সঠিক উত্তর: A) ১৯৫৫ খ্রিঃ
১. কেন সঠিক:
বাংলা একাডেমি বাংলাদেশের একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান যা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির উন্নয়নে কাজ করে।
এটি প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য ছিল বাংলা ভাষার গবেষণা, প্রমিতকরণ এবং সাহিত্য চর্চাকে উৎসাহিত করা।
২. সাহিত্য ও ইতিহাস ব্যাখ্যা:
১৯৫৫ সালের ৩রা ডিসেম্বর বাংলা একাডেমি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এবং বর্ধমান হাউসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্য ও গবেষণায় অবদানের জন্য দেওয়া বাংলাদেশের অন্যতম prestiged পুরস্কার।
উদাহরণ ২: বাংলা একাডেমি বাংলা বানানরীতি।
ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার বানরীতি প্রমিত করার ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুসরণ করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫৫ খ্রিঃ — এটি বাংলা একাডেমির সঠিক প্রতিষ্ঠার খ্রিষ্টাব্দ।
B) ১৩৫৫ বঙ্গাব্দ — এই বঙ্গাব্দটি সঠিক প্রতিষ্ঠার সময়ের সঙ্গে মেলে না।
C) ১৩৬২ খ্রিঃ — এই সালটি সঠিক খ্রিষ্টাব্দের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) ১৩৫২ বঙ্গাব্দ — এটি বাংলা একাডেমির প্রতিষ্ঠার সঠিক বঙ্গাব্দ বা সাল নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
১৯৫৫ সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের ঠিক তিন বছর পর এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
এই ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা মনে রাখলে সালটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিষ্ঠার সাল ও মাস প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক কে ছিলেন, তা জেনে রাখা পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
'সঞ্চিতা' হলো বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন।
১৯২৮ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থে কবির বিভিন্ন সময়ে রচিত সেরা কবিতাগুলো স্থান পেয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিশ শতকের অন্যতম প্রধান কবি ও জাতীয় কবি।
সঞ্চিতা কাব্যগ্রন্থটি তিনি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ এর জন্য তাকে আশীর্বাদ করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সঞ্চয়িতা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার সংকলন, যা প্রায়শই শিক্ষার্থীরা 'সঞ্চিতা' এর সাথে গুলিয়ে ফেলে।
উদাহরণ ২: অগ্নিবীণা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ সঞ্চিতা তার বিখ্যাত কবিতা সংকলন।
B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক এবং তার বিখ্যাত কাব্য মহাশ্মশান নয়, মেঘনাদবধ কাব্য।
C) মহাকবি কায়কোবাদ — তিনি তার মহাশ্মশান মহাকাব্যের জন্য বিখ্যাত, কোনো কবিতা সংকলন সঞ্চিতার জন্য নন।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তার কবিতার সংকলনের নাম সঞ্চয়িতা, সঞ্চিতা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের সংকলন হলো সঞ্চিতা এবং রবীন্দ্রনাথের সংকলন হলো সঞ্চয়িতা।
নামের এই সূক্ষ্ম পার্থক্য মনে রাখলে পরীক্ষায় ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের সংকলন গ্রন্থ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
নজরুলের সঞ্চিতা এবং রবীন্দ্রনাথের সঞ্চয়িতা এই দুটি নাম বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীকে বাংলা গীতি কবিতার ভোরের পাখি বলা হয়। ভোরের পাখি অর্থ হলো ঊষালগ্নের বা সূচনার দূত, যিনি বাংলা সাহিত্যে প্রথম গীতি কবিতার আত্মপ্রকাশ ঘটিয়েছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিহারীলাল চক্রবর্তী ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট কবি ও গীতি কবিতার প্রবক্তা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর কবিতায় মুগ্ধ হয়ে তাকে ভোরের পাখি বলে আখ্যায়িত করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সারদা মঙ্গল কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা গীতি কবিতার অনন্য নিদর্শন।
উদাহরণ ২: সাধের কেতকা কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটিও কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা গীতি কবিতায় বিশেষ অবদান রেখেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলা গদ্যের জনক এবং শিক্ষাবিদ হিসেবে পরিচিত, বিহারীলালকে এই উপাধি দেননি।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি সঠিক উত্তর কারণ তিনিই কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীকে এই উপাধি প্রদান করেছিলেন।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি বিহারীলাল চক্রবর্তীর সমসাময়িক বা এই উপাধির দাতা নন।
D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — ইনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক, তবে তিনি এই উপাধি দেননি।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিহারীলাল চক্রবর্তী ভোরের পাখি এবং তাকে এই উপাধি দিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এভাবে মনে রাখতে পারেন যে রবীন্দ্রনাথ গানের পাখি বা ভোরের পাখি হিসেবে তাকে সম্মানিত করেছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের গীতি কবিতার শুরু কার হাত ধরে তা জানতে চাইলে বিহারীলাল চক্রবর্তীর নাম আসবে। এবং তাকে ভোরের পাখি বলা হয় এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: B) ভ্রমণ কাহিনী
১. কেন সঠিক:
'আমার দেখা নয়াচীন' একটি বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনী যা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত হয়েছে।
১৯৫২ সালে চীন সফরের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে এই গ্রন্থটি রচিত হয়েছে যেখানে তৎকালীন চীনের সমাজ ব্যবস্থা ও মানুষের জীবনযাত্রা ফুটে উঠেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই গ্রন্থটির লেখক বাংলাদেশের স্থপতি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যিনি অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও কারাগারের রোজনামচাও লিখেছেন।
বাংলা একাডেমি ২০২০ সালে গ্রন্থটি প্রকাশ করে এবং এটি মূলত চীন ভ্রমণের একটি প্রামাণ্য দলিল ও আত্মজৈবনিক ভ্রমণ সাহিত্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা: এটি রফিকুল ইসলাম রচিত একটি জনপ্রিয় ভ্রমণ বিষয়ক গ্রন্থ এবং এর মাধ্যমে দেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা প্রকাশ পায়।
উদাহরণ ২: দেশে বিদেশে
ব্যাখ্যা: সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত এই গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় ভ্রমণ কাহিনী।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্থনীতি ভিত্তিক — এই গ্রন্থে অর্থনৈতিক তত্ত্ব বা বিশ্লেষণ প্রধান বিষয় নয় বরং চীন দেশের সামগ্রিক সমাজ ও মানুষের জীবনচিত্রের ভ্রমণ বিবরণী তুলে ধরা হয়েছে।
B) ভ্রমণ কাহিনী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে লেখকের চীন ভ্রমণের নিখুঁত ও চমৎকার বিবরণ রয়েছে।
C) গল্পগ্রন্থ — এটি কোনো কাল্পনিক ছোটগল্পের সংকলন নয় বরং বাস্তব জীবনের ভ্রমণ অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে লেখা একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে স্পষ্টভাবে বিদ্যমান তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর চীন ভ্রমণ সম্পর্কিত গ্রন্থ মনে রাখার জন্য নয়াচীন শব্দটি মাথায় রাখবে।
ভ্রমণ কাহিনী মানেই কোথাও ঘুরে আসার অভিজ্ঞতা যা এই গ্রন্থে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা আত্মজীবনী ও ভ্রমণ বিষয়ক গ্রন্থগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গ্রন্থটির প্রকাশকাল ও লেখকের নাম ভালোভাবে মনে রাখবে কারণ বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় এটি প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) নারী
১. কেন সঠিক:
এই চরণটিতে কাজী নজরুল ইসলাম নারী ও পুরুষের সমান অধিকার এবং সমাজ গঠনে তাদের সমকক্ষ অবদানের কথা জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন।
কবিতাটিতে পুরুষ ও নারী উভয়কেই সমাজের দুটি সমান ও অপরিহার্য অংশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে কারও অবস্থান কম বা বেশি নয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই বিখ্যাত চরণটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের 'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত 'নারী' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর লেখনীতে সবসময় নারী মুক্তি, সাম্য ও অধিকারের কথা জোরালোভাবে প্রচার করেছেন, যা তাঁকে বিদ্রোহী ও সাম্যবাদী কবির স্বীকৃতি দিয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চিরকল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।
ব্যাখ্যা: এটিও একই কবিতার বিখ্যাত চরণ, যা নারী ও পুরুষের সমান অবদানের কথা বোঝায়।
উদাহরণ ২: সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২৫ সালে।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থে কবির সাম্যবাদী চিন্তা ও মানুষের অধিকারের প্রতিফলন ঘটেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নারী — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রশ্নোক্ত চরণটি এই কবিতা থেকেই নেওয়া হয়েছে।
B) সাম্যবাদী — এটি একটি কাব্যগ্রন্থ এবং এই নামেই একটি কবিতাও রয়েছে, তবে প্রদত্ত চরণটি 'সাম্যবাদী' কবিতার নয়, 'নারী' কবিতার।
C) মানুষ — এটি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি বিখ্যাত কবিতা যা 'সর্বহারা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত, কিন্তু এর বিষয়বস্তু আলাদা।
D) সব্যসাচী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের কোনো বিখ্যাত কবিতার নাম নয়, বরং এটি তাঁর একটি উপাধি বা বিশেষ রচনা হতে পারে।
৫. মনে রাখার টিপস:
নজরুলের নারী-পুরুষের সাম্য সংক্রান্ত বিখ্যাত চরণ দেখলেই 'নারী' কবিতাকে বেছে নেবে।
মনে রাখবে নারী ও পুরুষের সমান অবদানের কথা মূলত 'নারী' কবিতায় বলা হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'নারী' কবিতা থেকে প্রায়ই চরণ তুলে প্রশ্ন করা হয়।
কাজী নজরুল ইসলামের সাম্যবাদী ভাবধারার রচনাগুলো ভালোভাবে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) বসন্ত
১. কেন সঠিক:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর 'বসন্ত' নাটকটি কবি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন।
এই উৎসর্গের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ বাংলা সাহিত্যের তরুণ ও বিদ্রোহী কবির প্রতি তাঁর গভীর স্নেহ ও শ্রদ্ধার প্রকাশ ঘটিয়েছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক বিশাল ব্যক্তিত্ব যিনি কবিতা, নাটক, ছোটগল্প ও উপন্যাসের মাধ্যমে সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন।
'বসন্ত' একটি ঋতুনাট্য যা ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর উৎসর্গপত্রে কাজী নজরুল ইসলামের নাম যুক্ত করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'রক্তকরবী' নাটকটি নন্দলাল বসুকে উৎসর্গ করা হয়েছিল।
ব্যাখ্যা: এই উৎসর্গ থেকে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে শিল্পীদের সম্পর্কের পরিচয় পাওয়া যায়।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা হয়েছিল।
ব্যাখ্যা: এটি দুই কবির মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সুসম্পর্কের এক অনন্য ঐতিহাসিক নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিসর্জন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ঐতিহাসিক নাটক যা রাজর্ষি উপন্যাসের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত এবং এটি নজরুলকে উৎসর্গ করা হয়নি।
B) ডাকঘর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রতীকধর্মী বিখ্যাত নাটক যার মূল চরিত্র অমল, এটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করা হয়নি।
C) বসন্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং এই নাটকটিই কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করা হয়েছিল।
D) অচলায়তন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রতিবাদী ও সংস্কারবিরোধী নাটক যা শিক্ষা ব্যবস্থার ত্রুটি নিয়ে রচিত, এটি নজরুলকে উৎসর্গ করা হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথ নজরুলকে বসন্ত ঋতু উপহার দিয়েছিলেন এভাবে মনে রাখতে পারো যে রবীন্দ্রনাথ তাঁর 'বসন্ত' নাটকটি নজরুলকে উৎসর্গ করেছিলেন।
কবির বয়স ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে তারুণ্যের মিল খুঁজতে গিয়ে তিনি এই বিশেষ কাজটি করেছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন গ্রন্থ বা নাটক কাকে উৎসর্গ করা হয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়।
তাই বিখ্যাত লেখকদের উৎসর্গপত্র সম্পর্কিত তথ্যগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) বড়ু চণ্ডীদাস
১. কেন সঠিক:
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটির আবিষ্কারক বসন্তরঞ্জন রায় বিদদ্বলভ এবং বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শনগুলোর একটি হিসেবে এটি স্বীকৃত।
- এই কাব্যের ভণিতায় বড়ু চণ্ডীদাসের নাম পাওয়া যায়, যা এর রচয়িতা নিশ্চিত করার প্রধান ভিত্তি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদের পর বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি মূলত রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের কাহিনী নিয়ে রচিত।
- বসন্তরঞ্জন রায় বিদদ্বলভ ১৯০৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরের একটি গোয়ালঘর থেকে পুথিটি আবিষ্কার করেন এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে এটি প্রকাশ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের খণ্ডসমূহ
ব্যাখ্যা: এই কাব্যে জন্মখণ্ড, তাম্বুলখণ্ড, দানখণ্ড, নৌকাখণ্ড, ভারখণ্ড, ছত্রখণ্ড, বৃন্দাবনখণ্ড, যমুনাখণ্ড, হারখণ্ড, বাণখণ্ড, বংশীখণ্ড ও রাধাবিরহ - মোট বারোটি খণ্ড রয়েছে।
উদাহরণ ২: মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলি
ব্যাখ্যা: বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের পর মধ্যযুগে বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাস বৈষ্ণব পদাবলি রচনার ধারাকে সমৃদ্ধ করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বড়ু চণ্ডীদাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের ভণিতায় তার নাম পাওয়া যায় এবং তিনি এর একমাত্র স্বীকৃত রচয়িতা।
B) দ্বিজ চণ্ডীদাস — দ্বিজ চণ্ডীদাস পরবর্তী যুগের একজন পদকর্তা, যিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা নন।
C) শ্রী চৈতন্যদেব — শ্রী চৈতন্যদেব মধ্যযুগের ভক্তি আন্দোলনের প্রবক্তা ও ধর্মগুরু, তিনি কোনো কাব্য রচনা করেননি।
D) কাহ্নপা — কাহ্নপা চর্যাপদের অন্যতম প্রধান কবি, তিনি মধ্যযুগের বৈষ্ণব সাহিত্যের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য রচনা করেননি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের সঙ্গে বড়ু চণ্ডীদাস এবং চর্যাপদের সঙ্গে কাহ্নপার নাম মনে রাখবে।
- মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন মানেই বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর থেকে আবিষ্কৃত হয়।
- এই কাব্যে রাধা, কৃষ্ণ ও বরাই - এই তিনটি প্রধান চরিত্র রয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) সুবচন নির্বাসনে
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত প্রশ্নটি ভুল এবং বিভ্রান্তিকর। প্রশ্নটিতে সৈয়দ শামসুল হকের নাটক চাওয়া হয়েছে, কিন্তু 'সুবচন নির্বাসনে' নাটকটি সৈয়দ শামসুল হকের নয়, এটি বিশিষ্ট নাট্যকার আবদুল্লাহ আল মামুনের লেখা একটি বিখ্যাত নাটক।
- সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক, কবি ও নাট্যকার হলেও 'সুবচন নির্বাসনে' নাটকটির সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'সুবচন নির্বাসনে' নাটকটির রচয়িতা আবদুল্লাহ আল মামুন, যিনি বাংলাদেশের আধুনিক নাট্য আন্দোলনের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- সৈয়দ শামসুল হকের বিখ্যাত নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়, নূরলদীনের সারাজীবন এবং গণনায়ক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য, যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সুবচন নির্বাসনে
ব্যাখ্যা: এটি আবদুল্লাহ আল মামুন রচিত একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক নাটক, যা ১৯৭৪ সালে প্রথম মঞ্চায়িত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত নাটক, তাই এটি সঠিক উত্তর হতো যদি প্রশ্নটি অন্যভাবে হতো, কিন্তু প্রদত্ত উত্তর অনুযায়ী এটি এখানে ভুল হিসেবে ধরা হয়েছে।
B) সুবচন নির্বাসনে — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও এটি আবদুল্লাহ আল মামুনের নাটক, সৈয়দ শামসুল হকের নয়।
C) হাত হাদীই — এটি কোনো পরিচিত মানসম্মত বাংলা নাটক নয়, বরং এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক অপশন।
D) রক্তাক্ত প্রান্তর — এটি মুনীর চৌধুরী রচিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক, সৈয়দ শামসুল হকের নাটক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আবদুল্লাহ আল মামুনের বিখ্যাত নাটক মনে রাখার কৌশল হলো সুবচন নির্বাসনে নাটকটি তার অন্যতম সেরা সৃষ্টি।
- সৈয়দ শামসুল হকের নাটকগুলো প্রধানত কাব্যনাট্য যেমন পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ও নূরলদীনের সারাজীবন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনেক সময় ভুল প্রশ্ন ও উত্তর থাকতে পারে, তাই প্রার্থীর নিজস্ব সাহিত্য জ্ঞান থাকা জরুরি।
- নাট্যকার আবদুল্লাহ আল মামুন এবং সৈয়দ শামসুল হকের নাটকের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: B) শহীদুল্লাহ কায়সার
১. কেন সঠিক:
- সংংশপ্তক উপন্যাসটির রচয়িতা শহীদুল্লাহ কায়সার এবং এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা যুদ্ধভিত্তিক ও বাস্তবধর্মী উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের মাধ্যমে লেখক গ্রামীণ সমাজের বৈষম্য, মানুষের জীবন সংগ্রাম এবং ঐতিহাসিক পটভূমি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শহীদুল্লাহ কায়সার ছিলেন একাধারে কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী যিনি তার জীবন সমাজকল্যাণ ও ভাষা আন্দোলনে উৎসর্গ করেছিলেন।
- সংংশপ্তক উপন্যাসটি ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি পূর্ব বাংলার গ্রামীণ জীবনের শোষণ ও মুক্তির লড়াইয়ের এক অনন্য দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সারেং বৌ
ব্যাখ্যা: এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা উপকূলীয় মানুষের জীবন নিয়ে লেখা।
উদাহরণ ২: পায়রাবন্দ
ব্যাখ্যা: এটি শহীদুল্লাহ কায়সারের একটি প্রখ্যাত সাংবাদিকতা ও সাহিত্যকর্মের নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুনীর চৌধুরী — মুনীর চৌধুরী একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও শিক্ষাবিদ হলেও তিনি সংংশপ্তক উপন্যাসটি রচনা করেননি, তার বিখ্যাত রচনা রক্ত কবরী অনুবাদ ও কবর নাটক।
B) শহীদুল্লাহ কায়সার — এই অপশনটি সঠিক কারণ সংংশপ্তক উপন্যাসটি তার অমর সৃষ্টি এবং এর মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।
C) জহির রায়হান — জহির রায়হান প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার হলেও তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো বরফ গলা নদী ও হাজার বছর ধরে।
D) শওকত ওসমান — শওকত ওসমান খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক হলেও তার জনপ্রিয় উপন্যাস হলো কৃতদাসের হাসি ও জলাঙ্গী।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শহীদুল্লাহ কায়সার ও তার ভাই জহির রায়হান দুজনেই প্রখ্যাত সাহিত্যিক; মনে রাখতে হবে সংংশপ্তক লিখেছেন শহীদুল্লাহ কায়সার আর হাজার বছর ধরে লিখেছেন জহির রায়হান।
- নামের প্রথম অক্ষর ও উপন্যাসের মূল ভাব মিলিয়ে সহজে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধ ও গ্রামীণ জীবনভিত্তিক উপন্যাসের রচয়িতা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- শহীদুল্লাহ কায়সারের উপন্যাসগুলোর নাম ও প্রকাশের সাল ভালোভাবে মনে রাখা পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) আগে
১. কেন সঠিক:
- উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা স্বাধীনভাবে কোনো পদে ব্যবহৃত হতে পারে না।
- এই শব্দাংশগুলো অন্য শব্দের পূর্বে বা আগে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে শব্দের অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন সাধন করে।
- বাংলা ভাষায় উপসর্গ তিন প্রকার যথা খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হার শব্দের আগে বি উপসর্গ যুক্ত হয়ে বিহার শব্দ গঠিত হয়।
ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ হারের পূর্বে বি উপসর্গ যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে।
উদাহরণ ২: মান শব্দের আগে অপমান শব্দে অপ উপসর্গ বসে।
ব্যাখ্যা: মান শব্দের পূর্বে অপ উপসর্গ যুক্ত হয়ে বিপরীতার্থক নতুন শব্দ তৈরি হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আগে — এটি সঠিক কারণ উপসর্গ সবসময় মূল শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
B) মাঝখানে — উপসর্গ শব্দের মাঝখানে বসে না কারণ এটি সর্বদা পদের আদিতে যুক্ত হয়।
C) শেষে — শব্দের শেষে যা যুক্ত হয় তাকে প্রত্যয় বলে, উপসর্গ নয়।
D) আগে ও শেষে — উপসর্গ কখনো শব্দের শেষে বসে না, তাই এটি ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- উপ শব্দের অর্থ সমীপে বা সামনে, তাই উপসর্গ সবসময় শব্দের সামনে বা আগে বসে।
- উপসর্গ আগে বসে আর প্রত্যয় পরে বসে, এই নিয়মটি মনে রাখলে আর ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ কয় প্রকার ও কী কী তা প্রায়ই আসে।
- বাংলা ভাষায় মোট ২১টি খাঁটি বাংলা উপসর্গ রয়েছে যা মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) শামসুদ্দিন আবুল কালাম
১. কেন সঠিক:
কাশবনের কন্যা উপন্যাসের রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শামসুদ্দিন আবুল কালাম।
উপন্যাসটি গ্রামীণ জনপদের মানুষের জীবনযাত্রা ও নদীমাতৃক বাংলার বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শামসুদ্দিন আবুল কালাম বিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক।
তাঁর সাহিত্যকর্মে গ্রামীণ সমাজ, বিশেষ করে ভাটি অঞ্চলের মানুষের জীবন ও সংগ্রামের নিখুঁত রূপায়ণ ঘটেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জীবন বিধান
ব্যাখ্যা: এটি শামসুদ্দিন আবুল কালামের রচিত আরও একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কাঞ্চনমালা
ব্যাখ্যা: এটিও এই লেখকের উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম যা গ্রামীণ জীবনের ওপর রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শামসুদ্দিন আবুল কালাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি কাশবনের কন্যা উপন্যাসের রচয়িতা।
B) আবুল কালাম শামসুদ্দীন — এই নামে অপর একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সাংবাদিক থাকলেও তিনি এই উপন্যাসের লেখক নন।
C) শওকত ওসমান — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে ক্রীতদাসের হাসি ও জননী উল্লেখযোগ্য।
D) আবু ইসহাক — তিনি সূর্য দীঘল বাড়ি উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত, যা কাশবনের কন্যা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
কালাম কাশবনে হারিয়ে গেছেন এভাবে মনে রাখতে পারো যে কাশবনের কন্যা উপন্যাসের লেখক শামসুদ্দিন আবুল কালাম।
নামের প্রথম অংশ মিলিয়ে সহজেই লেখকের নাম স্মরণে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গ্রামীণ পটভূমির উপন্যাস ও লেখকদের নাম প্রায়ই আসে।
একই লেখকের অন্যান্য উপন্যাস যেমন জীবন বিধান সম্পর্কে ধারণা রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
'বলাকা' হলো বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গীতিকাব্য, যা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
এই কাব্যগ্রন্থের কবিতায় গতির জয়গান গাওয়া হয়েছে এবং এর একটি বিখ্যাত কবিতা হলো বলাকা, যা বিরামহীন যাত্রার প্রতীক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা, যিনি একাধারে কবি, নাট্যকার, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক।
'বলাকা' কাব্যগ্রন্থটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালের অস্থিরতা ও গতির জীবনদর্শন প্রকাশ পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানসী
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি কাব্যগ্রন্থ যা কবির রোমান্টিক চেতনার পরিচয় বহন করে।
উদাহরণ ২: সোনালী কাবিন
ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদের বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ, যা গ্রামীণ জীবনের প্রতীক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও 'বলাকা' কাব্যটি তার নয়, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো অগ্নিবীণা।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি মৌলিক কাব্যগ্রন্থ।
C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের জনক ও প্রাবন্ধিক ছিলেন, কোনো কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন।
D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি যুগসন্ধিকালের কবি ছিলেন এবং তার কাব্য রচনার ধারা বলাকা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
৫. মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথে গতির প্রতীক হলো বলাকা, আর বলাকা কাব্য প্রকাশের সাল হলো উনিশ শ ষোল।
কবিদের বিখ্যাত কাব্য মনে রাখতে লেখকের মূল সাহিত্যধারা ও প্রকাশের সময় মনে রাখা সহজ কৌশল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বলাকা কাব্যগ্রন্থটি চলিত রীতিতে লেখা রবীন্দ্রনাথের একটি রূপান্তরধর্মী আধুনিক কাব্য।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ও তার রচয়িতা থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) জীবনানন্দ দাশ
১. কেন সঠিক:
- আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশকে তাঁর কবিতায় নিসর্গপ্রকৃতির নিঃসঙ্গতা ও আত্মমগ্নতার জন্য 'নির্জনতম কবি' বলা হয়।
- বুদ্ধদেব বসু 'কবিতা' পত্রিকায় তাঁকে বাংলা সাহিত্যের 'নির্জনতম কবি' হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের ১৭ই ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৫৪ সালের ২২শে অক্টোবর কলকাতায় মারা যান।
- তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে 'ঝরা পালক', 'ধূসর পাণ্ডুলিপি', 'বনলতা সেন' ও 'রূপসী বাংলা' অন্যতম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বনলতা সেন
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কবিতা এবং কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কবিতার ক্লাসিক রূপ হিসেবে সমাদৃত।
উদাহরণ ২: রূপসী বাংলা
ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থে কবির প্রকৃতিপ্রেম এবং বাংলার রূপ নিবিড় ও নির্জনভাবে ফুটে উঠেছে, যা তাঁর কবিস্বভাবের পরিচয় দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিষ্ণু দে — তিনি কল্লোল যুগের মার্ক্সবাদী ও আধুনিক কবি হলেও 'নির্জনতম কবি' নামে পরিচিত নন।
B) বুদ্ধদেব বসু — তিনি আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রবক্তা ও সমালোচক যিনি জীবনানন্দ দাশকে এই উপাধি দিয়েছিলেন।
D) অমিয় চক্রবর্তী — তিনি রবীন্দ্রোত্তর আধুনিক যুগের একজন বিশিষ্ট কবি ও শিক্ষাবিদ যিনি এই উপাধির অধিকারী নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নিঃসঙ্গতা ও প্রকৃতির রূপ প্রকাশে যিনি সবার চেয়ে আলাদা, তিনিই জীবনানন্দ দাশ এবং তাঁকে বলা হয় নির্জনতম কবি।
- বুদ্ধদেব বসু যে কবিকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা করেছিলেন, তিনিই জীবনানন্দ দাশ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের ছদ্মনাম বা উপাধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- প্রমথ চৌধুরীকে 'বীরবল' এবং শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে 'অরূপরতন' বলা হয়, যা মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) সমীচীন
১. কেন সঠিক:
- সমীচীন শব্দটির বানানে প্রথমে দন্ত-স-এ দীর্ঘ ঈ-কার এবং পরে চ-এ দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটিই একমাত্র স্বীকৃত এবং সঠিক বানান রূপ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী কিছু বিদেশি বা সংস্কৃত শব্দে ই-কার বা ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- সমীচীন শব্দের উভয় ই-কারই দীর্ঘ (ঈ-কার) হবে, যা এই শব্দের একটি বিশেষ বানানগত বৈশিষ্ট্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রতিযোগিতা
ব্যাখ্যা: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই এই বানানটি শুদ্ধরূপে আসে।
উদাহরণ ২: মানুষের জীবন অনিশ্চিত
ব্যাখ্যা: বাক্য গঠনে সঠিক বানান ব্যবহার লেখার মান উন্নত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমীচীন — এটি সঠিক বানান।
B) সমিচিন — এখানে প্রথম ও দ্বিতীয় উভয় ই-কারই হ্রস্ব (ই-কার) দেওয়া হয়েছে, যা ভুল।
C) সমিচীন — এখানে প্রথমটি হ্রস্ব এবং দ্বিতীয়টি দীর্ঘ ই-কার দেওয়া হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) সমীচিন — এখানে প্রথমটি দীর্ঘ এবং দ্বিতীয়টি হ্রস্ব ই-কার দেওয়া হয়েছে, যা প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সমীচীন বানানে দুটিই দীর্ঘ ঈ-কার হয়, অর্থাৎ দীর্ঘ-দীর্ঘ নিয়ম মেনে চলে।
- সম-ই-চ-ই-ন এভাবে ভেঙে না পড়ে সম্পূর্ণ বানানটি একবারে মুখস্থ রাখা নিরাপদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বানান শুদ্ধি থেকে প্রতি বছর অন্তত এক বা দুটি প্রশ্ন থাকে।
- সমীচীন, বুদ্ধিজীবী এবং সান্ত্বনা এই শব্দগুলোর বানান বারবার পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) অগ্নিবীণা
১. কেন সঠিক:
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো অগ্নিবীণা।
এটি বাংলা সাহিত্য ও বাঙালি জাতির বিদ্রোহী চেতনার এক ঐতিহাসিক প্রকাশ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি হিসেবে পরিচিত।
অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হয় এবং এতে মোট বারোটি কবিতা রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রলয়োল্লাস
ব্যাখ্যা: এটি অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা, যা অন্যায়ের বিরুদ্ধে ধ্বংস ও নতুন সৃষ্টির বাণী প্রচার করে।
উদাহরণ ২: বিদ্রোহী
ব্যাখ্যা: অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্যতম বিখ্যাত এই কবিতাটি কবিকে বিশ্বজুড়ে বিদ্রোহী কবির খ্যাতি এনে দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদ্রোহী — এটি কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত একটি বিখ্যাত কবিতা।
B) অগ্নিবীণা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কবির প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
C) বিষের বাঁশি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রতিবাদী কাব্যগ্রন্থ হলেও প্রথম নয়।
D) দোলন চাঁপা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত প্রেমের কাব্যগ্রন্থ, প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের প্রথম কাব্য মানেই অগ্নিঝরা শুরু, তাই মনে রাখবে প্রথম কাব্য অগ্নিবীণা।
কবিতা শুরুর আগে যেমন সুর তোলে, তেমনি নজরুল তার সাহিত্য জীবন শুরু করেন অগ্নিবীণা দিয়ে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রকাশসাল এবং প্রথম কবিতার নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
নজরুলের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস বাঁধন হারা এবং প্রথম প্রকাশিত গল্প বাউণ্ডুলের আত্মকথা ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) নীল চাষ ও নীলকরদের অত্যাচার
১. কেন সঠিক:
- দীনবন্ধু মিত্রের 'নীল দর্পণ' নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো তৎকালীন বাংলায় নীলকর সাহেবদের অকথ্য অত্যাচার এবং নীল চাষে কৃষকদের চরম দুর্দশা।
- নাটকে বাংলার সাধারণ কৃষকদের ওপর চালানো নির্মম শোষণ এবং তার প্রতিবাদে কৃষকদের বিদ্রোহের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'নীল দর্পণ' নাটকটির রচিয়তা নাট্যকার দীনবন্ধু মিত্র এবং এটি ১৮৬০ সালে ঢাকায় প্রকাশিত হয়।
- এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক নাটক যা নীলকর বিদ্রোহের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্ত নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন 'The Indigo Planting Mirror' নামে।
ব্যাখ্যা: নাটকটির গুরুত্ব আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে এবং ব্রিটিশ সরকারের কাছে অত্যাচারের কথা জানাতে এই অনুবাদ করা হয়েছিল।
উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই নাটকটিকে ইউরিপিডিস রচিত গ্রিক নাটকের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন।
ব্যাখ্যা: নাটকের গভীর ট্র্যাজেডি এবং সামাজিক প্রভাবের কারণে গুণীজনেরা এর উচ্চ প্রশংসা করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নীল চাষ ও নীলকরদের অত্যাচার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ নাটকটি নীলকরদের নির্যাতন নিয়ে লেখা।
B) নীল সাগর — এটি কোনো সাহিত্যিক বিষয়বস্তু বা অপশনের সঠিক উত্তর নয় বরং এটি একটি ভৌগোলিক শব্দ।
C) জল দস্যুদের অত্যাচার — এটি 'নীল দর্পণ' নাটকের বিষয়বস্তু নয় বরং সমুদ্রভিত্তিক উপন্যাসের বিষয় হতে পারে।
D) নীল আয়না — এটি কোনো পরিচিত সাহিত্যকর্ম বা এই নাটকের বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো শব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নীল দর্পণ মানেই দর্পণে বা আয়নায় নীলকরদের নিষ্ঠুর মুখ দেখা যাওয়া।
- নাটকের নাম দেখলেই মনে রাখবে এটি নীল চাষিদের ওপর অত্যাচারের দলিল।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নীল দর্পণ নাটকের রচিয়তা এবং প্রকাশের সন প্রায়ই আসে।
- বাংলা নাটকের ইতিহাসে সামাজিক সমস্যাভিত্তিক নাটক হিসেবে এর অবস্থান অত্যন্ত উঁচুতে।
সঠিক উত্তর: C) সেলিনা হোসেন (দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে C এবং D উভয় অপশনে সেলিনা হোসেন রয়েছে, প্রমিত উত্তর হিসেবে সেলিনা হোসেন নির্ধারিত)
১. কেন সঠিক:
- হাঙর নদী গ্রেনেড উপন্যাসটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন।
- এটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত ও বহুল পঠিত উপন্যাস।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সেলিনা হোসেন বাংলাদেশের সমকালীন কথাসাহিত্যের অন্যতম প্রধান ঔপন্যাসিক।
- তার এই উপন্যাসে এক মায়ের বীরত্ব এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পোকামাকড়ের ঘরবসতি
ব্যাখ্যা: এটি সেলিনা হোসেন রচিত আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।
উদাহরণ ২: নীলকণ্ঠ পাখি
ব্যাখ্যা: এটিও সেলিনা হোসেনের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রশংসিত একটি উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হুমায়ূন আহমেদ — তিনি এই উপন্যাসের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে জোছনা ও জননীর গল্প এবং নন্দিত নরকে।
B) শামসুর রাহমান — তিনি মূলত আধুনিক যুগের প্রধান কবি ও প্রাবন্ধিক, কোনো ঔপন্যাসিক নন।
C) সেলিনা হোসেন — তিনি এই উপন্যাসের সঠিক রচয়িতা এবং তার সাহিত্যকর্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ।
D) সেলিনা হোসেন — এটিও একই লেখকের নাম এবং উপন্যাসের রচয়িতা হিসেবে সঠিক, তবে অপশন পুনरावृत्ति হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস হাঙর নদী গ্রেনেড মনে রাখার জন্য লেখিকা সেলিনা হোসেনের নাম এভাবে মনে রাখতে পারো যে তিনি ইতিহাসের নানা বাঁক নিয়ে উপন্যাস লিখেছন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই সেলিনা হোসেনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনাগুলো আলাদা করে পড়ে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) প্রাতঃ + আশ
১. কেন সঠিক:
প্রাতরাশ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে পাওয়া যায় প্রাতঃ + আশ। এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মের অন্তর্ভুক্ত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম হলো অ কারের পর বিসর্গ থাকলে এবং তার পরে অ বা অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে বিসর্গ লুপ্ত হয়ে ও কার হয় কিংবা বিসর্গের পরে স্বরধ্বনি থাকলে বিসর্গ লোপ পায়। এখানে প্রাতঃ শব্দের বিসর্গের পর স্বরধ্বনি আ যুক্ত হয়ে প্রাতরাশ গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অহর্নিশ (অহঃ + নিশ)
ব্যাখ্যা: এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ যেখানে বিসর্গ রেফ এ রূপান্তরিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মনোহর (মনঃ + হর)
ব্যাখ্যা: এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গ ও কারে রূপান্তরিত হয়ে সাধিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাত + রাশ — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রাত একা কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ নয় এবং এর সাথে বিসর্গ না থাকায় সন্ধির নিয়মের সাথে মেলে না।
B) প্রাতঃ + রাশ — এই অপশনটি ভুল কারণ রাশ শব্দের শুরুতে স্বরধ্বনি না থাকায় প্রাতরাশ শব্দটি গঠিত হওয়া সম্ভব নয়।
