বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)-তে উপসহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২।

পদের নাম: উপসহকারী প্রকৌশলী (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (30)

a বিস্ময়
b ভগ্ন
c মধুর
d রেশমী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিস্ময় ১. কেন সঠিক: - বিস্ময় একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ কারণ এটি কোনো কাজের নাম, গুণ বা ভাবের নাম প্রকাশ করে। - বাংলায় যে পদ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, স্থান, কাল, ভাব বা গুণের নাম বোঝায় তাকে বিশেষ্য পদ বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদ প্রধানত ছয় প্রকার যথা নামবাচক, জাতিবাচক, বস্তুবাচক, সমষ্টিবাচক, ভাববাচক ও গুণবাচক বিশেষ্য। - বাক্যে সাধারণত নাম বা সত্তার মূল কেন্দ্র হিসেবে বিশেষ্য পদ ব্যবহৃত হয় এবং এর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৌন্দর্য ব্যাখ্যা: এটি একটি গুণের নাম যা বিশেষ্য পদের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: ভোজন ব্যাখ্যা: এটি একটি কাজের বা ভাবের নাম যা ভাববাচক বিশেষ্যের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিস্ময় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভাবের নাম বুঝিয়েছে। B) ভগ্ন — এটি একটি বিশেষণ পদ যা কোনো কিছুর ভাঙা অবস্থাকে নির্দেশ করে। C) মধুর — এটি একটি বিশেষণ পদ যা কোনো কিছুর মিষ্টি গুণ প্রকাশ করে। D) রেশমী — এটি একটি বিশেষণ পদ যা রেশম থেকে তৈরি বা রেশমের মতো বৈশিষ্ট্য বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - যে শব্দটিকে প্রশ্ন করলে কী দ্বারা উত্তর পাওয়া যায় এবং যা কোনো অবস্থা বা ভাবের নাম বোঝায় তা ভাববাচক বিশেষ্য। - কোনো শব্দের শেষে ইয়া বা য যুক্ত থাকলে এবং তা কোনো আবেগের নাম হলে সাধারণত তা বিশেষ্য হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য ও বিশেষণ আলাদা করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - শব্দগুলোর সাথে বাক্য তৈরি করে বিশেষ্য বা বিশেষণ রূপ সহজে নির্ণয় করা যায়।
a বনফুল
b সোনারতরী
c সন্ধ্যাসংগীত
d গীতবিতান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গীতবিতান ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত আমার সোনার বাংলা গানটির প্রথম দশ লাইন আমাদের জাতীয় সংগীত হিসেবে স্বীকৃত। এই গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতবিতান গ্রন্থের স্বদেশ পর্যায়ভুক্ত একটি অত্যন্ত বিখ্যাত গান। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জাতীয় সংগীতের রচয়িতা হলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় স্বদেশী গান হিসেবে এটি রচিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি। ব্যাখ্যা: এটি আমাদের জাতীয় সংগীতের প্রথম চরণ এবং গানটির সূচনা অংশ। উদাহরণ ২: আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে কহন হতে। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতবিতান গ্রন্থের আরেকটি বিখ্যাত স্বদেশী গান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বনফুল — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বনফুল বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের একটি ছদ্মনাম। B) সোনারতরী — সোনারতরী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলেও এতে জাতীয় সংগীত অন্তর্ভুক্ত নেই। C) সন্ধ্যাসংগীত — সন্ধ্যাসংগীত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রারম্ভিক কাব্যগ্রন্থ, যা থেকে এই গান নেওয়া হয়নি। D) গীতবিতান — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমস্ত গানের সংকলন গ্রন্থ এবং জাতীয় সংগীতটি এর অন্তর্ভুক্ত। ৫ মনে রাখার টিপস: কবিতা বা গান কোন বই থেকে নেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে গান হলে সাধারণত গীতবিতান এবং কবিতা হলে সংশ্লিষ্ট কাব্যগ্রন্থের নাম হয়। জাতীয় সংগীত যেহেতু একটি গান, তাই এটি গীতবিতান থেকে নেওয়া হয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আমাদের জাতীয় সংগীত ১৯০৫ সালে রচিত হয় এবং ১৯৭১ সালে প্রথম জাতীয় সংগীত হিসেবে গাওয়া হয়। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই জাতীয় সংগীত ও বিশ্বকবির সাহিত্যকর্ম নিয়ে প্রশ্ন আসে।
a মন্ত্রীপরিষদ
b মন্ত্রিপরিষদ
c মন্ত্ৰীপরিষদ
d মন্ত্ৰীপরিসদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মন্ত্রিপরিষদ ১. কেন সঠিক: বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী অত্সম বা সংস্কৃত শব্দের ক্ষেত্রে ই-কার বা হ্রস্ব-ই ব্যবহারের বিধান রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ শব্দটিতে মন্ত্রী এবং পরিষদ দুটি শব্দ মিলে গঠিত হওয়ার সময় প্রথম পদের দীর্ঘ ঈ-কার হ্রস্ব ই-কার হয়ে যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানানে ই-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে সমাসবদ্ধ বা পদ সংযোজনের সময় দীর্ঘ স্বর হ্রস্ব স্বরে রূপান্তরিত হয়। মন্ত্রী শব্দের সঙ্গে পরিষদ যুক্ত হয়ে মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হয়, যেখানে মন্ত্রি অংশটি হ্রস্ব-ই কারান্ত রূপ নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মন্ত্রী + সভা = মন্ত্রিসভা ব্যাখ্যা: দীর্ঘ-ঈ কারান্ত শব্দের সঙ্গে অন্য শব্দ যুক্ত হলে ই-কার হ্রস্ব হয়ে যায়। উদাহরণ ২: প্রাণী + বিদ্যা = প্রাণিবিদ্যা ব্যাখ্যা: সমাসবদ্ধ পদে দীর্ঘ স্বর হ্রস্ব স্বর রূপে পরিবর্তিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মন্ত্রীপরিষদ — এখানে মন্ত্রী শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সমাসবদ্ধ পদের নিয়মের পরিপন্থী। B) মন্ত্রিপরিষদ — এটি সঠিক বানান এবং বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি সম্পূর্ণভাবে অনুসরণ করেছে। C) মন্ত্ৰীপরিষদ — এখানে ত্র-ফলা ব্যবহারের ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় য-ফলা যুক্ত করা হয়েছে যা ভুল। D) মন্ত্ৰীপরিসদ — এখানে বানানটিতে ভুল য-ফলা এবং মূর্ধন্য-স এর পরিবর্তে দন্ত্য-স ব্যবহারের ত্রুটি রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: সমাসবদ্ধ বা বড় শব্দের শুরুতে যদি মন্ত্রী বা প্রাণী জাতীয় শব্দ থাকে, তবে তা ছোট বা হ্রস্ব-ই কারান্ত হবে। যেমন মন্ত্রিপরিষদ বা প্রাণিবিদ্যা লেখার সময় সবসময় হ্রস্ব-ই কার ব্যবহার করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সমাসবদ্ধ শব্দের বানান প্রায়ই আসে। নিয়মটি মনে রাখলে মন্ত্রিসভা, মন্ত্রিপরিষদ বা প্রাণিবিদ্যা জাতীয় বানানগুলো সহজেই নির্ভুলভাবে চিহ্নিত করা সম্ভব।
a স্বাধীনতা পুরস্কার
b জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
c বাংলা একাডেমি পদক
d একুশে পদক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একুশে পদক ১. কেন সঠিক: জাতীয় স্তরে বিশেষ অবদানের জন্য কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রীয়ভাবে একুশে পদক প্রদান করা হয়। এটি বাংলাদেশের অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা, যা ভাষা আন্দোলন ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের জন্য দেওয়া হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর প্রধান বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার যিনি মূলত বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত। তার সাহিত্যকর্মে মানুষের মুক্তি, সাম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সুর জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে যা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭৬ সালে কাজী নজরুল ইসলামকে একুশে পদক প্রদানের পাশাপাশি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: মৃত্যুর ঠিক আগে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদানের মাধ্যমে বাঙালি জাতির পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সম্মান জানানো হয়েছিল। উদাহরণ ২: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহও ১৯৭৭ সালে একুশে পদক লাভ করেছিলেন। ব্যাখ্যা: শিক্ষা ও গবেষণায় অবদানের জন্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে এই রাষ্ট্রীয় পদক প্রদান করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বাধীনতা পুরস্কার — এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পুরস্কার যা কাজী নজরুল ইসলামকে সরাসরি প্রদান করা হয়নি। B) জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার — এটি চলচ্চিত্রশিল্পের বিভিন্ন অবদানের জন্য দেওয়া হয় যা সাহিত্যিকদের জন্য প্রযোজ্য নয়। C) বাংলা একাডেমি পদক — এটি বাংলা একাডেমি কর্তৃক সাহিত্যিক অবদানের জন্য প্রদান করা হয়, যা কোনো রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক নয়। D) একুশে পদক — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটিই প্রদান করা হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: বিদ্রোহী কবি নজরুলকে সাহিত্য জীবনের স্বীকৃতিস্বরূপ মৃত্যুর কাছাকাছি সময়ে ১৯৭৬ সালে একুশে পদক দেওয়া হয়। সালটি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ ও কবির জীবনে একটি ঐতিহাসিক বছর ছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কাজী নজরুল ইসলামকে কোন রাষ্ট্রীয় পদক দেওয়া হয়। একুশে পদক এবং স্বাধীনতা পুরস্কারের মধ্যে পার্থক্য মনে রাখা জরুরি।
a মধ্যপদলোপী
b উপমেয়-উপমান
c উপমান
