বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে ট্রেনিং অফিসার পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২।

পদের নাম: ট্রেনিং অফিসার (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a বাংলা একাডেমি
b ইউভার্সিটি প্রেস লিমিটেড
c এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ
d ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ ১. কেন সঠিক: - এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ বাংলাপিডিয়া বা বাংলাদেশ জাতীয় জ্ঞানকোষ প্রকাশ করেছে। - এটি বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং বিজ্ঞান বিষয়ক প্রামাণিক তথ্যসমৃদ্ধ একটি বিশ্বকোষ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ দেশের একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী গবেষণা প্রতিষ্ঠান। - ২০০৩ সালে প্রথম বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় বাংলাপিডিয়া প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইসলামকোষ ব্যাখ্যা: এটিও এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ কর্তৃক প্রকাশিত একটি প্রামাণিক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: বাংলাদেশের লোকসংগীত সংগ্রহ ব্যাখ্যা: এটিও এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা একাডেমি — এটি ভাষা ও সাহিত্য উন্নয়নের প্রতিষ্ঠান হলেও বাংলাপিডিয়া প্রকাশ করেনি। B) ইউভার্সিটি প্রেস লিমিটেড — এটি একটি বেসরকারি প্রকাশনা সংস্থা, বাংলাপিডিয়ার প্রধান প্রকাশক নয়। D) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় — এটি দেশের প্রাচীনতম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলেও বাংলাপিডিয়া এর সরাসরি প্রকল্প নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পিডিয়া বা জ্ঞানকোষ সম্পর্কিত বড় প্রজেক্টগুলো সাধারণত জাতীয় পর্যায়ের গবেষণা প্রতিষ্ঠান করে থাকে। - বাংলাপিডিয়া প্রকাশের সঙ্গে এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশের নাম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাপিডিয়া প্রকাশিত হয় ২০০৩ সালে। - এটি বাংলা ভাষার প্রথম ডিজিটাল ও মুদ্রিত জাতীয় জ্ঞানকোষ।
a নেকড়ে অরণ্য
b চিলেকোঠার সেপাই
c কাঁটাতারে প্রজাপতি
d আরেক ফাল্গুন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নেকড়ে অরণ্য ১. কেন সঠিক: - নেকড়ে অরণ্য উপন্যাসটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতার পটভূমিতে রচিত। - এই উপন্যাসে পাকিস্তানি সেনা ও তাদের সহযোগীদের নৃশংসতা এবং বাঙালির প্রতিরোধ সংগ্রাম তুলে ধরা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নেকড়ে অরণ্য উপন্যাসের রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে রচিত বাংলা উপন্যাসের মধ্যে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রামাণ্য দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাহান্নাম হইতে বিদায় ব্যাখ্যা: এটিও শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: আগুনের পরশমনি ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেকড়ে অরণ্য — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে। B) চিলেকোঠার সেপাই — আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত এই উপন্যাসটি উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের পটভূমিতে রচিত, মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি পটভূমি নয়। C) কাঁটাতারে প্রজাপতি — এটি একটি ভিন্ন ধারার উপন্যাস, যা সরাসরি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান পটভূমি নিয়ে রচিত নয়। D) আরেক ফাল্গুন — জহির রায়হান রচিত এই উপন্যাসটি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত, মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শওকত ওসমানের নামের সঙ্গে নেকড়ে অরণ্য ও জাহান্নাম হইতে বিদায় উপন্যাস দুটি মনে রাখতে হবে। - জহির রায়হানের উপন্যাসগুলো ভাষা আন্দোলন ও ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানভিত্তিক, আর শওকত ওসমানের অনেক রচনা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এবং ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাসের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - রচয়িতার নাম এবং উপন্যাসের পটভূমির সাল ভালোভাবে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a শাস্তি
b সমাপ্তি
c একরাত্রি
d স্ত্রীপত্রের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শাস্তি ১. কেন সঠিক: 'শাস্তি' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। এই গল্পের অন্যতম প্রধান ও মর্মান্তিক চরিত্র হলো চন্দ্রা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক ও বিশ্বকবি। 'শাস্তি' গল্পটি তাঁর 'গল্পগুচ্ছ' গ্রন্থের অন্তর্গত এবং এটি মানবমনস্তত্ত্ব ও গ্রামীণ সমাজের নিষ্ঠুরতার এক অনবদ্য দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নষ্টনীড় ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত ছোটগল্প যার প্রধান চরিত্র চারুলতা। উদাহরণ ২: একরাত্রি ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত ছোটগল্প যেখানে সুরবালা ও কথকের শৈশবের স্মৃতিচারণা রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাস্তি — এই অপশনটি সঠিক কারণ চন্দ্রা এই গল্পেরই কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র। B) সমাপ্তি — এই অপশনের প্রধান নারী চরিত্র মৃন্ময়ী, চন্দ্রা নয়। C) একরাত্রি — এই গল্পের মূল নারী চরিত্র সুরবালা, এখানে চন্দ্রা চরিত্রটি নেই। D) স্ত্রীপত্রের — এই গল্পের মূল চরিত্র মৃণাল, যিনি পরাধীন নারীর প্রতিবাদের প্রতীক। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের শাস্তি গল্পের চন্দ্রার ভাগ্য বড়োই নির্মম ছিল। শাস্তির চ হলো চন্দ্রার চ, এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পগুলো থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে। গল্পগুলোর প্রধান চরিত্রগুলোর নাম ভালোভাবে মনে রাখা আবশ্যক।
a বড়ু চণ্ডীদাস
b দীন চণ্ডীদাস
c জয়দেব
d বিদ্যাপতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বড়ু চণ্ডীদাস ১. কেন সঠিক: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের একক এবং নিশ্চিত রচয়িতা হিসেবে বড়ু চণ্ডীদাসের নাম বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে সর্বসম্মতভাবে স্বীকৃত। - ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বৎবল্লভ বাঁকুড়াবাড়ির গোয়ালঘর থেকে পুথিটি আবিষ্কার করেন এবং তাঁর সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শন এবং রাধা-কৃষ্ণের প্রেমভিত্তিক প্রথম পূর্ণাঙ্গ কাব্য। - এটি মূলত একটি নাটকীয় গীতি কাব্য যেখানে বড়ু চণ্ডীদাস রাধা, কৃষ্ণ ও বাড়াই বা দুতী চরিত্রের মাধ্যমে মানবীয় প্রেমলীলা ফুটিয়ে তুলেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ব্যাখ্যা: এই কাব্যের চরিত্রগুলো হলো রাধা, কৃষ্ণ এবং বাড়াই, যা মধ্যযুগের বৈষ্ণব সাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন দলিল। উদাহরণ ২: মধ্যযুগের আদি নিদর্শন ব্যাখ্যা: চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন হলো মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বড়ু চণ্ডীদাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্যটির ভণিতায় বড়ু চণ্ডীদাসের নাম পাওয়া যায়। B) দীন চণ্ডীদাস — দীন চণ্ডীদাস মধ্যযুগের অন্য একজন কবি এবং তিনি শ্রীকীর্তনের রচয়িতা নন। C) জয়দেব — কবি জয়দেব সংস্কৃত ভাষায় গীতগোবিন্দম রচনা করেছিলেন যা বাংলা কাব্যের ওপর প্রভাব ফেললেও এটি তাঁর রচনা নয়। D) বিদ্যাপতি — বিদ্যাপতি মৈথিল ভাষার কবি এবং তিনি পদাবলী সাহিত্যের জন্য বিখ্যাত, শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন নামের শেষে কীর্তন আছে এবং এটি আবিষ্কার করেছিলেন বসন্তরঞ্জন রায়, আর রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস। - মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন মনে রাখতে শ্রী দিয়ে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন এবং ব দিয়ে বড়ু চণ্ডীদাস মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের আবিষ্কারক এবং প্রকাশকাল প্রায়ই আসে। - পুথিটি ১৯০৯ সালে আবিষ্কৃত হয় এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
a উপন্যাস
b কাব্য
c নাটক
d প্রবন্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রবন্ধ ১. কেন সঠিক: - সুলতানার স্বপ্ন মূলত একটি নারীবাদী কল্পবিজ্ঞানমূলক প্রবন্ধ বা ছোট গল্পধর্মী রচনা। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রমিত উত্তর এবং সাহিত্যিক শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী এটি একটি প্রবন্ধ বা নারীবাদী ইউটোপিয়া হিসেবে পরিচিত। - এই রচনায় পুরুষতান্ত্রিক সমাজের বিপরীত চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যেখানে নারীরা দেশ শাসন করে এবং পুরুষরা অন্তপুরে বা পর্দার আড়ালে থাকে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বাঙালি মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন। এটি ইংরেজি ভাষায় রচিত এবং দ্য ইন্ডিয়ান লেডিজ ম্যাগাজিনে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। - এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারীবাদী কল্পবিজ্ঞান বা ইউটোপিয়া রচনা হিসেবে বিশেষভাবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মতিচুর ব্যাখ্যা: এটি রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের রচিত একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন যেখানে নারীমুক্তির নানা কথা বলা হয়েছে। উদাহরণ ২: পদ্মরাগ ব্যাখ্যা: এটি রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা নারীদের আত্মনির্ভরশীলতা ও শিক্ষাদীক্ষার ওপর আলোকপাত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — সুলতানার স্বপ্ন কোনো উপন্যাস নয় কারণ এর কলেবর খুব ছোট এবং এটি একটি কল্পনামূলক প্রবন্ধ বা ইউটোপিয়া। B) কাব্য — কাব্য বলতে পদ্য বা কবিতা বোঝায় কিন্তু সুলতানার স্বপ্ন একটি গদ্য রচনা। C) নাটক — নাটক হওয়ার জন্য যে ধরনের সংলাপ ও দৃশ্যবিন্যাস প্রয়োজন, তা এই রচনাটিতে অনুপস্থিত। D) প্রবন্ধ — এটি সঠিক কারণ গ্রন্থটি মূলত একটি সমাজচিন্তামূলক ও নারীবাদী কল্পবিজ্ঞান প্রবন্ধ। ৫ মনে রাখার টিপস: রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ইংরেজি রচনা সুলতানার স্বপ্ন একটি প্রবন্ধ বা ইউটোপিয়া আর তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো পদ্মরাগ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সুলতানার স্বপ্ন গ্রন্থটি বেগম রোকেয়ার লেখা প্রথম ইংরেজি রচনা যা পরবর্তীতে বাংলায় অনূদিত হয়। কল্পবিজ্ঞান ও নারীবাদী রচনার ক্ষেত্রে এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
a কালবেলা
b গণনায়ক
c এখনও ক্রীতদাস
d ঢাকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গণনায়ক ১. কেন সঠিক: - গণনায়ক নাটকটির রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হক। - এটি তাঁর অন্যতম রাজনৈতিক ও প্রতিবাদী নাটক, যা সমসাময়িক সমাজের বাস্তবচিত্র তুলে ধরে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ শামসুল হক একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক ছিলেন এবং তিনি বাংলা সাহিত্যে সব্যসাচী লেখক হিসেবে পরিচিত। - তাঁর রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ও নুরুলদীনের সারাজীবন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যনাট্য। উদাহরণ ২: নুরুলদীনের সারাজীবন ব্যাখ্যা: এটি তাঁর রচিত ইতিহাস আশ্রিত একটি বিখ্যাত নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কালবেলা — এই নামে প্রখ্যাত উপন্যাস থাকলেও এটি সৈয়দ শামসুল হকের নাটক নয়, এটি সমরেশ মজুমদারের বিখ্যাত উপন্যাস। B) গণনায়ক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, এটি সৈয়দ শামসুল হকের নাটক। C) এখনও ক্রীতদাস — এটি সৈয়দ শামসুল হকের কোনো প্রখ্যাত নাটক বা প্রধান সাহিত্যকর্ম নয়। D) ঢাকা — এটি কোনো নির্দিষ্ট নাটক বা সৈয়দ শামসুল হকের সাহিত্যকর্ম হিসেবে পরিচিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সৈয়দ শামসুল হকের নাটক মনে রাখার কৌশল হলো সব্যসাচী লেখক সৈয়দ হকের নাটকের তালিকায় গণনায়ক, পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় এবং নুরুলদীনের সারাজীবন নামগুলো একসঙ্গে মনে রাখা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্য ও নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকের নাম খুব বেশি পরীক্ষাসংক্রান্ত প্রশ্নে দেখা যায়।
a √বাক্ + তব্য
b √বচন + তব্য
c √বচ্ + তব্য
d √বক্তা + তব্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) √বচ্ + তব্য ১. কেন সঠিক: - বক্তব্য শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো √বচ্ যোগ তব্য। এখানে √বচ্ হলো ধাতু এবং তব্য হলো প্রত্যয়। - ধাতু বা শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয় এবং বক্তব্য শব্দটি তব্য প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কৃৎ প্রত্যয় হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়। এখানে বচ্ একটি ধাতু বা ক্রিয়ামূল। - তব্য প্রত্যয়টি কর্মবাচ্যে বা ভাবে যুক্ত হয় এবং এটি উচিত বা যোগ্য অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √গম + তব্য = গন্তব্য ব্যাখ্যা: গন্তব্য শব্দটির অর্থ যা গমন করা উচিত বা গমনের যোগ্য এবং এটি একই নিয়ম বা প্রত্যয় সাধিত। উদাহরণ ২: √কৃ + তব্য = কর্তব্য ব্যাখ্যা: কর্তব্য শব্দটির অর্থ যা করা উচিত এবং এটিও কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) √বাক্ + তব্য — বাক্ কোনো মৌলিক ধাতু নয়, তাই এই বিশ্লেষণ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) √বচন + তব্য — বচন একটি প্রাতিপদিক বা শব্দমূল, ধাতু নয়, তাই এটি ভুল। C) √বচ্ + তব্য — এটি সঠিক অপশন এবং এর প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের বিশ্লেষণ সম্পূর্ণ নির্ভুল। D) √বক্তা + তব্য — বক্তা একটি শব্দ, এটি কোনো ধাতু নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - তব্য প্রত্যয়যুক্ত শব্দ চেনার উপায় হলো শব্দের শেষে ব্য বা তব্য থাকে এবং ধাতুটি চেনার জন্য মূল ভাব বা ক্রিয়ামূল খুঁজে দেখতে হয়। - বচ্ ধাতুর সঙ্গে তব্য যুক্ত হলে ব্য বা বক্তব্য রূপ লাভ করে, যা মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তব্য, অনীয় ও য প্রত্যয় যুক্ত শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - ধাতু চেনার সময় শব্দের ভেতরের মূল ক্রিয়ামূল নির্ধারণ করতে হবে।
a অপ
b দর
c গর
d ভর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভর ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়, যার মধ্যে একটি হলো খাঁটি বাংলা উপসর্গ। ভর একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা সাধারণত শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে এবং পূর্ণতা বোঝায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ মূল শব্দের বা ধাতুর পূর্বে বসে শব্দের অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন সাধন করে তাদের উপসর্গ বলে। বাংলা ভাষায় মোট একুশটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ রয়েছে যা বাংলা শব্দ গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভরপুর ব্যাখ্যা: মূল শব্দ পুর-এর পূর্বে ভর উপসর্গ যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ বোঝানো অর্থে ভরপুর শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ভরপেট ব্যাখ্যা: পেট শব্দের পূর্বে ভর উপসর্গ যুক্ত হয়ে পেট ভর্তি বা পর্যাপ্ত পরিমাণ বোঝাতে ভরপেট শব্দটি তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপ — এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ যা বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয় না এমন নয়, তবে এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ নয়। B) দর — এটি একটি ফারসি উপসর্গ যা সাধারণত বৈদেশিক শব্দ গঠনে বাংলায় ব্যবহৃত হয়ে থাকে। C) গর — এটি একটি আরবি উপসর্গ যা না বোধক বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে ফারসি বা আরবি শব্দের সাথে বসে। D) ভর — এটি একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ এবং প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: খাঁটি বাংলা উপসর্গগুলো সহজে মনে রাখার একটি জনপ্রিয় ছন্দ হলো অ আ অঘা অজ আন অমুন আর ইতি উন কদ সু নি পাতি স রাম সর্ हा. এখানে ভর উপসর্গটি খাঁটি বাংলা উপসর্গের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই খাঁটি বাংলা এবং বিদেশী উপসর্গের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। উপসর্গ চেনার সময় শব্দের উৎস বা উৎপত্তি ভালোমতো খেয়াল রাখতে হবে যাতে তৎসম ও খাঁটি বাংলা উপসর্গ গুলিয়ে না যায়।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন
c জিয়াউর রহমান সিদ্দিকী
d সিকান্দার আবু জাফর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিকান্দার আবু জাফর ১. কেন সঠিক: - 'সমকাল' একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী সাহিত্য পত্রিকা এবং এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার সিকান্দার আবু জাফর। - ১৯৫৭ সালের নভেম্বর মাসে এই পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সিকান্দার আবু জাফর ছিলেন একাধারে কবি, নাট্যকার ও সাংবাদিক যিনি বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সাহিত্যচর্চা করেছেন। - তাঁর বিখ্যাত নাটক 'সিরাজউদ্দৌলা' এবং জনপ্রিয় গান 'আমাদের সংগ্রাম চলবেই' বাংলা সাহিত্যে ও সংস্কৃতিতে অনন্য স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকটি সিকান্দার আবু জাফরের লেখা একটি ঐতিহাসিক নাটক। ব্যাখ্যা: এই নাটকটি ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে এবং বাঙালি জাতির স্বাধিকার সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: 'আমাদের সংগ্রাম চলবেই, আমাদের জয় হবেই' গানটির রচয়িতা সিকান্দার আবু জাফর। ব্যাখ্যা: এই গানটি বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম ও স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুক্তিকামী মানুষকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি এবং 'লাঙল' ও 'ধূমকেতু' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, 'সমকাল' পত্রিকার সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন না। B) মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন — তিনি বিখ্যাত মাসিক 'সওগাত' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন, যা নারী জাগরণে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল। C) জিয়াউর রহমান সিদ্দিকী — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত অধ্যাপক ও প্রাবন্ধিক ছিলেন, তবে 'সমকাল' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে তিনি পরিচিত নন। D) সিকান্দার আবু জাফর — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি পত্রিকার সম্পাদনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - সমকাল পত্রিকার সম্পাদক মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে সিকান্দার নামের একজন শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব সমকালের (বর্তমান সময়ের) চালিকাশক্তি ছিলেন। - পত্রিকাটির প্রকাশকাল ১৯৫৭ সাল এবং এর মাধ্যমে বহু নতুন সাহিত্যিক আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রখ্যাত সাহিত্য ও সংবাদপত্রের সম্পাদক সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য পত্রিকা এবং এর সম্পাদকের নাম একটি তালিকায় নোট করে বারবার চর্চা করা উচিত।
a বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস
b বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
c বাংলা সাহিত্যের কথা
d বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাংলা সাহিত্যের কথা ১. কেন সঠিক: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক বিখ্যাত গ্রন্থটির নাম বাংলা সাহিত্যের কথা। এই গ্রন্থটি দুটি খণ্ডে বিভক্ত এবং এতে মূলত প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য ও ভাষার ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন একাধারে ভাষাবিদ, সাহিত্যিক ও গবেষক যিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করেছেন। তার এই গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ এবং মধ্যযুগের নানা সাহিত্যকর্মের ঐতিহাসিক মূল্যায়নের জন্য অত্যন্ত প্রামাণ্য দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সম্পাদনায় প্রকাশিত প্রাচীন আমলের নিদর্শনের ওপর রচিত গ্রন্থ চর্যাপদ। ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের আদি নিদর্শন আবিষ্কার ও তার ভাষা বিশ্লেષণে তার অবদান অপরিসীম। উদাহরণ ২: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর অপর একটি বিখ্যাত গবেষণা গ্রন্থ হলো বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষার বিভিন্ন অঞ্চলের উপভাষা ও শব্দের রূপবৈচিত্র্য বুঝতে সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস — এই নামে দীনেশচন্দ্র সেন এবং সুকুমার সেনসহ একাধিক লেখক গ্রন্থ রচনা করেছেন, যা শহীদুল্লাহর গ্রন্থ নয়। B) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য — এটি ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন রচিত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত প্রাচীন ও প্রামাণ্য গ্রন্থ। D) বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত — এই নামে সৈয়দ আলী আহসান এবং মুহম্মদ আবদুল হাই যৌথভাবে একটি বিখ্যাত সাহিত্য ইতিহাস গ্রন্থ রচনা করেছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: শহীদুল্লাহর নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারো যে তিনি বাংলা সাহিত্যের কথা বলেছেন সহজভাবে। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ মানেই বাংলা সাহিত্যের কথা গ্রন্থটি মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা হিসেবে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, দীনেশচন্দ্র সেন ও সুকুমার সেনের গ্রন্থগুলোর নাম আলাদাভাবে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি। কোন লেখকের কোন গ্রন্থটি সাহিত্যের ইতিহাস বা ইতিবৃত্ত হিসেবে পরিচিত, তা বারবার বিসিএস পরীক্ষায় আসে।
a বয়স্ক বহুমুখী
b নিরেট মূর্খ
c কপটাচারী
d ভণ্ড সাধু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বয়স্ক বহুমুখী ১. কেন সঠিক: 'ভূষণ্ডির কাক' একটি জনপ্রিয় প্রবাদপ্রতিম বাগধারা যার অর্থ দীর্ঘজীবী ব্যক্তি বা অত্যন্ত বয়স্ক ও অভিজ্ঞ ব্যক্তি। পুরাণে কাকের দীর্ঘায়ু হওয়ার কথা বলা হয়েছে এবং ভূষণ্ডি নামের এক কাকের পৌরাণিক কাহিনীর সঙ্গে এটি যুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ভাব বা অর্থ প্রকাশ করে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎপত্তি এবং এর রূপক অর্থ নির্ধারণের জন্য এই ধরনের বাগধারা প্রায়শই প্রশ্ন হিসেবে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আক্কেল সেলামি ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ নির্বুদ্ধিতার শাস্তি। উদাহরণ ২: ইঁদুর কপালে ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ অত্যন্ত মন্দভাগ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বয়স্ক বহুমুখী — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভূষণ্ডির কাক বলতে দীর্ঘকাল বেঁচে থাকা এবং অনেক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে বোঝায়। B) নিরেট মূর্খ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি গোবরগণেশ বা অর্বাচীন বাগধারার অর্থ প্রকাশ করে। C) কপটাচারী — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি বিড়াল তপস্বী বা বকধার্মিক বাগধারার অর্থ বোঝায়। D) ভণ্ড সাধু — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি সাধুবেশী প্রতারক বা ভণ্ডকে নির্দেশ করে, দীর্ঘজীবী ব্যক্তিকে নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: কাক পাখিটি অনেক দিন বাঁচে বলে মনে করা হয়। তাই কাক দেখলে দীর্ঘজীবী বা বয়স্ক মানুষের কথা মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দীর্ঘায়ু বা অভিজ্ঞ ব্যক্তি বোঝাতে ভূষণ্ডির কাক বাগধারাটি বারবার আসে। একই ধরনের অন্যান্য বাগধারা যেমন দীর্ঘজীবী বা অভিজ্ঞ সংক্রান্ত শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করবে।
a রামায়ণ
b গীতগোবিন্দ
c মহাভারত
d পদ্মাবতী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহাভারত ১. কেন সঠিক: - কাশীরাম দাস মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত অনুবাদক যিনি সংস্কৃত মহাভারত বাংলায় পদ্যে অনুবাদ করেন। - তার এই অনুবাদকৃত মহাভারত পুথি সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং ঐতিহাসিক গ্রন্থ হিসেবে সমাদৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাশীরাম দাস সপ্তদশ শতকের শুরুর দিকে বর্ধমান জেলার ইন্দ্রাণী পরগনার অন্তর্গত সিঙ্গি গ্রামের এক কায়স্থ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি মূল সংস্কৃত মহাভারতের কাহিনীর সারাংশ নিয়ে সহজ ও সাবলীল পঞ্জিকায় বা পদ্য ছন্দে বাংলা ভাষায় এই মহাকাব্য রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃত্তিবাস ওহাকার রামায়ণ অনুবাদ করেন। ব্যাখ্যা: মধ্যযুগে রামায়ণ বাংলায় অনুবাদ করে কৃত্তিবাস ওঝা ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। উদাহরণ ২: সৈয়দ আলাওল পদ্মাবতী কাব্য রচনা করেন। ব্যাখ্যা: আলাওল আরাকান রাজসভার প্রখ্যাত কবি যিনি মালিক মোহাম্মদ জায়সির পদ্মাবত কাব্য বাংলায় রূপান্তর করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামায়ণ — রামায়ণ গ্রন্থটি কাশীরাম দাস অনুবাদ করেননি বরং এটি বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন কৃত্তিবাস ওঝা। B) গীতগোবিন্দ — গীতগোবিন্দ সংস্কৃত কাব্য যার বাংলা অনুবাদ করেছিলেন বিভিন্ন পদকর্তা ও কবি, কাশীরাম দাস নন। D) পদ্মাবতী — পদ্মাবতী কাব্যটি অনুবাদ বা রচনা করেছিলেন মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি সৈয়দ আলাওল। ৫. মনে রাখার টিপস: - মহাভারতের মহা অক্ষর এবং কাশীরামের মা অক্ষর মিলে মহা-কা অর্থাৎ মহাভারত ও কাশীরাম এভাবে মনে রাখা যায়। - রামায়ণের র এবং কৃত্তিবাসের র দিয়ে কৃত্তিবাস রামায়ণ মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যে কৃত্তিবাস ওঝা এবং কাশীরাম দাসের নাম সবচেয়ে বেশি পরীক্ষামূলক প্রশ্ন আসে। - মূল গ্রন্থ এবং তাদের অনুবাদকদের নাম মুখস্থ রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a ফরাসি
b ফারসি
c আরবি
d উর্দু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফারসি ১. কেন সঠিক: - চাবুক শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বাংলা ভাষায় প্রচলিত বিভিন্ন বিদেশি শব্দের মধ্যে ফারসি বা পারসিক শব্দ অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষা দীর্ঘকাল বিভিন্ন সংস্কৃতির সংস্পর্শে আসায় এতে প্রচুর বিদেশি শব্দ প্রবেশ করেছে। ফারসি শব্দ মূলত প্রশাসনিক, সাংস্কৃতিক ও দৈনন্দিন জীবনের নানা ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাগজ ব্যাখ্যা: কাগজ একটি বহুল ব্যবহৃত ফারসি শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে লেখালেখির কাজে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: চশমা ব্যাখ্যা: চশমা শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত যা আমরা চোখে ব্যবহারের জন্য ব্যবহার করে থাকি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে কার্তুজ বা কুপন জাতীয় শব্দ এসেছে, চাবুক নয়। B) ফারসি — এটি সঠিক উত্তর। C) আরবি — আরবি ভাষা থেকে ইসলাম ধর্ম বা প্রশাসনসংক্রান্ত শব্দ যেমন আদালত বা কলম এসেছে। D) উর্দু — উর্দু মূলত একটি মিশ্র ভাষা এবং এটি থেকে চাবুক শব্দটি আসেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - ফারসি শব্দ মনে রাখার জন্য প্রশাসন, আইন এবং দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসপত্র যেমন চাবুক, কাগজ ও চশমা একসঙ্গে চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। তাই বিদেশি শব্দের শ্রেণিবিভাগ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ভানুসিংহ
b সুনন্দ
c বনফুল
d নীললোহিত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বনফুল ১. কেন সঠিক: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক ছদ্মনাম হলো বনফুল। তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত ছোটগল্পকার ও ঔপন্যাসিক ছিলেন যিনি এই ছদ্মনামে মূলত ব্যঙ্গাত্মক ও মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প লিখে পরিচিতি লাভ করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় বাংলা ছোটগল্পের ধারায় এক অনন্য সংযোজন যাঁর গল্পগুলো আকারে ছোট এবং গভীর ভাবসমৃদ্ধ হতো। তিনি পেশায় একজন চিকিৎসক ছিলেন এবং সাহিত্যচর্চাকে নিজের শখ ও ব্রত হিসেবে গ্রহণ করে বাংলা কথাসাহিত্যে স্থায়ী আসন লাভ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনফুলের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প হলো অদৃশ্য লোক। ব্যাখ্যা: এই গল্পটি তাঁর সাহিত্যিক প্রতিভার এক অনন্য নিদর্শন এবং ছোটগল্পের শিল্পরূপের উৎকর্ষ ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: বনফুলের রচিত একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো সে ও আমি। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটিতে মানবমনের জটিল মনস্তাত্ত্বিক দিক অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভানুসিংহ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কৈশোর ও প্রথম যৌবনের পদ রচনার ছদ্মনাম। B) সুনন্দ — এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও সাংবাদিক সজনীকান্ত দাসের সুপরিচিত ছদ্মনাম। C) বনফুল — এটি বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম যা প্রশ্নানুসারে সম্পূর্ণ সঠিক। D) নীললোহিত — এটি জনপ্রিয় আধুনিক লেখক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বহুল ব্যবহৃত ছদ্মনাম। ৫ মনে রাখার টিপস: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ব দিয়ে শুরু এবং বনফুলও ব দিয়ে শুরু তাই নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে সহজেই ছদ্মনামটি মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম প্রায়ই আসে তাই বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের বনফুল নামটি ভালোভাবে মনে রাখা আবশ্যক। একই উপায়ে অন্যান্য লেখকের ছদ্মনামগুলোও ছক আকারে তালিকাভুক্ত করে মুখস্থ করা যেতে পারে।
a একাকার
b সাকার
c হাহাকার
d আকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাকার ১. কেন সঠিক: - নিরাকার শব্দের অর্থ যার কোনো আকার বা রূপ নেই এবং এর বিপরীত শব্দ হলো সাকার যার অর্থ আকার বা রূপসহ। - বিপরীতার্থক শব্দ মূলত পরস্পরবিরোধী অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ গঠনে উপসর্গ বা ভিন্ন শব্দমূল ব্যবহার করা হয়। - এখানে নি (নেই অর্থে) উপসর্গযুক্ত শব্দের বিপরীতে স (সহিত অর্থে) উপসর্গযুক্ত শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দৃশ্য × অদৃশ্য ব্যাখ্যা: দৃশ্য শব্দের অর্থ যা দেখা যায় এবং অদৃশ্য শব্দের অর্থ যা দেখা যায় না। উদাহরণ ২: চেতন × অচেতন ব্যাখ্যা: চেতন শব্দের অর্থ জ্ঞান বা চৈতন্য আছে যার এবং অচেতন শব্দের অর্থ চেতনা নেই যার। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একাকার — একাকার শব্দের অর্থ সব এক হয়ে যাওয়া, যা নিরাকার শব্দের বিপরীত নয়। B) সাকার — এটি সঠিক উত্তর। C) হাহাকার — হাহাকার শব্দের অর্থ তীব্র আর্তনাদ বা দুঃখ প্রকাশ, যা নিরাকার শব্দের বিপরীত নয়। D) আকার — আকার শব্দের অর্থ রূপ বা আকৃতি, যা নিরাকার শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নি উপসর্গ মানে নেই এবং স উপসর্গ মানে আছে। - তাই নিরাকার মানে আকার নেই এবং সাকার মানে আকার আছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। - উপসর্গ পরিবর্তন করে অনেক সময় বিপরীত শব্দ তৈরি করা যায়।
a রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
b বিহারীলাল চক্রবর্তী
c মাইকেল মধুসূদন দত্ত
d কায়কোবাদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য থেকে সংগৃহীত। - এখানে 'রাঘব' বলতে রামচন্দ্রকে বোঝানো হয়েছে এবং প্রমিলা রাবণের ভয়ে ভীত নন তা প্রকাশ করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি ও সনেটের প্রবর্তক। - মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গবাণী কবিতাটি কায়কোবাদ রচিত নয় বরং এটি আব্দুল কাদির রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা। ব্যাখ্যা: সাহিত্যিক উদ্ধৃতি চেনার ক্ষেত্রে কবির রচনা শৈলী জানা জরুরি। উদাহরণ ২: মীর মশাররফ হোসেনের বিষাদ সিন্ধু একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। ব্যাখ্যা: চরিত্রের সংলাপ ও সাহিত্যকর্মের উৎস মনে রাখতে এই উদাহরণ সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি ঐতিহাসিক ও দেশাত্মবোধক কাব্যের জন্য পরিচিত হলেও এই পংক্তিটি তাঁর নয়। B) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত হলেও এই বিখ্যাত পংক্তিটির রচয়িতা তিনি নন। C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ পংক্তিটি তাঁর মেঘনাদবধ কাব্য থেকে নেওয়া। D) কায়কোবাদ — তিনি মহাশ্মশান মহাকাব্যের জন্য বিখ্যাত হলেও এই উদ্ধৃতির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - মেঘনাদবধ কাব্যের বীরত্বপূর্ণ উক্তি মানেই মাইকেল মধুসূদন দত্ত। - রাঘবে ডরাই না এই ধরণের নাটকীয় সংলাপ মধুসূদন দত্তের কাব্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মেঘনাদবধ কাব্য কতটি সর্গে বিভক্ত এই প্রশ্নটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - মহাকাব্যের বৈশিষ্ট্য এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবক্তা সম্পর্কে ধারণা থাকা আবশ্যক।
a দিবাকর
b ভাস্কর
c নিশাকর
d বিভাকর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিশাকর ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সমার্থক শব্দ সম্পর্কিত। নিশাকর শব্দের অর্থ চাঁদ, যার সঙ্গে রাতের সম্পর্ক রয়েছে। - অন্য শব্দগুলো সূর্যকে বোঝায়, তাই নিশাকর বাকিগুলোর থেকে আলাদা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলো, যেগুলোর অর্থ একই বা প্রায় একই রকম হয়। - এই প্রশ্নে সূর্যাার্থক শব্দের সঙ্গে চন্দ্রার্থক শব্দের পার্থক্য নির্ণয় করতে বলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যের সমার্থক শব্দ হলো রবি, সূর্য, তপন ও মার্তণ্ড। ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো আলোর উৎস বা সূর্যকে নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: চাঁদের সমার্থক শব্দ হলো শশাঙ্ক, ইন্দু, নিশাকর ও সুধাকর। ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো রাতের আকাশ বা চাঁদকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিবাকর — দিবাকর শব্দের অর্থ সূর্য, যা আলোর উৎস। এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে মেলে না কারণ এটি সমার্থক নয় এমন অপশন নয়। B) ভাস্কর — ভাস্কর শব্দের অর্থ সূর্য বা আলো প্রদানকারী। এটিও সূর্যের সমার্থক শব্দ। C) নিশাকর — নিশাকর শব্দের অর্থ চাঁদ বা রাত্রের আকর। এটি সূর্যের সমার্থক নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর। D) বিভাকর — বিভাকর শব্দের অর্থ সূর্য বা কিরণদাতা। এটিও সূর্যের সমার্থক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে শব্দের শেষে কর বা পতি যুক্ত হয়ে রাত বা চন্দ্র বোঝায়, তা চাঁদ। - আর যে শব্দের শেষে কর, রী বা মালী যুক্ত হয়ে দিন বা আলো বোঝায়, তা সূর্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্য ও চাঁদের সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই একসঙ্গে দিয়ে প্রশ্ন করা হয়। - তাই কর এবং পতি শব্দগুলোর আগের অংশ খেয়াল করে চাঁদ ও সূর্যের পার্থক্য বুঝতে হবে।
a দিলওয়ার
b শামসুর রাহমান
c শহীদ কাদরী
