বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সহকারী প্রোগ্রামার পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২।

পদের নাম: সহকারী প্রোগ্রামার (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (68)

a বিধু
b আদিত্য
c অর্ণব
d অলক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আদিত্য ১. কেন সঠিক: - 'আদিত্য' শব্দের অর্থ সূর্য, যা দেবমাতা দিতির পুত্র বা সূর্য দেবতার একটি অন্যতম বৈদিক নাম। - সূর্য প্রকৃতির এমন একটি অবজেক্ট যা আলো ও উত্তাপ প্রদান করে এবং এর বহু পৌরাণিক ও কাব্যিক নাম রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যেগুলোর অর্থ মূলত একই বা কাছাকাছি কিন্তু রূপ ভিন্ন। - বাংলা ভাষায় শব্দের প্রাচুর্য বোঝাতে তৎসম, তদ্ভব ও দেশি শব্দের পাশাপাশি বহু পৌরাণিক সমার্থক শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবিতা ব্যাখ্যা: এটি সূর্যের আরেকটি বহুল প্রচলিত তৎসম সমার্থক শব্দ যার অর্থ প্রসবকারী বা আলো দানকারী। উদাহরণ ২: দিবাকর ব্যাখ্যা: দিন বা দিবসকে যে কর বা আলো দিয়ে পরিষ্কার বা আলোকিত করে, তাকে দিবাকর বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিধু — বিধু শব্দের অর্থ চাঁদ, যা রাতের আকাশে আলো দেয় কিন্তু সূর্য নয়। B) আদিত্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সরাসরি সূর্য। C) অর্ণব — অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র বা সাগর, যা জলরাশির বিশাল ভাণ্ডার নির্দেশ করে। D) অলক — অলক শব্দের অর্থ চুলের গুচ্ছ বা কুঞ্চিত চুল, যা নারী বা পুরুষের সৌন্দর্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - দেবমাতা অদিতির সন্তানদের বলা হয় আদিত্য, যাদের প্রধান হলেন সূর্য দেবতা। - পরীক্ষার হলে সূর্যের সমার্থক শব্দ মনে রাখতে ভাস্কর, দিবাকর, তপন, রবি ও আদিত্য একসাথে মুখস্থ করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্য, চাঁদ, সমুদ্র ও আকাশের সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে পৌরাণিক নামগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর করা সহজ হয়।
a শেখ মুজিবুর রহমান
b আনোয়ার পাশা
c শেখ হাসিনা
d কবির চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শেখ মুজিবুর রহমান ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর শেখ মুজিবুর রহমান কারণ তিনি চীন ভ্রমণ নিয়ে এই আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থটি রচনা করেছেন। - আমার দেখা নয়াচীন গ্রন্থটিতে তার চীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালে চীন সফর করেন এবং সেই সফরের স্মৃতি নিয়ে এই গ্রন্থটি লেখেন। - বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি বাঙালির ভ্রমণসাহিত্য ও আত্মজীবনী ধারার একটি অত্যন্ত মূল্যবান দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী ব্যাখ্যা: এটিও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: কারাগারের রোজনামচা ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর আরেকটি বিখ্যাত গ্রন্থ যেখানে তার কারাজীবনের দিনলিপি ও ভাবনা প্রকাশিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেখ মুজিবুর রহমান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি আমার দেখা নয়াচীন গ্রন্থের লেখক। B) আনোয়ার পাশা — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও সাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থের লেখক নন। C) শেখ হাসিনা — তিনি বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও লেখক হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির রচয়িতা নন। D) কবির চৌধুরী — তিনি একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক হলেও এই গ্রন্থটি তিনি লেখেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা তিনটি প্রধান গ্রন্থ হলো অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়াচীন। - নয়াচীন সম্পর্কিত যে কোনো বই বা ভ্রমণকাহিনির প্রশ্ন আসলে চোখ বন্ধ করে বঙ্গবন্ধুর নাম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আমার দেখা নয়াচীন গ্রন্থটি কোন সালে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রকাশক কে, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জেনে রাখা জরুরি। - এই ধরনের জীবনীমূলক ও ভ্রমণসাহিত্য থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a জাত
b আরম্ভ
c গৃহীত
d রক্ষিত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গৃহীত ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে প্রদত্ত উত্তর সি অর্থাৎ গৃহীত বলা হয়েছে, যা একটি সংশোধনযোগ্য ত্রুটি। বাংলা ব্যাকরণের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী 'দুধ থেকে দই হয়' বাক্যে 'দুধ থেকে' অপাদান কারকের জাত অর্থে ব্যবহৃত হয়। কারণ কোনো কিছু থেকে উৎপন্ন, জাত বা সৃষ্টি বোঝালে তা জাত অর্থে অপাদান কারক হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যাহা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, উৎপন্ন, ভীত, গৃহিত বা রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয় তাকে অপাদান কারক বলে। দুধ থেকে দই উৎপন্ন বা জাত হয় বিধায় এটি জাত বা উৎপন্ন অর্থ নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে। ব্যাখ্যা: এটি বিচ্যুতি অর্থে অপাদান কারকের উদাহরণ কারণ পাতা গাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হচ্ছে। উদাহরণ ২: জমি থেকে ফসল পায়। ব্যাখ্যা: এটি জাত বা উৎপন্ন অর্থে অপাদান কারকের উদাহরণ কারণ জমি থেকে ফসল উৎপন্ন হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাত — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও প্রশ্নে এই অপশনটি দেওয়া হয়নি। B) আরম্ভ — কোনো কাজের শুরু বা সূচনা বোঝালে আরম্ভ অর্থে অপাদান হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) গৃহীত — প্রশ্নে এই উত্তরটি প্রদান করা হলেও প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী দুধ থেকে দই হওয়া মূলত জাত বা উৎপন্ন হওয়ার অন্তর্ভুক্ত। D) রক্ষিত — কোনো কিছু থেকে রক্ষা পাওয়া বা বাঁচানো বোঝালে রক্ষিত অর্থে অপাদান হয়, যা এখানে মিলছে না। ৫. মনে রাখার টিপস: উৎপন্ন হওয়া বা তৈরি হওয়া বোঝালে সবসময় জাত অর্থে অপাদান কারক হয়। পরীক্ষার হলে দুধ থেকে দই দেখলে জাত বা উৎপন্ন শব্দটি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস ও ক্রিয়ার সম্পর্ক ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। উৎস থেকে কিছু তৈরি হলে তা জাত অর্থে অপাদান হিসেবে গণ্য হয়।
a মহারাজা কৃষ্ণ চরিত্র
b রাজাবলী
c রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র
d কথোপকথন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র ১. কেন সঠিক: - বাঙালি রচিত এবং বাংলা অক্ষরে মুদ্রিত প্রথম গ্রন্থ হলো রামরাম বসু রচিত রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র। - এই গ্রন্থটি ১৮০১ সালে শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা গদ্যের বিকাশে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গ্রন্থটির রচয়িতা রামরাম বসু উইলিয়াম কেরি সাহেবের মুন্সি হিসেবে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে কর্মরত ছিলেন। - এটি মূলত রাজা প্রতাপাদিত্যের জীবন ও কর্মের ওপর আধারিত একটি ঐতিহাসিক ও গদ্যমূলক রচনা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচিত রাজাবলী ব্যাখ্যা: এটি ১৮০৮ সালে প্রকাশিত একটি ঐতিহাসিক গ্রন্থ যা বাঙালি রচিত ও বাংলা অক্ষরে মুদ্রিত প্রাথমিক গদ্যগ্রন্থগুলোর অন্যতম। উদাহরণ ২: উইলিয়াম কেরি রচিত কথোপকথন ব্যাখ্যা: এটি ১৮০১ সালে প্রকাশিত একটি কথোপকথনমূলক গ্রন্থ যা বাংলা ভাষা শেখার জন্য রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহারাজা কৃষ্ণ চরিত্র — এটি রামরাম বসু রচিত অপর একটি গ্রন্থ হলেও বাঙালি রচিত প্রথম মুদ্রিত বাংলা গ্রন্থ নয়। B) রাজাবলী — এটি মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচিত একটি ঐতিহাসিক গ্রন্থ এবং এর প্রকাশের সাল ও বিষয়বস্তু ভিন্ন। D) কথোপকথন — এটি উইলিয়াম কেরি কর্তৃক রচিত ও সংকলিত গ্রন্থ, কোনো বাঙালি লেখকের রচিত প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রামরাম বসুর প্রথম কাজ এবং বাঙালি লেখকের প্রথম বাংলা বই মনে রাখতে রামরাম ও রাজা প্রতাপাদিত্য একসাথে মনে রাখুন। - ১৮০১ সালটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ও বাংলা গদ্যের সূচনার জন্য স্মরণীয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের নাম এবং তাদের রচিত গ্রন্থগুলোর নাম বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - বাংলা গদ্য সাহিত্যের আদি ইতিহাস থেকে এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত পুনরাবৃত্তি হয়।
a আলাওল
b শাহ মুহম্মদ সগীর
c মীর মোশাররফ হোসেন
d কায়কোবাদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শাহ মুহম্মদ সগীর ১. কেন সঠিক: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি হিসেবে শাহ মুহম্মদ সগীর সর্বস্বীকৃত। গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে তিনি তাঁর বিখ্যাত কাব্য রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শাহ মুহম্মদ সগীর গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে ইউসুফ জলেখা কাব্য রচনা করেন। এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবিদের রচিত প্রথম সার্থক কাব্য এবং তাঁকে মধ্যযুগের প্রথম মুসলমান কবি হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শাহ মুহম্মদ সগীর প্রণীত ইউসুফ জলেখা কাব্য মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার আদি নিদর্শন। ব্যাখ্যা: এই কাব্যটি ফার্সি সাহিত্যের প্রভাবে বাংলা ভাষায় রচিত হয়েছিল এবং এতে মধ্যযুগের সমাজ ও সংস্কৃতির পরিচয় পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: দৌলত উজির বাহরাম খান রচিত লায়লী মজনু কাব্য মধ্যযুগের আরেকটি উল্লেখযোগ্য প্রণয়োপাখ্যান। ব্যাখ্যা: শাহ মুহম্মদ সগীরের পর মুসলমান কবিরা বাংলা সাহিত্যে নানা প্রণয়োপাখ্যান রচনা করে ধারাটিকে সমৃদ্ধ করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলাওল — আলাওল সপ্তদশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ মুসলমান কবি এবং তিনি পদ্মাবতী কাব্য রচনা করেন। B) শাহ মুহম্মদ সগীর — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়। C) মীর মোশাররফ হোসেন — তিনি আধুনিক যুগের ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার, মধ্যযুগের কবি নন। D) কায়কোবাদ — তিনি আধুনিক যুগের মহাকাব্যের কবি এবং মহাশ্মশান তাঁর বিখ্যাত কাব্য। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের প্রথম মুসলমান কবি মনে রাখতে সগীর নামটি প্রথমে মনে রাখবে। সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের আমলে ইউসুফ জলেখা লিখে তিনি ইতিহাস সৃষ্টি করেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের প্রথম মুসলমান কবি এবং তাঁর রচিত কাব্যের নাম প্রায়ই আসে। এই প্রশ্নটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্যান্য কবির নাম মনে রাখা সহজ হবে।
a ছোটগল্প
b কাব্য
c নাটক
d মহাকাব্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাব্য ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ একটি পদ্য বা কাব্যভিত্তিক রচনা, তাই বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম শাখা হলো কাব্য। প্রাচীনকালে সাহিত্যের মাধ্যম হিসেবে গদ্যের বিকাশ ঘটেনি, ফলে সব সাহিত্যই কবিতার ছন্দে রচিত হতো। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ ধরা হয় সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত এবং এই যুগের একমাত্র প্রামাণিক নিদর্শন হলো চর্যাপদ। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ সালে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্যসংকলন যা সন্ধ্যা বা আলো-আঁধারি ভাষায় রচিত। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন কাব্য যা বড়ু চণ্ডীদাস রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছোটগল্প — এটি আধুনিক যুগের সাহিত্য শাখা এবং প্রাচীনকালে এর অস্তিত্ব ছিল না। C) নাটক — নাট্যসাহিত্য বাংলা সাহিত্যে আধুনিক যুগে ইউরোপীয় প্রভাবে বিকশিত হয়েছে। D) মহাকাব্য — মহাকাব্য হলো দীর্ঘ আকৃতির পদ্যকাব্য যা বাংলা সাহিত্যে উনিশ শতকে মাইকেল মধুসূদন দত্তের হাতে প্রথম রচিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাচীন যুগ মানেই পদ্য বা কবিতা, তাই উত্তর হবে কাব্য। প্রাচীনকালে গদ্য লেখার প্রচলন ছিল না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ একটি গান বা পদের সংকলন। প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্দেশক হিসেবে যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a বর্ণ
b শব্দ
c ধ্বনি
d বাক্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাক্য ১. কেন সঠিক: ভাষার মূল উপকরণ বাক্য, কারণ মানুষ মনের ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশের জন্য বাক্যের ওপর নির্ভর করে। বাক্যের মাধ্যমেই ভাষার সার্থক রূপ প্রকাশ পায় এবং বক্তার মনোভাব শ্রোতার কাছে পুরোপুরি বোধগম্য হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি হলেও মনের ভাব প্রকাশের প্রধান ও মূল উপাদান হলো বাক্য। ভাষার মূল ভিত্তি হলো শব্দ ও পদ, যা সুবিন্যস্ত হয়ে বাক্য গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ একটি সুন্দর দেশ। ব্যাখ্যা: এটি একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য যা মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: পাখি আকাশে ওড়ে। ব্যাখ্যা: এটিও একটি সার্থক বাক্য যার মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্ণ — বর্ণ হলো ভাষার লিখিত রূপের প্রতীক বা ধ্বনির লিখিত রূপ, যা ভাষার মূল উপকরণ নয়। B) শব্দ — শব্দ বাক্যের উপাদান হলেও এটি একা সবসময় সম্পূর্ণ মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে না। C) ধ্বনি — ধ্বনি হলো ভাষার মূল ভিত্তি বা ক্ষুদ্রতম একক, কিন্তু এটি দিয়ে সরাসরি পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশ করা যায় না। D) বাক্য — এটি সঠিক উত্তর, কারণ বাক্যই মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশের প্রধান মাধ্যম। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাষার মূল উপকরণ বা ভাব প্রকাশের প্রধান মাধ্যম বললে উত্তর হবে বাক্য। আর ভাষার ক্ষুদ্রতম একক বললে উত্তর হবে ধ্বনি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা ও ব্যাকরণের মৌলিক একক সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। ধ্বনি, শব্দ এবং বাক্যের পার্থক্য স্পষ্ট থাকলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই করা সম্ভব।
a তিন প্রকার
b চার প্রকার
c পাঁচ প্রকার
d দুই প্রকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তিন প্রকার ১. কেন সঠিক: ক্রিয়ার মূল অংশকে ধাতু বলা হয়। উৎস ও প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে বাংলা ভাষার ধাতু মূলত তিন ভাগে বিভক্ত। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ধাতু প্রধানত তিন প্রকার যথা মৌলিক ধাতু, সাধিত ধাতু ও সংযোগমূলক ধাতু। ব্যাকরণের নিয়মানুযায়ী ক্রিয়াপদের মূল একক হলো এই ধাতু। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কর ধাতু। ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক ধাতু যা বিশ্লেষণ করা যায় না। উদাহরণ ২: পড়া ধাতু। ব্যাখ্যা: এটি একটি সাধিত ধাতু যা মৌলিক ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিন প্রকার — এটি সঠিক কারণ ধাতু প্রধানত মৌলিক, সাধিত ও সংযোগমূলক এই তিন ভাগে বিভক্ত। B) চার প্রকার — বাংলা ব্যাকরণে ধাতু চার প্রকার নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। C) পাঁচ প্রকার — বাংলা ব্যাকরণে ধাতুর সংখ্যা বা প্রকারভেদ পাঁচ প্রকার হিসেবে নির্ধারিত নয়। D) দুই প্রকার — ধাতু প্রধানত দুই প্রকার নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ধাতুর প্রকার মনে রাখার সহজ উপায় হলো মৌলিক, সাধিত ও সংযোগমূলক এই তিনটি প্রধান নাম মনে রাখা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু কয় প্রকার বা এদের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মৌলিক ধাতু ও সাধিত ধাতুর পার্থক্য ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a সামাজিক নাটক
b প্রেমমূলক নাটক
c কাব্যধর্মী নাটক
d রূপক নাটক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাব্যধর্মী নাটক ১. কেন সঠিক: ফররুখ আহমদের 'নৌফেল ও হাতেম' একটি কাব্যধর্মী নাটক কারণ এটি কাব্যের ছন্দে রচিত হলেও এতে নাট্যধর্ম বা সংলাপের রূপ রয়েছে। বাংলা সাহিত্যে কাব্যধর্মী নাটকে পদ্যের ছাঁদ ও নাটকের আকৃতি একসঙ্গে প্রকাশিত হয়, যা এই নাটকে স্পষ্টভাবে বিদ্যমান। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ফররুখ আহমদ বিংশ শতাব্দীর মুসলিম রেনেসাঁসের অন্যতম প্রধান কবি যিনি ইসলামী ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সুফি ভাবধারায় সাহিত্য রচনা করেছেন। তার 'নৌফেল ও হাতেম' নাটকে নৈতিকতা, মানবপ্রেম এবং আধ্যাত্মিক চেতনার চমৎকার প্রকাশ ঘটেছে যা তাকে কাব্যনাট্যকার হিসেবে পরিচিত করে তুলেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর 'রক্তাক্ত প্রান্তর' ব্যাখ্যা: এটি একটি ঐতিহাসিক নাটক হলেও এর সংলাপে কাব্যময়তা ও গভীর আবেগ লক্ষ্য করা যায়। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'বহি পীর' ব্যাখ্যা: এটি একটি সামাজিক নাটক যার পটভূমি ও সংলাপ বাংলা নাট্যসাহিত্যে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সামাজিক নাটক — এই নাটকটি সমাজজীবনের সাধারণ সমস্যা নিয়ে রচিত নয় বরং এর মূল সুর আধ্যাত্মিক ও নৈতিক। B) প্রেমমূলক নাটক — সাধারণ রোমান্টিক প্রেমের আখ্যান এটি নয়, বরং এখানে মানবকল্যাণ ও ত্যাগের মহিমা প্রকাশ পেয়েছে। C) কাব্যধর্মী নাটক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক। D) রূপক নাটক — রূপক নাটকে চরিত্রগুলো কোনো abstract বা বিমূর্ত ধারণার প্রতীক হয়, যা এই নাটকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ফররুখ আহমদ মানেই ইসলামী ঐতিহ্য এবং কাব্যময়তা, তাই তার নাটক বললেই কাব্যধর্মী নাটক মনে রাখতে হবে। কাব্যধর্মী নাটকে পদ্যের ছন্দ ও নাটকের রূপ একসঙ্গে থাকে, এই সূত্রটি মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ফররুখ আহমদের সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে তার কাব্যগ্রন্থ ও কাব্যনাট্য সম্পর্কে। কোনো সাহিত্যিক কাব্যধারার হলে তার রচিত নাটক বা অন্যান্য রচনার ধরন ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a অবকাশ রঞ্জিকা
b বৃত্ত সংহার
c বিরহ বিলাপ
d বীরাঙ্গনা কাব্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বৃত্ত সংহার ১. কেন সঠিক: - বৃত্ত সংহার একটি সফল বাংলা মহাকাব্য। - মহাকাব্যের মূল বৈশিষ্ট্য যেমন স্বর্গ বা সর্গ বিভাজন, ট্র্যাজিক সুর এবং পৌরাণিক কাহিনীর উপস্থিতি এতে বিদ্যমান। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এই মহাকাব্যের রচয়িতা। - ১৮৭২ সালে প্রকাশিত এই কাব্যটি মেঘনাদবধ কাব্যের পর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য হিসেবে বিবেচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ সার্থক মহাকাব্য। উদাহরণ ২: মহাশ্মশান ব্যাখ্যা: এটি কায়কোবাদ রচিত ঐতিহাসিক ও বিষাদান্তক মহাকাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবকাশ রঞ্জিকা — এটি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত গীতিকাব্য বা খণ্ডকবিতা, মহাকাব্য নয়। B) বৃত্ত সংহার — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি একটি মহাকাব্য। C) বিরহ বিলাপ — এটি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি শোকগাথা বা বিষাদমূলক抒্তিমূলক কাব্য, মহাকাব্য নয়। D) বীরাঙ্গনা কাব্য — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য, মহাকাব্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - হেমচন্দ্রের বিখ্যাত মহাকাব্যের নাম মনে রাখতে বৃত্ত সংহার শব্দ দুটি মনে রাখতে পারো। - বীরাঙ্গনা হলো পত্রকাব্য আর বৃত্ত সংহার হলো মহাকাব্য। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মহাকাব্যের নাম ও লেখকের নাম জানতে চাওয়া হয়। - হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়কে তার বীরত্বব্যঞ্জক রচনার জন্য বাংলার বায়রন বলা হয়।
a পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
b আগুনের পরশমণি
c একাত্তরের দিনগুলি
d একাত্তর কথা কয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আগুনের পরশমণি ১. কেন সঠিক: - আগুনের পরশমণি হুমায়ূন আহমেদ রচিত ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় উপন্যাস। - এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের অবরুদ্ধ ঢাকায় একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের চোখের সামনে ঘটে যাওয়া মুক্তিযুদ্ধের বাস্তব চিত্র ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসের রচয়িতা হলেন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদ। - এটি বাংলা সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের ধারায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন এবং পরবর্তীকালে এই উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে একটি চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা ও জননীর গল্প ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিশাল ক্যানভাসের ঐতিহাসিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: ইরেইসা বা একাত্তরের দিনগুলি ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমাম রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য ও বিখ্যাত স্মৃতিকথা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য, উপন্যাস নয়। C) একাত্তরের দিনগুলি — এটি শহীদ জননী জাহানারা ইমাম রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য স্মৃতিকথা, উপন্যাস নয়। D) একাত্তর কথা কয় — এটি মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণমূলক একটি গ্রন্থ, যা কোনো উপন্যাস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - হুমায়ূন আহমেদের বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো আগুনের পরশমণি ও জোছনা ও জননীর গল্প উভয়ই উপন্যাস। - নাটকের ক্ষেত্রে সৈয়দ শামসুল হকের পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় এবং স্মৃতিকথার ক্ষেত্রে জাহানারা ইমামের একাত্তরের দিনগুলি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপন্যাস, নাটক এবং স্মৃতিকথার মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - তাই রচনার নাম দেখে তার সাহিত্যরূপ অর্থাৎ উপন্যাস, নাটক কিংবা স্মৃতিকথা ভালোভাবে যাচাই করে উত্তর করতে হবে।
a ষোড়শ শতকে
b নবম শতকে
c ত্রয়োদশ শতকে
d উনিশ শতকে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উনিশ শতকে ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যে গদ্যের আত্মপ্রকাশ ও প্রাতিষ্ঠানিক সূচনা মূলত উনিশ শতকেই ঘটেছিল। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের হাত ধরে বাংলা গদ্য প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১৮০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার পর বাংলা গদ্য রচনার সূত্রপাত হয়। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, রামমোহন রায় প্রমুখের প্রচেষ্টায় এই শতকেই গদ্য পূর্ণতা লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা রামমোহন রায়ের বেদান্তগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকের শুরুতে প্রকাশিত বাংলা গদ্যের অন্যতম নিদর্শন। উদাহরণ ২: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বেতালপঞ্চবিংশতি। ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকের মধ্যভাগে প্রকাশিত বাংলা গদ্যের একটি ধ্রুপদী রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষোড়শ শতকে — এই সময়ে বাংলা সাহিত্যে মূলত পদাবলী ও মঙ্গলকাব্য রচিত হতো, কোনো গদ্যরীতি ছিল না। B) নবম শতকে — নবম থেকে দ্বাদশ শতক পর্যন্ত সময়কালকে চর্যাপদের যুগ বা বাংলা কবিতার সূচনাকাল বলা হয়, তখন গদ্য ছিল না। C) ত্রয়োদশ শতকে — ত্রয়োদশ শতকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের মতো পদ্যভিত্তিক সাহিত্য রচিত হয়েছে, গদ্যের অস্তিত্ব ছিল না। D) উনিশ শতকে — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলা গদ্যের জন্ম ও বিকাশ মূলত এই শতকেই ঘটেছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: কবিতা বা পদ্য প্রাচীনকাল থেকেই থাকলেও বাংলা গদ্যের বয়স বেশি দিন নয়। উনিশ শতক বা ১৮০০ সালের পর থেকে বাংলা গদ্যের সূচনা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলা গদ্যের জনক কে বা গদ্যের সূচনা কোন শতকে। সঠিক উত্তর হবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এবং উনিশ শতক।
a পোস্টমাস্টার
b খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন
c ছুটি
d নষ্টনীড়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নষ্টনীড় ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নষ্টনীড় ছোটগল্পটি এর সুদীর্ঘ পটভূমি ও গভীর মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের কারণে উপন্যাসের মর্যাদা লাভ করেছে। চারুলতা, ভুপতি ও অমলের মধ্যকার জটিল সম্পর্কের টানাপোড়েন এত বিস্তারিতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যা ছোটগল্পের প্রচলিত পরিসীমা অতিক্রম করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আধুনিক বাংলা ছোটগল্পের জনক এবং তাঁর হাত ধরেই বাংলা ছোটগল্প বিশ্বমানের রূপ লাভ করে। নষ্টনীড় গল্পটি ১৯০১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত তৎকালীন সমাজের এক নিঃসঙ্গ গৃহিণীর মনের অবরুদ্ধ বাসনা ও ট্র্যাজেডির এক অনন্য শিল্পরূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শেষের কবিতা ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই রচনাটি একটি ব্যতিক্রমী রোমান্টিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: যোগাযোগ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পোস্টমাস্টার — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি নিখুঁত ছোটগল্প যেখানে রানির গ্রামীণ জীবন ও গ্রামীণ দুঃখ এক পলকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে কিন্তু এর পরিধি ছোটগল্পের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। B) খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন — এটি একটি চমৎকার ছোটগল্প যা গ্রামীণ যৌথ পরিবারের স্নেহ ও আত্মত্যাগের করুণ কাহিনী নিয়ে রচিত কিন্তু উপন্যাসের পর্যায়ে পড়ে না। C) ছুটি — এটিও রবীন্দ্রনাথের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যেখানে ফটিক চরিত্রের মাধ্যমে শৈশবের মনস্তত্ত্ব ও গৃহবাসের কষ্ট ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। D) নষ্টনীড় — এই অপশনটি সঠিক এবং এর ব্যাখ্যা উপরে প্রদান করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: নষ্টনীড় মানে নষ্ট বাসা বা ঘর। এই নামের গল্পটি আয়তনে বড় এবং এর বিস্তার একটি উপন্যাসের মতো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নষ্টনীড় গল্পের প্রধান দুটি চরিত্র চারুলতা এবং অমল। এই গল্প অবলম্বনে সত্যজিৎ রায় চারুলতা চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন।
a সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
b মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
c শহীদুল্লাহ কায়সার
