বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

স্বাস্থ্য সেবা অধিদপ্তরে পরিদর্শক পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২।

পদের নাম: পরিদর্শক (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a 3
b 2
c 4
d 5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ ১. কেন সঠিক: প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার, যথা: কৃৎ প্রত্যয় ও তদ্ধিত প্রত্যয়। নতুন শব্দ গঠনের জন্য প্রকৃতির সঙ্গে যে ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে প্রত্যয় বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয় ক্রিয়া প্রকৃতির সঙ্গে এবং তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয় নাম প্রকৃতির সঙ্গে। বাংলা ব্যাকরণে শব্দের গঠন ও উৎস বিশ্লেषণে প্রত্যয়ের এই দুই প্রকারভেদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চল + অন্ত = চলতি ব্যাখ্যা: এটি কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ কারণ চল ক্রিয়ামূলের সঙ্গে অন্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: মুখ + ইক = মৌখিক ব্যাখ্যা: এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ কারণ মুখ প্রাতিপদিকের সঙ্গে ইক প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ — তিন প্রকার প্রত্যয় ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়। B) ২ — এটি সঠিক কারণ প্রত্যয় কৃৎ ও তদ্ধিত এই দুই ভাগে বিভক্ত। C) ৪ — চার প্রকার সংখ্যাটি প্রত্যয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) ৫ — পাঁচ প্রকার সংখ্যাটি অন্য ব্যাকরণিক অংশের জন্য প্রযোজ্য হতে পারে, প্রত্যয়ের জন্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রত্যয় শব্দটিতে দুটি অক্ষর রয়েছে, তাই প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার। ক্রিয়া হলে কৃৎ আর নাম হলে তদ্ধিত মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কৃৎ প্রত্যয় সাধিত পদকে কৃদন্ত পদ বলা হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কৃৎ ও তদ্ধিত প্রত্যয় আলাদা করার প্রশ্ন আসে।
a উক্ত
b বুনন
c বপন
d গুপ্ত
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: এককথায় প্রকাশ সঠিক উত্তর: A) উক্ত ১. কেন সঠিক: - 'যা বপন করা হয়েছে' এর প্রমিত ও ব্যাকরণসম্মত এককথায় প্রকাশ হলো 'উক্ত'। - এখানে 'বপন' বলতে বীজ ছড়ানো বা রোপণ করা বোঝায়, আর তার ফলশ্রুতি বা প্রকাশিত রূপ হলো 'উক্ত'। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ হলো বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ যা ভাষাকে সুন্দর ও সাবলীল করে। - এটি মূলত বাক্য সংকোচন বা ভাবসংক্ষেপের অংশ যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা বলা হয়েছে = উক্ত ব্যাখ্যা: এটি বক্তার বক্তব্য বা প্রকাশিত কোনো বিষয়কে এককথায় প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: যা পূর্বে বলা হয়েছে = পূর্বোক্ত ব্যাখ্যা: কোনো লেখার আগের অংশে উল্লেখ করা হয়েছে এমন বিষয় বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উক্ত — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ যা বপন বা বলা হয়েছে। B) বুনন — এর অর্থ কোনো কিছু বোনার কাজ, যা বপন করার সমার্থক নয়। C) বপন — এটি নিজেই প্রশ্ন ব্যবহৃত মূল শব্দ, যার অর্থ বীজ ছড়ানো। D) গুপ্ত — এর অর্থ যা লুকিয়ে রাখা হয়েছে, যা বপন করার বিপরীতার্থক। ৫. মনে রাখার টিপস: - বপন করা বা বলার সাথে 'উক্ত' শব্দটি যুক্ত থাকে। - মিল রেখে মনে রাখতে পারো যে যা রোপণ বা বপন করা হয় তা প্রকাশিত বা উক্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ এবং বাক্যের ভাবার্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। - এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রিপিট হয়।
a চাক্ষুষ
b প্রত্যক্ষ
c জ্যাতিসার
d গোচর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গোচর ১. কেন সঠিক: - 'চোখের দ্বারা গৃহীত' বা যা চোখের সামনে অবস্থিত, তাকে এককথায় গোচর বলা হয়। - এখানে 'গোচর' শব্দটি দৃশ্যমান বা প্রত্যক্ষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যা ইন্দ্রিয়ের আওতাভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়া। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অক্ষির সমক্ষে বর্তমান ব্যাখ্যা: একে এককথায় প্রত্যক্ষ বলা হয়, যা চোখের সামনে ঘটিত বিষয়কে বোঝায়। উদাহরণ ২: যা পূর্বে দেখা যায়নি ব্যাখ্যা: এটিকে অদৃষ্টপূর্ব বলা হয়, যা এককথায় প্রকাশের একটি সুন্দর উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাক্ষুষ — চাক্ষুষ অর্থ যা চোখের দ্বারা দেখা হয়েছে, কিন্তু মূল প্রশ্নে 'চোখের দ্বারা গৃহীত' বোঝানো হয়েছে। B) প্রত্যক্ষ — প্রত্যক্ষ অর্থ যা অক্ষির সমক্ষে বা চোখের সামনে বিদ্যমান, যা গোচরের একটি ভিন্ন রূপ। C) জ্যাতিসার — জ্যাতিসার বলে বাংলা ব্যাকরণে কোনো মানসম্মত এককথায় প্রকাশ নেই, এটি বিভ্রান্তিকর অপশন। D) গোচর — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি 'চোখের দ্বারা গৃহীত' বা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য বিষয়কে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - গোচর শব্দটি এসেছে গোরু বা ইন্দ্রিয়ের যাতায়াত থেকে, যা চোখে দেখা যায় তা-ই গোচর। - চোখের সঙ্গে সম্পর্কিত শব্দগুলো মনে রাখতে চাক্ষুষ এবং প্রত্যক্ষের সূক্ষ্ম পার্থক্য খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য শব্দগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে। - একই অর্থের একাধিক শব্দ থাকলেও প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী সবচেয়ে উপযুক্ত শব্দটি নির্বাচন করতে হবে।
a মুমুর্ষ
b মুমূর্ষু
c মুমর্ষু
d মুমূর্ষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুমূর্ষু ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটিতে প্রথম উ-কার এবং শেষ উ-কার দীর্ঘ এবং মাঝের উ-কার হ্রস্ব, যা বাংলা বানানরীতির সঠিক প্রয়োগ। - মুমূর্ষু শব্দের অর্থ যা মরতে বসেছে বা যার মৃত্যুর ইচ্ছা আছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী উপসর্গের নিয়ম বা বিশেষ শব্দের ক্ষেত্রে হ্রস্ব ও দীর্ঘ ই-কার এবং উ-কারের ব্যবহার নির্দিষ্ট থাকে। - এই শব্দটিতে প্রথম বর্ণে হ্রস্ব উ, দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঊ, তৃতীয় বর্ণে হ্রস্ব উ এবং চতুর্থ বর্ণে হ্রস্ব উ-কার যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শুশ্রূষা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের ক্ষেত্রে হ্রস্ব ও দীর্ঘ উ-কারের নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত নিয়ম পালিত হয়েছে। উদাহরণ ২: পিপাসা ব্যাখ্যা: এটিও একটি সমার্থক এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রমিত শুদ্ধ বানানযুক্ত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুমুর্ষ — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে কোনো দীর্ঘ উ-কার ব্যবহার করা হয়নি এবং বানানটি অসম্পূর্ণ। B) মুমূর্ষু — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতির সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। C) মুমর্ষু — এই অপশনটি ভুল কারণ এর প্রথম অংশে উ-কার ও দীর্ঘ উ-কারের সঠিক বিন্যাস নেই। D) মুমূর্ষ — এই অপশনটি ভুল কারণ এর শেষে প্রয়োজনীয় হ্রস্ব উ-কার বাদ দেওয়া হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুমূর্ষু বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো প্রথম ও শেষ অংশে হ্রস্ব উ এবং মাঝের অংশে দীর্ঘ ঊ ব্যবহার করা। - এটি একটি অত্যন্ত কমন বানান যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় এই ধরনের পেঁচানো বানান যেমন মুহূর্ত বা সান্ত্বনা বারবার আসে। - প্রমিত বানান শেখার জন্য বাংলা একাডেমির বানান অভিধান অনুসরণ করা সবচেয়ে নিরাপদ।
a আরবি
b ফারসি
c তুর্কি
d পর্তুগিজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফারসি ১. কেন সঠিক: - 'পাইকারি' শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - পাইকারি শব্দের অর্থ হলো মূলত এককালীন বা একসাথে অনেক পণ্য বিক্রয় করা, যা খুচরা শব্দের বিপরীত। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। - ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো বাংলা শব্দভাণ্ডারকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ করেছে এবং এগুলো মূলত প্রশাসন, আইন, ব্যবসা ও সংস্কৃতি সংক্রান্ত শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চশমা ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ফারসি শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে চোখে পরার মতো একটি বস্তু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কারখানা ব্যাখ্যা: এটি উৎপাদন বা কাজের জায়গাকে নির্দেশ করে এবং এটি একটি প্রচলিত ফারসি শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — আরবি ভাষা থেকে নামাজ, রোজা, কলম ইত্যাদি শব্দ বাংলায় এসেছে কিন্তু পাইকারি আরবি শব্দ নয়। B) ফারসি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ফারসি ভাষার শব্দ হিসেবে সম্পূর্ণভাবে সঠিক ও প্রযোজ্য। C) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে দারোগা, তোপ, চাকর ইত্যাদি শব্দ এসেছে তবে পাইকারি তুর্কি শব্দ নয়। D) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে আনারস, চাবি, বালতি ইত্যাদি শব্দ আসলেও পাইকারি পর্তুগিজ শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ব্যবসা ও বাণিজ্য সংক্রান্ত অনেক শব্দ যেমন পাইকারি, আমদানি, রপ্তানি ফারসি ভাষা থেকে আমাদের ভাষায় প্রবেশ করেছে। - ব্যবসার হিসাব-নিকোট মনে রাখতে পাইকারি শব্দটিকে ফারসি হিসেবে তালিকাভুক্ত করে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই ফারসি, আরবি ও পর্তুগিজ শব্দের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। - খুচরা এবং পাইকারি শব্দ দুটির উৎস এবং অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই জাতীয় শব্দার্থের প্রশ্নে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a পদ
b শব্দ
c বাক্য
d ধাতু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ধাতু ১. কেন সঠিক: ক্রিয়াপদের মূল অংশকে ধাতু বলা হয়। এটি ক্রিয়ার অবিভাজ্য মূল রূপ, যার সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিভিন্ন ক্রিয়াপদ গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যেসব মূল শব্দ বা শব্দমূলের সঙ্গে কাল ও পুরুষসূচক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়, তাকে ধাতু বলে। ধাতু তিন প্রকার, যথা মৌলিক ধাতু, সাধিত ধাতু ও সংযোগমূলক ধাতু। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পড় + আ = পড়া ব্যাখ্যা: এখানে পড় হলো ধাতু এবং তার সঙ্গে আ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: কর্ (কর) + ছ = করছ ব্যাখ্যা: এখানে কর হলো ধাতু যার সঙ্গে ছ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বর্তমানকালের ক্রিয়াপদ তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ — বাকе ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতুকে পদ বলে, যা ক্রিয়াপদের মূল অংশ নয়। B) শব্দ — অর্থবোধক ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি হলো শব্দ, যা ক্রিয়াপদের বিশেষ কোনো মূল অংশ বোঝায় না। C) বাক্য — একাধিক পদ মিলে যখন মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করে, তাকে বাক্য বলে। D) ধাতু — এটি ক্রিয়াপদের মূল অংশ বোঝায়, তাই এটি সঠিক অপশন। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্রিয়া শব্দের শুরুতে ক আছে এবং ধাতু শব্দের শেষে উ আছে, এভাবে মনে রাখতে পারো ক্রিয়া মানেই ধাতু। ক্রিয়াপদ তৈরি করতে সবার আগে ধাতুর প্রয়োজন হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। মৌলিক ধাতু চেনার উপায় হলো এটি স্বাধীন শব্দমূল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a শিরোচ্ছেদ
b শিরচ্ছেদ
c শিরচ্ছেদ
d শিরশেদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শিরচ্ছেদ ১. কেন সঠিক: শিরচ্ছেদ শব্দটির অর্থ মাথা কেটে ফেলা বা মুণ্ডচ্ছেদ করা। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে বিসর্গের পর চ বা ছ থাকলে বিসর্গের পরিবর্তে তালব্য শ হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। বিসর্গের (ঃ) পরে চ কিংবা ছ থাকলে বিসর্গের স্থানে তালব্য শ (শ) বসে। এখানে শিরঃ যোগ ছেদ মিলে শিরচ্ছেদ শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহঃ যোগ চর্য = অহরচর্য বা অহশ্চর্য। ব্যাখ্যা: বিসর্গের নিয়ম অনুযায়ী এখানে চ থাকার কারণে সন্ধি সাধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: নিঃ যোগ চয় = নিশ্চয়। ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর চ থাকায় বিসর্গ রূপান্তরিত হয়ে তালব্য শ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিরোচ্ছেদ — এটি ভুল বানান কারণ বিসর্গের পরিবর্তে এখানে ও-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত। B) শিরচ্ছেদ — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুসারে পরীক্ষণে এটিই গ্রহণযোগ্য। C) শিরচ্ছেদ — এই অপশনটি সঠিক উত্তরের অনুরূপ হলেও প্রশ্নে চিহ্নিত অপশনের বিন্যাস অনুযায়ী এটি বি হিসেবে গণ্য। D) শিরশেদ — এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ এখানে শ-এর পরিবর্তে শেদ লেখা হয়েছে এবং বানানরীতি লঙ্ঘিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বিসর্গের পর চ বা ছ থাকলে সর্বদা তালব্য শ বসবে এই সূত্রটি মনে রাখবে। শিরঃ শব্দের সঙ্গে ছেদ যুক্ত করার সময় মাঝখানে কোনো ও-কার আসবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। একই নিয়মে মনঃ যোগ ছেদ মিলে মনুচ্ছেদ বা নিঃখাদ শব্দের মতো বানানগুলো চর্চা করতে পারো।
a কাঠ
b কটু
c কৃ
d গম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাঠ ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষা মূলত তিনটি উৎস থেকে আসা ধাতু নিয়ে গঠিত, যার মধ্যে 'কাঠ' একটি খাঁটি বাংলা বা দেশি ধাতু। - শব্দটির মূল রূপ বা ক্রিয়ামূল হলো কাঠ, যার সঙ্গে বিভক্তি যোগ করে বিভিন্ন ক্রিয়া পদ গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে ধাতু হলো ক্রিয়াপদের মূল অংশ বা যে অংশকে আর বিশ্লেষণ করা যায় না। - উৎস অনুসারে বাংলা ধাতু তিন প্রকার, যথা খাঁটি বাংলা ধাতু, সংস্কৃত ধাতু এবং বিদেশি ধাতু। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঠ ধাতু থেকে কাঠ + ও = কাটো ব্যাখ্যা: এটি একটি খাঁটি বাংলা ধাতু থেকে গঠিত ক্রিয়াপদের রূপ। উদাহরণ ২: নাচ ধাতু থেকে নাচ + ই = নাচি ব্যাখ্যা: নাচ হলো আরেকটি খাঁটি বাংলা বা দেশি ধাতু। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাঠ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি খাঁটি বাংলা ধাতু। B) কটু — এটি কোনো ধাতু নয়, বরং এটি একটি বিশেষণের রূপ যা কটু শব্দের অর্থ প্রকাশ করে। C) কৃ — এটি একটি সংস্কৃত ধাতু বা তৎসম ধাতু, যার অর্থ করা। D) গম — এটি একটি সংস্কৃত ধাতু বা তৎসম ধাতু, যার অর্থ গমন করা বা যাওয়া। ৫. মনে রাখার টিপস: - খাঁটি বাংলা ধাতু চেনার সহজ উপায় হলো এগুলো সাধারণত দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ কার্যবাচক শব্দ যেমন কাঠ, নাচ, বল, দেখ ইত্যাদি হয়। - সংস্কৃত ধাতুগুলো সাধারণত একটু জটিল রূপের হয় যেমন কৃ, গম, ভুজ ইত্যাদি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু থেকে প্রশ্ন এলে প্রথমে দেখতে হবে শব্দটি খাঁটি বাংলা নাকি সংস্কৃত। - বাংলা ধাতুগুলো সাধারণত কথ্য ভাষায় বেশি ব্যবহৃত হয় এবং এর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে সাধারণ ক্রিয়া গঠিত হয়।
a কবিতার পংক্তিতে
b গল্পের সংলাপে
c গানের কলিতে
d নাটকের সংলাপে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাটকের সংলাপে ১. কেন সঠিক: - সাধু ভাষা হলো বাংলা ভাষার সেই রূপ যা মূলত গম্ভীর, তৎসম শব্দবহুল এবং লিখিত রূপের জন্য নির্ধারিত। - নাটকের সংলাপ স্বভাবতই চরিত্রগুলোর বাস্তবসম্মত মুখের ভাষা বা কথ্য রূপের কাছাকাছি হয়, যেখানে সাধু ভাষা ব্যবহার করলে কৃত্রিম ও অপ্রাকৃতিক শোনায়। ২. ব্যাকরণ ও ভাষা ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষার রূপ দুটি ভাগে বিভক্ত, যথা মুখের ভাষা বা চলিত রূপ এবং লেখার ভাষা বা সাধু রূপ। - সাধু ভাষার পদবিন্যাস ও ক্রিয়ার রূপ সুনির্দিষ্ট এবং পরিবর্তনশীল নয়, যা নাটকের বা গল্পের স্বাভাবিক সংলাপের উপযোগী নয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চলিত রূপ: তুমি কোথায় যাচ্ছো? নাটকে এই কথ্য রূপটিই ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: সংলাপকে জীবন্ত ও স্বাভাবিক করতে চলিত রূপ অপরিহার্য। উদাহরণ ২: সাধু রূপ: আপনি কোথায় গমন করিতেছেন? এটি নাটকে অপ্রাসঙ্গিক। ব্যাখ্যা: এই রূপটি নাটকের চরিত্রের সঙ্গে মানানসই নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবিতার পংক্তিতে — প্রাচীন ও মধ্যযুগের কাব্যে এবং উনিশ শতকের কবিতায় সাধু ভাষার বহুল ব্যবহার দেখা যায়। B) গল্পের সংলাপে — কিছু ক্ষেত্রে লেখকের বর্ণনায় বা ঐতিহ্যবাহী গল্পের সংলাপে সাধু ভাষা ব্যবহৃত হতে পারে। C) গানের কলিতে — বাংলা অনেক ধ্রুপদী গান ও ভক্তিমূলক গানে সাধু ভাষার সার্থক প্রয়োগ রয়েছে। D) নাটকের সংলাপে — নাটক মানুষের জীবন্ত মুখের ভাষার কাছাকাছি থাকে বলে এখানে সাধু ভাষা অনুপযোগী। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুখের ভাষা যেখানে প্রধান, সেখানে সাধু ভাষা অচল। নাটক ও উপন্যাসের সংলাপ সবসময় চলিত রীতিতে মানানসই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাধু ও চলিত রূপের পার্থক্য এবং এদের ব্যবহারের ক্ষেত্র থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
a ২ টি
b ৩ টি
c ৪ টি
d ৫ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ টি ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষার গদ্যরীতি প্রধানত দুটি ভাগে বিভক্ত, যা হলো সাধু রীতি ও চলিত রীতি। - গেম বা লেখার কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে এই দুটি রূপ বাংলা গদ্যে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সাধু রীতি হলো তৎসম শব্দবহুল, দীর্ঘ ক্রিয়াপদ ও সর্বনামযুক্ত লিখিত গদ্যরীতি। - চলিত রীতি হলো প্রমিত, সহজবোধ্য, পরিবর্তিত রূপ ও সংক্ষিপ্ত ক্রিয়াপদযুক্ত কথ্য ও লিখিত গদ্যরীতি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার বয়স হইয়াছে, কিন্তু বুদ্ধি হয় নাই। ব্যাখ্যা: এটি সাধু রীতির বাক্য, কারণ এখানে হইয়াছে ও হয় নাই ক্রিয়াপদের দীর্ঘ রূপ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: তার বয়স হয়েছে, কিন্তু বুদ্ধি হয়নি। ব্যাখ্যা: এটি চলিত রীতির বাক্য, কারণ এখানে হয়েছে ও হয়নি সংক্ষিপ্ত ও সহজ রূপ ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ টি — এটি সঠিক কারণ বাংলা গদ্যরীতি মাত্র দুটি namely সাধু ও চলিত। B) ৩ টি — এটি ভুল কারণ গদ্যরীতি তিনটি নয়, পদ বা অন্য কোনো ব্যাকরণিক বিষয় তিন প্রকার হতে পারে। C) ৪ টি — এটি ভুল কারণ গদ্যরীতির সংখ্যা চার হতে পারে না। D) ৫ টি — এটি ভুল কারণ বাংলা গদ্যরীতির কোনো শ্রেণিবিভাগে পাঁচটি রূপ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলা গদ্য দুই ভাগে বিভক্ত, মনে রাখার জন্য মাথায় রাখবে সাধু ও চলিত দুটি প্রধান ধারা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই গদ্যরীতির সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়, যার উত্তর সর্বদা দুটি হবে।
a দ্বিপ
b মৃগ
c মাতঙ্গ
d গজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মৃগ ১. কেন সঠিক: - হরিণ শব্দের সবচেয়ে প্রচলিত ও প্রমিত সমার্থক শব্দ হলো মৃগ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অর্থ ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডার থেকে এই প্রশ্নটি করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন সব শব্দ যেগুলোর অর্থ একই বা প্রায় এক। - ব্যাকরণের শব্দার্থ প্রকরণ অংশে বিভিন্ন প্রাণী, প্রকৃতি ও বস্তুর সমার্থক শব্দ মুখস্থ রাখতে হয় এবং বাক্য গঠনে সঠিক প্রয়োগ জানতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুরঙ্গ ব্যাখ্যা: এটি হরিণের অপর একটি প্রাচীন ও বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: সারঙ্গ ব্যাখ্যা: এটিও কাব্যসাহিত্যে হরিণের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিপ — দ্বিপ শব্দের অর্থ যা দুটি পক্ষ বা দ্বীপ ধারণ করে অথবা হাতি, এটি হরিণের সমার্থক নয়। B) মৃগ — এটি সঠিক উত্তর এবং হরিণের সমার্থক শব্দ। C) মাতঙ্গ — মাতঙ্গ শব্দের অর্থ হাতি, যা হরিণের সমার্থক শব্দ নয়। D) গজ — গজ শব্দের অর্থ হাতি, তাই এটি হরিণের সমার্থক হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - হরিণ শব্দের সাথে মৃগ শব্দটির মিল মনে রাখার জন্য কবি কাজী নজরুল ইসলাম বা প্রাচীন কাব্যের মৃগয়া শিকার শব্দটির সাহায্য নিতে পারো। - বন্য পশুর সমার্থক শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাণীবাচক শব্দের সমার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। - হাতি, ঘোড়া, সিংহ এবং হরিণের সমার্থক শব্দগুলো একসঙ্গে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a বিশেষ্য
b বিশেষণ
c সর্বনাম
d ক্রিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশেষ্য ১. কেন সঠিক: - সিক্ত নীলাম্বরী একটি বিশেষ্য পদ কারণ এটি একটি বিশেষ পোশাক বা বস্তুর নাম বোঝায়। - এখানে নীলাম্বরী শব্দটি বিশেষণ হিসেবে না বসে স্বয়ং একটি বিশেষ্য হিসেবে নির্দিষ্ট বস্তু বা সৃষ্টিকে নির্দেশ করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে শব্দ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, স্থান, ভাব বা গুণের নাম বোঝায় তাকে বিশেষ্য পদ বলে। - পদ প্রকরণে অনেক সময় বিশেষণ শব্দ প্রত্যয় যোগে বা রূপান্তরের মাধ্যমে বিশেষ্য পদে রূপান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নীল আকাশ একটি সুন্দর দৃশ্য। ব্যাখ্যা: এখানে নীল শব্দটি আকাশ বিশেষ্যের পূর্বে বসে বিশেষণ হলেও নীলাম্বরী একটি স্বতন্ত্র নাম পদ। উদাহরণ ২: সবুজ ঘাস মাঠটিকে ঢেকে রেখেছে। ব্যাখ্যা: সবুজ প্রকৃতি বা রঙের নাম হিসেবে বিশেষ্য হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি নাম পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। B) বিশেষণ — এটি দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে না বরং নাম বুঝিয়েছে। C) সর্বনাম — এটি বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় না। D) ক্রিয়া — এটি দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দ যদি কোনো বস্তু বা সৃষ্টির নির্দিষ্ট নাম বোঝায়, তবে তা বিশেষ্য হবে। - রূপক বা বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত নাম পদ সর্বদা বিশেষ্য হিসেবে গণ্য হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদ নির্ণয়ের সময় বাক্যের অর্থ এবং পদের কার্যকারিতা গভীরভাবে লক্ষ্য করতে হবে। - শব্দরূপের পরিবর্তনের ফলে পদের শ্রেণি পরিবর্তন হতে পারে, যা সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।
a ক্ষণগ্রহ
b খনগ্রহ
c ক্ষণপ্রভা
d খনপ্রভ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্ষণপ্রভা ১. কেন সঠিক: - ক্ষণপ্রভা শব্দটি একটি বিশুদ্ধ এবং অর্থপূর্ণ শব্দ যার অর্থ বিদ্যুৎ বা বিজলি। - বাংলা ব্যাকরণ ও প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের বানানটিতে মূর্ধন্য ণ এবং প-ফ-ব-ভ-ম এর পর প বর্গীয় ধ্বনি ব্যবহারের সঠিক নিয়ম অনুসৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি শব্দ গঠন ও বানান শুদ্ধি বিষয়ক ব্যাকরণগত প্রশ্ন। - প্রমিত বাংলা বানান নিয়ম অনুসারে তৎসম শব্দে ই-কার বা উ-কার যুক্ত র বা ঋ-কার এবং এর পরে ষ বা ন থাকলে সাধারণত মূর্ধন্য ণ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্ষণস্থায়ী ব্যাখ্যা: ক্ষণ শব্দের সাথে স্থায়ী যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ যা অল্পকাল স্থায়ী হয়। উদাহরণ ২: ক্ষণকাল ব্যাখ্যা: ক্ষণ শব্দের অর্থ অল্প সময়, তাই ক্ষণকাল বলতে অল্প সময় বা মুহূর্তকে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষণগ্রহ — এই বানানটি ভুল কারণ গ্রহ শব্দের সাথে ক্ষণ যুক্ত হয়ে প্রমিত কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ গঠন করে না। B) খনগ্রহ — এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ ক্ষণ শব্দের জায়গায় খন লেখা হয়েছে যা অর্থহীন এবং বানানরীতি বিরোধী। C) ক্ষণপ্রভা — এই অপশনটি সঠিক এবং এর বানান ও অর্থ উভয়ই প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী নির্ভুল। D) খনপ্রভ — এই বানানটি ভুল কারণ ক্ষণ শব্দের স্থলে খন লেখা হয়েছে যা ব্যাকরণগত ও প্রমিত রূপের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদ্যুৎ বা বিজলি বোঝাতে ক্ষণপ্রভা শব্দটি ব্যবহার করা হয় এবং এর শুরুতে সর্বদা ক্ষণ লেখা হয় খন নয়। - বানান মনে রাখার জন্য বিজলির অপর নাম হিসেবে ক্ষণপ্রভা শব্দটি বারবার লেখার চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রমিত বানান থেকে প্রশ্ন আসে, তাই সমাসবদ্ধ বা উপসর্গযুক্ত শব্দের সঠিক রূপ চেনা জরুরি। - এই ধরনের শব্দে ন এবং ণ এর সঠিক প্রয়োগ খেয়াল রাখতে হবে।
a ব্যাপ্তি
b বহুত্ব
c উৎকর্ষ
d ঈষৎ স্বল্পতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঈষৎ স্বল্পতা ১. কেন সঠিক: - 'মেঘে মেঘে' একটি শব্দদ্বৈত বা দ্বিরুক্ত শব্দ যা এখানে অল্প বা ঈষৎ স্বল্প পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। - মেঘে মেঘে বেলা হলো এই প্রচলিত বাকধারায় সময় গড়িয়ে যাওয়া বা অল্প স্বল্প করে সময় শেষ হওয়ার অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - দ্বিরুক্ত শব্দ বলতে একই শব্দ দুবার ব্যবহার করে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করাকে বোঝায়। - অনেক সময় দ্বিরুক্ত শব্দ পূর্ণাঙ্গ অর্থের পরিবর্তন ঘটিয়ে স্বল্পতা বা সামান্য ভাব প্রকাশ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘে মেঘে বেলা হলো। ব্যাখ্যা: এখানে মেঘে মেঘে শব্দদ্বৈতটি বেলা গড়িয়ে যাওয়ার বা স্বল্পতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: হাতে হাতে নগদ। ব্যাখ্যা: এই শব্দদ্বৈতটি তাৎক্ষণিক বা খুব দ্রুত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাপ্তি — ব্যাপ্তি বলতে কোনো কিছুর বিস্তার বা পরিধি বোঝায় যা এই শব্দদ্বৈতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) বহুত্ব — বহুত্ব বা অধিকতা বোঝাতে দ্বিরুক্ত শব্দের অন্য ব্যবহার হয় কিন্তু এখানে তা নেই। C) উৎকর্ষ — উৎকর্ষ শব্দের অর্থ উন্নতি বা শ্রেষ্ঠত্ব যা এই শব্দের অর্থ বহন করে না। D) ঈষৎ স্বল্পতা — এটি সঠিক কারণ এখানে মেঘে মেঘে বলতে অল্প বা ঈষৎ স্বল্প সময় বোঝানো হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মেঘে মেঘে বেলা হলো প্রবাদটি মনে রাখলেই বোঝা যায় এটি সময় বা পরিমাণের স্বল্পতা নির্দেশ করে। - দ্বিরুক্ত শব্দের অর্থ ভালোভাবে বুঝতে বাক্যের ভেতরের অন্তর্নিহিত ভাব দেখতে হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বিরুক্ত শব্দের অর্থগত ভিন্নতা থেকে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বাকধারায় ব্যবহৃত দ্বিরুক্ত শব্দের নির্দিষ্ট অর্থ ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a আনারস
b রিকশা
c হরতাল
d চা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আনারস ১. কেন সঠিক: - আনারস একটি পর্তুগিজ শব্দ যা ষোড়শ শতাব্দীতে পর্তুগিজ বণিকদের মাধ্যমে বাংলায় প্রবেশ করেছে। - পর্তুগিজরা সমুদ্রপথে ভারতীয় উপমহাদেশে আসার পর তাদের ব্যবহৃত অনেক দৈনন্দিন সামগ্রী ও সংস্কৃতির শব্দ বাংলা ভাষায় যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার শব্দের উৎস বা শব্দার্থগত শ্রেণিবিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যেখানে বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোকে বিদেশি শব্দ বলা হয়। - পর্তুগিজ ভাষার শব্দগুলো মূলত ধর্ম, বাণিজ্য, খাদ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাদ্রি ব্যাখ্যা: এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা খ্রিস্টধর্মীয় যাজককে বোঝাতে বাংলায় ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: বালতি ব্যাখ্যা: এটিও একটি পর্তুগিজ শব্দ যা দৈনন্দিন ব্যবহারের একটি পাত্র বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনারস — এটি পর্তুগিজ শব্দ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে। B) রিকশা — এটি জাপানি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত একটি জনপ্রিয় শব্দ। C) হরতাল — এটি একটি গুজরাটি শব্দ যা বাংলায় রাজনৈতিক আন্দোলনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। D) চা — এটি একটি চীনা শব্দ যা বাংলায় পানীয় অর্থে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার জন্য খাদ্য ও পোশাক সংক্রান্ত শব্দগুলোকে আলাদা করতে পারো। - আনারস, পেঁপে, গামছা, চাবি—এগুলো প্রায়ই পরীক্ষায় আসা প্রধান পর্তুগিজ শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস থেকে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - পর্তুগিজ ও ওলন্দাজ শব্দের পার্থক্যগুলো ভালোভাবে রপ্ত করতে হবে।
a অন্ধ অনুকরণ
b সাধারণ
c পরাধীন
d অসম্ভব কল্পনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অন্ধ অনুকরণ ১. কেন সঠিক: গড্ডলিকা প্রবাহ একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা। এর আক্ষরিক ও ভাবগত অর্থ হলো বিচারবুদ্ধিহীনভাবে অন্যের দেখাদেখি চলা বা অন্ধ অনুকরণ করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। গড্ডলিকা শব্দের অর্থ ভেড়া এবং প্রবাহ অর্থ স্রোত, অর্থাৎ ভেড়ার পালের মতো দলবেঁধে চলার প্রবণতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাজের সবাই বিদেশের প্রতি অন্ধ মোহ দেখায় বলেই আমরাও গড্ডলিকা প্রবাহে ভেসে যাচ্ছি। ব্যাখ্যা: এখানে কোনো নিজস্ব বিচারবুদ্ধি না রেখে অন্ধভাবে সমাজের অন্য সবার কাজকে অনুসরণ করার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: নিজের মেধা দিয়ে চিন্তা করো, অন্যের দেখাদেখি গড্ডলিকা প্রবাহে চলো না। ব্যাখ্যা: এখানে অন্ধভাবে অন্যের পথ অনুসরণ না করার উপদেশ দেওয়া হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্ধ অনুকরণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ গড্ডলিকা প্রবাহ বাগধারাটির নির্দিষ্ট ও সর্বজনস্বীকৃত অর্থ হলো অন্ধ অনুকরণ। B) সাধারণ — এই অপশনটি ভুল কারণ সাধারণ বলতে যা অসাধারণ নয় বা সহজ তা বোঝায়, যা বাগধারাটির অর্থের সঙ্গে মিলে না। C) পরাধীন — এই অপশনটি ভুল কারণ পরাধীন শব্দের অর্থ অন্যের অধীনে থাকা, যা গড্ডলিকা প্রবাহের ভাবার্থকে প্রকাশ করে না। D) অসম্ভব কল্পনা — এই অপশনটি ভুল কারণ অসম্ভব কল্পনা বলতে আকাশকুসুম বা অবাস্তব কিছু ভাবাকে বোঝায়, যা আলোচ্য বাগধারার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: গড্ডলিকা শব্দের মূল উৎস ভেড়া, আর ভেড়ার দল যেমন একটি ভেড়া এগোলে বাকিরাও অন্ধভাবে পেছনে যায়, তেমনি গড্ডলিকা প্রবাহ অর্থও অন্ধ অনুকরণ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার উৎস এবং সঠিক অর্থ প্রায়ই আসে। এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বাগধারার পেছনের গল্প বা আক্ষরিক অর্থ মনে রাখা সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
a ২১ টি
b ২০ টি
c ১৯ টি
d ২৩ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২১ টি ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে খাঁটি বাংলা বা দেশি উপসর্গ রয়েছে একুশটি। উপসর্গগুলো স্বাধীনভাবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে না পারলেও শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ বা শব্দাংশ মূল শব্দের আগে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন, সংকোচন বা সম্প্রসারণ ঘটায় তাকে উপসর্গ বলে। বাংলা ভাষায় মোট একুশটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ রয়েছে যা মুখস্থ রাখার জন্য নির্দিষ্ট তালিকা রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনাদর ব্যাখ্যা: মূল শব্দ আদরের আগে অনা উপসর্গ যুক্ত হয়ে বিপরীতার্থক নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: পাতিহাঁস ব্যাখ্যা: হাঁস শব্দের আগে পাতি উপসর্গ যুক্ত হয়ে ছোট বা ক্ষুদ্র অর্থে নতুন শব্দ তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১ টি — এটি সঠিক কারণ বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী খাঁটি বাংলা উপসর্গ নির্দিষ্টভাবে একুশটি। B) ২০ টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ এটি বাংলা উপসর্গের মোট সংখ্যা প্রকাশ করে না। C) ১৯ টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা কুড়িটি, একুশটি নয়। D) ২৩ টি — এই সংখ্যাটি কোনো স্বীকৃত ব্যাকরণিক নিয়ম অনুযায়ী বাংলা উপসর্গের সংখ্যা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: খাঁটি বাংলা একুশটি উপসর্গ মনে রাখার একটি ছন্দময় লাইন হলো অঘা অজ অনা আ আর্ক সু নি পাতি বি ভর রাম সর্ হা হা হাড় রাম ইত্যাদি। সংক্ষেপে একুশ সংখ্যাটি মনে রাখতে অঘা অজ অনা আ এই চারটি শব্দ দিয়ে শুরু হওয়া তালিকাটি বারবার চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই খাঁটি বাংলা ও সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন আসে। সংস্কৃত উপসর্গ কুড়িটি এবং খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a তৎসম
b বিদেশী
c তদ্ভব
d দেশি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দেশি ১. কেন সঠিক: - 'চুলা' শব্দটি বাংলা ভাষার আদি নিবাসী কোল, মুণ্ডা বা দ্রাবিড় ইত্যাদি জনগোষ্ঠীর ভাষা থেকে এসেছে। - উৎসের দিক থেকে যে শব্দগুলোর মূল বা উৎস নির্দিষ্ট করে সংস্কৃত বা অন্য কোনো বিদেশি ভাষা হিসেবে নির্ণয় করা যায় না, সেগুলোকে দেশি শব্দ বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - দেশি শব্দ হলো সেসব শব্দ যা বাংলাদেশের আদি অধিবাসীদের ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। - বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যার একটি হলো দেশি শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুলা ব্যাখ্যা: এটি একটি দেশি শব্দ যা ধান পরিষ্কার করার কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এর উৎস আদিবাসী ভাষা। উদাহরণ ২: ঢেঁকি ব্যাখ্যা: ধান ভানার ঐতিহ্যবাহী দেশি যন্ত্র বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয় যার উৎস অস্ট্রিক ভাষা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎসম — তৎসম শব্দ হলো সেই সব শব্দ যা সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে, কিন্তু 'চুলা' সংস্কৃত শব্দ নয়। B) বিদেশী — বিদেশি শব্দ বলতে বোঝায় আরবি, ফার্সি, ইংরেজি বা পর্তুগিজ ইত্যাদি ভাষার শব্দ, যা 'চুলা' শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) তদ্ভব — তদ্ভব শব্দ প্রাকৃত বা অপভ্রংশের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে আসে, কিন্তু 'চুলা' প্রাকৃত থেকে আসেনি। D) দেশি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি আদিবাসী ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - রান্নার কাজে ব্যবহৃত পরিচিত গৃহস্থালি জিনিসপত্র যেমন চুলা, কুলা, ঢেঁকি ও কুঠার সাধারণত দেশি শব্দ হয়। - প্রাত্যহিক জীবনের সহজ শব্দগুলো চেনার মাধ্যমে দেশি শব্দ সহজেই আয়ত্ত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গৃহস্থালি সামগ্রী ও কৃষিকাজের নাম থেকে প্রায়ই দেশি শব্দ পরীক্ষাতে আসে। - কুলা, চুলা, ঢেঁকি, গঞ্জ, টোপর ইত্যাদি শব্দগুলো দেশি শব্দের উৎকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে মনে রাখবে।
a শিবরাত্রির আলো
b একমাত্র সঞ্চয়
c একমাত্র সন্তান
d শিবরাত্রির গুরুত্ব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একমাত্র সন্তান ১. কেন সঠিক: শিবরাত্রির সলতে বাগধারাটির প্রমিত ও পরীক্ষিত অর্থ হলো একমাত্র সন্তান বা একমাত্র বংশধর। শিবরাত্রির রাতে সারারাত প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখতে হয় এবং সাধারণত শেষপ্রহরে একটিমাত্র সলতেই অবশিষ্ট থাকে, যা থেকে এই রূপক অর্থের সৃষ্টি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বাগধারা, যা রূপক অর্থে বিশেষ কোনো স্থাবর বা নশ্বর পরিস্থিতির শেষ সম্বল বা একমাত্র অবলম্বন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। প্রাত্যহিক কথ্যভাষা ও সাহিত্যিক রচনায় এই বাগধারার বহুল ব্যবহার রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্ধ বৃদ্ধ পিতার একমাত্র অবলম্বন ওই ছেলেটি হলো তাদের বংশের শিবরাত্রির সলতে। ব্যাখ্যা: এখানে একমাত্র জীবিত সন্তানকে পরিবারের শেষ ভরসা হিসেবে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: দেউলিয়া হওয়া ব্যবসায়ীটির সম্বল বলতে ওই একটিমাত্র ছোট দোকান, যা তার ব্যবসার শিবরাত্রির সলতে। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যবসার শেষ অস্তিত্ব বা একমাত্র সম্বল বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিবরাত্রির আলো — এটি দ্বারা আক্ষরিক আলো বোঝানো হলেও বাগধারার রূপক অর্থ প্রকাশ পায় না। B) একমাত্র সঞ্চয় — এটি আংশিক অর্থের কাছাকাছি হলেও প্রমিত অর্থে সন্তান বা বংশের একমাত্র প্রদীপ বোঝাতে এটি প্রযোজ্য নয়। C) একমাত্র সন্তান — এটি সঠিক কারণ এটি বাগধারার সর্বজনগ্রাহ্য ও ব্যাকরণগতভাবে অনুমোদিত অর্থ। D) শিবরাত্রির গুরুত্ব — এটি একটি সাধারণ ধারণা মাত্র, যা এই নির্দিষ্ট বাগধারার কোনো অর্থ বহন করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: শিবরাত্রি মানে শিবের বিশেষ পূজা এবং সলতে মানে বাতি। পূজা উপলক্ষে রাতের বেলা জ্বালানো শেষ বাতি যেভাবে অন্ধকারের একমাত্র আলো, তেমনি পরিবারের একমাত্র সন্তানও বংশের শেষ আলো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের রূপকধর্মী বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়। বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ না ধরে এর ভেতরের ভাবার্থ বা রূপক অর্থ মনে রাখতে হবে।
a দ্বিরুক্ত শব্দে
b প্রত্যয়ে
c অনুসর্গে