d মহাদেব সাহা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শামসুর রাহমান ১. কেন সঠিক: - নিজ বাসভূমে কাব্যগ্রন্থটি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি শামসুর রাহমানের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সৃষ্টি। - এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত একটি মননশীল কাব্যগ্রন্থ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধে বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং তাকে আধুনিক নাগরিক কবিতার বরপুত্র বলা হয়। - তার কবিতায় তৎকালীন সমকালীন রাজনৈতিক অস্থিরতা, বাঙালির মুক্তি সংগ্রাম এবং নাগরিক জীবনের নানা রূপ অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে ব্যাখ্যা: এটিও কবি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত ও অত্যন্ত প্রশংসিত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: বন্দী শিবির থেকে ব্যাখ্যা: শামসুর রাহমানের এই কাব্যগ্রন্থটিও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনার মধ্যে অন্যতম প্রধান স্থান অধিকার করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিলওয়ার — দিলওয়ার একজন বিশিষ্ট কবি হলেও নিজ বাসভূমে কাব্যগ্রন্থটি তার রচিত নয়। তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে উদাত্ত পূর্বাশা। B) শামসুর রাহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তার বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ। C) শহীদ কাদরী — শহীদ কাদরী আধুনিক কবিতার একজন শক্তিশালী কবি হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ উত্তর উত্তরাধিকার। D) মহাদেব সাহা — মহাদেব সাহা সমকালীন জনপ্রিয় কবি হলেও নিজ বাসভূমে কাব্যগ্রন্থের সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - শামসুর রাহমান মানেই নাগরিক বেদনা ও মুক্তিযুদ্ধের অমর পঙ্‌ক্তিমালা। - নিজ বাসভূমে নিজের দেশে পরাধীনতার গ্লানি ও মুক্তির আনন্দ কবি এই বইয়ে ফুটিয়ে তুলেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শামসুর রাহমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ যেমন নিজ বাসভূমে এবং বন্দী শিবির থেকে প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - কবিদের প্রধান ও বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়লে সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a পিপিলিকা
b পীপিলিকা
c পীপীলিকা
d পি্পীলিকা
ব্যাখ্যাঃ
**বিশেষ দ্রষ্টব্য:** প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে B অপশন (পীপিলিকা) উল্লেখ করা হলেও, বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'পিপীলিকা' বানানটি সঠিক। এখানে বাংলা একাডেমির প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী সঠিক বানানটি ব্যাখ্যা করা হলো। সঠিক উত্তর: C) পীপীলিকা ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী পিপীলিকা শব্দটির প্রথম ই-কার এবং দ্বিতীয় ঈ-কার হবে। - এর সঠিক গঠন হলো প-এ রসিকার, প-এ দীর্ঘিকার, ল-এ রসিকার ক-এ আকার (পিপীলিকা)। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে হ্রস্ব-ই (ই) এবং দীর্ঘ-ঈ (ঈ) এর ব্যবহার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। - অতৎসম বা দেশি-বিদেশি শব্দে সাধারণত ই-কার ব্যবহৃত হয়, তবে কিছু নির্দিষ্ট তৎসম শব্দে দীর্ঘ-ঈ যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুহূর্ত ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত প্রমিত তৎসম শব্দ। উদাহরণ ২: বুদ্ধিজীবী ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও দীর্ঘ-ই কারের সঠিক ব্যবহার দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিপিলিকা — এই অপশনে সবগুলি ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে প্রমিত নিয়ম সমর্থন করে না। B) পীপিলিকা — প্রদত্ত এই অপশনটিতে প্রথম ঈ-কার এবং দ্বিতীয় ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নিয়মের বিপরীত। C) পীপীলিকা — এই বানানটিতে প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী প্রথম ই-কার এবং দ্বিতীয় ঈ-কার সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। D) পি্পীলিকা — এই অপশনে যুক্তবর্ণের ব্যবহারে ত্রুটি রয়েছে যা একটি অচল ও ভুল রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: - পিপীলিকা বান মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রথমে ছোট ই এবং পরে বড় ঈ ব্যবহার করা। - অর্থাৎ পেটে ছোট ই এবং পুচ্ছে বড় ঈ এভাবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বানান প্রায়ই বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। - তাই বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়মগুলো নিয়মিত চর্চা করা উচিত।
a কাহিনী
b জনশ্রুতি
c গল্প
d রূপকথা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জনশ্রুতি ১. কেন সঠিক: - কিংবদন্তি শব্দের সঠিক ও প্রমিত অর্থ হলো জনশ্রুতি বা লোকমুখে প্রচলিত কাহিনী। - দীর্ঘকাল ধরে মানুষের মুখে মুখে চলে আসা ঐতিহাসিক বা কাল্পনিক ঘটনাকে কিংবদন্তি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দের অর্থ বা এককথায় প্রকাশ সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্ন। - প্রমথ চৌধুরী বা অন্যান্য সাহিত্যিকদের লেখায় এই শব্দের বহুল ব্যবহার দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলার বারো ভূঁইয়াদের নিয়ে অনেক কিংবদন্তি প্রচলিত আছে। ব্যাখ্যা: এখানে কিংবদন্তি বলতে লোকমুখে প্রচলিত ঐতিহাসিক বীরত্বগাথাকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: সুন্দরবনের গাজীর কালু লোকগাথা এক ধরণের কিংবদন্তি। ব্যাখ্যা: এটি মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত একটি কাল্পনিক ও ঐতিহাসিক মিশ্র কাহিনী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাহিনী — কাহিনী সাধারণ যেকোনো গল্প হতে পারে, যা কিংবদন্তির বিশেষ অর্থ বহন করে না। B) জনশ্রুতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ কিংবদন্তি মানেই মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত কথা। C) গল্প — গল্প অনেক ধরণের হতে পারে, কিন্তু কিংবদন্তি বলতে ঐতিহ্যগত জনশ্রুতিকে বোঝায়। D) রূপকথা — রূপকথা মূলত কাল্পনিক ও অবাস্তব গল্প, যা কিংবদন্তি থেকে আলাদা। ৫. মনে রাখার টিপস: - কিংবদন্তি শব্দটি ভাঙলে বোঝা যায় এটি বহু মানুষের মুখে প্রচলিত (শ্রুতি) বিষয়। - জনশ্রুতি মানে মানুষের মুখে মুখে যা শোনা যায়, তাই কিংবদন্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের প্রমিত অর্থ প্রায়ই আসে। - লোকসাহিত্য ও শব্দের উৎস সংক্রান্ত প্রশ্ন সমাধানে অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
a বিষন্ন
b বিরক্ত
c প্রকট
d অন্তরায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রকট ১. কেন সঠিক: 'প্রচ্ছন্ন' শব্দটির অর্থ হলো যা ঢাকা, গুপ্ত বা লুকানো। এর বিপরীতে যে শব্দটি প্রকাশ পায় বা যা সবার সামনে দৃশ্যমান, তাকে 'প্রকট' বলা হয়। বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের মূল ভাব ও অর্থের বিপরীত রূপটি বিবেচনা করতে হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ব্যাকরণে তৎসম, অর্ধতৎসম ও তদ্ভব শব্দের মতো বিপরীত শব্দের ক্ষেত্রেও ভাষার রীতি মেনে চলতে হয়। সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলো - অন্ধকার ব্যাখ্যা: আলো শব্দের বিপরীত অর্থ হলো অন্ধকার, যা আলোকহীন অবস্থাকে বোঝায়। উদাহরণ ২: উন্নত - অবনত ব্যাখ্যা: উন্নত শব্দের অর্থ উচু এবং এর বিপরীত অবনত শব্দের অর্থ নিচু। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষন্ন — বিষন্ন শব্দের অর্থ মনমরা বা উদাসীন, যা প্রচ্ছন্ন শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) বিরক্ত — বিরক্ত শব্দের অর্থ অসন্তুষ্ট বা ক্ষুব্ধ, যা প্রচ্ছন্ন শব্দের বিপরীতার্থক নয়। C) প্রকট — সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত কারণ এটি প্রচ্ছন্ন শব্দের সঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) অন্তরায় — অন্তরায় শব্দের অর্থ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা, যা প্রচ্ছন্ন শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রচ্ছন্ন মানে গোপন আর প্রকট মানে খোলা বা দৃশ্যমান। এভাবে গোপন ও খোলা এই জোড়াটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। তাই প্রচ্ছন্ন এবং প্রকট জুটির মতো সমার্থক ও বিপরীত শব্দগুলোর তালিকা বারবার চর্চা করতে হবে।
a সাম্যবাদী
b ফণিমনসা
c অগ্নিবীণা
d চিতনামা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অগ্নিবীণা ১. কেন সঠিক: কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত 'বিদ্রোহী' কবিতাটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'-র অন্তর্গত। এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগ সৃষ্টি করেছিল এবং প্রকাশের পর থেকেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হয় এবং এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। বাংলা কবিতার ধারায় রোমান্টিকতার গণ্ডি ভেঙে বিদ্রোহ ও প্রতিবাদের সুর নিয়ে আসার ক্ষেত্রে এই কাব্যগ্রন্থের ভূমিকা ঐতিহাসিক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'প্রলয়োল্লাস' কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতাতেও বিদ্রোহী সুর ও ধ্বংসের মধ্য দিয়ে নতুন সৃষ্টির বার্তার প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: 'কামাল পাশা' কবিতাটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের একটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক কবিতা। ব্যাখ্যা: তুরস্কের স্বাধীনতা সংগ্রামের বীর মোস্তফা কামাল পাশার বীরত্বকে এই কবিতায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাম্যবাদী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের অন্য একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়, তবে 'বিদ্রোহী' কবিতা এতে নেই। B) ফণিমনসা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়, এতে 'বিদ্রোহী' কবিতা অন্তর্ভুক্ত নয়। D) চিতনামা — এটি কোনো প্রামাণ্য কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি অপশন তৈরি করার জন্য একটি কাল্পনিক বা ভুল নাম হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'র শুরুতেই রয়েছে আগুনঝরা 'বিদ্রোহী' কবিতা। কবি নিজেই যেন অগ্নিবীণা বাজিয়ে বিদ্রোহের আগুন জ্বালিয়েছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের প্রকাশসাল এবং প্রথম কবিতার নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ও প্রথম প্রকাশিত কবিতার নাম আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে।
a জহির রায়হান
b সেলিনা হোসেন
c শহীদুল জহির
d শাহরিয়ার কবির
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শাহরিয়ার কবির ১. কেন সঠিক: - 'একাত্তরের যীশু' একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোটগল্প ও এর ওপর নির্মিত প্রখ্যাত চলচ্চিত্র। - এর রচয়িতা বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক ও প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা শাহরিয়ার কবির। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শাহরিয়ার কবির বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও মানবাধিকারকর্মী যিনি মূলত শিশুসাহিত্য এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। - 'একাত্তরের যীশু' গল্পে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের বর্বরতার বিরুদ্ধে একজন খ্রিস্টান যাজকের মানবিক ভূমিকা ও আত্মত্যাগের মর্মস্পর্শী চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রমা জয়ের গান ব্যাখ্যা: এটিও শাহরিয়ার কবির রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: নিষিদ্ধ প্রান্তর ব্যাখ্যা: এটিও শাহরিয়ার কবিরের একটি আলোচিত শিশুতোষ ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জহির রায়হান — ইনি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার হলেও 'একাত্তরের যীশু' তার রচনা নয়, তার বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো 'হাজার বছর ধরে' ও 'বরফ গলা নদী'। B) সেলিনা হোসেন — ইনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও 'একাত্তরের যীশু' গল্পটি তার লেখা নয়, তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো 'যাপিত জীবন' ও 'হাঙর নদী গ্রেনেড'। C) শহীদুল জহির — ইনি আধুনিক বাংলা ছোটগল্পের এক অনন্য জাদুকরী বাস্তবতার লেখক হলেও 'একাত্তরের যীশু' তার রচিত কোনো গল্প নয়। D) শাহরিয়ার কবির — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই গল্পটির মূল রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - একাত্তরের যীশু খ্রিস্টধর্মের যাজক সংক্রান্ত গল্প আর এর লেখক হলেন শাহরিয়ার কবির। - কবির নামের সাথে যীশু বা ধর্মের মেলবন্ধন মনে রেখে সহজেই এই সাহিত্যকর্মটি মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - প্রখ্যাত লেখকদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোটগল্প ও উপন্যাসগুলোর নাম আলাদা করে ছক বানিয়ে মুখস্থ রাখা উচিত।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b সুকান্ত ভট্টাচার্য
c কাজী নজরুল ইসলাম
d মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: উদ্ধৃত চরণ দুটি বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত সাম্যবাদী চেতনার কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। এখানে শোষক শ্রেণির কৃত্রিম শ্রেষ্ঠত্ব ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও সাম্যবাদের প্রবক্তা। তাঁর কবিতায় সমাজের নিচুতলার মানুষের অধিকার এবং শোষকদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সুর জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোর ঘুম ঘোরে কাটে না তো নাই প্রহর, ওই শোন বাজে ভোরের শঙ্খ ওহরের। ব্যাখ্যা: এটি কবির সাম্যবাদী ও জাগরণমূলক কবিতার একটি চরণ যা শোষিত মানুষের জাগরণের কথা বলে। উদাহরণ ২: হে দারিদ্র্য, তুমি মোরে করেছ মহান, তুমি মোরে দাদিয়াছ খ্রীষ্টের সম্মান। ব্যাখ্যা: এটি কবির বিখ্যাত 'দারিদ্র্য' কবিতার অংশ, যেখানে দারিদ্র্যের মহত্ত্ব প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখায় আধ্যাত্মিকতা ও প্রকৃতির রূপ বেশি প্রকাশ পেলেও এই ধরনের বিদ্রোহী ও সাম্যবাদী সুর কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার বৈশিষ্ট্য। B) সুকান্ত ভট্টাচার্য — সুকান্ত ভট্টাচার্য কিশোর কবি ও মার্কসবাদী চেতনার লেখক হলেও এই নির্দিষ্ট চরণটি তাঁর নয়। D) মধুসূদন দত্ত — মাইকেল মধুসূদন দত্ত মহাকাব্য ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবক্তা, তাঁর রচনার ভাব ও ভাষা এই উদ্ধৃতির সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: তেতলার পরে আর নিচে থাকার বৈষম্য বা শোষকদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কথা থাকলে সাধারণত কাজী নজরুল ইসলামের সাম্যবাদী কবিতাকে বেছে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী, সাম্যবাদী ও সর্বহারা শ্রেণির পক্ষে লেখা কবিতাগুলোর পঙক্তি প্রায়ই তুলে দেওয়া হয়। কবির কবিতার মূল সুর চেনার মাধ্যমে সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a কোকিল
b কাক
c ময়ূর
d বৃদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাক ১. কেন সঠিক: - 'বায়স' একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার প্রমিত অর্থ হলো কাক। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিভিন্ন প্রাণীর তৎসম শব্দের রূপ অনেক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ নির্ণয়ের জন্য প্রায়ই আসে। ২. শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। - 'বায়স' একটি তৎসম শব্দ, যা সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এর অর্থ অপরিবর্তিত রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ময়ূর শব্দের তৎসম প্রতিশব্দ হলো শিখী বা মরাল। ব্যাখ্যা: এটি সাহিত্যের বিভিন্ন কাব্যে ময়ূরের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কোকিল শব্দের তৎসম প্রতিশব্দ হলো পিক বা পরভৃত। ব্যাখ্যা: বসন্তকালের বর্ণনায় কবিরা কোকিলের পরিবর্তে প্রায়ই পিক শব্দটি ব্যবহার করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোকিল — কোকিল শব্দের অর্থ ভিন্ন, এটি পিক বা পরভৃত নামে পরিচিত এবং এর ডাক বায়সের ডাক থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। B) কাক — এই অপশনটি সঠিক কারণ বায়স শব্দের সরাসরি অর্থ হলো কাক। C) ময়ূর — ময়ূর একটি ভিন্ন পাখি এবং এর তৎসম প্রতিশব্দ শিখী, তাই এটি বায়স হতে পারে না। D) বৃদ্ধ — বৃদ্ধ শব্দের অর্থ প্রবীণ বা বয়স্ক ব্যক্তি, যা কোনো পাখির নাম বা বায়স শব্দের অর্থ নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - বায়স শুনলে কাকের কথা মনে রাখবে কারণ বায়স অর্থ কাক। - সংস্কৃত উৎসের পাখিবাচক শব্দগুলো আলাদা তালিকা করে পড়লে সহজে মনে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের অর্থ প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে আসে। - শব্দের উৎস এবং তার সঠিক অর্থ মুখস্থ না রেখে প্রমিত বাংলা অভিধানের সাহায্যে অনুশীলন করা উচিত।
a দশগজি
b ত্রিফলা
c খেয়াঘাট
d বর্ষচোরা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দশগজি ১. কেন সঠিক: - দশ গজ পরিমাণ যার = দশগজি, এখানে সমস্তপদটি দ্বারা এমন একটি বিশেষ পরিমাপের কাপড় বা বস্তুকে বোঝায় যা অন্য কোনো পদকে নির্দেশ করে। - এই সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ প্রধান না হয়ে সম্পূর্ণ নতুন একটি অর্থ প্রকাশ পায়, যা বহুব্রীহি সমাসের মূল বৈশিষ্ট্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। - সাধারণত বহুব্রীহি সমাসের ব্যাসবাক্যে 'যাহার' বা 'যাতে' পদটি ব্যবহৃত হয় এবং সমস্তপদটি বিশেষণ পদরূপে কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিনা জপ করে যে = বিনাজপি ব্যাখ্যা: এটি বহুব্রীহি সমাসের একটি উদাহরণ যেখানে নতুন অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: চতুরঙ্গ যার = চতুরঙ্গ ব্যাখ্যা: সমাসবদ্ধ পদটি অন্য অর্থ প্রকাশ করায় এটি বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দশগজি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য অপশনগুলোর ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। B) ত্রিফলা — তিন ফলের সমাহার, এটি সমাহার দ্বিগু সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে সমাহার বা সমষ্টি বোঝানো হয়েছে। C) খেয়াঘাট — খেয়ার ঘাট, এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যেখানে সম্বন্ধ পদের বিভক্তি লোপ পেয়েছে। D) বর্ষচোরা — বর্ষ জুড়ে চোর বা যোগ্যতাহীন, এটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত যেখানে বিভক্তি লোপ পায়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বহুব্রীহি সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের শেষে 'যাহার' বা 'যে' থাকবে এবং সমস্তপদটি একটি নতুন গুণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করবে। - সংখ্যাবাচক শব্দ থাকলেও যদি সমষ্টি না বুঝিয়ে অন্য কিছু বোঝায়, তবে তা দ্বিগু না হয়ে বহুব্রীহি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাস নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ব্যাসবাক্য সঠিকভাবে করা অত্যন্ত জরুরি। - বিশেষ করে সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি এবং দ্বিগু সমাসের পার্থক্য ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a ১৯০৫ সালে
b ১৯০৭ সালে
c ১৯১৬ সালে
d ১৯১৭ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯০৭ সালে ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ সালে এটি আবিষ্কার করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক নিদর্শন এবং বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনা সংগীত। ১৯১৬ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের টিকাকার মুনিদত্ত। ব্যাখ্যা: মুনিদত্ত চর্যাপদের সংস্কৃত টীকা 'চর্যাচর্যবিনিশ্চয়' রচনা করেছিলেন যার ওপর ভিত্তি করে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এর অর্থ উদ্ধার করেন। উদাহরণ ২: চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি। ব্যাখ্যা: আবিষ্কৃত পুথিতে সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ পাওয়া গেলেও ড. সুকুমার সেনের মতে এর মোট পদের সংখ্যা হলো পঞ্চাশটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৫ সালে — এই সালে চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়নি বরং বঙ্গভঙ্গ সংঘটিত হয়েছিল। B) ১৯০৭ সালে — এটি সঠিক কারণ এই সালেই চর্যাপদ নেপাল থেকে আবিষ্কৃত হয়। C) ১৯১৬ সালে — এটি আবিষ্কারের সাল নয় বরং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদ প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। D) ১৯১৭ সালে — এই সালে চর্যাপদ প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক বা সাহিত্যিক ঘটনা ঘটেকনি। ৫. মনে রাখার টিপস: আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং আবিষ্কারের সাল ১৯০৭ মনে রাখতে 'হ' তে হরপ্রসাদ আর 'স' তে সপ্তমী বা সাত এভাবে মিলিয়ে নিতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ সম্পর্কিত সালগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ যেমন আবিষ্কার ১৯০৭ সাল এবং প্রকাশকাল ১৯১৬ সাল। পরীক্ষার সময় আবিষ্কার ও প্রকাশের সাল গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b আব্দুল কাদির
c বিনয় কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
d হুমায়ূন আহমেদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিনয় কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'দৃষ্টিপাত' একটি বিখ্যাত উপন্যাস এবং এর লেখক 'যাযাবর' ছদ্মনামে সাহিত্যচর্চা করতেন। - যাযাবর ছদ্মনামের আড়ালে থাকা প্রকৃত লেখক হলেন বিনয় কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিনয় কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও রম্যলেখক। - ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত 'দৃষ্টিপাত' উপন্যাসটি তাকে বাংলা সাহিত্যে অমর করে রেখেছে এবং এটি সমসাময়িক সমাজের নানা দিক নিয়ে লেখা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনফুল ব্যাখ্যা: প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম হলো বনফুল। উদাহরণ ২: পরিমল গোস্বামী ব্যাখ্যা: রম্যলেখক ও সাংবাদিক পরিমল গোস্বামীর ছদ্মনাম ছিল সনাতন পাঠক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং তার কোনো ছদ্মনাম ছিল না। B) আব্দুল কাদির — ইনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্য গবেষক ছিলেন এবং তিনি এই উপন্যাসের লেখক নন। C) বিনয় কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি যাযাবর ছদ্মনামে 'দৃষ্টিপাত' লিখেছেন। D) হুমায়ূন আহমেদ — ইনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক হলেও 'দৃষ্টিপাত' তার লেখা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যাযাবর মানে যার নির্দিষ্ট বাসস্থান নেই, আর বিনয়ী মানুষেরা সাধারণত প্রচারবিমুখ হয়ে ছদ্মনামে লেখেন। - দৃষ্টিপাত উপন্যাসের লেখক যাযাবর নামটিকে বিনয় কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিখ্যাত লেখকদের ছদ্মনামগুলো আলাদা করে নোট করে পড়লে এ ধরনের প্রশ্নে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a I see a bird
b He has just come
c I would rather die than beg
d He is right to punish them
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: D) He is right to punish them কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটির সঠিক উত্তর ভুল। সঠিক বাক্যটি হবে He is right in punishing them. - Right শব্দের পর সাধারণত gerund ব্যবহারের ক্ষেত্রে preposition হিসেবে in বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I see a bird — এটি একটি সম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক সাধারণ বাক্য। B) He has just come — Present Perfect Tense-এর নিয়ম অনুযায়ী এটি একটি সঠিক বাক্য। C) I would rather die than beg — would rather এর পর verb এর base form এবং than ব্যবহারের নিয়ম সঠিক আছে। D) He is right to punish them — প্রদত্ত উত্তর অনুযায়ী এটি ভুল বাক্য কারণ right এর পর infinitive না বসে gerund বসে। মনে রাখার টিপস: Right এর পর কোনো কাজ বোঝাতে infinitive না বসিয়ে preposition ইন এবং gerund ব্যবহার করতে হয়।
a Dexterous
b Docility
c Difference
d Penalise
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Dexterous কেন সঠিক: - Dexterous একটি Adjective যার অর্থ দক্ষ বা পটু। - এটি কোনো ব্যক্তি বা তার গুণের দোষ-গুণ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dexterous — এটি Adjective এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) Docility — এটি Abstract Noun, যার অর্থ নম্রতা বা বাধ্যগত স্বভাব। C) Difference — এটি Noun, যার অর্থ পার্থক্য বা অমিল। D) Penalise — এটি Verb, যার অর্থ শাস্তি প্রদান করা বা জরিমানা করা। মনে রাখার টিপস: যেকোনো শব্দের শেষে ous যুক্ত থাকলে সাধারণত সেটি Adjective হয়, যেমন Dexterous।
a than
b then
c when
d after
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) when কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী Hardly had যুক্ত বাক্যকে যুক্ত করতে when ব্যবহার করা হয়। - Past Perfect Tense এবং Past Indefinite Tense-এর সমন্বয়ে গঠিত বাক্যে এই গঠন ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) than — এটি সাধারণত No sooner এর সঙ্গে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে বসবে না। B) then — এটি একটি Adverb যা সময়ের ধারাবাহিকতা বোঝায়, কিন্তু এখানে সংযোজক হিসেবে বসবে না। C) when — এটি সঠিক উত্তর কারণ Hardly-এর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত সঠিক conjunction হলো when। D) after — এটি preposition বা conjunction হলেও Hardly-এর সঙ্গে এই বাকগঠনে মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: Hardly... when, Scarcely... before এবং No sooner... than জোড়ায় জোড়ায় বসে।
a জন এফ কেনেডি
b মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র
c বারাক ওবামা
d জন রবার্ট লুইস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র কেন সঠিক: - ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র এই ঐতিহাসিক ভাষণটি দিয়েছিলেন। - এই ভাষণে তিনি আমেরিকায় বর্ণবৈষম্য দূর করে জাতিগত সমতা ও ন্যায়বিচারের স্বপ্ন দেখার কথা ব্যক্ত করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন এফ কেনেডি — ইনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ছিলেন, তবে 'I have a dream' ভাষণটি তাঁর নয়। B) মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। C) বারাক ওবামা — ইনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি হলেও এই ঐতিহাসিক ভাষণের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। D) জন রবার্ট লুইস — ইনি একজন বিশিষ্ট নাগরিক অধিকার কর্মী হলেও এই বিখ্যাত ভাষণের বক্তা ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: মার্টিন লুথার 'কিং' ছিলেন সমতা প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের, তাই তাঁর মুখেই মানায় 'স্বপ্ন' বা ড্রিমের কথা।
a Alas
b Oh
c Hush
d Hurrah
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Hurrah কেন সঠিক: - Hurrah একটি ইন্টারজেকশন বা আবেগসূচক শব্দ, যা মানুষের মনে হঠাৎ আনন্দের উদ্রেক হলে প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। - খেলাধুলায় জয়লাভ বা কোনো সুসংবাদ শোনার পর উল্লাস প্রকাশ করতে এই শব্দটি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Alas — এটি দুঃখ বা বেদনা প্রকাশ করার জন্য ব্যবহৃত হয়, তাই আনন্দের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। B) Oh — এটি সাধারণত বিস্ময়, বেদনা কিংবা হঠাৎ কোনো অনুভূতির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, নির্দিষ্টভাবে আনন্দ বোঝায় না। C) Hush — এটি কাউকে চুপ করাতে বা নীরবতা বজায় রাখতে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। D) Hurrah — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা আনন্দ প্রকাশের জন্য ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: আনন্দ পেলে আমরা বলি Hurrah আর দুঃখ পেলে বলি Alas।
a grocer
b grosher
c groscher
d grosser
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) grocer কেন সঠিক: - grocer শব্দের অর্থ এমন একজন ব্যবসায়ী যিনি নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য ও গৃহস্থালির জিনিসপত্র বিক্রি করেন। - দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রির দোকানকে grocery shop বলা হয় এবং এর বিক্রেতা হলেন grocer। বাকি অপশন কেন ভুল: A) grocer - এটি সঠিক উত্তর এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রেতাকে বোঝায়। B) grosher - এটি ইংরেজি ভাষার কোনো সঠিক বানান বা শব্দ নয়। C) groscher - এটি একটি ভুল বানান এবং এর কোনো অর্থ নেই। D) grosser - এটি gross শব্দের তুলনামূলক রূপ যা অন্য অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এর সঙ্গে দোকানদারের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: grocery অর্থ মুদি দোকান এবং এর সঙ্গে er যুক্ত হয়ে grocer অর্থাৎ মুদি দোকানদার বা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রেতা বোঝায়।
a a
b the
c an
d none
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) the কেন সঠিক: - Abstract noun যখন কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বিশেষ গুণ বোঝাতে নির্দিষ্ট করা হয়, তখন তার পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল the বসে। - এখানে warrior (যোদ্ধা) শব্দটি সাধারণ অর্থে নয়, বরং ওই ব্যক্তির ভেতরের নির্দিষ্ট যোদ্ধা সত্তাকে বোঝানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি indefinite article এবং সাধারণত অনির্দিষ্ট একবচন countable noun-এর পূর্বে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) the — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি বিশেষ গুণ বা অবস্থাকে নির্দিষ্ট করেছে। C) an — এটি vowel sound-युक्त অনির্দিষ্ট একবচন noun-এর পূর্বে বসে, যা warrior শব্দের শুরুতে বসে না। D) none — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Abstract noun-এর পূর্বে যখন pre-modifier বা preposition-এর মাধ্যমে নির্দিষ্টতা বোঝানো হয়, তখন তার আগে the বসে।
a noun
b adverb
c adjective
d preposition
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) noun কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে underlined শব্দ 'running'-এর পূর্বে Definite Article 'the' এবং পরে preposition 'of' বসেছে। - English grammar-এর নিয়ম অনুযায়ী Article এবং Preposition-এর মাঝে বসা শব্দ সবসময় Noun-এর কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট আর্টিকেল এবং প্রিপজিশনের মাঝখানে বসা শব্দ নাউনের কাজ সম্পন্ন করে। B) adverb — এটি ভুল কারণ অ্যাডভার্ব সাধারণত ভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ বা অন্য অ্যাডভার্বকে modify করে এবং এখানে এর এমন কোনো কাজ নেই। C) adjective — এটি ভুল কারণ অ্যাডজেক্টিভ সাধারণত কোনো নাউনের দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে নাউনের আগে বসে, যা এখানে ঘটেনি। D) preposition — এটি ভুল কারণ প্রিপজিশন নাউন বা প্রোনাউনের পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে। মনে রাখার টিপস: Article এবং Preposition-এর মাঝে কোনো শব্দ থাকলে চোখ বন্ধ করে তা Noun হিসেবে ধরে নিতে হবে।
a Apartheid
b Apathy
c Abjuration
d Abjection
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। প্রশ্নটির সঠিক ইংরেজি শব্দ 'বরবাদ' (Destruction বা Ruin) অর্থে কোনো অপশনই সরাসরি সঠিক নয়। প্রদত্ত উত্তর A) Apartheid হলো দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবৈষম্য নীতি। সঠিক উত্তর হিসেবে নিকটতম বা কোনোটিই নয় ধরা উচিত, তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রচলিত ভুল উত্তরের ওপর ভিত্তি করে নিচে বিশ্লেষণ দেওয়া হলো। কেন সঠিক: - প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে বরবাদ বা ধ্বংস হয়ে যাওয়া যার সঠিক ইংরেজি ধ্বংস বা অপচয়। - প্রদত্ত অপশনগুলোর অর্থ বরবাদ শব্দের সাথে সরাসরি মিল না থাকলেও পরীক্ষার প্রশ্নপত্র অনুযায়ী এটি একটি ত্রুটিপূর্ণ প্রশ্ন হতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Apartheid — এর অর্থ দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবৈষম্য নীতি, যা বরবাদ শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না। B) Apathy — এর অর্থ অনীহা, উদাসীনতা বা বিরক্তি প্রকাশ পায়। C) Abjuration — এর অর্থ শপথপূর্বক বর্জন বা ত্যাগ করা। D) Abjection — এর অর্থ চরম দুর্দশা, দীনতা বা অধঃপতন। মনে রাখার টিপস: বরবাদ বা ধ্বংস বোঝাতে Destruction বা Ruin শব্দটি ব্যবহার করা হয়, তাই পরীক্ষার ভুল উত্তর দেখে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না।
a up
b out
c for
d off
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) out কেন সঠিক: - Make out একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ কোনো কিছু স্পষ্টভাবে বুঝতে পারা বা অনুধাবন করা। - বাক্যে শিক্ষಕের কথাগুলো ছাত্রটি স্পষ্টভাবে বুঝতে পারেনি বোঝাতে make out ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) up — Make up অর্থ তৈরি করা, ক্ষতিপূরণ করা বা সাজসজ্জা করা, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়। B) out — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) for — Make for অর্থ কোনো কিছুর দিকে এগিয়ে যাওয়া বা সৃষ্টি করা, যা এখানে বাক্যের ভাবের সাথে মিলে না। D) off — Make off অর্থ পালিয়ে যাওয়া, যা এই শূন্যস্থানের জন্য সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: কোনো কঠিন কথা বা লেখা সহজে বুঝতে না পারলে make out ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করতে হয়।
a Media
b Indices
c Phenomena
d News
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) News কেন সঠিক: - যেসব নাউনের শেষে এস থাকে কিন্তু অর্থের দিক থেকে তারা একক বা একটিমাত্র বস্তু বোঝায়, সেগুলো সিঙ্গুলার নাউন। - নিউজ শব্দটি দেখতে প্লুরাল মনে হলেও এটি একটি মাত্র তথ্য বা সংবাদ বোঝাতে সিঙ্গুলার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Media — এটি মিডিয়াম শব্দের প্লুরাল ফর্ম এবং এর অর্থ মাধ্যমসমূহ, তাই এটি সিঙ্গুলার নয়। B) Indices — এটি ইনডেক্স শব্দের প্লুরাল ফর্ম এবং এর অর্থ নির্দেশকসমূহ, তাই এটি সিঙ্গুলার নয়। C) Phenomena — এটি ফেনোমেনন শব্দের প্লুরাল ফর্ম এবং এর অর্থ ঘটনাসমূহ, তাই এটি সিঙ্গুলার নয়। D) News — এটি নিজেই সঠিক উত্তর কারণ এটি দেখতে প্লুরাল হলেও সর্বদা সিঙ্গুলার হিসেবে গণ্য হয়। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের শেষে এস থাকে কিন্তু ভাব একক, যেমন নিউজ বা ফিজিক্স, সেগুলোর পরে সিঙ্গুলার ভার্ব বসে।
a peer
b parent
c boar
d spinster
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) spinster কেন সঠিক: - 'Spinster' শব্দটির অর্থ অবিবাহিত নারী, যা ব্যাকরণগতভাবে ফেমিনাইন জেন্ডার নির্দেশ করে। - পুরুষবাচক শব্দ 'bachelor'-এর স্ত্রীবাচক বা ফেমিনাইন রূপ হলো 'spinster'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) peer — এটি কমন জেন্ডার, যার অর্থ সমকক্ষ ব্যক্তি বা অভিজাত শ্রেণীর সদস্য। B) parent — এটি কমন জেন্ডার, যা দ্বারা পিতা বা মাতা উভয়কেই বোঝানো হয়। C) boar — এটি ম্যাসকুলিন জেন্ডার, যার অর্থ শুকর বা বন্য বরাহ। D) spinster — এটি ফেমিনাইন জেন্ডার এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: 'Bachelor' মানে অবিবাহিত পুরুষ এবং এর ফেমিনাইন রূপ হলো 'spinster' বা অবিবাহিত নারী।
a The soldiers are moving on all fours.
b Express your claim black and white.