d মুনীর চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ১. কেন সঠিক: - 'কাঁদো নদী কাঁদো' হলো বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি প্রখ্যাত বাংলা উপন্যাস। - এই উপন্যাসে আবহমান বাংলার নদী ও মানুষের জীবন সংগ্রামের এক গভীর মনস্তাত্ত্বিক চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা উপন্যাসে আধুনিকতা ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ধারার অন্যতম প্রধান প্রবক্তা ও পথিকৃৎ। - তাঁর রচিত এই উপন্যাসের নদী ও মানুষ একে অপরের পরিপূরক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে এবং এটি বাংলা কথাসাহিত্যে একটি অনন্য সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লালসালু ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বহুল পঠিত সামাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: চাঁদের অমাবস্যা ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ঔপন্যাসিকই 'কাঁদো নদী কাঁদো' গ্রন্থটি রচনা করেছেন। B) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি প্রখ্যাত উপন্যাসিক হলেও 'কাঁদো নদী কাঁদো' তাঁর রচিত কোনো গ্রন্থ নয়। C) শহীদুল্লাহ কায়সার — তিনি 'সংশপ্তক' ও 'সারেং বৌ' উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। D) মুনীর চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও শিক্ষাবিদ হলেও এই উপন্যাসটি তাঁর লেখা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস সংখ্যা খুবই কম, তাই তাঁর নাম মনে রাখা সহজ। - 'কাঁদো নদী কাঁদো' নামটি দেখলেই ওয়ালীউল্লাহর মনস্তাত্ত্বিক ধারার কথা স্মরণ করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - তাঁর লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা ও কাঁদো নদী কাঁদো এই তিনটি উপন্যাস ভালোভাবে পড়লে কমন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
a ১৯০৭ সালে
b ১৯০৯ সালে
c ১৯১১ সালে
d ১৯২১ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯১১ সালে ১. কেন সঠিক: - 'বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমাজ' ১৯১১ সালের ১৯ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়। - এই সংগঠনের লক্ষ্য ছিল মুসলিম সমাজের মধ্যে আধুনিক সাহিত্যচর্চার প্রসার ঘটানো। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুসলিম সাহিত্য সমাজ ১৯২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ১৯১১ সালের বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমাজ থেকে আলাদা। - এই সমাজের মুখপত্র ছিল 'বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা'। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুসলিম সাহিত্য সমাজ ব্যাখ্যা: এটি ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর মুখপত্র ছিল 'শিখা'। উদাহরণ ২: বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন ব্যাখ্যা: মুসলিম সাহিত্য সমাজের মূল স্লোগান ছিল বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৭ সালে — এই সালে কোনো নির্দিষ্ট সাহিত্য সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়নি। B) ১৯০৯ সালে — এই সালে 'বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমাজ' প্রতিষ্ঠিত হয়নি। D) ১৯২১ সালে — এই সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়, সাহিত্য সমাজ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হয় এবং এই সালেই বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়। - সালটি মনে রাখতে ১৯১১ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমাজের প্রতিষ্ঠাকাল প্রায়ই বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আসে। - ১৯১১ এবং ১৯২৬ সালের সাহিত্য সংগঠনগুলোর পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ৭ টি
b ৬ টি
c ৫ টি
d ৯ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় ফলা হলো মোট ছয়টি। ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ যখন স্বরবর্ণ বা অন্য ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন তাকে ফলা বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ফলা হলো ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ যা অন্য বর্ণের নিচে বা পাশে বসে যুক্তবর্ণ গঠন করে। বাংলা ব্যাকরণে ফলা মোট ছয়টি যথা ন ফলা, ম ফলা, য ফলা, র ফলা, ল ফলা এবং ব ফলা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রত্ন শব্দটি ন ফলা যোগে গঠিত হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে ত বর্ণের নিচে ন ফলা যুক্ত হয়ে রত্ন শব্দটি তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: পদ্মা শব্দটি ম ফলা যোগে গঠিত হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে দ বর্ণের নিচে ম ফলা যুক্ত হয়ে পদ্মা শব্দটি তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ টি — বাংলা বর্ণমালায় ফলা সাতটি নয়, কারণ মৌলিক ফলা নির্ধারিত আছে ছয়টি। অতিরিক্ত কোনো ফলা ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়। B) ৬ টি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী ফলা নির্দিষ্টভাবে ছয়টিই। C) ৫ টি — পাঁচটি ফলা ধরলে একটি প্রধান ফলা বাদ পড়ে যায়, তাই এটি ভুল। D) ৯ টি — নয়টি ফলা বলতে কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই, এটি ভুল তথ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: নম্বর ছয় মনে রাখতে পারো এভাবে যে ফলা হলো ছয়টি অর্থাৎ নম যর লব। এটি দিয়ে ছয়টি ফলার প্রথম বর্ণ মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বর্ণমালা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে যেমন কার কয়টি বা ফলা কয়টি। কার হলো দশটি এবং ফলা হলো ছয়টি, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a চণ্ডীদাস
b বিদ্যাপতি
c রামকৃষ্ণ পরমহংস
d বিবেকানন্দ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চণ্ডীদাস ১. কেন সঠিক: - উক্ত বিখ্যাত বাণীটির রচয়িতা মধ্যযুগের পদাবলির আদি কবি চণ্ডীদাস। - এই পংক্তির মাধ্যমে মানুষের মর্যাদা এবং শ্রেষ্ঠত্বকে পৃথিবীর সমস্ত কিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলির অন্যতম প্রধান কবি হলেন চণ্ডীদাস। - সহজ সরল ভাষা এবং গভীর মানবপ্রেম তাঁর কবিতার প্রধান বৈশিষ্ট্য যা এই চরণের মধ্যে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সহজ জীবনের গান ব্যাখ্যা: চণ্ডীদাসের পদগুলোতে কৃত্রিমতা নেই, মানুষের সহজ অনুভূতির প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: মানুষের জয়গান ব্যাখ্যা: এই পংক্তির মাধ্যমে বৈষম্যহীন সমাজ ও মানবতাবাদের শাশ্বত বাণী প্রচার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চণ্ডীদাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ উল্লিখিত বিখ্যাত মানবতাবাদী পংক্তিটি তাঁরই রচনা। B) বিদ্যাপতি — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি মিথিলার কবি ছিলেন এবং তাঁর পদাবলির মূল সুর রাধা-কৃষ্ণের প্রেম। C) রামকৃষ্ণ পরমহংস — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন আধ্যাত্মিক সাধক ও ধর্মগুরু ছিলেন। D) বিবেকানন্দ — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি রামকৃষ্ণ পরমহংসের শিষ্য ও আধুনিক ভারতের অন্যতম চিন্তাবিদ ছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মানুষ সত্য কথাটি মনে রাখতে চণ্ডীদাস নামটি মনে রাখবে। - মধ্যযুগের মানবতাবাদী কবি বললেই চণ্ডীদাসের নাম সবার আগে আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই ধরনের সাহিত্যিক উদ্ধৃতি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - মধ্যযুগের প্রখ্যাত কবি ও তাঁদের বিখ্যাত পংক্তিগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।
a মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
b উপমিত কর্মধারয়
c রূপক কর্মধারয়
d উপমান কর্মধারয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রূপক কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভেদ বা কল্পিত অভিন্নতা বোঝালে রূপক কর্মধারয় সমাস হয়। - এখানে ক্রোধ এবং অনল বা আগুনের মধ্যে কোনো পার্থক্য না করে অভিন্ন কল্পনা করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - রূপক কর্মধারয় সমাসে সাধারণত উপমেয় পদ আগে বসে এবং উপমান পদ পরে বসে মাঝখানে রূপ শব্দটি বসে। - এই সমাসে অদৃশ্য বা কাল্পনিক বস্তুর সঙ্গে দৃশ্যমান বস্তুর তুলনা করে অভেদ স্থাপন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদসিন্ধু ব্যাখ্যা: বিষাদ রূপ সিন্ধু, এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ। উদাহরণ ২: শোকতাপ ব্যাখ্যা: শোক রূপ তাপ, এখানেও অভিন্নতা প্রকাশের জন্য রূপক কর্মধারয় সমাস হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় — মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ সম্পূর্ণ লোপ পায়, যা এখানে হয়নি। B) উপমিত কর্মধারয় — উপমিত কর্মধারয়ে সাধারণ ধর্ম উল্লেখ থাকে না এবং উপমেয় আগে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) রূপক কর্মধারয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে ক্রোধ ও অনলের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে। D) উপমান কর্মধারয় — উপমান কর্মধারয়ে সাধারণ ধর্ম উল্লেখ থাকে এবং দৃশ্যমান বস্তুর তুলনা বোঝায়, যা এখানে নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্যের মাঝে রূপ শব্দটি থাকলে এবং দুটি পদের মধ্যে মিল বা অভেদ বোঝালে চোখ বন্ধ করে রূপক কর্মধারয় দাগাবে। - ক্রোধ, বিষাদ, শোক বা মন জাতীয় অদৃশ্য পদের সঙ্গে আগুন বা সাগরের তুলনা থাকলে সাধারণত রূপক সমাস হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিষাদসিন্ধু, ক্রোধানল এবং জীবননদী শব্দগুলো বারবার আসে। - রূপক কর্মধারয় চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে রূপ পদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা।
a সদাচার
b সততা
c মমতা
d সংযম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সদাচার ১. কেন সঠিক: - শিষ্টাচার শব্দের অর্থ ভালো আচরণ, ভদ্রতা বা শালীনতা। - সদাচার শব্দের অর্থও সৎ বা ভালো আচরণ, যা মূল শব্দের সমার্থক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ, যা ভিন্ন রূপের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। - এখানে বিশেষ্য পদের সমার্থক শব্দ হিসেবে অপর একটি বিশেষ্য পদ ব্যবহৃত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃতজ্ঞতা ব্যাখ্যা: এটি উপকার স্বীকার করার ভাব প্রকাশ করে, যা ভালো আচরণের অংশ। উদাহরণ ২: বিনয় ব্যাখ্যা: এটি মানুষের নম্র স্বভাব ও শিষ্টাচারের অন্যতম প্রধান বহিঃপ্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সদাচার — এটি সঠিক উত্তর। B) সততা — এর অর্থ সাধুতা বা সৎ থাকা, যা আচরণের চেয়ে নৈতিকতার সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত। C) মমতা — এর অর্থ স্নেহ, মায়া বা করুণা, যা আলাদা একটি আবেগ প্রকাশ করে। D) সংযম — এর অর্থ নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখা, যা শিষ্টাচারের সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শিষ্টাচার ও সদাচার দুটি শব্দের শুরুতেই শ এবং স ধ্বনি আছে এবং দুটির অর্থ ভালো আচরণ বোঝায়। - পরীক্ষার হলে সদ অর্থ ভালো এবং আচার অর্থ আচরণ মনে রাখলেই উত্তর মেলানো সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - সমার্থক শব্দ পড়ার সময় শব্দের মূল ভাব বা অর্থের গভীরতা খেয়াল রাখতে হবে।
a 1
b এক
c প্রথম
d পহেলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পহেলা ১. কেন সঠিক: তারিখবাচক শব্দ হলো সেই শব্দ যা মাসের কত তারিখ বা দিন তা নির্দেশ করে। পহেলা শব্দটি মাসের প্রথম দিন বা এক তারিখ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি একটি তারিখবাচক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংখ্যাবাচক শব্দ নানা প্রকারের হয় যেমন অঙ্কবাচক, ক্রমবাচক, তারিখবাচক ও অংশবাচক। ১ থেকে ৪ পর্যন্ত সংখ্যাবাচক শব্দের ক্ষেত্রে তারিখ বোঝানোর নিজস্ব রূপ রয়েছে যেমন পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পহেলা বৈশাখ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সনের প্রথম দিন বা এক তারিখ বোঝায়। উদাহরণ ২: দোসরা ডিসেম্বর ব্যাখ্যা: এটি মাসের দুই তারিখ বা দ্বিতীয় দিন নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1 — এটি একটি অংক বা সংখ্যা প্রতীক মাত্র, নির্দিষ্ট কোনো তারিখবাচক শব্দের রূপ নয়। B) এক — এটি মূলত মূল সংখ্যাবাচক বা অঙ্কবাচক শব্দ, যা কোনো নির্দিষ্ট তারিখ প্রকাশ করে না। C) প্রথম — এটি ক্রমবাচক শব্দ, যা কোনো সারি বা ক্রমানুসার বোঝায় কিন্তু তারিখবাচক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মাসের প্রথম চার দিনের নির্দিষ্ট তারিখবাচক রূপ মনে রাখবে যেমন পহেলা, দোসরা, তেসরা ও চৌঠা। ক্রমবাচক শব্দের সঙ্গে তারিখবাচক শব্দের পার্থক্য সবসময় খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তারিখবাচক ও ক্রমবাচক শব্দের পার্থক্য প্রায়ই আসে। ১ থেকে ৪ পর্যন্ত তারিখবাচক রূপগুলো ব্যতিক্রমী হওয়ায় ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a মাইকেল মধুসূদন দত্ত
b কবি জসিম উদ্দীন
c কাজী নজরুল ইসলাম
d সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ১. কেন সঠিক: সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে বাংলা ভাষার ছন্দের জাদুকর বলা হয় কারণ তিনি বাংলা কবিতায় ছন্দ ও রূপের এক অভাবনীয় কারুকাজ ফুটিয়ে তুলেছিলেন। বিদেশি ভাষা থেকে অজস্র শব্দ সফলভাবে বাংলায় ব্যবহার করে তিনি ছন্দের জাদুকরি ক্ষমতা দেখিয়েছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত বাংলা কাব্যে নানা নতুন ছন্দ ও পঙক্তি প্রবর্তন করে অমর হয়ে আছেন। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে কুহু ও কেকা, বেলা শেষের গান ও সবিতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের বিখ্যাত কবিতা কুহু ও কেকা। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় তার ছন্দ ও ভাষার জাদুকরি দক্ষতার অসাধারণ প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত রচিত অনুবাদ কাব্য হ্রস্ব ও দীর্ঘ। ব্যাখ্যা: বিদেশি কবিতার সফল অনুবাদের মাধ্যমে তিনি বাংলা ছন্দের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত, ছন্দের জাদুকর নন। B) কবি জসিম উদ্দীন — তিনি পল্লীকবি নামে সমধিক পরিচিত এবং তার কবিতায় পল্লীপ্রকৃতির সহজ রূপ ফুটে উঠেছে। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত ও সমাদৃত। D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি বাংলা কবিতার ছন্দ ও রূপের জাদুকর হিসেবে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: ছন্দের জাদুকর মনে রাখতে সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত নামের সাথে ছন্দের মিল মনে রাখতে পারো। পরীক্ষায় প্রশ্ন এলে ছন্দের জাদুকর হিসেবে সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে প্রথম পছন্দ হিসেবে ভাববে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে ছন্দের জাদুকর বললে সরাসরি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের নাম আসবে। একইভাবে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক বললে মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম মনে রাখতে হবে।
a He thanked me
b He had thanked me
c He told me that thank you
d He wished thank to me
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: A) He thanked me কেন সঠিক: - প্রত্যক্ষ উক্তিতে 'Thank you' থাকলে Indirect speech করার সময় Subject-এর পরে মূল verb-এর Past form বসাতে হয়। - এখানে He-এর পরে thank-এর Past form হিসেবে thanked ব্যবহার করা হয়েছে এবং Object হিসেবে me বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He thanked me — এটি সঠিক উত্তর, কারণ নিয়মানুসারে এটি Direct থেকে Indirect করার সঠিক রূপ। B) He had thanked me — Past perfect tense ব্যবহারের কোনো নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়। C) He told me that thank you — Thank you-কে Direct object ধরে 'that' যুক্ত করার নিয়ম ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) He wished thank to me — 'Wish' verb-এর পরে সরাসরি thank ব্যবহার করা ব্যাকরণসম্মত নয়। মনে রাখার টিপস: Direct speech-এ 'Thank you' থাকলে Indirect ਕਰਨার সময় Subject + thanked + object হয়।
a an
b no article required
c the
d a
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a কেন সঠিক: - unit শব্দটি ভ (yu) ধ্বনি দিয়ে শুরু হয়, যা consonant sound বা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ নির্দেশ করে। - ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণযুক্ত শব্দের আগে indefinite article হিসেবে a বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an — an শুধু vowel sound বা স্বরবর্ণের উচ্চারণযুক্ত শব্দের শুরুতে বসে। B) no article required — unit একটি countable noun হওয়ায় এখানে article ব্যবহার বাধ্যতামূলক। C) the — নির্দিষ্ট করে বোঝাচ্ছে না বলে এখানে definite article বসবে না। D) a — এটি সঠিক কারণ unit শব্দের শুরুতে ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ থাকায় a বসেছে। মনে রাখার টিপস: ইউ (u) দিয়ে শুরু কোনো শব্দের উচ্চারণ যদি ইউ-এর মতো হয়, তবে তার পূর্বে an না বস1য় a বসে।
a to
b with
c about
d at
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) about কেন সঠিক: - কোনো ব্যক্তি বা বিষয় নিয়ে দুশ্চিন্তা বা উদ্বেগ প্রকাশ করতে 'worry about' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। - বাক্যের অর্থ অনুযায়ী নিজের সম্পর্কে চিন্তা না করতে বা দুশ্চিন্তা না করতে বোঝাতে 'worry about me' সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — 'worry to' স্বাভাবিক ইংরেজি ব্যাকরণ বা ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। B) with — সাধারণত কোনো জিনিসের সাথে যুক্ত থাকা বোঝাতে 'with' বসে, এখানে প্রযোজ্য নয়। C) about — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) at — নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা লক্ষ্যের দিকে তাকানো বা নিশানা করা বোঝাতে 'at' বসে, দুশ্চিন্তার ক্ষেত্রে নয়। মনে রাখার টিপস: কারো জন্য দুশ্চিন্তা করা বোঝাতে हमेशा 'worry about' ব্যবহার করবে।
a both
b many
c either
d these
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) either কেন সঠিক: - 'Either' একটি ডিস্ট্রিবিউটিভ ডিটারমিনার যা দুটি বিকল্পের মধ্যে যেকোনো একটিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - এখানে রাস্তার যেকোনো একপাশে পার্ক করা যাবে এমন অর্থ প্রকাশ করায় সঠিক উত্তর হিসেবে 'either' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) both — 'Both' বসালে রাস্তার দুটি পাশকেই বোঝাত, কিন্তু বাক্যটি একক পজিশন নির্দেশ করছে। B) many — 'Many' একটি কোয়ান্টিফায়ার যা বহুবচন কাউন্টেবল নাউনের আগে বসে, কিন্তু এখানে 'side' একবচন। C) either — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) these — 'These' একটি ডেমোনস্ট্রেটিভ প্রোনাউন বা ডিটারমিনার যা বহুবচন নাউনের আগে বসে, কিন্তু 'side' একবচন। মনে রাখার টিপস: একবচন নাউনের আগে দুটি বিকল্পের যেকোনো একটি বোঝাতে সর্বদা 'either' ব্যবহার করবে।
a Peer
b Parent
c Spinster
d Boar
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Spinster কেন সঠিক: - 'Spinster' শব্দটির অর্থ অবিবাহিত নারী, যা একটি নির্দিষ্ট Feminine gender বা স্ত্রীবাচক শব্দ। - এর পুরুষবাচক বা Masculine gender হলো 'Bachelor'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Peer — এটি Common gender, যার অর্থ সমকক্ষ ব্যক্তি এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ Peeress। B) Parent — এটি Common gender, যা পিতা বা মাতা উভয়কেই বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) Spinster — এটি এই প্রশ্নের নির্ধারিত সঠিক উত্তর এবং এটি একটি Feminine gender। D) Boar — এটি Masculine gender, যার অর্থ শুকর এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ Sow। মনে রাখার টিপস: Spinster শব্দটির মাধ্যমে কেবল অবিবাহিত নারীদের বোঝানো হয়, তাই এটি সরাসরি Feminine gender হিসেবে গণ্য হয়।
a won't he
b don't he
c doesn't he
d didn't he
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) didn't he কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে রয়েছে, কারণ মূল ভার্বটি হলো এক্সেলেড যা পাস্ট ফর্মে আছে। - পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের অ্যাফার্মেটিভ বাক্যের প্রশ্ন ট্যাগ করার সময় ডিড নট এবং সাবজেক্ট ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) won't he — এটি ফিউচার টেন্সের বাক্যের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু মূল বাক্যটি পাস্ট টেন্সে রয়েছে। B) don't he — এটি প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হলে ডাজ হয়। C) doesn't he — এটি প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সে থার্ড পারসন সিঙ্গুলার সাবজেক্টের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) didn't he — এটি সঠিক অপশন কারণ মূল বাক্যটির ভার্ব পাস্ট ফর্মে থাকায় এখানে ডিড নট ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যের মূল ভার্ব পাস্ট ফর্মে থাকলে প্রশ্ন ট্যাগে ডিড নট বা ডিডেন্ট এবং সাবজেক্ট বসাতে হবে।
a gerund
b adjective
c infinitive
d participle
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) gerund কেন সঠিক: - 'Enjoy' transitive verb-এর পর object হিসেবে Verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun-এর কাজ করেছে। - Verb এবং Noun উভয় কাজ একসঙ্গে করায় একে gerund বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) gerund — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক কারণ এটি verb ও noun উভয়ের কাজ করেছে। B) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-কে বিশেষিত করছে না, তাই adjective নয়। C) infinitive — infinitive গঠনে verb-এর আগে to বসে, যা এখানে নেই। D) participle — participle কেবল verb ও adjective-এর কাজ করে, কিন্তু এটি noun-এর কাজ করেছে। মনে রাখার টিপস: Verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি বাক্যে noun-এর কাজ করে এবং object হিসেবে বসে, তবে তা gerund হয়।
a adolescence
b adolessence
c addoleseence
d adolesense
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) adolescence কেন সঠিক: - সঠিক বানানটি হলো adolescence যার অর্থ কৈশোরকাল। - শব্দটিতে adol + esc + ence এই গঠনরীতি অনুসরণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adolescence — প্রদত্ত উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বানান নির্ভুল। B) adolessence — বানানটিতে esc এর পরিবর্তে ess ব্যবহার করায় এটি ভুল। C) addoleseence — বানানটিতে অতিরিক্ত d এবং ভুল অক্ষর বিন্যাস থাকায় এটি ভুল। D) adolesense — বানানটিতে c বর্ণটি বাদ পড়ায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: adolescence বানানটি মনে রাখতে adol, esc এবং ence এই তিনটি অংশে ভাগ করে চর্চা করতে পারো।
a Tell me what is your name.
b Tell me what the name you dear.
c Tell me what your name.
d Tell me what your name is.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Tell me what your name is. কেন সঠিক: - Imperative sentence-এর সাথে WH-Wordযুক্ত Subordinate Clause যুক্ত হলে বাক্যের শেষে Subject-এর পর Verb বসে। - Principal clause-টি Imperative হলেও পরের অংশটি Assertive sentence-এর গঠনে (Subject + Verb) হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tell me what is your name. — এখানে WH-Word-এর পর সরাসরি Verb (is) ব্যবহার করা হয়েছে, যা নিয়ম অনুযায়ী ভুল। B) Tell me what the name you dear. — এখানে dear শব্দের ব্যবহার প্রাসঙ্গিক নয় এবং বাক্যটির গঠন সম্পূর্ণ অর্থহীন। C) Tell me what your name. — এখানে বাক্যে কোনো Principal Verb বা Helping Verb না থাকায় বাক্যটি অসম্পূর্ণ। D) Tell me what your name is. — এটি সঠিক কারণ এখানে WH-Word-এর পর Subject (your name) এবং তারপর Verb (is) বসেছে। মনে রাখার টিপস: Imperative sentence-এর পর WH-word দিয়ে প্রশ্ন করলে শেষ অংশটি नेहमी Subject + Verb গঠনে সাজাতে হয়।
a Nephrologists
b Pathologist
c Gynecologist
d Urologist
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Nephrologist (উল্লেখ্য, প্রশ্নে Nephrologists বহুবচনে দেওয়া আছে, তবে সঠিক চিকিৎসকের একক নাম Nephrologist) কেন সঠিক: - Nephrology হলো চিকিৎসা বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা কিডনির রোগ এবং এর চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা করে। - এই বিশেষ শাখায় চিকিৎসায় নিয়োজিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে Nephrologist বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Nephrologists — এটি কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ বোঝায়, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) Pathologist — ইনি এমন একজন চিকিৎসক যিনি রোগ নির্ণয়ের জন্য ল্যাবরেটরিতে টিস্যু এবং শরীরের তরল পরীক্ষা করেন। C) Gynecologist — ইনি নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্য এবং রোগ সম্পর্কিত বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। D) Urologist — ইনি মূত্রনালী এবং পুরুষদের প্রজনন অঙ্গের রোগ নিয়ে কাজ করেন, তবে কিডনির চিকিৎসার জন্য নির্দিষ্ট শাখা হলো নেফ্রোলজি। মনে রাখার টিপস: গ্রিক শব্দ Nephros এর অর্থ কিডনি, তাই কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ হলো Nephrologist।
a use
b using
c to use
d the use
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) using কেন সঠিক: - ইংরেজি বাক্যে 'insist on' একটি নির্দিষ্ট ফ্রেজাল ভার্ব, যেখানে 'on' হলো একটি প্রিপজিশন। - নিয়ম অনুযায়ী প্রিপজিশনের পর সর্বদা ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হয়, তাই এখানে 'using' সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) use — প্রিপজিশনের পর ভার্বের বেস ফর্ম বসার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই। B) using — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) to use — প্রিপজিশন 'on'-এর পর ইনফিনিটিভ (to + verb) ব্যবহার করা যায় না। D) the use — প্রিপজিশনের পর সরাসরি নাউন বসলেও অর্থের দিক থেকে এখানে জিরান্ড বা ভার্ব প্লাস আইএনজি প্রয়োজন। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'insist on' দেখলে চোখ বন্ধ করে মূল ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত করে দেবে।
a then
b than
c before
d after
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) than কেন সঠিক: - 'No sooner had' যুক্ত বাক্যের ক্ষেত্রে পরবর্তী অংশে সর্বদা 'than' ব্যবহৃত হয়। - এটি একটি নির্দিষ্ট ইংরেজি গ্রামাটিক্যালের গঠন যা একটি কাজ শেষ হতে না হতেই আরেকটি কাজ শুরু হওয়া বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) then — এটি একটি টাইম অ্যাডভার্ব যা সময় বা ক্রম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু 'No sooner had' এর সাথে জোড় হিসেবে বসে না। B) than — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি তুলনামূলক বা 'No sooner' এর সাথে correlative conjunction হিসেবে বসে। C) before — এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের ক্ষেত্রে 'Hardly' বা 'Scarcely' এর সাথে বসে, 'No sooner' এর সাথে নয়। D) after — এটি সাধারণত সময়ের পরে বা কোনো ঘটনার পরে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের কাঠামোর সাথে সংগত নয়। মনে রাখার টিপস: No এর সাথে 'No sooner ... than' এবং Scarcely বা Hardly এর সাথে 'when' বা 'before' বসে।
a transitive
b intransitive
c linking
d modal