d বিভক্তিতে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দ্বিরুক্ত শব্দে ১. কেন সঠিক: একই শব্দ বা পদ পাশাপাশি দুবার ব্যবহার করে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করা বা জোর দেওয়ার প্রক্রিয়াকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো শব্দ অভিন্নভাবে পরপর দুবার ব্যবহৃত হলে তা দ্বিরুক্ত শব্দে পরিণত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে দ্বিরুক্ত শব্দের অর্থ দুইবারুক্ত বা দুইবার বলা হয়েছে যা এমন শব্দ। পদের গঠন ও অর্থের দিক থেকে দ্বিরুক্ত শব্দ মূলত তিন ভাগে বিভক্ত যেমন পদের দ্বিরুক্তি, শব্দের দ্বিরুক্তি এবং অনুকার দ্বিরুক্তি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বনে ফুল ফুটেছে। ব্যাখ্যা: এখানে বন শব্দটির দ্বিরুক্তি ঘটেছে এবং এটি বহুবচন প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: জ্বরে মাথা ভ ভ করছে। ব্যাখ্যা: এখানে ধ্বনির অনুকরণে অনুকার দ্বিরুক্ত শব্দের ব্যবহার হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিরুক্ত শব্দে — এটি সঠিক উত্তর কারণ একই শব্দ পরপর দুবার ব্যবহার করলে দ্বিরুক্ত শব্দ গঠিত হয়। B) প্রত্যয়ে — প্রত্যয় হলো শব্দের শেষে নতুন বর্ণ বা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠনের প্রক্রিয়া যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) অনুসর্গে — অনুসর্গ হলো এমন শব্দ যা শব্দের পরে বসে কারক বা বিভক্তির কাজ করে এবং এটি দ্বিরুক্ত শব্দ নয়। D) বিভক্তিতে — বিভক্তি হলো বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে পদ গঠন করে এবং এটি অভিন্ন শব্দের দ্বিরূপ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: দ্বি শব্দের অর্থ দুই এবং উক্তি শব্দের অর্থ বলা। অর্থাৎ কোনো শব্দ দুবার বলা বা লেখা হলে তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দ্বিরুক্ত শব্দের প্রকারভেদ এবং এর অর্থ যেমন আধিক্য, পৌনঃপুনিকতা বা ক্ষুদ্রতা থেকে প্রশ্ন আসে। দ্বিরুক্ত শব্দ বাক্যে কীভাবে অর্থ পরিবর্তন করে তা ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a on
b of
c to
d at
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to কেন সঠিক: - কোনো নির্দিষ্ট ভূখণ্ড সীমার বাইরে অবস্থিত স্থান বোঝাতে প্রিপজিশন to ব্যবহৃত হয়। - বাংলাদেশ এবং বঙ্গোপসাগর দুটি পৃথক ভূখণ্ড হওয়ায় এখানে边界ের বাইরের অবস্থান বোঝাতে to সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — ভূখণ্ডের ভেতরে সীমার ওপর কোনো কিছু অবস্থিত বোঝালে on বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) of — সম্বন্ধ বা র বোঝাতে of ব্যবহৃত হয়, যা স্থান নির্দেশ করতে বসে না। C) to — সঠিক উত্তর, কারণ এটি সীমার বাইরে অবস্থিত কোনো স্থান নির্দেশ করে। D) at — কোনো নির্দিষ্ট ছোট স্থান বা বিন্দুর অবস্থান বোঝাতে at বসে, যা দেশের দক্ষিণের বিশাল জলরাশির জন্য উপযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: সীমার ভেতরে থাকলে in, সীমার গায়ে লাগোয়া হলে on এবং সীমার সম্পূর্ণ বাইরে দূরে অবস্থিত হলে to বসে।
a gone through
b went through
c go over
d went out
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) went through কেন সঠিক: - বাক্যের অর্থ অনুযায়ী অতীতের কোনো কষ্ট বা অভিজ্ঞতা সহ্য করা বোঝাতে 'go through' ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহৃত হয়। - বাক্যে অতীত নির্দেশক কোনো সময় উল্লেখ না থাকলেও অভিজ্ঞতাটি অতীতে ঘটে গেছে বোঝাতে ভার্বের পাস্ট ফর্ম 'went through' বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) gone through — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্সের গঠন হলেও এর আগে কোনো সাহায্যকারী ভার্ব যেমন have বা has নেই। B) went through — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) go over — এর অর্থ পুনর্বিবেচনা করা বা পরীক্ষা করা, যা এখানে অর্থসংগত নয়। D) went out — এর অর্থ নিভে যাওয়া বা বাইরে যাওয়া, যার সঙ্গে দুঃখ বা কষ্টের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: কোনো কঠিন সময় বা কষ্ট সহ্য করা বা পার করার ইংরেজি হলো 'go through'। বাক্যটি অতীতকালের হওয়ায় 'go' এর পরিবর্তে 'went' ব্যবহার করতে হবে।
a It is a must
b It is must
c It is the must
d None
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) It is a must কেন সঠিক: - এখানে must শব্দটি সাধারণ অংশ হিসেবে ব্যবহৃত না হয়ে একটি অপরিহার্য বিষয় বা বিশেষ নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। - নির্দিষ্ট এই নাউনের পূর্বে indefinite article হিসেবে a বসেছে, যা একটি আবশ্যকীয় কাজ বোঝাতে সঠিক ব্যাকরণগত গঠন তৈরি করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is a must — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এখানে a article সঠিক নিয়মে ব্যবহৃত হয়েছে। B) It is must — এখানে must শব্দের পূর্বে প্রয়োজনীয় article না থাকায় গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ হয়েছে। C) It is the must — এখানে definite article the ব্যবহার করা হয়েছে, যা নির্দিষ্ট কোনো পূর্বপরিচিত বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়ায় এখানে ভুল। D) None — অপশন এ সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো বাধ্যতামূলক বা আবশ্যিক বিষয় বোঝাতে must শব্দের পূর্বে সবসময় a বসে এবং এটি একটি বিশেষ নিয়ম হিসেবে মুখস্থ রাখা নিরাপদ।
a Compensate
b Ignored
c Made for
d Understand
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Compensate কেন সঠিক: - "Make up for" একটি Phrase, যার অর্থ ক্ষতিপূরণ করা বা ঘাটতি পূরণ করা। - প্রদত্ত সঠিক উত্তর "Compensate"-এর বাংলা অর্থও ক্ষতিপূরণ করা, যা এই Phrase-এর সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Compensate — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ক্ষতিপূরণ করা। B) Ignored — এর অর্থ উপেক্ষা করা, যা "make up for"-এর অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) Made for — এর অর্থ কোনো কিছুর উপযোগী হওয়া, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Understand — এর অর্থ বোঝা, যা এই Phrase-এর অর্থের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: "Make up for" দেখলে মনে রাখবে কোনো ভুল বা ক্ষতির পরিমাণ পুষিয়ে দেওয়া বা "Compensate" করার কথা।
a Able
b Ableness
c Ably
d Enable
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Enable কেন সঠিক: - Ability শব্দের অর্থ সামর্থ্য বা যোগ্যতা, যা একটি নাউন। এর সঠিক ভার্ব ফর্ম হলো Enable যার অর্থ সমর্থ করা বা সুযোগ তৈরি করা। - শব্দের পূর্বে en প্রিফিক্স যুক্ত করে সাধারণত নাউন বা এডজেক্টিভ থেকে ভার্ব গঠন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Able — এটি একটি এডজেক্টিভ যার অর্থ সক্ষম, তাই এটি সঠিক ভার্ব ফর্ম নয়। B) Ableness — এটি একটি নাউন যা ক্ষমতা বোঝায়, তবে এটি প্রচলিত বা মানসম্মত শব্দ নয়। C) Ably — এটি একটি এডভার্ব যার অর্থ দক্ষতার সাথে, তাই এটি ভার্ব হতে পারে না। D) Enable — এটি একটি সঠিক ভার্ব ফর্ম যা কোনো কিছু করার যোগ্যতা বা সামর্থ্য দান করা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দের শুরুতে en যোগ করে ভার্ব তৈরি করা যায়, যেমন Able থেকে Enable।
a Tream
b Treatment
c Treat
d None
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Treatment কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে verb-এর সাথে suffix যুক্ত করে noun গঠন করা হয়। - 'treat' একটি verb যার সাথে '-ment' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'treatment' noun-এ রূপান্তরিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tream — এটি ইংরেজি শব্দভান্ডারে কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ নয় এবং এটি সঠিক গঠনরীতি অনুসরণ করে না। B) Treatment — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি 'treat' verb-এর সঠিক noun রূপ। C) Treat — এটি প্রদত্ত শব্দ নিজেই, যা একটি verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়, noun নয়। D) None — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: সাধারণত যেসব verb-এর শেষে treat বা agree থাকে, সেগুলোর সাথে ment যোগ করে noun তৈরি করা হয় যেমন treatment এবং agreement।
a Henry James
b George Bernard Shaw
c John Milton
d Charles Dickens
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) George Bernard Shaw কেন সঠিক: - 'Man and Superman' নাটকটি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ এর একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম। - এটি ফ্রাঁসোয়া মারি আরুয়ে ভলতেয়ার এর নাটকের বিষয়বস্তু এবং ডন জুয়ান কিংবদন্তির আধুনিক ও দার্শনিক রূপান্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Henry James — তিনি একজন আমেরিকান বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও সমালোচক ছিলেন, এই নাটকের রচয়িতা নন। B) George Bernard Shaw — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তিনি এই বিখ্যাত দার্শনিক নাটকের রচয়িতা। C) John Milton — তিনি সপ্তদশ শতকের বিখ্যাত ইংরেজ কবি ও মহাকাব্যিক রচয়িতা, যিনি এই নাটকের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। D) Charles Dickens — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক ছিলেন, কোনো নাটক রচয়িতা হিসেবে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত নন। মনে রাখার টিপস: সুপারম্যান চরিত্রের মতো অতিমানবীয় দর্শন নিয়ে নাটক লিখেছেন জর্জ বার্নার্ড শ, তাই নাটকটির নাম মনে রাখতে শ এর নাম স্মরণ করুন।
a John Keats
b William Words Worth
c Lord Byron
d Tennyson
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Tennyson কেন সঠিক: - আলফ্রেড টেনিসন ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি, রোমান্টিক যুগের কবি নন। - রোমান্টিক যুগ ১৭৯৮ সাল থেকে ১৮৩২ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল এবং টেনিসন এই সময়ের পরের যুগের প্রধান কবি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) John Keats — তিনি রোমান্টিক যুগের একজন প্রখ্যাত ও তরুণ কবি ছিলেন। B) William Words Worth — তিনি রোমান্টিক যুগের সূচনা লগ্নের অন্যতম প্রধান কবি ও প্রবক্তা। C) Lord Byron — তিনি রোমান্টিক যুগের অন্যতম প্রধান বিদ্রোহী কবি ছিলেন। D) Tennyson — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি নন, বরং ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রতিনিধিত্বকারী কবি। মনে রাখার টিপস: রোমান্টিক কবিদের মনে রাখতে মূল কবিদের নামের তালিকাটি বারবার চর্চা করবে এবং টেনিসনকে ভিক্টোরিয়ান যুগের সাথে মিলিয়ে পড়বে।
a less body weight
b Lean body weight
c Light body weight
d Liquid Body weight
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Light body weight কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি ভাষা ও ব্যাকরণ অর্থাৎ শব্দসংক্ষেপ বা এব্রিভিয়েশনের সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কিত। - ক্রীড়া জগতের বিশেষ করে বক্সিং খেলায় ও ওজন শ্রেণীতে এই পরিভাষাটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) less body weight — এটি সাধারণ একটি ধারণামূলক শব্দবন্ধ হলেও নির্দিষ্ট কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা ক্রীড়া পরিভাষা নয়। B) Lean body weight — এটি শরীরতত্ত্ব ও পুষ্টিবিজ্ঞানে চর্বিহীন শারীরিক ওজন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Light body weight — এটি নির্দিষ্ট ক্রীড়া বা ওজনের প্রতিযোগিতায় ব্যবহৃত প্রমিত সংক্ষিপ্ত রূপ। D) Liquid Body weight — এটি চিকিৎসাবিজ্ঞান বা জীববিজ্ঞানসম্মত কোনো বাস্তবসম্মত পরিভাষা নয়। মনে রাখার টিপস: খেলার জগতে ওজনের মাপ বোঝাতে 'L' দিয়ে শুরু শব্দগুলোর মধ্যে 'Light' শব্দটি তুলনামূলক হালকা ওজন নির্দেশ করতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
a after
b in
c around
d of
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) around কেন সঠিক: - 'Knock around' একটি ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব, যার অর্থ আশেপাশে বা উপস্থিত থাকা কিন্তু কাউকেই না পাওয়া। - বাক্যে বোঝানো হয়েছে যে আমি কড়া নেড়েছিলাম কিন্তু আশেপাশে কেউ ছিল না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) after — 'Knock after' বলতে সাধারণত পেছনে ধাওয়া করা বোঝায়, যা এই শূন্যস্থানের অর্থের সাথে মিলে না। B) in — 'Knock in' ভেতরের দিকে আঘাত করে ঢোকা বোঝায়, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। C) around — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য। D) of — 'Knock of' ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং এর কোনো উপযুক্ত অর্থ নেই। মনে রাখার টিপস: দরজায় কড়া নেড়ে কাউকে না পেলে 'knock around' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
a missle
b missile
c misile
d messile
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) missile কেন সঠিক: - বানানটির সঠিক রূপ হলো M-I-S-S-I-L-E, যার অর্থ ক্ষেপণাস্ত্র। - এই শব্দটিতে ডাবল এস (ss) এবং আই (i) এর সঠিক বিন্যাস রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) missle — এই বানানে শেষের দিকে আই (i) বর্ণটি বাদ পড়েছে তাই এটি ভুল। B) missile — এটি সঠিক বানান এবং প্রদত্ত প্রশ্নের কাঙ্ক্ষিত উত্তর। C) misile — এই বানানে এস (s) বর্ণটি একটির বদলে দুটি হওয়ার কথা ছিল কিন্তু এখানে একটি দেওয়া হয়েছে। D) messile — এই বানানের শুরুতে আই (i) এর পরিবর্তে ই (e) ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। মনে রাখার টিপস: মিসাইল বানানে ডাবল এস এবং দুটি আই আছে, এভাবে মনে রাখতে পারেন এম-আই-এস-এস-আই-এল-ই।
a took
b talking
c take
d would take
ব্যাখ্যাঃ
**সঠিক উত্তর:** B) talking (দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত উত্তরে 'talking' উল্লেখ থাকলেও, 'tea' পানের ক্ষেত্রে সঠিক শব্দ হবে 'taking'। তাই প্রশ্ন বা উত্তরের টাইপিং ভুলের কারণে সঠিক উত্তর হবে C) take)। **কেন সঠিক:** - ইংরেজিতে 'am/is/are/was/were used to'-এর পর যদি কোনো verb বসে, তবে তার সঙ্গে ing যুক্ত হয়। - কিন্তু এখানে অপশনে 'talking' (কথা বলা) দেওয়া হয়েছে, যা 'tea' (চা) শব্দের সঙ্গে অর্থগতভাবে অসংগত। **বাকি অপশন কেন ভুল:** A) took — এটি verb-এর Past form, যা নিয়মানুযায়ী এখানে বসতে পারে না। B) talking — এর অর্থ কথা বলা, যা চায়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় (এটি মূলত টাইপিং মিস্টেক বা বিভ্রান্তিকর উত্তর হিসেবে এসেছে)। C) take — 'used to' (অভ্যস্ত অর্থে) এর পর সরাসরি verb-এর base form বসে, চা পানের ক্ষেত্রে এটি সঠিক উত্তর হওয়ার কথা ছিল। D) would take — 'used to'-র আগে সাহায্যকারী verb থাকলে 'would' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। **মনে রাখার টিপস:** be used to-এর পর verb-এর সঙ্গে ing বসে, তবে অর্থ যেন বাক্যের বাকি অংশের সঙ্গে মিলে যায় তা খেয়াল রাখতে হবে।
a on
b by
c after
d off
ব্যাখ্যাঃ
**বিষয়:** ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: A) on কেন সঠিক: - 'Trip on' একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব, যার অর্থ দ্রুত বা অজান্তেই সময় কেটে যাওয়া। - বাক্যে বলা হয়েছে তারা আনন্দের সাথে কথা বলার সময় সময় দ্রুত কেটে গেল, তাই এখানে সঠিক উত্তর 'on'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'trip on' সময় পার হয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। B) by — 'Trip by' নির্দিষ্ট কোনো অর্থ প্রকাশ করে না এবং এটি প্রচলিত ফ্রেজাল ভার্ব নয়। C) after — 'Trip after' ধারাবাহিকতা বোঝালেও এই বাক্যের ভাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) off — 'Trip off' বলতে সাধারণত কোনো কিছু থেকে স্খলিত হওয়া বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: আনন্দময় মুহূর্তে সময় দ্রুত কেটে যায় বোঝাতে 'trip on' ব্যবহার করা হয়।
a Put out
b Put off
c Put in
d Put for
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Put off কেন সঠিক: - 'Put off' একটি ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ কোনো কিছু খুলে ফেলা, বিশেষ করে জামাকাপড় বা জুতো। - ঘরের ভেতরে প্রবেশের আগে জুতো খুলে ফেলার নির্দেশ বোঝাতে এখানে সঠিক ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে 'Put off' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Put out — এর অর্থ নিভিয়ে ফেলা, যা আগুন বা প্রদীপের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং এখানে জুতো খোলার অর্থে বেমানান। B) Put off — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ঘরের ভেতরে প্রবেশের আগে জুতো খোলার ক্ষেত্রে সঠিকভাবে প্রযোজ্য। C) Put in — এর অর্থ ভেতরে রাখা বা স্থাপন করা, যা জুতো খোলার পরিবর্তে ভেতরে রাখার উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। D) Put for — এমন কোনো অর্থপূর্ণ প্রচলিত ফ্রেজাল ভার্ব ইংরেজিতে সাধারণত ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: গায়ে থাকা পোশাক বা পায়ে থাকা জুতো শরীর থেকে আলাদা করা বা খোলার ক্ষেত্রে 'Put off' ফ্রেজাল ভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
a in
b at
c on
d of
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) on কেন সঠিক: - নির্দিষ্ট কোনো দিন বা বারের পূর্বে প্রিপজিশন হিসেবে অন বসে। - ফ্রাইডে একটি নির্দিষ্ট বার হওয়ায় এর পূর্বে অন ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — মাস, বছর বা ঋতুর নামের পূর্বে প্রিপজিশন হিসেবে ইন বসে, তাই এখানে ভুল। B) at — নির্দিষ্ট সময় বা ঘড়ির সময়ের পূর্বে প্রিপজিশন হিসেবে অ্যাট বসে, তাই এখানে ভুল। C) on — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) of — অধিকার বা উৎস বোঝাতে অব ব্যবহৃত হয়, তাই সময়ের ক্ষেত্রে এখানে ভুল। মনে রাখার টিপস: বার ও তারিখের নামের আগে সর্বদা অন বসে।
a Alien
b Patriot
c Expatriate
d Cosmopolitan
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Expatriate কেন সঠিক: - নিজের দেশ ছেড়ে স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে অন্য দেশে বসবাসকারী ব্যক্তিকে Expatriate বা প্রবাসী বলা হয়। - কানাডায় বসবাসকারী বাংলাদেশি ব্যক্তি এই সংজ্ঞার আওতাভুক্ত হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Alien — এর অর্থ ভিনগ্রহের প্রাণী বা আইনগতভাবে অন্য দেশের নাগরিক, তবে এটি সাধারণত অভিবাসী প্রবাসীর ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য নয়। B) Patriot — এর অর্থ দেশপ্রেমিক, যা নিজের দেশের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে কিন্তু বিদেশে বসবাস বোঝায় না। C) Expatriate — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) Cosmopolitan — এর অর্থ বিশ্বনাগরিক, যিনি গোটা পৃথিবীকে নিজের দেশ মনে করেন এবং কোনো নির্দিষ্ট দেশের সীমানায় আবদ্ধ নন। মনে রাখার টিপস: নিজ দেশ থেকে এক্সিট (Exit) করে অন্য দেশে প্যাট্রিয়াট বা বসবাস করা ব্যক্তিকে Expatriate বা প্রবাসী বলা হয়।
a The window should be opened.
b Let the window be opened.
c The window must be opened.
d Let open the window
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Let the window be opened. কেন সঠিক: - মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং মূল Verb দ্বারা শুরু হয়েছে। - Imperative Sentence-যুক্ত Active Voice-কে Passive করার নিয়ম হলো প্রথমে Let বসাতে হয়, তারপর অবজেক্ট, এরপর be এবং সবশেষে মূল Verb-এর Past Participle ফর্ম বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The window should be opened. — এটি পরামর্শমূলক বা Modal Auxiliary যুক্ত বাক্য বোঝায়, যা সরাসরি Imperative Sentence-এর নিয়ম অনুসরণ করে না। B) Let the window be opened. — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে অন্য কারণ প্রযোজ্য নয়। C) The window must be opened. — এটি বাধ্যবাধকতা বা জোরালো তাগিদ প্রকাশ করে, যা সাধারণ Imperative বাক্যের সঠিক Passive রূপ নয়। D) Let open the window — এই অপশনটিতে be verb এবং verb-এর Past Participle ফর্ম ব্যবহার করা হয়নি, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: মূল Verb দিয়ে শুরু Imperative Sentence-কে Passive করার সময় মনে রাখবে প্রথমে Let আনতে হয়, অবজেক্টের পর be বসিয়ে মূল Verb-এর Past Participle করতে হয়।
a for
b to
c of
d on
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) for কেন সঠিক: - বাক্যে কোনো কাজের উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে preposition হিসেবে for ব্যবহৃত হয়। - এখানে কী উদ্দেশ্যে কাজটি করা হয়েছে তা প্রকাশ করতে What did you do it for প্রশ্নটি করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — এটি সঠিক কারণ এটি কোনো কাজের উদ্দেশ্য বা কারণ নির্দেশ করে। B) to — এটি সাধারণত গতি, দিক বা লক্ষ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) of — এটি অধিকার বা উৎস বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে সংগত নয়। D) on — এটি সাধারণত কোনো কিছুর ওপর অবস্থান বা নির্দিষ্ট দিন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: কাজের উদ্দেশ্য বা কারণ জানতে চাইলে বাক্যের শেষে সাধারণত for preposition ব্যবহার করা হয়।
a loyal
b faithful
c unfaithful
d reliable
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) unfaithful কেন সঠিক: - Treacherous শব্দের অর্থ বিশ্বাসঘাতক, কপট বা অবিশ্বাসী। - Unfaithful শব্দটির অর্থও অবিশ্বাসী বা যার ওপর ভরসা করা যায় না, যা মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) loyal — এর অর্থ অনুগত, যা treacherous শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ। B) faithful — এর অর্থ বিশ্বস্ত, যা treacherous শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) unfaithful — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ অবিশ্বাসী বা বিশ্বাসঘাতক। D) reliable — এর অর্থ নির্ভরযোগ্য, যা treacherous শব্দের ঠিক উল্টো অর্থ দেয়। মনে রাখার টিপস: Treacherous শব্দের শুরুতে Treach আছে, যা Cheat বা প্রতারণার কথা মনে করিয়ে দেয়। প্রতারক ব্যক্তিরাই স্বভাবগতভাবে unfaithful বা অবিশ্বাসী হয়।
a Noun
b Preposition
c Adverb
d Adjective
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Adverb কেন সঠিক: - এখানে arrives একটি intransitive verb এবং late শব্দটি বুঝাচ্ছে সে কখন বা কীভাবে পৌঁছায়। - verb-কে কখন (when) প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা Adverb of Time হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Noun — Noun হতে হলে শব্দটিকে কোনো ব্যক্তি, বস্তু, স্থান বা ধারণার নাম হতে হতো, যা এখানে নয়। B) Preposition — Preposition হতে হলে শব্দটির পরে কোনো Noun বা Pronoun থাকতে হতো এবং সম্পর্ক বোঝাতে হতো, যা এখানে নেই। C) Adverb — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি verb-কে modify করছে। D) Adjective — Adjective হতে হলে শব্দটিকে কোনো Noun বা Pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করতে হতো, কিন্তু এখানে late শব্দটি arrives verb-কে মডিফাই করছে। মনে রাখার টিপস: verb-কে কখন বা কীভাবে প্রশ্ন করে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত Adverb হয়।
a Hostile
b Unfriendly
c Meek
d Amiable
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Amiable কেন সঠিক: - 'Cordial' শব্দের বাংলা অর্থ হলো আন্তরিক, হৃদ্যতাপূর্ণ বা উষ্ণ স্বভাবের। - প্রদত্ত সঠিক উত্তর 'Amiable'-এর অর্থ হলো অমায়িক বা বন্ধুভাবাপন্ন, যা মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hostile — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ শত্রুভাবাপন্ন বা অমিত্রসুলভ, যাCordial শব্দের বিপরীত। B) Unfriendly — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ বন্ধনহীন বা unfriendly, যা cordial শব্দের সমার্থক নয়। C) Meek — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ নরম বা বিনয়ী, যা আন্তরিকতার চেয়ে ব্যক্তিত্বের নম্রতা প্রকাশ করে। D) Amiable — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ অমায়িক বা বন্ধুভাবাপন্ন, যা cordial শব্দের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Cordial মানুষের হার্ট বা হৃদয় পরিষ্কার থাকে, তাই তাদের আচরণ Amiable বা বন্ধুভাবাপন্ন হয়।
a 76.7%
b 75.2%
c 74.7%
d 77.4%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭৫.২% কেন সঠিক: - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১ অনুযায়ী দেশের মানুষের স্বাক্ষরতার হার নির্ধারিত হয়েছিল ৭৫.২ শতাংশ। - ৭ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সের জনসংখ্যার ওপর ভিত্তি করে এই পরিসংখ্যান নির্ধারণ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭৬.৭% — এটি অর্থনৈতিক সমীক্ষার সঠিক তথ্য নয় এবং এটি অন্য কোনো পরবর্তী বছরের হারের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। B) ৭৫.২% — এটি বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১ অনুযায়ী সঠিক ও নির্ধারিত স্বাক্ষরতার হার। C) ৭৪.৭% — এটি ২০২১ সালের সঠিক হার নয়, এটি অন্য কোনো পূর্ববর্তী বছরের প্রাক্কলিত বা প্রকাশিত হার হতে পারে। D) ৭৭.৪% — এটি এই নির্দিষ্ট সমীক্ষার তথ্য নয় এবং এটি তুলনামূলকভাবে একটি ভিন্ন বা পরবর্তী বছরের পরিসংখ্যান। মনে রাখার টিপস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১ সালের স্বাক্ষরতার হার মনে রাখতে ৭.৫ এর সাথে ২ যোগ করে ৭৫.২% সংখ্যাটি মনে রাখতে পারেন।
a আলজেরিয়া
b টিউনিসিয়া
c আলবেনিয়া
d নাইজেরিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলবেনিয়া কেন সঠিক: - আলবেনিয়া আফ্রিকা মহাদেশে নয়, বরং এটি দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বলকান অঞ্চলে অবস্থিত একটি দেশ। - আফ্রিকান দেশগুলোর সঙ্গে এর ভৌগোলিক অবস্থান ও মহাদেশীয় সীমানার কোনো মিল নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলজেরিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ এবং আয়তনের দিক থেকে এটি আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম রাষ্ট্র। B) টিউনিসিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকার ভূমধ্য্সাগরের তীরের একটি রাষ্ট্র যা আফ্রিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত। C) আলবেনিয়া — এটি ইউরোপ মহাদেশের একটি দেশ হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। D) নাইজেরিয়া — এটি পশ্চিম আফ্রিকার একটি জনবহুল দেশ এবং আফ্রিকা মহাদেশেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ইউরোপের দেশগুলোর নামের শেষে সাধারণত 'ইনিয়া' বা 'আলবেনিয়া' ধরনের শব্দ থাকে, যা আফ্রিকার দেশগুলো থেকে সহজেই আলাদা করা যায়।
a কঙ্গো
b ক্যাটালোনিয়া
c পূর্বতিমুর
d দক্ষিণ সুদান
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) দক্ষিণ সুদান কেন সঠিক: - দক্ষিণ সুদান ২০১১ সালের ৯ জুলাই সুদান থেকে স্বাধীনতা লাভ করে এবং একই বছরের ১৪ জুলাই জাতিসংঘের ১৯৩তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। - এটিই বর্তমানে জাতিসংঘের সর্বশেষ বা নবীনতম সদস্য রাষ্ট্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কঙ্গো — এটি অনেক আগেই জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছে এবং এটি সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র নয়। B) ক্যাটালোনিয়া — এটি স্পেনের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল, এটি জাতিসংঘের কোনো স্বাধীন সদস্য রাষ্ট্র নয়। সি) পূর্বতিমুর — এটি ২০০২ সালে জাতিসংঘের ১৯১তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে যোগ দেয়, তাই এটি সর্বশেষ সদস্য নয়। D) দক্ষিণ সুদান — এটি জাতিসংঘের সর্বশেষ বা ১৯৩তম সদস্য রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে নতুন দেশ হিসেবে দক্ষিণ সুদান জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র।
a কার্ল মার্কস
b অমর্ত্য সেন
c অ্যাডাম স্মিথ
d ডেভিড রিকার্ডো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যাডাম স্মিথ কেন সঠিক: - অ্যাডাম স্মিথ ১৭৭৬ সালে প্রকাশিত বিখ্যাত গ্রন্থ অ্যান ইনকোয়ারি ইনটু দ্য নেচার অ্যান্ড কজেস অব দ্য ওয়েলথ অব নেশনস এর রচয়িতা। - তাকে আধুনিক অর্থনীতির জনক বলা হয় এবং এই গ্রন্থটিকে ধ্রুপদী অর্থনীতির ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্ল মার্কস — তিনি সমাজতন্ত্র ও বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের প্রবক্তা এবং তার বিখ্যাত গ্রন্থ দাস ক্যাপিটাল। B) অমর্ত্য সেন — তিনি কল্যাণ অর্থনীতি ও দুর্ভিক্ষ নিয়ে গবেষণার জন্য নোবেলজয়ী ভারতীয় অর্থনীতিবিদ এবং তার গ্রন্থ পভার্টি অ্যান্ড ফেমিন্স। সি) অ্যাডাম স্মিথ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি এই গ্রন্থটির রচয়িতা। D) ডেভিড রিকার্ডো — তিনি ধ্রুপদী অর্থনীতির আরেকজন প্রখ্যাত তাত্ত্বিক এবং তার বিখ্যাত তত্ত্ব তুলনামূলক সুবিধা ও খাজনা তত্ত্ব। মনে রাখার টিপস: স্মিথ মানেই সম্পদ, তাই সম্পদ বা ওয়েলথ বিষয়ক গ্রন্থের নাম দেখলেই অ্যাডাম স্মিথকে মনে রাখবে।
a ১৭৬৮ সালে
b ১৭৬৯ সালে
c ১৭৭০ সালে
d ১৭৭২ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭৭০ সালে কেন সঠিক: - বাংলা ১১৭৬ সনে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দেওয়ায় এই মন্বন্তর ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত। - বাংলা ১১৭৬ সাল ইংরেজি ১৭৭০ সালের সঙ্গে মিলে যাওয়ায় দুর্ভিক্ষটি ১৭৭০ সালে ঘটেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৬৮ সালে — এই বছরে বাংলার তৎকালীন রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটলেও এই মহাদুর্ভিক্ষ সংঘটিত হয়নি। B) ১৭৬৯ সালে — এই বছর থেকেই মূলত খরার কারণে দুর্ভিক্ষের সূত্রপাত হয়েছিল কিন্তু মূল মন্বন্তর ১৭৭০ সালে ঘটে। D) ১৭৭২ সালে — এই বছরে ওয়ারেন হেস্টিংস গভর্নর হয়ে আসেন যা দুর্ভিক্ষের পরবর্তী সময়কাল। মনে রাখার টিপস: ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের বাংলা ১১৭৬ সন থেকে ৭৬ সংখ্যাটি মনে রেখে তার সঙ্গে ১৭০০ যোগ করলেই ১৭৭০ সাল পেয়ে যাবে।
a ৩ টি
b ৪ টি
c ৫ টি
d ৬ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩ টি কেন সঠিক: - ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ছয় দফার মধ্যে অর্থনীতি বা অর্থসংক্রান্ত বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল ৩টি দফায়। - এই দফাগুলো হলো দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রীয় সরকার ও অর্থনীতি), চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও কর আদায়) এবং পঞ্চম দফা (বৈদেশিক বাণিজ্য ও বৈদেশিক মুদ্রা)। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ টি — এই অপশনটি সঠিক কারণ ছয় দফার মধ্যে অর্থনীতি বিষয়ক সুনির্দিষ্ট দফা সংখ্যা ছিল তিনটি। B) ৪ টি — এই অপশনটি ভুল কারণ অর্থনীতি সংক্রান্ত দফা চারটির বেশি ছিল না, সঠিক সংখ্যাটি তিন। C) ৫ টি — এই অপশনটি ভুল কারণ পাঁচ দফার সঙ্গে ছয় দফার অর্থনৈতিক কাঠামোর কোনো মিল নেই। D) ৬ টি — এই অপশনটি ভুল কারণ ছয় দফায় শাসনতন্ত্র, অর্থনীতি ও প্রতিরক্ষা সব মিলিয়ে ছয়টি বিষয় ছিল, যার মধ্যে অর্থনীতি ছিল তিনটি। মনে রাখার টিপস: ছয় দফার অর্ধেকমাত্র অর্থাৎ ছয় এর অর্ধেক তিন হলো অর্থনীতি বিষয়ক দফা।
a পঞ্চম তফসিলে
b ষষ্ঠ তফসিলে
c সপ্তম তফসিলে
d তৃতীয় তফসিলে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সপ্তম তফসিলে কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫০ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী সপ্তম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। - এই ঘোষণাপত্রটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহাসিক দলিল এবং প্রথম সরকারের আইনগত ভিত্তি হিসেবে সংবিধানে সংরক্ষিত আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চম তফসিলে — এই তফসিলে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতা সংক্রান্ত বিধান যুক্ত করা হয়েছে। B) ষষ্ঠ তফসিলে — এই তফসিলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। C) সপ্তম তফসিলে — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) তৃতীয় তফসিলে — এই তফসিলে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও মন্ত্রীদের শপথ বা ঘোষণা সংক্রান্ত ফরমসমূহ উল্লেখ রয়েছে। মনে রাখার টিপস: সাত অক্ষর বিশিষ্ট ঘোষণাপত্র শব্দটি মনে রাখলে সপ্তম তফসিলের সঙ্গে এর সম্পর্ক সহজে মনে রাখা যায়।
a ১ সেপ্টেম্বর
b ১৫ সেপ্টেম্বর
c ৩০ সেপ্টেম্বর
d ১ অক্টোবর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩০ সেপ্টেম্বর কেন সঠিক: - বাংলাদেশে নারী শিশুদের অধিকার সুরক্ষা এবং সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতি বছর ৩০ সেপ্টেম্বর জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালন করা হয়। - মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠনের উদ্যোগে এই দিবসটি পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ সেপ্টেম্বর — এই তারিখে বাংলাদেশে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালন করা হয় না, এটি অন্য কোনো নির্ধারিত সাধারণ দিবসের তারিখ। B) ১৫ সেপ্টেম্বর — আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস এই তারিখে পালিত হয়, যা কন্যাশিশু দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। সি) ৩০ সেপ্টেম্বর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) ১ অক্টোবর — এই তারিখে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত হয়, যা কন্যাশিশু দিবসের সঙ্গে মিলে না। মনে রাখার টিপস: সেপ্টেম্বর মাসের একেবারে শেষের দিন অর্থাৎ ত্রিশ তারিখে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালন করা হয়।
a বীরবল
b তোডরমল
c আবুল ফজল
d কালিদাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আবুল ফজল কেন সঠিক: - আইন-ই-আকবরী মুঘল সম্রাট আকবরের রাজত্বকালের ইতিহাস ও প্রশাসনিক বিবরণসংবলিত একটি বিখ্যাত গ্রন্থ। - গ্রন্থটির রচয়িতা সম্রাট আকবরের নবরত্নের অন্যতম এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ সভাষদ আবুল ফজল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীরবল — তিনি সম্রাট আকবরের সভার একজন বুদ্ধিমান নবরত্ন ও রসিক ব্যক্তি ছিলেন, কোনো ঐতিহাসিক গ্রন্থ রচনা করেননি। B) তোডরমল — তিনি সম্রাট আকবরের রাজস্বমন্ত্রী ছিলেন এবং বিখ্যাত ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থা প্রণয়ন করেছিলেন। সি) আবুল ফজল — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো ভুল বা প্রযোজ্য নয়। D) কালিদাস — তিনি প্রাচীন ভারতের গুপ্ত যুগের বিখ্যাত সংস্কৃত কবি ও নাট্যকার ছিলেন, যা মুঘল আমলের অনেক আগের ঘটনা। মনে রাখার টিপস: আইন প্রণয়ন বা লেখার কাজ সাধারণত পন্ডিত ব্যক্তি করেন, তাই আকবরের আমলের আইন-ই-আকবরী লিখেছেন পন্ডিত লেখক আবুল ফজল।
a প্রথম
b দ্বিতীয়
c তৃতীয়
d চতুর্থ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রথম কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগের ৩ অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। - সংবিধানের মৌলিক বিষয়ের অংশ হিসেবে প্রজাতন্ত্রের ঘোষণাতেই রাষ্ট্রভাষা সংক্রান্ত এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম — এই ভাগে প্রজাতন্ত্রের ঘোষণা, রাষ্ট্রভাষা এবং ভূখণ্ডসহ মৌলিক বিষয়সমূহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। B) দ্বিতীয় — এই ভাগে রাষ্ট্রের মূল নীতিসমূহ যেমন জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলা হয়েছে। C) তৃতীয় — এই ভাগে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার এবং তা সংরক্ষণের বিধানসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। D) চতুর্থ — এই ভাগে বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ তথা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিপরিষদ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের প্রথম ভাগেই রাষ্ট্রের মৌলিক পরিচয় ও রাষ্ট্রভাষা বাংলা নির্ধারিত হয়েছে, তাই রাষ্ট্রভাষা খুঁজতে সবার প্রথমে যেতে হয়।
a ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭
b ১৪ এপ্রিল ১৯৯৭
c ১৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭
d ২৬ মার্চ ১৯৯৭
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭ কেন সঠিক: - এই দিনে বাংলাদেশ সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - এই চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘ আড়াই দশকের সশস্ত্র সংঘাতের অবসান ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭ — এটি পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সঠিক তারিখ। B) ১৪ এপ্রিল ১৯৯৭ — এটি বাংলা নববর্ষের দিন, পার্বত্য শান্তিচুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭ — এটি বাংলাদেশের বিজয় দিবস, এই তারিখে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। D) ২৬ মার্চ ১৯৯৭ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস, এই তারিখে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: বিজয় মাসের শুরুতেই, অর্থাৎ দুই তারিখে পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
a ৫০ বছর
b ৭০ বছর
c ১০০ বছর
d ২০০ বছর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০০ বছর কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ হলো দেশের দীর্ঘমেয়াদী বদ্বীপ পরিকল্পনা, যার সময়কাল নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ বছর। - জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, খাদ্য নিরাপত্তা এবং টেকসই পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্য নিয়ে এটি প্রণয়ন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫০ বছর — এটি ডেল্টা প্ল্যানের নির্ধারিত দীর্ঘমেয়াদী সময়সীমা নয়, কারণ পরিকল্পনাটি এক শতাব্দী ব্যাপী রূপরেখা নিয়ে গঠিত। B) ৭০ বছর — এই সময়কালটি বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, কারণ এর পরিকল্পনা শতবর্ষী। C) ১০০ বছর — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে এটি প্রযোজ্য নয়। D) ২০০ বছর — ডেল্টা প্ল্যান দ্বি-শতাব্দী বা ২০০ বছরের জন্য করা হয়নি, এর মেয়াদ ২১০০ সাল পর্যন্ত ১০০ বছর নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: ২১০০ সাল পর্যন্ত পরিকল্পনা মানেই একশ বছরের বা ১০০ বছরের ডেল্টা প্ল্যান।
