প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৫

পদের নাম: সহকারী শিক্ষক (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (79)

a মন্ত্রিপরিসদ
b মন্ত্রীপরিষদ
c মন্ত্রিপরিষদ
d মন্ত্রিপরিশন
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মন্ত্রিপরিষদ ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'মন্ত্রী' শব্দের সঙ্গে অন্য শব্দ যুক্ত হলে 'ঈ-কার' বদলে 'ই-কার' হয়। - 'পরিষদ' শব্দের বানান সর্বদা দ-এর সঙ্গে যুক্ত হয়, এখানে মূর্ধন্য ষ ব্যবহার করা ভুল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী পদ বা সমাসবদ্ধ পদে দীর্ঘী-কার হ্রস্বী-কার হয়ে যায়। - মন্ত্রী থেকে মন্ত্রি এবং পরিষদ মিলে গঠিত হয় মন্ত্রিপরিষদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জীবনীকোষ ব্যাখ্যা: জীবন শব্দের সঙ্গে ই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে জীবনী এবং পরে কোষ যুক্ত হলে ই-কার হয়। উদাহরণ ২: গুণীজন ব্যাখ্যা: গুণী শব্দের সঙ্গে জন যুক্ত হলে গুণিজন বানান শুদ্ধ হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মন্ত্রিপরিসদ — পরিষদ বানানে দ-এর পরিবর্তে স ব্যবহারের কারণে এই অপশনটি ভুল হয়েছে। B) মন্ত্রীপরিষদ — মন্ত্রী শব্দে দীর্ঘী-কার এবং পরিষদে মূর্ধন্য ষ থাকার কারণে এই বানানটি ভুল। D) মন্ত্রিপরিশন — পরিষণ শব্দের শেষ বর্ণটি ভুল হওয়ার কারণে এই অপশনটি সম্পূর্ণ অশুদ্ধ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ছোট পদের সঙ্গে বড় পদ যুক্ত হলে দীর্ঘী-কার ছোট হয়ে ই-কার হয়। - পরিষদ বানানে সবসময় দ ব্যবহার করতে হবে, ষ ব্যবহার করা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মন্ত্রী সংক্রান্ত সমাসবদ্ধ পদের বানান প্রায়ই আসে। - মন্ত্রীসভা, মন্ত্রিপরিষদ, সচিবালয় এ জাতীয় শব্দগুলোর ক্ষেত্রে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করতে হয়।
a বেগম সুফিয়া কামাল
b শামসুর রাহমান
c আল মাহমুদ
d আবুল হাসান
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শামসুর রাহমান কেন সঠিক: আধুনিক বাংলা কবিতার বরপুত্র শামসুর রাহমান তার কাব্যচর্চার পাশাপাশি গদ্যসাহিত্যেও রেখেছেন অসামান্য অবদান। 'অক্টোপাস' তার লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা বাংলা কথাসাহিত্যে এক বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: শামসুর রাহমান মূলত কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি বেশ কয়েকটি সফল উপন্যাস ও গল্প রচনা করেছেন। তার এই উপন্যাসে নাগরিক জীবন, মানুষের একাকীত্ব এবং মনস্তাত্ত্বিক সংকটের এক নিপুণ চিত্র ফুটে উঠেছে। যেমন তার অন্যান্য গদ্য রচনার মধ্যে 'অদ্ভুত আঁধার এক' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেগম সুফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি ও নারী অধিকার নেত্রী হলেও কোনো উপন্যাস লেখেননি। B) শামসুর রাহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি এই উপন্যাসের রচয়িতা। C) আল মাহমুদ — তিনি মূলত আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও 'অক্টোপাস' তার লেখা নয়। D) আবুল হাসান — তিনি ষাটের দশকের একজন প্রতিভাবান আধুনিক কবি ও সাংবাদিক হলেও কোনো উপন্যাস রচনা করেননি। মনে রাখার টিপস: শামসুর রাহমানের কবিতা যেমন বিখ্যাত, তেমনি তার গদ্যকর্ম মনে রাখতে অক্টোপাস নামটি বারবার চর্চা করতে হবে। কবি শামসুর রাহমানের গদ্য রচনার তালিকা থেকে এই উপন্যাসটি আলাদা করে ছক আকারে মুখস্থ রাখা যায়।
a শব্দের মূল
b শব্দ ও ধাতুর মূল
c -ধাতুর মূল
d প্রত্যয়যুক্ত শব্দ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শব্দ ও ধাতুর মূল ১. কেন সঠিক: ব্যাকরণে শব্দ বা পদের মূল অংশকে প্রকৃতি বলা হয়। প্রকৃতি দুই প্রকার, যেমন শব্দের মূল বা প্রাতিপদিক এবং ক্রিয়ার মূল বা ধাতু। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: নামপদের মূল বা প্রাতিপদিক এবং ক্রিয়ামূল বা ধাতুকে একত্রে প্রকৃতি বলা হয়। প্রকৃতির সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ বা পদ গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চল + আ = চলা। এখানে চল হলো ধাতু বা প্রকৃতির উদাহরণ। ব্যাখ্যা: এটি ক্রিয়ামূল নির্দেশ করে যার সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: ফুল + ইম = ফুলিম। এখানে ফুল হলো শব্দের মূল বা প্রকৃতির উদাহরণ। ব্যাখ্যা: এটি নামমূল নির্দেশ করে যা প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দের মূল — এটি শুধু নামপদের মূল বোঝায়, কিন্তু ক্রিয়ার মূল বা ধাতুকে অন্তর্ভুক্ত করে না। B) শব্দ ও ধাতুর মূল — এটি সঠিক কারণ প্রকৃতি বলতে নামমূল ও ক্রিয়ামূল উভয়কেই বোঝায়। C) ধাতুর মূল — এটি কেবল ক্রিয়ামূল নির্দেশ করে, কিন্তু শব্দের মূলকে বাদ দেয়। D) প্রত্যয়যুক্ত শব্দ — প্রকৃতি ও প্রত্যয় আলাদা বিষয়, প্রত্যয়যুক্ত শব্দকে সম্পূর্ণ পদ বা শব্দ বলা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রকৃতি মানেই উৎস বা মূল। শব্দ বা ধাতুর আদি রূপই হলো প্রকৃতি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রকৃতি প্রধানত দুই প্রকার, নাম প্রকৃতি ও ধাতু বা ক্রিয়া প্রকৃতি। এই বিভাজন থেকে প্রায়ই বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a অর্ণব
b জলধি
c অর্ক
d রাতুল
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অর্ক কেন সঠিক: - 'আফতাব' একটি ফার্সি শব্দ যার অর্থ সূর্য। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'অর্ক' শব্দটির অর্থও সূর্য, যা সঠিক সমার্থক শব্দ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় সমার্থক শব্দ বলতে একই অর্থ প্রকাশকারী ভিন্ন শব্দকে বোঝায়। - সূর্যোদয় ও প্রকৃতির বর্ণনায় প্রাচীন ও আধুনিক সাহিত্যে অর্ক শব্দটি বহুল ব্যবহৃত হয়। - সূর্যের অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে অর্ক, রবি, ভানু ও সূর্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) অর্ণব — এই শব্দটির অর্থ সমুদ্র বা সাগর। - B) জলধি — এই শব্দটির অর্থ সমুদ্র বা জল ধারণ করে যা। - C) অর্ক — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভুল নেই। - D) রাতুল — এই শব্দটির অর্থ লাল বা রক্তিম। মনে রাখার টিপস: - আফতাব এবং অর্ক উভয় শব্দই মূলত সূর্যকে বোঝায়।
a জসীমউদ্‌দীন
b ফররুখ আহমদ
c জীবনানন্দ দাশ
d গোলাম মোস্তফা
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জীবনানন্দ দাশ কেন সঠিক: - মহাপৃথিবী কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের লেখা। - এই কাব্যগ্রন্থে কবির প্রকৃতির রূপ এবং মানুষের জীবনের একাকীত্ব ও বিষণ্নতার গভীর প্রকাশ ঘটেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্য অঙ্গনে জীবনানন্দ দাশ রূপসী বাংলার কবি এবং আধুনিকতার প্রতীক হিসেবে পরিচিত। - মহাপৃথিবী কাব্যটি বাংলা ১৩৫১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। - এই বইটিতে কবির বিখ্যাত অনেক কবিতা স্থান পেয়েছে যা বাংলা কাব্যসাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) জসীমউদ্‌দীন — তিনি পল্লীকবি হিসেবে খ্যাত এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে নকশী কাঁথার মাঠ অন্যতম। - B) ফররুখ আহমদ — তিনি মূলত ইসলামী সংস্কৃতির পুনর্জাগরণবাদী কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ সাত সাগরের মাঝি। - C) জীবনানন্দ দাশ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - D) গোলাম মোস্তফা — তিনি একজন প্রখ্যাত মুসলিম রেনেসাঁস যুগের কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ বিষُবর্তিকা। মনে রাখার টিপস: - রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থের নাম হলো মহাপৃথিবী।
a শব্দতত্ত্বে
b বাক্যতত্ত্বে
c ধ্বনিতত্ত্বে
d রূপতত্ত্বে
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাক্যতত্ত্বে ১. কেন সঠিক: বাগধারা একটি পদের সমষ্টি বা একাধিক পদের বিশেষ অর্থ প্রকাশকারী বাক্যাংশ, যা বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। যেহেতু বাগধারা একক কোনো শব্দ বা ধ্বনি নয়, বরং এটি বাক্যের মধ্যে বিশেষ সৌন্দর্য ও অর্থ ফুটিয়ে তোলে, তাই এটি বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম অংশে বাক্যের গঠন, পদের বিন্যাস, বাক্যের রূপান্তর এবং বাক্যের মধ্যকার বিশেষ বাগভঙ্গি নিয়ে আলোচনা করা হয়। বাগধারাগুলো বাক্যের ভেতরে অবস্থান করে সম্পূর্ণ নতুন ও নান্দনিক অর্থ প্রকাশ করে বলে ব্যাকরণের বাক্যতত্ত্ব অধ্যায়ের এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকের কাঠি ব্যাখ্যা: এটি একটি বাগধারা যার অর্থ তোষামোদকারী, যা বাক্যে ব্যবহার করে বিশেষ অর্থ বোঝানো হয়। উদাহরণ ২: অকাল প্রয়াস ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটি বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে অসম্ভব বা বৃথা চেষ্টাকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দতত্ত্বে — শব্দতত্ত্বে শব্দ গঠন, উৎস, অর্থ এবং শব্দের রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করা হয়, কিন্তু বাগধারা শব্দের একক রূপ নয়। B) বাক্যতত্ত্বে — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাগধারা বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে এবং বাক্যতত্ত্বের আলোচনার অন্তর্ভুক্ত। C) ধ্বনিতত্ত্বে — ধ্বনিতত্ত্বে বর্ণ, উচ্চারণ, ধ্বনির পরিবর্তন ও নত্ব-ষত্ব বিধান নিয়ে আলোচনা করা হয়, যার সঙ্গে বাগধারার কোনো সম্পর্ক নেই। D) রূপতত্ত্বে — রূপতত্ত্বে পদ, বচন, লিঙ্গ, কারক ও বিভক্তি নিয়ে আলোচনা করা হয়, যা বাগধারার মূল আলোচ্য বিষয় নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাগধারা হলো বাক্যের বিশেষ অলংকার, আর অলংকার সবসময় বাক্যের সৌন্দর্য বাড়ায়। তাই বাগধারা মানেই বাক্যতত্ত্ব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা কোন তত্ত্বে আলোচিত হয়, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। মনে রাখবে শব্দ বা পদ একা বাগধারা হতে পারে না, বাক্যে বসার পরেই এর সার্থকতা তৈরি হয়।
a দিব্‌+লোক
b বিঃ + লোক
c দুঃ+ লোক
d দিক্ + সোক
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দিব্‌+লোক কেন সঠিক: ১. দিব্ শব্দের বকার এবং লোক শব্দের ল মিলে দুলোক বা দ্যুলোক গঠিত হয়। ২. এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে যেখানে ব-ফলা যুক্ত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মানুযায়ী পূর্বপদের অন্তস্থিত ব অনেক সময় পরবর্তী পদের সাথে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে। ২. এখানে দিব শব্দের সাথে লোক শব্দ যুক্ত হওয়ার সময় বিসর্গ বা অন্য কোনো পরিবর্তন না ঘটে দিব্‌+লোক রূপ ধারণ করে। ৩. যেমন অহর্নিশ বা পতঞ্জলির মতো এটিও সংস্করূতের একটি প্রচলিত সন্ধি যা বাংলায় গৃহীত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিব্‌+লোক — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম মেনেই দ্যুলোক শব্দ গঠন করে। B) বিঃ + লোক — বিসর্গ সন্ধির এই নিয়মটি এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ মূল শব্দে বিসর্গ নেই। C) দুঃ+ লোক — দুঃখ বা এ জাতীয় শব্দের ক্ষেত্রে এই নিয়ম খাপ খেলেও দ্যুলোকের জন্য এটি ভুল। D) দিক্ + সোক — দিক এবং সোক মিলে দ্যুলোক হয় না কারণ এখানে ব্যঞ্জনের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: ১. দ্যুলোক শব্দ দেখলে প্রথমে দিব্ মূল শব্দটি মনে রাখবে। ২. লোক শব্দের সাথে দিব যোগ করে সন্ধিটি মুখস্থ রাখবে।
a করণীয়
b রাক্ষস
c গন্ধদ্রব্যবিশেষ
d রাসায়নিক পদার্থ
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাক্ষস ১. কেন সঠিক: 'কর্বুর' একটি তৎসম শব্দ যার প্রচলিত অর্থ হলো রাক্ষস, দানব বা অসুর। বাংলা ভাষা ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ অংশে এই ধরনের তুলনামূলক কম ব্যবহৃত সংস্কৃত শব্দ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক একটি প্রশ্ন। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত যে সকল শব্দ অপরিবর্তিত রূপে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। 'কর্বুর' তেমনই একটি তৎসম শব্দ যা কাব্য বা প্রাচীন সাহিত্যে রাক্ষস অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুনিয়া ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ যার অর্থ পৃথিবী বা জগত। উদাহরণ ২: অনল ব্যাখ্যা: এটি আগুনের একটি সমার্থক শব্দ যা তৎসম শব্দের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণীয় — এই শব্দটির অর্থ যা করা উচিত বা কর্তব্য, যা 'কর্বুর' শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) রাক্ষস — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'কর্বুর' শব্দের অর্থ রাক্ষস বা অসুর। C) গন্ধদ্রব্যবিশেষ — এই অপশনটি সুগন্ধি জাতীয় কোনো পদার্থ বোঝায়, যা কর্বুরের অর্থ নয়। D) রাসায়নিক পদার্থ — এই শব্দটি বিজ্ঞান বা আধুনিক বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত, যা প্রাচীন শব্দটির অর্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কর্বুর শব্দটিতে কর এবং বুর অংশ রয়েছে, এটি মনে রেখে কর্বুর মানে রাক্ষস এভাবে মুখস্থ রাখতে পারেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের কঠিন শব্দ আয়ত্ত করতে প্রতিদিন অন্তত পাঁচটি করে নতুন শব্দের অর্থ পড়ার অভ্যাস করুন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অপ্রচলিত তৎসম শব্দের অর্থ জানতে চাওয়া হয়। তাই সাহিত্য ও ব্যাকরণের শব্দার্থ অংশ পড়ার সময় নির্বাচিত সংস্কৃত শব্দগুলোর সঠিক অর্থ ভালোভাবে রপ্ত করতে হবে।
a পীত
b কয়রা
c ধূসর
d আরক্ত
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধূসর ১. কেন সঠিক: - ঈষৎ বা সামান্য পাংশুবর্ণ বা ছাইরঙা বোঝাতে ধূসর শব্দটি ব্যবহার করা হয়। - বাক্য সংকোচনের নিয়ম অনুযায়ী একাধিক পদের ভাবকে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই রূপটি নির্ধারিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা বাক্যকে সংক্ষেপ ও সুন্দর করে তোলে। - অর্থ ঠিক রেখে বড় বাক্যাংশকে একটি শব্দে রূপান্তর করাই এর মূল কাজ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা সহজে জয় করা যায় না = দুর্জেয় ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত বাক্য সংকোচন যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। উদাহরণ ২: নদী মাত্রিক দেশ যার = নদীমাতৃক ব্যাখ্যা: সংক্ষিপ্ত করে শব্দের ভাব প্রকাশের জন্য এই বাক্য সংকোচন ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পীত — পীত শব্দের অর্থ হলুদ বর্ণ, যা ঈষৎ পাংশুবর্ণ বা ছাইরঙা বোঝায় না। B) কয়রা — কয়রা কোনো প্রমিত বাংলা রঙের নাম নয়, এটি একটি বিশেষ অঞ্চলের নাম হতে পারে। D) আরক্ত — আরক্ত শব্দের অর্থ ঈষৎ লাল বা লালচে, যা পাংশুবর্ণের বিপরীত। ৫ মনে রাখার টিপস: - ধূলি বা ছাই থেকে ধূসর শব্দের উৎপত্তি, তাই ছাইরঙা বা পাংশুবর্ণ দেখলেই ধূসর উত্তর নির্বাচন করবে। - রঙের ক্ষেত্রে এককথায় প্রকাশের শব্দগুলো ছক আকারে পড়লে সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রঙের রূপভিত্তিক বাক্য সংকোচন প্রায়ই আসে। - প্রমিত বাংলা শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে বাক্য সংকোচনের নিয়মিত চর্চা করা আবশ্যক।
a ভূষণ্ডী নামক স্থানের নাম
b অনভিজ্ঞ ব্যক্তি
c দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি
d বিশেষজাতের কাক
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি ১. কেন সঠিক: - ভূষণ্ডীর কাক বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ অনেক দীর্ঘ জীবন পাওয়া কাক এবং বিশেষ অর্থে এটি দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ বা প্রবীণ ব্যক্তিকে বোঝায়। - পৌরাণিক বা লোকজ বিশ্বাস অনুযায়ী ভূষণ্ডী নামের এক কাক অমরত্ব লাভ করেছিল এবং সে সৃষ্টির বহু পরিবর্তন নিজের চোখে দেখেছে। ২. ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে থাকে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা বাক্যকে আকর্ষণীয়, সুন্দর এবং ভাবগম্ভীর করে তোলার জন্য বহুল পরিমাণে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এই কাজের জন্য আমাদের একজন ভূষণ্ডীর কাক দরকার যিনি সব পরিস্থিতি সামলাতে পারবেন। ব্যাখ্যা: এখানে জটিল পরিস্থিতি মোকাবেলায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তির প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: রাজনীতিতে তিনি ভূষণ্ডীর কাক তাই তাকে সহজে বোকা বানানো যাবে না। ব্যাখ্যা: এখানে রাজনৈতিক মাঠে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে এমন একজন প্রবীণ ও চতুর ব্যক্তির কথা বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভূষণ্ডী নামক স্থানের নাম — ভূষণ্ডী কোনো পরিচিত ভৌগোলিক স্থান নয় বরং এটি একটি পৌরাণিক উপাখ্যানের সাথে যুক্ত। B) অনভিজ্ঞ ব্যক্তি — এটি সঠিক উত্তরের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে কারণ বাগধারাটি অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। D) বিশেষজাতের কাক — এটি কাকের কোনো জৈবিক বা বৈজ্ঞানিক প্রজাতি নয় বরং এটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত একটি বাগধারা। ৫ মনে রাখার টিপস: - কাক সাধারণত দীর্ঘদিন বাঁচে বলে লোকমুখে প্রচলিত আছে এবং ভূষণ্ডী নামের কাক সব যুগ দেখেছে। - এই ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক কল্পনার সাথে মিল রেখে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে ভূষণ্ডীর কাক বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই পৌরাণিক বা লোকজ শব্দভিত্তিক বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের বাগধারাগুলোর অন্তর্নিহিত বা রূপক অর্থ মনে রাখলেই খুব সহজে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব হয়।
a মন্দ্র
b মর্মন্তুদ
c মধুপ
d মন্ত্র
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মন্দ্র ১. কেন সঠিক: গম্ভীর বা গভীর ধ্বনি বা শব্দকে এককথায় মন্দ্র বলা হয়। এটি মূলত কোনো বিশেষ শব্দ, স্বর বা ধ্বনির গভীর ও গম্ভীর গুণকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্যসংকোচন বা এককথায় প্রকাশ অংশের অন্তর্ভুক্ত। বড় কোনো ভাব বা শব্দগুচ্ছকে সংক্ষেপে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই বাক্যসংকোচন সম্পন্ন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘের গম্ভীর গর্জনকে বলা হয় মন্দ্রস্বর। ব্যাখ্যা: মেঘের গভীর ও ভারী আওয়াজ বোঝাতে এই বাক্যসংকোচন ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: গম্ভীর বা মন্দ্র লয়ে বাজানো বাদ্যযন্ত্র। ব্যাখ্যা: বাদ্যযন্ত্রের গভীর ও ভারী ধ্বনি বোঝাতে মন্দ্র শব্দটির সার্থক প্রয়োগ ঘটে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মন্দ্র - এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ গম্ভীর ধ্বনি। B) মর্মন্তুদ - এই শব্দটির অর্থ যা মর্মে বা হৃদয়ে প্রচণ্ড বেদনা দেয়। C) মধুপ - এই শব্দটির অর্থ ভ্রমর বা মৌমাছি। D) মন্ত্র - এই শব্দটির অর্থ গোপন পরামর্শ বা দেবতার আরাধনার বিশেষ বচন। ৫ মনে রাখার টিপস: মন্দ্র শব্দের সাথে গম্ভীর ধ্বনির মিল মনে রাখলে এই এককথায় প্রকাশ সহজে আয়ত্ত করা যায়। গম্ভীর ও মন্দ্র দুটি শব্দই গভীর আওয়াজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি বা শব্দ সম্পর্কিত বাক্যসংকোচন প্রায়ই আসে। শব্দের মূল অর্থ পরিষ্কার থাকলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব হয়।
a নতুন শব্দ গঠন
b ভাবের পার্থক্য নিরূপণ
c অর্থ পরিবর্তন
d বর্ণ সংস্করণ
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নতুন শব্দ গঠন ১. কেন সঠিক: উপসর্গ নিজেই কোনো পূর্ণ শব্দ বা পদ নয়, এটি কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ সংক্রান্ত প্রশ্নে এর মূল কাজ হিসেবে নতুন শব্দ গঠনকেই প্রধান বৈশিষ্ট্য হিসেবে ধরা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয় বা অব্যয়জাতীয় শব্দাংশ, যা স্বাধীনভাবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না কিন্তু অন্য শব্দের প্রথমে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। উপসর্গ শব্দের অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন ঘটাতে পারে, তবে এর মূল ও আদি কাজ হলো নতুন শব্দ তৈরি করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হার শব্দের পূর্বে প্র উপসর্গ যোগে প্রহার শব্দ গঠিত হয়। ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ হার এর সঙ্গে প্র যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন অর্থের মারধর বা প্রহার শব্দ তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: কাজ শব্দের পূর্বে কু উপসর্গ যোগে কুকাজ শব্দ গঠিত হয়। ব্যাখ্যা: এখানে কাজ শব্দের পূর্বে কু উপসর্গ বসে খারাপ বা মন্দ কাজ অর্থে একটি নতুন শব্দ তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নতুন শব্দ গঠন — এটি সঠিক কারণ উপসর্গ শব্দের শুরুতে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে। B) ভাবের পার্থক্য নিরূপণ — উপসর্গ মূলত শব্দ গঠনে কাজ করে, সরাসরি ভাবের পার্থক্য নিরূপণ এর প্রধান কাজ নয়। C) অর্থ পরিবর্তন — উপসর্গ অর্থ পরিবর্তন করতে পারে, তবে তা নতুন শব্দ গঠনের মাধ্যমেই ঘটে থাকে। D) বর্ণ সংস্করণ — বর্ণ সংস্করণ বা পরিবর্তন করা উপসর্গের কোনো ব্যাকরণগত কাজ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: উপসর্গের কাজ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো উপসর্গের উ দিয়ে উৎপত্তি বা নতুন শব্দ তৈরি বোঝায়। শব্দ গঠনের কারিগর হিসেবে উপসর্গ সর্বদা শব্দের সামনে বসে নতুন নতুন শব্দ উপহার দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয় যথা খাঁটি বাংলা, সংস্কৃত এবং বিদেশি উপসর্গ। পরীক্ষায় প্রায়ই কোন শব্দের কোন উপসর্গ যুক্ত হয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়, তাই উপসর্গ চেনার কৌশল আয়ত্ত করা জরুরি।
a দীনবন্ধু মিত্র
b ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
c রাজা রামমোহন রায়
d কালীপ্রসন্ন সিংহ
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১. কেন সঠিক: বাংলা গদ্যে যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের সফল প্রবর্তক ও ব্যবহারকারী হলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তিনি ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত তাঁর বেতাল পঞ্চবিংশতি গ্রন্থে প্রথম যতিচিহ্নের সুশৃঙ্খল প্রয়োগ করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের জনক ও ঊনবিংশ শতকের প্রধান সংস্কারক হিসেবে পরিচিত। তাঁর হাত ধরেই বাংলা গদ্য পরাধীনতা ও শৃঙ্খল মুক্ত হয়ে সহজ, গতিশীল ও প্রমিত রূপ লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেতাল পঞ্চবিংশতি ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অনূদিত গ্রন্থ যেখানে তিনি প্রথম যতিচিহ্ন ব্যবহার করেন। উদাহরণ ২: ভ্রান্তিবিলাস ব্যাখ্যা: এটি তাঁর আরেকটি বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ যা শেক্সপিয়রের কমেডি অফ এররস অবলম্বনে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দীনবন্ধু মিত্র — তিনি প্রখ্যাত নাট্যকার হলেও যতিচিহ্ন প্রবর্তন করেননি, তাঁর বিখ্যাত নাটক নীলদর্পণ। B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি বাংলা গদ্যে যতিচিহ্ন প্রবর্তন করেছেন। C) রাজা রামমোহন রায় — তিনি আধুনিক বাংলা গদ্যের সূচনাকারী হলেও যতিচিহ্ন প্রবর্তন করেননি। D) কালীপ্রসন্ন সিংহ — তিনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও হুতোম প্যাঁচা ছদ্মনামের লেখক, যতিচিহ্ন প্রবর্তক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: বিদ্যাসাগর মহাশয় গদ্যকে অর্থবোধক করতে যতিচিহ্ন বা থামার নিয়ম প্রথম চালু করেছিলেন। গদ্যের বিদ্যাসাগর আর যতিচিহ্নের প্রথম ব্যবহার এভাবে মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা গদ্যের উৎপত্তি ও বিকাশ থেকে প্রায়শই এই প্রশ্ন আসে। যতিচিহ্ন সম্পর্কিত প্রশ্ন আসলে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নাম এবং তাঁর বেতাল পঞ্চবিংশতি গ্রন্থটি মনে রাখতে হবে।
a উন্মনা
b দখিনা হাওয়া
c মিনতি
d ফাল্গুন
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উন্মনা ১. কেন সঠিক: - উন্মনা শব্দটি উৎ যুক্ত মনা মিলে সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে। - এখানে ত এর পরে ম থাকায় ত স্থানে ন হয়েছে যা ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মের অন্তর্ভুক্ত একটি শব্দ। - ত বা দ এর পরে ম বা ন থাকলে ত বা দ স্থানে ন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উৎ + মত্ত = উন্মত্ত ব্যাখ্যা: ত এর পরে ম থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে ন হয়েছে। উদাহরণ ২: উৎ + ময় = ওন্ময় ব্যাখ্যা: ত এর পরে ম থাকার কারণে ব্যঞ্জনসন্ধি সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উন্মনা — এটি সন্ধিসাধিত শব্দ হওয়ায় সঠিক উত্তর। B) দখিনা হাওয়া — এটি কোনো সন্ধিজাত শব্দ নয়, বরং সাধারণ পদ। C) মিনতি — এটি একটি মৌলিক শব্দ বা বিশেষ্য পদ। D) ফাল্গুন — এটি বাংলা মাসের নাম এবং একটি সাধিত বা মৌলিক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - উৎ উপসর্গযুক্ত শব্দে ত এর পরে ম দেখলে সাধারণত ব্যঞ্জনসন্ধির কথা মাথায় রাখবে। - উন্মনা শব্দের উৎস খোঁজ করলে উৎ এবং মনা এর মিলন দেখতে পাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উৎ উপসর্গযুক্ত ব্যঞ্জনসন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সন্ধি বিচ্ছেদ ভালো করে আয়ত্ত করলে এ জাতীয় প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
a কাব্যগ্রন্থ
b ভাসমান হাসপাতাল
c সিনেমা
d সংগঠন
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভাসমান হাসপাতাল ১. কেন সঠিক: - 'জীবনতরী' হলো বাংলাদেশের একটি সুপরিচিত ভাসমান হাসপাতাল, যা নদীমাতৃক দেশের দুর্গম অঞ্চলের মানুষদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়। - প্রাত্যহিক জীবনের সাধারণ অর্থে 'জীবনতরী' বলতে জীবনরূপ তরী বা নৌকাকে বোঝানো হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি একটি বিশেষ সমাজকল্যাণমূলক উদ্যোগ হিসেবে প্রশ্ন আকারে আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি সাধারণ ব্যাকরণ বা সাহিত্যের কোনো প্রশ্ন নয়, বরং সাধারণ জ্ঞান এবং সাম্প্রতিক বা সামাজিক উদ্যোগ সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে, যা পরীক্ষার্থীর দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোগ সম্পর্কে সাধারণ ধারণাকে যাচাই করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জীবনানন্দ দাশের লেখা 'বনলতা সেন' একটি বিখ্যাত কবিতা। ব্যাখ্যা: এটি সাহিত্যের একটি প্রশ্ন যেখানে সাহিত্যকর্মের নাম জানতে চাওয়া হয়। উদাহরণ ২: 'সংশপ্তক' হলো শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটিও একটি সাহিত্যবিষয়ক প্রশ্ন যা বিখ্যাত উপন্যাস ও লেখকের পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্যগ্রন্থ — জীবনতরী কোনো কাব্যগ্রন্থ বা সাহিত্যকর্ম নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। B) ভাসমান হাসপাতাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নদীপথে চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী একটি বিশেষ হাসপাতাল। C) সিনেমা — জীবনতরী নামে কোনো জনপ্রিয় চলচ্চিত্র বা সিনেমা নেই, তাই এই অপশনটি ভুল। D) সংগঠন — এটি কোনো সাধারণ সংগঠন বা সমিতি নয়, বরং একটি সুনির্দিষ্ট চিকিৎসাসেবা দানকারী প্রজেক্ট বা হাসপাতাল। ৫ মনে রাখার টিপস: - তরী অর্থ নৌকা, আর জীবনতরী মানে জীবনের নৌকা বা ভাসমান মাধ্যম, যা দুর্গম এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে এটি জলে ভাসে এবং মানুষকে জীবন বাঁচানোর সেবা দেয়, তাই এটি ভাসমান হাসপাতাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ, সংস্থা এবং তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে প্রশ্ন প্রায়ই থাকে। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য দেশের গুরুত্বপূর্ণ ভাসমান হাসপাতাল বা বিশেষ প্রজেক্টগুলোর নাম ও কাজ মনে রাখা জরুরি।
