সঠিক উত্তর: B) ৩ টি
১. কেন সঠিক:
একটি সার্থক বা আদর্শ বাক্যের মৌলিক গুণ বা বৈশিষ্ট্য তিনটি। এই তিনটি গুণ হলো আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাক্য গঠনের ক্ষেত্রে এই তিনটি গুণের উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি। আকাঙ্ক্ষা হলো বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা। আসত্তি হলো বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষা করার জন্য পদগুলোকে যথাযথভাবে সাজিয়ে বসা। যোগ্যতা হলো বাক্যের পদগুলোর মধ্যে অর্থের সংগতি ও ভাবগত মিল থাকা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে।
ব্যাখ্যা: এটি একটি আদর্শ বাক্য কারণ এতে আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা তিনটি গুণই perfectly বিদ্যমান।
উদাহরণ ২: কাল আমি ঢাকা যাব।
ব্যাখ্যা: এটিও একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য যার মাধ্যমে স্পষ্ট অর্থ প্রকাশ পায় এবং তিনটি গুণ রক্ষা করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ টি — আদর্শ বাক্যের গুণ সংখ্যা ভুল বলা হয়েছে কারণ বাক্যের অপরিহার্য গুণ তিনটি।
B) ৩ টি — এটি সঠিক উত্তর।
C) ৪ টি — বাক্যের মূল গুণ চারটি নয়, তাই এই অপশনটি ভুল।
D) ৫ টি — আদর্শ বাক্যের সংখ্যা পাঁচ বলা হয়েছে যা ব্যাকরণগত নিয়মের সাথে মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
আদর্শ বাক্যের তিনটি গুণ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তিন অক্ষর বিশিষ্ট সূত্র: আ, আ, য। যেখানে প্রথম আ তে আকাঙ্ক্ষা, দ্বিতীয় আ তে আসত্তি এবং য তে যোগ্যতা বোঝায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই তিনটি গুণের সংজ্ঞা থেকে প্রশ্ন আসে। যেমন, পদের পর পদ সাজিয়ে লেখার নিয়মকে আসত্তি বলা হয়, এটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ধাতু
১. কেন সঠিক:
- ক্রিয়াপদের মূল অংশকে ধাতু বলা হয়, যা থেকে কাল ও পুরুষভেদে বিভিন্ন ক্রিয়াপদ গঠিত হয়।
- ব্যাকরণগতভাবে ধাতু হলো শব্দমূল বা ক্রিয়ার মূল রূপ, যার সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে পূর্ণাঙ্গ ক্রিয়াপদ তৈরি করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়ার মূলকে ধাতু বলা হয়। যেমন পর + অ = পড়।
- ধাতু প্রধানত তিন প্রকার: মৌলিক ধাতু, সাধিত ধাতু এবং সংযোগমূলক ধাতু।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কর ধাতু থেকে করি, করো, করলেন ক্রিয়াপদ গঠিত হয়।
ব্যাখ্যা: এখানে কর হলো ক্রিয়াপদের মূল বা ধাতু।
উদাহরণ ২: দেখ ধাতু থেকে দেখি, দেখো, দেখলেন ক্রিয়াপদ গঠিত হয়।
ব্যাখ্যা: এখানে দেখ হলো ক্রিয়ার মূল অংশ বা ধাতু।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিভক্তি — পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে শব্দকে পদে পরিণত করে এবং কারক বোঝাতে সাহায্য করে, যা ক্রিয়ার মূল নয়।
B) কারক — বাক্যের সঙ্গে ক্রিয়াপদের সম্পর্ককে কারক বলে, এটি ক্রিয়ার মূল অংশ নয়।
C) ধাতু — এটি সঠিক উত্তর।
D) প্রত্যয় — শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, যা নিজে ক্রিয়ার মূল অংশ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্রিয়াপদের মূল মানেই ধাতু, এটি মনে রাখতে ক্রিয়ার মূল ও ধাতুর প্রথম অক্ষর মিলিয়ে দেখতে পারো।
- ধাতু হলো গাছের শিকড়ের মতো, যার ওপর ভিত্তি করে ক্রিয়াপদ জন্ম নেয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক ধাতু কয়টি (২০টি) এবং সাধিত ধাতু কী, তা প্রায়ই আসে।
- ক্রিয়ার মূল নির্ণয় করার সময় ধাতুর পরে সাধারণত হসন্ত চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) শারীরিক
১. কেন সঠিক:
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী 'শরীর' শব্দের সঙ্গে ইনিক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'শারীরিক' শব্দটি গঠিত হয়।
- প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় শব্দের প্রথম স্বরে পরিবর্তন ঘটে, যাকে ব্যাকরণের ভাষায় গুণ বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শব্দে বা প্রত্যয়ে ই-কার বা ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে এবং শরীর শব্দের বানানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়।
- তবে এর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হলে নিয়ম অনুযায়ী দীর্ঘ ঈ-কার হ্রস্ব ই-কার হয়ে যায় এবং শেষের দিকেও হ্রস্ব ই-কার বসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নীতি থেকে নৈতিক
ব্যাখ্যা: মূল শব্দের স্বর পরিবর্তনের কারণে বানানে হ্রস্ব ই-কার যুক্ত হয়।
উদাহরণ ২: নদী থেকে নদীমাতৃক
ব্যাখ্যা: প্রত্যয় যোগের ফলে শব্দের বানান প্রমিত রীতিতে পরিবর্তিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শারীরিক — এই অপশনটি প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুসারে সম্পূর্ণ সঠিক।
B) শারীরীক — এই অপশনে শেষের বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) শারিরিক — এই অপশনে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার না করে হ্রস্ব ই-কার দেওয়া হয়েছে যা ভুল।
D) শারীরীক — এই অপশনটি প্রশ্নপত্রে সঠিক হিসেবে উল্লেখ থাকলেও এটি মূলত একটি ভুল বানান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শরীর বানানে দীর্ঘ ঈ-কার থাকলেও যখনই শারীরিক লিখবে তখন দুই জায়গাতেই হ্রস্ব ই-কার হবে।
- প্রত্যয়যুক্ত শব্দ লেখার সময় এই ছোট নিয়মটি মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়ঘটিত বানান প্রায়ই আসে।
- এই ধরনের শব্দ অনুশীলনের সময় মূল শব্দ ও প্রত্যয়যুক্ত রূপের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সংক্ষেপণ
১. কেন সঠিক:
- সমাস শব্দের সাধারণ ও আক্ষরিক অর্থ হলো সংক্ষেপণ বা মিলন। একাধিক পদকে এক পদে পরিণত করাকে সমাস বলা হয়।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বড় বাক্য বা বাক্যাংশকে ছোট করে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াই হলো সমাস।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পরস্পর অর্থসংগতিযুক্ত একাধিক পদের একপদীকরণকে সমাস বলে। এটি ব্যাকরণের পদগঠন প্রকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- সমাসের মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য ও সংক্ষিণতা বৃদ্ধি পায়, যা বাক্যকে আরও গতিশীল ও বোধগম্য করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন
ব্যাখ্যা: এখানে তিনটি পদ মিলে একটি সংক্ষিপ্ত ও নতুন পদ তৈরি হয়েছে।
উদাহরণ ২: দেশের সেবা = দেশসেবা
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি পদ মিলে সংক্ষেপিত রূপ ধারণ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংশ্লেষণ — এই শব্দের অর্থ কোনো কিছু একত্রে গাঁথা বা মেলবন্ধন করা, যা সমাসের ব্যাকরণগত সংজ্ঞা নির্দেশ করে না।
B) বিশ্লেষণ — এই শব্দটির অর্থ কোনো কিছু বিশদভাবে ব্যাখ্যা করা বা ভেঙে দেখানো, যা সমাসের বিপরীত প্রক্রিয়া।
ডি) সংযোজন — এই শব্দের অর্থ যোগ করা বা একত্র করা, তবে এটি ব্যাকরণে সমাসের নির্দিষ্ট আক্ষরিক অর্থ হিসেবে স্বীকৃত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সমাস মানেই ছোট করা বা সংক্ষেপ করা। এভাবে মনে রাখতে পারো যে সমাস সমান সংক্ষেপণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমাসের আক্ষরিক অর্থ জানতে চাওয়া হয়। সমাস পদের সংখ্যা কমায় আর সন্ধি ধ্বনির মিলন ঘটায়।
সঠিক উত্তর: B) ভাই-বোন
১. কেন সঠিক:
- যে সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ের পদেরই অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে এবং ব্যাসবাক্যে মাঝখানে সংযোজক অব্যয় ও, এবং, কিংবা ব্যবহৃত হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
- ভাই-বোন শব্দটিতে ভাই এবং বোন উভয় পদের অর্থই সমানভাবে প্রধান এবং এদের ব্যাসবাক্য করলে হয় ভাই ও বোন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দ্বন্দ্ব সমাসের ক্ষেত্রে সমাসবদ্ধ পদের উভয় পদই বিশেষ্য বা উভয় পদই বিশেষণ হয়ে থাকে এবং এদের মাঝখান থেকে সংযোজক অব্যয় লুপ্ত হয়।
- মিলনর্থক, বিপরীতার্থক, সমার্থক বা সমার্থক জোড় শব্দ মিলে সাধারণত দ্বন্দ্ব সমাস গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মা-বাবা
ব্যাখ্যা: মা ও বাবা, এটি একটি মিলনর্থক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ যেখানে দুটি পদই প্রধান।
উদাহরণ ২: জমা-খরচ
ব্যাখ্যা: জমা ও খরচ, এটি একটি বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ যেখানে দুটি পদের অর্থ পরস্পর বিপরীত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিংহাসন — এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস, যার ব্যাসবাক্য সিংহাসনযুক্ত আসন এবং এতে দ্বন্দ্ব সমাসের নিয়ম প্রযোজ্য নয়।
B) ভাই-বোন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি দ্বন্দ্ব সমাসের নিয়ম মেনে চলে।
C) কালাকানি — এটি সাধারণ কোনো দ্বন্দ্ব সমাস নয়, বরং এটি একটি বিশেষ শব্দ বা অন্য সমাসের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
D) গাছপালা — গাছ ও পালা বা গাছগাছালি অর্থে এটি সমার্থক বা অলুক দ্বন্দ্ব সমাসের কাছাকাছি মনে হলেও প্রমিত ব্যাকরণে গাছপালা শব্দটি একশেষ দ্বন্দ্ব বা অন্য পদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, তবে ভাই-বোন সরাসরি ও অব্যয়যুক্ত আদর্শ দ্বন্দ্ব সমাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- দ্বন্দ্ব সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে এবং, ও, কিংবা থাকবে এবং উভয় পদের মাঝখানে একটি হাইফেন বা যোজক চিহ্ন থাকে।
- মনে রাখবে ভাই-বোন, পতি-পত্নী বা হাত-পা হলো নিখাদ দ্বন্দ্ব সমাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পরীক্ষায় প্রায়ই দ্বন্দ্ব সমাসের প্রকারভেদ থেকে প্রশ্ন আসে, যেমন অলুক দ্বন্দ্ব বা একশেষ দ্বন্দ্ব।
- উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে কেবল দ্বন্দ্ব সমাসে, তাই সমাসের নাম নির্ণয়ের সময় পদের অর্থ প্রধান্য খেয়াল রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) ছয় প্রকার
১. কেন সঠিক:
বাক্যের অন্তর্গত ক্রিয়াপদের সঙ্গে নামপদের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে। বাংলা ব্যাকরণে এই সম্পর্ক বা কারক মূলত ছয় ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্যে ক্রিয়ার সঙ্গে অন্যান্য পদের সম্পর্ক বোঝাতে কারক ব্যবহৃত হয়। কারক প্রধানত ছয় প্রকার যথা কর্তাকারক, কর্মকারক, করণকারক, সম্প্রদানকারক, অপাদানকারক এবং অধিকরণকারক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছে ফল ধরেছে।
ব্যাখ্যা: বাক্যে ধরেছে ক্রিয়ার আধার বোঝাচ্ছে অধিকরণ কারক।
উদাহরণ ২: বাবাকে ভয় পাও।
ব্যাখ্যা: বাক্যে ভয় পাওয়ার উৎস বোঝাচ্ছে অপাদান কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চার প্রকার — বাংলা ব্যাকরণে কারক চার প্রকার নয় বরং সংখ্যাটি ছয়।
B) পাঁচ প্রকার — কারকের সংখ্যা পাঁচ হলে তা ব্যাকরণসম্মত বা প্রমিত হিসাবের সঙ্গে মেলে না।
C) ছয় প্রকার — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাংলা ব্যাকরণের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত।
D) সাত প্রকার — বিভক্তি সাত প্রকার হলেও কারক সাত প্রকার নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
কারক কয় প্রকার তা মনে রাখার জন্য কর্ম-কর্তা-করণ, সম্প্রদান-অপাদান-অধিকরণ এই ছয়টি নাম ক্রমানুসারে মনে রাখতে পারো। বিভক্তি সাত প্রকার হলেও কারক সর্বদা ছয় প্রকার হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কারক কয় প্রকার তা জানতে চাওয়া হয়। বিভক্তির সংখ্যা সাত এবং কারকের সংখ্যা ছয়, এই দুটি বিষয় গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: D) পর্যন্ত
১. কেন সঠিক:
- বিভক্তি হলো সেই বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কারক বা সম্পর্ক বোঝায় এবং বাক্যে পদের পারস্পরিক সম্বন্ধ স্থাপন করে।
- পর্যন্ত শব্দটি বাক্যে অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা বিশেষ বা সর্বনাম পদের পরে বসে নির্দিষ্ট সীমা নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিভক্তি মূলত সাত প্রকার যথা প্রথমা থেকে সপ্তমী বিভক্তি।
- অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয়গুলো স্বাধীন পদ হিসেবে শব্দের পরে বসে কিন্তু সরাসরি বিভক্তির কাজ করলেও এরা মৌলিক বিভক্তি নয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সকাল থেকে বৃষ্টি পড়ছে।
ব্যাখ্যা: এখানে থেকে শব্দটি অপাদান কারকে অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: নদী পর্যন্ত পথ হেঁটে যেতে হবে।
ব্যাখ্যা: এখানে পর্যন্ত শব্দটি নির্দিষ্ট সীমা বা ব্যাপ্তি বোঝাতে অনুসর্গ হিসেবে কাজ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বারা — এটি একটি তৃতীয় বা করণ কারকের বিভক্তি বা অনুসর্গ হিসেবে ব্যাকরণে বিভক্তির স্থানীয় রূপ হিসেবে গণ্য হয়।
B) থেকে — এটি অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তির স্থানীয় বা অনুসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) চেয়ে — এটি অধিকরণ বা অপাদান কারকে তুলনা বোঝাতে অনুসর্গ বা বিভক্তির কাজ করে।
D) পর্যন্ত — এটি কোনো মৌলিক বিভক্তি নয়, এটি একটি অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় যা নির্দিষ্ট সীমা প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মৌলিক বিভক্তিগুলো শব্দের সঙ্গে সরাসরি মিশে থাকে কিন্তু অনুসর্গগুলো শব্দের পরে আলাদাভাবে বসে।
- কে, রে, এ, তে, য়ের মতো বর্ণগুলো হলো খাঁটি বিভক্তি আর দ্বারা, দিয়া, হইতে, থেকে, চেয়ে, পর্যন্ত হলো অনুসর্গ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভক্তি ও অনুসর্গের পার্থক্য নির্ধারণ করতে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে।
- বাক্যে শব্দের সঙ্গে কোনটি মিশে আছে এবং কোনটি আলাদা বসেছে তা খেয়াল করলে খুব সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) অধিকরণে ষষ্ঠী
১. কেন সঠিক:
- বাক্যের 'আমরা স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক' অংশে 'বাংলাদেশে' পদটি স্থান বা ক্ষেত্র নির্দেশ করছে।
- স্থান বা ক্ষেত্র বোঝালে অধিকরণ কারক হয় এবং শব্দের শেষে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকলে তা সপ্তমীর নিয়ম হলেও এখানে 'এর' বিভক্তি থাকায় এটি ষষ্ঠী বিভক্তি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা বিষয়কে অধিকরণ কারক বলে।
- শব্দের শেষে র বা এর যুক্ত হলে তা ষষ্ঠী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকাশে চাঁদ উঠেছে।
ব্যাখ্যা: আকাশে পদটি স্থান বোঝানোয় অধিকরণে সপ্তমী কারকের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: প্রভাতে সূর্য ওঠে।
ব্যাখ্যা: প্রভাতে পদটি সময় বা কাল বোঝানোয় অধিকরণে সপ্তমী কারকের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মে ষষ্ঠী — কর্ম কারকে কখনো ষষ্ঠী বিভক্তি হয় না, তাই এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
B) করণে শূন্য — করণের ক্ষেত্রে যন্ত্র বা মাধ্যম বোঝায়, কিন্তু এখানে স্থান বোঝানো হয়েছে।
D) কর্তায় শূন্য — কর্তা হলো ক্রিয়া সম্পাদনকারী, কিন্তু এখানে কোনো কাজ করার মূল উৎস বা কর্তা বোঝানো হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোথায় বা কোন ক্ষেত্রে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা স্থানবাচক অধিকরণ কারক।
- বিভক্তির ক্ষেত্রে র বা এর থাকলে চোখ বন্ধ করে ষষ্ঠী বিভক্তি নির্ধারণ করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক বের করতে হবে এবং পরে শব্দের শেষে যুক্ত চিহ্ন দেখে বিভক্তি নির্ণয় করতে হবে।
- স্থান বোঝালেই তা অধিকরণ কারক হবে তা নিশ্চিত করে তারপর বিভক্তি দেখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বাক্যের অর্থ স্পষ্টকরণের জন্য
১. কেন সঠিক:
বিরামচিহ্ন বা ছেদচিহ্ন হলো লেখার মাধ্যমে বক্তার মনোভাব, আবেগ, ভাব ও বক্তব্য স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলার নির্দেশক।
বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে একটি বাক্যের মূল অর্থ পাল্টে যেতে পারে, তাই এর প্রধান কাজ অর্থ স্পষ্ট করা।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্যে ভাব বা অর্থের স্পষ্টতা বজায় রাখার জন্য এবং বক্তার থামার স্থান নির্দেশ করার জন্য যে চিহ্নগুলো ব্যবহার করা হয় সেগুলোকে বিরামচিহ্ন বলে।
বাংলা ভাষায় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বিরামচিহ্নের প্রবর্তন ও প্রচলন করেন, যা বাক্যের গঠন ও অর্থ অনুধাবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তুমি যাবে না, সে যাবে।
ব্যাখ্যা: এখানে কমা ব্যবহারের ফলে বোঝা যাচ্ছে যে প্রথম ব্যক্তি যাবে না, বরং দ্বিতীয় ব্যক্তি যাবে।
উদাহরণ ২: তুমি যাবে, না সে যাবে?