D) প্রাত + আশ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে বিসর্গ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়নি যা সন্ধি সাধনের জন্য আবশ্যক।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিসর্গ সন্ধি মনে রাখার জন্য শব্দের প্রথম অংশে বিসর্গ যুক্ত পদ যেমন প্রাতঃ, মনঃ, অহঃ ইত্যাদির ব্যবহার খেয়াল রাখবে। সন্ধি বিচ্ছেদের সময় স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনির মিলন ভালোভাবে মিলিয়ে দেখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের গঠন ভালোভাবে বুঝতে পারলে যেকোনো সন্ধি সহজে নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) ৭টি
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা সাতটি। যে স্বরধ্বনিগুলোকে ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না, সেগুলোই মৌলিক স্বরধ্বনি।
- উচ্চারণের সময় মুখবিবর সম্পূর্ণ বা আংশিক খোলা থাকে এবং বাতাসের পথ অবরুদ্ধ হয় না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে যেসব স্বরধ্বনি অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়া স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হয়, তাদের মৌলিক স্বরধ্বনি বলা হয়।
- ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি। ধ্বনিগুলো হলো অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আম
ব্যাখ্যা: আম শব্দটিতে আ হলো একটি মৌলিক স্বরধ্বনি, যা নিজে নিজে উচ্চারিত হয়।
উদাহরণ ২: ইট
ব্যাখ্যা: ইট শব্দটিতে ই হলো একটি মৌলিক স্বরধ্বনি, যার কোনো রূপান্তর ঘটে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫টি — বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংখ্যা এগারোটি হলেও মৌলিক স্বরধ্বনি পাঁচটি নয়। এই সংখ্যাটি ভুল।
B) ৪টি — বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা চারটি নয়, এটি একটি ভুল তথ্য।
C) ৯টি — বাংলা ব্যাকরণে মৌলিক স্বরধ্বনি ৯টি হিসেবে ধরা হয় না, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
D) ৭টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মৌলিক স্বরধ্বনি মনে রাখার সহজ উপায় হলো সংখ্যাটি সাত। বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ এগারোটি হলেও মৌলিক ধ্বনি সাতটি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি তা জানতে চাওয়া হয়। সঠিক উত্তর সবসময় সাতটি নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ভাষা আন্দোলনের কথা
১. কেন সঠিক:
জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমি এবং এর পরবর্তী রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব।
এই উপন্যাসে একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনা এবং তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের বাস্তব চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
'আরেক ফাল্গুন' কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান রচিত একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস যা ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয়।
উপন্যাসটির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এবং এর বার্ষিকী পালনের মাধ্যমে তৎকালীন পাকিস্তানি সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জহির রায়হানের 'বরফ গলা নদী' উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি তার আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যেখানে মধ্যবিত্ত সমাজের জীবনযাত্রা ও মনস্তত্ত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
উদাহরণ ২: জহির রায়হানের ছোটগল্প 'সূর্যগ্রহণ'।
ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পটভূমিতে রচিত একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাষা আন্দোলনের কথা — এই অপশনটি সঠিক কারণ উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
B) বসন্তকালের কথা — এই অপশনটি ভুল কারণ 'ফাল্গুন' ঋতুভিত্তিক হলেও উপন্যাসটি কোনো ঋতু বা প্রকৃতির বর্ণনা নিয়ে লেখা নয়, এটি রাজনৈতিক উপন্যাসের অন্তর্ভুক্ত।
C) শীতকালের কথা — এই অপশনটি ভুল কারণ আবহাওয়া বা শীতকাল এই উপন্যাসের মূল আলোচ্য বিষয় বা প্রেক্ষাপট নয়।
D) মুক্তিযুদ্ধের কথা — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি সরাসরি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, বরং ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
জহির রায়হান ভাষা আন্দোলনের ওপর ভিত্তি করে 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাস লিখেছেন।
ফাল্গুন মাসেই একুশে ফেব্রুয়ারি তথা ভাষা আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল বলে এভাবে মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জহির রায়হানের উপন্যাস এবং তার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে 'আরেক ফাল্গুন' অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নাম।
সঠিক উত্তর: D) বাংলা একাডেমি
১. কেন সঠিক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা কারাগারের রোজনামচা গ্রন্থটি বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়েছে।
- গ্রন্থটির সম্পাদক ছিলেন অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান এবং এটি ২০১৭ সালের মার্চ মাসে প্রথম প্রকাশিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক ও জেলজীবনভিত্তিক ঐতিহাসিক গ্রন্থ।
- এই গ্রন্থে ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত কারাগারে বন্দি থাকাকালীন সময়ের দিনলিপি বা অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী
ব্যাখ্যা: এটিও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা একটি বিখ্যাত গ্রন্থ এবং এটিও বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: আমার দেখা নয়াচীন
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর চীন ভ্রমণের ওপর রচিত গ্রন্থ এবং এটিও বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রকাশিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ — এই প্রতিষ্ঠান বন্দিদের নিরাপত্তা ও প্রশাসন দেখভাল করে তবে এই গ্রন্থ প্রকাশ করেনি।
B) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ — এটি একটি রাজনৈতিক দল যারা এই গ্রন্থ প্রকাশের সাথে সরাসরি যুক্ত নয়।
C) শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি এই ঐতিহাসিক গ্রন্থটির লেখক কিন্তু প্রকাশক নন।
D) বাংলা একাডেমি — এই প্রতিষ্ঠানটি গ্রন্থটির প্রকাশক যা সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী ও রোজনামচা সংক্রান্ত বেশিরভাগ ঐতিহাসিক গ্রন্থ বাংলা একাডেমি প্রকাশ করেছে। তাই প্রকাশক হিসেবে বাংলা একাডেমির নাম মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কারাগারের রোজনামচা গ্রন্থের সাল, রচয়িতা এবং প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একই ধরনের অন্য গ্রন্থ যেমন অসমাপ্ত আত্মজীবনী এর প্রকাশকাল ও প্রকাশক সম্পর্কেও ধারণা রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) নেমেসিস
১. কেন সঠিক:
- নেমেসিস হলো বিখ্যাত নাট্যকার নূরুল মোমেন রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রশংসিত নাটক।
- এই নাটকে তৎকালীন সমাজের নানা অসঙ্গতি, নৈতিক অবক্ষয় এবং মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- নূরুল মোমেন বাংলাদেশের নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে একজন আধুনিক নাট্যকার হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত ও সম্মানিত।
- তার রচিত নেমেসিস নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক বাস্তবতার এক অনন্য সংযোজন হিসেবে পরিগণিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নেপথ্য নাটক
ব্যাখ্যা: এটিও নূরুল মোমেন রচিত অন্যতম একটি পরিচিত ও উল্লেখযোগ্য নাটক।
উদাহরণ ২: ভাই ভাই দুই বোন
ব্যাখ্যা: এটি নূরুল মোমেন রচিত আরেকটি সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নবান্ন — এটি নাট্যকার বিজাণ ভট্টাচার্য রচিত একটি ঐতিহাসিক ও জনবহুল গণনাট্য।
B) নেমেসিস — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি নূরুল মোমেন রচিত বিখ্যাত নাটক।
C) কৃষ্ণকুমারী — এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক যার রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
D) জমিদার দর্পণ — এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত ও প্রতিবাদী সামাজিক নাটক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নূরুল মোমেনের নামের প্রথম অক্ষর ন এবং তার বিখ্যাত নাটক নেমেসিসের প্রথম অক্ষরও ন, এভাবে খুব সহজে মনে রাখা যায়।
- নাটক মনে রাখার জন্য লেখকের নামের সঙ্গে নাটকের নামের মিল খোঁজা একটি ভালো কৌশল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাট্যকার নূরুল মোমেন থেকে প্রায়ই নেমেসিস নাটকটি সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত নাট্যকার ও তাদের বিখ্যাত নাটকগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
- 'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়' চরণটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য প্রণেতা মাইকেল মধুসূদন দত্তের পূর্ববর্তী যুগের অন্যতম প্রধান কবি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মাবতী' নাটকের বা তাঁর বিখ্যাত কাব্যের একটি অমর পঙ্ক্তি।
- প্রশ্নটিতে মূলত পরাধীনতার গ্লানি থেকে মুক্তির আকূতি প্রকাশ করা হয়েছে এবং বাঙালি জাতির মনে স্বাধীনতার চেতনা জাগানোর ক্ষেত্রে এই চরণের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন উনিশ শতকের নবজাগরণের সময়ের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক যিনি মূলত দেশপ্রেম ও স্বাধীনতার বাণী প্রচারের জন্য বিখ্যাত।
- তাঁর রচিত 'পদ্মাবতী' নাটক বা তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থে দেশপ্রেমের সুর স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে যা পরবর্তীকালের বাংলা সাহিত্যকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কে বাঁচিতে চায় হে কে বাঁচিতে চায়, স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়।
ব্যাখ্যা: এই পঙ্ক্তিটি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত দেশাত্মবোধক কবিতার মূল সুর প্রকাশ করে যেখানে পরাধীনতার জীবনকে মৃত্যুর সমান বলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: স্বাধীনতার সুখ কার না ভালো লাগে।
ব্যাখ্যা: এটি সাধারণ বাক্যে স্বাধীনতার গুরুত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতার মূল ভাবের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — ইনি উনবিংশ শতকের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক হলেও আলোচ্য পঙ্ক্তিটির রচয়িতা নন।
B) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি একজন দেশপ্রেমিক কবি হলেও এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি তাঁর কোনো রচনা থেকে নেওয়া হয়নি।
C) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর কোনো ভুল বা অসংগতি নেই।
D) মধুসূদন দত্ত — ইনি বাংলা মহাকাব্যের প্রণেতা হলেও এই নির্দিষ্ট পঙ্ক্তিটির স্রষ্টা রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- স্বাধীনতা হীনতার কথা এলেই রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম মনে রাখবে কারণ তাঁর কবিতাতেই প্রথম স্বাধীনতার জয়গান স্পষ্টভাবে উচ্চারিত হয়েছিল।
- কবি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই একসঙ্গে আসে তাই এটি মুখস্থ রাখা নিরাপদ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই ধরনের সাহিত্যিক উদ্ধৃতিগুলো বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার আসে তাই বিখ্যাত কবিদের বিখ্যাত পঙ্ক্তিগুলো আলাদা করে নোট করে রাখা উচিত।
- প্রশ্ন সমাধানের সময় লেখকের মূল ভাব এবং তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নামগুলো ভালোভাবে মিলিয়ে দেখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) শেষের কবিতা
১. কেন সঠিক:
- শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা মূলত রোমান্টিক প্রেমের মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন নিয়ে রচিত এবং এর পটভূমিতে কোনো মুক্তিযুদ্ধ বা ১৯৭১ সালের ঘটনা নেই।
- বাংলা সাহিত্যে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে যে সমস্ত উপন্যাস রচিত হয়েছে, সেগুলোকে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিকদের একজন এবং শেষের কবিতা তাঁর একটি অনন্য সৃষ্টি যা প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে।
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অমিত রায় ও লাবণ্য দত্ত, যেখানে প্রথাগত প্রেমের ধারণার বাইরে এক নতুন বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পর্কের রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রুবাইয়াৎ উপন্যাসের পটভূমি মুক্তিযুদ্ধ।
ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি কালজয়ী উপন্যাস।
উদাহরণ ২: একাত্তরের দিনগুলি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতিকথা।
ব্যাখ্যা: জাহানারা ইমাম রচিত এই গ্রন্থটিতে মুক্তিযুদ্ধের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাঙর নদী গ্রেনেড — এটি সেলিনা হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, তাই এটি উত্তর হবে না।
B) স্টপ জেনোসাইড — এটি জহির রায়হান নির্মিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র হলেও অপশনের বিন্যাসে এটি এই ধারার সঙ্গেই সম্পৃক্ত, তাই এটি সঠিক নয়।
C) জোছনা ও জননীর গল্প — এটি হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি বিশাল কলেবরের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, তাই এটি উত্তর হতে পারে না।
D) শেষের কবিতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি রোমান্টিক উপন্যাস এবং এর সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের কোনো সম্পর্ক নেই, তাই এটিই সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯৪১ সালে মারা গেছেন, অথচ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১ সালে সংঘটিত হয়েছে।
- তাই রবীন্দ্রনাখ ঠাকুরের কোনো উপন্যাসই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক হতে পারে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস চেনার জন্য লেখকদের নাম ও রচনার প্রেক্ষাপট ভালোভাবে পড়তে হবে।
- সেলিনা হোসেন, আনোয়ার পাশা, শওকত ওসমান ও হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) বঙ্গদর্শন
১. কেন সঠিক:
বঙ্গদর্শন পত্রিকাটির সঙ্গে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত কারণ তিনি নিজেই এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের নবজাগরণে এবং মননশীল প্রবন্ধ ও মানসম্মত উপন্যাসের প্রসারে এই পত্রিকার ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ।
তার সম্পাদনায় বঙ্গদর্শন পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় বাংলা ১২৭৯ সালের বৈশাখ মাসে অর্থাৎ ১৮৭২ সালের এপ্রিল মাসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা বঙ্গদর্শন পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল।
উদাহরণ ২: কৃষ্ণকান্তের উইল
ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্রের এই বিখ্যাত উপন্যাসটিও বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা বাজার — এটি কোনো বিখ্যাত ঐতিহাসিক সাহিত্য পত্রিকার নাম নয়, বরং এটি একটি জায়গার নাম।
B) বঙ্গবাসী — এটি যোগেন্দ্রচন্দ্র বসু দ্বারা প্রকাশিত একটি বিখ্যাত সাপ্তাহিক পত্রিকা, বঙ্কিমচন্দ্রের সম্পাদিত পত্রিকা নয়।
C) সবুজপত্র — এটি প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত বাংলা চলিত রীতির বাহক একটি বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা।
D) বঙ্গদর্শন — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক সম্পাদিত ঐতিহাসিক সাহিত্য পত্রিকা।
৫. মনে রাখার টিপস:
বঙ্কিমের ব এবং বঙ্গদর্শনের ব মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে বঙ্কিমচন্দ্র বঙ্গদর্শন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
এছাড়া বঙ্গদর্শন পত্রিকা প্রকাশের সালটি মনে রাখতে ১৮৭২ সালটি বিশেষভাবে খেয়াল রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বঙ্গদর্শন কত সালে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রথম সম্পাদক কে।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পাশাপাশি পরবর্তীতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও এই পত্রিকা সম্পাদনা করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
১. কেন সঠিক:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোরের কপোতাক্ষ নদীতীরের সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার প্রবক্তা এবং মহাকাব্যের প্রণেতা হিসেবে এই জন্মস্থানটি অত্যন্ত পরিচিত ও তাৎপর্যপূর্ণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক হিসেবে অমর হয়ে আছেন।
- তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য এবং প্রহ্সন একেই কি বলে সভ্যতা ও বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিলোম্তাভ সম্ভব কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর কবি প্রতিভার পরিচয় দেয়।
উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মধুসূদন দত্তের রচিত পত্রকাব্য যা বাংলা সাহিত্যে একটি অনন্য সংযোজন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
B) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি একজন প্রখ্যাত আধুনিক কবি ও প্রাবন্ধিক হলেও সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেননি।
C) সুকান্ত ভট্টাচার্য — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন মার্ক্সবাদী কিশোর কবি যিনি গোপালগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন।
D) সমরেশ বসু — তিনি বিশ শতকের একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক যিনি অবিভক্ত বাংলার বিক্রমপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সাগরদাঁড়ি গ্রাম আর কপোতাক্ষ নদ এ দুটি নাম একসঙ্গে মনে রাখলে মাইকেল মধুসূদন দত্তকে সহজে মনে রাখা যায়।
- মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান মনে রাখার জন্য তাঁর শৈশবের কপোতাক্ষ নদের স্মৃতির সঙ্গে গ্রামটিকে যুক্ত করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি-সাহিত্যিকদের জন্মস্থান ও জন্মতারিখ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লেখকদের জন্মগ্রাম বা জন্মস্থান সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে তাদের বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের পটভূমি পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
- বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত বা পিতৃপ্রদত্ত নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।
- সাহিত্যচর্চার জন্য তিনি ছদ্মনাম বা তার আসল নামের বদলে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় নামটি ব্যবহার করতেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা আধুনিক উপন্যাসের অন্যতম প্রধান নির্মাতা ও কল্লোল যুগের বিশিষ্ট লেখক।
- ১৯০৮ সালের ১৯ মে বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকায় তাঁর জন্ম এবং ১৯৫৬ সালের ৩ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দিবারাত্রির কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: পদ্মার নদী মাঝি
ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত প্রখ্যাত সামাজিক ও বাস্তবধর্মী উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হরিহর বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক নয় কারণ এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতার নাম, তাঁর নিজের নাম নয়।
B) রতন বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক নয় কারণ লেখকের পরিবারের সাথে সম্পর্কিত কোনো বিখ্যাত সাহিত্যিক নাম এটি নয়।
C) প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর।
D) জ্যোতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক নয় কারণ এটি কোনো পরিচিত সাহিত্যিকের নাম বা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- লেখকের নামের প্রথম অক্ষর 'প' দিয়ে মনে রাখতে পারো যে তাঁর পিতৃপ্রদত্ত নাম শুরু হয়েছে 'প্রবোধকুমার' দিয়ে।
- কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় আসল নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় হলেও তিনি মানিক নামেই বেশি পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের প্রকৃত নাম বা ছদ্মনাম প্রায়ই আসে।
- প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল এবং কালীপ্রসন্ন সিংহের ছদ্মনাম হুতোম পেঁচা, এই ধরনের তথ্যগুলোও ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) আবদুল গাফফার চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির গীতিকার বা রচয়িতা আবদুল গাফফার চৌধুরী।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত এই গানটি বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান প্রেরণা।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আবদুল গাফফার চৌধুরী ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক, কলামিস্ট ও সাহিত্যিক।
- ভাষা আন্দোলনের পর ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সংকলনে গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির সুরকার আলতাফ মাহমুদ।
ব্যাখ্যা: আবদুল গাফফার চৌধুরী গানটি রচনা করার পর প্রথমে আব্দুল লতিফ এবং পরবর্তীতে আলতাফ মাহমুদ বর্তমানের জনপ্রিয় সুরটি করেন।
উদাহরণ ২: 'একুশ মানে মাথা না নোয়াখানা' কবিতার রচয়িতা আবু হেনা মোস্তফা কামাল।
ব্যাখ্যা: এটিও ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যা একুশের চেতনাকে ধারণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবদুল গাফফার চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনিই এই বিখ্যাত গানটির রচয়িতা।
B) খান আতাউর রহমান — তিনি এই গানের অন্যতম সুরকার এবং চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব, তবে রচয়িতা নন।
C) আলতাফ মাহমুদ — তিনি এই গানটির কালজয়ী সুরকার, গীতিকার নন।
D) ফজল-এ-খোদা — তিনি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক অন্য একটি বিখ্যাত গান 'سلام سلام হাজার سلام' এর রচয়িতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- গান রচনা করেছেন গাফফার চৌধুরী এবং সুর দিয়েছেন আলতাফ মাহমুদ।
- রচয়িতা ও সুরকার গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আব্দুল লতিফ এবং দ্বিতীয় তথা চূড়ান্ত সুরকার আলতাফ মাহমুদ।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রচয়িতা ও সুরকার সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
১. কেন সঠিক:
মঙ্গল কাব্যের ধারাটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি প্রধান শাখা, যার শেষ কবি হিসেবে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর স্বীকৃত। তাঁর বিখ্যাত কাব্য 'অন্নদামঙ্গল' মধ্যযুগের মঙ্গল কাব্য ধারার সর্বশেষ ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ছিলেন অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যযুগের কবি এবং কৃষ্ণনগর রাজসভার কবি কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের সভাকবি। তাঁর রচিত 'অন্নদামঙ্গল' কাব্য তিন অংশে বিভক্ত, যার মধ্যে বিদ্যাসুন্দর অংশটি অত্যন্ত জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল এবং তিনি রাজকীয় উপাধি পেয়েছিলেন রায়গুণাকর।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের সবচেয়ে বিখ্যাত ও মঙ্গল কাব্যের ধারার শেষ উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি।
উদাহরণ ২: বিদ্যাসুন্দর পালা।
ব্যাখ্যা: এটি অন্নদামঙ্গল কাব্যেরই একটি অংশ যা মধ্যযুগের প্রণয়ধর্মী আখ্যান হিসেবে অত্যন্ত সমাদৃত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বিজ বংশীদাস — ইনি মনসামঙ্গল কাব্যের একজন প্রাচীন ও প্রখ্যাত কবি ছিলেন, তাই তিনি শেষ কবি নন।
B) চন্দ্রাবতী — ইনি ষোড়শ শতাব্দীর প্রথম বাঙালি নারী কবি হিসেবে রামায়ণ ও মলুয়া পালার জন্য বিখ্যাত।
D) কানাহরি দত্ত — ইনি মনসামঙ্গল কাব্যের একজন আদি পর্বের কবি ছিলেন, শেষ কবি নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
মঙ্গল কাব্যের ইতি টেনেছেন রায়গুণাকর, ভারতচন্দ্র তাঁর নাম ধরে রাখো সবার। এভাবে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সহজে উত্তর করা যাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের শেষ কবি বা শেষ মঙ্গল কাব্য কোনটি, তা প্রায়ই আসে। ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ছিলেন অষ্টাদশ শতাব্দীর কবি এবং তাঁর উপাধি ছিল রায়গুণাকর।
সঠিক উত্তর: B) আরেক ফাল্গুন
১. কেন সঠিক:
- আরেক ফাল্গুন উপন্যাসটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত প্রথম সার্থক উপন্যাস।
- কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনা ও এর পরবর্তী রাজনৈতিক আন্দোলনের বাস্তব চিত্র এই উপন্যাসে ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উপন্যাসের রচিয়তা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান।
- এটি ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির শহীদদের স্মরণে এবং পরবর্তী সময়ে বন্দিদশার পটভূমিতে রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন উপন্যাসটির প্রধান চরিত্রগুলোর মধ্যে মাজেদা ও মুনীর অন্যতম।
ব্যাখ্যা: এই চরিত্রগুলোর মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোতে সাধারণ মানুষের সংগ্রাম ও ত্যাগের বাস্তব রূপ প্রকাশ পেয়েছে।
উদাহরণ ২: জহির রায়হানের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস বরফ গলা নদী।
ব্যাখ্যা: এটি সমাজ বাস্তবতার ওপর লেখা হলেও আরেক ফাল্গুন সরাসরি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাঙর নদী গ্রেনেড — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নয়।
B) আরেক ফাল্গুন — এটি ভাষা আন্দোলন বিষয়ক উপন্যাস বিধায় সঠিক উত্তর।
C) জীবন ঘষে আগুন — এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি আত্মজীবনীমূলক বা ভিন্ন প্রেক্ষাপটের রচনা, ভাষা আন্দোলনের উপন্যাস নয়।
D) কবর — এটি মুনীর চৌধুরী রচিত একটি বিখ্যাত নাটক, কোনো উপন্যাস নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ভাষা আন্দোলনের মাস ফাল্গুন, তাই ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাসটি হবে আরেক ফাল্গুন।
- জহির রায়হানের নামের সঙ্গে ফাল্গুন শব্দ যুক্ত করে এটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম উপন্যাস কোনটি, তা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- একই রকমভাবে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলোর নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) জীবন-ক্ষুধা
১. কেন সঠিক:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে মূলত বিদ্রোহী কবি ও প্রাবন্ধিক হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি তিনটি উপন্যাস রচনা করেছেন।
- প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে জীবন-ক্ষুধা নামটি কিছুটা মিল থাকলেও এটি কাজী নজরুল ইসলামের কোনো উপন্যাস নয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মূলত তিনটি উপন্যাস রচনা করেছেন, যার নামগুলো হলো বাঁধন-হারা, মৃত্যুক্ষোধা এবং কুহেলিকা।
- তার উপন্যাসগুলো মূলত সমসাময়িক সমাজবাস্তবতা, তারুণ্যের বিদ্রোহী চেতনা এবং রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামের পটভূমিতে রচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাঁধন-হারা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত একটি epistolary বা পত্রোপন্যাস।
উদাহরণ ২: মৃত্যুক্ষোধা
ব্যাখ্যা: এটি কবির অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সামাজিক উপন্যাস, যেখানে কলকাতার দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রা ও সংগ্রাম চিত্রায়িত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মৃত্যু ক্ষোধা - এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, তাই এটি সঠিক উত্তরের চাহিদা পূরণ করে না।
B) জীবন-ক্ষুধা - এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত কোনো উপন্যাস নয়, বরং এটি তার একটি বিভ্রান্তিকর নাম মাত্র।
C) বাঁধন-হারা - এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস, যা পত্রাকারে রচিত হয়েছে।
D) কুহেলিকা - এটি কাজী নজরুল ইসলামের রাজনৈতিক পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত তৃতীয় উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের তিনটি উপন্যাস মনে রাখার সহজ সূত্র হলো বাঁ থেকে মৃত্যু ও কুহেলিকা, অর্থাৎ বাঁধন-হারা, মৃত্যুক্ষোধা এবং কুহেলিকা।
- জীবন-ক্ষুধা নামটি দেখতে মিল মনে হলেও এটি নজরুলের লেখার তালিকায় নেই।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নজরুলের উপন্যাস কয়টি এবং কী কী তা জানতে চাওয়া হয়।
- কবি কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস সংখ্যা মাত্র তিনটি, তাই এই নামগুলো মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) up
কেন সঠিক:
- Look up একটি Appropriate Preposition বা Group Verb, যার অর্থ হলো অভিধান বা কোনো বই থেকে কোনো তথ্য খোঁজা।
- এখানে ডিকশনারি বা অভিধানের শব্দ খোঁজার কথা বলা হয়েছে বলে সঠিক উত্তরটি up হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) after — Look after অর্থ দেখাশোনা করা, যা অভিধানের শব্দ খোঁজার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) up — এটি সঠিক উত্তর কারণ Look up অর্থ অভিধান বা তালিকা থেকে কোনো শব্দ বা তথ্য খুঁজে বের করা।
সি) into — Look into অর্থ কোনো কিছু তদন্ত বা অনুসন্ধান করা, যা ডিকশনারির শব্দের ক্ষেত্রে খাটে না।
D) for — Look for অর্থ কোনো হারিয়ে যাওয়া বস্তু বা ব্যক্তির সন্ধান করা, যা শব্দের অর্থ খোঁজার সঙ্গে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
অভিধান বা বইয়ের পাতা উল্টিয়ে শব্দের অর্থ খোঁজা অর্থে नेहमी Look up ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) lest
কেন সঠিক:
- 'Lest' একটি conjunction, যার অর্থ "পাচছে এই ভয়ে যে" বা "নতুবা"।
- Lest-এর পরে সাধারণত should বা base form বসে এবং এটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) or — এটি বিকল্প বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এখানে ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয়।
B) so that — এর অর্থ "যাতে", যা ইতিবাচক উদ্দেশ্য প্রকাশ করে কিন্তু এখানে ভয়ের কথা বলা হয়েছে।
C) lest — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ এমন যেন ব্যর্থ না হই।
D) unless — এর অর্থ "যদি না", যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসালে অর্থের কোনো মিল হয় না।
মনে রাখার টিপস:
Lest-এর পরে সবসময় should বসে এবং বাক্যে অতিরিক্ত কোনো not বা negative শব্দ বসে না।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ (শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ)
সঠিক উত্তর: C) Self-effacing
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত প্রশ্নে 'Narcissism' শব্দের অর্থ হলো অতিরিক্ত আত্মপ্রীতি বা আত্মম্ভরি, যার সঠিক বিপরীতার্থক বা বিপরীত ভাব প্রকাশকারী শব্দ হলো 'Self-effacing' বা বিনয়ী।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Arrogance — এটি অহংকার বা ঔদ্ধত্য বোঝায়, যা 'Narcissism' শব্দের সমার্থক এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তরের বিপরীত।
B) Graceful — এর অর্থ লাবণ্যময় বা সুন্দর, যা প্রশ্নোক্ত শব্দের ভাবার্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
C) Self-effacing — এর অর্থ প্রচারবিমুখ বা বিনয়ী, যা 'Narcissism' বা আত্মপ্রীতির বিপরীত ভাব প্রকাশ করায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত।
D) Dignity — এর অর্থ মর্যাদা বা সম্মান, যা আত্মমর্যাদাবোধ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু সরাসরি আত্মম্ভরিতার বিপরীত নয়।
মনে রাখার টিপস:
'Narcissism' মানে নিজেকে অতিরিক্ত ভালোবাসা (আত্মম্ভরি), আর 'Self-effacing' মানে নিজেকে প্রচারের আলো থেকে দূরে রাখা বা বিনয়ী হওয়া।
সঠিক উত্তর: D) malignant
কেন সঠিক:
- Benign শব্দটির অর্থ হলো মৃদু, হিতকর বা প্রীতিকর।
- Malignant শব্দটির অর্থ হলো ক্ষতিকর, মারাত্মক বা অনিষ্টকর, যা Benign শব্দটির বিপরীতার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) beneficial — এটি Benign শব্দটির সমার্থক শব্দ, যার অর্থ উপকারী।
B) peaceful — এটি শান্ত বা শান্তিপূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে, যা সঠিক বিপরীত শব্দ নয়।
C) blessed — এটি আশীর্বাদপুষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, যা সঠিক বিপরীত শব্দ নয়।
D) malignant — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ক্ষতিকর বা মারাত্মক অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Benign শব্দটিকে মনে রাখতে পারেন Beneficial এর সাথে মিলিয়ে এবং Malignant শব্দটি মনে রাখতে পারেন Mal (খারাপ) উপসর্গ দিয়ে।
সঠিক উত্তর: A) Preposition
কেন সঠিক:
- বাক্যে but শব্দটি except বা besides এর অর্থ প্রদান করেছে, যার অর্থ হলো ব্যতিরেকে।
- preposition সাধারণত noun বা pronoun এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Preposition — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে but শব্দটি except এর অর্থে ব্যবহৃত হয়ে noun phrase এর পূর্বে বসেছে।
B) Adjective — adjective কোনো noun বা pronoun এর দোষ গুণ অবস্থা প্রকাশ করে, কিন্তু এখানে but কোনো বিশেষণের কাজ করছে না।
C) Conjunction — conjunction দুটি শব্দ বা clause কে যুক্ত করে, কিন্তু এখানে but কোনো সংযোগকারী অব্যয়ের কাজ করছে না।
D) Adverb — adverb কোনো verb, adjective বা অন্য adverb কে modify করে, কিন্তু এখানে but সেটির কাজ করছে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে but এর পরিবর্তে except বা besides বসানো গেলে এবং তার পরে noun বা pronoun থাকলে সেটি সবসময় Preposition হয়।
সঠিক উত্তর: D) bounden
কেন সঠিক:
- 'Bounden' শব্দটি মূলত একটি প্রাচীন বা বিশেষায়িত বিশেষণ (Adjective), যা কোনো ক্রিয়া (Verb) নয়।
- এটি সাধারণত নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে যেমন bounden duty (আবশ্যকীয় কর্তব্য) অর্থে বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) threaten — এটি একটি ভার্ব, যার অর্থ হুমকি দেওয়া বা ভয় দেখানো।
B) worsen — এটি একটি ভার্ব, যার অর্থ অবনতি হওয়া বা খারাপ করা।
C) flatter — এটি একটি ভার্ব, যার অর্থ তোষামোদ করা বা অতিরিক্ত প্রশংসা করা।
D) bounden — এটি কোনো ভার্ব নয়, বরং এটি bind ভার্বের পুরোনো রূপ যা বর্তমানে মূলত বিশেষণ হিসেবে বসে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে en থাকলেই তা সবসময় ভার্ব হয় না, যেমন bounden একটি বহুল ব্যবহৃত বিশেষণ।
সঠিক উত্তর: A) with
কেন সঠিক:
- কোনো noun-কে নির্দিষ্ট করার জন্য infinitive (to write) ব্যবহার করা হলে এবং তার মাধ্যমে লেখার মাধ্যম বোঝানো হলে সঠিক preposition হিসেবে with বসে।
- কলম দিয়ে লেখার ক্ষেত্রে pen-এর পূর্বে বা লেখার উপকরণের সঙ্গে with preposition ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) with — এটি সঠিক উত্তর কারণ pen হলো লেখার মাধ্যম এবং with মাধ্যমের ক্ষেত্রে বসে।
B) to — এটি সাধারণত দিক, গন্তব্য বা প্রাপ্তিস্থান বোঝাতে বসে, তাই লেখার উপকরণের সঙ্গে বসে না।
C) for — এটি উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে বসে, কিন্তু এখানে লেখার মাধ্যম বোঝানো হয়েছে।
D) on — এটি কোনো কিছুর ওপর স্পর্শ করে অবস্থান করা বা কোনো পৃষ্ঠদেশ বোঝাতে বসে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো যন্ত্র বা উপকরণ দিয়ে কিছু করার ক্ষেত্রে সর্বদা with preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Should be vaccinated
কেন সঠিক:
- বাক্যের সাবজেক্ট 'Everyone' নিজে টিকা দিতে পারে না, বরং তাকে টিকা দেওয়া হবে তাই বাক্যটি প্যাসিভ ফর্মে হবে।
- উচিত অর্থে should এবং প্যাসিভ ফর্ম বোঝাতে be এর সাথে ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল vaccinated ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Must vaccinate — এটি একটি অ্যাক্টিভ ফর্ম, যার অর্থ সবাই অবশ্যই টিকা দেবে, কিন্তু সাবজেক্ট নিজে কাজ করছে না।
B) Should be vaccinated — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্যাসিভ অর্থে উপযুক্ত পরামর্শ প্রকাশ করছে।
C) Should vaccinate — এটি অ্যাক্টিভ ফর্ম হওয়ায় ভুল, কারণ টিকা দেওয়ার কাজটি সাবজেক্টের ওপর করা হচ্ছে।
D) Vaccinates — এটি প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সের অ্যাক্টিভ রূপ, যা এখানে অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ বেমানান।
মনে রাখার টিপস:
সাবজেক্ট যদি নিজে কাজ না করে অন্যের কাজ গ্রহণ করে, তবে মডাল ভার্বের পর be এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসে।
সঠিক উত্তর: D) an epic
কেন সঠিক:
- জন মিল্টনের বিখ্যাত মহাকাব্য বা এপিক হলো প্যারাডাইস লস্ট, যা মূলত ব্লাংক ভার্সে রচিত।
- এটি মূলত বাইবেলের আদিপুস্তকের ওপর ভিত্তি করে শয়তানের প্রলোভন ও মানবজাতির পতন নিয়ে রচিত একটি দীর্ঘ কবিতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a satire — এটি কোনো ব্যঙ্গাত্মক রচনা নয়, বরং একটি গম্ভীর বিষয়বস্তুর মহাকাব্য।
B) a tragedy — এটি কোনো নাটকীয় ট্র্যাজেডি নয়, বরং মহাকাব্যিক ধারার একটি দীর্ঘ কবিতা।
C) a ballad — এটি কোনো লোকগীতি বা গাথা কবিতা নয়, এর পরিধি ও বিষয়বস্তু অনেক বিশাল।
D) an epic — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি ধ্রুপদী মহাকাব্য।
মনে রাখার টিপস:
মিল্টনের প্যারাডাইস লস্ট দেখলে মনে রাখবে এটি একটি মহাকাব্য বা এপিক।
সঠিক উত্তর: B) He is used to working hard.