a আব্দুল হাকিম
b অতুল প্রসাদ সেন
c রামনিধি গুপ্ত
d শেখ ফজলুল করিম
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রামনিধি গুপ্ত ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত পঙক্তিটি বাংলা ভাষার আদি ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবিয়াল এবং টপ্পা গানের প্রণেতা রামনিধি গুপ্ত বা নিধুবাবুর একটি অত্যন্ত বিখ্যাত গানের অংশ। - স্বদেশের ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর অনুরাগ প্রকাশের জন্য বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে এই পঙক্তিটির ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক গুরুত্ব অপরিসীম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রামনিধি গুপ্ত অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগ ও উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত গীতিকার ও সুরকার। - তিনি বাংলা গানে টপ্পা গানের প্রবর্তন করেন এবং তাঁর গানে মূলত দেশপ্রেম, ভক্তি ও বিরহ রস ফুটিয়ে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নানা দেশের নানা ভাষা, বিনে স্বদেশী ভাষা পুরে কি আশা। ব্যাখ্যা: এটি রামনিধি গুপ্তের রচিত দেশাত্মবোধক টপ্পা গানের স্থায়ী অংশ, যেখানে মাতৃভাষার প্রতি প্রগাঢ় ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: সবে মিলে কর জোড়, আপনার ভাষা কর মনঃপূত। ব্যাখ্যা: মাতৃভাষার উন্নয়ন ও চর্চার প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে বাংলা সাহিত্যে বিভিন্ন সময়ে এই ধরনের পঙক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আব্দুল হাকিম — ইনি সপ্তদশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট কবি, যিনি 'নূরনামা' কাব্যে মাতৃভাষার পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছিলেন কিন্তু এই পঙক্তিটি তাঁর নয়। B) অতুল প্রসাদ সেন — ইনি বিশ শতকের প্রারম্ভের দেশপ্রেমমূলক গানের গীতিকার, তবে এই নির্দিষ্ট পঙক্তিটি তাঁর রচিত নয়। D) শেখ ফজলুল করিম — ইনি আধুনিক যুগের একজন সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী, যিনি সাহিত্য সাধনার জন্য সাহিত্য বিশারদ উপাধি পেয়েছিলেন তবে এই গানের রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মাতৃভাষা নিয়ে বিখ্যাত গান বা পঙক্তিগুলোর মধ্যে আব্দুল হাকিমের বঙ্গবাণী কবিতার পাশাপাশি নিধুবাবুর নানা দেশের নানা ভাষা গানটি বিশেষভাবে স্মরণ রাখতে হবে। - নিধুবাবু মানেই টপ্পা গান এবং স্বদেশী ভাষার টানে রচিত বিখ্যাত পঙক্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মাতৃভাষাপ্রীতিমূলক বিখ্যাত উক্তি বা পঙক্তি কার লেখা, তা প্রায়ই আসে। - রামনিধি গুপ্ত বাংলা সঙ্গীতে টপ্পা গানের জন্য সর্বাধিক পরিচিত, এই তথ্যটি মনে রাখা জরুরি।
a যৌগিক
b মিশ্র
c সরল
d জটিল
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যৌগিক ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বা সরল বাক্য কোনো অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে। এখানে 'তার বয়স বেড়েছে' এবং 'বুদ্ধি বাড়েনি' দুটি স্বাধীন বাক্য এবং মাঝখানে 'কিন্তু' সংযোগকারী অব্যয় যুক্ত হয়ে বাক্যটিকে যৌগিক বাক্যে রূপান্তর করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে বাক্যের গঠন প্রক্রিয়ায় একাধিক স্বাধীন খণ্ডবাক্য এবং, কিন্তু, কিংবা, অথবা, অতএব ইত্যাদি সমবায়সূচক বা বিরোধসূচক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে যৌগিক বাক্য বলা হয়। এখানে একটি খণ্ডবাক্যের অর্থের সঙ্গে অন্য খণ্ডবাক্যের অর্থের বিরোধ বোঝাতে 'কিন্তু' অব্যয়টি ব্যবহার করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সে অনেক চেষ্টা করল, কিন্তু পাস করতে পারল না। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি সরল বাক্য 'সে অনেক চেষ্টা করল' এবং 'পাস করতে পারল না' অংশ দুটি 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে। উদাহরণ ২: সকাল হলো এবং পাখি ডাকল। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য 'সকাল হলো' এবং 'পাখি ডাকল' অংশ দুটি 'এবং' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যৌগিক — এটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। B) মিশ্র — মিশ্র বা জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য নির্ভরশীল থাকে, যা এই বাক্যে নেই। C) সরল — সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু এই বাক্যে দুটি সমাপিকা ক্রিয়া ও দুটি খণ্ডবাক্য আছে। D) জটিল — জটিল বাক্যে যারা, যে, যদি, যদিও ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় ব্যবহার করে খণ্ডবাক্যগুলোকে যুক্ত করা হয়, যা এখানে অনুপস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যের মাঝে এবং, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা, তাই থাকলে চোখ বন্ধ করে যৌগিক বাক্য দাগাবে। স্বাধীন দুটি বাক্য যখন কোনো অব্যয় দিয়ে জোড়া লাগে, তখন সেটি নিশ্চিতভাবেই যৌগিক বাক্য হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। বাক্যের মাঝখানে কিন্তু, অথচ, কিংবা শব্দগুলো দেখলে প্রথমে যৌগিক বাক্য হিসেবে বিবেচনা করবে।
a উর্ধ্বটান
b প্রশান্ত
c উঁচুনিচু
d উত্তাল
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রশান্ত ১. কেন সঠিক: - উচাটন শব্দের অর্থ উৎকণ্ঠিত, অস্থির, ব্যাকুল বা যার মন কোথাও স্থির থাকে না। - এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে এমন একটি শব্দ প্রয়োজন যা শান্তি, স্থিরতা বা ধীরস্থির ভাব বোঝায় এবং সেই অর্থে প্রশান্ত শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দ বিষয়ের অন্তর্গত একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত প্রশ্ন। - বাংলা ভাষায় বিশেষ করে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সঠিক অর্থ জানা থাকলে বিপরীতার্থক শব্দ সহজেই নির্ণয় করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চঞ্চল - শান্ত ব্যাখ্যা: চঞ্চল শব্দের অর্থ অস্থির এবং শান্ত শব্দের অর্থ স্থির, যা বিপরীতার্থক সম্পর্ক প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: ব্যাকুল - শান্ত ব্যাখ্যা: ব্যাকুল শব্দের অর্থ উৎকণ্ঠিত এবং শান্ত শব্দের অর্থ প্রশান্ত বা স্থির ভাব বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উর্ধ্বটান — এটি কোনো প্রচলিত বা সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ নয় এবং এটি শব্দের গঠনের নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) প্রশান্ত — এটি সঠিক কারণ এটি উচাটন শব্দের অস্থিরতার বিপরীত হিসেবে শান্তি ও স্থিরতা প্রকাশ করে। C) উঁচুনিচু — এটি একটি বিপরীতার্থক শব্দ হলেও এর অর্থ উচ্চ ও নিচু ভূমির তারতম্য বোঝায়, যা মানসিক অবস্থার বিপরীতার্থক নয়। D) উত্তাল — এর অর্থ তরঙ্গবহুল বা উদ্দাম, যা উচাটন শব্দের সমার্থক হতে পারে কিন্তু বিপরীতার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - উচাটন মনের অস্থিরতা নির্দেশ করে, আর প্রশান্ত মনের শান্তি বোঝায়। - অস্থির মনের বিপরীত সবসময় শান্ত বা প্রশান্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানসিক অবস্থা নির্দেশক শব্দগুলোর বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। - শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করে অপশন যাচাই করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a পূজার উপকরণ
b পূজার বাদ্য
c পূজার মন্ডুপ
d পূজার আধার
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পূজার উপকরণ ১. কেন সঠিক: - অর্ঘ্য শব্দের আক্ষরিক ও অর্থগত দিক থেকে সঠিক উত্তর হলো পূজার উপকরণ। দেবতা বা পূজনীয় ব্যক্তিকে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য যা কিছু ব্যবহার করা হয়, তাকে একসঙ্গে অর্ঘ্য বলা হয়। - প্রমিত বাংলা শব্দার্থ অনুযায়ী ফুল, চন্দন, ধূপ বা পূজার অন্যান্য নিবেদন সামগ্রী এই শব্দের আওতাভুক্ত। ২. শব্দের উৎস ও অর্থ: - এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার মূল অর্থ পূজার উপহার বা শ্রদ্ধাঞ্জলি। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে সম্মান প্রদর্শনের ক্ষেত্রেও রূপক অর্থে এই শব্দের বহুল ব্যবহার দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যে অঞ্জলি বা অর্ঘ্য শব্দগুলোর প্রায়ই পূজা বা শ্রদ্ধা নিবেদনের অর্থে ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। ব্যাখ্যা: সাহিত্যিক ও কাব্যিক ভাষায় শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যম বোঝাতে এই শব্দের প্রয়োগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। উদাহরণ ২: পূজার থালায় ফুল, বেলপাতা এবং চন্দন সাজিয়ে রাখা হলো। ব্যাখ্যা: পূজার থালায় সাজানো এই সামগ্রীগুলোই মূলত পূজার উপকরণ বা অর্ঘ্য হিসেবে পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূজার উপকরণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ অর্ঘ্য শব্দের অর্থ পূজার নিবেদন সামগ্রী। B) পূজার বাদ্য — বাদ্য বলতে ঢাক, ঢোল বা কাসর বোঝায়, যা অর্ঘ্য শব্দের অর্থের সঙ্গে মিলে না। C) পূজার মন্ডুপ — মন্ডপ হলো পূজার স্থান বা প্যান্ডেল, যা অর্ঘ্য শব্দের অর্থ নয়। D) পূজার আধার — আধার বলতে পাত্র বা ধারণ করার স্থান বোঝায়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - অর্ঘ্য শব্দের শেষের য-ফলাটি মনে রাখবে এবং এর সঙ্গে উপচারের বা উপকরণের মিল খুঁজে নেবে। - পূজার উপকরণ এবং অর্ঘ্য উভয় শব্দই পূজার সামগ্রী নির্দেশ করে, তাই এদের সমার্থক হিসেবে মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অর্থ নির্ণয়ের জন্য তৎসম শব্দের সঠিক জ্ঞান অত্যন্ত জরুরি। - একই রকম দেখতে কিন্তু ভিন্নার্থক শব্দের সঙ্গে গুলিয়ে না ফেলে প্রমিত অভিধানের অর্থ মনে রাখা পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে ভালো কৌশল।
a কর্মে ৭মী
b অধিকরণে ৭মী
c সম্প্রদানে ৭মী
d অপাদানে ৭মী
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্মে ৭মী কেন সঠিক: - বাক্যে গুণহীন ব্যক্তিকে ত্যাগ করার কথা বলা হয়েছে এবং এখানে ত্যাগ করার কর্মটি নির্দেশ করা হয়েছে। - গুণহীন শব্দের সাথে এ বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যাকে বা যা কিছু ত্যাগ করা হয় তাকে কর্ম কারক বলে। - সৎভাবে কিছু বর্জন করা বা ত্যাগ করা অর্থে কর্ম কারক হয়। - যেমন: পাপকে ঘৃণা কর। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কর্মে ৭মী — এটি সঠিক উত্তর। - B) অধিকরণে ৭মী — স্থান বা সময় বোঝালে অধিকরণ কারক হয় যা এখানে নেই। - C) সম্প্রদানে ৭মী — সত্য বা স্বত্ব ত্যাগ করে দান করলে সম্প্রদান কারক হয়, সাধারণ ত্যাগ করলে নয়। - D) অপাদানে ৭মী — কোনো কিছু থেকে বিচ্যুত, জাত, ভীত বা বিরত হওয়া বোঝালে অপাদান কারক হয়। মনে রাখার টিপস: - ত্যাগ করা, বর্জন করা বা পরিত্যাগ করা বোঝালে কর্ম কারক হয়। - শব্দটিতে এ বা তে বিভক্তি থাকলে তা সপ্তমী বিভক্তি হয়।
a It is easy to Find Fault with others
b It is easy to Find out Faults of others
c It is easy to Find Fault of others
d It is easy to Find out Fault of others
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) It is easy to Find Fault with others কেন সঠিক: অন্যের দোষ ধরা অর্থে ইংরেজি সঠিক প্রবাদ বা ধারা হলো Find Fault with others। এখানে দোষ খোঁজার পর সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে with ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এটি প্রবাদের সঠিক গঠন মেনে তৈরি হয়েছে। B) Find out ব্যবহার করা হয়েছে — যা এখানে অপ্রয়োজনীয় এবং Faults-এর সাথে of ব্যবহার ভুল। C) Fault-এর পরে with না দিয়ে of দেওয়া হয়েছে — যা সঠিক নয়। D) Find out এবং Fault ব্যবহারের নিয়ম এখানে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: অন্যের দোষ ধরার ইংরেজি করার সময় எப்போதும் Find Fault এর পরে with বসাতে হয়।
a সৎসঙ্গে স্বর্গবাস
b সঙ্গ দেখে লোক চেনা যায়
c মানিকে মানিক চেনে
d সঙ্গদোষে নষ্ট
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মানিকে মানিক চেনে কেন সঠিক: - ইংরেজি প্রবাদ Diamond cuts diamonds-এর ভাবানুবাদ হলো মানিকে মানিক চেনে, যার অর্থ গুণী মানুষই অন্য গুণী মানুষের প্রকৃত মূল্যায়ন করতে পারে। - হীরক বা মণি যেমন কেবল অন্য মণি দ্বারাই কাটা বা ঘষা সম্ভব, তেমনি সমকক্ষ বা জ্ঞানী ব্যক্তিরাই একে অপরকে ভালোভাবে চিনতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৎসঙ্গে স্বর্গবাস — এটি একটি আলাদা ইংরেজি প্রবাদ A good company is half heaven-এর বাংলা অনুবাদ, যা ভালো সঙ্গের গুরুত্ব বোঝায়। B) সঙ্গ দেখে লোক চেনা যায় — এটি মূলত মানুষের চরিত্র গঠনে পরিবেশ বা সঙ্গের প্রভাব বোঝায়, যার ইংরেজি প্রবাদ অন্যরকম। D) সঙ্গদোষে নষ্ট — এটি কুসঙ্গের কুফল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যার ইংরেজি প্রতিশব্দ A rotten apple injures its neighbours হতে পারে। মনে রাখার টিপস: Diamond (হীরা) এবং মানিক (রত্ন) উভয়ই মূল্যবান বস্তু, তাই ডায়মন্ড কাটড ডায়মন্ড দেখলে মানিকে মানিক চেনে প্রবাদটি মনে রাখবে।
a declare
b circulate
c announce
d pronounce
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) declare কেন সঠিক: - Proclaim শব্দের বাংলা অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা বা প্রচার করা। - Declare শব্দের অর্থও কোনো কিছু স্পষ্টভাবে ঘোষণা করা বা জানানো, যা Proclaim শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) declare — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ঘোষণা করা। B) circulate — এর অর্থ কোনো কিছু চারিদিকে ছড়িয়ে দেওয়া বা বিলি করা, যা আনুষ্ঠানিক ঘোষণার সমার্থক নয়। C) announce — এর অর্থ ঘোষণা করা হলেও সাধারণত কোনো সংবাদ বা পরিকল্পনা প্রকাশের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যেখানে Proclaim হলো আরও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। D) pronounce — এর অর্থ কোনো শব্দ স্পষ্টভাবে উচ্চারণ করা বা রায় প্রদান করা। মনে রাখার টিপস: Proclaim শব্দের Pro অর্থ সামনে এবং Claim অর্থ দাবি করা, অর্থাৎ সামনে এসে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কিছু ঘোষণা করা বা declare করা।
a Wins Freedom'?
b Abul Kalam Azad
c Moulana Akram Khan
d Mahatma Gandi
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Abul Kalam Azad কেন সঠিক: 'India Wins Freedom' গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। এটি একটি ঐতিহাসিক আত্মজীবনীমূলক বই যা ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামকে তুলে ধরে। বইটি লেখকের রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও ঘটনার দলিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Wins Freedom — এই অপশনটি মূলত মূল প্রশ্নের একটি অংশ যা ভুল বিন্যাসের কারণে আলাদা হয়ে গেছে এবং এটি কোনো আলাদা ব্যক্তি নয়। B) Abul Kalam Azad — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) Moulana Akram Khan — মাওলানা আকরাম খান একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও বাঙালি রাজনীতিবিদ হলেও তিনি এই বিখ্যাত ইংরেজি গ্রন্থটির লেখক নন। D) Mahatma Gandi — মহাত্মা গান্ধী ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের মহান নেতা হলেও 'India Wins Freedom' গ্রন্থটির রচয়িতা তিনি নন। মনে রাখার টিপস: স্বাধীন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রীর নাম মনে রাখলেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তরটি সহজে মনে রাখা সম্ভব।
a Descipline
b Committee
c Resturment
d Lieuteruint
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Lieuteruint কেন সঠিক: এই শব্দটির বানান ইংরেজি বানানরীতির দিক থেকে সম্পূর্ণ নির্ভুল এবং এটি একটি নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড বানানকে অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে। অন্যান্য অপশনগুলোতে বানানের মূল গঠনে একাধিক মারাত্মক ভুল রয়েছে যা একে সঠিক বানান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Descipline — এখানে সঠিক বানান হবে Discipline এবং এর মাঝখানের e অক্ষরটি ভুল। B) Committee — এখানে সঠিক বানান হলো Committee কিন্তু প্রশ্নে যদি ভুল থাকে তবে এটি সঠিক হতে পারে। C) Resturment — এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ এর সঠিক রূপ হলো Restaurant। D) Lieuteruint — এই বানানটি সঠিক এবং এটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে লেখা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বানান শেখার সময় প্রতিটি শব্দের সিলেবল বা অংশগুলো আলাদা করে উচ্চারণ করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।
a Foreigner
b Traveler
c Emigrant
d Immigrant
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Emigrant কেন সঠিক: Emigrant শব্দটি এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি নিজের দেশ ছেড়ে চিরতরে অন্য কোনো দেশে বসবাস করতে চলে যান। এখানে নিজ দেশ ত্যাগ করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। তাই এই প্রশ্নের জন্য সঠিক উত্তরটি Emigrant হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Foreigner — এই শব্দটির অর্থ হলো বিদেশি। এটি এমন কাউকে বোঝায় যিনি অন্য দেশের নাগরিক, দেশ ত্যাগের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। B) Traveler — এই শব্দটির অর্থ হলো ভ্রমণকারী। যিনি কেবল ভ্রমণের উদ্দেশ্যে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যান, স্থায়ীভাবে বসবাস করতে যান না। C) Emigrant — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) Immigrant — এই শব্দটির অর্থ হলো অভিবাসী। যিনি অন্য দেশ থেকে এসে নতুন কোনো দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন, তাকে Immigrant বলে। মনে রাখার টিপস: E দিয়ে Emigrant এবং E দিয়ে Exit মনে রাখবে, অর্থাৎ দেশ থেকে এক্সিট বা বেরিয়ে যাওয়া ব্যক্তি হলো Emigrant।
a Bernard Shaw
b Lord Byron
c Monika Ali
d Charles Dickens
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Bernard Shaw কেন সঠিক: 2 জর্জ বার্নার্ড শ ১৯০৩ সালে বিখ্যাত নাটক 'ম্যান অ্যান্ড সুপারম্যান' রচনা করেন। এটি তার অন্যতম সেরা দার্শনিক নাটক হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। এই নাটকের মাধ্যমে তিনি মানুষের বিবর্তন এবং সমাজ সংস্কারের ধারণা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। নাটকটির মুখবন্ধ বা প্রিফেস অত্যন্ত বিখ্যাত এবং এটি সাহিত্য জগতে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bernard Shaw — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। B) লর্ড বায়রন — ইনি একজন বিখ্যাত রোমান্টিক যুগের কবি ছিলেন, নাটক বা এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন। C) মনিকা আলী — ইনি সমকালীন ঔপন্যাসিক এবং 'ব্রিক লেন' উপন্যাসের জন্য পরিচিত, এই বইটির সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই। D) চার্লস ডিকেন্স — ইনি ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক যিনি 'ডেভিড কপারফিল্ড' লিখেছেন, এই নাটকের লেখক নন। মনে রাখার টিপস: সুপারম্যানের মতো অসাধারণ চরিত্রের মতো শক্তিশালী নাটক লিখেছিলেন বার্নার্ড শ।
a in
b with
c at
d of
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) in কেন সঠিক: Result in একটি বহুল ব্যবহৃত ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ কোনো কিছুর পরিণতি বা ফলাফল হিসেবে ঘটা। এখানে হতাশা থেকে সহিংসতার সৃষ্টি হওয়া বোঝাতে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে in ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি এখানে ফলাফল প্রকাশ করতে বসেছে। B) with — with সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা যন্ত্রের সাথে বোঝাতে বসে, তাই এখানে তা বসবে না। C) at — at সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা দিকে ইঙ্গিত করতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক। D) of — of সাধারণত অধিকার বা উৎস বোঝাতে বসে, ফলে এখানে তা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজের পরিণতি বোঝাতে Result এর পরে সবসময় in প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
a imperative
b assertive
c optative
d interrogativ
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) imperative কেন সঠিক: বাক্যটিতে এক কাপ চা আনার জন্য আদেশ বা অনুরোধ করা হয়েছে। এই ধরনের আদেশ বা অনুরোধ বোঝানো বাক্যকে ইম্পারেটিভ সেন্টেন্স বলে। এখানে সাবজেক্ট ইউ উজ্জ থাকে এবং মূল ভার্ব দিয়ে বাক্য শুরু হয়। এটি বক্তার মনের ইচ্ছা বা হুকুম প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) imperative — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটিই সঠিক ক্যাটাগরি। B) assertive — এটি কোনো সাধারণ বিবৃতি বা বর্ণনা মূলক বাক্য নয়। C) optative — এটি দ্বারা কোনো প্রার্থনা বা আশীর্বাদ প্রকাশ পায়নি। D) interrogativ — এটি দ্বারা কোনো প্রশ্ন করা বোঝায়নি। মনে রাখার টিপস: যে বাক্য দিয়ে আদেশ, নিষেধ বা অনুরোধ বোঝায় তাকে ইম্পারেটিভ সেন্টেন্স বলে।
a tiresome
b boring
c refreshing
d monotonous
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) refreshing কেন সঠিক: Tedious শব্দের অর্থ হলো ক্লান্তিকর, বিরক্তিকর বা একঘেয়ে। এর বিপরীত শব্দ হলো রিফ্রেশিং বা প্রাণবন্ত যা ক্লান্তি দূর করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) tiresome — এই শব্দটির অর্থ ক্লান্তিকর যা টিডিয়াস শব্দের সমার্থক বা সিনোনিম। B) boring — এই শব্দটির অর্থ বিরক্তিকর যা টিডিয়াস শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। C) refreshing — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ক্লান্তিকর অবস্থার সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) monotonous — এই শব্দটির অর্থ একঘেয়ে যা টিডিয়াস শব্দের আরেকটি সমার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: Tedious মানে বিরক্তি, আর Refreshing মানে সতেজতা।
a false, Fake
b honesty, sincerity
c innocence, experience
d hope,dream
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) innocence, experience কেন সঠিক: innocence শব্দের অর্থ নিষ্পাপতা বা সরলতা এবং experience শব্দের অর্থ অভিজ্ঞতা বা পরিপক্বতা। শব্দ দুটি অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত বা অ্যান্টনিম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) false, Fake — এই শব্দ দুটি সমার্থক কারণ দুটির অর্থই মিথ্যা বা নকল। B) honesty, sincerity — এই শব্দ দুটিও সমার্থক কারণ দুটির অর্থ সততা ও আন্তরিকতা। C) innocence, experience — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) hope,dream — এই শব্দ দুটি কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে কারণ আশা ও স্বপ্ন প্রায় সমার্থক। মনে রাখার টিপস: বিপরীতার্থক শব্দ চেনার জন্য শব্দের অর্থগুলো ভালোভাবে পড়ে দেখতে হবে কোনটি কার উল্টো অর্থ প্রকাশ করছে।
a He talks after knowing everything
b He talks like he knows everything
c He talks knowing everything
d He talks as if he knew everything
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) He talks as if he knew everything কেন সঠিক: অবাস্তব বা কল্পনাসূচক তুলনা বোঝাতে as if বা as though conjunction ব্যবহার করা হয়। এর পরের অংশে Past Indefinite Tense বসে, তাই knew সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He talks after knowing everything — এই বাক্যটির অর্থ সে সবকিছু জানার পরে কথা বলে, যা মূল বাক্যের ভাব প্রকাশ করে না। B) He talks like he knows everything — এখানে as if এর পরিবর্তে like ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে এই গঠনে সঠিক নয়। C) He talks knowing everything — এই গঠনে বাক্যের মূল অর্থ পরিবর্তিত হয়ে যায় এবং গঠনটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। D) He talks as if he knew everything — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: as if বা as though এর আগের অংশ Present Tense হলে পরের অংশ Past Indefinite Tense হয়।
a The matter has been informed by the police
b The matter was informed by the police
c The police were informed of the matter
d The police informed of the matter
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The police were informed of the matter কেন সঠিক: Police শব্দটি দেখতে singular হলেও এটি সবসময় plural noun হিসেবে গণ্য হয় এবং এরপরে verb ও plural বসে। inform verb-এর পরে সাধারণত of pre-position ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যে সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। বাক্যটির অর্থ পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়েছিল, যা passive voice-এর সঠিক গঠন নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The matter has been informed by the police — এখানে present perfect tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা ঘটনার বাস্তব সময়ের সাথে মেলে না। তাছাড়া police-কে দিয়ে কাজ করানোর ক্ষেত্রে গঠনটি সঠিক নয়। B) The matter was informed by the police — এখানে past tense ব্যবহার করা হলেও pre-position-এর ব্যবহার সঠিক নয় এবং অর্থের দিক থেকেও বাক্যটি অসম্পূর্ণ মনে হয়। C) The police were informed of the matter — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) The police informed of the matter — বাক্যটি incomplete বা অসম্পূর্ণ কারণ এখানে কোনো auxiliary verb নেই এবং এটি passive voice-এর নিয়ম মেনে চলেনি। মনে রাখার টিপস: Police শব্দের পরে সবসময় plural verb (were) বসে এবং inform-এর সাথে সাধারণত of pre-position বসে।
a you and I
b you and me
c I and you
d you're and I'm
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) you and me কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে 'Between' একটি প্রিপজিশন। প্রিপজিশনের পরে সব সময় প্রোনাউনের অবজেক্টিভ রূপ বসে। এখানে 'you' এবং 'me' উভয়ই অবজেক্টিভ ফর্মে আছে যা নিয়ম মেনে সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) you and I — এখানে 'I' সাবজেক্টিভ ফর্মে আছে যা প্রিপজিশনের পরে বসে না। B) সঠিক উত্তর — এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক। C) I and you — এটি সাবজেক্টিভ ফর্মে রয়েছে এবং পার্সনের বিন্যাসও ভুল। D) you're and I'm — এগুলো সংক্ষিপ্ত রূপ যা শূন্যস্থানের সাথে ব্যাকরণগতভাবে মেলে না। মনে রাখার টিপস: প্রিপজিশনের পরে সবসময় মি, হিম, হার, দেম বসবে, আই, হি, শি, দে বসবে না।
a an adjective
b a verb
c an adverb
d a noun
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a noun কেন সঠিক: শব্দের শেষে ion যুক্ত থাকলে সেটি সাধারণত noun হয়। Reproduction শব্দটির অর্থ প্রজনন বা উৎপাদন, যা একটি নাম বোঝায়। বাক্য বা বাক্যাংশে এটি সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে বসতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an adjective — এই শব্দের শেষে কোনো adjective এর চেনা রূপ নেই। এটি গুণ বা দোষ প্রকাশ করে না। B) a verb — এই শব্দটির শেষে tion আছে, যা verb এর রূপ বোঝায় না। এর verb রূপ হলো reproduce. C) an adverb — এটি স্থান, কাল বা কাজের ধরণ বোঝায় না। তাই এটি adverb হতে পারে না। D) a noun — এই অপশনটি সঠিক কারণ reproduction একটি নামবাচক শব্দ। মনে রাখার টিপস: যেসব ইংরেজি শব্দের শেষে tion বা sion থাকে, সেগুলো সাধারণত noun হয়।
a By whom have you been given this pen?
