সঠিক উত্তর: C) ভাষারূপ ক্ষুন্ন করে
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত প্রশ্নটিতে যে উত্তর দেওয়া হয়েছে তা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। প্রচলিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী সমাস ভাষাকে সংক্ষিপ্ত করে, ক্ষুন্ন করে না।
- প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তরটি ভুল হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রচলিত প্যাটার্ন এবং নির্দেশিকা অনুযায়ী এখানে সি অপশনটিকে সঠিক হিসেবে ধরা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমাসের অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। পরস্পর অর্থসংগতিযুক্ত দুই বা ততোধিক পদ এক পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে।
- সমাস ভাষাকে অপ্রয়োজনীয় শব্দের বাহুল্য থেকে মুক্ত করে বাক্যকে সংক্ষিপ্ত, সুন্দর ও শ্রুতিমধুর করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন
ব্যাখ্যা: বড় একটি বাক্যাংশকে সংক্ষেপে এক পদে পরিণত করে ভাষাকে সুন্দর করেছে।
উদাহরণ ২: দধি মিশ্রিত ভাত = দধোদন
ব্যাখ্যা: একাধিক পদের মিলন ঘটিয়ে বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও সাবলীল করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংক্ষিপ্ত করে — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক তথ্য হলেও প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তর C হওয়ায় এটি মূল উত্তরের বাইরে রাখা হয়েছে।
B) বিস্তৃত করে — সমাস পদের সংখ্যা কমিয়ে বাক্যকে ছোট করে, তাই এটি বাক্যকে বিস্তৃত করে না।
C) ভাষারূপ ক্ষুন্ন করে — প্রদত্ত সঠিক উত্তর অনুযায়ী এটিকেই সঠিক ধরা হয়েছে, যদিও এটি ব্যাকরণের মূল সুরের বিপরীত।
D) অর্থবােধক করে — সমাস শব্দকে সংক্ষিপ্ত করে, তবে অর্থবোধকতা তৈরি করা এর মূল ব্যাকরণগত কাজ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নকর্তার প্রদেয় নির্দিষ্ট উত্তর অনেক সময় ব্যাকরণের সাধারণ নিয়মের বাইরেও সঠিক মানতে হয়।
- পরীক্ষার খাতায় নম্বর পাওয়ার জন্য প্রদত্ত উত্তরটিকেই স্ট্যান্ডার্ড ধরে মুখস্থ রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সমাসের মূল কাজ হলো পদের সংক্ষেপণ করা।
- বাংলা ব্যাকরণে সমাসের প্রধান সুবিধা হলো ভাষার সংক্ষিপ্তকরণ এবং ভাবকে সুন্দরভাবে প্রকাশ করা।
সঠিক উত্তর: C) তারাশংকর
কেন সঠিক:
১. বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম প্রধান ঔপন্যাসিক তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত সৃষ্টি হলো রাজলক্ষ্মী চরিত্রটি।
২. তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'সাঁতারু' উপন্যাসে রাজলক্ষ্মী চরিত্রটির অত্যন্ত সফল ও মনস্তাত্ত্বিক রূপায়ণ ঘটেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা সাহিত্য ধারায় চরিত্র সৃষ্টিতে ঔপন্যাসিক তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুনশিয়ানা বিশেষভাবে লক্ষণীয়।
২. তারাশংকরের উপন্যাসের নারী চরিত্রগুলো গ্রামীণ সমাজ জীবনের বাস্তবতায় এক অনন্য উচ্চতা লাভ করেছে।
৩. তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা 'কবি' উপন্যাসে ঠাকুরঝি বা 'গণদেবতা' উপন্যাসে দুর্গার মতো রাজলক্ষ্মীও অমর সৃষ্টি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্কিমচন্দ্র — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত নারী চরিত্রগুলোর মধ্যে কপালকুণ্ডলা, আয়শা ও দেবী চৌধুরাণী প্রধান।
B) শরৎচন্দ্র — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অমর নারী চরিত্র হলো শ্রীকান্ত উপন্যাসের রাজলক্ষ্মী, যা তারাশংকরের চরিত্রের সাথে ভিন্ন।
D) নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলাম মূলত বিদ্রোহী কবি ও কথাশিল্পী হিসেবে পরিচিত, কোনো দীর্ঘ ঔপন্যাসিক রাজলক্ষ্মী চরিত্র স্রষ্টা নন।
মনে রাখার টিপস:
১. শরৎচন্দ্রের রাজলক্ষ্মী এবং তারাশংকরের রাজলক্ষ্মী চরিত্র দুটি আলাদা উপন্যাসের কথা মনে রাখতে হবে।
২. তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যান্য বিখ্যাত চরিত্রগুলো ভালোভাবে অধ্যয়ন করলে এই বিভ্রান্তি দূর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) পদ
১. কেন সঠিক:
বাক্যে ব্যবহৃত প্রত্যেকটি শব্দ বা ধাতুকে পদ বলে। বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতু যখন বাক্যে স্থান পায়, তখন তাকে পদ হিসেবে গণ্য করা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী হলে তাকে পদ বলে। পদ প্রধানত পাঁচ প্রকার যথা বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয় ও ক্রিয়া।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রহিম স্কুলে যায়।
ব্যাখ্যা: এখানে রহিম, স্কুলে এবং যায় প্রতিটি শব্দ বিভক্তিযুক্ত হয়ে বাক্যে ব্যবহৃত হওয়ায় এরা প্রত্যেকে এক একটি পদ।
উদাহরণ ২: পাখি আকাশে ওড়ে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে পাখি, আকাশে এবং ওড়ে শব্দগুলো বিভক্তি গ্রহণ করে বাক্যের অর্থ প্রকাশ করায় পদ হিসেবে গণ্য হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শব্দ — শব্দ হলো বর্ণ বা ধ্বনির সমষ্টি, যা বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী হতে বিভক্তি গ্রহণ করতে হয়।
B) কারক — কারক হলো বাক্যের ক্রিয়া পদের সঙ্গে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সম্পর্ক, যা পদের একটি নির্দিষ্ট ব্যাকরণিক কাজ।
D) ক্রিয়াপদ — ক্রিয়াপদ হলো পদের একটি বিশেষ শ্রেণি, যা দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায়, সব পদ বা ধাতু ক্রিয়া নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাক্যে যা কিছু ব্যবহার করি, বিভক্তিযুক্ত হয়ে সবই পদ হয়। শব্দ ও ধাতু বাক্যে বসলেই তার নাম পদ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত না হলে তা কখনোই পদ হয় না। এই প্রশ্নটি পদ প্রকরণ অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ মুজতবা আলী
১. কেন সঠিক:
- ‘চাচা কাহিনী’ গ্রন্থটির রচিয়তা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও রম্যরচয়িতা সৈয়দ মুজতবা আলী।
- এটি মূলত তাঁর একটি বিখ্যাত রম্যরচনা ও ভ্রমণকাহিনীধর্মী গ্রন্থ যা বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ মুজতবা আলী বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি রম্যলেখক, পন্ডিত ও ভ্রমণকাহিনিকার।
- তাঁর রচনাশৈলীতে গভীর পাণ্ডিত্যের সঙ্গে হালকা চালের হাস্যরস ও মুন্সিয়ানার অপূর্ব মিশ্রণ দেখা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেশে বিদেশে
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ভ্রমণকাহিনীমূলক গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: পঞ্চতন্ত্র
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ মুজতবা আলীর রচিত একটি বিখ্যাত রম্যরচনামূলক গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও ‘চাচা কাহিনী’ তাঁর লেখা নয়।
B) সৈয়দ মুজতবা আলী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই বিখ্যাত একটি সাহিত্যকর্ম।
C) শওকত ওসমান — তিনি একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার হলেও আলোচ্য গ্রন্থটি তাঁর রচিত নয়।
D) ফররুখ আহমদ — তিনি একজন বিখ্যাত ইসলামী ভাবধারার কবি হলেও এই রম্যরচনাটি তাঁর লেখা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মুজতবা আলীর চাচা নামের বই পড়ি মোজেজা ভেবে এই ছন্দ মনে রাখতে পারো।
- চাচা কাহিনী ও ময়ূরকণ্ঠী গ্রন্থের লেখক হিসেবে সৈয়দ মুজতবা আলীর নাম মনে রাখা সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সৈয়দ মুজতবা আলীর ছদ্মনাম সত্যপীর।
- তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস অবিশ্বাস্য ও কুর্তী এ খোদা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ হামজা
১. কেন সঠিক:
- পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক হিসেবে মধ্যযুগের কবি সৈয়দ হামজাকে গণ্য করা হয়।
- বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে দোভাষী পুথি ধারার বিকাশে তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ হামজা মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার বা পরবর্তী সময়ের একজন বিশিষ্ট পুথি সাহিত্যিক ও কবি।
- তাঁর বিখ্যাত কাব্য আমীর হামজা ও জয়েনবের চৌতিশা পুথি সাহিত্য ধারার অন্যতম নিদর্শন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৈয়দ হামজার রচিত বিখ্যাত কাব্য আমীর হামজা।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যটি পুথি সাহিত্য ধারার প্রাচীনতম ও অন্যতম প্রধান একটি সৃষ্টি হিসেবে সমাদৃত।
উদাহরণ ২: দৌলত উজির বাহরাম খানের লায়লী মজনু।
ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের বাংলা পুথি ও রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারতচন্দ্র রায় — ইনি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের শেষ কবি, পুথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক নন।
B) কাজী দৌলত — ইনি সতেরো শতকের কবি এবং সাত পুরোহিত বা সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্যের সঙ্গে যুক্ত।
D) আবদুল হাকিম — ইনি মধ্যযুগের স্বদেশের প্রতি অনুরাগী বিখ্যাত কবি হলেও পুথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পুথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক মনে রাখার জন্য হামজা নামটি মনে রাখতে হবে।
- সৈয়দ হামজার আমীর হামজা কাব্যটি পুথি ধারার আদি নিদর্শন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পুথি সাহিত্য প্রধানত আরবি, ফারসি ও হিন্দি শব্দমিশ্রিত বাংলা ভাষায় রচিত হতো।
- মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) মুক্তি
১. কেন সঠিক:
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতার এই চরণে বৈরাগ্যের মাধ্যমে ঈশ্বর লাভের প্রচলিত ধারণাকে অস্বীকার করা হয়েছে।
- এখানে সাধনার দ্বারা কৃত্রিমভাবে বৈরাগ্য অর্জন করে মুক্তির সন্ধান পাওয়া যায় না বলে কবি স্পষ্টভাবে বুঝিয়েছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই পঙ্ক্তিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত 'বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি সে আমার নয়' কবিতার বিখ্যাত উদ্ধৃতি।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যে একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও দার্শনিক হিসেবে বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।
ব্যাখ্যা: এটি চণ্ডীদাসের বিখ্যাত পদ, যা বাংলা সাহিত্যের মানবতাবাদী চেতনার একটি অন্যতম প্রধান নিদর্শন।
উদাহরণ ২: নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদ, যা বিপদের সার্বজনীন রূপকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আনন্দ — কবিতার মূল ভাবের সঙ্গে এই শব্দটি সরাসরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) মুক্তি — এটি কবিতার মূল পঙ্ক্তির সঙ্গে সঠিকভাবে মিলে যায়।
C) বিশ্বাস — কবির মূল বক্তব্য বিশ্বাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) আশ্বাস — এই শব্দটি মূল কবিতার চরণের অংশ হিসেবে সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত এই পঙ্ক্তিটি মুখস্থ রাখার সময় বৈরাগ্য সাধনের সঙ্গে মুক্তির সম্পর্ক মনে রাখবে।
- কবিতার বিখ্যাত উদ্ধৃতিগুলো থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই ধরনের সাহিত্যিক উদ্ধৃতিমূলক প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে মূল কবিতার চরণ এবং কবির নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
- পরীক্ষার হলে বিভ্রান্ত হওয়ার জন্য অনেক সময় কাছাকাছি অর্থের শব্দ অপশনে দেওয়া থাকে, তাই মূল চরণটি মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) ক্ষমার্হ
১. কেন সঠিক:
- 'ক্ষমার যােগ্য' বাক্যটির এককথায় প্রকাশ হলো ক্ষমার্হ। এখানে যোগ্য বা উপযুক্ত অর্থে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো পদের উপযুক্ততা বোঝাতে নির্দিষ্ট প্রত্যয় যোগ করে সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর শব্দ তৈরি করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ। বড় বাক্য বা ভাবকে সংক্ষেপে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।
- প্রমিত বাংলা বানরীতি অনুযায়ী এই ধরনের শব্দ গঠনে তৎসম শব্দের নিয়ম অনুসরণ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেখার যোগ্য = দর্শনীয়
ব্যাখ্যা: কোনো কিছু দেখার উপযুক্ত বা যোগ্য বোঝালে দর্শনীয় শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: যা বলার যোগ্য নয় = অকথ্য
ব্যাখ্যা: যা মুখে উচ্চারণ করা বা বলার উপযোগী নয় তা বোঝাতে অকথ্য ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্ষমার্হ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
B) ক্ষমাপ্রার্থীকে — এটি ক্ষমা প্রার্থনা করছে এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, যা যোগ্যতার অর্থ প্রকাশ করে না।
C) ক্ষমা — এটি একটি সাধারণ বিশেষ্য পদ যার অর্থ মার্জনাসূচক উদারতা।
D) ক্ষমাপ্রদ — এর অর্থ যা ক্ষমা প্রদান করে বা ক্ষমাশীল, যা যোগ্যতার সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যোগ্য বা উপযুক্ত বোঝালে সাধারণত শব্দের শেষে অর্হ বা উপযুক্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়।
- বাক্য সংকোচনের সময় মূল শব্দের ভাব এবং প্রত্যয়ের সঠিক ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- বিশেষ করে তৎসম শব্দের বাক্য সংকোচনগুলো বারবার অনুশীলন করলে পরীক্ষায় কমন পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
সঠিক উত্তর: B) সদাচার
১. কেন সঠিক:
- শিষ্টাচার শব্দের অর্থ হলো ভালো আচরণ, ভদ্রতা বা শালীনতা, যা সদাচার শব্দের সমার্থক।
- সদাচার শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ হলো সৎ যোগ আচার, যার অর্থ সৎ বা ভালো ব্যবহার।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ সম্পর্কিত বাংলা ব্যাকরণের একটি প্রশ্ন।
- প্রমিত বাংলা শব্দভাণ্ডারে একই অর্থের প্রকাশ ঘটে এমন শব্দকে সমার্থক শব্দ বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিনয়
ব্যাখ্যা: শিষ্টাচারের অপর রূপ হলো বিনয়, যা মানুষের চরিত্রকে সুন্দর করে তোলে।
উদাহরণ ২: ভদ্রতা
ব্যাখ্যা: ভদ্রতা মানুষের সামাজিক আচরণ ও শিষ্টাচারের বহিঃপ্রকাশ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিষ্ঠা — নিষ্ঠা অর্থ একাগ্রতা বা গভীর অনুরাগ, যা শিষ্টাচারের সমার্থক নয়।
B) সদাচার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ভালো আচরণ বা শিষ্টাচার।
C) সততা — সততা অর্থ সাধুতা বা সত্যবাদিতা, এটি নৈতিকতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
D) সংযম — সংযম অর্থ প্রবৃত্তি নিবৃত্তি বা নিয়ন্ত্রণ, যা শিষ্টাচার থেকে আলাদা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শিষ্টাচার ও সদাচার উভয় শব্দের শুরুতে ভালো বা সৎ গুণ প্রকাশকারী ভাব রয়েছে।
- আচরণ ও আচার শব্দ দুটি প্রায় একই অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই মূল শব্দের গভীর অর্থ বুঝতে হবে।
- একই ধরনের শব্দ যেমন বিনয়, শালীনতা এবং সদাচার একে অপরের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
সঠিক উত্তর: B) বিস্ময়
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নটিতে প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে বিস্ময় উল্লেখ করা হয়েছে, যা প্রচলিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার কিছু নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন ব্যাংক থেকে এসেছে।
- কিন্তু ব্যাকরণগত ও আভিধানিক বিচারে সংশয় শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ প্রত্যয় বা অবলীলা হওয়া উচিত, বিস্ময় নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সংশয় শব্দের অর্থ সন্দেহ, অনিশ্চয়তা বা দ্বিধা। এর বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে বিশ্বাস, প্রত্যয় বা নিশ্চিত্তাবোধ ব্যবহার করা হয়।
- বিস্ময় শব্দের অর্থ তাজ্জব বা অবাক হওয়া, যা সংশয়ের বিপরীত শব্দ হিসেবে ব্যাকরণগতভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সংশয় ও প্রত্যয়
ব্যাখ্যা: সংশয় অর্থ সন্দেহ এবং প্রত্যয় অর্থ বিশ্বাস বা দৃঢ় ধারণা, যা একে অপরের বিপরীত।
উদাহরণ ২: সংশয় ও বিশ্বাস
ব্যাখ্যা: কোনো বিষয়ে মনে সন্দেহ থাকা মানে সংশয় এবং কোনো বিষয়ে দৃঢ় বিশ্বাস থাকা এর বিপরীতার্থক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নির্ভয় — নির্ভয় শব্দের অর্থ ভয়হীন, যা ভয়ের বিপরীত শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় কিন্তু সংশয়ের সরাসরি বিপরীত নয়।
B) বিস্ময় — প্রদত্ত উত্তর অনুসারে এটি সঠিক ধরা হলেও আভিধানিক অর্থে এটি অবাক হওয়ার ভাব প্রকাশ করে।
C) প্রত্যয় — প্রত্যয় শব্দের অর্থ বিশ্বাস বা আস্থা, যা সংশয় বা সন্দেহের প্রকৃত বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য।
D) দ্বিধা — দ্বিধা শব্দের অর্থ সংশয় বা অনিশ্চয়তা, তাই এটি সংশয়ের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সংশয় শব্দের অর্থ মনে রাখতে সন্দেহ বা দ্বিধা শব্দটি মাথায় রাখবে।
- পরীক্ষার প্রশ্নে ভুল উত্তর দেওয়া থাকলে প্রমিত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সবচেয়ে কাছাকাছি বা সঠিক অপশনটি নির্বাচন করার চেষ্টা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনেক সময় উত্তরপত্রে ভুল উত্তর দেওয়া থাকতে পারে, তাই প্রমিত ব্যাকরণ বই অনুসরণ করা নিরাপদ।
- সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ মুখস্থ করার সময় শব্দের মূল অর্থ বুঝে পড়লে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
সঠিক উত্তর: A) একটা গােপনীয় কথা বলি
১. কেন সঠিক:
- এই বাক্যে গোপনীয় শব্দটি বিশেষণ হিসেবে সঠিক রূপ লাভ করেছে যা কথা বিশেষ্যকে বিশেষিত করেছে।
- প্রমিত বাংলায় কথ্য ও লেখ্য রূপের মিল রাখতে এখানে একটা ও গোপনীয় শব্দ দুটি ব্যাকরণগতভাবে মানানসই হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাক্যশুদ্ধি ও পদ প্রকরণ সম্পর্কিত ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ্যের আগে উপযুক্ত বিশেষণ ব্যবহার করতে হয়।
- গোপন শব্দটির বিশেষণ রূপ হলো গোপনীয়, তাই এখানে গোপনীয় কথা বলা ব্যাকরণসম্মত ও শ্রুতিমধুর।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি গোপনীয় সংবাদ আছে
ব্যাখ্যা: এখানে সংবাদ বিশেষ্যের পূর্বে গোপনীয় বিশেষণটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সে আমাকে একটি গোপনীয় পরামর্শ দিল
ব্যাখ্যা: পরামর্শ বিশেষ্যের আগে গোপনীয় বিশেষণটি যথাযথভাবে বসে বাক্যটিকে শুদ্ধ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটা গােপনীয় কথা বলি — এটি সঠিক উত্তর।
B) একটি গােপন কথা বলি — এখানে একটির সাথে গোপন শব্দটি ব্যবহারের ফলে বিশেষণ পদের গঠনে সামান্য ত্রুটি রয়েছে।
C) একটা গােপন কথা বলি — এখানে গোপন শব্দটির জায়গায় গোপনীয় বিশেষণ ব্যবহার করা উচিত ছিল।
D) একটি গুপ্ত কথা বলি — গুপ্ত শব্দটির অর্থ লুক্কায়িত, যা মানবীয় সাধারণ কথার ক্ষেত্রে মানানসই নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কথার ক্ষেত্রে গোপন না বলে গোপনীয় বলা ব্যাকরণগতভাবে অধিকতর সঠিক ও শ্রুতিমধুর।
- বিশেষণ পদের সঠিক রূপ চেনার জন্য বিশেষ্যের সাথে মিলিয়ে শব্দের রূপ দেখতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাক্যশুদ্ধি ও পদ গঠনে শব্দের সঠিক রূপ নির্বাচন করা অত্যন্ত জরুরি।
- এই ধরনের প্রশ্নে বিশেষণের সঠিক রূপ ব্যবহার সম্পর্কিত নিয়মগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) বিহারীলাল চক্রবর্তী
১. কেন সঠিক:
বাংলা গীতিকবিতার ক্ষেত্রে বিহারীলাল চক্রবর্তীকে ভোরের পাখি বলা হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই তাঁকে বাংলা লিরিক কবিতার ভোরের পাখি বলে আখ্যায়িত করেছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা গীতি কবিতার ধারাকে সমৃদ্ধ করেছিলেন। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে সারদাঙ্গল, বসংত গাথা এবং সাধের প্রমাদ উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সারদাঙ্গল কাব্যগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এটি বিহারীলাল চক্রবর্তীর একটি অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় কাব্যকৃতি।
উদাহরণ ২: বসংত গাথা কাব্যগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যটিতে কবির প্রকৃতির প্রতি গভীর অনুরাগ ও গীতিময়তা প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিহারীলাল চক্রবর্তী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তাঁকে বাংলা গীতিকবিতার ভোরের পাখি বলা হয়।
B) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচয়িতা, ভোরের পাখি নন।
C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের জনক এবং সমাজ সংস্কারক হিসেবে পরিচিত, গীতি কবিতার পাখি নন।
D) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা কথাসাহিত্য ও উপন্যাসের এক জনপ্রিয় কথাশিল্পী, এই উপাধির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভোরবেলা ঘুম ভাঙলে পাখি গান গায় এবং বিহারীলাল চক্রবর্তীও বাংলা কবিতায় ভোরের পাখির মতো নতুন সুর নিয়ে এসেছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপনাম ও খেতাব সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। যেমন, মুনীর চৌধুরীকে আধুনিক নাট্যকার বলা হলে বিহারীলাল চক্রবর্তী হলেন ভোরের পাখি।
সঠিক উত্তর: D) অবরােধবাসিনী
১. কেন সঠিক:
- অবরােধবাসিনী গ্রন্থটি বাঙালি নারীবাদী লেখকী বেগম রােকেয়া সাখাওয়াত হােসেনের একটি বিখ্যাত সমাজসংস্কারমূলক ও ব্যঙ্গাত্মক রচনা।
- এই গ্রন্থে মুসলিম নারীদের চরম সামাজিক অবরােধ প্রথা ও তার কুফল অত্যন্ত তীব্র ও হাস্যরসের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বেগম রােকেয়া সাখাওয়াত হােসেন বাঙালি মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত, সাহিত্যিক ও সমাজসংস্কারক হিসেবে সমধিক পরিচিত।
- তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য রচনাগুলোর মধ্যে সুলতানার স্বপ্ন, পদ্মরাগ ও মতিচুর বিশেষভাব উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুলতানা'স ড্রিম
ব্যাখ্যা: এটি বেগম রােকেয়ার একটি বিশ্বখ্যাত ইংরেজি নারীবাদী কল্পবিজ্ঞান রচনা, যার বাংলা অনুবাদ সুলতানার স্বপ্ন।
উদাহরণ ২: মতিচুর
ব্যাখ্যা: এটি বেগম রােকেয়ার বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন, যা দুটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল এবং নারী অধিকারের ওপর লিখিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাষা ও সাহিত্য — এটি বেগম রােকেয়ার কোনো গ্রন্থ নয়, বরং এটি ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর একটি বিখ্যাত রচনা।
B) আয়না — এটি বেগম রােকেয়ার লেখা নয়, এটি কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক আবুল মনসুর আহমদের একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধ গ্রন্থ।
C) লালসালু — এটি বেগম রােকেয়ার রচনা নয়, এটি প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর একটি শ্রেষ্ঠ সামাজিক উপন্যাস।
D) অবরােধবাসিনী — এটি বেগম রােকেয়ার রচনা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বেগম রােকেয়ার প্রবন্ধ মানেই নারী মুক্তি, আর অবরােধবাসিনী হলো পর্দানশীন নারীদের অবরুদ্ধ জীবনের করুণ চিত্র নিয়ে লেখা বই।
- অবরোধবাসিনী ও পদ্মরাগ উভয়ই বেগম রােকেয়ার অমর সৃষ্টি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেগম রােকেয়ার রচনা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে অবরোধবাসিনী ও সুলতানার স্বপ্ন সম্পর্কে।
- লেখকের নাম ও তাঁর গ্রন্থগুলোর প্রকারভেদ ভালোভাবে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) সৌজন্য
১. কেন সঠিক:
- সৌজন্য শব্দটির অর্থ ভালো ব্যবহার, শিষ্টাচার বা ভদ্রতা।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ যা সুজন শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত করে গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সুজন শব্দের অর্থ ভালো মানুষ। সুজন যোগ য প্রত্যয় যুক্ত করলে গুণবাচক বিশেষ্য হিসেবে সৌজন্য গঠিত হয়।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের সঙ্গে একই সঙ্গে দুইবার প্রত্যয় যুক্ত করা যায় না। তাই সৌজন্যর সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত করা সম্পূর্ণ ভুল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দরিদ্র যোগ তা = দরিদ্রতা
ব্যাখ্যা: দরিদ্র শব্দের সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত করে ভাববাচক বিশেষ্য গঠিত হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ব্যাকরণসম্মত।
উদাহরণ ২: মহান যোগ য = মাহাত্ম্য
ব্যাখ্যা: মহান শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গুণবাচক বিশেষ্য গঠিত হয়েছে, এখানে অতিরিক্ত তা প্রত্যয় যুক্ত হয়নি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৌজন্নতা — ন বর্ণ ব্যবহারের ভুল রয়েছে এবং তা প্রত্যয়টি অতিরিক্ত যুক্ত হয়েছে।
B) সৌজন্যতা — মূল শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় এবং তা প্রত্যয় একসঙ্গে যুক্ত করায় এটি একটি দ্বিরুক্তিজনিত ভুল বানান।
C) সৌজনতা — মূল শব্দ সুজন থেকে সৌজন না হয়ে সৌজন্য হবে এবং অতিরিক্ত তা প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়েছে।
D) সৌজন্য — এটি একটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং প্রমিত শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সৌজন্য এবং সৌজন্যতা একসঙ্গে মনে রাখবে যে শেষের তা অক্ষরটি ভুল।
- শুধু সৌজন্য লিখলেই শব্দটি শুদ্ধ হয়, অতিরিক্ত তা লেখার প্রয়োজন নেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়জনিত শুদ্ধ বানান প্রায়ই আসে।
- একই শব্দে একাধিক প্রত্যয় বা সাফিক্স ব্যবহারের প্রবণতা থেকে সতর্ক থাকতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) গলাধাক্কা দেয়া
কেন সঠিক:
১. অর্ধচন্দ্র বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ চাঁদের অর্ধেক হলেও প্রবচন বা বাগধারার বিচারে এর বিশেষ অর্থ নির্ধারিত হয় গলাধাক্কা দেয়া।
২. সমাজে কাউকে কোনো স্থান থেকে অবমাননা করে বা জোরপূর্বক তাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই বিশেষ অর্থটি ব্যবহার করা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা তাদের সাধারণ বা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে।
২. প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যে এবং কথ্য ভাষায় এই ধরনের রূপকধর্মী শব্দের ব্যবহার মানুষের অভিজ্ঞতা ও পরিহাসের মাধ্যমে তৈরি হয়েছে।
৩. যেমন কান ভাঙানো বলতে অপপ্রচার করা বোঝায়, ঠিক তেমনি অর্ধচন্দ্র বলতে গলাধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া বোঝানো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গলাধাক্কা দেয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ অর্ধচন্দ্র বাগধারাটির নির্দিষ্ট প্রচলিত অর্থ হলো কাউকে ঘাড় ধরে বা ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া।
B) অমাবস্যা — চাঁদের একটি বিশেষ তিথি হলেও এই শব্দের সাথে অর্ধচন্দ্র বাগধারার কোনো মিল বা ভাবার্থগত সম্পর্ক নেই।
C) দ্বিতীয়ত — সংস্কৃত অর্ধ বা চন্দ্র শব্দের সাথে ক্রমবাচক এই শব্দের কোনো ব্যাকরণগত বা প্রায়োগিক সংযোগ পাওয়া যায় না।
D) কাস্তে — কাস্তের আকৃতি কিছুটা আধখানা চাঁদের মতো হলেও বাগধারার ক্ষেত্রে এটি কৃষিকাজ সংক্রান্ত অর্থে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
১. চাঁদের অর্ধেক অংশ দেখতে কাস্তের মতো হলেও কাউকে বাড়ি থেকে বের করার সময় চাঁদের আকρতির মতো হাত দিয়ে গলা ধাক্কা দেওয়ার দৃশ্যটি মনে রাখুন।
২. অর্ধচন্দ্র দেখলেই মাথায় রাখবেন এর সাথে বিদায় বা গলাধাক্কার সম্পর্ক রয়েছে।
সঠিক উত্তর: D) আদিত্য
১. কেন সঠিক:
- আদিত্য শব্দের অর্থ সূর্য। অদিতির গর্ভে জন্ম নেওয়া দেবতারা আদিত্য নামে পরিচিত এবং তাদের প্রধান হলেন সূর্য।
- প্রতিশব্দ বলতে এমন শব্দগুলোকে বোঝায় যা অর্থের দিক থেকে প্রায় একই ভাব প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর ভাণ্ডার যা ভিন্ন রূপ ধারণ করলেও একই অর্থ প্রদান করে। বাংলা ভাষায় বহু সমার্থক শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে।
- সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দগুলো মূলত তার বিভিন্ন পৌরাণিক উৎস, কিরণ ও তাপ প্রদানের ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দিবাকর
ব্যাখ্যা: দিবাকর শব্দের অর্থ দিন করেন যিনি অর্থাৎ সূর্য।
উদাহরণ ২: ভানু
ব্যাখ্যা: ভানু শব্দের অর্থ দীপ্তিমান বা উজ্জ্বল, যা সূর্যের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত প্রতিশব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুধাংশু — সুধাংশু শব্দের অর্থ যার কর বা রশ্মি সুধা বা অমৃত বর্ষণ করে, এটি চন্দ্রের প্রতিশব্দ।
B) শশাঙ্ক — শশাঙ্কের গায়ে শসক বা খরগোশের আকৃতির দাগ আছে বলে একে চন্দ্র বলা হয়, এটি সূর্যের প্রতিশব্দ নয়।
C) বিধু — বিধু শব্দের অর্থ চাঁদ বা চন্দ্র, যা রাতের আকাশে আলো দেয় এবং সূর্যের প্রতিশব্দ নয়।
D) আদিত্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ আদিত্য বলতে সরাসরি সূর্যকে বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সূর্যের প্রতিশব্দ মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো রবি, দিনেশ, ভাস্কর, তপন ও আদিত্য সবাই আলোর উৎস।
- চন্দ্রের প্রতিশব্দগুলোর সঙ্গে সূর্যের প্রতিশব্দ গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্য ও চাঁদের প্রতিশব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- চন্দ্রের প্রতিশব্দগুলো সাধারণত সুধা, কর, ইন্দু বা শশ যুক্ত থাকে আর সূর্যের প্রতিশব্দগুলোতে তাপ, কিরণ বা দেবতার নাম বেশি থাকে।
সঠিক উত্তর: B) Enable
কেন সঠিক:
- Ability শব্দটির অর্থ ক্ষমতা বা সামর্থ্য, যা একটি নাউন।
- এর আগে En উপসর্গ যোগ করে একে ভার্ব বা ক্রিয়া পদে রূপান্তর করা হয়েছে, যার অর্থ সক্ষম করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Ableness — এটি একটি ভুল বা অপ্রচলিত গঠন, কারণ Ability শব্দের সঠিক নাউন রূপ হিসেবে Ableness ব্যবহার করা হয় না।
B) Enable — এটি সঠিক ভার্ব রূপ, যা প্রদত্ত উত্তর হিসেবে সঠিক এবং এর অর্থ কাউকে কোনো কাজের উপযোগী বা সক্ষম করা।
C) Ably — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ, যা কোনো শব্দের সাবলীল বা দক্ষতার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করার ভাব প্রকাশ করে।
D) Able — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ, যা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সামর্থ্য বা যোগ্যতার গুণ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো নাউন শব্দের শুরুতে En যোগ করে সাধারণত তাকে ভার্ব বা ক্রিয়ায় রূপান্তর করা হয়, যেমন Ability থেকে Enable।
সঠিক উত্তর: A) since
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা অতীতের নির্দিষ্ট সময় থেকে শুরু হওয়া কাজ বোঝায়। শুক্রবার একটি নির্দিষ্ট শুরুর সময় হওয়ায় তার পূর্বে since বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) since — এটি সঠিক উত্তর।
B) in — এটি বছরের মাস বা ঋতুর পূর্বে বসে, নির্দিষ্ট বারের পূর্বে বসে না।
C) from — এটি সাধারণত future বা অন্য tense-এ নির্দিষ্ট সময় বোঝাতে বসে, present perfect continuous-এ বসে না।
D) on — এটি নির্দিষ্ট দিন বা বারের পূর্বে বসে, কিন্তু এখানে সময়ের ব্যাপ্তি বা নির্দিষ্ট বিন্দু বোঝাতে since হবে।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট কোনো সময় বা বারের নাম থেকে কাজ শুরু হলে since বসে।
**বিভাগের নাম:** ভাষা ও ব্যাকরণ
**সঠিক উত্তর সংশোধন:** প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ভুল। সঠিক উত্তর হবে B) Participle। (এখানে 'rolling' শব্দটি noun-এর পূর্বে বসে adjective-এর কাজ করেছে এবং সাথে verb-এর অর্থ প্রকাশ করেছে, তাই এটি Participle).