a ডেভিড জুলিয়াস ও পাটাপুটিয়ান
b মারিয়া রেসা ও দিমিত্রি মুরাতভ
c হার্ডি জে অস্টার ও চার্লস এম ভাইস
d উইলিয়াম ব্যাসেলিন জুনিয়র ও র‍্যাটক্লিফ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মারিয়া রেসা ও দিমিত্রি মুরাতভ কেন সঠিক: - বাকস্বাধীনতা রক্ষা এবং গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত করার সাহসী অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাদেরকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। - মারিয়া রেসা ফিলিপাইনে এবং দিমিত্রি মুরাতভ রাশিয়ায় সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেভিড জুলিয়াস ও পাটাপুতিয়ান — তারা ২০২১ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। B) মারিয়া রেসা ও দিমিত্রি মুরাতভ — তারা ২০২১ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। C) হার্ডি জে অস্টার ও চার্লস এম ভাইস — তারা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নন এবং নোবেল বিজয়ী নন। D) উইলিয়াম ব্যাসেলিন জুনিয়র ও র‍্যাটক্লিফ — তারা ২০২১ সালের নোবেল পুরস্কারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন। মনে রাখার টিপস: সাংবাদিকতায় শান্তিতে নোবেল পেতে হলে মারে (মারিয়া) দিতে হবে এবং মুকুট (মুরাতভ) পরতে হবে।
a Spironolactone
b amiloride
c Both of them
d None of them
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) None of them ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটিতে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে কারণ স্পাইরোনোল্যাকটোন এবং অ্যামিলোরাইড কোনোটিই অসমোটিক ডাইউরেটিক বা অভিস্রবণীয় মূত্রবর্ধক নয়। এগুলো হলো পটাসিয়াম স্পেয়ারিং ডাইউরেটিক বা পটাশিয়াম সংরক্ষক মূত্রবর্ধক যা অন্য কার্যপদ্ধতিতে কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অসমোটিক ডাইউরেটিক হলো এমন সব রাসায়নিক পদার্থ যা রেনাল টিউবিউলসে অভিস্রবণ চাপ বৃদ্ধি করে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি ও সোডিয়াম বের করে দেয়। কার্যপ্রণালি: এই ওষুধগুলো গ্লোমেরুলাস থেকে ফিল্টার হওয়ার পর বৃক্কের প্রক্সিমাল টিউবিউল এবং লুপ অফ হেনলিতে পানির পুনঃশোষণ বাধাগ্রস্ত করে মূত্রের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ম্যানিটল হলো একটি প্রকৃত ও ক্লাসিক অসমোটিক ডাইউরেটিক যা মস্তিষ্কের ভেতরে চাপ কমাতে শিরায় প্রয়োগ করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি রক্তে প্রবেশ করে অভিস্রবণ চাপ বাড়িয়ে টিস্যু থেকে তরল পদার্থ রক্তে টেনে আনে এবং বৃক্কের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেয়। উদাহরণ ২: ইউরিয়া একটি প্রাকৃতিক অসমোটিক উপাদান যা অতীতে ডাইউরেটিক হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ব্যাখ্যা: এটি রক্তরসের অভিস্রবণ ঘনত্ব বাড়িয়ে বৃক্কের নেফ্রনে পানির পুনঃশোষণ বাধাগ্রস্ত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Spironolactone সঠিক নয় কারণ এটি একটি অ্যালডোস্টেরন রিসেপ্টর অ্যান্টাগনিস্ট এবং পটাশিয়াম স্পেয়ারিং ডাইউরেটিক শ্রেণীর ওষুধ। B) amiloride সঠিক নয় কারণ এটি এপিথেলিয়াল সোডিয়াম চ্যানেল ব্লকার এবং পটাশিয়াম স্পেয়ারিং ডাইউরেটিক হিসেবে কাজ করে। C) Both of them সঠিক নয় কারণ এর আগের দুটি অপশনের কোনোটিই অসমোটিক ডাইউরেটিক নয়। D) None of them সঠিক কারণ প্রদত্ত প্রথম দুটি অপশনের কোনটিই অসমোটিক ডাইউরেটিকের সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে না। ৫ মনে রাখার টিপস: অসমোটিক ডাইউরেটিক মনে রাখার সহজ উপায় হলো ম্যানিটল এবং গ্লিসারিন শব্দ দুটি মনে রাখা। পটাশিয়াম স্পেয়ারিং ডাইউরেটিকগুলোর নামের সাথে স্পাইরোনোল্যাকটোন এবং অ্যামিলোরাইড যুক্ত থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ডাইউরেটিকের শ্রেণীবিভাগ থেকে প্রশ্ন আসে। ম্যানিটল হলো সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত অসমোটিক ডাইউরেটিক যা জরুরি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
a Edenx
b Hippocrates
c Egyption
d Partis
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Hippocrates ১. কেন সঠিক: হিপ্রোক্রেটিসকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের জনক বলা হয় কারণ তিনি প্রথম চিকিৎসাবিজ্ঞানের সঙ্গে ধর্ম ও কুসংস্কারের সম্পর্ক চিরতরে বিচ্ছিন্ন করেন। তিনি পর্যবেক্ষণ ও যুক্তির মাধ্যমে রোগের প্রাকৃতিক কারণ অনুসন্ধানের ওপর জোর দিয়েছিলেন এবং চিকিৎসকদের জন্য নৈতিক নির্দেশিকা তৈরি করেছিলেন। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: চিকিৎসাবিজ্ঞান হলো মানবদেহ সংরক্ষণ, রোগ নিরাময় এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত বিজ্ঞান শাখা। কার্যপ্রণালি: প্রাচীন গ্রিসে হিপ্রোক্রেটিস মানব শরীরের বিভিন্ন তরলের ভারসাম্যহীনতাকে রোগের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন এবং চিকিৎসার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি স্থাপন করেন। বাস্তব প্রয়োগ: আজও ডাক্তাররা পেশাগত দায়িত্ব পালনের শুরুতে যে শপথ নেন, তাকে হিপ্রোক্রেটিক ওথ বলা হয় যা চিকিৎসাশাস্ত্রের নৈতিকতার ভিত্তি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক চিকিৎসাশাস্ত্রের রোগ নির্ণয় পদ্ধতি। ব্যাখ্যা: হিপ্রোক্রেটিসের দেখানো পথ ধরে আজ ল্যাব টেস্ট ও শারীরিক লক্ষণের ভিত্তিতে রোগের কারণ খোঁজা হয়। উদাহরণ ২: চিকিৎসকদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। ব্যাখ্যা: চিকিৎসা পেশায় যোগ দেওয়ার আগে এই নৈতিক শপথ নেওয়া বাধ্যতামূলক যা হিপ্রোক্রেটিসের অবদানকে স্মরণ করিয়ে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Edenx — এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো পরিচিত ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব বা বৈজ্ঞানিক নাম নয়। B) Hippocrates — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের জনকের প্রকৃত নাম নির্দেশ করে। C) Egyption — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম নয়, বরং একটি প্রাচীন সভ্যতা যা চিকিৎসায় অবদান রাখলেও জনক হিসেবে স্বীকৃত নয়। D) Partis — এটি চিকিৎসা ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারক বা প্রবক্তার নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: হিপ্রোক্রেটিসের নামের শুরুতে এইচ অক্ষরটি রয়েছে এবং হেলথ বা স্বাস্থ্য শব্দের শুরুতেও এইচ অক্ষর রয়েছে। এই মিলটি মনে রাখলে স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের জনকের নাম সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: হিপ্রোক্রেটিস প্রাচীন গ্রিসের অধিবাসী ছিলেন এবং তাকে আধুনিক মেডিসিনের ভিত্তি স্থাপনকারী বলা হয়। এই টপিক থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চিকিৎসাবিজ্ঞানের জনক কে অথবা হিপ্রোক্রেটিক ওথ কার সঙ্গে সম্পর্কিত—এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a Guanine
b Uracil
c Thymine
d Cytosine
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Thymine ১. কেন সঠিক: - থাইমিন (Thymine) শুধুমাত্র ডিএনএ অণুতে পাওয়া যায় এবং এটি আরএনএ অণুতে অনুপস্থিত থাকে। - আরএনএ অণুতে থাইমিনের পরিবর্তে ইউরাসিল নামক নাইট্রোজেনাস বেস যুক্ত থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: নিউক্লিক এসিড যেমন ডিএনএ এবং আরএনএ তৈরির প্রধান উপাদান হলো নাইট্রোজেনাস বেস। - কার্যপ্রণালি: আরএনএ গঠনে অ্যাডেনিন সবসময় ইউরাসিলের সঙ্গে এবং গুয়ানিন সাইটোসিনের সঙ্গে যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের জিনোম ব্যাখ্যা: মানুষের কোষে থাকা ডিএনএ অণুতে থাইমিন থাকলেও তার অনুলিপি তৈরি করা এমআরএনএ অণুতে থাইমিনের বদলে ইউরাসিল থাকে। উদাহরণ ২: করোনাভাইরাস ব্যাখ্যা: এটি একটি আরএনএ ভাইরাস যেখানে জেনেটিক বস্তু হিসেবে আরএনএ থাকে এবং এর গঠনেও কোনো থাইমিন নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Guanine — গুয়ানিন ডিএনএ এবং আরএনএ উভয় নিউক্লিক এসিডেই সমানভাবে উপস্থিত থাকে। B) Uracil — ইউরাসিল শুধুমাত্র আরএনএ অণুতে থাকে যা ডিএনএতে অনুপস্থিত। C) Thymine — থাইমিন আরএনএ অণুতে অনুপস্থিত থাকে এবং এটি শুধুমাত্র ডিএনএতে পাওয়া যায়। D) Cytosine — সাইটোসিন ডিএনএ এবং আরএনএ উভয় প্রকার নিউক্লিক এসিডেই গঠিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আরএনএ মানে ইউরাসিল আর ডিএনএ মানে থাইমিন এই সহজ পার্থক্য মনে রাখবে। - নাইট্রোজেনাস বেসগুলোর নাম মুখস্থ রাখতে পিউরিন এবং পাইরিমিডিন শ্রেণি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডিএনএ এবং আরএনএর পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কোন নিউক্লিক এসিডে শর্করা রাইবোজ এবং কোনটিতে ডিঅক্সিরাইবোজ থাকে তা জেনে রাখা জরুরি।
a মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
b রাশিয়া
c গুয়েতেমালা
d চীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চীন ১. কেন সঠিক: - বর্তমান বিশ্বে চীন হলো সর্বাধিক কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণকারী দেশ। - দ্রুত শিল্পায়ন ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের আধিক্যের কারণে বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: জীবাশ্ম জ্বালানি যেমন কয়লা, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ানোর ফলে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়। - কারণ ও ফলাফল: অতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণের ফলে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যাকে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চীনের শিল্পাঞ্চলগুলোতে কয়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়ে সরাসরি বায়ুমণ্ডলে মিশে যায়। উদাহরণ ২: মোটরগাড়ি ও কারখানার ধোঁয়া। ব্যাখ্যা: জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট এই ধোঁয়া পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং কার্বন নিঃসরণ বাড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিকভাবে সর্বাধিক কার্বন নিঃসরণকারী দেশ হলেও বর্তমানে বার্ষিক নিঃসরণে চীনের পরেই এর অবস্থান। B) রাশিয়া — রাশিয়া বিশ্বের অন্যতম প্রধান কার্বন নিঃসরণকারী দেশ হলেও এটি চীনের মতো শীর্ষ অবস্থানে নেই। C) গুয়েতেমালা — গুয়েতেমালা একটি উন্নয়নশীল দেশ এবং এর শিল্পায়ন কম হওয়ায় কার্বন নিঃসরণের হার খুবই কম। D) চীন — এটি বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণকারী দেশ। ৫ মনে রাখার টিপস: - জনসংখ্যা ও কারখানা দুটোতেই চীন এগিয়ে, তাই কার্বন নিঃসরণেও চীন সবার শীর্ষে। - মনে রাখার জন্য চীনের নামের সাথে কার্বনের আধিক্যের বিষয়টি মিলিয়ে নিতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরিবেশবিজ্ঞান ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। - প্যারিস জলবায়ু চুক্তি এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা সম্পর্কিত প্রশ্নও এর সাথে সম্পর্কিত।
a Na₂CO₃
b HCl
c H₂SO₄
d (A) এবং (B)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Na₂২০C০৩ (সোডিয়াম কার্বোনেট) ১. কেন সঠিক: - সোডিয়াম কার্বোনেট একটি প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ কারণ এর বিশুদ্ধতা খুব বেশি এবং এটি বায়ুমণ্ডলের উপাদান দ্বারা সহজে প্রভাবিত হয় না। - এই পদার্থটি দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করলেও এর আণবিক গঠন বা ওজন পরিবর্তিত হয় না, যা টাইট্রেশন বিশ্লেষণে অত্যন্ত জরুরি। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে সকল পদার্থ উচ্চমাত্রায় বিশুদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়, বাতাসে রাখলে আর্দ্রতা বা কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে না এবং যার ওজন নির্ভুলভাবে মাপা যায়, তাকে প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড বা প্রাথমিক প্রমাণ পদার্থ বলে। - কার্যপ্রণালি: টাইট্রেশন প্রক্রিয়ায় অজানা ঘনমাত্রার অম্ল বা ক্ষারের পরিমাণ নিখুঁতভাবে নির্ণয় করতে প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ দিয়ে প্রমাণ দ্রবণ তৈরি করা হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: রসায়ন ল্যাবরেটরিতে দ্রবণের ঘনমাত্রা বা মোলারিটি নির্ধারণের কাজে প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অক্সালিক অ্যাসিড (H₂C₂O₄·২H₂O) ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ যা অ্যাসিডimetry তে ক্ষারের দ্রবণ নির্ভুলভাবে পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট (K₂Cr₂O₇) ব্যাখ্যা: এটি রেডক্স টাইট্রেশনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ যার বিশুদ্ধতা সহজে নষ্ট হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Na₂CO₃ — এটি একটি সঠিক প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ কারণ এটি বায়ুর উপাদান দ্বারা প্রভাবিত হয় না এবং এর আণবিক ভর নিশ্চিত থাকে। B) HCl — এটি প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ নয় কারণ হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড একটি উদ্বায়ী তরল এবং এর গাঢ়ত্ব সময়ের সাথে পরিবর্তিত হতে পারে। C) H₂SO₄ — এটি প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড নয় কারণ গাঢ় সালফিউরিক অ্যাসিড বায়ুমণ্ডল থেকে দ্রুত আর্দ্রতা শোষণ করে এর ঘনত্ব পরিবর্তন করে ফেলে। D) (A) এবং (B) — এই অপশনটি ভুল কারণ সোডিয়াম কার্বোনেট প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড হলেও হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড তা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড মনে রাখার সহজ উপায় হলো সোডার কার্ব (Na₂CO₃), অক্সালিক অ্যাসিড এবং পটাসিয়াম ডাইক্রোমেটের মতো কঠিন যৌগগুলো বাতাসে নষ্ট হয় না। - তরল অ্যাসিড যেমন HCl বা H₂SO₄ কখনোই প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড হতে পারে না কারণ এদের আর্দ্রতা শোষণের বা উড়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থের নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য ও উদাহরণ থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - কোন পদার্থগুলো সেকেন্ডারি স্ট্যান্ডার্ড, যেমন NaOH এবং HCl, তা ভালোভাবে জেনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a হাইড্রোজেন
b নাইট্রোজেন
c মিথেন
d ইথেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মিথেন ১. কেন সঠিক: বায়োগ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন গ্যাস, যা জৈব পদার্থের অবাত পচনের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়। এই গ্যাসটি অত্যন্ত দাহ্য এবং এর উপস্থিতির কারণেই বায়োগ্যাস জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বায়োগ্যাস হলো মিথেন ও কার্বন ডাই অক্সাইডের মিশ্রণ যা অক্সিজেনবিহীন পরিবেশে ব্যাকটেরিয়া দ্বারা জৈব আবর্জনা পচিয়ে তৈরি করা হয়। কার্যপ্রণালি: গোবর বা উদ্ভিজ্জ বর্জ্য পানির সাথে মিশিয়ে বায়োগ্যাস প্ল্যান্টে রাখলে মিথেনজেনিক ব্যাকটেরিয়া অক্সিজেন ছাড়াই তা পচন করে গ্যাস তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্রামাঞ্চলে গরুর গোবর ও উদ্ভিদের বর্জ্য ব্যবহার করে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট চালানো হয়। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত মিথেন গ্যাস পাইপলাইনের মাধ্যমে চুলটায় নিয়ে রান্নার কাজে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: ময়লার ভাগাড় বা ল্যান্ডফিলেও প্রাকৃতিকভাবে বায়োগ্যাস উৎপন্ন হয়। ব্যাখ্যা: সেখানে জৈব আবর্জনা পচে মিথেন গ্যাস তৈরি হয় যা অনেক সময় বিদ্যুৎ উৎপাদনেও কাজে লাগানো হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইড্রোজেন — হাইড্রোজেন বায়োগ্যাসের প্রধান উপাদান নয়, এটি মূলত মিথেন ও কার্বন ডাই অক্সাইডের মিশ্রণ। B) নাইট্রোজেন — বায়োগ্যাসে কিছু পরিমাণ নাইট্রোজেন থাকতে পারে, তবে এটি প্রধান উপাদান বা দাহ্য অংশ নয়। C) মিথেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ বায়োগ্যাসে এর পরিমাণ থাকে শতকরা ৬০ থেকে ৭০ ভাগ। D) ইথেন — ইথেন প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি উপাদান হলেও এটি বায়োগ্যাসের প্রধান উপাদান বা উল্লেখযোগ্য অংশ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বায়োগ্যাসের প্রধান উপাদান মনে রাখতে মিথেন শব্দটি মনে রাখুন। বায়োগ্যাস মানেই দাহ্য গ্যাস আর জৈব জ্বালানির দাহ্য অংশ হলো মিথেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বায়োগ্যাসে মিথেনের পাশাপাশি কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসও থাকে। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় পরিবেশবিজ্ঞান ও শক্তি রূপান্তর অংশ থেকে আসে।
a Ascorbic acid
b Tocopherol
c Thiamine
d Riboflavin
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Tocopherol ১. কেন সঠিক: টোকোফেরল হলো ভিটামিন ই-র রাসায়নিক নাম, যা ফ্যাট বা চর্বিতে দ্রবণীয় একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান। এটি মানবদেহে চর্বিযুক্ত টিস্যুতে সঞ্চিত থাকে এবং কোষের ঝিল্লি সুরক্ষায় সরাসরি কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: ভিটামিনগুলোকে মূলত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন চর্বিতে দ্রবণীয় এবং পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলো যকৃৎ ও চর্বিযুক্ত টিস্যুতে জমা থাকে এবং অতিরিক্ত মাত্রায় বিষাক্ততা তৈরি করতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যমুখী তেল এবং বাদামে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই বা টোকোফেরল থাকে। এটি ত্বকের কোষের ক্ষতি রোধ করে এবং তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: মানুষের যকৃতে ভিটামিন এ এবং ই দীর্ঘদিন ধরে জমা থাকতে পারে। শরীরের চর্বির অভাব ঘটলে এই ভিটামিনের শোষণ ব্যাহত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ascorbic acid হলো ভিটামিন সি-র রাসায়নিক নাম, যা পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। এটি চর্বিতে দ্রবণীয় নয় এবং শরীর এটি সঞ্চয় করে রাখতে পারে না। B) Tocopherol হলো ভিটামিন ই, যা চর্বিতে দ্রবণীয় হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। অন্য অপশনগুলোর তুলনায় এটিই একমাত্র লিপিড-দ্রবণীয় ভিটামিন। C) Thiamine হলো ভিটামিন বি এক এর রাসায়নিক নাম, যা পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। এটি কোষের শর্করা বিপাকে সাহায্য করে। D) Riboflavin হলো ভিটামিন বি দুই এর রাসায়নিক নাম, যা পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। এটি খাদ্যের শক্তি উৎপাদনে প্রধান ভূমিকা রাখে। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলো মনে রাখার সহজ কৌশল হলো কিডা শব্দ। এখানে কে, ই, ডি এবং এ ভিটামিনগুলো চর্বিতে দ্রবণীয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভিটামিন সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। কোন ভিটামিন পানিতে এবং কোনটি চর্বিতে দ্রবণীয় তা ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a রুবিওলা
b ফ্ল্যাভি ভাইরাস
c হাপিসি জিপ্রেকস
d ভেরিওলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্ল্যাভি ভাইরাস ১. কেন সঠিক: ডেঙ্গুজ্বর একটি ভাইরাল সংক্রমণ যা ফ্ল্যাভিভাইরিডে পরিবারের অন্তর্গত ফ্ল্যাভি ভাইরাস নামক ক্ষুদ্র অণুজীবের কারণে মানবদেহে ছড়ায়। এই ভাইরাসটি প্রধানত এডিস মশার মাধ্যমে মানুষের রক্তে প্রবেশ করে এবং কোষের ভেতরে বংশবৃদ্ধি করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আক্রান্ত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ডেঙ্গু ভাইরাস হলো একটি সিঙ্গেল স্ট্র্যান্ডেড আরএনএ ভাইরাস যা ফ্ল্যাভিভাইরাস গণের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি মূলত আর্থ্রোপড বা মশার মাধ্যমে ছড়ায়। কার্যপ্রণালি: এডিস ইজিপ্টি মশার কামড়ের মাধ্যমে ভাইরাস মানুষের রক্তে প্রবেশ করে লিম্ফ নোডে পৌঁছায় এবং সেখানে রেপ্লিকেট করে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। কারণ ও ফলাফল: ভাইরাসের এই আক্রমণের ফলে রক্তে প্লাটিলেটের মাত্রা দ্রুত হ্রাস পায় এবং রক্তনালীর প্রাচীর ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে তীব্র জ্বর ও শারীরিক দুর্বলতা দেখা দেয়। বাস্তব প্রয়োগ: এই ভাইরাস সম্পর্কে ধারণা থাকায় চিকিৎসকরা দ্রুত রোগ নির্ণয় করে প্লাটিলেট কাউন্ট পর্যবেক্ষণ করে সঠিক চিকিৎসা দিতে পারেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এডিস মশার বংশবৃদ্ধি রোধ করা। ব্যাখ্যা: ঘরের জমে থাকা পরিষ্কার পানি নিয়মিত পরিষ্কার করলে মশার লার্ভা ধ্বংস হয় এবং ডেঙ্গু ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানো যায়। উদাহরণ ২: ডেঙ্গু রোগীর প্লাটিলেট কমে যাওয়া। ব্যাখ্যা: রক্তে ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে শরীরের রক্তকণিকা ভেঙে যায়, যা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রুবিওলা — এটি হাম রোগের জন্য দায়ী ভাইরাস বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা ডেঙ্গুর সাথে সম্পর্কিত নয়। B) ফ্ল্যাভি ভাইরাস — এটি সঠিক উত্তর এবং ডেঙ্গুজ্বরের ভাইরাসের মূল বৈজ্ঞানিক শ্রেণি ও নাম নির্দেশ করে। C) হাপিসি জিপ্রেকস — এটি কোনো প্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক ভাইরাসের নাম নয়, বরং প্রশ্নটিকে বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা একটি কাল্পনিক শব্দ। D) ভেরিওলা — এটি বসন্ত বা স্মলপক্স রোগের জন্য দায়ী ভাইরাসের বৈজ্ঞানিক নাম, যা ডেঙ্গু থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। ৫ মনে রাখার টিপস: ডেঙ্গু মানেই ফ্ল্যাভি ভাইরাস এবং এর বাহক হলো এডিস মশা, যা জমাকৃত পরিষ্কার পানিতে বংশবিস্তার করে। ভাইরাসটির নাম মনে রাখতে ফ দিয়ে ফ্ল্যাভি এবং ফ দিয়ে ফর্সা বা পরিষ্কার পানির কথা মনে রাখতে পারেন যেখানে মশা ডিম পাড়ে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ডেঙ্গু ভাইরাস কত প্রকার ও কী কী এবং এর বাহক এডিস মশার বৈজ্ঞানিক নাম প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ভবিষ্যতের প্রশ্নের জন্য মনে রাখবেন যে ডেঙ্গু চার ধরণের সেরোটাইপে বিভক্ত এবং এটি প্রধানত একটি মশাবাহিত রোগ।
a DNA
b DNA + RNA
c RNA
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) RNA ১. কেন সঠিক: - কোভিড নাইনটিন হলো একটি সংক্রামক ভাইরাস যার জিনোম বা জেনেটিক উপাদান হলো একক স্ট্র্যান্ডযুক্ত রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড বা সংক্ষেপে আরএনএ। - এটি ডিএনএ ধারণ করে না বরং এর জেনেটিক কোড আরএনএ অণুর মাধ্যমে গঠিত হওয়ায় এটি মিউটেশন বা রূপ পরিবর্তনের মাধ্যমে খুব দ্রুত বিস্তার লাভ করতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: করোনা ভাইরাস হলো করোনোভিরিডে পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এক প্রকার পজিটিভ সেন্স সিঙ্গেল স্ট্র্যান্ডেড আরএনএ ভাইরাস যা পোষক কোষের ভেতরে প্রবেশ করে নিজস্ব প্রোটিন তৈরি করে। - কার্যপ্রণালি: ভাইরাসটি মানবদেহের কোষের রিসিপ্টরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কোষে প্রবেশ করে এবং নিজস্ব আরএনএ ব্যবহার করে অসংখ্য প্রতিলিপি বা কপি তৈরি করে কোষকে ধ্বংস করে দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইনফ্লুয়েঞ্জা বা সাধারণ সর্দি-কাশির ভাইরাস। ব্যাখ্যা: এই ভাইরাসগুলোও কোভিড নাইনটিনের মতো আরএনএ ভাইরাস হওয়ায় বারবার এদের স্ট্রেন পরিবর্তিত হয় এবং নতুন টিকা তৈরি করতে হয়। উদাহরণ ২: মানুষের এইচআইভি বা পোলিও ভাইরাস। ব্যাখ্যা: এগুলোও আরএনএ ভাইরাসের ক্লাসের অন্তর্ভুক্ত যা কোষের ভেতরে প্রবেশ করে রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) DNA — ভুল কারণ এই ভাইরাসটি ডিএনএ জিনোম ব্যবহার করে বংশবৃদ্ধি করে না, এর মূল জেনেটিক উপাদান আরএনএ। B) DNA + RNA — ভুল কারণ কোনো একক প্রাকৃতিক ভাইরাস একই সঙ্গে তার মূল জিনোম হিসেবে ডিএনএ এবং আরএনএ উভয় উপাদান ধারণ করে না। C) RNA — সঠিক কারণ কোভিড নাইনটিনের মূল জেনেটিক উপাদান হলো রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড বা আরএনএ। D) কোনটিই নয় — ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি সি অপশনে স্পষ্টভাবে বিদ্যমান রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - করোনা বা কোভিড শব্দটির সঙ্গে আরএনএ শব্দের মিল মনে রাখতে পারো যে এই অতিমারি সৃষ্টিকারী জীবাণুটি মূলত আরএনএ ভিত্তিক ভাইরাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন ভাইরাসের প্রকারভেদ জানতে চাওয়া হয়, তাই মনে রাখবে ইনফ্লুয়েঞ্জা, পোলিও, হেপাটাইটিস সি এবং কোভিড নাইনটিন সবই আরএনএ ভাইরাস।
a Olefin
b Taurates
c Sulfates
d Cety alcohol
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Cetyl alcohol ১. কেন সঠিক: - সেটিল অ্যালকোহল একটি ফ্যাটি অ্যালকোহল এবং এটি নন-আয়নিক বা আয়নহীন সার্ফ্যাক্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করে। - পানিতে দ্রবীভূত হলে এটি কোনো ঋণাত্মক বা ধনাত্মক আধানযুক্ত আয়ন তৈরি করে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সার্ফ্যাক্ট্যান্ট হলো এমন যৌগ যা তরলের পৃষ্ঠটান কমিয়ে দেয়। - কার্যপ্রণালি: অণুর একটি প্রান্ত জলপ্রেমী এবং অন্য প্রান্ত তেলপ্রেমী হওয়ায় এটি ময়লা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। - বাস্তব প্রয়োগ: প্রসাধন সামগ্রী এবং লোশন তৈরিতে এটি ইমালসিফায়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহারের সময় পানির পৃষ্ঠটান কমে যায় এবং ফেনা তৈরি হয়। ব্যাখ্যা: সার্ফ্যাক্ট্যান্টের উপস্থিতির কারণে পানি সহজে কাপড়ের ভেতরে প্রবেশ করে ময়লা দূর করতে পারে। উদাহরণ ২: স্কিন ক্রিম ও ময়েশ্চারাইজার তৈরিতে সেটিল অ্যালকোহল ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি তেলের সঙ্গে পানি মিশিয়ে ক্রিমকে ঘন ও স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Olefin — এটি একটি অ্যানায়নিক সার্ফ্যাক্ট্যান্ট যা সাধারণত ভারী ডিটারজেন্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। B) Taurates — এটি একটি মৃদু অ্যানায়নিক সার্ফ্যাক্ট্যান্ট যা শ্যাম্পু এবং ফেসওয়াশে ব্যবহার করা হয়। C) Sulfates — এটি সবচেয়ে পরিচিত অ্যানায়নিক সার্ফ্যাক্ট্যান্ট শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত যা প্রচুর ফেনা তৈরি করে। D) Cetyl alcohol — এটি নন-আয়নিক প্রকৃতির হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - অ্যালকোহলযুক্ত যৌগ সাধারণত নন-আয়নিক বা আধানহীন হয়। - সালফাট বা ওলেফিন শব্দগুলো দেখলে বুঝতে হবে সেগুলো অ্যানায়নিক প্রকৃতির। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সার্ফ্যাক্ট্যান্ট কত প্রকার এবং তাদের কাজের ধরন কী, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - অ্যানায়নিক সার্ফ্যাক্ট্যান্ট ঋণাত্মক চার্জযুক্ত এবং নন-আয়নিক সার্ফ্যাক্ট্যান্ট চার্জহীন হয়।
a 0.0139min⁻¹
b 0.0321min⁻¹
c 0.0391min⁻¹
d 0.0013min⁻¹
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.০১৩৯min⁻¹ প্রদত্ত তথ্য: অর্ধায়ু বা t_(১/২) = ৫০ min ধরি, অপসারণ হার ধ্রুবক = K_el অতএব, ফার্স্ট অর্ডার কাইনেটিক্স সূত্রানুযায়ী, K_el = ০.৬৯৩ ÷ t_(১/২) সুতরাং, K_el = ০.৬৯৩ ÷ ৫০ উত্তর: ০.০১৩৯min⁻¹
a Estrogen
b Thyroxin
c Oxytocin
d Progesterone
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Oxytocin ১. কেন সঠিক: - অক্সিটোসিন হলো একটি প্রাকৃতিক হরমোন যা প্রসবের সময় জরায়ুর সংকোচন বা ব্যথা সৃষ্টি করতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। - এটি মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে ক্ষরিত হয় এবং জরায়ুর পেশিকে সংকুচিত হতে উদ্দীপিত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: প্রসব বেদনা বা লেবার পেইন মূলত অক্সিটোসিন হরমোনের প্রভাবে জরায়ুর পেশির তীব্র সংকোচনের কারণে শুরু হয়। - কার্যপ্রণালি: গর্ভকাল শেষ হলে এই হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং এটি জরায়ুর প্রাচীরের রিসেপ্টরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রসবের পথ প্রশস্ত করতে সাহায্য করে। - বাস্তব প্রয়োগ: চিকিৎসাবিজ্ঞানে প্রসবের গতি ত্বরান্বিত করার জন্য অনেক সময় কৃত্রিম অক্সিটোসিন বা পিটোসিন ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গবাদি পশুর প্রসবের সময় অনেক সময় অক্সিটোসিন ইনজেকশন প্রয়োগ করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি জরায়ুর সংকোচন বাড়িয়ে প্রসব প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: সন্তান প্রসবের পর মায়ের বুকের দুধ পান করানোর সময়ও অক্সিটোসিন ক্ষরিত হয়। ব্যাখ্যা: এই হরমোন স্তনগ্রন্থি থেকে দুধ বাইরে বের করে আনতে সাহায্য করে যাকে মিল্ক ইজেকশন রিফ্লেক্স বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Estrogen — এটি একটি প্রধান নারী যৌন হরমোন যা নারীদেহের সেকেন্ডারি সেক্সুয়াল বৈশিষ্ট্য এবং জরায়ুর প্রস্তুতিতে ভূমিকা রাখে তবে সরাসরি প্রসব বেদনা সৃষ্টি করে না। B) Thyroxin — এটি থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে ক্ষরিত হরমোন যা দেহের সামগ্রিক বিপাকক্রিয়া বা মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণ করে। C) Oxytocin — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি জরায়ুর সংকোচন ঘটিয়ে প্রসব বেদনা সৃষ্টি করে। D) Progesterone — এটি গর্ভধারণ ধরে রাখতে এবং জরায়ুর পেশিকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে প্রসবের আগে এর মাত্রা কমে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অক্সিটোসিন নামের শুরুতে অক্স আছে যা অবস্ বা প্রসবের সঙ্গে মিলে যায় এভাবে মনে রাখা সহজ। - প্রেগনেন্সি বা গর্ভাবস্থায় প্রজেস্টেরন হরমোন জরায়ুকে শান্ত রাখে কিন্তু প্রসবের সময় অক্সিটোসিন কাজ শুরু করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে অক্সিটোসিন হরমোন ক্ষরিত হয় এটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন হরমোন স্তন্যদান বা দুধ উৎপাদনে সাহায্য করে, যার উত্তর প্রোল্যাকটিন এবং দুধ নিঃসরণে সাহায্য করে অক্সিটোসিন।
a Temperature
b Moisture
c Vibration
d Pressure
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Pressure ১. কেন সঠিক: চাপ সাধারণত কোনো পরিবেশগত দূষক বা সরাসরি পরিবেশগত বিপদের কারণ হিসেবে বিবেচিত হয় না। শিল্প বা কর্মপরিবেশের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং কম্পন সরাসরি জীবদেহে ও পরিবেশের উপাদানসমূহের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পরিবেশগত বিপদ বলতে এমন ভৌত, রাসায়নিক বা জৈব উপাদানকে বোঝায় যা দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করে। কার্যপ্রণালি: তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং কম্পন প্রকৃতির স্বাভাবিক অবস্থা পরিবর্তন করে দূষণ ও অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতিরিক্ত তাপমাত্রা বা হিট ওয়েভ। ব্যাখ্যা: এটি উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ কমিয়ে দেয় এবং জলজ প্রাণীর অক্সিজেন সংকট তৈরি করে। উদাহরণ ২: ভারী শিল্প কারখানার কম্পন। ব্যাখ্যা: এটি মাটি কাঁপিয়ে ভবনের ক্ষতি করে এবং আশপাশের প্রাণীর স্বাভাবিক আচরণ ব্যাহত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Temperature — এটি পরিবেশগত বিপদ হিসেবে গণ্য হয় কারণ অতিরিক্ত তাপমাত্রা জলবায়ু পরিবর্তন ও গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের জন্য দায়ী। B) Moisture — অতিরিক্ত বা কম আর্দ্রতা উদ্ভিদের রোগবালাই বাড়ায় এবং পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করে। C) Vibration — শিল্পকারখানা বা নির্মাণ কাজের কম্পন পরিবেশগত উপদ্রব ও বিপদের সৃষ্টি করে। D) Pressure — স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিবেশগত কোনো সরাসরি বিপদ বা দূষণের উপাদান নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রকৃতিতে তাপ, আর্দ্রতা ও কম্পন মাত্রাতিরিক্ত হলে বিপদ ঘটে কিন্তু চাপ নিজে থেকে সরাসরি কোনো পরিবেশগত বিপদ সৃষ্টি করে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি পরিবেশ বিজ্ঞান এবং কর্মপরিবেশ নিরাপত্তা অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখান থেকে কাজের পরিবেশের ক্ষতিকর ভৌত উপাদান সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন আসতে পারে।
a ফার্ন
b শৈবাল
c ছত্রাক
d লাইকেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ছত্রাক ১. কেন সঠিক: - অ্যান্টিবায়োটিক হলো এমন এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ যা অণুজীব থেকে প্রস্তুত হয় এবং অন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সাহায্য করে। - ছত্রাক বা ফাঙ্গাস এমন এক ধরনের ইউক্যারিয়টিক জীব যা প্রাকৃতিকভাবে এই জীবন রক্ষাকারী অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান উৎপাদনে সক্ষম। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অ্যান্টিবায়োটিক হলো অণুজীবের বিরুদ্ধে লড়াই করার ওষুধ। - কার্যপ্রণালি: পেনিসিলিয়াম নামক ছত্রাক থেকে প্রথম পেনিসিলিন অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করা হয়েছিল। - বাস্তব প্রয়োগ: মানবদেহের মারাত্মক ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ সারাতে চিকিৎসকরা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পেনিসিলিয়াম নোটাটাম ছত্রাক। ব্যাখ্যা: আলেকজান্ডার ফ্লেমিং এই ছত্রাক থেকেই প্রথম পেনিসিলিন আবিষ্কার করেছিলেন। উদাহরণ ২: স্ট্রেপ্টোমাইসিস ব্যাকটেরিয়া। ব্যাখ্যা: এটি ছত্রাকের মতো মৃত্তিকাস্থিত অণুজীব যা থেকে পরবর্তীতে স্ট্রেপ্টোমাইসিন অ্যান্টিবায়োটিক প্রস্তুত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফার্ন — ফার্ন হলো অপুষ্পক উদ্ভিদ যার ভাস্কুলার বান্ডল আছে কিন্তু এটি অ্যান্টিবায়োটিক তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না। B) শৈবাল — শৈবাল হলো ক্লোরোফিলযুক্ত স্বভোজী উদ্ভিদ যা থেকে আয়োডিন বা আগার-আগার পাওয়া যায়, অ্যান্টিবায়োটিক নয়। C) ছত্রাক — এই অপশনটি সঠিক কারণ ছত্রাক থেকেই জীবন রক্ষাকারী পেনিসিলিন অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি করা হয়। D) লাইকেন — লাইকেন হলো শৈবাল ও ছত্রাকের মিথোজীবী সহাবস্থান যা পরিবেশের দূষণ সূচক হিসেবে কাজ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - অ্যান্টিবায়োটিকের জনক আলেকজান্ডার ফ্লেমিং এবং এটি এসেছে পেনিসিলিয়াম নামক ছত্রাক থেকে। - ছত্রাক শব্দটি মনে রাখলে ফাঙ্গাস ও পেনিসিলিনের সম্পর্ক সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৮ সালে। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে।
a সোডিয়াম কার্বোনেট
b সোডিয়াম সিলেকেট
c সোডিয়াম ক্লোরাইড
d সোডিয়াম সালফেট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সোডিয়াম সিলেকেট ১. কেন সঠিক: - সোডিয়াম সিলেকেট সাবানকে শক্ত করতে এবং এর ক্ষয় রোধ করতে ফিলার বা বাইন্ডার হিসেবে কাজ করে। এটি সাবানের অতিরিক্ত আর্দ্রতা শোষণ করে এর গঠনকে দৃঢ় ও টেকসই করে তোলে। - সাবান তৈরির সময় চর্বি বা তেলের সঙ্গে কস্টিক সোডার সাবানায়ন বিক্রিয়ার পর তরল বা নরম সাবান উৎপন্ন হয়, যা শক্ত করতে এই উপাদান ব্যবহৃত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - রাসায়নিক সংকেত: সোডিয়াম সিলেকেটের রাসায়নিক সংকেত সোডিয়াম অক্সাইড ডট সিলিকন ডাইঅক্সাইড। এটি সোডিয়াম সিলিকেট নামেও পরিচিত। - কার্যপ্রণালি: এটি সাবানের মিশ্রণে জেল বা কঠিন আস্তরণ তৈরি করে সাবানকে দ্রুত গলে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। - বাস্তব প্রয়োগ: লন্ড্রি সাবান বা সস্তা মানের সাবান তৈরিতে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাপড় কাচার সাবান বা বল সাবান তৈরিতে সোডিয়াম সিলেকেট মেশানো হয়। ব্যাখ্যা: এর ফলে সাবান সহজে জলে গলে যায় না এবং দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহার করা যায়। উদাহরণ ২: উন্নত মানের প্রসাধন সাবানে সোডিয়াম সিলেকেটের পরিবর্তে সোডিয়াম ক্লোরাইড বা লবণ ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি সাবানকে শক্ত করার পাশাপাশি সাবানের মিশ্রণ থেকে গ্লিসারিন আলাদা করতে সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোডিয়াম কার্বোনেট — এটি ওয়াশিং সোডা নামে পরিচিত এবং সাবান তৈরিতে ক্ষারীয় উপাদান হিসেবে কাজ করে, তবে এটি সাবান শক্ত করে না। B) সোডিয়াম সিলেকেট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সাবানকে শক্ত ও দীর্ঘস্থায়ী করতে সরাসরি সাহায্য করে। C) সোডিয়াম ক্লোরাইড — এটি সাধারণ লবণ যা সাবান তৈরির সময় সাবানের দ্রবণকে অধঃক্ষিপ্ত করতে এবং সাবান আলাদা করতে স্যাল্টিং আউট প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়, সরাসরি শক্ত করার প্রধান উপাদান এটি নয়। D) সোডিয়াম সালফেট — এটি সাবান বা ডিটারজেন্টে ফিলার বা আয়তন বৃদ্ধিকারী উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়, শক্ত করার কাজ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাবান শক্ত করার চাবি হলো সিলেকেট, তাই সোডিয়াম সিলেকেট মনে রাখবে। - সাবান তৈরিতে সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড প্রধান ক্ষার এবং সোডিয়াম সিলেকেট হলো শক্ত করার উপাদান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাবান হলো উচ্চতর ফ্যাটি অ্যাসিডের সোডিয়াম লবণ। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে সাবান তৈরিতে উপজাত হিসেবে কী পাওয়া যায়, যার উত্তর হলো গ্লিসারিন।
a খাগড়াছড়ি
b বান্দরবান
c রাঙামাটি
d দিনাজপুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বান্দরবান ১. কেন সঠিক: ঘুমধুম সীমান্ত বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি জেলা বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার অন্তর্গত একটি কৌশলগত এলাকা। এটি বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের আন্তর্জাতিক সীমানার নিকটবর্তী হওয়ায় সীমান্ত নিরাপত্তা এবং ভূ-রাজনীতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার শেষ প্রান্তে এবং মিয়ানমার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। বৈশিষ্ট্য: এটি পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি এবং নদীবেষ্টিত সীমান্ত এলাকা যার পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে নাফ নদী। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: বাংলাবান্ধা সীমান্ত ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের সর্বউত্তরের পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত এবং ভারতের সঙ্গে সীমান্ত তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: টেকনাফ সীমান্ত ব্যাখ্যা: এটি কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত এবং নাফ নদী বরাবর মিয়ানমারকে পৃথক করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাগড়াছড়ি — এটি একটি পার্বত্য জেলা হলেও ঘুমধুম সীমান্ত এখানে অবস্থিত নয়। B) বান্দরবান — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ঘুমধুম সীমান্ত এই জেলায় অবস্থিত। C) রাঙামাটি — এটি আয়তনে দেশের বৃহত্তম জেলা হলেও ঘুমধুম সীমান্ত এর ভৌগোলিক সীমানায় পড়ে না। D) দিনাজপুর — এটি উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের একটি সমভূমি জেলা যা মিয়ানমার সীমান্তের অনেক দূরে অবস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: ঘুমধুম শব্দের সঙ্গে পাহাড়ি অঞ্চলের নাম মেলালে বান্দরবান বা নাইক্ষ্যংছড়ি সহজেই মনে রাখা যায়। দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তের মিয়ানমার সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকা হিসেবে বান্দরবানকে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের সীমান্ত সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে সীমান্ত সংক্রান্ত নদী বা জেলার নাম নিয়ে নতুন প্রশ্ন হতে পারে।
a Structure of Pharmacy Council
b Functions of Pharmacy Council
c (ক) এবং (খ)
d None of them
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (ক) এবং (খ) কেন সঠিক: - The Pharmacy Ordinance ১৯৭৬ আইনে ফার্মেসি কাউন্সিলের গঠন প্রক্রিয়া স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। - এই আইনে ফার্মেসি কাউন্সিলের কার্যাবলি ও দায়িত্বসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Structure of Pharmacy Council — এটি সঠিক হলেও কেবল একটি অংশ নির্দেশ করে, তাই সম্পূর্ণ উত্তর হিসেবে অপর্যাপ্ত। B) Functions of Pharmacy Council — এটি সঠিক হলেও আইনের আরেকটি অংশ মাত্র, তাই একাকী সঠিক উত্তর হতে পারে না। C) (ক) এবং (খ) — এটি সঠিক কারণ অধ্যাদেশটিতে গঠন ও কার্যাবলি উভয় বিষয়ই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। D) None of them — এই অপশনটি ভুল কারণ ক এবং খ উভয় উত্তরই সঠিক। মনে রাখার টিপস: ফার্মেসি অর্ডিন্যান্স ১৯৭৬ মানেই হলো ফার্মেসি কাউন্সিলের গঠন এবং কাজ সম্পর্কিত সকল নিয়মকানুন।
a Stomach
b Small intestine
c Mouth
d Large intestine
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Small intestine কেন সঠিক: - ক্ষুদ্রান্ত্রের ভেতরে থাকা ভিলি এবং মাইক্রোভিলি গঠনের কারণে এর পৃষ্ঠদেশের ক্ষেত্রফল অনেক বৃদ্ধি পায়। - মানবদেহের পরিপাকতন্ত্রে শোষিত হওয়া বেশিরভাগ ওষুধ এবং খাদ্য উপাদান মূলত এই অংশের মাধ্যমেই রক্তে প্রবেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Stomach — পাকস্থলীতে প্রধানত প্রোটিন জাতীয় খাদ্য পরিপাক হয় এবং এখানে সীমিত পরিমাণে কিছু ওষুধ শোষিত হলেও তা প্রধান শোষণ ক্ষেত্র নয়। B) Small intestine — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই সবচেয়ে বেশি পৃষ্ঠদেশ থাকায় সর্বাধিক মাত্রায় ওষুধ ও পুষ্টি উপাদান শোষিত হয়। C) Mouth — মুখে ওষুধের খুব সামান্য অংশ মিউকাস ঝিল্লির মাধ্যমে শোষিত হতে পারে, যা বৃহৎ ক্ষেত্রফল বা প্রধান শোষণের জন্য উপযুক্ত নয়। D) Large intestine — বৃহদান্ত্রে মূলত পানি ও খনিজ লবণ শোষিত হয়, তাই এটি ওষুধের প্রধান শোষণ ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করে না। মনে রাখার টিপস: ওষুধ শোষণের জন্য ক্ষুদ্রান্ত্র বা Small intestine হলো শরীরের সবচেয়ে বড় ক্ষেত্র, কারণ এর নাম ছোট হলেও এর ভেতরের কাজের ক্ষেত্র বিশাল।
a Angina
b Anxiety
c Hypertension
d In all of the conditions
ব্যাখ্যাঃ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: B) Anxiety কেন সঠিক: - নিফেডিপিন একটি ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার যা রক্তনালী প্রসারিত করে। - এটি অ্যানজাইনা ও হাইপারটেনশনের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হলেও অ্যানজাইটি বা উদ্বেগের চিকিৎসায় কার্যকর নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Angina — এটি হৃদপিণ্ডের বুকে ব্যথার চিকিৎসায় কার্যকর একটি ভাসোডিল্যাটর বা রক্তনালী প্রসারক ওষুধ। B) Anxiety — এটি মানসিক উদ্বেগ বা উৎকণ্ঠার চিকিৎসায় কোনো প্রভাব ফেলে না এবং এর চিকিৎসায় এটি ব্যবহৃত হয় না। C) Hypertension — এটি উচ্চ রক্তচাপ কমাতে রক্তনালী শিথিল করার মাধ্যমে সরাসরি কার্যকর ভূমিকা পালন করে। D) In all of the conditions — যেহেতু এটি অ্যানজাইটি বা উদ্বেগের চিকিৎসায় কোনো কাজ করে না, তাই সব শর্ত প্রযোজ্য নয় এবং প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। মনে রাখার টিপস: নিফেডিপিন শুধু রক্তনালী ও হৃদপিণ্ডের রক্তচাপ নিয়ে কাজ করে, মনের উদ্বেগ বা অ্যানজাইটির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
a Xerophthalmia
b Anaemia
c Hypoprothrombinemia
d Dyspesia
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Xerophthalmia কেন সঠিক: - ভিটামিন এ এর অভাবে চোখের কর্নিয়া শুকিয়ে যাওয়া বা জেরোথালমিয়া রোগ হয়। - সময়মতো চিকিৎসা না করালে এটি অন্ধত্বের কারণ হতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Xerophthalmia — এটি ভিটামিন এ এর অভাবে ঘটে এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) Anaemia — এটি প্রধানত আয়রনের অভাবে ঘটে, ভিটামিন এ এর অভাবে নয়। C) Hypoprothrombinemia — এটি ভিটামিন কে এর অভাবে ঘটে, যা রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। D) Dyspesia — এটি একধরনের বদহজমজনিত সমস্যা, যা ভিটামিন এ এর অভাবের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ভিটামিন এ চোখের পুষ্টির জন্য অপরিহার্য, তাই এর অভাব হলে চোখ সম্পর্কিত রোগ জেরোথালমিয়া হয়।
a Sucrose
b Starch
c Talc
d None
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: A) Sucrose কেন সঠিক: - সুক্রোজ হলো মূলত একটি ডাইস্যাকারাইড বা শর্করা, যা সাধারণত ওষুধে ফ্লেভার বা মিষ্টি করার কাজে এক্সিপিয়েন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - এটি সরাসরি রোগের চিকিৎসায় কোনো সক্রিয় ভূমিকা পালন করে না, তাই এটি এপিআই বা অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sucrose — এটি এপিআই নয় কারণ এটি ওষুধে কেবল সহায়ক উপাদান বা এক্সিপিয়েন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) Starch — এটি স্টার্চ বা শ্বেতসার, যা সাধারণত ট্যাবলেট প্রস্তুতিতে বাইন্ডার বা ফিলার হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এটিও এপিআই নয়। C) Talc — এটি ট্যাল্ক পাউডার, যা ওষুধ তৈরিতে লুব্রিকেন্ট বা গ্লাইডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং এটি কোনো সক্রিয় ভেষজ উপাদান বা এপিআই নয়। D) None — প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সুক্রোজ এবং স্টার্চ উভয়ই এপিআই নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ওষুধের যে উপাদানটি সরাসরি রোগ নিরাময় করে তা হলো এপিআই, আর সুক্রোজ বা স্টার্চ হলো কেবল সহায়ক উপাদান।
a After intestine
b Before intestine
c Inside intestine
d Outside intestine
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Outside intestine কেন সঠিক: - প্যারেন্টেরাল শব্দটি চিকিৎসা বিজ্ঞানে অন্ত্র বা পরিপাকতন্ত্রের বাইরে ওষুধ বা পুষ্টি উপাদান প্রয়োগের পদ্ধতি বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। - গ্রিক উপসর্গ প্যারা অর্থ বাইরে এবং এন্টেরন অর্থ অন্ত্র, যার সমন্বয়ে এই শব্দ গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) After intestine — অন্ত্রের পরে বোঝায়, যা এই চিকিৎসা পরিভাষার সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। B) Before intestine — অন্ত্রের আগে বোঝায়, যা এই শব্দের শাব্দিক ও চিকিৎসাগত অর্থের বিপরীত। C) Inside intestine — অন্ত্রের ভেতরে বোঝায়, যা এন্টারাল বা ইন্ট্রাএন্টারাল পদ্ধতির সাথে সম্পর্কিত। D) Outside intestine — অন্ত্রের বাইরে বোঝায়, যা প্যারেন্টেরাল শব্দের সঠিক শাব্দিক ও চিকিৎসাগত অর্থ। মনে রাখার টিপস: প্যারা অর্থ বাইরে এবং এন্টেরন অর্থ অন্ত্র, এভাবে মিলিয়ে পড়লে প্যারেন্টেরাল অর্থ অন্ত্রের বাইরে সহজেই মনে রাখা যায়।
a Isotonic
b Hypotonic
c Hypertonic
d None
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Isotonic কেন সঠিক: - নাকের সংবেদনশীল মিউকাস মেমব্রেনের ক্ষতি এড়াতে নাসাল ড্রপ সাধারণত আইসোটনিক বা সমাভিসারী করা হয়। - আইসোটনিক ড্রপ ব্যবহারের ফলে নাকের কোষের ভেতরে পানি প্রবেশ করে না বা কোষ শুকিয়ে যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Isotonic — এটি সঠিক কারণ এর অভিস্রবণ চাপ শরীরের তরলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। B) Hypotonic — এই দ্রবণ কোষের ভেতরে অতিরিক্ত পানি প্রবেশ করিয়ে কোষ ফুলে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে। C) Hypertonic — এই দ্রবণ কোষ থেকে পানি টেনে নিয়ে কোষকে কুঁচকে ফেলতে পারে। D) None — সঠিক উত্তর অপশনে থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: নাকের সুরক্ষায় আইসোটনিক ড্রপ ব্যবহার করা হয়, যা শরীরের তরলের সমপরিমাণ ভারসাম্য বজায় রাখে।
a Glass
b Plastic
c Metals
d All
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) All কেন সঠিক: - ফার্মাসিউটিক্যাল প্যাকেজিংয়ে ওষুধের গুণগত মান রক্ষায় কাচ, প্লাস্টিক ও ধাতু—এই তিনটি উপকরণই ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। - তাই এই প্রশ্নটির ক্ষেত্রে উল্লেখিত তিনটি উপাদানই সঠিক হওয়ায় সঠিক উত্তরটি All হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Glass — এটি সঠিক হলেও, প্যাকেজিংয়ে কেবল কাচ ব্যবহৃত হয় না, প্লাস্টিক ও ধাতুও সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। B) Plastic — এটি সঠিক হলেও, কেবল প্লাস্টিক নয়, কাচ ও ধাতুর তৈরি পাত্রও ওষধ সংরক্ষণে লাগে। C) Metals — এটি সঠিক হলেও, শুধু ধাতু নয়, কাচ এবং প্লাস্টিকও বহুল ব্যবহৃত প্যাকেজিং উপকরণ। D) All — এই অপশনটি সঠিক কারণ কাচ, প্লাস্টিক ও ধাতু তিনটিই ফার্মাসিউটিক্যাল প্যাকেজিংয়ে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ওষুধের প্যাকেজিংয়ে বহুমুখী নিরাপত্তার জন্য কাচ, প্লাস্টিক এবং ধাতু—সব উপাদানই একসঙ্গে ব্যবহৃত হয়।
a Diazepam
b Digitalis
c Aspirin
d Amilonide
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Digitalis কেন সঠিক: - ডিজিটালিস (Digitalis) একটি ঔষধি গাছ থেকে প্রাপ্ত উপাদান যা হৃদপিন্ডের সংকোচন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে রক্তচাপ ও হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। - এটি হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক রাখতে এবং কনজেস্টিভ হার্ট ফেইলিউর চিকিৎসায় চিকিৎসকরা ব্যবহার করে থাকেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Diazepam — এটি একটি ট্রাঙ্কুলাইজার বা সিডেটিভ ড্রাগ যা মূলত উদ্বেগ, দুশ্চিন্তা এবং ঘুমের সমস্যার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। B) Digitalis — এটি রক্তচাপ ও হৃদপিন্ডের গতি নিয়ন্ত্রণে সরাসরি কাজ করে তাই এটি সঠিক উত্তর। C) Aspirin — এটি মূলত ব্যথানাশক এবং রক্ত পাতলা রাখতে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের প্রধান ওষুধ নয়। D) Amilonide — এটি একটি ডাইইউরেটিক বা মূত্রবর্ধক ওষুধ যা শরীর থেকে অতিরিক্ত তরল দূর করতে সাহায্য করে। মনে রাখার টিপস: ডিজিটালিস ফুল বা গাছ থেকে তৈরি ওষুধ হৃদপিন্ডের গতি ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সরাসরি কাজ করে।
a Molecular dispersion
b Colloidal dispersion
c Coarse dispersion
d None of the above
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Colloidal dispersion কেন সঠিক: - চিজ বা পনির হলো তরল বা পানি কঠিন পদার্থের মধ্যে ছড়িয়ে থাকা কোলয়েডীয় দ্রবণ বা কোলয়েডাল ডিসপারসন। - কোলয়েডের ক্ষেত্রে বিক্ষিপ্ত কণাগুলোর ব্যাস সাধারণত ১ থেকে ১০০০ ন্যানোমিটারের মধ্যে হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Molecular dispersion — এটি প্রকৃত দ্রবণ, যেখানে কণাগুলোর আকার ন্যানোমিটারের চেয়েও ছোট হয়। B) Colloidal dispersion — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে কঠিন কণা তরল মাধ্যমে সুষমভাবে分散 বা বিক্ষিপ্ত থাকে। C) Coarse dispersion — এটি সাসপেনশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেখানে কণাগুলোর আকার অনেক বড় হয় এবং নিচে থিতিয়ে পড়ে। D) None of the above — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: চিজ বা পনির হলো জেল জাতীয় কোলয়েডাল সিস্টেম, যেখানে কঠিন মাধ্যমে তরল বা তরল মাধ্যমে কঠিন ছড়িয়ে থাকে।
a t_(1/2) increases if Vd increases
b Vd decreases if excretion increases
c Cp decreases if Vd increases
d All statements are correct
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) All statements are correct কেন সঠিক: - এই প্রশ্নটি ফার্মাকোকিনেসিস বা ওষুধের গতিবিদ্যা সম্পর্কিত, যেখানে ওষুধ দেহের মধ্যে কীভাবে ছড়ায় এবং নিষ্কাশিত হয় তা আলোচনা করা হয়। - প্রদত্ত তিনটি বিবৃতিই ওষুধের অর্ধায়ু, বিতরণ আয়তন এবং প্লাজমা ঘনত্বের গাণিতিক সম্পর্কের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) t_(1/2) increases if Vd increases — এটি সঠিক কারণ ওষুধের বিতরণ আয়তন বাড়লে শরীর থেকে তার নির্মূল হতে বেশি সময় লাগে, যা অর্ধায়ু বাড়িয়ে দেয়। B) Vd decreases if excretion increases — এটি সঠিক কারণ দেহের থেকে ওষুধের নিষ্কাশন বা রেচন বাড়লে শরীরের অভ্যন্তরে তার কার্যকর বিতরণ আয়তন ও উপস্থিতি কমে যায়। C) Cp decreases if Vd increases — এটি সঠিক কারণ রক্তে ওষুধের প্লাজমা ঘনত্ব এবং বিতরণ আয়তন পরস্পরের ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্কযুক্ত। D) All statements are correct — আগের তিনটি বিবৃতিই বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক হওয়ায় এই অপশনটিই সামগ্রিক সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বিতরণ আয়তন বাড়লে অর্ধায়ু বাড়ে কিন্তু প্লাজমা ঘনত্ব কমে যায়, এই সম্পর্কটি মনে রাখলেই ফার্মাকোকিনেসিসের এই প্রশ্নগুলো সহজে সমাধান করা সম্ভব।
a paste
b Creams
c Ointments
d Suspension
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Suspension কেন সঠিক: - সাসপেনশন হলো একটি তরল বা লিকুইড ডোজ ফর্ম যেখানে কঠিন কণাগুলো তরলে সম্পূর্ণরূপে দ্রবীভূত না হয়ে ছড়িয়ে থাকে। - এটি পেস্ট, ক্রিম বা অয়েন্টমেন্টের মতো আধা-কঠিন বা সেমি-সলিড প্রকৃতির নয়, বরং এটি একটি তরল প্রস্তুতি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) paste — এটি একটি সেমি-সলিড ডোজ ফর্ম যা ত্বকে বা মিউকাস মেমব্রেনে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়। B) Creams — এটি ইমালসন জাতীয় সেমি-সলিড ডোজ ফর্ম যা বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য ব্যবহৃত হয়। C) Ointments — এটি উচ্চ মাত্রার চর্বিযুক্ত সেমি-সলিড ডোজ ফর্ম যা ঔষধি কাজে ব্যবহৃত হয়। D) Suspension — এটি সেমি-সলিড নয়, বরং একটি লিকুইড বা তরল ডোজ ফর্ম। মনে রাখার টিপস: সাসপেনশন মানেই ঝুলে থাকা তরল, তাই এটি আধা-কঠিন পেস্ট বা ক্রিমের মতো হতে পারে না।
a Picking
b Mottling
c Capping
d Sticking
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Mottling কেন সঠিক: - ট্যাবলেটের উপরিভাগে রঙের অসম বন্টন বা ছোপ ছোপ দাগ সৃষ্টি হওয়াকে ফার্মেসির পরিভাষায় মটলিং বলা হয়। - বাইন্ডার বা রঙের ঠিকমতো মেশানো না হওয়ার কারণে ট্যাবলেটে এই সমস্যা দেখা দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Picking — এটি এমন একটি ত্রুটি যেখানে ট্যাবলেটের উপাদান পাঞ্চ ফেসের সাথে আটকে যায়। B) Mottling — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি ট্যাবলেটে রঙের অসম বন্টনকে নির্দেশ করে। C) Capping — এটি এমন একটি ত্রুটি যেখানে ট্যাবলেটের উপরের বা নিচের অংশ আলাদা হয়ে খণ্ডিত হয়ে যায়। D) Sticking — এটি ট্যাবলেটের উপাদানগুলো ডাই ওয়ালের সাথে আটকে যাওয়ার অবস্থাকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: রং বা বর্ণের অসম ছোপ ছোপ ভাব বোঝাতে Mottling শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
a Heroine
b Codeine
c Morphine
d O-morphine
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Heroine কেন সঠিক: - আফিম থেকে প্রাপ্ত মরফিন প্রক্রিয়াজাত করে হেরোইন তৈরি করা হয়, যা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে সবচেয়ে দ্রুত ও তীব্রভাবে প্রভাবিত করে। - এটি মরফিনের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি শক্তিশালী এবং অত্যন্ত আসক্তিকর মাদক দ্রব্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Heroine - এটি সবচেয়ে শক্তিশালী মাদক হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর। B) Codeine - এটি আফিম থেকে প্রাপ্ত একটি উপক্ষার, যা সাধারণত কফ সিরাপ তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এবং এর তীব্রতা তুলনামূলক কম। C) Morphine - এটি শক্তিশালী ব্যথানাশক হলেও হেরোইনের তুলনায় এর পোটেন্সি বা কার্যকারিতা কম। D) O-morphine - এটি কোনো স্বীকৃত বা প্রমিত মাদক দ্রব্যের নাম নয়, বরং একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে শক্তিশালী (Most potent) মাদক প্রশ্নে থাকলে হ দিয়ে শুরু Heroine বা হিরো নামটি মনে রাখবে।
a Heparin
b Daltreparin
c Dicumaraf
d Enoxaparin
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Dicumarol (বিঃদ্রঃ প্রদত্ত অপশনে বানান Dicumaraf আছে, যা মূলত Dicumarol) কেন সঠিক: - ডিসুমারল হলো মুখ দিয়ে খাওয়ার বা ওরাল অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এজেন্ট, যা রক্তের তঞ্চন বা জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে। - এটি ভিটামিন কে এর কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে রক্ত পাতলা রাখতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Heparin — এটি ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরে প্রয়োগ করতে হয়, তাই এটি ওরাল অ্যান্টিসংকোগুল্যান্ট নয়। B) Daltreparin — এটি লো মলিকুলার ওয়েট হেপারিন এবং এটিও শুধু ইনজেকশন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) Dicumaraf — এটি মুদ্রণজনিত ভুল বা পরিবর্তিত রূপ, যা মূলত ওরাল অ্যান্টিসংকোগুল্যান্ট Dicumarol-কে নির্দেশ করে। D) Enoxaparin — এটি একটি ইনজেকটেবল অ্যান্টিসংকোগুল্যান্ট যা ওরাল বা খাওয়ার উপযোগী নয়। মনে রাখার টিপস: ওরাল বা মুখে খাওয়ার অ্যান্টিসংকোগুল্যান্ট মনে রাখতে ডি (D) দিয়ে শুরু হওয়া Dicumarol নামটি মনে রাখবেন।
a Dextrose
b Lacrose
c MCC
d Starch
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Lactose (প্রদত্ত উত্তরে বানান কিছুটা ভুল ছিল, সঠিক বানান Lactose) কেন সঠিক: - ল্যাকটোজ ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ট্যাবলেট তৈরিতে বহুল ব্যবহৃত একটি ফিলার বা ডিলুয়েন্ট, যা ট্যাবলেটের সঠিক আকৃতি ও ওজন নিশ্চিত করে। - এটি নিষ্ক্রিয় এবং মানবদেহের জন্য নিরাপদ হওয়ায় বেশিরভাগ পাউডার মিশ্রণে এটি প্রধান বাইন্ডিং ও ফর্মুলেশন সহায়ক উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dextrose — এটি মূলত ইঞ্জেকশন ও তাৎক্ষণিক শক্তির ওষুধে ব্যবহৃত হয়, তবে সাধারণ ট্যাবলেটে এটি প্রধান ডিলুয়েন্ট নয়। B) Lacrose — এটি মূলত Lactose-এর বানান ভুল রূপ, যা ফর্মুলেশনের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত ডিলুয়েন্ট হিসেবে কাজ করে। C) MCC — এটি ডিলুয়েন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হলেও ল্যাকটোসের মতো এত বেশি সংখ্যক ওষুধে এটি প্রধান রূপে ব্যবহৃত হয় না। D) Starch — এটি বাইন্ডার বা ডিসইন্টিগ্রেন্ট হিসেবে বেশি ব্যবহৃত হয়, সরাসরি প্রধান ডিলুয়েন্ট হিসেবে ল্যাকটোজের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। মনে রাখার টিপস: ওষুধের ট্যাবলেটে আকার বড় করতে এবং পাউডার বাঁধতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় দুধের চিনি বা ল্যাকটোজ।
a Bacteria
b Virus
c Pyrogen
d a & b
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: C) Pyrogen কেন সঠিক: - 'LAL' (Limulus Amebocyte Lysate) টেস্ট মূলত ওষুধ এবং চিকিৎসা সরঞ্জামে পাইরোজেন বা ব্যাকটেরিয়াজনিত টক্সিনের উপস্থিতি পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে D (a & b) উল্লেখ করা হলেও তা বৈজ্ঞানিক দিক থেকে ভুল, কারণ এই টেস্ট সরাসরি ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস শনাক্ত করে না, বরং পাইরোজেন বা এন্ডোটক্সিন শনাক্ত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bacteria — এলএএল টেস্ট সরাসরি ব্যাকটেরিয়া শনাক্ত করে না, এটি ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর থেকে নির্গত এন্ডোটক্সিন বা পাইরোজেন শনাক্ত করে। B) Virus — এলএএল টেস্ট ভাইরাস শনাক্তকরণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি মূলত গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়ার টক্সিনের বিরুদ্ধে কাজ করে। C) Pyrogen — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই টেস্টের মূল উদ্দেশ্য হলো দ্রবণ বা উপাদানে ক্ষতিকর পাইরোজেনের উপস্থিতি নিশ্চিত করা। D) a & b — এটি ভুল উত্তর কারণ এলএএল টেস্ট ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস সরাসরি চিহ্নিত করে না, এটি শুধুমাত্র পাইরোজেন শনাক্ত করে। মনে রাখার টিপস: 'LAL' টেস্ট মানেই পাইরোজেন পরীক্ষা, যা হর্সু ক্র্যাব বা রাজকাঁকড়ার রক্তের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
a Hormone
b Enzyme
c Co-factor
d Antioxidant
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Enzyme কেন সঠিক: - সাইটোক্রোম পি৪৪৫ হলো মূলত প্রোটিন জাতীয় হিমোপ্রোটিন যা জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ায় প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। - এটি মূলত যকৃতে ড্রাগ মেটাবলিজম এবং দেহে বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ নিষ্কাশনে অনুঘটকের ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hormone — হরমোন হলো রাসায়নিক বার্তাবাহক যা অন্তক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়, এটি কোনো উৎসেচক নয়। B) Enzyme — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ার হার বৃদ্ধি করে। C) Co-factor — কো-ফ্যাক্টর হলো উৎসেচকের সহায়ক অণু, কিন্তু সাইটোক্রোম পি৪৪৫ নিজে একটি সম্পূর্ণ উৎসেচক প্রোটিন। D) Antioxidant — অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হলো এমন পদার্থ যা জারণ প্রক্রিয়া রোধ করে, এটি সাইটোক্রোম পি৪৪৫-এর মূল পরিচয় নয়। মনে রাখার টিপস: নামের শেষে 'ase' না থাকলেও অনেক সাইটোক্রোম প্রোটিন এনজাইম হিসেবে কাজ করে, বিশেষ করে ওষুধ ও বিষাক্ত পদার্থ ভাঙতে।
a Water for implants
b Water for injection
c Weight for injection
d Weather for injection
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Water for injection কেন সঠিক: - এটি ফার্মাসিউটিক্যাল বা ওষুধ শিল্পে ব্যবহৃত অত্যন্ত বিশুদ্ধ জল, যা ইনজেকশন তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। - এই জল সব ধরনের ব্যাকটেরিয়া এবং পাইরোজেন মুক্ত থাকে যাতে মানবদেহে নিরাপদে প্রয়োগ করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Water for implants — ইমপ্লান্ট বা প্রতিস্থাপনের জন্য বিশেষ কোনো তরল বোঝায় না, তাই এটি ভুল। B) Water for injection — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ওষুধ শিল্পে ইনজেকশন প্রস্তুত করার প্রমিত পরিভাষা। C) Weight for injection — এটি ইনজেকশনের ওজনের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো বৈজ্ঞানিক পরিভাষা নয়। D) Weather for injection — আবহাওয়ার সঙ্গে ইনজেকশনের কোনো সম্পর্ক নেই, তাই এটি সম্পূর্ণ অসঙ্গত। মনে রাখার টিপস: ইনজেকশন তৈরির জন্য ব্যবহৃত বিশুদ্ধ পানিকে সংক্ষেপে ডব্লিউএফআই বলা হয়।
a Need < Want < Demand
b Want < Need < Demand
c Need < Want < Demand
d Demand < Need < Want
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Need < Want < Demand কেন সঠিক: - অর্থনীতি ও বিপণনের মৌলিক ধারণা অনুযায়ী, মানুষের প্রাথমিক প্রয়োজন বা Need-এর পরিধি সবচেয়ে কম। - প্রয়োজন যখন সংস্কৃতির মাধ্যমে নির্দিষ্ট পণ্যের রূপ নেয়, তখন তাকে Want বলে এবং ক্রয়ক্ষমতা যুক্ত হলে তা Demand-এ পরিণত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Need < Want < Demand — এটি সঠিক ক্রম কারণ চাহিদার আকার সবচেয়ে বড় এবং প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে ছোট। B) Want < Need < Demand — এই ক্রমটি ভুল কারণ Need-এর তুলনায় Want-এর পরিধি সাধারণত বেশি থাকে। C) Need < Want < Demand — প্রদত্ত প্রশ্নে এই অপশনটি সঠিক হিসেবে নির্দেশিত হলেও মূল ধারণার ক্রম অনুযায়ী এটি A অপশনের অনুরূপ এবং সঠিক। D) Demand < Need < Want — এটি সম্পূর্ণ বিপরীত ও ভুল ক্রম কারণ Demand সবসময় Need এবং Want-এর চেয়ে বড় বা সমান হয়। মনে রাখার টিপস: ছোট থেকে বড় ক্রমটি মনে রাখতে প্রথম অক্ষরগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, Need হলো মূল চাহিদা, Want হলো তার রূপ এবং Demand হলো তার চূড়ান্ত প্রকাশ।
a Antacids
b PPI
c H₂-blocker
d Prostaglandin
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Prostaglandin কেন সঠিক: - প্রোসট্যাগ্ল্যান্ডিন অ্যাসিড নিঃসরণ সরাসরি বন্ধ করে না, বরং এটি পাকস্থলীর মিউকাস বা শ্লেষ্মা স্তর রক্ষা করে গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিডের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে। - এটি মূলত প্রোটেক্টিভ বা প্রতিরক্ষামূলক হিসেবে কাজ করে, অ্যাসিড সিক্রেশন রোধকারী ড্রাগ হিসেবে নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Antacids — এটি সরাসরি গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিডকে প্রশমিত বা নিউট্রালাইজ করে, তাই এটি অ্যাসিড সিক্রেশনের বিরুদ্ধে সক্রিয়। B) PPI — প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর পাকস্থলীর অ্যাসিড নিঃসরণকারী পাম্প বন্ধ করে, তাই এটি অ্যাসিড সিক্রেশনের বিরুদ্ধে সক্রিয়। C) H₂-blocker — হিস্টামিন টু রিসেপ্টর ব্লকার পাকস্থলীর অ্যাসিড উৎপাদন কমায়, তাই এটি অ্যাসিড সিক্রেশনের বিরুদ্ধে সক্রিয়। D) Prostaglandin — এটি অ্যাসিড কমায় না, বরং পাকস্থলীর মিউকাস স্তর রক্ষা করে। মনে রাখার টিপস: অ্যান্টাসিড, পিপিআই ও এইচটু-ব্লকার অ্যাসিড কমায়, আর প্রোসট্যাগ্ল্যান্ডিন পাকস্থলীর দেয়াল রক্ষা করে।
a Weak bases
b Weak acids
c Salts
d None
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Weak bases কেন সঠিক: - স্থানীয় অ্যানেসথেটিক ওষুধগুলো সাধারণত মৃদু ক্ষারীয় বা উইক বেস প্রকৃতির হয়ে থাকে। - টিস্যুর অম্লীয় পরিবেশে এই ওষুধগুলো আয়নিত হয়ে কোষে প্রবেশ করে এবং ব্যথার সংবেদনা রোধ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Weak bases — এই অপশনটি সঠিক কারণ স্থানীয় অ্যানেসথেটিক রাসায়নিকভাবে মৃদু ক্ষারীয় হয়। B) Weak acids — এই অপশনটি ভুল কারণ এগুলো অ্যাসিডিক প্রকৃতির নয়, বরং পিএইচ এর ওপর নির্ভর করে ক্ষারীয় আচরণ করে। C) Salts — এই অপশনটি ভুল কারণ লবণের রূপটি শরীরে প্রয়োগের সুবিধার জন্য তৈরি করা হয়, কিন্তু মৌলিক প্রকৃতি তা নয়। D) None — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক উত্তর প্রথম অপশনেই বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: অ্যানেসথেটিক মানেই মৃদু ক্ষার বা বেস, যা শরীরের স্নায়ুতে কাজ করে।
a Al(OH)₃
b Mg(OH)₂
c Simethicone
d NaHCO₃
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) NaHCO₃ কেন সঠিক: - সোডিয়াম বাইকার্বোনেট বা NaHCO₃ পাকস্থলীতে শোষিত হয়ে রক্তে প্রবেশ করে এবং সিস্টেমেটিক সার্কুলেশনের মাধ্যমে কাজ করে, তাই এটি সিস্টেমেটিক অ্যান্টাসিড। - এটি দ্রুত গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড প্রশমিত করলেও অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে মেটাবলিক অ্যালকালসিস সৃষ্টি করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Al(OH)₃ — এটি নন-সিস্টেমেটিক অ্যান্টাসিড কারণ এটি রক্তে শোষিত না হয়ে অন্ত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে নির্গত হয়। B) Mg(OH)₂ — এটিও নন-সিস্টেমেটিক অ্যান্টাসিড এবং এটি শরীরে শোষিত না হয়ে জোলাপ হিসেবে কাজ করে। C) Simethicone — এটি কোনো অ্যান্টাসিড নয়, বরং এটি গ্যাসের বুদবুদ ভেঙে পেটের ফাঁপা ভাব দূর করার একটি অ্যান্টিফ্লাটুলেন্ট ওষুধ। D) NaHCO₃ — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি রক্তে শোষিত হয়ে সিস্টেমেটিক প্রভাব ফেলে। মনে রাখার টিপস: সিস্টেমেটিক অ্যান্টাসিডের মধ্যে সোডিয়াম বাইকার্বোনেট রক্তে প্রবেশ করে সিস্টেম পরিবর্তন করে, তাই এর নাম সিস্টেমেটিক।
a Acarbose
b Glipizide
c Metformin
d All of them
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Acarbose কেন সঠিক: - এটি ক্ষুদ্রান্ত্রে শর্করা পরিপাককারী এনজাইম আলফা গ্লুকোসিডেজকে বাধা দিয়ে রক্তে গ্লুকোজের শোষণ ধীর করে দেয়। - টাইপ দুই ডায়াবেটিস রোগীদের খাবারের পরে হঠাৎ রক্তের শর্করা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে এটি চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Acarbose — এটি একটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নির্দিষ্টভাবে আলফা গ্লুকোসিডেজ ইনহিবিটর শ্রেণির ওষুধ। B) Glipizide — এটি সালফুনিলিউরিয়া শ্রেণির ওষুধ যা অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসরণ বাড়ায়। C) Metformin — এটি বাইগুয়ানাইড শ্রেণির ওষুধ যা যকৃতে গ্লুকোজ উৎপাদন কমায় এবং ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায়। D) All of them — অন্য অপশনগুলো ভিন্ন শ্রেণির ওষুধ হওয়ায় এই উত্তরটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: নামের শেষে 'বোজ' বা 'ose' যুক্ত এবং পরিপাকে বাধা দেয় এমন ডায়াবেটিসের ওষুধ হলো আলফা গ্লুকোসিডেজ ইনহিবিটর।
a Lopinavir
b Ritonavir
c Remdisivir
d All of them
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Remdisivir কেন সঠিক: - রেমডেসিভির হলো একটি অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ যা করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর হিসেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক প্রথম দিকে অনুমোদিত হয়। - এটি রোগীর শরীরে ভাইরাসের বংশবৃদ্ধি রোধ করে দ্রুত সুস্থ করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lopinavir — এটি মূলত এইচআইভি চিকিৎসায় ব্যবহৃত প্রোটিয়েজ ইনহিবিটর, যা পরবর্তীতে কোভিড-১৯ চিকিৎসায় আশানুরূপ ফল দেয়নি। B) Ritonavir — এটিও এইচআইভি চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি ওষুধ এবং লোপিনাভিরের কার্যকারিতা বাড়াতে ব্যবহৃত হয়, যা এককভাবে কোভিড-১৯ এর মূল ওষুধ নয়। C) Remdisivir — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সরাসরি কোভিড-১৯ ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর অ্যান্টিভাইরাল হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। D) All of them — এই অপশনটি ভুল কারণ লোপিনাভির ও রিটোনাভির কোভিড-১৯ এর ক্ষেত্রে কার্যকর প্রমাণিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর একমাত্র মূল অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ হলো রেমডেসিভির।
a 0
b 1
c 2
d 3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ কেন সঠিক: - ইন্ট্রাভেনাস বা IV রুটে ওষুধ সরাসরি রক্তপ্রবাহে প্রবেশ করে, তাই এর বায়োঅ্যাভেইলাবিলিটি বা শোষণের মাত্রা শতভাগ হয়। - এই ১০০% বা সম্পূর্ণ শোষণের অনুপাতকে ভগ্নাংশের হিসাবে ১ হিসেবে ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০ — এটি ভুল কারণ কোনো ওষুধ রক্তে প্রবেশ না করলে এর মান শূন্য হতো, যা IV রুটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) ১ — এটি সঠিক কারণ IV রুটে ওষুধ শতভাগ শোষিত হয় এবং এর অনুপাত ১ হয়। C) ২ — এটি ভুল কারণ ওষুধের শোষণের মাত্রা কখনো ১ বা ১০০% এর বেশি হতে পারে না। D) ৩ — এটি ভুল কারণ এটি শোষণের অনুপাতের নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমার বাইরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: IV মানে সরাসরি রক্তে প্রবেশ, তাই এর ক্ষেত্রে মান হবে সবসময় ১।
a Lisinopril
b Metoprolol
c Losartan
d Atenolol
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Lisinopril কেন সঠিক: - লিসিনোপ্রিল হলো একটি এসি ইনহিবিটর যা এনজিওটেন্সিন কনভার্টিং এনজাইমের কার্যকারিতা রোধ করে রক্তনালী প্রসারিত করে। - এটি উচ্চ রক্তচাপ এবং হার্ট ফেইলিউর চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত একটি ওষুধ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lisinopril - এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি এসি ইনহিবিটর শ্রেণীর ওষুধ। B) Metoprolol - এটি একটি বিটা ব্লকার শ্রেণীর ওষুধ, যা হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ কমাতে কাজ করে। C) Losartan - এটি একটি এআরবি বা এনজিওটেন্সিন রিসেপ্টর ব্লকার শ্রেণীর ওষুধ, যা এসি ইনহিবিটর থেকে ভিন্ন। D) Atenolol - এটিও একটি বিটা ব্লকার শ্রেণীর ওষুধ, যা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: যেসকল ওষুধের নামের শেষেপ্রিল শব্দটি থাকে, সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সেগুলো এসি ইনহিবিটর শ্রেণীর ওষুধ হয়ে থাকে।
a Cyclohexene
b Octane
c Cyclopentene
d Pyrrole
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Pyrrole কেন সঠিক: - পাইরোল একটি হেটারোসাইক্লিক অ্যারোমেটিক যৌগ যা হাকেলের নিয়ম মানে এবং এর অণুতে ছয়টি পাই ইলেকট্রন আছে। - এর নাইট্রোজেন পরমাণুর লোন পেয়ার পাই ইলেকট্রন মেঘের সঙ্গে রেজোন্যান্সে অংশ নিয়ে অ্যারোমেটিক স্থায়িত্ব প্রদান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cyclohexene — এটি একটি সাইক্লিক অ্যালকিন এবং এর কোনো রেজোন্যান্স বা অ্যারোমেটিক ধর্ম নেই। B) Octane — এটি একটি মুক্ত শিকল বা অ্যালকেন হাইড্রোকার্বন, তাই এটি অ্যারোমেটিক হতে পারে না। C) Cyclopentene — এটি একটি সাধারণ চক্রাকার অ্যালকিন যাতে অ্যারোমেটিকতার প্রয়োজনীয় পাই ইলেকট্রন ও রেজোন্যান্স নেই। D) Pyrrole — এটি প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে একমাত্র যৌগ যা হাকেলের নিয়ম মেনে অ্যারোমেটিক বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে। মনে রাখার টিপস: হেটারোসাইক্লিক যৌগের মধ্যে পাইরোল, ফিউরান এবং থায়োফিন হলো এমন যৌগ যেখানে বিষম পরমাণুর লোন পেয়ার অ্যারোমেটিকটায় অংশ নেয়।
a Cefuroxime
b Ciprofloxacin
c Metronidazole
d All of them
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। সঠিক উত্তর হবে সিপ্রোফ্লক্সাসিন (Ciprofloxacin) অথবা এই প্রশ্নটিতে একাধিক ভুল তথ্য রয়েছে। কেন সঠিক: - ব্যাকটেরিয়া কোষ প্রাচীর সংশ্লেষণে বাধা দেয় পেনিসিলিন, সেফালোস্পোরিন ইত্যাদি অ্যান্টিবায়োটিক। - সিপ্রোফ্লক্সাসিন ডিএনএ রেপ্লিকেশনে বাধা দেয় এবং মেট্রোনিডাজল ডিএনএ ক্ষতি করে, যা কোষ প্রাচীর সংশ্লেষণের সাথে সম্পর্কিত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cefuroxime — এটি সেফালোস্পোরিন শ্রেণীর অ্যান্টিবায়োটিক যা ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর সংশ্লেষে সরাসরি বাধা দেয়। B) Ciprofloxacin — এটি ফ্লুরোকুইনোলোন শ্রেণীর অ্যান্টিবায়োটিক যা ব্যাকটেরিয়ার ডিএনএ গাইরেজ এনজাইমে বাধা দিয়ে ডিএনএ প্রতিলিপিতে বিঘ্ন ঘটায়, কোষ প্রাচীরে নয়। C) Metronidazole — এটি নাইট্রোমিডাজল অ্যান্টিবায়োটিক যা ব্যাকটেরিয়ার নিউক্লিক এসিড সংশ্লেষণে বাধা সৃষ্টি করে, কোষ প্রাচীরে কাজ করে না। D) All of them — যেহেতু সিপ্রোফ্লক্সাসিন ও মেট্রোনিডাজল কোষ প্রাচীর সংশ্লেষে বাধা দেয় না, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিক কোষ প্রাচীরে কাজ করে, আর কুইনোলোন বা মেট্রোনিডাজল ডিএনএ-তে কাজ করে।
a insulin
b Linagliptin
c Glimeperide
d A এবং C
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) insulin কেন সঠিক: - ইনসুলিন হলো একটি পেপটাইড হরমোন, যা মুখে খেলে পরিপাকতন্ত্রের গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড ও এনজাইমের প্রভাবে ভেঙে নষ্ট হয়ে যায়। - তাই এটি রক্তে কার্যকরভাবে পৌঁছানোর জন্য সাধারণত ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করাতে হয়, মুখে খাওয়া যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) insulin — এটি মুখে খাওয়া যায় না কারণ এটি পাকস্থলীতে এনজাইমের দ্বারা নষ্ট হয়ে যায়, তাই এটি সঠিক উত্তর। B) Linagliptin — এটি টাইপ টু ডায়াবেটিস চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি ওরাল বা মুখে খাওয়ার ওষুধ। C) Glimeperide — এটি একটি ওরাল অ্যান্টিডায়াবেটিক ওষুধ যা মুখে ট্যাবলেট হিসেবে সেবন করা হয়। D) A এবং C — যেহেতু শুধুমাত্র ইনসুলিন মুখে খাওয়া যায় না এবং গ্লিমিপাইরাইড মুখে খাওয়া যায়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ইনসুলিন হলো ইনজেকশনের ওষুধ, আর ডায়াবেটিসের বাকি অনেক বড় বড় বড়ি বা ট্যাবলেট মুখেই খাওয়া যায়।

