ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরে স্টেশন অফিসার পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২।

পদের নাম: স্টেশন অফিসার (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a দ্বিগু
b তৎপুরুষ
c কর্মধারয়
d দ্বন্দ্ব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দ্বন্দ্ব ১. কেন সঠিক: - পথে ও প্রান্তরে এই ব্যাসবাক্যে 'ও' অব্যয় পদটি যুক্ত হয়ে দ্বন্দ্ব সমাস গঠন করেছে। - দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে এবং সাধারণত এবং ও এবং ও ইত্যাদি সংযোজক অব্যয় ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে সমাসে উভয় পদেরই অর্থের প্রাধান্য থাকে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। - সাধারণত দুটি বিশেষ্য বা দুটি সর্বনাম বা দুটি বিশেষণ পদের মিলনে দ্বন্দ্ব সমাস সাধিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাতা ও পিতা = মাতাপিতাহ ব্যাখ্যা: এখানে মাতা ও পিতা উভয় পদের অর্থ প্রধান হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে এবং ও অব্যয় লুপ্ত হয়ে সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: ডাল ও ভাত = ডালভাত ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল প্রচলিত দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ যেখানে দুটি বিশেষ্য পদ মিলে সমাস গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় এবং এর পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক বিশেষণ হয় যা এখানে নেই। B) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয় যা এই পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণে অথবা বিশেষ্য ও বিশেষ্যে মিলে একটি পদ গঠিত হয় যেখানে গুণের বা অবস্থার তুলনা থাকে যা এখানে অনুপস্থিত। D) দ্বন্দ্ব — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে উভয় পদের অর্থের সমান গুরুত্ব রয়েছে এবং ব্যাসবাক্যে সংযোজক অব্যয় আছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - দ্বন্দ্ব সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে এবং ও এবং ও এর মতো সংযোজক অব্যয় থাকা। - উভয় পদের সমান অর্থ প্রকাশ পেলে চোখ বন্ধ করে দ্বন্দ্ব সমাস চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাস থেকে প্রায়ই জোড়া শব্দ বা ব্যাসবাক্য তুলে প্রশ্ন করা হয়। - সংযোজক অব্যয়যুক্ত সমাসগুলো মূলত মিলনার্থক বা বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব সমাসের অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে।
a মানসী, ক্ষণিকা, বলাকা
b সোনারতরী, প্রভাতসংগীত, নাম রেখেছি কোমল গান্দার
c চিত্রা, চৈতালী, চিনে নেওয়াঙ্কণ
d পূরবী, বীরাঙ্গনা, নন্দিনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মানসী, ক্ষণিকা, বলাকা ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশন এ এর তিনটি কাব্যগ্রন্থই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৌলিক কাব্যগ্রন্থ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলো আলাদা করার জন্য এই ধরনের প্রশ্ন আসে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্য তথা বিশ্বসাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং বাংলা কাব্যের প্রধান পুরুষ। - মানসী কাব্যগ্রন্থটি ১৮৯০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে কবির রোমান্টিক চেতনার পূর্ণ প্রকাশ ঘটে। - ক্ষণিকা প্রকাশিত হয় ১৯০৭ সালে এবং বলাকা প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালে, যা তার পরিণত বয়সের সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানসী ব্যাখ্যা: মানসী কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিজীবনের দ্বিতীয় পর্যায়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও রোমান্টিক সৃষ্টি। উদাহরণ ২: বলাকা ব্যাখ্যা: বলাকা কাব্যগ্রন্থটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত এবং এতে গতির জয়গান গাওয়া হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানসী, ক্ষণিকা, বলাকা — এই কাব্যগ্রন্থগুলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা। B) সোনারতরী, প্রভাতসংগীত, নাম রেখেছি কোমল গান্দার — নাম রেখেছি কোমল গান্দার রবীন্দ্রনাথের গ্রন্থ নয়। C) চিত্রা, চৈতালী, চিনে নেওয়াঙ্কণ — চিনে নেওয়াঙ্কণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। D) পূরবী, বীরাঙ্গনা, নন্দিনী — বীরাঙ্গনা মাইকেল মধুসূদন দত্তের কাব্য এবং নন্দিনী রক্তকরবী নাটকের চরিত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের কাব্য মনে রাখতে মক্ষব অর্থাৎ মনসী, ক্ষণিকা, বলাকা এভাবে মনে রাখতে পারো। - কবির সাহিত্যকর্মের সাল ও ধরন বারবার চর্চা করলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হয় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কবিকাহিনী এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ সন্ধ্যাসংগীত। - একই কবির কাব্যগ্রন্থের সঙ্গে অন্য লেখকের রচনা মিলিয়ে অপশন তৈরি করা হলে ভালো করে যাচাই করতে হবে।
a সোকুমার্য
b সুকুমার্য
c সোকোমার্য
d সৌকুমার্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৌকুমার্য ১. কেন সঠিক: 'সুকুমার' একটি বিশেষণ পদ, যার অর্থ অত্যন্ত কোমল বা সুন্দর। এই বিশেষণ পদের ভাব বা অবস্থা বোঝাতে বিশেষ্য রূপ গঠনের সময় আদি স্বরের পরিবর্তন ঘটে এবং প্রত্যয় যুক্ত হয়। ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের প্রত্যয় ও শব্দের রূপান্তর সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন। বিশেষণের সাথে ভাববাচক তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত করে বিশেষ্য পদ গঠন করা হয়। উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুস্থ শব্দের বিশেষ্য রূপ স্বাস্থ্য। ব্যাখ্যা: সুস্থ বিশেষণ পদের ভাববাচক বিশেষ্য রূপ হলো স্বাস্থ্য। উদাহরণ ২: সুন্দর শব্দের বিশেষ্য রূপ সৌন্দর্য। ব্যাখ্যা: সুন্দর বিশেষণ পদের ভাববাচক বিশেষ্য রূপ হলো সৌন্দর্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোকুমার্য — এই বানানটিতে আদি স্বরে ভুল রয়েছে কারণ সু এর স্থানে সো ব্যবহার করা হয়েছে। B) সুকুমার্য — এখানে প্রত্যয় যুক্ত হলেও আদি স্বরের দীর্ঘীভবন বা বৃদ্ধি ঘটেনি যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। C) সোকোমার্য — এই বানানে আদি স্বরের পরিবর্তন ভুলভাবে করা হয়েছে এবং এটি প্রমিত বাংলা বানানরীতিসম্মত নয়। D) সৌকুমার্য — এটি সঠিক বানান এবং সঠিক নিয়মে গঠিত বিশেষ্য রূপ। মনে রাখার টিপস: বিশেষণ পদের আদি উকার থাকলে তা বৃদ্ধি পেয়ে ওউ কার বা ঔ কারে রূপান্তরিত হয়। যেমন সুকুমার থেকে সৌকুমার্য এবং সুন্দর থেকে সৌন্দর্য। পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষণ থেকে বিশেষ্য রূপান্তরের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই প্রত্যয় যুক্ত করার সময় শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন বা গুণ ও বৃদ্ধি সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।
a পুস্তকা
b পুস্তকি
c পুস্তিকা
d পুস্তাকিনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পুস্তিকা ১. কেন সঠিক: পুস্তক শব্দটির ক্ষুদ্রার্থে বা স্ত্রীবাচক অর্থে বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক প্রত্যয়যুক্ত রূপ হলো পুস্তিকা। বাংলা ভাষায় অনেক সময় শব্দের শেষে বিশেষ প্রত্যয় যোগ করে ক্ষুদ্রার্থ বা স্ত্রীলিঙ্গ বোঝানো হয়, এক্ষেত্রে পুংলিঙ্গবাচক পুস্তক শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ বা ক্ষুদ্রার্থক রূপ হিসেবে পুস্তিকা শব্দটি প্রমিত হিসেবে স্বীকৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দ গঠন ও প্রত্যয় প্রকরণের একটি অংশ যেখানে বিশেষ নিয়মে শব্দের রূপান্তর ঘটে। পুংলিঙ্গবাচক শব্দকে স্ত্রীলিঙ্গ বা ক্ষুদ্রার্থে রূপান্তর করার জন্য শব্দের সাথে ইকা প্রত্যয় যুক্ত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বালক শব্দের স্ত্রীবাচক বা ক্ষুদ্রার্থক রূপ বালিকা। ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দের সাথে ইকা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন রূপ তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: পুস্তক থেকে পুস্তিকা। ব্যাখ্যা: মূল শব্দের সাথে ইকা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্ষুদ্র বা স্ত্রীবাচক রূপ গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুস্তকা — এই শব্দটি বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত নয় এবং প্রমিত বাংলায় এর কোনো ব্যবহার নেই। B) পুস্তকি — এটি কোনো স্বীকৃত শব্দ নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে এর কোনো ভিত্তি পাওয়া যায় না। C) পুস্তিকা — এটি সঠিক উত্তর। D) পুস্তাকিনী — এই গঠনটি ভুল এবং বাংলা ব্যাকরণের প্রত্যয় সংক্রান্ত নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: পুস্তক শব্দের স্ত্রীবাচক বা ক্ষুদ্রূপ নির্ণয়ের সময় মনে রাখবে যে শেষে ইকা প্রত্যয় যুক্ত হয়। যেমন পুস্তক থেকে পুস্তিকা গঠিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের রূপান্তর ও প্রত্যয় সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই মূল শব্দের সাথে সঠিক প্রত্যয় যুক্ত করার নিয়মগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
a শুভ্র
b নিকষ
c লোহিত
d নীলিম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিকষ ১. কেন সঠিক: 'সফেদ' শব্দের অর্থ সাদা বা ধবল। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো নিকষ, যার অর্থ অত্যন্ত কালো বা অন্ধকার। শব্দদ্বয়ের অর্থের বিপরীত বৈশিষ্ট্যের কারণে এই উত্তরটি সঠিক হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দ সংক্রান্ত একটি ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় বিপরীত শব্দ চয়নের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস, ভাবার্থ এবং প্রতিশব্দ বিবেচনা করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাদা - কালো ব্যাখ্যা: এটি একটি সাধারণ বিপরীত শব্দের জোড়। উদাহরণ ২: আলো - অন্ধকার ব্যাখ্যা: এটি ভাবগত দিক থেকে বিপরীতার্থক শব্দের অপর একটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শুভ্র — শুভ্র শব্দের অর্থ সাদা বা পরিষ্কার, যা সফেদ শব্দের সমার্থক, বিপরীতার্থক নয়। B) নিকষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সফেদ শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) লোহিত — লোহিত শব্দের অর্থ লাল, যা সাদা বা সফেদের বিপরীত শব্দ নয়। D) নীলিম — নীলিম শব্দের অর্থ নীলাভা বা নীল রঙ, যা সফেদ শব্দের বিপরীত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সফেদ অর্থ সাদা এবং নিকষ অর্থ কালোর প্রতীক হিসেবে মনে রাখতে পারো। সাদা ও কালোর চিরন্তন বিরোধের মতো সফেদ ও নিকষ একে অপরের বিপরীত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রঙের বা বর্ণের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। তাই সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ পড়ার সময় রঙের নামগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a ভাষা আন্দোলন
b গণ-অভ্যুত্থান
c যুদ্ধবিজয়ের উল্লাস
d মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুক্তিযুদ্ধ ১. কেন সঠিক: - শওকত আলীর 'যাত্রা' উপন্যাসটির মূল কাহিনী বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পটভূমিতে রচিত। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার সাধারণ মানুষের সংগ্রাম ও ত্যাগের বাস্তব চিত্র এই উপন্যাসে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শওকত আলী আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক। - তার উল্লেখযোগ্য অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে 'ওয়ারীর প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য', 'প্রদোষে প্রাকৃতজন' এবং 'দক্ষিণায়ন মাত্রিক' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শওকত আলীর 'প্রদোষে প্রাকৃতজন' ব্যাখ্যা: এটি সেন আমলের বাংলা ও বাঙালির জীবনযাত্রা নিয়ে রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: শওকত আলীর 'দক্ষিণায়ন মাত্রিক' ব্যাখ্যা: এটি তার রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা মধ্যবিত্ত জীবনের দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষা আন্দোলন — শওকত আলীর 'যাত্রা' উপন্যাসের কাহিনী ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত নয়। ভাষা আন্দোলনভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস হলো জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন'। B) গণ-অভ্যুত্থান — এই উপন্যাসের কাহিনী ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে রচিত হয়নি। গণ-অভ্যুত্থানের পটভূমিতে রচিত সাহিত্যকর্ম ভিন্ন। C) যুদ্ধবিজয়ের উল্লাস — এটি বিজয় অর্জনের পরবর্তী উল্লাস নিয়ে রচিত কোনো একক কাহিনী নয়। উপন্যাসের মূল সুর ছিল মুক্তিযুদ্ধের কঠিন বাস্তবতার সংগ্রাম। D) মুক্তিযুদ্ধ — এই অপশনটি সঠিক কারণ উপন্যাসটির মূল প্রেক্ষাপট ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। ৫ মনে রাখার টিপস: - শওকত আলীর নামের সাথে 'যাত্রা' উপন্যাস এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়টি একসাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। - মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা উপন্যাসগুলোর তালিকা আলাদা করে নোট করে রাখলে পরীক্ষার সময় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - লেখকদের বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মূল বিষয়বস্তু বা পটভূমি ভালোভাবে জেনে রাখা জরুরি।
a নিপাতনে সিদ্ধ
b বিসর্গ সন্ধি
c স্বরসন্ধি
d স্বর ব্যঞ্জন সন্ধি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিপাতনে সিদ্ধ ১. কেন সঠিক: যেসব সন্ধি সাধারণ কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম বা সূত্র মেনে চলে না, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়। 'গো' এবং 'অক্ষ' শব্দের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সন্ধি হওয়ার কথা ছিল অন্য কিছু, কিন্তু বিশেষ নিয়মে বা প্রাকৃত নিয়মেই এটি 'গবাক্ষ' হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হলো এমন এক ধরনের সন্ধি যার কোনো নির্দিষ্ট সাধারণ নিয়ম বা সূত্র থাকে না। ভাষার ব্যবহারের মাধ্যমে এগুলো প্রাকৃত থেকে বাংলায় এসেছে এবং ব্যাকরণবিদরা এদের নিয়মবহির্ভূত হিসেবে সিদ্ধ ধরে নিয়েছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পতি + ইতু = পত্নী ব্যাখ্যা: এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি, যা কোনো সাধারণ সূত্র মেনে গঠিত হয়নি। উদাহরণ ২: আ + চর্য = আশ্চর্য ব্যাখ্যা: এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি, যা সাধারণ ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসরণ করে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিপাতনে সিদ্ধ — এই অপশনটি সঠিক কারণ গবাক্ষ শব্দটির গঠন কোনো সাধারণ সন্ধির নিয়ম অনুসরণ করে না। B) বিসর্গ সন্ধি — বিসর্গ সন্ধি হতে হলে পূর্ব পদের শেষে বিসর্গ থাকতে হয়, কিন্তু গো শব্দের শেষে কোনো বিসর্গ নেই। C) স্বরসন্ধি — স্বরবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণের মিলনে স্বরসন্ধি হয়, কিন্তু গবাক্ষ শব্দে সাধারণ স্বরসন্ধির কোনো সূত্র প্রয়োগ করা যায়নি। D) স্বর ব্যঞ্জন সন্ধি — বাংলা ব্যাকরণে স্বর ব্যঞ্জন সন্ধি নামে কোনো নির্দিষ্ট বা স্বতন্ত্র সন্ধির শ্রেণিবিভাগ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিগুলো মুখস্থ রাখা সবচেয়ে ভালো কৌশল। গবাক্ষ, পত্নী, আশ্চর্য, পরস্পর, মনোহর—এই শব্দগুলো দেখলেই নিপাতনে সিদ্ধ দাগাতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন আসে। নিয়ম না খুঁজে গুরুত্বপূর্ণ নিপাতনে সিদ্ধ শব্দগুলোর তালিকা বারবার অনুশীলন করা উচিত।
a কৃষ্ণকুমারী
b শর্মিষ্ঠা
c অশ্রুমালা
d পদ্মাবতী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অশ্রুমালা ১. কেন সঠিক: - অশ্রুমালা মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয়, বরং এটি কবি কায়কোবাদের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে মূলত নাটক, প্রহসন ও মহাকাব্যের জন্য পরিচিত হলেও এই অপশনটি তাঁর সাহিত্যকর্মের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি এবং সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। - তাঁর সাহিত্যকর্মে পাশ্চাত্য প্রভাব থাকলেও তিনি দেশীয় ও পৌরাণিক উপজীব্যকে আধুনিক রূপ দিয়েছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি পত্রকাব্য যা বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত অনন্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষ্ণকুমারী — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি বিখ্যাত ও সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক। B) শর্মিষ্ঠা — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত প্রথম বাংলা নাটক যা ১৮৫৯ সালে প্রকাশিত হয়। C) অশ্রুমালা — এটি কবি কায়কোবাদের কাব্যগ্রন্থ, যা মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। D) পদ্মাবতী — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি পৌরাণিক নাটক যা গ্রীক কাহিনীর অনুসরণে রচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটকগুলো মনে রাখার কৌশল হলো কৃষ্ণ ও শর্মিষ্ঠার পদ্মাবনে দেখা হলো। - কায়কোবাদের কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার জন্য মহাশ্মশান ও অশ্রুমালা নাম দুটি একত্রে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটক ও মহাকাব্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অন্য কোনো লেখকের বিখ্যাত গ্রন্থ অপশনে থাকলে তা ভালোভাবে লক্ষ্য করে মূল লেখকের নাম আলাদা করতে হবে।
a 1914
b 1914
c 1910
d 1921
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯১৪ ১. কেন সঠিক: - সবুজপত্র পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালের এপ্রিল মাসে (বাংলা বৈশাখ ১৩২১ বঙ্গাব্দ)। - প্রমথ চৌধুরী এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং এর মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষারীতি বা চলিত রূপ প্রতিষ্ঠিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সবুজপত্র বাংলা সাহিত্যের প্রথম মননশীল ও আধুনিক সাহিত্যপত্র এবং চলিত রীতির বাহন। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই পত্রিকার প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন এবং তার বহু বিখ্যাত রচনা এতে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনাম ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী সবুজপত্র পত্রিকায় 'বীরবল' ছদ্মনামে প্রবন্ধ লিখতেন, তাই তার লেখাকে বীরবলী প্রমথ বলা হয়। উদাহরণ ২: চার ইয়ারী কথা ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত এই গ্রন্থটি সবুজপত্র পত্রিকাতেই ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৪ — এটি সঠিক সন, তবে প্রশ্নপত্রে একই সন দুটি অপশনে থাকায় অপশন বি কে প্রধান উত্তর হিসেবে ধরা হয়েছে। B) ১৯১৪ — এটি সঠিক উত্তর কারণ সবুজপত্র এই সনেই প্রথম প্রকাশিত হয়। C) ১৯১০ — এই সনে সবুজপত্র প্রকাশিত হয়নি, এটি ভুল উত্তর। D) ১৯২১ — এই সনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়, সবুজপত্র প্রকাশের সন এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সবুজপত্র প্রকাশের সন মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শুরুর বছর অর্থাৎ ১৯১৪ সালে এটি প্রকাশিত হয়। প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় এই পত্রিকা চলিত রীতির বিপ্লব ঘটিয়েছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই 'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশের সন জানতে চাওয়া হয়। সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী এবং সন ১৩২১ বঙ্গাব্দ বা ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ ভালোভাবে মনে রাখবে।
a ভাড়ুদত্ত
b বিদ্যাপতি
c চণ্ডীদাস
d ঈশ্বর পাটনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঈশ্বর পাটনী ১. কেন সঠিক: - 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে' বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত পরিচিত একটি উদ্ধৃতি। - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের বিখ্যাত চরিত্র ঈশ্বর পাটনী অন্নপূর্ণা দেবীর কাছে এই বর চেয়েছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের একটি বিখ্যাত চরিত্র হলেন ঈশ্বর পাটনী। - দেবী অন্নপূর্ণা পাটনীকে নদী পার হওয়ার সময় বর চাইতে বললে তিনি পার্থিব কোনো ধনসম্পদ না চেয়ে কেবল সন্তানের অন্নবস্ত্রের নিশ্চয়তা চেয়ে এই প্রার্থনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্যটি আঠারো শতকের মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারায় রচিত। ব্যাখ্যা: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর মধ্যযুগের শেষভাগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং তাঁর এই কাব্যটি তৎকালীন সমাজের একটি বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। উদাহরণ ২: ঈশ্বর পাটনী চরিত্রটি অন্নদামঙ্গল কাব্যের প্রথম অংশের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। ব্যাখ্যা: দেবী অন্নপূর্ণা ও ঈশ্বর পাটনার কথোপকথন এবং পাটনীর উক্তিটি বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাড়ুদত্ত — ভাড়ুদত্ত অন্নদামঙ্গল কাব্যের একটি অন্যতম চরিত্র হলেও তিনি এই বিখ্যাত প্রার্থনার সঙ্গে যুক্ত নন। B) বিদ্যাপতি — বিদ্যাপতি মধ্যযুগের মৈথিলি ভাষার পদাবলী সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং এই চরণের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। C) চণ্ডীদাস — চণ্ডীদাস বাংলা পদাবলী সাহিত্যের একজন প্রাচীন কবি এবং তিনি বৈষ্ণব পদ রচনার জন্য বিখ্যাত। D) ঈশ্বর পাটনী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি অন্নপূর্ণা দেবীর কাছে করা ঈশ্বর পাটনীর প্রার্থনা। ৫ মনে রাখার টিপস: - দুধেভাতে থাকার প্রার্থনা করেছিলেন খেয়া পারাপারকারী ঈশ্বর পাটনী। - ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল কাব্যের এই লাইনটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের চরিত্র এবং তাদের বিখ্যাত উক্তিগুলো মনে রাখা বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি। - অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর এবং তাঁর উপাধি ছিল গুণাকর।
a উপন্যাস
b প্রবন্ধ
c গল্প
d নাটক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উপন্যাস ১. কেন সঠিক: - পথের দাবী বাংলা সাহিত্যের অমর কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসের মূল আলোচ্য বিষয় হলো তৎকালীন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন এবং বিপ্লবীদের সংগ্রাম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জগতে এক অবিসংবাদিত নাম যিনি মানবপ্রেম ও সমাজের নিগৃহীত মানুষের কথা তুলে ধরেছেন। - পথের দাবী উপন্যাসটি প্রকাশের পর তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার রাজনৈতিক ও দেশদ্রোহিতার অভিযোগে এটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকান্ত ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস। উদাহরণ ২: চরিত্রহীন ব্যাখ্যা: এটিও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত সমাজ ও মানবজীবনের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণভিত্তিক একটি উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — এটি সঠিক কারণ পথের দাবী একটি দীর্ঘ ও পূর্ণাঙ্গ কথাসাহিত্য বা উপন্যাস। B) প্রবন্ধ — প্রবন্ধ হলো কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে যুক্তিনিষ্ঠ আলোচনার গদ্যরূপ কিন্তু পথের দাবী কোনো প্রবন্ধ নয়। C) গল্প — গল্প হলো আকৃতিতে ছোট ও সীমিত পরিসরের কথাসাহিত্য কিন্তু পথের দাবী একটি বৃহৎ উপন্যাস। D) নাটক — নাটক মঞ্চে অভিনীত হওয়ার উপযোগী সংলাপনির্ভর সাহিত্যকর্ম যা পথের দাবী উপন্যাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শরৎচন্দ্রের যে রচনাটি নিয়ে ব্রিটিশ সরকার সবচেয়ে বেশি বিতর্ক করেছিল এবং নিষিদ্ধ করেছিল তা হলো এই পথের দাবী উপন্যাস। - উপন্যাস মনে রাখার জন্য মাথায় রাখবে যে বিপ্লবীদের নিয়ে লেখা শরৎচন্দ্রের একমাত্র রাজনৈতিক উপন্যাস এটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে পথের দাবী কোন ধরনের রচনা বা এর রচয়িতা কে। - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নিষিদ্ধ ঘোষিত একমাত্র উপন্যাস হিসেবে এটি বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a গোরা
b আনন্দ মঠ
c কবি
d বাঁধনহারা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাঁধনহারা ১. কেন সঠিক: বাঁধনহারা হলো বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস। এটি একটি পত্রোপন্যাস বা এপিস্টলারি নভেল আকারে রচিত, যেখানে চিঠিপত্রের মাধ্যমে কাহিনী এগিয়ে গেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক ও বিদ্রোহী সাহিত্যিক হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। তাঁর 'বাঁধনহারা' উপন্যাসটি ১৯২১ সালে মাসিক মোহাম্মদী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয় এবং ১৯২৭ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৃত্যুক্ষুধা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, যা দরিদ্র মানুষের জীবন সংগ্রাম তুলে ধরে। উদাহরণ ২: কুহেলিকা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রাজনৈতিক ও রোমান্টিক চেতনায় সমৃদ্ধ একটি অন্যতম উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোরা — এটি নোবেলজয়ী সাহিত্যিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত দার্শনিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস। কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) আনন্দ মঠ — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস, যা সন্ন্যাসী বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে রচিত। C) কবি — এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস, যা বাংলার গ্রামীণ কবি ও তাঁদের জীবন নিয়ে রচিত। D) বাঁধনহারা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা এবং প্রশ্নানুসারে এটিই সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম উপন্যাস মনে রাখার জন্য মাথায় রাখো যে তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস হলো বাঁধনহারা। নজরুলের তিনটি উপন্যাসের মধ্যে এটিই একমাত্র পত্রোপন্যাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের প্রথম রচনা ও উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কাজী নজরুল ইসলামের অন্যান্য উপন্যাসগুলোর নাম এবং প্রকাশকাল ভালোভাবে পড়ে রাখা জরুরি।
a ১৫ টি
b ৫ টি
c ১০ টি
d ২০ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০ টি ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গের নির্দিষ্ট সংখ্যা কুড়িটি। - এই উপসর্গগুলো মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। - বাংলা ভাষায় উপসর্গ তিন প্রকার যথা সংস্কৃত উপসর্গ, বাংলা উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার ব্যাখ্যা: এখানে প্র একটি সংস্কৃত উপসর্গ যা মূল শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: পরি + পূর্ণ = পরিপূর্ণ ব্যাখ্যা: এখানে পরি একটি সংস্কৃত উপসর্গ যা শব্দের শুরুতে যুক্ত হয়ে অর্থের পূর্ণতা সাধন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ টি — এটি বাংলা বা খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা, সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা নয়। B) ৫ টি — এই সংখ্যাটি বাংলা ব্যাকরণের কোনো নির্দিষ্ট উপসর্গের সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। C) ১০ টি — এটিও বাংলা ব্যাকরণের কোনো নির্দিষ্ট উপসর্গের নির্ধারিত সংখ্যা নয়। D) ২০ টি — এটি সংস্কৃত উপসর্গের সঠিক সংখ্যা যা প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত উপসর্গ কুড়িটি মনে রাখার একটি জনপ্রিয় ছন্দ হলো: প্র পরা অপ সম নি অব অনু নির দূর বি অধি সু উৎ পরি প্রতি অভি অতি অপি সু অভি। - সংখ্যাটি মনে রাখতে 'সংস্কৃত কুড়ি' এই কথাটি মাথায় রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ও সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা প্রায়ই উলটপালট করে প্রশ্ন করা হয়। - তাই বাংলা উপসর্গ ২১টি এবং সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি—এই পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখবে।
a সাধের আসন
b প্রেমাংশুর রক্তচাই
c দিবারাত্রির কাব্য
d পুনশ্চ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দিবারাত্রির কাব্য ১. কেন সঠিক: - দিবারাত্রির কাব্য কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। - প্রশ্নে কাব্যগ্রন্থ নয় এমন রচনাটি খুঁজতে বলা হয়েছে, তাই উপন্যাস হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দিবারাত্রির কাব্য মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি কালজয়ী উপন্যাস যা ১৯৩৫ সালে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসে মানুষের মনস্তত্ত্ব এবং গ্রামীণ সমাজের বাস্তব চিত্র নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুতুল নাচের ইতিকথা ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরেকটি বিখ্যাত ও শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। উদাহরণ ২: পদ্মা নদীর মাঝি ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত গ্রামীণ জীবনভিত্তিক আরেকটি জনপ্রিয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধের আসন — এটি কবি যতীন্দ্রমোহন বাগচী রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। B) প্রেমাংশুর রক্তচাই — এটি আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি নির্মলেন্দু গুণ রচিত একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ। C) দিবারাত্রির কাব্য — এটি উপন্যাস হওয়ায় কাব্যগ্রন্থ নয়, এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) পুনশ্চ — এটি বাংলা সাহিত্যের বিশ শতকের অন্যতম প্রধান কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: - নামের শেষে কাব্য থাকলেই সেটি কাব্যগ্রন্থ না হয়ে উপন্যাসও হতে পারে, যেমন মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিবারাত্রির কাব্য একটি উপন্যাস। - বিখ্যাত কবিদের কাব্যগ্রন্থ ও ঔপন্যাসিকদের উপন্যাসগুলোর নামের তালিকা আলাদা করে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - দিবারাত্রির কাব্য উপন্যাসের রচয়িতা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - কোনো রচনার নামের শেষে কাব্য বা অন্য কোনো শব্দ থাকলেই তার সাহিত্যরূপ সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়ে উত্তর করবে না।
a একদা এক রাজ্যে
b জন্ম যদি তব বঙ্গ
c কি চাই শঙ্খচিল
d রাইফেল রোটি আওরাত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাইফেল রোটি আওরাত ১. কেন সঠিক: - রাইফেল রোটি আওরাত হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। - এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত এবং ইংরেজি ভাষায় প্রথম রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসের রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক আনোয়ার পাশা। - ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের উত্তাল দিনগুলো এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতার বাস্তব চিত্র এতে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাবেয়া খাতুনের খোঁজখবর ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের জাহান্নাম হইতে বিদায় ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের প্রেক্ষাপটে রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একদা এক রাজ্যে — এটি কোনো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, এটি অন্য ধারার একটি সাহিত্যকর্ম। B) জন্ম যদি তব বঙ্গ — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কোনো উপন্যাস নয়, প্রশ্নটির উত্তরের সঙ্গে এটি সংগতিপূর্ণ নয়। C) কি চাই শঙ্খচিল — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, এটি লেখকের অন্য বিষয়ের একটি রচনা। D) রাইফেল রোটি আওরাত — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ইংরেজি উপন্যাস হলো রাইফেল রোটি আওরাত। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে রাইফেল ও রোটি হাতে বাঙালি ১৯৭১ সালে লড়াই করেছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে। - আনোয়ার পাশার এই উপন্যাসটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে পরিচিত।
a অকূল পাথার
b একাদশে বৃহস্পতি
c ঢাকের কাঠি
d একচোখা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একচোখা ১. কেন সঠিক: - 'একচোখা' বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ এক চোখ বিশিষ্ট হলেও বিশেষ অর্থে এটি 'পক্ষপাতিত্ব' বা একপেশে মনোভাব প্রকাশ করে। - কোনো বিচার বা সিদ্ধান্তে বিশেষ কোনো পক্ষের প্রতি অন্যায়ভাবে ঝুঁকে পড়াকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবাহী শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত এই ধরনের শব্দপ্রয়োগ ভাষা ও ভাবকে আরও সমৃদ্ধ ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিচারকের একচোখা নীতির কারণে নিরপরাধ ব্যক্তি সাজা পেল। ব্যাখ্যা: এখানে বিচারকের পক্ষপাতমূলক আচরণ বোঝাতে 'একচোখা' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: দলীয় কোন্দলে নেতার একচোখা সিদ্ধান্ত দলের ক্ষতি ডেকে আনছে। ব্যাখ্যা: এখানে পক্ষপাতিত্বমূলক বা একপেশে সিদ্ধান্ত বোঝাতে এই বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অকূল পাথার — এই বাগধারাটির সঠিক অর্থ চরম বিপদ বা গভীর সংকট। B) একাদশে বৃহস্পতি — এই বাগধারাটির সঠিক অর্থ সৌভাগ্যের বিষয় বা সুসময়। C) ঢাকের কাঠি — এই বাগধারাটির সঠিক অর্থ তদ্বিরকারক বা চাটুকার ব্যক্তি। D) একচোখা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ পক্ষপাতিত্ব। ৫. মনে রাখার টিপস: - এক চোখ বন্ধ রেখে দেখলে যেমন একপাশ পরিষ্কার দেখা যায় না বা পক্ষপাত হয়, তেমনি 'একচোখা' মানেই পক্ষপাতিত্ব। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি প্রায়ই পক্ষপাত বা অনিয়ম বোঝাতে অপশনে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্থভিত্তিক বাগধারা থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - একই অর্থের অন্যান্য বাগধারা যেমন পক্ষপাত বা একপেশে মনোভাব বোঝাতে 'ভুঁইফোড়' বা অন্যান্য প্রবাদ ব্যবহৃত হয় না, তাই মূল অর্থ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a সরল