d উপমিত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মধ্যপদলোপী ১. কেন সঠিক: - সমাসবদ্ধ করার সময় যে কর্মধারয় সমাসের মাঝখানের পদ বা পদগুলো লুপ্ত বা উধাও হয়ে যায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। - এখানে স্মৃতিসৌধ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো স্মৃতির উদ্দেশ্যে সৌধ, যেখানে মাঝখানের উদ্দেশ্যে পদটি সমস্তপদে লোপ পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতিভাত হয় এবং ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ সম্পূর্ণভাবে লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। - স্মৃতিসৌধ শব্দটিতে স্মৃতির স্মারক হিসেবে নির্মিত সৌধ বোঝানো হয়েছে এবং ব্যাসবাক্যের সম্প্রসারণ ঘটে মাঝের পদটি বাদ দিয়ে সংক্ষিপ্ত রূপ ধারণ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনারাত ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য জোছনাখচিত রাত, যেখানে মাঝের খচিত পদটি লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: পলান্ন ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য পোলাও মিশ্রিত অন্ন, যেখানে মাঝের মিশ্রিত পদটি লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের সৃষ্টি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধ্যপদলোপী — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্যাসবাক্যের মধ্যবর্তী পদ লোপ পেয়েছে। B) উপমেয়-উপমান — এটি কোনো স্বতন্ত্র সমাসের নাম নয়, বরং উপমিত বা রূপক কর্মধারয় সমাসের অংশবিশেষ। C) উপমান — উপমান কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমান পদের সমাস হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) উপমিত — উপমিত কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মকে উহ্য রেখে উপমেয় পদের সাথে উপমানের সমাস হয়, যা এখানে মেলেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্যের মাঝের অংশ বা পদ যদি সমস্তপদে এসে হারিয়ে যায়, তবে চোখ বন্ধ করে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস দাগাবে। - মধ্যপদলোপী সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্য সম্প্রসারিত করে মাঝের শব্দটির অনুপস্থিতি লক্ষ করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সিংহাসন, রক্তগোলাপ ও ঘোড়াগাড়ি শব্দগুলোর ব্যাসবাক্য চর্চা করলে এই নিয়মের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
a বর্ণ
b ভাব
c ধ্বনি
d শব্দ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শব্দ ১. কেন সঠিক: বাক্যের মৌলিক উপাদান হলো শব্দ। কারণ, একাধিক অর্থবোধক ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যখন পাশাপাশি বসে মনের ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করে, তখন তাকে শব্দ বলে এবং এই শব্দগুলোই একত্রে মিলিত হয়ে বাক্য গঠন করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্য গঠনের ক্ষেত্রে ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি, ধ্বনি থেকে বর্ণ, বর্ণ থেকে শব্দ এবং সবশেষে শব্দ থেকে বাক্য গঠিত হয়। সুবিন্যস্ত পদ বা শব্দসমষ্টি ছাড়া কোনো সার্থক বাক্য তৈরি করা সম্ভব নয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে বাংলাদেশ, একটি, স্বাধীন, দেশ প্রতিটি স্বাধীন শব্দ মিলে একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: পাখি আকাশে ওড়ে। ব্যাখ্যা: পাখি, আকাশে, ওড়ে এই তিনটি শব্দ একত্রে বসে একটি সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, যা বাক্যের সরাসরি মৌলিক উপাদান নয় বরং শব্দের লিখিত রূপ গঠনে ব্যবহৃত হয়। B) ভাব — ভাব মানুষের মনের প্রকাশ, যা বাক্যের দ্বারা প্রকাশিত হয় কিন্তু এটি বাক্যের গঠনগত উপাদান নয়। C) ধ্বনি — ধ্বনি হলো বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক বা উপাদান, তবে বাক্যের মৌলিক বা প্রধান উপাদান হলো শব্দ। D) শব্দ — সঠিক উত্তর, কারণ শব্দই বাক্যের মূল ভিত্তি। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যের মৌলিক উপাদান শব্দ এবং ধ্বনির পরিবর্তনের ফলে নতুন শব্দ তৈরি হয়। শব্দ ছাড়া বাক্য কল্পনা করা যায় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাক্যের মূল উপাদান কী, যেখানে সঠিক উত্তর হবে শব্দ। ধ্বনি হলো ভাষার মূল উপাদান আর বাক্যের মূল উপাদান শব্দ।
a Shakespeare
b Wordsworth
c Keats
d Eliot
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Keats কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত উক্তিটি জন কিটসের 'ওড অন এ গ্রেশিয়ান আর্ন' কবিতার শেষ লাইনের অংশ। - রোমান্টিক যুগে কবি সত্য ও সুন্দরকে এক অভিন্ন সত্তা হিসেবে দেখেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shakespeare — তিনি এলিজাবেথান যুগের নাট্যকার, এই রোমান্টিক উদ্ধৃতির সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই। B) Wordsworth — তিনি নেচার পোয়েট হিসেবে পরিচিত এবং তার কবিতার মূল বিষয় প্রকৃতি হলেও এই বিখ্যাত লাইনটি তার নয়। C) Keats — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক হওয়ায় এখানে এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) Eliot — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিক কবি ও প্রাবন্ধিক, রোমান্টিক ধারার এই অমর বাণীর রচয়িতা তিনি নন। মনে রাখার টিপস: কিটস মানেই সৌন্দর্য আর সত্যের জয়গান।
a Staff
b Horse
c Bread
d Custom
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Bread কেন সঠিক: - Bread একটি Uncountable Noun, যা গণনা করা যায় না এবং এর কোনো প্লুরাল ফর্ম নেই। - Uncountable Noun হওয়ায় এটি সবসময় বাক্যে Singular হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Staff — এটি একটি Collective Noun, যা এককভাবে singular হলেও এর প্লুরাল রূপ Staffs বা Staff ব্যবহার করা যায় এবং এটি দল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) Horse — এটি একটি Common Noun এবং Countable Noun, যার singular এবং plural উভয় রূপই সম্ভব। D) Custom — এটি একটি Countable Noun, যার singular রূপ custom এবং plural রূপ customs হতে পারে। মনে রাখার টিপস: যেসব খাবার বা তরল বস্তু গণনা করা যায় না যেমন Bread, Water, Rice, সেগুলো সবসময় Singular হয়।
a Worst
b Bast
c Worse
d Best
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Worst কেন সঠিক: - 'bad' একটি অনিয়মিত বা পজিটিভ ডিগ্রি অ্যাজেক্টিভ, যার সুপারলেটিভ রূপ হলো 'worst'। - তুলনা করার ক্ষেত্রে তিন বা ততোধিক বস্তুর মধ্যে নিকৃষ্টতম বোঝাতে 'the worst' ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Worst — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি 'bad' শব্দের সঠিক সুপারলেটিভ রূপ। B) Bast — এটি কোনো ইংরেজি শব্দ নয় বা এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। C) Worse — এটি 'bad' শব্দের কম্পারেটিভ ডিগ্রি, সুপারলেটিভ ডিগ্রি নয়। D) Best — এটি 'good' শব্দের সুপারলেটিভ ডিগ্রি, 'bad' এর জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: bad, worse, worst - এই ক্রমটি মনে রাখলে পজিটিভ, কম্পারেটিভ ও সুপারলেটিভ রূপ সহজে মনে রাখা যায়।
a Magnolia
b Cosmos
c Lily
d Cosmic
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Cosmic কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি ভাষা ও ব্যাকরণ বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি মূলত শব্দ গঠনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। - এখানে অপশন ডি বাদে বাকি তিনটি শব্দই সুপরিচিত ফুলের নাম, কিন্তু ডি অপশনটি একটি বিশেষণ বা এডজেক্টিভ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Magnolia — এটি একটি সুন্দর ফুলের নাম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) Cosmos — এটি একটি পরিচিত বাগান ফুলের নাম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) Lily — এটি একটি জনপ্রিয় ও পরিচিত ফুলের নাম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। D) Cosmic — এটি মহাশূন্য বা মহাবিশ্ব সংক্রান্ত একটি বিশেষণ পদ, কোনো ফুল নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে আইসি বা আইসিএল থাকলে সাধারণত তা এডজেক্টিভ হয়, তাই কসমিক কোনো ফুল হতে পারে না।
a Alamgir Kabir
b Anthony Mascarenhas
c Rehman Sobhan
d Viggo Olsen
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Anthony Mascarenhas কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতা ও নৃশংসতার প্রকৃত চিত্র বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা প্রামাণ্য গ্রন্থ এটি। - ব্রিটিশ সাংবাদিক ও লেখক অ্যান্থনি মাসকারেনহাস সানডে টাইমস পত্রিকায় পাকিস্তানি সেনাসদস্যদের গণহত্যার চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন প্রকাশের পর এই গ্রন্থটি রচনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Alamgir Kabir — তিনি একজন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও চলচ্চিত্র সমালোচক ছিলেন, এই ঐতিহাসিক গ্রন্থটির রচয়িতা নন। B) Anthony Mascarenhas — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি দ্য রেপ অব বাংলাদেশ বইটির লেখক। C) Rehman Sobhan — তিনি বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও এই গ্রন্থটির লেখক নন। D) Viggo Olsen — তিনি একজন চিকিৎসক ও মিশনারি ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে অবস্থান করলেও এই বিখ্যাত গ্রন্থটি তিনি লেখেননি। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সময় সাংবাদিক অ্যান্থনি মাসকারেনহাস পাকিস্তানি বাহিনীর নির্যাতন নিয়ে লিখেছিলেন দ্য রেপ অব বাংলাদেশ।
a 3
b 13
c 7
d 9
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে সংখ্যাগুলো হলো ৩, ১৩, ৭ এবং ৯ ধরি, সংখ্যাগুলোকে ১ এবং সেই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে অতএব, ৩ কে শুধু ১ এবং ৩ দ্বারা ভাগ করা যায় ১৩ কে শুধু ১ এবং ১৩ দ্বারা ভাগ করা যায় ৭ কে শুধু ১ এবং ৭ দ্বারা ভাগ করা যায় সুতরাং, ৯ কে ১ এবং ৯ ছাড়াও ৩ দ্বারা ভাগ করা যায় উত্তর: ৯
a ১ টাকা
b ০.১ টাকা
c ০.০১ টাকা
d ১০ টাকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.০১ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ৫০ দিনের মোট সুদ = ৫০ পয়সা আসল বা মূলধন = ৫০ পয়সা ধরি, দৈনিক সুদের পরিমাণ = মোট সুদ ÷ মোট দিন এখানে মোট সুদ = ৫০ পয়সা অতএব, দৈনিক সুদ = ৫০ পয়সা ÷ ৫০ দিন হিসাব করলে পাওয়া যায় = ১ পয়সা সুতরাং, ১ পয়সা সমান ০.০১ টাকা উত্তর: ০.০১ টাকা
a ১১/৮০
b ১১/২০
c ১/৯
d ১/৮
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১/৮০ প্রদত্ত তথ্য: মিশ্র ভগ্নাংশটি হলো ১৩ সমস্ত ৩/৮% ধরি, প্রথমে মিশ্র ভগ্নাংশটিকে সাধরণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করতে হবে অতএব, ১৩ কে ৮ দিয়ে গুণ করে ৩ যোগ করলে হয় ১০৫ তাই ভগ্নাংশটি দাঁড়ায় ১০৫/৮% সুতরাং, পার্সেন্ট বা শত করা তুলতে হলে ১০৫/৮ কে ১০০ দিয়ে ভাগ করতে হবে উত্তর: (১০৫ ÷ ৮) × (১/১০০) = ১০৫/৮০০ = ১১/৮০