মোট প্রশ্ন (20)

a তৎসম
b বিদেশী
c তদ্ভব
d দেশি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দেশি ১. কেন সঠিক: - 'চুলা' শব্দটি বাংলা ভাষার আদি নিবাসী কোল, মুণ্ডা বা দ্রাবিড় ইত্যাদি জনগোষ্ঠীর ভাষা থেকে এসেছে। - উৎসের দিক থেকে যে শব্দগুলোর মূল বা উৎস নির্দিষ্ট করে সংস্কৃত বা অন্য কোনো বিদেশি ভাষা হিসেবে নির্ণয় করা যায় না, সেগুলোকে দেশি শব্দ বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - দেশি শব্দ হলো সেসব শব্দ যা বাংলাদেশের আদি অধিবাসীদের ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। - বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যার একটি হলো দেশি শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুলা ব্যাখ্যা: এটি একটি দেশি শব্দ যা ধান পরিষ্কার করার কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এর উৎস আদিবাসী ভাষা। উদাহরণ ২: ঢেঁকি ব্যাখ্যা: ধান ভানার ঐতিহ্যবাহী দেশি যন্ত্র বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয় যার উৎস অস্ট্রিক ভাষা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎসম — তৎসম শব্দ হলো সেই সব শব্দ যা সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে, কিন্তু 'চুলা' সংস্কৃত শব্দ নয়। B) বিদেশী — বিদেশি শব্দ বলতে বোঝায় আরবি, ফার্সি, ইংরেজি বা পর্তুগিজ ইত্যাদি ভাষার শব্দ, যা 'চুলা' শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) তদ্ভব — তদ্ভব শব্দ প্রাকৃত বা অপভ্রংশের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে আসে, কিন্তু 'চুলা' প্রাকৃত থেকে আসেনি। D) দেশি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি আদিবাসী ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - রান্নার কাজে ব্যবহৃত পরিচিত গৃহস্থালি জিনিসপত্র যেমন চুলা, কুলা, ঢেঁকি ও কুঠার সাধারণত দেশি শব্দ হয়। - প্রাত্যহিক জীবনের সহজ শব্দগুলো চেনার মাধ্যমে দেশি শব্দ সহজেই আয়ত্ত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গৃহস্থালি সামগ্রী ও কৃষিকাজের নাম থেকে প্রায়ই দেশি শব্দ পরীক্ষাতে আসে। - কুলা, চুলা, ঢেঁকি, গঞ্জ, টোপর ইত্যাদি শব্দগুলো দেশি শব্দের উৎকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে মনে রাখবে।
a 3
b 2
c 4
d 5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ ১. কেন সঠিক: প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার, যথা: কৃৎ প্রত্যয় ও তদ্ধিত প্রত্যয়। নতুন শব্দ গঠনের জন্য প্রকৃতির সঙ্গে যে ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে প্রত্যয় বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয় ক্রিয়া প্রকৃতির সঙ্গে এবং তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয় নাম প্রকৃতির সঙ্গে। বাংলা ব্যাকরণে শব্দের গঠন ও উৎস বিশ্লেषণে প্রত্যয়ের এই দুই প্রকারভেদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চল + অন্ত = চলতি ব্যাখ্যা: এটি কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ কারণ চল ক্রিয়ামূলের সঙ্গে অন্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: মুখ + ইক = মৌখিক ব্যাখ্যা: এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ কারণ মুখ প্রাতিপদিকের সঙ্গে ইক প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ — তিন প্রকার প্রত্যয় ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়। B) ২ — এটি সঠিক কারণ প্রত্যয় কৃৎ ও তদ্ধিত এই দুই ভাগে বিভক্ত। C) ৪ — চার প্রকার সংখ্যাটি প্রত্যয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) ৫ — পাঁচ প্রকার সংখ্যাটি অন্য ব্যাকরণিক অংশের জন্য প্রযোজ্য হতে পারে, প্রত্যয়ের জন্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রত্যয় শব্দটিতে দুটি অক্ষর রয়েছে, তাই প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার। ক্রিয়া হলে কৃৎ আর নাম হলে তদ্ধিত মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কৃৎ প্রত্যয় সাধিত পদকে কৃদন্ত পদ বলা হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কৃৎ ও তদ্ধিত প্রত্যয় আলাদা করার প্রশ্ন আসে।
a ক্ষণগ্রহ
b খনগ্রহ
c ক্ষণপ্রভা
d খনপ্রভ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্ষণপ্রভা ১. কেন সঠিক: - ক্ষণপ্রভা শব্দটি একটি বিশুদ্ধ এবং অর্থপূর্ণ শব্দ যার অর্থ বিদ্যুৎ বা বিজলি। - বাংলা ব্যাকরণ ও প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের বানানটিতে মূর্ধন্য ণ এবং প-ফ-ব-ভ-ম এর পর প বর্গীয় ধ্বনি ব্যবহারের সঠিক নিয়ম অনুসৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি শব্দ গঠন ও বানান শুদ্ধি বিষয়ক ব্যাকরণগত প্রশ্ন। - প্রমিত বাংলা বানান নিয়ম অনুসারে তৎসম শব্দে ই-কার বা উ-কার যুক্ত র বা ঋ-কার এবং এর পরে ষ বা ন থাকলে সাধারণত মূর্ধন্য ণ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্ষণস্থায়ী ব্যাখ্যা: ক্ষণ শব্দের সাথে স্থায়ী যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ যা অল্পকাল স্থায়ী হয়। উদাহরণ ২: ক্ষণকাল ব্যাখ্যা: ক্ষণ শব্দের অর্থ অল্প সময়, তাই ক্ষণকাল বলতে অল্প সময় বা মুহূর্তকে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষণগ্রহ — এই বানানটি ভুল কারণ গ্রহ শব্দের সাথে ক্ষণ যুক্ত হয়ে প্রমিত কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ গঠন করে না। B) খনগ্রহ — এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ ক্ষণ শব্দের জায়গায় খন লেখা হয়েছে যা অর্থহীন এবং বানানরীতি বিরোধী। C) ক্ষণপ্রভা — এই অপশনটি সঠিক এবং এর বানান ও অর্থ উভয়ই প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী নির্ভুল। D) খনপ্রভ — এই বানানটি ভুল কারণ ক্ষণ শব্দের স্থলে খন লেখা হয়েছে যা ব্যাকরণগত ও প্রমিত রূপের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদ্যুৎ বা বিজলি বোঝাতে ক্ষণপ্রভা শব্দটি ব্যবহার করা হয় এবং এর শুরুতে সর্বদা ক্ষণ লেখা হয় খন নয়। - বানান মনে রাখার জন্য বিজলির অপর নাম হিসেবে ক্ষণপ্রভা শব্দটি বারবার লেখার চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রমিত বানান থেকে প্রশ্ন আসে, তাই সমাসবদ্ধ বা উপসর্গযুক্ত শব্দের সঠিক রূপ চেনা জরুরি। - এই ধরনের শব্দে ন এবং ণ এর সঠিক প্রয়োগ খেয়াল রাখতে হবে।
a কবিতার পংক্তিতে
b গল্পের সংলাপে
c গানের কলিতে
d নাটকের সংলাপে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাটকের সংলাপে ১. কেন সঠিক: - সাধু ভাষা হলো বাংলা ভাষার সেই রূপ যা মূলত গম্ভীর, তৎসম শব্দবহুল এবং লিখিত রূপের জন্য নির্ধারিত। - নাটকের সংলাপ স্বভাবতই চরিত্রগুলোর বাস্তবসম্মত মুখের ভাষা বা কথ্য রূপের কাছাকাছি হয়, যেখানে সাধু ভাষা ব্যবহার করলে কৃত্রিম ও অপ্রাকৃতিক শোনায়। ২. ব্যাকরণ ও ভাষা ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষার রূপ দুটি ভাগে বিভক্ত, যথা মুখের ভাষা বা চলিত রূপ এবং লেখার ভাষা বা সাধু রূপ। - সাধু ভাষার পদবিন্যাস ও ক্রিয়ার রূপ সুনির্দিষ্ট এবং পরিবর্তনশীল নয়, যা নাটকের বা গল্পের স্বাভাবিক সংলাপের উপযোগী নয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চলিত রূপ: তুমি কোথায় যাচ্ছো? নাটকে এই কথ্য রূপটিই ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: সংলাপকে জীবন্ত ও স্বাভাবিক করতে চলিত রূপ অপরিহার্য। উদাহরণ ২: সাধু রূপ: আপনি কোথায় গমন করিতেছেন? এটি নাটকে অপ্রাসঙ্গিক। ব্যাখ্যা: এই রূপটি নাটকের চরিত্রের সঙ্গে মানানসই নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবিতার পংক্তিতে — প্রাচীন ও মধ্যযুগের কাব্যে এবং উনিশ শতকের কবিতায় সাধু ভাষার বহুল ব্যবহার দেখা যায়। B) গল্পের সংলাপে — কিছু ক্ষেত্রে লেখকের বর্ণনায় বা ঐতিহ্যবাহী গল্পের সংলাপে সাধু ভাষা ব্যবহৃত হতে পারে। C) গানের কলিতে — বাংলা অনেক ধ্রুপদী গান ও ভক্তিমূলক গানে সাধু ভাষার সার্থক প্রয়োগ রয়েছে। D) নাটকের সংলাপে — নাটক মানুষের জীবন্ত মুখের ভাষার কাছাকাছি থাকে বলে এখানে সাধু ভাষা অনুপযোগী। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুখের ভাষা যেখানে প্রধান, সেখানে সাধু ভাষা অচল। নাটক ও উপন্যাসের সংলাপ সবসময় চলিত রীতিতে মানানসই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাধু ও চলিত রূপের পার্থক্য এবং এদের ব্যবহারের ক্ষেত্র থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
a কাঠ
b কটু
c কৃ
d গম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাঠ ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষা মূলত তিনটি উৎস থেকে আসা ধাতু নিয়ে গঠিত, যার মধ্যে 'কাঠ' একটি খাঁটি বাংলা বা দেশি ধাতু। - শব্দটির মূল রূপ বা ক্রিয়ামূল হলো কাঠ, যার সঙ্গে বিভক্তি যোগ করে বিভিন্ন ক্রিয়া পদ গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে ধাতু হলো ক্রিয়াপদের মূল অংশ বা যে অংশকে আর বিশ্লেষণ করা যায় না। - উৎস অনুসারে বাংলা ধাতু তিন প্রকার, যথা খাঁটি বাংলা ধাতু, সংস্কৃত ধাতু এবং বিদেশি ধাতু। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঠ ধাতু থেকে কাঠ + ও = কাটো ব্যাখ্যা: এটি একটি খাঁটি বাংলা ধাতু থেকে গঠিত ক্রিয়াপদের রূপ। উদাহরণ ২: নাচ ধাতু থেকে নাচ + ই = নাচি ব্যাখ্যা: নাচ হলো আরেকটি খাঁটি বাংলা বা দেশি ধাতু। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাঠ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি খাঁটি বাংলা ধাতু। B) কটু — এটি কোনো ধাতু নয়, বরং এটি একটি বিশেষণের রূপ যা কটু শব্দের অর্থ প্রকাশ করে। C) কৃ — এটি একটি সংস্কৃত ধাতু বা তৎসম ধাতু, যার অর্থ করা। D) গম — এটি একটি সংস্কৃত ধাতু বা তৎসম ধাতু, যার অর্থ গমন করা বা যাওয়া। ৫. মনে রাখার টিপস: - খাঁটি বাংলা ধাতু চেনার সহজ উপায় হলো এগুলো সাধারণত দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ কার্যবাচক শব্দ যেমন কাঠ, নাচ, বল, দেখ ইত্যাদি হয়। - সংস্কৃত ধাতুগুলো সাধারণত একটু জটিল রূপের হয় যেমন কৃ, গম, ভুজ ইত্যাদি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু থেকে প্রশ্ন এলে প্রথমে দেখতে হবে শব্দটি খাঁটি বাংলা নাকি সংস্কৃত। - বাংলা ধাতুগুলো সাধারণত কথ্য ভাষায় বেশি ব্যবহৃত হয় এবং এর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে সাধারণ ক্রিয়া গঠিত হয়।
a মুমুর্ষ
b মুমূর্ষু
c মুমর্ষু
d মুমূর্ষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুমূর্ষু ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটিতে প্রথম উ-কার এবং শেষ উ-কার দীর্ঘ এবং মাঝের উ-কার হ্রস্ব, যা বাংলা বানানরীতির সঠিক প্রয়োগ। - মুমূর্ষু শব্দের অর্থ যা মরতে বসেছে বা যার মৃত্যুর ইচ্ছা আছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী উপসর্গের নিয়ম বা বিশেষ শব্দের ক্ষেত্রে হ্রস্ব ও দীর্ঘ ই-কার এবং উ-কারের ব্যবহার নির্দিষ্ট থাকে। - এই শব্দটিতে প্রথম বর্ণে হ্রস্ব উ, দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঊ, তৃতীয় বর্ণে হ্রস্ব উ এবং চতুর্থ বর্ণে হ্রস্ব উ-কার যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শুশ্রূষা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের ক্ষেত্রে হ্রস্ব ও দীর্ঘ উ-কারের নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত নিয়ম পালিত হয়েছে। উদাহরণ ২: পিপাসা ব্যাখ্যা: এটিও একটি সমার্থক এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রমিত শুদ্ধ বানানযুক্ত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুমুর্ষ — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে কোনো দীর্ঘ উ-কার ব্যবহার করা হয়নি এবং বানানটি অসম্পূর্ণ। B) মুমূর্ষু — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতির সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। C) মুমর্ষু — এই অপশনটি ভুল কারণ এর প্রথম অংশে উ-কার ও দীর্ঘ উ-কারের সঠিক বিন্যাস নেই। D) মুমূর্ষ — এই অপশনটি ভুল কারণ এর শেষে প্রয়োজনীয় হ্রস্ব উ-কার বাদ দেওয়া হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুমূর্ষু বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো প্রথম ও শেষ অংশে হ্রস্ব উ এবং মাঝের অংশে দীর্ঘ ঊ ব্যবহার করা। - এটি একটি অত্যন্ত কমন বানান যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় এই ধরনের পেঁচানো বানান যেমন মুহূর্ত বা সান্ত্বনা বারবার আসে। - প্রমিত বানান শেখার জন্য বাংলা একাডেমির বানান অভিধান অনুসরণ করা সবচেয়ে নিরাপদ।
a চাক্ষুষ
b প্রত্যক্ষ
c জ্যাতিসার
d গোচর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গোচর ১. কেন সঠিক: - 'চোখের দ্বারা গৃহীত' বা যা চোখের সামনে অবস্থিত, তাকে এককথায় গোচর বলা হয়। - এখানে 'গোচর' শব্দটি দৃশ্যমান বা প্রত্যক্ষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যা ইন্দ্রিয়ের আওতাভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়া। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অক্ষির সমক্ষে বর্তমান ব্যাখ্যা: একে এককথায় প্রত্যক্ষ বলা হয়, যা চোখের সামনে ঘটিত বিষয়কে বোঝায়। উদাহরণ ২: যা পূর্বে দেখা যায়নি ব্যাখ্যা: এটিকে অদৃষ্টপূর্ব বলা হয়, যা এককথায় প্রকাশের একটি সুন্দর উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাক্ষুষ — চাক্ষুষ অর্থ যা চোখের দ্বারা দেখা হয়েছে, কিন্তু মূল প্রশ্নে 'চোখের দ্বারা গৃহীত' বোঝানো হয়েছে। B) প্রত্যক্ষ — প্রত্যক্ষ অর্থ যা অক্ষির সমক্ষে বা চোখের সামনে বিদ্যমান, যা গোচরের একটি ভিন্ন রূপ। C) জ্যাতিসার — জ্যাতিসার বলে বাংলা ব্যাকরণে কোনো মানসম্মত এককথায় প্রকাশ নেই, এটি বিভ্রান্তিকর অপশন। D) গোচর — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি 'চোখের দ্বারা গৃহীত' বা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য বিষয়কে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - গোচর শব্দটি এসেছে গোরু বা ইন্দ্রিয়ের যাতায়াত থেকে, যা চোখে দেখা যায় তা-ই গোচর। - চোখের সঙ্গে সম্পর্কিত শব্দগুলো মনে রাখতে চাক্ষুষ এবং প্রত্যক্ষের সূক্ষ্ম পার্থক্য খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য শব্দগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে। - একই অর্থের একাধিক শব্দ থাকলেও প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী সবচেয়ে উপযুক্ত শব্দটি নির্বাচন করতে হবে।
a পদ
b শব্দ
c বাক্য
d ধাতু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ধাতু ১. কেন সঠিক: ক্রিয়াপদের মূল অংশকে ধাতু বলা হয়। এটি ক্রিয়ার অবিভাজ্য মূল রূপ, যার সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিভিন্ন ক্রিয়াপদ গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যেসব মূল শব্দ বা শব্দমূলের সঙ্গে কাল ও পুরুষসূচক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়, তাকে ধাতু বলে। ধাতু তিন প্রকার, যথা মৌলিক ধাতু, সাধিত ধাতু ও সংযোগমূলক ধাতু। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পড় + আ = পড়া ব্যাখ্যা: এখানে পড় হলো ধাতু এবং তার সঙ্গে আ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: কর্ (কর) + ছ = করছ ব্যাখ্যা: এখানে কর হলো ধাতু যার সঙ্গে ছ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বর্তমানকালের ক্রিয়াপদ তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ — বাকе ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতুকে পদ বলে, যা ক্রিয়াপদের মূল অংশ নয়। B) শব্দ — অর্থবোধক ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি হলো শব্দ, যা ক্রিয়াপদের বিশেষ কোনো মূল অংশ বোঝায় না। C) বাক্য — একাধিক পদ মিলে যখন মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করে, তাকে বাক্য বলে। D) ধাতু — এটি ক্রিয়াপদের মূল অংশ বোঝায়, তাই এটি সঠিক অপশন। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্রিয়া শব্দের শুরুতে ক আছে এবং ধাতু শব্দের শেষে উ আছে, এভাবে মনে রাখতে পারো ক্রিয়া মানেই ধাতু। ক্রিয়াপদ তৈরি করতে সবার আগে ধাতুর প্রয়োজন হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। মৌলিক ধাতু চেনার উপায় হলো এটি স্বাধীন শব্দমূল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a অন্ধ অনুকরণ
b সাধারণ
c পরাধীন
d অসম্ভব কল্পনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অন্ধ অনুকরণ ১. কেন সঠিক: গড্ডলিকা প্রবাহ একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা। এর আক্ষরিক ও ভাবগত অর্থ হলো বিচারবুদ্ধিহীনভাবে অন্যের দেখাদেখি চলা বা অন্ধ অনুকরণ করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। গড্ডলিকা শব্দের অর্থ ভেড়া এবং প্রবাহ অর্থ স্রোত, অর্থাৎ ভেড়ার পালের মতো দলবেঁধে চলার প্রবণতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাজের সবাই বিদেশের প্রতি অন্ধ মোহ দেখায় বলেই আমরাও গড্ডলিকা প্রবাহে ভেসে যাচ্ছি। ব্যাখ্যা: এখানে কোনো নিজস্ব বিচারবুদ্ধি না রেখে অন্ধভাবে সমাজের অন্য সবার কাজকে অনুসরণ করার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: নিজের মেধা দিয়ে চিন্তা করো, অন্যের দেখাদেখি গড্ডলিকা প্রবাহে চলো না। ব্যাখ্যা: এখানে অন্ধভাবে অন্যের পথ অনুসরণ না করার উপদেশ দেওয়া হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্ধ অনুকরণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ গড্ডলিকা প্রবাহ বাগধারাটির নির্দিষ্ট ও সর্বজনস্বীকৃত অর্থ হলো অন্ধ অনুকরণ। B) সাধারণ — এই অপশনটি ভুল কারণ সাধারণ বলতে যা অসাধারণ নয় বা সহজ তা বোঝায়, যা বাগধারাটির অর্থের সঙ্গে মিলে না। C) পরাধীন — এই অপশনটি ভুল কারণ পরাধীন শব্দের অর্থ অন্যের অধীনে থাকা, যা গড্ডলিকা প্রবাহের ভাবার্থকে প্রকাশ করে না। D) অসম্ভব কল্পনা — এই অপশনটি ভুল কারণ অসম্ভব কল্পনা বলতে আকাশকুসুম বা অবাস্তব কিছু ভাবাকে বোঝায়, যা আলোচ্য বাগধারার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: গড্ডলিকা শব্দের মূল উৎস ভেড়া, আর ভেড়ার দল যেমন একটি ভেড়া এগোলে বাকিরাও অন্ধভাবে পেছনে যায়, তেমনি গড্ডলিকা প্রবাহ অর্থও অন্ধ অনুকরণ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার উৎস এবং সঠিক অর্থ প্রায়ই আসে। এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বাগধারার পেছনের গল্প বা আক্ষরিক অর্থ মনে রাখা সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
a ব্যাপ্তি
b বহুত্ব
c উৎকর্ষ
d ঈষৎ স্বল্পতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঈষৎ স্বল্পতা ১. কেন সঠিক: - 'মেঘে মেঘে' একটি শব্দদ্বৈত বা দ্বিরুক্ত শব্দ যা এখানে অল্প বা ঈষৎ স্বল্প পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। - মেঘে মেঘে বেলা হলো এই প্রচলিত বাকধারায় সময় গড়িয়ে যাওয়া বা অল্প স্বল্প করে সময় শেষ হওয়ার অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - দ্বিরুক্ত শব্দ বলতে একই শব্দ দুবার ব্যবহার করে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করাকে বোঝায়। - অনেক সময় দ্বিরুক্ত শব্দ পূর্ণাঙ্গ অর্থের পরিবর্তন ঘটিয়ে স্বল্পতা বা সামান্য ভাব প্রকাশ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘে মেঘে বেলা হলো। ব্যাখ্যা: এখানে মেঘে মেঘে শব্দদ্বৈতটি বেলা গড়িয়ে যাওয়ার বা স্বল্পতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: হাতে হাতে নগদ। ব্যাখ্যা: এই শব্দদ্বৈতটি তাৎক্ষণিক বা খুব দ্রুত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাপ্তি — ব্যাপ্তি বলতে কোনো কিছুর বিস্তার বা পরিধি বোঝায় যা এই শব্দদ্বৈতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) বহুত্ব — বহুত্ব বা অধিকতা বোঝাতে দ্বিরুক্ত শব্দের অন্য ব্যবহার হয় কিন্তু এখানে তা নেই। C) উৎকর্ষ — উৎকর্ষ শব্দের অর্থ উন্নতি বা শ্রেষ্ঠত্ব যা এই শব্দের অর্থ বহন করে না। D) ঈষৎ স্বল্পতা — এটি সঠিক কারণ এখানে মেঘে মেঘে বলতে অল্প বা ঈষৎ স্বল্প সময় বোঝানো হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মেঘে মেঘে বেলা হলো প্রবাদটি মনে রাখলেই বোঝা যায় এটি সময় বা পরিমাণের স্বল্পতা নির্দেশ করে। - দ্বিরুক্ত শব্দের অর্থ ভালোভাবে বুঝতে বাক্যের ভেতরের অন্তর্নিহিত ভাব দেখতে হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বিরুক্ত শব্দের অর্থগত ভিন্নতা থেকে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বাকধারায় ব্যবহৃত দ্বিরুক্ত শব্দের নির্দিষ্ট অর্থ ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a দ্বিরুক্ত শব্দে
b প্রত্যয়ে
c অনুসর্গে
d বিভক্তিতে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দ্বিরুক্ত শব্দে ১. কেন সঠিক: একই শব্দ বা পদ পাশাপাশি দুবার ব্যবহার করে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করা বা জোর দেওয়ার প্রক্রিয়াকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো শব্দ অভিন্নভাবে পরপর দুবার ব্যবহৃত হলে তা দ্বিরুক্ত শব্দে পরিণত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে দ্বিরুক্ত শব্দের অর্থ দুইবারুক্ত বা দুইবার বলা হয়েছে যা এমন শব্দ। পদের গঠন ও অর্থের দিক থেকে দ্বিরুক্ত শব্দ মূলত তিন ভাগে বিভক্ত যেমন পদের দ্বিরুক্তি, শব্দের দ্বিরুক্তি এবং অনুকার দ্বিরুক্তি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বনে ফুল ফুটেছে। ব্যাখ্যা: এখানে বন শব্দটির দ্বিরুক্তি ঘটেছে এবং এটি বহুবচন প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: জ্বরে মাথা ভ ভ করছে। ব্যাখ্যা: এখানে ধ্বনির অনুকরণে অনুকার দ্বিরুক্ত শব্দের ব্যবহার হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিরুক্ত শব্দে — এটি সঠিক উত্তর কারণ একই শব্দ পরপর দুবার ব্যবহার করলে দ্বিরুক্ত শব্দ গঠিত হয়। B) প্রত্যয়ে — প্রত্যয় হলো শব্দের শেষে নতুন বর্ণ বা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠনের প্রক্রিয়া যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) অনুসর্গে — অনুসর্গ হলো এমন শব্দ যা শব্দের পরে বসে কারক বা বিভক্তির কাজ করে এবং এটি দ্বিরুক্ত শব্দ নয়। D) বিভক্তিতে — বিভক্তি হলো বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে পদ গঠন করে এবং এটি অভিন্ন শব্দের দ্বিরূপ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: দ্বি শব্দের অর্থ দুই এবং উক্তি শব্দের অর্থ বলা। অর্থাৎ কোনো শব্দ দুবার বলা বা লেখা হলে তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দ্বিরুক্ত শব্দের প্রকারভেদ এবং এর অর্থ যেমন আধিক্য, পৌনঃপুনিকতা বা ক্ষুদ্রতা থেকে প্রশ্ন আসে। দ্বিরুক্ত শব্দ বাক্যে কীভাবে অর্থ পরিবর্তন করে তা ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a শিবরাত্রির আলো
b একমাত্র সঞ্চয়
c একমাত্র সন্তান
d শিবরাত্রির গুরুত্ব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একমাত্র সন্তান ১. কেন সঠিক: শিবরাত্রির সলতে বাগধারাটির প্রমিত ও পরীক্ষিত অর্থ হলো একমাত্র সন্তান বা একমাত্র বংশধর। শিবরাত্রির রাতে সারারাত প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখতে হয় এবং সাধারণত শেষপ্রহরে একটিমাত্র সলতেই অবশিষ্ট থাকে, যা থেকে এই রূপক অর্থের সৃষ্টি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বাগধারা, যা রূপক অর্থে বিশেষ কোনো স্থাবর বা নশ্বর পরিস্থিতির শেষ সম্বল বা একমাত্র অবলম্বন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। প্রাত্যহিক কথ্যভাষা ও সাহিত্যিক রচনায় এই বাগধারার বহুল ব্যবহার রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্ধ বৃদ্ধ পিতার একমাত্র অবলম্বন ওই ছেলেটি হলো তাদের বংশের শিবরাত্রির সলতে। ব্যাখ্যা: এখানে একমাত্র জীবিত সন্তানকে পরিবারের শেষ ভরসা হিসেবে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: দেউলিয়া হওয়া ব্যবসায়ীটির সম্বল বলতে ওই একটিমাত্র ছোট দোকান, যা তার ব্যবসার শিবরাত্রির সলতে। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যবসার শেষ অস্তিত্ব বা একমাত্র সম্বল বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিবরাত্রির আলো — এটি দ্বারা আক্ষরিক আলো বোঝানো হলেও বাগধারার রূপক অর্থ প্রকাশ পায় না। B) একমাত্র সঞ্চয় — এটি আংশিক অর্থের কাছাকাছি হলেও প্রমিত অর্থে সন্তান বা বংশের একমাত্র প্রদীপ বোঝাতে এটি প্রযোজ্য নয়। C) একমাত্র সন্তান — এটি সঠিক কারণ এটি বাগধারার সর্বজনগ্রাহ্য ও ব্যাকরণগতভাবে অনুমোদিত অর্থ। D) শিবরাত্রির গুরুত্ব — এটি একটি সাধারণ ধারণা মাত্র, যা এই নির্দিষ্ট বাগধারার কোনো অর্থ বহন করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: শিবরাত্রি মানে শিবের বিশেষ পূজা এবং সলতে মানে বাতি। পূজা উপলক্ষে রাতের বেলা জ্বালানো শেষ বাতি যেভাবে অন্ধকারের একমাত্র আলো, তেমনি পরিবারের একমাত্র সন্তানও বংশের শেষ আলো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের রূপকধর্মী বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়। বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ না ধরে এর ভেতরের ভাবার্থ বা রূপক অর্থ মনে রাখতে হবে।
a দ্বিপ
b মৃগ
c মাতঙ্গ
d গজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মৃগ ১. কেন সঠিক: - হরিণ শব্দের সবচেয়ে প্রচলিত ও প্রমিত সমার্থক শব্দ হলো মৃগ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অর্থ ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডার থেকে এই প্রশ্নটি করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন সব শব্দ যেগুলোর অর্থ একই বা প্রায় এক। - ব্যাকরণের শব্দার্থ প্রকরণ অংশে বিভিন্ন প্রাণী, প্রকৃতি ও বস্তুর সমার্থক শব্দ মুখস্থ রাখতে হয় এবং বাক্য গঠনে সঠিক প্রয়োগ জানতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুরঙ্গ ব্যাখ্যা: এটি হরিণের অপর একটি প্রাচীন ও বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: সারঙ্গ ব্যাখ্যা: এটিও কাব্যসাহিত্যে হরিণের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিপ — দ্বিপ শব্দের অর্থ যা দুটি পক্ষ বা দ্বীপ ধারণ করে অথবা হাতি, এটি হরিণের সমার্থক নয়। B) মৃগ — এটি সঠিক উত্তর এবং হরিণের সমার্থক শব্দ। C) মাতঙ্গ — মাতঙ্গ শব্দের অর্থ হাতি, যা হরিণের সমার্থক শব্দ নয়। D) গজ — গজ শব্দের অর্থ হাতি, তাই এটি হরিণের সমার্থক হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - হরিণ শব্দের সাথে মৃগ শব্দটির মিল মনে রাখার জন্য কবি কাজী নজরুল ইসলাম বা প্রাচীন কাব্যের মৃগয়া শিকার শব্দটির সাহায্য নিতে পারো। - বন্য পশুর সমার্থক শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাণীবাচক শব্দের সমার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। - হাতি, ঘোড়া, সিংহ এবং হরিণের সমার্থক শব্দগুলো একসঙ্গে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a শিরোচ্ছেদ
b শিরচ্ছেদ
c শিরচ্ছেদ
d শিরশেদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শিরচ্ছেদ ১. কেন সঠিক: শিরচ্ছেদ শব্দটির অর্থ মাথা কেটে ফেলা বা মুণ্ডচ্ছেদ করা। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে বিসর্গের পর চ বা ছ থাকলে বিসর্গের পরিবর্তে তালব্য শ হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। বিসর্গের (ঃ) পরে চ কিংবা ছ থাকলে বিসর্গের স্থানে তালব্য শ (শ) বসে। এখানে শিরঃ যোগ ছেদ মিলে শিরচ্ছেদ শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহঃ যোগ চর্য = অহরচর্য বা অহশ্চর্য। ব্যাখ্যা: বিসর্গের নিয়ম অনুযায়ী এখানে চ থাকার কারণে সন্ধি সাধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: নিঃ যোগ চয় = নিশ্চয়। ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর চ থাকায় বিসর্গ রূপান্তরিত হয়ে তালব্য শ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিরোচ্ছেদ — এটি ভুল বানান কারণ বিসর্গের পরিবর্তে এখানে ও-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত। B) শিরচ্ছেদ — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুসারে পরীক্ষণে এটিই গ্রহণযোগ্য। C) শিরচ্ছেদ — এই অপশনটি সঠিক উত্তরের অনুরূপ হলেও প্রশ্নে চিহ্নিত অপশনের বিন্যাস অনুযায়ী এটি বি হিসেবে গণ্য। D) শিরশেদ — এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ এখানে শ-এর পরিবর্তে শেদ লেখা হয়েছে এবং বানানরীতি লঙ্ঘিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বিসর্গের পর চ বা ছ থাকলে সর্বদা তালব্য শ বসবে এই সূত্রটি মনে রাখবে। শিরঃ শব্দের সঙ্গে ছেদ যুক্ত করার সময় মাঝখানে কোনো ও-কার আসবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। একই নিয়মে মনঃ যোগ ছেদ মিলে মনুচ্ছেদ বা নিঃখাদ শব্দের মতো বানানগুলো চর্চা করতে পারো।
a আরবি
b ফারসি
c তুর্কি
d পর্তুগিজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফারসি ১. কেন সঠিক: - 'পাইকারি' শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - পাইকারি শব্দের অর্থ হলো মূলত এককালীন বা একসাথে অনেক পণ্য বিক্রয় করা, যা খুচরা শব্দের বিপরীত। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। - ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো বাংলা শব্দভাণ্ডারকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ করেছে এবং এগুলো মূলত প্রশাসন, আইন, ব্যবসা ও সংস্কৃতি সংক্রান্ত শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চশমা ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ফারসি শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে চোখে পরার মতো একটি বস্তু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কারখানা ব্যাখ্যা: এটি উৎপাদন বা কাজের জায়গাকে নির্দেশ করে এবং এটি একটি প্রচলিত ফারসি শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — আরবি ভাষা থেকে নামাজ, রোজা, কলম ইত্যাদি শব্দ বাংলায় এসেছে কিন্তু পাইকারি আরবি শব্দ নয়। B) ফারসি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ফারসি ভাষার শব্দ হিসেবে সম্পূর্ণভাবে সঠিক ও প্রযোজ্য। C) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে দারোগা, তোপ, চাকর ইত্যাদি শব্দ এসেছে তবে পাইকারি তুর্কি শব্দ নয়। D) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে আনারস, চাবি, বালতি ইত্যাদি শব্দ আসলেও পাইকারি পর্তুগিজ শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ব্যবসা ও বাণিজ্য সংক্রান্ত অনেক শব্দ যেমন পাইকারি, আমদানি, রপ্তানি ফারসি ভাষা থেকে আমাদের ভাষায় প্রবেশ করেছে। - ব্যবসার হিসাব-নিকোট মনে রাখতে পাইকারি শব্দটিকে ফারসি হিসেবে তালিকাভুক্ত করে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই ফারসি, আরবি ও পর্তুগিজ শব্দের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। - খুচরা এবং পাইকারি শব্দ দুটির উৎস এবং অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই জাতীয় শব্দার্থের প্রশ্নে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a ২ টি
b ৩ টি
c ৪ টি
d ৫ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ টি ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষার গদ্যরীতি প্রধানত দুটি ভাগে বিভক্ত, যা হলো সাধু রীতি ও চলিত রীতি। - গেম বা লেখার কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে এই দুটি রূপ বাংলা গদ্যে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সাধু রীতি হলো তৎসম শব্দবহুল, দীর্ঘ ক্রিয়াপদ ও সর্বনামযুক্ত লিখিত গদ্যরীতি। - চলিত রীতি হলো প্রমিত, সহজবোধ্য, পরিবর্তিত রূপ ও সংক্ষিপ্ত ক্রিয়াপদযুক্ত কথ্য ও লিখিত গদ্যরীতি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার বয়স হইয়াছে, কিন্তু বুদ্ধি হয় নাই। ব্যাখ্যা: এটি সাধু রীতির বাক্য, কারণ এখানে হইয়াছে ও হয় নাই ক্রিয়াপদের দীর্ঘ রূপ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: তার বয়স হয়েছে, কিন্তু বুদ্ধি হয়নি। ব্যাখ্যা: এটি চলিত রীতির বাক্য, কারণ এখানে হয়েছে ও হয়নি সংক্ষিপ্ত ও সহজ রূপ ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ টি — এটি সঠিক কারণ বাংলা গদ্যরীতি মাত্র দুটি namely সাধু ও চলিত। B) ৩ টি — এটি ভুল কারণ গদ্যরীতি তিনটি নয়, পদ বা অন্য কোনো ব্যাকরণিক বিষয় তিন প্রকার হতে পারে। C) ৪ টি — এটি ভুল কারণ গদ্যরীতির সংখ্যা চার হতে পারে না। D) ৫ টি — এটি ভুল কারণ বাংলা গদ্যরীতির কোনো শ্রেণিবিভাগে পাঁচটি রূপ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলা গদ্য দুই ভাগে বিভক্ত, মনে রাখার জন্য মাথায় রাখবে সাধু ও চলিত দুটি প্রধান ধারা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই গদ্যরীতির সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়, যার উত্তর সর্বদা দুটি হবে।
a উক্ত
b বুনন
c বপন
d গুপ্ত
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: এককথায় প্রকাশ সঠিক উত্তর: A) উক্ত ১. কেন সঠিক: - 'যা বপন করা হয়েছে' এর প্রমিত ও ব্যাকরণসম্মত এককথায় প্রকাশ হলো 'উক্ত'। - এখানে 'বপন' বলতে বীজ ছড়ানো বা রোপণ করা বোঝায়, আর তার ফলশ্রুতি বা প্রকাশিত রূপ হলো 'উক্ত'। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ হলো বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ যা ভাষাকে সুন্দর ও সাবলীল করে। - এটি মূলত বাক্য সংকোচন বা ভাবসংক্ষেপের অংশ যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা বলা হয়েছে = উক্ত ব্যাখ্যা: এটি বক্তার বক্তব্য বা প্রকাশিত কোনো বিষয়কে এককথায় প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: যা পূর্বে বলা হয়েছে = পূর্বোক্ত ব্যাখ্যা: কোনো লেখার আগের অংশে উল্লেখ করা হয়েছে এমন বিষয় বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উক্ত — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ যা বপন বা বলা হয়েছে। B) বুনন — এর অর্থ কোনো কিছু বোনার কাজ, যা বপন করার সমার্থক নয়। C) বপন — এটি নিজেই প্রশ্ন ব্যবহৃত মূল শব্দ, যার অর্থ বীজ ছড়ানো। D) গুপ্ত — এর অর্থ যা লুকিয়ে রাখা হয়েছে, যা বপন করার বিপরীতার্থক। ৫. মনে রাখার টিপস: - বপন করা বা বলার সাথে 'উক্ত' শব্দটি যুক্ত থাকে। - মিল রেখে মনে রাখতে পারো যে যা রোপণ বা বপন করা হয় তা প্রকাশিত বা উক্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ এবং বাক্যের ভাবার্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। - এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রিপিট হয়।
a বিশেষ্য
b বিশেষণ
c সর্বনাম
d ক্রিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশেষ্য ১. কেন সঠিক: - সিক্ত নীলাম্বরী একটি বিশেষ্য পদ কারণ এটি একটি বিশেষ পোশাক বা বস্তুর নাম বোঝায়। - এখানে নীলাম্বরী শব্দটি বিশেষণ হিসেবে না বসে স্বয়ং একটি বিশেষ্য হিসেবে নির্দিষ্ট বস্তু বা সৃষ্টিকে নির্দেশ করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে শব্দ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, স্থান, ভাব বা গুণের নাম বোঝায় তাকে বিশেষ্য পদ বলে। - পদ প্রকরণে অনেক সময় বিশেষণ শব্দ প্রত্যয় যোগে বা রূপান্তরের মাধ্যমে বিশেষ্য পদে রূপান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নীল আকাশ একটি সুন্দর দৃশ্য। ব্যাখ্যা: এখানে নীল শব্দটি আকাশ বিশেষ্যের পূর্বে বসে বিশেষণ হলেও নীলাম্বরী একটি স্বতন্ত্র নাম পদ। উদাহরণ ২: সবুজ ঘাস মাঠটিকে ঢেকে রেখেছে। ব্যাখ্যা: সবুজ প্রকৃতি বা রঙের নাম হিসেবে বিশেষ্য হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি নাম পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। B) বিশেষণ — এটি দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে না বরং নাম বুঝিয়েছে। C) সর্বনাম — এটি বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় না। D) ক্রিয়া — এটি দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দ যদি কোনো বস্তু বা সৃষ্টির নির্দিষ্ট নাম বোঝায়, তবে তা বিশেষ্য হবে। - রূপক বা বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত নাম পদ সর্বদা বিশেষ্য হিসেবে গণ্য হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদ নির্ণয়ের সময় বাক্যের অর্থ এবং পদের কার্যকারিতা গভীরভাবে লক্ষ্য করতে হবে। - শব্দরূপের পরিবর্তনের ফলে পদের শ্রেণি পরিবর্তন হতে পারে, যা সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।
a আনারস
b রিকশা
c হরতাল
d চা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আনারস ১. কেন সঠিক: - আনারস একটি পর্তুগিজ শব্দ যা ষোড়শ শতাব্দীতে পর্তুগিজ বণিকদের মাধ্যমে বাংলায় প্রবেশ করেছে। - পর্তুগিজরা সমুদ্রপথে ভারতীয় উপমহাদেশে আসার পর তাদের ব্যবহৃত অনেক দৈনন্দিন সামগ্রী ও সংস্কৃতির শব্দ বাংলা ভাষায় যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার শব্দের উৎস বা শব্দার্থগত শ্রেণিবিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যেখানে বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোকে বিদেশি শব্দ বলা হয়। - পর্তুগিজ ভাষার শব্দগুলো মূলত ধর্ম, বাণিজ্য, খাদ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাদ্রি ব্যাখ্যা: এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা খ্রিস্টধর্মীয় যাজককে বোঝাতে বাংলায় ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: বালতি ব্যাখ্যা: এটিও একটি পর্তুগিজ শব্দ যা দৈনন্দিন ব্যবহারের একটি পাত্র বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনারস — এটি পর্তুগিজ শব্দ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে। B) রিকশা — এটি জাপানি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত একটি জনপ্রিয় শব্দ। C) হরতাল — এটি একটি গুজরাটি শব্দ যা বাংলায় রাজনৈতিক আন্দোলনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। D) চা — এটি একটি চীনা শব্দ যা বাংলায় পানীয় অর্থে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার জন্য খাদ্য ও পোশাক সংক্রান্ত শব্দগুলোকে আলাদা করতে পারো। - আনারস, পেঁপে, গামছা, চাবি—এগুলো প্রায়ই পরীক্ষায় আসা প্রধান পর্তুগিজ শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস থেকে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - পর্তুগিজ ও ওলন্দাজ শব্দের পার্থক্যগুলো ভালোভাবে রপ্ত করতে হবে।
a ২১ টি
b ২০ টি
c ১৯ টি
