সঠিক উত্তর: B) মহাকাব্য
১. কেন সঠিক:
- মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য যার রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
- মহাকাব্য হলো বিশাল আয়তনের পদ্যে রচিত কাহিনীকাব্য যেখানে বীরত্বপূর্ণ ঘটনা ও পৌরাণিক উপাখ্যানের বর্ণনা থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক এবং নাটক ও মহাকাব্য রচনার মাধ্যমে আধুনিকতার সূচনা করেন।
- ১৮৬১ সালে প্রকাশিত মেঘনাদবধ কাব্য রামায়ণের লঙ্কাযুদ্ধ কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত হলেও রাবণ ও মেঘনাদ চরিত্রের মহিমায় এটি ক্লাসিক মর্যাদায় ভূষিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহাশ্মশান
ব্যাখ্যা: কায়কোবাদ রচিত মহাশ্মশান একটি বিখ্যাত বাংলা মহাকাব্য যা তৃতীয় পানিপতের যুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে রচিত।
উদাহরণ ২: বৃত্রসংহার
ব্যাখ্যা: হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত বৃত্রসংহার বাংলা সাহিত্যের অন্যতম আরেকটি ধ্রুপদী মহাকাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গীতিনাট্য — গীতিনাট্য হলো মূলত গানপ্রধান নাটক, কিন্তু মেঘনাদবধ কাব্য নাটক নয় বরং একটি বিশাল কলেবরের মহাকাব্য।
B) মহাকাব্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ মেঘনাদবধ কাব্য মহাকাব্যের সকল বৈশিষ্ট্য সফলভাবে ধারণ করেছে।
C) নাটক — মেঘনাদবধ কাব্য দৃশ্যকাব্য বা নাটক নয়, এটি পদ্যে রচিত দীর্ঘ আখ্যানকাব্য বা মহাকাব্য।
D) উপন্যাস — উপন্যাস গদ্যে রচিত কাল্পনিক বা বাস্তবধর্মী দীর্ঘ গল্প, আর মেঘনাদবধ কাব্য সম্পূর্ণ পদ্যে রচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মেঘনাদবধ কাব্য সম্পর্কে মনে রাখবে যে মধুসূদন দত্তের অমর সৃষ্টি এবং এটি বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য।
- মহাকাব্য মনে রাখতে মনে রাখবে মহাকাব্যের জনক Homer এবং বাংলার প্রথম মহাকাব্যের রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মেঘনাদবধ কাব্যের রচয়িতা, প্রকাশকাল ও এর ছন্দ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- মনে রাখবে এই মহাকাব্যে কোনো মিল বা অন্ত্যমিল নেই কারণ এটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম কাব্য।
সঠিক উত্তর: C) আবদুল গাফফার চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী' কালজয়ী গানটির রচয়িতা বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী।
- বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই গানটি বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান অনুপ্রেরণা।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আবদুল গাফফার চৌধুরী ১৯৩৪ সালে বরিশান জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০২২ সালে লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন।
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির দিনগুলিতে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের সাথে আন্দোলনে যুক্ত থেকে এই অমর গানটি রচনা করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে রচিত সর্বকালের সেরা গান।
উদাহরণ ২: একুশের গান
ব্যাখ্যা: এই গানটি প্রথমে একটি সংকলনে প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন সুরকারের সুরে জনপ্রিয়তা লাভ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফজল এ খোদা — তিনি এই গানের রচয়িতা নন, তবে তিনি অনেক বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গানের গীতিকার।
B) আলতাফ মাহমুদ — তিনি এই গানটির প্রথম সফল সুরকার ছিলেন, রচয়িতা নন।
D) আবদুল লতিফ — তিনি ভাষা আন্দোলনের সময় একাধিক জনপ্রিয় গান রচনা ও সুর করলেও এই গানটির রচয়িতা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- গান লেখার কাজটি করেছিলেন আবদুল গাফফার চৌধুরী।
- আর গানটিতে প্রথম সুর দিয়েছিলেন শহীদ বুদ্ধিজীবী আলতাফ মাহমুদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে।
- রচয়িতা এবং সুরকার গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: B) ঢেঁকি
১. কেন সঠিক:
উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয় যার মধ্যে দেশি শব্দ অন্যতম।
বাংলাদেশের আদিম অধিবাসীদের ভাষা বা সংস্কৃতির অবশিষ্টাংশ থেকে যে শব্দগুলো বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে সেগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যেসব শব্দ বাংলাদেশের আদি অধিবাসী যেমন কোল, মুণ্ডা, সাঁওতাল প্রভৃতি জাতির ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে তাদের দেশি শব্দ বলে।
এই শব্দগুলো প্রাকৃত বা অন্য কোনো ভাষা থেকে সরাসরি পরিবর্তিত হয়ে আসেনি বরং প্রাচীনকাল থেকেই বাংলা অঞ্চলে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুলা
ব্যাখ্যা: কুলা একটি দেশি শব্দ যা ধান বা শস্য পরিষ্কার করার কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাচীন গ্রামীণ উপাদান।
উদাহরণ ২: খোকা
ব্যাখ্যা: খোকা শব্দটি বাংলা ভাষার নিজস্ব উৎস থেকে সৃষ্ট একটি দেশি শব্দ যার অর্থ ছোট ছেলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলমারি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে তাই এটি দেশি শব্দ নয়।
C) রিক্সা শব্দটি জাপানি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে তাই এটি দেশি শব্দ হিসেবে গণ্য হয় না।
D) সাইকেল শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে ফলে এটি বিদেশি শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
গ্রামীণ জনপদের নিত্যদিনের ব্যবহার্য দেশি জিনিসপত্র যেমন ঢেঁকি, কুলা, কুড়েঘর, ডাব, চুলা ইত্যাদি শব্দ দেখলে দেশি শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করবে।
উৎস মনে রাখার জন্য প্রাচীন উপজাতিদের ব্যবহৃত কৃষিকাজ ও গৃহস্থালির শব্দগুলো আলাদা করে চর্চা করা ভালো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উৎস বা উৎপত্তিভিত্তিক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে তাই বিদেশি ও দেশি শব্দের পার্থক্য জানা জরুরি।
আলমারি, চাবি, সাবান ইত্যাদি পর্তুগিজ শব্দ এবং রিক্সা, সুনামি, হাডিকিরি ইত্যাদি জাপানি শব্দগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
সঠিক উত্তর: B) তিন
১. কেন সঠিক:
বাংলা ছন্দ প্রধানত তিন প্রকার, যথা: স্বরবৃত্ত, মাত্রাভিত্তিক বা মাত্রাবৃত্ত এবং অক্ষরবৃত্ত বা মিশ্রবৃত্ত ছন্দ।
বাংলা কবিতার অন্তর্নিহিত প্রবহমানতা, ধ্বনিসামঞ্জস্য এবং লয় বা গতি প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে এই তিনটি প্রধান ছন্দ বিভাগ নির্ধারিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ছন্দ মূলত ধ্বনি ও মাত্রার বিন্যাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
প্রাকৃতিকভাবে বাংলা ভাষার ঝোঁক এবং শব্দের গঠনরীতি বিশ্লেষণ করে প্রবীন ছান্দসিকগণ এই তিন ভাগে বাংলা ছন্দকে বিন্যস্ত করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুকুমার রায়ের ছড়ার কবিতা।
ব্যাখ্যা: এটি স্বরবৃত্ত ছন্দের প্রকৃষ্ট উদাহরণ, যেখানে ঝোঁকের ওপর ভিত্তি করে দ্রুত লয়ে কবিতা পাঠ করা হয়।
উদাহরণ ২: মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দের উদাহরণ, যেখানে গাম্ভীর্য এবং নির্দিষ্ট মাত্রার বিন্যাস রক্ষা করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুই — বাংলা ছন্দের মূল ধারা দুটি নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) তিন — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলা ছন্দ তিন প্রকার।
C) চার — বাংলা ছন্দের মৌলিক প্রকারভেদ চারটি নয়, তাই এটি ভুল।
D) পাঁচ — বাংলা ছন্দের প্রধান শ্রেণিবিভাগ পাঁচটি নয়, এই সংখ্যাটি সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ছন্দের তিনটি প্রকার মনে রাখার সহজ সূত্র হলো স্ব-মা-অ, অর্থাৎ স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত ও অক্ষরবৃত্ত।
প্রতিটি ছন্দের নিজস্ব লয় ও বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা চর্চার মাধ্যমে সহজে আয়ত্ত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ছন্দ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে কোন ছন্দকে কী বলা হয় তা মনে রাখা জরুরি।
স্বরবৃত্ত ছন্দকে ছড়ার ছন্দ এবং অক্ষরবৃত্ত ছন্দকে মিশ্রবৃত্ত বা পয়ার ছন্দ বলা হয়।
সঠিক উত্তর: C) করত
১. কেন সঠিক:
- করত শব্দের অর্থ হাত বা করতল, যা কোনোভাবেই সাপ বোঝায় না।
- সাপ শব্দের সমার্থক নয় এমন শব্দ চাওয়া হয়েছে, তাই করত হলো সঠিক উত্তর।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলো যা ভিন্ন বানান বা রূপের হলেও একই অর্থ প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় শব্দের অর্থের বৈচিত্র্য বোঝাতে সমার্থক শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দ্র শব্দের সমার্থক শব্দ হলো শশী, চন্দ্রমা ও বিধু।
ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো চাঁদের বিভিন্ন প্রতিশব্দ হিসেবে বাংলা সাহিত্যে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দ হলো রবি, ভানু ও তপন।
ব্যাখ্যা: এগুলো সূর্যের সমার্থক হওয়ায় একই অর্থ প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অহি — এটি সাপ শব্দের একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ।
B) ফণী — এটি ফণাযুক্ত প্রাণী বা সাপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) করত — এটি হাত বা করতল বোঝায়, যা সাপ নয়।
D) নাগিনী — এটি স্ত্রী সাপ বোঝাতে ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সাপ শব্দের সমার্থকগুলো সহজে মনে রাখতে অহি, নাগ ও ফণী শব্দগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করতে পারো।
- অপ্রাসঙ্গিক বা আলাদা অর্থ প্রকাশকারী শব্দ যেমন কর বা হাত দেখলেই তা চিহ্নিত করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে তিনটে একই অর্থ এবং একটা ভিন্ন অর্থের শব্দ অপশনে থাকে।
- প্রশ্ন ভালোভাবে পড়ে কোনটি নয় তা নিশ্চিত হয়ে তারপর উত্তর নির্বাচন করবে।
সঠিক উত্তর: C) বনজঙ্গল
১. কেন সঠিক:
- 'কান্তার' একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ বড় বন, অরণ্য বা জঙ্গল।
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত 'চল চল চল' বা 'সর্বহারা' কাব্যের অন্তর্গত 'অভিযাত্রিক' কবিতার বিখ্যাত পংক্তি এটি।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই পংক্তির রচয়িতা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম যিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত।
- পংক্তিটি মূলত মানুষের জীবনপথের বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার অদম্য স্পৃহা প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কান্তার পথ অতিক্রম করে তারা গন্তব্যে পৌঁছাল।
ব্যাখ্যা: এখানে কান্তার বলতে দীর্ঘ ও দুর্গম বনপথ বা জঙ্গলকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: গভীর কান্তারে বন্য পশুর ভয় থাকে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে কান্তার শব্দটি জঙ্গল বা অরণ্য অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাস্তা — রাস্তা অর্থ পথ বা সড়ক, যা কান্তার শব্দের আক্ষরিক অর্থ বা বনজঙ্গলের সমার্থক নয়।
B) নদী — নদী অর্থ স্রোতস্বিনী বা প্রবাহ, যা কান্তার বা বনের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো শব্দ নয়।
C) বনজঙ্গল — এটি কান্তার শব্দের সঠিক সমার্থক এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে মিলে যায়।
D) আকাশ — আকাশ অর্থ অম্বর বা গগন, যা কান্তার শব্দের অর্থ বা বনজঙ্গলের বিপরীতার্থক ধারণা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কান্তার মানে বনজঙ্গল, এটি মনে রাখতে 'কান্তার বন' এভাবে একসঙ্গে উচ্চারণ করতে পারো।
- বিদ্রোহী কবির কবিতায় দুর্গম পথ বোঝাতে এই বিশেষ শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবিতা ও উপন্যাসের কঠিন শব্দের অর্থ জানতে চাওয়া হয়।
- শব্দার্থ মুখস্থ না করে কবিতার মূল ভাবের সঙ্গে মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) শামসুর রাহমান
১. কেন সঠিক:
- 'বন্দী শিবির থেকে' বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত এই কাব্যগ্রন্থে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা ও বাঙালির বীরত্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধে বাংলা কবিতার প্রধান পুরুষ হিসেবে পরিচিত এবং তাকে আধুনিক নগরজীবনের কবি বলা হয়।
- 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭১ সালে অবরুদ্ধ ঢাকায় বসে রচিত হয় এবং এটি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেরা কাব্যিক দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে
ব্যাখ্যা: এটি কবি শামসুর রাহমানের অপর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তার কাব্যশৈলীর অন্যতম নিদর্শন।
উদাহরণ ২: রৌদ্র করোটিতে
ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের প্রখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ যা তার আধুনিক মননশীলতার প্রকাশ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও সাংবাদিক হলেও 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থটি তার নয়, বরং তিনি বিখ্যাত 'একাত্তরের দিনগুলি' বা 'বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র' এর সাথে যুক্ত।
B) শামসুর রাহমান — এটি সঠিক উত্তর।
C) আজিজুর রহমান — তিনি বাংলা সাহিত্যের এই বিশেষ মুক্তিযুদ্ধের কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা নন, তাই এই অপশনটি ভুল।
D) জসীমউদ্দীন — তিনি পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত এবং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো 'নকশী কাথার মাঠ', 'সোজন বাঢিয়ার ঘাট', কিন্তু 'বন্দী শিবির থেকে' তার লেখা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শামসুর রাহমানের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার সহজ উপায় হলো বন্দিজীবনেও তিনি কবিতার মাধ্যমে প্রতিবাদ করেছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই কবি শামসুর রাহমানের 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
গীতাঞ্জলী কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ করেন স্বয়ং কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই।
এই অনুবাদের সুবাদেই তিনি ১৯১৩ সালে প্রথম এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বকালের সেরা কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার।
গীতাঞ্জলী কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের নাম সং অফারিংস এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৯১২ সালে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নষ্টনীড় গল্প অবলম্বনে সত্যজিৎ রায় চারুলতা চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।
ব্যাখ্যা: এটি সাহিত্যকর্ম থেকে চলচ্চিত্র রূপান্তরের একটি চমৎকার ও ক্লাসিক উদাহরণ।
উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষের কবিতা একটি বিখ্যাত আধুনিক উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: উপন্যাস হলেও এর নামকরণ ও ভেতরের সুর মূলত কাব্যিক ও রোমান্টিক ধারার।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জীবনানন্দ দাশ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং রূপসী বাংলা তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
তিনি গীতাঞ্জলী অনুবাদ করেননি।
B) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত এবং বাংলা কবিতায় ছন্দের নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন।
তিনি গীতাঞ্জলী অনুবাদ করেননি।
C) হেমচন্দ্র — হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় উনিশ শতকের একজন খ্যাতিমান কবি ও মহাকবি বৃত্রসংহার তার বিখ্যাত রচনা।
তিনি গীতাঞ্জলী অনুবাদ করেননি।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই তার গীতাঞ্জলী কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন।
এটি নোবেল পুরস্কার অর্জনের মূল ভিত্তি ছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
গীতাঞ্জলী ইংরেজি অনুবাদ করেন খোদ কবি নিজে অর্থাৎ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
নোবেল জয়ের চাবিকাঠি ছিল এই ইংরেজি অনুবাদ সং অফারিংস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
গীতাঞ্জলী প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে এবং এর ইংরেজি অনুবাদ সং অফারিংস প্রকাশিত হয় ১৯১২ সালে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে সং অফারিংস কার রচনা বা অনুবাদ কে করেন।
সঠিক উত্তর: B) জসীম উদ্দীন
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত পংক্তিটি পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের বিখ্যাত কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে যেখানে গ্রামীণ প্রকৃতির রূপ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- এখানে 'আবircের রাগ' বলতে গোধূলিলগ্নে আকাশে লালচে বা সিঁদুরে আলোর আভা বোঝানো হয়েছে যা গ্রামীণ সন্ধ্যার চিরন্তন রূপ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জসীম উদ্দীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি যিনি পল্লীকবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত এবং তাঁর কবিতায় বাংলার গ্রামীণ জীবন নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে।
- তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাঢ়িয়ার ঘাট এবং রাখালী বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আসমানী কবিতা জসীম উদ্দীন
ব্যাখ্যা: এই কবিতায় গ্রামীণ এক দুঃখী মানুষের জীবনের করুণ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে যা কবির পল্লীপ্রীতির অন্যতম নিদর্শন।
উদাহরণ ২: নকশী কাঁথার মাঠ জসীম উদ্দীন
ব্যাখ্যা: এটি একটি অমর বাংলা কাব্যগাথা বা নারীকেন্দ্রিক দীর্ঘ কবিতা যা গ্রামীণ প্রেমের এক অনন্য নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বন্দে আলী মিঞা — ইনি একজন প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক ও কবি হলেও এই পংক্তিটি তাঁর লেখা নয় বরং তাঁর বিখ্যাত রচনা ময়নামতির চর।
B) জসীম উদ্দীন — এই অপশনটি সঠিক এবং এর সপক্ষে বিস্তারিত ও উপযুক্ত সাহিত্যিক তথ্য উপরে প্রদান করা হয়েছে।
C) গোলাম মোস্তফা — ইনি ইসলামী ঐতিহ্যের কবিতা ও অনুবাদের জন্য বিখ্যাত হলেও এই পংক্তিটির রচয়িতা ইনি নন।
D) কে জি মোস্তফা — ইনি আধুনিক গান ও সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব হলেও এই কবিতার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের কবিতায় সন্ধ্যা, নদী, মেঠো পথ এবং গ্রামীণ প্রকৃতির রূপ সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়।
- পরীক্ষার হলে সন্ধ্যা বা পল্লীপ্রকৃতির এমন স্নিগ্ধ রূপ দেখলে প্রধানত জসীম উদ্দীনকে স্মরণ করবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পল্লীকবি উপাধিটি জসীম উদ্দীনের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে প্রযোজ্য যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- কবির সাহিত্যকর্ম চেনার প্রধান উপায় হলো পল্লীগ্রামের নিখুঁত চিত্রায়ন।
সঠিক উত্তর: C) বীরবল
১. কেন সঠিক:
- খ্যাতিমান সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরী তার প্রবন্ধ লেখার সময় বীরবল ছদ্ম নামটি ব্যবহার করতেন।
- বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে তার ছদ্ম নাম এবং সাহিত্য পত্রিকার নাম বাংলা পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমথ চৌধুরী বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের একজন প্রভাবশালী প্রাবন্ধিক, কবি ও কৌতুকরসিক সাহিত্যিক।
- তিনি বাংলা সাহিত্যে প্রথম গুরুগম্ভীর সাধু রীতির পরিবর্তে সচল ও জীবন্ত চলিত রীতির সফল প্রয়োগ করেন এবং তার সম্পাদিত সবুজ পত্র পত্রিকা বাংলা গদ্যে এক নতুন বিপ্লব ঘটিয়েছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরীর রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ রায়তের কথা।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে কৃষকদের অধিকার ও সামাজিক বৈষম্য নিয়ে জোরালো মতামত প্রকাশ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত সবুজ পত্র পত্রিকা।
ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির আন্দোলন বেগবান হয়েছিল এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও এতে লিখেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নীল লোহিত — এটি বিখ্যাত ঔপন্যাসিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্ম নাম, প্রমথ চৌধুরীর নয়।
B) ভানুসিংহ — এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম জীবনের কাব্যিক ছদ্ম নাম, যা তিনি পদাবলী সাহিত্য অনুকরণে ব্যবহার করতেন।
C) বীরবল — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই।
D) সব্যসাচী — এটি লেখক ও বুদ্ধিজীবী সৈয়দ শামসুল হকের ছদ্ম নাম, প্রমথ চৌধুরীর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রমথ চৌধুরীর প্রধান সাহিত্য আন্দোলন সবুজ পত্র পত্রিকার মূল চালিকাশক্তি ছিলেন বীরবল অর্থাৎ তিনি নিজে।
- প্রমথ চৌধুরী ও বীরবল নাম দুটি একই ব্যক্তির, এই তথ্যটি মনে রাখলে পরীক্ষামূলক প্রশ্নের উত্তর দ্রুত চিহ্নিত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্ম নাম থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই প্রমথ চৌধুরীর বীরবল নামটি মনে রাখা আবশ্যক।
- একই সঙ্গে তার সম্পাদিত সবুজ পত্র পত্রিকার নাম এবং বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে তার ভূমিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) শেখ মুজিবুর রহমান
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা একটি প্রামাণ্য ভ্রমণকাহিনি ও আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- ১৯৫২ সালে চীন সফরের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি এই গ্রন্থটি রচনা করেন যা তাঁর রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও চীন ভ্রমণের ইতিহাস প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের লেখক ও সাহিত্যকর্মের আওতাভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সাহিত্যিক প্রশ্ন।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা মোট তিনটি ঐতিহাসিক গ্রন্থ রয়েছে যা বাংলা আত্মজীবনীমূলক সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী
ব্যাখ্যা: এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: কারাগারের রোজনামচা
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর কারাজীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে রচিত অপর একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খন্দকার মোহাম্মদ ইলিয়াস — খন্দকার মোহাম্মদ ইলিয়াস একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সাহিত্যিক হলেও তিনি এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
B) মাওলানা ভাসানী — মাওলানা ভাসানী একজন প্রথিতযশা রাজনৈতিক নেতা হলেও তিনি 'আমার দেখা নয়াচীন' গ্রন্থের লেখক নন।
C) তোফাজ্জেল হোসেন — তোফাজ্জেল হোসেন মানিক মিয়া বিখ্যাত সাংবাদিক হলেও এই ভ্রমণকাহিনির সঙ্গে তাঁর কোনো লেখক হিসেবে সম্পৃক্ততা নেই।
D) শেখ মুজিবুর রহমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ গ্রন্থটির মূল লেখক স্বয়ং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বঙ্গবন্ধুর লেখা তিনটি বিখ্যাত বই মনে রাখার সহজ কৌশল হলো অসমে কারাগার থেকে নয়াচীন দেখা। এখানে অসম মানে অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগার মানে কারাগারের রোজনামচা এবং নয়াচীন মানে আমার দেখা নয়াচীন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্গবন্ধুর লেখা গ্রন্থগুলোর নাম এবং প্রকাশকাল থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লেখকের নামের সঙ্গে তাঁর ঐতিহাসিক গ্রন্থগুলো মিলিয়ে পড়ার মাধ্যমে এই ধরনের প্রশ্নের সঠিক উত্তর সহজে নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) তিনটি
১. কেন সঠিক:
একটি সার্থক বাক্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য বা লক্ষণ তিনটি। এগুলো হলো আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাক্যের পদগুলোর অর্থগত ও ভাবগত মিলবন্ধন রক্ষা করার জন্য এই তিনটি গুণের উপস্থিতি অপরিহার্য। এদের যেকোনো একটির অনুপস্থিতিতে বাক্যটি সার্থক বা পূর্ণাঙ্গ হয় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে।
ব্যাখ্যা: এটি একটি সার্থক বাক্য কারণ এর তিনটি গুণই পরিপূর্ণভাবে বিদ্যমান রয়েছে।
উদাহরণ ২: কাল আমি ঢাকা যাব।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যটিও আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা সম্পন্ন একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তিনটি — এটি সঠিক কারণ ব্যাকরণ অনুযায়ী সার্থক বাক্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য তিনটি।
B) চারটি — এটি ভুল কারণ বাক্যের মূল বৈশিষ্ট্য চারটি নয়।
C) পাঁচটি — এটি ভুল কারণ বাক্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য পাঁচিলের মতো পাঁচটি হতে পারে না।
D) ছয়টি — এটি ভুল কারণ ব্যাকরণে সার্থক বাক্যের লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্য ছয়টি বলা হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাক্যের বৈশিষ্ট্য মনে রাখার সহজ সূত্র হলো আ-আ-য অর্থাৎ আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাক্যের এই তিনটি গুণ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে আসত্তি শব্দের অর্থ পদগুলোর সুশৃঙ্খল পদবিন্যাস, যা প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে।
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
- 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' বাংলা গদ্যসাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ যার রচয়িতা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি সংস্কৃত বেতালপঞ্চবিংশতি অবলম্বনে রচিত এবং এটি বিদ্যাসাগরের দ্বিতীয় প্রকাশিত গ্রন্থ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে পরিচিত কারণ তিনি গদ্যে যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার ও শৃঙ্খলা এনেছিলেন।
- এটি মূলত নীতিশিক্ষামূলক রূপকথাধর্মী একটি গদ্যগ্রন্থ যা তৎকালীন ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পাঠ্য তালিকার জন্য বিশেষভাবে উপযোগী ছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শকুন্তলা
ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আরেকটি বিখ্যাত পৌরাণিক গদ্যগ্রন্থ যা কালিদাসের নাটক অবলম্বনে রচিত।
উদাহরণ ২: সীতার বনবাস
ব্যাখ্যা: এটি ভবসবিৃতির উত্তররামচরিত নাটক অবলম্বনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচিত একটি জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উইলিয়াম কেরি — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন এবং 'কথোপকথন' বা 'ইতিহাসমালা' রচনা করেছেন কিন্তু 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' তার রচনা নয়।
B) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন পন্ডিত ছিলেন এবং 'বাটত্রিশ সিংহাসন' বা 'রাজাবলি' গ্রন্থ রচনা করেছেন।
C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং সম্পূর্ণ সঠিক।
D) প্যারিচাঁদ মিত্র — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং তার বিখ্যাত গ্রন্থ হলো 'আলালের ঘরের দুলাল' যা এই প্রশ্নের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিদ্যাসাগর মানেই পঞ্চবিংশতি বা পঁচিশ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে কারণ তিনি বেতাল পঞ্চবিংশতি ও ভ্রান্তিবিলাস গ্রন্থ রচনা করেছেন।
- বেতাল শব্দটির সঙ্গে বিদ্যাসাগরের গদ্য রচনার শৈলী সরাসরি যুক্ত বলে মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম মৌলিক গদ্যগ্রন্থ হলো 'বোধোদয়' এবং প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ হলো 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদ্যাসাগরের অনুবাদ ও মৌলিক গ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করতে বলা হয়।
সঠিক উত্তর: C) দুর্গেশনন্দিনী
১. কেন সঠিক:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত দুর্গেশনন্দিনী বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস।
এই উপন্যাসের মাধ্যমে বাংলা উপন্যাসের ইতিহাস নতুন মোড় নেয় এবং এটি শিল্পসম্মত রূপ লাভ করে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর হাত ধরেই সার্থক উপন্যাসের সূচনা হয়।
দুর্গেশনন্দিনী একটি ঐতিহাসিক রোমান্সধর্মী উপন্যাস যেখানে কল্পনার সঙ্গে ইতিহাসের অপূর্ব মিশ্রণ ঘটেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কপালকুণ্ডলা
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় উপন্যাস এবং এটিও একটি সার্থক রোমান্সধর্মী উপন্যাস।
উদাহরণ ২: বিষবৃক্ষ
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলালের ঘরের দুলাল — এটি প্যারিচাঁদ মিত্র রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস হলেও একে প্রথম সার্থক উপন্যাস বলা হয় না কারণ এর ভাষা ছিল টেকচাঁদ ঐকতান শৈলীর কথ্য ভাষা।
B) হুতোমপ্যাঁচার নকশা — এটি কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত একটি বিখ্যাত নকশা জাতীয় রচনা যা উপন্যাস নয়।
D) নৌকাডুবি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা বিংশ শতাব্দীতে প্রকাশিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস মনে রাখার জন্য দুর্গেশনন্দিনী নামটি সবার আগে মনে রাখতে হবে।
প্রথম সার্থক উপন্যাস বললেই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং দুর্গেশনন্দিনী নামটি মুখস্থ রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা উপন্যাসের ক্ষেত্রে প্রথম উপন্যাস ও প্রথম সার্থক উপন্যাসের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) আলাওল
১. কেন সঠিক:
- 'তোহফা' কাব্যটির রচয়িতা মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকবি আলাওল।
- ইউসুফ জুলেরখার ফার্সি গ্রন্থ অবলম্বনে রচিত নৈতিক ও ধর্মীয় উপদেশের এই কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের সাহিত্য সাধনার এক অনন্য নিদর্শন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মহাকবি আলাওল সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি।
- তার বিখ্যাত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে পদ্মাবতী, সতী ময়না ও লোর-চন্দ্রাণী এবং সপ্তপয়কর বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পদ্মাবতী
ব্যাখ্যা: এটি আলাওলের সর্বাধিক পরিচিত ও জনপ্রিয় কাব্য যা মালিক মুহম্মদ জায়সির পদুমাবত অবলম্বনে রচিত।
উদাহরণ ২: সপ্তপয়কর
ব্যাখ্যা: এটিও আলাওলের একটি বিখ্যাত কাব্য যা ফার্সি সাহিত্যের অনুসরণে রচিত নৈতিক ও দার্শনিক উপদেশের গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলাওল — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ফার্সি থেকে অনুবাদ করে 'তোহফা' কাব্য রচনা করেছেন।
B) সাবিরিদ খান — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি 'হানিফা ও মইনার লড়াই' কাব্যের রচয়িতা, 'তোহফা'র নন।
C) কোরেশী মাগন ঠাকুর — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি 'চন্দ্রাবতী' বা 'মধুমালা' কাব্যের রচয়িতা হিসেবে পরিচিত।
D) আব্দুল হাকিম — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি সমসাময়িক কবি হলেও তার বিখ্যাত কাব্য 'নূরনামা', 'তোহফা' নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তোহফা উপহার অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং আলাওল রাজসভার শ্রেষ্ঠ উপহার স্বরূপ বহু কাব্য উপহার দিয়েছেন।
- মধ্যযুগের উপহার বা তোহফা বিষয়ক কাব্য মনে রাখতে আলাওলের নাম সবার আগে স্মরণ করতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবিদের রচনা প্রায়ই আসে।
- আলাওলের জন্মস্থান, পৃষ্ঠপোষক মাগন ঠাকুর এবং তার অমর সৃষ্টিগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) নেপাল
১. কেন সঠিক:
চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন যা ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি বা রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে আবিষ্কার করেন।
নেপালের রাজার গ্রন্থশালা থেকে পুথি আকারে এটি উদ্ধার করা হয় এবং পরবর্তীতে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক নিদর্শন এবং সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের সাধন সংগীত।
ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ঐতিহাসিক তুলনামূলক ভাষাভাষ্য বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা প্রাচীন বাংলা ভাষার আদি রূপ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে হাজার বছরের পুরানো চর্যার পুথি আবিষ্কার করেন।