b জটিল
c খণ্ড
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জটিল ১. কেন সঠিক: - যে বাক্যে একটি প্রধান বা খণ্ডবাক্যের ওপর এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন বাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে। - প্রদত্ত বাক্যে 'আমি যে গান গাই' অংশটি আশ্রিত বাক্য এবং 'তা যৌবনের গান' অংশটি প্রধান বাক্য হিসেবে সাপেক্ষ সর্বনামের সাহায্যে যুক্ত রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গঠন অনুসারে বাংলা বাক্য প্রধানত তিন প্রকার: সরল বাক্য, জটিল বাক্য ও যৌগিক বাক্য। - জটিল বাক্যে সাধারণত যে-সে, যিনি-তিনি, যা-তা, যদি-তবে, যতো-ততো এই জোড়া সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যিনি সৎ পথে চলেন, তিনি জীবনে সুখী হন। ব্যাখ্যা: এখানে 'যিনি' এবং 'তিনি' সাপেক্ষ সর্বনাম যুক্ত হয়ে বাক্যটিকে জটিল বাক্যে রূপান্তর করেছে। উদাহরণ ২: যদি তুমি আসো, তবে আমি যাব। ব্যাখ্যা: এখানে 'যদি' এবং 'তবে' অব্যয় জোড়া ব্যবহার করে শর্তাধীন জটিল বাক্য গঠন করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল — সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা ও একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু এই বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য রয়েছে। C) খণ্ড — খণ্ডবাক্য বাক্যের একটি অংশ হতে পারে, কিন্তু এটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য গঠনের কোনো মৌলিক শ্রেণিবিভাগ নয়। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - যে বাক্যে জোড়া শব্দ যেমন যে-সে, যিনি-তিনি বা যদি-তবে থাকে, চোখ বন্ধ করে তাকে জটিল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের ক্ষেত্রে সাপেক্ষ সর্বনামের উপস্থিতি দেখে খুব সহজেই জটিল বাক্য শনাক্ত করা যায়।
a শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
b চর্যাপদ
c বৈষ্ণব পদাবলী
d মঙ্গলকাব্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: বাংলা লিপির প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে চর্যাপদকে গণ্য করা হয় কারণ এর ভাষাগত ও লিপিগত বৈশিষ্ট্যের মধ্যে আদি বাংলা রূপের স্পষ্ট বিকাশ লক্ষ্য করা যায়। ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় গবেষণা করে প্রমাণ করেছেন যে চর্যাপদের ভাষা ও লিপি থেকেই বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন এবং বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা পদ সংকলন। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে তা প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাহ্নপাদের পদ ব্যাখ্যা: চর্যাপদের অন্যতম প্রধান কবি হলেন কাহ্নপাদ, যিনি সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন। উদাহরণ ২: ভুসুকপাদের পদ ব্যাখ্যা: চর্যাপদের কবি ভুসুকপাদ নিজেকে বাঙালি বলে পরিচয় দিয়েছেন, যা প্রাচীন বাংলার ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — এটি মধ্যযুগের বৈষ্ণব ভাবধারার কাব্য এবং বরু চণ্ডীদাস কর্তৃক রচিত, যা বাংলা লিপির প্রথম নিদর্শন নয়। C) বৈষ্ণব পদাবলী — এটি মধ্যযুগে রচিত ভক্তিমূলক গানের সংকলন এবং এর উৎপত্তি চর্যাপদের অনেক পরে হয়েছে। D) মঙ্গলকাব্য — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ ধারা যা দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: লিপির প্রাচীন রূপ মানেই চর্যাপদ এবং এটি আবিষ্কার করেছিলেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। পরীক্ষার হলে প্রাচীনতম নিদর্শন বললে সবার আগে চর্যাপদের কথা মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ কোন ধর্মের সাধকদের সৃষ্টি তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে, উত্তর হবে বৌদ্ধ সহজিয়া সাধক। একই ধরনের প্রশ্নে প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন হিসেবে চর্যাপদকে মনে রাখতে হবে।
a ১২ টি
b ১০ টি
c ৮ টি
d ১১ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১১ টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা ১১ টি। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও মুনীর চৌধুরীসহ আধুনিক ব্যাকরণবিদগণের মতে প্রমিত বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১ টি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব বর্ণ অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে উচ্চারিত হয় এবং অন্য বর্ণের উচ্চারণকে স্পষ্ট করতে সাহায্য করে তাদের স্বরবর্ণ বলে। বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি হলেও লিখিত রূপ বা স্বরবর্ণের সংখ্যা ১১ টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ই, ঈ ব্যাখ্যা: এগুলো হলো বাংলা স্বরবর্ণের প্রারম্ভিক কয়েকটি বর্ণ যা শব্দের আদিতে বসে অর্থ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: উ, ঊ, ঋ, এ ব্যাখ্যা: এগুলো স্বরবর্ণের অংশ যা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে কার বা চিহ্ন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ টি — এটি ভুল কারণ প্রাচীন বা ঐতিহ্যগত কিছু গণনায় রি বা অন্য বর্ণ ধরা হলেও আধুনিক প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে স্বরবর্ণ ১২ টি নয়। B) ১০ টি — এটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংখ্যা কখনোই ১০ টি ছিল না। C) ৮ টি — এটি ভুল কারণ স্বরবর্ণের সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি এবং এই সংখ্যাটি কোনো ব্যাকরণগত নিয়মের সাথে মেলে না। D) ১১ টি — এটি সঠিক অপশন এবং আধুনিক বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী এটিই সর্বসম্মত ও প্রমিত সংখ্যা। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০ টি, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি। এভাবে মনে রাখলে মোট সংখ্যা কখনো ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন আসে। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ব্যাকরণ অনুসরণ করে সবসময় ১১ টি স্বরবর্ণ এবং ৩৯ টি ব্যঞ্জনবর্ণ দাগাতে হবে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b বিহারী লাল চক্রবর্তী
c রাজশেখর বসু
d ভারতচন্দ্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিহারী লাল চক্রবর্তী ১. কেন সঠিক: - বাংলা সাহিত্যে বিহারী লাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' বলা হয় কারণ তিনি রোমান্টিক গীতিকবিতার ধারা সৃষ্টি করেছেন। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন এবং তাঁকে বাংলা গীতিকাব্যের ভোরের পাখি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিহারী লাল চক্রবর্তী বাংলা গীতি কবিতার জনক হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর কাব্যে প্রথম আধুনিক গীতিকবিতার আত্মপ্রকাশ ঘটে। - তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে 'সারদা মঙ্গল', 'নিসর্গ দর্শন' এবং 'বন্ধুবিয়োগ' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিহারী লাল চক্রবর্তীর 'সারদা মঙ্গল' কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এই কাব্যটি বাংলা রোমান্টিক গীতি কবিতার বিকাশে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ওপর বিহারী লাল চক্রবর্তীর প্রভাব। ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজে বিহারী লাল চক্রবর্তীকে তাঁর কাব্যগুরু বলে স্বীকার করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যের বিশ্বকবি এবং নোবেল বিজয়ী লেখক, যাঁকে 'ভোরের পাখি' বলা হয় না। B) বিহারী লাল চক্রবর্তী — এই অপশনটি সঠিক এবং তাঁকে বাংলা গীতিকাব্যের 'ভোরের পাখি' বলা হয়। C) রাজশেখর বসু — ইনি একজন বিশিষ্ট হাস্যরসাত্মক লেখক ও প্রাবন্ধিক যিনি 'পরশুরাম' ছদ্মনামে লিখতেন। D) ভারতচন্দ্র — ইনি মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি যাঁকে 'রায়গুণাকর' উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিহারী লাল মানেই ভোরের পাখি, যিনি ভোরে উঠে প্রথম গীতি কবিতার গান গেয়েছিলেন। - রবীন্দ্রনাথ যাঁর কাছ থেকে প্রেরণা পেয়েছিলেন, তিনিই হলেন ভোরের পাখি বিহারী লাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে যে বাংলা সাহিত্যের 'ভোরের পাখি' কে। - কবিদের ছদ্মনাম এবং উপাধিগুলো মনে রাখলে এ ধরনের সাহিত্যভিত্তিক প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
a শেখ হাসিনা
b কাজী নজরুল ইসলাম
c শেখ মুজিবুর রহমান
d শেখ রেহানা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শেখ মুজিবুর রহমান ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নটি লেখক ও সাহিত্যকর্মের আওতাভুক্ত। 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। - এই গ্রন্থে তাঁর জন্ম, শৈশব, শিক্ষাজীবন, রাজনৈতিক চেতনা এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সূচনালগ্ন উঠে এসেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - লেখক পরিচিতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতিই নন, তিনি একজন দূরদর্শী লেখকও ছিলেন। তাঁর লেখা তিনটি গ্রন্থ বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনীমূলক ধারায় অনন্য সংযোজন। - সাহিত্যিক পরিচিতি: 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' ২০১২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। এটি মূলত ১৯৬৭ সালের মাঝামা সময়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দि থাকা অবস্থায় লেখা শুরু করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কারাগারের রোজনামচা ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা আরেকটি বিখ্যাত গ্রন্থ, যা ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তাঁর কারাবাসের দিনলিপি নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: আমার দেখা নয়াচীন ব্যাখ্যা: এটিও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চীন ভ্রমণ নিয়ে রচিত একটি ঐতিহাসিক ও ভ্রমণকাহিনীমূলক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেখ হাসিনা — শেখ হাসিনা বর্তমান বাংলাদেশের রাজনীতি ও সাহিত্যচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হলেও 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বইটির লেখক নন, তিনি এর সম্পাদনা ও প্রকাশনায় বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের জাতীয় কবি এবং বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও এই আত্মজীবনীমূলক গদ্যগ্রন্থটির রচয়িতা নন। D) শেখ রেহানা — শেখ রেহানা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ কন্যা, তিনি এই ঐতিহাসিক আত্মজীবনী গ্রন্থটি রচনা করেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্গবন্ধু রচিত বই মনে রাখার সহজ কৌশল হলো আত্মজীবনীমূলক বা কারাগারভিত্তিক বইগুলো মূলত তাঁরই লেখা। 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' নামটি দেখলেই শেখ মুজিবুর রহমানের কথা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গ্রন্থসমূহ এবং প্রকাশের সাল থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - তাঁর রচিত বই মোট তিনটি, যথা অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়াচীন।
a বাচস + পতি
b বাচ + পতি
c বাচস + তি
d বাচঃ + পতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাচঃ + পতি ১. কেন সঠিক: - এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম, যেখানে বিসর্গের পর প বা ফ থাকলে বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য স হয়। - বাচঃ পতি শব্দের বিসর্গ এবং প মিলে বাচস্পতি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পরে প কিংবা ফ থাকলে পূর্ববর্তী বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য স হয়। - এখানে বাচঃ শব্দের বিসর্গের পরে পতি শব্দের প থাকায় বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য স যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নমঃ + কার = নমস্কার ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে ক থাকলে বিসর্গ স্থানে দন্ত স হয়। উদাহরণ ২: ভাঃ + কর = ভাস্কর ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে ক থাকায় বিসর্গ স্থানে দন্ত স হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাচস + পতি — বাচস বলে কোনো সংস্কৃত বা বাংলা মূল শব্দ ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়। B) বাচ + পতি — এটি সাধারণ সন্ধির নিয়ম মানেনি কারণ এখানে বিসর্গ বা পদের পরিবর্তন দেখানো হয়নি। C) বাচস + তি — তি অংশটি সঠিক নয় কারণ মূল শব্দ পতি। D) বাচঃ + পতি — এটি সঠিক বিসর্গ সন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিসর্গের পরে প বা ফ থাকলে বিসর্গ পরিবর্তন করে মূর্ধন্য স বসাতে হয়। - শব্দটিতে বাচ শব্দের সাথে পতি যুক্ত হওয়ার সময় মাঝখানে মূর্ধন্য স আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধির এই নিয়মটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - নমস্কার, ভাস্কর ও বাচস্পতি শব্দগুলো একই নিয়মে সাধিত হয়।
a প্রণয়ণ
b প্রনয়ন
c প্রনয়ণ
d প্রণয়ন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রণয়ন ১. কেন সঠিক: - প্রণয়ন বানানটিতে দন্ত্য-ন এবং মূর্ধন্য-ণ এর সঠিক প্রয়োগ হয়েছে। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহৃত হয়। - প্র উপসর্গ এবং নী ধাতুর সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে প্রণয়ন শব্দটি গঠিত হয়েছে। এখানে প বর্গীয় বর্ণের আগের বর্ণ হওয়ায় ন-ত্ব বিধান অনুসারে দন্ত্য-ন মূর্ধন্য-ণ এ রূপান্তরিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ এবং ন-ত্ব বিধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। তৎসম শব্দে ঋ, র বা ষ এর পরে ন থাকলে তা মূর্ধন্য-ণ হয়। - প্র উপসর্গ এবং নী ধাতুর যোগে সাধিত শব্দে এই নিয়মটি নিয়মিতভাবে কার্যকর হয়। এছাড়া ট বর্গীয় বর্ণের আগের দন্ত্য-ন সর্বদা মূর্ধন্য-ণ এ পরিণত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রণামের নিয়ম ব্যাখ্যা: প্র উপসর্গের পর নাম শব্দ যুক্ত হয়ে প্রণামের মতো প্রণেতা, প্রণালী শব্দগুলো গঠিত হয় যেখানে ন-ত্ব বিধানের নিয়ম কার্যকর হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রবঞ্চনা শব্দ ব্যাখ্যা: প্র উপসর্গের প্রভাবে অনেক সময় শব্দে বানানের রূপ পরিবর্তিত হয়, যা শব্দের মূল উৎস ও ব্যাকরণিক নিয়ম মেনে চলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রণয়ণ — এই বানানে দন্ত্য-ন এর স্থানে ভুলক্রমে মূর্ধন্য-ণ এবং শেষে আবার মূর্ধন্য-ণ ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ। B) প্রনয়ন — এই বানানে প্র উপসর্গের পর নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য-ণ না লিখে দন্ত্য-ন লেখা হয়েছে যা ন-ত্ব বিধানের পরিপন্থী। C) প্রনয়ণ — এই বানানে প্রথম অংশে দন্ত্য-ন এবং শেষ অংশে ভুলভাবে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) প্রণয়ন — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এতে প্রমিত বানানরীতি ও ন-ত্ব বিধান নিখুঁতভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্র উপসর্গের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গঠিত শব্দগুলোতে সাধারণত মূর্ধন্য-ণ এর ব্যবহার হয়। প্রণেতা, প্রণালী, প্রণয়ন এই শব্দগুলোতে দন্ত্য-ন ব্যবহার না করে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহার করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ন-ত্ব বিধানের শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তৎসম শব্দের বানান নির্ণয়ে ঋ, র, ষ এবং প্র, পরি, নির উপসর্গের নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a আরবি
b তুর্কি
c ফারসি
d সংস্কৃতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফারসি ১. কেন সঠিক: - একতারা শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ফারসি ভাষার 'এক' এবং 'তার' শব্দের সমন্বয়ে গঠিত এই শব্দটি বাংলা বাদ্যযন্ত্রের নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের উৎস হিসেবে ফারসি ভাষার প্রভাব অনেক গভীর, যার মধ্যে সংস্কৃতি ও দৈনন্দিন জীবনের নানা উপকরণ যুক্ত রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দসমূহকে উৎসের ভিত্তিতে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। - বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগিজ, ফরাসি, ওলন্দাজ ও তুর্কি ভাষা অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে বাংলা শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চশমা ব্যাখ্যা: চশমা শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত একটি অতি পরিচিত বিদেশি শব্দ। উদাহরণ ২: জগত ব্যাখ্যা: জগত বা জগৎ একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ, যা প্রাকৃত ভাষার মধ্য দিয়ে পরিবর্তিত হয়নি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — আরবি ভাষা থেকে বাংলায় নামাজ, রোজা, কলম ইত্যাদি শব্দ এসেছে, কিন্তু একতারা শব্দটি আরবি নয়। B) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে দারোগা, চাকর, তোপ ইত্যাদি শব্দ বাংলায় এসেছে, তাই এটি তুর্কি ভাষা থেকে আসেনি। C) ফারসি — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ফারসি ভাষা থেকে আগত হওয়ায় এটি সঠিক। D) সংস্কৃতি — একতারা শব্দটি প্রাকৃত বা তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ নয়, তাই এটি সংস্কৃতি বা সংস্কৃত ভাষা থেকে আসেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাদ্যযন্ত্র সম্পর্কিত কিছু শব্দ যেমন একতারা, দোতারা, রবাব ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। - ফারসি শব্দ মনে রাখতে আইন আদালত, পোশাক পরিচ্ছদ এবং বাদ্যযন্ত্র সম্পর্কিত শব্দগুলো আলাদা করে চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - শব্দগুলোর উৎস নির্ণয়ের জন্য শব্দের অর্থ এবং কোন সংস্কৃতির সাথে শব্দটি বেশি জড়িত তা খেয়াল রাখতে হবে।
a সমাপ্তি
b দেনা-পাওনা
c পোস্ট মাস্টার
d মধ্যবর্তিনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পোস্ট মাস্টার ১. কেন সঠিক: 'রতন' চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'পোস্ট মাস্টার' ছোটগল্পের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র। এই গল্পে রতন নামের অনাথ মেয়েটি গ্রামের পোস্ট অফিসারের সেবিকা ও স্নেহপ্রার্থী হিসেবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তার 'গল্পগুচ্ছ' গ্রন্থটি ছোটগল্পের এক অনন্য সৃষ্টি। পোস্ট মাস্টার গল্পটি ১৮৯১ সালে সাধনা পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটি গ্রামীণ বাংলার নিঃসঙ্গতা ও মানবিক সম্পর্কের সুন্দর রূপায়ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাবুলিওয়ালা ছোটগল্পের মিন্টু চরিত্র। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপর একটি বিখ্যাত ছোটগল্পের চরিত্র। উদাহরণ ২: ক্ষুধিত পাষাণ ছোটগল্পের মেহের আলী চরিত্র। ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রহস্য ও মনস্তাত্ত্বিক ধারার একটি জনপ্রিয় ছোটগল্পের চরিত্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাপ্তি — এই গল্পের প্রধান নারী চরিত্র মৃন্ময়ী এবং এটি নারীর মনস্তত্ত্ব নিয়ে রচিত। B) দেনা-পাওনা — এই গল্পের প্রধান চরিত্র জীবানন্দ ও নিরুপমা, যা যৌথ পরিবারের চিত্র তুলে ধরে। C) পোস্ট মাস্টার — এই অপশনটি সঠিক এবং এর প্রধান চরিত্র রতন ও গ্রামের পোস্ট মাস্টার। D) মধ্যবর্তিনী — এই গল্পের প্রধান চরিত্র হরসুন্দরী ও শৈলবালা, যা পারিবারিক সম্পর্কের জটিলতা প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের পোস্ট মাস্টার মানেই অনাথ রতন ও রানির বাজারের কথা মনে রাখতে হবে। ছোটগল্পের নাম ও চরিত্র মনে রাখতে লেখকের গল্পগুচ্ছের তালিকা বারবার পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্পের চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন সমাধানের জন্য গল্পের মূল চরিত্রগুলোর নাম আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।
a Talkative
b Loosy
c Lore
d Angry
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Talkative কেন সঠিক: - Loquacious শব্দের অর্থ বাকপটু, অতিরিক্ত কথ্য বা যে খুব বেশি কথা বলে। - Talkative শব্দের অর্থও অতিরিক্ত কথা বলা বা মুখর, যা প্রদত্ত শব্দের সঠিক সমার্থক রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Talkative — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Loosy — এটি মূলত Loose শব্দের অনানুষ্ঠানিক রূপ বা আলগা অর্থ প্রকাশ করে, যা বাকপটুতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) Lore — এর অর্থ ঐতিহ্যগত জ্ঞান বা লোককাহিনি, যা অতিরিক্ত কথা বলার সঙ্গে মেলে না। D) Angry — এর অর্থ রাগী বা ক্রুদ্ধ, যা কথা বলার পরিমাণের সঙ্গে সম্পর্কহীন। মনে রাখার টিপস: Loquacious শব্দের শুরুতে Loqu আছে যার অর্থ কথা বলা, যেমন Reloquent বা Dialogue শব্দে পাওয়া যায়।
a He said to me, "You are a fool."
b He said to me, "You are foolish."
c I spent the rest day at home
d I found all the windows open.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I spent the rest day at home কেন সঠিক: - Noun-এর আগে adjective হিসেবে 'rest' ব্যবহার না করে 'remaining' ব্যবহার করা উচিত কারণ 'rest' এখানে ভুলভাবে বসেছে। - দিন বা সময় বোঝাতে 'the remaining day' বা 'the rest of the day' সঠিক গঠন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He said to me, "You are a fool." — এটি একটি সঠিক direct narration এবং এর punctuation সঠিক আছে। B) He said to me, "You are foolish." — এখানে 'foolish' adjective হিসেবে perfectly বসেছে এবং বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। C) I spent the rest day at home — এটি ভুল কারণ 'rest day' না বলে 'remaining day' বা 'the rest of the day' বলতে হবে। D) I found all the windows open. — এটি একটি সঠিক sentence যেখানে 'open' adjective হিসেবে object complement হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সময় বা দিন বোঝাতে 'the rest day' না বলে সবসময় 'the remaining day' অথবা 'the rest of the day' ব্যবহার করতে হয়।
a to start up
b starting up
c will starting up
d start up
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) starting up কেন সঠিক: - বাক্যের শুরুতে 'It is always a risk' থাকলে এরপর Gerund (verb+ing) বসে কারণ এটি Subject হিসেবে কাজ করে। - এখানে 'starting up' জিরান্ড হিসেবে বসে বাক্যের সাবজেক্টের পরিপূরক বা জেন্ডার গঠন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to start up — এটি Infinitive, যা সাধারণত উদ্দেশ্য প্রকাশে বসে কিন্তু এখানে Gerund বসা বাধ্যতামূলক। B) starting up — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি বাক্যের গঠন ও নিয়মের সাথে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ। C) will starting up — মডেল ভার্বের পর সরাসরি Gerund এভাবে বসে না, ব্যাকরণগতভাবে এটি ভুল। D) start up — এটি Verb এর বেস ফর্ম, যা Subject এর অবস্থানে একা বসতে পারে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে It দিয়ে শুরু হয়ে risk বা worth থাকলে পরের verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
a Being different
b Intellectual faculties
c Prominence
d Emotion
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Intellectual faculties কেন সঠিক: - বাক্যে 'minds' শব্দটি মানুষের চিন্তাশক্তি, মননশীলতা বা বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতাকে নির্দেশ করেছে। - এখানে কোনো ব্যক্তির বিশেষ গুণ বা প্রতিভাবান ব্যক্তিদের বোঝাতে 'Intellectual faculties' বা বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা অর্থ ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Being different — এর অর্থ ভিন্ন হওয়া, যা এখানে বুদ্ধিবৃত্তিক বা মনের উৎকর্ষের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) Intellectual faculties — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে মন বা বুদ্ধিমত্তার শ্রেষ্ঠত্ব বোঝানো হয়েছে। C) Prominence — এর অর্থ প্রখ্যাত বা পরিচিতি, যা মনের সরাসরি প্রতিশব্দ নয়। D) Emotion — এর অর্থ আবেগ, কিন্তু 'minds' এখানে বুদ্ধিমত্তা বা মনন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে, আবেগ নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বাক্যে 'greatest minds' বা বিখ্যাত মনীষী বোঝাতে 'minds' ব্যবহার করা হলে তা সবসময় বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতা বা Intellectual faculties নির্দেশ করে।
a was
b were
c had been
d had
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) had been কেন সঠিক: - এটি Third Conditional-এর নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে, যেখানে if-clause-এ Past Perfect tense বসে। - মূল বাক্যের পরের অংশে 'would have eaten' থাকায় প্রথম অংশে 'had been' ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) was — এটি Simple Past tense প্রকাশ করে, যা Third Conditional-এর নিয়মের সঙ্গে মেলে না। B) were — এটি Subjunctive mood-এ Imaginary condition প্রকাশ করে, কিন্তু এখানে ফল প্রকাশে Past Perfect প্রয়োজন। C) had been — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি Past Perfect tense নির্দেশ করে। D) had — একা বসলে এটি Past Simple tense হয়, কিন্তু এখানে মূল ভার্বের Past Participle প্রয়োজন। মনে রাখার টিপস: বাক্যের অপর অংশে would have + V3 থাকলে ইফ ক্লজে সর্বদা had + V3 বা had been ব্যবহার করতে হবে।
a G.B Shaw
b Amitav Ghosh
c Robert Frost
d E.M Forster
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) E.M Forster কেন সঠিক: - এটি ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ই. এম. ফস্টার রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা ভারত ও বৃটেনের রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্ক নিয়ে লেখা। - উপন্যাসের নাম নেওয়া হয়েছে কবি ওয়াল্ট হুইটম্যানের একই নামের একটি কবিতা থেকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) G.B Shaw — জর্জ বার্নার্ড শ একজন বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার ও সমালোচক, যার বিখ্যাত নাটকের মধ্যে পিগম্যালিয়ন অন্যতম। B) Amitav Ghosh — অমিতাভ ঘোষ একজন সমসাময়িক ভারতীয় ইংরেজি ঔপন্যাসিক, যিনি দ্য শ্যাডোগ লাইনস উপন্যাসের জন্য পরিচিত। C) Robert Frost — রবার্ট ফ্রস্ট একজন জনপ্রিয় আমেরিকান কবি, যিনি তার গ্রামীণ প্রকৃতিভিত্তিক কবিতার জন্য বিখ্যাত। D) E.M Forster — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: ফস্টার মানেই ইন্ডিয়া ভ্রমণ, তাই ফস্টার ও প্যাসেজ টু ইন্ডিয়া একত্রে মনে রাখুন।
a Release
b Granite
c Hcrz
d Hollow
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Release কেন সঠিক: - 'Grasp' শব্দটির অর্থ কোনো কিছু শক্ত করে ধরা, আঁকড়ে ধরা বা আয়ত্ত করা। - এর বিপরীত বা অ্যান্টনিম হলো কোনো কিছু ছেড়ে দেওয়া বা মুক্ত করা, যার অর্থ প্রকাশ করে 'Release'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Release — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ মুক্তি দেওয়া বা ছেড়ে দেওয়া, যা 'grasp' শব্দের বিপরীত। B) Granite — এটি একটি পাথরের নাম (গ্রানাইট), যার সাথে এই শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই। C) Hcrz — এটি একটি অর্থহীন শব্দ বা টাইপিং ভুল, যা কোনো ইংরেজি শব্দ নয়। D) Hollow — এর অর্থ ফাঁকা বা গহ্বর, যা 'grasp' শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: 'Grasp' মানে ধরা এবং 'Release' মানে ছাড়া, এই দুটি পরস্পর বিপরীত শব্দ মনে রাখবেন।
a A colourful blood
b Noble birth
c Wealthy man
d Poor people
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Noble birth কেন সঠিক: - 'Blue blood' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ নীল রক্ত হলেও রূপক অর্থে কুলীন বা উচ্চ বংশ বোঝায়। - এটি মূলত ঐতিহাসিক কোনো পরিবার বা অভিজাত বংশের রক্তকে নির্দেশ করে, যাদের সমাজে বিশেষ মর্যাদা ও উচ্চ অবস্থান থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A colourful blood — এটি ইডিয়মের রূপক অর্থ বা অভিজাত বংশের ধারণার সঙ্গে কোনোভাবেই মিল রাখে না। B) Noble birth — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই বাগধারার অন্তর্নিহিত ভাবার্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। C) Wealthy man — ধনী ব্যক্তি বোঝালেও এটি সরাসরি অভিজাত বা কুলীন বংশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। D) Poor people — এটি অভিজাত বা কুলীন শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: রক্ত নীল না হলেও অভিজাত বা রাজপরিবারের লোকদের বংশমর্যাদা বোঝাতে 'Blue blood' বা কুলীন জন্ম মনে রাখা যায়।
a noun
b adverb
c adjective
d pronoun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) adjective কেন সঠিক: - এখানে loud শব্দটি voice নাউনের ঠিক পূর্বে বসে নাউনটির দোষ বা গুণ প্রকাশ করেছে। - বাক্যে কোনো নাউনের পূর্বে বসে সেটির অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করায় এটি একটি Adjective হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — Noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু loud কোনো নাম বোঝায় না। B) adverb — Adverb হতে হলে এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb-কেmodify করতে হতো, যা এখানে হয়নি। C) adjective — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি voice নাউনকে বিশেষিত করেছে। D) pronoun — Pronoun হলো noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দ, কিন্তু এটি নামের পরিবর্তে বসেনি। মনে রাখার টিপস: Noun-এর ঠিক আগে বসে তার সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিলে শব্দটি Adjective হয়।
a Confident
b Disorientated
c Unstudied
d Smart
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Disorientated কেন সঠিক: - 'Fuzzy' শব্দের অর্থ হলো অস্পষ্ট, ধোঁয়াশাচ্ছন্ন বা দিশাহারা। - 'Disorientated' শব্দের অর্থ হলো দিকভ্রান্ত বা দিশেহারা, যা 'Fuzzy' শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Confident — এর অর্থ আত্মবিশ্বাসী, যা অস্পষ্ট বা দিশাহারা শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Disorientated — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ দিশেহারা বা বিভ্রান্ত। C) Unstudied — এর অর্থ অধীত নয় বা যা পড়া হয়নি, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক নয়। D) Smart — এর অর্থ চটপটে বা স্মার্ট, যা এই শব্দের সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Fuzzy মানে যা পরিষ্কার নয় বা গুলিয়ে গেছে, আর Disorientated মানেও দিশা হারিয়ে ফেলা বা গুলিয়ে ফেলা।
a for
b on
c of
d beyond
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) for কেন সঠিক: - এখানে 'for pleasure' একটি উপযুক্ত ফ্রেজ বা প্রিপজিশনাল ব্যবহার, যার অর্থ আনন্দের জন্য বা শখের বশে। - কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করা বোঝাতে নাউনের পূর্বে 'for' প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — এটি সঠিক কারণ 'for pleasure' অর্থ আনন্দের জন্য বা শখের বশে পড়া বোঝায়। B) on — 'on pleasure' ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় কারণ উদ্দেশ্য বোঝাতে অন বসে না। C) of — 'of pleasure' বসালে অর্থের সঠিক সম্পর্ক তৈরি হয় না এবং এটি প্রচলিত ধারা নয়। D) beyond — 'beyond pleasure' অর্থ আনন্দের বাইরে, যা এই বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে দেয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজের উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে আনন্দের ক্ষেত্রে 'for pleasure' ব্যবহার করা হয়।
a Gusting
b Gusted
c Gusty
d Gustad
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: প্রদত্ত্ব সঠিক উত্তরটি ভুল। 'Guest' শব্দের সঠিক Adjective রূপ হলো 'Guestlike' অথবা 'Guestly'। মূলত 'Guest' হলো একটি Noun, এবং এর কোনো বহুল প্রচলিত সরাসরি Adjective ফর্ম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসার মতো নেই। তবে অপশনগুলোর বিশ্লেষণ নিচে দেওয়া হলো। কেন সঠিক: - 'Guest' শব্দের অর্থ অতিথি, যা একটি Noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে 'Guest' শব্দটিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন প্রত্যয় যুক্ত করে Adjective তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে, যার বেশিরভাগই অর্থহীন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gusting — এটি 'Gust' (ঝোড়ো হাওয়া) শব্দের Verb-এর Present Participle রূপ, যার সাথে 'Guest' শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই। B) Gusted — প্রদত্ত উত্তরে এটিকে সঠিক বলা হলেও এটি 'Gust' শব্দের Past Form বা Participle, এটি কোনো অর্থপূর্ণ Adjective নয়। C) Gusty — এটি 'Gust' (ঝোড়ো হাওয়া) থেকে আসা Adjective যার অর্থ ঝোড়ো, এটি 'Guest' শব্দের রূপ নয়। D) Gustad — এটি একটি অর্থহীন শব্দ এবং ইংরেজি ব্যাকরণে এর কোনো ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: 'Guest' (অতিথি) একটি Noun, এর সাথে 'ly' যুক্ত করে সরাসরি Adjective করা যায় না, তাই বিভ্রান্তিকর অপশন দেখে সঠিক উত্তর নির্বাচন করতে সতর্ক থাকতে হবে।
a Be careful not to loose your money.
b Be careful not to lose your money.
c Be careful not to loosen your money.
