সঠিক উত্তর: C) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
- 'প্রাগৈতিহাসিক' বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি ছোটগল্প, যার রচয়িতা প্রখ্যাত কথাশিল্পী মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়।
- এই গল্পটিতে নিম্নবর্গীয় মানুষের আদিম প্রবৃত্তি, ক্ষুধা, দারিদ্র্য এবং বেঁচে থাকার কঠিন সংগ্রামের বাস্তবসম্মত রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যে মনোবিশ্লেষণধর্মী উপন্যাসের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত এবং তিনি বাংলা আধুনিক উপন্যাসের ধারাকে সমৃদ্ধ করেছেন।
- তাঁর 'প্রাগৈতিহাসিক' গল্পটি প্রথম 'পূর্বাশা' পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত তাঁর একই নামের গল্পগ্রন্থে সংকলিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাসটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা।
ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা জেলেদের জীবন নিয়ে রচিত।
উদাহরণ ২: 'সহিদ' বা 'বউ' মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত ছোটগল্প।
ব্যাখ্যা: এই গল্পগুলোতেও লেখকের বাস্তববাদী দৃষ্টি ও মানুষের মনস্তত্ত্বের গভীর বিশ্লেষণ প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাসান আজিজুল হক — ইনি একজন প্রখ্যাত কথাশিল্পী হলেও 'প্রাগৈতিহাসিক' গল্পের রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত গল্প 'আত্মজা ও একটি করবী গাছ'।
B) রাজশেখর বসু — ইনি মূলত পরশুরাম ছদ্মনামে হাস্যরসাত্মক ছোটগল্প রচনার জন্য বিখ্যাত, তাই এই প্রশ্নের উত্তর নন।
C) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ছোটগল্পটি তাঁরই সৃষ্টি।
D) শাহেদ আলী — ইনি একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হলেও 'প্রাগৈতিহাসিক' গল্পের লেখক নন, তাঁর বিখ্যাত গল্প 'জীবন ও মৃত্যু'।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রাগৈতিহাসিক যুগের মানুষের মতো মানুষের আদিম ক্ষুধা ও কামনার বাস্তব রূপ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্পে পাওয়া যায়, এভাবে মনে রাখতে পারো।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত ছোটগল্প মনে রাখার জন্য 'প্রাগৈতিহাসিক ও খেতি' সূত্র হিসেবে মাথায় রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই 'প্রাগৈতিহাসিক' গল্পের লেখকের নাম বা এর সাহিত্যিক রূপ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- বিখ্যাত লেখকদের কালজয়ী ছোটগল্পগুলোর নাম ও প্রকাশকাল ভালোভাবে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) দ্বন্দ্ব
১. কেন সঠিক:
- দ্বন্দ্ব শব্দটির সঠিক বানান গঠনে প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুসরণ করা হয়েছে যেখানে দ এর নিচে ব-ফলা এবং ন এর নিচে ধ যুক্ত হয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী এটি একটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম শব্দ যার অর্থ ঝগড়া, দলাদলি কিংবা সমাস বিশেষ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সংযুক্ত বর্ণের ক্ষেত্রে ব-ফলার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
- এই শব্দটিতে দ এর নিচে ব-ফলা এবং ন এর সাথে ধ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ গঠিত হয়েছে যা বানানের মূল নিয়ম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সান্ত্বনা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের ক্ষেত্রে দ এর নিচে ব-ফলার সঠিক প্রয়োগ দেখা যায়।
উদাহরণ ২: প্রদ্বন্দ্বিতা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও দ্বন্দ্ব শব্দের অনুরূপ যুক্তবর্ণের সঠিক ব্যবহার রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বন্দ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে শেষ বর্ণে ধ বা হসন্তের সঠিক যুক্তবর্ণ ব্যবহার করা হয়নি।
B) দন্দ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে ব-ফলা এবং ধ যুক্তবর্ণের অনুপস্থিতি রয়েছে।
C) দ্বন্দ্ব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি প্রমিত বানান।
D) দণ্ধ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে ন এর পরিবর্তে ণ এবং ভুল যুক্তবর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দ্বন্দ্ব বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো এর মাঝে ন এর সাথে ধ যুক্ত হয় এবং শেষে একটি ব-ফলা থাকে।
- দ-ব-ফলা-ন-ধ এভাবে বানানটি ভেঙে বারবার চর্চা করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বানানটি প্রায়ই আসে কারণ শিক্ষার্থীরা প্রায়শই ন এর সাথে ধ যুক্ত করতে ভুল করে।
- সমাস নির্ণয়ের ক্ষেত্রেও দ্বন্দ্ব সমাস শব্দটি লেখার সময় এই বানানটি সঠিকভাবে জানা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: A) অক্ষয়কুমার দত্ত
১. কেন সঠিক:
'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকার প্রথম সহকারী সম্পাদক এবং পরবর্তীতে খ্যাতিমান সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত।
১৮৪৩ সালের ১৬ আগস্ট তত্ত্ববোধিনী সভা থেকে এই পত্রিকা প্রকাশিত হয় এবং বাংলা গদ্য ও সমাজ সংস্কারে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের উনিশ শতকের গদ্যচর্চা ও সাংবাদিকতার ইতিহাসে অক্ষয়কুমার দত্ত এক অবিস্মরণীয় নাম।
তিনি বিজ্ঞানমনস্কতা ও যুক্তিবাদী দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বাংলা গদ্যকে সমৃদ্ধ করেন এবং এর বানানরীতি প্রমিত করার ক্ষেত্রে অবদান রাখেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চারুপাঠ
ব্যাখ্যা: এটি অক্ষয়কুমার দত্তের লেখা একটি বিখ্যাত শিক্ষামূলক ও নৈতিক গ্রন্থ যা সেকালের পাঠ্যপুস্তক হিসেবে পঠিত হতো।
উদাহরণ ২: বাহ্যবস্তুর সহিত মানবপ্রকৃতির সম্বন্ধ বিচার
ব্যাখ্যা: এটি তার রচিত বিজ্ঞান ও দর্শনভিত্তিক একটি গভীর মননশীল গদ্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্ষয়কুমার দত্ত - ইনি তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার দীর্ঘকালীন ও সফল সম্পাদক ছিলেন।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না, তবে তিনি বঙ্গদর্শন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
C) মোজাম্মেল হক - মোজাম্মেল হক একজন মুসলিম সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক ছিলেন, তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই।
D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, যা বাংলা সাংবাদিকতার ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৫ মনে রাখার টিপস:
তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো অক্ষয় মানে যা ক্ষয় হয় না, তেমনি এই পত্রিকার আদর্শও চিরন্তন।
তাই তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সঙ্গে অক্ষয়কুমার দত্তের নাম এভাবে মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে যে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার প্রথম সম্পাদক কে ছিলেন।
মনে রাখবে, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা হলেও দীর্ঘ সময় এর সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত।
সঠিক উত্তর: B) কোকিল
১. কেন সঠিক:
কোকিল পাখিকে অন্নপুষ্ট বলা হয় কারণ এরা নিজের ডিমে নিজে তা দেয় না এবং ছানাদের নিজে লালন-পালনও করে না। এরা অন্য পাখির বাসায়, বিশেষ করে কাকের বাসায় ডিম পাড়ে এবং সেই অন্য পাখি বা কাকের দ্বারাই এদের ছানারা পুষ্ট বা লালিত-পালিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ ক্যাটাগরির প্রশ্ন এটি। অন্নপুষ্ট একটি এককথায় প্রকাশ বা সমাসবদ্ধ পদ যার ব্যাসবাক্য হলো অন্ন দ্বারা পুষ্ট এবং এটি তৃতীয় তৎপুরুষ সমাস। বাংলা সাহিত্যে কোকিল তার মধুর ডাকের জন্য বসন্তকালের প্রতীক হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরভৃত
ব্যাখ্যা: কোকিলের আরেকটি নাম পরভৃত, যার অর্থ অন্যের দ্বারা প্রতিপালিত।
উদাহরণ ২: বসন্তদূত
ব্যাখ্যা: কোকিলকে বসন্তদূত বলা হয় কারণ বসন্তকালের আগমন বার্তা এর ডাকের মাধ্যমেই প্রকৃতিতে প্রথম প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাক — কাক অন্য পাখির ডিমে তা দিতে সাহায্য করলেও নিজে অন্নপুষ্ট পাখি নয়, বরং এটি কোকিলের ডিম ও ছানা লালন করে।
C) কবুতর — কবুতর নিজের ডিম নিজে তা দেয় এবং অত্যন্ত যত্নের সাথে নিজেদের ছানাদের অন্ন ও খাদ্য দিয়ে পুষ্ট করে।
D) কাকাতুয়া — কাকাতুয়া হলো তোতা প্রজাতির পাখি যারা নিজেদের বাসা ও ছানাদের যত্ন নিজেরাই নিয়ে থাকে।
৫. মনে রাখার টিপস:
অন্যের অন্ন বা খাদ্যে যে পুষ্ট হয় সেই হলো অন্নপুষ্ট। কোকিল নিজের দায়িত্ব এড়িয়ে অন্যের বাসায় ডিম পাড়ে এবং অন্যের অন্ন খেয়ে বড় হয় বলে তাকে অন্নপুষ্ট বলা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ এবং পাখির সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোকিলের সমার্থক শব্দ হিসেবে পরভৃত, পরপুষ্ট, বসন্তদূত ও পিক শব্দগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) কৃতঘ্ন
১. কেন সঠিক:
'যে উপকারীর অপকার করে' তাকে এক কথায় 'কৃতঘ্ন' বলা হয়। এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বহু নির্বাচনী পরীক্ষায় বারবার আসা প্রশ্ন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো একটি বড় ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। 'কৃত' অর্থ করা বা উপকার এবং 'ঘ্ন' অর্থ নষ্ট করা বা ধ্বংস করা, তাই যে ব্যক্তি কারো উপকার স্বীকার না করে বরং অপকার করে তাকে কৃতঘ্ন বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উপকারীর উপকার যে স্বীকার করে না
ব্যাখ্যা: একে এক কথায় অকৃতজ্ঞ বলে, যা কৃতঘ্ন শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: যে সব সহ্য করতে পারে
ব্যাখ্যা: তাকে এক কথায় সহিষ্ণু বলা হয়, যা অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংকোচন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অকৃতজ্ঞ — যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না তাকে অকৃতজ্ঞ বলে, কিন্তু এখানে অপকার করার কথা বলা হয়েছে।
B) কৃতঘ্ন — এটি সঠিক কারণ এটি উপকারীর অপকার করার ভাবটি প্রকাশ করে।
C) অপকারী — যে অন্যের অপকার করে তাকে সাধারণ অর্থে অপকারী বলে, তবে এটি নির্দিষ্ট বাক্য সংকোচনের জন্য নির্ধারিত শব্দ নয়।
D) শত্রু — যার সঙ্গে যার বৈরিতা বা অমিল রয়েছে তাকে শত্রু বলে, এটি উপকারীর অপকার করার এককথায় প্রকাশ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
উপকার মনে না রাখলে অকৃতজ্ঞ আর উপকারীর ক্ষতি বা অপকার করলে তাকে কৃতঘ্ন বলা হয়। এভাবে শব্দ দুটির সূক্ষ্ম পার্থক্য মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃতঘ্ন ও অকৃতজ্ঞ শব্দের পার্থক্য প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে। তাই উপকার স্বীকার না করা এবং অপকার করার পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ১৯০৭ সালে
১. কেন সঠিক:
- চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে।
- প্রাচীন বাংলা ভাষার এই নির্দেশক নিদর্শনটি আবিষ্কারের পর বাংলা সাহিত্য গবেষণার নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্যসংকলন ও সাহিত্যিক নিদর্শন যা হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন।
- ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা প্রাচীন বাংলা ভাষার আদি রূপ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদের প্রথম পদটি রচনা করেছেন লুইপা।
ব্যাখ্যা: লুইপা হলেন চর্যাপদের আদিকবি এবং তার পদ দিয়েই চর্যাপদ সংকলন শুরু হয়েছে।
উদাহরণ ২: চর্যাপদের প্রাপ্ত পদসংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি।
ব্যাখ্যা: আচার্য হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কৃত পুথিতে সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ সম্পূর্ণ বা আংশিক পাওয়া গিয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯০৫ সালে — এই সালে বাংলায় বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করা হয়েছিল যা চর্যাপদ আবিষ্কারের সাল নয়।
B) ১৯০৬ সালে — এই সালে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় কিন্তু চর্যাপদ এই সালে আবিষ্কৃত হয়নি।
D) ১৯০৮ সালে — এই সালটি চর্যাপদ আবিষ্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় বরং এটি আবিষ্কারের পরবর্তী একটি সময়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- চর্যাপদ আবিষ্কারের সাল মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ১৯০৭ সালটিকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর নেপাল যাত্রার বছর হিসেবে মাথায় রাখা।
- সালটি মনে রাখতে ১৯০৭ সংখ্যাটি বারবার চর্চা করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- চর্যাপদ কে আবিষ্কার করেন এবং কত সালে প্রকাশ করেন এই দুটি প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত কমন।
- একই ধরনের সাহিত্যিক আবিষ্কারের সালগুলো আলাদা করে নোট করে বারবার অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) আগুনের পরশমণি
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করার মূল কারণ হলো এই উপন্যাসটির মূল পটভূমি ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ।
- উপন্যাসে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর বর্বরতা এবং ঢাকাবাসীর অবরুদ্ধ জীবনের করুণ চিত্র অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার হুমায়ূন আহমেদ এই কালজয়ী উপন্যাসটির রচয়িতা এবং তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় লেখক।
- এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত পঠিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যেখানে সাধারণ একটি পরিবারের যুদ্ধের দিনগুলোর অভিজ্ঞতা বর্ণিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জোছনা ও জননীর গল্প
ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অত্যন্ত বৃহৎ ও প্রামাণ্য উপন্যাস।
উদাহরণ ২: ইমদাদুল হক মিলনের নূরুলদীনের সারাজীবন
ব্যাখ্যা: যদিও এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়, তবুও এটি বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম ও ইতিহাসের চেতনায় সমৃদ্ধ একটি নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আগুনের পরশমণি — এটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
B) খোয়াবনামা — আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত এই উপন্যাসটি তেতাল্লিশের মন্বন্তর ও দেশভাগের পটভূমিতে রচিত।
C) আরেক ফাল্গুন — জহির রায়হান রচিত এই উপন্যাসটির মূল পটভূমি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
D) আর্তনাদ — শওকত ওসমান রচিত এই উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ নয় বরং অন্য সামাজিক প্রেক্ষাপট।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাসের নাম মনে রাখতে আগুনের পরশমণি শব্দটি মাথায় রাখবে।
- ভাষা আন্দোলনের উপন্যাস হিসেবে জহির রায়হানের আরেক ফাল্গুন নামটি বারবার অনুশীলন করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস এবং ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাসের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
- রচয়িতার নাম এবং রচনার মূল প্রেক্ষাপট ভালোভাবে মুখস্থ করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) চলাকালে
১. কেন সঠিক:
- চলাকালে পদটি নিজেই একটি সম্পূর্ণ এবং শুদ্ধ সময়বাচক পদ যা কোনো ঘটনা ঘটার কাল বা সময় নির্দেশ করে।
- বাংলা ব্যাকরণে অতিরিক্ত শব্দ বা বাহুল্য ব্যবহার করে পদ গঠন করলে তা বাহুল্যদোষে দুষ্ট হয় এবং প্রমিত বাংলা ভাষার নিয়মে তা গ্রহণযোগ্য নয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের বাক্যশুদ্ধি এবং বাহুল্যদোষ পরিহারের নিয়মানুসারে একই অর্থে একাধিক শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার করা যায় না।
- কাল বা সময়বাচক শব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত সময় শব্দটি ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খেলার ছলে
ব্যাখ্যা: খেলার সময় বোঝাতে খেলার ছলে বা খেলার ভেতর পদ ব্যবহৃত হয়, এখানেও অতিরিক্ত সময় যোগ করা হয় না।
উদাহরণ ২: পড়ার সময়
ব্যাখ্যা: পড়ার কাল বোঝাতে পড়ার কালে বলা যায়, কিন্তু পড়ার কালে সময় বলা ভুল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চলাকালীন সময়ে — এই অপশনটি ভুল কারণ চলাকালীন এবং সময় দুটি শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার করায় এখানে বাহুল্যদোষ ঘটেছে।
B) চলাকলিন সময়ে — এই অপশনটি বানান এবং বাহুল্য উভয় দিক থেকেই ভুল কারণ এখানে বানান ভুল এবং অতিরিক্ত সময় শব্দ যুক্ত আছে।
C) চলাকালের সময়ে — এই অপশনটি ভুল কারণ চলাকাল এবং সময় সমার্থক হওয়ায় দুটি একসঙ্গে ব্যবহার করা ব্যাকরণসম্মত নয়।
D) চলাকালে — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এটি কোনো বাহুল্যদোষ ছাড়া নিখুঁতভাবে সময় নির্দেশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সময় বা কালবাচক শব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত সময় যোগ করবে না।
- সংক্ষিপ্ত ও প্রমিত রূপটি নির্বাচন করাই পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ কৌশল।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাহুল্যদোষ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- একই অর্থ প্রকাশকারী দুটি শব্দ একসঙ্গে থাকলে তা বর্জন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) পর্তুগিজ
১. কেন সঠিক:
- আনারস শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহৃত একটি বিদেশি শব্দ।
- বাণিজ্য, ধর্ম প্রচার এবং ঔপনিবেশিক যোগাযোগের কারণে পর্তুগিজ ভাষা থেকে অনেক শব্দ বাংলা শব্দভান্ডারে প্রবেশ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিদেশি শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যা ভিনদেশি ভাষা থেকে পরিবর্তিত হয়ে বা সরাসরি বাংলা ভাষায় স্থান লাভ করেছে।
- বাংলা ভাষায় পর্তুগিজ ভাষার অনেক শব্দ রয়েছে যা মূলত পর্তুগিজদের সাথে বাঙালির প্রাচীন যোগাযোগের ফল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাবি
ব্যাখ্যা: এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বহুল ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: আলপিন
ব্যাখ্যা: এই বস্তুটি নির্দেশক শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে টেক্কা, হরতন ইত্যাদি শব্দ, কিন্তু আনারস নয়।
B) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে দারোগা, তোপ ইত্যাদি শব্দ, আনারস এই ভাষার শব্দ নয়।
C) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ আনারস পর্তুগিজ ভাষার শব্দ।
D) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় অনেক শব্দ আসলেও আনারস তাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার কৌশল হিসেবে ফলমূল ও খাদ্যদ্রব্য যেমন আনারস, পেঁপে, লেবু পর্তুগিজ ভাষা থেকে আসার বিষয়টি মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে পর্তুগিজ ও আরবি-ফারসি শব্দ নিয়ে বেশি বিভ্রান্তি তৈরি হয়।
সঠিক উত্তর: A) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'শেষের কবিতা' একটি বিখ্যাত আধুনিক উপন্যাস। এর নামের মধ্যে 'কবিতা' শব্দটি থাকলেও এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং একটি গদ্য উপন্যাস।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি মনস্তাত্ত্বিক ও যুগান্তকারী উপন্যাস। এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অমিত রায় এবং লাবণ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'যোগাযোগ'
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: 'চোখের বালি'
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপন্যাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'শেষের কবিতা' গদ্যে রচিত একটি উপন্যাস।
B) কাব্যগ্রন্থ — এই অপশনটি ভুল কারণ নামের মিল থাকলেও এটি পদ্য বা কবিতা সংকলন নয়।
C) নাটক — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি মঞ্চে অভিনীত হওয়ার জন্য রচিত কোনো নাটক নয়।
ডি) গল্পগ্রন্থ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো ছোটগল্পের সংকলন বা একক ছোটগল্প নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নামের শেষে 'কবিতা' থাকলেও শেষের কবিতা আসলে উপন্যাস। রবীন্দ্রনাথের এই নামের বৈচিত্র্য মনে রাখলে বিভ্রান্তি দূর হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাম দেখে বিভ্রান্ত করার জন্য এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। তাই বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের ধরন ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনি
১. কেন সঠিক:
ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি, যা কান দিয়ে শোনা যায় এবং মুখ দিয়ে উচ্চারণ করা হয়।
কোনো ভাষার উচ্চারিত শব্দকে বিশ্লেষণ করলে যে অবিভাজ্য ন্যূনতম একক পাওয়া যায়, তাকে ধ্বনি বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি হলো বাকযন্ত্রের সাহায্যে উৎপাদিত ন্যূনতম একক।
ভাষার মূল ভিত্তি হলো এই ধ্বনি, যার লিখিত রূপ হলো বর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ
ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক ধ্বনি যা এককভাবে উচ্চারিত হতে পারে।
উদাহরণ ২: ক
ব্যাখ্যা: এটি একটি ব্যঞ্জনধ্বনি যা উচ্চারণের সময় ফুসফুসতাড়িত বাতাস মুখে বাধা পায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ধ্বনিই ভাষার ক্ষুদ্রতম একক।
B) শব্দ — শব্দ হলো এক বা একাধিক ধ্বনির সমন্বয়ে গঠিত অর্থপূর্ণ একক, তাই এটি ক্ষুদ্রতম একক নয়।
C) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, কিন্তু ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি।
D) অক্ষর — অক্ষর হলো কথার প্রবহমান অংশের ক্ষুদ্রতম অংশ বা ঝোঁক, যা ধ্বনি থেকে ভিন্ন।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভাষার কান দিয়ে শোনার একক হলো ধ্বনি আর চোখের দেখার একক হলো বর্ণ।
ক্ষুদ্রতম একক বললে চোখ বন্ধ করে ধ্বনি দাগাতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার ক্ষুদ্রতম একক সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
ধ্বনি ও বর্ণের মধ্যে পার্থক্য মনে রাখতে হবে যে ধ্বনি উচ্চারিত হয় এবং বর্ণ লিখিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) গ্রহীতা
১. কেন সঠিক:
- 'দাতা' শব্দের অর্থ যিনি দান করেন বা প্রদান করেন। এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশকারী শব্দ হলো যিনি গ্রহণ করেন বা নেন।
- বিপরীতার্থক শব্দ নির্ধারণের ক্ষেত্রে মূল শব্দের অর্থের বিপরীত দিকটি বিবেচনা করতে হয়, তাই দাতা শব্দের বিপরীতে গ্রহীতা সঠিক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন দুটি শব্দ যাদের অর্থ পরস্পরের বিপরীত বা উল্টো। তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে তৎসম বিপরীত শব্দ এবং খাঁটি বাংলা শব্দের ক্ষেত্রে খাঁটি বাংলা বিপরীত শব্দ ব্যবহার করা হয়।