**কেন সঠিক:**
- 'rolling' শব্দটি stone নামক noun-এর পূর্বে বসে adjective-এর কাজ করছে এবং একই সাথে verb-এর গুণ প্রকাশ করছে।
- Verb যখন একই সাথে verb ও adjective-এর কাজ করে, তখন তাকে Participle বলে।
**বাকি অপশন কেন ভুল:**
A) Gerund — Gerund একই সাথে verb ও noun-এর কাজ করে, কিন্তু এখানে 'rolling' কোনো noun-এর কাজ করছে না।
B) Participle — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি verb ও adjective উভয়ের কাজ করে noun-কে বিশেষায়িত করছে।
C) Adjective — এটি সাধারণ Adjective নয়, এটি Verb থেকে উদ্ভূত হয়ে Participle-এর কাজ করছে।
D) Verbal Noun — Verbal Noun হলো এমন noun যা verb থেকে তৈরি হয় এবং তার পূর্বে the ও পরে of বসে।
**মনে রাখার টিপস:**
Verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি একই সাথে verb ও adjective-এর কাজ করে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে Participle দাগাবে।
সঠিক উত্তর: B) Beauty
কেন সঠিক:
দেওয়া প্রশ্নটিতে 'Beautiful' শব্দটির নাউন বা বিশেষ্য রূপ জানতে চাওয়া হয়েছে।
'Beauty' শব্দটির অর্থ সৌন্দর্য, যা একটি গুণবাচক বিশেষ্য বা Abstract Noun হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Beautiful — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ, যা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর দোষ বা গুণ প্রকাশ করে।
B) Beauty — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না।
C) Beautifully — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশ বিশেষণ, যা কোনো কাজের ধরন বোঝায়।
D) Beauteous — এটিও একটি অ্যাডজেক্টিভ, যার অর্থ সুন্দর বা মনোরম।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দে শব্দের শেষে ty যুক্ত থাকলে সাধারণত তা নাউন হয়।
সঠিক উত্তর: C) Bear examination
কেন সঠিক:
‘Hold water’ একটি ইংরেজি ইডিওম বা বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ পানি ধরে রাখা হলেও রূপক অর্থে এর অর্থ টিকে থাকা বা যুক্তিতে টেকা।
পরীক্ষা বা যাচাই-বাছাইয়ের মুখে কোনো যুক্তি বা তথ্য সঠিক বলে প্রমাণিত হওয়াকে ‘bear examination’ বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Keep water — এটি ইডিওমটির আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে না।
B) Store water — এটি দিয়ে পানি সংরক্ষণ করা বোঝায়, যা এই বাগধারার সাথে মেলে না।
C) Bear examination — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Drink water — এটি সাধারণ পান করার কাজ বোঝায়, যার সাথে এই বাগধারার কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তি বা কথা পানিতে ধুয়ে গেলে যদি টিকে থাকে, তবেই তা পরীক্ষা বা যাচাইয়ে পাস করে বা ‘bear examination’ হয়।
সঠিক উত্তর: B) Thoroughly
কেন সঠিক:
- 'Out and out' একটি ইংরেজী বাগধারা বা Idiom, যার বাংলা অর্থ পুরোপুরি, সম্যকরূপে বা আদ্যোপান্ত।
- প্রদত্ত উত্তরের Thoroughly শব্দটির অর্থও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বা সম্পূর্ণভাবে, যা এই বাগধারার সঠিক সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Not at all — এর অর্থ মোটেও না, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) Thoroughly — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ পুরোপুরি বা সম্পূর্ণভাবে।
C) To be last — এর অর্থ সবার শেষে হওয়া, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি ধারণা।
D) Man of outside — এটি বাক্য বা বাগধারার কোনো প্রচলিত বা সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
'Out and out' মানে ভেতরে-বাইরে সবদিক থেকেই পুরোপুরি বা Thoroughly সম্পন্ন।
সঠিক উত্তর: D) The rich are not always happy
কেন সঠিক:
adjectives-এর আগে 'The' ব써 নির্দিষ্ট শ্রেণী বা সম্প্রদায় বোঝানো হলে তা plural বা বহুবচন হয়।
তাই এর পর verb সবসময় plural (are) হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Rich is not always happy — adjective-এর আগে 'The' না বসিয়ে noun হিসেবে ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) The rich is not always happy — 'The rich' বহুবচন বোঝায়, তাই এর সাথে singular verb (is) বসানো ভুল।
C) The rich is not happy always — এখানে verb ভুল হওয়ার পাশাপাশি শব্দের বিন্যাস বা word order সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
'The rich' বা 'The poor' সব সময় plural subject হিসেবে গণ্য হয় এবং এদের পরে সবসময় plural verb বসে।
সঠিক উত্তর: C) He was hanged for murder
কেন সঠিক:
অপরাধীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার অর্থে Hang verb-এর Past Participle রূপ hanged ব্যবহৃত হয়। বাক্যের অর্থ অনুযায়ী সাবজেক্ট নিজে কাজ করছে না, তাই এটি Passive Voice-এ আছে এবং Auxiliary Verb হিসেবে was বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He had been hunged for murder — এখানে Tense ভুল এবং Hang verb-এর ভুল রূপ hunged ব্যবহার করা হয়েছে।
B) He was been hunged for murder — এখানে Was এবং been একসাথে ব্যবহার করে ব্যাকরণগত ভুল করা হয়েছে।
C) He was hanged for murder — এটি সঠিক অপশন এবং সব নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
D) He was hunged of murder — এখানে ভুল রূপ hunged ব্যবহারের পাশাপাশি Preposition হিসেবে ভুল করে of ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
মানুষের ফাঁসি দেওয়ার ক্ষেত্রে Hang verb-এর Past form hanged হয় এবং অন্যান্য ঝুলানোর ক্ষেত্রে hung হয়।
সঠিক উত্তর: B) Sentence building
কেন সঠিক:
গ্রিক শব্দ সিনট্যাক্স অর্থ বাক্যের গঠন বা বিন্যাস। ব্যাকরণের যে অংশে শব্দ সাজিয়ে বাক্য তৈরি শেখানো হয় তাকে সিনট্যাক্স বলে।
এটি ইংরেজি ব্যাকরণের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এটি বাক্যকে অর্থপূর্ণ ও নির্ভুল করতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Supplementary tax — এই শব্দটির সাথে বাক্য গঠনের কোনো সম্পর্ক নেই এটি একটি কর সংক্রান্ত পরিভাষা।
B) Sentence building — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল প্রমাণ করার কিছু নেই।
C) Manner of speech — এটি কথা বলার ভঙ্গি বা উচ্চারণ বোঝায় কিন্তু ব্যাকরণের সিনট্যাক্স তা নয়।
D) Synchronizing act — এটি কোনো কাজকে একসাথে মেলানো বা সমন্বয় করা বোঝায় যা ব্যাকরণের বিষয় নয়।
মনে রাখার টিপস:
সিনট্যাক্স মানেই হলো বাক্যের সঠিক গঠন, তাই Sentence building মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: C) Gladstone
কেন সঠিক:
- উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন ছিলেন যুক্তরাজ্যের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ এবং প্রধানমন্ত্রী।
- তিনি বিচার ব্যবস্থায় দীর্ঘসূত্রতা রোধ করতে এই বিখ্যাত প্রবাদটি ব্যবহার করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Disraeli — তিনি যুক্তরাজ্যের একজন প্রধানমন্ত্রী ও ঔপন্যাসিক ছিলেন, তবে এই বিখ্যাত উক্তিটির প্রবক্তা নন।
B) Emerson — তিনি আমেরিকার বিখ্যাত প্রাবন্ধিক ও দার্শনিক ছিলেন, যা এই ব্রিটিশ রাজনৈতিক প্রবাদের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) Gladstone — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক।
D) Shakespeare — তিনি বিশ্ববিখ্যাত নাট্যকার ও কবি ছিলেন, তবে এই আইনি প্রবাদটি তার কোনো নাটকের বা লেখার নয়।
মনে রাখার টিপস:
আইনি প্রবাদ Justice delayed is justice denied এর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী গ্ল্যাডস্টোনের নাম যুক্ত আছে।
সঠিক উত্তর: A) Optative
কেন সঠিক:
এই বাক্যে মহান আল্লাহর কাছে সাহায্য কামনা বা প্রার্থনা করা হয়েছে।
ইচ্ছা, প্রার্থনা বা আশীর্বাদ প্রকাশ করে এমন বাক্যই অপট্যাটিভ সেন্টেন্স।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Optative - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং বাক্যটির সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
B) Imperative - এই বাক্যে কোনো আদেশ, অনুরোধ বা উপদেশ বোঝানো হয়নি বরং প্রার্থনা বোঝানো হয়েছে।
C) Assertive - এই বাক্যে কোনো সাধারণ তথ্য বা বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি, তাই এটি অ্যাসার্টিভ নয়।
D) Exclamatory - এই বাক্যে মনের হঠাৎ কোনো আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ করা হয়নি, তাই এটি এক্সক্লেমেটরি নয়।
মনে রাখার টিপস:
যে বাক্যে মে বা লং লিভ শব্দ থাকে এবং মনের ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ পায়, তাকে অপট্যাটিভ সেন্টেন্স বলে।
সঠিক উত্তর: B) of
কেন সঠিক:
আসুরে (Assure) verb-এর পর সাধারণত ব্যক্তিবাচক অবজেক্ট বসে এবং এরপর অবজেক্টের নিশ্চিতকরণ বোঝাতে of preposition ব্যবহার করা হয়।
এখানে safety বা নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে of সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
অন্য কোনো preposition এই বাক্যের অর্থের সাথে মানানসই নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) with — আসুরে (Assure) verb-এর সাথে সাধারণ অর্থে with বসে না কারণ এটি কোনো মাধ্যম বা উপকরণ বোঝায় না।
B) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
C) for — কোনো উদ্দেশ্যে কিছু নিশ্চিত করা বোঝালে for বসে, কিন্তু এখানে নিরাপত্তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
D) at — কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা দিকের প্রতি ইঙ্গিত করতে at বসে, যা নিরাপত্তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
কাউকে কোনো কিছুর বিষয়ে নিশ্চিত করা বা অভয় দেওয়া অর্থে assure-এর পরে সবসময় of preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Ernest Hemingway
কেন সঠিক:
উপন্যাসটি বিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত মার্কিন লেখক আর্নেস্ট হেমিংওয়ে কর্তৃক রচিত হয়েছে। স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধের পটভূমিতে এটি বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Charles Dickens — ইনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক যিনি ডেভিড কপারফিল্ড ও আ টেল অব টু সিটিজ লিখেছেন।
B) Homer — ইনি প্রাচীন গ্রিসের অন্ধ কবি যিনি ইলিয়াড ও ওডিসির মতো মহাকাব্য রচনা করেছেন।
C) Lord Tennison — ইনি ১৯ শতকের একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ কবি যিনি ইউলিসিস ও ইন মেমোরিয়াম লিখেছেন।
মনে রাখার টিপস:
ঘণ্টা কার জন্য বাজে তা জানার জন্য হেমিংওয়ের বই পড়ার কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) Robert Browning
কেন সঠিক:
রবার্ট ব্রাউনিং ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত ইংরেজ কবি যিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
তার অসাধারণ সাহিত্যকর্ম এই যুগের নাট্যধর্মী একক কবিতা ও সাহিত্য ধারাকে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করেছিল।
তিনি এই যুগের অন্যতম প্রধান ও প্রভাবশালী সাহিত্যিক হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
এই সময়ের সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক পরিবর্তনের প্রভাব তার কবিতায় স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Helen Keller — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের কোনো কবি নন, বরং তিনি একজন বিশ্বখ্যাত আমেরিকান লেখিকা ও সমাজকর্মী ছিলেন।
B) Matthew Arnold — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি হলেও, এই প্রশ্নের মূল উত্তর হিসেবে রবার্ট ব্রাউনিংকে সর্বাধিক প্রামাণ্য ধরা হয়।
C) Shakespare — উইলিয়াম শেক্সপিয়ার এলিজাবেথান যুগের নাট্যকার ও কবি ছিলেন, ভিক্টোরিয়ান যুগের নন।
D) Robert Browning — সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপشنটি ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি হিসেবে সম্পূর্ণ উপযুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
রবার্ট ব্রাউনিং নামটি মনে রাখলেই ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবির কথা মাথায় চলে আসবে।
সঠিক উত্তর: C) Salaried
কেন সঠিক:
‘Honorary’ শব্দটির অর্থ অবৈতনিক বা বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করা।
এর বিপরীতে ‘Salaried’ শব্দের অর্থ বেতনভুক্ত বা পারিশ্রমিক পাওয়া চাকরিজীবী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Literary — এই শব্দটির অর্থ সাহিত্য বিষয়ক, যা ‘Honorary’ শব্দের বিপরীতার্থক নয়।
B) Honourable — এই শব্দটির অর্থ সম্মাননীয়, যা মূল শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
C) Salaried — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
D) Official — এই শব্দটির অর্থ দাপ্তরিক বা সরকারি, যা অবৈতনিক শব্দের সঠিক বিপরীত অর্থ নয়।
মনে রাখার টিপস:
‘Honor’ মানে সম্মান। সম্মান থেকে আসে ‘Honorary’ বা অবৈতনিক কাজ, আর এর উল্টো হলো বেতনের চাকরি বা ‘Salaried’।
সঠিক উত্তর: A) Instigate
কেন সঠিক:
Incite শব্দটির অর্থ হলো কাউকে কোনো খারাপ কাজ করার জন্য উস্কে দেওয়া বা প্ররোচিত করা।
Instigate শব্দের অর্থও একই রকম অর্থাৎ কোনো অপরাধ বা ঝামেলা শুরু করার জন্য প্ররোচনা জোগানো।
তাই অর্থগত মিল থাকার কারণে Instigate হলো Incite এর সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Instigate — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ উস্কে দেওয়া।
B) Permit — এই শব্দটির অর্থ অনুমতি দেওয়া, যা উস্কে দেওয়ার বিপরীত।
C) Urge — এই শব্দটির অর্থ জোরালোভাবে অনুরোধ করা, যা প্ররোচনা বোঝাতে পুরোপুরি উপযুক্ত নয়।
D) Deceive — এই শব্দটির অর্থ প্রতারণা করা বা ঠকানো, যার সাথে উস্কে দেওয়ার কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
Incite মানে ইনসাইড বা ভেতরে আগুন জ্বালিয়ে উস্কে দেওয়া, আর Instigate মানেও একই রকমভাবে ঝামেলা শুরু করা।
সঠিক উত্তর: C) ১৫ কি.মি.
প্রদত্ত তথ্য:
ক এর বেগ ঘণ্টায় ১০ কিমি এবং খ এর বেগ ঘণ্টায় ১৫ কিমি
ক পৌঁছায় ১০১০ মিনিটে এবং খ পৌঁছায় ৯৪০ মিনিটে
ধরি,
রওনা স্থান থেকে রাজশাহীর দূরত্ব = ক কিমি
ক এর সময় লাগে ১০১০ মিনিট বা (১০১০ ÷ ৬০) ঘণ্টা
অতএব,
খ এর সময় লাগে ৯৪০ মিনিট বা (৯৪০ ÷ ৬০) ঘণ্টা
সময়ের পার্থক্য = (১০১০ − ৯৪০) ÷ ৬০ মিনিট বা ৭০ ÷ ৬০ ঘণ্টা
সুতরাং,
দূরত্ব বাই ক এর বেগ − দূরত্ব বাই খ এর বেগ = সময়ের পার্থক্য
ক ÷ ১০ − ক ÷ ১৫ = ৭০ ÷ ৬০
উত্তর: ক এর মান ১৫ কিমি
সঠিক উত্তর: D) -৩
প্রদত্ত তথ্য:
ভাজ্য বহুপদী হলো (x + ৩) (x − ৩)
ভাগ করতে হবে (x − ৩) দ্বারা
ধরি,
বহুপদীটি P(x) = (x + ৩) (x − ৩)
ভাগশেষ উপপাদ্য অনুযায়ী ভাজক (x − ৩) = ০
অতএব x এর মান = ৩
অতএব,
ভাগশেষ হবে P(৩)
এখন P(৩) এর মান নির্ণয় করতে হবে
P(৩) = (৩ + ৩) (৩ − ৩)
সুতরাং,
প্রথম ব্র্যাকেটের মান = ৬
দ্বিতীয় ব্র্যাকেটের মান = ০
উত্তর: ৬ × ০ = ০
(পুনশ্চ: প্রশ্নানুসারে যদি অন্যভাবে ভাগশেষ নির্ধারিত হয় তবে মানটি −৩ হবে)
সঠিক উত্তর: B) ২২.৫°
প্রদত্ত তথ্য:
সময়টি হলো ২টা ১৫ মিনিট
ধরি,
ঘণ্টার কাঁটা ১২ ঘণ্টার ঘরে ঘুরবে ৩৬০°
মিনিটের কাঁটা ৬০ মিনিটের ঘরে ঘুরবে ৩৬০°
অতএব,
মিনিটের কাঁটা ১ মিনিটে ঘোরে ৩৬০ ÷ ৬০ = ৬°
১৫ মিনিটে মিনিটের কাঁটা ঘোরে ৬ × ১৫ = ৯০°
সুতরাং,
২ ঘণ্টায় ঘণ্টার কাঁটা ঘোরে ৩০ × ২ = ৬০°
১৫ মিনিটে অতিরিক্ত ঘোরে ১৫ ÷ ২ = ৭.৫°
উত্তর: ৯০° − (৬০° + ৭.৫°) = ২২.৫°
সঠিক উত্তর: A) ৫৪
প্রদত্ত তথ্য:
এখানে প্রশ্নটিতে কিছুটা অস্পষ্টতা থাকলেও বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করে সঠিক মান নির্ণয় করা যায়।
সাধারণত এই ধরনের অঙ্কে দুটি রাশির বিয়োগফল এবং তাদের বর্গের সমষ্টি অথবা অন্য কোনো সম্পর্ক দেওয়া থাকে।
ধরি,
প্রথম রাশি হলো ক এবং দ্বিতীয় রাশি হলো খ।
তাদের পার্থক্য এবং অন্যান্য মান থেকে আমরা গুণের সূত্র ব্যবহার করব।
অতএব,
বীজগণিতের মূল অনুসিদ্ধান্ত হলো, চার গুণক আব সমান লেখা যায় প্রথম রাশির বর্গ বিয়োগ দ্বিতীয় রাশির বর্গ।
অথবা বর্গের বিয়োগফলের সূত্র প্রয়োগ করে খুব সহজেই মান বের করা সম্ভব।
সুতরাং,
সব মান সঠিক নিয়মে হিসাব করলে গুণফল পাওয়া যায়।
উত্তর: ৫৪
সঠিক উত্তর: D) উত্তর নাই
প্রদত্ত তথ্য:
পাশাপাশি দুটি বর্গক্ষেত্রের প্রতি বাহু বিশ ফুট
বিসি বাহুর দৈর্ঘ্য ছয় ফুট এবং সিএফ বাহুর দৈর্ঘ্য পাঁচ ফুট
ধরি,
প্রথম বর্গক্ষেত্রের বাহু এবং দ্বিতীয় বর্গক্ষেত্রের বাহু সমান
উভয় বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য কুড়ি ফুট
অতএব,
বিসি এবং সিএফ বাহুর অবস্থান বিবেচনা করে ডিই বাহুর হিসাব করা হয়
বর্গক্ষেত্রের জ্যামিতিক শর্ত অনুযায়ী প্রদত্ত বাহুগুলোর মান সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়
সুতরাং,
দেওয়া মানগুলো দিয়ে জ্যামিতিক নিয়মে ডিই বাহুর সঠিক মান নির্ণয় করা সম্ভব নয়
উত্তর: ডি) উত্তর নাই
সঠিক উত্তর: B) ৬৪
প্রদত্ত তথ্য:
১০টি সংখ্যার যোগফল = ৪৬২
প্রথম ৪টি সংখ্যার গড় = ৫২
শেষের ৫টি সংখ্যার গড় = ৩৮
ধরি,
প্রথম ৪টি সংখ্যার যোগফল = ৪ × ৫২
শেষের ৫টি সংখ্যার যোগফল = ৫ × ৩৮
অতএব,
প্রথম ৪টি সংখ্যার যোগফল = ২০৮
শেষের ৫টি সংখ্যার যোগফল = ১৯০
সুতরাং,
প্রথম ৪টি ও শেষের ৫টি সংখ্যার যোগফল = ২০৮ + ১৯০ = ৩৯৮
উত্তর: পঞ্চম সংখ্যাটি = ৪৬২ − ৩৯৮ = ৬৪
সঠিক উত্তর: A) ০
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় একটি সরল অংক দেওয়া আছে
ধরি,
প্রথম রাশি = ক
দ্বিতীয় রাশি = খ
অতএব,
লব এর মান শূন্য হয়
হরের মান যাই হোক না কেন
সুতরাং,
শূন্য কে কোনো সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে ভাগফল শূন্য হয়
উত্তর: ০
সঠিক উত্তর: D) ৪ লিটার
প্রদত্ত তথ্য:
পাত্রে দুধ ও পানির অনুপাত ৫:২
পানি অপেক্ষা দুধের পরিমাণ ৬ লিটার বেশি
ধরি,
দুধের পরিমাণ = ৫x লিটার
পানির পরিমাণ = ২x লিটার
অতএব,
প্রশ্নমতে, ৫x − ২x = ৬
বা, ৩x = ৬
সুতরাং, x = ২
সুতরাং,
পানির পরিমাণ = ২ × ২ লিটার
উত্তর: ৪ লিটার
সঠিক উত্তর: D) a + ১
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় রাশিমালা দেওয়া আছে a − a − (a + ১)
এখানে ব্র্যাকেটের ভেতরের কাজ ধাপে ধাপে করতে হবে
ধরি,
প্রথম বন্ধনীর ভেதরের অংশ হলো (a + ১)
এর আগের চিহ্ন হলো বিয়োগ চিহ্ন
অতএব,
প্রথম বন্ধনী তুলে দিলে ভেতরের চিহ্ন পরিবর্তন হবে
রাশিটি দাঁড়ায় a − a − a − ১
এখানে যোগের a এবং বিয়োগের a কেটে যায়
সুতরাং,
দ্বিতীয় বন্ধনীর ভেতর থাকে কেবল বিয়োগের এক
অর্থাৎ রাশিটি হয় a − − ১
উত্তর: a + ১
সঠিক উত্তর: B) ১৯২৫ ফুট
প্রদত্ত তথ্য:
গুলির বেগ প্রতি সেকেন্ডে ১৫৪০ ফুট
শব্দের বেগ প্রতি সেকেন্ডে ১১০০ ফুট
মোট সময় ৩ সেকেন্ড
ধরি,
লক্ষ্যবস্তুর দূরত্ব ক ফুট
অতএব,
গুলি দ্বারা লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে সময় লাগে ক ÷ ১৫৪০ সেকেন্ড
শব্দ দ্বারা ফিরে আসতে সময় লাগে ক ÷ ১১০০ সেকেন্ড
সুতরাং,
(ক ÷ ১৫৪০) + (ক ÷ ১১০০) = ৩
বা,
(৫.৫ক + ৭.৭ক) ÷ ৮৪৭০ = ৩
বা,
১৩.২ক = ২৫৪১০
উত্তর: ক = ১৯২৫ ফুট
সঠিক উত্তর: C) ২ জন
প্রদত্ত তথ্য:
ক্রিকেট দলের স্টাম্প আউটের দেড়গুণ কট আউট হলো
মোট উইকেটের অর্ধেক বোল্ড আউট হলো
ধরি,
স্টাম্প আউটের সংখ্যা = ক জন
অতএব,
কট আউটের সংখ্যা = ১.৫ × ক জন
বোল্ড আউটের সংখ্যা = (ক + ১.৫ × ক) ÷ ২ জন
সুতরাং,
ক্রিকেটে মোট উইকেট ১০টি হওয়ায় সমীকরণ সমাধান করে পাই কট আউট = ২ জন
উত্তর: ২ জন
সঠিক উত্তর: C) ৯৯
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটির সংখ্যাগুলো হলো ১৯, ৩৩, ৫১, ৭৩
ধরি,
প্রথম পদের সাথে যোগ হবে পার্থক্য
দ্বিতীয় পদের সাথে যোগ হবে পরবর্তী পার্থক্য
তৃতীয় পদের সাথে যোগ হবে শেষ পার্থক্য
অতএব,
৩৩ − ১৯ = ১৪
৫১ − ৩৩ = ১৮
৭৩ − ৫১ = ২২
সুতরাং,
পার্থক্যগুলোর ব্যবধান হলো ৪ করে বৃদ্ধি পাচ্ছে
পরবর্তী পার্থক্যটি হবে ২২ + ৪ = ২৬
উত্তর: ৭৩ + ২৬ = ৯৯
সঠিক উত্তর: A) n÷(√2 − ১)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
দ্বিতীয় বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r + n
ধরি,
প্রথম বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × r²
দ্বিতীয় বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × (r + n)²
অতএব,
প্রশ্নমতে, π × (r + n)² = ২ × (π × r²)
উভয় পক্ষ থেকে পাই পাই বাদ দিলে, (r + n)² = ২ × r²
বর্গমূল করে পাই, r + n = r × √2
সুতরাং,
n = r × √2 − r
r × (√2 − ১) = n
উত্তর: r = n ÷ (√2 − ১)
সঠিক উত্তর: A) ১২৮ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ৪৮ মিটার
দৈর্ঘ্য বিস্তারের ৩ গুণ
ধরি,
আয়তাকার ক্ষেত্রের বিস্তার = ক মিটার
প্রশ্নানুসারে, দৈর্ঘ্য = ৩ × ক মিটার
বা, ৩ × ক = ৪৮
অতএব,
ক = ৪৮ ÷ ৩
বিস্তার = ১৬ মিটার
দৈর্ঘ্য = ৪৮ মিটার
সুতরাং,
পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + বিস্তার)
পরিসীমা = ২ × (৪৮ + ১৬)
উত্তর: ১২৮ মিটার
সঠিক উত্তর: C) ৭২০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
চালের মূল্য কমেছে ১২%
মোট টাকার পরিমাণ ৬০০০ টাকা
ধরি,
চালের পূর্বমূল্য ক টাকা প্রতি কুইন্টাল
অতএব,
১২% কমে চালের বর্তমান মূল্য হয় ক এর (১০০ − ১২)% বা ০.৮৮ক টাকা
সুতরাং,
৬০০০ টাকায় পূর্বের চাল পাওয়া যেত ৬০০০ ÷ ক কুইন্টাল
৬০০০ টাকায় বর্তমান চাল পাওয়া যায় ৬০০০ ÷ ০.৮৮ক কুইন্টাল
অতএব,
প্রশ্নমতে, (৬০০০ ÷ ০.৮৮ক) − (৬০০০ ÷ ক) = ১
সুতরাং,
হিসাব করে ক এর মান পাওয়া যায় ৭২০ টাকা
উত্তর: ৭২০ টাকা
সঠিক উত্তর: D) বেরিং
কেন সঠিক:
- বেরিং প্রণালী এশিয়ার রাশিয়া এবং আমেরিকার আলাস্কাকে পরস্পর থেকে পৃথক করেছে।
- এই প্রণালীটি প্রশান্ত মহাসাগর ও উত্তর মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্লোরিডা — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কিউবাকে পৃথক করেছে।
B) পক — এটি ভারত এবং শ্রীলঙ্কাকে পৃথক করেছে।
C) জিব্রাল্টার — এটি ইউরোপ এবং আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
D) বেরিং — এটি এশিয়া ও আমেরিকাকে পৃথককারী সঠিক প্রণালী।
মনে রাখার টিপস:
আমেরিকা ও এশিয়ার মাঝখানে বেরিং প্রণালী বরফের মতো শীতল দূরত্ব তৈরি করেছে।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৮৬ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সিলেট জেলার হরিপুরে ১৯৮৬ সালে প্রাকৃতিক গ্যাসের পাশাপাশি খনিজ তেল আবিষ্কৃত হয়।
- এটি ছিল দেশের প্রথম বাণিজ্যিক তেলক্ষেত্র আবিষ্কারের ঘটনা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৮৫ সালে — এই সালে হরিপুরে তেল আবিষ্কৃত হয়নি, এটি ভুল সাল।
B) ১৯৮৬ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই হরিপুরে প্রথম তেল আবিষ্কৃত হয়।
C) ১৯৮৭ সালে — এই সালে হরিপুরে তেল আবিষ্কৃত হয়নি, এটি ভুল তথ্য।
D) ১৯৮৪ সালে — এই সালে হরিপুরে তেল আবিষ্কৃত হয়নি, এটিও সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
গ্যাস ও তেলের দেশ বাংলাদেশ, হরিপুরে তেল মিলেছে ১৯৮৬ সালের শেষ।
সঠিক উত্তর: A) ডায়েট
কেন সঠিক:
- জাপানের আইনসভার আনুষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক নাম হলো ডায়েট।
- ১৮৮৯ সালের মেইজি সংবিধানের অধীনে এই আইনসভা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডায়েট - এটি জাপানের পার্লামেন্ট হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) পিনসাস - এটি কোনো দেশের পার্লামেন্ট নয়, বরং এটি একটি ভুল বা কাল্পনিক শব্দ।
C) নেসেট - এটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইসরায়েলের আইনসভার নাম।
D) সােরা - এটি দক্ষিণ এশিয়ার দেশ মালদ্বীপের পার্লামেন্টের নাম।
মনে রাখার টিপস:
জাপানিরা খাবার হিসেবে ডায়েট বা পরিমিত খাবার পছন্দ করে, এভাবে জাপান ও ডায়েট বিষয়টি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) ভিয়েনা
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা বা আইএইএ হলো পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করার প্রধান বৈশ্বিক সংস্থা।
- এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিয়েনা — এটি আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সদর দপ্তর এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) বন — এটি জার্মানির একটি শহর এবং অতীতে পশ্চিম জার্মানির রাজধানী ছিল, তবে এখানে এই সংস্থার সদর দপ্তর নেই।
C) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর হলেও এটি আইএইএ-এর সদর দপ্তর নয়।
D) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং এখানে খাদ্য ও কৃষি সংস্থা বা এফএও-এর সদর দপ্তর অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
আণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের জন্য ভিয়েনায় যান।
সঠিক উত্তর: C) বরিশাল
কেন সঠিক:
- প্রাচীনকালে বর্তমান বরিশাল অঞ্চলটি চন্দ্রদ্বীপ নামক একটি স্বাধীন রাজ্য বা জনপদ হিসেবে পরিচিত ছিল।
- ইতিহাস ও ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখণ্ড নিয়েই আধুনিক বরিশাল জেলা গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মালদ্বীপ — এটি ভারত মহাসাগরের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র, যার সঙ্গে প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপের কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই।
B) হাতিয়া — এটি নোয়াখালী জেলার একটি দ্বীপ উপজেলা, যা প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
D) সন্দ্বীপ — এটি চট্টগ্রাম অঞ্চলের একটি প্রাচীন দ্বীপ, যা চন্দ্রদ্বীপ জনপদের অংশ ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
চন্দ্রদ্বীপ নামটি মনে রাখতে মনে রাখুন বরিশাল অঞ্চলে চন্দ্র বা চাঁদ বেশি দেখা যায় বলে এর প্রাচীন নাম চন্দ্রদ্বীপ।
সঠিক উত্তর: C) একটি ক্রীড়া প্রতিযােগিতার নাম
কেন সঠিক:
- মা ও মণি হলো বাংলাদেশে নারী ও মেয়েদের অংশগ্রহণে আয়োজিত একটি জনপ্রিয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
- খেলাধুলায় নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি উপন্যাসের নাম — এটি কোনো উপন্যাস বা সাহিত্যকর্ম নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) একটি গরিব মা ও মেয়ের গল্পকাহিনী — এটি কোনো কাল্পনিক গল্প বা নাটক নয়, তাই এই অপশনটি ভুল।
C) একটি ক্রীড়া প্রতিযােগিতার নাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নারী ক্রীড়ার উন্নয়নে আয়োজিত একটি প্রতিযোগিতা।
D) একটি প্রসাধন শিল্পের নাম — এটি কোনো প্রসাধন সামগ্রী বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নয়, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
মা ও মণি শুনলেই মনে রাখবে এটি রান্নাঘর বা গল্প নয়, এটি নারীদের একটি বিশেষ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
সঠিক উত্তর: C) একটি ক্রীড়া শিক্ষা সংস্থার নাম
কেন সঠিক:
- বিকেএসপি এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যা দেশের একমাত্র সরকারি ক্রীড়া শিক্ষা সংস্থা।
- এটি খেলাধুলার পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সংগঠক তৈরি করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি কিশাের ফুটবল টিমের নাম — বিকেএসপি কোনো নির্দিষ্ট ফুটবল টিম নয়, এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
B) একটি সংবাদ সংস্থার নাম — এটি কোনো সংবাদ বা তথ্য পরিবেশনকারী সংবাদ সংস্থা নয়, এর মূল কাজ খেলাধুলা ও শিক্ষা।
C) একটি ক্রীড়া শিক্ষা সংস্থার নাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রতিষ্ঠানটি খেলাধুলা ও শিক্ষা নিয়ে কাজ করে।
D) একটি ক্রীড়া ও সংগীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম — বিকেএসপিতে শুধু খেলাধুলা ও শিক্ষা প্রদান করা হয়, সংগীত শিক্ষা এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিকেএসপি শব্দের প্রথম অংশ বিকে অর্থ বাংলাদেশ, এস অর্থ স্পোর্টস এবং পি অর্থ প্রিপারেটরি বা প্রতিষ্ঠান, যা ক্রীড়া শিক্ষার কথা মনে করিয়ে দেয়।
সঠিক উত্তর: B) অপ্রয়ােজনীয় এবং ক্ষতিকর ঔষধ প্রস্তুত বন্ধ করা
কেন সঠিক:
- জাতীয় ঔষধ নীতির মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ, কার্যকরী ও মানসম্মত ঔষধের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা।
- এর মাধ্যমে জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এবং অপ্রয়োজনীয় ঔষধ উৎপাদন ও বিপণন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঔষধ শিল্পে দেশীয় কাঁচামালের ব্যবহার নিশ্চিত করা — এটি ঔষধ নীতির একটি সহায়ক উদ্দেশ্য হলেও প্রধান লক্ষ্য জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও ক্ষতিকর ঔষধ রোধ করা।
B) অপ্রয়ােজনীয় এবং ক্ষতিকর ঔষধ প্রস্তুত বন্ধ করা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এর সর্বপ্রধান উদ্দেশ্য।
C) ঔষধ শিল্পে দেশীয় শিল্পপতিদের অগ্রাধিকার দেয়া — এটি বাণিজ্যের অংশ, তবে ঔষধ নীতির মূল ফোকাস চিকিৎসা ও জনস্বাস্থ্য রক্ষা।
D) বিদেশী শিল্পপতিদের দেশীয় কাঁচামাল ব্যবহারে বাধ্য করা — এটি ঔষধ নীতির প্রধান উদ্দেশ্য বা মূল লক্ষ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ঔষধ নীতির মূল কথাই হলো জনগণের জীবন রক্ষা, তাই ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় ঔষধ বন্ধ করাই এর প্রধান কাজ।
প্রশ্নের বিষয় ও ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) মেঘনা
কেন সঠিক:
- প্রস্থ, গভীরতা এবং অববাহিকার আয়তনের দিক থেকে মেঘনা বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী।
