সঠিক উত্তর: B) ধাতু
১. কেন সঠিক:
ক্রিয়াপদের মূল অংশকে ধাতু বলা হয়। এটি ক্রিয়ার অবিভাজ্য মূল রূপ, যা থেকে কাল ও পুরুষভেদে বিভিন্ন ক্রিয়াপদ গঠিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ধাতু হলো ক্রিয়াপদের অবিভাজ্য মূল একক। ক্রিয়াপদের যে অংশ থেকে বিভক্তি বা প্রত্যয় বাদ দিলে যা অবশিষ্ট থাকে, তাই মূলত ধাতু।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পড় + তে = পড়তে
ব্যাখ্যা: এখানে 'পড়' হলো ধাতু এবং 'তে' হলো বিভক্তি।
উদাহরণ ২: যা + ই = যাই
ব্যাখ্যা: এখানে 'যা' হলো ধাতু এবং 'ই' হলো উত্তম পুরুষের ক্রিয়াবিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রত্যয় — প্রত্যয় হলো শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হওয়া বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি। এটি ক্রিয়াপদের মূল অংশ নয়।
B) ধাতু — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্রিয়াপদের মূল অংশকে ধাতু বলা হয়।
C) অনুসর্গ — অনুসর্গ হলো অব্যয় পদ যা শব্দের পরে বসে কারক বোঝাতে সাহায্য করে। এটি ক্রিয়ার মূল নয়।
D) বিভক্তি — বিভক্তি শব্দ বা ধাতুর পরে বসে পদ গঠন করে। এটি মূল অংশ নয়, বরং মূলের সাথে যুক্ত অংশ।
৫. মনে রাখার টিপস:
ক্রিয়া শব্দের শুরু হয় 'ক' দিয়ে এবং ধাতু বা কাজের মূল বোঝাতে 'ধাতু' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ক্রিয়ার মূল মানেই ধাতু।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ব্যাকরণে ধাতু প্রধানত তিন প্রকার: সংস্কৃত ধাতু, প্রাকৃত থেকে আগত দেশি ধাতু এবং বিদেশি ধাতু। ধাতুর সাথে 'না' যোগ করে সাধারণত হুট করে ক্রিয়া চেনা যায়।
সঠিক উত্তর: C) 𑁦
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে C চিহ্নিত চিহ্নটি বাংলা বা ইংরেজি কোনো ব্যাকরণে ব্যবহৃত বিরাম চিহ্ন নয়।
- এটি মূলত একটি প্রাচীন বা অপ্রচলিত লিপি চিহ্ন বা প্রতীক, যা বাক্য গঠনে জ্যোতি বা ছেদ চিহ্ন হিসেবে গণ্য হয় না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাক্য বা অনুচ্ছেদের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য, বক্তার ভাব প্রকাশ বা বিরতি বোঝাতে যেসব চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে বিরাম চিহ্ন বলে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লেখায় প্রথম প্রমিত বিরাম চিহ্নের সফল প্রয়োগ করেন এবং বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করতে এগুলো অপরিহার্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কমা
ব্যাখ্যা: এটি সবচেয়ে কম বিরতির জন্য ব্যবহৃত হয় এবং বাক্যের বিভিন্ন অংশ আলাদা করতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: পূর্ণচ্ছেদ
ব্যাখ্যা: বাক্যের সমাপ্তি বা পূর্ণ ভাব প্রকাশ করতে এটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) - — এটি হাইফেন বা সংযোগ চিহ্ন, যা সমাসবদ্ধ পদ যুক্ত করতে বা বাক্যের সংযোগ বোঝাতে ব্যাকরণসম্মতভাবে ব্যবহৃত একটি বৈধ বিরাম চিহ্ন।
B) ; — এটি সেমিকোলন, যা কমার চেয়ে বেশি কিন্তু পূর্ণচ্ছেদের চেয়ে কম বিরতির জন্য বাক্যে ব্যবহার করা হয়।
C) 𑁦 — এটি কোনো প্রমিত বিরাম চিহ্ন নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
D) : — এটি কোলন, যা একটি অপূর্ণ বাক্যের পর অন্য বাক্যের অবতারণা করতে বা উদাহরণ টানতে ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাংলা ব্যাকরণে ডট, কমা, সেমিকোলন, কোলন, হাইফেন, ড্যাশ ইত্যাদি মোট বিশটি প্রমিত বিরাম চিহ্ন রয়েছে।
- চেনার সহজ উপায় হলো প্রচলিত ব্যাকরণ বইয়ের বিরাম চিহ্নের তালিকাটি ভালোভাবে আয়ত্ত করা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা বিরাম চিহ্নের প্রবর্তক বলা হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিরাম চিহ্নের নাম ও ইংরেজী রূপ বা বিরতির সময়কাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) শব্দের পূর্বে
১. কেন সঠিক:
- উপসর্গ সবসময় স্বাধীন পদ হিসেবে ব্যবহৃত না হয়ে শব্দের বা ধাতুর পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী উপসর্গ শব্দের আদি বা পূর্বে যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন ঘটায়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ হলো এক ধরণের অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা অন্য কোনো শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
- বাংলায় উপসাগরীয় শব্দ বা উপসর্গ সাধারণত তিন ভাগে বিভক্ত, যেমন বাংলা, তৎসম ও বিদেশি উপসর্গ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার
ব্যাখ্যা: এখানে হার শব্দের পূর্বে প্র উপসর্গ যুক্ত হয়ে আঘাত করা অর্থে নতুন শব্দ তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: পরি + পূর্ণ = পরিপূর্ণ
ব্যাখ্যা: এখানে পূর্ণ শব্দের পূর্বে পরি উপসর্গ যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ অর্থে নতুন শব্দ গঠন করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাক্যের শেষে — বাক্যের শেষে উপসর্গ বসে না, বাক্যের শেষে সাধারণত সমাপিকা ক্রিয়া বা অনুসর্গ বসে।
B) শব্দের শেষে — শব্দের শেষে উপসর্গ বসে না, শব্দের শেষে প্রত্যয় বা বিভক্তি যুক্ত হয়।
D) শব্দের মাঝে — উপসর্গ কখনো শব্দের মাঝে বসে না, এটি সবসময় শব্দের আদিতে বা পূর্বে বসে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে অর্থ বদলায়, এই কথাটি মনে রাখতে উপ মানে আগে বা সামনে এই সূত্রটি মাথায় রাখবে।
- প্র পরা অপ সম নি অব অনু নির দুর্ বি অধি সু উৎ পরি প্রতি অভি অতি সু পরি প্রতি এই ধারা মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় উপসর্গ কোথায় বসে, যার উত্তর হবে শব্দের পূর্বে।
- উপসর্গ যুক্ত শব্দ চেনার সময় খেয়াল রাখবে মূল শব্দের আগে কোনো ক্ষুদ্র অংশ যুক্ত আছে কি না।
সঠিক উত্তর: D) ঈষৎ
১. কেন সঠিক:
- 'মেঘে মেঘে' শব্দদ্বৈতটি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো কিছুর সামান্য পরিমাণ বা অল্পতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- প্রবাদের ক্ষেত্রে 'মেঘে মেঘে বেলা হলো' কথাটির অর্থ হলো বেলা গড়িয়ে যাওয়া বা কাজের সময় শেষ হয়ে আসা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শব্দদ্বৈত বা দ্বিরুক্ত শব্দ বলতে একই শব্দ দুবার ব্যবহার হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করাকে বোঝায়।
- বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত এই ধরনের শব্দ বা বাগধারা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন হিসেবে আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জ্বরে জ্বরে ভাব
ব্যাখ্যা: এখানে 'জ্বরে জ্বরে' শব্দদ্বৈতটি পূর্ণ জ্বর নয়, বরং সামান্য বা ঈষৎ জ্বর বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: শীতে শীতে ভাব
ব্যাখ্যা: এখানে 'শীতে শীতে' শব্দদ্বৈতটি অতিরিক্ত ঠান্ডা নয়, বরং সামান্য বা ঈষৎ ঠান্ডা অনুভূতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্যাপ্তি — ব্যাপ্তি বলতে কোনো কিছুর বিস্তার বা পরিধি বোঝায়, যা এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) বহুত্ব — বহুত্ব বা অনেক বোঝাতে দ্বিরুক্ত শব্দ আলাদাভাবে ব্যবহৃত হয়, যেমন নানা বা অনেক, যা এখানে সঠিক নয়।
C) উৎকর্ষ — উৎকর্ষ বলতে ভালো বা উন্নত অবস্থা বোঝায়, যা এই শব্দের অর্থের সাথে মেলে না।
D) ঈষৎ — সঠিক কারণ এই শব্দদ্বৈতটি সামান্য বা ঈষৎ পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মেঘে মেঘে মানে আকাশে একটু একটু করে মেঘ জমে বেলা শেষ হওয়া বা সামান্য কিছু ঘটা।
- ঈষৎ বা সামান্য বোঝাতে এই ধরনের দ্বিরুক্ত শব্দ ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- দ্বিরুক্ত শব্দের অর্থ এবং তার ব্যবহারের ক্ষেত্র ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
- বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দের অর্থের ওপর প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
- পথের পাঁচালী বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও কালজয়ী উপন্যাস যার রচয়িতা কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
- এই উপন্যাসে গ্রামীণ বাংলার প্রকৃতি ও অপুর শৈশব জীবনের চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যের প্রকৃতি ও মানুষের জীবনের গভীর রূপকার হিসেবে পরিচিত।
- পথের পাঁচালী উপন্যাসটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অপরাজিত
ব্যাখ্যা: এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা পথের পাঁচালী উপন্যাসের পরবর্তী অংশ।
উদাহরণ ২: আরণ্যক
ব্যাখ্যা: এটিও বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত প্রকৃতির পটভূমিতে লেখা একটি অনন্য উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় — ইনি বনফুল ছদ্মনামে পরিচিত এবং বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত ছোটগল্পকার ও ঔপন্যাসিক হলেও পথের পাঁচালী উপন্যাসের রচয়িতা নন।
B) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) অচিন্ত্যকুমার সেন গুপ্ত — ইনি কল্লোল যুগের একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও কবি হলেও এই উপন্যাসটি তার রচনা নয়।
D) সত্যজিৎ রায় — ইনি বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার যিনি পথের পাঁচালী উপন্যাস অবলম্বনে বিশ্বখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন, কিন্তু উপন্যাসটির মূল রচয়িতা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পথের পাঁচালী উপন্যাসের অপু ও দুর্গার চিরচেনা গ্রামীণ রূপ মনে রাখতে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম মনে রাখবে।
- বিখ্যাত এই উপন্যাসটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই উপন্যাসটির রচয়িতা এবং এর কাল নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বাংলা উপন্যাসের ইতিহাস পড়ার সময় কালজয়ী উপন্যাস ও তার লেখকদের তালিকা আলাদা করে নোট করে নেবে।
সঠিক উত্তর: A) 1921
১. কেন সঠিক:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতাটি ১৯২১ সালের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে রচনা করেন।
কবিতাটি রচনার পর কলকাতার বিজলী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয় এবং তৎকালীন সাহিত্যজগতে ব্যাপক সাড়া ফেলে দেয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিদ্রোহী কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং পরিচিত একটি সাহিত্যকর্ম।
এই কবিতায় কবির বিদ্রোহী সত্তা, আত্মবিক্ষোভ এবং পরাধীনতার বিরুদ্ধে দ্রোহের প্রকাশ ঘটেছে যা বাংলা সাহিত্যকে নতুন দিকনির্দেশনা দিয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং বিদ্রোহী কবিতার সংকলন হিসেবে এই কাব্যগ্রন্থের বিশেষ সাহিত্যিক গুরুত্ব রয়েছে।
উদাহরণ ২: প্রলয়োল্লাস কবিতা
ব্যাখ্যা: বিদ্রোহী কবিতার পাশাপাশি এটি কবির আরেকটি বিখ্যাত দ্রোহের কবিতা যা অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থে স্থান পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1921 — এটি সঠিক কারণ বিদ্রোহী কবিতাটি এই সালেই রচিত হয়েছিল।
B) 1920 — এই সালে কবি সাংবাদিকতা ও সাহিত্য সাধনা শুরু করলেও বিদ্রোহী কবিতাটি তখন রচিত হয়নি।
C) 1922 — এই সালে অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয় এবং বিদ্রোহী কবিতাটি পত্রিকা ও গ্রন্থে স্থান পায়, তবে রচনার সাল এটি নয়।
D) 1919 — এই সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে করাচি থেকে করাচি সেনানিবাস ত্যাগ করে কবি বাংলায় ফিরে আসেন, এটি রচনার সাল নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
নজরুলের বিদ্রোহী লেখার সাল মনে রাখতে মনে রাখুন বি ফর বিদ্রোহী এবং একুশ মানে ১৯২১ সালের ভাষা বা দ্রোহের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট।
বাংলা সাহিত্যে দ্রোহের প্রতীক কাজী নজরুল ইসলাম এবং তার অগ্নিবীণা প্রকাশের আগের বছর অর্থাৎ ১৯২১ সালে এটি লেখা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিদ্রোহী কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত এবং কত সালে রচিত হয়েছিল তা বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বারবার আসে।
একই লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যেমন বিষের বাঁশি ও সর্বহারা প্রকাশের সালগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) প্রছুর + য
১. কেন সঠিক:
প্রাচুর্য শব্দটি গঠিত হয়েছে প্রছুর শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে। এখানে য প্রত্যয় যোগ করার ফলে শব্দের আদি স্বর পরিবর্তন হয়ে প্রছুর থেকে প্রাচুর্য রূপ লাভ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের একটি নিয়ম যেখানে শব্দের শেষে য প্রত্যয় যুক্ত হলে শব্দের আদি স্বরের বৃদ্ধি ঘটে। প্রছুর শব্দের প এর নিচের ঋ কার পরিবর্তিত হয়ে আ কার ধারণ করে প্রাচুর্য গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুন্দর + য = সৌন্দর্য
ব্যাখ্যা: এখানে সুন্দর শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে আদি স্বরের পরিবর্তনের মাধ্যমে সৌন্দর্য শব্দটি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ধীর + য = ধৈর্য
ব্যাখ্যা: ধীর শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে আদি স্বরের পরিবর্তনের মাধ্যমে ধৈর্য শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রছুর + জ — জ কোনো সঠিক প্রত্যয় নয় এবং এর মাধ্যমে প্রাচুর্য শব্দ গঠিত হয় না।
B) প্রছুর + অ — অ প্রত্যয় যোগ করলে অন্য শব্দ গঠিত হয়, প্রাচুর্য গঠিত হয় না।
C) প্রছুর + য — এটি সঠিক প্রত্যয়যুক্ত গঠন।
D) প্রছুর + যা — যা কোনো ব্যাকরণসম্মত প্রত্যয় নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রাচুর্য শব্দের মূল শব্দটি হলো প্রছুর এবং এর সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়। আদি স্বরের পরিবর্তন বা গুণ ও বৃদ্ধি চেনার মাধ্যমে এই ধরনের প্রত্যয় সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ধিত প্রত্যয় থেকে প্রায়ই শব্দ গঠন ও প্রকৃতি নির্ণয় আসে। আদি স্বরের পরিবর্তন সাধित হয় এমন শব্দগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সর্বনাম
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে 'কী' শব্দটি বিশেষ্য বা অন্য কোনো পদের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়ে অজানা কোনো বিষয় বা বস্তুকে নির্দেশ করেছে, তাই এটি সর্বনাম পদ।
- ব্যাকরণ অনুযায়ী, যেসব শব্দ বিশেষ্য পদের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় এবং প্রশ্ন করার কাজে বা অনির্দিষ্টতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে প্রশ্নবাচক বা অনির্দিষ্টতাবাচক সর্বনাম বলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে পদ কোনো বিশেষ্য পদের পরিবর্তে বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে ব্যক্তি, বস্তু বা কোনো বিষয় সম্পর্কে প্রশ্ন করে অথবা নির্দিষ্টতা বোঝায় না, তাকে সর্বনাম পদ বলে।
- এখানে 'কী' শব্দটি কোনো কাজের নাম বোঝাচ্ছে না, বরং কাজটি সম্পর্কে প্রশ্ন করছে এবং বিশেষ্য পদের বিকল্প হিসেবে বসেছে বলে এটি সর্বনাম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তোমার ব্যাগে কী আছে?
ব্যাখ্যা: এ বাক্যে 'কী' শব্দটি বিশেষ্য পদের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে, যা সর্বনাম পদের কাজ।
উদাহরণ ২: সে কী খাবে তা আমি জানি না।
ব্যাখ্যা: এখানে 'কী' শব্দটি অজানা বস্তুর নামের পরিবর্তে বসে সর্বনাম হিসেবে কাজ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সর্বনাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'কী' এখানে বিশেষ্যের পরিবর্তে বসেছে।
B) অব্যয় — অব্যয় হলো এমন পদ যার কোনো পরিবর্তন বা রূপান্তর হয় না এবং যা পদগুলোকে যুক্ত করে, কিন্তু 'কী' এখানে সর্বনামের কাজ করছে।
C) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদ দ্বারা কোনো কাজ করা বোঝায়, কিন্তু 'কী' কোনো কাজ নির্দেশ করছে না।
D) বিশেষণ — বিশেষণ পদ দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে 'কী' বা 'কে' শব্দ দিয়ে যখন কোনো প্রশ্ন করা হয় এবং তা কোনো নাম পদের পরিবর্তে বসে, তখন তা সবসময় সর্বনাম পদ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রশ্নবাচক শব্দ দেখলেই তাকে অব্যয় মনে করার ভুল করা যাবে না, বাক্যে পদের অবস্থান ও কাজ দেখে তার শ্রেণি নির্ধারণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) একগুঁয়ে
১. কেন সঠিক:
'নেই আঁকড়া' একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা। এর আক্ষরিক বা অন্তর্নিহিত অর্থ হলো অত্যন্ত জেদি, একগুঁয়ে বা নাছোড়বান্দা স্বভাবের ব্যক্তি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবগত অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ভাষায় সাবলীলতা ও মাধুর্য বাড়াতে এ ধরনের শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ছেলেটি অত্যন্ত নেই আঁকড়া স্বভাবের, যা সে ধরে তা করেই ছাড়বে।
ব্যাখ্যা: এখানে ব্যক্তির চরম জেদি বা একগুঁয়ে স্বভাব বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: ওর এই নেই আঁকড়া জিদের কারণে কাজটি পণ্ড হয়ে গেল।
ব্যাখ্যা: এখানে মানুষের নাছোড়বান্দা মনোভাব ও তার নেতিবাচক ফলাফল প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দলপতি — এই অপশনটি ভুল কারণ দলপতি বলতে কোনো দলের নেতা বা প্রধানকে বোঝায়, যা আলোচ্য বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) একগুঁয়ে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক বলে বিবেচিত হয়েছে।
C) কপট ব্যক্তি — এই অপশনটি ভুল কারণ কপট ব্যক্তি বলতে শঠ বা প্রতারক মানুষকে বোঝায়, যা একগুঁয়েমির সমার্থক নয়।
D) সৎ মানুষ — এই অপশনটি ভুল কারণ সৎ মানুষ বলতে নীতিবান ও ভালো চরিত্রসম্পন্ন ব্যক্তিকে বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
আঁকড়ে ধরা মানে কোনো কিছু শক্ত করে ধরে থাকা। যে ব্যক্তি কোনো কিছু থেকে সহজে সরে আসে না বা জেদ ধরে বসে থাকে, তাকে নেই আঁকড়া বা একগুঁয়ে বলা হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোমতো আয়ত্ত করতে হবে এবং সাধারণ অর্থের সাথে গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: A) কবিতা
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম শাখা হলো কবিতা। বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন চর্যাপদ মূলত পদ বা কবিতার আকারে রচিত গান।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ অর্থাৎ চর্যাপদ যুগ থেকেই কবিতার চর্চা শুরু হয়েছে। মধ্যযুগেও মঙ্গলকাব্যের মতো সাহিত্যকর্ম পদ্য বা কবিতার মাধ্যমেই রচিত হয়েছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদের পদসমূহ।
ব্যাখ্যা: চর্যাপদের পদগুলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম কাব্যিক নিদর্শন।
উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি পদ্যে রচিত গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কবিতা — এটি সঠিক কারণ বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন পদ্য বা কবিতার আকারে রচিত।
B) নাটক — এটি বাংলা সাহিত্যের একটি আধুনিক শাখা এবং প্রাচীন যুগে এর অস্তিত্ব ছিল না।
C) উপন্যাস — এটি বাংলা সাহিত্যের একটি আধুনিক গদ্য শাখা যা উনিশ শতকে বিকাশ লাভ করে।
D) ছোটগল্প — এটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের সৃষ্টি এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাত এর বিকাশ ঘটে।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রাচীন যুগে লেখার মাধ্যম ছিল পাতা বা শিলালিপি, যা সংক্ষেপে ফুটিয়ে তুলতে কবিতার ছন্দ ব্যবহার সহজ ছিল। মনে রাখবে প্রাচীনকাল মানেই ছন্দময় কবিতা বা পদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ এবং এর সাহিত্যরূপ হলো কবিতা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই প্রাচীন যুগের ইতিহাস থেকে আসে।
সঠিক উত্তর: D) বিহঙ্গ
১. কেন সঠিক:
- 'বিহঙ্গ' শব্দের অর্থ পাখি যা আকাশে বা বাতাসে বিচরণ করে।
- প্রশ্নের চাহিদা অনুযায়ী পাখি শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ এটি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা ভিন্ন রূপের হলেও একই অর্থ প্রকাশ করে।
- পাখি শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে বিহগ, খগ, পক্ষী, পতত্রী ও খেচর অন্যতম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিহগ
ব্যাখ্যা: বিহগ শব্দের অর্থ পাখি যা আকাশে গমন করে।
উদাহরণ ২: খগ
ব্যাখ্যা: খগ শব্দের অর্থ পাখি যা আকাশে উড়ে বেড়ায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিটপী — বিটপী শব্দের অর্থ গাছ বা বৃক্ষ, যা পাখি শব্দের সমার্থক নয়।
B) বিহগ — বিহগ সঠিক উত্তর হলেও প্রশ্নে অপশন ডি-কে প্রধান সঠিক উত্তর ধরা হয়েছে।
C) বিজরী — বিজরী শব্দের অর্থ বিদ্যুৎ বা বজ্র, যা পাখি শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) বিহঙ্গ — এটি পাখি শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ এবং নির্ধারিত সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পাখি শব্দের সমার্থক মনে রাখতে হ বা গ যুক্ত শব্দগুলো খেয়াল রাখতে পারো যেমন বিহঙ্গ ও বিহগ।
- আকাশ বা বায়ুতে চলাচল বোঝায় এমন শব্দগুলো পাখির সমার্থক হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- গাছ, বিদ্যুৎ ও পাখির সমার্থক শব্দগুলো আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
- 'পুতুল নাচের ইতিকথা' বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত ও কালজয়ী মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যার রচয়িতা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়।
- উপন্যাসের নামটির মধ্য দিয়েই মানুষের জীবন ও ভাগ্যের নিয়ন্ত্রণের প্রতীকী অর্থ প্রকাশ করা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যের আধুনিক ধারার অন্যতম প্রধান প্রবক্তা ও ট্র্যাজেডিধর্মী ঔপন্যাসিক।
- তার এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের পটভূমিতে মানুষের মনস্তত্ত্ব, সমাজবাস্তবতা ও গ্রামীণ জীবনের জটিলতা সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পদ্মা নদীর মাঝি
ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অপর একটি বিখ্যাত ও বহুল পঠিত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: দিবারাত্রির কাব্য
ব্যাখ্যা: এটিও মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস ও কালজয়ী সৃষ্টি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি প্রকৃতির কবি ও কথাশিল্পী হিসেবে পরিচিত এবং তার বিখ্যাত উপন্যাস 'পপথের পাঁচালী'।
B) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি মূলত আঞ্চলিক উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত এবং তার রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস 'কবি'।
C) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী গ্রহণযোগ্য।
D) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — তিনি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত কবি ও ঔপন্যাসিক এবং তার বিখ্যাত উপন্যাস 'প্রথম আলো'।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পুতুল নাচের ইতিকথা উপন্যাসের লেখক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এটি মনে রাখতে 'পুতুল' ও 'পদ্মা নদীর মাঝি' দুটিই মানিকবাবুর শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি এই সূত্র মনে রাখতে পারো।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাসের নামের সাথে মানুষের মনের গভীরতার যোগ রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- 'পুতুল নাচের ইতিকথা' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র শশী ও কুসুম, এটিও মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) তিনটি
১. কেন সঠিক:
একটি সার্থক বা আদর্শ বাক্যের তিনটি প্রধান গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকা আবশ্যক। এই গুণগুলো হলো আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি এবং যোগ্যতা।
বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে প্রকাশ পাওয়ার জন্য এবং বক্তার ভাব শ্রোতার মনে সঠিকভাবে পৌঁছানোর জন্য এই তিনটি গুণের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাক্য ও বাক্য রূপান্তর সম্পর্কিত ব্যাকরণ অংশে একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য গঠনের এই শর্তগুলো আলোচনা করা হয়। আকাঙ্ক্ষা অর্থ শোনার ইচ্ছা, আসক্তি অর্থ পদের যথাযথ বিন্যাস এবং যোগ্যতা অর্থ পদের অর্থগত ও ভাবগত মিল।
বাক্যের যেকোনো একটি গুণ অনুপস্থিত থাকলে তা আর আদর্শ বা সার্থক বাক্য হিসেবে গণ্য হয় না। ব্যাকরণে বাক্য শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে এই তিনটি শর্ত প্রধান মাপকাঠি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘোরে।
ব্যাখ্যা: এটি একটি সার্থক বাক্য কারণ এতে আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি এবং যোগ্যতা তিনটি গুণই perfectly বিদ্যমান।
উদাহরণ ২: কাল আমি স্কুলে যাব।
ব্যাখ্যা: পদের সুশৃঙ্খল বিন্যাস এবং অর্থপূর্ণ মিল থাকার কারণে এটি একটি আদর্শ বাক্যের চমৎকার উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চারটি — আদর্শ বাক্যের ক্ষেত্রে চারটি গুণের কোনো শাস্ত্রীয় বা ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। তাই এই অপশনটি ভুল।
B) পাঁচটি — বাংলা ব্যাকরণে বাক্য গঠনের মূল শর্ত বা গুণ পাঁচটি নয়, বরং তিনটি। তাই এই সংখ্যাটি সঠিক নয়।
C) তিনটি — এই অপশনটি সঠিক এবং আদর্শ বাক্যের আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও যোগ্যতার সংখ্যা নির্দেশ করে।
D) ছয়টি — বাংলা বাক্যের প্রধান গুণ কখনো ছয়টি হতে পারে না। তাই এই অপশনটি সম্পূর্ণ ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
আদর্শ বাক্যের গুণ মনে রাখার সহজ সূত্র হলো আ আ য। এখানে প্রথম আ তে আকাঙ্ক্ষা, দ্বিতীয় আ তে আসক্তি এবং য তে যোগ্যতা বোঝায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাক্যের যোগ্যতা, আসক্তি বা আকাঙ্ক্ষা সংক্রান্ত শুদ্ধি পরীক্ষা আসে। এই তিনটি গুণের সংজ্ঞা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে যেকোনো বাক্য শুদ্ধিকরণ প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী' গানটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী।
- বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই গানটি বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান অনুপ্রেরণা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী ১৯৩৪ সালের ১২ই ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০২১ সালের ১৯শে মে মৃত্যুবরণ করেন।
- ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সংকলনে এই গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী গানটিতে প্রথম সুর করেছিলেন আব্দুল লতিফ।
ব্যাখ্যা: গানটির প্রাথমিক সুরকার হিসেবে আব্দুল লতিফের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ ২: পরবর্তী সময়ে এই গানে সুরারোপ করেন আলতাফ মাহমুদ।
ব্যাখ্যা: আলতাফ মাহমুদের সুর করা সংস্করণটিই বর্তমানে সর্বাধিক পরিচিত ও গীত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আব্দুল লতিফ — তিনি এই গানের প্রথম সুরকার ছিলেন, রচয়িতা নন।
B) আলতাফ মাহমুদ — তিনি এই গানে জনপ্রিয় সুরারোপ করেছেন, তবে তিনি রচয়িতা নন।
C) আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি গানটির সফল রচয়িতা।
D) শামসুর রাহমান — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, এই গানের রচয়িতা নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গান লেখার কাজটি গাফ্ফার চৌধুরীর আর সুরের কাজটি আলতাফ মাহমুদের।
- এভাবে মনে রাখলে রচয়িতা ও সুরকার নিয়ে পরীক্ষার বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভাষা আন্দোলনভিত্তিক যেকোনো গান, কবিতা বা উপন্যাসের রচয়িতা ও প্রকাশকাল থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সম্পর্কেও সম্যক ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) সুফিয়া কামাল
১. কেন সঠিক:
- সুফিয়া কামালকে জননী সাহসিকা উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে কারণ তিনি বাংলাদেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন, নারী মুক্তি এবং সাংস্কৃতিক লড়াইয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
- বাঙালির প্রতিটি সংকটে তিনি জননীসুলভ সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছেন বলেই তাকে এই বিশেষ উপাধিতে সম্মানিত করা হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কবি সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের নারীবাদী আন্দোলনের অগ্রদূত এবং বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।
- তার জন্ম ১৯১১ সালের ২০শে জুন এবং মৃত্যু ১৯৯৯ সালের ২০শে নভেম্বর।
- তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে সাঁঝের মায়া, মায়া কাজল এবং মন ও জীবন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাঁঝের মায়া
ব্যাখ্যা: এটি সুফিয়া কামালের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যার জন্য তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রশংসা লাভ করেছিলেন।
উদাহরণ ২: একাত্তরের ডায়েরী
ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমামের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য গ্রন্থ, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক ঐতিহাসিক পটভূমি তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেলিনা হোসেন — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক হলেও তাকে জননী সাহসিকা বলা হয় না।
B) রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন — তিনি মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত এবং বেগম রোকেয়া নামে পরিচিত, জননী সাহসিকা নন।
C) জাহানারা ইমাম — তিনি শহীদ জননী হিসেবে সমধিক পরিচিত, তবে জননী সাহসিকা উপাধিটি সুফিয়া কামালের জন্য নির্ধারিত।
D) সুফিয়া কামাল — এই অপশনটি সঠিক এবং তাকেই জননী সাহসিকা বলা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শহীদ জননী বলা হয় জাহানারা ইমামকে এবং জননী সাহসিকা বলা হয় কবি সুফিয়া কামালকে।
- এই দুটি উপাধির বিভ্রান্তি এড়াতে নামের সঙ্গে উপাধির মিলগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের উপাধি থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- বিখ্যাত লেখকদের ছদ্মনাম ও উপাধিগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) নূরলদীনের সারা জীবন
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক নাটক।
- নূরলদীন নাটকে ব্রিটিশবিরোধী কৃষক বিদ্রোহ এবং বাঙালি জাতির মুক্তির সংগ্রামের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের এক বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক যিনি কবিতা, উপন্যাস, নাটক ও ছোটগল্পে সমান পারদর্শী ছিলেন।
- নূরলদীনের সারা জীবন নাটকটি ১৯৭০ সালে রচিত হয় এবং এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে কাব্যনাটক হিসেবে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাটক।
উদাহরণ ২: ঈর্ষা
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত মনস্তাত্ত্বিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে লেখা একটি নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরানের গহীন ভিতর — এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত কোনো নাটক নয়, এটি তার অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ।
B) নিষিদ্ধ লোবান — এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, কোনো নাটক নয়।
C) নূরলদীনের সারা জীবন — এটি প্রশ্নানুসারে সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি নাটক এবং সঠিক উত্তর।
D) প্রণীত জীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হকের কোনো পরিচিত নাটক বা প্রধান সাহিত্যকর্ম নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সৈয়দ শামসুল হকের নাটক মনে রাখার কৌশল হলো তার নাটকগুলো সাধারণত কাব্যনাটক এবং ইতিহাস বা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাটক যেমন নূরলদীনের সারা জীবন এবং পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় বারবার আসে।
লেখকদের সাহিত্যকর্ম পড়ার সময় উপন্যাস ও নাটকের তালিকা আলাদা করে পড়া উচিত।
সঠিক উত্তর: A) অর্থতত্ত্বে
১. কেন সঠিক:
বাগধারা শব্দটির সরাসরি সম্পর্ক শব্দের বিশেষ অর্থের সঙ্গে যুক্ত, যা বাংলা ব্যাকরণের অর্থতত্ত্বে আলোচনা করা হয়।
বাক্যের মধ্যে শব্দের বিশেষ বা রূপক অর্থ প্রকাশ করার প্রক্রিয়াটি অর্থতত্ত্বের মূল আলোচ্য বিষয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন এক বিশেষ শব্দসমষ্টি যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে।
শব্দের উৎস, গঠন, রূপ এবং অর্থের নানা পর্যায় ব্যাকরণের বিভিন্ন শাখায় আলোচিত হলেও বাগধারার ভাবার্থ সরাসরি অর্থতত্ত্বের আওতাধীন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অকালকুষ্মাণ্ড
ব্যাখ্যা: শব্দটির আক্ষরিক অর্থ অকালের লাউ হলেও বাগধারায় এর বিশেষ অর্থ অম্বেদর বা অপদার্থ ব্যক্তি।
উদাহরণ ২: ডুমুরের ফুল
ব্যাখ্যা: ডুমুরের ফুল আক্ষরিক অর্থে গাছের ফুল হলেও বাগধারায় এর বিশেষ অর্থ বিরল বস্তু।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্থতত্ত্বে — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাগধারা শব্দের বিশেষ ও ভাবার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত।
B) ধ্বনিতত্ত্বে — ধ্বনিতত্ত্বে বর্ণ, ধ্বনি, উচ্চারণ এবং নত্য ও সত্য বিধান আলোচিত হয়, বাগধারা নয়।
C) বাক্যতত্ত্বে — বাক্যতত্ত্বে পদের বিন্যাস, কারক, সমাস ও বাক্যের রূপান্তর আলোচিত হয়।
D) রূপতত্ত্বে — রূপতত্ত্বে শব্দ গঠন, পদ প্রকরণ, বচন ও লিঙ্গ আলোচিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাগধারা মানেই শব্দের বিশেষ অর্থ, আর অর্থের আলোচনা মানেই অর্থতত্ত্ব।
শব্দ যখন সাধারণ অর্থ ছেড়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তা অর্থতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে।
শব্দার্থ, সমার্থক শব্দ ও প্রবাদ-প্রবচনের মতো বাগধারার আলোচ্য বিষয়ও অর্থতত্ত্ব।
সঠিক উত্তর: D) সূর্য
১. কেন সঠিক:
- সূর্য শব্দটি তৎসম বা খাঁটি সংস্কৃত শব্দ, যা বাংলা ভাষায় সরাসরি অপপরিবর্তিত অবস্থায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
- উৎসগত বিচারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে শব্দগুলো সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলায় এসেছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে।
- তৎসম শব্দের অর্থ তার সমান বা সংস্কৃতের সমান।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দ্র
ব্যাখ্যা: চন্দ্র একটি তৎসম শব্দ যা সংস্কৃত থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।
উদাহরণ ২: নদী
ব্যাখ্যা: নদী শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিতভাবে বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আদালত — এটি একটি আরবি ভাষার শব্দ এবং আদালতের সঠিক উৎস বিদেশি ভাষা।
B) চিনি — এটি একটি চীনা ভাষার শব্দ যা বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত।
C) পাউরুটি — এটি পর্তুগিজ ও রুটি শব্দের মিলনে গঠিত মিশ্র শব্দ এবং বিদেশি শব্দের অংশ।
D) সূর্য — এটি কোনো বিদেশি শব্দ নয়, বরং একটি তৎসম শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
যেসকল শব্দের নিচে র-ফলা, ঋ-কার বা যুক্তাক্ষর থাকে এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান বা প্রকৃতির নাম বোঝায়, তার বেশিরভাগই তৎসম শব্দ।
সংস্কৃত থেকে সরাসরি আসা শব্দগুলোই হলো তৎসম শব্দ, যা বিদেশি শব্দের বিপরীত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই তৎসম ও বিদেশি শব্দ আলাদা করার নিয়ম ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র ইত্যাদি প্রকৃতির অনেক নামই সাধারণত তৎসম শব্দের অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে।
সঠিক উত্তর: B) 'স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো'- নির্মলেন্দু গুণ
প্রদত্ত তথ্য:
কবিতাটির রচয়ীতা নির্মলেন্দু গুণ
কবিতার বিষয় ৭-ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ
ধরি,
কবির লেখা বিখ্যাত কবিতা = স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো
ঐতিহাসিক পটভূমি = ১৯৭১ সালের ৭-ই মার্চ
অতএব,
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ এখানে প্রধান বিষয়
পঠিত অংশটি ৭-ই মার্চের পটভূমিতে রচিত
সুতরাং,
সঠিক অপশনটি হলো নির্মলেন্দু গুণের কবিতা
উত্তর: B) 'স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো'- নির্মলেন্দু গুণ
সঠিক উত্তর: C) আবদুল রাজ্জাক গুরনাহ
১. কেন সঠিক:
- আবদুল রাজ্জাক গুরনাহ ঔপনিবেশিকতার প্রভাব এবং শরণার্থীদের ভাগ্য, কষ্ট ও বিপন্নতা নিয়ে সাহিত্য রচনা করে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তানজানিয়ায় জন্মগ্রহণকারী এই কথাসাহিত্যিক তাঁর উপন্যাসে শরণার্থীদের গৃহহীনতা ও শেকড়বিচ্ছিন্নতার বেদনা অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে তুলে ধরেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- তানজানিয়ার লেখক আবদুল রাজ্জাক গুরনাহ ২০২১ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
- তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস প্যারাডাইস এবং ডেজার্ট হোয়াইট শরণার্থীদের জীবনসংগ্রাম ও উপনিবেশবাদের বহুমুখী সংকট ফুটিয়ে তুলেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আবদুল রাজ্জাক গুরনাহ রচিত প্যারাডাইস উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে পূর্ব আফ্রিকার ঔপনিবেশিক শাসন এবং মানুষের ভাগ্যবিপর্যয়ের করুণ চিত্র ফুটে উঠেছে।
উদাহরণ ২: আবদুল রাজ্জাক গুরনাহ রচিত আফটারলাইভস উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটিও পূর্ব আফ্রিকার মানুষের জীবন সংগ্রাম এবং শরণার্থীদের দুঃখ দুর্দশার পটভূমিতে রচিত একটি অনবদ্য সৃষ্টি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লুইজ গ্লিক — তিনি একজন আমেরিকান কবি এবং ২০২০ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান, তবে তিনি শরণার্থীদের দুঃখ নিয়ে সাহিত্য রচনার জন্য পরিচিত নন।
B) বব ডিলান — তিনি একজন আমেরিকান গায়ক ও গীতিকার যিনি ২০১৬ সালে সাহিত্যে নোবেল লাভ করেন, কিন্তু তিনি শরণার্থী সাহিত্যিক নন।
C) আবদুল রাজ্জাক গুরনাহ — এটি সঠিক উত্তর।
D) গুন্টার গ্রাস — তিনি একজন জার্মান ঔপন্যাসিক যিনি ১৯৯৯ সালে সাহিত্যে নোবেল পান, তবে তিনি শরণার্থীদের দুঃখ দুর্দশা নিয়ে এই পুরস্কার পাননি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শরণার্থীদের দুর্দশা এবং নোবেল পুরস্কার একসঙ্গে মনে রাখতে তানজানিয়ার লেখক আবদুল রাজ্জাক গুরনাহ নামটি স্মরণ রাখবে।
- ২০২১ সালের নোবেলজয়ী এই কথাসাহিত্যিকের মূল আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল ঔপনিবেশিকতা ও শরণার্থী জীবন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সাম্প্রতিক নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিকদের নাম এবং তাদের লেখার প্রধান বিষয়বস্তু বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- বিদেশের অভিবাসী ও শরণার্থী লেখকদের সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) পিপীলিকা
১. কেন সঠিক:
- পিপীলিকা শব্দের অর্থ পিঁপড়ে বা ক্ষুদ্র পিপীলিকা।
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে প্রথম ই-কার এবং পরের দুটি দীর্ঘঈ-কার ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানান শুদ্ধ রাখার জন্য বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করতে হয়।
- তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ই-কার এবং ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে, যা সঠিক বানানের জন্য মুখস্থ রাখতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিভীষিকা
ব্যাখ্যা: পিপীলিকা শব্দের মতো এই শব্দটিতেও প্রথম ই-কার এবং পরের দুটি দীর্ঘঈ-কার হয়।
উদাহরণ ২: মরীচিকা
ব্যাখ্যা: এটিও একটি তৎসম শব্দ যেখানে নির্দিষ্ট নিয়মে ই-কার এবং দীর্ঘঈ-কার বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পিপীলিকা — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী গঠিত।
B) পি পিলীকা — এই বানানে দীর্ঘঈ-কারের ব্যবহার ভুল এবং মাঝখানে অতিরিক্ত ফাঁকা রাখা হয়েছে।
C) পিপীলীকা — এই বানানে শেষ অংশে ভুল করে দীর্ঘঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
D) পিপিঁলিকা — এই বানানে অপ্রয়োজনীয় চন্দ্রবিন্দু ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পিপীলিকা বানানে মনে রাখবে প্রথমটি রস্ব ই-কার এবং শেষের দুটি দীর্ঘ ঈ-কার হয়।
- ছোট পিঁপড়ে যেমন কষ্ট করে চলে, তেমনি বানানটি মনে রাখাও সহজ अभ्यास করলেই আয়ত্তে আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের তৎসম শব্দের বানান প্রায়ই আসে।
- বানানের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির আধুনিক প্রমিত নিয়ম মেনে অনুশীলন করা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: D) বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি
১. কেন সঠিক:
- চন্দ্রাবতীকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ষোড়শ শতাব্দীতে ময়মনসিংহ অঞ্চলের কিশোরগঞ্জ জেলার কায়স্থ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ও মৌলিক মর্সিয়া বা শোককাব্য 'রামায়ণ' রচনা করেন। তার রামাযণ কাব্যের নাম 'চন্দ্রাবতী রামায়ণ' বা 'মহাভারত' এবং 'মলুয়া' ও 'দস্যু কেনারামের পালা' তার অমর সৃষ্টি।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে নারী সাহিত্যিকদের মধ্যে চন্দ্রাবতীর অবস্থান সবার প্রথমে। তার পিতা দ্বিজ বংশীদাসও ছিলেন একজন বিশিষ্ট মনসামঙ্গল কাব্যের কবি।
- নারী হৃদয়ের কোমল অনুভূতি, বেদনার প্রকাশ এবং রামায়ণ কাব্যের সীতার দুঃখকষ্টকে তিনি নারীর দৃষ্টিকোণ থেকে ফুটিয়ে তুলেছেন যা মধ্যযুগের সাহিত্যে অনন্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দ্রাবতীর রামায়ণ
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী রচিত রামায়ণ কাব্য।
উদাহরণ ২: মলুয়া পালা
ব্যাখ্যা: এটি মৈমনসিংহ গীতিকার একটি বিখ্যাত পালা যার সাথে চন্দ্রাবতীর নাম জড়িত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ্মাবতী কাব্যের চরিত্র — এটি ভুল কারণ পদ্মাবতী আলাওলের বিখ্যাত মহাকাব্য এবং পদ্মাবতী এই কাব্যের মূল নারী চরিত্র, চন্দ্রাবতী নন।
B) বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাট্যকার — এটি ভুল কারণ বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাট্যকার হলেন কুলচন্দ্র বা আধুনিক অর্থে রামনারায়ন তর্করত্ন, চন্দ্রাবতী কবি ছিলেন নাট্যকার নন।
C) কঙ্কাবতী নাটকের চরিত্র — এটি ভুল কারণ কঙ্কাবতী ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়ের বিখ্যাত একটি উপন্যাস, কোনো নাটক বা চন্দ্রাবতীর সাথে এর সম্পর্ক নেই।
D) বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি — এই অপশনটি সঠিক কারণ চন্দ্রাবতীকেই মধ্যযুগের প্রথম নারী কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
চন্দ্রাবতী নামের সাথে নারী কবি শব্দটি মনে রাখুন। মধ্যযুগের প্রথম নারী কবি মানেই চন্দ্রাবতী যিনি রামায়ণ রচনা করেছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের কবি ও তাদের কাব্য নিয়ে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। চন্দ্রাবতীর পিতা দ্বিজ বংশীদাস এবং তার রচিত রামায়ণ কাব্য সম্পর্কে তথ্য জেনে রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: B) in
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণে 'take interest' বা 'have interest' এর পর নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সবসময় 'in' ব্যবহৃত হয়।
- এখানে খেলাধুলায় আগ্রহ প্রকাশ করার অর্থ বোঝাতে 'interest in' সঠিক গঠন তৈরি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for — কোনো কিছুর উদ্দেশ্যে বা বিনিময়ে বোঝাতে এটি বসে, যা 'interest' শব্দের সাথে উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে বসে না।
B) in — এটি সঠিক উত্তর কারণ আগ্রহ বা মনোযোগ বোঝাতে 'interest' শব্দের পরে নিয়ম অনুযায়ী 'in' প্রিপজিশন বসে।
C) at — সাধারণত নির্দিষ্ট স্থান বা দক্ষতার ক্ষেত্রে বসে, কিন্তু আগ্রহ প্রকাশের জন্য এই প্রিপজিশন ব্যবহার করা যায় না।
D) with — কোনো ব্যক্তি বা উপাদানের সাথে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়, যা এখানে বাক্যের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
আগ্রহ বোঝাতে 'interest' শব্দের পরে সবসময় 'in' প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়, যেমন interest in games।
সঠিক উত্তর: C) Coward
কেন সঠিক:
- Gallant শব্দের বাংলা অর্থ হলো সাহসী, বীরত্বপূর্ণ বা সুরসিক।
- Coward শব্দের অর্থ হলো কাপুরুষ, যার অর্থটি Gallant শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত বা অ্যান্টনিম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Valiant — এই শব্দটির অর্থ সাহসী বা বীর, যা Gallant শব্দের একটি সমার্থক শব্দ বা সিনোনিম।
B) Naive — এই শব্দটির অর্থ সরল বা অজ্ঞ, যা Gallant শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
C) Coward — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ কাপুরুষ এবং এটি Gallant শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
D) Gullible — এই শব্দটির অর্থ সহজে বিশ্বাসপ্রবণ বা ঠকানো সহজ এমন ব্যক্তি, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
Gallant অর্থ সাহসী আর Coward অর্থ কাপুরুষ, এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীত হিসেবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) They want your reply.
কেন সঠিক:
- 'Reply' শব্দটি এখানে noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর সঠিক গঠন অনুযায়ী 'your reply' বাক্যটিকে grammatically সঠিক করে তোলে।
- কর্তার ইচ্ছা বা চাহিদা প্রকাশ করার জন্য Present Indefinite Tense-এর সঠিক ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Cows are sold dear. — 'Dear' এখানে adverb হিসেবে ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে, সঠিক শব্দ হবে 'dear' এর পরিবর্তে 'dear' নয় বরং adverb হিসেবে ' dearly' বা adjective হিসেবে সঠিক গঠন হবে 'Cows are sold at a high price'.
B) He gave me many good advices. — 'Advice' একটি uncountable noun, তাই এর সাথে plural করার জন্য 's' যুক্ত করা যায় না এবং 'many' ব্যবহার করা ভুল।
C) They want your reply. — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল বাক্য।
D) I live here for five days. — ধরে থাকা বা সময়কাল বোঝাতে 'for five days' থাকলে বাক্যটি Present Perfect Tense (I have lived here for five days) হতে হয়।
মনে রাখার টিপস:
Advice uncountable noun হওয়ায় এর সাথে s যুক্ত হয় না এবং নির্দিষ্ট সময়ের ব্যাপ্তি (for five days) থাকলে Present Perfect Tense ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) out of
কেন সঠিক:
- কোনো সীমাবদ্ধ স্থান বা পাত্রের ভেতর থেকে বাইরে বের হওয়া বোঝাতে out of প্রিপজিশনটি ব্যবহৃত হয়।
- বাথরুম একটি সীমাবদ্ধ জায়গা হওয়ায় সেখান থেকে বাইরে আসার ক্ষেত্রে out of সঠিক অভিব্যক্তি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) out of — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভেতর থেকে বাইরে যাওয়ার দিক নির্দেশ করে।
B) over — এটি সাধারণত ওপরে বা অতিক্রম করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থহীন।
C) on — এটি কোনো তলের ওপর স্পর্শ করে অবস্থান করা বোঝায়, যা বাথরুমের প্রেক্ষাপটে প্রযোজ্য নয়।
D) in — এটি ভেতরে অবস্থান করা বোঝায়, কিন্তু এখানে আসার বা বের হওয়ার গতি বোঝাতে এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
ভেতর থেকে বাইরে বের হওয়া বোঝালে সাধারণত out of বসে।
সঠিক উত্তর: A) determiner
কেন সঠিক:
- এখানে 'a' হলো প্রাচীন ইংরেজি প্রিপ্রজিশন 'on'-এর একটি দুর্বল রূপ, যা একটি জিরান্ডের আগে বসে নির্দেশক বা ডিটারমিনারের কাজ করছে।
- আধুনিক ব্যাকরণে এই ধরনের ক্ষেত্রে 'a' কে আর্টিকেল বা প্রিপজিশন না ধরে ডিটারমিনার হিসেবে গণ্য করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) determiner — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে 'a' একটি নির্দিষ্ট কাজের বা অবস্থার নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
B) preposition — প্রিপজিশন হিসেবে এটি মূল 'on' এর কাজ করলেও, আধুনিক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় একে ডিটারমিনার হিসেবেই প্রাধান্য দেওয়া হয়।
C) indefinite article — এটি কোনো সাধারণ নাউনের অনির্দিষ্টতা বোঝাতে বসেনি, বরং একটি জিরান্ডের পূর্বে বসেছে।
D) modifier — এটি সরাসরি কোনো নাউন বা ভার্বকে মডিফাই করছে না, বরং ডিটারমিনার হিসেবে কাজ সম্পন্ন করছে।
মনে রাখার টিপস:
going a hunting বা asleep এর মতো শব্দের পূর্বে থাকা 'a' কে সাধারণত ডিটারমিনার হিসেবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) Two-thirds of the apple is rotten.
কেন সঠিক:
- ভগ্নাংশ প্রকাশের ক্ষেত্রে দুই বা ততোধিক অংশ বোঝাতে numerator এক থেকে বেশি হলে denominator-এর সাথে s যুক্ত হয়। যেমন two-thirds।
- Fractional number-এর পর Uncountable noun (যেমন the apple) থাকলে verb সর্বদায় singular হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Two-third of the apple is rotten. — ভগ্নাংশের লব দুই বা ততোধিক হলে হর-এর সাথে s যুক্ত করতে হয়, তাই Two-third ভুল।
B) Two-thirds of the apple is rotten. — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রদত্ত উত্তরের সাথে মিলে গেছে।
C) Two-third of the apple are rotten. — এখানে ভগ্নাংশের হর ভুল এবং Uncountable noun-এর সাথে Plural verb ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Two-thirds of the apple are rotten. — এখানে ভগ্নাংশ সঠিক হলেও Uncountable noun-এর সাথে Plural verb ব্যবহার করায় বাক্যটি ভুল হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Fraction-এর লব একের বেশি হলে হরের সাথে s যোগ করো এবং nounটি Uncountable হলে Singular verb ব্যবহার করো।
সঠিক উত্তর: A) an
কেন সঠিক:
- F.R.C.S. শব্দটির প্রথম অক্ষর F উচ্চারণের সময় শুরুতে স্বরধ্বনি এ (ae) আসে।
- ইংরেজি উচ্চারণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো শব্দের শুরুতে স্বরধ্বনির উচ্চারণ থাকলে তার পূর্বে an বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) an — সঠিক উত্তর কারণ F উচ্চারণে স্বরধ্বনি আসায় এখানে an বসবে।
B) the — নির্দিষ্ট করে কোনো ব্যক্তিকে বোঝালে the বসে, কিন্তু এখানে পেশা বা উপাধি বোঝাতে indefinite article বসে।
C) a — consonants-এর সাধারণ উচ্চারণের পূর্বে a বসে, কিন্তু F উচ্চারণে স্বরধ্বনি আসায় a বসবে না।
D) no article — সংক্ষিপ্ত রূপ বা abbreviation-এ উচ্চারণ অনুযায়ী article বসাতে হয়, তাই article ছাড়া এটি হবে না।
মনে রাখার টিপস:
সংক্ষিপ্ত রূপ বা abbreviation-এর প্রথম অক্ষর উচ্চারণের সময় যদি স্বরধ্বনি (এ, অ, ও ইত্যাদি) আসে, তবে তার পূর্বে an বসাতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) present participle
কেন সঠিক:
- barking শব্দটি dog নাউনের ঠিক পূর্বে বসে অ্যাডজেক্টিভের কাজ করছে এবং একই সাথে verb-এর অর্থ প্রকাশ করছে।
- verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যখন একই সাথে verb ও adjective-এর কাজ করে, তখন তাকে present participle বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) intransitive verb — barking এখানে কোনো সমাপিকা ক্রিয়া বা প্রধান verb হিসেবে কাজ করছে না, বরং noun-কে মডিফাই করছে।
B) present participle — এটি সঠিক উত্তর কারণ barking শব্দটি verb ও adjective উভয় গুণের অধিকারী।
C) verbal noun — verbal noun হতে হলে word-এর পূর্বে the এবং পরে of থাকতে হয়, যা এখানে নেই।
D) gerund — gerund সবসময় noun-এর কাজ করে, কিন্তু barking এখানে noun-কে বিশেষায়িত করছে।
মনে রাখার টিপস:
noun-এর ঠিক আগে বসে যখন ing যুক্ত কোনো শব্দ কেমন বা কোন ধরনের প্রশ্নটির উত্তর দেয়, তখন সেটি সবসময় present participle হয়।
সঠিক উত্তর: B) air freshner
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে air freshner বানানটি ভুল কারণ সঠিক বানান হবে air freshener যেখানে শেষ অংশে s-এর পরে h-এর আগে একটি e অক্ষর যোগ হয়।
- দৈনন্দিন ব্যবহার্য এই শব্দটি ইংরেজি বানান শুদ্ধিকরণ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে এবং এর বানান সংক্রান্ত ভুলটি সহজে চোখে পড়ে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) aggravation — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক যার অর্থ তীব্রতা বৃদ্ধি বা রাগিয়ে তোলা।
B) air freshner — এই বানানটি ভুল কারণ সঠিক বানান air freshener এবং এখানে সঠিক বানানটি চিহ্নিত করতে বলাই হয়েছে।
C) bourgeois — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক যার অর্থ বুর্জোয়া বা মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ।
D) maintenance — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক যার অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা পরিচালনা।
মনে রাখার টিপস:
freshener বানানে fresh শব্দের শেষে সরাসরি er না যুক্ত হয়ে en-er যুক্ত হয়, যেমন fresh-en-er।
সঠিক উত্তর: A) because of
কেন সঠিক:
- 'because of' একটি Prepositional Phrase যা কোনো কারণ বা ফলাফল বোঝাতে noun বা noun phrase-এর পূর্বে বসে।
- এখানে 'over work' একটি noun phrase, তাই এর পূর্বে কারণ বোঝাতে 'because of' ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) because of — সঠিক উত্তর কারণ এটি কারণ প্রকাশ করে noun phrase-এর পূর্বে বসে।
B) became off — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং বাক্যটির অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) on — এটি একটি Preposition যা সাধারণত কোনো কিছুর ওপর বা নির্দিষ্ট দিন বোঝাতে বসে, এখানে কারণ প্রকাশে অক্ষম।
D) for — এটি অনেক সময় কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হলেও 'over work'-এর পূর্বে সঠিক Prepositional Phrase হিসেবে 'because of' বেশি উপযুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
noun বা noun phrase-এর আগে কারণ বোঝাতে 'because of' বসে, কিন্তু কারণের পরে সম্পূর্ণ ক্লজ থাকলে শুধু 'because' বসে।
সঠিক উত্তর: C) alumnus
কেন সঠিক:
- alumnus শব্দটি লাতিন মূলের একটি একবচন শব্দ, যার অর্থ প্রাক্তন ছাত্র।
- এই শব্দের শেষে us থাকায় এটি সহজেই Singular হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) lice — এটি louse শব্দের বহুবচন রূপ, যার অর্থ উকুন।
B) agenda — এটি agendum শব্দের বহুবচন রূপ, যার অর্থ আলোচ্যসূচিগুলো।
C) alumnus — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
D) antennae — এটি antenna শব্দের বহুবচন রূপ, যার অর্থ অ্যান্টেনাগুলো।
মনে রাখার টিপস:
লাতিন শব্দের শেষে us থাকলে সাধারণত তা Singular এবং i থাকলে Plural হয়।
সঠিক উত্তর: C) making
কেন সঠিক:
- Stop একটি Gerund taking verb, যার পরে সাধারণত মূল verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়।
- এখানে কাজ বন্ধ করা বোঝাতে stop verb-এর পর gerund (making) ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to make — এটি infinitive, যা stop verb-এর সরাসরি object হিসেবে এখানে বসে না।
B) make — এটি base form, যা একটি sentence-এ দুটি main verb পাশাপাশি থাকলে ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়।
C) making — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
D) makes — এটি present indefinite tense-এর singular রূপ, যা এখানে gerund-এর স্থানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
Stop শব্দের পর কোনো কাজ চিরতরে বা সাময়িকভাবে বন্ধ করা বোঝালে verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) at
কেন সঠিক:
- Laugh verb-এর পর সাধারণত at preposition বসে যখন কাউকে দেখে উপহাস করা বা ঠাট্টা করা বোঝায়।
- প্রশ্নটিতে গরিব মানুষদের দেখে হাসতে নিষেধ করা হয়েছে, যা উপহাস অর্থে ব্যবহৃত হওয়ায় এখানে at preposition সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for — কোনো কারণ বা উদ্দেশ্যে for বসে, যা উপহাস করার অর্থে প্রযোজ্য নয়।
B) against — বিরোধিতা বা প্রতিকূলতা বোঝাতে against বসে, যা এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে সংগত নয়।
C) at — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না।
D) from — উৎস, দূরত্ব বা বিচ্ছিন্নতা বোঝাতে from বসে, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
কাউকে নিয়ে ঠাট্টা করা বা উপহাস করার ইংরেজি অর্থ বোঝাতে সর্বদা Laugh-এর পর at preposition ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) drone
কেন সঠিক:
- Bee বা মৌমাছির লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পুরুষ মৌমাছির ইংরেজি পরিভাষা হলো drone।
- রানী মৌমাছি বা queen bee এর পুরুষ সঙ্গী হলো এই drone।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) drone — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি bee শব্দের পুরুষবাচক রূপ।
B) colt — এটি ঘোড়া বা জেব্রার মতো প্রাণীর ক্ষেত্রে পুরুষ শাবক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) stag — এটি হরিণ বা এ জাতীয় প্রাণীর পুরুষবাচক রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) beetle — এটি একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রজাতির পোকার ইংরেজি নাম, কোনো নির্দিষ্ট প্রাণীর লিঙ্গান্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
মৌমাছির ক্ষেত্রে queen হলো স্ত্রীবাচক এবং drone হলো পুরুষবাচক রূপ।
সঠিক উত্তর: A) in keeping
কেন সঠিক:
- fail verb-এর পর সাধারণত infinitive অর্থাৎ to + verb বসে, কিন্তু fail-এর অর্থ যখন কোনো কাজে ব্যর্থ হওয়া বোঝায় তখন fail in + gerund ব্যবহার করা হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ব্যর্থ হওয়া বোঝাতে fail in keeping সঠিক গঠন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in keeping — এটি সঠিক কারণ fail in keeping অর্থ কোনো কিছু করতে ব্যর্থ হওয়া এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
B) keeping — preposition ছাড়া সরাসরি gerund ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ অসম্পূর্ণ থাকে।
C) kept — past participle form সরাসরি এখানে বসলে ব্যাকরণগত নিয়ম লঙ্ঘন হয়।
D) to keep — যদিও fail-এর পর সাধারণত to + verb বসে, তবে fail in keeping-এর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করতে in keeping ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
promise রক্ষা করার ক্ষেত্রে ব্যর্থতা বোঝাতে fail-এর পর সরাসরি infinitive না বসে fail in keeping ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Let me not be disturbed.