a 11
b 12
c 14
d 16
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১ প্রদত্ত তথ্য: a − (১ ÷ a) = ৩ ধরি, প্রদত্ত সমীকরণের উভয় পক্ষকে বর্গ করে পাই (a − (১ ÷ a))² = ৩² অতএব, বীজগণিতের সূত্র প্রয়োগ করে পাই a² − ২ × a × (১ ÷ a) + (১ ÷ a²) = ৯ a² − ২ + (১ ÷ a²) = ৯ সুতরাং, a² + (১ ÷ a²) = ৯ + ২ উত্তর: ১১
a 0.1
b 0.01
c 0.001
d 0.0001
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.১ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে দশমিক সংখ্যা দেওয়া আছে। সংখ্যাগুলো হলো ০.১, ০.০১, ০.০০১ এবং ০.০০০১। ধরি, প্রতিটি সংখ্যার দশমিকের পর সমান ঘর করে নেওয়া যাক। ০.১ কে লেখা যায় ০.১০০০। ০.০১ কে লেখা যায় ০.০১০০। অতএব, ০.০০১ কে লেখা যায় ০.০০১০। ০.০০০১ যেমন আছে তেমনই থাকে। সুতরাং, সংখ্যাগুলোর তুলনা করলে দেখা যায় ০.১০০০ সবচেয়ে বড়। উত্তর: A) ০.১
a সুইজারল্যান্ড
b ইংল্যান্ড
c যুক্তরাষ্ট্র
d ব্রাজিল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সুইজারল্যান্ড কেন সঠিক: - ফিফার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জুরিখ শহরে অবস্থিত। - আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের এই প্রধান কার্যালয় থেকে বিশ্ব ফুটবলের সব কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুইজারল্যান্ড — এই দেশে ফিফার প্রধান কার্যালয় অবস্থিত এবং এটি সঠিক উত্তর। B) ইংল্যান্ড — ফুটবল খেলার জন্মভূমি হলেও এখানে ফিফার কার্যালয় নেই। C) যুক্তরাষ্ট্র — এটি ফিফার কার্যালয় নয়, তবে ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজক দেশগুলোর একটি। D) ব্রাজিল — এটি পাঁচবারের বিশ্বকাপ জয়ী দেশ হলেও ফিফার সদর দপ্তর এখানে নয়। মনে রাখার টিপস: ফিফা হলো ফুটবলের অভিভাবক, আর নিরপেক্ষ দেশ সুইজারল্যান্ডের জুরিখ হলো এর ঠিকানা।
a দারিদ্র্য দূরীকরণ
b জলবায়ু পরিবর্তন
c নারীদের ক্ষমতায়ন
d খাদ্য নিরাপত্তা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দারিদ্র্য দূরীকরণ কেন সঠিক: - টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার বা এসডিজি এর মূল ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে প্রথম এবং প্রধান লক্ষ্য হলো বিশ্ব থেকে সকল প্রকার দারিদ্র্য চিরতরে নির্মূল করা। - জাতিসংঘের ২০১৫ সাল থেকে ২০৩০ মেয়াদের টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডায় মানব উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য দারিদ্র্য বিমোচনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দারিদ্র্য দূরীকরণ — এটি এসডিজির প্রথম এবং প্রধান লক্ষ্য হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) জলবায়ু পরিবর্তন — জলবায়ু রক্ষা সংক্রান্ত লক্ষ্যটি এই তালিকার ত্রয়োদশ বা তেরো নম্বর লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারিত আছে। C) নারীদের ক্ষমতায়ন — লিঙ্গ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন অর্জনের বিষয়টি এই এজেন্ডার পঞ্চম লক্ষ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। D) খাদ্য নিরাপত্তা — ক্ষুধামুক্তি ও টেকসই কৃষি নিশ্চিত করার লক্ষ্যটি এই তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: এসডিজির প্রথম লক্ষ্য মনে রাখতে মনে রাখবে যে কোনো উন্নয়নের মূল শর্ত হলো মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা, যার শুরু হয় দারিদ্র্য দূর করার মাধ্যমে।
a ILO
b UNESCO
c IMF
d FAO
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) FAO কেন সঠিক: - FAO হলো জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা, যা বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি উন্নয়নে কাজ করে। - এটি ক্ষুধা দূরীকরণ, পুষ্টির মান উন্নয়ন এবং কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য প্রধান আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ILO — এটি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা, যা বিশ্বজুড়ে শ্রমিকদের অধিকার ও কাজের পরিবেশ উন্নয়নের সাথে সংশ্লিষ্ট। B) UNESCO — এটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা, যা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও শিক্ষা প্রসারে কাজ করে। C) IMF — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, যা বৈশ্বিক আর্থিক সহযোগিতা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় কাজ করে। D) FAO — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং জাতিসংঘের খাদ্য ব্যবস্থার সাথে সরাসরি সংশ্লিষ্ট একমাত্র সংস্থা। মনে রাখার টিপস: খাদ্য বা ফুড রিলেটেড কাজের জন্য FAO মনে রাখতে Food শব্দটির এফ অক্ষর দিয়ে শুরু হওয়া নাম মাথায় রাখতে পারেন।
a ফিনিশীয় সভ্যতা
b পারসিক সভ্যতা
c ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
d হিব্রু সভ্যতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হিব্রু সভ্যতা কেন সঠিক: - প্যালেস্টাইন অঞ্চলে প্রাচীনকালে হিব্রু জাতি বসতি স্থাপন করে এবং তাদের কেন্দ্র করে এই অঞ্চলে হিব্রু সভ্যতা গড়ে ওঠে। - হিব্রু জাতির ইতিহাস এবং তাদের ধর্মীয় গ্রন্থ বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্টের সঙ্গে প্যালেস্টাইন অঞ্চলের ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক যোগসূত্র রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিনিশীয় সভ্যতা — এটি মূলত বর্তমান লেবানন ও সিরিয়ার উপকূলীয় অঞ্চলে ভূমধ্যসাগরের তীরে গড়ে উঠেছিল, প্যালেস্টাইনে নয়। B) পারসিক সভ্যতা — এটি বর্তমান ইরানের মালভূমি অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল এবং পরবর্তীতে বিশাল সাম্রাজ্যে বিস্তার লাভ করেছিল। C) ব্যাবিলনীয় সভ্যতা — এটি বর্তমান ইরাকের মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে উঠেছিল। D) হিব্রু সভ্যতা — এটি প্যালেস্টাইন অঞ্চলে গড়ে ওঠা একটি প্রাচীন ও ঐতিহাসিক সভ্যতা, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: প্যালেস্টাইন বললেই বাইবেলের হিব্রু জাতির কথা মনে রাখবে, কারণ এই অঞ্চলেই হিব্রু সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
a ১৬ ডিসেম্বর
b ২৫ মার্চ
c ২১ ফেব্রুয়ারি
d ২৬ মার্চ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫ মার্চ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ঘুমন্ত বাঙালির ওপর বর্বর হত্যাযজ্ঞ চালায়, যা অপারেশন সার্চলাইট নামে পরিচিত। - বাংলাদেশ সরকার ২০১৭ সাল থেকে এই দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ ডিসেম্বর — এটি বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস, যেদিন পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল। B) ২৫ মার্চ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনে পাকিস্তানি বাহিনী ১৯৭১ সালে নারকীয় গণহত্যা চালায়। C) ২১ ফেব্রুয়ারি — এটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, যা ভাষা আন্দোলনের আত্মত্যাগের স্মরণে পালিত হয়। D) ২৬ মার্চ — এটি আমাদের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, যেদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঠিক আগের রাতে অর্থাৎ ২৫ মার্চ কালরাতে যে ভয়াল গণহত্যা ঘটেছিল, তাই হলো গণহত্যা দিবস।
a UNESCO
b UNICEF
c UNHCR
d WFP
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) UNESCO কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করে। - এই স্বীকৃতির মাধ্যমে ভাষণটিকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য বা ওয়ার্ল্ড ডকুমেন্টারি হেরিটেজ হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNESCO — এটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা, যা ঐতিহাসিক ভাষণটিকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। B) UNICEF — এটি জাতিসংঘের শিশু তহবিল বিষয়ক সংস্থা, যা শিশুদের অধিকার ও কল্যাণ নিয়ে কাজ করে কিন্তু এই স্বীকৃতির সঙ্গে জড়িত নয়। C) UNHCR — এটি জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়, যা বিশ্বজুড়ে শরণার্থীদের সুরক্ষা প্রদান করে থাকে। D) WFP — এটি বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি, যা বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা ও ক্ষুধা দূরীকরণে কাজ করে থাকে। মনে রাখার টিপস: ভাষণ বা সংস্কৃতির ঐতিহ্য রক্ষার কাজটি করে শিক্ষা ও সংস্কৃতির সংস্থা ইউনেস্কো।
a নারীদের ক্ষমতায়ন
b সৃজনশীল অর্থনীতি
c দারিদ্র্য দূরীকরণ
d সমাজকল্যাণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৃজনশীল অর্থনীতি কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ২০২০ সালে সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে তরুণদের সৃজনশীল কার্যক্রমের স্বীকৃতি স্বরূপ এই পুরস্কার প্রবর্তন করে। - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ইউনেস্কো এই পুরস্কার চালু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নারীদের ক্ষমতায়ন — এটি এই পুরস্কারের নির্ধারিত ক্ষেত্র নয়, যদিও এটি জাতিসংঘ ও অন্যান্য সংস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক লক্ষ্য। B) সৃজনশীল অর্থনীতি — এটিই ইউনেস্কো-বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক পুরস্কারের নির্দিষ্ট ও সঠিক ক্ষেত্র। C) দারিদ্র্য দূরীকরণ — এটি এসডিজির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলেও এই নির্দিষ্ট পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) সমাজকল্যাণ — এটি একটি সাধারণ মানবিক ধারণা, যা ইউনেস্কোর এই সুনির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক পুরস্কারের আওতাভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর নামে ইউনেস্কোর পুরস্কার মানেই সংস্কৃতির নতুন ধারা বা সৃজনশীল অর্থনীতি।
a ১৭ মার্চ, ২০২০ থেকে ১৬ ডিসেম্বর, ২০২১
b ১৭ মার্চ, ২০২০ থেকে ২৬ মার্চ, ২০২১
c ১০ জানুয়ারি ২০২০ থেকে ১৭ মার্চ, ২০২১
d ১৭ মার্চ, ২০২০ থেকে৩১ মার্চ, ২০২২