ব্যাখ্যা: আবিষ্কারের উৎসস্থল হিসেবে নেপালের রাজদরবারের নাম বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ ২: চর্যাপদের ভাষা ও সাহিত্যিক রূপ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম উৎস নির্দেশ করে।
ব্যাখ্যা: এই পুথি আবিষ্কারের মাধ্যমেই বাংলা ভাষার প্রাচীন ইতিহাস উন্মোচিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত — ভারত থেকে চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়নি, যদিও পরবর্তীতে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
B) নেপাল — এই অপশনটি সঠিক কারণ হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকেই চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেছিলেন।
C) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ থেকে চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়নি, তবে চর্যাপদের রচনাকালীন ভৌগোলিক পরিমণ্ডল ও নদীমাতৃক জনপদ বাংলাদেশের অংশ ছিল।
D) ভুটান — ভুটান থেকে চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়নি, যদিও হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের পাশাপাশি তিব্বত ও ভুটানেও প্রাচীন পুথির সন্ধান করেছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
চর্যাপদ আবিষ্কারের স্থান মনে রাখতে নেপাল শব্দটিকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত করে মনে রাখা যায়।
নেপালের রাজদরবার থেকে ১৯০৭ সালে আবিষ্কারের ঘটনাটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই কমন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চর্যাপদ কোথা থেকে, কত সালে এবং কার দ্বারা আবিষ্কৃত হয় তা বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার আসে।
আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং প্রকাশের সাল ১৯১৬ সাল ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
- 'জীবন আমার বোন' একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপট এবং সাধারণ মানুষের জীবন সংগ্রাম তুলে ধরা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই উপন্যাসটির রচয়িতা বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক মাহমুদুল হক।
- এটি মূলত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং তার আগের রাজনৈতিক অস্থিরতার পটভূমিতে রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: کھیل খেলা নয়
ব্যাখ্যা: মাহমুদুল হকের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো 'খेल খেলা নয়'।
উদাহরণ ২: কালো জনসংখ্যা
ব্যাখ্যা: এটিও মাহমুদুল হকের অপর একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাটক — 'জীবন আমার বোন' মঞ্চে অভিনীত কোনো নাটক নয়, এটি একটি কথাসাহিত্য বা উপন্যাস।
B) প্রবন্ধ — প্রবন্ধ হলো তথ্য বা যুক্তিনির্ভর গদ্য রচনা, কিন্তু এটি একটি কাল্পনিক কাহিনীর উপন্যাস।
D) কবিতা — কবিতার নির্দিষ্ট ছন্দ ও পঙ্ক্তিমালা থাকে, কিন্তু এটি গদ্যে রচিত উপন্যাস।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মাহমুদুল হকের নামের সাথে 'জীবন আমার বোন' উপন্যাসটি মনে রাখার জন্য লেখকের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস হিসেবে এটি মাথায় রাখতে হবে।
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখার সময় ঔপন্যাসিকের নাম আলাদা করে নোট করে নিতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- মাহমুদুল হকের জন্ম ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: D) কিশোরগঞ্জ
১. কেন সঠিক:
- বাংলার প্রথম সার্থক মহিলাকবি চন্দ্রাবতীর জন্মস্থান হলো কিশোরগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের পাটুলী গ্রাম।
- মহাভারতের রামায়ণ বা মহাভারত বাংলায় অনুবাদ করার ক্ষেত্রে তিনি মধ্যযুগের নারী সাহিত্যিকদের মধ্যে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান নারী কবি চন্দ্রাবতী ষোড়শ শতাব্দীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং তার পিতা বংশীদাসও একজন বিখ্যাত মনসামঙ্গল কাব্যের কবি ছিলেন।
- তিনি মূলত রামায়ণ কাব্যের জন্য বেশি পরিচিত হলেও বাংলা সাহিত্যে তিনিই প্রথম মহিলা কবি যিনি মহাভারত কাব্যের কিছু অংশ অনুবাদ করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দ্রাবতীর রামায়ণ
ব্যাখ্যা: এটি চন্দ্রাবতীর একটি অমর সৃষ্টি যেখানে সীতার দুঃখ কষ্ট ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: মলুয়া পালা
ব্যাখ্যা: এটি তার রচিত একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় ময়মনসিংহ গীতিকার অংশবিশেষ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিক্রমপুর — এই অঞ্চলটি প্রাচীন বঙ্গের সাহিত্য সংস্কৃতির কেন্দ্র হলেও চন্দ্রাবতীর জন্মস্থান এখানে নয়।
B) গাজীপুর — এটি ঢাকা অঞ্চলের একটি জেলা হলেও কবি চন্দ্রাবতীর সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক ও সাহিত্যিক সংযোগ নেই।
C) নরসিংদী — এই জেলাটি প্রাচীন সদ্বংশ ও ইতিহাসের জন্য পরিচিত হলেও চন্দ্রাবতীর জন্মস্থান হিসেবে স্বীকৃত নয়।
D) কিশোরগঞ্জ — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবি চন্দ্রাবতীর জন্ম ও কর্মক্ষেত্র এই জেলার সঙ্গেই ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মধ্যযুগের নারী কবি চন্দ্রাবতীকে মনে রাখতে কিশোরগঞ্জের বিখ্যাত নরসুন্দা নদীর তীর ও তার পাটুলী গ্রামের কথা স্মরণ করতে হবে।
- কবি বংশীদাসের কন্যা হিসেবে কিশোরগঞ্জের মাটি তার সাহিত্য সাধনার প্রধান ক্ষেত্র ছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের নারী কবি ও তাদের রচিত কাব্য সম্পর্কে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- চন্দ্রাবতীর জন্মস্থান কিশোরগঞ্জ এবং তার পিতার নাম কবি বংশীদাস এটি মনে রাখলে এই সংক্রান্ত প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
১. কেন সঠিক:
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতাটি বাংলাদেশের বিশিষ্ট কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও বহুল পঠিত দীর্ঘ কবিতা।
- এই কবিতায় বাঙালি সংস্কৃতির শেকড়, গ্রামীণ ঐতিহ্য, মুক্তিযুদ্ধ এবং বাঙালি জাতির বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের ইতিহাস অত্যন্ত শৈল্পিক ও শক্তিশালী ভাষায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ একাধারে একজন প্রখ্যাত কবি এবং কূটনীতিবিদ ছিলেন যিনি বাংলা ভাষা আন্দোলনে বিশেষ অবদান রেখেছেন।
- এই কবিতাটি তাঁর ঐতিহ্যচেতনা এবং দেশপ্রেমের এক অনন্য নিদর্শন যা মূলত বাঙালি জাতির হাজার বছরের ইতিহাস ও সংগ্রামের প্রতীক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'কোন এক কালে ফুলকি ছড়াতো আগুন'
ব্যাখ্যা: এটি কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতারই একটি বিখ্যাত পঙ্ক্তি যা মানুষের সংগ্রামী চেতনা প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: 'মাগো ওরা বলে, তোমার কোলে শুয়ে কত না সুখের স্বপ্ন দেখেছিলাম'
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কবিতা 'মাগো ওরা বলে' থেকে নেওয়া হয়েছে যা ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনিই 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার রচয়িতা।
B) আবুল ফজল — আবুল ফজল একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক হলেও তিনি এই কবিতাটি লেখেননি।
C) শামসুর রাহমান — শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই বিখ্যাত কবিতাটির রচয়িতা তিনি নন।
D) আল মাহমুদ — আল মাহমুদ গ্রামীণ জীবনের চিত্র ফুটিয়ে তুলতে পটু হলেও 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতাটি তাঁর লেখা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কিংবদন্তি বা ঐতিহ্য নিয়ে কথা বললে আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর নাম মনে রাখতে হবে।
- এভাবে মনে রাখা যায় যে কিংবদন্তি কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ আমাদের শেকড়ের কথা বলেছেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধ ও ঐতিহ্যভিত্তিক কবিতার রচয়িতা হিসেবে এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে।
- কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর বিখ্যাত কবিতাগুলো ভালোভাবে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) সিকান্দার আবু জাফর
১. কেন সঠিক:
- 'সমকাল' সাহিত্য পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার সিকান্দার আবু জাফর।
- ১৯৫৭ সালের আগস্ট মাসে তাঁর সম্পাদনায় এই প্রগতিশীল ও আধুনিক সাহিত্য পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশ শতকের ষাটের দশকে বাংলা সাহিত্যের বিকাশ এবং মুক্তবুদ্ধি চর্চায় 'সমকাল' পত্রিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
- এই পত্রিকার মাধ্যমে বহু তরুণ ও প্রগতিশীল লেখক খ্যাতি অর্জন করেন এবং সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহিত্যকে হাতিয়ার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'সমকাল' পত্রিকায় প্রকাশিত সিকান্দার আবু জাফরের বিখ্যাত নাটক 'সিরাজউদ্দৌলা'।
ব্যাখ্যা: এই নাটকটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত এবং স্বাধীনতার চেতনায় সমৃদ্ধ একটি প্রখ্যাত সাহিত্যকর্ম।
উদাহরণ ২: সিকান্দার আবু জাফরের রচিত বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান 'আমাদের সংগ্রাম চলবেই'।
ব্যাখ্যা: এই গানটি বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধে দারুণভাবে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিকান্দার আবু জাফর — তিনি 'সমকাল' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সফল সম্পাদক ছিলেন এবং এর মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন।
B) আবুল ফজল — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী হলেও 'সমকাল' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না, তিনি 'সওগাত' ও অন্যান্য সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
C) মিজানুর রহমান শেলী — তিনি একজন প্রখ্যাত আমলা, গবেষক ও রাজনীতিবিদ ছিলেন, কিন্তু 'সমকাল' পত্রিকার সম্পাদনার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক ছিল না।
D) তোয়েব খান — তিনি একজন সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন, তবে প্রখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা 'সমকাল'-এর সম্পাদনার দায়িত্ব তিনি পালন করেননি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সমকাল মানে সমসাময়িক কাল, আর সিকান্দার আবু জাফর তাঁর সময়ে সমসাময়িক প্রগতিশীল সাহিত্য আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন।
- এভাবে 'সমকাল' ও 'সিকান্দার আবু জাফর' নাম দুটি একত্রে মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা এবং তাদের সম্পাদকদের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- একই সঙ্গে অন্যান্য পত্রিকা যেমন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'বঙ্গদর্শন' বা কাজী নজরুল ইসলামের 'লাঙ্গল' পত্রিকার সম্পাদকদের নামও ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ব্রিটিশ আমলের একজন বিখ্যাত সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন এবং তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর হিসেবে কর্মজীবন অতিবাহিত করেন।
সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন এবং বাংলা উপন্যাসের ভিত্তি স্থাপন করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং অবিভক্ত বাংলার প্রথম গ্র্যাজুয়েটদের একজন ছিলেন।
তার প্রথম বাংলা উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দুর্গেশনন্দিনী
ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা এই প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে।
উদাহরণ ২: বিষবৃক্ষ
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা উনিশ শতকের বাঙালি সমাজের পারিবারিক জীবন ও পরকীয়া প্রেম ফুটিয়ে তুলেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি পেশাগত জীবনে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন।
B) শরৎ চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি পেশাগত জীবনে কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন না, বরং তিনি মূলত কথাসাহিত্যিক ছিলেন।
C) সৈয়দ মুজতবা আলী — তিনি একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, ভ্রমণকাহিনীকার ও শিক্ষক ছিলেন, ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন না।
D) আব্দুল ওদুদ — কাজী আব্দুল ওদুদ বুদ্ধিমুক্তির আন্দোলনের অন্যতম প্রবক্তা ও শিক্ষক ছিলেন, ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট পদে দায়িত্ব পালন করেননি।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাংলার প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সরকারি পেশায় ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন।
উপন্যাস সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্রের নামের সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটের পদটি মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকদের পেশা বা সরকারি চাকরি সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বিএ পাস করার পর ১৮৫৮ সালে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর পদে যোগদান করেন।
সঠিক উত্তর: D) মোহাম্মদ নজিবর রহমান
১. কেন সঠিক:
'আনোয়ারা' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস।
মোহাম্মদ নজিবর রহমান ১৯১৪ সালে এই উপন্যাসটি রচনা করেন যা তৎকালীন মুসলিম সমাজের চিত্র তুলে ধরে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মোহাম্মদ নজিবর রহমান একজন প্রখ্যাত বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক।
তাঁর এই উপন্যাসে গ্রামীণ মুসলিম সমাজের গোঁড়ামি, কুসংস্কার এবং পারিবারিক জীবনের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আনোয়ারা
ব্যাখ্যা: এটি মোহাম্মদ নজিবর রহমানের সর্বশ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: গরীবের মেয়ে
ব্যাখ্যা: এটিও মোহাম্মদ নজিবর রহমান রচিত অপর একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মীর মোশাররফ হোসেন — তিনি বিশদ সিন্ধু উপন্যাসের রচয়িতা, আনোয়ারার লেখক নন।
B) ইসমাইল হোসেন সিরাজী — তিনি রায়নন্দিনী ও তাওয়ারিখ উপন্যাসের লেখক, আনোয়ারার নন।
C) কাজী এমদাদুল হক — তিনি মনসুরহাওয়া ও আব্দুল্লাহ উপন্যাসের লেখক, আনোয়ারার নন।
D) মোহাম্মদ নজিবর রহমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি আনোয়ারার রচয়িতা।
৫. মনে রাখার টিপস:
নজিবর রহমানের বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো নজিবরের আনোয়ারা গরিবের মেয়ে হয়ে প্রেমের উপহার পেল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম সামাজিক উপন্যাস হিসেবে আনোয়ারা বইটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
উপন্যাসটির রচয়িতা এবং প্রকাশের সাল ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) মোহনা
১. কেন সঠিক:
মোহনা বানানটিতে কোনো অপ্রয়োজনীয় বা ভুল বর্ণ সংযোজিত হয়নি এবং এটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক।
শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি মূল শব্দ বা প্রত্যয়ের সঠিক নিয়ম মেনেই তৈরি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শুদ্ধ বানান ও বাক্যশুদ্ধি বিষয়ক ব্যাকরণ প্রশ্ন।
বাংলা বানান প্রমিতকরণে তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ব্যাকরণের নির্দিষ্ট নিয়ম ও বাংলা একাডেমির বানান নিয়ম অনুসরণ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রণতি
ব্যাখ্যা: এটি একটি শুদ্ধ তৎসম শব্দ যেখানে মূর্ধন্য ন ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সান্ত্বনা
ব্যাখ্যা: এই বানানে দন্ত ন এবং যুক্ত বর্ণ ব্যবহারের সঠিক নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রদ্ধান্জলী — ভুল বানান কারণ অঞ্জলি শব্দে ম-ফলা বা অনুস্বার হয় না, শুদ্ধ বানান শ্রদ্ধ্যাঞ্জলি।
B) চাকচক্য — ভুল বানান কারণ সঠিক বানান চাকচিক্য যেখানে প্রথম ও তৃতীয় বর্ণে ই-কার থাকে।
D) যুবতী — প্রচলিত হলেও প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী তরুণী বা যুবতী শব্দে ঈ-কার যুক্ত হয়, অর্থাৎ যুবতী বানানটি প্রমিত রূপের দিক থেকে অসিদ্ধ।
৫. মনে রাখার টিপস:
বানান শেখার সময় বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়মগুলো নিয়মিত চর্চা করতে হবে।
নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে প্রচলিত ভুল বানানগুলো চিহ্নিত করে সঠিক রূপটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রত্যয় ও সন্ধিজনিত বানান ভুলের প্রশ্ন আসে।
বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রে ই-কার, উ-কার এবং ন-ত্ব বিধানের নিয়মগুলো বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
'সাম্যবাদী' হলো বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও পঙক্তিমালা সমৃদ্ধ কবিতা।
এই কবিতায় কবি জাতি, ধর্ম, গোত্র ও বর্ণভেদের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের সাম্য ও ঐক্যের জয়গান গেয়েছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও যুগবাণী সৃষ্টিকারী সাহিত্যিক।
১৯২০ সালের দিকে প্রকাশিত সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থের অর্ন্তভুক্ত এই কবিতাটি মানবতাবাদী দর্শনের এক অনন্য নিদর্শন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এটি কবির প্রথম প্রকাশিত ও অত্যন্ত জনপ্রিয় বিপ্লবী কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা কবিতায় নতুন ধারা এনেছে।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের বিষের বাঁশি কাব্যগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় প্রকাশিত একটি প্রতিবাদী ও সাম্যবাদী চেতনার কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুকান্ত ভট্টাচার্য — ইনি বাংলা সাহিত্যের মার্কসবাদী ধারার তরুণ কবি হলেও 'সাম্যবাদী' কবিতার রচয়িতা নন।
B) সুভাষ মুখোপাধ্যায় — ইনি একজন প্রগতিশীল কবি ও অনুবাদক, তবে এই কবিতার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি সাম্যবাদী কবিতার মাধ্যমে মানবমুক্তির বার্তা দিয়েছেন।
D) সমরেস বসু — ইনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতনামা ঔপন্যাসিক, কবি নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
নজরুলের সাম্যবাদী কবিতা মনে রাখতে মনে রাখবে নজরুল মানেই মানবতা ও সাম্যের কবি।
সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থের নাম এবং কবির নাম একই সূত্রে গাঁথা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সাম্যবাদী কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবির প্রথম কাব্য বা বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থের নাম জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: C) দীনেশচন্দ্র সেন
১. কেন সঠিক:
- 'ময়মনসিংহ গীতিকা' সংকলন ও সম্পাদনার সঙ্গে দীনেশচন্দ্র সেনের নাম গভীরভাবে যুক্ত।
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংকলিত এই পালাগানগুলো ১৯২৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দীনেশচন্দ্র সেন ছিলেন বিশিষ্ট গবেষক ও বাংলা সাহিত্য ইতিহাসের অন্যতম প্রণেতা।
- চন্দ্রমূর্য কুমার সহ বিভিন্ন সংগ্রাহকের কাছ থেকে সংগৃহীত লোকসাহিত্য তিনি এই গ্রন্থে প্রকাশ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহুয়া পালা
ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম জনপ্রিয় একটি ট্র্যাজেডি পালা।
উদাহরণ ২: মলুয়া পালা
ব্যাখ্যা: এটিও ময়মনসিংহ গীতিকার একটি নারী চরিত্রকেন্দ্রিক বিখ্যাত লোকপালা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুকুমার সেন — তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা হলেও ময়মনসিংহ গীতিকা সংগ্রহ করেননি।
B) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — তিনি প্রখ্যাত ভাষা বিজ্ঞানী ও গবেষক, এই গীতিকা সংগ্রহ বা সম্পাদনা করেননি।
C) দীনেশচন্দ্র সেন — এই অপশনটি সঠিক এবং ময়মনসিংহ গীতিকা সংকলনের মূল কাজটি তিনি করেছিলেন।
D) হীরালাল সেন — তিনি বাংলা চলচ্চিত্রের অগ্রদূত ও চিত্রপরিচালক, লোকসাহিত্য সংগ্রাহক নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ময়মনসিংহ গীতিকা সংগ্রহ ও সম্পাদনা করেছেন দীনেশচন্দ্র সেন, নামের আদ্যক্ষর মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন ময়মনসিংহের দীনেশ বাবু।
- লোকসাহিত্য গবেষণায় দীনেশচন্দ্র সেনের অবদান সবচেয়ে বেশি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ময়মনসিংহ গীতিকা প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
- এই গ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন লরেন্স বিনিয়ন।
সঠিক উত্তর: B) ধ্বনি
১. কেন সঠিক:
ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি, যা আমরা কান দিয়ে শুনি এবং মুখ দিয়ে উচ্চারণ করি।
কোনো ভাষার উচ্চারित শব্দের মূল ভিত্তি বা উপাদান হলো এই ধ্বনি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মুখের সাহায্যে উচ্চারিত আওয়াজ বা শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশকে ধ্বনি বলা হয়।
ধ্বনি হলো ভাষার প্রাণ, কারণ ধ্বনির মিলন থেকেই শব্দ এবং শব্দের মিলন থেকেই বাক্য গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ
ব্যাখ্যা: এটি একটি স্বরধ্বনি এবং বাংলা ভাষার একটি মৌলিক একক।
উদাহরণ ২: ক
ব্যাখ্যা: এটি একটি ব্যঞ্জনধ্বনি এবং মুখের সাহায্যে উচ্চারিত একক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, কিন্তু ভাষার মৌলিক বা উচ্চারিত ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি।
C) অক্ষর — অক্ষর বা সিলেবল হলো উচ্চারণের একক, যা এক ঝটকায় উচ্চারণ করা যায়।
D) শব্দ — শব্দ হলো এক বা একাধিক ধ্বনি বা বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত অর্থের প্রকাশ, যা ধ্বনির চেয়ে বড় একক।
৫. মনে রাখার টিপস:
কান দিয়ে যা শোনা যায় এবং মুখ দিয়ে যা উচ্চারণ করা যায় তা ধ্বনি, আর চোখে যা দেখা যায় তা বর্ণ।
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক বললে সবসময় ধ্বনি উত্তর হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি হলেও, ভাষার অর্থপূর্ণ ক্ষুদ্রতম একক হলো শব্দ।
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই দুটি প্রশ্নের মধ্যে প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি হয়, তাই সাবধানে উত্তর দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) শেখ মুজিবুর রহমান
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত একটি ঐতিহাসিক ভ্রমণভিত্তিক আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- 'নয়া চীন' বলতে ১৯৫২ সালের চীন ভ্রমণ এবং সে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থার বর্ণনাকে বোঝানো হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক এবং সফল লেখক হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর লেখা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থগুলোর মধ্যে 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী', 'কারাগারের রোজনামচা' এবং 'আমার দেখা নয়া চীন' অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী
ব্যাখ্যা: এটি শেখ মুজিবুর রহমান রচিত প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ যা ২০১২ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: কারাগারের রোজনামচা
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর কারাবন্দী জীবনের দিনলিপি নিয়ে রচিত দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শেখ মুজিবুর রহমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি তাঁরই রচিত বিখ্যাত ভ্রমণগ্রন্থ।
B) সিরাজুল ইসলাম — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি এই গ্রন্থের লেখক নন, বরং একজন প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ও গবেষক।
C) শিজিংপিং — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান, এই বইটির লেখক নন।
D) মাওসেতুং — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি চীনের কমিউনিস্ট বিপ্লবের মহানায়ক এবং চীনের প্রতিষ্ঠাতা, এই বইটির রচয়িতা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর লেখা তিনটি প্রধান গ্রন্থ হলো অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়া চীন। বইগুলোর নাম মনে রাখলে লেখকের নাম সহজেই মনে রাখা সম্ভব।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্গবন্ধুর লেখা গ্রন্থের নাম, প্রকাশকাল এবং ইংরেজি অনুবাদের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। তাই এই গ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) কালসাপ
১. কেন সঠিক:
- কালসাপ একটি সমাসজাত শব্দ কারণ এটি একাধিক পদ মিলে একটি সমাসবদ্ধ পদ গঠন করেছে এবং এর একটি ব্যাসবাক্য রয়েছে।
- কালো যে সাপ অর্থাৎ কালসাপ হলো কর্মধারয় সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ যেখানে বিশেষ্য ও বিশেষণ মিলে নতুন অর্থ প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। পরস্পর অর্থসংগতিযুক্ত দুই বা ততোধিক পদ এক পদে মিলিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে।
- বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য যে বাক্য বা বাক্যাংশ ব্যবহার করা হয় তাকে ব্যাসবাক্য বলে। কালসাপ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো কালো যে সাপ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নীলপদ্ম
ব্যাখ্যা: নীল যে পদ্ম এটিও কালসাপ শব্দের মতো কর্মধারয় সমাসের একটি উদাহরণ।
উদাহরণ ২: মহাপুরুষ
ব্যাখ্যা: মহান যে পুরুষ এটিও কর্মধারয় সমাসের মাধ্যমে গঠিত একটি সমাসজাত শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কালসাপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সমাসবদ্ধ শব্দ।
B) মজব — এটি কোনো অর্থপূর্ণ বা প্রমিত বাংলা সমাসজাত শব্দ নয়।
C) পিপাসা — এটি পান করার ইচ্ছা অর্থে প্রত্যয় সাধিত শব্দ, সমাসজাত শব্দ নয়।
D) তবলটি — এটি তবল শব্দের সঙ্গে টি নির্দেশক যুক্ত হয়ে গঠিত শব্দ, সমাসজাত শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সমাস চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের মাঝে একটি ব্যাসবাক্য কল্পনা করা। যদি দুটি পদ মিলে একটি নির্দিষ্ট বস্তুকে বোঝায় এবং তার ব্যাসবাক্য পাওয়া যায়, তবে তা সমাসজাত শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন শব্দগুলো সমাসজাত তা নির্ণয় করতে বলা হয়। বিশেষ করে কর্মধারয় ও তৎপুরুষ সমাসের শব্দগুলো বেশি আসে।
সঠিক উত্তর: C) মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
১. কেন সঠিক:
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন ও সাহিত্যিক ঐতিহ্য। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে চর্যাপদ গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশ করেন। এটি মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধন সংগীত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদের প্রথম পদটি রচনা করেছেন লুইপা।
ব্যাখ্যা: চর্যাপদের টিকাকার মুনিদত্তের সূত্র ধরে জানা যায় এর প্রথম পদটির রচয়িতা লুইপা এবং এর রাগ হলো পটমঞ্জরী।
উদাহরণ ২: চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচয়িতা কাহ্নপা।
ব্যাখ্যা: কাহ্নপা সর্বমোট তেরোটি পদ রচনা করেছিলেন যা চর্যাপদে প্রাপ্ত পদগুলোর মধ্যে সংখ্যায় সর্বাধিক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ চর্যাপদ আবিষ্কার করেননি তবে তিনি এর ভাষা ও তত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করেছেন এবং এর সময়কাল নির্ধারণ করেছেন।
B) আর সি মজুমদার — আর সি মজুমদার একজন বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ যিনি প্রাচীন বাংলার ইতিহাস নিয়ে কাজ করেছেন কিন্তু চর্যাপদ আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত নন।
C) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেছিলেন।
D) নীহাররঞ্জন রায় — নীহাররঞ্জন রায় বাঙালি ইতিহাসবিদ যিনি 'বাঙালির ইতিহাস' গ্রন্থটি রচনা করেছেন কিন্তু চর্যাপদ আবিষ্কারের সঙ্গে তার সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালে গিয়ে চর্যাপদ আবিষ্কার করেছিলেন। এটি মনে রাখতে শাস্ত্রীর নামের সঙ্গে নেপাল এবং আবিষ্কার শব্দ দুটি একসাথে মনে রাখতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চর্যাপদ আবিষ্কারের সাল ১৯০৭ এবং প্রকাশের সাল ১৯১৬ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই সঙ্গে চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষাগারে প্রশ্ন করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) read
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত শব্দগুলোর মধ্যে A, B এবং C অপশনগুলো হলো কনজাংশন বা সংযোগকারী অব্যয়, যা বাক্যকে যুক্ত করে।
- একমাত্র D অপশনটি হলো একটি ভার্ব বা ক্রিয়া, যা কোনো কাজ করা বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) and — এটি একটি কোঅর্ডিনেটিং কনজাংশন, যা একই জাতীয় শব্দ বা clause-কে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
B) or — এটি একটি কোঅর্ডিনেটিং কনজাংশন, যা দুটি বিকল্পের মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে ব্যবহৃত হয়।
C) since — এটি একটি সাবঅর্ডিনেটিং কনজাংশন বা প্রিপজিশন, যা সময় বা কারণ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
D) read — এটি একটি মূল ভার্ব (Verb), তাই এটি অন্য তিনটি কনজাংশন থেকে আলাদা।
মনে রাখার টিপস:
শব্দগুলোর পার্টস অব স্পিচ মিলিয়ে দেখবে; তিনটি একই পদের হলে অন্য পদের শব্দটিই হবে আলাদা বা odd one out।
সঠিক উত্তর: C) a very long time ago
কেন সঠিক:
- এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ অনেক চাঁদ আগে হলেও প্রমিত ইংরেজি ব্যবহারে এটি সুদূর অতীত বা অনেক দিন আগের সময়কে বোঝায়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি প্রায়শই অতীতের কোনো দীর্ঘ সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) that day — এই অপশনটি অতীতের কোনো নির্দিষ্ট একটি দিনকে নির্দেশ করে, যা দীর্ঘ সময় বোঝায় না।
B) a long time after — এটি দীর্ঘ সময় পরে অর্থ প্রকাশ করে, যা মূল ইডিয়মের বিপরীত অর্থ।
C) a very long time ago — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং মূল ইডিয়মের সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
D) d) yesterday — এই অপশনটি ঠিক আগের দিন বা গতকালকে বোঝায়, যা দীর্ঘ সময় নয়।
মনে রাখার টিপস:
আকাশের চাঁদ বহু পুরনো, তাই মনে রাখবে অনেক চাঁদ (moons) পার হয়ে যাওয়া মানেই হলো অনেক দিন আগের (a very long time ago) ঘটনা।
সঠিক উত্তর: A) to buy
কেন সঠিক:
- বাক্যের গঠন নিয়ম অনুযায়ী too...to কাঠামোর প্রথম অংশে সাবজেক্ট ও ভার্বের পর too এবং বিশেষণ বসে।
- এই কাঠামোর পরে অতিরিক্ত অবজেক্ট বা প্রোনাউন (যেমন it) ব্যবহার করা যায় না কারণ ইনফিনিটিভ verb নিজে সাবজেক্টকে নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to buy — সঠিক কারণ এটি too...to কাঠামোর সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে চলে।
B) to buy it — ভুল কারণ too...to কাঠামোর পরে অতিরিক্ত it বসালে তা ব্যাকরণগতভাবে দ্বিরুক্তি বা বাহুল্য দোষ হয়।
C) that I cannot buy — ভুল কারণ too...to এর পরিবর্তে so...that...cannot বসলে এই গঠন সঠিক হতো, কিন্তু এখানে simple sentence এর নিয়ম প্রযোজ্য।
D) for me buy — ভুল কারণ for me এর পর সরাসরি verb বসতে পারে না, সঠিক নিয়ম হলো for me to buy হওয়া।
মনে রাখার টিপস:
too...to কাঠামোর পর অতিরিক্ত it বা প্রোনাউন বসে না, সরাসরি verb এর infinitive রূপ (to + verb) বসে।
সঠিক উত্তর: B) a
কেন সঠিক:
- ইউনিকলি (uniquely) শব্দটি ইউ (u) দিয়ে শুরু হলেও এর উচ্চারণ বাংলা ইউ (yoo) এর মতো হয়।
- স্বরবর্ণের উচ্চারণ যদি ইউ (yoo) বা ওয়ালের (w) মতো হয়, তবে তার আগে এন (an) না বসে এ (a) বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) an — ইউনিকলি শব্দের উচ্চারণ স্বরবর্ণের মতো হলেও তা ওয়াই বা ইউ ধ্বনি দিয়ে শুরু হওয়ায় এখানে an বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) a — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ইউ ধ্বনিযুক্ত শব্দের নিয়ম মেনে সঠিক আর্টিকেল হিসেবে বসেছে।
C) the — নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ শিক্ষককে বোঝানো হয়নি বরং সাধারণ অর্থে একজন gifted শিক্ষক বোঝানো হয়েছে তাই the হবে না।
D) none — সঠিক উত্তর অপশন বি এর মধ্যে বিদ্যমান থাকায় নান বা কোনটিই নয় নির্বাচন করার সুযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
ইউ বা ওয়া দিয়ে উচ্চারিত শব্দের প্রথমে এ বসে, যেমন এ ইউনিক টিচার।
সঠিক উত্তর: A) The teacher advised Alam to work regularly.