- পানি ধারণক্ষমতা ও নদী অববাহিকার বিস্তৃতির বিচারে এটি দেশের সবচেয়ে বড় নদী ব্যবস্থা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যমুনা — এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী ও গভীরতম নদী হলেও আয়তন ও প্রশস্ততার বিচারে মেঘনার চেয়ে ছোট।
B) পদ্মা — এটি দেশের অন্যতম প্রধান ও প্রমত্তা নদী হলেও অববাহিকা ও প্রশস্ততার দিক থেকে মেঘনার চেয়ে ছোট।
সি) ব্রহ্মপুত্র — এটি আন্তর্জাতিক নদী এবং যমুনার উৎস হলেও বাংলাদেশে এর মূল ধারা যমুনা নামে পরিচিত।
ডি) মেঘনা — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রশ্নানুযায়ী এটিই বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী।
মনে রাখার টিপস:
দৈর্ঘ্যে যমুনা দীর্ঘতম, আর আকারে বা প্রস্থে মেঘনা বৃহত্তম নদী।
সঠিক উত্তর: B) ২০০ নটিক্যাল মাইল
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কনভেনশন অনুযায়ী উপকূলীয় রেখা থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত দূরত্বকে দেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এই সীমার মধ্যে সমুদ্রের তলদেশ এবং পানির উপরিভাগের সব সম্পদের ওপর সংশ্লিষ্ট দেশের সার্বভৌম অধিকার থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২২৫ নটিক্যাল মাইল — এটি বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার সঙ্গে মিলে না এবং এটি একটি অতিরিক্ত পরিমাপ।
B) ২০০ নটিক্যাল মাইল — এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার সঠিক এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মান।
C) ২৫০ নটিক্যাল মাইল — এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার চেয়ে বেশি এবং ভুল মান।
D) ১০ নটিক্যাল মাইল — এটি আঞ্চলিক জলসীমার সঠিক মান নয়, আঞ্চলিক জলসীমা হলো ১২ নটিক্যাল মাইল।
মনে রাখার টিপস:
অর্থনৈতিক মানেই টাকা, আর আমাদের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা মনে রাখবেন ২০০ নটিক্যাল মাইল হিসেবে।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) রংপুর
সঠিক উত্তর সংশোধন ও ব্যাখ্যা:
প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি পরিবর্তনশীল তথ্যের ক্ষেত্রে সংশোধন সাপেক্ষে যাচাই করা প্রয়োজন। ঐতিহ্যগতভাবে ফরিদপুর জেলাকে পাটের জন্য বিখ্যাত বলা হলেও, সাম্প্রতিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে পাট উৎপাদনে রংপুর জেলা শীর্ষস্থান অধিকার করেছে। তাই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার আধুনিক প্রবণতা অনুযায়ী রংপুর সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়।
কেন সঠিক:
- বর্তমান কৃষি উপাত্ত ও উৎপাদনের পরিমাণ বিবেচনায় রংপুর জেলায় সর্বাধিক পরিমাণ পাট উৎপাদিত হয়।
- পাট উৎপাদনে ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলগুলোকে পেছনে ফেলে রংপুর অঞ্চল বর্তমানে শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রংপুর — এটি বর্তমান পরিসংখ্যান অনুযায়ী সর্বাধিক পাট উৎপাদনকারী জেলা হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
B) ময়মনসিংহ — এটি পাট উৎপাদনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হলেও উৎপাদনের দিক থেকে বর্তমানে শীর্ষ অবস্থানে নেই।
C) ফরিদপুর — অতীতে পাট উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত এবং প্রধান জেলা হলেও আধুনিক উৎপাদনে এটি বর্তমানে প্রথম স্থানে নেই।
D) টাঙ্গাইল — এখানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে পাট উৎপাদিত হলেও তা সর্বোচ্চ উৎপাদনকারী জেলার মর্যাদায় উন্নীত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বর্তমান সময়ের সর্বোচ্চ পাট উৎপাদনের তথ্য মনে রাখতে 'রংপুর' নামটি প্রধান হিসেবে মাথায় রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) ১০ : ৬
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের আনুষ্ঠানিক অনুপাত হলো ১০ অনুপাত ৬ বা ৫ অনুপাত ৩।
- ১৯৭২ সালে পটুয়া কামরুল হাসানের নকশাকৃত পতাকায় এই অনুপাত নির্ধারণ করা হয়, যা জাতীয় পতাকা বিধিমালার অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ : ৬ — এটি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার সঠিক ও অনুমোদিত মাপের অনুপাত।
B) ১১ : ৭ — এটি এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয় এবং এটি বাংলাদেশের পতাকার মাপ নয়।
C) ৯ : ৫ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ এটি পতাকার নির্ধারিত মাপের অনুপাত নয়।
D) ১০ ১/২ : ৭ ১/২ — এটি সঠিক মাপ নয় এবং জাতীয় পতাকা বিধিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
মনে রাখার টিপস:
জাতীয় পতাকার মাপ মনে রাখতে মনে রাখুন ১০ ফুট দৈর্ঘ্য হলে প্রস্থ হবে ৬ ফুট।
সঠিক উত্তর: C) হামিদুজ্জামান খান
কেন সঠিক:
- মিশুক ভাস্কর্যটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বরে অবস্থিত এবং এর স্থপতি বিশিষ্ট ভাস্কর হামিদুজ্জামান খান।
- এটি বাংলা শিশুসাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণের একটি পরিচিত শিল্পকর্ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুস্তফা মনােয়ার — তিনি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও নাট্যব্যক্তিত্ব হলেও এই ভাস্কর্যের স্থপতি নন।
B) শামীম সিকদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলাসহ বেশ কিছু ভাস্কর্য তৈরি করলেও মিশুকের স্থপতি নন।
C) হামিদুজ্জামান খান — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি মিশুক ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেছেন।
D) মইনুল হােসেন — তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি, মিশুকের স্থপতি নন।
মনে রাখার টিপস:
হামিদুজ্জামান খান ও মিশুক মনে রাখতে হামিদের তৈরি মিশুক গাড়ি এভাবে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) জুলিয়াস নায়ারে
কেন সঠিক:
- তানজানিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি জুলিয়াস নায়ারে ১৯৮৭ সালে সাউথ কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- উন্নয়নশীল দেশের অধিকার রক্ষা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য দক্ষিণ অঞ্চলের দেশগুলোকে একত্রিত করতে এই কমিশন গঠিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জেনারেল সুহার্তো — তিনি ইন্দোনেশিয়ার সাবেক রাষ্ট্রপতি ছিলেন, সাউথ কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন না।
B) রবার্ট মুগাবে — তিনি জিম্বাবুয়ের রাষ্ট্রপতি ছিলেন, এই কমিশনের প্রধানের দায়িত্ব পালন করেননি।
D) ফিডেল ক্যাস্ট্রো — তিনি কিউবার বিপ্লবী নেতা ছিলেন, তবে তিনি সাউথ কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
দক্ষিণ অঞ্চলের উন্নয়নের নায়ক ছিলেন জুলিয়াস নায়ারে, তাই সাউথ কমিশনের নায়ক বা চেয়ারম্যান তিনি।
সঠিক উত্তর: A) পূর্ব জার্মানি ও পােল্যান্ডের মধ্যে সীমা নির্ধারক ওয়াচ
কেন সঠিক:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৫০ সালে পূর্ব জার্মানি ও পােল্যান্ডের মধ্যে ওডার ও নাইসা নদীর ওপর এই আন্তর্জাতিক সীমান্ত নির্ধারিত হয়।
- ভূগোলে ওডারনীস নদী গঠিত সীমান্ত পূর্ব ইউরোপের রাজনীতি ও ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ভৌগোলিক রেখা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পূর্ব জার্মানি ও পােল্যান্ডের মধ্যে সীমা নির্ধারক ওয়াচ — এটি ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিকভাবে সঠিক এবং ওডারনীস নদীর প্রকৃত অবস্থান ও সীমানাকে নির্দেশ করে।
B) পশ্চিম জার্মানি ও চেকোস্লোভাকিয়ার মধ্যে সীমা নির্ধারক — পশ্চিম জার্মানি ও চেকোস্লোভাকিয়ার সীমানার সঙ্গে ওডারনীস নদীর কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই।
C) পশ্চিম জার্মানি ও পােল্যান্ডের মধ্যে সীমা নির্ধারক — ওডারনীস নদী পশ্চিম জার্মানি নয়, বরং পূর্ব জার্মানির সঙ্গে পােল্যান্ডের সীমান্ত নির্ধারণ করে।
D) সংযুক্ত জার্মান ও ফ্রান্সের মধ্যে সীমা নির্ধারক — জার্মানি ও ফ্রান্সের মধ্যে প্রাকৃতিক সীমান্ত হিসেবে রাইন নদী পরিচিত, ওডারনীস নদী নয়।
মনে রাখার টিপস:
ওডার নদী দিয়ে পূর্ব জার্মানি ও পােল্যান্ডের সীমান্ত মনে রাখতে "ওপূর্ব" বা "ওডার-পোল্যান্ড" শব্দযুগল মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) ২৪ অক্টোবর
কেন সঠিক:
- ১৯৪৫ সালের এই দিনে জাতিসংঘের সনদ কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সংস্থাটি যাত্রা শুরু করে।
- পরবর্তীতে বিশ্বব্যাপী শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিতে ১৯৪৮ সাল থেকে দিনটি জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৪ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
B) ২৪ আগস্ট — এই তারিখে কোনো আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ দিবস পালিত হয় না এবং এটি একটি সাধারণ দিন।
C) ২৪ ডিসেম্বর — এই তারিখে ক্রিসমাসের পূর্বসন্ধ্যা পালিত হয়, যা জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ২৪ নভেম্বর — এই তারিখে ঐতিহাসিক কোনো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জাতিসংঘ দিবস নেই।
মনে রাখার টিপস:
১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ গঠিত হয়, সংখ্যাটি মনে রাখতে ২৪ এবং অক্টোবরের ১০ মাস মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) একটি বাণিজ্যিক গোষ্ঠী
কেন সঠিক:
- আফটা (AFTA) হলো আসিয়ান ফ্রি ট্রেড এরিয়া, যা দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ানের একটি বাণিজ্যিক চুক্তি ও মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল।
- এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পারস্পরিক শুল্ক কমিয়ে বা শূন্যে নামিয়ে এনে বাণিজ্যিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি বাণিজ্যিক গোষ্ঠী — এটি সঠিক কারণ আফটা হলো আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর একটি বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল।
B) পূর্ব আফ্রিকান একটি সংবাদ সংস্থা — এটি ভুল কারণ আফটা কোনো সংবাদ সংস্থা নয়, এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাণিজ্য বিষয়ক উদ্যোগ।
C) একটি বিমান সংস্থা — এটি ভুল কারণ আফটা কোনো এয়ারলাইন্স বা বিমান পরিবহন সংস্থা নয়।
D) একটি সামরিক চুক্তি — এটি ভুল কারণ এটি কোনো সামরিক বা প্রতিরক্ষা চুক্তি নয়, এটি পুরোপুরি বাণিজ্য সংক্রান্ত।
মনে রাখার টিপস:
আফটা (AFTA) শব্দের শুরুর টি (T) অক্ষরটি ট্রেড বা বাণিজ্য শব্দটিকে নির্দেশ করে, যা দেখে এটি একটি বাণিজ্যিক গোষ্ঠী তা সহজে মনে রাখা যায়।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) ৫ জুন
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের স্টকহোম সম্মেলনে এই দিনটিকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- ১৯৭৩ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সুরক্ষার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ৫ জুন আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস পালন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ জুলাই — এই তারিখে আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবসের কোনো ঐতিহাসিক বা পরিবেশগত আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নেই।
B) ৯ মার্চ — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো নির্ধারিত আন্তর্জাতিক তারিখ নয়।
C) ৫ জুন — এটি নির্ধারিত সঠিক উত্তর হওয়ায় পরিবেশ দিবস হিসেবে পালিত হয়।
D) ২১ মে — এই তারিখে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক চা দিবস বা বৈচিত্র্য দিবস পালিত হয়, পরিবেশ দিবস নয়।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হতে হলে আমরা ৫ জনে মিলে হাত মেলাই, তাই ৫ জুন পরিবেশ দিবস।
সঠিক উত্তর: B) উইন্ডহুক
কেন সঠিক:
- উইন্ডহুক হলো আফ্রিকার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দেশ নামিবিয়ার রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর।
- এটি দেশটির রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কারাভু — এটি নামিবিয়ার রাজধানী নয়, এটি একটি কাল্পনিক বা অপ্রাসঙ্গিক নাম।
B) উইন্ডহুক — এটি নামিবিয়ার সঠিক রাজধানী।
C) প্রিটোরিয়া — এটি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রশাসনিক রাজধানী, নামিবিয়ার নয়।
D) কোটাভি — এটি নামিবিয়ার রাজধানী নয়, এটি একটি ভুল বা বিভ্রান্তিকর অপশন।
মনে রাখার টিপস:
নামিবিয়ার রাজধানী মনে রাখতে মনে রাখুন, মরুভূমির দেশে বাতাস বা উইন্ড বেশি থাকে, আর উইন্ড থেকে উইন্ডহুক।
সঠিক উত্তর: B) বিনা সুদে
কেন সঠিক:
- ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক বা আইডিবি ইসলামী শরিয়াহ আইন অনুযায়ী পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- শরিয়াহ নীতিতে সুদভিত্তিক লেনদেন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হওয়ায় এই ব্যাংক সদস্য দেশগুলোকে বিনা সুদে ঋণ প্রদান করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বাভাবিক সুদে — ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক শরিয়াহ নীতি মেনে চলে বিধায় কোনো ধরনের স্বাভাবিক বা প্রচলিত সুদে ঋণ প্রদান করে না।
B) বিনা সুদে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ব্যাংকটি ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক বিনা সুদে বা অনুদান ও সার্ভিস চার্জের বিনিময়ে ঋণ দিয়ে থাকে।
C) অল্প সুদে — ইসলামী অর্থব্যবস্থায় সুদের পরিমাণ কম বা বেশি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই, এখানে সুদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
D) অতি সামান্য সুদে — ব্যাংকটি সুদের পরিবর্তে কেবল ঋণ পরিচালনার আনুষঙ্গিক খরচ বা সার্ভিস চার্জ গ্রহণ করে, যা কোনো সুদ নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক নামটি মনে রাখলেই বোঝা যায় এটি ইসলামি শরিয়াহ অনুসরণ করে, তাই এর ঋণে কোনো সুদ থাকে না।
সঠিক উত্তর: A) সলসবেরী
কেন সঠিক:
- হারারে জিম্বাবুয়ের বর্তমান রাজধানী এবং এর পূর্ব নাম ছিল সলসবেরী।
- ১৯৮২ সালে দেশটির স্বাধীনতার দুই বছর পর সলসবেরী শহরের নাম পরিবর্তন করে হারারে রাখা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সলসবেরী — এটি জিম্বাবুয়ের বর্তমান রাজধানী হারারের ঐতিহাসিক ও পূর্ব নাম।
B) ফরমোজা — এটি বর্তমান তাইওয়ান দ্বীপের ঐতিহাসিক বা প্রাচীন নাম।
পেট্রোগ্রাড — এটি রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরের একটি ঐতিহাসিক নাম।
D) রোডেসিয়া — এটি পুরো জিম্বাবুয়ে দেশের প্রাচীন বা ঔপনিবেশিক নাম, নির্দিষ্ট শহরের নয়।
মনে রাখার টিপস:
হারারে হলো বর্তমান জিম্বাবুয়ের রাজধানী আর এর পুরোনো নাম সলসবেরী।
সঠিক উত্তর: B) জেরুজালেম
কেন সঠিক:
- জেরুজালেম শহরটি ইসলাম, খ্রিস্টান ও ইহুদি এই তিনটি প্রধান একেশ্বরবাদী ধর্মের কাছে অত্যন্ত পবিত্র হিসেবে স্বীকৃত।
- ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় গুরুত্বের কারণে প্রাচীনকাল থেকেই বিশ্বজুড়ে এই অঞ্চলটি পবিত্রভূমি বা হোলি ল্যান্ড নামে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যালেস্টাইন — এটি একটি ঐতিহাসিক অঞ্চল হলেও এটিকে সামগ্রিকভাবে পবিত্রভূমি বলা হয় না।
B) জেরুজালেম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে একে পবিত্রভূমি বলা হয়।
C) জেদ্দা — এটি সৌদি আরবের একটি বন্দর নগরী এবং মক্কার প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত হলেও পবিত্রভূমি বলা হয় না।
D) তাইফ — এটি সৌদি আরবের একটি ঐতিহাসিক ও পাহাড়ি শহর হলেও একে পবিত্রভূমি হিসেবে অভিহিত করা হয় না।
মনে রাখার টিপস:
তিন ধর্মের পবিত্র স্থান জেরুজালেম, তাই এটিই পবিত্রভূমি।
সঠিক উত্তর: D) রূপাইয়া
কেন সঠিক:
- মালদ্বীপের সরকারি ও প্রচলিত মুদ্রার নাম হলো মালদিভিয়ান রূপাইয়া।
- এর সংক্ষিপ্ত রূপ বা কোড হলো এমভিআর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রূপি — এটি ভারত, পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম, মালদ্বীপের নয়।
B) ডলার — এটি যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কিছু দেশের মুদ্রার নাম, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) পাউন্ড — এটি যুক্তরাজ্যসহ কিছু দেশের মুদ্রার নাম, মালদ্বীপের মুদ্রা নয়।
D) রূপাইয়া — এটি মালদ্বীপের সঠিক ও প্রচলিত মুদ্রার নাম।
মনে রাখার টিপস:
মালদ্বীপের নামের শেষের অক্ষরের সাথে মুদ্রার নামের মিল আছে, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে মালদ্বীপের মুদ্রা হলো রূপাইয়া।
সঠিক উত্তর: B) Paul Haris
কেন সঠিক:
- পল হ্যারিস ১৯০৫ সালে শিকাগো শহরে বিশ্বের প্রথম সার্ভিস ক্লাব হিসেবে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠা করেন।
- আন্তর্জাতিক এই সেবামূলক সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে মানবিক কাজ ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) W. Wilson — ইনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন, রোটারি সংস্থার সাথে সম্পর্কিত নন।
B) Paul Haris — ইনি আন্তর্জাতিক রোটারি সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা, তাই এটি সঠিক উত্তর।
C) Baden Powel — ইনি স্কাউট আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা, রোটারি সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা নন।
D) H. Wilson — ইনি ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ ছিলেন, এই সংস্থার সাথে যুক্ত নন।
মনে রাখার টিপস:
রোটারি সংস্থার প্রতিষ্ঠাতার নামের সাথে সেবামূলক কাজের মিল রাখতে মনে রাখতে পারেন পল হ্যারিস মানেই রোটারির হিরো।
সঠিক উত্তর: A) বার্সেলোনা
কেন সঠিক:
- ১৯৯২ সালের ২৫শে জুলাই থেকে ৯ই আগস্ট পর্যন্ত গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের ২৫তম আসর স্পেনের বার্সেলোনা শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এই অলিম্পিকে স্বাগতিক দেশ হিসেবে স্পেন এবং সামগ্রিকভাবে সমসাময়িক ক্রীড়াজগত অত্যন্ত সফলভাবে প্রতিযোগিতা সম্পন্ন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বার্সেলোনা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ১৯৯২ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক এখানেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
B) জুরিখ — এটি সুইজারল্যান্ডের একটি প্রধান শহর হলেও ১৯৯২ সালের অলিম্পিক আয়োজন করেনি।
C) বার্লিন — জার্মানির এই শহরটি ১৯৩৬ সালের অলিম্পিক গেমসের আয়োজক ছিল, ১৯৯২ সালের নয়।
D) ব্রাসেলস — বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস ১৯২০ সালের অলিম্পিকের আয়োজক ছিল, ১৯৯২ সালের নয়।
মনে রাখার টিপস:
১৯৯২ সালের অলিম্পিক স্পেনের বার্সেলোনায় হয়েছিল, এটি মনে রাখতে স্পেনের বিখ্যাত শহর বার্সেলোনার সাথে সালটি যুক্ত করে মনে রাখুন।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) ইয়েমেন
কেন সঠিক:
- এডেন বন্দরটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইয়েমেনের দক্ষিণ উপকূলে এডেন উপসাগরের তীরে অবস্থিত।
- এটি লোহিত সাগর ও ভারত মহাসাগরকে সংযুক্তকারী কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক সামুদ্রিক বন্দর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইয়েমেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এডেন বন্দরটি ইয়েমেনের একটি প্রধান সামুদ্রিক বন্দর।
B) কাতার — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ এবং এর প্রধান বন্দর দোাহা, তাই এটি সঠিক নয়।
C) ওমান — ওমানের প্রধান সমুদ্রবন্দর হলো মাস্কাট বা সালালা, এডেন ওমানের বন্দর নয়।
D) ইরাক — ইরাকের প্রধান সমুদ্রবন্দর হলো বসরা বা উম্ম কাসর, এডেন ইরাকে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
এডেন বন্দরটি ইয়েমেনের উপকূলে অবস্থিত, যা লোহিত সাগরের প্রবেশদ্বারে নৌ-বাণিজ্যের জন্য বিখ্যাত।
সঠিক উত্তর: B) বালি
কেন সঠিক:
- কাচ উৎপাদনের প্রধান ও মৌলিক কাঁচামাল হলো সিলিকা বা বিশুদ্ধ কোয়ার্টজ বালি।
- নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বালি গলিয়ে সোডা অ্যাশ ও চুনাপাথর মিশিয়ে কাচ প্রস্তুত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জিপসাম — এটি প্রধানত সিমেন্ট শিল্পে এবং প্লাস্টার অব প্যারিস তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, কাচ তৈরিতে নয়।
B) বালি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় কাচ তৈরিতে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) সাজি মাটি — এটি এক প্রকার ক্ষারীয় মাটি যা পূর্বে সাবান ও কাচ শিল্পে ব্যবহৃত হলেও বালির মতো প্রধান উপাদান নয়।
D) চুনাপাথর — এটি কাচ তৈরির একটি অন্যতম সহায়ক উপাদান বা ফ্লাক এজেন্ট, তবে প্রধান কাঁচামাল বালি।
মনে রাখার টিপস:
কাচ তৈরির মূল উপাদান বালি, তাই মনে রাখুন বালি দিয়েই কাচের তৈরি শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: A) ৮
কেন সঠিক:
- ইউনেস্কো ১৯৬৬ সালে ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
- ১৯৬৭ সাল থেকে সারা বিশ্বে এই দিনটি সাক্ষরতা প্রসারের লক্ষ্যে পালিত হয়ে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮ — এই দিনে বিশ্ব সাক্ষরতা দিবস পালিত হয় এবং এটি সঠিক উত্তর।
B) ৬ — এই তারিখে বিশ্ব সাক্ষরতা দিবস পালিত হয় না, এটি একটি ভুল সংখ্যা।
C) ১০ — এই তারিখে বিশ্ব সাক্ষরতা দিবস পালিত হয় না এবং এর সাথে এই দিবসের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) ৫ — এই তারিখে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়, যা সাক্ষরতা দিবসের সাথে মিলে যায় না।
মনে রাখার টিপস:
সাক্ষরতা অর্জনের জন্য বই পড়তে হয় এবং বই পড়ার জন্য আট সংখ্যাটিকে ইংরেজি আট অক্ষরের বই হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) মওলানা আকরম খাঁ
কেন সঠিক:
- মওলানা আকরম খাঁ ১৯৩৬ সালে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবন ও কর্মের ওপর এই বিখ্যাত গ্রন্থটি রচনা করেন।
- এটি বাংলা ভাষায় ইসলামী সাহিত্যচর্চায় একটি মাইলফলক গ্রন্থ হিসেবে সমাদৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুহম্মদ আবদুল হাই — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও সাহিত্য গবেষক ছিলেন, ইসলাম ধর্মের ইতিহাসভিত্তিক এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন।
B) মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ — তিনি 'খন্দক যুদ্ধ' ও 'হযরত মোহাম্মদের অর্থনৈতিক জীবন'সহ বিভিন্ন ইসলামী ইতিহাস রচনা করলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
C) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ — তিনি বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী ও বহুভাষাবিদ ছিলেন, যিনি মূলত বাংলা ভাষা ও প্রাচীন সাহিত্য নিয়ে গবেষণা করেছেন।
D) মওলানা আকরম খাঁ — এই অপশনটি সঠিক, কারণ তিনি নিজেই প্রখ্যাত ঐতিহাসিক ও গবেষণামূলক গ্রন্থ 'মােস্তফা চরিত' রচনা করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
মওলানা আকরম খাঁ-এর নামের প্রথম অক্ষর ম এবং 'মােস্তফা চরিত' গ্রন্থের শুরুতেও ম আছে, যা দিয়ে সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) আবুল মনসুর আহমদ
কেন সঠিক:
- এটি একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক ও রাজনৈতিক ইতিহাস গ্রন্থ যার রচয়িতা প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও সাহিত্যিক আবুল মনসুর আহমদ।
- এই গ্রন্থে ব্রিটিশ ভারত ও পাকিস্তান আমলের বাঙালি মুসলমানদের রাজনীতির অজানা ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুহম্মদ আবদুল হাই — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও সাহিত্য গবেষক ছিলেন, রাজনীতিভিত্তিক এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
B) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ — তিনি দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ভাষাবিজ্ঞানী ও পন্ডিত ছিলেন, তবে এই রাজনৈতিক গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়।
C) আবুল মনসুর আহমদ — তিনি এই গ্রন্থের লেখক এবং তিনি একাধারে একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক ছিলেন।
D) আতাউর রহমান — তিনি একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির রচয়িতা নন।
মনে রাখার টিপস:
রাজনীতি ও পঞ্চাশ বছরের ইতিহাস মানেই সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ আবুল মনসুর আহমদের বিখ্যাত সৃষ্টি।
সঠিক উত্তর: B) ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক পরিমাপ পদ্ধতি অনুযায়ী ১ মিটার হলো ১০০ সেন্টিমিটার।
- ১ ইঞ্চি সমান ২ দশমিক ৫৪ সেন্টিমিটার হওয়ায় ১০০ সেন্টিমিটারকে ২ দশমিক ৫৪ দিয়ে ভাগ করলে প্রায় ৩৯ দশমিক ৩৭ ইঞ্চি পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩৭.৩৯ ইঞ্চি — এটি সঠিক পরিমাপের চেয়ে কম এবং আন্তর্জাতিক একক রূপান্তরের নিয়মের সঙ্গে মেলে না।
B) ৩৯.৩৭ ইঞ্চি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১ মিটারকে ইঞ্চিতে রূপান্তর করলে এই মানটি পাওয়া যায়।
C) ৩৯.৪৭ ইঞ্চি — এটি ভুল মান এবং গণিতগতভাবে পরিমাপের সঠিক ফলাফলের চেয়ে বেশি।
D) ৩৮.৫৫ ইঞ্চি — এটি একটি ভুল সংখ্যা যা মিটার ও ইঞ্চির প্রকৃত অনুপাতের সঙ্গে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
মিটার থেকে ইঞ্চিতে রূপান্তর করার সময় মনে রাখবে ৩৯ এর পর দশমিক দিয়ে ৩৭ আসে।
সঠিক উত্তর: D) মিথেন গ্যাস
কেন সঠিক:
- ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল হলো প্রাকৃতিক গ্যাস বা মিথেন গ্যাস (CH_4), যা থেকে প্রয়োজনীয় হাইড্রোজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড সংগ্রহ করা হয়।
- প্রথমে মিথেন গ্যাসের সাথে জলীয় বাষ্প বিক্রিয়া করিয়ে হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপাদন করা হয় এবং পরবর্তীতে নাইট্রোজেনের সাথে যুক্ত করে অ্যামোনিয়া ও ইউরিয়া তৈরি করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপরিশোধিত তেল — এটি পেট্রোলিয়াম ও ডিজেলের কাঁচামাল হলেও ইউরিয়া সার উৎপাদনের জন্য সরাসরি ব্যবহৃত হয় না।
B) ক্রিংকার — এটি সিমেন্ট উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল, তাই এটি ইউরিয়া সারের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) অ্যামোনিয়া — অ্যামোনিয়া হলো ইউরিয়া তৈরির মধ্যবর্তী বা পরবর্তী উৎপাদ, কিন্তু সরাসরি মূল কাঁচামাল হলো মিথেন গ্যাস।
D) মিথেন গ্যাস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
ইউরিয়া সার তৈরির মূল উপাদান গ্যাস, যার প্রধান উৎস হলো মিথেন গ্যাস।
সঠিক উত্তর: B) ১০ নিউটন
কেন সঠিক:
- স্বাভাবিক অবস্থায় সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুমণ্ডলের আদর্শ চাপ প্রায় ১০১৩০৫ পাস্কাল বা প্রতি বর্গসেন্টিমিটারে প্রায় ১০ নিউটন বল প্রয়োগ করে।
- বায়ুমণ্ডলের এই চাপটি প্রতি বর্গসেন্টিমিটার ক্ষেত্রফলের ওপর প্রায় এক কিলোগ্রাম ভরের ওজনের সমান বল হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ কি. মি. — এটি বায়ুমণ্ডলের একটি নির্দিষ্ট উচ্চতা নির্দেশ করে, কোনো চাপের একক বা পরিমাণ নয়।
B) ১০ নিউটন — এটি সমুদ্রপৃষ্ঠে প্রতি বর্গসেন্টিমিটারে বায়ুর চাপের সঠিক পরিমাপ।
C) ২৭ কি. মি. — এটি কোনো চাপের মান নয়, বরং বায়ুমণ্ডলের স্তরবিন্যাস বা অন্য কোনো ভৌগোলিক দূরত্ব হতে পারে।
D) ৫ কি. মি. — এটি বায়ুমণ্ডলের ট্রপোস্ফিয়ারের গড় উচ্চতা বা অন্য কোনো দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, চাপের মান নয়।
মনে রাখার টিপস:
সমুদ্রপৃষ্ঠের চাপ মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন, প্রতি বর্গসেন্টিমিটারে বায়ুর চাপ প্রায় ১০ নিউটন।
সঠিক উত্তর: A) বাতাসের সাহায্যে পরাগ ঝরে পড়ে
কেন সঠিক:
- ধানের ফুলে কোনো গন্ধ, মধু বা আকর্ষণীয় রঙ থাকে না বলে কীটপতঙ্গ আকৃষ্ট হয় না।
- ধান গাছ অ্যানিমোফিলাস বা বায়ু পরাগায়িত উদ্ভিদ, তাই বাতাসের মাধ্যমে পরাগরেণু এক ফুল থেকে অন্য ফুলে ছড়ায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাতাসের সাহায্যে পরাগ ঝরে পড়ে — এটি সঠিক কারণ ধান উদ্ভিদে বায়ু পরাগযোগ বা অ্যানিমোফিলির মাধ্যমে নিষেক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
B) অধিক পরিমাণে CO, নির্গত হয়ে — এটি উদ্ভিদের শ্বাসপ্রশ্বাস প্রক্রিয়ার অংশ, এর সাথে পরাগ সংযোগের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।
C) কীটপতঙ্গের সাহায্যে — এটি এন্টোমোফিলি পরাগযোগ, যা ধান গাছের মতো বায়-পরাগায়িত উদ্ভিদের ক্ষেত্রে ঘটে না।
D) ফুলে ফুলে সংস্পর্শে — ধান ফুল মুক্তভাবে বাতাসে ঝুলে থাকে, তাই সরাসরি সংস্পর্শে পরাগ সংযোগ ঘটে না।
মনে রাখার টিপস:
ধান গাছ যেহেতু ঘাস পরিবারের অন্তর্গত, তাই এদের পরাগায়ন সবসময় বাতাসের মাধ্যমেই ঘটে।
সঠিক উত্তর: B) সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণে কার্বন রয়েছে
কেন সঠিক:
- ইস্পাত হলো লোহা এবং কার্বনের একটি সংকর ধাতু, যেখানে লোহার সাথে নির্দিষ্ট অনুপাতে কার্বন মেশানো হয়।
- সাধারণ কাঁচা লোহার তুলনায় ইস্পাতে কার্বনের পরিমাণ সুনির্দিষ্ট ও কম থাকে, যা লোহাকে অধিক শক্ত ও নমনীয় করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাهাকে টেম্পারিং করা হয়েছে — টেম্পারিং হলো তাপপ্রয়োগের একটি প্রক্রিয়া, যা ইস্পাত তৈরির পরের ধাপ, তবে মৌলিক পার্থক্য নির্ধারণ করে কার্বনের উপস্থিতি।
B) সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণে কার্বন রয়েছে — এটি সঠিক কারণ কার্বনের পরিমাণের ওপরই লোহার ইস্পাতে রূপান্তর নির্ভর করে।
C) সব বিজাতীয় পদার্থ বের করা হয়েছে — শতভাগ বিজাতীয় পদার্থ বা মল সম্পূর্ণ দূর করা সম্ভব হয় না, কিছু শুষ্ক উপাদান থাকে।
D) বিশেষ ধরনের আকরিক ব্যবহার করা হয়েছে — ইস্পাত তৈরির জন্য বিশেষ কোনো আকরিক নয়, বরং সাধারণ লোহা আকরিক থেকেই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়।
মনে রাখার টিপস:
লোহাকে ইস্পাত বানাতে হলে কার্বনের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতেই হবে।
সঠিক উত্তর: B) মিথেন
কেন সঠিক:
- প্রাকৃতিক গ্যাসে হাইড্রোকার্বনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে এবং এর প্রধান উপাদান হলো মিথেন, যার রাসায়নিক সংকেত সিএইচফোর।
- প্রাকৃতিক গ্যাসের মোট উপাদানের প্রায় শতকরা সত্তর থেকে নব্বই ভাগই মিথেন গ্যাস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রোজেন গ্যাস — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি গৌণ উপাদান হতে পারে, তবে প্রধান উপাদান নয়।
B) মিথেন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান মূল উপাদান।
C) হাইড্রোজেন গ্যাস — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান নয়, এটি সাধারণত পেট্রোলিয়াম শোধনাগারে পাওয়া যায়।
D) কার্বন মনােক্সাইড — এটি একটি বিষাক্ত গ্যাস এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হিসেবে থাকে না।
মনে রাখার টিপস:
প্রাকৃতিক গ্যাস বললেই মিথেন মাথায় রাখবে, কারণ এটি এই গ্যাসের সবচেয়ে প্রধান উপাদান।
সঠিক উত্তর: A) পরমাণু
কেন সঠিক:
- পরমাণু হলো মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা স্বাধীনভাবে থাকতে পারে না কিন্তু রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।
- পরমাণুর ভেতরে ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন থাকে, তবে রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় মৌলিক কণা হিসেবে পরমাণুই অংশ নেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরমাণু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
B) ইলেকট্রন — এটি পরমাণুর একটি স্থায়ী ঋণাত্মক আধানযুক্ত কণা, যা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সরাসরি স্বাধীন কণা হিসেবে অংশ নেয় না।
C) অণু — এটি দুই বা ততোধিক পরমাণুর সমন্বয়ে গঠিত পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা স্বাধীনভাবে থাকতে পারে।
D) প্রােটন — এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে অবস্থিত ধনাত্মক আধানযুক্ত কণা, যা একা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ নেয় না।
মনে রাখার টিপস:
পরমাণু হলো বিক্রিয়ক বা রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী ক্ষুদ্রতম একক।
প্রশ্নের বিষয় ও ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: A) বায়ুপ্রবাহের প্রভাব
কেন সঠিক:
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির ওপর ঘর্ষণ বল প্রয়োগ করে নির্দিষ্ট দিকে স্রোত সৃষ্টি করে।
- সমুদ্রস্রোতের উৎপত্তি ও গতিপ্রকৃতির পেছনে বায়ুপ্রবাহ বা প্লবতা অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বায়ুপ্রবাহের প্রভাব — এটি সঠিক উত্তর কারণ বায়ুর গতিই প্রধানত সমুদ্রপৃষ্ঠের পানিকে স্রোত হিসেবে চালিত করে।
B) সমুদ্রের পানিতে তাপের পরিচালনা — তাপের তারতম্যে পরিচলন স্রোত সৃষ্টি হলেও এটি সমুদ্রস্রোতের প্রধান ও প্রত্যক্ষ কারণ নয়।
C) সমুদ্রের পানিতে ঘনত্বের তারতম্য — ঘনত্বের তারতম্য গভীর সমুদ্রের খাড়া স্রোতের জন্য দায়ী হলেও সার্বিক স্রোতের মুখ্য কারণ নয়।
D) সমুদ্রের ঘূর্ণিঝড় — ঘূর্ণিঝড় সাময়িক ও স্থানীয় জলোচ্ছ্বাস তৈরি করে, যা স্থায়ী সমুদ্রস্রোতের প্রধান কারণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
বায়ু যেমন বাতাস বইয়ে দেয়, তেমনি সমুদ্রের পানিকেও স্রোত হিসেবে সামনে এগিয়ে নেয়।
সঠিক উত্তর: A) শক্তি
কেন সঠিক:
- বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের সংজ্ঞানুযায়ী কোনো বস্তুর কাজ করার সামর্থ্য বা সামর্থ্য অর্জন করার মাধ্যম হলো শক্তি।
- শক্তি হলো কাজের রূপান্তরযোগ্য একটি পরিমাপযোগ্য অবস্থা যার একক হলো জুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শক্তি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
B) ক্ষমতা — একক সময়ে কাজ করার হারকে ক্ষমতা বলে, সামর্থ্যকে নয়।
C) কাজ — বল প্রয়োগে কোনো বস্তুর সরণ ঘটা হলো কাজ, এটি কাজের ফল বা প্রক্রিয়া।
D) বল — যা স্থির বস্তুকে গতিশীল করে বা গতিশীল বস্তুর গতির পরিবর্তন করে তা হলো বল।
মনে রাখার টিপস:
কাজ করার সামর্থ্য হলো শক্তি আর কাজ করার হার হলো ক্ষমতা।
সঠিক উত্তর: D) প্রিজমের কাজ করে
কেন সঠিক:
- বৃষ্টির কণাগুলো প্রিজমের মতো আলো প্রতিসরণ, অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ও বিচ্ছুরণ ঘটিয়ে সাদা আলোকে সাতটি রঙে বিভক্ত করে।
- প্রিজমের ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় আলোর যে বর্ণালি তৈরি হয়, আকাশের রঙধনু ঠিক একই প্রাকৃতিক নীতিতে সৃষ্টি হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লেন্সের কাজ করে — লেন্স আলো প্রতিসরণ করে ফোকাস করলেও রঙের বিচ্ছুরণ ঘটিয়ে সাতটি রঙে বিভক্ত করার মূল প্রিজমীয় কাজটি করে না।
B) আতসী কাচের কাজ করে — আতসী কাচ বা উত্তল লেন্স মূলত সূর্যের আলোকে একটি বিন্দুতে একত্রিত করে, রঙধনু তৈরির জন্য বর্ণালিতে বিভক্ত করে না।
C) দর্পণের কাজ করে — দর্পণ আলো প্রতিসরণ না করে শুধু আলো প্রতিফলিত করে, যা রঙধনু সৃষ্টির প্রধান শর্ত আলোর প্রতিসরণ ও বিচ্ছুরণের বিপরীত।
D) প্রিজমের কাজ করে — এটি সঠিক কারণ পানির কণা প্রিজমের মতো কাজ করেই আলোর বিচ্ছুরণ ঘটিয়ে রঙধনু তৈরি করে।
মনে রাখার টিপস:
রঙধনুর বর্ণালির সৃষ্টি মানেই বিজ্ঞানের প্রিজম নীতি, কারণ কণাগুলো এখানে প্রিজমের ভূমিকা পালন করে।
সঠিক উত্তর: A) ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি।
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের মধুপুর ও ভাওয়ালগড়ের লাল মাটিযুক্ত অঞ্চলের প্রধান উদ্ভিদ হলো শালবৃক্ষ, যা স্থানীয়ভাবে গজারি নামেও পরিচিত।
- এই বনভূমিটি দেশের কেন্দ্রীয় অঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি পর্ণমোচী বা ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পর্ণমোচী মিশ্র প্রকৃতির বনভূমির অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি — এটি শালবৃক্ষের প্রধান আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত এবং এই এলাকার মাটি লাল প্রকৃতির।
B) পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি — এটি পাহাড়ি অঞ্চলের চিরহরিৎ বনভূমি, যেখানে শালবৃক্ষ নয় বরং গর্জন, সেগুন এবং বাঁশ জন্মায়।
C) সিলেটের বনভূমি — এটি মূলত পাহাড়ি ও হিজল বনভূমি এবং চা বাগানের জন্য বিখ্যাত, যেখানে শালবৃক্ষ প্রধান উদ্ভিদ নয়।
D) খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমি — এটি মূলত সুন্দরবন বা উপকূলীয় জোয়ারভাটার লবণাক্ত বনভূমি, যেখানে সুন্দরী ও গেওয়া গাছ জন্মায়।
মনে রাখার টিপস:
শাল বা গজারি গাছ মনে রাখতে "মধুপুর ও ভাওয়ালের লাল মাটি" কথাটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) ২৩ জোড়া
কেন সঠিক:
- সুস্থ মানুষের কোষে মোট ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে যা জোড়ায় জোড়ায় ২৩টি হয়।
- এর মধ্যে ২২ জোড়া অটোসোম এবং ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৪ জোড়া — এটি ভুল কারণ মানুষের কোষে ২৪ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে না, এটি বানর বা অন্য কিছু প্রাণীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে।
B) ২৬ জোড়া — এটি ভুল কারণ মানুষের শারীরিক গঠনে ২৬ জোড়া ক্রোমোজোমের কোনো অস্তিত্ব নেই।
C) ২৩ জোড়া — এটি সঠিক উত্তর, কারণ মানুষের স্বাভাবিক ক্রোমােজোম সংখ্যা ২৩ জোড়া বা মোট ৪৬টি।
D) ২৫ জোড়া — এটি ভুল কারণ এই সংখ্যাটি মানুষের ক্রোমােজোম সংখ্যার সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
মানুষের জোড়ায় ২৩ আর মোট ৪৬, অর্থাৎ ২৩ কে দুই দিয়ে গুণ করলে মোট সংখ্যা পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: A) ওয়েভ গাইডের মধ্য দিয়ে
কেন সঠিক:
- মাইক্রোওয়েভ অত্যন্ত উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির তরঙ্গ হওয়ায় এটি মুক্ত বাতাসে দীর্ঘ পথ সরাসরি অতিক্রম করতে পারে না।
- তাই টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় মাইক্রোওয়েভ সংকেত পরিবহনের জন্য ওয়েভ গাইড নামক বিশেষ ধরনের ফাঁপা নল ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওয়েভ গাইডের মধ্য দিয়ে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি মাইক্রোওয়েভ পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত নির্ধারিত মাধ্যম।
B) খােলামেলা জায়গার মধ্য দিয়ে সরলরেখায় — এই অপশনটি ভুল কারণ খোলামেলা স্থানে মাইক্রোওয়েভ বাধাগ্রস্ত হয় এবং দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে না।
C) বিশেষ ধরনের ক্যাবলের মধ্য দিয়ে — এই অপশনটি ভুল কারণ মাইক্রোওয়েভ পরিবহনে প্রচলিত ক্যাবল ব্যবহৃত হয় না, এর জন্য ওয়েভ গাইড প্রয়োজন হয়।
D) ভূমি ও আয়নােস্ফিয়ারের মধ্যে প্রতিফলিত হয়ে — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি সাধারণত স্বল্প তরঙ্গ বা রেডিও তরঙ্গের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, মাইক্রোওয়েভের ক্ষেত্রে নয়।
মনে রাখার টিপস:
মাইক্রোওয়েভ টেলিযোগাযোগে সিগন্যাল পথ হারানোর ঝুঁকি এড়াতে সবসময় ওয়েভ গাইডের মধ্য দিয়ে পরিচালিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) স্টোরেজ ব্যাটারি
কেন সঠিক:
- সৌরকোষ বা সোলার প্যানেল দিনের বেলা সূর্যালোকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ স্টোরেজ ব্যাটারিতে জমা করে রাখে।
- রাতে সূর্য না থাকায় এই জমাকৃত বিদ্যুৎ ব্যবহার করে সহজেই আলো বা অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি চালানো সম্ভব হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ট্রান্সফরমার — এটি শুধুমাত্র এসি ভোল্টেজ কমানো বা বাড়ানোর কাজে ব্যবহৃত হয়, বিদ্যুৎ সঞ্চয় করতে পারে না।
B) জেনারেটর — এটি যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে, কিন্তু সৌরবিদ্যুৎ রাতে ব্যবহারের জন্য এটি কোনো সঞ্চয়ক বা ব্যাটারির বিকল্প নয়।
C) স্টোরেজ ব্যাটারি — এটি সৌরবিদ্যুৎ রাতে ব্যবহারের জন্য সঠিক উত্তর এবং এটি শক্তি জমা করে রাখতে পারে।
D) ক্যাপাসিটর — এটি খুব অল্প সময়ের জন্য আধান বা চার্জ ধরে রাখতে পারে, কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে পুরো রাতের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহের উপযুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিদ্যুৎ জমিয়ে রাখার প্রধান মাধ্যম হলো ব্যাটারি, তাই সৌরকোষের বিদ্যুৎ রাতে ব্যবহারের জন্য স্টোরেজ ব্যাটারি প্রয়োজন হয়।
সঠিক উত্তর: C) একই হয়
কেন সঠিক:
- বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ঘোরানোর জন্য রেগুলেটর ব্যবহার করা হয়, যা সার্কিটে রোধ বাড়িয়ে দেয় এবং বিদ্যুৎ প্রবাহ কমায়।
- কিন্তু রোধ বাড়ার কারণে বিদ্যুৎ প্রবাহ কমলেও ফ্যানের মোট শক্তি খরচ অপরিবর্তিত থাকে কারণ এর কার্যপদ্ধতি ভিন্ন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কম হয় — প্রচলিত ধারণা ভুল কারণ রোধের কারণে বিদ্যুৎ প্রবাহ কমলেও তা শক্তি খরচ কমায় না।
B) বেশি হয় — ফ্যান ধীরে চললে বিদ্যুৎ খরচ বাড়ে না, তাই এটি সঠিক নয়।
C) একই হয় — বৈদ্যুতিক পাখার গতি কমালেও সামগ্রিক বিদ্যুৎ খরচ একই থাকে।
D) খুব কম হয় — এটি ভুল কারণ রেগুলেটর ব্যবহার করলেও বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয় না।
মনে রাখার টিপস:
ফ্যানের গতি কমালেও বিদ্যুৎ বিল কমে না, কারণ রেগুলেটর শক্তি কমায় না বরং প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
সঠিক উত্তর: A) এর প্রোগ্রাম বা কর্ম পরিকল্পনার কৌশল
কেন সঠিক:
- সফটওয়্যার হলো কিছু প্রোগ্রাম বা নির্দেশনার সমষ্টি, যা কম্পিউটারকে নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করার কর্ম পরিকল্পনা বলে দেয়।
- এটি হার্ডওয়েকে সচল রাখতে এবং ব্যবহারকারীকে নির্দিষ্ট কাজ করতে সহায়তা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এর প্রোগ্রাম বা কর্ম পরিকল্পনার কৌশল — এটি সঠিক উত্তর কারণ সফটওয়্যার মূলত কম্পিউটার পরিচালনার প্রোগ্রাম বা নির্দেশনার সমষ্টি।
B) যে সব অংশ মুদ্রায়িত অবস্থায় থাকে — এটি ভুল, কারণ মুদ্রায়িত বা স্পর্শ করা যায় এমন শারীরিক অংশগুলোকে হার্ডওয়্যার বলে।
C) তথ্য দেয়া ও তথ্য নেয়ার অংশ বিশেষ — এটি ভুল, কারণ তথ্য আদান-প্রদান প্রধানত ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
D) কম্পিউটারে তৈরির নকশা — এটি ভুল, কারণ এটি হার্ডওয়্যারের শারীরিক গঠন বা ব্লু-প্রিন্ট বোঝায়, সফটওয়্যার নয়।
মনে রাখার টিপস:
হার্ডওয়্যার হলো কম্পিউটারের শরীর আর সফটওয়্যার হলো তার প্রাণ বা বুদ্ধিমত্তা তথা প্রোগ্রাম।
সঠিক উত্তর: C) ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী দেশের মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ প্রায় ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর।
- ভৌগোলিক অবস্থান ও কৃষিজমির বর্তমান ব্যবহারের ভিত্তিতে এই পরিসংখ্যানটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্ট্যান্ডার্ড উত্তর হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ কোটি একর — এটি দেশের প্রকৃত আবাদযোগ্য জমির পরিমাণের চেয়ে কম এবং তা কোনো নির্ভরযোগ্য কৃষি পরিসংখ্যানের সাথে মিলে না।
B) ২ কোটি ৫০ লক্ষ একর — এই হিসাবটি বর্তমান কৃষিজমির অবক্ষয় ও নদীভাঙনে জমি হারানোর বাস্তবতার তুলনায় কিছুটা বেশি।
C) ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর — এটিই সঠিক উত্তর এবং সরকারি কৃষি পরিসংখ্যানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
D) ২ কোটি ২৫ লক্ষ একর — এই সংখ্যাটি কৃষিজমির সঠিক পরিমাপের কম এবং এটি বর্তমান ডাটা অনুযায়ী সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের মোট আবাদযোগ্য জমি মনে রাখতে সংখ্যাটি চলো মনে রাখি এভাবে যে, দুই কোটি চল্লিশ লক্ষ একর কৃষিআমাদের খাদ্য নিরাপত্তার মূল ভিত্তি।
সঠিক উত্তর: C) করতোয়া
কেন সঠিক:
- মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগরের পুণ্ড্রনগর ধ্বংসাবশেষ, যা বগুড়া জেলায় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- করতোয়া নদী প্রাচীন বাংলার একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ নদী যা এই অঞ্চলের জনবসতি ও সভ্যতার বিকাশকে প্রভাবিত করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গঙ্গা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান নদী ও এর প্রধান শাখা পদ্মা, কিন্তু মহাস্থানগড় এই নদীর তীরে অবস্থিত নয়।
B) ব্রহ্মপুত্র — এটি ময়মনসিংহ ও যমুনা নদী হয়ে প্রবাহিত একটি প্রধান নদ, যা মহাস্থানগড়ের ভৌগোলিক অবস্থানের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) করতোয়া — এটি সঠিক উত্তর।
D) মহানন্দা — এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও উত্তর অঞ্চলের একটি নদী, যা করতোয়া নদী বা মহাস্থানগড়ের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
মহাস্থানগড় ও করতোয়া নামের প্রথম অক্ষর মনে রাখতে পারেন 'মক' (মহাস্থানগড় - করতোয়া)।
সঠিক উত্তর: D) যশোর
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের আবহাওয়া ও মৃত্তিকা ভেদে যশোর জেলায় তুলা চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী পরিবেশ রয়েছে।
- দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় এ জেলায় তুলার ফলন ও গুণগত মান তুলনামূলকভাবে ভালো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রংপুর — এটি তামাক ও আলু চাষের জন্য অধিক উপযোগী, তুলার জন্য প্রধান অঞ্চল নয়।
B) ফরিদপুর — এই জেলাটি পাট উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ও উপযোগী।
সি) রাজশাহী — এই জেলাটি রেশম এবং আম উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত, তুলার প্রধান অঞ্চল নয়।
D) যশোর — এটি দেশের তুলা চাষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী জেলা হিসেবে স্বীকৃত।
মনে রাখার টিপস:
তুলা চাষে সেরা যশোর, পাটে সেরা ফরিদপুর।
সঠিক উত্তর: D) দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের সাথে ঢাকার পরিবহনব্যবস্থা উন্নত করা
কেন সঠিক:
- বুড়িগঙ্গা নদীর ওপর নির্মিত এই সেতুটি ধলেশ্বরী ও বুড়িগঙ্গা পারাপার সহজ করে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাথে রাজধানীর সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপন করেছে।
- এটি মূলত মাওয়া রোডের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে নিরবচ্ছিন্ন রাখতে এবং দক্ষিণ অঞ্চলের যাত্রীদের যাতায়াত দ্রুত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা শহরকে নদীর ওপারে বিস্তৃত করা — এটি সেতু নির্মাণের প্রাথমিক বা মূল অর্থনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না, বরং পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নই প্রধান লক্ষ্য।
B) বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সুসম্পর্কের স্থায়ী বন্ধন সৃষ্টি করা — এটি দ্বিপক্ষীয় বন্ধুত্বের প্রতীক হলেও সেতু নির্মাণের প্রধান অর্থনৈতিক ও যোগাযোগের উদ্দেশ্য ছিল ভিন্ন।
C) ঢাকা-আরিচা রােডে যানবাহন চলাচলের চাপ কমানাে — ঢাকা-আরিচা রোডের ওপর চাপ কমানো এই সেতুর কাজ নয়, কারণ এটি অন্য রুটে অবস্থিত।
D) দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের সাথে ঢাকার পরিবহনব্যবস্থা উন্নত করা — এই অপশনটি সঠিক এবং এটিই সেতুটির প্রধান উদ্দেশ্য।
মনে রাখার টিপস:
মৈত্রী সেতু-১ (বুড়িগঙ্গা সেতু) হলো দক্ষিণ অঞ্চলের যোগাযোগের দুয়ার।
সঠিক উত্তর: C) একটি সংবাদ সংস্থার নাম
কেন সঠিক:
- বাসস হলো বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার সংক্ষিপ্ত রূপ যা দেশের সরকারি বার্তা সংস্থা হিসেবে কাজ করে।
- এই সংস্থাটি দেশি ও বিদেশি সংবাদ সংগ্রহ করে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সরবরাহ করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খবরের কাগজের নাম — বাসস কোনো দৈনিক সংবাদপত্র নয় বরং এটি সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশনকারী একটি প্রতিষ্ঠান।
B) একটি প্রেসক্লাবের নাম — এটি কোনো সাংবাদিকদের মিলনমেলা বা প্রেস ক্লাব নয়।
D) একটি বিদেশি কোম্পানির নাম — এটি কোনো বহুজাতিক বা বিদেশি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নয় বরং একটি রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা।
মনে রাখার টিপস:
বাসস শব্দটির পূর্ণরূপ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা, যা এর সংবাদ সংস্থা পরিচয়টি মনে রাখতে সাহায্য করে।
সঠিক উত্তর: D) ১৪ই ডিসেম্বর
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করে।
- জাতির মেধা ও মনন শূন্য করার সেই সুদূরপ্রসারী চক্রান্তের স্মরণে প্রতি বছর এই দিনটিকে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৬শে মার্চ — এটি বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস নয়।
B) ২১শে ফেব্রুয়ারি — এটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবস, যা ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
C) ১৬ই ডিসেম্বর — এটি বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস, যেদিন দেশ শত্রুমুক্ত হয়।
D) ১৪ই ডিসেম্বর — এটি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
মনে রাখার টিপস:
বিজয়ের ঠিক দুই দিন আগে অর্থাৎ ষোলই ডিসেম্বরের আগে চোদ্দই ডিসেম্বর জাতিকে মেধাহীন করতে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) ৯.৫ কোটি পাউন্ড
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের বার্ষিক চা উৎপাদনের পরিমাণ সাধারণত ৯ থেকে ১০ কোটি পাউন্ডের মধ্যে হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশ চা বোর্ডের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে এই উৎপাদনের পরিমাণ প্রায় ৯.৫ কোটি পাউন্ড হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৩ কোটি পাউন্ড — এটি বাংলাদেশের বার্ষিক চা উৎপাদনের স্বাভাবিক বা বর্তমান গড় পরিমাণের চেয়ে বেশি।
B) ১০.৫ কোটি পাউন্ড — এটি কিছু নির্দিষ্ট বছরের সর্বোচ্চ উৎপাদনের কাছাকাছি হলেও সাধারণ গড় পরিমাণ নয়।
C) ৯.৫ কোটি পাউন্ড — এটি বাংলাদেশের বার্ষিক চা উৎপাদনের সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য ও সঠিক গড় পরিমাণ।
D) ১৪ কোটি পাউন্ড — এটি বাংলাদেশের বর্তমান বার্ষিক চা উৎপাদনের পরিমাণের সাথে একেবারেই মিল olmayan একটি অতিরিক্ত সংখ্যা।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের চা উৎপাদনের গড় পরিমাণ মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন প্রায় সাড়ে নয় কোটি পাউন্ড।
সঠিক উত্তর: B) মুক্তি
১. কেন সঠিক:
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতার এই চরণে বৈরাগ্যের মাধ্যমে ঈশ্বর লাভের প্রচলিত ধারণাকে অস্বীকার করা হয়েছে।
- এখানে সাধনার দ্বারা কৃত্রিমভাবে বৈরাগ্য অর্জন করে মুক্তির সন্ধান পাওয়া যায় না বলে কবি স্পষ্টভাবে বুঝিয়েছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই পঙ্ক্তিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত 'বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি সে আমার নয়' কবিতার বিখ্যাত উদ্ধৃতি।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যে একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও দার্শনিক হিসেবে বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।
ব্যাখ্যা: এটি চণ্ডীদাসের বিখ্যাত পদ, যা বাংলা সাহিত্যের মানবতাবাদী চেতনার একটি অন্যতম প্রধান নিদর্শন।
উদাহরণ ২: নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদ, যা বিপদের সার্বজনীন রূপকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আনন্দ — কবিতার মূল ভাবের সঙ্গে এই শব্দটি সরাসরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) মুক্তি — এটি কবিতার মূল পঙ্ক্তির সঙ্গে সঠিকভাবে মিলে যায়।
C) বিশ্বাস — কবির মূল বক্তব্য বিশ্বাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) আশ্বাস — এই শব্দটি মূল কবিতার চরণের অংশ হিসেবে সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত এই পঙ্ক্তিটি মুখস্থ রাখার সময় বৈরাগ্য সাধনের সঙ্গে মুক্তির সম্পর্ক মনে রাখবে।
- কবিতার বিখ্যাত উদ্ধৃতিগুলো থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই ধরনের সাহিত্যিক উদ্ধৃতিমূলক প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে মূল কবিতার চরণ এবং কবির নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
- পরীক্ষার হলে বিভ্রান্ত হওয়ার জন্য অনেক সময় কাছাকাছি অর্থের শব্দ অপশনে দেওয়া থাকে, তাই মূল চরণটি মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) ভাষারূপ ক্ষুন্ন করে
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত প্রশ্নটিতে যে উত্তর দেওয়া হয়েছে তা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। প্রচলিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী সমাস ভাষাকে সংক্ষিপ্ত করে, ক্ষুন্ন করে না।
- প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তরটি ভুল হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রচলিত প্যাটার্ন এবং নির্দেশিকা অনুযায়ী এখানে সি অপশনটিকে সঠিক হিসেবে ধরা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমাসের অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। পরস্পর অর্থসংগতিযুক্ত দুই বা ততোধিক পদ এক পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে।
- সমাস ভাষাকে অপ্রয়োজনীয় শব্দের বাহুল্য থেকে মুক্ত করে বাক্যকে সংক্ষিপ্ত, সুন্দর ও শ্রুতিমধুর করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন
ব্যাখ্যা: বড় একটি বাক্যাংশকে সংক্ষেপে এক পদে পরিণত করে ভাষাকে সুন্দর করেছে।
উদাহরণ ২: দধি মিশ্রিত ভাত = দধোদন
ব্যাখ্যা: একাধিক পদের মিলন ঘটিয়ে বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও সাবলীল করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংক্ষিপ্ত করে — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক তথ্য হলেও প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তর C হওয়ায় এটি মূল উত্তরের বাইরে রাখা হয়েছে।
B) বিস্তৃত করে — সমাস পদের সংখ্যা কমিয়ে বাক্যকে ছোট করে, তাই এটি বাক্যকে বিস্তৃত করে না।
C) ভাষারূপ ক্ষুন্ন করে — প্রদত্ত সঠিক উত্তর অনুযায়ী এটিকেই সঠিক ধরা হয়েছে, যদিও এটি ব্যাকরণের মূল সুরের বিপরীত।
D) অর্থবােধক করে — সমাস শব্দকে সংক্ষিপ্ত করে, তবে অর্থবোধকতা তৈরি করা এর মূল ব্যাকরণগত কাজ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নকর্তার প্রদেয় নির্দিষ্ট উত্তর অনেক সময় ব্যাকরণের সাধারণ নিয়মের বাইরেও সঠিক মানতে হয়।
- পরীক্ষার খাতায় নম্বর পাওয়ার জন্য প্রদত্ত উত্তরটিকেই স্ট্যান্ডার্ড ধরে মুখস্থ রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সমাসের মূল কাজ হলো পদের সংক্ষেপণ করা।
- বাংলা ব্যাকরণে সমাসের প্রধান সুবিধা হলো ভাষার সংক্ষিপ্তকরণ এবং ভাবকে সুন্দরভাবে প্রকাশ করা।
সঠিক উত্তর: D) আদিত্য
১. কেন সঠিক:
- আদিত্য শব্দের অর্থ সূর্য। অদিতির গর্ভে জন্ম নেওয়া দেবতারা আদিত্য নামে পরিচিত এবং তাদের প্রধান হলেন সূর্য।
- প্রতিশব্দ বলতে এমন শব্দগুলোকে বোঝায় যা অর্থের দিক থেকে প্রায় একই ভাব প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর ভাণ্ডার যা ভিন্ন রূপ ধারণ করলেও একই অর্থ প্রদান করে। বাংলা ভাষায় বহু সমার্থক শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে।
- সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দগুলো মূলত তার বিভিন্ন পৌরাণিক উৎস, কিরণ ও তাপ প্রদানের ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দিবাকর
ব্যাখ্যা: দিবাকর শব্দের অর্থ দিন করেন যিনি অর্থাৎ সূর্য।
উদাহরণ ২: ভানু
ব্যাখ্যা: ভানু শব্দের অর্থ দীপ্তিমান বা উজ্জ্বল, যা সূর্যের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত প্রতিশব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুধাংশু — সুধাংশু শব্দের অর্থ যার কর বা রশ্মি সুধা বা অমৃত বর্ষণ করে, এটি চন্দ্রের প্রতিশব্দ।
B) শশাঙ্ক — শশাঙ্কের গায়ে শসক বা খরগোশের আকৃতির দাগ আছে বলে একে চন্দ্র বলা হয়, এটি সূর্যের প্রতিশব্দ নয়।
C) বিধু — বিধু শব্দের অর্থ চাঁদ বা চন্দ্র, যা রাতের আকাশে আলো দেয় এবং সূর্যের প্রতিশব্দ নয়।
D) আদিত্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ আদিত্য বলতে সরাসরি সূর্যকে বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সূর্যের প্রতিশব্দ মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো রবি, দিনেশ, ভাস্কর, তপন ও আদিত্য সবাই আলোর উৎস।
- চন্দ্রের প্রতিশব্দগুলোর সঙ্গে সূর্যের প্রতিশব্দ গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্য ও চাঁদের প্রতিশব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- চন্দ্রের প্রতিশব্দগুলো সাধারণত সুধা, কর, ইন্দু বা শশ যুক্ত থাকে আর সূর্যের প্রতিশব্দগুলোতে তাপ, কিরণ বা দেবতার নাম বেশি থাকে।
সঠিক উত্তর: A) গলাধাক্কা দেয়া
কেন সঠিক:
১. অর্ধচন্দ্র বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ চাঁদের অর্ধেক হলেও প্রবচন বা বাগধারার বিচারে এর বিশেষ অর্থ নির্ধারিত হয় গলাধাক্কা দেয়া।
২. সমাজে কাউকে কোনো স্থান থেকে অবমাননা করে বা জোরপূর্বক তাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই বিশেষ অর্থটি ব্যবহার করা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা তাদের সাধারণ বা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে।
২. প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যে এবং কথ্য ভাষায় এই ধরনের রূপকধর্মী শব্দের ব্যবহার মানুষের অভিজ্ঞতা ও পরিহাসের মাধ্যমে তৈরি হয়েছে।
৩. যেমন কান ভাঙানো বলতে অপপ্রচার করা বোঝায়, ঠিক তেমনি অর্ধচন্দ্র বলতে গলাধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া বোঝানো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গলাধাক্কা দেয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ অর্ধচন্দ্র বাগধারাটির নির্দিষ্ট প্রচলিত অর্থ হলো কাউকে ঘাড় ধরে বা ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া।
B) অমাবস্যা — চাঁদের একটি বিশেষ তিথি হলেও এই শব্দের সাথে অর্ধচন্দ্র বাগধারার কোনো মিল বা ভাবার্থগত সম্পর্ক নেই।
C) দ্বিতীয়ত — সংস্কৃত অর্ধ বা চন্দ্র শব্দের সাথে ক্রমবাচক এই শব্দের কোনো ব্যাকরণগত বা প্রায়োগিক সংযোগ পাওয়া যায় না।
D) কাস্তে — কাস্তের আকৃতি কিছুটা আধখানা চাঁদের মতো হলেও বাগধারার ক্ষেত্রে এটি কৃষিকাজ সংক্রান্ত অর্থে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
১. চাঁদের অর্ধেক অংশ দেখতে কাস্তের মতো হলেও কাউকে বাড়ি থেকে বের করার সময় চাঁদের আকρতির মতো হাত দিয়ে গলা ধাক্কা দেওয়ার দৃশ্যটি মনে রাখুন।
২. অর্ধচন্দ্র দেখলেই মাথায় রাখবেন এর সাথে বিদায় বা গলাধাক্কার সম্পর্ক রয়েছে।