কেন সঠিক:
- 'Be used to' এর পরে verb আসলে তার সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
- এখানে 'is used to' এর পরে 'working' ব্যবহৃত হওয়ায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He is used to work hard. — 'is used to' এর পরে verb এর বেস ফর্ম বসে না, ing ফর্ম বসে।
B) He is used to working hard. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল।
C) He used to working hard. — 'used to' এর আগে কোনো be verb না থাকলে সরাসরি verb এর base form বসে, ing বসে না।
D) He has used to work hard. — এই গঠনে 'has' ব্যবহারের ফলে বাক্যটির অর্থ ও ব্যাকরণগত কাঠামো ভুল হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে be verb (am, is, are, was, were) এর পর 'used to' থাকলে পরের verb এর সাথে অবশ্যই ing যোগ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) Let not a mistake be made about me.
কেন সঠিক:
- মূল বাক্যটি একটি Negative Imperative Sentence হওয়ায় Passive করার সময় প্রথমে Let not বসে।
- এরপর মূল অবজেক্ট (a mistake), তারপর be এবং মূল verb-এর Past Participle (made) বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Let a mistake be not made about me. — এখানে 'not' শব্দটির অবস্থান ভুল জায়গায় রয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
B) A mistake is not made about me. — এটি একটি Assertive Sentence-এর গঠন, যা Imperative Sentence-এর সঠিক Passive রূপ নয়।
C) Let not a mistake be made about me. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী গঠিত।
D) I should not be made a mistake. — এর অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যায় এবং সাবজেক্টের ব্যবহার এখানে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Negative Imperative Sentence-কে Active থেকে Passive করার সময় "Let not + object + be + verb-এর V3" গঠনটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) populous
কেন সঠিক:
- 'People' শব্দের অর্থ জনগন বা লোকসংখ্যা, যার বিশেষণ বা adjective রূপ হলো 'populous', যার অর্থ জনবহুল।
- noun এর সঙ্গে নির্দিষ্ট suffix যোগ করে adjective গঠন করা হয়, এখানে 'people' এর সঙ্গে 'ous' যুক্ত হয়ে এই রূপটি গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) popularity — এটি একটি noun, যার অর্থ জনপ্রিয়তা। তাই এটি adjective এর সঠিক রূপ নয়।
B) popularly — এটি একটি adverb, যার অর্থ জনপ্রিয়ভাবে। তাই এটি adjective হিসেবে বসতে পারে না।
C) popularize — এটি একটি verb, যার অর্থ জনপ্রিয় করে তোলা। তাই এটি adjective এর ঘরে প্রযোজ্য নয়।
D) populous — এটি সঠিক adjective রূপ, যার অর্থ জনবহুল বা ঘনবসতিপূর্ণ।
মনে রাখার টিপস:
noun শব্দটির শেষে ous যোগ করে প্রায়ই adjective বা বিশেষণে রূপান্তর করা হয়, যেমন- fame থেকে famous এবং people থেকে populous।
সঠিক উত্তর: D) My friend proposed to me that we should leave the place.
কেন সঠিক:
- রিপোর্টিং স্পিচে Let us থাকলে ন্যারেশনের নিয়মে proposed to এবং that-এর পরে we should ব্যবহার করতে হয়।
- বক্তা এবং শ্রোতা উভays অন্তর্ভুক্ত থাকায় we should leave the place গঠনটি সঠিক হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) My friend proposed to me that to me that they should leave the place. — এখানে অতিরিক্ত to me ব্যবহার করায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে।
B) My friend wished me that we might leave the place. — Let দিয়ে প্রস্তাব বোঝানো হলে wish না হয়ে propose বা suggest ব্যবহার করতে হয়।
C) My friend suggested that I should leave the place — Let us দ্বারা বক্তা ও শ্রোতা উভয়কে বোঝালেও এখানে শুধু I ব্যবহার করায় অর্থ অসম্পূর্ণ হয়েছে।
D) My friend proposed to me that we should leave the place. — এটি সঠিক উত্তর, কারণ নিয়ম অনুযায়ী প্রস্তাব বোঝাতে proposed to এবং we should সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Direct Speech-এ Let us থাকলে Indirect করার সময় subject-এর পরে proposed to বসবে এবং that-এর পর we should ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) resteurant
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বানানটি ভুল কারণ এর সঠিক রূপ হলো restaurant।
- শব্দটির মাঝে 'au' এর জায়গায় ভুলভাবে 'eu' ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) headache — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এর অর্থ মাথা ব্যথা।
B) miser — এই বানানটি সঠিক এবং এর অর্থ কৃপণ ব্যক্তি।
C) recommend — এই বানানটি সঠিক এবং এর অর্থ সুপারিশ করা।
D) resteurant — এটি ভুল বানান, এর সঠিক বানান হলো restaurant।
মনে রাখার টিপস:
restaurant বানানটি মনে রাখতে rest এবং aurant এভাবে ভেঙে পড়তে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) a personification
কেন সঠিক:
- উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের 'হ্যামলেট' নাটকের এই উক্তিতে 'frailty' বা দুর্বলতাকে মানবীয় গুণ বা নারী চরিত্রের রূপ হিসেবে সরাসরি আরোপ করা হয়েছে।
- কোনো নির্জীব বা বিমূর্ত ধারণাকে মানবীয় রূপ দেওয়া বা দোষ-গুণ আরোপ করার সাহিত্যিক অলংকারকে পারসোনিফিকেশন বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a symbol — এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রতীক বা চিহ্নের সাহায্যে গভীর কোনো অর্থ প্রকাশ করছে না।
B) a personification — এটি সঠিক কারণ বিমূর্ত দুর্বলতাকে মানুষের চরিত্রের প্রতীক হিসেবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
C) a conceit — এটি সুদূরপ্রসারী বা জটিল কোনো রূপক তুলনা নয়, যা সাধারণত মেটাফিজিক্যাল কবিতায় দেখা যায়।
D) a metaphor — এটি সাধারণ রূপক নয় কারণ এখানে সরাসরি 'thy name is woman' বলে মানুষের রূপ বা সত্তা হিসেবে কল্পনা করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বিমূর্ত গুণ বা ধারণাকে যখন মানুষ বা প্রাণীর মতো দোষ-গুণ সম্পন্ন বলে কল্পনা করা হয়, তখন তাকে পারসোনিফিকেশন মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) Hue
কেন সঠিক:
- এটি একটি বিখ্যাত ইংরেজি প্রবাদ যার পূর্ণরূপ হলো Black will take no other hue অর্থাৎ কয়লা ধুইলেও ময়লা যায় না।
- এখানে Hue শব্দটি রং বা বর্ণ পরিবর্তনের অক্ষমতা বোঝাতে বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) cream — এটি প্রবাদের প্রচলিত শব্দ নয় এবং এখানে রঙের প্রসঙ্গ বোঝাতে এটি মানানসই নয়।
B) dirt — এটি সাধারণ ময়লা অর্থে ব্যবহৃত হলেও প্রবাদের কাঠামোর সঙ্গে এই শব্দটির মিল নেই।
C) Hue — এটি সঠিক শব্দ যা প্রবাদটির ভাবার্থ নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে।
D) form — এটি আকৃতি বা রূপ বোঝায় কিন্তু প্রবাদের অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Black শব্দের সঙ্গে প্রবাদে সাধারণত Hue যুক্ত হয় যার অর্থ স্বভাব সহজে বদলায় না।
সঠিক উত্তর: B) past participle
কেন সঠিক:
- এখানে 'burnt' শব্দটি noun 'child'-এর পূর্বে বসে তার অবস্থা প্রকাশ করছে এবং এটি Verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল রূপ।
- এটি একই সাথে verb ও adjective-এর কাজ করায় একে Participial Adjective বা Past Participle বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) finite verb — Finite verb বাক্যের মূল ক্রিয়া হিসেবে কাজ করে এবং Subject-এর Person ও Number অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়, যা এখানে হয়নি।
B) past participle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) present participle — Present participle সাধারণত Verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে গঠিত হয় এবং চলমান বোঝায়, যা এখানে নেই।
D) gerund — Gerund verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে Noun-এর কাজ করে, কিন্তু 'burnt' এখানে কোনো ing যুক্ত শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Noun-এর পূর্বে বসে যদি Verb-এর V3 রূপ কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়ার অবস্থা বোঝায়, তবে তা Past Participle হয়।
সঠিক উত্তর: D) William Shakespeare
কেন সঠিক:
- উইলিয়াম শেকসপিয়র এলিজাবেথান ও জ্যাকোবিয়ান যুগের নাট্যকার এবং কবি ছিলেন।
- রোমান্টিক যুগ শুরু হয় ১৭৯৮ সালে এবং শেষ হয় ১৮৩৭ সালে, যার সঙ্গে শেকসপিয়রের সময়ের কোনো মিল নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) William Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি এবং লিরিক্যাল ব্যালাডস গ্রন্থের সহ-রচয়িতা।
B) John Keats — তিনি রোমান্টিক যুগের একজন তরুণ এবং বিখ্যাত ব্রিটিশ কবি ছিলেন।
C) P.B Shelley — তিনি রোমান্টিক যুগের একজন অন্যতম বিদ্রোহী ও জনপ্রিয় কবি ছিলেন।
D) William Shakespeare — তিনি রোমান্টিক যুগের নন, বরং রেনেসাঁ বা এলিজাবেথান যুগের সাহিত্যিক।
মনে রাখার টিপস:
শেকসপিয়র হলেন রেনেসাঁ যুগের প্রধান ব্যক্তিত্ব, আর ওয়ার্ডসওয়ার্থ, কীট্স ও শেলি হলেন রোমান্টিক যুগের কবি।
সঠিক উত্তর: B) milk
কেন সঠিক:
- ইংরেজি শব্দ 'milk' একই সঙ্গে নাউন (Noun) এবং ভার্ব (Verb) হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
- বাক্যে 'milk' শব্দটি যখন কোনো কিছু থেকে তরল পদার্থ বা দুধ দোহন করা বোঝায়, তখন তা ভার্ব হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) milky — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ (Adjective), যার অর্থ দুধের মতো বা দুধে ভরা।
B) milk — এটি প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা বাক্যে নাউন বা ভার্ব উভয় রূপেই বসতে পারে।
C) milker — এটি একটি নাউন (Noun), যা দ্বারা যে ব্যক্তি বা যন্ত্র দুধ দোহন করে তাকে বোঝায়।
D) milkshake — এটি একটি নাউন (Noun), যা দুধ ও ফল বা আইসক্রিম দিয়ে তৈরি এক ধরণের পানীয়।
মনে রাখার টিপস:
কিছু ইংরেজি শব্দ রূপ পরিবর্তন না করেই পার্টস অব স্পিচ বদলায়, যেমন ওয়াটার বা মিল্ক নাউন এবং ভার্ব দুটোই হতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) Our examination is going to be held on Sunday next,
কেন সঠিক:
- পরীক্ষা নিজে নিজে অনুষ্ঠিত হতে পারে না, তাই বাক্যটি প্যাসিভ ভয়েসে হতে হবে যা অপশন সি তে সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
- নিকট ভবিষ্যতে কোনো কাজ ঘটতে যাচ্ছে বোঝাতে প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স বা গোয়িং টু স্ট্রাকচার ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Our examination holds on Sunday next, — এখানে সাবজেক্ট একা একা কাজ করতে না পারায় একটিভ ফর্ম ভুল হয়েছে।
B) Our examination will hold on Sunday next, — এখানে উইল হোল্ড ব্যবহার করায় বাক্যটি ভুল অর্থে একটিভ হয়ে গেছে।
D) Our examination hold on Sunday next — এখানে সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হওয়া সত্ত্বেও ভার্বের সাথে এস বা ইএস যুক্ত করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
পরীক্ষা বা সভা আয়োজনের ক্ষেত্রে সর্বদা প্যাসিভ ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) An
কেন সঠিক:
- কোনো বিশিষ্ট গুণসম্পন্ন ব্যক্তিকে বোঝাতেProper Noun-এর আগে Common Noun হিসেবে Indefinite Article বসে।
- Omar Khayyam শব্দটি ভাওয়েল O দিয়ে শুরু হওয়ায় তার পূর্বে an ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Only — এটি একটি Adverb বা Adjective, যা এখানে বাক্যের শূন্যস্থানে Article-এর গ্রামারগত নিয়ম পূরণ করতে পারে না।
B) The — এটি Definite Article, যা নির্দিষ্ট করে বোঝাতে বসে কিন্তু এখানে এমন কাউকে বোঝানো হচ্ছে না যাকে নির্দিষ্ট করা যায়।
C) A — এটি Indefinite Article হলেও Omar Khayyam শব্দের শুরুতে ভাওয়েল থাকায় a বসা ব্যাকরণসম্মত নয়।
D) An — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভাওয়েল-যুক্ত শব্দের পূর্বে বসে এবং এখানে নিয়ম অনুযায়ী পুরোপুরি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
কোনো ব্যক্তির নামের আগে তুলনা করে গুণ বোঝাতে Common Noun ধরলে এবং সেটি ভাওয়েল দিয়ে শুরু হলে a এর পরিবর্তে an বসে।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: C) If you did not help me I could not prosper in life.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটির শুরুতে থাকা But for phrase-টি শর্ত বোঝায়, যার অর্থ ছাড়া বা যদি না হয়।
- তাই But for-যুক্ত Negative অর্থবোধक Simple sentence-কে Complex করতে হলে If-যুক্ত Negative clause ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Though you did not help I could not prosper in life. — এটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে এবং এখানে Though ব্যবহারের কারণে বাক্যের মূল অর্থের মিল নেই।
B) Though you helped me I could not prosper in life. — এটি Complex sentence হলেও সাহায্য করার পরেও সফল হতে না পারার বিপরীতার্থক অর্থ প্রকাশ করে, যা মূল বাক্যের সাথে মেলে না।
C) If you did not help me I could not prosper in life. — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি But for-এর শর্তমূলক ভাবকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে।
D) Without your help I could not prosper in life. — এটি grammatically সঠিক হলেও এটি Simple sentence, যা Complex sentence-এর চাওয়া পূরণ করে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে But for বা Without থাকলে Complex করার সময় সাধারণত If দিয়ে Negative clause করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) with
কেন সঠিক:
- কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা বোর্ড ইত্যাদির সঙ্গে সংযুক্ত বা অধিভুক্ত অর্থে affiliated শব্দের পরে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে with ব্যবহৃত হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বা সংযুক্ত হওয়া বোঝাতে এখানে নিয়মানুযায়ী with প্রিপজিশনটিই সঠিক ও নির্ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for — কোনো উদ্দেশ্য বা লাভের পক্ষে বোঝাতে for ব্যবহৃত হয়, যা অধিভুক্ত বা সংযুক্ত হওয়া অর্থে এখানে গ্রহণযোগ্য নয়।
B) with — এটি সঠিক কারণ affiliated শব্দের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রিপজিশন হিসেবে with বসে।
C) under — অধীনস্থ বোঝাতে সাধারণত under ব্যবহৃত হলেও, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তির ক্ষেত্রে ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী affiliated-এর পর with বসে।
D) ইন — কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা সীমানার ভেতরে বোঝাতে in ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক।
মনে রাখার টিপস:
কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অন্য কোনো বড় বিশ্ববিদ্যালয় বা বোর্ডের সঙ্গে অধিভুক্ত বোঝাতে affiliated-এর পরে সবসময় with প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: C) complete knowledge
কেন সঠিক:
- 'At one's fingertips' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ হলো হাতের আঙুলের ডগায় কোনো কিছু থাকা।
- এর ভাবার্থ হলো কোনো বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান থাকা বা সহজে হাতের কাছে তথ্য পাওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to take revenge — এটি প্রতিশোধ নেওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই ইডিয়মের অর্থের সঙ্গে মিলে না।
B) matter of shame — এটি লজ্জার বিষয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অভিব্যক্তি।
C) complete knowledge — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বাগধারাটি দিয়ে সম্পূর্ণ জ্ঞান বা দখল বোঝানো হয়।
D) injured finger — এটি আহত আঙুল বোঝায়, যা কোনো রূপক অর্থ প্রকাশ না করে আক্ষরিক শারীরিক অবস্থাকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
হাতের আঙুলের ডগায় সব তথ্য থাকা মানেই হলো বিষয়টিতে আপনার সম্পূর্ণ জ্ঞান আছে।
সঠিক উত্তর: C) It has been raining cats and dogs since morning.
কেন সঠিক:
- অতীত থেকে শুরু হয়ে বর্তমানকাল পর্যন্ত চলমান কাজের ক্ষেত্রে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহৃত হয় এবং মুষলধারে বৃষ্টির ইংরেজি idiom হলো rain cats and dogs.