ব্যাখ্যা: এখানে একই শব্দে কমা ও প্রশ্নবোধক চিহ্ন ব্যবহারের ফলে অর্থ সম্পূর্ণ বদলে গিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাক্য সংকোচনের জন্য — বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ ব্যাকরণের ভিন্ন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে বড় বাক্যকে ছোট করা হয়।
C) বাক্যের সৌন্দর্যের জন্য — বিরামচিহ্ন মূলত অর্থ স্পষ্ট করার জন্য বসে, সৌন্দর্যবর্ধন এর মূল উদ্দেশ্য বা কাজ নয়।
D) বাক্যকে অলঙ্কৃত করার জন্য — অলংকার হলো কাব্যের শোভা বর্ধনের উপাদান, আর বিরামচিহ্ন হলো ভাব ও অর্থের স্পষ্টতা রক্ষাকারী প্রতীক।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিরামচিহ্নের মূল কাজ হলো থামার নির্দেশ দেওয়া এবং বাক্যের প্রকৃত অর্থকে পাঠকের কাছে পরিষ্কার করা।
বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করতে না পারলে বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার সার্থক হয় না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ভাষায় প্রথম বিরামচিহ্ন ব্যবহার করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর বেতাল পঞ্চবিংশতিগ্রন্থে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিরামচিহ্নের নাম, এর থামার সময়কাল এবং ব্যবহারের নিয়ম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
সঠিক উত্তর: C) আবদুল গাফফার চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির রচয়িতা বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই গানটি বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান প্রেরণা।
- প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্য ও ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ থেকে এসেছে যেখানে ভাষা আন্দোলনভিত্তিক বিখ্যাত গান ও তার গীতিকারের নাম জানতে চাওয়া হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আবদুল গাফফার চৌধুরী একুশে ফেব্রুয়ারির এই অমর গানটি ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির অব্যবহিত পর ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে বসে রচনা করেন।
- গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আবদুল লতিফ এবং বর্তমান যে জনপ্রিয় সুরটি আমরা শুনি তা সংযোজন করেন শহীদ আলতাফ মাহমুদ ১৯৬৯ সালে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'তোমরা ভুলো না শিবাজী মোদের জাসুসী করিয়া মরে'
ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিভিন্ন ঐতিহাসিক গানের মতো বাংলা সাহিত্যের একটি সংগ্রামী চেতনার প্রকাশ।
উদাহরণ ২: 'আমার দেশের মাটির গন্ধে ভরে আছে মন'
ব্যাখ্যা: এটি দেশপ্রেমমূলক গানের একটি উদাহরণ যা আবদুল গাফফার চৌধুরীর চেতনার সমগোত্রীয় সাহিত্যধারা নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শহীদ আলতাফ মাহমুদ — তিনি এই গানের রচয়িতা নন, বরং তিনি এই গানটির জনপ্রিয় সুরকার যিনি ১৯৬৯ সালে এর বর্তমান সুরটি করেন।
B) শহীদুল্লাহ কায়সার — তিনি একজন প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী ও ঔপন্যাসিক হলেও এই গানের রচয়িতা নন।
C) আবদুল গাফফার চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক এবং এর সপক্ষে উপযুক্ত ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক প্রমাণ রয়েছে।
D) আপেল মাহমুদ — তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়ের একজন বিখ্যাত স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠশিল্পী, ভাষা আন্দোলনের এই গানের রচয়িতা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- গান লেখার কাজটি কলামিস্ট ও সাংবাদিকরা ভালো পারেন, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে সাংবাদিক আবদুল গাফফার চৌধুরী গানটি লিখেছেন।
- সুরকার মনে রাখার জন্য ভাববেন আলতাফ মাহমুদ সুর দিয়ে গানটিকে অমর করেছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই গানটির রচয়িতা এবং সুরকার সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- রচয়িতা আবদুল গাফফার চৌধুরী এবং সুরকার শহীদ আলতাফ মাহমুদ, এই দুটি তথ্য আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) বাহুল্য দোষে
১. কেন সঠিক:
বাহুল্য দোষ বলতে বোঝায় বাক্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত শব্দের ব্যবহার, যার ফলে অর্থের কোনো নতুন মাত্রা যোগ হয় না বরং অপ্রয়োজনীয় শব্দের ভিড়ে বাক্যটি ত্রুটিপূর্ণ হয়ে পড়ে।
প্রদত্ত বাক্যে 'সকল' শব্দটি বহুবচন নির্দেশ করে, আবার 'শিক্ষকগণ' শব্দের সাথে যুক্ত '-গণ' প্রত্যয়টিও বহুবচন বোঝায়, ফলে একই অর্থে দুটি বহুবচক শব্দ ব্যবহার করার কারণে বাক্যটি বাহুল্য দোষে দুষ্ট হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী একটি বাক্যে একই অর্থে দুটি বহুবচক বা সমার্থক শব্দ একসাথে ব্যবহার করা যায় না।
বাক্য শুদ্ধ করার ক্ষেত্রে যেকোনো একটি বহুবচন পদ রাখতে হয়, যেমন হয় 'সকল শিক্ষক' বলতে হবে অথবা 'শিক্ষকগণ' বলতে হবে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সব পাখিরা আকাশে উড়ছে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'সব' এবং '-রা' দুটি বহুবচক চিহ্ন একসাথে ব্যবহার করায় বাহুল্য দোষ ঘটেছে, শুদ্ধ রূপ হবে সব পাখি আকাশে উড়ছে।
উদাহরণ ২: সব ছাত্রদল মাঠে খেলছে।
ব্যাখ্যা: 'দল' শব্দটি নিজেই সমষ্টিবাচক, তাই এর সাথে 'সব' ব্যবহার করা বাহুল্য দোষের শামিল, শুদ্ধ রূপ হবে ছাত্রদল মাঠে খেলছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদেশি শব্দ দোষে — এই বাক্যে ব্যবহৃত শব্দগুলোর মধ্যে কোনো অপ্রাসঙ্গিক বা অপাঙ্ক্তেয় বিদেশি শব্দ নেই যা বাক্যকে দূষিত করেছে।
B) বাহুল্য দোষে — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যে অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত বহুবচন পদের ব্যবহার ঘটেছে।
C) দুর্বোধ্যতা দোষে — এই বাক্যের অর্থ বুঝতে কোনো জটিলতা বা অস্পষ্টতা নেই, তাই এটি দুর্বোধ্য নয়।
D) গুরুচণ্ডালী — তৎসম ও তদ্ভব শব্দের অবিন্যস্ত মিশ্রণে গুরুচণ্ডালী দোষ ঘটে, এই বাক্যে সেরকম কোনো মিশ্রণ নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যে একই সাথে সব, সকল, সমূহের সাথে পক্ষান্তরে গণ, বৃন্দ, কুল ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
এক বাক্যে দুইবার বহুবচন ব্যবহার করলে সব সময় বাহুল্য দোষ ঘটে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুবচনের বাহুল্য সংক্রান্ত বাক্যশুদ্ধি অত্যন্ত কমন একটি টপিক।
বাক্যে সমষ্টিবাচক শব্দ বা বহুবচন সূচক প্রত্যয় থাকলে অতিরিক্ত কোনো বহুবচন পদ ব্যবহার করা যাবে না।
সঠিক উত্তর: C) যৌগিক
১. কেন সঠিক:
যে বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বা প্রধান খণ্ডবাক্য একে অপরের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে 'এবং', 'ও', 'কিংবা', 'অথচ', 'কিন্তু' ইত্যাদি সংযোজক বা বিয়োজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
এখানে 'বিপদ আসে' এবং 'দুঃখ আসে' এই দুটি স্বাধীন বাক্য 'এবং' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি যৌগিক বাক্য গঠন করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
গঠন অনুসারে বাংলা বাক্য প্রধানত তিন প্রকার যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য এবং যৌগিক বাক্য।
সরল বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, যেখানে খণ্ডবাক্যের কোনো অবকাশ থাকে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে ধনী কিন্তু সে খুব কৃপণ।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য 'সে ধনী' এবং 'সে খুব কৃপণ' পরস্পর 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: বৃষ্টি থামল এবং আমরা রওনা হলাম।
ব্যাখ্যা: এখানে 'বৃষ্টি থামল' এবং 'আমরা রওনা হলাম' দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য 'এবং' অব্যয় দিয়ে যুক্ত হওয়ায় এটি যৌগিক বাক্য হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরল — সরল বাক্যে একটি মাত্র কর্তা ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, যা এই বাক্যের গঠনরীতি নয়।
B) জটিল — জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে, কিন্তু এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য রয়েছে।
C) যৌগিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য 'এবং' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
D) মিশ্র — মিশ্র বাক্য হলো জটিল বাক্যের অপর নাম, যা এই বাক্যের গঠনের সাথে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যের মধ্যে যদি এবং, ও, কিন্তু, অথচ, কিংবা, নয়তো ইত্যাদি অব্যয় থাকে এবং প্রতিটি অংশ স্বাধীন অর্থ প্রকাশ করে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে যৌগিক বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের সময় সংযোজক অব্যয় দেখলে প্রথমে যৌগিক বাক্য হিসেবে বিবেচনা করা নিরাপদ।
খণ্ডিত অংশগুলো একা একা পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারলে সেটি কখনোই সরল বা জটিল বাক্য হতে পারে না।
সঠিক উত্তর: B) সাধু
১. কেন সঠিক:
সাধু ভাষারীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি থাকে এবং ক্রিয়া ও সর্বনাম পদ পূর্ণরূপ বা দীর্ঘ রূপ ধারণ করে। 'অদ্য' একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ আজ, তাই এটি সাধু ভাষারীতির উদাহরণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষার যে রূপটি তৎসম শব্দবহুল, দীর্ঘ সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ ব্যবহার করে এবং অপরিবর্তনীয় ও গাম্ভীর্যপূর্ণ, তাকে সাধু রীতি বলে। সাধু রীতিতে ক্রিয়ার রূপ যেমন করিয়াছি, খাইয়াছি এবং তৎসম শব্দ যেমন অদ্য, চন্দ্র, সূর্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দ্র
ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ এবং সাধু ভাষার লেখায় চাঁদের পরিবর্তে চন্দ্র ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: অদ্যই তোমার পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হইবে।
ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে অদ্য এবং হইবে শব্দ দুটি সাধু রীতির ব্যবহার নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চলিত — চলিত রীতিতে তদ্ভব ও দেশি শব্দ বেশি থাকে এবং সংক্ষিপ্ত রূপ যেমন আজ ব্যবহৃত হয়, অদ্য নয়।
C) প্রাকৃত — প্রাকৃত ভাষা প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার মধ্যবর্তী স্তর, যা সরাসরি আধুনিক সাধু বাংলার রূপ নয়।
D) কোল — কোল একটি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ভাষা বা ভাষা পরিবার, যার সঙ্গে বাংলা সাধু রীতির কোনো সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
সাধু রীতির শব্দ চেনার সহজ উপায় হলো যে শব্দগুলো সরাসরি সংস্কৃত বা তৎসম থেকে এসেছে এবং শুনতে একটু কঠিন লাগে, সেগুলো সাধু রীতি নির্দেশ করে। আজ হলো চলিত রূপ আর অদ্য হলো এর সাধু রূপ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের ব্যবহার থেকে সাধু ও চলিত রীতির প্রশ্ন আসে। শব্দের উৎস এবং ক্রিয়ার রূপ দেখে ভাষারীতি সহজে নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) কাব্য
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্য দীর্ঘ পরিক্রমা পেরিয়ে আজকের রূপ ধারণ করেছে এবং এর সূচনার মাধ্যম ছিল কবিতা বা কাব্য। চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন, যা মূলত পদ্য বা কাব্য আকারে রচিত প্রাচীন বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের গান।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে প্রধানত তিনটি যুগে ভাগ করা হয় যথা প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ এবং আধুনিক যুগ। এর মধ্যে প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক নিদর্শন হলো চর্যাপদ, যা ছান্দসিক পদ্য বা কাব্য সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদ
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম কাব্যিক নিদর্শন যা চর্যাগীতি নামেও পরিচিত।
উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন কাব্য যা বড়ু চণ্ডীদাস কর্তৃক রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ছোটগল্প — এটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একটি নবীন শাখা যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাত ধরে পূর্ণতা লাভ করেছে।
B) নাটক — বাংলা নাটকের সূত্রপাত আধুনিক যুগে হলেও প্রাচীনকালে এর কোনো অস্তিত্ব ছিল না।
D) উপন্যাস — এটিও আধুনিক যুগের সৃষ্টি এবং ইউরোপীয় প্রভাবে বাংলা সাহিত্যে এর বিকাশ ঘটেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ একটি পদ্য বা কাব্য সংকলন। প্রাচীন মানেই কবিতা বা কাব্য দিয়ে শুরু।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্দেশনার নাম চর্যাপদ এবং এর ভাষা বাংলা ভাষার আদি রূপ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) মাত্রাবৃত্ত
১. কেন সঠিক:
- চর্যাপদের ছন্দ প্রধানত মাত্রাবৃত্ত ছন্দ বা দলবৃত্ত ছন্দ হিসেবে পরিচিত।
- ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ এবং আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় চর্যাপদের ছন্দকে মাত্রাবৃত্ত বলে চিহ্নিত করেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন ও সাহিত্য নিদর্শন।
- এটি মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধন সংগীত যা হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে আবিষ্কার করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদের ভাষা ও ছন্দ
ব্যাখ্যা: চর্যাপদের পদগুলো গীত বা গান হিসেবে রচিত হওয়ায় এর ছন্দ মাত্রাবৃত্ত বা দলবৃত্ত প্রকৃতির।
উদাহরণ ২: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন
ব্যাখ্যা: প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক সাহিত্যিক নিদর্শন হলো চর্যাপদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্ষরবৃত্ত — অক্ষরবৃত্ত ছন্দ হলো মূলত মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য বা আধুনিক বাংলা কবিতার প্রধান ছন্দ।
B) মাত্রাবৃত্ত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য।
C) স্বরবৃত্ত — স্বরবৃত্ত ছন্দ মূলত ছড়া বা লোকসাহিত্যের ছন্দ, যা চর্যাপদে প্রধান নয়।
D) অমিত্রাক্ষর ছন্দ — মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক, যা প্রাচীন যুগে ছিল না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- চর্যাপদ গান আকারে গাওয়া হতো, তাই এর ছন্দকে মাত্রাবৃত্ত বা দলবৃত্ত ছন্দ হিসেবে মনে রাখবে।
- প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ এবং এর ছন্দ মাত্রাবৃত্ত পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- চর্যাপদ আবিষ্কার করেন মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার থেকে।
- চর্যাপদের পদকর্তা সর্বমোট ২৪ জন বা কারও মতে ২৩ জন।
সঠিক উত্তর: B) শিলাইদহ
১. কেন সঠিক:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'সোনার তরী' কবিতাটি কুষ্টিয়ার শিলাইদহে বসে রচিত হয়েছিল। শিলাইদহের গ্রামীণ প্রকৃতি ওপদ্মার রূপ রবীন্দ্রনাথের মনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে শিলাইদহে জমিদারী দেখাশোনার দায়িত্বে ছিলেন। এই সময়ে পদ্মার বুকে বসে তিনি বহুপ্রখ্যাত কবিতা ও ছোটগল্প রচনা করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'দুঃসময়' কবিতা
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই কবিতাও শিলাইদহ পর্যায়ভুক্ত এবং এর পটভূমিতেও প্রকৃতি ও মানবজীবনের দর্শন রয়েছে।
উদাহরণ ২: 'চিত্রা' কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা: 'সোনার তরী' কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চিত্রা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত একটি বিখ্যাত কবিতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শাহজাদপুর — শাহজাদপুরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বেশ কিছু রচনা সৃষ্টি হলেও 'সোনার তরী' কবিতাটি এখানে রচিত হয়নি।
B) শিলাইদহ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) পতিসর — পতিসরে রবীন্দ্রনাথ প্রধানত কৃষি উন্নয়ন ও প্রজাসাধারণের কল্যাণে কাজ করেছিলেন, তবে এই কবিতাটি এখানে লেখা হয়নি।
D) জোড়াসাঁকো — জোড়াসাঁকো রবীন্দ্রনাথের জন্মস্থান ও পৈতৃক নিবাস হলেও এই নির্দিষ্ট কবিতাটি এখানে রচিত হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
পদ্মা নদীর তীরে শিলাইদহে বসে রবীন্দ্রনাথ সোনার তরী কবিতাটি লিখেছেন। নদী এবং তরী শব্দ দুটি মনে রাখলেই শিলাইদহের কথা মনে আসবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের শিলাইদহ ও পতিসর পর্যায় নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোন গ্রন্থ কোন স্থানে রচিত, তা মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) প্রবন্ধ
১. কেন সঠিক:
- 'বীরবলের হালখাতা' প্রমথ চৌধুরী রচিত একটি বিখ্যাত প্রাবন্ধিক গ্রন্থ।
- 'বীরবল' ছদ্মনামে তিনি বাংলা সাহিত্যে মূলত প্রবন্ধ ও রম্যরচনা লিখে পরিচিতি লাভ করেছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির প্রবর্তক ও মননশীল প্রবন্ধের জনক হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থগুলোর মধ্যে বীরবলের হালখাতা, রায়তের কথা ও দশনামী সম্প্রদায়ের ইতিহাস অন্যতম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চটিকা
ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর আরও একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: বীরের পূজা
ব্যাখ্যা: এটিও প্রমথ চৌধুরীর রচিত একটি মননশীল প্রবন্ধ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাব্য — এই গ্রন্থটি কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি গদ্যে রচিত প্রবন্ধ সংকলন।
B) নাটক — এটি কোনো নাটক বা রূপক নাট্য নয়, এটি চিন্তামূলক প্রবন্ধের সংকলন।
C) উপন্যাস — এটি কোনো কাল্পনিক কাহিনীর উপন্যাস বা গল্পগ্রন্থ নয়, প্রবন্ধমূলক রচনা।
D) প্রবন্ধ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি প্রমথ চৌধুরীর প্রাবন্ধিক রচনা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল, তাই বীরবল নামযুক্ত গ্রন্থ যেমন বীরবলের হালখাতা অবশ্যই প্রবন্ধ হবে।
- ছদ্মনামের সাথে প্রবন্ধ লেখার এই মিল মনে রাখলে উত্তর দেওয়া সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রমথ চৌধুরীর পৈত্রিক নিবাস ছিল নদীয়া জেলায় এবং তাঁর সম্পাদিত পত্রিকার নাম সবুজপত্র।
- এই ধরনের লেখকভিত্তিক সাহিত্যকর্মের ক্ষেত্রে ছদ্মনাম ও রচনার ধরন ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) বড়দিদি
১. কেন সঠিক:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস হলো বড়দিদি। ১৯০৭ সালে 'ভারতী' পত্রিকায় এটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হওয়ার পর ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং তাকে ঔপন্যাসিক হিসেবে খ্যাতি এনে দেয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত কথাশিল্পী। তার লেখায় সাধারণ মানুষের জীবন, প্রেম এবং সমাজের নানা অসঙ্গতি খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেবদাস
ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ট্র্যাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: শ্রীকান্ত
ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্রের একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস চার খণ্ডে সমাপ্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বড়দিদি — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস বিধায় সঠিক উত্তর।
B) বিন্দুর ছেলে — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প বা উপন্যাসিকা, তবে তার প্রথম উপন্যাস নয়।
C) রামের সুমতি — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প, যা তার প্রথম প্রকাশিত গল্প হিসেবে পরিচিত।
D) বৈকুণ্ঠের উইল — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, তবে এটি তার প্রথম উপন্যাস নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস মনে রাখার জন্য 'ব' দিয়ে শুরু প্রথম অক্ষরটি মনে রাখতে পারো, যেমন বড়দিদি 'ব' দিয়ে শুরু এবং এটিই তার প্রথম উপন্যাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই লেখকদের প্রথম রচনা বা প্রথম উপন্যাস সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। তাই শরৎচন্দ্রের 'বড়দিদি' এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'বৌঠাকুরাণীর হাট' উপন্যাস দুটি ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) তৎসম
১. কেন সঠিক:
- 'হংস' একটি সংস্কৃত শব্দ যা অপরিবর্তিত রূপে সরাসরি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে, তাই এটি তৎসম শব্দ।
- তৎসম শব্দের অর্থ হলো তাহার সমান, অর্থাৎ সংস্কৃতির সমান বা সংস্কৃত ভাষার শব্দ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, তদ্ভব, অর্ধতৎসম, দেশি ও বিদেশি শব্দ।
- যে শব্দগুলো সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন বা রূপান্তর ছাড়াই সরাসরি বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দ্র
ব্যাখ্যা: চন্দ্র শব্দটি সরাসরি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে এবং এর কোনো পরিবর্তন হয়নি, তাই এটি তৎসম শব্দ।
উদাহরণ ২: সূর্য
ব্যাখ্যা: সূর্য একটি সংস্কৃত শব্দ যা বাংলা ভাষায় অপরিবর্তিতভাবে ব্যবহৃত হয়, ফলে এটিও তৎসম শব্দের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎসম — এটি সঠিক কারণ হংস শব্দটি সংস্কৃত থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।
B) তদ্ভব — তদ্ভব শব্দগুলো প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে, কিন্তু হংস অপরিবর্তিত থাকে।
C) দেশি — দেশি শব্দ হলো আদি অস্ট্রিক বা দ্রাবিড় ভাষার শব্দ, যা হংস নয়।
D) বিদেশি — বিদেশি শব্দ হলো অন্য ভাষা যেমন আরবি, ফার্সি বা ইংরেজি থেকে আগত শব্দ, যা হংসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে সংস্কৃত শ্লোকে বা পূজার মন্ত্রে যেসব শব্দ সরাসরি ব্যবহার করা হয়, সেগুলোই তৎসম শব্দ।
- চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, হংস ইত্যাদি প্রকৃতির সঙ্গে জড়িত অনেক নামই তৎসম শব্দ হয়ে থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস বা শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই শব্দের রূপ দেখে উৎস চেনার অভ্যাস করতে হবে।
- সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী যেসব শব্দের বানান বা রূপ অবিকৃত থাকে, সেগুলো তৎসম হিসেবে চিহ্নিত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) শব্দ
১. কেন সঠিক:
বাক্যের মৌলিক উপাদান হলো শব্দ কারণ একাধিক অর্থবোধক ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যখন পাশাপাশি বসে মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করে তখন তাকে শব্দ বলে। শব্দগুলোর সুবিন্যস্ত রূপই বাক্য গঠন করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্য ব্যাকরণের এমন একটি অংশ যা পদের মিলন বা শব্দের সুবিন্যস্ত রূপের ওপর প্রতিষ্ঠিত। অর্থপূর্ণ শব্দ বা পদ ছাড়া কোনো সার্থক বাক্য গঠিত হতে পারে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ আমাদের মাতৃভূমি।
ব্যাখ্যা: এখানে বাংলাদেশ, আমাদের, মাতৃভূমি প্রতিটি এক একটি শব্দ যা মিলে একটি বাক্য তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: আকাশ নীল।
ব্যাখ্যা: আকাশ এবং নীল দুটি শব্দ মিলে একটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করেছে যা বাক্যের মূল উপাদান নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, যা বাক্যের সরাসরি মৌলিক উপাদান নয়।
B) ভাব — ভাব বক্তার মনের প্রকাশ, কিন্তু এটি বাক্যের কাঠামোগত উপাদান নয়।
C) ধ্বনি — ধ্বনি হলো উচ্চারণের একক এবং শব্দের উপাদান, কিন্তু বাক্যের সরাসরি মৌলিক উপাদান শব্দ।
D) শব্দ — এটি সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্য তৈরি হয় শব্দ দিয়ে, তাই বাক্যের মূল উপাদান হলো শব্দ। ধ্বনি হলো শব্দের মূল উপাদান, কিন্তু বাক্য গঠনের মূল উপাদান শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক কী, যার উত্তর হবে ধ্বনি। আর বাক্যের মৌলিক উপাদান বা গঠনের একক হলো শব্দ।
সঠিক উত্তর: D) নতুন শব্দ গঠন
১. কেন সঠিক:
উপসর্গ নিজেই কোনো স্বাধীন পদ নয়, বরং এটি শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে।
বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ শব্দের অর্থ পরিবর্তন, সম্প্রসারণ বা সংকোচন করতে পারে, তবে এর মূল ও প্রধান কাজ নতুন শব্দ তৈরি করা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যেসব অব্যয় শব্দ ধাতু বা শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন, সম্প্রসারণ বা সংকোচন ঘটায়, সেগুলোকে উপসর্গ বলে।
বাংলা ভাষায় উপসর্গ প্রধানত তিন প্রকার, যেমন খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হার শব্দের পূর্বে প্র উপসর্গ যুক্ত হয়ে প্রহার শব্দ গঠিত হয়েছে।
ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ হার এর সঙ্গে প্র উপসর্গ যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন অর্থের একটি শব্দ তৈরি হয়েছে।
উদাহরণ ২: মান শব্দের পূর্বে অপমান শব্দের অপ উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে।
ব্যাখ্যা: মান শব্দের আগে উপসর্গ যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ বিপরীত বা নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্থ সংকোচন — উপসর্গ নতুন শব্দ গঠনের পাশাপাশি অর্থ সংকোচন করতে পারে, তবে এটি উপসর্গের একমাত্র বা প্রধান কাজ নয়।
B) ভাবের পার্থক্য নিরূপণ — ভাবের পার্থক্য নিরূপণ করা উপসর্গের কাজ নয়, এটি মূলত বাক্য বা প্রসঙ্গের ওপর নির্ভর করে।
C) যতি সংস্থাপন — যতি সংস্থাপন বা বিরামচিহ্নের ব্যবহার বাক্য গঠনেpunctuation-এর কাজ, উপসর্গের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
D) নতুন শব্দ গঠন — এটি সঠিক কারণ উপসর্গের মূল কাজই হলো নতুন শব্দ তৈরি করা।
৫. মনে রাখার টিপস:
উপসর্গ মানেই সামনে বসা এবং নতুন শব্দ তৈরি করা।
উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ সৃষ্টি করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে উপসর্গের কাজ কী, যার উত্তর সবসময় নতুন শব্দ তৈরি করা হবে।
উপসর্গ শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে, কখনো পরে বসে না।
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের রণসংগীত হিসেবে নির্বাচিত চল চল চল কবিতাটির রচয়িতা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
- এই গানটি সশস্ত্র বাহিনীসহ বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠানে অত্যন্ত উদ্দীপনার সঙ্গে পরিবেশন করা হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে সমাদৃত।
- তাঁর রচিত সন্ধ্যা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত চল চল চল গানটি বাংলাদেশের রণসংগীত হিসেবে ১৯৭২ সালে সরকারিভাবে গৃহীত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি গান যার রচয়িতা আবদুল গাফফার চৌধুরী এবং সুরকার আলতাফ মাহমুদ।
উদাহরণ ২: আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত যা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত এবং শৌখের গান হিসেবে পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা হলেও রণসংগীতের রচয়িতা নন।
C) শামসুর রহমান — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও রণসংগীত রচনা করেননি।
D) আল মাহমুদ — তিনি বিশ শতকের অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি হলেও এই গানের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিদ্রোহ ও উদ্দীপনার প্রতীক হিসেবে রণসংগীতের কথা মনে আসলে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাম স্মরণ করতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত এবং রণসংগীতের রচয়িতা ও গ্রহীতা সম্পর্কিত তথ্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) By whom was this done?