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) intransitive কেন সঠিক: - এই বাক্যে verb হলো opened এবং এর পরে কোনো অবজেক্ট বা কর্ম নেই। - নিজে নিজে ঘটার কারণে এটি intransitive বা অকর্মক ক্রিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) transitive — transitive verb-এর পরে অবজেক্ট থাকে, কিন্তু এই বাক্যে কোনো অবজেক্ট নেই। B) intransitive — এটি সঠিক কারণ এতে কোনো অবজেক্ট নেই এবং কাজটি নিজে নিজে সম্পন্ন হয়েছে। C) linking — linking verb সাধারণত subject এবং complement-কে যুক্ত করে, যা এখানে হয়নি। D) modal — modal auxiliary হলো can, could, must ইত্যাদি, যা এখানে ব্যবহৃত হয়নি। মনে রাখার টিপস: বাক্যের verb-কে কি বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করে উত্তর না পেলে সেটি সাধারণত intransitive verb হয়।
a rise
b arise
c arouse
d raise
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) arouse কেন সঠিক: - ঘুমন্ত বা শুয়ে থাকা কাউকে জাগিয়ে তোলা অর্থে 'arouse' ভার্বটি ব্যবহৃত হয়। - বাক্যটিতে স্মিতাকে গভীর ঘুম থেকে জাগিয়ে তোলার কথা বলা হয়েছে, তাই এখানে সঠিক উত্তর 'arouse'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) rise — এর অর্থ নিজে নিজে ওঠা, যা ঘুম ভাঙানোর ক্ষেত্রে মানুষের ওপর প্রয়োগ করা যায় না। B) arise — এর অর্থ কোনো সমস্যার উদ্ভব হওয়া বা সৃষ্টি হওয়া, যা ঘুম ভাঙানোর ক্ষেত্রে অসংগত। D) raise — এর অর্থ কোনো কিছু ওপরে তোলা বা হাত ও বস্তু উত্তোলন করা, কিন্তু মানুষকে জাগানো বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: ঘুম থেকে কাউকে জাগানোর ক্ষেত্রে সবসময় 'arouse' ব্যবহার করবে, আর নিজে ওঠার ক্ষেত্রে 'rise' ব্যবহার হয়।
a Plenty
b Abundant
c Brave
d Scanty
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Scanty কেন সঠিক: - 'Copious' শব্দটির অর্থ প্রচুর বা পর্যাপ্ত পরিমাণ, যার সঠিক বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিমি হলো 'Scanty'। - 'Scanty' শব্দের অর্থ স্বল্প, অপ্রচুর বা অপর্যাপ্ত, যা 'copious' শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Plenty — এই শব্দটির অর্থ প্রচুর বা অনেক, যা 'copious' শব্দের সমার্থক বা প্রতিশব্দ। B) Abundant — এই শব্দটির অর্থ প্রচুর বা প্রাচুর্যপূর্ণ, যা 'copious' শব্দের সমার্থক শব্দ। C) Brave — এই শব্দটির অর্থ সাহসী, যা 'copious' শব্দের পরিমাণের ধারণার সঙ্গে সম্পর্কহীন। D) Scanty — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ স্বল্প বা অপ্রচুর। মনে রাখার টিপস: কপি বা প্রচুর তথ্য (Copious) জমলে তা আর কম বা স্বল্প (Scanty) থাকে না।
a for a certain period
b for an uncertain period
c for a short time
d divide and conquer
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) for an uncertain period কেন সঠিক: - 'Sine die' একটি ল্যাটিন ফ্রেজ, যার শাব্দিক অর্থ হলো কোনো নির্দিষ্ট দিন ঠিক না করে সভা মুলতবি করা। - এটি মূলত আদালতের বা দাপ্তরিক কার্যক্রমে অনির্দিষ্টকালের জন্য কোনো কার্যক্রম স্থগিত রাখার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for a certain period — নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বোঝাতে 'for a certain period' ব্যবহার করা হয়, যা 'sine die' ফ্রেজের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) for an uncertain period — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। C) for a short time — অল্প সময়ের জন্য কোনো কিছু স্থগিত করা বোঝালে এই ফ্রেজটি উপযুক্ত নয়। D) divide and conquer — এটি একটি ভিন্ন প্রবাদ যার অর্থ বিভক্ত কর এবং শাসন কর, যার সাথে এই ফ্রেজের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: 'Sine die' ফ্রেজে die শব্দটির সাথে দিন বা ডে এর মিল পাওয়া যায়, তাই মনে রাখবে অনির্দিষ্ট দিনের জন্য সভা মুলতবি করা।
a Adverb
b Preposition
c Conjunction
d Interjection
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Conjunction কেন সঠিক: - এখানে 'before' শব্দটি দুটি ভিন্ন clause বা বাক্যাংশকে (Look এবং you leap) যুক্ত করেছে। - সাবঅর্ডিনেটিং কনজাংশন হিসেবে এটি সময়ের সম্পর্ক প্রকাশ করায় সঠিক উত্তরটি Conjunction। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adverb — কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য অ্যাডভার্বকে পরিবর্তন বা বিশেষায়িত না করায় এটি অ্যাডভার্ব নয়। B) Preposition — এর পরে কোনো নাউন বা প্রোনাউন অবজেক্ট হিসেবে বসেনি এবং এটি কোনো পজিশন বা সম্পর্ক বোঝাচ্ছে না। C) Conjunction — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি দুটি পূর্ণাঙ্গ ক্লজকে সফলভাবে সংযুক্ত করেছে। D) Interjection — এটি মনের কোনো হঠাৎ আবেগ বা অনুভূতি প্রকাশ করছে না। মনে রাখার টিপস: কনজাংশন সবসময় দুটি ক্লজ বা বাক্যকে যুক্ত করে, তাই মাঝখানে বসে যুক্ত করলে তা কনজাংশন হয়।
a Analysis
b Crisis
c Louse
d Soap
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Soap কেন সঠিক: - 'Soap' একটি আনকাউন্টেবল নাউন বা অগণনযোগ্য বিশেষ্য, যা সাধারণত গণনা করা যায় না এবং এর কোনো প্লুরাল ফর্ম বা বহুবচন হয় না। - তরল বা কঠিন পদার্থ হিসেবে সাবানকে একক হিসেবে গণনা করতে হলে 'a bar of soap' বা 'pieces of soap' বলতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Analysis — এটি একটি সিঙ্গুলার নাউন, যার শেষে is রয়েছে এবং এর প্লুরাল ফর্ম হলো analyses। B) Crisis — এটি একটি সিঙ্গুলার নাউন, যার প্লুরাল ফর্ম হলো crises। C) Louse — এটি একটি সিঙ্গুলার নাউন, যার প্লুরাল ফর্ম হলো lice। D) Soap — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি আনকাউন্টেবল নাউন হওয়ায় এর কোনো প্লুরাল ফর্ম নেই। মনে রাখার টিপস: বস্তুবাচক এবং অগণনযোগ্য নাউন যেমন soap, water, milk ইত্যাদির সাধারণত কোনো প্লুরাল ফর্ম হয় না।
a Obedient
b Disobedient
c Hostile
d Friendly
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Obedient কেন সঠিক: - 'Docile' শব্দটির অর্থ হলো বাধ্য, অবাধ্যতাহীন বা শান্ত প্রকৃতির। - 'Obedient' শব্দটির অর্থও বাধ্য বা অনুগত, যা 'docile' শব্দের সঠিক সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Obedient — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বাধ্য বা অনুগত। B) Disobedient — এর অর্থ অবাধ্য, যা docile শব্দের বিপরীতার্থক অর্থ প্রকাশ করে। সি) Hostile — এর অর্থ শত্রুভাবাপন্ন বা আগ্রাসী, যা docile শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। ডি) Friendly — এর অর্থ বন্ধুভাবাপন্ন, যা বন্ধুত্বপূর্ণ বোঝায় কিন্তু সরাসরি বাধ্য বা শান্ত স্বভাব বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: Docile শব্দটিকে মনে রাখতে পারেন ডগ (Dog) বা কুকুরের স্বভাব দিয়ে, কারণ কুকুর সাধারণত খুব বাধ্য (Obedient) প্রকৃতির হয়।
a সাধারণ পরিষদ
b অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ
c জাতিসংঘ
d নিরাপত্তা পরিষদ
ব্যাখ্যাঃ
**প্রশ্নের ধরন:** আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও সাধারণ জ্ঞান সঠিক উত্তর: B) অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ **কেন সঠিক:** - জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ECOSOC) কোনো দেশের স্বল্পোন্নত দেশ (LDC) থেকে উন্নয়নশীল এবং উন্নয়নশীল থেকে উন্নত দেশে উত্তরণের বিষয়টি মূল্যায়ন ও সুপারিশ করে। - এই পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতেই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। **বাকি অপশন কেন ভুল:** A) সাধারণ পরিষদ — এটি অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের সুপারিশ গ্রহণ করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়, সরাসরি নির্ধারণ করে না। C) জাতিসংঘ — এটি একটি সামগ্রিক সংস্থা, এর নির্দিষ্ট কোনো অঙ্গ সংস্থা ছাড়া সরাসরি এই মর্যাদা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। D) নিরাপত্তা পরিষদ — এটি মূলত বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা নিয়ে কাজ করে, অর্থনৈতিক উত্তরণ এর আওতাভুক্ত নয়। **মনে রাখার টিপস:** অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সংক্রান্ত কাজ করে বলেই LDC উত্তরণের বিষয়টি অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ নির্ধারণ করে।
a যুক্তরাষ্ট্র
b যুক্তরাজ্য
c ডেনমার্ক
d ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ডেনমার্ক কেন সঠিক: - গ্রিনল্যান্ড ভৌগোলিকভাবে উত্তর আমেরিকার অংশ হলেও রাজনৈতিকভাবে এটি ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। - ডেনমার্কের রাজমুকুটের অধীন থাকলেও গ্রিনল্যান্ডের অভ্যন্তরীণ বিষয়ক সিদ্ধান্ত নেওয়ার নিজস্ব সংসদ ও সরকার রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ড শাসন করে না, তবে এর ভূকৌশলগত অবস্থানের কারণে এখানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য ইউরোপের একটি দেশ এবং গ্রিনল্যান্ডের ওপর এর কোনো রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নেই। C) ডেনমার্ক — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ডেনমার্ক এই বিশাল দ্বীপটির মূল ভূখণ্ড ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। D) ফিনল্যান্ড — ফিনল্যান্ড উত্তর ইউরোপের একটি দেশ এবং গ্রিনল্যান্ডের শাসনব্যবস্থার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: আইসবার্গ আর বরফের দেশ গ্রিনল্যান্ডের রাজনৈতিক শীতলতা ডেনমার্কের রাজমুকুট বা প্রশাসনের মাধ্যমেই নিয়ন্ত্রিত হয়।
a ডেনমার্ক
b নরওয়ে
c আয়ারল্যান্ড
d উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আয়ারল্যান্ড কেন সঠিক: - এই চুক্তিটি বেলফাস্ট চুক্তি নামেও পরিচিত যা উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ১৯৯৮ সালে স্বাক্ষরিত হয়। - এটি মূলত উত্তর আয়ারল্যান্ডের জাতীয়তাবাদী ও ইউনিয়নবাদী দলগুলোর মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের অবসান ঘটায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেনমার্ক — এটি ইউরোপের একটি দেশ এবং এই চুক্তির সাথে এর কোনো ঐতিহাসিক বা রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই। B) নরওয়ে — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার একটি দেশ এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের অভ্যন্তরীণ শান্তি চুক্তির সাথে এটি সংশ্লিষ্ট নয়। C) আয়ারল্যান্ড — সঠিক উত্তর, কারণ এই চুক্তিটি আয়ারল্যান্ড দ্বীপের শান্তি প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সাথে সরাসরি যুক্ত। D) উত্তর কোরিয়া — এটি এশিয়ার একটি দেশ এবং এর সাথে আয়ারল্যান্ডের এই শান্তি চুক্তির কোনো ভৌগোলিক বা রাজনৈতিক যোগসূত্র নেই। মনে রাখার টিপস: গুড ফ্রাইডে চুক্তি মানেই আয়ারল্যান্ডের শান্তি প্রক্রিয়া এবং এটি খ্রিষ্টীয় ছুটির দিন গুড ফ্রাইডেতে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
a ওয়াটার লুতে
b ভার্সাই নগরীতে
c সেন্ট হেলেনা দ্বীপে
d দ্বীপ এলবাতে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সেন্ট হেলেনা দ্বীপে কেন সঠিক: - ১৮১৫ সালে ওয়াটারলু যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পর ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে ব্রিটিশরা দক্ষিণ আটলান্টিক সাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে পাঠায়। - ১৮২১ সালের ৫ মে তিনি এই দ্বীপে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াটার লুতে — এটি বেলজিয়ামে অবস্থিত একটি যুদ্ধক্ষেত্র, যেখানে ১৮১৫ সালে নেপোলিয়ন চূড়ান্তভাবে পরাজিত হন কিন্তু মারা যাননি। B) ভার্সাই নগরীতে — এটি ফ্রান্সে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক শহর ও রাজপ্রাসাদ, যা নেপোলিয়নের মৃত্যুর স্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) সেন্ট হেলেনা দ্বীপে — এটি সঠিক উত্তর। D) দ্বীপ এলবাতে — এটি ইতালি উপকূলের কাছে অবস্থিত একটি দ্বীপ যেখানে তাকে প্রথম নির্বাসিত করা হয়েছিল এবং যেখান থেকে তিনি পালিয়েছিলেন। মনে রাখার টিপস: নেপোলিয়নকে এলবা দ্বীপে প্রথম পাঠানো হলেও তিনি মারা যান দূরবর্তী সেন্ট হেলেনা দ্বীপে।
a ঢাকা
b লাহোর
c চট্টগ্রাম
d রাজশাহী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লাহোর কেন সঠিক: - ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয় দফা পেশ করেন। - পূর্ব পাকিস্তানের অধিকার আদায়ের এই সনদে স্বায়ত্তশাসন ও পূর্ণাঙ্গ ফেডারেল ব্যবস্থার দাবি জানানো হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি ছয় দফা ঘোষণার স্থান নয়, তবে লাহোর থেকে ফিরে বঙ্গবন্ধু ঢাকায় ছয় দফার পক্ষে জনমত গড়ে তোলেন। B) লাহোর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই ঐতিহাসিক ছয় দফা পেশ করা হয়েছিল। সি) চট্টগ্রাম — এই স্থানে ছয় দফা পেশ করা হয়নি, এটি বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক বন্দর ও বাণিজ্যিক শহর। ডি) রাজশাহী — এখানে ছয় দফা পেশ করা হয়নি, এটি উত্তরবঙ্গের একটি ঐতিহাসিক জেলা। মনে রাখার টিপস: ছয় দফা পেশ করা হয়েছিল দূরবর্তী শহর লাহোরে, তাই স্থানটির নামের সাথে লাহোর প্রস্তাবের ঐতিহাসিক সংযোগ মনে রাখা সহজ।
a ৭ মার্চ ১৯৭৩
b ১১ এপ্রিল ১৯৭৩
c ৬ এপ্রিল ১৯৭৩
d ৮ মার্চ ১৯৭৩
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭ মার্চ ১৯৭৩ কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের সংবিধান অনুযায়ী স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ মার্চ ১৯৭৩ সালে। - এই নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লগি নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৩টি আসন অর্জন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ মার্চ ১৯৭৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। B) ১১ এপ্রিল ১৯৭৩ — এই তারিখে প্রথম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসেছিল, নির্বাচনের তারিখ নয়। C) ৬ এপ্রিল ১৯৭৩ — এই তারিখে বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি, এটি একটি বিভ্রান্তিকর তারিখ। D) ৮ মার্চ ১৯৭৩ — এটি নির্বাচনের পরের দিন, নির্বাচনের সঠিক তারিখ ৭ মার্চ ১৯৭৩। মনে রাখার টিপস: ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের ঠিক চার বছর পর ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
a হিমাচল
b অরুণাচল
c নাগাল্যান্ড
d সিকিম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হিমাচল কেন সঠিক: - ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যকে একত্রে সেভেন সিস্টার্স বলা হয়, যার মধ্যে হিমাচল প্রদেশ অন্তর্ভুক্ত নয়। - হিমাচল প্রদেশ ভারতের উত্তর অঞ্চলের একটি পাহাড়ি রাজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিমাচল — এটি ভারতের উত্তর অঞ্চলের রাজ্য, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সেভেন সিস্টার্সভুক্ত নয়। B) অরুণাচল — এটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি রাজ্য এবং সেভেন সিস্টার্সের অন্তর্ভুক্ত। C) নাগাল্যান্ড — এটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি রাজ্য এবং সেভেন সিস্টার্সের অন্তর্ভুক্ত। D) সিকিম — এটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য হলেও সেভেন সিস্টার্সের অন্তর্ভুক্ত নয়, একে ব্রাদার বলা হয়। মনে রাখার টিপস: সেভেন সিস্টার্সের রাজ্য মনে রাখার সহজ ছন্দ হলো एटीएम आना मम्मी অর্থাৎ আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয়, অরুণাচল, নাগাল্যান্ড, মণিপুর ও মিজোরাম।
a UNDP
b OLO
c UNFPA
d ICJ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) UNDP কেন সঠিক: - মানব উন্নয়ন সূচক বা এইচডিআই জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপি এর মাধ্যমে প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৯০ সালে। - এটি মূলত স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং জীবনযাত্রার মান এই তিনটি মৌলিক সূচকের ভিত্তিতে কোনো দেশের মানুষের জীবনমানের সামগ্রিক অগ্রগতি মূল্যায়ন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNDP — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটি নিয়মিতভাবে বৈশ্বিক মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে। B) OLO — এটি কোনো আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা বা মানব উন্নয়ন সূচক প্রকাশকারী প্রতিষ্ঠান নয়। C) UNFPA — এটি জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল যা মূলত জনসংখ্যা ও প্রজনন স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে, সূচক প্রকাশ করে না। D) ICJ — এটি আন্তর্জাতিক আদালত যা রাষ্ট্রগুলোর মধ্যকার আইনি বিরোধ নিষ্পত্তি করে থাকে। মনে রাখার টিপস: মানব উন্নয়ন সূচক বা এইচডিআই প্রকাশের জন্য জাতিসংঘে উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপি কাজ করে, তাই উন্নয়ন মানেই ইউএনডিপি।
a ৩৭১৫ কি.মি
b ২৩১৫ কি.মি
c ৪১৫৬ কি.মি
d ৪৯০০ কি.মি
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: C) ৪১৫৬ কি.মি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ও ভারতের মোট আন্তর্জাতিক সীমান্ত বা ভূসীমার দৈর্ঘ্য হলো ৪১৫৬ কিলোমিটার। - এটি ভারতের সাথে বাংলাদেশের স্থলভাগের সীমানার সর্বসম্মত ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃত দৈর্ঘ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৭১৫ কি.মি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ এটি ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত দৈর্ঘ্য হিসেবে ভুলভাবে পরিমাপ করা। B) ২৩১৫ কি.মি — এই মানটি বাংলাদেশ বা ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্যের সাথে কোনোভাবেই মিলে না। C) ৪১৫৬ কি.মি — এটি সঠিক উত্তর এবং ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমানার প্রকৃত দৈর্ঘ্য নির্দেশ করে। D) ৪৯০০ কি.মি — এই সংখ্যাটি অতিরিক্ত বড় এবং তা ভারতের সাথে সীমানার প্রকৃত হিসাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: সীমান্তের দৈর্ঘ্য মনে রাখতে চার এবং পাঁচের সংখ্যা দুটি আগে মনে রেখে শেষের সংখ্যাটি হিসাব করবে।
a একটি সরকারি পদ
b স্বায়ত্তশাসিত পদ
c সাংবিধানিক পদ
d আধাসরকারি পদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাংবিধানিক পদ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেলের পদটি সৃষ্টি করা হয়েছে। - সংবিধান দ্বারা গঠিত ও নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় এটি রাষ্ট্রের একটি সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি সরকারি পদ — এটি কেবল সাধারণ কোনো সরকারি পদ নয়, কারণ এর ক্ষমতা ও মর্যাদা সরাসরি সংবিধান দ্বারা নির্ধারিত। B) স্বায়ত্তশাসিত পদ — এটি কোনো স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের পদ নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের একটি সাংবিধানিক ও স্বাধীন সরকারি প্রতিষ্ঠান। D) আধাসরকারি পদ — এটি কোনো আধাসরকারি পদ বা সংস্থা নয়, এটি সরাসরি রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত সাংবিধানিক পদ। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২৭ অনুযায়ী যে পদ গঠিত হয়, চোখ বন্ধ করে তাকে সাংবিধানিক পদ হিসেবে চিহ্নিত করবে।
a ৬ টি
b ৪ টি
c ৩ টি
d ৮ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ টি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন সামরিক সরকারের কাছে ৪টি শর্ত পেশ করেছিলেন। - শর্তগুলো ছিল সামরিক আইন প্রত্যাহার, সেনা বাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া, গণহত্যার তদন্ত করা এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ টি — ৬ দফা দাবি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে উত্থাপিত হয়েছিল, যা ৭ই মার্চের ৪টি শর্তের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ৪ টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বঙ্গবন্ধু সেদিন সামরিক সরকারের কাছে সুনির্দিষ্টভাবে ৪টি শর্ত বা দাবি উপস্থাপন করেছিলেন। C) ৩ টি — ৩ সংখ্যাটি ৭ই মার্চের ভাষণের শর্তের সংখ্যার সঙ্গে মিল নেই এবং এটি ভুল তথ্য। D) ৮ টি — ৮ সংখ্যাটি এই ঐতিহাসিক ঘটনার শর্তের সংখ্যার সঙ্গে কোনোভাবেই সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: সাতই মার্চের ভাষণে শর্ত ছিল চারটি, মনে রাখতে ভাবুন চার অক্ষরের শব্দ শর্ত।
a খাদ্যের মূল্য
b খাদ্যের ক্রয়ক্ষমতা
c খাদ্যের সহজলভ্যতা
d সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো কেন সঠিক: - খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত খাদ্য উৎপাদন বা সরবরাহ থাকার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও বাজারে খাদ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা আবশ্যক। - খাদ্য সংস্থার মতে খাদ্য নিরাপত্তার তিনটি প্রধান স্তম্ভ হলো প্রাপ্যতা, ক্রয়ক্ষমতা এবং নিরাপদ ব্যবহার, যা এই অপশনগুলোতে অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাদ্যের মূল্য — এটি একা খাদ্য নিরাপত্তার সম্পূর্ণ চিত্র প্রকাশ করে না, কারণ ক্রয়ক্ষমতা ও সহজলভ্যতা সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। B) খাদ্যের ক্রয়ক্ষমতা — মানুষ বাজারে খাদ্য কিনতে না পারলে কেবল মূল্য কম থাকায় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না। C) খাদ্যের সহজলভ্যতা — বাজারে খাদ্য সরবরাহ না থাকলে শুধু ক্রয়ক্ষমতা বা মূল্য দিয়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। D) সবগুলো — খাদ্য নিরাপত্তার মূল শর্ত হলো খাদ্যের সহজলভ্যতা, ক্রয়ক্ষমতা ও সঠিক মূল্য একসঙ্গে নিশ্চিত করা। মনে রাখার টিপস: খাদ্য নিরাপত্তার মূল ভিত্তি তিনটি, অর্থাৎ মূল্য, ক্রয়ক্ষমতা এবং সহজলভ্যতা একসাথে থাকলেই কেবল খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।
a সৌদি আরব
b যুক্তরাষ্ট্র
c সংযুক্ত আরব আমিরাত
d ইরান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে শেল অয়েল এবং ফ্র্যাকিং প্রযুক্তির অভূতপূর্ব উন্নতির মাধ্যমে বিশ্বের শীর্ষ জ্বালানি তেল উৎপাদনকারী দেশে পরিণত হয়েছে। - আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী গত কয়েক বছর ধরে দেশটি অপরিশোধিত তেল উৎপাদনে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌদি আরব — অতীতে শীর্ষ উৎপাদক হলেও বর্তমানে দেশটি উৎপাদনে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। B) যুক্তরাষ্ট্র — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) সংযুক্ত আরব আমিরাত — এটি ওপেক জোটের অন্যতম প্রধান তেল উৎপাদক দেশ হলেও শীর্ষ অবস্থানে নেই। D) ইরান — মধ্যপ্রাচ্যের বড় তেল উৎপাদনকারী দেশ হলেও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও উৎপাদন সীমার কারণে এটি শীর্ষে নেই। মনে রাখার টিপস: তেল উৎপাদনে আমেরিকা সবার সেরা, তাই সঠিক উত্তর যুক্তরাষ্ট্র।
a ১৪ টি
b ১৩ টি
c ১৬ টি
d ১৭ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৭ টি কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে এ পর্যন্ত মোট ১৭ বার সংশোধনী আনা হয়েছে। - সর্বশেষ সপ্তদশ সংশোধনী পাস হয় ২০১৮ সালের ৮ জুলাই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪ টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ সংবিধানে আরও বেশি সংশোধনী আনা হয়েছে। B) ১৩ টি — এটি একটি ভুল সংখ্যা এবং বর্তমান সংশোধনীর সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। C) ১৬ টি — ষোড়শ সংশোধনী পাস হয়েছিল কিন্তু এটি শেষ সংশোধনী নয়। D) ১৭ টি — এটি সঠিক কারণ সংবিধানে এ পর্যন্ত মোট ১৭ টি সংশোধনী হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ সংবিধানের মোট সংশোধনীর সংখ্যা ১৭, যা মনে রাখতে সপ্তদশ সংশোধনীর সাল অর্থাৎ ২০১৮ সালটি স্মরণ রাখতে পারো।
a ওশেনিয়া
b আফ্রিকা
c উত্তর আমেরিকা
d ইউরোপ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ওশেনিয়া কেন সঠিক: - আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে ওশেনিয়া পৃথিবীর সর্বমোট সাতটি মহাদেশের মধ্যে ক্ষুদ্রতম মহাদেশ হিসেবে স্বীকৃত। - অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ এবং এর পার্শ্ববর্তী প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রগুলো নিয়ে সম্মিলিতভাবে এই অঞ্চল গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওশেনিয়া — এটি পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাদেশ এবং সঠিক উত্তর। B) আফ্রিকা — এটি আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে এশিয়ার পরেই পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ। C) উত্তর আমেরিকা — এটি পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মহাদেশ এবং ওশেনিয়ার তুলনায় এর আয়তন বহুগুণ বড়। D) ইউরোপ — এটি আয়তনের দিক থেকে ছোট হলেও ওশেনিয়ার চেয়ে অনেক বড় এবং এটি পৃথিবীর ষষ্ঠ বৃহত্তম মহাদেশ। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে ছোট মহাদেশ মনে রাখতে মনে রাখবে অস্ট্রেলিয়া বা ওশেনিয়া হলো পৃথিবীর আকারে সবচেয়ে ছোট।
a ব্যাংকক
b রাওয়ালপিন্ডি
c ঢাকা
d নয়াদিল্লী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা কেন সঠিক: - CIRDAP একটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান যার পূর্ণরূপ হলো সেন্টার অন ইন্টিগ্রেটেড রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক। - এই সংস্থাটির সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত এবং এটি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের গ্রামীণ উন্নয়নে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাংকক — এটি থাইল্যান্ডের রাজধানী এবং ইউএনইএসক্যাপ (UNESCAP)-এর সদর দপ্তর, যা CIRDAP-এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) রাওয়ালপিন্ডি — এটি পাকিস্তানের একটি শহর এবং সামরিক সদর দপ্তরের জন্য পরিচিত, যা এই সংস্থার সদর দপ্তর নয়। C) ঢাকা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই CIRDAP-এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। D) নয়াদিল্লী — এটি ভারতের রাজধানী এবং এখানে সার্ক বা অন্যান্য সংস্থার কার্যালয় থাকতে পারে, কিন্তু এটি CIRDAP-এর সদর দপ্তর নয়। মনে রাখার টিপস: এশিয়ার গ্রামীণ উন্নয়নের আন্তর্জাতিক সংস্থা CIRDAP-এর সদর দপ্তর আমাদের দেশ বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
a পিতল
b ইস্পাত
c গ্রানাইট
d হীরা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হীরা ১. কেন সঠিক: হীরা প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত পদার্থ কারণ এর প্রতিটি কার্বন পরমাণু শক্তিশালী সমযোজী বন্ধন দ্বারা চতুস্তলকীয় বিন্যাসে দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ থাকে। এই ত্রিমাত্রিক সুদৃঢ় কাঠামোর কারণে হীরার ওপর অতি উচ্চ চাপ প্রয়োগ করলেও তা সহজে ভাঙে না বা এর আকৃতি পরিবর্তিত হয় না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: হীরা হলো কার্বনের একটি বিশুদ্ধ স্ফটিক রূপ বা রূপভেদ যেখানে কার্বনের প্রতিটি পরমাণু অন্য চারটি কার্বন পরমাণুর সঙ্গে অত্যন্ত শক্তিশালী একক সমযোজী বন্ধন তৈরি করে। কার্যপ্রণালি: এই সুষম ও ঘন ত্রিমাত্রিক জালিকাকার গঠনের কারণে হীরার ভেতরের পরমাণুগুলোকে আলাদা করা অত্যন্ত কঠিন হয় এবং এটি পদার্থবিজ্ঞানের মোহস স্কেলে সর্বোচ্চ ১০ মাত্রা অর্জন করে। বাস্তব প্রয়োগ: হীরার এই অতিরিক্ত কাঠিন্যের কারণে কাচ কাটা, পাথর খোদাই করা এবং ভারী শিল্পের জন্য কাটিং টুল বা ড্রিল বিট তৈরিতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাচ কাটার ডায়মন্ড গ্লাস কাটার। ব্যাখ্যা: হীরা অন্যান্য যেকোনো পদার্থের চেয়ে বেশি শক্ত হওয়ায় এটি খুব সহজেই কাচ কাটতে পারে। উদাহরণ ২: তেল ও গ্যাস খোদাইয়ের ড্রিল মেশিন। ব্যাখ্যা: পৃথিবীর গভীর শিলা ভেদ করার জন্য ড্রিল বিটের মাথায় হীরা ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিতল — পিতল তামা ও দস্তার একটি সংকর ধাতু এবং এর কাঠিন্য হীরার তুলনায় অনেক কম। B) ইস্পাত — ইস্পাত লোহা ও কার্বনের সংকর ধাতু যা ভবন নির্মাণে ব্যবহৃত হলেও হীরা অপেক্ষা অনেক নরম। C) গ্রানাইট — গ্রানাইট একটি শক্ত শিলা যা কোয়ার্টজ ও ফেল্ডস্পার খনিজের মিশ্রণ এবং মোহস স্কেলে এর মান অনেক নিচে। D) হীরা — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং প্রকৃতিতে সবচেয়ে শক্ত প্রাকৃতিক পদার্থ হিসেবে স্বীকৃত। ৫. মনে রাখার টিপস: হীরা মানেই হলো কার্বনের খাঁটি রূপ এবং এটি কাঠিন্যের দিক থেকে একদম চূড়ায় অবস্থিত। বর্ণমালা অনুসারে হীরা হলো সর্বশ্রেষ্ঠ শক্ত পদার্থ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মোহস কাঠিন্য স্কেলে হীরার মান হলো ১০ যা সব খনিজের মধ্যে সর্বোচ্চ। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে খনিজ পদার্থের কাঠিন্য পরিমাপের স্কেলের নাম কী, যার উত্তর হবে মোহস স্কেল।