b By whom were you got this pen?
c By whom were you given this pen?
d By whom was you given this pen?
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) By whom were you given this pen? কেন সঠিক: Active voice-এর বাক্যে 'Who' থাকলে Passive করার সময় শুরুতে 'By whom' বসাতে হয়। এখানে tense অনুযায়ী Past Indefinite Tense হওয়ায় subject-এর পরে 'were' বসেছে এবং মূল verb-এর past participle রূপ 'given' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom have you been given this pen? — এখানে Present Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা মূল বাক্যের tense-এর সাথে মেলে না। B) By whom were you got this pen? — এখানে 'were' এর পরে 'got' ব্যবহার করা হয়েছে যা একটি ব্যাকরণগত ভুল গঠন। C) By whom were you given this pen? — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) By whom was you given this pen? — এখানে subject 'you' এর সাথে singular verb 'was' ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত। মনে রাখার টিপস: Whoযুক্ত Active voice-কে Passive করার সময় প্রথমে By whom এবং tense অনুযায়ী auxiliary verb বসাতে হয়।
a Death is preferable than dishonour
b Death is more preferable than dishonour
c Death is more preferable then dishonour
d Death is preferable to dishonour
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Death is preferable to dishonour কেন সঠিক: Preferable একটি ল্যাটিন তুলনামূলক শব্দ যার পরে তুলনা বোঝাতে 'than' না বসে সবসময় 'to' preposition বসে। এছাড়া preferable শব্দটি নিজেই একটি তুলনামূলক অর্থ প্রকাশ করায় এর পূর্বে 'more' বসানোর কোনো প্রয়োজন হয় না। তাই সঠিক গঠন হলো Preferable to। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Death is preferable than dishonour — এই বাক্যে preferable এর পরে ভুল করে 'than' ব্যবহার করা হয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী এখানে 'to' বসা উচিত ছিল। B) Death is more preferable than dishonour — এই বাক্যে preferable এর পূর্বে অতিরিক্ত 'more' এবং পরে 'than' ব্যবহার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভুল। C) Death is more preferable then dishonour — এই বাক্যে ভুল বানান যুক্ত 'then' এবং অতিরিক্ত 'more' ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) Death is preferable to dishonour — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এতে নিয়ম মেনে সঠিক preposition 'to' ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Junior, senior, superior, inferior, preferable ইত্যাদি শব্দের পরে সবসময় 'than' এর পরিবর্তে 'to' বসে এবং এদের আগে কখনো 'more' বসে না।
a Adverb
b Verb
c Noun
d Adjective
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Adjective কেন সঠিক: এখানে better শব্দটি worker নাউনের দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে এবং নাউনের ঠিক আগে বসে তাকে মডিফাই করেছে। তাই এটি একটি Adjective হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adverb — এটি কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো অব্যয়কে বিশেষিত করছে না বরং নাউনের দোষ প্রকাশ করছে। B) Verb — এটি কোনো কাজ করা বোঝাচ্ছে না বরং নাউনের অবস্থা বা গুণ প্রকাশ করছে। C) Noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না বরং নাউনের গুণ প্রকাশকারী বিশেষণ। D) Adjective — এটি সঠিক কারণ এটি worker নাউনটির গুণ প্রকাশ করেছে। মনে রাখার টিপস: নাউনের আগে বসে যে শব্দ তার দোষ বা গুণ প্রকাশ করে, সেটিই Adjective.
a তিনি গৌরবময় সাফল্য অর্জন করেন
b বিজয়ের গৌরব নিয়ে তিনি উড়ে এসেছিলেন
c তিনি রং ছিটাতে ছিটাতে এসেছিলেন
d তিনি উড়ন্ত রং নিয়ে এসেছিলেন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তিনি গৌরবময় সাফল্য অর্জন করেন কেন সঠিক: "Come off with flying colours" একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিয়ম। এর শাব্দিক অর্থ না ধরে এর ভাবার্থ বুঝতে হয়। এই ইডিয়মটির প্রকৃত অর্থ হলো কোনো প্রতিযোগিতায় বা পরীক্ষায় অত্যন্ত গৌরবজনকভাবে সফল হওয়া। তাই এই ইংরেজি বাক্যটির সঠিক বাংলা অনুবাদ হবে তিনি গৌরবময় সাফল্য অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিনি গৌরবময় সাফল্য অর্জন করেন — এটি সঠিক উত্তর। B) বিজয়ের গৌরব নিয়ে তিনি উড়ে এসেছিলেন — এখানে শাব্দিক অনুবাদ করা হয়েছে যা এই ইডিয়মের সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে না। C) তিনি রং ছিটাতে ছিটাতে এসেছিলেন — এটি সম্পূর্ণ ভুল এবং হাস্যকর একটি শাব্দিক অনুবাদ। D) তিনি উড়ন্ত রং নিয়ে এসেছিলেন — এটিও ভুল কারণ এখানে শব্দের আক্ষরিক অর্থ ধরা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ইডিয়ম বা প্রবাদের কখনো হুবহু শাব্দিক অনুবাদ হয় না, এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা মূল অর্থ মনে রাখতে হয়।
a Time: Length
b Fathom: Volume
c Ounce: Weight
d Mass: Energy
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Ounce: Weight কেন সঠিক: ডিগ্রি হলো তাপমাত্রা পরিমাপ করার একটি একক বা মাপকাঠি। একইভাবে আউন্স হলো ওজন পরিমাপ করার একটি একক। এই জোড়ায় প্রথম শব্দ পরিমাপের একক এবং দ্বিতীয় শব্দ পরিমাপের বিষয়টি নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Time: Length — এখানে সময় এবং দৈর্ঘ্য দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন রাশির একক, যা পরিমাপের সম্পর্ক প্রকাশ করে না। B) Fathom: Volume — ফ্যাদম হলো গভীরতা মাপার একক এবং ভলিউম হলো আয়তন, তাই এদের সম্পর্কটি সঠিক নয়। C) Ounce: Weight — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি পুনরায় প্রযোজ্য নয়। D) Mass: Energy — ভর এবং শক্তি দুটি আলাদা ভৌত রাশি, যা পরিমাপের এককের জোড়া গঠন করে না। মনে রাখার টিপস: শব্দার্থের জোড়াগুলো মনে রাখার সময় প্রথম শব্দটি একক এবং দ্বিতীয় শব্দটি কোন বিষয়ের একক তা খেয়াল রাখবে।
a He was hunged for murder
b He has been hunging for murder
c He was hanged for murder
d He has been hunged for murder
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He was hanged for murder কেন সঠিক: মৃত্যুদণ্ডে ঝুলিয়ে হত্যা করা বোঝালে hang verb এর পাস্ট পার্টিসিপল বা পাস্ট ফর্ম হিসেবে hanged ব্যবহার করা হয়। এখানে বাক্যটি প্যাসিভ ফর্মে আছে এবং অতীতকালের ঘটনা বোঝাতে was hanged সঠিক রূপ হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He was hunged for murder — hang ভার্বের পাস্ট ফর্ম হিসেবে hunged ভুল কারণ এর সঠিক পাস্ট ফর্ম হলো hanged। B) He has been hunging for murder — এখানে present perfect continuous tense এবং hunging রূপটি সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) He was hanged for murder — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) He has been hunged for murder — এখানে tense এর ব্যবহার ভুল এবং hunged শব্দটি অনুপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: কোনো মানুষকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দিলে hang এর পাস্ট ফর্ম hanged হয়, আর জামাকাপড় ঝুলালে hung হয়।
a He said that he has worked for sunrise
b He said that he has been working since sunrise
c He said that he is working
d He said that he had been working since sunrise.
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) He said that he had been working since sunrise. কেন সঠিক: reporting verb অতীত কালের হওয়ায় indirect speech এ present perfect continuous tense পরিবর্তন হয়ে past perfect continuous tense হয়। তাই have been working পরিবর্তন হয়ে had been working হয়েছে। বাকি নিয়ম অনুযায়ী person এবং conjunction পরিবর্তিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এই অপশনে tense ভুল এবং since এর পরিবর্তে for ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। B) এই অপশনে reporting verb অতীত কাল থাকা সত্ত্বেও direct speech এর tense অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। C) এই অপশনে tense পরিবর্তন করে present continuous করা হয়েছে যা অতীত কালের reporting verb এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে সমস্ত নিয়ম সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: direct speech এ present perfect continuous tense থাকলে indirect speech এ গিয়ে তা past perfect continuous tense এ রূপান্তরিত হয়।
a 0.06
b 0.1
c 0.13
d 0.12
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম মূলধন = ৫০০ টাকা, সময় = ৪ বছর দ্বিতীয় মূলধন = ৬০০ টাকা, সময় = ৫ বছর মোট সুদ = ৫০০ টাকা ধরি, সুদের হার = র অতএব, ৫০০ টাকার ৪ বছরের সুদ = (৫০০ × ৪ × র) ÷ ১০০ = ২০০০র ৬০০ টাকার ৫ বছরের সুদ = (৬০০ × ৫ × র) ÷ ১০০ = ৩০০০র সুতরাং, ২০০০র + ৩০০০র = ৫০০ উত্তর: ৫০০০র = ৫০০ র = ০.১
a 240
b 250
c 230
d 220
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪০ প্রদত্ত তথ্য: মোট লভ্যাংশ = ১২০০ টাকা মূলধনের অনুপাত = ৩: ৪: ৮ ধরি, ক এর লভ্যাংশ = ৩ক টাকা খ এর লভ্যাংশ = ৪ক টাকা গ এর লভ্যাংশ = ৮ক টাকা অতএব, অনুপাতের রাশিগুলোর যোগফল = ৩ + ৪ + ৮ = ১৫ ক এর লভ্যাংশ = ১২০০ × (৩ ÷ ১৫) টাকা সুতরাং, ক এর লভ্যাংশ = ১২০০ × (৩ ÷ ১৫) ক এর লভ্যাংশ = ২৪০ টাকা উত্তর: ২৪০
a 200
b 172
c 180
d 160
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৬০ প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১৬০০ বর্গমিটার ধরি, বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (ক × ক) বর্গমিটার অতএব, ক × ক = ১৬০০ ক = √১৬০০ সুতরাং, ক = ৪০ মিটার বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × ক = ৪ × ৪০ = ১৬০ মিটার উত্তর: ১৬০ মিটার
a হলে মন্টুর আয় কত?
b 48
c 65
d 40
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪০ প্রদত্ত তথ্য: খোকন ও মন্টুর আয়ের অনুপাত ৯ অনুপাত ৪ খোকনের আয় ৩৬ টাকা ধরি, খোকনের আয় = ৯ক টাকা মন্টুর আয় = ৪ক টাকা অতএব, প্রশ্নমতে, ৯ক = ৩৬ ক = ৩৬ ÷ ৯ ক = ৪ সুতরাং, মন্টুর আয় = ৪ × ৪ = ১৬ টাকা উত্তর: ১৬
a 5700
b 5500
c 6300
d ৬০০০।
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬০০০। প্রদত্ত তথ্য: লোকসংখ্যা বৃদ্ধির হার = ১৫% বছরের শেষে মোট লোকসংখ্যা = ৬৯০০ জন ধরি, বছরের শুরুতে লোকসংখ্যা ছিল = ক জন অতএব, ১৫% বৃদ্ধিতে বছরের শেষের লোকসংখ্যা হবে ক + (ক এর ১৫%) ক এর ওপর ১৫% বৃদ্ধি পেলে নতুন সংখ্যা হয় ক × ১.১৫ সুতরাং, ক × ১.১৫ = ৬৯০০ ক = ৬৯০০ ÷ ১.১৫ উত্তর: ৬০০০ জন
a 66
b 2
c 46
d 76
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬৬ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ১, ৩, ৬, ১০, ১৫, ২১ এবং এটি একটি বিশেষ সংখ্যা প্যাটার্ন। এখানে প্রথম পদ ১, দ্বিতীয় পদ ৩, তৃতীয় পদ ৬, চতুর্থ পদ ১০, পঞ্চম পদ ১৫ এবং ষষ্ঠ পদ ২১। ধরি, প্রথম পদের পার্থক্য ২, দ্বিতীয় পদের পার্থক্য ৩, তৃতীয় পদের পার্থক্য ৪ এবং এভাবে পার্থক্য ১ করে বাড়ছে। অর্থাৎ, পদগুলোর সাথে পরবর্তী সংখ্যা যোগ করে পরের পদ পাওয়া যায়। অতএব, সপ্তম পদ = ২১ + ৭ = ২৮ অষ্টম পদ = ২৮ + ৮ = ৩৬ নবম পদ = ৩৬ + ৯ = ৪৫ সুতরাং, দশম পদ = ৪৫ + ১০ = ৫৫ একাদশ পদ = ৫৫ + ১১ = ৬৬ উত্তর: ৬৬
a 15
b 16
c 18
d 12
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: দুটি রাশির যোগফল = ১১ দুটি রাশির বিয়োগফল = ৭ ধরি, প্রথম রাশি = a দ্বিতীয় রাশি = b অতএব, a + b = ১১ a − b = ৭ আমরা জানি, ab এর অনুসিদ্ধান্ত হলো (a + b) ÷ ২ এর হোল স্কয়ার − (a − b) ÷ ২ এর হোল স্কয়ার সুতরাং, ab = (১১ ÷ ২) এর স্কয়ার − (৭ ÷ ২) এর স্কয়ার ab = (১২১ ÷ ৪) − (৪৯ ÷ ৪) উত্তর: ab = ৭২ ÷ ৪ = ১৮
a 60
b 50
c 45
d 30
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬০ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি প্রথম কোণটি দ্বিতীয় কোণের তিনগুণ তৃতীয় কোণটি দ্বিতীয় কোণের চেয়ে ৩০ ডিগ্রি বড় ধরি, দ্বিতীয় কোণ = ক ডিগ্রি প্রথম কোণ = ৩ ক ডিগ্রি তৃতীয় কোণ = ক + ৩০ ডিগ্রি অতএব, তিনটি কোণের যোগফল = ক + ৩ ক + ক + ৩০ ডিগ্রি ৫ ক + ৩০ ডিগ্রি = ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, ৫ ক = ১৮০ ডিগ্রি − ৩০ ডিগ্রি ৫ ক = ১৫০ ডিগ্রি উত্তর: ক = ৩০ ডিগ্রি, তাই প্রথম কোণ = ৩ × ৩০ ডিগ্রি = ৬০ ডিগ্রি
a কোনোটিই নয়
b x>2
c 2<x<31
d x<3
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২ ০ এবং x−৩ < ০ অথবা দ্বিতীয় ক্ষেত্রে x−২ < ০ এবং x−৩ > ০ অতএব, প্রথম ক্ষেত্রে পাই ২ < x < ৩ সুতরাং, সঠিক সমাধান ক্ষেত্র হলো ২ থেকে ৩ এর মধ্যে উত্তর: ২
a ১৩৫ ডিগ্রী
b ১২৫ ডিগ্রী
c ২৫ ডিগ্রী
d ৩৫ ডিগ্রী
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ ডিগ্রি প্রদত্ত তথ্য: একটি কোণের পরিমাপ = ৬৫ ডিগ্রি ধরি, কোণটির পূরক কোণ = ক ডিগ্রি অতএব, পূরক কোণদ্বয়ের সমষ্টি = ৯০ ডিগ্রি সুতরাং, ৬৫ ডিগ্রি + ক ডিগ্রি = ৯০ ডিগ্রি উত্তর: ২৫ ডিগ্রি
a 45
b 20
c 15
d 30
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৫ প্রদত্ত তথ্য: ১৫ জন লোকের কোনো কাজের এক তৃতীয়াংশ করতে লাগে কুড়ি দিন পুরো কাজটি শেষ করতে হবে কুড়ি জন লোকের ধরি, সম্পূর্ণ কাজটিকে এক অংশ ধরা হলো প্রথম ক্ষেত্রে কাজের পরিমাণ হলো এক ভাগের তিন ভাগ অতএব, ১৫ জন লোক এক তৃতীয়াংশ কাজ করে কুড়ি দিনে ১৫ জন লোক সম্পূর্ণ কাজটি করতে সময় নেয় কুড়ি গুণ তিন সমান ষাট দিনে সুতরাং, এক জন লোক সম্পূর্ণ কাজটি করতে সময় নেয় ষাট গুণ পনেরো দিনে কুড়ি জন লোক সম্পূর্ণ কাজটি করতে সময় নেয় ষাট গুণ পনেরো ভাগ কুড়ি সমান পঁয়তাল্লিশ দিনে উত্তর: ৪৫ দিন
a ১০০ গ্রাম
b ১৭৫ গ্রাম
c ৫০০ গ্রাম
d ১০০০ গ্রাম
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭৫ গ্রাম প্রদত্ত তথ্য: পানির ঘনত্ব প্রতি ঘন সেন্টিমিটারে ১ গ্রাম কাঁচ পানি অপেক্ষা ৩.৫ গুণ বেশি ভারী ধরি, ৫০ ঘন সেন্টিমিটার পানির ওজন = ৫০ গ্রাম অতএব, ১ ঘন সেন্টিমিটার কাঁচের ওজন = ৩.৫ গ্রাম ৫০ ঘন সেন্টিমিটার কাঁচের ওজন = ৫০ × ৩.৫ গ্রাম সুতরাং, কাঁচের মোট ওজন = ১৭৫ গ্রাম উত্তর: ১৭৫ গ্রাম
a চাপ
b জ্যা
c ব্যাসার্ধ
d ব্যাস
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জ্যা প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধির উপর যেকোনো দুটি বিন্দু বিবেচনা করা হলো বিন্দু দুটি পরস্পর যুক্ত করলে একটি রেখাংশ পাওয়া যায় ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র বিন্দুটি কেন্দ্র বিন্দু ও পরিধি থেকে দূরে অবস্থিত বিন্দু দুটিকে সংযোগকারী রেখাংশটি জ্যা নামে পরিচিত অতএব, জ্যা বৃত্তের পরিধিকে দুটি অংশে বিভক্ত করে বৃহত্তম জ্যা কেন্দ্র দিয়ে অতিক্রম করে সুতরাং, বৃত্তের পরিধিস্থ যেকোনো দুটি বিন্দুর সংযোজক রেখাংশকে জ্যা বলা হয় উত্তর: B) জ্যা
a ২৭ এবং ২৮
b ২৬ এবং ২৭
c ২৮ এবং ২৯
d ২৫ এবং ২৬
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৫ এবং ২৬ প্রদত্ত তথ্য: পরপর দুটি পূর্ণ সংখ্যা যাদের বর্গের পার্থক্য ৫৩ ধরি, ছোট সংখ্যাটি = ক বড় সংখ্যাটি = ক + ১ অতএব, (ক + ১) এর বর্গ − ক এর বর্গ = ৫৩ ক এর বর্গ + ২ক + ১ − ক এর বর্গ = ৫৩ ২ক + ১ = ৫৩ সুতরাং, ২ক = ৫৩ − ১ ২ক = ৫২ ক = ৫২ ÷ ২ = ২৬ উত্তর: ২৫ এবং ২৬
a 16
b 35
c 28
d 36
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: অপেক্ষকটি হলো F(x) = (x − ১) এর ওপর বর্গ ধরি, x এর মান = ৫ অতএব, F(৫) = (৫ − ১) এর ওপর বর্গ সুতরাং, F(৫) = ৪ এর ওপর বর্গ = ১৬ উত্তর: ১৬
a 140
b 96
c 80
d 120
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২০ প্রদত্ত তথ্য: ছাত্রদের ৮ সারিতে সাজানো যায় ছাত্রদের ১০ সারিতে সাজানো যায় ছাত্রদের ১৫ সারিতে সাজানো যায় ধরি, ন্যূনতম ছাত্র সংখ্যা হবে ৮, ১০ এবং ১৫ এর লসাগু কারণ লসাগু বের করলেই সর্বনিম্ন সংখ্যা পাওয়া যাবে অতএব, ৮ এর উৎপাদক = ২ × ২ × ২ ১০ এর উৎপাদক = ২ × ৫ ১৫ এর উৎপাদক = ৩ × ৫ সুতরাং, লসাগু = ২ × ২ × ২ × ৩ × ৫ উত্তর: ১২০ জন ছাত্র
a সমকোণী ত্রিভুজ
b বিষমবাহু ত্রিভুজ
c সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
d সমবাহু ত্রিভুজ
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের যেকোনো দুটি মধ্যমা পরস্পর সমান ত্রিভুজের বাহুগুলোর মধ্যে সম্পর্ক নির্ণয় করতে হবে ধরি, ত্রিভুজটি এ বি সি এবং তার দুটি মধ্যমা সমান মধ্যমা দুটির দৈর্ঘ্য সমান হওয়ায় তাদের ওপর অঙ্কিত ত্রিভুজগুলো সর্বসম হয় অতএব, সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ধর্ম অনুযায়ী সমান মধ্যমার বিপরীত বাহুদ্বয় পরস্পর সমান হয় ফলে ত্রিভুজটির দুটি বাহু সমান হয় সুতরাং, যে ত্রিভুজের দুটি বাহু সমান তাকে সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ বলে উত্তর: সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
a p কেm এর সূচক
b m কে p এর সূচক
c p.m এর লগ
d pকে m এর ভিত্তি
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) m কে p এর সূচক প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতের সূচকীয় রাশি পি এর পাওয়ার এম এখানে পি হলো ভিত্তি এবং এম হলো পাওয়ার ধরি, রাশিটি হলো পি এর পাওয়ার এম সূচকের নিয়ম অনুযায়ী এম হলো পি এর ওপর নির্ধারিত ঘাত একে পি এর এম তম ঘাত হিসেবে পড়া হয় অতএব, পি হলো মূল সংখ্যা বা ভিত্তি এম হলো সেই সংখ্যা যা নির্দেশ করে ভিত্তিটি কতবার গুণ হবে এই গাণিতিক গঠনে এম হলো পি এর সূচক সুতরাং, পি এর পাওয়ার এম এর অর্থ হলো এম কে পি এর সূচক বলা হয় উত্তর: B) m কে p এর সূচক
a 45
b 33
c 52
d 48
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৩ প্রদত্ত তথ্য: ৪ বছর পরে ছেলের বয়স হবে ১১ বছর স্ত্রী স্বামীর চেয়ে ৫ বছরের ছোট স্ত্রীর বয়স ছেলের বয়সের ৪ গুণ ধরি, বর্তমানে ছেলের বয়স = ১১ − ৪ = ৭ বছর বর্তমানে স্ত্রীর বয়স = ৭ × ৪ = ২৮ বছর বর্তমানে স্বামীর বয়স = ২৮ + ৫ = ৩৩ বছর অতএব, ছেলের বর্তমান বয়স ৭ বছর স্ত্রীর বর্তমান বয়স ২৮ বছর সুতরাং, স্বামীর বর্তমান বয়স ৩৩ বছর উত্তর: ৩৩
a বিল্ডিং অধ্যাদেশ
b বিল্ডিং কোড
c ভবন অনুনিয়ম
d ভবন আইন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ তথ্য সঠিক উত্তর: A) বিল্ডিং অধ্যাদেশ কেন সঠিক: - ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে আইনি বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করতে বিল্ডিং অধ্যাদেশ বা ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। - এটি মানসম্মত ও নিরাপদ নগর পরিকল্পনা নিশ্চিত করার প্রধান আইনি দলিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিল্ডিং অধ্যাদেশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভবন নির্মাণের সকল আইনি নিয়মাবলী এই অধ্যাদেশের আওতাভুক্ত। B) বিল্ডিং কোড — এটি নির্মাণ সামগ্রী ও কাঠামোগত নিরাপত্তার প্রযুক্তিগত মানদণ্ড নির্দেশ করে, যা অধ্যাদেশের অধীনে প্রয়োগ করা হয়। C) ভবন অনুনিয়ম — এটি কোনো প্রমিত আইনি বা প্রশাসনিক পরিভাষা নয়। D) ভবন আইন — এটি সামগ্রিক আইনি কাঠামো বোঝায়, তবে নির্দিষ্ট বিধিমালা হিসেবে অধ্যাদেশই প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: আইনি বাধ্যবাধকতার ক্ষেত্রে ভবন নির্মাণের জন্য সবসময় বিল্ডিং অধ্যাদেশ মেনে চলা বাধ্যতামূলক।
a ১ মার্চ ১৯৯৩
b ১ এপ্রিল ১৯৯৩
c ১ জানুয়ারি ১৯৯৩
d ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ জানুয়ারি ১৯৯৩ কেন সঠিক: - বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বজনীন ও বাধ্যতামূলক করার জন্য ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দেশব্যাপী অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হয়। - তৎকালীন সরকার প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক ঘোষণা করে এবং আইন পাস করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ মার্চ ১৯৯৩ — এই তারিখে দেশব্যাপী বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা চালু হয়নি, এটি ভুল সাল বা তারিখ। B) ১ এপ্রিল ১৯৯৩ — এটি বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা চালুর নির্ধারিত সঠিক তারিখ নয়। সি) ১ জানুয়ারি ১৯৯৩ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩ — এই তারিখে এই কার্যক্রম শুরু হয়নি, এটি ভুল তথ্য। মনে রাখার টিপস: বছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জানুয়ারি থেকেই বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা চালুর মাধ্যমে নতুন বছরের কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।
a শিল্পী
b বৈজ্ঞানিক
c সাহিত্যিক
d কবি
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বৈজ্ঞানিক কেন সঠিক: - জুলিও কুরী ছিলেন একজন বিশ্বখ্যাত ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী ও রসায়নবিদ। - তিনি ও তাঁর স্ত্রী ইরেম জুলিও কুরী যৌথভাবে ১৯৩৫ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিল্পী — জুলিও কুরী শিল্পকলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তিনি বিজ্ঞানচর্চা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। B) বৈজ্ঞানিক — তিনি পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন গবেষণার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত একজন বিজ্ঞানী ছিলেন। সি) সাহিত্যিক — তিনি সাহিত্য বা সৃজনশীল লেখার সঙ্গে যুক্ত কোনো সাহিত্যিক ছিলেন না। ডি) কবি — তিনি কবিতা বা কাব্যচর্চার সঙ্গে যুক্ত কোনো কবি ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: জুলিও কুরী নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী, তাই তাঁর নাম শুনলেই বিজ্ঞান বা বৈজ্ঞানিক শব্দটি মনে রাখবে।
a পৃথিবী
b মঙ্গল
c বুধ
d শুক্র
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শুক্র কেন সঠিক: - শুক্র গ্রহে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইড থাকার কারণে প্রবল গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। - সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ হলেও তাপ আটকে রাখার ক্ষমতা বেশি থাকায় শুক্র গ্রহের তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পৃথিবী — এখানে বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন বেশি থাকায় তাপমাত্রা সহনীয় থাকে এবং এটি সূর্যের সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ নয়। B) মঙ্গল — সূর্য থেকে অনেক দূরে অবস্থিত এবং এর পাতলা বায়ুমণ্ডল তাপ ধরে রাখতে পারে না বলে এর তাপমাত্রা শুক্রের মতো বেশি নয়। C) বুধ — এটি সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ হলেও এর ঘন বায়ুমণ্ডল নেই, তাই এটি শুক্রের মতো তাপ আটকে রাখতে পারে না। D) শুক্র — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণ এর ঘন কার্বন ডাই অক্সাইড বায়ুমণ্ডল। মনে রাখার টিপস: কাছে থাকলেও বুধ নয়, গ্রিনহাউস প্রভাবে সবচেয়ে গরম হলো শুক্র গ্রহ।
a ক্লাব
b একটি পত্রিকা
c বেতার সংস্থা
d সংবাদ সংস্থা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সংবাদ সংস্থা কেন সঠিক: - রয়টার্স হলো যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা যা বিশ্বজুড়ে সংবাদ সংগ্রহ ও সরবরাহ করে। - এটি ১৮৫১ সালে পল জুলিয়াস রয়টার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং বর্তমানে এটি থমসন রয়টার্স কর্পোরেশনের অংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্লাব — রয়টার্স কোনো ক্রীড়া বা সামাজিক ক্লাব নয়, এটি একটি বৈশ্বিক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান। B) একটি পত্রিকা — এটি সরাসরি কোনো প্রিন্ট পত্রিকা বা সংবাদপত্র প্রকাশ করে না, বরং সংবাদ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। C) বেতার সংস্থা — এটি কেবল বেতার বা রেডিও সম্প্রচারের সঙ্গে যুক্ত নয়, এটি প্রধানত সংবাদ পরিবেশনের জন্য পরিচিত। D) সংবাদ সংস্থা — এটি সঠিক কারণ রয়টার্স বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে সংবাদ সরবরাহ করে থাকে। মনে রাখার টিপস: রয়টার্স নামটির সঙ্গে সংবাদ মাধ্যম ও সাংবাদিকতার বিশ্বস্ততার ইতিহাস জড়িত।