কেন সঠিক:
- মূল বাক্যটি Imperative Sentence হওয়ায় Active থেকে Passive করার সময় Let দিয়ে শুরু করতে হয়।
- Negative Imperative বাক্যের ক্ষেত্রে Let-এর পরে object এবং তার ঠিক পরেই not বসাতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I should not be disturbed. — এটি সাধারণ বাক্যের প্যাসিভ রূপ, যা Imperative বাক্যের সরাসরি নিয়ম অনুসরণ করে না।
B) Let me not be disturbed. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী শতভাগ নির্ভুল।
C) I might not be disturbed. — এতে অর্থের পরিবর্তন ঘটে এবং সাহায্যকারী verb ব্যবহারের নিয়মটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) I may not please be disturbed. — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং বাক্যটির গঠন সম্পূর্ণ অর্থহীন।
মনে রাখার টিপস:
Don't দিয়ে শুরু হওয়া Imperative Sentence-কে Passive করার সময় Let + object + not + be + verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) into
কেন সঠিক:
- 'Infuse' শব্দের অর্থ সঞ্চার করা বা প্রবেশ করানো এবং এর সাথে সাধারণত 'into' প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়।
- কোনো কিছুর ভেতরে গতিশীলভাবে কিছু প্রবেশ করানো বোঝালে 'into' সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — 'In' সাধারণত কোনো কিছুর ভেতরে স্থির অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে গতিশীল অর্থ প্রকাশে সঠিক নয়।
B) to — 'To' সাধারণত দিক বা গন্তব্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা 'infuse' শব্দের সাথে উপযুক্ত প্রিপজিশন নয়।
C) at — 'At' নির্দিষ্ট স্থান বা সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে বাক্যের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
D) into — এটি সঠিক অপশন কারণ 'infuse... into' একটি প্রমিত ধারা বা ফ্রেজাল ব্যবহার।
মনে রাখার টিপস:
কোনো গুণ বা শক্তির সঞ্চার করা বোঝালে 'infuse'-এর পরে সর্বদা 'into' ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Frivolity
কেন সঠিক:
- 'Levity' শব্দের বাংলা অর্থ চপলতা, লঘুচিত্ততা বা গম্ভীরতার অভাব।
- 'Frivolity' শব্দটির অর্থও তুচ্ছতা, লঘুপ্রকৃতি বা চপলতা, যা Levity শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Lewdness — এই শব্দটির অর্থ অশ্লীলতা বা কামুকতা, যা লেভিটি শব্দের সাথে মিলে না।
B) Frivolity — এটি লেভিটি শব্দের সমার্থক এবং সঠিক উত্তর।
C) Modesty — এই শব্দটির অর্থ শালীনতা বা বিনয়, যা লেভিটি বা চপলতার বিপরীত।
D) Stupidity — এই শব্দটির অর্থ বোকামি বা নির্বুদ্ধিতা, যা চপলতা বা লঘুচিত্ততার সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Levity মানে হালকা মেজাজ বা চপলতা, আর Frivolity মানেও তুচ্ছ বা চপল আচরণ।
সঠিক উত্তর: B) besides
কেন সঠিক:
- Besides অর্থ অতিরিক্ত বা আরও বুঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ।
- এখানে গণিতের পাশাপাশি ইংরেজি শেখানোর অতিরিক্ত বিষয়টি প্রকাশ করার জন্য besides প্রিপজিশনটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) across — এটি কোনো নদী বা রাস্তা পার হওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থহীন।
B) besides — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ত্রুটি নেই।
C) beside — এর অর্থ পাশে, যা এখানে স্থান বোঝাচ্ছে না বরং অতিরিক্ত বিষয় বোঝাচ্ছে।
D) both — এটি conjunction হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর সাথে and যুক্ত থাকে, তাই এখানে একা বসে না।
মনে রাখার টিপস:
Beside মানে পাশে এবং Besides এর সাথে এস (s) যুক্ত থাকলে তার অর্থ হয় অতিরিক্ত বা তাছাড়া।
সঠিক উত্তর: D) completely
কেন সঠিক:
- 'Over head and ears' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি idiom বা প্রবাদতুল্য বাগধারা।
- এর বাংলা অর্থ হলো সম্পূর্ণভাবে, পুরোপুরি বা গভীরভাবে নিমজ্জিত থাকা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) emotionally — এই শব্দটি আবেগগতভাবে বোঝায়, যা এই বাগধারার সার্বিক বা শারীরিক গভীরতা প্রকাশ করে না।
B) easily — এই শব্দটির অর্থ সহজে, যা এই idiom-এর সম্পূর্ণতা বা তীব্রতার অর্থের সাথে মেলে না।
C) critically — এর অর্থ সমালোচনামূলকভাবে বা সংকটজনকভাবে, যা এই বাগধারার মূল ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশের জন্য উপযুক্ত নয়।
D) completely — এটি সঠিক কারণ এই শব্দটির অর্থ পুরোপুরি, যা উক্ত idiom-এর সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
মাথা থেকে কান পর্যন্ত (over head and ears) কোনো কিছুতে ডুবে থাকা মানে হলো আপনি আদ্যোপান্ত বা সম্পূর্ণভাবে (completely) তার মধ্যে আছেন।
সঠিক উত্তর: C) ৮টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে পরিকল্পনা কমিশন এ পর্যন্ত মোট ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করেছে।
- সর্বশেষ পরিকল্পনাটি ছিল অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, যার মেয়াদ ২০২০ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭টি — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশ এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা অতিক্রম করে আরও একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
B) ৯টি — এটি ভুল কারণ বর্তমানে বাস্তবায়িত সর্বশেষ পরিকল্পনা পর্যন্ত মোট সংখ্যাটি ৮টি।
D) ৬টি — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশ বিগত দশকগুলোতে ৬টির বেশি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সফলভাবে সম্পন্ন করেছে।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীন বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত পরিকল্পনা কমিশনের প্রণীত সর্বশেষ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার সংখ্যাটি হলো আট।
সঠিক উত্তর: B) বৌদ্ধ বিহার
কেন সঠিক:
- শালবন বিহার বাংলাদেশের কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার একটি অন্যতম প্রধান নিদর্শন।
- এটি খ্রিস্টীয় অষ্টম শতাব্দীতে দেববংশের রাজা শ্রীভবদেব কর্তৃক নির্মিত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র ও আবাসিক বিহার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বৌদ্ধ মন্দির — এটি শুধুমাত্র উপাসনার স্থান ছিল না, বরং এটি ভিক্ষুদের বসবাসের জন্য নির্মিত একটি বিশাল আবাসিক বিহার।
B) বৌদ্ধ বিহার — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি প্রাচীনকালে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের বসবাস ও শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
C) হিন্দু মন্দির — এটি সনাতন ধর্মের উপাসনালয় বা মন্দির নয়, কারণ এর ইতিহাস ও স্থাপত্য সম্পূর্ণ বৌদ্ধ ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত।
D) হিন্দু মঠ — এটি হিন্দু সন্ন্যাসীদের মঠ বা আখড়া নয়, এটি পাল ও দেব আমলের বৌদ্ধ স্থাপত্যের নিদর্শন।
মনে রাখার টিপস:
ময়নামতির শালবন বিহার নামটিতেই বিহার শব্দটি যুক্ত আছে, যা প্রাচীন বৌদ্ধ সংস্কৃতির আবাসিক শিক্ষাকেন্দ্রকে বোঝায়।
সঠিক উত্তর: B) লিফট্
কেন সঠিক:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার এই সাধারণ বুদ্ধিমত্তা বা আইকিউ প্রশ্নটি মূলত মানসিক দক্ষতা এবং ব্যবহারিক চিন্তাভাবনা যাচাই করার জন্য করা হয়ে থাকে।
- একটি বহুতল অফিস বিল্ডিংয়ে প্রবেশ করার পর ওপরের তলায় যাতায়াত করার জন্য দ্রুত লিফটের প্রয়োজন হয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে ধরা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লবি — এটি ভবনের প্রবেশপথের ভেতরের খালি জায়গা হলেও, ওপরের তলায় যাওয়ার জন্য সরাসরি লিফটের গুরুত্ব বেশি থাকে।
B) লিফট্ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ বহুতল ভবনে প্রবেশের পর গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
C) লাউজ — এটি বসার বা বিশ্রামের স্থান, যা অফিস বিল্ডিংয়ে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে প্রধান চাহিদা হিসেবে বিবেচনা করা হয় না।
D) রিসিপশন — এটি তথ্য বা অভ্যর্থনার জায়গা হলেও, সার্বিক চলাচলের ক্ষেত্রে লিফটের ব্যবহারিক আবশ্যকতা বেশি।
মনে রাখার টিপস:
অফিস বিল্ডিংয়ে ঢোকার পর ওপরের তলায় দ্রুত ওঠার কথা ভাবলেই লিফটের কথা মাথায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) বাংলাদেশ
কেন সঠিক:
- প্রাচীন পুণ্ড্রনগর বর্তমানে বাংলাদেশের বগুড়া জেলার মহাস্থানগড় এলাকায় অবস্থিত।
- এটি প্রাচীন বাংলার অন্যতম প্রাচীন ও পৌরাণিক পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তির রাজধানী ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত — পুণ্ড্রনগর ভারতের ভূখণ্ডে অবস্থিত নয়, এটি বর্তমান বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক স্থান।
B) পাকিস্তান — পাকিস্তান আলাদা রাষ্ট্র এবং এর সঙ্গে প্রাচীন পুণ্ড্রনগরের কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই।
C) বাংলাদেশ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ পুণ্ড্রনগর বাংলাদেশের বগুড়ায় অবস্থিত।
D) থাইল্যান্ড — থাইল্যান্ড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত একটি দেশ এবং প্রাচীন পুণ্ড্রনগর এর বাইরে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
পুন্ড্রনগর মানেই বগুড়ার মহাস্থানগড়, যা আমাদের দেশ বাংলাদেশেই অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) নোয়াখালী
কেন সঠিক:
- ভাসানচর দ্বীপটি প্রশাসনিকভাবে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার আওতাধীন।
- এটি মূলত বঙ্গোপসাগরে মেঘনা নদীর মোহনায় জেগে ওঠা একটি চর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বরিশাল — এটি একটি বিভাগ ও জেলা, যার সাথে ভাসানচরের কোনো ভৌগোলিক বা প্রশাসনিক সংযোগ নেই।
B) চট্টগ্রাম — এটি একটি বিভাগ ও জেলা, যার অধীনস্থ মূল ভূখণ্ডের অংশ নয় ভাসানচর।
D) লক্ষ্মীপুর — এটি পার্শ্ববর্তী জেলা হলেও ভাসানচর এই জেলার প্রশাসনিক সীমানার অন্তর্ভুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার চর হলো ভাসানচর, তাই হাতিয়া ও নোয়াখালী একসাথে মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) ভারত
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ভুটানের স্বীকৃতির মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর একই দিনে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপাল — নেপাল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
B) সোভিয়েত রাশিয়া — সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারি।
C) ভারত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) ভুটান — ভুটান বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদান করে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর সকালে, যা ভারতের আগে ঘটেছিল।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার ঠিক আগে ভুটান প্রথম এবং ভারত দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) Lois I. Kahn
কেন সঠিক:
- মার্কিন স্থপতি লুই কান বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের মূল নকশা তৈরি করেন।
- ১৯৬১ সালে শুরু হওয়া এই ঐতিহাসিক স্থাপত্য প্রকল্পটি তাঁর জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Frank Lloyd Wright — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের একজন বিখ্যাত আধুনিক স্থপতি হলেও বাংলাদেশের সংসদ ভবনের নকশা করেননি।
B) Charles Correa — তিনি ভারতের প্রখ্যাত স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ, বাংলাদেশের সংসদ ভবনের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
C) Le Corbusier — তিনি আধুনিক স্থাপত্যের জনক হিসেবে পরিচিত সুইজারল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী ফরাসি স্থপতি, যিনি চণ্ডীগড় শহরের নকশা করেছিলেন।
D) Lois I. Kahn — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ তিনি শের-ই-বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবনের মূল স্থপতি ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
সংসদ ভবনের স্থপতি লুই কান, এভাবে মনে রাখুন সংসদ ও কানের প্রথম অক্ষর স এবং ক দিয়ে।
সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাষ্ট্র
কেন সঠিক:
- নাসা হলো যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা, যার পূর্ণরূপ ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস প্রশাসন।
- এটি ১৯৫৮ সালের ২৯ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাজ্য — এই দেশের মহাকাশ সংস্থার নাম ইউকে স্পেস এজেন্সি, নাসা নয়।
B) যুক্তরাষ্ট্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ নাসা এই দেশেরই জাতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র।
C) ভারত — এই দেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার নাম ইসরো, নাসা আমেরিকার সংস্থা।
D) চীন — এই দেশের মহাকাশ কার্যক্রম জাতীয় মহাকাশ প্রশাসন দ্বারা পরিচালিত হয়, নাসা নয়।
মনে রাখার টিপস:
নাসা আমেরিকার সংস্থা, তাই আমেরিকার নামের সাথে নাসার সংযোগ মনে রাখা সহজ।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) ১৭
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে সমাজের চাহিদার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ এবং একই পদ্ধতির শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৫ — অনুচ্ছেদ ১৫ মৌলিক প্রয়োজনের বিধান সম্পর্কিত, যেখানে অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাকে মৌলিক প্রয়োজন হিসেবে অর্জনের কথা বলা হয়েছে।
B) ১৬ — অনুচ্ছেদ ১৬ গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব সাধনের মাধ্যমে নগর ও গ্রামের জীবনযাত্রার মানের ব্যবধান ক্রমাগত দূর করার বিধান সম্পর্কিত।
D) ১৮ — অনুচ্ছেদ ১৮ জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা রক্ষা এবং মাদকদ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের বিধান সম্পর্কিত।
মনে রাখার টিপস:
শিক্ষার অধিকার পেতে হলে সতেরো বছর বয়স পর্যন্ত স্কুলে যাওয়া যায়, এভাবে ১৭ অনুচ্ছেদ মনে রাখতে পারেন।
বিষয়ের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ভূরাজনীতি
সঠিক উত্তর: B) আফগানিস্তান
প্রদত্ত উত্তর যাচাই: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে বেলজিয়াম বলা হলেও, ভূরাজনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের প্রচলিত জ্ঞান অনুযায়ী আফগানিস্তান হলো পৃথিবীর অন্যতম একটি ধ্রুপদী বাফার স্টেট বা মধ্যবর্তী রাষ্ট্র। অন্যদিকে বেলজিয়ামকে ঐতিহাসিকভাবে 'ককপিট অব ইউরোপ' বলা হয়। তাই সঠিক উত্তর আফগানিস্তান হবে।
কেন সঠিক:
- আফগানিস্তান দুটি বড় শক্তিশালী সাম্রাজ্য বা দেশের মাঝখানে অবস্থিত থেকে নিরপেক্ষ বা মধ্যবর্তী রাষ্ট্র হিসেবে কাজ করে।
- ব্রিটিশ ও রুশ সাম্রাজ্যের মাঝখানে বাফার স্টেট হিসেবে আফগানিস্তান ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাকিস্তান — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং কোনো বড় পরাশক্তির মধ্যবর্তী নিরপেক্ষ বাফার স্টেট নয়।
B) আফগানিস্তান — এটি দুটি বৃহৎ শক্তির মাঝে অবস্থিত হওয়ায় এটি একটি ধ্রুপদী বাফার বা মধ্যবর্তী রাষ্ট্র।
C) বেলজিয়াম — এটি ইউরোপের একটি দেশ এবং একে সাধারণত যুদ্ধক্ষেত্র বা ককপিট অব ইউরোপ বলা হয়, বাফার স্টেট নয়।
D) ফ্রান্স — এটি পশ্চিম ইউরোপের একটি বড় ও শক্তিশালী সার্বভৌম রাষ্ট্র, কোনো বাফার স্টেট নয়।
মনে রাখার টিপস:
আফগানিস্তান শব্দটি মনে রাখলেই বোঝা যায় এটি প্রাচ্য ও প্রতীচ্যের মাঝখানে একটি মধ্যবর্তী বা বাফার রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: D) ২০২১-২০৪১
কেন সঠিক:
- রূপকল্প-২০৪১ হলো বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা যা ২০২১ সাল থেকে শুরু হয়ে ২০৪১ সালে শেষ হবে।
- এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত ও উন্নতশীল দেশে রূপান্তর করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১০-২০৪১ — এই সময়কালটি রূপকল্প-২০৪১ এর জন্য সঠিক নয় কারণ রূপকল্প-২০১০ নামে কোনো নির্ধারিত প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ছিল না।
B) ২০২০-২০৪১ — ২০২০ সাল থেকে রূপকল্প-২০৪১ এর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়নি।
C) ২০২২-২০৪১ — ২০২২ সাল রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের শুরুর সাল হিসেবে নির্ধারিত নয়।
D) ২০২১-২০৪১ — এটি সঠিক সময়কাল যা ২০২১ সালের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছর থেকে শুরু হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
রূপকল্প-২০৪১ এর শুরুর সাল পেতে হলে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অর্থাৎ ২০২১ সালকে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) নিউইয়র্ক
কেন সঠিক:
- এই শহরের নামকরণ ১৯২০ এর দশকে ক্রীড়া সাংবাদিক জন ফিটজেরাল্ড ঘোড়দৌড়ের পুরস্কারের অর্থ বোঝাতে বিগ আপেল শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন।
- পরবর্তী সময়ে এটি জ্যাজ সংগীতশিল্পী এবং পর্যটকদের মাঝে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং বিশ্বজুড়ে শহরটির পরিচিতি লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং শহরটি আলোর শহর বা ফ্যাশনের রাজধানী নামে পরিচিত।
B) নিউইয়র্ক — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই শহরটি বিগ আপেল নামে পরিচিত।
সি) সিঙ্গাপুর — এটি একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং শহরটি লায়ন সিটি বা উদ্যান নগরী নামে পরিচিত।
ডি) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং শহরটি দ্য স্মোক বা দ্য বিগ স্মোক নামে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
নিউইয়র্ক মানেই উঁচু গগনচুম্বী ভবন এবং বড় আপেল ফলটি উঁচু গাছে ঝুলে থাকে।
সঠিক উত্তর: D) প্রাচীন শিক্ষাকেন্দ্র বা বিশ্ববিদ্যালয়
কেন সঠিক:
- এটি ভারতের বিহারে অবস্থিত প্রাচীন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উচ্চশিক্ষালয় ও বৌদ্ধ পন্ডিতদের একটি বিখ্যাত আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়।
- পঞ্চম শতাব্দীতে গুপ্ত সম্রাট কুমারগুপ্ত এই মহাবিহার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং পরবর্তীকালে রাজা হর্ষবর্ধন এর পৃষ্ঠপোষকতা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিখ্যাত বাজার — নালন্দা কোনো বাণিজ্যিক বাজার বা কেনাকাটার কেন্দ্র ছিল না, এটি ছিল উচ্চশিক্ষার পবিত্র স্থান।
B) হাসপাতাল — এটি চিকিৎসালয় ছিল না, তবে এর গ্রন্থাগারে চিকিৎসাবিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রচুর পাণ্ডুলিপি সংরক্ষিত ছিল।
C) কমিউনিটি সেন্টার — এটি কোনো সামাজিক অনুষ্ঠান বা মিলনায়তন কেন্দ্র ছিল না, এটি ছিল বিশ্বমানের বৌদ্ধ পন্ডিত তৈরির প্রতিষ্ঠান।
D) প্রাচীন শিক্ষাকেন্দ্র বা বিশ্ববিদ্যালয় — নালন্দা ছিল প্রাচীন ভারতের ঐতিহাসিক আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে হাজার হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করতেন।
মনে রাখার টিপস:
নালন্দা নামটির সাথে প্রাচীন জ্ঞানচর্চা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য জড়িত, যা বৌদ্ধ ধর্মের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: B) ৮ মার্চ
কেন সঠিক:
- ১৯৭৭ সালে জাতিসংঘ ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- এই দিনটি নারীর অধিকার রক্ষা এবং সমতার দাবি আদায়ের বিশ্বব্যাপী আন্দোলনের প্রতীক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯ এপ্রিল — এই তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয় না এবং এটি ঐতিহাসিক নারী আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত নয়।
B) ৮ মার্চ — এটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের নির্ধারিত সঠিক তারিখ।
C) ১৭ মার্চ — এই দিনে বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয়।
৯ ডিসেম্বর — এই তারিখে রোকেয়া দিবস বা বেগম রোকেয়ার জন্ম ও প্রয়াণ দিবস পালিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
মার্চ মাসের আট তারিখ হলো সেই দিন, যা বিশ্বজুড়ে নারীদের অধিকার ও সম্মানের প্রতীক হিসেবে উদযাপিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) ইতালি
কেন সঠিক:
- চতুর্দশ শতাব্দীতে ইতালির ফ্লোরেন্স শহর থেকে রেনেসাঁ বা পুনর্জাগরণ আন্দোলন শুরু হয়েছিল।
- প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সংস্কৃতির পুনরুজ্জীবন এবং মানবতাবাদী চেতনার বিকাশ এই আন্দোলনের মূল ভিত্তি ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রীস — প্রাচীন গ্রিক সংস্কৃতি রেনেসাঁর প্রেরণা হলেও আন্দোলনটি এখানে শুরু হয়নি।
B) রোম — এটি ইতালির একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর হলেও মূল রেনেসাঁ আন্দোলন ফ্লোরেন্সে শুরু হয়েছিল।
D) ফ্রান্স — ফান্সে রেনেসাঁ পরবর্তী সময়ে ইতালি থেকে ছড়িয়ে পড়েছিল, সূচনার স্থান এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
রেনেসাঁর সূচনা মানেই ইতালির ফ্লোরেন্স শহর, যেখানে শিল্প ও সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ ঘটেছিল।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) ১৯৭৩ সালের ২৩ মে
কেন সঠিক:
- বিশ্বশান্তির পক্ষে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকারের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশ্ব শান্তি পরিষদ এই পদক প্রদান করে।
- বিশ্ব শান্তি পরিষদের প্রেসিডিয়াম সভায় সর্বসম্মতভাবে বঙ্গবন্ধুকে জুলিও কুরী শান্তি পদক ভূষিত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭৩ সালের ২৩ মে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জুলিও কুরী পুরস্কার লাভ করেন।
B) ১৯৭০ সালের ২৪ মে — এটি ভুল কারণ এই সময়ে তিনি জুলিও কুরী পুরস্কার পাননি, এটি মূলত ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের কাছাকাছি সময়।
C) ১৯৭৩ সালের ২৩ জুন — এটি ভুল কারণ এই তারিখটি জুলিও কুরী পুরস্কার প্রাপ্তির সঠিক দিন নয়।
D) ১৯৭৩ সালের ২৬ জুন — এটি ভুল কারণ জুলিও কুরী পুরস্কার প্রদান করা হয়েছিল মে মাসের ২৩ তারিখে।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধু জুলিও কুরী পুরস্কার পান স্বাধীন দেশের প্রথম বছরে অর্থাৎ ১৯৭৩ সালের ২৩ মে।
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশ
কেন সঠিক:
- ছোট সোনা মসজিদ বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত সুলতান আমলের একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য।
- হুসেন শাহের শাসনামলে নির্মিত এই মসজিদটি প্রাচীন বাংলার স্থাপত্যশিল্পের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ মসজিদটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
B) ভারত — এটি ভুল কারণ মসজিদটি ভারতের কোনো অঞ্চলে অবস্থিত নয়।
C) শ্রীলংকা — এটি ভুল কারণ শ্রীলংকা একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এর সঙ্গে এই মসজিদের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) থাইল্যান্ড — এটি ভুল কারণ থাইল্যান্ড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত এবং এই মসজিদের ভৌগোলিক অবস্থান সেখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
সোনা মসজিদ মানেই সোনাঝরা ইতিহাস, যা বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) ক্যালসিয়াম
১. কেন সঠিক:
- মানবদেহে রক্ত তঞ্চন বা রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় ক্যালসিয়াম আয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে রক্তের প্লাজমা থেকে ফাইব্রিনোজেনকে ফাইব্রিন জালিকায় রূপান্তর করতে এবং প্রোথ্রোম্বিনকে থ্রোম্বিনে পরিণত করতে ক্যালসিয়াম আয়ন অপরিহার্য।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: রক্ত তঞ্চন হলো এমন একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কাটাছেঁড়া স্থান থেকে রক্তপাত বন্ধ হয়।
- কার্যপ্রণালি: রক্তে থাকা ত্রয়োদশ বা ফ্লাড কোটিং ফ্যাক্টরগুলোর মধ্যে ক্যালসিয়াম আয়ন চতুর্থ ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে যা রক্ত জমাট বাঁধার ক্যাসকেড প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রান্নার সময় উদ্ভিজ্জ তেলের ওপর লেবুর রস পড়লে যেমন রাসায়নিক পরিবর্তন হয়, তেমনি শরীরে কোথাও কেটে গেলে ক্যালসিয়ামের উপস্থিতিতে রক্ত জমাট বেঁধে রক্তপাত বন্ধ হয়।
ব্যাখ্যা: এটি রক্তে উপস্থিত খনিজের জৈব রাসায়নিক সক্রিয়তা নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: মানুষের শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দিলে অনেক সময় রক্ত জমাট বাঁধতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় নেয়।
ব্যাখ্যা: এটি মানবদেহে খনিজ লবণের শারীরবৃত্তীয় গুরুত্ব বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্যালসিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ রক্ত জমাট বাঁধার জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় এই খনিজ মৌলটি প্রত্যক্ষভাবে অনুঘটক হিসেবে কাজ করে।
B) ম্যাগনেসিয়াম — এটি স্নায়ু ও পেশির কার্যকারিতা রক্ষায় এবং শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে, তবে সরাসরি রক্ত তঞ্চনে এর মুখ্য ভূমিকা নেই।
C) সালফার — এটি শরীরের আমিষ বা প্রোটিন গঠনে এবং অ্যামিনো এসিড তৈরিতে সাহায্য করে, যা রক্ত বন্ধনে সরাসরি অংশ নেয় না।
D) ফসফরাস — এটি হাড় ও দাঁতের গঠন এবং শক্তি সঞ্চয়ের সাথে যুক্ত, রক্ত জমাট বাঁধার প্রধান নিয়ন্ত্রক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রক্ত জমাট বাঁধার সাথে ক্যালসিয়ামের সম্পর্ক মনে রাখতে মাথায় রাখুন আমাদের শরীরের শক্ত হাড়ের উপাদান ক্যালসিয়াম যেমন কাঠামো দেয়, তেমনি রক্ত রক্ষায়ও এর ভূমিকা আছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষেত্রে ক্যালসিয়াম হলো চতুর্থ রক্ত তঞ্চন ফ্যাক্টর।
- একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে ভিটামিন কে রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
সঠিক উত্তর: D) মস্তিষ্কের বিকাশজনিত সমস্যা
১. কেন সঠিক:
অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার বা অটিজম হলো মানুষের মস্তিষ্কের একধরনের বিকাশগত বা স্নায়বিক সমস্যা। সাধারণত শৈশবেই মস্তিষ্কের স্বাভাবিক গঠন ও কার্যপ্রণালীর বৈচিত্র্যের কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: এটি কোনো মানসিক রোগ বা বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবন্ধকতা নয়, বরং স্নায়ুর বিকাশজনিত এমন একটি অবস্থা যা মানুষের সামাজিক যোগাযোগ এবং মিথস্ক্রিয়ায় প্রভাব ফেলে।
কার্যপ্রণালি: শৈশবে মস্তিষ্কের কোষগুলোর পারস্পরিক যোগাযোগের প্রক্রিয়ায় ভিন্নতা দেখা দেয় ফলে শিশু অন্যদের সাথে ভাবের আদান-প্রদান করতে কিছুটা ভিন্ন আচরণ করে।
কারণ ও ফলাফল: জিনগত বৈচিত্র্য এবং পরিবেশগত নানা উপাদানের প্রভাবে এই বিকাশজনিত ভিন্নতা ঘটে যার ফলে শিশুর ভাষিক ও সামাজিক দক্ষতা অর্জনে বিশেষ সহায়তার প্রয়োজন হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অটিজম আক্রান্ত কোনো শিশু চোখের দিকে সরাসরি তাকিয়ে কথা বলতে অস্বস্তি বোধ করে এবং নিজের মতো একা থাকতে পছন্দ করে।
ব্যাখ্যা: এটি তাদের সামাজিক যোগাযোগের ভিন্নতার একটি সাধারণ বহিঃপ্রকাশ।
উদাহরণ ২: কোনো কোনো অটিজম আক্রান্ত শিশুর নির্দিষ্ট কোনো শব্দের প্রতি তীব্র সংবেদনশীলতা থাকে কিংবা তারা একই কাজ বারবার করতে ভালোবাসে।
ব্যাখ্যা: এটি তাদের মস্তিষ্কের সংবেদনশীলতা প্রক্রিয়াকরণের ভিন্নতার ফল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মস্তিষ্কের বুদ্ধিজজনিত সমস্যা — অটিজম মূলত বুদ্ধির ঘাটতি বোঝায় না কারণ অনেক অটিজম আক্রান্ত ব্যক্তির বিশেষ কোনো ক্ষেত্রে অসাধারণ প্রতিভা থাকে।
B) মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা — রক্তক্ষরণ স্ট্রোক বা আঘাতের কারণে ঘটে যা অটিজমের জন্মগত বা বিকাশগত প্রকৃতির সাথে মেলে না।
C) শ্রবণশক্তির ঘাটতিজনিত সমস্যা — অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের কানের গঠন সম্পূর্ণ সুস্থ থাকে কিন্তু তারা শোনার পর তা মস্তিষ্কে ভিন্নভাবে প্রক্রিয়াজাত করে।
D) মস্তিষ্কের বিকাশজনিত সমস্যা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি স্নায়ুর বিকাশগত বৈচিত্র্যকে নির্দেশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
অটিজম শব্দটি মনে রাখার জন্য মাথায় রাখুন এটি বুদ্ধির সমস্যা নয়, বরং মস্তিষ্কের স্নায়বিক বিকাশের ভিন্নতা। বিকাশ মানে বাড়ার পথে ভিন্নতা, বুদ্ধির কমতি নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
অটিজম একটি স্নায়ুবিক বিকাশজনিত সমস্যা যা শৈশবেই প্রকাশ পায়। এই ধরনের প্রশ্নগুলোতে বুদ্ধিবৃত্তিক সমস্যা এবং বিকাশজনিত সমস্যার পার্থক্য পরিষ্কার রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) দক্ষিণ আফ্রিকা
১. কেন সঠিক:
সার্স কোভ টু ভাইরাসের নতুন রূপ ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট সম্পর্কে প্রথম তথ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে প্রদান করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিজ্ঞানীরা এই ভ্যারিয়েন্টের জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেছিলেন।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ভাইরাস প্রতিনিয়ত মিউটেশন বা রূপ পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন ভ্যারিয়েন্টের জন্ম দেয়।
কার্যপ্রণালি: জিনোম সিকোয়েন্সিং প্রযুক্তির মাধ্যমে ভাইরাসের জিনের বিন্যাস পরীক্ষা করে এর মিউটেশন বা পরিবর্তন শনাক্ত করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: করোনা ভাইরাসের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট প্রথম ভারতে শনাক্ত করা হয়েছিল।
ব্যাখ্যা: বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা জিনোম সিকোয়েন্সিং করে ভাইরাসের নতুন স্ট্রেন বা রূপ চিহ্নিত করেন।