a ১০ মিনিট
b ৮ মিনিট
c ১২ মিনিট
d ১৪ মিনিট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ মিনিট ১. কেন সঠিক: - সূর্যের কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত আলোকরশ্মি মহাশূন্যের শূন্যতার মধ্য দিয়ে নির্দিষ্ট গতিতে ভ্রমণ করে পৃথিবীতে পৌঁছাতে ঠিক এই সময় নেয়। - আলো সেকেন্ডে প্রায় তিন লক্ষ কিলোমিটার বেগে চলে এবং পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব প্রায় পনেরো কোটি কিলোমিটার। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলোর বেগ এবং দূরত্ব ভাগের মাধ্যমে সময় নির্ণয় করা হয়। - সূত্র বা হিসাব: সময় সমান দূরত্ব ভাগ আলোর বেগ। পৃথিবী থেকে সূর্যের গড় দূরত্ব প্রায় ১৪ কোটি ৯৬ লক্ষ কিলোমিটার এবং আলোর গতি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ২ লক্ষ ৯৯ হাজার ৭৯২ কিলোমিটার। - কার্যপ্রণালি: এই দূরত্বকে আলোর বেগ দিয়ে ভাগ করলে প্রায় ৪৯৯ সেকেন্ড পাওয়া যায়, যা প্রায় আট মিনিট বিশ সেকেন্ডের কাছাকাছি। - বাস্তব প্রয়োগ: আমরা যখন আকাশের দিকে তাকাই, তখন আমরা বর্তমানের সূর্যকে দেখি না, বরং প্রায় আট মিনিট আগে থেকে রওনা দেওয়া আলোকরশ্মিকে দেখি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যগ্রহণ দেখার সময় ব্যাখ্যা: সূর্যগ্রহণ বা অন্য কোনো সৌর ঘটনা ঘটার আট মিনিট পর পৃথিবী থেকে তা দৃশ্যমান হয়, কারণ আলোর ভ্রমণকাল অবধারিত। উদাহরণ ২: চাঁদ থেকে আলোর আসা ব্যাখ্যা: চাঁদ থেকে আলো পৃথিবীতে আসতে সময় লাগে মাত্র প্রায় এক দশমিক তিন সেকেন্ড, কারণ চাঁদ পৃথিবীর অনেক কাছে অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ মিনিট — এই সময়ের মধ্যে আলো সূর্য থেকে অনেক দূরে চলে যেত এবং হিসাবের মান মেলে না। B) ৮ মিনিট — এটি সঠিক সময়, কারণ দূরত্ব ও বেগের হিসাব অনুযায়ী আলো এই সময়েই পৃথিবীতে এসে পৌঁছায়। C) ১২ মিনিট — এই সময়টি ভুল, কারণ এত বেশি সময় লাগলে পৃথিবী ও সূর্যের দূরত্ব আরও বেশি হতে হতো। D) ১৪ মিনিট — এই পরিমাণ সময় লাগলে আলো প্রতি সেকেন্ডে তিন লক্ষ কিলোমিটার বেগে আরও অনেক দূরে চলে যেত। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার সহজ উপায় হলো সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব পনেরো কোটি কিলোমিটার এবং আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে তিন লক্ষ কিলোমিটার। - এই দুটি সংখ্যা মনে রাখলে সহজেই হিসাব করে আট মিনিট সময় বের করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং আলোর বেগ সম্পর্কিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে চাঁদ থেকে আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে কত সময় লাগে।
a Graphics
b RAMs
c Caches
d Registers
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Registers ১. কেন সঠিক: - CPU এর ভেতরে থাকা রেজিস্টার হলো অত্যন্ত দ্রুতগতির স্টোরেজ লোকেশন, যা প্রসেসিংয়ের সময় ডেটা তাৎক্ষণিকভাবে গ্রহণ, সংরক্ষণ ও স্থানান্তর করে। - প্রশ্নটিতে যে দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান ও প্রসেসিংয়ের কথা বলা হয়েছে, তার জন্য রেজিস্টার সরাসরি কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: রেজিস্টার হলো প্রসেসরের অংশ যা নির্দেশ, ডেটা বা মেমোরি অ্যাড্রেস সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ক্লক পালসের সাথে তাল মিলিয়ে কাজ করে এবং সরাসরি অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিটের সাথে ডেটা আদান-প্রদান করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি কম্পিউটার মেমোরিhierarchy-র সবচেয়ে দ্রুতগতির এবং ছোট আকারের মেমোরি। - ব্যবহার: ALU তে গণনার সময় এবং কন্ট্রোল ইউনিটে কাজের তদারকির সময় রেজিস্টার ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পকেটের মানিব্যাগ ব্যাখ্যা: মানিব্যাগে আমরা এমন টাকা রাখি যা তাৎক্ষণিকভাবে খরচ করার প্রয়োজন হয়, ঠিক যেমন সিপিইউ রেজিস্টারে ডেটা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবহার করে। উদাহরণ ২: রান্নার সময় হাতের কাছে রাখা মসলার কৌটা ব্যাখ্যা: রান্নার সময় চুলার পাশে রাখা মসলা যেভাবে দ্রুত ব্যবহার করা হয়, রেজিস্টারও সিপিইউ-এর কাজের সময় ঠিক সেভাবেই ডেটা সরবরাহ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Graphics — এটি দৃশ্যমান ছবি বা ভিডিও প্রসেসিংয়ের সাথে সম্পর্কিত, যা তাৎক্ষণিক ডেটা হোল্ড করার জন্য সিপিইউ এর অভ্যন্তরীণ মেমোরি নয়। B) RAMs — র‍্যামের পূর্ণরূপ রেন্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি, যা প্রসেসরের চেয়ে তুলনামূলক ধীরগতির এবং মেইন মেমোরি হিসেবে কাজ করে। C) Caches — ক্যাশ মেমোরি দ্রুতগতির হলেও এটি প্রসেসর ও র‍্যামের মাঝে সেতু হিসেবে কাজ করে, সরাসরি সিপিইউ এর ভেতরের তাৎক্ষণিক রেজিস্টারের কাজ করে না। D) Registers — সঠিক উত্তর, কারণ এটি সরাসরি সিপিইউ এর ভেতরে ডেটা দ্রুত আদান-প্রদান ও সংরক্ষণ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সিপিইউ মেমোরির গতি তুলনার ক্ষেত্রে মনে রাখবে: রেজিস্টার সবচেয়ে দ্রুত, এরপর ক্যাশ, এরপর র‍্যাম এবং সবশেষে সেকেন্ডারি স্টোরেজ। - রেজিস্টার সরাসরি সিপিইউ এর ভেতরে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্পিউটার মেমোরির গতি ও ধারণক্ষমতার ক্রম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - রেজিস্টারের আকার সাধারণত বিট বা ওয়ার্ড সাইজের উপর নির্ভর করে যেমন ৩২-বিট বা ৬৪-বিট রেজিস্টার।
a Candidate
b Primary
c Super
d Foreign
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Primary ১. কেন সঠিক: ডেটাবেজ ডিজাইনের সময় একাধিক ক্যান্ডিডেট কি থেকে একটিমাত্র বিশেষ কি নির্বাচন করা হয় যা টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে শনাক্ত করতে পারে। এই নির্বাচিত কি কে প্রাইমারি কি বলা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: প্রাইমারি কি হলো এমন একটি কলাম বা কলামের সমষ্টি যা ডেটাবেজ টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত করতে সাহায্য করে। কার্যপদ্ধতি: এটি ডেটাবেজে কোনো ডুপ্লিকেট বা ফাঁকা মান প্রবেশ করতে দেয় না এবং দ্রুত ডেটা খোঁজার ব্যবস্থা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিক্ষার্থীদের ডেটাবেজে রেজিস্ট্রেশন নম্বর। ব্যাখ্যা: রেজিস্ট্রেশন নম্বর কখনো দুই জন শিক্ষার্থীর এক হতে পারে না, তাই এটি প্রাইমারি কি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কর্মচারীদের ডেটাবেজে এমপ্লয়ি আইডি। ব্যাখ্যা: প্রতিটি কর্মচারীকে আলাদাভাবে চেনার জন্য এই আইডি প্রাইমারি কি হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Candidate — ক্যান্ডিডেট কি হলো এমন সব কলামের সেট যা প্রাইমারি কি হওয়ার যোগ্যতা রাখে, কিন্তু ডিজাইন করার সময় তাদের সবগুলোকে একসাথে প্রাইমারি কি হিসেবে নির্বাচন করা হয় না। B) Primary — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্যান্ডিডেট কি গুলোর মধ্য থেকে এই কি কে টেবিলের প্রধান শনাক্তকারী হিসেবে নির্বাচন করা হয়। C) Super — সুপার কি হলো এমন এক বা একাধিক কলামের সেট যা কোনো টেবিলের রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করতে পারে, যার মধ্যে ক্যান্ডিডেট কি ও প্রাইমারি কি অন্তর্ভুক্ত থাকে। D) Foreign — ফরেন কি অন্য কোনো টেবিলের প্রাইমারি কি কে নির্দেশ করে টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করে, এটি ক্যান্ডিডেট কি থেকে সরাসরি নির্বাচিত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাইমারি মানে প্রধান, তাই ক্যান্ডিডেট বা প্রার্থীদের মধ্য থেকে প্রধান হিসেবে যাকে বেছে নেওয়া হয় সেটাই প্রাইমারি কি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: একটি ডেটাবেজ টেবিলে কেবল একটিই প্রাইমারি কি থাকতে পারে, কিন্তু একাধিক ক্যান্ডিডেট কি থাকতে পারে।
a .AVI
b .MOV
c .JPEG
d .MP4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) .JPEG ১. কেন সঠিক: - JPEG একটি ইমেজ বা ছবি ফাইলের ফরম্যাট, কোনো ভিডিও ফাইল ফরম্যাট নয়। - ভিডিও ফাইলে ফ্রেমের সাথে সাউন্ড যুক্ত থাকে, কিন্তু JPEG ফরম্যাটে শুধুমাত্র একটি স্থির ছবি সংরক্ষিত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: JPEG এর পূর্ণরূপ হলো জয়েন্ট ফটোগ্রাফিক এক্সপার্টস গ্রুপ, যা মূলত ডিজিটাল ছবি সংরক্ষণের একটি বহুল ব্যবহৃত মানদণ্ড। - কার্যপদ্ধতি: এটি লসি কম্প্রেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে ছবির সাইজ ছোট করে, তবে এতে সামান্য ছবির মান নষ্ট হতে পারে। - ব্যবহার: ডিজিটাল ক্যামেরা, স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেটে ছবি আদান-প্রদান বা সংরক্ষণের জন্য এই ফরম্যাট সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্যামেরায় তোলা ছবি বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড করা কোনো স্থির চিত্র। ব্যাখ্যা: এগুলো সাধারণত .jpg বা .jpeg ফরম্যাটে সংরক্ষিত থাকে। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনের গ্যালারিতে থাকা বিভিন্ন ধরনের ওয়ালপেপার বা ছবি। ব্যাখ্যা: এই ছবিগুলো কম জায়গা দখল করার জন্য JPEG ফরম্যাটে সেভ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) .AVI — এটি অডিও ভিডিও ইন্টারলিপ ফরম্যাট, যা মাইক্রোসফট কর্তৃক তৈরিকৃত একটি জনপ্রিয় ভিডিও ফাইল ফরম্যাট। B) .MOV — এটি অ্যাপল কোম্পানির তৈরি করা একটি হাই কোয়ালিটি ভিডিও ফাইল ফরম্যাট। C) .JPEG — এটি কোনো ভিডিও ফরম্যাট নয়, বরং এটি একটি জনপ্রিয় স্থির চিত্র বা ইমেজ ফাইল ফরম্যাট। D) .MP4 — এটি এমপেগ ফোর পার্ট চৌদ্দ ফরম্যাট, যা বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত ভিডিও ফাইল ফরম্যাট। ৫ মনে রাখার টিপস: - ছবির ফরম্যাট মানেই জেপিইজি বা পিএনজি আর ভিডিও মানেই এমপিফোর, এভিআই বা এমওভি। - নামের শুরুতে আইএমজি বা জেপিজি দেখলে বুঝবে এটি ভিডিও নয়, ছবি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ফাইল এক্সটেনশন বা ফরম্যাট থেকে প্রশ্ন আসে। - কোন ফরম্যাটটি ছবি, অডিও বা ভিডিওর জন্য ব্যবহৃত হয় তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a Machine language
b Assembly language
c High level language
d None
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Machine language ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার শুধুমাত্র বাইনারি কোড অর্থাৎ ০ এবং ১ বুঝতে পারে যা মেশিন ভাষার মূল ভিত্তি। অন্য কোনো অনুবাদক সফটওয়্যার ছাড়াই সরাসরি প্রসেসর এই ভাষা বুঝতে ও কার্যকর করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মেশিন ভাষা হলো এমন একটি নিম্ন স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা যা সরাসরি কম্পিউটারের প্রসেসর বা সিপিইউ বুঝতে পারে। কার্যপদ্ধতি: এই ভাষায় লেখা নির্দেশগুলো সরাসরি বৈদ্যুতিক সিগন্যাল হিসেবে প্রসেসরে কাজ করে এবং কোনো রূপান্তরের প্রয়োজন হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারের ভেতরের সার্কিট ব্যাখ্যা: প্রসেসরের প্রতিটি ট্রানজিস্টর অন বা অফ অবস্থার মাধ্যমে সরাসরি মেশিন ভাষার নির্দেশনা প্রক্রিয়া করে। উদাহরণ ২: মৌলিক লজিক অপারেশন ব্যাখ্যা: প্রসেসর সরাসরি ০ ও ১ এর সমন্বয়ে গঠিত বাইনারি নির্দেশ পড়ে মেমোরি থেকে ডেটা আদান-প্রদান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Machine language — এটি সরাসরি কম্পিউটারের বোধগম্য হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) Assembly language — এটি সরাসরি কম্পিউটার বোঝে না, একে অ্যাসেম্বলারের মাধ্যমে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করতে হয়। C) High level language — এটি ইংরেজি ভাষার মতো হলেও সরাসরি কম্পিউটার বোঝে না, কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটারের মাধ্যমে অনুবাদ করতে হয়। D) None — যেহেতু অপশন এ সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মেশিন ভাষা হলো কম্পিউটারের মাতৃভাষা, যা বুঝতে কোনো অনুবাদকের প্রয়োজন হয় না। উচ্চ স্তরের ভাষার জন্য অনুবাদক লাগে কিন্তু মেশিন ভাষার জন্য লাগে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের প্রজন্মভিত্তিক আলোচনায় প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে শুধুমাত্র মেশিন ভাষা ব্যবহার করা হতো। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় কোন ভাষা সরাসরি কম্পিউটারের বোধগম্য।
a Mechanical
b Electro magnetic
c Electrical
d Laser
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Laser ১. কেন সঠিক: সিডি বা কমপ্যাক্ট ডিস্ক ডেটা পড়া ও লেখার জন্য অপটিক্যাল প্রযুক্তি বা লেজার রশ্মি ব্যবহার করে। ডিস্কের পৃষ্ঠে লেজার আলো ফেলে প্রতিফলনের তারতম্যের মাধ্যমে বাইনারি ডেটা শূন্য ও এক হিসেবে সনাক্ত করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কমপ্যাক্ট ডিস্ক হলো একটি অপটিক্যাল ডিস্ক যা ডিজিটাল ডেটা সংরক্ষণ ও বিতরণের কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: ডিস্কের ভেতরে থাকা মাইক্রোস্কোপিক পিট ও ল্যান্ডের ওপর লেজার ডায়োড থেকে আলো ফেলা হয় এবং প্রতিফলিত আলো সেন্সর দ্বারা পঠিত হয়। বৈশিষ্ট্য: এটি পোর্টেবল, হালকা এবং অপটিক্যাল পদ্ধতিতে কাজ করায় চুম্বকক্ষেত্র দ্বারা প্রভাবিত হয় না। ব্যবহার: মূলত অডিও গান, ভিডিও এবং সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টলেশনের জন্য সিডি ব্যবহৃত হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিডি প্লেয়ারের ভেতর লেজার রশ্মি ব্যবহার করে অডিও ট্র্যাক থেকে গান বাজানো হয়। ব্যাখ্যা: প্লেয়ারের লেজারের সাহায্যে ডিস্কের ভেতরের ঘূর্ণায়মান তথ্য আলোর প্রতিফলনের মাধ্যমে রূপান্তর করা হয়। উদাহরণ ২: কম্পিউটারের অপটিক্যাল ড্রাইভ সিডি বা ডিভিডি পড়ার সময় লেজার আলো নির্গত করে। ব্যাখ্যা: লেজারের নিখفتার কারণে ডিস্কের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ডেটা অত্যন্ত নির্ভুলভাবে পড়তে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mechanical — মেকানিক্যাল বা যান্ত্রিক পদ্ধতি বলতে চলমান গিয়ার বা হাতল দিয়ে কাজ বোঝায় যা সিডিতে ব্যবহৃত হয় না। B) Electro magnetic — ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বা তড়িৎ-চুম্বকীয় প্রযুক্তি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ বা ফ্লপি ডিস্কে ব্যবহৃত হয়, সিডিতে নয়। C) Electrical — ইলেকট্রিক্যাল বা বৈদ্যুতিক সংকেত প্রক্রিয়াকরণ সিডিতে সরাসরি ডেটা রিড বা রাইট করার মূল মাধ্যম নয়। D) Laser — এটি সঠিক কারণ সিডিতে ডেটা রিড ও রাইট করার একমাত্র মাধ্যম হলো লেজার রশ্মি। ৫ মনে রাখার টিপস: সিডি মানেই অপটিক্যাল ডিস্ক আর অপটিক্যাল ডিস্ক মানেই লেজার প্রযুক্তির ব্যবহার। সিডি ও ডিভিডি উভয়েই লেজার রশ্মি ব্যবহার করে কাজ সম্পন্ন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কমপ্যাক্ট ডিস্ক বা সিডির ধারণক্ষমতা সাধারণত ৭০০ মেগাবাইট হয়ে থাকে। সিডি তৈরির মূল প্রযুক্তির সাথে ফিলিপস ও সনি কোম্পানির নাম জড়িত রয়েছে।
a Windows NET
b MS windows XP
c Windows CE
d UNIX
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Windows CE ১. কেন সঠিক: - Windows CE হলো একটি এমবেডেড অপারেটিং সিস্টেম যা রিসোর্স-স্বল্প ছোট ডিভাইসের জন্য তৈরি করা হয়েছে। - CE এর পূর্ণরূপ হলো Consumer Electronics, যা হ্যান্ডহেল্ড ডিভাইস ও পোর্টেবল যন্ত্রে ব্যবহার করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: এমবেডেড অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একটি বিশেষ সফটওয়্যার যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরি কোনো মাইক্রোপ্রসেসর বা ছোট ডিভাইসের ভেতরে স্থায়ীভাবে যুক্ত থাকে। - কার্যপদ্ধতি: এটি সীমিত মেমোরি এবং কম প্রসেসিং ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে নির্দিষ্ট কাজ পরিচালনা করে। - বৈশিষ্ট্য: এর আকার খুব ছোট হয়, কম বিদ্যুৎ খরচ করে এবং রিয়েল-টাইম প্রসেসিং সুবিধা দিতে পারে। - ব্যবহার: পামটপ কম্পিউটার, জিপিএস নেভিগেটর, শিল্প যন্ত্রাংশ এবং ডিজিটাল ক্যামেরায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জিপিএস নেভিগেটর ব্যাখ্যা: জিপিএস যন্ত্রে খুব সীমিত মেমোরি থাকে, যেখানে এই সিস্টেমটি দ্রুত অবস্থান নির্ণয় করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: বারকোড স্ক্যানার ব্যাখ্যা: গুদামে পণ্য স্ক্যান করার ছোট যন্ত্রে এই অপারেটিং সিস্টেমটি রিয়েল-টাইমে ডেটা প্রসেস করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Windows NET — এটি কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়, বরং এটি মাইক্রোসফটের একটি সফটওয়্যার ফ্রেমওয়ার্ক যা অ্যাপ্লিকেশন তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। B) MS windows XP — এটি একটি শক্তিশালী স্ট্যান্ডঅ্যালোন ডেসকটপ অপারেটিং সিস্টেম যা পার্সোনাল কম্পিউটারের জন্য তৈরি। D) UNIX — এটি একটি মাল্টিইউজার এবং মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম যা মূলত সার্ভার, মেইনফ্রেম এবং শক্তিশালী ওয়ার্কস্টেশনে ব্যবহার করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - CE শব্দটির পূর্ণরূপ কনজুমার ইলেকট্রনিক্স মনে রাখলে এটি পোর্টেবল ও ছোট ডিভাইসের সিস্টেম হিসেবে সহজেই চেনা যায়। - সাধারণ উইন্ডোজ কম্পিউটারে চলে, আর উইন্ডোজ সিই ছোট পকেটের ডিভাইসে চলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এমবেডেড সিস্টেম সাধারণত গৃহস্থালী যন্ত্রপাতি, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং অটোমোবাইলে ব্যবহৃত হয়। - এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ যাচাইয়ের জন্য প্রায়ই আসে।
a Firefox
b Facebook
c Chrome
d Safari
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Facebook ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটির ধরন হলো সফটওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপ্লিকেশন এবং ইন্টারনেট ও ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব। ফেইসবুক কোনো ওয়েব ব্রাউজার নয়, এটি একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্ল্যাটফর্ম। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ওয়েব ব্রাউজার হলো এমন একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীকে ইন্টারনেটের ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের বিভিন্ন ওয়েবপেজ দেখতে এবং ব্রাউজ করতে সহায়তা করে। কার্যপদ্ধতি: ব্রাউজার ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ওয়েব ঠিকানার মাধ্যমে অনুরোধ গ্রহণ করে তা সার্ভারে পাঠায় এবং প্রাপ্ত ডেটা প্রসেস করে পর্দায় প্রদর্শন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুগল ক্রোম ব্যবহার করে যেকোনো শিক্ষামূলক ওয়েবসাইট বা অনলাইন পোর্টাল ভিজিট করা যায়। ব্যাখ্যা: ক্রোম একটি ব্রাউজার যা ইন্টারনেটের তথ্য দেখতে বা ব্রাউজ করতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ফেইসবুক অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে বন্ধুদের সাথে চ্যাট করা বা ছবি শেয়ার করা যায়। ব্যাখ্যা: এটি একটি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম, ব্রাউজার বা সার্চ ইঞ্জিন নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Firefox — এটি একটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স ওয়েব ব্রাউজার যা মজিলা ফাউন্ডেশন দ্বারা পরিচালিত হয় এবং ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে ব্যবহৃত হয়। B) Facebook — এটি একটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ও তথ্য আদান-প্রদান করে, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) Chrome — এটি গুগল কোম্পানির তৈরি বিশ্বব্যাপী সর্বাধিক ব্যবহৃত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার। D) Safari — এটি অ্যাপল কোম্পানির তৈরি একটি ডিফল্ট ওয়েব ব্রাউজার যা ম্যাক ও আইওএস ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ব্রাউজার মানে ক্রোম, ফায়ারফক্স, সাফারি, এজ ইত্যাদি যা দিয়ে ইন্টারনেট চালানো হয়। ফেইসবুক হলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, তাই এটি ব্রাউজার হতে পারে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ব্রাউজার এবং সার্চ ইঞ্জিন বা সোশ্যাল মিডিয়ার মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। ইয়াহু বা গুগল হলো সার্চ ইঞ্জিন, আর ক্রোম বা সাফারি হলো ব্রাউজার।
a Interpreter
b Converter
c Simulator
d Compiler
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Compiler ১. কেন সঠিক: কম্পাইলার সম্পূর্ণ সোর্স কোডকে একসাথে পড়ে এবং পুরো কোডকে একবারে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে রূপান্তর করে। কোডে কোনো ভুল না থাকলে এটি অবজেক্ট ফাইল তৈরি করে, যা পরবর্তীতে কম্পিউটারে সরাসরি চালানো যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কম্পাইলার হলো এমন একটি সিস্টেম সফটওয়্যার যা উচ্চ স্তরের ভাষাকে যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে। কার্যপদ্ধতি: এটি প্রথমে পুরো প্রোগ্রামটি পড়ে, সিনট্যাক্স বা ব্যাকরণগত ভুলগুলো খুঁজে বের করে এবং সব ঠিক থাকলে এক্সিকিউটেবল ফাইল তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সি প্রোগ্রামিং ভাষার কোড। ব্যাখ্যা: সি ভাষায় লেখা পুরো প্রোগ্রামকে কম্পিউটারের বোধগম্য করার জন্য কম্পাইলার ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট। ব্যাখ্যা: গেম বা বড় কোনো সফটওয়্যার তৈরির সময় পুরো কোড একবারে রূপান্তর করতে এটি অপরিহার্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Interpreter — এটি পুরো প্রোগ্রাম একসাথে রূপান্তর না করে লাইন বাই লাইন রূপান্তর করে। B) Converter — এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রোগ্রামিং অনুবাদক নয়, বরং সাধারণভাবে যেকোনো ডেটা ফরম্যাট পরিবর্তনকারী টুল। C) Simulator — এটি বাস্তব পরিবেশ তৈরি বা নকল করে পরীক্ষা করার জন্য ব্যবহৃত হয়, কোড অনুবাদক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কম্পাইলার মানে কমপ্লিট বা সম্পূর্ণ; অর্থাৎ এটি সম্পূর্ণ কোড একসাথে অনুবাদ করে। ইন্টারপ্রেটার মানে ইন্টারভাল বা বিরতি দিয়ে দিয়ে, অর্থাৎ এটি এক লাইন করে অনুবাদ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পাইলার পুরো প্রোগ্রাম একবারে অনুবাদ করায় প্রোগ্রাম দ্রুত রান করে। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুবাদক প্রোগ্রাম বা ট্রান্সলেটর প্রোগ্রাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a Delete
b Purge
c Remove
d Drop
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Drop ১. কেন সঠিক: একটি এসকিউএল ডেটাবেস থেকে সম্পূর্ণ রিলেশনাল টেবিল ডেটা এবং তার স্ট্রাকচারসহ স্থায়ীভাবে মুছে ফেলার জন্য ড্রপ কমান্ড ব্যবহার করা হয়। এটি ডেটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বা ডিডিএল এর অন্তর্ভুক্ত একটি কমান্ড যা ডেটাবেসের মূল কাঠামো পরিবর্তন করতে ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ড্রপ হলো এসকিউএল এর এমন একটি কমান্ড যা কোনো নির্দিষ্ট টেবিল বা ডেটাবেসকে চিরতরে মুছে ফেলে। কার্যপদ্ধতি: এই কমান্ড চালানোর পর টেবিলের ভেতরের সব তথ্য এবং টেবিলের স্কিমা বা কাঠামো মেমোরি থেকে সম্পূর্ণ ডিলিট হয়ে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড্রপ টেবিল স্টুডেন্ট কমান্ড রান করলে স্টুডেন্ট নামের সম্পূর্ণ টেবিলটি মুছে যাবে। ব্যাখ্যা: এর ফলে টেবিলের ভেತরের রেকর্ড এবং টেবিল তৈরির ডিজাইন আর ডেটাবেসে থাকবে না। উদাহরণ ২: একটি অপ্রয়োজনীয় পুরনো ডেটাবেসের টেবিল ফেলে দিতে ড্রপ ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: ডেটাবেসের জায়গা খালি করতে এবং অপ্রয়োজনীয় টেবিল অপসারণে এটি কাজে লাগে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Delete — ডিলিট কমান্ড শুধু টেবিলের ভেତরের রেকর্ড বা সারি মুছে ফেলে কিন্তু টেবিলের কাঠামো বা স্কিমা অক্ষত রাখে। B) Purge — পার্জ কমান্ড সাধারণত রিসাইকেল বিন বা নির্দিষ্ট কিছু ডেটাবেসে স্থায়ীভাবে মুছে ফেলা ডেটা পরিষ্কার করতে ব্যবহৃত হয়, মূল টেবিল ড্রপ করতে নয়। C) Remove — রিমুভ কোনো স্ট্যান্ডার্ড এসকিউএল কমান্ড নয় যা রিলেশনাল টেবিল মুছে ফেলার জন্য ব্যবহৃত হয়। D) Drop — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সম্পূর্ণ টেবিল মুছে ফেলতে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: স্ট্রাকচারসহ পুরো টেবিল মুছে ফেলার জন্য ড্রপ ব্যবহার করবে। শুধু ডেটা মুছতে চাইলে ডিলিট কমান্ড ব্যবহার করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ড্রপ এবং ডিলিট কমান্ডের পার্থক্য বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ডিডিএল কমান্ড হিসেবে ড্রপ টেবিলের কাঠামো ধ্বংস করে।
a Foreign keys
b Primary keys
c Candidate keys
d Unique keys
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Primary keys ১. কেন সঠিক: - ডেটাবেজে প্রতিটি রেকর্ড বা সারিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য প্রাইমারি কি ব্যবহার করা হয়। - এটি টেবিলে একই ডেটা বা ডুপ্লিকেট সারির পুনরাবৃত্তি সম্পূর্ণভাবে রোধ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: প্রাইমারি কি হলো ডেটাবেজের এমন একটি ফিল্ড বা কলাম যার মান অদ্বিতীয় এবং কখনো ফাঁকা বা নাল হতে পারে না। - কার্যপদ্ধতি: নতুন কোনো রেকর্ড যুক্ত করার সময় এটি পূর্বের মানের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে এবং ডুপ্লিকেট পেলে তা সংরক্ষণ করতে বাধা দেয়। - বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ইউনিকনেস এবং নন-নাল প্রোপার্টি বজায় রাখা। - ব্যবহার: শিক্ষার্থীর আইডি বা কর্মচারীর পিন নম্বর হিসেবে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিক্ষার্থীদের ডাটাবেজে রোল নম্বর। ব্যাখ্যা: একটি ক্লাসে দুটি ছাত্রের রোল নম্বর এক হতে পারে না, তাই রোল নম্বর প্রাইমারি কি হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর। ব্যাখ্যা: ব্যাংকের প্রতিটি গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট নম্বর সম্পূর্ণ আলাদা হয়, যা ডেটা পুনরাবৃত্তি রোধ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Foreign keys — এটি দুটি টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করে, তবে সরাসরি ডুপ্লিকেট সারি রোধ করা এর মূল কাজ নয়। B) Primary keys — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিশ্চিত করে যেন কোনো টেবিলে ডুপ্লিকেট সারি প্রবেশ করতে না পারে। C) Candidate keys — এটি এমন একটি কলাম যা প্রাইমারি কি হওয়ার যোগ্যতা রাখে, কিন্তু নিজে সরাসরি ডুপ্লিকেট রোধের মূল কাজটি নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়ন করে না। D) Unique keys — এটি কলামের মান অদ্বিতীয় রাখে ঠিকই, কিন্তু এটি নাল মান গ্রহণ করতে পারে এবং প্রাইমারি কি এর মতো সম্পূর্ণ টেবিলের সারি নিয়ন্ত্রণ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাইমারি কি মানে প্রধান চাবি, যা প্রতিটি সারিকে অনন্য রাখে এবং ডুপ্লিকেট এন্ট্রি আটকে দেয়। - মনে রাখবে প্রাইমারি কি কখনো ফাকা বা ডুপ্লিকেট হতে পারে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডেটাবেজ কনস্ট্রেইন্ট সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - প্রাইমারি কি এবং ইউনিক কি এর পার্থক্য ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (21)