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ১৭ মার্চ, ২০২০ থেকে ৩১ মার্চ, ২০২২ কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য নির্ধারিত সময়কে মুজিব বর্ষ ঘোষণা করা হয়। - করোনা মহামারির কারণে সময়সীমা বৃদ্ধি করে পরবর্তীতে ৩১ মার্চ, ২০২২ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ মার্চ, ২০২০ থেকে ১৬ ডিসেম্বর, ২০২১ — এটি প্রাথমিক ঘোষণা অনুযায়ী মুজিব বর্ষের মূল সময়কাল হলেও পরবর্তীতে সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছিল। B) ১৭ মার্চ, ২০২০ থেকে ২৬ মার্চ, ২০২১ — ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর সমাপ্তি হলেও মুজিব বর্ষের শেষ সময় এটি নয়। C) ১০ জানুয়ারি ২০২০ থেকে ১৭ মার্চ, ২০২১ — ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। D) ১৭ মার্চ, ২০২০ থেকে ৩১ মার্চ, ২০২২ — এটি সঠিক ও বর্ধিত সময়কাল হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: মুজিব বর্ষ শুরু হয়েছিল জন্মদিনে ১৭ মার্চ ২০২০ এবং শেষ হয়েছিল তার ঠিক দুই বছর পর ৩১ মার্চ ২০২২ তারিখে।
a ১৭ মার্চ, ১৯৭১
b ২ মার্চ, ১৯৭১
c ৩ মার্চ, ১৯৭১
d ৭ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ মার্চ, ১৯৭১ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এক সমাবেশে জাতির পিতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। - সেদিন ছাত্রনেতা আ স ম আবদুর রব একটি ইশতেহার পাঠ করেন যেখানে বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতির পিতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ মার্চ, ১৯৭১ — এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মতারিখ এবং এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ২ মার্চ, ১৯৭১ — এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলিত হয়েছিল। D) ৭ মার্চ, ১৯৭১ — এই ঐতিহাসিক দিনে বঙ্গবন্ধু রেসকোর্স ময়দানে ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: মার্চ মাসের তিন তারিখ মনে রাখুন, এই দিনেই পল্টন ময়দানে প্রথম বঙ্গবন্ধুকে জাতির পিতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল।
a ফরিদপুর
b রংপুর
c জামালপুর
d শেরপুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফরিদপুর কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জেলাগুলোর মধ্যে ফরিদপুর জেলায় সবচেয়ে বেশি পরিমাণ পাট উৎপাদিত হয়। - পাট চাষের জন্য উপযোগী উর্বর পলিমাটি এবং অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এটি পাট উৎপাদনের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফরিদপুর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই জেলায় পাটের উৎপাদন দেশের অন্য যেকোনো জেলার চেয়ে সর্বাধিক। B) রংপুর — এই জেলায় পাট উৎপাদিত হলেও এটি শীর্ষ অবস্থানে নেই, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) জামালপুর — এটি পাট উৎপাদনকারী একটি অঞ্চল হলেও উৎপাদনের পরিমাণের দিক থেকে ফরিদপুরের পরে অবস্থান করে। D) শেরপুর — এটি তুলনামূলকভাবে অন্য ফসলের জন্য পরিচিত এবং সর্বোচ্চ পাট উৎপাদনকারী জেলার তালিকায় এটি অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: পাট উৎপাদনে সবার সেরা, ফ দিয়ে শুরু হয় ফরিদুপর জেলা।
a ২য়
b ৩য়
c ৪র্থ
d ৫ম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩য় কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। - চীন ও ভারত যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২য় — বাংলাদেশ উৎপাদনে দ্বিতীয় নয়, এই স্থানটি ভারতের জন্য প্রযোজ্য। B) ৩য় — এটি সঠিক উত্তর, কারণ বাংলাদেশ বর্তমান বিশ্বে ধান উৎপাদনে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। C) ৪র্থ — উৎপাদনে চতুর্থ অবস্থানটি বাংলাদেশের নয়, এটি ইন্দোনেশিয়া বা অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। D) ৫ম — বাংলাদেশ উৎপাদনে পঞ্চম অবস্থানে নেই, বরং আরও এগিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ধান উৎপাদনে শীর্ষ দেশগুলো হলো চীন, ভারত ও বাংলাদেশ। ক্রম মনে রাখতে চ-ভ-বা (চীন, ভারত, বাংলাদেশ) সূত্রটি মনে রাখতে পারেন।
a বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীন শাখা, মতিঝিল।
b বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমী, মিরপুর।
c বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট, মিরপুর।
d বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, শাহবাগ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমী, মিরপুর। কেন সঠিক: - বাংলাদেশের টাকার জাদুঘরটি রাজধানী ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমীর ভেতর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। - ২০১৩ সালের ৫ অক্টোবর এই জাদুঘরটি আনুষ্ঠানিকভাবে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীন শাখা, মতিঝিল — এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় হলেও এখানে টাকার জাদুঘর অবস্থিত নয়। B) বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমী, মিরপুর — এটি সঠিক স্থান হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। C) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট, মিরপুর — এটি ব্যাংকিং খাতের একটি প্রশিক্ষণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান, টাকার জাদুঘর এখানে নয়। D) বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, শাহবাগ — এটি দেশের প্রধান জাতীয় জাদুঘর হলেও এখানে কোনো টাকার জাদুঘর নেই। মনে রাখার টিপস: টাকা বা মুদ্রার ইতিহাস জানতে হলে ব্যাংকের প্রশিক্ষণে যেতে হবে, তাই মনে রাখুন মিরপুরের ট্রেনিং একাডেমী।
a কৃত্রিম সার প্রয়োগ
b মাটিতে নাইট্রোজেন
c প্রাকৃতিক গ্যাস প্রয়োগ
d পানি সেচ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পানি সেচ ১. কেন সঠিক: মাটির উপরিভাগে অতিরিক্ত লবণ জমে গেলে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হয় এবং মৃত্তিকা উর্বরতা হারায়। পরিমমিত পানি সেচ দেওয়ার মাধ্যমে জমির এই অতিরিক্ত লবণাক্ততা দ্রবীভূত হয়ে মাটির গভীরে চলে যায় এবং ফসলের শিকড় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া থেকে রক্ষা পায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পরিবেশবিজ্ঞান ও মৃত্তিকা বিজ্ঞান অনুসারে লবণাক্ততা হলো মাটিতে অতিরিক্ত মাত্রায় দ্রবণীয় লবণের উপস্থিতি। কার্যপ্রণালি: অতিরিক্ত পানি সেচ দিলে বা প্লাবিত করলে লবণের কণাগুলো পানিতে দ্রবীভূত হয় এবং লিচিং প্রক্রিয়ায় মাটির তলদেশে অপসারিত হয়। বাস্তব প্রয়োগ: উপকূলীয় অঞ্চলে বা শুষ্ক অঞ্চলে সেচ কাজের মাধ্যমে জমির উর্বরতা ফিরিয়ে এনে কৃষিকাজ সচল রাখা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উপকূলীয় জোয়ার-ভাটা প্রভাবিত অঞ্চলের কৃষিজমিতে মিষ্টি পানির সেচ দিয়ে লবণাক্ততা কমানো হয়। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত মিষ্টি পানি প্রয়োগের ফলে লবণের ঘনত্ব কমে যায় এবং মাটি চাষাবাদের উপযোগী হয়। উদাহরণ ২: ড্রিপ ইরিগেশন বা বিন্দু সেচ পদ্ধতি ব্যবহার করে গাছের গোড়ায় নিয়মিত পানি দেওয়া। ব্যাখ্যা: এতে মাটি অতিরিক্ত লবণাক্ত হতে পারে না এবং উদ্ভিদ সহজে পুষ্টি উপাদান শোষণ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃত্রিম সার প্রয়োগ — এটি অতিরিক্ত ব্যবহার করলে মাটিতে লবণের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পায় এবং জমির উর্বরতা নষ্ট হয়। B) মাটিতে নাইট্রোজেন — এটি উদ্ভিদের একটি প্রধান পুষ্টি উপাদান হলেও জমির লবণাক্ততা হ্রাসে এর কোনো সরাসরি ভূমিকা নেই। C) প্রাকৃতিক গ্যাস প্রয়োগ — এটি শক্তি উৎপাদনের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং মৃত্তিকার লবণাক্ততার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) পানি সেচ — এটি সঠিক উত্তর কারণ পানি সেচের মাধ্যমেই মাটির লবণ দ্রবীভূত করে দূর করা সম্ভব। ৫. মনে রাখার টিপস: লবণ দূর করতে চাই পানি, সেচ দিলে কমে যাবে টানি। মাটির লবণাক্ততা হ্রাসে সেচই হলো প্রধান হাতিয়ার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জমির লবণাক্ততা দূর করার এই প্রক্রিয়াকে মৃত্তিকা বিজ্ঞান বা সোয়েল সায়েন্সে লিচিং বলা হয়। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে, লবণাক্ত মাটি সংশোধনে কোনটি ব্যবহৃত হয় বা উপকূলীয় অঞ্চলে কৃষির প্রধান বাধা কী।
a মহাসাগর
b সাগর
c উপসাগর
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপসাগর ১. কেন সঠিক: - তিন দিক স্থলবেষ্টিত এবং এক দিক উন্মুক্ত জলরাশিকে ভৌগোলিক ভাষায় উপসাগর বলা হয়। - বঙ্গোপসাগরের উত্তর ও পূর্বে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার, পশ্চিমে ভারত এবং দক্ষিণে ভারত মহাসাগর অবস্থিত, যা একে বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগরের স্বীকৃতি দিয়েছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: ভারত মহাসাগরের উত্তর-পূর্বাংশ জুড়ে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি ত্রিভুজাকৃতি বিশিষ্ট একটি বিশাল জলরাশি। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: এর আয়তন প্রায় ২১,৭২,০০০ বর্গকিলোমিটার। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: পারস্য উপসাগর ব্যাখ্যা: এটি মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপসাগর, যা তেল পরিবহনের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। উদাহরণ ২: মেক্সিকো উপসাগর ব্যাখ্যা: এটি উত্তর আমেরিকার দক্ষিণ পূর্বে অবস্থিত বিশ্বের আরেকটি অন্যতম বৃহৎ উপসাগর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাসাগর — মহাসাগর হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বিশাল জলরাশি যেমন প্রশান্ত মহাসাগর, যা কোনো উপসাগর হতে পারে না। B) সাগর — সাগর হলো মহাসাগরের অপেক্ষাকৃত ছোট অংশ যা মহাদেশের কাছাকাছি থাকে, কিন্তু বঙ্গোপসাগর তিন দিক দিয়ে ভূমি দ্বারা বেষ্টিত বিধায় এটি সাগর নয়। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপসাগরের ইংরেজি শব্দ বে (Bay) মনে রাখলে বঙ্গোপসাগরের ইংরেজি নাম বে অফ বেঙ্গল থেকে এটি উপসাগর হিসেবে সহজেই চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়। - একই ধারণা থেকে বঙ্গোপসাগরের অববাহিকায় পতিত প্রধান নদীসমূহ সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে।

