বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২।

পদের নাম: সহকারী সাইফার অফিসার (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
b যতীন্দ্র মোহন বাগচী
c ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
d গোবিন্দচন্দ্র দাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১. কেন সঠিক: - উক্ত পংক্তিটি যুগসন্ধিকালের বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের রচিত একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক ও স্বদেশপ্রেমমূলক কবিতার অংশ। - এই লাইনের মাধ্যমে কবি নিজ দেশের বা সংস্কৃতির প্রতি অবহেলা করে বিদেশি সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণ করার প্রবণতাকে তীব্রভাবে সমালোচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত আধুনিক যুগের ঠিক প্রাক্কালে আবির্ভূত হন এবং তাকে যুগসন্ধিকালের কবি বলা হয় কারণ তার কবিতায় মধ্যযুগের শেষ সুর এবং আধুনিক যুগের শুরুর ভাবনার মিশ্রণ দেখা যায়। - তিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং তার কবিতায় তৎকালীন সমাজের নানা অসঙ্গতি ও বিদেশি প্রীতির তীব্র সমালোচনা ফুটিয়ে তুলেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্ষমতা পাইয়া লোক ভুলে নিজ জন, ব্যাখ্যা: এটিও ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সমাজ ও মানুষের চরিত্র নিয়ে লেখা একটি ব্যঙ্গাত্মক কবিতার পংক্তি। উদাহরণ ২: বাঁচে না বাঙালি যদি বাঁচে তার দেশ, ব্যাখ্যা: দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবোধ প্রকাশের ক্ষেত্রে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের এ ধরণের পংক্তি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি মূলত স্বাধীনতা ও দেশপ্রেমমূলক রোমান্টিক ধারার কবি হলেও এই বিখ্যাত পংক্তিটি তার রচিত নয়। B) যতীন্দ্র মোহন বাগচী — তিনি পল্লীকবি ও প্রাত্যহিক জীবনের সহজ চিত্র ফুটিয়ে তোলার জন্য পরিচিত হলেও এই বিশেষ উদ্ধৃতির রচয়িতা নন। C) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ পংক্তিটি তার রচিত ব্যঙ্গাত্মক কবিতার অংশ। D) গোবিন্দচন্দ্র দাস — তিনি স্বভাবকবি নামে পরিচিত হলেও তার সাহিত্যকর্মে এই নির্দিষ্ট উদ্ধৃতিটি পাওয়া যায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - দেশি কুকুরের প্রতি ভালোবাসার কথা এবং বিদেশের ঠাকুর ফেলার ব্যঙ্গাত্মক কথাটি বললে চোখ বন্ধ করে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে মনে রাখবে। - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত মানেই সমাজের নানা দোষত্রুটি নিয়ে তীব্র ও তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ কবিতা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুগসন্ধিকালের কবি হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের নাম এবং তার সম্পাদিত পত্রিকার নাম প্রায়ই আসে। - বিখ্যাত সাহিত্যিক উদ্ধৃতিগুলোর ক্ষেত্রে মূল কবির ব্যঙ্গাত্মক বা স্বদেশপ্রেমী সুর খেয়াল রাখলে উত্তর মেলানো সহজ হয়।
a দ্বিজ ঈশান
b মনসুর বয়াতি
c চন্দ্রকুমার দে
d দ্বিজ কানাই
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দ্বিজ কানাই ১. কেন সঠিক: - 'মহুয়া' পালাটি বাংলা লোকসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক ট্র্যাজেডি ঘরানার পালা গান। - এই পালার রচয়িতা বা মূল কবি হলেন দ্বিজ কানাই, যিনি ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্ভুক্ত এই পালাটি রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ময়মনসিংহ গীতিকার সংগ্রাহক ড. দীনেশচন্দ্র সেন এবং সম্পাদনায় চন্দ্রকুমার দে ময়মনসিংহ অঞ্চলের লোকসাহিত্য সংগ্রহ করেন। - 'মহুয়া' পালায় নদের চাঁদ ও বেদেনি মহুয়ার প্রেম, সমাজবিরোধিতা এবং তাদের মর্মান্তিক পরিণতির করুণ চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'মহুয়া' পালা। ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহ গীতিকার একটি বিখ্যাত পালা যা দ্বিজ কানাই রচনা করেছেন। উদাহরণ ২: 'চন্দ্রাবতী'। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহিলা কবি চন্দ্রাবতীর রচিত একটি বিখ্যাত মহাকাব্যিক পালা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিজ ঈশান — তিনি মহুয়া পালার কবি নন, তিনি 'মহিষাসুর মর্দিনী' বা অন্য মঙ্গলকাব্যের সঙ্গে যুক্ত। B) মনসুর বয়াতি — তিনি ময়মনসিংহ গীতিকার অন্য একটি বিখ্যাত পালা 'দেওয়ানা মদিনা' এর রচয়িতা। C) চন্দ্রকুমার দে — তিনি ময়মনসিংহ গীতিকার পালাগুলোর সংগ্রাহক ও সংকলক, কোনো মূল কবি নন। D) দ্বিজ কানাই — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি মহুয়া পালার মূল কবি। ৫ মনে রাখার টিপস: - মহুয়া নামের শেষ অক্ষর এবং কানাই নামের মিল করে মনে রাখতে পারেন মহুয়ার কবি কানাই। - ময়মনসিংহ গীতিকার পালাগুলোর কবি আলাদা, যেমন মহুয়া দ্বিজ কানাই এবং দেওয়ানা মদিনা মনসুর বয়াতি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ময়মনসিংহ গীতিকার সংগ্রাহক এবং বিভিন্ন পালার কবির নাম প্রায়ই আসে। - ড. দীনেশচন্দ্র সেন ১৯২৩ সালে ময়মনসিংহ গীতিকা প্রকাশ করেন এবং এর প্রথম পালা মহুয়া।
a ১৭টি
b ৩৯টি
c ১৯টি
d ৪৯টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৯টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। যেসব বর্ণ উচ্চারণের সময় ফুসফুসতাড়িত বাতাস মুখবিবরের কোথাও না কোথাও বাধা পায় এবং উচ্চারণের জন্য স্বরবর্ণের সাহায্য নিতে হয়, তাদেরকে ব্যঞ্জনবর্ণ বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ বা প্রতীক। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী বাংলা ভাষায় মোট মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি ৩৯টি। এই ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণের মধ্যে ক-বর্গীয় থেকে ম-বর্গীয় পর্যন্ত ২৫টি স্পর্শ ধ্বনি এবং বাকিগুলো অন্তস্থ ধ্বনি, উষ্ম ধ্বনি ও অন্যান্য ধ্বনি হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক ব্যাখ্যা: এটি কবর্গীয় প্রথম ব্যঞ্জনবর্ণ এবং একটি স্পর্শ ধ্বনি। উদাহরণ ২: র ব্যাখ্যা: এটি একটি তাড়িত বা কম্পনজাত ব্যঞ্জনবর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭টি — এটি বাংলা বর্ণমালার স্বরবর্ণের সংখ্যা নয়, এটি ভুল তথ্য। C) ১৯টি — এটি বাংলা বর্ণমালার কোনো নির্দিষ্ট মানদণ্ড অনুযায়ী মৌলিক সংখ্যা নয়। D) ৪৯টি — এটি বাংলা বর্ণমালার মোট বর্ণ বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট ব্যাকরণিক সংখ্যা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বর্ণমালা মোট ৫০টি, স্বরবর্ণ ১১টি হলে ব্যঞ্জনবর্ণ হবে ৫০ বিয়োগ ১১ সমান ৩৯টি। এই সহজ বিয়োগের সূত্রটি মনে রাখলে পরীক্ষাও কখনো ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি, স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি এই তথ্যটি সব ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। পরীক্ষায় প্রশ্ন ভালোভাবে পড়ে স্বরবর্ণ নাকি ব্যঞ্জনবর্ণ চেয়েছে তা নিশ্চিত হয়ে উত্তর করতে হবে।
a ভাস + বর = ভাস্বর
b ভাস + বর = ভাস্বর
c ভাস + বর = ভাস্বর
d ভাস + সর = ভাস্বর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভাস + বর = ভাস্বর ১. কেন সঠিক: - ভাস্বর শব্দটি গঠিত হয়েছে ভাস ধাতুর সঙ্গে বর প্রত্যয় যুক্ত হয়ে। - এখানে বর হলো একটি তদ্ধিত বা কৃৎ প্রত্যয় যা প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি উপসর্গ ও প্রত্যয় অধ্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৃৎ প্রত্যয় সংক্রান্ত প্রশ্ন। - ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √কৃ + ত = কৃত ব্যাখ্যা: কৃ ধাতুর সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃত শব্দ গঠিত হয়। উদাহরণ ২: √গম + তব্য = গন্তব্য ব্যাখ্যা: গম ধাতুর সঙ্গে তব্য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গন্তব্য শব্দ গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাস + বর = ভাস্বর — এটি সঠিক হলেও প্রদত্ত অপশনগুলোর বিন্যাসে বারবার একই রূপ আসার কারণে সঠিক উত্তরের বর্ণ নির্বাচন রক্ষা করা হয়েছে। B) ভাস + বর = ভাস্বর — এই অপশনটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের গঠন নির্দেশ করে। C) ভাস + বর = ভাস্বর — এটিও সঠিক গঠন দেখালেও নির্দেশিত সঠিক উত্তরের ক্রম অনুসারে বি চিহ্নিত করা হয়েছে। D) ভাস + সর = ভাস্বর — এখানে সর প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভাস্বর শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয় মনে রাখতে ভাস ধাতুর সঙ্গে বর যোগ করার বিষয়টি চর্চা করবে। - কৃৎ প্রত্যয় চেনার জন্য ধাতুর পূর্বে রুট চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - ধাতু চেনার উপায় হলো তার পূর্বে রুট চিহ্ন থাকা।
a বিশেষ্য
b বিশেষণ
c ক্রিয়া
d অব্যয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অব্যয় ১. কেন সঠিক: - টাপুর টুপুর একটি অনুকার অব্যয় বা ধাত্মক শব্দ, যা কোনো কিছুর ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয় এবং বাক্যে অব্যয় পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - এই শব্দগুলো স্বাধীনভাবে কোনো বস্তুর বা কাজের আওয়াজ প্রকাশ করে বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাব বৃদ্ধি করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে শব্দ কোনো ধ্বনির অনুকরণে তৈরি হয়ে বাক্যে ব্যবহৃত হয় এবং অন্য পদের সঙ্গে মিশে থেকে ভাব প্রকাশ করে, তাকে অনুকার অব্যয় বা ধাত্মক শব্দ বলে। - পদ প্রকরণে এ ধরনের শব্দ অব্যয় পদের অন্তর্ভুক্ত কারণ এদের নিজস্ব কোনো রূপান্তর বা পরিবর্তন হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঝির ঝির বাতাস বইছে। ব্যাখ্যা: ঝির ঝির শব্দটি বাতাসের মৃদু শব্দের অনুকরণে গঠিত অনুকার অব্যয় পদ। উদাহরণ ২: কল কল নদী বয়ে যায়। ব্যাখ্যা: কল কল শব্দটি নদীর পানির স্রোতের ধ্বনি বোঝাতে ব্যবহৃত অব্যয় পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদ হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু টাপুর টুপুর কোনো নাম বোঝায় না বরং ধ্বনি প্রকাশ করে। B) বিশেষণ — বিশেষণ পদ দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে, কিন্তু টাপুর টুপুর কোনো পদের গুণ বা দোষ প্রকাশ করে না। C) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদ দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায়, কিন্তু টাপুর টুপুর কোনো কাজের নাম বা কাজ নয়। D) অব্যয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ধ্বন্যাত্মক বা অনুকার অব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত। ৫ মনে রাখার টিপস: - যে শব্দগুলো পরপর দুইবার বসে কোনো ধ্বনি, আওয়াজ বা ভাব প্রকাশ করে এবং যাদের রূপ বদলায় না, চোখ বন্ধ করে তাদের অব্যয় পদ হিসেবে চিহ্নিত করবে। - ঝম ঝম, ঘেউ ঘেউ, হি হি শব্দের মতো ধ্বনিবাচক শব্দগুলো সবসময় অব্যয় হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বন্যাত্মক শব্দ বা অনুকার অব্যয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাক্যে শব্দের রূপ ও ব্যবহার ভালো করে খেয়াল করলেই পদের সঠিক নির্ণয় করা সম্ভব।
a শীতল
b শৈত্য
c উত্তাপ
d হিম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শৈত্য ১. কেন সঠিক: - 'তাপ' শব্দটির অর্থ হলো উষ্ণতা বা গরম। এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে 'শৈত্য' ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ হলো ঠান্ডা বা শীতলতা। - বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য পদের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে বিশেষ্য পদই নির্বাচন করতে হয়, যেখানে 'তাপ' বিশেষ্য পদের বিপরীতে 'শৈত্য' একটি উপযুক্ত বিশেষ্য পদ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ গঠনে পদের মিল রাখা একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। বিশেষ্য পদের বিপরীত শব্দ বিশেষ্য এবং বিশেষণ পদের বিপরীত শব্দ বিশেষণ হতে হয়। - 'তাপ' একটি বিশেষ্য পদ, তাই এর বিপরীতার্থক হিসেবে বিশেষ্য পদ 'শৈত্য' নির্বাচন করা ব্যাকরণগতভাবে সবচেয়ে সঠিক ও নির্ভুল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিন - রাত ব্যাখ্যা: এটি সমজাতীয় বিশেষ্য পদের বিপরীতার্থক শব্দের একটি চমৎকার উদাহরণ। উদাহরণ ২: মান - অপমান ব্যাখ্যা: এখানেও বিশেষ্য পদের বিপরীত রূপ অত্যন্ত সুন্দরভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শীতল — এটি একটি বিশেষণ পদ, কিন্তু 'তাপ' একটি বিশেষ্য পদ হওয়ায় ব্যাকরণগত পদের মিলের দিক থেকে এটি সরাসরি প্রযোজ্য নয়। C) উত্তাপ — এটি 'তাপ' শব্দের সমার্থক শব্দ, তাই এটি বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে সম্পূর্ণ ভুল। D) হিম — এটি মূলত বরফ বা কুয়াশা বোঝায় এবং এটি বিশেষ্য হলেও 'তাপ' শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক হিসেবে প্রমিত ও ব্যাকরণসম্মত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশেষ্য পদের সাথে বিশেষ্য এবং বিশেষণ পদের সাথে বিশেষণের বিপরীত শব্দ মেলালে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। - 'তাপ' বিশেষ্য হলে এর বিপরীত 'শৈত্য' আর 'তপ্ত' বিশেষণ হলে এর বিপরীত 'শীতল' হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের রূপ বা পদের মিল (বিশেষ্য নাকি বিশেষণ) না বুঝে উত্তর দিলে ভুল হওয়ার ঝুঁকি থাকে। - তাই বিপরীত শব্দ দাগানোর আগে মূল শব্দের পদরূপ ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া উচিত।
a সান্তনা
b সমীচীন
c ইতিমধ্যে
d সাত্বনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সাত্বনা ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটিতে বানান সংক্রান্ত ভুল রয়েছে। বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সান্ত্বনা বানানটিতে ত এর নিচে ব ফলা যুক্ত হবে। সাত্বনা শব্দটির সঠিক বানান হলো সান্ত্বনা, তবে প্রশ্নে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে বানান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় সঠিক উত্তরটি D হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানানরীতিতে যুক্তবর্ণের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। ন এর পরে ত এবং ব যুক্ত হয়ে ন্ত্ব যুক্তবর্ণটি গঠিত হয়, যা সান্ত্বনা শব্দে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সান্ত্বনা ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ যার অর্থ প্রবোধ বা সান্ত্বনা দেওয়া। উদাহরণ ২: তত্ত্ব ব্যাখ্যা: ত এর নিচে ত যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সান্তনা — এই বানানে ন এর নিচে ব ফলা বা ম বা অন্য কোনো নিয়ম সঠিকভাবে অনুসৃত হয়নি কারণ সান্ত্বনা বানানে ত এর নিচে ব যুক্ত হয়। B) সমীচীন — এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও মূল প্রশ্নের বানানগত চাহিদার সাথে তুলনামূলক বিচারে সঠিক বানান চিহ্নিতকরণের ক্ষেত্রে প্রশ্নকর্তার প্রদানকৃত উত্তর ভিন্ন। C) ইতিমধ্যে — এই বানানটি মূলত ইতঃমধ্যে বা ইতিমধ্যে হিসেবে প্রমিত রূপ পায়, যা এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট বানান ত্রুটির আওতাধীন। D) সাত্বনা — প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে এটি নির্দেশিত হয়েছে, যেখানে বানানের প্রমিত রূপের ক্ষেত্রে বিশেষ নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: সান্ত্বনা বানান লেখার সময় মনে রাখতে হবে ন এর সাথে ত এবং ব যুক্ত হয়। বানান ভুলের ক্ষেত্রে সাধারণত ফলা বা যুক্তবর্ণের ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সান্ত্বনা, সমীচীন, বুদ্ধিজীবী ইত্যাদি বানানগুলো পরীক্ষার্থীকে বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া হয়। বাংলা একাডেমির বানান নিয়ম ভালোভাবে চর্চা করলে এই ধরনের বানান সহজে নির্ণয় করা সম্ভব।
a মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন
b মোহাম্মদ আকরম খাঁ
c সিকান্দার আবু জাফর
d তোফাজ্জল হোসেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সিকান্দার আবু জাফর ১. কেন সঠিক: - 'সমকাল' একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী ও প্রগতিশীল সাহিত্য পত্রিকা। সিকান্দার আবু জাফর ১৯৫৭ সালের নভেম্বর মাসে এই পত্রিকাটির প্রকাশনা শুরু করেন এবং আমৃত্যু এর সম্পাদনা করেন। - বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে সমকাল পত্রিকাটির অবদান ঐতিহাসিক, বিশেষ করে ষাটের দশকের সাহিত্য আন্দোলনে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সিকান্দার আবু জাফর একজন বিশিষ্ট বাঙালি কবি, নাট্যকার ও সাংবাদিক। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে প্রসন্ন প্রহর, বৈরী বৃষ্টিতে ইত্যাদি। - তাঁর রচিত বিখ্যাত গান আমাদের সংগ্রাম চলবেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নলিনীকান্ত সরকার সম্পাদিত পত্রিকা ব্যাখ্যা: নলিনীকান্ত সরকার বাংলা সংগীত ও সাহিত্য বিষয়ক বিভিন্ন পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যা সাহিত্যচর্চাকে সমৃদ্ধ করেছিল। উদাহরণ ২: বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত পত্রিকা কবিতা ব্যাখ্যা: বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত কবিতা পত্রিকা বাংলা আধুনিক কবিতার বিকাশে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন — তিনি বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা সওগাত এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন। B) মোহাম্মদ আকরম খাঁ — তিনি বিখ্যাত ইত্তহাদ ও মাসিক মোহাম্মদী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। C) সিকান্দার আবু জাফর — তিনি সমকাল পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। D) তোফাজ্জল হোসেন — তিনি প্রখ্যাত দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, যা মানিক মিয়া নামে পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - সমকাল মানে বর্তমান সময় এবং সিকান্দার আবু জাফর মানে আধুনিকতার জয়গান। এভাবে মনে রাখা যায় যে আধুনিক মনের সম্পাদক ছিলেন সিকান্দার আবু জাফর। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা এবং তাদের সম্পাদকের নাম জিজ্ঞাসা করা হয়। - সমকাল পত্রিকার প্রকাশকাল ১৯৫৭ সাল, যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য মুখস্থ রাখা জরুরি।
a মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
b সুকান্ত ভট্টাচার্য
c শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d সত্যেন সেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - পথের দাবী উপন্যাসটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। - ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই উপন্যাসে পরাধীন ভারতের মুক্তির আকুতি ও বিপ্লবীদের জীবন সংগ্রাম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী ঔপন্যাসিক। - রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত এই উপন্যাসের কারণে ব্রিটিশ সরকার বইটি বাজোপ্ত করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেবদাস ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ট্র্যাজিক প্রেমের উপন্যাস। উদাহরণ ২: শ্রীকান্ত ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস যা চার পর্বে সমাপ্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রগতিশীল কথাসাহিত্যিক হলেও পথের দাবী উপন্যাসের রচয়িতা নন। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো পুতুল নাচের ইতিকথা। B) সুকান্ত ভট্টাচার্য — তিনি বাংলা সাহিত্যের মার্কসবাদী ধারার একজন প্রতিভাবান তরুণ কবি হলেও কোনো উপন্যাস রচনা করেননি। C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। D) সত্যেন সেন — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের নাম ভোরের অতিথি। ৫. মনে রাখার টিপস: - পথের দাবী উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অপূর্বর দেশপ্রেম মনে রাখলে লেখকের নাম সহজেই মনে রাখা যায়। - শরৎচন্দ্রের রাজনৈতিক উপন্যাস হিসেবে এটি একটিমাত্র ব্যতিক্রমী সৃষ্টি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসটি কোন ধরনের বা কার লেখা, তা প্রায়ই আসে। - বাংলা উপন্যাসের ইতিহাস থেকে ঔপন্যাসিক ও তাঁদের বিখ্যাত রাজনৈতিক বা সামাজিক উপন্যাসের নাম ভালোভাবে পড়তে হবে।
a আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও বিধেয়
b যোগ্যতা, উদ্দেশ্য ও বিধেয়
c আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও যোগ্যতা
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও যোগ্যতা ১. কেন সঠিক: একটি সার্থক বাক্য গঠনের জন্য তিনটি অপরিহার্য গুণ বা শর্ত থাকা আবশ্যক। এগুলো হলো আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি এবং যোগ্যতা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যের প্রথম গুণ আকাঙ্ক্ষা হলো বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা। আসক্তি হলো বাক্যের পদগুলোকে যথাযথভাবে সাজিয়ে বসার বিন্যাস বা নৈকট্য। যোগ্যতা হলো পদের অর্থসংগতি এবং ভাবগত মিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বর্ষাকালে আকাশে কালো মেঘ জমে। ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি এবং যোগ্যতা তিনটি গুণই perfectly বিদ্যমান থাকায় এটি একটি সার্থক বাক্য হয়েছে। উদাহরণ ২: নদী থেকে মাছ ধরা হচ্ছে। ব্যাখ্যা: এটি একটি অর্থপূর্ণ বাক্য যেখানে পদের মেলবন্ধন ও ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও বিধেয় — এখানে বিধেয় শব্দটির কারণে অপশনটি ভুল কারণ বাক্যের অংশে বিধেয় থাকে কিন্তু গুণের মধ্যে উদ্দেশ্য-বিধেয় অন্তর্ভুক্ত নয়। B) যোগ্যতা, উদ্দেশ্য ও বিধেয় — উদ্দেশ্য ও বিধেয় হলো বাক্যের অংশের নাম, বাক্যের গুণের নাম নয়। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যের তিনটি গুণ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো আ-আ-য অর্থাৎ আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি এবং যোগ্যতা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাক্যের সার্থকতার শর্ত কয়টি বা কী কী তা জানতে চাওয়া হয়। বাক্যের অংশ আর বাক্যের গুণ গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a সৈয়দ মুজতবা আলী
b মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
c তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
d শওকত আলী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'পঞ্চগ্রাম' একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যার রচায়িতা কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। - রাঢ় অঞ্চলের গ্রামীণ সমাজজীবনের পরিবর্তন ও ভাঙনের ইতিহাস এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক। - রাঢ় অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা, সামন্তপ্রথার পতন এবং গ্রামীণ অর্থনীতির রূপান্তর তাঁর উপন্যাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'কবি' ব্যাখ্যা: এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় রোমান্টিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: 'গণদেবতা' ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসের সিক্যুয়েল বা পরবর্তী পর্ব হলো 'পঞ্চগ্রাম', যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান অধিকার করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ মুজতবা আলী — তিনি মূলত তাঁর রম্যরচনা, ভ্রমণকাহিনি ও ছোটগল্পের জন্য বিখ্যাত, কোনো উপন্যাস 'পঞ্চগ্রাম' লেখেননি। B) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি মনস্তাত্ত্বিক ও মার্ক্সবাদী চেতনার উপন্যাস রচয়িতা হলেও 'পঞ্চগ্রাম' তাঁর লেখা নয়। C) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। D) শওকত আলী — তিনি একজন বিশিষ্ট বাংলাদেশি কথাসাহিত্যিক যিনি 'প্রদোষে প্রাকৃতজন' ও 'দক্ষিণায়ন মাত্র' উপন্যাসের জন্য পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - তারাশঙ্করের গ্রামীণ সমাজভিত্তিক বিখ্যাত দুটি উপন্যাস হলো গণদেবতা ও পঞ্চগ্রাম। - গণদেবতার পরবর্তী পর্ব বা সিক্যুয়েল হলো পঞ্চগ্রাম, যা এভাবে মনে রাখা সহজ হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯৪৮ সালে 'গণদেবতা' উপন্যাসের জন্য সাহিত্য অ্যাকাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। - বাংলা উপন্যাসে আঞ্চলিক ভাষা ও লোকজীবনের নিখুঁত রূপায়নের জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত।
a কোরেশী মগন ঠাকুর
b মর্দন
c দৌলত কাজী
d আলাওল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দৌলত কাজী ১. কেন সঠিক: - মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার প্রথম বাঙালি কবি দৌলত কাজী এবং তিনি রোসাং বা আরাকান রাজসভার নির্দেশে লোরচন্দ্রানী বা সতী ময়না কাব্য রচনা করেন। - আরাকান রাজসভার বাঙালি কবিদের মধ্যে তিনিই সর্বপ্রথম বাংলা কাব্যে মুসলিম সংস্কৃতির পাশাপাশি স্থানীয় লোককাহিনীর সার্থক মিশ্রণ ঘটিয়েছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দৌলত কাজী সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্যতম প্রধান কবি ও শ্রীশ্রী সুধর্মা রাজসভার অমাত্য আশরাফ খানের পৃষ্ঠপোষকতায় কাব্যচর্চা শুরু করেন। - তাঁর বিখ্যাত কাব্য সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী যা অসমাপ্ত থাকার পর পরবর্তী সময়ে কবি আলাওল বাকি অংশ সমাপ্ত করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দৌলত কাজীর সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের আরাকান রাজসভায় রচিত প্রথম বাঙালি কবির প্রথম কাব্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: আলাওলের পদ্মাবত কাব্য। ব্যাখ্যা: এটিও আরাকান রাজসভার পটভূমিতে রচিত মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রণয়োপাখ্যান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোরেশী মগন ঠাকুর — তিনি আরাকান রাজসভার একজন বিশিষ্ট কবি হলেও প্রথম বাঙালি কবি নন। B) মর্দন — তিনি আরাকান রাজসভার পরবর্তী সময়ের একজন কবি এবং নসিবনামা কাব্য রচনা করেন। C) দৌলত কাজী — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি পরীক্ষার্থীর জন্য প্রযোজ্য নয়। D) আলাওল — তিনি আরাকান রাজসভার সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক জনপ্রিয় কবি হলেও প্রথম কবি নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধ্যযুগে আরাকানে প্রথম গেলেন দৌলত কাজী এবং পরে তাকে সাহায্য করলেন আলাওল। - এভাবে মনে রাখলে প্রথম ও প্রধান কবির মধ্যে গুলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আরাকান রাজসভার কবি এবং তাদের রচিত কাব্য নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে দৌলত কাজীর অসমাপ্ত কাব্য আলাওল সমাপ্ত করেছিলেন, এই তথ্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a স্ব + ইচ্ছা
b স্ব + ইচ্ছা
c স্ব + ইচ্ছা
d স্ব + ইচ্ছা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্ব + ইচ্ছা (এখানে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে প্রথমটিকে সঠিক ধরা হলো, যদিও টাইপো ত্রুটির কারণে সব অপশন একই রকম দেখাচ্ছে। মূল নিয়ম হলো: স্ব + ইচ্ছা = স্বেচ্ছা)। ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী অ অথবা আ এর পর ই কিংবা ঈ থাকলে উভয় মিলে এ কার হয় এবং তা পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়। এখানে স্ব শব্দের অন্তে অ এবং ইচ্ছা শব্দের আদিতে ই রয়েছে, যা মিলে এ কার এক হয়ে স্বেচ্ছা গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি স্বরসন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। অ বা আ কারের পর ই বা ঈ কার থাকলে উভয়ে মিলে এ কার হয় এবং এ কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। এই নিয়মটি সংস্কর ব্যাকরণ থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং প্রমিত বাংলা বানরীতিতে এটি অপরিবর্তিত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যথা + ইষ্ট = যথেষ্ট। ব্যাখ্যা: এখানে যথার আ এবং ইষ্টের ই মিলে এ কার হয়েছে এবং থ এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে যথেষ্ট গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মহা + ইন্দ্র = মহেন্দ্র। ব্যাখ্যা: এখানে মহாவின் আ এবং ইন্দ্রের ই মিলে এ কার হয়েছে এবং হ এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে মহেন্দ্র গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্ব + ইচ্ছা — এটি সন্ধির সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে কারণ অ এবং ই মিলে এ কার হয়। B) স্ব + ইচ্ছা — এটি সঠিক নিয়মের অন্তর্ভুক্ত হলেও বিকল্প বিন্যাসে একই রূপ প্রকাশ করে। C) স্ব + ইচ্ছা — এটিও প্রথম অপশনের অনুরূপ হওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী সঠিক গঠন প্রদর্শন করে। D) স্ব + ইচ্ছা — এটিও একই প্রক্রিয়ায় সঠিক সন্ধिবদ্ধ রূপের নির্দেশক হিসেবে কাজ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: অ বা আ এর পর ই বা ঈ থাকলে সর্বদা এ কার হয়। এই সূত্রটি মনে রাখতে অ + ই = এ এই সংক্ষিপ্ত রূপটি মাথায় রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অ + ই এর সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই যথাক্রমে যথা যোগ ইষ্ট এবং মহা যোগ ইন্দ্র এর মতো শব্দগুলো চর্চা করলে এই নিয়মের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
a বর্ণ
b শব্দ
c ধ্বনি
d বাক্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধ্বনি ১. কেন সঠিক: - ভাষার মূল উপাদান বা মৌলিক ভিত্তি হলো ধ্বনি, যা উচ্চারণের দিক থেকে ভাষার ক্ষুদ্রতম একক। - মানুষের মুখনিঃসৃত অর্থপূর্ণ আওয়াজ বা বোধগম্য শব্দসমষ্টিই হলো ধ্বনি, যা লেখার সময় বর্ণে রূপ নেয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি হলো ভাষার শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ এবং বর্ণ হলো তার দৃশ্যগ্রাহ্য রূপ। - ধ্বনি নিজে চোখে দেখা যায় না, কানে শুনতে হয় এবং এর অর্থপূর্ণ মিলনেই ভাষা গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ক, খ ব্যাখ্যা: এগুলো হলো বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনি বা বর্ণের প্রতীক, যা উচ্চারণ করার সময় ধ্বনি হিসেবে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: মা, পা ব্যাখ্যা: একাধিক ধ্বনি একত্রিত হয়ে অর্থপূর্ণ শব্দ তৈরি করে, যা ভাষার ভাব প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, ধ্বনি হলো উচ্চারিত রূপ। তাই এটি ক্ষুদ্রতম একক নয়। B) শব্দ — এক বা একাধিক ধ্বনি বা বর্ণ পাশাপাশি বসে যখন একটি অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে শব্দ বলে। শব্দ ধ্বনি অপেক্ষা বড় একক। D) বাক্য — অর্থপূর্ণ পদের সমষ্টি যা মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করে, তাকে বাক্য বলে। এটি ভাষার বৃহত্তম একক। ৫. মনে রাখার টিপস: উচ্চারণ বা শোনার সাথে সম্পর্কিত ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি আর দেখার সাথে সম্পর্কিত হলো বর্ণ। ছোট ছোট ধ্বনি মিলে শব্দ এবং শব্দ মিলে বাক্য তৈরি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ভাষার ক্ষুদ্রতম একক কী এবং ভাষার বৃহত্তম একক কী। ধ্বনি হলো ক্ষুদ্রতম এবং বাক্য হলো বৃহত্তম একক।
a বড়ু চণ্ডীদাস
b ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
c মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
d বিদ্যাপতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বড়ু চণ্ডীদাস ১. কেন সঠিক: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন ও প্রাপ্ত প্রথম গ্রন্থ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন-এর রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস। - ড. সুকুমার সেন এবং ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে মধ্যযুগের বাংলা ভাষার প্রথম কবি বড়ু চণ্ডীদাস। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের সময়কাল ধরা হয় ১২০১ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত এবং এর প্রথম নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন। - বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের এক গোয়ালঘর থেকে পুথিটি আবিষ্কার ও প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা বিষয়ক নাটকীয় আকারের একটি কাব্য। উদাহরণ ২: মৈথিল কোকিল বিদ্যাপতি। ব্যাখ্যা: তিনি মধ্যযুগের প্রাক-চৈতন্য যুগের পদকর্তা ও মৈথিলি ভাষার কবি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বড়ু চণ্ডীদাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচয়িতা। B) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর — তিনি মধ্যযুগের শেষভাগের কবি এবং অষ্টাদশ শতাব্দীর অন্নদামঙ্গল কাব্যের জন্য বিখ্যাত। C) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — তিনি মধ্যযুগের ষোড়শ শতাব্দীর মঙ্গলকাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের রচয়িতা। D) বিদ্যাপতি — তিনি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রাক-চৈতন্য যুগের পদকর্তা হলেও প্রথম কবি নন। ৫. মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের শুরু মানেই বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন। এভাবে মনে রাখতে পারেন যে, বড়ু মানে বড় বা প্রথম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি জন্মখণ্ড থেকে রাধাবিরহ পর্যন্ত মোট তেরোটি খণ্ডে বিভক্ত। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই গ্রন্থ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a 1290
b 1315
c 1312
d 1314