a আলাওল
b শাহ মুহম্মদ সগীর
c মীর মোশাররফ হোসেন
d কায়কোবাদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শাহ মুহম্মদ সগীর ১. কেন সঠিক: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি হিসেবে শাহ মুহম্মদ সগীর সর্বস্বীকৃত। গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে তিনি তাঁর বিখ্যাত কাব্য রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শাহ মুহম্মদ সগীর গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে ইউসুফ জলেখা কাব্য রচনা করেন। এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবিদের রচিত প্রথম সার্থক কাব্য এবং তাঁকে মধ্যযুগের প্রথম মুসলমান কবি হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শাহ মুহম্মদ সগীর প্রণীত ইউসুফ জলেখা কাব্য মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার আদি নিদর্শন। ব্যাখ্যা: এই কাব্যটি ফার্সি সাহিত্যের প্রভাবে বাংলা ভাষায় রচিত হয়েছিল এবং এতে মধ্যযুগের সমাজ ও সংস্কৃতির পরিচয় পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: দৌলত উজির বাহরাম খান রচিত লায়লী মজনু কাব্য মধ্যযুগের আরেকটি উল্লেখযোগ্য প্রণয়োপাখ্যান। ব্যাখ্যা: শাহ মুহম্মদ সগীরের পর মুসলমান কবিরা বাংলা সাহিত্যে নানা প্রণয়োপাখ্যান রচনা করে ধারাটিকে সমৃদ্ধ করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলাওল — আলাওল সপ্তদশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ মুসলমান কবি এবং তিনি পদ্মাবতী কাব্য রচনা করেন। B) শাহ মুহম্মদ সগীর — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়। C) মীর মোশাররফ হোসেন — তিনি আধুনিক যুগের ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার, মধ্যযুগের কবি নন। D) কায়কোবাদ — তিনি আধুনিক যুগের মহাকাব্যের কবি এবং মহাশ্মশান তাঁর বিখ্যাত কাব্য। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের প্রথম মুসলমান কবি মনে রাখতে সগীর নামটি প্রথমে মনে রাখবে। সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের আমলে ইউসুফ জলেখা লিখে তিনি ইতিহাস সৃষ্টি করেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের প্রথম মুসলমান কবি এবং তাঁর রচিত কাব্যের নাম প্রায়ই আসে। এই প্রশ্নটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্যান্য কবির নাম মনে রাখা সহজ হবে।
a মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
b উপমিত কর্মধারয়
c রূপক কর্মধারয়
d উপমান কর্মধারয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রূপক কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভেদ বা কল্পিত অভিন্নতা বোঝালে রূপক কর্মধারয় সমাস হয়। - এখানে ক্রোধ এবং অনল বা আগুনের মধ্যে কোনো পার্থক্য না করে অভিন্ন কল্পনা করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - রূপক কর্মধারয় সমাসে সাধারণত উপমেয় পদ আগে বসে এবং উপমান পদ পরে বসে মাঝখানে রূপ শব্দটি বসে। - এই সমাসে অদৃশ্য বা কাল্পনিক বস্তুর সঙ্গে দৃশ্যমান বস্তুর তুলনা করে অভেদ স্থাপন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদসিন্ধু ব্যাখ্যা: বিষাদ রূপ সিন্ধু, এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ। উদাহরণ ২: শোকতাপ ব্যাখ্যা: শোক রূপ তাপ, এখানেও অভিন্নতা প্রকাশের জন্য রূপক কর্মধারয় সমাস হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় — মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ সম্পূর্ণ লোপ পায়, যা এখানে হয়নি। B) উপমিত কর্মধারয় — উপমিত কর্মধারয়ে সাধারণ ধর্ম উল্লেখ থাকে না এবং উপমেয় আগে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) রূপক কর্মধারয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে ক্রোধ ও অনলের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে। D) উপমান কর্মধারয় — উপমান কর্মধারয়ে সাধারণ ধর্ম উল্লেখ থাকে এবং দৃশ্যমান বস্তুর তুলনা বোঝায়, যা এখানে নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্যের মাঝে রূপ শব্দটি থাকলে এবং দুটি পদের মধ্যে মিল বা অভেদ বোঝালে চোখ বন্ধ করে রূপক কর্মধারয় দাগাবে। - ক্রোধ, বিষাদ, শোক বা মন জাতীয় অদৃশ্য পদের সঙ্গে আগুন বা সাগরের তুলনা থাকলে সাধারণত রূপক সমাস হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিষাদসিন্ধু, ক্রোধানল এবং জীবননদী শব্দগুলো বারবার আসে। - রূপক কর্মধারয় চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে রূপ পদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা।
a 1
b এক
c প্রথম
d পহেলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পহেলা ১. কেন সঠিক: তারিখবাচক শব্দ হলো সেই শব্দ যা মাসের কত তারিখ বা দিন তা নির্দেশ করে। পহেলা শব্দটি মাসের প্রথম দিন বা এক তারিখ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি একটি তারিখবাচক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংখ্যাবাচক শব্দ নানা প্রকারের হয় যেমন অঙ্কবাচক, ক্রমবাচক, তারিখবাচক ও অংশবাচক। ১ থেকে ৪ পর্যন্ত সংখ্যাবাচক শব্দের ক্ষেত্রে তারিখ বোঝানোর নিজস্ব রূপ রয়েছে যেমন পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পহেলা বৈশাখ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সনের প্রথম দিন বা এক তারিখ বোঝায়। উদাহরণ ২: দোসরা ডিসেম্বর ব্যাখ্যা: এটি মাসের দুই তারিখ বা দ্বিতীয় দিন নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1 — এটি একটি অংক বা সংখ্যা প্রতীক মাত্র, নির্দিষ্ট কোনো তারিখবাচক শব্দের রূপ নয়। B) এক — এটি মূলত মূল সংখ্যাবাচক বা অঙ্কবাচক শব্দ, যা কোনো নির্দিষ্ট তারিখ প্রকাশ করে না। C) প্রথম — এটি ক্রমবাচক শব্দ, যা কোনো সারি বা ক্রমানুসার বোঝায় কিন্তু তারিখবাচক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মাসের প্রথম চার দিনের নির্দিষ্ট তারিখবাচক রূপ মনে রাখবে যেমন পহেলা, দোসরা, তেসরা ও চৌঠা। ক্রমবাচক শব্দের সঙ্গে তারিখবাচক শব্দের পার্থক্য সবসময় খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তারিখবাচক ও ক্রমবাচক শব্দের পার্থক্য প্রায়ই আসে। ১ থেকে ৪ পর্যন্ত তারিখবাচক রূপগুলো ব্যতিক্রমী হওয়ায় ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a চণ্ডীদাস
b বিদ্যাপতি
c রামকৃষ্ণ পরমহংস
d বিবেকানন্দ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চণ্ডীদাস ১. কেন সঠিক: - উক্ত বিখ্যাত বাণীটির রচয়িতা মধ্যযুগের পদাবলির আদি কবি চণ্ডীদাস। - এই পংক্তির মাধ্যমে মানুষের মর্যাদা এবং শ্রেষ্ঠত্বকে পৃথিবীর সমস্ত কিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলির অন্যতম প্রধান কবি হলেন চণ্ডীদাস। - সহজ সরল ভাষা এবং গভীর মানবপ্রেম তাঁর কবিতার প্রধান বৈশিষ্ট্য যা এই চরণের মধ্যে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সহজ জীবনের গান ব্যাখ্যা: চণ্ডীদাসের পদগুলোতে কৃত্রিমতা নেই, মানুষের সহজ অনুভূতির প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: মানুষের জয়গান ব্যাখ্যা: এই পংক্তির মাধ্যমে বৈষম্যহীন সমাজ ও মানবতাবাদের শাশ্বত বাণী প্রচার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চণ্ডীদাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ উল্লিখিত বিখ্যাত মানবতাবাদী পংক্তিটি তাঁরই রচনা। B) বিদ্যাপতি — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি মিথিলার কবি ছিলেন এবং তাঁর পদাবলির মূল সুর রাধা-কৃষ্ণের প্রেম। C) রামকৃষ্ণ পরমহংস — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন আধ্যাত্মিক সাধক ও ধর্মগুরু ছিলেন। D) বিবেকানন্দ — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি রামকৃষ্ণ পরমহংসের শিষ্য ও আধুনিক ভারতের অন্যতম চিন্তাবিদ ছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মানুষ সত্য কথাটি মনে রাখতে চণ্ডীদাস নামটি মনে রাখবে। - মধ্যযুগের মানবতাবাদী কবি বললেই চণ্ডীদাসের নাম সবার আগে আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই ধরনের সাহিত্যিক উদ্ধৃতি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - মধ্যযুগের প্রখ্যাত কবি ও তাঁদের বিখ্যাত পংক্তিগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।
a ৭ টি
b ৬ টি
c ৫ টি
d ৯ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় ফলা হলো মোট ছয়টি। ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ যখন স্বরবর্ণ বা অন্য ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন তাকে ফলা বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ফলা হলো ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ যা অন্য বর্ণের নিচে বা পাশে বসে যুক্তবর্ণ গঠন করে। বাংলা ব্যাকরণে ফলা মোট ছয়টি যথা ন ফলা, ম ফলা, য ফলা, র ফলা, ল ফলা এবং ব ফলা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রত্ন শব্দটি ন ফলা যোগে গঠিত হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে ত বর্ণের নিচে ন ফলা যুক্ত হয়ে রত্ন শব্দটি তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: পদ্মা শব্দটি ম ফলা যোগে গঠিত হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে দ বর্ণের নিচে ম ফলা যুক্ত হয়ে পদ্মা শব্দটি তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ টি — বাংলা বর্ণমালায় ফলা সাতটি নয়, কারণ মৌলিক ফলা নির্ধারিত আছে ছয়টি। অতিরিক্ত কোনো ফলা ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়। B) ৬ টি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী ফলা নির্দিষ্টভাবে ছয়টিই। C) ৫ টি — পাঁচটি ফলা ধরলে একটি প্রধান ফলা বাদ পড়ে যায়, তাই এটি ভুল। D) ৯ টি — নয়টি ফলা বলতে কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই, এটি ভুল তথ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: নম্বর ছয় মনে রাখতে পারো এভাবে যে ফলা হলো ছয়টি অর্থাৎ নম যর লব। এটি দিয়ে ছয়টি ফলার প্রথম বর্ণ মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বর্ণমালা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে যেমন কার কয়টি বা ফলা কয়টি। কার হলো দশটি এবং ফলা হলো ছয়টি, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a সদাচার
b সততা
c মমতা
d সংযম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সদাচার ১. কেন সঠিক: - শিষ্টাচার শব্দের অর্থ ভালো আচরণ, ভদ্রতা বা শালীনতা। - সদাচার শব্দের অর্থও সৎ বা ভালো আচরণ, যা মূল শব্দের সমার্থক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ, যা ভিন্ন রূপের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। - এখানে বিশেষ্য পদের সমার্থক শব্দ হিসেবে অপর একটি বিশেষ্য পদ ব্যবহৃত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃতজ্ঞতা ব্যাখ্যা: এটি উপকার স্বীকার করার ভাব প্রকাশ করে, যা ভালো আচরণের অংশ। উদাহরণ ২: বিনয় ব্যাখ্যা: এটি মানুষের নম্র স্বভাব ও শিষ্টাচারের অন্যতম প্রধান বহিঃপ্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সদাচার — এটি সঠিক উত্তর। B) সততা — এর অর্থ সাধুতা বা সৎ থাকা, যা আচরণের চেয়ে নৈতিকতার সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত। C) মমতা — এর অর্থ স্নেহ, মায়া বা করুণা, যা আলাদা একটি আবেগ প্রকাশ করে। D) সংযম — এর অর্থ নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখা, যা শিষ্টাচারের সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শিষ্টাচার ও সদাচার দুটি শব্দের শুরুতেই শ এবং স ধ্বনি আছে এবং দুটির অর্থ ভালো আচরণ বোঝায়। - পরীক্ষার হলে সদ অর্থ ভালো এবং আচার অর্থ আচরণ মনে রাখলেই উত্তর মেলানো সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - সমার্থক শব্দ পড়ার সময় শব্দের মূল ভাব বা অর্থের গভীরতা খেয়াল রাখতে হবে।
a পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
b আগুনের পরশমণি
c একাত্তরের দিনগুলি
d একাত্তর কথা কয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আগুনের পরশমণি ১. কেন সঠিক: - আগুনের পরশমণি হুমায়ূন আহমেদ রচিত ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় উপন্যাস। - এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের অবরুদ্ধ ঢাকায় একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের চোখের সামনে ঘটে যাওয়া মুক্তিযুদ্ধের বাস্তব চিত্র ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসের রচয়িতা হলেন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদ। - এটি বাংলা সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের ধারায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন এবং পরবর্তীকালে এই উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে একটি চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা ও জননীর গল্প ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিশাল ক্যানভাসের ঐতিহাসিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: ইরেইসা বা একাত্তরের দিনগুলি ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমাম রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য ও বিখ্যাত স্মৃতিকথা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য, উপন্যাস নয়। C) একাত্তরের দিনগুলি — এটি শহীদ জননী জাহানারা ইমাম রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য স্মৃতিকথা, উপন্যাস নয়। D) একাত্তর কথা কয় — এটি মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণমূলক একটি গ্রন্থ, যা কোনো উপন্যাস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - হুমায়ূন আহমেদের বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো আগুনের পরশমণি ও জোছনা ও জননীর গল্প উভয়ই উপন্যাস। - নাটকের ক্ষেত্রে সৈয়দ শামসুল হকের পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় এবং স্মৃতিকথার ক্ষেত্রে জাহানারা ইমামের একাত্তরের দিনগুলি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপন্যাস, নাটক এবং স্মৃতিকথার মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - তাই রচনার নাম দেখে তার সাহিত্যরূপ অর্থাৎ উপন্যাস, নাটক কিংবা স্মৃতিকথা ভালোভাবে যাচাই করে উত্তর করতে হবে।
a সামাজিক নাটক
b প্রেমমূলক নাটক
c কাব্যধর্মী নাটক
d রূপক নাটক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাব্যধর্মী নাটক ১. কেন সঠিক: ফররুখ আহমদের 'নৌফেল ও হাতেম' একটি কাব্যধর্মী নাটক কারণ এটি কাব্যের ছন্দে রচিত হলেও এতে নাট্যধর্ম বা সংলাপের রূপ রয়েছে। বাংলা সাহিত্যে কাব্যধর্মী নাটকে পদ্যের ছাঁদ ও নাটকের আকৃতি একসঙ্গে প্রকাশিত হয়, যা এই নাটকে স্পষ্টভাবে বিদ্যমান। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ফররুখ আহমদ বিংশ শতাব্দীর মুসলিম রেনেসাঁসের অন্যতম প্রধান কবি যিনি ইসলামী ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সুফি ভাবধারায় সাহিত্য রচনা করেছেন। তার 'নৌফেল ও হাতেম' নাটকে নৈতিকতা, মানবপ্রেম এবং আধ্যাত্মিক চেতনার চমৎকার প্রকাশ ঘটেছে যা তাকে কাব্যনাট্যকার হিসেবে পরিচিত করে তুলেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর 'রক্তাক্ত প্রান্তর' ব্যাখ্যা: এটি একটি ঐতিহাসিক নাটক হলেও এর সংলাপে কাব্যময়তা ও গভীর আবেগ লক্ষ্য করা যায়। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'বহি পীর' ব্যাখ্যা: এটি একটি সামাজিক নাটক যার পটভূমি ও সংলাপ বাংলা নাট্যসাহিত্যে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সামাজিক নাটক — এই নাটকটি সমাজজীবনের সাধারণ সমস্যা নিয়ে রচিত নয় বরং এর মূল সুর আধ্যাত্মিক ও নৈতিক। B) প্রেমমূলক নাটক — সাধারণ রোমান্টিক প্রেমের আখ্যান এটি নয়, বরং এখানে মানবকল্যাণ ও ত্যাগের মহিমা প্রকাশ পেয়েছে। C) কাব্যধর্মী নাটক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক। D) রূপক নাটক — রূপক নাটকে চরিত্রগুলো কোনো abstract বা বিমূর্ত ধারণার প্রতীক হয়, যা এই নাটকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ফররুখ আহমদ মানেই ইসলামী ঐতিহ্য এবং কাব্যময়তা, তাই তার নাটক বললেই কাব্যধর্মী নাটক মনে রাখতে হবে। কাব্যধর্মী নাটকে পদ্যের ছন্দ ও নাটকের রূপ একসঙ্গে থাকে, এই সূত্রটি মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ফররুখ আহমদের সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে তার কাব্যগ্রন্থ ও কাব্যনাট্য সম্পর্কে। কোনো সাহিত্যিক কাব্যধারার হলে তার রচিত নাটক বা অন্যান্য রচনার ধরন ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a তিন প্রকার
b চার প্রকার
c পাঁচ প্রকার
d দুই প্রকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তিন প্রকার ১. কেন সঠিক: ক্রিয়ার মূল অংশকে ধাতু বলা হয়। উৎস ও প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে বাংলা ভাষার ধাতু মূলত তিন ভাগে বিভক্ত। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ধাতু প্রধানত তিন প্রকার যথা মৌলিক ধাতু, সাধিত ধাতু ও সংযোগমূলক ধাতু। ব্যাকরণের নিয়মানুযায়ী ক্রিয়াপদের মূল একক হলো এই ধাতু। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কর ধাতু। ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক ধাতু যা বিশ্লেষণ করা যায় না। উদাহরণ ২: পড়া ধাতু। ব্যাখ্যা: এটি একটি সাধিত ধাতু যা মৌলিক ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিন প্রকার — এটি সঠিক কারণ ধাতু প্রধানত মৌলিক, সাধিত ও সংযোগমূলক এই তিন ভাগে বিভক্ত। B) চার প্রকার — বাংলা ব্যাকরণে ধাতু চার প্রকার নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। C) পাঁচ প্রকার — বাংলা ব্যাকরণে ধাতুর সংখ্যা বা প্রকারভেদ পাঁচ প্রকার হিসেবে নির্ধারিত নয়। D) দুই প্রকার — ধাতু প্রধানত দুই প্রকার নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ধাতুর প্রকার মনে রাখার সহজ উপায় হলো মৌলিক, সাধিত ও সংযোগমূলক এই তিনটি প্রধান নাম মনে রাখা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু কয় প্রকার বা এদের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মৌলিক ধাতু ও সাধিত ধাতুর পার্থক্য ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a বর্ণ
b শব্দ
c ধ্বনি
d বাক্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাক্য ১. কেন সঠিক: ভাষার মূল উপকরণ বাক্য, কারণ মানুষ মনের ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশের জন্য বাক্যের ওপর নির্ভর করে। বাক্যের মাধ্যমেই ভাষার সার্থক রূপ প্রকাশ পায় এবং বক্তার মনোভাব শ্রোতার কাছে পুরোপুরি বোধগম্য হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি হলেও মনের ভাব প্রকাশের প্রধান ও মূল উপাদান হলো বাক্য। ভাষার মূল ভিত্তি হলো শব্দ ও পদ, যা সুবিন্যস্ত হয়ে বাক্য গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ একটি সুন্দর দেশ। ব্যাখ্যা: এটি একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য যা মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: পাখি আকাশে ওড়ে। ব্যাখ্যা: এটিও একটি সার্থক বাক্য যার মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্ণ — বর্ণ হলো ভাষার লিখিত রূপের প্রতীক বা ধ্বনির লিখিত রূপ, যা ভাষার মূল উপকরণ নয়। B) শব্দ — শব্দ বাক্যের উপাদান হলেও এটি একা সবসময় সম্পূর্ণ মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে না। C) ধ্বনি — ধ্বনি হলো ভাষার মূল ভিত্তি বা ক্ষুদ্রতম একক, কিন্তু এটি দিয়ে সরাসরি পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশ করা যায় না। D) বাক্য — এটি সঠিক উত্তর, কারণ বাক্যই মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশের প্রধান মাধ্যম। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাষার মূল উপকরণ বা ভাব প্রকাশের প্রধান মাধ্যম বললে উত্তর হবে বাক্য। আর ভাষার ক্ষুদ্রতম একক বললে উত্তর হবে ধ্বনি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা ও ব্যাকরণের মৌলিক একক সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। ধ্বনি, শব্দ এবং বাক্যের পার্থক্য স্পষ্ট থাকলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই করা সম্ভব।
a ছোটগল্প
b কাব্য
c নাটক
d মহাকাব্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাব্য ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ একটি পদ্য বা কাব্যভিত্তিক রচনা, তাই বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম শাখা হলো কাব্য। প্রাচীনকালে সাহিত্যের মাধ্যম হিসেবে গদ্যের বিকাশ ঘটেনি, ফলে সব সাহিত্যই কবিতার ছন্দে রচিত হতো। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ ধরা হয় সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত এবং এই যুগের একমাত্র প্রামাণিক নিদর্শন হলো চর্যাপদ। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ সালে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্যসংকলন যা সন্ধ্যা বা আলো-আঁধারি ভাষায় রচিত। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন কাব্য যা বড়ু চণ্ডীদাস রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছোটগল্প — এটি আধুনিক যুগের সাহিত্য শাখা এবং প্রাচীনকালে এর অস্তিত্ব ছিল না। C) নাটক — নাট্যসাহিত্য বাংলা সাহিত্যে আধুনিক যুগে ইউরোপীয় প্রভাবে বিকশিত হয়েছে। D) মহাকাব্য — মহাকাব্য হলো দীর্ঘ আকৃতির পদ্যকাব্য যা বাংলা সাহিত্যে উনিশ শতকে মাইকেল মধুসূদন দত্তের হাতে প্রথম রচিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাচীন যুগ মানেই পদ্য বা কবিতা, তাই উত্তর হবে কাব্য। প্রাচীনকালে গদ্য লেখার প্রচলন ছিল না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ একটি গান বা পদের সংকলন। প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্দেশক হিসেবে যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a ১৯০৭ সালে
b ১৯০৯ সালে
c ১৯১১ সালে
d ১৯২১ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯১১ সালে ১. কেন সঠিক: - 'বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমাজ' ১৯১১ সালের ১৯ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়। - এই সংগঠনের লক্ষ্য ছিল মুসলিম সমাজের মধ্যে আধুনিক সাহিত্যচর্চার প্রসার ঘটানো। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুসলিম সাহিত্য সমাজ ১৯২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ১৯১১ সালের বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমাজ থেকে আলাদা। - এই সমাজের মুখপত্র ছিল 'বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা'। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুসলিম সাহিত্য সমাজ ব্যাখ্যা: এটি ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর মুখপত্র ছিল 'শিখা'। উদাহরণ ২: বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন ব্যাখ্যা: মুসলিম সাহিত্য সমাজের মূল স্লোগান ছিল বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৭ সালে — এই সালে কোনো নির্দিষ্ট সাহিত্য সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়নি। B) ১৯০৯ সালে — এই সালে 'বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমাজ' প্রতিষ্ঠিত হয়নি। D) ১৯২১ সালে — এই সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়, সাহিত্য সমাজ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হয় এবং এই সালেই বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়। - সালটি মনে রাখতে ১৯১১ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমাজের প্রতিষ্ঠাকাল প্রায়ই বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আসে। - ১৯১১ এবং ১৯২৬ সালের সাহিত্য সংগঠনগুলোর পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a শেখ মুজিবুর রহমান
b আনোয়ার পাশা
c শেখ হাসিনা
d কবির চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শেখ মুজিবুর রহমান ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর শেখ মুজিবুর রহমান কারণ তিনি চীন ভ্রমণ নিয়ে এই আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থটি রচনা করেছেন। - আমার দেখা নয়াচীন গ্রন্থটিতে তার চীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালে চীন সফর করেন এবং সেই সফরের স্মৃতি নিয়ে এই গ্রন্থটি লেখেন। - বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি বাঙালির ভ্রমণসাহিত্য ও আত্মজীবনী ধারার একটি অত্যন্ত মূল্যবান দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী ব্যাখ্যা: এটিও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: কারাগারের রোজনামচা ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর আরেকটি বিখ্যাত গ্রন্থ যেখানে তার কারাজীবনের দিনলিপি ও ভাবনা প্রকাশিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেখ মুজিবুর রহমান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি আমার দেখা নয়াচীন গ্রন্থের লেখক। B) আনোয়ার পাশা — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও সাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থের লেখক নন। C) শেখ হাসিনা — তিনি বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও লেখক হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির রচয়িতা নন। D) কবির চৌধুরী — তিনি একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক হলেও এই গ্রন্থটি তিনি লেখেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা তিনটি প্রধান গ্রন্থ হলো অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়াচীন। - নয়াচীন সম্পর্কিত যে কোনো বই বা ভ্রমণকাহিনির প্রশ্ন আসলে চোখ বন্ধ করে বঙ্গবন্ধুর নাম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আমার দেখা নয়াচীন গ্রন্থটি কোন সালে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রকাশক কে, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জেনে রাখা জরুরি। - এই ধরনের জীবনীমূলক ও ভ্রমণসাহিত্য থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a জাত
b আরম্ভ
c গৃহীত
d রক্ষিত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গৃহীত ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে প্রদত্ত উত্তর সি অর্থাৎ গৃহীত বলা হয়েছে, যা একটি সংশোধনযোগ্য ত্রুটি। বাংলা ব্যাকরণের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী 'দুধ থেকে দই হয়' বাক্যে 'দুধ থেকে' অপাদান কারকের জাত অর্থে ব্যবহৃত হয়। কারণ কোনো কিছু থেকে উৎপন্ন, জাত বা সৃষ্টি বোঝালে তা জাত অর্থে অপাদান কারক হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যাহা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, উৎপন্ন, ভীত, গৃহিত বা রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয় তাকে অপাদান কারক বলে। দুধ থেকে দই উৎপন্ন বা জাত হয় বিধায় এটি জাত বা উৎপন্ন অর্থ নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে। ব্যাখ্যা: এটি বিচ্যুতি অর্থে অপাদান কারকের উদাহরণ কারণ পাতা গাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হচ্ছে। উদাহরণ ২: জমি থেকে ফসল পায়। ব্যাখ্যা: এটি জাত বা উৎপন্ন অর্থে অপাদান কারকের উদাহরণ কারণ জমি থেকে ফসল উৎপন্ন হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাত — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও প্রশ্নে এই অপশনটি দেওয়া হয়নি। B) আরম্ভ — কোনো কাজের শুরু বা সূচনা বোঝালে আরম্ভ অর্থে অপাদান হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) গৃহীত — প্রশ্নে এই উত্তরটি প্রদান করা হলেও প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী দুধ থেকে দই হওয়া মূলত জাত বা উৎপন্ন হওয়ার অন্তর্ভুক্ত। D) রক্ষিত — কোনো কিছু থেকে রক্ষা পাওয়া বা বাঁচানো বোঝালে রক্ষিত অর্থে অপাদান হয়, যা এখানে মিলছে না। ৫. মনে রাখার টিপস: উৎপন্ন হওয়া বা তৈরি হওয়া বোঝালে সবসময় জাত অর্থে অপাদান কারক হয়। পরীক্ষার হলে দুধ থেকে দই দেখলে জাত বা উৎপন্ন শব্দটি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস ও ক্রিয়ার সম্পর্ক ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। উৎস থেকে কিছু তৈরি হলে তা জাত অর্থে অপাদান হিসেবে গণ্য হয়।