d Be careful not to lost your money.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Be careful not to lose your money. কেন সঠিক: - বাক্যে অর্থের মিল রাখতে মূল ভার্ব হিসেবে 'lose' (হারানো) ব্যবহার করা প্রয়োজন। - ইনফিনিটিভ 'to' এর পরে ভার্বের বেজ ফর্ম বসে, তাই সঠিক রূপটি এখানে প্রযোজ্য হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Be careful not to loose your money. — 'Loose' হলো বিশেষণ বা এডজেক্টিভ যার অর্থ ঢিলা, কিন্তু এখানে ভার্ব প্রয়োজন। B) Be careful not to lose your money. — এটি সঠিক কারণ 'lose' একটি ভার্ব যার অর্থ হারানো। C) Be careful not to loosen your money. — 'Loosen' অর্থ কোনো কিছু ঢিলা করা, যা অর্থপূর্ণ নয়। D) Be careful not to lost your money. — 'Lost' হলো পাস্ট ফর্ম, কিন্তু ইনফিনিটিভ 'to' এর পরে ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসে। মনে রাখার টিপস: ডাবল ও (oo) যুক্ত loose হলো ঢিলা বা এডজেক্টিভ, আর সিঙ্গেল ও (o) যুক্ত lose হলো হারানো বা ভার্ব।
a Cactusse
b Cacti
c Cactu
d Cacty
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Cacti কেন সঠিক: - ল্যাটিন ভাষার যে শব্দগুলোর শেষে -us থাকে, সেগুলোকে বহুবচন করার সময় সাধারণত -us তুলে দিয়ে -i যুক্ত করা হয়। - cactus শব্দটি ল্যাটিন মূলের হওয়ায় এর সঠিক বহুবচন রূপ হলো cacti। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cactusse — এই বানানটি ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী সম্পূর্ণ ভুল এবং এটি কোনো গ্রহণযোগ্য বহুবচন রূপ নয়। B) Cacti — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং cactus শব্দের সঠিক ল্যাটিন বহুবচন রূপ। C) Cactu — এই শব্দটির শেষে -us না রেখে -u যুক্ত করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) Cacty — ইংরেজি বা ল্যাটিন ব্যাকরণের কোনো নিয়ম অনুযায়ী cactus শব্দের শেষে -y যুক্ত করে বহুবচন করা যায় না। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ভাষায় ল্যাটিন মূলের শব্দগুলোর মধ্যে যেগুলোর শেষে -us থাকে, সেগুলোর বহুবচন করতে সাধারণত -us এর পরিবর্তে -i বসাতে হয়। যেমন- cactus থেকে cacti।
a yet he will go
b as he will go
c still he will go
d he will go
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) he will go কেন সঠিক: - Though বা Although যুক্ত কমপ্লেক্স সেন্টেন্সের একটি অংশে কমা (,) থাকায় দ্বিতীয় অংশে সাধারণত অতিরিক্ত কোনো conjunction বা conjunctional adverb ব্যবহার করা হয় না। - এখানে প্রথম ক্লজে Though থাকলে দ্বিতীয় ক্লজে শুধু মূল সাবজেক্ট ও ভার্ব ব্যবহার করে বাক্যটি সম্পন্ন করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) yet he will go — Though এর সাথে সাধারণত yet বসে, তবে কমা (,) থাকার কারণে এখানে আলাদা করে yet লেখার প্রয়োজন নেই। B) as he will go — As কারণ বা সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা Though যুক্ত বাক্যের বিপরীতার্থক ভাবের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। C) still he will go — Still একটি Adverb, যা Though এর সাথে কমা থাকা সত্ত্বেও একই ক্লজে পুনরায় ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) he will go — এটি সঠিক কারণ Though যুক্ত বাক্যের প্রথম অংশের পর কমা থাকায় দ্বিতীয় অংশে অতিরিক্ত কোনো সংযোজক ছাড়াই কেবল সাবজেক্ট ও ভার্ব বসে। মনে রাখার টিপস: Though বা Although এর সাথে বাক্যে কমা থাকলে অতিরিক্ত yet বা still ব্যবহার না করে সরাসরি সাবজেক্ট দিয়ে বাক্য শেষ করতে হয়।
a everyone
b yourself
c students
d newspaper
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) yourself কেন সঠিক: - ডায়েরি হলো ব্যক্তিগত চিন্তাভাবনা ও গোপন অনুভূতির ভাণ্ডার, যা মূলত নিজের জন্যই লেখা হয়। - এটি প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে নয়, বরং আত্মমূল্যায়ন ও স্মৃতির সংরক্ষণের জন্য লেখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) everyone — ডায়েরি সবার পড়ার জন্য লেখা হয় না, এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত নথিপত্র। B) yourself — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডায়েরি নিজের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য লেখা হয়। C) students — ডায়েরি শুধু শিক্ষার্থীদের জন্য সীমাবদ্ধ নয়, যেকোনো ব্যক্তি নিজের জন্য এটি লিখতে পারে। D) newspaper — সংবাদপত্র সবার জন্য প্রকাশিত হয়, যা ডায়েরির ব্যক্তিগত প্রকৃতির বিপরীত। মনে রাখার টিপস: ডায়েরি লেখার মূল উদ্দেশ্য নিজের সঙ্গে কথা বলা, তাই এটি লেখা হয় নিজের জন্য বা yourself-এর জন্য।
a The writer was seized with panic
b The writer was seized by panic
c The writer was seized into panic
d The writer was seized for panic
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The writer was seized with panic কেন সঠিক: - Active voice-এর বাক্যে Subject যদি জড় পদার্থ বা কোনো অনুভূতি (যেমন panic) হয় এবং Object যদি ব্যক্তি (the writer) হয়, তবে Passive করার সময় by-এর পরিবর্তে with বসে। - সোইজড ভার্বের পর সাধারণ নিয়মে উইথ প্রিপজিশন বসে নির্দিষ্ট কোনো ভয় বা আতঙ্কের আচ্ছন্নতা বোঝাতে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The writer was seized with panic — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে সঠিক প্রিপজিশন with ব্যবহার করা হয়েছে। B) The writer was seized by panic — এখানে বাই ব্যবহার করা হয়েছে যা জড় পদার্থ বা অনুভূতির ক্ষেত্রে সাধারণ নিয়মে প্রযোজ্য নয়। C) The writer was seized into panic — এখানে ইনটু প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক গ্রামার অনুযায়ী এখানে বেমানান। D) The writer was seized for panic — এখানে ফর প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়েছে যা কারণ বোঝাতে ভুল অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: প্যানিক বা আতঙ্কের ক্ষেত্রে ভয়ে আচ্ছন্ন হওয়া বোঝালে বাই না হয়ে উইথ প্রিপজিশন বসে।
a Waiter
b Mare
c Never
d Rooster
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) Never কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে জেন্ডার নিউট্রাল বা উভলিঙ্গ নয় এমন শব্দ খুঁজতে বলা হয়েছে। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'Never' কোনো নাউন বা জেন্ডার সংক্রান্ত শব্দ নয়, এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Waiter — এটি একটি কমন জেন্ডার বা মাসকুলিন-ফেমিনিন উভয় অর্থেই ব্যবহারের সুযোগ থাকায় জেন্ডার নিউট্রাল হিসেবে বিবেচিত হয়। B) Mare — এটি একটি নির্দিষ্ট ফেমিনিন জেন্ডার বা স্ত্রীবাচক শব্দ, যা ঘোড়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। D) Rooster — এটি একটি নির্দিষ্ট মাসকুলিন জেন্ডার বা পুংলিঙ্গবাচক শব্দ, যা মোরগ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: শব্দের পার্টস অফ স্পিচ খেয়াল রাখবে কারণ একটি অ্যাডভার্ব কখনো জেন্ডার বা লিঙ্গভেদের আওতাভুক্ত হয় না।
a Calm down
b Get ready
c Go together
d Act fast
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Calm down কেন সঠিক: - 'Pull yourself together' একটি ইংরেজি ইডিওম যার অর্থ হলো আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা বা শান্ত হওয়া। - মনকে শান্ত করে পুনরায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসাকে এই বাক্যাংশ দ্বারা বোঝানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Calm down - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ইডিওমটির আসল অর্থের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। B) Get ready - এর অর্থ প্রস্তুত হওয়া, যা মানসিক প্রশান্তির সাথে সম্পর্কিত নয়। C) Go together - এর অর্থ একসাথে যাওয়া বা মিল থাকা, যা এই ইডিওমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) Act fast - এর অর্থ দ্রুত কাজ করা, যা আবেগ নিয়ন্ত্রণের ধারণার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: নিজেকে গুছিয়ে নিতে বা শান্ত হতে আমরা বলি 'Pull yourself together'।
a Leave
b Accompany
c Guilt
d Draw nearer
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Accompany কেন সঠিক: - 'Come along with' একটি গ্রুপ ভার্ব যার অর্থ কারো সাথে যাওয়া বা সঙ্গী হওয়া। - প্রদত্ত সঠিক উত্তর Accompany অর্থও কারো সঙ্গী হওয়া বা সাথে যাওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Leave — এর অর্থ ত্যাগ করা বা চলে যাওয়া, যা প্রশ্নোক্ত বাক্যাংশের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Accompany — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সাথে যাওয়া বা সঙ্গী হওয়া। C) Guilt — এর অর্থ অপরাধবোধ বা দোষ, যা একটি নাউন এবং এই ফ্রেঞ্জের সাথে অর্থগতভাবে মেলে না। D) Draw nearer — এর অর্থ কাছাকাছি এগিয়ে আসা, যা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির সাথে যাওয়া বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: 'Come along' মানে সাথে আসা, তাই এর সাথে 'with' যুক্ত হলে তা সঙ্গী হওয়া বা 'Accompany' অর্থ প্রকাশ করে।
a a hero in the battle field
b a sailing ship used in the past for fighting
c a man in the battle field
d a man won a battle
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a sailing ship used in the past for fighting কেন সঠিক: - এটি একটি বিশেষ ধরনের সমাসবদ্ধ শব্দ বা ইডিয়ম যার আক্ষরিক অর্থ যুদ্ধের মানুষ হলেও এটি একটি যুদ্ধজাহাজকে বোঝায়। - অতীতে নৌযুদ্ধে ব্যবহৃত পাল তোলা যুদ্ধজাহাজ বোঝাতে এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a hero in the battle field — এটি আক্ষরিক অর্থে যুদ্ধের নায়ক বোঝালেও 'Man-of-war' এর নির্ধারিত কাব্যিক বা আক্ষরিক অর্থ নয়। B) a sailing ship used in the past for fighting — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, এটি মূল শব্দের সঠিক অর্থ বহন করে। C) a man in the battle field — এটি রণক্ষেত্রের কোনো সাধারণ মানুষকে বোঝায়, যা এই বিশেষ শব্দের প্রকৃত অর্থ নয়। D) a man won a battle — এটি যুদ্ধজয়ী কোনো ব্যক্তিকে নির্দেশ করে, যা এই সামুদ্রিক যুদ্ধজাহাজের সঙ্গে সম্পূর্ণ সম্পর্কহীন। মনে রাখার টিপস: 'Man-of-war' দেখলে মানুষ না ভেবে যুদ্ধজাহাজ বা পাল তোলা যুদ্ধজাহাজ মনে রাখবে।
a raises
b rises
c risen
d rise
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) rises কেন সঠিক: - বাক্যটিতে সাবজেক্ট হি হলো থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার এবং এটি চিরন্তন সত্য বা অভ্যাসগত কাজের প্রকাশ ঘটায়। - তাই প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে মূল ভার্বের সাথে এস বা ইএস যুক্ত করতে হয় এবং রাইজ ভার্বের রূপটি সঠিক হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) raises — এটি একটি ট্রানজিটিভ ভার্ব যার পরে অবজেক্ট প্রয়োজন হয়, কিন্তু এখানে কোনো অবজেক্ট নেই। B) rises — এটি সঠিক উত্তর কারণ রাইজ একটি ইনট্রানজিটিভ ভার্ব যা নিজে নিজেই ঘটার অর্থ প্রকাশ করে। C) risen — এটি ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ, যা একা একা প্রিন্সিপাল ভার্ব হিসেবে বসতে পারে না। D) rise — সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হওয়ার কারণে ভার্বের সাথে এস বা ইএস যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। মনে রাখার টিপস: সূর্য ওঠার মতো প্রাকৃতিক বা স্বয়ংক্রিয় কাজের ক্ষেত্রে ইনট্রানজিটিভ ভার্ব রাইজ ব্যবহার করতে হয়।
a Bureaue
b Burlesque
c Charlatan
d Dress
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Bureaue কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দটির সঠিক বানান হলো Bureau, যার শেষে ue যুক্ত থাকে না। - অপশনে থাকা Bureaue বানানটিতে অতিরিক্ত একটি e যুক্ত থাকায় এটি একটি বানান ভুল শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bureaue — এই বানানটি ভুল কারণ এর সঠিক রূপ হলো Bureau যার অর্থ দফতর বা ব্যুরো। B) Burlesque — এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ উপহাসমূলক নাটক বা ব্যঙ্গাত্মক রচনা। C) Charlatan — এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ হাতুড়ে ডাক্তার বা প্রতারক। D) Dress — এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ পোশাক। মনে রাখার টিপস: Bureau বানানের শেষে eau বসে, আলাদা করে কোনো e বসে না।
a at
b in
c within
d on
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) in কেন সঠিক: - দ্বীপের চারপাশ জল বা সীমানা দ্বারা সীমাবদ্ধ থাকলে তার অভ্যন্তরে বসবাস বোঝাতে preposition হিসেবে in ব্যবহৃত হয়। - বড় ভৌগোলিক এলাকা, দেশ, শহর বা সীমানা ঘেরা দ্বীপের ক্ষেত্রে in বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — নির্দিষ্ট কোনো ছোট স্থান, বিন্দু বা ঠিকানার ক্ষেত্রে at বসে, যা দ্বীপের অভ্যন্তর বোঝানোর জন্য উপযুক্ত নয়। B) in — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ব্যাখ্যা মূল উত্তরে প্রদান করা হয়েছে। C) within — কোনো সীমার ভেতরে বা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বোঝাতে within ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। D) on — সাধারণত উন্মুক্ত পৃষ্ঠদেশ, রাস্তা বা নির্দিষ্ট কোনো ছোট দ্বীপের নামের পূর্বে on বসে, তবে এই বাক্যে সামগ্রিক অর্থ বিবেচনায় in অধিক গ্রহণযোগ্য। মনে রাখার টিপস: বড় ভৌগোলিক এলাকা বা সীমানা ঘেরা দ্বীপের ভেতরে বসবাস বোঝালে in ব্যবহার করবে।
a Infrequent
b Always
c Regular
d Yesterday
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Infrequent কেন সঠিক: - 'Few and far between' একটি প্রবাদতুল্য ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ হলো কদাচিৎ বা বিরল। - 'Infrequent' শব্দটির অর্থও বিরল বা যা ঘন ঘন ঘটে না, তাই এটি সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Infrequent — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ বিরল, যা প্রদত্ত ইডিয়মের অর্থের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। B) Always — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ সর্বদা, যা 'Few and far between' অর্থাৎ কদাচিৎ এর বিপরীতার্থক। C) Regular — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ নিয়মিত, যা বিরল বা অনিয়মিত ঘটনার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) Yesterday — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট সময় নির্দেশক শব্দ, যার সাথে এই ইডিয়মের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: 'Few' অর্থ কম এবং 'Far' অর্থ দূরে; যা সংখ্যায় কম এবং অনেক দূরে থাকে তা খুব কমই অর্থাৎ 'Infrequent' বা বিরল হয়ে থাকে।
a 72
b 96
c 144
d 176
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৭৬ প্রদত্ত তথ্য: থলিতে ৫, ২, ৩, ১ টাকার মুদ্রা সমসংখ্যক আছে মোট টাকার পরিমাণ ১১৫২ টাকা ধরি, প্রতিটি মুদ্রার সংখ্যা = ক অতএব, ৫ টাকার মোট টাকা = ৫ × ক ২ টাকার মোট টাকা = ২ × ক ৩ টাকার মোট টাকা = ৩ × ক ১ টাকার মোট টাকা = ১ × ক সুতরাং, সব মুদ্রার মোট টাকার যোগফল = ৫ক + ২ক + ৩ক + ১ক = ১১ক শর্তানুসারে, ১১ক = ১১৫২ উত্তর: ক = ১১৫২ ÷ ১১ = ১৭৬
a 120
b 140
c 166
d 240
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২০ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য ২৬ সে.মি, ২৪ সে.মি এবং ১০ সে.মি ধরি, প্রথম বাহু = ২৬ সে.মি দ্বিতীয় বাহু = ২৪ সে.মি তৃতীয় বাহু = ১০ সে.মি অতএব, বাহুগুলোর বর্গের হিসাব করলে পাই ২৬ এর বর্গ = ৬৮৪ ২৪ এর বর্গ = ৫৭৬ ১০ এর বর্গ = ১০০ সুতরাং, এখানে ৫.৭৬ + ১.০০ = ৬.৭৬ হয়, যা ২৬ এর বর্গক্ষেত্রের সমান, তাই এটি সমকোণী ত্রিভুজ উত্তর: ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল = ১÷২ × ভূমি × উচ্চতা = ১÷২ × ২৪ × ১০ = ১২০ বর্গ সে.মি
a 224
b 448
c 604
d 704
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 704 প্রদত্ত তথ্য: চাকার ব্যাসার্ধ = ২২.৪ সে.মি. চাকাটি ঘোরার সংখ্যা = ৫০০ বার ধরি, চাকার পরিধি = ২ × (২২ ÷ ৭) × ২২.৪ সে.মি. মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = চাকার পরিধি × ৫০০ সে.মি. অতএব, চাকার পরিধি = ২ × ৩.১৪১৬ × ২২.৪ সে.মি. = ১৪০.৮ সে.মি. মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ১৪০.৮ × ৫০০ সে.মি. = ৭০৪০০ সে.মি. সুতরাং, মিটার প্রকাশ করতে ১০০ দ্বারা ভাগ করতে হবে ৭০৪০০ ÷ ১০০ মিটার = ৭০৪ মিটার উত্তর: 704
a 161
b 171
c 181
d 191
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭৫ নয়, সঠিক উত্তর B) ১৭১ প্রদত্ত তথ্য: ধারার প্রথম পদ = ১ ধারার দ্বিতীয় পদ = ৩ ধারার তৃতীয় পদ = ১১ ধারার চতুর্থ পদ = ৪৩ ধরি, প্রথম পদের সাথে সম্পর্ক = ১ × ১ + ২ = ৩ দ্বিতীয় পদের সাথে সম্পর্ক = ৩ × ৩ + ২ = ১১ তৃতীয় পদের সাথে সম্পর্ক = ১১ × ৪ − ১ = ৪৩ অতএব, এখানে গুণের সংখ্যা এবং যোগ বা বিয়োগের নিয়মটি লক্ষ্য করি প্রথম পদ থেকে দ্বিতীয় পদে যেতে ১ দিয়ে গুণ করে ২ যোগ হয়েছে দ্বিতীয় পদ থেকে তৃতীয় পদে যেতে ৩ দিয়ে গুণ করে ২ যোগ হয়েছে সুতরাং, তৃতীয় পদ থেকে চতুর্থ পদে যেতে ৪ দিয়ে গুণ করে ১ বিয়োগ হয়েছে চতুর্থ পদ থেকে পঞ্চম পদে যেতে ৫ দিয়ে গুণ করে ৪ যোগ হয়েছে উত্তর: ৪৩ × ৪ + ২ = ১৭১
a 10
b -10
c 1
d -1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) −১ প্রদত্ত তথ্য: অপেক্ষকটি হলো f(x) = |x| ÷ x ধরি, x এর মান ঋণাত্মক হলে পরম মানের সংজ্ঞা অনুযায়ী |x| এর মান −x হয় অতএব, এখানে x এর মান −১০ যা শূন্য অপেক্ষা ছোট সুতরাং, f(−১০) = |−১০| ÷ (−১০) = ১০ ÷ (−১০) = −১ উত্তর: −১
a 8
b 3
c √3
d √8
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ প্রদত্ত তথ্য: ট্যান থিটা = রুট ৮ ধরি, লম্ব = রুট ৮ ভূমি = ১ অতএব, অতিভুজ স্কয়ার = লম্ব স্কয়ার + ভূমি স্কয়ার অতিভুজ স্কয়ার = (রুট ৮) স্কয়ার + ১ স্কয়ার অতিভুজ স্কয়ার = ৮ + ১ = ৯ সুতরাং, অতিভুজ = রুট ৯ = ৩ সেক থিটা = অতিভুজ ÷ ভূমি = ৩ ÷ ১ = ৩ উত্তর: ৩
a 1
b 2
c 3
d 4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ প্রদত্ত তথ্য: ব্র্যাকেটে দুই গুণ এ প্লাস দুই ভাগ এ এর হোল স্কয়ার সমান বারো সমীকরণটি লিখে পাই, দুই গুণ এ প্লাস দুই ভাগ এ এর হোল স্কয়ার সমান বারো উভয়পক্ষ থেকে দুই কমন নিয়ে পাই, দুই গুণ ব্র্যাকেটে এ প্লাস এক ভাগ এ এর হোল স্কয়ার সমান বারো অতএব, চার গুণ ব্র্যাকেটে এ প্লাস এক ভাগ এ এর হোল স্কয়ার সমান বারো চার দিয়ে ভাগ করে পাই, ব্র্যাকেটে এ প্লাস এক ভাগ এ এর হোল স্কয়ার সমান তিন বর্গ সূত্র ভেঙে পাই, এ স্কয়ার প্লাস দুই গুণ এ গুণ এক ভাগ এ প্লাস এক ভাগ এ স্কয়ার সমান তিন সুতরাং, এ স্কয়ার প্লাস এক ভাগ এ স্কয়ার প্লাস দুই সমান তিন উত্তর: এ স্কয়ার প্লাস এক ভাগ এ স্কয়ার সমান তিন বিয়োগ দুই সমান এক
a 0
b 1
c 5/3
d 3/5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো পাঁচ এর পাওয়ার এক্স ভাগ পাঁচ সমান তিন এর পাওয়ার এক্স ভাগ তিন। ধরি, এক্স এর বিভিন্ন মানের জন্য সমীকরণটি পরীক্ষা করতে হবে। অতএব, এক্স সমান এক বসালে বামপক্ষ হয় পাঁচ এর পাওয়ার এক ভাগ পাঁচ সমান এক। দ্বিতীয় হিসাব: এক্স সমান এক বসালে ডানপক্ষ হয় তিন এর পাওয়ার এক ভাগ তিন সমান এক। সুতরাং, বামপক্ষ এবং ডানপক্ষ সমান হয় যখন এক্স সমান এক। উত্তর: ১
a 19
b 14
c 10
d 25
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ প্রদত্ত তথ্য: অনুপাত দুটি সমানুপাতে আছে প্রথম অনুপাতটি হলো ৫ : ৭ দ্বিতীয় অনুপাতটি হলো x : ১৪ ধরি, সমানুপাতের নিয়ম অনুযায়ী প্রথম রাশির সাথে চতুর্থ রাশির গুণফল এবং দ্বিতীয় রাশির সাথে তৃতীয় রাশির গুণফল সমান হবে অতএব, ৫ অনুপাত ৭ সমান x অনুপাত ১৪ লেখা যায় এটিকে ভগ্নাংশ আকারে ৫ ভাগ ৭ সমান x ভাগ ১৪ লেখা যায় কোণাকোণি গুণ করে পাই ৭ গুণ x সমান ৫ গুণ ১৪ সুতরাং, ৭ গুণ x সমান ৭০ লেখা যায় x সমান ৭০ ভাগ ৭ লেখা যায় উত্তর: ১০
a 1/2
b 1/3
c 1/6
d 1/9
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১/৬ প্রدত্ত তথ্য: লগারিদমের ভিত্তি হলো ২৭ এবং সংখ্যাটি হলো √৩ ধরি, লগ এর মানটি হলো x অতএব, ২৭ এর পাওয়ার x সমান √৩ লেখা যায় সুতরাং, ৩ এর কিউব এর পাওয়ার x সমান ৩ এর পাওয়ার ১/২ লেখা যায় অতএব, ৩ এর পাওয়ার ৩x সমান ৩ এর পাওয়ার ১/২ লেখা যায় সুতরাং, ৩x সমান ১/২ লেখা যায় উত্তর: x সমান ১/৬
a 7
b 9
c 11
d 12
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার যোগফল = ১৬ সংখ্যা দুটির গুণফল = ৬৩ ধরি, ছোট সংখ্যাটি = ক বড় সংখ্যাটি = খ অতএব, ক + খ = ১৬ ক × খ = ৬৩ সুতরাং, (ক − খ)২ = (ক + খ)২ − ৪ × ক × খ (ক − খ)২ = ১৬২ − ৪ × ৬৩ = ২৫৬ − ২৫২ = ৪ উত্তর: খ = (১৬ + ২) ÷ ২ = ৯
a 19
b 21
c 23
d 25
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১ প্রদত্ত তথ্য: সামনের জন্মদিনে তরুণের বয়স হবে বর্তমান বয়সের সাথে এক যোগ করলে যা হয় ১০ বৎসর পূর্বের বয়স হবে বর্তমান বয়স থেকে দশ বিয়োগ করলে যা হয় ধরি, তরুণের বর্তমান বয়স = ক বৎসর অতএব, সামনের জন্মদিনে বয়স হবে = ক + ১ ১০ বৎসর পূর্বের বয়স ছিল = ক − ১০ সুতরাং, শর্তমতে, ক + ১ = ২ × (ক − ১০) ক + ১ = ২ক − ২০ উত্তর: ক = ২১ বৎসর
a 5
b ৫ × ২
c ৫ × ৫
d 2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ × ৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ৫টি বিজোড় স্বাভাবিক সংখ্যা হলো ১, ৩, ৫, ৭ ও ৯ ধরি, সংখ্যাগুলোর সমষ্টি নির্ণয় করতে হবে অতএব, সংখ্যাগুলো যোগ করলে পাই ১ + ৩ + ৫ + ৭ + ৯ = ২৫ সুতরাং, ৫টি সংখ্যার যোগফল সমান ৫ × ৫ উত্তর: ৫ × ৫
a 9
b 18
c 27
d 54
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৭ প্রদত্ত তথ্য: ঘনক আকৃতির বাক্সের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৩ মিটার ধরি, বাক্সের দৈর্ঘ্য = ৩ মিটার বাক্সের প্রস্থ = ৩ মিটার বাক্সের উচ্চতা = ৩ মিটার অতএব, বাক্সের আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা বাক্সের আয়তন = ৩ × ৩ × ৩ ঘনমিটার সুতরাং, বাক্সের আয়তন = ২৭ ঘনমিটার উত্তর: ২৭
a 0
b 4
c 8
d 16
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো পরম মান চার যোগ পরম মান চার বিয়োগ চার যোগ চার ধরি, প্রথম অংশ হলো মাইনাস চারের পরম মান দ্বিতীয় অংশ হলো চারের পরম মান তৃতীয় ও চতুর্থ অংশ হলো যথাক্রমে বিয়োগ চার এবং যোগ চার অতএব, মাইনাস চারের পরম মান হলো চার চারের পরম মান হলো চার বাকি সংখ্যা দুটি হলো বিয়োগ চার এবং যোগ চার সুতরাং, চার যোগ চার বিয়োগ চার যোগ চার পাই আমরা হিসাব করলে প্রথম চারের সাথে চার যোগ হয়ে হয় আট আট থেকে চার বাদ দিলে থাকে চার, এবং তার সাথে চার যোগ করলে হয় আট উত্তর: ৮
a 156
b 36
c 172
d 144
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪৪ প্রদত্ত তথ্য: ১ ফুট = ১২ ইঞ্চি ধরি, ১ বর্গফুট = ১ ফুট × ১ ফুট অতএব, ১ ফুট এর পরিবর্তে ১২ ইঞ্চি বসাই ১ বর্গফুট = ১২ ইঞ্চি × ১২ ইঞ্চি সুতরাং, ১২ এবং ১২ গুণ করি উত্তর হবে ১৪৪ বর্গ ইঞ্চি উত্তর: ১৪৪ বর্গ ইঞ্চি
a 0.0305
b 0.0353
c 0.043
d 0.356
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.০৩৫৩ প্রদত্ত তথ্য: ১ মিটার দৈর্ঘ্যকে ফুজে রূপান্তর করতে হবে ১ মিটার সমান ৩.২৮০৮৪ ফুট ধরি, ১ মিটার দীর্ঘ, ১ মিটার প্রশস্ত এবং ১ মিটার উচ্চতাবিশিষ্ট ঘনকের আয়তন ১ ঘনমিটার ১ মিটার সমান ৩.২৮০৮৪ ফুট হিসেবে ঘনকের মাত্রা হিসাব করতে হবে অতএব, ১ ঘনমিটার = ৩.২৮০৮৪ ফুট × ৩.২৮০৮৪ ফুট × ৩.২৮০৮৪ ফুট ১ ঘনমিটার = ৩৫.৩১৫ ঘনফুট সুতরাং, ১ ঘনফুট = ১ ÷ ৩৫.৩১৫ ঘনমিটার ১ ঘনমিটার = ০.০৩৫৩ ঘনফুট উত্তর: ০.০৩৫৩
a {5, - 5}
b {5}
c {}
d {- 5}
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো রুট ওভার (৩ক − ৬) + ৫ = ২ এখানে ক হলো অজানা চলক যার মান বের করতে হবে ধরি, রুট ওভার (৩ক − ৬) + ৫ = ২ বা, রুট ওভার (৩ক − ৬) = ২ − ৫ অতএব, রুট ওভার (৩ক − ৬) = − ৩ এখন উভয় পক্ষকে বর্গ করে পাই সুতরাং, ৩ক − ৬ = ৯ বা, ৩ক = ৯ + ৬ উত্তর: ক = ৫
a 0
b 1
c অনির্ণেয়
d 0 , 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনির্ণেয় প্রদত্ত তথ্য: ০ কে ০ দ্বারা ভাগ করতে হবে ধরি, ক × ০ = ০ এখানে ক এর মান যেকোনো সংখ্যা হতে পারে অতএব, ১ × ০ = ০ ২ × ০ = ০ ৫ × ০ = ০ সুতরাং, ০ এর কোনো নির্দিষ্ট মান পাওয়া যায় না উত্তর: অনির্ণেয়
a শিশু সাহিত্য পুরস্কার
b সাহিত্য পুরস্কার
c চলচ্চিত্র পুরস্কার
d নাট্য পুরস্কার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চলচ্চিত্র পুরস্কার কেন সঠিক: - অস্কার বা একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস কর্তৃক প্রদত্ত চলচ্চিত্রের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক পুরস্কার। - এটি ১৯২৯ সাল থেকে বিশ্বের চলচ্চিত্র শিল্পে শ্রেষ্ঠ অর্জনকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য নিয়মিত প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিশু সাহিত্য পুরস্কার — এটি শিশুদের জন্য রচিত সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রদান করা হয়, যা চলচ্চিত্র বা অস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) সাহিত্য পুরস্কার — এটি সাধারণত লেখালেখি বা উপন্যাসের জন্য দেওয়া হয়, কিন্তু অস্কার প্রদান করা হয় চলচ্চিত্রের বিভিন্ন বিভাগে। C) চলচ্চিত্র পুরস্কার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ অস্কার বিশ্ব চলচ্চিত্র জগতের সর্বোচ্চ সম্মাননা। D) নাট্য পুরস্কার — এটি মঞ্চনাটকের জন্য প্রযোজ্য, যা রূপালী পর্দার চলচ্চিত্র বা অস্কার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: অস্কার মানেই সিনেমা বা চলচ্চিত্র জগতের সবচেয়ে বড় উৎসব।
a ১০ এপ্রিল
b ১০ মে
c ১০ মার্চ
d ১০ জুন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০ এপ্রিল কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়। - এই সরকার গঠনের মাধ্যমেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ প্রাতিষ্ঠানিক ও দাপ্তরিক রূপ লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ এপ্রিল — এই তারিখে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়। B) ১০ মে — এই তারিখে মুজিবনগর সরকারের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা বা সরকার গঠনের দিন নেই। C) ১০ মার্চ — এই তারিখে মুজিবনগর সরকার গঠন বা এর কার্যক্রমের কোনো ঐতিহাসিক সংশ্লিষ্টতা নেই। D) ১০ জুন — এই তারিখে মুজিবনগর সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো প্রধান ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। মনে রাখার টিপস: ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ করে।
a থেরেসা
b অ্যাঞ্জেলা মার্কেল
c হিলারি ক্লিনটন
d শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শেখ হাসিনা কেন সঠিক: - পরিবেশ সুরক্ষায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতিসংঘ ২০১৫ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই সর্বোচ্চ পরিবেশগত পুরস্কার প্রদান করে। - জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারের নীতিগত নেতৃত্ব এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে জোরালো ভূমিকার জন্য তাকে এই খেতাব দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থেরেসা — তিনি যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, তবে পরিবেশ ক্ষেত্রে জাতিসংঘের এই শীর্ষ খেতাব তিনি পাননি। B) অ্যাঞ্জেলা মার্কেল — তিনি জার্মানির সাবেক চ্যান্সেলর এবং জলবায়ু নিয়ে কাজ করলেও এই নির্দিষ্ট খেতাবটি তার নয়। C) হিলারি ক্লিনটন — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাজনীতিবিদ, তবে তিনি জাতিসংঘের এই খেতাব পাননি। D) শেখ হাসিনা — তিনি ২০১৫ সালে পরিবেশ সুরক্ষায় অবদানের জন্য এই খেতাব অর্জন করেছিলেন এবং এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: পরিবেশের চ্যাম্পিয়ন হলেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যিনি ২০১৫ সালে এই খেতাব পান।
a হাজী মোহাম্মদ দানেশ
b হাজী মোহাম্মদ মহসীন
c হাজী শরীয়ত উল্লাহ
d তিতুমীর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হাজী শরীয়ত উল্লাহ কেন সঠিক: - হাজী শরীয়ত উল্লাহ ১৮১৮ সালের দিকে অবিভক্ত বাংলার ফরিদপুর অঞ্চলে ফরায়েজী আন্দোলন শুরু করেন। - ইসলাম ধর্মের ফরজ বিধানগুলোর ওপর গুরুত্ব আরোপ এবং সমাজে প্রচলিত কুসংস্কার দূর করাই ছিল এই আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাজী মোহাম্মদ দানেশ — তিনি তেভাগা আন্দোলনের অন্যতম নেতা ছিলেন, ফরায়েজী আন্দোলনের সূচনাকারী নন। B) হাজী মোহাম্মদ মহসীন — তিনি একজন প্রখ্যাত দানবীর ও সমাজসেবক ছিলেন, ফরায়েজী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) হাজী শরীয়ত উল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশন ভুল নয়। D) তিতুমীর — তিনি বাংলার কৃষক বিদ্রোহ ও বারাসাত বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, ফরায়েজী আন্দোলনের সূচনাকারী নন। মনে রাখার টিপস: ফরায়েজী আন্দোলনের ফ এবং শরীয়ত উল্লাহর শরীয়ত যুক্ত করে মনে রাখতে পারেন শরীয়ত উল্লাহ ফরায়েজী আন্দোলনের প্রবর্তক।
a সমতট
b পুণ্ড্র
c গৌড়
d হরিকেল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পুণ্ড্র কেন সঠিক: - ঐতিহাসিক সূত্র ও পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তির অবস্থান অনুযায়ী পুণ্ড্র জনপদটি বাংলার প্রাচীনতম জনপদ হিসেবে স্বীকৃত। - মৌর্য আমল থেকেই পুণ্ড্রবর্ধন ছিল প্রাচীন বাংলার উত্তর অঞ্চলের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও জনবসতিপূর্ণ কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমতট — এটি বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত প্রাচীন জনপদ, যা পুণ্ড্রর মতো প্রাচীনতম নয়। B) পুণ্ড্র — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্রাচীন বাংলার প্রথম ও প্রধান জনপদ। C) গৌড় — এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও এর আশেপাশের অংশ নিয়ে গঠিত পরবর্তীকালের একটি জনপদ ও রাজনৈতিক কেন্দ্র। D) হরিকেল — এটি বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে গঠিত একটি প্রাচীন জনপদ। মনে রাখার টিপস: প্রাচীন বাংলায় প্রথম পা ফেললেই পুণ্ড্র মনে রাখবে, কারণ এটি বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ।
a ইউক্রেন
b রাশিয়া
c চীন
d মঙ্গোলিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাশিয়া কেন সঠিক: - 'তাস' (TASS) হলো রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় ও প্রধান বার্তা সংস্থা। - এটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংগ্রহ ও বিতরণে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সংবাদ সংস্থা হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউক্রেন — ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার নাম ইউক্রিনফর্ম, 'তাস' নয়। B) রাশিয়া — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক এবং এটি রাশিয়ার বার্তা সংস্থা। সি) চীন — চীনের প্রধান রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার নাম সিনহুয়া, 'তাস' নয়। ডি) মঙ্গোলিয়া — মঙ্গোলিয়ার সংবাদ সংস্থার নাম মনটসামে, 'তাস' নয়। মনে রাখার টিপস: রাশিয়ার 'তাস' খুব দ্রুত খবর ছড়ায়, এভাবে রাশিয়া ও তাস মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
a ১৯৯৭ সালে
b ১৯৯৮ সালে
c ১৯৯৯ সালে
d ২০০০ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৯৭ সালে প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ক্রিকেট দল মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি ফাইনালে কেনিয়াকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। - এই জয়ের মাধ্যমেই বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে একদিনের আন্তর্জাতিক বা ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৭ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সালেই বাংলাদেশ দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস অর্জন করে। B) ১৯৯৮ সালে — এই সালে বাংলাদেশ প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক ওয়ানডে টুর্নামেন্ট আয়োজন করে, যা মিনি বিশ্বকাপ নামে পরিচিত। C) ১৯৯৯ সালে — এই সালে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে। D) ২০০০ সালে — এই সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে। মনে রাখার টিপস: ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জয় এবং ওয়ানডে স্ট্যাটাস প্রাপ্তি একই বছরে ঘটেছিল।
a 43
b 42
c 44
d 41
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪২ কেন সঠিক: - বিল ক্লিনটন যুক্তরাষ্ট্রের ৪২তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ১৯৯৩ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। - তিনি ডেমোক্রেটিক পার্টির একজন রাজনীতিবিদ এবং জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশের উত্তরসূরি ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪৩ — এই ক্রমিকে জর্জ ডব্লিউ বুশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন, যিনি বিল ক্লিনটনের পর ক্ষমতায় আসেন। B) ৪২ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) ৪৪ — এই ক্রমিকে বারাক ওবামা যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম আফ্রো-আমেরিকান প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। D) ৪১ — এই ক্রমিকে জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন, যিনি বিল ক্লিনটনের ঠিক আগের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। মনে রাখার টিপস: বিল ক্লিনটনের নামের শেষের 'ক্লিনটন' এবং ৪২ সংখ্যাটি পাশাপাশি মনে রাখতে পারেন যে তিনি ছিলেন ৪২তম প্রেসিডেন্ট।
a ১৬ ডিসেম্বর
b ২৫ মার্চ
c ২৬ মার্চ
d ২১ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫ মার্চ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের এই রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাঙালি জাতির ওপর ইতিহাসের নৃশংসতম অপারেশন সার্চলাইট পরিচালনা করে গণহত্যা শুরু করে। - ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকার দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে 'গণহত্যা দিবস' হিসেবে পালন করে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ ডিসেম্বর — এটি বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস, যেদিন পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল। B) ২৫ মার্চ — এটি নির্দিষ্ট সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে অন্য তথ্য প্রযোজ্য নয়। C) ২৬ মার্চ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, ১৯৭১ সালের এই দিনে স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়। D) ২১ ফেব্রুয়ারি — এটি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, যা ভাষা আন্দোলনের স্মরণে পালিত হয়। মনে রাখার টিপস: বিজয় অর্জনের ঠিক আগের মাসগুলোর ইতিহাস মনে রাখতে হবে যে, স্বাধীনতার ঘোষণা ২৬ মার্চ হলেও রক্তক্ষয়ী গণহত্যা শুরু হয়েছিল ২৫ মার্চ রাতে।
a পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার
b ময়নামতি
c পানাম নগর
d কান্তজী মন্দির
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার কেন সঠিক: - পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার বা সোমপুর মহাবিহার ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। - এটি বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলায় অবস্থিত পাল আমলের একটি প্রাচীন ও বিখ্যাত বৌদ্ধ বিহার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার — এটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত এবং প্রাচীন বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্থাপত্য। B) ময়নামতি — এটি কুমিল্লার ঐতিহাসিক স্থান হলেও ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। C) পানাম নগর — এটি নারায়ণগঞ্জের ঐতিহাসিক সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত প্রাচীন জনপদ, যা ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় নেই। D) কান্তজী মন্দির — এটি দিনাজপুরের টেরাকোটা শিল্পসমৃদ্ধ বিখ্যাত মন্দির, যা ইউনেস্কোর মূল বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী তালিকার বাইরে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান পাহাড়পুর (১৯৮৫), আর সুন্দরবন দ্বিতীয় (১৯৯৭)।
a UNICEF
b IMF
c UNDP
d UNESCO
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) UNESCO কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। - ২০০০ সাল থেকে বিশ্বের ১৭৭টি সদস্য দেশে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়ে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNICEF — এটি জাতিসংঘের শিশু তহবিল, যা শিশুদের অধিকার ও কল্যাণে কাজ করে কিন্তু ভাষা দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) IMF — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, যা বৈশ্বিক আর্থিক সহযোগিতা ও ঋণ প্রদান নিয়ে কাজ করে। C) UNDP — এটি জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি, যা দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই উন্নয়নে কাজ করে। D) UNESCO — এটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা, যা এই দিবসটি ঘোষণা করেছে। মনে রাখার টিপস: শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত বলেই মাতৃভাষা দিবসটি ইউনেস্কো ঘোষণা করেছে।
a SDG-4
b SDG-3
c SDG-10
d SDG-7