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩১২ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছিল। - বঙ্গভঙ্গ রদ ও স্বদেশী আন্দোলনের সেই উত্তাল সময়ে বাংলা ১৩১২ সালের ১৬ই শ্রাবণ এই গানটি রচিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জাতীয় সংগীতের রচিয়তা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং এটি তার বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। - গানটির প্রথম দশ লাইন ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংগীত হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে ব্যাখ্যা: এটি ভারতের জাতীয় সংগীত এবং এটিও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা। উদাহরণ ২: আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি ব্যাখ্যা: এটি আমাদের জাতীয় সংগীত এবং এর সুর সংগৃহীত হয়েছে বাউল গগন হরকরার একটি গান থেকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২৯০ — এই সনটি জাতীয় সংগীত রচনার সাল হিসেবে সঠিক নয় এবং এই সময়ে এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ছিল না। B) ১৩১৫ — এই সনটি জাতীয় সংগীত রচনার সাল নয় বরং এটি একটি ভুল অপশন যা পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে দেওয়া হয়। D) ১৩১৪ — এই সনে বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হলেও জাতীয় সংগীত বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে ১৩১২ সনে রচিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্গভঙ্গের সাল ছিল ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দ এবং বাংলা সনের হিসাব করতে ৫৯৩ বা ৫৯৪ বিয়োগ করলে ১৩১২ সাল পাওয়া যায়। - রবীন্দ্রনাথের এই বিখ্যাত গানটি রচিত হয়েছিল বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের ঠিক শুরুতে ১৩১২ সালের শ্রাবণ মাসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জাতীয় সংগীতের রচিয়তা এবং কোন সনে রচিত হয়েছিল তা বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে। - একই ধরনের প্রশ্নে জাতীয় সংগীতের সুরকার এবং এর ইংরেজি অনুবাদক কে তা জেনে রাখা জরুরি।
a অনাদি
b পরস্ব
c অনাহ্য
d অনার্জিত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পরস্ব ১. কেন সঠিক: - 'পরস্ব' শব্দের অর্থ অন্যের ধন বা অন্যের সম্পত্তি। বাক্যসংক্ষেপ বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। - প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে 'অপরের ধন' এর সঠিক এককথায় প্রকাশ, যার সরাসরি অর্থগত রূপ হলো পরস্ব। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - পরস্ব শব্দটি গঠিত হয়েছে পর এবং স্ব পদের মিলনে, যেখানে পর অর্থ অন্য এবং স্ব অর্থ ধন বা সম্পত্তি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরের অধীন ব্যাখ্যা: একে এককথায় পরাধীন বলা হয়, যা পরস্ব এর মতো অন্য সম্পর্কিত একটি শব্দ। উদাহরণ ২: অন্যের লেখা চুরি ব্যাখ্যা: একে এককথায় কুম্ভিলকবৃত্তি বলা হয়, যা অন্যের বিষয় আত্মসাত করার আরেকটি প্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনাদি — এর অর্থ যার আদি বা শুরু নেই, তাই এটি 'অপরের ধন' এর সমার্থক নয়। B) পরস্ব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) অনাহ্য — এর অর্থ যা আহ্বান করা হয়নি বা অনাহূত, তাই এটি এখানে মিলছে না। D) অনার্জিত — এর অর্থ যা অর্জন করা হয়নি, তাই এটি অন্যের ধন বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - পর অর্থ অন্য এবং স্ব অর্থ ধন, এই দুটি অংশ মনে রাখলেই পরস্ব শব্দটির অর্থ সহজে আয়ত্ত করা যায়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ আলাদা করে ভাবলে সঠিক উত্তর নির্বাচন সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - পর বা অন্য বোঝাতে সংস্কৃত উপসর্গ বা শব্দ দিয়ে গঠিত শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a কালান্তর
b ডাকঘর
c বলাকা
d চিত্রা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কালান্তর ১. কেন সঠিক: কালান্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ। এই গ্রন্থে লেখকের বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রবন্ধ সংকলিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা, যিনি কবিতা, ছোটগল্প, নাটক ও উপন্যাসের পাশাপাশি বহু মূল্যবান প্রবন্ধ রচনা করেছেন। কালান্তর গ্রন্থটিতে মূলত বিশ শতকের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক সংকটের ওপর রবীন্দ্রনাথের চিন্তাধারা প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সভ্যতার সংকট ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা আরেকটি অত্যন্ত বিখ্যাত প্রবন্ধ, যা তার চিন্তাভাবনার পরিচয় দেয়। উদাহরণ ২: বীরপুরুষ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কবিতা, যা তার কাব্যপ্রতিভার নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কালান্তর — এটি একটি প্রবন্ধগ্রন্থ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে। B) ডাকঘর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত সাংকেতিক নাটক। C) বলাকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিশিষ্ট কাব্যগ্রন্থ। D) চিত্রা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম প্রধান কাব্যগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের প্রবন্ধগ্রন্থ মনে রাখার জন্য কালান্তর শব্দটি মাথায় রাখতে পারো, কারণ এটি তার অন্যতম প্রধান গদ্যসংকলন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের কাব্যগ্রন্থ এবং প্রবন্ধগ্রন্থ প্রায়ই গুলিয়ে যায়, তাই কাব্য ও প্রবন্ধের তালিকা আলাদা করে পড়তে হবে।
a জননী
b কাঁদো নদী কাঁদো
c রাইফেল রোটি আওরাত
d সংশপ্তক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাইফেল রোটি আওরাত ১. কেন সঠিক: রাইফেল রোটি আওরাত হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত এই উপন্যাসে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা ও বাঙালির প্রতিরোধ সংগ্রাম ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসের রচিয়তা শহীদ সাংবাদিক ও লেখক আনোয়ার পাশা। এটি মূলত ইংরেজি ভাষায় রচিত এবং পরবর্তীকালে বাংলায় অনূদিত একটি প্রামাণ্য ঐতিহাসিক উপন্যাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন ব্যাখ্যা: জহির রায়হান রচিত ভাষাভিত্তিক ও মুক্তিযুদ্ধ বা আন্দোলনভিত্তিক অন্যতম বিখ্যাত উপন্যাস। উদাহরণ ২: ঘাসফুল ও একাত্তর ব্যাখ্যা: এটিও মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জননী — এটি শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, যার বিষয়বস্তু গ্রামীণ জীবন। B) কাঁদো নদী কাঁদো — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যার সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের কোনো সম্পর্ক নেই। C) রাইফেল রোটি আওরাত — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। D) সংশপ্তক — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা গ্রামীণ সমাজ ও তেভাগা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের প্রথম উপন্যাস মনে রাখতে আনোয়ার পাশার রাইফেল রোটি আওরাত কথাটি বারবার মনে রাখবে। ইংরেজি ভাষায় প্রথম লেখা হলেও এটি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেরা দলিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ও নাটক প্রায়ই আসে। আনোয়ার পাশার এই উপন্যাসটি ভাষা ও ইতিহাসের দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন।
a বহুব্রীহি
b অব্যয়ীভাব
c দ্বিগু
d কর্মধারয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অব্যয়ীভাব ১. কেন সঠিক: - 'হা-ঘরে' শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েছে যেখানে 'হা' উপসর্গটি অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। - এখানে ঘরের অভাব অর্থে 'হা-ঘরে' শব্দটি গঠিত হয়েছে এবং পূর্বপদের অর্থের প্রাধান্য রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যোগ হয় এবং অব্যয়ের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। - অব্যয়ীভাব সমাসে সাধারণত অভাব, সমীপ, সামীপ্য, অতিবৃত্তি, পশ্চাৎ ইত্যাদি অর্থ প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিখर्च ব্যাখ্যা: খরচের অভাব অর্থে 'নি' উপসর্গযোগে অব্যয়ীভাব সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: বেলাগোঁয়াড় ব্যাখ্যা: গোঁয়ারের অভাব অর্থে অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ এটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বহুব্রীহি — এই সমাসে পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন পদকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) দ্বিগু — এটি সংখ্যাবাচক শব্দ ও সমাহার বোঝায়, যা এই পদের গঠনে অনুপস্থিত। D) কর্মধারয় — এটি বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে গঠিত হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে ঘটেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - হা, নি, বে ইত্যাদি উপসর্গযোগে যদি কোনো শব্দের শুরুতে অভাব বা কমতি বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে তা অব্যয়ীভাব সমাস দাগাবে। - উপসর্গযুক্ত শব্দ দেখলে প্রথমে অব্যয়ীভাব সমাসের কথা চিন্তা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযোগে গঠিত অব্যয়ীভাব সমাস প্রায়ই আসে। - অভাব অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস চেনার জন্য হা-ভাত, বেহায়া, নিখরচ শব্দগুলো অনুশীলন করবে।
a 1907
b 1907
c 1909
d 1207
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯০৭ ১. কেন সঠিক: মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে ১৯০৭ সালে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন এবং প্রাচীনতম এই কাব্যগ্রন্থটি আবিষ্কারের সালটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্তFrequently আসে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা গান। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে চর্যাপদ গ্রন্থটি প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। ব্যাখ্যা: তিনি নেপাল থেকে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন আবিষ্কার করে ইতিহাস সৃষ্টি করেন। উদাহরণ ২: চর্যাপদের প্রথম পদটির রচয়িতা লুইপা। ব্যাখ্যা: চর্যাপদে মোট পদকর্তা হিসেবে চব্বিশ বা পঁচিশ জন সিদ্ধাচার্যকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৭ — এটি সঠিক সাল হলেও প্রদত্ত অপশনের বিন্যাস অনুযায়ী সঠিক উত্তরের অন্তর্ভুক্ত। C) ১৯০৯ — এটি ভুল কারণ চর্যাপদ আবিষ্কারের সঠিক সাল ১৯০৯ নয়, বরং ১৯০৭ সাল। D) ১২০৭ — এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও ভুল সাল যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে চর্যাপদের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৯০৭ সালকে মনে রাখতে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর নেপাল ভ্রমণ এবং প্রাচীন পুথি আবিষ্কারের ঘটনা একসঙ্গে মনে রাখুন। আবিষ্কারের সাল ১৯০৭ এবং প্রকাশের সাল ১৯১৬ এভাবে দুটি সাল মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের আবিষ্কারক, আবিষ্কারের সাল এবং প্রথম প্রকাশের সাল ও গ্রন্থটির নাম প্রতিযোগিতায় বারবার আসে। বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো সাল ও সম্পাদকের নাম মিলিয়ে খুব সতর্কতার সঙ্গে পড়তে হবে।
a অর্ণব
b কেতন
c রাতুল
d দার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কেতন ১. কেন সঠিক: - 'পতাকা' শব্দের একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ হলো 'কেতন'। - প্রশ্নটিতে চাওয়া হয়েছে পতাকার সমার্থক শব্দ কোনটি, যার সঠিক উত্তর কেতন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই সমস্ত শব্দ যেগুলোর অর্থ একই বা প্রায় একই রকম হয়। - বাংলা ভাষায় একটি বস্তুর বা ভাবের প্রকাশের জন্য একাধিক প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিশানা ব্যাখ্যা: পতাকা শব্দের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ হলো নিশানা। উদাহরণ ২: বৈজয়ন্তী ব্যাখ্যা: বিজয়সূচক বা বিশেষ ধরনের পতাকাকে বৈজয়ন্তী বলা হয়, যা পতাকার সমার্থক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্ণব — অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র বা সাগর, যা পতাকার সমার্থক নয়। B) কেতন — এটি সঠিক উত্তর কারণ কেতন শব্দের অর্থ পতাকা বা নিশান। C) রাতুল — রাতুল শব্দের অর্থ লাল বা রক্তিম, তাই এটি পতাকার সমার্থক হতে পারে না। D) দার — দার শব্দের অর্থ দরজা বা কাঠ, যা পতাকার অর্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পতাকা ও কেতন দুটি শব্দই অক্ষর সংখ্যা ও ধ্বনির দিক থেকে সহজে মনে রাখা যায়। - পতাকার মতো কেতন শব্দটিও নিশান বা পতাকা বোঝাতে কবি ও সাহিত্যিকগণ ব্যবহার করেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - পতাকার অন্যান্য সমার্থক শব্দ যেমন নিশান, পতাকা, বৈজয়ন্তী এবং ধ্বজা ভালোভাবে মুখস্থ রাখা উচিত।
a টেকচাঁদ ঠাকুর
b রামগতি ন্যায়রত্ন
c কালি প্রসন্ন সিংহ
d রামরাম বসু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) টেকচাঁদ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - আলালের ঘরের দুলাল বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। - টেকচাঁদ ঠাকুর এই উপন্যাসের মাধ্যমে বাংলা গদ্যে সাধু ও প্রমিত রূপের ব্যবহার শুরু করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - টেকচাঁদ ঠাকুরের আসল নাম প্যারিচাঁদ মিত্র এবং এটি তাঁর ছদ্মনাম। - ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে তৎকালীন বাঙালি সমাজের ধনী পরিবারের বখে যাওয়া সন্তানের চরিত্র চিত্রিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হুতোম প্যাঁচা নকশা ব্যাখ্যা: এটি কালিপূজা ও কলকাতার বাবু সমাজের ওপর লেখা আরেকটি বিখ্যাত সামাজিক ব্যঙ্গাত্মক রচনা। উদাহরণ ২: উদয়চন্দ্র বসাক ব্যাখ্যা: আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের একটি অন্যতম প্রধান চরিত্র হলো এই উদয়বাবু। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টেকচাঁদ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচয়িতা। B) রামগতি ন্যায়রত্ন — ইনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট পন্ডিত ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস প্রণেতা। C) কালি প্রসন্ন সিংহ — ইনি হুতোম প্যাঁচার নকশার রচয়িতা এবং মহাভারত অনুবাদক। D) রামরাম বসু — ইনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন পন্ডিত এবং রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র ও লিপিমালা গ্রন্থের রচয়িতা। ৫. মনে রাখার টিপস: - টেকচাঁদ ঠাকুরের ছদ্মনাম মনে রাখতে পারো যে তাঁর 'টেক' ছিল নতুন ধারার উপন্যাস লেখার। - আলাল শব্দের অর্থ ধনী বা সম্ভ্রান্ত পরিবার এবং দুলাল অর্থ প্রিয় পুত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাসের নাম এবং এর লেখকের নাম প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। - হুতোম প্যাঁচার নকশা এবং আলালের ঘরের দুলাল উভয়ই সামাজিক উপন্যাসের অন্তর্ভুক্ত।
a মুক্তিযুদ্ধ
b দুর্ভিক্ষ
c দেশভাগ
d ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভাষা আন্দোলন ১. কেন সঠিক: - 'কবর' নাটকটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত একটি যুগান্তকারী নাটক। - ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ এবং তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর অমানবিক আচরণের প্রতিবাদ এই নাটকের মূল উপজীব্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাটকটির রচিয়তা হলেন বিশিষ্ট নাট্যকার ও সাহিত্যিক মুনীর চৌধুরী। - তিনি কারাগারে বন্দि থাকা অবস্থায় ১৯৫৩ সালে এই নাটকটি রচনা করেন এবং তৎকালীন জেলখানায় এটি মঞ্চস্থ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর রক্তলাল ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরীর অপর একটি বিখ্যাত নাটক, যা তার নাট্য প্রতিভার অন্যতম নিদর্শন। উদাহরণ ২: জহির রায়হানের আরেক ফাল্গুন ব্যাখ্যা: এটিও ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুক্তিযুদ্ধ — মুক্তিযুদ্ধ বাঙালি জাতির জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা হলেও 'কবর' নাটকটি এই প্রেক্ষাপটে রচিত হয়নি। B) দুর্ভিক্ষ — দুর্ভিক্ষ বাংলা সাহিত্যে অনেক সৃষ্টির উৎস হলেও এই নাটকটি দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে লেখা নয়। C) দেশভাগ — দেশভাগ বা ১৯৪৭ সালের ভারত বিভাজন এই নাটকের মূল বিষয়বস্তু বা প্রেক্ষাপট নির্দেশ করে না। D) ভাষা আন্দোলন — ভাষা আন্দোলন হলো এই নাটকের সঠিক ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট যা নাটকের মূল সুরের সঙ্গে মিলে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুনীর চৌধুরীর প্রথম ও বিখ্যাত নাটক 'কবর' ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত হয়েছে। - ভাষা আন্দোলনের প্রথম নাটক মনে রাখতে মুনীর চৌধুরীর নাম এবং ১৯৫৩ সালের প্রকাশকাল একসঙ্গে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যে ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম নাটক হলো মুনীর চৌধুরীর 'কবর'। - এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে নাটক, উপন্যাস বা কাব্যের রচিয়তা এবং প্রেক্ষাপট একসঙ্গে পড়তে হয়।
a মিথিলার
b নবদ্বীপের
c বর্ধমানের
d বৃন্দাবনের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মিথিলার ১. কেন সঠিক: বিদ্যাপতি ছিলেন মূলত প্রাচীন মিথিলা অঞ্চলের কবি এবং তিনি মৈথিলি ভাষায় পদ রচনা করতেন। মিথিলার রাজা শিবসিংহের রাজসভায় তিনি অত্যন্ত খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতি বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম প্রধান আদি কবি এবং মিথিলার কোকিল নামে পরিচিত। তিনি মৈথিলি ভাষায় পদ রচনা করলেও বাংলা সাহিত্যের পদাবলীতে তার প্রভাব অপরিসীম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাধিকা রঞ্জন করি মান ভঞ্জন ব্যাখ্যা: এটি বিদ্যাপতির মৈথিলি ভাষায় রচিত একটি বিখ্যাত রাধা-কৃষ্ণের পদ। উদাহরণ ২: পিরিতি মকরন্দ রস সিন্ধু ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতির এই পদটি বাংলা বৈষ্ণব পদাবলীর ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিথিলার — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিদ্যাপতি মিথিলা অঞ্চলের অধিবাসী ও কবি ছিলেন। B) নবদ্বীপের — নবদ্বীপ চৈতন্যদেবের জন্মস্থান ও বৈষ্ণব ধর্মের কেন্দ্র হলেও বিদ্যাপতি এখানকার নন। C) বর্ধমানের — বর্ধমান পশ্চিমবঙ্গের একটি জেলা হলেও বিদ্যাপতির জন্ম বা কর্মস্থল এখানে ছিল না। D) বৃন্দাবনের — বৃন্দাবন রাধা-কৃষ্ণের লিলার স্থান হলেও বিদ্যাপতি বৃন্দাবনের কবি ছিলেন না। ৫. মনে রাখার টিপস: বিদ্যাপতি ও মিথিলা মনে রাখতে ম বর্ণ দুটিকে এক সঙ্গে মেলানো যায়। ম তে মিথিলা এবং ম তে মৈথিলি কোকিল বিদ্যাপতি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিদ্যাপতি বাংলা সাহিত্যের পদাবলীতে ব্রজবুলি ভাষার প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত। তিনি মিথিলার কবি হলেও তার পদগুলো বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অমূল্য সম্পদ।
a পাতা পাওয়া
b পদোন্নতি পাওয়া
c সম্মান পাওয়া
d টাকা পাওয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পাতা পাওয়া ১. কেন সঠিক: 'কক্ষে পাওয়া' এবং 'পাতা পাওয়া' উভয় বাগধারাটির সমার্থক অর্থ হলো স্থান পাওয়া বা অধিকার লাভ করা। কোনো নির্দিষ্ট জায়গায় স্থান বা আসন পাওয়া বোঝাতেই এই বিশেষ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা বাক্যাংশ যা তাদের সাধারণ বা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবগত অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ভাষার সমৃদ্ধির জন্য বাগধারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এর শব্দার্থ প্রায়ই পরীক্ষিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য তাকে শেষ পর্যন্ত কক্ষে পাওয়া গেল। ব্যাখ্যা: এখানে মূল প্রতিযোগিতায় স্থান পাওয়া বা টিকে থাকার অর্থ প্রকাশ করতে এই বাগধারার ভাবগত প্রয়োগ ঘটেছে। উদাহরণ ২: চূড়ান্ত দলে তার নাম কক্ষে পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন কোচ। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে দলে জায়গা বা স্থান লাভ করার অর্থে বাগধারাটি সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাতা পাওয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অপশনটি মূল বাগধারার সমার্থক ভাব প্রকাশ করে। B) পদোন্নতি পাওয়া — এটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি প্রশাসনিক ধারণা যা উচ্চতর পদ লাভের সঙ্গে সম্পর্কিত। C) সম্মান পাওয়া — এটি সমাজে বা মানুষের হৃদয়ে বিশেষ মর্যাদা লাভের অবস্থাকে বোঝায়। D) টাকা পাওয়া — এটি কোনো বস্তুগত অর্থপ্রাপ্তি বা আর্থিক লাভ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কক্ষে বা ঘরে কাউকে জায়গা দেওয়া মানে তাকে পাতায় বসানোর সমতুল্য, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখা সহজ। স্থান পাওয়া বা অধিকার লাভ করার ক্ষেত্রে এই বিশেষ বাগধারাটি ব্যবহারের নিয়ম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই অপ্রচলিত বা কম পরিচিত বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়। তাই পরিচিত বাগধারার পাশাপাশি এ ধরনের তুলনামূলক কম ব্যবহৃত বাগধারাগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a শেখ মুজিবুর রহমান
b মুহাম্মদ আব্দুল হাই
c তাজউদ্দীন আহমদ
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শেখ মুজিবুর রহমান ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক ভ্রমণসাহিত্যমূলক গ্রন্থ। - 'নয়াচীন' বলতে মূলত সমাজতান্ত্রিক চীন ভ্রমণকে বোঝানো হয়েছে এবং এটি লেখকের চীন সফরের অভিজ্ঞতা থেকে রচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সংশ্লিষ্ট লেখক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৪ সালে চীন সফর করেন এবং সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এই গ্রন্থটি রচনা করেন। - বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি বাংলাদেশের আত্মজীবনী ও ভ্রমণসাহিত্যের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী ব্যাখ্যা: এটিও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত একটি বিশ্বখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: কারাগারের রোজনামচা ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর আরেকটি বিখ্যাত গ্রন্থ যা তাঁর কারাজীবনের দিনলিপি নিয়ে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেখ মুজিবুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ভ্রমণগ্রন্থটি তাঁরই চীন সফরের অভিজ্ঞতার ফসল। B) মুহাম্মদ আব্দুল হাই — ইনি একজন বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী ও সাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। C) তাজউদ্দীন আহমদ — ইনি বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় নেতা হলেও এই গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বিশ্বকবি ও নোবেলজয়ী সাহিত্যিক হলেও 'আমার দেখা নয়াচীন' তাঁর রচিত কোনো গ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নয়াচীন ভ্রমণের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম মনে রাখতে হবে কারণ তাঁর রচিত ভ্রমণসাহিত্য মাত্র একটিই আর তা হলো নয়াচীন। - আত্মজীবনীমূলক তিনটি প্রধান গ্রন্থের মধ্যে এটি ভ্রমণ বিষয়ের ওপর লেখা একমাত্র গ্রন্থ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বঙ্গবন্ধু রচিত গ্রন্থগুলোর নাম বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - তাঁর রচিত গ্রন্থ মোট তিনটি যথা অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়াচীন।
a Subtly
b Trickery
c Simplicity
d Naive
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Trickery কেন সঠিক: - 'Subterfuge' শব্দটির বাংলা অর্থ ছলনা, প্রতারণা বা কৌশল, যা 'Trickery' শব্দের সমার্থক। - কোনো সত্য গোপন করার জন্য বা উদ্দেশ্য সাধনের জন্য ব্যবহৃত প্রতারণামূলক কৌশলকে 'subterfuge' বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Subtly — এর অর্থ সূক্ষ্মভাবে বা গভীরভাবে, যা কোনো প্রতারণা বা ছলনাকে বোঝায় না। B) Trickery — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রযোজ্য নয়। setC) Simplicity — এর অর্থ সরলতা, যা 'subterfuge' শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) Naive — এর অর্থ সহজসরল বা অমাঝাপাতা, যা কোনো বিশেষ প্রতারণামূলক কৌশল বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: 'Subterfuge' শব্দটিতে 'fuge' অংশ আছে যা থেকে ফন্দি বা ফিকির (Trickery) কথা মনে রাখা যায়।
a Contrive
b Connive
c Unite
d Conspire
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Unite কেন সঠিক: - Consolidate শব্দের অর্থ হলো একত্রিত করা, শক্ত করা বা সংহত করা। - Unite শব্দের অর্থও একত্রিত হওয়া বা ঐক্যবদ্ধ করা, যা Consolidate শব্দের সবচেয়ে সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Contrive — এর অর্থ কোনো কিছু কৌশল করে তৈরি করা বা উদ্ভাবন করা, যা একত্রিত করার সমার্থক নয়। B) Connive — এর অর্থ কোনো অন্যায় কাজের সাথে গোপনে সহায়তা করা বা প্রশ্রয় দেওয়া, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Unite — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ একত্রিত করা বা সংহত করা। D) Conspire — এর অর্থ ষড়যন্ত্র করা বা গোপন অভিসন্ধি করা, যার সাথে মূল শব্দের অর্থের মিল নেই। মনে রাখার টিপস: Consolidate শব্দের ভেতরে solid কথাটি আছে, যার অর্থ শক্ত করা বা একত্রিত করে শক্ত অবস্থানে যাওয়া; আর Unite মানেও এক হওয়া।
a meet
b had met
c met
d would meet
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) had met কেন সঠিক: - নিয়ম অনুযায়ী, it is long since বা it was long since এর পরের ক্লজটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়। - প্রদত্ত বাক্যের প্রথম অংশ পাস্ট টেন্সে (it was long since) থাকায় পরের অংশে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স (had met) ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) meet — এটি প্রেজেন্ট ফর্ম, যা পাস্ট টেন্সের পরের ক্লজে বসে না। B) had met — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের নিয়ম মেনে চলে। C) met — এটি সিম্পল পাস্ট টেন্স, যা নিয়ম অনুযায়ী এখানে প্রযোজ্য নয়। D) would meet — এটি মডাল ভার্বের পাস্ট ফর্ম, যা এখানে অর্থ ও ব্যাকরণগতভাবে বেঠিক। মনে রাখার টিপস: It is long since বা It was long since এর পর সর্বদা পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়।
a had
b to change
c to be admitted
d if
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) to change কেন সঠিক: - বাক্যে 'had better' একটি মডাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যার পর সরাসরি মূল ভার্বের বেস ফর্ম বসে। - 'had better' এর পরে কোনো ইনফিনিটিভ 'to' বা অন্য কোনো অতিরিক্ত শব্দ বসার নিয়ম নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had — এটি 'had better' কাঠামোর সঠিক অংশ যা পরামর্শ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এখানে এর ব্যবহার সঠিক। B) to change — এটি ভুল কারণ 'had better' এর পরে 'to' যুক্ত ভার্ব বসতে পারে না, কেবল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসে। C) to be admitted — এই অংশটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির উদ্দেশ্য বোঝাতে সঠিক ইনফিনিটিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। D) if — এটি শর্তবাচক কনজাংশন হিসেবে সঠিকভাবে দুটি ক্লজকে যুক্ত করেছে এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ত্রুটি নেই। মনে রাখার টিপস: 'had better' দেখলে মনে রাখবে এর পরে শুধু মূল ভার্ব বসে, কোনো 'to' বসে না।
a Kamal takes pride for wealth
b Kamal takes pride at wealth
c Kamal takes pride from wealth
d Kamal takes pride in wealth
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Kamal takes pride in wealth কেন সঠিক: - ইংরেজি গ্রামারে 'take pride in' একটি সুনির্দিষ্ট ফ্রেড প্রিপজিশন, যার অর্থ গর্ববোধ করা। - এই বাক্যে pride নাউনের পর উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে ইন ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Kamal takes pride for wealth — প্রাইড এর পর ফর প্রিপজিশন ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) Kamal takes pride at wealth — এখানে এট প্রিপজিশনের ব্যবহার সঠিক ফ্রেড প্রিপজিশন গঠন করে না। C) Kamal takes pride from wealth — ফ্রম প্রিপজিশনটি এই নির্দিষ্ট কাঠামোর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) Kamal takes pride in wealth — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে ইন প্রিপজিশন সঠিকভাবে বসেছে। মনে রাখার টিপস: প্রাইড নাউনের সঙ্গে সবসময় ইন প্রিপজিশন বসে, তাই প্রাইড ইন হিসেবে মুখস্থ রাখলে ভুল হবে না।
a English
b German
c Dutch
d French
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) French কেন সঠিক: - 'Bureau' শব্দটির উৎপত্তি ফরাসি ভাষা থেকে, যার প্রাথমিক অর্থ ছিল পশমি কাপড়ের ঢাকনা বা লেখার টেবিল। - ইংরেজি ভাষায় বিভিন্ন ভাষার শব্দের মতোই এটি ফরাসি ভাষা থেকে সরাসরি গৃহিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) English — এটি ইংরেজি ভাষার নিজস্ব কোনো মৌলিক শব্দ নয়, বরং অন্য ভাষা থেকে ধার করা শব্দ। B) German — এটি জার্মান ভাষা থেকে আসেনি, তাই এটি সঠিক নয়। C) Dutch — ওলন্দাজ বা ডাচ ভাষা থেকে এই শব্দটি বাংলায় বা ইংরেজিতে আসেনি। D) French — এটি ফরাসি ভাষার শব্দ এবং প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: ফরাসি ভাষার যে শব্দগুলোর শেষে 'eau' থাকে, সেগুলোর বেশিরভাগই ফরাসি উৎস থেকে ইংরেজিতে এসেছে যেমন bureau বা table।
a used to
b everyday
c always
d today
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) always কেন সঠিক: - বাক্যে খারাপ আবহাওয়ার সময়ে বাসটি দেরিতে আসার একটি নিয়মিত অভ্যাসের কথা বলা হয়েছে, যা বোঝাতে Adverb of Frequency ব্যবহার করা হয়েছে। - Present Indefinite Tense-এর বাক্যে Subject-এর পরে এবং মূল Verb-এর আগে 'always' বসে নিয়মিত ঘটনা প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) used to — এটি অতীতকালের অভ্যাসের ক্ষেত্রে বসে, কিন্তু এখানে মূল Verb 'arrives' Present Tense-এ আছে। B) everyday — এটি একটি Adverbial phrase যা সাধারণত বাক্যের শেষে বসে, কিন্তু শূন্যস্থানটি Verb-এর আগে রয়েছে। C) always — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। D) today — এটি নির্দিষ্ট আজকের দিন বোঝায়, যা বাক্যের সাধারণ বা নিয়মিত সত্য প্রকাশ করার নিয়মের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Present Indefinite Tense-এ নিয়মিত বা ঘনঘন ঘটে এমন কাজের ক্ষেত্রে Subject এবং Verb-এর মাঝে 'always' ব্যবহার করা হয়।
a will go
b would have gone
c should go
d would go
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) would have gone কেন সঠিক: - এটি থার্ড কন্ডিশনাল বা অতীতকালের কাল্পনিক শর্ত বোঝানোর নিয়ম। - ইফ ক্লাজে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স থাকলে প্রধান ক্লাজে সাবজেক্টের পর would have, could have বা might have বসে এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will go — এটি ফার্স্ট কন্ডিশনালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেখানে প্রেজেন্ট টেন্সের সাথে ভবিষ্যৎকালের রূপ বসে। B) would have gone — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং থার্ড কন্ডিশনালের নিয়মকে নিখুঁতভাবে পূর্ণ করে। C) should go — এটি প্রেজেন্ট বা ফিউচার টেন্সের পরামর্শ বা সাধারণ অনির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, যা এখানে பொருந்தে না। D) would go — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেখানে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের সাথে would বসে। মনে রাখার টিপস: ইফ প্লাস পাস্ট পারফেক্ট সমান সাবজেক্ট প্লাস কুড হ্যাভ বা উড হ্যাভ প্লাস ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল।
a across
b through
c along
d over
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) along কেন সঠিক: - কোনো নদী, রাস্তা বা পথ বরাবর সমান্তরালভাবে হাঁটা বা চলা বোঝাতে প্রিপজিশন হিসেবে along ব্যবহৃত হয়। - নদীর তীর ঘেঁষে হাঁটার অর্থ প্রকাশ করায় এখানে along সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) across — এটি কোনো নদী বা রাস্তার এক পাশ থেকে অন্য পাশে পার হওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) through — এটি কোনো কিছুর ভেতর দিয়ে অতিক্রম করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা নদীর ক্ষেত্রে খাটে না। D) over — এটি কোনো কিছুর উপরে বা উচ্চতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা নদী বরাবর হাঁটার ক্ষেত্রে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: নদী, রাস্তা বা রেললাইন বরাবর পাশাপাশি চলা বোঝাতে always along ব্যবহার করবে।
a is
b was
c been
d being
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) being কেন সঠিক: - বাক্যটিতে কোনো Finite Verb বা সমাপিকা ক্রিয়া নেই এবং দুটি Clause কমা দ্বারা যুক্ত হয়ে Absolute Phrase গঠন করেছে। - আলাদা Subject থাকা সত্ত্বেও প্রথম অংশে Participle ব্যবহার করে Simple Sentence গঠন করার নিয়ম অনুযায়ী এখানে being ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি Present Indefinite Tense-এর Finite Verb, যা কমা দিয়ে দুটি স্বাধীন ক্লজ যুক্ত করতে পারে না। B) was — এটি Past Indefinite Tense-এর Finite Verb, যা এখানে বসালে বাক্যে দুটি সমাপিকা ক্রিয়া ভুলভাবে চলে আসে। C) been — এটি Verb-এর Past Participle রূপ, যা auxiliary verb ছাড়া একা কোনো ক্লজে মূল verb হিসেবে বসতে পারে না। D) being — এটি সঠিক কারণ এটি Present Participle হিসেবে Absolute Phrase গঠন করে বাক্যটিকে grammatically সঠিক করেছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যের দুটি অংশের Subject আলাদা হলে এবং মাঝখানে conjunction না থাকলে, Be verb-এর স্থানে being বসিয়ে Simple Sentence তৈরি করতে হয়।
a for
b with a view to
c on
d to
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) with a view to কেন সঠিক: - with a view to এর অর্থ হলো কোনো উদ্দেশ্যে বা কোনো কিছু করার জন্য। - এই ফ্রেমওয়ার্কের পরে মূল ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়, যা এখানে succeeding শব্দের মাধ্যমে সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — for এর পরে সাধারণ ভার্বের সাথে ing বসলেও এর অর্থ প্রেক্ষাপটে পুরোপুরি মানানসই হয় না। B) with a view to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) on — on এর পরে succeeding বসলে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। D) to — একা to এর পরে সাধারণত ভার্বের বেজ ফর্ম বসে, কিন্তু এখানে succeeding থাকায় এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: with a view to এর পরে எப்போதும் ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়।