কেন সঠিক:
- রিপোর্টেড স্পিচটি Imperative Sentence হওয়ায় বক্তার ভাব অনুযায়ী 'said to' পরিবর্তন করে 'advised' বসানো হয়েছে।
- মূল Verb-এর আগে 'to' বসিয়ে এবং কোনো পরিবর্তন না করে reporting speech-এর সাথে যুক্ত করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The teacher advised Alam to work regularly. — এটি সঠিক উত্তর, এখানে নিয়ম অনুযায়ী সকল ব্যাকরণগত পরিবর্তন সঠিকভাবে করা হয়েছে।
B) The teacher said to Alam to work regularly. — Imperative Sentence-এ 'said to' এর পরিবর্তে উপযুক্ত Reporting Verb যেমন 'advised' বা 'ordered' ব্যবহার না করায় এটি ভুল।
C) The teacher said Alam to work regularly. — 'said' এর পরে সরাসরি অবজেক্ট বসানো যায় না এবং সঠিক Reporting Verb ব্যবহার করা হয়নি।
D) The teacher told to Alam to working regularly. — 'told' এর পরে 'to' বসে না এবং infinitive-এর নিয়ম ভেঙে Verb-এর সাথে 'ing' যুক্ত করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Imperative Sentence-এ আদেশ বা উপদেশ বোঝালে 'said to' এর পরিবর্তে 'ordered' বা 'advised' বসে এবং to-এর পর verb-এর প্রেজেন্ট ফর্ম বসে।
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: C) Exclamatory
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটিতে বিস্ময় বা তীব্র আবেগ প্রকাশ করা হয়েছে এবং শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন (! লুক্কায়িত থাকলেও অর্থের দিক থেকে এটি আবেগ প্রকাশ করে) রয়েছে।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো বক্তব্য বা অনুভূতির তীব্র প্রকাশ ঘটলে তা Exclamatory Sentence বা আবেগসূচক বাক্য হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Imperative — এই অপশনটি ভুল কারণ বাক্যটি দ্বারা কোনো আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ বা প্রস্তাব বোঝানো হয়নি।
B) Interrogative — এই অপশনটি ভুল কারণ বাক্যটিতে কোনো প্রশ্ন করা হয়নি বা তথ্যের জন্য জিজ্ঞাসা করা হয়নি।
C) Exclamatory — প্রদত্ত উত্তরের ভুল সংশোধনী হিসেবে এটিই সঠিক উত্তর, কারণ বাক্যটি দ্বারা তীব্র আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ করা হয়েছে।
D) Assertive — প্রদত্ত উত্তরটি ভুল কারণ বাক্যটি সাধারণ কোনো বিবৃতি বা বর্ণনা প্রদান করছে না, বরং তীব্র অনুভূতি প্রকাশ করছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন বা অর্থের মধ্যে গভীর আবেগ থাকলে চোখ বন্ধ করে তাকে Exclamatory Sentence হিসেবে চিহ্নিত করবে।
সঠিক উত্তর: B) more
কেন সঠিক:
- এখানে দুই ব্যক্তির মধ্যে তুলনার ক্ষেত্রে Comparative Degree ব্যবহৃত হয়েছে।
- clever একটি Adjective এবং এর Comparative রূপ হলো cleverer অথবা more clever।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) less — less সাধারণত Uncountable Noun-এর পূর্বে বসে পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, এখানে Adjective-এর তুলনা বোঝাতে এটি বসে না।
B) more — এটি সঠিক কারণ clever শব্দের পূর্বে more ব্যবহার করে সঠিক Comparative Degree গঠন করা হয়েছে।
C) very — very একটি Adverb যা Positive Degree-এর পূর্বে বসে তীব্রতা বাড়ায়, কিন্তু এখানে তুলনামূলক অর্থ প্রকাশ করতে Comparative Degree প্রয়োজন।
D) much — much সাধারণত Comparative Degree-এর তীব্রতা বা মাত্রা বাড়াতে ব্যবহৃত হয় (যেমন: much better), কিন্তু এখানে সরাসরি তুলনা করতে more প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
দুটি ব্যক্তির গুণ তুলনা করার সময় Adjective-এর Comparative Degree ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) noun
কেন সঠিক:
- আর্টিকেল মূলত Noun-এর জন্যই ব্যবহৃত হয় এবং Noun-এর ঠিক পূর্বে বসে তার নির্দিষ্টতা বা অনির্দিষ্টতা নির্দেশ করে।
- Noun ছাড়া অন্য কোনো Parts of Speech-এর পূর্বে সরাসরি Article বসে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ আর্টিকেল সবসময় Noun-এর পূর্বে বসে তাকে নির্দেশ করে।
B) pronoun — Pronoun যেহেতু Noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, তাই Pronoun-এর পূর্বে কখনো Article বসে না।
C) preposition — Preposition হলো পদের সম্পর্ক নির্দেশক শব্দ, এর পূর্বে সাধারণত Article বসে না।
D) verb — Verb হলো কাজের নাম বা কাজের প্রকাশ, তাই Verb-এর পূর্বে সরাসরি Article বসার নিয়ম নেই।
মনে রাখার টিপস:
আর্টিকেল বসার মূল শর্ত হলো বাক্যে একটি Noun থাকতে হবে, কারণ Noun ছাড়া Article একা বসতে পারে না।
সঠিক উত্তর: B) noun
কেন সঠিক:
- 'elders' শব্দটির পূর্বে possessive pronoun 'their' বসেছে এবং নিয়ম অনুযায়ী possessive-এর পর সবসময় noun বসে।
- এখানে 'elders' বলতে মুরব্বি বা গুরুজনদের বোঝানো হয়েছে, যা একটি বিশেষ্য পদের কাজ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) verb — এটি কোনো কাজের নাম বা ক্রিয়া বোঝাচ্ছে না, তাই এটি verb হতে পারে না।
B) noun — এই অপশনটি সঠিক কারণ possessive pronoun-এর পর বসে এটি noun হিসেবে কাজ করেছে।
C) pronoun — এটি নির্দিষ্ট কোনো নামের পরিবর্তে বসেনি বরং একটি বিশেষ শ্রেণীর ব্যক্তিদের নাম বোঝাচ্ছে, তাই এটি pronoun নয়।
D) adjective — এটি বাক্যে অন্য কোনো noun-কে বিশেষায়িত করছে না বরং নিজে একটি noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, তাই এটি adjective নয়।
মনে রাখার টিপস:
possessive pronoun যেমন my, his, her, their ইত্যাদির পরে সাধারণত noun বসে।
সঠিক উত্তর: A) Promises should be kept.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি Modal auxiliary যুক্ত Active voice, তাই Passive করার সময় modal verb-এর পর be বসে এবং মূল verb-এর Past participle হয়।
- Active voice-এর subject যদি one হয়, তবে Passive করার সময় সাধারণত by one অংশটি উহ্য রাখা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Promises should be kept. — এটি সঠিক কারণ বাক্যটির অর্থ ও ব্যাকরণগত নিয়ম সঠিকভাবে রক্ষা করা হয়েছে।
B) Promises will be kept. — এটি ভুল কারণ মূল বাক্যে will না থেকে should ছিল, তাই tense পরিবর্তন করা যাবে না।
C) Promises can be kept. — এটি ভুল কারণ modal হিসেবে can ব্যবহার করলে মূল বাক্যের অর্থের পরিবর্তন ঘটে।
D) Promises would be kept. — এটি ভুল কারণ should-এর পরিবর্তে would ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Active voice-এ one should থাকলে Passive করার সময় শুধু Object-কে Subject বানিয়ে should be এবং V3 বসালেই উত্তর মিলে যায়।
সঠিক উত্তর: B) effect
কেন সঠিক:
- শূন্যস্থানের পূর্বে an (Article) এবং adverse (Adjective) থাকায় পরবর্তীতে একটি Noun বসবে।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে effect হলো Noun, যার অর্থ প্রভাব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) affects — এটি Verb-এর Present form, যা Subject singular হলে ব্যবহৃত হয় কিন্তু এখানে Noun প্রয়োজন।
B) effect — এটি সঠিক Noun রূপ এবং an adverse এর পর grammatically সঠিক।
C) affect — এটি একটি Verb, যার অর্থ প্রভাব ফেলা, তাই এখানে বসবে না।
D) effects — এটি Plural Noun, কিন্তু পূর্বে an Article থাকায় এখানে Singular Noun বসবে।
মনে রাখার টিপস:
Affection (verb থেকে noun মনে রাখুন) এর সাথে গুলিয়ে ফেলবেন না, আর an এর পর Noun বসে তাই effect হবে।
সঠিক উত্তর: A) John Keats
কেন সঠিক:
- উক্তিটি জন কিটসের বিখ্যাত ওড 'Ode on a Grecian Urn' কবিতার শেষ চরণের অংশ।
- এই বিখ্যাত পঙক্তিটির মাধ্যমে কবি সৌন্দর্য ও সত্যের মধ্যে গভীর ও অভিন্ন সম্পর্ক তুলে ধরেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) John Keats — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ উক্তিটি তারই লেখা বিখ্যাত কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
B) Shakespeare — তিনি এলিজাবেথীয় যুগের বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি হলেও এই উক্তিটির রচয়িতা নন।
C) Byron — তিনি রোমান্টিক যুগের আরেকজন বিখ্যাত কবি হলেও এই লাইনটি তার কোনো রচনায় নেই।
D) Shelley — পি বি শেলি রোমান্টিক কবি হলেও এই অমর পঙক্তিটির স্রষ্টা তিনি নন।
মনে রাখার টিপস:
কিটস ও গ্রিক পাত্র মনে রাখুন, কারণ কিটসের গ্রিক পাত্রের ওডেই সৌন্দর্যকে সত্য বলা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: D) doing
কেন সঠিক:
- cannot help এর পর verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
- এই নিয়মটি একটি নির্দিষ্ট ইংরেজি প্রবচন বা কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) done — এটি verb এর past participle রূপ, যা এখানে বসে না।
B) did — এটি verb এর past রূপ, যা cannot help এর পরে সরাসরি বসে না।
C) too do — এই গঠনটি গ্রামারের নিয়মানুসারে সম্পূর্ণ ভুল।
D) doing — এটি সঠিক কারণ cannot help এর পরে verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
মনে রাখার টিপস:
cannot help, could not help, mind, worth ইত্যাদির পর verb এর সাথে সবসময় ing যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Secretly
কেন সঠিক:
- 'On the sly' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ গোপনে বা কারো অজান্তে কোনো কাজ করা।
- প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই বাগধারার আক্ষরিক ও ভাবার্থের সাথে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Secretly — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ গোপনে, যা মূল ইডিয়মের সমার্থক।
B) Quickly — এটি ভুল কারণ এর অর্থ দ্রুত, যা গোপনীয়তার ধারণার সাথে মেলে না।
C) Smartly — এটি ভুল কারণ এর অর্থ চতুরতার সাথে বা সুন্দরভাবে, যা এই ইডিয়মের অর্থ প্রকাশ করে না।
D) Slowly — এটি ভুল কারণ এর অর্থ ধীরে ধীরে, যা দিয়ে কোনো গোপন কাজ বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
স্লিপ (Sly) মানে চালাক বা গোপন কিছু; তাই অন দ্য স্লাই (On the sly) দেখলে বুঝবেন কাজটি গোপনে করা হচ্ছে।
সঠিক উত্তর: C) Predict
কেন সঠিক:
- Forecast শব্দের অর্থ হলো ভবিষ্যৎবাণী করা বা পূর্বাভাস দেওয়া।
- Predict শব্দের অর্থও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কিছু বলা বা পূর্বাভাস করা, যা Forecast-এর সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Tell — এর অর্থ বলা বা জানানো, যা যেকোনো সাধারণ তথ্যের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং ভবিষ্যৎ পূর্বাভাস বোঝাতে সরাসরি উপযুক্ত নয়।
B) Assume — এর অর্থ অনুমান করা, যা বর্তমান বা অতীতের কোনো তথ্য ধরে নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং ভবিষ্যতের পূর্বাভাস বোঝায় না।
C) Predict — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল শব্দের সমার্থক হিসেবে গণ্য।
D) Bring out — এর অর্থ প্রকাশ করা বা ফুটিয়ে তোলা, যা সাহিত্যকর্ম বা কোনো নতুন পণ্য বাজারে ছাড়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
Forecast এবং Predict উভয় শব্দই আবহাওয়া বা ভবিষ্যতের কোনো ঘটনা আগে থেকেই বলে দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) Cowardly
কেন সঠিক:
- Courageous শব্দটির অর্থ সাহসী, যার বিপরীত শব্দ বা অ্যান্টনিভ হলো Cowardly যার অর্থ ভীরু।
- এই শব্দটি সাহস ও ভীরুতার পারস্পরিক বিপরীত ভাব প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Cowardly - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Courageous শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) Brave - এটি Courageous শব্দের সমার্থক শব্দ বা সিনোনিম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) Strong - এটি শক্তিশালী বোঝায়, যা সাহসী শব্দের সরাসরি বিপরীত নয়।
D) Valiant - এটিও সাহসী বা বীরত্বপূর্ণ বোঝায়, যা Courageous শব্দের সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
Courage অর্থ সাহস এবং Coward অর্থ ভীরু, তাই Cowardly হলো এর সঠিক বিপরীত শব্দ।
সঠিক উত্তর: B) though
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্য দুটিতে বিপরীতধর্মী বা পরস্পরবিরোধী দুটি ভাব প্রকাশ পেয়েছে যুদ্ধ জয় করার আনন্দ এবং এর ফলে লক্ষাধিক মানুষের প্রাণহানির বেদনা।
- এই বৈপরীত্য বা অসঙ্গতি বোঝাতে দুটি বাক्याংশকে যুক্ত করতে concessive conjunction হিসেবে though ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) as if — এটি দ্বারা কোনো কাল্পনিক বা অবাস্তব তুলনা বোঝানো হয়, যা এই বাস্তবধর্মী বাক্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) though — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দুটি বিপরীত ভাবের বাক্যের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
C) until — এটি সময়ের ব্যাপ্তি বা কোনো নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কোনো কাজ না হওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) since — এটি কোনো কাজের কারণ বা নির্দিষ্ট সময় থেকে শুরু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে যদি বিপরীতমুখী অর্থ প্রকাশ পায়, তবে সাধারণত though বা although ব্যবহার করে বাক্য দুটি যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) would write
কেন সঠিক:
- এটি Second Conditional-এর নিয়ম অনুযায়ী গঠিত, যেখানে If-যুক্ত clause-টি Past Indefinite Tense-এ থাকে এবং পরবর্তী অংশটিতে Subject-এর পর would, could বা might বসে এবং তার সাথে verb-এর Base form হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে If I had a pen অংশটি Past Indefinite-এ থাকায় শূন্যস্থানে would write ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) writing — Gerund বা Participle-এর এই রূপটি এখানে কোনো Auxiliary verb ছাড়া সরাসরি বসতে পারে না এবং এটি Conditional-এর নিয়ম লঙ্ঘন করে।
B) would write — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনে রয়েছে এবং এটি নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক।
C) will wrote — will-এর পরে কখনো verb-এর Past form (wrote) বসতে পারে না, কারণ modal auxiliary-র পরে ہمیشہ verb-এর Present form বসে।
D) had written — এটি Third Conditional-এর অংশ হতে পারত, কিন্তু প্রথম অংশটি Past Indefinite (had) হওয়ায় এখানে would have written হতো, শুধু had written হবে না।
মনে রাখার টিপস:
If-এর পর Past Indefinite (had) থাকলে পরের অংশে would + verb-এর base form হয়।
সঠিক উত্তর: D) 1798
কেন সঠিক:
- ইংরেজি সাহিত্যে ১৭৯৮ সালকে রোমান্টিক যুগের সূচনা হিসেবে ধরা হয়।
- এই বছরেই উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ ও এস টি কোলরিজ যৌথভাবে রোমান্টিক কাব্যের ঘোষণা সম্বলিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ লিরিক্যাল ব্যালাডস প্রকাশ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1698 — এটি ইংরেজি সাহিত্যের অগাস্টান বা নিওক্লাসিক্যাল যুগের অন্তর্ভুক্ত, যা রোমান্টিক যুগের অনেক আগের সময়কাল।
B) 1898 — এটি ভিক্টোরিয়ান যুগের শেষের দিকের সময়কাল, যে সময় রোমান্টিক যুগ অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে।
C) 1598 — এটি এলিজাবেথীয় যুগের অন্তর্ভুক্ত, যা রেনেসাঁ তথা ইংরেজি নাটকের স্বর্ণযুগ হিসেবে পরিচিত।
D) 1798 — এটি রোমান্টিক যুগের সূচনাকাল নির্দেশ করে, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
রোমান্টিক যুগের সূচনা মনে রাখতে লিরিক্যাল ব্যালাডস প্রকাশের সাল ১৭৯৮ মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) Phenomenon
কেন সঠিক:
- Phenomenon হলো একটি গ্রিক শব্দ যার শেষ অক্ষর um আছে এবং এটি Singular বা একবচন রূপ।
- এর Plural বা বহুবচন রূপ হলো Phenomena, যা সাধারণত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Phenomenon — এটি সঠিক Singular রূপ এবং এর Plural রূপ হলো Phenomena।
B) Phenomena — এটি ভুল অপশন কারণ এটি এই শব্দের Plural বা বহুবচন রূপ, Singular নয়।
C) Phenomenas — এটি একটি ভুল গঠন কারণ ইংরেজি ব্যাকরণে গ্রিক শব্দের শেষে s যোগ করে Plural করা যায় না।
D) Phenomeno — এটি একটি বানানগত ভুল এবং ইংরেজি ব্যাকরণে এমন কোনো শব্দের অস্তিত্ব নেই।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দের শেষে um থাকে, সাধারণত তাদের শেষে a যোগ করে Plural করতে হয় যেমন Phenomenon থেকে Phenomena।
সঠিক উত্তর: D) facsimile
কেন সঠিক:
- Facsimile শব্দটির অর্থ অবিকল প্রতিলিপি বা ফক্স।
- বানানটি নিয়ম অনুযায়ী এফ-এ-সি-এস-আই-এম-আই-এল-ই (facsimile) হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) faximili — এখানে বানানে ভুল অক্ষর এক্স এবং আই ব্যবহার করা হয়েছে।
B) fachimile — এখানে সি এইচ এবং আই ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে।
C) factsimile — এখানে অপ্রাসঙ্গিক টি যুক্ত করায় সঠিক বানান হয়নি।
D) facsimile — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ অবিকল নকল।
মনে রাখার টিপস:
ফ্যাক্স (Fax) শব্দটির সাথে সিমিলি (Simile) যুক্ত করে Facsimile বানানটি মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: B) vary
কেন সঠিক:
- 'Vary' একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ ভিন্ন হওয়া বা পরিবর্তন হওয়া, এটি বাক্যে কাজ সম্পন্ন করা বোঝায় তাই এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়াপদ।
- প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি একটি আদর্শ প্রশ্ন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ton — এটি একটি পরিমাপবাচক বিশেষ্য বা নাউন, যার অর্থ টন।
B) vary — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় আলোচনা করা হয়েছে।
C) great — এটি একটি গুণবাচক বিশেষণ বা এডজেক্টিভ, যার অর্থ মহান বা চমৎকার।
D) green — এটি একটি বর্ণবাচক বিশেষণ বা নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ সবুজ।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দ দ্বারা কোনো কাজ করা বা হওয়া বোঝায় এবং যার সাথে tense অনুযায়ী রূপ পরিবর্তন করা যায়, তাকেই ভার্ব বা ক্রিয়াপদ বলে।
সঠিক উত্তর: C) I cannot bear separation from you
কেন সঠিক:
- Separation শব্দের পর সাধারণত from preposition ব্যবহৃত হয়, যা কোনো ব্যক্তি বা বস্তু থেকে বিচ্ছিন্নতা বোঝায়।
- তোমার থেকে বিচ্ছিন্নতা আমি সহ্য করতে পারছি না অর্থে separation from সঠিক ব্যবহার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I cannot bear your separation — separation শব্দের পর possessive form যেমন your ব্যবহার করলে তা ব্যাকরণগতভাবে ভুল অর্থ প্রকাশ করে।
B) I cannot bear separation to you — separation শব্দের সঙ্গে to preposition বসে না, তাই এই গঠনটি ভুল।
C) I cannot bear separation from you — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর ব্যাকরণগত গঠন সম্পূর্ণ নির্ভুল।
D) I cannot bear your separate — separate এখানে verb বা adjective হিসেবে আছে, যা noun এর স্থানে বসে ভুল সৃষ্টি করেছে।
মনে রাখার টিপস:
Separation শব্দের পর সবসময় from বসে, কারণ কারো থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বোঝাতে from preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) No man is immortal
কেন সঠিক:
- ইউনিভার্সাল অ্যাফার্মেটিভ বাক্যকে নেতিবাচক করার সময় সাবজেক্টের বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করতে হয় এবং অর্থের পরিবর্তন এড়াতে শুরুতে No বা None বসাতে হয়।
- Man is mortal বাক্যটির অর্থ মানুষ মরণশীল, যার নেতিবাচক রূপ No man is immortal অর্থাৎ কোনো মানুষই অমর নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Man is immortal — এটি একটি হ্যা সূচক বাক্য এবং এর অর্থ মানুষ অমর, যা মূল বাক্যের বিপরীত এবং ভুল অর্থ প্রকাশ করে।
B) Man is not immortal — এটি নেতিবাচক হলেও grammatically সঠিক বা জোরালো নয়, কারণ Universal Affirmative-কে Negative করতে Subject-এর পূর্বে No বা None ব্যবহার করতে হয়।
D) Everyone is not mortal — এর অর্থ সবাই মরণশীল নয়, যা সার্বজনীন সত্যের পরিপন্থী এবং মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
Universal Affirmative বাক্যকে Negative করার সময় মূল শব্দের বিপরীত শব্দ বসিয়ে সাবজেক্টের আগে No বা None ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) for
কেন সঠিক:
- ইংরেজি নিয়ম অনুযায়ী কোনো অপরাধ, ভুল বা ত্রুটির জন্য ক্ষমা চাওয়ার ক্ষেত্রে apologize শব্দের পরে for preposition ব্যবহৃত হয়।
- এখানে দীর্ঘ বিলম্বের জন্য আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাওয়ার অর্থ প্রকাশ পাওয়ায় for prepositionটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to — এটি সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা কর্তপক্ষের উদ্দেশ্যে ক্ষমা চাওয়ার ক্ষেত্রে (apologize to someone) ব্যবহৃত হয়, কোনো কাজের জন্য নয়।
B) at — এটি কোনো ঘটনার কারণে আকস্মিক প্রতিক্রিয়া বোঝাতে বসে, যা এই বাক্যের কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) for — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না।
D) an — এটি কোনো preposition নয়, বরং একটি indefinite article, তাই এখানে শূন্যস্থানে বসার কোনো ব্যাকরণগত সুযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
বাক্তি বোঝাতে apologize to এবং কারণ বা ভুলের জন্য apologize for ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) ৬৪
প্রদত্ত তথ্য:
কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা = ৪ জন
প্রত্যেকে চাঁদা দেয় = সদস্য সংখ্যার ৪ গুণ
ধরি,
সদস্য সংখ্যা = ৪ জন
চাঁদার পরিমাণ প্রতি সদস্য = ৪ × ৪ টাকা = ১৬ টাকা
অতএব,
প্রথম সদস্য দিল ১৬ টাকা
দ্বিতীয় সদস্য দিল ১৬ টাকা
তৃতীয় সদস্য দিল ১৬ টাকা
সুতরাং,
চতুর্থ সদস্য দিল ১৬ টাকা
মোট চাঁদার পরিমাণ = ১৬ + ১৬ + ১৬ + ১৬ = ৬৪ টাকা
উত্তর: ৬৪
সঠিক উত্তর: A) ১
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = a² − b²
দ্বিতীয় রাশি = a² + b²
ধরি,
প্রথম রাশিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই = (a + b)(a − b)
দ্বিতীয় রাশি অপরিবর্তিত থাকে = a² + b²
অতএব,
প্রথম রাশির উৎপাদকগুলি হলো (a + b) এবং (a − b)
দ্বিতীয় রাশির কোনো সাধারণ উৎপাদক নেই
সুতরাং,
রাশি দুটির মধ্যে কোনো সাধারণ গুণনীয়ক বা উৎপাদক মিলে না
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: A) √3/2
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, cosθ = ১/২
ধরি,
cosθ এর মান থেকে কোণের মান বের করতে হবে
আমরা জানি, cos(৬০°) = ১/২
সুতরাং, θ = ৬০°
অতএব,
আমাদের মান বের করতে হবে cos(৯০° − θ) এর
এখানে θ এর মান ৬০° বসাতে হবে
সুতরাং,
cos(৯০° − ৬০°) = cos(৩০°)
আমরা জানি, cos(৩০°) এর মান √3/2
উত্তর: √3/2
সঠিক উত্তর: C) ১০√৩
প্রদত্ত তথ্য:
খুঁটির গোড়া থেকে দূরত্বের মান = ১০ মিটার
শীর্ষের উন্নতি কোণের মান = ৬০°
ধরি,
খুঁটির উচ্চতা হলো এই নির্দিষ্ট লম্বের দৈর্ঘ্য
ভূমির দূরত্ব হলো দশ মিটার
অতএব,
ত্রিকোণমিতির সূত্র অনুযায়ী ট্যান ষাট ডিগ্রি সমান লম্ব ভাগ ভূমি লেখা যায়
লম্বের মান অজানা এবং ভূমির মান দশ মিটার
ট্যান ষাট ডিগ্রির মান রুট তিন বসাতে হবে
সুতরাং,
লম্ব সমান দশ গুণ রুট তিন পাওয়া যায়
উত্তর: ১০√৩ মিটার
সঠিক উত্তর: A) (৩, ০)
প্রদত্ত তথ্য:
বিন্দুটি এক্স অক্ষের উপর অবস্থিত
বিন্দুটি ওয়াই অক্ষ হতে তিন একক দূরে অবস্থিত
ধরি,
এক্স অক্ষের উপর অবস্থিত যেকোনো বিন্দুর ওয়াই এর মান শূন্য হয়
অতএব,
বিন্দুটির কোটি হবে শূন্য
সুতরাং,
বিন্দুটির ভুজ হবে তিন একক দূরত্ব অনুযায়ী তিন
উত্তর: (৩, ০)
সঠিক উত্তর: D) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো প্রথম বন্ধনীর ভেতর পাঁচ এক্স এর ওপর শূন্য ঘাত গুণন পাঁচ গুণ এক্স এর ওপর শূন্য ঘাত।
এখানে সূচকের নিয়ম প্রয়োগ করতে হবে।
ধরি,
প্রথম অংশটি হলো পাঁচ এক্স এর সম্পূর্ণ অংশটির ওপর শূন্য ঘাত।
দ্বিতীয় অংশটি হলো পাঁচ গুণ এক্স এর ওপর শূন্য ঘাত।
অতএব,
যেকোনো সংখ্যার ওপর শূন্য ঘাত থাকলে তার মান এক হয়।
তাই প্রথম অংশের মান হয় এক।
সুতরাং,
দ্বিতীয় অংশে এক্স এর ওপর শূন্য ঘাত থাকার কারণে তার মানও এক হয়।
এখন এক এবং পাঁচ এবং এক গুণ করলে উত্তর হয় পাঁচ।
উত্তর: ৫
সঠিক উত্তর: B) ১/৩
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সংখ্যার যোগফল = ৪০
দুইটি সংখ্যার বিয়োগফল = ২০
ধরি,
বড় সংখ্যাটি = ক
ছোট সংখ্যাটি = খ
অতএব,
ক + খ = ৪০
ক − খ = ২০
সুতরাং,
যোগ করে পাই, ২ক = ৬০ বা ক = ৩০
বিয়োগ করে পাই, ২খ = ২০ বা খ = ১০
উত্তর: ছোট সংখ্যাটি বড় সংখ্যাটির ১০ ÷ ৩০ = ১/৩ গুণ
সঠিক উত্তর: C) ২৬ বর্গ সেঃমিঃ
প্রদত্ত তথ্য:
ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য ৮ সেমি এবং ৫ সেমি
বাহুদ্বয়ের মধ্যবর্তী লম্ব দূরত্ব ৪ সেমি
ধরি,
প্রথম সমান্তরাল বাহু ক = ৮ সেমি
দ্বিতীয় সমান্তরাল বাহু খ = ৫ সেমি
উচ্চতা হ = ৪ সেমি
অতএব,
সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের যোগফল = ৮ সেমি + ৫ সেমি = ১৩ সেমি
ক্ষেত্রফলের সূত্র = (বাহুদ্বয়ের যোগফল ÷ ২) × উচ্চতা
মান বসিয়ে পাই = (১৩ ÷ ২) × ৪
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = ১৩ × ২ = ২৬ বর্গ সেমি
উত্তর: ২৬ বর্গ সেঃমিঃ
সঠিক উত্তর: D) (∞, ∞)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সরলরেখা = x + y − ১ = ০
দ্বিতীয় সরলরেখা = ৪x + ৪y + ১ = ০
ধরি,
প্রথম সমীকরণ থেকে পাই, x + y = ১
দ্বিতীয় সমীকরণ থেকে পাই, ৪(x + y) = − ১
সুতরাং, x + y = − ১ ÷ ৪
অতএব,
প্রথম সমীকরণ অনুযায়ী x + y এর মান = ১
দ্বিতীয় সমীকরণ অনুযায়ী x + y এর মান = − ১ ÷ ৪
এই দুটি মান পরস্পর সমান নয়
সুতরাং,
রেখাদ্বয় পরস্পর সমান্তরাল এবং এদের কোনো ছেদবিন্দু নেই
সমান্তরাল রেখাদ্বয়ের ক্ষেত্রে ছেদবিন্দুর স্থানাংক নির্ধারিত হয় না
উত্তর: (∞, ∞)
সঠিক উত্তর: B) x^2 − ১
প্রদত্ত তথ্য:
প্যাটার্নটির পদগুলো হলো যথাক্রমে শূন্য, তিন, আট, পনেরো এবং চব্বিশ।
ক্রমিক সংখ্যা বা পদগুলোর অবস্থান হলো প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ এবং পঞ্চম।
ধরি,
পদের অবস্থান বা ক্রমিক সংখ্যা হলো x।
প্রথম পদের জন্য x এর মান এক।
অতএব,
প্রথম পদের হিসাব: এক গুণ এক বিয়োগ এক সমান শূন্য।
দ্বিতীয় পদের হিসাব: দুই গুণ দুই বিয়োগ এক সমান তিন।
তৃতীয় পদের হিসাব: তিন গুণ তিন বিয়োগ এক সমান আট।
সুতরাং,
চতুর্থ পদের হিসাব: চার গুণ চার বিয়োগ এক সমান পনেরো।
পঞ্চম পদের হিসাব: পাঁচ গুণ পাঁচ বিয়োগ এক সমান চব্বিশ।
উত্তর: x^2 − ১
সঠিক উত্তর: B) ৫/২
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম এর রাশিটি হলো log2 (৪√২)
ধরি,
x = log2 (৪√২)
অতএব,
লগারিদমের নিয়ম অনুযায়ী লেখা যায় টু এর পাওয়ার x সমান ৪ গুণ √২
এখানে চার কে লেখা যায় টু এর পাওয়ার দুই এবং √২ কে লেখা যায় টু এর পাওয়ার ১/২
সুতরাং,
ডানপক্ষে সূচকের নিয়ম অনুযায়ী ভিত্তি এক হলে পাওয়ারগুলো যোগ হয়, তাই দুই যোগ ১/২ সমান ৫/২
উত্তর: x এর মান ৫/২
সঠিক উত্তর: C) a + b
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ax − ab = a²
ধরি,
a দিয়ে উভয় পক্ষকে ভাগ করা যায়
কারণ a একটি সাধারণ গুণনীয়ক
অতএব,
x − b = a
সুতরাং,
x = a + b
উত্তর: a + b
সঠিক উত্তর: C) logₐ 16
প্রদত্ত তথ্য:
সূচকীয় সমীকরণ দেওয়া আছে aᵖ = 16
ধরি,
লগারিদম বা সূচকের রূপান্তর নিয়ম অনুযায়ী বেজ বা ভিত্তি a অপরিবর্তিত থাকে
অতএব,
সূচকের মান p সমান হয় বেজ a এর সাপেক্ষে 16 এর লগারিদম
সুতরাং,
সমীকরণটি লগারিদমের আকারে লেখা যায় p = logₐ 16
উত্তর: logₐ 16
সঠিক উত্তর: B) θ = ৪৫০
প্রদত্ত তথ্য:
সাইন থিটা সমান কোসাইন থিটা
sinθ = cosθ
ধরি,
সমীকরণটির উভয় পক্ষকে কোসাইন থিটা দিয়ে ভাগ করি
sinθ ÷ cosθ = ১
tanθ = ১
অতএব,
আমরা জানি ট্যান ৪৫ ডিগ্রি এর মান এক
tanθ = tan৪৫°
সুতরাং,
উভয় পক্ষ থেকে ট্যান বাদ দিয়ে পাই
θ = ৪৫০
উত্তর: ৪৫০
সঠিক উত্তর: D) (x/2)(1/t₁ − 1/t₂)
প্রদত্ত তথ্য:
স্রোতের প্রতিকূলে x কিলোমিটার যেতে সময় লাগে t₁ ঘণ্টা
স্রোতের অনুকূলে সমদূরত্ব x কিলোমিটার যেতে সময় লাগে t₂ ঘণ্টা
ধরি,
স্থির পানিতে নৌকার বেগ = u কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা
স্রোতের বেগ = v কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা
অতএব,
স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার কার্যকর বেগ = x ÷ t₁ = (x / t₁) কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা
স্রোতের অনুকূলে নৌকার কার্যকর বেগ = x ÷ t₂ = (x / t₂) কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা
সুতরাং,
স্রোতের প্রতিকূলের বেগ = u − v = (x / t₁)
স্রোতের অনুকূলের বেগ = u + v = (x / t₂)
উত্তর: স্রোতের বেগ v = (1/2) × [(x / t₁) − (x / t₂)] = (x/2)(1/t₁ − 1/t₂)
সঠিক উত্তর: D) ৯০°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত ১ : ১ : ২
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি ১৮০°
ধরি,
প্রথম কোণটি = ১ক
দ্বিতীয় কোণটি = ১ক
তৃতীয় কোণটি = ২ক
অতএব,
কোণ তিনটির যোগফল = ১ক + ১ক + ২ক
মোট অনুপাত = ১ + ১ + ২ = ৪
কোণ তিনটির মোট পরিমাপ = ১৮০°
সুতরাং,
৪ক = ১৮০°
ক = ১৮০° ÷ ৪ = ৪৫°
উত্তর: বৃহত্তম কোণটি = ২ × ৪৫° = ৯০°
সঠিক উত্তর: C) ৬.৮৮৩
প্রদত্ত তথ্য:
১ হতে ১৫ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩
ধরি,
সংখ্যাগুলোর মোট সমষ্টি = ২ + ৩ + ৫ + ৭ + ১১ + ১৩
মোট মৌলিক সংখ্যার পরিমাণ = ৬টি
অতএব,
২ + ৩ = ৫
৫ + ৫ = ১০
১০ + ৭ = ১৭
১৭ + ১১ = ২৮
২৮ + ১৩ = ৪১
সুতরাং,
গড় = ৪১ ÷ ৬ = ৬.৮৮৩
উত্তর: ৬.৮৮৩
সঠিক উত্তর: A) ৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো এ প্লাস বি সমান ৯০ ডিগ্রি
দ্বিতীয় শর্তটি হলো ট্যান এ সমান ১ ভাগ রুট ৩
ধরি,
এ কোণের মান বের করার জন্য ত্রিকোণমিতির সূত্র ব্যবহার করতে হবে
ট্যান ৩০ ডিগ্রি সমান ১ ভাগ রুট ৩
অতএব,
এ কোণের মান হবে ৩০ ডিগ্রি
কারণ ট্যান ৩০ ডিগ্রির মান এবং ১ ভাগ রুট ৩ একই
সুতরাং,
এ প্লাস বি সমান ৯০ ডিগ্রি সমীকরণে মান বসাতে হবে
৩০ ডিগ্রি প্লাস বি সমান ৯০ ডিগ্রি
উত্তর: বি সমান ৬০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: D) ৪৬০২৮
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, a + (১ ÷ a) = ৫
ধরি,
রাশিটি হলো a ÷ (a² + a + ১)
অতএব,
লব ও হরকে a দ্বারা ভাগ করে পাই, ১ ÷ (a + ১ + (১ ÷ a))
সুতরাং,
a + (১ ÷ a) এর মান বসিয়ে পাই, ১ ÷ (৫ + ১)
উত্তর: ভুল প্রশ্ন বা অপশন প্রিন্টিং মিস্টেক, সঠিক নিয়মে মান হবে ১ ÷ ৬
সঠিক উত্তর: A) ৬ মি
প্রদত্ত তথ্য:
ঘনকের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৬√৩ মি
ধরি,
ঘনকের একটি ধারের দৈর্ঘ্য = ক মি
অতএব,
ঘনকের কর্ণের সূত্র = ক√৩ মি
সুতরাং,
ক√৩ = ৬√৩
ক = ৬
উত্তর: ৬ মি
সঠিক উত্তর: B) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
সেট এ = ২, ৩
সেট বি = ৪
ধরি,
বি সেট থেকে এ সেটের উপাদান বাদ দিতে হবে
অতএব,
বি সেটের উপাদান হলো ৪
এ সেটের উপাদান হলো ২, ৩
সুতরাং,
বি সেটের উপাদান থেকে এ সেটের উপাদান বাদ দিলে কেবল ৪ থাকে
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: B) p + px / ১০০
প্রদত্ত তথ্য:
ফলের ক্রয়মূল্য = p টাকা
ভ্যাটের হার = x%
ধরি,
মূল দামের উপর ভ্যাটের পরিমাণ হিসাব করতে হবে
অতএব,
ভ্যাটের পরিমাণ = p টাকার x%
ভ্যাটের পরিমাণ = (p × x) ÷ ১০০ টাকা
সুতরাং,
ভ্যাটসহ ফলের মোট ক্রয়মূল্য = p + (px ÷ ১০০) টাকা
উত্তর: p + px / ১০০
সঠিক উত্তর: C) লর্ড মাউন্টব্যাটেন
কেন সঠিক:
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় যিনি ১৯৪৭ সালের আগস্ট মাসে ভারত ও পাকিস্তান নামের দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র সৃষ্টি করেন।
- তার মাধ্যমেই ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন বাস্তবায়িত হয় এবং উপমহাদেশের ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লর্ড কার্জন — তিনি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ করেছিলেন, যা ১৯৪৭ সালের বিভক্তির সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) লর্ড ওয়েলিংটন — তিনি ১৯৩১ থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় ছিলেন, ১৯৪৭ সালের বিভক্তির সময়ের সাথে সম্পৃক্ত নন।
C) লর্ড মাউন্টব্যাটেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই।
D) লর্ড লিনলিথগো — তিনি ১৯৩৬ থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত ভাইসরয় ছিলেন এবং তার আমলেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার শেষ ধাপে সব শেষ করতে এসেছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন, তাই ১৯৪৭ সালের শেষ ভাইসরয় হিসেবে তার নাম মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) বুড়িগঙ্গা
কেন সঠিক:
- বাকল্যান্ড বাঁধ ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে নির্মিত একটি ঐতিহাসিক তীররক্ষা বাঁধ।
- উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে ঢাকা শহরের নদীভাঙন রোধ এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য এটি নির্মাণ করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শীতলক্ষ্যা — এটি নারায়ণগঞ্জ শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত একটি নদী, যেখানে বাকল্যান্ড বাঁধ অবস্থিত নয়।
B) সিন্ধু — এটি পাকিস্তান ও ভারতের একটি প্রধান নদী, যার সঙ্গে ঢাকার বাকল্যান্ড বাঁধের কোনো সম্পর্ক নেই।
C) বুড়িগঙ্গা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