মোট প্রশ্ন (6)

a বর্ণ
b ভাব
c ধ্বনি
d শব্দ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শব্দ ১. কেন সঠিক: বাক্যের মৌলিক উপাদান হলো শব্দ। কারণ, একাধিক অর্থবোধক ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যখন পাশাপাশি বসে মনের ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করে, তখন তাকে শব্দ বলে এবং এই শব্দগুলোই একত্রে মিলিত হয়ে বাক্য গঠন করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্য গঠনের ক্ষেত্রে ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি, ধ্বনি থেকে বর্ণ, বর্ণ থেকে শব্দ এবং সবশেষে শব্দ থেকে বাক্য গঠিত হয়। সুবিন্যস্ত পদ বা শব্দসমষ্টি ছাড়া কোনো সার্থক বাক্য তৈরি করা সম্ভব নয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে বাংলাদেশ, একটি, স্বাধীন, দেশ প্রতিটি স্বাধীন শব্দ মিলে একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: পাখি আকাশে ওড়ে। ব্যাখ্যা: পাখি, আকাশে, ওড়ে এই তিনটি শব্দ একত্রে বসে একটি সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, যা বাক্যের সরাসরি মৌলিক উপাদান নয় বরং শব্দের লিখিত রূপ গঠনে ব্যবহৃত হয়। B) ভাব — ভাব মানুষের মনের প্রকাশ, যা বাক্যের দ্বারা প্রকাশিত হয় কিন্তু এটি বাক্যের গঠনগত উপাদান নয়। C) ধ্বনি — ধ্বনি হলো বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক বা উপাদান, তবে বাক্যের মৌলিক বা প্রধান উপাদান হলো শব্দ। D) শব্দ — সঠিক উত্তর, কারণ শব্দই বাক্যের মূল ভিত্তি। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যের মৌলিক উপাদান শব্দ এবং ধ্বনির পরিবর্তনের ফলে নতুন শব্দ তৈরি হয়। শব্দ ছাড়া বাক্য কল্পনা করা যায় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাক্যের মূল উপাদান কী, যেখানে সঠিক উত্তর হবে শব্দ। ধ্বনি হলো ভাষার মূল উপাদান আর বাক্যের মূল উপাদান শব্দ।
a বিস্ময়
b ভগ্ন
c মধুর
d রেশমী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিস্ময় ১. কেন সঠিক: - বিস্ময় একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ কারণ এটি কোনো কাজের নাম, গুণ বা ভাবের নাম প্রকাশ করে। - বাংলায় যে পদ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, স্থান, কাল, ভাব বা গুণের নাম বোঝায় তাকে বিশেষ্য পদ বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদ প্রধানত ছয় প্রকার যথা নামবাচক, জাতিবাচক, বস্তুবাচক, সমষ্টিবাচক, ভাববাচক ও গুণবাচক বিশেষ্য। - বাক্যে সাধারণত নাম বা সত্তার মূল কেন্দ্র হিসেবে বিশেষ্য পদ ব্যবহৃত হয় এবং এর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৌন্দর্য ব্যাখ্যা: এটি একটি গুণের নাম যা বিশেষ্য পদের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: ভোজন ব্যাখ্যা: এটি একটি কাজের বা ভাবের নাম যা ভাববাচক বিশেষ্যের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিস্ময় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভাবের নাম বুঝিয়েছে। B) ভগ্ন — এটি একটি বিশেষণ পদ যা কোনো কিছুর ভাঙা অবস্থাকে নির্দেশ করে। C) মধুর — এটি একটি বিশেষণ পদ যা কোনো কিছুর মিষ্টি গুণ প্রকাশ করে। D) রেশমী — এটি একটি বিশেষণ পদ যা রেশম থেকে তৈরি বা রেশমের মতো বৈশিষ্ট্য বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - যে শব্দটিকে প্রশ্ন করলে কী দ্বারা উত্তর পাওয়া যায় এবং যা কোনো অবস্থা বা ভাবের নাম বোঝায় তা ভাববাচক বিশেষ্য। - কোনো শব্দের শেষে ইয়া বা য যুক্ত থাকলে এবং তা কোনো আবেগের নাম হলে সাধারণত তা বিশেষ্য হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য ও বিশেষণ আলাদা করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - শব্দগুলোর সাথে বাক্য তৈরি করে বিশেষ্য বা বিশেষণ রূপ সহজে নির্ণয় করা যায়।
a স্বাধীনতা পুরস্কার
b জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
c বাংলা একাডেমি পদক
d একুশে পদক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একুশে পদক ১. কেন সঠিক: জাতীয় স্তরে বিশেষ অবদানের জন্য কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রীয়ভাবে একুশে পদক প্রদান করা হয়। এটি বাংলাদেশের অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা, যা ভাষা আন্দোলন ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের জন্য দেওয়া হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর প্রধান বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার যিনি মূলত বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত। তার সাহিত্যকর্মে মানুষের মুক্তি, সাম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সুর জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে যা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭৬ সালে কাজী নজরুল ইসলামকে একুশে পদক প্রদানের পাশাপাশি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: মৃত্যুর ঠিক আগে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদানের মাধ্যমে বাঙালি জাতির পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সম্মান জানানো হয়েছিল। উদাহরণ ২: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহও ১৯৭৭ সালে একুশে পদক লাভ করেছিলেন। ব্যাখ্যা: শিক্ষা ও গবেষণায় অবদানের জন্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে এই রাষ্ট্রীয় পদক প্রদান করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বাধীনতা পুরস্কার — এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পুরস্কার যা কাজী নজরুল ইসলামকে সরাসরি প্রদান করা হয়নি। B) জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার — এটি চলচ্চিত্রশিল্পের বিভিন্ন অবদানের জন্য দেওয়া হয় যা সাহিত্যিকদের জন্য প্রযোজ্য নয়। C) বাংলা একাডেমি পদক — এটি বাংলা একাডেমি কর্তৃক সাহিত্যিক অবদানের জন্য প্রদান করা হয়, যা কোনো রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক নয়। D) একুশে পদক — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটিই প্রদান করা হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: বিদ্রোহী কবি নজরুলকে সাহিত্য জীবনের স্বীকৃতিস্বরূপ মৃত্যুর কাছাকাছি সময়ে ১৯৭৬ সালে একুশে পদক দেওয়া হয়। সালটি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ ও কবির জীবনে একটি ঐতিহাসিক বছর ছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কাজী নজরুল ইসলামকে কোন রাষ্ট্রীয় পদক দেওয়া হয়। একুশে পদক এবং স্বাধীনতা পুরস্কারের মধ্যে পার্থক্য মনে রাখা জরুরি।
a মধ্যপদলোপী
b উপমেয়-উপমান
c উপমান
d উপমিত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মধ্যপদলোপী ১. কেন সঠিক: - সমাসবদ্ধ করার সময় যে কর্মধারয় সমাসের মাঝখানের পদ বা পদগুলো লুপ্ত বা উধাও হয়ে যায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। - এখানে স্মৃতিসৌধ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো স্মৃতির উদ্দেশ্যে সৌধ, যেখানে মাঝখানের উদ্দেশ্যে পদটি সমস্তপদে লোপ পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতিভাত হয় এবং ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ সম্পূর্ণভাবে লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। - স্মৃতিসৌধ শব্দটিতে স্মৃতির স্মারক হিসেবে নির্মিত সৌধ বোঝানো হয়েছে এবং ব্যাসবাক্যের সম্প্রসারণ ঘটে মাঝের পদটি বাদ দিয়ে সংক্ষিপ্ত রূপ ধারণ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনারাত ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য জোছনাখচিত রাত, যেখানে মাঝের খচিত পদটি লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: পলান্ন ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য পোলাও মিশ্রিত অন্ন, যেখানে মাঝের মিশ্রিত পদটি লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের সৃষ্টি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধ্যপদলোপী — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্যাসবাক্যের মধ্যবর্তী পদ লোপ পেয়েছে। B) উপমেয়-উপমান — এটি কোনো স্বতন্ত্র সমাসের নাম নয়, বরং উপমিত বা রূপক কর্মধারয় সমাসের অংশবিশেষ। C) উপমান — উপমান কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমান পদের সমাস হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) উপমিত — উপমিত কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মকে উহ্য রেখে উপমেয় পদের সাথে উপমানের সমাস হয়, যা এখানে মেলেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্যের মাঝের অংশ বা পদ যদি সমস্তপদে এসে হারিয়ে যায়, তবে চোখ বন্ধ করে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস দাগাবে। - মধ্যপদলোপী সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্য সম্প্রসারিত করে মাঝের শব্দটির অনুপস্থিতি লক্ষ করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সিংহাসন, রক্তগোলাপ ও ঘোড়াগাড়ি শব্দগুলোর ব্যাসবাক্য চর্চা করলে এই নিয়মের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
a মন্ত্রীপরিষদ
b মন্ত্রিপরিষদ
c মন্ত্ৰীপরিষদ