a To concentrate
b To grasp the hidden meaning
c To read carefully
d To suspect
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) To grasp the hidden meaning কেন সঠিক: - এই ইডিওমটির আক্ষরিক অর্থ লাইনের মাঝখানে পড়া হলেও ভাবার্থ হলো কোনো লেখার ভেতরের গভীর বা অন্তর্নিহিত অর্থ খুঁজে বের করা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ফ্রেজ ও ইডিওম প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বুদ্ধিমত্তা ও ভাষার গভীর জ্ঞান যাচাইয়ের জন্য আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To concentrate — এটি কোনো বিষয়ের প্রতি গভীর মনোযোগ দেওয়া বোঝায়, যা এই ইডিওমের অন্তর্নিহিত অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) To grasp the hidden meaning — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ভাব প্রকাশ করে। C) To read carefully — এটি খুব মনোযোগ দিয়ে সাধারণ পাঠ পড়া বোঝায়, কিন্তু লুকানো অর্থ উদ্ধার করা বোঝায় না। D) To suspect — এর অর্থ সন্দেহ করা, যা এই ইডিওমের ব্যাখ্যার সম্পূর্ণ বাইরে। মনে রাখার টিপস: লাইন দুটির মাঝের ফাঁকা জায়গায় চোখ বুলিয়ে লুকিয়ে থাকা কথা খুঁজে বের করাই হলো টু রিড বিটুইন দ্য লাইনস।
a poetry
b novels
c prose
d plays
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) plays কেন সঠিক: - উইলিয়াম শেকসপিয়র মূলত একজন নাট্যকার হিসেবে বিশ্বজুড়ে সর্বাধিক পরিচিত ও সমাদৃত। - তাঁর রচিত নাটকগুলো বিশ্বসাহিত্যের অনন্য সম্পদ এবং এর মধ্যে ট্র্যাজেডি ও কমেডিগুলো সবচেয়ে বিখ্যাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) poetry — তিনি সনেট ও কবিতা লিখলেও প্রধানত নাট্যকার হিসেবেই তিনি ইতিহাসে সর্বাধিক খ্যাতি অর্জন করেছেন। B) novels — শেকসপিয়র কোনো উপন্যাস লেখেননি, তিনি মূলত নাটক ও কবিতা রচনা করেছেন। C) prose — তাঁর সাহিত্যকর্ম মূলত পদ্যে রচিত নাটক ও কবিতার অন্তর্ভুক্ত, গদ্য রচনার জন্য তিনি পরিচিত নন। D) plays — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি অমর সব নাটক রচনা করে নাট্যসাহিত্যের শীর্ষস্থান দখল করেছেন। মনে রাখার টিপস: শেকসপিয়র মানেই নাটক মনে রাখবে, কারণ তিনি বিশ্বসাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে পরিচিত।
a Shall not we?
b Shall we?
c Shan't we
d None
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Shall we? কেন সঠিক: - ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী Let us বা Let's দিয়ে প্রস্তাব বা সূচনা বোঝানো হলে প্রশ্ন ট্যাগ বা Question Tag হিসেবে সবসময় Shall we ব্যবহার করতে হয়। - এটি একটি নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত নিয়ম যা স্পিকারের প্রস্তাবের সাথে শ্রোতার সম্মতি নেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shall not we? — Let us বাক্যের ক্ষেত্রে প্রশ্ন ট্যাগে নেতিবাচক বা Shall not we ব্যবহার করার নিয়ম নেই। B) Shall we? — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) Shan't we — Let us বাক্যের ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত রূপ Shan't we ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। D) None — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যটি Let us দিয়ে শুরু হলে চোখ বন্ধ করে প্রশ্ন ট্যাগে Shall we বসিয়ে দেবে।
a spectrums
b spectram
c species
d image
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (ইংরেজি বহুবচন বা Plural) সঠিক উত্তর: A) spectrums কেন সঠিক: - ল্যাটিন বা গ্রিক মূলের কিছু শব্দ ইংরেজি ভাষায় ব্যবহারের ক্ষেত্রে আধুনিক নিয়মে সাধারণ ইংরেজি বহুবচন এস বা ইএস যুক্ত করে গঠিত হয়। - স্পেকট্রাম শব্দের আধুনিক ও বহুল ব্যবহৃত বহুবচন রূপ হলো স্পেকট্রামস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) spectrums — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ আধুনিক ইংরেজিতে এটিই স্ট্যান্ডার্ড বহুবচন। B) spectram — এটি একটি বানানগত ভুল এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। C) species — এটি একটি ভিন্ন শব্দ যার একবচন ও বহুবচন রূপ একই এবং এর অর্থ প্রজাতি। D) image — এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থের একটি শব্দ যার বহুবচন ইমেজেস। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ভাষায় অনেক ল্যাটিন শব্দের বহুবচনে আধুনিক নিয়মে এস যুক্ত হয়, তাই স্পেকট্রামের সঙ্গে এস যোগ করে স্পেকট্রামস মনে রাখবে।
a Discern
b Violate
c Obey
d Await
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Discern কেন সঠিক: - 'Make out' একটি ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ কোনো কিছু স্পষ্টভাবে দেখা, শোনা বা বোঝা। - প্রদত্ত বাক্যে বৃষ্টির কারণে ট্রাফিক সাইনগুলো কষ্ট করে দেখা বা শনাক্ত করার কথা বলা হয়েছে, যা 'Discern' বা স্পষ্টভাবে অনুধাবন করার সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Discern — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ স্পষ্টভাবে উপলব্ধি করা বা দেখা। B) Violate — এর অর্থ লঙ্ঘন করা, যা এই বাক্যের অর্থ বা ট্রাফিক সাইন দেখার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) Obey — এর অর্থ মান্য করা, যা ট্রাফিক সাইন দেখার প্রক্রিয়ার সঙ্গে মিলে না। D) Await — এর অর্থ অপেক্ষা করা, যা দৃষ্টিশক্তি বা অনুধবনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: 'Make out' মানে ঝাপসা কিছু থেকেও কিছু 'আউট' বা বের করে আনা বা স্পষ্ট দেখা, যার সঙ্গে 'Discern' শব্দের মিল আছে।
a By whom she was taught grammar?
b By whom was she taught grammar?
c She was taught grammar by who?
d Who was she taught grammar by?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) By whom was she taught grammar? কেন সঠিক: - Who যুক্ত ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সকে প্যাসিভ করার সময় প্রথমে By whom বসে এবং টেন্স ও পার্সন অনুযায়ী সাহায্যকারী ভার্ব বসে। - পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সের এই বাক্যে সাবজেক্ট she এর পূর্বে সাহায্যকারী ভার্ব was এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল taught বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom she was taught grammar? — এটি ভুল কারণ সাহায্যকারী ভার্ব was সাবজেক্ট she এর পূর্বে বসেনি, যা প্রশ্নবোধক বাক্যের নিয়ম লঙ্ঘন করে। B) By whom was she taught grammar? — এটি সঠিক উত্তর। C) She was taught grammar by who? — এটি ভুল কারণ বাক্যের শুরুতে who এর পরিবর্তে By whom বসা উচিত ছিল এবং এটি প্রশ্নবোধক গঠন মেনে চলেনি। D) Who was she taught grammar by? — এটি কথ্য রূপ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় By whom দিয়ে শুরু করা অপশনটিকে ব্যাকরণগতভাবে সবচেয়ে নিখুঁত ধরা হয়। মনে রাখার টিপস: Who যুক্ত Active Voice-কে Passive করার সময় শুরুতে By whom বসবে এবং তারপরে টেন্স অনুযায়ী auxiliary verb ও subject বসবে।
a He said that he would go home the next day.
b He said that he would go home tomorrow.
c He said that he would have gone home the next day.
d He said that he should go home tomorrow.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He said that he would go home the next day. কেন সঠিক: - রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট টেন্স হওয়ায় ইনডাইরেক্ট ন্যারেশনে শ্যাল পরিবর্তন হয়ে উড হয়। - ডাইরেক্ট ন্যারেশনের টুমরো পরিবর্তন হয়ে ইনডাইরেক্ট ন্যারেশনে দ্য নেক্সট ডে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He said that he would go home the next day. — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। B) He said that he would go home tomorrow. — টুমরো অপরিবর্তিত রাখায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে। C) He said that he would have gone home the next day. — মূল বাক্যের টেন্স পরিবর্তন না করে অতিরিক্ত পারফেক্ট টেন্স আনা হয়েছে। D) He said that he should go home tomorrow. — শ্যাল-এর পরিবর্তে সুড ব্যবহার করা হয়েছে এবং টুমরো অপরিবর্তিত আছে। মনে রাখার টিপস: ন্যারেশন পরিবর্তনের সময় টুমরো থাকলে দ্য নেক্সট ডে এবং শ্যাল থাকলে উড লিখতে হয়।
a Freshner
b Forlorn
c Foreign
d Fruity
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Freshner কেন সঠিক: - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক, কারণ ইংরেজিতে Freshner বলে কোনো শব্দ নেই। - সঠিক বানান হলো Fresher, যার অর্থ অধিকতর সতেজ বা নতুন ব্যক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Freshner - এটি ভুল বানান, এর সঠিক রূপ হলো Fresher এবং এটি এই প্রশ্নের কাঙ্ক্ষিত উত্তর। B) Forlorn - এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ উপেক্ষিত বা সহায়হীন। C) Foreign - এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ বিদেশি। D) Fruity - এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ ফলমূল সংক্রান্ত বা ফলযুক্ত। মনে রাখার টিপস: Fresh শব্দের সাথে er যুক্ত করে তুলনামূলক ডিগ্রি বা নতুন বোঝাতে Fresher লেখা হয়, মাঝে কোনো n বসে না।
a Adverb
b Adjective
c Verb
d Noun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Adjective কেন সঠিক: - Noun এর সাথে ly যুক্ত হলে সাধারণত তা Adjective হয়, এখানে Beggar একটি Noun যার সাথে ly যুক্ত হয়ে Adjective হয়েছে। - এটি বাক্যে Noun এর পূর্বে বসে তার দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adverb — এটি Verb, Adjective বা অন্য Adverb কে modify করে, কিন্তু beggar একটি Noun তাই এটি Adverb নয়। B) Adjective — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ beggar Noun এর সাথে ly যুক্ত হয়ে Adjective গঠিত হয়েছে। C) Verb — এটি কোনো কাজ বোঝায় না, তাই এটি Verb হতে পারে না। D) Noun — beggar নিজে Noun হলেও beggarly রূপটি Adjective হিসেবে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: Noun + ly = Adjective (যেমন: Man + ly = Manly, Friend + ly = Friendly)।
a fond, perform
b determined, undertake
c reluctant, entrust
d willing, ignore
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) determined, undertake কেন সঠিক: - determined অর্থ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বা দৃঢ়সংকল্প, যার পর infinitive verb (to undertake) বসে। - undertake any kind of work অর্থ যেকোনো কাজ দায়িত্ব নিয়ে করা, যা বাক্যের অর্থপূর্ণ সমাপ্তি ঘটায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) fond, perform — fond-এর পর সাধারণত gerund বসে, infinitive সরাসরি বসে না এবং অর্থ অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। B) determined, undertake — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ। C) reluctant, entrust — reluctant অর্থ অনিচ্ছুক, যার সাথে entrust (দায়িত্ব অর্পণ করা) শব্দটি বাক্যের ভাবের সাথে মিলে না। D) willing, ignore — willing ইচ্ছুক হলেও ignore (উপেক্ষা করা) শব্দ বসালে বাক্যের অর্থ নেতিবাচক ও ভুল দাঁড়ায়। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজের প্রতি দৃঢ় ইচ্ছা বা প্রতিজ্ঞা বোঝাতে determined-এর পরে to বসে এবং এরপর verb-এর base form ব্যবহৃত হয়।
a a
b an
c the
d no article
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an কেন সঠিক: - honorary শব্দটির শুরুতে h থাকা সত্ত্বেও এর উচ্চারণ অ দিয়ে শুরু হয়। - উচ্চারণ স্বরবর্ণের মতো হওয়ায় এর পূর্বে a এর পরিবর্তে an বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ দিয়ে শুরু শব্দের পূর্বে বসে, তাই honorary শব্দের পূর্বে বসবে না। B) an — সঠিক উত্তর কারণ এটি স্বরবর্ণের উচ্চারণের নিয়ম মেনে চলে। C) the — নির্দিষ্ট করে কোনো পদ বোঝাতে এটি বসে, কিন্তু এখানে সাধারণ একটি পদ বোঝানো হয়েছে। D) no article — শূন্যস্থান সঠিক রাখতে একটি আর্টিকেল প্রয়োজন, তাই এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দের শুরুতে h থাকলেও উচ্চারণের সময় যদি অ বা আ এর মতো স্বরধ্বনি আসে, তবে a না বসিয়ে an বসাতে হবে।
a Please
b Praise
c Belittle
d Denigrate
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Praise কেন সঠিক: - Disparage শব্দটির অর্থ অবমূল্যায়ন করা, হেয় করা বা নিন্দা করা। - এর বিপরীত বা অ্যান্টোনিম হলো প্রশংসা করা বা গুণগান করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Please — এর অর্থ খুশি করা, যা disparage শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক নয়। B) Praise — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ প্রশংসা করা, যা disparage শব্দের বিপরীত। C) Belittle — এর অর্থ ছোট করা বা হেয় করা, যা disparage শব্দের সমার্থক বা সিনোনিম। D) Denigrate — এর অর্থ কলঙ্কিত করা বা নিন্দা করা, যা disparage শব্দের সমার্থক বা সিনোনিম। মনে রাখার টিপস: Disparage মানে ডিসলাইক করে ছিপ ফেলে ছোট করা, আর Praise মানে প্রশংসা করে হাততালি দেওয়া।
a Fear of gravity
b Fear of pain
c Fear of spider
d Fear of dogs
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Fear of dogs কেন সঠিক: - Cynophobia হলো কুকুরের প্রতি অতিরিক্ত এবং অযৌক্তিক ভীতি। - গ্রিক শব্দ Cuno অর্থ কুকুর এবং Phobos অর্থ ভয় বা ভীতি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Fear of gravity — মাধ্যাকর্ষণের প্রতি ভীতিকে বলা হয় Barophobia। B) Fear of pain — ব্যথার প্রতি ভীতিকে বলা হয় Algophobia। C) Fear of spider — মাকড়সার প্রতি ভীতিকে বলা হয় Arachnophobia। D) Fear of dogs — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং একে Cynophobia বলা হয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দ Cynology মানে কুকুরের বিজ্ঞান বা বিদ্যা, তাই Cuno বা Cyn অংশ দেখলে কুকুর সম্পর্কিত বিষয় বুঝবে।
a on next Thursday
b at next Thursday
c in next Thursday
d next Thursday
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) next Thursday কেন সঠিক: - last, next, this, every ইত্যাদি শব্দগুলোর পূর্বে কোনো preposition (in, on, at) বসে না। - এখানে come back একটি verb এবং তার পর সরাসরি time marker হিসেবে next Thursday বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on next Thursday — দিন বা বারের নামের আগে on বসে, কিন্তু next থাকার কারণে কোনো preposition বসবে না। B) at next Thursday — নির্দিষ্ট সময়ের পয়েন্ট বোঝাতে at বসে, কিন্তু এখানে next থাকার কারণে তা ভুল। C) in next Thursday — মাসের বা বছরের নামের আগে in বসে, কিন্তু next থাকার কারণে এটি সঠিক নয়। D) next Thursday — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক কারণ time word-এর আগে অতিরিক্ত preposition বসে না। মনে রাখার টিপস: next, last, this, every শব্দের আগে prepositions ব্যবহার করবে না।
a Classical poet
b Elizabethan poet
c Romantic poet
d Victorian poet
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Romantic poet কেন সঠিক: - উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ ১৭৮৯ সালের ফরাসি বিপ্লবের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে সাহিত্য রচনা করেছিলেন। - এস টি কোলরিজের সাথে যৌথভাবে প্রকাশিত লিরিক্যাল ব্যালাডস প্রকাশের মাধ্যমে তিনি ইংরেজি সাহিত্যে রোমান্টিক যুগের সূচনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Classical poet — ক্লাসিক্যাল যুগের লেখকরা শৃঙ্খলা ও বুদ্ধিবৃত্তিকে প্রাধান্য দিতেন, যা ওয়ার্ডসওয়ার্থের অনুভূতির স্বাধীনতার পরিপন্থী। B) Elizabethan poet — এলিজাবেথান যুগ মূলত ষোড়শ শতাব্দীর নাটক ও নাট্যসাহিত্যের জন্য পরিচিত, যা ওয়ার্ডসওয়ার্থের সময়ের বহু আগের ঘটনা। C) Romantic poet — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Victorian poet — ভিক্টোরিয়ান যুগ শুরু হয়েছিল ওয়ার্ডসওয়ার্থের জীবনের শেষভাগে, তাই তিনি এই যুগের কবি নন। মনে রাখার টিপস: প্রকৃতির কবি ওয়ার্ডসওয়ার্থ মানেই রোমান্টিক যুগ।
a ৭ ও ১১
b ১২ ও ১৮
c ১০ ও ২৮
d ১০ ও ১৬
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০ ও ১৬ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৮ উভয়ের সাথে ২ যোগ করলে অনুপাত ২ : ৩ হয় ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৫ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৮ক অতএব, শর্তমতে, (৫ক + ২) ÷ (৮ক + ২) = ২ ÷ ৩ বা, ৩ × (৫ক + ২) = ২ × (৮ক + ২) বা, ১৫ক + ৬ = ১৬ক + ৪ সুতরাং, ১৬ক − ১৫ক = ৬ − ৪ ক = ২ উত্তর: সংখ্যা দুটি হলো ৫ × ২ = ১০ এবং ৮ × ২ = ১৬
a 25
b 30
c 46028
d 46027
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৬০২৮ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, a + (১ ÷ a) = ৫ ধরি, a এর মান থেকে সমীকরণটি সমাধান করতে হবে হর এবং লব উভয় পক্ষকে a দ্বারা ভাগ করি অতএব, লব = a ÷ a = ১ হর = (a² + a + ১) ÷ a = a + ১ + (১ ÷ a) হর = [a + (১ ÷ a)] + ১ সুতরাং, মান বসিয়ে পাই, হর = ৫ + ১ = ৬ ভগ্নাংশটি দাঁড়ায়, ১ ÷ ৬ উত্তর: এই প্রশ্নে প্রদত্ত অপশন বা মানের সাথে কিছুটা মুদ্রণজনিত ত্রুটি থাকতে পারে, তবে স্বাভাবিক নিয়মে এর মান হয় ১ ÷ ৬।
a 5500
b 5050
c 5005
d 550
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫০৫০ প্রদত্ত তথ্য: ধারাবাহিক স্বাভাবিক সংখ্যা ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত যোগ করতে হবে ধরি, প্রথম পদ = ১ শেষ পদ = ১০০ পদসংখ্যা = ১০০ অতএব, যোগফলের সূত্র হলো পদসংখ্যা গুণ প্রথম পদ যোগ শেষ পদ ভাগ দুই সুতরাং, ১০০ গুণ (১ + ১০০) ÷ ২ = ১০০ গুণ ১০১ ÷ ২ উত্তর: ৫০৫০
a 1/3 অংশ
b 2/3 অংশ
c 1/8 অংশ
d 3/8 অংশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১/৩ অংশ প্রদত্ত তথ্য: সময় দেওয়া আছে ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট মোট সময় দেওয়া আছে ৪ ঘণ্টা ধরি, ১ ঘণ্টাকে মিনিটে প্রকাশ করতে হবে ২০ মিনিটকে একইভাবে রাখতে হবে অতএব, ১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট = ৬০ মিনিট + ২০ মিনিট = ৮০ মিনিট ৪ ঘণ্টা = ৪ × ৬০ মিনিট = ২৪০ মিনিট সুতরাং, অংশ বের করতে হবে ৮০ মিনিট ÷ ২৪০ মিনিট উত্তর: ১/৩ অংশ
a (M + N)/2
b (PM + QN)/2
c (PM + QN)/(P + Q)
d (PM + QN)/(M + N)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (PM + QN)/(P + Q) প্রদত্ত তথ্য: P সংখ্যক সংখ্যার গড় M এবং Q সংখ্যক সংখ্যার গড় N ধরি, P সংখ্যক সংখ্যার সমষ্টি = P × M Q সংখ্যক সংখ্যার সমষ্টি = Q × N অতএব, সবগুলি সংখ্যার মোট পরিমাণ = P + Q সবগুলি সংখ্যার মোট সমষ্টি = (P × M) + (Q × N) সুতরাং, সবগুলি সংখ্যার গড় = ((P × M) + (Q × N)) ÷ (P + Q) উত্তর: (PM + QN) / (P + Q)
a ১৬ সমকোণ
b ১২ সমকোণ
c ৮ সমকোণ
d ৬ সমকোণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২ সমকোণ প্রদত্ত তথ্য: বহুভুজটি একটি অষ্টভুজ বাহুর সংখ্যা আট ধরি, বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = ৮ অতএব, অন্তঃস্থ কোণগুলোর সমষ্টির সূত্র = (২ × বাহুর সংখ্যা − ৪) সমকোণ সুতরাং, অন্তঃস্থ কোণগুলোর সমষ্টি = (২ × ৮ − ৪) সমকোণ = (১৬ − ৪) সমকোণ = ১২ সমকোণ উত্তর: ১২ সমকোণ
a ১৭৬ বর্গ সে. মি.
b ১৫৪ বর্গ সে. মি.
c ১৪৪ বর্গ সে. মি.
d ১৩২ বর্গ সে. মি.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫৪ বর্গ সে. মি. প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধি = ৮৮ সে. মি. আমরা জানি, বৃত্তের পরিধি = ২ × π × ব্যাসার্ধ ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r সে. মি. π এর মান = ২২ ÷ ৭ অতএব, ২ × (২২ ÷ ৭) × r = ৮৮ (৪৪ ÷ ৭) × r = ৮৮ সুতরাং, r = ৮৮ × (৭ ÷ ৪৪) r = ১৪ সে. মি. উত্তর: বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × r × r = (২২ ÷ ৭) × ১৪ × ১৪ = ১৫৪ বর্গ সে. মি.
a 0.03
b 0.3
c 1/3
d 2/3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২/৩ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে ধরি, সংখ্যাগুলোকে দশমিকে রূপান্তর করতে হবে অতএব, প্রথম সংখ্যা = ০.০৩ দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.৩ তৃতীয় সংখ্যা = ১ ÷ ৩ = ০.৩৩ চতুর্থ সংখ্যা = ২ ÷ ৩ = ০.৬৭ সুতরাং, সবচেয়ে বড় দশমিক মান হলো ০.৬৭ উত্তর: ২/৩
a (13/12) log_e x
b (1/2) log_e x
c log_e x
d log_e √x
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (১৩/১২) log_e x প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো log_e √x + log_e ∛x + log_e ⁶√x ধরি, √x কে লেখা যায় x এর পাওয়ার (১/২) ∛x কে লেখা যায় x এর পাওয়ার (১/৩) অতএব, ⁶√x কে লেখা যায় x এর পাওয়ার (১/৬) লগারিদমের নিয়ম অনুযায়ী পাওয়ার সামনে চলে আসে সুতরাং, (১/২) log_e x + (১/৩) log_e x + (১/৬) log_e x উত্তর: log_e x কমন নিয়ে যোগ করলে পাই (১৩/১২) log_e x
a ৩৬০°
b ২৭০°
c ৯০°
d ১৮০°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮০° প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ভেতরে একটি চতুর্ভুজ অবস্থিত বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বিপরীত কোণগুলো বিবেচনা করতে হবে ধরি, বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের একটি কোণ = ক এর বিপরীত কোণটি = খ অতএব, উপপাদ্য অনুসারে বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বিপরীত কোণ দুটির যোগফল দুই সমকোণের সমান সুতরাং, ক + খ = ১৮০° উত্তর: ১৮০°
a 2
b 1
c 0
d 3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০ প্রদত্ত তথ্য: x বর্গ + ১ = √২ x ধরি, প্রদত্ত সমীকরণটি হলো x বর্গ + ১ = √২ x অতএব, সমীকরণের উভয় পক্ষকে x দ্বারা ভাগ করে পাই, x + (১ ÷ x) = √২ সুতরাং, উভয় পক্ষকে বর্গ করে পাই, x + (১ ÷ x) বর্গ = (√২) বর্গ অতএব, x বর্গ + (১ ÷ x বর্গ) + ২ = ২ সুতরাং, x বর্গ + (১ ÷ x বর্গ) = ২ − ২ উত্তর: ০
a 2ⁿ - 1
b 2ⁿ⁻¹ - 2
c 1 - 2ⁿ
d 46055
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ⁿ − ১ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি একটি গুণোত্তর ধারা প্রথম পদ, ক = ১ সাধারণ অনুপাত, র = ২ ÷ ১ = ২ ধরি, পদসংখ্যা = n অতএব, সমষ্টির সূত্র প্রয়োগ করি সমষ্টি = ক(রⁿ − ১) ÷ (র − ১) সুতরাং, মান বসিয়ে পাই ১(২ⁿ − ১) ÷ (২ − ১) উত্তর: ২ⁿ − ১
a 1.9
b 0.9
c 0.99
d 1.01
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.৯৯ প্রদত্ত তথ্য: ৫/৭ × ৭/৫ ÷ ১ − ০.০১ ধরি, প্রথম অংশ = ৫/৭ × ৭/৫ দ্বিতীয় অংশ = ১ অতএব, ৫/৭ × ৭/৫ এর মান = ১ ১ ÷ ১ এর মান = ১ সুতরাং, ১ থেকে ০.০১ বিয়োগ করতে হবে উত্তর: ১ − ০.০১ = ০.৯৯
a 52
b 64
c 76
d 80
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫২ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, x + (১ ÷ x) = ৪ আমাদের মান বের করতে হবে x³ + (১ ÷ x³) এর ধরি, বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করে আমরা পাই x³ + (১ ÷ x³) = (x + (১ ÷ x))³ − ৩ × (x + (১ ÷ x)) অতএব, এখন x + (১ ÷ x) এর মান ৪ বসিয়ে পাই (৪)³ − ৩ × ৪ সুতরাং, (৪)³ এর মান ৬৪ এবং ৩ × ৪ এর মান ১২ এখন ৬৪ থেকে ১২ বিয়োগ করতে হবে উত্তর: ৫২
a 46030
b 27√3
c 8
d 4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর ভিত্তি হলো √৩ এবং সংখ্যাটি হলো ৮১ ধরি, লগ এর মানটি হলো x অতএব, (√৩) এর ওপর পাওয়ার x সমান ৮১ সুতরাং, (৩ এর ওপর পাওয়ার ১÷২) এর ওপর পাওয়ার x সমান ৩ এর ওপর পাওয়ার ৪ উত্তর: ৮
a 1
b 0
c log (c/a)
d 2log_a (c)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২log_a (c) প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো log_a (২) × log_২ (৪) × log_২ (c) ধরি, প্রথম অংশ হলো log_a (২) দ্বিতীয় অংশ হলো log_২ (৪) তৃতীয় অংশ হলো log_২ (c) অতএব, log_a (২) কে লেখা যায় log_a (২) log_২ (৪) এর মান হলো ২ কারণ ২ এর পাওয়ার ২ সমান ৪ সুতরাং, রাশিটি দাঁড়ায় log_a (২) × ২ × log_২ (c) লগ এর সূত্র অনুযায়ী log_a (২) × log_২ (c) সমান log_a (c) উত্তর: ২log_a (c)
a উপসেট (sub set)
b অসীম সেট (Infinite set)
c ফাঁকা সেট (Null set)
d শক্তি সেট (Power set)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফাঁকা সেট (Null set) প্রদত্ত তথ্য: সেটের শর্ত হলো x কিউব সমান নয় এবং x একটি জোড় সংখ্যা ধরি, x একটি জোড় সংখ্যা যেমন দুই বা চার অতএব, দুই এর কিউব সমান আট হয় যা নয় এর সমান নয় চার এর কিউব চৌষট্টি হয় যা নয় এর সমান নয় সুতরাং, শর্ত পূরণ করার মতো কোনো সংখ্যা পাওয়া সম্ভব নয় উত্তর: ফাঁকা সেট
a 60
b 62
c 64
d 68
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৪ প্রদত্ত তথ্য: গসাগু = ১৬ লসাগু = ১৯২ একটি সংখ্যা = ৪৮ ধরি, অপর সংখ্যাটি = ক আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = গসাগু × লসাগু অতএব, ৪৮ × ক = ১৬ × ১৯২ ক = (১৬ × ১৯২) ÷ ৪৮ সুতরাং, ক = ৩o৭২ ÷ ৪৮ উত্তর: ৬৪
a অর্ধবৃত্তস্থ কোণ এক সরল কোণের সমান
b অর্ধবৃত্তস্থ কোণ সমকোণের সমান
c অর্ধবৃত্তস্থ কোণের কোন নির্দিষ্ট আকার নেই
d অর্ধবৃত্তস্থ কোণ সর্বদাই একটি সূক্ষ্মকোণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্ধবৃত্তস্থ কোণ সমকোণের সমান প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসের উপর অঙ্কিত কোণ হলো অর্ধবৃত্তস্থ কোণ বৃত্তের কেন্দ্র সংলগ্ন কোণ এবং বৃত্তস্থ কোণের সম্পর্ক প্রযোজ্য ধরি, বৃত্তের একটি ব্যাস এবং তার উপর একটি অর্ধবৃত্ত গঠিত হলো পরিধিথস্থ কোনো বিন্দুতে ব্যাসের প্রান্তবিন্দু দুটি যুক্ত করা হলো অতএব, কেন্দ্রে উৎপন্ন সরল কোণ বা একশত আশি ডিগ্রি হলো মূল কোণ পরিধিস্থ কোণটি কেন্দ্রের কোণের অর্ধেক হয় সুতরাং, অর্ধবৃত্তস্থ কোণের পরিমাপ একশত আশি ডিগ্রির অর্ধেক অর্থাৎ নব্বই ডিগ্রি হয় উত্তর: নব্বই ডিগ্রি বা এক সমকোণ
a ∛8
b √12
c √18
d ∛27
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ∛৮ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে এর মধ্যে কোনটি অমূলদ নয় অর্থাৎ মূলদ তা নির্ণয় করতে হবে ধরি, সংখ্যাগুলো হলো ৩ এর ঘনমূল ৮, বর্গমূল ১২, বর্গমূল ১৮ এবং ৩ এর ঘনমূল ২৭ প্রতিটি সংখ্যার মান আলাদাভাবে সরল করতে হবে অতএব, ৩ এর ঘনমূল ৮ এর মান হলো ২ কারণ ২ গুণ ২ গুণ ২ সমান ৮ বর্গমূল ১২ কে পূর্ণ সংখ্যায় প্রকাশ করা যায় না বর্গমূল ১৮ কে পূর্ণ সংখ্যায় প্রকাশ করা যায় না ৩ এর ঘনমূল ২৭ এর মান হলো ৩ কারণ ৩ গুণ ৩ গুণ ৩ সমান ২৭ সুতরাং, এখানে অপশন এ এবং ডি উভয় সংখ্যাই পূর্ণ ফল দেয় উত্তর: A) ∛৮
a তাহমিনা হক ডালি
b জাকিয়া আক্তার
c মাহমুদা হক চৌধুরী
d সুরাইয়া বেগম
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) মাহমুদা হক চৌধুরী কেন সঠিক: - মাহমুদা হক চৌধুরী বাংলাদেশের প্রথম নারী রাষ্ট্রদূত হিসেবে কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন করেন। - তিনি ১৯৭৩ সালে সুইডেনে বাংলাদেশের প্রথম নারী রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিযুক্ত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাহমিনা হক চৌধুরী ডালি — ইনি বাংলাদেশের প্রথম নারী রাষ্ট্রদূত নন, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। B) জাকিয়া আক্তার — ইনি এই পদের সঙ্গে সম্পর্কিত নন এবং প্রথম নারী রাষ্ট্রদূত হিসেবে স্বীকৃত নন। C) মাহমুদা হক চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনে কোনো ভুল নেই। D) সুরাইয়া বেগম — ইনি অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দায়িত্বে থাকলেও প্রথম নারী রাষ্ট্রদূত নন। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের প্রথম নারী রাষ্ট্রদূতের নাম মনে রাখতে 'ম' দিয়ে মাহমুদা এবং 'ম' দিয়ে মহিলা রাষ্ট্রদূত, এভাবে মিলিয়ে পড়তে পারেন।
a 1948
b 1971
c 1965
d 1995
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 1995 কেন সঠিক: - বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিও ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে। - এটি মারাক্কেশ চুক্তির মাধ্যমে গ্যাট চুক্তির উত্তরসূরি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1948 — এই সালে ডব্লিউটিও প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তবে ১৯৪৭ সালের গ্যাট চুক্তি কার্যকর হয়েছিল এবং বিশ্ব ব্যাংক ও আইএমএফ কার্যক্রম শুরু করে। B) 1971 — এই সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধকালীন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ঘটনা ঘটলেও ডব্লিউটিও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। C) 1965 — এই সালে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মতো কোনো বিশ্ব সংস্থার প্রতিষ্ঠা হয়নি, এটি ওপেকের প্রতিষ্ঠার বছর। D) 1995 — এই অপশনটি সঠিক কারণ ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি ডব্লিউটিও যাত্রা শুরু করে। মনে রাখার টিপস: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিও গঠনের মারাক্কেশ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯৪ সালে এবং সংস্থাটি জন্ম নেয় ১৯৯৫ সালে।
a সোফোক্লিস
b এরিস্টটল
c প্লেটো
d সক্রেটিস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এরিস্টটল কেন সঠিক: - গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল ম্যাসিডোনিয়ার রাজা মহামারী আলেকজান্ডারের গৃহশিক্ষক ছিলেন। - তিনি আলেকজান্ডারকে রাজনীতি, দর্শন ও বিজ্ঞান বিষয়ে শিক্ষা দান করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোফোক্লিস — তিনি প্রাচীন গ্রিসের একজন বিখ্যাত বিয়োগান্তক নাট্যকার ছিলেন, শিক্ষক নন। B) এরিস্টটল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। C) প্লেটো — তিনি এরিস্টটলের শিক্ষক ছিলেন, আলেকজান্ডারের সরাসরি শিক্ষক ছিলেন না। D) সক্রেটিস — তিনি প্লেটোর শিক্ষক ছিলেন এবং আলেকজান্ডারের অনেক আগের সময়ের দার্শনিক। মনে রাখার টিপস: আলেকজান্ডারকে শিক্ষা দিয়েছিলেন 'এরিস্টটল', যেমন সক্রেটিস পড়িয়েছিলেন প্লেটোকে।
a ৪ জানুয়ারি, ১৯৭১
b ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
c ৪ মার্চ, ১৯৭২
d ৪ এপ্রিল, ১৯৭২
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ মার্চ, ১৯৭২ কেন সঠিক: - স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম কাগজের নোট বা ব্যাংকনোট আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয় ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ। - ওই দিন বাংলাদেশ ব্যাংক ১ টাকা ও ১০০ টাকার নোট প্রথম বাজারে ছাড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ জানুয়ারি, ১৯৭১ — এই তারিখে বাংলাদেশে কোনো কাগজের নোট চালু হয়নি, এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের আগের একটি সাধারণ দিন। B) ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের কাগজ নোট চালুর সঠিক তারিখ নয়, এটি নোট চালুর ঠিক এক মাস আগের একটি তারিখ। C) ৪ মার্চ, ১৯৭২ — এটিই বাংলাদেশের প্রথম কাগজের নোট চালুর সঠিক ও ঐতিহাসিক তারিখ। D) ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ — এই তারিখে নোট চালু হয়নি, এটি বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পরের একটি ভিন্ন তারিখ। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে প্রথম কাগজের নোট হাতে পায় বাঙালি।
a গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
b খলিল চৌধুরী
c রজনীকান্ত সেন
d দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গানটির গীতিকার বা রচয়িতা হলেন বরেণ্য গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার। - একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে এই গানটি মুক্তিযোদ্ধাদের মনে প্রবল অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার — এই গানের রচয়িতা হওয়ার কারণে এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। B) খলিল চৌধুরী — তিনি এই গানের রচয়িতা নন, অন্য কোনো বিখ্যাত গান বা সৃষ্টির সাথে যুক্ত। C) রজনীকান্ত সেন — তিনি মূলত ঐতিহাসিক ও ভক্তিমূলক গানের জন্য পরিচিত, মুক্তিযুদ্ধের সময়ের গীতিকার নন। D) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — তিনি ব্রিটিশ আমলের বিশিষ্ট নাট্যকার ও দেশাত্মবোধক গানের সুরকার, এই আধুনিক গানের সাথে সম্পৃক্ত নন। মনে রাখার টিপস: গৌরবর্ণের শান্তিপ্রিয় মানুষ গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার লিখেছিলেন মা গো ভাবনা কেন গানটি।
a 1972
b 1982
c 1992
d 2002
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৮২ কেন সঠিক: - এই সালে মিয়ানমারে নতুন নাগরিকত্ব আইন পাস করা হয়, যার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নাগরিক তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। - এই আইনের ফলে রোহিঙ্গারা তাদের নাগরিক অধিকার হারায় এবং রাষ্ট্রে তাদের বৈধ পরিচিতি অস্বীকৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭২ — এই সালে মিয়ানমারের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত কোনো নতুন বা উল্লেখযোগ্য আইন পাস হয়নি। B) ১৯৮২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই রোহিঙ্গারা আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নাগরিকত্ব হারায়। সি) ১৯৯২ — এই সালে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, নাগরিকত্ব আইন পাসের সাল এটি নয়। ডি) ২০০২ — এই সালে মিয়ানমারের নাগরিকত্ব আইনের সাথে রোহিঙ্গা সংকটের কোনো আইনি পরিবর্তনের সরাসরি সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব হারায় আশির দশকে, আর সঠিক সালটি হলো শেষের দিকে অর্থাৎ ১৯৮২।
a অস্ট্রিয়া
b তুরস্ক
c হল্যান্ড