উদাহরণ ২: ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের ক্ষেত্রেও প্রতি বছর নতুন স্ট্রেন দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: ভাইরাসের দ্রুত মিউটেশন ক্ষমতার কারণে এর রূপ পরিবর্তিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত দক্ষিণ — এটি কোনো দেশ নয় এবং ওমিক্রন শনাক্তের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
B) দক্ষিণ আফ্রিকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশ থেকে প্রথম ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের তথ্য জানানো হয়।
C) ইতালি — এটি ইউরোপের একটি দেশ যেখানে করোনা ছড়ালেও ওমিক্রন প্রথম শনাক্ত হয়নি।
D) চীন — চীনের উহান শহর থেকে মূল করোনা ভাইরাস বা কোভিড উনিশ প্রথম ছড়ায়, ওমিক্রন নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ওমিক্রন মানে অন্য রূপ, যা প্রথম দেখা গেছে আফ্রিকায়।
দক্ষিণ আফ্রিকা শব্দটি মনে রাখলেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর পাওয়া যাবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কোভিড উনিশ রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাসের নাম সার্স কোভ টু।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ভাইরাস বা ভ্যারিয়েন্টের নামকরণের জন্য গ্রিক বর্ণমালা ব্যবহার করে থাকে।
সঠিক উত্তর: D) ইউরেনাস
১. কেন সঠিক:
- ইউরেনাস গ্রহের বায়ুমণ্ডলে মিথেন গ্যাসের পরিমাণ অনেক বেশি থাকার কারণে এটি দেখতে নীলচে-সবুজ বা সবুজ রঙের দেখায়।
- মিথেন গ্যাস লাল রঙের আলোকে শোষণ করে এবং সবুজ ও নীল রঙের আলোকে প্রতিফলিত করে, যা গ্রহটির এই বিশেষ রঙের প্রধান কারণ।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: সৌরজগতের সপ্তম গ্রহ হলো ইউরেনাস, যা বরফ দানব নামে পরিচিত।
- কার্যপ্রণালি: সূর্যের আলো এই গ্রহের বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের পর মিথেন গ্যাসের স্তর দ্বারা ফিল্টার হয়ে ফিরে আসে।
- কারণ ও ফলাফল: মিথেন কর্তক লাল আলো শোষিত হওয়ার ফলে আমাদের চোখে এই গ্রহটিকে সবুজ রঙের দেখায়।
- বাস্তব প্রয়োগ: প্রিজমের ভেতর দিয়ে আলো গেলে যেমন বিভিন্ন রঙে বিভক্ত হয়, ঠিক তেমনি বায়ুমণ্ডলের গ্যাসের প্রভাবে গ্রহের রঙ পরিবর্তিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গভীর সমুদ্রের পানি দেখতে নীল বা সবুজ দেখায়।
ব্যাখ্যা: সমুদ্রের পানিতে আলো প্রবেশ করার পর পানির অণু ও কণাগুলোর কারণে নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো প্রতিফলিত হয়, যা ইউরেনাসের রঙের ঘটনার সঙ্গে মিল রাখে।
উদাহরণ ২: বনভূমির ওপর দিয়ে বায়ুমণ্ডলকে অনেক সময় সবুজ আভা ছড়াতে দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: এটি বায়ুমণ্ডলের উপাদান এবং আলোর মিথস্ক্রিয়ার একটি সহজ প্রাকৃতিক উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মঙ্গল — মঙ্গল গ্রহকে লাল গ্রহ বলা হয় কারণ এর মাটিতে প্রচুর আয়রন অক্সাইড বা মরচে থাকে।
B) নেপচুন — নেপচুন গ্রহটি গাঢ় নীল রঙের হয়, কারণ এর বায়ুমণ্ডলেও মিথেন থাকে তবে তা ইউরেনাসের চেয়ে ভিন্নভাবে আলো প্রতিফলিত করে।
C) প্লুটো — প্লুটো একটি বামন গ্রহ এবং এর পৃষ্ঠে নাইট্রোজেন ও বরফের মিশ্রণ রয়েছে, এটি সবুজ গ্রহ নয়।
D) ইউরেনাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রহটি তার বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত মিথেনের কারণে সবুজ গ্রহ হিসেবে পরিচিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইউরেনাস নামের প্রথম অক্ষর এবং সবুজ রঙের উ দিয়ে মনে রাখতে পারো যে ইউরেনাস হলো সবুজ গ্রহ।
- মিথেন গ্যাসের উপস্থিতির কারণে ইউরেনাস সবুজ দেখায়, এই কথাটি মনে রাখলে আর ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সৌরজগতের কোন গ্রহকে নীল গ্রহ বলা হয়, এই প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে যার উত্তর পৃথিবী।
- গ্রহগুলোর রঙের বৈচিত্র্য মূলত তাদের বায়ুমণ্ডলের গ্যাসীয় উপাদানের ওপর নির্ভর করে, এই ধারণიდან বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) নীল, সবুজ, লাল
১. কেন সঠিক:
- আলোকের বর্ণালী বা প্রাইমারি কালারের তত্ত্ব অনুযায়ী নীল, সবুজ ও লাল রঙের মিশ্রণে সাদা আলোসহ দৃশ্যমান সব রঙের আলো তৈরি করা যায়।
- মানুষের চোখের কোন কোষ এই তিনটি প্রাথমিক রঙের প্রতি সবচেয়ে বেশি সংবেদনশীল হওয়ায় মস্তিষ্ক কোটি কোটি রঙ আলাদা করতে পারে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: যে রঙের আলো অন্য রঙের আলো মিশিয়ে তৈরি করা যায় না এবং নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশালে সাদা আলো উৎপন্ন হয়, তাকে মৌলিক বা প্রাইমারি বর্ণ বলে।
- কার্যপ্রণালি: এই তিনটি রঙের আলো বিভিন্ন তীব্রতায় একত্রিত হয়ে অ্যাডিটিভ কালার মিক্সিং প্রক্রিয়ায় আমাদের চোখে রঙের বৈচিত্র্য ফুটিয়ে তোলে।
- বাস্তব প্রয়োগ: টেলিভিশন স্ক্রিন, কম্পিউটার মনিটর এবং স্মার্টফোনের ডিসপ্লেতে পিক্সেলগুলো নীল, সবুজ ও লাল এই তিনটি সাবপিক্সেলের সমন্বয়ে সব ছবি প্রদর্শন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রঙিন টেলিভিশন বা এলসিডি মনিটরের খুব কাছে গেলে দেখা যায় স্ক্রিনটি মূলত ক্ষুদ্র লাল, সবুজ ও নীল বিন্দু বা সাবপিক্সেলের সমষ্টি।
ব্যাখ্যা: এই তিনটি রঙের তীব্রতা কমবেশি করে মনিটর পর্দায় হাজার হাজার রঙের ছবি ফুটিয়ে তোলে।
উদাহরণ ২: মঞ্চের নাটকে বা কনসার্টে লাল, সবুজ ও নীল আলোর প্রজেক্টর বিভিন্ন অনুপাতে ব্যবহার করে মঞ্চে রঙিন আলোর আভা তৈরি করা হয়।
ব্যাখ্যা: এই তিনটি মৌলিক আলোর সংযোজন বা মিশ্রণের ফলে দর্শকের চোখে বিভিন্ন নতুন রঙের অনুভূতি জাগে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাল, সবুজ, পার্পেল — পার্পেল বা বেগুনি কোনো মৌলিক আলোর রঙ নয়, এটি লাল ও নীল আলোর মিশ্রণে তৈরি হয়।
B) নীল, সবুজ, লাল — এটি আলোর ক্ষেত্রে সঠিক মৌলিক রঙের সেট।
C) লাল, হলুদ, নীল — লাল, হলুদ ও নীল হলো শিল্পকলা বা রঙের ক্ষেত্রে মৌলিক বা প্রাইমারি পিগমেন্ট, আলোর ক্ষেত্রে নয়।
D) হলুদ, লাল, সবুজ — হলুদ কোনো আলোর মৌলিক বর্ণ নয়, এটি লাল ও সবুজ আলোর মিশ্রণ থেকে উৎপন্ন হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আলোর মৌলিক রঙ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো আমাদের দেশের জাতীয় পতাকার সবুজ এবং এর সাথে টেলিভিশন প্রযুক্তির বহুল ব্যবহৃত লাল ও নীল রঙ মাথায় রাখা।
- ইংরেজিতে আরজিবি অর্থাৎ রেড, গ্রীন ও ব্লু মনে রাখলেই আলোর মৌলিক রঙ ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- আলো এবং রঙের ক্ষেত্রে মৌলিক রঙ আলাদা, আলোতে নীল-সবুজ-লাল আর পিগমেন্ট বা রঞ্জক পদার্থের ক্ষেত্রে লাল-হলুদ-নীল।
- এই টপিক থেকে অনেক সময় টেলিভিশন বা মনিটরের পিক্সেল সম্পর্কিত প্রশ্নও বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: A) উত্তর
১. কেন সঠিক:
বরেন্দ্রভূমি বাংলাদেশের উত্তরঅঞ্চলে অবস্থিত প্লাইস্টোসিন কালের চত্বর বা সোপান।
এই অঞ্চলের মাটি প্রাচীন ও অপেক্ষাকৃত কম উর্বর লালচে বা ধূসর রঙের হয়ে থাকে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: বাংলাদেশের উত্তরঅঞ্চলের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের কিছু অংশজুড়ে এটি বিস্তৃত।
বৈশিষ্ট্য: এটি প্লাইস্টোসিন যুগে গঠিত বারিন্দ বা বরেন্দ্র চত্বরের অংশবিশেষ।
সংশ্লিষ্ট তথ্য: এটি দেশের বৃহত্তম প্লাইস্টোসিন চত্বর যা পলি দ্বারা গঠিত প্লাবন সমভূমি থেকে কিছুটা উঁচুতে অবস্থিত।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: রাজশাহী ও দিনাজপুর জেলা।
ব্যাখ্যা: এই জেলাগুলোর ভূপ্রকৃতি বরেন্দ্রভূমির অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এখানকার মাটি লালচে ও পানি ধারণক্ষমতা কম।
উদাহরণ ২: মধুপুর গড়।
ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্লাইস্টোসিন চত্বর যা মধ্য অঞ্চলে অবস্থিত, যা বরেন্দ্রভূমির সমগোত্রীয় ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য বহন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উত্তর — এই অপশনটি সঠিক কারণ বরেন্দ্রভূমি বাংলাদেশের উত্তরঅঞ্চলে অবস্থিত।
B) দক্ষিণ — দক্ষিণ অঞ্চলে বরেন্দ্রভূমি নেই, বরং এই অঞ্চলে সুন্দরবন ও উপকূলীয় সমভূমি অবস্থিত।
C) পূর্ব — পূর্ব অঞ্চলে বরেন্দ্রভূমি অবস্থিত নয়, এখানে পাহাড়ি অঞ্চল ও সিলেট অববাহিকা রয়েছে।
D) পশ্চিম — বরেন্দ্রভূমি মূলত উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাংশজুড়ে বিস্তৃত, তাই এককভাবে পশ্চিম অঞ্চল সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
উত্তর মানে বরেন্দ্র, এই কথাটি মনে রাখলে উত্তরঅঞ্চলের প্লাইস্টোসিন চত্বর সহজে চেনা যায়।
উত্তরবঙ্গ বললেই বরেন্দ্রভূমি এবং লাল মাটির কথা মাথায় রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বরেন্দ্রভূমি কোনকালের সোপান তা প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় আসে।
একই ধারণা থেকে মধুপুর গড় বা ভাওয়ালের গড়ের অবস্থান সম্পর্কেও প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) ট্রপিকাল
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ কর্কটক্রান্তি রেখার কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় এর জলবায়ু ক্রান্তীয় বা ট্রপিকাল অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- ক্রান্তীয় জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সারা বছর উষ্ণ তাপমাত্রা এবং ঋতুভেদে প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়া।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় বিষুবরেখার উত্তরে ২৩.৩৪ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশের কাছাকাছি অবস্থিত।
- বৈশিষ্ট্য: এখানে উষ্ণ ও আর্দ্র গ্রীষ্মকাল এবং মৃদু শীতকাল অনুভূত হয়, যা মৌসুমি বায়ুর দ্বারা গভীরভাবে নিয়ন্ত্রিত।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: দক্ষিণ এশীয় অঞ্চল
ব্যাখ্যা: ভারত ও বাংলাদেশের মতো দক্ষিণ এশীয় দেশগুলো মূলত ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ুর অধীন।
উদাহরণ ২: কর্কটক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করার কারণে এখানকার জলবায়ু ট্রপিকাল প্রকৃতির হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ট্রপিকাল — এটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ ক্রান্তীয় জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
B) ওয়ার্ম হিউমিড — এটি আবহাওয়ার একটি বিশেষ অবস্থা নির্দেশ করলেও সার্বিক জলবায়ুর ক্ষেত্রে ট্রপিকাল শব্দটি অধিক উপযোগী।
C) শুষ্ক — বাংলাদেশের জলবায়ু শুষ্ক নয়, বরং মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বেশ আর্দ্র ও বৃষ্টিবহুল।
D) শীতল — বাংলাদেশ নাতিশীতোষ্ণ বা শীতল অঞ্চলের দেশ নয়, বরং এটি উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলে অবস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশকে অতিক্রম করায় এর জলবায়ু সবসময় ট্রপিকাল বা ক্রান্তীয় হিসেবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রকৃতি জানতে চাইলে ট্রপিকাল বা ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু উত্তর হিসেবে নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) উত্তর আমেরিকা
১. কেন সঠিক:
- গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন হলো কোটি বছর ধরে কলোরাডো নদীর জলপ্রবাহের ফলে সৃষ্ট একটি সুবিশাল গিরিখাত বা ক্যানিয়ন।
- এটি মূলত উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অিজোনা রাজ্যে অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক বিস্ময়।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত অিজোনা রাজ্য।
- বৈশিষ্ট্য: এটি লম্বায় প্রায় ৪৪৬ কিলোমিটার এবং এর গভীরতা প্রায় ১.৮ কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: কলোরাডো নদী
ব্যাখ্যা: এই নদীটি দীর্ঘ সময় ধরে শিলাস্তর কেটে গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন সৃষ্টি করেছে।
উদাহরণ ২: রকি পর্বতমালা
ব্যাখ্যা: এই পর্বতমালা উত্তর আমেরিকা মহাদেশেরই আরেকটি প্রধান ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য যা মহাদেশটির জলবায়ু ও নদীতে প্রভাব ফেলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এশিয়া — এশিয়া মহাদেশে বিশ্বের দীর্ঘতম নদী বা সর্বোচ্চ পর্বতমালা থাকলেও গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন এখানে অবস্থিত নয়।
B) উত্তর আমেরিকা — এই অপশনটি সঠিক কারণ গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই মহাদেশেই অবস্থিত।
C) দক্ষিণ আমেরিকা — দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে আমাজন নদ ও আন্দিজ পর্বতমালা রয়েছে, কিন্তু এই গিরিখাত এখানে নেই।
D) ইউরোপ — ইউরোপ মহাদেশে আল্পস পর্বতমালা ও বিখ্যাত নদীসমূহ আছে, গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক সংশ্লিষ্টতা নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের প্রথম অক্ষর 'গ্র' এবং আমেরিকার 'আ' মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন আমেরিকার গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন কোন নদীর দ্বারা সৃষ্ট বা কোন দেশে অবস্থিত তা জানতে চাওয়া হয়।
একই ধারণা থেকে কলোরাডো নদী কোন মহাদেশে অবস্থিত বা অিজোনা মরুভূমি কোথায়, এমন প্রশ্নও আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) দক্ষিণ
১. কেন সঠিক:
গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার ওপর নিম্নচাপের সৃষ্টি হয় এবং এর বিপরীতে ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগরের ওপর উচ্চচাপ বিরাজ করে। ফলে জলীয় বাষ্পপূর্ণ বায়ু উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে অর্থাৎ মূলত দক্ষিণ দিক থেকে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
জলবায়ু ও প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া: বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু হিসেবে পরিচিত এবং এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো বায়ুপ্রবাহের ঋতু পরিবর্তন।
কারণ ও প্রভাব: বঙ্গোপসাগর থেকে আসা এই দক্ষিণ দিক থেকে প্রবাহিত বায়ু প্রচুর জলীয় বাষ্প নিয়ে আসে, যা বাংলাদেশে গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে ভারী বৃষ্টিপাত ঘটায়।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: মৌসুমী বায়ু
ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ এশিয়ার জলবায়ুকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং এর দক্ষিণ দিক থেকে আগমন ঘটায় দেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
উদাহরণ ২: বঙ্গোপসাগর
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত থাকার কারণে গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ দিক থেকে বায়ুপ্রবাহের প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দক্ষিণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ গ্রীষ্মকালে মৌসুমি বায়ু বঙ্গোপসাগর থেকে এই দিক দিয়েই বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
B) উত্তর — উত্তর দিক থেকে শীতল ও শুষ্ক বায়ু মূলত শীতকালে বাংলাদেশ তথা উপমহাদেশে প্রবাহিত হয়, গ্রীষ্মকালে নয়।
C) দক্ষিণ-পূর্ব — এটি মৌসুমি বায়ুর প্রবাহের একটি পার্শ্বিক দিক হতে পারে, তবে সামগ্রিক ও প্রধান ভৌগোলিক দিক হিসেবে উত্তর দক্ষিণকেই নির্দেশ করা হয়।
D) দক্ষিণ-পশ্চিম — গ্রীষ্মকালীন মৌসুমি বায়ু দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ভারতে প্রবেশ করলেও বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের ক্ষেত্রে প্রধান ও প্রচলিত উত্তর হিসেবে দক্ষিণ দিকটিই ধরা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
গ্রীষ্মকাল মানেই বৃষ্টি আর বৃষ্টি মানেই বঙ্গোপসাগর যা দেশের দক্ষিণে অবস্থিত, তাই বায়ু আসে দক্ষিণ দিক থেকে।
শীতকালে দেশ ঠান্ডা থাকে উত্তর দিক থেকে আসা ঠান্ডা বায়ুর কারণে, আর গরমে আসে দক্ষিণের সাগর থেকে জলীয় বাষ্প।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশ ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ুর অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় ঋতুভেদে বায়ুপ্রবাহের দিক উল্টে যায়।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন হতে পারে শীতকালে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে কোন দিক থেকে বায়ু প্রবাহিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) গ্রীস
১. কেন সঠিক:
মার্বেল একটি রূপান্তরিত শিলা যা মূলত চুনাপাথর থেকে তাপ ও চাপের প্রভাবে সৃষ্টি হয়।
গ্রীসে প্রচুর পরিমাণে উচ্চমানের সাদা মার্বেল পাওয়া যায় যা প্রাচীনকাল থেকেই বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: দক্ষিণ ইউরোপের বলকান অঞ্চলের একটি দেশ গ্রীস।
বৈশিষ্ট্য: গ্রীসের ভূপ্রকৃতি পাহাড়ি এবং সেখানে বিভিন্ন ধরনের খনিজ ও রূপান্তরিত শিলার প্রাচুর্য রয়েছে।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: পার্থেনন মন্দির
ব্যাখ্যা: এথেন্সের প্রাচীন এই মন্দিরটি পুরোটাই গ্রিসের বিখ্যাত সাদা মার্বেল পাথর দিয়ে তৈরি।
উদাহরণ ২: প্যাটার্ন মার্বেল কোয়ারি
ব্যাখ্যা: গ্রিসের থাসোস দ্বীপে বিশ্বের অন্যতম সেরা মানের সাদা মার্বেল খনি অবস্থিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রীস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশটিতে পর্যাপ্ত মার্বেল খনি রয়েছে।
B) বাংলাদেশ — এটি প্রধানত পলিগঠিত বদ্বীপ অঞ্চল হওয়ায় এখানে মার্বেল পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায় না।
C) ইংল্যান্ড — এটি চুনাপাথর ও কয়লার জন্য পরিচিত হলেও মার্বেলের প্রধান উৎস নয়।
D) ভুটান — এটি পাহাড়ি দেশ হলেও মার্বেলের প্রাচুর্যের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
গ্রিসের ঐতিহাসিক ভাস্কর্যগুলো সাদা পাথরের তৈরি, তাই মার্বেল বললেই গ্রীস দেশটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মার্বেল এক ধরণের রূপান্তরিত শিলা যা চুনাপাথর থেকে পরিবর্তিত হয়।
এই প্রশ্নটি প্রাকৃতিক সম্পদ ও খনিজ অধ্যায়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) সুলতানী
কেন সঠিক:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ ১৫ শতকে খান জাহান আলী কর্তৃক নির্মিত হয়, যা বাংলার সুলতানী আমলের স্থাপত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
- এই মসজিদের নির্মাণশৈলীতে তৎকালীন সুলতানী আমলের খান ই জাহান স্থাপত্যরীতির অনন্য বৈশিষ্ট্য যেমন পোড়ামাটির ফলক এবং বিশেষ গম্বুজ নির্মাণ লক্ষ্য করা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিন্দু রীতি — এই মসজিদের স্থাপত্যে প্রচলিত হিন্দু মন্দির স্থাপত্যরীতির কোনো প্রভাব নেই, এটি সম্পূর্ণ ইসলামী ও সুলতানী শৈলীতে নির্মিত।
B) মোঘল — মসজিদটি মোঘল আমল শুরুর অনেক আগে নির্মিত হয়েছিল, তাই মোঘল স্থাপত্যরীতির বৈশিষ্ট্য এতে অনুপস্থিত।
C) সুলতানী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
D) আধুনিক — আধুনিক স্থাপত্যকলার আবিষ্কার ও প্রযুক্তির বহু শতাব্দী আগে এই ঐতিহাসিক মসজিদটি নির্মিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
খান জাহান আলীর আমল মানেই সুলতানী আমল এবং ষাট গম্বুজ মসজিদ তার শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
সঠিক উত্তর: B) Mies Van Der Rohe
কেন সঠিক:
- Mies Van Der Rohe বিংশ শতাব্দীর একজন প্রভাবশালী জার্মান-আমেরিকান স্থপতি ছিলেন।
- আধুনিক স্থাপত্যে ন্যূনতম ব্যবহার বা কম উপাদানে সুন্দর ও কার্যক্ষম নকশা তৈরির দর্শন বোঝাতে তিনি এই প্রবাদতুল্য উক্তিটি ব্যবহার করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Frank Lloyd Wright — তিনি জৈব স্থাপত্যের প্রবক্তা ছিলেন এবং প্রকৃতি ও পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভবন নকশা করার জন্য পরিচিত।
B) Mies Van Der Rohe — সঠিক উত্তর।
C) মাজহারুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের আধুনিক স্থাপত্য শিল্পের পথিকৃৎ এবং জাতীয় সংসদ ভবনের নির্মাণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
D) Richard Vrooman — তিনি একজন মার্কিন স্থপতি ও শিক্ষাবিদ যিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপত্য শিক্ষা প্রসারে কাজ করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
মিজ ভ্যান ডার রো-এর নামের সঙ্গে ন্যূনতম বা কম সাজসজ্জার আধুনিক স্থাপত্য দর্শন এবং লেস ইজ মোর কথাটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) রোমান
কেন সঠিক:
- প্যান্থিয়ন ইতালির রোমে অবস্থিত প্রাচীন রোমান স্থাপত্যের একটি ঐতিহাসিক গোলাকার মন্দির।
- এটি সম্রাট হ্যাড্রিয়ানের শাসনামলে নির্মিত হয়েছিল এবং এর গম্বুজটি বিশ্বের বৃহত্তম অপরাজিত কংক্রিটের গম্বুজ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাইজেন্টাইন — বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য পূর্ব রোমান সাম্রাজ্যের অংশ হলেও প্যান্থিয়ন মন্দিরটি বাইজেন্টাইন আমলের নয়, বরং ধ্রুপদী রোমান আমলের স্থাপত্য।
B) রোমান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ মন্দিরটি প্রাচীন রোমেই নির্মিত হয়েছিল।
C) গ্রীক — মন্দিরটি গ্রীক স্থাপত্য শৈলীতে তৈরি কিছু স্তম্ভ ব্যবহার করলেও এটি মূলত প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের একটি ঐতিহাসিক কীর্তি।
D) জার্মান — এই মন্দিরটির সঙ্গে জার্মান সংস্কৃতি বা সভ্যতার কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
প্যান্থিয়ন নামটি মনে রাখলে রোমের প্রাচীন সম্রাটদের কথা মনে করবে, কারণ এটি রোমান স্থাপত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
সঠিক উত্তর: C) গ্রিক
কেন সঠিক:
- ডরিক অর্ডার হলো প্রাচীন গ্রিক স্থাপত্যের তিনটি ক্লাসিক্যাল অর্ডারের মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন ও সরলতম রূপ।
- এটি মূলত প্রাচীন গ্রিকরা তাদের মন্দির নির্মাণে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাইজেন্টাইন — বাইজেন্টাইন স্থাপত্যরীতি গম্বুজ ও মোজাইক কাজের জন্য বিখ্যাত, ডরিক অর্ডারের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
B) রোমান — রোমানরা গ্রিক ডরিক অর্ডার থেকে অনুপ্রাণিত হলেও তারা মূলত টাস্কান এবং কম্পোজিট অর্ডার বেশি ব্যবহার করত।
C) গ্রিক — এটি সঠিক উত্তর, কারণ প্রাচীন গ্রিক স্থপতিরাই ডরিক অর্ডারের প্রবক্তা ও প্রধান ব্যবহারকারী ছিলেন।
D) জার্মান — জার্মান স্থাপত্যরীতি ডরিক অর্ডারের উৎপত্তির সাথে সম্পর্কিত নয়, এটি পরবর্তীকালের ইউরোপীয় শৈলী।
মনে রাখার টিপস:
গ্রিক স্থাপত্যের তিন ভাই হলো ডরিক, আয়নিক ও করিন্থিয়ান; যার মধ্যে ডরিক হলো সবচেয়ে প্রাচীন।
সঠিক উত্তর: A) হিন্দু মন্দির
কেন সঠিক:
- শিখারা হলো প্রাচীন ভারতীয় মন্দির স্থাপত্যের, বিশেষ করে উত্তর ভারতীয় বা নাগর শৈলীর মন্দিরের প্রধান গম্বুজ বা চূড়া।
- এটি গর্ভগৃহের ঠিক ওপরে অবস্থিত উঁচু মিনার সদৃশ অংশ যা দেখতে পর্বতের শিখরের মতো মনে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিন্দু মন্দির — এটি সঠিক উত্তর কারণ শিখারা ভারতীয় মন্দির স্থাপত্যের একটি অনন্য ঐতিহ্যবাহী অংশ।
B) বাংলা কুড়েঘর — এটি গ্রামীণ লোকজ স্থাপত্যের নিদর্শন, যেখানে চালা ও বারান্দা থাকে কিন্তু শিখারা থাকে না।
C) মসজিদ — মসজিদের ক্ষেত্রে গম্বুজ এবং মিনার থাকে, কিন্তু একে শিখারা বলা হয় না।
D) নৌকা — নৌকা জলযান, এর সাথে ধর্মীয় স্থাপত্যের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
শিখারা শব্দটির সাথে পাহাড় বা চূড়ার মিল আছে, আর হিন্দু মন্দিরের ওপরের অংশও পাহাড়ের চূড়ার মতো উঁচুই হয়।
সঠিক উত্তর: C) বাইজেন্টাইন স্থাপত্য
কেন সঠিক:
- হাজিয়া সোফিয়া ইস্তামবুলে অবস্থিত এবং এটি তার বিশাল গম্বুজ ও মোজাইকের জন্য বিশ্ববিখ্যাত।
- এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি ৫ম শতকের বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের শিল্পরীতি ও স্থাপত্য কৌশলের নিখুঁত নিদর্শন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রোমান স্থাপত্য — এটি প্রাচীন রোমের কলোসিয়াম বা প্যান্থিয়নের মতো শৈলী অনুসরণ করে না, যা এই উত্তরের সঙ্গে মেলে না।
B) ভারতীয় স্থাপত্য — এটি ভারতের মন্দির বা মুঘল স্থাপত্যরীতির কোনো নিদর্শন বহন করে না।
C) বাইজেন্টাইন স্থাপত্য — এটি সঠিক উত্তর এবং এই স্থাপত্যরীতি অনুসারে এটি নির্মিত।
D) বেঙ্গল স্থাপত্য — এটি বাংলার প্রাচীন বা সুলতানি আমলের ইট ও টেরাকোটা স্থাপত্যরীতির নয়।
মনে রাখার টিপস:
হাজিয়া সোফিয়া নামটির সঙ্গে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের ঐতিহ্য ও বিশাল গম্বুজের শৈলী মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) সুলতানি
কেন সঠিক:
- বিনত বিবির মসজিদ ১৪৫৭ সালে সুলতানি আমলের শাসক সুলতান নাসিরুদ্দিন মাহমুদ শাহের শাসনামলে নির্মিত হয়।
- এর স্থাপত্যশৈলীতে বাংলার সুলতানি আমলের একক গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদের ঐতিহ্যবাহী বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বৌদ্ধ — এটি বৌদ্ধ স্থাপত্যরীতি নয়, কারণ এটি একটি ইসলামি ইবাদতখানা বা মসজিদ।
B) মোঘল — এটি মোঘল আমলের অনেক আগেই সুলতানি আমলে নির্মিত হয়েছিল।
D) ভিক্টোরিয়ান — এটি ব্রিটিশ বা ভিক্টোরিয়ান যুগের কোনো স্থাপনা নয়, এটি মধ্যযুগের মুসলিম স্থাপত্য।
মনে রাখার টিপস:
১৪৫৭ সালে নির্মিত বিনত বিবির মসজিদ হলো ঢাকার অন্যতম প্রাচীন মুসলিম স্থাপনা, যা সুলতানি আমলের সাক্ষ্য বহন করে।
সঠিক উত্তর: B) Frank Lloyd Wright
কেন সঠিক:
- 'ফলিং ওয়াটার' বা 'ফল অব ওয়াটার' মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় অবস্থিত বিশ্বখ্যাত একটি স্থাপত্যকর্ম।
- এটি ১৯৩৫ সালে বিখ্যাত আমেরিকান স্থপতি ফ্রাঙ্ক লয়েড রাইট ডিজাইন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Louis I kahn — লুই কান বিখ্যাত আমেরিকান স্থপতি যিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের নকশা করেছেন, ফলিং ওয়াটারের নন।
B) Frank Lloyd Wright — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনিই ফলিং ওয়াটার স্থাপত্যের স্থপতি।
C) Charles Correa — চার্লস কোরিয়া একজন বিশিষ্ট ভারতীয় স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ, এই স্থাপত্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন।
D) Le corbusier — লে করবুসিয়ের একজন সুইজারল্যান্ডে জন্ম নেওয়া ফরাসি স্থপতি ও আধুনিক স্থাপত্যের অগ্রদূত, ফলিং ওয়াটারের স্রষ্টা নন।
মনে রাখার টিপস:
ফলিং ওয়াটার ও ফ্রাঙ্ক লয়েড রাইট উভয় নামই ইংরেজি এফ বর্ণ দিয়ে শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: C) মুঘল
কেন সঠিক:
- লালবাগ কেল্লা মুঘল সুবাদার মুহাম্মদ আজম শাহ ১৬৭৮ সালে নির্মাণ শুরু করেন এবং এটি মুঘল স্থাপত্য শৈলীর একটি চমৎকার নিদর্শন।
- কেল্লার ভেতরে থাকা পরী বিবীর মাজার ও দরবার হল মুঘল স্থাপত্যের ঐতিহ্য ও নির্মাণরীতিকে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আদি মুসলিম — বাংলার প্রাচীন মুসলিম বিজয়ের সময়ের কোনো নিদর্শন লালবাগ কেল্লা নয়, কারণ এটি seventeenth শতাব্দীর মুঘল আমলে নির্মিত।
B) সুলতানি — সুলতানি আমলের স্থাপত্য বৈশিষ্ট্য এর সাথে মেলে না, কারণ এটি মুঘল আমলের সুবাদারদের দ্বারা নির্মিত হয়েছিল।
C) মুঘল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং মুঘল স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত হওয়ায় এর কোনো ভুল নেই।
D) ব্রিটিশ — ব্রিটিশ আমলে নির্মিত নয়, বরং ব্রিটিশরা আসার অনেক আগেই মুঘল আমলে এর নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
লালবাগ কেল্লার প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আজম শাহ ছিলেন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র, তাই এটি মুঘল স্থাপত্য শৈলীর অনন্য নিদর্শন।
সঠিক উত্তর: B) মাজহারুল ইসলাম
কেন সঠিক:
- মাজহারুল ইসলাম বাংলাদেশের আধুনিক স্থাপত্য শিল্পের জনক এবং তিনি ঢাকার চারুকলা ইনস্টিটিউটের মূল ভবনটির নকশা তৈরি করেছিলেন।
- তাঁর নকশাকৃত এই ভবনটি আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবিউল হুসাইন — তিনি একজন প্রখ্যাত স্থপতি ও কবি হলেও ঢাকার আর্ট কলেজের স্থপতি নন।
B) মাজহারুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) সামসুল ওয়াবেস — তিনি দেশের একজন পরিচিত স্থপতি হলেও এই ঐতিহাসিক ভবনের স্থপতি নন।
D) রফিক আজম — তিনি সমসাময়িক একজন আধুনিক স্থপতি, যা এই ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠানের নির্মাণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
চারুকলার আধুনিক আর্ট কলেজ, স্থপতি মাজহারুল ইসলামের নকশাতেই গড়া হলো আজ।
সঠিক উত্তর: A) উত্তরবঙ্গে
কেন সঠিক:
- উত্তরবঙ্গের মাটি এঁটেল ও পলিযুক্ত হওয়ায় প্রাচীনকাল থেকেই সেখানে মাটি দিয়ে ঘরবাড়ি বা স্থাপত্য নির্মাণের ঐতিহ্য রয়েছে।
- এই অঞ্চলে ঐতিহ্যগতভাবে মাটি ও খড়ের মিশ্রণে একতলা বা দোতলা মজবুত ঘর তৈরি করা হয়, যা স্থানীয়ভাবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উত্তরবঙ্গে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অঞ্চলের মাটি কাদা ও এঁটেল প্রকৃতির হওয়ায় মাটির ঘর নির্মাণের জন্য উপযোগী।
B) পাহাড়ি এলাকায় — পাহাড়ের মাটি বালুকাময় এবং পাহাড়ি ঢাল ও বৃষ্টির কারণে এখানে মাটির স্থায়ী স্থাপত্য বা কাঁচা ঘর তৈরি করা যায় না।
C) উপকূলীয় এলাকায় — উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ত মাটি এবং অতিমাত্রায় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের কারণে মাটির স্থাপত্য টিকে থাকতে পারে না।
D) হাওড় এলাকায় — হাওড় অঞ্চলে বছরের অধিকাংশ সময় পানি জমে থাকে এবং নিম্নাঞ্চল হওয়ায় সেখানে মাটির স্থায়ী ঘর তৈরি করা সম্ভব নয়।
মনে রাখার টিপস:
উত্তরবঙ্গের মাটি এঁটেল ও শক্ত প্রকৃতির, তাই মনে রাখবে উত্তরবঙ্গ মানেই মাটির স্থাপত্য বা মাটির ঘর।
সঠিক উত্তর: C) প্রছুর + য
১. কেন সঠিক:
প্রাচুর্য শব্দটি গঠিত হয়েছে প্রছুর শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে। এখানে য প্রত্যয় যোগ করার ফলে শব্দের আদি স্বর পরিবর্তন হয়ে প্রছুর থেকে প্রাচুর্য রূপ লাভ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের একটি নিয়ম যেখানে শব্দের শেষে য প্রত্যয় যুক্ত হলে শব্দের আদি স্বরের বৃদ্ধি ঘটে। প্রছুর শব্দের প এর নিচের ঋ কার পরিবর্তিত হয়ে আ কার ধারণ করে প্রাচুর্য গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুন্দর + য = সৌন্দর্য
ব্যাখ্যা: এখানে সুন্দর শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে আদি স্বরের পরিবর্তনের মাধ্যমে সৌন্দর্য শব্দটি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ধীর + য = ধৈর্য
ব্যাখ্যা: ধীর শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে আদি স্বরের পরিবর্তনের মাধ্যমে ধৈর্য শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রছুর + জ — জ কোনো সঠিক প্রত্যয় নয় এবং এর মাধ্যমে প্রাচুর্য শব্দ গঠিত হয় না।
B) প্রছুর + অ — অ প্রত্যয় যোগ করলে অন্য শব্দ গঠিত হয়, প্রাচুর্য গঠিত হয় না।
C) প্রছুর + য — এটি সঠিক প্রত্যয়যুক্ত গঠন।
D) প্রছুর + যা — যা কোনো ব্যাকরণসম্মত প্রত্যয় নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রাচুর্য শব্দের মূল শব্দটি হলো প্রছুর এবং এর সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়। আদি স্বরের পরিবর্তন বা গুণ ও বৃদ্ধি চেনার মাধ্যমে এই ধরনের প্রত্যয় সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ধিত প্রত্যয় থেকে প্রায়ই শব্দ গঠন ও প্রকৃতি নির্ণয় আসে। আদি স্বরের পরিবর্তন সাধित হয় এমন শব্দগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অর্থতত্ত্বে
১. কেন সঠিক:
বাগধারা শব্দটির সরাসরি সম্পর্ক শব্দের বিশেষ অর্থের সঙ্গে যুক্ত, যা বাংলা ব্যাকরণের অর্থতত্ত্বে আলোচনা করা হয়।
বাক্যের মধ্যে শব্দের বিশেষ বা রূপক অর্থ প্রকাশ করার প্রক্রিয়াটি অর্থতত্ত্বের মূল আলোচ্য বিষয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন এক বিশেষ শব্দসমষ্টি যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে।
শব্দের উৎস, গঠন, রূপ এবং অর্থের নানা পর্যায় ব্যাকরণের বিভিন্ন শাখায় আলোচিত হলেও বাগধারার ভাবার্থ সরাসরি অর্থতত্ত্বের আওতাধীন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অকালকুষ্মাণ্ড
ব্যাখ্যা: শব্দটির আক্ষরিক অর্থ অকালের লাউ হলেও বাগধারায় এর বিশেষ অর্থ অম্বেদর বা অপদার্থ ব্যক্তি।
উদাহরণ ২: ডুমুরের ফুল
ব্যাখ্যা: ডুমুরের ফুল আক্ষরিক অর্থে গাছের ফুল হলেও বাগধারায় এর বিশেষ অর্থ বিরল বস্তু।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্থতত্ত্বে — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাগধারা শব্দের বিশেষ ও ভাবার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত।
B) ধ্বনিতত্ত্বে — ধ্বনিতত্ত্বে বর্ণ, ধ্বনি, উচ্চারণ এবং নত্য ও সত্য বিধান আলোচিত হয়, বাগধারা নয়।
C) বাক্যতত্ত্বে — বাক্যতত্ত্বে পদের বিন্যাস, কারক, সমাস ও বাক্যের রূপান্তর আলোচিত হয়।
D) রূপতত্ত্বে — রূপতত্ত্বে শব্দ গঠন, পদ প্রকরণ, বচন ও লিঙ্গ আলোচিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাগধারা মানেই শব্দের বিশেষ অর্থ, আর অর্থের আলোচনা মানেই অর্থতত্ত্ব।
শব্দ যখন সাধারণ অর্থ ছেড়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তা অর্থতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে।
শব্দার্থ, সমার্থক শব্দ ও প্রবাদ-প্রবচনের মতো বাগধারার আলোচ্য বিষয়ও অর্থতত্ত্ব।
সঠিক উত্তর: C) নূরলদীনের সারা জীবন
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক নাটক।
- নূরলদীন নাটকে ব্রিটিশবিরোধী কৃষক বিদ্রোহ এবং বাঙালি জাতির মুক্তির সংগ্রামের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের এক বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক যিনি কবিতা, উপন্যাস, নাটক ও ছোটগল্পে সমান পারদর্শী ছিলেন।
- নূরলদীনের সারা জীবন নাটকটি ১৯৭০ সালে রচিত হয় এবং এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে কাব্যনাটক হিসেবে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাটক।
উদাহরণ ২: ঈর্ষা
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত মনস্তাত্ত্বিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে লেখা একটি নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরানের গহীন ভিতর — এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত কোনো নাটক নয়, এটি তার অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ।
B) নিষিদ্ধ লোবান — এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, কোনো নাটক নয়।
C) নূরলদীনের সারা জীবন — এটি প্রশ্নানুসারে সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি নাটক এবং সঠিক উত্তর।
D) প্রণীত জীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হকের কোনো পরিচিত নাটক বা প্রধান সাহিত্যকর্ম নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সৈয়দ শামসুল হকের নাটক মনে রাখার কৌশল হলো তার নাটকগুলো সাধারণত কাব্যনাটক এবং ইতিহাস বা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাটক যেমন নূরলদীনের সারা জীবন এবং পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় বারবার আসে।
লেখকদের সাহিত্যকর্ম পড়ার সময় উপন্যাস ও নাটকের তালিকা আলাদা করে পড়া উচিত।
সঠিক উত্তর: D) সুফিয়া কামাল
১. কেন সঠিক:
- সুফিয়া কামালকে জননী সাহসিকা উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে কারণ তিনি বাংলাদেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন, নারী মুক্তি এবং সাংস্কৃতিক লড়াইয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
- বাঙালির প্রতিটি সংকটে তিনি জননীসুলভ সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছেন বলেই তাকে এই বিশেষ উপাধিতে সম্মানিত করা হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কবি সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের নারীবাদী আন্দোলনের অগ্রদূত এবং বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।
- তার জন্ম ১৯১১ সালের ২০শে জুন এবং মৃত্যু ১৯৯৯ সালের ২০শে নভেম্বর।
- তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে সাঁঝের মায়া, মায়া কাজল এবং মন ও জীবন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাঁঝের মায়া
ব্যাখ্যা: এটি সুফিয়া কামালের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যার জন্য তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রশংসা লাভ করেছিলেন।
উদাহরণ ২: একাত্তরের ডায়েরী
ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমামের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য গ্রন্থ, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক ঐতিহাসিক পটভূমি তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেলিনা হোসেন — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক হলেও তাকে জননী সাহসিকা বলা হয় না।
B) রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন — তিনি মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত এবং বেগম রোকেয়া নামে পরিচিত, জননী সাহসিকা নন।
C) জাহানারা ইমাম — তিনি শহীদ জননী হিসেবে সমধিক পরিচিত, তবে জননী সাহসিকা উপাধিটি সুফিয়া কামালের জন্য নির্ধারিত।
D) সুফিয়া কামাল — এই অপশনটি সঠিক এবং তাকেই জননী সাহসিকা বলা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শহীদ জননী বলা হয় জাহানারা ইমামকে এবং জননী সাহসিকা বলা হয় কবি সুফিয়া কামালকে।
- এই দুটি উপাধির বিভ্রান্তি এড়াতে নামের সঙ্গে উপাধির মিলগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের উপাধি থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- বিখ্যাত লেখকদের ছদ্মনাম ও উপাধিগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী' গানটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী।
- বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই গানটি বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান অনুপ্রেরণা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী ১৯৩৪ সালের ১২ই ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০২১ সালের ১৯শে মে মৃত্যুবরণ করেন।
- ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সংকলনে এই গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী গানটিতে প্রথম সুর করেছিলেন আব্দুল লতিফ।
ব্যাখ্যা: গানটির প্রাথমিক সুরকার হিসেবে আব্দুল লতিফের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ ২: পরবর্তী সময়ে এই গানে সুরারোপ করেন আলতাফ মাহমুদ।
ব্যাখ্যা: আলতাফ মাহমুদের সুর করা সংস্করণটিই বর্তমানে সর্বাধিক পরিচিত ও গীত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আব্দুল লতিফ — তিনি এই গানের প্রথম সুরকার ছিলেন, রচয়িতা নন।
B) আলতাফ মাহমুদ — তিনি এই গানে জনপ্রিয় সুরারোপ করেছেন, তবে তিনি রচয়িতা নন।
C) আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি গানটির সফল রচয়িতা।
D) শামসুর রাহমান — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, এই গানের রচয়িতা নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গান লেখার কাজটি গাফ্ফার চৌধুরীর আর সুরের কাজটি আলতাফ মাহমুদের।
- এভাবে মনে রাখলে রচয়িতা ও সুরকার নিয়ে পরীক্ষার বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভাষা আন্দোলনভিত্তিক যেকোনো গান, কবিতা বা উপন্যাসের রচয়িতা ও প্রকাশকাল থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সম্পর্কেও সম্যক ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) তিনটি
১. কেন সঠিক:
একটি সার্থক বা আদর্শ বাক্যের তিনটি প্রধান গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকা আবশ্যক। এই গুণগুলো হলো আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি এবং যোগ্যতা।
বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে প্রকাশ পাওয়ার জন্য এবং বক্তার ভাব শ্রোতার মনে সঠিকভাবে পৌঁছানোর জন্য এই তিনটি গুণের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাক্য ও বাক্য রূপান্তর সম্পর্কিত ব্যাকরণ অংশে একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য গঠনের এই শর্তগুলো আলোচনা করা হয়। আকাঙ্ক্ষা অর্থ শোনার ইচ্ছা, আসক্তি অর্থ পদের যথাযথ বিন্যাস এবং যোগ্যতা অর্থ পদের অর্থগত ও ভাবগত মিল।
বাক্যের যেকোনো একটি গুণ অনুপস্থিত থাকলে তা আর আদর্শ বা সার্থক বাক্য হিসেবে গণ্য হয় না। ব্যাকরণে বাক্য শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে এই তিনটি শর্ত প্রধান মাপকাঠি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘোরে।
ব্যাখ্যা: এটি একটি সার্থক বাক্য কারণ এতে আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি এবং যোগ্যতা তিনটি গুণই perfectly বিদ্যমান।
উদাহরণ ২: কাল আমি স্কুলে যাব।
ব্যাখ্যা: পদের সুশৃঙ্খল বিন্যাস এবং অর্থপূর্ণ মিল থাকার কারণে এটি একটি আদর্শ বাক্যের চমৎকার উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চারটি — আদর্শ বাক্যের ক্ষেত্রে চারটি গুণের কোনো শাস্ত্রীয় বা ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। তাই এই অপশনটি ভুল।
B) পাঁচটি — বাংলা ব্যাকরণে বাক্য গঠনের মূল শর্ত বা গুণ পাঁচটি নয়, বরং তিনটি। তাই এই সংখ্যাটি সঠিক নয়।
C) তিনটি — এই অপশনটি সঠিক এবং আদর্শ বাক্যের আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও যোগ্যতার সংখ্যা নির্দেশ করে।
D) ছয়টি — বাংলা বাক্যের প্রধান গুণ কখনো ছয়টি হতে পারে না। তাই এই অপশনটি সম্পূর্ণ ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
আদর্শ বাক্যের গুণ মনে রাখার সহজ সূত্র হলো আ আ য। এখানে প্রথম আ তে আকাঙ্ক্ষা, দ্বিতীয় আ তে আসক্তি এবং য তে যোগ্যতা বোঝায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাক্যের যোগ্যতা, আসক্তি বা আকাঙ্ক্ষা সংক্রান্ত শুদ্ধি পরীক্ষা আসে। এই তিনটি গুণের সংজ্ঞা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে যেকোনো বাক্য শুদ্ধিকরণ প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
- 'পুতুল নাচের ইতিকথা' বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত ও কালজয়ী মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যার রচয়িতা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়।
- উপন্যাসের নামটির মধ্য দিয়েই মানুষের জীবন ও ভাগ্যের নিয়ন্ত্রণের প্রতীকী অর্থ প্রকাশ করা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যের আধুনিক ধারার অন্যতম প্রধান প্রবক্তা ও ট্র্যাজেডিধর্মী ঔপন্যাসিক।
- তার এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের পটভূমিতে মানুষের মনস্তত্ত্ব, সমাজবাস্তবতা ও গ্রামীণ জীবনের জটিলতা সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পদ্মা নদীর মাঝি
ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অপর একটি বিখ্যাত ও বহুল পঠিত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: দিবারাত্রির কাব্য
ব্যাখ্যা: এটিও মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস ও কালজয়ী সৃষ্টি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি প্রকৃতির কবি ও কথাশিল্পী হিসেবে পরিচিত এবং তার বিখ্যাত উপন্যাস 'পপথের পাঁচালী'।
B) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি মূলত আঞ্চলিক উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত এবং তার রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস 'কবি'।
C) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী গ্রহণযোগ্য।
D) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — তিনি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত কবি ও ঔপন্যাসিক এবং তার বিখ্যাত উপন্যাস 'প্রথম আলো'।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পুতুল নাচের ইতিকথা উপন্যাসের লেখক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এটি মনে রাখতে 'পুতুল' ও 'পদ্মা নদীর মাঝি' দুটিই মানিকবাবুর শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি এই সূত্র মনে রাখতে পারো।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাসের নামের সাথে মানুষের মনের গভীরতার যোগ রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- 'পুতুল নাচের ইতিকথা' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র শশী ও কুসুম, এটিও মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) বিহঙ্গ
১. কেন সঠিক:
- 'বিহঙ্গ' শব্দের অর্থ পাখি যা আকাশে বা বাতাসে বিচরণ করে।
- প্রশ্নের চাহিদা অনুযায়ী পাখি শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ এটি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা ভিন্ন রূপের হলেও একই অর্থ প্রকাশ করে।
- পাখি শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে বিহগ, খগ, পক্ষী, পতত্রী ও খেচর অন্যতম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিহগ
ব্যাখ্যা: বিহগ শব্দের অর্থ পাখি যা আকাশে গমন করে।
উদাহরণ ২: খগ
ব্যাখ্যা: খগ শব্দের অর্থ পাখি যা আকাশে উড়ে বেড়ায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিটপী — বিটপী শব্দের অর্থ গাছ বা বৃক্ষ, যা পাখি শব্দের সমার্থক নয়।
B) বিহগ — বিহগ সঠিক উত্তর হলেও প্রশ্নে অপশন ডি-কে প্রধান সঠিক উত্তর ধরা হয়েছে।
C) বিজরী — বিজরী শব্দের অর্থ বিদ্যুৎ বা বজ্র, যা পাখি শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) বিহঙ্গ — এটি পাখি শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ এবং নির্ধারিত সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পাখি শব্দের সমার্থক মনে রাখতে হ বা গ যুক্ত শব্দগুলো খেয়াল রাখতে পারো যেমন বিহঙ্গ ও বিহগ।
- আকাশ বা বায়ুতে চলাচল বোঝায় এমন শব্দগুলো পাখির সমার্থক হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- গাছ, বিদ্যুৎ ও পাখির সমার্থক শব্দগুলো আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) ধাতু
১. কেন সঠিক:
ক্রিয়াপদের মূল অংশকে ধাতু বলা হয়। এটি ক্রিয়ার অবিভাজ্য মূল রূপ, যা থেকে কাল ও পুরুষভেদে বিভিন্ন ক্রিয়াপদ গঠিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ধাতু হলো ক্রিয়াপদের অবিভাজ্য মূল একক। ক্রিয়াপদের যে অংশ থেকে বিভক্তি বা প্রত্যয় বাদ দিলে যা অবশিষ্ট থাকে, তাই মূলত ধাতু।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পড় + তে = পড়তে
ব্যাখ্যা: এখানে 'পড়' হলো ধাতু এবং 'তে' হলো বিভক্তি।
উদাহরণ ২: যা + ই = যাই
ব্যাখ্যা: এখানে 'যা' হলো ধাতু এবং 'ই' হলো উত্তম পুরুষের ক্রিয়াবিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রত্যয় — প্রত্যয় হলো শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হওয়া বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি। এটি ক্রিয়াপদের মূল অংশ নয়।
B) ধাতু — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্রিয়াপদের মূল অংশকে ধাতু বলা হয়।
C) অনুসর্গ — অনুসর্গ হলো অব্যয় পদ যা শব্দের পরে বসে কারক বোঝাতে সাহায্য করে। এটি ক্রিয়ার মূল নয়।
D) বিভক্তি — বিভক্তি শব্দ বা ধাতুর পরে বসে পদ গঠন করে। এটি মূল অংশ নয়, বরং মূলের সাথে যুক্ত অংশ।
৫. মনে রাখার টিপস:
ক্রিয়া শব্দের শুরু হয় 'ক' দিয়ে এবং ধাতু বা কাজের মূল বোঝাতে 'ধাতু' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ক্রিয়ার মূল মানেই ধাতু।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ব্যাকরণে ধাতু প্রধানত তিন প্রকার: সংস্কৃত ধাতু, প্রাকৃত থেকে আগত দেশি ধাতু এবং বিদেশি ধাতু। ধাতুর সাথে 'না' যোগ করে সাধারণত হুট করে ক্রিয়া চেনা যায়।
সঠিক উত্তর: B) একগুঁয়ে
১. কেন সঠিক:
'নেই আঁকড়া' একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা। এর আক্ষরিক বা অন্তর্নিহিত অর্থ হলো অত্যন্ত জেদি, একগুঁয়ে বা নাছোড়বান্দা স্বভাবের ব্যক্তি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবগত অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ভাষায় সাবলীলতা ও মাধুর্য বাড়াতে এ ধরনের শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ছেলেটি অত্যন্ত নেই আঁকড়া স্বভাবের, যা সে ধরে তা করেই ছাড়বে।
ব্যাখ্যা: এখানে ব্যক্তির চরম জেদি বা একগুঁয়ে স্বভাব বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: ওর এই নেই আঁকড়া জিদের কারণে কাজটি পণ্ড হয়ে গেল।
ব্যাখ্যা: এখানে মানুষের নাছোড়বান্দা মনোভাব ও তার নেতিবাচক ফলাফল প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দলপতি — এই অপশনটি ভুল কারণ দলপতি বলতে কোনো দলের নেতা বা প্রধানকে বোঝায়, যা আলোচ্য বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) একগুঁয়ে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক বলে বিবেচিত হয়েছে।
C) কপট ব্যক্তি — এই অপশনটি ভুল কারণ কপট ব্যক্তি বলতে শঠ বা প্রতারক মানুষকে বোঝায়, যা একগুঁয়েমির সমার্থক নয়।
D) সৎ মানুষ — এই অপশনটি ভুল কারণ সৎ মানুষ বলতে নীতিবান ও ভালো চরিত্রসম্পন্ন ব্যক্তিকে বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
আঁকড়ে ধরা মানে কোনো কিছু শক্ত করে ধরে থাকা। যে ব্যক্তি কোনো কিছু থেকে সহজে সরে আসে না বা জেদ ধরে বসে থাকে, তাকে নেই আঁকড়া বা একগুঁয়ে বলা হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোমতো আয়ত্ত করতে হবে এবং সাধারণ অর্থের সাথে গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: A) সর্বনাম
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে 'কী' শব্দটি বিশেষ্য বা অন্য কোনো পদের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়ে অজানা কোনো বিষয় বা বস্তুকে নির্দেশ করেছে, তাই এটি সর্বনাম পদ।
- ব্যাকরণ অনুযায়ী, যেসব শব্দ বিশেষ্য পদের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় এবং প্রশ্ন করার কাজে বা অনির্দিষ্টতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে প্রশ্নবাচক বা অনির্দিষ্টতাবাচক সর্বনাম বলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে পদ কোনো বিশেষ্য পদের পরিবর্তে বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে ব্যক্তি, বস্তু বা কোনো বিষয় সম্পর্কে প্রশ্ন করে অথবা নির্দিষ্টতা বোঝায় না, তাকে সর্বনাম পদ বলে।
- এখানে 'কী' শব্দটি কোনো কাজের নাম বোঝাচ্ছে না, বরং কাজটি সম্পর্কে প্রশ্ন করছে এবং বিশেষ্য পদের বিকল্প হিসেবে বসেছে বলে এটি সর্বনাম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তোমার ব্যাগে কী আছে?
ব্যাখ্যা: এ বাক্যে 'কী' শব্দটি বিশেষ্য পদের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে, যা সর্বনাম পদের কাজ।
উদাহরণ ২: সে কী খাবে তা আমি জানি না।
ব্যাখ্যা: এখানে 'কী' শব্দটি অজানা বস্তুর নামের পরিবর্তে বসে সর্বনাম হিসেবে কাজ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সর্বনাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'কী' এখানে বিশেষ্যের পরিবর্তে বসেছে।
B) অব্যয় — অব্যয় হলো এমন পদ যার কোনো পরিবর্তন বা রূপান্তর হয় না এবং যা পদগুলোকে যুক্ত করে, কিন্তু 'কী' এখানে সর্বনামের কাজ করছে।
C) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদ দ্বারা কোনো কাজ করা বোঝায়, কিন্তু 'কী' কোনো কাজ নির্দেশ করছে না।
D) বিশেষণ — বিশেষণ পদ দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে 'কী' বা 'কে' শব্দ দিয়ে যখন কোনো প্রশ্ন করা হয় এবং তা কোনো নাম পদের পরিবর্তে বসে, তখন তা সবসময় সর্বনাম পদ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রশ্নবাচক শব্দ দেখলেই তাকে অব্যয় মনে করার ভুল করা যাবে না, বাক্যে পদের অবস্থান ও কাজ দেখে তার শ্রেণি নির্ধারণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) কবিতা
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম শাখা হলো কবিতা। বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন চর্যাপদ মূলত পদ বা কবিতার আকারে রচিত গান।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ অর্থাৎ চর্যাপদ যুগ থেকেই কবিতার চর্চা শুরু হয়েছে। মধ্যযুগেও মঙ্গলকাব্যের মতো সাহিত্যকর্ম পদ্য বা কবিতার মাধ্যমেই রচিত হয়েছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদের পদসমূহ।
ব্যাখ্যা: চর্যাপদের পদগুলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম কাব্যিক নিদর্শন।
উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি পদ্যে রচিত গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কবিতা — এটি সঠিক কারণ বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন পদ্য বা কবিতার আকারে রচিত।
B) নাটক — এটি বাংলা সাহিত্যের একটি আধুনিক শাখা এবং প্রাচীন যুগে এর অস্তিত্ব ছিল না।
C) উপন্যাস — এটি বাংলা সাহিত্যের একটি আধুনিক গদ্য শাখা যা উনিশ শতকে বিকাশ লাভ করে।
D) ছোটগল্প — এটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের সৃষ্টি এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাত এর বিকাশ ঘটে।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রাচীন যুগে লেখার মাধ্যম ছিল পাতা বা শিলালিপি, যা সংক্ষেপে ফুটিয়ে তুলতে কবিতার ছন্দ ব্যবহার সহজ ছিল। মনে রাখবে প্রাচীনকাল মানেই ছন্দময় কবিতা বা পদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ এবং এর সাহিত্যরূপ হলো কবিতা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই প্রাচীন যুগের ইতিহাস থেকে আসে।
সঠিক উত্তর: A) 1921
১. কেন সঠিক:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতাটি ১৯২১ সালের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে রচনা করেন।
কবিতাটি রচনার পর কলকাতার বিজলী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয় এবং তৎকালীন সাহিত্যজগতে ব্যাপক সাড়া ফেলে দেয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিদ্রোহী কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং পরিচিত একটি সাহিত্যকর্ম।
এই কবিতায় কবির বিদ্রোহী সত্তা, আত্মবিক্ষোভ এবং পরাধীনতার বিরুদ্ধে দ্রোহের প্রকাশ ঘটেছে যা বাংলা সাহিত্যকে নতুন দিকনির্দেশনা দিয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং বিদ্রোহী কবিতার সংকলন হিসেবে এই কাব্যগ্রন্থের বিশেষ সাহিত্যিক গুরুত্ব রয়েছে।
উদাহরণ ২: প্রলয়োল্লাস কবিতা
ব্যাখ্যা: বিদ্রোহী কবিতার পাশাপাশি এটি কবির আরেকটি বিখ্যাত দ্রোহের কবিতা যা অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থে স্থান পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1921 — এটি সঠিক কারণ বিদ্রোহী কবিতাটি এই সালেই রচিত হয়েছিল।
B) 1920 — এই সালে কবি সাংবাদিকতা ও সাহিত্য সাধনা শুরু করলেও বিদ্রোহী কবিতাটি তখন রচিত হয়নি।
C) 1922 — এই সালে অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয় এবং বিদ্রোহী কবিতাটি পত্রিকা ও গ্রন্থে স্থান পায়, তবে রচনার সাল এটি নয়।
D) 1919 — এই সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে করাচি থেকে করাচি সেনানিবাস ত্যাগ করে কবি বাংলায় ফিরে আসেন, এটি রচনার সাল নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
নজরুলের বিদ্রোহী লেখার সাল মনে রাখতে মনে রাখুন বি ফর বিদ্রোহী এবং একুশ মানে ১৯২১ সালের ভাষা বা দ্রোহের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট।
বাংলা সাহিত্যে দ্রোহের প্রতীক কাজী নজরুল ইসলাম এবং তার অগ্নিবীণা প্রকাশের আগের বছর অর্থাৎ ১৯২১ সালে এটি লেখা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিদ্রোহী কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত এবং কত সালে রচিত হয়েছিল তা বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বারবার আসে।
একই লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যেমন বিষের বাঁশি ও সর্বহারা প্রকাশের সালগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
- পথের পাঁচালী বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও কালজয়ী উপন্যাস যার রচয়িতা কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
- এই উপন্যাসে গ্রামীণ বাংলার প্রকৃতি ও অপুর শৈশব জীবনের চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যের প্রকৃতি ও মানুষের জীবনের গভীর রূপকার হিসেবে পরিচিত।
- পথের পাঁচালী উপন্যাসটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অপরাজিত
ব্যাখ্যা: এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা পথের পাঁচালী উপন্যাসের পরবর্তী অংশ।
উদাহরণ ২: আরণ্যক
ব্যাখ্যা: এটিও বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত প্রকৃতির পটভূমিতে লেখা একটি অনন্য উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় — ইনি বনফুল ছদ্মনামে পরিচিত এবং বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত ছোটগল্পকার ও ঔপন্যাসিক হলেও পথের পাঁচালী উপন্যাসের রচয়িতা নন।
B) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) অচিন্ত্যকুমার সেন গুপ্ত — ইনি কল্লোল যুগের একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও কবি হলেও এই উপন্যাসটি তার রচনা নয়।
D) সত্যজিৎ রায় — ইনি বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার যিনি পথের পাঁচালী উপন্যাস অবলম্বনে বিশ্বখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন, কিন্তু উপন্যাসটির মূল রচয়িতা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পথের পাঁচালী উপন্যাসের অপু ও দুর্গার চিরচেনা গ্রামীণ রূপ মনে রাখতে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম মনে রাখবে।
- বিখ্যাত এই উপন্যাসটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই উপন্যাসটির রচয়িতা এবং এর কাল নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বাংলা উপন্যাসের ইতিহাস পড়ার সময় কালজয়ী উপন্যাস ও তার লেখকদের তালিকা আলাদা করে নোট করে নেবে।
সঠিক উত্তর: D) ঈষৎ
১. কেন সঠিক:
- 'মেঘে মেঘে' শব্দদ্বৈতটি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো কিছুর সামান্য পরিমাণ বা অল্পতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- প্রবাদের ক্ষেত্রে 'মেঘে মেঘে বেলা হলো' কথাটির অর্থ হলো বেলা গড়িয়ে যাওয়া বা কাজের সময় শেষ হয়ে আসা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শব্দদ্বৈত বা দ্বিরুক্ত শব্দ বলতে একই শব্দ দুবার ব্যবহার হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করাকে বোঝায়।
- বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত এই ধরনের শব্দ বা বাগধারা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন হিসেবে আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জ্বরে জ্বরে ভাব
ব্যাখ্যা: এখানে 'জ্বরে জ্বরে' শব্দদ্বৈতটি পূর্ণ জ্বর নয়, বরং সামান্য বা ঈষৎ জ্বর বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: শীতে শীতে ভাব
ব্যাখ্যা: এখানে 'শীতে শীতে' শব্দদ্বৈতটি অতিরিক্ত ঠান্ডা নয়, বরং সামান্য বা ঈষৎ ঠান্ডা অনুভূতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্যাপ্তি — ব্যাপ্তি বলতে কোনো কিছুর বিস্তার বা পরিধি বোঝায়, যা এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) বহুত্ব — বহুত্ব বা অনেক বোঝাতে দ্বিরুক্ত শব্দ আলাদাভাবে ব্যবহৃত হয়, যেমন নানা বা অনেক, যা এখানে সঠিক নয়।
C) উৎকর্ষ — উৎকর্ষ বলতে ভালো বা উন্নত অবস্থা বোঝায়, যা এই শব্দের অর্থের সাথে মেলে না।
D) ঈষৎ — সঠিক কারণ এই শব্দদ্বৈতটি সামান্য বা ঈষৎ পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মেঘে মেঘে মানে আকাশে একটু একটু করে মেঘ জমে বেলা শেষ হওয়া বা সামান্য কিছু ঘটা।
- ঈষৎ বা সামান্য বোঝাতে এই ধরনের দ্বিরুক্ত শব্দ ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- দ্বিরুক্ত শব্দের অর্থ এবং তার ব্যবহারের ক্ষেত্র ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
- বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দের অর্থের ওপর প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) শব্দের পূর্বে