d মন্ত্ৰীপরিসদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মন্ত্রিপরিষদ ১. কেন সঠিক: বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী অত্সম বা সংস্কৃত শব্দের ক্ষেত্রে ই-কার বা হ্রস্ব-ই ব্যবহারের বিধান রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ শব্দটিতে মন্ত্রী এবং পরিষদ দুটি শব্দ মিলে গঠিত হওয়ার সময় প্রথম পদের দীর্ঘ ঈ-কার হ্রস্ব ই-কার হয়ে যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানানে ই-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে সমাসবদ্ধ বা পদ সংযোজনের সময় দীর্ঘ স্বর হ্রস্ব স্বরে রূপান্তরিত হয়। মন্ত্রী শব্দের সঙ্গে পরিষদ যুক্ত হয়ে মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হয়, যেখানে মন্ত্রি অংশটি হ্রস্ব-ই কারান্ত রূপ নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মন্ত্রী + সভা = মন্ত্রিসভা ব্যাখ্যা: দীর্ঘ-ঈ কারান্ত শব্দের সঙ্গে অন্য শব্দ যুক্ত হলে ই-কার হ্রস্ব হয়ে যায়। উদাহরণ ২: প্রাণী + বিদ্যা = প্রাণিবিদ্যা ব্যাখ্যা: সমাসবদ্ধ পদে দীর্ঘ স্বর হ্রস্ব স্বর রূপে পরিবর্তিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মন্ত্রীপরিষদ — এখানে মন্ত্রী শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সমাসবদ্ধ পদের নিয়মের পরিপন্থী। B) মন্ত্রিপরিষদ — এটি সঠিক বানান এবং বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি সম্পূর্ণভাবে অনুসরণ করেছে। C) মন্ত্ৰীপরিষদ — এখানে ত্র-ফলা ব্যবহারের ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় য-ফলা যুক্ত করা হয়েছে যা ভুল। D) মন্ত্ৰীপরিসদ — এখানে বানানটিতে ভুল য-ফলা এবং মূর্ধন্য-স এর পরিবর্তে দন্ত্য-স ব্যবহারের ত্রুটি রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: সমাসবদ্ধ বা বড় শব্দের শুরুতে যদি মন্ত্রী বা প্রাণী জাতীয় শব্দ থাকে, তবে তা ছোট বা হ্রস্ব-ই কারান্ত হবে। যেমন মন্ত্রিপরিষদ বা প্রাণিবিদ্যা লেখার সময় সবসময় হ্রস্ব-ই কার ব্যবহার করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সমাসবদ্ধ শব্দের বানান প্রায়ই আসে। নিয়মটি মনে রাখলে মন্ত্রিসভা, মন্ত্রিপরিষদ বা প্রাণিবিদ্যা জাতীয় বানানগুলো সহজেই নির্ভুলভাবে চিহ্নিত করা সম্ভব।
a বনফুল
b সোনারতরী
c সন্ধ্যাসংগীত
d গীতবিতান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গীতবিতান ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত আমার সোনার বাংলা গানটির প্রথম দশ লাইন আমাদের জাতীয় সংগীত হিসেবে স্বীকৃত। এই গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতবিতান গ্রন্থের স্বদেশ পর্যায়ভুক্ত একটি অত্যন্ত বিখ্যাত গান। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জাতীয় সংগীতের রচয়িতা হলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় স্বদেশী গান হিসেবে এটি রচিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি। ব্যাখ্যা: এটি আমাদের জাতীয় সংগীতের প্রথম চরণ এবং গানটির সূচনা অংশ। উদাহরণ ২: আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে কহন হতে। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতবিতান গ্রন্থের আরেকটি বিখ্যাত স্বদেশী গান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বনফুল — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বনফুল বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের একটি ছদ্মনাম। B) সোনারতরী — সোনারতরী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলেও এতে জাতীয় সংগীত অন্তর্ভুক্ত নেই। C) সন্ধ্যাসংগীত — সন্ধ্যাসংগীত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রারম্ভিক কাব্যগ্রন্থ, যা থেকে এই গান নেওয়া হয়নি। D) গীতবিতান — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমস্ত গানের সংকলন গ্রন্থ এবং জাতীয় সংগীতটি এর অন্তর্ভুক্ত। ৫ মনে রাখার টিপস: কবিতা বা গান কোন বই থেকে নেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে গান হলে সাধারণত গীতবিতান এবং কবিতা হলে সংশ্লিষ্ট কাব্যগ্রন্থের নাম হয়। জাতীয় সংগীত যেহেতু একটি গান, তাই এটি গীতবিতান থেকে নেওয়া হয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আমাদের জাতীয় সংগীত ১৯০৫ সালে রচিত হয় এবং ১৯৭১ সালে প্রথম জাতীয় সংগীত হিসেবে গাওয়া হয়। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই জাতীয় সংগীত ও বিশ্বকবির সাহিত্যকর্ম নিয়ে প্রশ্ন আসে।

মোট প্রশ্ন (5)

a Shakespeare
b Wordsworth
c Keats
d Eliot
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Keats কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত উক্তিটি জন কিটসের 'ওড অন এ গ্রেশিয়ান আর্ন' কবিতার শেষ লাইনের অংশ। - রোমান্টিক যুগে কবি সত্য ও সুন্দরকে এক অভিন্ন সত্তা হিসেবে দেখেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shakespeare — তিনি এলিজাবেথান যুগের নাট্যকার, এই রোমান্টিক উদ্ধৃতির সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই। B) Wordsworth — তিনি নেচার পোয়েট হিসেবে পরিচিত এবং তার কবিতার মূল বিষয় প্রকৃতি হলেও এই বিখ্যাত লাইনটি তার নয়। C) Keats — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক হওয়ায় এখানে এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) Eliot — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিক কবি ও প্রাবন্ধিক, রোমান্টিক ধারার এই অমর বাণীর রচয়িতা তিনি নন। মনে রাখার টিপস: কিটস মানেই সৌন্দর্য আর সত্যের জয়গান।
a Staff
b Horse
c Bread
d Custom
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Bread কেন সঠিক: - Bread একটি Uncountable Noun, যা গণনা করা যায় না এবং এর কোনো প্লুরাল ফর্ম নেই। - Uncountable Noun হওয়ায় এটি সবসময় বাক্যে Singular হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Staff — এটি একটি Collective Noun, যা এককভাবে singular হলেও এর প্লুরাল রূপ Staffs বা Staff ব্যবহার করা যায় এবং এটি দল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) Horse — এটি একটি Common Noun এবং Countable Noun, যার singular এবং plural উভয় রূপই সম্ভব। D) Custom — এটি একটি Countable Noun, যার singular রূপ custom এবং plural রূপ customs হতে পারে। মনে রাখার টিপস: যেসব খাবার বা তরল বস্তু গণনা করা যায় না যেমন Bread, Water, Rice, সেগুলো সবসময় Singular হয়।
a Worst
b Bast
c Worse
d Best
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Worst কেন সঠিক: - 'bad' একটি অনিয়মিত বা পজিটিভ ডিগ্রি অ্যাজেক্টিভ, যার সুপারলেটিভ রূপ হলো 'worst'। - তুলনা করার ক্ষেত্রে তিন বা ততোধিক বস্তুর মধ্যে নিকৃষ্টতম বোঝাতে 'the worst' ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Worst — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি 'bad' শব্দের সঠিক সুপারলেটিভ রূপ। B) Bast — এটি কোনো ইংরেজি শব্দ নয় বা এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। C) Worse — এটি 'bad' শব্দের কম্পারেটিভ ডিগ্রি, সুপারলেটিভ ডিগ্রি নয়। D) Best — এটি 'good' শব্দের সুপারলেটিভ ডিগ্রি, 'bad' এর জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: bad, worse, worst - এই ক্রমটি মনে রাখলে পজিটিভ, কম্পারেটিভ ও সুপারলেটিভ রূপ সহজে মনে রাখা যায়।
a Magnolia
b Cosmos
c Lily
d Cosmic
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Cosmic কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি ভাষা ও ব্যাকরণ বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি মূলত শব্দ গঠনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। - এখানে অপশন ডি বাদে বাকি তিনটি শব্দই সুপরিচিত ফুলের নাম, কিন্তু ডি অপশনটি একটি বিশেষণ বা এডজেক্টিভ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Magnolia — এটি একটি সুন্দর ফুলের নাম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) Cosmos — এটি একটি পরিচিত বাগান ফুলের নাম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) Lily — এটি একটি জনপ্রিয় ও পরিচিত ফুলের নাম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। D) Cosmic — এটি মহাশূন্য বা মহাবিশ্ব সংক্রান্ত একটি বিশেষণ পদ, কোনো ফুল নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে আইসি বা আইসিএল থাকলে সাধারণত তা এডজেক্টিভ হয়, তাই কসমিক কোনো ফুল হতে পারে না।
a Alamgir Kabir
b Anthony Mascarenhas
c Rehman Sobhan
d Viggo Olsen
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Anthony Mascarenhas কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতা ও নৃশংসতার প্রকৃত চিত্র বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা প্রামাণ্য গ্রন্থ এটি। - ব্রিটিশ সাংবাদিক ও লেখক অ্যান্থনি মাসকারেনহাস সানডে টাইমস পত্রিকায় পাকিস্তানি সেনাসদস্যদের গণহত্যার চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন প্রকাশের পর এই গ্রন্থটি রচনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Alamgir Kabir — তিনি একজন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও চলচ্চিত্র সমালোচক ছিলেন, এই ঐতিহাসিক গ্রন্থটির রচয়িতা নন। B) Anthony Mascarenhas — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি দ্য রেপ অব বাংলাদেশ বইটির লেখক। C) Rehman Sobhan — তিনি বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও এই গ্রন্থটির লেখক নন। D) Viggo Olsen — তিনি একজন চিকিৎসক ও মিশনারি ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে অবস্থান করলেও এই বিখ্যাত গ্রন্থটি তিনি লেখেননি। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সময় সাংবাদিক অ্যান্থনি মাসকারেনহাস পাকিস্তানি বাহিনীর নির্যাতন নিয়ে লিখেছিলেন দ্য রেপ অব বাংলাদেশ।

মোট প্রশ্ন (5)

a 0.1
b 0.01
c 0.001
d 0.0001
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.১ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে দশমিক সংখ্যা দেওয়া আছে। সংখ্যাগুলো হলো ০.১, ০.০১, ০.০০১ এবং ০.০০০১। ধরি, প্রতিটি সংখ্যার দশমিকের পর সমান ঘর করে নেওয়া যাক। ০.১ কে লেখা যায় ০.১০০০। ০.০১ কে লেখা যায় ০.০১০০। অতএব, ০.০০১ কে লেখা যায় ০.০০১০। ০.০০০১ যেমন আছে তেমনই থাকে। সুতরাং, সংখ্যাগুলোর তুলনা করলে দেখা যায় ০.১০০০ সবচেয়ে বড়। উত্তর: A) ০.১
a 11
b 12
c 14
d 16
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১ প্রদত্ত তথ্য: a − (১ ÷ a) = ৩ ধরি, প্রদত্ত সমীকরণের উভয় পক্ষকে বর্গ করে পাই (a − (১ ÷ a))² = ৩² অতএব, বীজগণিতের সূত্র প্রয়োগ করে পাই a² − ২ × a × (১ ÷ a) + (১ ÷ a²) = ৯ a² − ২ + (১ ÷ a²) = ৯ সুতরাং, a² + (১ ÷ a²) = ৯ + ২ উত্তর: ১১
a 3
b 13
c 7
d 9
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে সংখ্যাগুলো হলো ৩, ১৩, ৭ এবং ৯ ধরি, সংখ্যাগুলোকে ১ এবং সেই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে অতএব, ৩ কে শুধু ১ এবং ৩ দ্বারা ভাগ করা যায় ১৩ কে শুধু ১ এবং ১৩ দ্বারা ভাগ করা যায় ৭ কে শুধু ১ এবং ৭ দ্বারা ভাগ করা যায় সুতরাং, ৯ কে ১ এবং ৯ ছাড়াও ৩ দ্বারা ভাগ করা যায় উত্তর: ৯
a ১১/৮০