D) হোয়াংহো — এটি চীনের একটি বিখ্যাত নদী, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা শহরের প্রাণকেন্দ্র বুড়িগঙ্গা নদী, আর এখানেই তৈরি হয়েছিল ঐতিহাসিক বাকল্যান্ড বাঁধ।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ২১ মার্চ ২০২২
কেন সঠিক:
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২১ মার্চ ২০২২ তারিখে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ১৩২০ মেগাওয়াট পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।
- এটি দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ কয়লাভিত্তিক বৃহৎ বিদ্যুৎ কেন্দ্র যা বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৩ মার্চ ২০২১ — এই তারিখে পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়নি, এটি ভুল একটি সাল ও তারিখ।
B) ২১ মার্চ ২০১৭ — এই তারিখে পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছিল, সম্পন্ন বা উদ্বোধনের তারিখ নয়।
২০ মার্চ ২০১৯ — এই তারিখে পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কোনো প্রধান উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়নি।
D) ২১ মার্চ ২০২২ — এই তারিখে পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় এবং এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধন হয় ২০২২ সালের একুশে মার্চ।
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা
কেন সঠিক:
- সিরডাপ একটি আঞ্চলিক আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং এর সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
- ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থার পূর্ণরূপ হলো সেন্টার অন ইন্টিগ্রেটেড রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিল্লী — এটি ভারতের রাজধানী এবং এখানে সার্কের সদর দপ্তর নেই, এটি সিরডাপের সদর দপ্তরও নয়।
B) ওয়াশিংটন — এটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের সদর দপ্তর অবস্থিত, সিরডাপের নয়।
C) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ সিরডাপের প্রধান কার্যালয় ঢাকাতেই অবস্থিত।
D) ব্যাংকক — এটি থাইল্যান্ডের রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের এসক্যাপ (ESCAP) এর সদর দপ্তর অবস্থিত, সিরডাপের নয়।
মনে রাখার টিপস:
এশিয়ার গ্রামীণ উন্নয়নের আন্তর্জাতিক সংস্থা সিরডাপের জন্ম ও সদর দপ্তর আমাদের দেশ অর্থাৎ ঢাকাতেই অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) ০৫ মার্চ ২০২১
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ জাতিসংঘের দাপ্তরিক ছয়টি ভাষায় অনুবাদ করে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করা হয়।
- ২০২১ সালের ০৫ মার্চ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই গ্রন্থের মোড়ক উন্মوচন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ০৪ মার্চ ২০২১ — এই তারিখে গ্রন্থটির আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন করা হয়নি।
B) ০৫ মার্চ ২০২১ — এই তারিখটি সঠিক কারণ এই দিনেই আনুষ্ঠানিকভাবে মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
C) ০৬ মার্চ ২০২১ — এই তারিখটি মোড়ক উন্মোচনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ০৭ মার্চ ২০২১ — এটি ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের দিন, মোড়ক উন্মোচনের দিন নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভাষণের দিন ৭ই মার্চ হলেও, জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষার বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয় দুই দিন আগে ০৫ মার্চ ২০২১ সালে।
সঠিক উত্তর: C) আব্রাহাম লিংকন
কেন সঠিক:
- তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ষোড়শ প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং ১৮৬৩ সালের ১ জানুয়ারি ঐতিহাসিক মুক্তিসনদ জারির মাধ্যমে দাসপ্রথা বিলুপ্তির ঘোষণা দেন।
- মার্কিন গৃহযুদ্ধের সময় তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং আইনগত পদক্ষেপের ফলেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে দাসপ্রথার চির অবসান ঘটে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জন এফ কেনেডি — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিংশ শতাব্দীর একজন প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং তাঁর শাসনকাল ১৯৬০-এর দশকে নাগরিক অধিকার আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত, দাসপ্রথা রহিতের সঙ্গে নয়।
B) জর্জ ওয়াশিংটন — তিনি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট এবং দেশটির প্রতিষ্ঠাতা, যিনি নিজে দাসপ্রথার যুগে জীবনযাপন করেছেন এবং দাসপ্রথা রহিত করেননি।
D) রিচার্ড নিক্সন — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিংশ শতাব্দীর একজন প্রেসিডেন্ট ছিলেন যিনি ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির জন্য পরিচিত এবং দাসপ্রথা রহিতের বহু পরে ক্ষমտায় এসেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের দাসপ্রথা মনে রাখতে লিংকন ও আইন শব্দটি মনে রাখুন, কারণ আব্রাহাম লিংকন আইনি পদক্ষেপে দাসপ্রথা বিলুপ্ত করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: D) নিউইয়র্কেই
কেন সঠিক:
- ওয়াল স্ট্রিট যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ম্যানহাটন বরোতে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক রাস্তা।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম স্টক এক্সচেঞ্জ নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ এবং মার্কিন আর্থিক বাজারের প্রধান কেন্দ্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লন্ডনে — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এর প্রধান আর্থিক কেন্দ্র হলো লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ বা সিটি অব লন্ডন।
B) টোকিওতে — এটি জাপানের রাজধানী এবং এর প্রধান আর্থিক কেন্দ্র ও স্টক এক্সচেঞ্জ টোকিওতে অবস্থিত।
C) প্যারিসে — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং এর প্রধান আর্থিক কেন্দ্র ও ইউরোনেক্সট বাজার প্যারিসে অবস্থিত।
D) নিউইয়র্কেই — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিখ্যাত ওয়াল স্ট্রিট যুক্তরাষ্ট্রের এই শহরেই অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের ডলার ও অর্থনীতির কেন্দ্র নিউইয়র্ক, আর বিখ্যাত ওয়াল স্ট্রিটও এই নিউইয়র্ক শহরেই অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) কামরুল হাসান
কেন সঠিক:
- শিল্পী কামরুল হাসান ১৯৭২ সালে পটুয়া কামরুল হাসান নামে পরিচিত বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপটি ডিজাইন ও পরিমার্জন করেছিলেন।
- ১৯৭১ সালে শিবনারায়ণ দাসের আঁকা মূল পতাকার মানচিত্র খচিত নকশাকে সহজ ও মানসম্মত করে বর্তমান সবুজ বৃত্তে লাল সূর্য রূপটি তিনি তৈরি করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জয়নুল আবেদীন — তিনি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা হলেও জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
B) কামরুল হাসান — এই অপশনটি সঠিক, কারণ তিনি বর্তমান জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা প্রস্তুত করেছিলেন।
C) হাসেম খান — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের সময়ের বিভিন্ন পোস্টার ডিজাইনার হলেও জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
D) হামিদুর রহমান — তিনি শহীদ মিনারের মূল নকশাবিদ ও স্থপতি, জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
মনে রাখার টিপস:
পতাকা মানেই পটুয়া কামরুল হাসান, কারণ পটুয়া শিল্পীই পতাকার নকশা সুন্দর করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: B) উন্নত জাতের গম
কেন সঠিক:
- 'দোয়েল' হলো বাংলাদেশে উদ্ভাবিত গমের একটি উচ্চ ফলনশীল ও রোগসহনশীল জাত।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কৃষিক্ষেত্রে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য এই জাতটি উদ্ভাবন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উন্নত জাতের ধান — ধান বা চালের ক্ষেত্রে দোয়েল নামটির কোনো পরিচিত বা অনুমোদিত জাত নেই।
B) উন্নত জাতের গম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই।
C) উন্নত জাতের পাট — পাটের ক্ষেত্রে দোয়েল নয়, বরং বিজেআরআই বিভিন্ন জাত যেমন রবিউল বা দেশি পাট উদ্ভাবন করেছে।
D) উন্নত জাতের চা — চা উৎপাদনের ক্ষেত্রে দোয়েল কোনো পরিচিত বা অনুমোদিত জাতের নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
পাখি হিসেবে দোয়েল আমাদের জাতীয় পাখি হলেও কৃষিক্ষেত্রে 'দোয়েল' একটি গমের নাম।
সঠিক উত্তর: D) ১৬১০ সাল
কেন সঠিক:
- মোঘল সুবাদার ইসলাম খাঁ চিশতি ১৬১০ সালে সুবা বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং এর নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর।
- বাংলার বিদ্রোহী ভূঁইয়াদের দমন এবং উত্তর-পূর্ব সীমান্ত নিয়ন্ত্রণে কৌশলগত ও ভৌগোলিক কারণে ঢাকাকে রাজধানী করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৫১০ সাল — এই সময়ে ঢাকায় কোনো মোঘল রাজধানী স্থাপন করা হয়নি এবং এটি প্রাসঙ্গিক নয়।
B) ১৫৯০ সাল — এই সালটি ঢাকার মোঘল রাজধানী হওয়ার ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ১৬০০ সাল — এই বছরেও ঢাকাকে বাংলার রাজধানী করা হয়নি, কারণ ইসলাম খাঁ ঢাকায় আসেন সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথম দশকে।
D) ১৬১০ সাল — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই ঢাকা প্রথম বাংলার রাজধানী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
মোঘল সুবাদার ইসলাম খাঁ ষোলশ দশ সালে ঢাকাকে রাজধানী করেছিলেন, তাই ইসলাম খাঁর আগমন এবং ঢাকার রাজধানী হওয়ার সালটি একসঙ্গে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) পঞ্চদশ সংশোধনী
কেন সঠিক:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন পাস হওয়া সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে জাতীয় সংসদে মহিলাদের সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৪৫ থেকে বৃদ্ধি করে ৫০ করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমেই ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর বাতিল হওয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অবৈধ ঘোষণা করা হয় এবং ধর্মনিরপেক্ষতা পুনরুদ্ধার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সপ্তদশ সংশোধনী — ২০১৮ সালে পাস হওয়া এই সংশোধনীর মাধ্যমে নারী সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ আরও ২৫ বছর অর্থাৎ দশ বছর বাড়ানো হয়, আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়নি।
B) পঞ্চদশ সংশোধনী — ২০১১ সালের এই সংশোধনীর মাধ্যমে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসন সংখ্যা ৪৫ থেকে বৃদ্ধি করে ৫০ করা হয়।
C) দ্বাদশ সংশোধনী — ১৯৯১ সালে পাস হওয়া এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করা হয়।
D) নবম সংশোধনী — ১৯৮৯ সালে পাস হওয়া এই সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি সম্পর্কিত বিধান সংশোধিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী ২০১১ সালে পাস হয় এবং এতেই নারী আসন ৫০টিতে উন্নীত করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) অস্ট্রেলিয়া
কেন সঠিক:
- আদিবাসীদের ইতিহাস ও অবদান জাতীয় সংগীতে স্বীকৃতি দিতে অস্ট্রেলিয়া তাদের জাতীয় সংগীতের কথায় পরিবর্তন এনেছে।
- ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সংগীত অ্যাডভান্স অস্ট্রেলিয়া ফেয়ার এর দ্বিতীয় লাইনে অফ উই আর ইয়াং অ্যান্ড ফ্রি এর পরিবর্তে অফ উই আর ওয়ান অ্যান্ড ফ্রি করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ড বা যুক্তরাজ্যের জাতীয় সংগীত গড সেভ দ্য কিং এর বর্তমান কথায় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।
B) চীন — চীনের জাতীয় সংগীত মার্চের অব দ্য ভলান্টিয়ার্স এর মূল কথায় কোনো সাম্প্রতিক পরিবর্তন আনা হয়নি।
C) অস্ট্রেলিয়া — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) কোরিয়া — উত্তর বা দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় সংগীতের সাম্প্রতিক সময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীদের সম্মান জানাতে তাদের জাতীয় সংগীতের কথায় পরিবর্তন আনা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) মহাস্থানগড়
কেন সঠিক:
- প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন বর্তমান বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত, যা বাংলার প্রাচীনতম নগরী হিসেবে পরিচিত।
- এটি প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্যের রাজধানী ছিল এবং মৌর্য, গুপ্ত ও সেন আমলের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক নিদর্শন বহন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাহাড়পুর — এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত এবং এটি মূলত প্রাচীন সোমপুর মহাবিহার বা বৌদ্ধ বিহারের জন্য বিখ্যাত, পুণ্ড্রবর্ধন নয়।
B) মহাস্থানগড় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের মূল অবস্থান।
C) ময়নামতি — এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত এবং এটি প্রাচীন সমতট অঞ্চলের বৌদ্ধ সভ্যতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।
D) সোনারগাঁও — এটি নারায়ণগঞ্জ জেলায় অবস্থিত এবং এটি মধ্যযুগের স্বাধীন সুলতানি আমলের একটি ঐতিহাসিক রাজধানী ও প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল।
মনে রাখার টিপস:
পুণ্ড্রবর্ধন মানেই বগুড়ার মহাস্থানগড়, কারণ পুণ্ড্র ও মহাস্থানগড় উভয়ই বাংলার প্রাচীনতম সভ্যতার প্রতীক।
সঠিক উত্তর: C) ২৪ জানুয়ারি
কেন সঠিক:
- ১৯৬৯ সালের এই দিনে আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নবকুমার ইন্সটিটিউটের ছাত্র মতিউর রহমানসহ অনেকেই শহীদ হন।
- এই রক্তক্ষয়ী ঘটনার মধ্য দিয়ে তৎকালীন পূর্ব বাংলায় গণঅভ্যুত্থান চূড়ান্তে পৌঁছায় এবং ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান দিবস হিসেবে পালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ০৪ জানুয়ারি — এটি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠার তারিখ, গণঅভ্যুত্থান দিবস নয়।
B) ২৪ ফেব্রুয়ারি — এই তারিখে কোনো জাতীয় গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন করা হয় না।
C) ২৪ জানুয়ারি — এটিই ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস।
D) ০৪ ফেব্রুয়ারি — এই তারিখে কোনো নির্দিষ্ট জাতীয় গণঅভ্যুত্থান দিবস নেই।
মনে রাখার টিপস:
জানুয়ারি মাসের চব্বিশ তারিখে ছাত্ররা রক্ত দিয়েছিল, তাই চব্বিশ জানুয়ারি গণঅভ্যুত্থান দিবস।
সঠিক উত্তর: D) ৩০২০ ডলার
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বিবিএস এর চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ৩০২০ মার্কিন ডলার।
- অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং জিডিপি বৃদ্ধির ফলে দেশের মানুষের গড় আয় এই স্তরে উন্নীত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯২০ ডলার — এটি আগের একটি পুরনো অর্থবছরের মাথাপিছু আয়, যা বর্তমানের সঠিক পরিসংখ্যান নয়।
B) ২২২৭ ডলার — এটি করোনাকালীন বা তার কাছাকাছি সময়ের একটি পুরনো হিসাব, বর্তমানের হালনাগাদ তথ্য নয়।
C) ২৫৫৪ ডলার — এটি বিগত অর্থবছরের একটি প্রাথমিক বা পূর্ববর্তী হিসাব, যা বর্তমানের চূড়ান্ত তথ্যের চেয়ে কম।
D) ৩০২০ ডলার — এটি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের হালনাগাদ ও সঠিক মাথাপিছু আয়ের পরিমাণ।
মনে রাখার টিপস:
মাথাপিছু আয়ের আধুনিক হিসাব মনে রাখতে ত্রিশের ঘরে ৩০২০ মার্কিন ডলার সংখ্যাটি মনে রাখুন।
বিষয়ের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও অর্থনীতি
সঠিক উত্তর: A) আমেরিকা
কেন সঠিক:
- যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশ।
- শेल তেল উত্তোলনের আধুনিক প্রযুক্তির কারণে তাদের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমেরিকা — এটি বর্তমানে বিশ্বের সর্বোচ্চ পরিমাণ খনিজ তেল উৎপাদনকারী দেশ।
B) কুয়েত — এটি ওপেক জোটের অন্যতম প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশ হলেও শীর্ষ অবস্থানে নেই।
C) কাতার — এটি তেল উৎপাদনের চেয়ে প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলনে বিশ্ববাজারে বেশি প্রভাবশালী।
D) সৌদি আরব — অতীতে শীর্ষ অবস্থানে থাকলেও বর্তমানে উৎপাদনে আমেরিকার পরেই তাদের অবস্থান।
মনে রাখার টিপস:
তেল উৎপাদনে আমেরিকা সবার সেরা, আর সৌদি আরব তাদের ঠিক পরেই অবস্থান করে।
সঠিক উত্তর: C) স্টরটিং
কেন সঠিক:
- নরওয়ের এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার আনুষ্ঠানিক ও ঐতিহাসিক নাম স্টরটিং।
- ১৮১৪ সালের নরওয়ের সংবিধান অনুযায়ী এই আইনসভা গঠিত হয় এবং এটি দেশের রাজধানী অসলোতে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রিকসডাগ — এটি সুইডেনের আইনসভার নাম, যা নরওয়ের আইনসভা নয়।
B) ফোলকেটিং — এটি ডেনমার্কের আইনসভার নাম, যা নরওয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) স্টরটিং — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নরওয়ের আইনসভাকে নির্দেশ করে।
D) নেসেট — এটি ইসরায়েলের আইনসভার নাম, যা নরওয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
নরওয়ের মানুষ শীতের দিনে স্টোরে বসে মিটিং করে, তাই নরওয়ের আইনসভা স্টরটিং।
সঠিক উত্তর: C) মাকসুদুল আলম
১. কেন সঠিক:
ডক্টর মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে একদল গবেষক ২০১০ সালে তোষা পাটের জীবনরহস্য বা জিনোম সিকোয়েন্স উন্মোচন করেন।
এর মাধ্যমে পাটের উন্নত জাত উদ্ভাবন এবং চাষাবাদে বিপ্লব ঘটানোর নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: জিনোম সিকোয়েন্স বা জীবনরহস্য হলো কোনো জীবের কোষে থাকা পূর্ণাঙ্গ ডিএনএর নিউক্লিওটাইডের বিন্যাস।
কার্যপ্রণালি: পাটের ক্ষতিকারক ছত্রাক বা পোকার আক্রমণ রোধ এবং আঁশের মান উন্নয়নে এই জিনোম বিন্যাস অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের জিনোম প্রজেক্ট
ব্যাখ্যা: মানুষের জীবনরহস্য উন্মোচনের ফলে বিভিন্ন জিনগত রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়েছে।
উদাহরণ ২: ধানের জিনোম সিকোয়েন্স
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক ধানের জীবনরহস্য উন্মোচনের ফলে উচ্চ ফলনশীল ও লবণসহিষ্ণু ধানের জাত উদ্ভাবন সহজ হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফরিদুল আলম — ইনি পাটের জীবনরহস্য উদ্ভাবনের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। তবে ইনি বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য প্রকৌশলী ও গবেষক।
B) শহিদুল আলম — ইনি একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলোকচিত্রী এবং সাংবাদিক। পাটের জীবনরহস্য আবিষ্কারের সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
C) মাকসুদুল আলম — এটি সঠিক উত্তর। কারণ তিনি ও তাঁর দল তোষা পাটের জীবনরহস্য প্রথম সফলভাবে উন্মোচন করেন।
D) মিজানুর রহমান — ইনি পাটের জীবনরহস্য গবেষণার মূল আবিষ্কারক নন। ইনি বাংলাদেশের একজন ভিন্ন ক্ষেত্রের গবেষক বা ব্যক্তি হতে পারেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
পাটের জীবনরহস্য আবিষ্কারক মনে রাখতে পাট চাষের সঙ্গে ম্যাক্সিমাম বা সর্বোচ্চ সাফল্যের কথা মনে রাখুন। ম্যাক্সিমাম থেকে মাকসুদুল আলম নামটি সহজেই স্মরণ করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশ বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে পাটের জীবনরহস্য উন্মোচন করে। একই ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে যে, কবে পাটের জীবনরহস্য উন্মোচিত হয়, যার সঠিক উত্তর ২০১০ সাল।
সঠিক উত্তর: C) নিদ্রাহীনতার রোগ
১. কেন সঠিক:
ইনসোমনিয়া হলো এমন একটি চিকিৎসাগত অবস্থা যেখানে মানুষের রাতে ঘুমাতে বা ঘুমের গভীরতা বজায় রাখতে তীব্র সমস্যা হয়।
এটি মূলত মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ব্যাহত হওয়ার কারণে ঘটে থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ইনসোমনিয়া হলো দীর্ঘস্থায়ী বা সাময়িক নিদ্রাহীনতা যা মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে।
কার্যপ্রণালি: মস্তিষ্কের যে অংশ ঘুম নিয়ন্ত্রণ করে, সেখানে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সারাদিন অফিস বা পড়াশোনার অতিরিক্ত চাপ নিয়ে বিছানায় যাওয়ার পরও ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘুম না আসা।
ব্যাখ্যা: এটি মানসিক চাপের কারণে সৃষ্ট সাময়িক ইনসোমনিয়ার একটি ধ্রুপদী উদাহরণ।
উদাহরণ ২: নাইট শিফটে দীর্ঘদিন কাজ করার ফলে শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি বা সার্কাডিয়ান রিদম নষ্ট হয়ে যাওয়া।
ব্যাখ্যা: এর ফলে রাতের বেলায় স্বাভাবিক ঘুম হয় না এবং দীর্ঘমেয়াদী নিদ্রাহীনতা দেখা দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্নায়ুরোগ — এটি সরাসরি কোনো সাধারণ স্নায়ুরোগ নয়, বরং ঘুম সংক্রান্ত একটি নির্দিষ্ট চিকিৎসাগত ব্যাধি।
B) চোখের রোগ — চোখ বা দৃষ্টিশক্তির সঙ্গে ইনসোমনিয়ার কোনো প্রত্যক্ষ শারীরিক সংযোগ নেই।
C) নিদ্রাহীনতার রোগ — এটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ ইনসোমনিয়া মানেই পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব বা নিদ্রাহীনতা।
D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন সি তে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইনসোমনিয়া শব্দটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো ইংরেজি শব্দ স্লিপ বা ঘুমের সঙ্গে এর সম্পর্ক মেলানো।
ঘুম না হওয়া মানেই নিদ্রাহীনতা বা ইনসোমনিয়া।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ইনসোমনিয়া মূলত মেলাটোনিন হরমোনের অপ্রতুলতা বা মস্তিষ্কের স্নায়বিক জটিলতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি রোগ, জীবাণু ও রোগ প্রতিরোধ অথবা মানবদেহ ও শারীরবৃত্ত অংশ থেকে আসে।
সঠিক উত্তর: B) কোভিশিল্ড
১. কেন সঠিক:
- অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং অ্যাস্ট্রাজেনিকা যৌথভাবে যে করোনা ভ্যাকসিন তৈরি করে, তার বাণিজ্য নাম হলো কোভিশিল্ড।
- এটি মূলত ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট কর্তৃক উৎপাদিত হয় এবং বিশ্বজুড়ে মহামারি মোকাবেলায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ভ্যাকসিন হলো মৃত বা দুর্বল জীবাণু কিংবা জীবাণুর অংশবিশেষ, যা শরীরে প্রবেশ করলে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়।
- কার্যপ্রণালি: এই ভ্যাকসিনটি শিম্পাঞ্জির অ্যাডেনোভাইরাসকে বাহক হিসেবে ব্যবহার করে মানবদেহে সার্স কোভ টু ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিন তৈরি করার নির্দেশ পাঠায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন
ব্যাখ্যা: এটি প্রতি বছর ফ্লু ভাইরাস থেকে সুরক্ষার জন্য মানবদেহের ইমিউন সিস্টেমকে প্রস্তুত করে।
উদাহরণ ২: হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিন
ব্যাখ্যা: এটি লিভারের মারাত্মক সংক্রমণ রোধ করতে দীর্ঘমেয়াদি অ্যান্টিবডি তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মর্ডানা — এটি আমেরিকার মর্ডানা কোম্পানি এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস কর্তৃক তৈরিকৃত একটি এমআরএনএ ভ্যাকসিন।
B) কোভিশিল্ড — এটি অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রাজেনিকার যৌথভাবে তৈরিকৃত এবং ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত ভ্যাকসিন।
C) কোভ্যাক্স — এটি কোনো নির্দিষ্ট কোম্পানির ভ্যাকসিন নয়, বরং এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পরিচালিত নিম্ন আয়ের দেশে ভ্যাকসিন বিতরণের একটি বৈশ্বিক উদ্যোগ।
D) আরভিড ডিমার — এটি কোনো বিশ্বখ্যাত করোনা ভ্যাকসিনের নাম নয়, বরং এটি একটি ভুল বা অপ্রাসঙ্গিক অপশন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রাজেনিকার টিকাকে শিল্ড বা ঢালের মতো মনে রাখতে পারো, যা আমাদের রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়। এভাবে কোভিশিল্ড নামটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এমআরএনএ ভিত্তিক ভ্যাকসিন হলো ফাইজার ও মর্ডানা, আর ভেক্টর ভিত্তিক ভ্যাকসিন হলো অ্যাস্ট্রাজেনিকা ও কোভিশিল্ড।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তি অংশ থেকে প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) জাভা সাগর
১. কেন সঠিক:
- ল্যাঙ্কাক দ্বীপ বা ল্যাংকান দ্বীপটি ইন্দোনেশিয়ার জাভা সাগরে অবস্থিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ।
- জাভা সাগরে অবস্থিত হওয়ার কারণে এর চারপাশের সামুদ্রিক জলবায়ু এবং ভূপ্রকৃতি এই দ্বীপের ভৌগোলিক পরিচয় নির্ধারণ করেছে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: ইন্দোনেশিয়ার অন্তর্গত জাভা সাগরে এই দ্বীপটির ভৌগোলিক অবস্থান নির্ধারিত হয়েছে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত একটি দ্বীপ যা উষ্ণ জলবায়ু এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: বালি দ্বীপ
ব্যাখ্যা: এটিও ইন্দোনেশিয়ার একটি বিখ্যাত দ্বীপ যা সমুদ্র সৈকত এবং পর্যটনের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
উদাহরণ ২: সুমাত্রা দ্বীপ
ব্যাখ্যা: এটি ইন্দোনেশিয়ার অপর একটি বৃহৎ দ্বীপ যা জাভা সাগরের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে অবস্থিত এবং এর প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দক্ষিণ চীন সাগর — এটি প্রশান্ত মহাসাগরের একটি অংশ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত, যেখানে ল্যাঙ্কাক দ্বীপ অবস্থিত নয়।
B) জাভা সাগর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সাগরেই ল্যাঙ্কাক দ্বীপটি ভৌগোলিকভাবে অবস্থিত।
C) জাপান সাগর — এটি পূর্ব এশিয়ায় জাপান ও কোরিয়া উপদ্বীপের মাঝে অবস্থিত, যার সঙ্গে এই দ্বীপের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) শৈবাল সাগর — এটি আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি স্রোতহীন সাগর, যা এই দ্বীপের অবস্থান থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ল্যাঙ্কাক দ্বীপ এবং জাভা সাগর দুটি নাম একসাথে মনে রাখার জন্য ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে পড়তে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাগর ও দ্বীপগুলোর অবস্থান থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- জাভা সাগরের আশপাশের অন্যান্য দ্বীপগুলোর নাম জেনে রাখা এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দিতে সহায়তা করবে।
সঠিক উত্তর: D) কিশোরগঞ্জ
১. কেন সঠিক:
- বাংলার প্রথম সার্থক মহিলাকবি চন্দ্রাবতীর জন্মস্থান হলো কিশোরগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের পাটুলী গ্রাম।
- মহাভারতের রামায়ণ বা মহাভারত বাংলায় অনুবাদ করার ক্ষেত্রে তিনি মধ্যযুগের নারী সাহিত্যিকদের মধ্যে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান নারী কবি চন্দ্রাবতী ষোড়শ শতাব্দীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং তার পিতা বংশীদাসও একজন বিখ্যাত মনসামঙ্গল কাব্যের কবি ছিলেন।
- তিনি মূলত রামায়ণ কাব্যের জন্য বেশি পরিচিত হলেও বাংলা সাহিত্যে তিনিই প্রথম মহিলা কবি যিনি মহাভারত কাব্যের কিছু অংশ অনুবাদ করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দ্রাবতীর রামায়ণ
ব্যাখ্যা: এটি চন্দ্রাবতীর একটি অমর সৃষ্টি যেখানে সীতার দুঃখ কষ্ট ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: মলুয়া পালা
ব্যাখ্যা: এটি তার রচিত একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় ময়মনসিংহ গীতিকার অংশবিশেষ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিক্রমপুর — এই অঞ্চলটি প্রাচীন বঙ্গের সাহিত্য সংস্কৃতির কেন্দ্র হলেও চন্দ্রাবতীর জন্মস্থান এখানে নয়।
B) গাজীপুর — এটি ঢাকা অঞ্চলের একটি জেলা হলেও কবি চন্দ্রাবতীর সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক ও সাহিত্যিক সংযোগ নেই।
C) নরসিংদী — এই জেলাটি প্রাচীন সদ্বংশ ও ইতিহাসের জন্য পরিচিত হলেও চন্দ্রাবতীর জন্মস্থান হিসেবে স্বীকৃত নয়।
D) কিশোরগঞ্জ — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবি চন্দ্রাবতীর জন্ম ও কর্মক্ষেত্র এই জেলার সঙ্গেই ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মধ্যযুগের নারী কবি চন্দ্রাবতীকে মনে রাখতে কিশোরগঞ্জের বিখ্যাত নরসুন্দা নদীর তীর ও তার পাটুলী গ্রামের কথা স্মরণ করতে হবে।
- কবি বংশীদাসের কন্যা হিসেবে কিশোরগঞ্জের মাটি তার সাহিত্য সাধনার প্রধান ক্ষেত্র ছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের নারী কবি ও তাদের রচিত কাব্য সম্পর্কে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- চন্দ্রাবতীর জন্মস্থান কিশোরগঞ্জ এবং তার পিতার নাম কবি বংশীদাস এটি মনে রাখলে এই সংক্রান্ত প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
১. কেন সঠিক:
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতাটি বাংলাদেশের বিশিষ্ট কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও বহুল পঠিত দীর্ঘ কবিতা।
- এই কবিতায় বাঙালি সংস্কৃতির শেকড়, গ্রামীণ ঐতিহ্য, মুক্তিযুদ্ধ এবং বাঙালি জাতির বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের ইতিহাস অত্যন্ত শৈল্পিক ও শক্তিশালী ভাষায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ একাধারে একজন প্রখ্যাত কবি এবং কূটনীতিবিদ ছিলেন যিনি বাংলা ভাষা আন্দোলনে বিশেষ অবদান রেখেছেন।
- এই কবিতাটি তাঁর ঐতিহ্যচেতনা এবং দেশপ্রেমের এক অনন্য নিদর্শন যা মূলত বাঙালি জাতির হাজার বছরের ইতিহাস ও সংগ্রামের প্রতীক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'কোন এক কালে ফুলকি ছড়াতো আগুন'
ব্যাখ্যা: এটি কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতারই একটি বিখ্যাত পঙ্ক্তি যা মানুষের সংগ্রামী চেতনা প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: 'মাগো ওরা বলে, তোমার কোলে শুয়ে কত না সুখের স্বপ্ন দেখেছিলাম'
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কবিতা 'মাগো ওরা বলে' থেকে নেওয়া হয়েছে যা ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনিই 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার রচয়িতা।
B) আবুল ফজল — আবুল ফজল একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক হলেও তিনি এই কবিতাটি লেখেননি।
C) শামসুর রাহমান — শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই বিখ্যাত কবিতাটির রচয়িতা তিনি নন।
D) আল মাহমুদ — আল মাহমুদ গ্রামীণ জীবনের চিত্র ফুটিয়ে তুলতে পটু হলেও 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতাটি তাঁর লেখা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কিংবদন্তি বা ঐতিহ্য নিয়ে কথা বললে আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর নাম মনে রাখতে হবে।
- এভাবে মনে রাখা যায় যে কিংবদন্তি কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ আমাদের শেকড়ের কথা বলেছেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধ ও ঐতিহ্যভিত্তিক কবিতার রচয়িতা হিসেবে এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে।
- কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর বিখ্যাত কবিতাগুলো ভালোভাবে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) সিকান্দার আবু জাফর
১. কেন সঠিক:
- 'সমকাল' সাহিত্য পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার সিকান্দার আবু জাফর।
- ১৯৫৭ সালের আগস্ট মাসে তাঁর সম্পাদনায় এই প্রগতিশীল ও আধুনিক সাহিত্য পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশ শতকের ষাটের দশকে বাংলা সাহিত্যের বিকাশ এবং মুক্তবুদ্ধি চর্চায় 'সমকাল' পত্রিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
- এই পত্রিকার মাধ্যমে বহু তরুণ ও প্রগতিশীল লেখক খ্যাতি অর্জন করেন এবং সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহিত্যকে হাতিয়ার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'সমকাল' পত্রিকায় প্রকাশিত সিকান্দার আবু জাফরের বিখ্যাত নাটক 'সিরাজউদ্দৌলা'।
ব্যাখ্যা: এই নাটকটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত এবং স্বাধীনতার চেতনায় সমৃদ্ধ একটি প্রখ্যাত সাহিত্যকর্ম।
উদাহরণ ২: সিকান্দার আবু জাফরের রচিত বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান 'আমাদের সংগ্রাম চলবেই'।
ব্যাখ্যা: এই গানটি বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধে দারুণভাবে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিকান্দার আবু জাফর — তিনি 'সমকাল' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সফল সম্পাদক ছিলেন এবং এর মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন।
B) আবুল ফজল — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী হলেও 'সমকাল' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না, তিনি 'সওগাত' ও অন্যান্য সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
C) মিজানুর রহমান শেলী — তিনি একজন প্রখ্যাত আমলা, গবেষক ও রাজনীতিবিদ ছিলেন, কিন্তু 'সমকাল' পত্রিকার সম্পাদনার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক ছিল না।