- দাতা এবং গ্রহীতা উভয়ই তৎসম শব্দ বা সংস্কৃত মূল থেকে আগত শব্দ, যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক বিপরীত জোড় গঠন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্রেতা এবং বিক্রেতা
ব্যাখ্যা: ক্রেতা অর্থ যিনি কেনেন এবং বিক্রেতা অর্থ যিনি বিক্রি করেন, যা একটি বিপরীতার্থক শব্দের জোড়।
উদাহরণ ২: শিক্ষক এবং ছাত্র
ব্যাখ্যা: শিক্ষক শিক্ষা দান করেন এবং ছাত্র শিক্ষা গ্রহণ করেন, যা কাজের দিক থেকে বিপরীত সম্পর্কযুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দাত্রী — দাত্রী হলো দাতা শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ, এটি বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
B) দানকারী — দানকারী এবং দাতা সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
C) গ্রহীতা — এটি সঠিক উত্তর।
D) গৃহীতা — গৃহীতা বানানটি ভুল, সঠিক বানান গ্রহীতা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দাতা মানে দান করা আর গ্রহীতা মানে গ্রহণ করা। দানের উল্টো গ্রহণ মনে রাখলেই সঠিক উত্তর সহজে বের করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের লিঙ্গান্তর এবং সমার্থক শব্দের সঙ্গে যেন গুলিয়ে না যায়, সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) গুজব
১. কেন সঠিক:
'খবর' শব্দের অর্থ হলো কোনো ঘটনার তথ্য, সংবাদ বা বার্তা।
অন্যদিকে 'গুজব' শব্দের অর্থ হলো ভিত্তিহীন জনশ্রুতি বা অপপ্রচার, যা সঠিক তথ্যের সমার্থক নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বা সমার্থক শব্দ সংশ্লিষ্ট ব্যাকরণ প্রশ্ন।
সমার্থক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যেগুলোর অর্থের মধ্যে মিল থাকে কিন্তু রূপ আলাদা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সংবাদ
ব্যাখ্যা: এটি খবর শব্দের একটি সঠিক সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: বার্তা
ব্যাখ্যা: এটিও খবর বা তথ্যের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) संदेश — এটি হিন্দি শব্দ যার অর্থ সংবাদ বা বার্তা এবং এটি খবর শব্দের সমার্থক।
B) গুজব — এটি ভিত্তিহীন কথা বোঝায় যা নির্দিষ্ট কোনো খবর বা সংবাদ নয়।
C) বার্তা — এটি কোনো তথ্য বা খবর পাঠানোর মাধ্যম বা সংবাদ বোঝায়।
D) সংবাদ — এটি খবর শব্দের সরাসরি এবং প্রচলিত সমার্থক শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
খবর মানেই সত্য তথ্য বা সংবাদ, কিন্তু গুজব হলো মিথ্যে কথা।
তাই সত্যের সমার্থক নয় এমন শব্দই সঠিক উত্তর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে মূল শব্দের অর্থের গভীরতা বুঝতে হবে।
ভিত্তিহীন কথা ও প্রকৃত তথ্য কখনো সমার্থক হতে পারে না।
সঠিক উত্তর: C) মো-সাহেব
১. কেন সঠিক:
- 'ঢাকের কাঠি' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার বিশেষ অর্থ হলো তোষামোদকারী বা মো-সাহেব।
- সমাজে যারা সবসময় ক্ষমতাশালী বা প্রভাবশালী ব্যক্তির সুখ্যাতি গেয়ে চাটুকারিতা করে বেড়ায়, তাদের বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ বা ভাবার্থ প্রকাশ করে।
- এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং অল্প কথায় গভীর ভাব ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অফিসের ম্যানেজারের পেছনে সবসময় ঘুরে বেড়ায় যে লোকটা, সে আসলে দলটার একটা ঢাকের কাঠি।
ব্যাখ্যা: এখানে ম্যানেজারের তোষামোদকারী হিসেবে ওই ব্যক্তির আচরণ বোঝাতে ঢাকের কাঠি বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: নিজের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য সে ওই নেতার ঢাকের কাঠি হিসেবে কাজ করছে।
ব্যাখ্যা: স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত চাটুকারিতা করা বোঝাতে এই উদাহরণটি প্রাসঙ্গিক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাক বাজানোর কাঠি — এটি বাগধারার আক্ষরিক অর্থ, কিন্তু প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার বিশেষ বা অন্তর্নিহিত অর্থ চাওয়া হয়।
B) কলুর বলদ — এই বাগধারাটির অর্থ একটানা নির্বোধের মতো পরিশ্রম করা, যা মো-সাহেব বা তোষামোদকারী অর্থ প্রকাশ করে না।
C) মো-সাহেব — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ তোষামোদকারী বা চাটুকার, যা ঢাকের কাঠি বাগধারার সমার্থক।
D) বক-ধার্মিক — এই বাগধারাটির অর্থ ভণ্ড সাধু বা ঠগ ব্যক্তি, যা তোষামোদকারীর সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ঢাক যেমন বিয়ের বা পূজার সময় বিনা কারণে বা বাদ্যের খাতিরে জোরে জোরে বাজে, তেমনি তোষামোদকারীরাও বিনা কারণে বড় মানুষের প্রশংসা করে বাজে।
- এই মিল মনে রাখলে ঢাকের কাঠি মানে যে মো-সাহেব বা তোষামোদকারী, তা সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চাটুকারিতা বা তোষামোদ অর্থে ব্যবহৃত বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
- একই অর্থে 'চোপদার', 'কাছা ভাঙা' বা 'পদলেহনকারী' শব্দগুলোও ব্যবহার করা হতে পারে, তাই এগুলোর অর্থও জেনে রাখা ভালো।
সঠিক উত্তর: A) শেখ মুজিবুর রহমান
১. কেন সঠিক:
- 'আমার দেখা নয়াচীন' গ্রন্থটির রচয়িতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- ১৯৫২ সালে চীন সফরের অভিজ্ঞতা এবং সে দেশের সমাজব্যবস্থা এই গ্রন্থে তুলে ধরা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৪ সালে কারাগارবন্দী থাকা অবস্থায় এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে আত্মজীবনী ও ভ্রমণকাহিনি লিখে গেছেন।
- বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত তাঁর এই গ্রন্থটি বাংলা ভ্রমণসাহিত্য ও আত্মজৈবনিক রচনার একটি অত্যন্ত মূল্যবান দলিল হিসেবে স্বীকৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: কারাগারের রোজনামচা
ব্যাখ্যা: এটিও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শেখ মুজিবুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি বিখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও পন্ডিত হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
C) আহমদ শরীফ — তিনি বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও গবেষক হলেও এই ভ্রমণকাহিনির লেখক নন।
D) জামিল চৌধুরী — তিনি বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও অধ্যাপক হলেও এই গ্রন্থটির সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর চীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতার ওপর লেখা বইটির নাম 'আমার দেখা নয়াচীন'। ভ্রমণকাহিনি মনে রাখার জন্য শেখ মুজিবুর রহমানের নাম মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত বঙ্গবন্ধুর গ্রন্থগুলো থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা ও আমার দেখা নয়াচীন—এই তিনটি গ্রন্থ বিশেষভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) আলাওল
১. কেন সঠিক:
- 'পদ্মাবতী' মহাকাব্যের রচয়িতা মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি মহাকবি আলাওল।
- এটি মূলত ফারসি কবি মালিক মুহাম্মদ জায়সীর 'পদুমাবত' কাব্যের বাংলা রূপান্তর।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আলাওল সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি।
- এই কাব্যে প্রথমাংশে রূপক অর্থে মানবাত্মার পরমাত্মা লাভ এবং দ্বিতীয়াংশে ঐতিহাসিক কাহিনি বর্ণিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তোহফা
ব্যাখ্যা: এটি কবি আলাওলের রচিত আরেকটি বিখ্যাত নীতিমূলক ও ধর্মীয় কাব্য।
উদাহরণ ২: সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামান
ব্যাখ্যা: এটিও কবি আলাওলের অপর একটি জনপ্রিয় প্রণয়োপাখ্যানমূলক কাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দৌলত উজির বাহরাম খান — ইনি 'লালি মজনু' কাব্যের রচয়িতা এবং ষোড়শ শতকের কবি।
B) সৈয়দ সুলতান — ইনি মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি যিনি 'শুন নবি বংশ' ও 'ওফাতে রসুল' রচনা করেছেন।
C) আলাওল — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়।
D) শেখ ফয়জুল্লাহ — ইনি মধ্যযুগের কবি যিনি 'গাজী কালু ও চম্পাবতী' কাব্য রচনা করেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পদ্মাবতী কাব্যের সাথে আলাওল নাম মনে রাখার জন্য মনে রাখবে পদ্মফুল ফোটে জলের আলোয় আর পদ্মাবতীর রচয়িতা আলাওল।
- মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার মুসলমান কবিদের মধ্যে আলাওল সবচেয়ে বেশি গ্রন্থ রচনা করেছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে পদ্মাবতী কার রচনা বা এটি কোন ভাষার কাব্যের অনুবাদ।
- একই রকম নামে দৌলত কাজীও 'সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী' কাব্য রচনা করেছেন, যা গুলোর সাথে আলাওলের নাম যেন গুলিয়ে না যায়।
সঠিক উত্তর: B) বিহারী লাল চক্রবর্তী
১. কেন সঠিক:
- 'ভোরের পাখি' হলো প্রখ্যাত কবি বিহারী লাল চক্রবর্তীর ছদ্ম নাম।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁকে বাংলা গীতি কবিতার ভোরের পাখি বলে অভিহিত করেছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিহারী লাল চক্রবর্তী বাংলা গীতি কাব্যের ক্ষেত্রে এক অনন্য পথিকৃৎ।
- তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে 'নিসর্গদর্শন', 'সারদামঙ্গল' এবং 'সাধের আসন' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিহারী লাল চক্রবর্তীর 'সারদামঙ্গল' কাব্যগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা গীতি কবিতার বিকাশে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম।
উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ওপর বিহারী লাল চক্রবর্তীর প্রভাব।
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্বয়ং বিহারী লাল চক্রবর্তীকে তাঁর কবিতার গুরু ও অনুপ্রেরণা বলে স্বীকার করেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বিশ্বকবি এবং নোবেলজয়ী সাহিত্যিক, তবে 'ভোরের পাখি' তাঁর ছদ্ম নাম নয়।
B) বিহারী লাল চক্রবর্তী — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এটিই নির্ণেয় উত্তর।
C) কায়কোবাদ — ইনি মহাকাব্য 'মহাশ্মশান'-এর রচয়িতা, তবে 'ভোরের পাখি' তাঁর ছদ্ম নাম নয়।
D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — ইনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত কবি, তবে 'ভোরের পাখি' তাঁর ছদ্ম নাম নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ভোরবেলা পাখি যেমন গান গেয়ে দিন শুরু করে, তেমনি বিহারী লাল চক্রবর্তী বাংলা গীতি কবিতার ভোর এনেছিলেন।
- বঙ্কিমচন্দ্র যেহেতু তাঁকে এই উপাধি দিয়েছিলেন, তাই বঙ্কিমচন্দ্র ও বিহারী লাল চক্রবর্তী এই দুটি নাম একসঙ্গে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্ম নাম ও উপাধি থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- কবি ও লেখকদের ছদ্ম নাম এবং তাঁদের দেওয়া বিশেষ উপাধিগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) কালিদাস
১. কেন সঠিক:
- 'মেঘদূত' মহাকবি কালিদাসের একটি বিশ্বখ্যাত সংস্কৃত গীতিপ্রকাব বা দূতকাব্য।
- বিরহী যক্ষ তার প্রিয়ার কাছে মেঘের মাধ্যমে বার্তা পাঠানোর বিষয়বস্তুকে কেন্দ্র করে কাব্যটি রচিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কালিদাস প্রাচীন ভারতের সংস্কৃত সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি ও নাট্যকার হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।
- 'মেঘদূত' সংস্কৃত সাহিত্যের ধ্রুপদী ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি এবং এর বাংলা অনুবাদ ও সাহিত্যমূল্য অত্যন্ত গভীর।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কালিদাসের রচিত মহাকাব্য 'রঘুবংশ'।
ব্যাখ্যা: এটি কালিদাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম যা সংস্কৃত কাব্যের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ ২: কালিদাসের রচিত নাটক 'অভিজ্ঞানশকুন্তলম'।
ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ নাটক এবং বিশ্বসাহিত্যেরও অন্যতম মূল্যবান সম্পদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বিজমাধব — তিনি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত কবি যিনি 'মঙ্গলচণ্ডীর গীত' রচনা করেছেন।
B) বড়ুচণ্ডীদাস — তিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা এবং প্রাক-চৈতন্য যুগের বিশিষ্ট মধ্যযুগীয় বাঙালি কবি।
C) চণ্ডী দাস — বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের চণ্ডীদাস পদাবলী সাহিত্যের জন্য বিখ্যাত কবি।
D) কালিদাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'মেঘদূত' সংস্কৃত সাহিত্যের মহাকবি কালিদাসের অমর সৃষ্টি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মেঘ দেখলে যার কথা মনে পড়ে সেই প্রাচীন কবি কালিদাসের নাম মনে রাখবে।
- মেঘদূত কাব্যটি কালিদাসের বিরহভিত্তিক শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হিসেবে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংস্কৃত সাহিত্যের বিখ্যাত গ্রন্থ ও রচিয়তা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বিশ্বসাহিত্যের ক্ল্যাসিক গ্রন্থগুলোর রচয়িতা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) মৃত্যুক্ষুধা
১. কেন সঠিক:
মৃত্যুক্ষুধা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
এই উপন্যাসে কলকাতার বস্তী জীবনের দরিদ্র মানুষের দুঃখ-কষ্ট ও সংগ্রামের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের জাতীয় কবি হলেও তিনি মূলত বিদ্রোহী কবি হিসেবে সমধিক পরিচিত।
তার এই উপন্যাসে সমাজের অবহেলিত মানুষের জীবনযাত্রা অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাঁধন হারা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং পত্রাকারে রচিত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কুহেলিকা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের আরেকটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গৃহদাহ — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। কাজী নজরুল ইসলামের কোনো রচনা এটি নয়।
B) মৃত্যুক্ষুধা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
C) কাশবনের কন্যা — এটি শামসুদ্দীন আবুল কালামের রচিত একটি জনপ্রিয় আঞ্চলিক উপন্যাস। নজরুল ইসলাম এটি লেখেননি।
D) খোঁয়ারি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের কোনো উপন্যাস বা প্রধান গ্রন্থ নয়। এটি পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য একটি ভুল অপশন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের উপন্যাসের নাম মনে রাখতে প্রধান তিনটি উপন্যাসের নাম একসাথে মনে রাখতে পারো।
সেগুলো হলো বাঁধন হারা, মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
তার উপন্যাস তিনটি ভালোভাবে মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ শামসুল হক
১. কেন সঠিক:
'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' হলো বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাতকাব্যনাট্য। প্রখ্যাত সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হক এই কাব্যনাট্যটি রচনা করেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য প্রতিভা যিনি কবিতা, উপন্যাস, নাটক এবং কাব্যনাট্য রচনায় সমান দক্ষতা দেখিয়েছেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং গ্রামীণ মানুষের মানসিকপ্রতিক্রিয়া এই কাব্যনাট্যের মূল বিষয়বস্তু।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নূরলদীনের সারাজীবন
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হকের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ঐতিহাসিক কাব্যনাট্য।
উদাহরণ ২: ঈর্ষা
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত আরেকটি বিখ্যাত পদত্যে লেখা নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবদুল্লাহ আল মামুন — ইনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার হলেও আলোচ্য নাটকটি তাঁর লেখা নয়। তাঁর বিখ্যাত নাটকের মধ্যে সুবচন নির্বাসনে অন্যতম।
B) সেলিম আল দিন — ইনি বাংলা নাট্যসাহিত্যে ঐতিহ্যবাহী নাট্যধারার প্রবর্তক। তাঁর লেখা বিখ্যাত নাটক কিউসংহ ও কেরামত মঙ্গল।
C) সৈয়দ শামসুল হক — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) মামুনুর রশীদ — ইনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট নাট্যকার ও অভিনেতা। তাঁর রচিত বিখ্যাত নাটক এ সংক্রান্ত ইbliও লুণ্ঠন ও পথনাটক।
৫. মনে রাখার টিপস:
সৈয়দ শামসুল হক পায়ের আওয়াজ কাব্যনাট্যের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন। পায়ের শব্দ শুনলেই সৈয়দ শামসুল হকের কথা মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক ও কাব্যনাট্য থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কাব্যনাট্য লেখার জন্য সৈয়দ শামসুল হক বিশেষভাবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: D) to
কেন সঠিক:
- Conducive শব্দের অর্থ সহায়ক বা অনুকূল, যার পরে সাধারণত preposition হিসেবে to বসে।
- স্বাস্থ্যকর অভ্যাস যেমন সাঁতার কাটা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, তাই এখানে সঠিক preposition হিসেবে to ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for - Conducive শব্দের পর সাধারণত for বসে না, তাই এটি ভুল।
B) in - এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে in preposition সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
C) at - এটি স্থান বা নির্দিষ্ট সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) to - এটি সঠিক preposition এবং নিয়ম অনুযায়ী এখানেই বসে।
মনে রাখার টিপস:
Conducive শব্দের অর্থ উপকারী বা সহায়ক এবং এর ঠিক পরেই সব সময় preposition হিসেবে to বসে।
সঠিক উত্তর: C) G.B Shaw
কেন সঠিক:
- জর্জ বার্নার্ড শ (George Bernard Shaw) ১৮৯৪ সালে এই বিখ্যাত নাটকটি রচনা করেন।
- এটি একটি রাজনৈতিক ও রম্য নাটক যা যুদ্ধ এবং প্রেমের ভণ্ডামিকে উপহাস করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Ben Johnson — তিনি একজন বিখ্যাত এলিজাবেথান নাট্যকার ও কবি হলেও এই নাটকের রচয়িতা নন।
B) Joseph Conrad — তিনি মূলত ঔপন্যাসিক এবং সমুদ্রভিত্তিক গল্পের জন্য পরিচিত, কোনো নাটককার নন।
C) G.B Shaw — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি এই বিখ্যাত নাটকের লেখক।
D) T.S Eliot — তিনি বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত আধুনিকতাবাদী কবি ও নাট্যকার হলেও এই নাটকটি তাঁর লেখা নয়।
মনে রাখার টিপস:
শ (Shaw) মানে অস্ত্র (Arms) ঝেড়ে ফেলা, এভাবে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) State
কেন সঠিক:
- পরিবেশের সামগ্রিক অবস্থা বা প্রকৃতির প্রকাশ বোঝাতে state শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
- জলবায়ু হলো কোনো অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদী আবহাওয়ার অবস্থা, যা পরিবেশের একটি অংশ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) State — এটি সঠিক কারণ জলবায়ু পরিবেশের একটি নির্দিষ্ট অবস্থাকে নির্দেশ করে।
B) Situation — এটি সাধারণত কোনো স্থান বা ঘটনার পারিপার্শ্বিক অবস্থাকে বোঝায়, পরিবেশের উপাদান বোঝাতে এটি মানানসই নয়।
C) Rank — এর অর্থ পদমর্যাদা বা ক্রম, যা পরিবেশ বা জলবায়ুর সঙ্গে সম্পর্কহীন।
D) Size — এর অর্থ আকৃতি বা সাইজ, যা পরিবেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশের আবহাওয়াগত অবস্থাকে বোঝাতে state শব্দ ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) Flora
কেন সঠিক:
- Flora শব্দটি ল্যাটিন ভাষা থেকে আগত একটি একক বা Singular নাউন, যার অর্থ উদ্ভিদের কুল বা নির্দিষ্ট অঞ্চলের উদ্ভিদরাজি।
- এর বহুবচন বা Plural রূপ হলো Floras, তাই মূল শব্দটি একবচন হিসেবে গণ্য হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Analyses — এটি Analysis শব্দের প্লুরাল রূপ, যার শেষ অক্ষর এস পরিবর্তিত হয়ে ই হয়েছে।
B) Flora — এটি একটি একবচন শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রশ্ন চেয়েছে কোনটি প্লুরাল নয়।
C) Seraphim — এটি Seraph শব্দের প্লুরাল রূপ, যার শেষে আইএম যুক্ত করে বহুবচন করা হয়েছে।
D) Oxen — এটি Ox শব্দের প্রাচীন ও অনিয়মিত প্লুরাল রূপ, যার শেষে ই এন যুক্ত আছে।
মনে রাখার টিপস:
ল্যাটিন বা গ্রিক উৎসের অনেক শব্দের শেষে এ এস থাকে যা প্লুরাল নির্দেশ করে, কিন্তু ফ্লোরা শব্দটি একক উদ্ভিদকুল বোঝাতে সিঙ্গুলার হিসেবে বসে।
সঠিক উত্তর: D) A false story
কেন সঠিক:
- 'A cock and bull story' একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিওম, যার আক্ষরিক অর্থ মোরগ ও ষাঁড়ের গল্প হলেও ভাবার্থ হলো একটি মনগড়া বা মিথ্যা গল্প।
- মানুষ যখন বিশ্বাসযোগ্য নয় এমন কোনো আজগুবি বা বানোয়াট অজুহাত দেখায়, তখন এই ইডিওমটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) An animal story — এটি আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও ইডিওমটির আসল রূপক অর্থ প্রকাশ করে না।
B) A comedy — এটি কোনো হাস্যরসাত্মক নাটক বা চলচ্চিত্র বোঝায় না।
C) A story about birds — এটি শুধু পাখি বা মোরগ সম্পর্কিত কোনো সাধারণ গল্প নয়।
D) A false story — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ইডিওমটির মূল ভাব অর্থাৎ মিথ্যা বা বানোয়াট গল্পকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
মোরগ ও ষাঁড় কখনো একসাথে গল্প করতে পারে না, তাই এই ধরনের অবাস্তব বিষয় মানেই একটি মিথ্যা গল্প।
সঠিক উত্তর: C) Alice is taller than most other girls.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি Superlative ডিগ্রিতে 'one of the' যুক্ত, যাকে Comparative করার সময় 'than most other' ব্যবহার করতে হয়।
- প্রদত্ত বাক্যের Subject অপরিবর্তিত থাকে এবং Adjective-এর Comparative রূপ বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Alice is taller than any other girl. — 'any other' ব্যবহার করা হয় শুধু 'the' যুক্ত Superlative ডিগ্রিকে Comparative করার সময়।
B) Alice is taller girl. — তুলনামূলক অর্থে 'than' এবং অন্যান্য পদের অনুপস্থিতির কারণে এটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ ও ভুল।
C) Alice is taller than most other girls. — এটি সঠিক অপশন কারণ এটি 'one of the' যুক্ত ডিগ্রির সঠিক পরিবর্তন।
D) Alice is taller than rest of the girls. — ব্যাকরণগত নিয়মের বাইরে ভুল গঠন ব্যবহারের কারণে এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
Superlative ডিগ্রিতে one of the থাকলে Comparative করার সময় than মোস্ট আদার (most other) ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Gold is a precious metal
কেন সঠিক:
- Gold একটি আনকাউন্টেবল নাউন বা ম্যাটেরিয়াল নাউন, তাই এর পূর্বে সাধারণ অর্থে কোনো আর্টিকেল বসে না।