কেন সঠিক:
- Active বাক্যে Who থাকলে Passive করার সময় তা পরিবর্তিত হয়ে By whom হয়।
- বাক্যের Tense অনুযায়ী Past Indefinite Tense-এর জন্য was এবং মূল Verb এর Past Participle রূপ বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) By whom this has been done? — বাক্যটি Present Perfect Tense-এ গঠন করা হয়েছে, যা মূল Past Indefinite Tense-এর সঠিক Passive রূপ নয়।
B) Whom did this? — এটি কোনো নিয়ম অনুযায়ী Passive voice নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ।
C) By whom was this done? — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এতে Tense এবং Voice পরিবর্তনের সকল নিয়ম সঠিকভাবে মানা হয়েছে।
D) Who has done this? — এটি একটি Active voice, যা মূলত Present Perfect Tense-এর বাক্য এবং এর Passive রূপ এটি হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
Active বাক্যে Who থাকলে Passive করার সময় শুরুতে By whom বসবে এবং Tense অনুযায়ী সাহায্যকারী Verb আনতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Teacher
কেন সঠিক:
- Teacher শব্দটি পুরুষ বা নারী উভয় শিক্ষককেই বোঝায়, যা কমন জেন্ডারের সংজ্ঞা পূরণ করে।
- কমন জেন্ডার বলতে এমন বিশেষ্যকে বোঝায় যা স্ত্রী বা পুরুষ উভয়কেই নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Teacher - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পুরুষ বা নারী উভয় শিক্ষককেই বোঝায়।
B) Book - এটি নিউটার জেন্ডার বা ক্লীবলিঙ্গ, কারণ এটি জড়বস্তু।
C) Boy - এটি ম্যাসকুলিন জেন্ডার বা পুংলিঙ্গ, কারণ এটি শুধু বালককে বোঝায়।
D) Madam - এটি ফেমিনিন জেন্ডার বা স্ত্রীলিঙ্গ, কারণ এটি শুধু নারীকে বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
যসব শব্দ দিয়ে পুরুষ ও নারী উভয়কে বোঝায় যেমন Student, Teacher, Doctor, Child, সেগুলোকে কমন জেন্ডার বলে।
সঠিক উত্তর: C) than those of Jamalpur
কেন সঠিক:
- তুলনার ক্ষেত্রে একই জাতীয় পদের তুলনা করতে হয়, তাই ঢাকার রাস্তার সাথে জামালপুরের রাস্তার তুলনা করতে বহুবচন noun এর পরিবর্তে those of ব্যবহার করা হয়েছে।
- এখানে roads বহুবচন হওয়ায় Jamalpur এর পরিবর্তে those of Jamalpur লেখা বাধ্যতামূলক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) then Jamalpur — then অর্থ তখন বা অতপর, যা তুলনার জন্য ভুল এবং সরাসরি জামালপুরের সাথে ঢাকার রাস্তার তুলনা করা হয়েছে যা অর্থহীন।
B) than Jamalpur — সরাসরি ঢাকার রাস্তার সাথে জামালপুরের তুলনা করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল তুলনা বা illogical comparison।
C) than those of Jamalpur — এটি সঠিক অপশন এবং আগের নিয়মে এটি নির্ভুল।
D) than those at Jamalpur — at preposition ব্যবহারের কারণে অর্থ পরিবর্তিত হয়ে জামালপুরে অবস্থিত বস্তুকে বোঝায়, যা এখানে তুলনার সঠিক প্রেক্ষাপট নয়।
মনে রাখার টিপস:
তুলনার সময় আগের noun বহুবচন হলে than এর পরে that এর পরিবর্তে those of বসে।
সঠিক উত্তর: B) Rahim asked me what my name was
কেন সঠিক:
- রিপোর্টিং ভার্ব 'said to' পরিবর্তিত হয়ে 'asked' হবে কারণ এটি একটি প্রশ্নবোধক বাক্য এবং অবজেক্ট 'me' অপরিবর্তিত থাকবে।
- ডব্লিউএইচ ওয়ার্ড 'what' অপরিবর্তিত থাকবে এবং ইনডাইরেক্ট ন্যারেশনের নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটি অ্যাসারটিভ হয়ে সাবজেক্টের পর ভার্ব বসবে ও টেন্স পরিবর্তিত হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Rahim asked what was my name — রিপোর্টিং ভার্বের পর সঠিক অবজেক্ট 'me' এবং সাবজেক্টের পর ভার্ব না বসে ভুলভাবে ভার্ব আগে বসেছে।
B) Rahim asked me what my name was — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) What my name is, Rahim asked — বাক্যের স্ট্রাকচার এবং ন্যারেশনের নিয়ম অনুযায়ী এটি ভুলভাবে গঠিত হয়েছে।
D) Rahim asked you your name — এটি সরাসরি ডাইরেক্ট ন্যারেশনের অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
ডব্লিউএইচ প্রশ্নবোধক বাক্যকে ন্যারেশন পরিবর্তনের সময় 'asked' বসে, कंजंक्शन হিসেবে ডব্লিউএইচ ওয়ার্ডটিই থাকে এবং শেষের অংশটি সাবজেক্ট + ভার্ব আকারে বসে।
সঠিক উত্তর: D) Consultation
কেন সঠিক:
- প্রবাদটির আক্ষরিক অর্থ একা কাজ করার চেয়ে দুজন মিলে কাজ করা ভালো।
- সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে অন্যের পরামর্শ বা আলোচনা করা বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Comprehension — এর অর্থ বোধগম্যতা বা অনুধাবন, যা প্রবাদটির ভাবার্থের সঙ্গে মিলে না।
B) Correction — এর অর্থ সংশোধন, যা যৌথ আলোচনার ধারণাকে নির্দেশ করে না।
C) Compromise — এর অর্থ আপস করা, যা সরাসরি পরামর্শ বা আলোচনার সমার্থক নয়।
D) Consultation — এর অর্থ পরামর্শ বা আলোচনা, যা প্রবাদের ভাবার্থকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Two Heads মানে দুজন মানুষের মাথা বা মগজ, তাই দুজনে মিলে আলোচনা বা Consultation করা বোঝায়।
সঠিক উত্তর: B) ভিক্ষার চাল কাঁড়া আর আকাঁড়া
কেন সঠিক:
- ইংরেজি প্রবচন Beggars can't be choosers এর ভাবার্থ হলো অভাবগ্রস্ত মানুষের পছন্দ করার কোনো সুযোগ থাকে না।
- বাংলা প্রবাদ ভিক্ষার চাল কাঁড়া আর আকাঁড়া ঠিক একই অর্থ প্রকাশ করে, অর্থাৎ বিনামূল্যে যা পাওয়া যায় তা বাছাবাছি করা চলে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিক্ষার চাল মোটা — এটি আক্ষরিক অর্থের কাছাকাছি হলেও প্রবচনের সার্বিক ভাবার্থ বা বাছাবাছি না করার বিষয়টি সম্পূর্ণ প্রকাশ করে না।
B) ভিক্ষার চাল কাঁড়া আর আকাঁড়া — এটি সঠিক ভাবানুবাদ, যা অপছন্দ করার অক্ষমতা বোঝায়।
C) ভিক্ষার চাল সরু — এটি ভুল কারণ বিনামূল্যে প্রাপ্ত জিনিসের মান ভালো হতে পারে এমন গ্যারান্টি প্রবচনটি দেয় না।
D) ভিক্ষাবৃত্তি ভালো নয় — এটি একটি সাধারণ নৈতিক ধারণা, যা নির্দিষ্ট এই প্রবচনের রূপক অর্থের সঙ্গে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
যিনি ভিক্ষা নেন বা সাহায্যপ্রার্থী, তিনি নিজের পছন্দমতো জিনিস বেছে নেওয়ার অধিকার রাখেন না, তাই চাল ভালো-মন্দ বাছা যায় না।
সঠিক উত্তর: B) Sell
কেন সঠিক:
- Sell শব্দটির অর্থ বিক্রি করা, যা একটি বৈধ এবং আইনসম্মত অর্থনৈতিক লেনদেন।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে এটি একমাত্র শব্দ যা অপরাধমূলক বা অসদুপায় নির্দেশ করে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Smuggle — এর অর্থ চোরাচালান করা, যা একটি বেআইনি কাজ এবং প্রশ্নটির অন্য শব্দগুলোর মতো অপরাধের সাথে যুক্ত।
B) Sell — এটি একটি বৈধ বাণিজ্যিক কার্যক্রম এবং এটি কোনো অসদুপায় বা অপরাধমূলক কাজের আওতাভুক্ত নয়।
C) Bribe — এর অর্থ ঘুষ দেওয়া, যা একটি অবৈধ এবং দুর্নীতিমূলক অপরাধ।
D) Cheat — এর অর্থ প্রতারণা করা, যা একটি অনৈতিক এবং অপরাধমূলক কাজ।
মনে রাখার টিপস:
বাকি তিনটি শব্দ (Smuggle, Bribe, Cheat) অবৈধ বা অসদুপায় বোঝায়, আর Sell হলো একমাত্র বৈধ কাজ।
সঠিক উত্তর: A) Pond
কেন সঠিক:
- 'Giant' (দানবাকার) এবং 'dwarf' (বামন) শব্দ দুটি পরস্পরের বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম।
- একইভাবে 'Ocean' (মহাসাগর) শব্দের সঙ্গে বিপরীত বা ক্ষুদ্রতম আয়তনের জলাশয় হিসেবে 'Pond' (পুকুর) সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Pond — সঠিক উত্তর কারণ এটি মহাসাগরের বিপরীত হিসেবে সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম প্রাকৃতিক জলাশয়।
B) Lake — হ্রদ একটি বড় জলাশয়, যা মহাসাগরের বিপরীত বা ক্ষুদ্রতম রূপ হিসেবে পুকুরের মতো সঠিক নয়।
C) Sea — সাগর মহাসাগরের চেয়ে ছোট হলেও এটি বিশাল জলাশয়, তাই এটি বিপরীতার্থক হিসেবে মানানসই নয়।
D) River — নদী হলো প্রবহমান স্রোতধারা, যা স্থির বিশাল জলাশয় মহাসাগরের সরাসরি বিপরীতার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিপরীতার্থক শব্দ মনে রাখার সময় আকার বা আয়তনের দিক থেকে সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে ছোট বিষয়ের তুলনা মনে রাখবে।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: C) The road had broken
কেন সঠিক:
- এটি থার্ড কন্ডিশনাল বা অতীতকালের অবাস্তব শর্তের একটি বাক্য, যার গঠন হলো ইফ যুক্ত অংশ পাস্ট পারফেক্ট টেন্স এবং অপর অংশ সাবজেক্টের পর উড হ্যাভ বা কুড হ্যাভ এবং ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল।
- প্রদত্ত বাক্যের প্রথম অংশে হোয়াট উড হ্যাভ হ্যাপেন্ড থাকলে পরের অংশে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স অর্থাৎ সাবজেক্টের পর হ্যাভ ভার্বের পাস্ট ফর্ম এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The road is broken — এটি প্রেজেন্ট টেন্সে রয়েছে, যা থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম এবং বাক্যের অন্য অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) The road would break — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের গঠন নির্দেশ করে, কিন্তু এখানে প্রথম অংশে উড হ্যাভ রয়েছে যা থার্ড কন্ডিশনালের ইঙ্গিত দেয়।
C) The road had broken — এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্সে রয়েছে যা থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম পুরোপুরি পূরণ করে।
D) The road had been broken — এটি প্যাসিভ ফর্মে রয়েছে, কিন্তু রাস্তা নিজেই ভেঙে যাওয়ার ক্ষেত্রে অ্যাক্টিভ ফর্ম অর্থাৎ হ্যাড ব্রোকেন ব্যবহার করা সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
থার্ড কন্ডিশনালে উড হ্যাভ থাকলে ইফ যুক্ত অংশে সবসময় পাস্ট পারফেক্ট টেন্স অর্থাৎ হ্যাড এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল হবে।
সঠিক উত্তর: A) The girl entered the room laughing.
কেন সঠিক:
- বাক্যে দুটি কাজ একই সঙ্গে সম্পন্ন হওয়া বোঝালে দ্বিতীয় কাজটি Present Participle (laughing) দ্বারা প্রকাশ করতে হয়।
- Enter একটি Transitive Verb হওয়ায় এর পরে room-এর পূর্বে কোনো Preposition বসে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The girl entered the room laughing. — এটি সঠিক কারণ এতে সঠিক নিয়ম ও প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়েছে।
B) The girl laughed and entered the room. — এটি ভুল কারণ এতে দুটি মূল ভার্ব ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল বাংলা বাক্যের অর্থ ও গঠনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) The girl laughing entered into the room — এটি ভুল কারণ Enter verb-এর পর into বসে না এবং এখানে দুটি finite verb এর মতো সমস্যা তৈরি হয়েছে।
D) The girl laughing entered the room — এটি ভুল কারণ এর গঠনগত বিন্যাস সঠিক হলেও A অপশনের চেয়ে কম প্রমিত এবং entering এর পূর্বের অংশ অপ্রাসঙ্গিক।
মনে রাখার টিপস:
একসাথে দুটি কাজ বুঝাতে মূল কাজের পরে verb-এর সাথে ing যুক্ত করে এবং enter-এর পর সরাসরি স্থান বসে, কোনো into বসে না।
সঠিক উত্তর: C) Is English spoken well by him?
কেন সঠিক:
- Present Indefinite Tense-যুক্ত Interrogative Sentence-কে Active থেকে Passive করার সময় Subject-এর পূর্বে Is, Am বা Are বসে এবং মূল Verb-এর Past Participle রূপ হয়।
- Subject (He) এর Objective form (him)-এর পূর্বে by বসে এবং প্রদত্ত Adverb (well) সাধারণত Past Participle-এর পরে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Is English spoke well — এখানে Verb-এর Past Participle (spoke) ভুল ব্যবহার করা হয়েছে এবং বাক্যের শেষে Agent (by him) অনুপস্থিত।
B) Is English spoken well to him? — এখানে preposition হিসেবে 'to' ব্যবহার করা হয়েছে, যা সঠিক Passive নিয়ম অনুযায়ী 'by' হওয়ার কথা ছিল।
C) Is English spoken well by him? — এটি সঠিক উত্তর।
D) Was English spoken well by him? — এটি Past Tense-এর Passive রূপ, কিন্তু প্রশ্নটি Present Indefinite Tense-এ আছে।
মনে রাখার টিপস:
Present Indefinite Tense-এর Interrogative বাক্যকে Passive করার সময় Do বা Does-এর পরিবর্তে Is, Am বা Are বসিয়ে বাক্য শুরু করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Rebuke
কেন সঠিক:
- 'Bring to the book' একটি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ কাউকে কোনো ভুলের জন্য তিরস্কার করা বা জবাবদিহিতার আওতায় আনা।
- এই ইডিয়মের 'Book' শব্দটি দিয়ে মূলত কাউকে নিয়ম বা শাস্তির আওতায় আনার দলিল বা খাতা বোঝানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Book written by famous writer — এটি ইডিয়মের আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইডিয়মের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ গ্রহণযোগ্য নয়।
B) Rebuke — এটি প্রদত্ত ইডিয়মের সঠিক ভাবার্থ বা সমার্থক অর্থ নির্দেশ করে।
C) Value less person — এই ইডিয়মের সঙ্গে মূল্যহীন ব্যক্তির কোনো সম্পর্ক নেই।
D) None of the above — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বইয়ের পাতা খুলে বা খাতা ঘেঁটে কারো ভুল ধরে তিরস্কার করা হয়, এভাবে 'Bring to the book' মানে তিরস্কার করা বা জবাবদিহি করানো মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) Gerund
কেন সঠিক:
- 'Swimming' শব্দটি বাক্যে সাবজেক্ট বা উদ্দেশ্য হিসেবে বসেছে এবং এটি একই সাথে ভার্ব ও নাউনের কাজ করছে।
- ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হয়ে যখন তা নাউনের কাজ করে, তখন তাকে জেরান্ড বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Participle — এটি ভার্ব ও এডজেক্টিভের কাজ করে, কিন্তু এখানে 'swimming' নাউনের কাজ করেছে।
B) Adjective — এটি কোনো নাউনকে মডিফাই করে না, বরং নিজেই বাক্যের প্রধান নাউনের কাজ করছে।
C) Gerund — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি ভার্ব থেকে উৎপন্ন হয়ে নাউনের কাজ সম্পন্ন করেছে।
D) Verbal noun — এটি ভার্ব থেকে তৈরি হলেও এর আগে আর্টিকেল এবং পরে অবজেক্টের পূর্বে অফ বসে, যা এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হয়ে যদি বাক্যে নাউনের কাজ করে এবং বাংলায় অনুবাদের শেষে আ বা ম যুক্ত হয়, তবে তা জেরান্ড।
সঠিক উত্তর: B) Sovereignty
কেন সঠিক:
- বানানটিতে Sov-ereign-ty এই মূল অংশগুলো সঠিকভাবে বিন্যস্ত রয়েছে।
- ইংরেজি বানানের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উচ্চারণ ও প্রত্যয়ের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Soverignty — বানানে ereign অংশের e বর্ণটি অনুপস্থিত থাকায় এটি ভুল।
B) Sovereignty — এটি সম্পূর্ণ নির্ভুল বানান এবং প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
C) Sovereigninty — অতিরিক্ত n বর্ণ যুক্ত থাকায় এই বানানটি ভুল।
D) Soverianty — ereign অংশের পরিবর্তে i ব্যবহার করায় এই বানানটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে Sovereign (সার্বভৌম) শব্দটির সাথে ty প্রত্যয় যুক্ত করার বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) a
কেন সঠিক:
- ইউরোপিয়ান শব্দের শুরুতে স্বরবর্ণ ই থাকলেও এর উচ্চারণ ইউ এর মতো অর্থাৎ ব্যঞ্জনবর্ণ ওয়াই এবং উ এর উচ্চারণের মতো হয়।
- উচ্চারণের শুরুতে ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনি আসার কারণে নিয়ম অনুযায়ী এর পূর্বে অ্যান এর পরিবর্তে এ আর্টিকেল ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the — নির্দিষ্ট করে বোঝাতে দি বসে, কিন্তু এখানে ইউরোপিয়ান শব্দটি অনির্দিষ্ট একক ব্যক্তি বোঝাচ্ছে।
B) a — সঠিক উত্তর কারণ এটি ব্যঞ্জনবর্ণের মতো উচ্চারিত শব্দের পূর্বে বসে।
C) an — এটি সাধারণত স্বরবর্ণের উচ্চারণের পূর্বে বসে, কিন্তু এখানে ইউ উচ্চারণের কারণে অ্যান বসবে না।
D) none — এটি ভুল কারণ সঠিক উত্তর হিসেবে বি অপশনটি ইতিমধ্যে নির্ধারিত আছে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শুরুতে ইউ বা ওয়া উচ্চারণ থাকলে তার আগে এ বসে, যেমন এ ইউরোপিয়ান বা এ ইউনিভার্সিটি।
সঠিক উত্তর: B) would rather
কেন সঠিক:
- বাক্যে দুটি পছন্দের মধ্যে তুলনা বা প্রাধান্য বোঝাতে would rather ব্যবহৃত হয়।
- would rather এর পরে সাধারণ verb এর present form বসে এবং এর সাথে সাধারণত than যুক্ত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) rather — একা বসলে তা সাধারণত adverb হিসেবে কাজ করে, এখানে গঠনগতভাবে সম্পূর্ণ verb phrase প্রয়োজন।
B) would rather — প্রদত্ত উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এটি তুলনার ক্ষেত্রে সঠিক কাঠামো গঠন করে।
C) better — এটি good এর comparative রূপ, যা এখানে অর্থ ও ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয়।
D) would better — ইংরেজিতে would better বলে কোনো সঠিক গ্রামাটিকাল ফ্রেজ নেই, সঠিক রূপটি হলো had better।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে than থাকলে এবং পছন্দ বোঝাতে চাইলে শূন্যস্থানের আগে সাধারণত would rather বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) The Padma is the longest Bridge in Bangladesh
কেন সঠিক:
- নির্দিষ্ট নদীর নামের পূর্বে definite article হিসেবে 'The' বসে এবং অতিবৃহৎ সেতু বোঝাতে superlative degree-র পূর্বে 'the' এবং নদী হিসেবে 'longest' ব্যবহৃত হয়েছে।
- সেতুটি দেশের দীর্ঘতম হওয়ায় বিশেষণ হিসেবে 'longest' সঠিক এবং ব্যাকরণগতভাবে বাক্যটি নির্ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Padma is longest Bridge in Bangladesh — নদীর নামের পূর্বে 'The' এবং superlative degree-র পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল না থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) The Padma is the longest Bridge in Bangladesh — এটি সঠিক অপশন এবং এতে সমস্ত ব্যাকরণগত নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে।
C) The Padma longer Bridge in Bangladesh — তুলনামূলক বা comparative degree ব্যবহৃত হওয়ায় এবং সঠিক verb না থাকায় এটি অসম্পূর্ণ ও ভুল।
D) The Padma is larger Bridge in Bangladesh — সেতুটির ক্ষেত্রে আয়তনগত তুলনা বোঝাতে 'larger' এর পরিবর্তে দৈর্ঘ্য বোঝাতে 'longest' ব্যবহার করতে হয়।
মনে রাখার টিপস:
নদীর নামের আগে সবসময় 'The' বসে এবং দীর্ঘতম বোঝাতে superlative degree এর আগে 'the longest' ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) One's
কেন সঠিক:
- বাক্যের শুরুতে subject হিসেবে 'One' থাকলে তার possessive form হিসেবে সব সময় 'one's' ব্যবহৃত হয়।
- এটি ইংরেজি ব্যাকরণের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম, যা pronoun-এর соглаson বা মিল রাখার জন্য প্রযোজ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) One's — এটি সঠিক উত্তর কারণ subject 'One' এর possessive রূপ হিসেবে এটি ব্যবহার করা হয়।
B) The — এটি একটি definite article, যা possessive pronoun এর কাজ করতে পারে না এবং শূন্যস্থানে বসে না।
C) his — এটি third person singular pronoun 'He' এর possessive রূপ, তাই 'One' এর জন্য এটি বসে না।
D) Their — এটি plural pronoun 'They' এর possessive রূপ, যা singular 'One' এর সাথে ব্যাকরণগতভাবে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে One থাকলে তার possessive রূপে সবসময় One's বসবে।
সঠিক উত্তর: C) ০
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় রাশিটি হলো x কিউব + ২x স্কোয়ার − ১
চলক x এর মান হলো − ১
ধরি,
প্রদত্ত রাশিটি = x কিউব + ২x স্কোয়ার − ১
অতএব,
x এর জায়গায় মান বসিয়ে পাই,
(− ১) কিউব + ২(− ১) স্কোয়ার − ১
সুতরাং,
(− ১) + ২(১) − ১
= − ১ + ২ − ১
উত্তর: ০
সঠিক উত্তর: B) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
a − b = ৪
ab = ৬০
ধরি,
আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী
অতএব,
মান বসিয়ে পাই, (a + b) বর্গ = (a − b) বর্গ + ৪ab
মানগুলো বসিয়ে পাই, (a + b) বর্গ = (৪) বর্গ + ৪ × ৬০
সুতরাং,
(a + b) বর্গ = ১৬ + ২৪০
(a + b) বর্গ = ২৫৬
উত্তর: a + b = √২৫৬ = ১৬
সঠিক উত্তর: D) −২
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম রাশি হলো log৩ (১ ÷ ৯)
ধরি,
লগারিদমের মান = x
অতএব,
৩ এর পাওয়ার x সমান ১ ÷ ৯ লেখা যায়
সুতরাং,
৩ এর পাওয়ার x সমান ১ ÷ (৩ এর পাওয়ার ২) লেখা যায়
উত্তর: −২
সঠিক উত্তর: A) ৬ ঘণ্টায়
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম নল দ্বারা চৌবাচ্চা পূর্ণ হয় ১০ ঘণ্টায়
দ্বিতীয় নল দ্বারা চৌবাচ্চা পূর্ণ হয় ১৫ ঘণ্টায়
ধরি,
সম্পূর্ণ চৌবাচ্চাটি হলো ১ অংশ
অতএব,
প্রথম নল ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে ১ ÷ ১০ অংশ
দ্বিতীয় নল ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে ১ ÷ ১৫ অংশ
সুতরাং,
নল দুটি একত্রে ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে (১ ÷ ১০) + (১ ÷ ১৫) অংশ = ৫ ÷ ৩০ অংশ = ১ ÷ ৬ অংশ
উত্তর: ৬ ঘণ্টায়
সঠিক উত্তর: B) ২, ৯
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি একটি সমান্তর অনুক্রম
ধারার প্রথম পদ = − ৫ এবং চতুর্থ পদ = ১৬
ধরি,
ধারার সাধারণ অন্তর = d
দ্বিতীয় পদ p = প্রথম পদ + d
অতএব,
চতুর্থ পদ = প্রথম পদ + ৩d
১৬ = − ৫ + ৩d
সুতরাং,
৩d = ১৬ + ৫ = ২১
d = ৭
উত্তর:
p = − ৫ + ৭ = ২
q = ২ + ৭ = ৯
সঠিক উত্তর: A) ২০°
প্রদত্ত তথ্য:
ট্যান ৩এ সমান বর্গমূল ৩
ধরি,
ট্যান কোণের মান জানা আছে
ট্যান ৬০ ডিগ্রি সমান বর্গমূল ৩
তাই ৩এ সমান ৬০ ডিগ্রি
অতএব,
এ সমান ৬০ ডিগ্রি ভাগ ৩
এ সমান কুড়ি ডিগ্রি
উত্তর: ২০°
সঠিক উত্তর: A) ১৩ সে.মি
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের জ্যা এর দৈর্ঘ্য = ১০ সে.মি
কেন্দ্র হতে জ্যা এর দূরত্ব = ১২ সে.মি