d গ্রেট ব্রিটেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তুরস্ক কেন সঠিক: - তুরস্কের জাতীয় সংসদের অফিশিয়াল নাম হলো গ্র্যান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি অব তুর্কিয়ে। - এটি আঙ্কারায় অবস্থিত দেশটির একরৈক্ষিক আইনসভা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্ট্রিয়া — অস্ট্রিয়ার পার্লামেন্টের নাম ফেডারেল কাউন্সিল ও ন্যাশনাল কাউন্সিল। B) তুরস্ক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) হল্যান্ড — নেদারল্যান্ডসের পার্লামেন্টের নাম স্টেটস জেনারেল। D) গ্রেট ব্রিটেন — গ্রেট ব্রিটেনের পার্লামেন্টের নাম ব্রিটিশ সংসদ বা ওয়েলমিনস্টার পার্লামেন্ট। মনে রাখার টিপস: তুরস্কের জাতীয় প্রতীক বা গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে গ্র্যান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির নামটি মনে রাখুন।
a আমিনুল ইসলাম
b আকরাম খান
c হাবিবুল বাশার
d নাইমুর রহমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আমিনুল ইসলাম কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ২০০০ সালে ভারতের বিপক্ষে তাদের প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে এবং এই ঐতিহাসিক ম্যাচে আমিনুল ইসলাম বুলবুল সেঞ্চুরি করেন। - তিনি বাংলাদেশের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম সেঞ্চুরিয়ান হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমিনুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি অভিষেক টেস্টেই শতরান করেছিলেন। B) আকরাম খান — তিনি বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট দলের অধিনায়ক ছিলেন, তবে শত রান করেননি। C) হাবিবুল বাশার — তিনি বাংলাদেশের অন্যতম সফল ব্যাটসম্যান ও অধিনায়ক হলেও প্রথম টেস্টে সেঞ্চুরি করেননি। D) নাইমুর রহমান — তিনি বাংলাদেশের প্রথম টেস্টে ইনিংসে পাঁচ উইকেট লাভকারী বোলার ছিলেন, ব্যাটসম্যান হিসেবে সেঞ্চুরি করেননি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটে পা রাখার দিনে বুলবুল পাখি গান গেয়েছিল শত রানের, তাই প্রথম সেঞ্চুরিয়ান আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
a লিবিয়া
b মিশর
c ইথিওপিয়া
d ইরাক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইথিওপিয়া কেন সঠিক: - ইথিওপিয়ার ঐতিহাসিক নাম আবিসিনিয়া, যা প্রাচীনকালে এই অঞ্চল বোঝাতে ব্যবহৃত হতো। - এটি পূর্ব আফ্রিকার একটি প্রাচীন দেশ যার পূর্ব নাম পরিবর্তনের পর বর্তমান নাম ইথিওপিয়া রাখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিবিয়া — লিবিয়ার প্রাচীন বা ঐতিহাসিক নাম আবিসিনিয়া নয়, এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ। B) মিশর — মিশরের প্রাচীন ঐতিহাসিক নাম ছিল মিসর বা মেসোপটেমিয়ার মতো বিভিন্ন সভ্যতা, তবে আবিসিনিয়া নয়। C) ইথিওপিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) ইরাক — ইরাকের প্রাচীন নাম ছিল মেসোপটেমিয়া, আবিসিনিয়া নয়। মনে রাখার টিপস: আবিসিনিয়া নামটি শুনলেই ইথিওপিয়া দেশের কথা মনে রাখতে হবে।
a অনুচ্ছেদ ২০
b অনুচ্ছেদ ২১
c অনুচ্ছেদ ২২
d অনুচ্ছেদ ২৩
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অনুচ্ছেদ ২১ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদে নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য সম্পর্কে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সব সময়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুচ্ছেদ ২০ — এই অনুচ্ছেদে অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি এবং উৎপাদনের উপকরণের মালিকানা সম্পর্কে বলা হয়েছে। B) অনুচ্ছেদ ২১ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই অনুচ্ছেদে নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্যের কথা উল্লেখ আছে। C) অনুচ্ছেদ ২২ — এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রীয় অঙ্গসমূহ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে। D) অনুচ্ছেদ ২৩ — এই অনুচ্ছেদে জাতীয় সংস্কৃতি রক্ষা এবং সংস্কৃতির বিকাশ সাধনের ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের একুশ (২১) মানেই একুশের চেতনা নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের সততা ও নিষ্ঠার সাথে জনগণের সেবা করার কর্তব্য।
a 1984
b 1985
c 1986
d 1987
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯০৮ (প্রদত্ত প্রশ্নে ১৯০৫ থেকে ১৯০৮ সালের মধ্যে সাফ গেমসের সঠিক সালটি বাংলাদেশ প্রেক্ষাপটে ১৯১৫ সালের পরিবর্তে সংশোধিত হিসাব অনুযায়ী খসড়া যাচাই করে দেখা গেছে প্রথম সাফ গেমস ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে।) সঠিক উত্তর: B) ১৯০৫ অপশনের পরিবর্তে খসড়ায় মূল সালটি ছিল ১৯৮৫। কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশীয় ফেডারেল গেমস বা সাফ গেমসের প্রথম আসরটি ১৯১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রাজধানী ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে আয়োজিত হয়েছিল। - দক্ষিণ এশিয়ার ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নিতে এবং আঞ্চলিক সম্প্রীতি বাড়াতে তৎকালীন সময়ে এই প্রতিযোগিতার সূচনা করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৪ - এই সালে দক্ষিণ এশিয়ায় কোনো ধরনের সাফ গেমস অনুষ্ঠিত হওয়ার ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই। B) ১৯০৫ - এটি সঠিক উত্তর যা প্রথম সাফ গেমস ঢাকার মাটিতে আয়োজনের বছর হিসেবে নির্ধারিত। C) ১৯০৬ - এই বছর ঢাকায় সাফ গেমস অনুষ্ঠিত হয়নি বরং প্রথম আসরের পরের আসর অন্য দেশে অনুষ্ঠিত হয়। D) ১৯০৭ - এটি প্রথম সাফ গেমস আয়োজনের সাল নয় এবং এই সময়ে ঢাকার ক্রীড়া সূচিতে এমন কোনো আসর ছিল না। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর ক্রীড়াঙ্গনে বড় আন্তর্জাতিক আসর হিসেবে ঢাকায় প্রথম সাফ গেমস বসেছিল ১৯৮৫ সালে।
a বিল গেটস
b এলন মাস্ক
c রিচার্ড ব্র্যানসন
d জেফ বেজোস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রিচার্ড ব্র্যানসন কেন সঠিক: - ব্রিটিশ ধনকুবের রিচার্ড ব্র্যানসন ২০২১ সালের ১১ জুলাই ভার্জিন গ্যালাকটিকের ভিএসএস ইউনিটি মহাকাশযানে চড়ে মহাশূন্যে ভ্রমণ করেন। - তিনি নিজের কোম্পানির মহাকাশযানে চড়ে মহাশূন্যে ভ্রমণকারী প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ইতিহাস গড়েন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিল গেটস — তিনি মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি হলেও এই মহাকাশ ভ্রমণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। B) এলন মাস্ক — তিনি স্পেসএক্স এর প্রতিষ্ঠাতা হলেও তিনি এই তারিখের মহাকাশ ভ্রমণের যাত্রী ছিলেন না। C) রিচার্ড ব্র্যানসন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় এর সত্যতা প্রমাণ করা হয়েছে। D) জেফ বেজোস — ব্লু অরিজিনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস এর কিছুদিন পর অর্থাৎ ২০ জুলাই ২০২১ সালে মহাকাশে ভ্রমণ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: মহাকাশ পর্যটনের শুরুতে ভিএসএস ইউনিটি যানে চড়ে প্রথম মহাশূন্যে পাড়ি জমান রিচার্ড ব্র্যানসন।
a থিম্পু
b কাঠমুণ্ডু
c নয়াদিল্লি
d ইসলামাবাদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নয়াদিল্লি কেন সঠিক: - সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অবস্থিত। - এই কেন্দ্রটি দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) সদস্য দেশগুলোতে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থিম্পু — এটি ভুটানের রাজধানী এবং এখানে সার্কের অন্য কোনো আঞ্চলিক কেন্দ্র অবস্থিত নয়। B) কাঠমুণ্ডু — এটি নেপালের রাজধানী এবং সার্কের মূল সচিবালয় এখানে অবস্থিত, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র নয়। C) নয়াদিল্লি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) ইসলামাবাদ — এটি পাকিস্তানের রাজধানী এবং এখানে সার্কের মানব সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: দুর্যোগ মানে বিপদ আর নয়াদিল্লি বড় শহর, তাই বিপদ ব্যবস্থাপনার বড় কেন্দ্রটি ভারতেই অবস্থিত।
a শামীম শিকদার
b হামিদুজ্জামান খান
c মোস্তফা হারুন কুদ্দুস
d মঈনুল হোসেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মোস্তফা হারুন কুদ্দুস কেন সঠিক: - ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের মূল নকশাবিদ ও স্থপতি হলেন মোস্তফা হারুন কুদ্দুস। - তার এই নান্দনিক ও তাৎপর্যপূর্ণ স্থাপত্য নকশার মাধ্যমে ১৯৭১ সালের শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতি চিরস্মরণীয় করে রাখা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামীম শিকদার — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত ভাস্কর, যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিউটের শিক্ষক ও অপরাজেয় বাংলার ভাস্কর হিসেবে পরিচিত। B) হামিদুজ্জামান খান — তিনি একজন খ্যাতনামা ভাস্কর ও স্থপতি, যিনি সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের রূপকার মইনুল হোসেনের সাথে সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের স্থপতি। C) মোস্তফা হারুন কুদ্দুস — এই অপশনটি সঠিক, কারণ তিনি মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের নকশা তৈরি করেছেন। D) মঈনুল হোসেন — তিনি সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল স্থপতি হিসেবে পরিচিত, মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের নন। মনে রাখার টিপস: বুদ্ধিজীবীদের মেধা ও কুদ্দুস নামের মিল মনে রেখে সহজে মুখস্থ রাখুন, মিরপুরের বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি মোস্তফা হারুন কুদ্দুস।
a ১ জন
b ২ জন
c ৩ জন
d অন্য কারো নাম নেই
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি এবং ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: B) ২ জন কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল জারি করা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছাড়াও সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং তাজউদ্দীন আহমদের নাম রয়েছে। - সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপরাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ জন — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ ঘোষণাপত্রে দু'জন নেতার নাম উল্লেখ রয়েছে। B) ২ জন — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক এবং ঘোষণাপত্রে সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও তাজউদ্দীন আহমদের নাম রয়েছে। C) ৩ জন — ঘোষণাপত্রে বঙ্গবন্ধুর বাইরে তিন জন নেতার নাম নেই, তাই এই সংখ্যাটি ভুল। D) অন্য কারো নাম নেই — এই তথ্যটি ভুল কারণ ঘোষণাপত্রে বঙ্গবন্ধু ছাড়াও আরও দু'জন নেতার নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে বঙ্গবন্ধুর সাথে থাকা শীর্ষ দুই নেতা হলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং তাজউদ্দীন আহমদ।
a আলেক্সি কোসিগিন
b নিকোলাই টিখোনোভ
c ইয়াকফ মালিক
d আন্দ্রে গ্রোমিকো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইয়াকফ মালিক কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ইয়াকফ মালিক জাতিসংঘে সোভিয়েত ইউনিয়নের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - সে সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল এবং ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করে বাংলাদেশকে রক্ষা করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলেক্সি কোসিগিন — তিনি ১৯৭১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, জাতিসংঘে প্রতিনিধি ছিলেন না। B) নিকোলাই টিখোনোভ — তিনি পরবর্তীতে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন, মুক্তিযুদ্ধকালীন জাতিসংঘের প্রতিনিধি নন। D) আন্দ্রে গ্রোমিকো — তিনি ১৯৭১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন, জাতিসংঘে স্থায়ী প্রতিনিধি ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘে সোভিয়েত মাল বা মালিক ছিল বাংলাদেশের পক্ষে, তাই প্রতিনিধি ইয়াকফ মালিক।
a 1860
b 1865
c 1867
d 1869
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮৬৯ কেন সঠিক: - সুয়েজ খালের খনন কাজ ১৮৫৯ সালে শুরু হয়ে ১৮৬৯ সালের ১৭ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত ও নৌ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। - ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে সংযোগকারী এই কৃত্রিম খালটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিপ্লব ঘটিয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৬০ — এই সময়ে সুয়েজ খালের খনন কাজ চলমান ছিল কিন্তু শেষ হয়নি। B) ১৮৬৫ — এই সালটি সুয়েজ খালের সমাপ্তির সময়কালের সঙ্গে মিলছে না। C) ১৮৬৭ — এই বছরও খালটির খনন ও নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। D) ১৮৬৯ — এটি সঠিক বছর কারণ এই সালেই খালের খনন কাজ শেষ হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: সুয়েজ খাল চালুর সাল মনে রাখতে মনে রাখুন, ১৮৫৯ সালে শুরু হয়ে ঠিক দশ বছর পর ১৮৬৯ সালে এটি শেষ হয়।
a ০৬ মার্চ
b ০৮ মার্চ
c ১৬ মার্চ
d ১৮ মার্চ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০৬ মার্চ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকার ২০২০ সাল থেকে প্রতি বছর ০৬ মার্চকে জাতীয় পাট দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। - পাটের সোনালী ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা এবং পাট চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করার জন্য এই দিনটি নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০৬ মার্চ — এটি জাতীয় পাট দিবস হিসেবে সরকারিভাবে নির্ধারিত সঠিক তারিখ। B) ০৮ মার্চ — এই দিনটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালিত হয়, পাট দিবস নয়। C) ১৬ মার্চ — এই তারিখে জাতীয় কোনো পাট দিবস পালিত হয় না। D) ১৮ মার্চ — এই তারিখেও জাতীয় পাট দিবস পালিত হয় না। মনে রাখার টিপস: মার্চ মাসের প্রথম দিকে অর্থাৎ ছয় তারিখে পাট দিবস পালন করা হয়।
a ফ্যালকন - ৫
b ফ্যালকন - ৯
c নভোতরী - ১০
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্যালকন - ৯ কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু-১ কৃত্রিম উপগ্রহটি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯ রকেটের মাধ্যমে মহাশূন্যে উৎক্ষেপণ করা হয়। - ২০১৮ সালের ১২ই মে এটি সফলভাবে মহাকাশে পাঠানো হয়, যা বাংলাদেশের প্রথম ভূ-স্থির যোগাযোগ উপগ্রহ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্যালকন - ৫ — এটি স্পেসএক্সের কোনো সফল বা প্রচলিত বাণিজ্যিক রকেট মডেল নয়। B) ফ্যালকন - ৯ — এটি সঠিক অপশন এবং এই রকেটের মাধ্যমেই বঙ্গবন্ধু-১ উপগ্রহটি উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। C) নভোতরী - ১০ — এটি কোনো বাস্তবসম্মত বা নির্দিষ্ট রকেটের নাম নয়, যা বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া হয়েছে। D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু-১ উপগ্রহের নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারেন স্পেসএক্সের ফ্যালকন রকেটের শেষে ছিল ৯ সংখ্যাটি।
a রিফাত বিন সাত্তার
b এনামুল হক রাজীব
c নিয়াজ মোর্শেদ
d জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিয়াজ মোর্শেদ কেন সঠিক: - নিয়াজ মোর্শেদ বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার এবং তিনি দক্ষিণ এশিয়ারও প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জনকারী দাবাড়ু। - তিনি ১৯৮৮ সালে আন্তর্জাতিক দাবা সংস্থা ফিদে থেকে গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিফাত বিন সাত্তার — তিনি বাংলাদেশের একজন গ্র্যান্ডমাস্টার হলেও প্রথম নন, তিনি পরে এই খেতাব অর্জন করেন। B) এনামুল হক রাজীব — তিনি বাংলাদেশের একজন গ্র্যান্ডমাস্টার, তবে তিনি নিয়াজ মোর্শেদের অনেক পরে এই খেতাব পান। C) নিয়াজ মোর্শেদ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) জিয়াউর রহমান — তিনি বাংলাদেশের অন্যতম সেরা গ্র্যান্ডমাস্টার হলেও নিয়াজ মোর্শেদের পরে এই খেতাব অর্জন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: দাবায় প্রথম খেতাব পাওয়া মানেই নিয়াজ, কারণ তিনি দেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার।
a নাইট্রিক এসিড
b হাইড্রোক্লোরিক এসিড
c সালফিউরিক এসিড
d নাইট্রাস এসিড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাইট্রিক এসিড ১. কেন সঠিক: - স্বর্ণকারগণ খাঁটি স্বর্ণের গহনা পরিষ্কার করতে এবং গহনার নকশা খোদাই বা পরিমাপের কাজে নাইট্রিক এসিড ব্যবহার করেন। - নাইট্রিক এসিড একটি শক্তিশালী খনিজ এসিড এবং এটি শক্তিশালী জারক হিসেবে কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: নাইট্রিক এসিড (HNO৩) অত্যন্ত ক্ষয়কারী এবং তীব্র অম্লীয় পদার্থ। - কার্যপ্রণালি: এটি অনেক ধাতুর সঙ্গে বিক্রিয়া করে দ্রবণ তৈরি করে, কিন্তু বিশুদ্ধ স্বর্ণ সাধারণ এসিডে দ্রবীভূত হয় না। - বাস্তব প্রয়োগ: স্বর্ণের গহনার সাথে থাকা তামা বা অন্য ভেজাল ধাতু দূর করতে নাইট্রিক এসিড ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্বর্ণের দোকানে গহনা পরিষ্কার করা। ব্যাখ্যা: গহনার গায়ে জমে থাকা ময়লা বা অন্য ভেজাল ধাতু নাইট্রিক এসিডের সাহায্যে অপসারণ করা হয়। উদাহরণ ২: রাজঅম্ল তৈরিতে ব্যবহার। ব্যাখ্যা: তিন ভাগ হাইড্রোক্লোরিক এসিড ও এক ভাগ নাইট্রিক এসিড মিশিয়ে রাজঅম্ল তৈরি করা হয়, যা স্বর্ণ গলাতে সক্ষম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইট্রিক এসিড - এটি সঠিক কারণ স্বর্ণকারগণ গহনা পরিষ্কার ও ভেজাল দূর করতে এটি ব্যবহার করেন। B) হাইড্রোক্লোরিক এসিড - একা হাইড্রোক্লোরিক এসিড দিয়ে স্বর্ণের গহনা পরিষ্কার করা যায় না, এটি নাইট্রিক এসিডের সাথে মিশিয়ে রাজঅম্ল বানাতে লাগে। C) সালফিউরিক এসিড - এটি ব্যাটারিতে এবং সার কারখানায় ব্যবহৃত হয়, স্বর্ণকারদের গহনা তৈরির কাজে প্রধানত ব্যবহৃত হয় না। D) নাইট্রাস এসিড - এটি একটি অস্থির এসিড এবং গহনা তৈরির কাজে এর কোনো ব্যবহার নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বর্ণ পরিষ্কার করতে এবং ভেজাল দূর করতে নাইট্রিক এসিড ব্যবহার করা হয়, এটি মনে রাখতে স্বর্ণ ও নাইট্রিক এসিডের প্রথম অক্ষর মনে রাখা যেতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্বর্ণ গলানোর জন্য রাজঅম্ল বা একোয়া রেজিয়া ব্যবহৃত হয়, যেখানে হাইড্রোক্লোরিক এসিড ও নাইট্রিক এসিডের অনুপাত তিন অনুপাত এক।
a 0° সেলসিয়াস
b - ২৭৩° সেলসিয়াস
c - ২৭৩° সেলসিয়াস
d - ৪° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) − ২৭৩° সেলসিয়াস ১. কেন সঠিক: - তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র অনুযায়ী কোনো বস্তুর তাপমাত্রা একটি নির্দিষ্ট সর্বনিম্ন সীমার নিচে নামতে পারে না। - সেলসিয়াস স্কেলে এই সর্বনিম্ন তাত্ত্বিক তাপমাত্রাকেই পরমশূন্য তাপমাত্রা বলা হয় এবং এর সুনির্দিষ্ট মান হলো মাইনাস ২৭৩ দশমিক ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পরমশূন্য তাপমাত্রা হলো সেই তাত্ত্বিক তাপমাত্রা যেখানে পদার্থের অণুগুলোর গতিশক্তি সম্পূর্ণ শূন্য হয়ে যায়। - কার্যপ্রণালি: তাপমাত্রা কমালে গ্যাসের আয়তন ও চাপ কমতে থাকে এবং আদর্শ গ্যাস সূত্রের হিসাব অনুযায়ী মাইনাস ২৭৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে গ্যাসের আয়তন তাত্ত্বিকভাবে শূন্য হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: অতিতলীয় বিজ্ঞান বা ক্রায়োজেনিক্সে অতি নিম্ন তাপমাত্রা অর্জনের গবেষণায় এই ধারণার ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাকাশের গভীর অঞ্চলের তাপমাত্রা। ব্যাখ্যা: মহাশূন্যের ফাঁকা জায়গায় অণুর অনুপস্থিতি এবং তাপের অভাবে তাপমাত্রা পরমশূন্যের খুব কাছাকাছি পৌঁছে যায়। উদাহরণ ২: তরল নাইনট্রোজেনের তাপমাত্রা। ব্যাখ্যা: মাইনাস ১৯৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে থাকা তরল নাইট্রোজেন ব্যবহার করে পদার্থকে অতি ঠান্ডায় রূপান্তর করা হয়, যা পরমশূন্য তাপমাত্রার কাছাকাছি অবস্থার একটি নমুনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0° সেলসিয়াস — এটি পানির হিমাঙ্ক বা বরফ জমার তাপমাত্রা, পরমশূন্য তাপমাত্রা নয়। B) − ২৭৩° সেলসিয়াস — এটি সঠিক উত্তরের অনুরূপ, তবে অপশনে দ্বিরুক্তি রয়েছে। C) − ২৭৩° সেলসিয়াস — এটি নিখুঁত ও বৈজ্ঞানিকভাবে গ্রহণযোগ্য পরমশূন্য তাপমাত্রার মান। D) − ৪° সেলসিয়াস — এটি পানির সর্বাধিক ঘনত্ব প্রদর্শনের তাপমাত্রা, পরমশূন্য তাপমাত্রা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পরমশূন্য মানেই সর্বনিম্ন শূন্য গতিশক্তি। - সেলসিয়াসে ২৭৩ সংখ্যাটি মনে রাখলে কেলভিনের শূন্য বিন্দু বা পরমশূন্য মান সহজেই বের করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরমশূন্য তাপমাত্রার কেলভিন স্কেলে মান হলো ০ কেলভিন। - এই তাপমাত্রা থেকে তাপগতিবিদ্যার পরম তাপমাত্রা স্কেল বা কেলভিন স্কেলের সূচনা হয়।
a আয়রন
b ভিটামিন এ
c ক্যালসিয়াম
d আয়োডিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আয়রন ১. কেন সঠিক: রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে রক্তে পর্যাপ্ত সুস্থ লোহিত রক্তকণিকা বা হিমোগ্লোবিন থাকে না। আয়রন হলো হিমোগ্লোবিনের প্রধান উপাদান, যা ফুসফুস থেকে পুরো শরীরে অক্সিজেন বহন করতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: হিমোগ্লোবিন হলো লোহিত রক্তকণিকায় অবস্থিত একটি প্রোটিন যা অক্সিজেন পরিবহনে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। কার্যপ্রণালি: পর্যাপ্ত আয়রনের অভাবে অস্থিমজ্জা পর্যাপ্ত হিমোগ্লোবিন তৈরি করতে পারে না, ফলে টিস্যুতে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গর্ভাবস্থায় মায়েদের প্রায়ই আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তশূন্যতা দেখা দেয় কারণ ভ্রূণের বৃদ্ধির জন্য অতিরিক্ত আয়রনের প্রয়োজন হয়। ব্যাখ্যা: এই সময়ে শরীরের বর্ধিত চাহিদার কারণে সাধারণ খাদ্যাভ্যাস থেকে পর্যাপ্ত আয়রন সরবরাহ করা সম্ভব হয় না। উদাহরণ ২: অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা দীর্ঘস্থায়ী কোনো রোগের কারণে শরীর থেকে আয়রন দ্রুত কমে যেতে পারে। ব্যাখ্যা: এর ফলে ক্লান্তিবোধ, দুর্বলতা এবং মুখমণ্ডল ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়রন — সঠিক উত্তর কারণ এটি হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সরাসরি অংশ নেয় এবং এর অভাবে রক্তশূন্যতা ঘটে। B) ভিটামিন এ — এর অভাবে রাতকানা রোগ এবং চোখের কর্নিয়ার সমস্যা হয়, রক্তশূন্যতা হয় না। C) ক্যালসিয়াম — এটি হাড় ও দাঁতের গঠনে এবং পেশি সংকোচনে কাজ করে, রক্তশূন্যতার সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) আয়োডিন — এর অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যায় এবং গলগণ্ড বা ঘ্যাগ রোগ হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: রক্তের লাল রঙ এবং হিমোগ্লোবিনের মূল চাবিকাঠি হলো আয়রন। আয়রন কমলে রক্ত কমে, শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মানবদেহে দৈনিক নির্দিষ্ট পরিমাণ আয়রন গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি, বিশেষ করে পালং শাক ও কলিজার মতো খাবার থেকে। এই প্রশ্নটি থেকে BCS এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খাদ্য উপাদান ও ভিটামিন বা খনিজের অভাবজনিত রোগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a একটি ক্ষতিকারক জীবাণু
b একটি ক্ষতিকারক সার্কিট
c একটি ক্ষতিকারক ডিভাইস
d একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন একটি সফটওয়্যার কোড বা নির্দেশমালা, যা ইউজারের অনুমতি ছাড়াই নিজের কপি নিজে তৈরি করতে পারে এবং কম্পিউটারের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটায়। এটি জীবন্ত কোনো ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া নয়, বরং মানুষের তৈরি করা একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা ফাইলের সাথে যুক্ত হয়ে ছড়ায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ম্যালওয়্যার বা ম্যালিসিয়াস সফটওয়্যার যা ডিভাইসে প্রবেশ করে ডেটা নষ্ট বা চুরি করে। কার্যপদ্ধতি: ভাইরাস কোনো বাহক ফাইলের ভেতরে লুকিয়ে থাকে এবং ওই ফাইল ওপেন করলেই নিজে নিজে সক্রিয় হয়ে অন্য ফাইলে ছড়িয়ে পড়ে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইমেইলের সাথে আসা কোনো অপরিচিত ফাইল ডাউনলোড করার পর কম্পিউটারের সব ফাইল শর্টকাট হয়ে যাওয়া। ব্যাখ্যা: এটি ভাইরাসের একটি পরিচিত আচরণ, যা আসল ফাইল লুকিয়ে রেখে তার জায়গায় ক্ষতিকারক লিংক তৈরি করে। উদাহরণ ২: পেনড্রাইভ বা ইউএসবি ড্রাইভ কম্পিউটারে লাগানোর সাথে সাথে সিস্টেম স্লো হয়ে যাওয়া বা ফাইল মুছে যাওয়া। ব্যাখ্যা: রিমুভেবল মিডিয়ার মাধ্যমে ভাইরাস খুব দ্রুত এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে সংক্রমিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি ক্ষতিকারক জীবাণু — এটি ভুল কারণ ভাইরাস হলো কোড বা প্রোগ্রাম, কোনো জৈবিক জীবাণু নয়। B) একটি ক্ষতিকারক সার্কিট — এটি ভুল কারণ সার্কিট হলো হার্ডওয়্যার বা ইলেকট্রনিক্স অংশ, যা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয় না। C) একটি ক্ষতিকারক ডিভাইস — এটি ভুল কারণ ডিভাইস হলো বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ যন্ত্রাংশ, আর ভাইরাস হলো সফটওয়্যার। D) একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম — এটি সঠিক কারণ ভাইরাস একটি লিখিত কোড যা প্রোগ্রাম হিসেবে কম্পিউটারে চলে। ৫. মনে রাখার টিপস: কম্পিউটার ভাইরাস হলো ভাইটাল ইনফরমেশন রিসোর্স আন্ডার সাইজ নামক একটি কাল্পনিক সংক্ষিপ্ত রূপের ধারণা। মনে রাখবে ভাইরাস হার্ডওয়্যার নয়, এটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার ভিত্তিক ক্ষতিকারক কোড। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার ভাইরাসের জনক বলা হয় ফ্রেড কোহেনকে। পরীক্ষায় প্রায়ই ম্যালওয়্যার, ওয়ার্ম এবং ট্রোজান হর্সের সাথে ভাইরাসের পার্থক্য সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a General Packet Radio Service
b Global Protect Radiation Service
c General Preference Radio Service
d Global Packet Reminder Service
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) General Packet Radio Service ১. কেন সঠিক: - GPRS এর পূর্ণরূপ হলো General Packet Radio Service, যা টুজি বা দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কে ডেটা স্থানান্তরের একটি প্রযুক্তি। - এটি সার্কিট সুইচিং পদ্ধতির পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করে মোবাইল ডিভাইসে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: GPRS হলো জিএসএম মোবাইল নেটওয়ার্কের ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি প্যাকেট-ভিত্তিক ডেটা সার্ভিস। - কার্যপদ্ধতি: এটি ডেটাকে ছোট ছোট প্যাকেটে বিভক্ত করে প্রেরণ করে এবং সংযোগ স্থায়ী না রেখে কেবল ডেটা স্থানান্তরের সময় চ্যানেল ব্যবহার করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি সব সময় সংযুক্ত থাকার সুবিধা এবং ব্যবহৃত ডেটার পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে বিলিং করার সুযোগ দেয়। - ব্যবহার: এটি মূলত মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ই-মেইল আদান-প্রদান এবং এমএমএস পাঠানোর কাজে ব্যবহৃত হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিবোর্ডযুক্ত পুরনো ফোনে ইন্টারনেট ব্রাউজিং। ব্যাখ্যা: নোকিয়া বা স্যামসাংয়ের পুরনো টুজি ফোনে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করে খুব সহজে ছোট সাইটের তথ্য দেখা যেত। উদাহরণ ২: জিপিএস ট্র্যাকিং বা জিপিআরএস মডেম। ব্যাখ্যা: যানবাহনের অবস্থান ট্র্যাক করতে ব্যবহৃত জিপিএস ডিভাইসে রিমোট সার্ভারে তথ্য পাঠাতে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) General Packet Radio Service — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি টুজি মোবাইল নেটওয়ার্কের স্ট্যান্ডার্ড ডেটা ট্রান্সমিশন প্রটোকল। B) Global Protect Radiation Service — এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক এবং সাইবার নিরাপত্তা বা বিকিরণ সম্পর্কিত একটি ভুল নাম। C) General Preference Radio Service — এটি কোনো স্বীকৃত কম্পিউটার বা টেলিকমিউনিকেশন প্রযুক্তি নয়। D) Global Packet Reminder Service — এটি ডেটা যোগাযোগের কোনো প্রটোকল বা প্রযুক্তির নাম নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - জিপিআরএস শব্দটিতে পিতে প্যাকেট এবং আরে রেডিও বোঝায়, যা ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কে প্যাকেট আকারে ডেটা পাঠায়। - টুজি প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ইন্টারনেট মানেই জিএসএম নেটওয়ার্কে জিপ্রারএস প্রযুক্তির ব্যবহার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এটি সেকেন্ড জেনারেশন বা টুজি মোবাইল প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্ত এবং এর গতি সাধারণত ৫৬ থেকে ১১৪ কিলোবিট প্রতি সেকেন্ড পর্যন্ত হয়ে থাকে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সেলুলার মোবাইল নেটওয়ার্ক এবং টুজি প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এই পূর্ণরূপটি প্রায়ই আসে।
a পর্তুগাল ও মরক্কো
b মৌরিতানিয়া ও স্পেন
c আলবেনিয়া ও স্পেন
d মরক্কো ও স্পেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মরক্কো ও স্পেন ১. কেন সঠিক: জিব্রাল্টার প্রণালিটি ইউরোপের স্পেন এবং আফ্রিকার মরক্কো দেশের মাঝখানে অবস্থিত। এটি আটলান্টিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে এবং এই দুটি দেশকে ভৌগোলিকভাবে আলাদা করেছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: এটি আইবেরীয় উপদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত যার উত্তরে স্পেন এবং দক্ষিণে মরক্কো ও সেউটা অবস্থিত। বৈশিষ্ট্য: এটি একটি সংকীর্ণ জলপথ যা জলবায়ু এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: সুয়েজ খাল ব্যাখ্যা: যেমন সুয়েজ খাল ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে, তেমনি জিব্রাল্টার প্রণালি আটলান্টিক মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে। উদাহরণ ২: বসফরাস প্রণালি ব্যাখ্যা: বসফরাস প্রণালি যেমন তুরস্ককে ইউরোপ ও এশিয়ার অংশে ভাগ করেছে, তেমনি জিব্রাল্টার প্রণালি ইউরোপ ও আফ্রিকাকে পৃথক করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগাল ও মরক্কো — পর্তুগাল স্পেনের পশ্চিমে অবস্থিত এবং মরক্কোর সরাসরি প্রতিবেশী নয়, তাই এই প্রণালি তাদের পৃথক করেনি। B) মৌরিতানিয়া ও স্পেন — মৌরিতানিয়া আরও দক্ষিণে অবস্থিত এবং স্পেনের সঙ্গে এর ভৌগোলিক সীমানা বা প্রণালির সংযোগ নেই। C) আলবেনিয়া ও স্পেন — আলবেনিয়া দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বলকান অঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি স্পেনের কাছাকাছি কোনো প্রণালি দ্বারা পৃথক নয়। D) মরক্কো ও স্পেন — এটি সঠিক কারণ এই প্রণালি এই দুটি দেশের মধ্যবর্তী জলপথ হিসেবে কাজ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: জিব্রাল্টার প্রণালি মনে রাখতে স্পেনের এস এবং মরক্কোর এম মনে রাখুন, আর এটি ইউরোপ ও আফ্রিকাকে ভাগ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রণালিটি ভূমধ্যসাগরের চাবিগেট নামে পরিচিত কারণ এটি আটলান্টিক থেকে ভূমধ্যসাগরে প্রবেশের একমাত্র প্রাকৃতিক জলপথ। একই ধরনের প্রশ্ন বিশ্ব মানচিত্রের বিভিন্ন প্রণালি থেকে বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a ৬ ঘণ্টা
b ৮ ঘণ্টা
c ১০ ঘণ্টা
d ৫ ঘণ্টা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬ ঘণ্টা ১. কেন সঠিক: - পৃথিবীর মোট দ্রাঘিমা রেখা ৩৬০ ডিগ্রি এবং একবার সম্পূর্ণ ঘুরতে সময় লাগে ২৪ ঘণ্টা, যার অর্থ প্রতি ১ ডিগ্রি দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময়ের ব্যবধান ৪ মিনিট। - বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে বা এর কাছাকাছি ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা অতিক্রম করেছে, যা গ্রিনিচ মান সময় বা জিএমটি থেকে পূর্ব দিকে অবস্থিত। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ এশিয়ায় অবস্থিত এবং এর ভৌগোলিক অবস্থান ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমার কাছাকাছি। - বৈশিষ্ট্য: পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘোরে বলে পূর্ব দিকের দেশগুলোতে সময় আগে সূর্যোদয় হওয়ার কারণে সময় এগিয়ে থাকে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: বাংলাদেশ প্রমাণ সময় বা বিএসটি নির্ধারণ করা হয় ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমার ওপর ভিত্তি করে, যা গ্রিনিচ সময়ের চেয়ে ৬ ঘণ্টা এগিয়ে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: - উদাহরণ ১: লন্ডন এবং ঢাকা - ব্যাখ্যা: লন্ডনে যখন দুপুর ১২টা বাজে, তখন ঢাকার দ্রাঘিমাগত দূরত্বের কারণে ঘড়িতে সময় হবে সন্ধ্যা ৬টা। - উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক সময় রেখা এবং স্থানীয় সময় - ব্যাখ্যা: গ্রিনিচ মান সময়কে শূন্য ধরে পূর্ব গোলার্ধের দেশগুলো যোগ করে এবং পশ্চিম গোলার্ধের দেশগুলো বিয়োগ করে স্থানীয় সময় বের করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ৬ ঘণ্টা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমার সঙ্গে ৪ মিনিট গুণ করলে ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘণ্টা হয়। - B) ৮ ঘণ্টা — এটি ভুল কারণ ৮ ঘণ্টা পার্থক্যের জন্য দ্রাঘিমার ব্যবধান হতে হবে ১২০ ডিগ্রি, যা বাংলাদেশের অবস্থানের সঙ্গে মিলে না। - C) ১০ ঘণ্টা — এটি ভুল কারণ ১০ ঘণ্টা সময়ের পার্থক্য অনেক বেশি পূর্বের দেশের জন্য প্রযোজ্য, বাংলাদেশের জন্য নয়। - D) ৫ ঘণ্টা — এটি ভুল কারণ ৫ ঘণ্টা সময়ের পার্থক্য ভারতের কিছু অংশের জন্য প্রযোজ্য, বাংলাদেশের জন্য সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলাদেশের দ্রাঘিমা ৯০ ডিগ্রি পূর্বকে ৪ দিয়ে গুণ করে প্রাপ্ত ৩৬০ মিনিটকে ৬০ দিয়ে ভাগ করলে ৬ ঘণ্টা সময় বের করা যায়। - পূর্ব দিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সময় গ্রিনিচ মান সময়ের চেয়ে সবসময় এগিয়ে বা প্লাস থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - দ্রাঘিমার প্রতি ১ ডিগ্রি পার্থক্যের জন্য সময়ের ব্যবধান ৪ মিনিট হিসাব করে যেকোনো দেশের সময়ের পার্থক্য বের করা যায়। - একই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্রাঘিমা রেখা থেকে সময় নির্ণয় বা বাংলাদেশের প্রমাণ সময় কোন দ্রাঘিমার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয় তা প্রায়ই আসে।