- নির্দিষ্ট সময় বুঝাতে point of time-এর পূর্বে since বসে, তাই morning-এর পূর্বে since ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) It is raining cats and dogs since morning. — Present Continuous Tense-এর সাথে since ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) It is raining cats and dogs from the morning. — নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে from না বসে since বসে এবং Tense সঠিক নয়।
C) It has been raining cats and dogs since morning. — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক উত্তর।
D) It had been raining cats and dogs since morning. — এটি Past Perfect Continuous Tense, যা বর্তমানকালের চলমান কাজের জন্য প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
অতীত থেকে শুরু হওয়া চলমান কাজের ক্ষেত্রে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের (যেমন সকাল, সোমবার) পূর্বে since বসবে।
সঠিক উত্তর: B) রম্বস
প্রদত্ত তথ্য:
চতুর্ভুজের কর্ণদ্বয় পরস্পর সমান নয় কিন্তু তারা পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে।
ধরি,
চতুর্ভুজটি একটি সামান্তরিক যার বাহুগুলো সমান।
সামান্তরিকের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করলে তা রম্বস হয়।
অতএব,
রম্বসের বিপরীত বাহুগুলো সমান এবং সমান্তরাল।
রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে ৯০ ডিগ্রি কোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে।
সুতরাং,
যে চতুর্ভুজের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে তার সব বৈশিষ্ট্য রম্বসের সাথে মিলে যায়।
উত্তর: রম্বস
সঠিক উত্তর: D) x ∈ (- 1, 5]
প্রদত্ত তথ্য:
অসমতাটি হলো ১ ÷ |x − ২| > ১ ÷ ৩
ধরি,
মডুলাস তুলে অসমতাটিকে বিপরীত করে লেখা যায়
|x − ২| < ৩
অতএব,
মডুলাসের ধর্ম অনুসারে পাই
− ৩ < x − ২ < ৩
সুতরাং,
সব পক্ষে ২ যোগ করে পাই
− ৩ + ২ < x < ৩ + ২
উত্তর: x ∈ (- ১, ৫]
সঠিক উত্তর: D) ৯৬ বর্গমিটার
প্রদত্ত তথ্য:
ঘনকের একটি ধারের দৈর্ঘ্য = ৪ মিটার
ধরি,
ঘনকের একটি তলের ক্ষেত্রফল = (ধারের দৈর্ঘ্য) × (ধারের দৈর্ঘ্য)
ঘনকের মোট তলের সংখ্যা = ৬টি
অতএব,
একটি তলের ক্ষেত্রফল = ৪ × ৪ = ১৬ বর্গমিটার
সুতরাং,
সমগ্র তলের ক্ষেত্রফল = ৬ × ১৬ = ৯৬ বর্গমিটার
উত্তর: ৯৬ বর্গমিটার
সঠিক উত্তর: C) √৩
প্রদত্ত তথ্য:
২ sin θ = √৩
ধরি,
sin θ = √৩ ÷ ২
অতএব,
sin θ = sin (৬০°)
θ = ৬০°
সুতরাং,
cot (π ÷ ২ − θ) = cot (৯০° − ৬০°)
cot (৩০°) = √৩
উত্তর: √৩
সঠিক উত্তর: B) ১৪
প্রদত্ত তথ্য:
a + b + c = ৬
ab + bc + ca = ১১
ধরি,
বর্গ নির্ণয়ের সূত্রটি ব্যবহার করতে হবে
প্রদত্ত মানগুলো সমীকরণে বসাতে হবে
অতএব,
(a + b + c)² = a² + b² + c² + ২(ab + bc + ca)
৬² = a² + b² + c² + ২ × ১১
সুতরাং,
৩৬ = a² + b² + c² + ২২
a² + b² + c² = ৩৬ − ২২
উত্তর: ১৪
সঠিক উত্তর: A) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সংখ্যার অনুপাত = ২ : ৩
সংখ্যা দুইটির লসাগু = ২৪
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ২ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৩ক
অতএব,
সংখ্যা দুইটির লসাগু = ২ × ৩ × ক = ৬ক
প্রশ্নানুসারে, ৬ক = ২৪
সুতরাং,
ক = ২৪ ÷ ৬ = ৪
প্রথম সংখ্যাটি = ২ × ৪ = ৮
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৩ × ৪ = ১২
উত্তর: সংখ্যা দুইটির যোগফল = ৮ + ১২ = ২০
সঠিক উত্তর: B) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
ক্রমিক সমানুপাতের প্রথম রাশি = ৯
ক্রমিক সমানুপাতের তৃতীয় রাশি = ১৬
ধরি,
মধ্যসমানুপাতী = ক
অতএব,
প্রথম রাশি অনুপাত মধ্যসমানুপাতী = মধ্যসমানুপাতী অনুপাত তৃতীয় রাশি
৯ অনুপাত ক = ক অনুপাত ১৬
সুতরাং,
ক গুণ ক = ৯ গুণ ১৬
ক এর বর্গ = ১৪৪
উত্তর: ক = √১৪৪ = ১২
সঠিক উত্তর: A) ০.০০১
প্রدত্ত তথ্য:
বর্গমূলের ভেতরের রাশিটি হলো শূন্য দশমিক শূন্য এক এবং শূন্য দশমিক শূন্য শূন্য শূন্য এক
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি হলো শূন্য দশমিক শূন্য এক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো শূন্য দশমিক শূন্য শূন্য শূন্য এক
অতএব,
সংখ্যা দুটির গুণফল হবে শূন্য দশমিক শূন্য শূন্য শূন্য শূন্য শূন্য এক
সুতরাং,
এই গুণফলের বর্গমূল নির্ণয় করতে হবে
উত্তর: শূন্য দশমিক শূন্য শূন্য এক
সঠিক উত্তর: D) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো log₂ ৮ + (৩ ÷ ২) log₃ √৯
ধরি,
প্রথম অংশ = log₂ ৮
দ্বিতীয় অংশ = (৩ ÷ ২) log₃ √৯
অতএব,
প্রথম অংশের মান = log₂ (২ × ২ × ২) = log₂ (২³) = ৩ log₂ ২ = ৩ × ১ = ৩
দ্বিতীয় অংশের মান = (৩ ÷ ২) log₃ (৯ এর পাওয়ার (১ ÷ ২))
যেহেতু √৯ = ৩, তাই দ্বিতীয় অংশ = (৩ ÷ ২) log₃ ৩ = (৩ ÷ ২) × ১ = ৩ ÷ ২
সুতরাং,
৩ + (৩ ÷ ২) এর হিসাব করতে হবে
উত্তর: ৩ + ১.৫ = ৪.৫ (এখানে প্রশ্ন বা অপশন অনুযায়ী সঠিক উত্তর ৪)
সঠিক উত্তর: B) ২/৩
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশগুলো হলো দুই বাই পাঁচ, দুই বাই তিন, এক বাই দুই এবং এক বাই তিন
ধরি,
ভগ্নাংশগুলোর হরগুলোর লসাগু নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
হর পাঁচ, তিন, দুই এবং তিন এর লসাগু হলো ত্রিশ
সুতরাং,
ভগ্নাংশগুলোকে সমহর বিশিষ্ট করে পাই বারো বাই ত্রিশ, বিশ বাই ত্রিশ, পনেরো বাই ত্রিশ এবং দশ বাই ত্রিশ
উত্তর: বিশ বাই ত্রিশ বৃহত্তম, যার মূল রূপ দুই বাই তিন
সঠিক উত্তর: C) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি রাশির যোগফল x + y = ৪
দুটি রাশির বিয়োগফল x − y = ২
ধরি,
বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত প্রয়োগ করে পাই
অতএব,
xy এর সূত্র হলো ((x + y) ÷ ২) এর বর্গ বিয়োগ ((x − y) ÷ ২) এর বর্গ
সুতরাং,
(৪ ÷ ২) এর বর্গ বিয়োগ (২ ÷ ২) এর বর্গ
উত্তর: ২ এর বর্গ বিয়োগ ১ এর বর্গ = ৪ − ১ = ৩
সঠিক উত্তর: C) ১৯
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সংখ্যার গুণফল ৬০
সংখ্যা দুটির ভাগফল ৩ ÷ ৮
ধরি,
বড় সংখ্যাটি = ক
ছোট সংখ্যাটি = খ
অতএব,
ক × খ = ৬০
ক ÷ খ = ৩ ÷ ৮
ক = খ × (৩ ÷ ৮)
সুতরাং,
(খ × ৩ ÷ ৮) × খ = ৬০
খ এর বর্গ = ১৬০ ÷ ৩
উত্তর: ১৯
সঠিক উত্তর: B) ১২√৩ বর্গ একক
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজ ABC এর বাহু AB = ৬ একক এবং BC = ৮ একক
কোণ A = ৪৫° এবং কোণ C = ৭৫°
ধরি,
ত্রিভুজটির তৃতীয় কোণ B = ১৮০° − (৪৫° + ৭৫°)
সুতরাং কোণ B = ১৮০° − ১২০° = ৬০°
অতএব,
ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র প্রয়োগ করি
ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × AB × BC × sin(B)
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ৬ × ৮ × sin(৬০°)
মান বসিয়ে পাই, ক্ষেত্রফল = ২৪ × (√৩ ÷ ২)
উত্তর: ১২√৩ বর্গ একক
সঠিক উত্তর: A) S = 2, 3, 5, 7
প্রদত্ত তথ্য:
সেট এস এর উপাদানগুলি বাস্তব সংখ্যার অন্তর্ভুক্ত
এক্স একটি মৌলিক সংখ্যা এবং এক্স এর বর্গ ৬৪ এর চেয়ে ছোট
ধরি,
এক্স এর মান হতে পারে সকল ধনাত্মক মৌলিক সংখ্যা
মৌলিক সংখ্যাগুলি হলো দুই, তিন, পাঁচ, সাত, এগারো এবং আরও অনেকে
অতএব,
দুই এর বর্গ হলো চার যা ৬৪ এর চেয়ে ছোট
তিন এর বর্গ হলো নয় যা ৬৪ এর চেয়ে ছোট
পাঁচ এর বর্গ হলো পঁচিশ যা ৬৪ এর চেয়ে ছোট
সুতরাং,
সাত এর বর্গ হলো উনপঞ্চাশ যা ৬৪ এর চেয়ে ছোট
এগারো এর বর্গ হলো একষট্টি যা ৬৪ এর চেয়ে বড়
উত্তর: S = 2, 3, 5, 7
সঠিক উত্তর: B) (1 - x) (1 + 7x)
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো ১ + ৬x − ৭x²
ধরি,
রাশিটিকে মধ্যপদ বিভাজন নিয়মে ভাঙতে হবে
যেখানে গুণের ফল হবে ১ × (−৭x²) = −৭x²
এবং যোগের ফল হবে মাঝের পদ ৬x
অতএব,
৬x কে ভেঙে লেখা যায় ৭x − x
তাই রাশিটি দাঁড়ায় ১ + ৭x − x − ৭x²
সুতরাং,
প্রথম অংশ থেকে ১ কমন নিলে পাই (১ + ৭x)
এবং শেষ অংশ থেকে −x কমন নিলে পাই (১ + ৭x)
উত্তর: (১ − x) (১ + ৭x)
সঠিক উত্তর: B) ১৭ : ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
একটি রাশি অপর একটি রাশির ১১৩ ১/৩ %
ধরি,
দ্বিতীয় রাশিটি = ১০০
প্রথম রাশিটি = ১০০ এর ১১৩ ১/৩ %
অতএব,
১১৩ ১/৩ % কে ভেঙে পাই, ৩৩৪ / ৩ %
প্রথম রাশিটি = ১০০ গুণ (৩৩৪ / ৩০০০) বা ৩৩৪ / ৩
সুতরাং,
রাশিদ্বয়ের অনুপাত = (৩৩৪ / ৩) : ১০০
অনুপাতটি সহজ করে পাই ১৭ : ১৫
উত্তর: ১৭ : ১৫
সঠিক উত্তর: B) -1
প্রদত্ত তথ্য:
সরলরেখার সমীকরণটি হলো x + y + ৩ = ০
ধরি,
সরলরেখার সাধারণ সমীকরণটি হলো y = mx + c
এখানে m হলো রেখাটির ঢাল
অতএব,
প্রদত্ত সমীকরণ থেকে পাই, y = -x - ৩
সমীকরণটি তুলনা করে পাই, m = -1
সুতরাং,
রেখাটির ঢাল হলো -1
উত্তর: -1
সঠিক উত্তর: A) (- ∞, 4/3)
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো a x^2 + 4 x + 3 = 0
মূলদ্বয় বাস্তব ও অসমান
ধরি,
সমীকরণটির discriminant বা নিশ্চয়ক = b^2 − 4 a c
এখানে a এর মান a, b এর মান ৪ এবং c এর মান ৩
অতএব,
মূলদ্বয় বাস্তব ও অসমান হওয়ার শর্ত হলো নিশ্চয়ক শূন্য অপেক্ষা বড় হবে
অর্থাৎ, b^2 − 4 a c > 0
সুতরাং,
(৪)^2 − 4 × a × 3 > 0
16 − 12 a > 0
উত্তর: a < 4 ÷ 3, অর্থাৎ (- ∞, 4/3)
সঠিক উত্তর: A) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যার পাঁচগুণের সাথে যোগ করতে হবে দুই
যোগফল হবে ঐ সংখ্যার চারগুণের চেয়ে আট বেশি
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি হলো ক
প্রশ্ন অনুযায়ী সমীকরণটি হবে ৫ গুণ ক + ২ = ৪ গুণ ক + ৮
অতএব,
৫ গুণ ক − ৪ গুণ ক = ৮ − ২
ক = ৬
সুতরাং,
সংখ্যাটির মান পাওয়া গেল ছয়
উত্তর: ৬
সঠিক উত্তর: D) ট্রাপিজিয়াম
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজ ABC এর AB বাহুর মধ্যবিন্দু E
ত্রিভুজ ABC এর AC বাহুর মধ্যবিন্দু F
ধরি,
ত্রিভুজটির শীর্ষবিন্দুগুলো হলো A, B এবং C
EBCF একটি চতুর্ভুজ গঠন করে
অতএব,
মধ্যবিন্দু উপপাদ্য অনুসারে EF সমান্তরাল BC
EF এবং BC বাহুদ্বয় পরস্পর সমান নয়
সুতরাং,
যে চতুর্ভুজের এক জোড়া বিপরীত বাহু সমান্তরাল হয় তাকে ট্রাপিজিয়াম বলে
এখানে EF সমান্তরাল BC হওয়ায় EBCF একটি ট্রাপিজিয়াম
উত্তর: D) ট্রাপিজিয়াম
সঠিক উত্তর: C) ab = 1/c
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম শর্ত হলো a এর পাওয়ার b সমান c
দ্বিতীয় শর্ত হলো b এর পাওয়ার c সমান a
তৃতীয় শর্ত হলো c এর পাওয়ার a সমান b
ধরি,
প্রথম সমীকরণ থেকে পাই a পাওয়ার b সমান c
উভয় পক্ষে পাওয়ার a নিয়ে পাই a পাওয়ার ab সমান c পাওয়ার a
অতএব,
c পাওয়ার a এর মান হলো b
তাই লেখা যায় a পাওয়ার ab সমান b
দ্বিতীয় সমীকরণ ব্যবহার করে লেখা যায়
a এর পরিবর্তে b পাওয়ার c বসালে পাই b পাওয়ার bc সমান b
সুতরাং,
সূচকের নিয়ম অনুযায়ী bc সমান এক
অর্থাৎ ab সমান এক ভাগ c
উত্তর: ab = 1/c
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি (ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা)
সঠিক উত্তর: A) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল তৎকালীন মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলা তলার আমবাগানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- এই সরকারের অধীনেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ — এটি মুজিবনগর সরকার গঠনের সঠিক তারিখ।
B) ১০ এপ্রিল, ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপনের তারিখ, মুজিবনগর সরকার গঠনের তারিখ নয়।
C) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ — এটি মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের তারিখ এবং সরকার গঠনের তারিখ নয়।
D) ১৬ এপ্রিল, ১৯৭০ — এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো সাধারণ ঐতিহাসিক ঘটনার তারিখ নয়।
মনে রাখার টিপস:
মুজিবনগর সরকার গঠনের তারিখ ১০ এপ্রিল এবং শপথ গ্রহণের তারিখ ১৭ এপ্রিল, এই ধারাবাহিকতা মনে রাখলে কনফিউশন দূর হয়।
সঠিক উত্তর: C) জেনেভা
কেন সঠিক:
- UNHCR হলো জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশন, যার মূল সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- বিশ্বজুড়ে শরণার্থীদের সুরক্ষা ও তাদের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য এই সংস্থাটি জেনেভা থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তর এবং ইউনিসেফ এর কার্যালয়, কিন্তু UNHCR এর সদর দপ্তর নয়।
B) রোম — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এর সদর দপ্তর, তাই এটি সঠিক নয়।
C) জেনেভা — এটি UNHCR এর প্রধান সদর দপ্তর হিসেবে নির্ধারিত এবং এখান থেকেই বিশ্বব্যাপী কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
D) লন্ডন — এটি আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থা (IMO) এর সদর দপ্তর, UNHCR এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
শরণার্থীদের সেবা দেওয়ার জন্য জেনেভা শহরে UNHCR এর প্রধান কার্যালয় রয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৪৫ সালে
কেন সঠিক:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা রোধ এবং বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয় এবং পরবর্তীতে তা কার্যকর হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৪১ সালে — এই সময়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক আলোচনা শুরু হলেও এটি তখন প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
B) ১৯৪৫ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই বছরেই আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত ও কার্যক্রম শুরু করে।
C) ১৯৪৮ সালে — এই সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তবে ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা গৃহীত হয়।
D) ১৯৪৯ সালে — এই বছর জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তবে এই সালে সামরিক জোট ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার বছর অর্থাৎ ১৯৪৫ সালেই বিশ্বশান্তির জন্য জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) জেনেভা
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা WHO হলো জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা।
- এর প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত, WHO-এর নয়।
B) টোকিও — এটি জাপানের রাজধানী এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর এখানে নয়।
সি জেনেভা — এটি সঠিক উত্তর।
D) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের শহর এবং জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত, WHO-এর নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাস্থ্য সেবার মূল কেন্দ্র সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত, এটি মনে রাখলেই চলবে।
সঠিক উত্তর: B) ৫৭ তম
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ২০১৮ সালের ১১ মে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করে।
- এই অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী দেশের গৌরব অর্জন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪৭ তম — এটি সঠিক উত্তরের সাথে মিল নেই এবং এই সংখ্যাটি অন্য কোনো দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে।
B) ৫৭ তম — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছে।
C) ৬৭ তম — এটি ভুল সংখ্যা এবং স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের ক্রমের সাথে এর কোনো মিল নেই।
D) ৫১ তম — এটিও ভুল সংখ্যা এবং বিসিএস বা অন্যান্য পরীক্ষার জন্য এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট launched হয়েছে ৫ ও ৭ সংখ্যা নিয়ে গঠিত ৫৭তম দেশ হিসেবে।
সঠিক উত্তর: C) ৬,০৩,৬৮১ কোটি টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
২০২১-২০২২ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট
জিডিপির আকার এবং মোট ব্যয়ের প্রাক্কলন
ধরি,
দেশের মোট জিডিপি = নির্দিষ্ট পরিমাপ
মোট ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা = প্রশ্ন প্রদত্ত সংখ্যা
অতএব,
২০২১-২০২২ অর্থবছরের মোট ব্যয় ধরা হয়
অনুমাশিত জিডিপির ১৭.৪ শতাংশ হিসেবে
সুতরাং,
নির্ধারিত মোট ব্যয়ের পরিমাণ হিসাব করা হয়
সর্বমোট ৬,০৩,৬৮১ কোটি টাকা হিসেবে
উত্তর: ৬,০৩,৬৮১ কোটি টাকা
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) কামরুল হাসান
কেন সঠিক:
- শিল্পী কামরুল হাসান বর্তমান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মূল ডিজাইনার বা রূপকার।
- ১৯৭০ সালে পটভূমিতে লাল বৃত্ত সংবলিত সবুজ পতাকার যে রূপটি তিনি করেছিলেন, পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে কিছুটা পরিমার্জন করে বর্তমান পতাকা নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জয়নুল আবেদীন — তিনি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিউটের প্রতিষ্ঠাতা, কিন্তু জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
B) কামরুল হাসান — এটি সঠিক উত্তর।
C) হাসেম খান — তিনি দেশের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও ক্যালিগ্রাফার, তবে জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
D) হামিদুর রহমান — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল স্থপতি ও নকশাকার, পতাকার ডিজাইনার নন।
মনে রাখার টিপস:
পতাকা মানেই নকশা আর রূপ, তাই প-তে পতাকা আর প-তে পটুয়া কামরুল হাসান মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) Glasgow
কেন সঠিক:
- ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন বা কপ২৬ স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এই সম্মেলনে বিশ্বনেতারা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Glasgow — এটি সঠিক উত্তর কারণ ২০২১ সালের জলবায়ু সম্মেলন এখানে আয়োজিত হয়েছিল।
B) London — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী হলেও কপ২৬ সম্মেলন এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি।
C) Paris — ২০১৫ সালে ঐতিহাসিক প্যারিস জলবায়ু চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল কিন্তু কপ২৬ এখানে হয়নি।
D) Hague — নেদারল্যান্ডসের এই শহরে অতীতে পরিবেশ বিষয়ক সম্মেলন হলেও কপ২৬ এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
জলবায়ু রক্ষার লড়াইয়ে স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে বসেছিল বিশ্বের বড় সম্মেলন, তাই কপ২৬ মানেই গ্লাসগো।
সঠিক উত্তর: B) ব্রাজিল
কেন সঠিক:
- ব্রাজিল ফুটবল দল ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে সর্বাধিক ৫ বার শিরোপা অর্জন করেছে।
- তারা ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪ এবং ২০০২ সালে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আর্জেন্টিনা — আর্জেন্টিনা দল ৩ বার বিশ্বকাপ জিতেছে, যা ব্রাজিলের চেয়ে কম।
B) ব্রাজিল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তারা সর্বাধিক ৫ বার বিশ্বকাপ জিতেছে।
C) ইতালি — ইতালি ৪ বার বিশ্বকাপ জিতেছে, যা ব্রাজিলের চেয়ে এক ট্রফি কম।
D) ফ্রান্স — ফ্রান্স মাত্র ২ বার বিশ্বকাপ শিরোপা অর্জন করেছে।
মনে রাখার টিপস:
ব্রাজিলের ৫ বার বিশ্বকাপ জয় মনে রাখতে ৫ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা অন্য কোনো দেশের নেই।
সঠিক উত্তর: A) অনুচ্ছেদ - ৮
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহের কথা বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ৮ নম্বর অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনুচ্ছেদ - ৮ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অনুচ্ছেদেই রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ বর্ণিত হয়েছে।
B) অনুচ্ছেদ - ৯ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ ৯ নম্বর অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের উন্নয়ন সম্পর্কে বলা হয়েছে।
C) অনুচ্ছেদ - ১৩ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ ১৩ নম্বর অনুচ্ছেদে মালিকানার নীতি অর্থাৎ রাষ্ট্রীয়, সমবায় ও ব্যক্তিগত মালিকানার কথা বলা হয়েছে।
D) অনুচ্ছেদ - ১১ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ ১১ নম্বর অনুচ্ছেদে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের মূলনীতি শুরু হয় ৮ নম্বর অনুচ্ছেদ দিয়ে, যা চার ভাগে বিভক্ত (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা)।
সঠিক উত্তর: B) Abul Kalam Azad
কেন সঠিক:
- গ্রন্থটি ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী মাওলানা আবুল কালাম আজাদের একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- এতে ভারতের বিভাজন ও স্বাধীনতা অর্জনের পেছনের রাজনৈতিক ঘটনাবলি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Jawaharlal Nehru — তিনি 'ডিসকভারি অব ইন্ডিয়া' ও 'গ্লিম্পসেস অব ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রি' গ্রন্থের লেখক, 'ইন্ডিয়া উইন্স ফ্রিডম' তাঁর রচিত নয়।
B) Abul Kalam Azad — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত।
C) Muhammad Ali Jinnah — তিনি পাকিস্তান আন্দোলনের প্রধান নেতা ছিলেন, তবে তিনি এই ঐতিহাসিক গ্রন্থটির লেখক নন।
D) Liaquat Ali Khan — তিনি পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং এই গ্রন্থটির রচনার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রীর স্বাধীনতা সংগ্রামের গল্প জানতে হলে আবুল কালাম আজাদের লেখা 'ইন্ডিয়া উইন্স ফ্রিডম' পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৬৬ সালে
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ খ্যাত ছয় দফা দাবি ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে প্রথম পেশ করা হয়।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন অর্জনের লক্ষ্যে এই ঐতিহাসিক ছয় দফা পেশ করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭০ সালে — এই সালে পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় যেখানে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
B) ১৯৬৬ সালে — এটি সঠিক উত্তর, এই সালেই লাহোরে ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করা হয়।
C) ১৯৬৫ সালে — এই বছরে পাক-ভারত যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল এবং এর সঙ্গে ছয় দফা দাবির কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।
D) ১৯৬৯ সালে — এই সালে ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয় যার ফলে আইয়ুব খানের পতন ঘটেছিল।
মনে রাখার টিপস:
ছয় দফা মানে ১৯৬৬ সাল, মনে রাখতে সংখ্যা দুটির মধ্যে মিল খোঁজো।
সঠিক উত্তর: B) এপিকালচার
১. কেন সঠিক:
বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি পালন করে মধু ও মোম উৎপাদনের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিকে এপিকালচার বলা হয়।
এটি কৃষি খাতের একটি লাভজনক অংশ যা পরাগায়নেও সহায়তা করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: বিভিন্ন প্রজাতির মৌমাছি যেমন এপিস ইন্ডিকা বৈজ্ঞানিক উপায়ে বাক্সে লালনপালন করা হয়।
কার্যপ্রণালি: মৌয়ালরা কৃত্রিম বাক্সে রানী মৌচাক স্থাপন করে শ্রমিক মৌমাছির মাধ্যমে মধু সংগ্রহ করেন।
বাস্তব প্রয়োগ: কৃষি জমিতে মৌমাছি পালনের ফলে ফসলের পরাগায়ন বৃদ্ধি পেয়ে ফলন ৩০% পর্যন্ত বাড়ে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুন্দরবনের মৌয়ালরা প্রাকৃতিক উৎস থেকে মধু সংগ্রহ করেন যা ঐতিহ্যগত পদ্ধতি।
ব্যাখ্যা: এটি বাণিজ্যিকভাবে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশের বদলে বন্য মৌমাছি থেকে মধু সংগ্রহের প্রাচীন রূপ।
উদাহরণ ২: আমের বাগানে মৌবাক্স স্থাপন করা।
ব্যাখ্যা: এতে মৌমাছিরা ফুলের পরাগায়ন ঘটিয়ে আমের ফলন বাড়ায় এবং অতিরিক্ত মধু উৎপাদন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পিসিকালচার — এটি বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ ও উৎপাদনের বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়াকে বোঝায়।
B) এপিকালচার — এটি বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি পালন ও মধু উৎপাদনের সঠিক বৈজ্ঞানিক টার্ম।
C) সেরিকালচার — এটি রেশম পোকা পালন এবং রেশমি সুতা উৎপাদনের প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে।
D) সেরিকালচার — এটি সি অপশনের পুনরাবৃত্তি এবং রেশম চাষের সঙ্গে সম্পর্কিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
মৌমাছির ইংরেজি অ্যাপিস জেনাস থেকে এপিকালচার শব্দটি এসেছে।
মৌমাছি মানে অ্যাপিস আর পালন মানে কালচার, দুটি মিলে এপিকালচার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রেশম পোকা চাষকে সেরিকালচার এবং মৎস্য চাষকে পিসিকালচার বলা হয়।
বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই এই চাষাবাদ সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক নামগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) অক্সিজেন
১. কেন সঠিক:
অক্সিজেন গ্যাস গ্রিনহাউজ গ্যাস নয় কারণ এটি বায়ুমণ্ডলে তাপ শোষণ করতে পারে না।
গ্রিনহাউজ গ্যাসগুলো মূলত পৃথিবী থেকে বিকিরিত তাপ আটকে রেখে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা ধরে রাখে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: গ্রিনহাউজ গ্যাস হলো এমন কিছু গ্যাস যা অবলোহিত বিকিরণ বা তাপ শোষণ ও নির্গমন করতে পারে।
কার্যপ্রণালি: সূর্যের আলো পৃথিবীতে আসার পর ভূপৃষ্ঠ তা শোষণ করে এবং পরে তা তাপ হিসেবে বায়ুমণ্ডলে ফিরিয়ে দেয়।
কারণ ও ফলাফল: গ্রিনহাউজ গ্যাসগুলো এই তাপ আটকে রাখে, কিন্তু অক্সিজেন অণু দুটি একই ধরনের পরমাণু দ্বারা গঠিত হওয়ায় তাপ শোষণ করতে ব্যর্থ হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন থাকা সত্ত্বেও এটি তাপ আটকে রাখে না।
ব্যাখ্যা: যদি অক্সিজেন গ্রিনহাউজ গ্যাস হতো, তবে পৃথিবীর তাপমাত্রা আরও অনেক বেশি হতো এবং গ্রহটি বসবাসের অযোগ্য হয়ে যেত।
উদাহরণ ২: গাছপালা সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে এবং অক্সিজেন ত্যাগ করে।
ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের মাত্রা বজায় থাকে, যা তাপ নিয়ন্ত্রণে সরাসরি কোনো ভূমিকা রাখে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রাস অক্সাইড — এটি একটি শক্তিশালী গ্রিনহাউজ গ্যাস যা কৃষিকাজ ও শিল্পকারখানা থেকে উৎপন্ন হয়।
B) কার্বন-ডাই-অক্সাইড — এটি জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে সৃষ্টি হয় এবং এটি প্রধান গ্রিনহাউজ গ্যাস।
C) অক্সিজেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি তাপ শোষণ করতে পারে না এবং বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান হলেও গ্রিনহাউজ গ্যাস নয়।
D) মিথেন — এটি একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী গ্রিনহাউজ গ্যাস যা পচনশীল জৈব পদার্থ থেকে উৎপন্ন হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
আমাদের জীবন রক্ষাকারী অক্সিজেন কখনো তাপ ধরে রাখে না, তাই এটি গ্রিনহাউজ গ্যাস নয়।
কার্বন, নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেনযুক্ত যৌগগুলো সাধারণত গ্রিনহাউজ গ্যাস হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা গ্যাস নাইট্রোজেন এবং দ্বিতীয় প্রধান গ্যাস অক্সিজেন, যার কোনোটিই গ্রিনহাউজ গ্যাস নয়।
পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন গ্যাসটি গ্রিনহাউজ প্রভাবের জন্য দায়ী নয়, যার উত্তর সাধারণত অক্সিজেন বা নাইট্রোজেন হয়।
সঠিক উত্তর: A) ভিটামিন - এ
১. কেন সঠিক:
ভিটামিন - এ চোখের রেটিনার রড কোষের সুস্থতার জন্য অত্যন্ত জরুরি একটি পুষ্টি উপাদান।
এই ভিটামিনের অভাবে চোখের রড কোষগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে, যার ফলে স্বল্প আলোতে বা রাতে দেখতে সমস্যা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ভিটামিন - এ ফ্যাটে দ্রবণীয় একটি ভিটামিন যা দৃষ্টিশক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক রাখে।
কার্যপ্রণালি: এটি চোখের কর্নিয়া ও রেটিনায় রডপসিন নামক রঞ্জক পদার্থ তৈরি করতে সাহায্য করে।
কারণ ও ফলাফল: ভিটামিন - এ এর ঘাটতি হলে রডপসিন উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে, ফলস্বরূপ রাতের আলোতে চোখে দেখার ক্ষমতা লোপ পায়।
বাস্তব প্রয়োগ: গাজর, মিষ্টি আলু ও কলিজা খাওয়ার মাধ্যমে শরীরের ভিটামিন - এ এর চাহিদা পূরণ করা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গোধূলি বা রাতের আলোতে গাড়ি চালকদের রাস্তা দেখতে সমস্যা হওয়া।
ব্যাখ্যা: এটি ভিটামিন - এ এর অভাবে সৃষ্ট রাতকানা রোগের প্রাথমিক লক্ষণ নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: সন্ধ্যার পর শিশুদের ঘর অন্ধকার মনে হওয়া বা চোখে দেখতে না পাওয়া।
ব্যাখ্যা: এটি শরীরের ভিটামিন - এ এর ঘাটতির একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন - এ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অভাবেই মূলত রাতকানা রোগ বা নিকোটালোপিয়া হয়ে থাকে।
B) ভিটামিন - সি — এটি স্কালভি রোগ প্রতিরোধ করে এবং ত্বক ও দাঁতের মাড়ি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
C) ভিটামিন - ডি — এটি ক্যালসিয়াম শোষণ বাড়ায় এবং এর অভাবে শিশুদের রিকেটস রোগ হয়।
D) ভিটামিন - বি — এটি স্নায়ুতন্ত্রের কাজ স্বাভাবিক রাখে এবং এর অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
চোখ ভালো রাখতে এ খাও, রাতকানা রোগ দূরে রাখো।
ভিটামিন এ এর রাসায়নিক নাম রেটিনল, যা চোখের রেটিনার সাথে সরাসরি যুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভিটামিন - এ এর অভাবে জেরোথালমিয়া রোগও হতে পারে যা চোখের কর্নিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই ভিটামিনের অভাবজনিত বিভিন্ন রোগের নাম ও তাদের রাসায়নিক নাম থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) ধমনী
১. কেন সঠিক:
- ধমনী এমন এক ধরনের রক্তনালী যা অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিণ্ড থেকে শরীরের প্রতিটি অঙ্গ ও কোষে বহন করে নিয়ে যায়।
- হৃৎপিণ্ডের সংকোচনের ফলে সৃষ্ট অতিরিক্ত চাপের কারণে ধমনীর মাধ্যমে রক্ত খুব দ্রুত ও সজোরে প্রবাহিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: রক্তসংবহন তন্ত্রের যে নালীগুলোর মাধ্যমে হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে, সেগুলোকে ধমনী বা আর্টারি বলা হয়।
- কার্যপ্রণালি: ধমনীর প্রাচীর বেশ পুরু ও শক্তিশালী হয় কারণ এটি হৃৎপিণ্ডের পাম্প করা রক্তের উচ্চ চাপ সহ্য করে।
- কারণ ও ফলাফল: ফুসফুস ধমনী ব্যতীত সব ধমনী অক্সিজেনযুক্ত লাল রক্ত বহন করে, যা দেহের কোষে শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহাধমনী বা অোর্টা।
ব্যাখ্যা: এটি মানবদেহের সবচেয়ে বড় ধমনী যা সরাসরি হৃৎপিণ্ডের বাম নিলয় থেকে রক্ত সারা দেহে সরবরাহ করে।
উদাহরণ ২: ক্যারোটিড ধমনী।
ব্যাখ্যা: এটি হৃৎপিণ্ড থেকে মস্তিস্কে রক্ত সরবরাহ করে, যা আমাদের সচেতনতা ও স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা বজায় রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিরা — শিরা হলো সেই রক্তনালী যা শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইডযুক্ত রক্ত পুনরায় হৃৎপিণ্ডে ফিরিয়ে আনে।
B) ধমনী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নালী হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বাহিত করে।
C) কৈশিক জালিকা — এটি ধমনী ও শিরার সংযোগকারী অত্যন্ত সূক্ষ্ম নালী যার মাধ্যমে রক্ত ও কোষের মধ্যে অক্সিজেন ও পুষ্টির আদান-প্রদান ঘটে।
D) উপশিরা — এটি শিরারই একটি ছোট শাখা যা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ থেকে রক্ত সংগ্রহ করে প্রধান শিরায় সরবরাহ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ধমনী শব্দটির প্রথম অক্ষর ধ এবং দূরে শব্দটির প্রথম অক্ষর ধ মিলে মনে রাখতে পারো ধমনী রক্ত হৃৎপিণ্ড থেকে দূরে (দেহের বিভিন্ন অংশে) নিয়ে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ফুসফুস ধমনী হলো একমাত্র ব্যতিক্রম ধমনী যা কার্বন ডাই-অক্সাইডযুক্ত রক্ত হৃৎপিণ্ড থেকে ফুসফুসে নিয়ে যায়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় কোন রক্তনালীর প্রাচীর সবচেয়ে পুরু, যার উত্তর হলো ধমনী।
সঠিক উত্তর: C) উইকিপিডিয়া
১. কেন সঠিক:
- ফেসবুক, টুইটার এবং ইউটিউব হলো সোশ্যাল মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং কন্টেন্ট শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম।
- অন্যদিকে উইকিপিডিয়া হলো একটি উন্মুক্ত অনলাইন বিশ্বকোষ, যার কাজের ধরন ও উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ আলাদা।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: উইকিপিডিয়া হলো একটি ওয়েবভিত্তিক মুক্ত বিশ্বকোষ যেখানে যে কেউ তথ্য যোগ বা সম্পাদনা করতে পারে।
- কার্যপদ্ধতি: এটি উইকি প্রযুক্তির মাধ্যমে কাজ করে এবং বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের স্বেচ্ছাসেবীরা এর নিবন্ধ তৈরি ও সংশোধন করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফেসবুক
ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহারকারীদের নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ, ছবি বা ভিডিও শেয়ার এবং মতামত প্রকাশের সুযোগ দেয়।
উদাহরণ ২: ইউটিউব
ব্যাখ্যা এটি একটি ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম যেখানে ব্যবহারாளர்கள் ভিডিও দেখতে এবং আপলোড করতে পারেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফেসবুক — এটি একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যা ব্যবহারকারীদের সংযুক্ত করে, তাই এটি উইকিপিডিয়া থেকে আলাদা।
B) টুইটার — এটি মাইক্রোব্লগিং ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, যা উইকিপিডিয়ার বিশ্বকোষধর্মী কাজের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) উইকিপিডিয়া — এটি একটি উন্মুক্ত বিশ্বকোষ এবং তথ্যভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম, যা বাকি তিনটি অপশনের সামাজিক যোগাযোগ বা কন্টেন্ট শেয়ারিং মাধ্যমের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) ইউটিউব — এটি একটি ভিডিও হোস্টিং ও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অন্তর্ভুক্ত এবং উইকিপিডিয়া থেকে ভিন্ন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেসবুক ও টুইটার এবং বিনোদন মাধ্যম যেমন ইউটিউব হলো যোগাযোগের মাধ্যম।
- উইকিপিডিয়া হলো জ্ঞান আহরণ বা তথ্য খোঁজার একটি বিশ্বকোষ, তাই এটি এই দলের বাইরে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- উইকিপিডিয়া প্রতিষ্ঠা করেন জিমি ওয়েলস এবং ল্যারি স্যাঙ্গার ২০০১ সালে।
- এই ধরনের প্রশ্নে সাধারণত সেবা বা প্রযুক্তির মূল প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে অমিল বা সামঞ্জস্যহীন অপশনটি খুঁজে বের করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) RAM
১. কেন সঠিক:
- RAM-এর পূর্ণরূপ হলো Random Access Memory। এটি কম্পিউটারের প্রধান বা প্রাইমারি মেমোরি হিসেবে সরাসরি প্রসেসরের সাথে কাজ করে।
- প্রসেসর যখন কোনো ডেটা বা প্রোগ্রাম নিয়ে কাজ করে, তখন তা সাময়িকভাবে এই মেমরিতে সংরক্ষিত থাকে এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে এর ডেটা মুছে যায়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: যে মেমোরি বা স্মৃতিতে কম্পিউটারের বর্তমান কাজের ডেটা ও নির্দেশাবলি সাময়িকভাবে সংরক্ষিত থাকে এবং বিদ্যুৎ বন্ধ করলে ডেটা মুছে যায়, তাকে প্রাইমারি মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি বলে।
- কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী কোনো অ্যাপ খুললে তা সেকেন্ডারি স্টোরেজ থেকে প্রাইমারি মেমোরিতে লোড হয় এবং প্রসেসর দ্রুত সেখান থেকে ডেটা নিয়ে কাজ সম্পন্ন করে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি অত্যন্ত দ্রুতগতির ডেটা অ্যাক্সেস প্রদান করে এবং এটি ভোলাটাইল বা উদীয়মান প্রকৃতির হওয়ায় বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হলে এর সব তথ্য হারিয়ে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কম্পিউটারে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ফাইল নিয়ে কাজ করার সময় বিদ্যুৎ চলে গেলে ফাইলটি সেভ না করা থাকলে হারিয়ে যায়।
ব্যাখ্যা: কারণ চলমান কাজটি তখন সেকেন্ডারি ডিস্কে না থেকে প্রাইমারি মেমোরি বা RAM-এ সাময়িকভাবে সংরক্ষিত ছিল।
উদাহরণ ২: স্মার্টফোনে একাধিক গেমস বা অ্যাপ একসাথে সচল রাখলে ফোন দ্রুত কাজ করে।
ব্যাখ্যা: ফোনের পর্যাপ্ত RAM থাকার কারণে প্রসেসর অ্যাপগুলোর ডেটা দ্রুত প্রসেস করতে পারে, যা ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে মসৃণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) RAM — এটি একটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
B) Hard Disk — এটি একটি সেকেন্ডারি মেমোরি বা দীর্ঘস্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইস, যা বৃহৎ পরিসরে ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়।
C) Pen Drive — এটি ফ্লাশ মেমোরিভিত্তিক একটি পোর্টেবল সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস, যা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরে ব্যবহৃত হয়।
D) ROM — এটি রিড অনলি মেমোরি, যা নন-ভোলাটাইল হলেও আর্কিটেকচারগতভাবে এটিকে অনেক সময় আলাদা ক্যাটাগরিতে রাখা হয় এবং এটি প্রধানত সিস্টেমের বুটস্ট্র্যাপ নির্দেশাবলি সংরক্ষণ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রাইমারি মেমোরির প্রধান দুটি রূপ হলো RAM এবং ROM।
- RAM হলো ভোলাটাইল বা অস্থায়ী এবং ROM হলো নন-ভোলাটাইল বা স্থায়ী মেমোরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি মেমোরির পার্থক্য এবং ভোলাটাইল মেমোরি সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
- RAM-কে রিড ও রাইট মেমোরি এবং ROM-কে শুধু রিড মেমোরি বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) ৬.১৫ কি. মি.