d ২৩ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২১ টি ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে খাঁটি বাংলা বা দেশি উপসর্গ রয়েছে একুশটি। উপসর্গগুলো স্বাধীনভাবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে না পারলেও শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ বা শব্দাংশ মূল শব্দের আগে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন, সংকোচন বা সম্প্রসারণ ঘটায় তাকে উপসর্গ বলে। বাংলা ভাষায় মোট একুশটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ রয়েছে যা মুখস্থ রাখার জন্য নির্দিষ্ট তালিকা রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনাদর ব্যাখ্যা: মূল শব্দ আদরের আগে অনা উপসর্গ যুক্ত হয়ে বিপরীতার্থক নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: পাতিহাঁস ব্যাখ্যা: হাঁস শব্দের আগে পাতি উপসর্গ যুক্ত হয়ে ছোট বা ক্ষুদ্র অর্থে নতুন শব্দ তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১ টি — এটি সঠিক কারণ বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী খাঁটি বাংলা উপসর্গ নির্দিষ্টভাবে একুশটি। B) ২০ টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ এটি বাংলা উপসর্গের মোট সংখ্যা প্রকাশ করে না। C) ১৯ টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা কুড়িটি, একুশটি নয়। D) ২৩ টি — এই সংখ্যাটি কোনো স্বীকৃত ব্যাকরণিক নিয়ম অনুযায়ী বাংলা উপসর্গের সংখ্যা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: খাঁটি বাংলা একুশটি উপসর্গ মনে রাখার একটি ছন্দময় লাইন হলো অঘা অজ অনা আ আর্ক সু নি পাতি বি ভর রাম সর্ হা হা হাড় রাম ইত্যাদি। সংক্ষেপে একুশ সংখ্যাটি মনে রাখতে অঘা অজ অনা আ এই চারটি শব্দ দিয়ে শুরু হওয়া তালিকাটি বারবার চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই খাঁটি বাংলা ও সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন আসে। সংস্কৃত উপসর্গ কুড়িটি এবং খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

মোট প্রশ্ন (21)

a on
b of
c to
d at
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to কেন সঠিক: - কোনো নির্দিষ্ট ভূখণ্ড সীমার বাইরে অবস্থিত স্থান বোঝাতে প্রিপজিশন to ব্যবহৃত হয়। - বাংলাদেশ এবং বঙ্গোপসাগর দুটি পৃথক ভূখণ্ড হওয়ায় এখানে边界ের বাইরের অবস্থান বোঝাতে to সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — ভূখণ্ডের ভেতরে সীমার ওপর কোনো কিছু অবস্থিত বোঝালে on বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) of — সম্বন্ধ বা র বোঝাতে of ব্যবহৃত হয়, যা স্থান নির্দেশ করতে বসে না। C) to — সঠিক উত্তর, কারণ এটি সীমার বাইরে অবস্থিত কোনো স্থান নির্দেশ করে। D) at — কোনো নির্দিষ্ট ছোট স্থান বা বিন্দুর অবস্থান বোঝাতে at বসে, যা দেশের দক্ষিণের বিশাল জলরাশির জন্য উপযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: সীমার ভেতরে থাকলে in, সীমার গায়ে লাগোয়া হলে on এবং সীমার সম্পূর্ণ বাইরে দূরে অবস্থিত হলে to বসে।
a Hostile
b Unfriendly
c Meek
d Amiable
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Amiable কেন সঠিক: - 'Cordial' শব্দের বাংলা অর্থ হলো আন্তরিক, হৃদ্যতাপূর্ণ বা উষ্ণ স্বভাবের। - প্রদত্ত সঠিক উত্তর 'Amiable'-এর অর্থ হলো অমায়িক বা বন্ধুভাবাপন্ন, যা মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hostile — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ শত্রুভাবাপন্ন বা অমিত্রসুলভ, যাCordial শব্দের বিপরীত। B) Unfriendly — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ বন্ধনহীন বা unfriendly, যা cordial শব্দের সমার্থক নয়। C) Meek — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ নরম বা বিনয়ী, যা আন্তরিকতার চেয়ে ব্যক্তিত্বের নম্রতা প্রকাশ করে। D) Amiable — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ অমায়িক বা বন্ধুভাবাপন্ন, যা cordial শব্দের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Cordial মানুষের হার্ট বা হৃদয় পরিষ্কার থাকে, তাই তাদের আচরণ Amiable বা বন্ধুভাবাপন্ন হয়।
a Noun
b Preposition
c Adverb
d Adjective
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Adverb কেন সঠিক: - এখানে arrives একটি intransitive verb এবং late শব্দটি বুঝাচ্ছে সে কখন বা কীভাবে পৌঁছায়। - verb-কে কখন (when) প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা Adverb of Time হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Noun — Noun হতে হলে শব্দটিকে কোনো ব্যক্তি, বস্তু, স্থান বা ধারণার নাম হতে হতো, যা এখানে নয়। B) Preposition — Preposition হতে হলে শব্দটির পরে কোনো Noun বা Pronoun থাকতে হতো এবং সম্পর্ক বোঝাতে হতো, যা এখানে নেই। C) Adverb — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি verb-কে modify করছে। D) Adjective — Adjective হতে হলে শব্দটিকে কোনো Noun বা Pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করতে হতো, কিন্তু এখানে late শব্দটি arrives verb-কে মডিফাই করছে। মনে রাখার টিপস: verb-কে কখন বা কীভাবে প্রশ্ন করে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত Adverb হয়।
a loyal
b faithful
c unfaithful
d reliable
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) unfaithful কেন সঠিক: - Treacherous শব্দের অর্থ বিশ্বাসঘাতক, কপট বা অবিশ্বাসী। - Unfaithful শব্দটির অর্থও অবিশ্বাসী বা যার ওপর ভরসা করা যায় না, যা মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) loyal — এর অর্থ অনুগত, যা treacherous শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ। B) faithful — এর অর্থ বিশ্বস্ত, যা treacherous শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) unfaithful — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ অবিশ্বাসী বা বিশ্বাসঘাতক। D) reliable — এর অর্থ নির্ভরযোগ্য, যা treacherous শব্দের ঠিক উল্টো অর্থ দেয়। মনে রাখার টিপস: Treacherous শব্দের শুরুতে Treach আছে, যা Cheat বা প্রতারণার কথা মনে করিয়ে দেয়। প্রতারক ব্যক্তিরাই স্বভাবগতভাবে unfaithful বা অবিশ্বাসী হয়।
a took
b talking
c take
d would take
ব্যাখ্যাঃ
**সঠিক উত্তর:** B) talking (দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত উত্তরে 'talking' উল্লেখ থাকলেও, 'tea' পানের ক্ষেত্রে সঠিক শব্দ হবে 'taking'। তাই প্রশ্ন বা উত্তরের টাইপিং ভুলের কারণে সঠিক উত্তর হবে C) take)। **কেন সঠিক:** - ইংরেজিতে 'am/is/are/was/were used to'-এর পর যদি কোনো verb বসে, তবে তার সঙ্গে ing যুক্ত হয়। - কিন্তু এখানে অপশনে 'talking' (কথা বলা) দেওয়া হয়েছে, যা 'tea' (চা) শব্দের সঙ্গে অর্থগতভাবে অসংগত। **বাকি অপশন কেন ভুল:** A) took — এটি verb-এর Past form, যা নিয়মানুযায়ী এখানে বসতে পারে না। B) talking — এর অর্থ কথা বলা, যা চায়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় (এটি মূলত টাইপিং মিস্টেক বা বিভ্রান্তিকর উত্তর হিসেবে এসেছে)। C) take — 'used to' (অভ্যস্ত অর্থে) এর পর সরাসরি verb-এর base form বসে, চা পানের ক্ষেত্রে এটি সঠিক উত্তর হওয়ার কথা ছিল। D) would take — 'used to'-র আগে সাহায্যকারী verb থাকলে 'would' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। **মনে রাখার টিপস:** be used to-এর পর verb-এর সঙ্গে ing বসে, তবে অর্থ যেন বাক্যের বাকি অংশের সঙ্গে মিলে যায় তা খেয়াল রাখতে হবে।
a Put out
b Put off
c Put in
d Put for
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Put off কেন সঠিক: - 'Put off' একটি ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ কোনো কিছু খুলে ফেলা, বিশেষ করে জামাকাপড় বা জুতো। - ঘরের ভেতরে প্রবেশের আগে জুতো খুলে ফেলার নির্দেশ বোঝাতে এখানে সঠিক ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে 'Put off' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Put out — এর অর্থ নিভিয়ে ফেলা, যা আগুন বা প্রদীপের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং এখানে জুতো খোলার অর্থে বেমানান। B) Put off — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ঘরের ভেতরে প্রবেশের আগে জুতো খোলার ক্ষেত্রে সঠিকভাবে প্রযোজ্য। C) Put in — এর অর্থ ভেতরে রাখা বা স্থাপন করা, যা জুতো খোলার পরিবর্তে ভেতরে রাখার উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। D) Put for — এমন কোনো অর্থপূর্ণ প্রচলিত ফ্রেজাল ভার্ব ইংরেজিতে সাধারণত ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: গায়ে থাকা পোশাক বা পায়ে থাকা জুতো শরীর থেকে আলাদা করা বা খোলার ক্ষেত্রে 'Put off' ফ্রেজাল ভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
a in
b at
c on
d of
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) on কেন সঠিক: - নির্দিষ্ট কোনো দিন বা বারের পূর্বে প্রিপজিশন হিসেবে অন বসে। - ফ্রাইডে একটি নির্দিষ্ট বার হওয়ায় এর পূর্বে অন ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — মাস, বছর বা ঋতুর নামের পূর্বে প্রিপজিশন হিসেবে ইন বসে, তাই এখানে ভুল। B) at — নির্দিষ্ট সময় বা ঘড়ির সময়ের পূর্বে প্রিপজিশন হিসেবে অ্যাট বসে, তাই এখানে ভুল। C) on — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) of — অধিকার বা উৎস বোঝাতে অব ব্যবহৃত হয়, তাই সময়ের ক্ষেত্রে এখানে ভুল। মনে রাখার টিপস: বার ও তারিখের নামের আগে সর্বদা অন বসে।
a Alien
b Patriot
c Expatriate
d Cosmopolitan
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Expatriate কেন সঠিক: - নিজের দেশ ছেড়ে স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে অন্য দেশে বসবাসকারী ব্যক্তিকে Expatriate বা প্রবাসী বলা হয়। - কানাডায় বসবাসকারী বাংলাদেশি ব্যক্তি এই সংজ্ঞার আওতাভুক্ত হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Alien — এর অর্থ ভিনগ্রহের প্রাণী বা আইনগতভাবে অন্য দেশের নাগরিক, তবে এটি সাধারণত অভিবাসী প্রবাসীর ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য নয়। B) Patriot — এর অর্থ দেশপ্রেমিক, যা নিজের দেশের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে কিন্তু বিদেশে বসবাস বোঝায় না। C) Expatriate — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) Cosmopolitan — এর অর্থ বিশ্বনাগরিক, যিনি গোটা পৃথিবীকে নিজের দেশ মনে করেন এবং কোনো নির্দিষ্ট দেশের সীমানায় আবদ্ধ নন। মনে রাখার টিপস: নিজ দেশ থেকে এক্সিট (Exit) করে অন্য দেশে প্যাট্রিয়াট বা বসবাস করা ব্যক্তিকে Expatriate বা প্রবাসী বলা হয়।
a missle
b missile
c misile
d messile
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) missile কেন সঠিক: - বানানটির সঠিক রূপ হলো M-I-S-S-I-L-E, যার অর্থ ক্ষেপণাস্ত্র। - এই শব্দটিতে ডাবল এস (ss) এবং আই (i) এর সঠিক বিন্যাস রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) missle — এই বানানে শেষের দিকে আই (i) বর্ণটি বাদ পড়েছে তাই এটি ভুল। B) missile — এটি সঠিক বানান এবং প্রদত্ত প্রশ্নের কাঙ্ক্ষিত উত্তর। C) misile — এই বানানে এস (s) বর্ণটি একটির বদলে দুটি হওয়ার কথা ছিল কিন্তু এখানে একটি দেওয়া হয়েছে। D) messile — এই বানানের শুরুতে আই (i) এর পরিবর্তে ই (e) ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। মনে রাখার টিপস: মিসাইল বানানে ডাবল এস এবং দুটি আই আছে, এভাবে মনে রাখতে পারেন এম-আই-এস-এস-আই-এল-ই।
a for
b to
c of
d on
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) for কেন সঠিক: - বাক্যে কোনো কাজের উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে preposition হিসেবে for ব্যবহৃত হয়। - এখানে কী উদ্দেশ্যে কাজটি করা হয়েছে তা প্রকাশ করতে What did you do it for প্রশ্নটি করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — এটি সঠিক কারণ এটি কোনো কাজের উদ্দেশ্য বা কারণ নির্দেশ করে। B) to — এটি সাধারণত গতি, দিক বা লক্ষ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) of — এটি অধিকার বা উৎস বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে সংগত নয়। D) on — এটি সাধারণত কোনো কিছুর ওপর অবস্থান বা নির্দিষ্ট দিন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: কাজের উদ্দেশ্য বা কারণ জানতে চাইলে বাক্যের শেষে সাধারণত for preposition ব্যবহার করা হয়।
a Able
b Ableness
c Ably
d Enable
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Enable কেন সঠিক: - Ability শব্দের অর্থ সামর্থ্য বা যোগ্যতা, যা একটি নাউন। এর সঠিক ভার্ব ফর্ম হলো Enable যার অর্থ সমর্থ করা বা সুযোগ তৈরি করা। - শব্দের পূর্বে en প্রিফিক্স যুক্ত করে সাধারণত নাউন বা এডজেক্টিভ থেকে ভার্ব গঠন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Able — এটি একটি এডজেক্টিভ যার অর্থ সক্ষম, তাই এটি সঠিক ভার্ব ফর্ম নয়। B) Ableness — এটি একটি নাউন যা ক্ষমতা বোঝায়, তবে এটি প্রচলিত বা মানসম্মত শব্দ নয়। C) Ably — এটি একটি এডভার্ব যার অর্থ দক্ষতার সাথে, তাই এটি ভার্ব হতে পারে না। D) Enable — এটি একটি সঠিক ভার্ব ফর্ম যা কোনো কিছু করার যোগ্যতা বা সামর্থ্য দান করা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দের শুরুতে en যোগ করে ভার্ব তৈরি করা যায়, যেমন Able থেকে Enable।
a on
b by
c after
d off
ব্যাখ্যাঃ
**বিষয়:** ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: A) on কেন সঠিক: - 'Trip on' একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব, যার অর্থ দ্রুত বা অজান্তেই সময় কেটে যাওয়া। - বাক্যে বলা হয়েছে তারা আনন্দের সাথে কথা বলার সময় সময় দ্রুত কেটে গেল, তাই এখানে সঠিক উত্তর 'on'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'trip on' সময় পার হয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। B) by — 'Trip by' নির্দিষ্ট কোনো অর্থ প্রকাশ করে না এবং এটি প্রচলিত ফ্রেজাল ভার্ব নয়। C) after — 'Trip after' ধারাবাহিকতা বোঝালেও এই বাক্যের ভাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) off — 'Trip off' বলতে সাধারণত কোনো কিছু থেকে স্খলিত হওয়া বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: আনন্দময় মুহূর্তে সময় দ্রুত কেটে যায় বোঝাতে 'trip on' ব্যবহার করা হয়।
a Henry James
b George Bernard Shaw
c John Milton
d Charles Dickens
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) George Bernard Shaw কেন সঠিক: - 'Man and Superman' নাটকটি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ এর একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম। - এটি ফ্রাঁসোয়া মারি আরুয়ে ভলতেয়ার এর নাটকের বিষয়বস্তু এবং ডন জুয়ান কিংবদন্তির আধুনিক ও দার্শনিক রূপান্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Henry James — তিনি একজন আমেরিকান বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও সমালোচক ছিলেন, এই নাটকের রচয়িতা নন। B) George Bernard Shaw — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তিনি এই বিখ্যাত দার্শনিক নাটকের রচয়িতা। C) John Milton — তিনি সপ্তদশ শতকের বিখ্যাত ইংরেজ কবি ও মহাকাব্যিক রচয়িতা, যিনি এই নাটকের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। D) Charles Dickens — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক ছিলেন, কোনো নাটক রচয়িতা হিসেবে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত নন। মনে রাখার টিপস: সুপারম্যান চরিত্রের মতো অতিমানবীয় দর্শন নিয়ে নাটক লিখেছেন জর্জ বার্নার্ড শ, তাই নাটকটির নাম মনে রাখতে শ এর নাম স্মরণ করুন।
a Tream
b Treatment
c Treat
d None
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Treatment কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে verb-এর সাথে suffix যুক্ত করে noun গঠন করা হয়। - 'treat' একটি verb যার সাথে '-ment' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'treatment' noun-এ রূপান্তরিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tream — এটি ইংরেজি শব্দভান্ডারে কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ নয় এবং এটি সঠিক গঠনরীতি অনুসরণ করে না। B) Treatment — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি 'treat' verb-এর সঠিক noun রূপ। C) Treat — এটি প্রদত্ত শব্দ নিজেই, যা একটি verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়, noun নয়। D) None — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: সাধারণত যেসব verb-এর শেষে treat বা agree থাকে, সেগুলোর সাথে ment যোগ করে noun তৈরি করা হয় যেমন treatment এবং agreement।
a John Keats
b William Words Worth
c Lord Byron
d Tennyson
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Tennyson কেন সঠিক: - আলফ্রেড টেনিসন ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি, রোমান্টিক যুগের কবি নন। - রোমান্টিক যুগ ১৭৯৮ সাল থেকে ১৮৩২ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল এবং টেনিসন এই সময়ের পরের যুগের প্রধান কবি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) John Keats — তিনি রোমান্টিক যুগের একজন প্রখ্যাত ও তরুণ কবি ছিলেন। B) William Words Worth — তিনি রোমান্টিক যুগের সূচনা লগ্নের অন্যতম প্রধান কবি ও প্রবক্তা। C) Lord Byron — তিনি রোমান্টিক যুগের অন্যতম প্রধান বিদ্রোহী কবি ছিলেন। D) Tennyson — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি নন, বরং ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রতিনিধিত্বকারী কবি। মনে রাখার টিপস: রোমান্টিক কবিদের মনে রাখতে মূল কবিদের নামের তালিকাটি বারবার চর্চা করবে এবং টেনিসনকে ভিক্টোরিয়ান যুগের সাথে মিলিয়ে পড়বে।
a gone through
b went through
c go over
d went out
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) went through কেন সঠিক: - বাক্যের অর্থ অনুযায়ী অতীতের কোনো কষ্ট বা অভিজ্ঞতা সহ্য করা বোঝাতে 'go through' ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহৃত হয়। - বাক্যে অতীত নির্দেশক কোনো সময় উল্লেখ না থাকলেও অভিজ্ঞতাটি অতীতে ঘটে গেছে বোঝাতে ভার্বের পাস্ট ফর্ম 'went through' বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) gone through — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্সের গঠন হলেও এর আগে কোনো সাহায্যকারী ভার্ব যেমন have বা has নেই। B) went through — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) go over — এর অর্থ পুনর্বিবেচনা করা বা পরীক্ষা করা, যা এখানে অর্থসংগত নয়। D) went out — এর অর্থ নিভে যাওয়া বা বাইরে যাওয়া, যার সঙ্গে দুঃখ বা কষ্টের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: কোনো কঠিন সময় বা কষ্ট সহ্য করা বা পার করার ইংরেজি হলো 'go through'। বাক্যটি অতীতকালের হওয়ায় 'go' এর পরিবর্তে 'went' ব্যবহার করতে হবে।
a after
b in
c around
d of
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) around কেন সঠিক: - 'Knock around' একটি ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব, যার অর্থ আশেপাশে বা উপস্থিত থাকা কিন্তু কাউকেই না পাওয়া। - বাক্যে বোঝানো হয়েছে যে আমি কড়া নেড়েছিলাম কিন্তু আশেপাশে কেউ ছিল না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) after — 'Knock after' বলতে সাধারণত পেছনে ধাওয়া করা বোঝায়, যা এই শূন্যস্থানের অর্থের সাথে মিলে না। B) in — 'Knock in' ভেতরের দিকে আঘাত করে ঢোকা বোঝায়, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। C) around — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য। D) of — 'Knock of' ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং এর কোনো উপযুক্ত অর্থ নেই। মনে রাখার টিপস: দরজায় কড়া নেড়ে কাউকে না পেলে 'knock around' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
a less body weight
b Lean body weight
c Light body weight
d Liquid Body weight
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Light body weight কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি ভাষা ও ব্যাকরণ অর্থাৎ শব্দসংক্ষেপ বা এব্রিভিয়েশনের সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কিত। - ক্রীড়া জগতের বিশেষ করে বক্সিং খেলায় ও ওজন শ্রেণীতে এই পরিভাষাটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) less body weight — এটি সাধারণ একটি ধারণামূলক শব্দবন্ধ হলেও নির্দিষ্ট কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা ক্রীড়া পরিভাষা নয়। B) Lean body weight — এটি শরীরতত্ত্ব ও পুষ্টিবিজ্ঞানে চর্বিহীন শারীরিক ওজন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Light body weight — এটি নির্দিষ্ট ক্রীড়া বা ওজনের প্রতিযোগিতায় ব্যবহৃত প্রমিত সংক্ষিপ্ত রূপ। D) Liquid Body weight — এটি চিকিৎসাবিজ্ঞান বা জীববিজ্ঞানসম্মত কোনো বাস্তবসম্মত পরিভাষা নয়। মনে রাখার টিপস: খেলার জগতে ওজনের মাপ বোঝাতে 'L' দিয়ে শুরু শব্দগুলোর মধ্যে 'Light' শব্দটি তুলনামূলক হালকা ওজন নির্দেশ করতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
a Compensate
b Ignored
c Made for
d Understand
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Compensate কেন সঠিক: - "Make up for" একটি Phrase, যার অর্থ ক্ষতিপূরণ করা বা ঘাটতি পূরণ করা। - প্রদত্ত সঠিক উত্তর "Compensate"-এর বাংলা অর্থও ক্ষতিপূরণ করা, যা এই Phrase-এর সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Compensate — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ক্ষতিপূরণ করা। B) Ignored — এর অর্থ উপেক্ষা করা, যা "make up for"-এর অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) Made for — এর অর্থ কোনো কিছুর উপযোগী হওয়া, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Understand — এর অর্থ বোঝা, যা এই Phrase-এর অর্থের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: "Make up for" দেখলে মনে রাখবে কোনো ভুল বা ক্ষতির পরিমাণ পুষিয়ে দেওয়া বা "Compensate" করার কথা।
a It is a must
b It is must
c It is the must
d None
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) It is a must কেন সঠিক: - এখানে must শব্দটি সাধারণ অংশ হিসেবে ব্যবহৃত না হয়ে একটি অপরিহার্য বিষয় বা বিশেষ নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। - নির্দিষ্ট এই নাউনের পূর্বে indefinite article হিসেবে a বসেছে, যা একটি আবশ্যকীয় কাজ বোঝাতে সঠিক ব্যাকরণগত গঠন তৈরি করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is a must — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এখানে a article সঠিক নিয়মে ব্যবহৃত হয়েছে। B) It is must — এখানে must শব্দের পূর্বে প্রয়োজনীয় article না থাকায় গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ হয়েছে। C) It is the must — এখানে definite article the ব্যবহার করা হয়েছে, যা নির্দিষ্ট কোনো পূর্বপরিচিত বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়ায় এখানে ভুল। D) None — অপশন এ সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো বাধ্যতামূলক বা আবশ্যিক বিষয় বোঝাতে must শব্দের পূর্বে সবসময় a বসে এবং এটি একটি বিশেষ নিয়ম হিসেবে মুখস্থ রাখা নিরাপদ।
a The window should be opened.
b Let the window be opened.
c The window must be opened.
d Let open the window
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Let the window be opened. কেন সঠিক: - মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং মূল Verb দ্বারা শুরু হয়েছে। - Imperative Sentence-যুক্ত Active Voice-কে Passive করার নিয়ম হলো প্রথমে Let বসাতে হয়, তারপর অবজেক্ট, এরপর be এবং সবশেষে মূল Verb-এর Past Participle ফর্ম বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The window should be opened. — এটি পরামর্শমূলক বা Modal Auxiliary যুক্ত বাক্য বোঝায়, যা সরাসরি Imperative Sentence-এর নিয়ম অনুসরণ করে না। B) Let the window be opened. — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে অন্য কারণ প্রযোজ্য নয়। C) The window must be opened. — এটি বাধ্যবাধকতা বা জোরালো তাগিদ প্রকাশ করে, যা সাধারণ Imperative বাক্যের সঠিক Passive রূপ নয়। D) Let open the window — এই অপশনটিতে be verb এবং verb-এর Past Participle ফর্ম ব্যবহার করা হয়নি, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: মূল Verb দিয়ে শুরু Imperative Sentence-কে Passive করার সময় মনে রাখবে প্রথমে Let আনতে হয়, অবজেক্টের পর be বসিয়ে মূল Verb-এর Past Participle করতে হয়।

মোট প্রশ্ন (13)

a পঞ্চম তফসিলে
b ষষ্ঠ তফসিলে
c সপ্তম তফসিলে
d তৃতীয় তফসিলে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সপ্তম তফসিলে কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫০ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী সপ্তম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। - এই ঘোষণাপত্রটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহাসিক দলিল এবং প্রথম সরকারের আইনগত ভিত্তি হিসেবে সংবিধানে সংরক্ষিত আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চম তফসিলে — এই তফসিলে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতা সংক্রান্ত বিধান যুক্ত করা হয়েছে। B) ষষ্ঠ তফসিলে — এই তফসিলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। C) সপ্তম তফসিলে — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) তৃতীয় তফসিলে — এই তফসিলে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও মন্ত্রীদের শপথ বা ঘোষণা সংক্রান্ত ফরমসমূহ উল্লেখ রয়েছে। মনে রাখার টিপস: সাত অক্ষর বিশিষ্ট ঘোষণাপত্র শব্দটি মনে রাখলে সপ্তম তফসিলের সঙ্গে এর সম্পর্ক সহজে মনে রাখা যায়।
a কার্ল মার্কস
b অমর্ত্য সেন
c অ্যাডাম স্মিথ
d ডেভিড রিকার্ডো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যাডাম স্মিথ কেন সঠিক: - অ্যাডাম স্মিথ ১৭৭৬ সালে প্রকাশিত বিখ্যাত গ্রন্থ অ্যান ইনকোয়ারি ইনটু দ্য নেচার অ্যান্ড কজেস অব দ্য ওয়েলথ অব নেশনস এর রচয়িতা। - তাকে আধুনিক অর্থনীতির জনক বলা হয় এবং এই গ্রন্থটিকে ধ্রুপদী অর্থনীতির ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্ল মার্কস — তিনি সমাজতন্ত্র ও বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের প্রবক্তা এবং তার বিখ্যাত গ্রন্থ দাস ক্যাপিটাল। B) অমর্ত্য সেন — তিনি কল্যাণ অর্থনীতি ও দুর্ভিক্ষ নিয়ে গবেষণার জন্য নোবেলজয়ী ভারতীয় অর্থনীতিবিদ এবং তার গ্রন্থ পভার্টি অ্যান্ড ফেমিন্স। সি) অ্যাডাম স্মিথ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি এই গ্রন্থটির রচয়িতা। D) ডেভিড রিকার্ডো — তিনি ধ্রুপদী অর্থনীতির আরেকজন প্রখ্যাত তাত্ত্বিক এবং তার বিখ্যাত তত্ত্ব তুলনামূলক সুবিধা ও খাজনা তত্ত্ব। মনে রাখার টিপস: স্মিথ মানেই সম্পদ, তাই সম্পদ বা ওয়েলথ বিষয়ক গ্রন্থের নাম দেখলেই অ্যাডাম স্মিথকে মনে রাখবে।
a ১৭৬৮ সালে
b ১৭৬৯ সালে
c ১৭৭০ সালে
d ১৭৭২ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭৭০ সালে কেন সঠিক: - বাংলা ১১৭৬ সনে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দেওয়ায় এই মন্বন্তর ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত। - বাংলা ১১৭৬ সাল ইংরেজি ১৭৭০ সালের সঙ্গে মিলে যাওয়ায় দুর্ভিক্ষটি ১৭৭০ সালে ঘটেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৬৮ সালে — এই বছরে বাংলার তৎকালীন রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটলেও এই মহাদুর্ভিক্ষ সংঘটিত হয়নি। B) ১৭৬৯ সালে — এই বছর থেকেই মূলত খরার কারণে দুর্ভিক্ষের সূত্রপাত হয়েছিল কিন্তু মূল মন্বন্তর ১৭৭০ সালে ঘটে। D) ১৭৭২ সালে — এই বছরে ওয়ারেন হেস্টিংস গভর্নর হয়ে আসেন যা দুর্ভিক্ষের পরবর্তী সময়কাল। মনে রাখার টিপস: ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের বাংলা ১১৭৬ সন থেকে ৭৬ সংখ্যাটি মনে রেখে তার সঙ্গে ১৭০০ যোগ করলেই ১৭৭০ সাল পেয়ে যাবে।
a ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭
b ১৪ এপ্রিল ১৯৯৭
c ১৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭
d ২৬ মার্চ ১৯৯৭
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭ কেন সঠিক: - এই দিনে বাংলাদেশ সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - এই চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘ আড়াই দশকের সশস্ত্র সংঘাতের অবসান ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭ — এটি পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সঠিক তারিখ। B) ১৪ এপ্রিল ১৯৯৭ — এটি বাংলা নববর্ষের দিন, পার্বত্য শান্তিচুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭ — এটি বাংলাদেশের বিজয় দিবস, এই তারিখে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। D) ২৬ মার্চ ১৯৯৭ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস, এই তারিখে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: বিজয় মাসের শুরুতেই, অর্থাৎ দুই তারিখে পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
a বীরবল
b তোডরমল
c আবুল ফজল
d কালিদাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আবুল ফজল কেন সঠিক: - আইন-ই-আকবরী মুঘল সম্রাট আকবরের রাজত্বকালের ইতিহাস ও প্রশাসনিক বিবরণসংবলিত একটি বিখ্যাত গ্রন্থ। - গ্রন্থটির রচয়িতা সম্রাট আকবরের নবরত্নের অন্যতম এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ সভাষদ আবুল ফজল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীরবল — তিনি সম্রাট আকবরের সভার একজন বুদ্ধিমান নবরত্ন ও রসিক ব্যক্তি ছিলেন, কোনো ঐতিহাসিক গ্রন্থ রচনা করেননি। B) তোডরমল — তিনি সম্রাট আকবরের রাজস্বমন্ত্রী ছিলেন এবং বিখ্যাত ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থা প্রণয়ন করেছিলেন। সি) আবুল ফজল — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো ভুল বা প্রযোজ্য নয়। D) কালিদাস — তিনি প্রাচীন ভারতের গুপ্ত যুগের বিখ্যাত সংস্কৃত কবি ও নাট্যকার ছিলেন, যা মুঘল আমলের অনেক আগের ঘটনা। মনে রাখার টিপস: আইন প্রণয়ন বা লেখার কাজ সাধারণত পন্ডিত ব্যক্তি করেন, তাই আকবরের আমলের আইন-ই-আকবরী লিখেছেন পন্ডিত লেখক আবুল ফজল।
a ১ সেপ্টেম্বর
b ১৫ সেপ্টেম্বর
c ৩০ সেপ্টেম্বর
d ১ অক্টোবর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩০ সেপ্টেম্বর কেন সঠিক: - বাংলাদেশে নারী শিশুদের অধিকার সুরক্ষা এবং সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতি বছর ৩০ সেপ্টেম্বর জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালন করা হয়। - মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠনের উদ্যোগে এই দিবসটি পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ সেপ্টেম্বর — এই তারিখে বাংলাদেশে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালন করা হয় না, এটি অন্য কোনো নির্ধারিত সাধারণ দিবসের তারিখ। B) ১৫ সেপ্টেম্বর — আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস এই তারিখে পালিত হয়, যা কন্যাশিশু দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। সি) ৩০ সেপ্টেম্বর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) ১ অক্টোবর — এই তারিখে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত হয়, যা কন্যাশিশু দিবসের সঙ্গে মিলে না। মনে রাখার টিপস: সেপ্টেম্বর মাসের একেবারে শেষের দিন অর্থাৎ ত্রিশ তারিখে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালন করা হয়।
a ৫০ বছর
b ৭০ বছর
c ১০০ বছর
d ২০০ বছর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০০ বছর কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ হলো দেশের দীর্ঘমেয়াদী বদ্বীপ পরিকল্পনা, যার সময়কাল নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ বছর। - জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, খাদ্য নিরাপত্তা এবং টেকসই পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্য নিয়ে এটি প্রণয়ন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫০ বছর — এটি ডেল্টা প্ল্যানের নির্ধারিত দীর্ঘমেয়াদী সময়সীমা নয়, কারণ পরিকল্পনাটি এক শতাব্দী ব্যাপী রূপরেখা নিয়ে গঠিত। B) ৭০ বছর — এই সময়কালটি বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, কারণ এর পরিকল্পনা শতবর্ষী। C) ১০০ বছর — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে এটি প্রযোজ্য নয়। D) ২০০ বছর — ডেল্টা প্ল্যান দ্বি-শতাব্দী বা ২০০ বছরের জন্য করা হয়নি, এর মেয়াদ ২১০০ সাল পর্যন্ত ১০০ বছর নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: ২১০০ সাল পর্যন্ত পরিকল্পনা মানেই একশ বছরের বা ১০০ বছরের ডেল্টা প্ল্যান।
a ৩ টি
b ৪ টি
c ৫ টি
d ৬ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩ টি কেন সঠিক: - ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ছয় দফার মধ্যে অর্থনীতি বা অর্থসংক্রান্ত বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল ৩টি দফায়। - এই দফাগুলো হলো দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রীয় সরকার ও অর্থনীতি), চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও কর আদায়) এবং পঞ্চম দফা (বৈদেশিক বাণিজ্য ও বৈদেশিক মুদ্রা)। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ টি — এই অপশনটি সঠিক কারণ ছয় দফার মধ্যে অর্থনীতি বিষয়ক সুনির্দিষ্ট দফা সংখ্যা ছিল তিনটি। B) ৪ টি — এই অপশনটি ভুল কারণ অর্থনীতি সংক্রান্ত দফা চারটির বেশি ছিল না, সঠিক সংখ্যাটি তিন। C) ৫ টি — এই অপশনটি ভুল কারণ পাঁচ দফার সঙ্গে ছয় দফার অর্থনৈতিক কাঠামোর কোনো মিল নেই। D) ৬ টি — এই অপশনটি ভুল কারণ ছয় দফায় শাসনতন্ত্র, অর্থনীতি ও প্রতিরক্ষা সব মিলিয়ে ছয়টি বিষয় ছিল, যার মধ্যে অর্থনীতি ছিল তিনটি। মনে রাখার টিপস: ছয় দফার অর্ধেকমাত্র অর্থাৎ ছয় এর অর্ধেক তিন হলো অর্থনীতি বিষয়ক দফা।
a প্রথম
b দ্বিতীয়
c তৃতীয়
d চতুর্থ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রথম কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগের ৩ অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। - সংবিধানের মৌলিক বিষয়ের অংশ হিসেবে প্রজাতন্ত্রের ঘোষণাতেই রাষ্ট্রভাষা সংক্রান্ত এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম — এই ভাগে প্রজাতন্ত্রের ঘোষণা, রাষ্ট্রভাষা এবং ভূখণ্ডসহ মৌলিক বিষয়সমূহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। B) দ্বিতীয় — এই ভাগে রাষ্ট্রের মূল নীতিসমূহ যেমন জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলা হয়েছে। C) তৃতীয় — এই ভাগে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার এবং তা সংরক্ষণের বিধানসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। D) চতুর্থ — এই ভাগে বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ তথা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিপরিষদ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের প্রথম ভাগেই রাষ্ট্রের মৌলিক পরিচয় ও রাষ্ট্রভাষা বাংলা নির্ধারিত হয়েছে, তাই রাষ্ট্রভাষা খুঁজতে সবার প্রথমে যেতে হয়।
a ডেভিড জুলিয়াস ও পাটাপুটিয়ান
b মারিয়া রেসা ও দিমিত্রি মুরাতভ
c হার্ডি জে অস্টার ও চার্লস এম ভাইস
d উইলিয়াম ব্যাসেলিন জুনিয়র ও র‍্যাটক্লিফ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মারিয়া রেসা ও দিমিত্রি মুরাতভ কেন সঠিক: - বাকস্বাধীনতা রক্ষা এবং গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত করার সাহসী অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাদেরকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। - মারিয়া রেসা ফিলিপাইনে এবং দিমিত্রি মুরাতভ রাশিয়ায় সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেভিড জুলিয়াস ও পাটাপুতিয়ান — তারা ২০২১ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। B) মারিয়া রেসা ও দিমিত্রি মুরাতভ — তারা ২০২১ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। C) হার্ডি জে অস্টার ও চার্লস এম ভাইস — তারা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নন এবং নোবেল বিজয়ী নন। D) উইলিয়াম ব্যাসেলিন জুনিয়র ও র‍্যাটক্লিফ — তারা ২০২১ সালের নোবেল পুরস্কারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন। মনে রাখার টিপস: সাংবাদিকতায় শান্তিতে নোবেল পেতে হলে মারে (মারিয়া) দিতে হবে এবং মুকুট (মুরাতভ) পরতে হবে।
a 76.7%
b 75.2%
c 74.7%
d 77.4%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭৫.২% কেন সঠিক: - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১ অনুযায়ী দেশের মানুষের স্বাক্ষরতার হার নির্ধারিত হয়েছিল ৭৫.২ শতাংশ। - ৭ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সের জনসংখ্যার ওপর ভিত্তি করে এই পরিসংখ্যান নির্ধারণ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭৬.৭% — এটি অর্থনৈতিক সমীক্ষার সঠিক তথ্য নয় এবং এটি অন্য কোনো পরবর্তী বছরের হারের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। B) ৭৫.২% — এটি বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১ অনুযায়ী সঠিক ও নির্ধারিত স্বাক্ষরতার হার। C) ৭৪.৭% — এটি ২০২১ সালের সঠিক হার নয়, এটি অন্য কোনো পূর্ববর্তী বছরের প্রাক্কলিত বা প্রকাশিত হার হতে পারে। D) ৭৭.৪% — এটি এই নির্দিষ্ট সমীক্ষার তথ্য নয় এবং এটি তুলনামূলকভাবে একটি ভিন্ন বা পরবর্তী বছরের পরিসংখ্যান। মনে রাখার টিপস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১ সালের স্বাক্ষরতার হার মনে রাখতে ৭.৫ এর সাথে ২ যোগ করে ৭৫.২% সংখ্যাটি মনে রাখতে পারেন।
a আলজেরিয়া
b টিউনিসিয়া
c আলবেনিয়া
d নাইজেরিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলবেনিয়া কেন সঠিক: - আলবেনিয়া আফ্রিকা মহাদেশে নয়, বরং এটি দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বলকান অঞ্চলে অবস্থিত একটি দেশ। - আফ্রিকান দেশগুলোর সঙ্গে এর ভৌগোলিক অবস্থান ও মহাদেশীয় সীমানার কোনো মিল নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলজেরিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ এবং আয়তনের দিক থেকে এটি আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম রাষ্ট্র। B) টিউনিসিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকার ভূমধ্য্সাগরের তীরের একটি রাষ্ট্র যা আফ্রিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত। C) আলবেনিয়া — এটি ইউরোপ মহাদেশের একটি দেশ হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। D) নাইজেরিয়া — এটি পশ্চিম আফ্রিকার একটি জনবহুল দেশ এবং আফ্রিকা মহাদেশেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ইউরোপের দেশগুলোর নামের শেষে সাধারণত 'ইনিয়া' বা 'আলবেনিয়া' ধরনের শব্দ থাকে, যা আফ্রিকার দেশগুলো থেকে সহজেই আলাদা করা যায়।