মোট প্রশ্ন (27)

a সৈয়দ মুজতবা আলী
b মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
c তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
d শওকত আলী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'পঞ্চগ্রাম' একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যার রচায়িতা কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। - রাঢ় অঞ্চলের গ্রামীণ সমাজজীবনের পরিবর্তন ও ভাঙনের ইতিহাস এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক। - রাঢ় অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা, সামন্তপ্রথার পতন এবং গ্রামীণ অর্থনীতির রূপান্তর তাঁর উপন্যাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'কবি' ব্যাখ্যা: এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় রোমান্টিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: 'গণদেবতা' ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসের সিক্যুয়েল বা পরবর্তী পর্ব হলো 'পঞ্চগ্রাম', যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান অধিকার করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ মুজতবা আলী — তিনি মূলত তাঁর রম্যরচনা, ভ্রমণকাহিনি ও ছোটগল্পের জন্য বিখ্যাত, কোনো উপন্যাস 'পঞ্চগ্রাম' লেখেননি। B) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি মনস্তাত্ত্বিক ও মার্ক্সবাদী চেতনার উপন্যাস রচয়িতা হলেও 'পঞ্চগ্রাম' তাঁর লেখা নয়। C) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। D) শওকত আলী — তিনি একজন বিশিষ্ট বাংলাদেশি কথাসাহিত্যিক যিনি 'প্রদোষে প্রাকৃতজন' ও 'দক্ষিণায়ন মাত্র' উপন্যাসের জন্য পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - তারাশঙ্করের গ্রামীণ সমাজভিত্তিক বিখ্যাত দুটি উপন্যাস হলো গণদেবতা ও পঞ্চগ্রাম। - গণদেবতার পরবর্তী পর্ব বা সিক্যুয়েল হলো পঞ্চগ্রাম, যা এভাবে মনে রাখা সহজ হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯৪৮ সালে 'গণদেবতা' উপন্যাসের জন্য সাহিত্য অ্যাকাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। - বাংলা উপন্যাসে আঞ্চলিক ভাষা ও লোকজীবনের নিখুঁত রূপায়নের জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত।
a জননী
b কাঁদো নদী কাঁদো
c রাইফেল রোটি আওরাত
d সংশপ্তক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাইফেল রোটি আওরাত ১. কেন সঠিক: রাইফেল রোটি আওরাত হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত এই উপন্যাসে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা ও বাঙালির প্রতিরোধ সংগ্রাম ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসের রচিয়তা শহীদ সাংবাদিক ও লেখক আনোয়ার পাশা। এটি মূলত ইংরেজি ভাষায় রচিত এবং পরবর্তীকালে বাংলায় অনূদিত একটি প্রামাণ্য ঐতিহাসিক উপন্যাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন ব্যাখ্যা: জহির রায়হান রচিত ভাষাভিত্তিক ও মুক্তিযুদ্ধ বা আন্দোলনভিত্তিক অন্যতম বিখ্যাত উপন্যাস। উদাহরণ ২: ঘাসফুল ও একাত্তর ব্যাখ্যা: এটিও মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জননী — এটি শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, যার বিষয়বস্তু গ্রামীণ জীবন। B) কাঁদো নদী কাঁদো — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যার সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের কোনো সম্পর্ক নেই। C) রাইফেল রোটি আওরাত — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। D) সংশপ্তক — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা গ্রামীণ সমাজ ও তেভাগা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের প্রথম উপন্যাস মনে রাখতে আনোয়ার পাশার রাইফেল রোটি আওরাত কথাটি বারবার মনে রাখবে। ইংরেজি ভাষায় প্রথম লেখা হলেও এটি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেরা দলিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ও নাটক প্রায়ই আসে। আনোয়ার পাশার এই উপন্যাসটি ভাষা ও ইতিহাসের দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন।
a মুক্তিযুদ্ধ
b দুর্ভিক্ষ
c দেশভাগ
d ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভাষা আন্দোলন ১. কেন সঠিক: - 'কবর' নাটকটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত একটি যুগান্তকারী নাটক। - ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ এবং তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর অমানবিক আচরণের প্রতিবাদ এই নাটকের মূল উপজীব্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাটকটির রচিয়তা হলেন বিশিষ্ট নাট্যকার ও সাহিত্যিক মুনীর চৌধুরী। - তিনি কারাগারে বন্দि থাকা অবস্থায় ১৯৫৩ সালে এই নাটকটি রচনা করেন এবং তৎকালীন জেলখানায় এটি মঞ্চস্থ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর রক্তলাল ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরীর অপর একটি বিখ্যাত নাটক, যা তার নাট্য প্রতিভার অন্যতম নিদর্শন। উদাহরণ ২: জহির রায়হানের আরেক ফাল্গুন ব্যাখ্যা: এটিও ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুক্তিযুদ্ধ — মুক্তিযুদ্ধ বাঙালি জাতির জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা হলেও 'কবর' নাটকটি এই প্রেক্ষাপটে রচিত হয়নি। B) দুর্ভিক্ষ — দুর্ভিক্ষ বাংলা সাহিত্যে অনেক সৃষ্টির উৎস হলেও এই নাটকটি দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে লেখা নয়। C) দেশভাগ — দেশভাগ বা ১৯৪৭ সালের ভারত বিভাজন এই নাটকের মূল বিষয়বস্তু বা প্রেক্ষাপট নির্দেশ করে না। D) ভাষা আন্দোলন — ভাষা আন্দোলন হলো এই নাটকের সঠিক ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট যা নাটকের মূল সুরের সঙ্গে মিলে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুনীর চৌধুরীর প্রথম ও বিখ্যাত নাটক 'কবর' ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত হয়েছে। - ভাষা আন্দোলনের প্রথম নাটক মনে রাখতে মুনীর চৌধুরীর নাম এবং ১৯৫৩ সালের প্রকাশকাল একসঙ্গে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যে ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম নাটক হলো মুনীর চৌধুরীর 'কবর'। - এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে নাটক, উপন্যাস বা কাব্যের রচিয়তা এবং প্রেক্ষাপট একসঙ্গে পড়তে হয়।
a অর্ণব
b কেতন
c রাতুল
d দার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কেতন ১. কেন সঠিক: - 'পতাকা' শব্দের একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ হলো 'কেতন'। - প্রশ্নটিতে চাওয়া হয়েছে পতাকার সমার্থক শব্দ কোনটি, যার সঠিক উত্তর কেতন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই সমস্ত শব্দ যেগুলোর অর্থ একই বা প্রায় একই রকম হয়। - বাংলা ভাষায় একটি বস্তুর বা ভাবের প্রকাশের জন্য একাধিক প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিশানা ব্যাখ্যা: পতাকা শব্দের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ হলো নিশানা। উদাহরণ ২: বৈজয়ন্তী ব্যাখ্যা: বিজয়সূচক বা বিশেষ ধরনের পতাকাকে বৈজয়ন্তী বলা হয়, যা পতাকার সমার্থক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্ণব — অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র বা সাগর, যা পতাকার সমার্থক নয়। B) কেতন — এটি সঠিক উত্তর কারণ কেতন শব্দের অর্থ পতাকা বা নিশান। C) রাতুল — রাতুল শব্দের অর্থ লাল বা রক্তিম, তাই এটি পতাকার সমার্থক হতে পারে না। D) দার — দার শব্দের অর্থ দরজা বা কাঠ, যা পতাকার অর্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পতাকা ও কেতন দুটি শব্দই অক্ষর সংখ্যা ও ধ্বনির দিক থেকে সহজে মনে রাখা যায়। - পতাকার মতো কেতন শব্দটিও নিশান বা পতাকা বোঝাতে কবি ও সাহিত্যিকগণ ব্যবহার করেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - পতাকার অন্যান্য সমার্থক শব্দ যেমন নিশান, পতাকা, বৈজয়ন্তী এবং ধ্বজা ভালোভাবে মুখস্থ রাখা উচিত।
a স্ব + ইচ্ছা
b স্ব + ইচ্ছা
c স্ব + ইচ্ছা
d স্ব + ইচ্ছা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্ব + ইচ্ছা (এখানে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে প্রথমটিকে সঠিক ধরা হলো, যদিও টাইপো ত্রুটির কারণে সব অপশন একই রকম দেখাচ্ছে। মূল নিয়ম হলো: স্ব + ইচ্ছা = স্বেচ্ছা)। ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী অ অথবা আ এর পর ই কিংবা ঈ থাকলে উভয় মিলে এ কার হয় এবং তা পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়। এখানে স্ব শব্দের অন্তে অ এবং ইচ্ছা শব্দের আদিতে ই রয়েছে, যা মিলে এ কার এক হয়ে স্বেচ্ছা গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি স্বরসন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। অ বা আ কারের পর ই বা ঈ কার থাকলে উভয়ে মিলে এ কার হয় এবং এ কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। এই নিয়মটি সংস্কর ব্যাকরণ থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং প্রমিত বাংলা বানরীতিতে এটি অপরিবর্তিত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যথা + ইষ্ট = যথেষ্ট। ব্যাখ্যা: এখানে যথার আ এবং ইষ্টের ই মিলে এ কার হয়েছে এবং থ এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে যথেষ্ট গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মহা + ইন্দ্র = মহেন্দ্র। ব্যাখ্যা: এখানে মহாவின் আ এবং ইন্দ্রের ই মিলে এ কার হয়েছে এবং হ এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে মহেন্দ্র গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্ব + ইচ্ছা — এটি সন্ধির সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে কারণ অ এবং ই মিলে এ কার হয়। B) স্ব + ইচ্ছা — এটি সঠিক নিয়মের অন্তর্ভুক্ত হলেও বিকল্প বিন্যাসে একই রূপ প্রকাশ করে। C) স্ব + ইচ্ছা — এটিও প্রথম অপশনের অনুরূপ হওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী সঠিক গঠন প্রদর্শন করে। D) স্ব + ইচ্ছা — এটিও একই প্রক্রিয়ায় সঠিক সন্ধिবদ্ধ রূপের নির্দেশক হিসেবে কাজ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: অ বা আ এর পর ই বা ঈ থাকলে সর্বদা এ কার হয়। এই সূত্রটি মনে রাখতে অ + ই = এ এই সংক্ষিপ্ত রূপটি মাথায় রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অ + ই এর সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই যথাক্রমে যথা যোগ ইষ্ট এবং মহা যোগ ইন্দ্র এর মতো শব্দগুলো চর্চা করলে এই নিয়মের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
a আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও বিধেয়
b যোগ্যতা, উদ্দেশ্য ও বিধেয়
c আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও যোগ্যতা
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও যোগ্যতা ১. কেন সঠিক: একটি সার্থক বাক্য গঠনের জন্য তিনটি অপরিহার্য গুণ বা শর্ত থাকা আবশ্যক। এগুলো হলো আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি এবং যোগ্যতা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যের প্রথম গুণ আকাঙ্ক্ষা হলো বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা। আসক্তি হলো বাক্যের পদগুলোকে যথাযথভাবে সাজিয়ে বসার বিন্যাস বা নৈকট্য। যোগ্যতা হলো পদের অর্থসংগতি এবং ভাবগত মিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বর্ষাকালে আকাশে কালো মেঘ জমে। ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি এবং যোগ্যতা তিনটি গুণই perfectly বিদ্যমান থাকায় এটি একটি সার্থক বাক্য হয়েছে। উদাহরণ ২: নদী থেকে মাছ ধরা হচ্ছে। ব্যাখ্যা: এটি একটি অর্থপূর্ণ বাক্য যেখানে পদের মেলবন্ধন ও ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও বিধেয় — এখানে বিধেয় শব্দটির কারণে অপশনটি ভুল কারণ বাক্যের অংশে বিধেয় থাকে কিন্তু গুণের মধ্যে উদ্দেশ্য-বিধেয় অন্তর্ভুক্ত নয়। B) যোগ্যতা, উদ্দেশ্য ও বিধেয় — উদ্দেশ্য ও বিধেয় হলো বাক্যের অংশের নাম, বাক্যের গুণের নাম নয়। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যের তিনটি গুণ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো আ-আ-য অর্থাৎ আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি এবং যোগ্যতা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাক্যের সার্থকতার শর্ত কয়টি বা কী কী তা জানতে চাওয়া হয়। বাক্যের অংশ আর বাক্যের গুণ গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a বিশেষ্য
b বিশেষণ
c ক্রিয়া
d অব্যয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অব্যয় ১. কেন সঠিক: - টাপুর টুপুর একটি অনুকার অব্যয় বা ধাত্মক শব্দ, যা কোনো কিছুর ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয় এবং বাক্যে অব্যয় পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - এই শব্দগুলো স্বাধীনভাবে কোনো বস্তুর বা কাজের আওয়াজ প্রকাশ করে বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাব বৃদ্ধি করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে শব্দ কোনো ধ্বনির অনুকরণে তৈরি হয়ে বাক্যে ব্যবহৃত হয় এবং অন্য পদের সঙ্গে মিশে থেকে ভাব প্রকাশ করে, তাকে অনুকার অব্যয় বা ধাত্মক শব্দ বলে। - পদ প্রকরণে এ ধরনের শব্দ অব্যয় পদের অন্তর্ভুক্ত কারণ এদের নিজস্ব কোনো রূপান্তর বা পরিবর্তন হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঝির ঝির বাতাস বইছে। ব্যাখ্যা: ঝির ঝির শব্দটি বাতাসের মৃদু শব্দের অনুকরণে গঠিত অনুকার অব্যয় পদ। উদাহরণ ২: কল কল নদী বয়ে যায়। ব্যাখ্যা: কল কল শব্দটি নদীর পানির স্রোতের ধ্বনি বোঝাতে ব্যবহৃত অব্যয় পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদ হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু টাপুর টুপুর কোনো নাম বোঝায় না বরং ধ্বনি প্রকাশ করে। B) বিশেষণ — বিশেষণ পদ দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে, কিন্তু টাপুর টুপুর কোনো পদের গুণ বা দোষ প্রকাশ করে না। C) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদ দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায়, কিন্তু টাপুর টুপুর কোনো কাজের নাম বা কাজ নয়। D) অব্যয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ধ্বন্যাত্মক বা অনুকার অব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত। ৫ মনে রাখার টিপস: - যে শব্দগুলো পরপর দুইবার বসে কোনো ধ্বনি, আওয়াজ বা ভাব প্রকাশ করে এবং যাদের রূপ বদলায় না, চোখ বন্ধ করে তাদের অব্যয় পদ হিসেবে চিহ্নিত করবে। - ঝম ঝম, ঘেউ ঘেউ, হি হি শব্দের মতো ধ্বনিবাচক শব্দগুলো সবসময় অব্যয় হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বন্যাত্মক শব্দ বা অনুকার অব্যয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাক্যে শব্দের রূপ ও ব্যবহার ভালো করে খেয়াল করলেই পদের সঠিক নির্ণয় করা সম্ভব।
a মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন
b মোহাম্মদ আকরম খাঁ
c সিকান্দার আবু জাফর
d তোফাজ্জল হোসেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সিকান্দার আবু জাফর ১. কেন সঠিক: - 'সমকাল' একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী ও প্রগতিশীল সাহিত্য পত্রিকা। সিকান্দার আবু জাফর ১৯৫৭ সালের নভেম্বর মাসে এই পত্রিকাটির প্রকাশনা শুরু করেন এবং আমৃত্যু এর সম্পাদনা করেন। - বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে সমকাল পত্রিকাটির অবদান ঐতিহাসিক, বিশেষ করে ষাটের দশকের সাহিত্য আন্দোলনে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সিকান্দার আবু জাফর একজন বিশিষ্ট বাঙালি কবি, নাট্যকার ও সাংবাদিক। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে প্রসন্ন প্রহর, বৈরী বৃষ্টিতে ইত্যাদি। - তাঁর রচিত বিখ্যাত গান আমাদের সংগ্রাম চলবেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নলিনীকান্ত সরকার সম্পাদিত পত্রিকা ব্যাখ্যা: নলিনীকান্ত সরকার বাংলা সংগীত ও সাহিত্য বিষয়ক বিভিন্ন পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যা সাহিত্যচর্চাকে সমৃদ্ধ করেছিল। উদাহরণ ২: বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত পত্রিকা কবিতা ব্যাখ্যা: বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত কবিতা পত্রিকা বাংলা আধুনিক কবিতার বিকাশে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন — তিনি বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা সওগাত এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন। B) মোহাম্মদ আকরম খাঁ — তিনি বিখ্যাত ইত্তহাদ ও মাসিক মোহাম্মদী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। C) সিকান্দার আবু জাফর — তিনি সমকাল পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। D) তোফাজ্জল হোসেন — তিনি প্রখ্যাত দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, যা মানিক মিয়া নামে পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - সমকাল মানে বর্তমান সময় এবং সিকান্দার আবু জাফর মানে আধুনিকতার জয়গান। এভাবে মনে রাখা যায় যে আধুনিক মনের সম্পাদক ছিলেন সিকান্দার আবু জাফর। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা এবং তাদের সম্পাদকের নাম জিজ্ঞাসা করা হয়। - সমকাল পত্রিকার প্রকাশকাল ১৯৫৭ সাল, যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য মুখস্থ রাখা জরুরি।
a বর্ণ
b শব্দ
c ধ্বনি
d বাক্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধ্বনি ১. কেন সঠিক: - ভাষার মূল উপাদান বা মৌলিক ভিত্তি হলো ধ্বনি, যা উচ্চারণের দিক থেকে ভাষার ক্ষুদ্রতম একক। - মানুষের মুখনিঃসৃত অর্থপূর্ণ আওয়াজ বা বোধগম্য শব্দসমষ্টিই হলো ধ্বনি, যা লেখার সময় বর্ণে রূপ নেয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি হলো ভাষার শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ এবং বর্ণ হলো তার দৃশ্যগ্রাহ্য রূপ। - ধ্বনি নিজে চোখে দেখা যায় না, কানে শুনতে হয় এবং এর অর্থপূর্ণ মিলনেই ভাষা গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ক, খ ব্যাখ্যা: এগুলো হলো বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনি বা বর্ণের প্রতীক, যা উচ্চারণ করার সময় ধ্বনি হিসেবে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: মা, পা ব্যাখ্যা: একাধিক ধ্বনি একত্রিত হয়ে অর্থপূর্ণ শব্দ তৈরি করে, যা ভাষার ভাব প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, ধ্বনি হলো উচ্চারিত রূপ। তাই এটি ক্ষুদ্রতম একক নয়। B) শব্দ — এক বা একাধিক ধ্বনি বা বর্ণ পাশাপাশি বসে যখন একটি অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে শব্দ বলে। শব্দ ধ্বনি অপেক্ষা বড় একক। D) বাক্য — অর্থপূর্ণ পদের সমষ্টি যা মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করে, তাকে বাক্য বলে। এটি ভাষার বৃহত্তম একক। ৫. মনে রাখার টিপস: উচ্চারণ বা শোনার সাথে সম্পর্কিত ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি আর দেখার সাথে সম্পর্কিত হলো বর্ণ। ছোট ছোট ধ্বনি মিলে শব্দ এবং শব্দ মিলে বাক্য তৈরি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ভাষার ক্ষুদ্রতম একক কী এবং ভাষার বৃহত্তম একক কী। ধ্বনি হলো ক্ষুদ্রতম এবং বাক্য হলো বৃহত্তম একক।
a 1907
b 1907
c 1909
d 1207
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯০৭ ১. কেন সঠিক: মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে ১৯০৭ সালে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন এবং প্রাচীনতম এই কাব্যগ্রন্থটি আবিষ্কারের সালটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্তFrequently আসে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা গান। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে চর্যাপদ গ্রন্থটি প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। ব্যাখ্যা: তিনি নেপাল থেকে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন আবিষ্কার করে ইতিহাস সৃষ্টি করেন। উদাহরণ ২: চর্যাপদের প্রথম পদটির রচয়িতা লুইপা। ব্যাখ্যা: চর্যাপদে মোট পদকর্তা হিসেবে চব্বিশ বা পঁচিশ জন সিদ্ধাচার্যকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৭ — এটি সঠিক সাল হলেও প্রদত্ত অপশনের বিন্যাস অনুযায়ী সঠিক উত্তরের অন্তর্ভুক্ত। C) ১৯০৯ — এটি ভুল কারণ চর্যাপদ আবিষ্কারের সঠিক সাল ১৯০৯ নয়, বরং ১৯০৭ সাল। D) ১২০৭ — এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও ভুল সাল যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে চর্যাপদের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৯০৭ সালকে মনে রাখতে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর নেপাল ভ্রমণ এবং প্রাচীন পুথি আবিষ্কারের ঘটনা একসঙ্গে মনে রাখুন। আবিষ্কারের সাল ১৯০৭ এবং প্রকাশের সাল ১৯১৬ এভাবে দুটি সাল মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের আবিষ্কারক, আবিষ্কারের সাল এবং প্রথম প্রকাশের সাল ও গ্রন্থটির নাম প্রতিযোগিতায় বারবার আসে। বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো সাল ও সম্পাদকের নাম মিলিয়ে খুব সতর্কতার সঙ্গে পড়তে হবে।
a 1290
b 1315
c 1312
d 1314
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩১২ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছিল। - বঙ্গভঙ্গ রদ ও স্বদেশী আন্দোলনের সেই উত্তাল সময়ে বাংলা ১৩১২ সালের ১৬ই শ্রাবণ এই গানটি রচিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জাতীয় সংগীতের রচিয়তা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং এটি তার বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। - গানটির প্রথম দশ লাইন ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংগীত হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে ব্যাখ্যা: এটি ভারতের জাতীয় সংগীত এবং এটিও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা। উদাহরণ ২: আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি ব্যাখ্যা: এটি আমাদের জাতীয় সংগীত এবং এর সুর সংগৃহীত হয়েছে বাউল গগন হরকরার একটি গান থেকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২৯০ — এই সনটি জাতীয় সংগীত রচনার সাল হিসেবে সঠিক নয় এবং এই সময়ে এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ছিল না। B) ১৩১৫ — এই সনটি জাতীয় সংগীত রচনার সাল নয় বরং এটি একটি ভুল অপশন যা পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে দেওয়া হয়। D) ১৩১৪ — এই সনে বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হলেও জাতীয় সংগীত বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে ১৩১২ সনে রচিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্গভঙ্গের সাল ছিল ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দ এবং বাংলা সনের হিসাব করতে ৫৯৩ বা ৫৯৪ বিয়োগ করলে ১৩১২ সাল পাওয়া যায়। - রবীন্দ্রনাথের এই বিখ্যাত গানটি রচিত হয়েছিল বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের ঠিক শুরুতে ১৩১২ সালের শ্রাবণ মাসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জাতীয় সংগীতের রচিয়তা এবং কোন সনে রচিত হয়েছিল তা বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে। - একই ধরনের প্রশ্নে জাতীয় সংগীতের সুরকার এবং এর ইংরেজি অনুবাদক কে তা জেনে রাখা জরুরি।
a টেকচাঁদ ঠাকুর
b রামগতি ন্যায়রত্ন
c কালি প্রসন্ন সিংহ
d রামরাম বসু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) টেকচাঁদ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - আলালের ঘরের দুলাল বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। - টেকচাঁদ ঠাকুর এই উপন্যাসের মাধ্যমে বাংলা গদ্যে সাধু ও প্রমিত রূপের ব্যবহার শুরু করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - টেকচাঁদ ঠাকুরের আসল নাম প্যারিচাঁদ মিত্র এবং এটি তাঁর ছদ্মনাম। - ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে তৎকালীন বাঙালি সমাজের ধনী পরিবারের বখে যাওয়া সন্তানের চরিত্র চিত্রিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হুতোম প্যাঁচা নকশা ব্যাখ্যা: এটি কালিপূজা ও কলকাতার বাবু সমাজের ওপর লেখা আরেকটি বিখ্যাত সামাজিক ব্যঙ্গাত্মক রচনা। উদাহরণ ২: উদয়চন্দ্র বসাক ব্যাখ্যা: আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের একটি অন্যতম প্রধান চরিত্র হলো এই উদয়বাবু। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টেকচাঁদ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচয়িতা। B) রামগতি ন্যায়রত্ন — ইনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট পন্ডিত ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস প্রণেতা। C) কালি প্রসন্ন সিংহ — ইনি হুতোম প্যাঁচার নকশার রচয়িতা এবং মহাভারত অনুবাদক। D) রামরাম বসু — ইনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন পন্ডিত এবং রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র ও লিপিমালা গ্রন্থের রচয়িতা। ৫. মনে রাখার টিপস: - টেকচাঁদ ঠাকুরের ছদ্মনাম মনে রাখতে পারো যে তাঁর 'টেক' ছিল নতুন ধারার উপন্যাস লেখার। - আলাল শব্দের অর্থ ধনী বা সম্ভ্রান্ত পরিবার এবং দুলাল অর্থ প্রিয় পুত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাসের নাম এবং এর লেখকের নাম প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। - হুতোম প্যাঁচার নকশা এবং আলালের ঘরের দুলাল উভয়ই সামাজিক উপন্যাসের অন্তর্ভুক্ত।
a পাতা পাওয়া
b পদোন্নতি পাওয়া
c সম্মান পাওয়া
d টাকা পাওয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পাতা পাওয়া ১. কেন সঠিক: 'কক্ষে পাওয়া' এবং 'পাতা পাওয়া' উভয় বাগধারাটির সমার্থক অর্থ হলো স্থান পাওয়া বা অধিকার লাভ করা। কোনো নির্দিষ্ট জায়গায় স্থান বা আসন পাওয়া বোঝাতেই এই বিশেষ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা বাক্যাংশ যা তাদের সাধারণ বা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবগত অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ভাষার সমৃদ্ধির জন্য বাগধারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এর শব্দার্থ প্রায়ই পরীক্ষিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য তাকে শেষ পর্যন্ত কক্ষে পাওয়া গেল। ব্যাখ্যা: এখানে মূল প্রতিযোগিতায় স্থান পাওয়া বা টিকে থাকার অর্থ প্রকাশ করতে এই বাগধারার ভাবগত প্রয়োগ ঘটেছে। উদাহরণ ২: চূড়ান্ত দলে তার নাম কক্ষে পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন কোচ। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে দলে জায়গা বা স্থান লাভ করার অর্থে বাগধারাটি সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাতা পাওয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অপশনটি মূল বাগধারার সমার্থক ভাব প্রকাশ করে। B) পদোন্নতি পাওয়া — এটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি প্রশাসনিক ধারণা যা উচ্চতর পদ লাভের সঙ্গে সম্পর্কিত। C) সম্মান পাওয়া — এটি সমাজে বা মানুষের হৃদয়ে বিশেষ মর্যাদা লাভের অবস্থাকে বোঝায়। D) টাকা পাওয়া — এটি কোনো বস্তুগত অর্থপ্রাপ্তি বা আর্থিক লাভ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কক্ষে বা ঘরে কাউকে জায়গা দেওয়া মানে তাকে পাতায় বসানোর সমতুল্য, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখা সহজ। স্থান পাওয়া বা অধিকার লাভ করার ক্ষেত্রে এই বিশেষ বাগধারাটি ব্যবহারের নিয়ম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই অপ্রচলিত বা কম পরিচিত বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়। তাই পরিচিত বাগধারার পাশাপাশি এ ধরনের তুলনামূলক কম ব্যবহৃত বাগধারাগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a অনাদি
b পরস্ব
c অনাহ্য
d অনার্জিত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পরস্ব ১. কেন সঠিক: - 'পরস্ব' শব্দের অর্থ অন্যের ধন বা অন্যের সম্পত্তি। বাক্যসংক্ষেপ বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। - প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে 'অপরের ধন' এর সঠিক এককথায় প্রকাশ, যার সরাসরি অর্থগত রূপ হলো পরস্ব। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - পরস্ব শব্দটি গঠিত হয়েছে পর এবং স্ব পদের মিলনে, যেখানে পর অর্থ অন্য এবং স্ব অর্থ ধন বা সম্পত্তি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরের অধীন ব্যাখ্যা: একে এককথায় পরাধীন বলা হয়, যা পরস্ব এর মতো অন্য সম্পর্কিত একটি শব্দ। উদাহরণ ২: অন্যের লেখা চুরি ব্যাখ্যা: একে এককথায় কুম্ভিলকবৃত্তি বলা হয়, যা অন্যের বিষয় আত্মসাত করার আরেকটি প্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনাদি — এর অর্থ যার আদি বা শুরু নেই, তাই এটি 'অপরের ধন' এর সমার্থক নয়। B) পরস্ব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) অনাহ্য — এর অর্থ যা আহ্বান করা হয়নি বা অনাহূত, তাই এটি এখানে মিলছে না। D) অনার্জিত — এর অর্থ যা অর্জন করা হয়নি, তাই এটি অন্যের ধন বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - পর অর্থ অন্য এবং স্ব অর্থ ধন, এই দুটি অংশ মনে রাখলেই পরস্ব শব্দটির অর্থ সহজে আয়ত্ত করা যায়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ আলাদা করে ভাবলে সঠিক উত্তর নির্বাচন সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - পর বা অন্য বোঝাতে সংস্কৃত উপসর্গ বা শব্দ দিয়ে গঠিত শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a বহুব্রীহি
b অব্যয়ীভাব
c দ্বিগু
d কর্মধারয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অব্যয়ীভাব ১. কেন সঠিক: - 'হা-ঘরে' শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েছে যেখানে 'হা' উপসর্গটি অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। - এখানে ঘরের অভাব অর্থে 'হা-ঘরে' শব্দটি গঠিত হয়েছে এবং পূর্বপদের অর্থের প্রাধান্য রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যোগ হয় এবং অব্যয়ের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। - অব্যয়ীভাব সমাসে সাধারণত অভাব, সমীপ, সামীপ্য, অতিবৃত্তি, পশ্চাৎ ইত্যাদি অর্থ প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিখर्च ব্যাখ্যা: খরচের অভাব অর্থে 'নি' উপসর্গযোগে অব্যয়ীভাব সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: বেলাগোঁয়াড় ব্যাখ্যা: গোঁয়ারের অভাব অর্থে অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ এটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বহুব্রীহি — এই সমাসে পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন পদকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) দ্বিগু — এটি সংখ্যাবাচক শব্দ ও সমাহার বোঝায়, যা এই পদের গঠনে অনুপস্থিত। D) কর্মধারয় — এটি বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে গঠিত হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে ঘটেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - হা, নি, বে ইত্যাদি উপসর্গযোগে যদি কোনো শব্দের শুরুতে অভাব বা কমতি বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে তা অব্যয়ীভাব সমাস দাগাবে। - উপসর্গযুক্ত শব্দ দেখলে প্রথমে অব্যয়ীভাব সমাসের কথা চিন্তা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযোগে গঠিত অব্যয়ীভাব সমাস প্রায়ই আসে। - অভাব অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস চেনার জন্য হা-ভাত, বেহায়া, নিখরচ শব্দগুলো অনুশীলন করবে।
a দ্বিজ ঈশান
b মনসুর বয়াতি
c চন্দ্রকুমার দে
d দ্বিজ কানাই
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দ্বিজ কানাই ১. কেন সঠিক: - 'মহুয়া' পালাটি বাংলা লোকসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক ট্র্যাজেডি ঘরানার পালা গান। - এই পালার রচয়িতা বা মূল কবি হলেন দ্বিজ কানাই, যিনি ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্ভুক্ত এই পালাটি রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ময়মনসিংহ গীতিকার সংগ্রাহক ড. দীনেশচন্দ্র সেন এবং সম্পাদনায় চন্দ্রকুমার দে ময়মনসিংহ অঞ্চলের লোকসাহিত্য সংগ্রহ করেন। - 'মহুয়া' পালায় নদের চাঁদ ও বেদেনি মহুয়ার প্রেম, সমাজবিরোধিতা এবং তাদের মর্মান্তিক পরিণতির করুণ চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'মহুয়া' পালা। ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহ গীতিকার একটি বিখ্যাত পালা যা দ্বিজ কানাই রচনা করেছেন। উদাহরণ ২: 'চন্দ্রাবতী'। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহিলা কবি চন্দ্রাবতীর রচিত একটি বিখ্যাত মহাকাব্যিক পালা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিজ ঈশান — তিনি মহুয়া পালার কবি নন, তিনি 'মহিষাসুর মর্দিনী' বা অন্য মঙ্গলকাব্যের সঙ্গে যুক্ত। B) মনসুর বয়াতি — তিনি ময়মনসিংহ গীতিকার অন্য একটি বিখ্যাত পালা 'দেওয়ানা মদিনা' এর রচয়িতা। C) চন্দ্রকুমার দে — তিনি ময়মনসিংহ গীতিকার পালাগুলোর সংগ্রাহক ও সংকলক, কোনো মূল কবি নন। D) দ্বিজ কানাই — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি মহুয়া পালার মূল কবি। ৫ মনে রাখার টিপস: - মহুয়া নামের শেষ অক্ষর এবং কানাই নামের মিল করে মনে রাখতে পারেন মহুয়ার কবি কানাই। - ময়মনসিংহ গীতিকার পালাগুলোর কবি আলাদা, যেমন মহুয়া দ্বিজ কানাই এবং দেওয়ানা মদিনা মনসুর বয়াতি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ময়মনসিংহ গীতিকার সংগ্রাহক এবং বিভিন্ন পালার কবির নাম প্রায়ই আসে। - ড. দীনেশচন্দ্র সেন ১৯২৩ সালে ময়মনসিংহ গীতিকা প্রকাশ করেন এবং এর প্রথম পালা মহুয়া।
a ১৭টি
b ৩৯টি
c ১৯টি
d ৪৯টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৯টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। যেসব বর্ণ উচ্চারণের সময় ফুসফুসতাড়িত বাতাস মুখবিবরের কোথাও না কোথাও বাধা পায় এবং উচ্চারণের জন্য স্বরবর্ণের সাহায্য নিতে হয়, তাদেরকে ব্যঞ্জনবর্ণ বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ বা প্রতীক। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী বাংলা ভাষায় মোট মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি ৩৯টি। এই ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণের মধ্যে ক-বর্গীয় থেকে ম-বর্গীয় পর্যন্ত ২৫টি স্পর্শ ধ্বনি এবং বাকিগুলো অন্তস্থ ধ্বনি, উষ্ম ধ্বনি ও অন্যান্য ধ্বনি হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক ব্যাখ্যা: এটি কবর্গীয় প্রথম ব্যঞ্জনবর্ণ এবং একটি স্পর্শ ধ্বনি। উদাহরণ ২: র ব্যাখ্যা: এটি একটি তাড়িত বা কম্পনজাত ব্যঞ্জনবর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭টি — এটি বাংলা বর্ণমালার স্বরবর্ণের সংখ্যা নয়, এটি ভুল তথ্য। C) ১৯টি — এটি বাংলা বর্ণমালার কোনো নির্দিষ্ট মানদণ্ড অনুযায়ী মৌলিক সংখ্যা নয়। D) ৪৯টি — এটি বাংলা বর্ণমালার মোট বর্ণ বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট ব্যাকরণিক সংখ্যা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বর্ণমালা মোট ৫০টি, স্বরবর্ণ ১১টি হলে ব্যঞ্জনবর্ণ হবে ৫০ বিয়োগ ১১ সমান ৩৯টি। এই সহজ বিয়োগের সূত্রটি মনে রাখলে পরীক্ষাও কখনো ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি, স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি এই তথ্যটি সব ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। পরীক্ষায় প্রশ্ন ভালোভাবে পড়ে স্বরবর্ণ নাকি ব্যঞ্জনবর্ণ চেয়েছে তা নিশ্চিত হয়ে উত্তর করতে হবে।
a ভাস + বর = ভাস্বর
b ভাস + বর = ভাস্বর
c ভাস + বর = ভাস্বর
d ভাস + সর = ভাস্বর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভাস + বর = ভাস্বর ১. কেন সঠিক: - ভাস্বর শব্দটি গঠিত হয়েছে ভাস ধাতুর সঙ্গে বর প্রত্যয় যুক্ত হয়ে। - এখানে বর হলো একটি তদ্ধিত বা কৃৎ প্রত্যয় যা প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি উপসর্গ ও প্রত্যয় অধ্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৃৎ প্রত্যয় সংক্রান্ত প্রশ্ন। - ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √কৃ + ত = কৃত ব্যাখ্যা: কৃ ধাতুর সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃত শব্দ গঠিত হয়। উদাহরণ ২: √গম + তব্য = গন্তব্য ব্যাখ্যা: গম ধাতুর সঙ্গে তব্য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গন্তব্য শব্দ গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাস + বর = ভাস্বর — এটি সঠিক হলেও প্রদত্ত অপশনগুলোর বিন্যাসে বারবার একই রূপ আসার কারণে সঠিক উত্তরের বর্ণ নির্বাচন রক্ষা করা হয়েছে। B) ভাস + বর = ভাস্বর — এই অপশনটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের গঠন নির্দেশ করে। C) ভাস + বর = ভাস্বর — এটিও সঠিক গঠন দেখালেও নির্দেশিত সঠিক উত্তরের ক্রম অনুসারে বি চিহ্নিত করা হয়েছে। D) ভাস + সর = ভাস্বর — এখানে সর প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভাস্বর শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয় মনে রাখতে ভাস ধাতুর সঙ্গে বর যোগ করার বিষয়টি চর্চা করবে। - কৃৎ প্রত্যয় চেনার জন্য ধাতুর পূর্বে রুট চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - ধাতু চেনার উপায় হলো তার পূর্বে রুট চিহ্ন থাকা।
a শীতল
b শৈত্য
c উত্তাপ
d হিম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শৈত্য ১. কেন সঠিক: - 'তাপ' শব্দটির অর্থ হলো উষ্ণতা বা গরম। এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে 'শৈত্য' ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ হলো ঠান্ডা বা শীতলতা। - বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য পদের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে বিশেষ্য পদই নির্বাচন করতে হয়, যেখানে 'তাপ' বিশেষ্য পদের বিপরীতে 'শৈত্য' একটি উপযুক্ত বিশেষ্য পদ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ গঠনে পদের মিল রাখা একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। বিশেষ্য পদের বিপরীত শব্দ বিশেষ্য এবং বিশেষণ পদের বিপরীত শব্দ বিশেষণ হতে হয়। - 'তাপ' একটি বিশেষ্য পদ, তাই এর বিপরীতার্থক হিসেবে বিশেষ্য পদ 'শৈত্য' নির্বাচন করা ব্যাকরণগতভাবে সবচেয়ে সঠিক ও নির্ভুল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিন - রাত ব্যাখ্যা: এটি সমজাতীয় বিশেষ্য পদের বিপরীতার্থক শব্দের একটি চমৎকার উদাহরণ। উদাহরণ ২: মান - অপমান ব্যাখ্যা: এখানেও বিশেষ্য পদের বিপরীত রূপ অত্যন্ত সুন্দরভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শীতল — এটি একটি বিশেষণ পদ, কিন্তু 'তাপ' একটি বিশেষ্য পদ হওয়ায় ব্যাকরণগত পদের মিলের দিক থেকে এটি সরাসরি প্রযোজ্য নয়। C) উত্তাপ — এটি 'তাপ' শব্দের সমার্থক শব্দ, তাই এটি বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে সম্পূর্ণ ভুল। D) হিম — এটি মূলত বরফ বা কুয়াশা বোঝায় এবং এটি বিশেষ্য হলেও 'তাপ' শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক হিসেবে প্রমিত ও ব্যাকরণসম্মত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশেষ্য পদের সাথে বিশেষ্য এবং বিশেষণ পদের সাথে বিশেষণের বিপরীত শব্দ মেলালে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। - 'তাপ' বিশেষ্য হলে এর বিপরীত 'শৈত্য' আর 'তপ্ত' বিশেষণ হলে এর বিপরীত 'শীতল' হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের রূপ বা পদের মিল (বিশেষ্য নাকি বিশেষণ) না বুঝে উত্তর দিলে ভুল হওয়ার ঝুঁকি থাকে। - তাই বিপরীত শব্দ দাগানোর আগে মূল শব্দের পদরূপ ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া উচিত।
a সান্তনা
b সমীচীন
c ইতিমধ্যে
d সাত্বনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সাত্বনা ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটিতে বানান সংক্রান্ত ভুল রয়েছে। বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সান্ত্বনা বানানটিতে ত এর নিচে ব ফলা যুক্ত হবে। সাত্বনা শব্দটির সঠিক বানান হলো সান্ত্বনা, তবে প্রশ্নে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে বানান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় সঠিক উত্তরটি D হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানানরীতিতে যুক্তবর্ণের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। ন এর পরে ত এবং ব যুক্ত হয়ে ন্ত্ব যুক্তবর্ণটি গঠিত হয়, যা সান্ত্বনা শব্দে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সান্ত্বনা ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ যার অর্থ প্রবোধ বা সান্ত্বনা দেওয়া। উদাহরণ ২: তত্ত্ব ব্যাখ্যা: ত এর নিচে ত যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সান্তনা — এই বানানে ন এর নিচে ব ফলা বা ম বা অন্য কোনো নিয়ম সঠিকভাবে অনুসৃত হয়নি কারণ সান্ত্বনা বানানে ত এর নিচে ব যুক্ত হয়। B) সমীচীন — এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও মূল প্রশ্নের বানানগত চাহিদার সাথে তুলনামূলক বিচারে সঠিক বানান চিহ্নিতকরণের ক্ষেত্রে প্রশ্নকর্তার প্রদানকৃত উত্তর ভিন্ন। C) ইতিমধ্যে — এই বানানটি মূলত ইতঃমধ্যে বা ইতিমধ্যে হিসেবে প্রমিত রূপ পায়, যা এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট বানান ত্রুটির আওতাধীন। D) সাত্বনা — প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে এটি নির্দেশিত হয়েছে, যেখানে বানানের প্রমিত রূপের ক্ষেত্রে বিশেষ নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: সান্ত্বনা বানান লেখার সময় মনে রাখতে হবে ন এর সাথে ত এবং ব যুক্ত হয়। বানান ভুলের ক্ষেত্রে সাধারণত ফলা বা যুক্তবর্ণের ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সান্ত্বনা, সমীচীন, বুদ্ধিজীবী ইত্যাদি বানানগুলো পরীক্ষার্থীকে বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া হয়। বাংলা একাডেমির বানান নিয়ম ভালোভাবে চর্চা করলে এই ধরনের বানান সহজে নির্ণয় করা সম্ভব।
a মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
b সুকান্ত ভট্টাচার্য
c শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d সত্যেন সেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - পথের দাবী উপন্যাসটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। - ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই উপন্যাসে পরাধীন ভারতের মুক্তির আকুতি ও বিপ্লবীদের জীবন সংগ্রাম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী ঔপন্যাসিক। - রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত এই উপন্যাসের কারণে ব্রিটিশ সরকার বইটি বাজোপ্ত করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেবদাস ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ট্র্যাজিক প্রেমের উপন্যাস। উদাহরণ ২: শ্রীকান্ত ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস যা চার পর্বে সমাপ্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রগতিশীল কথাসাহিত্যিক হলেও পথের দাবী উপন্যাসের রচয়িতা নন। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো পুতুল নাচের ইতিকথা। B) সুকান্ত ভট্টাচার্য — তিনি বাংলা সাহিত্যের মার্কসবাদী ধারার একজন প্রতিভাবান তরুণ কবি হলেও কোনো উপন্যাস রচনা করেননি। C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। D) সত্যেন সেন — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের নাম ভোরের অতিথি। ৫. মনে রাখার টিপস: - পথের দাবী উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অপূর্বর দেশপ্রেম মনে রাখলে লেখকের নাম সহজেই মনে রাখা যায়। - শরৎচন্দ্রের রাজনৈতিক উপন্যাস হিসেবে এটি একটিমাত্র ব্যতিক্রমী সৃষ্টি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসটি কোন ধরনের বা কার লেখা, তা প্রায়ই আসে। - বাংলা উপন্যাসের ইতিহাস থেকে ঔপন্যাসিক ও তাঁদের বিখ্যাত রাজনৈতিক বা সামাজিক উপন্যাসের নাম ভালোভাবে পড়তে হবে।
a কোরেশী মগন ঠাকুর
b মর্দন
c দৌলত কাজী
d আলাওল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দৌলত কাজী ১. কেন সঠিক: - মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার প্রথম বাঙালি কবি দৌলত কাজী এবং তিনি রোসাং বা আরাকান রাজসভার নির্দেশে লোরচন্দ্রানী বা সতী ময়না কাব্য রচনা করেন। - আরাকান রাজসভার বাঙালি কবিদের মধ্যে তিনিই সর্বপ্রথম বাংলা কাব্যে মুসলিম সংস্কৃতির পাশাপাশি স্থানীয় লোককাহিনীর সার্থক মিশ্রণ ঘটিয়েছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দৌলত কাজী সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্যতম প্রধান কবি ও শ্রীশ্রী সুধর্মা রাজসভার অমাত্য আশরাফ খানের পৃষ্ঠপোষকতায় কাব্যচর্চা শুরু করেন। - তাঁর বিখ্যাত কাব্য সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী যা অসমাপ্ত থাকার পর পরবর্তী সময়ে কবি আলাওল বাকি অংশ সমাপ্ত করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দৌলত কাজীর সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের আরাকান রাজসভায় রচিত প্রথম বাঙালি কবির প্রথম কাব্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: আলাওলের পদ্মাবত কাব্য। ব্যাখ্যা: এটিও আরাকান রাজসভার পটভূমিতে রচিত মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রণয়োপাখ্যান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোরেশী মগন ঠাকুর — তিনি আরাকান রাজসভার একজন বিশিষ্ট কবি হলেও প্রথম বাঙালি কবি নন। B) মর্দন — তিনি আরাকান রাজসভার পরবর্তী সময়ের একজন কবি এবং নসিবনামা কাব্য রচনা করেন। C) দৌলত কাজী — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি পরীক্ষার্থীর জন্য প্রযোজ্য নয়। D) আলাওল — তিনি আরাকান রাজসভার সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক জনপ্রিয় কবি হলেও প্রথম কবি নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধ্যযুগে আরাকানে প্রথম গেলেন দৌলত কাজী এবং পরে তাকে সাহায্য করলেন আলাওল। - এভাবে মনে রাখলে প্রথম ও প্রধান কবির মধ্যে গুলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আরাকান রাজসভার কবি এবং তাদের রচিত কাব্য নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে দৌলত কাজীর অসমাপ্ত কাব্য আলাওল সমাপ্ত করেছিলেন, এই তথ্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
b যতীন্দ্র মোহন বাগচী
c ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
d গোবিন্দচন্দ্র দাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১. কেন সঠিক: - উক্ত পংক্তিটি যুগসন্ধিকালের বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের রচিত একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক ও স্বদেশপ্রেমমূলক কবিতার অংশ। - এই লাইনের মাধ্যমে কবি নিজ দেশের বা সংস্কৃতির প্রতি অবহেলা করে বিদেশি সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণ করার প্রবণতাকে তীব্রভাবে সমালোচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত আধুনিক যুগের ঠিক প্রাক্কালে আবির্ভূত হন এবং তাকে যুগসন্ধিকালের কবি বলা হয় কারণ তার কবিতায় মধ্যযুগের শেষ সুর এবং আধুনিক যুগের শুরুর ভাবনার মিশ্রণ দেখা যায়। - তিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং তার কবিতায় তৎকালীন সমাজের নানা অসঙ্গতি ও বিদেশি প্রীতির তীব্র সমালোচনা ফুটিয়ে তুলেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্ষমতা পাইয়া লোক ভুলে নিজ জন, ব্যাখ্যা: এটিও ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সমাজ ও মানুষের চরিত্র নিয়ে লেখা একটি ব্যঙ্গাত্মক কবিতার পংক্তি। উদাহরণ ২: বাঁচে না বাঙালি যদি বাঁচে তার দেশ, ব্যাখ্যা: দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবোধ প্রকাশের ক্ষেত্রে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের এ ধরণের পংক্তি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি মূলত স্বাধীনতা ও দেশপ্রেমমূলক রোমান্টিক ধারার কবি হলেও এই বিখ্যাত পংক্তিটি তার রচিত নয়। B) যতীন্দ্র মোহন বাগচী — তিনি পল্লীকবি ও প্রাত্যহিক জীবনের সহজ চিত্র ফুটিয়ে তোলার জন্য পরিচিত হলেও এই বিশেষ উদ্ধৃতির রচয়িতা নন। C) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ পংক্তিটি তার রচিত ব্যঙ্গাত্মক কবিতার অংশ। D) গোবিন্দচন্দ্র দাস — তিনি স্বভাবকবি নামে পরিচিত হলেও তার সাহিত্যকর্মে এই নির্দিষ্ট উদ্ধৃতিটি পাওয়া যায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - দেশি কুকুরের প্রতি ভালোবাসার কথা এবং বিদেশের ঠাকুর ফেলার ব্যঙ্গাত্মক কথাটি বললে চোখ বন্ধ করে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে মনে রাখবে। - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত মানেই সমাজের নানা দোষত্রুটি নিয়ে তীব্র ও তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ কবিতা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুগসন্ধিকালের কবি হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের নাম এবং তার সম্পাদিত পত্রিকার নাম প্রায়ই আসে। - বিখ্যাত সাহিত্যিক উদ্ধৃতিগুলোর ক্ষেত্রে মূল কবির ব্যঙ্গাত্মক বা স্বদেশপ্রেমী সুর খেয়াল রাখলে উত্তর মেলানো সহজ হয়।
a বড়ু চণ্ডীদাস
b ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
c মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
d বিদ্যাপতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বড়ু চণ্ডীদাস ১. কেন সঠিক: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন ও প্রাপ্ত প্রথম গ্রন্থ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন-এর রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস। - ড. সুকুমার সেন এবং ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে মধ্যযুগের বাংলা ভাষার প্রথম কবি বড়ু চণ্ডীদাস। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের সময়কাল ধরা হয় ১২০১ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত এবং এর প্রথম নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন। - বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের এক গোয়ালঘর থেকে পুথিটি আবিষ্কার ও প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা বিষয়ক নাটকীয় আকারের একটি কাব্য। উদাহরণ ২: মৈথিল কোকিল বিদ্যাপতি। ব্যাখ্যা: তিনি মধ্যযুগের প্রাক-চৈতন্য যুগের পদকর্তা ও মৈথিলি ভাষার কবি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বড়ু চণ্ডীদাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচয়িতা। B) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর — তিনি মধ্যযুগের শেষভাগের কবি এবং অষ্টাদশ শতাব্দীর অন্নদামঙ্গল কাব্যের জন্য বিখ্যাত। C) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — তিনি মধ্যযুগের ষোড়শ শতাব্দীর মঙ্গলকাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের রচয়িতা। D) বিদ্যাপতি — তিনি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রাক-চৈতন্য যুগের পদকর্তা হলেও প্রথম কবি নন। ৫. মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের শুরু মানেই বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন। এভাবে মনে রাখতে পারেন যে, বড়ু মানে বড় বা প্রথম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি জন্মখণ্ড থেকে রাধাবিরহ পর্যন্ত মোট তেরোটি খণ্ডে বিভক্ত। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই গ্রন্থ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a মিথিলার
b নবদ্বীপের
c বর্ধমানের
d বৃন্দাবনের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মিথিলার ১. কেন সঠিক: বিদ্যাপতি ছিলেন মূলত প্রাচীন মিথিলা অঞ্চলের কবি এবং তিনি মৈথিলি ভাষায় পদ রচনা করতেন। মিথিলার রাজা শিবসিংহের রাজসভায় তিনি অত্যন্ত খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতি বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম প্রধান আদি কবি এবং মিথিলার কোকিল নামে পরিচিত। তিনি মৈথিলি ভাষায় পদ রচনা করলেও বাংলা সাহিত্যের পদাবলীতে তার প্রভাব অপরিসীম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাধিকা রঞ্জন করি মান ভঞ্জন ব্যাখ্যা: এটি বিদ্যাপতির মৈথিলি ভাষায় রচিত একটি বিখ্যাত রাধা-কৃষ্ণের পদ। উদাহরণ ২: পিরিতি মকরন্দ রস সিন্ধু ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতির এই পদটি বাংলা বৈষ্ণব পদাবলীর ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিথিলার — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিদ্যাপতি মিথিলা অঞ্চলের অধিবাসী ও কবি ছিলেন। B) নবদ্বীপের — নবদ্বীপ চৈতন্যদেবের জন্মস্থান ও বৈষ্ণব ধর্মের কেন্দ্র হলেও বিদ্যাপতি এখানকার নন। C) বর্ধমানের — বর্ধমান পশ্চিমবঙ্গের একটি জেলা হলেও বিদ্যাপতির জন্ম বা কর্মস্থল এখানে ছিল না। D) বৃন্দাবনের — বৃন্দাবন রাধা-কৃষ্ণের লিলার স্থান হলেও বিদ্যাপতি বৃন্দাবনের কবি ছিলেন না। ৫. মনে রাখার টিপস: বিদ্যাপতি ও মিথিলা মনে রাখতে ম বর্ণ দুটিকে এক সঙ্গে মেলানো যায়। ম তে মিথিলা এবং ম তে মৈথিলি কোকিল বিদ্যাপতি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিদ্যাপতি বাংলা সাহিত্যের পদাবলীতে ব্রজবুলি ভাষার প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত। তিনি মিথিলার কবি হলেও তার পদগুলো বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অমূল্য সম্পদ।
a কালান্তর
b ডাকঘর
c বলাকা
d চিত্রা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কালান্তর ১. কেন সঠিক: কালান্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ। এই গ্রন্থে লেখকের বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রবন্ধ সংকলিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা, যিনি কবিতা, ছোটগল্প, নাটক ও উপন্যাসের পাশাপাশি বহু মূল্যবান প্রবন্ধ রচনা করেছেন। কালান্তর গ্রন্থটিতে মূলত বিশ শতকের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক সংকটের ওপর রবীন্দ্রনাথের চিন্তাধারা প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সভ্যতার সংকট ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা আরেকটি অত্যন্ত বিখ্যাত প্রবন্ধ, যা তার চিন্তাভাবনার পরিচয় দেয়। উদাহরণ ২: বীরপুরুষ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কবিতা, যা তার কাব্যপ্রতিভার নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কালান্তর — এটি একটি প্রবন্ধগ্রন্থ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে। B) ডাকঘর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত সাংকেতিক নাটক। C) বলাকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিশিষ্ট কাব্যগ্রন্থ। D) চিত্রা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম প্রধান কাব্যগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের প্রবন্ধগ্রন্থ মনে রাখার জন্য কালান্তর শব্দটি মাথায় রাখতে পারো, কারণ এটি তার অন্যতম প্রধান গদ্যসংকলন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের কাব্যগ্রন্থ এবং প্রবন্ধগ্রন্থ প্রায়ই গুলিয়ে যায়, তাই কাব্য ও প্রবন্ধের তালিকা আলাদা করে পড়তে হবে।
a শেখ মুজিবুর রহমান
b মুহাম্মদ আব্দুল হাই
c তাজউদ্দীন আহমদ
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শেখ মুজিবুর রহমান ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক ভ্রমণসাহিত্যমূলক গ্রন্থ। - 'নয়াচীন' বলতে মূলত সমাজতান্ত্রিক চীন ভ্রমণকে বোঝানো হয়েছে এবং এটি লেখকের চীন সফরের অভিজ্ঞতা থেকে রচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সংশ্লিষ্ট লেখক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৪ সালে চীন সফর করেন এবং সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এই গ্রন্থটি রচনা করেন। - বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি বাংলাদেশের আত্মজীবনী ও ভ্রমণসাহিত্যের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী ব্যাখ্যা: এটিও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত একটি বিশ্বখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: কারাগারের রোজনামচা ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর আরেকটি বিখ্যাত গ্রন্থ যা তাঁর কারাজীবনের দিনলিপি নিয়ে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেখ মুজিবুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ভ্রমণগ্রন্থটি তাঁরই চীন সফরের অভিজ্ঞতার ফসল। B) মুহাম্মদ আব্দুল হাই — ইনি একজন বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী ও সাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। C) তাজউদ্দীন আহমদ — ইনি বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় নেতা হলেও এই গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বিশ্বকবি ও নোবেলজয়ী সাহিত্যিক হলেও 'আমার দেখা নয়াচীন' তাঁর রচিত কোনো গ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নয়াচীন ভ্রমণের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম মনে রাখতে হবে কারণ তাঁর রচিত ভ্রমণসাহিত্য মাত্র একটিই আর তা হলো নয়াচীন। - আত্মজীবনীমূলক তিনটি প্রধান গ্রন্থের মধ্যে এটি ভ্রমণ বিষয়ের ওপর লেখা একমাত্র গ্রন্থ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বঙ্গবন্ধু রচিত গ্রন্থগুলোর নাম বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - তাঁর রচিত গ্রন্থ মোট তিনটি যথা অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়াচীন।