b ১১/২০
c ১/৯
d ১/৮
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১/৮০ প্রদত্ত তথ্য: মিশ্র ভগ্নাংশটি হলো ১৩ সমস্ত ৩/৮% ধরি, প্রথমে মিশ্র ভগ্নাংশটিকে সাধরণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করতে হবে অতএব, ১৩ কে ৮ দিয়ে গুণ করে ৩ যোগ করলে হয় ১০৫ তাই ভগ্নাংশটি দাঁড়ায় ১০৫/৮% সুতরাং, পার্সেন্ট বা শত করা তুলতে হলে ১০৫/৮ কে ১০০ দিয়ে ভাগ করতে হবে উত্তর: (১০৫ ÷ ৮) × (১/১০০) = ১০৫/৮০০ = ১১/৮০
a ১ টাকা
b ০.১ টাকা
c ০.০১ টাকা
d ১০ টাকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.০১ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ৫০ দিনের মোট সুদ = ৫০ পয়সা আসল বা মূলধন = ৫০ পয়সা ধরি, দৈনিক সুদের পরিমাণ = মোট সুদ ÷ মোট দিন এখানে মোট সুদ = ৫০ পয়সা অতএব, দৈনিক সুদ = ৫০ পয়সা ÷ ৫০ দিন হিসাব করলে পাওয়া যায় = ১ পয়সা সুতরাং, ১ পয়সা সমান ০.০১ টাকা উত্তর: ০.০১ টাকা

মোট প্রশ্ন (12)

a বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীন শাখা, মতিঝিল।
b বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমী, মিরপুর।
c বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট, মিরপুর।
d বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, শাহবাগ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমী, মিরপুর। কেন সঠিক: - বাংলাদেশের টাকার জাদুঘরটি রাজধানী ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমীর ভেতর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। - ২০১৩ সালের ৫ অক্টোবর এই জাদুঘরটি আনুষ্ঠানিকভাবে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীন শাখা, মতিঝিল — এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় হলেও এখানে টাকার জাদুঘর অবস্থিত নয়। B) বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমী, মিরপুর — এটি সঠিক স্থান হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। C) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট, মিরপুর — এটি ব্যাংকিং খাতের একটি প্রশিক্ষণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান, টাকার জাদুঘর এখানে নয়। D) বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, শাহবাগ — এটি দেশের প্রধান জাতীয় জাদুঘর হলেও এখানে কোনো টাকার জাদুঘর নেই। মনে রাখার টিপস: টাকা বা মুদ্রার ইতিহাস জানতে হলে ব্যাংকের প্রশিক্ষণে যেতে হবে, তাই মনে রাখুন মিরপুরের ট্রেনিং একাডেমী।
a ২য়
b ৩য়
c ৪র্থ
d ৫ম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩য় কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। - চীন ও ভারত যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২য় — বাংলাদেশ উৎপাদনে দ্বিতীয় নয়, এই স্থানটি ভারতের জন্য প্রযোজ্য। B) ৩য় — এটি সঠিক উত্তর, কারণ বাংলাদেশ বর্তমান বিশ্বে ধান উৎপাদনে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। C) ৪র্থ — উৎপাদনে চতুর্থ অবস্থানটি বাংলাদেশের নয়, এটি ইন্দোনেশিয়া বা অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। D) ৫ম — বাংলাদেশ উৎপাদনে পঞ্চম অবস্থানে নেই, বরং আরও এগিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ধান উৎপাদনে শীর্ষ দেশগুলো হলো চীন, ভারত ও বাংলাদেশ। ক্রম মনে রাখতে চ-ভ-বা (চীন, ভারত, বাংলাদেশ) সূত্রটি মনে রাখতে পারেন।
a ফরিদপুর
b রংপুর
c জামালপুর
d শেরপুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফরিদপুর কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জেলাগুলোর মধ্যে ফরিদপুর জেলায় সবচেয়ে বেশি পরিমাণ পাট উৎপাদিত হয়। - পাট চাষের জন্য উপযোগী উর্বর পলিমাটি এবং অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এটি পাট উৎপাদনের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফরিদপুর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই জেলায় পাটের উৎপাদন দেশের অন্য যেকোনো জেলার চেয়ে সর্বাধিক। B) রংপুর — এই জেলায় পাট উৎপাদিত হলেও এটি শীর্ষ অবস্থানে নেই, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) জামালপুর — এটি পাট উৎপাদনকারী একটি অঞ্চল হলেও উৎপাদনের পরিমাণের দিক থেকে ফরিদপুরের পরে অবস্থান করে। D) শেরপুর — এটি তুলনামূলকভাবে অন্য ফসলের জন্য পরিচিত এবং সর্বোচ্চ পাট উৎপাদনকারী জেলার তালিকায় এটি অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: পাট উৎপাদনে সবার সেরা, ফ দিয়ে শুরু হয় ফরিদুপর জেলা।
a ১৭ মার্চ, ১৯৭১
b ২ মার্চ, ১৯৭১
c ৩ মার্চ, ১৯৭১
d ৭ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ মার্চ, ১৯৭১ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এক সমাবেশে জাতির পিতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। - সেদিন ছাত্রনেতা আ স ম আবদুর রব একটি ইশতেহার পাঠ করেন যেখানে বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতির পিতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ মার্চ, ১৯৭১ — এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মতারিখ এবং এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ২ মার্চ, ১৯৭১ — এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলিত হয়েছিল। D) ৭ মার্চ, ১৯৭১ — এই ঐতিহাসিক দিনে বঙ্গবন্ধু রেসকোর্স ময়দানে ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: মার্চ মাসের তিন তারিখ মনে রাখুন, এই দিনেই পল্টন ময়দানে প্রথম বঙ্গবন্ধুকে জাতির পিতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল।
a ১৭ মার্চ, ২০২০ থেকে ১৬ ডিসেম্বর, ২০২১
b ১৭ মার্চ, ২০২০ থেকে ২৬ মার্চ, ২০২১
c ১০ জানুয়ারি ২০২০ থেকে ১৭ মার্চ, ২০২১
d ১৭ মার্চ, ২০২০ থেকে৩১ মার্চ, ২০২২
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ১৭ মার্চ, ২০২০ থেকে ৩১ মার্চ, ২০২২ কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য নির্ধারিত সময়কে মুজিব বর্ষ ঘোষণা করা হয়। - করোনা মহামারির কারণে সময়সীমা বৃদ্ধি করে পরবর্তীতে ৩১ মার্চ, ২০২২ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ মার্চ, ২০২০ থেকে ১৬ ডিসেম্বর, ২০২১ — এটি প্রাথমিক ঘোষণা অনুযায়ী মুজিব বর্ষের মূল সময়কাল হলেও পরবর্তীতে সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছিল। B) ১৭ মার্চ, ২০২০ থেকে ২৬ মার্চ, ২০২১ — ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর সমাপ্তি হলেও মুজিব বর্ষের শেষ সময় এটি নয়। C) ১০ জানুয়ারি ২০২০ থেকে ১৭ মার্চ, ২০২১ — ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। D) ১৭ মার্চ, ২০২০ থেকে ৩১ মার্চ, ২০২২ — এটি সঠিক ও বর্ধিত সময়কাল হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: মুজিব বর্ষ শুরু হয়েছিল জন্মদিনে ১৭ মার্চ ২০২০ এবং শেষ হয়েছিল তার ঠিক দুই বছর পর ৩১ মার্চ ২০২২ তারিখে।
a নারীদের ক্ষমতায়ন
b সৃজনশীল অর্থনীতি
c দারিদ্র্য দূরীকরণ
d সমাজকল্যাণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৃজনশীল অর্থনীতি কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ২০২০ সালে সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে তরুণদের সৃজনশীল কার্যক্রমের স্বীকৃতি স্বরূপ এই পুরস্কার প্রবর্তন করে। - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ইউনেস্কো এই পুরস্কার চালু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নারীদের ক্ষমতায়ন — এটি এই পুরস্কারের নির্ধারিত ক্ষেত্র নয়, যদিও এটি জাতিসংঘ ও অন্যান্য সংস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক লক্ষ্য। B) সৃজনশীল অর্থনীতি — এটিই ইউনেস্কো-বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক পুরস্কারের নির্দিষ্ট ও সঠিক ক্ষেত্র। C) দারিদ্র্য দূরীকরণ — এটি এসডিজির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলেও এই নির্দিষ্ট পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) সমাজকল্যাণ — এটি একটি সাধারণ মানবিক ধারণা, যা ইউনেস্কোর এই সুনির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক পুরস্কারের আওতাভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর নামে ইউনেস্কোর পুরস্কার মানেই সংস্কৃতির নতুন ধারা বা সৃজনশীল অর্থনীতি।
a UNESCO
b UNICEF
c UNHCR
d WFP
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) UNESCO কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করে। - এই স্বীকৃতির মাধ্যমে ভাষণটিকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য বা ওয়ার্ল্ড ডকুমেন্টারি হেরিটেজ হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNESCO — এটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা, যা ঐতিহাসিক ভাষণটিকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। B) UNICEF — এটি জাতিসংঘের শিশু তহবিল বিষয়ক সংস্থা, যা শিশুদের অধিকার ও কল্যাণ নিয়ে কাজ করে কিন্তু এই স্বীকৃতির সঙ্গে জড়িত নয়। C) UNHCR — এটি জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়, যা বিশ্বজুড়ে শরণার্থীদের সুরক্ষা প্রদান করে থাকে। D) WFP — এটি বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি, যা বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা ও ক্ষুধা দূরীকরণে কাজ করে থাকে। মনে রাখার টিপস: ভাষণ বা সংস্কৃতির ঐতিহ্য রক্ষার কাজটি করে শিক্ষা ও সংস্কৃতির সংস্থা ইউনেস্কো।
a ১৬ ডিসেম্বর
b ২৫ মার্চ
c ২১ ফেব্রুয়ারি
d ২৬ মার্চ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫ মার্চ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ঘুমন্ত বাঙালির ওপর বর্বর হত্যাযজ্ঞ চালায়, যা অপারেশন সার্চলাইট নামে পরিচিত। - বাংলাদেশ সরকার ২০১৭ সাল থেকে এই দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ ডিসেম্বর — এটি বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস, যেদিন পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল। B) ২৫ মার্চ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনে পাকিস্তানি বাহিনী ১৯৭১ সালে নারকীয় গণহত্যা চালায়। C) ২১ ফেব্রুয়ারি — এটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, যা ভাষা আন্দোলনের আত্মত্যাগের স্মরণে পালিত হয়। D) ২৬ মার্চ — এটি আমাদের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, যেদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঠিক আগের রাতে অর্থাৎ ২৫ মার্চ কালরাতে যে ভয়াল গণহত্যা ঘটেছিল, তাই হলো গণহত্যা দিবস।
