখ্যা: তাপমাত্রা বাড়ার ফলে রোধ বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদ্যুৎ প্রবাহে বেশি বাধা সৃষ্টি হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাড়ে — এই অপশনটি সঠিক কারণ তাপমাত্রা বাড়লে ধাতব পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায়।
B) কমে — এই অপশনটি ভুল কারণ তাপমাত্রা বাড়লে পরিবাহীর রোধ কমে না, বরং অর্ধপরিবাহীর ক্ষেত্রে রোধ কমে।
C) অপরিবর্তিত থাকে — এই অপশনটি ভুল কারণ তাপমাত্রা পরিবর্তন করলে ধাতব পরিবাহীর রোধ কখনো অপরিবর্তিত থাকে না।
D) শূন্য হয় — এই অপশনটি ভুল কারণ বিশেষ কিছু অতিপরিবাহী অবস্থা ছাড়া সাধারণ তাপমাত্রায় পরিবাহীর রোধ কখনোই শূন্য হয় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
তাপমাত্রা বাড়লে পরিবাহীর রোধ বাড়ে, এই কথাটি মনে রাখতে তা বা সূত্রটি মাথায় রাখতে পারো।
অর্থাৎ তাপমাত্রা এবং রোধ সমমুখীভাবে পরিবর্তিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ধাতব পরিবাহীর তাপমাত্রা বাড়লে রোধ বাড়ে, কিন্তু অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা বাড়লে রোধ কমে।
বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় এই দুটি ধারণার ওপর প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) মিথেন
১. কেন সঠিক:
সিএনজি বা কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন গ্যাস।
প্রাকৃতিক গ্যাসকে উচ্চ চাপে সংকুচিত করে এই জ্বালানি প্রস্তুত করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: সিএনজি হলো মূলত প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি সংকুচিত রূপ যা যানবাহনে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
রাসায়নিক সংকেত: মিথেনের রাসায়নিক সংকেত সিএইচফোর, যেখানে একটি কার্বন পরমাণুর সঙ্গে চারটি হাইড্রোজেন পরমাণু যুক্ত থাকে।
কার্যপ্রণালি: প্রাকৃতিক গ্যাসকে প্রায় দুইশ থেকে আড়াইশ বার চাপে সিলিন্ডারে ভরে তরল বা গ্যাসীয় অবস্থায় সংরক্ষণ করা হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: পরিবেশবান্ধব জ্বালানি হিসেবে বাস, কার ও অটোরিকশায় সিএনজি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা শহরের অনেক সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও বাস।
ব্যাখ্যা: এসব যানবাহন চালাতে পেট্রোল বা ডিজেলের পরিবর্তে সিএনজি ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: বাসার চুলায় ব্যবহৃত প্রাকৃতিক গ্যাস।
ব্যাখ্যা: এই প্রাকৃতিক গ্যাসেরও প্রধান উপাদান মিথেন যা রান্নার কাজে শক্তি জোগায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সিজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের একটি গ্যাস যা সরাসরি দহনে সহায়তা করে কিন্তু সিএনজির মূল উপাদান নয়।
B) মিথেন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান।
C) ইথেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি উপাদান হলেও এর পরিমাণ মিথেনের চেয়ে অনেক কম থাকে।
D) অকটেন — এটি পেট্রোলিয়াম থেকে প্রাপ্ত একটি তরল হাইড্রোকার্বন যা পেট্রোলের গুণমান নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সিএনজি মানেই প্রাকৃতিক গ্যাস আর প্রাকৃতিক গ্যাস মানেই মিথেন।
মিথেন হলো সবচেয়ে সহজ ও হালকা হাইড্রোকার্বন গ্যাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সিএনজির পূর্ণরূপ হলো কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস।
এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) রন্টজেনিয়াম
১. কেন সঠিক:
- রন্টজেনিয়াম একটি কৃত্রিমভাবে তৈরি তেজস্ক্রিয় মৌল এবং পর্যায় সারণির একাদশ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হলেও এটি ঐতিহ্যবাহী মুদ্রা ধাতু নয়।
- প্রাচীনকাল থেকেই মুদ্রা তৈরিতে কেবল প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্ত কপার, সিলভার ও গোল্ড ব্যবহৃত হয়ে আসছে, যা এই মৌলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পর্যায় সারণির একাদশ শ্রেণিতে কপার, সিলভার, গোল্ড এবং রন্টজেনিয়াম অবস্থিত হলেও প্রথম তিনটি প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্ত এবং মুদ্রা ধাতু হিসেবে পরিচিত।
- কার্যপ্রণালি: রন্টজেনিয়াম পরীক্ষাগারে কৃত্তিম উপায়ে কণা ত্বরক যন্ত্রে ভারী নিউক্লিয়াস সংঘাতের মাধ্যমে তৈরি করা হয় এবং এর অর্ধায়ু অত্যন্ত কম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যে তামা বা কপার দিয়ে মুদ্রা তৈরি করা হতো।
ব্যাখ্যা: এটি দেখায় কপার প্রকৃতির সহজলভ্যতা ও স্থায়িত্বের কারণে প্রাচীনকাল থেকে মুদ্রা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
উদাহরণ ২: প্রাচীন গ্রিসের সময় থেকে রূপা বা সিলভার দিয়ে মুদ্রা তৈরি করা হতো।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে সিলভার ধাতু তার ঔজ্জ্বল্য ও রাসায়নিক নিষ্ক্রিয়তার জন্য মুদ্রার উপাদান হিসেবে সমাদৃত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কপার — এটি পর্যায় সারণির একাদশ শ্রেণির প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্ত একটি মৌল এবং প্রাচীনকাল থেকে মুদ্রা তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
B) সিলভার — এটি রূপা নামে পরিচিত, একটি মূল্যবান প্রাকৃতিক ধাতু এবং বিশ্বজুড়ে মুদ্রা ও অলংকার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
C) গোল্ড — এটি স্বর্ণ নামে পরিচিত, সবচেয়ে পরিচিত মূল্যবান ধাতু যা প্রাচীনকাল থেকে মুদ্রা ও সঞ্চয়ী মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
D) রন্টজেনিয়াম — এটি একটি কৃত্রিম তেজস্ক্রিয় মৌল, যার কোনো ঐতিহাসিক মুদ্রা তৈরির ব্যবহার নেই এবং এটি অত্যন্ত অস্থির প্রকৃতির।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুদ্রা ধাতু চেনার সহজ উপায় হলো তামার তৈরি মুদ্রা, রূপার মুদ্রা এবং সোনার মুদ্রার কথা মনে রাখা।
- পর্যায় সারণির একাদশ শ্রেণির প্রথম তিনটি মৌল মুদ্রা ধাতু হলেও শেষের কৃত্রিম মৌলটি এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় কোন মৌলটি মুদ্রা ধাতু নয় বা কৃত্রিম তেজস্ক্রিয় মৌল।
- পর্যায় সারণির একাদশ শ্রেণির মৌলগুলোর নাম এবং তাদের প্রাকৃত বা কৃত্রিম উৎস সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) ডাইঅপটার
১. কেন সঠিক:
লেন্সের ক্ষমতা হলো কোনো লেন্সের আলোকরশ্মি অভিসারী বা অপসারী করার সামর্থ্যের পরিমাপ। লেন্সের ফোকাস দূরত্বের মিটার এককে প্রকাশিত মানের ব্যস্তানুপাতকে লেন্সের ক্ষমতা বলা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: লেন্সের ফোকাস দূরত্ব যত কম হয়, লেন্সের ক্ষমতা তত বেশি হয়।
সূত্র: ক্ষমতা সমান ১ ভাগ ফোকাস দূরত্ব মিটার এককে।
একক: ক্ষমতার আন্তর্জাতিক একক হলো ডাইঅপটার, যাকে সংক্ষেপে ডি লেখা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চশমার প্রেসক্রিপশনে প্লাস দুই দশমিক শূন্য শূন্য ডাইঅপটার লেখা থাকা।