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) SDG-4 কেন সঠিক: - এসডিজি চার এর মূল লক্ষ্য হলো সকলের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ তৈরি করা। - এটি টেকসই উন্নয়নের ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে শিক্ষা খাতের উন্নয়নের জন্য নির্ধারিত একমাত্র নির্দিষ্ট গোল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) SDG-4 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই লক্ষ্যটি সরাসরি গুণগত শিক্ষা অর্জনের সঙ্গে সম্পর্কিত। B) SDG-3 — এটি সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ অর্জনের সঙ্গে সম্পর্কিত, শিক্ষা বিষয়ক নয়। C) SDG-10 — এটি দেশগুলোর মধ্যকার ও দেশের ভেতরের অসমতা কমানোর সঙ্গে সম্পর্কিত। D) SDG-7 — এটি সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য, টেকসই ও আধুনিক জ্বালানি নিশ্চিত করার সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: শিক্ষার ইংরেজি শব্দ এডুকেশন-এর সঙ্গে চার সংখ্যাটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে এসডিজি চার হলো শিক্ষা বিষয়ক লক্ষ্য।
a বীর প্রতীক
b বীর উত্তম
c বীর বিক্রম
d বীর শ্রেষ্ঠ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বীর শ্রেষ্ঠ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রদান করা এটি সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব। - মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতার জন্য মোট সাতজনকে এই সম্মানজনক খেতাবে ভূষিত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীর প্রতীক — এটি মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য চতুর্থ ও সর্বনিম্ন খেতাব। B) বীর উত্তম — এটি মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্য দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব। C) বীর বিক্রম — এটি মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্য তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব। D) বীর শ্রেষ্ঠ — এটি মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্য প্রথম ও সর্বোচ্চ খেতাব হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: খেতাবগুলোর ক্রম মনে রাখতে শ্রেষ্ঠ, উত্তম, বিক্রম ও প্রতীক এই সিরিয়ালটি মনে রাখুন।
a 2023
b 2024
c 2025
d 2026
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০২৬ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ জাতিসংঘ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ করে ২০২৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বল্পোন্নত দেশ (LDC) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবে। - করোনা মহামারীর কারণে অর্থনৈতিক সুরক্ষার জন্য বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর বাড়িয়ে ২০২৬ সাল পর্যন্ত নির্ধারণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০২৩ — এই সালে বাংলাদেশ এলডিসি উত্তরণের চূড়ান্ত পর্যায়ে ছিল না, তাই এটি সঠিক নয়। B) ২০২৪ — পূর্বে এই বছরে এলডিসি থেকে উত্তরণের সম্ভাব্য সময় ধরা হলেও পরে তা সংশোধন করা হয়। C) ২০২৫ — এই সালটি বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের আনুষ্ঠানিক সময়সীমার সঙ্গে মিল রাখে না। D) ২০২৬ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা লাভ করবে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মুক্তি পাবে দুই হাজার ছাব্বিশ সালে।
a চট্টগ্রাম
b ভোলা
c নোয়াখালী
d কক্সবাজার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নোয়াখালী কেন সঠিক: - ভাসানচর মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় অবস্থিত একটি কৃত্রিম দ্বীপ, যা প্রশাসনিকভাবে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্ভুক্ত। - স্থানটি জলবায়ু পরিবর্তন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিজনিত কারণে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসনের জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম একটি প্রধান বন্দর নগরী ও জেলা হলেও ভাসানচর এর মূল ভূখণ্ড বা আওতাধীন কোনো দ্বীপ নয়, এটি নোয়াখালীর প্রশাসনিক সীমানায় অবস্থিত। B) ভোলা — ভোলা বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা হলেও ভাসানচর ভৌগোলিক ও প্রশাসনিকভাবে ভোলার অংশ নয়, এটি নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত। C) নোয়াখালী — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) কক্সবাজার — কক্সবাজার দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় জেলা এবং সেন্টমার্টিন বা সোনাদিয়া এর দ্বীপ, কিন্তু ভাসানচর এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ভাসানচর মনে রাখতে "নোয়াখালীর হাতিয়া ভাসানচর" এই ছন্দটি মনে রাখতে পারেন।
a নিউ ইয়র্ক
b ওয়াশিংটন
c জেনেভা
d রোম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জেনেভা কেন সঠিক: - UNHCR হলো জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা, যার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত। - বিশ্বজুড়ে শরণার্থী ও আশ্রিত মানুষের অধিকার রক্ষায় এই সদর দপ্তর থেকে সামগ্রিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউ ইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তর এবং ইউনিসেফের কার্যালয়, তাই UNHCR এর জন্য প্রযোজ্য নয়। B) ওয়াশিংটন — এটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং এখানে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ এর সদর দপ্তর অবস্থিত। C) জেনেভা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে UNHCR এর সদর দপ্তর অবস্থিত। D) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএও এর সদর দপ্তর অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: শরণার্থীদের রক্ষার জন্য যারা জেনে বুঝে কাজ করে, তাদের প্রধান কার্যালয় জেনেভায় অবস্থিত।
a 6
b 6.15
c 6.25
d 6.05
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬.১৫ কেন সঠিক: - পদ্মা সেতুর মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং সংযোগ সড়কসহ মোট দৈর্ঘ্য ১০ কিলোমিটার। - এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম বহুমুখী সেতু যা মাওয়া ও জাজিরা পয়েন্টকে যুক্ত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ — এটি মূল সেতুর সঠিক দৈর্ঘ্য নয়, কারণ মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬ কিলোমিটারের বেশি। B) ৬.১৫ — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং মূল সেতুর নিখুঁত দৈর্ঘ্য। C) ৬.২৫ — এটি পদ্মা সেতুর মূল সেতুর দৈর্ঘ্য অপেক্ষা সামান্য বেশি ভুল তথ্য। D) ৬.০৫ — এটিও পদ্মা সেতুর সঠিক দৈর্ঘ্য নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ছয় দশমিক পনেরো কিলোমিটার।
a ভারত
b ভুটান
c নেপাল
d শ্রীলংকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভারত কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রথম স্বীকৃতি প্রদান করে। - ভুটান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারতের ঠিক কয়েক ঘণ্টা পরে, যা দ্বিতীয় স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — এটি ভুল উত্তর কারণ ভারত বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদান করেছিল, দ্বিতীয় নয়। B) ভুটান — এটি সঠিক উত্তর হওয়া উচিত ছিল কারণ ভুটান বাংলাদেশকে দ্বিতীয় স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশ। C) নেপাল — এটি ভুল উত্তর কারণ নেপাল বাংলাদেশকে তৃতীয় স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশ। D) শ্রীলংকা — এটি ভুল উত্তর কারণ শ্রীলংকা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় স্বীকৃতি দেয়নি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানের ক্ষেত্রে মনে রাখবে প্রথম ভারত এবং দ্বিতীয় ভুটান।
a ভারত ও নেপাল
b ভারত ও পাকিস্তান
c পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
d ভারত ও চীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভারত ও চীন কেন সঠিক: - এই সীমারেখাটি ১৯১৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পক্ষ থেকে স্যার হেনরি ম্যাকমোহন নির্ধারণ করেছিলেন। - এটি ভারত ও তিব্বত তথা চীনের মধ্যকার পূর্ব সীমান্ত হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত ও নেপাল — ভারত ও নেপালের সীমান্ত কোনো সুনির্দিষ্ট ঔপনিবেশিক নামে পরিচিত নয়। B) ভারত ও পাকিস্তান — ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সীমান্ত রেডক্লিফ লাইন নামে পরিচিত। সি) পাকিস্তান ও আফগানিস্তান — পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সীমান্ত ডুরান্ড লাইন নামে পরিচিত। D) ভারত ও চীন — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: ম্যাকমোহন নামের প্রথম অক্ষর ম এবং চীন নামের প্রথম অক্ষর চ মিলে ম-চ বা ম্যাকমোহন চীন সীমান্ত মনে রাখতে পারেন।
a 1974
b 1973
c 1975
d 1972
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1974 কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে সংস্থাটির সদস্যপদ লাভ করে। - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দূরদর্শী কূটনীতির কারণে বাংলাদেশ এই মুসলিম বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1974 — এই সালে বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করে, তাই এটি সঠিক উত্তর। B) 1973 — এই সালে বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করেনি, এটি ভুল সাল। C) 1975 — এই সালে বাংলাদেশ ইতিপূর্বেই সদস্যপদ লাভ করেছিল, তাই এই সালটি সঠিক নয়। D) 1972 — এই সালে ওআইসি প্রতিষ্ঠিত হলেও বাংলাদেশ তখন এর সদস্যপদ পায়নি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর পাকিস্তানের লাহোর সম্মেলনে প্রথম অংশগ্রহণ করেই ১৯৭৪ সালে ওআইসি এর সদস্য হয়।
a হোয়াংহো নদীর তীরে
b ইয়াংসিকিয়াং নদীর তীরে
c নীল নদের তীরে
d টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর তীরে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর তীরে কেন সঠিক: - বর্তমান ইরাক অঞ্চলে টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মধ্যবর্তী উর্বর উপত্যকায় মেসোপটেমিয়া সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। - গ্রিক শব্দ মেসোপটেমিয়া অর্থ দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হোয়াংহো নদীর তীরে — এই নদীর তীরে চৈনিক সভ্যতা গড়ে উঠেছিল, মেসোপটেমিয়া নয়। B) ইয়াংসিকিয়াং নদীর তীরে — এটিও চীনের একটি নদী, যার অববাহিকায় প্রাচীন চীনা সভ্যতা বিকশিত হয়েছিল। C) নীল নদের তীরে — এই নদীর অববাহিকায় প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। D) টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর তীরে — এটিই মেসোপটেমিয়া সভ্যতা গড়ে ওঠার সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান। মনে রাখার টিপস: মেসোপটেমিয়া মানে দুই নদীর দেশ, তাই টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর নাম মনে রাখতে হবে।
a যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
b ইংল্যান্ড
c কাতার
d অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাতার কেন সঠিক: - ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপ মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। - এটি ছিল মধ্যপ্রাচ্যে অনুষ্ঠিত প্রথম এবং শীতকালীন সময়ে আয়োজিত প্রথম ফুটবল বিশ্বকাপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা — এই দেশগুলো ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজন করবে। B) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ড ২০২২ বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল না, তারা ১৯৬৬ সালে একবার বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল। C) কাতার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই দেশটি ২০২২ বিশ্বকাপ সফলভাবে আয়োজন করেছে। D) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়া ২০২২ বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার জন্য আবেদন করলেও নির্বাচিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: আরব দেশ কাতারে অনুষ্ঠিত ২০২২ বিশ্বকাপটি ক-তে কাতার এভাবে খুব সহজে মনে রাখতে পারো।
a ৪ এপ্রিল ১৯৪৯
b ৮ মার্চ ১৯৪৯
c ৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৯
d ৪ মে ১৯৪৯
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্রসহ ১২টি প্রতিষ্ঠাতা দেশের স্বাক্ষরের মাধ্যমে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ন্যাটো সামরিক জোট গঠিত হয়। - স্নায়ুযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব মোকাবিলা করার জন্য এই সামরিক জোট আত্মপ্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই দিনেই আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। B) ৮ মার্চ ১৯৪৯ — এটি ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সঠিক তারিখ নয় এবং এই দিনে জোটের কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। C) ৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৯ — এই তারিখে কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা বা ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সম্পর্ক নেই। D) ৪ মে ১৯৪৯ — এই তারিখে ন্যাটোর সদর দপ্তর স্থাপনসংক্রান্ত বা প্রতিষ্ঠার কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। মনে রাখার টিপস: ১৯৪৯ সালের এপ্রিল মাসের চার তারিখে স্নায়ুযুদ্ধের সময় ১২টি দেশ মিলে ন্যাটো সামরিক জোট গঠন করে।
a Computed Treatment Scan
b Computed Tomography Scan
c Computed Tomology Scan
d Computed Therapy Scan
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Computed Tomography Scan কেন সঠিক: - সিটি স্ক্যান চিকিৎসা বিজ্ঞানে ব্যবহৃত একটি বিশেষ ইমেজিং প্রযুক্তি, যার পুরো নাম হলো কম্পিউটেড টমোগ্রাফি স্ক্যান। - এটি এক্স-রে প্রযুক্তির সাহায্যে শরীরের ভেতরের অঙ্গ ও হাড়ের ত্রিমাত্রিক বা বিস্তারিত ছবি তৈরি করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Computed Treatment Scan — চিকিৎসাকে ট্রিটমেন্ট বলা হলেও চিকিৎসা বিজ্ঞানে এই নামের কোনো স্ক্যানিং প্রযুক্তি নেই। B) Computed Tomography Scan — এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি স্বীকৃত পদ্ধতি এবং প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর। C) Computed Tomology Scan — টমোলজি কোনো চিকিৎসা পরিভাষা বা সঠিক বৈজ্ঞানিক শব্দ নয়। D) Computed Therapy Scan — থেরাপি চিকিৎসাপদ্ধতির একটি অংশ হলেও এই নামের কোনো স্ক্যানিং পদ্ধতি নেই। মনে রাখার টিপস: সিটি স্ক্যানের পূর্ণরূপ মনে রাখতে মাথায় রাখুন টি দিয়ে টমোগ্রাফি, যা শরীরের ভেতরের স্তরের ছবি তুলতে ব্যবহৃত হয়।
a অশোক
b শশাঙ্ক
c লক্ষণ সেন
d ধর্মপাল
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: B) শশাঙ্ক কেন সঠিক: - রাজা শশাঙ্ক ছিলেন প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা যিনি সপ্তম শতাব্দীতে গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। - এর আগে বাংলা কখনো রাজনৈতিকভাবে একক কোনো শাসকের অধীনে একত্রিত বা স্বাধীন ছিল না, বিভিন্ন ছোট স্বাধীন অঞ্চলে বিভক্ত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অশোক — তিনি প্রাচীন মৌর্য সাম্রাজ্যের সম্রাট ছিলেন, অবিভক্ত বাংলার আঞ্চলিক বা স্বাধীন কোনো রাজা ছিলেন না। B) শশাঙ্ক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি সঠিক। C) লক্ষণ সেন — তিনি সেন রাজবংশের রাজা ছিলেন এবং দ্বাদশ শতাব্দীতে বাংলা শাসন করেছিলেন, যা শশাঙ্কের অনেক পরের সময়কাল। D) ধর্মপাল — তিনি পাল রাজবংশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজা ছিলেন, যিনি অষ্টম শতাব্দীতে বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: প্রথম স্বাধীন রাজা মনে রাখতে শশাঙ্কের নাম মনে রাখুন, কারণ শ দিয়েই স্বাধীন এবং শ দিয়েই শশাঙ্ক শুরু হয়।
a সম্প্রসারিত প্রাকৃতিক গ্যাস
b সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস
c সংকুচিত বিউটেন গ্যাস
d এক ধরণের ট্র্যাকশন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস ১. কেন সঠিক: সিএনজি শব্দের ইংরেজি রূপ হলো কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস, যার বাংলা অর্থ সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস। প্রাকৃতিক গ্যাসকে উচ্চচাপে সংকুচিত করে সিলিন্ডারে ভরে যানবাহনের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয় বলেই এর এই নামকরণ করা হয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল উপাদান মিথেন গ্যাসকে যখন প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে সংকুচিত করা হয়, তখন তা তরলে পরিণত না হয়ে বায়বীয় অবস্থাতেই উচ্চ ঘনত্ব অর্জন করে। কার্যপ্রণালি: এই সংকুচিত গ্যাসকে সিলিন্ডারে সংরক্ষণ করে ইঞ্জিনের দহন প্রকোষ্ঠে সরবরাহ করা হয়, যেখানে বাতাসের সঙ্গে মিশून এটি পুড়ে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা শহরের সিএনজি চালিত অটোরিকশা। ব্যাখ্যা: এই অটোরিকশাগুলোর পেছনে বিশেষ সিলিন্ডারে সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস সংরক্ষণ করা হয় এবং তা পুড়িয়ে ইঞ্জিন চালানো হয়। উদাহরণ ২: গণপরিবহনে ব্যবহৃত সিএনজি বাস। ব্যাখ্যা: পরিবেশ দূষণ কমানোর জন্য ডিজেলের পরিবর্তে সিএনজি ব্যবহার করে বাসগুলোর ইঞ্জিন পরিচালনা করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্প্রসারিত প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি সঠিক নয় কারণ গ্যাসকে প্রসারিত করা হয় না, বরং উচ্চচাপে সংকুচিত করা হয়। B) সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি সঠিক কারণ সিএনজি এর পূর্ণরূপ হলো কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস বা সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস। C) সংকুচিত বিউটেন গ্যাস — এটি ভুল কারণ এলপিজি বা রান্নার গ্যাসের মূল উপাদান বিউটেন ও প্রোপেন, সিএনজি বিউটেন গ্যাস নয়। D) এক ধরণের ট্র্যাকশন — এটি ভুল কারণ ট্র্যাকশন বলতে সাধারণত বৈদ্যুতিক বা যান্ত্রিক টানের মাধ্যমে যান চলাচল ব্যবস্থাকে বোঝায়, সিএনজি কোনো ট্র্যাকশন নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সিএনজি শব্দের প্রথম অক্ষর সি মানে কম্প্রেসড বা সংকুচিত এবং এন মানে ন্যাচারাল বা প্রাকৃতিক গ্যাস। এইভাবে সিএনজি মানে সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস কথাটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সিএনজি গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন, যার রাসায়নিক সংকেত সিএইচ ফোর। একই ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে এলপিজি এর পূর্ণরূপ কী, যার উত্তর হলো লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস।
a 23
b 44
c 46
d 48
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৬ ১. কেন সঠিক: - মানবদেহের সাধারণ দেহকোষে ক্রোমোজোমের সংখ্যা হলো ৪৬টি বা ২৩ জোড়া। - এর মধ্যে ২২ জোড়া অটোজোম দেহের সাধারণ বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে এবং ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোম থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ক্রোমোজোম হলো কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত ডিএনএ এবং প্রোটিনের সমন্বয়ে গঠিত বংশগতির মূল একক। - কার্যপ্রণালি: পিতা ও মাতার কাছ থেকে প্রাপ্ত গ্যামেট বা জননকোষের মিলনের মাধ্যমে এই নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজোম পরবর্তী প্রজন্মে স্থানান্তরিত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: প্রতিটি প্রজাতির ক্রোমোজোম সংখ্যা নির্দিষ্ট থাকে, যা বংশপরম্পরায় প্রজাতির বৈশিষ্ট্য রক্ষা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের স্বাভাবিক দেহকোষে ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে। ব্যাখ্যা: এই নির্দিষ্ট সংখ্যার তারতম্য ঘটলে ডাউন সিনড্রোমের মতো বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক বৈকল্য দেখা দিতে পারে। উদাহরণ ২: মানুষের জননকোষ বা শুক্রাণু ও ডিম্বাণুতে ২৩টি করে ক্রোমোজোম থাকে। ব্যাখ্যা: নিষেক প্রক্রিয়ার সময় ২৩টি ও ২৩টি মিলে পুনরায় মোট ৪৬টি ক্রোমোজোম বিশিষ্ট জাইগোট গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৩ — এটি মানবদেহের জননকোষে বা হ্যাপ্লয়েড কোষে ক্রোমোজোমের সংখ্যা, সম্পূর্ণ দেহকোষে নয়। B) ৪৪ — এটি মানুষের দেহকোষে থাকা অটোজোম বা সাধারণ ক্রোমোজোমের সংখ্যা, এর সাথে সেক্স ক্রোমোজোম যুক্ত থাকে না। C) ৪৬ — এটি সঠিক উত্তর এবং মানবদেহের ডিপ্লয়েড কোষে মোট ক্রোমোজোমের সংখ্যা। D) ৪৮ — এটি কিছু অন্যান্য প্রাণী যেমন আলু বা শিম্পাঞ্জির ক্রোমোজোম সংখ্যা, মানুষের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মানবদেহের ক্রোমোজোম সংখ্যা মনে রাখতে ২৩ সংখ্যাটি মনে রাখুন এবং একে দুই দিয়ে গুণ করে ৪৬ হিসাব করুন। - ২৩ জোড়া মানে মোট ৪৬টি, এই জোড়ার হিসাবটি মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে মানুষের সেক্স ক্রোমোজোম কয়টি, যার উত্তর ১ জোড়া বা ২টি। - কখনো কখনো গ্যামেটে ক্রোমোজোমের সংখ্যা কত, এমন প্রশ্নও আসে যার উত্তর হবে ২৩টি।
a জলহাওয়া, জলবাতাস, আবহ
b জলহাওয়া, অম্লক, অক্রোধ
c আমলাতি, জলবাতাস, লোন
d জলহাওয়া, জলবায়ু, অরুপানি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জলহাওয়া, জলবাতাস, আবহ ১. কেন সঠিক: আবহাওয়া বলতে কোনো নির্দিষ্ট স্থানে স্বল্প সময়ের বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থাকে বোঝায়। এই ধারণাটি আবহাওয়ার সমার্থক শব্দগুলোর মাধ্যমে আরও স্পষ্ট হয় যা বাংলা ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: আবহাওয়া হলো বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, বায়ুপ্রবাহ এবং বৃষ্টির দৈনন্দিন বা স্বল্পকালীন অবস্থা। কার্যপ্রণালি: সূর্যের তাপ এবং পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে বায়ু மண்டলের উপাদানের পরিবর্তন ঘটে এবং আবহাওয়ার সৃষ্টি হয়। বাস্তব প্রয়োগ: প্রতিদিনের আবহাওয়া দেখে আমরা বুঝতে পারি বাইরে যাওয়ার সময় ছাতা নেব কি না বা গরমের পোশাক পরব কি না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আজ দুপুরের হঠাৎ বৃষ্টি এবং শীতল বাতাস। ব্যাখ্যা: এটি স্বল্পকালীন আবহাওয়ার পরিবর্তনের একটি স্পষ্ট উদাহরণ যা জলবাতাস বা আবহের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: সকালের কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশ এবং বিকেলের তীব্র রোদ। ব্যাখ্যা: একদিনের মধ্যে আবহাওয়ার এই তারতম্য আবহ বা জলহাওয়ার প্রকৃত রূপ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জলহাওয়া, জলবাতাস, আবহ — এই অপশনের সবগুলো শব্দই আবহাওয়ার সমার্থক হিসেবে পরিচিত। B) জলহাওয়া, অম্লক, অক্রোধ — অম্লক বা অক্রোধ শব্দগুলো আবহাওয়ার সমার্থক নয়, এগুলো ভিন্নার্থক শব্দ। C) আমলাতি, জলবাতাস, লোন — এখানে লোন বা আমলাতি শব্দগুলোর সঙ্গে আবহাওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। D) জলহাওয়া, জলবায়ু, অরুপানি — জলবায়ু হলো দীর্ঘ সময়ের গড় অবস্থা, তাই এটি আবহাওয়ার সমার্থক শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: আবহাওয়া মানে স্বল্প সময়ের পরিবেশ আর এর সমার্থক হলো জলহাওয়া, জলবাতাস ও আবহ। জলবায়ু দীর্ঘ সময়ের হিসাব হওয়ায় এটি আবহাওয়ার সমার্থক শব্দ হিসেবে গণ্য হয় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আবহাওয়া হলো স্বল্পকালীন অবস্থা এবং জলবায়ু হলো দীর্ঘকালীন অবস্থা। এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বা সাধারণ জ্ঞানে আসে।
a স্যার আইজাক নিউটন
b আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র
c স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু
d ইবনে সিনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু ১. কেন সঠিক: - বাঙালি বিজ্ঞানী স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু প্রথম বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে উদ্ভিদেরও প্রাণ আছে এবং মানুষের মতো তাদেরও অনুভূতি ও সংবেদনশীলতা রয়েছে। - তিনি ক্রেস্কোগ্রাফ নামক একটি অতি সূক্ষ্ম যন্ত্র আবিষ্কার করে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও উদ্দীপনায় সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা নিখুঁতভাবে পরিমাপ করেছিলেন। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: উদ্ভিদবিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞানের আলোকেই এই তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত যে উদ্ভিদ একটি সজীব সত্তা। - কার্যপ্রণালি: উদ্ভিদের ওপর বিভিন্ন রাসায়নিক ও বৈদ্যুতিক উদ্দীপনা প্রয়োগ করে তাদের প্রতিক্রিয়ার হার সূক্ষ্ম যন্ত্রের সাহায্যে লিপিবদ্ধ করা হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: আধুনিক উদ্ভিদ শারীরতত্ত্বে এই আবিষ্কারের ওপর ভিত্তি করে উদ্ভিদের ওপর পরিবেশের প্রভাব ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লজ্জাবতী গাছের পাতা স্পর্শ করলে তা সংকুচিত হয়ে যায়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে বাহ্যিক উদ্দীপনা পেলে উদ্ভিদ তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয় এবং তার সংবেদনশীলতা রয়েছে। উদাহরণ ২: উদ্ভিদের মূলের বৃদ্ধি এবং আলোর দিকে গাছের বেঁকে যাওয়া। ব্যাখ্যা: এই ঘটনাগুলো দেখায় যে উদ্ভিদের ভেতরেও জৈবিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কাজ করে যা তাদের জীবনপ্রক্রিয়া পরিচালনা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্যার আইজাক নিউটন — ইনি মূলত পদার্থবিজ্ঞানের গতির সূত্র এবং মহাকর্ষ তত্ত্ব আবিষ্কারের জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত। B) আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র — ইনি একজন বিখ্যাত বাঙালি রসায়নবিদ এবং মার্কিউরাস নাইট্রেট আবিষ্কারের জন্য পরিচিত। C) স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি উদ্ভিদের প্রাণ ও সংবেদনশীলতা প্রমাণ করেছিলেন। D) ইবনে সিনা — ইনি একজন প্রাচীন মুসলিম দার্শনিক এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানী যিনি চিকিৎসাশাস্ত্রে অনন্য অবদান রেখেছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: গাছের জীবন আছে এবং ক্রেস্কোগ্রাফ যন্ত্রের আবিষ্কারক হিসেবে সবসময় স্যার জগদীশ চন্দ্র বসুকে মনে রাখতে হবে। বাঙালি বিজ্ঞানী হিসেবে উদ্ভিদের প্রাণ আবিষ্কারের গৌরব তিনিই অর্জন করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু বেতার তরঙ্গ বা রেডিও ওয়েভ আবিষ্কারের ক্ষেত্রেও অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তার উদ্ভাবিত যন্ত্র ক্রেস্কোগ্রাফ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a ডিএনএ
b আরএনএ
c নিউক্লিওলাস
d সেন্ট্রোমিয়ার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডিএনএ ১. কেন সঠিক: - চোখের মণির বা আইরিশের রং নির্ধারিত হয় জিনের মাধ্যমে, যা ডিএনএ অণুর নির্দিষ্ট অংশ। - পিতা-মাতার কাছ থেকে প্রাপ্ত জিন বা ডিএনএ কোডের নির্দেশনা অনুযায়ী কোষে মেলানিন পিগমেন্ট তৈরি হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ডিএনএ হলো বংশগতির মূল একক যা জীবের সমস্ত শারীরিক বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে। - কার্যপ্রণালি: ডিএনএ-তে থাকা নির্দিষ্ট জিন মেলানিন উৎপাদনের মাত্রা নির্ধারণ করে। - কারণ ও ফলাফল: মেলানিনের পরিমাণ বেশি হলে চোখ কালো বা বাদামি হয় এবং কম হলে নীল বা সবুজ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পিতা-মাতার চোখের রং নীল হলে সন্তানদের চোখেও জিনগতভাবে সেই বিশেষ বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে চোখের রং ডিএনএর মাধ্যমে বংশপরম্পরায় সঞ্চারিত হয়। উদাহরণ ২: ভাইবোনের মধ্যে চোখের রং ভিন্ন হওয়া। ব্যাখ্যা: এটি ডিএনএ পুনর্মসংমিশ্রণ এবং জিনের ভিন্ন বিন্যাসের কারণে ঘটে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডিএনএ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে চোখের রং নির্ধারণকারী জিন সংরক্ষিত থাকে। B) আরএনএ — এটি প্রোটিন সংশ্লেষণে কাজ করে কিন্তু সরাসরি বংশগত বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে না। C) নিউক্লিওলাস — এটি নিউক্লিয়াসের ভেতরে রাইবোজোম তৈরির কারখানা হিসেবে কাজ করে। D) সেন্ট্রোমিয়ার — এটি কোষ বিভাজনের সময় ক্রোমোজোমকে যুক্ত রাখতে সাহায্য করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বংশের বৈশিষ্ট্য বা চোখের রং মনে রাখতে ডিএনএ বা জিন কথাটি মাথায় রাখবে। - ডিএনএ হলো সব জৈবিক বৈশিষ্ট্যের মূল ব্লুপ্রিন্ট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবদেহের যেকোনো শারীরিক বৈশিষ্ট্যের মূল নিয়ন্ত্রক হলো জিন বা ডিএনএ। - এই ধরনের প্রশ্ন BCS এবং শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই জিনতত্ত্ব অংশ থেকে আসে।
a সালফিউরিক এসিড
b টারটারিক এসিড
c সাইট্রিক এসিড
d অ্যাসিটিক এসিড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) টারটারিক এসিড ১. কেন সঠিক: - তেঁতুলে প্রধানত টারটারিক এসিড থাকে যা এর টক স্বাদের মূল কারণ। - এটি এক ধরনের অর্গানিক এসিড যা প্রাকৃতিক উৎস থেকে পাওয়া যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: উদ্ভিদ ও ফলে প্রাকৃতিকভাবে যেসব জৈব এসিড থাকে তার মধ্যে টারটারিক এসিড অন্যতম। - রাসায়নিক সংকেত: সি ফোর এইচ সিক্স ও সিক্স। - বাস্তব প্রয়োগ: তেঁতুল আচার, চাটনি ও রান্নার টক স্বাদ আনতে এবং হজমে সহায়তা করতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঁচা আঙুরে প্রচুর পরিমাণে টারটারিক এসিড পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা: আঙুরের পরিপক্বতা বৃদ্ধির সাথে সাথে এই এসিডের পরিমাণ কমতে থাকে। উদাহরণ ২: বেকিং পাউডার তৈরিতে টারটারিক এসিডের লবণ ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি সোডিয়াম বাইকার্বোনেটের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে কেক ফোলাতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সালফিউরিক এসিড — এটি একটি শক্তিশালী অজৈব এসিড যা শিল্প কারখানায় ও ব্যাটারিতে ব্যবহৃত হয়। B) টারটারিক এসিড — এটি তেঁতুলে বিদ্যমান সঠিক জৈব এসিড। C) সাইট্রিক এসিড — এটি পাতিলেবু ও কমলালেবুতে পাওয়া যায়, তেঁতুলে নয়। D) অ্যাসিটিক এসিড — এটি ভিনেগারে পাওয়া যায় যা খাদ্যের সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - তেঁতুল এবং টারটারিক এসিড দুটি শব্দই ত দিয়ে শুরু হয়। - এই মিল মনে রাখলে পরীক্ষায় সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিভিন্ন ফলে কোন এসিড থাকে তা বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - যেমন লেবুতে সাইট্রিক এসিড এবং আপেলে ম্যালিক এসিড থাকে।

মোট প্রশ্ন (25)

a গোরা
b আনন্দ মঠ
c কবি
d বাঁধনহারা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাঁধনহারা ১. কেন সঠিক: বাঁধনহারা হলো বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস। এটি একটি পত্রোপন্যাস বা এপিস্টলারি নভেল আকারে রচিত, যেখানে চিঠিপত্রের মাধ্যমে কাহিনী এগিয়ে গেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক ও বিদ্রোহী সাহিত্যিক হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। তাঁর 'বাঁধনহারা' উপন্যাসটি ১৯২১ সালে মাসিক মোহাম্মদী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয় এবং ১৯২৭ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৃত্যুক্ষুধা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, যা দরিদ্র মানুষের জীবন সংগ্রাম তুলে ধরে। উদাহরণ ২: কুহেলিকা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রাজনৈতিক ও রোমান্টিক চেতনায় সমৃদ্ধ একটি অন্যতম উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোরা — এটি নোবেলজয়ী সাহিত্যিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত দার্শনিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস। কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) আনন্দ মঠ — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস, যা সন্ন্যাসী বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে রচিত। C) কবি — এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস, যা বাংলার গ্রামীণ কবি ও তাঁদের জীবন নিয়ে রচিত। D) বাঁধনহারা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা এবং প্রশ্নানুসারে এটিই সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম উপন্যাস মনে রাখার জন্য মাথায় রাখো যে তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস হলো বাঁধনহারা। নজরুলের তিনটি উপন্যাসের মধ্যে এটিই একমাত্র পত্রোপন্যাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের প্রথম রচনা ও উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কাজী নজরুল ইসলামের অন্যান্য উপন্যাসগুলোর নাম এবং প্রকাশকাল ভালোভাবে পড়ে রাখা জরুরি।
a সমাপ্তি
b দেনা-পাওনা
c পোস্ট মাস্টার
d মধ্যবর্তিনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পোস্ট মাস্টার ১. কেন সঠিক: 'রতন' চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'পোস্ট মাস্টার' ছোটগল্পের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র। এই গল্পে রতন নামের অনাথ মেয়েটি গ্রামের পোস্ট অফিসারের সেবিকা ও স্নেহপ্রার্থী হিসেবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তার 'গল্পগুচ্ছ' গ্রন্থটি ছোটগল্পের এক অনন্য সৃষ্টি। পোস্ট মাস্টার গল্পটি ১৮৯১ সালে সাধনা পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটি গ্রামীণ বাংলার নিঃসঙ্গতা ও মানবিক সম্পর্কের সুন্দর রূপায়ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাবুলিওয়ালা ছোটগল্পের মিন্টু চরিত্র। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপর একটি বিখ্যাত ছোটগল্পের চরিত্র। উদাহরণ ২: ক্ষুধিত পাষাণ ছোটগল্পের মেহের আলী চরিত্র। ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রহস্য ও মনস্তাত্ত্বিক ধারার একটি জনপ্রিয় ছোটগল্পের চরিত্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাপ্তি — এই গল্পের প্রধান নারী চরিত্র মৃন্ময়ী এবং এটি নারীর মনস্তত্ত্ব নিয়ে রচিত। B) দেনা-পাওনা — এই গল্পের প্রধান চরিত্র জীবানন্দ ও নিরুপমা, যা যৌথ পরিবারের চিত্র তুলে ধরে। C) পোস্ট মাস্টার — এই অপশনটি সঠিক এবং এর প্রধান চরিত্র রতন ও গ্রামের পোস্ট মাস্টার। D) মধ্যবর্তিনী — এই গল্পের প্রধান চরিত্র হরসুন্দরী ও শৈলবালা, যা পারিবারিক সম্পর্কের জটিলতা প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের পোস্ট মাস্টার মানেই অনাথ রতন ও রানির বাজারের কথা মনে রাখতে হবে। ছোটগল্পের নাম ও চরিত্র মনে রাখতে লেখকের গল্পগুচ্ছের তালিকা বারবার পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্পের চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন সমাধানের জন্য গল্পের মূল চরিত্রগুলোর নাম আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b বিহারী লাল চক্রবর্তী
c রাজশেখর বসু
d ভারতচন্দ্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিহারী লাল চক্রবর্তী ১. কেন সঠিক: - বাংলা সাহিত্যে বিহারী লাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' বলা হয় কারণ তিনি রোমান্টিক গীতিকবিতার ধারা সৃষ্টি করেছেন। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন এবং তাঁকে বাংলা গীতিকাব্যের ভোরের পাখি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিহারী লাল চক্রবর্তী বাংলা গীতি কবিতার জনক হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর কাব্যে প্রথম আধুনিক গীতিকবিতার আত্মপ্রকাশ ঘটে। - তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে 'সারদা মঙ্গল', 'নিসর্গ দর্শন' এবং 'বন্ধুবিয়োগ' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিহারী লাল চক্রবর্তীর 'সারদা মঙ্গল' কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এই কাব্যটি বাংলা রোমান্টিক গীতি কবিতার বিকাশে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ওপর বিহারী লাল চক্রবর্তীর প্রভাব। ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজে বিহারী লাল চক্রবর্তীকে তাঁর কাব্যগুরু বলে স্বীকার করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যের বিশ্বকবি এবং নোবেল বিজয়ী লেখক, যাঁকে 'ভোরের পাখি' বলা হয় না। B) বিহারী লাল চক্রবর্তী — এই অপশনটি সঠিক এবং তাঁকে বাংলা গীতিকাব্যের 'ভোরের পাখি' বলা হয়। C) রাজশেখর বসু — ইনি একজন বিশিষ্ট হাস্যরসাত্মক লেখক ও প্রাবন্ধিক যিনি 'পরশুরাম' ছদ্মনামে লিখতেন। D) ভারতচন্দ্র — ইনি মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি যাঁকে 'রায়গুণাকর' উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিহারী লাল মানেই ভোরের পাখি, যিনি ভোরে উঠে প্রথম গীতি কবিতার গান গেয়েছিলেন। - রবীন্দ্রনাথ যাঁর কাছ থেকে প্রেরণা পেয়েছিলেন, তিনিই হলেন ভোরের পাখি বিহারী লাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে যে বাংলা সাহিত্যের 'ভোরের পাখি' কে। - কবিদের ছদ্মনাম এবং উপাধিগুলো মনে রাখলে এ ধরনের সাহিত্যভিত্তিক প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
a মানসী, ক্ষণিকা, বলাকা
b সোনারতরী, প্রভাতসংগীত, নাম রেখেছি কোমল গান্দার
c চিত্রা, চৈতালী, চিনে নেওয়াঙ্কণ