a 1905
b 1904
c 1924
d 1914
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯০৪ কেন সঠিক: - ফিফা বা আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশন ২১শে মে ১৯০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। - ফ্রান্সের প্যারিসে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলোর মধ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রতিষ্ঠার জন্য এটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৫ — এই সালে ফিফা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ১৯০৪ সালের পরের বছর। B) ১৯০৪ — এটি ফিফা প্রতিষ্ঠার সঠিক সাল, যা প্যারিসে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। C) ১৯২৪ — এটি ফিফা প্রতিষ্ঠার সাল নয়, তবে এই বছর অলিম্পিক ফুটবল টুর্নামেন্টের নিয়ন্ত্রণ ফিফা নিজের হাতে নেয়। D) ১৯১৪ — এই সালে ফিফা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শুরুর বছর। মনে রাখার টিপস: ১৯০৪ সালের ২১শে মে ফ্রান্সে ফিফা প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯০৪ সংখ্যাটি মনে রাখলেই ফুটবলের নিয়ামক সংস্থার জন্মসাল পাওয়া যাবে।
a 44
b 45
c 42
d 43
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 44 কেন সঠিক: - বারাক ওবামা ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং তিনি দেশটির চুয়াল্লিশতম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - তিনি ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করে ২০০৯ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে হোয়াইট হাউসে দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 44 — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের চুয়াল্লিশতম প্রেসিডেন্ট ছিলেন। B) 45 — পঁয়তাল্লিশতম প্রেসিডেন্ট ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প যিনি ওবামার ঠিক পরের মেয়াদে ক্ষমতায় আসেন। C) 42 — বিয়াল্লিশতম প্রেসিডেন্ট ছিলেন বিল ক্লিনটন যিনি ১৯৯৩ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। D) 43 — তেতাল্লিশতম প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ যিনি ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের ৪৩তম প্রেসিডেন্ট বুশ এবং তার ঠিক পরের জন অর্থাৎ ৪৪তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন বারাক ওবামা।
a রাওয়ালপিন্ডিতে
b করাচিতে
c ঢাকায়
d লাহোরে
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লাহোরে কেন সঠিক: - ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। - এই সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বേচ্ছাধীন অধিকারের দাবিতে ঐতিহাসিক ছয় দফা পেশ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাওয়ালপিন্ডিতে — এটি তৎকালীন পাকিস্তানের প্রশাসনিক রাজধানী ছিল, কিন্তু ছয় দফা এখানে উত্থাপন করা হয়নি। B) করাচিতে — এটি পাকিস্তানের একটি প্রধান শহর ও সাবেক রাজধানী, তবে ছয় দফা উত্থাপনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) ঢাকায় — ছয় দফা প্রথম ঢাকায় ঘোষণা করা হলেও সর্বদলীয় সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে লাহোরে উত্থাপন করা হয়েছিল। D) লাহোরে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানেই ঐতিহাসিক বিরোধীদলীয় কনভেনশনে ছয় দফা পেশ করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: লাহোর প্রস্তাবের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখুন, পাকিস্তানের লাহোরেই ঐতিহাসিক ছয় দফা উত্থাপন করা হয়েছিল।
a আরবীয় মহিলাদের ক্ষমতায়ন
b আরবের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণ
c আরব অঞ্চলে বসন্তকাল
d আরব রাজতন্ত্র
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আরবের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণ কেন সঠিক: - ২০১০ সালের শেষের দিকে তিউনিসিয়া থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার আরব দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। - স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থার পতন, দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ব্যাপক গণবিক্ষোভ ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের সূত্রপাত ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবীয় মহিলাদের ক্ষমতায়ন — এটি নারীর অধিকার সংক্রান্ত হলেও আরব বসন্ত মূলত বৃহত্তর রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার আদায়ের গণআন্দোলন। B) আরবের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণ — এটি সঠিক কারণ আরব বসন্ত বলতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলনকে বোঝানো হয়। C) আরব অঞ্চলে বসন্তকাল — এটি আক্ষরিক অর্থ হলেও ভূরাজনৈতিক বা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ঋতু পরিবর্তন বোঝাতে এই পরিভাষা ব্যবহার করা হয়নি। D) আরব রাজতন্ত্র — এটি বরং অনেক ক্ষেত্রে রাজতান্ত্রিক বা কঠোর একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভ্যুত্থান ছিল। মনে রাখার টিপস: আরব বসন্ত মানে ফুল ফোটার ঋতু নয়, বরং আরব বিশ্বে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে মানুষের জেগে ওঠার গণআন্দোলন।
a খাগড়াছড়ি
b বান্দরবান
c সিলেট
d রাঙ্গামাটি
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাঙ্গামাটি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের আন্তর্জাতিক সীমানা রেখা রাঙ্গামাটি জেলার বরকল উপজেলার ঠেগামুখ এলাকায় এসে মিলিত হয়েছে। - ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এই তিন দেশের ত্রিদেশীয় সীমানা বিন্দুটি রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাগড়াছড়ি — এটি বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তবর্তী জেলা হলেও এর সাথে মিয়ানমারের কোনো সীমান্ত নেই। B) বান্দরবান — এটি বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্ত জেলা হলেও এর সাথে ভারতের সরাসরি সীমান্ত নেই। C) সিলেট — এটি বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত জেলা এবং এর সাথে মিয়ানমারের কোনো সংযোগ নেই। D) রাঙ্গামাটি — এটি ত্রিমুখী সীমানা নির্দেশ করে বিধায় এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: তিন দেশের মিলনস্থল বা ট্রাইপয়েন্ট রাঙ্গামাটির ঠেগামুখ এলাকায় অবস্থিত।
a উইং কমান্ডার এম কে বাশার
b মেজর কাজী নুরুজ্জামান
c মেজর এম আব্দুল জলিল
d মেজর কে এম শফিউল্লাহ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উইং কমান্ডার এম কে বাশার কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে মোট এগারোটি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং উইং কমান্ডার এম কে বাশার ছয় নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - এই সেক্টরের অধীনে ছিল কুড়িগ্রাম জেলা, লালমনিরহাট জেলা এবং রংপুর ও দিনাজপুর জেলার কিছু অংশ, যার সদর দপ্তর ছিল পাটগ্রামের বুড়িমারীতে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উইং কমান্ডার এম কে বাশার — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ছয় নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। B) মেজর কাজী নুরুজ্জামান — তিনি ছয় নম্বর সেক্টরের নন, বরং সাত নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। C) মেজর এম আব্দুল জলিল — তিনি ছয় নম্বর সেক্টরের নন, বরং দক্ষিণাঞ্চলের নয় নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। D) মেজর কে এম শফিউল্লাহ — তিনি ছয় নম্বর সেক্টরের নন, বরং প্রথমে তিন নম্বর এবং পরবর্তীতে এস ফোর্সের কমান্ডার ছিলেন। মনে রাখার টিপস: ছয় নম্বরের বাশার ভাই, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট অঞ্চলে যুদ্ধ পরিচালনা করেন।
a বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন
b বাষ্ট্রপতির কার্যালয়
c পাবলিক সার্ভিস কমিশন
d নির্বাচন কমিশন
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সংবিধানের সপ্তম ভাগে (ধারাসমূহ) রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কথা উল্লেখ আছে। - বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন একটি সংবিধিবদ্ধ বা আইন দ্বারা গঠিত প্রতিষ্ঠান, কিন্তু সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন — এটি ১৯৭৩ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ দ্বারা গঠিত একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, সাংবিধানিক নয়। B) রাষ্ট্রপতির কার্যালয় — এটি সংবিধানের চতুর্থ ভাগের প্রথম অধ্যায়ের অধীনে গঠিত একটি সাংবিধানিক পদ ও প্রতিষ্ঠান। C) পাবলিক সার্ভিস কমিশন — এটি সংবিধানের নবম ভাগের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত একটি স্থায়ী সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। D) নির্বাচন কমিশন — এটি সংবিধানের সপ্তম ভাগের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত কমিশনগুলো হলো সাংবিধানিক, আর আইন পাস করে গঠিতগুলো সংবিধিবদ্ধ।
a বাংলাদেশ ব্যাংক
b ডিএসই
c বিএসইসি
d অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিএসইসি কেন সঠিক: - বিএসইসি হলো বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, যা দেশের পুঁজিবাজার বা শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি করে থাকে। - এটি ১৯৯৩ সালের জুনে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি রেগুলেটরি প্রতিষ্ঠান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ ব্যাংক — এটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা মুদ্রাবাজার, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু সরাসরি শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ করে না। B) ডিএসই — ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ হলো শেয়ার কেনাবেচার একটি প্রধান প্ল্যাটফর্ম বা বাজার, কিন্তু এটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা নয়। C) বিএসইসি — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং দেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে। D) অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় — এটি সরকারের সামগ্রিক অর্থনৈতিক নীতি প্রণয়ন ও বাজেট প্রস্তুত করে, কিন্তু শেয়ার বাজারের সরাসরি দৈনন্দিন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে না। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ব্যাংক হলো মুদ্রাবাজারের নিয়ন্ত্রক এবং বিএসইসি হলো শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রক।
a ছত্রাক
b ব্যাকটেরিয়া
c সায়ানো ব্যাকটেরিয়া
d ভাইরাস
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভাইরাস কেন সঠিক: - এইচআইভি হলো হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস, যা মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আক্রমণ করে দুর্বল করে দেয়। - এটি মূলত কোষে বংশবৃদ্ধি করে এবং এটি কোনো জীবিত এককোষী বা বহুকোষী প্রাণী বা উদ্ভিদ নয়, বরং একটি অণুজীব ভাইরাস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছত্রাক — ছত্রাক হলো এক প্রকার ইউক্যারিয়োটিক জীব, যা এইচআইভির মতো সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ সৃষ্টি করে না। B) ব্যাকটেরিয়া — ব্যাকটেরিয়া হলো এককোষী প্রোক্যারিয়োটিক অণুজীব, যা এইচআইভি ভাইরাস থেকে সম্পূর্ণ আলাদা এবং এদের চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করলেও ভাইরাসে করে না। C) সায়ানো ব্যাকটেরিয়া — সায়ানোব্যাকটেরিয়া হলো সালোকসংশ্লেষণে সক্ষম এক প্রকার ব্যাকটেরিয়া, যা রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস নয়। D) ভাইরাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এইচআইভি একটি মারাত্মক সংক্রামক ভাইরাস। মনে রাখার টিপস: এইচআইভি নামের শেষ শব্দে ভাইরাস রয়েছে, তাই এটি সহজেই মনে রাখা যায় যে এটি একটি ভাইরাস।
a বৈদেশিক সাহায্যে
b উন্নয়নের গতি ধারা
c দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র
d ক্ষুদ্র ঋণ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র কেন সঠিক: - অমর্ত্য সেন কল্যাণ অর্থনীতিতে অবদানের জন্য ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - তিনি দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্রের কারণ বিশ্লেষণ করে সমাজে খাদ্যবণ্টন ব্যবস্থার ত্রুটি তুলে ধরেন এবং দুর্ভিক্ষ রোধে তত্ত্ব দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৈদেশিক সাহায্যে — বৈদেশিক সাহায্য উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি উৎস হলেও এটি তাঁর নোবেলপ্রাপ্তির মূল গবেষণার বিষয় ছিল না। B) উন্নয়নের গতি ধারা — সামগ্রিক উন্নয়নের গতিধারা উন্নয়নের অর্থনীতির অংশ হলেও নির্দিষ্টভাবে তাঁর নোবেল গবেষণা এর চেয়ে দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্রের ওপর বেশি কেন্দ্রীভূত ছিল। C) দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ তিনি এই বিষয়েই নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। D) ক্ষুদ্র ঋণ — ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা এবং এর প্রয়োগের জন্য মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন, অমর্ত্য সেন নন। মনে রাখার টিপস: অমর্ত্য সেন মানেই মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্রের অর্থনৈতিক কারণ অনুসন্ধান।
a রাশিয়া
b ইতালি
c জার্মানি
d জাপান
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জাপান কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর জাপানি বিমানবাহিনী হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিতে আকস্মিক আক্রমণ চালায়। - এই হামলার ফলে যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে এবং অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে মিত্রপক্ষে যোগ দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — রাশিয়া বা তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন এই আক্রমণের সঙ্গে যুক্ত ছিল না, তারা পরবর্তীতে মিত্রশক্তির পক্ষে যুদ্ধ করেছিল। B) ইতালি — ইতালি জার্মানির মিত্র ছিল এবং ইউরোপীয় ও উত্তর আফ্রিকীয় রণাঙ্গনে যুদ্ধ করলেও পার্ল হারবার আক্রমণ করেনি। C) জার্মানি — জার্মানি ইউরোপীয় রণাঙ্গনে অক্ষশক্তির নেতৃত্ব দিলেও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পার্ল হারবার আক্রমণে সরাসরি অংশ নেয়নি। D) জাপান — জাপান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বাধাগ্রস্ত করতে পার্ল হারবারে এই সফল ও আকস্মিক বিমান হামলা চালায়। মনে রাখার টিপস: পার্ল হারবার বললেই মনে রাখবেন প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের লড়াই, যেখানে আমেরিকা আক্রান্ত হয়েছিল দূরপ্রাচ্যের দেশ জাপানের হাতে।
a জেনেটিক্স
b জুওলজী
c বায়োলজী
d ইভোলিউশন
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জেনেটিক্স ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে যে উত্তর দেওয়া হয়েছে (A) জেনেটিক্স) তা বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়। প্রাণী জগতের উৎপত্তি, বংশবৃদ্ধি এবং বিভিন্ন প্রজাতির ক্রমবিকাশ ও বিবর্তন নিয়ে বিজ্ঞানের যে শাখায় আলোচনা করা হয় তাকে ইভোলিউশন বা বিবর্তনবিদ্যা বলা হয়। তাই সঠিক উত্তর হবে D) ইভোলিউশন। নিচে এ বিষয়ে বিস্তারিত বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হলো। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ইভোলিউশন বা বিবর্তন হলো এমন একটি দীর্ঘমেয়াদী জৈবিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোটি কোটি বছর ধরে প্রাচীন ও সরল জীব থেকে নতুন এবং জটিল প্রজাতির উৎপত্তি ঘটে। কার্যপ্রণালি: বংশগতির ধারায় জিনের পরিবর্তন, প্রাকৃতিক নির্বাচন এবং পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার মাধ্যমে জীবের শারীরিক ও জৈবিক বৈশিষ্ট্যের ক্রমবিকাশ ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘোড়ার বিবর্তন ব্যাখ্যা: কোটি বছর ধরে আদি ঘোড়া ইওহিপ্পাস থেকে ধীরে ধীরে বর্তমান যুগের আধুনিক ঘোড়ার উৎপত্তি ঘটেছে। উদাহরণ ২: মানুষের বিবর্তন ব্যাখ্যা: প্রাইমেট জাতীয় প্রাণী থেকে লক্ষ লক্ষ বছরের বিবর্তনের ধারায় আজকের আধুনিক মানব জাতির উৎপত্তি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনেটিক্স — এটি জীববিজ্ঞানের সেই শাখা যেখানে জিন, বংশগতি এবং জীবের পিতামাতা থেকে সন্তান সন্ততিতে বৈশিষ্ট্য অর্জনের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করা হয়। B) জুওলজী — এটি প্রাণীবিদ্যার শাখা যেখানে জীবিত ও মৃত প্রাণীদের শারীরিক গঠন, আচরণ এবং শ্রেণিবিন্যাস নিয়ে বিস্তারিত পড়াশোনা করা হয়। C) বায়োলজি — এটি জীবন বিজ্ঞান বা জীববিজ্ঞানের মূল শাখা যার অন্তর্ভুক্ত হলো উদ্ভিদ ও প্রাণী সংক্রান্ত সকল প্রকার গবেষণা ও পড়াশোনা। D) ইভোলিউশন — এটি হলো সেই সঠিক শাখা যা প্রাণী জগতের উৎপত্তি, বংশ সম্বন্ধ এবং প্রজন্মের পর প্রজমে পরিবর্তনের ইতিহাস ব্যাখ্যা করে। ৫. মনে রাখার টিপস: উৎপত্তি এবং ক্রমবিকাশ শব্দের ইংরেজি রূপ হলো ইভোলিউশন। আর বংশগতির একক হলো জিন যা থেকে এসেছে জেনেটিক্স। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চার্লস ডারউইন হলেন জৈব বিবর্তনবাদের প্রবক্তা যিনি তার বিখ্যাত অরিজিন অব স্পিসিজ গ্রন্থে বিবর্তন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিবর্তনবাদ এবং বংশগতিবিদ্যা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই এই দুটি শাখার পার্থক্য পরিষ্কার রাখা জরুরি।
a Software
b Printer
c Scanner
d Operating System
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Printer ১. কেন সঠিক: ডট ম্যাট্রিক্স হলো এমন একটি প্রিন팅 ডিভাইস যা ছোট ছোট পিনের সাহায্যে ফিতা বা রিবনে আঘাত করে কাগজে লেখা বা ছবি ফুটিয়ে তোলে। এটি মূলত ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত যা আজও ব্যাংকের পাসবুক বা মাল্টি-কপি ইনভয়েস প্রিন্ট করার কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার হলো এক ধরনের প্রিন্ট হেডযুক্ত ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার যা পিনের মাধ্যমে কালির ফিতা চেপে কাগজে বিন্দু আকারে ডট প্রিন্ট করে। কার্যপদ্ধতি: প্রিন্ট হেডে থাকা ছোট ছোট পিন ইলেকট্রোম্যাগনেটিক সিগন্যালের মাধ্যমে সামনের দিকে ধাক্কা খেয়ে কালির রিবনে আঘাত করে এবং কাগজে কাঙ্ক্ষিত অক্ষর বা বিন্দু তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাংক বা পোস্ট অফিসের পাসবুক আপডেট করার প্রিন্টার। ব্যাখ্যা: এই প্রিন্টারগুলো একই সাথে কার্বন কপির মাধ্যমে একাধিক পৃষ্ঠায় নিখুঁতভাবে প্রিন্ট করতে পারে যা ডট ম্যাট্রিক্স প্রযুক্তির প্রধান কাজ। উদাহরণ ২: রেলওয়ের টিকিট কাউন্টারে ব্যবহৃত টিকেটিং প্রিন্টার। ব্যাখ্যা: দীর্ঘস্থায়ী ও কম খরচে কার্বন কপি প্রিন্ট করার প্রয়োজন হয় বলেই সেখানে ডট ম্যাট্রিক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Software — সফটওয়্যার হলো কতগুলো নির্দেশের সমষ্টি বা প্রোগ্রাম যা হার্ডওয়্যারকে পরিচালনা করে, কিন্তু ডট ম্যাট্রিক্স কোনো সফটওয়্যার নয়। B) Printer — ডট ম্যাট্রিক্স একটি পরিচিত আউটপুট ডিভাইস বা প্রিন্টার যা হার্ডকপি তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। C) Scanner — স্ক্যানার হলো একটি ইনপুট ডিভাইস যা কাগজের হার্ডকপিকে ডিজিটাল ছবিতে রূপান্তর করে, যা ডট ম্যাট্রিক্সের কাজের সম্পূর্ণ বিপরীত। D) Operating System — অপারেটিং সিস্টেম হলো সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে, যা কোনো প্রিন্টার নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ডট ম্যাট্রিক্স নামটিতেই প্রিন্ট করার পদ্ধতির ইঙ্গিত রয়েছে যেখানে অসংখ্য ডট বা বিন্দুর ম্যাট্রিক্স বা জালিকা ব্যবহার করে প্রিন্ট করা হয়। ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার মানেই শব্দ করে প্রিন্ট করে এবং এটি সাধারণত ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার হিসেবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার হলো এক ধরনের ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার যা একযোগে কার্বন কপি বা একাধিক কপি প্রিন্ট করতে সক্ষম। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন প্রিন্টারটি শব্দ বেশি করে বা কার্বন কপি প্রিন্ট করতে পারে, যার উত্তর ডট ম্যাট্রিক্স।

মোট প্রশ্ন (20)

a দিব্‌+লোক
b বিঃ + লোক
c দুঃ+ লোক
d দিক্ + সোক
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দিব্‌+লোক কেন সঠিক: ১. দিব্ শব্দের বকার এবং লোক শব্দের ল মিলে দুলোক বা দ্যুলোক গঠিত হয়। ২. এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে যেখানে ব-ফলা যুক্ত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মানুযায়ী পূর্বপদের অন্তস্থিত ব অনেক সময় পরবর্তী পদের সাথে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে। ২. এখানে দিব শব্দের সাথে লোক শব্দ যুক্ত হওয়ার সময় বিসর্গ বা অন্য কোনো পরিবর্তন না ঘটে দিব্‌+লোক রূপ ধারণ করে। ৩. যেমন অহর্নিশ বা পতঞ্জলির মতো এটিও সংস্করূতের একটি প্রচলিত সন্ধি যা বাংলায় গৃহীত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিব্‌+লোক — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম মেনেই দ্যুলোক শব্দ গঠন করে। B) বিঃ + লোক — বিসর্গ সন্ধির এই নিয়মটি এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ মূল শব্দে বিসর্গ নেই। C) দুঃ+ লোক — দুঃখ বা এ জাতীয় শব্দের ক্ষেত্রে এই নিয়ম খাপ খেলেও দ্যুলোকের জন্য এটি ভুল। D) দিক্ + সোক — দিক এবং সোক মিলে দ্যুলোক হয় না কারণ এখানে ব্যঞ্জনের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: ১. দ্যুলোক শব্দ দেখলে প্রথমে দিব্ মূল শব্দটি মনে রাখবে। ২. লোক শব্দের সাথে দিব যোগ করে সন্ধিটি মুখস্থ রাখবে।
a যৌগিক
b মিশ্র
c সরল
d জটিল
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যৌগিক ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বা সরল বাক্য কোনো অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে। এখানে 'তার বয়স বেড়েছে' এবং 'বুদ্ধি বাড়েনি' দুটি স্বাধীন বাক্য এবং মাঝখানে 'কিন্তু' সংযোগকারী অব্যয় যুক্ত হয়ে বাক্যটিকে যৌগিক বাক্যে রূপান্তর করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে বাক্যের গঠন প্রক্রিয়ায় একাধিক স্বাধীন খণ্ডবাক্য এবং, কিন্তু, কিংবা, অথবা, অতএব ইত্যাদি সমবায়সূচক বা বিরোধসূচক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে যৌগিক বাক্য বলা হয়। এখানে একটি খণ্ডবাক্যের অর্থের সঙ্গে অন্য খণ্ডবাক্যের অর্থের বিরোধ বোঝাতে 'কিন্তু' অব্যয়টি ব্যবহার করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সে অনেক চেষ্টা করল, কিন্তু পাস করতে পারল না। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি সরল বাক্য 'সে অনেক চেষ্টা করল' এবং 'পাস করতে পারল না' অংশ দুটি 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে। উদাহরণ ২: সকাল হলো এবং পাখি ডাকল। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য 'সকাল হলো' এবং 'পাখি ডাকল' অংশ দুটি 'এবং' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যৌগিক — এটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। B) মিশ্র — মিশ্র বা জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য নির্ভরশীল থাকে, যা এই বাক্যে নেই। C) সরল — সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু এই বাক্যে দুটি সমাপিকা ক্রিয়া ও দুটি খণ্ডবাক্য আছে। D) জটিল — জটিল বাক্যে যারা, যে, যদি, যদিও ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় ব্যবহার করে খণ্ডবাক্যগুলোকে যুক্ত করা হয়, যা এখানে অনুপস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যের মাঝে এবং, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা, তাই থাকলে চোখ বন্ধ করে যৌগিক বাক্য দাগাবে। স্বাধীন দুটি বাক্য যখন কোনো অব্যয় দিয়ে জোড়া লাগে, তখন সেটি নিশ্চিতভাবেই যৌগিক বাক্য হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। বাক্যের মাঝখানে কিন্তু, অথচ, কিংবা শব্দগুলো দেখলে প্রথমে যৌগিক বাক্য হিসেবে বিবেচনা করবে।