ব্যাখ্যা: এটি নির্দেশ করে যে ওই লেন্সটি দূরদর্শিতা বা হাইপারোপিয়া ত্রুটি সংশোধনের জন্য ব্যবহৃত উত্তল লেন্স।
উদাহরণ ২: মাইনাস এক দশমিক পাঁচ শূন্য ডাইঅপটার ক্ষমতার লেন্স।
ব্যাখ্যা: এটি নির্দেশ করে যে ওই লেন্সটি নিকট দৃষ্টিশক্তি বা মায়োপিয়া ত্রুটি সংশোধনের জন্য ব্যবহৃত অবতল লেন্স।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডাইঅপটার — এটি লেন্সের ক্ষমতার সঠিক আন্তর্জাতিক একক।
B) ডেসিবেল — এটি শব্দের তীব্রতা বা শব্দ প্রাবল্য পরিমাপের একক।
C) ওয়াট — এটি ক্ষমতা বা শক্তির হার পরিমাপের একক।
D) মিটার — এটি দৈর্ঘ্য বা দূরত্ব পরিমাপের মৌলিক একক।
৫. মনে রাখার টিপস:
ক্ষমতার প্রথম অক্ষর ক এবং ডাইঅপটারের প্রথম অক্ষর ড যুক্ত করে ক-ড বা লেন্সের ক্ষমতা ডাইঅপটারে মাপা হয় এভাবে মনে রাখা যায়। ফোকাস দূরত্ব মিটারে থাকলে তবেই ক্ষমতা ডাইঅপটারে প্রকাশিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
উত্তল লেন্সের ক্ষমতা ধনাত্মক এবং অবতল লেন্সের ক্ষমতা ঋণাত্মক হয়। এই ধারণাটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার পদার্থবিজ্ঞানের অংশে প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
সঠিক উত্তর: A) O₂
১. কেন সঠিক:
অক্সিজেন গ্যাস গ্রীন হাউজ গ্যাস নয় কারণ এটি বায়ুমণ্ডলের দীর্ঘস্থায়ী তাপ শোষণ করে রাখতে পারে না। গ্রীন হাউজ গ্যাস হতে হলে অণুকে অন্তত তিনটি পরমাণুবিশিষ্ট বা জটিল গঠনসম্পন্ন হতে হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: গ্রীন হাউজ গ্যাস হলো সেই গ্যাসগুলো যা পৃথিবী থেকে বিকিরিত তাপ শোষণ করে বায়ুমণ্ডলে আটকে রাখে এবং বিশ্ব উষ্ণায়নে ভূমিকা রাখে।
কার্যপ্রণালি: অক্সিজেন দ্বি-পারমাণবিক গ্যাস হওয়ায় এর অণু অবলোহিত রশ্মি বা তাপ শোষণ করতে পারে না এবং তাপ সহজে ভেদ করে চলে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস সূর্যের আলো আসতে দিলেও পৃথিবী থেকে ফিরে যাওয়া তাপ আটকে রাখে।
ব্যাখ্যা: এটি গ্রীন হাউজ প্রভাব সৃষ্টি করে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ধরে রাখতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: জলীয় বাষ্প প্রকৃতির অন্যতম শক্তিশালী গ্রীন হাউজ গ্যাস হিসেবে কাজ করে।
ব্যাখ্যা: এটি বায়ুমণ্ডলে তাপ ধরে রেখে প্রাকৃতিকভাবে পৃথিবীকম্বল উষ্ণ রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) O₂ — এটি দ্বি-পারমাণবিক সরল গ্যাস এবং এর কোনো তাপ শোষণ ক্ষমতা নেই বলে এটি গ্রীন হাউজ গ্যাস নয়।
B) O₃ — ওজোন একটি ত্রি-পারমাণবিক গ্যাস এবং এটি বায়ুমণ্ডলে তাপ শোষণ করায় এটি একটি গ্রীন হাউজ গ্যাস।
C) Water Vapor — জলীয় বাষ্প একটি প্রধান গ্রীন হাউজ গ্যাস যা প্রচুর পরিমাণে তাপ শোষণ করতে পারে।
D) CO₂ — কার্বন ডাই অক্সাইড জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে উৎপন্ন হয় এবং এটি একটি অন্যতম প্রধান গ্রীন হাউজ গ্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
যেসকল গ্যাসের অণুতে তিন বা ততোধিক পরমাণু থাকে যেমন কার্বন ডাই অক্সাইড, ওজোন ও জলীয় বাষ্প, সেগুলো সাধারণত গ্রীন হাউজ গ্যাস হয়। অক্সিজেন বা নাইট্রোজেনের মতো সরল গ্যাস গ্রীন হাউজ গ্যাস নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা গ্রীন হাউজ গ্যাস হলো জলীয় বাষ্প।
গ্রীন হাউজ গ্যাসগুলোর নাম মনে রাখার জন্য কার্বন ডাই অক্সাইড, মিথেন, জলীয় বাষ্প এবং নাইট্রাস অক্সাইডের নাম ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) শূন্য