a ফিনিশীয় সভ্যতা
b পারসিক সভ্যতা
c ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
d হিব্রু সভ্যতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হিব্রু সভ্যতা কেন সঠিক: - প্যালেস্টাইন অঞ্চলে প্রাচীনকালে হিব্রু জাতি বসতি স্থাপন করে এবং তাদের কেন্দ্র করে এই অঞ্চলে হিব্রু সভ্যতা গড়ে ওঠে। - হিব্রু জাতির ইতিহাস এবং তাদের ধর্মীয় গ্রন্থ বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্টের সঙ্গে প্যালেস্টাইন অঞ্চলের ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক যোগসূত্র রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিনিশীয় সভ্যতা — এটি মূলত বর্তমান লেবানন ও সিরিয়ার উপকূলীয় অঞ্চলে ভূমধ্যসাগরের তীরে গড়ে উঠেছিল, প্যালেস্টাইনে নয়। B) পারসিক সভ্যতা — এটি বর্তমান ইরানের মালভূমি অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল এবং পরবর্তীতে বিশাল সাম্রাজ্যে বিস্তার লাভ করেছিল। C) ব্যাবিলনীয় সভ্যতা — এটি বর্তমান ইরাকের মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে উঠেছিল। D) হিব্রু সভ্যতা — এটি প্যালেস্টাইন অঞ্চলে গড়ে ওঠা একটি প্রাচীন ও ঐতিহাসিক সভ্যতা, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: প্যালেস্টাইন বললেই বাইবেলের হিব্রু জাতির কথা মনে রাখবে, কারণ এই অঞ্চলেই হিব্রু সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
a ILO
b UNESCO
c IMF
d FAO
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) FAO কেন সঠিক: - FAO হলো জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা, যা বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি উন্নয়নে কাজ করে। - এটি ক্ষুধা দূরীকরণ, পুষ্টির মান উন্নয়ন এবং কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য প্রধান আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ILO — এটি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা, যা বিশ্বজুড়ে শ্রমিকদের অধিকার ও কাজের পরিবেশ উন্নয়নের সাথে সংশ্লিষ্ট। B) UNESCO — এটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা, যা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও শিক্ষা প্রসারে কাজ করে। C) IMF — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, যা বৈশ্বিক আর্থিক সহযোগিতা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় কাজ করে। D) FAO — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং জাতিসংঘের খাদ্য ব্যবস্থার সাথে সরাসরি সংশ্লিষ্ট একমাত্র সংস্থা। মনে রাখার টিপস: খাদ্য বা ফুড রিলেটেড কাজের জন্য FAO মনে রাখতে Food শব্দটির এফ অক্ষর দিয়ে শুরু হওয়া নাম মাথায় রাখতে পারেন।
a দারিদ্র্য দূরীকরণ
b জলবায়ু পরিবর্তন
c নারীদের ক্ষমতায়ন
d খাদ্য নিরাপত্তা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দারিদ্র্য দূরীকরণ কেন সঠিক: - টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার বা এসডিজি এর মূল ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে প্রথম এবং প্রধান লক্ষ্য হলো বিশ্ব থেকে সকল প্রকার দারিদ্র্য চিরতরে নির্মূল করা। - জাতিসংঘের ২০১৫ সাল থেকে ২০৩০ মেয়াদের টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডায় মানব উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য দারিদ্র্য বিমোচনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দারিদ্র্য দূরীকরণ — এটি এসডিজির প্রথম এবং প্রধান লক্ষ্য হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) জলবায়ু পরিবর্তন — জলবায়ু রক্ষা সংক্রান্ত লক্ষ্যটি এই তালিকার ত্রয়োদশ বা তেরো নম্বর লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারিত আছে। C) নারীদের ক্ষমতায়ন — লিঙ্গ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন অর্জনের বিষয়টি এই এজেন্ডার পঞ্চম লক্ষ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। D) খাদ্য নিরাপত্তা — ক্ষুধামুক্তি ও টেকসই কৃষি নিশ্চিত করার লক্ষ্যটি এই তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: এসডিজির প্রথম লক্ষ্য মনে রাখতে মনে রাখবে যে কোনো উন্নয়নের মূল শর্ত হলো মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা, যার শুরু হয় দারিদ্র্য দূর করার মাধ্যমে।
a সুইজারল্যান্ড
b ইংল্যান্ড
c যুক্তরাষ্ট্র
d ব্রাজিল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সুইজারল্যান্ড কেন সঠিক: - ফিফার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জুরিখ শহরে অবস্থিত। - আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের এই প্রধান কার্যালয় থেকে বিশ্ব ফুটবলের সব কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুইজারল্যান্ড — এই দেশে ফিফার প্রধান কার্যালয় অবস্থিত এবং এটি সঠিক উত্তর। B) ইংল্যান্ড — ফুটবল খেলার জন্মভূমি হলেও এখানে ফিফার কার্যালয় নেই। C) যুক্তরাষ্ট্র — এটি ফিফার কার্যালয় নয়, তবে ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজক দেশগুলোর একটি। D) ব্রাজিল — এটি পাঁচবারের বিশ্বকাপ জয়ী দেশ হলেও ফিফার সদর দপ্তর এখানে নয়। মনে রাখার টিপস: ফিফা হলো ফুটবলের অভিভাবক, আর নিরপেক্ষ দেশ সুইজারল্যান্ডের জুরিখ হলো এর ঠিকানা।

মোট প্রশ্ন (1)

a কৃত্রিম সার প্রয়োগ
b মাটিতে নাইট্রোজেন
c প্রাকৃতিক গ্যাস প্রয়োগ
d পানি সেচ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পানি সেচ ১. কেন সঠিক: মাটির উপরিভাগে অতিরিক্ত লবণ জমে গেলে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হয় এবং মৃত্তিকা উর্বরতা হারায়। পরিমমিত পানি সেচ দেওয়ার মাধ্যমে জমির এই অতিরিক্ত লবণাক্ততা দ্রবীভূত হয়ে মাটির গভীরে চলে যায় এবং ফসলের শিকড় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া থেকে রক্ষা পায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পরিবেশবিজ্ঞান ও মৃত্তিকা বিজ্ঞান অনুসারে লবণাক্ততা হলো মাটিতে অতিরিক্ত মাত্রায় দ্রবণীয় লবণের উপস্থিতি। কার্যপ্রণালি: অতিরিক্ত পানি সেচ দিলে বা প্লাবিত করলে লবণের কণাগুলো পানিতে দ্রবীভূত হয় এবং লিচিং প্রক্রিয়ায় মাটির তলদেশে অপসারিত হয়। বাস্তব প্রয়োগ: উপকূলীয় অঞ্চলে বা শুষ্ক অঞ্চলে সেচ কাজের মাধ্যমে জমির উর্বরতা ফিরিয়ে এনে কৃষিকাজ সচল রাখা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উপকূলীয় জোয়ার-ভাটা প্রভাবিত অঞ্চলের কৃষিজমিতে মিষ্টি পানির সেচ দিয়ে লবণাক্ততা কমানো হয়। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত মিষ্টি পানি প্রয়োগের ফলে লবণের ঘনত্ব কমে যায় এবং মাটি চাষাবাদের উপযোগী হয়। উদাহরণ ২: ড্রিপ ইরিগেশন বা বিন্দু সেচ পদ্ধতি ব্যবহার করে গাছের গোড়ায় নিয়মিত পানি দেওয়া। ব্যাখ্যা: এতে মাটি অতিরিক্ত লবণাক্ত হতে পারে না এবং উদ্ভিদ সহজে পুষ্টি উপাদান শোষণ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃত্রিম সার প্রয়োগ — এটি অতিরিক্ত ব্যবহার করলে মাটিতে লবণের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পায় এবং জমির উর্বরতা নষ্ট হয়। B) মাটিতে নাইট্রোজেন — এটি উদ্ভিদের একটি প্রধান পুষ্টি উপাদান হলেও জমির লবণাক্ততা হ্রাসে এর কোনো সরাসরি ভূমিকা নেই। C) প্রাকৃতিক গ্যাস প্রয়োগ — এটি শক্তি উৎপাদনের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং মৃত্তিকার লবণাক্ততার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) পানি সেচ — এটি সঠিক উত্তর কারণ পানি সেচের মাধ্যমেই মাটির লবণ দ্রবীভূত করে দূর করা সম্ভব। ৫. মনে রাখার টিপস: লবণ দূর করতে চাই পানি, সেচ দিলে কমে যাবে টানি। মাটির লবণাক্ততা হ্রাসে সেচই হলো প্রধান হাতিয়ার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জমির লবণাক্ততা দূর করার এই প্রক্রিয়াকে মৃত্তিকা বিজ্ঞান বা সোয়েল সায়েন্সে লিচিং বলা হয়। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে, লবণাক্ত মাটি সংশোধনে কোনটি ব্যবহৃত হয় বা উপকূলীয় অঞ্চলে কৃষির প্রধান বাধা কী।

মোট প্রশ্ন (1)

a মহাসাগর
b সাগর
c উপসাগর
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপসাগর ১. কেন সঠিক: - তিন দিক স্থলবেষ্টিত এবং এক দিক উন্মুক্ত জলরাশিকে ভৌগোলিক ভাষায় উপসাগর বলা হয়। - বঙ্গোপসাগরের উত্তর ও পূর্বে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার, পশ্চিমে ভারত এবং দক্ষিণে ভারত মহাসাগর অবস্থিত, যা একে বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগরের স্বীকৃতি দিয়েছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: ভারত মহাসাগরের উত্তর-পূর্বাংশ জুড়ে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি ত্রিভুজাকৃতি বিশিষ্ট একটি বিশাল জলরাশি। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: এর আয়তন প্রায় ২১,৭২,০০০ বর্গকিলোমিটার। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: পারস্য উপসাগর ব্যাখ্যা: এটি মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপসাগর, যা তেল পরিবহনের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। উদাহরণ ২: মেক্সিকো উপসাগর ব্যাখ্যা: এটি উত্তর আমেরিকার দক্ষিণ পূর্বে অবস্থিত বিশ্বের আরেকটি অন্যতম বৃহৎ উপসাগর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাসাগর — মহাসাগর হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বিশাল জলরাশি যেমন প্রশান্ত মহাসাগর, যা কোনো উপসাগর হতে পারে না। B) সাগর — সাগর হলো মহাসাগরের অপেক্ষাকৃত ছোট অংশ যা মহাদেশের কাছাকাছি থাকে, কিন্তু বঙ্গোপসাগর তিন দিক দিয়ে ভূমি দ্বারা বেষ্টিত বিধায় এটি সাগর নয়। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপসাগরের ইংরেজি শব্দ বে (Bay) মনে রাখলে বঙ্গোপসাগরের ইংরেজি নাম বে অফ বেঙ্গল থেকে এটি উপসাগর হিসেবে সহজেই চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়। - একই ধারণা থেকে বঙ্গোপসাগরের অববাহিকায় পতিত প্রধান নদীসমূহ সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে।