বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় উপসহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২।

পদের নাম: উপসহকারী প্রকৌশলী (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (61)

a সরল
b জটিল
c যৌগিক
d মিশ্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যৌগিক ১. কেন সঠিক: - যে বাক্যে দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য সমবায় বা যোজক দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য গঠন করে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে। - এখানে 'ছেলেটি গরীব' এবং 'মেধাবী' (সে মেধাবী) এই দুটি স্বাধীন বাক্য 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যৌগিক বাক্যে সাধারণত এবং, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা, অতএব ইত্যাদি অব্যয় ব্যবহৃত হয়। - এই বাক্যগুলোতে খণ্ডবাক্যগুলো একে অপরের ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি ধনী কিন্তু অত্যন্ত কৃপণ। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য 'তিনি ধনী' এবং 'অত্যন্ত কৃপণ' পরস্পর 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে। উদাহরণ ২: সে খুব কষ্ট করল, তাই সাফল্য পেল। ব্যাখ্যা: এখানে 'সে খুব কষ্ট করল' এবং 'সাফল্য পেল' দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য 'তাই' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল — যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। প্রদত্ত বাক্যটি সরল নয় কারণ এখানে দুটি খণ্ডবাক্য রয়েছে। B) জটিল — যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন বাক্য ব্যবহৃত হয়, তাকে জটিল বাক্য বলে। প্রদত্ত বাক্যে কোনো অধীনতা নেই। D) মিশ্র — মিশ্র বাক্য হলো জটিল বাক্যের অপর নাম। প্রদত্ত বাক্যটি জটিল বা মিশ্র বাক্যের ব্যাকরণগত কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যৌগিক বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো বাক্যের মাঝে কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা, তাই, অতএব ইত্যাদি যোজক বা অব্যয় খোঁজা। - স্বাধীন দুটি বাক্য যখন এই ধরনের অব্যয় দিয়ে জোড়া থাকে, তখন চোখ বন্ধ করে তাকে যৌগিক বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাক্য রূপান্তরের সময় খেয়াল রাখতে হবে যে যৌগিক বাক্যের খণ্ডবাক্যগুলো স্বাধীন অর্থ প্রকাশ করে। - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য থেকে প্রশ্ন আসলে প্রথমে অব্যয় পদগুলো চিহ্নিত করে বাক্য রূপ নির্ণয় করা সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি।
a নুরজাহান বেগম
b শামসুন্নাহার মাহমুদ
c সুফিয়া কামাল
d সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুফিয়া কামাল ১. কেন সঠিক: - 'সাঁঝের মায়া' বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কবি ও লেখিকা সুফিয়া কামালের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। - ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটির জন্য তিনি ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন এবং কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর ভূয়সী প্রশংসা করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জননী সাহসিকা খ্যাত সুফিয়া কামাল বিংশ শতাব্দীর বাঙালি নারী জাগরণের অগ্রদূত ও প্রগতিশীল আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব। - তার উল্লেখযোগ্য অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে মায়াকাজল, উদাত্ত পৃথিবী, দিবা অবসান ইত্যাদি এবং সাঁঝের মায়া তার কাব্য প্রতিভার প্রথম সার্থক প্রকাশ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'সাঁঝের মায়া' কাব্যগ্রন্থটি সুফিয়া কামালের প্রথম সাহিত্যকর্মে অনন্য স্থান অধিকার করে আছে। ব্যাখ্যা: এটি কবির কবিকৃতির সূচনা এবং বাংলা কাব্যজগতে তার স্থায়ী আসন নিশ্চিত করে। উদাহরণ ২: সুফিয়া কামালের সম্পাদনায় নারী আন্দোলন ও সাহিত্যচর্চায় 'বেগম' পত্রিকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ব্যাখ্যা: তিনি নারীদের অধিকার ও সমাজ সংস্কারে সাহিত্যকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নুরজাহান বেগম — তিনি বিখ্যাত সাহিত্যিক ও সাংবাদিক ছিলেন, যিনি বেগম পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক হিসেবে পরিচিত, সাঁঝের মায়ার রচয়িতা নন। B) শামসুন্নাহার মাহমুদ — তিনি একজন প্রখ্যাত নারী জাগরণের অগ্রদূত, শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক ছিলেন, যিনি রোকেয়া জীবনী রচনা করলেও এই কবিতার রচয়িতা নন। C) সুফিয়া কামাল — এই অপশনটি সঠিক কারণ সাঁঝের মায়া কাব্যগ্রন্থটি একমাত্র তারই লেখা। D) সেলিনা হোসেন — তিনি সমসাময়িককালের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কথাসাহিত্যিক, যার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে নীলকণ্ঠ পাখি, কিন্তু তিনি এই কবিতার রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুফিয়া কামালের নামের সঙ্গে 'সাঁঝের মায়া' মনে রাখতে সন্ধ্যা বা সাঁঝের বেলায় প্রদীপ জ্বালানোর মতো প্রথম সৃষ্টির কথা মাথায় রাখতে হবে। - প্রথম কাব্যগ্রন্থ হিসেবে এটি তার জীবনের একটি মাইলফলক যা সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ বা বিখ্যাত গ্রন্থ প্রায়ই আসে। - সুফিয়া কামালের জন্ম ও মৃত্যু তারিখ এবং তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ সাঁঝের মায়ার প্রকাশের সাল মনে রাখা জরুরি।
a বর্জন
b গ্রহণ
c প্রসারণ
d সংকোচন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গ্রহণ ১. কেন সঠিক: 'অর্পণ' শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু প্রদান করা, সঁপে দেওয়া বা দান করা। এর ঠিক বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে 'গ্রহণ' শব্দটি, যার অর্থ কোনো কিছু নিজের বা ব্যবহারের জন্য নেওয়া। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার বা সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন। ভাষার ভাবকে সুন্দর ও সমৃদ্ধ করতে বিপরীতার্থক শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উপহার অর্পণ করা এক ব্যাপার আর উপহার গ্রহণ করা আরেক ব্যাপার। ব্যাখ্যা: এখানে অর্পণ অর্থ প্রদান এবং গ্রহণ অর্থ নেওয়া বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: গুরু শিষ্যের হাতে দায়িত্ব অর্পণ করলেন এবং শিষ্য তা গ্রহণ করল। ব্যাখ্যা: অর্পণ ও গ্রহণ শব্দ দুটি বিপরীতার্থক হিসেবে এখানে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্জন — বর্জন শব্দের অর্থ ত্যাগ করা বা বর্জন করা, যা অর্পণ শব্দের সরাসরি বিপরীত নয়। B) গ্রহণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ অর্পণের বিপরীত হলো গ্রহণ। C) প্রসারণ — প্রসারণ শব্দের অর্থ বিস্তার করা বা ছড়ানো, যা অর্পণের বিপরীতার্থক নয়। D) সংকোচন — সংকোচন শব্দের অর্থ ছোট করা বা কুঁকড়ে যাওয়া, যা অর্পণের বিপরীত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: অর্পণ মানে দেওয়া আর গ্রহণ মানে নেওয়া। দেওয়া ও নেওয়া পরস্পর বিপরীত ধারণা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা শব্দভান্ডার থেকে বিপরীতার্থক শব্দ আসে। শব্দ দুটির মূল অর্থ অনুধাবন করতে পারলে সঠিক উত্তর সহজে নির্বাচন করা যায়।
a 1822
b 1824
c 1826
d 1828
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮২৪ ১. কেন সঠিক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্যের এই রচিয়তা আধুনিক বাংলা কবিতারও অন্যতম পথপ্রদর্শক। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক এবং প্রথম সার্থক নাট্যকার হিসেবে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে পদ্মাবতী, কৃষ্ণকুমারী নাটক এবং তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য অত্যন্ত সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য, যা তাঁর অনন্য সৃষ্টিশীলতার পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮২২ — এই সালে মাইকেল মধুসূদন দত্ত জন্মগ্রহণ করেননি এবং এটি তাঁর জন্মসালের সঙ্গে মেলে না। B) ১৮২৪ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেছিলেন। C) ১৮২৬ — এই সালে তাঁর জন্ম হয়নি, এটি একটি ভুল সাল হিসেবে অপশনে দেওয়া হয়েছে। D) ১৮২৮ — এই সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেননি, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মসাল মনে রাখতে ১৮২৪ সংখ্যাটি মনে রাখতে পারো। তাঁর অমর সৃষ্টি মেঘনাদবধ কাব্য প্রকাশের বছর এবং জন্মসাল আলাদা করে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ও লেখকদের জন্মসাল ও জন্মস্থান প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। একইভাবে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বা কাজী নজরুল ইসলামের জন্মসাল আলাদা করে চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a একটি
b দুইটি
c তিনটি
d চারটি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুইটি ১. কেন সঠিক: - বাংলা লেখা ভাষার রীতি মূলত দুটি ভাগে বিভক্ত, যা সাধু ও চলিত রীতি নামে পরিচিত। - লেখার ভাষার এই দুটি রূপ ব্যবহারের ক্ষেত্র ও ব্যাকরণগত কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে ভাষা প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে লেখ্য রীতি দুই প্রকার, যথা সাধু রীতি ও চলিত রীতি। - সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ তুলনামূলকভাবে গুরুগম্ভীর ও প্রাচীন হয়। - চলিত রীতি বর্তমান প্রমিত মুখের ভাষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে এবং এটি অধিক ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাধু রীতি: আমি গতকাল বিদ্যালয়ে গিয়াছিলাম এবং পড়াশোনা করিয়াছিলাম। ব্যাখ্যা: এখানে ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের রূপ সাধু রীতির নিয়ম মেনে দীর্ঘ ও পূর্ণাঙ্গ আকারে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: চলিত রীতি: আমি গতকাল বিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম এবং পড়াশোনা করেছিলাম। ব্যাখ্যা: এখানে ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের রূপ সহজ এবং সংক্ষিপ্ত চলিত রীতি অনুযায়ী ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি — বাংলা লেখার ভাষা শুধু একটি নয়, বরং সাধু ও চলিত এই দুটি প্রধান রীতিতে বিভক্ত। B) দুইটি — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ বাংলা লেখার ভাষার রীতি মূলত সাধু ও চলিত এই দুটি। C) তিনটি — বাংলা লেখার ভাষার রীতি তিনটি নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। D) চারটি — বাংলা লেখার ভাষার কোনো চার প্রকার রীতি ব্যাকরণে স্বীকৃতি পায়নি, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - লেখার ভাষা মানেই সাধু ও চলিত এই দুটি রূপ মাথায় রাখতে হবে। - লেখার ক্ষেত্রে দুই হাত যেমন প্রধান, লেখার ভাষার রীতিও তেমনি দুটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার রূপ ও রীতি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সাধু ও চলিত রীতির পাথর্ক্য এবং এদের ব্যাকরণগত রূপ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a দৌলত উজির বাহরাম খান
b শাহ মুহম্মদ সগীর
c আলাওল
d দৌলত কাজী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলাওল ১. কেন সঠিক: মহা কবি সৈয়দ আলাওল সতের শতকের মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে প্রখ্যাত কবি যিনি আরাকান রাজ সভার নির্দেশে এই মহাকাব্যটি রচনা করেন। মূলত সুফি কবি মালিক মুহম্মদ জায়সীর পদুমাবত কাব্যের অনুসরণে ফারসি ভাষা থেকে বাংলা অনুবাদ ও পুনর্সৃজন করা হয় এই রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সৈয়দ আলাওল সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজ সভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও অনুবাদক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম হলো এই পদ্মাবতী কাব্য গ্রন্থটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সয়ফুল মুলক বদিউজ্জামান ব্যাখ্যা: এটিও মহাকবি আলাওলের একটি বিখ্যাত রোমান্টিক প্রণয়মূলক কাব্য যা তার অনুবাদ সাহিত্যের আরেকটি অসাধারণ নিদর্শন। উদাহরণ ২: সপ্তপয়কর ব্যাখ্যা: নিযামী গঞ্জভীর ফারসি কাব্যের অনুসরণে রচিত আলাওলের আরও একটি বিখ্যাত নীতিশিক্ষা ও রোমান্সমূলক কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৌলত উজির বাহরাম খান — এই কবি লায়লী মজনু কাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত হলেও পদ্মাবতী কাব্যের রচয়িতা নন। B) শাহ মুহম্মদ সগীর — তিনি প্রাচীন বাংলার স্বাধীন সুলতান নুসরত শাহের আমলে ইউসুফ জলেখা কাব্য রচনা করেছিলেন। D) দৌলত কাজী — তিনি সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্যের প্রণেতা হলেও পদ্মাবতী কাব্যের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: পদ্মাবতী কাব্য রচয়িতা আলাওল নাম মনে রাখতে পদ্ম বর্ণটি মনে রাখতে পারেন কারণ আলাওল মধ্যযুগের পদ্য বা কাব্য রচনার রাজা। আলাওল আরাকান রাজ সভার কবি ছিলেন এবং তার কাব্যে ফারসি ও আরবি শব্দের চমৎকার ব্যবহার দেখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার কবিদের নাম ও তাদের সাহিত্যকর্ম বারবার বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। অনুবাদ সাহিত্য এবং আরাকান রাজ সভার কবিদের পরিচিতি ভালোভাবে পড়লে এই ধরনের সাহিত্য বিষয়ক প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a দুই
b তিন
c চার
d পাঁচ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চার ১. কেন সঠিক: উৎপত্তিগত বা উৎসগত দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয়। এই চার প্রকার শব্দ হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও দেশি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: উৎসের ভিত্তিতে বাংলা শব্দভাণ্ডারকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, কারণ এর সাথে বিদেশি শব্দ যুক্ত হয়ে মোট পাঁচ প্রকার হয়। তবে উৎপত্তিগত দিক বা মূল উৎস বিবেচনা করলে মৌলিকভাবে চার প্রকার ধরা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্র ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যা সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। উদাহরণ ২: চাঁদ ব্যাখ্যা: এটি একটি তদ্ভব শব্দ যা প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুই — শব্দের উৎস দুই প্রকার নয়, এটি ভুল ধারণা। B) তিন — শব্দের উৎস তিন প্রকার নয়, সঠিক সংখ্যাটি চার। C) চার — এটি সঠিক কারণ উৎপত্তিগতভাবে মূল বাংলা শব্দ চার প্রকার। D) পাঁচ — বিদেশি শব্দ বাদ দিলে উৎপত্তিগত দিক থেকে মূল শব্দ চার প্রকারই হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: উৎপত্তিগত শব্দ মনে রাখার সহজ সূত্র হলো ত-ত-ত-দে, অর্থাৎ তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও দেশি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষায় প্রায়ই উৎস বা উৎপত্তিগত দিক থেকে শব্দের প্রকারভেদ জানতে চাওয়া হয়। মৌলিক শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a শওকত ওসমান
b হাসান আজিজুল হক
c আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
d শাহেদ আলী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হাসান আজিজুল হক ১. কেন সঠিক: 'আত্মজা ও একটি করবী গাছ' কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ছোটগল্প। এই গল্পটিতে প্রান্তিক মানুষের জীবন সংগ্রাম এবং গ্রামীণ সমাজের নিষ্ঠুর বাস্তবতা অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: হাসান আজিজুল হক বাংলা কথাসাহিত্যের এক অবিসংবাদিত নাম যিনি মূলত তাঁর শক্তিশালী গ্রামীণ পটভূমিভিত্তিক রচনার জন্য পরিচিত। তাঁর গল্পে মানুষের টিকে থাকার লড়াই এবং মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব গভীরভাবে প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'আগুনপাখি' ব্যাখ্যা: এটি হাসান আজিজুল হকের একটি বিখ্যাত ও বহুল পঠিত উপন্যাস, যা দেশভাগের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: 'বিমূর্ত আমাদের শৈশব' ব্যাখ্যা: এটি হাসান আজিজুল হকের একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প সংকলন, যা তাঁর সাহিত্যিক প্রতিভার অন্যতম নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শওকত ওসমান — শওকত ওসমান একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও 'আত্মজা ও একটি করবী গাছ' তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে জননী ও ক্রীতদাসের হাসি। B) হাসান আজিজুল হক — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই রচিত একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। C) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস — আখতারুজ্জামান ইলিয়াস আধুনিক বাংলা উপন্যাসের অন্যতম সেরা লেখক হলেও এই গল্পটি তাঁর নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস খোয়াবনামা ও চিলেকোঠার সেপাই। D) শাহেদ আলী — শাহেদ আলী একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হলেও তাঁর সবচেয়ে পরিচিত সাহিত্যকর্ম হলো জীব মৃত নামক ছোটগল্প গ্রন্থ, এই গল্পটি তাঁর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: হাসান আজিজুল হকের নামের সঙ্গে 'আত্মজা ও একটি করবী গাছ' গল্পটি মনে রাখার জন্য করবী ফুলের রঙের মতো তাঁর লেখার গভীরতাকে মনে রাখতে পারেন। তাঁর লেখা মানেই গ্রামীণ জীবনের নির্মম সত্য ও টিকে থাকার লড়াই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হাসান আজিজুল হকের ছোটগল্প ও উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে। তাঁর জন্ম ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় হলেও তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন এবং আমৃত্যু বাংলাদেশে কাটিয়েছেন।
a জসীম উদ্দীন
b সৈয়দ শামসুল
c মুনীর চৌধুরী
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মুনীর চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - 'কবর' নাটকটির রচয়িতা শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী। - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে বন্দী জীবনে রচিত বাংলা নাট্যসাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক ও প্রতিবাদী সৃষ্টি হলো এই নাটকটি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বাংলা নাটকের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন। - ১৯৫৩ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী থাকা অবস্থায় তিনি এই একাঙ্ক নাটকটি রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রক্তকরবী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রতীকধর্মী নাটক। উদাহরণ ২: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি বিখ্যাত কাব্যনাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জসীম উদ্দীন — জসীম উদ্দীন বিখ্যাত পল্লীকবি হলেও 'কবর' নাটকটি তাঁর লেখা নয়, তবে তাঁর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কবিতার নাম 'কবর'। B) সৈয়দ শামসুল হক — সৈয়দ শামসুল হক একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার হলেও তিনি এই নাটকের রচয়িতা নন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি ও নাট্যকার হলেও 'কবর' নাটকটি তাঁর রচিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত নাটক মনে রাখতে মুনীর চৌধুরীর নাম সবার আগে আসবে এবং কারাগারে বসে লেখা প্রথম নাটক এটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই 'কবর' নাটক এবং 'কবর' কবিতার মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়, তাই নাটকের রচয়িতা মুনীর চৌধুরী এবং কবিতার রচয়িতা জসীম উদ্দীন বিষয়টি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ষট্ + যন্ত্র
b ষড় + যন্ত্র
c ষষ + য
d ষর + যন্ত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ষট্ + যন্ত্র ১. কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে প্রথম পদের অন্তস্থিত অঘোষ আল্পপ্রাণ ধ্বনির পরে ঘোষ ধ্বনি থাকলে তা বর্গের তৃতীয় ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়। - এখানে 'ষট্' শব্দের ট-এর পরে ঘোষ ধ্বনি য থাকায় ট পরিবর্তিত হয়ে ড-এ পরিণত হয়েছে এবং ষড়যন্ত্র গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবর্গ, চবর্গ, টবর্গ, তবর্গ ও পবর্গের প্রথম বর্ণের পর স্বরধ্বনি বা ঘোষ অল্পপ্রাণ বা ঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি কিংবা অন্তস্থ বর্ণ অথবা হ থাকলে প্রথম বর্ণ নিজ বর্গের তৃতীয় বর্ণে পরিণত হয়। - এই নিয়মে ট স্থানে ড হয়, যেমন ষট্ + যন্ত্র সমান ষড়যন্ত্র। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাগীশ ব্যাখ্যা: বাক্ + ঈশ সমান বাগীশ, যেখানে ক পরিবর্তিত হয়ে গ হয়েছে। উদাহরণ ২: অজন্ত ব্যাখ্যা: অচ্ + অন্ত সমান অজন্ত, যেখানে চ পরিবর্তিত হয়ে জ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষট্ + যন্ত্র — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কারণ ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী সঠিক পরিবর্তন ঘটেছে। B) ষড় + যন্ত্র — ষড় কোনো মূল শব্দ নয়, তাই এই বিচ্ছেদ ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) ষষ + য — এই অংশটি সন্ধির নিয়মের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না। D) ষর + যন্ত্র — ষর শব্দটির কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই এবং এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - ট-বর্গীয় ধ্বনির সঙ্গে য বা অন্য কোনো ঘোষ ধ্বনির সংযোগ ঘটলে ট পরিবর্তিত হয়ে ড হয়। - সন্ধি বিচ্ছেদের সময় প্রথম পদে সবসময় একটি পূর্ণ অর্থবহ মূল শব্দ বা উপসর্গ বসবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি প্রায়ই আসে। - বাক্ + দান সমান বাগান এবং অপ্ + দধি সমান অব্ধি, এই একই নিয়মের অন্তর্ভুক্ত।
a বাঁধনহারা
b কুহেলিকা
c যোগাযোগ
d রাজা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যোগাযোগ ১. কেন সঠিক: - যোগাযোগ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসে বাঙালি মধ্যবিত্ত সমাজের পারিবারিক জীবন, দ্বন্দ্ব এবং সম্পর্কের টানাপোড়েন নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ নোবেলজয়ী কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। - যোগাযোগ উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো মধুসূদন ও কুমুদিনী, যাদের মাধ্যমে তৎকালীন সমাজের বৈবাহিক সম্পর্কের জটিলতা প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোখের আলো ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা নারীর মনস্তত্ত্ব ও পারিবারিক সম্পর্কের ওপর রচিত। উদাহরণ ২: শেষের কবিতা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অত্যন্ত জনপ্রিয় রোমান্টিক উপন্যাস যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাঁধনহারা — এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম প্রকাশিত পত্রোপন্যাস। B) কুহেলিকা — এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস। D) রাজা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত সাংকেতিক বা রূপক নাটক। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের সামাজিক উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য যোগাযোগ ও শেষের কবিতার প্রকাশকাল ১৯২৯ সাল একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। - যোগাযোগ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কুমুদিনী ও মধুসূদন, যা পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস ও কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাসের মধ্যে প্রায়ই প্যাচ লাগানোর প্রশ্ন আসে। - লেখকদের উপন্যাসের নাম আলাদা করার জন্য নিয়মিত বিগত বছরের প্রশ্ন সমাধান করা প্রয়োজন।
a সঙ্গে
b প্রয়োজন
c নিমিত্তে
d ব্যতিরেকে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্যতিরেকে ১. কেন সঠিক: - এখানে 'বিনা' অনুসর্গটি বাংলা বাক্যে কোনো কিছু বাদ দিয়ে বা না বুঝিয়ে ব্যতিরেকে বা ছাড়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। - প্রদত্ত বাক্যে স্বদেশী ভাষা ছাড়া বা ব্যতিরেকে মনের আশা মেটে না, এই ভাবটি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে প্রকাশিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - অনুসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয় শব্দ যা বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে কারক বা সম্বন্ধ পদ বোঝাতে সাহায্য করে এবং শব্দ বিভক্তির কাজ করে। - বিনা, ছাড়া, ব্যতিরেকে, সহ, সহিত, করে, দ্বারা ইত্যাদি বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ অনুসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধন বিনা জীবন বৃথা। ব্যাখ্যা: এখানে 'বিনা' অনুসর্গটি টাকা বা ধন ছাড়া অর্থে ব্যতিরেকে ভাব প্রকাশ করছে। উদাহরণ ২: তোমা বিনা কে আর বুঝবে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'বিনা' অনুসর্গটি তুমি ছাড়া বা তোমার ব্যতিরেকে অর্থ প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঙ্গে — 'সঙ্গে' অনুসর্গটি কোনো কিছুর উপস্থিতি বা সাথ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের ভাবের সঙ্গে মেলে না। B) প্রয়োজন — 'প্রয়োজন' কোনো অনুসর্গ নয়, এটি একটি বিশেষ্য পদ এবং বাক্যের চাহিদার সঙ্গে এটি সম্পর্কিত নয়। C) নিমিত্তে — 'নিমিত্তে' অনুসর্গটি সাধারণত উদ্দেশ্যে বা জন্য অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা ব্যতিরেকে অর্থের পরিপন্থী। D) ব্যতিরেকে — এটি সঠিক অপশন কারণ এটি বিনা শব্দের আসল অর্থ অর্থাৎ ছাড়া বা বাদ দিয়ে ভাবটি সফলভাবে প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে বিনা বা ছাড়া দেখলে ধরে নেবে এটি ব্যতিরেকে বা বাদ দেওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। - অনুসর্গগুলো সাধারণত পদের পরে বসে এবং বিভক্তির মতো কাজ করে তা মনে রেখো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুসর্গের অর্থভিত্তিক ব্যবহার থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - অনুসর্গ এবং উপসর্গের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ জাতীয় প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b অক্ষয়কুমার দত্ত
c কাজী নজরুল ইসলাম