d পূরবী, বীরাঙ্গনা, নন্দিনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মানসী, ক্ষণিকা, বলাকা ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশন এ এর তিনটি কাব্যগ্রন্থই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৌলিক কাব্যগ্রন্থ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলো আলাদা করার জন্য এই ধরনের প্রশ্ন আসে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্য তথা বিশ্বসাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং বাংলা কাব্যের প্রধান পুরুষ। - মানসী কাব্যগ্রন্থটি ১৮৯০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে কবির রোমান্টিক চেতনার পূর্ণ প্রকাশ ঘটে। - ক্ষণিকা প্রকাশিত হয় ১৯০৭ সালে এবং বলাকা প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালে, যা তার পরিণত বয়সের সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানসী ব্যাখ্যা: মানসী কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিজীবনের দ্বিতীয় পর্যায়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও রোমান্টিক সৃষ্টি। উদাহরণ ২: বলাকা ব্যাখ্যা: বলাকা কাব্যগ্রন্থটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত এবং এতে গতির জয়গান গাওয়া হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানসী, ক্ষণিকা, বলাকা — এই কাব্যগ্রন্থগুলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা। B) সোনারতরী, প্রভাতসংগীত, নাম রেখেছি কোমল গান্দার — নাম রেখেছি কোমল গান্দার রবীন্দ্রনাথের গ্রন্থ নয়। C) চিত্রা, চৈতালী, চিনে নেওয়াঙ্কণ — চিনে নেওয়াঙ্কণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। D) পূরবী, বীরাঙ্গনা, নন্দিনী — বীরাঙ্গনা মাইকেল মধুসূদন দত্তের কাব্য এবং নন্দিনী রক্তকরবী নাটকের চরিত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের কাব্য মনে রাখতে মক্ষব অর্থাৎ মনসী, ক্ষণিকা, বলাকা এভাবে মনে রাখতে পারো। - কবির সাহিত্যকর্মের সাল ও ধরন বারবার চর্চা করলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হয় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কবিকাহিনী এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ সন্ধ্যাসংগীত। - একই কবির কাব্যগ্রন্থের সঙ্গে অন্য লেখকের রচনা মিলিয়ে অপশন তৈরি করা হলে ভালো করে যাচাই করতে হবে।
a সোকুমার্য
b সুকুমার্য
c সোকোমার্য
d সৌকুমার্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৌকুমার্য ১. কেন সঠিক: 'সুকুমার' একটি বিশেষণ পদ, যার অর্থ অত্যন্ত কোমল বা সুন্দর। এই বিশেষণ পদের ভাব বা অবস্থা বোঝাতে বিশেষ্য রূপ গঠনের সময় আদি স্বরের পরিবর্তন ঘটে এবং প্রত্যয় যুক্ত হয়। ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের প্রত্যয় ও শব্দের রূপান্তর সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন। বিশেষণের সাথে ভাববাচক তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত করে বিশেষ্য পদ গঠন করা হয়। উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুস্থ শব্দের বিশেষ্য রূপ স্বাস্থ্য। ব্যাখ্যা: সুস্থ বিশেষণ পদের ভাববাচক বিশেষ্য রূপ হলো স্বাস্থ্য। উদাহরণ ২: সুন্দর শব্দের বিশেষ্য রূপ সৌন্দর্য। ব্যাখ্যা: সুন্দর বিশেষণ পদের ভাববাচক বিশেষ্য রূপ হলো সৌন্দর্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোকুমার্য — এই বানানটিতে আদি স্বরে ভুল রয়েছে কারণ সু এর স্থানে সো ব্যবহার করা হয়েছে। B) সুকুমার্য — এখানে প্রত্যয় যুক্ত হলেও আদি স্বরের দীর্ঘীভবন বা বৃদ্ধি ঘটেনি যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। C) সোকোমার্য — এই বানানে আদি স্বরের পরিবর্তন ভুলভাবে করা হয়েছে এবং এটি প্রমিত বাংলা বানানরীতিসম্মত নয়। D) সৌকুমার্য — এটি সঠিক বানান এবং সঠিক নিয়মে গঠিত বিশেষ্য রূপ। মনে রাখার টিপস: বিশেষণ পদের আদি উকার থাকলে তা বৃদ্ধি পেয়ে ওউ কার বা ঔ কারে রূপান্তরিত হয়। যেমন সুকুমার থেকে সৌকুমার্য এবং সুন্দর থেকে সৌন্দর্য। পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষণ থেকে বিশেষ্য রূপান্তরের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই প্রত্যয় যুক্ত করার সময় শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন বা গুণ ও বৃদ্ধি সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।
a ভাষা আন্দোলন
b গণ-অভ্যুত্থান
c যুদ্ধবিজয়ের উল্লাস
d মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুক্তিযুদ্ধ ১. কেন সঠিক: - শওকত আলীর 'যাত্রা' উপন্যাসটির মূল কাহিনী বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পটভূমিতে রচিত। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার সাধারণ মানুষের সংগ্রাম ও ত্যাগের বাস্তব চিত্র এই উপন্যাসে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শওকত আলী আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক। - তার উল্লেখযোগ্য অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে 'ওয়ারীর প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য', 'প্রদোষে প্রাকৃতজন' এবং 'দক্ষিণায়ন মাত্রিক' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শওকত আলীর 'প্রদোষে প্রাকৃতজন' ব্যাখ্যা: এটি সেন আমলের বাংলা ও বাঙালির জীবনযাত্রা নিয়ে রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: শওকত আলীর 'দক্ষিণায়ন মাত্রিক' ব্যাখ্যা: এটি তার রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা মধ্যবিত্ত জীবনের দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষা আন্দোলন — শওকত আলীর 'যাত্রা' উপন্যাসের কাহিনী ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত নয়। ভাষা আন্দোলনভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস হলো জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন'। B) গণ-অভ্যুত্থান — এই উপন্যাসের কাহিনী ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে রচিত হয়নি। গণ-অভ্যুত্থানের পটভূমিতে রচিত সাহিত্যকর্ম ভিন্ন। C) যুদ্ধবিজয়ের উল্লাস — এটি বিজয় অর্জনের পরবর্তী উল্লাস নিয়ে রচিত কোনো একক কাহিনী নয়। উপন্যাসের মূল সুর ছিল মুক্তিযুদ্ধের কঠিন বাস্তবতার সংগ্রাম। D) মুক্তিযুদ্ধ — এই অপশনটি সঠিক কারণ উপন্যাসটির মূল প্রেক্ষাপট ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। ৫ মনে রাখার টিপস: - শওকত আলীর নামের সাথে 'যাত্রা' উপন্যাস এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়টি একসাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। - মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা উপন্যাসগুলোর তালিকা আলাদা করে নোট করে রাখলে পরীক্ষার সময় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - লেখকদের বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মূল বিষয়বস্তু বা পটভূমি ভালোভাবে জেনে রাখা জরুরি।
a সাধের আসন
b প্রেমাংশুর রক্তচাই
c দিবারাত্রির কাব্য
d পুনশ্চ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দিবারাত্রির কাব্য ১. কেন সঠিক: - দিবারাত্রির কাব্য কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। - প্রশ্নে কাব্যগ্রন্থ নয় এমন রচনাটি খুঁজতে বলা হয়েছে, তাই উপন্যাস হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দিবারাত্রির কাব্য মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি কালজয়ী উপন্যাস যা ১৯৩৫ সালে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসে মানুষের মনস্তত্ত্ব এবং গ্রামীণ সমাজের বাস্তব চিত্র নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুতুল নাচের ইতিকথা ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরেকটি বিখ্যাত ও শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। উদাহরণ ২: পদ্মা নদীর মাঝি ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত গ্রামীণ জীবনভিত্তিক আরেকটি জনপ্রিয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধের আসন — এটি কবি যতীন্দ্রমোহন বাগচী রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। B) প্রেমাংশুর রক্তচাই — এটি আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি নির্মলেন্দু গুণ রচিত একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ। C) দিবারাত্রির কাব্য — এটি উপন্যাস হওয়ায় কাব্যগ্রন্থ নয়, এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) পুনশ্চ — এটি বাংলা সাহিত্যের বিশ শতকের অন্যতম প্রধান কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: - নামের শেষে কাব্য থাকলেই সেটি কাব্যগ্রন্থ না হয়ে উপন্যাসও হতে পারে, যেমন মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিবারাত্রির কাব্য একটি উপন্যাস। - বিখ্যাত কবিদের কাব্যগ্রন্থ ও ঔপন্যাসিকদের উপন্যাসগুলোর নামের তালিকা আলাদা করে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - দিবারাত্রির কাব্য উপন্যাসের রচয়িতা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - কোনো রচনার নামের শেষে কাব্য বা অন্য কোনো শব্দ থাকলেই তার সাহিত্যরূপ সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়ে উত্তর করবে না।
a সরল
b জটিল
c খণ্ড
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জটিল ১. কেন সঠিক: - যে বাক্যে একটি প্রধান বা খণ্ডবাক্যের ওপর এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন বাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে। - প্রদত্ত বাক্যে 'আমি যে গান গাই' অংশটি আশ্রিত বাক্য এবং 'তা যৌবনের গান' অংশটি প্রধান বাক্য হিসেবে সাপেক্ষ সর্বনামের সাহায্যে যুক্ত রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গঠন অনুসারে বাংলা বাক্য প্রধানত তিন প্রকার: সরল বাক্য, জটিল বাক্য ও যৌগিক বাক্য। - জটিল বাক্যে সাধারণত যে-সে, যিনি-তিনি, যা-তা, যদি-তবে, যতো-ততো এই জোড়া সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যিনি সৎ পথে চলেন, তিনি জীবনে সুখী হন। ব্যাখ্যা: এখানে 'যিনি' এবং 'তিনি' সাপেক্ষ সর্বনাম যুক্ত হয়ে বাক্যটিকে জটিল বাক্যে রূপান্তর করেছে। উদাহরণ ২: যদি তুমি আসো, তবে আমি যাব। ব্যাখ্যা: এখানে 'যদি' এবং 'তবে' অব্যয় জোড়া ব্যবহার করে শর্তাধীন জটিল বাক্য গঠন করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল — সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা ও একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু এই বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য রয়েছে। C) খণ্ড — খণ্ডবাক্য বাক্যের একটি অংশ হতে পারে, কিন্তু এটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য গঠনের কোনো মৌলিক শ্রেণিবিভাগ নয়। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - যে বাক্যে জোড়া শব্দ যেমন যে-সে, যিনি-তিনি বা যদি-তবে থাকে, চোখ বন্ধ করে তাকে জটিল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের ক্ষেত্রে সাপেক্ষ সর্বনামের উপস্থিতি দেখে খুব সহজেই জটিল বাক্য শনাক্ত করা যায়।
a ১২ টি
b ১০ টি
c ৮ টি
d ১১ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১১ টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা ১১ টি। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও মুনীর চৌধুরীসহ আধুনিক ব্যাকরণবিদগণের মতে প্রমিত বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১ টি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব বর্ণ অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে উচ্চারিত হয় এবং অন্য বর্ণের উচ্চারণকে স্পষ্ট করতে সাহায্য করে তাদের স্বরবর্ণ বলে। বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি হলেও লিখিত রূপ বা স্বরবর্ণের সংখ্যা ১১ টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ই, ঈ ব্যাখ্যা: এগুলো হলো বাংলা স্বরবর্ণের প্রারম্ভিক কয়েকটি বর্ণ যা শব্দের আদিতে বসে অর্থ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: উ, ঊ, ঋ, এ ব্যাখ্যা: এগুলো স্বরবর্ণের অংশ যা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে কার বা চিহ্ন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ টি — এটি ভুল কারণ প্রাচীন বা ঐতিহ্যগত কিছু গণনায় রি বা অন্য বর্ণ ধরা হলেও আধুনিক প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে স্বরবর্ণ ১২ টি নয়। B) ১০ টি — এটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংখ্যা কখনোই ১০ টি ছিল না। C) ৮ টি — এটি ভুল কারণ স্বরবর্ণের সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি এবং এই সংখ্যাটি কোনো ব্যাকরণগত নিয়মের সাথে মেলে না। D) ১১ টি — এটি সঠিক অপশন এবং আধুনিক বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী এটিই সর্বসম্মত ও প্রমিত সংখ্যা। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০ টি, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি। এভাবে মনে রাখলে মোট সংখ্যা কখনো ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন আসে। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ব্যাকরণ অনুসরণ করে সবসময় ১১ টি স্বরবর্ণ এবং ৩৯ টি ব্যঞ্জনবর্ণ দাগাতে হবে।
a শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
b চর্যাপদ
c বৈষ্ণব পদাবলী
d মঙ্গলকাব্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: বাংলা লিপির প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে চর্যাপদকে গণ্য করা হয় কারণ এর ভাষাগত ও লিপিগত বৈশিষ্ট্যের মধ্যে আদি বাংলা রূপের স্পষ্ট বিকাশ লক্ষ্য করা যায়। ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় গবেষণা করে প্রমাণ করেছেন যে চর্যাপদের ভাষা ও লিপি থেকেই বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন এবং বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা পদ সংকলন। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে তা প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাহ্নপাদের পদ ব্যাখ্যা: চর্যাপদের অন্যতম প্রধান কবি হলেন কাহ্নপাদ, যিনি সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন। উদাহরণ ২: ভুসুকপাদের পদ ব্যাখ্যা: চর্যাপদের কবি ভুসুকপাদ নিজেকে বাঙালি বলে পরিচয় দিয়েছেন, যা প্রাচীন বাংলার ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — এটি মধ্যযুগের বৈষ্ণব ভাবধারার কাব্য এবং বরু চণ্ডীদাস কর্তৃক রচিত, যা বাংলা লিপির প্রথম নিদর্শন নয়। C) বৈষ্ণব পদাবলী — এটি মধ্যযুগে রচিত ভক্তিমূলক গানের সংকলন এবং এর উৎপত্তি চর্যাপদের অনেক পরে হয়েছে। D) মঙ্গলকাব্য — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ ধারা যা দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: লিপির প্রাচীন রূপ মানেই চর্যাপদ এবং এটি আবিষ্কার করেছিলেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। পরীক্ষার হলে প্রাচীনতম নিদর্শন বললে সবার আগে চর্যাপদের কথা মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ কোন ধর্মের সাধকদের সৃষ্টি তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে, উত্তর হবে বৌদ্ধ সহজিয়া সাধক। একই ধরনের প্রশ্নে প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন হিসেবে চর্যাপদকে মনে রাখতে হবে।
a অকূল পাথার
b একাদশে বৃহস্পতি
c ঢাকের কাঠি
d একচোখা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একচোখা ১. কেন সঠিক: - 'একচোখা' বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ এক চোখ বিশিষ্ট হলেও বিশেষ অর্থে এটি 'পক্ষপাতিত্ব' বা একপেশে মনোভাব প্রকাশ করে। - কোনো বিচার বা সিদ্ধান্তে বিশেষ কোনো পক্ষের প্রতি অন্যায়ভাবে ঝুঁকে পড়াকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবাহী শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত এই ধরনের শব্দপ্রয়োগ ভাষা ও ভাবকে আরও সমৃদ্ধ ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিচারকের একচোখা নীতির কারণে নিরপরাধ ব্যক্তি সাজা পেল। ব্যাখ্যা: এখানে বিচারকের পক্ষপাতমূলক আচরণ বোঝাতে 'একচোখা' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: দলীয় কোন্দলে নেতার একচোখা সিদ্ধান্ত দলের ক্ষতি ডেকে আনছে। ব্যাখ্যা: এখানে পক্ষপাতিত্বমূলক বা একপেশে সিদ্ধান্ত বোঝাতে এই বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অকূল পাথার — এই বাগধারাটির সঠিক অর্থ চরম বিপদ বা গভীর সংকট। B) একাদশে বৃহস্পতি — এই বাগধারাটির সঠিক অর্থ সৌভাগ্যের বিষয় বা সুসময়। C) ঢাকের কাঠি — এই বাগধারাটির সঠিক অর্থ তদ্বিরকারক বা চাটুকার ব্যক্তি। D) একচোখা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ পক্ষপাতিত্ব। ৫. মনে রাখার টিপস: - এক চোখ বন্ধ রেখে দেখলে যেমন একপাশ পরিষ্কার দেখা যায় না বা পক্ষপাত হয়, তেমনি 'একচোখা' মানেই পক্ষপাতিত্ব। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি প্রায়ই পক্ষপাত বা অনিয়ম বোঝাতে অপশনে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্থভিত্তিক বাগধারা থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - একই অর্থের অন্যান্য বাগধারা যেমন পক্ষপাত বা একপেশে মনোভাব বোঝাতে 'ভুঁইফোড়' বা অন্যান্য প্রবাদ ব্যবহৃত হয় না, তাই মূল অর্থ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a একদা এক রাজ্যে
b জন্ম যদি তব বঙ্গ
c কি চাই শঙ্খচিল
d রাইফেল রোটি আওরাত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাইফেল রোটি আওরাত ১. কেন সঠিক: - রাইফেল রোটি আওরাত হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। - এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত এবং ইংরেজি ভাষায় প্রথম রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসের রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক আনোয়ার পাশা। - ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের উত্তাল দিনগুলো এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতার বাস্তব চিত্র এতে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাবেয়া খাতুনের খোঁজখবর ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের জাহান্নাম হইতে বিদায় ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের প্রেক্ষাপটে রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একদা এক রাজ্যে — এটি কোনো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, এটি অন্য ধারার একটি সাহিত্যকর্ম। B) জন্ম যদি তব বঙ্গ — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কোনো উপন্যাস নয়, প্রশ্নটির উত্তরের সঙ্গে এটি সংগতিপূর্ণ নয়। C) কি চাই শঙ্খচিল — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, এটি লেখকের অন্য বিষয়ের একটি রচনা। D) রাইফেল রোটি আওরাত — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ইংরেজি উপন্যাস হলো রাইফেল রোটি আওরাত। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে রাইফেল ও রোটি হাতে বাঙালি ১৯৭১ সালে লড়াই করেছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে। - আনোয়ার পাশার এই উপন্যাসটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে পরিচিত।
a ১৫ টি
b ৫ টি
c ১০ টি
d ২০ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০ টি ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গের নির্দিষ্ট সংখ্যা কুড়িটি। - এই উপসর্গগুলো মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। - বাংলা ভাষায় উপসর্গ তিন প্রকার যথা সংস্কৃত উপসর্গ, বাংলা উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার ব্যাখ্যা: এখানে প্র একটি সংস্কৃত উপসর্গ যা মূল শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: পরি + পূর্ণ = পরিপূর্ণ ব্যাখ্যা: এখানে পরি একটি সংস্কৃত উপসর্গ যা শব্দের শুরুতে যুক্ত হয়ে অর্থের পূর্ণতা সাধন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ টি — এটি বাংলা বা খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা, সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা নয়। B) ৫ টি — এই সংখ্যাটি বাংলা ব্যাকরণের কোনো নির্দিষ্ট উপসর্গের সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। C) ১০ টি — এটিও বাংলা ব্যাকরণের কোনো নির্দিষ্ট উপসর্গের নির্ধারিত সংখ্যা নয়। D) ২০ টি — এটি সংস্কৃত উপসর্গের সঠিক সংখ্যা যা প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত উপসর্গ কুড়িটি মনে রাখার একটি জনপ্রিয় ছন্দ হলো: প্র পরা অপ সম নি অব অনু নির দূর বি অধি সু উৎ পরি প্রতি অভি অতি অপি সু অভি। - সংখ্যাটি মনে রাখতে 'সংস্কৃত কুড়ি' এই কথাটি মাথায় রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ও সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা প্রায়ই উলটপালট করে প্রশ্ন করা হয়। - তাই বাংলা উপসর্গ ২১টি এবং সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি—এই পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখবে।
a দ্বিগু
b তৎপুরুষ
c কর্মধারয়
d দ্বন্দ্ব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দ্বন্দ্ব ১. কেন সঠিক: - পথে ও প্রান্তরে এই ব্যাসবাক্যে 'ও' অব্যয় পদটি যুক্ত হয়ে দ্বন্দ্ব সমাস গঠন করেছে। - দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে এবং সাধারণত এবং ও এবং ও ইত্যাদি সংযোজক অব্যয় ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে সমাসে উভয় পদেরই অর্থের প্রাধান্য থাকে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। - সাধারণত দুটি বিশেষ্য বা দুটি সর্বনাম বা দুটি বিশেষণ পদের মিলনে দ্বন্দ্ব সমাস সাধিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাতা ও পিতা = মাতাপিতাহ ব্যাখ্যা: এখানে মাতা ও পিতা উভয় পদের অর্থ প্রধান হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে এবং ও অব্যয় লুপ্ত হয়ে সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: ডাল ও ভাত = ডালভাত ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল প্রচলিত দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ যেখানে দুটি বিশেষ্য পদ মিলে সমাস গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় এবং এর পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক বিশেষণ হয় যা এখানে নেই। B) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয় যা এই পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণে অথবা বিশেষ্য ও বিশেষ্যে মিলে একটি পদ গঠিত হয় যেখানে গুণের বা অবস্থার তুলনা থাকে যা এখানে অনুপস্থিত। D) দ্বন্দ্ব — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে উভয় পদের অর্থের সমান গুরুত্ব রয়েছে এবং ব্যাসবাক্যে সংযোজক অব্যয় আছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - দ্বন্দ্ব সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে এবং ও এবং ও এর মতো সংযোজক অব্যয় থাকা। - উভয় পদের সমান অর্থ প্রকাশ পেলে চোখ বন্ধ করে দ্বন্দ্ব সমাস চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাস থেকে প্রায়ই জোড়া শব্দ বা ব্যাসবাক্য তুলে প্রশ্ন করা হয়। - সংযোজক অব্যয়যুক্ত সমাসগুলো মূলত মিলনার্থক বা বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব সমাসের অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে।
a ভাড়ুদত্ত
b বিদ্যাপতি
c চণ্ডীদাস
d ঈশ্বর পাটনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঈশ্বর পাটনী ১. কেন সঠিক: - 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে' বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত পরিচিত একটি উদ্ধৃতি। - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের বিখ্যাত চরিত্র ঈশ্বর পাটনী অন্নপূর্ণা দেবীর কাছে এই বর চেয়েছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের একটি বিখ্যাত চরিত্র হলেন ঈশ্বর পাটনী। - দেবী অন্নপূর্ণা পাটনীকে নদী পার হওয়ার সময় বর চাইতে বললে তিনি পার্থিব কোনো ধনসম্পদ না চেয়ে কেবল সন্তানের অন্নবস্ত্রের নিশ্চয়তা চেয়ে এই প্রার্থনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্যটি আঠারো শতকের মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারায় রচিত। ব্যাখ্যা: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর মধ্যযুগের শেষভাগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং তাঁর এই কাব্যটি তৎকালীন সমাজের একটি বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। উদাহরণ ২: ঈশ্বর পাটনী চরিত্রটি অন্নদামঙ্গল কাব্যের প্রথম অংশের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। ব্যাখ্যা: দেবী অন্নপূর্ণা ও ঈশ্বর পাটনার কথোপকথন এবং পাটনীর উক্তিটি বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাড়ুদত্ত — ভাড়ুদত্ত অন্নদামঙ্গল কাব্যের একটি অন্যতম চরিত্র হলেও তিনি এই বিখ্যাত প্রার্থনার সঙ্গে যুক্ত নন। B) বিদ্যাপতি — বিদ্যাপতি মধ্যযুগের মৈথিলি ভাষার পদাবলী সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং এই চরণের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। C) চণ্ডীদাস — চণ্ডীদাস বাংলা পদাবলী সাহিত্যের একজন প্রাচীন কবি এবং তিনি বৈষ্ণব পদ রচনার জন্য বিখ্যাত। D) ঈশ্বর পাটনী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি অন্নপূর্ণা দেবীর কাছে করা ঈশ্বর পাটনীর প্রার্থনা। ৫ মনে রাখার টিপস: - দুধেভাতে থাকার প্রার্থনা করেছিলেন খেয়া পারাপারকারী ঈশ্বর পাটনী। - ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল কাব্যের এই লাইনটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের চরিত্র এবং তাদের বিখ্যাত উক্তিগুলো মনে রাখা বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি। - অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর এবং তাঁর উপাধি ছিল গুণাকর।
a 1914
b 1914
c 1910
d 1921
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯১৪ ১. কেন সঠিক: - সবুজপত্র পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালের এপ্রিল মাসে (বাংলা বৈশাখ ১৩২১ বঙ্গাব্দ)। - প্রমথ চৌধুরী এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং এর মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষারীতি বা চলিত রূপ প্রতিষ্ঠিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সবুজপত্র বাংলা সাহিত্যের প্রথম মননশীল ও আধুনিক সাহিত্যপত্র এবং চলিত রীতির বাহন। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই পত্রিকার প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন এবং তার বহু বিখ্যাত রচনা এতে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনাম ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী সবুজপত্র পত্রিকায় 'বীরবল' ছদ্মনামে প্রবন্ধ লিখতেন, তাই তার লেখাকে বীরবলী প্রমথ বলা হয়। উদাহরণ ২: চার ইয়ারী কথা ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত এই গ্রন্থটি সবুজপত্র পত্রিকাতেই ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৪ — এটি সঠিক সন, তবে প্রশ্নপত্রে একই সন দুটি অপশনে থাকায় অপশন বি কে প্রধান উত্তর হিসেবে ধরা হয়েছে। B) ১৯১৪ — এটি সঠিক উত্তর কারণ সবুজপত্র এই সনেই প্রথম প্রকাশিত হয়। C) ১৯১০ — এই সনে সবুজপত্র প্রকাশিত হয়নি, এটি ভুল উত্তর। D) ১৯২১ — এই সনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়, সবুজপত্র প্রকাশের সন এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সবুজপত্র প্রকাশের সন মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শুরুর বছর অর্থাৎ ১৯১৪ সালে এটি প্রকাশিত হয়। প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় এই পত্রিকা চলিত রীতির বিপ্লব ঘটিয়েছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই 'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশের সন জানতে চাওয়া হয়। সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী এবং সন ১৩২১ বঙ্গাব্দ বা ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ ভালোভাবে মনে রাখবে।
a কৃষ্ণকুমারী
b শর্মিষ্ঠা
c অশ্রুমালা
d পদ্মাবতী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অশ্রুমালা ১. কেন সঠিক: - অশ্রুমালা মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয়, বরং এটি কবি কায়কোবাদের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে মূলত নাটক, প্রহসন ও মহাকাব্যের জন্য পরিচিত হলেও এই অপশনটি তাঁর সাহিত্যকর্মের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি এবং সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। - তাঁর সাহিত্যকর্মে পাশ্চাত্য প্রভাব থাকলেও তিনি দেশীয় ও পৌরাণিক উপজীব্যকে আধুনিক রূপ দিয়েছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি পত্রকাব্য যা বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত অনন্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষ্ণকুমারী — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি বিখ্যাত ও সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক। B) শর্মিষ্ঠা — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত প্রথম বাংলা নাটক যা ১৮৫৯ সালে প্রকাশিত হয়। C) অশ্রুমালা — এটি কবি কায়কোবাদের কাব্যগ্রন্থ, যা মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। D) পদ্মাবতী — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি পৌরাণিক নাটক যা গ্রীক কাহিনীর অনুসরণে রচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটকগুলো মনে রাখার কৌশল হলো কৃষ্ণ ও শর্মিষ্ঠার পদ্মাবনে দেখা হলো। - কায়কোবাদের কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার জন্য মহাশ্মশান ও অশ্রুমালা নাম দুটি একত্রে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটক ও মহাকাব্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অন্য কোনো লেখকের বিখ্যাত গ্রন্থ অপশনে থাকলে তা ভালোভাবে লক্ষ্য করে মূল লেখকের নাম আলাদা করতে হবে।
a নিপাতনে সিদ্ধ
b বিসর্গ সন্ধি
c স্বরসন্ধি
d স্বর ব্যঞ্জন সন্ধি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিপাতনে সিদ্ধ ১. কেন সঠিক: যেসব সন্ধি সাধারণ কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম বা সূত্র মেনে চলে না, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়। 'গো' এবং 'অক্ষ' শব্দের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সন্ধি হওয়ার কথা ছিল অন্য কিছু, কিন্তু বিশেষ নিয়মে বা প্রাকৃত নিয়মেই এটি 'গবাক্ষ' হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হলো এমন এক ধরনের সন্ধি যার কোনো নির্দিষ্ট সাধারণ নিয়ম বা সূত্র থাকে না। ভাষার ব্যবহারের মাধ্যমে এগুলো প্রাকৃত থেকে বাংলায় এসেছে এবং ব্যাকরণবিদরা এদের নিয়মবহির্ভূত হিসেবে সিদ্ধ ধরে নিয়েছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পতি + ইতু = পত্নী ব্যাখ্যা: এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি, যা কোনো সাধারণ সূত্র মেনে গঠিত হয়নি। উদাহরণ ২: আ + চর্য = আশ্চর্য ব্যাখ্যা: এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি, যা সাধারণ ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসরণ করে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিপাতনে সিদ্ধ — এই অপশনটি সঠিক কারণ গবাক্ষ শব্দটির গঠন কোনো সাধারণ সন্ধির নিয়ম অনুসরণ করে না। B) বিসর্গ সন্ধি — বিসর্গ সন্ধি হতে হলে পূর্ব পদের শেষে বিসর্গ থাকতে হয়, কিন্তু গো শব্দের শেষে কোনো বিসর্গ নেই। C) স্বরসন্ধি — স্বরবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণের মিলনে স্বরসন্ধি হয়, কিন্তু গবাক্ষ শব্দে সাধারণ স্বরসন্ধির কোনো সূত্র প্রয়োগ করা যায়নি। D) স্বর ব্যঞ্জন সন্ধি — বাংলা ব্যাকরণে স্বর ব্যঞ্জন সন্ধি নামে কোনো নির্দিষ্ট বা স্বতন্ত্র সন্ধির শ্রেণিবিভাগ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিগুলো মুখস্থ রাখা সবচেয়ে ভালো কৌশল। গবাক্ষ, পত্নী, আশ্চর্য, পরস্পর, মনোহর—এই শব্দগুলো দেখলেই নিপাতনে সিদ্ধ দাগাতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন আসে। নিয়ম না খুঁজে গুরুত্বপূর্ণ নিপাতনে সিদ্ধ শব্দগুলোর তালিকা বারবার অনুশীলন করা উচিত।
a উপন্যাস
b প্রবন্ধ
c গল্প
d নাটক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উপন্যাস ১. কেন সঠিক: - পথের দাবী বাংলা সাহিত্যের অমর কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসের মূল আলোচ্য বিষয় হলো তৎকালীন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন এবং বিপ্লবীদের সংগ্রাম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জগতে এক অবিসংবাদিত নাম যিনি মানবপ্রেম ও সমাজের নিগৃহীত মানুষের কথা তুলে ধরেছেন। - পথের দাবী উপন্যাসটি প্রকাশের পর তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার রাজনৈতিক ও দেশদ্রোহিতার অভিযোগে এটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকান্ত ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস। উদাহরণ ২: চরিত্রহীন ব্যাখ্যা: এটিও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত সমাজ ও মানবজীবনের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণভিত্তিক একটি উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — এটি সঠিক কারণ পথের দাবী একটি দীর্ঘ ও পূর্ণাঙ্গ কথাসাহিত্য বা উপন্যাস। B) প্রবন্ধ — প্রবন্ধ হলো কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে যুক্তিনিষ্ঠ আলোচনার গদ্যরূপ কিন্তু পথের দাবী কোনো প্রবন্ধ নয়। C) গল্প — গল্প হলো আকৃতিতে ছোট ও সীমিত পরিসরের কথাসাহিত্য কিন্তু পথের দাবী একটি বৃহৎ উপন্যাস। D) নাটক — নাটক মঞ্চে অভিনীত হওয়ার উপযোগী সংলাপনির্ভর সাহিত্যকর্ম যা পথের দাবী উপন্যাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শরৎচন্দ্রের যে রচনাটি নিয়ে ব্রিটিশ সরকার সবচেয়ে বেশি বিতর্ক করেছিল এবং নিষিদ্ধ করেছিল তা হলো এই পথের দাবী উপন্যাস। - উপন্যাস মনে রাখার জন্য মাথায় রাখবে যে বিপ্লবীদের নিয়ে লেখা শরৎচন্দ্রের একমাত্র রাজনৈতিক উপন্যাস এটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে পথের দাবী কোন ধরনের রচনা বা এর রচয়িতা কে। - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নিষিদ্ধ ঘোষিত একমাত্র উপন্যাস হিসেবে এটি বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a শুভ্র
b নিকষ
c লোহিত
d নীলিম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিকষ ১. কেন সঠিক: 'সফেদ' শব্দের অর্থ সাদা বা ধবল। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো নিকষ, যার অর্থ অত্যন্ত কালো বা অন্ধকার। শব্দদ্বয়ের অর্থের বিপরীত বৈশিষ্ট্যের কারণে এই উত্তরটি সঠিক হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দ সংক্রান্ত একটি ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় বিপরীত শব্দ চয়নের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস, ভাবার্থ এবং প্রতিশব্দ বিবেচনা করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাদা - কালো ব্যাখ্যা: এটি একটি সাধারণ বিপরীত শব্দের জোড়। উদাহরণ ২: আলো - অন্ধকার ব্যাখ্যা: এটি ভাবগত দিক থেকে বিপরীতার্থক শব্দের অপর একটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শুভ্র — শুভ্র শব্দের অর্থ সাদা বা পরিষ্কার, যা সফেদ শব্দের সমার্থক, বিপরীতার্থক নয়। B) নিকষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সফেদ শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) লোহিত — লোহিত শব্দের অর্থ লাল, যা সাদা বা সফেদের বিপরীত শব্দ নয়। D) নীলিম — নীলিম শব্দের অর্থ নীলাভা বা নীল রঙ, যা সফেদ শব্দের বিপরীত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সফেদ অর্থ সাদা এবং নিকষ অর্থ কালোর প্রতীক হিসেবে মনে রাখতে পারো। সাদা ও কালোর চিরন্তন বিরোধের মতো সফেদ ও নিকষ একে অপরের বিপরীত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রঙের বা বর্ণের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। তাই সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ পড়ার সময় রঙের নামগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a পুস্তকা
b পুস্তকি
c পুস্তিকা
d পুস্তাকিনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পুস্তিকা ১. কেন সঠিক: পুস্তক শব্দটির ক্ষুদ্রার্থে বা স্ত্রীবাচক অর্থে বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক প্রত্যয়যুক্ত রূপ হলো পুস্তিকা। বাংলা ভাষায় অনেক সময় শব্দের শেষে বিশেষ প্রত্যয় যোগ করে ক্ষুদ্রার্থ বা স্ত্রীলিঙ্গ বোঝানো হয়, এক্ষেত্রে পুংলিঙ্গবাচক পুস্তক শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ বা ক্ষুদ্রার্থক রূপ হিসেবে পুস্তিকা শব্দটি প্রমিত হিসেবে স্বীকৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দ গঠন ও প্রত্যয় প্রকরণের একটি অংশ যেখানে বিশেষ নিয়মে শব্দের রূপান্তর ঘটে। পুংলিঙ্গবাচক শব্দকে স্ত্রীলিঙ্গ বা ক্ষুদ্রার্থে রূপান্তর করার জন্য শব্দের সাথে ইকা প্রত্যয় যুক্ত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বালক শব্দের স্ত্রীবাচক বা ক্ষুদ্রার্থক রূপ বালিকা। ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দের সাথে ইকা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন রূপ তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: পুস্তক থেকে পুস্তিকা। ব্যাখ্যা: মূল শব্দের সাথে ইকা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্ষুদ্র বা স্ত্রীবাচক রূপ গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুস্তকা — এই শব্দটি বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত নয় এবং প্রমিত বাংলায় এর কোনো ব্যবহার নেই। B) পুস্তকি — এটি কোনো স্বীকৃত শব্দ নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে এর কোনো ভিত্তি পাওয়া যায় না। C) পুস্তিকা — এটি সঠিক উত্তর। D) পুস্তাকিনী — এই গঠনটি ভুল এবং বাংলা ব্যাকরণের প্রত্যয় সংক্রান্ত নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: পুস্তক শব্দের স্ত্রীবাচক বা ক্ষুদ্রূপ নির্ণয়ের সময় মনে রাখবে যে শেষে ইকা প্রত্যয় যুক্ত হয়। যেমন পুস্তক থেকে পুস্তিকা গঠিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের রূপান্তর ও প্রত্যয় সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই মূল শব্দের সাথে সঠিক প্রত্যয় যুক্ত করার নিয়মগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