১. কেন সঠিক:
পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য হয় কারণ কেন্দ্রের দিকে বস্তুর ওপর সব দিক থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশের আকর্ষণ বল সমানভাবে কাজ করে এবং পরস্পরকে বাতিল করে দেয়।
এছাড়াও, পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব শূন্য হওয়ায় এবং পৃথিবীর কেন্দ্র পর্যন্ত কার্যকর ভর শূন্য বিবেচনা করায় অভিকর্ষজ ত্বরণ শূন্য হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: অভিকর্ষজ ত্বরণ হলো অভিকর্ষ বলের প্রভাবে ভূ-পৃষ্ঠে মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হার।
সূত্র: গাণিতিক সূত্র অনুযায়ী অভিকর্ষজ ত্বরণ জি সমান মহাকর্ষীয় ধ্রুবক জি গুণ পৃথিবীর ভর এম এবং একে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ আর এর বর্গ দ্বারা ভাগ করতে হয়।
কার্যপ্রণালি: যতই পৃথিবীর গভীরে যাওয়া যায়, ততই কার্যকর ভর কমতে থাকে এবং কেন্দ্রে পৌঁছালে এই কার্যকর ভর শূন্য হয়ে যায়।
বাস্তব প্রয়োগ: পৃথিবীর কেন্দ্রে কোনো বস্তুর ওজন থাকে না বললেই চলে, যদিও বস্তুটির ভর অপরিবর্তিত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লিফটের তার ছিঁড়ে নিচে পড়ার সময় ভেতরে থাকা ব্যক্তি যেমন ওজনহীনতা অনুভব করেন, পৃথিবীর কেন্দ্রেও বস্তুর ক্ষেত্রে ঠিক তেমনি অভিকর্ষজ বল কাজ করে না।
ব্যাখ্যা: এই অবস্থায় ব্যক্তির ওপর ত্বরণ বা বল শূন্য হয়ে যাওয়ার কারণে ওজন শূন্য অনুভূত হয়।
উদাহরণ ২: একটি সুড়ঙ্গ খুঁড়ে পৃথিবীর ঠিক কেন্দ্রে কোনো বস্তুকে ঝুলিয়ে দিলে তা স্থির হয়ে থাকবে এবং নিচে পড়বে না।
ব্যাখ্যা: এর কারণ হলো কেন্দ্রের দিকে সব দিক থেকে সমান আকর্ষণ বল কাজ করায় লব্ধি বল শূন্য হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শূন্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ পৃথিবীর কেন্দ্রে কার্যকর ভর ও আকর্ষণ বল শূন্য হওয়ায় অভিকর্ষজ ত্বরণ থাকে না।
B) 9.8 m/s² — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি সাধারণত সমুদ্রপৃষ্ঠে বা ভূ-পৃষ্ঠের স্বাভাবিক অভিকর্ষজ ত্বরণের মান নির্দেশ করে।
C) 4.9 m/s² — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে নির্দিষ্ট উচ্চতায় বা গভীরতায় ত্বরণের একটি আনুমানিক হিসাব হতে পারে, কেন্দ্রের মান নয়।
D) অসীম — এই অপশনটি ভুল কারণ অভিকর্ষজ ত্বরণ কেন্দ্র থেকে দূরে গেলে কমে এবং কেন্দ্রে শূন্য হয়, অসীম হতে পারে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
পৃথিবীর কেন্দ্রে গেলেই সবকিছু শূন্য হয়ে যায়, তাই মনে রাখবে কেন্দ্রের ত্বরণ মানেই শূন্য।
গভীরতা বাড়লে অভিকর্ষজ ত্বরণ কমতে থাকে এবং কেন্দ্রে পৌঁছালে তা একেবারে শূন্যে নেমে আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে ভূ-পৃষ্ঠ থেকে গভীরে গেলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কী হয়।
মনে রাখবে, ভূ-পৃষ্ঠ থেকে কেন্দ্রে গেলে অভিকর্ষজ ত্বরণ কমতে থাকে এবং কেন্দ্রে এর মান শূন্য হয়, যা মেরু বা বিষুব অঞ্চলের মানের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা।
সঠিক উত্তর: C) গামা
১. কেন সঠিক:
গামা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি কারণ এটি ফোটন কণা বা তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ। এর কোনো ভর বা আধান না থাকায় এটি বস্তুর ভেতরে খুব সহজে প্রবেশ করতে পারে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তেজস্ক্রিয় মৌল থেকে নির্গত তিন ধরনের রশ্মির মধ্যে গামা রশ্মির ভর ও আধান শূন্য। ফলে পদার্থের পরমাণুর সঙ্গে এর সংঘর্ষ কম হয় এবং এটি অনেকদূর ভেদ করে চলে যেতে পারে।