a মহারাজা কৃষ্ণ চরিত্র
b রাজাবলী
c রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র
d কথোপকথন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র ১. কেন সঠিক: - বাঙালি রচিত এবং বাংলা অক্ষরে মুদ্রিত প্রথম গ্রন্থ হলো রামরাম বসু রচিত রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র। - এই গ্রন্থটি ১৮০১ সালে শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা গদ্যের বিকাশে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গ্রন্থটির রচয়িতা রামরাম বসু উইলিয়াম কেরি সাহেবের মুন্সি হিসেবে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে কর্মরত ছিলেন। - এটি মূলত রাজা প্রতাপাদিত্যের জীবন ও কর্মের ওপর আধারিত একটি ঐতিহাসিক ও গদ্যমূলক রচনা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচিত রাজাবলী ব্যাখ্যা: এটি ১৮০৮ সালে প্রকাশিত একটি ঐতিহাসিক গ্রন্থ যা বাঙালি রচিত ও বাংলা অক্ষরে মুদ্রিত প্রাথমিক গদ্যগ্রন্থগুলোর অন্যতম। উদাহরণ ২: উইলিয়াম কেরি রচিত কথোপকথন ব্যাখ্যা: এটি ১৮০১ সালে প্রকাশিত একটি কথোপকথনমূলক গ্রন্থ যা বাংলা ভাষা শেখার জন্য রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহারাজা কৃষ্ণ চরিত্র — এটি রামরাম বসু রচিত অপর একটি গ্রন্থ হলেও বাঙালি রচিত প্রথম মুদ্রিত বাংলা গ্রন্থ নয়। B) রাজাবলী — এটি মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচিত একটি ঐতিহাসিক গ্রন্থ এবং এর প্রকাশের সাল ও বিষয়বস্তু ভিন্ন। D) কথোপকথন — এটি উইলিয়াম কেরি কর্তৃক রচিত ও সংকলিত গ্রন্থ, কোনো বাঙালি লেখকের রচিত প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রামরাম বসুর প্রথম কাজ এবং বাঙালি লেখকের প্রথম বাংলা বই মনে রাখতে রামরাম ও রাজা প্রতাপাদিত্য একসাথে মনে রাখুন। - ১৮০১ সালটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ও বাংলা গদ্যের সূচনার জন্য স্মরণীয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের নাম এবং তাদের রচিত গ্রন্থগুলোর নাম বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - বাংলা গদ্য সাহিত্যের আদি ইতিহাস থেকে এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত পুনরাবৃত্তি হয়।
a অবকাশ রঞ্জিকা
b বৃত্ত সংহার
c বিরহ বিলাপ
d বীরাঙ্গনা কাব্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বৃত্ত সংহার ১. কেন সঠিক: - বৃত্ত সংহার একটি সফল বাংলা মহাকাব্য। - মহাকাব্যের মূল বৈশিষ্ট্য যেমন স্বর্গ বা সর্গ বিভাজন, ট্র্যাজিক সুর এবং পৌরাণিক কাহিনীর উপস্থিতি এতে বিদ্যমান। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এই মহাকাব্যের রচয়িতা। - ১৮৭২ সালে প্রকাশিত এই কাব্যটি মেঘনাদবধ কাব্যের পর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য হিসেবে বিবেচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ সার্থক মহাকাব্য। উদাহরণ ২: মহাশ্মশান ব্যাখ্যা: এটি কায়কোবাদ রচিত ঐতিহাসিক ও বিষাদান্তক মহাকাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবকাশ রঞ্জিকা — এটি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত গীতিকাব্য বা খণ্ডকবিতা, মহাকাব্য নয়। B) বৃত্ত সংহার — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি একটি মহাকাব্য। C) বিরহ বিলাপ — এটি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি শোকগাথা বা বিষাদমূলক抒্তিমূলক কাব্য, মহাকাব্য নয়। D) বীরাঙ্গনা কাব্য — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য, মহাকাব্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - হেমচন্দ্রের বিখ্যাত মহাকাব্যের নাম মনে রাখতে বৃত্ত সংহার শব্দ দুটি মনে রাখতে পারো। - বীরাঙ্গনা হলো পত্রকাব্য আর বৃত্ত সংহার হলো মহাকাব্য। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মহাকাব্যের নাম ও লেখকের নাম জানতে চাওয়া হয়। - হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়কে তার বীরত্বব্যঞ্জক রচনার জন্য বাংলার বায়রন বলা হয়।
a বিধু
b আদিত্য
c অর্ণব
d অলক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আদিত্য ১. কেন সঠিক: - 'আদিত্য' শব্দের অর্থ সূর্য, যা দেবমাতা দিতির পুত্র বা সূর্য দেবতার একটি অন্যতম বৈদিক নাম। - সূর্য প্রকৃতির এমন একটি অবজেক্ট যা আলো ও উত্তাপ প্রদান করে এবং এর বহু পৌরাণিক ও কাব্যিক নাম রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যেগুলোর অর্থ মূলত একই বা কাছাকাছি কিন্তু রূপ ভিন্ন। - বাংলা ভাষায় শব্দের প্রাচুর্য বোঝাতে তৎসম, তদ্ভব ও দেশি শব্দের পাশাপাশি বহু পৌরাণিক সমার্থক শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবিতা ব্যাখ্যা: এটি সূর্যের আরেকটি বহুল প্রচলিত তৎসম সমার্থক শব্দ যার অর্থ প্রসবকারী বা আলো দানকারী। উদাহরণ ২: দিবাকর ব্যাখ্যা: দিন বা দিবসকে যে কর বা আলো দিয়ে পরিষ্কার বা আলোকিত করে, তাকে দিবাকর বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিধু — বিধু শব্দের অর্থ চাঁদ, যা রাতের আকাশে আলো দেয় কিন্তু সূর্য নয়। B) আদিত্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সরাসরি সূর্য। C) অর্ণব — অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র বা সাগর, যা জলরাশির বিশাল ভাণ্ডার নির্দেশ করে। D) অলক — অলক শব্দের অর্থ চুলের গুচ্ছ বা কুঞ্চিত চুল, যা নারী বা পুরুষের সৌন্দর্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - দেবমাতা অদিতির সন্তানদের বলা হয় আদিত্য, যাদের প্রধান হলেন সূর্য দেবতা। - পরীক্ষার হলে সূর্যের সমার্থক শব্দ মনে রাখতে ভাস্কর, দিবাকর, তপন, রবি ও আদিত্য একসাথে মুখস্থ করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্য, চাঁদ, সমুদ্র ও আকাশের সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে পৌরাণিক নামগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর করা সহজ হয়।
a ষোড়শ শতকে
b নবম শতকে
c ত্রয়োদশ শতকে
d উনিশ শতকে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উনিশ শতকে ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যে গদ্যের আত্মপ্রকাশ ও প্রাতিষ্ঠানিক সূচনা মূলত উনিশ শতকেই ঘটেছিল। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের হাত ধরে বাংলা গদ্য প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১৮০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার পর বাংলা গদ্য রচনার সূত্রপাত হয়। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, রামমোহন রায় প্রমুখের প্রচেষ্টায় এই শতকেই গদ্য পূর্ণতা লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা রামমোহন রায়ের বেদান্তগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকের শুরুতে প্রকাশিত বাংলা গদ্যের অন্যতম নিদর্শন। উদাহরণ ২: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বেতালপঞ্চবিংশতি। ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকের মধ্যভাগে প্রকাশিত বাংলা গদ্যের একটি ধ্রুপদী রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষোড়শ শতকে — এই সময়ে বাংলা সাহিত্যে মূলত পদাবলী ও মঙ্গলকাব্য রচিত হতো, কোনো গদ্যরীতি ছিল না। B) নবম শতকে — নবম থেকে দ্বাদশ শতক পর্যন্ত সময়কালকে চর্যাপদের যুগ বা বাংলা কবিতার সূচনাকাল বলা হয়, তখন গদ্য ছিল না। C) ত্রয়োদশ শতকে — ত্রয়োদশ শতকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের মতো পদ্যভিত্তিক সাহিত্য রচিত হয়েছে, গদ্যের অস্তিত্ব ছিল না। D) উনিশ শতকে — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলা গদ্যের জন্ম ও বিকাশ মূলত এই শতকেই ঘটেছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: কবিতা বা পদ্য প্রাচীনকাল থেকেই থাকলেও বাংলা গদ্যের বয়স বেশি দিন নয়। উনিশ শতক বা ১৮০০ সালের পর থেকে বাংলা গদ্যের সূচনা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলা গদ্যের জনক কে বা গদ্যের সূচনা কোন শতকে। সঠিক উত্তর হবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এবং উনিশ শতক।
a সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
b মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
c শহীদুল্লাহ কায়সার
d মুনীর চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ১. কেন সঠিক: - 'কাঁদো নদী কাঁদো' হলো বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি প্রখ্যাত বাংলা উপন্যাস। - এই উপন্যাসে আবহমান বাংলার নদী ও মানুষের জীবন সংগ্রামের এক গভীর মনস্তাত্ত্বিক চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা উপন্যাসে আধুনিকতা ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ধারার অন্যতম প্রধান প্রবক্তা ও পথিকৃৎ। - তাঁর রচিত এই উপন্যাসের নদী ও মানুষ একে অপরের পরিপূরক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে এবং এটি বাংলা কথাসাহিত্যে একটি অনন্য সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লালসালু ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বহুল পঠিত সামাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: চাঁদের অমাবস্যা ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ঔপন্যাসিকই 'কাঁদো নদী কাঁদো' গ্রন্থটি রচনা করেছেন। B) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি প্রখ্যাত উপন্যাসিক হলেও 'কাঁদো নদী কাঁদো' তাঁর রচিত কোনো গ্রন্থ নয়। C) শহীদুল্লাহ কায়সার — তিনি 'সংশপ্তক' ও 'সারেং বৌ' উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। D) মুনীর চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও শিক্ষাবিদ হলেও এই উপন্যাসটি তাঁর লেখা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস সংখ্যা খুবই কম, তাই তাঁর নাম মনে রাখা সহজ। - 'কাঁদো নদী কাঁদো' নামটি দেখলেই ওয়ালীউল্লাহর মনস্তাত্ত্বিক ধারার কথা স্মরণ করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - তাঁর লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা ও কাঁদো নদী কাঁদো এই তিনটি উপন্যাস ভালোভাবে পড়লে কমন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
a মাইকেল মধুসূদন দত্ত
b কবি জসিম উদ্দীন
c কাজী নজরুল ইসলাম
d সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ১. কেন সঠিক: সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে বাংলা ভাষার ছন্দের জাদুকর বলা হয় কারণ তিনি বাংলা কবিতায় ছন্দ ও রূপের এক অভাবনীয় কারুকাজ ফুটিয়ে তুলেছিলেন। বিদেশি ভাষা থেকে অজস্র শব্দ সফলভাবে বাংলায় ব্যবহার করে তিনি ছন্দের জাদুকরি ক্ষমতা দেখিয়েছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত বাংলা কাব্যে নানা নতুন ছন্দ ও পঙক্তি প্রবর্তন করে অমর হয়ে আছেন। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে কুহু ও কেকা, বেলা শেষের গান ও সবিতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের বিখ্যাত কবিতা কুহু ও কেকা। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় তার ছন্দ ও ভাষার জাদুকরি দক্ষতার অসাধারণ প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত রচিত অনুবাদ কাব্য হ্রস্ব ও দীর্ঘ। ব্যাখ্যা: বিদেশি কবিতার সফল অনুবাদের মাধ্যমে তিনি বাংলা ছন্দের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত, ছন্দের জাদুকর নন। B) কবি জসিম উদ্দীন — তিনি পল্লীকবি নামে সমধিক পরিচিত এবং তার কবিতায় পল্লীপ্রকৃতির সহজ রূপ ফুটে উঠেছে। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত ও সমাদৃত। D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি বাংলা কবিতার ছন্দ ও রূপের জাদুকর হিসেবে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: ছন্দের জাদুকর মনে রাখতে সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত নামের সাথে ছন্দের মিল মনে রাখতে পারো। পরীক্ষায় প্রশ্ন এলে ছন্দের জাদুকর হিসেবে সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে প্রথম পছন্দ হিসেবে ভাববে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে ছন্দের জাদুকর বললে সরাসরি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের নাম আসবে। একইভাবে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক বললে মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম মনে রাখতে হবে।
a পোস্টমাস্টার
b খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন
c ছুটি
d নষ্টনীড়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নষ্টনীড় ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নষ্টনীড় ছোটগল্পটি এর সুদীর্ঘ পটভূমি ও গভীর মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের কারণে উপন্যাসের মর্যাদা লাভ করেছে। চারুলতা, ভুপতি ও অমলের মধ্যকার জটিল সম্পর্কের টানাপোড়েন এত বিস্তারিতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যা ছোটগল্পের প্রচলিত পরিসীমা অতিক্রম করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আধুনিক বাংলা ছোটগল্পের জনক এবং তাঁর হাত ধরেই বাংলা ছোটগল্প বিশ্বমানের রূপ লাভ করে। নষ্টনীড় গল্পটি ১৯০১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত তৎকালীন সমাজের এক নিঃসঙ্গ গৃহিণীর মনের অবরুদ্ধ বাসনা ও ট্র্যাজেডির এক অনন্য শিল্পরূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শেষের কবিতা ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই রচনাটি একটি ব্যতিক্রমী রোমান্টিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: যোগাযোগ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পোস্টমাস্টার — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি নিখুঁত ছোটগল্প যেখানে রানির গ্রামীণ জীবন ও গ্রামীণ দুঃখ এক পলকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে কিন্তু এর পরিধি ছোটগল্পের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। B) খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন — এটি একটি চমৎকার ছোটগল্প যা গ্রামীণ যৌথ পরিবারের স্নেহ ও আত্মত্যাগের করুণ কাহিনী নিয়ে রচিত কিন্তু উপন্যাসের পর্যায়ে পড়ে না। C) ছুটি — এটিও রবীন্দ্রনাথের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যেখানে ফটিক চরিত্রের মাধ্যমে শৈশবের মনস্তত্ত্ব ও গৃহবাসের কষ্ট ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। D) নষ্টনীড় — এই অপশনটি সঠিক এবং এর ব্যাখ্যা উপরে প্রদান করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: নষ্টনীড় মানে নষ্ট বাসা বা ঘর। এই নামের গল্পটি আয়তনে বড় এবং এর বিস্তার একটি উপন্যাসের মতো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নষ্টনীড় গল্পের প্রধান দুটি চরিত্র চারুলতা এবং অমল। এই গল্প অবলম্বনে সত্যজিৎ রায় চারুলতা চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন।

মোট প্রশ্ন (19)

a an
b no article required
c the
d a
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a কেন সঠিক: - unit শব্দটি ভ (yu) ধ্বনি দিয়ে শুরু হয়, যা consonant sound বা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ নির্দেশ করে। - ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণযুক্ত শব্দের আগে indefinite article হিসেবে a বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an — an শুধু vowel sound বা স্বরবর্ণের উচ্চারণযুক্ত শব্দের শুরুতে বসে। B) no article required — unit একটি countable noun হওয়ায় এখানে article ব্যবহার বাধ্যতামূলক। C) the — নির্দিষ্ট করে বোঝাচ্ছে না বলে এখানে definite article বসবে না। D) a — এটি সঠিক কারণ unit শব্দের শুরুতে ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ থাকায় a বসেছে। মনে রাখার টিপস: ইউ (u) দিয়ে শুরু কোনো শব্দের উচ্চারণ যদি ইউ-এর মতো হয়, তবে তার পূর্বে an না বস1য় a বসে।
a Tell me what is your name.
b Tell me what the name you dear.
c Tell me what your name.
d Tell me what your name is.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Tell me what your name is. কেন সঠিক: - Imperative sentence-এর সাথে WH-Wordযুক্ত Subordinate Clause যুক্ত হলে বাক্যের শেষে Subject-এর পর Verb বসে। - Principal clause-টি Imperative হলেও পরের অংশটি Assertive sentence-এর গঠনে (Subject + Verb) হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tell me what is your name. — এখানে WH-Word-এর পর সরাসরি Verb (is) ব্যবহার করা হয়েছে, যা নিয়ম অনুযায়ী ভুল। B) Tell me what the name you dear. — এখানে dear শব্দের ব্যবহার প্রাসঙ্গিক নয় এবং বাক্যটির গঠন সম্পূর্ণ অর্থহীন। C) Tell me what your name. — এখানে বাক্যে কোনো Principal Verb বা Helping Verb না থাকায় বাক্যটি অসম্পূর্ণ। D) Tell me what your name is. — এটি সঠিক কারণ এখানে WH-Word-এর পর Subject (your name) এবং তারপর Verb (is) বসেছে। মনে রাখার টিপস: Imperative sentence-এর পর WH-word দিয়ে প্রশ্ন করলে শেষ অংশটি नेहमी Subject + Verb গঠনে সাজাতে হয়।
a He thanked me
b He had thanked me
c He told me that thank you
d He wished thank to me
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: A) He thanked me কেন সঠিক: - প্রত্যক্ষ উক্তিতে 'Thank you' থাকলে Indirect speech করার সময় Subject-এর পরে মূল verb-এর Past form বসাতে হয়। - এখানে He-এর পরে thank-এর Past form হিসেবে thanked ব্যবহার করা হয়েছে এবং Object হিসেবে me বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He thanked me — এটি সঠিক উত্তর, কারণ নিয়মানুসারে এটি Direct থেকে Indirect করার সঠিক রূপ। B) He had thanked me — Past perfect tense ব্যবহারের কোনো নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়। C) He told me that thank you — Thank you-কে Direct object ধরে 'that' যুক্ত করার নিয়ম ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) He wished thank to me — 'Wish' verb-এর পরে সরাসরি thank ব্যবহার করা ব্যাকরণসম্মত নয়। মনে রাখার টিপস: Direct speech-এ 'Thank you' থাকলে Indirect ਕਰਨার সময় Subject + thanked + object হয়।
a adolescence
b adolessence
c addoleseence
d adolesense
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) adolescence কেন সঠিক: - সঠিক বানানটি হলো adolescence যার অর্থ কৈশোরকাল। - শব্দটিতে adol + esc + ence এই গঠনরীতি অনুসরণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adolescence — প্রদত্ত উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বানান নির্ভুল। B) adolessence — বানানটিতে esc এর পরিবর্তে ess ব্যবহার করায় এটি ভুল। C) addoleseence — বানানটিতে অতিরিক্ত d এবং ভুল অক্ষর বিন্যাস থাকায় এটি ভুল। D) adolesense — বানানটিতে c বর্ণটি বাদ পড়ায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: adolescence বানানটি মনে রাখতে adol, esc এবং ence এই তিনটি অংশে ভাগ করে চর্চা করতে পারো।
a Nephrologists
b Pathologist
c Gynecologist
d Urologist
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Nephrologist (উল্লেখ্য, প্রশ্নে Nephrologists বহুবচনে দেওয়া আছে, তবে সঠিক চিকিৎসকের একক নাম Nephrologist) কেন সঠিক: - Nephrology হলো চিকিৎসা বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা কিডনির রোগ এবং এর চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা করে। - এই বিশেষ শাখায় চিকিৎসায় নিয়োজিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে Nephrologist বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Nephrologists — এটি কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ বোঝায়, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) Pathologist — ইনি এমন একজন চিকিৎসক যিনি রোগ নির্ণয়ের জন্য ল্যাবরেটরিতে টিস্যু এবং শরীরের তরল পরীক্ষা করেন। C) Gynecologist — ইনি নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্য এবং রোগ সম্পর্কিত বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। D) Urologist — ইনি মূত্রনালী এবং পুরুষদের প্রজনন অঙ্গের রোগ নিয়ে কাজ করেন, তবে কিডনির চিকিৎসার জন্য নির্দিষ্ট শাখা হলো নেফ্রোলজি। মনে রাখার টিপস: গ্রিক শব্দ Nephros এর অর্থ কিডনি, তাই কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ হলো Nephrologist।
a gerund
b adjective
c infinitive
d participle
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) gerund কেন সঠিক: - 'Enjoy' transitive verb-এর পর object হিসেবে Verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun-এর কাজ করেছে। - Verb এবং Noun উভয় কাজ একসঙ্গে করায় একে gerund বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) gerund — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক কারণ এটি verb ও noun উভয়ের কাজ করেছে। B) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-কে বিশেষিত করছে না, তাই adjective নয়। C) infinitive — infinitive গঠনে verb-এর আগে to বসে, যা এখানে নেই। D) participle — participle কেবল verb ও adjective-এর কাজ করে, কিন্তু এটি noun-এর কাজ করেছে। মনে রাখার টিপস: Verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি বাক্যে noun-এর কাজ করে এবং object হিসেবে বসে, তবে তা gerund হয়।
a won't he
b don't he
c doesn't he
d didn't he
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) didn't he কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে রয়েছে, কারণ মূল ভার্বটি হলো এক্সেলেড যা পাস্ট ফর্মে আছে। - পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের অ্যাফার্মেটিভ বাক্যের প্রশ্ন ট্যাগ করার সময় ডিড নট এবং সাবজেক্ট ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) won't he — এটি ফিউচার টেন্সের বাক্যের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু মূল বাক্যটি পাস্ট টেন্সে রয়েছে। B) don't he — এটি প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হলে ডাজ হয়। C) doesn't he — এটি প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সে থার্ড পারসন সিঙ্গুলার সাবজেক্টের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) didn't he — এটি সঠিক অপশন কারণ মূল বাক্যটির ভার্ব পাস্ট ফর্মে থাকায় এখানে ডিড নট ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যের মূল ভার্ব পাস্ট ফর্মে থাকলে প্রশ্ন ট্যাগে ডিড নট বা ডিডেন্ট এবং সাবজেক্ট বসাতে হবে।
a Peer
b Parent
c Spinster
d Boar
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Spinster কেন সঠিক: - 'Spinster' শব্দটির অর্থ অবিবাহিত নারী, যা একটি নির্দিষ্ট Feminine gender বা স্ত্রীবাচক শব্দ। - এর পুরুষবাচক বা Masculine gender হলো 'Bachelor'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Peer — এটি Common gender, যার অর্থ সমকক্ষ ব্যক্তি এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ Peeress। B) Parent — এটি Common gender, যা পিতা বা মাতা উভয়কেই বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) Spinster — এটি এই প্রশ্নের নির্ধারিত সঠিক উত্তর এবং এটি একটি Feminine gender। D) Boar — এটি Masculine gender, যার অর্থ শুকর এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ Sow। মনে রাখার টিপস: Spinster শব্দটির মাধ্যমে কেবল অবিবাহিত নারীদের বোঝানো হয়, তাই এটি সরাসরি Feminine gender হিসেবে গণ্য হয়।
a both
b many
c either
d these
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) either কেন সঠিক: - 'Either' একটি ডিস্ট্রিবিউটিভ ডিটারমিনার যা দুটি বিকল্পের মধ্যে যেকোনো একটিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - এখানে রাস্তার যেকোনো একপাশে পার্ক করা যাবে এমন অর্থ প্রকাশ করায় সঠিক উত্তর হিসেবে 'either' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) both — 'Both' বসালে রাস্তার দুটি পাশকেই বোঝাত, কিন্তু বাক্যটি একক পজিশন নির্দেশ করছে। B) many — 'Many' একটি কোয়ান্টিফায়ার যা বহুবচন কাউন্টেবল নাউনের আগে বসে, কিন্তু এখানে 'side' একবচন। C) either — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) these — 'These' একটি ডেমোনস্ট্রেটিভ প্রোনাউন বা ডিটারমিনার যা বহুবচন নাউনের আগে বসে, কিন্তু 'side' একবচন। মনে রাখার টিপস: একবচন নাউনের আগে দুটি বিকল্পের যেকোনো একটি বোঝাতে সর্বদা 'either' ব্যবহার করবে।
a to
b with
c about
d at
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) about কেন সঠিক: - কোনো ব্যক্তি বা বিষয় নিয়ে দুশ্চিন্তা বা উদ্বেগ প্রকাশ করতে 'worry about' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। - বাক্যের অর্থ অনুযায়ী নিজের সম্পর্কে চিন্তা না করতে বা দুশ্চিন্তা না করতে বোঝাতে 'worry about me' সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — 'worry to' স্বাভাবিক ইংরেজি ব্যাকরণ বা ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। B) with — সাধারণত কোনো জিনিসের সাথে যুক্ত থাকা বোঝাতে 'with' বসে, এখানে প্রযোজ্য নয়। C) about — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) at — নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা লক্ষ্যের দিকে তাকানো বা নিশানা করা বোঝাতে 'at' বসে, দুশ্চিন্তার ক্ষেত্রে নয়। মনে রাখার টিপস: কারো জন্য দুশ্চিন্তা করা বোঝাতে हमेशा 'worry about' ব্যবহার করবে।
a use
b using
c to use
d the use
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) using কেন সঠিক: - ইংরেজি বাক্যে 'insist on' একটি নির্দিষ্ট ফ্রেজাল ভার্ব, যেখানে 'on' হলো একটি প্রিপজিশন। - নিয়ম অনুযায়ী প্রিপজিশনের পর সর্বদা ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হয়, তাই এখানে 'using' সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) use — প্রিপজিশনের পর ভার্বের বেস ফর্ম বসার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই। B) using — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) to use — প্রিপজিশন 'on'-এর পর ইনফিনিটিভ (to + verb) ব্যবহার করা যায় না। D) the use — প্রিপজিশনের পর সরাসরি নাউন বসলেও অর্থের দিক থেকে এখানে জিরান্ড বা ভার্ব প্লাস আইএনজি প্রয়োজন। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'insist on' দেখলে চোখ বন্ধ করে মূল ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত করে দেবে।
a transitive
b intransitive
c linking
d modal
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) intransitive কেন সঠিক: - এই বাক্যে verb হলো opened এবং এর পরে কোনো অবজেক্ট বা কর্ম নেই। - নিজে নিজে ঘটার কারণে এটি intransitive বা অকর্মক ক্রিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) transitive — transitive verb-এর পরে অবজেক্ট থাকে, কিন্তু এই বাক্যে কোনো অবজেক্ট নেই। B) intransitive — এটি সঠিক কারণ এতে কোনো অবজেক্ট নেই এবং কাজটি নিজে নিজে সম্পন্ন হয়েছে। C) linking — linking verb সাধারণত subject এবং complement-কে যুক্ত করে, যা এখানে হয়নি। D) modal — modal auxiliary হলো can, could, must ইত্যাদি, যা এখানে ব্যবহৃত হয়নি। মনে রাখার টিপস: বাক্যের verb-কে কি বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করে উত্তর না পেলে সেটি সাধারণত intransitive verb হয়।
a for a certain period
b for an uncertain period
c for a short time
d divide and conquer