- precious metal এর পূর্বে singular countable noun বোঝাতে an বসেছে, যা সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম অনুসরণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The gold is a precious metal — নির্দিষ্ট করে কোনো স্বর্ণকে বোঝানো হয়নি, তাই Material Noun-এর পূর্বে নির্দিষ্টকরণের আর্টিকেল The বসবে না।
B) A gold is a precious metal — Gold একটি আনকাউন্টেবল বা ম্যাটেরিয়াল নাউন হওয়ায় এর পূর্বে সরাসরি A আর্টিকেল বসতে পারে না।
C) Gold is a precious metal — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল।
D) Gold is precious metal — metal একটি countable noun হওয়ায় এর পূর্বে একটি singular article an বসা আবশ্যক ছিল, যা এখানে অনুপস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
ম্যাটেরিয়াল নাউন সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হলে তার পূর্বে কোনো আর্টিকেল বসে না, তবে এর পর যদি একক বা countable noun থাকে তবে নিয়ম অনুযায়ী আর্টিকেল বসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) singing
কেন সঠিক:
- Would you mind এর পর verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
- এটি একটি অনুরোধ বা Polite Request প্রকাশের নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for — preposition এর পর সরাসরি verb এর base form বসে না এবং এখানে preposition এর প্রয়োজন নেই।
B) singing — সঠিক কারণ Would you mind এর নিয়ম অনুযায়ী verb এর সাথে ing যুক্ত হয়েছে।
C) to sing — Would you mind এর পর infinitive (to + verb) বসে না।
D) sing — modal verb এর মতো bare infinitive এখানে ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
Would you mind দেখলে চোখ বন্ধ করে verb এর সাথে ing বসিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: B) Relaxed
কেন সঠিক:
- 'Panic' শব্দের অর্থ আতঙ্ক, চরম ভয় বা উৎকণ্ঠা।
- 'Relaxed' শব্দের অর্থ শান্ত বা শিথিল, যা আতঙ্ক বা উদ্বেগের বিপরীত অবস্থা নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Laugh — হাসা, এটি আতঙ্কের বিপরীতার্থক শব্দ নয় বরং আনন্দ বা মজার অভিব্যক্তি।
B) Relaxed — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি আতঙ্কের বিপরীত অবস্থা বা মানসিক শান্তি প্রকাশ করে।
C) Sit — বসা, এটি কোনো মানসিক অবস্থার বিপরীত শব্দ নয় বরং একটি শারীরিক ক্রিয়া।
D) Meditate — ধ্যান করা, এটি মানসিক একাগ্রতার সঙ্গে যুক্ত এবং আতঙ্কের সরাসরি বিপরীত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Panic মানে অতিরিক্ত ভয় বা অস্থিরতা, আর Relaxed মানে একদম শান্ত ও দুশ্চিন্তামুক্ত থাকা।
সঠিক উত্তর: B) Elegy
কেন সঠিক:
- Elegy হলো এমন একটি কবিতা বা গান যা কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার শোক বা দুঃখ প্রকাশ করতে গাওয়া হয়।
- এটি সাধারণত বিয়োগান্তক ও বিষণ্ন সুরের হয়ে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Ballad — এটি শোক প্রকাশের গান নয়, বরং এটি একটি লোকগীতি যা কোনো রোমাঞ্চকর বা ঐতিহাসিক গল্প বর্ণনা করে।
C) Hymn — এটি শোকের গান নয়, বরং ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তার বন্দনা ও পবিত্র প্রশংসা করার গান।
D) Dirge — এটিও শোক প্রকাশ বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার গান, তবে Elegy সাহিত্যিক দিক থেকে অনেক বেশি বিস্তৃত ও প্রমিত কবিতা বা গান হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
Elegy শব্দটির সাথে Grief বা দুঃখের মিল মনে রেখে এটি শোকগাথা হিসেবে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) ত্রৈমাসিক
কেন সঠিক:
- ইংরেজি শব্দ 'Quarterly' এসেছে 'Quarter' থেকে যার অর্থ চার ভাগের এক ভাগ বা তিন মাস।
- এক বছরে বারো মাস হওয়ায় প্রতি তিন মাস বা চার মাস অন্তর সম্পন্ন কাজকে ত্রৈমাসিক বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাপ্তাহিক — 'সাপ্তাহিক' শব্দের ইংরেজি হলো 'Weekly', যা প্রতি সাত দিন পর প্রকাশিত বা ঘটে।
B) পাক্ষিক — 'পাক্ষিক' শব্দের ইংরেজি হলো 'Fortnightly', যা প্রতি পনেরো দিন বা দুই সপ্তাহ পর ঘটে।
C) মাসিক — 'মাসিক' শব্দের ইংরেজি হলো 'Monthly', যা প্রতি এক মাস পর পর অনুষ্ঠিত হয়।
D) ত্রৈমাসিক — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনের সঙ্গেই মিলে যায় এবং তিন মাস অন্তর বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
বছরের বারো মাসকে চার ভাগ করলে প্রতি ভাগে তিন মাস হয়, তাই কোয়ার্টার বা ত্রৈমাসিক মানে তিন মাস পর পর।
সঠিক উত্তর: C) A great job has been done by him.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি Present Perfect Tense-এর Active Voice, তাই Passive করার সময় Subject-এর পর has been বা have been বসে এবং মূল Verb-এর Past Participle রূপ হয়।
- এখানে Subject হলো A great job, যা Singular Third Person হওয়ায় এর পরে has been এবং done বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A great job have been have done by him. — Subject Singular হওয়ায় এখানে have বসেছে, যা ভুল।
B) A great job have been doing by him. — এখানে Verb-এর Present Participle form ব্যবহার করা হয়েছে এবং have ভুলভাবে বসেছে।
C) A great job has been done by him. — এটি সঠিক উত্তর।
D) A great job has been doing by him. — Passive Voice-এ Verb-এর Continuous form (doing) ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
Present Perfect Tense-এর Active Voice-কে Passive করার সময় object-কে subject বানিয়ে তার পর has been বা have been বসিয়ে মূল Verb-এর Past Participle করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) William Wordsworth
কেন সঠিক:
- "The Solitary Reaper" হলো রোমান্টিক যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের একটি বিখ্যাত কবিতা।
- স্কটল্যান্ডের এক পাহাড়ি তরুণীর গান গাওয়ার দৃশ্য এবং এর সুর কবির মনে গভীর ভাবের সৃষ্টি করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mathew Arnold — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি ও প্রাবন্ধিক ছিলেন, তাই এটি সঠিক নয়।
B) William Wordsworth — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়।
C) Alfred Tennyson — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রধান কবি ছিলেন, এই কবিতার রচয়িতা নন।
D) P.B Shelley — তিনি রোমান্টিক যুগের অন্য একজন বিখ্যাত কবি, তবে এই কবিতাটি তাঁর লেখা নয়।
মনে রাখার টিপস:
উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ হলেন প্রকৃতির কবি, আর নির্জন প্রকৃতির পটভূমিতে লেখা বিখ্যাত কবিতাটি হলো দ্য সলিটারি রিপার।
সঠিক উত্তর: D) Natural
কেন সঠিক:
- ফার্স্ট ল্যাঙ্গুয়েজ বা মাতৃভাষা হলো সেই ভাষা যা একজন মানুষ জন্মসূত্রে তার পরিবার ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশ থেকে প্রাকৃতিকভাবে শিখে থাকে।
- এটি মানুষের জন্মগত যোগাযোগের মাধ্যম এবং এর অর্জনে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রয়োজন হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Important — গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি ফার্স্ট ল্যাঙ্গুয়েজের ভাষাগত সংজ্ঞা নয়, কারণ যেকোনো ভাষাই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
B) Main — প্রধান বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়, কিন্তু মাতৃভাষার মূল বৈশিষ্ট্য এর প্রধান হওয়া নয় বরং প্রাকৃতিকভাবে অর্জিত হওয়া।
C) Official — দাপ্তরিক ভাষা হলো সরকারি কাজের ভাষা, যা জন্মসূত্রে শেখা ভাষার চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা একটি ধারণা।
D) Natural — এটি সঠিক উত্তর কারণ মাতৃভাষা মানবজীবনে কোনো কৃত্রিম চেষ্টা ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে অর্জিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ফার্স্ট ল্যাঙ্গুয়েজ বা মাতৃভাষা সবসময় প্রাকৃতিকভাবে (Natural) অর্জিত হয়, তাই জন্মসূত্রে শেখা ভাষাই প্রাকৃতিক ভাষা।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: C) could help
কেন সঠিক:
- এটি Second Conditional-এর নিয়ম অনুসরণ করেছে, যেখানে If-clauses অংশে Past Indefinite Tense (had) থাকলে মূল clause-এ subject-এর পর could, would বা might বসে এবং verb-এর base form হয়।
- প্রদত্ত প্রশ্নে if-এর পরের অংশ had-যুক্ত থাকায় প্রধান clause-এ could এবং verb-এর base form (help) বসে বাক্যটি সঠিক হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) would have helped you — এটি Third Conditional-এর গঠন, যেখানে had-এর পর past participle থাকে কিন্তু এখানে কেবল had আছে।
মুখ্য clause-এ would have-এর পরিবর্তে নিয়ম অনুযায়ী could বা would বসা উচিত ছিল।
B) might have helped — এটিও Third Conditional-এর অংশ, যা past perfect tense-এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
এখানে if-clause-এ past perfect (had had) নেই, তাই এটি ভুল।
C) could help — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি Second Conditional-এর নিয়ম পূরণ করে।
D) should help — এটি present conditional-এর ক্ষেত্রে উপদেশ বোঝাতে বসে, কিন্তু বর্তমান প্রশ্নের অর্জিত শর্তটি অবাস্তব বা কাল্পনিক অবস্থাকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
If-এর পর Past Indefinite (verb-এর ২য় রূপ) থাকলে পরের অংশে would, could বা might-এর পরে verb-এর Base Form হয়।
সঠিক উত্তর: B) Napoleon
কেন সঠিক:
- এই বিখ্যাত উক্তিটি ফরাসি সম্রাট ও সামরিক নেতা নেপোলিয়ন বোনাপোর্টের আত্মবিশ্বাসী ব্যক্তিত্বের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
- তিনি বিশ্বাস করতেন যে অসাধ্য বা অসম্ভব বলতে কিছু নেই, দৃঢ় ইচ্ছা থাকলে সবকিছুই অর্জন করা সম্ভব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Plato — তিনি প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক ছিলেন এবং আদর্শ রাষ্ট্র ও দর্শন নিয়ে কাজ করেছেন, এই প্রখ্যাত উক্তির সঙ্গে তার সম্পর্ক নেই।
B) Napoleon — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই উক্তিটি মূলত তার দৃঢ় মনোবল ও আশাবাদী মানসিকতার পরিচয় বহন করে।
C) Che Guevara — তিনি আর্জেন্টিনার মার্ক্সবাদী বিপ্লবী ছিলেন, তার রাজনৈতিক ও বিপ্লবী উক্তি এর চেয়ে আলাদা।
D) Einstein — তিনি বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী ছিলেন এবং আপেক্ষিকতা তত্ত্বের জন্য পরিচিত, এই সাহিত্যিক বা আত্মোন্নয়নমূলক উক্তির সঙ্গে তিনি যুক্ত নন।
মনে রাখার টিপস:
নেপোলিয়ন মানেই দৃঢ় মনোবল; তার কাছে অসম্ভব শব্দটি কেবল মূর্খদের অভিধানেই থাকতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) Prey
কেন সঠিক:
- fall a prey to একটি প্রমিত ইংরেজি বাগধারা যার অর্থ হলো শিকার হওয়া বা কোনো কিছুর অতল গহ্বরে পতিত হওয়া।
- এখানে মৃত্যুর শিকার হওয়া অর্থে prey শব্দটি যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Prey — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নির্দিষ্ট বাগধারার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
B) Pray — এর অর্থ প্রার্থনা করা, যা এই শূন্যস্থানে ব্যাকরণগত ও অর্থগতভাবে সম্পূর্ণ অনুপস্থিত।
C) Victim — এটি অর্থ প্রকাশ করলেও fall a victim to হয়, কিন্তু প্রদত্ত বাক্যে সরাসরি a এর পর noun হিসেবে prey বসে।
D) Virtual — এটি একটি বিশেষণ বা adjective, যা এখানে noun এর স্থানে বসার উপযোগী নয়।
মনে রাখার টিপস:
মৃত্যুর ফাঁদে পড়া বোঝালে fall a prey to an enemy বা fall a prey to death ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) of
কেন সঠিক:
- Guilty শব্দের পর সাধারণত অপরাধ বোঝাতে অবজেক্টের পূর্বে অফ প্রিপজিশন বসে।
- এখানে অবমাননাকর অপরাধ বোঝাতে অব অফ কনস্ট্রাকশন ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) off — অফ প্রিপজিশন দূরত্ব বা পৃথকীকরণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) for — ফর প্রিপজিশন সাধারণত কারণ বা উদ্দেশ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে বসবে না।
D) against — এগেইনস্ট প্রিপজিশন বিরুদ্ধে বা প্রতিকূলে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের উপযুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়া বোঝাতে সবসময় গিল্টি শব্দের পর অব প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) noun
কেন সঠিক:
- শব্দের শেষে -val প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সাধারণত Noun গঠিত হয়, যেমনটি Survive ক্রিয়ার সাথে যুক্ত হয়ে Survival হয়েছে।
- এই শব্দটির পূর্বে আর্টিকেল বা ডিটারমিনার বসতে পারে এবং এটি বাক্যে সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দটির অবস্থান ও গঠন অনুযায়ী এটি একটি Noun.
B) verb — Survive হলো Verb, যার সাথে প্রত্যয় যুক্ত করে এটিকে Noun-এ রূপান্তর করা হয়েছে।
C) adjective — এই শব্দটির কোনো Adjective রূপ যেমন Surviving এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) adverb — এটি কোনো ক্রিয়াকে বিশেষিত করে না, তাই এটি Adverb হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে al থাকলে সাধারণত তা Noun হয়, যেমন Survival, Approval, Denial.
সঠিক উত্তর: D) tolerate
কেন সঠিক:
- Put up with একটি গ্রুপ ভার্ব বা ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ সহ্য করা বা বরদাস্ত করা।
- tolerate শব্দের অর্থও সহ্য করা, যা প্রদত্ত ফ্রেজাল ভার্বটির সঙ্গে পুরোপুরি সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) be excited — এর অর্থ উত্তেজিত হওয়া, যা সহ্য করার সমার্থক নয়।
B) complain — এর অর্থ অভিযোগ করা, যা ভিন্ন একটি ভাব প্রকাশ করে।
C) hate — এর অর্থ ঘৃণা করা, যা কোনো পরিস্থিতি মেনে নেওয়া বা সহ্য করা বোঝায় না।
D) tolerate — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সহ্য করা।
মনে রাখার টিপস:
কোনো ঝামেলা বা কষ্ট সহ্য করতে হলে আপ করতে হয় (Put up), অর্থাৎ সবকিছু সহ্য করে মেনে নিতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) তৈরি পোশাক
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক শিল্প খাত থেকে।
- আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পোশাকের উচ্চ চাহিদা এবং বিশাল কর্মসংস্থানের কারণে এটি শীর্ষ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৈরি পোশাক — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এই খাতের অবদান সর্বাধিক।
B) পাট — এটি একসময় প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত হলেও বর্তমানে এর স্থান অনেক নিচে।
C) মাছ — এটি একটি সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত হলেও তৈরি পোশাক খাতের মতো সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে না।
D) চা — এটি বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী রপ্তানি পণ্য হলেও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে এর অবদান তুলনামূলকভাবে কম।
মনে রাখার টিপস:
পোশাক বা গার্মেন্টস শিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি, তাই বৈদেশিক মুদ্রার কথা এলেই তৈরি পোশাক মনে রাখবে।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) জাপান
কেন সঠিক:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৬ সালে প্রণীত জাপানের সংবিধানের ৯ অনুচ্ছেদে যুদ্ধ ও সামরিক শক্তি বর্জন করার কথা বলা হয়েছে।
- শান্তির প্রতি এই ঐতিহাসিক প্রতিশ্রুতির কারণে জাপানের সংবিধানকে বিশ্বজুড়ে শান্তি সংবিধান বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুইজারল্যান্ড — এটি তার ঐতিহাসিক নিরপেক্ষ নীতির জন্য পরিচিত হলেও এর সংবিধানকে শান্তি সংবিধান বলা হয় না।
B) সুইডেন — এটি দীর্ঘকাল ধরে সামরিক জোটের বাইরে থাকলেও এর সংবিধানের এই ধরনের কোনো বিশেষ উপাধি নেই।
C) জার্মান — জার্মানির মৌলিক আইন গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের ওপর জোর দিলেও একে শান্তি সংবিধান বলা হয় না।
D) জাপান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
জাপানের উদীয়মান সূর্যের দেশ এবং সংবিধানে যুদ্ধ ত্যাগের অঙ্গীকার থাকায় একে শান্তি সংবিধান বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) ফ্রান্স
কেন সঠিক:
- এলিসি প্রাসাদ ফ্রান্সের রাজধানীর প্যারিসে অবস্থিত দেশটির রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন।
- অষ্টাদশ শতাব্দীতে নির্মিত এই ঐতিহাসিক ভবনটি ফরাসি প্রেসিডেন্টের দাপ্তরিক কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাশিয়া — রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন হলো মস্কোর ক্রেমলিন প্রাসাদ।
B) ফ্রান্স — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির বাসভবনকে নির্দেশ করে।
C) বলিভিয়া — বলিভিয়ার রাষ্ট্রপতির দাপ্তরিক বাসভবন হলো প্লাসিও কুয়েমাদো বা কাসা গ্রান্দে দেল পুয়েবলো।
D) ব্রাজিল — ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন হলো আলভোরাদা প্রাসাদ।
মনে রাখার টিপস:
ফ্রান্সের বিখ্যাত এলিসি প্রাসাদের নাম মনে রাখতে ফরাসি ফ্যাশন ও সংস্কৃতির সঙ্গে এই প্রাসাদের নাম মিলিয়ে নিতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাজ্য
কেন সঠিক:
- যুক্তরাজ্য বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে ফাইজার ও বায়োএনটেকের করোনা টিকার গণপ্রদান কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করে।
- দেশটির নাগরিক মার্গারেট কিনান বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে এই টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাজ্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত।
B) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাজ্য গণটিকা শুরু করার কিছুদিন পর টিকাদান শুরু করে, তাই এটি প্রথম দেশ নয়।
C) জার্মানী — দেশটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যান্য দেশের সঙ্গে সমন্বয় করে পরে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করে।
D) ইতালী — ইউরোপে করোনা মহামারীর প্রথম কেন্দ্র হলেও দেশটি সবার আগে গণটিকা কার্যক্রম শুরু করেনি।
মনে রাখার টিপস:
টিকা প্রদানে 'যুক্তরাজ্য' সবার 'যুক্ত' বা এগিয়ে ছিল, তাই প্রথম।
সঠিক উত্তর: C) ইতালী
কেন সঠিক:
- চতুর্দশ শতাব্দীতে ইউরোপে আঘাত হানা ব্ল্যাক ডেথ বা প্লেগ মহামারীর সূচনা মূলত ইতালির সিসিলি দ্বীপের মেসিনা বন্দরে ঘটেছিল।
- এশিয়া থেকে আসা ক্রিমিয়ান বন্দর কাফা থেকে বণিক জাহাজের মাধ্যমে এই মারণব্যাধি প্রথমে ইতালিতে প্রবেশ করে এবং পরে পুরো ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্পেন — এটি প্লেগের উৎপত্তিস্থল নয়, তবে পরবর্তীতে মহামারীটি এই অঞ্চলেও মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল।
B) ফ্রান্স — এটি ব্ল্যাক ডেথের মূল উৎসস্থল নয়, যদিও ফরাসি উপদ্বীপের বিভিন্ন অঞ্চলে পরবর্তীতে এই মহামারী ব্যাপক ক্ষতি সাধন করেছিল।
C) ইতালী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ সিসিলির মেসিনা বন্দর দিয়েই ইউরোপে প্লেগ প্রবেশ করেছিল।
D) রাশিয়া — এটি ব্ল্যাক ডেথের সূচনার স্থান নয়, তবে এর কিছু অঞ্চলও পরবর্তীতে এই মহামারীর শিকার হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
ইতালী হলো সেই দেশ যার বন্দর দিয়ে ব্ল্যাক ডেথ বা প্লেগ মহামারী প্রথম ইউরোপে প্রবেশ করেছিল।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ভূগোল
সঠিক উত্তর: D) লিথুনিয়া
কেন সঠিক:
- বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের সাম্প্রতিক জনমিতিক সূচক অনুযায়ী লিথুনিয়ার জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ঋণাত্মক এবং বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সর্বনিম্ন।
- জন্মহার হ্রাস, প্রবীণ জনগোষ্ঠীর আধিক্য এবং তরুণ সমাজের দেশত্যাগের প্রবণতাই এই সর্বনিম্ন জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রধান কারণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুলগেরিয়া — এটি পূর্ব ইউরোপের একটি দেশ যেখানে জনসংখ্যা হ্রাসের হার বেশি হলেও লিথুনিয়ার চেয়ে কিছুটা ভিন্ন জনমিতিক পরিস্থিতি রয়েছে।
B) সোমালিয়া — এটি পূর্ব আফ্রিকার একটি দেশ যেখানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বিশ্বের সর্বোচ্চ হারেরগুলোর মধ্যে একটি।
সি) লাটভিয়া — এটি বাল্টিক অঞ্চলের একটি দেশ এবং এর জনসংখ্যা কমলেও লিথুনিয়ার মতো তীব্র সর্বনিম্ন হারের সূচকে শীর্ষে নেই।
D) লিথুনিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত কারণ এর জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বিশ্ব পরিসরে সবচেয়ে কম।
মনে রাখার টিপস:
বাল্টিক সাগরের তীরবর্তী দেশ লিথুনিয়ার নামের সাথে জনসংখ্যা কমার 'লিথু' বা ক্ষয়ের মিল খুঁজে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) সংসদ সদস্যদের উত্থাপিত বিল
কেন সঠিক:
- মন্ত্রিপরিষদের সদস্য বা মন্ত্রী ছাড়া অন্য যে কোনো সাধারণ সংসদ সদস্য সংসদে যে বিল উত্থাপন করেন তাকে বেসরকারি বিল বলা হয়।
- এই বিল আইনে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম থাকে কারণ এটি সরকারের পক্ষ থেকে বাধ্যতামূলকভাবে আনা হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংসদ সদস্যদের উত্থাপিত বিল — এটি সঠিক কারণ মন্ত্রিপরিষদের সদস্য নন এমন যে কোনো সংসদ সদস্য এই বিল উত্থাপন করতে পারেন।
B) রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ঘোষিত কোন বিল — এটি ভুল কারণ রাষ্ট্রপতি কোনো বিল উত্থাপন করেন না, তিনি কেবল পাস হওয়া বিলে সম্মতি প্রদান করেন।
C) বিরোধী দলের সদস্যদের উত্থাপিত বিল — এটি ভুল কারণ বিরোধী দল ছাড়াও সরকারি দলের সাধারণ সংসদ সদস্যরাও এই বিল উত্থাপন করতে পারেন।
D) স্পীকার যে বিলকে বেসরকারি বিল বলে ঘোষনা দেন — এটি ভুল কারণ স্পীকার বিলের ঘোষণা দেন না, বরং মন্ত্রীর বাইরে অন্য সদস্যদের উত্থাপনই এর সংজ্ঞায় নির্ধারিত।
মনে রাখার টিপস:
মন্ত্রীরা আনলে সরকারি বিল আর সাধারণ সংসদ সদস্যরা আনলে তা বেসরকারি বিল।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) ৩২ হাজার মেগাওয়াট
কেন সঠিক:
- বিদ্যুৎ খাতের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের বর্তমান বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৩২ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে।
- ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি সহ মোট স্থাপন করা ক্ষমতা হিসাব করে এই পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩২ হাজার মেগাওয়াট — বর্তমান বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার সবচেয়ে কাছাকাছি ও সঠিক হিসাব।
B) ২২ হাজার মেগাওয়াট — এটি বাংলাদেশের বিগত কয়েক বছর আগের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা নির্দেশ করে।