বাস্তব প্রয়োগ: ক্যানসার চিকিৎসায় টিউমারের কোষ ধ্বংস করতে এবং চিকিৎসাকেন্দ্রের যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করতে গামা রশ্মি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সীসার ভারী পাত।
ব্যাখ্যা: আলফা ও বিটা রশ্মি কাগজের পাতা বা অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল দিয়েই আটকানো যায়, কিন্তু গামা রশ্মি আটকাতে পুরু সীসার দেওয়াল বা কংক্রিটের প্রয়োজন হয়।
উদাহরণ ২: মহাজাগতিক গামা রশ্মি বিস্ফোরণ।
ব্যাখ্যা: মহাকাশের গ্যালাক্সি থেকে আসা গামা রশ্মি কোটি কোটি আলোকবর্ষ পথ পাড়ি দিয়ে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ভেদ করে আমাদের কাছে পৌঁছায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলফা — এটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াস হওয়ায় এর ভর ও আধান বেশি, তাই এর ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে কম।
B) বিটা — এটি ইলেকট্রন প্রবাহ হওয়ায় এর ভেদন ক্ষমতা আলফার চেয়ে বেশি কিন্তু গামার চেয়ে অনেক কম।
C) গামা — এটি সঠিক উত্তর, তাই এর ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
D) সবগুলির সমান — এই অপশনটি ভুল কারণ তেজস্ক্রিয় রশ্মিগুলোর ভেদন ক্ষমতা ভিন্ন।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভেদমুক্ত গামা সবার সেরা, আলফা কাগজেই আটকায় যারা। এভাবে মনে রাখতে পারো যে আলফার ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে কম এবং গামার সবচেয়ে বেশি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তেজস্ক্রিয়তা থেকে বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে। গামা রশ্মি আধানহীন এবং এর গতি আলোর গতির সমান, এই তথ্যগুলো মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) সফটওয়্যার
১. কেন সঠিক:
এন্টিভাইরাস হলো এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা কোডের সমষ্টি যা কোনো ডিভাইসে ইনস্টল করা থাকে।
এটি কম্পিউটারের মেমোরিতে থাকা ফাইল ও প্রোগ্রামগুলো স্ক্যান করে ক্ষতিকর কোড বা ম্যালওয়্যার শনাক্ত ও অপসারণ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: এন্টিভাইরাস হলো এমন একটি ইউটিলিটি সফটওয়্যার যা ক্ষতিকর প্রোগ্রাম বা ভাইরাস শনাক্ত, প্রতিরোধ ও ধ্বংস করতে ব্যবহৃত হয়।
কার্যপদ্ধতি: এটি সিগনেচার ম্যাচিং ও হিউরিস্টিক অ্যানালাইসিসের মাধ্যমে ফাইলের গঠন পরীক্ষা করে ক্ষতিকর কার্যক্রম খুঁজে বের করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্যাসপারস্কি এন্টিভাইরাস
ব্যাখ্যা: এটি একটি জনপ্রিয় এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা কম্পিউটারে প্রবেশ করার আগেই ইন্টারনেট থেকে আসা ভাইরাস ব্লক করে।
উদাহরণ ২: উইন্ডোজ ডিফেন্ডার
ব্যাখ্যা: এটি মাইক্রোসফট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সাথে বিল্ট-ইন বা প্রি-ইনস্টলড সফটওয়্যার হিসেবে থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিস্টেম সফটওয়্যার — সিস্টেম সফটওয়্যার হলো অপারেটিং সিস্টেম বা ড্রাইভার যা হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ করে, এন্টিভাইরাস সরাসরি সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করে না।