a বাচস + পতি
b বাচ + পতি
c বাচস + তি
d বাচঃ + পতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাচঃ + পতি ১. কেন সঠিক: - এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম, যেখানে বিসর্গের পর প বা ফ থাকলে বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য স হয়। - বাচঃ পতি শব্দের বিসর্গ এবং প মিলে বাচস্পতি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পরে প কিংবা ফ থাকলে পূর্ববর্তী বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য স হয়। - এখানে বাচঃ শব্দের বিসর্গের পরে পতি শব্দের প থাকায় বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য স যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নমঃ + কার = নমস্কার ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে ক থাকলে বিসর্গ স্থানে দন্ত স হয়। উদাহরণ ২: ভাঃ + কর = ভাস্কর ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে ক থাকায় বিসর্গ স্থানে দন্ত স হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাচস + পতি — বাচস বলে কোনো সংস্কৃত বা বাংলা মূল শব্দ ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়। B) বাচ + পতি — এটি সাধারণ সন্ধির নিয়ম মানেনি কারণ এখানে বিসর্গ বা পদের পরিবর্তন দেখানো হয়নি। C) বাচস + তি — তি অংশটি সঠিক নয় কারণ মূল শব্দ পতি। D) বাচঃ + পতি — এটি সঠিক বিসর্গ সন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিসর্গের পরে প বা ফ থাকলে বিসর্গ পরিবর্তন করে মূর্ধন্য স বসাতে হয়। - শব্দটিতে বাচ শব্দের সাথে পতি যুক্ত হওয়ার সময় মাঝখানে মূর্ধন্য স আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধির এই নিয়মটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - নমস্কার, ভাস্কর ও বাচস্পতি শব্দগুলো একই নিয়মে সাধিত হয়।
a প্রণয়ণ
b প্রনয়ন
c প্রনয়ণ
d প্রণয়ন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রণয়ন ১. কেন সঠিক: - প্রণয়ন বানানটিতে দন্ত্য-ন এবং মূর্ধন্য-ণ এর সঠিক প্রয়োগ হয়েছে। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহৃত হয়। - প্র উপসর্গ এবং নী ধাতুর সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে প্রণয়ন শব্দটি গঠিত হয়েছে। এখানে প বর্গীয় বর্ণের আগের বর্ণ হওয়ায় ন-ত্ব বিধান অনুসারে দন্ত্য-ন মূর্ধন্য-ণ এ রূপান্তরিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ এবং ন-ত্ব বিধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। তৎসম শব্দে ঋ, র বা ষ এর পরে ন থাকলে তা মূর্ধন্য-ণ হয়। - প্র উপসর্গ এবং নী ধাতুর যোগে সাধিত শব্দে এই নিয়মটি নিয়মিতভাবে কার্যকর হয়। এছাড়া ট বর্গীয় বর্ণের আগের দন্ত্য-ন সর্বদা মূর্ধন্য-ণ এ পরিণত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রণামের নিয়ম ব্যাখ্যা: প্র উপসর্গের পর নাম শব্দ যুক্ত হয়ে প্রণামের মতো প্রণেতা, প্রণালী শব্দগুলো গঠিত হয় যেখানে ন-ত্ব বিধানের নিয়ম কার্যকর হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রবঞ্চনা শব্দ ব্যাখ্যা: প্র উপসর্গের প্রভাবে অনেক সময় শব্দে বানানের রূপ পরিবর্তিত হয়, যা শব্দের মূল উৎস ও ব্যাকরণিক নিয়ম মেনে চলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রণয়ণ — এই বানানে দন্ত্য-ন এর স্থানে ভুলক্রমে মূর্ধন্য-ণ এবং শেষে আবার মূর্ধন্য-ণ ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ। B) প্রনয়ন — এই বানানে প্র উপসর্গের পর নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য-ণ না লিখে দন্ত্য-ন লেখা হয়েছে যা ন-ত্ব বিধানের পরিপন্থী। C) প্রনয়ণ — এই বানানে প্রথম অংশে দন্ত্য-ন এবং শেষ অংশে ভুলভাবে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) প্রণয়ন — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এতে প্রমিত বানানরীতি ও ন-ত্ব বিধান নিখুঁতভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্র উপসর্গের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গঠিত শব্দগুলোতে সাধারণত মূর্ধন্য-ণ এর ব্যবহার হয়। প্রণেতা, প্রণালী, প্রণয়ন এই শব্দগুলোতে দন্ত্য-ন ব্যবহার না করে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহার করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ন-ত্ব বিধানের শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তৎসম শব্দের বানান নির্ণয়ে ঋ, র, ষ এবং প্র, পরি, নির উপসর্গের নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a আরবি
b তুর্কি
c ফারসি
d সংস্কৃতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফারসি ১. কেন সঠিক: - একতারা শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ফারসি ভাষার 'এক' এবং 'তার' শব্দের সমন্বয়ে গঠিত এই শব্দটি বাংলা বাদ্যযন্ত্রের নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের উৎস হিসেবে ফারসি ভাষার প্রভাব অনেক গভীর, যার মধ্যে সংস্কৃতি ও দৈনন্দিন জীবনের নানা উপকরণ যুক্ত রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দসমূহকে উৎসের ভিত্তিতে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। - বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগিজ, ফরাসি, ওলন্দাজ ও তুর্কি ভাষা অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে বাংলা শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চশমা ব্যাখ্যা: চশমা শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত একটি অতি পরিচিত বিদেশি শব্দ। উদাহরণ ২: জগত ব্যাখ্যা: জগত বা জগৎ একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ, যা প্রাকৃত ভাষার মধ্য দিয়ে পরিবর্তিত হয়নি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — আরবি ভাষা থেকে বাংলায় নামাজ, রোজা, কলম ইত্যাদি শব্দ এসেছে, কিন্তু একতারা শব্দটি আরবি নয়। B) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে দারোগা, চাকর, তোপ ইত্যাদি শব্দ বাংলায় এসেছে, তাই এটি তুর্কি ভাষা থেকে আসেনি। C) ফারসি — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ফারসি ভাষা থেকে আগত হওয়ায় এটি সঠিক। D) সংস্কৃতি — একতারা শব্দটি প্রাকৃত বা তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ নয়, তাই এটি সংস্কৃতি বা সংস্কৃত ভাষা থেকে আসেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাদ্যযন্ত্র সম্পর্কিত কিছু শব্দ যেমন একতারা, দোতারা, রবাব ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। - ফারসি শব্দ মনে রাখতে আইন আদালত, পোশাক পরিচ্ছদ এবং বাদ্যযন্ত্র সম্পর্কিত শব্দগুলো আলাদা করে চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - শব্দগুলোর উৎস নির্ণয়ের জন্য শব্দের অর্থ এবং কোন সংস্কৃতির সাথে শব্দটি বেশি জড়িত তা খেয়াল রাখতে হবে।
a শেখ হাসিনা
b কাজী নজরুল ইসলাম
c শেখ মুজিবুর রহমান
d শেখ রেহানা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শেখ মুজিবুর রহমান ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নটি লেখক ও সাহিত্যকর্মের আওতাভুক্ত। 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। - এই গ্রন্থে তাঁর জন্ম, শৈশব, শিক্ষাজীবন, রাজনৈতিক চেতনা এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সূচনালগ্ন উঠে এসেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - লেখক পরিচিতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতিই নন, তিনি একজন দূরদর্শী লেখকও ছিলেন। তাঁর লেখা তিনটি গ্রন্থ বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনীমূলক ধারায় অনন্য সংযোজন। - সাহিত্যিক পরিচিতি: 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' ২০১২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। এটি মূলত ১৯৬৭ সালের মাঝামা সময়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দि থাকা অবস্থায় লেখা শুরু করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কারাগারের রোজনামচা ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা আরেকটি বিখ্যাত গ্রন্থ, যা ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তাঁর কারাবাসের দিনলিপি নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: আমার দেখা নয়াচীন ব্যাখ্যা: এটিও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চীন ভ্রমণ নিয়ে রচিত একটি ঐতিহাসিক ও ভ্রমণকাহিনীমূলক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেখ হাসিনা — শেখ হাসিনা বর্তমান বাংলাদেশের রাজনীতি ও সাহিত্যচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হলেও 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বইটির লেখক নন, তিনি এর সম্পাদনা ও প্রকাশনায় বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের জাতীয় কবি এবং বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও এই আত্মজীবনীমূলক গদ্যগ্রন্থটির রচয়িতা নন। D) শেখ রেহানা — শেখ রেহানা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ কন্যা, তিনি এই ঐতিহাসিক আত্মজীবনী গ্রন্থটি রচনা করেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্গবন্ধু রচিত বই মনে রাখার সহজ কৌশল হলো আত্মজীবনীমূলক বা কারাগারভিত্তিক বইগুলো মূলত তাঁরই লেখা। 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' নামটি দেখলেই শেখ মুজিবুর রহমানের কথা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গ্রন্থসমূহ এবং প্রকাশের সাল থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - তাঁর রচিত বই মোট তিনটি, যথা অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়াচীন।

মোট প্রশ্ন (25)

a Release
b Granite
c Hcrz
d Hollow
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Release কেন সঠিক: - 'Grasp' শব্দটির অর্থ কোনো কিছু শক্ত করে ধরা, আঁকড়ে ধরা বা আয়ত্ত করা। - এর বিপরীত বা অ্যান্টনিম হলো কোনো কিছু ছেড়ে দেওয়া বা মুক্ত করা, যার অর্থ প্রকাশ করে 'Release'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Release — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ মুক্তি দেওয়া বা ছেড়ে দেওয়া, যা 'grasp' শব্দের বিপরীত। B) Granite — এটি একটি পাথরের নাম (গ্রানাইট), যার সাথে এই শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই। C) Hcrz — এটি একটি অর্থহীন শব্দ বা টাইপিং ভুল, যা কোনো ইংরেজি শব্দ নয়। D) Hollow — এর অর্থ ফাঁকা বা গহ্বর, যা 'grasp' শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: 'Grasp' মানে ধরা এবং 'Release' মানে ছাড়া, এই দুটি পরস্পর বিপরীত শব্দ মনে রাখবেন।
a Infrequent
b Always
c Regular
d Yesterday
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Infrequent কেন সঠিক: - 'Few and far between' একটি প্রবাদতুল্য ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ হলো কদাচিৎ বা বিরল। - 'Infrequent' শব্দটির অর্থও বিরল বা যা ঘন ঘন ঘটে না, তাই এটি সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Infrequent — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ বিরল, যা প্রদত্ত ইডিয়মের অর্থের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। B) Always — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ সর্বদা, যা 'Few and far between' অর্থাৎ কদাচিৎ এর বিপরীতার্থক। C) Regular — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ নিয়মিত, যা বিরল বা অনিয়মিত ঘটনার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) Yesterday — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট সময় নির্দেশক শব্দ, যার সাথে এই ইডিয়মের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: 'Few' অর্থ কম এবং 'Far' অর্থ দূরে; যা সংখ্যায় কম এবং অনেক দূরে থাকে তা খুব কমই অর্থাৎ 'Infrequent' বা বিরল হয়ে থাকে।
a Waiter
b Mare
c Never
d Rooster
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) Never কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে জেন্ডার নিউট্রাল বা উভলিঙ্গ নয় এমন শব্দ খুঁজতে বলা হয়েছে। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'Never' কোনো নাউন বা জেন্ডার সংক্রান্ত শব্দ নয়, এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Waiter — এটি একটি কমন জেন্ডার বা মাসকুলিন-ফেমিনিন উভয় অর্থেই ব্যবহারের সুযোগ থাকায় জেন্ডার নিউট্রাল হিসেবে বিবেচিত হয়। B) Mare — এটি একটি নির্দিষ্ট ফেমিনিন জেন্ডার বা স্ত্রীবাচক শব্দ, যা ঘোড়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। D) Rooster — এটি একটি নির্দিষ্ট মাসকুলিন জেন্ডার বা পুংলিঙ্গবাচক শব্দ, যা মোরগ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: শব্দের পার্টস অফ স্পিচ খেয়াল রাখবে কারণ একটি অ্যাডভার্ব কখনো জেন্ডার বা লিঙ্গভেদের আওতাভুক্ত হয় না।
a Bureaue
b Burlesque
c Charlatan
d Dress
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Bureaue কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দটির সঠিক বানান হলো Bureau, যার শেষে ue যুক্ত থাকে না। - অপশনে থাকা Bureaue বানানটিতে অতিরিক্ত একটি e যুক্ত থাকায় এটি একটি বানান ভুল শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bureaue — এই বানানটি ভুল কারণ এর সঠিক রূপ হলো Bureau যার অর্থ দফতর বা ব্যুরো। B) Burlesque — এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ উপহাসমূলক নাটক বা ব্যঙ্গাত্মক রচনা। C) Charlatan — এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ হাতুড়ে ডাক্তার বা প্রতারক। D) Dress — এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ পোশাক। মনে রাখার টিপস: Bureau বানানের শেষে eau বসে, আলাদা করে কোনো e বসে না।
a He said to me, "You are a fool."
b He said to me, "You are foolish."
c I spent the rest day at home
d I found all the windows open.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I spent the rest day at home কেন সঠিক: - Noun-এর আগে adjective হিসেবে 'rest' ব্যবহার না করে 'remaining' ব্যবহার করা উচিত কারণ 'rest' এখানে ভুলভাবে বসেছে। - দিন বা সময় বোঝাতে 'the remaining day' বা 'the rest of the day' সঠিক গঠন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He said to me, "You are a fool." — এটি একটি সঠিক direct narration এবং এর punctuation সঠিক আছে। B) He said to me, "You are foolish." — এখানে 'foolish' adjective হিসেবে perfectly বসেছে এবং বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। C) I spent the rest day at home — এটি ভুল কারণ 'rest day' না বলে 'remaining day' বা 'the rest of the day' বলতে হবে। D) I found all the windows open. — এটি একটি সঠিক sentence যেখানে 'open' adjective হিসেবে object complement হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সময় বা দিন বোঝাতে 'the rest day' না বলে সবসময় 'the remaining day' অথবা 'the rest of the day' ব্যবহার করতে হয়।
a Being different
b Intellectual faculties
c Prominence
d Emotion
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Intellectual faculties কেন সঠিক: - বাক্যে 'minds' শব্দটি মানুষের চিন্তাশক্তি, মননশীলতা বা বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতাকে নির্দেশ করেছে। - এখানে কোনো ব্যক্তির বিশেষ গুণ বা প্রতিভাবান ব্যক্তিদের বোঝাতে 'Intellectual faculties' বা বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা অর্থ ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Being different — এর অর্থ ভিন্ন হওয়া, যা এখানে বুদ্ধিবৃত্তিক বা মনের উৎকর্ষের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) Intellectual faculties — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে মন বা বুদ্ধিমত্তার শ্রেষ্ঠত্ব বোঝানো হয়েছে। C) Prominence — এর অর্থ প্রখ্যাত বা পরিচিতি, যা মনের সরাসরি প্রতিশব্দ নয়। D) Emotion — এর অর্থ আবেগ, কিন্তু 'minds' এখানে বুদ্ধিমত্তা বা মনন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে, আবেগ নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বাক্যে 'greatest minds' বা বিখ্যাত মনীষী বোঝাতে 'minds' ব্যবহার করা হলে তা সবসময় বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতা বা Intellectual faculties নির্দেশ করে।
a Talkative
b Loosy
c Lore
d Angry
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Talkative কেন সঠিক: - Loquacious শব্দের অর্থ বাকপটু, অতিরিক্ত কথ্য বা যে খুব বেশি কথা বলে। - Talkative শব্দের অর্থও অতিরিক্ত কথা বলা বা মুখর, যা প্রদত্ত শব্দের সঠিক সমার্থক রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Talkative — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Loosy — এটি মূলত Loose শব্দের অনানুষ্ঠানিক রূপ বা আলগা অর্থ প্রকাশ করে, যা বাকপটুতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) Lore — এর অর্থ ঐতিহ্যগত জ্ঞান বা লোককাহিনি, যা অতিরিক্ত কথা বলার সঙ্গে মেলে না। D) Angry — এর অর্থ রাগী বা ক্রুদ্ধ, যা কথা বলার পরিমাণের সঙ্গে সম্পর্কহীন। মনে রাখার টিপস: Loquacious শব্দের শুরুতে Loqu আছে যার অর্থ কথা বলা, যেমন Reloquent বা Dialogue শব্দে পাওয়া যায়।
a yet he will go
b as he will go
c still he will go
d he will go
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) he will go কেন সঠিক: - Though বা Although যুক্ত কমপ্লেক্স সেন্টেন্সের একটি অংশে কমা (,) থাকায় দ্বিতীয় অংশে সাধারণত অতিরিক্ত কোনো conjunction বা conjunctional adverb ব্যবহার করা হয় না। - এখানে প্রথম ক্লজে Though থাকলে দ্বিতীয় ক্লজে শুধু মূল সাবজেক্ট ও ভার্ব ব্যবহার করে বাক্যটি সম্পন্ন করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) yet he will go — Though এর সাথে সাধারণত yet বসে, তবে কমা (,) থাকার কারণে এখানে আলাদা করে yet লেখার প্রয়োজন নেই। B) as he will go — As কারণ বা সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা Though যুক্ত বাক্যের বিপরীতার্থক ভাবের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। C) still he will go — Still একটি Adverb, যা Though এর সাথে কমা থাকা সত্ত্বেও একই ক্লজে পুনরায় ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) he will go — এটি সঠিক কারণ Though যুক্ত বাক্যের প্রথম অংশের পর কমা থাকায় দ্বিতীয় অংশে অতিরিক্ত কোনো সংযোজক ছাড়াই কেবল সাবজেক্ট ও ভার্ব বসে। মনে রাখার টিপস: Though বা Although এর সাথে বাক্যে কমা থাকলে অতিরিক্ত yet বা still ব্যবহার না করে সরাসরি সাবজেক্ট দিয়ে বাক্য শেষ করতে হয়।
a The writer was seized with panic
b The writer was seized by panic
c The writer was seized into panic
d The writer was seized for panic
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The writer was seized with panic কেন সঠিক: - Active voice-এর বাক্যে Subject যদি জড় পদার্থ বা কোনো অনুভূতি (যেমন panic) হয় এবং Object যদি ব্যক্তি (the writer) হয়, তবে Passive করার সময় by-এর পরিবর্তে with বসে। - সোইজড ভার্বের পর সাধারণ নিয়মে উইথ প্রিপজিশন বসে নির্দিষ্ট কোনো ভয় বা আতঙ্কের আচ্ছন্নতা বোঝাতে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The writer was seized with panic — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে সঠিক প্রিপজিশন with ব্যবহার করা হয়েছে। B) The writer was seized by panic — এখানে বাই ব্যবহার করা হয়েছে যা জড় পদার্থ বা অনুভূতির ক্ষেত্রে সাধারণ নিয়মে প্রযোজ্য নয়। C) The writer was seized into panic — এখানে ইনটু প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক গ্রামার অনুযায়ী এখানে বেমানান। D) The writer was seized for panic — এখানে ফর প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়েছে যা কারণ বোঝাতে ভুল অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: প্যানিক বা আতঙ্কের ক্ষেত্রে ভয়ে আচ্ছন্ন হওয়া বোঝালে বাই না হয়ে উইথ প্রিপজিশন বসে।
a everyone
b yourself
c students
d newspaper
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) yourself কেন সঠিক: - ডায়েরি হলো ব্যক্তিগত চিন্তাভাবনা ও গোপন অনুভূতির ভাণ্ডার, যা মূলত নিজের জন্যই লেখা হয়। - এটি প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে নয়, বরং আত্মমূল্যায়ন ও স্মৃতির সংরক্ষণের জন্য লেখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) everyone — ডায়েরি সবার পড়ার জন্য লেখা হয় না, এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত নথিপত্র। B) yourself — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডায়েরি নিজের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য লেখা হয়। C) students — ডায়েরি শুধু শিক্ষার্থীদের জন্য সীমাবদ্ধ নয়, যেকোনো ব্যক্তি নিজের জন্য এটি লিখতে পারে। D) newspaper — সংবাদপত্র সবার জন্য প্রকাশিত হয়, যা ডায়েরির ব্যক্তিগত প্রকৃতির বিপরীত। মনে রাখার টিপস: ডায়েরি লেখার মূল উদ্দেশ্য নিজের সঙ্গে কথা বলা, তাই এটি লেখা হয় নিজের জন্য বা yourself-এর জন্য।
a Gusting
b Gusted
c Gusty
d Gustad
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: প্রদত্ত্ব সঠিক উত্তরটি ভুল। 'Guest' শব্দের সঠিক Adjective রূপ হলো 'Guestlike' অথবা 'Guestly'। মূলত 'Guest' হলো একটি Noun, এবং এর কোনো বহুল প্রচলিত সরাসরি Adjective ফর্ম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসার মতো নেই। তবে অপশনগুলোর বিশ্লেষণ নিচে দেওয়া হলো। কেন সঠিক: - 'Guest' শব্দের অর্থ অতিথি, যা একটি Noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে 'Guest' শব্দটিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন প্রত্যয় যুক্ত করে Adjective তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে, যার বেশিরভাগই অর্থহীন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gusting — এটি 'Gust' (ঝোড়ো হাওয়া) শব্দের Verb-এর Present Participle রূপ, যার সাথে 'Guest' শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই। B) Gusted — প্রদত্ত উত্তরে এটিকে সঠিক বলা হলেও এটি 'Gust' শব্দের Past Form বা Participle, এটি কোনো অর্থপূর্ণ Adjective নয়। C) Gusty — এটি 'Gust' (ঝোড়ো হাওয়া) থেকে আসা Adjective যার অর্থ ঝোড়ো, এটি 'Guest' শব্দের রূপ নয়। D) Gustad — এটি একটি অর্থহীন শব্দ এবং ইংরেজি ব্যাকরণে এর কোনো ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: 'Guest' (অতিথি) একটি Noun, এর সাথে 'ly' যুক্ত করে সরাসরি Adjective করা যায় না, তাই বিভ্রান্তিকর অপশন দেখে সঠিক উত্তর নির্বাচন করতে সতর্ক থাকতে হবে।
a Confident
b Disorientated
c Unstudied
d Smart
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Disorientated কেন সঠিক: - 'Fuzzy' শব্দের অর্থ হলো অস্পষ্ট, ধোঁয়াশাচ্ছন্ন বা দিশাহারা। - 'Disorientated' শব্দের অর্থ হলো দিকভ্রান্ত বা দিশেহারা, যা 'Fuzzy' শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Confident — এর অর্থ আত্মবিশ্বাসী, যা অস্পষ্ট বা দিশাহারা শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Disorientated — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ দিশেহারা বা বিভ্রান্ত। C) Unstudied — এর অর্থ অধীত নয় বা যা পড়া হয়নি, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক নয়। D) Smart — এর অর্থ চটপটে বা স্মার্ট, যা এই শব্দের সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Fuzzy মানে যা পরিষ্কার নয় বা গুলিয়ে গেছে, আর Disorientated মানেও দিশা হারিয়ে ফেলা বা গুলিয়ে ফেলা।
a A colourful blood
b Noble birth
c Wealthy man
d Poor people
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Noble birth কেন সঠিক: - 'Blue blood' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ নীল রক্ত হলেও রূপক অর্থে কুলীন বা উচ্চ বংশ বোঝায়। - এটি মূলত ঐতিহাসিক কোনো পরিবার বা অভিজাত বংশের রক্তকে নির্দেশ করে, যাদের সমাজে বিশেষ মর্যাদা ও উচ্চ অবস্থান থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A colourful blood — এটি ইডিয়মের রূপক অর্থ বা অভিজাত বংশের ধারণার সঙ্গে কোনোভাবেই মিল রাখে না। B) Noble birth — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই বাগধারার অন্তর্নিহিত ভাবার্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। C) Wealthy man — ধনী ব্যক্তি বোঝালেও এটি সরাসরি অভিজাত বা কুলীন বংশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। D) Poor people — এটি অভিজাত বা কুলীন শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: রক্ত নীল না হলেও অভিজাত বা রাজপরিবারের লোকদের বংশমর্যাদা বোঝাতে 'Blue blood' বা কুলীন জন্ম মনে রাখা যায়।
a Cactusse
b Cacti
c Cactu
d Cacty
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Cacti কেন সঠিক: - ল্যাটিন ভাষার যে শব্দগুলোর শেষে -us থাকে, সেগুলোকে বহুবচন করার সময় সাধারণত -us তুলে দিয়ে -i যুক্ত করা হয়। - cactus শব্দটি ল্যাটিন মূলের হওয়ায় এর সঠিক বহুবচন রূপ হলো cacti। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cactusse — এই বানানটি ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী সম্পূর্ণ ভুল এবং এটি কোনো গ্রহণযোগ্য বহুবচন রূপ নয়। B) Cacti — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং cactus শব্দের সঠিক ল্যাটিন বহুবচন রূপ। C) Cactu — এই শব্দটির শেষে -us না রেখে -u যুক্ত করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) Cacty — ইংরেজি বা ল্যাটিন ব্যাকরণের কোনো নিয়ম অনুযায়ী cactus শব্দের শেষে -y যুক্ত করে বহুবচন করা যায় না। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ভাষায় ল্যাটিন মূলের শব্দগুলোর মধ্যে যেগুলোর শেষে -us থাকে, সেগুলোর বহুবচন করতে সাধারণত -us এর পরিবর্তে -i বসাতে হয়। যেমন- cactus থেকে cacti।
a G.B Shaw
b Amitav Ghosh
c Robert Frost
d E.M Forster
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) E.M Forster কেন সঠিক: - এটি ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ই. এম. ফস্টার রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা ভারত ও বৃটেনের রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্ক নিয়ে লেখা। - উপন্যাসের নাম নেওয়া হয়েছে কবি ওয়াল্ট হুইটম্যানের একই নামের একটি কবিতা থেকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) G.B Shaw — জর্জ বার্নার্ড শ একজন বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার ও সমালোচক, যার বিখ্যাত নাটকের মধ্যে পিগম্যালিয়ন অন্যতম। B) Amitav Ghosh — অমিতাভ ঘোষ একজন সমসাময়িক ভারতীয় ইংরেজি ঔপন্যাসিক, যিনি দ্য শ্যাডোগ লাইনস উপন্যাসের জন্য পরিচিত। C) Robert Frost — রবার্ট ফ্রস্ট একজন জনপ্রিয় আমেরিকান কবি, যিনি তার গ্রামীণ প্রকৃতিভিত্তিক কবিতার জন্য বিখ্যাত। D) E.M Forster — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: ফস্টার মানেই ইন্ডিয়া ভ্রমণ, তাই ফস্টার ও প্যাসেজ টু ইন্ডিয়া একত্রে মনে রাখুন।
a Leave
b Accompany
c Guilt
d Draw nearer
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Accompany কেন সঠিক: - 'Come along with' একটি গ্রুপ ভার্ব যার অর্থ কারো সাথে যাওয়া বা সঙ্গী হওয়া। - প্রদত্ত সঠিক উত্তর Accompany অর্থও কারো সঙ্গী হওয়া বা সাথে যাওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Leave — এর অর্থ ত্যাগ করা বা চলে যাওয়া, যা প্রশ্নোক্ত বাক্যাংশের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Accompany — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সাথে যাওয়া বা সঙ্গী হওয়া। C) Guilt — এর অর্থ অপরাধবোধ বা দোষ, যা একটি নাউন এবং এই ফ্রেঞ্জের সাথে অর্থগতভাবে মেলে না। D) Draw nearer — এর অর্থ কাছাকাছি এগিয়ে আসা, যা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির সাথে যাওয়া বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: 'Come along' মানে সাথে আসা, তাই এর সাথে 'with' যুক্ত হলে তা সঙ্গী হওয়া বা 'Accompany' অর্থ প্রকাশ করে।
a raises
b rises
c risen
d rise
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) rises কেন সঠিক: - বাক্যটিতে সাবজেক্ট হি হলো থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার এবং এটি চিরন্তন সত্য বা অভ্যাসগত কাজের প্রকাশ ঘটায়। - তাই প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে মূল ভার্বের সাথে এস বা ইএস যুক্ত করতে হয় এবং রাইজ ভার্বের রূপটি সঠিক হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) raises — এটি একটি ট্রানজিটিভ ভার্ব যার পরে অবজেক্ট প্রয়োজন হয়, কিন্তু এখানে কোনো অবজেক্ট নেই। B) rises — এটি সঠিক উত্তর কারণ রাইজ একটি ইনট্রানজিটিভ ভার্ব যা নিজে নিজেই ঘটার অর্থ প্রকাশ করে। C) risen — এটি ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ, যা একা একা প্রিন্সিপাল ভার্ব হিসেবে বসতে পারে না। D) rise — সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হওয়ার কারণে ভার্বের সাথে এস বা ইএস যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। মনে রাখার টিপস: সূর্য ওঠার মতো প্রাকৃতিক বা স্বয়ংক্রিয় কাজের ক্ষেত্রে ইনট্রানজিটিভ ভার্ব রাইজ ব্যবহার করতে হয়।
a at
b in
c within
d on
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) in কেন সঠিক: - দ্বীপের চারপাশ জল বা সীমানা দ্বারা সীমাবদ্ধ থাকলে তার অভ্যন্তরে বসবাস বোঝাতে preposition হিসেবে in ব্যবহৃত হয়। - বড় ভৌগোলিক এলাকা, দেশ, শহর বা সীমানা ঘেরা দ্বীপের ক্ষেত্রে in বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — নির্দিষ্ট কোনো ছোট স্থান, বিন্দু বা ঠিকানার ক্ষেত্রে at বসে, যা দ্বীপের অভ্যন্তর বোঝানোর জন্য উপযুক্ত নয়। B) in — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ব্যাখ্যা মূল উত্তরে প্রদান করা হয়েছে। C) within — কোনো সীমার ভেতরে বা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বোঝাতে within ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। D) on — সাধারণত উন্মুক্ত পৃষ্ঠদেশ, রাস্তা বা নির্দিষ্ট কোনো ছোট দ্বীপের নামের পূর্বে on বসে, তবে এই বাক্যে সামগ্রিক অর্থ বিবেচনায় in অধিক গ্রহণযোগ্য। মনে রাখার টিপস: বড় ভৌগোলিক এলাকা বা সীমানা ঘেরা দ্বীপের ভেতরে বসবাস বোঝালে in ব্যবহার করবে।
a a hero in the battle field
b a sailing ship used in the past for fighting
c a man in the battle field
d a man won a battle
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a sailing ship used in the past for fighting কেন সঠিক: - এটি একটি বিশেষ ধরনের সমাসবদ্ধ শব্দ বা ইডিয়ম যার আক্ষরিক অর্থ যুদ্ধের মানুষ হলেও এটি একটি যুদ্ধজাহাজকে বোঝায়। - অতীতে নৌযুদ্ধে ব্যবহৃত পাল তোলা যুদ্ধজাহাজ বোঝাতে এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a hero in the battle field — এটি আক্ষরিক অর্থে যুদ্ধের নায়ক বোঝালেও 'Man-of-war' এর নির্ধারিত কাব্যিক বা আক্ষরিক অর্থ নয়। B) a sailing ship used in the past for fighting — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, এটি মূল শব্দের সঠিক অর্থ বহন করে। C) a man in the battle field — এটি রণক্ষেত্রের কোনো সাধারণ মানুষকে বোঝায়, যা এই বিশেষ শব্দের প্রকৃত অর্থ নয়। D) a man won a battle — এটি যুদ্ধজয়ী কোনো ব্যক্তিকে নির্দেশ করে, যা এই সামুদ্রিক যুদ্ধজাহাজের সঙ্গে সম্পূর্ণ সম্পর্কহীন। মনে রাখার টিপস: 'Man-of-war' দেখলে মানুষ না ভেবে যুদ্ধজাহাজ বা পাল তোলা যুদ্ধজাহাজ মনে রাখবে।
a for
b on
c of
d beyond
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) for কেন সঠিক: - এখানে 'for pleasure' একটি উপযুক্ত ফ্রেজ বা প্রিপজিশনাল ব্যবহার, যার অর্থ আনন্দের জন্য বা শখের বশে। - কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করা বোঝাতে নাউনের পূর্বে 'for' প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — এটি সঠিক কারণ 'for pleasure' অর্থ আনন্দের জন্য বা শখের বশে পড়া বোঝায়। B) on — 'on pleasure' ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় কারণ উদ্দেশ্য বোঝাতে অন বসে না। C) of — 'of pleasure' বসালে অর্থের সঠিক সম্পর্ক তৈরি হয় না এবং এটি প্রচলিত ধারা নয়। D) beyond — 'beyond pleasure' অর্থ আনন্দের বাইরে, যা এই বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে দেয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজের উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে আনন্দের ক্ষেত্রে 'for pleasure' ব্যবহার করা হয়।
a Calm down
b Get ready
c Go together
d Act fast
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Calm down কেন সঠিক: - 'Pull yourself together' একটি ইংরেজি ইডিওম যার অর্থ হলো আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা বা শান্ত হওয়া। - মনকে শান্ত করে পুনরায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসাকে এই বাক্যাংশ দ্বারা বোঝানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Calm down - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ইডিওমটির আসল অর্থের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। B) Get ready - এর অর্থ প্রস্তুত হওয়া, যা মানসিক প্রশান্তির সাথে সম্পর্কিত নয়। C) Go together - এর অর্থ একসাথে যাওয়া বা মিল থাকা, যা এই ইডিওমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) Act fast - এর অর্থ দ্রুত কাজ করা, যা আবেগ নিয়ন্ত্রণের ধারণার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: নিজেকে গুছিয়ে নিতে বা শান্ত হতে আমরা বলি 'Pull yourself together'।
a to start up
b starting up
c will starting up
d start up
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) starting up কেন সঠিক: - বাক্যের শুরুতে 'It is always a risk' থাকলে এরপর Gerund (verb+ing) বসে কারণ এটি Subject হিসেবে কাজ করে। - এখানে 'starting up' জিরান্ড হিসেবে বসে বাক্যের সাবজেক্টের পরিপূরক বা জেন্ডার গঠন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to start up — এটি Infinitive, যা সাধারণত উদ্দেশ্য প্রকাশে বসে কিন্তু এখানে Gerund বসা বাধ্যতামূলক। B) starting up — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি বাক্যের গঠন ও নিয়মের সাথে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ। C) will starting up — মডেল ভার্বের পর সরাসরি Gerund এভাবে বসে না, ব্যাকরণগতভাবে এটি ভুল। D) start up — এটি Verb এর বেস ফর্ম, যা Subject এর অবস্থানে একা বসতে পারে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে It দিয়ে শুরু হয়ে risk বা worth থাকলে পরের verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
a was
b were
c had been
d had
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) had been কেন সঠিক: - এটি Third Conditional-এর নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে, যেখানে if-clause-এ Past Perfect tense বসে। - মূল বাক্যের পরের অংশে 'would have eaten' থাকায় প্রথম অংশে 'had been' ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) was — এটি Simple Past tense প্রকাশ করে, যা Third Conditional-এর নিয়মের সঙ্গে মেলে না। B) were — এটি Subjunctive mood-এ Imaginary condition প্রকাশ করে, কিন্তু এখানে ফল প্রকাশে Past Perfect প্রয়োজন। C) had been — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি Past Perfect tense নির্দেশ করে। D) had — একা বসলে এটি Past Simple tense হয়, কিন্তু এখানে মূল ভার্বের Past Participle প্রয়োজন। মনে রাখার টিপস: বাক্যের অপর অংশে would have + V3 থাকলে ইফ ক্লজে সর্বদা had + V3 বা had been ব্যবহার করতে হবে।
a noun
b adverb
c adjective
d pronoun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) adjective কেন সঠিক: - এখানে loud শব্দটি voice নাউনের ঠিক পূর্বে বসে নাউনটির দোষ বা গুণ প্রকাশ করেছে। - বাক্যে কোনো নাউনের পূর্বে বসে সেটির অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করায় এটি একটি Adjective হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — Noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু loud কোনো নাম বোঝায় না। B) adverb — Adverb হতে হলে এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb-কেmodify করতে হতো, যা এখানে হয়নি। C) adjective — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি voice নাউনকে বিশেষিত করেছে। D) pronoun — Pronoun হলো noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দ, কিন্তু এটি নামের পরিবর্তে বসেনি। মনে রাখার টিপস: Noun-এর ঠিক আগে বসে তার সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিলে শব্দটি Adjective হয়।
a Be careful not to loose your money.