c The matter came to light in the end
d The order has been declared to be null and void
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Express your claim black and white. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উত্তরটি ভুল কারণ এখানে সঠিক অপশন হলো B এবং সঠিক ইডিওমটি হবে 'in black and white'। - 'Black and white' একটি সঠিক ফ্রেজ যার অর্থ লিখিতভাবে, তাই এখানে 'in' প্রিপোজিটরি বাদ যাওয়ায় বাক্যটি ভুল হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The soldiers are moving on all fours — এটি সঠিক ফ্রেজ, যার অর্থ চার হাত-পায়ে ভর দিয়ে চলা। B) Express your claim black and white — এটি ভুল ফ্রেজ, সঠিক রূপ হলো 'in black and white' যার অর্থ লিখিতভাবে। C) The matter came to light in the end — এটি সঠিক ফ্রেজ, যার অর্থ অবশেষে বিষয়টি প্রকাশ পাওয়া। D) The order has been declared to be null and void — এটি সঠিক আইনি ফ্রেজ, যার অর্থ বাতিল ও কার্যকর নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছু লিখিতভাবে বোঝাতে 'in black and white' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়, যেখানে 'in' প্রিপোজিশন বাদ দেওয়া যাবে না।
a in
b at
c over
d on
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) at কেন সঠিক: - নির্দিষ্ট কোনো ছোট স্থান, বাড়ি নম্বর বা নির্দিষ্ট ঠিকানার পূর্বে প্রেপজিশন হিসেবে at ব্যবহৃত হয়। - প্রশ্নোক্ত বাক্যে 35, Rankin Street একটি নির্দিষ্ট বাড়ি নম্বর ও ঠিকানা হওয়ায় এর পূর্বে at বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — বড় স্থান যেমন শহর, দেশ বা সীমানা দ্বারা ঘেরা এলাকার পূর্বে in বসে, নির্দিষ্ট বাড়ির ঠিকানার পূর্বে নয়। B) at — এটি সঠিক উত্তর, কারণ নির্দিষ্ট বাড়ি নম্বর ও ঠিকানার পূর্বে এটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। সি) over — কোনো কিছুর উপরে ঝুলন্ত বা স্পর্শ না করে অবস্থান বোঝালে over বসে, যা ঠিকানার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) on — কোনো পৃষ্ঠার উপরে স্পর্শ করে থাকা বা রাস্তার নামের পূর্বে on বসে, কিন্তু নির্দিষ্ট বাড়ি নম্বরসহ ঠিকানার ক্ষেত্রে at বসে। মনে রাখার টিপস: ছোট স্থান বা বাড়ির নম্বরের আগে at এবং বড় স্থান বা শহরের নামের আগে in বসে।
a novel
b song
c story
d poetry
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) poetry কেন সঠিক: - হাইকু হলো জাপানি কবিতার একটি সংক্ষিপ্ত রূপ, যা মূলত প্রকৃতি ও ঋতুভিত্তিক ভাব প্রকাশ করে। - এটি সাধারণত সতেরোটি মাত্রার তিনটি চরণে রচিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) novel — এটি গদ্যে রচিত দীর্ঘ কল্পকাহিনি, যা হাইকু কবিতার কাঠামোর সঙ্গে মেলে না। B) song — গান হলো সুর ও তালের সঙ্গে গাওয়ার উপযোগী রচনা, যা হাইকু কবিতার নির্ধারিত রূপ নয়। C) story — এটি গদ্যধর্মী গল্প বা কাহিনি, যা কবিতার পঙ্‌ক্তি বা মাত্রার নিয়ম মেনে রচিত হয় না। D) poetry — হাইকু হলো একধরনের জাপানি কবিতা, তাই এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: হাইকু হলো জাপানি কবিতা, যেখানে তিন লাইনে সতেরোটি মাত্রা থাকে।
a from
b since
c through
d none
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) since কেন সঠিক: - বাক্যের tense টি Present Perfect Continuous (has been missing) হওয়ায় নির্দিষ্ট শুরুর সময় বোঝাতে since বসে। - yesterday হলো অতীতের একটি নির্দিষ্ট পয়েন্ট বা Point of time, তাই এর পূর্বে since ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from — from সাধারণত future বা general time এর ক্ষেত্রে বসে, নির্দিষ্ট শুরুর সময় বোঝাতে Present Perfect Continuous টেন্সে since ব্যবহৃত হয়। B) since — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট সময়ের বিন্দু বোঝাতে Present Perfect Continuous টেন্সে since ব্যবহৃত হয়। C) through — through অর্থ মধ্য দিয়ে বা ভেতর দিয়ে, যা সময়ের শুরুর বিন্দু বোঝাতে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) none — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট শুরুর সময় বা Point of time এর ক্ষেত্রে since এবং ব্যাপ্তিকাল বা Period of time এর ক্ষেত্রে for বসে।
a excess
b access
c exces
d axcess
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) access কেন সঠিক: - এখানে শূন্যস্থানে বসা শব্দটি একটি নাউন এবং সঠিক অর্থ হলো প্রবেশাধিকার বা নাগাল। - Have free access to এই ধারাটিতে access শব্দটি প্রিপজিশন to এর পূর্বে সঠিক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) excess — এর অর্থ আধিক্য বা অতিরিক্ত, যা এখানে বাক্যের অর্থের সাথে মানানসই নয়। B) access — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য। C) exces — এটি বানান ভুল এবং ইংরেজি অভিধানে এই ধরনের কোনো শব্দ নেই। D) axcess — এটি একটি ভুল বানান, সঠিক বানান হলো access। মনে রাখার টিপস: প্রবেশাধিকার বোঝাতে access শব্দে double c এবং শেষে s ব্যবহার করা হয়, আর অতিরিক্ত বোঝাতে excess শব্দে double s ব্যবহৃত হয়।
a eye
b car
c land
d air
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) land কেন সঠিক: - 'Arable' একটি ইংরেজি বিশেষণ যার অর্থ আবাদযোগ্য বা উর্বর জমি। - এই শব্দটি মূলত কৃষিকাজের উপযোগী জমি বা ভূমিকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) eye — এটি মানুষের চোখের সাথে সম্পর্কিত, যা দৃষ্টিশক্তি বা দেখার অঙ্গকে বোঝায় এবং আবাদযোগ্য জমির সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) car — এটি মোটরগাড়ি বা যাতায়াতের বাহনকে বোঝায়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি যান্ত্রিক বিষয়। C) land — এটি সঠিক উত্তর কারণ arable শব্দটি কেবল কৃষিকাজে ব্যবহারের উপযোগী জমিতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। D) air — এটি বাতাস বা বায়ুমণ্ডলকে বোঝায়, যার সাথে কৃষিজমির কোনো সরাসরি আভিধানিক সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: Arable শব্দের শুরুতে A এবং Land শব্দের শেষে D মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে এটি জমির সাথে সম্পর্কিত।
a novel
b drama
c collection of short stories
d epic
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) drama কেন সঠিক: - এটি বিশ্ববিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ রচিত একটি বিখ্যাত নাটক। - এই নাটকটি চার অঙ্কে সমাপ্ত এবং এর বিষয়বস্তু মূলত নৈতিক ও সামাজিক দর্শনভিত্তিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) novel — এটি কোনো উপন্যাস নয়, কারণ এর মূল রূপ ও কাঠামো নাটকীয় সংলাপের ওপর প্রতিষ্ঠিত। B) drama — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা জর্জ বার্নার্ড শ রচিত একটি বিখ্যাত নাটক। C) collection of short stories — এটি ছোটগল্পের কোনো সংকলন বা গুচ্ছ নয়। D) epic — এটি কোনো দীর্ঘ মহাকাব্য বা পদ্যাকারে রচিত বীরত্বগাথা নয়। মনে রাখার টিপস: জর্জ বার্নার্ড শ-এর নাটক মনে রাখতে সুপারম্যান নাটকের কথা মাথায় রাখবে।
a Urologist
b Oncologist
c Pathologist
d Cardiologist
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Oncologist কেন সঠিক: - 'Oncologist' শব্দটি গ্রীক শব্দ 'onkos' (যার অর্থ টিউমার বা ভর) এবং 'logos' (অধ্যয়ন) থেকে এসেছে। - চিকিৎসা বিজ্ঞানের এই শাখায় ক্যানসার রোগীদের টিউমার শনাক্তকরণ, চিকিৎসা ও পরিচর্যা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Urologist — এটি মূত্রনালী এবং পুরুষদের প্রজননতন্ত্রের রোগ সংক্রান্ত চিকিৎসাবিদ্যা, তাই এটি ক্যানসারের জন্য প্রযোজ্য নয়। B) Oncologist — এটি ক্যানসার রোগ বিশেষজ্ঞ, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) Pathologist — এটি রোগ নির্ণয় ও ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে রোগের কারণ ও প্রকৃতি নিয়ে কাজ করেন, সরাসরি ক্যানসার চিকিৎসাবিদ নন। D) Cardiologist — এটি হৃদরোগ ও রক্তনালী সংক্রান্ত সমস্যার বিশেষজ্ঞ, যা ক্যানসারের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: 'Onco' শব্দের অর্থ টিউমার বা ক্যানসার, তাই ক্যানসার বিশেষজ্ঞকে 'Oncologist' বলা হয়।
a Vixen
b Heifer
c Mare
d Doe
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Vixen কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়মে 'Fox' শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হলো 'Vixen'। - এটি একটি নির্দিষ্ট পশুর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত প্রচলিত জেন্ডার পরিবর্তন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vixen — এটি Fox শব্দের সঠিক স্ত্রীবাচক রূপ হওয়ায় এটি সঠিক। B) Heifer — এটি ষাঁড় বা বলদের স্ত্রীবাচক রূপ নয়, এটি মূলত তরুণ গরুর বা বকনা বাছুরের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। C) Mare — এটি ঘোড়ার স্ত্রীবাচক রূপ, যার পুংলিঙ্গ হলো হর্স বা স্ট্যালিয়ন। D) Doe — এটি হরিণ, খরগোশ বা ছাগলের মতো কিছু প্রাণীর স্ত্রীবাচক রূপ। মনে রাখার টিপস: ফক্স বা খেঁকশিয়ালের স্ত্রীবাচক রূপ মনে রাখতে ফক্সের সাথে ভিক্সেন শব্দটি জোড়া হিসেবে মুখস্থ রাখুন।
a Veracity
b Fancy
c Vision
d Reverie
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Veracity কেন সঠিক: - Fantasy শব্দের অর্থ হলো কল্পনা, অলীক চিন্তা বা অবাস্তব কিছু। - Veracity শব্দের অর্থ হলো সত্যতা বা বাস্তবতার সঙ্গে মিল, যা fantasy বা কল্পনার বিপরীতার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Veracity — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সত্যতা, যা কল্পনার বিপরীত। B) Fancy — এটি fantasy শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ কল্পনা বা শখ। C) Vision — এটিও কল্পদৃশ্য বা দিবাস্বপ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত, তাই এটি বিপরীতার্থক নয়। D) Reverie — এর অর্থ আনমনা ভাব বা স্বপ্নালু চিন্তা, যা fantasy শব্দের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Fantasy মানে হলো অবাস্তব কল্পনা আর Veracity মানে হলো বাস্তবের সত্যতা।
a Etiquete
b Atiquete
c Eticate
d Etiquette
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Etiquette কেন সঠিক: - বানানটিতে ফরাসি ভাষা থেকে আগত নিয়মে ডাবল t এবং ডাবল q যুক্ত হয়েছে। - এটি একটি বহুল প্রচলিত বানানভিত্তিক প্রশ্ন যেখানে সঠিক রূপটি হলো E-T-I-Q-U-E-T-T-E। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Etiquete — এই বানানে শেষ অংশে একটি t কম আছে এবং সঠিক ফরাসি রূপ রক্ষা করা হয়নি। B) Atiquete — এই বানানের শুরুতে ই (e)-এর পরিবর্তে এ (a) ব্যবহার করা হয়েছে এবং শেষ অংশ অসম্পূর্ণ। C) Eticate — এই বানানে ফরাসি মূল রূপের পরিবর্তে সম্পূর্ণ ভুল উচ্চারণভিত্তিক বানান লেখা হয়েছে। D) Etiquette — এটি সম্পূর্ণ সঠিক ও প্রমিত বানান। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে এভাবে ভাগ করুন: Eti + quette (এটিতে কিউটি রেখে শেষে দুটি t দিন)।
a Charles Dickens
b Charlotte Bronte
c Sir W. Scott
d James Joyce
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Charles Dickens কেন সঠিক: - এটি ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্সের লেখা একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসের পটভূমি হলো ফরাসি বিপ্লবের সময়কার লন্ডন ও প্যারিস শহর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Charles Dickens - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। B) Charlotte Bronte - তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও এই ঐতিহাসিক উপন্যাসের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে জেন আয়ার অন্যতম। C) Sir W. Scott - তিনি ঐতিহাসিক উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত হলেও এই নির্দিষ্ট উপন্যাসটি তার লেখা নয়, তিনি আইভ্যানহো উপন্যাসের জন্য পরিচিত। D) James Joyce - তিনি আধুনিকতাবাদী সাহিত্যিক ও ইউলিসিস উপন্যাসের লেখক, যা এই ঐতিহাসিক উপন্যাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: দুই শহরের গল্প বা টেল অফ টু সিটিজ উপন্যাসটির লেখক চার্লস ডিকেন্স, যার নামের প্রথম অক্ষর ডি এবং ডিকেন্সের ডি দিয়ে দুটি শহর ও বিপ্লবের ইতিহাস মনে রাখা যায়।
a Discuss the matter in details
b The students have gone for a picnic
c Do you know where does he work?
d There is no chair to sit
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The students have gone for a picnic কেন সঠিক: - কোনো স্থানে ভ্রমণ বা বনভোজনে যাওয়া বোঝাতে 'go for a picnic' সঠিক ফ্রেজ এবং Present Perfect Tense-এর গঠন অনুযায়ী বাক্যটি সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Discuss the matter in details — 'in details' ভুল, সঠিক ফ্রেজ হলো 'in detail'। B) The students have gone for a picnic — এটি সঠিক উত্তর। C) Do you know where does he work? — এটি ইন্টারগেটিভ সেন্টেন্স নয়, তাই সাবজেক্টের আগে auxiliary verb বসবে না; সঠিক অংশ হলো 'where he works'। D) There is no chair to sit — ইনফিনিটিভের পর প্রয়োজনীয় প্রিপজিশন বসে না এমন নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়, বসার জন্য চেয়ার অর্থে 'chair to sit on' হওয়া উচিত। মনে রাখার টিপস: বনভোজনের ক্ষেত্রে 'for a picnic' মুখস্থ রাখুন এবং সাবঅর্ডিনেট ক্লজে সাবজেক্টের পরে ভার্ব বসে তা মনে রাখুন।
a Ardent
b Hate
c Humble
d Dull
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Hate কেন সঠিক: - 'Abhor' শব্দটির অর্থ তীব্র ঘৃণা করা বা বিরূপ মনোভাব পোষণ করা। - 'Hate' শব্দটির অর্থও ঘৃণা করা, যা 'Abhor' শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ardent — এর অর্থ অত্যন্ত উৎসাহী বা অনুরাগী, যা ঘৃণার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Hate — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ঘৃণা করা। C) Humble — এর অর্থ বিনম্র বা ভদ্র, যা প্রদত্ত শব্দের সঙ্গে মিলে না। D) Dull — এর অর্থ নিষ্প্রভ বা বোকা, যা ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: 'Abhor' শব্দটির মধ্যে 'Hor' অংশটি আছে, যা থেকে হরর বা ভীতিকর কিছু মনে রেখে সহজে ঘৃণা করার ভাবটি মনে রাখা যায়।
a 5
b 25
c 125
d 625
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২৫ প্রদত্ত তথ্য: a এর ওপর মাইনাস ৩ ঘাত সমান শূন্য দশমিক দুই ধরি, শূন্য দশমিক দুই সমান এক বাই পাঁচ সুতরাং a এর ওপর মাইনাস ৩ ঘাত সমান এক বাই পাঁচ অতএব, উভয় পক্ষে মাইনাস এক ঘাত নিয়ে পাই a এর ওপর ৩ ঘাত সমান পাঁচ সুতরাং, a এর ওপর ৯ ঘাত সমান a এর ওপর ৩ ঘাত এর হোল কিউব উত্তর: ৫ এর ওপর কিউব সমান ১২৫
a 35
b 42
c 14
d 28
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৮ প্রদত্ত তথ্য: ১০ জন শ্রমিক কাজের অর্ধেক করতে পারে ৭ দিনে ধরি, সম্পূর্ণ কাজটি করতে ১০ জন শ্রমিকের দিন লাগবে = ৭ × ২ = ১৪ দিন অতএব, ১ জন শ্রমিকের সম্পূর্ণ কাজটি করতে দিন লাগবে = ১৪ × ১০ = ১৪০ দিন সুতরাং, ৫ জন শ্রমিকের সম্পূর্ণ কাজটি করতে দিন লাগবে = ১৪০ ÷ ৫ = ২৮ দিন উত্তর: ২৮
a ২ গুণ
b ৩ গুণ
c ৪ গুণ
d ৬ গুণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ গুণ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ দ্বিগুণ করা হলো ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r বৃত্তের আদি ক্ষেত্রফল = pi × r^2 অতএব, পরিবর্তিত ব্যাসার্ধ = ২r পরিবর্তিত ক্ষেত্রফল = pi × (২r)^2 সুতরাং, পরিবর্তিত ক্ষেত্রফল = ৪ × (pi × r^2) উত্তর: ৪ গুণ
a 9
b 5
c 3
d 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯ প্রদত্ত তথ্য: x + (২ ÷ x) = ৩ ধরি, প্রদত্ত রাশিটি হলো x³ + (৮ ÷ x³) এটিকে লেখা যায় x³ + (২ ÷ x)³ অতএব, মান নির্ণয়ের সূত্র ব্যবহার করে পাই (x + (২ ÷ x))³ − ৩ × x × (২ ÷ x) × (x + (২ ÷ x)) দ্বিতীয় হিসাব: মান বসিয়ে পাই (৩)³ − ৩ × ২ × (৩) সুতরাং, হিসাব করে পাই ২৭ − ১৮ = ৯ উত্তর: ৯
a 3/2
b 5/3
c 7/3
d 10/3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩/২ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি একটি অসীম গুণোত্তৰ ধারা যার প্রথম পদ ১ এবং সাধারণ অনুপাত ১/৩ ধরি, ধারার প্রথম পদ a = ১ সাধারণ অনুপাত r = ১/৩ অতএব, অসীম পদের যোগফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো a ÷ (১ − r) সুতরাং, যোগফল = ১ ÷ (১ − (১/৩)) যোগফল = ১ ÷ (২/৩) উত্তর: ৩/২
a 7
b 5
c 3
d 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো মডুলাস a − ৪ মডুলাস বন্ধনী = ৩ ধরি, পরম মানের সংজ্ঞা অনুসারে সমীকরণটির দুটি অংশ পাওয়া যায় অতএব, প্রথম ক্ষেত্রে, a − ৪ = ৩ দ্বিতীয় ক্ষেত্রে, a − ৪ = − ৩ সুতরাং, প্রথম ক্ষেত্রে পাই, a = ৩ + ৪ = ৭ দ্বিতীয় ক্ষেত্রে পাই, a = − ৩ + ৪ = ১ উত্তর: a এর বৃহত্তম মানটি হলো ৭
a 40°
b 50°
c 80°
d 60°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫০° প্রদত্ত তথ্য: সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ ৯০° অপর দুটি সূক্ষ্মকোণের সমষ্টি ৯০° কোণ দুটির অন্তর ১০° ধরি, বৃহত্তর কোণটি = ক ক্ষুদ্রতম কোণটি = খ প্রশ্নমতে, ক − খ = ১০° অতএব, ক + খ = ৯০° ক − খ = ১০° দুটি সমীকরণ যোগ করে পাই, ২ক = ১০০° সুতরাং, ক = ১০০° ÷ ২ ক = ৫০° উত্তর: ৫০°
a 1
b 2
c 3
d 4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো পঁচিশ এক্স স্কয়ার বিয়োগ দশ এক্স প্লাস কে সমান শূন্য মূলদ্বয় বাস্তব ও সমান হওয়ার শর্ত হলো নিশ্চয়ক শূন্য হওয়া ধরি, দ্বিঘাত সমীকরণের আদর্শ রূপ হলো এ এক্স স্কয়ার প্লাস বি এক্স প্লাস সি সমান শূন্য এখানে এ সমান পঁচিশ, বি সমান বিয়োগ দশ এবং সি সমান কে অতএব, নিশ্চয়কের সূত্র হলো বি স্কয়ার বিয়োগ চার গুণ এ গুণ সি এই মান শূন্যের সমান হবে সুতরাং, বন্ধনীর ভেতর বিয়োগ দশ এর বর্গ বিয়োগ চার গুণ পঁচিশ গুণ কে সমান শূন্য একশ বিয়োগ একশ গুণ কে সমান শূন্য উত্তর: কে সমান এক
a 40°
b 50°
c 60°
d 80°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ ABC-এ AB বাহু এবং AC বাহু পরস্পর সমান ত্রিভুজের কোণ A এর মান ৮০° ধরি, কোণ B এর পরিমাপ সমান ক ডিগ্রি কোণ C এর পরিমাপ সমান ক ডিগ্রি অতএব, ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি সমান ১৮০° কোণ A + কোণ B + কোণ C সমান ১৮০° ৮০° + ক + ক সমান ১৮০° সুতরাং, দুই ক সমান ১৮০° − ৮০° দুই ক সমান ১০০° উত্তর: ক সমান ৫০°
a 120
b 60
c 30
d 24
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০ প্রদত্ত তথ্য: ঘরের দৈর্ঘ্য প্রস্থের ৩/২ গুণ ক্ষেত্রফল ২১৬ বর্গমিটার ধরি, ঘরের প্রস্থ = ক মিটার ঘরের দৈর্ঘ্য = (৩ ক ÷ ২) মিটার অতএব, ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ ক্ষেত্রফল = (৩ ক ÷ ২) × ক = ২১৬ সুতরাং, ৩ ক বর্গ = ২১৬ × ২ ক বর্গ = ১৪৪, ক = ১২ উত্তর: পরিসীমা = ২ × (১৮ + ১২) = ৬০ মিটার
a 280
b 256
c 35
d 128
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৫ প্রদত্ত তথ্য: অনুক্রমটি হলো: − ৯, − ৫, − ১, ৩, ৭, ... এটি একটি সমান্তর ধারা ধরি, প্রথম পদ (a) = − ৯ সাধারণ অন্তর (d) = (− ৫) − (− ৯) = ৪ অতএব, ধারাটির সাধারণ পদের সূত্র হলো: a + (n − ১) × d এখানে পদসংখ্যা (n) = ১২ সুতরাং, ১২ তম পদ = (− ৯) + (১২ − ১) × ৪ উত্তর: ৩৫
a 2√5
b 40
c 80
d 20
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর সমীকরণ দেওয়া আছে লগ বেস দুই এর মান চারশো সমান এক্স ধরি, লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী লেখা যায় দুই এর পাওয়ার এক্স সমান চারশো অতএব, চারশো কে উৎপাদক বিশ্লেষণ করা যায় চল্লিশ গুণ দশ বা বিশ গুণ বিশ সুতরাং, এক্স এর সঠিক মান হিসাব করে পাই বিশ উত্তর: ২০
a 92
b 75
c 91
d 81
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮১ প্রদত্ত তথ্য: মোট চাদার পরিমাণ ৬,৫৬১ টাকা প্রত্যেকে যতজন ছাত্র তত টাকা করে প্রদান করে ধরি, ছাত্র সংখ্যা = ক জন প্রত্যেকে চাঁদা দেয় = ক টাকা মোট চাঁদার পরিমাণ = ক × ক টাকা অতএব, প্রশ্নমতে, ক এর বর্গ = ৬,৫৬১ ক = √৬,৫৬১ ছাত্র সংখ্যা ক = ৮১ সুতরাং, শ্রেণিতে মোট ছাত্র সংখ্যা নির্ণয় করা হলো নির্ণয় ছাত্র সংখ্যা = ৮১ জন উত্তর: ৮১
a 160
b 150
c 140
d 35
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির অনুপাত ৫ : ৭ সংখ্যা দুটির গসাগু ৪ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৫ × ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৭ × ক অতএব, প্রশ্নমতে, ক = গসাগু = ৪ প্রথম সংখ্যাটি = ৫ × ৪ = ২০ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৭ × ৪ = ২৮ সুতরাং, সংখ্যা দুটির লসাগু = অনুপাতদ্বয়ের গুণফল × গসাগু = ৫ × ৭ × ৪ উত্তর: ১৪০
a 30
b 40
c 20
d 10
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০ প্রদত্ত তথ্য: বিক্রয়মূল্য = ২২ টাকা লাভের হার = ১০% ধরি, কলমটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, ১০% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ১০ = ১১০ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্য ১১০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ ÷ ১১০ টাকা বিক্রয়মূল্য ২২ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ × ২২) ÷ ১১০ = ২০ টাকা উত্তর: ২০ টাকা
a আরিস্টটল
b প্লেটো
c ভলতেয়ার
d সক্রেটিস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভলতেয়ার কেন সঠিক: - প্রদত্ত উত্তরটি ভুল কারণ ভলতেয়ার একজন ফরাসি দার্শনিক ছিলেন। - প্রশ্নটি আসলে ফরাসি দার্শনিক নন এমন কাউকেও নির্দেশ করতে পারে অথবা প্রশ্নে কিছুটা অসঙ্গতি আছে, কারণ আরিস্টটল, প্লেটো ও সক্রেটিস গ্রিক দার্শনিক হলেও ভলতেয়ার ফ্রান্সের দার্শনিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরিস্টটল — ইনি প্রাচীন গ্রিসের একজন বিখ্যাত দার্শনিক ও বিজ্ঞানী ছিলেন, ফ্রান্সের নন। B) প্লেটো — ইনি প্রাচীন গ্রিসের দার্শনিক সক্রেটিসের শিষ্য ছিলেন, ফ্রান্সের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) ভলতেয়ার — ইনি অষ্টাদশ শতকের একজন বিখ্যাত ফরাসি আলোকপ্রাপ্ত দার্শনিক ও লেখক ছিলেন। D) সক্রেটিস — ইনি প্রাচীন গ্রিসের এথেন্সের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক ছিলেন, ফ্রান্সের নন। মনে রাখার টিপস: গ্রিক দার্শনিকদের নামের শেষ সাধারণত তল, টো বা টিস থাকে যেমন আরিস্টটল, প্লেটো, সক্রেটিস।
a শ্যামা প্রসাদ মুখার্জী
b শের-ই-বাংলা একে ফজলুল হক
c হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
d শরৎ বসু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কেন সঠিক: - হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পূর্বে অবিভক্ত বাংলার শেষ প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - তার মন্ত্রীসভায় আইনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্যামা প্রসাদ মুখার্জী — তিনি অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন না, বরং তিনি বাংলার হিন্দু মহাসভার নেতা এবং মন্ত্রী ছিলেন। B) শের-ই-বাংলা একে ফজলুল হক — তিনি বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, শেষ মুখ্যমন্ত্রী নন। C) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে ভিন্ন কোনো প্রযোজ্যতা নেই। D) শরৎ বসু — তিনি অখণ্ড বাংলার আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন কিন্তু কখনো অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হননি। মনে রাখার টিপস: দেশভাগের ঠিক আগে বাংলার হাল ধরেছিলেন শেষ মুখ্যমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
a ইসলাম খান
b শাহ সুজা
c শায়েস্তা খান
d মীর জুমলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইসলাম খান কেন সঠিক: - সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে ১৬১০ সালে সুবেদার ইসলাম খান ঢাকাকে বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন। - তিনি কৌশলগত কারণে রাজমহল থেকে রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করে এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসলাম খান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রথম ঢাকায় মুঘল রাজধানী স্থাপন করেছিলেন। B) শাহ সুজা — তিনি বাংলার সুবেদার ছিলেন এবং পরবর্তী সময়ে রাজধানী রাজহলে ফিরিয়ে নিয়েছিলেন, তবে প্রথম স্থাপনকারী নন। C) শায়েস্তা খান — তিনি বিখ্যাত সুবেদার ছিলেন যিনি দীর্ঘদিন ঢাকা শাসন ও এর সৌন্দর্যবর্ধন করেন, কিন্তু রাজধানী স্থাপনকারী নন। D) মীর জুমলা — তিনি আওরংজেবের আমলের সুবেদার ও সেনাপতি ছিলেন, যিনি পরবর্তীতে আসাম অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। মনে রাখার টিপস: ইসলাম ধর্ম প্রচারের জন্য যেমন মানুষ একত্রিত হয়, তেমনি রাজধানী স্থাপন করতেও প্রথম ইসলাম খানের নাম মনে রাখতে হবে।
a ১৯৭২ সালে
b ১৯৭৩ সালে
c ১৯৭৪ সালে
d ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৭৪ সালে কেন সঠিক: - ১৯৭৪ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা পরিচালিত হয়। - সদ্য স্বাধীন দেশের জনসংখ্যা ও আর্থসামাজিক অবস্থা জানার জন্য এই শুমারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭২ সালে — এই সময়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্বাসন ও সংবিধান প্রণয়নের কাজ চললেও আদমশুমারি হয়নি। B) ১৯৭৩ সালে — এই বছর দেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও আদমশুমারি হয়নি। C) ১৯৭৪ সালে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) ১৯৭৫ সালে — এই বছর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে এবং অর্থনৈতিক নানা পরিবর্তন হলেও প্রথম আদমশুমারি হয়নি। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর পর ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি হয়, যা ১৯৭০-এর দশকের মাঝামাঝি একটি বড় ঘটনা।
a নিউইয়র্ক
b রোম
c জেনেভা
d প্যারিস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্যারিস কেন সঠিক: - ইউনেস্কো জাতিসংঘর শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা যার প্রধান কার্যালয় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত। - এই সংস্থা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান বা ইউনেস্কো হেরিটেজ সাইট নির্ধারণ ও সংরক্ষণের কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর অবস্থিত শহর, ইউনেস্কোর নয়। B) রোম — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর, তাই ইউনেস্কোর জন্য সঠিক নয়। C) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদর দপ্তর। D) প্যারিস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ইউনেস্কো এবং শিল্পকলার শহর প্যারিস উভয়ই সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাথে যুক্ত, তাই এভাবে মনে রাখা সহজ।
a বুলগেরিয়া
b বেলজিয়াম
c বেলারুশ
d অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অস্ট্রিয়া কেন সঠিক: - অস্ট্রিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হলেও সামরিকভাবে নিরপেক্ষ দেশ হওয়ায় রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর আর্থিক বা অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার কিছু নীতির সরাসরি বিরোধিতা করেছিল। - দেশটি তাদের ব্যাংক ও অর্থনীতির ওপর সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব এড়াতে এবং রাশিয়ার গ্যাসের ওপর নির্ভরতার কারণে কিছু ক্ষেত্রে সতর্ক অবস্থান নেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুলগেরিয়া — এই দেশটি রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইইউ-এর অধিকাংশ নিষেধাজ্ঞা ও পদক্ষেপে সমর্থন জানিয়েছিল। B) বেলজিয়াম — বেলজিয়াম ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞার কট্টর সমর্থক। C) বেলারুশ — বেলারুশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয় এবং দেশটি ইউক্রেন আক্রমণে রাশিয়াকে সরাসরি সহায়তা করেছে। D) অস্ট্রিয়া — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এটি ইইউ সদস্য হওয়া সত্ত্বেও রাশিয়ার ওপর কিছু নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করেছিল। মনে রাখার টিপস: নিরপেক্ষ দেশ হিসেবে পরিচিত অস্ট্রিয়া রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতে ইইউ-এর কিছু নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল।
a ৫ টি
b ৬ টি
c ৭ টি
d ৮ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ টি কেন সঠিক: - প্রতিষ্ঠাকালে আরব লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ ছিল মোট ছয়টি। - ১৯৪৫ সালের ২২ মার্চ গঠিত এই আঞ্চলিক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশগুলো ছিল মিসর, ইরাক, ট্রান্সজর্ডান (বর্তমান জর্ডান), লেবানন, সৌদি আরব ও সিরিয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ টি — প্রতিষ্ঠাকালে আরব লীগের সদস্য সংখ্যা পাঁচ ছিল না, বরং ছয়টি দেশ নিয়ে এটি গঠিত হয়েছিল। B) ৬ টি — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রতিষ্ঠাকালে এই সংস্থার সদস্য সংখ্যা ছয়টি ছিল। C) ৭ টি — প্রতিষ্ঠাকালে সদস্য সংখ্যা সাতটি ছিল না, পরে অন্যান্য দেশ এতে যুক্ত হয়। D) ৮ টি — প্রতিষ্ঠাকালে আরব লীগের সদস্য সংখ্যা আটটি ছিল না, শুরুর সংখ্যা ছিল ছয়। মনে রাখার টিপস: আরব লীগ প্রতিষ্ঠার সময় সদস্য ছিল ছয়টি, এভাবে মনে রাখতে পারেন ছ দিয়ে ছয়টি দেশ।
a কংগ্রেস
b ডায়েট
c সিনেট
d নেসেট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডায়েট কেন সঠিক: - জাপানের আইন সভার নাম ডায়েট যা দেশটির দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট হিসেবে পরিচিত। - এই আইন সভা প্রতিনিধি পরিষদ এবং কাউন্সিলর পরিষদ নিয়ে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কংগ্রেস — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন সভার নাম এবং জাপানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ডায়েট — এটি জাপানের আইন সভার সঠিক নাম হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) সিনেট — এটি সাধারণত বিভিন্ন দেশের আইন সভার উচ্চ কক্ষের নাম যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ফ্রান্স। D) নেসেট — এটি ইসরায়েলের আইন সভার নাম, জাপানের নয়। মনে রাখার টিপস: জাপানিরা খাবার হিসেবে ডায়েট মেনে চলে, তাই তাদের আইনসভার নামও ডায়েট।
a ২৪তম
b ২৭তম
c ২৯তম
d ৩৪তম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৯তম কেন সঠিক: - ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন। - এই ভাষণের মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে বাংলা ভাষার মর্যাদা ও স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪তম — এটি ১৯৭৪ সালের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন নয় এবং এই অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেওয়া হয়নি। B) ২৭তম — ১৯৭২ সালের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বোঝায়, যেখানে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে কিন্তু বাংলায় ভাষণ দেওয়া হয়নি। C) ২৯তম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই। D) ৩৪তম — এটি ১৯৭৯ সালের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন, যা বঙ্গবন্ধুর ভাষণের সময়ের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের বছরই ২৯তম অধিবেশনে প্রথম বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।
a আরবি
b বাংলা
c হিন্দি
d পর্তুগিজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আরবি কেন সঠিক: - জাতিসংঘে দাপ্তরিক কাজের জন্য মোট ছয়টি ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে আরবি অন্যতম একটি ভাষা। - ১৯৭৩ সালে আরবি ভাষাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ও কার্যনির্বাহী ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — এটি জাতিসংঘের অন্যতম একটি স্বীকৃত অফিসিয়াল ভাষা এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) বাংলা — বাংলা ভাষাভাষী মানুষের সংখ্যা অনেক হলেও এটি জাতিসংঘের অফিসিয়াল ভাষার স্বীকৃতি পায়নি। C) হিন্দি — বিশ্বজুড়ে বহুল প্রচলিত ভাষা হওয়া সত্ত্বেও হিন্দি জাতিসংঘের কোনো অফিসিয়াল ভাষা নয়। D) পর্তুগিজ — আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত ভাষা হলেও পর্তুগিজ জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের ছয়টি অফিসিয়াল ভাষা মনে রাখার সহজ শব্দ সংকেত হলো "ছয় বন্ধু এস্পানিয়া" বা ইংরেজি নামের আদ্যক্ষর মনে রাখা।
a ২৪ টি
b ৪৮ টি
c ৫৮ টি
d ৯৩ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫৮ টি কেন সঠিক: - ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে রাশিয়াকে মানবাধিকার কাউন্সিল থেকে বহিষ্কারের প্রস্তাব তোলা হয়। - উক্ত প্রস্তাবের পক্ষে ৯৩ টি এবং বিপক্ষে ২৪ টি দেশ ভোট দিলেও ৫৮ টি দেশ ভোটদানে বিরত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪ টি — এটি প্রস্তাবের পক্ষে ভোটদানকারী দেশের সংখ্যা নয়, বরং রাশিয়াকে বহিষ্কারের প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেওয়া দেশের সংখ্যা। B) ৪৮ টি — এটি ভোটদানে বিরত থাকা দেশের সঠিক সংখ্যা নয়, কারণ এই সংখ্যাটি রাশিয়াকে বাদ দেওয়ার প্রস্তাবের সঙ্গে মেলে না। C) ৫৮ টি — এটি সঠিক সংখ্যা, যা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ভোটাভুটিতে রাশিয়াকে বাদ দেওয়ার প্রস্তাবের সময় ভোটদানে বিরত থাকা দেশের সংখ্যা নির্দেশ করে। D) ৯৩ টি — এটি ভোটদানে বিরত থাকা দেশের সংখ্যা নয়, এটি ছিল রাশিয়াকে মানবাধিকার কাউন্সিল থেকে বাদ দেওয়ার প্রস্তাবের পক্ষে পড়া মোট ভোটের সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: রাশিয়াকে বাদ দেওয়ার ভোটাভুটিতে বিরত ছিল ৫৮ টি দেশ এবং পক্ষে ছিল ৯৩ টি দেশ, যা এভাবে মনে রাখা যায় যে ৫৮ যোগ ২৪ যোগ ৯৩ সমান মোট ভোটদানকারী দেশের হিসাব।
a ইউএনআই
b ইউএনবি
c বাসস
d ইউপিআই
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাসস কেন সঠিক: - বাসস হলো বাংলাদেশ সরকারের মালিকানাধীন এবং নিয়ন্ত্রিত রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা। - এটি দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সংগ্রহ করে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে সরবরাহ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউএনআই — এটি ভারতের একটি বেসরকারি বার্তা সংস্থা, যা বাংলাদেশের সংবাদ সংস্থা নয়। B) ইউএনবি — এটি বাংলাদেশের একটি বেসরকারি সংবাদ সংস্থা, কোনো রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা নয়। D) ইউপিআই — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা, যা বাংলাদেশের নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা হলো বাসস, যার পূর্ণরূপ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
a 1977
b 1978
c 1979
d 1980