B) ম্যালওয়্যার — ম্যালওয়্যার হলো ক্ষতিকর সফটওয়্যার, আর এন্টিভাইরাস ম্যালওয়্যার ধ্বংস করে, তাই এটি ম্যালওয়্যার নয়।
C) হার্ডওয়্যার — হার্ডওয়্যার হলো কম্পিউটারের দৃশ্যমান ও স্পর্শনীয় শারীরিক অংশ, কিন্তু এন্টিভাইরাস হলো অদৃশ্য কোডের সমষ্টি বা সফটওয়্যার।
D) সফটওয়্যার — এটি সঠিক কারণ এন্টিভাইরাস একটি কোডভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভাইরাস যেমন ক্ষতিকর সফটওয়্যার, তেমনি ভাইরাস তাড়ানোর জন্য যে প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয় তা একটি প্রতিরক্ষামূলক সফটওয়্যার।
সফটওয়্যার কখনো ছোঁয়া যায় না, কেবল রান করা যায়, তাই এন্টিভাইরাসও একটি সফটওয়্যার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার ভাইরাসের নাম ক্রিপার এবং প্রথম বাণিজ্যিক এন্টিভাইরাসের নাম গ্রিডলিয়ার।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এন্টিভাইরাসকে ইউটিলিটি সফটওয়্যারের একটি প্রকার হিসেবে প্রশ্ন করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) প্রিন্টার
১. কেন সঠিক:
প্রিন্টার হলো একটি আউটপুট ডিভাইস কারণ এটি কম্পিউটারের ভেতর থাকা ডিজিটাল বা সফট কপিকে কাগজে প্রিন্ট করে হার্ড কপিতে রূপান্তর করে।
ব্যবহারকারী কম্পিউটারে যা তৈরি করেন বা নির্দেশ দেন, প্রিন্টার তা দৃশ্যমান বা বোধগম্য আউটপুট হিসেবে আমাদের হাতে পৌঁছে দেয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: যে সব হার্ডওয়্যার ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে প্রসেস করা ডেটা ব্যবহারকারীর কাছে দৃশ্যমান, শ্রবণযোগ্য বা প্রিন্টেড আকারে প্রকাশিত হয়, সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার থেকে পাঠানো সিগন্যাল গ্রহণ করে প্রিন্টার কালি বা টোনারের সাহায্যে কাগজের ওপর লেখা বা ছবি ফুটিয়ে তোলে।
ব্যবহার: দাপ্তরিক কাজ, ছবি প্রিন্ট করা, বই ও ডকুমেন্ট তৈরির কাজে প্রিন্টার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মনিটর বা ডিসপ্লে স্ক্রিন।
ব্যাখ্যা: এটি একটি ভিজ্যুয়াল আউটপুট ডিভাইস যা কম্পিউটারের প্রসেসিং ফলাফল চোখের সামনে প্রদর্শন করে।
উদাহরণ ২: স্পিকার।
ব্যাখ্যা: এটি একটি অডিও আউটপুট ডিভাইস যা ডিজিটাল অডিও সিগন্যালকে মানুষের বোধগম্য শব্দে রূপান্তরিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাউস — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটারে নির্দেশ বা ডেটা প্রেরণ করেন।
B) প্রিন্টার — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি প্রসেস করা ডেটা বাইরে প্রকাশ করে।
C) কি বোর্ড — এটি একটি প্রধান ইনপুট ডিভাইস যার সাহায্যে কম্পিউটারে লেখা বা কমান্ড ইনপুট করা হয়।
D) স্ক্যানার — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস যা কাগজের হার্ড কপিকে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে কম্পিউটারে পাঠায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইনপুট মানে কম্পিউটারের ভেতরে তথ্য প্রবেশ করানো যেমন কিবোর্ড ও মাউস।
আউটপুট মানে কম্পিউটার থেকে ফলাফল বাইরে বের করে আনা যেমন প্রিন্টার ও মনিটর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসের শ্রেণিবিভাগ থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
কোন ডিভাইস ইনপুট এবং কোনটি আউটপুট, তা ডিভাইসের কার্যকারিতা বুঝে নির্ধারণ করতে হবে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)