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা এর উপর অঙ্কিত লম্ব জ্যা কে সমদ্বিখণ্ডিত করে
লম্ব দূরত্ব জ্যা কে দুই ভাগে ভাগ করে
তাই জ্যা এর অর্ধেক অংশ = ১০ ÷ ২ = ৫ সে.মি
অতএব,
ব্যাসার্ধ, লম্ব দূরত্ব এবং জ্যা এর অর্ধেক অংশ মিলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ গঠন করে
এখানে সমকোণী ত্রিভুজের লম্ব = ১২ সে.মি
এবং ভূমি = ৫ সে.মি
সুতরাং,
অতিভুজ বা ব্যাসার্ধ = √(১২ এর বর্গ + ৫ এর বর্গ)
ব্যাসার্ধ = √(১৪৪ + ২৫) = √১৬৯ = ১৩ সে.মি
উত্তর: ১৩ সে.মি
সঠিক উত্তর: B) V = πr²h
প্রদত্ত তথ্য:
নলাকার বস্তুর ভূমির ব্যাসার্ধ = r
নলাকার বস্তুর উচ্চতা বা দৈর্ঘ্য = h
ধরি,
নলাকার বস্তুর ভূমি একটি বৃত্তাকার ক্ষেত্র
এই বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × r²
অতএব,
নলাকার বস্তুর আয়তন হলো ভূমির ক্ষেত্রফল এবং উচ্চতার গুণফল
আয়তন V = ভূমির ক্ষেত্রফল × h
সুতরাং,
V = (π × r²) × h
উত্তর: V = πr²h
সঠিক উত্তর: D) তিনটি কোণ
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজ সর্বসমতার সাধারণ নিয়মসমূহ
কোণগুলোর পরিমাপ সমান হওয়া
ধরি,
প্রথম ত্রিভুজের তিনটি কোণ = ষাট ডিগ্রি, ষাট ডিগ্রি, ষাট ডিগ্রি
দ্বিতীয় ত্রিভুজের তিনটি কোণ = ষাট ডিগ্রি, ষাট ডিগ্রি, ষাট ডিগ্রি
অতএব,
প্রথম ত্রিভুজটি একটি ছোট বাহুবিশিষ্ট সমবাহু ত্রিভুজ হতে পারে
দ্বিতীয় ত্রিভুজটি একটি বড় বাহুবিশিষ্ট সমবাহু ত্রিভুজ হতে পারে
সুতরাং,
তাদের আকৃতি একই হলেও আকার ভিন্ন হতে পারে
উত্তর: ত্রিভুজ দুটি সদৃশ হতে পারে কিন্তু সর্বসম নাও হতে পারে
সঠিক উত্তর: C) ৩,৭০০ বর্গমিটার
প্রদত্ত তথ্য:
সড়কের প্রস্থ = ৩.৭ মিটার
সড়কের দৈর্ঘ্য = ১ কিলোমিটার
ধরি,
১ কিলোমিটার = ১,০০০ মিটার
অতএব,
সড়কের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ
সড়কের ক্ষেত্রফল = ১,০০০ মিটার × ৩.৭ মিটার
সুতরাং,
সড়কের ক্ষেত্রফল = ৩,৭০০ বর্গমিটার
উত্তর: ৩,৭০০ বর্গমিটার
সঠিক উত্তর: C) ৬/৭
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশগুলো হলো ২÷৩, ৪÷৫, ৬÷৭ এবং ৭÷৯
ধরি,
প্রতিটি ভগ্নাংশের লবকে হর দিয়ে ভাগ করে দশমিক মান বের করতে হবে
অতএব,
২÷৩ = ০.৬৬, ৪÷৫ = ০.৮০, ৬÷৭ = ০.৮৫ এবং ৭÷৯ = ০.৭৭
সুতরাং,
সবগুলো দশমিক মানের মধ্যে ০.৮৫ সবচেয়ে বড় সংখ্যা
উত্তর: C) ৬/৭
সঠিক উত্তর: B) ২
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশিটি হলো ২ক এবং দ্বিতীয় রাশিটি হলো ৬খ
আমাদের এই পদ দুটির সংখ্যা সহগগুলোর গসাগু নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
প্রথম পদের সংখ্যা সহগ = ২
দ্বিতীয় পদের সংখ্যা সহগ = ৬
অতএব,
২ এর উৎপাদকগুলো হলো ১ এবং ২
৬ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ২, ৩ এবং ৬
সুতরাং,
২ এবং ৬ এর সাধারণ উৎপাদকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় সংখ্যাটি হলো ২
উত্তর: ২
সঠিক উত্তর: B) মিথেন
কেন সঠিক:
- প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল উপাদান হলো মিথেন, যার রাসায়নিক সংকেত সিএইচ ফোর।
- প্রাকৃতিক গ্যাসে সাধারণত শতকরা আশি থেকে নব্বই ভাগ মিথেন গ্যাস থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইথেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি গৌণ উপাদান, প্রধান উপাদান নয়।
B) মিথেন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান।
সি) প্রোপেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি উপাদান হলেও সিলিন্ডার গ্যাসের প্রধান অংশ।
ডি) নাইট্রোজেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসে সামান্য পরিমাণে মিশ্রিত থাকে, প্রধান উপাদান নয়।
মনে রাখার টিপস:
গ্যাসের রাজা মিথেন ভাই, প্রাকৃতিক গ্যাসে যার বিকল্প নাই।
সঠিক উত্তর: B) ১২১৫ খ্রিঃ
কেন সঠিক:
- ব্রিটিশ রাজা জন ১২১৫ সালের ১৫ জুন রানিমিডে নামক স্থানে প্রজাদের চাপে এই ঐতিহাসিক সনদে স্বাক্ষর করেন।
- এটি মানব অধিকারের ইতিহাসের প্রথম লিখিত দলিল এবং আধুনিক সংবিধানবাদের ভিত্তি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২১০ খ্রিঃ — এটি ম্যাগনা কার্টা প্রণয়নের কোনো ঐতিহাসিক বছর নয়।
B) ১২১৫ খ্রিঃ — এটি সঠিক বছর যখন রাজা জন এই সনদে স্বাক্ষর করেছিলেন।
C) ১২২৫ খ্রিঃ — এটি ম্যাগনা কার্টার পরবর্তী সংশোধিত সংস্করণ প্রকাশের বছর, মূল প্রবর্তনের নয়।
D) ১২১২ খ্রিঃ — এই সালে ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রে ম্যাগনা কার্টার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটেনি।
মনে রাখার টিপস:
ম্যাগনা কার্টা ও রাজা জনের নাম মনে রাখতে ১২১৫ সালকে মাথায় রাখুন, যেখানে জন প্রজাদের অধিকার রক্ষায় বাধ্য হয়েছিলেন।
সঠিক উত্তর: B) ১২ ডিসেম্বর ১৯৯৬
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবে গৌড়ার মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ভারতের সঙ্গে ৩০ বছর মেয়াদী এই গঙ্গার পানি চুক্তি নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ ডিসেম্বর ১৯৯৬ — এই তারিখে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি ভুল তারিখ।
B) ১২ ডিসেম্বর ১৯৯৬ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
C) ১০ নভেম্বর ১৯৯৬ — এই তারিখটি গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ১২ নভেম্বর ১৯৯৬ — এই তারিখে ঐতিহাসিক এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর গঙ্গার পানি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা ১৯৯৬ সংখ্যাটি মনে রেখে মাসের শেষ ভাগে ১২ তারিখ মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) পেভমেন্টে পানি ঢোকা বন্ধ করা
কেন সঠিক:
- বিটুমিন টেক কোট হলো রাস্তা নির্মাণের সময় প্রয়োগ করা একটি পাতলা বিটুমিনাস লেয়ার।
- এটি পেভমেন্টের স্তরে বৃষ্টির পানি প্রবেশ রোধ করে এবং ভিত্তিকে সুরক্ষিত রাখে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদ্যমান সড়কের উপরিভাগ আঠালো করা — এটি টেক কোটের গৌণ কাজ হতে পারে, তবে প্রধান উদ্দেশ্য পানি প্রবেশ রোধ করা।
B) পেভমেন্টে পানি ঢোকা বন্ধ করা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং প্রধান প্রযুক্তিগত কাজ।
C) সড়কের ধূলাবালি নষ্ট করা — এটি টেক কোটের কোনো নির্দিষ্ট বা প্রধান প্রকৌশলগত কাজ নয়।
D) পেভমেন্টকে রোড থেকে রক্ষা করা — এই অপশনটির বাক্যগঠন প্রকৌশলগতভাবে সঠিক ও প্রাসঙ্গিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
টেক কোট মানে ঢাল, যা রাস্তার পেভমেন্টে পানি ঢোকা বন্ধ করে।
সঠিক উত্তর: C) অন্তত: ৫ ঘণ্টা
কেন সঠিক:
- ইটের গাথুনির পূর্বে ইট ভালোভাবে পানি শোষণ করার জন্য অন্তত পাঁচ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখা বাধ্যতামূলক।
- শুকনো ইট মর্টারের পানি টেনে নিলে সিমেন্ট সঠিকভাবে জমাট বাঁধতে পারে না, তাই এই নিয়ম মানা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অন্তত: ৪ ঘণ্টা — এই সময়সীমা প্রয়োজনের তুলনায় কম হওয়ায় ইট পর্যাপ্ত পানি শোষণ করতে পারে না।
B) অন্তত: ৩ ঘণ্টা — তিন ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখলে ইটের ভেতরের শুকনো অংশ পুরোপুরি তৃপ্ত হয় না।
D) অন্তত: ১ ঘণ্টা — মাত্র এক ঘণ্টা ভেজালে তা শুধু ওপরের ধুলাবালি দূর করে, ভেতরে কোনো পানি প্রবেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
ইটকে পানি পান করাতে হবে অন্তত পাঁচ ঘণ্টা, যেন সিমেন্টের শক্তি না করে খর্ব।
সঠিক উত্তর: A) ৬৭২ জন
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য মোট ৬৭২ জনকে রাষ্ট্রীয় খেতাব প্রদান করা হয়।
- এই খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, বীর উত্তম ৬৮ জন, বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং বীর প্রতীক ৪২২ জন রয়েছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬৭২ জন — এটি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত মোট সংখ্যার সঠিক হিসাব।
B) ৬৭৬ জন — এটি সঠিক সংখ্যা নয়, বিভিন্ন বই বা তথ্যে ভুলভাবে এই সংখ্যা উল্লেখ করা হয়।
C) ৬৭৮ জন — এটি সঠিক সংখ্যা নয়, খেতাবপ্রাপ্তদের মোট সংখ্যার সাথে এই সংখ্যার মিল নেই।
D) ৬৭৪ জন — এটি সঠিক পরিসংখ্যানের সঙ্গে মেলে না, তাই এটি ভুল অপশন।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব মনে রাখার সহজ ক্রম হলো ৭, ৬৮, ১৭৫, ৪২২ এবং মোট সংখ্যাটি হলো ৬৭২ জন।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) ৮ জানুয়ারি ১৯৭২
কেন সঠিক:
- পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি লন্ডন ও নয়াদিল্লি হয়ে ১০ জানুয়ারি স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।
- দীর্ঘ প্রায় নয় মাস কারাবাসের পর পাকিস্তান সরকার তাঁকে মুক্তি দেয় এবং তিনি বিশেষ বিমানে লন্ডনের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ — এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পাকিস্তান থেকে মুক্তি পাওয়ার তারিখ নয়, বরং তাঁর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিন।
B) ৮ জানুয়ারি ১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই তাঁকে পাকিস্তানের মিয়াওয়ালী কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।
C) ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ — এটি ভুল কারণ এই তারিখের সঙ্গে তাঁর মুক্তির কোনো ঐতিহাসিক যোগসূত্র নেই।
D) ৯ জানুয়ারি ১৯৭২ — এটি ভুল কারণ ৮ জানুয়ারি মুক্তির পর তিনি ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশে আসেন, মাঝের এই দিনটি তাঁর যাতায়াতের সাথে সম্পর্কিত।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধু বন্দিদশা থেকে মুক্তি পান ৮ জানুয়ারি এবং বীরের বেশে দেশের মাটিতে পা রাখেন ১০ জানুয়ারি।
সঠিক উত্তর: A) ভুটান
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভুটান বাংলাদেশকে প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ভারতের পাশাপাশি ভুটানও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে কূটনৈতিক ও নৈতিক সমর্থন জুগিয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভুটান — এটি সঠিক উত্তর কারণ দেশটি সবার আগে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
B) ভারত — ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলেও ভুটানের পরে, অর্থাৎ ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভুটানের স্বীকৃতির ঠিক পরেই ভারত স্বীকৃতি প্রদান করে।
C) নেপাল — নেপাল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ১৬ জানুয়ারি, যা প্রথম স্বীকৃতির পরে সংঘটিত হয়।
D) পোল্যান্ড — পোল্যান্ড ইউরোপের দেশ হিসেবে প্রথম দিকে স্বীকৃতি দিলেও তা বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুনির্দিষ্ট কিছু সময় পরে আসে।
মনে রাখার টিপস:
সবার আগে পাহাড় ঘেরা ছোট্ট দেশ ভুটান বাংলাদেশকে বন্ধু হিসেবে বুকে টেনে নিয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) ৩য়
কেন সঠিক:
- যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে লিজ ট্রাস তৃতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রক্ষণশীল দলের নেতা হিসেবে এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ম — যুক্তরাজ্যের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন মার্গারেট থ্যাচার।
B) ২য় — যুক্তরাজ্যের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তেরেসা মে।
C) ৩য় — লিজ ট্রাস তৃতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বিধায় এটি সঠিক উত্তর।
D) ৪র্থ — যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে চতুর্থ কোনো নারী প্রধানমন্ত্রী এখনো দায়িত্ব পালন করেননি।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাজ্যের নারী প্রধানমন্ত্রীগণের ক্রমানুসারে নাম মনে রাখুন: মার্গারেট থ্যাচার, তেরেসা মে এবং লিজ ট্রাস।
সঠিক উত্তর: C) পিরোজপুর
কেন সঠিক:
- বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব অষ্টম বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সেতুটি পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলায় কচাঁ নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে।
- এই সেতুটি উদ্বোধন করার মাধ্যমে পেপারওয়ার্ক থেকে শুরু করে যাতায়াত ব্যবস্থায় বরিশাল ও পিরোজপুর অঞ্চলের যোগাযোগ সহজতর করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বরিশাল — এটি বিভাগের নাম হলেও এই নির্দিষ্ট সেতুটি এখানে অবস্থিত নয়।
B) ঝালকাঠি — এটি পার্শ্ববর্তী জেলা হলেও সেতুটি এই জেলায় নির্মিত হয়নি।
C) পিরোজপুর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) বরগুনা — এটি উপকূলীয় জেলা হলেও এই সেতুর ভৌগোলিক অবস্থান এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গমাতা সেতুর প্রথম অক্ষর ব এবং পিরোজপুরের কচাঁ নদীর পাড়ে এর অবস্থান মনে রাখতে ব-ফলা দিয়ে মিলিয়ে পড়তে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২
কেন সঠিক:
- তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি দেশের প্রথম সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালটি উদ্বোধন করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন শাহবাগে এই বিশ্বমানের হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই হাসপাতালটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছিল।
B) ১৪ অক্টোবর ২০২২ — এটি সঠিক তারিখ নয় এবং এই দিনে অন্য কোনো বড় রাষ্ট্রীয় ইভেন্ট ছিল না।
C) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ — এটি ভুল তারিখ কারণ উদ্বোধন ঠিক একদিন আগে সম্পন্ন হয়েছিল।
D) ১৫ অক্টোবর ২০২২ — এটিও ভুল তারিখ এবং প্রদত্ত মাসের সঙ্গে এটি মিলছে না।
মনে রাখার টিপস:
সেপ্টেম্বর মাসের ঠিক মাঝ বরাবর অর্থাৎ ১৪ তারিখে দেশের প্রথম বিশেষায়িত হাসপাতালটি উদ্বোধন করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) বেনাপোল
কেন সঠিক:
- বেনাপোল বাংলাদেশের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর, যা ভারতের সাথে বাণিজ্যের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি যশোর জেলার শার্শা উপজেলায় অবস্থিত এবং এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পণ্য ও যাত্রী পারাপার হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেনাপোল — এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তর এবং দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর।
B) হিলি — এটি দেশের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর হলেও আয়তন ও বাণিজ্যের পরিধিতে বেনাপোলের চেয়ে ছোট।
C) বাংলাবান্ধা — এটি বাংলাদেশের সর্বউত্তরের স্থলবন্দর এবং দেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর, কিন্তু বৃহত্তম নয়।
D) আখাউড়া — এটি একটি স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট, তবে এটি বৃহত্তম স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বৃহত্তম স্থলবন্দর মনে রাখতে "বে" দিয়ে বেনাপোল এবং "ব" দিয়ে বৃহত্তম এই মিলটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) ২৫ জুন ২০২২
কেন সঠিক:
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৫ জুন ২০২২ তারিখে বহুল প্রত্যাশিত পদ্মা বহুমুখী সেতু আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।
- ২৬ জুন ২০২২ থেকে সর্বসাধারণের জন্য সেতুটি উন্মুক্ত করা হয়, যা বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক ঐতিহাসিক মাইলফলক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৫ জুন ২০২২ — এটি সঠিক কারণ এই দিনেই পদ্মা সেতু আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছিল।
B) ২৬ জুন ২০২২ — এই তারিখে পদ্মা সেতুতে সর্বসাধারণের যান চলাচল শুরু হয়, উদ্বোধনের দিন নয়।
C) ২৫ মে ২০২২ — এটি ভুল কারণ এই তারিখে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
D) ২৬ মে ২০২২ — এই তারিখটিও পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা সেতু উদ্বোধনের মাসটি ছিল জুন এবং তারিখটি ছিল মাসের ঠিক মাঝ বরাবর অর্থাৎ পঁচিশ তারিখ।
সঠিক উত্তর: D) Olympic games
কেন সঠিক:
- অলিম্পিক গেমস পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন, বড় ও মর্যাদাপূর্ণ বহু-ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, যাতে বিশ্বের প্রায় সব দেশ অংশগ্রহণ করে।
- এই মহাভোজের বিশ্বজনীন আবেদন ও আয়োজনের বিশালতার কারণে একে গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) FIFA world cup — এটি ফুটবলপ্রেমীদের কাছে সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্ট হলেও কেবল একটি খেলার বিশ্বকাপ হওয়ায় সামগ্রিক অলিম্পিকের সমতুল্য নয়।
B) T20 world cup — এটি ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণের একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট এবং এর পরিধি ও বিশ্বজনীনতা অলিম্পিকের চেয়ে অনেক সীমিত।
C) World cup cricket — এটি ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ একটি জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট, যার বৈশ্বিক বিস্তৃতি অলিম্পিকের মতো ব্যাপক নয়।
D) Olympic games — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি বিশ্বের সব দেশের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত সর্ববৃহৎ আন্তর্জাতিক ক্রীড়া উৎসব।
মনে রাখার টিপস:
সব খেলার মিলনমেলা অলিম্পিক মানেই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শো বা গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ।
সঠিক উত্তর: C) fatima@yahoo.com
কেন সঠিক:
- একটি বৈধ ইমেইল ঠিকানায় অবশ্যই একটি '@' চিহ্ন থাকতে হবে যা ইউজারনেম ও ডোমেন নামকে আলাদা করে।
- ডোমেন নামের অংশে ডট চিহ্ন এবং সঠিক প্রোভাইডার নাম থাকতে হয়, যা এই অপশনে সঠিকভাবে আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Fatima yahoo.com — এখানে কোনো অ্যাট সাইন বা '@' চিহ্ন নেই, যা ইমেইল ঠিকানার অপরিহার্য অংশ।
B) Fatima.yahoo.com — এখানে '@' চিহ্নের বদলে ডট ব্যবহার করায় এটি সঠিক ইমেইল কাঠামোর নিয়ম মানে না।
C) fatima@yahoo.com — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) Fatima.@com — এখানে ডট চিহ্নের পর ডোমেন নেম অসম্পূর্ণ এবং '@' চিহ্নের ব্যবহার সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইমেইল ঠিকানায় অবশ্যই একটি মাত্র '@' চিহ্ন এবং একটি ডট থাকবে।
সঠিক উত্তর: B) ৩ টি
১. কেন সঠিক:
একটি সার্থক বা আদর্শ বাক্যের মৌলিক গুণ বা বৈশিষ্ট্য তিনটি। এই তিনটি গুণ হলো আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাক্য গঠনের ক্ষেত্রে এই তিনটি গুণের উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি। আকাঙ্ক্ষা হলো বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা। আসত্তি হলো বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষা করার জন্য পদগুলোকে যথাযথভাবে সাজিয়ে বসা। যোগ্যতা হলো বাক্যের পদগুলোর মধ্যে অর্থের সংগতি ও ভাবগত মিল থাকা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে।
ব্যাখ্যা: এটি একটি আদর্শ বাক্য কারণ এতে আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা তিনটি গুণই perfectly বিদ্যমান।
উদাহরণ ২: কাল আমি ঢাকা যাব।
ব্যাখ্যা: এটিও একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য যার মাধ্যমে স্পষ্ট অর্থ প্রকাশ পায় এবং তিনটি গুণ রক্ষা করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ টি — আদর্শ বাক্যের গুণ সংখ্যা ভুল বলা হয়েছে কারণ বাক্যের অপরিহার্য গুণ তিনটি।
B) ৩ টি — এটি সঠিক উত্তর।
C) ৪ টি — বাক্যের মূল গুণ চারটি নয়, তাই এই অপশনটি ভুল।
D) ৫ টি — আদর্শ বাক্যের সংখ্যা পাঁচ বলা হয়েছে যা ব্যাকরণগত নিয়মের সাথে মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
আদর্শ বাক্যের তিনটি গুণ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তিন অক্ষর বিশিষ্ট সূত্র: আ, আ, য। যেখানে প্রথম আ তে আকাঙ্ক্ষা, দ্বিতীয় আ তে আসত্তি এবং য তে যোগ্যতা বোঝায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই তিনটি গুণের সংজ্ঞা থেকে প্রশ্ন আসে। যেমন, পদের পর পদ সাজিয়ে লেখার নিয়মকে আসত্তি বলা হয়, এটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) আবদুল গাফফার চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির রচয়িতা বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই গানটি বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান প্রেরণা।
- প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্য ও ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ থেকে এসেছে যেখানে ভাষা আন্দোলনভিত্তিক বিখ্যাত গান ও তার গীতিকারের নাম জানতে চাওয়া হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আবদুল গাফফার চৌধুরী একুশে ফেব্রুয়ারির এই অমর গানটি ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির অব্যবহিত পর ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে বসে রচনা করেন।
- গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আবদুল লতিফ এবং বর্তমান যে জনপ্রিয় সুরটি আমরা শুনি তা সংযোজন করেন শহীদ আলতাফ মাহমুদ ১৯৬৯ সালে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'তোমরা ভুলো না শিবাজী মোদের জাসুসী করিয়া মরে'
ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিভিন্ন ঐতিহাসিক গানের মতো বাংলা সাহিত্যের একটি সংগ্রামী চেতনার প্রকাশ।
উদাহরণ ২: 'আমার দেশের মাটির গন্ধে ভরে আছে মন'
ব্যাখ্যা: এটি দেশপ্রেমমূলক গানের একটি উদাহরণ যা আবদুল গাফফার চৌধুরীর চেতনার সমগোত্রীয় সাহিত্যধারা নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শহীদ আলতাফ মাহমুদ — তিনি এই গানের রচয়িতা নন, বরং তিনি এই গানটির জনপ্রিয় সুরকার যিনি ১৯৬৯ সালে এর বর্তমান সুরটি করেন।