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯শত উনআংশি কেন সঠিক: - মাদার তেরেসা ১৯শত উনআংশি সালে মানবসেবা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার স্বীকৃতিস্বরূপ নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। - তিনি কলকাতা ভিত্তিক মিশনারিজ অব চ্যারিটি সংগঠনের মাধ্যমে দরিদ্র ও আর্তমানবতার সেবা করে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯শত সাতাত্তর — এই সালে মাদার তেরেসা নোবেল পুরস্কার পাননি, এটি ভুল সাল। B) ১৯শত আটাত্তর — এই সালে অন্য ব্যক্তি নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন, মাদার তেরেসা পাননি। C) ১৯শত উনআংশি — এটি সঠিক উত্তর এবং এই সালেই তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। D) ১৯শত ৮০ — এই সালে মাদার তেরেসাকে ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ভারত রত্ন প্রদান করা হয়, নোবেল নয়। মনে রাখার টিপস: মাদার তেরেসার নোবেল প্রাপ্তির সাল মনে রাখতে শেষ অঙ্ক দুটি উল্টে পড়লে মনে রাখা সহজ হয়, যেমন ১৯শত ৭৯।
a বদরুন্নেছা আহমেদ
b বেগম সাজেদা চৌধুরী
c নীলিমা ইব্রাহিম
d ড. রাজিয়া বানু
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ড. রাজিয়া বানু কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালে গঠিত ৩৪ সদস্যের খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন ড. রাজিয়া বানু। - তিনি এই কমিটির সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের সংবিধান তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বদরুন্নেছা আহমেদ — তিনি একজন বিশিষ্ট নারী নেত্রী ও রাজনীতিবিদ হলেও সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য ছিলেন না। B) বেগম সাজেদা চৌধুরী — তিনি নারী মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত ও রাজনীতিবিদ হলেও এই কমিটির সদস্য ছিলেন না। C) নীলিমা ইব্রাহিম — তিনি প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক হলেও সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না। D) ড. রাজিয়া বানু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: খসড়া সংবিধানের একমাত্র নারী সদস্য রাজিয়া, নামের শেষে যার বানু আছে ভাইয়া।
a আমেরিকান পিস সেন্টার
b জিরো পয়েন্ট
c গ্রাউন্ড জিরো
d ওয়ার্ল্ড সিমেট্রি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গ্রাউন্ড জিরো কেন সঠিক: - ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসী হামলায় নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের টুইন টাওয়ার ধ্বংস হওয়ার পর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া ওই স্থানটিকে গ্রাউন্ড জিরো বলা হয়। - বর্তমানে ঘটনাস্থল ও তার আশপাশের এলাকাটি স্মরণীয় স্থান ও স্মৃতিসৌধ হিসেবে এই নামেই পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমেরিকান পیس সেন্টার — এটি কোনো ঐতিহাসিক বা প্রচলিত নাম নয়, বরং অনুমাননির্ভর একটি অপশন। B) জিরো পয়েন্ট — সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা রাস্তার শুরুর মূল বিন্দু বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। D) ওয়ার্ল্ড সিমেট্রি — এটি একটি কাল্পনিক অপশন এবং এর কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: ধ্বংসপ্রাপ্ত বা ক্ষতিগ্রস্ত প্রধান কোনো স্থানের শূন্য বা ধ্বংসস্তূপের জায়গাকে সাধারণত গ্রাউন্ড জিরো বলা হয়।
a ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭৩
b ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
c ২৬ মার্চ ১৯৭৩
d ২৬ মার্চ ১৯৭২
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজয় দিবসের প্রথম বার্ষিকীতে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। - ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭৩ — এটি স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সাল নয়, এটি ১৯৭২ সালে স্থাপিত হয়েছিল। B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়। সি) ২৬ মার্চ ১৯৭৩ — এটি স্বাধীনতা দিবসের বার্ষিকী, কিন্তু এই দিনে স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়নি। D) ২৬ মার্চ ১৯৭২ — এটি যুদ্ধোত্তর প্রথম স্বাধীনতা দিবস, তবে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর। মনে রাখার টিপস: বিজয়ের প্রথম বার্ষিকীতে (১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২) স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল।
a 2008
b 2009
c 2010
d 2011
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ২০১০ কেন সঠিক: - সাংবাদিক ও পর্বতারোহী মুসা ইব্রাহিম ২০১০ সালের ২৩শে মে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট সফলভাবে জয় করেন। - তার এই ঐতিহাসিক অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের সপ্তদশ দেশ হিসেবে এভারেস্ট জয়ের গৌরব অর্জন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০৮ — এই সালে বাংলাদেশের কোনো পর্বতারোহী এভারেস্ট শৃঙ্গে আরোহণ করেননি। B) ২০০৯ — এটি মুসা ইব্রাহিমের এভারেস্ট জয়ের আগের বছর, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। C) ২০১০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই মুসা ইব্রাহিম এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেছিলেন। D) ২০১১ — এই সালের ২৪শে মে এম এ মুহিত এবং নিশাত মজুমদার পরবর্তীতে এভারেস্ট আরোহণ করেন। মনে রাখার টিপস: মুসা ইব্রাহিম ২০১০ সালে এভারেস্ট জয় করেন, এই তথ্যটি মনে রাখতে সালটিকে শুরুর দিকের একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
a ১০০ বিঘা
b ৫০ বিঘা
c ২৫ বিঘা
d ১০ বিঘা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ বিঘা কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের দরিদ্র কৃষকদের অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে ভূমি সংস্কারের এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। - এই আদেশের মাধ্যমে দেশের ২৫ বিঘা পর্যন্ত কৃষি জমির খাজনা চিরতরে মওকুফ করা হয় এবং ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির মালিকদের সার্টিফিকেট মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০০ বিঘা — এই পরিমাণ জমি অনেক বেশি এবং তৎকালীন ও বর্তমান বাংলাদেশের কৃষকদের জমির গড় পরিমাণ বিবেচনায় এটি বাস্তবসম্মত নয়। B) ৫০ বিঘা — এটি ২৫ বিঘার দ্বিগুণ এবং বঙ্গবন্ধু সরকার কৃষকদের চরম আর্থিক সংকট থেকে বাঁচাতে এর চেয়েও কম সীমার জমি অর্থাৎ ২৫ বিঘা পর্যন্ত খাজনা মওকুফ করেছিলেন। C) ২৫ বিঘা — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রদত্ত অপশনের সঙ্গে মিলে যায়। D) ১০ বিঘা — এই পরিমাণ জমি অত্যন্ত কম এবং সরকার দেশের অধিকাংশ দরিদ্র ও মাঝারি কৃষকের বাস্তব সুফল নিশ্চিত করতে এর চেয়ে বেশি অর্থাৎ ২৫ বিঘা নির্ধারণ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু সরকারের কৃষিবান্ধব নীতি মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন আড়াই, অর্থাৎ ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করা হয়েছিল।
a 1998
b 2000
c 2002
d 2008
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 2000 কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৬ জুন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (ICC) পূর্ণ সদস্য বা টেস্ট মর্যাদা লাভ করে। - ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ তাদের ইতিহাসের প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1998 — এই সালে বাংলাদেশ আইসিসির আইসিসি নকআউট ট্রফি আয়োজন করেছিল কিন্তু টেস্ট মর্যাদা পায়নি। B) 2000 — এটি সঠিক উত্তর, এই সালে বাংলাদেশ টেস্ট খেলার ঐতিহাসিক গৌরব অর্জন করে। C) 2002 — এই সালের অনেক আগেই বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা পেয়েছিল এবং বেশ কিছু টেস্ট ম্যাচ খেলে ফেলেছিল। D) 2008 — এই সালটি বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের শুরুর অনেক পরের একটি সময়, তাই এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: নতুন শতাব্দীর শুরুতে অর্থাৎ ২০০০ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল টেস্ট পরিবারের সদস্য হয়।
a পৃথিবী
b চাঁদ
c বৃহস্পতি
d শনি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চাঁদ ১. কেন সঠিক: - চাঁদ আমাদের সৌরজগতের কোনো গ্রহ নয়, এটি পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ। - গ্রহ হওয়ার জন্য সূর্যকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘোরার পাশাপাশি নিজস্ব মহাকর্ষ বল থাকতে হয় এবং অন্যান্য গ্রহের কক্ষপথ পরিষ্কার রাখতে হয়, যা চাঁদের নেই। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সৌরজগৎ গঠিত হয়েছে সূর্য এবং তার মহাকর্ষীয় বলের অধীনে আবদ্ধ গ্রহ, বামন গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণু ও ধূমকেতু নিয়ে। - কার্যপ্রণালি: চাঁদ নিজস্ব আলোহীন একটি জ্যোতিষ্ক যা সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে এবং পৃথিবীর মহাকর্ষের টানে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পৃথিবী ব্যাখ্যা: পৃথিবী সূর্যের চারদিকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে আবর্তন করে এবং এটি সৌরজগতের একটি প্রধান গ্রহ। উদাহরণ ২: গ্যানিমিড ব্যাখ্যা: এটি বৃহস্পতির একটি প্রাকৃতিক উপগ্রহ, যা সৌরজগতের বৃহত্তম উপগ্রহ হওয়া সত্ত্বেও কোনো গ্রহ নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পৃথিবী — এটি সৌরজগতের একটি প্রধান গ্রহ এবং সূর্যের চারদিকে আবর্তন করে। B) চাঁদ — এটি কোনো গ্রহ নয়, বরং পৃথিবীর একটি প্রাকৃতিক উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট। C) বৃহস্পতি — এটি সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ এবং সূর্যের চারদিকে ঘোরে। D) শনি — এটি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ এবং এর চারপাশে সুন্দর বলয় রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - গ্রহ হলো যা সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে, আর উপগ্রহ হলো যা গ্রহকে প্রদক্ষিণ করে। চাঁদ পৃথিবীকে ঘোরে তাই এটি উপগ্রহ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতি এবং ক্ষুদ্রতম গ্রহ বুধ। - সৌরজগতে গ্রহের সংখ্যা আটটি।
a অভিযোজন
b মাধ্যাকর্ষণ
c মহাকর্ষ
d ত্বরণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাধ্যাকর্ষণ ১. কেন সঠিক: - পৃথিবী এবং অন্য যে কোনো বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ বলকে নির্দিষ্টভাবে মাধ্যাকর্ষণ বলা হয়। - মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ হলো মহাকর্ষ, আর তার একটি যদি পৃথিবী হয় তবে তাকে মাধ্যাকর্ষণ বা অভিকর্ষ বলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মহাকর্ষের একটি বিশেষ রূপ হলো মাধ্যাকর্ষণ, যেখানে পৃথিবী নিজে তার কেন্দ্রের দিকে অন্য বস্তুকে আকর্ষণ করে। - কারণ ও ফলাফল: এই আকর্ষণের ফলেই পৃথিবী তার পৃষ্ঠের সমস্ত বস্তুকে ধরে রাখে এবং কোনো বস্তু উপরে ছুড়ে দিলে তা আবার মাটিতে ফিরে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাকা আপেলের মাটিতে পড়ে যাওয়া। ব্যাখ্যা: পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ বলের টানেই আপেলটি ওপর থেকে নিচে মাটির দিকে নেমে আসে। উদাহরণ ২: হাত থেকে খাতা বা কলম ফসকে নিচে পড়ে যাওয়া। ব্যাখ্যা: এটিও পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে ঘটে থাকে, যা বস্তুকে নিজের কেন্দ্রের দিকে টানে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অভিযোজন — এটি জীববিজ্ঞানের একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে জীব পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়। তাই এটি সঠিক নয়। B) মাধ্যাকর্ষণ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা পৃথিবী ও অন্য বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণকে নির্দেশ করে। সি) মহাকর্ষ — মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণকে মহাকর্ষ বলে, এটি পৃথিবীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও বিশেষ ক্ষেত্রে মাধ্যাকর্ষণ বলা হয়। D) ত্বরণ — বেগ বৃদ্ধির হারকে ত্বরণ বলা হয়, যা বল প্রয়োগের ফলে বস্তুতে সৃষ্টি হয়। এটি কোনো আকর্ষণ বল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মহাবিশ্ব মানে মহাকর্ষ এবং পৃথিবী মানে মাধ্যাকর্ষণ বা অভিকর্ষ, এই পার্থক্যটি মনে রাখলে ভুল হবে না। - পৃথিবী সম্পর্কিত আকর্ষণ বুঝাতে ম দিয়ে শুরু মাধ্যাকর্ষণ বা অভিকর্ষ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মহাকর্ষ ও মাধ্যাকর্ষণের মৌলিক পার্থক্য প্রায়ই আসে। - নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র এবং গ্যালিলিওর পতনশীল বস্তুর সূত্র এই টপিকের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
a Pneumococcus
b Plasmodium
c Mycobacterium tuberculosis
d Streptococcus
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Mycobacterium tuberculosis ১. কেন সঠিক: - যক্ষ্মা বা টিবি একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ যা Mycobacterium tuberculosis নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে ছড়ায়। - এই ব্যাকটেরিয়া প্রধানত ফুসফুসকে আক্রমণ করে এবং হাঁচি-কাশির মাধ্যমে বাতাসের সাহায্যে একজন থেকে অন্যজনে ছড়ায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রোগ, জীবাণু ও রোগ প্রতিরোধ - কার্যপ্রণালি: শরীরে প্রবেশের পর এই ব্যাকটেরিয়া রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে ফুসফুসে গিট বা টিউবারকল তৈরি করে। - বাস্তব প্রয়োগ: যক্ষ্মা প্রতিরোধের জন্য শিশুদের বিসিজি টিকা দেওয়া হয় এবং রোগ হলে দীর্ঘ মেয়াদী অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা নিতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফুসফুসের যক্ষ্মা ব্যাখ্যা: এতে রোগীর দীর্ঘস্থায়ী কাশি, কফের সাথে রক্ত যাওয়া এবং ওজন হ্রাস পায়। উদাহরণ ২: অস্থি যক্ষ্মা ব্যাখ্যা: এই জীবাণু ফুসফুস ছাড়াও শরীরের অন্যান্য অঙ্গ যেমন হাড় বা মেরুদণ্ডেও আক্রমণ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pneumococcus — এটি নিউমোনিয়া রোগের জন্য দায়ী একটি ব্যাকটেরিয়া, যক্ষ্মার জন্য নয়। B) Plasmodium — এটি ম্যালেরিয়া রোগের জন্য দায়ী এক ধরণের পরজীবী বা প্রোটোজোয়া। C) Mycobacterium tuberculosis — এটি যক্ষ্মা রোগের জন্য দায়ী নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া এবং এটিই সঠিক উত্তর। D) Streptococcus — এটি সাধারণত গলাব্যথা, টনসিল এবং রিউমাটিক ফিভারের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া। ৫ মনে রাখার টিপস: - যক্ষ্মা রোগের ইংরেজি নাম টিউবারকুলোসিস এবং এর জীবাণুর নামের সাথেও টিউবারকুলোসিস শব্দটি যুক্ত আছে। - টিবি রোগের জীবাণু আবিষ্কার করেন রবার্ট কখ, তাই একে কখস ব্যাসিলাসও বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন রোগের জীবাণুর নাম থেকে প্রশ্ন আসে। - যক্ষ্মা জীবাণু আবিষ্কারক রবার্ট কখ নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন এবং এই প্রশ্নটি বিভিন্ন ব্যাংক নিয়োগেও বারবার আসে।
a ডায়রিয়া
b টাইফয়েড
c ম্যালেরিয়া
d আমাশয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ম্যালেরিয়া ১. কেন সঠিক: ম্যালেরিয়া কোনো পানিবাহিত রোগ নয়, এটি একটি মশাবাহিত সংক্রামক রোগ। অ্যানোফিলিস মশার কামড়ের মাধ্যমে প্লাজমোডিয়াম নামক পরজীবী মানবদেহে প্রবেশ করে এই রোগ সৃষ্টি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পানিবাহিত রোগ হলো সেই সমস্ত রোগ যা সাধারণত দূষিত পানি পানের মাধ্যমে ছড়ায়। রোগ, জীবাণু ও রোগ প্রতিরোধ: ম্যালেরিয়া রোগের প্রধান বাহক হলো স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা এবং এর জীবাণু হলো একধরনের এককোষী পরজীবী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বর্ষাকালে জমে থাকা পানিতে মশার বংশবৃদ্ধি ঘটে এবং কামড়ের মাধ্যমে ম্যালেরিয়া ছড়ায়। ব্যাখ্যা: এটি পরিষ্কার করে যে ম্যালেরিয়ার সঙ্গে পানির গুণাগুণের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই, বরং এটি মশার জীবনচক্রের সঙ্গে সম্পর্কিত। উদাহরণ ২: নদী বা খালের দূষিত পানি পানের কারণে টাইফয়েড বা ডায়রিয়া হতে পারে। ব্যাখ্যা: এটি পানিবাহিত রোগের প্রকৃত প্রকৃতি ও সংক্রমণের পথ নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডায়রিয়া — এটি একটি অত্যন্ত পরিচিত পানিবাহিত রোগ যা দূষিত পানি ও খাদ্যের মাধ্যমে ছড়ায়। B) টাইফয়েড — এটি সালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়াজনিত পানিবাহিত রোগ যা দূষিত পানির মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। C) ম্যালেরিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পানির মাধ্যমে ছড়ায় না, বরং মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। D) আমাশয় — এটি অ্যামিবা বা ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া পানিবাহিত রোগ যা অস্বাস্থ্যকর পানি পানের ফলে হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পানিবাহিত রোগগুলো সাধারণত পেটের পীড়া সৃষ্টি করে যেমন ডায়রিয়া, টাইফয়েড ও আমাশয়। অন্যদিকে ম্যালেরিয়া হলো মশার কামড়ে হওয়া জ্বর, তাই এটি পানি পানের সঙ্গে যুক্ত নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পানিবাহিত ও মশাবাহিত রোগের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া এবং চিকুনগুনিয়া হলো মশাবাহিত রোগ, আর কলেরা, ডায়রিয়া ও টাইফয়েড হলো পানিবাহিত রোগ।
a ইনসুলিন
b পেপসিন
c পেনিসিলিন
d ইথিলিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পেনিসিলিন ১. কেন সঠিক: - পেনিসিলিন একটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক যা ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর গঠনে বাধা সৃষ্টি করে তাদের ধ্বংস করে। - এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য ব্যবহৃত এক ধরনের জীবনরক্ষাকারী ওষুধ। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অ্যান্টিবায়োটিক হলো এমন রাসায়নিক পদার্থ যা অণুজীব থেকে প্রস্তুত হয় এবং ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস বা বৃদ্ধি রোধ করে। - কার্যপ্রণালি: এটি মানবদেহের উপকারী কোষের ক্ষতি না করে শুধুমাত্র প্যাথোজেনিক ব্যাকটেরিয়ার ওপর আক্রমণ চালায়। - বাস্তব প্রয়োগ: নিউমোনিয়া, ডিপথেরিয়া এবং গনরিয়ার মতো মারাত্মক ব্যাকটেরিয়াঘটিত রোগ চিকিৎসায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯২৮ সালে আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিয়াম নোটাটাম নামক ছত্রাক থেকে পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন। ব্যাখ্যা: এটি প্রকৃতিতে উৎপন্ন পদার্থের সাহায্যে প্রথম সফল ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী ওষুধ আবিষ্কারের বাস্তব উদাহরণ। উদাহরণ ২: গলাব্যথা বা টনসিলের সংক্রমণে চিকিৎসকরা অ্যান্টিবায়োটিক প্রেসক্রাইব করেন। ব্যাখ্যা: এটি দেহে আক্রমণকারী ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধি রোধ করে রোগ সারাতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইনসুলিন — এটি কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয়, এটি অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী একটি হরমোন। B) পেপসিন — এটি কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয়, এটি পাকস্থলীতে আমি জাতীয় খাদ্য পরিপাক করতে সাহায্যকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসেচক বা এনজাইম। C) পেনিসিলিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসকারী প্রথম সফল অ্যান্টিবায়োটিক বা জীবাণুরোধী ওষুধ। D) ইথিলিন — এটি কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয়, এটি ফল পাকাতে সাহায্যকারী একটি প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত বায়বীয় উদ্ভিদ হরমোন। ৫ মনে রাখার টিপস: - অ্যান্টিবায়োটিক নামের শেষে সাধারণত ইন বা লিন শব্দ থাকে যেমন পেনিসিলিন। - হরমোন বা উৎসেচকের সঙ্গে অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যপদ্ধতির পার্থক্য মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আলেকজান্ডার ফ্লেমিং কত সালে পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন তা প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - অ্যান্টিবায়োটিক শুধু ব্যাকটেরিয়া দমনে কার্যকর, ভাইরাসজনিত রোগ যেমন সর্দি-কাশিতে এটি কাজ করে না।
a ২০-৩০
b ৩০-৪০
c ৪০-৫০
d ৫০-৬০
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪০-৫০ ১. কেন সঠিক: - মানবদেহের অস্থি বা হাড় সম্পূর্ণ শুষ্ক কোনো কাঠামো নয়, এর মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণে পানি ও জৈব-অজৈব উপাদান বিদ্যমান থাকে। - বৈজ্ঞানিকভাবে মানুষের জীবন্ত হাড়ের গঠনে প্রায় শতকরা চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ ভাগ জল বা তরল পদার্থ থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্রের প্রধান উপাদান হলো হাড় বা অস্থি, যা মূলত কঠিন সংযোজক কলা হিসেবে কাজ করে। - কার্যপ্রণালি: হাড়ের ভেতরে কোলাজেন নামক প্রোটিন ফাইবার এবং ক্যালসিয়াম ফসফেটের মতো খনিজ লবণের পাশাপাশি জল বা তরল কোষীয় মাধ্যম সক্রিয় থাকে। - বাস্তব প্রয়োগ: হাড়ের ভেতরে এই নির্দিষ্ট পরিমাণ পানির উপস্থিতি হাড়কে প্রয়োজনীয় নমনীয়তা প্রদান করে এবং হঠাৎ কোনো আঘাতে ভেঙে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুর হাড় ব্যাখ্যা: শিশুদের হাড়ে পানি এবং জৈব উপাদানের পরিমাণ বয়স্কদের তুলনায় অনেক বেশি থাকে, ফলে তাদের হাড় নমনীয় হয় এবং সহজে ভাঙে না। উদাহরণ ২: জীবন্ত হাড় বনাম জীবাশ্ম ব্যাখ্যা: লক্ষ লক্ষ বছর আগে মৃত প্রাণীর হাড়ে পানি ও জৈব উপাদান সম্পূর্ণ শুকিয়ে বা খনিজ দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়ে পাথরে পরিণত হয়, যাকে জীবাশ্ম বলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০-৩০ — এই পরিমাণটি অত্যন্ত কম এবং এটি শুষ্ক ও প্রক্রিয়াজাত হাড়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে, জীবন্ত হাড়ের নয়। B) ৩০-৪০ — এই মাত্রাটি মানুষের জীবন্ত হাড়ের স্বাভাবিক পানি ধারণক্ষমতার নিচের সীমার কাছাকাছি, তাই এটি সঠিক নয়। C) ৪০-৫০ — এটি জীবন্ত মানবদেহের হাড়ে পানির স্বাভাবিক শতকরা হার নির্দেশ করে, যা শারীরতাত্ত্বিকভাবে প্রমাণিত। D) ৫০-৬০ — এই পরিমাণটি তুলনামূলকভাবে বেশি, যা মানবদেহের পেশি বা রক্তের পানির পরিমাণের সাথে মিলে যায়, হাড়ের সাথে নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: হাড়ের হিসাব মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে মানবদেহের হাড় অর্ধেক জল এবং অর্ধেক খনিজ ও প্রোটিন দ্বারা গঠিত, তাই এর পানির পরিমাণ চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মানবদেহের মোট ওজনের প্রায় আঠারো শতাংশ হলো হাড়ের ওজন এবং হাড়ের প্রধান খনিজ উপাদান হলো ক্যালসিয়াম ফসফেট। এই টপিক থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হাড়ের খনিজ উপাদান বা কোলাজেন প্রোটিন সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
a সীসা
b পারদ
c রূপা
d দস্তা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পারদ ১. কেন সঠিক: পারদ একটি তরল ধাতু এবং এর তাপীয় প্রসারণ গুণাঙ্ক বেশ সুষম। তাপমাত্রা পরিবর্তনের সাথে পারদ দ্রুত ও সমানভাবে প্রসারিত বা সংকুচিত হয় বলে থার্মোমিটারে এটি ব্যবহৃত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে তরলের আয়তন পরিবর্তনের ধর্মকে কাজে লাগিয়ে থার্মোমিটার তৈরি করা হয়। কার্যপ্রণালি: থার্মোমিটারের কুন্ডলীতে থাকা পারদ তাপ পেলে প্রসারিত হয়ে সরু নল বেয়ে উপরে ওঠে এবং ঠান্ডা হলে সংকুচিত হয়ে নিচে নামে। বাস্তব প্রয়োগ: মানবদেহের জ্বর মাপার জন্য ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটারে পারদের এই প্রসারণ ধর্ম ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জ্বর মাপার সময় শরীরের সংস্পর্শে আসার পর থার্মোমিটারের পারদের স্তম্ভ উপরে উঠতে শুরু করে। ব্যাখ্যা: শরীরের তাপ পারদে সঞ্চারিত হলে তাপীয় প্রসারণের কারণে পারদ আয়তনে বৃদ্ধি পায় এবং মান নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: আবহাওয়া অফিসের পারদ থার্মোমিটারের সাহায্যে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা মাপা হয়। ব্যাখ্যা: পরিবেশের উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে সাথে পারদের প্রসারণ ঘটে যা স্কেলের মাধ্যমে পরিমাপ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সীসা — সীসা সাধারণ তাপমাত্রায় কঠিন ধাতু এবং এর তাপীয় প্রসারণ পারদের মতো সুষম ও দৃশ্যমান নয়। B) পারদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি তরল ধাতু এবং তাপমাত্রার পরিবর্তনে দ্রুত ও সুষমভাবে প্রসারিত হয়। C) রূপা — রূপা একটি কঠিন ও মূল্যবান ধাতু, যা থার্মোমিটারে তরল হিসেবে ব্যবহার করা যায় না। D) দস্তা — দস্তা সাধারণ তাপমাত্রায় কঠিন ধাতু এবং থার্মোমিটারে তাপমাত্রা পরিমাপের উপযোগী তরল মাধ্যম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: থার্মোমিটারে থাকা একমাত্র তরল ধাতুর নাম পারদ, যার রাসায়নিক প্রতীক এইচজি। তরল অবস্থার কারণে এটি সহজেই থার্মোমিটারের নলে চলাচল করতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণপরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন ধাতু সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে, যার উত্তর পারদ। এছাড়া পারদ কাঁচের গায়ে লেগে থাকে না বলে এর পাঠ নিখুঁত হয়।
a ডায়মন্ড
b সাদা ফসফরাস
c রম্বিক সালফার
d ফসফিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফসফিন ১. কেন সঠিক: - ফসফিন হলো একটি রাসায়নিক যৌগ, যা ফসফরাস এবং হাইড্রোজেন মৌলের সমন্বয়ে গঠিত। - মৌলিক পদার্থ হলো সেই পদার্থ যাকে ভাঙলে বা রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করলে অন্য কোনো সরল পদার্থ পাওয়া যায় না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে পদার্থ কেবল একটিমাত্র নির্দিষ্ট ধরনের পরমাণু দ্বারা গঠিত এবং অন্য কোনো পদার্থে বিভক্ত করা যায় না, তাকে মৌলিক পদার্থ বলে। - রাসায়নিক সংকেত: ফসফিনের রাসায়নিক সংকেত PH3, যা নির্দেশ করে এটি একাধিক মৌলের পরমাণু নিয়ে গঠিত যৌগিক পদার্থ। - গঠন: একটি ফসফরাস পরমাণু এবং তিনটি হাইড্রোজেন পরমাণু সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে ফসফিন গ্যাস উৎপন্ন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পানি একটি যৌগিক পদার্থ কারণ হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন মিলে এটি তৈরি হয়। ব্যাখ্যা: ঠিক যেমন পানিকে ভাঙলে দুটি ভিন্ন মৌল পাওয়া যায়, তেমনি ফসফিনকে ভাঙলেও ফসফরাস ও হাইড্রোজেন পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: কার্বন ডাইঅক্সাইড একটি যৌগিক পদার্থ। ব্যাখ্যা: এতে কার্বন এবং অক্সিজেন নামক দুটি ভিন্ন মৌল নির্দিষ্ট অনুপাতে যুক্ত থাকে, যা একে মৌলিক পদার্থের তালিকা থেকে আলাদা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডায়মন্ড — ডায়মন্ড বা হীরা কার্বনের একটি বিশুদ্ধ রূপ বা অ্যালোট্রপ, যা কেবল কার্বন পরমাণু দ্বারা গঠিত হওয়ায় এটি একটি মৌলিক পদার্থ। B) সাদা ফসফরাস — সাদা ফসফরাস হলো ফসফরাস মৌলের একটি রূপভেদ যা শুধুমাত্র ফসফরাস পরমাণু নিয়ে গঠিত এবং এটি মৌলিক পদার্থ। C) রম্বিক সালফার — রম্বিক সালফার গন্ধক বা সালফার মৌলের একটি স্ফটিকাকার রূপভেদ, যা কেবল সালফার পরমাণু দিয়ে গঠিত হওয়ায় মৌলিক পদার্থ। D) ফসফিন — এটি ফসফরাস ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত একটি যৌগিক পদার্থ, তাই এটি মৌলিক পদার্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যেসকল পদার্থের নির্দিষ্ট রাসায়নিক সংকেত যেমন PH3, H2O, CO2 থাকে এবং একাধিক মৌল মিলে গঠিত হয়, সেগুলো যৌগিক পদার্থ। - হীরা, সালফার বা ফসফরাসের বিভিন্ন রূপ হলো মৌলিক পদার্থের বিভিন্ন রূপভেদ বা অ্যালোট্রপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরীক্ষায় প্রায়ই মৌলিক ও যৌগিক পদার্থের উদাহরণ থেকে প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে বিভিন্ন রূপভেদ যেমন হীরা, গ্রাফাইট ও ওজোন মৌলিক পদার্থ কি না তা জানতে চাওয়া হয়। - ফসফিনের মতো অন্য যৌগ যেমন অ্যামোনিয়া বা মিথেন যৌগিক পদার্থ, কারণ এগুলো একাধিক ভিন্ন মৌল দ্বারা গঠিত।
a টারটারিক এসিড
b কার্বনিক এসিড
c ইথানয়িক এসিড
d সাইট্রিক এসিড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কার্বনিক এসিড ১. কেন সঠিক: কোমল পানীয় বা সোডা ওয়াটারে উচ্চ চাপে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস দ্রবীভূত করা হয়। এই গ্যাস পানির সঙ্গে রাসায়নিকভাবে বিক্রিয়া করে কার্বনিক এসিড তৈরি করে যা পানীয়টিতে মৃদু টক স্বাদ দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: কার্বনিক এসিড একটি দুর্বল ও অস্থায়ী অজৈব এসিড যার রাসায়নিক সংকেত এইচ টু সি ও থ্রি। কার্যপ্রণালি: কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস পানির সঙ্গে বিক্রিয়া করে এই এসিড উৎপন্ন করে এবং বোতলের ছিপি খুললে চাপের পার্থক্যের কারণে বুদবুদ আকারে গ্যাস হিসেবে উড়ে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোকাকোলা বা পেপসির মতো কোমল পানীয়ের বোতল খুললে যে সাঁইসাঁই শব্দে বুদবুদ ওঠে তা মূলত কার্বনিক এসিড ভেঙে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস হয়ে বের হওয়ার দৃশ্য। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে কোমল পানীয়তে দ্রবীভূত অবস্থায় কার্বনিক এসিড বিদ্যমান থাকে। উদাহরণ ২: ক্লাব সোডা বা স্প্রাইট পানের সময় জিহ্বায় যে সুড়সুড়ি ভাব বা মৃদু ঝাঁঝালো অনুভূতির সৃষ্টি হয়। ব্যাখ্যা: এই বিশেষ স্বাদ ও অনুভূতির জন্য কার্বনিক এসিড সরাসরি দায়ী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টারটারিক এসিড — এটি মূলত তেঁতুল ও কাঁচা আমে প্রাকৃতিকভাবে বিদ্যমান থাকে। B) কার্বনিক এসিড — কোমল পানীয়তে বিদ্যমান প্রধান এসিড যা সঠিক উত্তর। C) ইথানয়িক এসিড — এটি ভিনেগার বা সিরকায় প্রধান উপাদান হিসেবে থাকে। D) সাইট্রিক এসিড — এটি লেবু, কমলা এবং অন্যান্য টক জাতীয় ফলে পাওয়া যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: কোমল পানীয়তে থাকে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস আর গ্যাস থেকে মনে রাখবে কার্বনিক এসিড। সোডার বোতলের সঙ্গে কার্বনিক এসিডের নাম এভাবে চিরতরে আটকে নাও। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কোমল পানীয়ের pH মাত্রা সাধারণত তিন থেকে চার এর মধ্যে থাকে যা একে অম্লীয় করে তোলে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে সোডা ওয়াটারে কোন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
a MT test
b তেজস্ক্রিয় বিকিরণ
c বৈদ্যুতিক তরঙ্গ
d চৌম্বক তরঙ্গ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ১. কেন সঠিক: - তেজস্ক্রিয় বিকিরণ প্রয়োগ করে দ্রুত বিভাজিত হওয়া ক্যান্সার কোষের ডিএনএ ধ্বংস করা হয়, ফলে কোষগুলো মারা যায়। - এই চিকিৎসাকে রেডিওথেরাপি বলা হয়, যা নিয়ন্ত্রিত উপায়ে সুনির্দিষ্ট স্থানে প্রয়োগ করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ক্যান্সার হলো এমন একটি রোগ যেখানে শরীরের কোষগুলো অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভাজিত হয় এবং সুস্থ টিস্যুকে আক্রমণ করে। - কার্যপ্রণালি: উচ্চ শক্তির তেজস্ক্রিয় রশ্মি ক্যান্সার কোষের জিনগত উপাদানে আঘাত করে, যার ফলে কোষগুলো আর বংশবৃদ্ধি করতে পারে না এবং ধ্বংস হয়ে যায়। - বাস্তব প্রয়োগ: টিউমার বা ম্যালিগন্যান্ট কোষের বৃদ্ধি রোধে রেডিওথেরাপি চিকিৎসায় এটি সরাসরি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোবাল্ট ষাট আইসোটোপ থেকে নির্গত গামা রশ্মি ব্যবহার করে শরীরের ভেতরের গভীরের টিউমার ধ্বংস করা হয়। ব্যাখ্যা: এই উচ্চ শক্তির রশ্মি সুস্থ কোষের কম ক্ষতি করে সরাসরি ক্যান্সার কোষকে লক্ষ্যবস্তু বানায়। উদাহরণ ২: ত্বকের ক্যান্সারের চিকিৎসায় ইলেকট্রন বিম বা এক্স-রে ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এই বিকিরণগুলো ত্বকের উপরিভাগের কোষে কাজ করে এবং ক্ষতিকারক কোষগুলোকে পুড়িয়ে বা নষ্ট করে ফেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) MT test — এটি ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত কোনো পদ্ধতি বা পরীক্ষা নয়, বরং এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি পরিভাষা। B) তেজস্ক্রিয় বিকিরণ — এটি ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করার একটি স্বীকৃত ও অত্যন্ত কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি। C) বৈদ্যুতিক তরঙ্গ — এটি সাধারণ যোগাযোগ বা ফিজিক্যাল থেরাপিতে ব্যবহৃত হয়, ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে সরাসরি ব্যবহৃত হয় না। D) চৌম্বক তরঙ্গ — এটি সাধারণত এমআরআই বা রোগ নির্ণয়ের কাজে ব্যবহৃত হয়, কোনো কোষ ধ্বংস করার প্রধান পদ্ধতি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্যান্সার চিকিৎসায় রশ্মি বা রেডিয়েশনের ব্যবহার মনে রাখতে 'রেডিওথেরাপি' শব্দটি মাথায় রাখবে, যা তেজস্ক্রিয় বিকিরণ থেকে আসে। - বিকিরণ শক্তি ক্যান্সার কোষের ডিএনএ ভেঙে ফেলে, এই সহজ সম্পর্কটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত কোবাল্ট ষাট কোন ধরনের রশ্মি ছড়ায়, তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। - কোবাল্ট ষাট থেকে গামা রশ্মি নির্গত হয়, যা রেডিওথেরাপিতে বহুল ব্যবহৃত।
a ভারত মহাসাগর
b পারস্য উপসাগর
c আরব সাগর
d বঙ্গোপসাগর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভারত মহাসাগর ১. কেন সঠিক: মালদ্বীপ একটি দ্বীপরাষ্ট্র যা দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত মহাসাগরের ঠিক মধ্যভাগে অবস্থিত। এর চারপাশেই ভারত মহাসাগরের নীল জলরাশি বিস্তৃত রয়েছে এবং এটি এশিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন একটি সামুদ্রিক রাষ্ট্র। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: ভারত মহাসাগরের ল্যাকাডিভ সাগরের দক্ষিণ প্রান্তে এটি অবস্থিত। বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের অন্যতম নিচু দেশ এবং একাধিক প্রবাল দ্বীপ নিয়ে গঠিত। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: মরিশাস ব্যাখ্যা: মরিশাসও ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র। উদাহরণ ২: সেশেলস ব্যাখ্যা: সেশেলস ভারত মহাসাগরের আরেকটি বিখ্যাত দ্বীপরাষ্ট্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত মহাসাগর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ মালদ্বীপ এই মহাসাগরেই অবস্থিত। B) পারস্য উপসাগর — এটি মধ্যপ্রাচ্যের আরব উপদ্বীপ ও ইরানের মাঝখানে অবস্থিত। C) আরব সাগর — এটি ভারত মহাসাগরের একটি উত্তর অংশ এবং ভারতের পশ্চিমে অবস্থিত। D) বঙ্গোপসাগর — এটি ভারত মহাসাগরের পূর্ব অংশ এবং বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: ভারত মহাসাগরের মাঝখানে ছোট ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত মালদ্বীপ দেশটি অবস্থান করছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মালদ্বীপ বিশ্বের সবচেয়ে নিচু এবং প্রবাল গঠিত দ্বীপরাষ্ট্র। এই ধরনের দ্বীপরাষ্ট্রের ভৌগোলিক অবস্থান প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