a উন্মনা
b দখিনা হাওয়া
c মিনতি
d ফাল্গুন
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উন্মনা ১. কেন সঠিক: - উন্মনা শব্দটি উৎ যুক্ত মনা মিলে সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে। - এখানে ত এর পরে ম থাকায় ত স্থানে ন হয়েছে যা ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মের অন্তর্ভুক্ত একটি শব্দ। - ত বা দ এর পরে ম বা ন থাকলে ত বা দ স্থানে ন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উৎ + মত্ত = উন্মত্ত ব্যাখ্যা: ত এর পরে ম থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে ন হয়েছে। উদাহরণ ২: উৎ + ময় = ওন্ময় ব্যাখ্যা: ত এর পরে ম থাকার কারণে ব্যঞ্জনসন্ধি সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উন্মনা — এটি সন্ধিসাধিত শব্দ হওয়ায় সঠিক উত্তর। B) দখিনা হাওয়া — এটি কোনো সন্ধিজাত শব্দ নয়, বরং সাধারণ পদ। C) মিনতি — এটি একটি মৌলিক শব্দ বা বিশেষ্য পদ। D) ফাল্গুন — এটি বাংলা মাসের নাম এবং একটি সাধিত বা মৌলিক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - উৎ উপসর্গযুক্ত শব্দে ত এর পরে ম দেখলে সাধারণত ব্যঞ্জনসন্ধির কথা মাথায় রাখবে। - উন্মনা শব্দের উৎস খোঁজ করলে উৎ এবং মনা এর মিলন দেখতে পাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উৎ উপসর্গযুক্ত ব্যঞ্জনসন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সন্ধি বিচ্ছেদ ভালো করে আয়ত্ত করলে এ জাতীয় প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
a ভূষণ্ডী নামক স্থানের নাম
b অনভিজ্ঞ ব্যক্তি
c দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি
d বিশেষজাতের কাক
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি ১. কেন সঠিক: - ভূষণ্ডীর কাক বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ অনেক দীর্ঘ জীবন পাওয়া কাক এবং বিশেষ অর্থে এটি দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ বা প্রবীণ ব্যক্তিকে বোঝায়। - পৌরাণিক বা লোকজ বিশ্বাস অনুযায়ী ভূষণ্ডী নামের এক কাক অমরত্ব লাভ করেছিল এবং সে সৃষ্টির বহু পরিবর্তন নিজের চোখে দেখেছে। ২. ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে থাকে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা বাক্যকে আকর্ষণীয়, সুন্দর এবং ভাবগম্ভীর করে তোলার জন্য বহুল পরিমাণে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এই কাজের জন্য আমাদের একজন ভূষণ্ডীর কাক দরকার যিনি সব পরিস্থিতি সামলাতে পারবেন। ব্যাখ্যা: এখানে জটিল পরিস্থিতি মোকাবেলায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তির প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: রাজনীতিতে তিনি ভূষণ্ডীর কাক তাই তাকে সহজে বোকা বানানো যাবে না। ব্যাখ্যা: এখানে রাজনৈতিক মাঠে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে এমন একজন প্রবীণ ও চতুর ব্যক্তির কথা বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভূষণ্ডী নামক স্থানের নাম — ভূষণ্ডী কোনো পরিচিত ভৌগোলিক স্থান নয় বরং এটি একটি পৌরাণিক উপাখ্যানের সাথে যুক্ত। B) অনভিজ্ঞ ব্যক্তি — এটি সঠিক উত্তরের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে কারণ বাগধারাটি অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। D) বিশেষজাতের কাক — এটি কাকের কোনো জৈবিক বা বৈজ্ঞানিক প্রজাতি নয় বরং এটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত একটি বাগধারা। ৫ মনে রাখার টিপস: - কাক সাধারণত দীর্ঘদিন বাঁচে বলে লোকমুখে প্রচলিত আছে এবং ভূষণ্ডী নামের কাক সব যুগ দেখেছে। - এই ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক কল্পনার সাথে মিল রেখে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে ভূষণ্ডীর কাক বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই পৌরাণিক বা লোকজ শব্দভিত্তিক বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের বাগধারাগুলোর অন্তর্নিহিত বা রূপক অর্থ মনে রাখলেই খুব সহজে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব হয়।
a করণীয়
b রাক্ষস
c গন্ধদ্রব্যবিশেষ
d রাসায়নিক পদার্থ
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাক্ষস ১. কেন সঠিক: 'কর্বুর' একটি তৎসম শব্দ যার প্রচলিত অর্থ হলো রাক্ষস, দানব বা অসুর। বাংলা ভাষা ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ অংশে এই ধরনের তুলনামূলক কম ব্যবহৃত সংস্কৃত শব্দ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক একটি প্রশ্ন। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত যে সকল শব্দ অপরিবর্তিত রূপে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। 'কর্বুর' তেমনই একটি তৎসম শব্দ যা কাব্য বা প্রাচীন সাহিত্যে রাক্ষস অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুনিয়া ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ যার অর্থ পৃথিবী বা জগত। উদাহরণ ২: অনল ব্যাখ্যা: এটি আগুনের একটি সমার্থক শব্দ যা তৎসম শব্দের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণীয় — এই শব্দটির অর্থ যা করা উচিত বা কর্তব্য, যা 'কর্বুর' শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) রাক্ষস — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'কর্বুর' শব্দের অর্থ রাক্ষস বা অসুর। C) গন্ধদ্রব্যবিশেষ — এই অপশনটি সুগন্ধি জাতীয় কোনো পদার্থ বোঝায়, যা কর্বুরের অর্থ নয়। D) রাসায়নিক পদার্থ — এই শব্দটি বিজ্ঞান বা আধুনিক বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত, যা প্রাচীন শব্দটির অর্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কর্বুর শব্দটিতে কর এবং বুর অংশ রয়েছে, এটি মনে রেখে কর্বুর মানে রাক্ষস এভাবে মুখস্থ রাখতে পারেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের কঠিন শব্দ আয়ত্ত করতে প্রতিদিন অন্তত পাঁচটি করে নতুন শব্দের অর্থ পড়ার অভ্যাস করুন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অপ্রচলিত তৎসম শব্দের অর্থ জানতে চাওয়া হয়। তাই সাহিত্য ও ব্যাকরণের শব্দার্থ অংশ পড়ার সময় নির্বাচিত সংস্কৃত শব্দগুলোর সঠিক অর্থ ভালোভাবে রপ্ত করতে হবে।
a দীনবন্ধু মিত্র
b ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
c রাজা রামমোহন রায়
d কালীপ্রসন্ন সিংহ
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১. কেন সঠিক: বাংলা গদ্যে যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের সফল প্রবর্তক ও ব্যবহারকারী হলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তিনি ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত তাঁর বেতাল পঞ্চবিংশতি গ্রন্থে প্রথম যতিচিহ্নের সুশৃঙ্খল প্রয়োগ করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের জনক ও ঊনবিংশ শতকের প্রধান সংস্কারক হিসেবে পরিচিত। তাঁর হাত ধরেই বাংলা গদ্য পরাধীনতা ও শৃঙ্খল মুক্ত হয়ে সহজ, গতিশীল ও প্রমিত রূপ লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেতাল পঞ্চবিংশতি ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অনূদিত গ্রন্থ যেখানে তিনি প্রথম যতিচিহ্ন ব্যবহার করেন। উদাহরণ ২: ভ্রান্তিবিলাস ব্যাখ্যা: এটি তাঁর আরেকটি বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ যা শেক্সপিয়রের কমেডি অফ এররস অবলম্বনে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দীনবন্ধু মিত্র — তিনি প্রখ্যাত নাট্যকার হলেও যতিচিহ্ন প্রবর্তন করেননি, তাঁর বিখ্যাত নাটক নীলদর্পণ। B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি বাংলা গদ্যে যতিচিহ্ন প্রবর্তন করেছেন। C) রাজা রামমোহন রায় — তিনি আধুনিক বাংলা গদ্যের সূচনাকারী হলেও যতিচিহ্ন প্রবর্তন করেননি। D) কালীপ্রসন্ন সিংহ — তিনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও হুতোম প্যাঁচা ছদ্মনামের লেখক, যতিচিহ্ন প্রবর্তক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: বিদ্যাসাগর মহাশয় গদ্যকে অর্থবোধক করতে যতিচিহ্ন বা থামার নিয়ম প্রথম চালু করেছিলেন। গদ্যের বিদ্যাসাগর আর যতিচিহ্নের প্রথম ব্যবহার এভাবে মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা গদ্যের উৎপত্তি ও বিকাশ থেকে প্রায়শই এই প্রশ্ন আসে। যতিচিহ্ন সম্পর্কিত প্রশ্ন আসলে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নাম এবং তাঁর বেতাল পঞ্চবিংশতি গ্রন্থটি মনে রাখতে হবে।
a আব্দুল হাকিম
b অতুল প্রসাদ সেন
c রামনিধি গুপ্ত
d শেখ ফজলুল করিম
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রামনিধি গুপ্ত ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত পঙক্তিটি বাংলা ভাষার আদি ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবিয়াল এবং টপ্পা গানের প্রণেতা রামনিধি গুপ্ত বা নিধুবাবুর একটি অত্যন্ত বিখ্যাত গানের অংশ। - স্বদেশের ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর অনুরাগ প্রকাশের জন্য বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে এই পঙক্তিটির ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক গুরুত্ব অপরিসীম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রামনিধি গুপ্ত অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগ ও উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত গীতিকার ও সুরকার। - তিনি বাংলা গানে টপ্পা গানের প্রবর্তন করেন এবং তাঁর গানে মূলত দেশপ্রেম, ভক্তি ও বিরহ রস ফুটিয়ে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নানা দেশের নানা ভাষা, বিনে স্বদেশী ভাষা পুরে কি আশা। ব্যাখ্যা: এটি রামনিধি গুপ্তের রচিত দেশাত্মবোধক টপ্পা গানের স্থায়ী অংশ, যেখানে মাতৃভাষার প্রতি প্রগাঢ় ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: সবে মিলে কর জোড়, আপনার ভাষা কর মনঃপূত। ব্যাখ্যা: মাতৃভাষার উন্নয়ন ও চর্চার প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে বাংলা সাহিত্যে বিভিন্ন সময়ে এই ধরনের পঙক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আব্দুল হাকিম — ইনি সপ্তদশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট কবি, যিনি 'নূরনামা' কাব্যে মাতৃভাষার পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছিলেন কিন্তু এই পঙক্তিটি তাঁর নয়। B) অতুল প্রসাদ সেন — ইনি বিশ শতকের প্রারম্ভের দেশপ্রেমমূলক গানের গীতিকার, তবে এই নির্দিষ্ট পঙক্তিটি তাঁর রচিত নয়। D) শেখ ফজলুল করিম — ইনি আধুনিক যুগের একজন সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী, যিনি সাহিত্য সাধনার জন্য সাহিত্য বিশারদ উপাধি পেয়েছিলেন তবে এই গানের রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মাতৃভাষা নিয়ে বিখ্যাত গান বা পঙক্তিগুলোর মধ্যে আব্দুল হাকিমের বঙ্গবাণী কবিতার পাশাপাশি নিধুবাবুর নানা দেশের নানা ভাষা গানটি বিশেষভাবে স্মরণ রাখতে হবে। - নিধুবাবু মানেই টপ্পা গান এবং স্বদেশী ভাষার টানে রচিত বিখ্যাত পঙক্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মাতৃভাষাপ্রীতিমূলক বিখ্যাত উক্তি বা পঙক্তি কার লেখা, তা প্রায়ই আসে। - রামনিধি গুপ্ত বাংলা সঙ্গীতে টপ্পা গানের জন্য সর্বাধিক পরিচিত, এই তথ্যটি মনে রাখা জরুরি।
a নতুন শব্দ গঠন
b ভাবের পার্থক্য নিরূপণ
c অর্থ পরিবর্তন
d বর্ণ সংস্করণ
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নতুন শব্দ গঠন ১. কেন সঠিক: উপসর্গ নিজেই কোনো পূর্ণ শব্দ বা পদ নয়, এটি কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ সংক্রান্ত প্রশ্নে এর মূল কাজ হিসেবে নতুন শব্দ গঠনকেই প্রধান বৈশিষ্ট্য হিসেবে ধরা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয় বা অব্যয়জাতীয় শব্দাংশ, যা স্বাধীনভাবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না কিন্তু অন্য শব্দের প্রথমে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। উপসর্গ শব্দের অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন ঘটাতে পারে, তবে এর মূল ও আদি কাজ হলো নতুন শব্দ তৈরি করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হার শব্দের পূর্বে প্র উপসর্গ যোগে প্রহার শব্দ গঠিত হয়। ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ হার এর সঙ্গে প্র যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন অর্থের মারধর বা প্রহার শব্দ তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: কাজ শব্দের পূর্বে কু উপসর্গ যোগে কুকাজ শব্দ গঠিত হয়। ব্যাখ্যা: এখানে কাজ শব্দের পূর্বে কু উপসর্গ বসে খারাপ বা মন্দ কাজ অর্থে একটি নতুন শব্দ তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নতুন শব্দ গঠন — এটি সঠিক কারণ উপসর্গ শব্দের শুরুতে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে। B) ভাবের পার্থক্য নিরূপণ — উপসর্গ মূলত শব্দ গঠনে কাজ করে, সরাসরি ভাবের পার্থক্য নিরূপণ এর প্রধান কাজ নয়। C) অর্থ পরিবর্তন — উপসর্গ অর্থ পরিবর্তন করতে পারে, তবে তা নতুন শব্দ গঠনের মাধ্যমেই ঘটে থাকে। D) বর্ণ সংস্করণ — বর্ণ সংস্করণ বা পরিবর্তন করা উপসর্গের কোনো ব্যাকরণগত কাজ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: উপসর্গের কাজ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো উপসর্গের উ দিয়ে উৎপত্তি বা নতুন শব্দ তৈরি বোঝায়। শব্দ গঠনের কারিগর হিসেবে উপসর্গ সর্বদা শব্দের সামনে বসে নতুন নতুন শব্দ উপহার দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয় যথা খাঁটি বাংলা, সংস্কৃত এবং বিদেশি উপসর্গ। পরীক্ষায় প্রায়ই কোন শব্দের কোন উপসর্গ যুক্ত হয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়, তাই উপসর্গ চেনার কৌশল আয়ত্ত করা জরুরি।
a পীত
b কয়রা
c ধূসর
d আরক্ত
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধূসর ১. কেন সঠিক: - ঈষৎ বা সামান্য পাংশুবর্ণ বা ছাইরঙা বোঝাতে ধূসর শব্দটি ব্যবহার করা হয়। - বাক্য সংকোচনের নিয়ম অনুযায়ী একাধিক পদের ভাবকে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই রূপটি নির্ধারিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা বাক্যকে সংক্ষেপ ও সুন্দর করে তোলে। - অর্থ ঠিক রেখে বড় বাক্যাংশকে একটি শব্দে রূপান্তর করাই এর মূল কাজ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা সহজে জয় করা যায় না = দুর্জেয় ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত বাক্য সংকোচন যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। উদাহরণ ২: নদী মাত্রিক দেশ যার = নদীমাতৃক ব্যাখ্যা: সংক্ষিপ্ত করে শব্দের ভাব প্রকাশের জন্য এই বাক্য সংকোচন ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পীত — পীত শব্দের অর্থ হলুদ বর্ণ, যা ঈষৎ পাংশুবর্ণ বা ছাইরঙা বোঝায় না। B) কয়রা — কয়রা কোনো প্রমিত বাংলা রঙের নাম নয়, এটি একটি বিশেষ অঞ্চলের নাম হতে পারে। D) আরক্ত — আরক্ত শব্দের অর্থ ঈষৎ লাল বা লালচে, যা পাংশুবর্ণের বিপরীত। ৫ মনে রাখার টিপস: - ধূলি বা ছাই থেকে ধূসর শব্দের উৎপত্তি, তাই ছাইরঙা বা পাংশুবর্ণ দেখলেই ধূসর উত্তর নির্বাচন করবে। - রঙের ক্ষেত্রে এককথায় প্রকাশের শব্দগুলো ছক আকারে পড়লে সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রঙের রূপভিত্তিক বাক্য সংকোচন প্রায়ই আসে। - প্রমিত বাংলা শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে বাক্য সংকোচনের নিয়মিত চর্চা করা আবশ্যক।
a অর্ণব
b জলধি
c অর্ক
d রাতুল
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অর্ক কেন সঠিক: - 'আফতাব' একটি ফার্সি শব্দ যার অর্থ সূর্য। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'অর্ক' শব্দটির অর্থও সূর্য, যা সঠিক সমার্থক শব্দ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় সমার্থক শব্দ বলতে একই অর্থ প্রকাশকারী ভিন্ন শব্দকে বোঝায়। - সূর্যোদয় ও প্রকৃতির বর্ণনায় প্রাচীন ও আধুনিক সাহিত্যে অর্ক শব্দটি বহুল ব্যবহৃত হয়। - সূর্যের অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে অর্ক, রবি, ভানু ও সূর্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) অর্ণব — এই শব্দটির অর্থ সমুদ্র বা সাগর। - B) জলধি — এই শব্দটির অর্থ সমুদ্র বা জল ধারণ করে যা। - C) অর্ক — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভুল নেই। - D) রাতুল — এই শব্দটির অর্থ লাল বা রক্তিম। মনে রাখার টিপস: - আফতাব এবং অর্ক উভয় শব্দই মূলত সূর্যকে বোঝায়।
a পূজার উপকরণ
b পূজার বাদ্য
c পূজার মন্ডুপ
d পূজার আধার
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পূজার উপকরণ ১. কেন সঠিক: - অর্ঘ্য শব্দের আক্ষরিক ও অর্থগত দিক থেকে সঠিক উত্তর হলো পূজার উপকরণ। দেবতা বা পূজনীয় ব্যক্তিকে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য যা কিছু ব্যবহার করা হয়, তাকে একসঙ্গে অর্ঘ্য বলা হয়। - প্রমিত বাংলা শব্দার্থ অনুযায়ী ফুল, চন্দন, ধূপ বা পূজার অন্যান্য নিবেদন সামগ্রী এই শব্দের আওতাভুক্ত। ২. শব্দের উৎস ও অর্থ: - এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার মূল অর্থ পূজার উপহার বা শ্রদ্ধাঞ্জলি। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে সম্মান প্রদর্শনের ক্ষেত্রেও রূপক অর্থে এই শব্দের বহুল ব্যবহার দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যে অঞ্জলি বা অর্ঘ্য শব্দগুলোর প্রায়ই পূজা বা শ্রদ্ধা নিবেদনের অর্থে ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। ব্যাখ্যা: সাহিত্যিক ও কাব্যিক ভাষায় শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যম বোঝাতে এই শব্দের প্রয়োগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। উদাহরণ ২: পূজার থালায় ফুল, বেলপাতা এবং চন্দন সাজিয়ে রাখা হলো। ব্যাখ্যা: পূজার থালায় সাজানো এই সামগ্রীগুলোই মূলত পূজার উপকরণ বা অর্ঘ্য হিসেবে পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূজার উপকরণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ অর্ঘ্য শব্দের অর্থ পূজার নিবেদন সামগ্রী। B) পূজার বাদ্য — বাদ্য বলতে ঢাক, ঢোল বা কাসর বোঝায়, যা অর্ঘ্য শব্দের অর্থের সঙ্গে মিলে না। C) পূজার মন্ডুপ — মন্ডপ হলো পূজার স্থান বা প্যান্ডেল, যা অর্ঘ্য শব্দের অর্থ নয়। D) পূজার আধার — আধার বলতে পাত্র বা ধারণ করার স্থান বোঝায়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - অর্ঘ্য শব্দের শেষের য-ফলাটি মনে রাখবে এবং এর সঙ্গে উপচারের বা উপকরণের মিল খুঁজে নেবে। - পূজার উপকরণ এবং অর্ঘ্য উভয় শব্দই পূজার সামগ্রী নির্দেশ করে, তাই এদের সমার্থক হিসেবে মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অর্থ নির্ণয়ের জন্য তৎসম শব্দের সঠিক জ্ঞান অত্যন্ত জরুরি। - একই রকম দেখতে কিন্তু ভিন্নার্থক শব্দের সঙ্গে গুলিয়ে না ফেলে প্রমিত অভিধানের অর্থ মনে রাখা পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে ভালো কৌশল।
a উর্ধ্বটান
b প্রশান্ত
c উঁচুনিচু
d উত্তাল
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রশান্ত ১. কেন সঠিক: - উচাটন শব্দের অর্থ উৎকণ্ঠিত, অস্থির, ব্যাকুল বা যার মন কোথাও স্থির থাকে না। - এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে এমন একটি শব্দ প্রয়োজন যা শান্তি, স্থিরতা বা ধীরস্থির ভাব বোঝায় এবং সেই অর্থে প্রশান্ত শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দ বিষয়ের অন্তর্গত একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত প্রশ্ন। - বাংলা ভাষায় বিশেষ করে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সঠিক অর্থ জানা থাকলে বিপরীতার্থক শব্দ সহজেই নির্ণয় করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চঞ্চল - শান্ত ব্যাখ্যা: চঞ্চল শব্দের অর্থ অস্থির এবং শান্ত শব্দের অর্থ স্থির, যা বিপরীতার্থক সম্পর্ক প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: ব্যাকুল - শান্ত ব্যাখ্যা: ব্যাকুল শব্দের অর্থ উৎকণ্ঠিত এবং শান্ত শব্দের অর্থ প্রশান্ত বা স্থির ভাব বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উর্ধ্বটান — এটি কোনো প্রচলিত বা সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ নয় এবং এটি শব্দের গঠনের নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) প্রশান্ত — এটি সঠিক কারণ এটি উচাটন শব্দের অস্থিরতার বিপরীত হিসেবে শান্তি ও স্থিরতা প্রকাশ করে। C) উঁচুনিচু — এটি একটি বিপরীতার্থক শব্দ হলেও এর অর্থ উচ্চ ও নিচু ভূমির তারতম্য বোঝায়, যা মানসিক অবস্থার বিপরীতার্থক নয়। D) উত্তাল — এর অর্থ তরঙ্গবহুল বা উদ্দাম, যা উচাটন শব্দের সমার্থক হতে পারে কিন্তু বিপরীতার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - উচাটন মনের অস্থিরতা নির্দেশ করে, আর প্রশান্ত মনের শান্তি বোঝায়। - অস্থির মনের বিপরীত সবসময় শান্ত বা প্রশান্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানসিক অবস্থা নির্দেশক শব্দগুলোর বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। - শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করে অপশন যাচাই করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a কর্মে ৭মী
b অধিকরণে ৭মী
c সম্প্রদানে ৭মী
d অপাদানে ৭মী
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্মে ৭মী কেন সঠিক: - বাক্যে গুণহীন ব্যক্তিকে ত্যাগ করার কথা বলা হয়েছে এবং এখানে ত্যাগ করার কর্মটি নির্দেশ করা হয়েছে। - গুণহীন শব্দের সাথে এ বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যাকে বা যা কিছু ত্যাগ করা হয় তাকে কর্ম কারক বলে। - সৎভাবে কিছু বর্জন করা বা ত্যাগ করা অর্থে কর্ম কারক হয়। - যেমন: পাপকে ঘৃণা কর। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কর্মে ৭মী — এটি সঠিক উত্তর। - B) অধিকরণে ৭মী — স্থান বা সময় বোঝালে অধিকরণ কারক হয় যা এখানে নেই। - C) সম্প্রদানে ৭মী — সত্য বা স্বত্ব ত্যাগ করে দান করলে সম্প্রদান কারক হয়, সাধারণ ত্যাগ করলে নয়। - D) অপাদানে ৭মী — কোনো কিছু থেকে বিচ্যুত, জাত, ভীত বা বিরত হওয়া বোঝালে অপাদান কারক হয়। মনে রাখার টিপস: - ত্যাগ করা, বর্জন করা বা পরিত্যাগ করা বোঝালে কর্ম কারক হয়। - শব্দটিতে এ বা তে বিভক্তি থাকলে তা সপ্তমী বিভক্তি হয়।
a মন্ত্রিপরিসদ
b মন্ত্রীপরিষদ
c মন্ত্রিপরিষদ
d মন্ত্রিপরিশন