C) ১০ হাজার মেগাওয়াট — এটি অনেক আগের পুরনো তথ্য, বর্তমান ক্ষমতার তুলনায় এটি অত্যন্ত কম।
D) ৮ হাজার মেগাওয়াট — এটি বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরের বা বহু বছর আগের প্রাথমিক পর্যায়ের উৎপাদন ক্ষমতা।
মনে রাখার টিপস:
বর্তমান উন্নয়নের সাথে মিল রেখে মনে রাখুন, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ক্ষমতা এখন ত্রিশ হাজারের ঘরে অর্থাৎ ৩২ হাজার মেগাওয়াট।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) রামেন্দু মজুমদার ও প্রদীপ চক্রবর্তী
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর লোগো যৌথভাবে নকশা করেছেন রামেন্দু মজুমদার ও প্রদীপ চক্রবর্তী।
- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই লোগোটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন ও প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রামেন্দু মজুমদার — তিনি একা এই লোগোর নকশা করেননি, প্রদীপ চক্রবর্তীও তাঁর সাথে যৌথভাবে নকশাকার হিসেবে যুক্ত ছিলেন।
B) প্রদীপ চক্রবর্তী — তিনি একা এই লোগোর নকশা করেননি, রামেন্দু মজুমদার তাঁর সাথে যৌথভাবে নকশাকার হিসেবে যুক্ত ছিলেন।
C) সব্যসাচী হাজরা — তিনি এই লোগোর নকশাকার নন, তবে তিনি অন্য বিভিন্ন সরকারি লোগো বা স্মারক নকশা করার জন্য পরিচিত।
D) a ও এই উভয়টি আনস — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ রামেন্দু মজুমদার ও প্রদীপ চক্রবর্তী যৌথভাবে এই লোগোটি তৈরি করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
সুবর্ণজয়ন্তীর লোগো মানেই রামেন্দু ও প্রদীপের যৌথ সৃষ্টি।
সঠিক উত্তর: C) মাতৃমৃত্যু কমানোর সফল মডেল
কেন সঠিক:
- গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলায় মাতৃমৃত্যু হ্রাসে অর্জিত অভাবনীয় সাফল্য ও কৌশল দেশজুড়ে এই মডেল হিসেবে পরিচিত।
- গর্ভকালীন ও প্রসবকালীন সময়ে নারীদের বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার মাধ্যমে মাতৃমৃত্যুর হার সফলভাবে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিশু শ্রম নিরসন মডেল — এটি শিশু শ্রম রোধের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো আলোচিত সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক মডেল নয়।
B) বাল্য বিবাহ রোধ মডেল — বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের জন্য অন্য বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ ও আইন থাকলেও এটি কাপাসিয়া মডেলের মূল বিষয় নয়।
C) মাতৃমৃত্যু কমানোর সফল মডেল — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) গৃহকর্মী সুরক্ষা মডেল — গৃহকর্মীদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের সঙ্গে এই মডেলের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
কাপাসিয়া নামটি গাজীপুরের একটি উপজেলার সঙ্গে যুক্ত, যা স্বাস্থ্য খাতে মাতৃমৃত্যু হ্রাসের জন্য দেশবিখ্যাত।
সঠিক উত্তর: B) বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পুরস্কার
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকার নারী উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২১ সাল থেকে এই জাতীয় পদক প্রবর্তন করে।
- প্রতি বছর ৮ আগস্ট বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকীতে এই পদক প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কৃষি পুরস্কার — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএও এর সহযোগিতায় প্রবর্তিত আন্তর্জাতিক পুরস্কার, বাংলাদেশ সরকারের নতুন জাতীয় পদক নয়।
B) বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পুরস্কার — এটি ২০২১ সাল থেকে প্রবর্তিত বাংলাদেশ সরকারের একটি নতুন জাতীয় পদক।
C) শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার — এটি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত কোনো নিয়মিত সরকারি জাতীয় পদক নয়।
D) শেখ রাসেল আইসিটি পুরস্কার — এটি শিশু ও তরুণদের আইসিটি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য প্রদত্ত হলেও সঠিক উত্তর এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
নারীদের অবদানের কথা মনে রাখলেই উত্তর আসবে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পুরস্কার।
সঠিক উত্তর: D) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
কেন সঠিক:
- বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ এলাকায় সম্মুখযুদ্ধে শহীদ হন।
- শহীদ হওয়ার পর তাকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে সমাহিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নওগাঁ — এটি অন্য একটি জেলা এবং এখানে বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের কবর অবস্থিত নয়।
B) নাটোর — এটি একটি উত্তরবঙ্গের জেলা হলেও এই বীরশ্রেষ্ঠের সমাধিস্থল এখানে নয়।
C) জয়পুরহাট — এটি একটি ভিন্ন জেলা এবং এর সঙ্গে এই প্রশ্নের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
D) চাঁপাইনবাবগঞ্জ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তার কবর এখানেই সোনামসজিদ মাজারের কাছে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় যেমন ঢাকায়, তেমনি বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের কবর ঐতিহাসিক সোনামসজিদের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে।
সঠিক উত্তর: D) একটি প্রোটিন
১. কেন সঠিক:
কোলাজেন হলো মানবদেহসহ সকল মেরুদণ্ডী প্রাণীর সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা একটি তন্তুয় প্রোটিন।
এটি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ যেমন ত্বক, অস্থি, পেশি, লিগামেন্ট ও টেন্ডনকে দৃঢ়তা ও স্থিতিস্থাপকতা প্রদান করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: প্রোটিন হলো অ্যামিনো অ্যাসিডের দীর্ঘ শিকল যা শরীরের গঠন ও মেরামতে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
কার্যপ্রণালি: অ্যামিনো অ্যাসিডগুলো পেপটাইড বন্ধন দ্বারা যুক্ত হয়ে ত্রিমাত্রিক গঠন তৈরি করে কোলাজেন তন্তু গঠন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমাদের ত্বকের টানটান ভাব ও তারুণ্য বজায় রাখা।
ব্যাখ্যা: কোলাজেন তন্তু জালের মতো বিন্যস্ত থেকে ত্বককে দৃঢ় ও কুঁচকে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।
উদাহরণ ২: অস্থি সন্ধি বা জয়েন্টের নড়াচড়া মসৃণ রাখা।
ব্যাখ্যা: কার্টিলেজে থাকা কোলাজেন হাড়ের ঘর্ষণ রোধ করে এবং সহজে চলাচল করতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি কার্বোহাইড্রেট — ভুল, কারণ কার্বোহাইড্রেট হলো শর্করা জাতীয় পদার্থ যা প্রধানত শক্তি উৎপাদনে কাজ করে।
B) একটি নিউক্লিক এসিড — ভুল, কারণ নিউক্লিক এসিড হলো ডিএনএ বা আরএনএ যা বংশগতি তথ্য বহন করে।
C) একটি লিপিড — ভুল, কারণ লিপিড হলো ফ্যাট বা চর্বি জাতীয় পদার্থ যা শক্তি সঞ্চয় ও কোষঝিল্লি গঠনে কাজ করে।
D) একটি প্রোটিন — সঠিক, কারণ কোলাজেন একটি স্ট্রাকচারাল প্রোটিন যা দেহের বিভিন্ন কলাকে একত্রে ধরে রাখে।
৫. মনে রাখার টিপস:
কোলাজেনের প্রথম অক্ষর 'ক' দিয়ে মনে রাখতে পারো কোলাজেন হলো একটি গঠনমূলক 'ক' থেকে প্রোটিন।
আমাদের শরীরের মোট প্রোটিনের প্রায় ত্রিশ শতাংশই হলো কোলাজেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মানবদেহের ত্বক, চুল ও নখের গঠনের জন্য কোলাজেন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে মানবদেহের সবচেয়ে প্রাচুর্যময় প্রোটিন কোনটি, যার উত্তর হলো কোলাজেন।
সঠিক উত্তর: D) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
১. কেন সঠিক:
গ্রিনহাউস ইফেক্টের ফলে বিশ্ব উষ্ণায়ন ঘটছে এবং এর সরাসরি প্রভাবে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক ও বদ্বীপ অঞ্চল হওয়ায় এর উপকূলীয় ও দক্ষিণাঞ্চলের নিম্নভূমিগুলো সমুদ্রের পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: গ্রিনহাউস গ্যাসের মাত্রা বৃদ্ধির কারণে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় যাকে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বলা হয়।
কার্যপ্রণালি: কার্বন ডাইঅক্সাইড ও মিথেন গ্যাসের আধিক্য সূর্যালোক থেকে আসা তাপ আটকে রাখে এবং তা মহাশূন্যে ফিরে যেতে বাধা দেয়।
কারণ ও ফলাফল: তাপবৃদ্ধির ফলে গ্লেসিয়ার বা হিমবাহের বরফ গলে সমুদ্রে পানির পরিমাণ বাড়ায় এবং উপকূলীয় দেশগুলো প্লাবিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুন্দরবন ও এর আশেপাশের উপকূলীয় অঞ্চল।
ব্যাখ্যা: সমুদ্রের পানির উচ্চতা সামান্য বাড়লেও সুন্দরবনের মতো নিচু ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল ও এর জীববৈচিত্র্য সরাসরি লবণাক্ত পানির নিচে তলিয়ে যাবে।
উদাহরণ ২: বরফ গলে যাওয়া এবং সাগরের উচ্চতা বৃদ্ধি।
ব্যাখ্যা: হিমালয় বা অ্যান্টার্কটিক্কার বরফ গলার ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির এই বৈজ্ঞানিক সত্যতা বাংলাদেশের মতো নিচু বদ্বীপের জন্য মারাত্মক হুমকি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে — সাইক্লোন বা ঝড়ঝাপটা বৃদ্ধি পেলেও এটি গ্রিনহাউস ইফেক্টের একটি গৌণ বা পরোক্ষ পরিণতি, সবচেয়ে গুরুতর প্রত্যক্ষ ক্ষতি নয়।
B) বৃষ্টিপাত কমে যাবে — বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সামগ্রিকভাবে বৃষ্টিপাত কমে না বরং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অনিয়মিত ও অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ঘটে।
C) উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে — উত্তাপ বৃদ্ধি পেলে তা সামগ্রিক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণ ও প্রক্রিয়া, তবে বাংলাদেশের জন্য এর সবচেয়ে ভয়াবহ প্রত্যক্ষ পরিণতি হলো ভূমি নিমজ্জন।
D) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে — এটি বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের মতো নিচু দেশের ক্ষেত্রে সবচেয়ে সঠিক ও গুরুতর প্রত্যক্ষ পরিণতি।
৫ মনে রাখার টিপস:
গ্রিনহাউস ইফেক্ট মানেই তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং বরফ গলা, আর বরফ গলার সরাসরি ফল হলো সাগরের পানি বেড়ে নিচু জমি বা নিম্নভূমি পানিতে ডুবে যাওয়া।
বাংলাদেশ একটি নিচু বদ্বীপ হওয়ায় এর অস্তিত্ব রক্ষার প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া থেকে নিম্নভূমি রক্ষা করা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য এটি সবচেয়ে বেশি দায়ী।
এ ধরনের প্রশ্ন থেকে প্রায়ই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব সম্পর্কিত এমসিকিউ পরীক্ষাগুলোতে আসে।
সঠিক উত্তর: D) চর্ম ক্যান্সার
১. কেন সঠিক:
অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের কোষের ডিএনএ পরিবর্তন করে ফেলে। এর ফলে ত্বকের কোষগুলো অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভাজিত হয়ে টিউমার বা চর্ম ক্যান্সার সৃষ্টি করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: সূর্যের আলোতে থাকা অতিবেগুনি বা আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি একটি অদৃশ্য তাড়িতচৌম্বকীয় বিকিরণ। দীর্ঘ সময় এই রশ্মির প্রভাবে ত্বকের মেলানিন উৎপাদন ব্যাহত হয় এবং কোষের জিনগত ক্ষতি হয়।
কারণ ও ফলাফল: ওজোন স্তর ক্ষয়ের কারণে সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি সরাসরি পৃথিবীতে চলে আসে। এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবে ত্বকে ক্ষতের সৃষ্টি হয় এবং পরবর্তীতে তা ম্যালিগন্যান্ট মেলানোমা বা চর্ম ক্যান্সারে রূপ নেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দীর্ঘ সময় সমুদ্র সৈকতে রোদে অবস্থান করলে ত্বক লাল হয়ে যায় এবং খোসা ছাড়তে শুরু করে।
ব্যাখ্যা: এটি অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ত্বকের কোষ পুড়ে যাওয়ার প্রাথমিক লক্ষণ, যা বারবার ঘটলে চর্ম ক্যান্সার হতে পারে।
উদাহরণ ২: বৈদ্যুতিক ঝালাই বা ওয়েল্ডিং করার সময় বিশেষ গ্লাস বা মাস্ক ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: ওয়েল্ডিং থেকে নির্গত অতিবেগুনি রশ্মি যাতে চোখ ও মুখের ত্বকের ক্ষতি করতে না পারে, সেজন্য এই সুরক্ষা নেওয়া হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এইডস — এটি হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস নামক ভাইরাসের সংক্রমণের ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস হওয়ার কারণে হয়। এটি কোনো বিকিরণজনিত রোগ নয়।
B) ব্রেন ক্যান্সার — এটি মস্তিষ্কের কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে ঘটে, যা বংশগত কারণ বা নির্দিষ্ট কিছু রাসায়নিক পদার্থের প্রভাবে হতে পারে।
C) ব্লাড ক্যান্সার — এটি মূলত লিউকেমিয়া নামে পরিচিত এবং রক্ত কণিকা উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় ত্রুটির কারণে অস্থিমজ্জায় উৎপন্ন হয়।
D) চর্ম ক্যান্সার — এটি সঠিক উত্তর কারণ অতিবেগুনি রশ্মির সরাসরি সংস্পর্শে ত্বকের কোষের জিনগত ক্ষতি হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
আল্ট্রাভায়োলেট বা রোদ মানেই ত্বক বা চামড়ার সাথে সরাসরি সম্পর্ক। তাই রোদ থেকে চামড়াকে বাঁচাতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা হয় এবং এর সাথে চর্ম ক্যান্সারের সম্পর্ক মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করে বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর। এই ধরনের প্রশ্নগুলোতে রশ্মির প্রভাবে সৃষ্ট রোগ এবং ওজোন স্তর ক্ষয়ের কারণ সম্পর্কিত তথ্য প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: D) Making a machine intelligent
১. কেন সঠিক:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স হলো মানুষের চিন্তাশক্তি ও বুদ্ধিমত্তাকে প্রযুক্তির মাধ্যমে মেশিনের মধ্যে প্রতিস্থাপন করা।
মেশিনকে বুদ্ধিমান করার এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কম্পিউটার বা রোবট মানুষের মতো চিন্তা করতে এবং সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI হলো কম্পিউটার বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা এমন সিস্টেম তৈরি করে যা মানুষের মতো শিখতে ও কাজ করতে পারে।
কার্যপদ্ধতি: বিশাল পরিমাণ ডেটা বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন অ্যালগরিদমের মাধ্যমে এটি প্যাটার্ন খুঁজে বের করে এবং নিজে নিজে সিদ্ধান্ত নেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ্যাপলের Siri বা গুগলের Assistant।
ব্যাখ্যা: এগুলো মানুষের কথা শুনে বুঝতে পারে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে সঠিক উত্তর বা সেবা প্রদান করে।
উদাহরণ ২: স্বয়ংক্রিয় গাড়ি বা Self-driving car।
ব্যাখ্যা: সেন্সর ও ক্যামেরার ডেটা বিশ্লেষণ করে এই গাড়িগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে নিজে নিজে রাস্তা চলতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Putting more memory into computer — কম্পিউটারে বেশি মেমোরি যুক্ত করা মানে স্টোরেজ বা র্যাম বাড়ানো, যা বুদ্ধিমত্তা নয়।
B) Putting our intelligence into computer — এটি আংশিক মনে হলেও কম্পিউটার কেবল ডেটা প্রসেস করে, মানুষের হুবহু বুদ্ধিমত্তা সেখানে বসানো যায় না।
C) Programming with your own intelligence — এটি সাধারণ প্রোগ্রামিং বোঝায়, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত নয়।
D) Making a machine intelligent — মেশিনকে বুদ্ধিমান করে তোলার মাধ্যমে তাকে মানুষের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
AI শব্দের অর্থ হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।
এর মূল কাজ হলো কম্পিউটার বা যন্ত্রকে মানুষের মতো বুদ্ধিমান করে গড়ে তোলা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI-এর জনক জন ম্যাককার্থি।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই যন্ত্রকে বুদ্ধিমান করার বিষয়টি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) 128 bits
১. কেন সঠিক:
আইপি অ্যাড্রেস বা ইন্টারনেট প্রটোকল অ্যাড্রেস ইন্টারনেটে সংযুক্ত প্রতিটি ডিভাইসের একটি অনন্য পরিচিতি।
আইপিভি সিক্স বা ইন্টারনেট প্রটোকল ভার্সন সিক্স ঠিকানায় ১২৮ বিট বা ষোলো বাইট ব্যবহার করা হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: IPV6 হলো ইন্টারনেটের নতুন সংস্করণ যা বিপুল সংখ্যক ডিভাইসের জন্য ইউনিক ঠিকানা প্রদান করে।
কার্যপদ্ধতি: এটি হেক্সাডেসিমাল নোটেশনে কোলন দ্বারা বিভক্ত আটটি ব্লকে ১২৮ বিট ডেটা প্রসেস করে।
বৈশিষ্ট্য: এটি প্রায় অসীম সংখ্যক আইপি অ্যাড্রেস তৈরি করতে পারে এবং এতে বিল্ট-ইন সিকিউরিটি থাকে।
পার্থক্য: আগের সংস্করণ IPv4 এ ৩২ বিট ব্যবহার করা হতো যেখানে IPv6 এ ১২৮ বিট ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঘরের ঠিকানা।
ব্যাখ্যা: ডাকযোগে চিঠি পাঠানোর যেমন নির্দিষ্ট ঠিকানা লাগে, ইন্টারনেটে ডেটা পাঠাতে আইপি অ্যাড্রেস তেমনি কাজ করে।
উদাহরণ ২: মোবাইল ফোন।
ব্যাখ্যা: প্রতিটি স্মার্টফোন ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় একটি অনন্য আইপিভি সিক্স বা আইপিভি ফোর ঠিকানা গ্রহণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 32 bits — এটি পুরনো সংস্করণ IPv4 ঠিকানার দৈর্ঘ্য, যা বর্তমানের জন্য অপর্যাপ্ত।
B) 128 bits — এটি সঠিক কারণ IPv6 ঠিকানায় ১২৮ বিট বা ষোলো বাইট ব্যবহার করা হয়।
C) 64 bits — এটি স্ট্যান্ডার্ড আইপি ঠিকানার দৈর্ঘ্য নয়, তাই এটি সঠিক নয়।
D) 132 bits — এটি ভুল কারণ আইপিভি সিক্স ঠিকানায় এই নির্দিষ্ট বিট সংখ্যা ব্যবহৃত হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
আইপিভি সিক্স মানেই ১২৮ বিট মনে রাখবে।
পুরনো আইপিভি ফোর হলো ৩২ বিট এবং নতুন আইপিভি সিক্স হলো ১২৮ বিট।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আইপিভি ফোর ও আইপিভি সিক্সের বিট সংখ্যা প্রায়ই আসে।
আইপিভি ফোর হলো ৩২ বিট আর আইপিভি সিক্স হলো ১২৮ বিট।
সঠিক উত্তর: A) বেলজিয়াম
১. কেন সঠিক:
ওয়াটারলূ হলো বেলজিয়ামের একটি ঐতিহাসিক স্থান, যা ১৮১৫ সালের বিখ্যাত ওয়াটারলূ যুদ্ধের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
এই স্থানে ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ব্রিটিশ ও প্রুশিয়ান যৌথ বাহিনীর কাছে চূড়ান্তভাবে পরাজিত হন এবং তার ক্ষমতার অবসান ঘটে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: এটি বেলজিয়ামের ব্রাবান্ট অঞ্চলের একটি পৌরসভা, যা রাজধানী ব্রাসেলসের প্রায় বিশ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত।
বৈশিষ্ট্য: স্থানটি মূলত সমতল ও ঊর্বর কৃষিজমিতে পূর্ণ, যা ঐতিহাসিক যুদ্ধের সময় সৈন্যচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল।
সংশ্লিষ্ট তথ্য: ১৮১৫ সালের ১৮ জুন এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং এর মাধ্যমেই ইউরোপের ভূরাজনীতিতে একটি নতুন যুগের সূচনা হয়।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: ওয়াটারলূ যুদ্ধ
ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক ইউরোপের ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সামরিক সন্ধিক্ষণ হিসেবে পরিচিত।
উদাহরণ ২: ব্রাসেলস শহর
ব্যাখ্যা: বেলজিয়ামের রাজধানী এই শহরটি ওয়াটারলূর খুব কাছে অবস্থিত এবং এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেলজিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ ওয়াটারলূ এখানেই অবস্থিত।
B) ইংল্যান্ড — এটি একটি দ্বীপরাষ্ট্র এবং ব্রিটিশ বাহিনী এই যুদ্ধে অংশ নিলেও রণক্ষেত্রটি এখানে ছিল না।
C) ইতালী — এটি দক্ষিণ ইউরোপের একটি দেশ, যা নেপোলিয়নের প্রাথমিক জীবনের সামরিক অভিযানের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও ওয়াটারলূ এখানে নয়।
D) রাশিয়া — এটি বিশ্বের বৃহত্তম দেশ এবং ১৮১২ সালে নেপোলিয়নের রাশিয়া অভিযান ব্যর্থ হলেও ওয়াটারলূ রণক্ষেত্র এখানে অবস্থিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
নেপোলিয়নের শেষ পরাজয় ঘটেছিল বেলজিয়ামের ওয়াটারলূতে। এভাবে মনে রাখতে পারেন যে নেপোলিয়ন বেলজিয়ামের মাটিতে হেরেছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ঐতিহাসিক স্থান ও তার অবস্থান সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে ওয়াটারলূ যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) কুরিল দ্বীপপুঞ্জ
১. কেন সঠিক:
- কুরিল দ্বীপপুঞ্জ জাপান ও রাশিয়ার মধ্যে অবস্থিত একটি বিতর্কিত দ্বীপমালা, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষভাগে সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে নিয়েছিল।
- এই দ্বীপগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে এখনো কোনো শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি এবং এটি উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের একটি কৌশলগত অঞ্চল।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপ থেকে জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বৈশিষ্ট্য: এটি আগ্নেয়গিরি গঠিত একটি দ্বীপমালা যা ওখোৎস্ক সাগরকে উত্তর প্রশান্ত মহাসাগর থেকে পৃথক করেছে।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: হোক্কাইডো দ্বীপ
ব্যাখ্যা: এটি জাপানের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ এবং কুরিল দ্বীপপুঞ্জের ঠিক দক্ষিণেই অবস্থিত হওয়ায় এই বিরোধের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।
উদাহরণ ২: কামচাটকা উপদ্বীপ
ব্যাখ্যা: এটি রাশিয়ার পূর্ব উপকূলে অবস্থিত একটি বিশাল উপদ্বীপ যা কুরিল দ্বীপপুঞ্জের উত্তর সীমানা নির্ধারণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুরিল দ্বীপপুঞ্জ — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এটি রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপমালা।
B) গ্রেট বেরিয়ার দ্বীপ — এটি নিউজিল্যান্ডের উত্তর দ্বীপের নিকটবর্তী একটি দ্বীপ, যা কোনো আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিরোধের সঙ্গে যুক্ত নয়।
C) দিয়েগো গর্সিয়া দ্বীপ — এটি ভারত মহাসাগরের চাগোস দ্বীপপুঞ্জের একটি দ্বীপ এবং যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটির জন্য পরিচিত।
D) মার্শাল দ্বীপ — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলে প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত একটি স্বাধীন দ্বীপরাষ্ট্র যা কোনো দ্বিপক্ষীয় ভূখণ্ডগত বিরোধের অংশ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যকার বিরোধ মনে রাখতে কুরিল শব্দটির সঙ্গে কুস্তি শব্দ মেলাতে পারো, কারণ এই দুই দেশ দ্বীপটি নিয়ে রাজনৈতিক কুস্তিতে লিপ্ত।
- জাপানের হোক্কাইডো থেকে রাশিয়ার কামচাটকা পর্যন্ত ছড়ানো এই দ্বীপমালার অবস্থান মানচিত্রে ভালোভাবে দেখে নিলে চিরকাল মনে থাকবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সীমান্ত, দ্বীপ ও ভূখণ্ডগত বিরোধ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- কুরিল দ্বীপপুঞ্জের পরিবর্তে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার ডকডো বা তাকেশিমা দ্বীপ নিয়েও প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) ১৯০৭ সালে
১. কেন সঠিক:
- চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে।
- প্রাচীন বাংলা ভাষার এই নির্দেশক নিদর্শনটি আবিষ্কারের পর বাংলা সাহিত্য গবেষণার নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্যসংকলন ও সাহিত্যিক নিদর্শন যা হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন।
- ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা প্রাচীন বাংলা ভাষার আদি রূপ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদের প্রথম পদটি রচনা করেছেন লুইপা।
ব্যাখ্যা: লুইপা হলেন চর্যাপদের আদিকবি এবং তার পদ দিয়েই চর্যাপদ সংকলন শুরু হয়েছে।
উদাহরণ ২: চর্যাপদের প্রাপ্ত পদসংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি।
ব্যাখ্যা: আচার্য হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কৃত পুথিতে সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ সম্পূর্ণ বা আংশিক পাওয়া গিয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯০৫ সালে — এই সালে বাংলায় বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করা হয়েছিল যা চর্যাপদ আবিষ্কারের সাল নয়।
B) ১৯০৬ সালে — এই সালে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় কিন্তু চর্যাপদ এই সালে আবিষ্কৃত হয়নি।
D) ১৯০৮ সালে — এই সালটি চর্যাপদ আবিষ্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় বরং এটি আবিষ্কারের পরবর্তী একটি সময়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- চর্যাপদ আবিষ্কারের সাল মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ১৯০৭ সালটিকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর নেপাল যাত্রার বছর হিসেবে মাথায় রাখা।
- সালটি মনে রাখতে ১৯০৭ সংখ্যাটি বারবার চর্চা করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- চর্যাপদ কে আবিষ্কার করেন এবং কত সালে প্রকাশ করেন এই দুটি প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত কমন।
- একই ধরনের সাহিত্যিক আবিষ্কারের সালগুলো আলাদা করে নোট করে বারবার অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) কালিদাস
১. কেন সঠিক:
- 'মেঘদূত' মহাকবি কালিদাসের একটি বিশ্বখ্যাত সংস্কৃত গীতিপ্রকাব বা দূতকাব্য।
- বিরহী যক্ষ তার প্রিয়ার কাছে মেঘের মাধ্যমে বার্তা পাঠানোর বিষয়বস্তুকে কেন্দ্র করে কাব্যটি রচিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কালিদাস প্রাচীন ভারতের সংস্কৃত সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি ও নাট্যকার হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।
- 'মেঘদূত' সংস্কৃত সাহিত্যের ধ্রুপদী ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি এবং এর বাংলা অনুবাদ ও সাহিত্যমূল্য অত্যন্ত গভীর।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কালিদাসের রচিত মহাকাব্য 'রঘুবংশ'।
ব্যাখ্যা: এটি কালিদাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম যা সংস্কৃত কাব্যের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ ২: কালিদাসের রচিত নাটক 'অভিজ্ঞানশকুন্তলম'।
ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ নাটক এবং বিশ্বসাহিত্যেরও অন্যতম মূল্যবান সম্পদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বিজমাধব — তিনি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত কবি যিনি 'মঙ্গলচণ্ডীর গীত' রচনা করেছেন।
B) বড়ুচণ্ডীদাস — তিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা এবং প্রাক-চৈতন্য যুগের বিশিষ্ট মধ্যযুগীয় বাঙালি কবি।
C) চণ্ডী দাস — বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের চণ্ডীদাস পদাবলী সাহিত্যের জন্য বিখ্যাত কবি।
D) কালিদাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'মেঘদূত' সংস্কৃত সাহিত্যের মহাকবি কালিদাসের অমর সৃষ্টি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মেঘ দেখলে যার কথা মনে পড়ে সেই প্রাচীন কবি কালিদাসের নাম মনে রাখবে।
- মেঘদূত কাব্যটি কালিদাসের বিরহভিত্তিক শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হিসেবে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংস্কৃত সাহিত্যের বিখ্যাত গ্রন্থ ও রচিয়তা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বিশ্বসাহিত্যের ক্ল্যাসিক গ্রন্থগুলোর রচয়িতা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) শেখ মুজিবুর রহমান
১. কেন সঠিক:
- 'আমার দেখা নয়াচীন' গ্রন্থটির রচয়িতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- ১৯৫২ সালে চীন সফরের অভিজ্ঞতা এবং সে দেশের সমাজব্যবস্থা এই গ্রন্থে তুলে ধরা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৪ সালে কারাগارবন্দী থাকা অবস্থায় এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে আত্মজীবনী ও ভ্রমণকাহিনি লিখে গেছেন।
- বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত তাঁর এই গ্রন্থটি বাংলা ভ্রমণসাহিত্য ও আত্মজৈবনিক রচনার একটি অত্যন্ত মূল্যবান দলিল হিসেবে স্বীকৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: কারাগারের রোজনামচা
ব্যাখ্যা: এটিও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শেখ মুজিবুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি বিখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও পন্ডিত হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
C) আহমদ শরীফ — তিনি বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও গবেষক হলেও এই ভ্রমণকাহিনির লেখক নন।
D) জামিল চৌধুরী — তিনি বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও অধ্যাপক হলেও এই গ্রন্থটির সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর চীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতার ওপর লেখা বইটির নাম 'আমার দেখা নয়াচীন'। ভ্রমণকাহিনি মনে রাখার জন্য শেখ মুজিবুর রহমানের নাম মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত বঙ্গবন্ধুর গ্রন্থগুলো থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা ও আমার দেখা নয়াচীন—এই তিনটি গ্রন্থ বিশেষভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
- 'প্রাগৈতিহাসিক' বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি ছোটগল্প, যার রচয়িতা প্রখ্যাত কথাশিল্পী মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়।
- এই গল্পটিতে নিম্নবর্গীয় মানুষের আদিম প্রবৃত্তি, ক্ষুধা, দারিদ্র্য এবং বেঁচে থাকার কঠিন সংগ্রামের বাস্তবসম্মত রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যে মনোবিশ্লেষণধর্মী উপন্যাসের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত এবং তিনি বাংলা আধুনিক উপন্যাসের ধারাকে সমৃদ্ধ করেছেন।
- তাঁর 'প্রাগৈতিহাসিক' গল্পটি প্রথম 'পূর্বাশা' পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত তাঁর একই নামের গল্পগ্রন্থে সংকলিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাসটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা।
ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা জেলেদের জীবন নিয়ে রচিত।
উদাহরণ ২: 'সহিদ' বা 'বউ' মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত ছোটগল্প।
ব্যাখ্যা: এই গল্পগুলোতেও লেখকের বাস্তববাদী দৃষ্টি ও মানুষের মনস্তত্ত্বের গভীর বিশ্লেষণ প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাসান আজিজুল হক — ইনি একজন প্রখ্যাত কথাশিল্পী হলেও 'প্রাগৈতিহাসিক' গল্পের রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত গল্প 'আত্মজা ও একটি করবী গাছ'।
B) রাজশেখর বসু — ইনি মূলত পরশুরাম ছদ্মনামে হাস্যরসাত্মক ছোটগল্প রচনার জন্য বিখ্যাত, তাই এই প্রশ্নের উত্তর নন।
C) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ছোটগল্পটি তাঁরই সৃষ্টি।
D) শাহেদ আলী — ইনি একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হলেও 'প্রাগৈতিহাসিক' গল্পের লেখক নন, তাঁর বিখ্যাত গল্প 'জীবন ও মৃত্যু'।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রাগৈতিহাসিক যুগের মানুষের মতো মানুষের আদিম ক্ষুধা ও কামনার বাস্তব রূপ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্পে পাওয়া যায়, এভাবে মনে রাখতে পারো।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত ছোটগল্প মনে রাখার জন্য 'প্রাগৈতিহাসিক ও খেতি' সূত্র হিসেবে মাথায় রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই 'প্রাগৈতিহাসিক' গল্পের লেখকের নাম বা এর সাহিত্যিক রূপ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- বিখ্যাত লেখকদের কালজয়ী ছোটগল্পগুলোর নাম ও প্রকাশকাল ভালোভাবে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) কৃতঘ্ন
১. কেন সঠিক:
'যে উপকারীর অপকার করে' তাকে এক কথায় 'কৃতঘ্ন' বলা হয়। এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বহু নির্বাচনী পরীক্ষায় বারবার আসা প্রশ্ন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো একটি বড় ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। 'কৃত' অর্থ করা বা উপকার এবং 'ঘ্ন' অর্থ নষ্ট করা বা ধ্বংস করা, তাই যে ব্যক্তি কারো উপকার স্বীকার না করে বরং অপকার করে তাকে কৃতঘ্ন বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উপকারীর উপকার যে স্বীকার করে না
ব্যাখ্যা: একে এক কথায় অকৃতজ্ঞ বলে, যা কৃতঘ্ন শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: যে সব সহ্য করতে পারে
ব্যাখ্যা: তাকে এক কথায় সহিষ্ণু বলা হয়, যা অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংকোচন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অকৃতজ্ঞ — যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না তাকে অকৃতজ্ঞ বলে, কিন্তু এখানে অপকার করার কথা বলা হয়েছে।
B) কৃতঘ্ন — এটি সঠিক কারণ এটি উপকারীর অপকার করার ভাবটি প্রকাশ করে।
C) অপকারী — যে অন্যের অপকার করে তাকে সাধারণ অর্থে অপকারী বলে, তবে এটি নির্দিষ্ট বাক্য সংকোচনের জন্য নির্ধারিত শব্দ নয়।
D) শত্রু — যার সঙ্গে যার বৈরিতা বা অমিল রয়েছে তাকে শত্রু বলে, এটি উপকারীর অপকার করার এককথায় প্রকাশ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
উপকার মনে না রাখলে অকৃতজ্ঞ আর উপকারীর ক্ষতি বা অপকার করলে তাকে কৃতঘ্ন বলা হয়। এভাবে শব্দ দুটির সূক্ষ্ম পার্থক্য মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃতঘ্ন ও অকৃতজ্ঞ শব্দের পার্থক্য প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে। তাই উপকার স্বীকার না করা এবং অপকার করার পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) দ্বন্দ্ব
১. কেন সঠিক:
- দ্বন্দ্ব শব্দটির সঠিক বানান গঠনে প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুসরণ করা হয়েছে যেখানে দ এর নিচে ব-ফলা এবং ন এর নিচে ধ যুক্ত হয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী এটি একটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম শব্দ যার অর্থ ঝগড়া, দলাদলি কিংবা সমাস বিশেষ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সংযুক্ত বর্ণের ক্ষেত্রে ব-ফলার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
- এই শব্দটিতে দ এর নিচে ব-ফলা এবং ন এর সাথে ধ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ গঠিত হয়েছে যা বানানের মূল নিয়ম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সান্ত্বনা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের ক্ষেত্রে দ এর নিচে ব-ফলার সঠিক প্রয়োগ দেখা যায়।
উদাহরণ ২: প্রদ্বন্দ্বিতা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও দ্বন্দ্ব শব্দের অনুরূপ যুক্তবর্ণের সঠিক ব্যবহার রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বন্দ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে শেষ বর্ণে ধ বা হসন্তের সঠিক যুক্তবর্ণ ব্যবহার করা হয়নি।
B) দন্দ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে ব-ফলা এবং ধ যুক্তবর্ণের অনুপস্থিতি রয়েছে।
C) দ্বন্দ্ব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি প্রমিত বানান।
D) দণ্ধ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে ন এর পরিবর্তে ণ এবং ভুল যুক্তবর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দ্বন্দ্ব বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো এর মাঝে ন এর সাথে ধ যুক্ত হয় এবং শেষে একটি ব-ফলা থাকে।
- দ-ব-ফলা-ন-ধ এভাবে বানানটি ভেঙে বারবার চর্চা করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বানানটি প্রায়ই আসে কারণ শিক্ষার্থীরা প্রায়শই ন এর সাথে ধ যুক্ত করতে ভুল করে।
- সমাস নির্ণয়ের ক্ষেত্রেও দ্বন্দ্ব সমাস শব্দটি লেখার সময় এই বানানটি সঠিকভাবে জানা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: B) মৃত্যুক্ষুধা
১. কেন সঠিক:
মৃত্যুক্ষুধা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
এই উপন্যাসে কলকাতার বস্তী জীবনের দরিদ্র মানুষের দুঃখ-কষ্ট ও সংগ্রামের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের জাতীয় কবি হলেও তিনি মূলত বিদ্রোহী কবি হিসেবে সমধিক পরিচিত।
তার এই উপন্যাসে সমাজের অবহেলিত মানুষের জীবনযাত্রা অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাঁধন হারা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং পত্রাকারে রচিত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কুহেলিকা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের আরেকটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গৃহদাহ — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। কাজী নজরুল ইসলামের কোনো রচনা এটি নয়।
B) মৃত্যুক্ষুধা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
C) কাশবনের কন্যা — এটি শামসুদ্দীন আবুল কালামের রচিত একটি জনপ্রিয় আঞ্চলিক উপন্যাস। নজরুল ইসলাম এটি লেখেননি।
D) খোঁয়ারি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের কোনো উপন্যাস বা প্রধান গ্রন্থ নয়। এটি পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য একটি ভুল অপশন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের উপন্যাসের নাম মনে রাখতে প্রধান তিনটি উপন্যাসের নাম একসাথে মনে রাখতে পারো।
সেগুলো হলো বাঁধন হারা, মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
তার উপন্যাস তিনটি ভালোভাবে মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনি
১. কেন সঠিক:
ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি, যা কান দিয়ে শোনা যায় এবং মুখ দিয়ে উচ্চারণ করা হয়।
কোনো ভাষার উচ্চারিত শব্দকে বিশ্লেষণ করলে যে অবিভাজ্য ন্যূনতম একক পাওয়া যায়, তাকে ধ্বনি বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি হলো বাকযন্ত্রের সাহায্যে উৎপাদিত ন্যূনতম একক।
ভাষার মূল ভিত্তি হলো এই ধ্বনি, যার লিখিত রূপ হলো বর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ
ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক ধ্বনি যা এককভাবে উচ্চারিত হতে পারে।
উদাহরণ ২: ক
ব্যাখ্যা: এটি একটি ব্যঞ্জনধ্বনি যা উচ্চারণের সময় ফুসফুসতাড়িত বাতাস মুখে বাধা পায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ধ্বনিই ভাষার ক্ষুদ্রতম একক।
B) শব্দ — শব্দ হলো এক বা একাধিক ধ্বনির সমন্বয়ে গঠিত অর্থপূর্ণ একক, তাই এটি ক্ষুদ্রতম একক নয়।
C) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, কিন্তু ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি।
D) অক্ষর — অক্ষর হলো কথার প্রবহমান অংশের ক্ষুদ্রতম অংশ বা ঝোঁক, যা ধ্বনি থেকে ভিন্ন।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভাষার কান দিয়ে শোনার একক হলো ধ্বনি আর চোখের দেখার একক হলো বর্ণ।
ক্ষুদ্রতম একক বললে চোখ বন্ধ করে ধ্বনি দাগাতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার ক্ষুদ্রতম একক সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
ধ্বনি ও বর্ণের মধ্যে পার্থক্য মনে রাখতে হবে যে ধ্বনি উচ্চারিত হয় এবং বর্ণ লিখিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) কোকিল
১. কেন সঠিক:
কোকিল পাখিকে অন্নপুষ্ট বলা হয় কারণ এরা নিজের ডিমে নিজে তা দেয় না এবং ছানাদের নিজে লালন-পালনও করে না। এরা অন্য পাখির বাসায়, বিশেষ করে কাকের বাসায় ডিম পাড়ে এবং সেই অন্য পাখি বা কাকের দ্বারাই এদের ছানারা পুষ্ট বা লালিত-পালিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ ক্যাটাগরির প্রশ্ন এটি। অন্নপুষ্ট একটি এককথায় প্রকাশ বা সমাসবদ্ধ পদ যার ব্যাসবাক্য হলো অন্ন দ্বারা পুষ্ট এবং এটি তৃতীয় তৎপুরুষ সমাস। বাংলা সাহিত্যে কোকিল তার মধুর ডাকের জন্য বসন্তকালের প্রতীক হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরভৃত
ব্যাখ্যা: কোকিলের আরেকটি নাম পরভৃত, যার অর্থ অন্যের দ্বারা প্রতিপালিত।
উদাহরণ ২: বসন্তদূত
ব্যাখ্যা: কোকিলকে বসন্তদূত বলা হয় কারণ বসন্তকালের আগমন বার্তা এর ডাকের মাধ্যমেই প্রকৃতিতে প্রথম প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাক — কাক অন্য পাখির ডিমে তা দিতে সাহায্য করলেও নিজে অন্নপুষ্ট পাখি নয়, বরং এটি কোকিলের ডিম ও ছানা লালন করে।
C) কবুতর — কবুতর নিজের ডিম নিজে তা দেয় এবং অত্যন্ত যত্নের সাথে নিজেদের ছানাদের অন্ন ও খাদ্য দিয়ে পুষ্ট করে।
D) কাকাতুয়া — কাকাতুয়া হলো তোতা প্রজাতির পাখি যারা নিজেদের বাসা ও ছানাদের যত্ন নিজেরাই নিয়ে থাকে।
৫. মনে রাখার টিপস:
অন্যের অন্ন বা খাদ্যে যে পুষ্ট হয় সেই হলো অন্নপুষ্ট। কোকিল নিজের দায়িত্ব এড়িয়ে অন্যের বাসায় ডিম পাড়ে এবং অন্যের অন্ন খেয়ে বড় হয় বলে তাকে অন্নপুষ্ট বলা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ এবং পাখির সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোকিলের সমার্থক শব্দ হিসেবে পরভৃত, পরপুষ্ট, বসন্তদূত ও পিক শব্দগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অক্ষয়কুমার দত্ত
১. কেন সঠিক:
'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকার প্রথম সহকারী সম্পাদক এবং পরবর্তীতে খ্যাতিমান সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত।
১৮৪৩ সালের ১৬ আগস্ট তত্ত্ববোধিনী সভা থেকে এই পত্রিকা প্রকাশিত হয় এবং বাংলা গদ্য ও সমাজ সংস্কারে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের উনিশ শতকের গদ্যচর্চা ও সাংবাদিকতার ইতিহাসে অক্ষয়কুমার দত্ত এক অবিস্মরণীয় নাম।
তিনি বিজ্ঞানমনস্কতা ও যুক্তিবাদী দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বাংলা গদ্যকে সমৃদ্ধ করেন এবং এর বানানরীতি প্রমিত করার ক্ষেত্রে অবদান রাখেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চারুপাঠ
ব্যাখ্যা: এটি অক্ষয়কুমার দত্তের লেখা একটি বিখ্যাত শিক্ষামূলক ও নৈতিক গ্রন্থ যা সেকালের পাঠ্যপুস্তক হিসেবে পঠিত হতো।
উদাহরণ ২: বাহ্যবস্তুর সহিত মানবপ্রকৃতির সম্বন্ধ বিচার
ব্যাখ্যা: এটি তার রচিত বিজ্ঞান ও দর্শনভিত্তিক একটি গভীর মননশীল গদ্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্ষয়কুমার দত্ত - ইনি তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার দীর্ঘকালীন ও সফল সম্পাদক ছিলেন।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না, তবে তিনি বঙ্গদর্শন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
C) মোজাম্মেল হক - মোজাম্মেল হক একজন মুসলিম সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক ছিলেন, তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই।
D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, যা বাংলা সাংবাদিকতার ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৫ মনে রাখার টিপস:
তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো অক্ষয় মানে যা ক্ষয় হয় না, তেমনি এই পত্রিকার আদর্শও চিরন্তন।
তাই তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সঙ্গে অক্ষয়কুমার দত্তের নাম এভাবে মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে যে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার প্রথম সম্পাদক কে ছিলেন।
মনে রাখবে, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা হলেও দীর্ঘ সময় এর সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত।
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ শামসুল হক
১. কেন সঠিক:
'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' হলো বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাতকাব্যনাট্য। প্রখ্যাত সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হক এই কাব্যনাট্যটি রচনা করেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য প্রতিভা যিনি কবিতা, উপন্যাস, নাটক এবং কাব্যনাট্য রচনায় সমান দক্ষতা দেখিয়েছেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং গ্রামীণ মানুষের মানসিকপ্রতিক্রিয়া এই কাব্যনাট্যের মূল বিষয়বস্তু।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নূরলদীনের সারাজীবন
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হকের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ঐতিহাসিক কাব্যনাট্য।
উদাহরণ ২: ঈর্ষা
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত আরেকটি বিখ্যাত পদত্যে লেখা নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবদুল্লাহ আল মামুন — ইনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার হলেও আলোচ্য নাটকটি তাঁর লেখা নয়। তাঁর বিখ্যাত নাটকের মধ্যে সুবচন নির্বাসনে অন্যতম।
B) সেলিম আল দিন — ইনি বাংলা নাট্যসাহিত্যে ঐতিহ্যবাহী নাট্যধারার প্রবর্তক। তাঁর লেখা বিখ্যাত নাটক কিউসংহ ও কেরামত মঙ্গল।
C) সৈয়দ শামসুল হক — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) মামুনুর রশীদ — ইনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট নাট্যকার ও অভিনেতা। তাঁর রচিত বিখ্যাত নাটক এ সংক্রান্ত ইbliও লুণ্ঠন ও পথনাটক।
৫. মনে রাখার টিপস:
সৈয়দ শামসুল হক পায়ের আওয়াজ কাব্যনাট্যের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন। পায়ের শব্দ শুনলেই সৈয়দ শামসুল হকের কথা মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক ও কাব্যনাট্য থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কাব্যনাট্য লেখার জন্য সৈয়দ শামসুল হক বিশেষভাবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: A) আগুনের পরশমণি
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করার মূল কারণ হলো এই উপন্যাসটির মূল পটভূমি ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ।
- উপন্যাসে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর বর্বরতা এবং ঢাকাবাসীর অবরুদ্ধ জীবনের করুণ চিত্র অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার হুমায়ূন আহমেদ এই কালজয়ী উপন্যাসটির রচয়িতা এবং তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় লেখক।
- এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত পঠিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যেখানে সাধারণ একটি পরিবারের যুদ্ধের দিনগুলোর অভিজ্ঞতা বর্ণিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জোছনা ও জননীর গল্প
ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অত্যন্ত বৃহৎ ও প্রামাণ্য উপন্যাস।
উদাহরণ ২: ইমদাদুল হক মিলনের নূরুলদীনের সারাজীবন
ব্যাখ্যা: যদিও এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়, তবুও এটি বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম ও ইতিহাসের চেতনায় সমৃদ্ধ একটি নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আগুনের পরশমণি — এটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
B) খোয়াবনামা — আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত এই উপন্যাসটি তেতাল্লিশের মন্বন্তর ও দেশভাগের পটভূমিতে রচিত।
C) আরেক ফাল্গুন — জহির রায়হান রচিত এই উপন্যাসটির মূল পটভূমি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
D) আর্তনাদ — শওকত ওসমান রচিত এই উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ নয় বরং অন্য সামাজিক প্রেক্ষাপট।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাসের নাম মনে রাখতে আগুনের পরশমণি শব্দটি মাথায় রাখবে।
- ভাষা আন্দোলনের উপন্যাস হিসেবে জহির রায়হানের আরেক ফাল্গুন নামটি বারবার অনুশীলন করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস এবং ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাসের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
- রচয়িতার নাম এবং রচনার মূল প্রেক্ষাপট ভালোভাবে মুখস্থ করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) চলাকালে
১. কেন সঠিক:
- চলাকালে পদটি নিজেই একটি সম্পূর্ণ এবং শুদ্ধ সময়বাচক পদ যা কোনো ঘটনা ঘটার কাল বা সময় নির্দেশ করে।
- বাংলা ব্যাকরণে অতিরিক্ত শব্দ বা বাহুল্য ব্যবহার করে পদ গঠন করলে তা বাহুল্যদোষে দুষ্ট হয় এবং প্রমিত বাংলা ভাষার নিয়মে তা গ্রহণযোগ্য নয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের বাক্যশুদ্ধি এবং বাহুল্যদোষ পরিহারের নিয়মানুসারে একই অর্থে একাধিক শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার করা যায় না।
- কাল বা সময়বাচক শব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত সময় শব্দটি ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খেলার ছলে
ব্যাখ্যা: খেলার সময় বোঝাতে খেলার ছলে বা খেলার ভেতর পদ ব্যবহৃত হয়, এখানেও অতিরিক্ত সময় যোগ করা হয় না।
উদাহরণ ২: পড়ার সময়
ব্যাখ্যা: পড়ার কাল বোঝাতে পড়ার কালে বলা যায়, কিন্তু পড়ার কালে সময় বলা ভুল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চলাকালীন সময়ে — এই অপশনটি ভুল কারণ চলাকালীন এবং সময় দুটি শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার করায় এখানে বাহুল্যদোষ ঘটেছে।
B) চলাকলিন সময়ে — এই অপশনটি বানান এবং বাহুল্য উভয় দিক থেকেই ভুল কারণ এখানে বানান ভুল এবং অতিরিক্ত সময় শব্দ যুক্ত আছে।
C) চলাকালের সময়ে — এই অপশনটি ভুল কারণ চলাকাল এবং সময় সমার্থক হওয়ায় দুটি একসঙ্গে ব্যবহার করা ব্যাকরণসম্মত নয়।
D) চলাকালে — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এটি কোনো বাহুল্যদোষ ছাড়া নিখুঁতভাবে সময় নির্দেশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সময় বা কালবাচক শব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত সময় যোগ করবে না।
- সংক্ষিপ্ত ও প্রমিত রূপটি নির্বাচন করাই পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ কৌশল।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাহুল্যদোষ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- একই অর্থ প্রকাশকারী দুটি শব্দ একসঙ্গে থাকলে তা বর্জন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) পর্তুগিজ
১. কেন সঠিক:
- আনারস শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহৃত একটি বিদেশি শব্দ।
- বাণিজ্য, ধর্ম প্রচার এবং ঔপনিবেশিক যোগাযোগের কারণে পর্তুগিজ ভাষা থেকে অনেক শব্দ বাংলা শব্দভান্ডারে প্রবেশ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিদেশি শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যা ভিনদেশি ভাষা থেকে পরিবর্তিত হয়ে বা সরাসরি বাংলা ভাষায় স্থান লাভ করেছে।
- বাংলা ভাষায় পর্তুগিজ ভাষার অনেক শব্দ রয়েছে যা মূলত পর্তুগিজদের সাথে বাঙালির প্রাচীন যোগাযোগের ফল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাবি
ব্যাখ্যা: এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বহুল ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: আলপিন
ব্যাখ্যা: এই বস্তুটি নির্দেশক শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে টেক্কা, হরতন ইত্যাদি শব্দ, কিন্তু আনারস নয়।
B) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে দারোগা, তোপ ইত্যাদি শব্দ, আনারস এই ভাষার শব্দ নয়।
C) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ আনারস পর্তুগিজ ভাষার শব্দ।
D) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় অনেক শব্দ আসলেও আনারস তাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার কৌশল হিসেবে ফলমূল ও খাদ্যদ্রব্য যেমন আনারস, পেঁপে, লেবু পর্তুগিজ ভাষা থেকে আসার বিষয়টি মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে পর্তুগিজ ও আরবি-ফারসি শব্দ নিয়ে বেশি বিভ্রান্তি তৈরি হয়।
সঠিক উত্তর: A) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'শেষের কবিতা' একটি বিখ্যাত আধুনিক উপন্যাস। এর নামের মধ্যে 'কবিতা' শব্দটি থাকলেও এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং একটি গদ্য উপন্যাস।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি মনস্তাত্ত্বিক ও যুগান্তকারী উপন্যাস। এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অমিত রায় এবং লাবণ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'যোগাযোগ'
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: 'চোখের বালি'
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপন্যাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'শেষের কবিতা' গদ্যে রচিত একটি উপন্যাস।
B) কাব্যগ্রন্থ — এই অপশনটি ভুল কারণ নামের মিল থাকলেও এটি পদ্য বা কবিতা সংকলন নয়।
C) নাটক — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি মঞ্চে অভিনীত হওয়ার জন্য রচিত কোনো নাটক নয়।
ডি) গল্পগ্রন্থ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো ছোটগল্পের সংকলন বা একক ছোটগল্প নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নামের শেষে 'কবিতা' থাকলেও শেষের কবিতা আসলে উপন্যাস। রবীন্দ্রনাথের এই নামের বৈচিত্র্য মনে রাখলে বিভ্রান্তি দূর হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাম দেখে বিভ্রান্ত করার জন্য এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। তাই বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের ধরন ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) গ্রহীতা
১. কেন সঠিক:
- 'দাতা' শব্দের অর্থ যিনি দান করেন বা প্রদান করেন। এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশকারী শব্দ হলো যিনি গ্রহণ করেন বা নেন।
- বিপরীতার্থক শব্দ নির্ধারণের ক্ষেত্রে মূল শব্দের অর্থের বিপরীত দিকটি বিবেচনা করতে হয়, তাই দাতা শব্দের বিপরীতে গ্রহীতা সঠিক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন দুটি শব্দ যাদের অর্থ পরস্পরের বিপরীত বা উল্টো। তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে তৎসম বিপরীত শব্দ এবং খাঁটি বাংলা শব্দের ক্ষেত্রে খাঁটি বাংলা বিপরীত শব্দ ব্যবহার করা হয়।
- দাতা এবং গ্রহীতা উভয়ই তৎসম শব্দ বা সংস্কৃত মূল থেকে আগত শব্দ, যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক বিপরীত জোড় গঠন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্রেতা এবং বিক্রেতা
ব্যাখ্যা: ক্রেতা অর্থ যিনি কেনেন এবং বিক্রেতা অর্থ যিনি বিক্রি করেন, যা একটি বিপরীতার্থক শব্দের জোড়।
উদাহরণ ২: শিক্ষক এবং ছাত্র
ব্যাখ্যা: শিক্ষক শিক্ষা দান করেন এবং ছাত্র শিক্ষা গ্রহণ করেন, যা কাজের দিক থেকে বিপরীত সম্পর্কযুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দাত্রী — দাত্রী হলো দাতা শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ, এটি বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
B) দানকারী — দানকারী এবং দাতা সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
C) গ্রহীতা — এটি সঠিক উত্তর।
D) গৃহীতা — গৃহীতা বানানটি ভুল, সঠিক বানান গ্রহীতা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দাতা মানে দান করা আর গ্রহীতা মানে গ্রহণ করা। দানের উল্টো গ্রহণ মনে রাখলেই সঠিক উত্তর সহজে বের করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের লিঙ্গান্তর এবং সমার্থক শব্দের সঙ্গে যেন গুলিয়ে না যায়, সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) গুজব
১. কেন সঠিক:
'খবর' শব্দের অর্থ হলো কোনো ঘটনার তথ্য, সংবাদ বা বার্তা।
অন্যদিকে 'গুজব' শব্দের অর্থ হলো ভিত্তিহীন জনশ্রুতি বা অপপ্রচার, যা সঠিক তথ্যের সমার্থক নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বা সমার্থক শব্দ সংশ্লিষ্ট ব্যাকরণ প্রশ্ন।
সমার্থক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যেগুলোর অর্থের মধ্যে মিল থাকে কিন্তু রূপ আলাদা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সংবাদ
ব্যাখ্যা: এটি খবর শব্দের একটি সঠিক সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: বার্তা
ব্যাখ্যা: এটিও খবর বা তথ্যের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) संदेश — এটি হিন্দি শব্দ যার অর্থ সংবাদ বা বার্তা এবং এটি খবর শব্দের সমার্থক।
B) গুজব — এটি ভিত্তিহীন কথা বোঝায় যা নির্দিষ্ট কোনো খবর বা সংবাদ নয়।
C) বার্তা — এটি কোনো তথ্য বা খবর পাঠানোর মাধ্যম বা সংবাদ বোঝায়।
D) সংবাদ — এটি খবর শব্দের সরাসরি এবং প্রচলিত সমার্থক শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
খবর মানেই সত্য তথ্য বা সংবাদ, কিন্তু গুজব হলো মিথ্যে কথা।
তাই সত্যের সমার্থক নয় এমন শব্দই সঠিক উত্তর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে মূল শব্দের অর্থের গভীরতা বুঝতে হবে।
ভিত্তিহীন কথা ও প্রকৃত তথ্য কখনো সমার্থক হতে পারে না।
সঠিক উত্তর: C) মো-সাহেব
১. কেন সঠিক:
- 'ঢাকের কাঠি' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার বিশেষ অর্থ হলো তোষামোদকারী বা মো-সাহেব।
- সমাজে যারা সবসময় ক্ষমতাশালী বা প্রভাবশালী ব্যক্তির সুখ্যাতি গেয়ে চাটুকারিতা করে বেড়ায়, তাদের বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ বা ভাবার্থ প্রকাশ করে।
- এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং অল্প কথায় গভীর ভাব ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অফিসের ম্যানেজারের পেছনে সবসময় ঘুরে বেড়ায় যে লোকটা, সে আসলে দলটার একটা ঢাকের কাঠি।
ব্যাখ্যা: এখানে ম্যানেজারের তোষামোদকারী হিসেবে ওই ব্যক্তির আচরণ বোঝাতে ঢাকের কাঠি বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: নিজের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য সে ওই নেতার ঢাকের কাঠি হিসেবে কাজ করছে।
ব্যাখ্যা: স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত চাটুকারিতা করা বোঝাতে এই উদাহরণটি প্রাসঙ্গিক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাক বাজানোর কাঠি — এটি বাগধারার আক্ষরিক অর্থ, কিন্তু প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার বিশেষ বা অন্তর্নিহিত অর্থ চাওয়া হয়।
B) কলুর বলদ — এই বাগধারাটির অর্থ একটানা নির্বোধের মতো পরিশ্রম করা, যা মো-সাহেব বা তোষামোদকারী অর্থ প্রকাশ করে না।
C) মো-সাহেব — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ তোষামোদকারী বা চাটুকার, যা ঢাকের কাঠি বাগধারার সমার্থক।
D) বক-ধার্মিক — এই বাগধারাটির অর্থ ভণ্ড সাধু বা ঠগ ব্যক্তি, যা তোষামোদকারীর সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ঢাক যেমন বিয়ের বা পূজার সময় বিনা কারণে বা বাদ্যের খাতিরে জোরে জোরে বাজে, তেমনি তোষামোদকারীরাও বিনা কারণে বড় মানুষের প্রশংসা করে বাজে।
- এই মিল মনে রাখলে ঢাকের কাঠি মানে যে মো-সাহেব বা তোষামোদকারী, তা সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চাটুকারিতা বা তোষামোদ অর্থে ব্যবহৃত বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
- একই অর্থে 'চোপদার', 'কাছা ভাঙা' বা 'পদলেহনকারী' শব্দগুলোও ব্যবহার করা হতে পারে, তাই এগুলোর অর্থও জেনে রাখা ভালো।
সঠিক উত্তর: C) আলাওল
১. কেন সঠিক:
- 'পদ্মাবতী' মহাকাব্যের রচয়িতা মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি মহাকবি আলাওল।
- এটি মূলত ফারসি কবি মালিক মুহাম্মদ জায়সীর 'পদুমাবত' কাব্যের বাংলা রূপান্তর।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আলাওল সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি।
- এই কাব্যে প্রথমাংশে রূপক অর্থে মানবাত্মার পরমাত্মা লাভ এবং দ্বিতীয়াংশে ঐতিহাসিক কাহিনি বর্ণিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তোহফা
ব্যাখ্যা: এটি কবি আলাওলের রচিত আরেকটি বিখ্যাত নীতিমূলক ও ধর্মীয় কাব্য।
উদাহরণ ২: সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামান
ব্যাখ্যা: এটিও কবি আলাওলের অপর একটি জনপ্রিয় প্রণয়োপাখ্যানমূলক কাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দৌলত উজির বাহরাম খান — ইনি 'লালি মজনু' কাব্যের রচয়িতা এবং ষোড়শ শতকের কবি।
B) সৈয়দ সুলতান — ইনি মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি যিনি 'শুন নবি বংশ' ও 'ওফাতে রসুল' রচনা করেছেন।
C) আলাওল — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়।
D) শেখ ফয়জুল্লাহ — ইনি মধ্যযুগের কবি যিনি 'গাজী কালু ও চম্পাবতী' কাব্য রচনা করেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পদ্মাবতী কাব্যের সাথে আলাওল নাম মনে রাখার জন্য মনে রাখবে পদ্মফুল ফোটে জলের আলোয় আর পদ্মাবতীর রচয়িতা আলাওল।
- মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার মুসলমান কবিদের মধ্যে আলাওল সবচেয়ে বেশি গ্রন্থ রচনা করেছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে পদ্মাবতী কার রচনা বা এটি কোন ভাষার কাব্যের অনুবাদ।
- একই রকম নামে দৌলত কাজীও 'সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী' কাব্য রচনা করেছেন, যা গুলোর সাথে আলাওলের নাম যেন গুলিয়ে না যায়।
সঠিক উত্তর: B) বিহারী লাল চক্রবর্তী
১. কেন সঠিক:
- 'ভোরের পাখি' হলো প্রখ্যাত কবি বিহারী লাল চক্রবর্তীর ছদ্ম নাম।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁকে বাংলা গীতি কবিতার ভোরের পাখি বলে অভিহিত করেছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিহারী লাল চক্রবর্তী বাংলা গীতি কাব্যের ক্ষেত্রে এক অনন্য পথিকৃৎ।
- তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে 'নিসর্গদর্শন', 'সারদামঙ্গল' এবং 'সাধের আসন' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিহারী লাল চক্রবর্তীর 'সারদামঙ্গল' কাব্যগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা গীতি কবিতার বিকাশে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম।
উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ওপর বিহারী লাল চক্রবর্তীর প্রভাব।
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্বয়ং বিহারী লাল চক্রবর্তীকে তাঁর কবিতার গুরু ও অনুপ্রেরণা বলে স্বীকার করেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বিশ্বকবি এবং নোবেলজয়ী সাহিত্যিক, তবে 'ভোরের পাখি' তাঁর ছদ্ম নাম নয়।
B) বিহারী লাল চক্রবর্তী — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এটিই নির্ণেয় উত্তর।
C) কায়কোবাদ — ইনি মহাকাব্য 'মহাশ্মশান'-এর রচয়িতা, তবে 'ভোরের পাখি' তাঁর ছদ্ম নাম নয়।
D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — ইনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত কবি, তবে 'ভোরের পাখি' তাঁর ছদ্ম নাম নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ভোরবেলা পাখি যেমন গান গেয়ে দিন শুরু করে, তেমনি বিহারী লাল চক্রবর্তী বাংলা গীতি কবিতার ভোর এনেছিলেন।
- বঙ্কিমচন্দ্র যেহেতু তাঁকে এই উপাধি দিয়েছিলেন, তাই বঙ্কিমচন্দ্র ও বিহারী লাল চক্রবর্তী এই দুটি নাম একসঙ্গে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্ম নাম ও উপাধি থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- কবি ও লেখকদের ছদ্ম নাম এবং তাঁদের দেওয়া বিশেষ উপাধিগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) State
কেন সঠিক:
- পরিবেশের সামগ্রিক অবস্থা বা প্রকৃতির প্রকাশ বোঝাতে state শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
- জলবায়ু হলো কোনো অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদী আবহাওয়ার অবস্থা, যা পরিবেশের একটি অংশ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) State — এটি সঠিক কারণ জলবায়ু পরিবেশের একটি নির্দিষ্ট অবস্থাকে নির্দেশ করে।
B) Situation — এটি সাধারণত কোনো স্থান বা ঘটনার পারিপার্শ্বিক অবস্থাকে বোঝায়, পরিবেশের উপাদান বোঝাতে এটি মানানসই নয়।
C) Rank — এর অর্থ পদমর্যাদা বা ক্রম, যা পরিবেশ বা জলবায়ুর সঙ্গে সম্পর্কহীন।
D) Size — এর অর্থ আকৃতি বা সাইজ, যা পরিবেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশের আবহাওয়াগত অবস্থাকে বোঝাতে state শব্দ ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) A great job has been done by him.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি Present Perfect Tense-এর Active Voice, তাই Passive করার সময় Subject-এর পর has been বা have been বসে এবং মূল Verb-এর Past Participle রূপ হয়।
- এখানে Subject হলো A great job, যা Singular Third Person হওয়ায় এর পরে has been এবং done বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A great job have been have done by him. — Subject Singular হওয়ায় এখানে have বসেছে, যা ভুল।
B) A great job have been doing by him. — এখানে Verb-এর Present Participle form ব্যবহার করা হয়েছে এবং have ভুলভাবে বসেছে।
C) A great job has been done by him. — এটি সঠিক উত্তর।
D) A great job has been doing by him. — Passive Voice-এ Verb-এর Continuous form (doing) ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
Present Perfect Tense-এর Active Voice-কে Passive করার সময় object-কে subject বানিয়ে তার পর has been বা have been বসিয়ে মূল Verb-এর Past Participle করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Flora
কেন সঠিক:
- Flora শব্দটি ল্যাটিন ভাষা থেকে আগত একটি একক বা Singular নাউন, যার অর্থ উদ্ভিদের কুল বা নির্দিষ্ট অঞ্চলের উদ্ভিদরাজি।
- এর বহুবচন বা Plural রূপ হলো Floras, তাই মূল শব্দটি একবচন হিসেবে গণ্য হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Analyses — এটি Analysis শব্দের প্লুরাল রূপ, যার শেষ অক্ষর এস পরিবর্তিত হয়ে ই হয়েছে।
B) Flora — এটি একটি একবচন শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রশ্ন চেয়েছে কোনটি প্লুরাল নয়।
C) Seraphim — এটি Seraph শব্দের প্লুরাল রূপ, যার শেষে আইএম যুক্ত করে বহুবচন করা হয়েছে।
D) Oxen — এটি Ox শব্দের প্রাচীন ও অনিয়মিত প্লুরাল রূপ, যার শেষে ই এন যুক্ত আছে।
মনে রাখার টিপস:
ল্যাটিন বা গ্রিক উৎসের অনেক শব্দের শেষে এ এস থাকে যা প্লুরাল নির্দেশ করে, কিন্তু ফ্লোরা শব্দটি একক উদ্ভিদকুল বোঝাতে সিঙ্গুলার হিসেবে বসে।
সঠিক উত্তর: B) Elegy
কেন সঠিক:
- Elegy হলো এমন একটি কবিতা বা গান যা কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার শোক বা দুঃখ প্রকাশ করতে গাওয়া হয়।
- এটি সাধারণত বিয়োগান্তক ও বিষণ্ন সুরের হয়ে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Ballad — এটি শোক প্রকাশের গান নয়, বরং এটি একটি লোকগীতি যা কোনো রোমাঞ্চকর বা ঐতিহাসিক গল্প বর্ণনা করে।
C) Hymn — এটি শোকের গান নয়, বরং ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তার বন্দনা ও পবিত্র প্রশংসা করার গান।
D) Dirge — এটিও শোক প্রকাশ বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার গান, তবে Elegy সাহিত্যিক দিক থেকে অনেক বেশি বিস্তৃত ও প্রমিত কবিতা বা গান হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
Elegy শব্দটির সাথে Grief বা দুঃখের মিল মনে রেখে এটি শোকগাথা হিসেবে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) to
কেন সঠিক:
- Conducive শব্দের অর্থ সহায়ক বা অনুকূল, যার পরে সাধারণত preposition হিসেবে to বসে।
- স্বাস্থ্যকর অভ্যাস যেমন সাঁতার কাটা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, তাই এখানে সঠিক preposition হিসেবে to ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for - Conducive শব্দের পর সাধারণত for বসে না, তাই এটি ভুল।
B) in - এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে in preposition সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
C) at - এটি স্থান বা নির্দিষ্ট সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) to - এটি সঠিক preposition এবং নিয়ম অনুযায়ী এখানেই বসে।
মনে রাখার টিপস:
Conducive শব্দের অর্থ উপকারী বা সহায়ক এবং এর ঠিক পরেই সব সময় preposition হিসেবে to বসে।
সঠিক উত্তর: D) A false story
কেন সঠিক:
- 'A cock and bull story' একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিওম, যার আক্ষরিক অর্থ মোরগ ও ষাঁড়ের গল্প হলেও ভাবার্থ হলো একটি মনগড়া বা মিথ্যা গল্প।
- মানুষ যখন বিশ্বাসযোগ্য নয় এমন কোনো আজগুবি বা বানোয়াট অজুহাত দেখায়, তখন এই ইডিওমটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) An animal story — এটি আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও ইডিওমটির আসল রূপক অর্থ প্রকাশ করে না।
B) A comedy — এটি কোনো হাস্যরসাত্মক নাটক বা চলচ্চিত্র বোঝায় না।
C) A story about birds — এটি শুধু পাখি বা মোরগ সম্পর্কিত কোনো সাধারণ গল্প নয়।
D) A false story — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ইডিওমটির মূল ভাব অর্থাৎ মিথ্যা বা বানোয়াট গল্পকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
মোরগ ও ষাঁড় কখনো একসাথে গল্প করতে পারে না, তাই এই ধরনের অবাস্তব বিষয় মানেই একটি মিথ্যা গল্প।
সঠিক উত্তর: C) Alice is taller than most other girls.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি Superlative ডিগ্রিতে 'one of the' যুক্ত, যাকে Comparative করার সময় 'than most other' ব্যবহার করতে হয়।