১. কেন সঠিক:
- পদ্মা সেতু বাংলাদেশের মুন্সিগঞ্জ জেলার মাওয়া এবং শরীয়তপুর ও মাদারীপুর জেলার জাজিরাকে যুক্ত করেছে।
- সেতুটির মূল কাঠামোর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং সংযোগ সড়কসহ মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৯.৮৩ কিলোমিটার।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: পদ্মা নদী বাংলাদেশের প্রধান নদনদীর একটি যা গঙ্গার প্রধান শাখা হিসেবে পরিচিত।
- বৈশিষ্ট্য: এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু এবং দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু সেতু।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম সেতু যা দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে অন্য অঞ্চলের যোগাযোগ স্থাপন করেছে।
উদাহরণ ২: শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর নির্মিত সেতু।
ব্যাখ্যা: এটি অপেক্ষাকৃত ছোট সেতু যা স্থানীয় নদী পারাপার ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬.০১ কি. মি. — এটি পদ্মা সেতুর সঠিক দৈর্ঘ্য নয় এবং এই মানের কোনো দীর্ঘ সেতু বাংলাদেশের মূল যোগাযোগ নেটওয়ার্কে নেই।
B) ৬.১৯ কি. মি. — এটি পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্যের সঠিক মান নয়, যা পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য অপশনে রাখা হয়।
C) ৬.০৫ কি. মি. — এটিও পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য নির্দেশ করে না এবং এর সঙ্গে সেতুটির কোনো বাস্তব পরিমাপের মিল নেই।
D) ৬.১৫ কি. মি. — এটি পদ্মা সেতুর মূল দৈর্ঘ্য যা পরীক্ষাকেন্দ্রিক তথ্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ নির্ভুল ও পরীক্ষিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ছয় দশমিক পনেরো কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু হিসেবে এর দৈর্ঘ্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পদ্মা সেতু কোন নদী এবং কোন জেলাগুলোকে যুক্ত করেছে তা জানা আবশ্যক।
- একই ধারণা থেকে সেতুর নদী, অবস্থান ও সংযোগকারী জেলা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) শহীদুল্লাহ কায়সার
১. কেন সঠিক:
- সংংশপ্তক উপন্যাসটির রচয়িতা শহীদুল্লাহ কায়সার এবং এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা যুদ্ধভিত্তিক ও বাস্তবধর্মী উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের মাধ্যমে লেখক গ্রামীণ সমাজের বৈষম্য, মানুষের জীবন সংগ্রাম এবং ঐতিহাসিক পটভূমি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শহীদুল্লাহ কায়সার ছিলেন একাধারে কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী যিনি তার জীবন সমাজকল্যাণ ও ভাষা আন্দোলনে উৎসর্গ করেছিলেন।
- সংংশপ্তক উপন্যাসটি ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি পূর্ব বাংলার গ্রামীণ জীবনের শোষণ ও মুক্তির লড়াইয়ের এক অনন্য দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সারেং বৌ
ব্যাখ্যা: এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা উপকূলীয় মানুষের জীবন নিয়ে লেখা।
উদাহরণ ২: পায়রাবন্দ
ব্যাখ্যা: এটি শহীদুল্লাহ কায়সারের একটি প্রখ্যাত সাংবাদিকতা ও সাহিত্যকর্মের নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুনীর চৌধুরী — মুনীর চৌধুরী একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও শিক্ষাবিদ হলেও তিনি সংংশপ্তক উপন্যাসটি রচনা করেননি, তার বিখ্যাত রচনা রক্ত কবরী অনুবাদ ও কবর নাটক।
B) শহীদুল্লাহ কায়সার — এই অপশনটি সঠিক কারণ সংংশপ্তক উপন্যাসটি তার অমর সৃষ্টি এবং এর মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।
C) জহির রায়হান — জহির রায়হান প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার হলেও তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো বরফ গলা নদী ও হাজার বছর ধরে।
D) শওকত ওসমান — শওকত ওসমান খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক হলেও তার জনপ্রিয় উপন্যাস হলো কৃতদাসের হাসি ও জলাঙ্গী।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শহীদুল্লাহ কায়সার ও তার ভাই জহির রায়হান দুজনেই প্রখ্যাত সাহিত্যিক; মনে রাখতে হবে সংংশপ্তক লিখেছেন শহীদুল্লাহ কায়সার আর হাজার বছর ধরে লিখেছেন জহির রায়হান।
- নামের প্রথম অক্ষর ও উপন্যাসের মূল ভাব মিলিয়ে সহজে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধ ও গ্রামীণ জীবনভিত্তিক উপন্যাসের রচয়িতা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- শহীদুল্লাহ কায়সারের উপন্যাসগুলোর নাম ও প্রকাশের সাল ভালোভাবে মনে রাখা পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
'সঞ্চিতা' হলো বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন।
১৯২৮ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থে কবির বিভিন্ন সময়ে রচিত সেরা কবিতাগুলো স্থান পেয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিশ শতকের অন্যতম প্রধান কবি ও জাতীয় কবি।
সঞ্চিতা কাব্যগ্রন্থটি তিনি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ এর জন্য তাকে আশীর্বাদ করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সঞ্চয়িতা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার সংকলন, যা প্রায়শই শিক্ষার্থীরা 'সঞ্চিতা' এর সাথে গুলিয়ে ফেলে।
উদাহরণ ২: অগ্নিবীণা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ সঞ্চিতা তার বিখ্যাত কবিতা সংকলন।
B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক এবং তার বিখ্যাত কাব্য মহাশ্মশান নয়, মেঘনাদবধ কাব্য।
C) মহাকবি কায়কোবাদ — তিনি তার মহাশ্মশান মহাকাব্যের জন্য বিখ্যাত, কোনো কবিতা সংকলন সঞ্চিতার জন্য নন।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তার কবিতার সংকলনের নাম সঞ্চয়িতা, সঞ্চিতা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের সংকলন হলো সঞ্চিতা এবং রবীন্দ্রনাথের সংকলন হলো সঞ্চয়িতা।
নামের এই সূক্ষ্ম পার্থক্য মনে রাখলে পরীক্ষায় ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের সংকলন গ্রন্থ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
নজরুলের সঞ্চিতা এবং রবীন্দ্রনাথের সঞ্চয়িতা এই দুটি নাম বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৫৫ খ্রিঃ
১. কেন সঠিক:
বাংলা একাডেমি বাংলাদেশের একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান যা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির উন্নয়নে কাজ করে।
এটি প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য ছিল বাংলা ভাষার গবেষণা, প্রমিতকরণ এবং সাহিত্য চর্চাকে উৎসাহিত করা।
২. সাহিত্য ও ইতিহাস ব্যাখ্যা:
১৯৫৫ সালের ৩রা ডিসেম্বর বাংলা একাডেমি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এবং বর্ধমান হাউসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্য ও গবেষণায় অবদানের জন্য দেওয়া বাংলাদেশের অন্যতম prestiged পুরস্কার।
উদাহরণ ২: বাংলা একাডেমি বাংলা বানানরীতি।
ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার বানরীতি প্রমিত করার ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুসরণ করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫৫ খ্রিঃ — এটি বাংলা একাডেমির সঠিক প্রতিষ্ঠার খ্রিষ্টাব্দ।
B) ১৩৫৫ বঙ্গাব্দ — এই বঙ্গাব্দটি সঠিক প্রতিষ্ঠার সময়ের সঙ্গে মেলে না।
C) ১৩৬২ খ্রিঃ — এই সালটি সঠিক খ্রিষ্টাব্দের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) ১৩৫২ বঙ্গাব্দ — এটি বাংলা একাডেমির প্রতিষ্ঠার সঠিক বঙ্গাব্দ বা সাল নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
১৯৫৫ সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের ঠিক তিন বছর পর এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
এই ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা মনে রাখলে সালটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিষ্ঠার সাল ও মাস প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক কে ছিলেন, তা জেনে রাখা পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) ভাষা আন্দোলনের কথা
১. কেন সঠিক:
জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমি এবং এর পরবর্তী রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব।
এই উপন্যাসে একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনা এবং তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের বাস্তব চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
'আরেক ফাল্গুন' কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান রচিত একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস যা ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয়।
উপন্যাসটির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এবং এর বার্ষিকী পালনের মাধ্যমে তৎকালীন পাকিস্তানি সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জহির রায়হানের 'বরফ গলা নদী' উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি তার আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যেখানে মধ্যবিত্ত সমাজের জীবনযাত্রা ও মনস্তত্ত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
উদাহরণ ২: জহির রায়হানের ছোটগল্প 'সূর্যগ্রহণ'।
ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পটভূমিতে রচিত একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাষা আন্দোলনের কথা — এই অপশনটি সঠিক কারণ উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
B) বসন্তকালের কথা — এই অপশনটি ভুল কারণ 'ফাল্গুন' ঋতুভিত্তিক হলেও উপন্যাসটি কোনো ঋতু বা প্রকৃতির বর্ণনা নিয়ে লেখা নয়, এটি রাজনৈতিক উপন্যাসের অন্তর্ভুক্ত।
C) শীতকালের কথা — এই অপশনটি ভুল কারণ আবহাওয়া বা শীতকাল এই উপন্যাসের মূল আলোচ্য বিষয় বা প্রেক্ষাপট নয়।
D) মুক্তিযুদ্ধের কথা — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি সরাসরি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, বরং ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
জহির রায়হান ভাষা আন্দোলনের ওপর ভিত্তি করে 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাস লিখেছেন।
ফাল্গুন মাসেই একুশে ফেব্রুয়ারি তথা ভাষা আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল বলে এভাবে মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জহির রায়হানের উপন্যাস এবং তার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে 'আরেক ফাল্গুন' অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নাম।
সঠিক উত্তর: D) বাংলা একাডেমি
১. কেন সঠিক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা কারাগারের রোজনামচা গ্রন্থটি বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়েছে।
- গ্রন্থটির সম্পাদক ছিলেন অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান এবং এটি ২০১৭ সালের মার্চ মাসে প্রথম প্রকাশিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক ও জেলজীবনভিত্তিক ঐতিহাসিক গ্রন্থ।
- এই গ্রন্থে ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত কারাগারে বন্দি থাকাকালীন সময়ের দিনলিপি বা অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী
ব্যাখ্যা: এটিও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা একটি বিখ্যাত গ্রন্থ এবং এটিও বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: আমার দেখা নয়াচীন
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর চীন ভ্রমণের ওপর রচিত গ্রন্থ এবং এটিও বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রকাশিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ — এই প্রতিষ্ঠান বন্দিদের নিরাপত্তা ও প্রশাসন দেখভাল করে তবে এই গ্রন্থ প্রকাশ করেনি।
B) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ — এটি একটি রাজনৈতিক দল যারা এই গ্রন্থ প্রকাশের সাথে সরাসরি যুক্ত নয়।
C) শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি এই ঐতিহাসিক গ্রন্থটির লেখক কিন্তু প্রকাশক নন।
D) বাংলা একাডেমি — এই প্রতিষ্ঠানটি গ্রন্থটির প্রকাশক যা সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী ও রোজনামচা সংক্রান্ত বেশিরভাগ ঐতিহাসিক গ্রন্থ বাংলা একাডেমি প্রকাশ করেছে। তাই প্রকাশক হিসেবে বাংলা একাডেমির নাম মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কারাগারের রোজনামচা গ্রন্থের সাল, রচয়িতা এবং প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একই ধরনের অন্য গ্রন্থ যেমন অসমাপ্ত আত্মজীবনী এর প্রকাশকাল ও প্রকাশক সম্পর্কেও ধারণা রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) শেষের কবিতা
১. কেন সঠিক:
- শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা মূলত রোমান্টিক প্রেমের মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন নিয়ে রচিত এবং এর পটভূমিতে কোনো মুক্তিযুদ্ধ বা ১৯৭১ সালের ঘটনা নেই।
- বাংলা সাহিত্যে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে যে সমস্ত উপন্যাস রচিত হয়েছে, সেগুলোকে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিকদের একজন এবং শেষের কবিতা তাঁর একটি অনন্য সৃষ্টি যা প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে।
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অমিত রায় ও লাবণ্য দত্ত, যেখানে প্রথাগত প্রেমের ধারণার বাইরে এক নতুন বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পর্কের রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রুবাইয়াৎ উপন্যাসের পটভূমি মুক্তিযুদ্ধ।
ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি কালজয়ী উপন্যাস।
উদাহরণ ২: একাত্তরের দিনগুলি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতিকথা।
ব্যাখ্যা: জাহানারা ইমাম রচিত এই গ্রন্থটিতে মুক্তিযুদ্ধের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাঙর নদী গ্রেনেড — এটি সেলিনা হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, তাই এটি উত্তর হবে না।
B) স্টপ জেনোসাইড — এটি জহির রায়হান নির্মিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র হলেও অপশনের বিন্যাসে এটি এই ধারার সঙ্গেই সম্পৃক্ত, তাই এটি সঠিক নয়।
C) জোছনা ও জননীর গল্প — এটি হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি বিশাল কলেবরের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, তাই এটি উত্তর হতে পারে না।
D) শেষের কবিতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি রোমান্টিক উপন্যাস এবং এর সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের কোনো সম্পর্ক নেই, তাই এটিই সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯৪১ সালে মারা গেছেন, অথচ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১ সালে সংঘটিত হয়েছে।
- তাই রবীন্দ্রনাখ ঠাকুরের কোনো উপন্যাসই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক হতে পারে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস চেনার জন্য লেখকদের নাম ও রচনার প্রেক্ষাপট ভালোভাবে পড়তে হবে।
- সেলিনা হোসেন, আনোয়ার পাশা, শওকত ওসমান ও হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
১. কেন সঠিক:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোরের কপোতাক্ষ নদীতীরের সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার প্রবক্তা এবং মহাকাব্যের প্রণেতা হিসেবে এই জন্মস্থানটি অত্যন্ত পরিচিত ও তাৎপর্যপূর্ণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক হিসেবে অমর হয়ে আছেন।
- তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য এবং প্রহ্সন একেই কি বলে সভ্যতা ও বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিলোম্তাভ সম্ভব কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর কবি প্রতিভার পরিচয় দেয়।
উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মধুসূদন দত্তের রচিত পত্রকাব্য যা বাংলা সাহিত্যে একটি অনন্য সংযোজন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
B) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি একজন প্রখ্যাত আধুনিক কবি ও প্রাবন্ধিক হলেও সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেননি।
C) সুকান্ত ভট্টাচার্য — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন মার্ক্সবাদী কিশোর কবি যিনি গোপালগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন।
D) সমরেশ বসু — তিনি বিশ শতকের একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক যিনি অবিভক্ত বাংলার বিক্রমপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সাগরদাঁড়ি গ্রাম আর কপোতাক্ষ নদ এ দুটি নাম একসঙ্গে মনে রাখলে মাইকেল মধুসূদন দত্তকে সহজে মনে রাখা যায়।
- মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান মনে রাখার জন্য তাঁর শৈশবের কপোতাক্ষ নদের স্মৃতির সঙ্গে গ্রামটিকে যুক্ত করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি-সাহিত্যিকদের জন্মস্থান ও জন্মতারিখ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লেখকদের জন্মগ্রাম বা জন্মস্থান সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে তাদের বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের পটভূমি পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
- বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত বা পিতৃপ্রদত্ত নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।
- সাহিত্যচর্চার জন্য তিনি ছদ্মনাম বা তার আসল নামের বদলে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় নামটি ব্যবহার করতেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা আধুনিক উপন্যাসের অন্যতম প্রধান নির্মাতা ও কল্লোল যুগের বিশিষ্ট লেখক।
- ১৯০৮ সালের ১৯ মে বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকায় তাঁর জন্ম এবং ১৯৫৬ সালের ৩ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দিবারাত্রির কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: পদ্মার নদী মাঝি
ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত প্রখ্যাত সামাজিক ও বাস্তবধর্মী উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হরিহর বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক নয় কারণ এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতার নাম, তাঁর নিজের নাম নয়।
B) রতন বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক নয় কারণ লেখকের পরিবারের সাথে সম্পর্কিত কোনো বিখ্যাত সাহিত্যিক নাম এটি নয়।
C) প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর।
D) জ্যোতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক নয় কারণ এটি কোনো পরিচিত সাহিত্যিকের নাম বা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- লেখকের নামের প্রথম অক্ষর 'প' দিয়ে মনে রাখতে পারো যে তাঁর পিতৃপ্রদত্ত নাম শুরু হয়েছে 'প্রবোধকুমার' দিয়ে।
- কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় আসল নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় হলেও তিনি মানিক নামেই বেশি পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের প্রকৃত নাম বা ছদ্মনাম প্রায়ই আসে।
- প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল এবং কালীপ্রসন্ন সিংহের ছদ্মনাম হুতোম পেঁচা, এই ধরনের তথ্যগুলোও ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) আবদুল গাফফার চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির গীতিকার বা রচয়িতা আবদুল গাফফার চৌধুরী।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত এই গানটি বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান প্রেরণা।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আবদুল গাফফার চৌধুরী ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক, কলামিস্ট ও সাহিত্যিক।
- ভাষা আন্দোলনের পর ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সংকলনে গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির সুরকার আলতাফ মাহমুদ।
ব্যাখ্যা: আবদুল গাফফার চৌধুরী গানটি রচনা করার পর প্রথমে আব্দুল লতিফ এবং পরবর্তীতে আলতাফ মাহমুদ বর্তমানের জনপ্রিয় সুরটি করেন।
উদাহরণ ২: 'একুশ মানে মাথা না নোয়াখানা' কবিতার রচয়িতা আবু হেনা মোস্তফা কামাল।
ব্যাখ্যা: এটিও ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যা একুশের চেতনাকে ধারণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবদুল গাফফার চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনিই এই বিখ্যাত গানটির রচয়িতা।
B) খান আতাউর রহমান — তিনি এই গানের অন্যতম সুরকার এবং চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব, তবে রচয়িতা নন।
C) আলতাফ মাহমুদ — তিনি এই গানটির কালজয়ী সুরকার, গীতিকার নন।
D) ফজল-এ-খোদা — তিনি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক অন্য একটি বিখ্যাত গান 'سلام سلام হাজার سلام' এর রচয়িতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- গান রচনা করেছেন গাফফার চৌধুরী এবং সুর দিয়েছেন আলতাফ মাহমুদ।
- রচয়িতা ও সুরকার গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আব্দুল লতিফ এবং দ্বিতীয় তথা চূড়ান্ত সুরকার আলতাফ মাহমুদ।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রচয়িতা ও সুরকার সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
১. কেন সঠিক:
মঙ্গল কাব্যের ধারাটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি প্রধান শাখা, যার শেষ কবি হিসেবে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর স্বীকৃত। তাঁর বিখ্যাত কাব্য 'অন্নদামঙ্গল' মধ্যযুগের মঙ্গল কাব্য ধারার সর্বশেষ ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ছিলেন অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যযুগের কবি এবং কৃষ্ণনগর রাজসভার কবি কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের সভাকবি। তাঁর রচিত 'অন্নদামঙ্গল' কাব্য তিন অংশে বিভক্ত, যার মধ্যে বিদ্যাসুন্দর অংশটি অত্যন্ত জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল এবং তিনি রাজকীয় উপাধি পেয়েছিলেন রায়গুণাকর।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের সবচেয়ে বিখ্যাত ও মঙ্গল কাব্যের ধারার শেষ উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি।
উদাহরণ ২: বিদ্যাসুন্দর পালা।
ব্যাখ্যা: এটি অন্নদামঙ্গল কাব্যেরই একটি অংশ যা মধ্যযুগের প্রণয়ধর্মী আখ্যান হিসেবে অত্যন্ত সমাদৃত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বিজ বংশীদাস — ইনি মনসামঙ্গল কাব্যের একজন প্রাচীন ও প্রখ্যাত কবি ছিলেন, তাই তিনি শেষ কবি নন।
B) চন্দ্রাবতী — ইনি ষোড়শ শতাব্দীর প্রথম বাঙালি নারী কবি হিসেবে রামায়ণ ও মলুয়া পালার জন্য বিখ্যাত।
D) কানাহরি দত্ত — ইনি মনসামঙ্গল কাব্যের একজন আদি পর্বের কবি ছিলেন, শেষ কবি নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
মঙ্গল কাব্যের ইতি টেনেছেন রায়গুণাকর, ভারতচন্দ্র তাঁর নাম ধরে রাখো সবার। এভাবে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সহজে উত্তর করা যাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের শেষ কবি বা শেষ মঙ্গল কাব্য কোনটি, তা প্রায়ই আসে। ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ছিলেন অষ্টাদশ শতাব্দীর কবি এবং তাঁর উপাধি ছিল রায়গুণাকর।
সঠিক উত্তর: B) জীবন-ক্ষুধা
১. কেন সঠিক:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে মূলত বিদ্রোহী কবি ও প্রাবন্ধিক হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি তিনটি উপন্যাস রচনা করেছেন।
- প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে জীবন-ক্ষুধা নামটি কিছুটা মিল থাকলেও এটি কাজী নজরুল ইসলামের কোনো উপন্যাস নয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মূলত তিনটি উপন্যাস রচনা করেছেন, যার নামগুলো হলো বাঁধন-হারা, মৃত্যুক্ষোধা এবং কুহেলিকা।
- তার উপন্যাসগুলো মূলত সমসাময়িক সমাজবাস্তবতা, তারুণ্যের বিদ্রোহী চেতনা এবং রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামের পটভূমিতে রচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাঁধন-হারা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত একটি epistolary বা পত্রোপন্যাস।
উদাহরণ ২: মৃত্যুক্ষোধা
ব্যাখ্যা: এটি কবির অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সামাজিক উপন্যাস, যেখানে কলকাতার দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রা ও সংগ্রাম চিত্রায়িত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মৃত্যু ক্ষোধা - এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, তাই এটি সঠিক উত্তরের চাহিদা পূরণ করে না।
B) জীবন-ক্ষুধা - এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত কোনো উপন্যাস নয়, বরং এটি তার একটি বিভ্রান্তিকর নাম মাত্র।
C) বাঁধন-হারা - এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস, যা পত্রাকারে রচিত হয়েছে।
D) কুহেলিকা - এটি কাজী নজরুল ইসলামের রাজনৈতিক পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত তৃতীয় উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের তিনটি উপন্যাস মনে রাখার সহজ সূত্র হলো বাঁ থেকে মৃত্যু ও কুহেলিকা, অর্থাৎ বাঁধন-হারা, মৃত্যুক্ষোধা এবং কুহেলিকা।
- জীবন-ক্ষুধা নামটি দেখতে মিল মনে হলেও এটি নজরুলের লেখার তালিকায় নেই।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নজরুলের উপন্যাস কয়টি এবং কী কী তা জানতে চাওয়া হয়।
- কবি কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস সংখ্যা মাত্র তিনটি, তাই এই নামগুলো মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) ভ্রমণ কাহিনী
১. কেন সঠিক:
'আমার দেখা নয়াচীন' একটি বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনী যা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত হয়েছে।
১৯৫২ সালে চীন সফরের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে এই গ্রন্থটি রচিত হয়েছে যেখানে তৎকালীন চীনের সমাজ ব্যবস্থা ও মানুষের জীবনযাত্রা ফুটে উঠেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই গ্রন্থটির লেখক বাংলাদেশের স্থপতি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যিনি অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও কারাগারের রোজনামচাও লিখেছেন।
বাংলা একাডেমি ২০২০ সালে গ্রন্থটি প্রকাশ করে এবং এটি মূলত চীন ভ্রমণের একটি প্রামাণ্য দলিল ও আত্মজৈবনিক ভ্রমণ সাহিত্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা: এটি রফিকুল ইসলাম রচিত একটি জনপ্রিয় ভ্রমণ বিষয়ক গ্রন্থ এবং এর মাধ্যমে দেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা প্রকাশ পায়।
উদাহরণ ২: দেশে বিদেশে
ব্যাখ্যা: সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত এই গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় ভ্রমণ কাহিনী।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্থনীতি ভিত্তিক — এই গ্রন্থে অর্থনৈতিক তত্ত্ব বা বিশ্লেষণ প্রধান বিষয় নয় বরং চীন দেশের সামগ্রিক সমাজ ও মানুষের জীবনচিত্রের ভ্রমণ বিবরণী তুলে ধরা হয়েছে।
B) ভ্রমণ কাহিনী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে লেখকের চীন ভ্রমণের নিখুঁত ও চমৎকার বিবরণ রয়েছে।
C) গল্পগ্রন্থ — এটি কোনো কাল্পনিক ছোটগল্পের সংকলন নয় বরং বাস্তব জীবনের ভ্রমণ অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে লেখা একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে স্পষ্টভাবে বিদ্যমান তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর চীন ভ্রমণ সম্পর্কিত গ্রন্থ মনে রাখার জন্য নয়াচীন শব্দটি মাথায় রাখবে।
ভ্রমণ কাহিনী মানেই কোথাও ঘুরে আসার অভিজ্ঞতা যা এই গ্রন্থে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা আত্মজীবনী ও ভ্রমণ বিষয়ক গ্রন্থগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গ্রন্থটির প্রকাশকাল ও লেখকের নাম ভালোভাবে মনে রাখবে কারণ বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় এটি প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) নারী
১. কেন সঠিক:
এই চরণটিতে কাজী নজরুল ইসলাম নারী ও পুরুষের সমান অধিকার এবং সমাজ গঠনে তাদের সমকক্ষ অবদানের কথা জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন।
কবিতাটিতে পুরুষ ও নারী উভয়কেই সমাজের দুটি সমান ও অপরিহার্য অংশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে কারও অবস্থান কম বা বেশি নয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই বিখ্যাত চরণটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের 'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত 'নারী' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর লেখনীতে সবসময় নারী মুক্তি, সাম্য ও অধিকারের কথা জোরালোভাবে প্রচার করেছেন, যা তাঁকে বিদ্রোহী ও সাম্যবাদী কবির স্বীকৃতি দিয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চিরকল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।
ব্যাখ্যা: এটিও একই কবিতার বিখ্যাত চরণ, যা নারী ও পুরুষের সমান অবদানের কথা বোঝায়।
উদাহরণ ২: সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২৫ সালে।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থে কবির সাম্যবাদী চিন্তা ও মানুষের অধিকারের প্রতিফলন ঘটেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নারী — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রশ্নোক্ত চরণটি এই কবিতা থেকেই নেওয়া হয়েছে।
B) সাম্যবাদী — এটি একটি কাব্যগ্রন্থ এবং এই নামেই একটি কবিতাও রয়েছে, তবে প্রদত্ত চরণটি 'সাম্যবাদী' কবিতার নয়, 'নারী' কবিতার।
C) মানুষ — এটি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি বিখ্যাত কবিতা যা 'সর্বহারা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত, কিন্তু এর বিষয়বস্তু আলাদা।
D) সব্যসাচী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের কোনো বিখ্যাত কবিতার নাম নয়, বরং এটি তাঁর একটি উপাধি বা বিশেষ রচনা হতে পারে।
৫. মনে রাখার টিপস:
নজরুলের নারী-পুরুষের সাম্য সংক্রান্ত বিখ্যাত চরণ দেখলেই 'নারী' কবিতাকে বেছে নেবে।
মনে রাখবে নারী ও পুরুষের সমান অবদানের কথা মূলত 'নারী' কবিতায় বলা হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'নারী' কবিতা থেকে প্রায়ই চরণ তুলে প্রশ্ন করা হয়।
কাজী নজরুল ইসলামের সাম্যবাদী ভাবধারার রচনাগুলো ভালোভাবে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) বসন্ত
১. কেন সঠিক:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর 'বসন্ত' নাটকটি কবি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন।
এই উৎসর্গের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ বাংলা সাহিত্যের তরুণ ও বিদ্রোহী কবির প্রতি তাঁর গভীর স্নেহ ও শ্রদ্ধার প্রকাশ ঘটিয়েছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক বিশাল ব্যক্তিত্ব যিনি কবিতা, নাটক, ছোটগল্প ও উপন্যাসের মাধ্যমে সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন।
'বসন্ত' একটি ঋতুনাট্য যা ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর উৎসর্গপত্রে কাজী নজরুল ইসলামের নাম যুক্ত করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'রক্তকরবী' নাটকটি নন্দলাল বসুকে উৎসর্গ করা হয়েছিল।
ব্যাখ্যা: এই উৎসর্গ থেকে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে শিল্পীদের সম্পর্কের পরিচয় পাওয়া যায়।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা হয়েছিল।
ব্যাখ্যা: এটি দুই কবির মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সুসম্পর্কের এক অনন্য ঐতিহাসিক নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিসর্জন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ঐতিহাসিক নাটক যা রাজর্ষি উপন্যাসের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত এবং এটি নজরুলকে উৎসর্গ করা হয়নি।
B) ডাকঘর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রতীকধর্মী বিখ্যাত নাটক যার মূল চরিত্র অমল, এটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করা হয়নি।
C) বসন্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং এই নাটকটিই কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করা হয়েছিল।
D) অচলায়তন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রতিবাদী ও সংস্কারবিরোধী নাটক যা শিক্ষা ব্যবস্থার ত্রুটি নিয়ে রচিত, এটি নজরুলকে উৎসর্গ করা হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথ নজরুলকে বসন্ত ঋতু উপহার দিয়েছিলেন এভাবে মনে রাখতে পারো যে রবীন্দ্রনাথ তাঁর 'বসন্ত' নাটকটি নজরুলকে উৎসর্গ করেছিলেন।
কবির বয়স ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে তারুণ্যের মিল খুঁজতে গিয়ে তিনি এই বিশেষ কাজটি করেছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন গ্রন্থ বা নাটক কাকে উৎসর্গ করা হয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়।
তাই বিখ্যাত লেখকদের উৎসর্গপত্র সম্পর্কিত তথ্যগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) বড়ু চণ্ডীদাস
১. কেন সঠিক:
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটির আবিষ্কারক বসন্তরঞ্জন রায় বিদদ্বলভ এবং বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শনগুলোর একটি হিসেবে এটি স্বীকৃত।
- এই কাব্যের ভণিতায় বড়ু চণ্ডীদাসের নাম পাওয়া যায়, যা এর রচয়িতা নিশ্চিত করার প্রধান ভিত্তি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদের পর বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি মূলত রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের কাহিনী নিয়ে রচিত।
- বসন্তরঞ্জন রায় বিদদ্বলভ ১৯০৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরের একটি গোয়ালঘর থেকে পুথিটি আবিষ্কার করেন এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে এটি প্রকাশ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের খণ্ডসমূহ
ব্যাখ্যা: এই কাব্যে জন্মখণ্ড, তাম্বুলখণ্ড, দানখণ্ড, নৌকাখণ্ড, ভারখণ্ড, ছত্রখণ্ড, বৃন্দাবনখণ্ড, যমুনাখণ্ড, হারখণ্ড, বাণখণ্ড, বংশীখণ্ড ও রাধাবিরহ - মোট বারোটি খণ্ড রয়েছে।
উদাহরণ ২: মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলি
ব্যাখ্যা: বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের পর মধ্যযুগে বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাস বৈষ্ণব পদাবলি রচনার ধারাকে সমৃদ্ধ করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বড়ু চণ্ডীদাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের ভণিতায় তার নাম পাওয়া যায় এবং তিনি এর একমাত্র স্বীকৃত রচয়িতা।
B) দ্বিজ চণ্ডীদাস — দ্বিজ চণ্ডীদাস পরবর্তী যুগের একজন পদকর্তা, যিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা নন।