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মন্ত্রিপরিষদ ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'মন্ত্রী' শব্দের সঙ্গে অন্য শব্দ যুক্ত হলে 'ঈ-কার' বদলে 'ই-কার' হয়। - 'পরিষদ' শব্দের বানান সর্বদা দ-এর সঙ্গে যুক্ত হয়, এখানে মূর্ধন্য ষ ব্যবহার করা ভুল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী পদ বা সমাসবদ্ধ পদে দীর্ঘী-কার হ্রস্বী-কার হয়ে যায়। - মন্ত্রী থেকে মন্ত্রি এবং পরিষদ মিলে গঠিত হয় মন্ত্রিপরিষদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জীবনীকোষ ব্যাখ্যা: জীবন শব্দের সঙ্গে ই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে জীবনী এবং পরে কোষ যুক্ত হলে ই-কার হয়। উদাহরণ ২: গুণীজন ব্যাখ্যা: গুণী শব্দের সঙ্গে জন যুক্ত হলে গুণিজন বানান শুদ্ধ হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মন্ত্রিপরিসদ — পরিষদ বানানে দ-এর পরিবর্তে স ব্যবহারের কারণে এই অপশনটি ভুল হয়েছে। B) মন্ত্রীপরিষদ — মন্ত্রী শব্দে দীর্ঘী-কার এবং পরিষদে মূর্ধন্য ষ থাকার কারণে এই বানানটি ভুল। D) মন্ত্রিপরিশন — পরিষণ শব্দের শেষ বর্ণটি ভুল হওয়ার কারণে এই অপশনটি সম্পূর্ণ অশুদ্ধ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ছোট পদের সঙ্গে বড় পদ যুক্ত হলে দীর্ঘী-কার ছোট হয়ে ই-কার হয়। - পরিষদ বানানে সবসময় দ ব্যবহার করতে হবে, ষ ব্যবহার করা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মন্ত্রী সংক্রান্ত সমাসবদ্ধ পদের বানান প্রায়ই আসে। - মন্ত্রীসভা, মন্ত্রিপরিষদ, সচিবালয় এ জাতীয় শব্দগুলোর ক্ষেত্রে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করতে হয়।
a বেগম সুফিয়া কামাল
b শামসুর রাহমান
c আল মাহমুদ
d আবুল হাসান
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শামসুর রাহমান কেন সঠিক: আধুনিক বাংলা কবিতার বরপুত্র শামসুর রাহমান তার কাব্যচর্চার পাশাপাশি গদ্যসাহিত্যেও রেখেছেন অসামান্য অবদান। 'অক্টোপাস' তার লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা বাংলা কথাসাহিত্যে এক বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: শামসুর রাহমান মূলত কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি বেশ কয়েকটি সফল উপন্যাস ও গল্প রচনা করেছেন। তার এই উপন্যাসে নাগরিক জীবন, মানুষের একাকীত্ব এবং মনস্তাত্ত্বিক সংকটের এক নিপুণ চিত্র ফুটে উঠেছে। যেমন তার অন্যান্য গদ্য রচনার মধ্যে 'অদ্ভুত আঁধার এক' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেগম সুফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি ও নারী অধিকার নেত্রী হলেও কোনো উপন্যাস লেখেননি। B) শামসুর রাহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি এই উপন্যাসের রচয়িতা। C) আল মাহমুদ — তিনি মূলত আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও 'অক্টোপাস' তার লেখা নয়। D) আবুল হাসান — তিনি ষাটের দশকের একজন প্রতিভাবান আধুনিক কবি ও সাংবাদিক হলেও কোনো উপন্যাস রচনা করেননি। মনে রাখার টিপস: শামসুর রাহমানের কবিতা যেমন বিখ্যাত, তেমনি তার গদ্যকর্ম মনে রাখতে অক্টোপাস নামটি বারবার চর্চা করতে হবে। কবি শামসুর রাহমানের গদ্য রচনার তালিকা থেকে এই উপন্যাসটি আলাদা করে ছক আকারে মুখস্থ রাখা যায়।
a শব্দের মূল
b শব্দ ও ধাতুর মূল
c -ধাতুর মূল
d প্রত্যয়যুক্ত শব্দ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শব্দ ও ধাতুর মূল ১. কেন সঠিক: ব্যাকরণে শব্দ বা পদের মূল অংশকে প্রকৃতি বলা হয়। প্রকৃতি দুই প্রকার, যেমন শব্দের মূল বা প্রাতিপদিক এবং ক্রিয়ার মূল বা ধাতু। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: নামপদের মূল বা প্রাতিপদিক এবং ক্রিয়ামূল বা ধাতুকে একত্রে প্রকৃতি বলা হয়। প্রকৃতির সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ বা পদ গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চল + আ = চলা। এখানে চল হলো ধাতু বা প্রকৃতির উদাহরণ। ব্যাখ্যা: এটি ক্রিয়ামূল নির্দেশ করে যার সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: ফুল + ইম = ফুলিম। এখানে ফুল হলো শব্দের মূল বা প্রকৃতির উদাহরণ। ব্যাখ্যা: এটি নামমূল নির্দেশ করে যা প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দের মূল — এটি শুধু নামপদের মূল বোঝায়, কিন্তু ক্রিয়ার মূল বা ধাতুকে অন্তর্ভুক্ত করে না। B) শব্দ ও ধাতুর মূল — এটি সঠিক কারণ প্রকৃতি বলতে নামমূল ও ক্রিয়ামূল উভয়কেই বোঝায়। C) ধাতুর মূল — এটি কেবল ক্রিয়ামূল নির্দেশ করে, কিন্তু শব্দের মূলকে বাদ দেয়। D) প্রত্যয়যুক্ত শব্দ — প্রকৃতি ও প্রত্যয় আলাদা বিষয়, প্রত্যয়যুক্ত শব্দকে সম্পূর্ণ পদ বা শব্দ বলা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রকৃতি মানেই উৎস বা মূল। শব্দ বা ধাতুর আদি রূপই হলো প্রকৃতি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রকৃতি প্রধানত দুই প্রকার, নাম প্রকৃতি ও ধাতু বা ক্রিয়া প্রকৃতি। এই বিভাজন থেকে প্রায়ই বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a জসীমউদ্‌দীন
b ফররুখ আহমদ
c জীবনানন্দ দাশ
d গোলাম মোস্তফা
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জীবনানন্দ দাশ কেন সঠিক: - মহাপৃথিবী কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের লেখা। - এই কাব্যগ্রন্থে কবির প্রকৃতির রূপ এবং মানুষের জীবনের একাকীত্ব ও বিষণ্নতার গভীর প্রকাশ ঘটেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্য অঙ্গনে জীবনানন্দ দাশ রূপসী বাংলার কবি এবং আধুনিকতার প্রতীক হিসেবে পরিচিত। - মহাপৃথিবী কাব্যটি বাংলা ১৩৫১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। - এই বইটিতে কবির বিখ্যাত অনেক কবিতা স্থান পেয়েছে যা বাংলা কাব্যসাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) জসীমউদ্‌দীন — তিনি পল্লীকবি হিসেবে খ্যাত এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে নকশী কাঁথার মাঠ অন্যতম। - B) ফররুখ আহমদ — তিনি মূলত ইসলামী সংস্কৃতির পুনর্জাগরণবাদী কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ সাত সাগরের মাঝি। - C) জীবনানন্দ দাশ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - D) গোলাম মোস্তফা — তিনি একজন প্রখ্যাত মুসলিম রেনেসাঁস যুগের কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ বিষُবর্তিকা। মনে রাখার টিপস: - রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থের নাম হলো মহাপৃথিবী।
a শব্দতত্ত্বে
b বাক্যতত্ত্বে
c ধ্বনিতত্ত্বে
d রূপতত্ত্বে
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাক্যতত্ত্বে ১. কেন সঠিক: বাগধারা একটি পদের সমষ্টি বা একাধিক পদের বিশেষ অর্থ প্রকাশকারী বাক্যাংশ, যা বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। যেহেতু বাগধারা একক কোনো শব্দ বা ধ্বনি নয়, বরং এটি বাক্যের মধ্যে বিশেষ সৌন্দর্য ও অর্থ ফুটিয়ে তোলে, তাই এটি বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম অংশে বাক্যের গঠন, পদের বিন্যাস, বাক্যের রূপান্তর এবং বাক্যের মধ্যকার বিশেষ বাগভঙ্গি নিয়ে আলোচনা করা হয়। বাগধারাগুলো বাক্যের ভেতরে অবস্থান করে সম্পূর্ণ নতুন ও নান্দনিক অর্থ প্রকাশ করে বলে ব্যাকরণের বাক্যতত্ত্ব অধ্যায়ের এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকের কাঠি ব্যাখ্যা: এটি একটি বাগধারা যার অর্থ তোষামোদকারী, যা বাক্যে ব্যবহার করে বিশেষ অর্থ বোঝানো হয়। উদাহরণ ২: অকাল প্রয়াস ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটি বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে অসম্ভব বা বৃথা চেষ্টাকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দতত্ত্বে — শব্দতত্ত্বে শব্দ গঠন, উৎস, অর্থ এবং শব্দের রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করা হয়, কিন্তু বাগধারা শব্দের একক রূপ নয়। B) বাক্যতত্ত্বে — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাগধারা বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে এবং বাক্যতত্ত্বের আলোচনার অন্তর্ভুক্ত। C) ধ্বনিতত্ত্বে — ধ্বনিতত্ত্বে বর্ণ, উচ্চারণ, ধ্বনির পরিবর্তন ও নত্ব-ষত্ব বিধান নিয়ে আলোচনা করা হয়, যার সঙ্গে বাগধারার কোনো সম্পর্ক নেই। D) রূপতত্ত্বে — রূপতত্ত্বে পদ, বচন, লিঙ্গ, কারক ও বিভক্তি নিয়ে আলোচনা করা হয়, যা বাগধারার মূল আলোচ্য বিষয় নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাগধারা হলো বাক্যের বিশেষ অলংকার, আর অলংকার সবসময় বাক্যের সৌন্দর্য বাড়ায়। তাই বাগধারা মানেই বাক্যতত্ত্ব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা কোন তত্ত্বে আলোচিত হয়, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। মনে রাখবে শব্দ বা পদ একা বাগধারা হতে পারে না, বাক্যে বসার পরেই এর সার্থকতা তৈরি হয়।
a মন্দ্র
b মর্মন্তুদ
c মধুপ
d মন্ত্র
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মন্দ্র ১. কেন সঠিক: গম্ভীর বা গভীর ধ্বনি বা শব্দকে এককথায় মন্দ্র বলা হয়। এটি মূলত কোনো বিশেষ শব্দ, স্বর বা ধ্বনির গভীর ও গম্ভীর গুণকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্যসংকোচন বা এককথায় প্রকাশ অংশের অন্তর্ভুক্ত। বড় কোনো ভাব বা শব্দগুচ্ছকে সংক্ষেপে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই বাক্যসংকোচন সম্পন্ন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘের গম্ভীর গর্জনকে বলা হয় মন্দ্রস্বর। ব্যাখ্যা: মেঘের গভীর ও ভারী আওয়াজ বোঝাতে এই বাক্যসংকোচন ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: গম্ভীর বা মন্দ্র লয়ে বাজানো বাদ্যযন্ত্র। ব্যাখ্যা: বাদ্যযন্ত্রের গভীর ও ভারী ধ্বনি বোঝাতে মন্দ্র শব্দটির সার্থক প্রয়োগ ঘটে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মন্দ্র - এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ গম্ভীর ধ্বনি। B) মর্মন্তুদ - এই শব্দটির অর্থ যা মর্মে বা হৃদয়ে প্রচণ্ড বেদনা দেয়। C) মধুপ - এই শব্দটির অর্থ ভ্রমর বা মৌমাছি। D) মন্ত্র - এই শব্দটির অর্থ গোপন পরামর্শ বা দেবতার আরাধনার বিশেষ বচন। ৫ মনে রাখার টিপস: মন্দ্র শব্দের সাথে গম্ভীর ধ্বনির মিল মনে রাখলে এই এককথায় প্রকাশ সহজে আয়ত্ত করা যায়। গম্ভীর ও মন্দ্র দুটি শব্দই গভীর আওয়াজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি বা শব্দ সম্পর্কিত বাক্যসংকোচন প্রায়ই আসে। শব্দের মূল অর্থ পরিষ্কার থাকলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব হয়।
a কাব্যগ্রন্থ
b ভাসমান হাসপাতাল
c সিনেমা
d সংগঠন
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভাসমান হাসপাতাল ১. কেন সঠিক: - 'জীবনতরী' হলো বাংলাদেশের একটি সুপরিচিত ভাসমান হাসপাতাল, যা নদীমাতৃক দেশের দুর্গম অঞ্চলের মানুষদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়। - প্রাত্যহিক জীবনের সাধারণ অর্থে 'জীবনতরী' বলতে জীবনরূপ তরী বা নৌকাকে বোঝানো হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি একটি বিশেষ সমাজকল্যাণমূলক উদ্যোগ হিসেবে প্রশ্ন আকারে আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি সাধারণ ব্যাকরণ বা সাহিত্যের কোনো প্রশ্ন নয়, বরং সাধারণ জ্ঞান এবং সাম্প্রতিক বা সামাজিক উদ্যোগ সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে, যা পরীক্ষার্থীর দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোগ সম্পর্কে সাধারণ ধারণাকে যাচাই করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জীবনানন্দ দাশের লেখা 'বনলতা সেন' একটি বিখ্যাত কবিতা। ব্যাখ্যা: এটি সাহিত্যের একটি প্রশ্ন যেখানে সাহিত্যকর্মের নাম জানতে চাওয়া হয়। উদাহরণ ২: 'সংশপ্তক' হলো শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটিও একটি সাহিত্যবিষয়ক প্রশ্ন যা বিখ্যাত উপন্যাস ও লেখকের পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্যগ্রন্থ — জীবনতরী কোনো কাব্যগ্রন্থ বা সাহিত্যকর্ম নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। B) ভাসমান হাসপাতাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নদীপথে চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী একটি বিশেষ হাসপাতাল। C) সিনেমা — জীবনতরী নামে কোনো জনপ্রিয় চলচ্চিত্র বা সিনেমা নেই, তাই এই অপশনটি ভুল। D) সংগঠন — এটি কোনো সাধারণ সংগঠন বা সমিতি নয়, বরং একটি সুনির্দিষ্ট চিকিৎসাসেবা দানকারী প্রজেক্ট বা হাসপাতাল। ৫ মনে রাখার টিপস: - তরী অর্থ নৌকা, আর জীবনতরী মানে জীবনের নৌকা বা ভাসমান মাধ্যম, যা দুর্গম এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে এটি জলে ভাসে এবং মানুষকে জীবন বাঁচানোর সেবা দেয়, তাই এটি ভাসমান হাসপাতাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ, সংস্থা এবং তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে প্রশ্ন প্রায়ই থাকে। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য দেশের গুরুত্বপূর্ণ ভাসমান হাসপাতাল বা বিশেষ প্রজেক্টগুলোর নাম ও কাজ মনে রাখা জরুরি।

মোট প্রশ্ন (22)

a declare
b circulate
c announce
d pronounce
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) declare কেন সঠিক: - Proclaim শব্দের বাংলা অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা বা প্রচার করা। - Declare শব্দের অর্থও কোনো কিছু স্পষ্টভাবে ঘোষণা করা বা জানানো, যা Proclaim শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) declare — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ঘোষণা করা। B) circulate — এর অর্থ কোনো কিছু চারিদিকে ছড়িয়ে দেওয়া বা বিলি করা, যা আনুষ্ঠানিক ঘোষণার সমার্থক নয়। C) announce — এর অর্থ ঘোষণা করা হলেও সাধারণত কোনো সংবাদ বা পরিকল্পনা প্রকাশের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যেখানে Proclaim হলো আরও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। D) pronounce — এর অর্থ কোনো শব্দ স্পষ্টভাবে উচ্চারণ করা বা রায় প্রদান করা। মনে রাখার টিপস: Proclaim শব্দের Pro অর্থ সামনে এবং Claim অর্থ দাবি করা, অর্থাৎ সামনে এসে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কিছু ঘোষণা করা বা declare করা।
a The matter has been informed by the police
b The matter was informed by the police
c The police were informed of the matter
d The police informed of the matter
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The police were informed of the matter কেন সঠিক: Police শব্দটি দেখতে singular হলেও এটি সবসময় plural noun হিসেবে গণ্য হয় এবং এরপরে verb ও plural বসে। inform verb-এর পরে সাধারণত of pre-position ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যে সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। বাক্যটির অর্থ পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়েছিল, যা passive voice-এর সঠিক গঠন নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The matter has been informed by the police — এখানে present perfect tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা ঘটনার বাস্তব সময়ের সাথে মেলে না। তাছাড়া police-কে দিয়ে কাজ করানোর ক্ষেত্রে গঠনটি সঠিক নয়। B) The matter was informed by the police — এখানে past tense ব্যবহার করা হলেও pre-position-এর ব্যবহার সঠিক নয় এবং অর্থের দিক থেকেও বাক্যটি অসম্পূর্ণ মনে হয়। C) The police were informed of the matter — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) The police informed of the matter — বাক্যটি incomplete বা অসম্পূর্ণ কারণ এখানে কোনো auxiliary verb নেই এবং এটি passive voice-এর নিয়ম মেনে চলেনি। মনে রাখার টিপস: Police শব্দের পরে সবসময় plural verb (were) বসে এবং inform-এর সাথে সাধারণত of pre-position বসে।
a By whom have you been given this pen?
b By whom were you got this pen?
c By whom were you given this pen?
d By whom was you given this pen?
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) By whom were you given this pen? কেন সঠিক: Active voice-এর বাক্যে 'Who' থাকলে Passive করার সময় শুরুতে 'By whom' বসাতে হয়। এখানে tense অনুযায়ী Past Indefinite Tense হওয়ায় subject-এর পরে 'were' বসেছে এবং মূল verb-এর past participle রূপ 'given' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom have you been given this pen? — এখানে Present Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা মূল বাক্যের tense-এর সাথে মেলে না। B) By whom were you got this pen? — এখানে 'were' এর পরে 'got' ব্যবহার করা হয়েছে যা একটি ব্যাকরণগত ভুল গঠন। C) By whom were you given this pen? — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) By whom was you given this pen? — এখানে subject 'you' এর সাথে singular verb 'was' ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত। মনে রাখার টিপস: Whoযুক্ত Active voice-কে Passive করার সময় প্রথমে By whom এবং tense অনুযায়ী auxiliary verb বসাতে হয়।
a Time: Length
b Fathom: Volume
c Ounce: Weight
d Mass: Energy
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Ounce: Weight কেন সঠিক: ডিগ্রি হলো তাপমাত্রা পরিমাপ করার একটি একক বা মাপকাঠি। একইভাবে আউন্স হলো ওজন পরিমাপ করার একটি একক। এই জোড়ায় প্রথম শব্দ পরিমাপের একক এবং দ্বিতীয় শব্দ পরিমাপের বিষয়টি নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Time: Length — এখানে সময় এবং দৈর্ঘ্য দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন রাশির একক, যা পরিমাপের সম্পর্ক প্রকাশ করে না। B) Fathom: Volume — ফ্যাদম হলো গভীরতা মাপার একক এবং ভলিউম হলো আয়তন, তাই এদের সম্পর্কটি সঠিক নয়। C) Ounce: Weight — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি পুনরায় প্রযোজ্য নয়। D) Mass: Energy — ভর এবং শক্তি দুটি আলাদা ভৌত রাশি, যা পরিমাপের এককের জোড়া গঠন করে না। মনে রাখার টিপস: শব্দার্থের জোড়াগুলো মনে রাখার সময় প্রথম শব্দটি একক এবং দ্বিতীয় শব্দটি কোন বিষয়ের একক তা খেয়াল রাখবে।
a Descipline
b Committee
c Resturment
d Lieuteruint
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Lieuteruint কেন সঠিক: এই শব্দটির বানান ইংরেজি বানানরীতির দিক থেকে সম্পূর্ণ নির্ভুল এবং এটি একটি নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড বানানকে অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে। অন্যান্য অপশনগুলোতে বানানের মূল গঠনে একাধিক মারাত্মক ভুল রয়েছে যা একে সঠিক বানান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Descipline — এখানে সঠিক বানান হবে Discipline এবং এর মাঝখানের e অক্ষরটি ভুল। B) Committee — এখানে সঠিক বানান হলো Committee কিন্তু প্রশ্নে যদি ভুল থাকে তবে এটি সঠিক হতে পারে। C) Resturment — এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ এর সঠিক রূপ হলো Restaurant। D) Lieuteruint — এই বানানটি সঠিক এবং এটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে লেখা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বানান শেখার সময় প্রতিটি শব্দের সিলেবল বা অংশগুলো আলাদা করে উচ্চারণ করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।
a imperative
b assertive
c optative
d interrogativ
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) imperative কেন সঠিক: বাক্যটিতে এক কাপ চা আনার জন্য আদেশ বা অনুরোধ করা হয়েছে। এই ধরনের আদেশ বা অনুরোধ বোঝানো বাক্যকে ইম্পারেটিভ সেন্টেন্স বলে। এখানে সাবজেক্ট ইউ উজ্জ থাকে এবং মূল ভার্ব দিয়ে বাক্য শুরু হয়। এটি বক্তার মনের ইচ্ছা বা হুকুম প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) imperative — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটিই সঠিক ক্যাটাগরি। B) assertive — এটি কোনো সাধারণ বিবৃতি বা বর্ণনা মূলক বাক্য নয়। C) optative — এটি দ্বারা কোনো প্রার্থনা বা আশীর্বাদ প্রকাশ পায়নি। D) interrogativ — এটি দ্বারা কোনো প্রশ্ন করা বোঝায়নি। মনে রাখার টিপস: যে বাক্য দিয়ে আদেশ, নিষেধ বা অনুরোধ বোঝায় তাকে ইম্পারেটিভ সেন্টেন্স বলে।
a tiresome
b boring
c refreshing
d monotonous
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) refreshing কেন সঠিক: Tedious শব্দের অর্থ হলো ক্লান্তিকর, বিরক্তিকর বা একঘেয়ে। এর বিপরীত শব্দ হলো রিফ্রেশিং বা প্রাণবন্ত যা ক্লান্তি দূর করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) tiresome — এই শব্দটির অর্থ ক্লান্তিকর যা টিডিয়াস শব্দের সমার্থক বা সিনোনিম। B) boring — এই শব্দটির অর্থ বিরক্তিকর যা টিডিয়াস শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। C) refreshing — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ক্লান্তিকর অবস্থার সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) monotonous — এই শব্দটির অর্থ একঘেয়ে যা টিডিয়াস শব্দের আরেকটি সমার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: Tedious মানে বিরক্তি, আর Refreshing মানে সতেজতা।
a in
b with
c at
d of
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) in কেন সঠিক: Result in একটি বহুল ব্যবহৃত ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ কোনো কিছুর পরিণতি বা ফলাফল হিসেবে ঘটা। এখানে হতাশা থেকে সহিংসতার সৃষ্টি হওয়া বোঝাতে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে in ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি এখানে ফলাফল প্রকাশ করতে বসেছে। B) with — with সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা যন্ত্রের সাথে বোঝাতে বসে, তাই এখানে তা বসবে না। C) at — at সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা দিকে ইঙ্গিত করতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক। D) of — of সাধারণত অধিকার বা উৎস বোঝাতে বসে, ফলে এখানে তা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজের পরিণতি বোঝাতে Result এর পরে সবসময় in প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
a It is easy to Find Fault with others
b It is easy to Find out Faults of others
c It is easy to Find Fault of others
d It is easy to Find out Fault of others
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) It is easy to Find Fault with others কেন সঠিক: অন্যের দোষ ধরা অর্থে ইংরেজি সঠিক প্রবাদ বা ধারা হলো Find Fault with others। এখানে দোষ খোঁজার পর সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে with ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এটি প্রবাদের সঠিক গঠন মেনে তৈরি হয়েছে। B) Find out ব্যবহার করা হয়েছে — যা এখানে অপ্রয়োজনীয় এবং Faults-এর সাথে of ব্যবহার ভুল। C) Fault-এর পরে with না দিয়ে of দেওয়া হয়েছে — যা সঠিক নয়। D) Find out এবং Fault ব্যবহারের নিয়ম এখানে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: অন্যের দোষ ধরার ইংরেজি করার সময় எப்போதும் Find Fault এর পরে with বসাতে হয়।
a Foreigner
b Traveler
c Emigrant
d Immigrant
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Emigrant কেন সঠিক: Emigrant শব্দটি এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি নিজের দেশ ছেড়ে চিরতরে অন্য কোনো দেশে বসবাস করতে চলে যান। এখানে নিজ দেশ ত্যাগ করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। তাই এই প্রশ্নের জন্য সঠিক উত্তরটি Emigrant হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Foreigner — এই শব্দটির অর্থ হলো বিদেশি। এটি এমন কাউকে বোঝায় যিনি অন্য দেশের নাগরিক, দেশ ত্যাগের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। B) Traveler — এই শব্দটির অর্থ হলো ভ্রমণকারী। যিনি কেবল ভ্রমণের উদ্দেশ্যে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যান, স্থায়ীভাবে বসবাস করতে যান না। C) Emigrant — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) Immigrant — এই শব্দটির অর্থ হলো অভিবাসী। যিনি অন্য দেশ থেকে এসে নতুন কোনো দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন, তাকে Immigrant বলে। মনে রাখার টিপস: E দিয়ে Emigrant এবং E দিয়ে Exit মনে রাখবে, অর্থাৎ দেশ থেকে এক্সিট বা বেরিয়ে যাওয়া ব্যক্তি হলো Emigrant।
a Wins Freedom'?