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) for an uncertain period কেন সঠিক: - 'Sine die' একটি ল্যাটিন ফ্রেজ, যার শাব্দিক অর্থ হলো কোনো নির্দিষ্ট দিন ঠিক না করে সভা মুলতবি করা। - এটি মূলত আদালতের বা দাপ্তরিক কার্যক্রমে অনির্দিষ্টকালের জন্য কোনো কার্যক্রম স্থগিত রাখার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for a certain period — নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বোঝাতে 'for a certain period' ব্যবহার করা হয়, যা 'sine die' ফ্রেজের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) for an uncertain period — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। C) for a short time — অল্প সময়ের জন্য কোনো কিছু স্থগিত করা বোঝালে এই ফ্রেজটি উপযুক্ত নয়। D) divide and conquer — এটি একটি ভিন্ন প্রবাদ যার অর্থ বিভক্ত কর এবং শাসন কর, যার সাথে এই ফ্রেজের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: 'Sine die' ফ্রেজে die শব্দটির সাথে দিন বা ডে এর মিল পাওয়া যায়, তাই মনে রাখবে অনির্দিষ্ট দিনের জন্য সভা মুলতবি করা।
a Adverb
b Preposition
c Conjunction
d Interjection
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Conjunction কেন সঠিক: - এখানে 'before' শব্দটি দুটি ভিন্ন clause বা বাক্যাংশকে (Look এবং you leap) যুক্ত করেছে। - সাবঅর্ডিনেটিং কনজাংশন হিসেবে এটি সময়ের সম্পর্ক প্রকাশ করায় সঠিক উত্তরটি Conjunction। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adverb — কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য অ্যাডভার্বকে পরিবর্তন বা বিশেষায়িত না করায় এটি অ্যাডভার্ব নয়। B) Preposition — এর পরে কোনো নাউন বা প্রোনাউন অবজেক্ট হিসেবে বসেনি এবং এটি কোনো পজিশন বা সম্পর্ক বোঝাচ্ছে না। C) Conjunction — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি দুটি পূর্ণাঙ্গ ক্লজকে সফলভাবে সংযুক্ত করেছে। D) Interjection — এটি মনের কোনো হঠাৎ আবেগ বা অনুভূতি প্রকাশ করছে না। মনে রাখার টিপস: কনজাংশন সবসময় দুটি ক্লজ বা বাক্যকে যুক্ত করে, তাই মাঝখানে বসে যুক্ত করলে তা কনজাংশন হয়।
a Obedient
b Disobedient
c Hostile
d Friendly
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Obedient কেন সঠিক: - 'Docile' শব্দটির অর্থ হলো বাধ্য, অবাধ্যতাহীন বা শান্ত প্রকৃতির। - 'Obedient' শব্দটির অর্থও বাধ্য বা অনুগত, যা 'docile' শব্দের সঠিক সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Obedient — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বাধ্য বা অনুগত। B) Disobedient — এর অর্থ অবাধ্য, যা docile শব্দের বিপরীতার্থক অর্থ প্রকাশ করে। সি) Hostile — এর অর্থ শত্রুভাবাপন্ন বা আগ্রাসী, যা docile শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। ডি) Friendly — এর অর্থ বন্ধুভাবাপন্ন, যা বন্ধুত্বপূর্ণ বোঝায় কিন্তু সরাসরি বাধ্য বা শান্ত স্বভাব বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: Docile শব্দটিকে মনে রাখতে পারেন ডগ (Dog) বা কুকুরের স্বভাব দিয়ে, কারণ কুকুর সাধারণত খুব বাধ্য (Obedient) প্রকৃতির হয়।
a Analysis
b Crisis
c Louse
d Soap
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Soap কেন সঠিক: - 'Soap' একটি আনকাউন্টেবল নাউন বা অগণনযোগ্য বিশেষ্য, যা সাধারণত গণনা করা যায় না এবং এর কোনো প্লুরাল ফর্ম বা বহুবচন হয় না। - তরল বা কঠিন পদার্থ হিসেবে সাবানকে একক হিসেবে গণনা করতে হলে 'a bar of soap' বা 'pieces of soap' বলতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Analysis — এটি একটি সিঙ্গুলার নাউন, যার শেষে is রয়েছে এবং এর প্লুরাল ফর্ম হলো analyses। B) Crisis — এটি একটি সিঙ্গুলার নাউন, যার প্লুরাল ফর্ম হলো crises। C) Louse — এটি একটি সিঙ্গুলার নাউন, যার প্লুরাল ফর্ম হলো lice। D) Soap — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি আনকাউন্টেবল নাউন হওয়ায় এর কোনো প্লুরাল ফর্ম নেই। মনে রাখার টিপস: বস্তুবাচক এবং অগণনযোগ্য নাউন যেমন soap, water, milk ইত্যাদির সাধারণত কোনো প্লুরাল ফর্ম হয় না।
a Plenty
b Abundant
c Brave
d Scanty
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Scanty কেন সঠিক: - 'Copious' শব্দটির অর্থ প্রচুর বা পর্যাপ্ত পরিমাণ, যার সঠিক বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিমি হলো 'Scanty'। - 'Scanty' শব্দের অর্থ স্বল্প, অপ্রচুর বা অপর্যাপ্ত, যা 'copious' শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Plenty — এই শব্দটির অর্থ প্রচুর বা অনেক, যা 'copious' শব্দের সমার্থক বা প্রতিশব্দ। B) Abundant — এই শব্দটির অর্থ প্রচুর বা প্রাচুর্যপূর্ণ, যা 'copious' শব্দের সমার্থক শব্দ। C) Brave — এই শব্দটির অর্থ সাহসী, যা 'copious' শব্দের পরিমাণের ধারণার সঙ্গে সম্পর্কহীন। D) Scanty — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ স্বল্প বা অপ্রচুর। মনে রাখার টিপস: কপি বা প্রচুর তথ্য (Copious) জমলে তা আর কম বা স্বল্প (Scanty) থাকে না।
a rise
b arise
c arouse
d raise
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) arouse কেন সঠিক: - ঘুমন্ত বা শুয়ে থাকা কাউকে জাগিয়ে তোলা অর্থে 'arouse' ভার্বটি ব্যবহৃত হয়। - বাক্যটিতে স্মিতাকে গভীর ঘুম থেকে জাগিয়ে তোলার কথা বলা হয়েছে, তাই এখানে সঠিক উত্তর 'arouse'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) rise — এর অর্থ নিজে নিজে ওঠা, যা ঘুম ভাঙানোর ক্ষেত্রে মানুষের ওপর প্রয়োগ করা যায় না। B) arise — এর অর্থ কোনো সমস্যার উদ্ভব হওয়া বা সৃষ্টি হওয়া, যা ঘুম ভাঙানোর ক্ষেত্রে অসংগত। D) raise — এর অর্থ কোনো কিছু ওপরে তোলা বা হাত ও বস্তু উত্তোলন করা, কিন্তু মানুষকে জাগানো বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: ঘুম থেকে কাউকে জাগানোর ক্ষেত্রে সবসময় 'arouse' ব্যবহার করবে, আর নিজে ওঠার ক্ষেত্রে 'rise' ব্যবহার হয়।
a then
b than
c before
d after
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) than কেন সঠিক: - 'No sooner had' যুক্ত বাক্যের ক্ষেত্রে পরবর্তী অংশে সর্বদা 'than' ব্যবহৃত হয়। - এটি একটি নির্দিষ্ট ইংরেজি গ্রামাটিক্যালের গঠন যা একটি কাজ শেষ হতে না হতেই আরেকটি কাজ শুরু হওয়া বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) then — এটি একটি টাইম অ্যাডভার্ব যা সময় বা ক্রম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু 'No sooner had' এর সাথে জোড় হিসেবে বসে না। B) than — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি তুলনামূলক বা 'No sooner' এর সাথে correlative conjunction হিসেবে বসে। C) before — এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের ক্ষেত্রে 'Hardly' বা 'Scarcely' এর সাথে বসে, 'No sooner' এর সাথে নয়। D) after — এটি সাধারণত সময়ের পরে বা কোনো ঘটনার পরে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের কাঠামোর সাথে সংগত নয়। মনে রাখার টিপস: No এর সাথে 'No sooner ... than' এবং Scarcely বা Hardly এর সাথে 'when' বা 'before' বসে।

মোট প্রশ্ন (16)

a ৭ মার্চ ১৯৭৩
b ১১ এপ্রিল ১৯৭৩
c ৬ এপ্রিল ১৯৭৩
d ৮ মার্চ ১৯৭৩
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭ মার্চ ১৯৭৩ কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের সংবিধান অনুযায়ী স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ মার্চ ১৯৭৩ সালে। - এই নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লগি নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৩টি আসন অর্জন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ মার্চ ১৯৭৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। B) ১১ এপ্রিল ১৯৭৩ — এই তারিখে প্রথম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসেছিল, নির্বাচনের তারিখ নয়। C) ৬ এপ্রিল ১৯৭৩ — এই তারিখে বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি, এটি একটি বিভ্রান্তিকর তারিখ। D) ৮ মার্চ ১৯৭৩ — এটি নির্বাচনের পরের দিন, নির্বাচনের সঠিক তারিখ ৭ মার্চ ১৯৭৩। মনে রাখার টিপস: ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের ঠিক চার বছর পর ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
a হিমাচল
b অরুণাচল
c নাগাল্যান্ড
d সিকিম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হিমাচল কেন সঠিক: - ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যকে একত্রে সেভেন সিস্টার্স বলা হয়, যার মধ্যে হিমাচল প্রদেশ অন্তর্ভুক্ত নয়। - হিমাচল প্রদেশ ভারতের উত্তর অঞ্চলের একটি পাহাড়ি রাজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিমাচল — এটি ভারতের উত্তর অঞ্চলের রাজ্য, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সেভেন সিস্টার্সভুক্ত নয়। B) অরুণাচল — এটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি রাজ্য এবং সেভেন সিস্টার্সের অন্তর্ভুক্ত। C) নাগাল্যান্ড — এটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি রাজ্য এবং সেভেন সিস্টার্সের অন্তর্ভুক্ত। D) সিকিম — এটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য হলেও সেভেন সিস্টার্সের অন্তর্ভুক্ত নয়, একে ব্রাদার বলা হয়। মনে রাখার টিপস: সেভেন সিস্টার্সের রাজ্য মনে রাখার সহজ ছন্দ হলো एटीएम आना मम्मी অর্থাৎ আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয়, অরুণাচল, নাগাল্যান্ড, মণিপুর ও মিজোরাম।
a খাদ্যের মূল্য
b খাদ্যের ক্রয়ক্ষমতা
c খাদ্যের সহজলভ্যতা
d সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো কেন সঠিক: - খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত খাদ্য উৎপাদন বা সরবরাহ থাকার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও বাজারে খাদ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা আবশ্যক। - খাদ্য সংস্থার মতে খাদ্য নিরাপত্তার তিনটি প্রধান স্তম্ভ হলো প্রাপ্যতা, ক্রয়ক্ষমতা এবং নিরাপদ ব্যবহার, যা এই অপশনগুলোতে অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাদ্যের মূল্য — এটি একা খাদ্য নিরাপত্তার সম্পূর্ণ চিত্র প্রকাশ করে না, কারণ ক্রয়ক্ষমতা ও সহজলভ্যতা সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। B) খাদ্যের ক্রয়ক্ষমতা — মানুষ বাজারে খাদ্য কিনতে না পারলে কেবল মূল্য কম থাকায় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না। C) খাদ্যের সহজলভ্যতা — বাজারে খাদ্য সরবরাহ না থাকলে শুধু ক্রয়ক্ষমতা বা মূল্য দিয়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। D) সবগুলো — খাদ্য নিরাপত্তার মূল শর্ত হলো খাদ্যের সহজলভ্যতা, ক্রয়ক্ষমতা ও সঠিক মূল্য একসঙ্গে নিশ্চিত করা। মনে রাখার টিপস: খাদ্য নিরাপত্তার মূল ভিত্তি তিনটি, অর্থাৎ মূল্য, ক্রয়ক্ষমতা এবং সহজলভ্যতা একসাথে থাকলেই কেবল খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।
a ব্যাংকক
b রাওয়ালপিন্ডি
c ঢাকা
d নয়াদিল্লী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা কেন সঠিক: - CIRDAP একটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান যার পূর্ণরূপ হলো সেন্টার অন ইন্টিগ্রেটেড রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক। - এই সংস্থাটির সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত এবং এটি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের গ্রামীণ উন্নয়নে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাংকক — এটি থাইল্যান্ডের রাজধানী এবং ইউএনইএসক্যাপ (UNESCAP)-এর সদর দপ্তর, যা CIRDAP-এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) রাওয়ালপিন্ডি — এটি পাকিস্তানের একটি শহর এবং সামরিক সদর দপ্তরের জন্য পরিচিত, যা এই সংস্থার সদর দপ্তর নয়। C) ঢাকা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই CIRDAP-এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। D) নয়াদিল্লী — এটি ভারতের রাজধানী এবং এখানে সার্ক বা অন্যান্য সংস্থার কার্যালয় থাকতে পারে, কিন্তু এটি CIRDAP-এর সদর দপ্তর নয়। মনে রাখার টিপস: এশিয়ার গ্রামীণ উন্নয়নের আন্তর্জাতিক সংস্থা CIRDAP-এর সদর দপ্তর আমাদের দেশ বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
a ওশেনিয়া
b আফ্রিকা
c উত্তর আমেরিকা
d ইউরোপ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ওশেনিয়া কেন সঠিক: - আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে ওশেনিয়া পৃথিবীর সর্বমোট সাতটি মহাদেশের মধ্যে ক্ষুদ্রতম মহাদেশ হিসেবে স্বীকৃত। - অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ এবং এর পার্শ্ববর্তী প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রগুলো নিয়ে সম্মিলিতভাবে এই অঞ্চল গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওশেনিয়া — এটি পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাদেশ এবং সঠিক উত্তর। B) আফ্রিকা — এটি আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে এশিয়ার পরেই পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ। C) উত্তর আমেরিকা — এটি পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মহাদেশ এবং ওশেনিয়ার তুলনায় এর আয়তন বহুগুণ বড়। D) ইউরোপ — এটি আয়তনের দিক থেকে ছোট হলেও ওশেনিয়ার চেয়ে অনেক বড় এবং এটি পৃথিবীর ষষ্ঠ বৃহত্তম মহাদেশ। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে ছোট মহাদেশ মনে রাখতে মনে রাখবে অস্ট্রেলিয়া বা ওশেনিয়া হলো পৃথিবীর আকারে সবচেয়ে ছোট।
a ৩৭১৫ কি.মি
b ২৩১৫ কি.মি
c ৪১৫৬ কি.মি
d ৪৯০০ কি.মি
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: C) ৪১৫৬ কি.মি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ও ভারতের মোট আন্তর্জাতিক সীমান্ত বা ভূসীমার দৈর্ঘ্য হলো ৪১৫৬ কিলোমিটার। - এটি ভারতের সাথে বাংলাদেশের স্থলভাগের সীমানার সর্বসম্মত ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃত দৈর্ঘ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৭১৫ কি.মি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ এটি ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত দৈর্ঘ্য হিসেবে ভুলভাবে পরিমাপ করা। B) ২৩১৫ কি.মি — এই মানটি বাংলাদেশ বা ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্যের সাথে কোনোভাবেই মিলে না। C) ৪১৫৬ কি.মি — এটি সঠিক উত্তর এবং ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমানার প্রকৃত দৈর্ঘ্য নির্দেশ করে। D) ৪৯০০ কি.মি — এই সংখ্যাটি অতিরিক্ত বড় এবং তা ভারতের সাথে সীমানার প্রকৃত হিসাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: সীমান্তের দৈর্ঘ্য মনে রাখতে চার এবং পাঁচের সংখ্যা দুটি আগে মনে রেখে শেষের সংখ্যাটি হিসাব করবে।
a একটি সরকারি পদ
b স্বায়ত্তশাসিত পদ
c সাংবিধানিক পদ
d আধাসরকারি পদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাংবিধানিক পদ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেলের পদটি সৃষ্টি করা হয়েছে। - সংবিধান দ্বারা গঠিত ও নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় এটি রাষ্ট্রের একটি সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি সরকারি পদ — এটি কেবল সাধারণ কোনো সরকারি পদ নয়, কারণ এর ক্ষমতা ও মর্যাদা সরাসরি সংবিধান দ্বারা নির্ধারিত। B) স্বায়ত্তশাসিত পদ — এটি কোনো স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের পদ নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের একটি সাংবিধানিক ও স্বাধীন সরকারি প্রতিষ্ঠান। D) আধাসরকারি পদ — এটি কোনো আধাসরকারি পদ বা সংস্থা নয়, এটি সরাসরি রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত সাংবিধানিক পদ। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২৭ অনুযায়ী যে পদ গঠিত হয়, চোখ বন্ধ করে তাকে সাংবিধানিক পদ হিসেবে চিহ্নিত করবে।
a ৬ টি
b ৪ টি
c ৩ টি
d ৮ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ টি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন সামরিক সরকারের কাছে ৪টি শর্ত পেশ করেছিলেন। - শর্তগুলো ছিল সামরিক আইন প্রত্যাহার, সেনা বাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া, গণহত্যার তদন্ত করা এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ টি — ৬ দফা দাবি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে উত্থাপিত হয়েছিল, যা ৭ই মার্চের ৪টি শর্তের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ৪ টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বঙ্গবন্ধু সেদিন সামরিক সরকারের কাছে সুনির্দিষ্টভাবে ৪টি শর্ত বা দাবি উপস্থাপন করেছিলেন। C) ৩ টি — ৩ সংখ্যাটি ৭ই মার্চের ভাষণের শর্তের সংখ্যার সঙ্গে মিল নেই এবং এটি ভুল তথ্য। D) ৮ টি — ৮ সংখ্যাটি এই ঐতিহাসিক ঘটনার শর্তের সংখ্যার সঙ্গে কোনোভাবেই সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: সাতই মার্চের ভাষণে শর্ত ছিল চারটি, মনে রাখতে ভাবুন চার অক্ষরের শব্দ শর্ত।
a UNDP
b OLO
c UNFPA
d ICJ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) UNDP কেন সঠিক: - মানব উন্নয়ন সূচক বা এইচডিআই জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপি এর মাধ্যমে প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৯০ সালে। - এটি মূলত স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং জীবনযাত্রার মান এই তিনটি মৌলিক সূচকের ভিত্তিতে কোনো দেশের মানুষের জীবনমানের সামগ্রিক অগ্রগতি মূল্যায়ন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNDP — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটি নিয়মিতভাবে বৈশ্বিক মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে। B) OLO — এটি কোনো আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা বা মানব উন্নয়ন সূচক প্রকাশকারী প্রতিষ্ঠান নয়। C) UNFPA — এটি জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল যা মূলত জনসংখ্যা ও প্রজনন স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে, সূচক প্রকাশ করে না। D) ICJ — এটি আন্তর্জাতিক আদালত যা রাষ্ট্রগুলোর মধ্যকার আইনি বিরোধ নিষ্পত্তি করে থাকে। মনে রাখার টিপস: মানব উন্নয়ন সূচক বা এইচডিআই প্রকাশের জন্য জাতিসংঘে উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপি কাজ করে, তাই উন্নয়ন মানেই ইউএনডিপি।
a সৌদি আরব
b যুক্তরাষ্ট্র
c সংযুক্ত আরব আমিরাত
d ইরান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে শেল অয়েল এবং ফ্র্যাকিং প্রযুক্তির অভূতপূর্ব উন্নতির মাধ্যমে বিশ্বের শীর্ষ জ্বালানি তেল উৎপাদনকারী দেশে পরিণত হয়েছে। - আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী গত কয়েক বছর ধরে দেশটি অপরিশোধিত তেল উৎপাদনে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌদি আরব — অতীতে শীর্ষ উৎপাদক হলেও বর্তমানে দেশটি উৎপাদনে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। B) যুক্তরাষ্ট্র — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) সংযুক্ত আরব আমিরাত — এটি ওপেক জোটের অন্যতম প্রধান তেল উৎপাদক দেশ হলেও শীর্ষ অবস্থানে নেই। D) ইরান — মধ্যপ্রাচ্যের বড় তেল উৎপাদনকারী দেশ হলেও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও উৎপাদন সীমার কারণে এটি শীর্ষে নেই। মনে রাখার টিপস: তেল উৎপাদনে আমেরিকা সবার সেরা, তাই সঠিক উত্তর যুক্তরাষ্ট্র।
a ১৪ টি
b ১৩ টি
c ১৬ টি
d ১৭ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৭ টি কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে এ পর্যন্ত মোট ১৭ বার সংশোধনী আনা হয়েছে। - সর্বশেষ সপ্তদশ সংশোধনী পাস হয় ২০১৮ সালের ৮ জুলাই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪ টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ সংবিধানে আরও বেশি সংশোধনী আনা হয়েছে। B) ১৩ টি — এটি একটি ভুল সংখ্যা এবং বর্তমান সংশোধনীর সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। C) ১৬ টি — ষোড়শ সংশোধনী পাস হয়েছিল কিন্তু এটি শেষ সংশোধনী নয়। D) ১৭ টি — এটি সঠিক কারণ সংবিধানে এ পর্যন্ত মোট ১৭ টি সংশোধনী হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ সংবিধানের মোট সংশোধনীর সংখ্যা ১৭, যা মনে রাখতে সপ্তদশ সংশোধনীর সাল অর্থাৎ ২০১৮ সালটি স্মরণ রাখতে পারো।
a সাধারণ পরিষদ
b অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ
c জাতিসংঘ
d নিরাপত্তা পরিষদ
ব্যাখ্যাঃ
**প্রশ্নের ধরন:** আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও সাধারণ জ্ঞান সঠিক উত্তর: B) অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ **কেন সঠিক:** - জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ECOSOC) কোনো দেশের স্বল্পোন্নত দেশ (LDC) থেকে উন্নয়নশীল এবং উন্নয়নশীল থেকে উন্নত দেশে উত্তরণের বিষয়টি মূল্যায়ন ও সুপারিশ করে। - এই পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতেই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। **বাকি অপশন কেন ভুল:** A) সাধারণ পরিষদ — এটি অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের সুপারিশ গ্রহণ করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়, সরাসরি নির্ধারণ করে না। C) জাতিসংঘ — এটি একটি সামগ্রিক সংস্থা, এর নির্দিষ্ট কোনো অঙ্গ সংস্থা ছাড়া সরাসরি এই মর্যাদা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। D) নিরাপত্তা পরিষদ — এটি মূলত বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা নিয়ে কাজ করে, অর্থনৈতিক উত্তরণ এর আওতাভুক্ত নয়। **মনে রাখার টিপস:** অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সংক্রান্ত কাজ করে বলেই LDC উত্তরণের বিষয়টি অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ নির্ধারণ করে।
a ঢাকা
b লাহোর
c চট্টগ্রাম
d রাজশাহী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লাহোর কেন সঠিক: - ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয় দফা পেশ করেন। - পূর্ব পাকিস্তানের অধিকার আদায়ের এই সনদে স্বায়ত্তশাসন ও পূর্ণাঙ্গ ফেডারেল ব্যবস্থার দাবি জানানো হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি ছয় দফা ঘোষণার স্থান নয়, তবে লাহোর থেকে ফিরে বঙ্গবন্ধু ঢাকায় ছয় দফার পক্ষে জনমত গড়ে তোলেন। B) লাহোর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই ঐতিহাসিক ছয় দফা পেশ করা হয়েছিল। সি) চট্টগ্রাম — এই স্থানে ছয় দফা পেশ করা হয়নি, এটি বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক বন্দর ও বাণিজ্যিক শহর। ডি) রাজশাহী — এখানে ছয় দফা পেশ করা হয়নি, এটি উত্তরবঙ্গের একটি ঐতিহাসিক জেলা। মনে রাখার টিপস: ছয় দফা পেশ করা হয়েছিল দূরবর্তী শহর লাহোরে, তাই স্থানটির নামের সাথে লাহোর প্রস্তাবের ঐতিহাসিক সংযোগ মনে রাখা সহজ।
a ওয়াটার লুতে
b ভার্সাই নগরীতে
c সেন্ট হেলেনা দ্বীপে
d দ্বীপ এলবাতে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সেন্ট হেলেনা দ্বীপে কেন সঠিক: - ১৮১৫ সালে ওয়াটারলু যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পর ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে ব্রিটিশরা দক্ষিণ আটলান্টিক সাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে পাঠায়। - ১৮২১ সালের ৫ মে তিনি এই দ্বীপে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াটার লুতে — এটি বেলজিয়ামে অবস্থিত একটি যুদ্ধক্ষেত্র, যেখানে ১৮১৫ সালে নেপোলিয়ন চূড়ান্তভাবে পরাজিত হন কিন্তু মারা যাননি। B) ভার্সাই নগরীতে — এটি ফ্রান্সে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক শহর ও রাজপ্রাসাদ, যা নেপোলিয়নের মৃত্যুর স্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) সেন্ট হেলেনা দ্বীপে — এটি সঠিক উত্তর। D) দ্বীপ এলবাতে — এটি ইতালি উপকূলের কাছে অবস্থিত একটি দ্বীপ যেখানে তাকে প্রথম নির্বাসিত করা হয়েছিল এবং যেখান থেকে তিনি পালিয়েছিলেন। মনে রাখার টিপস: নেপোলিয়নকে এলবা দ্বীপে প্রথম পাঠানো হলেও তিনি মারা যান দূরবর্তী সেন্ট হেলেনা দ্বীপে।
a ডেনমার্ক
b নরওয়ে
c আয়ারল্যান্ড
d উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আয়ারল্যান্ড কেন সঠিক: - এই চুক্তিটি বেলফাস্ট চুক্তি নামেও পরিচিত যা উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ১৯৯৮ সালে স্বাক্ষরিত হয়। - এটি মূলত উত্তর আয়ারল্যান্ডের জাতীয়তাবাদী ও ইউনিয়নবাদী দলগুলোর মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের অবসান ঘটায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেনমার্ক — এটি ইউরোপের একটি দেশ এবং এই চুক্তির সাথে এর কোনো ঐতিহাসিক বা রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই। B) নরওয়ে — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার একটি দেশ এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের অভ্যন্তরীণ শান্তি চুক্তির সাথে এটি সংশ্লিষ্ট নয়। C) আয়ারল্যান্ড — সঠিক উত্তর, কারণ এই চুক্তিটি আয়ারল্যান্ড দ্বীপের শান্তি প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সাথে সরাসরি যুক্ত। D) উত্তর কোরিয়া — এটি এশিয়ার একটি দেশ এবং এর সাথে আয়ারল্যান্ডের এই শান্তি চুক্তির কোনো ভৌগোলিক বা রাজনৈতিক যোগসূত্র নেই। মনে রাখার টিপস: গুড ফ্রাইডে চুক্তি মানেই আয়ারল্যান্ডের শান্তি প্রক্রিয়া এবং এটি খ্রিষ্টীয় ছুটির দিন গুড ফ্রাইডেতে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
a যুক্তরাষ্ট্র
b যুক্তরাজ্য
c ডেনমার্ক
d ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ডেনমার্ক কেন সঠিক: - গ্রিনল্যান্ড ভৌগোলিকভাবে উত্তর আমেরিকার অংশ হলেও রাজনৈতিকভাবে এটি ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। - ডেনমার্কের রাজমুকুটের অধীন থাকলেও গ্রিনল্যান্ডের অভ্যন্তরীণ বিষয়ক সিদ্ধান্ত নেওয়ার নিজস্ব সংসদ ও সরকার রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ড শাসন করে না, তবে এর ভূকৌশলগত অবস্থানের কারণে এখানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য ইউরোপের একটি দেশ এবং গ্রিনল্যান্ডের ওপর এর কোনো রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নেই। C) ডেনমার্ক — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ডেনমার্ক এই বিশাল দ্বীপটির মূল ভূখণ্ড ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। D) ফিনল্যান্ড — ফিনল্যান্ড উত্তর ইউরোপের একটি দেশ এবং গ্রিনল্যান্ডের শাসনব্যবস্থার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: আইসবার্গ আর বরফের দেশ গ্রিনল্যান্ডের রাজনৈতিক শীতলতা ডেনমার্কের রাজমুকুট বা প্রশাসনের মাধ্যমেই নিয়ন্ত্রিত হয়।

মোট প্রশ্ন (2)

a ১০ মিনিট
b ৮ মিনিট
c ১২ মিনিট
d ১৪ মিনিট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ মিনিট ১. কেন সঠিক: - সূর্যের কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত আলোকরশ্মি মহাশূন্যের শূন্যতার মধ্য দিয়ে নির্দিষ্ট গতিতে ভ্রমণ করে পৃথিবীতে পৌঁছাতে ঠিক এই সময় নেয়। - আলো সেকেন্ডে প্রায় তিন লক্ষ কিলোমিটার বেগে চলে এবং পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব প্রায় পনেরো কোটি কিলোমিটার। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলোর বেগ এবং দূরত্ব ভাগের মাধ্যমে সময় নির্ণয় করা হয়। - সূত্র বা হিসাব: সময় সমান দূরত্ব ভাগ আলোর বেগ। পৃথিবী থেকে সূর্যের গড় দূরত্ব প্রায় ১৪ কোটি ৯৬ লক্ষ কিলোমিটার এবং আলোর গতি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ২ লক্ষ ৯৯ হাজার ৭৯২ কিলোমিটার। - কার্যপ্রণালি: এই দূরত্বকে আলোর বেগ দিয়ে ভাগ করলে প্রায় ৪৯৯ সেকেন্ড পাওয়া যায়, যা প্রায় আট মিনিট বিশ সেকেন্ডের কাছাকাছি। - বাস্তব প্রয়োগ: আমরা যখন আকাশের দিকে তাকাই, তখন আমরা বর্তমানের সূর্যকে দেখি না, বরং প্রায় আট মিনিট আগে থেকে রওনা দেওয়া আলোকরশ্মিকে দেখি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যগ্রহণ দেখার সময় ব্যাখ্যা: সূর্যগ্রহণ বা অন্য কোনো সৌর ঘটনা ঘটার আট মিনিট পর পৃথিবী থেকে তা দৃশ্যমান হয়, কারণ আলোর ভ্রমণকাল অবধারিত। উদাহরণ ২: চাঁদ থেকে আলোর আসা ব্যাখ্যা: চাঁদ থেকে আলো পৃথিবীতে আসতে সময় লাগে মাত্র প্রায় এক দশমিক তিন সেকেন্ড, কারণ চাঁদ পৃথিবীর অনেক কাছে অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ মিনিট — এই সময়ের মধ্যে আলো সূর্য থেকে অনেক দূরে চলে যেত এবং হিসাবের মান মেলে না। B) ৮ মিনিট — এটি সঠিক সময়, কারণ দূরত্ব ও বেগের হিসাব অনুযায়ী আলো এই সময়েই পৃথিবীতে এসে পৌঁছায়। C) ১২ মিনিট — এই সময়টি ভুল, কারণ এত বেশি সময় লাগলে পৃথিবী ও সূর্যের দূরত্ব আরও বেশি হতে হতো। D) ১৪ মিনিট — এই পরিমাণ সময় লাগলে আলো প্রতি সেকেন্ডে তিন লক্ষ কিলোমিটার বেগে আরও অনেক দূরে চলে যেত। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার সহজ উপায় হলো সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব পনেরো কোটি কিলোমিটার এবং আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে তিন লক্ষ কিলোমিটার। - এই দুটি সংখ্যা মনে রাখলে সহজেই হিসাব করে আট মিনিট সময় বের করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং আলোর বেগ সম্পর্কিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে চাঁদ থেকে আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে কত সময় লাগে।