B) শহীদুল্লাহ কায়সার — তিনি একজন প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী ও ঔপন্যাসিক হলেও এই গানের রচয়িতা নন।
C) আবদুল গাফফার চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক এবং এর সপক্ষে উপযুক্ত ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক প্রমাণ রয়েছে।
D) আপেল মাহমুদ — তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়ের একজন বিখ্যাত স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠশিল্পী, ভাষা আন্দোলনের এই গানের রচয়িতা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- গান লেখার কাজটি কলামিস্ট ও সাংবাদিকরা ভালো পারেন, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে সাংবাদিক আবদুল গাফফার চৌধুরী গানটি লিখেছেন।
- সুরকার মনে রাখার জন্য ভাববেন আলতাফ মাহমুদ সুর দিয়ে গানটিকে অমর করেছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই গানটির রচয়িতা এবং সুরকার সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- রচয়িতা আবদুল গাফফার চৌধুরী এবং সুরকার শহীদ আলতাফ মাহমুদ, এই দুটি তথ্য আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের রণসংগীত হিসেবে নির্বাচিত চল চল চল কবিতাটির রচয়িতা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
- এই গানটি সশস্ত্র বাহিনীসহ বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠানে অত্যন্ত উদ্দীপনার সঙ্গে পরিবেশন করা হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে সমাদৃত।
- তাঁর রচিত সন্ধ্যা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত চল চল চল গানটি বাংলাদেশের রণসংগীত হিসেবে ১৯৭২ সালে সরকারিভাবে গৃহীত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি গান যার রচয়িতা আবদুল গাফফার চৌধুরী এবং সুরকার আলতাফ মাহমুদ।
উদাহরণ ২: আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত যা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত এবং শৌখের গান হিসেবে পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা হলেও রণসংগীতের রচয়িতা নন।
C) শামসুর রহমান — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও রণসংগীত রচনা করেননি।
D) আল মাহমুদ — তিনি বিশ শতকের অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি হলেও এই গানের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিদ্রোহ ও উদ্দীপনার প্রতীক হিসেবে রণসংগীতের কথা মনে আসলে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাম স্মরণ করতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত এবং রণসংগীতের রচয়িতা ও গ্রহীতা সম্পর্কিত তথ্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) বড়দিদি
১. কেন সঠিক:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস হলো বড়দিদি। ১৯০৭ সালে 'ভারতী' পত্রিকায় এটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হওয়ার পর ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং তাকে ঔপন্যাসিক হিসেবে খ্যাতি এনে দেয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত কথাশিল্পী। তার লেখায় সাধারণ মানুষের জীবন, প্রেম এবং সমাজের নানা অসঙ্গতি খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেবদাস
ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ট্র্যাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: শ্রীকান্ত
ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্রের একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস চার খণ্ডে সমাপ্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বড়দিদি — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস বিধায় সঠিক উত্তর।
B) বিন্দুর ছেলে — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প বা উপন্যাসিকা, তবে তার প্রথম উপন্যাস নয়।
C) রামের সুমতি — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প, যা তার প্রথম প্রকাশিত গল্প হিসেবে পরিচিত।
D) বৈকুণ্ঠের উইল — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, তবে এটি তার প্রথম উপন্যাস নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস মনে রাখার জন্য 'ব' দিয়ে শুরু প্রথম অক্ষরটি মনে রাখতে পারো, যেমন বড়দিদি 'ব' দিয়ে শুরু এবং এটিই তার প্রথম উপন্যাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই লেখকদের প্রথম রচনা বা প্রথম উপন্যাস সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। তাই শরৎচন্দ্রের 'বড়দিদি' এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'বৌঠাকুরাণীর হাট' উপন্যাস দুটি ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) প্রবন্ধ
১. কেন সঠিক:
- 'বীরবলের হালখাতা' প্রমথ চৌধুরী রচিত একটি বিখ্যাত প্রাবন্ধিক গ্রন্থ।
- 'বীরবল' ছদ্মনামে তিনি বাংলা সাহিত্যে মূলত প্রবন্ধ ও রম্যরচনা লিখে পরিচিতি লাভ করেছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির প্রবর্তক ও মননশীল প্রবন্ধের জনক হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থগুলোর মধ্যে বীরবলের হালখাতা, রায়তের কথা ও দশনামী সম্প্রদায়ের ইতিহাস অন্যতম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চটিকা
ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর আরও একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: বীরের পূজা
ব্যাখ্যা: এটিও প্রমথ চৌধুরীর রচিত একটি মননশীল প্রবন্ধ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাব্য — এই গ্রন্থটি কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি গদ্যে রচিত প্রবন্ধ সংকলন।
B) নাটক — এটি কোনো নাটক বা রূপক নাট্য নয়, এটি চিন্তামূলক প্রবন্ধের সংকলন।
C) উপন্যাস — এটি কোনো কাল্পনিক কাহিনীর উপন্যাস বা গল্পগ্রন্থ নয়, প্রবন্ধমূলক রচনা।
D) প্রবন্ধ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি প্রমথ চৌধুরীর প্রাবন্ধিক রচনা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল, তাই বীরবল নামযুক্ত গ্রন্থ যেমন বীরবলের হালখাতা অবশ্যই প্রবন্ধ হবে।
- ছদ্মনামের সাথে প্রবন্ধ লেখার এই মিল মনে রাখলে উত্তর দেওয়া সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রমথ চৌধুরীর পৈত্রিক নিবাস ছিল নদীয়া জেলায় এবং তাঁর সম্পাদিত পত্রিকার নাম সবুজপত্র।
- এই ধরনের লেখকভিত্তিক সাহিত্যকর্মের ক্ষেত্রে ছদ্মনাম ও রচনার ধরন ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) শিলাইদহ
১. কেন সঠিক:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'সোনার তরী' কবিতাটি কুষ্টিয়ার শিলাইদহে বসে রচিত হয়েছিল। শিলাইদহের গ্রামীণ প্রকৃতি ওপদ্মার রূপ রবীন্দ্রনাথের মনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে শিলাইদহে জমিদারী দেখাশোনার দায়িত্বে ছিলেন। এই সময়ে পদ্মার বুকে বসে তিনি বহুপ্রখ্যাত কবিতা ও ছোটগল্প রচনা করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'দুঃসময়' কবিতা
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই কবিতাও শিলাইদহ পর্যায়ভুক্ত এবং এর পটভূমিতেও প্রকৃতি ও মানবজীবনের দর্শন রয়েছে।
উদাহরণ ২: 'চিত্রা' কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা: 'সোনার তরী' কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চিত্রা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত একটি বিখ্যাত কবিতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শাহজাদপুর — শাহজাদপুরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বেশ কিছু রচনা সৃষ্টি হলেও 'সোনার তরী' কবিতাটি এখানে রচিত হয়নি।
B) শিলাইদহ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) পতিসর — পতিসরে রবীন্দ্রনাথ প্রধানত কৃষি উন্নয়ন ও প্রজাসাধারণের কল্যাণে কাজ করেছিলেন, তবে এই কবিতাটি এখানে লেখা হয়নি।
D) জোড়াসাঁকো — জোড়াসাঁকো রবীন্দ্রনাথের জন্মস্থান ও পৈতৃক নিবাস হলেও এই নির্দিষ্ট কবিতাটি এখানে রচিত হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
পদ্মা নদীর তীরে শিলাইদহে বসে রবীন্দ্রনাথ সোনার তরী কবিতাটি লিখেছেন। নদী এবং তরী শব্দ দুটি মনে রাখলেই শিলাইদহের কথা মনে আসবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের শিলাইদহ ও পতিসর পর্যায় নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোন গ্রন্থ কোন স্থানে রচিত, তা মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) মাত্রাবৃত্ত
১. কেন সঠিক:
- চর্যাপদের ছন্দ প্রধানত মাত্রাবৃত্ত ছন্দ বা দলবৃত্ত ছন্দ হিসেবে পরিচিত।
- ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ এবং আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় চর্যাপদের ছন্দকে মাত্রাবৃত্ত বলে চিহ্নিত করেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন ও সাহিত্য নিদর্শন।
- এটি মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধন সংগীত যা হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে আবিষ্কার করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদের ভাষা ও ছন্দ
ব্যাখ্যা: চর্যাপদের পদগুলো গীত বা গান হিসেবে রচিত হওয়ায় এর ছন্দ মাত্রাবৃত্ত বা দলবৃত্ত প্রকৃতির।
উদাহরণ ২: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন
ব্যাখ্যা: প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক সাহিত্যিক নিদর্শন হলো চর্যাপদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্ষরবৃত্ত — অক্ষরবৃত্ত ছন্দ হলো মূলত মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য বা আধুনিক বাংলা কবিতার প্রধান ছন্দ।
B) মাত্রাবৃত্ত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য।
C) স্বরবৃত্ত — স্বরবৃত্ত ছন্দ মূলত ছড়া বা লোকসাহিত্যের ছন্দ, যা চর্যাপদে প্রধান নয়।
D) অমিত্রাক্ষর ছন্দ — মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক, যা প্রাচীন যুগে ছিল না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- চর্যাপদ গান আকারে গাওয়া হতো, তাই এর ছন্দকে মাত্রাবৃত্ত বা দলবৃত্ত ছন্দ হিসেবে মনে রাখবে।
- প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ এবং এর ছন্দ মাত্রাবৃত্ত পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- চর্যাপদ আবিষ্কার করেন মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার থেকে।
- চর্যাপদের পদকর্তা সর্বমোট ২৪ জন বা কারও মতে ২৩ জন।
সঠিক উত্তর: C) কাব্য
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্য দীর্ঘ পরিক্রমা পেরিয়ে আজকের রূপ ধারণ করেছে এবং এর সূচনার মাধ্যম ছিল কবিতা বা কাব্য। চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন, যা মূলত পদ্য বা কাব্য আকারে রচিত প্রাচীন বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের গান।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে প্রধানত তিনটি যুগে ভাগ করা হয় যথা প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ এবং আধুনিক যুগ। এর মধ্যে প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক নিদর্শন হলো চর্যাপদ, যা ছান্দসিক পদ্য বা কাব্য সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদ
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম কাব্যিক নিদর্শন যা চর্যাগীতি নামেও পরিচিত।
উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন কাব্য যা বড়ু চণ্ডীদাস কর্তৃক রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ছোটগল্প — এটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একটি নবীন শাখা যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাত ধরে পূর্ণতা লাভ করেছে।
B) নাটক — বাংলা নাটকের সূত্রপাত আধুনিক যুগে হলেও প্রাচীনকালে এর কোনো অস্তিত্ব ছিল না।
D) উপন্যাস — এটিও আধুনিক যুগের সৃষ্টি এবং ইউরোপীয় প্রভাবে বাংলা সাহিত্যে এর বিকাশ ঘটেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ একটি পদ্য বা কাব্য সংকলন। প্রাচীন মানেই কবিতা বা কাব্য দিয়ে শুরু।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্দেশনার নাম চর্যাপদ এবং এর ভাষা বাংলা ভাষার আদি রূপ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) সাধু
১. কেন সঠিক:
সাধু ভাষারীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি থাকে এবং ক্রিয়া ও সর্বনাম পদ পূর্ণরূপ বা দীর্ঘ রূপ ধারণ করে। 'অদ্য' একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ আজ, তাই এটি সাধু ভাষারীতির উদাহরণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষার যে রূপটি তৎসম শব্দবহুল, দীর্ঘ সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ ব্যবহার করে এবং অপরিবর্তনীয় ও গাম্ভীর্যপূর্ণ, তাকে সাধু রীতি বলে। সাধু রীতিতে ক্রিয়ার রূপ যেমন করিয়াছি, খাইয়াছি এবং তৎসম শব্দ যেমন অদ্য, চন্দ্র, সূর্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দ্র
ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ এবং সাধু ভাষার লেখায় চাঁদের পরিবর্তে চন্দ্র ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: অদ্যই তোমার পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হইবে।
ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে অদ্য এবং হইবে শব্দ দুটি সাধু রীতির ব্যবহার নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চলিত — চলিত রীতিতে তদ্ভব ও দেশি শব্দ বেশি থাকে এবং সংক্ষিপ্ত রূপ যেমন আজ ব্যবহৃত হয়, অদ্য নয়।
C) প্রাকৃত — প্রাকৃত ভাষা প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার মধ্যবর্তী স্তর, যা সরাসরি আধুনিক সাধু বাংলার রূপ নয়।
D) কোল — কোল একটি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ভাষা বা ভাষা পরিবার, যার সঙ্গে বাংলা সাধু রীতির কোনো সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
সাধু রীতির শব্দ চেনার সহজ উপায় হলো যে শব্দগুলো সরাসরি সংস্কৃত বা তৎসম থেকে এসেছে এবং শুনতে একটু কঠিন লাগে, সেগুলো সাধু রীতি নির্দেশ করে। আজ হলো চলিত রূপ আর অদ্য হলো এর সাধু রূপ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের ব্যবহার থেকে সাধু ও চলিত রীতির প্রশ্ন আসে। শব্দের উৎস এবং ক্রিয়ার রূপ দেখে ভাষারীতি সহজে নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) যৌগিক
১. কেন সঠিক:
যে বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বা প্রধান খণ্ডবাক্য একে অপরের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে 'এবং', 'ও', 'কিংবা', 'অথচ', 'কিন্তু' ইত্যাদি সংযোজক বা বিয়োজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
এখানে 'বিপদ আসে' এবং 'দুঃখ আসে' এই দুটি স্বাধীন বাক্য 'এবং' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি যৌগিক বাক্য গঠন করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
গঠন অনুসারে বাংলা বাক্য প্রধানত তিন প্রকার যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য এবং যৌগিক বাক্য।
সরল বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, যেখানে খণ্ডবাক্যের কোনো অবকাশ থাকে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে ধনী কিন্তু সে খুব কৃপণ।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য 'সে ধনী' এবং 'সে খুব কৃপণ' পরস্পর 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: বৃষ্টি থামল এবং আমরা রওনা হলাম।
ব্যাখ্যা: এখানে 'বৃষ্টি থামল' এবং 'আমরা রওনা হলাম' দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য 'এবং' অব্যয় দিয়ে যুক্ত হওয়ায় এটি যৌগিক বাক্য হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরল — সরল বাক্যে একটি মাত্র কর্তা ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, যা এই বাক্যের গঠনরীতি নয়।
B) জটিল — জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে, কিন্তু এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য রয়েছে।
C) যৌগিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য 'এবং' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
D) মিশ্র — মিশ্র বাক্য হলো জটিল বাক্যের অপর নাম, যা এই বাক্যের গঠনের সাথে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যের মধ্যে যদি এবং, ও, কিন্তু, অথচ, কিংবা, নয়তো ইত্যাদি অব্যয় থাকে এবং প্রতিটি অংশ স্বাধীন অর্থ প্রকাশ করে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে যৌগিক বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের সময় সংযোজক অব্যয় দেখলে প্রথমে যৌগিক বাক্য হিসেবে বিবেচনা করা নিরাপদ।
খণ্ডিত অংশগুলো একা একা পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারলে সেটি কখনোই সরল বা জটিল বাক্য হতে পারে না।
সঠিক উত্তর: B) বাহুল্য দোষে
১. কেন সঠিক:
বাহুল্য দোষ বলতে বোঝায় বাক্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত শব্দের ব্যবহার, যার ফলে অর্থের কোনো নতুন মাত্রা যোগ হয় না বরং অপ্রয়োজনীয় শব্দের ভিড়ে বাক্যটি ত্রুটিপূর্ণ হয়ে পড়ে।
প্রদত্ত বাক্যে 'সকল' শব্দটি বহুবচন নির্দেশ করে, আবার 'শিক্ষকগণ' শব্দের সাথে যুক্ত '-গণ' প্রত্যয়টিও বহুবচন বোঝায়, ফলে একই অর্থে দুটি বহুবচক শব্দ ব্যবহার করার কারণে বাক্যটি বাহুল্য দোষে দুষ্ট হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী একটি বাক্যে একই অর্থে দুটি বহুবচক বা সমার্থক শব্দ একসাথে ব্যবহার করা যায় না।
বাক্য শুদ্ধ করার ক্ষেত্রে যেকোনো একটি বহুবচন পদ রাখতে হয়, যেমন হয় 'সকল শিক্ষক' বলতে হবে অথবা 'শিক্ষকগণ' বলতে হবে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সব পাখিরা আকাশে উড়ছে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'সব' এবং '-রা' দুটি বহুবচক চিহ্ন একসাথে ব্যবহার করায় বাহুল্য দোষ ঘটেছে, শুদ্ধ রূপ হবে সব পাখি আকাশে উড়ছে।
উদাহরণ ২: সব ছাত্রদল মাঠে খেলছে।
ব্যাখ্যা: 'দল' শব্দটি নিজেই সমষ্টিবাচক, তাই এর সাথে 'সব' ব্যবহার করা বাহুল্য দোষের শামিল, শুদ্ধ রূপ হবে ছাত্রদল মাঠে খেলছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদেশি শব্দ দোষে — এই বাক্যে ব্যবহৃত শব্দগুলোর মধ্যে কোনো অপ্রাসঙ্গিক বা অপাঙ্ক্তেয় বিদেশি শব্দ নেই যা বাক্যকে দূষিত করেছে।
B) বাহুল্য দোষে — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যে অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত বহুবচন পদের ব্যবহার ঘটেছে।
C) দুর্বোধ্যতা দোষে — এই বাক্যের অর্থ বুঝতে কোনো জটিলতা বা অস্পষ্টতা নেই, তাই এটি দুর্বোধ্য নয়।
D) গুরুচণ্ডালী — তৎসম ও তদ্ভব শব্দের অবিন্যস্ত মিশ্রণে গুরুচণ্ডালী দোষ ঘটে, এই বাক্যে সেরকম কোনো মিশ্রণ নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যে একই সাথে সব, সকল, সমূহের সাথে পক্ষান্তরে গণ, বৃন্দ, কুল ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
এক বাক্যে দুইবার বহুবচন ব্যবহার করলে সব সময় বাহুল্য দোষ ঘটে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুবচনের বাহুল্য সংক্রান্ত বাক্যশুদ্ধি অত্যন্ত কমন একটি টপিক।
বাক্যে সমষ্টিবাচক শব্দ বা বহুবচন সূচক প্রত্যয় থাকলে অতিরিক্ত কোনো বহুবচন পদ ব্যবহার করা যাবে না।
সঠিক উত্তর: D) শব্দ
১. কেন সঠিক:
বাক্যের মৌলিক উপাদান হলো শব্দ কারণ একাধিক অর্থবোধক ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যখন পাশাপাশি বসে মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করে তখন তাকে শব্দ বলে। শব্দগুলোর সুবিন্যস্ত রূপই বাক্য গঠন করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্য ব্যাকরণের এমন একটি অংশ যা পদের মিলন বা শব্দের সুবিন্যস্ত রূপের ওপর প্রতিষ্ঠিত। অর্থপূর্ণ শব্দ বা পদ ছাড়া কোনো সার্থক বাক্য গঠিত হতে পারে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ আমাদের মাতৃভূমি।
ব্যাখ্যা: এখানে বাংলাদেশ, আমাদের, মাতৃভূমি প্রতিটি এক একটি শব্দ যা মিলে একটি বাক্য তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: আকাশ নীল।
ব্যাখ্যা: আকাশ এবং নীল দুটি শব্দ মিলে একটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করেছে যা বাক্যের মূল উপাদান নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, যা বাক্যের সরাসরি মৌলিক উপাদান নয়।
B) ভাব — ভাব বক্তার মনের প্রকাশ, কিন্তু এটি বাক্যের কাঠামোগত উপাদান নয়।
C) ধ্বনি — ধ্বনি হলো উচ্চারণের একক এবং শব্দের উপাদান, কিন্তু বাক্যের সরাসরি মৌলিক উপাদান শব্দ।
D) শব্দ — এটি সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্য তৈরি হয় শব্দ দিয়ে, তাই বাক্যের মূল উপাদান হলো শব্দ। ধ্বনি হলো শব্দের মূল উপাদান, কিন্তু বাক্য গঠনের মূল উপাদান শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক কী, যার উত্তর হবে ধ্বনি। আর বাক্যের মৌলিক উপাদান বা গঠনের একক হলো শব্দ।
সঠিক উত্তর: B) বাক্যের অর্থ স্পষ্টকরণের জন্য
১. কেন সঠিক:
বিরামচিহ্ন বা ছেদচিহ্ন হলো লেখার মাধ্যমে বক্তার মনোভাব, আবেগ, ভাব ও বক্তব্য স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলার নির্দেশক।
বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে একটি বাক্যের মূল অর্থ পাল্টে যেতে পারে, তাই এর প্রধান কাজ অর্থ স্পষ্ট করা।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্যে ভাব বা অর্থের স্পষ্টতা বজায় রাখার জন্য এবং বক্তার থামার স্থান নির্দেশ করার জন্য যে চিহ্নগুলো ব্যবহার করা হয় সেগুলোকে বিরামচিহ্ন বলে।
বাংলা ভাষায় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বিরামচিহ্নের প্রবর্তন ও প্রচলন করেন, যা বাক্যের গঠন ও অর্থ অনুধাবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তুমি যাবে না, সে যাবে।
ব্যাখ্যা: এখানে কমা ব্যবহারের ফলে বোঝা যাচ্ছে যে প্রথম ব্যক্তি যাবে না, বরং দ্বিতীয় ব্যক্তি যাবে।
উদাহরণ ২: তুমি যাবে, না সে যাবে?