D) তোয়েব খান — তিনি একজন সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন, তবে প্রখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা 'সমকাল'-এর সম্পাদনার দায়িত্ব তিনি পালন করেননি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সমকাল মানে সমসাময়িক কাল, আর সিকান্দার আবু জাফর তাঁর সময়ে সমসাময়িক প্রগতিশীল সাহিত্য আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন।
- এভাবে 'সমকাল' ও 'সিকান্দার আবু জাফর' নাম দুটি একত্রে মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা এবং তাদের সম্পাদকদের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- একই সঙ্গে অন্যান্য পত্রিকা যেমন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'বঙ্গদর্শন' বা কাজী নজরুল ইসলামের 'লাঙ্গল' পত্রিকার সম্পাদকদের নামও ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) তিন
১. কেন সঠিক:
বাংলা ছন্দ প্রধানত তিন প্রকার, যথা: স্বরবৃত্ত, মাত্রাভিত্তিক বা মাত্রাবৃত্ত এবং অক্ষরবৃত্ত বা মিশ্রবৃত্ত ছন্দ।
বাংলা কবিতার অন্তর্নিহিত প্রবহমানতা, ধ্বনিসামঞ্জস্য এবং লয় বা গতি প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে এই তিনটি প্রধান ছন্দ বিভাগ নির্ধারিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ছন্দ মূলত ধ্বনি ও মাত্রার বিন্যাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
প্রাকৃতিকভাবে বাংলা ভাষার ঝোঁক এবং শব্দের গঠনরীতি বিশ্লেষণ করে প্রবীন ছান্দসিকগণ এই তিন ভাগে বাংলা ছন্দকে বিন্যস্ত করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুকুমার রায়ের ছড়ার কবিতা।
ব্যাখ্যা: এটি স্বরবৃত্ত ছন্দের প্রকৃষ্ট উদাহরণ, যেখানে ঝোঁকের ওপর ভিত্তি করে দ্রুত লয়ে কবিতা পাঠ করা হয়।
উদাহরণ ২: মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দের উদাহরণ, যেখানে গাম্ভীর্য এবং নির্দিষ্ট মাত্রার বিন্যাস রক্ষা করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুই — বাংলা ছন্দের মূল ধারা দুটি নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) তিন — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলা ছন্দ তিন প্রকার।
C) চার — বাংলা ছন্দের মৌলিক প্রকারভেদ চারটি নয়, তাই এটি ভুল।
D) পাঁচ — বাংলা ছন্দের প্রধান শ্রেণিবিভাগ পাঁচটি নয়, এই সংখ্যাটি সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ছন্দের তিনটি প্রকার মনে রাখার সহজ সূত্র হলো স্ব-মা-অ, অর্থাৎ স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত ও অক্ষরবৃত্ত।
প্রতিটি ছন্দের নিজস্ব লয় ও বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা চর্চার মাধ্যমে সহজে আয়ত্ত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ছন্দ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে কোন ছন্দকে কী বলা হয় তা মনে রাখা জরুরি।
স্বরবৃত্ত ছন্দকে ছড়ার ছন্দ এবং অক্ষরবৃত্ত ছন্দকে মিশ্রবৃত্ত বা পয়ার ছন্দ বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
গীতাঞ্জলী কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ করেন স্বয়ং কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই।
এই অনুবাদের সুবাদেই তিনি ১৯১৩ সালে প্রথম এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বকালের সেরা কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার।
গীতাঞ্জলী কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের নাম সং অফারিংস এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৯১২ সালে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নষ্টনীড় গল্প অবলম্বনে সত্যজিৎ রায় চারুলতা চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।
ব্যাখ্যা: এটি সাহিত্যকর্ম থেকে চলচ্চিত্র রূপান্তরের একটি চমৎকার ও ক্লাসিক উদাহরণ।
উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষের কবিতা একটি বিখ্যাত আধুনিক উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: উপন্যাস হলেও এর নামকরণ ও ভেতরের সুর মূলত কাব্যিক ও রোমান্টিক ধারার।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জীবনানন্দ দাশ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং রূপসী বাংলা তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
তিনি গীতাঞ্জলী অনুবাদ করেননি।
B) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত এবং বাংলা কবিতায় ছন্দের নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন।
তিনি গীতাঞ্জলী অনুবাদ করেননি।
C) হেমচন্দ্র — হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় উনিশ শতকের একজন খ্যাতিমান কবি ও মহাকবি বৃত্রসংহার তার বিখ্যাত রচনা।
তিনি গীতাঞ্জলী অনুবাদ করেননি।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই তার গীতাঞ্জলী কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন।
এটি নোবেল পুরস্কার অর্জনের মূল ভিত্তি ছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
গীতাঞ্জলী ইংরেজি অনুবাদ করেন খোদ কবি নিজে অর্থাৎ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
নোবেল জয়ের চাবিকাঠি ছিল এই ইংরেজি অনুবাদ সং অফারিংস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
গীতাঞ্জলী প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে এবং এর ইংরেজি অনুবাদ সং অফারিংস প্রকাশিত হয় ১৯১২ সালে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে সং অফারিংস কার রচনা বা অনুবাদ কে করেন।
সঠিক উত্তর: B) নেপাল
১. কেন সঠিক:
চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন যা ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি বা রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে আবিষ্কার করেন।
নেপালের রাজার গ্রন্থশালা থেকে পুথি আকারে এটি উদ্ধার করা হয় এবং পরবর্তীতে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক নিদর্শন এবং সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের সাধন সংগীত।
ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ঐতিহাসিক তুলনামূলক ভাষাভাষ্য বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা প্রাচীন বাংলা ভাষার আদি রূপ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে হাজার বছরের পুরানো চর্যার পুথি আবিষ্কার করেন।
ব্যাখ্যা: আবিষ্কারের উৎসস্থল হিসেবে নেপালের রাজদরবারের নাম বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ ২: চর্যাপদের ভাষা ও সাহিত্যিক রূপ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম উৎস নির্দেশ করে।
ব্যাখ্যা: এই পুথি আবিষ্কারের মাধ্যমেই বাংলা ভাষার প্রাচীন ইতিহাস উন্মোচিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত — ভারত থেকে চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়নি, যদিও পরবর্তীতে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
B) নেপাল — এই অপশনটি সঠিক কারণ হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকেই চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেছিলেন।
C) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ থেকে চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়নি, তবে চর্যাপদের রচনাকালীন ভৌগোলিক পরিমণ্ডল ও নদীমাতৃক জনপদ বাংলাদেশের অংশ ছিল।
D) ভুটান — ভুটান থেকে চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়নি, যদিও হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের পাশাপাশি তিব্বত ও ভুটানেও প্রাচীন পুথির সন্ধান করেছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
চর্যাপদ আবিষ্কারের স্থান মনে রাখতে নেপাল শব্দটিকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত করে মনে রাখা যায়।
নেপালের রাজদরবার থেকে ১৯০৭ সালে আবিষ্কারের ঘটনাটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই কমন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চর্যাপদ কোথা থেকে, কত সালে এবং কার দ্বারা আবিষ্কৃত হয় তা বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার আসে।
আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং প্রকাশের সাল ১৯১৬ সাল ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
- 'জীবন আমার বোন' একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপট এবং সাধারণ মানুষের জীবন সংগ্রাম তুলে ধরা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই উপন্যাসটির রচয়িতা বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক মাহমুদুল হক।
- এটি মূলত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং তার আগের রাজনৈতিক অস্থিরতার পটভূমিতে রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: کھیل খেলা নয়
ব্যাখ্যা: মাহমুদুল হকের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো 'খेल খেলা নয়'।
উদাহরণ ২: কালো জনসংখ্যা
ব্যাখ্যা: এটিও মাহমুদুল হকের অপর একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাটক — 'জীবন আমার বোন' মঞ্চে অভিনীত কোনো নাটক নয়, এটি একটি কথাসাহিত্য বা উপন্যাস।
B) প্রবন্ধ — প্রবন্ধ হলো তথ্য বা যুক্তিনির্ভর গদ্য রচনা, কিন্তু এটি একটি কাল্পনিক কাহিনীর উপন্যাস।
D) কবিতা — কবিতার নির্দিষ্ট ছন্দ ও পঙ্ক্তিমালা থাকে, কিন্তু এটি গদ্যে রচিত উপন্যাস।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মাহমুদুল হকের নামের সাথে 'জীবন আমার বোন' উপন্যাসটি মনে রাখার জন্য লেখকের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস হিসেবে এটি মাথায় রাখতে হবে।
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখার সময় ঔপন্যাসিকের নাম আলাদা করে নোট করে নিতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- মাহমুদুল হকের জন্ম ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: B) ধ্বনি
১. কেন সঠিক:
ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি, যা আমরা কান দিয়ে শুনি এবং মুখ দিয়ে উচ্চারণ করি।
কোনো ভাষার উচ্চারित শব্দের মূল ভিত্তি বা উপাদান হলো এই ধ্বনি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মুখের সাহায্যে উচ্চারিত আওয়াজ বা শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশকে ধ্বনি বলা হয়।
ধ্বনি হলো ভাষার প্রাণ, কারণ ধ্বনির মিলন থেকেই শব্দ এবং শব্দের মিলন থেকেই বাক্য গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ
ব্যাখ্যা: এটি একটি স্বরধ্বনি এবং বাংলা ভাষার একটি মৌলিক একক।
উদাহরণ ২: ক
ব্যাখ্যা: এটি একটি ব্যঞ্জনধ্বনি এবং মুখের সাহায্যে উচ্চারিত একক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, কিন্তু ভাষার মৌলিক বা উচ্চারিত ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি।
C) অক্ষর — অক্ষর বা সিলেবল হলো উচ্চারণের একক, যা এক ঝটকায় উচ্চারণ করা যায়।
D) শব্দ — শব্দ হলো এক বা একাধিক ধ্বনি বা বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত অর্থের প্রকাশ, যা ধ্বনির চেয়ে বড় একক।
৫. মনে রাখার টিপস:
কান দিয়ে যা শোনা যায় এবং মুখ দিয়ে যা উচ্চারণ করা যায় তা ধ্বনি, আর চোখে যা দেখা যায় তা বর্ণ।
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক বললে সবসময় ধ্বনি উত্তর হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি হলেও, ভাষার অর্থপূর্ণ ক্ষুদ্রতম একক হলো শব্দ।
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই দুটি প্রশ্নের মধ্যে প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি হয়, তাই সাবধানে উত্তর দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) মোহনা
১. কেন সঠিক:
মোহনা বানানটিতে কোনো অপ্রয়োজনীয় বা ভুল বর্ণ সংযোজিত হয়নি এবং এটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক।
শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি মূল শব্দ বা প্রত্যয়ের সঠিক নিয়ম মেনেই তৈরি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শুদ্ধ বানান ও বাক্যশুদ্ধি বিষয়ক ব্যাকরণ প্রশ্ন।
বাংলা বানান প্রমিতকরণে তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ব্যাকরণের নির্দিষ্ট নিয়ম ও বাংলা একাডেমির বানান নিয়ম অনুসরণ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রণতি
ব্যাখ্যা: এটি একটি শুদ্ধ তৎসম শব্দ যেখানে মূর্ধন্য ন ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সান্ত্বনা
ব্যাখ্যা: এই বানানে দন্ত ন এবং যুক্ত বর্ণ ব্যবহারের সঠিক নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রদ্ধান্জলী — ভুল বানান কারণ অঞ্জলি শব্দে ম-ফলা বা অনুস্বার হয় না, শুদ্ধ বানান শ্রদ্ধ্যাঞ্জলি।
B) চাকচক্য — ভুল বানান কারণ সঠিক বানান চাকচিক্য যেখানে প্রথম ও তৃতীয় বর্ণে ই-কার থাকে।
D) যুবতী — প্রচলিত হলেও প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী তরুণী বা যুবতী শব্দে ঈ-কার যুক্ত হয়, অর্থাৎ যুবতী বানানটি প্রমিত রূপের দিক থেকে অসিদ্ধ।
৫. মনে রাখার টিপস:
বানান শেখার সময় বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়মগুলো নিয়মিত চর্চা করতে হবে।
নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে প্রচলিত ভুল বানানগুলো চিহ্নিত করে সঠিক রূপটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রত্যয় ও সন্ধিজনিত বানান ভুলের প্রশ্ন আসে।
বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রে ই-কার, উ-কার এবং ন-ত্ব বিধানের নিয়মগুলো বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) শেখ মুজিবুর রহমান
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত একটি ঐতিহাসিক ভ্রমণভিত্তিক আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- 'নয়া চীন' বলতে ১৯৫২ সালের চীন ভ্রমণ এবং সে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থার বর্ণনাকে বোঝানো হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক এবং সফল লেখক হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর লেখা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থগুলোর মধ্যে 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী', 'কারাগারের রোজনামচা' এবং 'আমার দেখা নয়া চীন' অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী
ব্যাখ্যা: এটি শেখ মুজিবুর রহমান রচিত প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ যা ২০১২ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: কারাগারের রোজনামচা
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর কারাবন্দী জীবনের দিনলিপি নিয়ে রচিত দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শেখ মুজিবুর রহমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি তাঁরই রচিত বিখ্যাত ভ্রমণগ্রন্থ।
B) সিরাজুল ইসলাম — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি এই গ্রন্থের লেখক নন, বরং একজন প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ও গবেষক।
C) শিজিংপিং — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান, এই বইটির লেখক নন।
D) মাওসেতুং — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি চীনের কমিউনিস্ট বিপ্লবের মহানায়ক এবং চীনের প্রতিষ্ঠাতা, এই বইটির রচয়িতা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর লেখা তিনটি প্রধান গ্রন্থ হলো অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়া চীন। বইগুলোর নাম মনে রাখলে লেখকের নাম সহজেই মনে রাখা সম্ভব।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্গবন্ধুর লেখা গ্রন্থের নাম, প্রকাশকাল এবং ইংরেজি অনুবাদের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। তাই এই গ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
১. কেন সঠিক:
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন ও সাহিত্যিক ঐতিহ্য। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে চর্যাপদ গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশ করেন। এটি মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধন সংগীত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদের প্রথম পদটি রচনা করেছেন লুইপা।
ব্যাখ্যা: চর্যাপদের টিকাকার মুনিদত্তের সূত্র ধরে জানা যায় এর প্রথম পদটির রচয়িতা লুইপা এবং এর রাগ হলো পটমঞ্জরী।
উদাহরণ ২: চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচয়িতা কাহ্নপা।
ব্যাখ্যা: কাহ্নপা সর্বমোট তেরোটি পদ রচনা করেছিলেন যা চর্যাপদে প্রাপ্ত পদগুলোর মধ্যে সংখ্যায় সর্বাধিক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ চর্যাপদ আবিষ্কার করেননি তবে তিনি এর ভাষা ও তত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করেছেন এবং এর সময়কাল নির্ধারণ করেছেন।
B) আর সি মজুমদার — আর সি মজুমদার একজন বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ যিনি প্রাচীন বাংলার ইতিহাস নিয়ে কাজ করেছেন কিন্তু চর্যাপদ আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত নন।
C) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেছিলেন।
D) নীহাররঞ্জন রায় — নীহাররঞ্জন রায় বাঙালি ইতিহাসবিদ যিনি 'বাঙালির ইতিহাস' গ্রন্থটি রচনা করেছেন কিন্তু চর্যাপদ আবিষ্কারের সঙ্গে তার সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালে গিয়ে চর্যাপদ আবিষ্কার করেছিলেন। এটি মনে রাখতে শাস্ত্রীর নামের সঙ্গে নেপাল এবং আবিষ্কার শব্দ দুটি একসাথে মনে রাখতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চর্যাপদ আবিষ্কারের সাল ১৯০৭ এবং প্রকাশের সাল ১৯১৬ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই সঙ্গে চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষাগারে প্রশ্ন করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
'সাম্যবাদী' হলো বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও পঙক্তিমালা সমৃদ্ধ কবিতা।
এই কবিতায় কবি জাতি, ধর্ম, গোত্র ও বর্ণভেদের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের সাম্য ও ঐক্যের জয়গান গেয়েছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও যুগবাণী সৃষ্টিকারী সাহিত্যিক।
১৯২০ সালের দিকে প্রকাশিত সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থের অর্ন্তভুক্ত এই কবিতাটি মানবতাবাদী দর্শনের এক অনন্য নিদর্শন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এটি কবির প্রথম প্রকাশিত ও অত্যন্ত জনপ্রিয় বিপ্লবী কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা কবিতায় নতুন ধারা এনেছে।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের বিষের বাঁশি কাব্যগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় প্রকাশিত একটি প্রতিবাদী ও সাম্যবাদী চেতনার কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুকান্ত ভট্টাচার্য — ইনি বাংলা সাহিত্যের মার্কসবাদী ধারার তরুণ কবি হলেও 'সাম্যবাদী' কবিতার রচয়িতা নন।
B) সুভাষ মুখোপাধ্যায় — ইনি একজন প্রগতিশীল কবি ও অনুবাদক, তবে এই কবিতার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি সাম্যবাদী কবিতার মাধ্যমে মানবমুক্তির বার্তা দিয়েছেন।
D) সমরেস বসু — ইনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতনামা ঔপন্যাসিক, কবি নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
নজরুলের সাম্যবাদী কবিতা মনে রাখতে মনে রাখবে নজরুল মানেই মানবতা ও সাম্যের কবি।
সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থের নাম এবং কবির নাম একই সূত্রে গাঁথা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সাম্যবাদী কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবির প্রথম কাব্য বা বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থের নাম জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: C) বীরবল
১. কেন সঠিক:
- খ্যাতিমান সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরী তার প্রবন্ধ লেখার সময় বীরবল ছদ্ম নামটি ব্যবহার করতেন।
- বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে তার ছদ্ম নাম এবং সাহিত্য পত্রিকার নাম বাংলা পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমথ চৌধুরী বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের একজন প্রভাবশালী প্রাবন্ধিক, কবি ও কৌতুকরসিক সাহিত্যিক।
- তিনি বাংলা সাহিত্যে প্রথম গুরুগম্ভীর সাধু রীতির পরিবর্তে সচল ও জীবন্ত চলিত রীতির সফল প্রয়োগ করেন এবং তার সম্পাদিত সবুজ পত্র পত্রিকা বাংলা গদ্যে এক নতুন বিপ্লব ঘটিয়েছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরীর রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ রায়তের কথা।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে কৃষকদের অধিকার ও সামাজিক বৈষম্য নিয়ে জোরালো মতামত প্রকাশ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত সবুজ পত্র পত্রিকা।
ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির আন্দোলন বেগবান হয়েছিল এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও এতে লিখেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নীল লোহিত — এটি বিখ্যাত ঔপন্যাসিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্ম নাম, প্রমথ চৌধুরীর নয়।
B) ভানুসিংহ — এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম জীবনের কাব্যিক ছদ্ম নাম, যা তিনি পদাবলী সাহিত্য অনুকরণে ব্যবহার করতেন।
C) বীরবল — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই।
D) সব্যসাচী — এটি লেখক ও বুদ্ধিজীবী সৈয়দ শামসুল হকের ছদ্ম নাম, প্রমথ চৌধুরীর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রমথ চৌধুরীর প্রধান সাহিত্য আন্দোলন সবুজ পত্র পত্রিকার মূল চালিকাশক্তি ছিলেন বীরবল অর্থাৎ তিনি নিজে।
- প্রমথ চৌধুরী ও বীরবল নাম দুটি একই ব্যক্তির, এই তথ্যটি মনে রাখলে পরীক্ষামূলক প্রশ্নের উত্তর দ্রুত চিহ্নিত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্ম নাম থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই প্রমথ চৌধুরীর বীরবল নামটি মনে রাখা আবশ্যক।
- একই সঙ্গে তার সম্পাদিত সবুজ পত্র পত্রিকার নাম এবং বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে তার ভূমিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) জসীম উদ্দীন
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত পংক্তিটি পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের বিখ্যাত কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে যেখানে গ্রামীণ প্রকৃতির রূপ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- এখানে 'আবircের রাগ' বলতে গোধূলিলগ্নে আকাশে লালচে বা সিঁদুরে আলোর আভা বোঝানো হয়েছে যা গ্রামীণ সন্ধ্যার চিরন্তন রূপ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জসীম উদ্দীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি যিনি পল্লীকবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত এবং তাঁর কবিতায় বাংলার গ্রামীণ জীবন নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে।
- তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাঢ়িয়ার ঘাট এবং রাখালী বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আসমানী কবিতা জসীম উদ্দীন
ব্যাখ্যা: এই কবিতায় গ্রামীণ এক দুঃখী মানুষের জীবনের করুণ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে যা কবির পল্লীপ্রীতির অন্যতম নিদর্শন।
উদাহরণ ২: নকশী কাঁথার মাঠ জসীম উদ্দীন
ব্যাখ্যা: এটি একটি অমর বাংলা কাব্যগাথা বা নারীকেন্দ্রিক দীর্ঘ কবিতা যা গ্রামীণ প্রেমের এক অনন্য নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বন্দে আলী মিঞা — ইনি একজন প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক ও কবি হলেও এই পংক্তিটি তাঁর লেখা নয় বরং তাঁর বিখ্যাত রচনা ময়নামতির চর।
B) জসীম উদ্দীন — এই অপশনটি সঠিক এবং এর সপক্ষে বিস্তারিত ও উপযুক্ত সাহিত্যিক তথ্য উপরে প্রদান করা হয়েছে।
C) গোলাম মোস্তফা — ইনি ইসলামী ঐতিহ্যের কবিতা ও অনুবাদের জন্য বিখ্যাত হলেও এই পংক্তিটির রচয়িতা ইনি নন।
D) কে জি মোস্তফা — ইনি আধুনিক গান ও সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব হলেও এই কবিতার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের কবিতায় সন্ধ্যা, নদী, মেঠো পথ এবং গ্রামীণ প্রকৃতির রূপ সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়।
- পরীক্ষার হলে সন্ধ্যা বা পল্লীপ্রকৃতির এমন স্নিগ্ধ রূপ দেখলে প্রধানত জসীম উদ্দীনকে স্মরণ করবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পল্লীকবি উপাধিটি জসীম উদ্দীনের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে প্রযোজ্য যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- কবির সাহিত্যকর্ম চেনার প্রধান উপায় হলো পল্লীগ্রামের নিখুঁত চিত্রায়ন।
সঠিক উত্তর: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ব্রিটিশ আমলের একজন বিখ্যাত সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন এবং তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর হিসেবে কর্মজীবন অতিবাহিত করেন।
সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন এবং বাংলা উপন্যাসের ভিত্তি স্থাপন করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং অবিভক্ত বাংলার প্রথম গ্র্যাজুয়েটদের একজন ছিলেন।
তার প্রথম বাংলা উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দুর্গেশনন্দিনী
ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা এই প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে।
উদাহরণ ২: বিষবৃক্ষ
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা উনিশ শতকের বাঙালি সমাজের পারিবারিক জীবন ও পরকীয়া প্রেম ফুটিয়ে তুলেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি পেশাগত জীবনে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন।
B) শরৎ চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি পেশাগত জীবনে কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন না, বরং তিনি মূলত কথাসাহিত্যিক ছিলেন।
C) সৈয়দ মুজতবা আলী — তিনি একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, ভ্রমণকাহিনীকার ও শিক্ষক ছিলেন, ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন না।
D) আব্দুল ওদুদ — কাজী আব্দুল ওদুদ বুদ্ধিমুক্তির আন্দোলনের অন্যতম প্রবক্তা ও শিক্ষক ছিলেন, ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট পদে দায়িত্ব পালন করেননি।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাংলার প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সরকারি পেশায় ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন।
উপন্যাস সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্রের নামের সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটের পদটি মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকদের পেশা বা সরকারি চাকরি সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বিএ পাস করার পর ১৮৫৮ সালে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর পদে যোগদান করেন।
সঠিক উত্তর: A) কালসাপ
১. কেন সঠিক:
- কালসাপ একটি সমাসজাত শব্দ কারণ এটি একাধিক পদ মিলে একটি সমাসবদ্ধ পদ গঠন করেছে এবং এর একটি ব্যাসবাক্য রয়েছে।
- কালো যে সাপ অর্থাৎ কালসাপ হলো কর্মধারয় সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ যেখানে বিশেষ্য ও বিশেষণ মিলে নতুন অর্থ প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। পরস্পর অর্থসংগতিযুক্ত দুই বা ততোধিক পদ এক পদে মিলিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে।
- বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য যে বাক্য বা বাক্যাংশ ব্যবহার করা হয় তাকে ব্যাসবাক্য বলে। কালসাপ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো কালো যে সাপ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নীলপদ্ম
ব্যাখ্যা: নীল যে পদ্ম এটিও কালসাপ শব্দের মতো কর্মধারয় সমাসের একটি উদাহরণ।
উদাহরণ ২: মহাপুরুষ
ব্যাখ্যা: মহান যে পুরুষ এটিও কর্মধারয় সমাসের মাধ্যমে গঠিত একটি সমাসজাত শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কালসাপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সমাসবদ্ধ শব্দ।
B) মজব — এটি কোনো অর্থপূর্ণ বা প্রমিত বাংলা সমাসজাত শব্দ নয়।
C) পিপাসা — এটি পান করার ইচ্ছা অর্থে প্রত্যয় সাধিত শব্দ, সমাসজাত শব্দ নয়।
D) তবলটি — এটি তবল শব্দের সঙ্গে টি নির্দেশক যুক্ত হয়ে গঠিত শব্দ, সমাসজাত শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সমাস চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের মাঝে একটি ব্যাসবাক্য কল্পনা করা। যদি দুটি পদ মিলে একটি নির্দিষ্ট বস্তুকে বোঝায় এবং তার ব্যাসবাক্য পাওয়া যায়, তবে তা সমাসজাত শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন শব্দগুলো সমাসজাত তা নির্ণয় করতে বলা হয়। বিশেষ করে কর্মধারয় ও তৎপুরুষ সমাসের শব্দগুলো বেশি আসে।
সঠিক উত্তর: D) মোহাম্মদ নজিবর রহমান
১. কেন সঠিক:
'আনোয়ারা' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস।
মোহাম্মদ নজিবর রহমান ১৯১৪ সালে এই উপন্যাসটি রচনা করেন যা তৎকালীন মুসলিম সমাজের চিত্র তুলে ধরে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মোহাম্মদ নজিবর রহমান একজন প্রখ্যাত বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক।
তাঁর এই উপন্যাসে গ্রামীণ মুসলিম সমাজের গোঁড়ামি, কুসংস্কার এবং পারিবারিক জীবনের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আনোয়ারা
ব্যাখ্যা: এটি মোহাম্মদ নজিবর রহমানের সর্বশ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: গরীবের মেয়ে
ব্যাখ্যা: এটিও মোহাম্মদ নজিবর রহমান রচিত অপর একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মীর মোশাররফ হোসেন — তিনি বিশদ সিন্ধু উপন্যাসের রচয়িতা, আনোয়ারার লেখক নন।
B) ইসমাইল হোসেন সিরাজী — তিনি রায়নন্দিনী ও তাওয়ারিখ উপন্যাসের লেখক, আনোয়ারার নন।
C) কাজী এমদাদুল হক — তিনি মনসুরহাওয়া ও আব্দুল্লাহ উপন্যাসের লেখক, আনোয়ারার নন।
D) মোহাম্মদ নজিবর রহমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি আনোয়ারার রচয়িতা।
৫. মনে রাখার টিপস:
নজিবর রহমানের বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো নজিবরের আনোয়ারা গরিবের মেয়ে হয়ে প্রেমের উপহার পেল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম সামাজিক উপন্যাস হিসেবে আনোয়ারা বইটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
উপন্যাসটির রচয়িতা এবং প্রকাশের সাল ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) করত
১. কেন সঠিক:
- করত শব্দের অর্থ হাত বা করতল, যা কোনোভাবেই সাপ বোঝায় না।
- সাপ শব্দের সমার্থক নয় এমন শব্দ চাওয়া হয়েছে, তাই করত হলো সঠিক উত্তর।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলো যা ভিন্ন বানান বা রূপের হলেও একই অর্থ প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় শব্দের অর্থের বৈচিত্র্য বোঝাতে সমার্থক শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দ্র শব্দের সমার্থক শব্দ হলো শশী, চন্দ্রমা ও বিধু।
ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো চাঁদের বিভিন্ন প্রতিশব্দ হিসেবে বাংলা সাহিত্যে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দ হলো রবি, ভানু ও তপন।
ব্যাখ্যা: এগুলো সূর্যের সমার্থক হওয়ায় একই অর্থ প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অহি — এটি সাপ শব্দের একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ।
B) ফণী — এটি ফণাযুক্ত প্রাণী বা সাপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) করত — এটি হাত বা করতল বোঝায়, যা সাপ নয়।
D) নাগিনী — এটি স্ত্রী সাপ বোঝাতে ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সাপ শব্দের সমার্থকগুলো সহজে মনে রাখতে অহি, নাগ ও ফণী শব্দগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করতে পারো।
- অপ্রাসঙ্গিক বা আলাদা অর্থ প্রকাশকারী শব্দ যেমন কর বা হাত দেখলেই তা চিহ্নিত করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে তিনটে একই অর্থ এবং একটা ভিন্ন অর্থের শব্দ অপশনে থাকে।
- প্রশ্ন ভালোভাবে পড়ে কোনটি নয় তা নিশ্চিত হয়ে তারপর উত্তর নির্বাচন করবে।
সঠিক উত্তর: B) শামসুর রাহমান
১. কেন সঠিক:
- 'বন্দী শিবির থেকে' বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত এই কাব্যগ্রন্থে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা ও বাঙালির বীরত্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধে বাংলা কবিতার প্রধান পুরুষ হিসেবে পরিচিত এবং তাকে আধুনিক নগরজীবনের কবি বলা হয়।
- 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭১ সালে অবরুদ্ধ ঢাকায় বসে রচিত হয় এবং এটি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেরা কাব্যিক দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে
ব্যাখ্যা: এটি কবি শামসুর রাহমানের অপর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তার কাব্যশৈলীর অন্যতম নিদর্শন।
উদাহরণ ২: রৌদ্র করোটিতে
ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের প্রখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ যা তার আধুনিক মননশীলতার প্রকাশ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও সাংবাদিক হলেও 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থটি তার নয়, বরং তিনি বিখ্যাত 'একাত্তরের দিনগুলি' বা 'বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র' এর সাথে যুক্ত।
B) শামসুর রাহমান — এটি সঠিক উত্তর।