a চীন ও পাকিস্তান
b পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
c ভারত ও পাকিস্তান
d চীন ও ভারত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চীন ও ভারত ১. কেন সঠিক: - ম্যাকমোহন লাইন মূলত ভারত ও চীনের পূর্বাঞ্চলীয় সীমানা নির্দেশ করে। - ব্রিটিশ ভারতের ঔপনিবেশিক আমলে ১৯১৪ সালে সিমলা সম্মেলনে এই সীমান্তরেখা নির্ধারিত হয়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: হিমালয় অঞ্চলের পূর্ব প্রান্তে ভারত ও চীনের মধ্যে অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি মূলত অরুণাচল প্রদেশ এবং তিব্বত অঞ্চলের মধ্যকার ভৌগোলিক সীমান্ত হিসেবে পরিচিত। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: চীন সরকার এই সীমান্তরেখাকে স্বীকৃতি দেয় না এবং অরুণাচল প্রদেশকে দক্ষিণ তিব্বত হিসেবে দাবি করে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: সিমলা কনভেনশন ১৯১৪ ব্যাখ্যা: এই সম্মেলনে ব্রিটিশ ভারত, তিব্বত ও চীন প্রতিনিধিদের মধ্যে সীমান্ত নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা হয়। উদাহরণ ২: অরুণাচল প্রদেশ বিতর্ক ব্যাখ্যা: ম্যাকমোহন লাইনকে কেন্দ্র করে এই অঞ্চলে প্রায়ই দুই দেশের মধ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন ও পাকিস্তান — এই দেশের সীমান্তকে ম্যাকমোহন লাইন বলা হয় না, এদের সীমানার নাম চীন-পাকিস্তান চুক্তিভিত্তিক সীমান্ত। B) পাকিস্তান ও আফগানিস্তান — পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী রেখাকে ডুরান্ড লাইন বলা হয়। C) ভারত ও পাকিস্তান — ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী রেখাকে র‍্যাডক্লিফ লাইন বলা হয়। D) চীন ও ভারত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দুই দেশের পূর্ব সীমান্ত ম্যাকমোহন লাইন নামে পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: ম্যাকমোহন নামের সাথে চীন ও ভারতের সীমান্ত মনে রাখতে 'মাক' শব্দটিকে চীনের প্রাচীরের সাথে মেলানো যেতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন দেশের সীমান্তরেখার নাম প্রায়ই আসে। যেমন ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত হলো র‍্যাডক্লিফ লাইন।

মোট প্রশ্ন (28)

a ১৯০৫ সালে
b ১৯০৭ সালে
c ১৯১৬ সালে
d ১৯১৭ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯০৭ সালে ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ সালে এটি আবিষ্কার করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক নিদর্শন এবং বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনা সংগীত। ১৯১৬ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের টিকাকার মুনিদত্ত। ব্যাখ্যা: মুনিদত্ত চর্যাপদের সংস্কৃত টীকা 'চর্যাচর্যবিনিশ্চয়' রচনা করেছিলেন যার ওপর ভিত্তি করে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এর অর্থ উদ্ধার করেন। উদাহরণ ২: চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি। ব্যাখ্যা: আবিষ্কৃত পুথিতে সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ পাওয়া গেলেও ড. সুকুমার সেনের মতে এর মোট পদের সংখ্যা হলো পঞ্চাশটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৫ সালে — এই সালে চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়নি বরং বঙ্গভঙ্গ সংঘটিত হয়েছিল। B) ১৯০৭ সালে — এটি সঠিক কারণ এই সালেই চর্যাপদ নেপাল থেকে আবিষ্কৃত হয়। C) ১৯১৬ সালে — এটি আবিষ্কারের সাল নয় বরং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদ প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। D) ১৯১৭ সালে — এই সালে চর্যাপদ প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক বা সাহিত্যিক ঘটনা ঘটেকনি। ৫. মনে রাখার টিপস: আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং আবিষ্কারের সাল ১৯০৭ মনে রাখতে 'হ' তে হরপ্রসাদ আর 'স' তে সপ্তমী বা সাত এভাবে মিলিয়ে নিতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ সম্পর্কিত সালগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ যেমন আবিষ্কার ১৯০৭ সাল এবং প্রকাশকাল ১৯১৬ সাল। পরীক্ষার সময় আবিষ্কার ও প্রকাশের সাল গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a শাস্তি
b সমাপ্তি
c একরাত্রি
d স্ত্রীপত্রের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শাস্তি ১. কেন সঠিক: 'শাস্তি' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। এই গল্পের অন্যতম প্রধান ও মর্মান্তিক চরিত্র হলো চন্দ্রা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক ও বিশ্বকবি। 'শাস্তি' গল্পটি তাঁর 'গল্পগুচ্ছ' গ্রন্থের অন্তর্গত এবং এটি মানবমনস্তত্ত্ব ও গ্রামীণ সমাজের নিষ্ঠুরতার এক অনবদ্য দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নষ্টনীড় ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত ছোটগল্প যার প্রধান চরিত্র চারুলতা। উদাহরণ ২: একরাত্রি ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত ছোটগল্প যেখানে সুরবালা ও কথকের শৈশবের স্মৃতিচারণা রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাস্তি — এই অপশনটি সঠিক কারণ চন্দ্রা এই গল্পেরই কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র। B) সমাপ্তি — এই অপশনের প্রধান নারী চরিত্র মৃন্ময়ী, চন্দ্রা নয়। C) একরাত্রি — এই গল্পের মূল নারী চরিত্র সুরবালা, এখানে চন্দ্রা চরিত্রটি নেই। D) স্ত্রীপত্রের — এই গল্পের মূল চরিত্র মৃণাল, যিনি পরাধীন নারীর প্রতিবাদের প্রতীক। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের শাস্তি গল্পের চন্দ্রার ভাগ্য বড়োই নির্মম ছিল। শাস্তির চ হলো চন্দ্রার চ, এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পগুলো থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে। গল্পগুলোর প্রধান চরিত্রগুলোর নাম ভালোভাবে মনে রাখা আবশ্যক।
a নেকড়ে অরণ্য
b চিলেকোঠার সেপাই
c কাঁটাতারে প্রজাপতি
d আরেক ফাল্গুন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নেকড়ে অরণ্য ১. কেন সঠিক: - নেকড়ে অরণ্য উপন্যাসটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতার পটভূমিতে রচিত। - এই উপন্যাসে পাকিস্তানি সেনা ও তাদের সহযোগীদের নৃশংসতা এবং বাঙালির প্রতিরোধ সংগ্রাম তুলে ধরা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নেকড়ে অরণ্য উপন্যাসের রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে রচিত বাংলা উপন্যাসের মধ্যে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রামাণ্য দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাহান্নাম হইতে বিদায় ব্যাখ্যা: এটিও শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: আগুনের পরশমনি ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেকড়ে অরণ্য — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে। B) চিলেকোঠার সেপাই — আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত এই উপন্যাসটি উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের পটভূমিতে রচিত, মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি পটভূমি নয়। C) কাঁটাতারে প্রজাপতি — এটি একটি ভিন্ন ধারার উপন্যাস, যা সরাসরি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান পটভূমি নিয়ে রচিত নয়। D) আরেক ফাল্গুন — জহির রায়হান রচিত এই উপন্যাসটি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত, মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শওকত ওসমানের নামের সঙ্গে নেকড়ে অরণ্য ও জাহান্নাম হইতে বিদায় উপন্যাস দুটি মনে রাখতে হবে। - জহির রায়হানের উপন্যাসগুলো ভাষা আন্দোলন ও ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানভিত্তিক, আর শওকত ওসমানের অনেক রচনা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এবং ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাসের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - রচয়িতার নাম এবং উপন্যাসের পটভূমির সাল ভালোভাবে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a বাংলা একাডেমি
b ইউভার্সিটি প্রেস লিমিটেড
c এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ
d ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ ১. কেন সঠিক: - এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ বাংলাপিডিয়া বা বাংলাদেশ জাতীয় জ্ঞানকোষ প্রকাশ করেছে। - এটি বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং বিজ্ঞান বিষয়ক প্রামাণিক তথ্যসমৃদ্ধ একটি বিশ্বকোষ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ দেশের একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী গবেষণা প্রতিষ্ঠান। - ২০০৩ সালে প্রথম বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় বাংলাপিডিয়া প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইসলামকোষ ব্যাখ্যা: এটিও এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ কর্তৃক প্রকাশিত একটি প্রামাণিক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: বাংলাদেশের লোকসংগীত সংগ্রহ ব্যাখ্যা: এটিও এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা একাডেমি — এটি ভাষা ও সাহিত্য উন্নয়নের প্রতিষ্ঠান হলেও বাংলাপিডিয়া প্রকাশ করেনি। B) ইউভার্সিটি প্রেস লিমিটেড — এটি একটি বেসরকারি প্রকাশনা সংস্থা, বাংলাপিডিয়ার প্রধান প্রকাশক নয়। D) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় — এটি দেশের প্রাচীনতম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলেও বাংলাপিডিয়া এর সরাসরি প্রকল্প নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পিডিয়া বা জ্ঞানকোষ সম্পর্কিত বড় প্রজেক্টগুলো সাধারণত জাতীয় পর্যায়ের গবেষণা প্রতিষ্ঠান করে থাকে। - বাংলাপিডিয়া প্রকাশের সঙ্গে এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশের নাম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাপিডিয়া প্রকাশিত হয় ২০০৩ সালে। - এটি বাংলা ভাষার প্রথম ডিজিটাল ও মুদ্রিত জাতীয় জ্ঞানকোষ।
a দশগজি
b ত্রিফলা
c খেয়াঘাট
d বর্ষচোরা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দশগজি ১. কেন সঠিক: - দশ গজ পরিমাণ যার = দশগজি, এখানে সমস্তপদটি দ্বারা এমন একটি বিশেষ পরিমাপের কাপড় বা বস্তুকে বোঝায় যা অন্য কোনো পদকে নির্দেশ করে। - এই সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ প্রধান না হয়ে সম্পূর্ণ নতুন একটি অর্থ প্রকাশ পায়, যা বহুব্রীহি সমাসের মূল বৈশিষ্ট্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। - সাধারণত বহুব্রীহি সমাসের ব্যাসবাক্যে 'যাহার' বা 'যাতে' পদটি ব্যবহৃত হয় এবং সমস্তপদটি বিশেষণ পদরূপে কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিনা জপ করে যে = বিনাজপি ব্যাখ্যা: এটি বহুব্রীহি সমাসের একটি উদাহরণ যেখানে নতুন অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: চতুরঙ্গ যার = চতুরঙ্গ ব্যাখ্যা: সমাসবদ্ধ পদটি অন্য অর্থ প্রকাশ করায় এটি বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দশগজি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য অপশনগুলোর ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। B) ত্রিফলা — তিন ফলের সমাহার, এটি সমাহার দ্বিগু সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে সমাহার বা সমষ্টি বোঝানো হয়েছে। C) খেয়াঘাট — খেয়ার ঘাট, এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যেখানে সম্বন্ধ পদের বিভক্তি লোপ পেয়েছে। D) বর্ষচোরা — বর্ষ জুড়ে চোর বা যোগ্যতাহীন, এটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত যেখানে বিভক্তি লোপ পায়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বহুব্রীহি সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের শেষে 'যাহার' বা 'যে' থাকবে এবং সমস্তপদটি একটি নতুন গুণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করবে। - সংখ্যাবাচক শব্দ থাকলেও যদি সমষ্টি না বুঝিয়ে অন্য কিছু বোঝায়, তবে তা দ্বিগু না হয়ে বহুব্রীহি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাস নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ব্যাসবাক্য সঠিকভাবে করা অত্যন্ত জরুরি। - বিশেষ করে সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি এবং দ্বিগু সমাসের পার্থক্য ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a সাম্যবাদী
b ফণিমনসা
c অগ্নিবীণা
d চিতনামা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অগ্নিবীণা ১. কেন সঠিক: কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত 'বিদ্রোহী' কবিতাটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'-র অন্তর্গত। এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগ সৃষ্টি করেছিল এবং প্রকাশের পর থেকেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হয় এবং এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। বাংলা কবিতার ধারায় রোমান্টিকতার গণ্ডি ভেঙে বিদ্রোহ ও প্রতিবাদের সুর নিয়ে আসার ক্ষেত্রে এই কাব্যগ্রন্থের ভূমিকা ঐতিহাসিক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'প্রলয়োল্লাস' কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতাতেও বিদ্রোহী সুর ও ধ্বংসের মধ্য দিয়ে নতুন সৃষ্টির বার্তার প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: 'কামাল পাশা' কবিতাটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের একটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক কবিতা। ব্যাখ্যা: তুরস্কের স্বাধীনতা সংগ্রামের বীর মোস্তফা কামাল পাশার বীরত্বকে এই কবিতায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাম্যবাদী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের অন্য একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়, তবে 'বিদ্রোহী' কবিতা এতে নেই। B) ফণিমনসা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়, এতে 'বিদ্রোহী' কবিতা অন্তর্ভুক্ত নয়। D) চিতনামা — এটি কোনো প্রামাণ্য কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি অপশন তৈরি করার জন্য একটি কাল্পনিক বা ভুল নাম হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'র শুরুতেই রয়েছে আগুনঝরা 'বিদ্রোহী' কবিতা। কবি নিজেই যেন অগ্নিবীণা বাজিয়ে বিদ্রোহের আগুন জ্বালিয়েছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের প্রকাশসাল এবং প্রথম কবিতার নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ও প্রথম প্রকাশিত কবিতার নাম আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে।
a বড়ু চণ্ডীদাস
b দীন চণ্ডীদাস
c জয়দেব
d বিদ্যাপতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বড়ু চণ্ডীদাস ১. কেন সঠিক: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের একক এবং নিশ্চিত রচয়িতা হিসেবে বড়ু চণ্ডীদাসের নাম বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে সর্বসম্মতভাবে স্বীকৃত। - ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বৎবল্লভ বাঁকুড়াবাড়ির গোয়ালঘর থেকে পুথিটি আবিষ্কার করেন এবং তাঁর সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শন এবং রাধা-কৃষ্ণের প্রেমভিত্তিক প্রথম পূর্ণাঙ্গ কাব্য। - এটি মূলত একটি নাটকীয় গীতি কাব্য যেখানে বড়ু চণ্ডীদাস রাধা, কৃষ্ণ ও বাড়াই বা দুতী চরিত্রের মাধ্যমে মানবীয় প্রেমলীলা ফুটিয়ে তুলেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ব্যাখ্যা: এই কাব্যের চরিত্রগুলো হলো রাধা, কৃষ্ণ এবং বাড়াই, যা মধ্যযুগের বৈষ্ণব সাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন দলিল। উদাহরণ ২: মধ্যযুগের আদি নিদর্শন ব্যাখ্যা: চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন হলো মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বড়ু চণ্ডীদাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্যটির ভণিতায় বড়ু চণ্ডীদাসের নাম পাওয়া যায়। B) দীন চণ্ডীদাস — দীন চণ্ডীদাস মধ্যযুগের অন্য একজন কবি এবং তিনি শ্রীকীর্তনের রচয়িতা নন। C) জয়দেব — কবি জয়দেব সংস্কৃত ভাষায় গীতগোবিন্দম রচনা করেছিলেন যা বাংলা কাব্যের ওপর প্রভাব ফেললেও এটি তাঁর রচনা নয়। D) বিদ্যাপতি — বিদ্যাপতি মৈথিল ভাষার কবি এবং তিনি পদাবলী সাহিত্যের জন্য বিখ্যাত, শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন নামের শেষে কীর্তন আছে এবং এটি আবিষ্কার করেছিলেন বসন্তরঞ্জন রায়, আর রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস। - মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন মনে রাখতে শ্রী দিয়ে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন এবং ব দিয়ে বড়ু চণ্ডীদাস মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের আবিষ্কারক এবং প্রকাশকাল প্রায়ই আসে। - পুথিটি ১৯০৯ সালে আবিষ্কৃত হয় এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
a একাকার
b সাকার
c হাহাকার
d আকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাকার ১. কেন সঠিক: - নিরাকার শব্দের অর্থ যার কোনো আকার বা রূপ নেই এবং এর বিপরীত শব্দ হলো সাকার যার অর্থ আকার বা রূপসহ। - বিপরীতার্থক শব্দ মূলত পরস্পরবিরোধী অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ গঠনে উপসর্গ বা ভিন্ন শব্দমূল ব্যবহার করা হয়। - এখানে নি (নেই অর্থে) উপসর্গযুক্ত শব্দের বিপরীতে স (সহিত অর্থে) উপসর্গযুক্ত শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দৃশ্য × অদৃশ্য ব্যাখ্যা: দৃশ্য শব্দের অর্থ যা দেখা যায় এবং অদৃশ্য শব্দের অর্থ যা দেখা যায় না। উদাহরণ ২: চেতন × অচেতন ব্যাখ্যা: চেতন শব্দের অর্থ জ্ঞান বা চৈতন্য আছে যার এবং অচেতন শব্দের অর্থ চেতনা নেই যার। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একাকার — একাকার শব্দের অর্থ সব এক হয়ে যাওয়া, যা নিরাকার শব্দের বিপরীত নয়। B) সাকার — এটি সঠিক উত্তর। C) হাহাকার — হাহাকার শব্দের অর্থ তীব্র আর্তনাদ বা দুঃখ প্রকাশ, যা নিরাকার শব্দের বিপরীত নয়। D) আকার — আকার শব্দের অর্থ রূপ বা আকৃতি, যা নিরাকার শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নি উপসর্গ মানে নেই এবং স উপসর্গ মানে আছে। - তাই নিরাকার মানে আকার নেই এবং সাকার মানে আকার আছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। - উপসর্গ পরিবর্তন করে অনেক সময় বিপরীত শব্দ তৈরি করা যায়।
a ভানুসিংহ
b সুনন্দ
c বনফুল
d নীললোহিত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বনফুল ১. কেন সঠিক: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক ছদ্মনাম হলো বনফুল। তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত ছোটগল্পকার ও ঔপন্যাসিক ছিলেন যিনি এই ছদ্মনামে মূলত ব্যঙ্গাত্মক ও মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প লিখে পরিচিতি লাভ করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় বাংলা ছোটগল্পের ধারায় এক অনন্য সংযোজন যাঁর গল্পগুলো আকারে ছোট এবং গভীর ভাবসমৃদ্ধ হতো। তিনি পেশায় একজন চিকিৎসক ছিলেন এবং সাহিত্যচর্চাকে নিজের শখ ও ব্রত হিসেবে গ্রহণ করে বাংলা কথাসাহিত্যে স্থায়ী আসন লাভ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনফুলের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প হলো অদৃশ্য লোক। ব্যাখ্যা: এই গল্পটি তাঁর সাহিত্যিক প্রতিভার এক অনন্য নিদর্শন এবং ছোটগল্পের শিল্পরূপের উৎকর্ষ ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: বনফুলের রচিত একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো সে ও আমি। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটিতে মানবমনের জটিল মনস্তাত্ত্বিক দিক অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভানুসিংহ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কৈশোর ও প্রথম যৌবনের পদ রচনার ছদ্মনাম। B) সুনন্দ — এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও সাংবাদিক সজনীকান্ত দাসের সুপরিচিত ছদ্মনাম। C) বনফুল — এটি বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম যা প্রশ্নানুসারে সম্পূর্ণ সঠিক। D) নীললোহিত — এটি জনপ্রিয় আধুনিক লেখক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বহুল ব্যবহৃত ছদ্মনাম। ৫ মনে রাখার টিপস: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ব দিয়ে শুরু এবং বনফুলও ব দিয়ে শুরু তাই নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে সহজেই ছদ্মনামটি মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম প্রায়ই আসে তাই বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের বনফুল নামটি ভালোভাবে মনে রাখা আবশ্যক। একই উপায়ে অন্যান্য লেখকের ছদ্মনামগুলোও ছক আকারে তালিকাভুক্ত করে মুখস্থ করা যেতে পারে।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন
c জিয়াউর রহমান সিদ্দিকী
d সিকান্দার আবু জাফর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিকান্দার আবু জাফর ১. কেন সঠিক: - 'সমকাল' একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী সাহিত্য পত্রিকা এবং এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার সিকান্দার আবু জাফর। - ১৯৫৭ সালের নভেম্বর মাসে এই পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সিকান্দার আবু জাফর ছিলেন একাধারে কবি, নাট্যকার ও সাংবাদিক যিনি বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সাহিত্যচর্চা করেছেন। - তাঁর বিখ্যাত নাটক 'সিরাজউদ্দৌলা' এবং জনপ্রিয় গান 'আমাদের সংগ্রাম চলবেই' বাংলা সাহিত্যে ও সংস্কৃতিতে অনন্য স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকটি সিকান্দার আবু জাফরের লেখা একটি ঐতিহাসিক নাটক। ব্যাখ্যা: এই নাটকটি ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে এবং বাঙালি জাতির স্বাধিকার সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: 'আমাদের সংগ্রাম চলবেই, আমাদের জয় হবেই' গানটির রচয়িতা সিকান্দার আবু জাফর। ব্যাখ্যা: এই গানটি বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম ও স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুক্তিকামী মানুষকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি এবং 'লাঙল' ও 'ধূমকেতু' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, 'সমকাল' পত্রিকার সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন না। B) মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন — তিনি বিখ্যাত মাসিক 'সওগাত' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন, যা নারী জাগরণে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল। C) জিয়াউর রহমান সিদ্দিকী — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত অধ্যাপক ও প্রাবন্ধিক ছিলেন, তবে 'সমকাল' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে তিনি পরিচিত নন। D) সিকান্দার আবু জাফর — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি পত্রিকার সম্পাদনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - সমকাল পত্রিকার সম্পাদক মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে সিকান্দার নামের একজন শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব সমকালের (বর্তমান সময়ের) চালিকাশক্তি ছিলেন। - পত্রিকাটির প্রকাশকাল ১৯৫৭ সাল এবং এর মাধ্যমে বহু নতুন সাহিত্যিক আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রখ্যাত সাহিত্য ও সংবাদপত্রের সম্পাদক সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য পত্রিকা এবং এর সম্পাদকের নাম একটি তালিকায় নোট করে বারবার চর্চা করা উচিত।
a অপ
b দর
c গর
d ভর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভর ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়, যার মধ্যে একটি হলো খাঁটি বাংলা উপসর্গ। ভর একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা সাধারণত শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে এবং পূর্ণতা বোঝায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ মূল শব্দের বা ধাতুর পূর্বে বসে শব্দের অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন সাধন করে তাদের উপসর্গ বলে। বাংলা ভাষায় মোট একুশটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ রয়েছে যা বাংলা শব্দ গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভরপুর ব্যাখ্যা: মূল শব্দ পুর-এর পূর্বে ভর উপসর্গ যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ বোঝানো অর্থে ভরপুর শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ভরপেট ব্যাখ্যা: পেট শব্দের পূর্বে ভর উপসর্গ যুক্ত হয়ে পেট ভর্তি বা পর্যাপ্ত পরিমাণ বোঝাতে ভরপেট শব্দটি তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপ — এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ যা বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয় না এমন নয়, তবে এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ নয়। B) দর — এটি একটি ফারসি উপসর্গ যা সাধারণত বৈদেশিক শব্দ গঠনে বাংলায় ব্যবহৃত হয়ে থাকে। C) গর — এটি একটি আরবি উপসর্গ যা না বোধক বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে ফারসি বা আরবি শব্দের সাথে বসে। D) ভর — এটি একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ এবং প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: খাঁটি বাংলা উপসর্গগুলো সহজে মনে রাখার একটি জনপ্রিয় ছন্দ হলো অ আ অঘা অজ আন অমুন আর ইতি উন কদ সু নি পাতি স রাম সর্ हा. এখানে ভর উপসর্গটি খাঁটি বাংলা উপসর্গের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই খাঁটি বাংলা এবং বিদেশী উপসর্গের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। উপসর্গ চেনার সময় শব্দের উৎস বা উৎপত্তি ভালোমতো খেয়াল রাখতে হবে যাতে তৎসম ও খাঁটি বাংলা উপসর্গ গুলিয়ে না যায়।
a √বাক্ + তব্য
b √বচন + তব্য
c √বচ্ + তব্য
d √বক্তা + তব্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) √বচ্ + তব্য ১. কেন সঠিক: - বক্তব্য শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো √বচ্ যোগ তব্য। এখানে √বচ্ হলো ধাতু এবং তব্য হলো প্রত্যয়। - ধাতু বা শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয় এবং বক্তব্য শব্দটি তব্য প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কৃৎ প্রত্যয় হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়। এখানে বচ্ একটি ধাতু বা ক্রিয়ামূল। - তব্য প্রত্যয়টি কর্মবাচ্যে বা ভাবে যুক্ত হয় এবং এটি উচিত বা যোগ্য অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √গম + তব্য = গন্তব্য ব্যাখ্যা: গন্তব্য শব্দটির অর্থ যা গমন করা উচিত বা গমনের যোগ্য এবং এটি একই নিয়ম বা প্রত্যয় সাধিত। উদাহরণ ২: √কৃ + তব্য = কর্তব্য ব্যাখ্যা: কর্তব্য শব্দটির অর্থ যা করা উচিত এবং এটিও কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) √বাক্ + তব্য — বাক্ কোনো মৌলিক ধাতু নয়, তাই এই বিশ্লেষণ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) √বচন + তব্য — বচন একটি প্রাতিপদিক বা শব্দমূল, ধাতু নয়, তাই এটি ভুল। C) √বচ্ + তব্য — এটি সঠিক অপশন এবং এর প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের বিশ্লেষণ সম্পূর্ণ নির্ভুল। D) √বক্তা + তব্য — বক্তা একটি শব্দ, এটি কোনো ধাতু নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - তব্য প্রত্যয়যুক্ত শব্দ চেনার উপায় হলো শব্দের শেষে ব্য বা তব্য থাকে এবং ধাতুটি চেনার জন্য মূল ভাব বা ক্রিয়ামূল খুঁজে দেখতে হয়। - বচ্ ধাতুর সঙ্গে তব্য যুক্ত হলে ব্য বা বক্তব্য রূপ লাভ করে, যা মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তব্য, অনীয় ও য প্রত্যয় যুক্ত শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - ধাতু চেনার সময় শব্দের ভেতরের মূল ক্রিয়ামূল নির্ধারণ করতে হবে।
a কালবেলা
b গণনায়ক
c এখনও ক্রীতদাস
d ঢাকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গণনায়ক ১. কেন সঠিক: - গণনায়ক নাটকটির রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হক। - এটি তাঁর অন্যতম রাজনৈতিক ও প্রতিবাদী নাটক, যা সমসাময়িক সমাজের বাস্তবচিত্র তুলে ধরে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ শামসুল হক একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক ছিলেন এবং তিনি বাংলা সাহিত্যে সব্যসাচী লেখক হিসেবে পরিচিত। - তাঁর রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ও নুরুলদীনের সারাজীবন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যনাট্য। উদাহরণ ২: নুরুলদীনের সারাজীবন ব্যাখ্যা: এটি তাঁর রচিত ইতিহাস আশ্রিত একটি বিখ্যাত নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কালবেলা — এই নামে প্রখ্যাত উপন্যাস থাকলেও এটি সৈয়দ শামসুল হকের নাটক নয়, এটি সমরেশ মজুমদারের বিখ্যাত উপন্যাস। B) গণনায়ক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, এটি সৈয়দ শামসুল হকের নাটক। C) এখনও ক্রীতদাস — এটি সৈয়দ শামসুল হকের কোনো প্রখ্যাত নাটক বা প্রধান সাহিত্যকর্ম নয়। D) ঢাকা — এটি কোনো নির্দিষ্ট নাটক বা সৈয়দ শামসুল হকের সাহিত্যকর্ম হিসেবে পরিচিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সৈয়দ শামসুল হকের নাটক মনে রাখার কৌশল হলো সব্যসাচী লেখক সৈয়দ হকের নাটকের তালিকায় গণনায়ক, পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় এবং নুরুলদীনের সারাজীবন নামগুলো একসঙ্গে মনে রাখা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্য ও নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকের নাম খুব বেশি পরীক্ষাসংক্রান্ত প্রশ্নে দেখা যায়।
a কাহিনী
b জনশ্রুতি
c গল্প
d রূপকথা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জনশ্রুতি ১. কেন সঠিক: - কিংবদন্তি শব্দের সঠিক ও প্রমিত অর্থ হলো জনশ্রুতি বা লোকমুখে প্রচলিত কাহিনী। - দীর্ঘকাল ধরে মানুষের মুখে মুখে চলে আসা ঐতিহাসিক বা কাল্পনিক ঘটনাকে কিংবদন্তি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দের অর্থ বা এককথায় প্রকাশ সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্ন। - প্রমথ চৌধুরী বা অন্যান্য সাহিত্যিকদের লেখায় এই শব্দের বহুল ব্যবহার দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলার বারো ভূঁইয়াদের নিয়ে অনেক কিংবদন্তি প্রচলিত আছে। ব্যাখ্যা: এখানে কিংবদন্তি বলতে লোকমুখে প্রচলিত ঐতিহাসিক বীরত্বগাথাকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: সুন্দরবনের গাজীর কালু লোকগাথা এক ধরণের কিংবদন্তি। ব্যাখ্যা: এটি মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত একটি কাল্পনিক ও ঐতিহাসিক মিশ্র কাহিনী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাহিনী — কাহিনী সাধারণ যেকোনো গল্প হতে পারে, যা কিংবদন্তির বিশেষ অর্থ বহন করে না। B) জনশ্রুতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ কিংবদন্তি মানেই মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত কথা। C) গল্প — গল্প অনেক ধরণের হতে পারে, কিন্তু কিংবদন্তি বলতে ঐতিহ্যগত জনশ্রুতিকে বোঝায়। D) রূপকথা — রূপকথা মূলত কাল্পনিক ও অবাস্তব গল্প, যা কিংবদন্তি থেকে আলাদা। ৫. মনে রাখার টিপস: - কিংবদন্তি শব্দটি ভাঙলে বোঝা যায় এটি বহু মানুষের মুখে প্রচলিত (শ্রুতি) বিষয়। - জনশ্রুতি মানে মানুষের মুখে মুখে যা শোনা যায়, তাই কিংবদন্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের প্রমিত অর্থ প্রায়ই আসে। - লোকসাহিত্য ও শব্দের উৎস সংক্রান্ত প্রশ্ন সমাধানে অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
a দিবাকর
b ভাস্কর
c নিশাকর
d বিভাকর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিশাকর ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সমার্থক শব্দ সম্পর্কিত। নিশাকর শব্দের অর্থ চাঁদ, যার সঙ্গে রাতের সম্পর্ক রয়েছে। - অন্য শব্দগুলো সূর্যকে বোঝায়, তাই নিশাকর বাকিগুলোর থেকে আলাদা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলো, যেগুলোর অর্থ একই বা প্রায় একই রকম হয়। - এই প্রশ্নে সূর্যাার্থক শব্দের সঙ্গে চন্দ্রার্থক শব্দের পার্থক্য নির্ণয় করতে বলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যের সমার্থক শব্দ হলো রবি, সূর্য, তপন ও মার্তণ্ড। ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো আলোর উৎস বা সূর্যকে নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: চাঁদের সমার্থক শব্দ হলো শশাঙ্ক, ইন্দু, নিশাকর ও সুধাকর। ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো রাতের আকাশ বা চাঁদকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিবাকর — দিবাকর শব্দের অর্থ সূর্য, যা আলোর উৎস। এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে মেলে না কারণ এটি সমার্থক নয় এমন অপশন নয়। B) ভাস্কর — ভাস্কর শব্দের অর্থ সূর্য বা আলো প্রদানকারী। এটিও সূর্যের সমার্থক শব্দ। C) নিশাকর — নিশাকর শব্দের অর্থ চাঁদ বা রাত্রের আকর। এটি সূর্যের সমার্থক নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর। D) বিভাকর — বিভাকর শব্দের অর্থ সূর্য বা কিরণদাতা। এটিও সূর্যের সমার্থক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে শব্দের শেষে কর বা পতি যুক্ত হয়ে রাত বা চন্দ্র বোঝায়, তা চাঁদ। - আর যে শব্দের শেষে কর, রী বা মালী যুক্ত হয়ে দিন বা আলো বোঝায়, তা সূর্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্য ও চাঁদের সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই একসঙ্গে দিয়ে প্রশ্ন করা হয়। - তাই কর এবং পতি শব্দগুলোর আগের অংশ খেয়াল করে চাঁদ ও সূর্যের পার্থক্য বুঝতে হবে।
a পিপিলিকা
b পীপিলিকা
c পীপীলিকা
d পি্পীলিকা
ব্যাখ্যাঃ