d প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - 'দৈনিক নবযুগ' পত্রিকার মূল সম্পাদক ছিলেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। - ১৯২০ সালে প্রকাশিত এই পত্রিকার মাধ্যমে তিনি ব্রিটিশ বিরোধী ও জনসচেতনতামূলক লেখালেখি করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের জাতীয় কবি এবং বিদ্রোহী কবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। - তিনি সাংবাদিকতার সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত ছিলেন এবং 'নবযুগ' ছাড়াও 'دوهник ধুমকেতু' ও 'লাঙল' পত্রিকার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'ধুমকেতু' পত্রিকা ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত অপর একটি বিখ্যাত ও বিদ্রোহী চেতনার অর্ধসাप्ताहिक পত্রিকা। উদাহরণ ২: 'লাঙল' পত্রিকা ব্যাখ্যা: এটি ছিল শ্রমিক ও কৃষকদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে প্রকাশিত একটি সাময়িকী যার প্রধান পরিচালক ছিলেন নজরুল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি 'বঙ্গদর্শন' ও 'সাধনা' পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কিন্তু 'নবযুগ' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। B) অক্ষয়কুমার দত্ত — তিনি মূলত 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে পরিচিত এবং নবযুগ পত্রিকার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই। C) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। D) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বিখ্যাত 'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক ও প্রবর্তক ছিলেন, নবযুগ পত্রিকার নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুল মানেই বিদ্রোহ এবং নবযুগ মানেই নতুন যুগের সূচনা যা নজরুলের সাহিত্য ও সাংবাদিকতার মূল সুর। - নবযুগ পত্রিকার নাম দেখলে মনে রাখবে এটি তরুণ বিদ্রোহী কবি নজরুলের সম্পাদিত পত্রিকা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সাংবাদিক নজরুল ও তাঁর সম্পাদিত পত্রিকার নাম জানতে চাওয়া হয়। - ধুমকেতু, লাঙল এবং নবযুগ পত্রিকার নাম ও সম্পাদকের তথ্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c হুমায়ুন আজাদ
d প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - 'বার্ধক্য তাহাই যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে, মৃত্যুকে আঁকড়িয়া পড়িয়া থাকে' উক্তিটির মূল প্রবক্তা বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। - তার বিখ্যাত প্রবন্ধ বা গদ্য রচনার একটি গভীর দার্শনিক ও তারুণ্যনির্ভর ভাবনা এটি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও প্রাবন্ধিক, যিনি বাংলা গানে ও কবিতায় নতুন সুর ও দ্রোহের আগুন নিয়ে এসেছিলেন। - তার গদ্য রচনায় তারুণ্যের শক্তি, মুক্তি এবং নতুন জীবনের জয়গান অত্যন্ত জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'যৌবনের কাজ নতুন সৃষ্টি করা, পুরনোকে ভেঙে চুরমার করে দেওয়া।' ব্যাখ্যা: এই ভাবনার সঙ্গে নজরুলের তরুণ সমাজকে জাগানোর বাণী ও বার্ধক্যের জীর্ণতাকে পরিহার করার দর্শন পুরোপুরি মিলে যায়। উদাহরণ ২: 'মোরা ঝড়ের বুড়ো হাঁস ডাকিয়ে নিয়ে যাই' ব্যাখ্যা: এটিও নজরুলেরুণ্যের অপ্রতিরোধ্য গতিশীলতা ও সাহসিকতার প্রতীকী প্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথে মননে বার্ধক্যের একটি পরিপক্ব ও শান্ত রূপ থাকলেও এই নির্দিষ্ট উদ্ধৃতিটি তার নয়। B) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর। C) হুমায়ুন আজাদ — হুমায়ুন আজাদ আধুনিক যুগের লেখক হলেও এই উক্তিটি তার কোনো বিখ্যাত প্রবন্ধের নয়। D) প্রমথ চৌধুরী — প্রমথ চৌধুরী বীরবল ছদ্মনামে লিখতেন এবং তার গদ্যে তারুণ্যের জয়গান থাকলেও এই উক্তিটি নজরুলের। ৫ মনে রাখার টিপস: - পুরাতন ও মৃত্যুকে আঁকড়ে থাকার বিরুদ্ধে তারুণ্যের জয়গান গাওয়া এবং বিদ্রোহী সুর তোলার জন্য কাজী নজরুল ইসলামকে মনে রাখবে। - তরুণদের জাগাতে এবং জীর্ণতাকে ছুড়ে ফেলতে নজরুলের গদ্যের তুলনা নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের বিখ্যাত প্রবন্ধের উদ্ধৃতি প্রায়ই আসে। - গদ্য পাঠের সময় বিখ্যাত লাইনগুলো আলাদা করে নোট করে রাখা উচিত।
a কৃতজ্ঞ
b কৃতঘ্ন
c অপকারী
d শত্রুঘ্ন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কৃতজ্ঞ ১. কেন সঠিক: উপকারীর উপকার যে ব্যক্তি স্বীকার করে এবং মনে রাখে, তাকে এককথায় কৃতজ্ঞ বলা হয়। এটি মূলত কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি মানসিক অবস্থাকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের অন্তর্ভুক্ত। শব্দটির মূল গঠনে কৃৎ ধাতু এবং প্রত্যয়ের প্রভাব রয়েছে, যা উপকার স্বীকার করার ভাব প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিপদের দিনে যে সাহায্য করে তাকে কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করা উচিত। ব্যাখ্যা: এখানে উপকারের স্বীকৃতি স্বরূপ কৃতজ্ঞ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: সে আমার অনেক উপকার করেছিল, তাই আমি তার প্রতি আজীবন কৃতজ্ঞ থাকব। ব্যাখ্যা: উপকার পাওয়ার পর তা স্বীকার করার মনোভাব বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃতজ্ঞ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি উপকার স্বীকার করার অর্থ প্রকাশ করে। B) কৃতঘ্ন — এই শব্দটি উপকারের অপকার করে যে বা যে উপকারের বদলা অপকার করে, তাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) অপকারী — এই শব্দের অর্থ যে অন্যের ক্ষতি বা অপকার করে, যা প্রশ্নানুসারে মেলে না। D) শত্রুঘ্ন — এর অর্থ যে শত্রু দমন করে বা হত্যা করে, যা এই বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কহীন। ৫. মনে রাখার টিপস: উপকার স্বীকার করলে হয় কৃতজ্ঞ এবং উপকার ভুলে গিয়ে ক্ষতি করলে হয় কৃতঘ্ন। প্রথম অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে কৃতজ্ঞ মানে ভালো গুণ বা স্বীকার করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃতজ্ঞ এবং কৃতঘ্ন শব্দ দুটি প্রায়ই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। তাই উপকারের স্বীকার ও অস্বীকারের বিষয়টি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a মদনমোহন তর্কালংকার
b কালিপ্রসন্ন সিংহ
c ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
d অক্ষয়কুমার দত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মদনমোহন তর্কালংকার ১. কেন সঠিক: প্রশ্নোক্ত পংক্তিটি ঊনবিংশ শতকের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক মদনমোহন তর্কালংকারের শিশুশিক্ষা গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত। বাঙালি শিশুদের নৈতিক শিক্ষা ও চরিত্র গঠনের জন্য এই পংক্তিটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং যুগ যুগ ধরে প্রাথমিক পাঠ্যপুস্তকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মদনমোহন তর্কালংকার ছিলেন উনিশ শতকের নবজাগরণের অন্যতম অগ্রদূত এবং ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সহপাঠী ও বন্ধু। তাঁর রচিত শিশুশিক্ষা গ্রন্থটি বাংলা শিক্ষার ইতিহাসে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ, যা ছোটদের মধ্যে নৈতিকতা ও শিষ্টাচার ছড়াতে প্রধান ভূমিকা রেখেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল, কাননে কুসুম কলি সকল ফুটিল। ব্যাখ্যা: এটিও মদনমোহন তর্কালংকারের শিশুশিক্ষা গ্রন্থের একটি বিখ্যাত পংক্তি, যা সকালে ঘুম থেকে ওঠার প্রেরণা জোগায়। উদাহরণ ২: প্রভাতে উঠিয়া আমি বড়ো যে সাধসি, খেলিবারে যাই যেন কারে না বাসি। ব্যাখ্যা: এটি শিশুদের শৈশবকালীন মানসিকতা ও নির্মল আনন্দের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে শিশুসাহিত্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মদনমোহন তর্কালংকার — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি শিশুশিক্ষা গ্রন্থে এই বিখ্যাত পংক্তিটি রচনা করেছেন। B) কালিপ্রসন্ন সিংহ — তিনি একজন বিখ্যাত অনুবাদক ও হুতোম প্যাঁচার নকশা গ্রন্থের রচয়িতা হলেও এটি তাঁর রচনা নয়। C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বর্ণপরিচয় ও কথামালা রচয়িতা হলেও এই নির্দিষ্ট পংক্তিটির রচয়িতা নন। D) অক্ষয়কুমার দত্ত — তিনি তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক ও বিজ্ঞানভিত্তিক প্রবন্ধ রচয়িতা হলেও এই কবিতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন। ৫ মনে রাখার টিপস: সকালে ঘুম থেকে উঠে ভালো হওয়ার কথা বলেছেন মদনমোহন তর্কালংকার। শিশুশিক্ষা বইটির নাম মনে রাখলে তাঁর লেখা এমন নৈতিক পংক্তিগুলো সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শিশুশিক্ষা কার রচনা এই প্রশ্নটি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ও বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে। মদনমোহন তর্কালংকারের লেখা পংক্তিগুলোর নৈতিক আবেদন ও সুর শিশুদের কবিতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত অনন্য।
a মেঘ
b অম্বুর
c রং
d বজ্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অম্বুর ১. কেন সঠিক: - 'অম্বুর' শব্দের অর্থ হলো যা অম্বু বা জল ধারণ করে, আর আকাশ জল বা মেঘ ধারণ করে বলে একে অম্বুর বলা হয়। - বাংলা ব্যাকরণে কিছু শব্দ উৎসমূল বা বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে একাধিক অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং সমার্থক শব্দ হিসেবে গণ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের অর্থ একই বা প্রায় কাছাকাছি কিন্তু বানান ও রূপ আলাদা হয়। - বাংলা ভাষায় শব্দের উৎস যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব বা বিদেশি হতে পারে, তেমনি অর্থগত দিক থেকেও সমার্থক শব্দের বৈচিত্র্য দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকাশ শব্দের অন্যান্য সমার্থক হলো ব্যোম, অম্বর, আসমান। ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো সরাসরি আকাশের সমার্থক হিসেবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি আসে। উদাহরণ ২: জল শব্দের সমার্থক হলো পানি, উদক, অম্বু। ব্যাখ্যা: জলবাচক শব্দগুলোর সঙ্গে বিশেষ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে আকাশের সমার্থক শব্দ গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘ — মেঘ হলো জলীয় বাষ্পের ঘনীভূত রূপ যা আকাশে ভাসে, কিন্তু মেঘ সরাসরি আকাশের সমার্থক নয়। B) অম্বুর — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি আকাশের একটি পরীক্ষিত সমার্থক শব্দ। C) রং — রং বলতে কোনো বস্তুর বর্ণ বা রূপকে বোঝায়, যার সঙ্গে আকাশের দূরতম কোনো সম্পর্ক নেই। D) বজ্র — বজ্র হলো মেঘের বিদ্যুৎ চমকানোর ফলে সৃষ্ট শব্দ বা বৈদ্যুতিক আবেশ, এটি আকাশ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অম্বু মানে জল এবং অম্বুর মানে আকাশ, এই সম্পর্কটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়। - আকাশের সমার্থক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ব্যোম, অম্বর এবং অম্বুর শব্দগুলো একসঙ্গে চর্চা করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কঠিন ও ব্যতিক্রমী সমার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন করা হয়। - সাধারণ শব্দের পাশাপাশি অপ্রচলিত বা প্রাচীন সমার্থক শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a অসমাপ্ত আত্মজীবনী
b আমার দেখা নয়াচীন
c আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর
d কারাগারের রোজনামচা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর ১. কেন সঠিক: - আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর গ্রন্থটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রচিত নয়, বরং এটি প্রবীণ রাজনীতিবিদ আবুল মনসুর আহমদের একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। - প্রশ্নে মূলত কোন গ্রন্থটি বঙ্গবন্ধুর লেখা নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, যার কারণে আবুল মনসুর আহমদের এই গ্রন্থটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই প্রশ্নটি লেখক ও সাহিত্যকর্ম এবং বাংলা সাহিত্য বিভাগের অন্তর্ভুক্ত। - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে বেশ কিছু প্রামাণ্য গ্রন্থ রচনা করেছেন যা বাংলা আত্মজীবনীমূলক সাহিত্যে অমূল্য সম্পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী ব্যাখ্যা: এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: কারাগারের রোজনামচা ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর কারাজীবনভিত্তিক একটি ঐতিহাসিক দিনলিপি বা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অসমাপ্ত আত্মজীবনী — এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রচিত একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ, যা ২০১২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। B) আমার দেখা নয়াচীন — এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতার ওপর রচিত একটি গ্রন্থ। C) আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর — এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রচিত নয়, বরং আবুল মনসুর আহমদের লেখা একটি বিখ্যাত গ্রন্থ। D) কারাগارهای রোজনামচা — এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত কারাবন্দী থাকাকালীন লেখা দিনলিপি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্গবন্ধুর মৌলিক গ্রন্থ মূলত তিনটি যার মধ্যে অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়াচীন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। - অন্যান্য প্রখ্যাত রাজনীতিবিদদের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ যেমন আবুল মনসুর আহমদের আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর থেকে আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত গ্রন্থগুলোর নাম এবং তাদের প্রকাশকাল বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - লেখকের নামের সঙ্গে অন্য প্রখ্যাত লেখকদের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থের নাম মিলিয়ে প্রায়ই বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন করা হয়।
a পুরোপুরি
b পরিপাটি
c পরাধীন
d গুরুত্বহীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পরিপাটি ১. কেন সঠিক: - কেতাদুরস্ত বাগধারাটির অর্থ হলো পরিপাটি, শৌখিন বা শিষ্টাচারসম্মত। - এটি মূলত পোশাক-আশাকে কিংবা চলাফেরায় পরিপাটি ভাব বা শিষ্টাচার বজায় রাখাকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে। - কেতাদুরস্ত শব্দটি কেতাব অর্থাৎ নিয়ম বা শিষ্টাচার এবং দুরস্ত অর্থাৎ ঠিক বা উপযুক্ত শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নতুন চাকরির ইন্টারভিউতে তার কেতাদুরস্ত পোশাক সবাইকে মুগ্ধ করেছিল। ব্যাখ্যা: এখানে কেতাদুরস্ত বলতে পোশাক-আশাকের পরিপাটি ও মার্জিত রূপকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: ছেলেটি দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনি তার চলাফেরা অত্যন্ত কেতাদুরস্ত। ব্যাখ্যা: এখানে মার্জিত ও শিষ্টাচারসম্মত আচরণ বোঝাতে কেতাদুরস্ত ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুরোপুরি — পুরোপুরি বলতে সম্পূর্ণ বা সমস্ত বোঝায়, যা কেতাদুরস্ত বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) পরিপাটি — এটি সঠিক উত্তর কারণ কেতাদুরস্ত মানেই পরিপাটি বা শৌখিন। C) পরাধীন — পরাধীন অর্থ অন্যের অধীন বা পরাধীনতা, যার সঙ্গে কেতাদুরস্ত শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই। D) গুরুত্বহীন — গুরুত্বহীন অর্থ যার কোনো মূল্য বা গুরুত্ব নেই, এটিও কেতাদুরস্ত শব্দের বিপরীতার্থক বা অপ্রাসঙ্গিক। ৫ মনে রাখার টিপস: কেতাব অর্থ বই বা নিয়ম আর দুরস্ত অর্থ ঠিক। নিয়মকানুন মেনে চলে যে পরিপাটি থাকে, তাকেই কেতাদুরস্ত বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার উৎস ও অন্তর্নিহিত অর্থ প্রায়ই আসে। তাই আক্ষরিক অর্থ না ভেবে প্রমিত অর্থ মুখস্থ রাখতে হবে।
a নির্বাচনযোগ্য নয়
b বর্ণনাতীত
c অনিশ্চিত
d নিশ্চিত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বর্ণনাতীত ১. কেন সঠিক: - 'অনির্বচনীয়' একটি এককথায় প্রকাশ বা বাকসংক্ষেপ। যা ভাষায় বা বাক্যে প্রকাশ করা যায় না, তাকে এককথায় অনির্বচনীয় বলা হয়। - প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, ন + বিচনীয় = অনির্বচনীয়, যার অর্থ যা মুখের কথায় বা বর্ণনায় প্রকাশ করা অসম্ভব। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন বিষয়ক ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বাক্যের অর্থকে সংক্ষিপ্ত করে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে বাক্য সংকোচন বলে। - উপসর্গ ও প্রত্যয় যোগ করে কিংবা সমাসবদ্ধ পদের মাধ্যমে এই ধরনের অর্থপূর্ণ শব্দ গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা বলা যায় না = অকথ্য ব্যাখ্যা: কথা বলার অযোগ্য বা যা মুখে উচ্চারণ করা যায় না, তাকে এককথায় অকথ্য বলা হয়। উদাহরণ ২: যা কখনো নষ্ট হয় না = অবিনশ্বর ব্যাখ্যা: যার বিনাশ বা ধ্বংস নেই, তাকে ব্যাকরণের নিয়মে অবিনশ্বর বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নির্বাচনযোগ্য নয় — এই বাক্যাংশের জন্য সঠিক এককথায় প্রকাশ অনির্বাচ্য হতে পারে, তবে অনির্বচনীয় শব্দের অর্থ এটি নয়। B) বর্ণনাতীত — এটি অনির্বচনীয় শব্দের সমার্থক এবং সঠিক উত্তর। C) অনিশ্চিত — যা নিশ্চিত নয় বা যার কোনো ঠিক ঠিকানা নেই, তাকে অনিশ্চিত বলা হয় এবং এটি অনির্বচনীয় শব্দের অর্থ নয়। D) নিশ্চিত — যা অবধারিত বা নিশ্চিতভাবে ঘটে, তাকে নিশ্চিত বলা হয় এবং এটি অনির্বচনীয় শব্দের বিপরীতার্থক। ৫. মনে রাখার টিপস: - অনির্বচনীয় শব্দটিতে 'বচন' কথাটি লুকিয়ে আছে, যার অর্থ কথা বা বর্ণনা। যা বচন বা কথার অতীত, তা-ই বর্ণনাতীত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। তাই মূল শব্দের ভেতরের মূল ধাতু বা অর্থ মনে রাখা জরুরি।
a Will not
b won't
c doesn't
d will
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) will কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটির মূল অংশ negative (won't), তাই ট্যাগ কোশ্চেনটি affirmative হবে। - মূল বাক্যে future indefinite tense-এর auxiliary verb হিসেবে will ব্যবহৃত হয়েছে, তাই ট্যাগে will বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Will not — মূল বাক্যটি negative হওয়ায় ট্যাগটি affirmative হবে, তাই এটি ভুল। B) won't — এটি negative রূপ, যা affirmative ট্যাগের নিয়মের সাথে মিলে না। C) doesn't — মূল বাক্যে won't থাকায় present tense-এর সাহায্যকারী verb এখানে বসবে না। D) will — এটি সঠিক অপশন কারণ negative বাক্যের জন্য affirmative ট্যাগ হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ট্যাগ কোশ্চেনের নিয়ম হলো মূল বাক্য negative হলে ট্যাগটি affirmative হবে।
a Amusing situation
b Risky situation
c Formal situation
d Informal situation
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Risky situation কেন সঠিক: - পাতলা বরফের ওপর হাঁটা অত্যন্ত বিপজ্জনক কারণ বরফ যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে যেতে পারে। - এই বাস্তব অবস্থাকে রূপক হিসেবে ব্যবহার করে খুব ঝুঁকিপূর্ণ বা অনিশ্চিত পরিস্থিতি বোঝাতে এই ইডিয়মটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Amusing situation — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ আনন্দদায়ক পরিস্থিতি, যা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার সঙ্গে মেলে না। B) Risky situation — এই অপশনটি সঠিক কারণ অন থিন আইস ফ্রেজটির আক্ষরিক ও ভাবার্থ উভয় থেকেই বিপজ্জনক বা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা বোঝায়। C) Formal situation — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ আনুষ্ঠানিক পরিস্থিতি, যা এই ইডিয়মের অর্থের বিপরীত। D) Informal situation — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ অনানুষ্ঠানিক পরিস্থিতি, যার সঙ্গে এই ঝূঁকিপূর্ণ বা বিপজ্জনক অবস্থার কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: পাতলা বরফে (Thin ice) হাঁটা মানেই যেকোনো মুহূর্তে বিপদ, তাই এটি একটি ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি (Risky situation)।
a Sincerity
b Competence
c Quality
d Incapacity
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) Competence কেন সঠিক: - Ability শব্দের অর্থ সামর্থ্য, দক্ষতা বা যোগ্যতা, যার সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক শব্দ হলো competence। - Competence বলতে কোনো কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান, দক্ষতা ও যোগ্যতাকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sincerity — এর অর্থ সততা বা আন্তরিকতা, যা দক্ষতার সমার্থক নয়। B) Competence — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ যোগ্যতা বা দক্ষতা। C) Quality — এর অর্থ গুণ বা মান, যা সরাসরি সামর্থ্য বোঝায় না। D) Incapacity — এর অর্থ অক্ষমতা বা অযোগ্যতা, যা Ability শব্দের বিপরীত শব্দ। মনে রাখার টিপস: Ability এবং Competence দুটি শব্দই কাজের দক্ষতা ও যোগ্যতার সঙ্গে যুক্ত, তাই এগুলো একে অপরের সমার্থক।
a to live
b living
c live
d lived
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: A) to live (দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত উত্তরে ভুল রয়েছে। প্রশ্নে 'rather than' থাকার কারণে সঠিক উত্তর হবে C) live। 'Prefer to do rather than do' নিয়ম অনুযায়ী এখানে bare infinitive ব্যবহৃত হয়।) কেন সঠিক: - prefer verb-এর সাথে দুটি কাজের তুলনা করার সময় 'prefer to do rather than do' বা 'would prefer to do rather than do' গঠন ব্যবহৃত হয়। - rather than এর পরে সবসময় bare infinitive (infinitive without to) বসে, তাই এখানে 'live' সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to live — প্রদত্ত উত্তরে এটিকে সঠিক বলা হলেও, 'rather than'-এর পর 'to live' বসলে ব্যাকরণগতভাবে সমতা নষ্ট হয়। B) living — 'prefer doing to doing' গঠন ছাড়া 'rather than'-এর সাথে gerund বসে না। C) live — এটি সঠিক উত্তর হওয়া উচিত ছিল, কারণ 'rather than'-এর পরে সবসময় verb-এর বেস ফর্ম বা bare infinitive বসে। D)ived — এটি Past tense-এর রূপ, যা বর্তমান বা সাধারণ পছন্দের বাক্যে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'rather than' থাকলে তার আগের verb-এর রূপের সাথে মিল রেখে পরের verb-টি 'to' ছাড়া বসে (Bare infinitive)।
a so
b very
c too
d more
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) too কেন সঠিক: - বাক্যে 'too... to' cấu trúc ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ এতই... যে তা সম্ভব নয়। - এখানে 'too carefully' এর পর 'to make a mistake' অংশটি এই নেতিবাচক ফলাফল প্রকাশ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) so — 'so... that' কাঠামোর প্রয়োজন হয়, কিন্তু এখানে 'that' এর পরিবর্তে 'to' রয়েছে। B) very — 'very' সাধারণত সাধারণ বিশেষণ বা ক্রিয়াবিশেষণের তীব্রতা বোঝাতে বসে, কিন্তু পরবর্তী 'to' ক্লজের সাথে এটি মেলে না। C) too — এটি সঠিক কারণ 'too... to' কাঠামোর মাধ্যমে অতিশয়তার সাথে নেতিবাচক ফলাফল প্রকাশ করা হয়। D) more — এটি তুলনামূলক ডিগ্রি নির্দেশ করে, যা এই বাক্যের কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'to' থাকলে তার আগে সাধারণত 'too' ব্যবহার করতে হয়, যা 'too... to' নিয়ম গঠন করে।
a have paid
b plying
c has paid
d are paying
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) has paid কেন সঠিক: - বাক্যে each boy and each girl-এর মাঝে and থাকা সত্ত্বেও প্রতিটি Subject আলাদাভাবে বোঝানো হয়েছে। - Each দ্বারা পৃথকভাবে নির্দেশ করার কারণে Verbটি সর্বদা singular হয়, তাই সঠিক উত্তর C। বাকি অপশন কেন ভুল: A) have paid — subject singular হওয়ায় এখানে plural verb (have) ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) plying — এটি present participle বা gerund রূপ, যা এই বাক্যের finite verb হিসেবে বসে না। C) has paid — এটি এই বাক্যের জন্য সম্পূর্ণ সঠিক উত্তর কারণ subject singular ও tense সঠিক। D) are paying — subject singular হওয়ায় এখানে plural verb (are) ব্যবহার করা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে each বা every থাকলে Subject যতই plural হোক না কেন, Verb সব সময় singular হয়।
a common
b abstract
c collective
d proper
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) common কেন সঠিক: - 'Country' শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট দেশকে না বুঝিয়ে পৃথিবীর যেকোনো দেশকে সামগ্রিকভাবে বোঝায়। - একই জাতীয় বা শ্রেণীর নির্দিষ্ট কোনো নাম না হয়ে সাধারণ নাম হওয়ায় এটি Common Noun। বাকি অপশন কেন ভুল: A) common — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একই শ্রেণীর সাধারণ নাম বোঝায়। B) abstract — এটি ভুল কারণ এটি কোনো গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম নয়, যা দেখা যায় না। C) collective — এটি ভুল কারণ এটি একজাতীয় একাধিক ব্যক্তির সমষ্টিগত দল বা সমাহার বোঝায় না। D) proper — এটি ভুল কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট বা বিশেষ দেশের নাম বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: যেকোনো সাধারণ নাম যেমন country বা boy হলো common noun, আর নির্দিষ্ট নাম যেমন Bangladesh বা Rahim হলো proper noun।
a Entrepreneuor
b Entrepreneur
c Entrepreneub
d Enterprenur
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Entrepreneur কেন সঠিক: - বানানটির সঠিক গঠন হলো en-tre-pre-neur যার অর্থ উদ্যোক্তা। - এটি একটি ফরাসি শব্দ যা ইংরেজি ভাষায় একইভাবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Entrepreneuor — এই বানানে শেষে ouor ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে। B) Entrepreneur — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানান। C) Entrepreneub — এই বানানের শেষে b ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল। D) Enterprenur — এই বানানে শুরুতে Enter এবং শেষে nur ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বানানটি সহজে মনে রাখতে এভাবে ভাগ করুন: En - tre - pre - neur.
a I, you and he
b He, you and I
c You, he and I
d He, I and you
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) You, he and I কেন সঠিক: - সাধারণ বাক্যে একাধিক ভিন্ন পুরুষের প্রোনাউন পাশাপাশি বসলে প্রথমে দ্বিতীয় পুরুষ (You), পরে তৃতীয় পুরুষ (He) এবং শেষে প্রথম পুরুষ (I) বসে। - ব্যাকরণের এই নিয়মটিকে স্বাভাবিক বিন্যাস বা টু থ্রি ওয়ান নিয়ম বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I, you and he — এখানে ক্রমবিন্যাসটি ভুল কারণ প্রথম পুরুষ প্রথমে এবং দ্বিতীয় পুরুষ পরে এসেছে। B) He, you and I — এখানে তৃতীয় পুরুষ প্রথমে আসায় স্বাভাবিক ক্রমবিন্যাস বা টু থ্রি ওয়ান নিয়ম লঙ্ঘিত হয়েছে। C) You, he and I — এটি সঠিক ক্রমবিন্যাস যা স্বাভাবিক বাক্যে প্রোনাউনের নিয়মের সঙ্গে মিলে যায়। D) He, I and you — এখানে তৃতীয় ও প্রথম পুরুষ আগে আসায় প্রোনাউন সাজানোর সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম মানা হয়নি। মনে রাখার টিপস: সাধারণ স্বীকারোক্তি বা স্বাভাবিক বাক্যে প্রোনাউনের ক্রম মনে রাখার সহজ সূত্র হলো দুই, তিন, এক অর্থাৎ You, he and I।
a is finished
b was finished
c had finished
d not finished
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) had finished কেন সঠিক: - বাক্যের প্রথম অংশ 'He told me' Past Tense-এ থাকায় Narration-এর নিয়ম অনুযায়ী পরের অংশ Past Perfect Tense (had + V3) হয়েছে। - Subject সরাসরি নিজে কাজ করায় বাক্যটি Active Voice-এ আছে, তাই এখানে 'had finished' সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is finished — এটি Present Tense এবং Passive রূপের মতো দেখায়, যা Past Tense-এর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। B) was finished — এটি Past Tense হলেও Passive Voice বোঝায়, অথচ Subject নিজে কাজটি শেষ করেছিল তাই এটি Active হবে। C) had finished — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি Past Perfect Tense-এর Active গঠন। D) not finished — এটি অসমাপ্ত ও ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ গঠন, কারণ এখানে কোনো auxiliary verb নেই। মনে রাখার টিপস: Indirect Speech-এ Principal Clauseটি Past Tense হলে Subordinate Clauseটি Past Perfect Tense-এ রূপান্তরিত হয়।
a Although he was wealthy, he was unhappy.
b In spite of his wealth he was unhappy.
c He was wealthy but he was unhappy.
d None of them.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Although he was wealthy, he was unhappy. কেন সঠিক: - এই বাক্যে একটি প্রিনিপাল ক্লজ এবং একটি সাবর্ডিনেট ক্লজ রয়েছে, যা কমপ্লেক্স সেন্টেন্সের মূল গঠন। - এখানে Although যুক্ত অংশটি সাবর্ডিনেট ক্লজ এবং পরের অংশটি প্রিনিপাল ক্লজ হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Although he was wealthy, he was unhappy. — এটি একটি জটিল বা কমপ্লেক্স বাক্য কারণ এতে একটি অধীন ও একটি প্রধান খণ্ডবাক্য যুক্ত আছে। B) In spite of his wealth he was unhappy. — এটি একটি সরল বা সিম্পল বাক্য কারণ এতে একটিমাত্র সাবজেক্ট ও ফাইনাইট ভার্ব আছে। C) He was wealthy but he was unhappy. — এটি একটি যৌগিক বা কম্পাউন্ড বাক্য কারণ দুটি প্রধান খণ্ডবাক্য but দ্বারা যুক্ত হয়েছে। D) None of them. — এই অপশনটি ভুল কারণ এর আগের অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: complex সেন্টেন্সে although বা because থাকে, compound সেন্টেন্সে and বা but থাকে এবং simple সেন্টেন্সে phrase থাকে।
a Liason
b Liaison
c Leason
d Liazo
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Liaison কেন সঠিক: - বানানটির অর্থ যোগাযোগ বা সংযোগ এবং এতে নির্দিষ্ট বানানের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক বর্ণ বিন্যাস ব্যবহৃত হয়েছে। - শব্দটিতে একটি 'i', দুটি 'a', একটি 's', দুটি 'i', একটি 'o' এবং একটি 'n' আছে যা একে প্রমিত বানান করে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Liason — বানানটি ভুল কারণ এতে মধ্যবর্তী প্রয়োজনীয় 'i' বর্ণটি বাদ পড়েছে। B) Liaison — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং প্রমিত ইংরেজি বানানরীতি মেনে চলে। C) Leason — বানানটি ভুল কারণ প্রথম অংশে 'ia'-র বদলে ভুলভাবে 'ea' ব্যবহার করা হয়েছে। D) Liazo — বানানটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ এর শেষে সঠিক বর্ণ গুচ্ছ নেই এবং বানানটি অসম্পূর্ণ। মনে রাখার টিপস: শব্দটি মনে রাখতে Li-ai-son এভাবে ভেঙে পড়লে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a in
b about
c at
d for
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) at কেন সঠিক: - কোনো বিষয়ে দক্ষতা বোঝাতে গুড শব্দের পরে প্রিপজিশন হিসেবে অ্যাট বসে। - গণিতে দক্ষ অর্থে হি ইজ ভেরি গুড অ্যাট ম্যাথমেটিকস বাক্যটি সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম অনুসরণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — দক্ষ বোঝাতে ইন প্রিপজিশন ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) about — কোনো বিষয়ে ধারণা বা তথ্য বোঝাতে অ্যাবাউট বসে, দক্ষতা বোঝাতে নয়। D) for — উদ্দেশ্যে বোঝাতে ফর বসে, তাই এখানে এটি ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে গুড শব্দের পরে সব সময় অ্যাট প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
a close
b to close
c closing
d closed
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) closing কেন সঠিক: - Would you mind এর পর verb এর সঙ্গে ing যুক্ত হয় কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট ইংরেজি নিয়ম। - polite request করার সময় mind শব্দের পরে gerund ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) close — Would you mind এর পরে verb এর base form বসালে ব্যাকরণগত ভুল হয়। B) to close — Would you mind এর পরে infinitive অর্থাৎ to যুক্ত verb ব্যবহার করা যায় না। C) closing — এটি সঠিক উত্তর কারণ mind এর পরে verb এর সাথে ing যুক্ত হয়েছে। D) closed — Would you mind এর পরে verb এর past form বা past participle ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: Would you mind দেখলে মনে রাখবে এর পরে সবসময় verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
a was
b is
c an
d were
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) were কেন সঠিক: - বাক্যে 'Neither... nor' থাকলে নিকটবর্তী সাবজেক্ট অনুযায়ী ভার্ব নির্ধারিত হয়। - এখানে নিকটবর্তী সাবজেক্ট হলো বহুবচন 'her parents', তাই এর সাথে বহুবচন ভার্ব 'were' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) was — এটি একবচন ভার্ব, কিন্তু নিকটবর্তী সাবজেক্ট 'her parents' বহুবচন হওয়ায় এটি সঠিক নয়। B) is — এটি বর্তমানকালের একবচন ভার্ব, যা অতীতের বা নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) an — এটি কোনো ভার্ব নয়, বরং একটি আর্টিকেল, তাই এটি শূন্যস্থানে বসতে পারে না। D) were — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাবজেক্টের সাথে এটি grammatically সঠিক। মনে রাখার টিপস: Neither... nor যুক্ত বাক্যে শেষের সাবজেক্টটি (verb-এর কাছেরটি) একবচন হলে singular verb এবং বহুবচন হলে plural verb বসে।
a 16th December
b 21st February
c 17th April
d 26th March
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 26th March কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। - এই দিন থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 16th December — এটি বাংলাদেশের বিজয় দিবস, যেদিন পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল। B) 21st February — এটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবস। C) 17th April — এটি ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস, যেদিন প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ নিয়েছিল। D) 26th March — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালিত হয়। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধ শুরু ও স্বাধীনতা ঘোষণা হয়েছিল মার্চ মাসে, তাই ২৬ মার্চ হলো স্বাধীনতা দিবস।
a Similarity
b Inconsistence
c Variance
d Vagary
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Similarity কেন সঠিক: - 'Dissonance' শব্দের অর্থ অনৈক্য, অমিল বা বেসুরো ভাব। - এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'Similarity', যার অর্থ সাদৃশ্য বা মিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Similarity — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি dissonance শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Inconsistence — এটি dissonance শব্দের সমার্থক, যার অর্থ অসঙ্গতি বা অমিল। C) Variance — এটিও dissonance শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, যার অর্থ বৈচিত্র্য বা অমিল। D) Vagary — এর অর্থ খেয়ালিপনা বা খামখেয়ালি, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। মনে রাখার টিপস: 'Dis-' উপসর্গযুক্ত শব্দ সাধারণত নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে, তাই dissonance এর বিপরীত খুঁজতে ইতিবাচক শব্দ similarity বেছে নিতে হবে।
a Alarmingly
b Increase
c Acutely
d Severe
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Parts of Speech) সঠিক উত্তর: D) Severe কেন সঠিক: - শূন্যস্থানের আগে linking verb 'appears to be' রয়েছে, যার পরে adjective বসে অবস্থা প্রকাশ করে। - 'Pollution' একটি noun এবং এর অবস্থা বোঝাতে adjective হিসেবে 'Severe' শব্দটি এখানে সবচেয়ে যথাযথ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Alarmingly — এটি একটি adverb, যা এখানে subject-এর দোষ বা গুণ সরাসরি প্রকাশ করতে পারে না। B) Increase — এটি সাধারণত verb বা noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এখানে একটি adjective প্রয়োজন। C) Acutely — এটি একটি adverb, যা verb বা adjective-কে modify করে কিন্তু সরাসরি subject-এর complement হতে পারে না। D) Severe — এটি একটি সঠিক adjective, যা pollution-এর তীব্রতা প্রকাশ করতে perfectly বসেছে। মনে রাখার টিপস: Linking verb-এর পরে noun বা pronoun-এর দোষ-গুণ বা অবস্থা বোঝাতে সবসময় adjective বসে।
a Alumni
b Criteria
c Phenomena
d Thesis
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: D) Thesis কেন সঠিক: - Thesis শব্দটি গ্রিক ভাষা থেকে আগত একটি singular noun যার বহুবচন হলো Theses। - এর শেষ অক্ষর is থাকার কারণে এটি একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Alumni — এটি একটি plural noun, যার singular রূপ হলো Alumnus। B) Criteria — এটি একটি plural noun, যার singular রূপ হলো Criterion। C) Phenomena — এটি একটি plural noun, যার singular রূপ হলো Phenomenon। D) Thesis — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিজেই একটি singular noun। মনে রাখার টিপস: noun এর শেষে is থাকলে সাধারণত তা singular হয় এবং es থাকলে plural হয় যেমন thesis এবং theses।
a does not
b did not
c would not
d do not
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) would not কেন সঠিক: - I wish এর পর বর্তমানের কোনো অপছন্দনীয় বা বিরক্তিকর অভ্যাস প্রকাশ করতে subjunctive mood হিসেবে would ব্যবহার করা হয়। - বর্তমানের অপছন্দনীয় বৃষ্টিপাতের মতো কাজের ক্ষেত্রে I wish এর পরের অংশে would not বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) does not — এটি Present Indefinite Tense-এর রূপ, যা I wish-এর পরের এই বিশেষ গঠনে grammatically সঠিক নয়। B) did not — এটি সাধারণ Past Tense প্রকাশ করে, কিন্তু বিরক্তিকর অভ্যাসের ক্ষেত্রে এখানে would not বেশি উপযুক্ত। C) would not — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি I wish-এর পর বর্তমানের বিরক্তিকর অভ্যাস বা অনিচ্ছা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। D) do not — Subject singular হোক বা plural, I wish-এর পরে do not বসে না। মনে রাখার টিপস: I wish-এর পর বর্তমানের কোনো বিরক্তিকর বা অপছন্দনীয় অভ্যাসের কথা বলতে subject-এর পরে would not ব্যবহার করতে হয়।
a নদীস্রোতের সুকৌশল ব্যবহার
b বৈঠার সাহায্যে
c সঠিকভাবে হাল ঘুরিয়ে
d পাল ব্যবহার করে
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: C) সঠিকভাবে হাল ঘুরিয়ে কেন সঠিক: - গুণ টেনে নৌকা টানলে নদীর তীরের দিকে টান পড়ে, কিন্তু মাঝনদীতে ধরে রাখতে হালের সাহায্যে পানির চাপের বিপরীতমুখী সামঞ্জস্য বিধান করতে হয়। - হাল সঠিক কোণে ঘুরিয়ে পানির গতি এবং গুণের টানের মধ্যবর্তী বলের ভারসাম্য রক্ষা করা হয়, যা নৌকাকে মাঝনদীতে গতিশীল রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নদীস্রোতের সুকৌশল ব্যবহার — স্রোত নৌকাকে ভাসাতে সাহায্য করলেও একা স্রোত গুণটানা অবস্থায় মাঝনদীতে নৌকাকে সোজাসুজি সামনের দিকে ধরে রাখতে পারে না। B) বৈঠার সাহায্যে — বৈঠা সাধারণত গতি বাড়াতে বা দিক পরিবর্তনে ব্যবহার করা হয়, তবে গুণটানার সময় মাঝনদীতে নৌকা নিয়ন্ত্রণের প্রধান মাধ্যম হাল। C) সঠিকভাবে হাল ঘুরিয়ে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। D) পাল ব্যবহার করে — পাল বাতাসে চলে, কিন্তু নদীর তীরে গুণটানার সময় বাতাসের অনুকূল বা প্রতিকূলতার ওপর নির্ভর করে নৌকা চলে না। মনে রাখার টিপস: নদী পারাপার বা গুণটানার সময় দিক ও গতি নিয়ন্ত্রণের মূল চালিকাশক্তি হলো হাল।
a ভূমিকম্প
b ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস
c সমুদ্রের জলস্তরের বৃদ্ধি
d খরা ও বন্যা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমুদ্রের জলস্তরের বৃদ্ধি কেন সঠিক: - বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে সমুদ্রের জলস্তর স্থায়ীভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের ভৌগোলিক রূপ ও বসতি চিরতরে বদলে দিচ্ছে। - এটি উপকূলীয় এলাকার কৃষিজমি লবণাক্ত করে তুলছে এবং মানুষের স্থায়ী জীবিকা ও পেশা পরিবর্তনে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী ও অপরিবর্তনীয় সংকট তৈরি করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভূমিকম্প — এটি হঠাৎ ঘটে এবং তীব্র ক্ষয়ক্ষতি করলেও জীবিকা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সমুদ্রের জলস্তরের বৃদ্ধির মতো দীর্ঘস্থায়ী বা স্থায়ী প্রভাব ফেলে না। B) ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস — এটি সাময়িক ও বারবার ঘটে থাকে, যার ফলে ক্ষয়ক্ষতি হলেও দীর্ঘমেয়াদে মানুষের চিরন্তন জীবিকা পরিবর্তনের প্রধান কারণ এটি নয়। C) সমুদ্রের জলস্তরের বৃদ্ধি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা দীর্ঘমেয়াদে উপকূলীয় মানুষের জীবিকাকে স্থায়ীভাবে পরিবর্তন করতে বাধ্য করে। D) খরা ও বন্যা — এগুলি মৌসুমী বা সাময়িক দুর্যোগ, যা কৃষি ক্ষতি করলেও জলবায়ু পরিবর্তনের স্থায়ী প্রভাবে উপকূলের মতো চিরতরে জীবিকা বদলাতে বাধ্য করে না। মনে রাখার টিপস: স্থায়ী জীবিকা পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় হুমকি হলো সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি, কারণ এটি উপকূলের জমি চিরদিনের জন্য পানির নিচে ডুবিয়ে দেয়।
a ৩ স্তর
b ৪ স্তর
c ৫ স্তর
d ৬ স্তর
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) ৩ স্তর কেন সঠিক: - বাংলাদেশের বর্তমান স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা মূলত তিন স্তর বিশিষ্ট কাঠামো নিয়ে গঠিত। - গ্রামীণ অঞ্চলে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এবং জেলা পরিষদ এই তিনটি স্তর সক্রিয় রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ স্তর — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার কাঠামো তিনটি প্রধান স্তরে বিন্যস্ত। B) ৪ স্তর — এটি ভুল কারণ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় চারটি স্বতন্ত্র স্তর বর্তমানে প্রচলিত নেই। C) ৫ স্তর — এটি ভুল কারণ স্থানীয় সরকার কাঠامোর স্তর সংখ্যা পাঁচটি নির্ধারণ করা হয়নি। D) ৬ স্তর — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় ছয়টি স্তর কখনোই ছিল না। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ৩ অক্ষরবিশিষ্ট, তাই স্তর সংখ্যাও ৩টি (ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা)।
a ঢাকা
b কাঠমান্ডু
c দিল্লি
d ইসলামাবাদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাঠমান্ডু কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বা সার্কের সদর দপ্তর নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। - ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর কাঠমান্ডুতে এর সচিবালয় স্থাপন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — ঢাকা হলো সার্কের জন্মস্থান এবং প্রথম শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক শহর, কিন্তু সদর দপ্তর এখানে নয়। B) কাঠমান্ডু — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানেই সার্কের সচিবালয় বা সদর দপ্তর অবস্থিত। C) দিল্লি — দিল্লি ভারতের রাজধানী এবং এখানে অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থার কার্যালয় থাকলেও সার্কের সদর দপ্তর নেই। D) ইসলামাবাদ — ইসলামাবাদ পাকিস্তানের রাজধানী, যা সার্কের সদস্য রাষ্ট্র হলেও এর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: সার্কের জন্ম ঢাকায় হলেও এর স্থায়ী ঠিকানা বা সদর দপ্তর নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।
a 2016
b 2019
c 2017
d 2015
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০১৭ কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ২০১৭ সালের ৩০শে অক্টোবর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে 'মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টার' বা বিশ্ব-প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। - এই স্বীকৃতির মাধ্যমে ভাষণটি কেবল বাংলাদেশের নয়, বরং সমগ্র মানবজাতির প্রামাণ্য দলিল হিসেবে বিশ্বজুড়ে মর্যাদা লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১৬ — এই সালে ভাষণটি বিশ্ব-ঐতিহ্য দলিলের স্বীকৃতি পায়নি, এটি ভুল সাল। B) ২০১৯ — এটি ৭ই মার্চ ভাষণ স্বীকৃতির সঠিক সাল নয়, পরে ইউনেস্কোর অন্য কোনো কার্যক্রম হতে পারে। C) ২০১৭ — এটি সঠিক বছর, যখন ইউনেস্কো এই ঐতিহাসিক ভাষণকে স্বীকৃতি প্রদান করে। D) ২০১৫ — এই সালে ইউনেস্কো ৭ই মার্চ ভাষণকে বিশ্ব-ঐতিহ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। মনে রাখার টিপস: ভাষণের সাত এবং ২০১৭ সালের শেষের অঙ্ক সাত মিলিয়ে সালটি মনে রাখতে পারো।
a ভারত
b বাংলাদেশ
c নেপাল
d মালদ্বীপ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাংলাদেশ কেন সঠিক: - ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশ দল ভারতকে ৩-০ গোলে পরাজিত করে শিরোপা অর্জন করেছিল। - টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচটি কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং বাংলাদেশ অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ফাইনালে বাংলাদেশের কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়ে এই টুর্নামেন্টের রানার্সআপ হয়েছিল। B) বাংলাদেশ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। C) নেপাল — এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয়েছিল এবং গ্রুপ পর্বে অংশগ্রহণ করেছিল। D) মালদ্বীপ — এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করলেও প্রতিযোগিতার ফাইনালে পৌঁছাতে পারেনি। মনে রাখার টিপস: সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ফুটবল ২০২১ সালে বাংলাদেশ দল ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়, যা কমলাপুর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
a জাতীয় সংসদ
b স্পিকার
c প্রধানমন্ত্রী
d রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) রাষ্ট্রপতি কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত। - রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পরামর্শপ্রাপ্ত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতীয় সংসদ — জাতীয় সংসদ আইন প্রণয়নকারী অঙ্গ, এখানে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের কোনো সাংবিধানিক এখতিয়ার নেই। B) স্পিকার — স্পিকার জাতীয় সংসদের কার্যক্রম পরিচালনা করেন এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগে তার কোনো ভূমিকা নেই। C) প্রধানমন্ত্রী — প্রধানমন্ত্রী প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দেন, কিন্তু সরাসরি নিয়োগপত্র প্রদান করেন না। D) রাষ্ট্রপতি — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ প্রদান করেন। মনে রাখার টিপস: বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে।
a ইরাক
b ইরান
c কাতার
d সৌদি আরব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইরাক কেন সঠিক: - ইরাক মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম দেশ হিসেবে ১৯৭২ সালের ৮ই জুলাই বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশের স্বীকৃতি প্রদান করে। - আরব বিশ্বের মধ্যে ইরাকই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরাক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশটিই সবার আগে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। B) ইরান — ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলেও সেটি আরব দেশ নয়, কারণ ইরান একটি পারস্য বা ফার্সিভাষী দেশ। C) কাতার — কাতার বাংলাদেশের স্বীকৃতিদাতা দেশগুলোর অন্যতম হলেও প্রথম আরব দেশ নয়। D) সৌদি আরব — সৌদি আরব বাংলাদেশকে অনেক পরে ১৯৭৫ সালের ১৬ই আগস্ট স্বীকৃতি প্রদান করে। মনে রাখার টিপস: আরব বিশ্বে স্বীকৃতির ই-তে ইরাক সবার আগে আসে।
a কক্সবাজার
b নেত্রকোনা
c মৌলভীবাজার
d রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নেত্রকোনা কেন সঠিক: - নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার বীরিশিরি (সুসং দুর্গাপুর) অঞ্চলে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য এই একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। - এটি মূলত গারা, হাজং, কোচ ও ডালুসহ স্থানীয় অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার প্রধান কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কক্সবাজার — এটি রামু বৌদ্ধ কউং বা মগ সংস্কৃতির জন্য পরিচিত হলেও এখানে এই নির্দিষ্ট নামে একাডেমি নেই। B) নেত্রকোনা — এই অপশনটি সঠিক এবং এখানেই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি অবস্থিত। C) মৌলভীবাজার — এটি মনিপুরী ও খাসিয়া সংস্কৃতির জন্য পরিচিত হলেও এই একাডেমি এখানে অবস্থিত নয়। D) রাঙ্গামাটি — এটি চাকমা, মারমা ও তঞ্চঙ্গ্যা সংস্কৃতির জন্য পরিচিত, যেখানে উপজাতীয় সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট রয়েছে। মনে রাখার টিপস: নেত্রকোনার দুর্গাপুরে পাহাড়ি অঞ্চলের মতো সুসং দুর্গাপুর রয়েছে, তাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি নেত্রকোনা জেলায় অবস্থিত বলে মনে রাখবে।
a ইতালী
b তিব্বত
c মরক্কো
d গ্রিস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মরক্কো কেন সঠিক: - ইবনে বতুতা ১৩০৪ সালে মরক্কোর তাঞ্জিয়ার শহরে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি ছিলেন একজন বিখ্যাত মুসলিম পর্যটক ও অভিযাত্রী যিনি বিশ্ব ভ্রমণ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতালী — এটি ইউরোপের দেশ, এবং মার্কো পোলো এই দেশের বিখ্যাত পর্যটক ছিলেন। B) তিব্বত — এটি একটি অঞ্চল, যা বর্তমান চীনের স্বায়ত্তশাসিত অংশ এবং ইবনে বতুতার জন্মস্থান নয়। C) মরক্কো — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি এই আফ্রিকান দেশের তাঞ্জিয়ারে জন্মগ্রহণ করেন। D) গ্রিস — এটি দক্ষিণ ইউরোপের একটি দেশ, যা ইবনে বতুতার জন্মভূমি নয়। মনে রাখার টিপস: ইবনে বতুতা মরক্কোর পর্যটক ছিলেন, কথাটি মনে রাখতে 'ম' দিয়ে মরক্কো এবং 'ম' দিয়ে বিখ্যাত মুসলিম পর্যটক হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
a ৯ টি
b ১৫ টি
c ১৭ টি
d ২১ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭ টি কেন সঠিক: - টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজির মোট লক্ষ্যসংখ্যা ১৭ টি, যা ২০১৫ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়। - এই ১৭ টি অভীষ্টের আওতায় ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্ব থেকে দারিদ্র্য দূরীকরণ, অসমতা হ্রাস এবং টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯ টি — এই সংখ্যাটি এসডিজির মূল কাঠামোর সঙ্গে মিল নয় এবং এটি একটি ভুল তথ্য। B) ১৫ টি — এটি এসডিজির আগের রূপ অর্থাৎ এমডিজির লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি হলেও এসডিজির সঠিক সংখ্যা নয়। C) ১৭ টি — এটি এই প্রশ্নের নির্ধারিত সঠিক উত্তর এবং এর সঙ্গে টেকসই উন্নয়নের ১৭ টি অভীষ্ট সরাসরি সম্পর্কিত। D) ২১ টি — এই সংখ্যাটি এসডিজির মোট লক্ষ্যের চেয়ে বেশি এবং এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। মনে রাখার টিপস: এসডিজির লক্ষ্য ১৭ টি মনে রাখতে সংখ্যাটি ১৭ মনে রাখুন, যা ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বকে উন্নত করার ১৭ টি প্রতিজ্ঞা।
a প্যারিস
b ভিয়েনা
c রোম
d এথেন্স
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্যারিস কেন সঠিক: - ল্যুভর মিউজিয়াম ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে সিন নদীর তীরে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় শিল্পকলা জাদুঘর। - এই জাদুঘরে বিশ্ববিখ্যাত মোনালিসা চিত্রকর্মসহ বহু ঐতিহাসিক ও দুষ্প্রাপ্য নিদর্শন সংরক্ষিত আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিস — এটি সঠিক উত্তর কারণ ল্যুভর মিউজিয়াম এখানেই অবস্থিত। B) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার রাজধানী, যা ক্ল্যাসিক্যাল সঙ্গীতের জন্য বিখ্যাত হলেও ল্যুভর মিউজিয়াম এখানে অবস্থিত নয়। C) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং ঐতিহাসিক শহর, যা ভ্যাটিকান সিটি ও কলিজিয়ামের জন্য পরিচিত, ল্যুভর এখানে নেই। D) এথেন্স — এটি গ্রিসের রাজধানী এবং প্রাচীন সভ্যতার কেন্দ্র, যা পার্থেননের জন্য বিখ্যাত কিন্তু ল্যুভরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: প্যারিসের ফ্যাশন ও শিল্প সংস্কৃতির প্রতীক হলো ল্যুভর মিউজিয়াম।
a ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
b ৩ জানুয়ারি, ১৯৫৪
c ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬
d ২৬ মে, ১৯৫৫
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের ১২টি দেশের স্বাক্ষরিত ওয়াশিংটন চুক্তির মাধ্যমে সামরিক জোট হিসেবে ন্যাটোর আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা হয়। - স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব মোকাবিলা এবং পারস্পরিক নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে এই সামরিক জোট গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ — এটি ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সঠিক তারিখ ও সাল হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) ৩ জানুয়ারি, ১৯৫৪ — এই তারিখে কোনো আন্তর্জাতিক সামরিক জোট প্রতিষ্ঠিত হয়নি এবং এটি ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সাল নয়। C) ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ — এই তারিখে ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি একটি বিভ্রান্তিকর সাল। D) ২৬ মে, ১৯৫৫ — এই তারিখে ওয়ারশ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যা ন্যাটোর বিপরীত সোভিয়েত সামরিক জোট। মনে রাখার টিপস: ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে ৪৯ সংখ্যাটি মনে রাখতে পারেন, যার আগে মাস ও তারিখ হলো এপ্রিলের চার তারিখ।
a সুইজারল্যান্ড
b সিঙ্গাপুর
c নরওয়ে
d ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সুইজারল্যান্ড প্রদত্ত তথ্য: জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি প্রকাশিত মানব উন্নয়ন সূচক ২০২১ তালিকা অনুযায়ী বৈশ্বিক র‍্যাংকিং নির্ধারণ করা হয়েছে ধরি, সূচকের মান নির্ণয়ের ভিত্তি হলো স্বাস্থ্য শিক্ষা এবং আয় এই তিনটি সূচকের ভিত্তিতে দেশগুলোর অগ্রগতি মাপা হয় অতএব, তালিকায় শীর্ষস্থান অর্জনকারী দেশের স্বাস্থ্য সূচক অত্যন্ত উন্নত একই সাথে দেশটির শিক্ষা এবং মাথাপিছু জাতীয় আয়ও সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে সুতরাং, সবগুলো সূচকে সামগ্রিক বিচারে সেরা ফলাফল অর্জন করায় এই দেশটিকে প্রথম স্থান দেওয়া হয়েছে উত্তর: সুইজারল্যান্ড
a নেপাল
b ভারত
c বাংলাদেশ
d মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মালয়েশিয়া কেন সঠিক: - BIMSTEC হলো দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর একটি আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা, যার সদস্য সংখ্যা সাতটি। - মালয়েশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ হলেও এটি এই সংস্থার সদস্য নয়, বরং এটি আসিয়ান জোটের সদস্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেপাল — এটি BIMSTEC এর একটি পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র, যা ২০০৪ সালে জোটে যোগ দেয়। B) ভারত — এটি BIMSTEC এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রধান অংশীদার। C) বাংলাদেশ — এটি BIMSTEC এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং এর সচিবালয় ঢাকায় অবস্থিত। D) মালয়েশিয়া — এটি এই আঞ্চলিক সংস্থার সদস্য নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: বিমসটেক সংস্থায় বাংলাদেশ, ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দুই দেশ (মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড) আছে, কিন্তু মালয়েশিয়া এর বাইরে।
a জলস্রোত
b বায়ুপ্ৰবাহ
c প্রাকৃতিক গ্যাস
d সূর্যলোক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রাকৃতিক গ্যাস ১. কেন সঠিক: নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হলো সেই শক্তি যা অফুরন্ত এবং বারবার ব্যবহার করা যায়। প্রাকৃতিক গ্যাস একটি জীবাশ্ম জ্বালানি যা একবার ব্যবহার করলে শেষ হয়ে যায় এবং কোটি বছর ধরে তৈরি হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: শক্তির উৎসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়, যেমন নবায়নযোগ্য এবং অনবায়নযোগ্য শক্তি। কারণ ও ফলাফল: প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারের ফলে নিঃশেষ হয়ে যায় এবং পরিবেশের কার্বন ডাই অক্সাইড বৃদ্ধি পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যলোক প্রতিদিন প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায় এবং এটি কখনো শেষ হওয়ার নয়। ব্যাখ্যা: এটি একটি চিরন্তন শক্তির উৎস যা নবায়নযোগ্য শক্তির সবচেয়ে বড় উদাহরণ। উদাহরণ ২: কয়লা ও পেট্রোলিয়াম পোড়ানোর পর তা আর পুনরায় তৈরি করা সম্ভব হয় না। ব্যাখ্যা: এই জ্বালানিগুলো প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো অনবায়নযোগ্য শক্তির অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জলস্রোত — এটি নদীর স্রোত ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি অফুরন্ত বা নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। B) বায়ুপ্ৰবাহ — এটি প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট বাতাস ব্যবহার করে শক্তি উৎপাদনের একটি নবায়নযোগ্য উৎস। C) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি একবার ব্যবহার করলে ফুরিয়ে যায় এবং এটি নবায়নযোগ্য নয়, বরং অনবায়নযোগ্য শক্তি। D) সূর্যলোক — এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং সম্পূর্ণভাবে নবায়নযোগ্য শক্তির প্রধান উৎস। ৫ মনে রাখার টিপস: যেসব শক্তি প্রকৃতি থেকে বারবার পাওয়া যায় যেমন সূর্য, বাতাস ও পানি সেগুলো নবায়নযোগ্য। আর কয়লা, তেল ও গ্যাস হলো সীমিত সম্পদ যা অনবায়নযোগ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জীবাশ্ম জ্বালানি যেমন কয়লা, তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস হলো অনবায়নযোগ্য শক্তির প্রধান উদাহরণ। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় পরিবেশবিজ্ঞান ও শক্তি অধ্যায় থেকে প্রায়ই আসে।
a 4° সে.
b 10° সে.
c 50° সে
d 100° সে.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪° সে. ১. কেন সঠিক: পানির একটি ব্যতিক্রমী ধর্ম রয়েছে যাকে পানির ব্যতিক্রম প্রসারণ বলা হয়। সাধারণত পদার্থকে ঠান্ডা করলে আয়তন কমে এবং ঘনত্ব বাড়ে, কিন্তু পানিকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত ঠান্ডা করলে এর আয়তন কমতে থাকে এবং ঘনত্ব বাড়তে থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পদার্থের ঘনত্ব হলো একক আয়তনে ভরের পরিমাণ, অর্থাৎ ঘনত্ব সমান ভর ভাগ আয়তন। কার্যপ্রণালি: পানিকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে জিরো ডিগ্রি সেলসিয়াসে ঠান্ডা করলে এর আয়তন আবার বাড়তে শুরু করে এবং ঘনত্ব কমে যায়। কারণ ও ফলাফল: ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির অণুগুলোর বিন্যাস এমন হয় যে এর আয়তন সর্বনিম্ন এবং ঘনত্ব সর্বোচ্চ হয়। বাস্তব প্রয়োগ: শীতপ্রধান দেশে হ্রদ বা পুকুরের উপরিভাগের পানি বরফ হলেও তলদেশের জলজ প্রাণীরা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পানিতে বেঁচে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশের বরফ জমা হ্রদের তলদেশ। ব্যাখ্যা: হ্রদের উপরিভাগ বরফ হলেও তলদেশের পানির তাপমাত্রা চার ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকায় তা তরল থাকে এবং মাছ বেঁচে থাকে। উদাহরণ ২: শীতকালে গাড়ির রেডিয়েটরের পানি জমে যাওয়া। ব্যাখ্যা: তাপমাত্রা চার ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলে পানি জমে বরফে পরিণত হয় এবং আয়তন বেড়ে রেডিয়েটর ফাটিয়ে ফেলতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪° সে. — এই তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সর্বোচ্চ হয় এবং এর মান এক গ্রাম প্রতি ঘন সেন্টিমিটার। B) ১০° সে. — এই তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব চার ডিগ্রি সেলসিয়াসের তুলনায় কিছুটা কম থাকে। C) ৫০° সে. — এই তাপমাত্রায় পানির তাপমাত্রা আরও বেশি থাকায় এর আয়তন অনেক বেশি এবং ঘনত্ব কম থাকে। D) ১০০° সে. — এটি পানির স্ফুটনাঙ্ক, যেখানে পানি ফুটতে শুরু করে এবং বাষ্পে পরিণত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি থাকে যখন সংখ্যাটি সবচেয়ে ছোট পজিটিভ তাপমাত্রার কাছাকাছি হয়, যা হলো চার ডিগ্রি সেলসিয়াস। মনে রাখুন, চার মানেই সর্বাধিক ঘনত্ব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পানির ব্যতিক্রম প্রসারণ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে, কত তাপমাত্রায় পানির আয়তন সর্বনিম্ন হয়।
a দৃষ্টিভ্রমের কারণে
b আলোর বিচ্ছুরণের জন্য
c অপবর্তনের ফলে
d বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণের ফলে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণের ফলে ১. কেন সঠিক: চাঁদ দিগন্তের কাছে আসার পর তার থেকে আসা আলো পৃথিবীর ঘন বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরের মধ্য দিয়ে তির্যকভাবে প্রবেশ করে। বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরের ঘনত্ব ভিন্ন হওয়ার কারণে আলোর প্রতিসরণ ঘটে এবং চাঁদকে স্বাভাবিকের চেয়ে আকারে বড় দেখায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: আলোর প্রতিসরণ হলো এমন একটি ঘটনা যেখানে আলো এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যাওয়ার সময় দিক পরিবর্তন করে। কার্যপ্রণালি: দিগন্তের কাছে বায়ুমণ্ডলের ঘনত্ব বেশি থাকায় আলোর প্রতিসরণ বেশি হয় এবং আমাদের মস্তিষ্কে একটি বৃহত্তর প্রতিবিম্ব তৈরি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যোদয় বা সূর্যাস্তের সময় সূর্যকে চ্যাপটা বা বড় দেখা যাওয়া। ব্যাখ্যা: দিগন্তের কাছে বায়ুমণ্ডলের স্তরের কারণে আলো বেঁকে যাওয়ার ফলে এই প্রতিসরণজনিত ঘটনার সৃষ্টি হয়। উদাহরণ ২: রাতের আকাশে তারাগুলোর মিটিমিটি জ্বলা। ব্যাখ্যা: বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরের ঘনত্বের তারতম্যের কারণে আলোর প্রতিসরণ ঘটে এবং তারার আলো আমাদের চোখে আসা মাত্রার পরিবর্তন ঘটে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৃষ্টিভ্রমের কারণে — এটি কোনো অপটিক্যাল ইলিউশন বা সাধারণ দৃষ্টিভ্রম নয়, বরং আলোর প্রতিসরণের একটি বাস্তব শারীরিক ঘটনা। B) আলোর বিচ্ছুরণের জন্য — আলোর বিচ্ছুরণ হলো সাদা আলোর সাত রঙে ভেঙে যাওয়ার ঘটনা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) অপবর্তনের ফলে — অপবর্তন হলো কোনো প্রতিবন্ধকতার ধার ঘেঁষে আলোর বেঁকে যাওয়ার ঘটনা, যা মহাজাগতিক এই আকৃতির পরিবর্তনের জন্য দায়ী নয়। D) বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণের ফলে — এটি সঠিক বৈজ্ঞানিক কারণ কারণ বায়ুমণ্ডলের স্তরের তারতম্যে আলোর দিক পরিবর্তন ঘটে। ৫ মনে রাখার টিপস: দিগন্তে চাঁদ বড় দেখার বিষয়টি সরাসরি বায়ুমণ্ডলের সাথে সম্পর্কিত। বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণের কারণে মহাজাগতিক বস্তু যেমন চাঁদ, সূর্য দিগন্তে বড় বা পরিবর্তিত দেখায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই একই কারণে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের সময় সূর্যকে কিছুক্ষণ আগে দেখা যায় এবং পরে অস্ত যায়। প্রতিসরণের কারণে নক্ষত্র ও চাঁদের আপাত অবস্থান তাদের আসল অবস্থান থেকে কিছুটা ওপরে প্রতিভাত হয়।
a 7
b 5.5
c 10
d 6.2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 7 ১. কেন সঠিক: বিশুদ্ধ পানি হাইড্রোজেন আয়ন এবং হাইড্রোক্সাইড আয়নের সমপরিমাণ ঘনমাত্রা ধারণ করে। এই সমতার কারণে বিশুদ্ধ পানি সম্পূর্ণরূপে প্রসম বা নিরপেক্ষ হয় যার pH মান নির্দিষ্টভাবে সাত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: pH হলো কোনো দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের সক্রিয়তার ঋণাত্মক লোগারিদম যা অম্লত্ব বা ক্ষারত্ব নির্দেশ করে। কার্যপ্রণালি: বিশুদ্ধ পানিতে অম্ল বা ক্ষার জাতীয় কোনো অপদ্রব্য দ্রবীভূত থাকে না তাই এটি প্রসম প্রকৃতির হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাধারণ তাপমাত্রায় ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুত করা পাতিত পানি। ব্যাখ্যা: এতে কোনো খনিজ লবণ বা গ্যাস থাকে না বলে এর pH ঠিক সাত হয়। উদাহরণ ২: মানুষের শরীরের রক্ত এবং প্রসম পানির তুলনামূলক অবস্থা। ব্যাখ্যা: রক্তের pH সাত দশমিক চার হলেও বিশুদ্ধ পানির নির্দিষ্ট মান সাত যা নিরপেক্ষ নির্দেশক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 7 — এটি সঠিক কারণ বিশুদ্ধ পানি অ্যাসিড বা ক্ষার কোনোটিই নয় বরং এটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ। B) 5.5 — এটি ভুল কারণ এই মানের দ্রবণ অম্লীয় প্রকৃতির হয় যা মৃদু অ্যাসিড নির্দেশ করে। C) 10 — এটি ভুল কারণ দশ pH যুক্ত দ্রবণ তীব্রভাবে ক্ষারীয় প্রকৃতির হয়ে থাকে। D) 6.2 — এটি ভুল কারণ সামান্য অম্লীয় পানির pH মান এমন হতে পারে যা বিশুদ্ধ পানির নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নিরপেক্ষ মানেই মধ্যবর্তী অবস্থান যা স্কেলের ঠিক মাঝখানে সাত হিসেবে নির্ধারিত থাকে। বিশুদ্ধ পানি জীবন ধারণের প্রধান উপাদান হওয়ায় এর প্রকৃতি সর্বদা প্রসম বা নিরপেক্ষ ধরা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশুদ্ধ পানির pH মান স্ট্যান্ডার্ড তাপমাত্রা অর্থাৎ পঁচিশ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সাত নির্ধারিত হয়। ভবিষ্যতে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এসিড বৃষ্টি বা ক্ষারীয় দ্রবণের pH মান সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a 3 টি
b 4 টি
c 5 টি
d 6 টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩ টি ১. কেন সঠিক: তাপ উচ্চ তাপমাত্রা থেকে নিম্ন তাপমাত্রার দিকে প্রবাহিত হয়। এই তাপ সঞ্চালন বা স্থানান্তরের তিনটি প্রধান পদ্ধতি রয়েছে, যা পদার্থের অবস্থার ওপর নির্ভর করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: তাপ সঞ্চালন হলো তাপের স্থানান্তরের প্রক্রিয়া। কার্যপ্রণালি: এই তিনটি মাধ্যম বা পদ্ধতি হলো পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কঠিন পদার্থের মধ্য দিয়ে তাপ সঞ্চালন। ব্যাখ্যা: লোহার চামচের একপ্রান্ত আগুনে ধরলে অন্যপ্রান্ত গরম হওয়া হলো পরিবহনের উদাহরণ। উদাহরণ ২: তরل বা বায়বীয় পদার্থের মধ্য দিয়ে তাপ সঞ্চালন। ব্যাখ্যা: চুলার ওপর পানি গরম করলে নিচের গরম পানি উপরে উঠে আসা এবং ওপরের ঠান্ডা পানি নিচে নেমে আসা হলো পরিচলনের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ টি — এটি সঠিক কারণ তাপ সঞ্চালনের মাধ্যম বা পদ্ধতি তিনটি মাত্র। B) ৪ টি — তাপ সঞ্চালনের কোনো চতুর্থ মৌলিক মাধ্যম বা পদ্ধতি পদার্থবিজ্ঞানে স্বীকৃত নয়। C) ৫ টি — এই সংখ্যাটি তাপ সঞ্চালনের পদ্ধতির সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। D) ৬ টি — পদার্থবিজ্ঞানে তাপ সঞ্চালনের মোট সংখ্যা ছয়টি হতে পারে না। ৫ মনে রাখার টিপস: তাপ সঞ্চালনের মাধ্যমগুলোকে সংক্ষেপে প-প-বি (পরিবহন, পরিচলন, বিকিরণ) হিসেবে মনে রাখতে পারো। কঠিনের জন্য পরিবহন, তরল ও বায়বীয়ের জন্য পরিচলন এবং মাধ্যমের অনুপস্থিতিতে বিকিরণ কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শূন্য মাধ্যমে তাপ কেবল বিকিরণ পদ্ধতিতে সঞ্চালিত হয়। সূর্য থেকে পৃথিবীতে তাপ এই বিকিরণ প্রক্রিয়ায় আসে।
a প্রিন্টার
b কি-বোর্ড
c মাউস
d স্ক্যানার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রিন্টার ১. কেন সঠিক: প্রিন্টার হলো একটি আউটপুট ডিভাইস, যা কম্পিউটারের প্রক্রিয়াজাত ডেটা বা তথ্যকে কাগজে বা অন্য মাধ্যমে দৃশ্যমান রূপে ফুটিয়ে তোলে। ইনপুট ডিভাইস হলো সেইসব যন্ত্র যার মাধ্যমে কম্পিউটারকে ডেটা বা নির্দেশ প্রদান করা হয়, কিন্তু প্রিন্টার কেবল ফলাফল প্রকাশ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ইনপুট ডিভাইস হলো এমন সব হার্ডওয়্যার যা ব্যবহারকারী থেকে ডেটা গ্রহণ করে কম্পিউটারের প্রসেসরে পাঠায়। কার্যপদ্ধতি: প্রিন্টার কম্পিউটারের কাছ থেকে ইলেকট্রনিক সিগন্যাল গ্রহণ করে এবং তা কালির সাহায্যে কাগজে প্রিন্ট করে আউটপুট দেয়। পার্থক্য: কি-বোর্ড, মাউস ও স্ক্যানার ডেটা ভেতরে পাঠায় আর প্রিন্টার ডেটা বাইরে বা দৃশ্যমান রূপ দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কি-বোর্ডে কোনো অক্ষর টাইপ করা। ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহারকারী থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রবেশের কাজ করে, তাই এটি ইনপুট ডিভাইস। উদাহরণ ২: প্রিন্টার থেকে ডকুমেন্টের হার্ড কপি বের করা। ব্যাখ্যা: এটি কম্পিউটার থেকে তথ্য বাইরে প্রকাশ করে, তাই এটি আউটপুট ডিভাইস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রিন্টার — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস কারণ এটি কম্পিউটার থেকে ফলাফল বা তথ্য বাইরে প্রকাশ করে, তাই এটি সঠিক উত্তর। B) কি-বোর্ড — এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইনপুট ডিভাইস যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটারে লেখা ও নির্দেশ পাঠায়। C) মাউস — এটি একটি পয়েন্টিং ইনপুট ডিভাইস যা স্ক্রিনে কার্সার সরাতে ও নির্দেশ দিতে ব্যবহৃত হয়। D) স্ক্যানার — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস যা কাগজের ছবি বা ডকুমেন্ট ডিজিটাল রূপান্তর করে কম্পিউটারে পাঠায়। ৫. মনে রাখার টিপস: ইনপুট মানে ভেতরে পাঠানো যেমন কি-বোর্ড ও মাউস এবং আউটপুট মানে বাইরে প্রকাশ করা যেমন মনিটর ও প্রিন্টার। তথ্য প্রবেশের কাজটি ইনপুট ডিভাইস করে এবং ফলাফলের কাজটি আউটপুট ডিভাইস করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার হার্ডওয়্যার নির্বাচনে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের পার্থক্য থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। প্রিন্টার একটি হার্ড কপি আউটপুট ডিভাইস, যা সফট কপিকে স্থায়ী রূপ দেয়।

মোট প্রশ্ন (20)

a শওকত ওসমান
b হাসান আজিজুল হক
c আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
d শাহেদ আলী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হাসান আজিজুল হক ১. কেন সঠিক: 'আত্মজা ও একটি করবী গাছ' কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ছোটগল্প। এই গল্পটিতে প্রান্তিক মানুষের জীবন সংগ্রাম এবং গ্রামীণ সমাজের নিষ্ঠুর বাস্তবতা অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: হাসান আজিজুল হক বাংলা কথাসাহিত্যের এক অবিসংবাদিত নাম যিনি মূলত তাঁর শক্তিশালী গ্রামীণ পটভূমিভিত্তিক রচনার জন্য পরিচিত। তাঁর গল্পে মানুষের টিকে থাকার লড়াই এবং মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব গভীরভাবে প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'আগুনপাখি' ব্যাখ্যা: এটি হাসান আজিজুল হকের একটি বিখ্যাত ও বহুল পঠিত উপন্যাস, যা দেশভাগের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: 'বিমূর্ত আমাদের শৈশব' ব্যাখ্যা: এটি হাসান আজিজুল হকের একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প সংকলন, যা তাঁর সাহিত্যিক প্রতিভার অন্যতম নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শওকত ওসমান — শওকত ওসমান একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও 'আত্মজা ও একটি করবী গাছ' তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে জননী ও ক্রীতদাসের হাসি। B) হাসান আজিজুল হক — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই রচিত একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। C) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস — আখতারুজ্জামান ইলিয়াস আধুনিক বাংলা উপন্যাসের অন্যতম সেরা লেখক হলেও এই গল্পটি তাঁর নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস খোয়াবনামা ও চিলেকোঠার সেপাই। D) শাহেদ আলী — শাহেদ আলী একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হলেও তাঁর সবচেয়ে পরিচিত সাহিত্যকর্ম হলো জীব মৃত নামক ছোটগল্প গ্রন্থ, এই গল্পটি তাঁর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: হাসান আজিজুল হকের নামের সঙ্গে 'আত্মজা ও একটি করবী গাছ' গল্পটি মনে রাখার জন্য করবী ফুলের রঙের মতো তাঁর লেখার গভীরতাকে মনে রাখতে পারেন। তাঁর লেখা মানেই গ্রামীণ জীবনের নির্মম সত্য ও টিকে থাকার লড়াই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হাসান আজিজুল হকের ছোটগল্প ও উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে। তাঁর জন্ম ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় হলেও তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন এবং আমৃত্যু বাংলাদেশে কাটিয়েছেন।
a নির্বাচনযোগ্য নয়
b বর্ণনাতীত
c অনিশ্চিত
d নিশ্চিত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বর্ণনাতীত ১. কেন সঠিক: - 'অনির্বচনীয়' একটি এককথায় প্রকাশ বা বাকসংক্ষেপ। যা ভাষায় বা বাক্যে প্রকাশ করা যায় না, তাকে এককথায় অনির্বচনীয় বলা হয়। - প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, ন + বিচনীয় = অনির্বচনীয়, যার অর্থ যা মুখের কথায় বা বর্ণনায় প্রকাশ করা অসম্ভব। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন বিষয়ক ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বাক্যের অর্থকে সংক্ষিপ্ত করে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে বাক্য সংকোচন বলে। - উপসর্গ ও প্রত্যয় যোগ করে কিংবা সমাসবদ্ধ পদের মাধ্যমে এই ধরনের অর্থপূর্ণ শব্দ গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা বলা যায় না = অকথ্য ব্যাখ্যা: কথা বলার অযোগ্য বা যা মুখে উচ্চারণ করা যায় না, তাকে এককথায় অকথ্য বলা হয়। উদাহরণ ২: যা কখনো নষ্ট হয় না = অবিনশ্বর ব্যাখ্যা: যার বিনাশ বা ধ্বংস নেই, তাকে ব্যাকরণের নিয়মে অবিনশ্বর বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নির্বাচনযোগ্য নয় — এই বাক্যাংশের জন্য সঠিক এককথায় প্রকাশ অনির্বাচ্য হতে পারে, তবে অনির্বচনীয় শব্দের অর্থ এটি নয়। B) বর্ণনাতীত — এটি অনির্বচনীয় শব্দের সমার্থক এবং সঠিক উত্তর। C) অনিশ্চিত — যা নিশ্চিত নয় বা যার কোনো ঠিক ঠিকানা নেই, তাকে অনিশ্চিত বলা হয় এবং এটি অনির্বচনীয় শব্দের অর্থ নয়। D) নিশ্চিত — যা অবধারিত বা নিশ্চিতভাবে ঘটে, তাকে নিশ্চিত বলা হয় এবং এটি অনির্বচনীয় শব্দের বিপরীতার্থক। ৫. মনে রাখার টিপস: - অনির্বচনীয় শব্দটিতে 'বচন' কথাটি লুকিয়ে আছে, যার অর্থ কথা বা বর্ণনা। যা বচন বা কথার অতীত, তা-ই বর্ণনাতীত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। তাই মূল শব্দের ভেতরের মূল ধাতু বা অর্থ মনে রাখা জরুরি।
a পুরোপুরি
b পরিপাটি
c পরাধীন
d গুরুত্বহীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পরিপাটি ১. কেন সঠিক: - কেতাদুরস্ত বাগধারাটির অর্থ হলো পরিপাটি, শৌখিন বা শিষ্টাচারসম্মত। - এটি মূলত পোশাক-আশাকে কিংবা চলাফেরায় পরিপাটি ভাব বা শিষ্টাচার বজায় রাখাকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে। - কেতাদুরস্ত শব্দটি কেতাব অর্থাৎ নিয়ম বা শিষ্টাচার এবং দুরস্ত অর্থাৎ ঠিক বা উপযুক্ত শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নতুন চাকরির ইন্টারভিউতে তার কেতাদুরস্ত পোশাক সবাইকে মুগ্ধ করেছিল। ব্যাখ্যা: এখানে কেতাদুরস্ত বলতে পোশাক-আশাকের পরিপাটি ও মার্জিত রূপকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: ছেলেটি দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনি তার চলাফেরা অত্যন্ত কেতাদুরস্ত। ব্যাখ্যা: এখানে মার্জিত ও শিষ্টাচারসম্মত আচরণ বোঝাতে কেতাদুরস্ত ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুরোপুরি — পুরোপুরি বলতে সম্পূর্ণ বা সমস্ত বোঝায়, যা কেতাদুরস্ত বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) পরিপাটি — এটি সঠিক উত্তর কারণ কেতাদুরস্ত মানেই পরিপাটি বা শৌখিন। C) পরাধীন — পরাধীন অর্থ অন্যের অধীন বা পরাধীনতা, যার সঙ্গে কেতাদুরস্ত শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই। D) গুরুত্বহীন — গুরুত্বহীন অর্থ যার কোনো মূল্য বা গুরুত্ব নেই, এটিও কেতাদুরস্ত শব্দের বিপরীতার্থক বা অপ্রাসঙ্গিক। ৫ মনে রাখার টিপস: কেতাব অর্থ বই বা নিয়ম আর দুরস্ত অর্থ ঠিক। নিয়মকানুন মেনে চলে যে পরিপাটি থাকে, তাকেই কেতাদুরস্ত বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার উৎস ও অন্তর্নিহিত অর্থ প্রায়ই আসে। তাই আক্ষরিক অর্থ না ভেবে প্রমিত অর্থ মুখস্থ রাখতে হবে।
a অসমাপ্ত আত্মজীবনী
b আমার দেখা নয়াচীন
c আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর
d কারাগারের রোজনামচা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর ১. কেন সঠিক: - আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর গ্রন্থটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রচিত নয়, বরং এটি প্রবীণ রাজনীতিবিদ আবুল মনসুর আহমদের একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। - প্রশ্নে মূলত কোন গ্রন্থটি বঙ্গবন্ধুর লেখা নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, যার কারণে আবুল মনসুর আহমদের এই গ্রন্থটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই প্রশ্নটি লেখক ও সাহিত্যকর্ম এবং বাংলা সাহিত্য বিভাগের অন্তর্ভুক্ত। - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে বেশ কিছু প্রামাণ্য গ্রন্থ রচনা করেছেন যা বাংলা আত্মজীবনীমূলক সাহিত্যে অমূল্য সম্পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী ব্যাখ্যা: এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: কারাগারের রোজনামচা ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর কারাজীবনভিত্তিক একটি ঐতিহাসিক দিনলিপি বা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অসমাপ্ত আত্মজীবনী — এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রচিত একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ, যা ২০১২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। B) আমার দেখা নয়াচীন — এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতার ওপর রচিত একটি গ্রন্থ। C) আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর — এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রচিত নয়, বরং আবুল মনসুর আহমদের লেখা একটি বিখ্যাত গ্রন্থ। D) কারাগارهای রোজনামচা — এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত কারাবন্দী থাকাকালীন লেখা দিনলিপি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্গবন্ধুর মৌলিক গ্রন্থ মূলত তিনটি যার মধ্যে অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়াচীন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। - অন্যান্য প্রখ্যাত রাজনীতিবিদদের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ যেমন আবুল মনসুর আহমদের আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর থেকে আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত গ্রন্থগুলোর নাম এবং তাদের প্রকাশকাল বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - লেখকের নামের সঙ্গে অন্য প্রখ্যাত লেখকদের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থের নাম মিলিয়ে প্রায়ই বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন করা হয়।
a নুরজাহান বেগম
b শামসুন্নাহার মাহমুদ
c সুফিয়া কামাল
d সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুফিয়া কামাল ১. কেন সঠিক: - 'সাঁঝের মায়া' বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কবি ও লেখিকা সুফিয়া কামালের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। - ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটির জন্য তিনি ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন এবং কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর ভূয়সী প্রশংসা করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জননী সাহসিকা খ্যাত সুফিয়া কামাল বিংশ শতাব্দীর বাঙালি নারী জাগরণের অগ্রদূত ও প্রগতিশীল আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব। - তার উল্লেখযোগ্য অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে মায়াকাজল, উদাত্ত পৃথিবী, দিবা অবসান ইত্যাদি এবং সাঁঝের মায়া তার কাব্য প্রতিভার প্রথম সার্থক প্রকাশ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'সাঁঝের মায়া' কাব্যগ্রন্থটি সুফিয়া কামালের প্রথম সাহিত্যকর্মে অনন্য স্থান অধিকার করে আছে। ব্যাখ্যা: এটি কবির কবিকৃতির সূচনা এবং বাংলা কাব্যজগতে তার স্থায়ী আসন নিশ্চিত করে। উদাহরণ ২: সুফিয়া কামালের সম্পাদনায় নারী আন্দোলন ও সাহিত্যচর্চায় 'বেগম' পত্রিকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ব্যাখ্যা: তিনি নারীদের অধিকার ও সমাজ সংস্কারে সাহিত্যকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নুরজাহান বেগম — তিনি বিখ্যাত সাহিত্যিক ও সাংবাদিক ছিলেন, যিনি বেগম পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক হিসেবে পরিচিত, সাঁঝের মায়ার রচয়িতা নন। B) শামসুন্নাহার মাহমুদ — তিনি একজন প্রখ্যাত নারী জাগরণের অগ্রদূত, শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক ছিলেন, যিনি রোকেয়া জীবনী রচনা করলেও এই কবিতার রচয়িতা নন। C) সুফিয়া কামাল — এই অপশনটি সঠিক কারণ সাঁঝের মায়া কাব্যগ্রন্থটি একমাত্র তারই লেখা। D) সেলিনা হোসেন — তিনি সমসাময়িককালের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কথাসাহিত্যিক, যার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে নীলকণ্ঠ পাখি, কিন্তু তিনি এই কবিতার রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুফিয়া কামালের নামের সঙ্গে 'সাঁঝের মায়া' মনে রাখতে সন্ধ্যা বা সাঁঝের বেলায় প্রদীপ জ্বালানোর মতো প্রথম সৃষ্টির কথা মাথায় রাখতে হবে। - প্রথম কাব্যগ্রন্থ হিসেবে এটি তার জীবনের একটি মাইলফলক যা সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ বা বিখ্যাত গ্রন্থ প্রায়ই আসে। - সুফিয়া কামালের জন্ম ও মৃত্যু তারিখ এবং তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ সাঁঝের মায়ার প্রকাশের সাল মনে রাখা জরুরি।
a বর্জন
b গ্রহণ
c প্রসারণ
d সংকোচন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গ্রহণ ১. কেন সঠিক: 'অর্পণ' শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু প্রদান করা, সঁপে দেওয়া বা দান করা। এর ঠিক বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে 'গ্রহণ' শব্দটি, যার অর্থ কোনো কিছু নিজের বা ব্যবহারের জন্য নেওয়া। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার বা সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন। ভাষার ভাবকে সুন্দর ও সমৃদ্ধ করতে বিপরীতার্থক শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উপহার অর্পণ করা এক ব্যাপার আর উপহার গ্রহণ করা আরেক ব্যাপার। ব্যাখ্যা: এখানে অর্পণ অর্থ প্রদান এবং গ্রহণ অর্থ নেওয়া বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: গুরু শিষ্যের হাতে দায়িত্ব অর্পণ করলেন এবং শিষ্য তা গ্রহণ করল। ব্যাখ্যা: অর্পণ ও গ্রহণ শব্দ দুটি বিপরীতার্থক হিসেবে এখানে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্জন — বর্জন শব্দের অর্থ ত্যাগ করা বা বর্জন করা, যা অর্পণ শব্দের সরাসরি বিপরীত নয়। B) গ্রহণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ অর্পণের বিপরীত হলো গ্রহণ। C) প্রসারণ — প্রসারণ শব্দের অর্থ বিস্তার করা বা ছড়ানো, যা অর্পণের বিপরীতার্থক নয়। D) সংকোচন — সংকোচন শব্দের অর্থ ছোট করা বা কুঁকড়ে যাওয়া, যা অর্পণের বিপরীত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: অর্পণ মানে দেওয়া আর গ্রহণ মানে নেওয়া। দেওয়া ও নেওয়া পরস্পর বিপরীত ধারণা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা শব্দভান্ডার থেকে বিপরীতার্থক শব্দ আসে। শব্দ দুটির মূল অর্থ অনুধাবন করতে পারলে সঠিক উত্তর সহজে নির্বাচন করা যায়।
a 1822
b 1824
c 1826
d 1828
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮২৪ ১. কেন সঠিক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্যের এই রচিয়তা আধুনিক বাংলা কবিতারও অন্যতম পথপ্রদর্শক। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক এবং প্রথম সার্থক নাট্যকার হিসেবে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে পদ্মাবতী, কৃষ্ণকুমারী নাটক এবং তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য অত্যন্ত সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য, যা তাঁর অনন্য সৃষ্টিশীলতার পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮২২ — এই সালে মাইকেল মধুসূদন দত্ত জন্মগ্রহণ করেননি এবং এটি তাঁর জন্মসালের সঙ্গে মেলে না। B) ১৮২৪ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেছিলেন। C) ১৮২৬ — এই সালে তাঁর জন্ম হয়নি, এটি একটি ভুল সাল হিসেবে অপশনে দেওয়া হয়েছে। D) ১৮২৮ — এই সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেননি, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মসাল মনে রাখতে ১৮২৪ সংখ্যাটি মনে রাখতে পারো। তাঁর অমর সৃষ্টি মেঘনাদবধ কাব্য প্রকাশের বছর এবং জন্মসাল আলাদা করে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ও লেখকদের জন্মসাল ও জন্মস্থান প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। একইভাবে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বা কাজী নজরুল ইসলামের জন্মসাল আলাদা করে চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a একটি
b দুইটি
c তিনটি
d চারটি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুইটি ১. কেন সঠিক: - বাংলা লেখা ভাষার রীতি মূলত দুটি ভাগে বিভক্ত, যা সাধু ও চলিত রীতি নামে পরিচিত। - লেখার ভাষার এই দুটি রূপ ব্যবহারের ক্ষেত্র ও ব্যাকরণগত কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে ভাষা প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে লেখ্য রীতি দুই প্রকার, যথা সাধু রীতি ও চলিত রীতি। - সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ তুলনামূলকভাবে গুরুগম্ভীর ও প্রাচীন হয়। - চলিত রীতি বর্তমান প্রমিত মুখের ভাষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে এবং এটি অধিক ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাধু রীতি: আমি গতকাল বিদ্যালয়ে গিয়াছিলাম এবং পড়াশোনা করিয়াছিলাম। ব্যাখ্যা: এখানে ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের রূপ সাধু রীতির নিয়ম মেনে দীর্ঘ ও পূর্ণাঙ্গ আকারে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: চলিত রীতি: আমি গতকাল বিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম এবং পড়াশোনা করেছিলাম। ব্যাখ্যা: এখানে ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের রূপ সহজ এবং সংক্ষিপ্ত চলিত রীতি অনুযায়ী ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি — বাংলা লেখার ভাষা শুধু একটি নয়, বরং সাধু ও চলিত এই দুটি প্রধান রীতিতে বিভক্ত। B) দুইটি — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ বাংলা লেখার ভাষার রীতি মূলত সাধু ও চলিত এই দুটি। C) তিনটি — বাংলা লেখার ভাষার রীতি তিনটি নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। D) চারটি — বাংলা লেখার ভাষার কোনো চার প্রকার রীতি ব্যাকরণে স্বীকৃতি পায়নি, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - লেখার ভাষা মানেই সাধু ও চলিত এই দুটি রূপ মাথায় রাখতে হবে। - লেখার ক্ষেত্রে দুই হাত যেমন প্রধান, লেখার ভাষার রীতিও তেমনি দুটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার রূপ ও রীতি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সাধু ও চলিত রীতির পাথর্ক্য এবং এদের ব্যাকরণগত রূপ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a দৌলত উজির বাহরাম খান
b শাহ মুহম্মদ সগীর
c আলাওল
d দৌলত কাজী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলাওল ১. কেন সঠিক: মহা কবি সৈয়দ আলাওল সতের শতকের মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে প্রখ্যাত কবি যিনি আরাকান রাজ সভার নির্দেশে এই মহাকাব্যটি রচনা করেন। মূলত সুফি কবি মালিক মুহম্মদ জায়সীর পদুমাবত কাব্যের অনুসরণে ফারসি ভাষা থেকে বাংলা অনুবাদ ও পুনর্সৃজন করা হয় এই রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সৈয়দ আলাওল সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজ সভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও অনুবাদক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম হলো এই পদ্মাবতী কাব্য গ্রন্থটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সয়ফুল মুলক বদিউজ্জামান ব্যাখ্যা: এটিও মহাকবি আলাওলের একটি বিখ্যাত রোমান্টিক প্রণয়মূলক কাব্য যা তার অনুবাদ সাহিত্যের আরেকটি অসাধারণ নিদর্শন। উদাহরণ ২: সপ্তপয়কর ব্যাখ্যা: নিযামী গঞ্জভীর ফারসি কাব্যের অনুসরণে রচিত আলাওলের আরও একটি বিখ্যাত নীতিশিক্ষা ও রোমান্সমূলক কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৌলত উজির বাহরাম খান — এই কবি লায়লী মজনু কাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত হলেও পদ্মাবতী কাব্যের রচয়িতা নন। B) শাহ মুহম্মদ সগীর — তিনি প্রাচীন বাংলার স্বাধীন সুলতান নুসরত শাহের আমলে ইউসুফ জলেখা কাব্য রচনা করেছিলেন। D) দৌলত কাজী — তিনি সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্যের প্রণেতা হলেও পদ্মাবতী কাব্যের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: পদ্মাবতী কাব্য রচয়িতা আলাওল নাম মনে রাখতে পদ্ম বর্ণটি মনে রাখতে পারেন কারণ আলাওল মধ্যযুগের পদ্য বা কাব্য রচনার রাজা। আলাওল আরাকান রাজ সভার কবি ছিলেন এবং তার কাব্যে ফারসি ও আরবি শব্দের চমৎকার ব্যবহার দেখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার কবিদের নাম ও তাদের সাহিত্যকর্ম বারবার বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। অনুবাদ সাহিত্য এবং আরাকান রাজ সভার কবিদের পরিচিতি ভালোভাবে পড়লে এই ধরনের সাহিত্য বিষয়ক প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a দুই
b তিন
c চার
d পাঁচ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চার ১. কেন সঠিক: উৎপত্তিগত বা উৎসগত দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয়। এই চার প্রকার শব্দ হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও দেশি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: উৎসের ভিত্তিতে বাংলা শব্দভাণ্ডারকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, কারণ এর সাথে বিদেশি শব্দ যুক্ত হয়ে মোট পাঁচ প্রকার হয়। তবে উৎপত্তিগত দিক বা মূল উৎস বিবেচনা করলে মৌলিকভাবে চার প্রকার ধরা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্র ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যা সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। উদাহরণ ২: চাঁদ ব্যাখ্যা: এটি একটি তদ্ভব শব্দ যা প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুই — শব্দের উৎস দুই প্রকার নয়, এটি ভুল ধারণা। B) তিন — শব্দের উৎস তিন প্রকার নয়, সঠিক সংখ্যাটি চার। C) চার — এটি সঠিক কারণ উৎপত্তিগতভাবে মূল বাংলা শব্দ চার প্রকার। D) পাঁচ — বিদেশি শব্দ বাদ দিলে উৎপত্তিগত দিক থেকে মূল শব্দ চার প্রকারই হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: উৎপত্তিগত শব্দ মনে রাখার সহজ সূত্র হলো ত-ত-ত-দে, অর্থাৎ তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও দেশি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষায় প্রায়ই উৎস বা উৎপত্তিগত দিক থেকে শব্দের প্রকারভেদ জানতে চাওয়া হয়। মৌলিক শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a মেঘ
b অম্বুর
c রং