ব্যাখ্যা: এখানে একই শব্দে কমা ও প্রশ্নবোধক চিহ্ন ব্যবহারের ফলে অর্থ সম্পূর্ণ বদলে গিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাক্য সংকোচনের জন্য — বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ ব্যাকরণের ভিন্ন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে বড় বাক্যকে ছোট করা হয়।
C) বাক্যের সৌন্দর্যের জন্য — বিরামচিহ্ন মূলত অর্থ স্পষ্ট করার জন্য বসে, সৌন্দর্যবর্ধন এর মূল উদ্দেশ্য বা কাজ নয়।
D) বাক্যকে অলঙ্কৃত করার জন্য — অলংকার হলো কাব্যের শোভা বর্ধনের উপাদান, আর বিরামচিহ্ন হলো ভাব ও অর্থের স্পষ্টতা রক্ষাকারী প্রতীক।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিরামচিহ্নের মূল কাজ হলো থামার নির্দেশ দেওয়া এবং বাক্যের প্রকৃত অর্থকে পাঠকের কাছে পরিষ্কার করা।
বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করতে না পারলে বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার সার্থক হয় না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ভাষায় প্রথম বিরামচিহ্ন ব্যবহার করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর বেতাল পঞ্চবিংশতিগ্রন্থে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিরামচিহ্নের নাম, এর থামার সময়কাল এবং ব্যবহারের নিয়ম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
সঠিক উত্তর: C) অধিকরণে ষষ্ঠী
১. কেন সঠিক:
- বাক্যের 'আমরা স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক' অংশে 'বাংলাদেশে' পদটি স্থান বা ক্ষেত্র নির্দেশ করছে।
- স্থান বা ক্ষেত্র বোঝালে অধিকরণ কারক হয় এবং শব্দের শেষে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকলে তা সপ্তমীর নিয়ম হলেও এখানে 'এর' বিভক্তি থাকায় এটি ষষ্ঠী বিভক্তি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা বিষয়কে অধিকরণ কারক বলে।
- শব্দের শেষে র বা এর যুক্ত হলে তা ষষ্ঠী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকাশে চাঁদ উঠেছে।
ব্যাখ্যা: আকাশে পদটি স্থান বোঝানোয় অধিকরণে সপ্তমী কারকের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: প্রভাতে সূর্য ওঠে।
ব্যাখ্যা: প্রভাতে পদটি সময় বা কাল বোঝানোয় অধিকরণে সপ্তমী কারকের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মে ষষ্ঠী — কর্ম কারকে কখনো ষষ্ঠী বিভক্তি হয় না, তাই এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
B) করণে শূন্য — করণের ক্ষেত্রে যন্ত্র বা মাধ্যম বোঝায়, কিন্তু এখানে স্থান বোঝানো হয়েছে।
D) কর্তায় শূন্য — কর্তা হলো ক্রিয়া সম্পাদনকারী, কিন্তু এখানে কোনো কাজ করার মূল উৎস বা কর্তা বোঝানো হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোথায় বা কোন ক্ষেত্রে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা স্থানবাচক অধিকরণ কারক।
- বিভক্তির ক্ষেত্রে র বা এর থাকলে চোখ বন্ধ করে ষষ্ঠী বিভক্তি নির্ধারণ করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক বের করতে হবে এবং পরে শব্দের শেষে যুক্ত চিহ্ন দেখে বিভক্তি নির্ণয় করতে হবে।
- স্থান বোঝালেই তা অধিকরণ কারক হবে তা নিশ্চিত করে তারপর বিভক্তি দেখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) পর্যন্ত
১. কেন সঠিক:
- বিভক্তি হলো সেই বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কারক বা সম্পর্ক বোঝায় এবং বাক্যে পদের পারস্পরিক সম্বন্ধ স্থাপন করে।
- পর্যন্ত শব্দটি বাক্যে অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা বিশেষ বা সর্বনাম পদের পরে বসে নির্দিষ্ট সীমা নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিভক্তি মূলত সাত প্রকার যথা প্রথমা থেকে সপ্তমী বিভক্তি।
- অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয়গুলো স্বাধীন পদ হিসেবে শব্দের পরে বসে কিন্তু সরাসরি বিভক্তির কাজ করলেও এরা মৌলিক বিভক্তি নয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সকাল থেকে বৃষ্টি পড়ছে।
ব্যাখ্যা: এখানে থেকে শব্দটি অপাদান কারকে অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: নদী পর্যন্ত পথ হেঁটে যেতে হবে।
ব্যাখ্যা: এখানে পর্যন্ত শব্দটি নির্দিষ্ট সীমা বা ব্যাপ্তি বোঝাতে অনুসর্গ হিসেবে কাজ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বারা — এটি একটি তৃতীয় বা করণ কারকের বিভক্তি বা অনুসর্গ হিসেবে ব্যাকরণে বিভক্তির স্থানীয় রূপ হিসেবে গণ্য হয়।
B) থেকে — এটি অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তির স্থানীয় বা অনুসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) চেয়ে — এটি অধিকরণ বা অপাদান কারকে তুলনা বোঝাতে অনুসর্গ বা বিভক্তির কাজ করে।
D) পর্যন্ত — এটি কোনো মৌলিক বিভক্তি নয়, এটি একটি অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় যা নির্দিষ্ট সীমা প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মৌলিক বিভক্তিগুলো শব্দের সঙ্গে সরাসরি মিশে থাকে কিন্তু অনুসর্গগুলো শব্দের পরে আলাদাভাবে বসে।
- কে, রে, এ, তে, য়ের মতো বর্ণগুলো হলো খাঁটি বিভক্তি আর দ্বারা, দিয়া, হইতে, থেকে, চেয়ে, পর্যন্ত হলো অনুসর্গ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভক্তি ও অনুসর্গের পার্থক্য নির্ধারণ করতে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে।
- বাক্যে শব্দের সঙ্গে কোনটি মিশে আছে এবং কোনটি আলাদা বসেছে তা খেয়াল করলে খুব সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) ছয় প্রকার
১. কেন সঠিক:
বাক্যের অন্তর্গত ক্রিয়াপদের সঙ্গে নামপদের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে। বাংলা ব্যাকরণে এই সম্পর্ক বা কারক মূলত ছয় ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্যে ক্রিয়ার সঙ্গে অন্যান্য পদের সম্পর্ক বোঝাতে কারক ব্যবহৃত হয়। কারক প্রধানত ছয় প্রকার যথা কর্তাকারক, কর্মকারক, করণকারক, সম্প্রদানকারক, অপাদানকারক এবং অধিকরণকারক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছে ফল ধরেছে।
ব্যাখ্যা: বাক্যে ধরেছে ক্রিয়ার আধার বোঝাচ্ছে অধিকরণ কারক।
উদাহরণ ২: বাবাকে ভয় পাও।
ব্যাখ্যা: বাক্যে ভয় পাওয়ার উৎস বোঝাচ্ছে অপাদান কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চার প্রকার — বাংলা ব্যাকরণে কারক চার প্রকার নয় বরং সংখ্যাটি ছয়।
B) পাঁচ প্রকার — কারকের সংখ্যা পাঁচ হলে তা ব্যাকরণসম্মত বা প্রমিত হিসাবের সঙ্গে মেলে না।
C) ছয় প্রকার — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাংলা ব্যাকরণের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত।
D) সাত প্রকার — বিভক্তি সাত প্রকার হলেও কারক সাত প্রকার নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
কারক কয় প্রকার তা মনে রাখার জন্য কর্ম-কর্তা-করণ, সম্প্রদান-অপাদান-অধিকরণ এই ছয়টি নাম ক্রমানুসারে মনে রাখতে পারো। বিভক্তি সাত প্রকার হলেও কারক সর্বদা ছয় প্রকার হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কারক কয় প্রকার তা জানতে চাওয়া হয়। বিভক্তির সংখ্যা সাত এবং কারকের সংখ্যা ছয়, এই দুটি বিষয় গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: B) ভাই-বোন
১. কেন সঠিক:
- যে সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ের পদেরই অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে এবং ব্যাসবাক্যে মাঝখানে সংযোজক অব্যয় ও, এবং, কিংবা ব্যবহৃত হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
- ভাই-বোন শব্দটিতে ভাই এবং বোন উভয় পদের অর্থই সমানভাবে প্রধান এবং এদের ব্যাসবাক্য করলে হয় ভাই ও বোন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দ্বন্দ্ব সমাসের ক্ষেত্রে সমাসবদ্ধ পদের উভয় পদই বিশেষ্য বা উভয় পদই বিশেষণ হয়ে থাকে এবং এদের মাঝখান থেকে সংযোজক অব্যয় লুপ্ত হয়।
- মিলনর্থক, বিপরীতার্থক, সমার্থক বা সমার্থক জোড় শব্দ মিলে সাধারণত দ্বন্দ্ব সমাস গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মা-বাবা
ব্যাখ্যা: মা ও বাবা, এটি একটি মিলনর্থক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ যেখানে দুটি পদই প্রধান।
উদাহরণ ২: জমা-খরচ
ব্যাখ্যা: জমা ও খরচ, এটি একটি বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ যেখানে দুটি পদের অর্থ পরস্পর বিপরীত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিংহাসন — এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস, যার ব্যাসবাক্য সিংহাসনযুক্ত আসন এবং এতে দ্বন্দ্ব সমাসের নিয়ম প্রযোজ্য নয়।
B) ভাই-বোন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি দ্বন্দ্ব সমাসের নিয়ম মেনে চলে।
C) কালাকানি — এটি সাধারণ কোনো দ্বন্দ্ব সমাস নয়, বরং এটি একটি বিশেষ শব্দ বা অন্য সমাসের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
D) গাছপালা — গাছ ও পালা বা গাছগাছালি অর্থে এটি সমার্থক বা অলুক দ্বন্দ্ব সমাসের কাছাকাছি মনে হলেও প্রমিত ব্যাকরণে গাছপালা শব্দটি একশেষ দ্বন্দ্ব বা অন্য পদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, তবে ভাই-বোন সরাসরি ও অব্যয়যুক্ত আদর্শ দ্বন্দ্ব সমাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- দ্বন্দ্ব সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে এবং, ও, কিংবা থাকবে এবং উভয় পদের মাঝখানে একটি হাইফেন বা যোজক চিহ্ন থাকে।
- মনে রাখবে ভাই-বোন, পতি-পত্নী বা হাত-পা হলো নিখাদ দ্বন্দ্ব সমাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পরীক্ষায় প্রায়ই দ্বন্দ্ব সমাসের প্রকারভেদ থেকে প্রশ্ন আসে, যেমন অলুক দ্বন্দ্ব বা একশেষ দ্বন্দ্ব।
- উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে কেবল দ্বন্দ্ব সমাসে, তাই সমাসের নাম নির্ণয়ের সময় পদের অর্থ প্রধান্য খেয়াল রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) সংক্ষেপণ
১. কেন সঠিক:
- সমাস শব্দের সাধারণ ও আক্ষরিক অর্থ হলো সংক্ষেপণ বা মিলন। একাধিক পদকে এক পদে পরিণত করাকে সমাস বলা হয়।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বড় বাক্য বা বাক্যাংশকে ছোট করে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াই হলো সমাস।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পরস্পর অর্থসংগতিযুক্ত একাধিক পদের একপদীকরণকে সমাস বলে। এটি ব্যাকরণের পদগঠন প্রকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- সমাসের মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য ও সংক্ষিণতা বৃদ্ধি পায়, যা বাক্যকে আরও গতিশীল ও বোধগম্য করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন
ব্যাখ্যা: এখানে তিনটি পদ মিলে একটি সংক্ষিপ্ত ও নতুন পদ তৈরি হয়েছে।
উদাহরণ ২: দেশের সেবা = দেশসেবা
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি পদ মিলে সংক্ষেপিত রূপ ধারণ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংশ্লেষণ — এই শব্দের অর্থ কোনো কিছু একত্রে গাঁথা বা মেলবন্ধন করা, যা সমাসের ব্যাকরণগত সংজ্ঞা নির্দেশ করে না।
B) বিশ্লেষণ — এই শব্দটির অর্থ কোনো কিছু বিশদভাবে ব্যাখ্যা করা বা ভেঙে দেখানো, যা সমাসের বিপরীত প্রক্রিয়া।
ডি) সংযোজন — এই শব্দের অর্থ যোগ করা বা একত্র করা, তবে এটি ব্যাকরণে সমাসের নির্দিষ্ট আক্ষরিক অর্থ হিসেবে স্বীকৃত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সমাস মানেই ছোট করা বা সংক্ষেপ করা। এভাবে মনে রাখতে পারো যে সমাস সমান সংক্ষেপণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমাসের আক্ষরিক অর্থ জানতে চাওয়া হয়। সমাস পদের সংখ্যা কমায় আর সন্ধি ধ্বনির মিলন ঘটায়।
সঠিক উত্তর: A) শারীরিক
১. কেন সঠিক:
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী 'শরীর' শব্দের সঙ্গে ইনিক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'শারীরিক' শব্দটি গঠিত হয়।
- প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় শব্দের প্রথম স্বরে পরিবর্তন ঘটে, যাকে ব্যাকরণের ভাষায় গুণ বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শব্দে বা প্রত্যয়ে ই-কার বা ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে এবং শরীর শব্দের বানানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়।
- তবে এর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হলে নিয়ম অনুযায়ী দীর্ঘ ঈ-কার হ্রস্ব ই-কার হয়ে যায় এবং শেষের দিকেও হ্রস্ব ই-কার বসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নীতি থেকে নৈতিক
ব্যাখ্যা: মূল শব্দের স্বর পরিবর্তনের কারণে বানানে হ্রস্ব ই-কার যুক্ত হয়।
উদাহরণ ২: নদী থেকে নদীমাতৃক
ব্যাখ্যা: প্রত্যয় যোগের ফলে শব্দের বানান প্রমিত রীতিতে পরিবর্তিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শারীরিক — এই অপশনটি প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুসারে সম্পূর্ণ সঠিক।
B) শারীরীক — এই অপশনে শেষের বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) শারিরিক — এই অপশনে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার না করে হ্রস্ব ই-কার দেওয়া হয়েছে যা ভুল।
D) শারীরীক — এই অপশনটি প্রশ্নপত্রে সঠিক হিসেবে উল্লেখ থাকলেও এটি মূলত একটি ভুল বানান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শরীর বানানে দীর্ঘ ঈ-কার থাকলেও যখনই শারীরিক লিখবে তখন দুই জায়গাতেই হ্রস্ব ই-কার হবে।
- প্রত্যয়যুক্ত শব্দ লেখার সময় এই ছোট নিয়মটি মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়ঘটিত বানান প্রায়ই আসে।
- এই ধরনের শব্দ অনুশীলনের সময় মূল শব্দ ও প্রত্যয়যুক্ত রূপের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ধাতু
১. কেন সঠিক:
- ক্রিয়াপদের মূল অংশকে ধাতু বলা হয়, যা থেকে কাল ও পুরুষভেদে বিভিন্ন ক্রিয়াপদ গঠিত হয়।
- ব্যাকরণগতভাবে ধাতু হলো শব্দমূল বা ক্রিয়ার মূল রূপ, যার সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে পূর্ণাঙ্গ ক্রিয়াপদ তৈরি করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়ার মূলকে ধাতু বলা হয়। যেমন পর + অ = পড়।
- ধাতু প্রধানত তিন প্রকার: মৌলিক ধাতু, সাধিত ধাতু এবং সংযোগমূলক ধাতু।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কর ধাতু থেকে করি, করো, করলেন ক্রিয়াপদ গঠিত হয়।
ব্যাখ্যা: এখানে কর হলো ক্রিয়াপদের মূল বা ধাতু।
উদাহরণ ২: দেখ ধাতু থেকে দেখি, দেখো, দেখলেন ক্রিয়াপদ গঠিত হয়।
ব্যাখ্যা: এখানে দেখ হলো ক্রিয়ার মূল অংশ বা ধাতু।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিভক্তি — পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে শব্দকে পদে পরিণত করে এবং কারক বোঝাতে সাহায্য করে, যা ক্রিয়ার মূল নয়।
B) কারক — বাক্যের সঙ্গে ক্রিয়াপদের সম্পর্ককে কারক বলে, এটি ক্রিয়ার মূল অংশ নয়।
C) ধাতু — এটি সঠিক উত্তর।
D) প্রত্যয় — শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, যা নিজে ক্রিয়ার মূল অংশ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্রিয়াপদের মূল মানেই ধাতু, এটি মনে রাখতে ক্রিয়ার মূল ও ধাতুর প্রথম অক্ষর মিলিয়ে দেখতে পারো।
- ধাতু হলো গাছের শিকড়ের মতো, যার ওপর ভিত্তি করে ক্রিয়াপদ জন্ম নেয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক ধাতু কয়টি (২০টি) এবং সাধিত ধাতু কী, তা প্রায়ই আসে।
- ক্রিয়ার মূল নির্ণয় করার সময় ধাতুর পরে সাধারণত হসন্ত চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) নতুন শব্দ গঠন
১. কেন সঠিক:
উপসর্গ নিজেই কোনো স্বাধীন পদ নয়, বরং এটি শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে।
বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ শব্দের অর্থ পরিবর্তন, সম্প্রসারণ বা সংকোচন করতে পারে, তবে এর মূল ও প্রধান কাজ নতুন শব্দ তৈরি করা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যেসব অব্যয় শব্দ ধাতু বা শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন, সম্প্রসারণ বা সংকোচন ঘটায়, সেগুলোকে উপসর্গ বলে।
বাংলা ভাষায় উপসর্গ প্রধানত তিন প্রকার, যেমন খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হার শব্দের পূর্বে প্র উপসর্গ যুক্ত হয়ে প্রহার শব্দ গঠিত হয়েছে।
ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ হার এর সঙ্গে প্র উপসর্গ যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন অর্থের একটি শব্দ তৈরি হয়েছে।
উদাহরণ ২: মান শব্দের পূর্বে অপমান শব্দের অপ উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে।
ব্যাখ্যা: মান শব্দের আগে উপসর্গ যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ বিপরীত বা নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্থ সংকোচন — উপসর্গ নতুন শব্দ গঠনের পাশাপাশি অর্থ সংকোচন করতে পারে, তবে এটি উপসর্গের একমাত্র বা প্রধান কাজ নয়।
B) ভাবের পার্থক্য নিরূপণ — ভাবের পার্থক্য নিরূপণ করা উপসর্গের কাজ নয়, এটি মূলত বাক্য বা প্রসঙ্গের ওপর নির্ভর করে।
C) যতি সংস্থাপন — যতি সংস্থাপন বা বিরামচিহ্নের ব্যবহার বাক্য গঠনেpunctuation-এর কাজ, উপসর্গের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
D) নতুন শব্দ গঠন — এটি সঠিক কারণ উপসর্গের মূল কাজই হলো নতুন শব্দ তৈরি করা।
৫. মনে রাখার টিপস:
উপসর্গ মানেই সামনে বসা এবং নতুন শব্দ তৈরি করা।
উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ সৃষ্টি করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে উপসর্গের কাজ কী, যার উত্তর সবসময় নতুন শব্দ তৈরি করা হবে।
উপসর্গ শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে, কখনো পরে বসে না।
সঠিক উত্তর: A) তৎসম
১. কেন সঠিক:
- 'হংস' একটি সংস্কৃত শব্দ যা অপরিবর্তিত রূপে সরাসরি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে, তাই এটি তৎসম শব্দ।
- তৎসম শব্দের অর্থ হলো তাহার সমান, অর্থাৎ সংস্কৃতির সমান বা সংস্কৃত ভাষার শব্দ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, তদ্ভব, অর্ধতৎসম, দেশি ও বিদেশি শব্দ।
- যে শব্দগুলো সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন বা রূপান্তর ছাড়াই সরাসরি বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দ্র
ব্যাখ্যা: চন্দ্র শব্দটি সরাসরি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে এবং এর কোনো পরিবর্তন হয়নি, তাই এটি তৎসম শব্দ।
উদাহরণ ২: সূর্য
ব্যাখ্যা: সূর্য একটি সংস্কৃত শব্দ যা বাংলা ভাষায় অপরিবর্তিতভাবে ব্যবহৃত হয়, ফলে এটিও তৎসম শব্দের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎসম — এটি সঠিক কারণ হংস শব্দটি সংস্কৃত থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।
B) তদ্ভব — তদ্ভব শব্দগুলো প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে, কিন্তু হংস অপরিবর্তিত থাকে।
C) দেশি — দেশি শব্দ হলো আদি অস্ট্রিক বা দ্রাবিড় ভাষার শব্দ, যা হংস নয়।
D) বিদেশি — বিদেশি শব্দ হলো অন্য ভাষা যেমন আরবি, ফার্সি বা ইংরেজি থেকে আগত শব্দ, যা হংসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে সংস্কৃত শ্লোকে বা পূজার মন্ত্রে যেসব শব্দ সরাসরি ব্যবহার করা হয়, সেগুলোই তৎসম শব্দ।
- চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, হংস ইত্যাদি প্রকৃতির সঙ্গে জড়িত অনেক নামই তৎসম শব্দ হয়ে থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস বা শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই শব্দের রূপ দেখে উৎস চেনার অভ্যাস করতে হবে।
- সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী যেসব শব্দের বানান বা রূপ অবিকৃত থাকে, সেগুলো তৎসম হিসেবে চিহ্নিত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) a
কেন সঠিক:
- ইউরোপিয়ান শব্দের শুরুতে স্বরবর্ণ ই থাকলেও এর উচ্চারণ ইউ এর মতো অর্থাৎ ব্যঞ্জনবর্ণ ওয়াই এবং উ এর উচ্চারণের মতো হয়।
- উচ্চারণের শুরুতে ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনি আসার কারণে নিয়ম অনুযায়ী এর পূর্বে অ্যান এর পরিবর্তে এ আর্টিকেল ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the — নির্দিষ্ট করে বোঝাতে দি বসে, কিন্তু এখানে ইউরোপিয়ান শব্দটি অনির্দিষ্ট একক ব্যক্তি বোঝাচ্ছে।
B) a — সঠিক উত্তর কারণ এটি ব্যঞ্জনবর্ণের মতো উচ্চারিত শব্দের পূর্বে বসে।
C) an — এটি সাধারণত স্বরবর্ণের উচ্চারণের পূর্বে বসে, কিন্তু এখানে ইউ উচ্চারণের কারণে অ্যান বসবে না।
D) none — এটি ভুল কারণ সঠিক উত্তর হিসেবে বি অপশনটি ইতিমধ্যে নির্ধারিত আছে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শুরুতে ইউ বা ওয়া উচ্চারণ থাকলে তার আগে এ বসে, যেমন এ ইউরোপিয়ান বা এ ইউনিভার্সিটি।
সঠিক উত্তর: B) Sell
কেন সঠিক:
- Sell শব্দটির অর্থ বিক্রি করা, যা একটি বৈধ এবং আইনসম্মত অর্থনৈতিক লেনদেন।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে এটি একমাত্র শব্দ যা অপরাধমূলক বা অসদুপায় নির্দেশ করে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Smuggle — এর অর্থ চোরাচালান করা, যা একটি বেআইনি কাজ এবং প্রশ্নটির অন্য শব্দগুলোর মতো অপরাধের সাথে যুক্ত।
B) Sell — এটি একটি বৈধ বাণিজ্যিক কার্যক্রম এবং এটি কোনো অসদুপায় বা অপরাধমূলক কাজের আওতাভুক্ত নয়।
C) Bribe — এর অর্থ ঘুষ দেওয়া, যা একটি অবৈধ এবং দুর্নীতিমূলক অপরাধ।
D) Cheat — এর অর্থ প্রতারণা করা, যা একটি অনৈতিক এবং অপরাধমূলক কাজ।
মনে রাখার টিপস:
বাকি তিনটি শব্দ (Smuggle, Bribe, Cheat) অবৈধ বা অসদুপায় বোঝায়, আর Sell হলো একমাত্র বৈধ কাজ।
সঠিক উত্তর: A) Pond
কেন সঠিক:
- 'Giant' (দানবাকার) এবং 'dwarf' (বামন) শব্দ দুটি পরস্পরের বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম।
- একইভাবে 'Ocean' (মহাসাগর) শব্দের সঙ্গে বিপরীত বা ক্ষুদ্রতম আয়তনের জলাশয় হিসেবে 'Pond' (পুকুর) সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Pond — সঠিক উত্তর কারণ এটি মহাসাগরের বিপরীত হিসেবে সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম প্রাকৃতিক জলাশয়।
B) Lake — হ্রদ একটি বড় জলাশয়, যা মহাসাগরের বিপরীত বা ক্ষুদ্রতম রূপ হিসেবে পুকুরের মতো সঠিক নয়।
C) Sea — সাগর মহাসাগরের চেয়ে ছোট হলেও এটি বিশাল জলাশয়, তাই এটি বিপরীতার্থক হিসেবে মানানসই নয়।
D) River — নদী হলো প্রবহমান স্রোতধারা, যা স্থির বিশাল জলাশয় মহাসাগরের সরাসরি বিপরীতার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিপরীতার্থক শব্দ মনে রাখার সময় আকার বা আয়তনের দিক থেকে সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে ছোট বিষয়ের তুলনা মনে রাখবে।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: C) The road had broken
কেন সঠিক:
- এটি থার্ড কন্ডিশনাল বা অতীতকালের অবাস্তব শর্তের একটি বাক্য, যার গঠন হলো ইফ যুক্ত অংশ পাস্ট পারফেক্ট টেন্স এবং অপর অংশ সাবজেক্টের পর উড হ্যাভ বা কুড হ্যাভ এবং ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল।
- প্রদত্ত বাক্যের প্রথম অংশে হোয়াট উড হ্যাভ হ্যাপেন্ড থাকলে পরের অংশে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স অর্থাৎ সাবজেক্টের পর হ্যাভ ভার্বের পাস্ট ফর্ম এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The road is broken — এটি প্রেজেন্ট টেন্সে রয়েছে, যা থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম এবং বাক্যের অন্য অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) The road would break — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের গঠন নির্দেশ করে, কিন্তু এখানে প্রথম অংশে উড হ্যাভ রয়েছে যা থার্ড কন্ডিশনালের ইঙ্গিত দেয়।
C) The road had broken — এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্সে রয়েছে যা থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম পুরোপুরি পূরণ করে।
D) The road had been broken — এটি প্যাসিভ ফর্মে রয়েছে, কিন্তু রাস্তা নিজেই ভেঙে যাওয়ার ক্ষেত্রে অ্যাক্টিভ ফর্ম অর্থাৎ হ্যাড ব্রোকেন ব্যবহার করা সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
থার্ড কন্ডিশনালে উড হ্যাভ থাকলে ইফ যুক্ত অংশে সবসময় পাস্ট পারফেক্ট টেন্স অর্থাৎ হ্যাড এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল হবে।
সঠিক উত্তর: A) The girl entered the room laughing.