১. কেন সঠিক:
- উপসর্গ সবসময় স্বাধীন পদ হিসেবে ব্যবহৃত না হয়ে শব্দের বা ধাতুর পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী উপসর্গ শব্দের আদি বা পূর্বে যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন ঘটায়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ হলো এক ধরণের অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা অন্য কোনো শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
- বাংলায় উপসাগরীয় শব্দ বা উপসর্গ সাধারণত তিন ভাগে বিভক্ত, যেমন বাংলা, তৎসম ও বিদেশি উপসর্গ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার
ব্যাখ্যা: এখানে হার শব্দের পূর্বে প্র উপসর্গ যুক্ত হয়ে আঘাত করা অর্থে নতুন শব্দ তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: পরি + পূর্ণ = পরিপূর্ণ
ব্যাখ্যা: এখানে পূর্ণ শব্দের পূর্বে পরি উপসর্গ যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ অর্থে নতুন শব্দ গঠন করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাক্যের শেষে — বাক্যের শেষে উপসর্গ বসে না, বাক্যের শেষে সাধারণত সমাপিকা ক্রিয়া বা অনুসর্গ বসে।
B) শব্দের শেষে — শব্দের শেষে উপসর্গ বসে না, শব্দের শেষে প্রত্যয় বা বিভক্তি যুক্ত হয়।
D) শব্দের মাঝে — উপসর্গ কখনো শব্দের মাঝে বসে না, এটি সবসময় শব্দের আদিতে বা পূর্বে বসে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে অর্থ বদলায়, এই কথাটি মনে রাখতে উপ মানে আগে বা সামনে এই সূত্রটি মাথায় রাখবে।
- প্র পরা অপ সম নি অব অনু নির দুর্ বি অধি সু উৎ পরি প্রতি অভি অতি সু পরি প্রতি এই ধারা মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় উপসর্গ কোথায় বসে, যার উত্তর হবে শব্দের পূর্বে।
- উপসর্গ যুক্ত শব্দ চেনার সময় খেয়াল রাখবে মূল শব্দের আগে কোনো ক্ষুদ্র অংশ যুক্ত আছে কি না।
সঠিক উত্তর: C) 𑁦
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে C চিহ্নিত চিহ্নটি বাংলা বা ইংরেজি কোনো ব্যাকরণে ব্যবহৃত বিরাম চিহ্ন নয়।
- এটি মূলত একটি প্রাচীন বা অপ্রচলিত লিপি চিহ্ন বা প্রতীক, যা বাক্য গঠনে জ্যোতি বা ছেদ চিহ্ন হিসেবে গণ্য হয় না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাক্য বা অনুচ্ছেদের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য, বক্তার ভাব প্রকাশ বা বিরতি বোঝাতে যেসব চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে বিরাম চিহ্ন বলে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লেখায় প্রথম প্রমিত বিরাম চিহ্নের সফল প্রয়োগ করেন এবং বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করতে এগুলো অপরিহার্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কমা
ব্যাখ্যা: এটি সবচেয়ে কম বিরতির জন্য ব্যবহৃত হয় এবং বাক্যের বিভিন্ন অংশ আলাদা করতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: পূর্ণচ্ছেদ
ব্যাখ্যা: বাক্যের সমাপ্তি বা পূর্ণ ভাব প্রকাশ করতে এটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) - — এটি হাইফেন বা সংযোগ চিহ্ন, যা সমাসবদ্ধ পদ যুক্ত করতে বা বাক্যের সংযোগ বোঝাতে ব্যাকরণসম্মতভাবে ব্যবহৃত একটি বৈধ বিরাম চিহ্ন।
B) ; — এটি সেমিকোলন, যা কমার চেয়ে বেশি কিন্তু পূর্ণচ্ছেদের চেয়ে কম বিরতির জন্য বাক্যে ব্যবহার করা হয়।
C) 𑁦 — এটি কোনো প্রমিত বিরাম চিহ্ন নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
D) : — এটি কোলন, যা একটি অপূর্ণ বাক্যের পর অন্য বাক্যের অবতারণা করতে বা উদাহরণ টানতে ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাংলা ব্যাকরণে ডট, কমা, সেমিকোলন, কোলন, হাইফেন, ড্যাশ ইত্যাদি মোট বিশটি প্রমিত বিরাম চিহ্ন রয়েছে।
- চেনার সহজ উপায় হলো প্রচলিত ব্যাকরণ বইয়ের বিরাম চিহ্নের তালিকাটি ভালোভাবে আয়ত্ত করা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা বিরাম চিহ্নের প্রবর্তক বলা হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিরাম চিহ্নের নাম ও ইংরেজী রূপ বা বিরতির সময়কাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) আবদুল রাজ্জাক গুরনাহ
১. কেন সঠিক:
- আবদুল রাজ্জাক গুরনাহ ঔপনিবেশিকতার প্রভাব এবং শরণার্থীদের ভাগ্য, কষ্ট ও বিপন্নতা নিয়ে সাহিত্য রচনা করে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তানজানিয়ায় জন্মগ্রহণকারী এই কথাসাহিত্যিক তাঁর উপন্যাসে শরণার্থীদের গৃহহীনতা ও শেকড়বিচ্ছিন্নতার বেদনা অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে তুলে ধরেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- তানজানিয়ার লেখক আবদুল রাজ্জাক গুরনাহ ২০২১ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
- তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস প্যারাডাইস এবং ডেজার্ট হোয়াইট শরণার্থীদের জীবনসংগ্রাম ও উপনিবেশবাদের বহুমুখী সংকট ফুটিয়ে তুলেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আবদুল রাজ্জাক গুরনাহ রচিত প্যারাডাইস উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে পূর্ব আফ্রিকার ঔপনিবেশিক শাসন এবং মানুষের ভাগ্যবিপর্যয়ের করুণ চিত্র ফুটে উঠেছে।
উদাহরণ ২: আবদুল রাজ্জাক গুরনাহ রচিত আফটারলাইভস উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটিও পূর্ব আফ্রিকার মানুষের জীবন সংগ্রাম এবং শরণার্থীদের দুঃখ দুর্দশার পটভূমিতে রচিত একটি অনবদ্য সৃষ্টি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লুইজ গ্লিক — তিনি একজন আমেরিকান কবি এবং ২০২০ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান, তবে তিনি শরণার্থীদের দুঃখ নিয়ে সাহিত্য রচনার জন্য পরিচিত নন।
B) বব ডিলান — তিনি একজন আমেরিকান গায়ক ও গীতিকার যিনি ২০১৬ সালে সাহিত্যে নোবেল লাভ করেন, কিন্তু তিনি শরণার্থী সাহিত্যিক নন।
C) আবদুল রাজ্জাক গুরনাহ — এটি সঠিক উত্তর।
D) গুন্টার গ্রাস — তিনি একজন জার্মান ঔপন্যাসিক যিনি ১৯৯৯ সালে সাহিত্যে নোবেল পান, তবে তিনি শরণার্থীদের দুঃখ দুর্দশা নিয়ে এই পুরস্কার পাননি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শরণার্থীদের দুর্দশা এবং নোবেল পুরস্কার একসঙ্গে মনে রাখতে তানজানিয়ার লেখক আবদুল রাজ্জাক গুরনাহ নামটি স্মরণ রাখবে।
- ২০২১ সালের নোবেলজয়ী এই কথাসাহিত্যিকের মূল আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল ঔপনিবেশিকতা ও শরণার্থী জীবন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সাম্প্রতিক নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিকদের নাম এবং তাদের লেখার প্রধান বিষয়বস্তু বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- বিদেশের অভিবাসী ও শরণার্থী লেখকদের সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) সূর্য
১. কেন সঠিক:
- সূর্য শব্দটি তৎসম বা খাঁটি সংস্কৃত শব্দ, যা বাংলা ভাষায় সরাসরি অপপরিবর্তিত অবস্থায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
- উৎসগত বিচারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে শব্দগুলো সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলায় এসেছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে।
- তৎসম শব্দের অর্থ তার সমান বা সংস্কৃতের সমান।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দ্র
ব্যাখ্যা: চন্দ্র একটি তৎসম শব্দ যা সংস্কৃত থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।
উদাহরণ ২: নদী
ব্যাখ্যা: নদী শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিতভাবে বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আদালত — এটি একটি আরবি ভাষার শব্দ এবং আদালতের সঠিক উৎস বিদেশি ভাষা।
B) চিনি — এটি একটি চীনা ভাষার শব্দ যা বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত।
C) পাউরুটি — এটি পর্তুগিজ ও রুটি শব্দের মিলনে গঠিত মিশ্র শব্দ এবং বিদেশি শব্দের অংশ।
D) সূর্য — এটি কোনো বিদেশি শব্দ নয়, বরং একটি তৎসম শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
যেসকল শব্দের নিচে র-ফলা, ঋ-কার বা যুক্তাক্ষর থাকে এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান বা প্রকৃতির নাম বোঝায়, তার বেশিরভাগই তৎসম শব্দ।
সংস্কৃত থেকে সরাসরি আসা শব্দগুলোই হলো তৎসম শব্দ, যা বিদেশি শব্দের বিপরীত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই তৎসম ও বিদেশি শব্দ আলাদা করার নিয়ম ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র ইত্যাদি প্রকৃতির অনেক নামই সাধারণত তৎসম শব্দের অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে।
সঠিক উত্তর: A) পিপীলিকা
১. কেন সঠিক:
- পিপীলিকা শব্দের অর্থ পিঁপড়ে বা ক্ষুদ্র পিপীলিকা।
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে প্রথম ই-কার এবং পরের দুটি দীর্ঘঈ-কার ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানান শুদ্ধ রাখার জন্য বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করতে হয়।
- তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ই-কার এবং ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে, যা সঠিক বানানের জন্য মুখস্থ রাখতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিভীষিকা
ব্যাখ্যা: পিপীলিকা শব্দের মতো এই শব্দটিতেও প্রথম ই-কার এবং পরের দুটি দীর্ঘঈ-কার হয়।
উদাহরণ ২: মরীচিকা
ব্যাখ্যা: এটিও একটি তৎসম শব্দ যেখানে নির্দিষ্ট নিয়মে ই-কার এবং দীর্ঘঈ-কার বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পিপীলিকা — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী গঠিত।
B) পি পিলীকা — এই বানানে দীর্ঘঈ-কারের ব্যবহার ভুল এবং মাঝখানে অতিরিক্ত ফাঁকা রাখা হয়েছে।
C) পিপীলীকা — এই বানানে শেষ অংশে ভুল করে দীর্ঘঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
D) পিপিঁলিকা — এই বানানে অপ্রয়োজনীয় চন্দ্রবিন্দু ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পিপীলিকা বানানে মনে রাখবে প্রথমটি রস্ব ই-কার এবং শেষের দুটি দীর্ঘ ঈ-কার হয়।
- ছোট পিঁপড়ে যেমন কষ্ট করে চলে, তেমনি বানানটি মনে রাখাও সহজ अभ्यास করলেই আয়ত্তে আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের তৎসম শব্দের বানান প্রায়ই আসে।
- বানানের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির আধুনিক প্রমিত নিয়ম মেনে অনুশীলন করা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: D) বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি
১. কেন সঠিক:
- চন্দ্রাবতীকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ষোড়শ শতাব্দীতে ময়মনসিংহ অঞ্চলের কিশোরগঞ্জ জেলার কায়স্থ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ও মৌলিক মর্সিয়া বা শোককাব্য 'রামায়ণ' রচনা করেন। তার রামাযণ কাব্যের নাম 'চন্দ্রাবতী রামায়ণ' বা 'মহাভারত' এবং 'মলুয়া' ও 'দস্যু কেনারামের পালা' তার অমর সৃষ্টি।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে নারী সাহিত্যিকদের মধ্যে চন্দ্রাবতীর অবস্থান সবার প্রথমে। তার পিতা দ্বিজ বংশীদাসও ছিলেন একজন বিশিষ্ট মনসামঙ্গল কাব্যের কবি।
- নারী হৃদয়ের কোমল অনুভূতি, বেদনার প্রকাশ এবং রামায়ণ কাব্যের সীতার দুঃখকষ্টকে তিনি নারীর দৃষ্টিকোণ থেকে ফুটিয়ে তুলেছেন যা মধ্যযুগের সাহিত্যে অনন্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দ্রাবতীর রামায়ণ
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী রচিত রামায়ণ কাব্য।
উদাহরণ ২: মলুয়া পালা
ব্যাখ্যা: এটি মৈমনসিংহ গীতিকার একটি বিখ্যাত পালা যার সাথে চন্দ্রাবতীর নাম জড়িত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ্মাবতী কাব্যের চরিত্র — এটি ভুল কারণ পদ্মাবতী আলাওলের বিখ্যাত মহাকাব্য এবং পদ্মাবতী এই কাব্যের মূল নারী চরিত্র, চন্দ্রাবতী নন।
B) বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাট্যকার — এটি ভুল কারণ বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাট্যকার হলেন কুলচন্দ্র বা আধুনিক অর্থে রামনারায়ন তর্করত্ন, চন্দ্রাবতী কবি ছিলেন নাট্যকার নন।
C) কঙ্কাবতী নাটকের চরিত্র — এটি ভুল কারণ কঙ্কাবতী ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়ের বিখ্যাত একটি উপন্যাস, কোনো নাটক বা চন্দ্রাবতীর সাথে এর সম্পর্ক নেই।
D) বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি — এই অপশনটি সঠিক কারণ চন্দ্রাবতীকেই মধ্যযুগের প্রথম নারী কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
চন্দ্রাবতী নামের সাথে নারী কবি শব্দটি মনে রাখুন। মধ্যযুগের প্রথম নারী কবি মানেই চন্দ্রাবতী যিনি রামায়ণ রচনা করেছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের কবি ও তাদের কাব্য নিয়ে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। চন্দ্রাবতীর পিতা দ্বিজ বংশীদাস এবং তার রচিত রামায়ণ কাব্য সম্পর্কে তথ্য জেনে রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: B) 'স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো'- নির্মলেন্দু গুণ
প্রদত্ত তথ্য:
কবিতাটির রচয়ীতা নির্মলেন্দু গুণ
কবিতার বিষয় ৭-ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ
ধরি,
কবির লেখা বিখ্যাত কবিতা = স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো
ঐতিহাসিক পটভূমি = ১৯৭১ সালের ৭-ই মার্চ
অতএব,
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ এখানে প্রধান বিষয়
পঠিত অংশটি ৭-ই মার্চের পটভূমিতে রচিত
সুতরাং,
সঠিক অপশনটি হলো নির্মলেন্দু গুণের কবিতা
উত্তর: B) 'স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো'- নির্মলেন্দু গুণ
সঠিক উত্তর: A) determiner
কেন সঠিক:
- এখানে 'a' হলো প্রাচীন ইংরেজি প্রিপ্রজিশন 'on'-এর একটি দুর্বল রূপ, যা একটি জিরান্ডের আগে বসে নির্দেশক বা ডিটারমিনারের কাজ করছে।
- আধুনিক ব্যাকরণে এই ধরনের ক্ষেত্রে 'a' কে আর্টিকেল বা প্রিপজিশন না ধরে ডিটারমিনার হিসেবে গণ্য করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) determiner — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে 'a' একটি নির্দিষ্ট কাজের বা অবস্থার নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
B) preposition — প্রিপজিশন হিসেবে এটি মূল 'on' এর কাজ করলেও, আধুনিক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় একে ডিটারমিনার হিসেবেই প্রাধান্য দেওয়া হয়।
C) indefinite article — এটি কোনো সাধারণ নাউনের অনির্দিষ্টতা বোঝাতে বসেনি, বরং একটি জিরান্ডের পূর্বে বসেছে।
D) modifier — এটি সরাসরি কোনো নাউন বা ভার্বকে মডিফাই করছে না, বরং ডিটারমিনার হিসেবে কাজ সম্পন্ন করছে।
মনে রাখার টিপস:
going a hunting বা asleep এর মতো শব্দের পূর্বে থাকা 'a' কে সাধারণত ডিটারমিনার হিসেবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) drone
কেন সঠিক:
- Bee বা মৌমাছির লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পুরুষ মৌমাছির ইংরেজি পরিভাষা হলো drone।
- রানী মৌমাছি বা queen bee এর পুরুষ সঙ্গী হলো এই drone।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) drone — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি bee শব্দের পুরুষবাচক রূপ।
B) colt — এটি ঘোড়া বা জেব্রার মতো প্রাণীর ক্ষেত্রে পুরুষ শাবক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) stag — এটি হরিণ বা এ জাতীয় প্রাণীর পুরুষবাচক রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) beetle — এটি একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রজাতির পোকার ইংরেজি নাম, কোনো নির্দিষ্ট প্রাণীর লিঙ্গান্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
মৌমাছির ক্ষেত্রে queen হলো স্ত্রীবাচক এবং drone হলো পুরুষবাচক রূপ।
সঠিক উত্তর: C) alumnus
কেন সঠিক:
- alumnus শব্দটি লাতিন মূলের একটি একবচন শব্দ, যার অর্থ প্রাক্তন ছাত্র।
- এই শব্দের শেষে us থাকায় এটি সহজেই Singular হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) lice — এটি louse শব্দের বহুবচন রূপ, যার অর্থ উকুন।
B) agenda — এটি agendum শব্দের বহুবচন রূপ, যার অর্থ আলোচ্যসূচিগুলো।
C) alumnus — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
D) antennae — এটি antenna শব্দের বহুবচন রূপ, যার অর্থ অ্যান্টেনাগুলো।
মনে রাখার টিপস:
লাতিন শব্দের শেষে us থাকলে সাধারণত তা Singular এবং i থাকলে Plural হয়।
সঠিক উত্তর: B) Frivolity
কেন সঠিক:
- 'Levity' শব্দের বাংলা অর্থ চপলতা, লঘুচিত্ততা বা গম্ভীরতার অভাব।
- 'Frivolity' শব্দটির অর্থও তুচ্ছতা, লঘুপ্রকৃতি বা চপলতা, যা Levity শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Lewdness — এই শব্দটির অর্থ অশ্লীলতা বা কামুকতা, যা লেভিটি শব্দের সাথে মিলে না।
B) Frivolity — এটি লেভিটি শব্দের সমার্থক এবং সঠিক উত্তর।
C) Modesty — এই শব্দটির অর্থ শালীনতা বা বিনয়, যা লেভিটি বা চপলতার বিপরীত।
D) Stupidity — এই শব্দটির অর্থ বোকামি বা নির্বুদ্ধিতা, যা চপলতা বা লঘুচিত্ততার সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Levity মানে হালকা মেজাজ বা চপলতা, আর Frivolity মানেও তুচ্ছ বা চপল আচরণ।
সঠিক উত্তর: B) besides
কেন সঠিক:
- Besides অর্থ অতিরিক্ত বা আরও বুঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ।
- এখানে গণিতের পাশাপাশি ইংরেজি শেখানোর অতিরিক্ত বিষয়টি প্রকাশ করার জন্য besides প্রিপজিশনটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) across — এটি কোনো নদী বা রাস্তা পার হওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থহীন।
B) besides — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ত্রুটি নেই।
C) beside — এর অর্থ পাশে, যা এখানে স্থান বোঝাচ্ছে না বরং অতিরিক্ত বিষয় বোঝাচ্ছে।
D) both — এটি conjunction হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর সাথে and যুক্ত থাকে, তাই এখানে একা বসে না।
মনে রাখার টিপস:
Beside মানে পাশে এবং Besides এর সাথে এস (s) যুক্ত থাকলে তার অর্থ হয় অতিরিক্ত বা তাছাড়া।
সঠিক উত্তর: B) in
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণে 'take interest' বা 'have interest' এর পর নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সবসময় 'in' ব্যবহৃত হয়।
- এখানে খেলাধুলায় আগ্রহ প্রকাশ করার অর্থ বোঝাতে 'interest in' সঠিক গঠন তৈরি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for — কোনো কিছুর উদ্দেশ্যে বা বিনিময়ে বোঝাতে এটি বসে, যা 'interest' শব্দের সাথে উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে বসে না।
B) in — এটি সঠিক উত্তর কারণ আগ্রহ বা মনোযোগ বোঝাতে 'interest' শব্দের পরে নিয়ম অনুযায়ী 'in' প্রিপজিশন বসে।
C) at — সাধারণত নির্দিষ্ট স্থান বা দক্ষতার ক্ষেত্রে বসে, কিন্তু আগ্রহ প্রকাশের জন্য এই প্রিপজিশন ব্যবহার করা যায় না।
D) with — কোনো ব্যক্তি বা উপাদানের সাথে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়, যা এখানে বাক্যের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
আগ্রহ বোঝাতে 'interest' শব্দের পরে সবসময় 'in' প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়, যেমন interest in games।
সঠিক উত্তর: A) an
কেন সঠিক:
- F.R.C.S. শব্দটির প্রথম অক্ষর F উচ্চারণের সময় শুরুতে স্বরধ্বনি এ (ae) আসে।
- ইংরেজি উচ্চারণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো শব্দের শুরুতে স্বরধ্বনির উচ্চারণ থাকলে তার পূর্বে an বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) an — সঠিক উত্তর কারণ F উচ্চারণে স্বরধ্বনি আসায় এখানে an বসবে।
B) the — নির্দিষ্ট করে কোনো ব্যক্তিকে বোঝালে the বসে, কিন্তু এখানে পেশা বা উপাধি বোঝাতে indefinite article বসে।
C) a — consonants-এর সাধারণ উচ্চারণের পূর্বে a বসে, কিন্তু F উচ্চারণে স্বরধ্বনি আসায় a বসবে না।
D) no article — সংক্ষিপ্ত রূপ বা abbreviation-এ উচ্চারণ অনুযায়ী article বসাতে হয়, তাই article ছাড়া এটি হবে না।
মনে রাখার টিপস:
সংক্ষিপ্ত রূপ বা abbreviation-এর প্রথম অক্ষর উচ্চারণের সময় যদি স্বরধ্বনি (এ, অ, ও ইত্যাদি) আসে, তবে তার পূর্বে an বসাতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) out of
কেন সঠিক:
- কোনো সীমাবদ্ধ স্থান বা পাত্রের ভেতর থেকে বাইরে বের হওয়া বোঝাতে out of প্রিপজিশনটি ব্যবহৃত হয়।
- বাথরুম একটি সীমাবদ্ধ জায়গা হওয়ায় সেখান থেকে বাইরে আসার ক্ষেত্রে out of সঠিক অভিব্যক্তি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) out of — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভেতর থেকে বাইরে যাওয়ার দিক নির্দেশ করে।
B) over — এটি সাধারণত ওপরে বা অতিক্রম করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থহীন।
C) on — এটি কোনো তলের ওপর স্পর্শ করে অবস্থান করা বোঝায়, যা বাথরুমের প্রেক্ষাপটে প্রযোজ্য নয়।
D) in — এটি ভেতরে অবস্থান করা বোঝায়, কিন্তু এখানে আসার বা বের হওয়ার গতি বোঝাতে এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
ভেতর থেকে বাইরে বের হওয়া বোঝালে সাধারণত out of বসে।
সঠিক উত্তর: C) Coward
কেন সঠিক:
- Gallant শব্দের বাংলা অর্থ হলো সাহসী, বীরত্বপূর্ণ বা সুরসিক।
- Coward শব্দের অর্থ হলো কাপুরুষ, যার অর্থটি Gallant শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত বা অ্যান্টনিম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Valiant — এই শব্দটির অর্থ সাহসী বা বীর, যা Gallant শব্দের একটি সমার্থক শব্দ বা সিনোনিম।
B) Naive — এই শব্দটির অর্থ সরল বা অজ্ঞ, যা Gallant শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
C) Coward — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ কাপুরুষ এবং এটি Gallant শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
D) Gullible — এই শব্দটির অর্থ সহজে বিশ্বাসপ্রবণ বা ঠকানো সহজ এমন ব্যক্তি, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
Gallant অর্থ সাহসী আর Coward অর্থ কাপুরুষ, এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীত হিসেবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) They want your reply.
কেন সঠিক:
- 'Reply' শব্দটি এখানে noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর সঠিক গঠন অনুযায়ী 'your reply' বাক্যটিকে grammatically সঠিক করে তোলে।
- কর্তার ইচ্ছা বা চাহিদা প্রকাশ করার জন্য Present Indefinite Tense-এর সঠিক ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Cows are sold dear. — 'Dear' এখানে adverb হিসেবে ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে, সঠিক শব্দ হবে 'dear' এর পরিবর্তে 'dear' নয় বরং adverb হিসেবে ' dearly' বা adjective হিসেবে সঠিক গঠন হবে 'Cows are sold at a high price'.
B) He gave me many good advices. — 'Advice' একটি uncountable noun, তাই এর সাথে plural করার জন্য 's' যুক্ত করা যায় না এবং 'many' ব্যবহার করা ভুল।
C) They want your reply. — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল বাক্য।
D) I live here for five days. — ধরে থাকা বা সময়কাল বোঝাতে 'for five days' থাকলে বাক্যটি Present Perfect Tense (I have lived here for five days) হতে হয়।
মনে রাখার টিপস:
Advice uncountable noun হওয়ায় এর সাথে s যুক্ত হয় না এবং নির্দিষ্ট সময়ের ব্যাপ্তি (for five days) থাকলে Present Perfect Tense ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) making
কেন সঠিক:
- Stop একটি Gerund taking verb, যার পরে সাধারণত মূল verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়।
- এখানে কাজ বন্ধ করা বোঝাতে stop verb-এর পর gerund (making) ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to make — এটি infinitive, যা stop verb-এর সরাসরি object হিসেবে এখানে বসে না।
B) make — এটি base form, যা একটি sentence-এ দুটি main verb পাশাপাশি থাকলে ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়।
C) making — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
D) makes — এটি present indefinite tense-এর singular রূপ, যা এখানে gerund-এর স্থানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
Stop শব্দের পর কোনো কাজ চিরতরে বা সাময়িকভাবে বন্ধ করা বোঝালে verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Two-thirds of the apple is rotten.
কেন সঠিক:
- ভগ্নাংশ প্রকাশের ক্ষেত্রে দুই বা ততোধিক অংশ বোঝাতে numerator এক থেকে বেশি হলে denominator-এর সাথে s যুক্ত হয়। যেমন two-thirds।
- Fractional number-এর পর Uncountable noun (যেমন the apple) থাকলে verb সর্বদায় singular হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Two-third of the apple is rotten. — ভগ্নাংশের লব দুই বা ততোধিক হলে হর-এর সাথে s যুক্ত করতে হয়, তাই Two-third ভুল।
B) Two-thirds of the apple is rotten. — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রদত্ত উত্তরের সাথে মিলে গেছে।
C) Two-third of the apple are rotten. — এখানে ভগ্নাংশের হর ভুল এবং Uncountable noun-এর সাথে Plural verb ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Two-thirds of the apple are rotten. — এখানে ভগ্নাংশ সঠিক হলেও Uncountable noun-এর সাথে Plural verb ব্যবহার করায় বাক্যটি ভুল হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Fraction-এর লব একের বেশি হলে হরের সাথে s যোগ করো এবং nounটি Uncountable হলে Singular verb ব্যবহার করো।
সঠিক উত্তর: B) air freshner
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে air freshner বানানটি ভুল কারণ সঠিক বানান হবে air freshener যেখানে শেষ অংশে s-এর পরে h-এর আগে একটি e অক্ষর যোগ হয়।
- দৈনন্দিন ব্যবহার্য এই শব্দটি ইংরেজি বানান শুদ্ধিকরণ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে এবং এর বানান সংক্রান্ত ভুলটি সহজে চোখে পড়ে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) aggravation — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক যার অর্থ তীব্রতা বৃদ্ধি বা রাগিয়ে তোলা।
B) air freshner — এই বানানটি ভুল কারণ সঠিক বানান air freshener এবং এখানে সঠিক বানানটি চিহ্নিত করতে বলাই হয়েছে।
C) bourgeois — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক যার অর্থ বুর্জোয়া বা মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ।
D) maintenance — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক যার অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা পরিচালনা।
মনে রাখার টিপস:
freshener বানানে fresh শব্দের শেষে সরাসরি er না যুক্ত হয়ে en-er যুক্ত হয়, যেমন fresh-en-er।
সঠিক উত্তর: A) because of
কেন সঠিক:
- 'because of' একটি Prepositional Phrase যা কোনো কারণ বা ফলাফল বোঝাতে noun বা noun phrase-এর পূর্বে বসে।
- এখানে 'over work' একটি noun phrase, তাই এর পূর্বে কারণ বোঝাতে 'because of' ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) because of — সঠিক উত্তর কারণ এটি কারণ প্রকাশ করে noun phrase-এর পূর্বে বসে।
B) became off — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং বাক্যটির অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) on — এটি একটি Preposition যা সাধারণত কোনো কিছুর ওপর বা নির্দিষ্ট দিন বোঝাতে বসে, এখানে কারণ প্রকাশে অক্ষম।
D) for — এটি অনেক সময় কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হলেও 'over work'-এর পূর্বে সঠিক Prepositional Phrase হিসেবে 'because of' বেশি উপযুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
noun বা noun phrase-এর আগে কারণ বোঝাতে 'because of' বসে, কিন্তু কারণের পরে সম্পূর্ণ ক্লজ থাকলে শুধু 'because' বসে।
সঠিক উত্তর: D) completely
কেন সঠিক:
- 'Over head and ears' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি idiom বা প্রবাদতুল্য বাগধারা।
- এর বাংলা অর্থ হলো সম্পূর্ণভাবে, পুরোপুরি বা গভীরভাবে নিমজ্জিত থাকা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) emotionally — এই শব্দটি আবেগগতভাবে বোঝায়, যা এই বাগধারার সার্বিক বা শারীরিক গভীরতা প্রকাশ করে না।
B) easily — এই শব্দটির অর্থ সহজে, যা এই idiom-এর সম্পূর্ণতা বা তীব্রতার অর্থের সাথে মেলে না।
C) critically — এর অর্থ সমালোচনামূলকভাবে বা সংকটজনকভাবে, যা এই বাগধারার মূল ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশের জন্য উপযুক্ত নয়।
D) completely — এটি সঠিক কারণ এই শব্দটির অর্থ পুরোপুরি, যা উক্ত idiom-এর সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
মাথা থেকে কান পর্যন্ত (over head and ears) কোনো কিছুতে ডুবে থাকা মানে হলো আপনি আদ্যোপান্ত বা সম্পূর্ণভাবে (completely) তার মধ্যে আছেন।
সঠিক উত্তর: D) into
কেন সঠিক:
- 'Infuse' শব্দের অর্থ সঞ্চার করা বা প্রবেশ করানো এবং এর সাথে সাধারণত 'into' প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়।
- কোনো কিছুর ভেতরে গতিশীলভাবে কিছু প্রবেশ করানো বোঝালে 'into' সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — 'In' সাধারণত কোনো কিছুর ভেতরে স্থির অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে গতিশীল অর্থ প্রকাশে সঠিক নয়।
B) to — 'To' সাধারণত দিক বা গন্তব্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা 'infuse' শব্দের সাথে উপযুক্ত প্রিপজিশন নয়।
C) at — 'At' নির্দিষ্ট স্থান বা সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে বাক্যের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
D) into — এটি সঠিক অপশন কারণ 'infuse... into' একটি প্রমিত ধারা বা ফ্রেজাল ব্যবহার।
মনে রাখার টিপস:
কোনো গুণ বা শক্তির সঞ্চার করা বোঝালে 'infuse'-এর পরে সর্বদা 'into' ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Let me not be disturbed.