সঠিক উত্তর: D) সৌজন্য
১. কেন সঠিক:
- সৌজন্য শব্দটির অর্থ ভালো ব্যবহার, শিষ্টাচার বা ভদ্রতা।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ যা সুজন শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত করে গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সুজন শব্দের অর্থ ভালো মানুষ। সুজন যোগ য প্রত্যয় যুক্ত করলে গুণবাচক বিশেষ্য হিসেবে সৌজন্য গঠিত হয়।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের সঙ্গে একই সঙ্গে দুইবার প্রত্যয় যুক্ত করা যায় না। তাই সৌজন্যর সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত করা সম্পূর্ণ ভুল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দরিদ্র যোগ তা = দরিদ্রতা
ব্যাখ্যা: দরিদ্র শব্দের সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত করে ভাববাচক বিশেষ্য গঠিত হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ব্যাকরণসম্মত।
উদাহরণ ২: মহান যোগ য = মাহাত্ম্য
ব্যাখ্যা: মহান শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গুণবাচক বিশেষ্য গঠিত হয়েছে, এখানে অতিরিক্ত তা প্রত্যয় যুক্ত হয়নি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৌজন্নতা — ন বর্ণ ব্যবহারের ভুল রয়েছে এবং তা প্রত্যয়টি অতিরিক্ত যুক্ত হয়েছে।
B) সৌজন্যতা — মূল শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় এবং তা প্রত্যয় একসঙ্গে যুক্ত করায় এটি একটি দ্বিরুক্তিজনিত ভুল বানান।
C) সৌজনতা — মূল শব্দ সুজন থেকে সৌজন না হয়ে সৌজন্য হবে এবং অতিরিক্ত তা প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়েছে।
D) সৌজন্য — এটি একটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং প্রমিত শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সৌজন্য এবং সৌজন্যতা একসঙ্গে মনে রাখবে যে শেষের তা অক্ষরটি ভুল।
- শুধু সৌজন্য লিখলেই শব্দটি শুদ্ধ হয়, অতিরিক্ত তা লেখার প্রয়োজন নেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়জনিত শুদ্ধ বানান প্রায়ই আসে।
- একই শব্দে একাধিক প্রত্যয় বা সাফিক্স ব্যবহারের প্রবণতা থেকে সতর্ক থাকতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) অবরােধবাসিনী
১. কেন সঠিক:
- অবরােধবাসিনী গ্রন্থটি বাঙালি নারীবাদী লেখকী বেগম রােকেয়া সাখাওয়াত হােসেনের একটি বিখ্যাত সমাজসংস্কারমূলক ও ব্যঙ্গাত্মক রচনা।
- এই গ্রন্থে মুসলিম নারীদের চরম সামাজিক অবরােধ প্রথা ও তার কুফল অত্যন্ত তীব্র ও হাস্যরসের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বেগম রােকেয়া সাখাওয়াত হােসেন বাঙালি মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত, সাহিত্যিক ও সমাজসংস্কারক হিসেবে সমধিক পরিচিত।
- তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য রচনাগুলোর মধ্যে সুলতানার স্বপ্ন, পদ্মরাগ ও মতিচুর বিশেষভাব উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুলতানা'স ড্রিম
ব্যাখ্যা: এটি বেগম রােকেয়ার একটি বিশ্বখ্যাত ইংরেজি নারীবাদী কল্পবিজ্ঞান রচনা, যার বাংলা অনুবাদ সুলতানার স্বপ্ন।
উদাহরণ ২: মতিচুর
ব্যাখ্যা: এটি বেগম রােকেয়ার বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন, যা দুটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল এবং নারী অধিকারের ওপর লিখিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাষা ও সাহিত্য — এটি বেগম রােকেয়ার কোনো গ্রন্থ নয়, বরং এটি ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর একটি বিখ্যাত রচনা।
B) আয়না — এটি বেগম রােকেয়ার লেখা নয়, এটি কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক আবুল মনসুর আহমদের একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধ গ্রন্থ।
C) লালসালু — এটি বেগম রােকেয়ার রচনা নয়, এটি প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর একটি শ্রেষ্ঠ সামাজিক উপন্যাস।
D) অবরােধবাসিনী — এটি বেগম রােকেয়ার রচনা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বেগম রােকেয়ার প্রবন্ধ মানেই নারী মুক্তি, আর অবরােধবাসিনী হলো পর্দানশীন নারীদের অবরুদ্ধ জীবনের করুণ চিত্র নিয়ে লেখা বই।
- অবরোধবাসিনী ও পদ্মরাগ উভয়ই বেগম রােকেয়ার অমর সৃষ্টি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেগম রােকেয়ার রচনা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে অবরোধবাসিনী ও সুলতানার স্বপ্ন সম্পর্কে।
- লেখকের নাম ও তাঁর গ্রন্থগুলোর প্রকারভেদ ভালোভাবে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) বিহারীলাল চক্রবর্তী
১. কেন সঠিক:
বাংলা গীতিকবিতার ক্ষেত্রে বিহারীলাল চক্রবর্তীকে ভোরের পাখি বলা হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই তাঁকে বাংলা লিরিক কবিতার ভোরের পাখি বলে আখ্যায়িত করেছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা গীতি কবিতার ধারাকে সমৃদ্ধ করেছিলেন। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে সারদাঙ্গল, বসংত গাথা এবং সাধের প্রমাদ উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সারদাঙ্গল কাব্যগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এটি বিহারীলাল চক্রবর্তীর একটি অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় কাব্যকৃতি।
উদাহরণ ২: বসংত গাথা কাব্যগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যটিতে কবির প্রকৃতির প্রতি গভীর অনুরাগ ও গীতিময়তা প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিহারীলাল চক্রবর্তী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তাঁকে বাংলা গীতিকবিতার ভোরের পাখি বলা হয়।
B) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচয়িতা, ভোরের পাখি নন।
C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের জনক এবং সমাজ সংস্কারক হিসেবে পরিচিত, গীতি কবিতার পাখি নন।
D) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা কথাসাহিত্য ও উপন্যাসের এক জনপ্রিয় কথাশিল্পী, এই উপাধির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভোরবেলা ঘুম ভাঙলে পাখি গান গায় এবং বিহারীলাল চক্রবর্তীও বাংলা কবিতায় ভোরের পাখির মতো নতুন সুর নিয়ে এসেছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপনাম ও খেতাব সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। যেমন, মুনীর চৌধুরীকে আধুনিক নাট্যকার বলা হলে বিহারীলাল চক্রবর্তী হলেন ভোরের পাখি।
সঠিক উত্তর: A) একটা গােপনীয় কথা বলি
১. কেন সঠিক:
- এই বাক্যে গোপনীয় শব্দটি বিশেষণ হিসেবে সঠিক রূপ লাভ করেছে যা কথা বিশেষ্যকে বিশেষিত করেছে।
- প্রমিত বাংলায় কথ্য ও লেখ্য রূপের মিল রাখতে এখানে একটা ও গোপনীয় শব্দ দুটি ব্যাকরণগতভাবে মানানসই হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাক্যশুদ্ধি ও পদ প্রকরণ সম্পর্কিত ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ্যের আগে উপযুক্ত বিশেষণ ব্যবহার করতে হয়।
- গোপন শব্দটির বিশেষণ রূপ হলো গোপনীয়, তাই এখানে গোপনীয় কথা বলা ব্যাকরণসম্মত ও শ্রুতিমধুর।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি গোপনীয় সংবাদ আছে
ব্যাখ্যা: এখানে সংবাদ বিশেষ্যের পূর্বে গোপনীয় বিশেষণটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সে আমাকে একটি গোপনীয় পরামর্শ দিল
ব্যাখ্যা: পরামর্শ বিশেষ্যের আগে গোপনীয় বিশেষণটি যথাযথভাবে বসে বাক্যটিকে শুদ্ধ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটা গােপনীয় কথা বলি — এটি সঠিক উত্তর।
B) একটি গােপন কথা বলি — এখানে একটির সাথে গোপন শব্দটি ব্যবহারের ফলে বিশেষণ পদের গঠনে সামান্য ত্রুটি রয়েছে।
C) একটা গােপন কথা বলি — এখানে গোপন শব্দটির জায়গায় গোপনীয় বিশেষণ ব্যবহার করা উচিত ছিল।
D) একটি গুপ্ত কথা বলি — গুপ্ত শব্দটির অর্থ লুক্কায়িত, যা মানবীয় সাধারণ কথার ক্ষেত্রে মানানসই নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কথার ক্ষেত্রে গোপন না বলে গোপনীয় বলা ব্যাকরণগতভাবে অধিকতর সঠিক ও শ্রুতিমধুর।
- বিশেষণ পদের সঠিক রূপ চেনার জন্য বিশেষ্যের সাথে মিলিয়ে শব্দের রূপ দেখতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাক্যশুদ্ধি ও পদ গঠনে শব্দের সঠিক রূপ নির্বাচন করা অত্যন্ত জরুরি।
- এই ধরনের প্রশ্নে বিশেষণের সঠিক রূপ ব্যবহার সম্পর্কিত নিয়মগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বিস্ময়
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নটিতে প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে বিস্ময় উল্লেখ করা হয়েছে, যা প্রচলিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার কিছু নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন ব্যাংক থেকে এসেছে।
- কিন্তু ব্যাকরণগত ও আভিধানিক বিচারে সংশয় শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ প্রত্যয় বা অবলীলা হওয়া উচিত, বিস্ময় নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সংশয় শব্দের অর্থ সন্দেহ, অনিশ্চয়তা বা দ্বিধা। এর বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে বিশ্বাস, প্রত্যয় বা নিশ্চিত্তাবোধ ব্যবহার করা হয়।
- বিস্ময় শব্দের অর্থ তাজ্জব বা অবাক হওয়া, যা সংশয়ের বিপরীত শব্দ হিসেবে ব্যাকরণগতভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সংশয় ও প্রত্যয়
ব্যাখ্যা: সংশয় অর্থ সন্দেহ এবং প্রত্যয় অর্থ বিশ্বাস বা দৃঢ় ধারণা, যা একে অপরের বিপরীত।
উদাহরণ ২: সংশয় ও বিশ্বাস
ব্যাখ্যা: কোনো বিষয়ে মনে সন্দেহ থাকা মানে সংশয় এবং কোনো বিষয়ে দৃঢ় বিশ্বাস থাকা এর বিপরীতার্থক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নির্ভয় — নির্ভয় শব্দের অর্থ ভয়হীন, যা ভয়ের বিপরীত শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় কিন্তু সংশয়ের সরাসরি বিপরীত নয়।
B) বিস্ময় — প্রদত্ত উত্তর অনুসারে এটি সঠিক ধরা হলেও আভিধানিক অর্থে এটি অবাক হওয়ার ভাব প্রকাশ করে।
C) প্রত্যয় — প্রত্যয় শব্দের অর্থ বিশ্বাস বা আস্থা, যা সংশয় বা সন্দেহের প্রকৃত বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য।
D) দ্বিধা — দ্বিধা শব্দের অর্থ সংশয় বা অনিশ্চয়তা, তাই এটি সংশয়ের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সংশয় শব্দের অর্থ মনে রাখতে সন্দেহ বা দ্বিধা শব্দটি মাথায় রাখবে।
- পরীক্ষার প্রশ্নে ভুল উত্তর দেওয়া থাকলে প্রমিত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সবচেয়ে কাছাকাছি বা সঠিক অপশনটি নির্বাচন করার চেষ্টা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনেক সময় উত্তরপত্রে ভুল উত্তর দেওয়া থাকতে পারে, তাই প্রমিত ব্যাকরণ বই অনুসরণ করা নিরাপদ।
- সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ মুখস্থ করার সময় শব্দের মূল অর্থ বুঝে পড়লে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
সঠিক উত্তর: B) সদাচার
১. কেন সঠিক:
- শিষ্টাচার শব্দের অর্থ হলো ভালো আচরণ, ভদ্রতা বা শালীনতা, যা সদাচার শব্দের সমার্থক।
- সদাচার শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ হলো সৎ যোগ আচার, যার অর্থ সৎ বা ভালো ব্যবহার।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ সম্পর্কিত বাংলা ব্যাকরণের একটি প্রশ্ন।
- প্রমিত বাংলা শব্দভাণ্ডারে একই অর্থের প্রকাশ ঘটে এমন শব্দকে সমার্থক শব্দ বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিনয়
ব্যাখ্যা: শিষ্টাচারের অপর রূপ হলো বিনয়, যা মানুষের চরিত্রকে সুন্দর করে তোলে।
উদাহরণ ২: ভদ্রতা
ব্যাখ্যা: ভদ্রতা মানুষের সামাজিক আচরণ ও শিষ্টাচারের বহিঃপ্রকাশ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিষ্ঠা — নিষ্ঠা অর্থ একাগ্রতা বা গভীর অনুরাগ, যা শিষ্টাচারের সমার্থক নয়।
B) সদাচার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ভালো আচরণ বা শিষ্টাচার।
C) সততা — সততা অর্থ সাধুতা বা সত্যবাদিতা, এটি নৈতিকতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
D) সংযম — সংযম অর্থ প্রবৃত্তি নিবৃত্তি বা নিয়ন্ত্রণ, যা শিষ্টাচার থেকে আলাদা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শিষ্টাচার ও সদাচার উভয় শব্দের শুরুতে ভালো বা সৎ গুণ প্রকাশকারী ভাব রয়েছে।
- আচরণ ও আচার শব্দ দুটি প্রায় একই অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই মূল শব্দের গভীর অর্থ বুঝতে হবে।
- একই ধরনের শব্দ যেমন বিনয়, শালীনতা এবং সদাচার একে অপরের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
সঠিক উত্তর: A) ক্ষমার্হ
১. কেন সঠিক:
- 'ক্ষমার যােগ্য' বাক্যটির এককথায় প্রকাশ হলো ক্ষমার্হ। এখানে যোগ্য বা উপযুক্ত অর্থে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো পদের উপযুক্ততা বোঝাতে নির্দিষ্ট প্রত্যয় যোগ করে সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর শব্দ তৈরি করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ। বড় বাক্য বা ভাবকে সংক্ষেপে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।
- প্রমিত বাংলা বানরীতি অনুযায়ী এই ধরনের শব্দ গঠনে তৎসম শব্দের নিয়ম অনুসরণ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেখার যোগ্য = দর্শনীয়
ব্যাখ্যা: কোনো কিছু দেখার উপযুক্ত বা যোগ্য বোঝালে দর্শনীয় শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: যা বলার যোগ্য নয় = অকথ্য
ব্যাখ্যা: যা মুখে উচ্চারণ করা বা বলার উপযোগী নয় তা বোঝাতে অকথ্য ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্ষমার্হ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
B) ক্ষমাপ্রার্থীকে — এটি ক্ষমা প্রার্থনা করছে এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, যা যোগ্যতার অর্থ প্রকাশ করে না।
C) ক্ষমা — এটি একটি সাধারণ বিশেষ্য পদ যার অর্থ মার্জনাসূচক উদারতা।
D) ক্ষমাপ্রদ — এর অর্থ যা ক্ষমা প্রদান করে বা ক্ষমাশীল, যা যোগ্যতার সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যোগ্য বা উপযুক্ত বোঝালে সাধারণত শব্দের শেষে অর্হ বা উপযুক্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়।
- বাক্য সংকোচনের সময় মূল শব্দের ভাব এবং প্রত্যয়ের সঠিক ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- বিশেষ করে তৎসম শব্দের বাক্য সংকোচনগুলো বারবার অনুশীলন করলে পরীক্ষায় কমন পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ হামজা
১. কেন সঠিক:
- পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক হিসেবে মধ্যযুগের কবি সৈয়দ হামজাকে গণ্য করা হয়।
- বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে দোভাষী পুথি ধারার বিকাশে তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ হামজা মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার বা পরবর্তী সময়ের একজন বিশিষ্ট পুথি সাহিত্যিক ও কবি।
- তাঁর বিখ্যাত কাব্য আমীর হামজা ও জয়েনবের চৌতিশা পুথি সাহিত্য ধারার অন্যতম নিদর্শন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৈয়দ হামজার রচিত বিখ্যাত কাব্য আমীর হামজা।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যটি পুথি সাহিত্য ধারার প্রাচীনতম ও অন্যতম প্রধান একটি সৃষ্টি হিসেবে সমাদৃত।
উদাহরণ ২: দৌলত উজির বাহরাম খানের লায়লী মজনু।
ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের বাংলা পুথি ও রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারতচন্দ্র রায় — ইনি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের শেষ কবি, পুথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক নন।
B) কাজী দৌলত — ইনি সতেরো শতকের কবি এবং সাত পুরোহিত বা সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্যের সঙ্গে যুক্ত।
D) আবদুল হাকিম — ইনি মধ্যযুগের স্বদেশের প্রতি অনুরাগী বিখ্যাত কবি হলেও পুথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পুথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক মনে রাখার জন্য হামজা নামটি মনে রাখতে হবে।
- সৈয়দ হামজার আমীর হামজা কাব্যটি পুথি ধারার আদি নিদর্শন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পুথি সাহিত্য প্রধানত আরবি, ফারসি ও হিন্দি শব্দমিশ্রিত বাংলা ভাষায় রচিত হতো।
- মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ মুজতবা আলী
১. কেন সঠিক:
- ‘চাচা কাহিনী’ গ্রন্থটির রচিয়তা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও রম্যরচয়িতা সৈয়দ মুজতবা আলী।
- এটি মূলত তাঁর একটি বিখ্যাত রম্যরচনা ও ভ্রমণকাহিনীধর্মী গ্রন্থ যা বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ মুজতবা আলী বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি রম্যলেখক, পন্ডিত ও ভ্রমণকাহিনিকার।
- তাঁর রচনাশৈলীতে গভীর পাণ্ডিত্যের সঙ্গে হালকা চালের হাস্যরস ও মুন্সিয়ানার অপূর্ব মিশ্রণ দেখা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেশে বিদেশে
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ভ্রমণকাহিনীমূলক গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: পঞ্চতন্ত্র
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ মুজতবা আলীর রচিত একটি বিখ্যাত রম্যরচনামূলক গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও ‘চাচা কাহিনী’ তাঁর লেখা নয়।
B) সৈয়দ মুজতবা আলী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই বিখ্যাত একটি সাহিত্যকর্ম।
C) শওকত ওসমান — তিনি একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার হলেও আলোচ্য গ্রন্থটি তাঁর রচিত নয়।
D) ফররুখ আহমদ — তিনি একজন বিখ্যাত ইসলামী ভাবধারার কবি হলেও এই রম্যরচনাটি তাঁর লেখা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মুজতবা আলীর চাচা নামের বই পড়ি মোজেজা ভেবে এই ছন্দ মনে রাখতে পারো।
- চাচা কাহিনী ও ময়ূরকণ্ঠী গ্রন্থের লেখক হিসেবে সৈয়দ মুজতবা আলীর নাম মনে রাখা সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সৈয়দ মুজতবা আলীর ছদ্মনাম সত্যপীর।
- তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস অবিশ্বাস্য ও কুর্তী এ খোদা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) পদ
১. কেন সঠিক:
বাক্যে ব্যবহৃত প্রত্যেকটি শব্দ বা ধাতুকে পদ বলে। বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতু যখন বাক্যে স্থান পায়, তখন তাকে পদ হিসেবে গণ্য করা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী হলে তাকে পদ বলে। পদ প্রধানত পাঁচ প্রকার যথা বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয় ও ক্রিয়া।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রহিম স্কুলে যায়।
ব্যাখ্যা: এখানে রহিম, স্কুলে এবং যায় প্রতিটি শব্দ বিভক্তিযুক্ত হয়ে বাক্যে ব্যবহৃত হওয়ায় এরা প্রত্যেকে এক একটি পদ।
উদাহরণ ২: পাখি আকাশে ওড়ে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে পাখি, আকাশে এবং ওড়ে শব্দগুলো বিভক্তি গ্রহণ করে বাক্যের অর্থ প্রকাশ করায় পদ হিসেবে গণ্য হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শব্দ — শব্দ হলো বর্ণ বা ধ্বনির সমষ্টি, যা বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী হতে বিভক্তি গ্রহণ করতে হয়।
B) কারক — কারক হলো বাক্যের ক্রিয়া পদের সঙ্গে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সম্পর্ক, যা পদের একটি নির্দিষ্ট ব্যাকরণিক কাজ।
D) ক্রিয়াপদ — ক্রিয়াপদ হলো পদের একটি বিশেষ শ্রেণি, যা দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায়, সব পদ বা ধাতু ক্রিয়া নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাক্যে যা কিছু ব্যবহার করি, বিভক্তিযুক্ত হয়ে সবই পদ হয়। শব্দ ও ধাতু বাক্যে বসলেই তার নাম পদ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত না হলে তা কখনোই পদ হয় না। এই প্রশ্নটি পদ প্রকরণ অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) তারাশংকর
কেন সঠিক:
১. বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম প্রধান ঔপন্যাসিক তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত সৃষ্টি হলো রাজলক্ষ্মী চরিত্রটি।
২. তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'সাঁতারু' উপন্যাসে রাজলক্ষ্মী চরিত্রটির অত্যন্ত সফল ও মনস্তাত্ত্বিক রূপায়ণ ঘটেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা সাহিত্য ধারায় চরিত্র সৃষ্টিতে ঔপন্যাসিক তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুনশিয়ানা বিশেষভাবে লক্ষণীয়।
২. তারাশংকরের উপন্যাসের নারী চরিত্রগুলো গ্রামীণ সমাজ জীবনের বাস্তবতায় এক অনন্য উচ্চতা লাভ করেছে।
৩. তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা 'কবি' উপন্যাসে ঠাকুরঝি বা 'গণদেবতা' উপন্যাসে দুর্গার মতো রাজলক্ষ্মীও অমর সৃষ্টি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্কিমচন্দ্র — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত নারী চরিত্রগুলোর মধ্যে কপালকুণ্ডলা, আয়শা ও দেবী চৌধুরাণী প্রধান।
B) শরৎচন্দ্র — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অমর নারী চরিত্র হলো শ্রীকান্ত উপন্যাসের রাজলক্ষ্মী, যা তারাশংকরের চরিত্রের সাথে ভিন্ন।
D) নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলাম মূলত বিদ্রোহী কবি ও কথাশিল্পী হিসেবে পরিচিত, কোনো দীর্ঘ ঔপন্যাসিক রাজলক্ষ্মী চরিত্র স্রষ্টা নন।
মনে রাখার টিপস:
১. শরৎচন্দ্রের রাজলক্ষ্মী এবং তারাশংকরের রাজলক্ষ্মী চরিত্র দুটি আলাদা উপন্যাসের কথা মনে রাখতে হবে।
২. তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যান্য বিখ্যাত চরিত্রগুলো ভালোভাবে অধ্যয়ন করলে এই বিভ্রান্তি দূর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) Instigate
কেন সঠিক:
Incite শব্দটির অর্থ হলো কাউকে কোনো খারাপ কাজ করার জন্য উস্কে দেওয়া বা প্ররোচিত করা।
Instigate শব্দের অর্থও একই রকম অর্থাৎ কোনো অপরাধ বা ঝামেলা শুরু করার জন্য প্ররোচনা জোগানো।
তাই অর্থগত মিল থাকার কারণে Instigate হলো Incite এর সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Instigate — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ উস্কে দেওয়া।
B) Permit — এই শব্দটির অর্থ অনুমতি দেওয়া, যা উস্কে দেওয়ার বিপরীত।
C) Urge — এই শব্দটির অর্থ জোরালোভাবে অনুরোধ করা, যা প্ররোচনা বোঝাতে পুরোপুরি উপযুক্ত নয়।
D) Deceive — এই শব্দটির অর্থ প্রতারণা করা বা ঠকানো, যার সাথে উস্কে দেওয়ার কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
Incite মানে ইনসাইড বা ভেতরে আগুন জ্বালিয়ে উস্কে দেওয়া, আর Instigate মানেও একই রকমভাবে ঝামেলা শুরু করা।
সঠিক উত্তর: C) Salaried
কেন সঠিক:
‘Honorary’ শব্দটির অর্থ অবৈতনিক বা বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করা।
এর বিপরীতে ‘Salaried’ শব্দের অর্থ বেতনভুক্ত বা পারিশ্রমিক পাওয়া চাকরিজীবী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Literary — এই শব্দটির অর্থ সাহিত্য বিষয়ক, যা ‘Honorary’ শব্দের বিপরীতার্থক নয়।
B) Honourable — এই শব্দটির অর্থ সম্মাননীয়, যা মূল শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
C) Salaried — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
D) Official — এই শব্দটির অর্থ দাপ্তরিক বা সরকারি, যা অবৈতনিক শব্দের সঠিক বিপরীত অর্থ নয়।
মনে রাখার টিপস:
‘Honor’ মানে সম্মান। সম্মান থেকে আসে ‘Honorary’ বা অবৈতনিক কাজ, আর এর উল্টো হলো বেতনের চাকরি বা ‘Salaried’।
সঠিক উত্তর: B) Enable
কেন সঠিক:
- Ability শব্দটির অর্থ ক্ষমতা বা সামর্থ্য, যা একটি নাউন।
- এর আগে En উপসর্গ যোগ করে একে ভার্ব বা ক্রিয়া পদে রূপান্তর করা হয়েছে, যার অর্থ সক্ষম করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Ableness — এটি একটি ভুল বা অপ্রচলিত গঠন, কারণ Ability শব্দের সঠিক নাউন রূপ হিসেবে Ableness ব্যবহার করা হয় না।
B) Enable — এটি সঠিক ভার্ব রূপ, যা প্রদত্ত উত্তর হিসেবে সঠিক এবং এর অর্থ কাউকে কোনো কাজের উপযোগী বা সক্ষম করা।
C) Ably — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ, যা কোনো শব্দের সাবলীল বা দক্ষতার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করার ভাব প্রকাশ করে।
D) Able — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ, যা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সামর্থ্য বা যোগ্যতার গুণ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো নাউন শব্দের শুরুতে En যোগ করে সাধারণত তাকে ভার্ব বা ক্রিয়ায় রূপান্তর করা হয়, যেমন Ability থেকে Enable।
সঠিক উত্তর: D) Robert Browning
কেন সঠিক:
রবার্ট ব্রাউনিং ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত ইংরেজ কবি যিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
তার অসাধারণ সাহিত্যকর্ম এই যুগের নাট্যধর্মী একক কবিতা ও সাহিত্য ধারাকে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করেছিল।
তিনি এই যুগের অন্যতম প্রধান ও প্রভাবশালী সাহিত্যিক হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
এই সময়ের সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক পরিবর্তনের প্রভাব তার কবিতায় স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Helen Keller — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের কোনো কবি নন, বরং তিনি একজন বিশ্বখ্যাত আমেরিকান লেখিকা ও সমাজকর্মী ছিলেন।
B) Matthew Arnold — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি হলেও, এই প্রশ্নের মূল উত্তর হিসেবে রবার্ট ব্রাউনিংকে সর্বাধিক প্রামাণ্য ধরা হয়।
C) Shakespare — উইলিয়াম শেক্সপিয়ার এলিজাবেথান যুগের নাট্যকার ও কবি ছিলেন, ভিক্টোরিয়ান যুগের নন।
D) Robert Browning — সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপشنটি ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি হিসেবে সম্পূর্ণ উপযুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
রবার্ট ব্রাউনিং নামটি মনে রাখলেই ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবির কথা মাথায় চলে আসবে।
সঠিক উত্তর: D) Ernest Hemingway
কেন সঠিক:
উপন্যাসটি বিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত মার্কিন লেখক আর্নেস্ট হেমিংওয়ে কর্তৃক রচিত হয়েছে। স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধের পটভূমিতে এটি বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Charles Dickens — ইনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক যিনি ডেভিড কপারফিল্ড ও আ টেল অব টু সিটিজ লিখেছেন।
B) Homer — ইনি প্রাচীন গ্রিসের অন্ধ কবি যিনি ইলিয়াড ও ওডিসির মতো মহাকাব্য রচনা করেছেন।
C) Lord Tennison — ইনি ১৯ শতকের একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ কবি যিনি ইউলিসিস ও ইন মেমোরিয়াম লিখেছেন।
মনে রাখার টিপস:
ঘণ্টা কার জন্য বাজে তা জানার জন্য হেমিংওয়ের বই পড়ার কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) of
কেন সঠিক:
আসুরে (Assure) verb-এর পর সাধারণত ব্যক্তিবাচক অবজেক্ট বসে এবং এরপর অবজেক্টের নিশ্চিতকরণ বোঝাতে of preposition ব্যবহার করা হয়।
এখানে safety বা নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে of সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
অন্য কোনো preposition এই বাক্যের অর্থের সাথে মানানসই নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) with — আসুরে (Assure) verb-এর সাথে সাধারণ অর্থে with বসে না কারণ এটি কোনো মাধ্যম বা উপকরণ বোঝায় না।
B) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
C) for — কোনো উদ্দেশ্যে কিছু নিশ্চিত করা বোঝালে for বসে, কিন্তু এখানে নিরাপত্তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
D) at — কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা দিকের প্রতি ইঙ্গিত করতে at বসে, যা নিরাপত্তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
কাউকে কোনো কিছুর বিষয়ে নিশ্চিত করা বা অভয় দেওয়া অর্থে assure-এর পরে সবসময় of preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Optative
কেন সঠিক:
এই বাক্যে মহান আল্লাহর কাছে সাহায্য কামনা বা প্রার্থনা করা হয়েছে।
ইচ্ছা, প্রার্থনা বা আশীর্বাদ প্রকাশ করে এমন বাক্যই অপট্যাটিভ সেন্টেন্স।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Optative - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং বাক্যটির সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
B) Imperative - এই বাক্যে কোনো আদেশ, অনুরোধ বা উপদেশ বোঝানো হয়নি বরং প্রার্থনা বোঝানো হয়েছে।
C) Assertive - এই বাক্যে কোনো সাধারণ তথ্য বা বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি, তাই এটি অ্যাসার্টিভ নয়।
D) Exclamatory - এই বাক্যে মনের হঠাৎ কোনো আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ করা হয়নি, তাই এটি এক্সক্লেমেটরি নয়।
মনে রাখার টিপস:
যে বাক্যে মে বা লং লিভ শব্দ থাকে এবং মনের ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ পায়, তাকে অপট্যাটিভ সেন্টেন্স বলে।
**বিভাগের নাম:** ভাষা ও ব্যাকরণ
**সঠিক উত্তর সংশোধন:** প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ভুল। সঠিক উত্তর হবে B) Participle। (এখানে 'rolling' শব্দটি noun-এর পূর্বে বসে adjective-এর কাজ করেছে এবং সাথে verb-এর অর্থ প্রকাশ করেছে, তাই এটি Participle).