d বজ্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অম্বুর ১. কেন সঠিক: - 'অম্বুর' শব্দের অর্থ হলো যা অম্বু বা জল ধারণ করে, আর আকাশ জল বা মেঘ ধারণ করে বলে একে অম্বুর বলা হয়। - বাংলা ব্যাকরণে কিছু শব্দ উৎসমূল বা বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে একাধিক অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং সমার্থক শব্দ হিসেবে গণ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের অর্থ একই বা প্রায় কাছাকাছি কিন্তু বানান ও রূপ আলাদা হয়। - বাংলা ভাষায় শব্দের উৎস যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব বা বিদেশি হতে পারে, তেমনি অর্থগত দিক থেকেও সমার্থক শব্দের বৈচিত্র্য দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকাশ শব্দের অন্যান্য সমার্থক হলো ব্যোম, অম্বর, আসমান। ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো সরাসরি আকাশের সমার্থক হিসেবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি আসে। উদাহরণ ২: জল শব্দের সমার্থক হলো পানি, উদক, অম্বু। ব্যাখ্যা: জলবাচক শব্দগুলোর সঙ্গে বিশেষ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে আকাশের সমার্থক শব্দ গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘ — মেঘ হলো জলীয় বাষ্পের ঘনীভূত রূপ যা আকাশে ভাসে, কিন্তু মেঘ সরাসরি আকাশের সমার্থক নয়। B) অম্বুর — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি আকাশের একটি পরীক্ষিত সমার্থক শব্দ। C) রং — রং বলতে কোনো বস্তুর বর্ণ বা রূপকে বোঝায়, যার সঙ্গে আকাশের দূরতম কোনো সম্পর্ক নেই। D) বজ্র — বজ্র হলো মেঘের বিদ্যুৎ চমকানোর ফলে সৃষ্ট শব্দ বা বৈদ্যুতিক আবেশ, এটি আকাশ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অম্বু মানে জল এবং অম্বুর মানে আকাশ, এই সম্পর্কটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়। - আকাশের সমার্থক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ব্যোম, অম্বর এবং অম্বুর শব্দগুলো একসঙ্গে চর্চা করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কঠিন ও ব্যতিক্রমী সমার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন করা হয়। - সাধারণ শব্দের পাশাপাশি অপ্রচলিত বা প্রাচীন সমার্থক শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a জসীম উদ্দীন
b সৈয়দ শামসুল
c মুনীর চৌধুরী
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মুনীর চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - 'কবর' নাটকটির রচয়িতা শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী। - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে বন্দী জীবনে রচিত বাংলা নাট্যসাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক ও প্রতিবাদী সৃষ্টি হলো এই নাটকটি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বাংলা নাটকের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন। - ১৯৫৩ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী থাকা অবস্থায় তিনি এই একাঙ্ক নাটকটি রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রক্তকরবী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রতীকধর্মী নাটক। উদাহরণ ২: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি বিখ্যাত কাব্যনাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জসীম উদ্দীন — জসীম উদ্দীন বিখ্যাত পল্লীকবি হলেও 'কবর' নাটকটি তাঁর লেখা নয়, তবে তাঁর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কবিতার নাম 'কবর'। B) সৈয়দ শামসুল হক — সৈয়দ শামসুল হক একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার হলেও তিনি এই নাটকের রচয়িতা নন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি ও নাট্যকার হলেও 'কবর' নাটকটি তাঁর রচিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত নাটক মনে রাখতে মুনীর চৌধুরীর নাম সবার আগে আসবে এবং কারাগারে বসে লেখা প্রথম নাটক এটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই 'কবর' নাটক এবং 'কবর' কবিতার মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়, তাই নাটকের রচয়িতা মুনীর চৌধুরী এবং কবিতার রচয়িতা জসীম উদ্দীন বিষয়টি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ষট্ + যন্ত্র
b ষড় + যন্ত্র
c ষষ + য
d ষর + যন্ত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ষট্ + যন্ত্র ১. কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে প্রথম পদের অন্তস্থিত অঘোষ আল্পপ্রাণ ধ্বনির পরে ঘোষ ধ্বনি থাকলে তা বর্গের তৃতীয় ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়। - এখানে 'ষট্' শব্দের ট-এর পরে ঘোষ ধ্বনি য থাকায় ট পরিবর্তিত হয়ে ড-এ পরিণত হয়েছে এবং ষড়যন্ত্র গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবর্গ, চবর্গ, টবর্গ, তবর্গ ও পবর্গের প্রথম বর্ণের পর স্বরধ্বনি বা ঘোষ অল্পপ্রাণ বা ঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি কিংবা অন্তস্থ বর্ণ অথবা হ থাকলে প্রথম বর্ণ নিজ বর্গের তৃতীয় বর্ণে পরিণত হয়। - এই নিয়মে ট স্থানে ড হয়, যেমন ষট্ + যন্ত্র সমান ষড়যন্ত্র। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাগীশ ব্যাখ্যা: বাক্ + ঈশ সমান বাগীশ, যেখানে ক পরিবর্তিত হয়ে গ হয়েছে। উদাহরণ ২: অজন্ত ব্যাখ্যা: অচ্ + অন্ত সমান অজন্ত, যেখানে চ পরিবর্তিত হয়ে জ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষট্ + যন্ত্র — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কারণ ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী সঠিক পরিবর্তন ঘটেছে। B) ষড় + যন্ত্র — ষড় কোনো মূল শব্দ নয়, তাই এই বিচ্ছেদ ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) ষষ + য — এই অংশটি সন্ধির নিয়মের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না। D) ষর + যন্ত্র — ষর শব্দটির কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই এবং এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - ট-বর্গীয় ধ্বনির সঙ্গে য বা অন্য কোনো ঘোষ ধ্বনির সংযোগ ঘটলে ট পরিবর্তিত হয়ে ড হয়। - সন্ধি বিচ্ছেদের সময় প্রথম পদে সবসময় একটি পূর্ণ অর্থবহ মূল শব্দ বা উপসর্গ বসবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি প্রায়ই আসে। - বাক্ + দান সমান বাগান এবং অপ্ + দধি সমান অব্ধি, এই একই নিয়মের অন্তর্ভুক্ত।
a বাঁধনহারা
b কুহেলিকা
c যোগাযোগ
d রাজা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যোগাযোগ ১. কেন সঠিক: - যোগাযোগ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসে বাঙালি মধ্যবিত্ত সমাজের পারিবারিক জীবন, দ্বন্দ্ব এবং সম্পর্কের টানাপোড়েন নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ নোবেলজয়ী কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। - যোগাযোগ উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো মধুসূদন ও কুমুদিনী, যাদের মাধ্যমে তৎকালীন সমাজের বৈবাহিক সম্পর্কের জটিলতা প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোখের আলো ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা নারীর মনস্তত্ত্ব ও পারিবারিক সম্পর্কের ওপর রচিত। উদাহরণ ২: শেষের কবিতা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অত্যন্ত জনপ্রিয় রোমান্টিক উপন্যাস যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাঁধনহারা — এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম প্রকাশিত পত্রোপন্যাস। B) কুহেলিকা — এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস। D) রাজা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত সাংকেতিক বা রূপক নাটক। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের সামাজিক উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য যোগাযোগ ও শেষের কবিতার প্রকাশকাল ১৯২৯ সাল একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। - যোগাযোগ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কুমুদিনী ও মধুসূদন, যা পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস ও কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাসের মধ্যে প্রায়ই প্যাচ লাগানোর প্রশ্ন আসে। - লেখকদের উপন্যাসের নাম আলাদা করার জন্য নিয়মিত বিগত বছরের প্রশ্ন সমাধান করা প্রয়োজন।
a সঙ্গে
b প্রয়োজন
c নিমিত্তে
d ব্যতিরেকে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্যতিরেকে ১. কেন সঠিক: - এখানে 'বিনা' অনুসর্গটি বাংলা বাক্যে কোনো কিছু বাদ দিয়ে বা না বুঝিয়ে ব্যতিরেকে বা ছাড়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। - প্রদত্ত বাক্যে স্বদেশী ভাষা ছাড়া বা ব্যতিরেকে মনের আশা মেটে না, এই ভাবটি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে প্রকাশিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - অনুসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয় শব্দ যা বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে কারক বা সম্বন্ধ পদ বোঝাতে সাহায্য করে এবং শব্দ বিভক্তির কাজ করে। - বিনা, ছাড়া, ব্যতিরেকে, সহ, সহিত, করে, দ্বারা ইত্যাদি বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ অনুসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধন বিনা জীবন বৃথা। ব্যাখ্যা: এখানে 'বিনা' অনুসর্গটি টাকা বা ধন ছাড়া অর্থে ব্যতিরেকে ভাব প্রকাশ করছে। উদাহরণ ২: তোমা বিনা কে আর বুঝবে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'বিনা' অনুসর্গটি তুমি ছাড়া বা তোমার ব্যতিরেকে অর্থ প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঙ্গে — 'সঙ্গে' অনুসর্গটি কোনো কিছুর উপস্থিতি বা সাথ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের ভাবের সঙ্গে মেলে না। B) প্রয়োজন — 'প্রয়োজন' কোনো অনুসর্গ নয়, এটি একটি বিশেষ্য পদ এবং বাক্যের চাহিদার সঙ্গে এটি সম্পর্কিত নয়। C) নিমিত্তে — 'নিমিত্তে' অনুসর্গটি সাধারণত উদ্দেশ্যে বা জন্য অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা ব্যতিরেকে অর্থের পরিপন্থী। D) ব্যতিরেকে — এটি সঠিক অপশন কারণ এটি বিনা শব্দের আসল অর্থ অর্থাৎ ছাড়া বা বাদ দিয়ে ভাবটি সফলভাবে প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে বিনা বা ছাড়া দেখলে ধরে নেবে এটি ব্যতিরেকে বা বাদ দেওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। - অনুসর্গগুলো সাধারণত পদের পরে বসে এবং বিভক্তির মতো কাজ করে তা মনে রেখো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুসর্গের অর্থভিত্তিক ব্যবহার থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - অনুসর্গ এবং উপসর্গের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ জাতীয় প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b অক্ষয়কুমার দত্ত
c কাজী নজরুল ইসলাম
d প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - 'দৈনিক নবযুগ' পত্রিকার মূল সম্পাদক ছিলেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। - ১৯২০ সালে প্রকাশিত এই পত্রিকার মাধ্যমে তিনি ব্রিটিশ বিরোধী ও জনসচেতনতামূলক লেখালেখি করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের জাতীয় কবি এবং বিদ্রোহী কবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। - তিনি সাংবাদিকতার সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত ছিলেন এবং 'নবযুগ' ছাড়াও 'دوهник ধুমকেতু' ও 'লাঙল' পত্রিকার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'ধুমকেতু' পত্রিকা ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত অপর একটি বিখ্যাত ও বিদ্রোহী চেতনার অর্ধসাप्ताहिक পত্রিকা। উদাহরণ ২: 'লাঙল' পত্রিকা ব্যাখ্যা: এটি ছিল শ্রমিক ও কৃষকদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে প্রকাশিত একটি সাময়িকী যার প্রধান পরিচালক ছিলেন নজরুল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি 'বঙ্গদর্শন' ও 'সাধনা' পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কিন্তু 'নবযুগ' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। B) অক্ষয়কুমার দত্ত — তিনি মূলত 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে পরিচিত এবং নবযুগ পত্রিকার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই। C) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। D) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বিখ্যাত 'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক ও প্রবর্তক ছিলেন, নবযুগ পত্রিকার নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুল মানেই বিদ্রোহ এবং নবযুগ মানেই নতুন যুগের সূচনা যা নজরুলের সাহিত্য ও সাংবাদিকতার মূল সুর। - নবযুগ পত্রিকার নাম দেখলে মনে রাখবে এটি তরুণ বিদ্রোহী কবি নজরুলের সম্পাদিত পত্রিকা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সাংবাদিক নজরুল ও তাঁর সম্পাদিত পত্রিকার নাম জানতে চাওয়া হয়। - ধুমকেতু, লাঙল এবং নবযুগ পত্রিকার নাম ও সম্পাদকের তথ্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c হুমায়ুন আজাদ
d প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - 'বার্ধক্য তাহাই যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে, মৃত্যুকে আঁকড়িয়া পড়িয়া থাকে' উক্তিটির মূল প্রবক্তা বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। - তার বিখ্যাত প্রবন্ধ বা গদ্য রচনার একটি গভীর দার্শনিক ও তারুণ্যনির্ভর ভাবনা এটি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও প্রাবন্ধিক, যিনি বাংলা গানে ও কবিতায় নতুন সুর ও দ্রোহের আগুন নিয়ে এসেছিলেন। - তার গদ্য রচনায় তারুণ্যের শক্তি, মুক্তি এবং নতুন জীবনের জয়গান অত্যন্ত জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'যৌবনের কাজ নতুন সৃষ্টি করা, পুরনোকে ভেঙে চুরমার করে দেওয়া।' ব্যাখ্যা: এই ভাবনার সঙ্গে নজরুলের তরুণ সমাজকে জাগানোর বাণী ও বার্ধক্যের জীর্ণতাকে পরিহার করার দর্শন পুরোপুরি মিলে যায়। উদাহরণ ২: 'মোরা ঝড়ের বুড়ো হাঁস ডাকিয়ে নিয়ে যাই' ব্যাখ্যা: এটিও নজরুলেরুণ্যের অপ্রতিরোধ্য গতিশীলতা ও সাহসিকতার প্রতীকী প্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথে মননে বার্ধক্যের একটি পরিপক্ব ও শান্ত রূপ থাকলেও এই নির্দিষ্ট উদ্ধৃতিটি তার নয়। B) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর। C) হুমায়ুন আজাদ — হুমায়ুন আজাদ আধুনিক যুগের লেখক হলেও এই উক্তিটি তার কোনো বিখ্যাত প্রবন্ধের নয়। D) প্রমথ চৌধুরী — প্রমথ চৌধুরী বীরবল ছদ্মনামে লিখতেন এবং তার গদ্যে তারুণ্যের জয়গান থাকলেও এই উক্তিটি নজরুলের। ৫ মনে রাখার টিপস: - পুরাতন ও মৃত্যুকে আঁকড়ে থাকার বিরুদ্ধে তারুণ্যের জয়গান গাওয়া এবং বিদ্রোহী সুর তোলার জন্য কাজী নজরুল ইসলামকে মনে রাখবে। - তরুণদের জাগাতে এবং জীর্ণতাকে ছুড়ে ফেলতে নজরুলের গদ্যের তুলনা নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের বিখ্যাত প্রবন্ধের উদ্ধৃতি প্রায়ই আসে। - গদ্য পাঠের সময় বিখ্যাত লাইনগুলো আলাদা করে নোট করে রাখা উচিত।
a কৃতজ্ঞ
b কৃতঘ্ন
c অপকারী
d শত্রুঘ্ন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কৃতজ্ঞ ১. কেন সঠিক: উপকারীর উপকার যে ব্যক্তি স্বীকার করে এবং মনে রাখে, তাকে এককথায় কৃতজ্ঞ বলা হয়। এটি মূলত কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি মানসিক অবস্থাকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের অন্তর্ভুক্ত। শব্দটির মূল গঠনে কৃৎ ধাতু এবং প্রত্যয়ের প্রভাব রয়েছে, যা উপকার স্বীকার করার ভাব প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিপদের দিনে যে সাহায্য করে তাকে কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করা উচিত। ব্যাখ্যা: এখানে উপকারের স্বীকৃতি স্বরূপ কৃতজ্ঞ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: সে আমার অনেক উপকার করেছিল, তাই আমি তার প্রতি আজীবন কৃতজ্ঞ থাকব। ব্যাখ্যা: উপকার পাওয়ার পর তা স্বীকার করার মনোভাব বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃতজ্ঞ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি উপকার স্বীকার করার অর্থ প্রকাশ করে। B) কৃতঘ্ন — এই শব্দটি উপকারের অপকার করে যে বা যে উপকারের বদলা অপকার করে, তাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) অপকারী — এই শব্দের অর্থ যে অন্যের ক্ষতি বা অপকার করে, যা প্রশ্নানুসারে মেলে না। D) শত্রুঘ্ন — এর অর্থ যে শত্রু দমন করে বা হত্যা করে, যা এই বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কহীন। ৫. মনে রাখার টিপস: উপকার স্বীকার করলে হয় কৃতজ্ঞ এবং উপকার ভুলে গিয়ে ক্ষতি করলে হয় কৃতঘ্ন। প্রথম অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে কৃতজ্ঞ মানে ভালো গুণ বা স্বীকার করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃতজ্ঞ এবং কৃতঘ্ন শব্দ দুটি প্রায়ই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। তাই উপকারের স্বীকার ও অস্বীকারের বিষয়টি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a সরল
b জটিল
c যৌগিক
d মিশ্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যৌগিক ১. কেন সঠিক: - যে বাক্যে দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য সমবায় বা যোজক দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য গঠন করে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে। - এখানে 'ছেলেটি গরীব' এবং 'মেধাবী' (সে মেধাবী) এই দুটি স্বাধীন বাক্য 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যৌগিক বাক্যে সাধারণত এবং, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা, অতএব ইত্যাদি অব্যয় ব্যবহৃত হয়। - এই বাক্যগুলোতে খণ্ডবাক্যগুলো একে অপরের ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি ধনী কিন্তু অত্যন্ত কৃপণ। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য 'তিনি ধনী' এবং 'অত্যন্ত কৃপণ' পরস্পর 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে। উদাহরণ ২: সে খুব কষ্ট করল, তাই সাফল্য পেল। ব্যাখ্যা: এখানে 'সে খুব কষ্ট করল' এবং 'সাফল্য পেল' দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য 'তাই' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল — যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। প্রদত্ত বাক্যটি সরল নয় কারণ এখানে দুটি খণ্ডবাক্য রয়েছে। B) জটিল — যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন বাক্য ব্যবহৃত হয়, তাকে জটিল বাক্য বলে। প্রদত্ত বাক্যে কোনো অধীনতা নেই। D) মিশ্র — মিশ্র বাক্য হলো জটিল বাক্যের অপর নাম। প্রদত্ত বাক্যটি জটিল বা মিশ্র বাক্যের ব্যাকরণগত কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যৌগিক বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো বাক্যের মাঝে কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা, তাই, অতএব ইত্যাদি যোজক বা অব্যয় খোঁজা। - স্বাধীন দুটি বাক্য যখন এই ধরনের অব্যয় দিয়ে জোড়া থাকে, তখন চোখ বন্ধ করে তাকে যৌগিক বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাক্য রূপান্তরের সময় খেয়াল রাখতে হবে যে যৌগিক বাক্যের খণ্ডবাক্যগুলো স্বাধীন অর্থ প্রকাশ করে। - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য থেকে প্রশ্ন আসলে প্রথমে অব্যয় পদগুলো চিহ্নিত করে বাক্য রূপ নির্ণয় করা সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি।
a মদনমোহন তর্কালংকার
b কালিপ্রসন্ন সিংহ
c ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
d অক্ষয়কুমার দত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মদনমোহন তর্কালংকার ১. কেন সঠিক: প্রশ্নোক্ত পংক্তিটি ঊনবিংশ শতকের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক মদনমোহন তর্কালংকারের শিশুশিক্ষা গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত। বাঙালি শিশুদের নৈতিক শিক্ষা ও চরিত্র গঠনের জন্য এই পংক্তিটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং যুগ যুগ ধরে প্রাথমিক পাঠ্যপুস্তকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মদনমোহন তর্কালংকার ছিলেন উনিশ শতকের নবজাগরণের অন্যতম অগ্রদূত এবং ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সহপাঠী ও বন্ধু। তাঁর রচিত শিশুশিক্ষা গ্রন্থটি বাংলা শিক্ষার ইতিহাসে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ, যা ছোটদের মধ্যে নৈতিকতা ও শিষ্টাচার ছড়াতে প্রধান ভূমিকা রেখেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল, কাননে কুসুম কলি সকল ফুটিল। ব্যাখ্যা: এটিও মদনমোহন তর্কালংকারের শিশুশিক্ষা গ্রন্থের একটি বিখ্যাত পংক্তি, যা সকালে ঘুম থেকে ওঠার প্রেরণা জোগায়। উদাহরণ ২: প্রভাতে উঠিয়া আমি বড়ো যে সাধসি, খেলিবারে যাই যেন কারে না বাসি। ব্যাখ্যা: এটি শিশুদের শৈশবকালীন মানসিকতা ও নির্মল আনন্দের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে শিশুসাহিত্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মদনমোহন তর্কালংকার — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি শিশুশিক্ষা গ্রন্থে এই বিখ্যাত পংক্তিটি রচনা করেছেন। B) কালিপ্রসন্ন সিংহ — তিনি একজন বিখ্যাত অনুবাদক ও হুতোম প্যাঁচার নকশা গ্রন্থের রচয়িতা হলেও এটি তাঁর রচনা নয়। C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বর্ণপরিচয় ও কথামালা রচয়িতা হলেও এই নির্দিষ্ট পংক্তিটির রচয়িতা নন। D) অক্ষয়কুমার দত্ত — তিনি তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক ও বিজ্ঞানভিত্তিক প্রবন্ধ রচয়িতা হলেও এই কবিতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন। ৫ মনে রাখার টিপস: সকালে ঘুম থেকে উঠে ভালো হওয়ার কথা বলেছেন মদনমোহন তর্কালংকার। শিশুশিক্ষা বইটির নাম মনে রাখলে তাঁর লেখা এমন নৈতিক পংক্তিগুলো সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শিশুশিক্ষা কার রচনা এই প্রশ্নটি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ও বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে। মদনমোহন তর্কালংকারের লেখা পংক্তিগুলোর নৈতিক আবেদন ও সুর শিশুদের কবিতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত অনন্য।

মোট প্রশ্ন (20)

a Although he was wealthy, he was unhappy.
b In spite of his wealth he was unhappy.
c He was wealthy but he was unhappy.