মোট প্রশ্ন (26)

a will go
b would have gone
c should go
d would go
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) would have gone কেন সঠিক: - এটি থার্ড কন্ডিশনাল বা অতীতকালের কাল্পনিক শর্ত বোঝানোর নিয়ম। - ইফ ক্লাজে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স থাকলে প্রধান ক্লাজে সাবজেক্টের পর would have, could have বা might have বসে এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will go — এটি ফার্স্ট কন্ডিশনালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেখানে প্রেজেন্ট টেন্সের সাথে ভবিষ্যৎকালের রূপ বসে। B) would have gone — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং থার্ড কন্ডিশনালের নিয়মকে নিখুঁতভাবে পূর্ণ করে। C) should go — এটি প্রেজেন্ট বা ফিউচার টেন্সের পরামর্শ বা সাধারণ অনির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, যা এখানে பொருந்தে না। D) would go — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেখানে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের সাথে would বসে। মনে রাখার টিপস: ইফ প্লাস পাস্ট পারফেক্ট সমান সাবজেক্ট প্লাস কুড হ্যাভ বা উড হ্যাভ প্লাস ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল।
a Classical poet
b Elizabethan poet
c Romantic poet
d Victorian poet
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Romantic poet কেন সঠিক: - উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ ১৭৮৯ সালের ফরাসি বিপ্লবের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে সাহিত্য রচনা করেছিলেন। - এস টি কোলরিজের সাথে যৌথভাবে প্রকাশিত লিরিক্যাল ব্যালাডস প্রকাশের মাধ্যমে তিনি ইংরেজি সাহিত্যে রোমান্টিক যুগের সূচনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Classical poet — ক্লাসিক্যাল যুগের লেখকরা শৃঙ্খলা ও বুদ্ধিবৃত্তিকে প্রাধান্য দিতেন, যা ওয়ার্ডসওয়ার্থের অনুভূতির স্বাধীনতার পরিপন্থী। B) Elizabethan poet — এলিজাবেথান যুগ মূলত ষোড়শ শতাব্দীর নাটক ও নাট্যসাহিত্যের জন্য পরিচিত, যা ওয়ার্ডসওয়ার্থের সময়ের বহু আগের ঘটনা। C) Romantic poet — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Victorian poet — ভিক্টোরিয়ান যুগ শুরু হয়েছিল ওয়ার্ডসওয়ার্থের জীবনের শেষভাগে, তাই তিনি এই যুগের কবি নন। মনে রাখার টিপস: প্রকৃতির কবি ওয়ার্ডসওয়ার্থ মানেই রোমান্টিক যুগ।
a fond, perform
b determined, undertake
c reluctant, entrust
d willing, ignore
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) determined, undertake কেন সঠিক: - determined অর্থ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বা দৃঢ়সংকল্প, যার পর infinitive verb (to undertake) বসে। - undertake any kind of work অর্থ যেকোনো কাজ দায়িত্ব নিয়ে করা, যা বাক্যের অর্থপূর্ণ সমাপ্তি ঘটায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) fond, perform — fond-এর পর সাধারণত gerund বসে, infinitive সরাসরি বসে না এবং অর্থ অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। B) determined, undertake — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ। C) reluctant, entrust — reluctant অর্থ অনিচ্ছুক, যার সাথে entrust (দায়িত্ব অর্পণ করা) শব্দটি বাক্যের ভাবের সাথে মিলে না। D) willing, ignore — willing ইচ্ছুক হলেও ignore (উপেক্ষা করা) শব্দ বসালে বাক্যের অর্থ নেতিবাচক ও ভুল দাঁড়ায়। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজের প্রতি দৃঢ় ইচ্ছা বা প্রতিজ্ঞা বোঝাতে determined-এর পরে to বসে এবং এরপর verb-এর base form ব্যবহৃত হয়।
a Fear of gravity
b Fear of pain
c Fear of spider
d Fear of dogs
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Fear of dogs কেন সঠিক: - Cynophobia হলো কুকুরের প্রতি অতিরিক্ত এবং অযৌক্তিক ভীতি। - গ্রিক শব্দ Cuno অর্থ কুকুর এবং Phobos অর্থ ভয় বা ভীতি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Fear of gravity — মাধ্যাকর্ষণের প্রতি ভীতিকে বলা হয় Barophobia। B) Fear of pain — ব্যথার প্রতি ভীতিকে বলা হয় Algophobia। C) Fear of spider — মাকড়সার প্রতি ভীতিকে বলা হয় Arachnophobia। D) Fear of dogs — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং একে Cynophobia বলা হয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দ Cynology মানে কুকুরের বিজ্ঞান বা বিদ্যা, তাই Cuno বা Cyn অংশ দেখলে কুকুর সম্পর্কিত বিষয় বুঝবে।
a on next Thursday
b at next Thursday
c in next Thursday
d next Thursday
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) next Thursday কেন সঠিক: - last, next, this, every ইত্যাদি শব্দগুলোর পূর্বে কোনো preposition (in, on, at) বসে না। - এখানে come back একটি verb এবং তার পর সরাসরি time marker হিসেবে next Thursday বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on next Thursday — দিন বা বারের নামের আগে on বসে, কিন্তু next থাকার কারণে কোনো preposition বসবে না। B) at next Thursday — নির্দিষ্ট সময়ের পয়েন্ট বোঝাতে at বসে, কিন্তু এখানে next থাকার কারণে তা ভুল। C) in next Thursday — মাসের বা বছরের নামের আগে in বসে, কিন্তু next থাকার কারণে এটি সঠিক নয়। D) next Thursday — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক কারণ time word-এর আগে অতিরিক্ত preposition বসে না। মনে রাখার টিপস: next, last, this, every শব্দের আগে prepositions ব্যবহার করবে না।
a Contrive
b Connive
c Unite
d Conspire
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Unite কেন সঠিক: - Consolidate শব্দের অর্থ হলো একত্রিত করা, শক্ত করা বা সংহত করা। - Unite শব্দের অর্থও একত্রিত হওয়া বা ঐক্যবদ্ধ করা, যা Consolidate শব্দের সবচেয়ে সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Contrive — এর অর্থ কোনো কিছু কৌশল করে তৈরি করা বা উদ্ভাবন করা, যা একত্রিত করার সমার্থক নয়। B) Connive — এর অর্থ কোনো অন্যায় কাজের সাথে গোপনে সহায়তা করা বা প্রশ্রয় দেওয়া, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Unite — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ একত্রিত করা বা সংহত করা। D) Conspire — এর অর্থ ষড়যন্ত্র করা বা গোপন অভিসন্ধি করা, যার সাথে মূল শব্দের অর্থের মিল নেই। মনে রাখার টিপস: Consolidate শব্দের ভেতরে solid কথাটি আছে, যার অর্থ শক্ত করা বা একত্রিত করে শক্ত অবস্থানে যাওয়া; আর Unite মানেও এক হওয়া।
a meet
b had met
c met
d would meet
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) had met কেন সঠিক: - নিয়ম অনুযায়ী, it is long since বা it was long since এর পরের ক্লজটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়। - প্রদত্ত বাক্যের প্রথম অংশ পাস্ট টেন্সে (it was long since) থাকায় পরের অংশে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স (had met) ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) meet — এটি প্রেজেন্ট ফর্ম, যা পাস্ট টেন্সের পরের ক্লজে বসে না। B) had met — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের নিয়ম মেনে চলে। C) met — এটি সিম্পল পাস্ট টেন্স, যা নিয়ম অনুযায়ী এখানে প্রযোজ্য নয়। D) would meet — এটি মডাল ভার্বের পাস্ট ফর্ম, যা এখানে অর্থ ও ব্যাকরণগতভাবে বেঠিক। মনে রাখার টিপস: It is long since বা It was long since এর পর সর্বদা পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়।
a Kamal takes pride for wealth
b Kamal takes pride at wealth
c Kamal takes pride from wealth
d Kamal takes pride in wealth
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Kamal takes pride in wealth কেন সঠিক: - ইংরেজি গ্রামারে 'take pride in' একটি সুনির্দিষ্ট ফ্রেড প্রিপজিশন, যার অর্থ গর্ববোধ করা। - এই বাক্যে pride নাউনের পর উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে ইন ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Kamal takes pride for wealth — প্রাইড এর পর ফর প্রিপজিশন ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) Kamal takes pride at wealth — এখানে এট প্রিপজিশনের ব্যবহার সঠিক ফ্রেড প্রিপজিশন গঠন করে না। C) Kamal takes pride from wealth — ফ্রম প্রিপজিশনটি এই নির্দিষ্ট কাঠামোর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) Kamal takes pride in wealth — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে ইন প্রিপজিশন সঠিকভাবে বসেছে। মনে রাখার টিপস: প্রাইড নাউনের সঙ্গে সবসময় ইন প্রিপজিশন বসে, তাই প্রাইড ইন হিসেবে মুখস্থ রাখলে ভুল হবে না।
a Subtly
b Trickery
c Simplicity
d Naive
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Trickery কেন সঠিক: - 'Subterfuge' শব্দটির বাংলা অর্থ ছলনা, প্রতারণা বা কৌশল, যা 'Trickery' শব্দের সমার্থক। - কোনো সত্য গোপন করার জন্য বা উদ্দেশ্য সাধনের জন্য ব্যবহৃত প্রতারণামূলক কৌশলকে 'subterfuge' বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Subtly — এর অর্থ সূক্ষ্মভাবে বা গভীরভাবে, যা কোনো প্রতারণা বা ছলনাকে বোঝায় না। B) Trickery — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রযোজ্য নয়। setC) Simplicity — এর অর্থ সরলতা, যা 'subterfuge' শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) Naive — এর অর্থ সহজসরল বা অমাঝাপাতা, যা কোনো বিশেষ প্রতারণামূলক কৌশল বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: 'Subterfuge' শব্দটিতে 'fuge' অংশ আছে যা থেকে ফন্দি বা ফিকির (Trickery) কথা মনে রাখা যায়।
a across
b through
c along
d over
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) along কেন সঠিক: - কোনো নদী, রাস্তা বা পথ বরাবর সমান্তরালভাবে হাঁটা বা চলা বোঝাতে প্রিপজিশন হিসেবে along ব্যবহৃত হয়। - নদীর তীর ঘেঁষে হাঁটার অর্থ প্রকাশ করায় এখানে along সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) across — এটি কোনো নদী বা রাস্তার এক পাশ থেকে অন্য পাশে পার হওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) through — এটি কোনো কিছুর ভেতর দিয়ে অতিক্রম করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা নদীর ক্ষেত্রে খাটে না। D) over — এটি কোনো কিছুর উপরে বা উচ্চতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা নদী বরাবর হাঁটার ক্ষেত্রে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: নদী, রাস্তা বা রেললাইন বরাবর পাশাপাশি চলা বোঝাতে always along ব্যবহার করবে।
a To concentrate
b To grasp the hidden meaning
c To read carefully
d To suspect
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) To grasp the hidden meaning কেন সঠিক: - এই ইডিওমটির আক্ষরিক অর্থ লাইনের মাঝখানে পড়া হলেও ভাবার্থ হলো কোনো লেখার ভেতরের গভীর বা অন্তর্নিহিত অর্থ খুঁজে বের করা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ফ্রেজ ও ইডিওম প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বুদ্ধিমত্তা ও ভাষার গভীর জ্ঞান যাচাইয়ের জন্য আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To concentrate — এটি কোনো বিষয়ের প্রতি গভীর মনোযোগ দেওয়া বোঝায়, যা এই ইডিওমের অন্তর্নিহিত অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) To grasp the hidden meaning — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ভাব প্রকাশ করে। C) To read carefully — এটি খুব মনোযোগ দিয়ে সাধারণ পাঠ পড়া বোঝায়, কিন্তু লুকানো অর্থ উদ্ধার করা বোঝায় না। D) To suspect — এর অর্থ সন্দেহ করা, যা এই ইডিওমের ব্যাখ্যার সম্পূর্ণ বাইরে। মনে রাখার টিপস: লাইন দুটির মাঝের ফাঁকা জায়গায় চোখ বুলিয়ে লুকিয়ে থাকা কথা খুঁজে বের করাই হলো টু রিড বিটুইন দ্য লাইনস।
a poetry
b novels
c prose
d plays
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) plays কেন সঠিক: - উইলিয়াম শেকসপিয়র মূলত একজন নাট্যকার হিসেবে বিশ্বজুড়ে সর্বাধিক পরিচিত ও সমাদৃত। - তাঁর রচিত নাটকগুলো বিশ্বসাহিত্যের অনন্য সম্পদ এবং এর মধ্যে ট্র্যাজেডি ও কমেডিগুলো সবচেয়ে বিখ্যাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) poetry — তিনি সনেট ও কবিতা লিখলেও প্রধানত নাট্যকার হিসেবেই তিনি ইতিহাসে সর্বাধিক খ্যাতি অর্জন করেছেন। B) novels — শেকসপিয়র কোনো উপন্যাস লেখেননি, তিনি মূলত নাটক ও কবিতা রচনা করেছেন। C) prose — তাঁর সাহিত্যকর্ম মূলত পদ্যে রচিত নাটক ও কবিতার অন্তর্ভুক্ত, গদ্য রচনার জন্য তিনি পরিচিত নন। D) plays — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি অমর সব নাটক রচনা করে নাট্যসাহিত্যের শীর্ষস্থান দখল করেছেন। মনে রাখার টিপস: শেকসপিয়র মানেই নাটক মনে রাখবে, কারণ তিনি বিশ্বসাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে পরিচিত।
a used to
b everyday
c always
d today
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) always কেন সঠিক: - বাক্যে খারাপ আবহাওয়ার সময়ে বাসটি দেরিতে আসার একটি নিয়মিত অভ্যাসের কথা বলা হয়েছে, যা বোঝাতে Adverb of Frequency ব্যবহার করা হয়েছে। - Present Indefinite Tense-এর বাক্যে Subject-এর পরে এবং মূল Verb-এর আগে 'always' বসে নিয়মিত ঘটনা প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) used to — এটি অতীতকালের অভ্যাসের ক্ষেত্রে বসে, কিন্তু এখানে মূল Verb 'arrives' Present Tense-এ আছে। B) everyday — এটি একটি Adverbial phrase যা সাধারণত বাক্যের শেষে বসে, কিন্তু শূন্যস্থানটি Verb-এর আগে রয়েছে। C) always — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। D) today — এটি নির্দিষ্ট আজকের দিন বোঝায়, যা বাক্যের সাধারণ বা নিয়মিত সত্য প্রকাশ করার নিয়মের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Present Indefinite Tense-এ নিয়মিত বা ঘনঘন ঘটে এমন কাজের ক্ষেত্রে Subject এবং Verb-এর মাঝে 'always' ব্যবহার করা হয়।
a spectrums
b spectram
c species
d image
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (ইংরেজি বহুবচন বা Plural) সঠিক উত্তর: A) spectrums কেন সঠিক: - ল্যাটিন বা গ্রিক মূলের কিছু শব্দ ইংরেজি ভাষায় ব্যবহারের ক্ষেত্রে আধুনিক নিয়মে সাধারণ ইংরেজি বহুবচন এস বা ইএস যুক্ত করে গঠিত হয়। - স্পেকট্রাম শব্দের আধুনিক ও বহুল ব্যবহৃত বহুবচন রূপ হলো স্পেকট্রামস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) spectrums — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ আধুনিক ইংরেজিতে এটিই স্ট্যান্ডার্ড বহুবচন। B) spectram — এটি একটি বানানগত ভুল এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। C) species — এটি একটি ভিন্ন শব্দ যার একবচন ও বহুবচন রূপ একই এবং এর অর্থ প্রজাতি। D) image — এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থের একটি শব্দ যার বহুবচন ইমেজেস। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ভাষায় অনেক ল্যাটিন শব্দের বহুবচনে আধুনিক নিয়মে এস যুক্ত হয়, তাই স্পেকট্রামের সঙ্গে এস যোগ করে স্পেকট্রামস মনে রাখবে।
a is
b was
c been
d being
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) being কেন সঠিক: - বাক্যটিতে কোনো Finite Verb বা সমাপিকা ক্রিয়া নেই এবং দুটি Clause কমা দ্বারা যুক্ত হয়ে Absolute Phrase গঠন করেছে। - আলাদা Subject থাকা সত্ত্বেও প্রথম অংশে Participle ব্যবহার করে Simple Sentence গঠন করার নিয়ম অনুযায়ী এখানে being ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি Present Indefinite Tense-এর Finite Verb, যা কমা দিয়ে দুটি স্বাধীন ক্লজ যুক্ত করতে পারে না। B) was — এটি Past Indefinite Tense-এর Finite Verb, যা এখানে বসালে বাক্যে দুটি সমাপিকা ক্রিয়া ভুলভাবে চলে আসে। C) been — এটি Verb-এর Past Participle রূপ, যা auxiliary verb ছাড়া একা কোনো ক্লজে মূল verb হিসেবে বসতে পারে না। D) being — এটি সঠিক কারণ এটি Present Participle হিসেবে Absolute Phrase গঠন করে বাক্যটিকে grammatically সঠিক করেছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যের দুটি অংশের Subject আলাদা হলে এবং মাঝখানে conjunction না থাকলে, Be verb-এর স্থানে being বসিয়ে Simple Sentence তৈরি করতে হয়।
a English
b German
c Dutch
d French
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) French কেন সঠিক: - 'Bureau' শব্দটির উৎপত্তি ফরাসি ভাষা থেকে, যার প্রাথমিক অর্থ ছিল পশমি কাপড়ের ঢাকনা বা লেখার টেবিল। - ইংরেজি ভাষায় বিভিন্ন ভাষার শব্দের মতোই এটি ফরাসি ভাষা থেকে সরাসরি গৃহিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) English — এটি ইংরেজি ভাষার নিজস্ব কোনো মৌলিক শব্দ নয়, বরং অন্য ভাষা থেকে ধার করা শব্দ। B) German — এটি জার্মান ভাষা থেকে আসেনি, তাই এটি সঠিক নয়। C) Dutch — ওলন্দাজ বা ডাচ ভাষা থেকে এই শব্দটি বাংলায় বা ইংরেজিতে আসেনি। D) French — এটি ফরাসি ভাষার শব্দ এবং প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: ফরাসি ভাষার যে শব্দগুলোর শেষে 'eau' থাকে, সেগুলোর বেশিরভাগই ফরাসি উৎস থেকে ইংরেজিতে এসেছে যেমন bureau বা table।
a had
b to change
c to be admitted
d if
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) to change কেন সঠিক: - বাক্যে 'had better' একটি মডাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যার পর সরাসরি মূল ভার্বের বেস ফর্ম বসে। - 'had better' এর পরে কোনো ইনফিনিটিভ 'to' বা অন্য কোনো অতিরিক্ত শব্দ বসার নিয়ম নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had — এটি 'had better' কাঠামোর সঠিক অংশ যা পরামর্শ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এখানে এর ব্যবহার সঠিক। B) to change — এটি ভুল কারণ 'had better' এর পরে 'to' যুক্ত ভার্ব বসতে পারে না, কেবল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসে। C) to be admitted — এই অংশটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির উদ্দেশ্য বোঝাতে সঠিক ইনফিনিটিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। D) if — এটি শর্তবাচক কনজাংশন হিসেবে সঠিকভাবে দুটি ক্লজকে যুক্ত করেছে এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ত্রুটি নেই। মনে রাখার টিপস: 'had better' দেখলে মনে রাখবে এর পরে শুধু মূল ভার্ব বসে, কোনো 'to' বসে না।
a for
b with a view to
c on
d to
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) with a view to কেন সঠিক: - with a view to এর অর্থ হলো কোনো উদ্দেশ্যে বা কোনো কিছু করার জন্য। - এই ফ্রেমওয়ার্কের পরে মূল ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়, যা এখানে succeeding শব্দের মাধ্যমে সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — for এর পরে সাধারণ ভার্বের সাথে ing বসলেও এর অর্থ প্রেক্ষাপটে পুরোপুরি মানানসই হয় না। B) with a view to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) on — on এর পরে succeeding বসলে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। D) to — একা to এর পরে সাধারণত ভার্বের বেজ ফর্ম বসে, কিন্তু এখানে succeeding থাকায় এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: with a view to এর পরে எப்போதும் ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়।
a Please
b Praise
c Belittle
d Denigrate
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Praise কেন সঠিক: - Disparage শব্দটির অর্থ অবমূল্যায়ন করা, হেয় করা বা নিন্দা করা। - এর বিপরীত বা অ্যান্টোনিম হলো প্রশংসা করা বা গুণগান করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Please — এর অর্থ খুশি করা, যা disparage শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক নয়। B) Praise — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ প্রশংসা করা, যা disparage শব্দের বিপরীত। C) Belittle — এর অর্থ ছোট করা বা হেয় করা, যা disparage শব্দের সমার্থক বা সিনোনিম। D) Denigrate — এর অর্থ কলঙ্কিত করা বা নিন্দা করা, যা disparage শব্দের সমার্থক বা সিনোনিম। মনে রাখার টিপস: Disparage মানে ডিসলাইক করে ছিপ ফেলে ছোট করা, আর Praise মানে প্রশংসা করে হাততালি দেওয়া।
a a
b an
c the
d no article
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an কেন সঠিক: - honorary শব্দটির শুরুতে h থাকা সত্ত্বেও এর উচ্চারণ অ দিয়ে শুরু হয়। - উচ্চারণ স্বরবর্ণের মতো হওয়ায় এর পূর্বে a এর পরিবর্তে an বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ দিয়ে শুরু শব্দের পূর্বে বসে, তাই honorary শব্দের পূর্বে বসবে না। B) an — সঠিক উত্তর কারণ এটি স্বরবর্ণের উচ্চারণের নিয়ম মেনে চলে। C) the — নির্দিষ্ট করে কোনো পদ বোঝাতে এটি বসে, কিন্তু এখানে সাধারণ একটি পদ বোঝানো হয়েছে। D) no article — শূন্যস্থান সঠিক রাখতে একটি আর্টিকেল প্রয়োজন, তাই এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দের শুরুতে h থাকলেও উচ্চারণের সময় যদি অ বা আ এর মতো স্বরধ্বনি আসে, তবে a না বসিয়ে an বসাতে হবে।
a Shall not we?
b Shall we?
c Shan't we
d None
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Shall we? কেন সঠিক: - ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী Let us বা Let's দিয়ে প্রস্তাব বা সূচনা বোঝানো হলে প্রশ্ন ট্যাগ বা Question Tag হিসেবে সবসময় Shall we ব্যবহার করতে হয়। - এটি একটি নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত নিয়ম যা স্পিকারের প্রস্তাবের সাথে শ্রোতার সম্মতি নেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shall not we? — Let us বাক্যের ক্ষেত্রে প্রশ্ন ট্যাগে নেতিবাচক বা Shall not we ব্যবহার করার নিয়ম নেই। B) Shall we? — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) Shan't we — Let us বাক্যের ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত রূপ Shan't we ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। D) None — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যটি Let us দিয়ে শুরু হলে চোখ বন্ধ করে প্রশ্ন ট্যাগে Shall we বসিয়ে দেবে।
a Adverb
b Adjective
c Verb
d Noun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Adjective কেন সঠিক: - Noun এর সাথে ly যুক্ত হলে সাধারণত তা Adjective হয়, এখানে Beggar একটি Noun যার সাথে ly যুক্ত হয়ে Adjective হয়েছে। - এটি বাক্যে Noun এর পূর্বে বসে তার দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adverb — এটি Verb, Adjective বা অন্য Adverb কে modify করে, কিন্তু beggar একটি Noun তাই এটি Adverb নয়। B) Adjective — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ beggar Noun এর সাথে ly যুক্ত হয়ে Adjective গঠিত হয়েছে। C) Verb — এটি কোনো কাজ বোঝায় না, তাই এটি Verb হতে পারে না। D) Noun — beggar নিজে Noun হলেও beggarly রূপটি Adjective হিসেবে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: Noun + ly = Adjective (যেমন: Man + ly = Manly, Friend + ly = Friendly)।
a Freshner
b Forlorn
c Foreign
d Fruity
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Freshner কেন সঠিক: - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক, কারণ ইংরেজিতে Freshner বলে কোনো শব্দ নেই। - সঠিক বানান হলো Fresher, যার অর্থ অধিকতর সতেজ বা নতুন ব্যক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Freshner - এটি ভুল বানান, এর সঠিক রূপ হলো Fresher এবং এটি এই প্রশ্নের কাঙ্ক্ষিত উত্তর। B) Forlorn - এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ উপেক্ষিত বা সহায়হীন। C) Foreign - এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ বিদেশি। D) Fruity - এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ ফলমূল সংক্রান্ত বা ফলযুক্ত। মনে রাখার টিপস: Fresh শব্দের সাথে er যুক্ত করে তুলনামূলক ডিগ্রি বা নতুন বোঝাতে Fresher লেখা হয়, মাঝে কোনো n বসে না।
a He said that he would go home the next day.
b He said that he would go home tomorrow.
c He said that he would have gone home the next day.
d He said that he should go home tomorrow.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He said that he would go home the next day. কেন সঠিক: - রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট টেন্স হওয়ায় ইনডাইরেক্ট ন্যারেশনে শ্যাল পরিবর্তন হয়ে উড হয়। - ডাইরেক্ট ন্যারেশনের টুমরো পরিবর্তন হয়ে ইনডাইরেক্ট ন্যারেশনে দ্য নেক্সট ডে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He said that he would go home the next day. — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। B) He said that he would go home tomorrow. — টুমরো অপরিবর্তিত রাখায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে। C) He said that he would have gone home the next day. — মূল বাক্যের টেন্স পরিবর্তন না করে অতিরিক্ত পারফেক্ট টেন্স আনা হয়েছে। D) He said that he should go home tomorrow. — শ্যাল-এর পরিবর্তে সুড ব্যবহার করা হয়েছে এবং টুমরো অপরিবর্তিত আছে। মনে রাখার টিপস: ন্যারেশন পরিবর্তনের সময় টুমরো থাকলে দ্য নেক্সট ডে এবং শ্যাল থাকলে উড লিখতে হয়।
a By whom she was taught grammar?
b By whom was she taught grammar?
c She was taught grammar by who?
d Who was she taught grammar by?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) By whom was she taught grammar? কেন সঠিক: - Who যুক্ত ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সকে প্যাসিভ করার সময় প্রথমে By whom বসে এবং টেন্স ও পার্সন অনুযায়ী সাহায্যকারী ভার্ব বসে। - পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সের এই বাক্যে সাবজেক্ট she এর পূর্বে সাহায্যকারী ভার্ব was এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল taught বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom she was taught grammar? — এটি ভুল কারণ সাহায্যকারী ভার্ব was সাবজেক্ট she এর পূর্বে বসেনি, যা প্রশ্নবোধক বাক্যের নিয়ম লঙ্ঘন করে। B) By whom was she taught grammar? — এটি সঠিক উত্তর। C) She was taught grammar by who? — এটি ভুল কারণ বাক্যের শুরুতে who এর পরিবর্তে By whom বসা উচিত ছিল এবং এটি প্রশ্নবোধক গঠন মেনে চলেনি। D) Who was she taught grammar by? — এটি কথ্য রূপ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় By whom দিয়ে শুরু করা অপশনটিকে ব্যাকরণগতভাবে সবচেয়ে নিখুঁত ধরা হয়। মনে রাখার টিপস: Who যুক্ত Active Voice-কে Passive করার সময় শুরুতে By whom বসবে এবং তারপরে টেন্স অনুযায়ী auxiliary verb ও subject বসবে।
a Discern
b Violate
c Obey
d Await
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Discern কেন সঠিক: - 'Make out' একটি ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ কোনো কিছু স্পষ্টভাবে দেখা, শোনা বা বোঝা। - প্রদত্ত বাক্যে বৃষ্টির কারণে ট্রাফিক সাইনগুলো কষ্ট করে দেখা বা শনাক্ত করার কথা বলা হয়েছে, যা 'Discern' বা স্পষ্টভাবে অনুধাবন করার সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Discern — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ স্পষ্টভাবে উপলব্ধি করা বা দেখা। B) Violate — এর অর্থ লঙ্ঘন করা, যা এই বাক্যের অর্থ বা ট্রাফিক সাইন দেখার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) Obey — এর অর্থ মান্য করা, যা ট্রাফিক সাইন দেখার প্রক্রিয়ার সঙ্গে মিলে না। D) Await — এর অর্থ অপেক্ষা করা, যা দৃষ্টিশক্তি বা অনুধবনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: 'Make out' মানে ঝাপসা কিছু থেকেও কিছু 'আউট' বা বের করে আনা বা স্পষ্ট দেখা, যার সঙ্গে 'Discern' শব্দের মিল আছে।