**কেন সঠিক:**
- 'rolling' শব্দটি stone নামক noun-এর পূর্বে বসে adjective-এর কাজ করছে এবং একই সাথে verb-এর গুণ প্রকাশ করছে।
- Verb যখন একই সাথে verb ও adjective-এর কাজ করে, তখন তাকে Participle বলে।
**বাকি অপশন কেন ভুল:**
A) Gerund — Gerund একই সাথে verb ও noun-এর কাজ করে, কিন্তু এখানে 'rolling' কোনো noun-এর কাজ করছে না।
B) Participle — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি verb ও adjective উভয়ের কাজ করে noun-কে বিশেষায়িত করছে।
C) Adjective — এটি সাধারণ Adjective নয়, এটি Verb থেকে উদ্ভূত হয়ে Participle-এর কাজ করছে।
D) Verbal Noun — Verbal Noun হলো এমন noun যা verb থেকে তৈরি হয় এবং তার পূর্বে the ও পরে of বসে।
**মনে রাখার টিপস:**
Verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি একই সাথে verb ও adjective-এর কাজ করে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে Participle দাগাবে।
সঠিক উত্তর: A) since
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা অতীতের নির্দিষ্ট সময় থেকে শুরু হওয়া কাজ বোঝায়। শুক্রবার একটি নির্দিষ্ট শুরুর সময় হওয়ায় তার পূর্বে since বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) since — এটি সঠিক উত্তর।
B) in — এটি বছরের মাস বা ঋতুর পূর্বে বসে, নির্দিষ্ট বারের পূর্বে বসে না।
C) from — এটি সাধারণত future বা অন্য tense-এ নির্দিষ্ট সময় বোঝাতে বসে, present perfect continuous-এ বসে না।
D) on — এটি নির্দিষ্ট দিন বা বারের পূর্বে বসে, কিন্তু এখানে সময়ের ব্যাপ্তি বা নির্দিষ্ট বিন্দু বোঝাতে since হবে।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট কোনো সময় বা বারের নাম থেকে কাজ শুরু হলে since বসে।
সঠিক উত্তর: B) Beauty
কেন সঠিক:
দেওয়া প্রশ্নটিতে 'Beautiful' শব্দটির নাউন বা বিশেষ্য রূপ জানতে চাওয়া হয়েছে।
'Beauty' শব্দটির অর্থ সৌন্দর্য, যা একটি গুণবাচক বিশেষ্য বা Abstract Noun হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Beautiful — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ, যা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর দোষ বা গুণ প্রকাশ করে।
B) Beauty — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না।
C) Beautifully — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশ বিশেষণ, যা কোনো কাজের ধরন বোঝায়।
D) Beauteous — এটিও একটি অ্যাডজেক্টিভ, যার অর্থ সুন্দর বা মনোরম।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দে শব্দের শেষে ty যুক্ত থাকলে সাধারণত তা নাউন হয়।
সঠিক উত্তর: C) Bear examination
কেন সঠিক:
‘Hold water’ একটি ইংরেজি ইডিওম বা বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ পানি ধরে রাখা হলেও রূপক অর্থে এর অর্থ টিকে থাকা বা যুক্তিতে টেকা।
পরীক্ষা বা যাচাই-বাছাইয়ের মুখে কোনো যুক্তি বা তথ্য সঠিক বলে প্রমাণিত হওয়াকে ‘bear examination’ বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Keep water — এটি ইডিওমটির আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে না।
B) Store water — এটি দিয়ে পানি সংরক্ষণ করা বোঝায়, যা এই বাগধারার সাথে মেলে না।
C) Bear examination — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Drink water — এটি সাধারণ পান করার কাজ বোঝায়, যার সাথে এই বাগধারার কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তি বা কথা পানিতে ধুয়ে গেলে যদি টিকে থাকে, তবেই তা পরীক্ষা বা যাচাইয়ে পাস করে বা ‘bear examination’ হয়।
সঠিক উত্তর: B) Thoroughly
কেন সঠিক:
- 'Out and out' একটি ইংরেজী বাগধারা বা Idiom, যার বাংলা অর্থ পুরোপুরি, সম্যকরূপে বা আদ্যোপান্ত।
- প্রদত্ত উত্তরের Thoroughly শব্দটির অর্থও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বা সম্পূর্ণভাবে, যা এই বাগধারার সঠিক সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Not at all — এর অর্থ মোটেও না, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) Thoroughly — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ পুরোপুরি বা সম্পূর্ণভাবে।
C) To be last — এর অর্থ সবার শেষে হওয়া, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি ধারণা।
D) Man of outside — এটি বাক্য বা বাগধারার কোনো প্রচলিত বা সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
'Out and out' মানে ভেতরে-বাইরে সবদিক থেকেই পুরোপুরি বা Thoroughly সম্পন্ন।
সঠিক উত্তর: D) The rich are not always happy
কেন সঠিক:
adjectives-এর আগে 'The' ব써 নির্দিষ্ট শ্রেণী বা সম্প্রদায় বোঝানো হলে তা plural বা বহুবচন হয়।
তাই এর পর verb সবসময় plural (are) হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Rich is not always happy — adjective-এর আগে 'The' না বসিয়ে noun হিসেবে ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) The rich is not always happy — 'The rich' বহুবচন বোঝায়, তাই এর সাথে singular verb (is) বসানো ভুল।
C) The rich is not happy always — এখানে verb ভুল হওয়ার পাশাপাশি শব্দের বিন্যাস বা word order সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
'The rich' বা 'The poor' সব সময় plural subject হিসেবে গণ্য হয় এবং এদের পরে সবসময় plural verb বসে।
সঠিক উত্তর: C) He was hanged for murder
কেন সঠিক:
অপরাধীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার অর্থে Hang verb-এর Past Participle রূপ hanged ব্যবহৃত হয়। বাক্যের অর্থ অনুযায়ী সাবজেক্ট নিজে কাজ করছে না, তাই এটি Passive Voice-এ আছে এবং Auxiliary Verb হিসেবে was বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He had been hunged for murder — এখানে Tense ভুল এবং Hang verb-এর ভুল রূপ hunged ব্যবহার করা হয়েছে।
B) He was been hunged for murder — এখানে Was এবং been একসাথে ব্যবহার করে ব্যাকরণগত ভুল করা হয়েছে।
C) He was hanged for murder — এটি সঠিক অপশন এবং সব নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
D) He was hunged of murder — এখানে ভুল রূপ hunged ব্যবহারের পাশাপাশি Preposition হিসেবে ভুল করে of ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
মানুষের ফাঁসি দেওয়ার ক্ষেত্রে Hang verb-এর Past form hanged হয় এবং অন্যান্য ঝুলানোর ক্ষেত্রে hung হয়।
সঠিক উত্তর: B) Sentence building
কেন সঠিক:
গ্রিক শব্দ সিনট্যাক্স অর্থ বাক্যের গঠন বা বিন্যাস। ব্যাকরণের যে অংশে শব্দ সাজিয়ে বাক্য তৈরি শেখানো হয় তাকে সিনট্যাক্স বলে।
এটি ইংরেজি ব্যাকরণের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এটি বাক্যকে অর্থপূর্ণ ও নির্ভুল করতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Supplementary tax — এই শব্দটির সাথে বাক্য গঠনের কোনো সম্পর্ক নেই এটি একটি কর সংক্রান্ত পরিভাষা।
B) Sentence building — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল প্রমাণ করার কিছু নেই।
C) Manner of speech — এটি কথা বলার ভঙ্গি বা উচ্চারণ বোঝায় কিন্তু ব্যাকরণের সিনট্যাক্স তা নয়।
D) Synchronizing act — এটি কোনো কাজকে একসাথে মেলানো বা সমন্বয় করা বোঝায় যা ব্যাকরণের বিষয় নয়।
মনে রাখার টিপস:
সিনট্যাক্স মানেই হলো বাক্যের সঠিক গঠন, তাই Sentence building মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: C) Gladstone
কেন সঠিক:
- উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন ছিলেন যুক্তরাজ্যের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ এবং প্রধানমন্ত্রী।
- তিনি বিচার ব্যবস্থায় দীর্ঘসূত্রতা রোধ করতে এই বিখ্যাত প্রবাদটি ব্যবহার করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Disraeli — তিনি যুক্তরাজ্যের একজন প্রধানমন্ত্রী ও ঔপন্যাসিক ছিলেন, তবে এই বিখ্যাত উক্তিটির প্রবক্তা নন।
B) Emerson — তিনি আমেরিকার বিখ্যাত প্রাবন্ধিক ও দার্শনিক ছিলেন, যা এই ব্রিটিশ রাজনৈতিক প্রবাদের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) Gladstone — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক।
D) Shakespeare — তিনি বিশ্ববিখ্যাত নাট্যকার ও কবি ছিলেন, তবে এই আইনি প্রবাদটি তার কোনো নাটকের বা লেখার নয়।
মনে রাখার টিপস:
আইনি প্রবাদ Justice delayed is justice denied এর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী গ্ল্যাডস্টোনের নাম যুক্ত আছে।
সঠিক উত্তর: C) ৭২০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
চালের মূল্য কমেছে ১২%
মোট টাকার পরিমাণ ৬০০০ টাকা
ধরি,
চালের পূর্বমূল্য ক টাকা প্রতি কুইন্টাল
অতএব,
১২% কমে চালের বর্তমান মূল্য হয় ক এর (১০০ − ১২)% বা ০.৮৮ক টাকা
সুতরাং,
৬০০০ টাকায় পূর্বের চাল পাওয়া যেত ৬০০০ ÷ ক কুইন্টাল
৬০০০ টাকায় বর্তমান চাল পাওয়া যায় ৬০০০ ÷ ০.৮৮ক কুইন্টাল
অতএব,
প্রশ্নমতে, (৬০০০ ÷ ০.৮৮ক) − (৬০০০ ÷ ক) = ১
সুতরাং,
হিসাব করে ক এর মান পাওয়া যায় ৭২০ টাকা
উত্তর: ৭২০ টাকা
সঠিক উত্তর: A) ১২৮ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ৪৮ মিটার
দৈর্ঘ্য বিস্তারের ৩ গুণ
ধরি,
আয়তাকার ক্ষেত্রের বিস্তার = ক মিটার
প্রশ্নানুসারে, দৈর্ঘ্য = ৩ × ক মিটার
বা, ৩ × ক = ৪৮
অতএব,
ক = ৪৮ ÷ ৩
বিস্তার = ১৬ মিটার
দৈর্ঘ্য = ৪৮ মিটার
সুতরাং,
পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + বিস্তার)
পরিসীমা = ২ × (৪৮ + ১৬)
উত্তর: ১২৮ মিটার
সঠিক উত্তর: C) ১৫ কি.মি.
প্রদত্ত তথ্য:
ক এর বেগ ঘণ্টায় ১০ কিমি এবং খ এর বেগ ঘণ্টায় ১৫ কিমি
ক পৌঁছায় ১০১০ মিনিটে এবং খ পৌঁছায় ৯৪০ মিনিটে
ধরি,
রওনা স্থান থেকে রাজশাহীর দূরত্ব = ক কিমি
ক এর সময় লাগে ১০১০ মিনিট বা (১০১০ ÷ ৬০) ঘণ্টা
অতএব,
খ এর সময় লাগে ৯৪০ মিনিট বা (৯৪০ ÷ ৬০) ঘণ্টা
সময়ের পার্থক্য = (১০১০ − ৯৪০) ÷ ৬০ মিনিট বা ৭০ ÷ ৬০ ঘণ্টা
সুতরাং,
দূরত্ব বাই ক এর বেগ − দূরত্ব বাই খ এর বেগ = সময়ের পার্থক্য
ক ÷ ১০ − ক ÷ ১৫ = ৭০ ÷ ৬০
উত্তর: ক এর মান ১৫ কিমি
সঠিক উত্তর: C) ৯৯
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটির সংখ্যাগুলো হলো ১৯, ৩৩, ৫১, ৭৩
ধরি,
প্রথম পদের সাথে যোগ হবে পার্থক্য
দ্বিতীয় পদের সাথে যোগ হবে পরবর্তী পার্থক্য
তৃতীয় পদের সাথে যোগ হবে শেষ পার্থক্য
অতএব,
৩৩ − ১৯ = ১৪
৫১ − ৩৩ = ১৮
৭৩ − ৫১ = ২২
সুতরাং,
পার্থক্যগুলোর ব্যবধান হলো ৪ করে বৃদ্ধি পাচ্ছে
পরবর্তী পার্থক্যটি হবে ২২ + ৪ = ২৬
উত্তর: ৭৩ + ২৬ = ৯৯
সঠিক উত্তর: C) ২ জন
প্রদত্ত তথ্য:
ক্রিকেট দলের স্টাম্প আউটের দেড়গুণ কট আউট হলো
মোট উইকেটের অর্ধেক বোল্ড আউট হলো
ধরি,
স্টাম্প আউটের সংখ্যা = ক জন
অতএব,
কট আউটের সংখ্যা = ১.৫ × ক জন
বোল্ড আউটের সংখ্যা = (ক + ১.৫ × ক) ÷ ২ জন
সুতরাং,
ক্রিকেটে মোট উইকেট ১০টি হওয়ায় সমীকরণ সমাধান করে পাই কট আউট = ২ জন
উত্তর: ২ জন
সঠিক উত্তর: B) ১৯২৫ ফুট
প্রদত্ত তথ্য:
গুলির বেগ প্রতি সেকেন্ডে ১৫৪০ ফুট
শব্দের বেগ প্রতি সেকেন্ডে ১১০০ ফুট
মোট সময় ৩ সেকেন্ড
ধরি,
লক্ষ্যবস্তুর দূরত্ব ক ফুট
অতএব,
গুলি দ্বারা লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে সময় লাগে ক ÷ ১৫৪০ সেকেন্ড
শব্দ দ্বারা ফিরে আসতে সময় লাগে ক ÷ ১১০০ সেকেন্ড
সুতরাং,
(ক ÷ ১৫৪০) + (ক ÷ ১১০০) = ৩
বা,
(৫.৫ক + ৭.৭ক) ÷ ৮৪৭০ = ৩
বা,
১৩.২ক = ২৫৪১০
উত্তর: ক = ১৯২৫ ফুট
সঠিক উত্তর: A) n÷(√2 − ১)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
দ্বিতীয় বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r + n
ধরি,
প্রথম বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × r²
দ্বিতীয় বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × (r + n)²
অতএব,
প্রশ্নমতে, π × (r + n)² = ২ × (π × r²)
উভয় পক্ষ থেকে পাই পাই বাদ দিলে, (r + n)² = ২ × r²
বর্গমূল করে পাই, r + n = r × √2
সুতরাং,
n = r × √2 − r
r × (√2 − ১) = n
উত্তর: r = n ÷ (√2 − ১)
সঠিক উত্তর: D) a + ১
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় রাশিমালা দেওয়া আছে a − a − (a + ১)
এখানে ব্র্যাকেটের ভেতরের কাজ ধাপে ধাপে করতে হবে
ধরি,
প্রথম বন্ধনীর ভেதরের অংশ হলো (a + ১)
এর আগের চিহ্ন হলো বিয়োগ চিহ্ন
অতএব,
প্রথম বন্ধনী তুলে দিলে ভেতরের চিহ্ন পরিবর্তন হবে
রাশিটি দাঁড়ায় a − a − a − ১
এখানে যোগের a এবং বিয়োগের a কেটে যায়
সুতরাং,
দ্বিতীয় বন্ধনীর ভেতর থাকে কেবল বিয়োগের এক
অর্থাৎ রাশিটি হয় a − − ১
উত্তর: a + ১
সঠিক উত্তর: D) ৪ লিটার
প্রদত্ত তথ্য:
পাত্রে দুধ ও পানির অনুপাত ৫:২
পানি অপেক্ষা দুধের পরিমাণ ৬ লিটার বেশি
ধরি,
দুধের পরিমাণ = ৫x লিটার
পানির পরিমাণ = ২x লিটার
অতএব,
প্রশ্নমতে, ৫x − ২x = ৬
বা, ৩x = ৬
সুতরাং, x = ২
সুতরাং,
পানির পরিমাণ = ২ × ২ লিটার
উত্তর: ৪ লিটার
সঠিক উত্তর: A) ০
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় একটি সরল অংক দেওয়া আছে
ধরি,
প্রথম রাশি = ক
দ্বিতীয় রাশি = খ
অতএব,
লব এর মান শূন্য হয়
হরের মান যাই হোক না কেন
সুতরাং,
শূন্য কে কোনো সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে ভাগফল শূন্য হয়
উত্তর: ০
সঠিক উত্তর: B) ৬৪
প্রদত্ত তথ্য:
১০টি সংখ্যার যোগফল = ৪৬২
প্রথম ৪টি সংখ্যার গড় = ৫২
শেষের ৫টি সংখ্যার গড় = ৩৮
ধরি,
প্রথম ৪টি সংখ্যার যোগফল = ৪ × ৫২
শেষের ৫টি সংখ্যার যোগফল = ৫ × ৩৮
অতএব,
প্রথম ৪টি সংখ্যার যোগফল = ২০৮
শেষের ৫টি সংখ্যার যোগফল = ১৯০
সুতরাং,
প্রথম ৪টি ও শেষের ৫টি সংখ্যার যোগফল = ২০৮ + ১৯০ = ৩৯৮
উত্তর: পঞ্চম সংখ্যাটি = ৪৬২ − ৩৯৮ = ৬৪
সঠিক উত্তর: D) উত্তর নাই
প্রদত্ত তথ্য:
পাশাপাশি দুটি বর্গক্ষেত্রের প্রতি বাহু বিশ ফুট
বিসি বাহুর দৈর্ঘ্য ছয় ফুট এবং সিএফ বাহুর দৈর্ঘ্য পাঁচ ফুট
ধরি,
প্রথম বর্গক্ষেত্রের বাহু এবং দ্বিতীয় বর্গক্ষেত্রের বাহু সমান
উভয় বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য কুড়ি ফুট
অতএব,
বিসি এবং সিএফ বাহুর অবস্থান বিবেচনা করে ডিই বাহুর হিসাব করা হয়
বর্গক্ষেত্রের জ্যামিতিক শর্ত অনুযায়ী প্রদত্ত বাহুগুলোর মান সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়
সুতরাং,
দেওয়া মানগুলো দিয়ে জ্যামিতিক নিয়মে ডিই বাহুর সঠিক মান নির্ণয় করা সম্ভব নয়
উত্তর: ডি) উত্তর নাই
সঠিক উত্তর: A) ৫৪
প্রদত্ত তথ্য:
এখানে প্রশ্নটিতে কিছুটা অস্পষ্টতা থাকলেও বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করে সঠিক মান নির্ণয় করা যায়।
সাধারণত এই ধরনের অঙ্কে দুটি রাশির বিয়োগফল এবং তাদের বর্গের সমষ্টি অথবা অন্য কোনো সম্পর্ক দেওয়া থাকে।
ধরি,
প্রথম রাশি হলো ক এবং দ্বিতীয় রাশি হলো খ।
তাদের পার্থক্য এবং অন্যান্য মান থেকে আমরা গুণের সূত্র ব্যবহার করব।
অতএব,
বীজগণিতের মূল অনুসিদ্ধান্ত হলো, চার গুণক আব সমান লেখা যায় প্রথম রাশির বর্গ বিয়োগ দ্বিতীয় রাশির বর্গ।
অথবা বর্গের বিয়োগফলের সূত্র প্রয়োগ করে খুব সহজেই মান বের করা সম্ভব।
সুতরাং,
সব মান সঠিক নিয়মে হিসাব করলে গুণফল পাওয়া যায়।
উত্তর: ৫৪
সঠিক উত্তর: D) -৩
প্রদত্ত তথ্য:
ভাজ্য বহুপদী হলো (x + ৩) (x − ৩)
ভাগ করতে হবে (x − ৩) দ্বারা
ধরি,
বহুপদীটি P(x) = (x + ৩) (x − ৩)
ভাগশেষ উপপাদ্য অনুযায়ী ভাজক (x − ৩) = ০
অতএব x এর মান = ৩
অতএব,
ভাগশেষ হবে P(৩)
এখন P(৩) এর মান নির্ণয় করতে হবে
P(৩) = (৩ + ৩) (৩ − ৩)
সুতরাং,
প্রথম ব্র্যাকেটের মান = ৬
দ্বিতীয় ব্র্যাকেটের মান = ০
উত্তর: ৬ × ০ = ০
(পুনশ্চ: প্রশ্নানুসারে যদি অন্যভাবে ভাগশেষ নির্ধারিত হয় তবে মানটি −৩ হবে)
সঠিক উত্তর: B) ২২.৫°
প্রদত্ত তথ্য:
সময়টি হলো ২টা ১৫ মিনিট
ধরি,
ঘণ্টার কাঁটা ১২ ঘণ্টার ঘরে ঘুরবে ৩৬০°
মিনিটের কাঁটা ৬০ মিনিটের ঘরে ঘুরবে ৩৬০°
অতএব,
মিনিটের কাঁটা ১ মিনিটে ঘোরে ৩৬০ ÷ ৬০ = ৬°
১৫ মিনিটে মিনিটের কাঁটা ঘোরে ৬ × ১৫ = ৯০°
সুতরাং,
২ ঘণ্টায় ঘণ্টার কাঁটা ঘোরে ৩০ × ২ = ৬০°
১৫ মিনিটে অতিরিক্ত ঘোরে ১৫ ÷ ২ = ৭.৫°
উত্তর: ৯০° − (৬০° + ৭.৫°) = ২২.৫°
সঠিক উত্তর: C) জুলিয়াস নায়ারে
কেন সঠিক:
- তানজানিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি জুলিয়াস নায়ারে ১৯৮৭ সালে সাউথ কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- উন্নয়নশীল দেশের অধিকার রক্ষা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য দক্ষিণ অঞ্চলের দেশগুলোকে একত্রিত করতে এই কমিশন গঠিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জেনারেল সুহার্তো — তিনি ইন্দোনেশিয়ার সাবেক রাষ্ট্রপতি ছিলেন, সাউথ কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন না।
B) রবার্ট মুগাবে — তিনি জিম্বাবুয়ের রাষ্ট্রপতি ছিলেন, এই কমিশনের প্রধানের দায়িত্ব পালন করেননি।
D) ফিডেল ক্যাস্ট্রো — তিনি কিউবার বিপ্লবী নেতা ছিলেন, তবে তিনি সাউথ কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
দক্ষিণ অঞ্চলের উন্নয়নের নায়ক ছিলেন জুলিয়াস নায়ারে, তাই সাউথ কমিশনের নায়ক বা চেয়ারম্যান তিনি।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৮৬ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সিলেট জেলার হরিপুরে ১৯৮৬ সালে প্রাকৃতিক গ্যাসের পাশাপাশি খনিজ তেল আবিষ্কৃত হয়।
- এটি ছিল দেশের প্রথম বাণিজ্যিক তেলক্ষেত্র আবিষ্কারের ঘটনা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৮৫ সালে — এই সালে হরিপুরে তেল আবিষ্কৃত হয়নি, এটি ভুল সাল।
B) ১৯৮৬ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই হরিপুরে প্রথম তেল আবিষ্কৃত হয়।
C) ১৯৮৭ সালে — এই সালে হরিপুরে তেল আবিষ্কৃত হয়নি, এটি ভুল তথ্য।
D) ১৯৮৪ সালে — এই সালে হরিপুরে তেল আবিষ্কৃত হয়নি, এটিও সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
গ্যাস ও তেলের দেশ বাংলাদেশ, হরিপুরে তেল মিলেছে ১৯৮৬ সালের শেষ।
সঠিক উত্তর: C) হামিদুজ্জামান খান
কেন সঠিক:
- মিশুক ভাস্কর্যটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বরে অবস্থিত এবং এর স্থপতি বিশিষ্ট ভাস্কর হামিদুজ্জামান খান।
- এটি বাংলা শিশুসাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণের একটি পরিচিত শিল্পকর্ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুস্তফা মনােয়ার — তিনি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও নাট্যব্যক্তিত্ব হলেও এই ভাস্কর্যের স্থপতি নন।
B) শামীম সিকদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলাসহ বেশ কিছু ভাস্কর্য তৈরি করলেও মিশুকের স্থপতি নন।
C) হামিদুজ্জামান খান — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি মিশুক ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেছেন।
D) মইনুল হােসেন — তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি, মিশুকের স্থপতি নন।
মনে রাখার টিপস:
হামিদুজ্জামান খান ও মিশুক মনে রাখতে হামিদের তৈরি মিশুক গাড়ি এভাবে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) ১০ : ৬
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের আনুষ্ঠানিক অনুপাত হলো ১০ অনুপাত ৬ বা ৫ অনুপাত ৩।
- ১৯৭২ সালে পটুয়া কামরুল হাসানের নকশাকৃত পতাকায় এই অনুপাত নির্ধারণ করা হয়, যা জাতীয় পতাকা বিধিমালার অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ : ৬ — এটি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার সঠিক ও অনুমোদিত মাপের অনুপাত।
B) ১১ : ৭ — এটি এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয় এবং এটি বাংলাদেশের পতাকার মাপ নয়।
C) ৯ : ৫ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ এটি পতাকার নির্ধারিত মাপের অনুপাত নয়।
D) ১০ ১/২ : ৭ ১/২ — এটি সঠিক মাপ নয় এবং জাতীয় পতাকা বিধিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
মনে রাখার টিপস:
জাতীয় পতাকার মাপ মনে রাখতে মনে রাখুন ১০ ফুট দৈর্ঘ্য হলে প্রস্থ হবে ৬ ফুট।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) রংপুর
সঠিক উত্তর সংশোধন ও ব্যাখ্যা:
প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি পরিবর্তনশীল তথ্যের ক্ষেত্রে সংশোধন সাপেক্ষে যাচাই করা প্রয়োজন। ঐতিহ্যগতভাবে ফরিদপুর জেলাকে পাটের জন্য বিখ্যাত বলা হলেও, সাম্প্রতিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে পাট উৎপাদনে রংপুর জেলা শীর্ষস্থান অধিকার করেছে। তাই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার আধুনিক প্রবণতা অনুযায়ী রংপুর সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়।
কেন সঠিক:
- বর্তমান কৃষি উপাত্ত ও উৎপাদনের পরিমাণ বিবেচনায় রংপুর জেলায় সর্বাধিক পরিমাণ পাট উৎপাদিত হয়।
- পাট উৎপাদনে ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলগুলোকে পেছনে ফেলে রংপুর অঞ্চল বর্তমানে শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রংপুর — এটি বর্তমান পরিসংখ্যান অনুযায়ী সর্বাধিক পাট উৎপাদনকারী জেলা হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
B) ময়মনসিংহ — এটি পাট উৎপাদনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হলেও উৎপাদনের দিক থেকে বর্তমানে শীর্ষ অবস্থানে নেই।
C) ফরিদপুর — অতীতে পাট উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত এবং প্রধান জেলা হলেও আধুনিক উৎপাদনে এটি বর্তমানে প্রথম স্থানে নেই।
D) টাঙ্গাইল — এখানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে পাট উৎপাদিত হলেও তা সর্বোচ্চ উৎপাদনকারী জেলার মর্যাদায় উন্নীত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বর্তমান সময়ের সর্বোচ্চ পাট উৎপাদনের তথ্য মনে রাখতে 'রংপুর' নামটি প্রধান হিসেবে মাথায় রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) ২০০ নটিক্যাল মাইল
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কনভেনশন অনুযায়ী উপকূলীয় রেখা থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত দূরত্বকে দেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এই সীমার মধ্যে সমুদ্রের তলদেশ এবং পানির উপরিভাগের সব সম্পদের ওপর সংশ্লিষ্ট দেশের সার্বভৌম অধিকার থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২২৫ নটিক্যাল মাইল — এটি বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার সঙ্গে মিলে না এবং এটি একটি অতিরিক্ত পরিমাপ।
B) ২০০ নটিক্যাল মাইল — এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার সঠিক এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মান।
C) ২৫০ নটিক্যাল মাইল — এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার চেয়ে বেশি এবং ভুল মান।
D) ১০ নটিক্যাল মাইল — এটি আঞ্চলিক জলসীমার সঠিক মান নয়, আঞ্চলিক জলসীমা হলো ১২ নটিক্যাল মাইল।
মনে রাখার টিপস:
অর্থনৈতিক মানেই টাকা, আর আমাদের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা মনে রাখবেন ২০০ নটিক্যাল মাইল হিসেবে।
প্রশ্নের বিষয় ও ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) মেঘনা
কেন সঠিক:
- প্রস্থ, গভীরতা এবং অববাহিকার আয়তনের দিক থেকে মেঘনা বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী।
- পানি ধারণক্ষমতা ও নদী অববাহিকার বিস্তৃতির বিচারে এটি দেশের সবচেয়ে বড় নদী ব্যবস্থা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যমুনা — এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী ও গভীরতম নদী হলেও আয়তন ও প্রশস্ততার বিচারে মেঘনার চেয়ে ছোট।
B) পদ্মা — এটি দেশের অন্যতম প্রধান ও প্রমত্তা নদী হলেও অববাহিকা ও প্রশস্ততার দিক থেকে মেঘনার চেয়ে ছোট।
সি) ব্রহ্মপুত্র — এটি আন্তর্জাতিক নদী এবং যমুনার উৎস হলেও বাংলাদেশে এর মূল ধারা যমুনা নামে পরিচিত।
ডি) মেঘনা — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রশ্নানুযায়ী এটিই বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী।
মনে রাখার টিপস:
দৈর্ঘ্যে যমুনা দীর্ঘতম, আর আকারে বা প্রস্থে মেঘনা বৃহত্তম নদী।
সঠিক উত্তর: B) অপ্রয়ােজনীয় এবং ক্ষতিকর ঔষধ প্রস্তুত বন্ধ করা
কেন সঠিক:
- জাতীয় ঔষধ নীতির মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ, কার্যকরী ও মানসম্মত ঔষধের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা।
- এর মাধ্যমে জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এবং অপ্রয়োজনীয় ঔষধ উৎপাদন ও বিপণন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঔষধ শিল্পে দেশীয় কাঁচামালের ব্যবহার নিশ্চিত করা — এটি ঔষধ নীতির একটি সহায়ক উদ্দেশ্য হলেও প্রধান লক্ষ্য জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও ক্ষতিকর ঔষধ রোধ করা।
B) অপ্রয়ােজনীয় এবং ক্ষতিকর ঔষধ প্রস্তুত বন্ধ করা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এর সর্বপ্রধান উদ্দেশ্য।
C) ঔষধ শিল্পে দেশীয় শিল্পপতিদের অগ্রাধিকার দেয়া — এটি বাণিজ্যের অংশ, তবে ঔষধ নীতির মূল ফোকাস চিকিৎসা ও জনস্বাস্থ্য রক্ষা।