C) আজিজুর রহমান — তিনি বাংলা সাহিত্যের এই বিশেষ মুক্তিযুদ্ধের কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা নন, তাই এই অপশনটি ভুল।
D) জসীমউদ্দীন — তিনি পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত এবং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো 'নকশী কাথার মাঠ', 'সোজন বাঢিয়ার ঘাট', কিন্তু 'বন্দী শিবির থেকে' তার লেখা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শামসুর রাহমানের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার সহজ উপায় হলো বন্দিজীবনেও তিনি কবিতার মাধ্যমে প্রতিবাদ করেছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই কবি শামসুর রাহমানের 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) শেখ মুজিবুর রহমান
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা একটি প্রামাণ্য ভ্রমণকাহিনি ও আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- ১৯৫২ সালে চীন সফরের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি এই গ্রন্থটি রচনা করেন যা তাঁর রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও চীন ভ্রমণের ইতিহাস প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের লেখক ও সাহিত্যকর্মের আওতাভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সাহিত্যিক প্রশ্ন।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা মোট তিনটি ঐতিহাসিক গ্রন্থ রয়েছে যা বাংলা আত্মজীবনীমূলক সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী
ব্যাখ্যা: এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: কারাগারের রোজনামচা
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর কারাজীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে রচিত অপর একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খন্দকার মোহাম্মদ ইলিয়াস — খন্দকার মোহাম্মদ ইলিয়াস একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সাহিত্যিক হলেও তিনি এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
B) মাওলানা ভাসানী — মাওলানা ভাসানী একজন প্রথিতযশা রাজনৈতিক নেতা হলেও তিনি 'আমার দেখা নয়াচীন' গ্রন্থের লেখক নন।
C) তোফাজ্জেল হোসেন — তোফাজ্জেল হোসেন মানিক মিয়া বিখ্যাত সাংবাদিক হলেও এই ভ্রমণকাহিনির সঙ্গে তাঁর কোনো লেখক হিসেবে সম্পৃক্ততা নেই।
D) শেখ মুজিবুর রহমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ গ্রন্থটির মূল লেখক স্বয়ং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বঙ্গবন্ধুর লেখা তিনটি বিখ্যাত বই মনে রাখার সহজ কৌশল হলো অসমে কারাগার থেকে নয়াচীন দেখা। এখানে অসম মানে অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগার মানে কারাগারের রোজনামচা এবং নয়াচীন মানে আমার দেখা নয়াচীন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্গবন্ধুর লেখা গ্রন্থগুলোর নাম এবং প্রকাশকাল থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লেখকের নামের সঙ্গে তাঁর ঐতিহাসিক গ্রন্থগুলো মিলিয়ে পড়ার মাধ্যমে এই ধরনের প্রশ্নের সঠিক উত্তর সহজে নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
- 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' বাংলা গদ্যসাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ যার রচয়িতা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি সংস্কৃত বেতালপঞ্চবিংশতি অবলম্বনে রচিত এবং এটি বিদ্যাসাগরের দ্বিতীয় প্রকাশিত গ্রন্থ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে পরিচিত কারণ তিনি গদ্যে যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার ও শৃঙ্খলা এনেছিলেন।
- এটি মূলত নীতিশিক্ষামূলক রূপকথাধর্মী একটি গদ্যগ্রন্থ যা তৎকালীন ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পাঠ্য তালিকার জন্য বিশেষভাবে উপযোগী ছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শকুন্তলা
ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আরেকটি বিখ্যাত পৌরাণিক গদ্যগ্রন্থ যা কালিদাসের নাটক অবলম্বনে রচিত।
উদাহরণ ২: সীতার বনবাস
ব্যাখ্যা: এটি ভবসবিৃতির উত্তররামচরিত নাটক অবলম্বনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচিত একটি জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উইলিয়াম কেরি — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন এবং 'কথোপকথন' বা 'ইতিহাসমালা' রচনা করেছেন কিন্তু 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' তার রচনা নয়।
B) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন পন্ডিত ছিলেন এবং 'বাটত্রিশ সিংহাসন' বা 'রাজাবলি' গ্রন্থ রচনা করেছেন।
C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং সম্পূর্ণ সঠিক।
D) প্যারিচাঁদ মিত্র — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং তার বিখ্যাত গ্রন্থ হলো 'আলালের ঘরের দুলাল' যা এই প্রশ্নের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিদ্যাসাগর মানেই পঞ্চবিংশতি বা পঁচিশ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে কারণ তিনি বেতাল পঞ্চবিংশতি ও ভ্রান্তিবিলাস গ্রন্থ রচনা করেছেন।
- বেতাল শব্দটির সঙ্গে বিদ্যাসাগরের গদ্য রচনার শৈলী সরাসরি যুক্ত বলে মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম মৌলিক গদ্যগ্রন্থ হলো 'বোধোদয়' এবং প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ হলো 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদ্যাসাগরের অনুবাদ ও মৌলিক গ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করতে বলা হয়।
সঠিক উত্তর: C) দুর্গেশনন্দিনী
১. কেন সঠিক:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত দুর্গেশনন্দিনী বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস।
এই উপন্যাসের মাধ্যমে বাংলা উপন্যাসের ইতিহাস নতুন মোড় নেয় এবং এটি শিল্পসম্মত রূপ লাভ করে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর হাত ধরেই সার্থক উপন্যাসের সূচনা হয়।
দুর্গেশনন্দিনী একটি ঐতিহাসিক রোমান্সধর্মী উপন্যাস যেখানে কল্পনার সঙ্গে ইতিহাসের অপূর্ব মিশ্রণ ঘটেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কপালকুণ্ডলা
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় উপন্যাস এবং এটিও একটি সার্থক রোমান্সধর্মী উপন্যাস।
উদাহরণ ২: বিষবৃক্ষ
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলালের ঘরের দুলাল — এটি প্যারিচাঁদ মিত্র রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস হলেও একে প্রথম সার্থক উপন্যাস বলা হয় না কারণ এর ভাষা ছিল টেকচাঁদ ঐকতান শৈলীর কথ্য ভাষা।
B) হুতোমপ্যাঁচার নকশা — এটি কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত একটি বিখ্যাত নকশা জাতীয় রচনা যা উপন্যাস নয়।
D) নৌকাডুবি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা বিংশ শতাব্দীতে প্রকাশিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস মনে রাখার জন্য দুর্গেশনন্দিনী নামটি সবার আগে মনে রাখতে হবে।
প্রথম সার্থক উপন্যাস বললেই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং দুর্গেশনন্দিনী নামটি মুখস্থ রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা উপন্যাসের ক্ষেত্রে প্রথম উপন্যাস ও প্রথম সার্থক উপন্যাসের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) আলাওল
১. কেন সঠিক:
- 'তোহফা' কাব্যটির রচয়িতা মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকবি আলাওল।
- ইউসুফ জুলেরখার ফার্সি গ্রন্থ অবলম্বনে রচিত নৈতিক ও ধর্মীয় উপদেশের এই কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের সাহিত্য সাধনার এক অনন্য নিদর্শন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মহাকবি আলাওল সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি।
- তার বিখ্যাত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে পদ্মাবতী, সতী ময়না ও লোর-চন্দ্রাণী এবং সপ্তপয়কর বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পদ্মাবতী
ব্যাখ্যা: এটি আলাওলের সর্বাধিক পরিচিত ও জনপ্রিয় কাব্য যা মালিক মুহম্মদ জায়সির পদুমাবত অবলম্বনে রচিত।
উদাহরণ ২: সপ্তপয়কর
ব্যাখ্যা: এটিও আলাওলের একটি বিখ্যাত কাব্য যা ফার্সি সাহিত্যের অনুসরণে রচিত নৈতিক ও দার্শনিক উপদেশের গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলাওল — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ফার্সি থেকে অনুবাদ করে 'তোহফা' কাব্য রচনা করেছেন।
B) সাবিরিদ খান — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি 'হানিফা ও মইনার লড়াই' কাব্যের রচয়িতা, 'তোহফা'র নন।
C) কোরেশী মাগন ঠাকুর — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি 'চন্দ্রাবতী' বা 'মধুমালা' কাব্যের রচয়িতা হিসেবে পরিচিত।
D) আব্দুল হাকিম — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি সমসাময়িক কবি হলেও তার বিখ্যাত কাব্য 'নূরনামা', 'তোহফা' নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তোহফা উপহার অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং আলাওল রাজসভার শ্রেষ্ঠ উপহার স্বরূপ বহু কাব্য উপহার দিয়েছেন।
- মধ্যযুগের উপহার বা তোহফা বিষয়ক কাব্য মনে রাখতে আলাওলের নাম সবার আগে স্মরণ করতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবিদের রচনা প্রায়ই আসে।
- আলাওলের জন্মস্থান, পৃষ্ঠপোষক মাগন ঠাকুর এবং তার অমর সৃষ্টিগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) তিনটি
১. কেন সঠিক:
একটি সার্থক বাক্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য বা লক্ষণ তিনটি। এগুলো হলো আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাক্যের পদগুলোর অর্থগত ও ভাবগত মিলবন্ধন রক্ষা করার জন্য এই তিনটি গুণের উপস্থিতি অপরিহার্য। এদের যেকোনো একটির অনুপস্থিতিতে বাক্যটি সার্থক বা পূর্ণাঙ্গ হয় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে।
ব্যাখ্যা: এটি একটি সার্থক বাক্য কারণ এর তিনটি গুণই পরিপূর্ণভাবে বিদ্যমান রয়েছে।
উদাহরণ ২: কাল আমি ঢাকা যাব।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যটিও আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা সম্পন্ন একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তিনটি — এটি সঠিক কারণ ব্যাকরণ অনুযায়ী সার্থক বাক্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য তিনটি।
B) চারটি — এটি ভুল কারণ বাক্যের মূল বৈশিষ্ট্য চারটি নয়।
C) পাঁচটি — এটি ভুল কারণ বাক্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য পাঁচিলের মতো পাঁচটি হতে পারে না।
D) ছয়টি — এটি ভুল কারণ ব্যাকরণে সার্থক বাক্যের লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্য ছয়টি বলা হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাক্যের বৈশিষ্ট্য মনে রাখার সহজ সূত্র হলো আ-আ-য অর্থাৎ আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাক্যের এই তিনটি গুণ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে আসত্তি শব্দের অর্থ পদগুলোর সুশৃঙ্খল পদবিন্যাস, যা প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে।
সঠিক উত্তর: B) মহাকাব্য
১. কেন সঠিক:
- মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য যার রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
- মহাকাব্য হলো বিশাল আয়তনের পদ্যে রচিত কাহিনীকাব্য যেখানে বীরত্বপূর্ণ ঘটনা ও পৌরাণিক উপাখ্যানের বর্ণনা থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক এবং নাটক ও মহাকাব্য রচনার মাধ্যমে আধুনিকতার সূচনা করেন।
- ১৮৬১ সালে প্রকাশিত মেঘনাদবধ কাব্য রামায়ণের লঙ্কাযুদ্ধ কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত হলেও রাবণ ও মেঘনাদ চরিত্রের মহিমায় এটি ক্লাসিক মর্যাদায় ভূষিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহাশ্মশান
ব্যাখ্যা: কায়কোবাদ রচিত মহাশ্মশান একটি বিখ্যাত বাংলা মহাকাব্য যা তৃতীয় পানিপতের যুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে রচিত।
উদাহরণ ২: বৃত্রসংহার
ব্যাখ্যা: হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত বৃত্রসংহার বাংলা সাহিত্যের অন্যতম আরেকটি ধ্রুপদী মহাকাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গীতিনাট্য — গীতিনাট্য হলো মূলত গানপ্রধান নাটক, কিন্তু মেঘনাদবধ কাব্য নাটক নয় বরং একটি বিশাল কলেবরের মহাকাব্য।
B) মহাকাব্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ মেঘনাদবধ কাব্য মহাকাব্যের সকল বৈশিষ্ট্য সফলভাবে ধারণ করেছে।
C) নাটক — মেঘনাদবধ কাব্য দৃশ্যকাব্য বা নাটক নয়, এটি পদ্যে রচিত দীর্ঘ আখ্যানকাব্য বা মহাকাব্য।
D) উপন্যাস — উপন্যাস গদ্যে রচিত কাল্পনিক বা বাস্তবধর্মী দীর্ঘ গল্প, আর মেঘনাদবধ কাব্য সম্পূর্ণ পদ্যে রচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মেঘনাদবধ কাব্য সম্পর্কে মনে রাখবে যে মধুসূদন দত্তের অমর সৃষ্টি এবং এটি বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য।
- মহাকাব্য মনে রাখতে মনে রাখবে মহাকাব্যের জনক Homer এবং বাংলার প্রথম মহাকাব্যের রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মেঘনাদবধ কাব্যের রচয়িতা, প্রকাশকাল ও এর ছন্দ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- মনে রাখবে এই মহাকাব্যে কোনো মিল বা অন্ত্যমিল নেই কারণ এটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম কাব্য।
সঠিক উত্তর: C) বনজঙ্গল
১. কেন সঠিক:
- 'কান্তার' একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ বড় বন, অরণ্য বা জঙ্গল।
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত 'চল চল চল' বা 'সর্বহারা' কাব্যের অন্তর্গত 'অভিযাত্রিক' কবিতার বিখ্যাত পংক্তি এটি।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই পংক্তির রচয়িতা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম যিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত।
- পংক্তিটি মূলত মানুষের জীবনপথের বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার অদম্য স্পৃহা প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কান্তার পথ অতিক্রম করে তারা গন্তব্যে পৌঁছাল।
ব্যাখ্যা: এখানে কান্তার বলতে দীর্ঘ ও দুর্গম বনপথ বা জঙ্গলকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: গভীর কান্তারে বন্য পশুর ভয় থাকে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে কান্তার শব্দটি জঙ্গল বা অরণ্য অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাস্তা — রাস্তা অর্থ পথ বা সড়ক, যা কান্তার শব্দের আক্ষরিক অর্থ বা বনজঙ্গলের সমার্থক নয়।
B) নদী — নদী অর্থ স্রোতস্বিনী বা প্রবাহ, যা কান্তার বা বনের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো শব্দ নয়।
C) বনজঙ্গল — এটি কান্তার শব্দের সঠিক সমার্থক এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে মিলে যায়।
D) আকাশ — আকাশ অর্থ অম্বর বা গগন, যা কান্তার শব্দের অর্থ বা বনজঙ্গলের বিপরীতার্থক ধারণা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কান্তার মানে বনজঙ্গল, এটি মনে রাখতে 'কান্তার বন' এভাবে একসঙ্গে উচ্চারণ করতে পারো।
- বিদ্রোহী কবির কবিতায় দুর্গম পথ বোঝাতে এই বিশেষ শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবিতা ও উপন্যাসের কঠিন শব্দের অর্থ জানতে চাওয়া হয়।
- শব্দার্থ মুখস্থ না করে কবিতার মূল ভাবের সঙ্গে মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) ঢেঁকি
১. কেন সঠিক:
উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয় যার মধ্যে দেশি শব্দ অন্যতম।
বাংলাদেশের আদিম অধিবাসীদের ভাষা বা সংস্কৃতির অবশিষ্টাংশ থেকে যে শব্দগুলো বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে সেগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যেসব শব্দ বাংলাদেশের আদি অধিবাসী যেমন কোল, মুণ্ডা, সাঁওতাল প্রভৃতি জাতির ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে তাদের দেশি শব্দ বলে।
এই শব্দগুলো প্রাকৃত বা অন্য কোনো ভাষা থেকে সরাসরি পরিবর্তিত হয়ে আসেনি বরং প্রাচীনকাল থেকেই বাংলা অঞ্চলে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুলা
ব্যাখ্যা: কুলা একটি দেশি শব্দ যা ধান বা শস্য পরিষ্কার করার কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাচীন গ্রামীণ উপাদান।
উদাহরণ ২: খোকা
ব্যাখ্যা: খোকা শব্দটি বাংলা ভাষার নিজস্ব উৎস থেকে সৃষ্ট একটি দেশি শব্দ যার অর্থ ছোট ছেলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলমারি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে তাই এটি দেশি শব্দ নয়।
C) রিক্সা শব্দটি জাপানি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে তাই এটি দেশি শব্দ হিসেবে গণ্য হয় না।
D) সাইকেল শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে ফলে এটি বিদেশি শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
গ্রামীণ জনপদের নিত্যদিনের ব্যবহার্য দেশি জিনিসপত্র যেমন ঢেঁকি, কুলা, কুড়েঘর, ডাব, চুলা ইত্যাদি শব্দ দেখলে দেশি শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করবে।
উৎস মনে রাখার জন্য প্রাচীন উপজাতিদের ব্যবহৃত কৃষিকাজ ও গৃহস্থালির শব্দগুলো আলাদা করে চর্চা করা ভালো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উৎস বা উৎপত্তিভিত্তিক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে তাই বিদেশি ও দেশি শব্দের পার্থক্য জানা জরুরি।
আলমারি, চাবি, সাবান ইত্যাদি পর্তুগিজ শব্দ এবং রিক্সা, সুনামি, হাডিকিরি ইত্যাদি জাপানি শব্দগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
সঠিক উত্তর: C) আবদুল গাফফার চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী' কালজয়ী গানটির রচয়িতা বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী।
- বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই গানটি বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান অনুপ্রেরণা।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আবদুল গাফফার চৌধুরী ১৯৩৪ সালে বরিশান জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০২২ সালে লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন।
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির দিনগুলিতে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের সাথে আন্দোলনে যুক্ত থেকে এই অমর গানটি রচনা করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে রচিত সর্বকালের সেরা গান।
উদাহরণ ২: একুশের গান
ব্যাখ্যা: এই গানটি প্রথমে একটি সংকলনে প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন সুরকারের সুরে জনপ্রিয়তা লাভ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফজল এ খোদা — তিনি এই গানের রচয়িতা নন, তবে তিনি অনেক বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গানের গীতিকার।
B) আলতাফ মাহমুদ — তিনি এই গানটির প্রথম সফল সুরকার ছিলেন, রচয়িতা নন।
D) আবদুল লতিফ — তিনি ভাষা আন্দোলনের সময় একাধিক জনপ্রিয় গান রচনা ও সুর করলেও এই গানটির রচয়িতা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- গান লেখার কাজটি করেছিলেন আবদুল গাফফার চৌধুরী।
- আর গানটিতে প্রথম সুর দিয়েছিলেন শহীদ বুদ্ধিজীবী আলতাফ মাহমুদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে।
- রচয়িতা এবং সুরকার গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: C) দীনেশচন্দ্র সেন
১. কেন সঠিক:
- 'ময়মনসিংহ গীতিকা' সংকলন ও সম্পাদনার সঙ্গে দীনেশচন্দ্র সেনের নাম গভীরভাবে যুক্ত।
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংকলিত এই পালাগানগুলো ১৯২৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দীনেশচন্দ্র সেন ছিলেন বিশিষ্ট গবেষক ও বাংলা সাহিত্য ইতিহাসের অন্যতম প্রণেতা।
- চন্দ্রমূর্য কুমার সহ বিভিন্ন সংগ্রাহকের কাছ থেকে সংগৃহীত লোকসাহিত্য তিনি এই গ্রন্থে প্রকাশ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহুয়া পালা
ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম জনপ্রিয় একটি ট্র্যাজেডি পালা।
উদাহরণ ২: মলুয়া পালা
ব্যাখ্যা: এটিও ময়মনসিংহ গীতিকার একটি নারী চরিত্রকেন্দ্রিক বিখ্যাত লোকপালা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুকুমার সেন — তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা হলেও ময়মনসিংহ গীতিকা সংগ্রহ করেননি।
B) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — তিনি প্রখ্যাত ভাষা বিজ্ঞানী ও গবেষক, এই গীতিকা সংগ্রহ বা সম্পাদনা করেননি।
C) দীনেশচন্দ্র সেন — এই অপশনটি সঠিক এবং ময়মনসিংহ গীতিকা সংকলনের মূল কাজটি তিনি করেছিলেন।
D) হীরালাল সেন — তিনি বাংলা চলচ্চিত্রের অগ্রদূত ও চিত্রপরিচালক, লোকসাহিত্য সংগ্রাহক নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ময়মনসিংহ গীতিকা সংগ্রহ ও সম্পাদনা করেছেন দীনেশচন্দ্র সেন, নামের আদ্যক্ষর মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন ময়মনসিংহের দীনেশ বাবু।
- লোকসাহিত্য গবেষণায় দীনেশচন্দ্র সেনের অবদান সবচেয়ে বেশি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ময়মনসিংহ গীতিকা প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
- এই গ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন লরেন্স বিনিয়ন।
সঠিক উত্তর: B) noun
কেন সঠিক:
- 'elders' শব্দটির পূর্বে possessive pronoun 'their' বসেছে এবং নিয়ম অনুযায়ী possessive-এর পর সবসময় noun বসে।
- এখানে 'elders' বলতে মুরব্বি বা গুরুজনদের বোঝানো হয়েছে, যা একটি বিশেষ্য পদের কাজ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) verb — এটি কোনো কাজের নাম বা ক্রিয়া বোঝাচ্ছে না, তাই এটি verb হতে পারে না।
B) noun — এই অপশনটি সঠিক কারণ possessive pronoun-এর পর বসে এটি noun হিসেবে কাজ করেছে।
C) pronoun — এটি নির্দিষ্ট কোনো নামের পরিবর্তে বসেনি বরং একটি বিশেষ শ্রেণীর ব্যক্তিদের নাম বোঝাচ্ছে, তাই এটি pronoun নয়।
D) adjective — এটি বাক্যে অন্য কোনো noun-কে বিশেষায়িত করছে না বরং নিজে একটি noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, তাই এটি adjective নয়।
মনে রাখার টিপস:
possessive pronoun যেমন my, his, her, their ইত্যাদির পরে সাধারণত noun বসে।
সঠিক উত্তর: A) Cowardly
কেন সঠিক:
- Courageous শব্দটির অর্থ সাহসী, যার বিপরীত শব্দ বা অ্যান্টনিভ হলো Cowardly যার অর্থ ভীরু।
- এই শব্দটি সাহস ও ভীরুতার পারস্পরিক বিপরীত ভাব প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Cowardly - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Courageous শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) Brave - এটি Courageous শব্দের সমার্থক শব্দ বা সিনোনিম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) Strong - এটি শক্তিশালী বোঝায়, যা সাহসী শব্দের সরাসরি বিপরীত নয়।
D) Valiant - এটিও সাহসী বা বীরত্বপূর্ণ বোঝায়, যা Courageous শব্দের সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
Courage অর্থ সাহস এবং Coward অর্থ ভীরু, তাই Cowardly হলো এর সঠিক বিপরীত শব্দ।
সঠিক উত্তর: B) more
কেন সঠিক:
- এখানে দুই ব্যক্তির মধ্যে তুলনার ক্ষেত্রে Comparative Degree ব্যবহৃত হয়েছে।
- clever একটি Adjective এবং এর Comparative রূপ হলো cleverer অথবা more clever।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) less — less সাধারণত Uncountable Noun-এর পূর্বে বসে পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, এখানে Adjective-এর তুলনা বোঝাতে এটি বসে না।
B) more — এটি সঠিক কারণ clever শব্দের পূর্বে more ব্যবহার করে সঠিক Comparative Degree গঠন করা হয়েছে।
C) very — very একটি Adverb যা Positive Degree-এর পূর্বে বসে তীব্রতা বাড়ায়, কিন্তু এখানে তুলনামূলক অর্থ প্রকাশ করতে Comparative Degree প্রয়োজন।
D) much — much সাধারণত Comparative Degree-এর তীব্রতা বা মাত্রা বাড়াতে ব্যবহৃত হয় (যেমন: much better), কিন্তু এখানে সরাসরি তুলনা করতে more প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
দুটি ব্যক্তির গুণ তুলনা করার সময় Adjective-এর Comparative Degree ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Phenomenon
কেন সঠিক:
- Phenomenon হলো একটি গ্রিক শব্দ যার শেষ অক্ষর um আছে এবং এটি Singular বা একবচন রূপ।
- এর Plural বা বহুবচন রূপ হলো Phenomena, যা সাধারণত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Phenomenon — এটি সঠিক Singular রূপ এবং এর Plural রূপ হলো Phenomena।
B) Phenomena — এটি ভুল অপশন কারণ এটি এই শব্দের Plural বা বহুবচন রূপ, Singular নয়।
C) Phenomenas — এটি একটি ভুল গঠন কারণ ইংরেজি ব্যাকরণে গ্রিক শব্দের শেষে s যোগ করে Plural করা যায় না।
D) Phenomeno — এটি একটি বানানগত ভুল এবং ইংরেজি ব্যাকরণে এমন কোনো শব্দের অস্তিত্ব নেই।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দের শেষে um থাকে, সাধারণত তাদের শেষে a যোগ করে Plural করতে হয় যেমন Phenomenon থেকে Phenomena।
সঠিক উত্তর: B) effect
কেন সঠিক:
- শূন্যস্থানের পূর্বে an (Article) এবং adverse (Adjective) থাকায় পরবর্তীতে একটি Noun বসবে।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে effect হলো Noun, যার অর্থ প্রভাব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) affects — এটি Verb-এর Present form, যা Subject singular হলে ব্যবহৃত হয় কিন্তু এখানে Noun প্রয়োজন।
B) effect — এটি সঠিক Noun রূপ এবং an adverse এর পর grammatically সঠিক।
C) affect — এটি একটি Verb, যার অর্থ প্রভাব ফেলা, তাই এখানে বসবে না।
D) effects — এটি Plural Noun, কিন্তু পূর্বে an Article থাকায় এখানে Singular Noun বসবে।
মনে রাখার টিপস:
Affection (verb থেকে noun মনে রাখুন) এর সাথে গুলিয়ে ফেলবেন না, আর an এর পর Noun বসে তাই effect হবে।
সঠিক উত্তর: A) John Keats
কেন সঠিক:
- উক্তিটি জন কিটসের বিখ্যাত ওড 'Ode on a Grecian Urn' কবিতার শেষ চরণের অংশ।
- এই বিখ্যাত পঙক্তিটির মাধ্যমে কবি সৌন্দর্য ও সত্যের মধ্যে গভীর ও অভিন্ন সম্পর্ক তুলে ধরেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) John Keats — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ উক্তিটি তারই লেখা বিখ্যাত কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
B) Shakespeare — তিনি এলিজাবেথীয় যুগের বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি হলেও এই উক্তিটির রচয়িতা নন।
C) Byron — তিনি রোমান্টিক যুগের আরেকজন বিখ্যাত কবি হলেও এই লাইনটি তার কোনো রচনায় নেই।
D) Shelley — পি বি শেলি রোমান্টিক কবি হলেও এই অমর পঙক্তিটির স্রষ্টা তিনি নন।
মনে রাখার টিপস:
কিটস ও গ্রিক পাত্র মনে রাখুন, কারণ কিটসের গ্রিক পাত্রের ওডেই সৌন্দর্যকে সত্য বলা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) Predict
কেন সঠিক:
- Forecast শব্দের অর্থ হলো ভবিষ্যৎবাণী করা বা পূর্বাভাস দেওয়া।
- Predict শব্দের অর্থও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কিছু বলা বা পূর্বাভাস করা, যা Forecast-এর সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Tell — এর অর্থ বলা বা জানানো, যা যেকোনো সাধারণ তথ্যের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং ভবিষ্যৎ পূর্বাভাস বোঝাতে সরাসরি উপযুক্ত নয়।
B) Assume — এর অর্থ অনুমান করা, যা বর্তমান বা অতীতের কোনো তথ্য ধরে নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং ভবিষ্যতের পূর্বাভাস বোঝায় না।
C) Predict — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল শব্দের সমার্থক হিসেবে গণ্য।
D) Bring out — এর অর্থ প্রকাশ করা বা ফুটিয়ে তোলা, যা সাহিত্যকর্ম বা কোনো নতুন পণ্য বাজারে ছাড়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
Forecast এবং Predict উভয় শব্দই আবহাওয়া বা ভবিষ্যতের কোনো ঘটনা আগে থেকেই বলে দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: B) though
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্য দুটিতে বিপরীতধর্মী বা পরস্পরবিরোধী দুটি ভাব প্রকাশ পেয়েছে যুদ্ধ জয় করার আনন্দ এবং এর ফলে লক্ষাধিক মানুষের প্রাণহানির বেদনা।
- এই বৈপরীত্য বা অসঙ্গতি বোঝাতে দুটি বাক्याংশকে যুক্ত করতে concessive conjunction হিসেবে though ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) as if — এটি দ্বারা কোনো কাল্পনিক বা অবাস্তব তুলনা বোঝানো হয়, যা এই বাস্তবধর্মী বাক্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) though — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দুটি বিপরীত ভাবের বাক্যের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
C) until — এটি সময়ের ব্যাপ্তি বা কোনো নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কোনো কাজ না হওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) since — এটি কোনো কাজের কারণ বা নির্দিষ্ট সময় থেকে শুরু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে যদি বিপরীতমুখী অর্থ প্রকাশ পায়, তবে সাধারণত though বা although ব্যবহার করে বাক্য দুটি যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Promises should be kept.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি Modal auxiliary যুক্ত Active voice, তাই Passive করার সময় modal verb-এর পর be বসে এবং মূল verb-এর Past participle হয়।
- Active voice-এর subject যদি one হয়, তবে Passive করার সময় সাধারণত by one অংশটি উহ্য রাখা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Promises should be kept. — এটি সঠিক কারণ বাক্যটির অর্থ ও ব্যাকরণগত নিয়ম সঠিকভাবে রক্ষা করা হয়েছে।
B) Promises will be kept. — এটি ভুল কারণ মূল বাক্যে will না থেকে should ছিল, তাই tense পরিবর্তন করা যাবে না।
C) Promises can be kept. — এটি ভুল কারণ modal হিসেবে can ব্যবহার করলে মূল বাক্যের অর্থের পরিবর্তন ঘটে।
D) Promises would be kept. — এটি ভুল কারণ should-এর পরিবর্তে would ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Active voice-এ one should থাকলে Passive করার সময় শুধু Object-কে Subject বানিয়ে should be এবং V3 বসালেই উত্তর মিলে যায়।
সঠিক উত্তর: C) for
কেন সঠিক:
- ইংরেজি নিয়ম অনুযায়ী কোনো অপরাধ, ভুল বা ত্রুটির জন্য ক্ষমা চাওয়ার ক্ষেত্রে apologize শব্দের পরে for preposition ব্যবহৃত হয়।
- এখানে দীর্ঘ বিলম্বের জন্য আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাওয়ার অর্থ প্রকাশ পাওয়ায় for prepositionটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to — এটি সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা কর্তপক্ষের উদ্দেশ্যে ক্ষমা চাওয়ার ক্ষেত্রে (apologize to someone) ব্যবহৃত হয়, কোনো কাজের জন্য নয়।
B) at — এটি কোনো ঘটনার কারণে আকস্মিক প্রতিক্রিয়া বোঝাতে বসে, যা এই বাক্যের কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) for — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না।
D) an — এটি কোনো preposition নয়, বরং একটি indefinite article, তাই এখানে শূন্যস্থানে বসার কোনো ব্যাকরণগত সুযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
বাক্তি বোঝাতে apologize to এবং কারণ বা ভুলের জন্য apologize for ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) to buy
কেন সঠিক:
- বাক্যের গঠন নিয়ম অনুযায়ী too...to কাঠামোর প্রথম অংশে সাবজেক্ট ও ভার্বের পর too এবং বিশেষণ বসে।
- এই কাঠামোর পরে অতিরিক্ত অবজেক্ট বা প্রোনাউন (যেমন it) ব্যবহার করা যায় না কারণ ইনফিনিটিভ verb নিজে সাবজেক্টকে নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to buy — সঠিক কারণ এটি too...to কাঠামোর সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে চলে।
B) to buy it — ভুল কারণ too...to কাঠামোর পরে অতিরিক্ত it বসালে তা ব্যাকরণগতভাবে দ্বিরুক্তি বা বাহুল্য দোষ হয়।
C) that I cannot buy — ভুল কারণ too...to এর পরিবর্তে so...that...cannot বসলে এই গঠন সঠিক হতো, কিন্তু এখানে simple sentence এর নিয়ম প্রযোজ্য।
D) for me buy — ভুল কারণ for me এর পর সরাসরি verb বসতে পারে না, সঠিক নিয়ম হলো for me to buy হওয়া।
মনে রাখার টিপস:
too...to কাঠামোর পর অতিরিক্ত it বা প্রোনাউন বসে না, সরাসরি verb এর infinitive রূপ (to + verb) বসে।
সঠিক উত্তর: B) a
কেন সঠিক:
- ইউনিকলি (uniquely) শব্দটি ইউ (u) দিয়ে শুরু হলেও এর উচ্চারণ বাংলা ইউ (yoo) এর মতো হয়।
- স্বরবর্ণের উচ্চারণ যদি ইউ (yoo) বা ওয়ালের (w) মতো হয়, তবে তার আগে এন (an) না বসে এ (a) বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) an — ইউনিকলি শব্দের উচ্চারণ স্বরবর্ণের মতো হলেও তা ওয়াই বা ইউ ধ্বনি দিয়ে শুরু হওয়ায় এখানে an বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) a — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ইউ ধ্বনিযুক্ত শব্দের নিয়ম মেনে সঠিক আর্টিকেল হিসেবে বসেছে।
C) the — নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ শিক্ষককে বোঝানো হয়নি বরং সাধারণ অর্থে একজন gifted শিক্ষক বোঝানো হয়েছে তাই the হবে না।
D) none — সঠিক উত্তর অপশন বি এর মধ্যে বিদ্যমান থাকায় নান বা কোনটিই নয় নির্বাচন করার সুযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
ইউ বা ওয়া দিয়ে উচ্চারিত শব্দের প্রথমে এ বসে, যেমন এ ইউনিক টিচার।
সঠিক উত্তর: A) The teacher advised Alam to work regularly.