- প্রদত্ত বাক্যের Subject অপরিবর্তিত থাকে এবং Adjective-এর Comparative রূপ বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Alice is taller than any other girl. — 'any other' ব্যবহার করা হয় শুধু 'the' যুক্ত Superlative ডিগ্রিকে Comparative করার সময়।
B) Alice is taller girl. — তুলনামূলক অর্থে 'than' এবং অন্যান্য পদের অনুপস্থিতির কারণে এটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ ও ভুল।
C) Alice is taller than most other girls. — এটি সঠিক অপশন কারণ এটি 'one of the' যুক্ত ডিগ্রির সঠিক পরিবর্তন।
D) Alice is taller than rest of the girls. — ব্যাকরণগত নিয়মের বাইরে ভুল গঠন ব্যবহারের কারণে এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
Superlative ডিগ্রিতে one of the থাকলে Comparative করার সময় than মোস্ট আদার (most other) ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) singing
কেন সঠিক:
- Would you mind এর পর verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
- এটি একটি অনুরোধ বা Polite Request প্রকাশের নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for — preposition এর পর সরাসরি verb এর base form বসে না এবং এখানে preposition এর প্রয়োজন নেই।
B) singing — সঠিক কারণ Would you mind এর নিয়ম অনুযায়ী verb এর সাথে ing যুক্ত হয়েছে।
C) to sing — Would you mind এর পর infinitive (to + verb) বসে না।
D) sing — modal verb এর মতো bare infinitive এখানে ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
Would you mind দেখলে চোখ বন্ধ করে verb এর সাথে ing বসিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: B) Relaxed
কেন সঠিক:
- 'Panic' শব্দের অর্থ আতঙ্ক, চরম ভয় বা উৎকণ্ঠা।
- 'Relaxed' শব্দের অর্থ শান্ত বা শিথিল, যা আতঙ্ক বা উদ্বেগের বিপরীত অবস্থা নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Laugh — হাসা, এটি আতঙ্কের বিপরীতার্থক শব্দ নয় বরং আনন্দ বা মজার অভিব্যক্তি।
B) Relaxed — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি আতঙ্কের বিপরীত অবস্থা বা মানসিক শান্তি প্রকাশ করে।
C) Sit — বসা, এটি কোনো মানসিক অবস্থার বিপরীত শব্দ নয় বরং একটি শারীরিক ক্রিয়া।
D) Meditate — ধ্যান করা, এটি মানসিক একাগ্রতার সঙ্গে যুক্ত এবং আতঙ্কের সরাসরি বিপরীত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Panic মানে অতিরিক্ত ভয় বা অস্থিরতা, আর Relaxed মানে একদম শান্ত ও দুশ্চিন্তামুক্ত থাকা।
সঠিক উত্তর: C) Gold is a precious metal
কেন সঠিক:
- Gold একটি আনকাউন্টেবল নাউন বা ম্যাটেরিয়াল নাউন, তাই এর পূর্বে সাধারণ অর্থে কোনো আর্টিকেল বসে না।
- precious metal এর পূর্বে singular countable noun বোঝাতে an বসেছে, যা সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম অনুসরণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The gold is a precious metal — নির্দিষ্ট করে কোনো স্বর্ণকে বোঝানো হয়নি, তাই Material Noun-এর পূর্বে নির্দিষ্টকরণের আর্টিকেল The বসবে না।
B) A gold is a precious metal — Gold একটি আনকাউন্টেবল বা ম্যাটেরিয়াল নাউন হওয়ায় এর পূর্বে সরাসরি A আর্টিকেল বসতে পারে না।
C) Gold is a precious metal — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল।
D) Gold is precious metal — metal একটি countable noun হওয়ায় এর পূর্বে একটি singular article an বসা আবশ্যক ছিল, যা এখানে অনুপস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
ম্যাটেরিয়াল নাউন সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হলে তার পূর্বে কোনো আর্টিকেল বসে না, তবে এর পর যদি একক বা countable noun থাকে তবে নিয়ম অনুযায়ী আর্টিকেল বসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) tolerate
কেন সঠিক:
- Put up with একটি গ্রুপ ভার্ব বা ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ সহ্য করা বা বরদাস্ত করা।
- tolerate শব্দের অর্থও সহ্য করা, যা প্রদত্ত ফ্রেজাল ভার্বটির সঙ্গে পুরোপুরি সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) be excited — এর অর্থ উত্তেজিত হওয়া, যা সহ্য করার সমার্থক নয়।
B) complain — এর অর্থ অভিযোগ করা, যা ভিন্ন একটি ভাব প্রকাশ করে।
C) hate — এর অর্থ ঘৃণা করা, যা কোনো পরিস্থিতি মেনে নেওয়া বা সহ্য করা বোঝায় না।
D) tolerate — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সহ্য করা।
মনে রাখার টিপস:
কোনো ঝামেলা বা কষ্ট সহ্য করতে হলে আপ করতে হয় (Put up), অর্থাৎ সবকিছু সহ্য করে মেনে নিতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) G.B Shaw
কেন সঠিক:
- জর্জ বার্নার্ড শ (George Bernard Shaw) ১৮৯৪ সালে এই বিখ্যাত নাটকটি রচনা করেন।
- এটি একটি রাজনৈতিক ও রম্য নাটক যা যুদ্ধ এবং প্রেমের ভণ্ডামিকে উপহাস করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Ben Johnson — তিনি একজন বিখ্যাত এলিজাবেথান নাট্যকার ও কবি হলেও এই নাটকের রচয়িতা নন।
B) Joseph Conrad — তিনি মূলত ঔপন্যাসিক এবং সমুদ্রভিত্তিক গল্পের জন্য পরিচিত, কোনো নাটককার নন।
C) G.B Shaw — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি এই বিখ্যাত নাটকের লেখক।
D) T.S Eliot — তিনি বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত আধুনিকতাবাদী কবি ও নাট্যকার হলেও এই নাটকটি তাঁর লেখা নয়।
মনে রাখার টিপস:
শ (Shaw) মানে অস্ত্র (Arms) ঝেড়ে ফেলা, এভাবে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) William Wordsworth
কেন সঠিক:
- "The Solitary Reaper" হলো রোমান্টিক যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের একটি বিখ্যাত কবিতা।
- স্কটল্যান্ডের এক পাহাড়ি তরুণীর গান গাওয়ার দৃশ্য এবং এর সুর কবির মনে গভীর ভাবের সৃষ্টি করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mathew Arnold — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি ও প্রাবন্ধিক ছিলেন, তাই এটি সঠিক নয়।
B) William Wordsworth — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়।
C) Alfred Tennyson — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রধান কবি ছিলেন, এই কবিতার রচয়িতা নন।
D) P.B Shelley — তিনি রোমান্টিক যুগের অন্য একজন বিখ্যাত কবি, তবে এই কবিতাটি তাঁর লেখা নয়।
মনে রাখার টিপস:
উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ হলেন প্রকৃতির কবি, আর নির্জন প্রকৃতির পটভূমিতে লেখা বিখ্যাত কবিতাটি হলো দ্য সলিটারি রিপার।
সঠিক উত্তর: D) ত্রৈমাসিক
কেন সঠিক:
- ইংরেজি শব্দ 'Quarterly' এসেছে 'Quarter' থেকে যার অর্থ চার ভাগের এক ভাগ বা তিন মাস।
- এক বছরে বারো মাস হওয়ায় প্রতি তিন মাস বা চার মাস অন্তর সম্পন্ন কাজকে ত্রৈমাসিক বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাপ্তাহিক — 'সাপ্তাহিক' শব্দের ইংরেজি হলো 'Weekly', যা প্রতি সাত দিন পর প্রকাশিত বা ঘটে।
B) পাক্ষিক — 'পাক্ষিক' শব্দের ইংরেজি হলো 'Fortnightly', যা প্রতি পনেরো দিন বা দুই সপ্তাহ পর ঘটে।
C) মাসিক — 'মাসিক' শব্দের ইংরেজি হলো 'Monthly', যা প্রতি এক মাস পর পর অনুষ্ঠিত হয়।
D) ত্রৈমাসিক — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনের সঙ্গেই মিলে যায় এবং তিন মাস অন্তর বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
বছরের বারো মাসকে চার ভাগ করলে প্রতি ভাগে তিন মাস হয়, তাই কোয়ার্টার বা ত্রৈমাসিক মানে তিন মাস পর পর।
সঠিক উত্তর: D) Natural
কেন সঠিক:
- ফার্স্ট ল্যাঙ্গুয়েজ বা মাতৃভাষা হলো সেই ভাষা যা একজন মানুষ জন্মসূত্রে তার পরিবার ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশ থেকে প্রাকৃতিকভাবে শিখে থাকে।
- এটি মানুষের জন্মগত যোগাযোগের মাধ্যম এবং এর অর্জনে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রয়োজন হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Important — গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি ফার্স্ট ল্যাঙ্গুয়েজের ভাষাগত সংজ্ঞা নয়, কারণ যেকোনো ভাষাই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
B) Main — প্রধান বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়, কিন্তু মাতৃভাষার মূল বৈশিষ্ট্য এর প্রধান হওয়া নয় বরং প্রাকৃতিকভাবে অর্জিত হওয়া।
C) Official — দাপ্তরিক ভাষা হলো সরকারি কাজের ভাষা, যা জন্মসূত্রে শেখা ভাষার চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা একটি ধারণা।
D) Natural — এটি সঠিক উত্তর কারণ মাতৃভাষা মানবজীবনে কোনো কৃত্রিম চেষ্টা ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে অর্জিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ফার্স্ট ল্যাঙ্গুয়েজ বা মাতৃভাষা সবসময় প্রাকৃতিকভাবে (Natural) অর্জিত হয়, তাই জন্মসূত্রে শেখা ভাষাই প্রাকৃতিক ভাষা।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: C) could help
কেন সঠিক:
- এটি Second Conditional-এর নিয়ম অনুসরণ করেছে, যেখানে If-clauses অংশে Past Indefinite Tense (had) থাকলে মূল clause-এ subject-এর পর could, would বা might বসে এবং verb-এর base form হয়।
- প্রদত্ত প্রশ্নে if-এর পরের অংশ had-যুক্ত থাকায় প্রধান clause-এ could এবং verb-এর base form (help) বসে বাক্যটি সঠিক হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) would have helped you — এটি Third Conditional-এর গঠন, যেখানে had-এর পর past participle থাকে কিন্তু এখানে কেবল had আছে।
মুখ্য clause-এ would have-এর পরিবর্তে নিয়ম অনুযায়ী could বা would বসা উচিত ছিল।
B) might have helped — এটিও Third Conditional-এর অংশ, যা past perfect tense-এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
এখানে if-clause-এ past perfect (had had) নেই, তাই এটি ভুল।
C) could help — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি Second Conditional-এর নিয়ম পূরণ করে।
D) should help — এটি present conditional-এর ক্ষেত্রে উপদেশ বোঝাতে বসে, কিন্তু বর্তমান প্রশ্নের অর্জিত শর্তটি অবাস্তব বা কাল্পনিক অবস্থাকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
If-এর পর Past Indefinite (verb-এর ২য় রূপ) থাকলে পরের অংশে would, could বা might-এর পরে verb-এর Base Form হয়।
সঠিক উত্তর: B) Napoleon
কেন সঠিক:
- এই বিখ্যাত উক্তিটি ফরাসি সম্রাট ও সামরিক নেতা নেপোলিয়ন বোনাপোর্টের আত্মবিশ্বাসী ব্যক্তিত্বের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
- তিনি বিশ্বাস করতেন যে অসাধ্য বা অসম্ভব বলতে কিছু নেই, দৃঢ় ইচ্ছা থাকলে সবকিছুই অর্জন করা সম্ভব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Plato — তিনি প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক ছিলেন এবং আদর্শ রাষ্ট্র ও দর্শন নিয়ে কাজ করেছেন, এই প্রখ্যাত উক্তির সঙ্গে তার সম্পর্ক নেই।
B) Napoleon — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই উক্তিটি মূলত তার দৃঢ় মনোবল ও আশাবাদী মানসিকতার পরিচয় বহন করে।
C) Che Guevara — তিনি আর্জেন্টিনার মার্ক্সবাদী বিপ্লবী ছিলেন, তার রাজনৈতিক ও বিপ্লবী উক্তি এর চেয়ে আলাদা।
D) Einstein — তিনি বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী ছিলেন এবং আপেক্ষিকতা তত্ত্বের জন্য পরিচিত, এই সাহিত্যিক বা আত্মোন্নয়নমূলক উক্তির সঙ্গে তিনি যুক্ত নন।
মনে রাখার টিপস:
নেপোলিয়ন মানেই দৃঢ় মনোবল; তার কাছে অসম্ভব শব্দটি কেবল মূর্খদের অভিধানেই থাকতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) Prey
কেন সঠিক:
- fall a prey to একটি প্রমিত ইংরেজি বাগধারা যার অর্থ হলো শিকার হওয়া বা কোনো কিছুর অতল গহ্বরে পতিত হওয়া।
- এখানে মৃত্যুর শিকার হওয়া অর্থে prey শব্দটি যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Prey — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নির্দিষ্ট বাগধারার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
B) Pray — এর অর্থ প্রার্থনা করা, যা এই শূন্যস্থানে ব্যাকরণগত ও অর্থগতভাবে সম্পূর্ণ অনুপস্থিত।
C) Victim — এটি অর্থ প্রকাশ করলেও fall a victim to হয়, কিন্তু প্রদত্ত বাক্যে সরাসরি a এর পর noun হিসেবে prey বসে।
D) Virtual — এটি একটি বিশেষণ বা adjective, যা এখানে noun এর স্থানে বসার উপযোগী নয়।
মনে রাখার টিপস:
মৃত্যুর ফাঁদে পড়া বোঝালে fall a prey to an enemy বা fall a prey to death ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) of
কেন সঠিক:
- Guilty শব্দের পর সাধারণত অপরাধ বোঝাতে অবজেক্টের পূর্বে অফ প্রিপজিশন বসে।
- এখানে অবমাননাকর অপরাধ বোঝাতে অব অফ কনস্ট্রাকশন ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) off — অফ প্রিপজিশন দূরত্ব বা পৃথকীকরণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) for — ফর প্রিপজিশন সাধারণত কারণ বা উদ্দেশ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে বসবে না।
D) against — এগেইনস্ট প্রিপজিশন বিরুদ্ধে বা প্রতিকূলে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের উপযুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়া বোঝাতে সবসময় গিল্টি শব্দের পর অব প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) noun
কেন সঠিক:
- শব্দের শেষে -val প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সাধারণত Noun গঠিত হয়, যেমনটি Survive ক্রিয়ার সাথে যুক্ত হয়ে Survival হয়েছে।
- এই শব্দটির পূর্বে আর্টিকেল বা ডিটারমিনার বসতে পারে এবং এটি বাক্যে সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দটির অবস্থান ও গঠন অনুযায়ী এটি একটি Noun.
B) verb — Survive হলো Verb, যার সাথে প্রত্যয় যুক্ত করে এটিকে Noun-এ রূপান্তর করা হয়েছে।
C) adjective — এই শব্দটির কোনো Adjective রূপ যেমন Surviving এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) adverb — এটি কোনো ক্রিয়াকে বিশেষিত করে না, তাই এটি Adverb হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে al থাকলে সাধারণত তা Noun হয়, যেমন Survival, Approval, Denial.
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) ৩২ হাজার মেগাওয়াট
কেন সঠিক:
- বিদ্যুৎ খাতের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের বর্তমান বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৩২ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে।
- ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি সহ মোট স্থাপন করা ক্ষমতা হিসাব করে এই পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩২ হাজার মেগাওয়াট — বর্তমান বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার সবচেয়ে কাছাকাছি ও সঠিক হিসাব।
B) ২২ হাজার মেগাওয়াট — এটি বাংলাদেশের বিগত কয়েক বছর আগের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা নির্দেশ করে।
C) ১০ হাজার মেগাওয়াট — এটি অনেক আগের পুরনো তথ্য, বর্তমান ক্ষমতার তুলনায় এটি অত্যন্ত কম।
D) ৮ হাজার মেগাওয়াট — এটি বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরের বা বহু বছর আগের প্রাথমিক পর্যায়ের উৎপাদন ক্ষমতা।
মনে রাখার টিপস:
বর্তমান উন্নয়নের সাথে মিল রেখে মনে রাখুন, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ক্ষমতা এখন ত্রিশ হাজারের ঘরে অর্থাৎ ৩২ হাজার মেগাওয়াট।
সঠিক উত্তর: D) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
কেন সঠিক:
- বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ এলাকায় সম্মুখযুদ্ধে শহীদ হন।
- শহীদ হওয়ার পর তাকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে সমাহিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নওগাঁ — এটি অন্য একটি জেলা এবং এখানে বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের কবর অবস্থিত নয়।
B) নাটোর — এটি একটি উত্তরবঙ্গের জেলা হলেও এই বীরশ্রেষ্ঠের সমাধিস্থল এখানে নয়।
C) জয়পুরহাট — এটি একটি ভিন্ন জেলা এবং এর সঙ্গে এই প্রশ্নের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
D) চাঁপাইনবাবগঞ্জ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তার কবর এখানেই সোনামসজিদ মাজারের কাছে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় যেমন ঢাকায়, তেমনি বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের কবর ঐতিহাসিক সোনামসজিদের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে।
সঠিক উত্তর: B) বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পুরস্কার
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকার নারী উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২১ সাল থেকে এই জাতীয় পদক প্রবর্তন করে।
- প্রতি বছর ৮ আগস্ট বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকীতে এই পদক প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কৃষি পুরস্কার — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএও এর সহযোগিতায় প্রবর্তিত আন্তর্জাতিক পুরস্কার, বাংলাদেশ সরকারের নতুন জাতীয় পদক নয়।
B) বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পুরস্কার — এটি ২০২১ সাল থেকে প্রবর্তিত বাংলাদেশ সরকারের একটি নতুন জাতীয় পদক।
C) শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার — এটি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত কোনো নিয়মিত সরকারি জাতীয় পদক নয়।
D) শেখ রাসেল আইসিটি পুরস্কার — এটি শিশু ও তরুণদের আইসিটি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য প্রদত্ত হলেও সঠিক উত্তর এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
নারীদের অবদানের কথা মনে রাখলেই উত্তর আসবে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পুরস্কার।
সঠিক উত্তর: C) মাতৃমৃত্যু কমানোর সফল মডেল
কেন সঠিক:
- গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলায় মাতৃমৃত্যু হ্রাসে অর্জিত অভাবনীয় সাফল্য ও কৌশল দেশজুড়ে এই মডেল হিসেবে পরিচিত।
- গর্ভকালীন ও প্রসবকালীন সময়ে নারীদের বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার মাধ্যমে মাতৃমৃত্যুর হার সফলভাবে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিশু শ্রম নিরসন মডেল — এটি শিশু শ্রম রোধের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো আলোচিত সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক মডেল নয়।
B) বাল্য বিবাহ রোধ মডেল — বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের জন্য অন্য বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ ও আইন থাকলেও এটি কাপাসিয়া মডেলের মূল বিষয় নয়।
C) মাতৃমৃত্যু কমানোর সফল মডেল — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) গৃহকর্মী সুরক্ষা মডেল — গৃহকর্মীদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের সঙ্গে এই মডেলের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
কাপাসিয়া নামটি গাজীপুরের একটি উপজেলার সঙ্গে যুক্ত, যা স্বাস্থ্য খাতে মাতৃমৃত্যু হ্রাসের জন্য দেশবিখ্যাত।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) রামেন্দু মজুমদার ও প্রদীপ চক্রবর্তী
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর লোগো যৌথভাবে নকশা করেছেন রামেন্দু মজুমদার ও প্রদীপ চক্রবর্তী।
- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই লোগোটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন ও প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রামেন্দু মজুমদার — তিনি একা এই লোগোর নকশা করেননি, প্রদীপ চক্রবর্তীও তাঁর সাথে যৌথভাবে নকশাকার হিসেবে যুক্ত ছিলেন।
B) প্রদীপ চক্রবর্তী — তিনি একা এই লোগোর নকশা করেননি, রামেন্দু মজুমদার তাঁর সাথে যৌথভাবে নকশাকার হিসেবে যুক্ত ছিলেন।
C) সব্যসাচী হাজরা — তিনি এই লোগোর নকশাকার নন, তবে তিনি অন্য বিভিন্ন সরকারি লোগো বা স্মারক নকশা করার জন্য পরিচিত।
D) a ও এই উভয়টি আনস — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ রামেন্দু মজুমদার ও প্রদীপ চক্রবর্তী যৌথভাবে এই লোগোটি তৈরি করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
সুবর্ণজয়ন্তীর লোগো মানেই রামেন্দু ও প্রদীপের যৌথ সৃষ্টি।
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাজ্য
কেন সঠিক:
- যুক্তরাজ্য বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে ফাইজার ও বায়োএনটেকের করোনা টিকার গণপ্রদান কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করে।
- দেশটির নাগরিক মার্গারেট কিনান বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে এই টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাজ্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত।
B) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাজ্য গণটিকা শুরু করার কিছুদিন পর টিকাদান শুরু করে, তাই এটি প্রথম দেশ নয়।
C) জার্মানী — দেশটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যান্য দেশের সঙ্গে সমন্বয় করে পরে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করে।
D) ইতালী — ইউরোপে করোনা মহামারীর প্রথম কেন্দ্র হলেও দেশটি সবার আগে গণটিকা কার্যক্রম শুরু করেনি।
মনে রাখার টিপস:
টিকা প্রদানে 'যুক্তরাজ্য' সবার 'যুক্ত' বা এগিয়ে ছিল, তাই প্রথম।
সঠিক উত্তর: A) সংসদ সদস্যদের উত্থাপিত বিল
কেন সঠিক:
- মন্ত্রিপরিষদের সদস্য বা মন্ত্রী ছাড়া অন্য যে কোনো সাধারণ সংসদ সদস্য সংসদে যে বিল উত্থাপন করেন তাকে বেসরকারি বিল বলা হয়।
- এই বিল আইনে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম থাকে কারণ এটি সরকারের পক্ষ থেকে বাধ্যতামূলকভাবে আনা হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংসদ সদস্যদের উত্থাপিত বিল — এটি সঠিক কারণ মন্ত্রিপরিষদের সদস্য নন এমন যে কোনো সংসদ সদস্য এই বিল উত্থাপন করতে পারেন।
B) রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ঘোষিত কোন বিল — এটি ভুল কারণ রাষ্ট্রপতি কোনো বিল উত্থাপন করেন না, তিনি কেবল পাস হওয়া বিলে সম্মতি প্রদান করেন।
C) বিরোধী দলের সদস্যদের উত্থাপিত বিল — এটি ভুল কারণ বিরোধী দল ছাড়াও সরকারি দলের সাধারণ সংসদ সদস্যরাও এই বিল উত্থাপন করতে পারেন।
D) স্পীকার যে বিলকে বেসরকারি বিল বলে ঘোষনা দেন — এটি ভুল কারণ স্পীকার বিলের ঘোষণা দেন না, বরং মন্ত্রীর বাইরে অন্য সদস্যদের উত্থাপনই এর সংজ্ঞায় নির্ধারিত।
মনে রাখার টিপস:
মন্ত্রীরা আনলে সরকারি বিল আর সাধারণ সংসদ সদস্যরা আনলে তা বেসরকারি বিল।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ভূগোল
সঠিক উত্তর: D) লিথুনিয়া
কেন সঠিক:
- বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের সাম্প্রতিক জনমিতিক সূচক অনুযায়ী লিথুনিয়ার জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ঋণাত্মক এবং বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সর্বনিম্ন।