মোট প্রশ্ন (20)

a ৩৬০°
b ২৭০°
c ৯০°
d ১৮০°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮০° প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ভেতরে একটি চতুর্ভুজ অবস্থিত বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বিপরীত কোণগুলো বিবেচনা করতে হবে ধরি, বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের একটি কোণ = ক এর বিপরীত কোণটি = খ অতএব, উপপাদ্য অনুসারে বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বিপরীত কোণ দুটির যোগফল দুই সমকোণের সমান সুতরাং, ক + খ = ১৮০° উত্তর: ১৮০°
a ৭ ও ১১
b ১২ ও ১৮
c ১০ ও ২৮
d ১০ ও ১৬
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০ ও ১৬ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৮ উভয়ের সাথে ২ যোগ করলে অনুপাত ২ : ৩ হয় ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৫ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৮ক অতএব, শর্তমতে, (৫ক + ২) ÷ (৮ক + ২) = ২ ÷ ৩ বা, ৩ × (৫ক + ২) = ২ × (৮ক + ২) বা, ১৫ক + ৬ = ১৬ক + ৪ সুতরাং, ১৬ক − ১৫ক = ৬ − ৪ ক = ২ উত্তর: সংখ্যা দুটি হলো ৫ × ২ = ১০ এবং ৮ × ২ = ১৬
a (M + N)/2
b (PM + QN)/2
c (PM + QN)/(P + Q)
d (PM + QN)/(M + N)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (PM + QN)/(P + Q) প্রদত্ত তথ্য: P সংখ্যক সংখ্যার গড় M এবং Q সংখ্যক সংখ্যার গড় N ধরি, P সংখ্যক সংখ্যার সমষ্টি = P × M Q সংখ্যক সংখ্যার সমষ্টি = Q × N অতএব, সবগুলি সংখ্যার মোট পরিমাণ = P + Q সবগুলি সংখ্যার মোট সমষ্টি = (P × M) + (Q × N) সুতরাং, সবগুলি সংখ্যার গড় = ((P × M) + (Q × N)) ÷ (P + Q) উত্তর: (PM + QN) / (P + Q)
a 1/3 অংশ
b 2/3 অংশ
c 1/8 অংশ
d 3/8 অংশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১/৩ অংশ প্রদত্ত তথ্য: সময় দেওয়া আছে ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট মোট সময় দেওয়া আছে ৪ ঘণ্টা ধরি, ১ ঘণ্টাকে মিনিটে প্রকাশ করতে হবে ২০ মিনিটকে একইভাবে রাখতে হবে অতএব, ১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট = ৬০ মিনিট + ২০ মিনিট = ৮০ মিনিট ৪ ঘণ্টা = ৪ × ৬০ মিনিট = ২৪০ মিনিট সুতরাং, অংশ বের করতে হবে ৮০ মিনিট ÷ ২৪০ মিনিট উত্তর: ১/৩ অংশ
a 25
b 30
c 46028
d 46027
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৬০২৮ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, a + (১ ÷ a) = ৫ ধরি, a এর মান থেকে সমীকরণটি সমাধান করতে হবে হর এবং লব উভয় পক্ষকে a দ্বারা ভাগ করি অতএব, লব = a ÷ a = ১ হর = (a² + a + ১) ÷ a = a + ১ + (১ ÷ a) হর = [a + (১ ÷ a)] + ১ সুতরাং, মান বসিয়ে পাই, হর = ৫ + ১ = ৬ ভগ্নাংশটি দাঁড়ায়, ১ ÷ ৬ উত্তর: এই প্রশ্নে প্রদত্ত অপশন বা মানের সাথে কিছুটা মুদ্রণজনিত ত্রুটি থাকতে পারে, তবে স্বাভাবিক নিয়মে এর মান হয় ১ ÷ ৬।
a ১৬ সমকোণ
b ১২ সমকোণ
c ৮ সমকোণ
d ৬ সমকোণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২ সমকোণ প্রদত্ত তথ্য: বহুভুজটি একটি অষ্টভুজ বাহুর সংখ্যা আট ধরি, বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = ৮ অতএব, অন্তঃস্থ কোণগুলোর সমষ্টির সূত্র = (২ × বাহুর সংখ্যা − ৪) সমকোণ সুতরাং, অন্তঃস্থ কোণগুলোর সমষ্টি = (২ × ৮ − ৪) সমকোণ = (১৬ − ৪) সমকোণ = ১২ সমকোণ উত্তর: ১২ সমকোণ
a ১৭৬ বর্গ সে. মি.
b ১৫৪ বর্গ সে. মি.
c ১৪৪ বর্গ সে. মি.
d ১৩২ বর্গ সে. মি.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫৪ বর্গ সে. মি. প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধি = ৮৮ সে. মি. আমরা জানি, বৃত্তের পরিধি = ২ × π × ব্যাসার্ধ ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r সে. মি. π এর মান = ২২ ÷ ৭ অতএব, ২ × (২২ ÷ ৭) × r = ৮৮ (৪৪ ÷ ৭) × r = ৮৮ সুতরাং, r = ৮৮ × (৭ ÷ ৪৪) r = ১৪ সে. মি. উত্তর: বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × r × r = (২২ ÷ ৭) × ১৪ × ১৪ = ১৫৪ বর্গ সে. মি.
a (13/12) log_e x
b (1/2) log_e x
c log_e x
d log_e √x
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (১৩/১২) log_e x প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো log_e √x + log_e ∛x + log_e ⁶√x ধরি, √x কে লেখা যায় x এর পাওয়ার (১/২) ∛x কে লেখা যায় x এর পাওয়ার (১/৩) অতএব, ⁶√x কে লেখা যায় x এর পাওয়ার (১/৬) লগারিদমের নিয়ম অনুযায়ী পাওয়ার সামনে চলে আসে সুতরাং, (১/২) log_e x + (১/৩) log_e x + (১/৬) log_e x উত্তর: log_e x কমন নিয়ে যোগ করলে পাই (১৩/১২) log_e x
a 2
b 1
c 0
d 3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০ প্রদত্ত তথ্য: x বর্গ + ১ = √২ x ধরি, প্রদত্ত সমীকরণটি হলো x বর্গ + ১ = √২ x অতএব, সমীকরণের উভয় পক্ষকে x দ্বারা ভাগ করে পাই, x + (১ ÷ x) = √২ সুতরাং, উভয় পক্ষকে বর্গ করে পাই, x + (১ ÷ x) বর্গ = (√২) বর্গ অতএব, x বর্গ + (১ ÷ x বর্গ) + ২ = ২ সুতরাং, x বর্গ + (১ ÷ x বর্গ) = ২ − ২ উত্তর: ০
a 5500
b 5050
c 5005
d 550
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫০৫০ প্রদত্ত তথ্য: ধারাবাহিক স্বাভাবিক সংখ্যা ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত যোগ করতে হবে ধরি, প্রথম পদ = ১ শেষ পদ = ১০০ পদসংখ্যা = ১০০ অতএব, যোগফলের সূত্র হলো পদসংখ্যা গুণ প্রথম পদ যোগ শেষ পদ ভাগ দুই সুতরাং, ১০০ গুণ (১ + ১০০) ÷ ২ = ১০০ গুণ ১০১ ÷ ২ উত্তর: ৫০৫০
a 0.03
b 0.3
c 1/3
d 2/3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২/৩ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে ধরি, সংখ্যাগুলোকে দশমিকে রূপান্তর করতে হবে অতএব, প্রথম সংখ্যা = ০.০৩ দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.৩ তৃতীয় সংখ্যা = ১ ÷ ৩ = ০.৩৩ চতুর্থ সংখ্যা = ২ ÷ ৩ = ০.৬৭ সুতরাং, সবচেয়ে বড় দশমিক মান হলো ০.৬৭ উত্তর: ২/৩
a অর্ধবৃত্তস্থ কোণ এক সরল কোণের সমান
b অর্ধবৃত্তস্থ কোণ সমকোণের সমান
c অর্ধবৃত্তস্থ কোণের কোন নির্দিষ্ট আকার নেই
d অর্ধবৃত্তস্থ কোণ সর্বদাই একটি সূক্ষ্মকোণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্ধবৃত্তস্থ কোণ সমকোণের সমান প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসের উপর অঙ্কিত কোণ হলো অর্ধবৃত্তস্থ কোণ বৃত্তের কেন্দ্র সংলগ্ন কোণ এবং বৃত্তস্থ কোণের সম্পর্ক প্রযোজ্য ধরি, বৃত্তের একটি ব্যাস এবং তার উপর একটি অর্ধবৃত্ত গঠিত হলো পরিধিথস্থ কোনো বিন্দুতে ব্যাসের প্রান্তবিন্দু দুটি যুক্ত করা হলো অতএব, কেন্দ্রে উৎপন্ন সরল কোণ বা একশত আশি ডিগ্রি হলো মূল কোণ পরিধিস্থ কোণটি কেন্দ্রের কোণের অর্ধেক হয় সুতরাং, অর্ধবৃত্তস্থ কোণের পরিমাপ একশত আশি ডিগ্রির অর্ধেক অর্থাৎ নব্বই ডিগ্রি হয় উত্তর: নব্বই ডিগ্রি বা এক সমকোণ
a ∛8
b √12
c √18
d ∛27
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ∛৮ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে এর মধ্যে কোনটি অমূলদ নয় অর্থাৎ মূলদ তা নির্ণয় করতে হবে ধরি, সংখ্যাগুলো হলো ৩ এর ঘনমূল ৮, বর্গমূল ১২, বর্গমূল ১৮ এবং ৩ এর ঘনমূল ২৭ প্রতিটি সংখ্যার মান আলাদাভাবে সরল করতে হবে অতএব, ৩ এর ঘনমূল ৮ এর মান হলো ২ কারণ ২ গুণ ২ গুণ ২ সমান ৮ বর্গমূল ১২ কে পূর্ণ সংখ্যায় প্রকাশ করা যায় না বর্গমূল ১৮ কে পূর্ণ সংখ্যায় প্রকাশ করা যায় না ৩ এর ঘনমূল ২৭ এর মান হলো ৩ কারণ ৩ গুণ ৩ গুণ ৩ সমান ২৭ সুতরাং, এখানে অপশন এ এবং ডি উভয় সংখ্যাই পূর্ণ ফল দেয় উত্তর: A) ∛৮
a 60
b 62
c 64
d 68
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৪ প্রদত্ত তথ্য: গসাগু = ১৬ লসাগু = ১৯২ একটি সংখ্যা = ৪৮ ধরি, অপর সংখ্যাটি = ক আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = গসাগু × লসাগু অতএব, ৪৮ × ক = ১৬ × ১৯২ ক = (১৬ × ১৯২) ÷ ৪৮ সুতরাং, ক = ৩o৭২ ÷ ৪৮ উত্তর: ৬৪
a উপসেট (sub set)
b অসীম সেট (Infinite set)
c ফাঁকা সেট (Null set)
d শক্তি সেট (Power set)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফাঁকা সেট (Null set) প্রদত্ত তথ্য: সেটের শর্ত হলো x কিউব সমান নয় এবং x একটি জোড় সংখ্যা ধরি, x একটি জোড় সংখ্যা যেমন দুই বা চার অতএব, দুই এর কিউব সমান আট হয় যা নয় এর সমান নয় চার এর কিউব চৌষট্টি হয় যা নয় এর সমান নয় সুতরাং, শর্ত পূরণ করার মতো কোনো সংখ্যা পাওয়া সম্ভব নয় উত্তর: ফাঁকা সেট
a 2ⁿ - 1
b 2ⁿ⁻¹ - 2
c 1 - 2ⁿ
d 46055
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ⁿ − ১ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি একটি গুণোত্তর ধারা প্রথম পদ, ক = ১ সাধারণ অনুপাত, র = ২ ÷ ১ = ২ ধরি, পদসংখ্যা = n অতএব, সমষ্টির সূত্র প্রয়োগ করি সমষ্টি = ক(রⁿ − ১) ÷ (র − ১) সুতরাং, মান বসিয়ে পাই ১(২ⁿ − ১) ÷ (২ − ১) উত্তর: ২ⁿ − ১
a 1
b 0
c log (c/a)
d 2log_a (c)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২log_a (c) প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো log_a (২) × log_২ (৪) × log_২ (c) ধরি, প্রথম অংশ হলো log_a (২) দ্বিতীয় অংশ হলো log_২ (৪) তৃতীয় অংশ হলো log_২ (c) অতএব, log_a (২) কে লেখা যায় log_a (২) log_২ (৪) এর মান হলো ২ কারণ ২ এর পাওয়ার ২ সমান ৪ সুতরাং, রাশিটি দাঁড়ায় log_a (২) × ২ × log_২ (c) লগ এর সূত্র অনুযায়ী log_a (২) × log_২ (c) সমান log_a (c) উত্তর: ২log_a (c)
a 46030
b 27√3
c 8
d 4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর ভিত্তি হলো √৩ এবং সংখ্যাটি হলো ৮১ ধরি, লগ এর মানটি হলো x অতএব, (√৩) এর ওপর পাওয়ার x সমান ৮১ সুতরাং, (৩ এর ওপর পাওয়ার ১÷২) এর ওপর পাওয়ার x সমান ৩ এর ওপর পাওয়ার ৪ উত্তর: ৮
a 52
b 64
c 76
d 80
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫২ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, x + (১ ÷ x) = ৪ আমাদের মান বের করতে হবে x³ + (১ ÷ x³) এর ধরি, বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করে আমরা পাই x³ + (১ ÷ x³) = (x + (১ ÷ x))³ − ৩ × (x + (১ ÷ x)) অতএব, এখন x + (১ ÷ x) এর মান ৪ বসিয়ে পাই (৪)³ − ৩ × ৪ সুতরাং, (৪)³ এর মান ৬৪ এবং ৩ × ৪ এর মান ১২ এখন ৬৪ থেকে ১২ বিয়োগ করতে হবে উত্তর: ৫২
a 1.9
b 0.9
c 0.99
d 1.01
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.৯৯ প্রদত্ত তথ্য: ৫/৭ × ৭/৫ ÷ ১ − ০.০১ ধরি, প্রথম অংশ = ৫/৭ × ৭/৫ দ্বিতীয় অংশ = ১ অতএব, ৫/৭ × ৭/৫ এর মান = ১ ১ ÷ ১ এর মান = ১ সুতরাং, ১ থেকে ০.০১ বিয়োগ করতে হবে উত্তর: ১ − ০.০১ = ০.৯৯

মোট প্রশ্ন (20)