কেন সঠিক:
- রিপোর্টেড স্পিচটি Imperative Sentence হওয়ায় বক্তার ভাব অনুযায়ী 'said to' পরিবর্তন করে 'advised' বসানো হয়েছে।
- মূল Verb-এর আগে 'to' বসিয়ে এবং কোনো পরিবর্তন না করে reporting speech-এর সাথে যুক্ত করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The teacher advised Alam to work regularly. — এটি সঠিক উত্তর, এখানে নিয়ম অনুযায়ী সকল ব্যাকরণগত পরিবর্তন সঠিকভাবে করা হয়েছে।
B) The teacher said to Alam to work regularly. — Imperative Sentence-এ 'said to' এর পরিবর্তে উপযুক্ত Reporting Verb যেমন 'advised' বা 'ordered' ব্যবহার না করায় এটি ভুল।
C) The teacher said Alam to work regularly. — 'said' এর পরে সরাসরি অবজেক্ট বসানো যায় না এবং সঠিক Reporting Verb ব্যবহার করা হয়নি।
D) The teacher told to Alam to working regularly. — 'told' এর পরে 'to' বসে না এবং infinitive-এর নিয়ম ভেঙে Verb-এর সাথে 'ing' যুক্ত করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Imperative Sentence-এ আদেশ বা উপদেশ বোঝালে 'said to' এর পরিবর্তে 'ordered' বা 'advised' বসে এবং to-এর পর verb-এর প্রেজেন্ট ফর্ম বসে।
সঠিক উত্তর: D) doing
কেন সঠিক:
- cannot help এর পর verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
- এই নিয়মটি একটি নির্দিষ্ট ইংরেজি প্রবচন বা কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) done — এটি verb এর past participle রূপ, যা এখানে বসে না।
B) did — এটি verb এর past রূপ, যা cannot help এর পরে সরাসরি বসে না।
C) too do — এই গঠনটি গ্রামারের নিয়মানুসারে সম্পূর্ণ ভুল।
D) doing — এটি সঠিক কারণ cannot help এর পরে verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
মনে রাখার টিপস:
cannot help, could not help, mind, worth ইত্যাদির পর verb এর সাথে সবসময় ing যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) read
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত শব্দগুলোর মধ্যে A, B এবং C অপশনগুলো হলো কনজাংশন বা সংযোগকারী অব্যয়, যা বাক্যকে যুক্ত করে।
- একমাত্র D অপশনটি হলো একটি ভার্ব বা ক্রিয়া, যা কোনো কাজ করা বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) and — এটি একটি কোঅর্ডিনেটিং কনজাংশন, যা একই জাতীয় শব্দ বা clause-কে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
B) or — এটি একটি কোঅর্ডিনেটিং কনজাংশন, যা দুটি বিকল্পের মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে ব্যবহৃত হয়।
C) since — এটি একটি সাবঅর্ডিনেটিং কনজাংশন বা প্রিপজিশন, যা সময় বা কারণ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
D) read — এটি একটি মূল ভার্ব (Verb), তাই এটি অন্য তিনটি কনজাংশন থেকে আলাদা।
মনে রাখার টিপস:
শব্দগুলোর পার্টস অব স্পিচ মিলিয়ে দেখবে; তিনটি একই পদের হলে অন্য পদের শব্দটিই হবে আলাদা বা odd one out।
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: C) Exclamatory
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটিতে বিস্ময় বা তীব্র আবেগ প্রকাশ করা হয়েছে এবং শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন (! লুক্কায়িত থাকলেও অর্থের দিক থেকে এটি আবেগ প্রকাশ করে) রয়েছে।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো বক্তব্য বা অনুভূতির তীব্র প্রকাশ ঘটলে তা Exclamatory Sentence বা আবেগসূচক বাক্য হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Imperative — এই অপশনটি ভুল কারণ বাক্যটি দ্বারা কোনো আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ বা প্রস্তাব বোঝানো হয়নি।
B) Interrogative — এই অপশনটি ভুল কারণ বাক্যটিতে কোনো প্রশ্ন করা হয়নি বা তথ্যের জন্য জিজ্ঞাসা করা হয়নি।
C) Exclamatory — প্রদত্ত উত্তরের ভুল সংশোধনী হিসেবে এটিই সঠিক উত্তর, কারণ বাক্যটি দ্বারা তীব্র আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ করা হয়েছে।
D) Assertive — প্রদত্ত উত্তরটি ভুল কারণ বাক্যটি সাধারণ কোনো বিবৃতি বা বর্ণনা প্রদান করছে না, বরং তীব্র অনুভূতি প্রকাশ করছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন বা অর্থের মধ্যে গভীর আবেগ থাকলে চোখ বন্ধ করে তাকে Exclamatory Sentence হিসেবে চিহ্নিত করবে।
সঠিক উত্তর: C) a very long time ago
কেন সঠিক:
- এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ অনেক চাঁদ আগে হলেও প্রমিত ইংরেজি ব্যবহারে এটি সুদূর অতীত বা অনেক দিন আগের সময়কে বোঝায়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি প্রায়শই অতীতের কোনো দীর্ঘ সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) that day — এই অপশনটি অতীতের কোনো নির্দিষ্ট একটি দিনকে নির্দেশ করে, যা দীর্ঘ সময় বোঝায় না।
B) a long time after — এটি দীর্ঘ সময় পরে অর্থ প্রকাশ করে, যা মূল ইডিয়মের বিপরীত অর্থ।
C) a very long time ago — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং মূল ইডিয়মের সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
D) d) yesterday — এই অপশনটি ঠিক আগের দিন বা গতকালকে বোঝায়, যা দীর্ঘ সময় নয়।
মনে রাখার টিপস:
আকাশের চাঁদ বহু পুরনো, তাই মনে রাখবে অনেক চাঁদ (moons) পার হয়ে যাওয়া মানেই হলো অনেক দিন আগের (a very long time ago) ঘটনা।
সঠিক উত্তর: C) No man is immortal
কেন সঠিক:
- ইউনিভার্সাল অ্যাফার্মেটিভ বাক্যকে নেতিবাচক করার সময় সাবজেক্টের বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করতে হয় এবং অর্থের পরিবর্তন এড়াতে শুরুতে No বা None বসাতে হয়।
- Man is mortal বাক্যটির অর্থ মানুষ মরণশীল, যার নেতিবাচক রূপ No man is immortal অর্থাৎ কোনো মানুষই অমর নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Man is immortal — এটি একটি হ্যা সূচক বাক্য এবং এর অর্থ মানুষ অমর, যা মূল বাক্যের বিপরীত এবং ভুল অর্থ প্রকাশ করে।
B) Man is not immortal — এটি নেতিবাচক হলেও grammatically সঠিক বা জোরালো নয়, কারণ Universal Affirmative-কে Negative করতে Subject-এর পূর্বে No বা None ব্যবহার করতে হয়।
D) Everyone is not mortal — এর অর্থ সবাই মরণশীল নয়, যা সার্বজনীন সত্যের পরিপন্থী এবং মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
Universal Affirmative বাক্যকে Negative করার সময় মূল শব্দের বিপরীত শব্দ বসিয়ে সাবজেক্টের আগে No বা None ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) I cannot bear separation from you
কেন সঠিক:
- Separation শব্দের পর সাধারণত from preposition ব্যবহৃত হয়, যা কোনো ব্যক্তি বা বস্তু থেকে বিচ্ছিন্নতা বোঝায়।
- তোমার থেকে বিচ্ছিন্নতা আমি সহ্য করতে পারছি না অর্থে separation from সঠিক ব্যবহার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I cannot bear your separation — separation শব্দের পর possessive form যেমন your ব্যবহার করলে তা ব্যাকরণগতভাবে ভুল অর্থ প্রকাশ করে।
B) I cannot bear separation to you — separation শব্দের সঙ্গে to preposition বসে না, তাই এই গঠনটি ভুল।
C) I cannot bear separation from you — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর ব্যাকরণগত গঠন সম্পূর্ণ নির্ভুল।
D) I cannot bear your separate — separate এখানে verb বা adjective হিসেবে আছে, যা noun এর স্থানে বসে ভুল সৃষ্টি করেছে।
মনে রাখার টিপস:
Separation শব্দের পর সবসময় from বসে, কারণ কারো থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বোঝাতে from preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) vary
কেন সঠিক:
- 'Vary' একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ ভিন্ন হওয়া বা পরিবর্তন হওয়া, এটি বাক্যে কাজ সম্পন্ন করা বোঝায় তাই এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়াপদ।
- প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি একটি আদর্শ প্রশ্ন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ton — এটি একটি পরিমাপবাচক বিশেষ্য বা নাউন, যার অর্থ টন।
B) vary — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় আলোচনা করা হয়েছে।
C) great — এটি একটি গুণবাচক বিশেষণ বা এডজেক্টিভ, যার অর্থ মহান বা চমৎকার।
D) green — এটি একটি বর্ণবাচক বিশেষণ বা নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ সবুজ।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দ দ্বারা কোনো কাজ করা বা হওয়া বোঝায় এবং যার সাথে tense অনুযায়ী রূপ পরিবর্তন করা যায়, তাকেই ভার্ব বা ক্রিয়াপদ বলে।
সঠিক উত্তর: A) noun
কেন সঠিক:
- আর্টিকেল মূলত Noun-এর জন্যই ব্যবহৃত হয় এবং Noun-এর ঠিক পূর্বে বসে তার নির্দিষ্টতা বা অনির্দিষ্টতা নির্দেশ করে।
- Noun ছাড়া অন্য কোনো Parts of Speech-এর পূর্বে সরাসরি Article বসে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ আর্টিকেল সবসময় Noun-এর পূর্বে বসে তাকে নির্দেশ করে।
B) pronoun — Pronoun যেহেতু Noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, তাই Pronoun-এর পূর্বে কখনো Article বসে না।
C) preposition — Preposition হলো পদের সম্পর্ক নির্দেশক শব্দ, এর পূর্বে সাধারণত Article বসে না।
D) verb — Verb হলো কাজের নাম বা কাজের প্রকাশ, তাই Verb-এর পূর্বে সরাসরি Article বসার নিয়ম নেই।
মনে রাখার টিপস:
আর্টিকেল বসার মূল শর্ত হলো বাক্যে একটি Noun থাকতে হবে, কারণ Noun ছাড়া Article একা বসতে পারে না।
সঠিক উত্তর: D) facsimile
কেন সঠিক:
- Facsimile শব্দটির অর্থ অবিকল প্রতিলিপি বা ফক্স।
- বানানটি নিয়ম অনুযায়ী এফ-এ-সি-এস-আই-এম-আই-এল-ই (facsimile) হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) faximili — এখানে বানানে ভুল অক্ষর এক্স এবং আই ব্যবহার করা হয়েছে।
B) fachimile — এখানে সি এইচ এবং আই ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে।
C) factsimile — এখানে অপ্রাসঙ্গিক টি যুক্ত করায় সঠিক বানান হয়নি।
D) facsimile — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ অবিকল নকল।
মনে রাখার টিপস:
ফ্যাক্স (Fax) শব্দটির সাথে সিমিলি (Simile) যুক্ত করে Facsimile বানানটি মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: D) 1798
কেন সঠিক:
- ইংরেজি সাহিত্যে ১৭৯৮ সালকে রোমান্টিক যুগের সূচনা হিসেবে ধরা হয়।
- এই বছরেই উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ ও এস টি কোলরিজ যৌথভাবে রোমান্টিক কাব্যের ঘোষণা সম্বলিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ লিরিক্যাল ব্যালাডস প্রকাশ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1698 — এটি ইংরেজি সাহিত্যের অগাস্টান বা নিওক্লাসিক্যাল যুগের অন্তর্ভুক্ত, যা রোমান্টিক যুগের অনেক আগের সময়কাল।
B) 1898 — এটি ভিক্টোরিয়ান যুগের শেষের দিকের সময়কাল, যে সময় রোমান্টিক যুগ অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে।
C) 1598 — এটি এলিজাবেথীয় যুগের অন্তর্ভুক্ত, যা রেনেসাঁ তথা ইংরেজি নাটকের স্বর্ণযুগ হিসেবে পরিচিত।
D) 1798 — এটি রোমান্টিক যুগের সূচনাকাল নির্দেশ করে, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
রোমান্টিক যুগের সূচনা মনে রাখতে লিরিক্যাল ব্যালাডস প্রকাশের সাল ১৭৯৮ মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) would write
কেন সঠিক:
- এটি Second Conditional-এর নিয়ম অনুযায়ী গঠিত, যেখানে If-যুক্ত clause-টি Past Indefinite Tense-এ থাকে এবং পরবর্তী অংশটিতে Subject-এর পর would, could বা might বসে এবং তার সাথে verb-এর Base form হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে If I had a pen অংশটি Past Indefinite-এ থাকায় শূন্যস্থানে would write ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) writing — Gerund বা Participle-এর এই রূপটি এখানে কোনো Auxiliary verb ছাড়া সরাসরি বসতে পারে না এবং এটি Conditional-এর নিয়ম লঙ্ঘন করে।
B) would write — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনে রয়েছে এবং এটি নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক।
C) will wrote — will-এর পরে কখনো verb-এর Past form (wrote) বসতে পারে না, কারণ modal auxiliary-র পরে ہمیشہ verb-এর Present form বসে।
D) had written — এটি Third Conditional-এর অংশ হতে পারত, কিন্তু প্রথম অংশটি Past Indefinite (had) হওয়ায় এখানে would have written হতো, শুধু had written হবে না।
মনে রাখার টিপস:
If-এর পর Past Indefinite (had) থাকলে পরের অংশে would + verb-এর base form হয়।
সঠিক উত্তর: A) Secretly
কেন সঠিক:
- 'On the sly' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ গোপনে বা কারো অজান্তে কোনো কাজ করা।
- প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই বাগধারার আক্ষরিক ও ভাবার্থের সাথে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Secretly — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ গোপনে, যা মূল ইডিয়মের সমার্থক।
B) Quickly — এটি ভুল কারণ এর অর্থ দ্রুত, যা গোপনীয়তার ধারণার সাথে মেলে না।
C) Smartly — এটি ভুল কারণ এর অর্থ চতুরতার সাথে বা সুন্দরভাবে, যা এই ইডিয়মের অর্থ প্রকাশ করে না।
D) Slowly — এটি ভুল কারণ এর অর্থ ধীরে ধীরে, যা দিয়ে কোনো গোপন কাজ বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
স্লিপ (Sly) মানে চালাক বা গোপন কিছু; তাই অন দ্য স্লাই (On the sly) দেখলে বুঝবেন কাজটি গোপনে করা হচ্ছে।
সঠিক উত্তর: B) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
সেট এ = ২, ৩
সেট বি = ৪
ধরি,
বি সেট থেকে এ সেটের উপাদান বাদ দিতে হবে
অতএব,
বি সেটের উপাদান হলো ৪
এ সেটের উপাদান হলো ২, ৩
সুতরাং,
বি সেটের উপাদান থেকে এ সেটের উপাদান বাদ দিলে কেবল ৪ থাকে
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: B) ৫/২
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম এর রাশিটি হলো log2 (৪√২)
ধরি,
x = log2 (৪√২)
অতএব,
লগারিদমের নিয়ম অনুযায়ী লেখা যায় টু এর পাওয়ার x সমান ৪ গুণ √২
এখানে চার কে লেখা যায় টু এর পাওয়ার দুই এবং √২ কে লেখা যায় টু এর পাওয়ার ১/২
সুতরাং,
ডানপক্ষে সূচকের নিয়ম অনুযায়ী ভিত্তি এক হলে পাওয়ারগুলো যোগ হয়, তাই দুই যোগ ১/২ সমান ৫/২
উত্তর: x এর মান ৫/২
সঠিক উত্তর: C) a + b
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ax − ab = a²
ধরি,
a দিয়ে উভয় পক্ষকে ভাগ করা যায়
কারণ a একটি সাধারণ গুণনীয়ক
অতএব,
x − b = a
সুতরাং,
x = a + b
উত্তর: a + b
সঠিক উত্তর: A) ৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো এ প্লাস বি সমান ৯০ ডিগ্রি
দ্বিতীয় শর্তটি হলো ট্যান এ সমান ১ ভাগ রুট ৩
ধরি,
এ কোণের মান বের করার জন্য ত্রিকোণমিতির সূত্র ব্যবহার করতে হবে
ট্যান ৩০ ডিগ্রি সমান ১ ভাগ রুট ৩
অতএব,
এ কোণের মান হবে ৩০ ডিগ্রি
কারণ ট্যান ৩০ ডিগ্রির মান এবং ১ ভাগ রুট ৩ একই
সুতরাং,
এ প্লাস বি সমান ৯০ ডিগ্রি সমীকরণে মান বসাতে হবে
৩০ ডিগ্রি প্লাস বি সমান ৯০ ডিগ্রি
উত্তর: বি সমান ৬০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: D) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো প্রথম বন্ধনীর ভেতর পাঁচ এক্স এর ওপর শূন্য ঘাত গুণন পাঁচ গুণ এক্স এর ওপর শূন্য ঘাত।
এখানে সূচকের নিয়ম প্রয়োগ করতে হবে।
ধরি,
প্রথম অংশটি হলো পাঁচ এক্স এর সম্পূর্ণ অংশটির ওপর শূন্য ঘাত।
দ্বিতীয় অংশটি হলো পাঁচ গুণ এক্স এর ওপর শূন্য ঘাত।
অতএব,
যেকোনো সংখ্যার ওপর শূন্য ঘাত থাকলে তার মান এক হয়।
তাই প্রথম অংশের মান হয় এক।
সুতরাং,
দ্বিতীয় অংশে এক্স এর ওপর শূন্য ঘাত থাকার কারণে তার মানও এক হয়।
এখন এক এবং পাঁচ এবং এক গুণ করলে উত্তর হয় পাঁচ।
উত্তর: ৫
সঠিক উত্তর: A) ১
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = a² − b²
দ্বিতীয় রাশি = a² + b²
ধরি,
প্রথম রাশিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই = (a + b)(a − b)
দ্বিতীয় রাশি অপরিবর্তিত থাকে = a² + b²
অতএব,
প্রথম রাশির উৎপাদকগুলি হলো (a + b) এবং (a − b)
দ্বিতীয় রাশির কোনো সাধারণ উৎপাদক নেই
সুতরাং,
রাশি দুটির মধ্যে কোনো সাধারণ গুণনীয়ক বা উৎপাদক মিলে না
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: A) √3/2
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, cosθ = ১/২
ধরি,
cosθ এর মান থেকে কোণের মান বের করতে হবে
আমরা জানি, cos(৬০°) = ১/২
সুতরাং, θ = ৬০°
অতএব,
আমাদের মান বের করতে হবে cos(৯০° − θ) এর
এখানে θ এর মান ৬০° বসাতে হবে
সুতরাং,
cos(৯০° − ৬০°) = cos(৩০°)
আমরা জানি, cos(৩০°) এর মান √3/2
উত্তর: √3/2
সঠিক উত্তর: A) (৩, ০)
প্রদত্ত তথ্য:
বিন্দুটি এক্স অক্ষের উপর অবস্থিত
বিন্দুটি ওয়াই অক্ষ হতে তিন একক দূরে অবস্থিত
ধরি,
এক্স অক্ষের উপর অবস্থিত যেকোনো বিন্দুর ওয়াই এর মান শূন্য হয়
অতএব,
বিন্দুটির কোটি হবে শূন্য
সুতরাং,
বিন্দুটির ভুজ হবে তিন একক দূরত্ব অনুযায়ী তিন
উত্তর: (৩, ০)
সঠিক উত্তর: B) ৬৪
প্রদত্ত তথ্য:
কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা = ৪ জন
প্রত্যেকে চাঁদা দেয় = সদস্য সংখ্যার ৪ গুণ
ধরি,
সদস্য সংখ্যা = ৪ জন
চাঁদার পরিমাণ প্রতি সদস্য = ৪ × ৪ টাকা = ১৬ টাকা
অতএব,
প্রথম সদস্য দিল ১৬ টাকা
দ্বিতীয় সদস্য দিল ১৬ টাকা
তৃতীয় সদস্য দিল ১৬ টাকা
সুতরাং,
চতুর্থ সদস্য দিল ১৬ টাকা
মোট চাঁদার পরিমাণ = ১৬ + ১৬ + ১৬ + ১৬ = ৬৪ টাকা
উত্তর: ৬৪
সঠিক উত্তর: C) ১০√৩
প্রদত্ত তথ্য:
খুঁটির গোড়া থেকে দূরত্বের মান = ১০ মিটার
শীর্ষের উন্নতি কোণের মান = ৬০°
ধরি,
খুঁটির উচ্চতা হলো এই নির্দিষ্ট লম্বের দৈর্ঘ্য
ভূমির দূরত্ব হলো দশ মিটার
অতএব,
ত্রিকোণমিতির সূত্র অনুযায়ী ট্যান ষাট ডিগ্রি সমান লম্ব ভাগ ভূমি লেখা যায়
লম্বের মান অজানা এবং ভূমির মান দশ মিটার
ট্যান ষাট ডিগ্রির মান রুট তিন বসাতে হবে
সুতরাং,
লম্ব সমান দশ গুণ রুট তিন পাওয়া যায়
উত্তর: ১০√৩ মিটার
সঠিক উত্তর: B) p + px / ১০০
প্রদত্ত তথ্য:
ফলের ক্রয়মূল্য = p টাকা
ভ্যাটের হার = x%
ধরি,
মূল দামের উপর ভ্যাটের পরিমাণ হিসাব করতে হবে
অতএব,
ভ্যাটের পরিমাণ = p টাকার x%
ভ্যাটের পরিমাণ = (p × x) ÷ ১০০ টাকা
সুতরাং,
ভ্যাটসহ ফলের মোট ক্রয়মূল্য = p + (px ÷ ১০০) টাকা
উত্তর: p + px / ১০০
সঠিক উত্তর: A) ৬ মি
প্রদত্ত তথ্য:
ঘনকের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৬√৩ মি
ধরি,
ঘনকের একটি ধারের দৈর্ঘ্য = ক মি
অতএব,
ঘনকের কর্ণের সূত্র = ক√৩ মি
সুতরাং,
ক√৩ = ৬√৩
ক = ৬
উত্তর: ৬ মি
সঠিক উত্তর: D) ৪৬০২৮
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, a + (১ ÷ a) = ৫
ধরি,
রাশিটি হলো a ÷ (a² + a + ১)
অতএব,
লব ও হরকে a দ্বারা ভাগ করে পাই, ১ ÷ (a + ১ + (১ ÷ a))
সুতরাং,
a + (১ ÷ a) এর মান বসিয়ে পাই, ১ ÷ (৫ + ১)
উত্তর: ভুল প্রশ্ন বা অপশন প্রিন্টিং মিস্টেক, সঠিক নিয়মে মান হবে ১ ÷ ৬
সঠিক উত্তর: C) ৬.৮৮৩
প্রদত্ত তথ্য:
১ হতে ১৫ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩
ধরি,
সংখ্যাগুলোর মোট সমষ্টি = ২ + ৩ + ৫ + ৭ + ১১ + ১৩
মোট মৌলিক সংখ্যার পরিমাণ = ৬টি
অতএব,
২ + ৩ = ৫
৫ + ৫ = ১০
১০ + ৭ = ১৭
১৭ + ১১ = ২৮
২৮ + ১৩ = ৪১
সুতরাং,
গড় = ৪১ ÷ ৬ = ৬.৮৮৩
উত্তর: ৬.৮৮৩
সঠিক উত্তর: D) ৯০°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত ১ : ১ : ২
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি ১৮০°
ধরি,
প্রথম কোণটি = ১ক
দ্বিতীয় কোণটি = ১ক
তৃতীয় কোণটি = ২ক
অতএব,
কোণ তিনটির যোগফল = ১ক + ১ক + ২ক
মোট অনুপাত = ১ + ১ + ২ = ৪
কোণ তিনটির মোট পরিমাপ = ১৮০°
সুতরাং,
৪ক = ১৮০°
ক = ১৮০° ÷ ৪ = ৪৫°
উত্তর: বৃহত্তম কোণটি = ২ × ৪৫° = ৯০°
সঠিক উত্তর: D) (x/2)(1/t₁ − 1/t₂)
প্রদত্ত তথ্য:
স্রোতের প্রতিকূলে x কিলোমিটার যেতে সময় লাগে t₁ ঘণ্টা
স্রোতের অনুকূলে সমদূরত্ব x কিলোমিটার যেতে সময় লাগে t₂ ঘণ্টা
ধরি,
স্থির পানিতে নৌকার বেগ = u কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা
স্রোতের বেগ = v কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা
অতএব,
স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার কার্যকর বেগ = x ÷ t₁ = (x / t₁) কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা
স্রোতের অনুকূলে নৌকার কার্যকর বেগ = x ÷ t₂ = (x / t₂) কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা
সুতরাং,
স্রোতের প্রতিকূলের বেগ = u − v = (x / t₁)
স্রোতের অনুকূলের বেগ = u + v = (x / t₂)
উত্তর: স্রোতের বেগ v = (1/2) × [(x / t₁) − (x / t₂)] = (x/2)(1/t₁ − 1/t₂)
সঠিক উত্তর: B) θ = ৪৫০
প্রদত্ত তথ্য:
সাইন থিটা সমান কোসাইন থিটা
sinθ = cosθ
ধরি,
সমীকরণটির উভয় পক্ষকে কোসাইন থিটা দিয়ে ভাগ করি
sinθ ÷ cosθ = ১
tanθ = ১
অতএব,
আমরা জানি ট্যান ৪৫ ডিগ্রি এর মান এক
tanθ = tan৪৫°
সুতরাং,
উভয় পক্ষ থেকে ট্যান বাদ দিয়ে পাই
θ = ৪৫০
উত্তর: ৪৫০
সঠিক উত্তর: C) logₐ 16
প্রদত্ত তথ্য:
সূচকীয় সমীকরণ দেওয়া আছে aᵖ = 16
ধরি,
লগারিদম বা সূচকের রূপান্তর নিয়ম অনুযায়ী বেজ বা ভিত্তি a অপরিবর্তিত থাকে
অতএব,
সূচকের মান p সমান হয় বেজ a এর সাপেক্ষে 16 এর লগারিদম
সুতরাং,
সমীকরণটি লগারিদমের আকারে লেখা যায় p = logₐ 16
উত্তর: logₐ 16
সঠিক উত্তর: B) x^2 − ১
প্রদত্ত তথ্য:
প্যাটার্নটির পদগুলো হলো যথাক্রমে শূন্য, তিন, আট, পনেরো এবং চব্বিশ।
ক্রমিক সংখ্যা বা পদগুলোর অবস্থান হলো প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ এবং পঞ্চম।
ধরি,
পদের অবস্থান বা ক্রমিক সংখ্যা হলো x।
প্রথম পদের জন্য x এর মান এক।
অতএব,
প্রথম পদের হিসাব: এক গুণ এক বিয়োগ এক সমান শূন্য।
দ্বিতীয় পদের হিসাব: দুই গুণ দুই বিয়োগ এক সমান তিন।
তৃতীয় পদের হিসাব: তিন গুণ তিন বিয়োগ এক সমান আট।
সুতরাং,
চতুর্থ পদের হিসাব: চার গুণ চার বিয়োগ এক সমান পনেরো।
পঞ্চম পদের হিসাব: পাঁচ গুণ পাঁচ বিয়োগ এক সমান চব্বিশ।
উত্তর: x^2 − ১
সঠিক উত্তর: D) (∞, ∞)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সরলরেখা = x + y − ১ = ০
দ্বিতীয় সরলরেখা = ৪x + ৪y + ১ = ০
ধরি,
প্রথম সমীকরণ থেকে পাই, x + y = ১
দ্বিতীয় সমীকরণ থেকে পাই, ৪(x + y) = − ১
সুতরাং, x + y = − ১ ÷ ৪
অতএব,
প্রথম সমীকরণ অনুযায়ী x + y এর মান = ১
দ্বিতীয় সমীকরণ অনুযায়ী x + y এর মান = − ১ ÷ ৪
এই দুটি মান পরস্পর সমান নয়
সুতরাং,
রেখাদ্বয় পরস্পর সমান্তরাল এবং এদের কোনো ছেদবিন্দু নেই
সমান্তরাল রেখাদ্বয়ের ক্ষেত্রে ছেদবিন্দুর স্থানাংক নির্ধারিত হয় না
উত্তর: (∞, ∞)
সঠিক উত্তর: C) ২৬ বর্গ সেঃমিঃ
প্রদত্ত তথ্য:
ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য ৮ সেমি এবং ৫ সেমি
বাহুদ্বয়ের মধ্যবর্তী লম্ব দূরত্ব ৪ সেমি
ধরি,
প্রথম সমান্তরাল বাহু ক = ৮ সেমি
দ্বিতীয় সমান্তরাল বাহু খ = ৫ সেমি
উচ্চতা হ = ৪ সেমি
অতএব,
সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের যোগফল = ৮ সেমি + ৫ সেমি = ১৩ সেমি
ক্ষেত্রফলের সূত্র = (বাহুদ্বয়ের যোগফল ÷ ২) × উচ্চতা
মান বসিয়ে পাই = (১৩ ÷ ২) × ৪
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = ১৩ × ২ = ২৬ বর্গ সেমি
উত্তর: ২৬ বর্গ সেঃমিঃ
সঠিক উত্তর: B) ১/৩
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সংখ্যার যোগফল = ৪০
দুইটি সংখ্যার বিয়োগফল = ২০
ধরি,
বড় সংখ্যাটি = ক
ছোট সংখ্যাটি = খ
অতএব,
ক + খ = ৪০
ক − খ = ২০
সুতরাং,
যোগ করে পাই, ২ক = ৬০ বা ক = ৩০
বিয়োগ করে পাই, ২খ = ২০ বা খ = ১০
উত্তর: ছোট সংখ্যাটি বড় সংখ্যাটির ১০ ÷ ৩০ = ১/৩ গুণ
সঠিক উত্তর: C) অস্ট্রেলিয়া
কেন সঠিক:
- আদিবাসীদের ইতিহাস ও অবদান জাতীয় সংগীতে স্বীকৃতি দিতে অস্ট্রেলিয়া তাদের জাতীয় সংগীতের কথায় পরিবর্তন এনেছে।
- ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সংগীত অ্যাডভান্স অস্ট্রেলিয়া ফেয়ার এর দ্বিতীয় লাইনে অফ উই আর ইয়াং অ্যান্ড ফ্রি এর পরিবর্তে অফ উই আর ওয়ান অ্যান্ড ফ্রি করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ড বা যুক্তরাজ্যের জাতীয় সংগীত গড সেভ দ্য কিং এর বর্তমান কথায় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।
B) চীন — চীনের জাতীয় সংগীত মার্চের অব দ্য ভলান্টিয়ার্স এর মূল কথায় কোনো সাম্প্রতিক পরিবর্তন আনা হয়নি।
C) অস্ট্রেলিয়া — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) কোরিয়া — উত্তর বা দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় সংগীতের সাম্প্রতিক সময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীদের সম্মান জানাতে তাদের জাতীয় সংগীতের কথায় পরিবর্তন আনা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) স্টরটিং
কেন সঠিক:
- নরওয়ের এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার আনুষ্ঠানিক ও ঐতিহাসিক নাম স্টরটিং।
- ১৮১৪ সালের নরওয়ের সংবিধান অনুযায়ী এই আইনসভা গঠিত হয় এবং এটি দেশের রাজধানী অসলোতে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রিকসডাগ — এটি সুইডেনের আইনসভার নাম, যা নরওয়ের আইনসভা নয়।
B) ফোলকেটিং — এটি ডেনমার্কের আইনসভার নাম, যা নরওয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) স্টরটিং — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নরওয়ের আইনসভাকে নির্দেশ করে।
D) নেসেট — এটি ইসরায়েলের আইনসভার নাম, যা নরওয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
নরওয়ের মানুষ শীতের দিনে স্টোরে বসে মিটিং করে, তাই নরওয়ের আইনসভা স্টরটিং।
সঠিক উত্তর: C) লর্ড মাউন্টব্যাটেন
কেন সঠিক:
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় যিনি ১৯৪৭ সালের আগস্ট মাসে ভারত ও পাকিস্তান নামের দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র সৃষ্টি করেন।
- তার মাধ্যমেই ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন বাস্তবায়িত হয় এবং উপমহাদেশের ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লর্ড কার্জন — তিনি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ করেছিলেন, যা ১৯৪৭ সালের বিভক্তির সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) লর্ড ওয়েলিংটন — তিনি ১৯৩১ থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় ছিলেন, ১৯৪৭ সালের বিভক্তির সময়ের সাথে সম্পৃক্ত নন।