C) শ্রী চৈতন্যদেব — শ্রী চৈতন্যদেব মধ্যযুগের ভক্তি আন্দোলনের প্রবক্তা ও ধর্মগুরু, তিনি কোনো কাব্য রচনা করেননি।
D) কাহ্নপা — কাহ্নপা চর্যাপদের অন্যতম প্রধান কবি, তিনি মধ্যযুগের বৈষ্ণব সাহিত্যের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য রচনা করেননি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের সঙ্গে বড়ু চণ্ডীদাস এবং চর্যাপদের সঙ্গে কাহ্নপার নাম মনে রাখবে।
- মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন মানেই বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর থেকে আবিষ্কৃত হয়।
- এই কাব্যে রাধা, কৃষ্ণ ও বরাই - এই তিনটি প্রধান চরিত্র রয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) সুবচন নির্বাসনে
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত প্রশ্নটি ভুল এবং বিভ্রান্তিকর। প্রশ্নটিতে সৈয়দ শামসুল হকের নাটক চাওয়া হয়েছে, কিন্তু 'সুবচন নির্বাসনে' নাটকটি সৈয়দ শামসুল হকের নয়, এটি বিশিষ্ট নাট্যকার আবদুল্লাহ আল মামুনের লেখা একটি বিখ্যাত নাটক।
- সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক, কবি ও নাট্যকার হলেও 'সুবচন নির্বাসনে' নাটকটির সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'সুবচন নির্বাসনে' নাটকটির রচয়িতা আবদুল্লাহ আল মামুন, যিনি বাংলাদেশের আধুনিক নাট্য আন্দোলনের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- সৈয়দ শামসুল হকের বিখ্যাত নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়, নূরলদীনের সারাজীবন এবং গণনায়ক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য, যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সুবচন নির্বাসনে
ব্যাখ্যা: এটি আবদুল্লাহ আল মামুন রচিত একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক নাটক, যা ১৯৭৪ সালে প্রথম মঞ্চায়িত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত নাটক, তাই এটি সঠিক উত্তর হতো যদি প্রশ্নটি অন্যভাবে হতো, কিন্তু প্রদত্ত উত্তর অনুযায়ী এটি এখানে ভুল হিসেবে ধরা হয়েছে।
B) সুবচন নির্বাসনে — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও এটি আবদুল্লাহ আল মামুনের নাটক, সৈয়দ শামসুল হকের নয়।
C) হাত হাদীই — এটি কোনো পরিচিত মানসম্মত বাংলা নাটক নয়, বরং এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক অপশন।
D) রক্তাক্ত প্রান্তর — এটি মুনীর চৌধুরী রচিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক, সৈয়দ শামসুল হকের নাটক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আবদুল্লাহ আল মামুনের বিখ্যাত নাটক মনে রাখার কৌশল হলো সুবচন নির্বাসনে নাটকটি তার অন্যতম সেরা সৃষ্টি।
- সৈয়দ শামসুল হকের নাটকগুলো প্রধানত কাব্যনাট্য যেমন পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ও নূরলদীনের সারাজীবন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনেক সময় ভুল প্রশ্ন ও উত্তর থাকতে পারে, তাই প্রার্থীর নিজস্ব সাহিত্য জ্ঞান থাকা জরুরি।
- নাট্যকার আবদুল্লাহ আল মামুন এবং সৈয়দ শামসুল হকের নাটকের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
'বলাকা' হলো বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গীতিকাব্য, যা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
এই কাব্যগ্রন্থের কবিতায় গতির জয়গান গাওয়া হয়েছে এবং এর একটি বিখ্যাত কবিতা হলো বলাকা, যা বিরামহীন যাত্রার প্রতীক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা, যিনি একাধারে কবি, নাট্যকার, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক।
'বলাকা' কাব্যগ্রন্থটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালের অস্থিরতা ও গতির জীবনদর্শন প্রকাশ পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানসী
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি কাব্যগ্রন্থ যা কবির রোমান্টিক চেতনার পরিচয় বহন করে।
উদাহরণ ২: সোনালী কাবিন
ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদের বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ, যা গ্রামীণ জীবনের প্রতীক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও 'বলাকা' কাব্যটি তার নয়, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো অগ্নিবীণা।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি মৌলিক কাব্যগ্রন্থ।
C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের জনক ও প্রাবন্ধিক ছিলেন, কোনো কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন।
D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি যুগসন্ধিকালের কবি ছিলেন এবং তার কাব্য রচনার ধারা বলাকা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
৫. মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথে গতির প্রতীক হলো বলাকা, আর বলাকা কাব্য প্রকাশের সাল হলো উনিশ শ ষোল।
কবিদের বিখ্যাত কাব্য মনে রাখতে লেখকের মূল সাহিত্যধারা ও প্রকাশের সময় মনে রাখা সহজ কৌশল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বলাকা কাব্যগ্রন্থটি চলিত রীতিতে লেখা রবীন্দ্রনাথের একটি রূপান্তরধর্মী আধুনিক কাব্য।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ও তার রচয়িতা থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) আগে
১. কেন সঠিক:
- উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা স্বাধীনভাবে কোনো পদে ব্যবহৃত হতে পারে না।
- এই শব্দাংশগুলো অন্য শব্দের পূর্বে বা আগে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে শব্দের অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন সাধন করে।
- বাংলা ভাষায় উপসর্গ তিন প্রকার যথা খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হার শব্দের আগে বি উপসর্গ যুক্ত হয়ে বিহার শব্দ গঠিত হয়।
ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ হারের পূর্বে বি উপসর্গ যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে।
উদাহরণ ২: মান শব্দের আগে অপমান শব্দে অপ উপসর্গ বসে।
ব্যাখ্যা: মান শব্দের পূর্বে অপ উপসর্গ যুক্ত হয়ে বিপরীতার্থক নতুন শব্দ তৈরি হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আগে — এটি সঠিক কারণ উপসর্গ সবসময় মূল শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
B) মাঝখানে — উপসর্গ শব্দের মাঝখানে বসে না কারণ এটি সর্বদা পদের আদিতে যুক্ত হয়।
C) শেষে — শব্দের শেষে যা যুক্ত হয় তাকে প্রত্যয় বলে, উপসর্গ নয়।
D) আগে ও শেষে — উপসর্গ কখনো শব্দের শেষে বসে না, তাই এটি ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- উপ শব্দের অর্থ সমীপে বা সামনে, তাই উপসর্গ সবসময় শব্দের সামনে বা আগে বসে।
- উপসর্গ আগে বসে আর প্রত্যয় পরে বসে, এই নিয়মটি মনে রাখলে আর ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ কয় প্রকার ও কী কী তা প্রায়ই আসে।
- বাংলা ভাষায় মোট ২১টি খাঁটি বাংলা উপসর্গ রয়েছে যা মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) জীবনানন্দ দাশ
১. কেন সঠিক:
- আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশকে তাঁর কবিতায় নিসর্গপ্রকৃতির নিঃসঙ্গতা ও আত্মমগ্নতার জন্য 'নির্জনতম কবি' বলা হয়।
- বুদ্ধদেব বসু 'কবিতা' পত্রিকায় তাঁকে বাংলা সাহিত্যের 'নির্জনতম কবি' হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের ১৭ই ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৫৪ সালের ২২শে অক্টোবর কলকাতায় মারা যান।
- তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে 'ঝরা পালক', 'ধূসর পাণ্ডুলিপি', 'বনলতা সেন' ও 'রূপসী বাংলা' অন্যতম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বনলতা সেন
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কবিতা এবং কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কবিতার ক্লাসিক রূপ হিসেবে সমাদৃত।
উদাহরণ ২: রূপসী বাংলা
ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থে কবির প্রকৃতিপ্রেম এবং বাংলার রূপ নিবিড় ও নির্জনভাবে ফুটে উঠেছে, যা তাঁর কবিস্বভাবের পরিচয় দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিষ্ণু দে — তিনি কল্লোল যুগের মার্ক্সবাদী ও আধুনিক কবি হলেও 'নির্জনতম কবি' নামে পরিচিত নন।
B) বুদ্ধদেব বসু — তিনি আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রবক্তা ও সমালোচক যিনি জীবনানন্দ দাশকে এই উপাধি দিয়েছিলেন।
D) অমিয় চক্রবর্তী — তিনি রবীন্দ্রোত্তর আধুনিক যুগের একজন বিশিষ্ট কবি ও শিক্ষাবিদ যিনি এই উপাধির অধিকারী নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নিঃসঙ্গতা ও প্রকৃতির রূপ প্রকাশে যিনি সবার চেয়ে আলাদা, তিনিই জীবনানন্দ দাশ এবং তাঁকে বলা হয় নির্জনতম কবি।
- বুদ্ধদেব বসু যে কবিকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা করেছিলেন, তিনিই জীবনানন্দ দাশ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের ছদ্মনাম বা উপাধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- প্রমথ চৌধুরীকে 'বীরবল' এবং শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে 'অরূপরতন' বলা হয়, যা মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) সমীচীন
১. কেন সঠিক:
- সমীচীন শব্দটির বানানে প্রথমে দন্ত-স-এ দীর্ঘ ঈ-কার এবং পরে চ-এ দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটিই একমাত্র স্বীকৃত এবং সঠিক বানান রূপ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী কিছু বিদেশি বা সংস্কৃত শব্দে ই-কার বা ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- সমীচীন শব্দের উভয় ই-কারই দীর্ঘ (ঈ-কার) হবে, যা এই শব্দের একটি বিশেষ বানানগত বৈশিষ্ট্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রতিযোগিতা
ব্যাখ্যা: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই এই বানানটি শুদ্ধরূপে আসে।
উদাহরণ ২: মানুষের জীবন অনিশ্চিত
ব্যাখ্যা: বাক্য গঠনে সঠিক বানান ব্যবহার লেখার মান উন্নত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমীচীন — এটি সঠিক বানান।
B) সমিচিন — এখানে প্রথম ও দ্বিতীয় উভয় ই-কারই হ্রস্ব (ই-কার) দেওয়া হয়েছে, যা ভুল।
C) সমিচীন — এখানে প্রথমটি হ্রস্ব এবং দ্বিতীয়টি দীর্ঘ ই-কার দেওয়া হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) সমীচিন — এখানে প্রথমটি দীর্ঘ এবং দ্বিতীয়টি হ্রস্ব ই-কার দেওয়া হয়েছে, যা প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সমীচীন বানানে দুটিই দীর্ঘ ঈ-কার হয়, অর্থাৎ দীর্ঘ-দীর্ঘ নিয়ম মেনে চলে।
- সম-ই-চ-ই-ন এভাবে ভেঙে না পড়ে সম্পূর্ণ বানানটি একবারে মুখস্থ রাখা নিরাপদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বানান শুদ্ধি থেকে প্রতি বছর অন্তত এক বা দুটি প্রশ্ন থাকে।
- সমীচীন, বুদ্ধিজীবী এবং সান্ত্বনা এই শব্দগুলোর বানান বারবার পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) অগ্নিবীণা
১. কেন সঠিক:
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো অগ্নিবীণা।
এটি বাংলা সাহিত্য ও বাঙালি জাতির বিদ্রোহী চেতনার এক ঐতিহাসিক প্রকাশ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি হিসেবে পরিচিত।
অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হয় এবং এতে মোট বারোটি কবিতা রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রলয়োল্লাস
ব্যাখ্যা: এটি অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা, যা অন্যায়ের বিরুদ্ধে ধ্বংস ও নতুন সৃষ্টির বাণী প্রচার করে।
উদাহরণ ২: বিদ্রোহী
ব্যাখ্যা: অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্যতম বিখ্যাত এই কবিতাটি কবিকে বিশ্বজুড়ে বিদ্রোহী কবির খ্যাতি এনে দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদ্রোহী — এটি কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত একটি বিখ্যাত কবিতা।
B) অগ্নিবীণা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কবির প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
C) বিষের বাঁশি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রতিবাদী কাব্যগ্রন্থ হলেও প্রথম নয়।
D) দোলন চাঁপা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত প্রেমের কাব্যগ্রন্থ, প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের প্রথম কাব্য মানেই অগ্নিঝরা শুরু, তাই মনে রাখবে প্রথম কাব্য অগ্নিবীণা।
কবিতা শুরুর আগে যেমন সুর তোলে, তেমনি নজরুল তার সাহিত্য জীবন শুরু করেন অগ্নিবীণা দিয়ে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রকাশসাল এবং প্রথম কবিতার নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
নজরুলের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস বাঁধন হারা এবং প্রথম প্রকাশিত গল্প বাউণ্ডুলের আত্মকথা ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) ৭টি
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা সাতটি। যে স্বরধ্বনিগুলোকে ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না, সেগুলোই মৌলিক স্বরধ্বনি।
- উচ্চারণের সময় মুখবিবর সম্পূর্ণ বা আংশিক খোলা থাকে এবং বাতাসের পথ অবরুদ্ধ হয় না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে যেসব স্বরধ্বনি অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়া স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হয়, তাদের মৌলিক স্বরধ্বনি বলা হয়।
- ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি। ধ্বনিগুলো হলো অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আম
ব্যাখ্যা: আম শব্দটিতে আ হলো একটি মৌলিক স্বরধ্বনি, যা নিজে নিজে উচ্চারিত হয়।
উদাহরণ ২: ইট
ব্যাখ্যা: ইট শব্দটিতে ই হলো একটি মৌলিক স্বরধ্বনি, যার কোনো রূপান্তর ঘটে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫টি — বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংখ্যা এগারোটি হলেও মৌলিক স্বরধ্বনি পাঁচটি নয়। এই সংখ্যাটি ভুল।
B) ৪টি — বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা চারটি নয়, এটি একটি ভুল তথ্য।
C) ৯টি — বাংলা ব্যাকরণে মৌলিক স্বরধ্বনি ৯টি হিসেবে ধরা হয় না, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
D) ৭টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মৌলিক স্বরধ্বনি মনে রাখার সহজ উপায় হলো সংখ্যাটি সাত। বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ এগারোটি হলেও মৌলিক ধ্বনি সাতটি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি তা জানতে চাওয়া হয়। সঠিক উত্তর সবসময় সাতটি নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) প্রাতঃ + আশ
১. কেন সঠিক:
প্রাতরাশ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে পাওয়া যায় প্রাতঃ + আশ। এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মের অন্তর্ভুক্ত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম হলো অ কারের পর বিসর্গ থাকলে এবং তার পরে অ বা অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে বিসর্গ লুপ্ত হয়ে ও কার হয় কিংবা বিসর্গের পরে স্বরধ্বনি থাকলে বিসর্গ লোপ পায়। এখানে প্রাতঃ শব্দের বিসর্গের পর স্বরধ্বনি আ যুক্ত হয়ে প্রাতরাশ গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অহর্নিশ (অহঃ + নিশ)
ব্যাখ্যা: এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ যেখানে বিসর্গ রেফ এ রূপান্তরিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মনোহর (মনঃ + হর)
ব্যাখ্যা: এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গ ও কারে রূপান্তরিত হয়ে সাধিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাত + রাশ — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রাত একা কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ নয় এবং এর সাথে বিসর্গ না থাকায় সন্ধির নিয়মের সাথে মেলে না।
B) প্রাতঃ + রাশ — এই অপশনটি ভুল কারণ রাশ শব্দের শুরুতে স্বরধ্বনি না থাকায় প্রাতরাশ শব্দটি গঠিত হওয়া সম্ভব নয়।
D) প্রাত + আশ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে বিসর্গ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়নি যা সন্ধি সাধনের জন্য আবশ্যক।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিসর্গ সন্ধি মনে রাখার জন্য শব্দের প্রথম অংশে বিসর্গ যুক্ত পদ যেমন প্রাতঃ, মনঃ, অহঃ ইত্যাদির ব্যবহার খেয়াল রাখবে। সন্ধি বিচ্ছেদের সময় স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনির মিলন ভালোভাবে মিলিয়ে দেখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের গঠন ভালোভাবে বুঝতে পারলে যেকোনো সন্ধি সহজে নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) সেলিনা হোসেন (দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে C এবং D উভয় অপশনে সেলিনা হোসেন রয়েছে, প্রমিত উত্তর হিসেবে সেলিনা হোসেন নির্ধারিত)
১. কেন সঠিক:
- হাঙর নদী গ্রেনেড উপন্যাসটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন।
- এটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত ও বহুল পঠিত উপন্যাস।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সেলিনা হোসেন বাংলাদেশের সমকালীন কথাসাহিত্যের অন্যতম প্রধান ঔপন্যাসিক।
- তার এই উপন্যাসে এক মায়ের বীরত্ব এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পোকামাকড়ের ঘরবসতি
ব্যাখ্যা: এটি সেলিনা হোসেন রচিত আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।
উদাহরণ ২: নীলকণ্ঠ পাখি
ব্যাখ্যা: এটিও সেলিনা হোসেনের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রশংসিত একটি উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হুমায়ূন আহমেদ — তিনি এই উপন্যাসের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে জোছনা ও জননীর গল্প এবং নন্দিত নরকে।
B) শামসুর রাহমান — তিনি মূলত আধুনিক যুগের প্রধান কবি ও প্রাবন্ধিক, কোনো ঔপন্যাসিক নন।
C) সেলিনা হোসেন — তিনি এই উপন্যাসের সঠিক রচয়িতা এবং তার সাহিত্যকর্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ।
D) সেলিনা হোসেন — এটিও একই লেখকের নাম এবং উপন্যাসের রচয়িতা হিসেবে সঠিক, তবে অপশন পুনरावृत्ति হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস হাঙর নদী গ্রেনেড মনে রাখার জন্য লেখিকা সেলিনা হোসেনের নাম এভাবে মনে রাখতে পারো যে তিনি ইতিহাসের নানা বাঁক নিয়ে উপন্যাস লিখেছন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই সেলিনা হোসেনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনাগুলো আলাদা করে পড়ে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) নীল চাষ ও নীলকরদের অত্যাচার
১. কেন সঠিক:
- দীনবন্ধু মিত্রের 'নীল দর্পণ' নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো তৎকালীন বাংলায় নীলকর সাহেবদের অকথ্য অত্যাচার এবং নীল চাষে কৃষকদের চরম দুর্দশা।
- নাটকে বাংলার সাধারণ কৃষকদের ওপর চালানো নির্মম শোষণ এবং তার প্রতিবাদে কৃষকদের বিদ্রোহের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'নীল দর্পণ' নাটকটির রচিয়তা নাট্যকার দীনবন্ধু মিত্র এবং এটি ১৮৬০ সালে ঢাকায় প্রকাশিত হয়।
- এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক নাটক যা নীলকর বিদ্রোহের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্ত নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন 'The Indigo Planting Mirror' নামে।
ব্যাখ্যা: নাটকটির গুরুত্ব আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে এবং ব্রিটিশ সরকারের কাছে অত্যাচারের কথা জানাতে এই অনুবাদ করা হয়েছিল।
উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই নাটকটিকে ইউরিপিডিস রচিত গ্রিক নাটকের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন।
ব্যাখ্যা: নাটকের গভীর ট্র্যাজেডি এবং সামাজিক প্রভাবের কারণে গুণীজনেরা এর উচ্চ প্রশংসা করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নীল চাষ ও নীলকরদের অত্যাচার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ নাটকটি নীলকরদের নির্যাতন নিয়ে লেখা।
B) নীল সাগর — এটি কোনো সাহিত্যিক বিষয়বস্তু বা অপশনের সঠিক উত্তর নয় বরং এটি একটি ভৌগোলিক শব্দ।
C) জল দস্যুদের অত্যাচার — এটি 'নীল দর্পণ' নাটকের বিষয়বস্তু নয় বরং সমুদ্রভিত্তিক উপন্যাসের বিষয় হতে পারে।
D) নীল আয়না — এটি কোনো পরিচিত সাহিত্যকর্ম বা এই নাটকের বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো শব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নীল দর্পণ মানেই দর্পণে বা আয়নায় নীলকরদের নিষ্ঠুর মুখ দেখা যাওয়া।
- নাটকের নাম দেখলেই মনে রাখবে এটি নীল চাষিদের ওপর অত্যাচারের দলিল।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নীল দর্পণ নাটকের রচিয়তা এবং প্রকাশের সন প্রায়ই আসে।
- বাংলা নাটকের ইতিহাসে সামাজিক সমস্যাভিত্তিক নাটক হিসেবে এর অবস্থান অত্যন্ত উঁচুতে।
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীকে বাংলা গীতি কবিতার ভোরের পাখি বলা হয়। ভোরের পাখি অর্থ হলো ঊষালগ্নের বা সূচনার দূত, যিনি বাংলা সাহিত্যে প্রথম গীতি কবিতার আত্মপ্রকাশ ঘটিয়েছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিহারীলাল চক্রবর্তী ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট কবি ও গীতি কবিতার প্রবক্তা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর কবিতায় মুগ্ধ হয়ে তাকে ভোরের পাখি বলে আখ্যায়িত করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সারদা মঙ্গল কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা গীতি কবিতার অনন্য নিদর্শন।
উদাহরণ ২: সাধের কেতকা কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটিও কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা গীতি কবিতায় বিশেষ অবদান রেখেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলা গদ্যের জনক এবং শিক্ষাবিদ হিসেবে পরিচিত, বিহারীলালকে এই উপাধি দেননি।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি সঠিক উত্তর কারণ তিনিই কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীকে এই উপাধি প্রদান করেছিলেন।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি বিহারীলাল চক্রবর্তীর সমসাময়িক বা এই উপাধির দাতা নন।
D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — ইনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক, তবে তিনি এই উপাধি দেননি।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিহারীলাল চক্রবর্তী ভোরের পাখি এবং তাকে এই উপাধি দিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এভাবে মনে রাখতে পারেন যে রবীন্দ্রনাথ গানের পাখি বা ভোরের পাখি হিসেবে তাকে সম্মানিত করেছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের গীতি কবিতার শুরু কার হাত ধরে তা জানতে চাইলে বিহারীলাল চক্রবর্তীর নাম আসবে। এবং তাকে ভোরের পাখি বলা হয় এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: A) শামসুদ্দিন আবুল কালাম
১. কেন সঠিক:
কাশবনের কন্যা উপন্যাসের রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শামসুদ্দিন আবুল কালাম।
উপন্যাসটি গ্রামীণ জনপদের মানুষের জীবনযাত্রা ও নদীমাতৃক বাংলার বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শামসুদ্দিন আবুল কালাম বিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক।
তাঁর সাহিত্যকর্মে গ্রামীণ সমাজ, বিশেষ করে ভাটি অঞ্চলের মানুষের জীবন ও সংগ্রামের নিখুঁত রূপায়ণ ঘটেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জীবন বিধান
ব্যাখ্যা: এটি শামসুদ্দিন আবুল কালামের রচিত আরও একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কাঞ্চনমালা
ব্যাখ্যা: এটিও এই লেখকের উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম যা গ্রামীণ জীবনের ওপর রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শামসুদ্দিন আবুল কালাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি কাশবনের কন্যা উপন্যাসের রচয়িতা।
B) আবুল কালাম শামসুদ্দীন — এই নামে অপর একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সাংবাদিক থাকলেও তিনি এই উপন্যাসের লেখক নন।
C) শওকত ওসমান — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে ক্রীতদাসের হাসি ও জননী উল্লেখযোগ্য।
D) আবু ইসহাক — তিনি সূর্য দীঘল বাড়ি উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত, যা কাশবনের কন্যা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
কালাম কাশবনে হারিয়ে গেছেন এভাবে মনে রাখতে পারো যে কাশবনের কন্যা উপন্যাসের লেখক শামসুদ্দিন আবুল কালাম।
নামের প্রথম অংশ মিলিয়ে সহজেই লেখকের নাম স্মরণে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গ্রামীণ পটভূমির উপন্যাস ও লেখকদের নাম প্রায়ই আসে।
একই লেখকের অন্যান্য উপন্যাস যেমন জীবন বিধান সম্পর্কে ধারণা রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) আরেক ফাল্গুন
১. কেন সঠিক:
- আরেক ফাল্গুন উপন্যাসটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত প্রথম সার্থক উপন্যাস।
- কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনা ও এর পরবর্তী রাজনৈতিক আন্দোলনের বাস্তব চিত্র এই উপন্যাসে ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উপন্যাসের রচিয়তা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান।
- এটি ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির শহীদদের স্মরণে এবং পরবর্তী সময়ে বন্দিদশার পটভূমিতে রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন উপন্যাসটির প্রধান চরিত্রগুলোর মধ্যে মাজেদা ও মুনীর অন্যতম।
ব্যাখ্যা: এই চরিত্রগুলোর মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোতে সাধারণ মানুষের সংগ্রাম ও ত্যাগের বাস্তব রূপ প্রকাশ পেয়েছে।
উদাহরণ ২: জহির রায়হানের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস বরফ গলা নদী।
ব্যাখ্যা: এটি সমাজ বাস্তবতার ওপর লেখা হলেও আরেক ফাল্গুন সরাসরি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাঙর নদী গ্রেনেড — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নয়।
B) আরেক ফাল্গুন — এটি ভাষা আন্দোলন বিষয়ক উপন্যাস বিধায় সঠিক উত্তর।
C) জীবন ঘষে আগুন — এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি আত্মজীবনীমূলক বা ভিন্ন প্রেক্ষাপটের রচনা, ভাষা আন্দোলনের উপন্যাস নয়।
D) কবর — এটি মুনীর চৌধুরী রচিত একটি বিখ্যাত নাটক, কোনো উপন্যাস নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ভাষা আন্দোলনের মাস ফাল্গুন, তাই ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাসটি হবে আরেক ফাল্গুন।
- জহির রায়হানের নামের সঙ্গে ফাল্গুন শব্দ যুক্ত করে এটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম উপন্যাস কোনটি, তা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- একই রকমভাবে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলোর নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
- 'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়' চরণটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য প্রণেতা মাইকেল মধুসূদন দত্তের পূর্ববর্তী যুগের অন্যতম প্রধান কবি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মাবতী' নাটকের বা তাঁর বিখ্যাত কাব্যের একটি অমর পঙ্ক্তি।
- প্রশ্নটিতে মূলত পরাধীনতার গ্লানি থেকে মুক্তির আকূতি প্রকাশ করা হয়েছে এবং বাঙালি জাতির মনে স্বাধীনতার চেতনা জাগানোর ক্ষেত্রে এই চরণের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন উনিশ শতকের নবজাগরণের সময়ের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক যিনি মূলত দেশপ্রেম ও স্বাধীনতার বাণী প্রচারের জন্য বিখ্যাত।
- তাঁর রচিত 'পদ্মাবতী' নাটক বা তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থে দেশপ্রেমের সুর স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে যা পরবর্তীকালের বাংলা সাহিত্যকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কে বাঁচিতে চায় হে কে বাঁচিতে চায়, স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়।
ব্যাখ্যা: এই পঙ্ক্তিটি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত দেশাত্মবোধক কবিতার মূল সুর প্রকাশ করে যেখানে পরাধীনতার জীবনকে মৃত্যুর সমান বলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: স্বাধীনতার সুখ কার না ভালো লাগে।
ব্যাখ্যা: এটি সাধারণ বাক্যে স্বাধীনতার গুরুত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতার মূল ভাবের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — ইনি উনবিংশ শতকের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক হলেও আলোচ্য পঙ্ক্তিটির রচয়িতা নন।
B) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি একজন দেশপ্রেমিক কবি হলেও এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি তাঁর কোনো রচনা থেকে নেওয়া হয়নি।
C) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর কোনো ভুল বা অসংগতি নেই।
D) মধুসূদন দত্ত — ইনি বাংলা মহাকাব্যের প্রণেতা হলেও এই নির্দিষ্ট পঙ্ক্তিটির স্রষ্টা রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- স্বাধীনতা হীনতার কথা এলেই রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম মনে রাখবে কারণ তাঁর কবিতাতেই প্রথম স্বাধীনতার জয়গান স্পষ্টভাবে উচ্চারিত হয়েছিল।
- কবি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই একসঙ্গে আসে তাই এটি মুখস্থ রাখা নিরাপদ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই ধরনের সাহিত্যিক উদ্ধৃতিগুলো বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার আসে তাই বিখ্যাত কবিদের বিখ্যাত পঙ্ক্তিগুলো আলাদা করে নোট করে রাখা উচিত।
- প্রশ্ন সমাধানের সময় লেখকের মূল ভাব এবং তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নামগুলো ভালোভাবে মিলিয়ে দেখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) নেমেসিস
১. কেন সঠিক:
- নেমেসিস হলো বিখ্যাত নাট্যকার নূরুল মোমেন রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রশংসিত নাটক।
- এই নাটকে তৎকালীন সমাজের নানা অসঙ্গতি, নৈতিক অবক্ষয় এবং মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- নূরুল মোমেন বাংলাদেশের নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে একজন আধুনিক নাট্যকার হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত ও সম্মানিত।
- তার রচিত নেমেসিস নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক বাস্তবতার এক অনন্য সংযোজন হিসেবে পরিগণিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নেপথ্য নাটক
ব্যাখ্যা: এটিও নূরুল মোমেন রচিত অন্যতম একটি পরিচিত ও উল্লেখযোগ্য নাটক।
উদাহরণ ২: ভাই ভাই দুই বোন
ব্যাখ্যা: এটি নূরুল মোমেন রচিত আরেকটি সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নবান্ন — এটি নাট্যকার বিজাণ ভট্টাচার্য রচিত একটি ঐতিহাসিক ও জনবহুল গণনাট্য।
B) নেমেসিস — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি নূরুল মোমেন রচিত বিখ্যাত নাটক।
C) কৃষ্ণকুমারী — এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক যার রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
D) জমিদার দর্পণ — এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত ও প্রতিবাদী সামাজিক নাটক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নূরুল মোমেনের নামের প্রথম অক্ষর ন এবং তার বিখ্যাত নাটক নেমেসিসের প্রথম অক্ষরও ন, এভাবে খুব সহজে মনে রাখা যায়।
- নাটক মনে রাখার জন্য লেখকের নামের সঙ্গে নাটকের নামের মিল খোঁজা একটি ভালো কৌশল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাট্যকার নূরুল মোমেন থেকে প্রায়ই নেমেসিস নাটকটি সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত নাট্যকার ও তাদের বিখ্যাত নাটকগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) বঙ্গদর্শন
১. কেন সঠিক:
বঙ্গদর্শন পত্রিকাটির সঙ্গে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত কারণ তিনি নিজেই এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের নবজাগরণে এবং মননশীল প্রবন্ধ ও মানসম্মত উপন্যাসের প্রসারে এই পত্রিকার ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ।
তার সম্পাদনায় বঙ্গদর্শন পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় বাংলা ১২৭৯ সালের বৈশাখ মাসে অর্থাৎ ১৮৭২ সালের এপ্রিল মাসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা বঙ্গদর্শন পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল।
উদাহরণ ২: কৃষ্ণকান্তের উইল
ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্রের এই বিখ্যাত উপন্যাসটিও বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা বাজার — এটি কোনো বিখ্যাত ঐতিহাসিক সাহিত্য পত্রিকার নাম নয়, বরং এটি একটি জায়গার নাম।
B) বঙ্গবাসী — এটি যোগেন্দ্রচন্দ্র বসু দ্বারা প্রকাশিত একটি বিখ্যাত সাপ্তাহিক পত্রিকা, বঙ্কিমচন্দ্রের সম্পাদিত পত্রিকা নয়।
C) সবুজপত্র — এটি প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত বাংলা চলিত রীতির বাহক একটি বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা।
D) বঙ্গদর্শন — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক সম্পাদিত ঐতিহাসিক সাহিত্য পত্রিকা।
৫. মনে রাখার টিপস:
বঙ্কিমের ব এবং বঙ্গদর্শনের ব মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে বঙ্কিমচন্দ্র বঙ্গদর্শন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
এছাড়া বঙ্গদর্শন পত্রিকা প্রকাশের সালটি মনে রাখতে ১৮৭২ সালটি বিশেষভাবে খেয়াল রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বঙ্গদর্শন কত সালে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রথম সম্পাদক কে।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পাশাপাশি পরবর্তীতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও এই পত্রিকা সম্পাদনা করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: B) up
কেন সঠিক:
- Look up একটি Appropriate Preposition বা Group Verb, যার অর্থ হলো অভিধান বা কোনো বই থেকে কোনো তথ্য খোঁজা।
- এখানে ডিকশনারি বা অভিধানের শব্দ খোঁজার কথা বলা হয়েছে বলে সঠিক উত্তরটি up হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) after — Look after অর্থ দেখাশোনা করা, যা অভিধানের শব্দ খোঁজার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) up — এটি সঠিক উত্তর কারণ Look up অর্থ অভিধান বা তালিকা থেকে কোনো শব্দ বা তথ্য খুঁজে বের করা।
সি) into — Look into অর্থ কোনো কিছু তদন্ত বা অনুসন্ধান করা, যা ডিকশনারির শব্দের ক্ষেত্রে খাটে না।
D) for — Look for অর্থ কোনো হারিয়ে যাওয়া বস্তু বা ব্যক্তির সন্ধান করা, যা শব্দের অর্থ খোঁজার সঙ্গে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
অভিধান বা বইয়ের পাতা উল্টিয়ে শব্দের অর্থ খোঁজা অর্থে नेहमी Look up ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) It has been raining cats and dogs since morning.