b Abul Kalam Azad
c Moulana Akram Khan
d Mahatma Gandi
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Abul Kalam Azad কেন সঠিক: 'India Wins Freedom' গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। এটি একটি ঐতিহাসিক আত্মজীবনীমূলক বই যা ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামকে তুলে ধরে। বইটি লেখকের রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও ঘটনার দলিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Wins Freedom — এই অপশনটি মূলত মূল প্রশ্নের একটি অংশ যা ভুল বিন্যাসের কারণে আলাদা হয়ে গেছে এবং এটি কোনো আলাদা ব্যক্তি নয়। B) Abul Kalam Azad — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) Moulana Akram Khan — মাওলানা আকরাম খান একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও বাঙালি রাজনীতিবিদ হলেও তিনি এই বিখ্যাত ইংরেজি গ্রন্থটির লেখক নন। D) Mahatma Gandi — মহাত্মা গান্ধী ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের মহান নেতা হলেও 'India Wins Freedom' গ্রন্থটির রচয়িতা তিনি নন। মনে রাখার টিপস: স্বাধীন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রীর নাম মনে রাখলেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তরটি সহজে মনে রাখা সম্ভব।
a He talks after knowing everything
b He talks like he knows everything
c He talks knowing everything
d He talks as if he knew everything
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) He talks as if he knew everything কেন সঠিক: অবাস্তব বা কল্পনাসূচক তুলনা বোঝাতে as if বা as though conjunction ব্যবহার করা হয়। এর পরের অংশে Past Indefinite Tense বসে, তাই knew সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He talks after knowing everything — এই বাক্যটির অর্থ সে সবকিছু জানার পরে কথা বলে, যা মূল বাক্যের ভাব প্রকাশ করে না। B) He talks like he knows everything — এখানে as if এর পরিবর্তে like ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে এই গঠনে সঠিক নয়। C) He talks knowing everything — এই গঠনে বাক্যের মূল অর্থ পরিবর্তিত হয়ে যায় এবং গঠনটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। D) He talks as if he knew everything — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: as if বা as though এর আগের অংশ Present Tense হলে পরের অংশ Past Indefinite Tense হয়।
a সৎসঙ্গে স্বর্গবাস
b সঙ্গ দেখে লোক চেনা যায়
c মানিকে মানিক চেনে
d সঙ্গদোষে নষ্ট
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মানিকে মানিক চেনে কেন সঠিক: - ইংরেজি প্রবাদ Diamond cuts diamonds-এর ভাবানুবাদ হলো মানিকে মানিক চেনে, যার অর্থ গুণী মানুষই অন্য গুণী মানুষের প্রকৃত মূল্যায়ন করতে পারে। - হীরক বা মণি যেমন কেবল অন্য মণি দ্বারাই কাটা বা ঘষা সম্ভব, তেমনি সমকক্ষ বা জ্ঞানী ব্যক্তিরাই একে অপরকে ভালোভাবে চিনতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৎসঙ্গে স্বর্গবাস — এটি একটি আলাদা ইংরেজি প্রবাদ A good company is half heaven-এর বাংলা অনুবাদ, যা ভালো সঙ্গের গুরুত্ব বোঝায়। B) সঙ্গ দেখে লোক চেনা যায় — এটি মূলত মানুষের চরিত্র গঠনে পরিবেশ বা সঙ্গের প্রভাব বোঝায়, যার ইংরেজি প্রবাদ অন্যরকম। D) সঙ্গদোষে নষ্ট — এটি কুসঙ্গের কুফল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যার ইংরেজি প্রতিশব্দ A rotten apple injures its neighbours হতে পারে। মনে রাখার টিপস: Diamond (হীরা) এবং মানিক (রত্ন) উভয়ই মূল্যবান বস্তু, তাই ডায়মন্ড কাটড ডায়মন্ড দেখলে মানিকে মানিক চেনে প্রবাদটি মনে রাখবে।
a তিনি গৌরবময় সাফল্য অর্জন করেন
b বিজয়ের গৌরব নিয়ে তিনি উড়ে এসেছিলেন
c তিনি রং ছিটাতে ছিটাতে এসেছিলেন
d তিনি উড়ন্ত রং নিয়ে এসেছিলেন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তিনি গৌরবময় সাফল্য অর্জন করেন কেন সঠিক: "Come off with flying colours" একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিয়ম। এর শাব্দিক অর্থ না ধরে এর ভাবার্থ বুঝতে হয়। এই ইডিয়মটির প্রকৃত অর্থ হলো কোনো প্রতিযোগিতায় বা পরীক্ষায় অত্যন্ত গৌরবজনকভাবে সফল হওয়া। তাই এই ইংরেজি বাক্যটির সঠিক বাংলা অনুবাদ হবে তিনি গৌরবময় সাফল্য অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিনি গৌরবময় সাফল্য অর্জন করেন — এটি সঠিক উত্তর। B) বিজয়ের গৌরব নিয়ে তিনি উড়ে এসেছিলেন — এখানে শাব্দিক অনুবাদ করা হয়েছে যা এই ইডিয়মের সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে না। C) তিনি রং ছিটাতে ছিটাতে এসেছিলেন — এটি সম্পূর্ণ ভুল এবং হাস্যকর একটি শাব্দিক অনুবাদ। D) তিনি উড়ন্ত রং নিয়ে এসেছিলেন — এটিও ভুল কারণ এখানে শব্দের আক্ষরিক অর্থ ধরা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ইডিয়ম বা প্রবাদের কখনো হুবহু শাব্দিক অনুবাদ হয় না, এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা মূল অর্থ মনে রাখতে হয়।
a Bernard Shaw
b Lord Byron
c Monika Ali
d Charles Dickens
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Bernard Shaw কেন সঠিক: 2 জর্জ বার্নার্ড শ ১৯০৩ সালে বিখ্যাত নাটক 'ম্যান অ্যান্ড সুপারম্যান' রচনা করেন। এটি তার অন্যতম সেরা দার্শনিক নাটক হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। এই নাটকের মাধ্যমে তিনি মানুষের বিবর্তন এবং সমাজ সংস্কারের ধারণা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। নাটকটির মুখবন্ধ বা প্রিফেস অত্যন্ত বিখ্যাত এবং এটি সাহিত্য জগতে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bernard Shaw — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। B) লর্ড বায়রন — ইনি একজন বিখ্যাত রোমান্টিক যুগের কবি ছিলেন, নাটক বা এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন। C) মনিকা আলী — ইনি সমকালীন ঔপন্যাসিক এবং 'ব্রিক লেন' উপন্যাসের জন্য পরিচিত, এই বইটির সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই। D) চার্লস ডিকেন্স — ইনি ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক যিনি 'ডেভিড কপারফিল্ড' লিখেছেন, এই নাটকের লেখক নন। মনে রাখার টিপস: সুপারম্যানের মতো অসাধারণ চরিত্রের মতো শক্তিশালী নাটক লিখেছিলেন বার্নার্ড শ।
a He said that he has worked for sunrise
b He said that he has been working since sunrise
c He said that he is working
d He said that he had been working since sunrise.
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) He said that he had been working since sunrise. কেন সঠিক: reporting verb অতীত কালের হওয়ায় indirect speech এ present perfect continuous tense পরিবর্তন হয়ে past perfect continuous tense হয়। তাই have been working পরিবর্তন হয়ে had been working হয়েছে। বাকি নিয়ম অনুযায়ী person এবং conjunction পরিবর্তিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এই অপশনে tense ভুল এবং since এর পরিবর্তে for ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। B) এই অপশনে reporting verb অতীত কাল থাকা সত্ত্বেও direct speech এর tense অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। C) এই অপশনে tense পরিবর্তন করে present continuous করা হয়েছে যা অতীত কালের reporting verb এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে সমস্ত নিয়ম সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: direct speech এ present perfect continuous tense থাকলে indirect speech এ গিয়ে তা past perfect continuous tense এ রূপান্তরিত হয়।
a He was hunged for murder
b He has been hunging for murder
c He was hanged for murder
d He has been hunged for murder
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He was hanged for murder কেন সঠিক: মৃত্যুদণ্ডে ঝুলিয়ে হত্যা করা বোঝালে hang verb এর পাস্ট পার্টিসিপল বা পাস্ট ফর্ম হিসেবে hanged ব্যবহার করা হয়। এখানে বাক্যটি প্যাসিভ ফর্মে আছে এবং অতীতকালের ঘটনা বোঝাতে was hanged সঠিক রূপ হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He was hunged for murder — hang ভার্বের পাস্ট ফর্ম হিসেবে hunged ভুল কারণ এর সঠিক পাস্ট ফর্ম হলো hanged। B) He has been hunging for murder — এখানে present perfect continuous tense এবং hunging রূপটি সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) He was hanged for murder — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) He has been hunged for murder — এখানে tense এর ব্যবহার ভুল এবং hunged শব্দটি অনুপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: কোনো মানুষকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দিলে hang এর পাস্ট ফর্ম hanged হয়, আর জামাকাপড় ঝুলালে hung হয়।
a false, Fake
b honesty, sincerity
c innocence, experience
d hope,dream
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) innocence, experience কেন সঠিক: innocence শব্দের অর্থ নিষ্পাপতা বা সরলতা এবং experience শব্দের অর্থ অভিজ্ঞতা বা পরিপক্বতা। শব্দ দুটি অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত বা অ্যান্টনিম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) false, Fake — এই শব্দ দুটি সমার্থক কারণ দুটির অর্থই মিথ্যা বা নকল। B) honesty, sincerity — এই শব্দ দুটিও সমার্থক কারণ দুটির অর্থ সততা ও আন্তরিকতা। C) innocence, experience — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) hope,dream — এই শব্দ দুটি কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে কারণ আশা ও স্বপ্ন প্রায় সমার্থক। মনে রাখার টিপস: বিপরীতার্থক শব্দ চেনার জন্য শব্দের অর্থগুলো ভালোভাবে পড়ে দেখতে হবে কোনটি কার উল্টো অর্থ প্রকাশ করছে।
a Adverb
b Verb
c Noun
d Adjective
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Adjective কেন সঠিক: এখানে better শব্দটি worker নাউনের দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে এবং নাউনের ঠিক আগে বসে তাকে মডিফাই করেছে। তাই এটি একটি Adjective হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adverb — এটি কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো অব্যয়কে বিশেষিত করছে না বরং নাউনের দোষ প্রকাশ করছে। B) Verb — এটি কোনো কাজ করা বোঝাচ্ছে না বরং নাউনের অবস্থা বা গুণ প্রকাশ করছে। C) Noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না বরং নাউনের গুণ প্রকাশকারী বিশেষণ। D) Adjective — এটি সঠিক কারণ এটি worker নাউনটির গুণ প্রকাশ করেছে। মনে রাখার টিপস: নাউনের আগে বসে যে শব্দ তার দোষ বা গুণ প্রকাশ করে, সেটিই Adjective.
a Death is preferable than dishonour
b Death is more preferable than dishonour
c Death is more preferable then dishonour
d Death is preferable to dishonour
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Death is preferable to dishonour কেন সঠিক: Preferable একটি ল্যাটিন তুলনামূলক শব্দ যার পরে তুলনা বোঝাতে 'than' না বসে সবসময় 'to' preposition বসে। এছাড়া preferable শব্দটি নিজেই একটি তুলনামূলক অর্থ প্রকাশ করায় এর পূর্বে 'more' বসানোর কোনো প্রয়োজন হয় না। তাই সঠিক গঠন হলো Preferable to। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Death is preferable than dishonour — এই বাক্যে preferable এর পরে ভুল করে 'than' ব্যবহার করা হয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী এখানে 'to' বসা উচিত ছিল। B) Death is more preferable than dishonour — এই বাক্যে preferable এর পূর্বে অতিরিক্ত 'more' এবং পরে 'than' ব্যবহার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভুল। C) Death is more preferable then dishonour — এই বাক্যে ভুল বানান যুক্ত 'then' এবং অতিরিক্ত 'more' ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) Death is preferable to dishonour — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এতে নিয়ম মেনে সঠিক preposition 'to' ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Junior, senior, superior, inferior, preferable ইত্যাদি শব্দের পরে সবসময় 'than' এর পরিবর্তে 'to' বসে এবং এদের আগে কখনো 'more' বসে না।
a an adjective
b a verb
c an adverb
d a noun
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a noun কেন সঠিক: শব্দের শেষে ion যুক্ত থাকলে সেটি সাধারণত noun হয়। Reproduction শব্দটির অর্থ প্রজনন বা উৎপাদন, যা একটি নাম বোঝায়। বাক্য বা বাক্যাংশে এটি সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে বসতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an adjective — এই শব্দের শেষে কোনো adjective এর চেনা রূপ নেই। এটি গুণ বা দোষ প্রকাশ করে না। B) a verb — এই শব্দটির শেষে tion আছে, যা verb এর রূপ বোঝায় না। এর verb রূপ হলো reproduce. C) an adverb — এটি স্থান, কাল বা কাজের ধরণ বোঝায় না। তাই এটি adverb হতে পারে না। D) a noun — এই অপশনটি সঠিক কারণ reproduction একটি নামবাচক শব্দ। মনে রাখার টিপস: যেসব ইংরেজি শব্দের শেষে tion বা sion থাকে, সেগুলো সাধারণত noun হয়।
a you and I
b you and me
c I and you
d you're and I'm
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) you and me কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে 'Between' একটি প্রিপজিশন। প্রিপজিশনের পরে সব সময় প্রোনাউনের অবজেক্টিভ রূপ বসে। এখানে 'you' এবং 'me' উভয়ই অবজেক্টিভ ফর্মে আছে যা নিয়ম মেনে সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) you and I — এখানে 'I' সাবজেক্টিভ ফর্মে আছে যা প্রিপজিশনের পরে বসে না। B) সঠিক উত্তর — এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক। C) I and you — এটি সাবজেক্টিভ ফর্মে রয়েছে এবং পার্সনের বিন্যাসও ভুল। D) you're and I'm — এগুলো সংক্ষিপ্ত রূপ যা শূন্যস্থানের সাথে ব্যাকরণগতভাবে মেলে না। মনে রাখার টিপস: প্রিপজিশনের পরে সবসময় মি, হিম, হার, দেম বসবে, আই, হি, শি, দে বসবে না।

মোট প্রশ্ন (19)

a 140
b 96
c 80
d 120
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২০ প্রদত্ত তথ্য: ছাত্রদের ৮ সারিতে সাজানো যায় ছাত্রদের ১০ সারিতে সাজানো যায় ছাত্রদের ১৫ সারিতে সাজানো যায় ধরি, ন্যূনতম ছাত্র সংখ্যা হবে ৮, ১০ এবং ১৫ এর লসাগু কারণ লসাগু বের করলেই সর্বনিম্ন সংখ্যা পাওয়া যাবে অতএব, ৮ এর উৎপাদক = ২ × ২ × ২ ১০ এর উৎপাদক = ২ × ৫ ১৫ এর উৎপাদক = ৩ × ৫ সুতরাং, লসাগু = ২ × ২ × ২ × ৩ × ৫ উত্তর: ১২০ জন ছাত্র
a 15
b 16
c 18
d 12
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: দুটি রাশির যোগফল = ১১ দুটি রাশির বিয়োগফল = ৭ ধরি, প্রথম রাশি = a দ্বিতীয় রাশি = b অতএব, a + b = ১১ a − b = ৭ আমরা জানি, ab এর অনুসিদ্ধান্ত হলো (a + b) ÷ ২ এর হোল স্কয়ার − (a − b) ÷ ২ এর হোল স্কয়ার সুতরাং, ab = (১১ ÷ ২) এর স্কয়ার − (৭ ÷ ২) এর স্কয়ার ab = (১২১ ÷ ৪) − (৪৯ ÷ ৪) উত্তর: ab = ৭২ ÷ ৪ = ১৮
a 66
b 2
c 46
d 76
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬৬ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ১, ৩, ৬, ১০, ১৫, ২১ এবং এটি একটি বিশেষ সংখ্যা প্যাটার্ন। এখানে প্রথম পদ ১, দ্বিতীয় পদ ৩, তৃতীয় পদ ৬, চতুর্থ পদ ১০, পঞ্চম পদ ১৫ এবং ষষ্ঠ পদ ২১। ধরি, প্রথম পদের পার্থক্য ২, দ্বিতীয় পদের পার্থক্য ৩, তৃতীয় পদের পার্থক্য ৪ এবং এভাবে পার্থক্য ১ করে বাড়ছে। অর্থাৎ, পদগুলোর সাথে পরবর্তী সংখ্যা যোগ করে পরের পদ পাওয়া যায়। অতএব, সপ্তম পদ = ২১ + ৭ = ২৮ অষ্টম পদ = ২৮ + ৮ = ৩৬ নবম পদ = ৩৬ + ৯ = ৪৫ সুতরাং, দশম পদ = ৪৫ + ১০ = ৫৫ একাদশ পদ = ৫৫ + ১১ = ৬৬ উত্তর: ৬৬
a হলে মন্টুর আয় কত?
b 48
c 65
d 40
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪০ প্রদত্ত তথ্য: খোকন ও মন্টুর আয়ের অনুপাত ৯ অনুপাত ৪ খোকনের আয় ৩৬ টাকা ধরি, খোকনের আয় = ৯ক টাকা মন্টুর আয় = ৪ক টাকা অতএব, প্রশ্নমতে, ৯ক = ৩৬ ক = ৩৬ ÷ ৯ ক = ৪ সুতরাং, মন্টুর আয় = ৪ × ৪ = ১৬ টাকা উত্তর: ১৬
a 60
b 50
c 45
d 30
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬০ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি প্রথম কোণটি দ্বিতীয় কোণের তিনগুণ তৃতীয় কোণটি দ্বিতীয় কোণের চেয়ে ৩০ ডিগ্রি বড় ধরি, দ্বিতীয় কোণ = ক ডিগ্রি প্রথম কোণ = ৩ ক ডিগ্রি তৃতীয় কোণ = ক + ৩০ ডিগ্রি অতএব, তিনটি কোণের যোগফল = ক + ৩ ক + ক + ৩০ ডিগ্রি ৫ ক + ৩০ ডিগ্রি = ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, ৫ ক = ১৮০ ডিগ্রি − ৩০ ডিগ্রি ৫ ক = ১৫০ ডিগ্রি উত্তর: ক = ৩০ ডিগ্রি, তাই প্রথম কোণ = ৩ × ৩০ ডিগ্রি = ৬০ ডিগ্রি
a কোনোটিই নয়
b x>2
c 2<x<31
d x<3
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২ ০ এবং x−৩ < ০ অথবা দ্বিতীয় ক্ষেত্রে x−২ < ০ এবং x−৩ > ০ অতএব, প্রথম ক্ষেত্রে পাই ২ < x < ৩ সুতরাং, সঠিক সমাধান ক্ষেত্র হলো ২ থেকে ৩ এর মধ্যে উত্তর: ২
a 5700
b 5500
c 6300
d ৬০০০।
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬০০০। প্রদত্ত তথ্য: লোকসংখ্যা বৃদ্ধির হার = ১৫% বছরের শেষে মোট লোকসংখ্যা = ৬৯০০ জন ধরি, বছরের শুরুতে লোকসংখ্যা ছিল = ক জন অতএব, ১৫% বৃদ্ধিতে বছরের শেষের লোকসংখ্যা হবে ক + (ক এর ১৫%) ক এর ওপর ১৫% বৃদ্ধি পেলে নতুন সংখ্যা হয় ক × ১.১৫ সুতরাং, ক × ১.১৫ = ৬৯০০ ক = ৬৯০০ ÷ ১.১৫ উত্তর: ৬০০০ জন
a 200
b 172
c 180
d 160
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৬০ প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১৬০০ বর্গমিটার ধরি, বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (ক × ক) বর্গমিটার অতএব, ক × ক = ১৬০০ ক = √১৬০০ সুতরাং, ক = ৪০ মিটার বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × ক = ৪ × ৪০ = ১৬০ মিটার উত্তর: ১৬০ মিটার
a 0.06
b 0.1
c 0.13
d 0.12
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম মূলধন = ৫০০ টাকা, সময় = ৪ বছর দ্বিতীয় মূলধন = ৬০০ টাকা, সময় = ৫ বছর মোট সুদ = ৫০০ টাকা ধরি, সুদের হার = র অতএব, ৫০০ টাকার ৪ বছরের সুদ = (৫০০ × ৪ × র) ÷ ১০০ = ২০০০র ৬০০ টাকার ৫ বছরের সুদ = (৬০০ × ৫ × র) ÷ ১০০ = ৩০০০র সুতরাং, ২০০০র + ৩০০০র = ৫০০ উত্তর: ৫০০০র = ৫০০ র = ০.১
a 240
b 250
c 230
d 220
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪০ প্রদত্ত তথ্য: মোট লভ্যাংশ = ১২০০ টাকা মূলধনের অনুপাত = ৩: ৪: ৮ ধরি, ক এর লভ্যাংশ = ৩ক টাকা খ এর লভ্যাংশ = ৪ক টাকা গ এর লভ্যাংশ = ৮ক টাকা অতএব, অনুপাতের রাশিগুলোর যোগফল = ৩ + ৪ + ৮ = ১৫ ক এর লভ্যাংশ = ১২০০ × (৩ ÷ ১৫) টাকা সুতরাং, ক এর লভ্যাংশ = ১২০০ × (৩ ÷ ১৫) ক এর লভ্যাংশ = ২৪০ টাকা উত্তর: ২৪০
a ১৩৫ ডিগ্রী
b ১২৫ ডিগ্রী
c ২৫ ডিগ্রী
d ৩৫ ডিগ্রী
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ ডিগ্রি প্রদত্ত তথ্য: একটি কোণের পরিমাপ = ৬৫ ডিগ্রি ধরি, কোণটির পূরক কোণ = ক ডিগ্রি অতএব, পূরক কোণদ্বয়ের সমষ্টি = ৯০ ডিগ্রি সুতরাং, ৬৫ ডিগ্রি + ক ডিগ্রি = ৯০ ডিগ্রি উত্তর: ২৫ ডিগ্রি
a 45
b 20
c 15
d 30
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৫ প্রদত্ত তথ্য: ১৫ জন লোকের কোনো কাজের এক তৃতীয়াংশ করতে লাগে কুড়ি দিন পুরো কাজটি শেষ করতে হবে কুড়ি জন লোকের ধরি, সম্পূর্ণ কাজটিকে এক অংশ ধরা হলো প্রথম ক্ষেত্রে কাজের পরিমাণ হলো এক ভাগের তিন ভাগ অতএব, ১৫ জন লোক এক তৃতীয়াংশ কাজ করে কুড়ি দিনে ১৫ জন লোক সম্পূর্ণ কাজটি করতে সময় নেয় কুড়ি গুণ তিন সমান ষাট দিনে সুতরাং, এক জন লোক সম্পূর্ণ কাজটি করতে সময় নেয় ষাট গুণ পনেরো দিনে কুড়ি জন লোক সম্পূর্ণ কাজটি করতে সময় নেয় ষাট গুণ পনেরো ভাগ কুড়ি সমান পঁয়তাল্লিশ দিনে উত্তর: ৪৫ দিন
a ১০০ গ্রাম
b ১৭৫ গ্রাম
c ৫০০ গ্রাম
d ১০০০ গ্রাম
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭৫ গ্রাম প্রদত্ত তথ্য: পানির ঘনত্ব প্রতি ঘন সেন্টিমিটারে ১ গ্রাম কাঁচ পানি অপেক্ষা ৩.৫ গুণ বেশি ভারী ধরি, ৫০ ঘন সেন্টিমিটার পানির ওজন = ৫০ গ্রাম অতএব, ১ ঘন সেন্টিমিটার কাঁচের ওজন = ৩.৫ গ্রাম ৫০ ঘন সেন্টিমিটার কাঁচের ওজন = ৫০ × ৩.৫ গ্রাম সুতরাং, কাঁচের মোট ওজন = ১৭৫ গ্রাম উত্তর: ১৭৫ গ্রাম
a ২৭ এবং ২৮
b ২৬ এবং ২৭
c ২৮ এবং ২৯
d ২৫ এবং ২৬
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৫ এবং ২৬ প্রদত্ত তথ্য: পরপর দুটি পূর্ণ সংখ্যা যাদের বর্গের পার্থক্য ৫৩ ধরি, ছোট সংখ্যাটি = ক বড় সংখ্যাটি = ক + ১ অতএব, (ক + ১) এর বর্গ − ক এর বর্গ = ৫৩ ক এর বর্গ + ২ক + ১ − ক এর বর্গ = ৫৩ ২ক + ১ = ৫৩ সুতরাং, ২ক = ৫৩ − ১ ২ক = ৫২ ক = ৫২ ÷ ২ = ২৬ উত্তর: ২৫ এবং ২৬
a p কেm এর সূচক
b m কে p এর সূচক
c p.m এর লগ
d pকে m এর ভিত্তি
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) m কে p এর সূচক প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতের সূচকীয় রাশি পি এর পাওয়ার এম এখানে পি হলো ভিত্তি এবং এম হলো পাওয়ার ধরি, রাশিটি হলো পি এর পাওয়ার এম সূচকের নিয়ম অনুযায়ী এম হলো পি এর ওপর নির্ধারিত ঘাত একে পি এর এম তম ঘাত হিসেবে পড়া হয় অতএব, পি হলো মূল সংখ্যা বা ভিত্তি এম হলো সেই সংখ্যা যা নির্দেশ করে ভিত্তিটি কতবার গুণ হবে এই গাণিতিক গঠনে এম হলো পি এর সূচক সুতরাং, পি এর পাওয়ার এম এর অর্থ হলো এম কে পি এর সূচক বলা হয় উত্তর: B) m কে p এর সূচক
a 45
b 33
c 52
d 48
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৩ প্রদত্ত তথ্য: ৪ বছর পরে ছেলের বয়স হবে ১১ বছর স্ত্রী স্বামীর চেয়ে ৫ বছরের ছোট স্ত্রীর বয়স ছেলের বয়সের ৪ গুণ ধরি, বর্তমানে ছেলের বয়স = ১১ − ৪ = ৭ বছর বর্তমানে স্ত্রীর বয়স = ৭ × ৪ = ২৮ বছর বর্তমানে স্বামীর বয়স = ২৮ + ৫ = ৩৩ বছর অতএব, ছেলের বর্তমান বয়স ৭ বছর স্ত্রীর বর্তমান বয়স ২৮ বছর সুতরাং, স্বামীর বর্তমান বয়স ৩৩ বছর উত্তর: ৩৩
a সমকোণী ত্রিভুজ
b বিষমবাহু ত্রিভুজ
c সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
d সমবাহু ত্রিভুজ
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের যেকোনো দুটি মধ্যমা পরস্পর সমান ত্রিভুজের বাহুগুলোর মধ্যে সম্পর্ক নির্ণয় করতে হবে ধরি, ত্রিভুজটি এ বি সি এবং তার দুটি মধ্যমা সমান মধ্যমা দুটির দৈর্ঘ্য সমান হওয়ায় তাদের ওপর অঙ্কিত ত্রিভুজগুলো সর্বসম হয় অতএব, সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ধর্ম অনুযায়ী সমান মধ্যমার বিপরীত বাহুদ্বয় পরস্পর সমান হয় ফলে ত্রিভুজটির দুটি বাহু সমান হয় সুতরাং, যে ত্রিভুজের দুটি বাহু সমান তাকে সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ বলে উত্তর: সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
a 16
b 35
c 28
d 36
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: অপেক্ষকটি হলো F(x) = (x − ১) এর ওপর বর্গ ধরি, x এর মান = ৫ অতএব, F(৫) = (৫ − ১) এর ওপর বর্গ সুতরাং, F(৫) = ৪ এর ওপর বর্গ = ১৬ উত্তর: ১৬
a চাপ
b জ্যা
c ব্যাসার্ধ
d ব্যাস
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জ্যা প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধির উপর যেকোনো দুটি বিন্দু বিবেচনা করা হলো বিন্দু দুটি পরস্পর যুক্ত করলে একটি রেখাংশ পাওয়া যায় ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র বিন্দুটি কেন্দ্র বিন্দু ও পরিধি থেকে দূরে অবস্থিত বিন্দু দুটিকে সংযোগকারী রেখাংশটি জ্যা নামে পরিচিত অতএব, জ্যা বৃত্তের পরিধিকে দুটি অংশে বিভক্ত করে বৃহত্তম জ্যা কেন্দ্র দিয়ে অতিক্রম করে সুতরাং, বৃত্তের পরিধিস্থ যেকোনো দুটি বিন্দুর সংযোজক রেখাংশকে জ্যা বলা হয় উত্তর: B) জ্যা

মোট প্রশ্ন (16)

a 44
b 45
c 42
d 43
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 44 কেন সঠিক: - বারাক ওবামা ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং তিনি দেশটির চুয়াল্লিশতম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - তিনি ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করে ২০০৯ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে হোয়াইট হাউসে দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 44 — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের চুয়াল্লিশতম প্রেসিডেন্ট ছিলেন। B) 45 — পঁয়তাল্লিশতম প্রেসিডেন্ট ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প যিনি ওবামার ঠিক পরের মেয়াদে ক্ষমতায় আসেন। C) 42 — বিয়াল্লিশতম প্রেসিডেন্ট ছিলেন বিল ক্লিনটন যিনি ১৯৯৩ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। D) 43 — তেতাল্লিশতম প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ যিনি ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের ৪৩তম প্রেসিডেন্ট বুশ এবং তার ঠিক পরের জন অর্থাৎ ৪৪তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন বারাক ওবামা।
a 1905
b 1904
c 1924
d 1914