কেন সঠিক:
- বাক্যে দুটি কাজ একই সঙ্গে সম্পন্ন হওয়া বোঝালে দ্বিতীয় কাজটি Present Participle (laughing) দ্বারা প্রকাশ করতে হয়।
- Enter একটি Transitive Verb হওয়ায় এর পরে room-এর পূর্বে কোনো Preposition বসে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The girl entered the room laughing. — এটি সঠিক কারণ এতে সঠিক নিয়ম ও প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়েছে।
B) The girl laughed and entered the room. — এটি ভুল কারণ এতে দুটি মূল ভার্ব ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল বাংলা বাক্যের অর্থ ও গঠনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) The girl laughing entered into the room — এটি ভুল কারণ Enter verb-এর পর into বসে না এবং এখানে দুটি finite verb এর মতো সমস্যা তৈরি হয়েছে।
D) The girl laughing entered the room — এটি ভুল কারণ এর গঠনগত বিন্যাস সঠিক হলেও A অপশনের চেয়ে কম প্রমিত এবং entering এর পূর্বের অংশ অপ্রাসঙ্গিক।
মনে রাখার টিপস:
একসাথে দুটি কাজ বুঝাতে মূল কাজের পরে verb-এর সাথে ing যুক্ত করে এবং enter-এর পর সরাসরি স্থান বসে, কোনো into বসে না।
সঠিক উত্তর: C) Is English spoken well by him?
কেন সঠিক:
- Present Indefinite Tense-যুক্ত Interrogative Sentence-কে Active থেকে Passive করার সময় Subject-এর পূর্বে Is, Am বা Are বসে এবং মূল Verb-এর Past Participle রূপ হয়।
- Subject (He) এর Objective form (him)-এর পূর্বে by বসে এবং প্রদত্ত Adverb (well) সাধারণত Past Participle-এর পরে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Is English spoke well — এখানে Verb-এর Past Participle (spoke) ভুল ব্যবহার করা হয়েছে এবং বাক্যের শেষে Agent (by him) অনুপস্থিত।
B) Is English spoken well to him? — এখানে preposition হিসেবে 'to' ব্যবহার করা হয়েছে, যা সঠিক Passive নিয়ম অনুযায়ী 'by' হওয়ার কথা ছিল।
C) Is English spoken well by him? — এটি সঠিক উত্তর।
D) Was English spoken well by him? — এটি Past Tense-এর Passive রূপ, কিন্তু প্রশ্নটি Present Indefinite Tense-এ আছে।
মনে রাখার টিপস:
Present Indefinite Tense-এর Interrogative বাক্যকে Passive করার সময় Do বা Does-এর পরিবর্তে Is, Am বা Are বসিয়ে বাক্য শুরু করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Rebuke
কেন সঠিক:
- 'Bring to the book' একটি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ কাউকে কোনো ভুলের জন্য তিরস্কার করা বা জবাবদিহিতার আওতায় আনা।
- এই ইডিয়মের 'Book' শব্দটি দিয়ে মূলত কাউকে নিয়ম বা শাস্তির আওতায় আনার দলিল বা খাতা বোঝানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Book written by famous writer — এটি ইডিয়মের আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইডিয়মের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ গ্রহণযোগ্য নয়।
B) Rebuke — এটি প্রদত্ত ইডিয়মের সঠিক ভাবার্থ বা সমার্থক অর্থ নির্দেশ করে।
C) Value less person — এই ইডিয়মের সঙ্গে মূল্যহীন ব্যক্তির কোনো সম্পর্ক নেই।
D) None of the above — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বইয়ের পাতা খুলে বা খাতা ঘেঁটে কারো ভুল ধরে তিরস্কার করা হয়, এভাবে 'Bring to the book' মানে তিরস্কার করা বা জবাবদিহি করানো মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) Gerund
কেন সঠিক:
- 'Swimming' শব্দটি বাক্যে সাবজেক্ট বা উদ্দেশ্য হিসেবে বসেছে এবং এটি একই সাথে ভার্ব ও নাউনের কাজ করছে।
- ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হয়ে যখন তা নাউনের কাজ করে, তখন তাকে জেরান্ড বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Participle — এটি ভার্ব ও এডজেক্টিভের কাজ করে, কিন্তু এখানে 'swimming' নাউনের কাজ করেছে।
B) Adjective — এটি কোনো নাউনকে মডিফাই করে না, বরং নিজেই বাক্যের প্রধান নাউনের কাজ করছে।
C) Gerund — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি ভার্ব থেকে উৎপন্ন হয়ে নাউনের কাজ সম্পন্ন করেছে।
D) Verbal noun — এটি ভার্ব থেকে তৈরি হলেও এর আগে আর্টিকেল এবং পরে অবজেক্টের পূর্বে অফ বসে, যা এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হয়ে যদি বাক্যে নাউনের কাজ করে এবং বাংলায় অনুবাদের শেষে আ বা ম যুক্ত হয়, তবে তা জেরান্ড।
সঠিক উত্তর: B) Sovereignty
কেন সঠিক:
- বানানটিতে Sov-ereign-ty এই মূল অংশগুলো সঠিকভাবে বিন্যস্ত রয়েছে।
- ইংরেজি বানানের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উচ্চারণ ও প্রত্যয়ের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Soverignty — বানানে ereign অংশের e বর্ণটি অনুপস্থিত থাকায় এটি ভুল।
B) Sovereignty — এটি সম্পূর্ণ নির্ভুল বানান এবং প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
C) Sovereigninty — অতিরিক্ত n বর্ণ যুক্ত থাকায় এই বানানটি ভুল।
D) Soverianty — ereign অংশের পরিবর্তে i ব্যবহার করায় এই বানানটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে Sovereign (সার্বভৌম) শব্দটির সাথে ty প্রত্যয় যুক্ত করার বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ভিক্ষার চাল কাঁড়া আর আকাঁড়া
কেন সঠিক:
- ইংরেজি প্রবচন Beggars can't be choosers এর ভাবার্থ হলো অভাবগ্রস্ত মানুষের পছন্দ করার কোনো সুযোগ থাকে না।
- বাংলা প্রবাদ ভিক্ষার চাল কাঁড়া আর আকাঁড়া ঠিক একই অর্থ প্রকাশ করে, অর্থাৎ বিনামূল্যে যা পাওয়া যায় তা বাছাবাছি করা চলে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিক্ষার চাল মোটা — এটি আক্ষরিক অর্থের কাছাকাছি হলেও প্রবচনের সার্বিক ভাবার্থ বা বাছাবাছি না করার বিষয়টি সম্পূর্ণ প্রকাশ করে না।
B) ভিক্ষার চাল কাঁড়া আর আকাঁড়া — এটি সঠিক ভাবানুবাদ, যা অপছন্দ করার অক্ষমতা বোঝায়।
C) ভিক্ষার চাল সরু — এটি ভুল কারণ বিনামূল্যে প্রাপ্ত জিনিসের মান ভালো হতে পারে এমন গ্যারান্টি প্রবচনটি দেয় না।
D) ভিক্ষাবৃত্তি ভালো নয় — এটি একটি সাধারণ নৈতিক ধারণা, যা নির্দিষ্ট এই প্রবচনের রূপক অর্থের সঙ্গে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
যিনি ভিক্ষা নেন বা সাহায্যপ্রার্থী, তিনি নিজের পছন্দমতো জিনিস বেছে নেওয়ার অধিকার রাখেন না, তাই চাল ভালো-মন্দ বাছা যায় না।
সঠিক উত্তর: B) would rather
কেন সঠিক:
- বাক্যে দুটি পছন্দের মধ্যে তুলনা বা প্রাধান্য বোঝাতে would rather ব্যবহৃত হয়।
- would rather এর পরে সাধারণ verb এর present form বসে এবং এর সাথে সাধারণত than যুক্ত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) rather — একা বসলে তা সাধারণত adverb হিসেবে কাজ করে, এখানে গঠনগতভাবে সম্পূর্ণ verb phrase প্রয়োজন।
B) would rather — প্রদত্ত উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এটি তুলনার ক্ষেত্রে সঠিক কাঠামো গঠন করে।
C) better — এটি good এর comparative রূপ, যা এখানে অর্থ ও ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয়।
D) would better — ইংরেজিতে would better বলে কোনো সঠিক গ্রামাটিকাল ফ্রেজ নেই, সঠিক রূপটি হলো had better।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে than থাকলে এবং পছন্দ বোঝাতে চাইলে শূন্যস্থানের আগে সাধারণত would rather বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) The Padma is the longest Bridge in Bangladesh
কেন সঠিক:
- নির্দিষ্ট নদীর নামের পূর্বে definite article হিসেবে 'The' বসে এবং অতিবৃহৎ সেতু বোঝাতে superlative degree-র পূর্বে 'the' এবং নদী হিসেবে 'longest' ব্যবহৃত হয়েছে।
- সেতুটি দেশের দীর্ঘতম হওয়ায় বিশেষণ হিসেবে 'longest' সঠিক এবং ব্যাকরণগতভাবে বাক্যটি নির্ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Padma is longest Bridge in Bangladesh — নদীর নামের পূর্বে 'The' এবং superlative degree-র পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল না থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) The Padma is the longest Bridge in Bangladesh — এটি সঠিক অপশন এবং এতে সমস্ত ব্যাকরণগত নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে।
C) The Padma longer Bridge in Bangladesh — তুলনামূলক বা comparative degree ব্যবহৃত হওয়ায় এবং সঠিক verb না থাকায় এটি অসম্পূর্ণ ও ভুল।
D) The Padma is larger Bridge in Bangladesh — সেতুটির ক্ষেত্রে আয়তনগত তুলনা বোঝাতে 'larger' এর পরিবর্তে দৈর্ঘ্য বোঝাতে 'longest' ব্যবহার করতে হয়।
মনে রাখার টিপস:
নদীর নামের আগে সবসময় 'The' বসে এবং দীর্ঘতম বোঝাতে superlative degree এর আগে 'the longest' ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) One's
কেন সঠিক:
- বাক্যের শুরুতে subject হিসেবে 'One' থাকলে তার possessive form হিসেবে সব সময় 'one's' ব্যবহৃত হয়।
- এটি ইংরেজি ব্যাকরণের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম, যা pronoun-এর соглаson বা মিল রাখার জন্য প্রযোজ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) One's — এটি সঠিক উত্তর কারণ subject 'One' এর possessive রূপ হিসেবে এটি ব্যবহার করা হয়।
B) The — এটি একটি definite article, যা possessive pronoun এর কাজ করতে পারে না এবং শূন্যস্থানে বসে না।
C) his — এটি third person singular pronoun 'He' এর possessive রূপ, তাই 'One' এর জন্য এটি বসে না।
D) Their — এটি plural pronoun 'They' এর possessive রূপ, যা singular 'One' এর সাথে ব্যাকরণগতভাবে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে One থাকলে তার possessive রূপে সবসময় One's বসবে।
সঠিক উত্তর: C) By whom was this done?