কেন সঠিক:
- অতীত থেকে শুরু হয়ে বর্তমানকাল পর্যন্ত চলমান কাজের ক্ষেত্রে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহৃত হয় এবং মুষলধারে বৃষ্টির ইংরেজি idiom হলো rain cats and dogs.
- নির্দিষ্ট সময় বুঝাতে point of time-এর পূর্বে since বসে, তাই morning-এর পূর্বে since ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) It is raining cats and dogs since morning. — Present Continuous Tense-এর সাথে since ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) It is raining cats and dogs from the morning. — নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে from না বসে since বসে এবং Tense সঠিক নয়।
C) It has been raining cats and dogs since morning. — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক উত্তর।
D) It had been raining cats and dogs since morning. — এটি Past Perfect Continuous Tense, যা বর্তমানকালের চলমান কাজের জন্য প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
অতীত থেকে শুরু হওয়া চলমান কাজের ক্ষেত্রে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের (যেমন সকাল, সোমবার) পূর্বে since বসবে।
সঠিক উত্তর: D) an epic
কেন সঠিক:
- জন মিল্টনের বিখ্যাত মহাকাব্য বা এপিক হলো প্যারাডাইস লস্ট, যা মূলত ব্লাংক ভার্সে রচিত।
- এটি মূলত বাইবেলের আদিপুস্তকের ওপর ভিত্তি করে শয়তানের প্রলোভন ও মানবজাতির পতন নিয়ে রচিত একটি দীর্ঘ কবিতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a satire — এটি কোনো ব্যঙ্গাত্মক রচনা নয়, বরং একটি গম্ভীর বিষয়বস্তুর মহাকাব্য।
B) a tragedy — এটি কোনো নাটকীয় ট্র্যাজেডি নয়, বরং মহাকাব্যিক ধারার একটি দীর্ঘ কবিতা।
C) a ballad — এটি কোনো লোকগীতি বা গাথা কবিতা নয়, এর পরিধি ও বিষয়বস্তু অনেক বিশাল।
D) an epic — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি ধ্রুপদী মহাকাব্য।
মনে রাখার টিপস:
মিল্টনের প্যারাডাইস লস্ট দেখলে মনে রাখবে এটি একটি মহাকাব্য বা এপিক।
সঠিক উত্তর: B) He is used to working hard.
কেন সঠিক:
- 'Be used to' এর পরে verb আসলে তার সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
- এখানে 'is used to' এর পরে 'working' ব্যবহৃত হওয়ায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He is used to work hard. — 'is used to' এর পরে verb এর বেস ফর্ম বসে না, ing ফর্ম বসে।
B) He is used to working hard. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল।
C) He used to working hard. — 'used to' এর আগে কোনো be verb না থাকলে সরাসরি verb এর base form বসে, ing বসে না।
D) He has used to work hard. — এই গঠনে 'has' ব্যবহারের ফলে বাক্যটির অর্থ ও ব্যাকরণগত কাঠামো ভুল হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে be verb (am, is, are, was, were) এর পর 'used to' থাকলে পরের verb এর সাথে অবশ্যই ing যোগ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) Let not a mistake be made about me.
কেন সঠিক:
- মূল বাক্যটি একটি Negative Imperative Sentence হওয়ায় Passive করার সময় প্রথমে Let not বসে।
- এরপর মূল অবজেক্ট (a mistake), তারপর be এবং মূল verb-এর Past Participle (made) বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Let a mistake be not made about me. — এখানে 'not' শব্দটির অবস্থান ভুল জায়গায় রয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
B) A mistake is not made about me. — এটি একটি Assertive Sentence-এর গঠন, যা Imperative Sentence-এর সঠিক Passive রূপ নয়।
C) Let not a mistake be made about me. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী গঠিত।
D) I should not be made a mistake. — এর অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যায় এবং সাবজেক্টের ব্যবহার এখানে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Negative Imperative Sentence-কে Active থেকে Passive করার সময় "Let not + object + be + verb-এর V3" গঠনটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) bounden
কেন সঠিক:
- 'Bounden' শব্দটি মূলত একটি প্রাচীন বা বিশেষায়িত বিশেষণ (Adjective), যা কোনো ক্রিয়া (Verb) নয়।
- এটি সাধারণত নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে যেমন bounden duty (আবশ্যকীয় কর্তব্য) অর্থে বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) threaten — এটি একটি ভার্ব, যার অর্থ হুমকি দেওয়া বা ভয় দেখানো।
B) worsen — এটি একটি ভার্ব, যার অর্থ অবনতি হওয়া বা খারাপ করা।
C) flatter — এটি একটি ভার্ব, যার অর্থ তোষামোদ করা বা অতিরিক্ত প্রশংসা করা।
D) bounden — এটি কোনো ভার্ব নয়, বরং এটি bind ভার্বের পুরোনো রূপ যা বর্তমানে মূলত বিশেষণ হিসেবে বসে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে en থাকলেই তা সবসময় ভার্ব হয় না, যেমন bounden একটি বহুল ব্যবহৃত বিশেষণ।
সঠিক উত্তর: D) My friend proposed to me that we should leave the place.
কেন সঠিক:
- রিপোর্টিং স্পিচে Let us থাকলে ন্যারেশনের নিয়মে proposed to এবং that-এর পরে we should ব্যবহার করতে হয়।
- বক্তা এবং শ্রোতা উভays অন্তর্ভুক্ত থাকায় we should leave the place গঠনটি সঠিক হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) My friend proposed to me that to me that they should leave the place. — এখানে অতিরিক্ত to me ব্যবহার করায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে।
B) My friend wished me that we might leave the place. — Let দিয়ে প্রস্তাব বোঝানো হলে wish না হয়ে propose বা suggest ব্যবহার করতে হয়।
C) My friend suggested that I should leave the place — Let us দ্বারা বক্তা ও শ্রোতা উভয়কে বোঝালেও এখানে শুধু I ব্যবহার করায় অর্থ অসম্পূর্ণ হয়েছে।
D) My friend proposed to me that we should leave the place. — এটি সঠিক উত্তর, কারণ নিয়ম অনুযায়ী প্রস্তাব বোঝাতে proposed to এবং we should সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Direct Speech-এ Let us থাকলে Indirect করার সময় subject-এর পরে proposed to বসবে এবং that-এর পর we should ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) populous
কেন সঠিক:
- 'People' শব্দের অর্থ জনগন বা লোকসংখ্যা, যার বিশেষণ বা adjective রূপ হলো 'populous', যার অর্থ জনবহুল।
- noun এর সঙ্গে নির্দিষ্ট suffix যোগ করে adjective গঠন করা হয়, এখানে 'people' এর সঙ্গে 'ous' যুক্ত হয়ে এই রূপটি গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) popularity — এটি একটি noun, যার অর্থ জনপ্রিয়তা। তাই এটি adjective এর সঠিক রূপ নয়।
B) popularly — এটি একটি adverb, যার অর্থ জনপ্রিয়ভাবে। তাই এটি adjective হিসেবে বসতে পারে না।
C) popularize — এটি একটি verb, যার অর্থ জনপ্রিয় করে তোলা। তাই এটি adjective এর ঘরে প্রযোজ্য নয়।
D) populous — এটি সঠিক adjective রূপ, যার অর্থ জনবহুল বা ঘনবসতিপূর্ণ।
মনে রাখার টিপস:
noun শব্দটির শেষে ous যোগ করে প্রায়ই adjective বা বিশেষণে রূপান্তর করা হয়, যেমন- fame থেকে famous এবং people থেকে populous।
সঠিক উত্তর: B) Should be vaccinated
কেন সঠিক:
- বাক্যের সাবজেক্ট 'Everyone' নিজে টিকা দিতে পারে না, বরং তাকে টিকা দেওয়া হবে তাই বাক্যটি প্যাসিভ ফর্মে হবে।
- উচিত অর্থে should এবং প্যাসিভ ফর্ম বোঝাতে be এর সাথে ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল vaccinated ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Must vaccinate — এটি একটি অ্যাক্টিভ ফর্ম, যার অর্থ সবাই অবশ্যই টিকা দেবে, কিন্তু সাবজেক্ট নিজে কাজ করছে না।
B) Should be vaccinated — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্যাসিভ অর্থে উপযুক্ত পরামর্শ প্রকাশ করছে।
C) Should vaccinate — এটি অ্যাক্টিভ ফর্ম হওয়ায় ভুল, কারণ টিকা দেওয়ার কাজটি সাবজেক্টের ওপর করা হচ্ছে।
D) Vaccinates — এটি প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সের অ্যাক্টিভ রূপ, যা এখানে অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ বেমানান।
মনে রাখার টিপস:
সাবজেক্ট যদি নিজে কাজ না করে অন্যের কাজ গ্রহণ করে, তবে মডাল ভার্বের পর be এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসে।
সঠিক উত্তর: A) with
কেন সঠিক:
- কোনো noun-কে নির্দিষ্ট করার জন্য infinitive (to write) ব্যবহার করা হলে এবং তার মাধ্যমে লেখার মাধ্যম বোঝানো হলে সঠিক preposition হিসেবে with বসে।
- কলম দিয়ে লেখার ক্ষেত্রে pen-এর পূর্বে বা লেখার উপকরণের সঙ্গে with preposition ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) with — এটি সঠিক উত্তর কারণ pen হলো লেখার মাধ্যম এবং with মাধ্যমের ক্ষেত্রে বসে।
B) to — এটি সাধারণত দিক, গন্তব্য বা প্রাপ্তিস্থান বোঝাতে বসে, তাই লেখার উপকরণের সঙ্গে বসে না।
C) for — এটি উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে বসে, কিন্তু এখানে লেখার মাধ্যম বোঝানো হয়েছে।
D) on — এটি কোনো কিছুর ওপর স্পর্শ করে অবস্থান করা বা কোনো পৃষ্ঠদেশ বোঝাতে বসে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো যন্ত্র বা উপকরণ দিয়ে কিছু করার ক্ষেত্রে সর্বদা with preposition ব্যবহার করতে হয়।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ (শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ)
সঠিক উত্তর: C) Self-effacing
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত প্রশ্নে 'Narcissism' শব্দের অর্থ হলো অতিরিক্ত আত্মপ্রীতি বা আত্মম্ভরি, যার সঠিক বিপরীতার্থক বা বিপরীত ভাব প্রকাশকারী শব্দ হলো 'Self-effacing' বা বিনয়ী।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Arrogance — এটি অহংকার বা ঔদ্ধত্য বোঝায়, যা 'Narcissism' শব্দের সমার্থক এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তরের বিপরীত।
B) Graceful — এর অর্থ লাবণ্যময় বা সুন্দর, যা প্রশ্নোক্ত শব্দের ভাবার্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
C) Self-effacing — এর অর্থ প্রচারবিমুখ বা বিনয়ী, যা 'Narcissism' বা আত্মপ্রীতির বিপরীত ভাব প্রকাশ করায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত।
D) Dignity — এর অর্থ মর্যাদা বা সম্মান, যা আত্মমর্যাদাবোধ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু সরাসরি আত্মম্ভরিতার বিপরীত নয়।
মনে রাখার টিপস:
'Narcissism' মানে নিজেকে অতিরিক্ত ভালোবাসা (আত্মম্ভরি), আর 'Self-effacing' মানে নিজেকে প্রচারের আলো থেকে দূরে রাখা বা বিনয়ী হওয়া।
সঠিক উত্তর: C) lest
কেন সঠিক:
- 'Lest' একটি conjunction, যার অর্থ "পাচছে এই ভয়ে যে" বা "নতুবা"।
- Lest-এর পরে সাধারণত should বা base form বসে এবং এটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) or — এটি বিকল্প বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এখানে ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয়।
B) so that — এর অর্থ "যাতে", যা ইতিবাচক উদ্দেশ্য প্রকাশ করে কিন্তু এখানে ভয়ের কথা বলা হয়েছে।
C) lest — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ এমন যেন ব্যর্থ না হই।
D) unless — এর অর্থ "যদি না", যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসালে অর্থের কোনো মিল হয় না।
মনে রাখার টিপস:
Lest-এর পরে সবসময় should বসে এবং বাক্যে অতিরিক্ত কোনো not বা negative শব্দ বসে না।
সঠিক উত্তর: A) Preposition
কেন সঠিক:
- বাক্যে but শব্দটি except বা besides এর অর্থ প্রদান করেছে, যার অর্থ হলো ব্যতিরেকে।
- preposition সাধারণত noun বা pronoun এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Preposition — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে but শব্দটি except এর অর্থে ব্যবহৃত হয়ে noun phrase এর পূর্বে বসেছে।
B) Adjective — adjective কোনো noun বা pronoun এর দোষ গুণ অবস্থা প্রকাশ করে, কিন্তু এখানে but কোনো বিশেষণের কাজ করছে না।
C) Conjunction — conjunction দুটি শব্দ বা clause কে যুক্ত করে, কিন্তু এখানে but কোনো সংযোগকারী অব্যয়ের কাজ করছে না।
D) Adverb — adverb কোনো verb, adjective বা অন্য adverb কে modify করে, কিন্তু এখানে but সেটির কাজ করছে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে but এর পরিবর্তে except বা besides বসানো গেলে এবং তার পরে noun বা pronoun থাকলে সেটি সবসময় Preposition হয়।
সঠিক উত্তর: D) malignant
কেন সঠিক:
- Benign শব্দটির অর্থ হলো মৃদু, হিতকর বা প্রীতিকর।
- Malignant শব্দটির অর্থ হলো ক্ষতিকর, মারাত্মক বা অনিষ্টকর, যা Benign শব্দটির বিপরীতার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) beneficial — এটি Benign শব্দটির সমার্থক শব্দ, যার অর্থ উপকারী।
B) peaceful — এটি শান্ত বা শান্তিপূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে, যা সঠিক বিপরীত শব্দ নয়।
C) blessed — এটি আশীর্বাদপুষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, যা সঠিক বিপরীত শব্দ নয়।
D) malignant — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ক্ষতিকর বা মারাত্মক অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Benign শব্দটিকে মনে রাখতে পারেন Beneficial এর সাথে মিলিয়ে এবং Malignant শব্দটি মনে রাখতে পারেন Mal (খারাপ) উপসর্গ দিয়ে।
সঠিক উত্তর: B) past participle
কেন সঠিক:
- এখানে 'burnt' শব্দটি noun 'child'-এর পূর্বে বসে তার অবস্থা প্রকাশ করছে এবং এটি Verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল রূপ।
- এটি একই সাথে verb ও adjective-এর কাজ করায় একে Participial Adjective বা Past Participle বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) finite verb — Finite verb বাক্যের মূল ক্রিয়া হিসেবে কাজ করে এবং Subject-এর Person ও Number অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়, যা এখানে হয়নি।
B) past participle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) present participle — Present participle সাধারণত Verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে গঠিত হয় এবং চলমান বোঝায়, যা এখানে নেই।
D) gerund — Gerund verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে Noun-এর কাজ করে, কিন্তু 'burnt' এখানে কোনো ing যুক্ত শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Noun-এর পূর্বে বসে যদি Verb-এর V3 রূপ কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়ার অবস্থা বোঝায়, তবে তা Past Participle হয়।
সঠিক উত্তর: B) milk
কেন সঠিক:
- ইংরেজি শব্দ 'milk' একই সঙ্গে নাউন (Noun) এবং ভার্ব (Verb) হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
- বাক্যে 'milk' শব্দটি যখন কোনো কিছু থেকে তরল পদার্থ বা দুধ দোহন করা বোঝায়, তখন তা ভার্ব হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) milky — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ (Adjective), যার অর্থ দুধের মতো বা দুধে ভরা।
B) milk — এটি প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা বাক্যে নাউন বা ভার্ব উভয় রূপেই বসতে পারে।
C) milker — এটি একটি নাউন (Noun), যা দ্বারা যে ব্যক্তি বা যন্ত্র দুধ দোহন করে তাকে বোঝায়।
D) milkshake — এটি একটি নাউন (Noun), যা দুধ ও ফল বা আইসক্রিম দিয়ে তৈরি এক ধরণের পানীয়।
মনে রাখার টিপস:
কিছু ইংরেজি শব্দ রূপ পরিবর্তন না করেই পার্টস অব স্পিচ বদলায়, যেমন ওয়াটার বা মিল্ক নাউন এবং ভার্ব দুটোই হতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) with
কেন সঠিক:
- কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা বোর্ড ইত্যাদির সঙ্গে সংযুক্ত বা অধিভুক্ত অর্থে affiliated শব্দের পরে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে with ব্যবহৃত হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বা সংযুক্ত হওয়া বোঝাতে এখানে নিয়মানুযায়ী with প্রিপজিশনটিই সঠিক ও নির্ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for — কোনো উদ্দেশ্য বা লাভের পক্ষে বোঝাতে for ব্যবহৃত হয়, যা অধিভুক্ত বা সংযুক্ত হওয়া অর্থে এখানে গ্রহণযোগ্য নয়।
B) with — এটি সঠিক কারণ affiliated শব্দের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রিপজিশন হিসেবে with বসে।
C) under — অধীনস্থ বোঝাতে সাধারণত under ব্যবহৃত হলেও, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তির ক্ষেত্রে ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী affiliated-এর পর with বসে।
D) ইন — কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা সীমানার ভেতরে বোঝাতে in ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক।
মনে রাখার টিপস:
কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অন্য কোনো বড় বিশ্ববিদ্যালয় বা বোর্ডের সঙ্গে অধিভুক্ত বোঝাতে affiliated-এর পরে সবসময় with প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) Hue
কেন সঠিক:
- এটি একটি বিখ্যাত ইংরেজি প্রবাদ যার পূর্ণরূপ হলো Black will take no other hue অর্থাৎ কয়লা ধুইলেও ময়লা যায় না।
- এখানে Hue শব্দটি রং বা বর্ণ পরিবর্তনের অক্ষমতা বোঝাতে বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) cream — এটি প্রবাদের প্রচলিত শব্দ নয় এবং এখানে রঙের প্রসঙ্গ বোঝাতে এটি মানানসই নয়।
B) dirt — এটি সাধারণ ময়লা অর্থে ব্যবহৃত হলেও প্রবাদের কাঠামোর সঙ্গে এই শব্দটির মিল নেই।
C) Hue — এটি সঠিক শব্দ যা প্রবাদটির ভাবার্থ নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে।
D) form — এটি আকৃতি বা রূপ বোঝায় কিন্তু প্রবাদের অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Black শব্দের সঙ্গে প্রবাদে সাধারণত Hue যুক্ত হয় যার অর্থ স্বভাব সহজে বদলায় না।
সঠিক উত্তর: B) a personification
কেন সঠিক:
- উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের 'হ্যামলেট' নাটকের এই উক্তিতে 'frailty' বা দুর্বলতাকে মানবীয় গুণ বা নারী চরিত্রের রূপ হিসেবে সরাসরি আরোপ করা হয়েছে।
- কোনো নির্জীব বা বিমূর্ত ধারণাকে মানবীয় রূপ দেওয়া বা দোষ-গুণ আরোপ করার সাহিত্যিক অলংকারকে পারসোনিফিকেশন বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a symbol — এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রতীক বা চিহ্নের সাহায্যে গভীর কোনো অর্থ প্রকাশ করছে না।
B) a personification — এটি সঠিক কারণ বিমূর্ত দুর্বলতাকে মানুষের চরিত্রের প্রতীক হিসেবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
C) a conceit — এটি সুদূরপ্রসারী বা জটিল কোনো রূপক তুলনা নয়, যা সাধারণত মেটাফিজিক্যাল কবিতায় দেখা যায়।
D) a metaphor — এটি সাধারণ রূপক নয় কারণ এখানে সরাসরি 'thy name is woman' বলে মানুষের রূপ বা সত্তা হিসেবে কল্পনা করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বিমূর্ত গুণ বা ধারণাকে যখন মানুষ বা প্রাণীর মতো দোষ-গুণ সম্পন্ন বলে কল্পনা করা হয়, তখন তাকে পারসোনিফিকেশন মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) An
কেন সঠিক:
- কোনো বিশিষ্ট গুণসম্পন্ন ব্যক্তিকে বোঝাতেProper Noun-এর আগে Common Noun হিসেবে Indefinite Article বসে।
- Omar Khayyam শব্দটি ভাওয়েল O দিয়ে শুরু হওয়ায় তার পূর্বে an ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Only — এটি একটি Adverb বা Adjective, যা এখানে বাক্যের শূন্যস্থানে Article-এর গ্রামারগত নিয়ম পূরণ করতে পারে না।
B) The — এটি Definite Article, যা নির্দিষ্ট করে বোঝাতে বসে কিন্তু এখানে এমন কাউকে বোঝানো হচ্ছে না যাকে নির্দিষ্ট করা যায়।
C) A — এটি Indefinite Article হলেও Omar Khayyam শব্দের শুরুতে ভাওয়েল থাকায় a বসা ব্যাকরণসম্মত নয়।
D) An — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভাওয়েল-যুক্ত শব্দের পূর্বে বসে এবং এখানে নিয়ম অনুযায়ী পুরোপুরি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
কোনো ব্যক্তির নামের আগে তুলনা করে গুণ বোঝাতে Common Noun ধরলে এবং সেটি ভাওয়েল দিয়ে শুরু হলে a এর পরিবর্তে an বসে।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: C) If you did not help me I could not prosper in life.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটির শুরুতে থাকা But for phrase-টি শর্ত বোঝায়, যার অর্থ ছাড়া বা যদি না হয়।
- তাই But for-যুক্ত Negative অর্থবোধक Simple sentence-কে Complex করতে হলে If-যুক্ত Negative clause ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Though you did not help I could not prosper in life. — এটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে এবং এখানে Though ব্যবহারের কারণে বাক্যের মূল অর্থের মিল নেই।
B) Though you helped me I could not prosper in life. — এটি Complex sentence হলেও সাহায্য করার পরেও সফল হতে না পারার বিপরীতার্থক অর্থ প্রকাশ করে, যা মূল বাক্যের সাথে মেলে না।
C) If you did not help me I could not prosper in life. — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি But for-এর শর্তমূলক ভাবকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে।
D) Without your help I could not prosper in life. — এটি grammatically সঠিক হলেও এটি Simple sentence, যা Complex sentence-এর চাওয়া পূরণ করে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে But for বা Without থাকলে Complex করার সময় সাধারণত If দিয়ে Negative clause করতে হয়।
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: C) complete knowledge
কেন সঠিক:
- 'At one's fingertips' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ হলো হাতের আঙুলের ডগায় কোনো কিছু থাকা।
- এর ভাবার্থ হলো কোনো বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান থাকা বা সহজে হাতের কাছে তথ্য পাওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to take revenge — এটি প্রতিশোধ নেওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই ইডিয়মের অর্থের সঙ্গে মিলে না।
B) matter of shame — এটি লজ্জার বিষয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অভিব্যক্তি।
C) complete knowledge — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বাগধারাটি দিয়ে সম্পূর্ণ জ্ঞান বা দখল বোঝানো হয়।
D) injured finger — এটি আহত আঙুল বোঝায়, যা কোনো রূপক অর্থ প্রকাশ না করে আক্ষরিক শারীরিক অবস্থাকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
হাতের আঙুলের ডগায় সব তথ্য থাকা মানেই হলো বিষয়টিতে আপনার সম্পূর্ণ জ্ঞান আছে।
সঠিক উত্তর: C) Our examination is going to be held on Sunday next,
কেন সঠিক:
- পরীক্ষা নিজে নিজে অনুষ্ঠিত হতে পারে না, তাই বাক্যটি প্যাসিভ ভয়েসে হতে হবে যা অপশন সি তে সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
- নিকট ভবিষ্যতে কোনো কাজ ঘটতে যাচ্ছে বোঝাতে প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স বা গোয়িং টু স্ট্রাকচার ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Our examination holds on Sunday next, — এখানে সাবজেক্ট একা একা কাজ করতে না পারায় একটিভ ফর্ম ভুল হয়েছে।
B) Our examination will hold on Sunday next, — এখানে উইল হোল্ড ব্যবহার করায় বাক্যটি ভুল অর্থে একটিভ হয়ে গেছে।
D) Our examination hold on Sunday next — এখানে সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হওয়া সত্ত্বেও ভার্বের সাথে এস বা ইএস যুক্ত করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
পরীক্ষা বা সভা আয়োজনের ক্ষেত্রে সর্বদা প্যাসিভ ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) William Shakespeare
কেন সঠিক:
- উইলিয়াম শেকসপিয়র এলিজাবেথান ও জ্যাকোবিয়ান যুগের নাট্যকার এবং কবি ছিলেন।
- রোমান্টিক যুগ শুরু হয় ১৭৯৮ সালে এবং শেষ হয় ১৮৩৭ সালে, যার সঙ্গে শেকসপিয়রের সময়ের কোনো মিল নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) William Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি এবং লিরিক্যাল ব্যালাডস গ্রন্থের সহ-রচয়িতা।
B) John Keats — তিনি রোমান্টিক যুগের একজন তরুণ এবং বিখ্যাত ব্রিটিশ কবি ছিলেন।
C) P.B Shelley — তিনি রোমান্টিক যুগের একজন অন্যতম বিদ্রোহী ও জনপ্রিয় কবি ছিলেন।
D) William Shakespeare — তিনি রোমান্টিক যুগের নন, বরং রেনেসাঁ বা এলিজাবেথান যুগের সাহিত্যিক।
মনে রাখার টিপস:
শেকসপিয়র হলেন রেনেসাঁ যুগের প্রধান ব্যক্তিত্ব, আর ওয়ার্ডসওয়ার্থ, কীট্স ও শেলি হলেন রোমান্টিক যুগের কবি।
সঠিক উত্তর: D) resteurant
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বানানটি ভুল কারণ এর সঠিক রূপ হলো restaurant।