a পিতল
b ইস্পাত
c গ্রানাইট
d হীরা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হীরা ১. কেন সঠিক: হীরা প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত পদার্থ কারণ এর প্রতিটি কার্বন পরমাণু শক্তিশালী সমযোজী বন্ধন দ্বারা চতুস্তলকীয় বিন্যাসে দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ থাকে। এই ত্রিমাত্রিক সুদৃঢ় কাঠামোর কারণে হীরার ওপর অতি উচ্চ চাপ প্রয়োগ করলেও তা সহজে ভাঙে না বা এর আকৃতি পরিবর্তিত হয় না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: হীরা হলো কার্বনের একটি বিশুদ্ধ স্ফটিক রূপ বা রূপভেদ যেখানে কার্বনের প্রতিটি পরমাণু অন্য চারটি কার্বন পরমাণুর সঙ্গে অত্যন্ত শক্তিশালী একক সমযোজী বন্ধন তৈরি করে। কার্যপ্রণালি: এই সুষম ও ঘন ত্রিমাত্রিক জালিকাকার গঠনের কারণে হীরার ভেতরের পরমাণুগুলোকে আলাদা করা অত্যন্ত কঠিন হয় এবং এটি পদার্থবিজ্ঞানের মোহস স্কেলে সর্বোচ্চ ১০ মাত্রা অর্জন করে। বাস্তব প্রয়োগ: হীরার এই অতিরিক্ত কাঠিন্যের কারণে কাচ কাটা, পাথর খোদাই করা এবং ভারী শিল্পের জন্য কাটিং টুল বা ড্রিল বিট তৈরিতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাচ কাটার ডায়মন্ড গ্লাস কাটার। ব্যাখ্যা: হীরা অন্যান্য যেকোনো পদার্থের চেয়ে বেশি শক্ত হওয়ায় এটি খুব সহজেই কাচ কাটতে পারে। উদাহরণ ২: তেল ও গ্যাস খোদাইয়ের ড্রিল মেশিন। ব্যাখ্যা: পৃথিবীর গভীর শিলা ভেদ করার জন্য ড্রিল বিটের মাথায় হীরা ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিতল — পিতল তামা ও দস্তার একটি সংকর ধাতু এবং এর কাঠিন্য হীরার তুলনায় অনেক কম। B) ইস্পাত — ইস্পাত লোহা ও কার্বনের সংকর ধাতু যা ভবন নির্মাণে ব্যবহৃত হলেও হীরা অপেক্ষা অনেক নরম। C) গ্রানাইট — গ্রানাইট একটি শক্ত শিলা যা কোয়ার্টজ ও ফেল্ডস্পার খনিজের মিশ্রণ এবং মোহস স্কেলে এর মান অনেক নিচে। D) হীরা — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং প্রকৃতিতে সবচেয়ে শক্ত প্রাকৃতিক পদার্থ হিসেবে স্বীকৃত। ৫. মনে রাখার টিপস: হীরা মানেই হলো কার্বনের খাঁটি রূপ এবং এটি কাঠিন্যের দিক থেকে একদম চূড়ায় অবস্থিত। বর্ণমালা অনুসারে হীরা হলো সর্বশ্রেষ্ঠ শক্ত পদার্থ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মোহস কাঠিন্য স্কেলে হীরার মান হলো ১০ যা সব খনিজের মধ্যে সর্বোচ্চ। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে খনিজ পদার্থের কাঠিন্য পরিমাপের স্কেলের নাম কী, যার উত্তর হবে মোহস স্কেল।

মোট প্রশ্ন (10)

a Windows NET
b MS windows XP
c Windows CE
d UNIX
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Windows CE ১. কেন সঠিক: - Windows CE হলো একটি এমবেডেড অপারেটিং সিস্টেম যা রিসোর্স-স্বল্প ছোট ডিভাইসের জন্য তৈরি করা হয়েছে। - CE এর পূর্ণরূপ হলো Consumer Electronics, যা হ্যান্ডহেল্ড ডিভাইস ও পোর্টেবল যন্ত্রে ব্যবহার করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: এমবেডেড অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একটি বিশেষ সফটওয়্যার যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরি কোনো মাইক্রোপ্রসেসর বা ছোট ডিভাইসের ভেতরে স্থায়ীভাবে যুক্ত থাকে। - কার্যপদ্ধতি: এটি সীমিত মেমোরি এবং কম প্রসেসিং ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে নির্দিষ্ট কাজ পরিচালনা করে। - বৈশিষ্ট্য: এর আকার খুব ছোট হয়, কম বিদ্যুৎ খরচ করে এবং রিয়েল-টাইম প্রসেসিং সুবিধা দিতে পারে। - ব্যবহার: পামটপ কম্পিউটার, জিপিএস নেভিগেটর, শিল্প যন্ত্রাংশ এবং ডিজিটাল ক্যামেরায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জিপিএস নেভিগেটর ব্যাখ্যা: জিপিএস যন্ত্রে খুব সীমিত মেমোরি থাকে, যেখানে এই সিস্টেমটি দ্রুত অবস্থান নির্ণয় করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: বারকোড স্ক্যানার ব্যাখ্যা: গুদামে পণ্য স্ক্যান করার ছোট যন্ত্রে এই অপারেটিং সিস্টেমটি রিয়েল-টাইমে ডেটা প্রসেস করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Windows NET — এটি কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়, বরং এটি মাইক্রোসফটের একটি সফটওয়্যার ফ্রেমওয়ার্ক যা অ্যাপ্লিকেশন তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। B) MS windows XP — এটি একটি শক্তিশালী স্ট্যান্ডঅ্যালোন ডেসকটপ অপারেটিং সিস্টেম যা পার্সোনাল কম্পিউটারের জন্য তৈরি। D) UNIX — এটি একটি মাল্টিইউজার এবং মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম যা মূলত সার্ভার, মেইনফ্রেম এবং শক্তিশালী ওয়ার্কস্টেশনে ব্যবহার করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - CE শব্দটির পূর্ণরূপ কনজুমার ইলেকট্রনিক্স মনে রাখলে এটি পোর্টেবল ও ছোট ডিভাইসের সিস্টেম হিসেবে সহজেই চেনা যায়। - সাধারণ উইন্ডোজ কম্পিউটারে চলে, আর উইন্ডোজ সিই ছোট পকেটের ডিভাইসে চলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এমবেডেড সিস্টেম সাধারণত গৃহস্থালী যন্ত্রপাতি, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং অটোমোবাইলে ব্যবহৃত হয়। - এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ যাচাইয়ের জন্য প্রায়ই আসে।
a .AVI
b .MOV
c .JPEG
d .MP4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) .JPEG ১. কেন সঠিক: - JPEG একটি ইমেজ বা ছবি ফাইলের ফরম্যাট, কোনো ভিডিও ফাইল ফরম্যাট নয়। - ভিডিও ফাইলে ফ্রেমের সাথে সাউন্ড যুক্ত থাকে, কিন্তু JPEG ফরম্যাটে শুধুমাত্র একটি স্থির ছবি সংরক্ষিত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: JPEG এর পূর্ণরূপ হলো জয়েন্ট ফটোগ্রাফিক এক্সপার্টস গ্রুপ, যা মূলত ডিজিটাল ছবি সংরক্ষণের একটি বহুল ব্যবহৃত মানদণ্ড। - কার্যপদ্ধতি: এটি লসি কম্প্রেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে ছবির সাইজ ছোট করে, তবে এতে সামান্য ছবির মান নষ্ট হতে পারে। - ব্যবহার: ডিজিটাল ক্যামেরা, স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেটে ছবি আদান-প্রদান বা সংরক্ষণের জন্য এই ফরম্যাট সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্যামেরায় তোলা ছবি বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড করা কোনো স্থির চিত্র। ব্যাখ্যা: এগুলো সাধারণত .jpg বা .jpeg ফরম্যাটে সংরক্ষিত থাকে। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনের গ্যালারিতে থাকা বিভিন্ন ধরনের ওয়ালপেপার বা ছবি। ব্যাখ্যা: এই ছবিগুলো কম জায়গা দখল করার জন্য JPEG ফরম্যাটে সেভ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) .AVI — এটি অডিও ভিডিও ইন্টারলিপ ফরম্যাট, যা মাইক্রোসফট কর্তৃক তৈরিকৃত একটি জনপ্রিয় ভিডিও ফাইল ফরম্যাট। B) .MOV — এটি অ্যাপল কোম্পানির তৈরি করা একটি হাই কোয়ালিটি ভিডিও ফাইল ফরম্যাট। C) .JPEG — এটি কোনো ভিডিও ফরম্যাট নয়, বরং এটি একটি জনপ্রিয় স্থির চিত্র বা ইমেজ ফাইল ফরম্যাট। D) .MP4 — এটি এমপেগ ফোর পার্ট চৌদ্দ ফরম্যাট, যা বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত ভিডিও ফাইল ফরম্যাট। ৫ মনে রাখার টিপস: - ছবির ফরম্যাট মানেই জেপিইজি বা পিএনজি আর ভিডিও মানেই এমপিফোর, এভিআই বা এমওভি। - নামের শুরুতে আইএমজি বা জেপিজি দেখলে বুঝবে এটি ভিডিও নয়, ছবি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ফাইল এক্সটেনশন বা ফরম্যাট থেকে প্রশ্ন আসে। - কোন ফরম্যাটটি ছবি, অডিও বা ভিডিওর জন্য ব্যবহৃত হয় তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a Candidate
b Primary
c Super
d Foreign
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Primary ১. কেন সঠিক: ডেটাবেজ ডিজাইনের সময় একাধিক ক্যান্ডিডেট কি থেকে একটিমাত্র বিশেষ কি নির্বাচন করা হয় যা টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে শনাক্ত করতে পারে। এই নির্বাচিত কি কে প্রাইমারি কি বলা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: প্রাইমারি কি হলো এমন একটি কলাম বা কলামের সমষ্টি যা ডেটাবেজ টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত করতে সাহায্য করে। কার্যপদ্ধতি: এটি ডেটাবেজে কোনো ডুপ্লিকেট বা ফাঁকা মান প্রবেশ করতে দেয় না এবং দ্রুত ডেটা খোঁজার ব্যবস্থা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিক্ষার্থীদের ডেটাবেজে রেজিস্ট্রেশন নম্বর। ব্যাখ্যা: রেজিস্ট্রেশন নম্বর কখনো দুই জন শিক্ষার্থীর এক হতে পারে না, তাই এটি প্রাইমারি কি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কর্মচারীদের ডেটাবেজে এমপ্লয়ি আইডি। ব্যাখ্যা: প্রতিটি কর্মচারীকে আলাদাভাবে চেনার জন্য এই আইডি প্রাইমারি কি হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Candidate — ক্যান্ডিডেট কি হলো এমন সব কলামের সেট যা প্রাইমারি কি হওয়ার যোগ্যতা রাখে, কিন্তু ডিজাইন করার সময় তাদের সবগুলোকে একসাথে প্রাইমারি কি হিসেবে নির্বাচন করা হয় না। B) Primary — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্যান্ডিডেট কি গুলোর মধ্য থেকে এই কি কে টেবিলের প্রধান শনাক্তকারী হিসেবে নির্বাচন করা হয়। C) Super — সুপার কি হলো এমন এক বা একাধিক কলামের সেট যা কোনো টেবিলের রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করতে পারে, যার মধ্যে ক্যান্ডিডেট কি ও প্রাইমারি কি অন্তর্ভুক্ত থাকে। D) Foreign — ফরেন কি অন্য কোনো টেবিলের প্রাইমারি কি কে নির্দেশ করে টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করে, এটি ক্যান্ডিডেট কি থেকে সরাসরি নির্বাচিত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাইমারি মানে প্রধান, তাই ক্যান্ডিডেট বা প্রার্থীদের মধ্য থেকে প্রধান হিসেবে যাকে বেছে নেওয়া হয় সেটাই প্রাইমারি কি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: একটি ডেটাবেজ টেবিলে কেবল একটিই প্রাইমারি কি থাকতে পারে, কিন্তু একাধিক ক্যান্ডিডেট কি থাকতে পারে।
a Graphics
b RAMs
c Caches
d Registers
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Registers ১. কেন সঠিক: - CPU এর ভেতরে থাকা রেজিস্টার হলো অত্যন্ত দ্রুতগতির স্টোরেজ লোকেশন, যা প্রসেসিংয়ের সময় ডেটা তাৎক্ষণিকভাবে গ্রহণ, সংরক্ষণ ও স্থানান্তর করে। - প্রশ্নটিতে যে দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান ও প্রসেসিংয়ের কথা বলা হয়েছে, তার জন্য রেজিস্টার সরাসরি কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: রেজিস্টার হলো প্রসেসরের অংশ যা নির্দেশ, ডেটা বা মেমোরি অ্যাড্রেস সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ক্লক পালসের সাথে তাল মিলিয়ে কাজ করে এবং সরাসরি অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিটের সাথে ডেটা আদান-প্রদান করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি কম্পিউটার মেমোরিhierarchy-র সবচেয়ে দ্রুতগতির এবং ছোট আকারের মেমোরি। - ব্যবহার: ALU তে গণনার সময় এবং কন্ট্রোল ইউনিটে কাজের তদারকির সময় রেজিস্টার ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পকেটের মানিব্যাগ ব্যাখ্যা: মানিব্যাগে আমরা এমন টাকা রাখি যা তাৎক্ষণিকভাবে খরচ করার প্রয়োজন হয়, ঠিক যেমন সিপিইউ রেজিস্টারে ডেটা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবহার করে। উদাহরণ ২: রান্নার সময় হাতের কাছে রাখা মসলার কৌটা ব্যাখ্যা: রান্নার সময় চুলার পাশে রাখা মসলা যেভাবে দ্রুত ব্যবহার করা হয়, রেজিস্টারও সিপিইউ-এর কাজের সময় ঠিক সেভাবেই ডেটা সরবরাহ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Graphics — এটি দৃশ্যমান ছবি বা ভিডিও প্রসেসিংয়ের সাথে সম্পর্কিত, যা তাৎক্ষণিক ডেটা হোল্ড করার জন্য সিপিইউ এর অভ্যন্তরীণ মেমোরি নয়। B) RAMs — র‍্যামের পূর্ণরূপ রেন্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি, যা প্রসেসরের চেয়ে তুলনামূলক ধীরগতির এবং মেইন মেমোরি হিসেবে কাজ করে। C) Caches — ক্যাশ মেমোরি দ্রুতগতির হলেও এটি প্রসেসর ও র‍্যামের মাঝে সেতু হিসেবে কাজ করে, সরাসরি সিপিইউ এর ভেতরের তাৎক্ষণিক রেজিস্টারের কাজ করে না। D) Registers — সঠিক উত্তর, কারণ এটি সরাসরি সিপিইউ এর ভেতরে ডেটা দ্রুত আদান-প্রদান ও সংরক্ষণ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সিপিইউ মেমোরির গতি তুলনার ক্ষেত্রে মনে রাখবে: রেজিস্টার সবচেয়ে দ্রুত, এরপর ক্যাশ, এরপর র‍্যাম এবং সবশেষে সেকেন্ডারি স্টোরেজ। - রেজিস্টার সরাসরি সিপিইউ এর ভেতরে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্পিউটার মেমোরির গতি ও ধারণক্ষমতার ক্রম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - রেজিস্টারের আকার সাধারণত বিট বা ওয়ার্ড সাইজের উপর নির্ভর করে যেমন ৩২-বিট বা ৬৪-বিট রেজিস্টার।
a Firefox
b Facebook
c Chrome
d Safari
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Facebook ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটির ধরন হলো সফটওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপ্লিকেশন এবং ইন্টারনেট ও ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব। ফেইসবুক কোনো ওয়েব ব্রাউজার নয়, এটি একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্ল্যাটফর্ম। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ওয়েব ব্রাউজার হলো এমন একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীকে ইন্টারনেটের ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের বিভিন্ন ওয়েবপেজ দেখতে এবং ব্রাউজ করতে সহায়তা করে। কার্যপদ্ধতি: ব্রাউজার ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ওয়েব ঠিকানার মাধ্যমে অনুরোধ গ্রহণ করে তা সার্ভারে পাঠায় এবং প্রাপ্ত ডেটা প্রসেস করে পর্দায় প্রদর্শন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুগল ক্রোম ব্যবহার করে যেকোনো শিক্ষামূলক ওয়েবসাইট বা অনলাইন পোর্টাল ভিজিট করা যায়। ব্যাখ্যা: ক্রোম একটি ব্রাউজার যা ইন্টারনেটের তথ্য দেখতে বা ব্রাউজ করতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ফেইসবুক অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে বন্ধুদের সাথে চ্যাট করা বা ছবি শেয়ার করা যায়। ব্যাখ্যা: এটি একটি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম, ব্রাউজার বা সার্চ ইঞ্জিন নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Firefox — এটি একটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স ওয়েব ব্রাউজার যা মজিলা ফাউন্ডেশন দ্বারা পরিচালিত হয় এবং ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে ব্যবহৃত হয়। B) Facebook — এটি একটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ও তথ্য আদান-প্রদান করে, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) Chrome — এটি গুগল কোম্পানির তৈরি বিশ্বব্যাপী সর্বাধিক ব্যবহৃত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার। D) Safari — এটি অ্যাপল কোম্পানির তৈরি একটি ডিফল্ট ওয়েব ব্রাউজার যা ম্যাক ও আইওএস ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ব্রাউজার মানে ক্রোম, ফায়ারফক্স, সাফারি, এজ ইত্যাদি যা দিয়ে ইন্টারনেট চালানো হয়। ফেইসবুক হলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, তাই এটি ব্রাউজার হতে পারে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ব্রাউজার এবং সার্চ ইঞ্জিন বা সোশ্যাল মিডিয়ার মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। ইয়াহু বা গুগল হলো সার্চ ইঞ্জিন, আর ক্রোম বা সাফারি হলো ব্রাউজার।
a Delete
b Purge
c Remove
d Drop
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Drop ১. কেন সঠিক: একটি এসকিউএল ডেটাবেস থেকে সম্পূর্ণ রিলেশনাল টেবিল ডেটা এবং তার স্ট্রাকচারসহ স্থায়ীভাবে মুছে ফেলার জন্য ড্রপ কমান্ড ব্যবহার করা হয়। এটি ডেটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বা ডিডিএল এর অন্তর্ভুক্ত একটি কমান্ড যা ডেটাবেসের মূল কাঠামো পরিবর্তন করতে ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ড্রপ হলো এসকিউএল এর এমন একটি কমান্ড যা কোনো নির্দিষ্ট টেবিল বা ডেটাবেসকে চিরতরে মুছে ফেলে। কার্যপদ্ধতি: এই কমান্ড চালানোর পর টেবিলের ভেতরের সব তথ্য এবং টেবিলের স্কিমা বা কাঠামো মেমোরি থেকে সম্পূর্ণ ডিলিট হয়ে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড্রপ টেবিল স্টুডেন্ট কমান্ড রান করলে স্টুডেন্ট নামের সম্পূর্ণ টেবিলটি মুছে যাবে। ব্যাখ্যা: এর ফলে টেবিলের ভেತরের রেকর্ড এবং টেবিল তৈরির ডিজাইন আর ডেটাবেসে থাকবে না। উদাহরণ ২: একটি অপ্রয়োজনীয় পুরনো ডেটাবেসের টেবিল ফেলে দিতে ড্রপ ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: ডেটাবেসের জায়গা খালি করতে এবং অপ্রয়োজনীয় টেবিল অপসারণে এটি কাজে লাগে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Delete — ডিলিট কমান্ড শুধু টেবিলের ভেତরের রেকর্ড বা সারি মুছে ফেলে কিন্তু টেবিলের কাঠামো বা স্কিমা অক্ষত রাখে। B) Purge — পার্জ কমান্ড সাধারণত রিসাইকেল বিন বা নির্দিষ্ট কিছু ডেটাবেসে স্থায়ীভাবে মুছে ফেলা ডেটা পরিষ্কার করতে ব্যবহৃত হয়, মূল টেবিল ড্রপ করতে নয়। C) Remove — রিমুভ কোনো স্ট্যান্ডার্ড এসকিউএল কমান্ড নয় যা রিলেশনাল টেবিল মুছে ফেলার জন্য ব্যবহৃত হয়। D) Drop — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সম্পূর্ণ টেবিল মুছে ফেলতে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: স্ট্রাকচারসহ পুরো টেবিল মুছে ফেলার জন্য ড্রপ ব্যবহার করবে। শুধু ডেটা মুছতে চাইলে ডিলিট কমান্ড ব্যবহার করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ড্রপ এবং ডিলিট কমান্ডের পার্থক্য বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ডিডিএল কমান্ড হিসেবে ড্রপ টেবিলের কাঠামো ধ্বংস করে।
a Mechanical
b Electro magnetic
c Electrical
d Laser
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Laser ১. কেন সঠিক: সিডি বা কমপ্যাক্ট ডিস্ক ডেটা পড়া ও লেখার জন্য অপটিক্যাল প্রযুক্তি বা লেজার রশ্মি ব্যবহার করে। ডিস্কের পৃষ্ঠে লেজার আলো ফেলে প্রতিফলনের তারতম্যের মাধ্যমে বাইনারি ডেটা শূন্য ও এক হিসেবে সনাক্ত করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কমপ্যাক্ট ডিস্ক হলো একটি অপটিক্যাল ডিস্ক যা ডিজিটাল ডেটা সংরক্ষণ ও বিতরণের কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: ডিস্কের ভেতরে থাকা মাইক্রোস্কোপিক পিট ও ল্যান্ডের ওপর লেজার ডায়োড থেকে আলো ফেলা হয় এবং প্রতিফলিত আলো সেন্সর দ্বারা পঠিত হয়। বৈশিষ্ট্য: এটি পোর্টেবল, হালকা এবং অপটিক্যাল পদ্ধতিতে কাজ করায় চুম্বকক্ষেত্র দ্বারা প্রভাবিত হয় না। ব্যবহার: মূলত অডিও গান, ভিডিও এবং সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টলেশনের জন্য সিডি ব্যবহৃত হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিডি প্লেয়ারের ভেতর লেজার রশ্মি ব্যবহার করে অডিও ট্র্যাক থেকে গান বাজানো হয়। ব্যাখ্যা: প্লেয়ারের লেজারের সাহায্যে ডিস্কের ভেতরের ঘূর্ণায়মান তথ্য আলোর প্রতিফলনের মাধ্যমে রূপান্তর করা হয়। উদাহরণ ২: কম্পিউটারের অপটিক্যাল ড্রাইভ সিডি বা ডিভিডি পড়ার সময় লেজার আলো নির্গত করে। ব্যাখ্যা: লেজারের নিখفتার কারণে ডিস্কের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ডেটা অত্যন্ত নির্ভুলভাবে পড়তে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mechanical — মেকানিক্যাল বা যান্ত্রিক পদ্ধতি বলতে চলমান গিয়ার বা হাতল দিয়ে কাজ বোঝায় যা সিডিতে ব্যবহৃত হয় না। B) Electro magnetic — ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বা তড়িৎ-চুম্বকীয় প্রযুক্তি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ বা ফ্লপি ডিস্কে ব্যবহৃত হয়, সিডিতে নয়। C) Electrical — ইলেকট্রিক্যাল বা বৈদ্যুতিক সংকেত প্রক্রিয়াকরণ সিডিতে সরাসরি ডেটা রিড বা রাইট করার মূল মাধ্যম নয়। D) Laser — এটি সঠিক কারণ সিডিতে ডেটা রিড ও রাইট করার একমাত্র মাধ্যম হলো লেজার রশ্মি। ৫ মনে রাখার টিপস: সিডি মানেই অপটিক্যাল ডিস্ক আর অপটিক্যাল ডিস্ক মানেই লেজার প্রযুক্তির ব্যবহার। সিডি ও ডিভিডি উভয়েই লেজার রশ্মি ব্যবহার করে কাজ সম্পন্ন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কমপ্যাক্ট ডিস্ক বা সিডির ধারণক্ষমতা সাধারণত ৭০০ মেগাবাইট হয়ে থাকে। সিডি তৈরির মূল প্রযুক্তির সাথে ফিলিপস ও সনি কোম্পানির নাম জড়িত রয়েছে।
a Machine language
b Assembly language
c High level language
d None
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Machine language ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার শুধুমাত্র বাইনারি কোড অর্থাৎ ০ এবং ১ বুঝতে পারে যা মেশিন ভাষার মূল ভিত্তি। অন্য কোনো অনুবাদক সফটওয়্যার ছাড়াই সরাসরি প্রসেসর এই ভাষা বুঝতে ও কার্যকর করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মেশিন ভাষা হলো এমন একটি নিম্ন স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা যা সরাসরি কম্পিউটারের প্রসেসর বা সিপিইউ বুঝতে পারে। কার্যপদ্ধতি: এই ভাষায় লেখা নির্দেশগুলো সরাসরি বৈদ্যুতিক সিগন্যাল হিসেবে প্রসেসরে কাজ করে এবং কোনো রূপান্তরের প্রয়োজন হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারের ভেতরের সার্কিট ব্যাখ্যা: প্রসেসরের প্রতিটি ট্রানজিস্টর অন বা অফ অবস্থার মাধ্যমে সরাসরি মেশিন ভাষার নির্দেশনা প্রক্রিয়া করে। উদাহরণ ২: মৌলিক লজিক অপারেশন ব্যাখ্যা: প্রসেসর সরাসরি ০ ও ১ এর সমন্বয়ে গঠিত বাইনারি নির্দেশ পড়ে মেমোরি থেকে ডেটা আদান-প্রদান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Machine language — এটি সরাসরি কম্পিউটারের বোধগম্য হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) Assembly language — এটি সরাসরি কম্পিউটার বোঝে না, একে অ্যাসেম্বলারের মাধ্যমে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করতে হয়। C) High level language — এটি ইংরেজি ভাষার মতো হলেও সরাসরি কম্পিউটার বোঝে না, কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটারের মাধ্যমে অনুবাদ করতে হয়। D) None — যেহেতু অপশন এ সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মেশিন ভাষা হলো কম্পিউটারের মাতৃভাষা, যা বুঝতে কোনো অনুবাদকের প্রয়োজন হয় না। উচ্চ স্তরের ভাষার জন্য অনুবাদক লাগে কিন্তু মেশিন ভাষার জন্য লাগে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের প্রজন্মভিত্তিক আলোচনায় প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে শুধুমাত্র মেশিন ভাষা ব্যবহার করা হতো। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় কোন ভাষা সরাসরি কম্পিউটারের বোধগম্য।
a Interpreter
b Converter
c Simulator
d Compiler
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Compiler ১. কেন সঠিক: কম্পাইলার সম্পূর্ণ সোর্স কোডকে একসাথে পড়ে এবং পুরো কোডকে একবারে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে রূপান্তর করে। কোডে কোনো ভুল না থাকলে এটি অবজেক্ট ফাইল তৈরি করে, যা পরবর্তীতে কম্পিউটারে সরাসরি চালানো যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কম্পাইলার হলো এমন একটি সিস্টেম সফটওয়্যার যা উচ্চ স্তরের ভাষাকে যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে। কার্যপদ্ধতি: এটি প্রথমে পুরো প্রোগ্রামটি পড়ে, সিনট্যাক্স বা ব্যাকরণগত ভুলগুলো খুঁজে বের করে এবং সব ঠিক থাকলে এক্সিকিউটেবল ফাইল তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সি প্রোগ্রামিং ভাষার কোড। ব্যাখ্যা: সি ভাষায় লেখা পুরো প্রোগ্রামকে কম্পিউটারের বোধগম্য করার জন্য কম্পাইলার ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট। ব্যাখ্যা: গেম বা বড় কোনো সফটওয়্যার তৈরির সময় পুরো কোড একবারে রূপান্তর করতে এটি অপরিহার্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Interpreter — এটি পুরো প্রোগ্রাম একসাথে রূপান্তর না করে লাইন বাই লাইন রূপান্তর করে। B) Converter — এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রোগ্রামিং অনুবাদক নয়, বরং সাধারণভাবে যেকোনো ডেটা ফরম্যাট পরিবর্তনকারী টুল। C) Simulator — এটি বাস্তব পরিবেশ তৈরি বা নকল করে পরীক্ষা করার জন্য ব্যবহৃত হয়, কোড অনুবাদক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কম্পাইলার মানে কমপ্লিট বা সম্পূর্ণ; অর্থাৎ এটি সম্পূর্ণ কোড একসাথে অনুবাদ করে। ইন্টারপ্রেটার মানে ইন্টারভাল বা বিরতি দিয়ে দিয়ে, অর্থাৎ এটি এক লাইন করে অনুবাদ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পাইলার পুরো প্রোগ্রাম একবারে অনুবাদ করায় প্রোগ্রাম দ্রুত রান করে। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুবাদক প্রোগ্রাম বা ট্রান্সলেটর প্রোগ্রাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a Foreign keys
b Primary keys
c Candidate keys
d Unique keys
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Primary keys ১. কেন সঠিক: - ডেটাবেজে প্রতিটি রেকর্ড বা সারিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য প্রাইমারি কি ব্যবহার করা হয়। - এটি টেবিলে একই ডেটা বা ডুপ্লিকেট সারির পুনরাবৃত্তি সম্পূর্ণভাবে রোধ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: প্রাইমারি কি হলো ডেটাবেজের এমন একটি ফিল্ড বা কলাম যার মান অদ্বিতীয় এবং কখনো ফাঁকা বা নাল হতে পারে না। - কার্যপদ্ধতি: নতুন কোনো রেকর্ড যুক্ত করার সময় এটি পূর্বের মানের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে এবং ডুপ্লিকেট পেলে তা সংরক্ষণ করতে বাধা দেয়। - বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ইউনিকনেস এবং নন-নাল প্রোপার্টি বজায় রাখা। - ব্যবহার: শিক্ষার্থীর আইডি বা কর্মচারীর পিন নম্বর হিসেবে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিক্ষার্থীদের ডাটাবেজে রোল নম্বর। ব্যাখ্যা: একটি ক্লাসে দুটি ছাত্রের রোল নম্বর এক হতে পারে না, তাই রোল নম্বর প্রাইমারি কি হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর। ব্যাখ্যা: ব্যাংকের প্রতিটি গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট নম্বর সম্পূর্ণ আলাদা হয়, যা ডেটা পুনরাবৃত্তি রোধ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Foreign keys — এটি দুটি টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করে, তবে সরাসরি ডুপ্লিকেট সারি রোধ করা এর মূল কাজ নয়। B) Primary keys — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিশ্চিত করে যেন কোনো টেবিলে ডুপ্লিকেট সারি প্রবেশ করতে না পারে। C) Candidate keys — এটি এমন একটি কলাম যা প্রাইমারি কি হওয়ার যোগ্যতা রাখে, কিন্তু নিজে সরাসরি ডুপ্লিকেট রোধের মূল কাজটি নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়ন করে না। D) Unique keys — এটি কলামের মান অদ্বিতীয় রাখে ঠিকই, কিন্তু এটি নাল মান গ্রহণ করতে পারে এবং প্রাইমারি কি এর মতো সম্পূর্ণ টেবিলের সারি নিয়ন্ত্রণ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাইমারি কি মানে প্রধান চাবি, যা প্রতিটি সারিকে অনন্য রাখে এবং ডুপ্লিকেট এন্ট্রি আটকে দেয়। - মনে রাখবে প্রাইমারি কি কখনো ফাকা বা ডুপ্লিকেট হতে পারে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডেটাবেজ কনস্ট্রেইন্ট সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - প্রাইমারি কি এবং ইউনিক কি এর পার্থক্য ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।