- জন্মহার হ্রাস, প্রবীণ জনগোষ্ঠীর আধিক্য এবং তরুণ সমাজের দেশত্যাগের প্রবণতাই এই সর্বনিম্ন জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রধান কারণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুলগেরিয়া — এটি পূর্ব ইউরোপের একটি দেশ যেখানে জনসংখ্যা হ্রাসের হার বেশি হলেও লিথুনিয়ার চেয়ে কিছুটা ভিন্ন জনমিতিক পরিস্থিতি রয়েছে।
B) সোমালিয়া — এটি পূর্ব আফ্রিকার একটি দেশ যেখানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বিশ্বের সর্বোচ্চ হারেরগুলোর মধ্যে একটি।
সি) লাটভিয়া — এটি বাল্টিক অঞ্চলের একটি দেশ এবং এর জনসংখ্যা কমলেও লিথুনিয়ার মতো তীব্র সর্বনিম্ন হারের সূচকে শীর্ষে নেই।
D) লিথুনিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত কারণ এর জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বিশ্ব পরিসরে সবচেয়ে কম।
মনে রাখার টিপস:
বাল্টিক সাগরের তীরবর্তী দেশ লিথুনিয়ার নামের সাথে জনসংখ্যা কমার 'লিথু' বা ক্ষয়ের মিল খুঁজে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) তৈরি পোশাক
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক শিল্প খাত থেকে।
- আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পোশাকের উচ্চ চাহিদা এবং বিশাল কর্মসংস্থানের কারণে এটি শীর্ষ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৈরি পোশাক — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এই খাতের অবদান সর্বাধিক।
B) পাট — এটি একসময় প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত হলেও বর্তমানে এর স্থান অনেক নিচে।
C) মাছ — এটি একটি সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত হলেও তৈরি পোশাক খাতের মতো সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে না।
D) চা — এটি বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী রপ্তানি পণ্য হলেও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে এর অবদান তুলনামূলকভাবে কম।
মনে রাখার টিপস:
পোশাক বা গার্মেন্টস শিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি, তাই বৈদেশিক মুদ্রার কথা এলেই তৈরি পোশাক মনে রাখবে।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) জাপান
কেন সঠিক:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৬ সালে প্রণীত জাপানের সংবিধানের ৯ অনুচ্ছেদে যুদ্ধ ও সামরিক শক্তি বর্জন করার কথা বলা হয়েছে।
- শান্তির প্রতি এই ঐতিহাসিক প্রতিশ্রুতির কারণে জাপানের সংবিধানকে বিশ্বজুড়ে শান্তি সংবিধান বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুইজারল্যান্ড — এটি তার ঐতিহাসিক নিরপেক্ষ নীতির জন্য পরিচিত হলেও এর সংবিধানকে শান্তি সংবিধান বলা হয় না।
B) সুইডেন — এটি দীর্ঘকাল ধরে সামরিক জোটের বাইরে থাকলেও এর সংবিধানের এই ধরনের কোনো বিশেষ উপাধি নেই।
C) জার্মান — জার্মানির মৌলিক আইন গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের ওপর জোর দিলেও একে শান্তি সংবিধান বলা হয় না।
D) জাপান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
জাপানের উদীয়মান সূর্যের দেশ এবং সংবিধানে যুদ্ধ ত্যাগের অঙ্গীকার থাকায় একে শান্তি সংবিধান বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) ফ্রান্স
কেন সঠিক:
- এলিসি প্রাসাদ ফ্রান্সের রাজধানীর প্যারিসে অবস্থিত দেশটির রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন।
- অষ্টাদশ শতাব্দীতে নির্মিত এই ঐতিহাসিক ভবনটি ফরাসি প্রেসিডেন্টের দাপ্তরিক কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাশিয়া — রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন হলো মস্কোর ক্রেমলিন প্রাসাদ।
B) ফ্রান্স — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির বাসভবনকে নির্দেশ করে।
C) বলিভিয়া — বলিভিয়ার রাষ্ট্রপতির দাপ্তরিক বাসভবন হলো প্লাসিও কুয়েমাদো বা কাসা গ্রান্দে দেল পুয়েবলো।
D) ব্রাজিল — ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন হলো আলভোরাদা প্রাসাদ।
মনে রাখার টিপস:
ফ্রান্সের বিখ্যাত এলিসি প্রাসাদের নাম মনে রাখতে ফরাসি ফ্যাশন ও সংস্কৃতির সঙ্গে এই প্রাসাদের নাম মিলিয়ে নিতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) ইতালী
কেন সঠিক:
- চতুর্দশ শতাব্দীতে ইউরোপে আঘাত হানা ব্ল্যাক ডেথ বা প্লেগ মহামারীর সূচনা মূলত ইতালির সিসিলি দ্বীপের মেসিনা বন্দরে ঘটেছিল।
- এশিয়া থেকে আসা ক্রিমিয়ান বন্দর কাফা থেকে বণিক জাহাজের মাধ্যমে এই মারণব্যাধি প্রথমে ইতালিতে প্রবেশ করে এবং পরে পুরো ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্পেন — এটি প্লেগের উৎপত্তিস্থল নয়, তবে পরবর্তীতে মহামারীটি এই অঞ্চলেও মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল।
B) ফ্রান্স — এটি ব্ল্যাক ডেথের মূল উৎসস্থল নয়, যদিও ফরাসি উপদ্বীপের বিভিন্ন অঞ্চলে পরবর্তীতে এই মহামারী ব্যাপক ক্ষতি সাধন করেছিল।
C) ইতালী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ সিসিলির মেসিনা বন্দর দিয়েই ইউরোপে প্লেগ প্রবেশ করেছিল।
D) রাশিয়া — এটি ব্ল্যাক ডেথের সূচনার স্থান নয়, তবে এর কিছু অঞ্চলও পরবর্তীতে এই মহামারীর শিকার হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
ইতালী হলো সেই দেশ যার বন্দর দিয়ে ব্ল্যাক ডেথ বা প্লেগ মহামারী প্রথম ইউরোপে প্রবেশ করেছিল।
সঠিক উত্তর: D) চর্ম ক্যান্সার
১. কেন সঠিক:
অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের কোষের ডিএনএ পরিবর্তন করে ফেলে। এর ফলে ত্বকের কোষগুলো অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভাজিত হয়ে টিউমার বা চর্ম ক্যান্সার সৃষ্টি করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: সূর্যের আলোতে থাকা অতিবেগুনি বা আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি একটি অদৃশ্য তাড়িতচৌম্বকীয় বিকিরণ। দীর্ঘ সময় এই রশ্মির প্রভাবে ত্বকের মেলানিন উৎপাদন ব্যাহত হয় এবং কোষের জিনগত ক্ষতি হয়।
কারণ ও ফলাফল: ওজোন স্তর ক্ষয়ের কারণে সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি সরাসরি পৃথিবীতে চলে আসে। এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবে ত্বকে ক্ষতের সৃষ্টি হয় এবং পরবর্তীতে তা ম্যালিগন্যান্ট মেলানোমা বা চর্ম ক্যান্সারে রূপ নেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দীর্ঘ সময় সমুদ্র সৈকতে রোদে অবস্থান করলে ত্বক লাল হয়ে যায় এবং খোসা ছাড়তে শুরু করে।
ব্যাখ্যা: এটি অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ত্বকের কোষ পুড়ে যাওয়ার প্রাথমিক লক্ষণ, যা বারবার ঘটলে চর্ম ক্যান্সার হতে পারে।
উদাহরণ ২: বৈদ্যুতিক ঝালাই বা ওয়েল্ডিং করার সময় বিশেষ গ্লাস বা মাস্ক ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: ওয়েল্ডিং থেকে নির্গত অতিবেগুনি রশ্মি যাতে চোখ ও মুখের ত্বকের ক্ষতি করতে না পারে, সেজন্য এই সুরক্ষা নেওয়া হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এইডস — এটি হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস নামক ভাইরাসের সংক্রমণের ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস হওয়ার কারণে হয়। এটি কোনো বিকিরণজনিত রোগ নয়।
B) ব্রেন ক্যান্সার — এটি মস্তিষ্কের কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে ঘটে, যা বংশগত কারণ বা নির্দিষ্ট কিছু রাসায়নিক পদার্থের প্রভাবে হতে পারে।
C) ব্লাড ক্যান্সার — এটি মূলত লিউকেমিয়া নামে পরিচিত এবং রক্ত কণিকা উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় ত্রুটির কারণে অস্থিমজ্জায় উৎপন্ন হয়।
D) চর্ম ক্যান্সার — এটি সঠিক উত্তর কারণ অতিবেগুনি রশ্মির সরাসরি সংস্পর্শে ত্বকের কোষের জিনগত ক্ষতি হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
আল্ট্রাভায়োলেট বা রোদ মানেই ত্বক বা চামড়ার সাথে সরাসরি সম্পর্ক। তাই রোদ থেকে চামড়াকে বাঁচাতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা হয় এবং এর সাথে চর্ম ক্যান্সারের সম্পর্ক মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করে বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর। এই ধরনের প্রশ্নগুলোতে রশ্মির প্রভাবে সৃষ্ট রোগ এবং ওজোন স্তর ক্ষয়ের কারণ সম্পর্কিত তথ্য প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: D) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
১. কেন সঠিক:
গ্রিনহাউস ইফেক্টের ফলে বিশ্ব উষ্ণায়ন ঘটছে এবং এর সরাসরি প্রভাবে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক ও বদ্বীপ অঞ্চল হওয়ায় এর উপকূলীয় ও দক্ষিণাঞ্চলের নিম্নভূমিগুলো সমুদ্রের পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: গ্রিনহাউস গ্যাসের মাত্রা বৃদ্ধির কারণে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় যাকে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বলা হয়।
কার্যপ্রণালি: কার্বন ডাইঅক্সাইড ও মিথেন গ্যাসের আধিক্য সূর্যালোক থেকে আসা তাপ আটকে রাখে এবং তা মহাশূন্যে ফিরে যেতে বাধা দেয়।
কারণ ও ফলাফল: তাপবৃদ্ধির ফলে গ্লেসিয়ার বা হিমবাহের বরফ গলে সমুদ্রে পানির পরিমাণ বাড়ায় এবং উপকূলীয় দেশগুলো প্লাবিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুন্দরবন ও এর আশেপাশের উপকূলীয় অঞ্চল।
ব্যাখ্যা: সমুদ্রের পানির উচ্চতা সামান্য বাড়লেও সুন্দরবনের মতো নিচু ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল ও এর জীববৈচিত্র্য সরাসরি লবণাক্ত পানির নিচে তলিয়ে যাবে।
উদাহরণ ২: বরফ গলে যাওয়া এবং সাগরের উচ্চতা বৃদ্ধি।
ব্যাখ্যা: হিমালয় বা অ্যান্টার্কটিক্কার বরফ গলার ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির এই বৈজ্ঞানিক সত্যতা বাংলাদেশের মতো নিচু বদ্বীপের জন্য মারাত্মক হুমকি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে — সাইক্লোন বা ঝড়ঝাপটা বৃদ্ধি পেলেও এটি গ্রিনহাউস ইফেক্টের একটি গৌণ বা পরোক্ষ পরিণতি, সবচেয়ে গুরুতর প্রত্যক্ষ ক্ষতি নয়।
B) বৃষ্টিপাত কমে যাবে — বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সামগ্রিকভাবে বৃষ্টিপাত কমে না বরং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অনিয়মিত ও অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ঘটে।
C) উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে — উত্তাপ বৃদ্ধি পেলে তা সামগ্রিক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণ ও প্রক্রিয়া, তবে বাংলাদেশের জন্য এর সবচেয়ে ভয়াবহ প্রত্যক্ষ পরিণতি হলো ভূমি নিমজ্জন।
D) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে — এটি বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের মতো নিচু দেশের ক্ষেত্রে সবচেয়ে সঠিক ও গুরুতর প্রত্যক্ষ পরিণতি।
৫ মনে রাখার টিপস:
গ্রিনহাউস ইফেক্ট মানেই তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং বরফ গলা, আর বরফ গলার সরাসরি ফল হলো সাগরের পানি বেড়ে নিচু জমি বা নিম্নভূমি পানিতে ডুবে যাওয়া।
বাংলাদেশ একটি নিচু বদ্বীপ হওয়ায় এর অস্তিত্ব রক্ষার প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া থেকে নিম্নভূমি রক্ষা করা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য এটি সবচেয়ে বেশি দায়ী।
এ ধরনের প্রশ্ন থেকে প্রায়ই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব সম্পর্কিত এমসিকিউ পরীক্ষাগুলোতে আসে।
সঠিক উত্তর: D) একটি প্রোটিন
১. কেন সঠিক:
কোলাজেন হলো মানবদেহসহ সকল মেরুদণ্ডী প্রাণীর সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা একটি তন্তুয় প্রোটিন।
এটি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ যেমন ত্বক, অস্থি, পেশি, লিগামেন্ট ও টেন্ডনকে দৃঢ়তা ও স্থিতিস্থাপকতা প্রদান করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: প্রোটিন হলো অ্যামিনো অ্যাসিডের দীর্ঘ শিকল যা শরীরের গঠন ও মেরামতে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
কার্যপ্রণালি: অ্যামিনো অ্যাসিডগুলো পেপটাইড বন্ধন দ্বারা যুক্ত হয়ে ত্রিমাত্রিক গঠন তৈরি করে কোলাজেন তন্তু গঠন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমাদের ত্বকের টানটান ভাব ও তারুণ্য বজায় রাখা।
ব্যাখ্যা: কোলাজেন তন্তু জালের মতো বিন্যস্ত থেকে ত্বককে দৃঢ় ও কুঁচকে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।
উদাহরণ ২: অস্থি সন্ধি বা জয়েন্টের নড়াচড়া মসৃণ রাখা।
ব্যাখ্যা: কার্টিলেজে থাকা কোলাজেন হাড়ের ঘর্ষণ রোধ করে এবং সহজে চলাচল করতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি কার্বোহাইড্রেট — ভুল, কারণ কার্বোহাইড্রেট হলো শর্করা জাতীয় পদার্থ যা প্রধানত শক্তি উৎপাদনে কাজ করে।
B) একটি নিউক্লিক এসিড — ভুল, কারণ নিউক্লিক এসিড হলো ডিএনএ বা আরএনএ যা বংশগতি তথ্য বহন করে।
C) একটি লিপিড — ভুল, কারণ লিপিড হলো ফ্যাট বা চর্বি জাতীয় পদার্থ যা শক্তি সঞ্চয় ও কোষঝিল্লি গঠনে কাজ করে।
D) একটি প্রোটিন — সঠিক, কারণ কোলাজেন একটি স্ট্রাকচারাল প্রোটিন যা দেহের বিভিন্ন কলাকে একত্রে ধরে রাখে।
৫. মনে রাখার টিপস:
কোলাজেনের প্রথম অক্ষর 'ক' দিয়ে মনে রাখতে পারো কোলাজেন হলো একটি গঠনমূলক 'ক' থেকে প্রোটিন।
আমাদের শরীরের মোট প্রোটিনের প্রায় ত্রিশ শতাংশই হলো কোলাজেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মানবদেহের ত্বক, চুল ও নখের গঠনের জন্য কোলাজেন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে মানবদেহের সবচেয়ে প্রাচুর্যময় প্রোটিন কোনটি, যার উত্তর হলো কোলাজেন।
সঠিক উত্তর: B) 128 bits
১. কেন সঠিক:
আইপি অ্যাড্রেস বা ইন্টারনেট প্রটোকল অ্যাড্রেস ইন্টারনেটে সংযুক্ত প্রতিটি ডিভাইসের একটি অনন্য পরিচিতি।
আইপিভি সিক্স বা ইন্টারনেট প্রটোকল ভার্সন সিক্স ঠিকানায় ১২৮ বিট বা ষোলো বাইট ব্যবহার করা হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: IPV6 হলো ইন্টারনেটের নতুন সংস্করণ যা বিপুল সংখ্যক ডিভাইসের জন্য ইউনিক ঠিকানা প্রদান করে।
কার্যপদ্ধতি: এটি হেক্সাডেসিমাল নোটেশনে কোলন দ্বারা বিভক্ত আটটি ব্লকে ১২৮ বিট ডেটা প্রসেস করে।
বৈশিষ্ট্য: এটি প্রায় অসীম সংখ্যক আইপি অ্যাড্রেস তৈরি করতে পারে এবং এতে বিল্ট-ইন সিকিউরিটি থাকে।
পার্থক্য: আগের সংস্করণ IPv4 এ ৩২ বিট ব্যবহার করা হতো যেখানে IPv6 এ ১২৮ বিট ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঘরের ঠিকানা।
ব্যাখ্যা: ডাকযোগে চিঠি পাঠানোর যেমন নির্দিষ্ট ঠিকানা লাগে, ইন্টারনেটে ডেটা পাঠাতে আইপি অ্যাড্রেস তেমনি কাজ করে।
উদাহরণ ২: মোবাইল ফোন।
ব্যাখ্যা: প্রতিটি স্মার্টফোন ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় একটি অনন্য আইপিভি সিক্স বা আইপিভি ফোর ঠিকানা গ্রহণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 32 bits — এটি পুরনো সংস্করণ IPv4 ঠিকানার দৈর্ঘ্য, যা বর্তমানের জন্য অপর্যাপ্ত।
B) 128 bits — এটি সঠিক কারণ IPv6 ঠিকানায় ১২৮ বিট বা ষোলো বাইট ব্যবহার করা হয়।
C) 64 bits — এটি স্ট্যান্ডার্ড আইপি ঠিকানার দৈর্ঘ্য নয়, তাই এটি সঠিক নয়।
D) 132 bits — এটি ভুল কারণ আইপিভি সিক্স ঠিকানায় এই নির্দিষ্ট বিট সংখ্যা ব্যবহৃত হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
আইপিভি সিক্স মানেই ১২৮ বিট মনে রাখবে।
পুরনো আইপিভি ফোর হলো ৩২ বিট এবং নতুন আইপিভি সিক্স হলো ১২৮ বিট।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আইপিভি ফোর ও আইপিভি সিক্সের বিট সংখ্যা প্রায়ই আসে।
আইপিভি ফোর হলো ৩২ বিট আর আইপিভি সিক্স হলো ১২৮ বিট।
সঠিক উত্তর: D) Making a machine intelligent
১. কেন সঠিক:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স হলো মানুষের চিন্তাশক্তি ও বুদ্ধিমত্তাকে প্রযুক্তির মাধ্যমে মেশিনের মধ্যে প্রতিস্থাপন করা।
মেশিনকে বুদ্ধিমান করার এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কম্পিউটার বা রোবট মানুষের মতো চিন্তা করতে এবং সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI হলো কম্পিউটার বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা এমন সিস্টেম তৈরি করে যা মানুষের মতো শিখতে ও কাজ করতে পারে।
কার্যপদ্ধতি: বিশাল পরিমাণ ডেটা বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন অ্যালগরিদমের মাধ্যমে এটি প্যাটার্ন খুঁজে বের করে এবং নিজে নিজে সিদ্ধান্ত নেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ্যাপলের Siri বা গুগলের Assistant।
ব্যাখ্যা: এগুলো মানুষের কথা শুনে বুঝতে পারে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে সঠিক উত্তর বা সেবা প্রদান করে।
উদাহরণ ২: স্বয়ংক্রিয় গাড়ি বা Self-driving car।
ব্যাখ্যা: সেন্সর ও ক্যামেরার ডেটা বিশ্লেষণ করে এই গাড়িগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে নিজে নিজে রাস্তা চলতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Putting more memory into computer — কম্পিউটারে বেশি মেমোরি যুক্ত করা মানে স্টোরেজ বা র্যাম বাড়ানো, যা বুদ্ধিমত্তা নয়।
B) Putting our intelligence into computer — এটি আংশিক মনে হলেও কম্পিউটার কেবল ডেটা প্রসেস করে, মানুষের হুবহু বুদ্ধিমত্তা সেখানে বসানো যায় না।
C) Programming with your own intelligence — এটি সাধারণ প্রোগ্রামিং বোঝায়, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত নয়।
D) Making a machine intelligent — মেশিনকে বুদ্ধিমান করে তোলার মাধ্যমে তাকে মানুষের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
AI শব্দের অর্থ হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।
এর মূল কাজ হলো কম্পিউটার বা যন্ত্রকে মানুষের মতো বুদ্ধিমান করে গড়ে তোলা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI-এর জনক জন ম্যাককার্থি।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই যন্ত্রকে বুদ্ধিমান করার বিষয়টি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) কুরিল দ্বীপপুঞ্জ
১. কেন সঠিক:
- কুরিল দ্বীপপুঞ্জ জাপান ও রাশিয়ার মধ্যে অবস্থিত একটি বিতর্কিত দ্বীপমালা, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষভাগে সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে নিয়েছিল।
- এই দ্বীপগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে এখনো কোনো শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি এবং এটি উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের একটি কৌশলগত অঞ্চল।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপ থেকে জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বৈশিষ্ট্য: এটি আগ্নেয়গিরি গঠিত একটি দ্বীপমালা যা ওখোৎস্ক সাগরকে উত্তর প্রশান্ত মহাসাগর থেকে পৃথক করেছে।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: হোক্কাইডো দ্বীপ
ব্যাখ্যা: এটি জাপানের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ এবং কুরিল দ্বীপপুঞ্জের ঠিক দক্ষিণেই অবস্থিত হওয়ায় এই বিরোধের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।
উদাহরণ ২: কামচাটকা উপদ্বীপ
ব্যাখ্যা: এটি রাশিয়ার পূর্ব উপকূলে অবস্থিত একটি বিশাল উপদ্বীপ যা কুরিল দ্বীপপুঞ্জের উত্তর সীমানা নির্ধারণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুরিল দ্বীপপুঞ্জ — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এটি রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপমালা।
B) গ্রেট বেরিয়ার দ্বীপ — এটি নিউজিল্যান্ডের উত্তর দ্বীপের নিকটবর্তী একটি দ্বীপ, যা কোনো আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিরোধের সঙ্গে যুক্ত নয়।
C) দিয়েগো গর্সিয়া দ্বীপ — এটি ভারত মহাসাগরের চাগোস দ্বীপপুঞ্জের একটি দ্বীপ এবং যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটির জন্য পরিচিত।
D) মার্শাল দ্বীপ — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলে প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত একটি স্বাধীন দ্বীপরাষ্ট্র যা কোনো দ্বিপক্ষীয় ভূখণ্ডগত বিরোধের অংশ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যকার বিরোধ মনে রাখতে কুরিল শব্দটির সঙ্গে কুস্তি শব্দ মেলাতে পারো, কারণ এই দুই দেশ দ্বীপটি নিয়ে রাজনৈতিক কুস্তিতে লিপ্ত।
- জাপানের হোক্কাইডো থেকে রাশিয়ার কামচাটকা পর্যন্ত ছড়ানো এই দ্বীপমালার অবস্থান মানচিত্রে ভালোভাবে দেখে নিলে চিরকাল মনে থাকবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সীমান্ত, দ্বীপ ও ভূখণ্ডগত বিরোধ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- কুরিল দ্বীপপুঞ্জের পরিবর্তে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার ডকডো বা তাকেশিমা দ্বীপ নিয়েও প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) বেলজিয়াম
১. কেন সঠিক:
ওয়াটারলূ হলো বেলজিয়ামের একটি ঐতিহাসিক স্থান, যা ১৮১৫ সালের বিখ্যাত ওয়াটারলূ যুদ্ধের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
এই স্থানে ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ব্রিটিশ ও প্রুশিয়ান যৌথ বাহিনীর কাছে চূড়ান্তভাবে পরাজিত হন এবং তার ক্ষমতার অবসান ঘটে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: এটি বেলজিয়ামের ব্রাবান্ট অঞ্চলের একটি পৌরসভা, যা রাজধানী ব্রাসেলসের প্রায় বিশ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত।
বৈশিষ্ট্য: স্থানটি মূলত সমতল ও ঊর্বর কৃষিজমিতে পূর্ণ, যা ঐতিহাসিক যুদ্ধের সময় সৈন্যচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল।
সংশ্লিষ্ট তথ্য: ১৮১৫ সালের ১৮ জুন এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং এর মাধ্যমেই ইউরোপের ভূরাজনীতিতে একটি নতুন যুগের সূচনা হয়।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: ওয়াটারলূ যুদ্ধ
ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক ইউরোপের ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সামরিক সন্ধিক্ষণ হিসেবে পরিচিত।
উদাহরণ ২: ব্রাসেলস শহর
ব্যাখ্যা: বেলজিয়ামের রাজধানী এই শহরটি ওয়াটারলূর খুব কাছে অবস্থিত এবং এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেলজিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ ওয়াটারলূ এখানেই অবস্থিত।
B) ইংল্যান্ড — এটি একটি দ্বীপরাষ্ট্র এবং ব্রিটিশ বাহিনী এই যুদ্ধে অংশ নিলেও রণক্ষেত্রটি এখানে ছিল না।
C) ইতালী — এটি দক্ষিণ ইউরোপের একটি দেশ, যা নেপোলিয়নের প্রাথমিক জীবনের সামরিক অভিযানের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও ওয়াটারলূ এখানে নয়।
D) রাশিয়া — এটি বিশ্বের বৃহত্তম দেশ এবং ১৮১২ সালে নেপোলিয়নের রাশিয়া অভিযান ব্যর্থ হলেও ওয়াটারলূ রণক্ষেত্র এখানে অবস্থিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
নেপোলিয়নের শেষ পরাজয় ঘটেছিল বেলজিয়ামের ওয়াটারলূতে। এভাবে মনে রাখতে পারেন যে নেপোলিয়ন বেলজিয়ামের মাটিতে হেরেছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ঐতিহাসিক স্থান ও তার অবস্থান সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে ওয়াটারলূ যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়েছিল।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)