কেন সঠিক:
- মূল বাক্যটি Imperative Sentence হওয়ায় Active থেকে Passive করার সময় Let দিয়ে শুরু করতে হয়।
- Negative Imperative বাক্যের ক্ষেত্রে Let-এর পরে object এবং তার ঠিক পরেই not বসাতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I should not be disturbed. — এটি সাধারণ বাক্যের প্যাসিভ রূপ, যা Imperative বাক্যের সরাসরি নিয়ম অনুসরণ করে না।
B) Let me not be disturbed. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী শতভাগ নির্ভুল।
C) I might not be disturbed. — এতে অর্থের পরিবর্তন ঘটে এবং সাহায্যকারী verb ব্যবহারের নিয়মটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) I may not please be disturbed. — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং বাক্যটির গঠন সম্পূর্ণ অর্থহীন।
মনে রাখার টিপস:
Don't দিয়ে শুরু হওয়া Imperative Sentence-কে Passive করার সময় Let + object + not + be + verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) in keeping
কেন সঠিক:
- fail verb-এর পর সাধারণত infinitive অর্থাৎ to + verb বসে, কিন্তু fail-এর অর্থ যখন কোনো কাজে ব্যর্থ হওয়া বোঝায় তখন fail in + gerund ব্যবহার করা হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ব্যর্থ হওয়া বোঝাতে fail in keeping সঠিক গঠন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in keeping — এটি সঠিক কারণ fail in keeping অর্থ কোনো কিছু করতে ব্যর্থ হওয়া এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
B) keeping — preposition ছাড়া সরাসরি gerund ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ অসম্পূর্ণ থাকে।
C) kept — past participle form সরাসরি এখানে বসলে ব্যাকরণগত নিয়ম লঙ্ঘন হয়।
D) to keep — যদিও fail-এর পর সাধারণত to + verb বসে, তবে fail in keeping-এর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করতে in keeping ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
promise রক্ষা করার ক্ষেত্রে ব্যর্থতা বোঝাতে fail-এর পর সরাসরি infinitive না বসে fail in keeping ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) present participle
কেন সঠিক:
- barking শব্দটি dog নাউনের ঠিক পূর্বে বসে অ্যাডজেক্টিভের কাজ করছে এবং একই সাথে verb-এর অর্থ প্রকাশ করছে।
- verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যখন একই সাথে verb ও adjective-এর কাজ করে, তখন তাকে present participle বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) intransitive verb — barking এখানে কোনো সমাপিকা ক্রিয়া বা প্রধান verb হিসেবে কাজ করছে না, বরং noun-কে মডিফাই করছে।
B) present participle — এটি সঠিক উত্তর কারণ barking শব্দটি verb ও adjective উভয় গুণের অধিকারী।
C) verbal noun — verbal noun হতে হলে word-এর পূর্বে the এবং পরে of থাকতে হয়, যা এখানে নেই।
D) gerund — gerund সবসময় noun-এর কাজ করে, কিন্তু barking এখানে noun-কে বিশেষায়িত করছে।
মনে রাখার টিপস:
noun-এর ঠিক আগে বসে যখন ing যুক্ত কোনো শব্দ কেমন বা কোন ধরনের প্রশ্নটির উত্তর দেয়, তখন সেটি সবসময় present participle হয়।
সঠিক উত্তর: C) at
কেন সঠিক:
- Laugh verb-এর পর সাধারণত at preposition বসে যখন কাউকে দেখে উপহাস করা বা ঠাট্টা করা বোঝায়।
- প্রশ্নটিতে গরিব মানুষদের দেখে হাসতে নিষেধ করা হয়েছে, যা উপহাস অর্থে ব্যবহৃত হওয়ায় এখানে at preposition সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for — কোনো কারণ বা উদ্দেশ্যে for বসে, যা উপহাস করার অর্থে প্রযোজ্য নয়।
B) against — বিরোধিতা বা প্রতিকূলতা বোঝাতে against বসে, যা এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে সংগত নয়।
C) at — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না।
D) from — উৎস, দূরত্ব বা বিচ্ছিন্নতা বোঝাতে from বসে, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
কাউকে নিয়ে ঠাট্টা করা বা উপহাস করার ইংরেজি অর্থ বোঝাতে সর্বদা Laugh-এর পর at preposition ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: D) প্রাচীন শিক্ষাকেন্দ্র বা বিশ্ববিদ্যালয়
কেন সঠিক:
- এটি ভারতের বিহারে অবস্থিত প্রাচীন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উচ্চশিক্ষালয় ও বৌদ্ধ পন্ডিতদের একটি বিখ্যাত আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়।
- পঞ্চম শতাব্দীতে গুপ্ত সম্রাট কুমারগুপ্ত এই মহাবিহার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং পরবর্তীকালে রাজা হর্ষবর্ধন এর পৃষ্ঠপোষকতা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিখ্যাত বাজার — নালন্দা কোনো বাণিজ্যিক বাজার বা কেনাকাটার কেন্দ্র ছিল না, এটি ছিল উচ্চশিক্ষার পবিত্র স্থান।
B) হাসপাতাল — এটি চিকিৎসালয় ছিল না, তবে এর গ্রন্থাগারে চিকিৎসাবিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রচুর পাণ্ডুলিপি সংরক্ষিত ছিল।
C) কমিউনিটি সেন্টার — এটি কোনো সামাজিক অনুষ্ঠান বা মিলনায়তন কেন্দ্র ছিল না, এটি ছিল বিশ্বমানের বৌদ্ধ পন্ডিত তৈরির প্রতিষ্ঠান।
D) প্রাচীন শিক্ষাকেন্দ্র বা বিশ্ববিদ্যালয় — নালন্দা ছিল প্রাচীন ভারতের ঐতিহাসিক আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে হাজার হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করতেন।
মনে রাখার টিপস:
নালন্দা নামটির সাথে প্রাচীন জ্ঞানচর্চা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য জড়িত, যা বৌদ্ধ ধর্মের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: B) লিফট্
কেন সঠিক:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার এই সাধারণ বুদ্ধিমত্তা বা আইকিউ প্রশ্নটি মূলত মানসিক দক্ষতা এবং ব্যবহারিক চিন্তাভাবনা যাচাই করার জন্য করা হয়ে থাকে।
- একটি বহুতল অফিস বিল্ডিংয়ে প্রবেশ করার পর ওপরের তলায় যাতায়াত করার জন্য দ্রুত লিফটের প্রয়োজন হয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে ধরা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লবি — এটি ভবনের প্রবেশপথের ভেতরের খালি জায়গা হলেও, ওপরের তলায় যাওয়ার জন্য সরাসরি লিফটের গুরুত্ব বেশি থাকে।
B) লিফট্ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ বহুতল ভবনে প্রবেশের পর গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
C) লাউজ — এটি বসার বা বিশ্রামের স্থান, যা অফিস বিল্ডিংয়ে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে প্রধান চাহিদা হিসেবে বিবেচনা করা হয় না।
D) রিসিপশন — এটি তথ্য বা অভ্যর্থনার জায়গা হলেও, সার্বিক চলাচলের ক্ষেত্রে লিফটের ব্যবহারিক আবশ্যকতা বেশি।
মনে রাখার টিপস:
অফিস বিল্ডিংয়ে ঢোকার পর ওপরের তলায় দ্রুত ওঠার কথা ভাবলেই লিফটের কথা মাথায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) ৮টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে পরিকল্পনা কমিশন এ পর্যন্ত মোট ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করেছে।
- সর্বশেষ পরিকল্পনাটি ছিল অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, যার মেয়াদ ২০২০ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭টি — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশ এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা অতিক্রম করে আরও একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
B) ৯টি — এটি ভুল কারণ বর্তমানে বাস্তবায়িত সর্বশেষ পরিকল্পনা পর্যন্ত মোট সংখ্যাটি ৮টি।
D) ৬টি — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশ বিগত দশকগুলোতে ৬টির বেশি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সফলভাবে সম্পন্ন করেছে।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীন বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত পরিকল্পনা কমিশনের প্রণীত সর্বশেষ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার সংখ্যাটি হলো আট।
সঠিক উত্তর: C) ভারত
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ভুটানের স্বীকৃতির মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর একই দিনে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপাল — নেপাল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
B) সোভিয়েত রাশিয়া — সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারি।
C) ভারত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) ভুটান — ভুটান বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদান করে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর সকালে, যা ভারতের আগে ঘটেছিল।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার ঠিক আগে ভুটান প্রথম এবং ভারত দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
সঠিক উত্তর: C) বাংলাদেশ
কেন সঠিক:
- প্রাচীন পুণ্ড্রনগর বর্তমানে বাংলাদেশের বগুড়া জেলার মহাস্থানগড় এলাকায় অবস্থিত।
- এটি প্রাচীন বাংলার অন্যতম প্রাচীন ও পৌরাণিক পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তির রাজধানী ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত — পুণ্ড্রনগর ভারতের ভূখণ্ডে অবস্থিত নয়, এটি বর্তমান বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক স্থান।
B) পাকিস্তান — পাকিস্তান আলাদা রাষ্ট্র এবং এর সঙ্গে প্রাচীন পুণ্ড্রনগরের কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই।
C) বাংলাদেশ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ পুণ্ড্রনগর বাংলাদেশের বগুড়ায় অবস্থিত।
D) থাইল্যান্ড — থাইল্যান্ড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত একটি দেশ এবং প্রাচীন পুণ্ড্রনগর এর বাইরে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
পুন্ড্রনগর মানেই বগুড়ার মহাস্থানগড়, যা আমাদের দেশ বাংলাদেশেই অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) নোয়াখালী
কেন সঠিক:
- ভাসানচর দ্বীপটি প্রশাসনিকভাবে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার আওতাধীন।
- এটি মূলত বঙ্গোপসাগরে মেঘনা নদীর মোহনায় জেগে ওঠা একটি চর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বরিশাল — এটি একটি বিভাগ ও জেলা, যার সাথে ভাসানচরের কোনো ভৌগোলিক বা প্রশাসনিক সংযোগ নেই।
B) চট্টগ্রাম — এটি একটি বিভাগ ও জেলা, যার অধীনস্থ মূল ভূখণ্ডের অংশ নয় ভাসানচর।
D) লক্ষ্মীপুর — এটি পার্শ্ববর্তী জেলা হলেও ভাসানচর এই জেলার প্রশাসনিক সীমানার অন্তর্ভুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার চর হলো ভাসানচর, তাই হাতিয়া ও নোয়াখালী একসাথে মনে রাখুন।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) Lois I. Kahn
কেন সঠিক:
- মার্কিন স্থপতি লুই কান বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের মূল নকশা তৈরি করেন।
- ১৯৬১ সালে শুরু হওয়া এই ঐতিহাসিক স্থাপত্য প্রকল্পটি তাঁর জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Frank Lloyd Wright — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের একজন বিখ্যাত আধুনিক স্থপতি হলেও বাংলাদেশের সংসদ ভবনের নকশা করেননি।
B) Charles Correa — তিনি ভারতের প্রখ্যাত স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ, বাংলাদেশের সংসদ ভবনের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
C) Le Corbusier — তিনি আধুনিক স্থাপত্যের জনক হিসেবে পরিচিত সুইজারল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী ফরাসি স্থপতি, যিনি চণ্ডীগড় শহরের নকশা করেছিলেন।
D) Lois I. Kahn — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ তিনি শের-ই-বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবনের মূল স্থপতি ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
সংসদ ভবনের স্থপতি লুই কান, এভাবে মনে রাখুন সংসদ ও কানের প্রথম অক্ষর স এবং ক দিয়ে।
সঠিক উত্তর: C) ইতালি
কেন সঠিক:
- চতুর্দশ শতাব্দীতে ইতালির ফ্লোরেন্স শহর থেকে রেনেসাঁ বা পুনর্জাগরণ আন্দোলন শুরু হয়েছিল।
- প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সংস্কৃতির পুনরুজ্জীবন এবং মানবতাবাদী চেতনার বিকাশ এই আন্দোলনের মূল ভিত্তি ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রীস — প্রাচীন গ্রিক সংস্কৃতি রেনেসাঁর প্রেরণা হলেও আন্দোলনটি এখানে শুরু হয়নি।
B) রোম — এটি ইতালির একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর হলেও মূল রেনেসাঁ আন্দোলন ফ্লোরেন্সে শুরু হয়েছিল।
D) ফ্রান্স — ফান্সে রেনেসাঁ পরবর্তী সময়ে ইতালি থেকে ছড়িয়ে পড়েছিল, সূচনার স্থান এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
রেনেসাঁর সূচনা মানেই ইতালির ফ্লোরেন্স শহর, যেখানে শিল্প ও সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ ঘটেছিল।
সঠিক উত্তর: B) ৮ মার্চ
কেন সঠিক:
- ১৯৭৭ সালে জাতিসংঘ ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- এই দিনটি নারীর অধিকার রক্ষা এবং সমতার দাবি আদায়ের বিশ্বব্যাপী আন্দোলনের প্রতীক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯ এপ্রিল — এই তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয় না এবং এটি ঐতিহাসিক নারী আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত নয়।
B) ৮ মার্চ — এটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের নির্ধারিত সঠিক তারিখ।
C) ১৭ মার্চ — এই দিনে বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয়।
৯ ডিসেম্বর — এই তারিখে রোকেয়া দিবস বা বেগম রোকেয়ার জন্ম ও প্রয়াণ দিবস পালিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
মার্চ মাসের আট তারিখ হলো সেই দিন, যা বিশ্বজুড়ে নারীদের অধিকার ও সম্মানের প্রতীক হিসেবে উদযাপিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) বৌদ্ধ বিহার
কেন সঠিক:
- শালবন বিহার বাংলাদেশের কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার একটি অন্যতম প্রধান নিদর্শন।
- এটি খ্রিস্টীয় অষ্টম শতাব্দীতে দেববংশের রাজা শ্রীভবদেব কর্তৃক নির্মিত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র ও আবাসিক বিহার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বৌদ্ধ মন্দির — এটি শুধুমাত্র উপাসনার স্থান ছিল না, বরং এটি ভিক্ষুদের বসবাসের জন্য নির্মিত একটি বিশাল আবাসিক বিহার।
B) বৌদ্ধ বিহার — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি প্রাচীনকালে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের বসবাস ও শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
C) হিন্দু মন্দির — এটি সনাতন ধর্মের উপাসনালয় বা মন্দির নয়, কারণ এর ইতিহাস ও স্থাপত্য সম্পূর্ণ বৌদ্ধ ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত।
D) হিন্দু মঠ — এটি হিন্দু সন্ন্যাসীদের মঠ বা আখড়া নয়, এটি পাল ও দেব আমলের বৌদ্ধ স্থাপত্যের নিদর্শন।
মনে রাখার টিপস:
ময়নামতির শালবন বিহার নামটিতেই বিহার শব্দটি যুক্ত আছে, যা প্রাচীন বৌদ্ধ সংস্কৃতির আবাসিক শিক্ষাকেন্দ্রকে বোঝায়।
সঠিক উত্তর: B) নিউইয়র্ক
কেন সঠিক:
- এই শহরের নামকরণ ১৯২০ এর দশকে ক্রীড়া সাংবাদিক জন ফিটজেরাল্ড ঘোড়দৌড়ের পুরস্কারের অর্থ বোঝাতে বিগ আপেল শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন।
- পরবর্তী সময়ে এটি জ্যাজ সংগীতশিল্পী এবং পর্যটকদের মাঝে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং বিশ্বজুড়ে শহরটির পরিচিতি লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং শহরটি আলোর শহর বা ফ্যাশনের রাজধানী নামে পরিচিত।
B) নিউইয়র্ক — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই শহরটি বিগ আপেল নামে পরিচিত।
সি) সিঙ্গাপুর — এটি একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং শহরটি লায়ন সিটি বা উদ্যান নগরী নামে পরিচিত।
ডি) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং শহরটি দ্য স্মোক বা দ্য বিগ স্মোক নামে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
নিউইয়র্ক মানেই উঁচু গগনচুম্বী ভবন এবং বড় আপেল ফলটি উঁচু গাছে ঝুলে থাকে।
সঠিক উত্তর: D) ২০২১-২০৪১
কেন সঠিক:
- রূপকল্প-২০৪১ হলো বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা যা ২০২১ সাল থেকে শুরু হয়ে ২০৪১ সালে শেষ হবে।
- এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত ও উন্নতশীল দেশে রূপান্তর করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১০-২০৪১ — এই সময়কালটি রূপকল্প-২০৪১ এর জন্য সঠিক নয় কারণ রূপকল্প-২০১০ নামে কোনো নির্ধারিত প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ছিল না।
B) ২০২০-২০৪১ — ২০২০ সাল থেকে রূপকল্প-২০৪১ এর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়নি।
C) ২০২২-২০৪১ — ২০২২ সাল রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের শুরুর সাল হিসেবে নির্ধারিত নয়।
D) ২০২১-২০৪১ — এটি সঠিক সময়কাল যা ২০২১ সালের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছর থেকে শুরু হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
রূপকল্প-২০৪১ এর শুরুর সাল পেতে হলে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অর্থাৎ ২০২১ সালকে মনে রাখতে হবে।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) ১৭
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে সমাজের চাহিদার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ এবং একই পদ্ধতির শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৫ — অনুচ্ছেদ ১৫ মৌলিক প্রয়োজনের বিধান সম্পর্কিত, যেখানে অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাকে মৌলিক প্রয়োজন হিসেবে অর্জনের কথা বলা হয়েছে।
B) ১৬ — অনুচ্ছেদ ১৬ গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব সাধনের মাধ্যমে নগর ও গ্রামের জীবনযাত্রার মানের ব্যবধান ক্রমাগত দূর করার বিধান সম্পর্কিত।
D) ১৮ — অনুচ্ছেদ ১৮ জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা রক্ষা এবং মাদকদ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের বিধান সম্পর্কিত।
মনে রাখার টিপস:
শিক্ষার অধিকার পেতে হলে সতেরো বছর বয়স পর্যন্ত স্কুলে যাওয়া যায়, এভাবে ১৭ অনুচ্ছেদ মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাষ্ট্র
কেন সঠিক:
- নাসা হলো যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা, যার পূর্ণরূপ ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস প্রশাসন।
- এটি ১৯৫৮ সালের ২৯ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাজ্য — এই দেশের মহাকাশ সংস্থার নাম ইউকে স্পেস এজেন্সি, নাসা নয়।
B) যুক্তরাষ্ট্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ নাসা এই দেশেরই জাতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র।
C) ভারত — এই দেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার নাম ইসরো, নাসা আমেরিকার সংস্থা।
D) চীন — এই দেশের মহাকাশ কার্যক্রম জাতীয় মহাকাশ প্রশাসন দ্বারা পরিচালিত হয়, নাসা নয়।
মনে রাখার টিপস:
নাসা আমেরিকার সংস্থা, তাই আমেরিকার নামের সাথে নাসার সংযোগ মনে রাখা সহজ।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) ১৯৭৩ সালের ২৩ মে
কেন সঠিক:
- বিশ্বশান্তির পক্ষে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকারের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশ্ব শান্তি পরিষদ এই পদক প্রদান করে।
- বিশ্ব শান্তি পরিষদের প্রেসিডিয়াম সভায় সর্বসম্মতভাবে বঙ্গবন্ধুকে জুলিও কুরী শান্তি পদক ভূষিত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭৩ সালের ২৩ মে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জুলিও কুরী পুরস্কার লাভ করেন।
B) ১৯৭০ সালের ২৪ মে — এটি ভুল কারণ এই সময়ে তিনি জুলিও কুরী পুরস্কার পাননি, এটি মূলত ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের কাছাকাছি সময়।
C) ১৯৭৩ সালের ২৩ জুন — এটি ভুল কারণ এই তারিখটি জুলিও কুরী পুরস্কার প্রাপ্তির সঠিক দিন নয়।
D) ১৯৭৩ সালের ২৬ জুন — এটি ভুল কারণ জুলিও কুরী পুরস্কার প্রদান করা হয়েছিল মে মাসের ২৩ তারিখে।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধু জুলিও কুরী পুরস্কার পান স্বাধীন দেশের প্রথম বছরে অর্থাৎ ১৯৭৩ সালের ২৩ মে।
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশ
কেন সঠিক:
- ছোট সোনা মসজিদ বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত সুলতান আমলের একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য।
- হুসেন শাহের শাসনামলে নির্মিত এই মসজিদটি প্রাচীন বাংলার স্থাপত্যশিল্পের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ মসজিদটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
B) ভারত — এটি ভুল কারণ মসজিদটি ভারতের কোনো অঞ্চলে অবস্থিত নয়।
C) শ্রীলংকা — এটি ভুল কারণ শ্রীলংকা একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এর সঙ্গে এই মসজিদের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) থাইল্যান্ড — এটি ভুল কারণ থাইল্যান্ড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত এবং এই মসজিদের ভৌগোলিক অবস্থান সেখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
সোনা মসজিদ মানেই সোনাঝরা ইতিহাস, যা বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবস্থিত।
বিষয়ের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ভূরাজনীতি
সঠিক উত্তর: B) আফগানিস্তান
প্রদত্ত উত্তর যাচাই: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে বেলজিয়াম বলা হলেও, ভূরাজনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের প্রচলিত জ্ঞান অনুযায়ী আফগানিস্তান হলো পৃথিবীর অন্যতম একটি ধ্রুপদী বাফার স্টেট বা মধ্যবর্তী রাষ্ট্র। অন্যদিকে বেলজিয়ামকে ঐতিহাসিকভাবে 'ককপিট অব ইউরোপ' বলা হয়। তাই সঠিক উত্তর আফগানিস্তান হবে।
কেন সঠিক:
- আফগানিস্তান দুটি বড় শক্তিশালী সাম্রাজ্য বা দেশের মাঝখানে অবস্থিত থেকে নিরপেক্ষ বা মধ্যবর্তী রাষ্ট্র হিসেবে কাজ করে।
- ব্রিটিশ ও রুশ সাম্রাজ্যের মাঝখানে বাফার স্টেট হিসেবে আফগানিস্তান ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাকিস্তান — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং কোনো বড় পরাশক্তির মধ্যবর্তী নিরপেক্ষ বাফার স্টেট নয়।
B) আফগানিস্তান — এটি দুটি বৃহৎ শক্তির মাঝে অবস্থিত হওয়ায় এটি একটি ধ্রুপদী বাফার বা মধ্যবর্তী রাষ্ট্র।
C) বেলজিয়াম — এটি ইউরোপের একটি দেশ এবং একে সাধারণত যুদ্ধক্ষেত্র বা ককপিট অব ইউরোপ বলা হয়, বাফার স্টেট নয়।
D) ফ্রান্স — এটি পশ্চিম ইউরোপের একটি বড় ও শক্তিশালী সার্বভৌম রাষ্ট্র, কোনো বাফার স্টেট নয়।
মনে রাখার টিপস:
আফগানিস্তান শব্দটি মনে রাখলেই বোঝা যায় এটি প্রাচ্য ও প্রতীচ্যের মাঝখানে একটি মধ্যবর্তী বা বাফার রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: B) দক্ষিণ আফ্রিকা
১. কেন সঠিক:
সার্স কোভ টু ভাইরাসের নতুন রূপ ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট সম্পর্কে প্রথম তথ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে প্রদান করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিজ্ঞানীরা এই ভ্যারিয়েন্টের জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেছিলেন।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ভাইরাস প্রতিনিয়ত মিউটেশন বা রূপ পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন ভ্যারিয়েন্টের জন্ম দেয়।
কার্যপ্রণালি: জিনোম সিকোয়েন্সিং প্রযুক্তির মাধ্যমে ভাইরাসের জিনের বিন্যাস পরীক্ষা করে এর মিউটেশন বা পরিবর্তন শনাক্ত করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: করোনা ভাইরাসের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট প্রথম ভারতে শনাক্ত করা হয়েছিল।
ব্যাখ্যা: বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা জিনোম সিকোয়েন্সিং করে ভাইরাসের নতুন স্ট্রেন বা রূপ চিহ্নিত করেন।
উদাহরণ ২: ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের ক্ষেত্রেও প্রতি বছর নতুন স্ট্রেন দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: ভাইরাসের দ্রুত মিউটেশন ক্ষমতার কারণে এর রূপ পরিবর্তিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত দক্ষিণ — এটি কোনো দেশ নয় এবং ওমিক্রন শনাক্তের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
B) দক্ষিণ আফ্রিকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশ থেকে প্রথম ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের তথ্য জানানো হয়।
C) ইতালি — এটি ইউরোপের একটি দেশ যেখানে করোনা ছড়ালেও ওমিক্রন প্রথম শনাক্ত হয়নি।
D) চীন — চীনের উহান শহর থেকে মূল করোনা ভাইরাস বা কোভিড উনিশ প্রথম ছড়ায়, ওমিক্রন নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ওমিক্রন মানে অন্য রূপ, যা প্রথম দেখা গেছে আফ্রিকায়।
দক্ষিণ আফ্রিকা শব্দটি মনে রাখলেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর পাওয়া যাবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কোভিড উনিশ রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাসের নাম সার্স কোভ টু।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ভাইরাস বা ভ্যারিয়েন্টের নামকরণের জন্য গ্রিক বর্ণমালা ব্যবহার করে থাকে।
সঠিক উত্তর: B) নীল, সবুজ, লাল
১. কেন সঠিক:
- আলোকের বর্ণালী বা প্রাইমারি কালারের তত্ত্ব অনুযায়ী নীল, সবুজ ও লাল রঙের মিশ্রণে সাদা আলোসহ দৃশ্যমান সব রঙের আলো তৈরি করা যায়।
- মানুষের চোখের কোন কোষ এই তিনটি প্রাথমিক রঙের প্রতি সবচেয়ে বেশি সংবেদনশীল হওয়ায় মস্তিষ্ক কোটি কোটি রঙ আলাদা করতে পারে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: যে রঙের আলো অন্য রঙের আলো মিশিয়ে তৈরি করা যায় না এবং নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশালে সাদা আলো উৎপন্ন হয়, তাকে মৌলিক বা প্রাইমারি বর্ণ বলে।
- কার্যপ্রণালি: এই তিনটি রঙের আলো বিভিন্ন তীব্রতায় একত্রিত হয়ে অ্যাডিটিভ কালার মিক্সিং প্রক্রিয়ায় আমাদের চোখে রঙের বৈচিত্র্য ফুটিয়ে তোলে।
- বাস্তব প্রয়োগ: টেলিভিশন স্ক্রিন, কম্পিউটার মনিটর এবং স্মার্টফোনের ডিসপ্লেতে পিক্সেলগুলো নীল, সবুজ ও লাল এই তিনটি সাবপিক্সেলের সমন্বয়ে সব ছবি প্রদর্শন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রঙিন টেলিভিশন বা এলসিডি মনিটরের খুব কাছে গেলে দেখা যায় স্ক্রিনটি মূলত ক্ষুদ্র লাল, সবুজ ও নীল বিন্দু বা সাবপিক্সেলের সমষ্টি।
ব্যাখ্যা: এই তিনটি রঙের তীব্রতা কমবেশি করে মনিটর পর্দায় হাজার হাজার রঙের ছবি ফুটিয়ে তোলে।
উদাহরণ ২: মঞ্চের নাটকে বা কনসার্টে লাল, সবুজ ও নীল আলোর প্রজেক্টর বিভিন্ন অনুপাতে ব্যবহার করে মঞ্চে রঙিন আলোর আভা তৈরি করা হয়।
ব্যাখ্যা: এই তিনটি মৌলিক আলোর সংযোজন বা মিশ্রণের ফলে দর্শকের চোখে বিভিন্ন নতুন রঙের অনুভূতি জাগে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাল, সবুজ, পার্পেল — পার্পেল বা বেগুনি কোনো মৌলিক আলোর রঙ নয়, এটি লাল ও নীল আলোর মিশ্রণে তৈরি হয়।
B) নীল, সবুজ, লাল — এটি আলোর ক্ষেত্রে সঠিক মৌলিক রঙের সেট।
C) লাল, হলুদ, নীল — লাল, হলুদ ও নীল হলো শিল্পকলা বা রঙের ক্ষেত্রে মৌলিক বা প্রাইমারি পিগমেন্ট, আলোর ক্ষেত্রে নয়।
D) হলুদ, লাল, সবুজ — হলুদ কোনো আলোর মৌলিক বর্ণ নয়, এটি লাল ও সবুজ আলোর মিশ্রণ থেকে উৎপন্ন হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আলোর মৌলিক রঙ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো আমাদের দেশের জাতীয় পতাকার সবুজ এবং এর সাথে টেলিভিশন প্রযুক্তির বহুল ব্যবহৃত লাল ও নীল রঙ মাথায় রাখা।
- ইংরেজিতে আরজিবি অর্থাৎ রেড, গ্রীন ও ব্লু মনে রাখলেই আলোর মৌলিক রঙ ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- আলো এবং রঙের ক্ষেত্রে মৌলিক রঙ আলাদা, আলোতে নীল-সবুজ-লাল আর পিগমেন্ট বা রঞ্জক পদার্থের ক্ষেত্রে লাল-হলুদ-নীল।
- এই টপিক থেকে অনেক সময় টেলিভিশন বা মনিটরের পিক্সেল সম্পর্কিত প্রশ্নও বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: D) ইউরেনাস
১. কেন সঠিক:
- ইউরেনাস গ্রহের বায়ুমণ্ডলে মিথেন গ্যাসের পরিমাণ অনেক বেশি থাকার কারণে এটি দেখতে নীলচে-সবুজ বা সবুজ রঙের দেখায়।
- মিথেন গ্যাস লাল রঙের আলোকে শোষণ করে এবং সবুজ ও নীল রঙের আলোকে প্রতিফলিত করে, যা গ্রহটির এই বিশেষ রঙের প্রধান কারণ।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: সৌরজগতের সপ্তম গ্রহ হলো ইউরেনাস, যা বরফ দানব নামে পরিচিত।
- কার্যপ্রণালি: সূর্যের আলো এই গ্রহের বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের পর মিথেন গ্যাসের স্তর দ্বারা ফিল্টার হয়ে ফিরে আসে।
- কারণ ও ফলাফল: মিথেন কর্তক লাল আলো শোষিত হওয়ার ফলে আমাদের চোখে এই গ্রহটিকে সবুজ রঙের দেখায়।
- বাস্তব প্রয়োগ: প্রিজমের ভেতর দিয়ে আলো গেলে যেমন বিভিন্ন রঙে বিভক্ত হয়, ঠিক তেমনি বায়ুমণ্ডলের গ্যাসের প্রভাবে গ্রহের রঙ পরিবর্তিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গভীর সমুদ্রের পানি দেখতে নীল বা সবুজ দেখায়।
ব্যাখ্যা: সমুদ্রের পানিতে আলো প্রবেশ করার পর পানির অণু ও কণাগুলোর কারণে নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো প্রতিফলিত হয়, যা ইউরেনাসের রঙের ঘটনার সঙ্গে মিল রাখে।
উদাহরণ ২: বনভূমির ওপর দিয়ে বায়ুমণ্ডলকে অনেক সময় সবুজ আভা ছড়াতে দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: এটি বায়ুমণ্ডলের উপাদান এবং আলোর মিথস্ক্রিয়ার একটি সহজ প্রাকৃতিক উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মঙ্গল — মঙ্গল গ্রহকে লাল গ্রহ বলা হয় কারণ এর মাটিতে প্রচুর আয়রন অক্সাইড বা মরচে থাকে।