**বিশেষ দ্রষ্টব্য:** প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে B অপশন (পীপিলিকা) উল্লেখ করা হলেও, বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'পিপীলিকা' বানানটি সঠিক। এখানে বাংলা একাডেমির প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী সঠিক বানানটি ব্যাখ্যা করা হলো। সঠিক উত্তর: C) পীপীলিকা ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী পিপীলিকা শব্দটির প্রথম ই-কার এবং দ্বিতীয় ঈ-কার হবে। - এর সঠিক গঠন হলো প-এ রসিকার, প-এ দীর্ঘিকার, ল-এ রসিকার ক-এ আকার (পিপীলিকা)। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে হ্রস্ব-ই (ই) এবং দীর্ঘ-ঈ (ঈ) এর ব্যবহার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। - অতৎসম বা দেশি-বিদেশি শব্দে সাধারণত ই-কার ব্যবহৃত হয়, তবে কিছু নির্দিষ্ট তৎসম শব্দে দীর্ঘ-ঈ যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুহূর্ত ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত প্রমিত তৎসম শব্দ। উদাহরণ ২: বুদ্ধিজীবী ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও দীর্ঘ-ই কারের সঠিক ব্যবহার দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিপিলিকা — এই অপশনে সবগুলি ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে প্রমিত নিয়ম সমর্থন করে না। B) পীপিলিকা — প্রদত্ত এই অপশনটিতে প্রথম ঈ-কার এবং দ্বিতীয় ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নিয়মের বিপরীত। C) পীপীলিকা — এই বানানটিতে প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী প্রথম ই-কার এবং দ্বিতীয় ঈ-কার সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। D) পি্পীলিকা — এই অপশনে যুক্তবর্ণের ব্যবহারে ত্রুটি রয়েছে যা একটি অচল ও ভুল রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: - পিপীলিকা বান মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রথমে ছোট ই এবং পরে বড় ঈ ব্যবহার করা। - অর্থাৎ পেটে ছোট ই এবং পুচ্ছে বড় ঈ এভাবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বানান প্রায়ই বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। - তাই বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়মগুলো নিয়মিত চর্চা করা উচিত।
a রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
b বিহারীলাল চক্রবর্তী
c মাইকেল মধুসূদন দত্ত
d কায়কোবাদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য থেকে সংগৃহীত। - এখানে 'রাঘব' বলতে রামচন্দ্রকে বোঝানো হয়েছে এবং প্রমিলা রাবণের ভয়ে ভীত নন তা প্রকাশ করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি ও সনেটের প্রবর্তক। - মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গবাণী কবিতাটি কায়কোবাদ রচিত নয় বরং এটি আব্দুল কাদির রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা। ব্যাখ্যা: সাহিত্যিক উদ্ধৃতি চেনার ক্ষেত্রে কবির রচনা শৈলী জানা জরুরি। উদাহরণ ২: মীর মশাররফ হোসেনের বিষাদ সিন্ধু একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। ব্যাখ্যা: চরিত্রের সংলাপ ও সাহিত্যকর্মের উৎস মনে রাখতে এই উদাহরণ সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি ঐতিহাসিক ও দেশাত্মবোধক কাব্যের জন্য পরিচিত হলেও এই পংক্তিটি তাঁর নয়। B) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত হলেও এই বিখ্যাত পংক্তিটির রচয়িতা তিনি নন। C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ পংক্তিটি তাঁর মেঘনাদবধ কাব্য থেকে নেওয়া। D) কায়কোবাদ — তিনি মহাশ্মশান মহাকাব্যের জন্য বিখ্যাত হলেও এই উদ্ধৃতির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - মেঘনাদবধ কাব্যের বীরত্বপূর্ণ উক্তি মানেই মাইকেল মধুসূদন দত্ত। - রাঘবে ডরাই না এই ধরণের নাটকীয় সংলাপ মধুসূদন দত্তের কাব্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মেঘনাদবধ কাব্য কতটি সর্গে বিভক্ত এই প্রশ্নটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - মহাকাব্যের বৈশিষ্ট্য এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবক্তা সম্পর্কে ধারণা থাকা আবশ্যক।
a রামায়ণ
b গীতগোবিন্দ
c মহাভারত
d পদ্মাবতী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহাভারত ১. কেন সঠিক: - কাশীরাম দাস মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত অনুবাদক যিনি সংস্কৃত মহাভারত বাংলায় পদ্যে অনুবাদ করেন। - তার এই অনুবাদকৃত মহাভারত পুথি সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং ঐতিহাসিক গ্রন্থ হিসেবে সমাদৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাশীরাম দাস সপ্তদশ শতকের শুরুর দিকে বর্ধমান জেলার ইন্দ্রাণী পরগনার অন্তর্গত সিঙ্গি গ্রামের এক কায়স্থ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি মূল সংস্কৃত মহাভারতের কাহিনীর সারাংশ নিয়ে সহজ ও সাবলীল পঞ্জিকায় বা পদ্য ছন্দে বাংলা ভাষায় এই মহাকাব্য রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃত্তিবাস ওহাকার রামায়ণ অনুবাদ করেন। ব্যাখ্যা: মধ্যযুগে রামায়ণ বাংলায় অনুবাদ করে কৃত্তিবাস ওঝা ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। উদাহরণ ২: সৈয়দ আলাওল পদ্মাবতী কাব্য রচনা করেন। ব্যাখ্যা: আলাওল আরাকান রাজসভার প্রখ্যাত কবি যিনি মালিক মোহাম্মদ জায়সির পদ্মাবত কাব্য বাংলায় রূপান্তর করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামায়ণ — রামায়ণ গ্রন্থটি কাশীরাম দাস অনুবাদ করেননি বরং এটি বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন কৃত্তিবাস ওঝা। B) গীতগোবিন্দ — গীতগোবিন্দ সংস্কৃত কাব্য যার বাংলা অনুবাদ করেছিলেন বিভিন্ন পদকর্তা ও কবি, কাশীরাম দাস নন। D) পদ্মাবতী — পদ্মাবতী কাব্যটি অনুবাদ বা রচনা করেছিলেন মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি সৈয়দ আলাওল। ৫. মনে রাখার টিপস: - মহাভারতের মহা অক্ষর এবং কাশীরামের মা অক্ষর মিলে মহা-কা অর্থাৎ মহাভারত ও কাশীরাম এভাবে মনে রাখা যায়। - রামায়ণের র এবং কৃত্তিবাসের র দিয়ে কৃত্তিবাস রামায়ণ মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যে কৃত্তিবাস ওঝা এবং কাশীরাম দাসের নাম সবচেয়ে বেশি পরীক্ষামূলক প্রশ্ন আসে। - মূল গ্রন্থ এবং তাদের অনুবাদকদের নাম মুখস্থ রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a উপন্যাস
b কাব্য
c নাটক
d প্রবন্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রবন্ধ ১. কেন সঠিক: - সুলতানার স্বপ্ন মূলত একটি নারীবাদী কল্পবিজ্ঞানমূলক প্রবন্ধ বা ছোট গল্পধর্মী রচনা। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রমিত উত্তর এবং সাহিত্যিক শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী এটি একটি প্রবন্ধ বা নারীবাদী ইউটোপিয়া হিসেবে পরিচিত। - এই রচনায় পুরুষতান্ত্রিক সমাজের বিপরীত চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যেখানে নারীরা দেশ শাসন করে এবং পুরুষরা অন্তপুরে বা পর্দার আড়ালে থাকে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বাঙালি মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন। এটি ইংরেজি ভাষায় রচিত এবং দ্য ইন্ডিয়ান লেডিজ ম্যাগাজিনে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। - এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারীবাদী কল্পবিজ্ঞান বা ইউটোপিয়া রচনা হিসেবে বিশেষভাবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মতিচুর ব্যাখ্যা: এটি রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের রচিত একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন যেখানে নারীমুক্তির নানা কথা বলা হয়েছে। উদাহরণ ২: পদ্মরাগ ব্যাখ্যা: এটি রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা নারীদের আত্মনির্ভরশীলতা ও শিক্ষাদীক্ষার ওপর আলোকপাত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — সুলতানার স্বপ্ন কোনো উপন্যাস নয় কারণ এর কলেবর খুব ছোট এবং এটি একটি কল্পনামূলক প্রবন্ধ বা ইউটোপিয়া। B) কাব্য — কাব্য বলতে পদ্য বা কবিতা বোঝায় কিন্তু সুলতানার স্বপ্ন একটি গদ্য রচনা। C) নাটক — নাটক হওয়ার জন্য যে ধরনের সংলাপ ও দৃশ্যবিন্যাস প্রয়োজন, তা এই রচনাটিতে অনুপস্থিত। D) প্রবন্ধ — এটি সঠিক কারণ গ্রন্থটি মূলত একটি সমাজচিন্তামূলক ও নারীবাদী কল্পবিজ্ঞান প্রবন্ধ। ৫ মনে রাখার টিপস: রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ইংরেজি রচনা সুলতানার স্বপ্ন একটি প্রবন্ধ বা ইউটোপিয়া আর তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো পদ্মরাগ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সুলতানার স্বপ্ন গ্রন্থটি বেগম রোকেয়ার লেখা প্রথম ইংরেজি রচনা যা পরবর্তীতে বাংলায় অনূদিত হয়। কল্পবিজ্ঞান ও নারীবাদী রচনার ক্ষেত্রে এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
a বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস
b বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
c বাংলা সাহিত্যের কথা
d বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাংলা সাহিত্যের কথা ১. কেন সঠিক: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক বিখ্যাত গ্রন্থটির নাম বাংলা সাহিত্যের কথা। এই গ্রন্থটি দুটি খণ্ডে বিভক্ত এবং এতে মূলত প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য ও ভাষার ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন একাধারে ভাষাবিদ, সাহিত্যিক ও গবেষক যিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করেছেন। তার এই গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ এবং মধ্যযুগের নানা সাহিত্যকর্মের ঐতিহাসিক মূল্যায়নের জন্য অত্যন্ত প্রামাণ্য দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সম্পাদনায় প্রকাশিত প্রাচীন আমলের নিদর্শনের ওপর রচিত গ্রন্থ চর্যাপদ। ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের আদি নিদর্শন আবিষ্কার ও তার ভাষা বিশ্লেષণে তার অবদান অপরিসীম। উদাহরণ ২: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর অপর একটি বিখ্যাত গবেষণা গ্রন্থ হলো বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষার বিভিন্ন অঞ্চলের উপভাষা ও শব্দের রূপবৈচিত্র্য বুঝতে সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস — এই নামে দীনেশচন্দ্র সেন এবং সুকুমার সেনসহ একাধিক লেখক গ্রন্থ রচনা করেছেন, যা শহীদুল্লাহর গ্রন্থ নয়। B) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য — এটি ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন রচিত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত প্রাচীন ও প্রামাণ্য গ্রন্থ। D) বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত — এই নামে সৈয়দ আলী আহসান এবং মুহম্মদ আবদুল হাই যৌথভাবে একটি বিখ্যাত সাহিত্য ইতিহাস গ্রন্থ রচনা করেছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: শহীদুল্লাহর নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারো যে তিনি বাংলা সাহিত্যের কথা বলেছেন সহজভাবে। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ মানেই বাংলা সাহিত্যের কথা গ্রন্থটি মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা হিসেবে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, দীনেশচন্দ্র সেন ও সুকুমার সেনের গ্রন্থগুলোর নাম আলাদাভাবে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি। কোন লেখকের কোন গ্রন্থটি সাহিত্যের ইতিহাস বা ইতিবৃত্ত হিসেবে পরিচিত, তা বারবার বিসিএস পরীক্ষায় আসে।
a বয়স্ক বহুমুখী
b নিরেট মূর্খ
c কপটাচারী
d ভণ্ড সাধু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বয়স্ক বহুমুখী ১. কেন সঠিক: 'ভূষণ্ডির কাক' একটি জনপ্রিয় প্রবাদপ্রতিম বাগধারা যার অর্থ দীর্ঘজীবী ব্যক্তি বা অত্যন্ত বয়স্ক ও অভিজ্ঞ ব্যক্তি। পুরাণে কাকের দীর্ঘায়ু হওয়ার কথা বলা হয়েছে এবং ভূষণ্ডি নামের এক কাকের পৌরাণিক কাহিনীর সঙ্গে এটি যুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ভাব বা অর্থ প্রকাশ করে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎপত্তি এবং এর রূপক অর্থ নির্ধারণের জন্য এই ধরনের বাগধারা প্রায়শই প্রশ্ন হিসেবে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আক্কেল সেলামি ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ নির্বুদ্ধিতার শাস্তি। উদাহরণ ২: ইঁদুর কপালে ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ অত্যন্ত মন্দভাগ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বয়স্ক বহুমুখী — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভূষণ্ডির কাক বলতে দীর্ঘকাল বেঁচে থাকা এবং অনেক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে বোঝায়। B) নিরেট মূর্খ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি গোবরগণেশ বা অর্বাচীন বাগধারার অর্থ প্রকাশ করে। C) কপটাচারী — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি বিড়াল তপস্বী বা বকধার্মিক বাগধারার অর্থ বোঝায়। D) ভণ্ড সাধু — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি সাধুবেশী প্রতারক বা ভণ্ডকে নির্দেশ করে, দীর্ঘজীবী ব্যক্তিকে নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: কাক পাখিটি অনেক দিন বাঁচে বলে মনে করা হয়। তাই কাক দেখলে দীর্ঘজীবী বা বয়স্ক মানুষের কথা মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দীর্ঘায়ু বা অভিজ্ঞ ব্যক্তি বোঝাতে ভূষণ্ডির কাক বাগধারাটি বারবার আসে। একই ধরনের অন্যান্য বাগধারা যেমন দীর্ঘজীবী বা অভিজ্ঞ সংক্রান্ত শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করবে।
a ফরাসি
b ফারসি
c আরবি
d উর্দু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফারসি ১. কেন সঠিক: - চাবুক শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বাংলা ভাষায় প্রচলিত বিভিন্ন বিদেশি শব্দের মধ্যে ফারসি বা পারসিক শব্দ অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষা দীর্ঘকাল বিভিন্ন সংস্কৃতির সংস্পর্শে আসায় এতে প্রচুর বিদেশি শব্দ প্রবেশ করেছে। ফারসি শব্দ মূলত প্রশাসনিক, সাংস্কৃতিক ও দৈনন্দিন জীবনের নানা ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাগজ ব্যাখ্যা: কাগজ একটি বহুল ব্যবহৃত ফারসি শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে লেখালেখির কাজে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: চশমা ব্যাখ্যা: চশমা শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত যা আমরা চোখে ব্যবহারের জন্য ব্যবহার করে থাকি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে কার্তুজ বা কুপন জাতীয় শব্দ এসেছে, চাবুক নয়। B) ফারসি — এটি সঠিক উত্তর। C) আরবি — আরবি ভাষা থেকে ইসলাম ধর্ম বা প্রশাসনসংক্রান্ত শব্দ যেমন আদালত বা কলম এসেছে। D) উর্দু — উর্দু মূলত একটি মিশ্র ভাষা এবং এটি থেকে চাবুক শব্দটি আসেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - ফারসি শব্দ মনে রাখার জন্য প্রশাসন, আইন এবং দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসপত্র যেমন চাবুক, কাগজ ও চশমা একসঙ্গে চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। তাই বিদেশি শব্দের শ্রেণিবিভাগ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a দিলওয়ার
b শামসুর রাহমান
c শহীদ কাদরী
d মহাদেব সাহা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শামসুর রাহমান ১. কেন সঠিক: - নিজ বাসভূমে কাব্যগ্রন্থটি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি শামসুর রাহমানের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সৃষ্টি। - এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত একটি মননশীল কাব্যগ্রন্থ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধে বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং তাকে আধুনিক নাগরিক কবিতার বরপুত্র বলা হয়। - তার কবিতায় তৎকালীন সমকালীন রাজনৈতিক অস্থিরতা, বাঙালির মুক্তি সংগ্রাম এবং নাগরিক জীবনের নানা রূপ অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে ব্যাখ্যা: এটিও কবি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত ও অত্যন্ত প্রশংসিত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: বন্দী শিবির থেকে ব্যাখ্যা: শামসুর রাহমানের এই কাব্যগ্রন্থটিও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনার মধ্যে অন্যতম প্রধান স্থান অধিকার করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিলওয়ার — দিলওয়ার একজন বিশিষ্ট কবি হলেও নিজ বাসভূমে কাব্যগ্রন্থটি তার রচিত নয়। তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে উদাত্ত পূর্বাশা। B) শামসুর রাহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তার বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ। C) শহীদ কাদরী — শহীদ কাদরী আধুনিক কবিতার একজন শক্তিশালী কবি হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ উত্তর উত্তরাধিকার। D) মহাদেব সাহা — মহাদেব সাহা সমকালীন জনপ্রিয় কবি হলেও নিজ বাসভূমে কাব্যগ্রন্থের সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - শামসুর রাহমান মানেই নাগরিক বেদনা ও মুক্তিযুদ্ধের অমর পঙ্‌ক্তিমালা। - নিজ বাসভূমে নিজের দেশে পরাধীনতার গ্লানি ও মুক্তির আনন্দ কবি এই বইয়ে ফুটিয়ে তুলেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শামসুর রাহমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ যেমন নিজ বাসভূমে এবং বন্দী শিবির থেকে প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - কবিদের প্রধান ও বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়লে সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a বিষন্ন
b বিরক্ত
c প্রকট
d অন্তরায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রকট ১. কেন সঠিক: 'প্রচ্ছন্ন' শব্দটির অর্থ হলো যা ঢাকা, গুপ্ত বা লুকানো। এর বিপরীতে যে শব্দটি প্রকাশ পায় বা যা সবার সামনে দৃশ্যমান, তাকে 'প্রকট' বলা হয়। বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের মূল ভাব ও অর্থের বিপরীত রূপটি বিবেচনা করতে হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ব্যাকরণে তৎসম, অর্ধতৎসম ও তদ্ভব শব্দের মতো বিপরীত শব্দের ক্ষেত্রেও ভাষার রীতি মেনে চলতে হয়। সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলো - অন্ধকার ব্যাখ্যা: আলো শব্দের বিপরীত অর্থ হলো অন্ধকার, যা আলোকহীন অবস্থাকে বোঝায়। উদাহরণ ২: উন্নত - অবনত ব্যাখ্যা: উন্নত শব্দের অর্থ উচু এবং এর বিপরীত অবনত শব্দের অর্থ নিচু। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষন্ন — বিষন্ন শব্দের অর্থ মনমরা বা উদাসীন, যা প্রচ্ছন্ন শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) বিরক্ত — বিরক্ত শব্দের অর্থ অসন্তুষ্ট বা ক্ষুব্ধ, যা প্রচ্ছন্ন শব্দের বিপরীতার্থক নয়। C) প্রকট — সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত কারণ এটি প্রচ্ছন্ন শব্দের সঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) অন্তরায় — অন্তরায় শব্দের অর্থ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা, যা প্রচ্ছন্ন শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রচ্ছন্ন মানে গোপন আর প্রকট মানে খোলা বা দৃশ্যমান। এভাবে গোপন ও খোলা এই জোড়াটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। তাই প্রচ্ছন্ন এবং প্রকট জুটির মতো সমার্থক ও বিপরীত শব্দগুলোর তালিকা বারবার চর্চা করতে হবে।
a জহির রায়হান
b সেলিনা হোসেন
c শহীদুল জহির
d শাহরিয়ার কবির
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শাহরিয়ার কবির ১. কেন সঠিক: - 'একাত্তরের যীশু' একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোটগল্প ও এর ওপর নির্মিত প্রখ্যাত চলচ্চিত্র। - এর রচয়িতা বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক ও প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা শাহরিয়ার কবির। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শাহরিয়ার কবির বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও মানবাধিকারকর্মী যিনি মূলত শিশুসাহিত্য এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। - 'একাত্তরের যীশু' গল্পে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের বর্বরতার বিরুদ্ধে একজন খ্রিস্টান যাজকের মানবিক ভূমিকা ও আত্মত্যাগের মর্মস্পর্শী চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রমা জয়ের গান ব্যাখ্যা: এটিও শাহরিয়ার কবির রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: নিষিদ্ধ প্রান্তর ব্যাখ্যা: এটিও শাহরিয়ার কবিরের একটি আলোচিত শিশুতোষ ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জহির রায়হান — ইনি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার হলেও 'একাত্তরের যীশু' তার রচনা নয়, তার বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো 'হাজার বছর ধরে' ও 'বরফ গলা নদী'। B) সেলিনা হোসেন — ইনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও 'একাত্তরের যীশু' গল্পটি তার লেখা নয়, তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো 'যাপিত জীবন' ও 'হাঙর নদী গ্রেনেড'। C) শহীদুল জহির — ইনি আধুনিক বাংলা ছোটগল্পের এক অনন্য জাদুকরী বাস্তবতার লেখক হলেও 'একাত্তরের যীশু' তার রচিত কোনো গল্প নয়। D) শাহরিয়ার কবির — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই গল্পটির মূল রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - একাত্তরের যীশু খ্রিস্টধর্মের যাজক সংক্রান্ত গল্প আর এর লেখক হলেন শাহরিয়ার কবির। - কবির নামের সাথে যীশু বা ধর্মের মেলবন্ধন মনে রেখে সহজেই এই সাহিত্যকর্মটি মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - প্রখ্যাত লেখকদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোটগল্প ও উপন্যাসগুলোর নাম আলাদা করে ছক বানিয়ে মুখস্থ রাখা উচিত।
a বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b আব্দুল কাদির
c বিনয় কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
d হুমায়ূন আহমেদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিনয় কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'দৃষ্টিপাত' একটি বিখ্যাত উপন্যাস এবং এর লেখক 'যাযাবর' ছদ্মনামে সাহিত্যচর্চা করতেন। - যাযাবর ছদ্মনামের আড়ালে থাকা প্রকৃত লেখক হলেন বিনয় কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিনয় কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও রম্যলেখক। - ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত 'দৃষ্টিপাত' উপন্যাসটি তাকে বাংলা সাহিত্যে অমর করে রেখেছে এবং এটি সমসাময়িক সমাজের নানা দিক নিয়ে লেখা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনফুল ব্যাখ্যা: প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম হলো বনফুল। উদাহরণ ২: পরিমল গোস্বামী ব্যাখ্যা: রম্যলেখক ও সাংবাদিক পরিমল গোস্বামীর ছদ্মনাম ছিল সনাতন পাঠক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং তার কোনো ছদ্মনাম ছিল না। B) আব্দুল কাদির — ইনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্য গবেষক ছিলেন এবং তিনি এই উপন্যাসের লেখক নন। C) বিনয় কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি যাযাবর ছদ্মনামে 'দৃষ্টিপাত' লিখেছেন। D) হুমায়ূন আহমেদ — ইনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক হলেও 'দৃষ্টিপাত' তার লেখা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যাযাবর মানে যার নির্দিষ্ট বাসস্থান নেই, আর বিনয়ী মানুষেরা সাধারণত প্রচারবিমুখ হয়ে ছদ্মনামে লেখেন। - দৃষ্টিপাত উপন্যাসের লেখক যাযাবর নামটিকে বিনয় কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিখ্যাত লেখকদের ছদ্মনামগুলো আলাদা করে নোট করে পড়লে এ ধরনের প্রশ্নে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a কোকিল
b কাক
c ময়ূর
d বৃদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাক ১. কেন সঠিক: - 'বায়স' একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার প্রমিত অর্থ হলো কাক। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিভিন্ন প্রাণীর তৎসম শব্দের রূপ অনেক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ নির্ণয়ের জন্য প্রায়ই আসে। ২. শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। - 'বায়স' একটি তৎসম শব্দ, যা সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এর অর্থ অপরিবর্তিত রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ময়ূর শব্দের তৎসম প্রতিশব্দ হলো শিখী বা মরাল। ব্যাখ্যা: এটি সাহিত্যের বিভিন্ন কাব্যে ময়ূরের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কোকিল শব্দের তৎসম প্রতিশব্দ হলো পিক বা পরভৃত। ব্যাখ্যা: বসন্তকালের বর্ণনায় কবিরা কোকিলের পরিবর্তে প্রায়ই পিক শব্দটি ব্যবহার করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোকিল — কোকিল শব্দের অর্থ ভিন্ন, এটি পিক বা পরভৃত নামে পরিচিত এবং এর ডাক বায়সের ডাক থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। B) কাক — এই অপশনটি সঠিক কারণ বায়স শব্দের সরাসরি অর্থ হলো কাক। C) ময়ূর — ময়ূর একটি ভিন্ন পাখি এবং এর তৎসম প্রতিশব্দ শিখী, তাই এটি বায়স হতে পারে না। D) বৃদ্ধ — বৃদ্ধ শব্দের অর্থ প্রবীণ বা বয়স্ক ব্যক্তি, যা কোনো পাখির নাম বা বায়স শব্দের অর্থ নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - বায়স শুনলে কাকের কথা মনে রাখবে কারণ বায়স অর্থ কাক। - সংস্কৃত উৎসের পাখিবাচক শব্দগুলো আলাদা তালিকা করে পড়লে সহজে মনে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের অর্থ প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে আসে। - শব্দের উৎস এবং তার সঠিক অর্থ মুখস্থ না রেখে প্রমিত বাংলা অভিধানের সাহায্যে অনুশীলন করা উচিত।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b সুকান্ত ভট্টাচার্য
c কাজী নজরুল ইসলাম
d মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: উদ্ধৃত চরণ দুটি বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত সাম্যবাদী চেতনার কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। এখানে শোষক শ্রেণির কৃত্রিম শ্রেষ্ঠত্ব ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও সাম্যবাদের প্রবক্তা। তাঁর কবিতায় সমাজের নিচুতলার মানুষের অধিকার এবং শোষকদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সুর জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোর ঘুম ঘোরে কাটে না তো নাই প্রহর, ওই শোন বাজে ভোরের শঙ্খ ওহরের। ব্যাখ্যা: এটি কবির সাম্যবাদী ও জাগরণমূলক কবিতার একটি চরণ যা শোষিত মানুষের জাগরণের কথা বলে। উদাহরণ ২: হে দারিদ্র্য, তুমি মোরে করেছ মহান, তুমি মোরে দাদিয়াছ খ্রীষ্টের সম্মান। ব্যাখ্যা: এটি কবির বিখ্যাত 'দারিদ্র্য' কবিতার অংশ, যেখানে দারিদ্র্যের মহত্ত্ব প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখায় আধ্যাত্মিকতা ও প্রকৃতির রূপ বেশি প্রকাশ পেলেও এই ধরনের বিদ্রোহী ও সাম্যবাদী সুর কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার বৈশিষ্ট্য। B) সুকান্ত ভট্টাচার্য — সুকান্ত ভট্টাচার্য কিশোর কবি ও মার্কসবাদী চেতনার লেখক হলেও এই নির্দিষ্ট চরণটি তাঁর নয়। D) মধুসূদন দত্ত — মাইকেল মধুসূদন দত্ত মহাকাব্য ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবক্তা, তাঁর রচনার ভাব ও ভাষা এই উদ্ধৃতির সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: তেতলার পরে আর নিচে থাকার বৈষম্য বা শোষকদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কথা থাকলে সাধারণত কাজী নজরুল ইসলামের সাম্যবাদী কবিতাকে বেছে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী, সাম্যবাদী ও সর্বহারা শ্রেণির পক্ষে লেখা কবিতাগুলোর পঙক্তি প্রায়ই তুলে দেওয়া হয়। কবির কবিতার মূল সুর চেনার মাধ্যমে সহজেই উত্তর করা সম্ভব।

মোট প্রশ্ন (26)

a up
b out
c for
d off
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) out কেন সঠিক: - Make out একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ কোনো কিছু স্পষ্টভাবে বুঝতে পারা বা অনুধাবন করা। - বাক্যে শিক্ষಕের কথাগুলো ছাত্রটি স্পষ্টভাবে বুঝতে পারেনি বোঝাতে make out ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) up — Make up অর্থ তৈরি করা, ক্ষতিপূরণ করা বা সাজসজ্জা করা, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়। B) out — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) for — Make for অর্থ কোনো কিছুর দিকে এগিয়ে যাওয়া বা সৃষ্টি করা, যা এখানে বাক্যের ভাবের সাথে মিলে না। D) off — Make off অর্থ পালিয়ে যাওয়া, যা এই শূন্যস্থানের জন্য সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: কোনো কঠিন কথা বা লেখা সহজে বুঝতে না পারলে make out ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করতে হয়।
a Ardent
b Hate
c Humble
d Dull
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Hate কেন সঠিক: - 'Abhor' শব্দটির অর্থ তীব্র ঘৃণা করা বা বিরূপ মনোভাব পোষণ করা। - 'Hate' শব্দটির অর্থও ঘৃণা করা, যা 'Abhor' শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ardent — এর অর্থ অত্যন্ত উৎসাহী বা অনুরাগী, যা ঘৃণার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Hate — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ঘৃণা করা। C) Humble — এর অর্থ বিনম্র বা ভদ্র, যা প্রদত্ত শব্দের সঙ্গে মিলে না। D) Dull — এর অর্থ নিষ্প্রভ বা বোকা, যা ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: 'Abhor' শব্দটির মধ্যে 'Hor' অংশটি আছে, যা থেকে হরর বা ভীতিকর কিছু মনে রেখে সহজে ঘৃণা করার ভাবটি মনে রাখা যায়।
a Discuss the matter in details
b The students have gone for a picnic
c Do you know where does he work?
d There is no chair to sit
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The students have gone for a picnic কেন সঠিক: - কোনো স্থানে ভ্রমণ বা বনভোজনে যাওয়া বোঝাতে 'go for a picnic' সঠিক ফ্রেজ এবং Present Perfect Tense-এর গঠন অনুযায়ী বাক্যটি সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Discuss the matter in details — 'in details' ভুল, সঠিক ফ্রেজ হলো 'in detail'। B) The students have gone for a picnic — এটি সঠিক উত্তর। C) Do you know where does he work? — এটি ইন্টারগেটিভ সেন্টেন্স নয়, তাই সাবজেক্টের আগে auxiliary verb বসবে না; সঠিক অংশ হলো 'where he works'। D) There is no chair to sit — ইনফিনিটিভের পর প্রয়োজনীয় প্রিপজিশন বসে না এমন নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়, বসার জন্য চেয়ার অর্থে 'chair to sit on' হওয়া উচিত। মনে রাখার টিপস: বনভোজনের ক্ষেত্রে 'for a picnic' মুখস্থ রাখুন এবং সাবঅর্ডিনেট ক্লজে সাবজেক্টের পরে ভার্ব বসে তা মনে রাখুন।
a Charles Dickens
b Charlotte Bronte
c Sir W. Scott
d James Joyce
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Charles Dickens কেন সঠিক: - এটি ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্সের লেখা একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসের পটভূমি হলো ফরাসি বিপ্লবের সময়কার লন্ডন ও প্যারিস শহর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Charles Dickens - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। B) Charlotte Bronte - তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও এই ঐতিহাসিক উপন্যাসের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে জেন আয়ার অন্যতম। C) Sir W. Scott - তিনি ঐতিহাসিক উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত হলেও এই নির্দিষ্ট উপন্যাসটি তার লেখা নয়, তিনি আইভ্যানহো উপন্যাসের জন্য পরিচিত। D) James Joyce - তিনি আধুনিকতাবাদী সাহিত্যিক ও ইউলিসিস উপন্যাসের লেখক, যা এই ঐতিহাসিক উপন্যাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: দুই শহরের গল্প বা টেল অফ টু সিটিজ উপন্যাসটির লেখক চার্লস ডিকেন্স, যার নামের প্রথম অক্ষর ডি এবং ডিকেন্সের ডি দিয়ে দুটি শহর ও বিপ্লবের ইতিহাস মনে রাখা যায়।
a Etiquete
b Atiquete
c Eticate
d Etiquette
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Etiquette কেন সঠিক: - বানানটিতে ফরাসি ভাষা থেকে আগত নিয়মে ডাবল t এবং ডাবল q যুক্ত হয়েছে। - এটি একটি বহুল প্রচলিত বানানভিত্তিক প্রশ্ন যেখানে সঠিক রূপটি হলো E-T-I-Q-U-E-T-T-E। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Etiquete — এই বানানে শেষ অংশে একটি t কম আছে এবং সঠিক ফরাসি রূপ রক্ষা করা হয়নি। B) Atiquete — এই বানানের শুরুতে ই (e)-এর পরিবর্তে এ (a) ব্যবহার করা হয়েছে এবং শেষ অংশ অসম্পূর্ণ। C) Eticate — এই বানানে ফরাসি মূল রূপের পরিবর্তে সম্পূর্ণ ভুল উচ্চারণভিত্তিক বানান লেখা হয়েছে। D) Etiquette — এটি সম্পূর্ণ সঠিক ও প্রমিত বানান। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে এভাবে ভাগ করুন: Eti + quette (এটিতে কিউটি রেখে শেষে দুটি t দিন)।
a Veracity
b Fancy
c Vision
d Reverie
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Veracity কেন সঠিক: - Fantasy শব্দের অর্থ হলো কল্পনা, অলীক চিন্তা বা অবাস্তব কিছু। - Veracity শব্দের অর্থ হলো সত্যতা বা বাস্তবতার সঙ্গে মিল, যা fantasy বা কল্পনার বিপরীতার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Veracity — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সত্যতা, যা কল্পনার বিপরীত। B) Fancy — এটি fantasy শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ কল্পনা বা শখ। C) Vision — এটিও কল্পদৃশ্য বা দিবাস্বপ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত, তাই এটি বিপরীতার্থক নয়। D) Reverie — এর অর্থ আনমনা ভাব বা স্বপ্নালু চিন্তা, যা fantasy শব্দের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Fantasy মানে হলো অবাস্তব কল্পনা আর Veracity মানে হলো বাস্তবের সত্যতা।
a from
b since
c through
d none
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) since কেন সঠিক: - বাক্যের tense টি Present Perfect Continuous (has been missing) হওয়ায় নির্দিষ্ট শুরুর সময় বোঝাতে since বসে। - yesterday হলো অতীতের একটি নির্দিষ্ট পয়েন্ট বা Point of time, তাই এর পূর্বে since ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from — from সাধারণত future বা general time এর ক্ষেত্রে বসে, নির্দিষ্ট শুরুর সময় বোঝাতে Present Perfect Continuous টেন্সে since ব্যবহৃত হয়। B) since — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট সময়ের বিন্দু বোঝাতে Present Perfect Continuous টেন্সে since ব্যবহৃত হয়। C) through — through অর্থ মধ্য দিয়ে বা ভেতর দিয়ে, যা সময়ের শুরুর বিন্দু বোঝাতে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) none — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট শুরুর সময় বা Point of time এর ক্ষেত্রে since এবং ব্যাপ্তিকাল বা Period of time এর ক্ষেত্রে for বসে।
a novel
b song
c story
d poetry
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) poetry কেন সঠিক: - হাইকু হলো জাপানি কবিতার একটি সংক্ষিপ্ত রূপ, যা মূলত প্রকৃতি ও ঋতুভিত্তিক ভাব প্রকাশ করে। - এটি সাধারণত সতেরোটি মাত্রার তিনটি চরণে রচিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) novel — এটি গদ্যে রচিত দীর্ঘ কল্পকাহিনি, যা হাইকু কবিতার কাঠামোর সঙ্গে মেলে না। B) song — গান হলো সুর ও তালের সঙ্গে গাওয়ার উপযোগী রচনা, যা হাইকু কবিতার নির্ধারিত রূপ নয়। C) story — এটি গদ্যধর্মী গল্প বা কাহিনি, যা কবিতার পঙ্‌ক্তি বা মাত্রার নিয়ম মেনে রচিত হয় না। D) poetry — হাইকু হলো একধরনের জাপানি কবিতা, তাই এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: হাইকু হলো জাপানি কবিতা, যেখানে তিন লাইনে সতেরোটি মাত্রা থাকে।
a The soldiers are moving on all fours.
b Express your claim black and white.
c The matter came to light in the end
d The order has been declared to be null and void
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Express your claim black and white. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উত্তরটি ভুল কারণ এখানে সঠিক অপশন হলো B এবং সঠিক ইডিওমটি হবে 'in black and white'। - 'Black and white' একটি সঠিক ফ্রেজ যার অর্থ লিখিতভাবে, তাই এখানে 'in' প্রিপোজিটরি বাদ যাওয়ায় বাক্যটি ভুল হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The soldiers are moving on all fours — এটি সঠিক ফ্রেজ, যার অর্থ চার হাত-পায়ে ভর দিয়ে চলা। B) Express your claim black and white — এটি ভুল ফ্রেজ, সঠিক রূপ হলো 'in black and white' যার অর্থ লিখিতভাবে। C) The matter came to light in the end — এটি সঠিক ফ্রেজ, যার অর্থ অবশেষে বিষয়টি প্রকাশ পাওয়া। D) The order has been declared to be null and void — এটি সঠিক আইনি ফ্রেজ, যার অর্থ বাতিল ও কার্যকর নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছু লিখিতভাবে বোঝাতে 'in black and white' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়, যেখানে 'in' প্রিপোজিশন বাদ দেওয়া যাবে না।
a peer
b parent
c boar
d spinster
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) spinster কেন সঠিক: - 'Spinster' শব্দটির অর্থ অবিবাহিত নারী, যা ব্যাকরণগতভাবে ফেমিনাইন জেন্ডার নির্দেশ করে। - পুরুষবাচক শব্দ 'bachelor'-এর স্ত্রীবাচক বা ফেমিনাইন রূপ হলো 'spinster'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) peer — এটি কমন জেন্ডার, যার অর্থ সমকক্ষ ব্যক্তি বা অভিজাত শ্রেণীর সদস্য। B) parent — এটি কমন জেন্ডার, যা দ্বারা পিতা বা মাতা উভয়কেই বোঝানো হয়। C) boar — এটি ম্যাসকুলিন জেন্ডার, যার অর্থ শুকর বা বন্য বরাহ। D) spinster — এটি ফেমিনাইন জেন্ডার এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: 'Bachelor' মানে অবিবাহিত পুরুষ এবং এর ফেমিনাইন রূপ হলো 'spinster' বা অবিবাহিত নারী।
a in
b at
c over
d on
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) at কেন সঠিক: - নির্দিষ্ট কোনো ছোট স্থান, বাড়ি নম্বর বা নির্দিষ্ট ঠিকানার পূর্বে প্রেপজিশন হিসেবে at ব্যবহৃত হয়। - প্রশ্নোক্ত বাক্যে 35, Rankin Street একটি নির্দিষ্ট বাড়ি নম্বর ও ঠিকানা হওয়ায় এর পূর্বে at বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — বড় স্থান যেমন শহর, দেশ বা সীমানা দ্বারা ঘেরা এলাকার পূর্বে in বসে, নির্দিষ্ট বাড়ির ঠিকানার পূর্বে নয়। B) at — এটি সঠিক উত্তর, কারণ নির্দিষ্ট বাড়ি নম্বর ও ঠিকানার পূর্বে এটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। সি) over — কোনো কিছুর উপরে ঝুলন্ত বা স্পর্শ না করে অবস্থান বোঝালে over বসে, যা ঠিকানার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) on — কোনো পৃষ্ঠার উপরে স্পর্শ করে থাকা বা রাস্তার নামের পূর্বে on বসে, কিন্তু নির্দিষ্ট বাড়ি নম্বরসহ ঠিকানার ক্ষেত্রে at বসে। মনে রাখার টিপস: ছোট স্থান বা বাড়ির নম্বরের আগে at এবং বড় স্থান বা শহরের নামের আগে in বসে।
a Dexterous
b Docility
c Difference
d Penalise
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Dexterous কেন সঠিক: - Dexterous একটি Adjective যার অর্থ দক্ষ বা পটু। - এটি কোনো ব্যক্তি বা তার গুণের দোষ-গুণ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dexterous — এটি Adjective এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) Docility — এটি Abstract Noun, যার অর্থ নম্রতা বা বাধ্যগত স্বভাব। C) Difference — এটি Noun, যার অর্থ পার্থক্য বা অমিল। D) Penalise — এটি Verb, যার অর্থ শাস্তি প্রদান করা বা জরিমানা করা। মনে রাখার টিপস: যেকোনো শব্দের শেষে ous যুক্ত থাকলে সাধারণত সেটি Adjective হয়, যেমন Dexterous।
a জন এফ কেনেডি
b মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র
c বারাক ওবামা
d জন রবার্ট লুইস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র কেন সঠিক: - ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র এই ঐতিহাসিক ভাষণটি দিয়েছিলেন। - এই ভাষণে তিনি আমেরিকায় বর্ণবৈষম্য দূর করে জাতিগত সমতা ও ন্যায়বিচারের স্বপ্ন দেখার কথা ব্যক্ত করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন এফ কেনেডি — ইনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ছিলেন, তবে 'I have a dream' ভাষণটি তাঁর নয়। B) মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। C) বারাক ওবামা — ইনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি হলেও এই ঐতিহাসিক ভাষণের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। D) জন রবার্ট লুইস — ইনি একজন বিশিষ্ট নাগরিক অধিকার কর্মী হলেও এই বিখ্যাত ভাষণের বক্তা ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: মার্টিন লুথার 'কিং' ছিলেন সমতা প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের, তাই তাঁর মুখেই মানায় 'স্বপ্ন' বা ড্রিমের কথা।
a novel
b drama
c collection of short stories
d epic
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) drama কেন সঠিক: - এটি বিশ্ববিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ রচিত একটি বিখ্যাত নাটক। - এই নাটকটি চার অঙ্কে সমাপ্ত এবং এর বিষয়বস্তু মূলত নৈতিক ও সামাজিক দর্শনভিত্তিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) novel — এটি কোনো উপন্যাস নয়, কারণ এর মূল রূপ ও কাঠামো নাটকীয় সংলাপের ওপর প্রতিষ্ঠিত। B) drama — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা জর্জ বার্নার্ড শ রচিত একটি বিখ্যাত নাটক। C) collection of short stories — এটি ছোটগল্পের কোনো সংকলন বা গুচ্ছ নয়। D) epic — এটি কোনো দীর্ঘ মহাকাব্য বা পদ্যাকারে রচিত বীরত্বগাথা নয়। মনে রাখার টিপস: জর্জ বার্নার্ড শ-এর নাটক মনে রাখতে সুপারম্যান নাটকের কথা মাথায় রাখবে।
a noun
b adverb
c adjective
d preposition
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) noun কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে underlined শব্দ 'running'-এর পূর্বে Definite Article 'the' এবং পরে preposition 'of' বসেছে। - English grammar-এর নিয়ম অনুযায়ী Article এবং Preposition-এর মাঝে বসা শব্দ সবসময় Noun-এর কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট আর্টিকেল এবং প্রিপজিশনের মাঝখানে বসা শব্দ নাউনের কাজ সম্পন্ন করে। B) adverb — এটি ভুল কারণ অ্যাডভার্ব সাধারণত ভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ বা অন্য অ্যাডভার্বকে modify করে এবং এখানে এর এমন কোনো কাজ নেই। C) adjective — এটি ভুল কারণ অ্যাডজেক্টিভ সাধারণত কোনো নাউনের দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে নাউনের আগে বসে, যা এখানে ঘটেনি। D) preposition — এটি ভুল কারণ প্রিপজিশন নাউন বা প্রোনাউনের পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে। মনে রাখার টিপস: Article এবং Preposition-এর মাঝে কোনো শব্দ থাকলে চোখ বন্ধ করে তা Noun হিসেবে ধরে নিতে হবে।
a than
b then
c when
d after
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) when কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী Hardly had যুক্ত বাক্যকে যুক্ত করতে when ব্যবহার করা হয়। - Past Perfect Tense এবং Past Indefinite Tense-এর সমন্বয়ে গঠিত বাক্যে এই গঠন ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) than — এটি সাধারণত No sooner এর সঙ্গে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে বসবে না। B) then — এটি একটি Adverb যা সময়ের ধারাবাহিকতা বোঝায়, কিন্তু এখানে সংযোজক হিসেবে বসবে না। C) when — এটি সঠিক উত্তর কারণ Hardly-এর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত সঠিক conjunction হলো when। D) after — এটি preposition বা conjunction হলেও Hardly-এর সঙ্গে এই বাকগঠনে মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: Hardly... when, Scarcely... before এবং No sooner... than জোড়ায় জোড়ায় বসে।
a Media
b Indices
c Phenomena
d News
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) News কেন সঠিক: - যেসব নাউনের শেষে এস থাকে কিন্তু অর্থের দিক থেকে তারা একক বা একটিমাত্র বস্তু বোঝায়, সেগুলো সিঙ্গুলার নাউন। - নিউজ শব্দটি দেখতে প্লুরাল মনে হলেও এটি একটি মাত্র তথ্য বা সংবাদ বোঝাতে সিঙ্গুলার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Media — এটি মিডিয়াম শব্দের প্লুরাল ফর্ম এবং এর অর্থ মাধ্যমসমূহ, তাই এটি সিঙ্গুলার নয়। B) Indices — এটি ইনডেক্স শব্দের প্লুরাল ফর্ম এবং এর অর্থ নির্দেশকসমূহ, তাই এটি সিঙ্গুলার নয়। C) Phenomena — এটি ফেনোমেনন শব্দের প্লুরাল ফর্ম এবং এর অর্থ ঘটনাসমূহ, তাই এটি সিঙ্গুলার নয়। D) News — এটি নিজেই সঠিক উত্তর কারণ এটি দেখতে প্লুরাল হলেও সর্বদা সিঙ্গুলার হিসেবে গণ্য হয়। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের শেষে এস থাকে কিন্তু ভাব একক, যেমন নিউজ বা ফিজিক্স, সেগুলোর পরে সিঙ্গুলার ভার্ব বসে।
a I see a bird
b He has just come
c I would rather die than beg
d He is right to punish them
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: D) He is right to punish them কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটির সঠিক উত্তর ভুল। সঠিক বাক্যটি হবে He is right in punishing them. - Right শব্দের পর সাধারণত gerund ব্যবহারের ক্ষেত্রে preposition হিসেবে in বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I see a bird — এটি একটি সম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক সাধারণ বাক্য। B) He has just come — Present Perfect Tense-এর নিয়ম অনুযায়ী এটি একটি সঠিক বাক্য। C) I would rather die than beg — would rather এর পর verb এর base form এবং than ব্যবহারের নিয়ম সঠিক আছে। D) He is right to punish them — প্রদত্ত উত্তর অনুযায়ী এটি ভুল বাক্য কারণ right এর পর infinitive না বসে gerund বসে। মনে রাখার টিপস: Right এর পর কোনো কাজ বোঝাতে infinitive না বসিয়ে preposition ইন এবং gerund ব্যবহার করতে হয়।
a Alas
b Oh
c Hush
d Hurrah
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Hurrah কেন সঠিক: - Hurrah একটি ইন্টারজেকশন বা আবেগসূচক শব্দ, যা মানুষের মনে হঠাৎ আনন্দের উদ্রেক হলে প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। - খেলাধুলায় জয়লাভ বা কোনো সুসংবাদ শোনার পর উল্লাস প্রকাশ করতে এই শব্দটি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Alas — এটি দুঃখ বা বেদনা প্রকাশ করার জন্য ব্যবহৃত হয়, তাই আনন্দের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। B) Oh — এটি সাধারণত বিস্ময়, বেদনা কিংবা হঠাৎ কোনো অনুভূতির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, নির্দিষ্টভাবে আনন্দ বোঝায় না। C) Hush — এটি কাউকে চুপ করাতে বা নীরবতা বজায় রাখতে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। D) Hurrah — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা আনন্দ প্রকাশের জন্য ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: আনন্দ পেলে আমরা বলি Hurrah আর দুঃখ পেলে বলি Alas।
a a
b the
c an
d none
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) the কেন সঠিক: - Abstract noun যখন কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বিশেষ গুণ বোঝাতে নির্দিষ্ট করা হয়, তখন তার পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল the বসে। - এখানে warrior (যোদ্ধা) শব্দটি সাধারণ অর্থে নয়, বরং ওই ব্যক্তির ভেতরের নির্দিষ্ট যোদ্ধা সত্তাকে বোঝানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি indefinite article এবং সাধারণত অনির্দিষ্ট একবচন countable noun-এর পূর্বে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) the — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি বিশেষ গুণ বা অবস্থাকে নির্দিষ্ট করেছে। C) an — এটি vowel sound-युक्त অনির্দিষ্ট একবচন noun-এর পূর্বে বসে, যা warrior শব্দের শুরুতে বসে না। D) none — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Abstract noun-এর পূর্বে যখন pre-modifier বা preposition-এর মাধ্যমে নির্দিষ্টতা বোঝানো হয়, তখন তার আগে the বসে।
a Apartheid
b Apathy
c Abjuration
d Abjection
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। প্রশ্নটির সঠিক ইংরেজি শব্দ 'বরবাদ' (Destruction বা Ruin) অর্থে কোনো অপশনই সরাসরি সঠিক নয়। প্রদত্ত উত্তর A) Apartheid হলো দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবৈষম্য নীতি। সঠিক উত্তর হিসেবে নিকটতম বা কোনোটিই নয় ধরা উচিত, তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রচলিত ভুল উত্তরের ওপর ভিত্তি করে নিচে বিশ্লেষণ দেওয়া হলো। কেন সঠিক: - প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে বরবাদ বা ধ্বংস হয়ে যাওয়া যার সঠিক ইংরেজি ধ্বংস বা অপচয়। - প্রদত্ত অপশনগুলোর অর্থ বরবাদ শব্দের সাথে সরাসরি মিল না থাকলেও পরীক্ষার প্রশ্নপত্র অনুযায়ী এটি একটি ত্রুটিপূর্ণ প্রশ্ন হতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Apartheid — এর অর্থ দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবৈষম্য নীতি, যা বরবাদ শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না। B) Apathy — এর অর্থ অনীহা, উদাসীনতা বা বিরক্তি প্রকাশ পায়। C) Abjuration — এর অর্থ শপথপূর্বক বর্জন বা ত্যাগ করা। D) Abjection — এর অর্থ চরম দুর্দশা, দীনতা বা অধঃপতন। মনে রাখার টিপস: বরবাদ বা ধ্বংস বোঝাতে Destruction বা Ruin শব্দটি ব্যবহার করা হয়, তাই পরীক্ষার ভুল উত্তর দেখে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না।
a grocer
b grosher
c groscher
d grosser
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) grocer কেন সঠিক: - grocer শব্দের অর্থ এমন একজন ব্যবসায়ী যিনি নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য ও গৃহস্থালির জিনিসপত্র বিক্রি করেন। - দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রির দোকানকে grocery shop বলা হয় এবং এর বিক্রেতা হলেন grocer। বাকি অপশন কেন ভুল: A) grocer - এটি সঠিক উত্তর এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রেতাকে বোঝায়। B) grosher - এটি ইংরেজি ভাষার কোনো সঠিক বানান বা শব্দ নয়। C) groscher - এটি একটি ভুল বানান এবং এর কোনো অর্থ নেই। D) grosser - এটি gross শব্দের তুলনামূলক রূপ যা অন্য অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এর সঙ্গে দোকানদারের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: grocery অর্থ মুদি দোকান এবং এর সঙ্গে er যুক্ত হয়ে grocer অর্থাৎ মুদি দোকানদার বা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রেতা বোঝায়।
a excess
b access
c exces
d axcess
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) access কেন সঠিক: - এখানে শূন্যস্থানে বসা শব্দটি একটি নাউন এবং সঠিক অর্থ হলো প্রবেশাধিকার বা নাগাল। - Have free access to এই ধারাটিতে access শব্দটি প্রিপজিশন to এর পূর্বে সঠিক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) excess — এর অর্থ আধিক্য বা অতিরিক্ত, যা এখানে বাক্যের অর্থের সাথে মানানসই নয়। B) access — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য। C) exces — এটি বানান ভুল এবং ইংরেজি অভিধানে এই ধরনের কোনো শব্দ নেই। D) axcess — এটি একটি ভুল বানান, সঠিক বানান হলো access। মনে রাখার টিপস: প্রবেশাধিকার বোঝাতে access শব্দে double c এবং শেষে s ব্যবহার করা হয়, আর অতিরিক্ত বোঝাতে excess শব্দে double s ব্যবহৃত হয়।
a eye
b car
c land
d air
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) land কেন সঠিক: - 'Arable' একটি ইংরেজি বিশেষণ যার অর্থ আবাদযোগ্য বা উর্বর জমি। - এই শব্দটি মূলত কৃষিকাজের উপযোগী জমি বা ভূমিকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) eye — এটি মানুষের চোখের সাথে সম্পর্কিত, যা দৃষ্টিশক্তি বা দেখার অঙ্গকে বোঝায় এবং আবাদযোগ্য জমির সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) car — এটি মোটরগাড়ি বা যাতায়াতের বাহনকে বোঝায়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি যান্ত্রিক বিষয়। C) land — এটি সঠিক উত্তর কারণ arable শব্দটি কেবল কৃষিকাজে ব্যবহারের উপযোগী জমিতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। D) air — এটি বাতাস বা বায়ুমণ্ডলকে বোঝায়, যার সাথে কৃষিজমির কোনো সরাসরি আভিধানিক সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: Arable শব্দের শুরুতে A এবং Land শব্দের শেষে D মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে এটি জমির সাথে সম্পর্কিত।
a Vixen
b Heifer
c Mare
d Doe
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Vixen কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়মে 'Fox' শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হলো 'Vixen'। - এটি একটি নির্দিষ্ট পশুর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত প্রচলিত জেন্ডার পরিবর্তন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vixen — এটি Fox শব্দের সঠিক স্ত্রীবাচক রূপ হওয়ায় এটি সঠিক। B) Heifer — এটি ষাঁড় বা বলদের স্ত্রীবাচক রূপ নয়, এটি মূলত তরুণ গরুর বা বকনা বাছুরের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। C) Mare — এটি ঘোড়ার স্ত্রীবাচক রূপ, যার পুংলিঙ্গ হলো হর্স বা স্ট্যালিয়ন। D) Doe — এটি হরিণ, খরগোশ বা ছাগলের মতো কিছু প্রাণীর স্ত্রীবাচক রূপ। মনে রাখার টিপস: ফক্স বা খেঁকশিয়ালের স্ত্রীবাচক রূপ মনে রাখতে ফক্সের সাথে ভিক্সেন শব্দটি জোড়া হিসেবে মুখস্থ রাখুন।
a Urologist
b Oncologist
c Pathologist
d Cardiologist
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Oncologist কেন সঠিক: - 'Oncologist' শব্দটি গ্রীক শব্দ 'onkos' (যার অর্থ টিউমার বা ভর) এবং 'logos' (অধ্যয়ন) থেকে এসেছে। - চিকিৎসা বিজ্ঞানের এই শাখায় ক্যানসার রোগীদের টিউমার শনাক্তকরণ, চিকিৎসা ও পরিচর্যা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Urologist — এটি মূত্রনালী এবং পুরুষদের প্রজননতন্ত্রের রোগ সংক্রান্ত চিকিৎসাবিদ্যা, তাই এটি ক্যানসারের জন্য প্রযোজ্য নয়। B) Oncologist — এটি ক্যানসার রোগ বিশেষজ্ঞ, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) Pathologist — এটি রোগ নির্ণয় ও ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে রোগের কারণ ও প্রকৃতি নিয়ে কাজ করেন, সরাসরি ক্যানসার চিকিৎসাবিদ নন। D) Cardiologist — এটি হৃদরোগ ও রক্তনালী সংক্রান্ত সমস্যার বিশেষজ্ঞ, যা ক্যানসারের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: 'Onco' শব্দের অর্থ টিউমার বা ক্যানসার, তাই ক্যানসার বিশেষজ্ঞকে 'Oncologist' বলা হয়।

মোট প্রশ্ন (15)

a 120
b 60
c 30
d 24
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০ প্রদত্ত তথ্য: ঘরের দৈর্ঘ্য প্রস্থের ৩/২ গুণ ক্ষেত্রফল ২১৬ বর্গমিটার ধরি, ঘরের প্রস্থ = ক মিটার ঘরের দৈর্ঘ্য = (৩ ক ÷ ২) মিটার অতএব, ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ ক্ষেত্রফল = (৩ ক ÷ ২) × ক = ২১৬ সুতরাং, ৩ ক বর্গ = ২১৬ × ২ ক বর্গ = ১৪৪, ক = ১২ উত্তর: পরিসীমা = ২ × (১৮ + ১২) = ৬০ মিটার
a 30
b 40
c 20
d 10
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০ প্রদত্ত তথ্য: বিক্রয়মূল্য = ২২ টাকা লাভের হার = ১০% ধরি, কলমটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, ১০% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ১০ = ১১০ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্য ১১০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ ÷ ১১০ টাকা বিক্রয়মূল্য ২২ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ × ২২) ÷ ১১০ = ২০ টাকা উত্তর: ২০ টাকা
a 92
b 75
c 91
d 81
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮১ প্রদত্ত তথ্য: মোট চাদার পরিমাণ ৬,৫৬১ টাকা প্রত্যেকে যতজন ছাত্র তত টাকা করে প্রদান করে ধরি, ছাত্র সংখ্যা = ক জন প্রত্যেকে চাঁদা দেয় = ক টাকা মোট চাঁদার পরিমাণ = ক × ক টাকা অতএব, প্রশ্নমতে, ক এর বর্গ = ৬,৫৬১ ক = √৬,৫৬১ ছাত্র সংখ্যা ক = ৮১ সুতরাং, শ্রেণিতে মোট ছাত্র সংখ্যা নির্ণয় করা হলো নির্ণয় ছাত্র সংখ্যা = ৮১ জন উত্তর: ৮১
a 280
b 256
c 35
d 128
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৫ প্রদত্ত তথ্য: অনুক্রমটি হলো: − ৯, − ৫, − ১, ৩, ৭, ... এটি একটি সমান্তর ধারা ধরি, প্রথম পদ (a) = − ৯ সাধারণ অন্তর (d) = (− ৫) − (− ৯) = ৪ অতএব, ধারাটির সাধারণ পদের সূত্র হলো: a + (n − ১) × d এখানে পদসংখ্যা (n) = ১২ সুতরাং, ১২ তম পদ = (− ৯) + (১২ − ১) × ৪ উত্তর: ৩৫
a 160
b 150
c 140
d 35
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির অনুপাত ৫ : ৭ সংখ্যা দুটির গসাগু ৪ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৫ × ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৭ × ক অতএব, প্রশ্নমতে, ক = গসাগু = ৪ প্রথম সংখ্যাটি = ৫ × ৪ = ২০ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৭ × ৪ = ২৮ সুতরাং, সংখ্যা দুটির লসাগু = অনুপাতদ্বয়ের গুণফল × গসাগু = ৫ × ৭ × ৪ উত্তর: ১৪০
a 2√5
b 40
c 80
d 20
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর সমীকরণ দেওয়া আছে লগ বেস দুই এর মান চারশো সমান এক্স ধরি, লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী লেখা যায় দুই এর পাওয়ার এক্স সমান চারশো অতএব, চারশো কে উৎপাদক বিশ্লেষণ করা যায় চল্লিশ গুণ দশ বা বিশ গুণ বিশ সুতরাং, এক্স এর সঠিক মান হিসাব করে পাই বিশ উত্তর: ২০
a 35
b 42
c 14
d 28
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৮ প্রদত্ত তথ্য: ১০ জন শ্রমিক কাজের অর্ধেক করতে পারে ৭ দিনে ধরি, সম্পূর্ণ কাজটি করতে ১০ জন শ্রমিকের দিন লাগবে = ৭ × ২ = ১৪ দিন অতএব, ১ জন শ্রমিকের সম্পূর্ণ কাজটি করতে দিন লাগবে = ১৪ × ১০ = ১৪০ দিন সুতরাং, ৫ জন শ্রমিকের সম্পূর্ণ কাজটি করতে দিন লাগবে = ১৪০ ÷ ৫ = ২৮ দিন উত্তর: ২৮
a 40°
b 50°
c 60°
d 80°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ ABC-এ AB বাহু এবং AC বাহু পরস্পর সমান ত্রিভুজের কোণ A এর মান ৮০° ধরি, কোণ B এর পরিমাপ সমান ক ডিগ্রি কোণ C এর পরিমাপ সমান ক ডিগ্রি অতএব, ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি সমান ১৮০° কোণ A + কোণ B + কোণ C সমান ১৮০° ৮০° + ক + ক সমান ১৮০° সুতরাং, দুই ক সমান ১৮০° − ৮০° দুই ক সমান ১০০° উত্তর: ক সমান ৫০°
a 1
b 2
c 3
d 4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো পঁচিশ এক্স স্কয়ার বিয়োগ দশ এক্স প্লাস কে সমান শূন্য মূলদ্বয় বাস্তব ও সমান হওয়ার শর্ত হলো নিশ্চয়ক শূন্য হওয়া ধরি, দ্বিঘাত সমীকরণের আদর্শ রূপ হলো এ এক্স স্কয়ার প্লাস বি এক্স প্লাস সি সমান শূন্য এখানে এ সমান পঁচিশ, বি সমান বিয়োগ দশ এবং সি সমান কে অতএব, নিশ্চয়কের সূত্র হলো বি স্কয়ার বিয়োগ চার গুণ এ গুণ সি এই মান শূন্যের সমান হবে সুতরাং, বন্ধনীর ভেতর বিয়োগ দশ এর বর্গ বিয়োগ চার গুণ পঁচিশ গুণ কে সমান শূন্য একশ বিয়োগ একশ গুণ কে সমান শূন্য উত্তর: কে সমান এক
a 40°
b 50°
c 80°
d 60°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫০° প্রদত্ত তথ্য: সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ ৯০° অপর দুটি সূক্ষ্মকোণের সমষ্টি ৯০° কোণ দুটির অন্তর ১০° ধরি, বৃহত্তর কোণটি = ক ক্ষুদ্রতম কোণটি = খ প্রশ্নমতে, ক − খ = ১০° অতএব, ক + খ = ৯০° ক − খ = ১০° দুটি সমীকরণ যোগ করে পাই, ২ক = ১০০° সুতরাং, ক = ১০০° ÷ ২ ক = ৫০° উত্তর: ৫০°
a 7
b 5
c 3
d 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো মডুলাস a − ৪ মডুলাস বন্ধনী = ৩ ধরি, পরম মানের সংজ্ঞা অনুসারে সমীকরণটির দুটি অংশ পাওয়া যায় অতএব, প্রথম ক্ষেত্রে, a − ৪ = ৩ দ্বিতীয় ক্ষেত্রে, a − ৪ = − ৩ সুতরাং, প্রথম ক্ষেত্রে পাই, a = ৩ + ৪ = ৭ দ্বিতীয় ক্ষেত্রে পাই, a = − ৩ + ৪ = ১ উত্তর: a এর বৃহত্তম মানটি হলো ৭
a 3/2
b 5/3
c 7/3
d 10/3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩/২ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি একটি অসীম গুণোত্তৰ ধারা যার প্রথম পদ ১ এবং সাধারণ অনুপাত ১/৩ ধরি, ধারার প্রথম পদ a = ১ সাধারণ অনুপাত r = ১/৩ অতএব, অসীম পদের যোগফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো a ÷ (১ − r) সুতরাং, যোগফল = ১ ÷ (১ − (১/৩)) যোগফল = ১ ÷ (২/৩) উত্তর: ৩/২
a 9
b 5
c 3
d 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯ প্রদত্ত তথ্য: x + (২ ÷ x) = ৩ ধরি, প্রদত্ত রাশিটি হলো x³ + (৮ ÷ x³) এটিকে লেখা যায় x³ + (২ ÷ x)³ অতএব, মান নির্ণয়ের সূত্র ব্যবহার করে পাই (x + (২ ÷ x))³ − ৩ × x × (২ ÷ x) × (x + (২ ÷ x)) দ্বিতীয় হিসাব: মান বসিয়ে পাই (৩)³ − ৩ × ২ × (৩) সুতরাং, হিসাব করে পাই ২৭ − ১৮ = ৯ উত্তর: ৯
a ২ গুণ
b ৩ গুণ
c ৪ গুণ
d ৬ গুণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ গুণ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ দ্বিগুণ করা হলো ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r বৃত্তের আদি ক্ষেত্রফল = pi × r^2 অতএব, পরিবর্তিত ব্যাসার্ধ = ২r পরিবর্তিত ক্ষেত্রফল = pi × (২r)^2 সুতরাং, পরিবর্তিত ক্ষেত্রফল = ৪ × (pi × r^2) উত্তর: ৪ গুণ
a 5
b 25
c 125
d 625
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২৫ প্রদত্ত তথ্য: a এর ওপর মাইনাস ৩ ঘাত সমান শূন্য দশমিক দুই ধরি, শূন্য দশমিক দুই সমান এক বাই পাঁচ সুতরাং a এর ওপর মাইনাস ৩ ঘাত সমান এক বাই পাঁচ অতএব, উভয় পক্ষে মাইনাস এক ঘাত নিয়ে পাই a এর ওপর ৩ ঘাত সমান পাঁচ সুতরাং, a এর ওপর ৯ ঘাত সমান a এর ওপর ৩ ঘাত এর হোল কিউব উত্তর: ৫ এর ওপর কিউব সমান ১২৫

মোট প্রশ্ন (19)

a আমেরিকান পিস সেন্টার
b জিরো পয়েন্ট
c গ্রাউন্ড জিরো
d ওয়ার্ল্ড সিমেট্রি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গ্রাউন্ড জিরো কেন সঠিক: - ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসী হামলায় নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের টুইন টাওয়ার ধ্বংস হওয়ার পর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া ওই স্থানটিকে গ্রাউন্ড জিরো বলা হয়। - বর্তমানে ঘটনাস্থল ও তার আশপাশের এলাকাটি স্মরণীয় স্থান ও স্মৃতিসৌধ হিসেবে এই নামেই পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমেরিকান পیس সেন্টার — এটি কোনো ঐতিহাসিক বা প্রচলিত নাম নয়, বরং অনুমাননির্ভর একটি অপশন। B) জিরো পয়েন্ট — সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা রাস্তার শুরুর মূল বিন্দু বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। D) ওয়ার্ল্ড সিমেট্রি — এটি একটি কাল্পনিক অপশন এবং এর কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: ধ্বংসপ্রাপ্ত বা ক্ষতিগ্রস্ত প্রধান কোনো স্থানের শূন্য বা ধ্বংসস্তূপের জায়গাকে সাধারণত গ্রাউন্ড জিরো বলা হয়।
a 1998
b 2000
c 2002
d 2008
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 2000 কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৬ জুন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (ICC) পূর্ণ সদস্য বা টেস্ট মর্যাদা লাভ করে। - ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ তাদের ইতিহাসের প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1998 — এই সালে বাংলাদেশ আইসিসির আইসিসি নকআউট ট্রফি আয়োজন করেছিল কিন্তু টেস্ট মর্যাদা পায়নি। B) 2000 — এটি সঠিক উত্তর, এই সালে বাংলাদেশ টেস্ট খেলার ঐতিহাসিক গৌরব অর্জন করে। C) 2002 — এই সালের অনেক আগেই বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা পেয়েছিল এবং বেশ কিছু টেস্ট ম্যাচ খেলে ফেলেছিল। D) 2008 — এই সালটি বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের শুরুর অনেক পরের একটি সময়, তাই এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: নতুন শতাব্দীর শুরুতে অর্থাৎ ২০০০ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল টেস্ট পরিবারের সদস্য হয়।
a ১০০ বিঘা
b ৫০ বিঘা
c ২৫ বিঘা
d ১০ বিঘা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ বিঘা কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের দরিদ্র কৃষকদের অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে ভূমি সংস্কারের এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। - এই আদেশের মাধ্যমে দেশের ২৫ বিঘা পর্যন্ত কৃষি জমির খাজনা চিরতরে মওকুফ করা হয় এবং ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির মালিকদের সার্টিফিকেট মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০০ বিঘা — এই পরিমাণ জমি অনেক বেশি এবং তৎকালীন ও বর্তমান বাংলাদেশের কৃষকদের জমির গড় পরিমাণ বিবেচনায় এটি বাস্তবসম্মত নয়। B) ৫০ বিঘা — এটি ২৫ বিঘার দ্বিগুণ এবং বঙ্গবন্ধু সরকার কৃষকদের চরম আর্থিক সংকট থেকে বাঁচাতে এর চেয়েও কম সীমার জমি অর্থাৎ ২৫ বিঘা পর্যন্ত খাজনা মওকুফ করেছিলেন। C) ২৫ বিঘা — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রদত্ত অপশনের সঙ্গে মিলে যায়। D) ১০ বিঘা — এই পরিমাণ জমি অত্যন্ত কম এবং সরকার দেশের অধিকাংশ দরিদ্র ও মাঝারি কৃষকের বাস্তব সুফল নিশ্চিত করতে এর চেয়ে বেশি অর্থাৎ ২৫ বিঘা নির্ধারণ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু সরকারের কৃষিবান্ধব নীতি মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন আড়াই, অর্থাৎ ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করা হয়েছিল।
a 2008
b 2009
c 2010
d 2011
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ২০১০ কেন সঠিক: - সাংবাদিক ও পর্বতারোহী মুসা ইব্রাহিম ২০১০ সালের ২৩শে মে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট সফলভাবে জয় করেন। - তার এই ঐতিহাসিক অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের সপ্তদশ দেশ হিসেবে এভারেস্ট জয়ের গৌরব অর্জন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০৮ — এই সালে বাংলাদেশের কোনো পর্বতারোহী এভারেস্ট শৃঙ্গে আরোহণ করেননি। B) ২০০৯ — এটি মুসা ইব্রাহিমের এভারেস্ট জয়ের আগের বছর, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। C) ২০১০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই মুসা ইব্রাহিম এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেছিলেন। D) ২০১১ — এই সালের ২৪শে মে এম এ মুহিত এবং নিশাত মজুমদার পরবর্তীতে এভারেস্ট আরোহণ করেন। মনে রাখার টিপস: মুসা ইব্রাহিম ২০১০ সালে এভারেস্ট জয় করেন, এই তথ্যটি মনে রাখতে সালটিকে শুরুর দিকের একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
a ২৪তম
b ২৭তম
c ২৯তম
d ৩৪তম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৯তম কেন সঠিক: - ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন। - এই ভাষণের মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে বাংলা ভাষার মর্যাদা ও স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪তম — এটি ১৯৭৪ সালের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন নয় এবং এই অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেওয়া হয়নি। B) ২৭তম — ১৯৭২ সালের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বোঝায়, যেখানে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে কিন্তু বাংলায় ভাষণ দেওয়া হয়নি। C) ২৯তম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই। D) ৩৪তম — এটি ১৯৭৯ সালের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন, যা বঙ্গবন্ধুর ভাষণের সময়ের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের বছরই ২৯তম অধিবেশনে প্রথম বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।
a ইসলাম খান
b শাহ সুজা
c শায়েস্তা খান
d মীর জুমলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইসলাম খান কেন সঠিক: - সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে ১৬১০ সালে সুবেদার ইসলাম খান ঢাকাকে বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন। - তিনি কৌশলগত কারণে রাজমহল থেকে রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করে এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসলাম খান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রথম ঢাকায় মুঘল রাজধানী স্থাপন করেছিলেন। B) শাহ সুজা — তিনি বাংলার সুবেদার ছিলেন এবং পরবর্তী সময়ে রাজধানী রাজহলে ফিরিয়ে নিয়েছিলেন, তবে প্রথম স্থাপনকারী নন। C) শায়েস্তা খান — তিনি বিখ্যাত সুবেদার ছিলেন যিনি দীর্ঘদিন ঢাকা শাসন ও এর সৌন্দর্যবর্ধন করেন, কিন্তু রাজধানী স্থাপনকারী নন। D) মীর জুমলা — তিনি আওরংজেবের আমলের সুবেদার ও সেনাপতি ছিলেন, যিনি পরবর্তীতে আসাম অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। মনে রাখার টিপস: ইসলাম ধর্ম প্রচারের জন্য যেমন মানুষ একত্রিত হয়, তেমনি রাজধানী স্থাপন করতেও প্রথম ইসলাম খানের নাম মনে রাখতে হবে।
a শ্যামা প্রসাদ মুখার্জী
b শের-ই-বাংলা একে ফজলুল হক
c হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
d শরৎ বসু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কেন সঠিক: - হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পূর্বে অবিভক্ত বাংলার শেষ প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - তার মন্ত্রীসভায় আইনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্যামা প্রসাদ মুখার্জী — তিনি অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন না, বরং তিনি বাংলার হিন্দু মহাসভার নেতা এবং মন্ত্রী ছিলেন। B) শের-ই-বাংলা একে ফজলুল হক — তিনি বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, শেষ মুখ্যমন্ত্রী নন। C) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে ভিন্ন কোনো প্রযোজ্যতা নেই। D) শরৎ বসু — তিনি অখণ্ড বাংলার আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন কিন্তু কখনো অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হননি। মনে রাখার টিপস: দেশভাগের ঠিক আগে বাংলার হাল ধরেছিলেন শেষ মুখ্যমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
a আরিস্টটল
b প্লেটো
c ভলতেয়ার
d সক্রেটিস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভলতেয়ার কেন সঠিক: - প্রদত্ত উত্তরটি ভুল কারণ ভলতেয়ার একজন ফরাসি দার্শনিক ছিলেন। - প্রশ্নটি আসলে ফরাসি দার্শনিক নন এমন কাউকেও নির্দেশ করতে পারে অথবা প্রশ্নে কিছুটা অসঙ্গতি আছে, কারণ আরিস্টটল, প্লেটো ও সক্রেটিস গ্রিক দার্শনিক হলেও ভলতেয়ার ফ্রান্সের দার্শনিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরিস্টটল — ইনি প্রাচীন গ্রিসের একজন বিখ্যাত দার্শনিক ও বিজ্ঞানী ছিলেন, ফ্রান্সের নন। B) প্লেটো — ইনি প্রাচীন গ্রিসের দার্শনিক সক্রেটিসের শিষ্য ছিলেন, ফ্রান্সের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) ভলতেয়ার — ইনি অষ্টাদশ শতকের একজন বিখ্যাত ফরাসি আলোকপ্রাপ্ত দার্শনিক ও লেখক ছিলেন। D) সক্রেটিস — ইনি প্রাচীন গ্রিসের এথেন্সের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক ছিলেন, ফ্রান্সের নন। মনে রাখার টিপস: গ্রিক দার্শনিকদের নামের শেষ সাধারণত তল, টো বা টিস থাকে যেমন আরিস্টটল, প্লেটো, সক্রেটিস।
a ২৪ টি
b ৪৮ টি
c ৫৮ টি
d ৯৩ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫৮ টি কেন সঠিক: - ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে রাশিয়াকে মানবাধিকার কাউন্সিল থেকে বহিষ্কারের প্রস্তাব তোলা হয়। - উক্ত প্রস্তাবের পক্ষে ৯৩ টি এবং বিপক্ষে ২৪ টি দেশ ভোট দিলেও ৫৮ টি দেশ ভোটদানে বিরত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪ টি — এটি প্রস্তাবের পক্ষে ভোটদানকারী দেশের সংখ্যা নয়, বরং রাশিয়াকে বহিষ্কারের প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেওয়া দেশের সংখ্যা। B) ৪৮ টি — এটি ভোটদানে বিরত থাকা দেশের সঠিক সংখ্যা নয়, কারণ এই সংখ্যাটি রাশিয়াকে বাদ দেওয়ার প্রস্তাবের সঙ্গে মেলে না। C) ৫৮ টি — এটি সঠিক সংখ্যা, যা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ভোটাভুটিতে রাশিয়াকে বাদ দেওয়ার প্রস্তাবের সময় ভোটদানে বিরত থাকা দেশের সংখ্যা নির্দেশ করে। D) ৯৩ টি — এটি ভোটদানে বিরত থাকা দেশের সংখ্যা নয়, এটি ছিল রাশিয়াকে মানবাধিকার কাউন্সিল থেকে বাদ দেওয়ার প্রস্তাবের পক্ষে পড়া মোট ভোটের সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: রাশিয়াকে বাদ দেওয়ার ভোটাভুটিতে বিরত ছিল ৫৮ টি দেশ এবং পক্ষে ছিল ৯৩ টি দেশ, যা এভাবে মনে রাখা যায় যে ৫৮ যোগ ২৪ যোগ ৯৩ সমান মোট ভোটদানকারী দেশের হিসাব।
a ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭৩
b ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
c ২৬ মার্চ ১৯৭৩
d ২৬ মার্চ ১৯৭২
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজয় দিবসের প্রথম বার্ষিকীতে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। - ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭৩ — এটি স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সাল নয়, এটি ১৯৭২ সালে স্থাপিত হয়েছিল। B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়। সি) ২৬ মার্চ ১৯৭৩ — এটি স্বাধীনতা দিবসের বার্ষিকী, কিন্তু এই দিনে স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়নি। D) ২৬ মার্চ ১৯৭২ — এটি যুদ্ধোত্তর প্রথম স্বাধীনতা দিবস, তবে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর। মনে রাখার টিপস: বিজয়ের প্রথম বার্ষিকীতে (১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২) স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল।
a কংগ্রেস
b ডায়েট
c সিনেট
d নেসেট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডায়েট কেন সঠিক: - জাপানের আইন সভার নাম ডায়েট যা দেশটির দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট হিসেবে পরিচিত। - এই আইন সভা প্রতিনিধি পরিষদ এবং কাউন্সিলর পরিষদ নিয়ে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কংগ্রেস — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন সভার নাম এবং জাপানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ডায়েট — এটি জাপানের আইন সভার সঠিক নাম হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) সিনেট — এটি সাধারণত বিভিন্ন দেশের আইন সভার উচ্চ কক্ষের নাম যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ফ্রান্স। D) নেসেট — এটি ইসরায়েলের আইন সভার নাম, জাপানের নয়। মনে রাখার টিপস: জাপানিরা খাবার হিসেবে ডায়েট মেনে চলে, তাই তাদের আইনসভার নামও ডায়েট।