a কঙ্গো
b ক্যাটালোনিয়া
c পূর্বতিমুর
d দক্ষিণ সুদান
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) দক্ষিণ সুদান কেন সঠিক: - দক্ষিণ সুদান ২০১১ সালের ৯ জুলাই সুদান থেকে স্বাধীনতা লাভ করে এবং একই বছরের ১৪ জুলাই জাতিসংঘের ১৯৩তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। - এটিই বর্তমানে জাতিসংঘের সর্বশেষ বা নবীনতম সদস্য রাষ্ট্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কঙ্গো — এটি অনেক আগেই জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছে এবং এটি সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র নয়। B) ক্যাটালোনিয়া — এটি স্পেনের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল, এটি জাতিসংঘের কোনো স্বাধীন সদস্য রাষ্ট্র নয়। সি) পূর্বতিমুর — এটি ২০০২ সালে জাতিসংঘের ১৯১তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে যোগ দেয়, তাই এটি সর্বশেষ সদস্য নয়। D) দক্ষিণ সুদান — এটি জাতিসংঘের সর্বশেষ বা ১৯৩তম সদস্য রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে নতুন দেশ হিসেবে দক্ষিণ সুদান জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র।

মোট প্রশ্ন (15)

a Na₂CO₃
b HCl
c H₂SO₄
d (A) এবং (B)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Na₂২০C০৩ (সোডিয়াম কার্বোনেট) ১. কেন সঠিক: - সোডিয়াম কার্বোনেট একটি প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ কারণ এর বিশুদ্ধতা খুব বেশি এবং এটি বায়ুমণ্ডলের উপাদান দ্বারা সহজে প্রভাবিত হয় না। - এই পদার্থটি দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করলেও এর আণবিক গঠন বা ওজন পরিবর্তিত হয় না, যা টাইট্রেশন বিশ্লেষণে অত্যন্ত জরুরি। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে সকল পদার্থ উচ্চমাত্রায় বিশুদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়, বাতাসে রাখলে আর্দ্রতা বা কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে না এবং যার ওজন নির্ভুলভাবে মাপা যায়, তাকে প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড বা প্রাথমিক প্রমাণ পদার্থ বলে। - কার্যপ্রণালি: টাইট্রেশন প্রক্রিয়ায় অজানা ঘনমাত্রার অম্ল বা ক্ষারের পরিমাণ নিখুঁতভাবে নির্ণয় করতে প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ দিয়ে প্রমাণ দ্রবণ তৈরি করা হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: রসায়ন ল্যাবরেটরিতে দ্রবণের ঘনমাত্রা বা মোলারিটি নির্ধারণের কাজে প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অক্সালিক অ্যাসিড (H₂C₂O₄·২H₂O) ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ যা অ্যাসিডimetry তে ক্ষারের দ্রবণ নির্ভুলভাবে পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট (K₂Cr₂O₇) ব্যাখ্যা: এটি রেডক্স টাইট্রেশনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ যার বিশুদ্ধতা সহজে নষ্ট হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Na₂CO₃ — এটি একটি সঠিক প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ কারণ এটি বায়ুর উপাদান দ্বারা প্রভাবিত হয় না এবং এর আণবিক ভর নিশ্চিত থাকে। B) HCl — এটি প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ নয় কারণ হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড একটি উদ্বায়ী তরল এবং এর গাঢ়ত্ব সময়ের সাথে পরিবর্তিত হতে পারে। C) H₂SO₄ — এটি প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড নয় কারণ গাঢ় সালফিউরিক অ্যাসিড বায়ুমণ্ডল থেকে দ্রুত আর্দ্রতা শোষণ করে এর ঘনত্ব পরিবর্তন করে ফেলে। D) (A) এবং (B) — এই অপশনটি ভুল কারণ সোডিয়াম কার্বোনেট প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড হলেও হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড তা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড মনে রাখার সহজ উপায় হলো সোডার কার্ব (Na₂CO₃), অক্সালিক অ্যাসিড এবং পটাসিয়াম ডাইক্রোমেটের মতো কঠিন যৌগগুলো বাতাসে নষ্ট হয় না। - তরল অ্যাসিড যেমন HCl বা H₂SO₄ কখনোই প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড হতে পারে না কারণ এদের আর্দ্রতা শোষণের বা উড়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থের নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য ও উদাহরণ থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - কোন পদার্থগুলো সেকেন্ডারি স্ট্যান্ডার্ড, যেমন NaOH এবং HCl, তা ভালোভাবে জেনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a Spironolactone
b amiloride
c Both of them
d None of them
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) None of them ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটিতে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে কারণ স্পাইরোনোল্যাকটোন এবং অ্যামিলোরাইড কোনোটিই অসমোটিক ডাইউরেটিক বা অভিস্রবণীয় মূত্রবর্ধক নয়। এগুলো হলো পটাসিয়াম স্পেয়ারিং ডাইউরেটিক বা পটাশিয়াম সংরক্ষক মূত্রবর্ধক যা অন্য কার্যপদ্ধতিতে কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অসমোটিক ডাইউরেটিক হলো এমন সব রাসায়নিক পদার্থ যা রেনাল টিউবিউলসে অভিস্রবণ চাপ বৃদ্ধি করে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি ও সোডিয়াম বের করে দেয়। কার্যপ্রণালি: এই ওষুধগুলো গ্লোমেরুলাস থেকে ফিল্টার হওয়ার পর বৃক্কের প্রক্সিমাল টিউবিউল এবং লুপ অফ হেনলিতে পানির পুনঃশোষণ বাধাগ্রস্ত করে মূত্রের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ম্যানিটল হলো একটি প্রকৃত ও ক্লাসিক অসমোটিক ডাইউরেটিক যা মস্তিষ্কের ভেতরে চাপ কমাতে শিরায় প্রয়োগ করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি রক্তে প্রবেশ করে অভিস্রবণ চাপ বাড়িয়ে টিস্যু থেকে তরল পদার্থ রক্তে টেনে আনে এবং বৃক্কের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেয়। উদাহরণ ২: ইউরিয়া একটি প্রাকৃতিক অসমোটিক উপাদান যা অতীতে ডাইউরেটিক হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ব্যাখ্যা: এটি রক্তরসের অভিস্রবণ ঘনত্ব বাড়িয়ে বৃক্কের নেফ্রনে পানির পুনঃশোষণ বাধাগ্রস্ত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Spironolactone সঠিক নয় কারণ এটি একটি অ্যালডোস্টেরন রিসেপ্টর অ্যান্টাগনিস্ট এবং পটাশিয়াম স্পেয়ারিং ডাইউরেটিক শ্রেণীর ওষুধ। B) amiloride সঠিক নয় কারণ এটি এপিথেলিয়াল সোডিয়াম চ্যানেল ব্লকার এবং পটাশিয়াম স্পেয়ারিং ডাইউরেটিক হিসেবে কাজ করে। C) Both of them সঠিক নয় কারণ এর আগের দুটি অপশনের কোনোটিই অসমোটিক ডাইউরেটিক নয়। D) None of them সঠিক কারণ প্রদত্ত প্রথম দুটি অপশনের কোনটিই অসমোটিক ডাইউরেটিকের সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে না। ৫ মনে রাখার টিপস: অসমোটিক ডাইউরেটিক মনে রাখার সহজ উপায় হলো ম্যানিটল এবং গ্লিসারিন শব্দ দুটি মনে রাখা। পটাশিয়াম স্পেয়ারিং ডাইউরেটিকগুলোর নামের সাথে স্পাইরোনোল্যাকটোন এবং অ্যামিলোরাইড যুক্ত থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ডাইউরেটিকের শ্রেণীবিভাগ থেকে প্রশ্ন আসে। ম্যানিটল হলো সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত অসমোটিক ডাইউরেটিক যা জরুরি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
a হাইড্রোজেন
b নাইট্রোজেন
c মিথেন
d ইথেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মিথেন ১. কেন সঠিক: বায়োগ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন গ্যাস, যা জৈব পদার্থের অবাত পচনের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়। এই গ্যাসটি অত্যন্ত দাহ্য এবং এর উপস্থিতির কারণেই বায়োগ্যাস জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বায়োগ্যাস হলো মিথেন ও কার্বন ডাই অক্সাইডের মিশ্রণ যা অক্সিজেনবিহীন পরিবেশে ব্যাকটেরিয়া দ্বারা জৈব আবর্জনা পচিয়ে তৈরি করা হয়। কার্যপ্রণালি: গোবর বা উদ্ভিজ্জ বর্জ্য পানির সাথে মিশিয়ে বায়োগ্যাস প্ল্যান্টে রাখলে মিথেনজেনিক ব্যাকটেরিয়া অক্সিজেন ছাড়াই তা পচন করে গ্যাস তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্রামাঞ্চলে গরুর গোবর ও উদ্ভিদের বর্জ্য ব্যবহার করে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট চালানো হয়। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত মিথেন গ্যাস পাইপলাইনের মাধ্যমে চুলটায় নিয়ে রান্নার কাজে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: ময়লার ভাগাড় বা ল্যান্ডফিলেও প্রাকৃতিকভাবে বায়োগ্যাস উৎপন্ন হয়। ব্যাখ্যা: সেখানে জৈব আবর্জনা পচে মিথেন গ্যাস তৈরি হয় যা অনেক সময় বিদ্যুৎ উৎপাদনেও কাজে লাগানো হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইড্রোজেন — হাইড্রোজেন বায়োগ্যাসের প্রধান উপাদান নয়, এটি মূলত মিথেন ও কার্বন ডাই অক্সাইডের মিশ্রণ। B) নাইট্রোজেন — বায়োগ্যাসে কিছু পরিমাণ নাইট্রোজেন থাকতে পারে, তবে এটি প্রধান উপাদান বা দাহ্য অংশ নয়। C) মিথেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ বায়োগ্যাসে এর পরিমাণ থাকে শতকরা ৬০ থেকে ৭০ ভাগ। D) ইথেন — ইথেন প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি উপাদান হলেও এটি বায়োগ্যাসের প্রধান উপাদান বা উল্লেখযোগ্য অংশ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বায়োগ্যাসের প্রধান উপাদান মনে রাখতে মিথেন শব্দটি মনে রাখুন। বায়োগ্যাস মানেই দাহ্য গ্যাস আর জৈব জ্বালানির দাহ্য অংশ হলো মিথেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বায়োগ্যাসে মিথেনের পাশাপাশি কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসও থাকে। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় পরিবেশবিজ্ঞান ও শক্তি রূপান্তর অংশ থেকে আসে।
a Ascorbic acid
b Tocopherol
c Thiamine
d Riboflavin
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Tocopherol ১. কেন সঠিক: টোকোফেরল হলো ভিটামিন ই-র রাসায়নিক নাম, যা ফ্যাট বা চর্বিতে দ্রবণীয় একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান। এটি মানবদেহে চর্বিযুক্ত টিস্যুতে সঞ্চিত থাকে এবং কোষের ঝিল্লি সুরক্ষায় সরাসরি কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: ভিটামিনগুলোকে মূলত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন চর্বিতে দ্রবণীয় এবং পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলো যকৃৎ ও চর্বিযুক্ত টিস্যুতে জমা থাকে এবং অতিরিক্ত মাত্রায় বিষাক্ততা তৈরি করতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যমুখী তেল এবং বাদামে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই বা টোকোফেরল থাকে। এটি ত্বকের কোষের ক্ষতি রোধ করে এবং তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: মানুষের যকৃতে ভিটামিন এ এবং ই দীর্ঘদিন ধরে জমা থাকতে পারে। শরীরের চর্বির অভাব ঘটলে এই ভিটামিনের শোষণ ব্যাহত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ascorbic acid হলো ভিটামিন সি-র রাসায়নিক নাম, যা পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। এটি চর্বিতে দ্রবণীয় নয় এবং শরীর এটি সঞ্চয় করে রাখতে পারে না। B) Tocopherol হলো ভিটামিন ই, যা চর্বিতে দ্রবণীয় হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। অন্য অপশনগুলোর তুলনায় এটিই একমাত্র লিপিড-দ্রবণীয় ভিটামিন। C) Thiamine হলো ভিটামিন বি এক এর রাসায়নিক নাম, যা পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। এটি কোষের শর্করা বিপাকে সাহায্য করে। D) Riboflavin হলো ভিটামিন বি দুই এর রাসায়নিক নাম, যা পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। এটি খাদ্যের শক্তি উৎপাদনে প্রধান ভূমিকা রাখে। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলো মনে রাখার সহজ কৌশল হলো কিডা শব্দ। এখানে কে, ই, ডি এবং এ ভিটামিনগুলো চর্বিতে দ্রবণীয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভিটামিন সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। কোন ভিটামিন পানিতে এবং কোনটি চর্বিতে দ্রবণীয় তা ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a Estrogen
b Thyroxin
c Oxytocin
d Progesterone
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Oxytocin ১. কেন সঠিক: - অক্সিটোসিন হলো একটি প্রাকৃতিক হরমোন যা প্রসবের সময় জরায়ুর সংকোচন বা ব্যথা সৃষ্টি করতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। - এটি মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে ক্ষরিত হয় এবং জরায়ুর পেশিকে সংকুচিত হতে উদ্দীপিত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: প্রসব বেদনা বা লেবার পেইন মূলত অক্সিটোসিন হরমোনের প্রভাবে জরায়ুর পেশির তীব্র সংকোচনের কারণে শুরু হয়। - কার্যপ্রণালি: গর্ভকাল শেষ হলে এই হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং এটি জরায়ুর প্রাচীরের রিসেপ্টরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রসবের পথ প্রশস্ত করতে সাহায্য করে। - বাস্তব প্রয়োগ: চিকিৎসাবিজ্ঞানে প্রসবের গতি ত্বরান্বিত করার জন্য অনেক সময় কৃত্রিম অক্সিটোসিন বা পিটোসিন ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গবাদি পশুর প্রসবের সময় অনেক সময় অক্সিটোসিন ইনজেকশন প্রয়োগ করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি জরায়ুর সংকোচন বাড়িয়ে প্রসব প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: সন্তান প্রসবের পর মায়ের বুকের দুধ পান করানোর সময়ও অক্সিটোসিন ক্ষরিত হয়। ব্যাখ্যা: এই হরমোন স্তনগ্রন্থি থেকে দুধ বাইরে বের করে আনতে সাহায্য করে যাকে মিল্ক ইজেকশন রিফ্লেক্স বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Estrogen — এটি একটি প্রধান নারী যৌন হরমোন যা নারীদেহের সেকেন্ডারি সেক্সুয়াল বৈশিষ্ট্য এবং জরায়ুর প্রস্তুতিতে ভূমিকা রাখে তবে সরাসরি প্রসব বেদনা সৃষ্টি করে না। B) Thyroxin — এটি থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে ক্ষরিত হরমোন যা দেহের সামগ্রিক বিপাকক্রিয়া বা মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণ করে। C) Oxytocin — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি জরায়ুর সংকোচন ঘটিয়ে প্রসব বেদনা সৃষ্টি করে। D) Progesterone — এটি গর্ভধারণ ধরে রাখতে এবং জরায়ুর পেশিকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে প্রসবের আগে এর মাত্রা কমে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অক্সিটোসিন নামের শুরুতে অক্স আছে যা অবস্ বা প্রসবের সঙ্গে মিলে যায় এভাবে মনে রাখা সহজ। - প্রেগনেন্সি বা গর্ভাবস্থায় প্রজেস্টেরন হরমোন জরায়ুকে শান্ত রাখে কিন্তু প্রসবের সময় অক্সিটোসিন কাজ শুরু করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে অক্সিটোসিন হরমোন ক্ষরিত হয় এটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন হরমোন স্তন্যদান বা দুধ উৎপাদনে সাহায্য করে, যার উত্তর প্রোল্যাকটিন এবং দুধ নিঃসরণে সাহায্য করে অক্সিটোসিন।
a ফার্ন
b শৈবাল
c ছত্রাক
d লাইকেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ছত্রাক ১. কেন সঠিক: - অ্যান্টিবায়োটিক হলো এমন এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ যা অণুজীব থেকে প্রস্তুত হয় এবং অন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সাহায্য করে। - ছত্রাক বা ফাঙ্গাস এমন এক ধরনের ইউক্যারিয়টিক জীব যা প্রাকৃতিকভাবে এই জীবন রক্ষাকারী অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান উৎপাদনে সক্ষম। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অ্যান্টিবায়োটিক হলো অণুজীবের বিরুদ্ধে লড়াই করার ওষুধ। - কার্যপ্রণালি: পেনিসিলিয়াম নামক ছত্রাক থেকে প্রথম পেনিসিলিন অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করা হয়েছিল। - বাস্তব প্রয়োগ: মানবদেহের মারাত্মক ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ সারাতে চিকিৎসকরা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পেনিসিলিয়াম নোটাটাম ছত্রাক। ব্যাখ্যা: আলেকজান্ডার ফ্লেমিং এই ছত্রাক থেকেই প্রথম পেনিসিলিন আবিষ্কার করেছিলেন। উদাহরণ ২: স্ট্রেপ্টোমাইসিস ব্যাকটেরিয়া। ব্যাখ্যা: এটি ছত্রাকের মতো মৃত্তিকাস্থিত অণুজীব যা থেকে পরবর্তীতে স্ট্রেপ্টোমাইসিন অ্যান্টিবায়োটিক প্রস্তুত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফার্ন — ফার্ন হলো অপুষ্পক উদ্ভিদ যার ভাস্কুলার বান্ডল আছে কিন্তু এটি অ্যান্টিবায়োটিক তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না। B) শৈবাল — শৈবাল হলো ক্লোরোফিলযুক্ত স্বভোজী উদ্ভিদ যা থেকে আয়োডিন বা আগার-আগার পাওয়া যায়, অ্যান্টিবায়োটিক নয়। C) ছত্রাক — এই অপশনটি সঠিক কারণ ছত্রাক থেকেই জীবন রক্ষাকারী পেনিসিলিন অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি করা হয়। D) লাইকেন — লাইকেন হলো শৈবাল ও ছত্রাকের মিথোজীবী সহাবস্থান যা পরিবেশের দূষণ সূচক হিসেবে কাজ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - অ্যান্টিবায়োটিকের জনক আলেকজান্ডার ফ্লেমিং এবং এটি এসেছে পেনিসিলিয়াম নামক ছত্রাক থেকে। - ছত্রাক শব্দটি মনে রাখলে ফাঙ্গাস ও পেনিসিলিনের সম্পর্ক সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৮ সালে। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে।
a 0.0139min⁻¹
b 0.0321min⁻¹
c 0.0391min⁻¹
d 0.0013min⁻¹
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.০১৩৯min⁻¹ প্রদত্ত তথ্য: অর্ধায়ু বা t_(১/২) = ৫০ min ধরি, অপসারণ হার ধ্রুবক = K_el অতএব, ফার্স্ট অর্ডার কাইনেটিক্স সূত্রানুযায়ী, K_el = ০.৬৯৩ ÷ t_(১/২) সুতরাং, K_el = ০.৬৯৩ ÷ ৫০ উত্তর: ০.০১৩৯min⁻¹
a Temperature
b Moisture
c Vibration
d Pressure
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Pressure ১. কেন সঠিক: চাপ সাধারণত কোনো পরিবেশগত দূষক বা সরাসরি পরিবেশগত বিপদের কারণ হিসেবে বিবেচিত হয় না। শিল্প বা কর্মপরিবেশের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং কম্পন সরাসরি জীবদেহে ও পরিবেশের উপাদানসমূহের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পরিবেশগত বিপদ বলতে এমন ভৌত, রাসায়নিক বা জৈব উপাদানকে বোঝায় যা দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করে। কার্যপ্রণালি: তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং কম্পন প্রকৃতির স্বাভাবিক অবস্থা পরিবর্তন করে দূষণ ও অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতিরিক্ত তাপমাত্রা বা হিট ওয়েভ। ব্যাখ্যা: এটি উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ কমিয়ে দেয় এবং জলজ প্রাণীর অক্সিজেন সংকট তৈরি করে। উদাহরণ ২: ভারী শিল্প কারখানার কম্পন। ব্যাখ্যা: এটি মাটি কাঁপিয়ে ভবনের ক্ষতি করে এবং আশপাশের প্রাণীর স্বাভাবিক আচরণ ব্যাহত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Temperature — এটি পরিবেশগত বিপদ হিসেবে গণ্য হয় কারণ অতিরিক্ত তাপমাত্রা জলবায়ু পরিবর্তন ও গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের জন্য দায়ী। B) Moisture — অতিরিক্ত বা কম আর্দ্রতা উদ্ভিদের রোগবালাই বাড়ায় এবং পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করে। C) Vibration — শিল্পকারখানা বা নির্মাণ কাজের কম্পন পরিবেশগত উপদ্রব ও বিপদের সৃষ্টি করে। D) Pressure — স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিবেশগত কোনো সরাসরি বিপদ বা দূষণের উপাদান নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রকৃতিতে তাপ, আর্দ্রতা ও কম্পন মাত্রাতিরিক্ত হলে বিপদ ঘটে কিন্তু চাপ নিজে থেকে সরাসরি কোনো পরিবেশগত বিপদ সৃষ্টি করে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি পরিবেশ বিজ্ঞান এবং কর্মপরিবেশ নিরাপত্তা অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখান থেকে কাজের পরিবেশের ক্ষতিকর ভৌত উপাদান সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন আসতে পারে।
a Olefin
b Taurates
c Sulfates
d Cety alcohol
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Cetyl alcohol ১. কেন সঠিক: - সেটিল অ্যালকোহল একটি ফ্যাটি অ্যালকোহল এবং এটি নন-আয়নিক বা আয়নহীন সার্ফ্যাক্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করে। - পানিতে দ্রবীভূত হলে এটি কোনো ঋণাত্মক বা ধনাত্মক আধানযুক্ত আয়ন তৈরি করে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সার্ফ্যাক্ট্যান্ট হলো এমন যৌগ যা তরলের পৃষ্ঠটান কমিয়ে দেয়। - কার্যপ্রণালি: অণুর একটি প্রান্ত জলপ্রেমী এবং অন্য প্রান্ত তেলপ্রেমী হওয়ায় এটি ময়লা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। - বাস্তব প্রয়োগ: প্রসাধন সামগ্রী এবং লোশন তৈরিতে এটি ইমালসিফায়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহারের সময় পানির পৃষ্ঠটান কমে যায় এবং ফেনা তৈরি হয়। ব্যাখ্যা: সার্ফ্যাক্ট্যান্টের উপস্থিতির কারণে পানি সহজে কাপড়ের ভেতরে প্রবেশ করে ময়লা দূর করতে পারে। উদাহরণ ২: স্কিন ক্রিম ও ময়েশ্চারাইজার তৈরিতে সেটিল অ্যালকোহল ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি তেলের সঙ্গে পানি মিশিয়ে ক্রিমকে ঘন ও স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Olefin — এটি একটি অ্যানায়নিক সার্ফ্যাক্ট্যান্ট যা সাধারণত ভারী ডিটারজেন্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। B) Taurates — এটি একটি মৃদু অ্যানায়নিক সার্ফ্যাক্ট্যান্ট যা শ্যাম্পু এবং ফেসওয়াশে ব্যবহার করা হয়। C) Sulfates — এটি সবচেয়ে পরিচিত অ্যানায়নিক সার্ফ্যাক্ট্যান্ট শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত যা প্রচুর ফেনা তৈরি করে। D) Cetyl alcohol — এটি নন-আয়নিক প্রকৃতির হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - অ্যালকোহলযুক্ত যৌগ সাধারণত নন-আয়নিক বা আধানহীন হয়। - সালফাট বা ওলেফিন শব্দগুলো দেখলে বুঝতে হবে সেগুলো অ্যানায়নিক প্রকৃতির। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সার্ফ্যাক্ট্যান্ট কত প্রকার এবং তাদের কাজের ধরন কী, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - অ্যানায়নিক সার্ফ্যাক্ট্যান্ট ঋণাত্মক চার্জযুক্ত এবং নন-আয়নিক সার্ফ্যাক্ট্যান্ট চার্জহীন হয়।
a রুবিওলা
b ফ্ল্যাভি ভাইরাস
c হাপিসি জিপ্রেকস
d ভেরিওলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্ল্যাভি ভাইরাস ১. কেন সঠিক: ডেঙ্গুজ্বর একটি ভাইরাল সংক্রমণ যা ফ্ল্যাভিভাইরিডে পরিবারের অন্তর্গত ফ্ল্যাভি ভাইরাস নামক ক্ষুদ্র অণুজীবের কারণে মানবদেহে ছড়ায়। এই ভাইরাসটি প্রধানত এডিস মশার মাধ্যমে মানুষের রক্তে প্রবেশ করে এবং কোষের ভেতরে বংশবৃদ্ধি করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আক্রান্ত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ডেঙ্গু ভাইরাস হলো একটি সিঙ্গেল স্ট্র্যান্ডেড আরএনএ ভাইরাস যা ফ্ল্যাভিভাইরাস গণের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি মূলত আর্থ্রোপড বা মশার মাধ্যমে ছড়ায়। কার্যপ্রণালি: এডিস ইজিপ্টি মশার কামড়ের মাধ্যমে ভাইরাস মানুষের রক্তে প্রবেশ করে লিম্ফ নোডে পৌঁছায় এবং সেখানে রেপ্লিকেট করে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। কারণ ও ফলাফল: ভাইরাসের এই আক্রমণের ফলে রক্তে প্লাটিলেটের মাত্রা দ্রুত হ্রাস পায় এবং রক্তনালীর প্রাচীর ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে তীব্র জ্বর ও শারীরিক দুর্বলতা দেখা দেয়। বাস্তব প্রয়োগ: এই ভাইরাস সম্পর্কে ধারণা থাকায় চিকিৎসকরা দ্রুত রোগ নির্ণয় করে প্লাটিলেট কাউন্ট পর্যবেক্ষণ করে সঠিক চিকিৎসা দিতে পারেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এডিস মশার বংশবৃদ্ধি রোধ করা। ব্যাখ্যা: ঘরের জমে থাকা পরিষ্কার পানি নিয়মিত পরিষ্কার করলে মশার লার্ভা ধ্বংস হয় এবং ডেঙ্গু ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানো যায়। উদাহরণ ২: ডেঙ্গু রোগীর প্লাটিলেট কমে যাওয়া। ব্যাখ্যা: রক্তে ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে শরীরের রক্তকণিকা ভেঙে যায়, যা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রুবিওলা — এটি হাম রোগের জন্য দায়ী ভাইরাস বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা ডেঙ্গুর সাথে সম্পর্কিত নয়। B) ফ্ল্যাভি ভাইরাস — এটি সঠিক উত্তর এবং ডেঙ্গুজ্বরের ভাইরাসের মূল বৈজ্ঞানিক শ্রেণি ও নাম নির্দেশ করে। C) হাপিসি জিপ্রেকস — এটি কোনো প্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক ভাইরাসের নাম নয়, বরং প্রশ্নটিকে বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা একটি কাল্পনিক শব্দ। D) ভেরিওলা — এটি বসন্ত বা স্মলপক্স রোগের জন্য দায়ী ভাইরাসের বৈজ্ঞানিক নাম, যা ডেঙ্গু থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। ৫ মনে রাখার টিপস: ডেঙ্গু মানেই ফ্ল্যাভি ভাইরাস এবং এর বাহক হলো এডিস মশা, যা জমাকৃত পরিষ্কার পানিতে বংশবিস্তার করে। ভাইরাসটির নাম মনে রাখতে ফ দিয়ে ফ্ল্যাভি এবং ফ দিয়ে ফর্সা বা পরিষ্কার পানির কথা মনে রাখতে পারেন যেখানে মশা ডিম পাড়ে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ডেঙ্গু ভাইরাস কত প্রকার ও কী কী এবং এর বাহক এডিস মশার বৈজ্ঞানিক নাম প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ভবিষ্যতের প্রশ্নের জন্য মনে রাখবেন যে ডেঙ্গু চার ধরণের সেরোটাইপে বিভক্ত এবং এটি প্রধানত একটি মশাবাহিত রোগ।
a DNA
b DNA + RNA
c RNA
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) RNA ১. কেন সঠিক: - কোভিড নাইনটিন হলো একটি সংক্রামক ভাইরাস যার জিনোম বা জেনেটিক উপাদান হলো একক স্ট্র্যান্ডযুক্ত রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড বা সংক্ষেপে আরএনএ। - এটি ডিএনএ ধারণ করে না বরং এর জেনেটিক কোড আরএনএ অণুর মাধ্যমে গঠিত হওয়ায় এটি মিউটেশন বা রূপ পরিবর্তনের মাধ্যমে খুব দ্রুত বিস্তার লাভ করতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: করোনা ভাইরাস হলো করোনোভিরিডে পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এক প্রকার পজিটিভ সেন্স সিঙ্গেল স্ট্র্যান্ডেড আরএনএ ভাইরাস যা পোষক কোষের ভেতরে প্রবেশ করে নিজস্ব প্রোটিন তৈরি করে। - কার্যপ্রণালি: ভাইরাসটি মানবদেহের কোষের রিসিপ্টরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কোষে প্রবেশ করে এবং নিজস্ব আরএনএ ব্যবহার করে অসংখ্য প্রতিলিপি বা কপি তৈরি করে কোষকে ধ্বংস করে দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইনফ্লুয়েঞ্জা বা সাধারণ সর্দি-কাশির ভাইরাস। ব্যাখ্যা: এই ভাইরাসগুলোও কোভিড নাইনটিনের মতো আরএনএ ভাইরাস হওয়ায় বারবার এদের স্ট্রেন পরিবর্তিত হয় এবং নতুন টিকা তৈরি করতে হয়। উদাহরণ ২: মানুষের এইচআইভি বা পোলিও ভাইরাস। ব্যাখ্যা: এগুলোও আরএনএ ভাইরাসের ক্লাসের অন্তর্ভুক্ত যা কোষের ভেতরে প্রবেশ করে রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) DNA — ভুল কারণ এই ভাইরাসটি ডিএনএ জিনোম ব্যবহার করে বংশবৃদ্ধি করে না, এর মূল জেনেটিক উপাদান আরএনএ। B) DNA + RNA — ভুল কারণ কোনো একক প্রাকৃতিক ভাইরাস একই সঙ্গে তার মূল জিনোম হিসেবে ডিএনএ এবং আরএনএ উভয় উপাদান ধারণ করে না। C) RNA — সঠিক কারণ কোভিড নাইনটিনের মূল জেনেটিক উপাদান হলো রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড বা আরএনএ। D) কোনটিই নয় — ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি সি অপশনে স্পষ্টভাবে বিদ্যমান রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - করোনা বা কোভিড শব্দটির সঙ্গে আরএনএ শব্দের মিল মনে রাখতে পারো যে এই অতিমারি সৃষ্টিকারী জীবাণুটি মূলত আরএনএ ভিত্তিক ভাইরাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন ভাইরাসের প্রকারভেদ জানতে চাওয়া হয়, তাই মনে রাখবে ইনফ্লুয়েঞ্জা, পোলিও, হেপাটাইটিস সি এবং কোভিড নাইনটিন সবই আরএনএ ভাইরাস।
a Edenx
b Hippocrates
c Egyption
d Partis
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Hippocrates ১. কেন সঠিক: হিপ্রোক্রেটিসকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের জনক বলা হয় কারণ তিনি প্রথম চিকিৎসাবিজ্ঞানের সঙ্গে ধর্ম ও কুসংস্কারের সম্পর্ক চিরতরে বিচ্ছিন্ন করেন। তিনি পর্যবেক্ষণ ও যুক্তির মাধ্যমে রোগের প্রাকৃতিক কারণ অনুসন্ধানের ওপর জোর দিয়েছিলেন এবং চিকিৎসকদের জন্য নৈতিক নির্দেশিকা তৈরি করেছিলেন। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: চিকিৎসাবিজ্ঞান হলো মানবদেহ সংরক্ষণ, রোগ নিরাময় এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত বিজ্ঞান শাখা। কার্যপ্রণালি: প্রাচীন গ্রিসে হিপ্রোক্রেটিস মানব শরীরের বিভিন্ন তরলের ভারসাম্যহীনতাকে রোগের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন এবং চিকিৎসার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি স্থাপন করেন। বাস্তব প্রয়োগ: আজও ডাক্তাররা পেশাগত দায়িত্ব পালনের শুরুতে যে শপথ নেন, তাকে হিপ্রোক্রেটিক ওথ বলা হয় যা চিকিৎসাশাস্ত্রের নৈতিকতার ভিত্তি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক চিকিৎসাশাস্ত্রের রোগ নির্ণয় পদ্ধতি। ব্যাখ্যা: হিপ্রোক্রেটিসের দেখানো পথ ধরে আজ ল্যাব টেস্ট ও শারীরিক লক্ষণের ভিত্তিতে রোগের কারণ খোঁজা হয়। উদাহরণ ২: চিকিৎসকদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। ব্যাখ্যা: চিকিৎসা পেশায় যোগ দেওয়ার আগে এই নৈতিক শপথ নেওয়া বাধ্যতামূলক যা হিপ্রোক্রেটিসের অবদানকে স্মরণ করিয়ে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Edenx — এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো পরিচিত ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব বা বৈজ্ঞানিক নাম নয়। B) Hippocrates — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের জনকের প্রকৃত নাম নির্দেশ করে। C) Egyption — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম নয়, বরং একটি প্রাচীন সভ্যতা যা চিকিৎসায় অবদান রাখলেও জনক হিসেবে স্বীকৃত নয়। D) Partis — এটি চিকিৎসা ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারক বা প্রবক্তার নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: হিপ্রোক্রেটিসের নামের শুরুতে এইচ অক্ষরটি রয়েছে এবং হেলথ বা স্বাস্থ্য শব্দের শুরুতেও এইচ অক্ষর রয়েছে। এই মিলটি মনে রাখলে স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের জনকের নাম সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: হিপ্রোক্রেটিস প্রাচীন গ্রিসের অধিবাসী ছিলেন এবং তাকে আধুনিক মেডিসিনের ভিত্তি স্থাপনকারী বলা হয়। এই টপিক থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চিকিৎসাবিজ্ঞানের জনক কে অথবা হিপ্রোক্রেটিক ওথ কার সঙ্গে সম্পর্কিত—এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a Guanine
b Uracil
c Thymine
d Cytosine
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Thymine ১. কেন সঠিক: - থাইমিন (Thymine) শুধুমাত্র ডিএনএ অণুতে পাওয়া যায় এবং এটি আরএনএ অণুতে অনুপস্থিত থাকে। - আরএনএ অণুতে থাইমিনের পরিবর্তে ইউরাসিল নামক নাইট্রোজেনাস বেস যুক্ত থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: নিউক্লিক এসিড যেমন ডিএনএ এবং আরএনএ তৈরির প্রধান উপাদান হলো নাইট্রোজেনাস বেস। - কার্যপ্রণালি: আরএনএ গঠনে অ্যাডেনিন সবসময় ইউরাসিলের সঙ্গে এবং গুয়ানিন সাইটোসিনের সঙ্গে যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের জিনোম ব্যাখ্যা: মানুষের কোষে থাকা ডিএনএ অণুতে থাইমিন থাকলেও তার অনুলিপি তৈরি করা এমআরএনএ অণুতে থাইমিনের বদলে ইউরাসিল থাকে। উদাহরণ ২: করোনাভাইরাস ব্যাখ্যা: এটি একটি আরএনএ ভাইরাস যেখানে জেনেটিক বস্তু হিসেবে আরএনএ থাকে এবং এর গঠনেও কোনো থাইমিন নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Guanine — গুয়ানিন ডিএনএ এবং আরএনএ উভয় নিউক্লিক এসিডেই সমানভাবে উপস্থিত থাকে। B) Uracil — ইউরাসিল শুধুমাত্র আরএনএ অণুতে থাকে যা ডিএনএতে অনুপস্থিত। C) Thymine — থাইমিন আরএনএ অণুতে অনুপস্থিত থাকে এবং এটি শুধুমাত্র ডিএনএতে পাওয়া যায়। D) Cytosine — সাইটোসিন ডিএনএ এবং আরএনএ উভয় প্রকার নিউক্লিক এসিডেই গঠিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আরএনএ মানে ইউরাসিল আর ডিএনএ মানে থাইমিন এই সহজ পার্থক্য মনে রাখবে। - নাইট্রোজেনাস বেসগুলোর নাম মুখস্থ রাখতে পিউরিন এবং পাইরিমিডিন শ্রেণি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডিএনএ এবং আরএনএর পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কোন নিউক্লিক এসিডে শর্করা রাইবোজ এবং কোনটিতে ডিঅক্সিরাইবোজ থাকে তা জেনে রাখা জরুরি।
a মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
b রাশিয়া
c গুয়েতেমালা
d চীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চীন ১. কেন সঠিক: - বর্তমান বিশ্বে চীন হলো সর্বাধিক কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণকারী দেশ। - দ্রুত শিল্পায়ন ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের আধিক্যের কারণে বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: জীবাশ্ম জ্বালানি যেমন কয়লা, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ানোর ফলে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়। - কারণ ও ফলাফল: অতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণের ফলে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যাকে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চীনের শিল্পাঞ্চলগুলোতে কয়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়ে সরাসরি বায়ুমণ্ডলে মিশে যায়। উদাহরণ ২: মোটরগাড়ি ও কারখানার ধোঁয়া। ব্যাখ্যা: জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট এই ধোঁয়া পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং কার্বন নিঃসরণ বাড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিকভাবে সর্বাধিক কার্বন নিঃসরণকারী দেশ হলেও বর্তমানে বার্ষিক নিঃসরণে চীনের পরেই এর অবস্থান। B) রাশিয়া — রাশিয়া বিশ্বের অন্যতম প্রধান কার্বন নিঃসরণকারী দেশ হলেও এটি চীনের মতো শীর্ষ অবস্থানে নেই। C) গুয়েতেমালা — গুয়েতেমালা একটি উন্নয়নশীল দেশ এবং এর শিল্পায়ন কম হওয়ায় কার্বন নিঃসরণের হার খুবই কম। D) চীন — এটি বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণকারী দেশ। ৫ মনে রাখার টিপস: - জনসংখ্যা ও কারখানা দুটোতেই চীন এগিয়ে, তাই কার্বন নিঃসরণেও চীন সবার শীর্ষে। - মনে রাখার জন্য চীনের নামের সাথে কার্বনের আধিক্যের বিষয়টি মিলিয়ে নিতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরিবেশবিজ্ঞান ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। - প্যারিস জলবায়ু চুক্তি এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা সম্পর্কিত প্রশ্নও এর সাথে সম্পর্কিত।
a সোডিয়াম কার্বোনেট
b সোডিয়াম সিলেকেট
c সোডিয়াম ক্লোরাইড
d সোডিয়াম সালফেট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সোডিয়াম সিলেকেট ১. কেন সঠিক: - সোডিয়াম সিলেকেট সাবানকে শক্ত করতে এবং এর ক্ষয় রোধ করতে ফিলার বা বাইন্ডার হিসেবে কাজ করে। এটি সাবানের অতিরিক্ত আর্দ্রতা শোষণ করে এর গঠনকে দৃঢ় ও টেকসই করে তোলে। - সাবান তৈরির সময় চর্বি বা তেলের সঙ্গে কস্টিক সোডার সাবানায়ন বিক্রিয়ার পর তরল বা নরম সাবান উৎপন্ন হয়, যা শক্ত করতে এই উপাদান ব্যবহৃত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - রাসায়নিক সংকেত: সোডিয়াম সিলেকেটের রাসায়নিক সংকেত সোডিয়াম অক্সাইড ডট সিলিকন ডাইঅক্সাইড। এটি সোডিয়াম সিলিকেট নামেও পরিচিত। - কার্যপ্রণালি: এটি সাবানের মিশ্রণে জেল বা কঠিন আস্তরণ তৈরি করে সাবানকে দ্রুত গলে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। - বাস্তব প্রয়োগ: লন্ড্রি সাবান বা সস্তা মানের সাবান তৈরিতে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাপড় কাচার সাবান বা বল সাবান তৈরিতে সোডিয়াম সিলেকেট মেশানো হয়। ব্যাখ্যা: এর ফলে সাবান সহজে জলে গলে যায় না এবং দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহার করা যায়। উদাহরণ ২: উন্নত মানের প্রসাধন সাবানে সোডিয়াম সিলেকেটের পরিবর্তে সোডিয়াম ক্লোরাইড বা লবণ ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি সাবানকে শক্ত করার পাশাপাশি সাবানের মিশ্রণ থেকে গ্লিসারিন আলাদা করতে সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোডিয়াম কার্বোনেট — এটি ওয়াশিং সোডা নামে পরিচিত এবং সাবান তৈরিতে ক্ষারীয় উপাদান হিসেবে কাজ করে, তবে এটি সাবান শক্ত করে না। B) সোডিয়াম সিলেকেট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সাবানকে শক্ত ও দীর্ঘস্থায়ী করতে সরাসরি সাহায্য করে। C) সোডিয়াম ক্লোরাইড — এটি সাধারণ লবণ যা সাবান তৈরির সময় সাবানের দ্রবণকে অধঃক্ষিপ্ত করতে এবং সাবান আলাদা করতে স্যাল্টিং আউট প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়, সরাসরি শক্ত করার প্রধান উপাদান এটি নয়। D) সোডিয়াম সালফেট — এটি সাবান বা ডিটারজেন্টে ফিলার বা আয়তন বৃদ্ধিকারী উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়, শক্ত করার কাজ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাবান শক্ত করার চাবি হলো সিলেকেট, তাই সোডিয়াম সিলেকেট মনে রাখবে। - সাবান তৈরিতে সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড প্রধান ক্ষার এবং সোডিয়াম সিলেকেট হলো শক্ত করার উপাদান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাবান হলো উচ্চতর ফ্যাটি অ্যাসিডের সোডিয়াম লবণ। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে সাবান তৈরিতে উপজাত হিসেবে কী পাওয়া যায়, যার উত্তর হলো গ্লিসারিন।

মোট প্রশ্ন (1)

a খাগড়াছড়ি
b বান্দরবান
c রাঙামাটি
d দিনাজপুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বান্দরবান ১. কেন সঠিক: ঘুমধুম সীমান্ত বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি জেলা বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার অন্তর্গত একটি কৌশলগত এলাকা। এটি বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের আন্তর্জাতিক সীমানার নিকটবর্তী হওয়ায় সীমান্ত নিরাপত্তা এবং ভূ-রাজনীতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার শেষ প্রান্তে এবং মিয়ানমার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। বৈশিষ্ট্য: এটি পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি এবং নদীবেষ্টিত সীমান্ত এলাকা যার পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে নাফ নদী। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: বাংলাবান্ধা সীমান্ত ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের সর্বউত্তরের পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত এবং ভারতের সঙ্গে সীমান্ত তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: টেকনাফ সীমান্ত ব্যাখ্যা: এটি কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত এবং নাফ নদী বরাবর মিয়ানমারকে পৃথক করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাগড়াছড়ি — এটি একটি পার্বত্য জেলা হলেও ঘুমধুম সীমান্ত এখানে অবস্থিত নয়। B) বান্দরবান — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ঘুমধুম সীমান্ত এই জেলায় অবস্থিত। C) রাঙামাটি — এটি আয়তনে দেশের বৃহত্তম জেলা হলেও ঘুমধুম সীমান্ত এর ভৌগোলিক সীমানায় পড়ে না। D) দিনাজপুর — এটি উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের একটি সমভূমি জেলা যা মিয়ানমার সীমান্তের অনেক দূরে অবস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: ঘুমধুম শব্দের সঙ্গে পাহাড়ি অঞ্চলের নাম মেলালে বান্দরবান বা নাইক্ষ্যংছড়ি সহজেই মনে রাখা যায়। দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তের মিয়ানমার সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকা হিসেবে বান্দরবানকে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের সীমান্ত সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে সীমান্ত সংক্রান্ত নদী বা জেলার নাম নিয়ে নতুন প্রশ্ন হতে পারে।

মোট প্রশ্ন (30)

a Acarbose
b Glipizide
c Metformin
d All of them
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Acarbose কেন সঠিক: - এটি ক্ষুদ্রান্ত্রে শর্করা পরিপাককারী এনজাইম আলফা গ্লুকোসিডেজকে বাধা দিয়ে রক্তে গ্লুকোজের শোষণ ধীর করে দেয়। - টাইপ দুই ডায়াবেটিস রোগীদের খাবারের পরে হঠাৎ রক্তের শর্করা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে এটি চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Acarbose — এটি একটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নির্দিষ্টভাবে আলফা গ্লুকোসিডেজ ইনহিবিটর শ্রেণির ওষুধ। B) Glipizide — এটি সালফুনিলিউরিয়া শ্রেণির ওষুধ যা অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসরণ বাড়ায়। C) Metformin — এটি বাইগুয়ানাইড শ্রেণির ওষুধ যা যকৃতে গ্লুকোজ উৎপাদন কমায় এবং ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায়। D) All of them — অন্য অপশনগুলো ভিন্ন শ্রেণির ওষুধ হওয়ায় এই উত্তরটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: নামের শেষে 'বোজ' বা 'ose' যুক্ত এবং পরিপাকে বাধা দেয় এমন ডায়াবেটিসের ওষুধ হলো আলফা গ্লুকোসিডেজ ইনহিবিটর।
a insulin
b Linagliptin
c Glimeperide
d A এবং C
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) insulin কেন সঠিক: - ইনসুলিন হলো একটি পেপটাইড হরমোন, যা মুখে খেলে পরিপাকতন্ত্রের গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড ও এনজাইমের প্রভাবে ভেঙে নষ্ট হয়ে যায়। - তাই এটি রক্তে কার্যকরভাবে পৌঁছানোর জন্য সাধারণত ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করাতে হয়, মুখে খাওয়া যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) insulin — এটি মুখে খাওয়া যায় না কারণ এটি পাকস্থলীতে এনজাইমের দ্বারা নষ্ট হয়ে যায়, তাই এটি সঠিক উত্তর। B) Linagliptin — এটি টাইপ টু ডায়াবেটিস চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি ওরাল বা মুখে খাওয়ার ওষুধ। C) Glimeperide — এটি একটি ওরাল অ্যান্টিডায়াবেটিক ওষুধ যা মুখে ট্যাবলেট হিসেবে সেবন করা হয়। D) A এবং C — যেহেতু শুধুমাত্র ইনসুলিন মুখে খাওয়া যায় না এবং গ্লিমিপাইরাইড মুখে খাওয়া যায়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ইনসুলিন হলো ইনজেকশনের ওষুধ, আর ডায়াবেটিসের বাকি অনেক বড় বড় বড়ি বা ট্যাবলেট মুখেই খাওয়া যায়।
a Cefuroxime
b Ciprofloxacin
c Metronidazole
d All of them
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। সঠিক উত্তর হবে সিপ্রোফ্লক্সাসিন (Ciprofloxacin) অথবা এই প্রশ্নটিতে একাধিক ভুল তথ্য রয়েছে। কেন সঠিক: - ব্যাকটেরিয়া কোষ প্রাচীর সংশ্লেষণে বাধা দেয় পেনিসিলিন, সেফালোস্পোরিন ইত্যাদি অ্যান্টিবায়োটিক। - সিপ্রোফ্লক্সাসিন ডিএনএ রেপ্লিকেশনে বাধা দেয় এবং মেট্রোনিডাজল ডিএনএ ক্ষতি করে, যা কোষ প্রাচীর সংশ্লেষণের সাথে সম্পর্কিত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cefuroxime — এটি সেফালোস্পোরিন শ্রেণীর অ্যান্টিবায়োটিক যা ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর সংশ্লেষে সরাসরি বাধা দেয়। B) Ciprofloxacin — এটি ফ্লুরোকুইনোলোন শ্রেণীর অ্যান্টিবায়োটিক যা ব্যাকটেরিয়ার ডিএনএ গাইরেজ এনজাইমে বাধা দিয়ে ডিএনএ প্রতিলিপিতে বিঘ্ন ঘটায়, কোষ প্রাচীরে নয়। C) Metronidazole — এটি নাইট্রোমিডাজল অ্যান্টিবায়োটিক যা ব্যাকটেরিয়ার নিউক্লিক এসিড সংশ্লেষণে বাধা সৃষ্টি করে, কোষ প্রাচীরে কাজ করে না। D) All of them — যেহেতু সিপ্রোফ্লক্সাসিন ও মেট্রোনিডাজল কোষ প্রাচীর সংশ্লেষে বাধা দেয় না, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিক কোষ প্রাচীরে কাজ করে, আর কুইনোলোন বা মেট্রোনিডাজল ডিএনএ-তে কাজ করে।
a Cyclohexene
b Octane
c Cyclopentene
d Pyrrole
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Pyrrole কেন সঠিক: - পাইরোল একটি হেটারোসাইক্লিক অ্যারোমেটিক যৌগ যা হাকেলের নিয়ম মানে এবং এর অণুতে ছয়টি পাই ইলেকট্রন আছে। - এর নাইট্রোজেন পরমাণুর লোন পেয়ার পাই ইলেকট্রন মেঘের সঙ্গে রেজোন্যান্সে অংশ নিয়ে অ্যারোমেটিক স্থায়িত্ব প্রদান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cyclohexene — এটি একটি সাইক্লিক অ্যালকিন এবং এর কোনো রেজোন্যান্স বা অ্যারোমেটিক ধর্ম নেই। B) Octane — এটি একটি মুক্ত শিকল বা অ্যালকেন হাইড্রোকার্বন, তাই এটি অ্যারোমেটিক হতে পারে না। C) Cyclopentene — এটি একটি সাধারণ চক্রাকার অ্যালকিন যাতে অ্যারোমেটিকতার প্রয়োজনীয় পাই ইলেকট্রন ও রেজোন্যান্স নেই। D) Pyrrole — এটি প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে একমাত্র যৌগ যা হাকেলের নিয়ম মেনে অ্যারোমেটিক বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে। মনে রাখার টিপস: হেটারোসাইক্লিক যৌগের মধ্যে পাইরোল, ফিউরান এবং থায়োফিন হলো এমন যৌগ যেখানে বিষম পরমাণুর লোন পেয়ার অ্যারোমেটিকটায় অংশ নেয়।
a Lisinopril
b Metoprolol
c Losartan
d Atenolol
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Lisinopril কেন সঠিক: - লিসিনোপ্রিল হলো একটি এসি ইনহিবিটর যা এনজিওটেন্সিন কনভার্টিং এনজাইমের কার্যকারিতা রোধ করে রক্তনালী প্রসারিত করে। - এটি উচ্চ রক্তচাপ এবং হার্ট ফেইলিউর চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত একটি ওষুধ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lisinopril - এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি এসি ইনহিবিটর শ্রেণীর ওষুধ। B) Metoprolol - এটি একটি বিটা ব্লকার শ্রেণীর ওষুধ, যা হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ কমাতে কাজ করে। C) Losartan - এটি একটি এআরবি বা এনজিওটেন্সিন রিসেপ্টর ব্লকার শ্রেণীর ওষুধ, যা এসি ইনহিবিটর থেকে ভিন্ন। D) Atenolol - এটিও একটি বিটা ব্লকার শ্রেণীর ওষুধ, যা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: যেসকল ওষুধের নামের শেষেপ্রিল শব্দটি থাকে, সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সেগুলো এসি ইনহিবিটর শ্রেণীর ওষুধ হয়ে থাকে।
a 0
b 1
c 2
d 3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ কেন সঠিক: - ইন্ট্রাভেনাস বা IV রুটে ওষুধ সরাসরি রক্তপ্রবাহে প্রবেশ করে, তাই এর বায়োঅ্যাভেইলাবিলিটি বা শোষণের মাত্রা শতভাগ হয়। - এই ১০০% বা সম্পূর্ণ শোষণের অনুপাতকে ভগ্নাংশের হিসাবে ১ হিসেবে ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০ — এটি ভুল কারণ কোনো ওষুধ রক্তে প্রবেশ না করলে এর মান শূন্য হতো, যা IV রুটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) ১ — এটি সঠিক কারণ IV রুটে ওষুধ শতভাগ শোষিত হয় এবং এর অনুপাত ১ হয়। C) ২ — এটি ভুল কারণ ওষুধের শোষণের মাত্রা কখনো ১ বা ১০০% এর বেশি হতে পারে না। D) ৩ — এটি ভুল কারণ এটি শোষণের অনুপাতের নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমার বাইরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: IV মানে সরাসরি রক্তে প্রবেশ, তাই এর ক্ষেত্রে মান হবে সবসময় ১।
a Lopinavir
b Ritonavir
c Remdisivir
d All of them
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Remdisivir কেন সঠিক: - রেমডেসিভির হলো একটি অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ যা করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর হিসেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক প্রথম দিকে অনুমোদিত হয়। - এটি রোগীর শরীরে ভাইরাসের বংশবৃদ্ধি রোধ করে দ্রুত সুস্থ করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lopinavir — এটি মূলত এইচআইভি চিকিৎসায় ব্যবহৃত প্রোটিয়েজ ইনহিবিটর, যা পরবর্তীতে কোভিড-১৯ চিকিৎসায় আশানুরূপ ফল দেয়নি। B) Ritonavir — এটিও এইচআইভি চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি ওষুধ এবং লোপিনাভিরের কার্যকারিতা বাড়াতে ব্যবহৃত হয়, যা এককভাবে কোভিড-১৯ এর মূল ওষুধ নয়। C) Remdisivir — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সরাসরি কোভিড-১৯ ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর অ্যান্টিভাইরাল হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। D) All of them — এই অপশনটি ভুল কারণ লোপিনাভির ও রিটোনাভির কোভিড-১৯ এর ক্ষেত্রে কার্যকর প্রমাণিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর একমাত্র মূল অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ হলো রেমডেসিভির।
a Diazepam
b Digitalis
c Aspirin
d Amilonide
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Digitalis কেন সঠিক: - ডিজিটালিস (Digitalis) একটি ঔষধি গাছ থেকে প্রাপ্ত উপাদান যা হৃদপিন্ডের সংকোচন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে রক্তচাপ ও হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। - এটি হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক রাখতে এবং কনজেস্টিভ হার্ট ফেইলিউর চিকিৎসায় চিকিৎসকরা ব্যবহার করে থাকেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Diazepam — এটি একটি ট্রাঙ্কুলাইজার বা সিডেটিভ ড্রাগ যা মূলত উদ্বেগ, দুশ্চিন্তা এবং ঘুমের সমস্যার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। B) Digitalis — এটি রক্তচাপ ও হৃদপিন্ডের গতি নিয়ন্ত্রণে সরাসরি কাজ করে তাই এটি সঠিক উত্তর। C) Aspirin — এটি মূলত ব্যথানাশক এবং রক্ত পাতলা রাখতে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের প্রধান ওষুধ নয়। D) Amilonide — এটি একটি ডাইইউরেটিক বা মূত্রবর্ধক ওষুধ যা শরীর থেকে অতিরিক্ত তরল দূর করতে সাহায্য করে। মনে রাখার টিপস: ডিজিটালিস ফুল বা গাছ থেকে তৈরি ওষুধ হৃদপিন্ডের গতি ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সরাসরি কাজ করে।
a Angina
b Anxiety
c Hypertension
d In all of the conditions
ব্যাখ্যাঃ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: B) Anxiety কেন সঠিক: - নিফেডিপিন একটি ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার যা রক্তনালী প্রসারিত করে। - এটি অ্যানজাইনা ও হাইপারটেনশনের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হলেও অ্যানজাইটি বা উদ্বেগের চিকিৎসায় কার্যকর নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Angina — এটি হৃদপিণ্ডের বুকে ব্যথার চিকিৎসায় কার্যকর একটি ভাসোডিল্যাটর বা রক্তনালী প্রসারক ওষুধ। B) Anxiety — এটি মানসিক উদ্বেগ বা উৎকণ্ঠার চিকিৎসায় কোনো প্রভাব ফেলে না এবং এর চিকিৎসায় এটি ব্যবহৃত হয় না। C) Hypertension — এটি উচ্চ রক্তচাপ কমাতে রক্তনালী শিথিল করার মাধ্যমে সরাসরি কার্যকর ভূমিকা পালন করে। D) In all of the conditions — যেহেতু এটি অ্যানজাইটি বা উদ্বেগের চিকিৎসায় কোনো কাজ করে না, তাই সব শর্ত প্রযোজ্য নয় এবং প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। মনে রাখার টিপস: নিফেডিপিন শুধু রক্তনালী ও হৃদপিণ্ডের রক্তচাপ নিয়ে কাজ করে, মনের উদ্বেগ বা অ্যানজাইটির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
a Picking
b Mottling
c Capping
d Sticking
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Mottling কেন সঠিক: - ট্যাবলেটের উপরিভাগে রঙের অসম বন্টন বা ছোপ ছোপ দাগ সৃষ্টি হওয়াকে ফার্মেসির পরিভাষায় মটলিং বলা হয়। - বাইন্ডার বা রঙের ঠিকমতো মেশানো না হওয়ার কারণে ট্যাবলেটে এই সমস্যা দেখা দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Picking — এটি এমন একটি ত্রুটি যেখানে ট্যাবলেটের উপাদান পাঞ্চ ফেসের সাথে আটকে যায়। B) Mottling — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি ট্যাবলেটে রঙের অসম বন্টনকে নির্দেশ করে। C) Capping — এটি এমন একটি ত্রুটি যেখানে ট্যাবলেটের উপরের বা নিচের অংশ আলাদা হয়ে খণ্ডিত হয়ে যায়। D) Sticking — এটি ট্যাবলেটের উপাদানগুলো ডাই ওয়ালের সাথে আটকে যাওয়ার অবস্থাকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: রং বা বর্ণের অসম ছোপ ছোপ ভাব বোঝাতে Mottling শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
a Heparin
b Daltreparin
c Dicumaraf
d Enoxaparin
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Dicumarol (বিঃদ্রঃ প্রদত্ত অপশনে বানান Dicumaraf আছে, যা মূলত Dicumarol) কেন সঠিক: - ডিসুমারল হলো মুখ দিয়ে খাওয়ার বা ওরাল অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এজেন্ট, যা রক্তের তঞ্চন বা জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে। - এটি ভিটামিন কে এর কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে রক্ত পাতলা রাখতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Heparin — এটি ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরে প্রয়োগ করতে হয়, তাই এটি ওরাল অ্যান্টিসংকোগুল্যান্ট নয়। B) Daltreparin — এটি লো মলিকুলার ওয়েট হেপারিন এবং এটিও শুধু ইনজেকশন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) Dicumaraf — এটি মুদ্রণজনিত ভুল বা পরিবর্তিত রূপ, যা মূলত ওরাল অ্যান্টিসংকোগুল্যান্ট Dicumarol-কে নির্দেশ করে। D) Enoxaparin — এটি একটি ইনজেকটেবল অ্যান্টিসংকোগুল্যান্ট যা ওরাল বা খাওয়ার উপযোগী নয়। মনে রাখার টিপস: ওরাল বা মুখে খাওয়ার অ্যান্টিসংকোগুল্যান্ট মনে রাখতে ডি (D) দিয়ে শুরু হওয়া Dicumarol নামটি মনে রাখবেন।
a Dextrose
b Lacrose
c MCC
d Starch
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Lactose (প্রদত্ত উত্তরে বানান কিছুটা ভুল ছিল, সঠিক বানান Lactose) কেন সঠিক: - ল্যাকটোজ ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ট্যাবলেট তৈরিতে বহুল ব্যবহৃত একটি ফিলার বা ডিলুয়েন্ট, যা ট্যাবলেটের সঠিক আকৃতি ও ওজন নিশ্চিত করে। - এটি নিষ্ক্রিয় এবং মানবদেহের জন্য নিরাপদ হওয়ায় বেশিরভাগ পাউডার মিশ্রণে এটি প্রধান বাইন্ডিং ও ফর্মুলেশন সহায়ক উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dextrose — এটি মূলত ইঞ্জেকশন ও তাৎক্ষণিক শক্তির ওষুধে ব্যবহৃত হয়, তবে সাধারণ ট্যাবলেটে এটি প্রধান ডিলুয়েন্ট নয়। B) Lacrose — এটি মূলত Lactose-এর বানান ভুল রূপ, যা ফর্মুলেশনের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত ডিলুয়েন্ট হিসেবে কাজ করে। C) MCC — এটি ডিলুয়েন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হলেও ল্যাকটোসের মতো এত বেশি সংখ্যক ওষুধে এটি প্রধান রূপে ব্যবহৃত হয় না। D) Starch — এটি বাইন্ডার বা ডিসইন্টিগ্রেন্ট হিসেবে বেশি ব্যবহৃত হয়, সরাসরি প্রধান ডিলুয়েন্ট হিসেবে ল্যাকটোজের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। মনে রাখার টিপস: ওষুধের ট্যাবলেটে আকার বড় করতে এবং পাউডার বাঁধতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় দুধের চিনি বা ল্যাকটোজ।
a Bacteria
b Virus
c Pyrogen
d a & b
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: C) Pyrogen কেন সঠিক: - 'LAL' (Limulus Amebocyte Lysate) টেস্ট মূলত ওষুধ এবং চিকিৎসা সরঞ্জামে পাইরোজেন বা ব্যাকটেরিয়াজনিত টক্সিনের উপস্থিতি পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে D (a & b) উল্লেখ করা হলেও তা বৈজ্ঞানিক দিক থেকে ভুল, কারণ এই টেস্ট সরাসরি ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস শনাক্ত করে না, বরং পাইরোজেন বা এন্ডোটক্সিন শনাক্ত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bacteria — এলএএল টেস্ট সরাসরি ব্যাকটেরিয়া শনাক্ত করে না, এটি ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর থেকে নির্গত এন্ডোটক্সিন বা পাইরোজেন শনাক্ত করে। B) Virus — এলএএল টেস্ট ভাইরাস শনাক্তকরণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি মূলত গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়ার টক্সিনের বিরুদ্ধে কাজ করে। C) Pyrogen — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই টেস্টের মূল উদ্দেশ্য হলো দ্রবণ বা উপাদানে ক্ষতিকর পাইরোজেনের উপস্থিতি নিশ্চিত করা। D) a & b — এটি ভুল উত্তর কারণ এলএএল টেস্ট ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস সরাসরি চিহ্নিত করে না, এটি শুধুমাত্র পাইরোজেন শনাক্ত করে। মনে রাখার টিপস: 'LAL' টেস্ট মানেই পাইরোজেন পরীক্ষা, যা হর্সু ক্র্যাব বা রাজকাঁকড়ার রক্তের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
a Hormone
b Enzyme
c Co-factor
d Antioxidant
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Enzyme কেন সঠিক: - সাইটোক্রোম পি৪৪৫ হলো মূলত প্রোটিন জাতীয় হিমোপ্রোটিন যা জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ায় প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। - এটি মূলত যকৃতে ড্রাগ মেটাবলিজম এবং দেহে বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ নিষ্কাশনে অনুঘটকের ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hormone — হরমোন হলো রাসায়নিক বার্তাবাহক যা অন্তক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়, এটি কোনো উৎসেচক নয়। B) Enzyme — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ার হার বৃদ্ধি করে। C) Co-factor — কো-ফ্যাক্টর হলো উৎসেচকের সহায়ক অণু, কিন্তু সাইটোক্রোম পি৪৪৫ নিজে একটি সম্পূর্ণ উৎসেচক প্রোটিন। D) Antioxidant — অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হলো এমন পদার্থ যা জারণ প্রক্রিয়া রোধ করে, এটি সাইটোক্রোম পি৪৪৫-এর মূল পরিচয় নয়। মনে রাখার টিপস: নামের শেষে 'ase' না থাকলেও অনেক সাইটোক্রোম প্রোটিন এনজাইম হিসেবে কাজ করে, বিশেষ করে ওষুধ ও বিষাক্ত পদার্থ ভাঙতে।
a Al(OH)₃
b Mg(OH)₂
c Simethicone
d NaHCO₃
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) NaHCO₃ কেন সঠিক: - সোডিয়াম বাইকার্বোনেট বা NaHCO₃ পাকস্থলীতে শোষিত হয়ে রক্তে প্রবেশ করে এবং সিস্টেমেটিক সার্কুলেশনের মাধ্যমে কাজ করে, তাই এটি সিস্টেমেটিক অ্যান্টাসিড। - এটি দ্রুত গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড প্রশমিত করলেও অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে মেটাবলিক অ্যালকালসিস সৃষ্টি করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Al(OH)₃ — এটি নন-সিস্টেমেটিক অ্যান্টাসিড কারণ এটি রক্তে শোষিত না হয়ে অন্ত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে নির্গত হয়। B) Mg(OH)₂ — এটিও নন-সিস্টেমেটিক অ্যান্টাসিড এবং এটি শরীরে শোষিত না হয়ে জোলাপ হিসেবে কাজ করে। C) Simethicone — এটি কোনো অ্যান্টাসিড নয়, বরং এটি গ্যাসের বুদবুদ ভেঙে পেটের ফাঁপা ভাব দূর করার একটি অ্যান্টিফ্লাটুলেন্ট ওষুধ। D) NaHCO₃ — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি রক্তে শোষিত হয়ে সিস্টেমেটিক প্রভাব ফেলে। মনে রাখার টিপস: সিস্টেমেটিক অ্যান্টাসিডের মধ্যে সোডিয়াম বাইকার্বোনেট রক্তে প্রবেশ করে সিস্টেম পরিবর্তন করে, তাই এর নাম সিস্টেমেটিক।
a Glass
b Plastic
c Metals
d All
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) All কেন সঠিক: - ফার্মাসিউটিক্যাল প্যাকেজিংয়ে ওষুধের গুণগত মান রক্ষায় কাচ, প্লাস্টিক ও ধাতু—এই তিনটি উপকরণই ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। - তাই এই প্রশ্নটির ক্ষেত্রে উল্লেখিত তিনটি উপাদানই সঠিক হওয়ায় সঠিক উত্তরটি All হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Glass — এটি সঠিক হলেও, প্যাকেজিংয়ে কেবল কাচ ব্যবহৃত হয় না, প্লাস্টিক ও ধাতুও সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। B) Plastic — এটি সঠিক হলেও, কেবল প্লাস্টিক নয়, কাচ ও ধাতুর তৈরি পাত্রও ওষধ সংরক্ষণে লাগে। C) Metals — এটি সঠিক হলেও, শুধু ধাতু নয়, কাচ এবং প্লাস্টিকও বহুল ব্যবহৃত প্যাকেজিং উপকরণ। D) All — এই অপশনটি সঠিক কারণ কাচ, প্লাস্টিক ও ধাতু তিনটিই ফার্মাসিউটিক্যাল প্যাকেজিংয়ে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ওষুধের প্যাকেজিংয়ে বহুমুখী নিরাপত্তার জন্য কাচ, প্লাস্টিক এবং ধাতু—সব উপাদানই একসঙ্গে ব্যবহৃত হয়।
a Weak bases
b Weak acids
c Salts
d None
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Weak bases কেন সঠিক: - স্থানীয় অ্যানেসথেটিক ওষুধগুলো সাধারণত মৃদু ক্ষারীয় বা উইক বেস প্রকৃতির হয়ে থাকে। - টিস্যুর অম্লীয় পরিবেশে এই ওষুধগুলো আয়নিত হয়ে কোষে প্রবেশ করে এবং ব্যথার সংবেদনা রোধ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Weak bases — এই অপশনটি সঠিক কারণ স্থানীয় অ্যানেসথেটিক রাসায়নিকভাবে মৃদু ক্ষারীয় হয়। B) Weak acids — এই অপশনটি ভুল কারণ এগুলো অ্যাসিডিক প্রকৃতির নয়, বরং পিএইচ এর ওপর নির্ভর করে ক্ষারীয় আচরণ করে। C) Salts — এই অপশনটি ভুল কারণ লবণের রূপটি শরীরে প্রয়োগের সুবিধার জন্য তৈরি করা হয়, কিন্তু মৌলিক প্রকৃতি তা নয়। D) None — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক উত্তর প্রথম অপশনেই বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: অ্যানেসথেটিক মানেই মৃদু ক্ষার বা বেস, যা শরীরের স্নায়ুতে কাজ করে।
a Antacids
b PPI
c H₂-blocker
d Prostaglandin
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Prostaglandin কেন সঠিক: - প্রোসট্যাগ্ল্যান্ডিন অ্যাসিড নিঃসরণ সরাসরি বন্ধ করে না, বরং এটি পাকস্থলীর মিউকাস বা শ্লেষ্মা স্তর রক্ষা করে গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিডের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে। - এটি মূলত প্রোটেক্টিভ বা প্রতিরক্ষামূলক হিসেবে কাজ করে, অ্যাসিড সিক্রেশন রোধকারী ড্রাগ হিসেবে নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Antacids — এটি সরাসরি গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিডকে প্রশমিত বা নিউট্রালাইজ করে, তাই এটি অ্যাসিড সিক্রেশনের বিরুদ্ধে সক্রিয়। B) PPI — প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর পাকস্থলীর অ্যাসিড নিঃসরণকারী পাম্প বন্ধ করে, তাই এটি অ্যাসিড সিক্রেশনের বিরুদ্ধে সক্রিয়। C) H₂-blocker — হিস্টামিন টু রিসেপ্টর ব্লকার পাকস্থলীর অ্যাসিড উৎপাদন কমায়, তাই এটি অ্যাসিড সিক্রেশনের বিরুদ্ধে সক্রিয়। D) Prostaglandin — এটি অ্যাসিড কমায় না, বরং পাকস্থলীর মিউকাস স্তর রক্ষা করে। মনে রাখার টিপস: অ্যান্টাসিড, পিপিআই ও এইচটু-ব্লকার অ্যাসিড কমায়, আর প্রোসট্যাগ্ল্যান্ডিন পাকস্থলীর দেয়াল রক্ষা করে।
a Need < Want < Demand
b Want < Need < Demand
c Need < Want < Demand
d Demand < Need < Want
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Need < Want < Demand কেন সঠিক: - অর্থনীতি ও বিপণনের মৌলিক ধারণা অনুযায়ী, মানুষের প্রাথমিক প্রয়োজন বা Need-এর পরিধি সবচেয়ে কম। - প্রয়োজন যখন সংস্কৃতির মাধ্যমে নির্দিষ্ট পণ্যের রূপ নেয়, তখন তাকে Want বলে এবং ক্রয়ক্ষমতা যুক্ত হলে তা Demand-এ পরিণত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Need < Want < Demand — এটি সঠিক ক্রম কারণ চাহিদার আকার সবচেয়ে বড় এবং প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে ছোট। B) Want < Need < Demand — এই ক্রমটি ভুল কারণ Need-এর তুলনায় Want-এর পরিধি সাধারণত বেশি থাকে। C) Need < Want < Demand — প্রদত্ত প্রশ্নে এই অপশনটি সঠিক হিসেবে নির্দেশিত হলেও মূল ধারণার ক্রম অনুযায়ী এটি A অপশনের অনুরূপ এবং সঠিক। D) Demand < Need < Want — এটি সম্পূর্ণ বিপরীত ও ভুল ক্রম কারণ Demand সবসময় Need এবং Want-এর চেয়ে বড় বা সমান হয়। মনে রাখার টিপস: ছোট থেকে বড় ক্রমটি মনে রাখতে প্রথম অক্ষরগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, Need হলো মূল চাহিদা, Want হলো তার রূপ এবং Demand হলো তার চূড়ান্ত প্রকাশ।
a Water for implants
b Water for injection
c Weight for injection
d Weather for injection
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Water for injection কেন সঠিক: - এটি ফার্মাসিউটিক্যাল বা ওষুধ শিল্পে ব্যবহৃত অত্যন্ত বিশুদ্ধ জল, যা ইনজেকশন তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। - এই জল সব ধরনের ব্যাকটেরিয়া এবং পাইরোজেন মুক্ত থাকে যাতে মানবদেহে নিরাপদে প্রয়োগ করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Water for implants — ইমপ্লান্ট বা প্রতিস্থাপনের জন্য বিশেষ কোনো তরল বোঝায় না, তাই এটি ভুল। B) Water for injection — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ওষুধ শিল্পে ইনজেকশন প্রস্তুত করার প্রমিত পরিভাষা। C) Weight for injection — এটি ইনজেকশনের ওজনের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো বৈজ্ঞানিক পরিভাষা নয়। D) Weather for injection — আবহাওয়ার সঙ্গে ইনজেকশনের কোনো সম্পর্ক নেই, তাই এটি সম্পূর্ণ অসঙ্গত। মনে রাখার টিপস: ইনজেকশন তৈরির জন্য ব্যবহৃত বিশুদ্ধ পানিকে সংক্ষেপে ডব্লিউএফআই বলা হয়।
a Heroine
b Codeine
c Morphine
d O-morphine
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Heroine কেন সঠিক: - আফিম থেকে প্রাপ্ত মরফিন প্রক্রিয়াজাত করে হেরোইন তৈরি করা হয়, যা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে সবচেয়ে দ্রুত ও তীব্রভাবে প্রভাবিত করে। - এটি মরফিনের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি শক্তিশালী এবং অত্যন্ত আসক্তিকর মাদক দ্রব্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Heroine - এটি সবচেয়ে শক্তিশালী মাদক হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর। B) Codeine - এটি আফিম থেকে প্রাপ্ত একটি উপক্ষার, যা সাধারণত কফ সিরাপ তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এবং এর তীব্রতা তুলনামূলক কম। C) Morphine - এটি শক্তিশালী ব্যথানাশক হলেও হেরোইনের তুলনায় এর পোটেন্সি বা কার্যকারিতা কম। D) O-morphine - এটি কোনো স্বীকৃত বা প্রমিত মাদক দ্রব্যের নাম নয়, বরং একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে শক্তিশালী (Most potent) মাদক প্রশ্নে থাকলে হ দিয়ে শুরু Heroine বা হিরো নামটি মনে রাখবে।
a Sucrose
b Starch
c Talc
d None
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: A) Sucrose কেন সঠিক: - সুক্রোজ হলো মূলত একটি ডাইস্যাকারাইড বা শর্করা, যা সাধারণত ওষুধে ফ্লেভার বা মিষ্টি করার কাজে এক্সিপিয়েন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - এটি সরাসরি রোগের চিকিৎসায় কোনো সক্রিয় ভূমিকা পালন করে না, তাই এটি এপিআই বা অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sucrose — এটি এপিআই নয় কারণ এটি ওষুধে কেবল সহায়ক উপাদান বা এক্সিপিয়েন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) Starch — এটি স্টার্চ বা শ্বেতসার, যা সাধারণত ট্যাবলেট প্রস্তুতিতে বাইন্ডার বা ফিলার হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এটিও এপিআই নয়। C) Talc — এটি ট্যাল্ক পাউডার, যা ওষুধ তৈরিতে লুব্রিকেন্ট বা গ্লাইডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং এটি কোনো সক্রিয় ভেষজ উপাদান বা এপিআই নয়। D) None — প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সুক্রোজ এবং স্টার্চ উভয়ই এপিআই নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ওষুধের যে উপাদানটি সরাসরি রোগ নিরাময় করে তা হলো এপিআই, আর সুক্রোজ বা স্টার্চ হলো কেবল সহায়ক উপাদান।
a paste
b Creams
c Ointments
d Suspension
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Suspension কেন সঠিক: - সাসপেনশন হলো একটি তরল বা লিকুইড ডোজ ফর্ম যেখানে কঠিন কণাগুলো তরলে সম্পূর্ণরূপে দ্রবীভূত না হয়ে ছড়িয়ে থাকে। - এটি পেস্ট, ক্রিম বা অয়েন্টমেন্টের মতো আধা-কঠিন বা সেমি-সলিড প্রকৃতির নয়, বরং এটি একটি তরল প্রস্তুতি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) paste — এটি একটি সেমি-সলিড ডোজ ফর্ম যা ত্বকে বা মিউকাস মেমব্রেনে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়। B) Creams — এটি ইমালসন জাতীয় সেমি-সলিড ডোজ ফর্ম যা বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য ব্যবহৃত হয়। C) Ointments — এটি উচ্চ মাত্রার চর্বিযুক্ত সেমি-সলিড ডোজ ফর্ম যা ঔষধি কাজে ব্যবহৃত হয়। D) Suspension — এটি সেমি-সলিড নয়, বরং একটি লিকুইড বা তরল ডোজ ফর্ম। মনে রাখার টিপস: সাসপেনশন মানেই ঝুলে থাকা তরল, তাই এটি আধা-কঠিন পেস্ট বা ক্রিমের মতো হতে পারে না।
a t_(1/2) increases if Vd increases
b Vd decreases if excretion increases
c Cp decreases if Vd increases
d All statements are correct
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) All statements are correct কেন সঠিক: - এই প্রশ্নটি ফার্মাকোকিনেসিস বা ওষুধের গতিবিদ্যা সম্পর্কিত, যেখানে ওষুধ দেহের মধ্যে কীভাবে ছড়ায় এবং নিষ্কাশিত হয় তা আলোচনা করা হয়। - প্রদত্ত তিনটি বিবৃতিই ওষুধের অর্ধায়ু, বিতরণ আয়তন এবং প্লাজমা ঘনত্বের গাণিতিক সম্পর্কের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) t_(1/2) increases if Vd increases — এটি সঠিক কারণ ওষুধের বিতরণ আয়তন বাড়লে শরীর থেকে তার নির্মূল হতে বেশি সময় লাগে, যা অর্ধায়ু বাড়িয়ে দেয়। B) Vd decreases if excretion increases — এটি সঠিক কারণ দেহের থেকে ওষুধের নিষ্কাশন বা রেচন বাড়লে শরীরের অভ্যন্তরে তার কার্যকর বিতরণ আয়তন ও উপস্থিতি কমে যায়। C) Cp decreases if Vd increases — এটি সঠিক কারণ রক্তে ওষুধের প্লাজমা ঘনত্ব এবং বিতরণ আয়তন পরস্পরের ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্কযুক্ত। D) All statements are correct — আগের তিনটি বিবৃতিই বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক হওয়ায় এই অপশনটিই সামগ্রিক সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বিতরণ আয়তন বাড়লে অর্ধায়ু বাড়ে কিন্তু প্লাজমা ঘনত্ব কমে যায়, এই সম্পর্কটি মনে রাখলেই ফার্মাকোকিনেসিসের এই প্রশ্নগুলো সহজে সমাধান করা সম্ভব।
a Molecular dispersion
b Colloidal dispersion
c Coarse dispersion
d None of the above
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Colloidal dispersion কেন সঠিক: - চিজ বা পনির হলো তরল বা পানি কঠিন পদার্থের মধ্যে ছড়িয়ে থাকা কোলয়েডীয় দ্রবণ বা কোলয়েডাল ডিসপারসন। - কোলয়েডের ক্ষেত্রে বিক্ষিপ্ত কণাগুলোর ব্যাস সাধারণত ১ থেকে ১০০০ ন্যানোমিটারের মধ্যে হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Molecular dispersion — এটি প্রকৃত দ্রবণ, যেখানে কণাগুলোর আকার ন্যানোমিটারের চেয়েও ছোট হয়। B) Colloidal dispersion — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে কঠিন কণা তরল মাধ্যমে সুষমভাবে分散 বা বিক্ষিপ্ত থাকে। C) Coarse dispersion — এটি সাসপেনশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেখানে কণাগুলোর আকার অনেক বড় হয় এবং নিচে থিতিয়ে পড়ে। D) None of the above — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: চিজ বা পনির হলো জেল জাতীয় কোলয়েডাল সিস্টেম, যেখানে কঠিন মাধ্যমে তরল বা তরল মাধ্যমে কঠিন ছড়িয়ে থাকে।
a Stomach
b Small intestine
c Mouth
d Large intestine
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Small intestine কেন সঠিক: - ক্ষুদ্রান্ত্রের ভেতরে থাকা ভিলি এবং মাইক্রোভিলি গঠনের কারণে এর পৃষ্ঠদেশের ক্ষেত্রফল অনেক বৃদ্ধি পায়। - মানবদেহের পরিপাকতন্ত্রে শোষিত হওয়া বেশিরভাগ ওষুধ এবং খাদ্য উপাদান মূলত এই অংশের মাধ্যমেই রক্তে প্রবেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Stomach — পাকস্থলীতে প্রধানত প্রোটিন জাতীয় খাদ্য পরিপাক হয় এবং এখানে সীমিত পরিমাণে কিছু ওষুধ শোষিত হলেও তা প্রধান শোষণ ক্ষেত্র নয়। B) Small intestine — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই সবচেয়ে বেশি পৃষ্ঠদেশ থাকায় সর্বাধিক মাত্রায় ওষুধ ও পুষ্টি উপাদান শোষিত হয়। C) Mouth — মুখে ওষুধের খুব সামান্য অংশ মিউকাস ঝিল্লির মাধ্যমে শোষিত হতে পারে, যা বৃহৎ ক্ষেত্রফল বা প্রধান শোষণের জন্য উপযুক্ত নয়। D) Large intestine — বৃহদান্ত্রে মূলত পানি ও খনিজ লবণ শোষিত হয়, তাই এটি ওষুধের প্রধান শোষণ ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করে না। মনে রাখার টিপস: ওষুধ শোষণের জন্য ক্ষুদ্রান্ত্র বা Small intestine হলো শরীরের সবচেয়ে বড় ক্ষেত্র, কারণ এর নাম ছোট হলেও এর ভেতরের কাজের ক্ষেত্র বিশাল।
a Xerophthalmia
b Anaemia
c Hypoprothrombinemia
d Dyspesia
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Xerophthalmia কেন সঠিক: - ভিটামিন এ এর অভাবে চোখের কর্নিয়া শুকিয়ে যাওয়া বা জেরোথালমিয়া রোগ হয়। - সময়মতো চিকিৎসা না করালে এটি অন্ধত্বের কারণ হতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Xerophthalmia — এটি ভিটামিন এ এর অভাবে ঘটে এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) Anaemia — এটি প্রধানত আয়রনের অভাবে ঘটে, ভিটামিন এ এর অভাবে নয়। C) Hypoprothrombinemia — এটি ভিটামিন কে এর অভাবে ঘটে, যা রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। D) Dyspesia — এটি একধরনের বদহজমজনিত সমস্যা, যা ভিটামিন এ এর অভাবের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ভিটামিন এ চোখের পুষ্টির জন্য অপরিহার্য, তাই এর অভাব হলে চোখ সম্পর্কিত রোগ জেরোথালমিয়া হয়।
a Structure of Pharmacy Council
b Functions of Pharmacy Council
c (ক) এবং (খ)
d None of them
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (ক) এবং (খ) কেন সঠিক: - The Pharmacy Ordinance ১৯৭৬ আইনে ফার্মেসি কাউন্সিলের গঠন প্রক্রিয়া স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। - এই আইনে ফার্মেসি কাউন্সিলের কার্যাবলি ও দায়িত্বসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Structure of Pharmacy Council — এটি সঠিক হলেও কেবল একটি অংশ নির্দেশ করে, তাই সম্পূর্ণ উত্তর হিসেবে অপর্যাপ্ত। B) Functions of Pharmacy Council — এটি সঠিক হলেও আইনের আরেকটি অংশ মাত্র, তাই একাকী সঠিক উত্তর হতে পারে না। C) (ক) এবং (খ) — এটি সঠিক কারণ অধ্যাদেশটিতে গঠন ও কার্যাবলি উভয় বিষয়ই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। D) None of them — এই অপশনটি ভুল কারণ ক এবং খ উভয় উত্তরই সঠিক। মনে রাখার টিপস: ফার্মেসি অর্ডিন্যান্স ১৯৭৬ মানেই হলো ফার্মেসি কাউন্সিলের গঠন এবং কাজ সম্পর্কিত সকল নিয়মকানুন।
a After intestine
b Before intestine
c Inside intestine
d Outside intestine
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Outside intestine কেন সঠিক: - প্যারেন্টেরাল শব্দটি চিকিৎসা বিজ্ঞানে অন্ত্র বা পরিপাকতন্ত্রের বাইরে ওষুধ বা পুষ্টি উপাদান প্রয়োগের পদ্ধতি বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। - গ্রিক উপসর্গ প্যারা অর্থ বাইরে এবং এন্টেরন অর্থ অন্ত্র, যার সমন্বয়ে এই শব্দ গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) After intestine — অন্ত্রের পরে বোঝায়, যা এই চিকিৎসা পরিভাষার সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। B) Before intestine — অন্ত্রের আগে বোঝায়, যা এই শব্দের শাব্দিক ও চিকিৎসাগত অর্থের বিপরীত। C) Inside intestine — অন্ত্রের ভেতরে বোঝায়, যা এন্টারাল বা ইন্ট্রাএন্টারাল পদ্ধতির সাথে সম্পর্কিত। D) Outside intestine — অন্ত্রের বাইরে বোঝায়, যা প্যারেন্টেরাল শব্দের সঠিক শাব্দিক ও চিকিৎসাগত অর্থ। মনে রাখার টিপস: প্যারা অর্থ বাইরে এবং এন্টেরন অর্থ অন্ত্র, এভাবে মিলিয়ে পড়লে প্যারেন্টেরাল অর্থ অন্ত্রের বাইরে সহজেই মনে রাখা যায়।
a Isotonic
b Hypotonic
c Hypertonic
d None
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Isotonic কেন সঠিক: - নাকের সংবেদনশীল মিউকাস মেমব্রেনের ক্ষতি এড়াতে নাসাল ড্রপ সাধারণত আইসোটনিক বা সমাভিসারী করা হয়। - আইসোটনিক ড্রপ ব্যবহারের ফলে নাকের কোষের ভেতরে পানি প্রবেশ করে না বা কোষ শুকিয়ে যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Isotonic — এটি সঠিক কারণ এর অভিস্রবণ চাপ শরীরের তরলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। B) Hypotonic — এই দ্রবণ কোষের ভেতরে অতিরিক্ত পানি প্রবেশ করিয়ে কোষ ফুলে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে। C) Hypertonic — এই দ্রবণ কোষ থেকে পানি টেনে নিয়ে কোষকে কুঁচকে ফেলতে পারে। D) None — সঠিক উত্তর অপশনে থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: নাকের সুরক্ষায় আইসোটনিক ড্রপ ব্যবহার করা হয়, যা শরীরের তরলের সমপরিমাণ ভারসাম্য বজায় রাখে।