C) লর্ড মাউন্টব্যাটেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই।
D) লর্ড লিনলিথগো — তিনি ১৯৩৬ থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত ভাইসরয় ছিলেন এবং তার আমলেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার শেষ ধাপে সব শেষ করতে এসেছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন, তাই ১৯৪৭ সালের শেষ ভাইসরয় হিসেবে তার নাম মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: D) ১৬১০ সাল
কেন সঠিক:
- মোঘল সুবাদার ইসলাম খাঁ চিশতি ১৬১০ সালে সুবা বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং এর নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর।
- বাংলার বিদ্রোহী ভূঁইয়াদের দমন এবং উত্তর-পূর্ব সীমান্ত নিয়ন্ত্রণে কৌশলগত ও ভৌগোলিক কারণে ঢাকাকে রাজধানী করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৫১০ সাল — এই সময়ে ঢাকায় কোনো মোঘল রাজধানী স্থাপন করা হয়নি এবং এটি প্রাসঙ্গিক নয়।
B) ১৫৯০ সাল — এই সালটি ঢাকার মোঘল রাজধানী হওয়ার ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ১৬০০ সাল — এই বছরেও ঢাকাকে বাংলার রাজধানী করা হয়নি, কারণ ইসলাম খাঁ ঢাকায় আসেন সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথম দশকে।
D) ১৬১০ সাল — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই ঢাকা প্রথম বাংলার রাজধানী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
মোঘল সুবাদার ইসলাম খাঁ ষোলশ দশ সালে ঢাকাকে রাজধানী করেছিলেন, তাই ইসলাম খাঁর আগমন এবং ঢাকার রাজধানী হওয়ার সালটি একসঙ্গে মনে রাখবে।
বিষয়ের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও অর্থনীতি
সঠিক উত্তর: A) আমেরিকা
কেন সঠিক:
- যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশ।
- শेल তেল উত্তোলনের আধুনিক প্রযুক্তির কারণে তাদের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমেরিকা — এটি বর্তমানে বিশ্বের সর্বোচ্চ পরিমাণ খনিজ তেল উৎপাদনকারী দেশ।
B) কুয়েত — এটি ওপেক জোটের অন্যতম প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশ হলেও শীর্ষ অবস্থানে নেই।
C) কাতার — এটি তেল উৎপাদনের চেয়ে প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলনে বিশ্ববাজারে বেশি প্রভাবশালী।
D) সৌদি আরব — অতীতে শীর্ষ অবস্থানে থাকলেও বর্তমানে উৎপাদনে আমেরিকার পরেই তাদের অবস্থান।
মনে রাখার টিপস:
তেল উৎপাদনে আমেরিকা সবার সেরা, আর সৌদি আরব তাদের ঠিক পরেই অবস্থান করে।
সঠিক উত্তর: D) ৩০২০ ডলার
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বিবিএস এর চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ৩০২০ মার্কিন ডলার।
- অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং জিডিপি বৃদ্ধির ফলে দেশের মানুষের গড় আয় এই স্তরে উন্নীত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯২০ ডলার — এটি আগের একটি পুরনো অর্থবছরের মাথাপিছু আয়, যা বর্তমানের সঠিক পরিসংখ্যান নয়।
B) ২২২৭ ডলার — এটি করোনাকালীন বা তার কাছাকাছি সময়ের একটি পুরনো হিসাব, বর্তমানের হালনাগাদ তথ্য নয়।
C) ২৫৫৪ ডলার — এটি বিগত অর্থবছরের একটি প্রাথমিক বা পূর্ববর্তী হিসাব, যা বর্তমানের চূড়ান্ত তথ্যের চেয়ে কম।
D) ৩০২০ ডলার — এটি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের হালনাগাদ ও সঠিক মাথাপিছু আয়ের পরিমাণ।
মনে রাখার টিপস:
মাথাপিছু আয়ের আধুনিক হিসাব মনে রাখতে ত্রিশের ঘরে ৩০২০ মার্কিন ডলার সংখ্যাটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) ২৪ জানুয়ারি
কেন সঠিক:
- ১৯৬৯ সালের এই দিনে আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নবকুমার ইন্সটিটিউটের ছাত্র মতিউর রহমানসহ অনেকেই শহীদ হন।
- এই রক্তক্ষয়ী ঘটনার মধ্য দিয়ে তৎকালীন পূর্ব বাংলায় গণঅভ্যুত্থান চূড়ান্তে পৌঁছায় এবং ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান দিবস হিসেবে পালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ০৪ জানুয়ারি — এটি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠার তারিখ, গণঅভ্যুত্থান দিবস নয়।
B) ২৪ ফেব্রুয়ারি — এই তারিখে কোনো জাতীয় গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন করা হয় না।
C) ২৪ জানুয়ারি — এটিই ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস।
D) ০৪ ফেব্রুয়ারি — এই তারিখে কোনো নির্দিষ্ট জাতীয় গণঅভ্যুত্থান দিবস নেই।
মনে রাখার টিপস:
জানুয়ারি মাসের চব্বিশ তারিখে ছাত্ররা রক্ত দিয়েছিল, তাই চব্বিশ জানুয়ারি গণঅভ্যুত্থান দিবস।
সঠিক উত্তর: B) মহাস্থানগড়
কেন সঠিক:
- প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন বর্তমান বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত, যা বাংলার প্রাচীনতম নগরী হিসেবে পরিচিত।
- এটি প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্যের রাজধানী ছিল এবং মৌর্য, গুপ্ত ও সেন আমলের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক নিদর্শন বহন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাহাড়পুর — এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত এবং এটি মূলত প্রাচীন সোমপুর মহাবিহার বা বৌদ্ধ বিহারের জন্য বিখ্যাত, পুণ্ড্রবর্ধন নয়।
B) মহাস্থানগড় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের মূল অবস্থান।
C) ময়নামতি — এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত এবং এটি প্রাচীন সমতট অঞ্চলের বৌদ্ধ সভ্যতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।
D) সোনারগাঁও — এটি নারায়ণগঞ্জ জেলায় অবস্থিত এবং এটি মধ্যযুগের স্বাধীন সুলতানি আমলের একটি ঐতিহাসিক রাজধানী ও প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল।
মনে রাখার টিপস:
পুণ্ড্রবর্ধন মানেই বগুড়ার মহাস্থানগড়, কারণ পুণ্ড্র ও মহাস্থানগড় উভয়ই বাংলার প্রাচীনতম সভ্যতার প্রতীক।
সঠিক উত্তর: C) বুড়িগঙ্গা
কেন সঠিক:
- বাকল্যান্ড বাঁধ ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে নির্মিত একটি ঐতিহাসিক তীররক্ষা বাঁধ।
- উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে ঢাকা শহরের নদীভাঙন রোধ এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য এটি নির্মাণ করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শীতলক্ষ্যা — এটি নারায়ণগঞ্জ শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত একটি নদী, যেখানে বাকল্যান্ড বাঁধ অবস্থিত নয়।
B) সিন্ধু — এটি পাকিস্তান ও ভারতের একটি প্রধান নদী, যার সঙ্গে ঢাকার বাকল্যান্ড বাঁধের কোনো সম্পর্ক নেই।
C) বুড়িগঙ্গা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
D) হোয়াংহো — এটি চীনের একটি বিখ্যাত নদী, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা শহরের প্রাণকেন্দ্র বুড়িগঙ্গা নদী, আর এখানেই তৈরি হয়েছিল ঐতিহাসিক বাকল্যান্ড বাঁধ।
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা
কেন সঠিক:
- সিরডাপ একটি আঞ্চলিক আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং এর সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
- ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থার পূর্ণরূপ হলো সেন্টার অন ইন্টিগ্রেটেড রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিল্লী — এটি ভারতের রাজধানী এবং এখানে সার্কের সদর দপ্তর নেই, এটি সিরডাপের সদর দপ্তরও নয়।
B) ওয়াশিংটন — এটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের সদর দপ্তর অবস্থিত, সিরডাপের নয়।
C) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ সিরডাপের প্রধান কার্যালয় ঢাকাতেই অবস্থিত।
D) ব্যাংকক — এটি থাইল্যান্ডের রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের এসক্যাপ (ESCAP) এর সদর দপ্তর অবস্থিত, সিরডাপের নয়।
মনে রাখার টিপস:
এশিয়ার গ্রামীণ উন্নয়নের আন্তর্জাতিক সংস্থা সিরডাপের জন্ম ও সদর দপ্তর আমাদের দেশ অর্থাৎ ঢাকাতেই অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) পঞ্চদশ সংশোধনী
কেন সঠিক:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন পাস হওয়া সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে জাতীয় সংসদে মহিলাদের সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৪৫ থেকে বৃদ্ধি করে ৫০ করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমেই ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর বাতিল হওয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অবৈধ ঘোষণা করা হয় এবং ধর্মনিরপেক্ষতা পুনরুদ্ধার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সপ্তদশ সংশোধনী — ২০১৮ সালে পাস হওয়া এই সংশোধনীর মাধ্যমে নারী সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ আরও ২৫ বছর অর্থাৎ দশ বছর বাড়ানো হয়, আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়নি।
B) পঞ্চদশ সংশোধনী — ২০১১ সালের এই সংশোধনীর মাধ্যমে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসন সংখ্যা ৪৫ থেকে বৃদ্ধি করে ৫০ করা হয়।
C) দ্বাদশ সংশোধনী — ১৯৯১ সালে পাস হওয়া এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করা হয়।
D) নবম সংশোধনী — ১৯৮৯ সালে পাস হওয়া এই সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি সম্পর্কিত বিধান সংশোধিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী ২০১১ সালে পাস হয় এবং এতেই নারী আসন ৫০টিতে উন্নীত করা হয়।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ২১ মার্চ ২০২২
কেন সঠিক:
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২১ মার্চ ২০২২ তারিখে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ১৩২০ মেগাওয়াট পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।
- এটি দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ কয়লাভিত্তিক বৃহৎ বিদ্যুৎ কেন্দ্র যা বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৩ মার্চ ২০২১ — এই তারিখে পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়নি, এটি ভুল একটি সাল ও তারিখ।
B) ২১ মার্চ ২০১৭ — এই তারিখে পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছিল, সম্পন্ন বা উদ্বোধনের তারিখ নয়।
২০ মার্চ ২০১৯ — এই তারিখে পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কোনো প্রধান উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়নি।
D) ২১ মার্চ ২০২২ — এই তারিখে পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় এবং এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধন হয় ২০২২ সালের একুশে মার্চ।
সঠিক উত্তর: B) উন্নত জাতের গম
কেন সঠিক:
- 'দোয়েল' হলো বাংলাদেশে উদ্ভাবিত গমের একটি উচ্চ ফলনশীল ও রোগসহনশীল জাত।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কৃষিক্ষেত্রে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য এই জাতটি উদ্ভাবন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উন্নত জাতের ধান — ধান বা চালের ক্ষেত্রে দোয়েল নামটির কোনো পরিচিত বা অনুমোদিত জাত নেই।
B) উন্নত জাতের গম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই।
C) উন্নত জাতের পাট — পাটের ক্ষেত্রে দোয়েল নয়, বরং বিজেআরআই বিভিন্ন জাত যেমন রবিউল বা দেশি পাট উদ্ভাবন করেছে।
D) উন্নত জাতের চা — চা উৎপাদনের ক্ষেত্রে দোয়েল কোনো পরিচিত বা অনুমোদিত জাতের নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
পাখি হিসেবে দোয়েল আমাদের জাতীয় পাখি হলেও কৃষিক্ষেত্রে 'দোয়েল' একটি গমের নাম।
সঠিক উত্তর: B) কামরুল হাসান
কেন সঠিক:
- শিল্পী কামরুল হাসান ১৯৭২ সালে পটুয়া কামরুল হাসান নামে পরিচিত বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপটি ডিজাইন ও পরিমার্জন করেছিলেন।
- ১৯৭১ সালে শিবনারায়ণ দাসের আঁকা মূল পতাকার মানচিত্র খচিত নকশাকে সহজ ও মানসম্মত করে বর্তমান সবুজ বৃত্তে লাল সূর্য রূপটি তিনি তৈরি করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জয়নুল আবেদীন — তিনি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা হলেও জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
B) কামরুল হাসান — এই অপশনটি সঠিক, কারণ তিনি বর্তমান জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা প্রস্তুত করেছিলেন।
C) হাসেম খান — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের সময়ের বিভিন্ন পোস্টার ডিজাইনার হলেও জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
D) হামিদুর রহমান — তিনি শহীদ মিনারের মূল নকশাবিদ ও স্থপতি, জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
মনে রাখার টিপস:
পতাকা মানেই পটুয়া কামরুল হাসান, কারণ পটুয়া শিল্পীই পতাকার নকশা সুন্দর করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: D) নিউইয়র্কেই
কেন সঠিক:
- ওয়াল স্ট্রিট যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ম্যানহাটন বরোতে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক রাস্তা।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম স্টক এক্সচেঞ্জ নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ এবং মার্কিন আর্থিক বাজারের প্রধান কেন্দ্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লন্ডনে — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এর প্রধান আর্থিক কেন্দ্র হলো লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ বা সিটি অব লন্ডন।
B) টোকিওতে — এটি জাপানের রাজধানী এবং এর প্রধান আর্থিক কেন্দ্র ও স্টক এক্সচেঞ্জ টোকিওতে অবস্থিত।
C) প্যারিসে — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং এর প্রধান আর্থিক কেন্দ্র ও ইউরোনেক্সট বাজার প্যারিসে অবস্থিত।
D) নিউইয়র্কেই — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিখ্যাত ওয়াল স্ট্রিট যুক্তরাষ্ট্রের এই শহরেই অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের ডলার ও অর্থনীতির কেন্দ্র নিউইয়র্ক, আর বিখ্যাত ওয়াল স্ট্রিটও এই নিউইয়র্ক শহরেই অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) আব্রাহাম লিংকন
কেন সঠিক:
- তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ষোড়শ প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং ১৮৬৩ সালের ১ জানুয়ারি ঐতিহাসিক মুক্তিসনদ জারির মাধ্যমে দাসপ্রথা বিলুপ্তির ঘোষণা দেন।
- মার্কিন গৃহযুদ্ধের সময় তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং আইনগত পদক্ষেপের ফলেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে দাসপ্রথার চির অবসান ঘটে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জন এফ কেনেডি — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিংশ শতাব্দীর একজন প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং তাঁর শাসনকাল ১৯৬০-এর দশকে নাগরিক অধিকার আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত, দাসপ্রথা রহিতের সঙ্গে নয়।
B) জর্জ ওয়াশিংটন — তিনি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট এবং দেশটির প্রতিষ্ঠাতা, যিনি নিজে দাসপ্রথার যুগে জীবনযাপন করেছেন এবং দাসপ্রথা রহিত করেননি।
D) রিচার্ড নিক্সন — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিংশ শতাব্দীর একজন প্রেসিডেন্ট ছিলেন যিনি ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির জন্য পরিচিত এবং দাসপ্রথা রহিতের বহু পরে ক্ষমտায় এসেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের দাসপ্রথা মনে রাখতে লিংকন ও আইন শব্দটি মনে রাখুন, কারণ আব্রাহাম লিংকন আইনি পদক্ষেপে দাসপ্রথা বিলুপ্ত করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: B) ০৫ মার্চ ২০২১
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ জাতিসংঘের দাপ্তরিক ছয়টি ভাষায় অনুবাদ করে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করা হয়।
- ২০২১ সালের ০৫ মার্চ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই গ্রন্থের মোড়ক উন্মوচন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ০৪ মার্চ ২০২১ — এই তারিখে গ্রন্থটির আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন করা হয়নি।
B) ০৫ মার্চ ২০২১ — এই তারিখটি সঠিক কারণ এই দিনেই আনুষ্ঠানিকভাবে মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
C) ০৬ মার্চ ২০২১ — এই তারিখটি মোড়ক উন্মোচনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ০৭ মার্চ ২০২১ — এটি ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের দিন, মোড়ক উন্মোচনের দিন নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভাষণের দিন ৭ই মার্চ হলেও, জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষার বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয় দুই দিন আগে ০৫ মার্চ ২০২১ সালে।
সঠিক উত্তর: B) কোভিশিল্ড
১. কেন সঠিক:
- অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং অ্যাস্ট্রাজেনিকা যৌথভাবে যে করোনা ভ্যাকসিন তৈরি করে, তার বাণিজ্য নাম হলো কোভিশিল্ড।
- এটি মূলত ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট কর্তৃক উৎপাদিত হয় এবং বিশ্বজুড়ে মহামারি মোকাবেলায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ভ্যাকসিন হলো মৃত বা দুর্বল জীবাণু কিংবা জীবাণুর অংশবিশেষ, যা শরীরে প্রবেশ করলে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়।
- কার্যপ্রণালি: এই ভ্যাকসিনটি শিম্পাঞ্জির অ্যাডেনোভাইরাসকে বাহক হিসেবে ব্যবহার করে মানবদেহে সার্স কোভ টু ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিন তৈরি করার নির্দেশ পাঠায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন
ব্যাখ্যা: এটি প্রতি বছর ফ্লু ভাইরাস থেকে সুরক্ষার জন্য মানবদেহের ইমিউন সিস্টেমকে প্রস্তুত করে।
উদাহরণ ২: হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিন
ব্যাখ্যা: এটি লিভারের মারাত্মক সংক্রমণ রোধ করতে দীর্ঘমেয়াদি অ্যান্টিবডি তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মর্ডানা — এটি আমেরিকার মর্ডানা কোম্পানি এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস কর্তৃক তৈরিকৃত একটি এমআরএনএ ভ্যাকসিন।
B) কোভিশিল্ড — এটি অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রাজেনিকার যৌথভাবে তৈরিকৃত এবং ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত ভ্যাকসিন।
C) কোভ্যাক্স — এটি কোনো নির্দিষ্ট কোম্পানির ভ্যাকসিন নয়, বরং এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পরিচালিত নিম্ন আয়ের দেশে ভ্যাকসিন বিতরণের একটি বৈশ্বিক উদ্যোগ।
D) আরভিড ডিমার — এটি কোনো বিশ্বখ্যাত করোনা ভ্যাকসিনের নাম নয়, বরং এটি একটি ভুল বা অপ্রাসঙ্গিক অপশন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রাজেনিকার টিকাকে শিল্ড বা ঢালের মতো মনে রাখতে পারো, যা আমাদের রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়। এভাবে কোভিশিল্ড নামটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এমআরএনএ ভিত্তিক ভ্যাকসিন হলো ফাইজার ও মর্ডানা, আর ভেক্টর ভিত্তিক ভ্যাকসিন হলো অ্যাস্ট্রাজেনিকা ও কোভিশিল্ড।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তি অংশ থেকে প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) নিদ্রাহীনতার রোগ
১. কেন সঠিক:
ইনসোমনিয়া হলো এমন একটি চিকিৎসাগত অবস্থা যেখানে মানুষের রাতে ঘুমাতে বা ঘুমের গভীরতা বজায় রাখতে তীব্র সমস্যা হয়।
এটি মূলত মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ব্যাহত হওয়ার কারণে ঘটে থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ইনসোমনিয়া হলো দীর্ঘস্থায়ী বা সাময়িক নিদ্রাহীনতা যা মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে।
কার্যপ্রণালি: মস্তিষ্কের যে অংশ ঘুম নিয়ন্ত্রণ করে, সেখানে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সারাদিন অফিস বা পড়াশোনার অতিরিক্ত চাপ নিয়ে বিছানায় যাওয়ার পরও ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘুম না আসা।
ব্যাখ্যা: এটি মানসিক চাপের কারণে সৃষ্ট সাময়িক ইনসোমনিয়ার একটি ধ্রুপদী উদাহরণ।
উদাহরণ ২: নাইট শিফটে দীর্ঘদিন কাজ করার ফলে শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি বা সার্কাডিয়ান রিদম নষ্ট হয়ে যাওয়া।
ব্যাখ্যা: এর ফলে রাতের বেলায় স্বাভাবিক ঘুম হয় না এবং দীর্ঘমেয়াদী নিদ্রাহীনতা দেখা দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্নায়ুরোগ — এটি সরাসরি কোনো সাধারণ স্নায়ুরোগ নয়, বরং ঘুম সংক্রান্ত একটি নির্দিষ্ট চিকিৎসাগত ব্যাধি।
B) চোখের রোগ — চোখ বা দৃষ্টিশক্তির সঙ্গে ইনসোমনিয়ার কোনো প্রত্যক্ষ শারীরিক সংযোগ নেই।
C) নিদ্রাহীনতার রোগ — এটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ ইনসোমনিয়া মানেই পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব বা নিদ্রাহীনতা।
D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন সি তে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইনসোমনিয়া শব্দটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো ইংরেজি শব্দ স্লিপ বা ঘুমের সঙ্গে এর সম্পর্ক মেলানো।
ঘুম না হওয়া মানেই নিদ্রাহীনতা বা ইনসোমনিয়া।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ইনসোমনিয়া মূলত মেলাটোনিন হরমোনের অপ্রতুলতা বা মস্তিষ্কের স্নায়বিক জটিলতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি রোগ, জীবাণু ও রোগ প্রতিরোধ অথবা মানবদেহ ও শারীরবৃত্ত অংশ থেকে আসে।
সঠিক উত্তর: C) মাকসুদুল আলম
১. কেন সঠিক:
ডক্টর মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে একদল গবেষক ২০১০ সালে তোষা পাটের জীবনরহস্য বা জিনোম সিকোয়েন্স উন্মোচন করেন।
এর মাধ্যমে পাটের উন্নত জাত উদ্ভাবন এবং চাষাবাদে বিপ্লব ঘটানোর নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: জিনোম সিকোয়েন্স বা জীবনরহস্য হলো কোনো জীবের কোষে থাকা পূর্ণাঙ্গ ডিএনএর নিউক্লিওটাইডের বিন্যাস।
কার্যপ্রণালি: পাটের ক্ষতিকারক ছত্রাক বা পোকার আক্রমণ রোধ এবং আঁশের মান উন্নয়নে এই জিনোম বিন্যাস অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের জিনোম প্রজেক্ট
ব্যাখ্যা: মানুষের জীবনরহস্য উন্মোচনের ফলে বিভিন্ন জিনগত রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়েছে।
উদাহরণ ২: ধানের জিনোম সিকোয়েন্স
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক ধানের জীবনরহস্য উন্মোচনের ফলে উচ্চ ফলনশীল ও লবণসহিষ্ণু ধানের জাত উদ্ভাবন সহজ হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফরিদুল আলম — ইনি পাটের জীবনরহস্য উদ্ভাবনের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। তবে ইনি বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য প্রকৌশলী ও গবেষক।
B) শহিদুল আলম — ইনি একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলোকচিত্রী এবং সাংবাদিক। পাটের জীবনরহস্য আবিষ্কারের সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
C) মাকসুদুল আলম — এটি সঠিক উত্তর। কারণ তিনি ও তাঁর দল তোষা পাটের জীবনরহস্য প্রথম সফলভাবে উন্মোচন করেন।
D) মিজানুর রহমান — ইনি পাটের জীবনরহস্য গবেষণার মূল আবিষ্কারক নন। ইনি বাংলাদেশের একজন ভিন্ন ক্ষেত্রের গবেষক বা ব্যক্তি হতে পারেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
পাটের জীবনরহস্য আবিষ্কারক মনে রাখতে পাট চাষের সঙ্গে ম্যাক্সিমাম বা সর্বোচ্চ সাফল্যের কথা মনে রাখুন। ম্যাক্সিমাম থেকে মাকসুদুল আলম নামটি সহজেই স্মরণ করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশ বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে পাটের জীবনরহস্য উন্মোচন করে। একই ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে যে, কবে পাটের জীবনরহস্য উন্মোচিত হয়, যার সঠিক উত্তর ২০১০ সাল।
সঠিক উত্তর: B) জাভা সাগর
১. কেন সঠিক:
- ল্যাঙ্কাক দ্বীপ বা ল্যাংকান দ্বীপটি ইন্দোনেশিয়ার জাভা সাগরে অবস্থিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ।
- জাভা সাগরে অবস্থিত হওয়ার কারণে এর চারপাশের সামুদ্রিক জলবায়ু এবং ভূপ্রকৃতি এই দ্বীপের ভৌগোলিক পরিচয় নির্ধারণ করেছে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: ইন্দোনেশিয়ার অন্তর্গত জাভা সাগরে এই দ্বীপটির ভৌগোলিক অবস্থান নির্ধারিত হয়েছে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত একটি দ্বীপ যা উষ্ণ জলবায়ু এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: বালি দ্বীপ
ব্যাখ্যা: এটিও ইন্দোনেশিয়ার একটি বিখ্যাত দ্বীপ যা সমুদ্র সৈকত এবং পর্যটনের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
উদাহরণ ২: সুমাত্রা দ্বীপ
ব্যাখ্যা: এটি ইন্দোনেশিয়ার অপর একটি বৃহৎ দ্বীপ যা জাভা সাগরের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে অবস্থিত এবং এর প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দক্ষিণ চীন সাগর — এটি প্রশান্ত মহাসাগরের একটি অংশ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত, যেখানে ল্যাঙ্কাক দ্বীপ অবস্থিত নয়।
B) জাভা সাগর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সাগরেই ল্যাঙ্কাক দ্বীপটি ভৌগোলিকভাবে অবস্থিত।
C) জাপান সাগর — এটি পূর্ব এশিয়ায় জাপান ও কোরিয়া উপদ্বীপের মাঝে অবস্থিত, যার সঙ্গে এই দ্বীপের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) শৈবাল সাগর — এটি আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি স্রোতহীন সাগর, যা এই দ্বীপের অবস্থান থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ল্যাঙ্কাক দ্বীপ এবং জাভা সাগর দুটি নাম একসাথে মনে রাখার জন্য ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে পড়তে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাগর ও দ্বীপগুলোর অবস্থান থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- জাভা সাগরের আশপাশের অন্যান্য দ্বীপগুলোর নাম জেনে রাখা এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দিতে সহায়তা করবে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)