a বদরুন্নেছা আহমেদ
b বেগম সাজেদা চৌধুরী
c নীলিমা ইব্রাহিম
d ড. রাজিয়া বানু
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ড. রাজিয়া বানু কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালে গঠিত ৩৪ সদস্যের খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন ড. রাজিয়া বানু। - তিনি এই কমিটির সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের সংবিধান তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বদরুন্নেছা আহমেদ — তিনি একজন বিশিষ্ট নারী নেত্রী ও রাজনীতিবিদ হলেও সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য ছিলেন না। B) বেগম সাজেদা চৌধুরী — তিনি নারী মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত ও রাজনীতিবিদ হলেও এই কমিটির সদস্য ছিলেন না। C) নীলিমা ইব্রাহিম — তিনি প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক হলেও সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না। D) ড. রাজিয়া বানু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: খসড়া সংবিধানের একমাত্র নারী সদস্য রাজিয়া, নামের শেষে যার বানু আছে ভাইয়া।
a 1977
b 1978
c 1979
d 1980
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯শত উনআংশি কেন সঠিক: - মাদার তেরেসা ১৯শত উনআংশি সালে মানবসেবা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার স্বীকৃতিস্বরূপ নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। - তিনি কলকাতা ভিত্তিক মিশনারিজ অব চ্যারিটি সংগঠনের মাধ্যমে দরিদ্র ও আর্তমানবতার সেবা করে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯শত সাতাত্তর — এই সালে মাদার তেরেসা নোবেল পুরস্কার পাননি, এটি ভুল সাল। B) ১৯শত আটাত্তর — এই সালে অন্য ব্যক্তি নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন, মাদার তেরেসা পাননি। C) ১৯শত উনআংশি — এটি সঠিক উত্তর এবং এই সালেই তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। D) ১৯শত ৮০ — এই সালে মাদার তেরেসাকে ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ভারত রত্ন প্রদান করা হয়, নোবেল নয়। মনে রাখার টিপস: মাদার তেরেসার নোবেল প্রাপ্তির সাল মনে রাখতে শেষ অঙ্ক দুটি উল্টে পড়লে মনে রাখা সহজ হয়, যেমন ১৯শত ৭৯।
a ইউএনআই
b ইউএনবি
c বাসস
d ইউপিআই
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাসস কেন সঠিক: - বাসস হলো বাংলাদেশ সরকারের মালিকানাধীন এবং নিয়ন্ত্রিত রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা। - এটি দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সংগ্রহ করে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে সরবরাহ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউএনআই — এটি ভারতের একটি বেসরকারি বার্তা সংস্থা, যা বাংলাদেশের সংবাদ সংস্থা নয়। B) ইউএনবি — এটি বাংলাদেশের একটি বেসরকারি সংবাদ সংস্থা, কোনো রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা নয়। D) ইউপিআই — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা, যা বাংলাদেশের নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা হলো বাসস, যার পূর্ণরূপ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
a আরবি
b বাংলা
c হিন্দি
d পর্তুগিজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আরবি কেন সঠিক: - জাতিসংঘে দাপ্তরিক কাজের জন্য মোট ছয়টি ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে আরবি অন্যতম একটি ভাষা। - ১৯৭৩ সালে আরবি ভাষাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ও কার্যনির্বাহী ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — এটি জাতিসংঘের অন্যতম একটি স্বীকৃত অফিসিয়াল ভাষা এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) বাংলা — বাংলা ভাষাভাষী মানুষের সংখ্যা অনেক হলেও এটি জাতিসংঘের অফিসিয়াল ভাষার স্বীকৃতি পায়নি। C) হিন্দি — বিশ্বজুড়ে বহুল প্রচলিত ভাষা হওয়া সত্ত্বেও হিন্দি জাতিসংঘের কোনো অফিসিয়াল ভাষা নয়। D) পর্তুগিজ — আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত ভাষা হলেও পর্তুগিজ জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের ছয়টি অফিসিয়াল ভাষা মনে রাখার সহজ শব্দ সংকেত হলো "ছয় বন্ধু এস্পানিয়া" বা ইংরেজি নামের আদ্যক্ষর মনে রাখা।
a ১৯৭২ সালে
b ১৯৭৩ সালে
c ১৯৭৪ সালে
d ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৭৪ সালে কেন সঠিক: - ১৯৭৪ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা পরিচালিত হয়। - সদ্য স্বাধীন দেশের জনসংখ্যা ও আর্থসামাজিক অবস্থা জানার জন্য এই শুমারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭২ সালে — এই সময়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্বাসন ও সংবিধান প্রণয়নের কাজ চললেও আদমশুমারি হয়নি। B) ১৯৭৩ সালে — এই বছর দেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও আদমশুমারি হয়নি। C) ১৯৭৪ সালে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) ১৯৭৫ সালে — এই বছর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে এবং অর্থনৈতিক নানা পরিবর্তন হলেও প্রথম আদমশুমারি হয়নি। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর পর ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি হয়, যা ১৯৭০-এর দশকের মাঝামাঝি একটি বড় ঘটনা।
a নিউইয়র্ক
b রোম
c জেনেভা
d প্যারিস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্যারিস কেন সঠিক: - ইউনেস্কো জাতিসংঘর শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা যার প্রধান কার্যালয় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত। - এই সংস্থা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান বা ইউনেস্কো হেরিটেজ সাইট নির্ধারণ ও সংরক্ষণের কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর অবস্থিত শহর, ইউনেস্কোর নয়। B) রোম — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর, তাই ইউনেস্কোর জন্য সঠিক নয়। C) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদর দপ্তর। D) প্যারিস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ইউনেস্কো এবং শিল্পকলার শহর প্যারিস উভয়ই সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাথে যুক্ত, তাই এভাবে মনে রাখা সহজ।
a বুলগেরিয়া
b বেলজিয়াম
c বেলারুশ
d অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অস্ট্রিয়া কেন সঠিক: - অস্ট্রিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হলেও সামরিকভাবে নিরপেক্ষ দেশ হওয়ায় রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর আর্থিক বা অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার কিছু নীতির সরাসরি বিরোধিতা করেছিল। - দেশটি তাদের ব্যাংক ও অর্থনীতির ওপর সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব এড়াতে এবং রাশিয়ার গ্যাসের ওপর নির্ভরতার কারণে কিছু ক্ষেত্রে সতর্ক অবস্থান নেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুলগেরিয়া — এই দেশটি রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইইউ-এর অধিকাংশ নিষেধাজ্ঞা ও পদক্ষেপে সমর্থন জানিয়েছিল। B) বেলজিয়াম — বেলজিয়াম ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞার কট্টর সমর্থক। C) বেলারুশ — বেলারুশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয় এবং দেশটি ইউক্রেন আক্রমণে রাশিয়াকে সরাসরি সহায়তা করেছে। D) অস্ট্রিয়া — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এটি ইইউ সদস্য হওয়া সত্ত্বেও রাশিয়ার ওপর কিছু নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করেছিল। মনে রাখার টিপস: নিরপেক্ষ দেশ হিসেবে পরিচিত অস্ট্রিয়া রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতে ইইউ-এর কিছু নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল।
a ৫ টি
b ৬ টি
c ৭ টি
d ৮ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ টি কেন সঠিক: - প্রতিষ্ঠাকালে আরব লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ ছিল মোট ছয়টি। - ১৯৪৫ সালের ২২ মার্চ গঠিত এই আঞ্চলিক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশগুলো ছিল মিসর, ইরাক, ট্রান্সজর্ডান (বর্তমান জর্ডান), লেবানন, সৌদি আরব ও সিরিয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ টি — প্রতিষ্ঠাকালে আরব লীগের সদস্য সংখ্যা পাঁচ ছিল না, বরং ছয়টি দেশ নিয়ে এটি গঠিত হয়েছিল। B) ৬ টি — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রতিষ্ঠাকালে এই সংস্থার সদস্য সংখ্যা ছয়টি ছিল। C) ৭ টি — প্রতিষ্ঠাকালে সদস্য সংখ্যা সাতটি ছিল না, পরে অন্যান্য দেশ এতে যুক্ত হয়। D) ৮ টি — প্রতিষ্ঠাকালে আরব লীগের সদস্য সংখ্যা আটটি ছিল না, শুরুর সংখ্যা ছিল ছয়। মনে রাখার টিপস: আরব লীগ প্রতিষ্ঠার সময় সদস্য ছিল ছয়টি, এভাবে মনে রাখতে পারেন ছ দিয়ে ছয়টি দেশ।

মোট প্রশ্ন (10)

a অভিযোজন
b মাধ্যাকর্ষণ
c মহাকর্ষ
d ত্বরণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাধ্যাকর্ষণ ১. কেন সঠিক: - পৃথিবী এবং অন্য যে কোনো বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ বলকে নির্দিষ্টভাবে মাধ্যাকর্ষণ বলা হয়। - মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ হলো মহাকর্ষ, আর তার একটি যদি পৃথিবী হয় তবে তাকে মাধ্যাকর্ষণ বা অভিকর্ষ বলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মহাকর্ষের একটি বিশেষ রূপ হলো মাধ্যাকর্ষণ, যেখানে পৃথিবী নিজে তার কেন্দ্রের দিকে অন্য বস্তুকে আকর্ষণ করে। - কারণ ও ফলাফল: এই আকর্ষণের ফলেই পৃথিবী তার পৃষ্ঠের সমস্ত বস্তুকে ধরে রাখে এবং কোনো বস্তু উপরে ছুড়ে দিলে তা আবার মাটিতে ফিরে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাকা আপেলের মাটিতে পড়ে যাওয়া। ব্যাখ্যা: পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ বলের টানেই আপেলটি ওপর থেকে নিচে মাটির দিকে নেমে আসে। উদাহরণ ২: হাত থেকে খাতা বা কলম ফসকে নিচে পড়ে যাওয়া। ব্যাখ্যা: এটিও পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে ঘটে থাকে, যা বস্তুকে নিজের কেন্দ্রের দিকে টানে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অভিযোজন — এটি জীববিজ্ঞানের একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে জীব পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়। তাই এটি সঠিক নয়। B) মাধ্যাকর্ষণ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা পৃথিবী ও অন্য বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণকে নির্দেশ করে। সি) মহাকর্ষ — মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণকে মহাকর্ষ বলে, এটি পৃথিবীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও বিশেষ ক্ষেত্রে মাধ্যাকর্ষণ বলা হয়। D) ত্বরণ — বেগ বৃদ্ধির হারকে ত্বরণ বলা হয়, যা বল প্রয়োগের ফলে বস্তুতে সৃষ্টি হয়। এটি কোনো আকর্ষণ বল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মহাবিশ্ব মানে মহাকর্ষ এবং পৃথিবী মানে মাধ্যাকর্ষণ বা অভিকর্ষ, এই পার্থক্যটি মনে রাখলে ভুল হবে না। - পৃথিবী সম্পর্কিত আকর্ষণ বুঝাতে ম দিয়ে শুরু মাধ্যাকর্ষণ বা অভিকর্ষ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মহাকর্ষ ও মাধ্যাকর্ষণের মৌলিক পার্থক্য প্রায়ই আসে। - নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র এবং গ্যালিলিওর পতনশীল বস্তুর সূত্র এই টপিকের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
a ২০-৩০
b ৩০-৪০
c ৪০-৫০
d ৫০-৬০
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪০-৫০ ১. কেন সঠিক: - মানবদেহের অস্থি বা হাড় সম্পূর্ণ শুষ্ক কোনো কাঠামো নয়, এর মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণে পানি ও জৈব-অজৈব উপাদান বিদ্যমান থাকে। - বৈজ্ঞানিকভাবে মানুষের জীবন্ত হাড়ের গঠনে প্রায় শতকরা চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ ভাগ জল বা তরল পদার্থ থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্রের প্রধান উপাদান হলো হাড় বা অস্থি, যা মূলত কঠিন সংযোজক কলা হিসেবে কাজ করে। - কার্যপ্রণালি: হাড়ের ভেতরে কোলাজেন নামক প্রোটিন ফাইবার এবং ক্যালসিয়াম ফসফেটের মতো খনিজ লবণের পাশাপাশি জল বা তরল কোষীয় মাধ্যম সক্রিয় থাকে। - বাস্তব প্রয়োগ: হাড়ের ভেতরে এই নির্দিষ্ট পরিমাণ পানির উপস্থিতি হাড়কে প্রয়োজনীয় নমনীয়তা প্রদান করে এবং হঠাৎ কোনো আঘাতে ভেঙে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুর হাড় ব্যাখ্যা: শিশুদের হাড়ে পানি এবং জৈব উপাদানের পরিমাণ বয়স্কদের তুলনায় অনেক বেশি থাকে, ফলে তাদের হাড় নমনীয় হয় এবং সহজে ভাঙে না। উদাহরণ ২: জীবন্ত হাড় বনাম জীবাশ্ম ব্যাখ্যা: লক্ষ লক্ষ বছর আগে মৃত প্রাণীর হাড়ে পানি ও জৈব উপাদান সম্পূর্ণ শুকিয়ে বা খনিজ দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়ে পাথরে পরিণত হয়, যাকে জীবাশ্ম বলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০-৩০ — এই পরিমাণটি অত্যন্ত কম এবং এটি শুষ্ক ও প্রক্রিয়াজাত হাড়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে, জীবন্ত হাড়ের নয়। B) ৩০-৪০ — এই মাত্রাটি মানুষের জীবন্ত হাড়ের স্বাভাবিক পানি ধারণক্ষমতার নিচের সীমার কাছাকাছি, তাই এটি সঠিক নয়। C) ৪০-৫০ — এটি জীবন্ত মানবদেহের হাড়ে পানির স্বাভাবিক শতকরা হার নির্দেশ করে, যা শারীরতাত্ত্বিকভাবে প্রমাণিত। D) ৫০-৬০ — এই পরিমাণটি তুলনামূলকভাবে বেশি, যা মানবদেহের পেশি বা রক্তের পানির পরিমাণের সাথে মিলে যায়, হাড়ের সাথে নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: হাড়ের হিসাব মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে মানবদেহের হাড় অর্ধেক জল এবং অর্ধেক খনিজ ও প্রোটিন দ্বারা গঠিত, তাই এর পানির পরিমাণ চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মানবদেহের মোট ওজনের প্রায় আঠারো শতাংশ হলো হাড়ের ওজন এবং হাড়ের প্রধান খনিজ উপাদান হলো ক্যালসিয়াম ফসফেট। এই টপিক থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হাড়ের খনিজ উপাদান বা কোলাজেন প্রোটিন সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
a ডায়মন্ড
b সাদা ফসফরাস
c রম্বিক সালফার
d ফসফিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফসফিন ১. কেন সঠিক: - ফসফিন হলো একটি রাসায়নিক যৌগ, যা ফসফরাস এবং হাইড্রোজেন মৌলের সমন্বয়ে গঠিত। - মৌলিক পদার্থ হলো সেই পদার্থ যাকে ভাঙলে বা রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করলে অন্য কোনো সরল পদার্থ পাওয়া যায় না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে পদার্থ কেবল একটিমাত্র নির্দিষ্ট ধরনের পরমাণু দ্বারা গঠিত এবং অন্য কোনো পদার্থে বিভক্ত করা যায় না, তাকে মৌলিক পদার্থ বলে। - রাসায়নিক সংকেত: ফসফিনের রাসায়নিক সংকেত PH3, যা নির্দেশ করে এটি একাধিক মৌলের পরমাণু নিয়ে গঠিত যৌগিক পদার্থ। - গঠন: একটি ফসফরাস পরমাণু এবং তিনটি হাইড্রোজেন পরমাণু সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে ফসফিন গ্যাস উৎপন্ন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পানি একটি যৌগিক পদার্থ কারণ হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন মিলে এটি তৈরি হয়। ব্যাখ্যা: ঠিক যেমন পানিকে ভাঙলে দুটি ভিন্ন মৌল পাওয়া যায়, তেমনি ফসফিনকে ভাঙলেও ফসফরাস ও হাইড্রোজেন পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: কার্বন ডাইঅক্সাইড একটি যৌগিক পদার্থ। ব্যাখ্যা: এতে কার্বন এবং অক্সিজেন নামক দুটি ভিন্ন মৌল নির্দিষ্ট অনুপাতে যুক্ত থাকে, যা একে মৌলিক পদার্থের তালিকা থেকে আলাদা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডায়মন্ড — ডায়মন্ড বা হীরা কার্বনের একটি বিশুদ্ধ রূপ বা অ্যালোট্রপ, যা কেবল কার্বন পরমাণু দ্বারা গঠিত হওয়ায় এটি একটি মৌলিক পদার্থ। B) সাদা ফসফরাস — সাদা ফসফরাস হলো ফসফরাস মৌলের একটি রূপভেদ যা শুধুমাত্র ফসফরাস পরমাণু নিয়ে গঠিত এবং এটি মৌলিক পদার্থ। C) রম্বিক সালফার — রম্বিক সালফার গন্ধক বা সালফার মৌলের একটি স্ফটিকাকার রূপভেদ, যা কেবল সালফার পরমাণু দিয়ে গঠিত হওয়ায় মৌলিক পদার্থ। D) ফসফিন — এটি ফসফরাস ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত একটি যৌগিক পদার্থ, তাই এটি মৌলিক পদার্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যেসকল পদার্থের নির্দিষ্ট রাসায়নিক সংকেত যেমন PH3, H2O, CO2 থাকে এবং একাধিক মৌল মিলে গঠিত হয়, সেগুলো যৌগিক পদার্থ। - হীরা, সালফার বা ফসফরাসের বিভিন্ন রূপ হলো মৌলিক পদার্থের বিভিন্ন রূপভেদ বা অ্যালোট্রপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরীক্ষায় প্রায়ই মৌলিক ও যৌগিক পদার্থের উদাহরণ থেকে প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে বিভিন্ন রূপভেদ যেমন হীরা, গ্রাফাইট ও ওজোন মৌলিক পদার্থ কি না তা জানতে চাওয়া হয়। - ফসফিনের মতো অন্য যৌগ যেমন অ্যামোনিয়া বা মিথেন যৌগিক পদার্থ, কারণ এগুলো একাধিক ভিন্ন মৌল দ্বারা গঠিত।
a টারটারিক এসিড
b কার্বনিক এসিড
c ইথানয়িক এসিড
d সাইট্রিক এসিড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কার্বনিক এসিড ১. কেন সঠিক: কোমল পানীয় বা সোডা ওয়াটারে উচ্চ চাপে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস দ্রবীভূত করা হয়। এই গ্যাস পানির সঙ্গে রাসায়নিকভাবে বিক্রিয়া করে কার্বনিক এসিড তৈরি করে যা পানীয়টিতে মৃদু টক স্বাদ দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: কার্বনিক এসিড একটি দুর্বল ও অস্থায়ী অজৈব এসিড যার রাসায়নিক সংকেত এইচ টু সি ও থ্রি। কার্যপ্রণালি: কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস পানির সঙ্গে বিক্রিয়া করে এই এসিড উৎপন্ন করে এবং বোতলের ছিপি খুললে চাপের পার্থক্যের কারণে বুদবুদ আকারে গ্যাস হিসেবে উড়ে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোকাকোলা বা পেপসির মতো কোমল পানীয়ের বোতল খুললে যে সাঁইসাঁই শব্দে বুদবুদ ওঠে তা মূলত কার্বনিক এসিড ভেঙে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস হয়ে বের হওয়ার দৃশ্য। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে কোমল পানীয়তে দ্রবীভূত অবস্থায় কার্বনিক এসিড বিদ্যমান থাকে। উদাহরণ ২: ক্লাব সোডা বা স্প্রাইট পানের সময় জিহ্বায় যে সুড়সুড়ি ভাব বা মৃদু ঝাঁঝালো অনুভূতির সৃষ্টি হয়। ব্যাখ্যা: এই বিশেষ স্বাদ ও অনুভূতির জন্য কার্বনিক এসিড সরাসরি দায়ী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টারটারিক এসিড — এটি মূলত তেঁতুল ও কাঁচা আমে প্রাকৃতিকভাবে বিদ্যমান থাকে। B) কার্বনিক এসিড — কোমল পানীয়তে বিদ্যমান প্রধান এসিড যা সঠিক উত্তর। C) ইথানয়িক এসিড — এটি ভিনেগার বা সিরকায় প্রধান উপাদান হিসেবে থাকে। D) সাইট্রিক এসিড — এটি লেবু, কমলা এবং অন্যান্য টক জাতীয় ফলে পাওয়া যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: কোমল পানীয়তে থাকে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস আর গ্যাস থেকে মনে রাখবে কার্বনিক এসিড। সোডার বোতলের সঙ্গে কার্বনিক এসিডের নাম এভাবে চিরতরে আটকে নাও। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কোমল পানীয়ের pH মাত্রা সাধারণত তিন থেকে চার এর মধ্যে থাকে যা একে অম্লীয় করে তোলে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে সোডা ওয়াটারে কোন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
a ইনসুলিন
b পেপসিন
c পেনিসিলিন
d ইথিলিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পেনিসিলিন ১. কেন সঠিক: - পেনিসিলিন একটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক যা ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর গঠনে বাধা সৃষ্টি করে তাদের ধ্বংস করে। - এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য ব্যবহৃত এক ধরনের জীবনরক্ষাকারী ওষুধ। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অ্যান্টিবায়োটিক হলো এমন রাসায়নিক পদার্থ যা অণুজীব থেকে প্রস্তুত হয় এবং ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস বা বৃদ্ধি রোধ করে। - কার্যপ্রণালি: এটি মানবদেহের উপকারী কোষের ক্ষতি না করে শুধুমাত্র প্যাথোজেনিক ব্যাকটেরিয়ার ওপর আক্রমণ চালায়। - বাস্তব প্রয়োগ: নিউমোনিয়া, ডিপথেরিয়া এবং গনরিয়ার মতো মারাত্মক ব্যাকটেরিয়াঘটিত রোগ চিকিৎসায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯২৮ সালে আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিয়াম নোটাটাম নামক ছত্রাক থেকে পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন। ব্যাখ্যা: এটি প্রকৃতিতে উৎপন্ন পদার্থের সাহায্যে প্রথম সফল ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী ওষুধ আবিষ্কারের বাস্তব উদাহরণ। উদাহরণ ২: গলাব্যথা বা টনসিলের সংক্রমণে চিকিৎসকরা অ্যান্টিবায়োটিক প্রেসক্রাইব করেন। ব্যাখ্যা: এটি দেহে আক্রমণকারী ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধি রোধ করে রোগ সারাতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইনসুলিন — এটি কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয়, এটি অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী একটি হরমোন। B) পেপসিন — এটি কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয়, এটি পাকস্থলীতে আমি জাতীয় খাদ্য পরিপাক করতে সাহায্যকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসেচক বা এনজাইম। C) পেনিসিলিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসকারী প্রথম সফল অ্যান্টিবায়োটিক বা জীবাণুরোধী ওষুধ। D) ইথিলিন — এটি কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয়, এটি ফল পাকাতে সাহায্যকারী একটি প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত বায়বীয় উদ্ভিদ হরমোন। ৫ মনে রাখার টিপস: - অ্যান্টিবায়োটিক নামের শেষে সাধারণত ইন বা লিন শব্দ থাকে যেমন পেনিসিলিন। - হরমোন বা উৎসেচকের সঙ্গে অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যপদ্ধতির পার্থক্য মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আলেকজান্ডার ফ্লেমিং কত সালে পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন তা প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - অ্যান্টিবায়োটিক শুধু ব্যাকটেরিয়া দমনে কার্যকর, ভাইরাসজনিত রোগ যেমন সর্দি-কাশিতে এটি কাজ করে না।
a ডায়রিয়া
b টাইফয়েড
c ম্যালেরিয়া
d আমাশয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ম্যালেরিয়া ১. কেন সঠিক: ম্যালেরিয়া কোনো পানিবাহিত রোগ নয়, এটি একটি মশাবাহিত সংক্রামক রোগ। অ্যানোফিলিস মশার কামড়ের মাধ্যমে প্লাজমোডিয়াম নামক পরজীবী মানবদেহে প্রবেশ করে এই রোগ সৃষ্টি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পানিবাহিত রোগ হলো সেই সমস্ত রোগ যা সাধারণত দূষিত পানি পানের মাধ্যমে ছড়ায়। রোগ, জীবাণু ও রোগ প্রতিরোধ: ম্যালেরিয়া রোগের প্রধান বাহক হলো স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা এবং এর জীবাণু হলো একধরনের এককোষী পরজীবী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বর্ষাকালে জমে থাকা পানিতে মশার বংশবৃদ্ধি ঘটে এবং কামড়ের মাধ্যমে ম্যালেরিয়া ছড়ায়। ব্যাখ্যা: এটি পরিষ্কার করে যে ম্যালেরিয়ার সঙ্গে পানির গুণাগুণের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই, বরং এটি মশার জীবনচক্রের সঙ্গে সম্পর্কিত। উদাহরণ ২: নদী বা খালের দূষিত পানি পানের কারণে টাইফয়েড বা ডায়রিয়া হতে পারে। ব্যাখ্যা: এটি পানিবাহিত রোগের প্রকৃত প্রকৃতি ও সংক্রমণের পথ নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডায়রিয়া — এটি একটি অত্যন্ত পরিচিত পানিবাহিত রোগ যা দূষিত পানি ও খাদ্যের মাধ্যমে ছড়ায়। B) টাইফয়েড — এটি সালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়াজনিত পানিবাহিত রোগ যা দূষিত পানির মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। C) ম্যালেরিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পানির মাধ্যমে ছড়ায় না, বরং মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। D) আমাশয় — এটি অ্যামিবা বা ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া পানিবাহিত রোগ যা অস্বাস্থ্যকর পানি পানের ফলে হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পানিবাহিত রোগগুলো সাধারণত পেটের পীড়া সৃষ্টি করে যেমন ডায়রিয়া, টাইফয়েড ও আমাশয়। অন্যদিকে ম্যালেরিয়া হলো মশার কামড়ে হওয়া জ্বর, তাই এটি পানি পানের সঙ্গে যুক্ত নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পানিবাহিত ও মশাবাহিত রোগের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া এবং চিকুনগুনিয়া হলো মশাবাহিত রোগ, আর কলেরা, ডায়রিয়া ও টাইফয়েড হলো পানিবাহিত রোগ।
a পৃথিবী
b চাঁদ
c বৃহস্পতি
d শনি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চাঁদ ১. কেন সঠিক: - চাঁদ আমাদের সৌরজগতের কোনো গ্রহ নয়, এটি পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ। - গ্রহ হওয়ার জন্য সূর্যকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘোরার পাশাপাশি নিজস্ব মহাকর্ষ বল থাকতে হয় এবং অন্যান্য গ্রহের কক্ষপথ পরিষ্কার রাখতে হয়, যা চাঁদের নেই। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সৌরজগৎ গঠিত হয়েছে সূর্য এবং তার মহাকর্ষীয় বলের অধীনে আবদ্ধ গ্রহ, বামন গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণু ও ধূমকেতু নিয়ে। - কার্যপ্রণালি: চাঁদ নিজস্ব আলোহীন একটি জ্যোতিষ্ক যা সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে এবং পৃথিবীর মহাকর্ষের টানে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পৃথিবী ব্যাখ্যা: পৃথিবী সূর্যের চারদিকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে আবর্তন করে এবং এটি সৌরজগতের একটি প্রধান গ্রহ। উদাহরণ ২: গ্যানিমিড ব্যাখ্যা: এটি বৃহস্পতির একটি প্রাকৃতিক উপগ্রহ, যা সৌরজগতের বৃহত্তম উপগ্রহ হওয়া সত্ত্বেও কোনো গ্রহ নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পৃথিবী — এটি সৌরজগতের একটি প্রধান গ্রহ এবং সূর্যের চারদিকে আবর্তন করে। B) চাঁদ — এটি কোনো গ্রহ নয়, বরং পৃথিবীর একটি প্রাকৃতিক উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট। C) বৃহস্পতি — এটি সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ এবং সূর্যের চারদিকে ঘোরে। D) শনি — এটি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ এবং এর চারপাশে সুন্দর বলয় রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - গ্রহ হলো যা সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে, আর উপগ্রহ হলো যা গ্রহকে প্রদক্ষিণ করে। চাঁদ পৃথিবীকে ঘোরে তাই এটি উপগ্রহ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতি এবং ক্ষুদ্রতম গ্রহ বুধ। - সৌরজগতে গ্রহের সংখ্যা আটটি।
a MT test
b তেজস্ক্রিয় বিকিরণ
c বৈদ্যুতিক তরঙ্গ
d চৌম্বক তরঙ্গ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ১. কেন সঠিক: - তেজস্ক্রিয় বিকিরণ প্রয়োগ করে দ্রুত বিভাজিত হওয়া ক্যান্সার কোষের ডিএনএ ধ্বংস করা হয়, ফলে কোষগুলো মারা যায়। - এই চিকিৎসাকে রেডিওথেরাপি বলা হয়, যা নিয়ন্ত্রিত উপায়ে সুনির্দিষ্ট স্থানে প্রয়োগ করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ক্যান্সার হলো এমন একটি রোগ যেখানে শরীরের কোষগুলো অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভাজিত হয় এবং সুস্থ টিস্যুকে আক্রমণ করে। - কার্যপ্রণালি: উচ্চ শক্তির তেজস্ক্রিয় রশ্মি ক্যান্সার কোষের জিনগত উপাদানে আঘাত করে, যার ফলে কোষগুলো আর বংশবৃদ্ধি করতে পারে না এবং ধ্বংস হয়ে যায়। - বাস্তব প্রয়োগ: টিউমার বা ম্যালিগন্যান্ট কোষের বৃদ্ধি রোধে রেডিওথেরাপি চিকিৎসায় এটি সরাসরি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোবাল্ট ষাট আইসোটোপ থেকে নির্গত গামা রশ্মি ব্যবহার করে শরীরের ভেতরের গভীরের টিউমার ধ্বংস করা হয়। ব্যাখ্যা: এই উচ্চ শক্তির রশ্মি সুস্থ কোষের কম ক্ষতি করে সরাসরি ক্যান্সার কোষকে লক্ষ্যবস্তু বানায়। উদাহরণ ২: ত্বকের ক্যান্সারের চিকিৎসায় ইলেকট্রন বিম বা এক্স-রে ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এই বিকিরণগুলো ত্বকের উপরিভাগের কোষে কাজ করে এবং ক্ষতিকারক কোষগুলোকে পুড়িয়ে বা নষ্ট করে ফেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) MT test — এটি ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত কোনো পদ্ধতি বা পরীক্ষা নয়, বরং এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি পরিভাষা। B) তেজস্ক্রিয় বিকিরণ — এটি ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করার একটি স্বীকৃত ও অত্যন্ত কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি। C) বৈদ্যুতিক তরঙ্গ — এটি সাধারণ যোগাযোগ বা ফিজিক্যাল থেরাপিতে ব্যবহৃত হয়, ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে সরাসরি ব্যবহৃত হয় না। D) চৌম্বক তরঙ্গ — এটি সাধারণত এমআরআই বা রোগ নির্ণয়ের কাজে ব্যবহৃত হয়, কোনো কোষ ধ্বংস করার প্রধান পদ্ধতি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্যান্সার চিকিৎসায় রশ্মি বা রেডিয়েশনের ব্যবহার মনে রাখতে 'রেডিওথেরাপি' শব্দটি মাথায় রাখবে, যা তেজস্ক্রিয় বিকিরণ থেকে আসে। - বিকিরণ শক্তি ক্যান্সার কোষের ডিএনএ ভেঙে ফেলে, এই সহজ সম্পর্কটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত কোবাল্ট ষাট কোন ধরনের রশ্মি ছড়ায়, তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। - কোবাল্ট ষাট থেকে গামা রশ্মি নির্গত হয়, যা রেডিওথেরাপিতে বহুল ব্যবহৃত।
a সীসা
b পারদ
c রূপা
d দস্তা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পারদ ১. কেন সঠিক: পারদ একটি তরল ধাতু এবং এর তাপীয় প্রসারণ গুণাঙ্ক বেশ সুষম। তাপমাত্রা পরিবর্তনের সাথে পারদ দ্রুত ও সমানভাবে প্রসারিত বা সংকুচিত হয় বলে থার্মোমিটারে এটি ব্যবহৃত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে তরলের আয়তন পরিবর্তনের ধর্মকে কাজে লাগিয়ে থার্মোমিটার তৈরি করা হয়। কার্যপ্রণালি: থার্মোমিটারের কুন্ডলীতে থাকা পারদ তাপ পেলে প্রসারিত হয়ে সরু নল বেয়ে উপরে ওঠে এবং ঠান্ডা হলে সংকুচিত হয়ে নিচে নামে। বাস্তব প্রয়োগ: মানবদেহের জ্বর মাপার জন্য ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটারে পারদের এই প্রসারণ ধর্ম ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জ্বর মাপার সময় শরীরের সংস্পর্শে আসার পর থার্মোমিটারের পারদের স্তম্ভ উপরে উঠতে শুরু করে। ব্যাখ্যা: শরীরের তাপ পারদে সঞ্চারিত হলে তাপীয় প্রসারণের কারণে পারদ আয়তনে বৃদ্ধি পায় এবং মান নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: আবহাওয়া অফিসের পারদ থার্মোমিটারের সাহায্যে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা মাপা হয়। ব্যাখ্যা: পরিবেশের উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে সাথে পারদের প্রসারণ ঘটে যা স্কেলের মাধ্যমে পরিমাপ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সীসা — সীসা সাধারণ তাপমাত্রায় কঠিন ধাতু এবং এর তাপীয় প্রসারণ পারদের মতো সুষম ও দৃশ্যমান নয়। B) পারদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি তরল ধাতু এবং তাপমাত্রার পরিবর্তনে দ্রুত ও সুষমভাবে প্রসারিত হয়। C) রূপা — রূপা একটি কঠিন ও মূল্যবান ধাতু, যা থার্মোমিটারে তরল হিসেবে ব্যবহার করা যায় না। D) দস্তা — দস্তা সাধারণ তাপমাত্রায় কঠিন ধাতু এবং থার্মোমিটারে তাপমাত্রা পরিমাপের উপযোগী তরল মাধ্যম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: থার্মোমিটারে থাকা একমাত্র তরল ধাতুর নাম পারদ, যার রাসায়নিক প্রতীক এইচজি। তরল অবস্থার কারণে এটি সহজেই থার্মোমিটারের নলে চলাচল করতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণপরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন ধাতু সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে, যার উত্তর পারদ। এছাড়া পারদ কাঁচের গায়ে লেগে থাকে না বলে এর পাঠ নিখুঁত হয়।
a Pneumococcus
b Plasmodium
c Mycobacterium tuberculosis
d Streptococcus
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Mycobacterium tuberculosis ১. কেন সঠিক: - যক্ষ্মা বা টিবি একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ যা Mycobacterium tuberculosis নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে ছড়ায়। - এই ব্যাকটেরিয়া প্রধানত ফুসফুসকে আক্রমণ করে এবং হাঁচি-কাশির মাধ্যমে বাতাসের সাহায্যে একজন থেকে অন্যজনে ছড়ায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রোগ, জীবাণু ও রোগ প্রতিরোধ - কার্যপ্রণালি: শরীরে প্রবেশের পর এই ব্যাকটেরিয়া রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে ফুসফুসে গিট বা টিউবারকল তৈরি করে। - বাস্তব প্রয়োগ: যক্ষ্মা প্রতিরোধের জন্য শিশুদের বিসিজি টিকা দেওয়া হয় এবং রোগ হলে দীর্ঘ মেয়াদী অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা নিতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফুসফুসের যক্ষ্মা ব্যাখ্যা: এতে রোগীর দীর্ঘস্থায়ী কাশি, কফের সাথে রক্ত যাওয়া এবং ওজন হ্রাস পায়। উদাহরণ ২: অস্থি যক্ষ্মা ব্যাখ্যা: এই জীবাণু ফুসফুস ছাড়াও শরীরের অন্যান্য অঙ্গ যেমন হাড় বা মেরুদণ্ডেও আক্রমণ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pneumococcus — এটি নিউমোনিয়া রোগের জন্য দায়ী একটি ব্যাকটেরিয়া, যক্ষ্মার জন্য নয়। B) Plasmodium — এটি ম্যালেরিয়া রোগের জন্য দায়ী এক ধরণের পরজীবী বা প্রোটোজোয়া। C) Mycobacterium tuberculosis — এটি যক্ষ্মা রোগের জন্য দায়ী নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া এবং এটিই সঠিক উত্তর। D) Streptococcus — এটি সাধারণত গলাব্যথা, টনসিল এবং রিউমাটিক ফিভারের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া। ৫ মনে রাখার টিপস: - যক্ষ্মা রোগের ইংরেজি নাম টিউবারকুলোসিস এবং এর জীবাণুর নামের সাথেও টিউবারকুলোসিস শব্দটি যুক্ত আছে। - টিবি রোগের জীবাণু আবিষ্কার করেন রবার্ট কখ, তাই একে কখস ব্যাসিলাসও বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন রোগের জীবাণুর নাম থেকে প্রশ্ন আসে। - যক্ষ্মা জীবাণু আবিষ্কারক রবার্ট কখ নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন এবং এই প্রশ্নটি বিভিন্ন ব্যাংক নিয়োগেও বারবার আসে।

মোট প্রশ্ন (2)

a চীন ও পাকিস্তান
b পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
c ভারত ও পাকিস্তান
d চীন ও ভারত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চীন ও ভারত ১. কেন সঠিক: - ম্যাকমোহন লাইন মূলত ভারত ও চীনের পূর্বাঞ্চলীয় সীমানা নির্দেশ করে। - ব্রিটিশ ভারতের ঔপনিবেশিক আমলে ১৯১৪ সালে সিমলা সম্মেলনে এই সীমান্তরেখা নির্ধারিত হয়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: হিমালয় অঞ্চলের পূর্ব প্রান্তে ভারত ও চীনের মধ্যে অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি মূলত অরুণাচল প্রদেশ এবং তিব্বত অঞ্চলের মধ্যকার ভৌগোলিক সীমান্ত হিসেবে পরিচিত। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: চীন সরকার এই সীমান্তরেখাকে স্বীকৃতি দেয় না এবং অরুণাচল প্রদেশকে দক্ষিণ তিব্বত হিসেবে দাবি করে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: সিমলা কনভেনশন ১৯১৪ ব্যাখ্যা: এই সম্মেলনে ব্রিটিশ ভারত, তিব্বত ও চীন প্রতিনিধিদের মধ্যে সীমান্ত নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা হয়। উদাহরণ ২: অরুণাচল প্রদেশ বিতর্ক ব্যাখ্যা: ম্যাকমোহন লাইনকে কেন্দ্র করে এই অঞ্চলে প্রায়ই দুই দেশের মধ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন ও পাকিস্তান — এই দেশের সীমান্তকে ম্যাকমোহন লাইন বলা হয় না, এদের সীমানার নাম চীন-পাকিস্তান চুক্তিভিত্তিক সীমান্ত। B) পাকিস্তান ও আফগানিস্তান — পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী রেখাকে ডুরান্ড লাইন বলা হয়। C) ভারত ও পাকিস্তান — ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী রেখাকে র‍্যাডক্লিফ লাইন বলা হয়। D) চীন ও ভারত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দুই দেশের পূর্ব সীমান্ত ম্যাকমোহন লাইন নামে পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: ম্যাকমোহন নামের সাথে চীন ও ভারতের সীমান্ত মনে রাখতে 'মাক' শব্দটিকে চীনের প্রাচীরের সাথে মেলানো যেতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন দেশের সীমান্তরেখার নাম প্রায়ই আসে। যেমন ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত হলো র‍্যাডক্লিফ লাইন।
a ভারত মহাসাগর
b পারস্য উপসাগর
c আরব সাগর
d বঙ্গোপসাগর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভারত মহাসাগর ১. কেন সঠিক: মালদ্বীপ একটি দ্বীপরাষ্ট্র যা দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত মহাসাগরের ঠিক মধ্যভাগে অবস্থিত। এর চারপাশেই ভারত মহাসাগরের নীল জলরাশি বিস্তৃত রয়েছে এবং এটি এশিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন একটি সামুদ্রিক রাষ্ট্র। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: ভারত মহাসাগরের ল্যাকাডিভ সাগরের দক্ষিণ প্রান্তে এটি অবস্থিত। বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের অন্যতম নিচু দেশ এবং একাধিক প্রবাল দ্বীপ নিয়ে গঠিত। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: মরিশাস ব্যাখ্যা: মরিশাসও ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র। উদাহরণ ২: সেশেলস ব্যাখ্যা: সেশেলস ভারত মহাসাগরের আরেকটি বিখ্যাত দ্বীপরাষ্ট্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত মহাসাগর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ মালদ্বীপ এই মহাসাগরেই অবস্থিত। B) পারস্য উপসাগর — এটি মধ্যপ্রাচ্যের আরব উপদ্বীপ ও ইরানের মাঝখানে অবস্থিত। C) আরব সাগর — এটি ভারত মহাসাগরের একটি উত্তর অংশ এবং ভারতের পশ্চিমে অবস্থিত। D) বঙ্গোপসাগর — এটি ভারত মহাসাগরের পূর্ব অংশ এবং বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: ভারত মহাসাগরের মাঝখানে ছোট ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত মালদ্বীপ দেশটি অবস্থান করছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মালদ্বীপ বিশ্বের সবচেয়ে নিচু এবং প্রবাল গঠিত দ্বীপরাষ্ট্র। এই ধরনের দ্বীপরাষ্ট্রের ভৌগোলিক অবস্থান প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।