a রিফাত বিন সাত্তার
b এনামুল হক রাজীব
c নিয়াজ মোর্শেদ
d জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিয়াজ মোর্শেদ কেন সঠিক: - নিয়াজ মোর্শেদ বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার এবং তিনি দক্ষিণ এশিয়ারও প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জনকারী দাবাড়ু। - তিনি ১৯৮৮ সালে আন্তর্জাতিক দাবা সংস্থা ফিদে থেকে গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিফাত বিন সাত্তার — তিনি বাংলাদেশের একজন গ্র্যান্ডমাস্টার হলেও প্রথম নন, তিনি পরে এই খেতাব অর্জন করেন। B) এনামুল হক রাজীব — তিনি বাংলাদেশের একজন গ্র্যান্ডমাস্টার, তবে তিনি নিয়াজ মোর্শেদের অনেক পরে এই খেতাব পান। C) নিয়াজ মোর্শেদ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) জিয়াউর রহমান — তিনি বাংলাদেশের অন্যতম সেরা গ্র্যান্ডমাস্টার হলেও নিয়াজ মোর্শেদের পরে এই খেতাব অর্জন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: দাবায় প্রথম খেতাব পাওয়া মানেই নিয়াজ, কারণ তিনি দেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার।
a ৪ জানুয়ারি, ১৯৭১
b ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
c ৪ মার্চ, ১৯৭২
d ৪ এপ্রিল, ১৯৭২
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ মার্চ, ১৯৭২ কেন সঠিক: - স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম কাগজের নোট বা ব্যাংকনোট আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয় ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ। - ওই দিন বাংলাদেশ ব্যাংক ১ টাকা ও ১০০ টাকার নোট প্রথম বাজারে ছাড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ জানুয়ারি, ১৯৭১ — এই তারিখে বাংলাদেশে কোনো কাগজের নোট চালু হয়নি, এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের আগের একটি সাধারণ দিন। B) ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের কাগজ নোট চালুর সঠিক তারিখ নয়, এটি নোট চালুর ঠিক এক মাস আগের একটি তারিখ। C) ৪ মার্চ, ১৯৭২ — এটিই বাংলাদেশের প্রথম কাগজের নোট চালুর সঠিক ও ঐতিহাসিক তারিখ। D) ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ — এই তারিখে নোট চালু হয়নি, এটি বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পরের একটি ভিন্ন তারিখ। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে প্রথম কাগজের নোট হাতে পায় বাঙালি।
a থিম্পু
b কাঠমুণ্ডু
c নয়াদিল্লি
d ইসলামাবাদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নয়াদিল্লি কেন সঠিক: - সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অবস্থিত। - এই কেন্দ্রটি দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) সদস্য দেশগুলোতে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থিম্পু — এটি ভুটানের রাজধানী এবং এখানে সার্কের অন্য কোনো আঞ্চলিক কেন্দ্র অবস্থিত নয়। B) কাঠমুণ্ডু — এটি নেপালের রাজধানী এবং সার্কের মূল সচিবালয় এখানে অবস্থিত, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র নয়। C) নয়াদিল্লি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) ইসলামাবাদ — এটি পাকিস্তানের রাজধানী এবং এখানে সার্কের মানব সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: দুর্যোগ মানে বিপদ আর নয়াদিল্লি বড় শহর, তাই বিপদ ব্যবস্থাপনার বড় কেন্দ্রটি ভারতেই অবস্থিত।
a শামীম শিকদার
b হামিদুজ্জামান খান
c মোস্তফা হারুন কুদ্দুস
d মঈনুল হোসেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মোস্তফা হারুন কুদ্দুস কেন সঠিক: - ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের মূল নকশাবিদ ও স্থপতি হলেন মোস্তফা হারুন কুদ্দুস। - তার এই নান্দনিক ও তাৎপর্যপূর্ণ স্থাপত্য নকশার মাধ্যমে ১৯৭১ সালের শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতি চিরস্মরণীয় করে রাখা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামীম শিকদার — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত ভাস্কর, যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিউটের শিক্ষক ও অপরাজেয় বাংলার ভাস্কর হিসেবে পরিচিত। B) হামিদুজ্জামান খান — তিনি একজন খ্যাতনামা ভাস্কর ও স্থপতি, যিনি সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের রূপকার মইনুল হোসেনের সাথে সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের স্থপতি। C) মোস্তফা হারুন কুদ্দুস — এই অপশনটি সঠিক, কারণ তিনি মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের নকশা তৈরি করেছেন। D) মঈনুল হোসেন — তিনি সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল স্থপতি হিসেবে পরিচিত, মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের নন। মনে রাখার টিপস: বুদ্ধিজীবীদের মেধা ও কুদ্দুস নামের মিল মনে রেখে সহজে মুখস্থ রাখুন, মিরপুরের বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি মোস্তফা হারুন কুদ্দুস।
a ১ জন
b ২ জন
c ৩ জন
d অন্য কারো নাম নেই
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি এবং ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: B) ২ জন কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল জারি করা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছাড়াও সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং তাজউদ্দীন আহমদের নাম রয়েছে। - সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপরাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ জন — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ ঘোষণাপত্রে দু'জন নেতার নাম উল্লেখ রয়েছে। B) ২ জন — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক এবং ঘোষণাপত্রে সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও তাজউদ্দীন আহমদের নাম রয়েছে। C) ৩ জন — ঘোষণাপত্রে বঙ্গবন্ধুর বাইরে তিন জন নেতার নাম নেই, তাই এই সংখ্যাটি ভুল। D) অন্য কারো নাম নেই — এই তথ্যটি ভুল কারণ ঘোষণাপত্রে বঙ্গবন্ধু ছাড়াও আরও দু'জন নেতার নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে বঙ্গবন্ধুর সাথে থাকা শীর্ষ দুই নেতা হলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং তাজউদ্দীন আহমদ।
a 1860
b 1865
c 1867
d 1869
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮৬৯ কেন সঠিক: - সুয়েজ খালের খনন কাজ ১৮৫৯ সালে শুরু হয়ে ১৮৬৯ সালের ১৭ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত ও নৌ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। - ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে সংযোগকারী এই কৃত্রিম খালটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিপ্লব ঘটিয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৬০ — এই সময়ে সুয়েজ খালের খনন কাজ চলমান ছিল কিন্তু শেষ হয়নি। B) ১৮৬৫ — এই সালটি সুয়েজ খালের সমাপ্তির সময়কালের সঙ্গে মিলছে না। C) ১৮৬৭ — এই বছরও খালটির খনন ও নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। D) ১৮৬৯ — এটি সঠিক বছর কারণ এই সালেই খালের খনন কাজ শেষ হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: সুয়েজ খাল চালুর সাল মনে রাখতে মনে রাখুন, ১৮৫৯ সালে শুরু হয়ে ঠিক দশ বছর পর ১৮৬৯ সালে এটি শেষ হয়।
a ০৬ মার্চ
b ০৮ মার্চ
c ১৬ মার্চ
d ১৮ মার্চ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০৬ মার্চ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকার ২০২০ সাল থেকে প্রতি বছর ০৬ মার্চকে জাতীয় পাট দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। - পাটের সোনালী ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা এবং পাট চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করার জন্য এই দিনটি নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০৬ মার্চ — এটি জাতীয় পাট দিবস হিসেবে সরকারিভাবে নির্ধারিত সঠিক তারিখ। B) ০৮ মার্চ — এই দিনটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালিত হয়, পাট দিবস নয়। C) ১৬ মার্চ — এই তারিখে জাতীয় কোনো পাট দিবস পালিত হয় না। D) ১৮ মার্চ — এই তারিখেও জাতীয় পাট দিবস পালিত হয় না। মনে রাখার টিপস: মার্চ মাসের প্রথম দিকে অর্থাৎ ছয় তারিখে পাট দিবস পালন করা হয়।
a আলেক্সি কোসিগিন
b নিকোলাই টিখোনোভ
c ইয়াকফ মালিক
d আন্দ্রে গ্রোমিকো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইয়াকফ মালিক কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ইয়াকফ মালিক জাতিসংঘে সোভিয়েত ইউনিয়নের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - সে সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল এবং ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করে বাংলাদেশকে রক্ষা করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলেক্সি কোসিগিন — তিনি ১৯৭১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, জাতিসংঘে প্রতিনিধি ছিলেন না। B) নিকোলাই টিখোনোভ — তিনি পরবর্তীতে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন, মুক্তিযুদ্ধকালীন জাতিসংঘের প্রতিনিধি নন। D) আন্দ্রে গ্রোমিকো — তিনি ১৯৭১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন, জাতিসংঘে স্থায়ী প্রতিনিধি ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘে সোভিয়েত মাল বা মালিক ছিল বাংলাদেশের পক্ষে, তাই প্রতিনিধি ইয়াকফ মালিক।
a 1948
b 1971
c 1965
d 1995
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 1995 কেন সঠিক: - বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিও ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে। - এটি মারাক্কেশ চুক্তির মাধ্যমে গ্যাট চুক্তির উত্তরসূরি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1948 — এই সালে ডব্লিউটিও প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তবে ১৯৪৭ সালের গ্যাট চুক্তি কার্যকর হয়েছিল এবং বিশ্ব ব্যাংক ও আইএমএফ কার্যক্রম শুরু করে। B) 1971 — এই সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধকালীন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ঘটনা ঘটলেও ডব্লিউটিও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। C) 1965 — এই সালে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মতো কোনো বিশ্ব সংস্থার প্রতিষ্ঠা হয়নি, এটি ওপেকের প্রতিষ্ঠার বছর। D) 1995 — এই অপশনটি সঠিক কারণ ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি ডব্লিউটিও যাত্রা শুরু করে। মনে রাখার টিপস: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিও গঠনের মারাক্কেশ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯৪ সালে এবং সংস্থাটি জন্ম নেয় ১৯৯৫ সালে।
a বিল গেটস
b এলন মাস্ক
c রিচার্ড ব্র্যানসন
d জেফ বেজোস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রিচার্ড ব্র্যানসন কেন সঠিক: - ব্রিটিশ ধনকুবের রিচার্ড ব্র্যানসন ২০২১ সালের ১১ জুলাই ভার্জিন গ্যালাকটিকের ভিএসএস ইউনিটি মহাকাশযানে চড়ে মহাশূন্যে ভ্রমণ করেন। - তিনি নিজের কোম্পানির মহাকাশযানে চড়ে মহাশূন্যে ভ্রমণকারী প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ইতিহাস গড়েন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিল গেটস — তিনি মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি হলেও এই মহাকাশ ভ্রমণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। B) এলন মাস্ক — তিনি স্পেসএক্স এর প্রতিষ্ঠাতা হলেও তিনি এই তারিখের মহাকাশ ভ্রমণের যাত্রী ছিলেন না। C) রিচার্ড ব্র্যানসন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় এর সত্যতা প্রমাণ করা হয়েছে। D) জেফ বেজোস — ব্লু অরিজিনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস এর কিছুদিন পর অর্থাৎ ২০ জুলাই ২০২১ সালে মহাকাশে ভ্রমণ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: মহাকাশ পর্যটনের শুরুতে ভিএসএস ইউনিটি যানে চড়ে প্রথম মহাশূন্যে পাড়ি জমান রিচার্ড ব্র্যানসন।
a সোফোক্লিস
b এরিস্টটল
c প্লেটো
d সক্রেটিস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এরিস্টটল কেন সঠিক: - গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল ম্যাসিডোনিয়ার রাজা মহামারী আলেকজান্ডারের গৃহশিক্ষক ছিলেন। - তিনি আলেকজান্ডারকে রাজনীতি, দর্শন ও বিজ্ঞান বিষয়ে শিক্ষা দান করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোফোক্লিস — তিনি প্রাচীন গ্রিসের একজন বিখ্যাত বিয়োগান্তক নাট্যকার ছিলেন, শিক্ষক নন। B) এরিস্টটল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। C) প্লেটো — তিনি এরিস্টটলের শিক্ষক ছিলেন, আলেকজান্ডারের সরাসরি শিক্ষক ছিলেন না। D) সক্রেটিস — তিনি প্লেটোর শিক্ষক ছিলেন এবং আলেকজান্ডারের অনেক আগের সময়ের দার্শনিক। মনে রাখার টিপস: আলেকজান্ডারকে শিক্ষা দিয়েছিলেন 'এরিস্টটল', যেমন সক্রেটিস পড়িয়েছিলেন প্লেটোকে।
a ফ্যালকন - ৫
b ফ্যালকন - ৯
c নভোতরী - ১০
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্যালকন - ৯ কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু-১ কৃত্রিম উপগ্রহটি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯ রকেটের মাধ্যমে মহাশূন্যে উৎক্ষেপণ করা হয়। - ২০১৮ সালের ১২ই মে এটি সফলভাবে মহাকাশে পাঠানো হয়, যা বাংলাদেশের প্রথম ভূ-স্থির যোগাযোগ উপগ্রহ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্যালকন - ৫ — এটি স্পেসএক্সের কোনো সফল বা প্রচলিত বাণিজ্যিক রকেট মডেল নয়। B) ফ্যালকন - ৯ — এটি সঠিক অপশন এবং এই রকেটের মাধ্যমেই বঙ্গবন্ধু-১ উপগ্রহটি উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। C) নভোতরী - ১০ — এটি কোনো বাস্তবসম্মত বা নির্দিষ্ট রকেটের নাম নয়, যা বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া হয়েছে। D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু-১ উপগ্রহের নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারেন স্পেসএক্সের ফ্যালকন রকেটের শেষে ছিল ৯ সংখ্যাটি।
a তাহমিনা হক ডালি
b জাকিয়া আক্তার
c মাহমুদা হক চৌধুরী
d সুরাইয়া বেগম
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) মাহমুদা হক চৌধুরী কেন সঠিক: - মাহমুদা হক চৌধুরী বাংলাদেশের প্রথম নারী রাষ্ট্রদূত হিসেবে কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন করেন। - তিনি ১৯৭৩ সালে সুইডেনে বাংলাদেশের প্রথম নারী রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিযুক্ত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাহমিনা হক চৌধুরী ডালি — ইনি বাংলাদেশের প্রথম নারী রাষ্ট্রদূত নন, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। B) জাকিয়া আক্তার — ইনি এই পদের সঙ্গে সম্পর্কিত নন এবং প্রথম নারী রাষ্ট্রদূত হিসেবে স্বীকৃত নন। C) মাহমুদা হক চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনে কোনো ভুল নেই। D) সুরাইয়া বেগম — ইনি অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দায়িত্বে থাকলেও প্রথম নারী রাষ্ট্রদূত নন। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের প্রথম নারী রাষ্ট্রদূতের নাম মনে রাখতে 'ম' দিয়ে মাহমুদা এবং 'ম' দিয়ে মহিলা রাষ্ট্রদূত, এভাবে মিলিয়ে পড়তে পারেন।
a 1984
b 1985
c 1986
d 1987
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯০৮ (প্রদত্ত প্রশ্নে ১৯০৫ থেকে ১৯০৮ সালের মধ্যে সাফ গেমসের সঠিক সালটি বাংলাদেশ প্রেক্ষাপটে ১৯১৫ সালের পরিবর্তে সংশোধিত হিসাব অনুযায়ী খসড়া যাচাই করে দেখা গেছে প্রথম সাফ গেমস ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে।) সঠিক উত্তর: B) ১৯০৫ অপশনের পরিবর্তে খসড়ায় মূল সালটি ছিল ১৯৮৫। কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশীয় ফেডারেল গেমস বা সাফ গেমসের প্রথম আসরটি ১৯১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রাজধানী ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে আয়োজিত হয়েছিল। - দক্ষিণ এশিয়ার ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নিতে এবং আঞ্চলিক সম্প্রীতি বাড়াতে তৎকালীন সময়ে এই প্রতিযোগিতার সূচনা করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৪ - এই সালে দক্ষিণ এশিয়ায় কোনো ধরনের সাফ গেমস অনুষ্ঠিত হওয়ার ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই। B) ১৯০৫ - এটি সঠিক উত্তর যা প্রথম সাফ গেমস ঢাকার মাটিতে আয়োজনের বছর হিসেবে নির্ধারিত। C) ১৯০৬ - এই বছর ঢাকায় সাফ গেমস অনুষ্ঠিত হয়নি বরং প্রথম আসরের পরের আসর অন্য দেশে অনুষ্ঠিত হয়। D) ১৯০৭ - এটি প্রথম সাফ গেমস আয়োজনের সাল নয় এবং এই সময়ে ঢাকার ক্রীড়া সূচিতে এমন কোনো আসর ছিল না। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর ক্রীড়াঙ্গনে বড় আন্তর্জাতিক আসর হিসেবে ঢাকায় প্রথম সাফ গেমস বসেছিল ১৯৮৫ সালে।
a অনুচ্ছেদ ২০
b অনুচ্ছেদ ২১
c অনুচ্ছেদ ২২
d অনুচ্ছেদ ২৩
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অনুচ্ছেদ ২১ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদে নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য সম্পর্কে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সব সময়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুচ্ছেদ ২০ — এই অনুচ্ছেদে অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি এবং উৎপাদনের উপকরণের মালিকানা সম্পর্কে বলা হয়েছে। B) অনুচ্ছেদ ২১ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই অনুচ্ছেদে নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্যের কথা উল্লেখ আছে। C) অনুচ্ছেদ ২২ — এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রীয় অঙ্গসমূহ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে। D) অনুচ্ছেদ ২৩ — এই অনুচ্ছেদে জাতীয় সংস্কৃতি রক্ষা এবং সংস্কৃতির বিকাশ সাধনের ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের একুশ (২১) মানেই একুশের চেতনা নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের সততা ও নিষ্ঠার সাথে জনগণের সেবা করার কর্তব্য।
a লিবিয়া
b মিশর
c ইথিওপিয়া
d ইরাক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইথিওপিয়া কেন সঠিক: - ইথিওপিয়ার ঐতিহাসিক নাম আবিসিনিয়া, যা প্রাচীনকালে এই অঞ্চল বোঝাতে ব্যবহৃত হতো। - এটি পূর্ব আফ্রিকার একটি প্রাচীন দেশ যার পূর্ব নাম পরিবর্তনের পর বর্তমান নাম ইথিওপিয়া রাখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিবিয়া — লিবিয়ার প্রাচীন বা ঐতিহাসিক নাম আবিসিনিয়া নয়, এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ। B) মিশর — মিশরের প্রাচীন ঐতিহাসিক নাম ছিল মিসর বা মেসোপটেমিয়ার মতো বিভিন্ন সভ্যতা, তবে আবিসিনিয়া নয়। C) ইথিওপিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) ইরাক — ইরাকের প্রাচীন নাম ছিল মেসোপটেমিয়া, আবিসিনিয়া নয়। মনে রাখার টিপস: আবিসিনিয়া নামটি শুনলেই ইথিওপিয়া দেশের কথা মনে রাখতে হবে।
a আমিনুল ইসলাম
b আকরাম খান
c হাবিবুল বাশার
d নাইমুর রহমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আমিনুল ইসলাম কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ২০০০ সালে ভারতের বিপক্ষে তাদের প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে এবং এই ঐতিহাসিক ম্যাচে আমিনুল ইসলাম বুলবুল সেঞ্চুরি করেন। - তিনি বাংলাদেশের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম সেঞ্চুরিয়ান হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমিনুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি অভিষেক টেস্টেই শতরান করেছিলেন। B) আকরাম খান — তিনি বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট দলের অধিনায়ক ছিলেন, তবে শত রান করেননি। C) হাবিবুল বাশার — তিনি বাংলাদেশের অন্যতম সফল ব্যাটসম্যান ও অধিনায়ক হলেও প্রথম টেস্টে সেঞ্চুরি করেননি। D) নাইমুর রহমান — তিনি বাংলাদেশের প্রথম টেস্টে ইনিংসে পাঁচ উইকেট লাভকারী বোলার ছিলেন, ব্যাটসম্যান হিসেবে সেঞ্চুরি করেননি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটে পা রাখার দিনে বুলবুল পাখি গান গেয়েছিল শত রানের, তাই প্রথম সেঞ্চুরিয়ান আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
a অস্ট্রিয়া
b তুরস্ক
c হল্যান্ড
d গ্রেট ব্রিটেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তুরস্ক কেন সঠিক: - তুরস্কের জাতীয় সংসদের অফিশিয়াল নাম হলো গ্র্যান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি অব তুর্কিয়ে। - এটি আঙ্কারায় অবস্থিত দেশটির একরৈক্ষিক আইনসভা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্ট্রিয়া — অস্ট্রিয়ার পার্লামেন্টের নাম ফেডারেল কাউন্সিল ও ন্যাশনাল কাউন্সিল। B) তুরস্ক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) হল্যান্ড — নেদারল্যান্ডসের পার্লামেন্টের নাম স্টেটস জেনারেল। D) গ্রেট ব্রিটেন — গ্রেট ব্রিটেনের পার্লামেন্টের নাম ব্রিটিশ সংসদ বা ওয়েলমিনস্টার পার্লামেন্ট। মনে রাখার টিপস: তুরস্কের জাতীয় প্রতীক বা গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে গ্র্যান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির নামটি মনে রাখুন।
a 1972
b 1982
c 1992
d 2002
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৮২ কেন সঠিক: - এই সালে মিয়ানমারে নতুন নাগরিকত্ব আইন পাস করা হয়, যার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নাগরিক তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। - এই আইনের ফলে রোহিঙ্গারা তাদের নাগরিক অধিকার হারায় এবং রাষ্ট্রে তাদের বৈধ পরিচিতি অস্বীকৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭২ — এই সালে মিয়ানমারের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত কোনো নতুন বা উল্লেখযোগ্য আইন পাস হয়নি। B) ১৯৮২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই রোহিঙ্গারা আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নাগরিকত্ব হারায়। সি) ১৯৯২ — এই সালে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, নাগরিকত্ব আইন পাসের সাল এটি নয়। ডি) ২০০২ — এই সালে মিয়ানমারের নাগরিকত্ব আইনের সাথে রোহিঙ্গা সংকটের কোনো আইনি পরিবর্তনের সরাসরি সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব হারায় আশির দশকে, আর সঠিক সালটি হলো শেষের দিকে অর্থাৎ ১৯৮২।
a গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
b খলিল চৌধুরী
c রজনীকান্ত সেন
d দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গানটির গীতিকার বা রচয়িতা হলেন বরেণ্য গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার। - একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে এই গানটি মুক্তিযোদ্ধাদের মনে প্রবল অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার — এই গানের রচয়িতা হওয়ার কারণে এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। B) খলিল চৌধুরী — তিনি এই গানের রচয়িতা নন, অন্য কোনো বিখ্যাত গান বা সৃষ্টির সাথে যুক্ত। C) রজনীকান্ত সেন — তিনি মূলত ঐতিহাসিক ও ভক্তিমূলক গানের জন্য পরিচিত, মুক্তিযুদ্ধের সময়ের গীতিকার নন। D) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — তিনি ব্রিটিশ আমলের বিশিষ্ট নাট্যকার ও দেশাত্মবোধক গানের সুরকার, এই আধুনিক গানের সাথে সম্পৃক্ত নন। মনে রাখার টিপস: গৌরবর্ণের শান্তিপ্রিয় মানুষ গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার লিখেছিলেন মা গো ভাবনা কেন গানটি।

মোট প্রশ্ন (3)

a নাইট্রিক এসিড
b হাইড্রোক্লোরিক এসিড
c সালফিউরিক এসিড
d নাইট্রাস এসিড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাইট্রিক এসিড ১. কেন সঠিক: - স্বর্ণকারগণ খাঁটি স্বর্ণের গহনা পরিষ্কার করতে এবং গহনার নকশা খোদাই বা পরিমাপের কাজে নাইট্রিক এসিড ব্যবহার করেন। - নাইট্রিক এসিড একটি শক্তিশালী খনিজ এসিড এবং এটি শক্তিশালী জারক হিসেবে কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: নাইট্রিক এসিড (HNO৩) অত্যন্ত ক্ষয়কারী এবং তীব্র অম্লীয় পদার্থ। - কার্যপ্রণালি: এটি অনেক ধাতুর সঙ্গে বিক্রিয়া করে দ্রবণ তৈরি করে, কিন্তু বিশুদ্ধ স্বর্ণ সাধারণ এসিডে দ্রবীভূত হয় না। - বাস্তব প্রয়োগ: স্বর্ণের গহনার সাথে থাকা তামা বা অন্য ভেজাল ধাতু দূর করতে নাইট্রিক এসিড ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্বর্ণের দোকানে গহনা পরিষ্কার করা। ব্যাখ্যা: গহনার গায়ে জমে থাকা ময়লা বা অন্য ভেজাল ধাতু নাইট্রিক এসিডের সাহায্যে অপসারণ করা হয়। উদাহরণ ২: রাজঅম্ল তৈরিতে ব্যবহার। ব্যাখ্যা: তিন ভাগ হাইড্রোক্লোরিক এসিড ও এক ভাগ নাইট্রিক এসিড মিশিয়ে রাজঅম্ল তৈরি করা হয়, যা স্বর্ণ গলাতে সক্ষম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইট্রিক এসিড - এটি সঠিক কারণ স্বর্ণকারগণ গহনা পরিষ্কার ও ভেজাল দূর করতে এটি ব্যবহার করেন। B) হাইড্রোক্লোরিক এসিড - একা হাইড্রোক্লোরিক এসিড দিয়ে স্বর্ণের গহনা পরিষ্কার করা যায় না, এটি নাইট্রিক এসিডের সাথে মিশিয়ে রাজঅম্ল বানাতে লাগে। C) সালফিউরিক এসিড - এটি ব্যাটারিতে এবং সার কারখানায় ব্যবহৃত হয়, স্বর্ণকারদের গহনা তৈরির কাজে প্রধানত ব্যবহৃত হয় না। D) নাইট্রাস এসিড - এটি একটি অস্থির এসিড এবং গহনা তৈরির কাজে এর কোনো ব্যবহার নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বর্ণ পরিষ্কার করতে এবং ভেজাল দূর করতে নাইট্রিক এসিড ব্যবহার করা হয়, এটি মনে রাখতে স্বর্ণ ও নাইট্রিক এসিডের প্রথম অক্ষর মনে রাখা যেতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্বর্ণ গলানোর জন্য রাজঅম্ল বা একোয়া রেজিয়া ব্যবহৃত হয়, যেখানে হাইড্রোক্লোরিক এসিড ও নাইট্রিক এসিডের অনুপাত তিন অনুপাত এক।
a 0° সেলসিয়াস
b - ২৭৩° সেলসিয়াস
c - ২৭৩° সেলসিয়াস
d - ৪° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) − ২৭৩° সেলসিয়াস ১. কেন সঠিক: - তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র অনুযায়ী কোনো বস্তুর তাপমাত্রা একটি নির্দিষ্ট সর্বনিম্ন সীমার নিচে নামতে পারে না। - সেলসিয়াস স্কেলে এই সর্বনিম্ন তাত্ত্বিক তাপমাত্রাকেই পরমশূন্য তাপমাত্রা বলা হয় এবং এর সুনির্দিষ্ট মান হলো মাইনাস ২৭৩ দশমিক ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পরমশূন্য তাপমাত্রা হলো সেই তাত্ত্বিক তাপমাত্রা যেখানে পদার্থের অণুগুলোর গতিশক্তি সম্পূর্ণ শূন্য হয়ে যায়। - কার্যপ্রণালি: তাপমাত্রা কমালে গ্যাসের আয়তন ও চাপ কমতে থাকে এবং আদর্শ গ্যাস সূত্রের হিসাব অনুযায়ী মাইনাস ২৭৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে গ্যাসের আয়তন তাত্ত্বিকভাবে শূন্য হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: অতিতলীয় বিজ্ঞান বা ক্রায়োজেনিক্সে অতি নিম্ন তাপমাত্রা অর্জনের গবেষণায় এই ধারণার ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাকাশের গভীর অঞ্চলের তাপমাত্রা। ব্যাখ্যা: মহাশূন্যের ফাঁকা জায়গায় অণুর অনুপস্থিতি এবং তাপের অভাবে তাপমাত্রা পরমশূন্যের খুব কাছাকাছি পৌঁছে যায়। উদাহরণ ২: তরল নাইনট্রোজেনের তাপমাত্রা। ব্যাখ্যা: মাইনাস ১৯৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে থাকা তরল নাইট্রোজেন ব্যবহার করে পদার্থকে অতি ঠান্ডায় রূপান্তর করা হয়, যা পরমশূন্য তাপমাত্রার কাছাকাছি অবস্থার একটি নমুনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0° সেলসিয়াস — এটি পানির হিমাঙ্ক বা বরফ জমার তাপমাত্রা, পরমশূন্য তাপমাত্রা নয়। B) − ২৭৩° সেলসিয়াস — এটি সঠিক উত্তরের অনুরূপ, তবে অপশনে দ্বিরুক্তি রয়েছে। C) − ২৭৩° সেলসিয়াস — এটি নিখুঁত ও বৈজ্ঞানিকভাবে গ্রহণযোগ্য পরমশূন্য তাপমাত্রার মান। D) − ৪° সেলসিয়াস — এটি পানির সর্বাধিক ঘনত্ব প্রদর্শনের তাপমাত্রা, পরমশূন্য তাপমাত্রা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পরমশূন্য মানেই সর্বনিম্ন শূন্য গতিশক্তি। - সেলসিয়াসে ২৭৩ সংখ্যাটি মনে রাখলে কেলভিনের শূন্য বিন্দু বা পরমশূন্য মান সহজেই বের করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরমশূন্য তাপমাত্রার কেলভিন স্কেলে মান হলো ০ কেলভিন। - এই তাপমাত্রা থেকে তাপগতিবিদ্যার পরম তাপমাত্রা স্কেল বা কেলভিন স্কেলের সূচনা হয়।
a আয়রন
b ভিটামিন এ
c ক্যালসিয়াম
d আয়োডিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আয়রন ১. কেন সঠিক: রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে রক্তে পর্যাপ্ত সুস্থ লোহিত রক্তকণিকা বা হিমোগ্লোবিন থাকে না। আয়রন হলো হিমোগ্লোবিনের প্রধান উপাদান, যা ফুসফুস থেকে পুরো শরীরে অক্সিজেন বহন করতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: হিমোগ্লোবিন হলো লোহিত রক্তকণিকায় অবস্থিত একটি প্রোটিন যা অক্সিজেন পরিবহনে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। কার্যপ্রণালি: পর্যাপ্ত আয়রনের অভাবে অস্থিমজ্জা পর্যাপ্ত হিমোগ্লোবিন তৈরি করতে পারে না, ফলে টিস্যুতে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গর্ভাবস্থায় মায়েদের প্রায়ই আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তশূন্যতা দেখা দেয় কারণ ভ্রূণের বৃদ্ধির জন্য অতিরিক্ত আয়রনের প্রয়োজন হয়। ব্যাখ্যা: এই সময়ে শরীরের বর্ধিত চাহিদার কারণে সাধারণ খাদ্যাভ্যাস থেকে পর্যাপ্ত আয়রন সরবরাহ করা সম্ভব হয় না। উদাহরণ ২: অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা দীর্ঘস্থায়ী কোনো রোগের কারণে শরীর থেকে আয়রন দ্রুত কমে যেতে পারে। ব্যাখ্যা: এর ফলে ক্লান্তিবোধ, দুর্বলতা এবং মুখমণ্ডল ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়রন — সঠিক উত্তর কারণ এটি হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সরাসরি অংশ নেয় এবং এর অভাবে রক্তশূন্যতা ঘটে। B) ভিটামিন এ — এর অভাবে রাতকানা রোগ এবং চোখের কর্নিয়ার সমস্যা হয়, রক্তশূন্যতা হয় না। C) ক্যালসিয়াম — এটি হাড় ও দাঁতের গঠনে এবং পেশি সংকোচনে কাজ করে, রক্তশূন্যতার সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) আয়োডিন — এর অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যায় এবং গলগণ্ড বা ঘ্যাগ রোগ হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: রক্তের লাল রঙ এবং হিমোগ্লোবিনের মূল চাবিকাঠি হলো আয়রন। আয়রন কমলে রক্ত কমে, শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মানবদেহে দৈনিক নির্দিষ্ট পরিমাণ আয়রন গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি, বিশেষ করে পালং শাক ও কলিজার মতো খাবার থেকে। এই প্রশ্নটি থেকে BCS এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খাদ্য উপাদান ও ভিটামিন বা খনিজের অভাবজনিত রোগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।

মোট প্রশ্ন (2)

a একটি ক্ষতিকারক জীবাণু
b একটি ক্ষতিকারক সার্কিট
c একটি ক্ষতিকারক ডিভাইস
d একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন একটি সফটওয়্যার কোড বা নির্দেশমালা, যা ইউজারের অনুমতি ছাড়াই নিজের কপি নিজে তৈরি করতে পারে এবং কম্পিউটারের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটায়। এটি জীবন্ত কোনো ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া নয়, বরং মানুষের তৈরি করা একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা ফাইলের সাথে যুক্ত হয়ে ছড়ায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ম্যালওয়্যার বা ম্যালিসিয়াস সফটওয়্যার যা ডিভাইসে প্রবেশ করে ডেটা নষ্ট বা চুরি করে। কার্যপদ্ধতি: ভাইরাস কোনো বাহক ফাইলের ভেতরে লুকিয়ে থাকে এবং ওই ফাইল ওপেন করলেই নিজে নিজে সক্রিয় হয়ে অন্য ফাইলে ছড়িয়ে পড়ে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইমেইলের সাথে আসা কোনো অপরিচিত ফাইল ডাউনলোড করার পর কম্পিউটারের সব ফাইল শর্টকাট হয়ে যাওয়া। ব্যাখ্যা: এটি ভাইরাসের একটি পরিচিত আচরণ, যা আসল ফাইল লুকিয়ে রেখে তার জায়গায় ক্ষতিকারক লিংক তৈরি করে। উদাহরণ ২: পেনড্রাইভ বা ইউএসবি ড্রাইভ কম্পিউটারে লাগানোর সাথে সাথে সিস্টেম স্লো হয়ে যাওয়া বা ফাইল মুছে যাওয়া। ব্যাখ্যা: রিমুভেবল মিডিয়ার মাধ্যমে ভাইরাস খুব দ্রুত এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে সংক্রমিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি ক্ষতিকারক জীবাণু — এটি ভুল কারণ ভাইরাস হলো কোড বা প্রোগ্রাম, কোনো জৈবিক জীবাণু নয়। B) একটি ক্ষতিকারক সার্কিট — এটি ভুল কারণ সার্কিট হলো হার্ডওয়্যার বা ইলেকট্রনিক্স অংশ, যা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয় না। C) একটি ক্ষতিকারক ডিভাইস — এটি ভুল কারণ ডিভাইস হলো বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ যন্ত্রাংশ, আর ভাইরাস হলো সফটওয়্যার। D) একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম — এটি সঠিক কারণ ভাইরাস একটি লিখিত কোড যা প্রোগ্রাম হিসেবে কম্পিউটারে চলে। ৫. মনে রাখার টিপস: কম্পিউটার ভাইরাস হলো ভাইটাল ইনফরমেশন রিসোর্স আন্ডার সাইজ নামক একটি কাল্পনিক সংক্ষিপ্ত রূপের ধারণা। মনে রাখবে ভাইরাস হার্ডওয়্যার নয়, এটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার ভিত্তিক ক্ষতিকারক কোড। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার ভাইরাসের জনক বলা হয় ফ্রেড কোহেনকে। পরীক্ষায় প্রায়ই ম্যালওয়্যার, ওয়ার্ম এবং ট্রোজান হর্সের সাথে ভাইরাসের পার্থক্য সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a General Packet Radio Service
b Global Protect Radiation Service
c General Preference Radio Service
d Global Packet Reminder Service
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) General Packet Radio Service ১. কেন সঠিক: - GPRS এর পূর্ণরূপ হলো General Packet Radio Service, যা টুজি বা দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কে ডেটা স্থানান্তরের একটি প্রযুক্তি। - এটি সার্কিট সুইচিং পদ্ধতির পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করে মোবাইল ডিভাইসে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: GPRS হলো জিএসএম মোবাইল নেটওয়ার্কের ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি প্যাকেট-ভিত্তিক ডেটা সার্ভিস। - কার্যপদ্ধতি: এটি ডেটাকে ছোট ছোট প্যাকেটে বিভক্ত করে প্রেরণ করে এবং সংযোগ স্থায়ী না রেখে কেবল ডেটা স্থানান্তরের সময় চ্যানেল ব্যবহার করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি সব সময় সংযুক্ত থাকার সুবিধা এবং ব্যবহৃত ডেটার পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে বিলিং করার সুযোগ দেয়। - ব্যবহার: এটি মূলত মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ই-মেইল আদান-প্রদান এবং এমএমএস পাঠানোর কাজে ব্যবহৃত হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিবোর্ডযুক্ত পুরনো ফোনে ইন্টারনেট ব্রাউজিং। ব্যাখ্যা: নোকিয়া বা স্যামসাংয়ের পুরনো টুজি ফোনে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করে খুব সহজে ছোট সাইটের তথ্য দেখা যেত। উদাহরণ ২: জিপিএস ট্র্যাকিং বা জিপিআরএস মডেম। ব্যাখ্যা: যানবাহনের অবস্থান ট্র্যাক করতে ব্যবহৃত জিপিএস ডিভাইসে রিমোট সার্ভারে তথ্য পাঠাতে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) General Packet Radio Service — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি টুজি মোবাইল নেটওয়ার্কের স্ট্যান্ডার্ড ডেটা ট্রান্সমিশন প্রটোকল। B) Global Protect Radiation Service — এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক এবং সাইবার নিরাপত্তা বা বিকিরণ সম্পর্কিত একটি ভুল নাম। C) General Preference Radio Service — এটি কোনো স্বীকৃত কম্পিউটার বা টেলিকমিউনিকেশন প্রযুক্তি নয়। D) Global Packet Reminder Service — এটি ডেটা যোগাযোগের কোনো প্রটোকল বা প্রযুক্তির নাম নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - জিপিআরএস শব্দটিতে পিতে প্যাকেট এবং আরে রেডিও বোঝায়, যা ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কে প্যাকেট আকারে ডেটা পাঠায়। - টুজি প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ইন্টারনেট মানেই জিএসএম নেটওয়ার্কে জিপ্রারএস প্রযুক্তির ব্যবহার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এটি সেকেন্ড জেনারেশন বা টুজি মোবাইল প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্ত এবং এর গতি সাধারণত ৫৬ থেকে ১১৪ কিলোবিট প্রতি সেকেন্ড পর্যন্ত হয়ে থাকে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সেলুলার মোবাইল নেটওয়ার্ক এবং টুজি প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এই পূর্ণরূপটি প্রায়ই আসে।

মোট প্রশ্ন (2)

a পর্তুগাল ও মরক্কো
b মৌরিতানিয়া ও স্পেন
c আলবেনিয়া ও স্পেন
d মরক্কো ও স্পেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মরক্কো ও স্পেন ১. কেন সঠিক: জিব্রাল্টার প্রণালিটি ইউরোপের স্পেন এবং আফ্রিকার মরক্কো দেশের মাঝখানে অবস্থিত। এটি আটলান্টিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে এবং এই দুটি দেশকে ভৌগোলিকভাবে আলাদা করেছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: এটি আইবেরীয় উপদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত যার উত্তরে স্পেন এবং দক্ষিণে মরক্কো ও সেউটা অবস্থিত। বৈশিষ্ট্য: এটি একটি সংকীর্ণ জলপথ যা জলবায়ু এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: সুয়েজ খাল ব্যাখ্যা: যেমন সুয়েজ খাল ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে, তেমনি জিব্রাল্টার প্রণালি আটলান্টিক মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে। উদাহরণ ২: বসফরাস প্রণালি ব্যাখ্যা: বসফরাস প্রণালি যেমন তুরস্ককে ইউরোপ ও এশিয়ার অংশে ভাগ করেছে, তেমনি জিব্রাল্টার প্রণালি ইউরোপ ও আফ্রিকাকে পৃথক করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগাল ও মরক্কো — পর্তুগাল স্পেনের পশ্চিমে অবস্থিত এবং মরক্কোর সরাসরি প্রতিবেশী নয়, তাই এই প্রণালি তাদের পৃথক করেনি। B) মৌরিতানিয়া ও স্পেন — মৌরিতানিয়া আরও দক্ষিণে অবস্থিত এবং স্পেনের সঙ্গে এর ভৌগোলিক সীমানা বা প্রণালির সংযোগ নেই। C) আলবেনিয়া ও স্পেন — আলবেনিয়া দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বলকান অঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি স্পেনের কাছাকাছি কোনো প্রণালি দ্বারা পৃথক নয়। D) মরক্কো ও স্পেন — এটি সঠিক কারণ এই প্রণালি এই দুটি দেশের মধ্যবর্তী জলপথ হিসেবে কাজ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: জিব্রাল্টার প্রণালি মনে রাখতে স্পেনের এস এবং মরক্কোর এম মনে রাখুন, আর এটি ইউরোপ ও আফ্রিকাকে ভাগ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রণালিটি ভূমধ্যসাগরের চাবিগেট নামে পরিচিত কারণ এটি আটলান্টিক থেকে ভূমধ্যসাগরে প্রবেশের একমাত্র প্রাকৃতিক জলপথ। একই ধরনের প্রশ্ন বিশ্ব মানচিত্রের বিভিন্ন প্রণালি থেকে বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a ৬ ঘণ্টা
b ৮ ঘণ্টা
c ১০ ঘণ্টা
d ৫ ঘণ্টা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬ ঘণ্টা ১. কেন সঠিক: - পৃথিবীর মোট দ্রাঘিমা রেখা ৩৬০ ডিগ্রি এবং একবার সম্পূর্ণ ঘুরতে সময় লাগে ২৪ ঘণ্টা, যার অর্থ প্রতি ১ ডিগ্রি দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময়ের ব্যবধান ৪ মিনিট। - বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে বা এর কাছাকাছি ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা অতিক্রম করেছে, যা গ্রিনিচ মান সময় বা জিএমটি থেকে পূর্ব দিকে অবস্থিত। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ এশিয়ায় অবস্থিত এবং এর ভৌগোলিক অবস্থান ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমার কাছাকাছি। - বৈশিষ্ট্য: পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘোরে বলে পূর্ব দিকের দেশগুলোতে সময় আগে সূর্যোদয় হওয়ার কারণে সময় এগিয়ে থাকে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: বাংলাদেশ প্রমাণ সময় বা বিএসটি নির্ধারণ করা হয় ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমার ওপর ভিত্তি করে, যা গ্রিনিচ সময়ের চেয়ে ৬ ঘণ্টা এগিয়ে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: - উদাহরণ ১: লন্ডন এবং ঢাকা - ব্যাখ্যা: লন্ডনে যখন দুপুর ১২টা বাজে, তখন ঢাকার দ্রাঘিমাগত দূরত্বের কারণে ঘড়িতে সময় হবে সন্ধ্যা ৬টা। - উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক সময় রেখা এবং স্থানীয় সময় - ব্যাখ্যা: গ্রিনিচ মান সময়কে শূন্য ধরে পূর্ব গোলার্ধের দেশগুলো যোগ করে এবং পশ্চিম গোলার্ধের দেশগুলো বিয়োগ করে স্থানীয় সময় বের করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ৬ ঘণ্টা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমার সঙ্গে ৪ মিনিট গুণ করলে ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘণ্টা হয়। - B) ৮ ঘণ্টা — এটি ভুল কারণ ৮ ঘণ্টা পার্থক্যের জন্য দ্রাঘিমার ব্যবধান হতে হবে ১২০ ডিগ্রি, যা বাংলাদেশের অবস্থানের সঙ্গে মিলে না। - C) ১০ ঘণ্টা — এটি ভুল কারণ ১০ ঘণ্টা সময়ের পার্থক্য অনেক বেশি পূর্বের দেশের জন্য প্রযোজ্য, বাংলাদেশের জন্য নয়। - D) ৫ ঘণ্টা — এটি ভুল কারণ ৫ ঘণ্টা সময়ের পার্থক্য ভারতের কিছু অংশের জন্য প্রযোজ্য, বাংলাদেশের জন্য সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলাদেশের দ্রাঘিমা ৯০ ডিগ্রি পূর্বকে ৪ দিয়ে গুণ করে প্রাপ্ত ৩৬০ মিনিটকে ৬০ দিয়ে ভাগ করলে ৬ ঘণ্টা সময় বের করা যায়। - পূর্ব দিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সময় গ্রিনিচ মান সময়ের চেয়ে সবসময় এগিয়ে বা প্লাস থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - দ্রাঘিমার প্রতি ১ ডিগ্রি পার্থক্যের জন্য সময়ের ব্যবধান ৪ মিনিট হিসাব করে যেকোনো দেশের সময়ের পার্থক্য বের করা যায়। - একই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্রাঘিমা রেখা থেকে সময় নির্ণয় বা বাংলাদেশের প্রমাণ সময় কোন দ্রাঘিমার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয় তা প্রায়ই আসে।