কেন সঠিক:
- Active বাক্যে Who থাকলে Passive করার সময় তা পরিবর্তিত হয়ে By whom হয়।
- বাক্যের Tense অনুযায়ী Past Indefinite Tense-এর জন্য was এবং মূল Verb এর Past Participle রূপ বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) By whom this has been done? — বাক্যটি Present Perfect Tense-এ গঠন করা হয়েছে, যা মূল Past Indefinite Tense-এর সঠিক Passive রূপ নয়।
B) Whom did this? — এটি কোনো নিয়ম অনুযায়ী Passive voice নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ।
C) By whom was this done? — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এতে Tense এবং Voice পরিবর্তনের সকল নিয়ম সঠিকভাবে মানা হয়েছে।
D) Who has done this? — এটি একটি Active voice, যা মূলত Present Perfect Tense-এর বাক্য এবং এর Passive রূপ এটি হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
Active বাক্যে Who থাকলে Passive করার সময় শুরুতে By whom বসবে এবং Tense অনুযায়ী সাহায্যকারী Verb আনতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Teacher
কেন সঠিক:
- Teacher শব্দটি পুরুষ বা নারী উভয় শিক্ষককেই বোঝায়, যা কমন জেন্ডারের সংজ্ঞা পূরণ করে।
- কমন জেন্ডার বলতে এমন বিশেষ্যকে বোঝায় যা স্ত্রী বা পুরুষ উভয়কেই নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Teacher - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পুরুষ বা নারী উভয় শিক্ষককেই বোঝায়।
B) Book - এটি নিউটার জেন্ডার বা ক্লীবলিঙ্গ, কারণ এটি জড়বস্তু।
C) Boy - এটি ম্যাসকুলিন জেন্ডার বা পুংলিঙ্গ, কারণ এটি শুধু বালককে বোঝায়।
D) Madam - এটি ফেমিনিন জেন্ডার বা স্ত্রীলিঙ্গ, কারণ এটি শুধু নারীকে বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
যসব শব্দ দিয়ে পুরুষ ও নারী উভয়কে বোঝায় যেমন Student, Teacher, Doctor, Child, সেগুলোকে কমন জেন্ডার বলে।
সঠিক উত্তর: C) than those of Jamalpur
কেন সঠিক:
- তুলনার ক্ষেত্রে একই জাতীয় পদের তুলনা করতে হয়, তাই ঢাকার রাস্তার সাথে জামালপুরের রাস্তার তুলনা করতে বহুবচন noun এর পরিবর্তে those of ব্যবহার করা হয়েছে।
- এখানে roads বহুবচন হওয়ায় Jamalpur এর পরিবর্তে those of Jamalpur লেখা বাধ্যতামূলক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) then Jamalpur — then অর্থ তখন বা অতপর, যা তুলনার জন্য ভুল এবং সরাসরি জামালপুরের সাথে ঢাকার রাস্তার তুলনা করা হয়েছে যা অর্থহীন।
B) than Jamalpur — সরাসরি ঢাকার রাস্তার সাথে জামালপুরের তুলনা করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল তুলনা বা illogical comparison।
C) than those of Jamalpur — এটি সঠিক অপশন এবং আগের নিয়মে এটি নির্ভুল।
D) than those at Jamalpur — at preposition ব্যবহারের কারণে অর্থ পরিবর্তিত হয়ে জামালপুরে অবস্থিত বস্তুকে বোঝায়, যা এখানে তুলনার সঠিক প্রেক্ষাপট নয়।
মনে রাখার টিপস:
তুলনার সময় আগের noun বহুবচন হলে than এর পরে that এর পরিবর্তে those of বসে।
সঠিক উত্তর: B) Rahim asked me what my name was
কেন সঠিক:
- রিপোর্টিং ভার্ব 'said to' পরিবর্তিত হয়ে 'asked' হবে কারণ এটি একটি প্রশ্নবোধক বাক্য এবং অবজেক্ট 'me' অপরিবর্তিত থাকবে।
- ডব্লিউএইচ ওয়ার্ড 'what' অপরিবর্তিত থাকবে এবং ইনডাইরেক্ট ন্যারেশনের নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটি অ্যাসারটিভ হয়ে সাবজেক্টের পর ভার্ব বসবে ও টেন্স পরিবর্তিত হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Rahim asked what was my name — রিপোর্টিং ভার্বের পর সঠিক অবজেক্ট 'me' এবং সাবজেক্টের পর ভার্ব না বসে ভুলভাবে ভার্ব আগে বসেছে।
B) Rahim asked me what my name was — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) What my name is, Rahim asked — বাক্যের স্ট্রাকচার এবং ন্যারেশনের নিয়ম অনুযায়ী এটি ভুলভাবে গঠিত হয়েছে।
D) Rahim asked you your name — এটি সরাসরি ডাইরেক্ট ন্যারেশনের অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
ডব্লিউএইচ প্রশ্নবোধক বাক্যকে ন্যারেশন পরিবর্তনের সময় 'asked' বসে, कंजंक्शन হিসেবে ডব্লিউএইচ ওয়ার্ডটিই থাকে এবং শেষের অংশটি সাবজেক্ট + ভার্ব আকারে বসে।
সঠিক উত্তর: D) Consultation
কেন সঠিক:
- প্রবাদটির আক্ষরিক অর্থ একা কাজ করার চেয়ে দুজন মিলে কাজ করা ভালো।
- সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে অন্যের পরামর্শ বা আলোচনা করা বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Comprehension — এর অর্থ বোধগম্যতা বা অনুধাবন, যা প্রবাদটির ভাবার্থের সঙ্গে মিলে না।
B) Correction — এর অর্থ সংশোধন, যা যৌথ আলোচনার ধারণাকে নির্দেশ করে না।
C) Compromise — এর অর্থ আপস করা, যা সরাসরি পরামর্শ বা আলোচনার সমার্থক নয়।
D) Consultation — এর অর্থ পরামর্শ বা আলোচনা, যা প্রবাদের ভাবার্থকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Two Heads মানে দুজন মানুষের মাথা বা মগজ, তাই দুজনে মিলে আলোচনা বা Consultation করা বোঝায়।
সঠিক উত্তর: A) ২০°
প্রদত্ত তথ্য:
ট্যান ৩এ সমান বর্গমূল ৩
ধরি,
ট্যান কোণের মান জানা আছে
ট্যান ৬০ ডিগ্রি সমান বর্গমূল ৩
তাই ৩এ সমান ৬০ ডিগ্রি
অতএব,
এ সমান ৬০ ডিগ্রি ভাগ ৩
এ সমান কুড়ি ডিগ্রি
উত্তর: ২০°
সঠিক উত্তর: C) ০
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় রাশিটি হলো x কিউব + ২x স্কোয়ার − ১
চলক x এর মান হলো − ১
ধরি,
প্রদত্ত রাশিটি = x কিউব + ২x স্কোয়ার − ১
অতএব,
x এর জায়গায় মান বসিয়ে পাই,
(− ১) কিউব + ২(− ১) স্কোয়ার − ১
সুতরাং,
(− ১) + ২(১) − ১
= − ১ + ২ − ১
উত্তর: ০
সঠিক উত্তর: D) −২
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম রাশি হলো log৩ (১ ÷ ৯)
ধরি,
লগারিদমের মান = x
অতএব,
৩ এর পাওয়ার x সমান ১ ÷ ৯ লেখা যায়
সুতরাং,
৩ এর পাওয়ার x সমান ১ ÷ (৩ এর পাওয়ার ২) লেখা যায়
উত্তর: −২
সঠিক উত্তর: A) ৬ ঘণ্টায়
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম নল দ্বারা চৌবাচ্চা পূর্ণ হয় ১০ ঘণ্টায়
দ্বিতীয় নল দ্বারা চৌবাচ্চা পূর্ণ হয় ১৫ ঘণ্টায়
ধরি,
সম্পূর্ণ চৌবাচ্চাটি হলো ১ অংশ
অতএব,
প্রথম নল ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে ১ ÷ ১০ অংশ
দ্বিতীয় নল ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে ১ ÷ ১৫ অংশ
সুতরাং,
নল দুটি একত্রে ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে (১ ÷ ১০) + (১ ÷ ১৫) অংশ = ৫ ÷ ৩০ অংশ = ১ ÷ ৬ অংশ
উত্তর: ৬ ঘণ্টায়
সঠিক উত্তর: B) ২, ৯
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি একটি সমান্তর অনুক্রম
ধারার প্রথম পদ = − ৫ এবং চতুর্থ পদ = ১৬
ধরি,
ধারার সাধারণ অন্তর = d
দ্বিতীয় পদ p = প্রথম পদ + d
অতএব,
চতুর্থ পদ = প্রথম পদ + ৩d
১৬ = − ৫ + ৩d
সুতরাং,
৩d = ১৬ + ৫ = ২১
d = ৭
উত্তর:
p = − ৫ + ৭ = ২
q = ২ + ৭ = ৯
সঠিক উত্তর: A) ১৩ সে.মি
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের জ্যা এর দৈর্ঘ্য = ১০ সে.মি
কেন্দ্র হতে জ্যা এর দূরত্ব = ১২ সে.মি
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা এর উপর অঙ্কিত লম্ব জ্যা কে সমদ্বিখণ্ডিত করে
লম্ব দূরত্ব জ্যা কে দুই ভাগে ভাগ করে
তাই জ্যা এর অর্ধেক অংশ = ১০ ÷ ২ = ৫ সে.মি
অতএব,
ব্যাসার্ধ, লম্ব দূরত্ব এবং জ্যা এর অর্ধেক অংশ মিলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ গঠন করে
এখানে সমকোণী ত্রিভুজের লম্ব = ১২ সে.মি
এবং ভূমি = ৫ সে.মি
সুতরাং,
অতিভুজ বা ব্যাসার্ধ = √(১২ এর বর্গ + ৫ এর বর্গ)
ব্যাসার্ধ = √(১৪৪ + ২৫) = √১৬৯ = ১৩ সে.মি
উত্তর: ১৩ সে.মি
সঠিক উত্তর: B) V = πr²h
প্রদত্ত তথ্য:
নলাকার বস্তুর ভূমির ব্যাসার্ধ = r
নলাকার বস্তুর উচ্চতা বা দৈর্ঘ্য = h
ধরি,
নলাকার বস্তুর ভূমি একটি বৃত্তাকার ক্ষেত্র
এই বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × r²
অতএব,
নলাকার বস্তুর আয়তন হলো ভূমির ক্ষেত্রফল এবং উচ্চতার গুণফল
আয়তন V = ভূমির ক্ষেত্রফল × h
সুতরাং,
V = (π × r²) × h
উত্তর: V = πr²h
সঠিক উত্তর: D) তিনটি কোণ
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজ সর্বসমতার সাধারণ নিয়মসমূহ
কোণগুলোর পরিমাপ সমান হওয়া
ধরি,
প্রথম ত্রিভুজের তিনটি কোণ = ষাট ডিগ্রি, ষাট ডিগ্রি, ষাট ডিগ্রি
দ্বিতীয় ত্রিভুজের তিনটি কোণ = ষাট ডিগ্রি, ষাট ডিগ্রি, ষাট ডিগ্রি
অতএব,
প্রথম ত্রিভুজটি একটি ছোট বাহুবিশিষ্ট সমবাহু ত্রিভুজ হতে পারে
দ্বিতীয় ত্রিভুজটি একটি বড় বাহুবিশিষ্ট সমবাহু ত্রিভুজ হতে পারে
সুতরাং,
তাদের আকৃতি একই হলেও আকার ভিন্ন হতে পারে
উত্তর: ত্রিভুজ দুটি সদৃশ হতে পারে কিন্তু সর্বসম নাও হতে পারে
সঠিক উত্তর: C) ৩,৭০০ বর্গমিটার
প্রদত্ত তথ্য:
সড়কের প্রস্থ = ৩.৭ মিটার
সড়কের দৈর্ঘ্য = ১ কিলোমিটার
ধরি,
১ কিলোমিটার = ১,০০০ মিটার
অতএব,
সড়কের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ
সড়কের ক্ষেত্রফল = ১,০০০ মিটার × ৩.৭ মিটার
সুতরাং,
সড়কের ক্ষেত্রফল = ৩,৭০০ বর্গমিটার
উত্তর: ৩,৭০০ বর্গমিটার
সঠিক উত্তর: C) ৬/৭
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশগুলো হলো ২÷৩, ৪÷৫, ৬÷৭ এবং ৭÷৯
ধরি,
প্রতিটি ভগ্নাংশের লবকে হর দিয়ে ভাগ করে দশমিক মান বের করতে হবে
অতএব,
২÷৩ = ০.৬৬, ৪÷৫ = ০.৮০, ৬÷৭ = ০.৮৫ এবং ৭÷৯ = ০.৭৭
সুতরাং,
সবগুলো দশমিক মানের মধ্যে ০.৮৫ সবচেয়ে বড় সংখ্যা
উত্তর: C) ৬/৭
সঠিক উত্তর: B) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
a − b = ৪
ab = ৬০
ধরি,
আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী
অতএব,
মান বসিয়ে পাই, (a + b) বর্গ = (a − b) বর্গ + ৪ab
মানগুলো বসিয়ে পাই, (a + b) বর্গ = (৪) বর্গ + ৪ × ৬০
সুতরাং,
(a + b) বর্গ = ১৬ + ২৪০
(a + b) বর্গ = ২৫৬
উত্তর: a + b = √২৫৬ = ১৬
সঠিক উত্তর: B) ২
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশিটি হলো ২ক এবং দ্বিতীয় রাশিটি হলো ৬খ
আমাদের এই পদ দুটির সংখ্যা সহগগুলোর গসাগু নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
প্রথম পদের সংখ্যা সহগ = ২
দ্বিতীয় পদের সংখ্যা সহগ = ৬
অতএব,
২ এর উৎপাদকগুলো হলো ১ এবং ২
৬ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ২, ৩ এবং ৬
সুতরাং,
২ এবং ৬ এর সাধারণ উৎপাদকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় সংখ্যাটি হলো ২
উত্তর: ২
সঠিক উত্তর: C) fatima@yahoo.com
কেন সঠিক:
- একটি বৈধ ইমেইল ঠিকানায় অবশ্যই একটি '@' চিহ্ন থাকতে হবে যা ইউজারনেম ও ডোমেন নামকে আলাদা করে।
- ডোমেন নামের অংশে ডট চিহ্ন এবং সঠিক প্রোভাইডার নাম থাকতে হয়, যা এই অপশনে সঠিকভাবে আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Fatima yahoo.com — এখানে কোনো অ্যাট সাইন বা '@' চিহ্ন নেই, যা ইমেইল ঠিকানার অপরিহার্য অংশ।
B) Fatima.yahoo.com — এখানে '@' চিহ্নের বদলে ডট ব্যবহার করায় এটি সঠিক ইমেইল কাঠামোর নিয়ম মানে না।
C) fatima@yahoo.com — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) Fatima.@com — এখানে ডট চিহ্নের পর ডোমেন নেম অসম্পূর্ণ এবং '@' চিহ্নের ব্যবহার সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইমেইল ঠিকানায় অবশ্যই একটি মাত্র '@' চিহ্ন এবং একটি ডট থাকবে।
সঠিক উত্তর: D) Olympic games
কেন সঠিক:
- অলিম্পিক গেমস পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন, বড় ও মর্যাদাপূর্ণ বহু-ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, যাতে বিশ্বের প্রায় সব দেশ অংশগ্রহণ করে।
- এই মহাভোজের বিশ্বজনীন আবেদন ও আয়োজনের বিশালতার কারণে একে গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) FIFA world cup — এটি ফুটবলপ্রেমীদের কাছে সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্ট হলেও কেবল একটি খেলার বিশ্বকাপ হওয়ায় সামগ্রিক অলিম্পিকের সমতুল্য নয়।
B) T20 world cup — এটি ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণের একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট এবং এর পরিধি ও বিশ্বজনীনতা অলিম্পিকের চেয়ে অনেক সীমিত।
C) World cup cricket — এটি ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ একটি জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট, যার বৈশ্বিক বিস্তৃতি অলিম্পিকের মতো ব্যাপক নয়।
D) Olympic games — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি বিশ্বের সব দেশের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত সর্ববৃহৎ আন্তর্জাতিক ক্রীড়া উৎসব।
মনে রাখার টিপস:
সব খেলার মিলনমেলা অলিম্পিক মানেই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শো বা গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ।
সঠিক উত্তর: A) ২৫ জুন ২০২২
কেন সঠিক:
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৫ জুন ২০২২ তারিখে বহুল প্রত্যাশিত পদ্মা বহুমুখী সেতু আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।
- ২৬ জুন ২০২২ থেকে সর্বসাধারণের জন্য সেতুটি উন্মুক্ত করা হয়, যা বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক ঐতিহাসিক মাইলফলক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৫ জুন ২০২২ — এটি সঠিক কারণ এই দিনেই পদ্মা সেতু আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছিল।
B) ২৬ জুন ২০২২ — এই তারিখে পদ্মা সেতুতে সর্বসাধারণের যান চলাচল শুরু হয়, উদ্বোধনের দিন নয়।
C) ২৫ মে ২০২২ — এটি ভুল কারণ এই তারিখে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
D) ২৬ মে ২০২২ — এই তারিখটিও পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা সেতু উদ্বোধনের মাসটি ছিল জুন এবং তারিখটি ছিল মাসের ঠিক মাঝ বরাবর অর্থাৎ পঁচিশ তারিখ।
সঠিক উত্তর: A) বেনাপোল
কেন সঠিক:
- বেনাপোল বাংলাদেশের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর, যা ভারতের সাথে বাণিজ্যের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি যশোর জেলার শার্শা উপজেলায় অবস্থিত এবং এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পণ্য ও যাত্রী পারাপার হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেনাপোল — এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তর এবং দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর।
B) হিলি — এটি দেশের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর হলেও আয়তন ও বাণিজ্যের পরিধিতে বেনাপোলের চেয়ে ছোট।
C) বাংলাবান্ধা — এটি বাংলাদেশের সর্বউত্তরের স্থলবন্দর এবং দেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর, কিন্তু বৃহত্তম নয়।
D) আখাউড়া — এটি একটি স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট, তবে এটি বৃহত্তম স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বৃহত্তম স্থলবন্দর মনে রাখতে "বে" দিয়ে বেনাপোল এবং "ব" দিয়ে বৃহত্তম এই মিলটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২
কেন সঠিক:
- তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি দেশের প্রথম সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালটি উদ্বোধন করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন শাহবাগে এই বিশ্বমানের হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই হাসপাতালটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছিল।
B) ১৪ অক্টোবর ২০২২ — এটি সঠিক তারিখ নয় এবং এই দিনে অন্য কোনো বড় রাষ্ট্রীয় ইভেন্ট ছিল না।
C) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ — এটি ভুল তারিখ কারণ উদ্বোধন ঠিক একদিন আগে সম্পন্ন হয়েছিল।
D) ১৫ অক্টোবর ২০২২ — এটিও ভুল তারিখ এবং প্রদত্ত মাসের সঙ্গে এটি মিলছে না।
মনে রাখার টিপস:
সেপ্টেম্বর মাসের ঠিক মাঝ বরাবর অর্থাৎ ১৪ তারিখে দেশের প্রথম বিশেষায়িত হাসপাতালটি উদ্বোধন করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) পিরোজপুর
কেন সঠিক:
- বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব অষ্টম বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সেতুটি পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলায় কচাঁ নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে।
- এই সেতুটি উদ্বোধন করার মাধ্যমে পেপারওয়ার্ক থেকে শুরু করে যাতায়াত ব্যবস্থায় বরিশাল ও পিরোজপুর অঞ্চলের যোগাযোগ সহজতর করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বরিশাল — এটি বিভাগের নাম হলেও এই নির্দিষ্ট সেতুটি এখানে অবস্থিত নয়।
B) ঝালকাঠি — এটি পার্শ্ববর্তী জেলা হলেও সেতুটি এই জেলায় নির্মিত হয়নি।
C) পিরোজপুর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) বরগুনা — এটি উপকূলীয় জেলা হলেও এই সেতুর ভৌগোলিক অবস্থান এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গমাতা সেতুর প্রথম অক্ষর ব এবং পিরোজপুরের কচাঁ নদীর পাড়ে এর অবস্থান মনে রাখতে ব-ফলা দিয়ে মিলিয়ে পড়তে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) ৩য়
কেন সঠিক:
- যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে লিজ ট্রাস তৃতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রক্ষণশীল দলের নেতা হিসেবে এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ম — যুক্তরাজ্যের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন মার্গারেট থ্যাচার।
B) ২য় — যুক্তরাজ্যের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তেরেসা মে।
C) ৩য় — লিজ ট্রাস তৃতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বিধায় এটি সঠিক উত্তর।
D) ৪র্থ — যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে চতুর্থ কোনো নারী প্রধানমন্ত্রী এখনো দায়িত্ব পালন করেননি।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাজ্যের নারী প্রধানমন্ত্রীগণের ক্রমানুসারে নাম মনে রাখুন: মার্গারেট থ্যাচার, তেরেসা মে এবং লিজ ট্রাস।
সঠিক উত্তর: A) ভুটান
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভুটান বাংলাদেশকে প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ভারতের পাশাপাশি ভুটানও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে কূটনৈতিক ও নৈতিক সমর্থন জুগিয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভুটান — এটি সঠিক উত্তর কারণ দেশটি সবার আগে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
B) ভারত — ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলেও ভুটানের পরে, অর্থাৎ ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভুটানের স্বীকৃতির ঠিক পরেই ভারত স্বীকৃতি প্রদান করে।
C) নেপাল — নেপাল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ১৬ জানুয়ারি, যা প্রথম স্বীকৃতির পরে সংঘটিত হয়।
D) পোল্যান্ড — পোল্যান্ড ইউরোপের দেশ হিসেবে প্রথম দিকে স্বীকৃতি দিলেও তা বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুনির্দিষ্ট কিছু সময় পরে আসে।
মনে রাখার টিপস:
সবার আগে পাহাড় ঘেরা ছোট্ট দেশ ভুটান বাংলাদেশকে বন্ধু হিসেবে বুকে টেনে নিয়েছিল।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) ৮ জানুয়ারি ১৯৭২
কেন সঠিক:
- পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি লন্ডন ও নয়াদিল্লি হয়ে ১০ জানুয়ারি স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।
- দীর্ঘ প্রায় নয় মাস কারাবাসের পর পাকিস্তান সরকার তাঁকে মুক্তি দেয় এবং তিনি বিশেষ বিমানে লন্ডনের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ — এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পাকিস্তান থেকে মুক্তি পাওয়ার তারিখ নয়, বরং তাঁর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিন।
B) ৮ জানুয়ারি ১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই তাঁকে পাকিস্তানের মিয়াওয়ালী কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।
C) ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ — এটি ভুল কারণ এই তারিখের সঙ্গে তাঁর মুক্তির কোনো ঐতিহাসিক যোগসূত্র নেই।
D) ৯ জানুয়ারি ১৯৭২ — এটি ভুল কারণ ৮ জানুয়ারি মুক্তির পর তিনি ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশে আসেন, মাঝের এই দিনটি তাঁর যাতায়াতের সাথে সম্পর্কিত।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধু বন্দিদশা থেকে মুক্তি পান ৮ জানুয়ারি এবং বীরের বেশে দেশের মাটিতে পা রাখেন ১০ জানুয়ারি।
সঠিক উত্তর: A) ৬৭২ জন
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য মোট ৬৭২ জনকে রাষ্ট্রীয় খেতাব প্রদান করা হয়।
- এই খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, বীর উত্তম ৬৮ জন, বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং বীর প্রতীক ৪২২ জন রয়েছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬৭২ জন — এটি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত মোট সংখ্যার সঠিক হিসাব।
B) ৬৭৬ জন — এটি সঠিক সংখ্যা নয়, বিভিন্ন বই বা তথ্যে ভুলভাবে এই সংখ্যা উল্লেখ করা হয়।
C) ৬৭৮ জন — এটি সঠিক সংখ্যা নয়, খেতাবপ্রাপ্তদের মোট সংখ্যার সাথে এই সংখ্যার মিল নেই।
D) ৬৭৪ জন — এটি সঠিক পরিসংখ্যানের সঙ্গে মেলে না, তাই এটি ভুল অপশন।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব মনে রাখার সহজ ক্রম হলো ৭, ৬৮, ১৭৫, ৪২২ এবং মোট সংখ্যাটি হলো ৬৭২ জন।
সঠিক উত্তর: C) অন্তত: ৫ ঘণ্টা
কেন সঠিক:
- ইটের গাথুনির পূর্বে ইট ভালোভাবে পানি শোষণ করার জন্য অন্তত পাঁচ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখা বাধ্যতামূলক।
- শুকনো ইট মর্টারের পানি টেনে নিলে সিমেন্ট সঠিকভাবে জমাট বাঁধতে পারে না, তাই এই নিয়ম মানা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অন্তত: ৪ ঘণ্টা — এই সময়সীমা প্রয়োজনের তুলনায় কম হওয়ায় ইট পর্যাপ্ত পানি শোষণ করতে পারে না।
B) অন্তত: ৩ ঘণ্টা — তিন ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখলে ইটের ভেতরের শুকনো অংশ পুরোপুরি তৃপ্ত হয় না।
D) অন্তত: ১ ঘণ্টা — মাত্র এক ঘণ্টা ভেজালে তা শুধু ওপরের ধুলাবালি দূর করে, ভেতরে কোনো পানি প্রবেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
ইটকে পানি পান করাতে হবে অন্তত পাঁচ ঘণ্টা, যেন সিমেন্টের শক্তি না করে খর্ব।
সঠিক উত্তর: B) পেভমেন্টে পানি ঢোকা বন্ধ করা
কেন সঠিক:
- বিটুমিন টেক কোট হলো রাস্তা নির্মাণের সময় প্রয়োগ করা একটি পাতলা বিটুমিনাস লেয়ার।
- এটি পেভমেন্টের স্তরে বৃষ্টির পানি প্রবেশ রোধ করে এবং ভিত্তিকে সুরক্ষিত রাখে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদ্যমান সড়কের উপরিভাগ আঠালো করা — এটি টেক কোটের গৌণ কাজ হতে পারে, তবে প্রধান উদ্দেশ্য পানি প্রবেশ রোধ করা।
B) পেভমেন্টে পানি ঢোকা বন্ধ করা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং প্রধান প্রযুক্তিগত কাজ।
C) সড়কের ধূলাবালি নষ্ট করা — এটি টেক কোটের কোনো নির্দিষ্ট বা প্রধান প্রকৌশলগত কাজ নয়।
D) পেভমেন্টকে রোড থেকে রক্ষা করা — এই অপশনটির বাক্যগঠন প্রকৌশলগতভাবে সঠিক ও প্রাসঙ্গিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
টেক কোট মানে ঢাল, যা রাস্তার পেভমেন্টে পানি ঢোকা বন্ধ করে।
সঠিক উত্তর: B) ১২ ডিসেম্বর ১৯৯৬
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবে গৌড়ার মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ভারতের সঙ্গে ৩০ বছর মেয়াদী এই গঙ্গার পানি চুক্তি নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ ডিসেম্বর ১৯৯৬ — এই তারিখে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি ভুল তারিখ।
B) ১২ ডিসেম্বর ১৯৯৬ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
C) ১০ নভেম্বর ১৯৯৬ — এই তারিখটি গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ১২ নভেম্বর ১৯৯৬ — এই তারিখে ঐতিহাসিক এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর গঙ্গার পানি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা ১৯৯৬ সংখ্যাটি মনে রেখে মাসের শেষ ভাগে ১২ তারিখ মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) মিথেন
কেন সঠিক:
- প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল উপাদান হলো মিথেন, যার রাসায়নিক সংকেত সিএইচ ফোর।
- প্রাকৃতিক গ্যাসে সাধারণত শতকরা আশি থেকে নব্বই ভাগ মিথেন গ্যাস থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইথেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি গৌণ উপাদান, প্রধান উপাদান নয়।
B) মিথেন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান।
সি) প্রোপেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি উপাদান হলেও সিলিন্ডার গ্যাসের প্রধান অংশ।
ডি) নাইট্রোজেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসে সামান্য পরিমাণে মিশ্রিত থাকে, প্রধান উপাদান নয়।
মনে রাখার টিপস:
গ্যাসের রাজা মিথেন ভাই, প্রাকৃতিক গ্যাসে যার বিকল্প নাই।
সঠিক উত্তর: B) ১২১৫ খ্রিঃ
কেন সঠিক:
- ব্রিটিশ রাজা জন ১২১৫ সালের ১৫ জুন রানিমিডে নামক স্থানে প্রজাদের চাপে এই ঐতিহাসিক সনদে স্বাক্ষর করেন।
- এটি মানব অধিকারের ইতিহাসের প্রথম লিখিত দলিল এবং আধুনিক সংবিধানবাদের ভিত্তি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২১০ খ্রিঃ — এটি ম্যাগনা কার্টা প্রণয়নের কোনো ঐতিহাসিক বছর নয়।
B) ১২১৫ খ্রিঃ — এটি সঠিক বছর যখন রাজা জন এই সনদে স্বাক্ষর করেছিলেন।
C) ১২২৫ খ্রিঃ — এটি ম্যাগনা কার্টার পরবর্তী সংশোধিত সংস্করণ প্রকাশের বছর, মূল প্রবর্তনের নয়।
D) ১২১২ খ্রিঃ — এই সালে ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রে ম্যাগনা কার্টার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটেনি।
মনে রাখার টিপস:
ম্যাগনা কার্টা ও রাজা জনের নাম মনে রাখতে ১২১৫ সালকে মাথায় রাখুন, যেখানে জন প্রজাদের অধিকার রক্ষায় বাধ্য হয়েছিলেন।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)