b Be careful not to lose your money.
c Be careful not to loosen your money.
d Be careful not to lost your money.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Be careful not to lose your money. কেন সঠিক: - বাক্যে অর্থের মিল রাখতে মূল ভার্ব হিসেবে 'lose' (হারানো) ব্যবহার করা প্রয়োজন। - ইনফিনিটিভ 'to' এর পরে ভার্বের বেজ ফর্ম বসে, তাই সঠিক রূপটি এখানে প্রযোজ্য হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Be careful not to loose your money. — 'Loose' হলো বিশেষণ বা এডজেক্টিভ যার অর্থ ঢিলা, কিন্তু এখানে ভার্ব প্রয়োজন। B) Be careful not to lose your money. — এটি সঠিক কারণ 'lose' একটি ভার্ব যার অর্থ হারানো। C) Be careful not to loosen your money. — 'Loosen' অর্থ কোনো কিছু ঢিলা করা, যা অর্থপূর্ণ নয়। D) Be careful not to lost your money. — 'Lost' হলো পাস্ট ফর্ম, কিন্তু ইনফিনিটিভ 'to' এর পরে ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসে। মনে রাখার টিপস: ডাবল ও (oo) যুক্ত loose হলো ঢিলা বা এডজেক্টিভ, আর সিঙ্গেল ও (o) যুক্ত lose হলো হারানো বা ভার্ব।

মোট প্রশ্ন (19)

a 0
b 4
c 8
d 16
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো পরম মান চার যোগ পরম মান চার বিয়োগ চার যোগ চার ধরি, প্রথম অংশ হলো মাইনাস চারের পরম মান দ্বিতীয় অংশ হলো চারের পরম মান তৃতীয় ও চতুর্থ অংশ হলো যথাক্রমে বিয়োগ চার এবং যোগ চার অতএব, মাইনাস চারের পরম মান হলো চার চারের পরম মান হলো চার বাকি সংখ্যা দুটি হলো বিয়োগ চার এবং যোগ চার সুতরাং, চার যোগ চার বিয়োগ চার যোগ চার পাই আমরা হিসাব করলে প্রথম চারের সাথে চার যোগ হয়ে হয় আট আট থেকে চার বাদ দিলে থাকে চার, এবং তার সাথে চার যোগ করলে হয় আট উত্তর: ৮
a 72
b 96
c 144
d 176
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৭৬ প্রদত্ত তথ্য: থলিতে ৫, ২, ৩, ১ টাকার মুদ্রা সমসংখ্যক আছে মোট টাকার পরিমাণ ১১৫২ টাকা ধরি, প্রতিটি মুদ্রার সংখ্যা = ক অতএব, ৫ টাকার মোট টাকা = ৫ × ক ২ টাকার মোট টাকা = ২ × ক ৩ টাকার মোট টাকা = ৩ × ক ১ টাকার মোট টাকা = ১ × ক সুতরাং, সব মুদ্রার মোট টাকার যোগফল = ৫ক + ২ক + ৩ক + ১ক = ১১ক শর্তানুসারে, ১১ক = ১১৫২ উত্তর: ক = ১১৫২ ÷ ১১ = ১৭৬
a 156
b 36
c 172
d 144
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪৪ প্রদত্ত তথ্য: ১ ফুট = ১২ ইঞ্চি ধরি, ১ বর্গফুট = ১ ফুট × ১ ফুট অতএব, ১ ফুট এর পরিবর্তে ১২ ইঞ্চি বসাই ১ বর্গফুট = ১২ ইঞ্চি × ১২ ইঞ্চি সুতরাং, ১২ এবং ১২ গুণ করি উত্তর হবে ১৪৪ বর্গ ইঞ্চি উত্তর: ১৪৪ বর্গ ইঞ্চি
a 1/2
b 1/3
c 1/6
d 1/9
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১/৬ প্রدত্ত তথ্য: লগারিদমের ভিত্তি হলো ২৭ এবং সংখ্যাটি হলো √৩ ধরি, লগ এর মানটি হলো x অতএব, ২৭ এর পাওয়ার x সমান √৩ লেখা যায় সুতরাং, ৩ এর কিউব এর পাওয়ার x সমান ৩ এর পাওয়ার ১/২ লেখা যায় অতএব, ৩ এর পাওয়ার ৩x সমান ৩ এর পাওয়ার ১/২ লেখা যায় সুতরাং, ৩x সমান ১/২ লেখা যায় উত্তর: x সমান ১/৬
a 161
b 171
c 181
d 191
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭৫ নয়, সঠিক উত্তর B) ১৭১ প্রদত্ত তথ্য: ধারার প্রথম পদ = ১ ধারার দ্বিতীয় পদ = ৩ ধারার তৃতীয় পদ = ১১ ধারার চতুর্থ পদ = ৪৩ ধরি, প্রথম পদের সাথে সম্পর্ক = ১ × ১ + ২ = ৩ দ্বিতীয় পদের সাথে সম্পর্ক = ৩ × ৩ + ২ = ১১ তৃতীয় পদের সাথে সম্পর্ক = ১১ × ৪ − ১ = ৪৩ অতএব, এখানে গুণের সংখ্যা এবং যোগ বা বিয়োগের নিয়মটি লক্ষ্য করি প্রথম পদ থেকে দ্বিতীয় পদে যেতে ১ দিয়ে গুণ করে ২ যোগ হয়েছে দ্বিতীয় পদ থেকে তৃতীয় পদে যেতে ৩ দিয়ে গুণ করে ২ যোগ হয়েছে সুতরাং, তৃতীয় পদ থেকে চতুর্থ পদে যেতে ৪ দিয়ে গুণ করে ১ বিয়োগ হয়েছে চতুর্থ পদ থেকে পঞ্চম পদে যেতে ৫ দিয়ে গুণ করে ৪ যোগ হয়েছে উত্তর: ৪৩ × ৪ + ২ = ১৭১
a {5, - 5}
b {5}
c {}
d {- 5}
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো রুট ওভার (৩ক − ৬) + ৫ = ২ এখানে ক হলো অজানা চলক যার মান বের করতে হবে ধরি, রুট ওভার (৩ক − ৬) + ৫ = ২ বা, রুট ওভার (৩ক − ৬) = ২ − ৫ অতএব, রুট ওভার (৩ক − ৬) = − ৩ এখন উভয় পক্ষকে বর্গ করে পাই সুতরাং, ৩ক − ৬ = ৯ বা, ৩ক = ৯ + ৬ উত্তর: ক = ৫
a 1
b 2
c 3
d 4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ প্রদত্ত তথ্য: ব্র্যাকেটে দুই গুণ এ প্লাস দুই ভাগ এ এর হোল স্কয়ার সমান বারো সমীকরণটি লিখে পাই, দুই গুণ এ প্লাস দুই ভাগ এ এর হোল স্কয়ার সমান বারো উভয়পক্ষ থেকে দুই কমন নিয়ে পাই, দুই গুণ ব্র্যাকেটে এ প্লাস এক ভাগ এ এর হোল স্কয়ার সমান বারো অতএব, চার গুণ ব্র্যাকেটে এ প্লাস এক ভাগ এ এর হোল স্কয়ার সমান বারো চার দিয়ে ভাগ করে পাই, ব্র্যাকেটে এ প্লাস এক ভাগ এ এর হোল স্কয়ার সমান তিন বর্গ সূত্র ভেঙে পাই, এ স্কয়ার প্লাস দুই গুণ এ গুণ এক ভাগ এ প্লাস এক ভাগ এ স্কয়ার সমান তিন সুতরাং, এ স্কয়ার প্লাস এক ভাগ এ স্কয়ার প্লাস দুই সমান তিন উত্তর: এ স্কয়ার প্লাস এক ভাগ এ স্কয়ার সমান তিন বিয়োগ দুই সমান এক
a 10
b -10
c 1
d -1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) −১ প্রদত্ত তথ্য: অপেক্ষকটি হলো f(x) = |x| ÷ x ধরি, x এর মান ঋণাত্মক হলে পরম মানের সংজ্ঞা অনুযায়ী |x| এর মান −x হয় অতএব, এখানে x এর মান −১০ যা শূন্য অপেক্ষা ছোট সুতরাং, f(−১০) = |−১০| ÷ (−১০) = ১০ ÷ (−১০) = −১ উত্তর: −১
a 8
b 3
c √3
d √8
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ প্রদত্ত তথ্য: ট্যান থিটা = রুট ৮ ধরি, লম্ব = রুট ৮ ভূমি = ১ অতএব, অতিভুজ স্কয়ার = লম্ব স্কয়ার + ভূমি স্কয়ার অতিভুজ স্কয়ার = (রুট ৮) স্কয়ার + ১ স্কয়ার অতিভুজ স্কয়ার = ৮ + ১ = ৯ সুতরাং, অতিভুজ = রুট ৯ = ৩ সেক থিটা = অতিভুজ ÷ ভূমি = ৩ ÷ ১ = ৩ উত্তর: ৩
a 19
b 14
c 10
d 25
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ প্রদত্ত তথ্য: অনুপাত দুটি সমানুপাতে আছে প্রথম অনুপাতটি হলো ৫ : ৭ দ্বিতীয় অনুপাতটি হলো x : ১৪ ধরি, সমানুপাতের নিয়ম অনুযায়ী প্রথম রাশির সাথে চতুর্থ রাশির গুণফল এবং দ্বিতীয় রাশির সাথে তৃতীয় রাশির গুণফল সমান হবে অতএব, ৫ অনুপাত ৭ সমান x অনুপাত ১৪ লেখা যায় এটিকে ভগ্নাংশ আকারে ৫ ভাগ ৭ সমান x ভাগ ১৪ লেখা যায় কোণাকোণি গুণ করে পাই ৭ গুণ x সমান ৫ গুণ ১৪ সুতরাং, ৭ গুণ x সমান ৭০ লেখা যায় x সমান ৭০ ভাগ ৭ লেখা যায় উত্তর: ১০
a 224
b 448
c 604
d 704
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 704 প্রদত্ত তথ্য: চাকার ব্যাসার্ধ = ২২.৪ সে.মি. চাকাটি ঘোরার সংখ্যা = ৫০০ বার ধরি, চাকার পরিধি = ২ × (২২ ÷ ৭) × ২২.৪ সে.মি. মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = চাকার পরিধি × ৫০০ সে.মি. অতএব, চাকার পরিধি = ২ × ৩.১৪১৬ × ২২.৪ সে.মি. = ১৪০.৮ সে.মি. মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ১৪০.৮ × ৫০০ সে.মি. = ৭০৪০০ সে.মি. সুতরাং, মিটার প্রকাশ করতে ১০০ দ্বারা ভাগ করতে হবে ৭০৪০০ ÷ ১০০ মিটার = ৭০৪ মিটার উত্তর: 704
a 0
b 1
c অনির্ণেয়
d 0 , 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনির্ণেয় প্রদত্ত তথ্য: ০ কে ০ দ্বারা ভাগ করতে হবে ধরি, ক × ০ = ০ এখানে ক এর মান যেকোনো সংখ্যা হতে পারে অতএব, ১ × ০ = ০ ২ × ০ = ০ ৫ × ০ = ০ সুতরাং, ০ এর কোনো নির্দিষ্ট মান পাওয়া যায় না উত্তর: অনির্ণেয়
a 0.0305
b 0.0353
c 0.043
d 0.356
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.০৩৫৩ প্রদত্ত তথ্য: ১ মিটার দৈর্ঘ্যকে ফুজে রূপান্তর করতে হবে ১ মিটার সমান ৩.২৮০৮৪ ফুট ধরি, ১ মিটার দীর্ঘ, ১ মিটার প্রশস্ত এবং ১ মিটার উচ্চতাবিশিষ্ট ঘনকের আয়তন ১ ঘনমিটার ১ মিটার সমান ৩.২৮০৮৪ ফুট হিসেবে ঘনকের মাত্রা হিসাব করতে হবে অতএব, ১ ঘনমিটার = ৩.২৮০৮৪ ফুট × ৩.২৮০৮৪ ফুট × ৩.২৮০৮৪ ফুট ১ ঘনমিটার = ৩৫.৩১৫ ঘনফুট সুতরাং, ১ ঘনফুট = ১ ÷ ৩৫.৩১৫ ঘনমিটার ১ ঘনমিটার = ০.০৩৫৩ ঘনফুট উত্তর: ০.০৩৫৩
a 9
b 18
c 27
d 54
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৭ প্রদত্ত তথ্য: ঘনক আকৃতির বাক্সের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৩ মিটার ধরি, বাক্সের দৈর্ঘ্য = ৩ মিটার বাক্সের প্রস্থ = ৩ মিটার বাক্সের উচ্চতা = ৩ মিটার অতএব, বাক্সের আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা বাক্সের আয়তন = ৩ × ৩ × ৩ ঘনমিটার সুতরাং, বাক্সের আয়তন = ২৭ ঘনমিটার উত্তর: ২৭
a 5
b ৫ × ২
c ৫ × ৫
d 2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ × ৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ৫টি বিজোড় স্বাভাবিক সংখ্যা হলো ১, ৩, ৫, ৭ ও ৯ ধরি, সংখ্যাগুলোর সমষ্টি নির্ণয় করতে হবে অতএব, সংখ্যাগুলো যোগ করলে পাই ১ + ৩ + ৫ + ৭ + ৯ = ২৫ সুতরাং, ৫টি সংখ্যার যোগফল সমান ৫ × ৫ উত্তর: ৫ × ৫
a 19
b 21
c 23
d 25
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১ প্রদত্ত তথ্য: সামনের জন্মদিনে তরুণের বয়স হবে বর্তমান বয়সের সাথে এক যোগ করলে যা হয় ১০ বৎসর পূর্বের বয়স হবে বর্তমান বয়স থেকে দশ বিয়োগ করলে যা হয় ধরি, তরুণের বর্তমান বয়স = ক বৎসর অতএব, সামনের জন্মদিনে বয়স হবে = ক + ১ ১০ বৎসর পূর্বের বয়স ছিল = ক − ১০ সুতরাং, শর্তমতে, ক + ১ = ২ × (ক − ১০) ক + ১ = ২ক − ২০ উত্তর: ক = ২১ বৎসর
a 7
b 9
c 11
d 12
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার যোগফল = ১৬ সংখ্যা দুটির গুণফল = ৬৩ ধরি, ছোট সংখ্যাটি = ক বড় সংখ্যাটি = খ অতএব, ক + খ = ১৬ ক × খ = ৬৩ সুতরাং, (ক − খ)২ = (ক + খ)২ − ৪ × ক × খ (ক − খ)২ = ১৬২ − ৪ × ৬৩ = ২৫৬ − ২৫২ = ৪ উত্তর: খ = (১৬ + ২) ÷ ২ = ৯
a 0
b 1
c 5/3
d 3/5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো পাঁচ এর পাওয়ার এক্স ভাগ পাঁচ সমান তিন এর পাওয়ার এক্স ভাগ তিন। ধরি, এক্স এর বিভিন্ন মানের জন্য সমীকরণটি পরীক্ষা করতে হবে। অতএব, এক্স সমান এক বসালে বামপক্ষ হয় পাঁচ এর পাওয়ার এক ভাগ পাঁচ সমান এক। দ্বিতীয় হিসাব: এক্স সমান এক বসালে ডানপক্ষ হয় তিন এর পাওয়ার এক ভাগ তিন সমান এক। সুতরাং, বামপক্ষ এবং ডানপক্ষ সমান হয় যখন এক্স সমান এক। উত্তর: ১
a 120
b 140
c 166
d 240
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২০ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য ২৬ সে.মি, ২৪ সে.মি এবং ১০ সে.মি ধরি, প্রথম বাহু = ২৬ সে.মি দ্বিতীয় বাহু = ২৪ সে.মি তৃতীয় বাহু = ১০ সে.মি অতএব, বাহুগুলোর বর্গের হিসাব করলে পাই ২৬ এর বর্গ = ৬৮৪ ২৪ এর বর্গ = ৫৭৬ ১০ এর বর্গ = ১০০ সুতরাং, এখানে ৫.৭৬ + ১.০০ = ৬.৭৬ হয়, যা ২৬ এর বর্গক্ষেত্রের সমান, তাই এটি সমকোণী ত্রিভুজ উত্তর: ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল = ১÷২ × ভূমি × উচ্চতা = ১÷২ × ২৪ × ১০ = ১২০ বর্গ সে.মি

মোট প্রশ্ন (25)

a ইউক্রেন
b রাশিয়া
c চীন
d মঙ্গোলিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাশিয়া কেন সঠিক: - 'তাস' (TASS) হলো রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় ও প্রধান বার্তা সংস্থা। - এটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংগ্রহ ও বিতরণে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সংবাদ সংস্থা হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউক্রেন — ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার নাম ইউক্রিনফর্ম, 'তাস' নয়। B) রাশিয়া — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক এবং এটি রাশিয়ার বার্তা সংস্থা। সি) চীন — চীনের প্রধান রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার নাম সিনহুয়া, 'তাস' নয়। ডি) মঙ্গোলিয়া — মঙ্গোলিয়ার সংবাদ সংস্থার নাম মনটসামে, 'তাস' নয়। মনে রাখার টিপস: রাশিয়ার 'তাস' খুব দ্রুত খবর ছড়ায়, এভাবে রাশিয়া ও তাস মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
a সমতট
b পুণ্ড্র
c গৌড়
d হরিকেল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পুণ্ড্র কেন সঠিক: - ঐতিহাসিক সূত্র ও পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তির অবস্থান অনুযায়ী পুণ্ড্র জনপদটি বাংলার প্রাচীনতম জনপদ হিসেবে স্বীকৃত। - মৌর্য আমল থেকেই পুণ্ড্রবর্ধন ছিল প্রাচীন বাংলার উত্তর অঞ্চলের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও জনবসতিপূর্ণ কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমতট — এটি বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত প্রাচীন জনপদ, যা পুণ্ড্রর মতো প্রাচীনতম নয়। B) পুণ্ড্র — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্রাচীন বাংলার প্রথম ও প্রধান জনপদ। C) গৌড় — এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও এর আশেপাশের অংশ নিয়ে গঠিত পরবর্তীকালের একটি জনপদ ও রাজনৈতিক কেন্দ্র। D) হরিকেল — এটি বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে গঠিত একটি প্রাচীন জনপদ। মনে রাখার টিপস: প্রাচীন বাংলায় প্রথম পা ফেললেই পুণ্ড্র মনে রাখবে, কারণ এটি বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ।
a থেরেসা
b অ্যাঞ্জেলা মার্কেল
c হিলারি ক্লিনটন
d শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শেখ হাসিনা কেন সঠিক: - পরিবেশ সুরক্ষায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতিসংঘ ২০১৫ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই সর্বোচ্চ পরিবেশগত পুরস্কার প্রদান করে। - জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারের নীতিগত নেতৃত্ব এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে জোরালো ভূমিকার জন্য তাকে এই খেতাব দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থেরেসা — তিনি যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, তবে পরিবেশ ক্ষেত্রে জাতিসংঘের এই শীর্ষ খেতাব তিনি পাননি। B) অ্যাঞ্জেলা মার্কেল — তিনি জার্মানির সাবেক চ্যান্সেলর এবং জলবায়ু নিয়ে কাজ করলেও এই নির্দিষ্ট খেতাবটি তার নয়। C) হিলারি ক্লিনটন — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাজনীতিবিদ, তবে তিনি জাতিসংঘের এই খেতাব পাননি। D) শেখ হাসিনা — তিনি ২০১৫ সালে পরিবেশ সুরক্ষায় অবদানের জন্য এই খেতাব অর্জন করেছিলেন এবং এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: পরিবেশের চ্যাম্পিয়ন হলেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যিনি ২০১৫ সালে এই খেতাব পান।
a হাজী মোহাম্মদ দানেশ
b হাজী মোহাম্মদ মহসীন
c হাজী শরীয়ত উল্লাহ
d তিতুমীর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হাজী শরীয়ত উল্লাহ কেন সঠিক: - হাজী শরীয়ত উল্লাহ ১৮১৮ সালের দিকে অবিভক্ত বাংলার ফরিদপুর অঞ্চলে ফরায়েজী আন্দোলন শুরু করেন। - ইসলাম ধর্মের ফরজ বিধানগুলোর ওপর গুরুত্ব আরোপ এবং সমাজে প্রচলিত কুসংস্কার দূর করাই ছিল এই আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাজী মোহাম্মদ দানেশ — তিনি তেভাগা আন্দোলনের অন্যতম নেতা ছিলেন, ফরায়েজী আন্দোলনের সূচনাকারী নন। B) হাজী মোহাম্মদ মহসীন — তিনি একজন প্রখ্যাত দানবীর ও সমাজসেবক ছিলেন, ফরায়েজী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) হাজী শরীয়ত উল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশন ভুল নয়। D) তিতুমীর — তিনি বাংলার কৃষক বিদ্রোহ ও বারাসাত বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, ফরায়েজী আন্দোলনের সূচনাকারী নন। মনে রাখার টিপস: ফরায়েজী আন্দোলনের ফ এবং শরীয়ত উল্লাহর শরীয়ত যুক্ত করে মনে রাখতে পারেন শরীয়ত উল্লাহ ফরায়েজী আন্দোলনের প্রবর্তক।
a শিশু সাহিত্য পুরস্কার
b সাহিত্য পুরস্কার
c চলচ্চিত্র পুরস্কার
d নাট্য পুরস্কার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চলচ্চিত্র পুরস্কার কেন সঠিক: - অস্কার বা একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস কর্তৃক প্রদত্ত চলচ্চিত্রের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক পুরস্কার। - এটি ১৯২৯ সাল থেকে বিশ্বের চলচ্চিত্র শিল্পে শ্রেষ্ঠ অর্জনকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য নিয়মিত প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিশু সাহিত্য পুরস্কার — এটি শিশুদের জন্য রচিত সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রদান করা হয়, যা চলচ্চিত্র বা অস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) সাহিত্য পুরস্কার — এটি সাধারণত লেখালেখি বা উপন্যাসের জন্য দেওয়া হয়, কিন্তু অস্কার প্রদান করা হয় চলচ্চিত্রের বিভিন্ন বিভাগে। C) চলচ্চিত্র পুরস্কার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ অস্কার বিশ্ব চলচ্চিত্র জগতের সর্বোচ্চ সম্মাননা। D) নাট্য পুরস্কার — এটি মঞ্চনাটকের জন্য প্রযোজ্য, যা রূপালী পর্দার চলচ্চিত্র বা অস্কার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: অস্কার মানেই সিনেমা বা চলচ্চিত্র জগতের সবচেয়ে বড় উৎসব।
a ভারত ও নেপাল
b ভারত ও পাকিস্তান
c পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
d ভারত ও চীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভারত ও চীন কেন সঠিক: - এই সীমারেখাটি ১৯১৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পক্ষ থেকে স্যার হেনরি ম্যাকমোহন নির্ধারণ করেছিলেন। - এটি ভারত ও তিব্বত তথা চীনের মধ্যকার পূর্ব সীমান্ত হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত ও নেপাল — ভারত ও নেপালের সীমান্ত কোনো সুনির্দিষ্ট ঔপনিবেশিক নামে পরিচিত নয়। B) ভারত ও পাকিস্তান — ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সীমান্ত রেডক্লিফ লাইন নামে পরিচিত। সি) পাকিস্তান ও আফগানিস্তান — পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সীমান্ত ডুরান্ড লাইন নামে পরিচিত। D) ভারত ও চীন — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: ম্যাকমোহন নামের প্রথম অক্ষর ম এবং চীন নামের প্রথম অক্ষর চ মিলে ম-চ বা ম্যাকমোহন চীন সীমান্ত মনে রাখতে পারেন।
a অশোক
b শশাঙ্ক
c লক্ষণ সেন
d ধর্মপাল
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: B) শশাঙ্ক কেন সঠিক: - রাজা শশাঙ্ক ছিলেন প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা যিনি সপ্তম শতাব্দীতে গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। - এর আগে বাংলা কখনো রাজনৈতিকভাবে একক কোনো শাসকের অধীনে একত্রিত বা স্বাধীন ছিল না, বিভিন্ন ছোট স্বাধীন অঞ্চলে বিভক্ত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অশোক — তিনি প্রাচীন মৌর্য সাম্রাজ্যের সম্রাট ছিলেন, অবিভক্ত বাংলার আঞ্চলিক বা স্বাধীন কোনো রাজা ছিলেন না। B) শশাঙ্ক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি সঠিক। C) লক্ষণ সেন — তিনি সেন রাজবংশের রাজা ছিলেন এবং দ্বাদশ শতাব্দীতে বাংলা শাসন করেছিলেন, যা শশাঙ্কের অনেক পরের সময়কাল। D) ধর্মপাল — তিনি পাল রাজবংশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজা ছিলেন, যিনি অষ্টম শতাব্দীতে বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: প্রথম স্বাধীন রাজা মনে রাখতে শশাঙ্কের নাম মনে রাখুন, কারণ শ দিয়েই স্বাধীন এবং শ দিয়েই শশাঙ্ক শুরু হয়।
a Computed Treatment Scan
b Computed Tomography Scan
c Computed Tomology Scan
d Computed Therapy Scan
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Computed Tomography Scan কেন সঠিক: - সিটি স্ক্যান চিকিৎসা বিজ্ঞানে ব্যবহৃত একটি বিশেষ ইমেজিং প্রযুক্তি, যার পুরো নাম হলো কম্পিউটেড টমোগ্রাফি স্ক্যান। - এটি এক্স-রে প্রযুক্তির সাহায্যে শরীরের ভেতরের অঙ্গ ও হাড়ের ত্রিমাত্রিক বা বিস্তারিত ছবি তৈরি করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Computed Treatment Scan — চিকিৎসাকে ট্রিটমেন্ট বলা হলেও চিকিৎসা বিজ্ঞানে এই নামের কোনো স্ক্যানিং প্রযুক্তি নেই। B) Computed Tomography Scan — এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি স্বীকৃত পদ্ধতি এবং প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর। C) Computed Tomology Scan — টমোলজি কোনো চিকিৎসা পরিভাষা বা সঠিক বৈজ্ঞানিক শব্দ নয়। D) Computed Therapy Scan — থেরাপি চিকিৎসাপদ্ধতির একটি অংশ হলেও এই নামের কোনো স্ক্যানিং পদ্ধতি নেই। মনে রাখার টিপস: সিটি স্ক্যানের পূর্ণরূপ মনে রাখতে মাথায় রাখুন টি দিয়ে টমোগ্রাফি, যা শরীরের ভেতরের স্তরের ছবি তুলতে ব্যবহৃত হয়।
a ৪ এপ্রিল ১৯৪৯
b ৮ মার্চ ১৯৪৯
c ৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৯
d ৪ মে ১৯৪৯
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্রসহ ১২টি প্রতিষ্ঠাতা দেশের স্বাক্ষরের মাধ্যমে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ন্যাটো সামরিক জোট গঠিত হয়। - স্নায়ুযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব মোকাবিলা করার জন্য এই সামরিক জোট আত্মপ্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই দিনেই আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। B) ৮ মার্চ ১৯৪৯ — এটি ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সঠিক তারিখ নয় এবং এই দিনে জোটের কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। C) ৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৯ — এই তারিখে কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা বা ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সম্পর্ক নেই। D) ৪ মে ১৯৪৯ — এই তারিখে ন্যাটোর সদর দপ্তর স্থাপনসংক্রান্ত বা প্রতিষ্ঠার কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। মনে রাখার টিপস: ১৯৪৯ সালের এপ্রিল মাসের চার তারিখে স্নায়ুযুদ্ধের সময় ১২টি দেশ মিলে ন্যাটো সামরিক জোট গঠন করে।
a যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
b ইংল্যান্ড
c কাতার
d অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাতার কেন সঠিক: - ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপ মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। - এটি ছিল মধ্যপ্রাচ্যে অনুষ্ঠিত প্রথম এবং শীতকালীন সময়ে আয়োজিত প্রথম ফুটবল বিশ্বকাপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা — এই দেশগুলো ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজন করবে। B) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ড ২০২২ বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল না, তারা ১৯৬৬ সালে একবার বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল। C) কাতার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই দেশটি ২০২২ বিশ্বকাপ সফলভাবে আয়োজন করেছে। D) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়া ২০২২ বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার জন্য আবেদন করলেও নির্বাচিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: আরব দেশ কাতারে অনুষ্ঠিত ২০২২ বিশ্বকাপটি ক-তে কাতার এভাবে খুব সহজে মনে রাখতে পারো।
a হোয়াংহো নদীর তীরে
b ইয়াংসিকিয়াং নদীর তীরে
c নীল নদের তীরে
d টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর তীরে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর তীরে কেন সঠিক: - বর্তমান ইরাক অঞ্চলে টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মধ্যবর্তী উর্বর উপত্যকায় মেসোপটেমিয়া সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। - গ্রিক শব্দ মেসোপটেমিয়া অর্থ দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হোয়াংহো নদীর তীরে — এই নদীর তীরে চৈনিক সভ্যতা গড়ে উঠেছিল, মেসোপটেমিয়া নয়। B) ইয়াংসিকিয়াং নদীর তীরে — এটিও চীনের একটি নদী, যার অববাহিকায় প্রাচীন চীনা সভ্যতা বিকশিত হয়েছিল। C) নীল নদের তীরে — এই নদীর অববাহিকায় প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। D) টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর তীরে — এটিই মেসোপটেমিয়া সভ্যতা গড়ে ওঠার সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান। মনে রাখার টিপস: মেসোপটেমিয়া মানে দুই নদীর দেশ, তাই টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর নাম মনে রাখতে হবে।
a ১০ এপ্রিল
b ১০ মে
c ১০ মার্চ
d ১০ জুন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০ এপ্রিল কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়। - এই সরকার গঠনের মাধ্যমেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ প্রাতিষ্ঠানিক ও দাপ্তরিক রূপ লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ এপ্রিল — এই তারিখে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়। B) ১০ মে — এই তারিখে মুজিবনগর সরকারের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা বা সরকার গঠনের দিন নেই। C) ১০ মার্চ — এই তারিখে মুজিবনগর সরকার গঠন বা এর কার্যক্রমের কোনো ঐতিহাসিক সংশ্লিষ্টতা নেই। D) ১০ জুন — এই তারিখে মুজিবনগর সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো প্রধান ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। মনে রাখার টিপস: ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ করে।
a 1974
b 1973
c 1975
d 1972
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1974 কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে সংস্থাটির সদস্যপদ লাভ করে। - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দূরদর্শী কূটনীতির কারণে বাংলাদেশ এই মুসলিম বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1974 — এই সালে বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করে, তাই এটি সঠিক উত্তর। B) 1973 — এই সালে বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করেনি, এটি ভুল সাল। C) 1975 — এই সালে বাংলাদেশ ইতিপূর্বেই সদস্যপদ লাভ করেছিল, তাই এই সালটি সঠিক নয়। D) 1972 — এই সালে ওআইসি প্রতিষ্ঠিত হলেও বাংলাদেশ তখন এর সদস্যপদ পায়নি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর পাকিস্তানের লাহোর সম্মেলনে প্রথম অংশগ্রহণ করেই ১৯৭৪ সালে ওআইসি এর সদস্য হয়।
a ১৯৯৭ সালে
b ১৯৯৮ সালে
c ১৯৯৯ সালে
d ২০০০ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৯৭ সালে প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ক্রিকেট দল মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি ফাইনালে কেনিয়াকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। - এই জয়ের মাধ্যমেই বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে একদিনের আন্তর্জাতিক বা ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৭ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সালেই বাংলাদেশ দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস অর্জন করে। B) ১৯৯৮ সালে — এই সালে বাংলাদেশ প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক ওয়ানডে টুর্নামেন্ট আয়োজন করে, যা মিনি বিশ্বকাপ নামে পরিচিত। C) ১৯৯৯ সালে — এই সালে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে। D) ২০০০ সালে — এই সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে। মনে রাখার টিপস: ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জয় এবং ওয়ানডে স্ট্যাটাস প্রাপ্তি একই বছরে ঘটেছিল।
a ভারত
b ভুটান
c নেপাল