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯০৪ কেন সঠিক: - ফিফা বা আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশন ২১শে মে ১৯০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। - ফ্রান্সের প্যারিসে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলোর মধ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রতিষ্ঠার জন্য এটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৫ — এই সালে ফিফা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ১৯০৪ সালের পরের বছর। B) ১৯০৪ — এটি ফিফা প্রতিষ্ঠার সঠিক সাল, যা প্যারিসে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। C) ১৯২৪ — এটি ফিফা প্রতিষ্ঠার সাল নয়, তবে এই বছর অলিম্পিক ফুটবল টুর্নামেন্টের নিয়ন্ত্রণ ফিফা নিজের হাতে নেয়। D) ১৯১৪ — এই সালে ফিফা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শুরুর বছর। মনে রাখার টিপস: ১৯০৪ সালের ২১শে মে ফ্রান্সে ফিফা প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯০৪ সংখ্যাটি মনে রাখলেই ফুটবলের নিয়ামক সংস্থার জন্মসাল পাওয়া যাবে।
a পৃথিবী
b মঙ্গল
c বুধ
d শুক্র
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শুক্র কেন সঠিক: - শুক্র গ্রহে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইড থাকার কারণে প্রবল গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। - সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ হলেও তাপ আটকে রাখার ক্ষমতা বেশি থাকায় শুক্র গ্রহের তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পৃথিবী — এখানে বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন বেশি থাকায় তাপমাত্রা সহনীয় থাকে এবং এটি সূর্যের সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ নয়। B) মঙ্গল — সূর্য থেকে অনেক দূরে অবস্থিত এবং এর পাতলা বায়ুমণ্ডল তাপ ধরে রাখতে পারে না বলে এর তাপমাত্রা শুক্রের মতো বেশি নয়। C) বুধ — এটি সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ হলেও এর ঘন বায়ুমণ্ডল নেই, তাই এটি শুক্রের মতো তাপ আটকে রাখতে পারে না। D) শুক্র — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণ এর ঘন কার্বন ডাই অক্সাইড বায়ুমণ্ডল। মনে রাখার টিপস: কাছে থাকলেও বুধ নয়, গ্রিনহাউস প্রভাবে সবচেয়ে গরম হলো শুক্র গ্রহ।
a রাওয়ালপিন্ডিতে
b করাচিতে
c ঢাকায়
d লাহোরে
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লাহোরে কেন সঠিক: - ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। - এই সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বേচ্ছাধীন অধিকারের দাবিতে ঐতিহাসিক ছয় দফা পেশ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাওয়ালপিন্ডিতে — এটি তৎকালীন পাকিস্তানের প্রশাসনিক রাজধানী ছিল, কিন্তু ছয় দফা এখানে উত্থাপন করা হয়নি। B) করাচিতে — এটি পাকিস্তানের একটি প্রধান শহর ও সাবেক রাজধানী, তবে ছয় দফা উত্থাপনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) ঢাকায় — ছয় দফা প্রথম ঢাকায় ঘোষণা করা হলেও সর্বদলীয় সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে লাহোরে উত্থাপন করা হয়েছিল। D) লাহোরে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানেই ঐতিহাসিক বিরোধীদলীয় কনভেনশনে ছয় দফা পেশ করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: লাহোর প্রস্তাবের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখুন, পাকিস্তানের লাহোরেই ঐতিহাসিক ছয় দফা উত্থাপন করা হয়েছিল।
a আরবীয় মহিলাদের ক্ষমতায়ন
b আরবের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণ
c আরব অঞ্চলে বসন্তকাল
d আরব রাজতন্ত্র
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আরবের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণ কেন সঠিক: - ২০১০ সালের শেষের দিকে তিউনিসিয়া থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার আরব দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। - স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থার পতন, দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ব্যাপক গণবিক্ষোভ ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের সূত্রপাত ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবীয় মহিলাদের ক্ষমতায়ন — এটি নারীর অধিকার সংক্রান্ত হলেও আরব বসন্ত মূলত বৃহত্তর রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার আদায়ের গণআন্দোলন। B) আরবের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণ — এটি সঠিক কারণ আরব বসন্ত বলতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলনকে বোঝানো হয়। C) আরব অঞ্চলে বসন্তকাল — এটি আক্ষরিক অর্থ হলেও ভূরাজনৈতিক বা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ঋতু পরিবর্তন বোঝাতে এই পরিভাষা ব্যবহার করা হয়নি। D) আরব রাজতন্ত্র — এটি বরং অনেক ক্ষেত্রে রাজতান্ত্রিক বা কঠোর একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভ্যুত্থান ছিল। মনে রাখার টিপস: আরব বসন্ত মানে ফুল ফোটার ঋতু নয়, বরং আরব বিশ্বে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে মানুষের জেগে ওঠার গণআন্দোলন।
a ১ মার্চ ১৯৯৩
b ১ এপ্রিল ১৯৯৩
c ১ জানুয়ারি ১৯৯৩
d ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ জানুয়ারি ১৯৯৩ কেন সঠিক: - বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বজনীন ও বাধ্যতামূলক করার জন্য ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দেশব্যাপী অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হয়। - তৎকালীন সরকার প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক ঘোষণা করে এবং আইন পাস করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ মার্চ ১৯৯৩ — এই তারিখে দেশব্যাপী বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা চালু হয়নি, এটি ভুল সাল বা তারিখ। B) ১ এপ্রিল ১৯৯৩ — এটি বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা চালুর নির্ধারিত সঠিক তারিখ নয়। সি) ১ জানুয়ারি ১৯৯৩ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩ — এই তারিখে এই কার্যক্রম শুরু হয়নি, এটি ভুল তথ্য। মনে রাখার টিপস: বছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জানুয়ারি থেকেই বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা চালুর মাধ্যমে নতুন বছরের কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।
a বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন
b বাষ্ট্রপতির কার্যালয়
c পাবলিক সার্ভিস কমিশন
d নির্বাচন কমিশন
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সংবিধানের সপ্তম ভাগে (ধারাসমূহ) রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কথা উল্লেখ আছে। - বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন একটি সংবিধিবদ্ধ বা আইন দ্বারা গঠিত প্রতিষ্ঠান, কিন্তু সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন — এটি ১৯৭৩ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ দ্বারা গঠিত একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, সাংবিধানিক নয়। B) রাষ্ট্রপতির কার্যালয় — এটি সংবিধানের চতুর্থ ভাগের প্রথম অধ্যায়ের অধীনে গঠিত একটি সাংবিধানিক পদ ও প্রতিষ্ঠান। C) পাবলিক সার্ভিস কমিশন — এটি সংবিধানের নবম ভাগের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত একটি স্থায়ী সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। D) নির্বাচন কমিশন — এটি সংবিধানের সপ্তম ভাগের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত কমিশনগুলো হলো সাংবিধানিক, আর আইন পাস করে গঠিতগুলো সংবিধিবদ্ধ।
a বাংলাদেশ ব্যাংক
b ডিএসই
c বিএসইসি
d অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিএসইসি কেন সঠিক: - বিএসইসি হলো বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, যা দেশের পুঁজিবাজার বা শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি করে থাকে। - এটি ১৯৯৩ সালের জুনে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি রেগুলেটরি প্রতিষ্ঠান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ ব্যাংক — এটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা মুদ্রাবাজার, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু সরাসরি শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ করে না। B) ডিএসই — ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ হলো শেয়ার কেনাবেচার একটি প্রধান প্ল্যাটফর্ম বা বাজার, কিন্তু এটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা নয়। C) বিএসইসি — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং দেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে। D) অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় — এটি সরকারের সামগ্রিক অর্থনৈতিক নীতি প্রণয়ন ও বাজেট প্রস্তুত করে, কিন্তু শেয়ার বাজারের সরাসরি দৈনন্দিন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে না। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ব্যাংক হলো মুদ্রাবাজারের নিয়ন্ত্রক এবং বিএসইসি হলো শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রক।
a বৈদেশিক সাহায্যে
b উন্নয়নের গতি ধারা
c দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র
d ক্ষুদ্র ঋণ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র কেন সঠিক: - অমর্ত্য সেন কল্যাণ অর্থনীতিতে অবদানের জন্য ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - তিনি দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্রের কারণ বিশ্লেষণ করে সমাজে খাদ্যবণ্টন ব্যবস্থার ত্রুটি তুলে ধরেন এবং দুর্ভিক্ষ রোধে তত্ত্ব দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৈদেশিক সাহায্যে — বৈদেশিক সাহায্য উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি উৎস হলেও এটি তাঁর নোবেলপ্রাপ্তির মূল গবেষণার বিষয় ছিল না। B) উন্নয়নের গতি ধারা — সামগ্রিক উন্নয়নের গতিধারা উন্নয়নের অর্থনীতির অংশ হলেও নির্দিষ্টভাবে তাঁর নোবেল গবেষণা এর চেয়ে দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্রের ওপর বেশি কেন্দ্রীভূত ছিল। C) দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ তিনি এই বিষয়েই নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। D) ক্ষুদ্র ঋণ — ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা এবং এর প্রয়োগের জন্য মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন, অমর্ত্য সেন নন। মনে রাখার টিপস: অমর্ত্য সেন মানেই মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্রের অর্থনৈতিক কারণ অনুসন্ধান।
a রাশিয়া
b ইতালি
c জার্মানি
d জাপান
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জাপান কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর জাপানি বিমানবাহিনী হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিতে আকস্মিক আক্রমণ চালায়। - এই হামলার ফলে যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে এবং অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে মিত্রপক্ষে যোগ দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — রাশিয়া বা তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন এই আক্রমণের সঙ্গে যুক্ত ছিল না, তারা পরবর্তীতে মিত্রশক্তির পক্ষে যুদ্ধ করেছিল। B) ইতালি — ইতালি জার্মানির মিত্র ছিল এবং ইউরোপীয় ও উত্তর আফ্রিকীয় রণাঙ্গনে যুদ্ধ করলেও পার্ল হারবার আক্রমণ করেনি। C) জার্মানি — জার্মানি ইউরোপীয় রণাঙ্গনে অক্ষশক্তির নেতৃত্ব দিলেও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পার্ল হারবার আক্রমণে সরাসরি অংশ নেয়নি। D) জাপান — জাপান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বাধাগ্রস্ত করতে পার্ল হারবারে এই সফল ও আকস্মিক বিমান হামলা চালায়। মনে রাখার টিপস: পার্ল হারবার বললেই মনে রাখবেন প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের লড়াই, যেখানে আমেরিকা আক্রান্ত হয়েছিল দূরপ্রাচ্যের দেশ জাপানের হাতে।
a ছত্রাক
b ব্যাকটেরিয়া
c সায়ানো ব্যাকটেরিয়া
d ভাইরাস
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভাইরাস কেন সঠিক: - এইচআইভি হলো হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস, যা মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আক্রমণ করে দুর্বল করে দেয়। - এটি মূলত কোষে বংশবৃদ্ধি করে এবং এটি কোনো জীবিত এককোষী বা বহুকোষী প্রাণী বা উদ্ভিদ নয়, বরং একটি অণুজীব ভাইরাস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছত্রাক — ছত্রাক হলো এক প্রকার ইউক্যারিয়োটিক জীব, যা এইচআইভির মতো সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ সৃষ্টি করে না। B) ব্যাকটেরিয়া — ব্যাকটেরিয়া হলো এককোষী প্রোক্যারিয়োটিক অণুজীব, যা এইচআইভি ভাইরাস থেকে সম্পূর্ণ আলাদা এবং এদের চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করলেও ভাইরাসে করে না। C) সায়ানো ব্যাকটেরিয়া — সায়ানোব্যাকটেরিয়া হলো সালোকসংশ্লেষণে সক্ষম এক প্রকার ব্যাকটেরিয়া, যা রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস নয়। D) ভাইরাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এইচআইভি একটি মারাত্মক সংক্রামক ভাইরাস। মনে রাখার টিপস: এইচআইভি নামের শেষ শব্দে ভাইরাস রয়েছে, তাই এটি সহজেই মনে রাখা যায় যে এটি একটি ভাইরাস।
a উইং কমান্ডার এম কে বাশার
b মেজর কাজী নুরুজ্জামান
c মেজর এম আব্দুল জলিল
d মেজর কে এম শফিউল্লাহ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উইং কমান্ডার এম কে বাশার কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে মোট এগারোটি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং উইং কমান্ডার এম কে বাশার ছয় নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - এই সেক্টরের অধীনে ছিল কুড়িগ্রাম জেলা, লালমনিরহাট জেলা এবং রংপুর ও দিনাজপুর জেলার কিছু অংশ, যার সদর দপ্তর ছিল পাটগ্রামের বুড়িমারীতে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উইং কমান্ডার এম কে বাশার — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ছয় নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। B) মেজর কাজী নুরুজ্জামান — তিনি ছয় নম্বর সেক্টরের নন, বরং সাত নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। C) মেজর এম আব্দুল জলিল — তিনি ছয় নম্বর সেক্টরের নন, বরং দক্ষিণাঞ্চলের নয় নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। D) মেজর কে এম শফিউল্লাহ — তিনি ছয় নম্বর সেক্টরের নন, বরং প্রথমে তিন নম্বর এবং পরবর্তীতে এস ফোর্সের কমান্ডার ছিলেন। মনে রাখার টিপস: ছয় নম্বরের বাশার ভাই, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট অঞ্চলে যুদ্ধ পরিচালনা করেন।
a খাগড়াছড়ি
b বান্দরবান
c সিলেট
d রাঙ্গামাটি
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাঙ্গামাটি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের আন্তর্জাতিক সীমানা রেখা রাঙ্গামাটি জেলার বরকল উপজেলার ঠেগামুখ এলাকায় এসে মিলিত হয়েছে। - ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এই তিন দেশের ত্রিদেশীয় সীমানা বিন্দুটি রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাগড়াছড়ি — এটি বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তবর্তী জেলা হলেও এর সাথে মিয়ানমারের কোনো সীমান্ত নেই। B) বান্দরবান — এটি বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্ত জেলা হলেও এর সাথে ভারতের সরাসরি সীমান্ত নেই। C) সিলেট — এটি বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত জেলা এবং এর সাথে মিয়ানমারের কোনো সংযোগ নেই। D) রাঙ্গামাটি — এটি ত্রিমুখী সীমানা নির্দেশ করে বিধায় এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: তিন দেশের মিলনস্থল বা ট্রাইপয়েন্ট রাঙ্গামাটির ঠেগামুখ এলাকায় অবস্থিত।
a বিল্ডিং অধ্যাদেশ
b বিল্ডিং কোড
c ভবন অনুনিয়ম
d ভবন আইন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ তথ্য সঠিক উত্তর: A) বিল্ডিং অধ্যাদেশ কেন সঠিক: - ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে আইনি বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করতে বিল্ডিং অধ্যাদেশ বা ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। - এটি মানসম্মত ও নিরাপদ নগর পরিকল্পনা নিশ্চিত করার প্রধান আইনি দলিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিল্ডিং অধ্যাদেশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভবন নির্মাণের সকল আইনি নিয়মাবলী এই অধ্যাদেশের আওতাভুক্ত। B) বিল্ডিং কোড — এটি নির্মাণ সামগ্রী ও কাঠামোগত নিরাপত্তার প্রযুক্তিগত মানদণ্ড নির্দেশ করে, যা অধ্যাদেশের অধীনে প্রয়োগ করা হয়। C) ভবন অনুনিয়ম — এটি কোনো প্রমিত আইনি বা প্রশাসনিক পরিভাষা নয়। D) ভবন আইন — এটি সামগ্রিক আইনি কাঠামো বোঝায়, তবে নির্দিষ্ট বিধিমালা হিসেবে অধ্যাদেশই প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: আইনি বাধ্যবাধকতার ক্ষেত্রে ভবন নির্মাণের জন্য সবসময় বিল্ডিং অধ্যাদেশ মেনে চলা বাধ্যতামূলক।
a শিল্পী
b বৈজ্ঞানিক
c সাহিত্যিক
d কবি
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বৈজ্ঞানিক কেন সঠিক: - জুলিও কুরী ছিলেন একজন বিশ্বখ্যাত ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী ও রসায়নবিদ। - তিনি ও তাঁর স্ত্রী ইরেম জুলিও কুরী যৌথভাবে ১৯৩৫ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিল্পী — জুলিও কুরী শিল্পকলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তিনি বিজ্ঞানচর্চা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। B) বৈজ্ঞানিক — তিনি পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন গবেষণার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত একজন বিজ্ঞানী ছিলেন। সি) সাহিত্যিক — তিনি সাহিত্য বা সৃজনশীল লেখার সঙ্গে যুক্ত কোনো সাহিত্যিক ছিলেন না। ডি) কবি — তিনি কবিতা বা কাব্যচর্চার সঙ্গে যুক্ত কোনো কবি ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: জুলিও কুরী নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী, তাই তাঁর নাম শুনলেই বিজ্ঞান বা বৈজ্ঞানিক শব্দটি মনে রাখবে।
a ক্লাব
b একটি পত্রিকা
c বেতার সংস্থা
d সংবাদ সংস্থা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সংবাদ সংস্থা কেন সঠিক: - রয়টার্স হলো যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা যা বিশ্বজুড়ে সংবাদ সংগ্রহ ও সরবরাহ করে। - এটি ১৮৫১ সালে পল জুলিয়াস রয়টার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং বর্তমানে এটি থমসন রয়টার্স কর্পোরেশনের অংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্লাব — রয়টার্স কোনো ক্রীড়া বা সামাজিক ক্লাব নয়, এটি একটি বৈশ্বিক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান। B) একটি পত্রিকা — এটি সরাসরি কোনো প্রিন্ট পত্রিকা বা সংবাদপত্র প্রকাশ করে না, বরং সংবাদ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। C) বেতার সংস্থা — এটি কেবল বেতার বা রেডিও সম্প্রচারের সঙ্গে যুক্ত নয়, এটি প্রধানত সংবাদ পরিবেশনের জন্য পরিচিত। D) সংবাদ সংস্থা — এটি সঠিক কারণ রয়টার্স বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে সংবাদ সরবরাহ করে থাকে। মনে রাখার টিপস: রয়টার্স নামটির সঙ্গে সংবাদ মাধ্যম ও সাংবাদিকতার বিশ্বস্ততার ইতিহাস জড়িত।

মোট প্রশ্ন (1)

a জেনেটিক্স
b জুওলজী
c বায়োলজী
d ইভোলিউশন
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জেনেটিক্স ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে যে উত্তর দেওয়া হয়েছে (A) জেনেটিক্স) তা বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়। প্রাণী জগতের উৎপত্তি, বংশবৃদ্ধি এবং বিভিন্ন প্রজাতির ক্রমবিকাশ ও বিবর্তন নিয়ে বিজ্ঞানের যে শাখায় আলোচনা করা হয় তাকে ইভোলিউশন বা বিবর্তনবিদ্যা বলা হয়। তাই সঠিক উত্তর হবে D) ইভোলিউশন। নিচে এ বিষয়ে বিস্তারিত বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হলো। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ইভোলিউশন বা বিবর্তন হলো এমন একটি দীর্ঘমেয়াদী জৈবিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোটি কোটি বছর ধরে প্রাচীন ও সরল জীব থেকে নতুন এবং জটিল প্রজাতির উৎপত্তি ঘটে। কার্যপ্রণালি: বংশগতির ধারায় জিনের পরিবর্তন, প্রাকৃতিক নির্বাচন এবং পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার মাধ্যমে জীবের শারীরিক ও জৈবিক বৈশিষ্ট্যের ক্রমবিকাশ ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘোড়ার বিবর্তন ব্যাখ্যা: কোটি বছর ধরে আদি ঘোড়া ইওহিপ্পাস থেকে ধীরে ধীরে বর্তমান যুগের আধুনিক ঘোড়ার উৎপত্তি ঘটেছে। উদাহরণ ২: মানুষের বিবর্তন ব্যাখ্যা: প্রাইমেট জাতীয় প্রাণী থেকে লক্ষ লক্ষ বছরের বিবর্তনের ধারায় আজকের আধুনিক মানব জাতির উৎপত্তি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনেটিক্স — এটি জীববিজ্ঞানের সেই শাখা যেখানে জিন, বংশগতি এবং জীবের পিতামাতা থেকে সন্তান সন্ততিতে বৈশিষ্ট্য অর্জনের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করা হয়। B) জুওলজী — এটি প্রাণীবিদ্যার শাখা যেখানে জীবিত ও মৃত প্রাণীদের শারীরিক গঠন, আচরণ এবং শ্রেণিবিন্যাস নিয়ে বিস্তারিত পড়াশোনা করা হয়। C) বায়োলজি — এটি জীবন বিজ্ঞান বা জীববিজ্ঞানের মূল শাখা যার অন্তর্ভুক্ত হলো উদ্ভিদ ও প্রাণী সংক্রান্ত সকল প্রকার গবেষণা ও পড়াশোনা। D) ইভোলিউশন — এটি হলো সেই সঠিক শাখা যা প্রাণী জগতের উৎপত্তি, বংশ সম্বন্ধ এবং প্রজন্মের পর প্রজমে পরিবর্তনের ইতিহাস ব্যাখ্যা করে। ৫. মনে রাখার টিপস: উৎপত্তি এবং ক্রমবিকাশ শব্দের ইংরেজি রূপ হলো ইভোলিউশন। আর বংশগতির একক হলো জিন যা থেকে এসেছে জেনেটিক্স। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চার্লস ডারউইন হলেন জৈব বিবর্তনবাদের প্রবক্তা যিনি তার বিখ্যাত অরিজিন অব স্পিসিজ গ্রন্থে বিবর্তন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিবর্তনবাদ এবং বংশগতিবিদ্যা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই এই দুটি শাখার পার্থক্য পরিষ্কার রাখা জরুরি।

মোট প্রশ্ন (1)

a Software
b Printer
c Scanner
d Operating System
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Printer ১. কেন সঠিক: ডট ম্যাট্রিক্স হলো এমন একটি প্রিন팅 ডিভাইস যা ছোট ছোট পিনের সাহায্যে ফিতা বা রিবনে আঘাত করে কাগজে লেখা বা ছবি ফুটিয়ে তোলে। এটি মূলত ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত যা আজও ব্যাংকের পাসবুক বা মাল্টি-কপি ইনভয়েস প্রিন্ট করার কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার হলো এক ধরনের প্রিন্ট হেডযুক্ত ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার যা পিনের মাধ্যমে কালির ফিতা চেপে কাগজে বিন্দু আকারে ডট প্রিন্ট করে। কার্যপদ্ধতি: প্রিন্ট হেডে থাকা ছোট ছোট পিন ইলেকট্রোম্যাগনেটিক সিগন্যালের মাধ্যমে সামনের দিকে ধাক্কা খেয়ে কালির রিবনে আঘাত করে এবং কাগজে কাঙ্ক্ষিত অক্ষর বা বিন্দু তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাংক বা পোস্ট অফিসের পাসবুক আপডেট করার প্রিন্টার। ব্যাখ্যা: এই প্রিন্টারগুলো একই সাথে কার্বন কপির মাধ্যমে একাধিক পৃষ্ঠায় নিখুঁতভাবে প্রিন্ট করতে পারে যা ডট ম্যাট্রিক্স প্রযুক্তির প্রধান কাজ। উদাহরণ ২: রেলওয়ের টিকিট কাউন্টারে ব্যবহৃত টিকেটিং প্রিন্টার। ব্যাখ্যা: দীর্ঘস্থায়ী ও কম খরচে কার্বন কপি প্রিন্ট করার প্রয়োজন হয় বলেই সেখানে ডট ম্যাট্রিক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Software — সফটওয়্যার হলো কতগুলো নির্দেশের সমষ্টি বা প্রোগ্রাম যা হার্ডওয়্যারকে পরিচালনা করে, কিন্তু ডট ম্যাট্রিক্স কোনো সফটওয়্যার নয়। B) Printer — ডট ম্যাট্রিক্স একটি পরিচিত আউটপুট ডিভাইস বা প্রিন্টার যা হার্ডকপি তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। C) Scanner — স্ক্যানার হলো একটি ইনপুট ডিভাইস যা কাগজের হার্ডকপিকে ডিজিটাল ছবিতে রূপান্তর করে, যা ডট ম্যাট্রিক্সের কাজের সম্পূর্ণ বিপরীত। D) Operating System — অপারেটিং সিস্টেম হলো সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে, যা কোনো প্রিন্টার নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ডট ম্যাট্রিক্স নামটিতেই প্রিন্ট করার পদ্ধতির ইঙ্গিত রয়েছে যেখানে অসংখ্য ডট বা বিন্দুর ম্যাট্রিক্স বা জালিকা ব্যবহার করে প্রিন্ট করা হয়। ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার মানেই শব্দ করে প্রিন্ট করে এবং এটি সাধারণত ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার হিসেবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার হলো এক ধরনের ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার যা একযোগে কার্বন কপি বা একাধিক কপি প্রিন্ট করতে সক্ষম। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন প্রিন্টারটি শব্দ বেশি করে বা কার্বন কপি প্রিন্ট করতে পারে, যার উত্তর ডট ম্যাট্রিক্স।