D) বিদেশী শিল্পপতিদের দেশীয় কাঁচামাল ব্যবহারে বাধ্য করা — এটি ঔষধ নীতির প্রধান উদ্দেশ্য বা মূল লক্ষ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ঔষধ নীতির মূল কথাই হলো জনগণের জীবন রক্ষা, তাই ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় ঔষধ বন্ধ করাই এর প্রধান কাজ।
সঠিক উত্তর: C) একটি ক্রীড়া শিক্ষা সংস্থার নাম
কেন সঠিক:
- বিকেএসপি এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যা দেশের একমাত্র সরকারি ক্রীড়া শিক্ষা সংস্থা।
- এটি খেলাধুলার পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সংগঠক তৈরি করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি কিশাের ফুটবল টিমের নাম — বিকেএসপি কোনো নির্দিষ্ট ফুটবল টিম নয়, এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
B) একটি সংবাদ সংস্থার নাম — এটি কোনো সংবাদ বা তথ্য পরিবেশনকারী সংবাদ সংস্থা নয়, এর মূল কাজ খেলাধুলা ও শিক্ষা।
C) একটি ক্রীড়া শিক্ষা সংস্থার নাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রতিষ্ঠানটি খেলাধুলা ও শিক্ষা নিয়ে কাজ করে।
D) একটি ক্রীড়া ও সংগীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম — বিকেএসপিতে শুধু খেলাধুলা ও শিক্ষা প্রদান করা হয়, সংগীত শিক্ষা এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিকেএসপি শব্দের প্রথম অংশ বিকে অর্থ বাংলাদেশ, এস অর্থ স্পোর্টস এবং পি অর্থ প্রিপারেটরি বা প্রতিষ্ঠান, যা ক্রীড়া শিক্ষার কথা মনে করিয়ে দেয়।
সঠিক উত্তর: C) একটি ক্রীড়া প্রতিযােগিতার নাম
কেন সঠিক:
- মা ও মণি হলো বাংলাদেশে নারী ও মেয়েদের অংশগ্রহণে আয়োজিত একটি জনপ্রিয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
- খেলাধুলায় নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি উপন্যাসের নাম — এটি কোনো উপন্যাস বা সাহিত্যকর্ম নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) একটি গরিব মা ও মেয়ের গল্পকাহিনী — এটি কোনো কাল্পনিক গল্প বা নাটক নয়, তাই এই অপশনটি ভুল।
C) একটি ক্রীড়া প্রতিযােগিতার নাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নারী ক্রীড়ার উন্নয়নে আয়োজিত একটি প্রতিযোগিতা।
D) একটি প্রসাধন শিল্পের নাম — এটি কোনো প্রসাধন সামগ্রী বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নয়, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
মা ও মণি শুনলেই মনে রাখবে এটি রান্নাঘর বা গল্প নয়, এটি নারীদের একটি বিশেষ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
সঠিক উত্তর: C) বরিশাল
কেন সঠিক:
- প্রাচীনকালে বর্তমান বরিশাল অঞ্চলটি চন্দ্রদ্বীপ নামক একটি স্বাধীন রাজ্য বা জনপদ হিসেবে পরিচিত ছিল।
- ইতিহাস ও ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখণ্ড নিয়েই আধুনিক বরিশাল জেলা গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মালদ্বীপ — এটি ভারত মহাসাগরের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র, যার সঙ্গে প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপের কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই।
B) হাতিয়া — এটি নোয়াখালী জেলার একটি দ্বীপ উপজেলা, যা প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
D) সন্দ্বীপ — এটি চট্টগ্রাম অঞ্চলের একটি প্রাচীন দ্বীপ, যা চন্দ্রদ্বীপ জনপদের অংশ ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
চন্দ্রদ্বীপ নামটি মনে রাখতে মনে রাখুন বরিশাল অঞ্চলে চন্দ্র বা চাঁদ বেশি দেখা যায় বলে এর প্রাচীন নাম চন্দ্রদ্বীপ।
সঠিক উত্তর: A) ভিয়েনা
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা বা আইএইএ হলো পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করার প্রধান বৈশ্বিক সংস্থা।
- এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিয়েনা — এটি আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সদর দপ্তর এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) বন — এটি জার্মানির একটি শহর এবং অতীতে পশ্চিম জার্মানির রাজধানী ছিল, তবে এখানে এই সংস্থার সদর দপ্তর নেই।
C) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর হলেও এটি আইএইএ-এর সদর দপ্তর নয়।
D) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং এখানে খাদ্য ও কৃষি সংস্থা বা এফএও-এর সদর দপ্তর অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
আণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের জন্য ভিয়েনায় যান।
সঠিক উত্তর: A) ডায়েট
কেন সঠিক:
- জাপানের আইনসভার আনুষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক নাম হলো ডায়েট।
- ১৮৮৯ সালের মেইজি সংবিধানের অধীনে এই আইনসভা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডায়েট - এটি জাপানের পার্লামেন্ট হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) পিনসাস - এটি কোনো দেশের পার্লামেন্ট নয়, বরং এটি একটি ভুল বা কাল্পনিক শব্দ।
C) নেসেট - এটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইসরায়েলের আইনসভার নাম।
D) সােরা - এটি দক্ষিণ এশিয়ার দেশ মালদ্বীপের পার্লামেন্টের নাম।
মনে রাখার টিপস:
জাপানিরা খাবার হিসেবে ডায়েট বা পরিমিত খাবার পছন্দ করে, এভাবে জাপান ও ডায়েট বিষয়টি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) বেরিং
কেন সঠিক:
- বেরিং প্রণালী এশিয়ার রাশিয়া এবং আমেরিকার আলাস্কাকে পরস্পর থেকে পৃথক করেছে।
- এই প্রণালীটি প্রশান্ত মহাসাগর ও উত্তর মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্লোরিডা — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কিউবাকে পৃথক করেছে।
B) পক — এটি ভারত এবং শ্রীলঙ্কাকে পৃথক করেছে।
C) জিব্রাল্টার — এটি ইউরোপ এবং আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
D) বেরিং — এটি এশিয়া ও আমেরিকাকে পৃথককারী সঠিক প্রণালী।
মনে রাখার টিপস:
আমেরিকা ও এশিয়ার মাঝখানে বেরিং প্রণালী বরফের মতো শীতল দূরত্ব তৈরি করেছে।
সঠিক উত্তর: A) ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি।
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের মধুপুর ও ভাওয়ালগড়ের লাল মাটিযুক্ত অঞ্চলের প্রধান উদ্ভিদ হলো শালবৃক্ষ, যা স্থানীয়ভাবে গজারি নামেও পরিচিত।
- এই বনভূমিটি দেশের কেন্দ্রীয় অঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি পর্ণমোচী বা ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পর্ণমোচী মিশ্র প্রকৃতির বনভূমির অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি — এটি শালবৃক্ষের প্রধান আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত এবং এই এলাকার মাটি লাল প্রকৃতির।
B) পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি — এটি পাহাড়ি অঞ্চলের চিরহরিৎ বনভূমি, যেখানে শালবৃক্ষ নয় বরং গর্জন, সেগুন এবং বাঁশ জন্মায়।
C) সিলেটের বনভূমি — এটি মূলত পাহাড়ি ও হিজল বনভূমি এবং চা বাগানের জন্য বিখ্যাত, যেখানে শালবৃক্ষ প্রধান উদ্ভিদ নয়।
D) খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমি — এটি মূলত সুন্দরবন বা উপকূলীয় জোয়ারভাটার লবণাক্ত বনভূমি, যেখানে সুন্দরী ও গেওয়া গাছ জন্মায়।
মনে রাখার টিপস:
শাল বা গজারি গাছ মনে রাখতে "মধুপুর ও ভাওয়ালের লাল মাটি" কথাটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) পূর্ব জার্মানি ও পােল্যান্ডের মধ্যে সীমা নির্ধারক ওয়াচ
কেন সঠিক:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৫০ সালে পূর্ব জার্মানি ও পােল্যান্ডের মধ্যে ওডার ও নাইসা নদীর ওপর এই আন্তর্জাতিক সীমান্ত নির্ধারিত হয়।
- ভূগোলে ওডারনীস নদী গঠিত সীমান্ত পূর্ব ইউরোপের রাজনীতি ও ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ভৌগোলিক রেখা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পূর্ব জার্মানি ও পােল্যান্ডের মধ্যে সীমা নির্ধারক ওয়াচ — এটি ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিকভাবে সঠিক এবং ওডারনীস নদীর প্রকৃত অবস্থান ও সীমানাকে নির্দেশ করে।
B) পশ্চিম জার্মানি ও চেকোস্লোভাকিয়ার মধ্যে সীমা নির্ধারক — পশ্চিম জার্মানি ও চেকোস্লোভাকিয়ার সীমানার সঙ্গে ওডারনীস নদীর কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই।
C) পশ্চিম জার্মানি ও পােল্যান্ডের মধ্যে সীমা নির্ধারক — ওডারনীস নদী পশ্চিম জার্মানি নয়, বরং পূর্ব জার্মানির সঙ্গে পােল্যান্ডের সীমান্ত নির্ধারণ করে।
D) সংযুক্ত জার্মান ও ফ্রান্সের মধ্যে সীমা নির্ধারক — জার্মানি ও ফ্রান্সের মধ্যে প্রাকৃতিক সীমান্ত হিসেবে রাইন নদী পরিচিত, ওডারনীস নদী নয়।
মনে রাখার টিপস:
ওডার নদী দিয়ে পূর্ব জার্মানি ও পােল্যান্ডের সীমান্ত মনে রাখতে "ওপূর্ব" বা "ওডার-পোল্যান্ড" শব্দযুগল মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) ২৪ অক্টোবর
কেন সঠিক:
- ১৯৪৫ সালের এই দিনে জাতিসংঘের সনদ কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সংস্থাটি যাত্রা শুরু করে।
- পরবর্তীতে বিশ্বব্যাপী শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিতে ১৯৪৮ সাল থেকে দিনটি জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৪ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
B) ২৪ আগস্ট — এই তারিখে কোনো আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ দিবস পালিত হয় না এবং এটি একটি সাধারণ দিন।
C) ২৪ ডিসেম্বর — এই তারিখে ক্রিসমাসের পূর্বসন্ধ্যা পালিত হয়, যা জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ২৪ নভেম্বর — এই তারিখে ঐতিহাসিক কোনো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জাতিসংঘ দিবস নেই।
মনে রাখার টিপস:
১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ গঠিত হয়, সংখ্যাটি মনে রাখতে ২৪ এবং অক্টোবরের ১০ মাস মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) একটি বাণিজ্যিক গোষ্ঠী
কেন সঠিক:
- আফটা (AFTA) হলো আসিয়ান ফ্রি ট্রেড এরিয়া, যা দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ানের একটি বাণিজ্যিক চুক্তি ও মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল।
- এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পারস্পরিক শুল্ক কমিয়ে বা শূন্যে নামিয়ে এনে বাণিজ্যিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি বাণিজ্যিক গোষ্ঠী — এটি সঠিক কারণ আফটা হলো আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর একটি বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল।
B) পূর্ব আফ্রিকান একটি সংবাদ সংস্থা — এটি ভুল কারণ আফটা কোনো সংবাদ সংস্থা নয়, এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাণিজ্য বিষয়ক উদ্যোগ।
C) একটি বিমান সংস্থা — এটি ভুল কারণ আফটা কোনো এয়ারলাইন্স বা বিমান পরিবহন সংস্থা নয়।
D) একটি সামরিক চুক্তি — এটি ভুল কারণ এটি কোনো সামরিক বা প্রতিরক্ষা চুক্তি নয়, এটি পুরোপুরি বাণিজ্য সংক্রান্ত।
মনে রাখার টিপস:
আফটা (AFTA) শব্দের শুরুর টি (T) অক্ষরটি ট্রেড বা বাণিজ্য শব্দটিকে নির্দেশ করে, যা দেখে এটি একটি বাণিজ্যিক গোষ্ঠী তা সহজে মনে রাখা যায়।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) ৫ জুন
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের স্টকহোম সম্মেলনে এই দিনটিকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- ১৯৭৩ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সুরক্ষার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ৫ জুন আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস পালন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ জুলাই — এই তারিখে আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবসের কোনো ঐতিহাসিক বা পরিবেশগত আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নেই।
B) ৯ মার্চ — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো নির্ধারিত আন্তর্জাতিক তারিখ নয়।
C) ৫ জুন — এটি নির্ধারিত সঠিক উত্তর হওয়ায় পরিবেশ দিবস হিসেবে পালিত হয়।
D) ২১ মে — এই তারিখে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক চা দিবস বা বৈচিত্র্য দিবস পালিত হয়, পরিবেশ দিবস নয়।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হতে হলে আমরা ৫ জনে মিলে হাত মেলাই, তাই ৫ জুন পরিবেশ দিবস।
সঠিক উত্তর: B) উইন্ডহুক
কেন সঠিক:
- উইন্ডহুক হলো আফ্রিকার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দেশ নামিবিয়ার রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর।
- এটি দেশটির রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কারাভু — এটি নামিবিয়ার রাজধানী নয়, এটি একটি কাল্পনিক বা অপ্রাসঙ্গিক নাম।
B) উইন্ডহুক — এটি নামিবিয়ার সঠিক রাজধানী।
C) প্রিটোরিয়া — এটি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রশাসনিক রাজধানী, নামিবিয়ার নয়।
D) কোটাভি — এটি নামিবিয়ার রাজধানী নয়, এটি একটি ভুল বা বিভ্রান্তিকর অপশন।
মনে রাখার টিপস:
নামিবিয়ার রাজধানী মনে রাখতে মনে রাখুন, মরুভূমির দেশে বাতাস বা উইন্ড বেশি থাকে, আর উইন্ড থেকে উইন্ডহুক।
সঠিক উত্তর: B) বিনা সুদে
কেন সঠিক:
- ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক বা আইডিবি ইসলামী শরিয়াহ আইন অনুযায়ী পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- শরিয়াহ নীতিতে সুদভিত্তিক লেনদেন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হওয়ায় এই ব্যাংক সদস্য দেশগুলোকে বিনা সুদে ঋণ প্রদান করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বাভাবিক সুদে — ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক শরিয়াহ নীতি মেনে চলে বিধায় কোনো ধরনের স্বাভাবিক বা প্রচলিত সুদে ঋণ প্রদান করে না।
B) বিনা সুদে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ব্যাংকটি ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক বিনা সুদে বা অনুদান ও সার্ভিস চার্জের বিনিময়ে ঋণ দিয়ে থাকে।
C) অল্প সুদে — ইসলামী অর্থব্যবস্থায় সুদের পরিমাণ কম বা বেশি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই, এখানে সুদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
D) অতি সামান্য সুদে — ব্যাংকটি সুদের পরিবর্তে কেবল ঋণ পরিচালনার আনুষঙ্গিক খরচ বা সার্ভিস চার্জ গ্রহণ করে, যা কোনো সুদ নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক নামটি মনে রাখলেই বোঝা যায় এটি ইসলামি শরিয়াহ অনুসরণ করে, তাই এর ঋণে কোনো সুদ থাকে না।
সঠিক উত্তর: A) সলসবেরী
কেন সঠিক:
- হারারে জিম্বাবুয়ের বর্তমান রাজধানী এবং এর পূর্ব নাম ছিল সলসবেরী।
- ১৯৮২ সালে দেশটির স্বাধীনতার দুই বছর পর সলসবেরী শহরের নাম পরিবর্তন করে হারারে রাখা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সলসবেরী — এটি জিম্বাবুয়ের বর্তমান রাজধানী হারারের ঐতিহাসিক ও পূর্ব নাম।
B) ফরমোজা — এটি বর্তমান তাইওয়ান দ্বীপের ঐতিহাসিক বা প্রাচীন নাম।
পেট্রোগ্রাড — এটি রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরের একটি ঐতিহাসিক নাম।
D) রোডেসিয়া — এটি পুরো জিম্বাবুয়ে দেশের প্রাচীন বা ঔপনিবেশিক নাম, নির্দিষ্ট শহরের নয়।
মনে রাখার টিপস:
হারারে হলো বর্তমান জিম্বাবুয়ের রাজধানী আর এর পুরোনো নাম সলসবেরী।
সঠিক উত্তর: B) জেরুজালেম
কেন সঠিক:
- জেরুজালেম শহরটি ইসলাম, খ্রিস্টান ও ইহুদি এই তিনটি প্রধান একেশ্বরবাদী ধর্মের কাছে অত্যন্ত পবিত্র হিসেবে স্বীকৃত।
- ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় গুরুত্বের কারণে প্রাচীনকাল থেকেই বিশ্বজুড়ে এই অঞ্চলটি পবিত্রভূমি বা হোলি ল্যান্ড নামে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যালেস্টাইন — এটি একটি ঐতিহাসিক অঞ্চল হলেও এটিকে সামগ্রিকভাবে পবিত্রভূমি বলা হয় না।
B) জেরুজালেম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে একে পবিত্রভূমি বলা হয়।
C) জেদ্দা — এটি সৌদি আরবের একটি বন্দর নগরী এবং মক্কার প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত হলেও পবিত্রভূমি বলা হয় না।
D) তাইফ — এটি সৌদি আরবের একটি ঐতিহাসিক ও পাহাড়ি শহর হলেও একে পবিত্রভূমি হিসেবে অভিহিত করা হয় না।
মনে রাখার টিপস:
তিন ধর্মের পবিত্র স্থান জেরুজালেম, তাই এটিই পবিত্রভূমি।
সঠিক উত্তর: D) রূপাইয়া
কেন সঠিক:
- মালদ্বীপের সরকারি ও প্রচলিত মুদ্রার নাম হলো মালদিভিয়ান রূপাইয়া।
- এর সংক্ষিপ্ত রূপ বা কোড হলো এমভিআর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রূপি — এটি ভারত, পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম, মালদ্বীপের নয়।
B) ডলার — এটি যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কিছু দেশের মুদ্রার নাম, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) পাউন্ড — এটি যুক্তরাজ্যসহ কিছু দেশের মুদ্রার নাম, মালদ্বীপের মুদ্রা নয়।
D) রূপাইয়া — এটি মালদ্বীপের সঠিক ও প্রচলিত মুদ্রার নাম।
মনে রাখার টিপস:
মালদ্বীপের নামের শেষের অক্ষরের সাথে মুদ্রার নামের মিল আছে, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে মালদ্বীপের মুদ্রা হলো রূপাইয়া।
সঠিক উত্তর: A) বার্সেলোনা
কেন সঠিক:
- ১৯৯২ সালের ২৫শে জুলাই থেকে ৯ই আগস্ট পর্যন্ত গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের ২৫তম আসর স্পেনের বার্সেলোনা শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এই অলিম্পিকে স্বাগতিক দেশ হিসেবে স্পেন এবং সামগ্রিকভাবে সমসাময়িক ক্রীড়াজগত অত্যন্ত সফলভাবে প্রতিযোগিতা সম্পন্ন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বার্সেলোনা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ১৯৯২ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক এখানেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
B) জুরিখ — এটি সুইজারল্যান্ডের একটি প্রধান শহর হলেও ১৯৯২ সালের অলিম্পিক আয়োজন করেনি।
C) বার্লিন — জার্মানির এই শহরটি ১৯৩৬ সালের অলিম্পিক গেমসের আয়োজক ছিল, ১৯৯২ সালের নয়।
D) ব্রাসেলস — বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস ১৯২০ সালের অলিম্পিকের আয়োজক ছিল, ১৯৯২ সালের নয়।
মনে রাখার টিপস:
১৯৯২ সালের অলিম্পিক স্পেনের বার্সেলোনায় হয়েছিল, এটি মনে রাখতে স্পেনের বিখ্যাত শহর বার্সেলোনার সাথে সালটি যুক্ত করে মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) Paul Haris
কেন সঠিক:
- পল হ্যারিস ১৯০৫ সালে শিকাগো শহরে বিশ্বের প্রথম সার্ভিস ক্লাব হিসেবে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠা করেন।
- আন্তর্জাতিক এই সেবামূলক সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে মানবিক কাজ ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) W. Wilson — ইনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন, রোটারি সংস্থার সাথে সম্পর্কিত নন।
B) Paul Haris — ইনি আন্তর্জাতিক রোটারি সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা, তাই এটি সঠিক উত্তর।
C) Baden Powel — ইনি স্কাউট আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা, রোটারি সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা নন।
D) H. Wilson — ইনি ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ ছিলেন, এই সংস্থার সাথে যুক্ত নন।
মনে রাখার টিপস:
রোটারি সংস্থার প্রতিষ্ঠাতার নামের সাথে সেবামূলক কাজের মিল রাখতে মনে রাখতে পারেন পল হ্যারিস মানেই রোটারির হিরো।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) ইয়েমেন
কেন সঠিক:
- এডেন বন্দরটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইয়েমেনের দক্ষিণ উপকূলে এডেন উপসাগরের তীরে অবস্থিত।
- এটি লোহিত সাগর ও ভারত মহাসাগরকে সংযুক্তকারী কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক সামুদ্রিক বন্দর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইয়েমেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এডেন বন্দরটি ইয়েমেনের একটি প্রধান সামুদ্রিক বন্দর।
B) কাতার — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ এবং এর প্রধান বন্দর দোাহা, তাই এটি সঠিক নয়।
C) ওমান — ওমানের প্রধান সমুদ্রবন্দর হলো মাস্কাট বা সালালা, এডেন ওমানের বন্দর নয়।
D) ইরাক — ইরাকের প্রধান সমুদ্রবন্দর হলো বসরা বা উম্ম কাসর, এডেন ইরাকে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
এডেন বন্দরটি ইয়েমেনের উপকূলে অবস্থিত, যা লোহিত সাগরের প্রবেশদ্বারে নৌ-বাণিজ্যের জন্য বিখ্যাত।
সঠিক উত্তর: B) বালি
কেন সঠিক:
- কাচ উৎপাদনের প্রধান ও মৌলিক কাঁচামাল হলো সিলিকা বা বিশুদ্ধ কোয়ার্টজ বালি।
- নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বালি গলিয়ে সোডা অ্যাশ ও চুনাপাথর মিশিয়ে কাচ প্রস্তুত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জিপসাম — এটি প্রধানত সিমেন্ট শিল্পে এবং প্লাস্টার অব প্যারিস তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, কাচ তৈরিতে নয়।
B) বালি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় কাচ তৈরিতে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) সাজি মাটি — এটি এক প্রকার ক্ষারীয় মাটি যা পূর্বে সাবান ও কাচ শিল্পে ব্যবহৃত হলেও বালির মতো প্রধান উপাদান নয়।
D) চুনাপাথর — এটি কাচ তৈরির একটি অন্যতম সহায়ক উপাদান বা ফ্লাক এজেন্ট, তবে প্রধান কাঁচামাল বালি।
মনে রাখার টিপস:
কাচ তৈরির মূল উপাদান বালি, তাই মনে রাখুন বালি দিয়েই কাচের তৈরি শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: D) মওলানা আকরম খাঁ
কেন সঠিক:
- মওলানা আকরম খাঁ ১৯৩৬ সালে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবন ও কর্মের ওপর এই বিখ্যাত গ্রন্থটি রচনা করেন।
- এটি বাংলা ভাষায় ইসলামী সাহিত্যচর্চায় একটি মাইলফলক গ্রন্থ হিসেবে সমাদৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুহম্মদ আবদুল হাই — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও সাহিত্য গবেষক ছিলেন, ইসলাম ধর্মের ইতিহাসভিত্তিক এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন।
B) মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ — তিনি 'খন্দক যুদ্ধ' ও 'হযরত মোহাম্মদের অর্থনৈতিক জীবন'সহ বিভিন্ন ইসলামী ইতিহাস রচনা করলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
C) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ — তিনি বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী ও বহুভাষাবিদ ছিলেন, যিনি মূলত বাংলা ভাষা ও প্রাচীন সাহিত্য নিয়ে গবেষণা করেছেন।
D) মওলানা আকরম খাঁ — এই অপশনটি সঠিক, কারণ তিনি নিজেই প্রখ্যাত ঐতিহাসিক ও গবেষণামূলক গ্রন্থ 'মােস্তফা চরিত' রচনা করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
মওলানা আকরম খাঁ-এর নামের প্রথম অক্ষর ম এবং 'মােস্তফা চরিত' গ্রন্থের শুরুতেও ম আছে, যা দিয়ে সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) আবুল মনসুর আহমদ
কেন সঠিক:
- এটি একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক ও রাজনৈতিক ইতিহাস গ্রন্থ যার রচয়িতা প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও সাহিত্যিক আবুল মনসুর আহমদ।
- এই গ্রন্থে ব্রিটিশ ভারত ও পাকিস্তান আমলের বাঙালি মুসলমানদের রাজনীতির অজানা ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুহম্মদ আবদুল হাই — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও সাহিত্য গবেষক ছিলেন, রাজনীতিভিত্তিক এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
B) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ — তিনি দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ভাষাবিজ্ঞানী ও পন্ডিত ছিলেন, তবে এই রাজনৈতিক গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়।
C) আবুল মনসুর আহমদ — তিনি এই গ্রন্থের লেখক এবং তিনি একাধারে একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক ছিলেন।
D) আতাউর রহমান — তিনি একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির রচয়িতা নন।
মনে রাখার টিপস:
রাজনীতি ও পঞ্চাশ বছরের ইতিহাস মানেই সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ আবুল মনসুর আহমদের বিখ্যাত সৃষ্টি।
সঠিক উত্তর: B) ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক পরিমাপ পদ্ধতি অনুযায়ী ১ মিটার হলো ১০০ সেন্টিমিটার।
- ১ ইঞ্চি সমান ২ দশমিক ৫৪ সেন্টিমিটার হওয়ায় ১০০ সেন্টিমিটারকে ২ দশমিক ৫৪ দিয়ে ভাগ করলে প্রায় ৩৯ দশমিক ৩৭ ইঞ্চি পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩৭.৩৯ ইঞ্চি — এটি সঠিক পরিমাপের চেয়ে কম এবং আন্তর্জাতিক একক রূপান্তরের নিয়মের সঙ্গে মেলে না।
B) ৩৯.৩৭ ইঞ্চি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১ মিটারকে ইঞ্চিতে রূপান্তর করলে এই মানটি পাওয়া যায়।
C) ৩৯.৪৭ ইঞ্চি — এটি ভুল মান এবং গণিতগতভাবে পরিমাপের সঠিক ফলাফলের চেয়ে বেশি।
D) ৩৮.৫৫ ইঞ্চি — এটি একটি ভুল সংখ্যা যা মিটার ও ইঞ্চির প্রকৃত অনুপাতের সঙ্গে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