d None of them.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Although he was wealthy, he was unhappy. কেন সঠিক: - এই বাক্যে একটি প্রিনিপাল ক্লজ এবং একটি সাবর্ডিনেট ক্লজ রয়েছে, যা কমপ্লেক্স সেন্টেন্সের মূল গঠন। - এখানে Although যুক্ত অংশটি সাবর্ডিনেট ক্লজ এবং পরের অংশটি প্রিনিপাল ক্লজ হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Although he was wealthy, he was unhappy. — এটি একটি জটিল বা কমপ্লেক্স বাক্য কারণ এতে একটি অধীন ও একটি প্রধান খণ্ডবাক্য যুক্ত আছে। B) In spite of his wealth he was unhappy. — এটি একটি সরল বা সিম্পল বাক্য কারণ এতে একটিমাত্র সাবজেক্ট ও ফাইনাইট ভার্ব আছে। C) He was wealthy but he was unhappy. — এটি একটি যৌগিক বা কম্পাউন্ড বাক্য কারণ দুটি প্রধান খণ্ডবাক্য but দ্বারা যুক্ত হয়েছে। D) None of them. — এই অপশনটি ভুল কারণ এর আগের অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: complex সেন্টেন্সে although বা because থাকে, compound সেন্টেন্সে and বা but থাকে এবং simple সেন্টেন্সে phrase থাকে।
a does not
b did not
c would not
d do not
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) would not কেন সঠিক: - I wish এর পর বর্তমানের কোনো অপছন্দনীয় বা বিরক্তিকর অভ্যাস প্রকাশ করতে subjunctive mood হিসেবে would ব্যবহার করা হয়। - বর্তমানের অপছন্দনীয় বৃষ্টিপাতের মতো কাজের ক্ষেত্রে I wish এর পরের অংশে would not বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) does not — এটি Present Indefinite Tense-এর রূপ, যা I wish-এর পরের এই বিশেষ গঠনে grammatically সঠিক নয়। B) did not — এটি সাধারণ Past Tense প্রকাশ করে, কিন্তু বিরক্তিকর অভ্যাসের ক্ষেত্রে এখানে would not বেশি উপযুক্ত। C) would not — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি I wish-এর পর বর্তমানের বিরক্তিকর অভ্যাস বা অনিচ্ছা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। D) do not — Subject singular হোক বা plural, I wish-এর পরে do not বসে না। মনে রাখার টিপস: I wish-এর পর বর্তমানের কোনো বিরক্তিকর বা অপছন্দনীয় অভ্যাসের কথা বলতে subject-এর পরে would not ব্যবহার করতে হয়।
a Alumni
b Criteria
c Phenomena
d Thesis
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: D) Thesis কেন সঠিক: - Thesis শব্দটি গ্রিক ভাষা থেকে আগত একটি singular noun যার বহুবচন হলো Theses। - এর শেষ অক্ষর is থাকার কারণে এটি একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Alumni — এটি একটি plural noun, যার singular রূপ হলো Alumnus। B) Criteria — এটি একটি plural noun, যার singular রূপ হলো Criterion। C) Phenomena — এটি একটি plural noun, যার singular রূপ হলো Phenomenon। D) Thesis — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিজেই একটি singular noun। মনে রাখার টিপস: noun এর শেষে is থাকলে সাধারণত তা singular হয় এবং es থাকলে plural হয় যেমন thesis এবং theses।
a Alarmingly
b Increase
c Acutely
d Severe
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Parts of Speech) সঠিক উত্তর: D) Severe কেন সঠিক: - শূন্যস্থানের আগে linking verb 'appears to be' রয়েছে, যার পরে adjective বসে অবস্থা প্রকাশ করে। - 'Pollution' একটি noun এবং এর অবস্থা বোঝাতে adjective হিসেবে 'Severe' শব্দটি এখানে সবচেয়ে যথাযথ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Alarmingly — এটি একটি adverb, যা এখানে subject-এর দোষ বা গুণ সরাসরি প্রকাশ করতে পারে না। B) Increase — এটি সাধারণত verb বা noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এখানে একটি adjective প্রয়োজন। C) Acutely — এটি একটি adverb, যা verb বা adjective-কে modify করে কিন্তু সরাসরি subject-এর complement হতে পারে না। D) Severe — এটি একটি সঠিক adjective, যা pollution-এর তীব্রতা প্রকাশ করতে perfectly বসেছে। মনে রাখার টিপস: Linking verb-এর পরে noun বা pronoun-এর দোষ-গুণ বা অবস্থা বোঝাতে সবসময় adjective বসে।
a Similarity
b Inconsistence
c Variance
d Vagary
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Similarity কেন সঠিক: - 'Dissonance' শব্দের অর্থ অনৈক্য, অমিল বা বেসুরো ভাব। - এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'Similarity', যার অর্থ সাদৃশ্য বা মিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Similarity — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি dissonance শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Inconsistence — এটি dissonance শব্দের সমার্থক, যার অর্থ অসঙ্গতি বা অমিল। C) Variance — এটিও dissonance শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, যার অর্থ বৈচিত্র্য বা অমিল। D) Vagary — এর অর্থ খেয়ালিপনা বা খামখেয়ালি, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। মনে রাখার টিপস: 'Dis-' উপসর্গযুক্ত শব্দ সাধারণত নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে, তাই dissonance এর বিপরীত খুঁজতে ইতিবাচক শব্দ similarity বেছে নিতে হবে।
a 16th December
b 21st February
c 17th April
d 26th March
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 26th March কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। - এই দিন থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 16th December — এটি বাংলাদেশের বিজয় দিবস, যেদিন পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল। B) 21st February — এটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবস। C) 17th April — এটি ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস, যেদিন প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ নিয়েছিল। D) 26th March — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালিত হয়। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধ শুরু ও স্বাধীনতা ঘোষণা হয়েছিল মার্চ মাসে, তাই ২৬ মার্চ হলো স্বাধীনতা দিবস।
a was
b is
c an
d were
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) were কেন সঠিক: - বাক্যে 'Neither... nor' থাকলে নিকটবর্তী সাবজেক্ট অনুযায়ী ভার্ব নির্ধারিত হয়। - এখানে নিকটবর্তী সাবজেক্ট হলো বহুবচন 'her parents', তাই এর সাথে বহুবচন ভার্ব 'were' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) was — এটি একবচন ভার্ব, কিন্তু নিকটবর্তী সাবজেক্ট 'her parents' বহুবচন হওয়ায় এটি সঠিক নয়। B) is — এটি বর্তমানকালের একবচন ভার্ব, যা অতীতের বা নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) an — এটি কোনো ভার্ব নয়, বরং একটি আর্টিকেল, তাই এটি শূন্যস্থানে বসতে পারে না। D) were — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাবজেক্টের সাথে এটি grammatically সঠিক। মনে রাখার টিপস: Neither... nor যুক্ত বাক্যে শেষের সাবজেক্টটি (verb-এর কাছেরটি) একবচন হলে singular verb এবং বহুবচন হলে plural verb বসে।
a close
b to close
c closing
d closed
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) closing কেন সঠিক: - Would you mind এর পর verb এর সঙ্গে ing যুক্ত হয় কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট ইংরেজি নিয়ম। - polite request করার সময় mind শব্দের পরে gerund ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) close — Would you mind এর পরে verb এর base form বসালে ব্যাকরণগত ভুল হয়। B) to close — Would you mind এর পরে infinitive অর্থাৎ to যুক্ত verb ব্যবহার করা যায় না। C) closing — এটি সঠিক উত্তর কারণ mind এর পরে verb এর সাথে ing যুক্ত হয়েছে। D) closed — Would you mind এর পরে verb এর past form বা past participle ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: Would you mind দেখলে মনে রাখবে এর পরে সবসময় verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
a in
b about
c at
d for
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) at কেন সঠিক: - কোনো বিষয়ে দক্ষতা বোঝাতে গুড শব্দের পরে প্রিপজিশন হিসেবে অ্যাট বসে। - গণিতে দক্ষ অর্থে হি ইজ ভেরি গুড অ্যাট ম্যাথমেটিকস বাক্যটি সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম অনুসরণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — দক্ষ বোঝাতে ইন প্রিপজিশন ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) about — কোনো বিষয়ে ধারণা বা তথ্য বোঝাতে অ্যাবাউট বসে, দক্ষতা বোঝাতে নয়। D) for — উদ্দেশ্যে বোঝাতে ফর বসে, তাই এখানে এটি ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে গুড শব্দের পরে সব সময় অ্যাট প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
a Liason
b Liaison
c Leason
d Liazo
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Liaison কেন সঠিক: - বানানটির অর্থ যোগাযোগ বা সংযোগ এবং এতে নির্দিষ্ট বানানের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক বর্ণ বিন্যাস ব্যবহৃত হয়েছে। - শব্দটিতে একটি 'i', দুটি 'a', একটি 's', দুটি 'i', একটি 'o' এবং একটি 'n' আছে যা একে প্রমিত বানান করে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Liason — বানানটি ভুল কারণ এতে মধ্যবর্তী প্রয়োজনীয় 'i' বর্ণটি বাদ পড়েছে। B) Liaison — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং প্রমিত ইংরেজি বানানরীতি মেনে চলে। C) Leason — বানানটি ভুল কারণ প্রথম অংশে 'ia'-র বদলে ভুলভাবে 'ea' ব্যবহার করা হয়েছে। D) Liazo — বানানটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ এর শেষে সঠিক বর্ণ গুচ্ছ নেই এবং বানানটি অসম্পূর্ণ। মনে রাখার টিপস: শব্দটি মনে রাখতে Li-ai-son এভাবে ভেঙে পড়লে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a Amusing situation
b Risky situation
c Formal situation
d Informal situation
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Risky situation কেন সঠিক: - পাতলা বরফের ওপর হাঁটা অত্যন্ত বিপজ্জনক কারণ বরফ যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে যেতে পারে। - এই বাস্তব অবস্থাকে রূপক হিসেবে ব্যবহার করে খুব ঝুঁকিপূর্ণ বা অনিশ্চিত পরিস্থিতি বোঝাতে এই ইডিয়মটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Amusing situation — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ আনন্দদায়ক পরিস্থিতি, যা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার সঙ্গে মেলে না। B) Risky situation — এই অপশনটি সঠিক কারণ অন থিন আইস ফ্রেজটির আক্ষরিক ও ভাবার্থ উভয় থেকেই বিপজ্জনক বা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা বোঝায়। C) Formal situation — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ আনুষ্ঠানিক পরিস্থিতি, যা এই ইডিয়মের অর্থের বিপরীত। D) Informal situation — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ অনানুষ্ঠানিক পরিস্থিতি, যার সঙ্গে এই ঝূঁকিপূর্ণ বা বিপজ্জনক অবস্থার কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: পাতলা বরফে (Thin ice) হাঁটা মানেই যেকোনো মুহূর্তে বিপদ, তাই এটি একটি ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি (Risky situation)।
a Will not
b won't
c doesn't
d will
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) will কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটির মূল অংশ negative (won't), তাই ট্যাগ কোশ্চেনটি affirmative হবে। - মূল বাক্যে future indefinite tense-এর auxiliary verb হিসেবে will ব্যবহৃত হয়েছে, তাই ট্যাগে will বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Will not — মূল বাক্যটি negative হওয়ায় ট্যাগটি affirmative হবে, তাই এটি ভুল। B) won't — এটি negative রূপ, যা affirmative ট্যাগের নিয়মের সাথে মিলে না। C) doesn't — মূল বাক্যে won't থাকায় present tense-এর সাহায্যকারী verb এখানে বসবে না। D) will — এটি সঠিক অপশন কারণ negative বাক্যের জন্য affirmative ট্যাগ হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ট্যাগ কোশ্চেনের নিয়ম হলো মূল বাক্য negative হলে ট্যাগটি affirmative হবে।
a is finished
b was finished
c had finished
d not finished
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) had finished কেন সঠিক: - বাক্যের প্রথম অংশ 'He told me' Past Tense-এ থাকায় Narration-এর নিয়ম অনুযায়ী পরের অংশ Past Perfect Tense (had + V3) হয়েছে। - Subject সরাসরি নিজে কাজ করায় বাক্যটি Active Voice-এ আছে, তাই এখানে 'had finished' সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is finished — এটি Present Tense এবং Passive রূপের মতো দেখায়, যা Past Tense-এর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। B) was finished — এটি Past Tense হলেও Passive Voice বোঝায়, অথচ Subject নিজে কাজটি শেষ করেছিল তাই এটি Active হবে। C) had finished — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি Past Perfect Tense-এর Active গঠন। D) not finished — এটি অসমাপ্ত ও ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ গঠন, কারণ এখানে কোনো auxiliary verb নেই। মনে রাখার টিপস: Indirect Speech-এ Principal Clauseটি Past Tense হলে Subordinate Clauseটি Past Perfect Tense-এ রূপান্তরিত হয়।
a I, you and he
b He, you and I
c You, he and I
d He, I and you
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) You, he and I কেন সঠিক: - সাধারণ বাক্যে একাধিক ভিন্ন পুরুষের প্রোনাউন পাশাপাশি বসলে প্রথমে দ্বিতীয় পুরুষ (You), পরে তৃতীয় পুরুষ (He) এবং শেষে প্রথম পুরুষ (I) বসে। - ব্যাকরণের এই নিয়মটিকে স্বাভাবিক বিন্যাস বা টু থ্রি ওয়ান নিয়ম বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I, you and he — এখানে ক্রমবিন্যাসটি ভুল কারণ প্রথম পুরুষ প্রথমে এবং দ্বিতীয় পুরুষ পরে এসেছে। B) He, you and I — এখানে তৃতীয় পুরুষ প্রথমে আসায় স্বাভাবিক ক্রমবিন্যাস বা টু থ্রি ওয়ান নিয়ম লঙ্ঘিত হয়েছে। C) You, he and I — এটি সঠিক ক্রমবিন্যাস যা স্বাভাবিক বাক্যে প্রোনাউনের নিয়মের সঙ্গে মিলে যায়। D) He, I and you — এখানে তৃতীয় ও প্রথম পুরুষ আগে আসায় প্রোনাউন সাজানোর সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম মানা হয়নি। মনে রাখার টিপস: সাধারণ স্বীকারোক্তি বা স্বাভাবিক বাক্যে প্রোনাউনের ক্রম মনে রাখার সহজ সূত্র হলো দুই, তিন, এক অর্থাৎ You, he and I।
a Entrepreneuor
b Entrepreneur
c Entrepreneub
d Enterprenur
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Entrepreneur কেন সঠিক: - বানানটির সঠিক গঠন হলো en-tre-pre-neur যার অর্থ উদ্যোক্তা। - এটি একটি ফরাসি শব্দ যা ইংরেজি ভাষায় একইভাবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Entrepreneuor — এই বানানে শেষে ouor ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে। B) Entrepreneur — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানান। C) Entrepreneub — এই বানানের শেষে b ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল। D) Enterprenur — এই বানানে শুরুতে Enter এবং শেষে nur ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বানানটি সহজে মনে রাখতে এভাবে ভাগ করুন: En - tre - pre - neur.
a common
b abstract
c collective
d proper
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) common কেন সঠিক: - 'Country' শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট দেশকে না বুঝিয়ে পৃথিবীর যেকোনো দেশকে সামগ্রিকভাবে বোঝায়। - একই জাতীয় বা শ্রেণীর নির্দিষ্ট কোনো নাম না হয়ে সাধারণ নাম হওয়ায় এটি Common Noun। বাকি অপশন কেন ভুল: A) common — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একই শ্রেণীর সাধারণ নাম বোঝায়। B) abstract — এটি ভুল কারণ এটি কোনো গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম নয়, যা দেখা যায় না। C) collective — এটি ভুল কারণ এটি একজাতীয় একাধিক ব্যক্তির সমষ্টিগত দল বা সমাহার বোঝায় না। D) proper — এটি ভুল কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট বা বিশেষ দেশের নাম বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: যেকোনো সাধারণ নাম যেমন country বা boy হলো common noun, আর নির্দিষ্ট নাম যেমন Bangladesh বা Rahim হলো proper noun।
a have paid
b plying
c has paid
d are paying
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) has paid কেন সঠিক: - বাক্যে each boy and each girl-এর মাঝে and থাকা সত্ত্বেও প্রতিটি Subject আলাদাভাবে বোঝানো হয়েছে। - Each দ্বারা পৃথকভাবে নির্দেশ করার কারণে Verbটি সর্বদা singular হয়, তাই সঠিক উত্তর C। বাকি অপশন কেন ভুল: A) have paid — subject singular হওয়ায় এখানে plural verb (have) ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) plying — এটি present participle বা gerund রূপ, যা এই বাক্যের finite verb হিসেবে বসে না। C) has paid — এটি এই বাক্যের জন্য সম্পূর্ণ সঠিক উত্তর কারণ subject singular ও tense সঠিক। D) are paying — subject singular হওয়ায় এখানে plural verb (are) ব্যবহার করা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে each বা every থাকলে Subject যতই plural হোক না কেন, Verb সব সময় singular হয়।
a so
b very
c too
d more
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) too কেন সঠিক: - বাক্যে 'too... to' cấu trúc ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ এতই... যে তা সম্ভব নয়। - এখানে 'too carefully' এর পর 'to make a mistake' অংশটি এই নেতিবাচক ফলাফল প্রকাশ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) so — 'so... that' কাঠামোর প্রয়োজন হয়, কিন্তু এখানে 'that' এর পরিবর্তে 'to' রয়েছে। B) very — 'very' সাধারণত সাধারণ বিশেষণ বা ক্রিয়াবিশেষণের তীব্রতা বোঝাতে বসে, কিন্তু পরবর্তী 'to' ক্লজের সাথে এটি মেলে না। C) too — এটি সঠিক কারণ 'too... to' কাঠামোর মাধ্যমে অতিশয়তার সাথে নেতিবাচক ফলাফল প্রকাশ করা হয়। D) more — এটি তুলনামূলক ডিগ্রি নির্দেশ করে, যা এই বাক্যের কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'to' থাকলে তার আগে সাধারণত 'too' ব্যবহার করতে হয়, যা 'too... to' নিয়ম গঠন করে।
a to live
b living
c live
d lived
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: A) to live (দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত উত্তরে ভুল রয়েছে। প্রশ্নে 'rather than' থাকার কারণে সঠিক উত্তর হবে C) live। 'Prefer to do rather than do' নিয়ম অনুযায়ী এখানে bare infinitive ব্যবহৃত হয়।) কেন সঠিক: - prefer verb-এর সাথে দুটি কাজের তুলনা করার সময় 'prefer to do rather than do' বা 'would prefer to do rather than do' গঠন ব্যবহৃত হয়। - rather than এর পরে সবসময় bare infinitive (infinitive without to) বসে, তাই এখানে 'live' সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to live — প্রদত্ত উত্তরে এটিকে সঠিক বলা হলেও, 'rather than'-এর পর 'to live' বসলে ব্যাকরণগতভাবে সমতা নষ্ট হয়। B) living — 'prefer doing to doing' গঠন ছাড়া 'rather than'-এর সাথে gerund বসে না। C) live — এটি সঠিক উত্তর হওয়া উচিত ছিল, কারণ 'rather than'-এর পরে সবসময় verb-এর বেস ফর্ম বা bare infinitive বসে। D)ived — এটি Past tense-এর রূপ, যা বর্তমান বা সাধারণ পছন্দের বাক্যে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'rather than' থাকলে তার আগের verb-এর রূপের সাথে মিল রেখে পরের verb-টি 'to' ছাড়া বসে (Bare infinitive)।
a Sincerity
b Competence
c Quality
d Incapacity
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) Competence কেন সঠিক: - Ability শব্দের অর্থ সামর্থ্য, দক্ষতা বা যোগ্যতা, যার সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক শব্দ হলো competence। - Competence বলতে কোনো কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান, দক্ষতা ও যোগ্যতাকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sincerity — এর অর্থ সততা বা আন্তরিকতা, যা দক্ষতার সমার্থক নয়। B) Competence — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ যোগ্যতা বা দক্ষতা। C) Quality — এর অর্থ গুণ বা মান, যা সরাসরি সামর্থ্য বোঝায় না। D) Incapacity — এর অর্থ অক্ষমতা বা অযোগ্যতা, যা Ability শব্দের বিপরীত শব্দ। মনে রাখার টিপস: Ability এবং Competence দুটি শব্দই কাজের দক্ষতা ও যোগ্যতার সঙ্গে যুক্ত, তাই এগুলো একে অপরের সমার্থক।

মোট প্রশ্ন (15)

a 2016
b 2019
c 2017
d 2015
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০১৭ কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ২০১৭ সালের ৩০শে অক্টোবর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে 'মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টার' বা বিশ্ব-প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। - এই স্বীকৃতির মাধ্যমে ভাষণটি কেবল বাংলাদেশের নয়, বরং সমগ্র মানবজাতির প্রামাণ্য দলিল হিসেবে বিশ্বজুড়ে মর্যাদা লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১৬ — এই সালে ভাষণটি বিশ্ব-ঐতিহ্য দলিলের স্বীকৃতি পায়নি, এটি ভুল সাল। B) ২০১৯ — এটি ৭ই মার্চ ভাষণ স্বীকৃতির সঠিক সাল নয়, পরে ইউনেস্কোর অন্য কোনো কার্যক্রম হতে পারে। C) ২০১৭ — এটি সঠিক বছর, যখন ইউনেস্কো এই ঐতিহাসিক ভাষণকে স্বীকৃতি প্রদান করে। D) ২০১৫ — এই সালে ইউনেস্কো ৭ই মার্চ ভাষণকে বিশ্ব-ঐতিহ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। মনে রাখার টিপস: ভাষণের সাত এবং ২০১৭ সালের শেষের অঙ্ক সাত মিলিয়ে সালটি মনে রাখতে পারো।
a ৩ স্তর
b ৪ স্তর
c ৫ স্তর
d ৬ স্তর
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) ৩ স্তর কেন সঠিক: - বাংলাদেশের বর্তমান স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা মূলত তিন স্তর বিশিষ্ট কাঠামো নিয়ে গঠিত। - গ্রামীণ অঞ্চলে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এবং জেলা পরিষদ এই তিনটি স্তর সক্রিয় রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ স্তর — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার কাঠামো তিনটি প্রধান স্তরে বিন্যস্ত। B) ৪ স্তর — এটি ভুল কারণ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় চারটি স্বতন্ত্র স্তর বর্তমানে প্রচলিত নেই। C) ৫ স্তর — এটি ভুল কারণ স্থানীয় সরকার কাঠامোর স্তর সংখ্যা পাঁচটি নির্ধারণ করা হয়নি। D) ৬ স্তর — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় ছয়টি স্তর কখনোই ছিল না। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ৩ অক্ষরবিশিষ্ট, তাই স্তর সংখ্যাও ৩টি (ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা)।
a ভারত
b বাংলাদেশ
c নেপাল
d মালদ্বীপ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাংলাদেশ কেন সঠিক: - ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশ দল ভারতকে ৩-০ গোলে পরাজিত করে শিরোপা অর্জন করেছিল। - টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচটি কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং বাংলাদেশ অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ফাইনালে বাংলাদেশের কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়ে এই টুর্নামেন্টের রানার্সআপ হয়েছিল। B) বাংলাদেশ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। C) নেপাল — এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয়েছিল এবং গ্রুপ পর্বে অংশগ্রহণ করেছিল। D) মালদ্বীপ — এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করলেও প্রতিযোগিতার ফাইনালে পৌঁছাতে পারেনি। মনে রাখার টিপস: সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ফুটবল ২০২১ সালে বাংলাদেশ দল ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়, যা কমলাপুর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
a জাতীয় সংসদ
b স্পিকার
c প্রধানমন্ত্রী
d রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) রাষ্ট্রপতি কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত। - রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পরামর্শপ্রাপ্ত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতীয় সংসদ — জাতীয় সংসদ আইন প্রণয়নকারী অঙ্গ, এখানে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের কোনো সাংবিধানিক এখতিয়ার নেই। B) স্পিকার — স্পিকার জাতীয় সংসদের কার্যক্রম পরিচালনা করেন এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগে তার কোনো ভূমিকা নেই। C) প্রধানমন্ত্রী — প্রধানমন্ত্রী প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দেন, কিন্তু সরাসরি নিয়োগপত্র প্রদান করেন না। D) রাষ্ট্রপতি — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ প্রদান করেন। মনে রাখার টিপস: বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে।
a ইরাক
b ইরান
c কাতার
d সৌদি আরব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইরাক কেন সঠিক: - ইরাক মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম দেশ হিসেবে ১৯৭২ সালের ৮ই জুলাই বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশের স্বীকৃতি প্রদান করে। - আরব বিশ্বের মধ্যে ইরাকই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরাক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশটিই সবার আগে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। B) ইরান — ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলেও সেটি আরব দেশ নয়, কারণ ইরান একটি পারস্য বা ফার্সিভাষী দেশ। C) কাতার — কাতার বাংলাদেশের স্বীকৃতিদাতা দেশগুলোর অন্যতম হলেও প্রথম আরব দেশ নয়। D) সৌদি আরব — সৌদি আরব বাংলাদেশকে অনেক পরে ১৯৭৫ সালের ১৬ই আগস্ট স্বীকৃতি প্রদান করে। মনে রাখার টিপস: আরব বিশ্বে স্বীকৃতির ই-তে ইরাক সবার আগে আসে।
a কক্সবাজার
b নেত্রকোনা
c মৌলভীবাজার
d রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নেত্রকোনা কেন সঠিক: - নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার বীরিশিরি (সুসং দুর্গাপুর) অঞ্চলে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য এই একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। - এটি মূলত গারা, হাজং, কোচ ও ডালুসহ স্থানীয় অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার প্রধান কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কক্সবাজার — এটি রামু বৌদ্ধ কউং বা মগ সংস্কৃতির জন্য পরিচিত হলেও এখানে এই নির্দিষ্ট নামে একাডেমি নেই। B) নেত্রকোনা — এই অপশনটি সঠিক এবং এখানেই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি অবস্থিত। C) মৌলভীবাজার — এটি মনিপুরী ও খাসিয়া সংস্কৃতির জন্য পরিচিত হলেও এই একাডেমি এখানে অবস্থিত নয়। D) রাঙ্গামাটি — এটি চাকমা, মারমা ও তঞ্চঙ্গ্যা সংস্কৃতির জন্য পরিচিত, যেখানে উপজাতীয় সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট রয়েছে। মনে রাখার টিপস: নেত্রকোনার দুর্গাপুরে পাহাড়ি অঞ্চলের মতো সুসং দুর্গাপুর রয়েছে, তাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি নেত্রকোনা জেলায় অবস্থিত বলে মনে রাখবে।
a ইতালী
b তিব্বত
c মরক্কো
d গ্রিস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মরক্কো কেন সঠিক: - ইবনে বতুতা ১৩০৪ সালে মরক্কোর তাঞ্জিয়ার শহরে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি ছিলেন একজন বিখ্যাত মুসলিম পর্যটক ও অভিযাত্রী যিনি বিশ্ব ভ্রমণ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতালী — এটি ইউরোপের দেশ, এবং মার্কো পোলো এই দেশের বিখ্যাত পর্যটক ছিলেন। B) তিব্বত — এটি একটি অঞ্চল, যা বর্তমান চীনের স্বায়ত্তশাসিত অংশ এবং ইবনে বতুতার জন্মস্থান নয়। C) মরক্কো — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি এই আফ্রিকান দেশের তাঞ্জিয়ারে জন্মগ্রহণ করেন। D) গ্রিস — এটি দক্ষিণ ইউরোপের একটি দেশ, যা ইবনে বতুতার জন্মভূমি নয়। মনে রাখার টিপস: ইবনে বতুতা মরক্কোর পর্যটক ছিলেন, কথাটি মনে রাখতে 'ম' দিয়ে মরক্কো এবং 'ম' দিয়ে বিখ্যাত মুসলিম পর্যটক হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
a ৯ টি
b ১৫ টি
c ১৭ টি
d ২১ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭ টি কেন সঠিক: - টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজির মোট লক্ষ্যসংখ্যা ১৭ টি, যা ২০১৫ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়। - এই ১৭ টি অভীষ্টের আওতায় ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্ব থেকে দারিদ্র্য দূরীকরণ, অসমতা হ্রাস এবং টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯ টি — এই সংখ্যাটি এসডিজির মূল কাঠামোর সঙ্গে মিল নয় এবং এটি একটি ভুল তথ্য। B) ১৫ টি — এটি এসডিজির আগের রূপ অর্থাৎ এমডিজির লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি হলেও এসডিজির সঠিক সংখ্যা নয়। C) ১৭ টি — এটি এই প্রশ্নের নির্ধারিত সঠিক উত্তর এবং এর সঙ্গে টেকসই উন্নয়নের ১৭ টি অভীষ্ট সরাসরি সম্পর্কিত। D) ২১ টি — এই সংখ্যাটি এসডিজির মোট লক্ষ্যের চেয়ে বেশি এবং এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। মনে রাখার টিপস: এসডিজির লক্ষ্য ১৭ টি মনে রাখতে সংখ্যাটি ১৭ মনে রাখুন, যা ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বকে উন্নত করার ১৭ টি প্রতিজ্ঞা।
a প্যারিস
b ভিয়েনা
c রোম
d এথেন্স
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্যারিস কেন সঠিক: - ল্যুভর মিউজিয়াম ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে সিন নদীর তীরে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় শিল্পকলা জাদুঘর। - এই জাদুঘরে বিশ্ববিখ্যাত মোনালিসা চিত্রকর্মসহ বহু ঐতিহাসিক ও দুষ্প্রাপ্য নিদর্শন সংরক্ষিত আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিস — এটি সঠিক উত্তর কারণ ল্যুভর মিউজিয়াম এখানেই অবস্থিত। B) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার রাজধানী, যা ক্ল্যাসিক্যাল সঙ্গীতের জন্য বিখ্যাত হলেও ল্যুভর মিউজিয়াম এখানে অবস্থিত নয়। C) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং ঐতিহাসিক শহর, যা ভ্যাটিকান সিটি ও কলিজিয়ামের জন্য পরিচিত, ল্যুভর এখানে নেই। D) এথেন্স — এটি গ্রিসের রাজধানী এবং প্রাচীন সভ্যতার কেন্দ্র, যা পার্থেননের জন্য বিখ্যাত কিন্তু ল্যুভরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: প্যারিসের ফ্যাশন ও শিল্প সংস্কৃতির প্রতীক হলো ল্যুভর মিউজিয়াম।
a ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
b ৩ জানুয়ারি, ১৯৫৪
c ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬
d ২৬ মে, ১৯৫৫
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের ১২টি দেশের স্বাক্ষরিত ওয়াশিংটন চুক্তির মাধ্যমে সামরিক জোট হিসেবে ন্যাটোর আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা হয়। - স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব মোকাবিলা এবং পারস্পরিক নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে এই সামরিক জোট গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ — এটি ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সঠিক তারিখ ও সাল হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) ৩ জানুয়ারি, ১৯৫৪ — এই তারিখে কোনো আন্তর্জাতিক সামরিক জোট প্রতিষ্ঠিত হয়নি এবং এটি ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সাল নয়। C) ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ — এই তারিখে ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি একটি বিভ্রান্তিকর সাল। D) ২৬ মে, ১৯৫৫ — এই তারিখে ওয়ারশ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যা ন্যাটোর বিপরীত সোভিয়েত সামরিক জোট। মনে রাখার টিপস: ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে ৪৯ সংখ্যাটি মনে রাখতে পারেন, যার আগে মাস ও তারিখ হলো এপ্রিলের চার তারিখ।
a সুইজারল্যান্ড
b সিঙ্গাপুর
c নরওয়ে
d ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সুইজারল্যান্ড প্রদত্ত তথ্য: জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি প্রকাশিত মানব উন্নয়ন সূচক ২০২১ তালিকা অনুযায়ী বৈশ্বিক র‍্যাংকিং নির্ধারণ করা হয়েছে ধরি, সূচকের মান নির্ণয়ের ভিত্তি হলো স্বাস্থ্য শিক্ষা এবং আয় এই তিনটি সূচকের ভিত্তিতে দেশগুলোর অগ্রগতি মাপা হয় অতএব, তালিকায় শীর্ষস্থান অর্জনকারী দেশের স্বাস্থ্য সূচক অত্যন্ত উন্নত একই সাথে দেশটির শিক্ষা এবং মাথাপিছু জাতীয় আয়ও সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে সুতরাং, সবগুলো সূচকে সামগ্রিক বিচারে সেরা ফলাফল অর্জন করায় এই দেশটিকে প্রথম স্থান দেওয়া হয়েছে উত্তর: সুইজারল্যান্ড
a ঢাকা
b কাঠমান্ডু
c দিল্লি
d ইসলামাবাদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাঠমান্ডু কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বা সার্কের সদর দপ্তর নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। - ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর কাঠমান্ডুতে এর সচিবালয় স্থাপন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — ঢাকা হলো সার্কের জন্মস্থান এবং প্রথম শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক শহর, কিন্তু সদর দপ্তর এখানে নয়। B) কাঠমান্ডু — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানেই সার্কের সচিবালয় বা সদর দপ্তর অবস্থিত। C) দিল্লি — দিল্লি ভারতের রাজধানী এবং এখানে অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থার কার্যালয় থাকলেও সার্কের সদর দপ্তর নেই। D) ইসলামাবাদ — ইসলামাবাদ পাকিস্তানের রাজধানী, যা সার্কের সদস্য রাষ্ট্র হলেও এর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: সার্কের জন্ম ঢাকায় হলেও এর স্থায়ী ঠিকানা বা সদর দপ্তর নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।
a নেপাল
b ভারত
c বাংলাদেশ
d মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মালয়েশিয়া কেন সঠিক: - BIMSTEC হলো দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর একটি আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা, যার সদস্য সংখ্যা সাতটি। - মালয়েশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ হলেও এটি এই সংস্থার সদস্য নয়, বরং এটি আসিয়ান জোটের সদস্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেপাল — এটি BIMSTEC এর একটি পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র, যা ২০০৪ সালে জোটে যোগ দেয়। B) ভারত — এটি BIMSTEC এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রধান অংশীদার। C) বাংলাদেশ — এটি BIMSTEC এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং এর সচিবালয় ঢাকায় অবস্থিত। D) মালয়েশিয়া — এটি এই আঞ্চলিক সংস্থার সদস্য নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: বিমসটেক সংস্থায় বাংলাদেশ, ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দুই দেশ (মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড) আছে, কিন্তু মালয়েশিয়া এর বাইরে।
a নদীস্রোতের সুকৌশল ব্যবহার
b বৈঠার সাহায্যে
c সঠিকভাবে হাল ঘুরিয়ে
d পাল ব্যবহার করে
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: C) সঠিকভাবে হাল ঘুরিয়ে কেন সঠিক: - গুণ টেনে নৌকা টানলে নদীর তীরের দিকে টান পড়ে, কিন্তু মাঝনদীতে ধরে রাখতে হালের সাহায্যে পানির চাপের বিপরীতমুখী সামঞ্জস্য বিধান করতে হয়। - হাল সঠিক কোণে ঘুরিয়ে পানির গতি এবং গুণের টানের মধ্যবর্তী বলের ভারসাম্য রক্ষা করা হয়, যা নৌকাকে মাঝনদীতে গতিশীল রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নদীস্রোতের সুকৌশল ব্যবহার — স্রোত নৌকাকে ভাসাতে সাহায্য করলেও একা স্রোত গুণটানা অবস্থায় মাঝনদীতে নৌকাকে সোজাসুজি সামনের দিকে ধরে রাখতে পারে না। B) বৈঠার সাহায্যে — বৈঠা সাধারণত গতি বাড়াতে বা দিক পরিবর্তনে ব্যবহার করা হয়, তবে গুণটানার সময় মাঝনদীতে নৌকা নিয়ন্ত্রণের প্রধান মাধ্যম হাল। C) সঠিকভাবে হাল ঘুরিয়ে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। D) পাল ব্যবহার করে — পাল বাতাসে চলে, কিন্তু নদীর তীরে গুণটানার সময় বাতাসের অনুকূল বা প্রতিকূলতার ওপর নির্ভর করে নৌকা চলে না। মনে রাখার টিপস: নদী পারাপার বা গুণটানার সময় দিক ও গতি নিয়ন্ত্রণের মূল চালিকাশক্তি হলো হাল।
a ভূমিকম্প
b ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস
c সমুদ্রের জলস্তরের বৃদ্ধি
d খরা ও বন্যা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমুদ্রের জলস্তরের বৃদ্ধি কেন সঠিক: - বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে সমুদ্রের জলস্তর স্থায়ীভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের ভৌগোলিক রূপ ও বসতি চিরতরে বদলে দিচ্ছে। - এটি উপকূলীয় এলাকার কৃষিজমি লবণাক্ত করে তুলছে এবং মানুষের স্থায়ী জীবিকা ও পেশা পরিবর্তনে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী ও অপরিবর্তনীয় সংকট তৈরি করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভূমিকম্প — এটি হঠাৎ ঘটে এবং তীব্র ক্ষয়ক্ষতি করলেও জীবিকা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সমুদ্রের জলস্তরের বৃদ্ধির মতো দীর্ঘস্থায়ী বা স্থায়ী প্রভাব ফেলে না। B) ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস — এটি সাময়িক ও বারবার ঘটে থাকে, যার ফলে ক্ষয়ক্ষতি হলেও দীর্ঘমেয়াদে মানুষের চিরন্তন জীবিকা পরিবর্তনের প্রধান কারণ এটি নয়। C) সমুদ্রের জলস্তরের বৃদ্ধি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা দীর্ঘমেয়াদে উপকূলীয় মানুষের জীবিকাকে স্থায়ীভাবে পরিবর্তন করতে বাধ্য করে। D) খরা ও বন্যা — এগুলি মৌসুমী বা সাময়িক দুর্যোগ, যা কৃষি ক্ষতি করলেও জলবায়ু পরিবর্তনের স্থায়ী প্রভাবে উপকূলের মতো চিরতরে জীবিকা বদলাতে বাধ্য করে না। মনে রাখার টিপস: স্থায়ী জীবিকা পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় হুমকি হলো সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি, কারণ এটি উপকূলের জমি চিরদিনের জন্য পানির নিচে ডুবিয়ে দেয়।

মোট প্রশ্ন (5)

a জলস্রোত
b বায়ুপ্ৰবাহ
c প্রাকৃতিক গ্যাস
d সূর্যলোক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রাকৃতিক গ্যাস ১. কেন সঠিক: নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হলো সেই শক্তি যা অফুরন্ত এবং বারবার ব্যবহার করা যায়। প্রাকৃতিক গ্যাস একটি জীবাশ্ম জ্বালানি যা একবার ব্যবহার করলে শেষ হয়ে যায় এবং কোটি বছর ধরে তৈরি হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: শক্তির উৎসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়, যেমন নবায়নযোগ্য এবং অনবায়নযোগ্য শক্তি। কারণ ও ফলাফল: প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারের ফলে নিঃশেষ হয়ে যায় এবং পরিবেশের কার্বন ডাই অক্সাইড বৃদ্ধি পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যলোক প্রতিদিন প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায় এবং এটি কখনো শেষ হওয়ার নয়। ব্যাখ্যা: এটি একটি চিরন্তন শক্তির উৎস যা নবায়নযোগ্য শক্তির সবচেয়ে বড় উদাহরণ। উদাহরণ ২: কয়লা ও পেট্রোলিয়াম পোড়ানোর পর তা আর পুনরায় তৈরি করা সম্ভব হয় না। ব্যাখ্যা: এই জ্বালানিগুলো প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো অনবায়নযোগ্য শক্তির অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জলস্রোত — এটি নদীর স্রোত ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি অফুরন্ত বা নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। B) বায়ুপ্ৰবাহ — এটি প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট বাতাস ব্যবহার করে শক্তি উৎপাদনের একটি নবায়নযোগ্য উৎস। C) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি একবার ব্যবহার করলে ফুরিয়ে যায় এবং এটি নবায়নযোগ্য নয়, বরং অনবায়নযোগ্য শক্তি। D) সূর্যলোক — এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং সম্পূর্ণভাবে নবায়নযোগ্য শক্তির প্রধান উৎস। ৫ মনে রাখার টিপস: যেসব শক্তি প্রকৃতি থেকে বারবার পাওয়া যায় যেমন সূর্য, বাতাস ও পানি সেগুলো নবায়নযোগ্য। আর কয়লা, তেল ও গ্যাস হলো সীমিত সম্পদ যা অনবায়নযোগ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জীবাশ্ম জ্বালানি যেমন কয়লা, তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস হলো অনবায়নযোগ্য শক্তির প্রধান উদাহরণ। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় পরিবেশবিজ্ঞান ও শক্তি অধ্যায় থেকে প্রায়ই আসে।
a 4° সে.
b 10° সে.
c 50° সে
d 100° সে.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪° সে. ১. কেন সঠিক: পানির একটি ব্যতিক্রমী ধর্ম রয়েছে যাকে পানির ব্যতিক্রম প্রসারণ বলা হয়। সাধারণত পদার্থকে ঠান্ডা করলে আয়তন কমে এবং ঘনত্ব বাড়ে, কিন্তু পানিকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত ঠান্ডা করলে এর আয়তন কমতে থাকে এবং ঘনত্ব বাড়তে থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পদার্থের ঘনত্ব হলো একক আয়তনে ভরের পরিমাণ, অর্থাৎ ঘনত্ব সমান ভর ভাগ আয়তন। কার্যপ্রণালি: পানিকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে জিরো ডিগ্রি সেলসিয়াসে ঠান্ডা করলে এর আয়তন আবার বাড়তে শুরু করে এবং ঘনত্ব কমে যায়। কারণ ও ফলাফল: ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির অণুগুলোর বিন্যাস এমন হয় যে এর আয়তন সর্বনিম্ন এবং ঘনত্ব সর্বোচ্চ হয়। বাস্তব প্রয়োগ: শীতপ্রধান দেশে হ্রদ বা পুকুরের উপরিভাগের পানি বরফ হলেও তলদেশের জলজ প্রাণীরা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পানিতে বেঁচে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশের বরফ জমা হ্রদের তলদেশ। ব্যাখ্যা: হ্রদের উপরিভাগ বরফ হলেও তলদেশের পানির তাপমাত্রা চার ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকায় তা তরল থাকে এবং মাছ বেঁচে থাকে। উদাহরণ ২: শীতকালে গাড়ির রেডিয়েটরের পানি জমে যাওয়া। ব্যাখ্যা: তাপমাত্রা চার ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলে পানি জমে বরফে পরিণত হয় এবং আয়তন বেড়ে রেডিয়েটর ফাটিয়ে ফেলতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪° সে. — এই তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সর্বোচ্চ হয় এবং এর মান এক গ্রাম প্রতি ঘন সেন্টিমিটার। B) ১০° সে. — এই তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব চার ডিগ্রি সেলসিয়াসের তুলনায় কিছুটা কম থাকে। C) ৫০° সে. — এই তাপমাত্রায় পানির তাপমাত্রা আরও বেশি থাকায় এর আয়তন অনেক বেশি এবং ঘনত্ব কম থাকে। D) ১০০° সে. — এটি পানির স্ফুটনাঙ্ক, যেখানে পানি ফুটতে শুরু করে এবং বাষ্পে পরিণত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি থাকে যখন সংখ্যাটি সবচেয়ে ছোট পজিটিভ তাপমাত্রার কাছাকাছি হয়, যা হলো চার ডিগ্রি সেলসিয়াস। মনে রাখুন, চার মানেই সর্বাধিক ঘনত্ব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পানির ব্যতিক্রম প্রসারণ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে, কত তাপমাত্রায় পানির আয়তন সর্বনিম্ন হয়।
a দৃষ্টিভ্রমের কারণে
b আলোর বিচ্ছুরণের জন্য
c অপবর্তনের ফলে
d বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণের ফলে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণের ফলে ১. কেন সঠিক: চাঁদ দিগন্তের কাছে আসার পর তার থেকে আসা আলো পৃথিবীর ঘন বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরের মধ্য দিয়ে তির্যকভাবে প্রবেশ করে। বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরের ঘনত্ব ভিন্ন হওয়ার কারণে আলোর প্রতিসরণ ঘটে এবং চাঁদকে স্বাভাবিকের চেয়ে আকারে বড় দেখায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: আলোর প্রতিসরণ হলো এমন একটি ঘটনা যেখানে আলো এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যাওয়ার সময় দিক পরিবর্তন করে। কার্যপ্রণালি: দিগন্তের কাছে বায়ুমণ্ডলের ঘনত্ব বেশি থাকায় আলোর প্রতিসরণ বেশি হয় এবং আমাদের মস্তিষ্কে একটি বৃহত্তর প্রতিবিম্ব তৈরি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যোদয় বা সূর্যাস্তের সময় সূর্যকে চ্যাপটা বা বড় দেখা যাওয়া। ব্যাখ্যা: দিগন্তের কাছে বায়ুমণ্ডলের স্তরের কারণে আলো বেঁকে যাওয়ার ফলে এই প্রতিসরণজনিত ঘটনার সৃষ্টি হয়। উদাহরণ ২: রাতের আকাশে তারাগুলোর মিটিমিটি জ্বলা। ব্যাখ্যা: বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরের ঘনত্বের তারতম্যের কারণে আলোর প্রতিসরণ ঘটে এবং তারার আলো আমাদের চোখে আসা মাত্রার পরিবর্তন ঘটে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৃষ্টিভ্রমের কারণে — এটি কোনো অপটিক্যাল ইলিউশন বা সাধারণ দৃষ্টিভ্রম নয়, বরং আলোর প্রতিসরণের একটি বাস্তব শারীরিক ঘটনা। B) আলোর বিচ্ছুরণের জন্য — আলোর বিচ্ছুরণ হলো সাদা আলোর সাত রঙে ভেঙে যাওয়ার ঘটনা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) অপবর্তনের ফলে — অপবর্তন হলো কোনো প্রতিবন্ধকতার ধার ঘেঁষে আলোর বেঁকে যাওয়ার ঘটনা, যা মহাজাগতিক এই আকৃতির পরিবর্তনের জন্য দায়ী নয়। D) বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণের ফলে — এটি সঠিক বৈজ্ঞানিক কারণ কারণ বায়ুমণ্ডলের স্তরের তারতম্যে আলোর দিক পরিবর্তন ঘটে। ৫ মনে রাখার টিপস: দিগন্তে চাঁদ বড় দেখার বিষয়টি সরাসরি বায়ুমণ্ডলের সাথে সম্পর্কিত। বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণের কারণে মহাজাগতিক বস্তু যেমন চাঁদ, সূর্য দিগন্তে বড় বা পরিবর্তিত দেখায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই একই কারণে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের সময় সূর্যকে কিছুক্ষণ আগে দেখা যায় এবং পরে অস্ত যায়। প্রতিসরণের কারণে নক্ষত্র ও চাঁদের আপাত অবস্থান তাদের আসল অবস্থান থেকে কিছুটা ওপরে প্রতিভাত হয়।
a 7
b 5.5
c 10
d 6.2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 7 ১. কেন সঠিক: বিশুদ্ধ পানি হাইড্রোজেন আয়ন এবং হাইড্রোক্সাইড আয়নের সমপরিমাণ ঘনমাত্রা ধারণ করে। এই সমতার কারণে বিশুদ্ধ পানি সম্পূর্ণরূপে প্রসম বা নিরপেক্ষ হয় যার pH মান নির্দিষ্টভাবে সাত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: pH হলো কোনো দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের সক্রিয়তার ঋণাত্মক লোগারিদম যা অম্লত্ব বা ক্ষারত্ব নির্দেশ করে। কার্যপ্রণালি: বিশুদ্ধ পানিতে অম্ল বা ক্ষার জাতীয় কোনো অপদ্রব্য দ্রবীভূত থাকে না তাই এটি প্রসম প্রকৃতির হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাধারণ তাপমাত্রায় ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুত করা পাতিত পানি। ব্যাখ্যা: এতে কোনো খনিজ লবণ বা গ্যাস থাকে না বলে এর pH ঠিক সাত হয়। উদাহরণ ২: মানুষের শরীরের রক্ত এবং প্রসম পানির তুলনামূলক অবস্থা। ব্যাখ্যা: রক্তের pH সাত দশমিক চার হলেও বিশুদ্ধ পানির নির্দিষ্ট মান সাত যা নিরপেক্ষ নির্দেশক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 7 — এটি সঠিক কারণ বিশুদ্ধ পানি অ্যাসিড বা ক্ষার কোনোটিই নয় বরং এটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ। B) 5.5 — এটি ভুল কারণ এই মানের দ্রবণ অম্লীয় প্রকৃতির হয় যা মৃদু অ্যাসিড নির্দেশ করে। C) 10 — এটি ভুল কারণ দশ pH যুক্ত দ্রবণ তীব্রভাবে ক্ষারীয় প্রকৃতির হয়ে থাকে। D) 6.2 — এটি ভুল কারণ সামান্য অম্লীয় পানির pH মান এমন হতে পারে যা বিশুদ্ধ পানির নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নিরপেক্ষ মানেই মধ্যবর্তী অবস্থান যা স্কেলের ঠিক মাঝখানে সাত হিসেবে নির্ধারিত থাকে। বিশুদ্ধ পানি জীবন ধারণের প্রধান উপাদান হওয়ায় এর প্রকৃতি সর্বদা প্রসম বা নিরপেক্ষ ধরা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশুদ্ধ পানির pH মান স্ট্যান্ডার্ড তাপমাত্রা অর্থাৎ পঁচিশ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সাত নির্ধারিত হয়। ভবিষ্যতে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এসিড বৃষ্টি বা ক্ষারীয় দ্রবণের pH মান সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a 3 টি
b 4 টি
c 5 টি
d 6 টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩ টি ১. কেন সঠিক: তাপ উচ্চ তাপমাত্রা থেকে নিম্ন তাপমাত্রার দিকে প্রবাহিত হয়। এই তাপ সঞ্চালন বা স্থানান্তরের তিনটি প্রধান পদ্ধতি রয়েছে, যা পদার্থের অবস্থার ওপর নির্ভর করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: তাপ সঞ্চালন হলো তাপের স্থানান্তরের প্রক্রিয়া। কার্যপ্রণালি: এই তিনটি মাধ্যম বা পদ্ধতি হলো পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কঠিন পদার্থের মধ্য দিয়ে তাপ সঞ্চালন। ব্যাখ্যা: লোহার চামচের একপ্রান্ত আগুনে ধরলে অন্যপ্রান্ত গরম হওয়া হলো পরিবহনের উদাহরণ। উদাহরণ ২: তরل বা বায়বীয় পদার্থের মধ্য দিয়ে তাপ সঞ্চালন। ব্যাখ্যা: চুলার ওপর পানি গরম করলে নিচের গরম পানি উপরে উঠে আসা এবং ওপরের ঠান্ডা পানি নিচে নেমে আসা হলো পরিচলনের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ টি — এটি সঠিক কারণ তাপ সঞ্চালনের মাধ্যম বা পদ্ধতি তিনটি মাত্র। B) ৪ টি — তাপ সঞ্চালনের কোনো চতুর্থ মৌলিক মাধ্যম বা পদ্ধতি পদার্থবিজ্ঞানে স্বীকৃত নয়। C) ৫ টি — এই সংখ্যাটি তাপ সঞ্চালনের পদ্ধতির সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। D) ৬ টি — পদার্থবিজ্ঞানে তাপ সঞ্চালনের মোট সংখ্যা ছয়টি হতে পারে না। ৫ মনে রাখার টিপস: তাপ সঞ্চালনের মাধ্যমগুলোকে সংক্ষেপে প-প-বি (পরিবহন, পরিচলন, বিকিরণ) হিসেবে মনে রাখতে পারো। কঠিনের জন্য পরিবহন, তরল ও বায়বীয়ের জন্য পরিচলন এবং মাধ্যমের অনুপস্থিতিতে বিকিরণ কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শূন্য মাধ্যমে তাপ কেবল বিকিরণ পদ্ধতিতে সঞ্চালিত হয়। সূর্য থেকে পৃথিবীতে তাপ এই বিকিরণ প্রক্রিয়ায় আসে।

মোট প্রশ্ন (1)

a প্রিন্টার
b কি-বোর্ড
c মাউস
d স্ক্যানার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রিন্টার ১. কেন সঠিক: প্রিন্টার হলো একটি আউটপুট ডিভাইস, যা কম্পিউটারের প্রক্রিয়াজাত ডেটা বা তথ্যকে কাগজে বা অন্য মাধ্যমে দৃশ্যমান রূপে ফুটিয়ে তোলে। ইনপুট ডিভাইস হলো সেইসব যন্ত্র যার মাধ্যমে কম্পিউটারকে ডেটা বা নির্দেশ প্রদান করা হয়, কিন্তু প্রিন্টার কেবল ফলাফল প্রকাশ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ইনপুট ডিভাইস হলো এমন সব হার্ডওয়্যার যা ব্যবহারকারী থেকে ডেটা গ্রহণ করে কম্পিউটারের প্রসেসরে পাঠায়। কার্যপদ্ধতি: প্রিন্টার কম্পিউটারের কাছ থেকে ইলেকট্রনিক সিগন্যাল গ্রহণ করে এবং তা কালির সাহায্যে কাগজে প্রিন্ট করে আউটপুট দেয়। পার্থক্য: কি-বোর্ড, মাউস ও স্ক্যানার ডেটা ভেতরে পাঠায় আর প্রিন্টার ডেটা বাইরে বা দৃশ্যমান রূপ দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কি-বোর্ডে কোনো অক্ষর টাইপ করা। ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহারকারী থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রবেশের কাজ করে, তাই এটি ইনপুট ডিভাইস। উদাহরণ ২: প্রিন্টার থেকে ডকুমেন্টের হার্ড কপি বের করা। ব্যাখ্যা: এটি কম্পিউটার থেকে তথ্য বাইরে প্রকাশ করে, তাই এটি আউটপুট ডিভাইস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রিন্টার — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস কারণ এটি কম্পিউটার থেকে ফলাফল বা তথ্য বাইরে প্রকাশ করে, তাই এটি সঠিক উত্তর। B) কি-বোর্ড — এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইনপুট ডিভাইস যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটারে লেখা ও নির্দেশ পাঠায়। C) মাউস — এটি একটি পয়েন্টিং ইনপুট ডিভাইস যা স্ক্রিনে কার্সার সরাতে ও নির্দেশ দিতে ব্যবহৃত হয়। D) স্ক্যানার — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস যা কাগজের ছবি বা ডকুমেন্ট ডিজিটাল রূপান্তর করে কম্পিউটারে পাঠায়। ৫. মনে রাখার টিপস: ইনপুট মানে ভেতরে পাঠানো যেমন কি-বোর্ড ও মাউস এবং আউটপুট মানে বাইরে প্রকাশ করা যেমন মনিটর ও প্রিন্টার। তথ্য প্রবেশের কাজটি ইনপুট ডিভাইস করে এবং ফলাফলের কাজটি আউটপুট ডিভাইস করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার হার্ডওয়্যার নির্বাচনে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের পার্থক্য থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। প্রিন্টার একটি হার্ড কপি আউটপুট ডিভাইস, যা সফট কপিকে স্থায়ী রূপ দেয়।