B) নেপচুন — নেপচুন গ্রহটি গাঢ় নীল রঙের হয়, কারণ এর বায়ুমণ্ডলেও মিথেন থাকে তবে তা ইউরেনাসের চেয়ে ভিন্নভাবে আলো প্রতিফলিত করে।
C) প্লুটো — প্লুটো একটি বামন গ্রহ এবং এর পৃষ্ঠে নাইট্রোজেন ও বরফের মিশ্রণ রয়েছে, এটি সবুজ গ্রহ নয়।
D) ইউরেনাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রহটি তার বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত মিথেনের কারণে সবুজ গ্রহ হিসেবে পরিচিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইউরেনাস নামের প্রথম অক্ষর এবং সবুজ রঙের উ দিয়ে মনে রাখতে পারো যে ইউরেনাস হলো সবুজ গ্রহ।
- মিথেন গ্যাসের উপস্থিতির কারণে ইউরেনাস সবুজ দেখায়, এই কথাটি মনে রাখলে আর ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সৌরজগতের কোন গ্রহকে নীল গ্রহ বলা হয়, এই প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে যার উত্তর পৃথিবী।
- গ্রহগুলোর রঙের বৈচিত্র্য মূলত তাদের বায়ুমণ্ডলের গ্যাসীয় উপাদানের ওপর নির্ভর করে, এই ধারণიდან বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) মস্তিষ্কের বিকাশজনিত সমস্যা
১. কেন সঠিক:
অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার বা অটিজম হলো মানুষের মস্তিষ্কের একধরনের বিকাশগত বা স্নায়বিক সমস্যা। সাধারণত শৈশবেই মস্তিষ্কের স্বাভাবিক গঠন ও কার্যপ্রণালীর বৈচিত্র্যের কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: এটি কোনো মানসিক রোগ বা বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবন্ধকতা নয়, বরং স্নায়ুর বিকাশজনিত এমন একটি অবস্থা যা মানুষের সামাজিক যোগাযোগ এবং মিথস্ক্রিয়ায় প্রভাব ফেলে।
কার্যপ্রণালি: শৈশবে মস্তিষ্কের কোষগুলোর পারস্পরিক যোগাযোগের প্রক্রিয়ায় ভিন্নতা দেখা দেয় ফলে শিশু অন্যদের সাথে ভাবের আদান-প্রদান করতে কিছুটা ভিন্ন আচরণ করে।
কারণ ও ফলাফল: জিনগত বৈচিত্র্য এবং পরিবেশগত নানা উপাদানের প্রভাবে এই বিকাশজনিত ভিন্নতা ঘটে যার ফলে শিশুর ভাষিক ও সামাজিক দক্ষতা অর্জনে বিশেষ সহায়তার প্রয়োজন হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অটিজম আক্রান্ত কোনো শিশু চোখের দিকে সরাসরি তাকিয়ে কথা বলতে অস্বস্তি বোধ করে এবং নিজের মতো একা থাকতে পছন্দ করে।
ব্যাখ্যা: এটি তাদের সামাজিক যোগাযোগের ভিন্নতার একটি সাধারণ বহিঃপ্রকাশ।
উদাহরণ ২: কোনো কোনো অটিজম আক্রান্ত শিশুর নির্দিষ্ট কোনো শব্দের প্রতি তীব্র সংবেদনশীলতা থাকে কিংবা তারা একই কাজ বারবার করতে ভালোবাসে।
ব্যাখ্যা: এটি তাদের মস্তিষ্কের সংবেদনশীলতা প্রক্রিয়াকরণের ভিন্নতার ফল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মস্তিষ্কের বুদ্ধিজজনিত সমস্যা — অটিজম মূলত বুদ্ধির ঘাটতি বোঝায় না কারণ অনেক অটিজম আক্রান্ত ব্যক্তির বিশেষ কোনো ক্ষেত্রে অসাধারণ প্রতিভা থাকে।
B) মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা — রক্তক্ষরণ স্ট্রোক বা আঘাতের কারণে ঘটে যা অটিজমের জন্মগত বা বিকাশগত প্রকৃতির সাথে মেলে না।
C) শ্রবণশক্তির ঘাটতিজনিত সমস্যা — অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের কানের গঠন সম্পূর্ণ সুস্থ থাকে কিন্তু তারা শোনার পর তা মস্তিষ্কে ভিন্নভাবে প্রক্রিয়াজাত করে।
D) মস্তিষ্কের বিকাশজনিত সমস্যা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি স্নায়ুর বিকাশগত বৈচিত্র্যকে নির্দেশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
অটিজম শব্দটি মনে রাখার জন্য মাথায় রাখুন এটি বুদ্ধির সমস্যা নয়, বরং মস্তিষ্কের স্নায়বিক বিকাশের ভিন্নতা। বিকাশ মানে বাড়ার পথে ভিন্নতা, বুদ্ধির কমতি নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
অটিজম একটি স্নায়ুবিক বিকাশজনিত সমস্যা যা শৈশবেই প্রকাশ পায়। এই ধরনের প্রশ্নগুলোতে বুদ্ধিবৃত্তিক সমস্যা এবং বিকাশজনিত সমস্যার পার্থক্য পরিষ্কার রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ক্যালসিয়াম
১. কেন সঠিক:
- মানবদেহে রক্ত তঞ্চন বা রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় ক্যালসিয়াম আয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে রক্তের প্লাজমা থেকে ফাইব্রিনোজেনকে ফাইব্রিন জালিকায় রূপান্তর করতে এবং প্রোথ্রোম্বিনকে থ্রোম্বিনে পরিণত করতে ক্যালসিয়াম আয়ন অপরিহার্য।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: রক্ত তঞ্চন হলো এমন একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কাটাছেঁড়া স্থান থেকে রক্তপাত বন্ধ হয়।
- কার্যপ্রণালি: রক্তে থাকা ত্রয়োদশ বা ফ্লাড কোটিং ফ্যাক্টরগুলোর মধ্যে ক্যালসিয়াম আয়ন চতুর্থ ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে যা রক্ত জমাট বাঁধার ক্যাসকেড প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রান্নার সময় উদ্ভিজ্জ তেলের ওপর লেবুর রস পড়লে যেমন রাসায়নিক পরিবর্তন হয়, তেমনি শরীরে কোথাও কেটে গেলে ক্যালসিয়ামের উপস্থিতিতে রক্ত জমাট বেঁধে রক্তপাত বন্ধ হয়।
ব্যাখ্যা: এটি রক্তে উপস্থিত খনিজের জৈব রাসায়নিক সক্রিয়তা নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: মানুষের শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দিলে অনেক সময় রক্ত জমাট বাঁধতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় নেয়।
ব্যাখ্যা: এটি মানবদেহে খনিজ লবণের শারীরবৃত্তীয় গুরুত্ব বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্যালসিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ রক্ত জমাট বাঁধার জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় এই খনিজ মৌলটি প্রত্যক্ষভাবে অনুঘটক হিসেবে কাজ করে।
B) ম্যাগনেসিয়াম — এটি স্নায়ু ও পেশির কার্যকারিতা রক্ষায় এবং শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে, তবে সরাসরি রক্ত তঞ্চনে এর মুখ্য ভূমিকা নেই।
C) সালফার — এটি শরীরের আমিষ বা প্রোটিন গঠনে এবং অ্যামিনো এসিড তৈরিতে সাহায্য করে, যা রক্ত বন্ধনে সরাসরি অংশ নেয় না।
D) ফসফরাস — এটি হাড় ও দাঁতের গঠন এবং শক্তি সঞ্চয়ের সাথে যুক্ত, রক্ত জমাট বাঁধার প্রধান নিয়ন্ত্রক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রক্ত জমাট বাঁধার সাথে ক্যালসিয়ামের সম্পর্ক মনে রাখতে মাথায় রাখুন আমাদের শরীরের শক্ত হাড়ের উপাদান ক্যালসিয়াম যেমন কাঠামো দেয়, তেমনি রক্ত রক্ষায়ও এর ভূমিকা আছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষেত্রে ক্যালসিয়াম হলো চতুর্থ রক্ত তঞ্চন ফ্যাক্টর।
- একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে ভিটামিন কে রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
সঠিক উত্তর: A) গ্রীস
১. কেন সঠিক:
মার্বেল একটি রূপান্তরিত শিলা যা মূলত চুনাপাথর থেকে তাপ ও চাপের প্রভাবে সৃষ্টি হয়।
গ্রীসে প্রচুর পরিমাণে উচ্চমানের সাদা মার্বেল পাওয়া যায় যা প্রাচীনকাল থেকেই বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: দক্ষিণ ইউরোপের বলকান অঞ্চলের একটি দেশ গ্রীস।
বৈশিষ্ট্য: গ্রীসের ভূপ্রকৃতি পাহাড়ি এবং সেখানে বিভিন্ন ধরনের খনিজ ও রূপান্তরিত শিলার প্রাচুর্য রয়েছে।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: পার্থেনন মন্দির
ব্যাখ্যা: এথেন্সের প্রাচীন এই মন্দিরটি পুরোটাই গ্রিসের বিখ্যাত সাদা মার্বেল পাথর দিয়ে তৈরি।
উদাহরণ ২: প্যাটার্ন মার্বেল কোয়ারি
ব্যাখ্যা: গ্রিসের থাসোস দ্বীপে বিশ্বের অন্যতম সেরা মানের সাদা মার্বেল খনি অবস্থিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রীস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশটিতে পর্যাপ্ত মার্বেল খনি রয়েছে।
B) বাংলাদেশ — এটি প্রধানত পলিগঠিত বদ্বীপ অঞ্চল হওয়ায় এখানে মার্বেল পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায় না।
C) ইংল্যান্ড — এটি চুনাপাথর ও কয়লার জন্য পরিচিত হলেও মার্বেলের প্রধান উৎস নয়।
D) ভুটান — এটি পাহাড়ি দেশ হলেও মার্বেলের প্রাচুর্যের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
গ্রিসের ঐতিহাসিক ভাস্কর্যগুলো সাদা পাথরের তৈরি, তাই মার্বেল বললেই গ্রীস দেশটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মার্বেল এক ধরণের রূপান্তরিত শিলা যা চুনাপাথর থেকে পরিবর্তিত হয়।
এই প্রশ্নটি প্রাকৃতিক সম্পদ ও খনিজ অধ্যায়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: A) উত্তর
১. কেন সঠিক:
বরেন্দ্রভূমি বাংলাদেশের উত্তরঅঞ্চলে অবস্থিত প্লাইস্টোসিন কালের চত্বর বা সোপান।
এই অঞ্চলের মাটি প্রাচীন ও অপেক্ষাকৃত কম উর্বর লালচে বা ধূসর রঙের হয়ে থাকে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: বাংলাদেশের উত্তরঅঞ্চলের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের কিছু অংশজুড়ে এটি বিস্তৃত।
বৈশিষ্ট্য: এটি প্লাইস্টোসিন যুগে গঠিত বারিন্দ বা বরেন্দ্র চত্বরের অংশবিশেষ।
সংশ্লিষ্ট তথ্য: এটি দেশের বৃহত্তম প্লাইস্টোসিন চত্বর যা পলি দ্বারা গঠিত প্লাবন সমভূমি থেকে কিছুটা উঁচুতে অবস্থিত।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: রাজশাহী ও দিনাজপুর জেলা।
ব্যাখ্যা: এই জেলাগুলোর ভূপ্রকৃতি বরেন্দ্রভূমির অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এখানকার মাটি লালচে ও পানি ধারণক্ষমতা কম।
উদাহরণ ২: মধুপুর গড়।
ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্লাইস্টোসিন চত্বর যা মধ্য অঞ্চলে অবস্থিত, যা বরেন্দ্রভূমির সমগোত্রীয় ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য বহন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উত্তর — এই অপশনটি সঠিক কারণ বরেন্দ্রভূমি বাংলাদেশের উত্তরঅঞ্চলে অবস্থিত।
B) দক্ষিণ — দক্ষিণ অঞ্চলে বরেন্দ্রভূমি নেই, বরং এই অঞ্চলে সুন্দরবন ও উপকূলীয় সমভূমি অবস্থিত।
C) পূর্ব — পূর্ব অঞ্চলে বরেন্দ্রভূমি অবস্থিত নয়, এখানে পাহাড়ি অঞ্চল ও সিলেট অববাহিকা রয়েছে।
D) পশ্চিম — বরেন্দ্রভূমি মূলত উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাংশজুড়ে বিস্তৃত, তাই এককভাবে পশ্চিম অঞ্চল সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
উত্তর মানে বরেন্দ্র, এই কথাটি মনে রাখলে উত্তরঅঞ্চলের প্লাইস্টোসিন চত্বর সহজে চেনা যায়।
উত্তরবঙ্গ বললেই বরেন্দ্রভূমি এবং লাল মাটির কথা মাথায় রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বরেন্দ্রভূমি কোনকালের সোপান তা প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় আসে।
একই ধারণা থেকে মধুপুর গড় বা ভাওয়ালের গড়ের অবস্থান সম্পর্কেও প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) ট্রপিকাল
১. কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ কর্কটক্রান্তি রেখার কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় এর জলবায়ু ক্রান্তীয় বা ট্রপিকাল অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- ক্রান্তীয় জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সারা বছর উষ্ণ তাপমাত্রা এবং ঋতুভেদে প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়া।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় বিষুবরেখার উত্তরে ২৩.৩৪ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশের কাছাকাছি অবস্থিত।
- বৈশিষ্ট্য: এখানে উষ্ণ ও আর্দ্র গ্রীষ্মকাল এবং মৃদু শীতকাল অনুভূত হয়, যা মৌসুমি বায়ুর দ্বারা গভীরভাবে নিয়ন্ত্রিত।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: দক্ষিণ এশীয় অঞ্চল
ব্যাখ্যা: ভারত ও বাংলাদেশের মতো দক্ষিণ এশীয় দেশগুলো মূলত ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ুর অধীন।
উদাহরণ ২: কর্কটক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করার কারণে এখানকার জলবায়ু ট্রপিকাল প্রকৃতির হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ট্রপিকাল — এটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ ক্রান্তীয় জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
B) ওয়ার্ম হিউমিড — এটি আবহাওয়ার একটি বিশেষ অবস্থা নির্দেশ করলেও সার্বিক জলবায়ুর ক্ষেত্রে ট্রপিকাল শব্দটি অধিক উপযোগী।
C) শুষ্ক — বাংলাদেশের জলবায়ু শুষ্ক নয়, বরং মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বেশ আর্দ্র ও বৃষ্টিবহুল।
D) শীতল — বাংলাদেশ নাতিশীতোষ্ণ বা শীতল অঞ্চলের দেশ নয়, বরং এটি উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলে অবস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশকে অতিক্রম করায় এর জলবায়ু সবসময় ট্রপিকাল বা ক্রান্তীয় হিসেবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রকৃতি জানতে চাইলে ট্রপিকাল বা ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু উত্তর হিসেবে নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) উত্তর আমেরিকা
১. কেন সঠিক:
- গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন হলো কোটি বছর ধরে কলোরাডো নদীর জলপ্রবাহের ফলে সৃষ্ট একটি সুবিশাল গিরিখাত বা ক্যানিয়ন।
- এটি মূলত উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অিজোনা রাজ্যে অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক বিস্ময়।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত অিজোনা রাজ্য।
- বৈশিষ্ট্য: এটি লম্বায় প্রায় ৪৪৬ কিলোমিটার এবং এর গভীরতা প্রায় ১.৮ কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: কলোরাডো নদী
ব্যাখ্যা: এই নদীটি দীর্ঘ সময় ধরে শিলাস্তর কেটে গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন সৃষ্টি করেছে।
উদাহরণ ২: রকি পর্বতমালা
ব্যাখ্যা: এই পর্বতমালা উত্তর আমেরিকা মহাদেশেরই আরেকটি প্রধান ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য যা মহাদেশটির জলবায়ু ও নদীতে প্রভাব ফেলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এশিয়া — এশিয়া মহাদেশে বিশ্বের দীর্ঘতম নদী বা সর্বোচ্চ পর্বতমালা থাকলেও গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন এখানে অবস্থিত নয়।
B) উত্তর আমেরিকা — এই অপশনটি সঠিক কারণ গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই মহাদেশেই অবস্থিত।
C) দক্ষিণ আমেরিকা — দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে আমাজন নদ ও আন্দিজ পর্বতমালা রয়েছে, কিন্তু এই গিরিখাত এখানে নেই।
D) ইউরোপ — ইউরোপ মহাদেশে আল্পস পর্বতমালা ও বিখ্যাত নদীসমূহ আছে, গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক সংশ্লিষ্টতা নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের প্রথম অক্ষর 'গ্র' এবং আমেরিকার 'আ' মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন আমেরিকার গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন কোন নদীর দ্বারা সৃষ্ট বা কোন দেশে অবস্থিত তা জানতে চাওয়া হয়।
একই ধারণা থেকে কলোরাডো নদী কোন মহাদেশে অবস্থিত বা অিজোনা মরুভূমি কোথায়, এমন প্রশ্নও আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) দক্ষিণ
১. কেন সঠিক:
গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার ওপর নিম্নচাপের সৃষ্টি হয় এবং এর বিপরীতে ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগরের ওপর উচ্চচাপ বিরাজ করে। ফলে জলীয় বাষ্পপূর্ণ বায়ু উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে অর্থাৎ মূলত দক্ষিণ দিক থেকে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
জলবায়ু ও প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া: বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু হিসেবে পরিচিত এবং এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো বায়ুপ্রবাহের ঋতু পরিবর্তন।
কারণ ও প্রভাব: বঙ্গোপসাগর থেকে আসা এই দক্ষিণ দিক থেকে প্রবাহিত বায়ু প্রচুর জলীয় বাষ্প নিয়ে আসে, যা বাংলাদেশে গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে ভারী বৃষ্টিপাত ঘটায়।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: মৌসুমী বায়ু
ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ এশিয়ার জলবায়ুকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং এর দক্ষিণ দিক থেকে আগমন ঘটায় দেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
উদাহরণ ২: বঙ্গোপসাগর
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত থাকার কারণে গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ দিক থেকে বায়ুপ্রবাহের প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দক্ষিণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ গ্রীষ্মকালে মৌসুমি বায়ু বঙ্গোপসাগর থেকে এই দিক দিয়েই বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
B) উত্তর — উত্তর দিক থেকে শীতল ও শুষ্ক বায়ু মূলত শীতকালে বাংলাদেশ তথা উপমহাদেশে প্রবাহিত হয়, গ্রীষ্মকালে নয়।
C) দক্ষিণ-পূর্ব — এটি মৌসুমি বায়ুর প্রবাহের একটি পার্শ্বিক দিক হতে পারে, তবে সামগ্রিক ও প্রধান ভৌগোলিক দিক হিসেবে উত্তর দক্ষিণকেই নির্দেশ করা হয়।
D) দক্ষিণ-পশ্চিম — গ্রীষ্মকালীন মৌসুমি বায়ু দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ভারতে প্রবেশ করলেও বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের ক্ষেত্রে প্রধান ও প্রচলিত উত্তর হিসেবে দক্ষিণ দিকটিই ধরা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
গ্রীষ্মকাল মানেই বৃষ্টি আর বৃষ্টি মানেই বঙ্গোপসাগর যা দেশের দক্ষিণে অবস্থিত, তাই বায়ু আসে দক্ষিণ দিক থেকে।
শীতকালে দেশ ঠান্ডা থাকে উত্তর দিক থেকে আসা ঠান্ডা বায়ুর কারণে, আর গরমে আসে দক্ষিণের সাগর থেকে জলীয় বাষ্প।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশ ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ুর অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় ঋতুভেদে বায়ুপ্রবাহের দিক উল্টে যায়।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন হতে পারে শীতকালে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে কোন দিক থেকে বায়ু প্রবাহিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) গ্রিক
কেন সঠিক:
- ডরিক অর্ডার হলো প্রাচীন গ্রিক স্থাপত্যের তিনটি ক্লাসিক্যাল অর্ডারের মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন ও সরলতম রূপ।
- এটি মূলত প্রাচীন গ্রিকরা তাদের মন্দির নির্মাণে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাইজেন্টাইন — বাইজেন্টাইন স্থাপত্যরীতি গম্বুজ ও মোজাইক কাজের জন্য বিখ্যাত, ডরিক অর্ডারের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
B) রোমান — রোমানরা গ্রিক ডরিক অর্ডার থেকে অনুপ্রাণিত হলেও তারা মূলত টাস্কান এবং কম্পোজিট অর্ডার বেশি ব্যবহার করত।
C) গ্রিক — এটি সঠিক উত্তর, কারণ প্রাচীন গ্রিক স্থপতিরাই ডরিক অর্ডারের প্রবক্তা ও প্রধান ব্যবহারকারী ছিলেন।
D) জার্মান — জার্মান স্থাপত্যরীতি ডরিক অর্ডারের উৎপত্তির সাথে সম্পর্কিত নয়, এটি পরবর্তীকালের ইউরোপীয় শৈলী।
মনে রাখার টিপস:
গ্রিক স্থাপত্যের তিন ভাই হলো ডরিক, আয়নিক ও করিন্থিয়ান; যার মধ্যে ডরিক হলো সবচেয়ে প্রাচীন।
সঠিক উত্তর: A) উত্তরবঙ্গে
কেন সঠিক:
- উত্তরবঙ্গের মাটি এঁটেল ও পলিযুক্ত হওয়ায় প্রাচীনকাল থেকেই সেখানে মাটি দিয়ে ঘরবাড়ি বা স্থাপত্য নির্মাণের ঐতিহ্য রয়েছে।
- এই অঞ্চলে ঐতিহ্যগতভাবে মাটি ও খড়ের মিশ্রণে একতলা বা দোতলা মজবুত ঘর তৈরি করা হয়, যা স্থানীয়ভাবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উত্তরবঙ্গে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অঞ্চলের মাটি কাদা ও এঁটেল প্রকৃতির হওয়ায় মাটির ঘর নির্মাণের জন্য উপযোগী।
B) পাহাড়ি এলাকায় — পাহাড়ের মাটি বালুকাময় এবং পাহাড়ি ঢাল ও বৃষ্টির কারণে এখানে মাটির স্থায়ী স্থাপত্য বা কাঁচা ঘর তৈরি করা যায় না।
C) উপকূলীয় এলাকায় — উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ত মাটি এবং অতিমাত্রায় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের কারণে মাটির স্থাপত্য টিকে থাকতে পারে না।
D) হাওড় এলাকায় — হাওড় অঞ্চলে বছরের অধিকাংশ সময় পানি জমে থাকে এবং নিম্নাঞ্চল হওয়ায় সেখানে মাটির স্থায়ী ঘর তৈরি করা সম্ভব নয়।
মনে রাখার টিপস:
উত্তরবঙ্গের মাটি এঁটেল ও শক্ত প্রকৃতির, তাই মনে রাখবে উত্তরবঙ্গ মানেই মাটির স্থাপত্য বা মাটির ঘর।
সঠিক উত্তর: C) সুলতানি
কেন সঠিক:
- বিনত বিবির মসজিদ ১৪৫৭ সালে সুলতানি আমলের শাসক সুলতান নাসিরুদ্দিন মাহমুদ শাহের শাসনামলে নির্মিত হয়।
- এর স্থাপত্যশৈলীতে বাংলার সুলতানি আমলের একক গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদের ঐতিহ্যবাহী বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বৌদ্ধ — এটি বৌদ্ধ স্থাপত্যরীতি নয়, কারণ এটি একটি ইসলামি ইবাদতখানা বা মসজিদ।
B) মোঘল — এটি মোঘল আমলের অনেক আগেই সুলতানি আমলে নির্মিত হয়েছিল।
D) ভিক্টোরিয়ান — এটি ব্রিটিশ বা ভিক্টোরিয়ান যুগের কোনো স্থাপনা নয়, এটি মধ্যযুগের মুসলিম স্থাপত্য।
মনে রাখার টিপস:
১৪৫৭ সালে নির্মিত বিনত বিবির মসজিদ হলো ঢাকার অন্যতম প্রাচীন মুসলিম স্থাপনা, যা সুলতানি আমলের সাক্ষ্য বহন করে।
সঠিক উত্তর: B) রোমান
কেন সঠিক:
- প্যান্থিয়ন ইতালির রোমে অবস্থিত প্রাচীন রোমান স্থাপত্যের একটি ঐতিহাসিক গোলাকার মন্দির।
- এটি সম্রাট হ্যাড্রিয়ানের শাসনামলে নির্মিত হয়েছিল এবং এর গম্বুজটি বিশ্বের বৃহত্তম অপরাজিত কংক্রিটের গম্বুজ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাইজেন্টাইন — বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য পূর্ব রোমান সাম্রাজ্যের অংশ হলেও প্যান্থিয়ন মন্দিরটি বাইজেন্টাইন আমলের নয়, বরং ধ্রুপদী রোমান আমলের স্থাপত্য।
B) রোমান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ মন্দিরটি প্রাচীন রোমেই নির্মিত হয়েছিল।
C) গ্রীক — মন্দিরটি গ্রীক স্থাপত্য শৈলীতে তৈরি কিছু স্তম্ভ ব্যবহার করলেও এটি মূলত প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের একটি ঐতিহাসিক কীর্তি।
D) জার্মান — এই মন্দিরটির সঙ্গে জার্মান সংস্কৃতি বা সভ্যতার কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
প্যান্থিয়ন নামটি মনে রাখলে রোমের প্রাচীন সম্রাটদের কথা মনে করবে, কারণ এটি রোমান স্থাপত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
সঠিক উত্তর: A) হিন্দু মন্দির
কেন সঠিক:
- শিখারা হলো প্রাচীন ভারতীয় মন্দির স্থাপত্যের, বিশেষ করে উত্তর ভারতীয় বা নাগর শৈলীর মন্দিরের প্রধান গম্বুজ বা চূড়া।
- এটি গর্ভগৃহের ঠিক ওপরে অবস্থিত উঁচু মিনার সদৃশ অংশ যা দেখতে পর্বতের শিখরের মতো মনে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিন্দু মন্দির — এটি সঠিক উত্তর কারণ শিখারা ভারতীয় মন্দির স্থাপত্যের একটি অনন্য ঐতিহ্যবাহী অংশ।
B) বাংলা কুড়েঘর — এটি গ্রামীণ লোকজ স্থাপত্যের নিদর্শন, যেখানে চালা ও বারান্দা থাকে কিন্তু শিখারা থাকে না।
C) মসজিদ — মসজিদের ক্ষেত্রে গম্বুজ এবং মিনার থাকে, কিন্তু একে শিখারা বলা হয় না।
D) নৌকা — নৌকা জলযান, এর সাথে ধর্মীয় স্থাপত্যের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
শিখারা শব্দটির সাথে পাহাড় বা চূড়ার মিল আছে, আর হিন্দু মন্দিরের ওপরের অংশও পাহাড়ের চূড়ার মতো উঁচুই হয়।
সঠিক উত্তর: B) মাজহারুল ইসলাম
কেন সঠিক:
- মাজহারুল ইসলাম বাংলাদেশের আধুনিক স্থাপত্য শিল্পের জনক এবং তিনি ঢাকার চারুকলা ইনস্টিটিউটের মূল ভবনটির নকশা তৈরি করেছিলেন।
- তাঁর নকশাকৃত এই ভবনটি আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবিউল হুসাইন — তিনি একজন প্রখ্যাত স্থপতি ও কবি হলেও ঢাকার আর্ট কলেজের স্থপতি নন।
B) মাজহারুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) সামসুল ওয়াবেস — তিনি দেশের একজন পরিচিত স্থপতি হলেও এই ঐতিহাসিক ভবনের স্থপতি নন।
D) রফিক আজম — তিনি সমসাময়িক একজন আধুনিক স্থপতি, যা এই ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠানের নির্মাণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
চারুকলার আধুনিক আর্ট কলেজ, স্থপতি মাজহারুল ইসলামের নকশাতেই গড়া হলো আজ।
সঠিক উত্তর: B) Frank Lloyd Wright
কেন সঠিক:
- 'ফলিং ওয়াটার' বা 'ফল অব ওয়াটার' মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় অবস্থিত বিশ্বখ্যাত একটি স্থাপত্যকর্ম।
- এটি ১৯৩৫ সালে বিখ্যাত আমেরিকান স্থপতি ফ্রাঙ্ক লয়েড রাইট ডিজাইন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Louis I kahn — লুই কান বিখ্যাত আমেরিকান স্থপতি যিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের নকশা করেছেন, ফলিং ওয়াটারের নন।
B) Frank Lloyd Wright — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনিই ফলিং ওয়াটার স্থাপত্যের স্থপতি।
C) Charles Correa — চার্লস কোরিয়া একজন বিশিষ্ট ভারতীয় স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ, এই স্থাপত্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন।
D) Le corbusier — লে করবুসিয়ের একজন সুইজারল্যান্ডে জন্ম নেওয়া ফরাসি স্থপতি ও আধুনিক স্থাপত্যের অগ্রদূত, ফলিং ওয়াটারের স্রষ্টা নন।
মনে রাখার টিপস:
ফলিং ওয়াটার ও ফ্রাঙ্ক লয়েড রাইট উভয় নামই ইংরেজি এফ বর্ণ দিয়ে শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: C) বাইজেন্টাইন স্থাপত্য
কেন সঠিক:
- হাজিয়া সোফিয়া ইস্তামবুলে অবস্থিত এবং এটি তার বিশাল গম্বুজ ও মোজাইকের জন্য বিশ্ববিখ্যাত।
- এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি ৫ম শতকের বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের শিল্পরীতি ও স্থাপত্য কৌশলের নিখুঁত নিদর্শন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রোমান স্থাপত্য — এটি প্রাচীন রোমের কলোসিয়াম বা প্যান্থিয়নের মতো শৈলী অনুসরণ করে না, যা এই উত্তরের সঙ্গে মেলে না।
B) ভারতীয় স্থাপত্য — এটি ভারতের মন্দির বা মুঘল স্থাপত্যরীতির কোনো নিদর্শন বহন করে না।
C) বাইজেন্টাইন স্থাপত্য — এটি সঠিক উত্তর এবং এই স্থাপত্যরীতি অনুসারে এটি নির্মিত।
D) বেঙ্গল স্থাপত্য — এটি বাংলার প্রাচীন বা সুলতানি আমলের ইট ও টেরাকোটা স্থাপত্যরীতির নয়।
মনে রাখার টিপস:
হাজিয়া সোফিয়া নামটির সঙ্গে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের ঐতিহ্য ও বিশাল গম্বুজের শৈলী মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) সুলতানী
কেন সঠিক:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ ১৫ শতকে খান জাহান আলী কর্তৃক নির্মিত হয়, যা বাংলার সুলতানী আমলের স্থাপত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
- এই মসজিদের নির্মাণশৈলীতে তৎকালীন সুলতানী আমলের খান ই জাহান স্থাপত্যরীতির অনন্য বৈশিষ্ট্য যেমন পোড়ামাটির ফলক এবং বিশেষ গম্বুজ নির্মাণ লক্ষ্য করা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিন্দু রীতি — এই মসজিদের স্থাপত্যে প্রচলিত হিন্দু মন্দির স্থাপত্যরীতির কোনো প্রভাব নেই, এটি সম্পূর্ণ ইসলামী ও সুলতানী শৈলীতে নির্মিত।
B) মোঘল — মসজিদটি মোঘল আমল শুরুর অনেক আগে নির্মিত হয়েছিল, তাই মোঘল স্থাপত্যরীতির বৈশিষ্ট্য এতে অনুপস্থিত।
C) সুলতানী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
D) আধুনিক — আধুনিক স্থাপত্যকলার আবিষ্কার ও প্রযুক্তির বহু শতাব্দী আগে এই ঐতিহাসিক মসজিদটি নির্মিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
খান জাহান আলীর আমল মানেই সুলতানী আমল এবং ষাট গম্বুজ মসজিদ তার শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
সঠিক উত্তর: B) Mies Van Der Rohe
কেন সঠিক:
- Mies Van Der Rohe বিংশ শতাব্দীর একজন প্রভাবশালী জার্মান-আমেরিকান স্থপতি ছিলেন।
- আধুনিক স্থাপত্যে ন্যূনতম ব্যবহার বা কম উপাদানে সুন্দর ও কার্যক্ষম নকশা তৈরির দর্শন বোঝাতে তিনি এই প্রবাদতুল্য উক্তিটি ব্যবহার করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Frank Lloyd Wright — তিনি জৈব স্থাপত্যের প্রবক্তা ছিলেন এবং প্রকৃতি ও পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভবন নকশা করার জন্য পরিচিত।
B) Mies Van Der Rohe — সঠিক উত্তর।
C) মাজহারুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের আধুনিক স্থাপত্য শিল্পের পথিকৃৎ এবং জাতীয় সংসদ ভবনের নির্মাণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
D) Richard Vrooman — তিনি একজন মার্কিন স্থপতি ও শিক্ষাবিদ যিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপত্য শিক্ষা প্রসারে কাজ করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
মিজ ভ্যান ডার রো-এর নামের সঙ্গে ন্যূনতম বা কম সাজসজ্জার আধুনিক স্থাপত্য দর্শন এবং লেস ইজ মোর কথাটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) মুঘল
কেন সঠিক:
- লালবাগ কেল্লা মুঘল সুবাদার মুহাম্মদ আজম শাহ ১৬৭৮ সালে নির্মাণ শুরু করেন এবং এটি মুঘল স্থাপত্য শৈলীর একটি চমৎকার নিদর্শন।
- কেল্লার ভেতরে থাকা পরী বিবীর মাজার ও দরবার হল মুঘল স্থাপত্যের ঐতিহ্য ও নির্মাণরীতিকে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আদি মুসলিম — বাংলার প্রাচীন মুসলিম বিজয়ের সময়ের কোনো নিদর্শন লালবাগ কেল্লা নয়, কারণ এটি seventeenth শতাব্দীর মুঘল আমলে নির্মিত।
B) সুলতানি — সুলতানি আমলের স্থাপত্য বৈশিষ্ট্য এর সাথে মেলে না, কারণ এটি মুঘল আমলের সুবাদারদের দ্বারা নির্মিত হয়েছিল।
C) মুঘল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং মুঘল স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত হওয়ায় এর কোনো ভুল নেই।
D) ব্রিটিশ — ব্রিটিশ আমলে নির্মিত নয়, বরং ব্রিটিশরা আসার অনেক আগেই মুঘল আমলে এর নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
লালবাগ কেল্লার প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আজম শাহ ছিলেন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র, তাই এটি মুঘল স্থাপত্য শৈলীর অনন্য নিদর্শন।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)