মিটার থেকে ইঞ্চিতে রূপান্তর করার সময় মনে রাখবে ৩৯ এর পর দশমিক দিয়ে ৩৭ আসে।
সঠিক উত্তর: D) মিথেন গ্যাস
কেন সঠিক:
- ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল হলো প্রাকৃতিক গ্যাস বা মিথেন গ্যাস (CH_4), যা থেকে প্রয়োজনীয় হাইড্রোজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড সংগ্রহ করা হয়।
- প্রথমে মিথেন গ্যাসের সাথে জলীয় বাষ্প বিক্রিয়া করিয়ে হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপাদন করা হয় এবং পরবর্তীতে নাইট্রোজেনের সাথে যুক্ত করে অ্যামোনিয়া ও ইউরিয়া তৈরি করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপরিশোধিত তেল — এটি পেট্রোলিয়াম ও ডিজেলের কাঁচামাল হলেও ইউরিয়া সার উৎপাদনের জন্য সরাসরি ব্যবহৃত হয় না।
B) ক্রিংকার — এটি সিমেন্ট উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল, তাই এটি ইউরিয়া সারের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) অ্যামোনিয়া — অ্যামোনিয়া হলো ইউরিয়া তৈরির মধ্যবর্তী বা পরবর্তী উৎপাদ, কিন্তু সরাসরি মূল কাঁচামাল হলো মিথেন গ্যাস।
D) মিথেন গ্যাস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
ইউরিয়া সার তৈরির মূল উপাদান গ্যাস, যার প্রধান উৎস হলো মিথেন গ্যাস।
সঠিক উত্তর: B) ১০ নিউটন
কেন সঠিক:
- স্বাভাবিক অবস্থায় সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুমণ্ডলের আদর্শ চাপ প্রায় ১০১৩০৫ পাস্কাল বা প্রতি বর্গসেন্টিমিটারে প্রায় ১০ নিউটন বল প্রয়োগ করে।
- বায়ুমণ্ডলের এই চাপটি প্রতি বর্গসেন্টিমিটার ক্ষেত্রফলের ওপর প্রায় এক কিলোগ্রাম ভরের ওজনের সমান বল হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ কি. মি. — এটি বায়ুমণ্ডলের একটি নির্দিষ্ট উচ্চতা নির্দেশ করে, কোনো চাপের একক বা পরিমাণ নয়।
B) ১০ নিউটন — এটি সমুদ্রপৃষ্ঠে প্রতি বর্গসেন্টিমিটারে বায়ুর চাপের সঠিক পরিমাপ।
C) ২৭ কি. মি. — এটি কোনো চাপের মান নয়, বরং বায়ুমণ্ডলের স্তরবিন্যাস বা অন্য কোনো ভৌগোলিক দূরত্ব হতে পারে।
D) ৫ কি. মি. — এটি বায়ুমণ্ডলের ট্রপোস্ফিয়ারের গড় উচ্চতা বা অন্য কোনো দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, চাপের মান নয়।
মনে রাখার টিপস:
সমুদ্রপৃষ্ঠের চাপ মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন, প্রতি বর্গসেন্টিমিটারে বায়ুর চাপ প্রায় ১০ নিউটন।
সঠিক উত্তর: A) বাতাসের সাহায্যে পরাগ ঝরে পড়ে
কেন সঠিক:
- ধানের ফুলে কোনো গন্ধ, মধু বা আকর্ষণীয় রঙ থাকে না বলে কীটপতঙ্গ আকৃষ্ট হয় না।
- ধান গাছ অ্যানিমোফিলাস বা বায়ু পরাগায়িত উদ্ভিদ, তাই বাতাসের মাধ্যমে পরাগরেণু এক ফুল থেকে অন্য ফুলে ছড়ায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাতাসের সাহায্যে পরাগ ঝরে পড়ে — এটি সঠিক কারণ ধান উদ্ভিদে বায়ু পরাগযোগ বা অ্যানিমোফিলির মাধ্যমে নিষেক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
B) অধিক পরিমাণে CO, নির্গত হয়ে — এটি উদ্ভিদের শ্বাসপ্রশ্বাস প্রক্রিয়ার অংশ, এর সাথে পরাগ সংযোগের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।
C) কীটপতঙ্গের সাহায্যে — এটি এন্টোমোফিলি পরাগযোগ, যা ধান গাছের মতো বায়-পরাগায়িত উদ্ভিদের ক্ষেত্রে ঘটে না।
D) ফুলে ফুলে সংস্পর্শে — ধান ফুল মুক্তভাবে বাতাসে ঝুলে থাকে, তাই সরাসরি সংস্পর্শে পরাগ সংযোগ ঘটে না।
মনে রাখার টিপস:
ধান গাছ যেহেতু ঘাস পরিবারের অন্তর্গত, তাই এদের পরাগায়ন সবসময় বাতাসের মাধ্যমেই ঘটে।
সঠিক উত্তর: B) সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণে কার্বন রয়েছে
কেন সঠিক:
- ইস্পাত হলো লোহা এবং কার্বনের একটি সংকর ধাতু, যেখানে লোহার সাথে নির্দিষ্ট অনুপাতে কার্বন মেশানো হয়।
- সাধারণ কাঁচা লোহার তুলনায় ইস্পাতে কার্বনের পরিমাণ সুনির্দিষ্ট ও কম থাকে, যা লোহাকে অধিক শক্ত ও নমনীয় করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাهাকে টেম্পারিং করা হয়েছে — টেম্পারিং হলো তাপপ্রয়োগের একটি প্রক্রিয়া, যা ইস্পাত তৈরির পরের ধাপ, তবে মৌলিক পার্থক্য নির্ধারণ করে কার্বনের উপস্থিতি।
B) সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণে কার্বন রয়েছে — এটি সঠিক কারণ কার্বনের পরিমাণের ওপরই লোহার ইস্পাতে রূপান্তর নির্ভর করে।
C) সব বিজাতীয় পদার্থ বের করা হয়েছে — শতভাগ বিজাতীয় পদার্থ বা মল সম্পূর্ণ দূর করা সম্ভব হয় না, কিছু শুষ্ক উপাদান থাকে।
D) বিশেষ ধরনের আকরিক ব্যবহার করা হয়েছে — ইস্পাত তৈরির জন্য বিশেষ কোনো আকরিক নয়, বরং সাধারণ লোহা আকরিক থেকেই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়।
মনে রাখার টিপস:
লোহাকে ইস্পাত বানাতে হলে কার্বনের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতেই হবে।
সঠিক উত্তর: B) মিথেন
কেন সঠিক:
- প্রাকৃতিক গ্যাসে হাইড্রোকার্বনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে এবং এর প্রধান উপাদান হলো মিথেন, যার রাসায়নিক সংকেত সিএইচফোর।
- প্রাকৃতিক গ্যাসের মোট উপাদানের প্রায় শতকরা সত্তর থেকে নব্বই ভাগই মিথেন গ্যাস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রোজেন গ্যাস — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি গৌণ উপাদান হতে পারে, তবে প্রধান উপাদান নয়।
B) মিথেন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান মূল উপাদান।
C) হাইড্রোজেন গ্যাস — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান নয়, এটি সাধারণত পেট্রোলিয়াম শোধনাগারে পাওয়া যায়।
D) কার্বন মনােক্সাইড — এটি একটি বিষাক্ত গ্যাস এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হিসেবে থাকে না।
মনে রাখার টিপস:
প্রাকৃতিক গ্যাস বললেই মিথেন মাথায় রাখবে, কারণ এটি এই গ্যাসের সবচেয়ে প্রধান উপাদান।
সঠিক উত্তর: A) পরমাণু
কেন সঠিক:
- পরমাণু হলো মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা স্বাধীনভাবে থাকতে পারে না কিন্তু রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।
- পরমাণুর ভেতরে ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন থাকে, তবে রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় মৌলিক কণা হিসেবে পরমাণুই অংশ নেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরমাণু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
B) ইলেকট্রন — এটি পরমাণুর একটি স্থায়ী ঋণাত্মক আধানযুক্ত কণা, যা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সরাসরি স্বাধীন কণা হিসেবে অংশ নেয় না।
C) অণু — এটি দুই বা ততোধিক পরমাণুর সমন্বয়ে গঠিত পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা স্বাধীনভাবে থাকতে পারে।
D) প্রােটন — এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে অবস্থিত ধনাত্মক আধানযুক্ত কণা, যা একা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ নেয় না।
মনে রাখার টিপস:
পরমাণু হলো বিক্রিয়ক বা রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী ক্ষুদ্রতম একক।
প্রশ্নের বিষয় ও ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: A) বায়ুপ্রবাহের প্রভাব
কেন সঠিক:
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির ওপর ঘর্ষণ বল প্রয়োগ করে নির্দিষ্ট দিকে স্রোত সৃষ্টি করে।
- সমুদ্রস্রোতের উৎপত্তি ও গতিপ্রকৃতির পেছনে বায়ুপ্রবাহ বা প্লবতা অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বায়ুপ্রবাহের প্রভাব — এটি সঠিক উত্তর কারণ বায়ুর গতিই প্রধানত সমুদ্রপৃষ্ঠের পানিকে স্রোত হিসেবে চালিত করে।
B) সমুদ্রের পানিতে তাপের পরিচালনা — তাপের তারতম্যে পরিচলন স্রোত সৃষ্টি হলেও এটি সমুদ্রস্রোতের প্রধান ও প্রত্যক্ষ কারণ নয়।
C) সমুদ্রের পানিতে ঘনত্বের তারতম্য — ঘনত্বের তারতম্য গভীর সমুদ্রের খাড়া স্রোতের জন্য দায়ী হলেও সার্বিক স্রোতের মুখ্য কারণ নয়।
D) সমুদ্রের ঘূর্ণিঝড় — ঘূর্ণিঝড় সাময়িক ও স্থানীয় জলোচ্ছ্বাস তৈরি করে, যা স্থায়ী সমুদ্রস্রোতের প্রধান কারণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
বায়ু যেমন বাতাস বইয়ে দেয়, তেমনি সমুদ্রের পানিকেও স্রোত হিসেবে সামনে এগিয়ে নেয়।
সঠিক উত্তর: A) শক্তি
কেন সঠিক:
- বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের সংজ্ঞানুযায়ী কোনো বস্তুর কাজ করার সামর্থ্য বা সামর্থ্য অর্জন করার মাধ্যম হলো শক্তি।
- শক্তি হলো কাজের রূপান্তরযোগ্য একটি পরিমাপযোগ্য অবস্থা যার একক হলো জুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শক্তি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
B) ক্ষমতা — একক সময়ে কাজ করার হারকে ক্ষমতা বলে, সামর্থ্যকে নয়।
C) কাজ — বল প্রয়োগে কোনো বস্তুর সরণ ঘটা হলো কাজ, এটি কাজের ফল বা প্রক্রিয়া।
D) বল — যা স্থির বস্তুকে গতিশীল করে বা গতিশীল বস্তুর গতির পরিবর্তন করে তা হলো বল।
মনে রাখার টিপস:
কাজ করার সামর্থ্য হলো শক্তি আর কাজ করার হার হলো ক্ষমতা।
সঠিক উত্তর: D) প্রিজমের কাজ করে
কেন সঠিক:
- বৃষ্টির কণাগুলো প্রিজমের মতো আলো প্রতিসরণ, অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ও বিচ্ছুরণ ঘটিয়ে সাদা আলোকে সাতটি রঙে বিভক্ত করে।
- প্রিজমের ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় আলোর যে বর্ণালি তৈরি হয়, আকাশের রঙধনু ঠিক একই প্রাকৃতিক নীতিতে সৃষ্টি হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লেন্সের কাজ করে — লেন্স আলো প্রতিসরণ করে ফোকাস করলেও রঙের বিচ্ছুরণ ঘটিয়ে সাতটি রঙে বিভক্ত করার মূল প্রিজমীয় কাজটি করে না।
B) আতসী কাচের কাজ করে — আতসী কাচ বা উত্তল লেন্স মূলত সূর্যের আলোকে একটি বিন্দুতে একত্রিত করে, রঙধনু তৈরির জন্য বর্ণালিতে বিভক্ত করে না।
C) দর্পণের কাজ করে — দর্পণ আলো প্রতিসরণ না করে শুধু আলো প্রতিফলিত করে, যা রঙধনু সৃষ্টির প্রধান শর্ত আলোর প্রতিসরণ ও বিচ্ছুরণের বিপরীত।
D) প্রিজমের কাজ করে — এটি সঠিক কারণ পানির কণা প্রিজমের মতো কাজ করেই আলোর বিচ্ছুরণ ঘটিয়ে রঙধনু তৈরি করে।
মনে রাখার টিপস:
রঙধনুর বর্ণালির সৃষ্টি মানেই বিজ্ঞানের প্রিজম নীতি, কারণ কণাগুলো এখানে প্রিজমের ভূমিকা পালন করে।
সঠিক উত্তর: A) ৮
কেন সঠিক:
- ইউনেস্কো ১৯৬৬ সালে ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
- ১৯৬৭ সাল থেকে সারা বিশ্বে এই দিনটি সাক্ষরতা প্রসারের লক্ষ্যে পালিত হয়ে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮ — এই দিনে বিশ্ব সাক্ষরতা দিবস পালিত হয় এবং এটি সঠিক উত্তর।
B) ৬ — এই তারিখে বিশ্ব সাক্ষরতা দিবস পালিত হয় না, এটি একটি ভুল সংখ্যা।
C) ১০ — এই তারিখে বিশ্ব সাক্ষরতা দিবস পালিত হয় না এবং এর সাথে এই দিবসের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) ৫ — এই তারিখে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়, যা সাক্ষরতা দিবসের সাথে মিলে যায় না।
মনে রাখার টিপস:
সাক্ষরতা অর্জনের জন্য বই পড়তে হয় এবং বই পড়ার জন্য আট সংখ্যাটিকে ইংরেজি আট অক্ষরের বই হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) ২৩ জোড়া
কেন সঠিক:
- সুস্থ মানুষের কোষে মোট ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে যা জোড়ায় জোড়ায় ২৩টি হয়।
- এর মধ্যে ২২ জোড়া অটোসোম এবং ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৪ জোড়া — এটি ভুল কারণ মানুষের কোষে ২৪ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে না, এটি বানর বা অন্য কিছু প্রাণীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে।
B) ২৬ জোড়া — এটি ভুল কারণ মানুষের শারীরিক গঠনে ২৬ জোড়া ক্রোমোজোমের কোনো অস্তিত্ব নেই।
C) ২৩ জোড়া — এটি সঠিক উত্তর, কারণ মানুষের স্বাভাবিক ক্রোমােজোম সংখ্যা ২৩ জোড়া বা মোট ৪৬টি।
D) ২৫ জোড়া — এটি ভুল কারণ এই সংখ্যাটি মানুষের ক্রোমােজোম সংখ্যার সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
মানুষের জোড়ায় ২৩ আর মোট ৪৬, অর্থাৎ ২৩ কে দুই দিয়ে গুণ করলে মোট সংখ্যা পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: A) ওয়েভ গাইডের মধ্য দিয়ে
কেন সঠিক:
- মাইক্রোওয়েভ অত্যন্ত উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির তরঙ্গ হওয়ায় এটি মুক্ত বাতাসে দীর্ঘ পথ সরাসরি অতিক্রম করতে পারে না।
- তাই টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় মাইক্রোওয়েভ সংকেত পরিবহনের জন্য ওয়েভ গাইড নামক বিশেষ ধরনের ফাঁপা নল ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওয়েভ গাইডের মধ্য দিয়ে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি মাইক্রোওয়েভ পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত নির্ধারিত মাধ্যম।
B) খােলামেলা জায়গার মধ্য দিয়ে সরলরেখায় — এই অপশনটি ভুল কারণ খোলামেলা স্থানে মাইক্রোওয়েভ বাধাগ্রস্ত হয় এবং দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে না।
C) বিশেষ ধরনের ক্যাবলের মধ্য দিয়ে — এই অপশনটি ভুল কারণ মাইক্রোওয়েভ পরিবহনে প্রচলিত ক্যাবল ব্যবহৃত হয় না, এর জন্য ওয়েভ গাইড প্রয়োজন হয়।
D) ভূমি ও আয়নােস্ফিয়ারের মধ্যে প্রতিফলিত হয়ে — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি সাধারণত স্বল্প তরঙ্গ বা রেডিও তরঙ্গের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, মাইক্রোওয়েভের ক্ষেত্রে নয়।
মনে রাখার টিপস:
মাইক্রোওয়েভ টেলিযোগাযোগে সিগন্যাল পথ হারানোর ঝুঁকি এড়াতে সবসময় ওয়েভ গাইডের মধ্য দিয়ে পরিচালিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) স্টোরেজ ব্যাটারি
কেন সঠিক:
- সৌরকোষ বা সোলার প্যানেল দিনের বেলা সূর্যালোকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ স্টোরেজ ব্যাটারিতে জমা করে রাখে।
- রাতে সূর্য না থাকায় এই জমাকৃত বিদ্যুৎ ব্যবহার করে সহজেই আলো বা অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি চালানো সম্ভব হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ট্রান্সফরমার — এটি শুধুমাত্র এসি ভোল্টেজ কমানো বা বাড়ানোর কাজে ব্যবহৃত হয়, বিদ্যুৎ সঞ্চয় করতে পারে না।
B) জেনারেটর — এটি যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে, কিন্তু সৌরবিদ্যুৎ রাতে ব্যবহারের জন্য এটি কোনো সঞ্চয়ক বা ব্যাটারির বিকল্প নয়।
C) স্টোরেজ ব্যাটারি — এটি সৌরবিদ্যুৎ রাতে ব্যবহারের জন্য সঠিক উত্তর এবং এটি শক্তি জমা করে রাখতে পারে।
D) ক্যাপাসিটর — এটি খুব অল্প সময়ের জন্য আধান বা চার্জ ধরে রাখতে পারে, কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে পুরো রাতের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহের উপযুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিদ্যুৎ জমিয়ে রাখার প্রধান মাধ্যম হলো ব্যাটারি, তাই সৌরকোষের বিদ্যুৎ রাতে ব্যবহারের জন্য স্টোরেজ ব্যাটারি প্রয়োজন হয়।
সঠিক উত্তর: C) একই হয়
কেন সঠিক:
- বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ঘোরানোর জন্য রেগুলেটর ব্যবহার করা হয়, যা সার্কিটে রোধ বাড়িয়ে দেয় এবং বিদ্যুৎ প্রবাহ কমায়।
- কিন্তু রোধ বাড়ার কারণে বিদ্যুৎ প্রবাহ কমলেও ফ্যানের মোট শক্তি খরচ অপরিবর্তিত থাকে কারণ এর কার্যপদ্ধতি ভিন্ন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কম হয় — প্রচলিত ধারণা ভুল কারণ রোধের কারণে বিদ্যুৎ প্রবাহ কমলেও তা শক্তি খরচ কমায় না।
B) বেশি হয় — ফ্যান ধীরে চললে বিদ্যুৎ খরচ বাড়ে না, তাই এটি সঠিক নয়।
C) একই হয় — বৈদ্যুতিক পাখার গতি কমালেও সামগ্রিক বিদ্যুৎ খরচ একই থাকে।
D) খুব কম হয় — এটি ভুল কারণ রেগুলেটর ব্যবহার করলেও বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয় না।
মনে রাখার টিপস:
ফ্যানের গতি কমালেও বিদ্যুৎ বিল কমে না, কারণ রেগুলেটর শক্তি কমায় না বরং প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
সঠিক উত্তর: A) এর প্রোগ্রাম বা কর্ম পরিকল্পনার কৌশল
কেন সঠিক:
- সফটওয়্যার হলো কিছু প্রোগ্রাম বা নির্দেশনার সমষ্টি, যা কম্পিউটারকে নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করার কর্ম পরিকল্পনা বলে দেয়।
- এটি হার্ডওয়েকে সচল রাখতে এবং ব্যবহারকারীকে নির্দিষ্ট কাজ করতে সহায়তা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এর প্রোগ্রাম বা কর্ম পরিকল্পনার কৌশল — এটি সঠিক উত্তর কারণ সফটওয়্যার মূলত কম্পিউটার পরিচালনার প্রোগ্রাম বা নির্দেশনার সমষ্টি।
B) যে সব অংশ মুদ্রায়িত অবস্থায় থাকে — এটি ভুল, কারণ মুদ্রায়িত বা স্পর্শ করা যায় এমন শারীরিক অংশগুলোকে হার্ডওয়্যার বলে।
C) তথ্য দেয়া ও তথ্য নেয়ার অংশ বিশেষ — এটি ভুল, কারণ তথ্য আদান-প্রদান প্রধানত ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
D) কম্পিউটারে তৈরির নকশা — এটি ভুল, কারণ এটি হার্ডওয়্যারের শারীরিক গঠন বা ব্লু-প্রিন্ট বোঝায়, সফটওয়্যার নয়।
মনে রাখার টিপস:
হার্ডওয়্যার হলো কম্পিউটারের শরীর আর সফটওয়্যার হলো তার প্রাণ বা বুদ্ধিমত্তা তথা প্রোগ্রাম।
সঠিক উত্তর: C) ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী দেশের মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ প্রায় ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর।
- ভৌগোলিক অবস্থান ও কৃষিজমির বর্তমান ব্যবহারের ভিত্তিতে এই পরিসংখ্যানটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্ট্যান্ডার্ড উত্তর হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ কোটি একর — এটি দেশের প্রকৃত আবাদযোগ্য জমির পরিমাণের চেয়ে কম এবং তা কোনো নির্ভরযোগ্য কৃষি পরিসংখ্যানের সাথে মিলে না।
B) ২ কোটি ৫০ লক্ষ একর — এই হিসাবটি বর্তমান কৃষিজমির অবক্ষয় ও নদীভাঙনে জমি হারানোর বাস্তবতার তুলনায় কিছুটা বেশি।
C) ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর — এটিই সঠিক উত্তর এবং সরকারি কৃষি পরিসংখ্যানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
D) ২ কোটি ২৫ লক্ষ একর — এই সংখ্যাটি কৃষিজমির সঠিক পরিমাপের কম এবং এটি বর্তমান ডাটা অনুযায়ী সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের মোট আবাদযোগ্য জমি মনে রাখতে সংখ্যাটি চলো মনে রাখি এভাবে যে, দুই কোটি চল্লিশ লক্ষ একর কৃষিআমাদের খাদ্য নিরাপত্তার মূল ভিত্তি।
সঠিক উত্তর: C) করতোয়া
কেন সঠিক:
- মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগরের পুণ্ড্রনগর ধ্বংসাবশেষ, যা বগুড়া জেলায় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- করতোয়া নদী প্রাচীন বাংলার একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ নদী যা এই অঞ্চলের জনবসতি ও সভ্যতার বিকাশকে প্রভাবিত করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গঙ্গা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান নদী ও এর প্রধান শাখা পদ্মা, কিন্তু মহাস্থানগড় এই নদীর তীরে অবস্থিত নয়।
B) ব্রহ্মপুত্র — এটি ময়মনসিংহ ও যমুনা নদী হয়ে প্রবাহিত একটি প্রধান নদ, যা মহাস্থানগড়ের ভৌগোলিক অবস্থানের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) করতোয়া — এটি সঠিক উত্তর।
D) মহানন্দা — এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও উত্তর অঞ্চলের একটি নদী, যা করতোয়া নদী বা মহাস্থানগড়ের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
মহাস্থানগড় ও করতোয়া নামের প্রথম অক্ষর মনে রাখতে পারেন 'মক' (মহাস্থানগড় - করতোয়া)।
সঠিক উত্তর: D) যশোর
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের আবহাওয়া ও মৃত্তিকা ভেদে যশোর জেলায় তুলা চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী পরিবেশ রয়েছে।
- দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় এ জেলায় তুলার ফলন ও গুণগত মান তুলনামূলকভাবে ভালো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রংপুর — এটি তামাক ও আলু চাষের জন্য অধিক উপযোগী, তুলার জন্য প্রধান অঞ্চল নয়।
B) ফরিদপুর — এই জেলাটি পাট উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ও উপযোগী।
সি) রাজশাহী — এই জেলাটি রেশম এবং আম উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত, তুলার প্রধান অঞ্চল নয়।
D) যশোর — এটি দেশের তুলা চাষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী জেলা হিসেবে স্বীকৃত।
মনে রাখার টিপস:
তুলা চাষে সেরা যশোর, পাটে সেরা ফরিদপুর।
সঠিক উত্তর: D) দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের সাথে ঢাকার পরিবহনব্যবস্থা উন্নত করা
কেন সঠিক:
- বুড়িগঙ্গা নদীর ওপর নির্মিত এই সেতুটি ধলেশ্বরী ও বুড়িগঙ্গা পারাপার সহজ করে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাথে রাজধানীর সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপন করেছে।
- এটি মূলত মাওয়া রোডের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে নিরবচ্ছিন্ন রাখতে এবং দক্ষিণ অঞ্চলের যাত্রীদের যাতায়াত দ্রুত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা শহরকে নদীর ওপারে বিস্তৃত করা — এটি সেতু নির্মাণের প্রাথমিক বা মূল অর্থনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না, বরং পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নই প্রধান লক্ষ্য।
B) বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সুসম্পর্কের স্থায়ী বন্ধন সৃষ্টি করা — এটি দ্বিপক্ষীয় বন্ধুত্বের প্রতীক হলেও সেতু নির্মাণের প্রধান অর্থনৈতিক ও যোগাযোগের উদ্দেশ্য ছিল ভিন্ন।
C) ঢাকা-আরিচা রােডে যানবাহন চলাচলের চাপ কমানাে — ঢাকা-আরিচা রোডের ওপর চাপ কমানো এই সেতুর কাজ নয়, কারণ এটি অন্য রুটে অবস্থিত।
D) দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের সাথে ঢাকার পরিবহনব্যবস্থা উন্নত করা — এই অপশনটি সঠিক এবং এটিই সেতুটির প্রধান উদ্দেশ্য।
মনে রাখার টিপস:
মৈত্রী সেতু-১ (বুড়িগঙ্গা সেতু) হলো দক্ষিণ অঞ্চলের যোগাযোগের দুয়ার।
সঠিক উত্তর: C) একটি সংবাদ সংস্থার নাম
কেন সঠিক:
- বাসস হলো বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার সংক্ষিপ্ত রূপ যা দেশের সরকারি বার্তা সংস্থা হিসেবে কাজ করে।
- এই সংস্থাটি দেশি ও বিদেশি সংবাদ সংগ্রহ করে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সরবরাহ করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খবরের কাগজের নাম — বাসস কোনো দৈনিক সংবাদপত্র নয় বরং এটি সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশনকারী একটি প্রতিষ্ঠান।
B) একটি প্রেসক্লাবের নাম — এটি কোনো সাংবাদিকদের মিলনমেলা বা প্রেস ক্লাব নয়।
D) একটি বিদেশি কোম্পানির নাম — এটি কোনো বহুজাতিক বা বিদেশি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নয় বরং একটি রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা।
মনে রাখার টিপস:
বাসস শব্দটির পূর্ণরূপ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা, যা এর সংবাদ সংস্থা পরিচয়টি মনে রাখতে সাহায্য করে।
সঠিক উত্তর: D) ১৪ই ডিসেম্বর
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করে।
- জাতির মেধা ও মনন শূন্য করার সেই সুদূরপ্রসারী চক্রান্তের স্মরণে প্রতি বছর এই দিনটিকে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৬শে মার্চ — এটি বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস নয়।
B) ২১শে ফেব্রুয়ারি — এটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবস, যা ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
C) ১৬ই ডিসেম্বর — এটি বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস, যেদিন দেশ শত্রুমুক্ত হয়।
D) ১৪ই ডিসেম্বর — এটি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
মনে রাখার টিপস:
বিজয়ের ঠিক দুই দিন আগে অর্থাৎ ষোলই ডিসেম্বরের আগে চোদ্দই ডিসেম্বর জাতিকে মেধাহীন করতে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) ৯.৫ কোটি পাউন্ড
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের বার্ষিক চা উৎপাদনের পরিমাণ সাধারণত ৯ থেকে ১০ কোটি পাউন্ডের মধ্যে হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশ চা বোর্ডের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে এই উৎপাদনের পরিমাণ প্রায় ৯.৫ কোটি পাউন্ড হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৩ কোটি পাউন্ড — এটি বাংলাদেশের বার্ষিক চা উৎপাদনের স্বাভাবিক বা বর্তমান গড় পরিমাণের চেয়ে বেশি।
B) ১০.৫ কোটি পাউন্ড — এটি কিছু নির্দিষ্ট বছরের সর্বোচ্চ উৎপাদনের কাছাকাছি হলেও সাধারণ গড় পরিমাণ নয়।
C) ৯.৫ কোটি পাউন্ড — এটি বাংলাদেশের বার্ষিক চা উৎপাদনের সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য ও সঠিক গড় পরিমাণ।
D) ১৪ কোটি পাউন্ড — এটি বাংলাদেশের বর্তমান বার্ষিক চা উৎপাদনের পরিমাণের সাথে একেবারেই মিল olmayan একটি অতিরিক্ত সংখ্যা।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের চা উৎপাদনের গড় পরিমাণ মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন প্রায় সাড়ে নয় কোটি পাউন্ড।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)