d শ্রীলংকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভারত কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রথম স্বীকৃতি প্রদান করে। - ভুটান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারতের ঠিক কয়েক ঘণ্টা পরে, যা দ্বিতীয় স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — এটি ভুল উত্তর কারণ ভারত বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদান করেছিল, দ্বিতীয় নয়। B) ভুটান — এটি সঠিক উত্তর হওয়া উচিত ছিল কারণ ভুটান বাংলাদেশকে দ্বিতীয় স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশ। C) নেপাল — এটি ভুল উত্তর কারণ নেপাল বাংলাদেশকে তৃতীয় স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশ। D) শ্রীলংকা — এটি ভুল উত্তর কারণ শ্রীলংকা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় স্বীকৃতি দেয়নি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানের ক্ষেত্রে মনে রাখবে প্রথম ভারত এবং দ্বিতীয় ভুটান।
a 6
b 6.15
c 6.25
d 6.05
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬.১৫ কেন সঠিক: - পদ্মা সেতুর মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং সংযোগ সড়কসহ মোট দৈর্ঘ্য ১০ কিলোমিটার। - এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম বহুমুখী সেতু যা মাওয়া ও জাজিরা পয়েন্টকে যুক্ত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ — এটি মূল সেতুর সঠিক দৈর্ঘ্য নয়, কারণ মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬ কিলোমিটারের বেশি। B) ৬.১৫ — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং মূল সেতুর নিখুঁত দৈর্ঘ্য। C) ৬.২৫ — এটি পদ্মা সেতুর মূল সেতুর দৈর্ঘ্য অপেক্ষা সামান্য বেশি ভুল তথ্য। D) ৬.০৫ — এটিও পদ্মা সেতুর সঠিক দৈর্ঘ্য নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ছয় দশমিক পনেরো কিলোমিটার।
a নিউ ইয়র্ক
b ওয়াশিংটন
c জেনেভা
d রোম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জেনেভা কেন সঠিক: - UNHCR হলো জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা, যার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত। - বিশ্বজুড়ে শরণার্থী ও আশ্রিত মানুষের অধিকার রক্ষায় এই সদর দপ্তর থেকে সামগ্রিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউ ইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তর এবং ইউনিসেফের কার্যালয়, তাই UNHCR এর জন্য প্রযোজ্য নয়। B) ওয়াশিংটন — এটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং এখানে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ এর সদর দপ্তর অবস্থিত। C) জেনেভা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে UNHCR এর সদর দপ্তর অবস্থিত। D) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএও এর সদর দপ্তর অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: শরণার্থীদের রক্ষার জন্য যারা জেনে বুঝে কাজ করে, তাদের প্রধান কার্যালয় জেনেভায় অবস্থিত।
a চট্টগ্রাম
b ভোলা
c নোয়াখালী
d কক্সবাজার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নোয়াখালী কেন সঠিক: - ভাসানচর মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় অবস্থিত একটি কৃত্রিম দ্বীপ, যা প্রশাসনিকভাবে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্ভুক্ত। - স্থানটি জলবায়ু পরিবর্তন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিজনিত কারণে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসনের জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম একটি প্রধান বন্দর নগরী ও জেলা হলেও ভাসানচর এর মূল ভূখণ্ড বা আওতাধীন কোনো দ্বীপ নয়, এটি নোয়াখালীর প্রশাসনিক সীমানায় অবস্থিত। B) ভোলা — ভোলা বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা হলেও ভাসানচর ভৌগোলিক ও প্রশাসনিকভাবে ভোলার অংশ নয়, এটি নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত। C) নোয়াখালী — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) কক্সবাজার — কক্সবাজার দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় জেলা এবং সেন্টমার্টিন বা সোনাদিয়া এর দ্বীপ, কিন্তু ভাসানচর এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ভাসানচর মনে রাখতে "নোয়াখালীর হাতিয়া ভাসানচর" এই ছন্দটি মনে রাখতে পারেন।
a 2023
b 2024
c 2025
d 2026
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০২৬ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ জাতিসংঘ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ করে ২০২৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বল্পোন্নত দেশ (LDC) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবে। - করোনা মহামারীর কারণে অর্থনৈতিক সুরক্ষার জন্য বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর বাড়িয়ে ২০২৬ সাল পর্যন্ত নির্ধারণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০২৩ — এই সালে বাংলাদেশ এলডিসি উত্তরণের চূড়ান্ত পর্যায়ে ছিল না, তাই এটি সঠিক নয়। B) ২০২৪ — পূর্বে এই বছরে এলডিসি থেকে উত্তরণের সম্ভাব্য সময় ধরা হলেও পরে তা সংশোধন করা হয়। C) ২০২৫ — এই সালটি বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের আনুষ্ঠানিক সময়সীমার সঙ্গে মিল রাখে না। D) ২০২৬ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা লাভ করবে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মুক্তি পাবে দুই হাজার ছাব্বিশ সালে।
a বীর প্রতীক
b বীর উত্তম
c বীর বিক্রম
d বীর শ্রেষ্ঠ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বীর শ্রেষ্ঠ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রদান করা এটি সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব। - মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতার জন্য মোট সাতজনকে এই সম্মানজনক খেতাবে ভূষিত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীর প্রতীক — এটি মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য চতুর্থ ও সর্বনিম্ন খেতাব। B) বীর উত্তম — এটি মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্য দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব। C) বীর বিক্রম — এটি মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্য তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব। D) বীর শ্রেষ্ঠ — এটি মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্য প্রথম ও সর্বোচ্চ খেতাব হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: খেতাবগুলোর ক্রম মনে রাখতে শ্রেষ্ঠ, উত্তম, বিক্রম ও প্রতীক এই সিরিয়ালটি মনে রাখুন।
a SDG-4
b SDG-3
c SDG-10
d SDG-7
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) SDG-4 কেন সঠিক: - এসডিজি চার এর মূল লক্ষ্য হলো সকলের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ তৈরি করা। - এটি টেকসই উন্নয়নের ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে শিক্ষা খাতের উন্নয়নের জন্য নির্ধারিত একমাত্র নির্দিষ্ট গোল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) SDG-4 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই লক্ষ্যটি সরাসরি গুণগত শিক্ষা অর্জনের সঙ্গে সম্পর্কিত। B) SDG-3 — এটি সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ অর্জনের সঙ্গে সম্পর্কিত, শিক্ষা বিষয়ক নয়। C) SDG-10 — এটি দেশগুলোর মধ্যকার ও দেশের ভেতরের অসমতা কমানোর সঙ্গে সম্পর্কিত। D) SDG-7 — এটি সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য, টেকসই ও আধুনিক জ্বালানি নিশ্চিত করার সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: শিক্ষার ইংরেজি শব্দ এডুকেশন-এর সঙ্গে চার সংখ্যাটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে এসডিজি চার হলো শিক্ষা বিষয়ক লক্ষ্য।
a UNICEF
b IMF
c UNDP
d UNESCO
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) UNESCO কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। - ২০০০ সাল থেকে বিশ্বের ১৭৭টি সদস্য দেশে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়ে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNICEF — এটি জাতিসংঘের শিশু তহবিল, যা শিশুদের অধিকার ও কল্যাণে কাজ করে কিন্তু ভাষা দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) IMF — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, যা বৈশ্বিক আর্থিক সহযোগিতা ও ঋণ প্রদান নিয়ে কাজ করে। C) UNDP — এটি জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি, যা দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই উন্নয়নে কাজ করে। D) UNESCO — এটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা, যা এই দিবসটি ঘোষণা করেছে। মনে রাখার টিপস: শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত বলেই মাতৃভাষা দিবসটি ইউনেস্কো ঘোষণা করেছে।
a পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার
b ময়নামতি
c পানাম নগর
d কান্তজী মন্দির
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার কেন সঠিক: - পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার বা সোমপুর মহাবিহার ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। - এটি বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলায় অবস্থিত পাল আমলের একটি প্রাচীন ও বিখ্যাত বৌদ্ধ বিহার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার — এটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত এবং প্রাচীন বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্থাপত্য। B) ময়নামতি — এটি কুমিল্লার ঐতিহাসিক স্থান হলেও ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। C) পানাম নগর — এটি নারায়ণগঞ্জের ঐতিহাসিক সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত প্রাচীন জনপদ, যা ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় নেই। D) কান্তজী মন্দির — এটি দিনাজপুরের টেরাকোটা শিল্পসমৃদ্ধ বিখ্যাত মন্দির, যা ইউনেস্কোর মূল বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী তালিকার বাইরে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান পাহাড়পুর (১৯৮৫), আর সুন্দরবন দ্বিতীয় (১৯৯৭)।
a ১৬ ডিসেম্বর
b ২৫ মার্চ
c ২৬ মার্চ
d ২১ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫ মার্চ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের এই রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাঙালি জাতির ওপর ইতিহাসের নৃশংসতম অপারেশন সার্চলাইট পরিচালনা করে গণহত্যা শুরু করে। - ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকার দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে 'গণহত্যা দিবস' হিসেবে পালন করে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ ডিসেম্বর — এটি বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস, যেদিন পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল। B) ২৫ মার্চ — এটি নির্দিষ্ট সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে অন্য তথ্য প্রযোজ্য নয়। C) ২৬ মার্চ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, ১৯৭১ সালের এই দিনে স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়। D) ২১ ফেব্রুয়ারি — এটি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, যা ভাষা আন্দোলনের স্মরণে পালিত হয়। মনে রাখার টিপস: বিজয় অর্জনের ঠিক আগের মাসগুলোর ইতিহাস মনে রাখতে হবে যে, স্বাধীনতার ঘোষণা ২৬ মার্চ হলেও রক্তক্ষয়ী গণহত্যা শুরু হয়েছিল ২৫ মার্চ রাতে।
a 43
b 42
c 44
d 41
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪২ কেন সঠিক: - বিল ক্লিনটন যুক্তরাষ্ট্রের ৪২তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ১৯৯৩ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। - তিনি ডেমোক্রেটিক পার্টির একজন রাজনীতিবিদ এবং জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশের উত্তরসূরি ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪৩ — এই ক্রমিকে জর্জ ডব্লিউ বুশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন, যিনি বিল ক্লিনটনের পর ক্ষমতায় আসেন। B) ৪২ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) ৪৪ — এই ক্রমিকে বারাক ওবামা যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম আফ্রো-আমেরিকান প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। D) ৪১ — এই ক্রমিকে জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন, যিনি বিল ক্লিনটনের ঠিক আগের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। মনে রাখার টিপস: বিল ক্লিনটনের নামের শেষের 'ক্লিনটন' এবং ৪২ সংখ্যাটি পাশাপাশি মনে রাখতে পারেন যে তিনি ছিলেন ৪২তম প্রেসিডেন্ট।

মোট প্রশ্ন (6)

a সম্প্রসারিত প্রাকৃতিক গ্যাস
b সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস
c সংকুচিত বিউটেন গ্যাস
d এক ধরণের ট্র্যাকশন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস ১. কেন সঠিক: সিএনজি শব্দের ইংরেজি রূপ হলো কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস, যার বাংলা অর্থ সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস। প্রাকৃতিক গ্যাসকে উচ্চচাপে সংকুচিত করে সিলিন্ডারে ভরে যানবাহনের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয় বলেই এর এই নামকরণ করা হয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল উপাদান মিথেন গ্যাসকে যখন প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে সংকুচিত করা হয়, তখন তা তরলে পরিণত না হয়ে বায়বীয় অবস্থাতেই উচ্চ ঘনত্ব অর্জন করে। কার্যপ্রণালি: এই সংকুচিত গ্যাসকে সিলিন্ডারে সংরক্ষণ করে ইঞ্জিনের দহন প্রকোষ্ঠে সরবরাহ করা হয়, যেখানে বাতাসের সঙ্গে মিশून এটি পুড়ে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা শহরের সিএনজি চালিত অটোরিকশা। ব্যাখ্যা: এই অটোরিকশাগুলোর পেছনে বিশেষ সিলিন্ডারে সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস সংরক্ষণ করা হয় এবং তা পুড়িয়ে ইঞ্জিন চালানো হয়। উদাহরণ ২: গণপরিবহনে ব্যবহৃত সিএনজি বাস। ব্যাখ্যা: পরিবেশ দূষণ কমানোর জন্য ডিজেলের পরিবর্তে সিএনজি ব্যবহার করে বাসগুলোর ইঞ্জিন পরিচালনা করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্প্রসারিত প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি সঠিক নয় কারণ গ্যাসকে প্রসারিত করা হয় না, বরং উচ্চচাপে সংকুচিত করা হয়। B) সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি সঠিক কারণ সিএনজি এর পূর্ণরূপ হলো কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস বা সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস। C) সংকুচিত বিউটেন গ্যাস — এটি ভুল কারণ এলপিজি বা রান্নার গ্যাসের মূল উপাদান বিউটেন ও প্রোপেন, সিএনজি বিউটেন গ্যাস নয়। D) এক ধরণের ট্র্যাকশন — এটি ভুল কারণ ট্র্যাকশন বলতে সাধারণত বৈদ্যুতিক বা যান্ত্রিক টানের মাধ্যমে যান চলাচল ব্যবস্থাকে বোঝায়, সিএনজি কোনো ট্র্যাকশন নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সিএনজি শব্দের প্রথম অক্ষর সি মানে কম্প্রেসড বা সংকুচিত এবং এন মানে ন্যাচারাল বা প্রাকৃতিক গ্যাস। এইভাবে সিএনজি মানে সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস কথাটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সিএনজি গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন, যার রাসায়নিক সংকেত সিএইচ ফোর। একই ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে এলপিজি এর পূর্ণরূপ কী, যার উত্তর হলো লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস।
a 23
b 44
c 46
d 48
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৬ ১. কেন সঠিক: - মানবদেহের সাধারণ দেহকোষে ক্রোমোজোমের সংখ্যা হলো ৪৬টি বা ২৩ জোড়া। - এর মধ্যে ২২ জোড়া অটোজোম দেহের সাধারণ বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে এবং ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোম থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ক্রোমোজোম হলো কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত ডিএনএ এবং প্রোটিনের সমন্বয়ে গঠিত বংশগতির মূল একক। - কার্যপ্রণালি: পিতা ও মাতার কাছ থেকে প্রাপ্ত গ্যামেট বা জননকোষের মিলনের মাধ্যমে এই নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজোম পরবর্তী প্রজন্মে স্থানান্তরিত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: প্রতিটি প্রজাতির ক্রোমোজোম সংখ্যা নির্দিষ্ট থাকে, যা বংশপরম্পরায় প্রজাতির বৈশিষ্ট্য রক্ষা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের স্বাভাবিক দেহকোষে ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে। ব্যাখ্যা: এই নির্দিষ্ট সংখ্যার তারতম্য ঘটলে ডাউন সিনড্রোমের মতো বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক বৈকল্য দেখা দিতে পারে। উদাহরণ ২: মানুষের জননকোষ বা শুক্রাণু ও ডিম্বাণুতে ২৩টি করে ক্রোমোজোম থাকে। ব্যাখ্যা: নিষেক প্রক্রিয়ার সময় ২৩টি ও ২৩টি মিলে পুনরায় মোট ৪৬টি ক্রোমোজোম বিশিষ্ট জাইগোট গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৩ — এটি মানবদেহের জননকোষে বা হ্যাপ্লয়েড কোষে ক্রোমোজোমের সংখ্যা, সম্পূর্ণ দেহকোষে নয়। B) ৪৪ — এটি মানুষের দেহকোষে থাকা অটোজোম বা সাধারণ ক্রোমোজোমের সংখ্যা, এর সাথে সেক্স ক্রোমোজোম যুক্ত থাকে না। C) ৪৬ — এটি সঠিক উত্তর এবং মানবদেহের ডিপ্লয়েড কোষে মোট ক্রোমোজোমের সংখ্যা। D) ৪৮ — এটি কিছু অন্যান্য প্রাণী যেমন আলু বা শিম্পাঞ্জির ক্রোমোজোম সংখ্যা, মানুষের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মানবদেহের ক্রোমোজোম সংখ্যা মনে রাখতে ২৩ সংখ্যাটি মনে রাখুন এবং একে দুই দিয়ে গুণ করে ৪৬ হিসাব করুন। - ২৩ জোড়া মানে মোট ৪৬টি, এই জোড়ার হিসাবটি মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে মানুষের সেক্স ক্রোমোজোম কয়টি, যার উত্তর ১ জোড়া বা ২টি। - কখনো কখনো গ্যামেটে ক্রোমোজোমের সংখ্যা কত, এমন প্রশ্নও আসে যার উত্তর হবে ২৩টি।
a জলহাওয়া, জলবাতাস, আবহ
b জলহাওয়া, অম্লক, অক্রোধ
c আমলাতি, জলবাতাস, লোন
d জলহাওয়া, জলবায়ু, অরুপানি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জলহাওয়া, জলবাতাস, আবহ ১. কেন সঠিক: আবহাওয়া বলতে কোনো নির্দিষ্ট স্থানে স্বল্প সময়ের বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থাকে বোঝায়। এই ধারণাটি আবহাওয়ার সমার্থক শব্দগুলোর মাধ্যমে আরও স্পষ্ট হয় যা বাংলা ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: আবহাওয়া হলো বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, বায়ুপ্রবাহ এবং বৃষ্টির দৈনন্দিন বা স্বল্পকালীন অবস্থা। কার্যপ্রণালি: সূর্যের তাপ এবং পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে বায়ু மண்டলের উপাদানের পরিবর্তন ঘটে এবং আবহাওয়ার সৃষ্টি হয়। বাস্তব প্রয়োগ: প্রতিদিনের আবহাওয়া দেখে আমরা বুঝতে পারি বাইরে যাওয়ার সময় ছাতা নেব কি না বা গরমের পোশাক পরব কি না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আজ দুপুরের হঠাৎ বৃষ্টি এবং শীতল বাতাস। ব্যাখ্যা: এটি স্বল্পকালীন আবহাওয়ার পরিবর্তনের একটি স্পষ্ট উদাহরণ যা জলবাতাস বা আবহের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: সকালের কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশ এবং বিকেলের তীব্র রোদ। ব্যাখ্যা: একদিনের মধ্যে আবহাওয়ার এই তারতম্য আবহ বা জলহাওয়ার প্রকৃত রূপ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জলহাওয়া, জলবাতাস, আবহ — এই অপশনের সবগুলো শব্দই আবহাওয়ার সমার্থক হিসেবে পরিচিত। B) জলহাওয়া, অম্লক, অক্রোধ — অম্লক বা অক্রোধ শব্দগুলো আবহাওয়ার সমার্থক নয়, এগুলো ভিন্নার্থক শব্দ। C) আমলাতি, জলবাতাস, লোন — এখানে লোন বা আমলাতি শব্দগুলোর সঙ্গে আবহাওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। D) জলহাওয়া, জলবায়ু, অরুপানি — জলবায়ু হলো দীর্ঘ সময়ের গড় অবস্থা, তাই এটি আবহাওয়ার সমার্থক শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: আবহাওয়া মানে স্বল্প সময়ের পরিবেশ আর এর সমার্থক হলো জলহাওয়া, জলবাতাস ও আবহ। জলবায়ু দীর্ঘ সময়ের হিসাব হওয়ায় এটি আবহাওয়ার সমার্থক শব্দ হিসেবে গণ্য হয় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আবহাওয়া হলো স্বল্পকালীন অবস্থা এবং জলবায়ু হলো দীর্ঘকালীন অবস্থা। এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বা সাধারণ জ্ঞানে আসে।
a সালফিউরিক এসিড
b টারটারিক এসিড
c সাইট্রিক এসিড
d অ্যাসিটিক এসিড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) টারটারিক এসিড ১. কেন সঠিক: - তেঁতুলে প্রধানত টারটারিক এসিড থাকে যা এর টক স্বাদের মূল কারণ। - এটি এক ধরনের অর্গানিক এসিড যা প্রাকৃতিক উৎস থেকে পাওয়া যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: উদ্ভিদ ও ফলে প্রাকৃতিকভাবে যেসব জৈব এসিড থাকে তার মধ্যে টারটারিক এসিড অন্যতম। - রাসায়নিক সংকেত: সি ফোর এইচ সিক্স ও সিক্স। - বাস্তব প্রয়োগ: তেঁতুল আচার, চাটনি ও রান্নার টক স্বাদ আনতে এবং হজমে সহায়তা করতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঁচা আঙুরে প্রচুর পরিমাণে টারটারিক এসিড পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা: আঙুরের পরিপক্বতা বৃদ্ধির সাথে সাথে এই এসিডের পরিমাণ কমতে থাকে। উদাহরণ ২: বেকিং পাউডার তৈরিতে টারটারিক এসিডের লবণ ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি সোডিয়াম বাইকার্বোনেটের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে কেক ফোলাতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সালফিউরিক এসিড — এটি একটি শক্তিশালী অজৈব এসিড যা শিল্প কারখানায় ও ব্যাটারিতে ব্যবহৃত হয়। B) টারটারিক এসিড — এটি তেঁতুলে বিদ্যমান সঠিক জৈব এসিড। C) সাইট্রিক এসিড — এটি পাতিলেবু ও কমলালেবুতে পাওয়া যায়, তেঁতুলে নয়। D) অ্যাসিটিক এসিড — এটি ভিনেগারে পাওয়া যায় যা খাদ্যের সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - তেঁতুল এবং টারটারিক এসিড দুটি শব্দই ত দিয়ে শুরু হয়। - এই মিল মনে রাখলে পরীক্ষায় সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিভিন্ন ফলে কোন এসিড থাকে তা বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - যেমন লেবুতে সাইট্রিক এসিড এবং আপেলে ম্যালিক এসিড থাকে।
a ডিএনএ
b আরএনএ
c নিউক্লিওলাস
d সেন্ট্রোমিয়ার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডিএনএ ১. কেন সঠিক: - চোখের মণির বা আইরিশের রং নির্ধারিত হয় জিনের মাধ্যমে, যা ডিএনএ অণুর নির্দিষ্ট অংশ। - পিতা-মাতার কাছ থেকে প্রাপ্ত জিন বা ডিএনএ কোডের নির্দেশনা অনুযায়ী কোষে মেলানিন পিগমেন্ট তৈরি হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ডিএনএ হলো বংশগতির মূল একক যা জীবের সমস্ত শারীরিক বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে। - কার্যপ্রণালি: ডিএনএ-তে থাকা নির্দিষ্ট জিন মেলানিন উৎপাদনের মাত্রা নির্ধারণ করে। - কারণ ও ফলাফল: মেলানিনের পরিমাণ বেশি হলে চোখ কালো বা বাদামি হয় এবং কম হলে নীল বা সবুজ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পিতা-মাতার চোখের রং নীল হলে সন্তানদের চোখেও জিনগতভাবে সেই বিশেষ বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে চোখের রং ডিএনএর মাধ্যমে বংশপরম্পরায় সঞ্চারিত হয়। উদাহরণ ২: ভাইবোনের মধ্যে চোখের রং ভিন্ন হওয়া। ব্যাখ্যা: এটি ডিএনএ পুনর্মসংমিশ্রণ এবং জিনের ভিন্ন বিন্যাসের কারণে ঘটে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডিএনএ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে চোখের রং নির্ধারণকারী জিন সংরক্ষিত থাকে। B) আরএনএ — এটি প্রোটিন সংশ্লেষণে কাজ করে কিন্তু সরাসরি বংশগত বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে না। C) নিউক্লিওলাস — এটি নিউক্লিয়াসের ভেতরে রাইবোজোম তৈরির কারখানা হিসেবে কাজ করে। D) সেন্ট্রোমিয়ার — এটি কোষ বিভাজনের সময় ক্রোমোজোমকে যুক্ত রাখতে সাহায্য করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বংশের বৈশিষ্ট্য বা চোখের রং মনে রাখতে ডিএনএ বা জিন কথাটি মাথায় রাখবে। - ডিএনএ হলো সব জৈবিক বৈশিষ্ট্যের মূল ব্লুপ্রিন্ট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবদেহের যেকোনো শারীরিক বৈশিষ্ট্যের মূল নিয়ন্ত্রক হলো জিন বা ডিএনএ। - এই ধরনের প্রশ্ন BCS এবং শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই জিনতত্ত্ব অংশ থেকে আসে।
a স্যার আইজাক নিউটন
b আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র
c স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু
d ইবনে সিনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু ১. কেন সঠিক: - বাঙালি বিজ্ঞানী স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু প্রথম বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে উদ্ভিদেরও প্রাণ আছে এবং মানুষের মতো তাদেরও অনুভূতি ও সংবেদনশীলতা রয়েছে। - তিনি ক্রেস্কোগ্রাফ নামক একটি অতি সূক্ষ্ম যন্ত্র আবিষ্কার করে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও উদ্দীপনায় সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা নিখুঁতভাবে পরিমাপ করেছিলেন। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: উদ্ভিদবিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞানের আলোকেই এই তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত যে উদ্ভিদ একটি সজীব সত্তা। - কার্যপ্রণালি: উদ্ভিদের ওপর বিভিন্ন রাসায়নিক ও বৈদ্যুতিক উদ্দীপনা প্রয়োগ করে তাদের প্রতিক্রিয়ার হার সূক্ষ্ম যন্ত্রের সাহায্যে লিপিবদ্ধ করা হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: আধুনিক উদ্ভিদ শারীরতত্ত্বে এই আবিষ্কারের ওপর ভিত্তি করে উদ্ভিদের ওপর পরিবেশের প্রভাব ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লজ্জাবতী গাছের পাতা স্পর্শ করলে তা সংকুচিত হয়ে যায়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে বাহ্যিক উদ্দীপনা পেলে উদ্ভিদ তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয় এবং তার সংবেদনশীলতা রয়েছে। উদাহরণ ২: উদ্ভিদের মূলের বৃদ্ধি এবং আলোর দিকে গাছের বেঁকে যাওয়া। ব্যাখ্যা: এই ঘটনাগুলো দেখায় যে উদ্ভিদের ভেতরেও জৈবিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কাজ করে যা তাদের জীবনপ্রক্রিয়া পরিচালনা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্যার আইজাক নিউটন — ইনি মূলত পদার্থবিজ্ঞানের গতির সূত্র এবং মহাকর্ষ তত্ত্ব আবিষ্কারের জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত। B) আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র — ইনি একজন বিখ্যাত বাঙালি রসায়নবিদ এবং মার্কিউরাস নাইট্রেট আবিষ্কারের জন্য পরিচিত। C) স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি উদ্ভিদের প্রাণ ও সংবেদনশীলতা প্রমাণ করেছিলেন। D) ইবনে সিনা — ইনি একজন প্রাচীন মুসলিম দার্শনিক এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানী যিনি চিকিৎসাশাস্ত্রে অনন্য অবদান রেখেছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: গাছের জীবন আছে এবং ক্রেস্কোগ্রাফ যন্ত্রের আবিষ্কারক হিসেবে সবসময় স্যার জগদীশ চন্দ্র বসুকে মনে রাখতে হবে। বাঙালি বিজ্ঞানী হিসেবে উদ্ভিদের প্রাণ আবিষ্কারের গৌরব তিনিই অর্জন করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু বেতার তরঙ্গ বা রেডিও ওয়েভ আবিষ্কারের ক্ষেত্রেও অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তার উদ্ভাবিত যন্ত্র ক্রেস্কোগ্রাফ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।