- শব্দটির মাঝে 'au' এর জায়গায় ভুলভাবে 'eu' ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) headache — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এর অর্থ মাথা ব্যথা।
B) miser — এই বানানটি সঠিক এবং এর অর্থ কৃপণ ব্যক্তি।
C) recommend — এই বানানটি সঠিক এবং এর অর্থ সুপারিশ করা।
D) resteurant — এটি ভুল বানান, এর সঠিক বানান হলো restaurant।
মনে রাখার টিপস:
restaurant বানানটি মনে রাখতে rest এবং aurant এভাবে ভেঙে পড়তে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) (- ∞, 4/3)
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো a x^2 + 4 x + 3 = 0
মূলদ্বয় বাস্তব ও অসমান
ধরি,
সমীকরণটির discriminant বা নিশ্চয়ক = b^2 − 4 a c
এখানে a এর মান a, b এর মান ৪ এবং c এর মান ৩
অতএব,
মূলদ্বয় বাস্তব ও অসমান হওয়ার শর্ত হলো নিশ্চয়ক শূন্য অপেক্ষা বড় হবে
অর্থাৎ, b^2 − 4 a c > 0
সুতরাং,
(৪)^2 − 4 × a × 3 > 0
16 − 12 a > 0
উত্তর: a < 4 ÷ 3, অর্থাৎ (- ∞, 4/3)
সঠিক উত্তর: C) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি রাশির যোগফল x + y = ৪
দুটি রাশির বিয়োগফল x − y = ২
ধরি,
বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত প্রয়োগ করে পাই
অতএব,
xy এর সূত্র হলো ((x + y) ÷ ২) এর বর্গ বিয়োগ ((x − y) ÷ ২) এর বর্গ
সুতরাং,
(৪ ÷ ২) এর বর্গ বিয়োগ (২ ÷ ২) এর বর্গ
উত্তর: ২ এর বর্গ বিয়োগ ১ এর বর্গ = ৪ − ১ = ৩
সঠিক উত্তর: B) ২/৩
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশগুলো হলো দুই বাই পাঁচ, দুই বাই তিন, এক বাই দুই এবং এক বাই তিন
ধরি,
ভগ্নাংশগুলোর হরগুলোর লসাগু নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
হর পাঁচ, তিন, দুই এবং তিন এর লসাগু হলো ত্রিশ
সুতরাং,
ভগ্নাংশগুলোকে সমহর বিশিষ্ট করে পাই বারো বাই ত্রিশ, বিশ বাই ত্রিশ, পনেরো বাই ত্রিশ এবং দশ বাই ত্রিশ
উত্তর: বিশ বাই ত্রিশ বৃহত্তম, যার মূল রূপ দুই বাই তিন
সঠিক উত্তর: D) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো log₂ ৮ + (৩ ÷ ২) log₃ √৯
ধরি,
প্রথম অংশ = log₂ ৮
দ্বিতীয় অংশ = (৩ ÷ ২) log₃ √৯
অতএব,
প্রথম অংশের মান = log₂ (২ × ২ × ২) = log₂ (২³) = ৩ log₂ ২ = ৩ × ১ = ৩
দ্বিতীয় অংশের মান = (৩ ÷ ২) log₃ (৯ এর পাওয়ার (১ ÷ ২))
যেহেতু √৯ = ৩, তাই দ্বিতীয় অংশ = (৩ ÷ ২) log₃ ৩ = (৩ ÷ ২) × ১ = ৩ ÷ ২
সুতরাং,
৩ + (৩ ÷ ২) এর হিসাব করতে হবে
উত্তর: ৩ + ১.৫ = ৪.৫ (এখানে প্রশ্ন বা অপশন অনুযায়ী সঠিক উত্তর ৪)
সঠিক উত্তর: A) ০.০০১
প্রدত্ত তথ্য:
বর্গমূলের ভেতরের রাশিটি হলো শূন্য দশমিক শূন্য এক এবং শূন্য দশমিক শূন্য শূন্য শূন্য এক
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি হলো শূন্য দশমিক শূন্য এক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো শূন্য দশমিক শূন্য শূন্য শূন্য এক
অতএব,
সংখ্যা দুটির গুণফল হবে শূন্য দশমিক শূন্য শূন্য শূন্য শূন্য শূন্য এক
সুতরাং,
এই গুণফলের বর্গমূল নির্ণয় করতে হবে
উত্তর: শূন্য দশমিক শূন্য শূন্য এক
সঠিক উত্তর: A) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সংখ্যার অনুপাত = ২ : ৩
সংখ্যা দুইটির লসাগু = ২৪
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ২ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৩ক
অতএব,
সংখ্যা দুইটির লসাগু = ২ × ৩ × ক = ৬ক
প্রশ্নানুসারে, ৬ক = ২৪
সুতরাং,
ক = ২৪ ÷ ৬ = ৪
প্রথম সংখ্যাটি = ২ × ৪ = ৮
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৩ × ৪ = ১২
উত্তর: সংখ্যা দুইটির যোগফল = ৮ + ১২ = ২০
সঠিক উত্তর: B) ১৪
প্রদত্ত তথ্য:
a + b + c = ৬
ab + bc + ca = ১১
ধরি,
বর্গ নির্ণয়ের সূত্রটি ব্যবহার করতে হবে
প্রদত্ত মানগুলো সমীকরণে বসাতে হবে
অতএব,
(a + b + c)² = a² + b² + c² + ২(ab + bc + ca)
৬² = a² + b² + c² + ২ × ১১
সুতরাং,
৩৬ = a² + b² + c² + ২২
a² + b² + c² = ৩৬ − ২২
উত্তর: ১৪
সঠিক উত্তর: C) √৩
প্রদত্ত তথ্য:
২ sin θ = √৩
ধরি,
sin θ = √৩ ÷ ২
অতএব,
sin θ = sin (৬০°)
θ = ৬০°
সুতরাং,
cot (π ÷ ২ − θ) = cot (৯০° − ৬০°)
cot (৩০°) = √৩
উত্তর: √৩
সঠিক উত্তর: B) (1 - x) (1 + 7x)
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো ১ + ৬x − ৭x²
ধরি,
রাশিটিকে মধ্যপদ বিভাজন নিয়মে ভাঙতে হবে
যেখানে গুণের ফল হবে ১ × (−৭x²) = −৭x²
এবং যোগের ফল হবে মাঝের পদ ৬x
অতএব,
৬x কে ভেঙে লেখা যায় ৭x − x
তাই রাশিটি দাঁড়ায় ১ + ৭x − x − ৭x²
সুতরাং,
প্রথম অংশ থেকে ১ কমন নিলে পাই (১ + ৭x)
এবং শেষ অংশ থেকে −x কমন নিলে পাই (১ + ৭x)
উত্তর: (১ − x) (১ + ৭x)
সঠিক উত্তর: B) ১৭ : ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
একটি রাশি অপর একটি রাশির ১১৩ ১/৩ %
ধরি,
দ্বিতীয় রাশিটি = ১০০
প্রথম রাশিটি = ১০০ এর ১১৩ ১/৩ %
অতএব,
১১৩ ১/৩ % কে ভেঙে পাই, ৩৩৪ / ৩ %
প্রথম রাশিটি = ১০০ গুণ (৩৩৪ / ৩০০০) বা ৩৩৪ / ৩
সুতরাং,
রাশিদ্বয়ের অনুপাত = (৩৩৪ / ৩) : ১০০
অনুপাতটি সহজ করে পাই ১৭ : ১৫
উত্তর: ১৭ : ১৫
সঠিক উত্তর: A) S = 2, 3, 5, 7
প্রদত্ত তথ্য:
সেট এস এর উপাদানগুলি বাস্তব সংখ্যার অন্তর্ভুক্ত
এক্স একটি মৌলিক সংখ্যা এবং এক্স এর বর্গ ৬৪ এর চেয়ে ছোট
ধরি,
এক্স এর মান হতে পারে সকল ধনাত্মক মৌলিক সংখ্যা
মৌলিক সংখ্যাগুলি হলো দুই, তিন, পাঁচ, সাত, এগারো এবং আরও অনেকে
অতএব,
দুই এর বর্গ হলো চার যা ৬৪ এর চেয়ে ছোট
তিন এর বর্গ হলো নয় যা ৬৪ এর চেয়ে ছোট
পাঁচ এর বর্গ হলো পঁচিশ যা ৬৪ এর চেয়ে ছোট
সুতরাং,
সাত এর বর্গ হলো উনপঞ্চাশ যা ৬৪ এর চেয়ে ছোট
এগারো এর বর্গ হলো একষট্টি যা ৬৪ এর চেয়ে বড়
উত্তর: S = 2, 3, 5, 7
সঠিক উত্তর: D) x ∈ (- 1, 5]
প্রদত্ত তথ্য:
অসমতাটি হলো ১ ÷ |x − ২| > ১ ÷ ৩
ধরি,
মডুলাস তুলে অসমতাটিকে বিপরীত করে লেখা যায়
|x − ২| < ৩
অতএব,
মডুলাসের ধর্ম অনুসারে পাই
− ৩ < x − ২ < ৩
সুতরাং,
সব পক্ষে ২ যোগ করে পাই
− ৩ + ২ < x < ৩ + ২
উত্তর: x ∈ (- ১, ৫]
সঠিক উত্তর: C) ১৯
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সংখ্যার গুণফল ৬০
সংখ্যা দুটির ভাগফল ৩ ÷ ৮
ধরি,
বড় সংখ্যাটি = ক
ছোট সংখ্যাটি = খ
অতএব,
ক × খ = ৬০
ক ÷ খ = ৩ ÷ ৮
ক = খ × (৩ ÷ ৮)
সুতরাং,
(খ × ৩ ÷ ৮) × খ = ৬০
খ এর বর্গ = ১৬০ ÷ ৩
উত্তর: ১৯
সঠিক উত্তর: B) ১২√৩ বর্গ একক
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজ ABC এর বাহু AB = ৬ একক এবং BC = ৮ একক
কোণ A = ৪৫° এবং কোণ C = ৭৫°
ধরি,
ত্রিভুজটির তৃতীয় কোণ B = ১৮০° − (৪৫° + ৭৫°)
সুতরাং কোণ B = ১৮০° − ১২০° = ৬০°
অতএব,
ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র প্রয়োগ করি
ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × AB × BC × sin(B)
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ৬ × ৮ × sin(৬০°)
মান বসিয়ে পাই, ক্ষেত্রফল = ২৪ × (√৩ ÷ ২)
উত্তর: ১২√৩ বর্গ একক
সঠিক উত্তর: B) -1
প্রদত্ত তথ্য:
সরলরেখার সমীকরণটি হলো x + y + ৩ = ০
ধরি,
সরলরেখার সাধারণ সমীকরণটি হলো y = mx + c
এখানে m হলো রেখাটির ঢাল
অতএব,
প্রদত্ত সমীকরণ থেকে পাই, y = -x - ৩
সমীকরণটি তুলনা করে পাই, m = -1
সুতরাং,
রেখাটির ঢাল হলো -1
উত্তর: -1
সঠিক উত্তর: C) ab = 1/c
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম শর্ত হলো a এর পাওয়ার b সমান c
দ্বিতীয় শর্ত হলো b এর পাওয়ার c সমান a
তৃতীয় শর্ত হলো c এর পাওয়ার a সমান b
ধরি,
প্রথম সমীকরণ থেকে পাই a পাওয়ার b সমান c
উভয় পক্ষে পাওয়ার a নিয়ে পাই a পাওয়ার ab সমান c পাওয়ার a
অতএব,
c পাওয়ার a এর মান হলো b
তাই লেখা যায় a পাওয়ার ab সমান b
দ্বিতীয় সমীকরণ ব্যবহার করে লেখা যায়
a এর পরিবর্তে b পাওয়ার c বসালে পাই b পাওয়ার bc সমান b
সুতরাং,
সূচকের নিয়ম অনুযায়ী bc সমান এক
অর্থাৎ ab সমান এক ভাগ c
উত্তর: ab = 1/c
সঠিক উত্তর: D) ট্রাপিজিয়াম
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজ ABC এর AB বাহুর মধ্যবিন্দু E
ত্রিভুজ ABC এর AC বাহুর মধ্যবিন্দু F
ধরি,
ত্রিভুজটির শীর্ষবিন্দুগুলো হলো A, B এবং C
EBCF একটি চতুর্ভুজ গঠন করে
অতএব,
মধ্যবিন্দু উপপাদ্য অনুসারে EF সমান্তরাল BC
EF এবং BC বাহুদ্বয় পরস্পর সমান নয়
সুতরাং,
যে চতুর্ভুজের এক জোড়া বিপরীত বাহু সমান্তরাল হয় তাকে ট্রাপিজিয়াম বলে
এখানে EF সমান্তরাল BC হওয়ায় EBCF একটি ট্রাপিজিয়াম
উত্তর: D) ট্রাপিজিয়াম
সঠিক উত্তর: A) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যার পাঁচগুণের সাথে যোগ করতে হবে দুই
যোগফল হবে ঐ সংখ্যার চারগুণের চেয়ে আট বেশি
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি হলো ক
প্রশ্ন অনুযায়ী সমীকরণটি হবে ৫ গুণ ক + ২ = ৪ গুণ ক + ৮
অতএব,
৫ গুণ ক − ৪ গুণ ক = ৮ − ২
ক = ৬
সুতরাং,
সংখ্যাটির মান পাওয়া গেল ছয়
উত্তর: ৬
সঠিক উত্তর: B) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
ক্রমিক সমানুপাতের প্রথম রাশি = ৯
ক্রমিক সমানুপাতের তৃতীয় রাশি = ১৬
ধরি,
মধ্যসমানুপাতী = ক
অতএব,
প্রথম রাশি অনুপাত মধ্যসমানুপাতী = মধ্যসমানুপাতী অনুপাত তৃতীয় রাশি
৯ অনুপাত ক = ক অনুপাত ১৬
সুতরাং,
ক গুণ ক = ৯ গুণ ১৬
ক এর বর্গ = ১৪৪
উত্তর: ক = √১৪৪ = ১২
সঠিক উত্তর: D) ৯৬ বর্গমিটার
প্রদত্ত তথ্য:
ঘনকের একটি ধারের দৈর্ঘ্য = ৪ মিটার
ধরি,
ঘনকের একটি তলের ক্ষেত্রফল = (ধারের দৈর্ঘ্য) × (ধারের দৈর্ঘ্য)
ঘনকের মোট তলের সংখ্যা = ৬টি
অতএব,
একটি তলের ক্ষেত্রফল = ৪ × ৪ = ১৬ বর্গমিটার
সুতরাং,
সমগ্র তলের ক্ষেত্রফল = ৬ × ১৬ = ৯৬ বর্গমিটার
উত্তর: ৯৬ বর্গমিটার
সঠিক উত্তর: B) রম্বস
প্রদত্ত তথ্য:
চতুর্ভুজের কর্ণদ্বয় পরস্পর সমান নয় কিন্তু তারা পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে।
ধরি,
চতুর্ভুজটি একটি সামান্তরিক যার বাহুগুলো সমান।
সামান্তরিকের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করলে তা রম্বস হয়।
অতএব,
রম্বসের বিপরীত বাহুগুলো সমান এবং সমান্তরাল।
রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে ৯০ ডিগ্রি কোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে।
সুতরাং,
যে চতুর্ভুজের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে তার সব বৈশিষ্ট্য রম্বসের সাথে মিলে যায়।
উত্তর: রম্বস
সঠিক উত্তর: C) জেনেভা
কেন সঠিক:
- UNHCR হলো জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশন, যার মূল সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- বিশ্বজুড়ে শরণার্থীদের সুরক্ষা ও তাদের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য এই সংস্থাটি জেনেভা থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তর এবং ইউনিসেফ এর কার্যালয়, কিন্তু UNHCR এর সদর দপ্তর নয়।
B) রোম — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এর সদর দপ্তর, তাই এটি সঠিক নয়।
C) জেনেভা — এটি UNHCR এর প্রধান সদর দপ্তর হিসেবে নির্ধারিত এবং এখান থেকেই বিশ্বব্যাপী কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
D) লন্ডন — এটি আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থা (IMO) এর সদর দপ্তর, UNHCR এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
শরণার্থীদের সেবা দেওয়ার জন্য জেনেভা শহরে UNHCR এর প্রধান কার্যালয় রয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) জেনেভা
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা WHO হলো জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা।
- এর প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত, WHO-এর নয়।
B) টোকিও — এটি জাপানের রাজধানী এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর এখানে নয়।
সি জেনেভা — এটি সঠিক উত্তর।
D) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের শহর এবং জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত, WHO-এর নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাস্থ্য সেবার মূল কেন্দ্র সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত, এটি মনে রাখলেই চলবে।
সঠিক উত্তর: C) ৬,০৩,৬৮১ কোটি টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
২০২১-২০২২ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট
জিডিপির আকার এবং মোট ব্যয়ের প্রাক্কলন
ধরি,
দেশের মোট জিডিপি = নির্দিষ্ট পরিমাপ
মোট ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা = প্রশ্ন প্রদত্ত সংখ্যা
অতএব,
২০২১-২০২২ অর্থবছরের মোট ব্যয় ধরা হয়
অনুমাশিত জিডিপির ১৭.৪ শতাংশ হিসেবে
সুতরাং,
নির্ধারিত মোট ব্যয়ের পরিমাণ হিসাব করা হয়
সর্বমোট ৬,০৩,৬৮১ কোটি টাকা হিসেবে
উত্তর: ৬,০৩,৬৮১ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর: B) ১৯৬৬ সালে
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ খ্যাত ছয় দফা দাবি ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে প্রথম পেশ করা হয়।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন অর্জনের লক্ষ্যে এই ঐতিহাসিক ছয় দফা পেশ করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭০ সালে — এই সালে পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় যেখানে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
B) ১৯৬৬ সালে — এটি সঠিক উত্তর, এই সালেই লাহোরে ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করা হয়।
C) ১৯৬৫ সালে — এই বছরে পাক-ভারত যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল এবং এর সঙ্গে ছয় দফা দাবির কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।
D) ১৯৬৯ সালে — এই সালে ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয় যার ফলে আইয়ুব খানের পতন ঘটেছিল।
মনে রাখার টিপস:
ছয় দফা মানে ১৯৬৬ সাল, মনে রাখতে সংখ্যা দুটির মধ্যে মিল খোঁজো।
সঠিক উত্তর: A) Glasgow
কেন সঠিক:
- ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন বা কপ২৬ স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এই সম্মেলনে বিশ্বনেতারা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Glasgow — এটি সঠিক উত্তর কারণ ২০২১ সালের জলবায়ু সম্মেলন এখানে আয়োজিত হয়েছিল।
B) London — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী হলেও কপ২৬ সম্মেলন এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি।
C) Paris — ২০১৫ সালে ঐতিহাসিক প্যারিস জলবায়ু চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল কিন্তু কপ২৬ এখানে হয়নি।
D) Hague — নেদারল্যান্ডসের এই শহরে অতীতে পরিবেশ বিষয়ক সম্মেলন হলেও কপ২৬ এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
জলবায়ু রক্ষার লড়াইয়ে স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে বসেছিল বিশ্বের বড় সম্মেলন, তাই কপ২৬ মানেই গ্লাসগো।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৪৫ সালে
কেন সঠিক:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা রোধ এবং বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয় এবং পরবর্তীতে তা কার্যকর হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৪১ সালে — এই সময়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক আলোচনা শুরু হলেও এটি তখন প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
B) ১৯৪৫ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই বছরেই আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত ও কার্যক্রম শুরু করে।
C) ১৯৪৮ সালে — এই সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তবে ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা গৃহীত হয়।
D) ১৯৪৯ সালে — এই বছর জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তবে এই সালে সামরিক জোট ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার বছর অর্থাৎ ১৯৪৫ সালেই বিশ্বশান্তির জন্য জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) ৫৭ তম
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ২০১৮ সালের ১১ মে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করে।
- এই অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী দেশের গৌরব অর্জন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪৭ তম — এটি সঠিক উত্তরের সাথে মিল নেই এবং এই সংখ্যাটি অন্য কোনো দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে।
B) ৫৭ তম — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছে।
C) ৬৭ তম — এটি ভুল সংখ্যা এবং স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের ক্রমের সাথে এর কোনো মিল নেই।
D) ৫১ তম — এটিও ভুল সংখ্যা এবং বিসিএস বা অন্যান্য পরীক্ষার জন্য এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট launched হয়েছে ৫ ও ৭ সংখ্যা নিয়ে গঠিত ৫৭তম দেশ হিসেবে।
সঠিক উত্তর: B) ব্রাজিল
কেন সঠিক:
- ব্রাজিল ফুটবল দল ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে সর্বাধিক ৫ বার শিরোপা অর্জন করেছে।
- তারা ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪ এবং ২০০২ সালে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আর্জেন্টিনা — আর্জেন্টিনা দল ৩ বার বিশ্বকাপ জিতেছে, যা ব্রাজিলের চেয়ে কম।
B) ব্রাজিল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তারা সর্বাধিক ৫ বার বিশ্বকাপ জিতেছে।
C) ইতালি — ইতালি ৪ বার বিশ্বকাপ জিতেছে, যা ব্রাজিলের চেয়ে এক ট্রফি কম।
D) ফ্রান্স — ফ্রান্স মাত্র ২ বার বিশ্বকাপ শিরোপা অর্জন করেছে।
মনে রাখার টিপস:
ব্রাজিলের ৫ বার বিশ্বকাপ জয় মনে রাখতে ৫ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা অন্য কোনো দেশের নেই।
সঠিক উত্তর: A) অনুচ্ছেদ - ৮
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহের কথা বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ৮ নম্বর অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনুচ্ছেদ - ৮ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অনুচ্ছেদেই রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ বর্ণিত হয়েছে।
B) অনুচ্ছেদ - ৯ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ ৯ নম্বর অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের উন্নয়ন সম্পর্কে বলা হয়েছে।
C) অনুচ্ছেদ - ১৩ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ ১৩ নম্বর অনুচ্ছেদে মালিকানার নীতি অর্থাৎ রাষ্ট্রীয়, সমবায় ও ব্যক্তিগত মালিকানার কথা বলা হয়েছে।
D) অনুচ্ছেদ - ১১ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ ১১ নম্বর অনুচ্ছেদে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের মূলনীতি শুরু হয় ৮ নম্বর অনুচ্ছেদ দিয়ে, যা চার ভাগে বিভক্ত (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা)।
সঠিক উত্তর: B) Abul Kalam Azad
কেন সঠিক:
- গ্রন্থটি ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী মাওলানা আবুল কালাম আজাদের একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- এতে ভারতের বিভাজন ও স্বাধীনতা অর্জনের পেছনের রাজনৈতিক ঘটনাবলি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Jawaharlal Nehru — তিনি 'ডিসকভারি অব ইন্ডিয়া' ও 'গ্লিম্পসেস অব ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রি' গ্রন্থের লেখক, 'ইন্ডিয়া উইন্স ফ্রিডম' তাঁর রচিত নয়।
B) Abul Kalam Azad — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত।
C) Muhammad Ali Jinnah — তিনি পাকিস্তান আন্দোলনের প্রধান নেতা ছিলেন, তবে তিনি এই ঐতিহাসিক গ্রন্থটির লেখক নন।
D) Liaquat Ali Khan — তিনি পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং এই গ্রন্থটির রচনার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রীর স্বাধীনতা সংগ্রামের গল্প জানতে হলে আবুল কালাম আজাদের লেখা 'ইন্ডিয়া উইন্স ফ্রিডম' পড়তে হবে।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) কামরুল হাসান
কেন সঠিক:
- শিল্পী কামরুল হাসান বর্তমান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মূল ডিজাইনার বা রূপকার।
- ১৯৭০ সালে পটভূমিতে লাল বৃত্ত সংবলিত সবুজ পতাকার যে রূপটি তিনি করেছিলেন, পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে কিছুটা পরিমার্জন করে বর্তমান পতাকা নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জয়নুল আবেদীন — তিনি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিউটের প্রতিষ্ঠাতা, কিন্তু জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
B) কামরুল হাসান — এটি সঠিক উত্তর।
C) হাসেম খান — তিনি দেশের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও ক্যালিগ্রাফার, তবে জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
D) হামিদুর রহমান — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল স্থপতি ও নকশাকার, পতাকার ডিজাইনার নন।
মনে রাখার টিপস:
পতাকা মানেই নকশা আর রূপ, তাই প-তে পতাকা আর প-তে পটুয়া কামরুল হাসান মনে রাখতে পারেন।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি (ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা)
সঠিক উত্তর: A) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল তৎকালীন মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলা তলার আমবাগানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- এই সরকারের অধীনেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ — এটি মুজিবনগর সরকার গঠনের সঠিক তারিখ।
B) ১০ এপ্রিল, ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপনের তারিখ, মুজিবনগর সরকার গঠনের তারিখ নয়।
C) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ — এটি মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের তারিখ এবং সরকার গঠনের তারিখ নয়।
D) ১৬ এপ্রিল, ১৯৭০ — এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো সাধারণ ঐতিহাসিক ঘটনার তারিখ নয়।
মনে রাখার টিপস:
মুজিবনগর সরকার গঠনের তারিখ ১০ এপ্রিল এবং শপথ গ্রহণের তারিখ ১৭ এপ্রিল, এই ধারাবাহিকতা মনে রাখলে কনফিউশন দূর হয়।
সঠিক উত্তর: C) অক্সিজেন
১. কেন সঠিক:
অক্সিজেন গ্যাস গ্রিনহাউজ গ্যাস নয় কারণ এটি বায়ুমণ্ডলে তাপ শোষণ করতে পারে না।
গ্রিনহাউজ গ্যাসগুলো মূলত পৃথিবী থেকে বিকিরিত তাপ আটকে রেখে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা ধরে রাখে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: গ্রিনহাউজ গ্যাস হলো এমন কিছু গ্যাস যা অবলোহিত বিকিরণ বা তাপ শোষণ ও নির্গমন করতে পারে।
কার্যপ্রণালি: সূর্যের আলো পৃথিবীতে আসার পর ভূপৃষ্ঠ তা শোষণ করে এবং পরে তা তাপ হিসেবে বায়ুমণ্ডলে ফিরিয়ে দেয়।
কারণ ও ফলাফল: গ্রিনহাউজ গ্যাসগুলো এই তাপ আটকে রাখে, কিন্তু অক্সিজেন অণু দুটি একই ধরনের পরমাণু দ্বারা গঠিত হওয়ায় তাপ শোষণ করতে ব্যর্থ হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন থাকা সত্ত্বেও এটি তাপ আটকে রাখে না।
ব্যাখ্যা: যদি অক্সিজেন গ্রিনহাউজ গ্যাস হতো, তবে পৃথিবীর তাপমাত্রা আরও অনেক বেশি হতো এবং গ্রহটি বসবাসের অযোগ্য হয়ে যেত।
উদাহরণ ২: গাছপালা সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে এবং অক্সিজেন ত্যাগ করে।
ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের মাত্রা বজায় থাকে, যা তাপ নিয়ন্ত্রণে সরাসরি কোনো ভূমিকা রাখে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রাস অক্সাইড — এটি একটি শক্তিশালী গ্রিনহাউজ গ্যাস যা কৃষিকাজ ও শিল্পকারখানা থেকে উৎপন্ন হয়।
B) কার্বন-ডাই-অক্সাইড — এটি জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে সৃষ্টি হয় এবং এটি প্রধান গ্রিনহাউজ গ্যাস।
C) অক্সিজেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি তাপ শোষণ করতে পারে না এবং বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান হলেও গ্রিনহাউজ গ্যাস নয়।
D) মিথেন — এটি একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী গ্রিনহাউজ গ্যাস যা পচনশীল জৈব পদার্থ থেকে উৎপন্ন হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
আমাদের জীবন রক্ষাকারী অক্সিজেন কখনো তাপ ধরে রাখে না, তাই এটি গ্রিনহাউজ গ্যাস নয়।
কার্বন, নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেনযুক্ত যৌগগুলো সাধারণত গ্রিনহাউজ গ্যাস হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা গ্যাস নাইট্রোজেন এবং দ্বিতীয় প্রধান গ্যাস অক্সিজেন, যার কোনোটিই গ্রিনহাউজ গ্যাস নয়।
পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন গ্যাসটি গ্রিনহাউজ প্রভাবের জন্য দায়ী নয়, যার উত্তর সাধারণত অক্সিজেন বা নাইট্রোজেন হয়।
সঠিক উত্তর: B) এপিকালচার
১. কেন সঠিক:
বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি পালন করে মধু ও মোম উৎপাদনের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিকে এপিকালচার বলা হয়।
এটি কৃষি খাতের একটি লাভজনক অংশ যা পরাগায়নেও সহায়তা করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: বিভিন্ন প্রজাতির মৌমাছি যেমন এপিস ইন্ডিকা বৈজ্ঞানিক উপায়ে বাক্সে লালনপালন করা হয়।
কার্যপ্রণালি: মৌয়ালরা কৃত্রিম বাক্সে রানী মৌচাক স্থাপন করে শ্রমিক মৌমাছির মাধ্যমে মধু সংগ্রহ করেন।
বাস্তব প্রয়োগ: কৃষি জমিতে মৌমাছি পালনের ফলে ফসলের পরাগায়ন বৃদ্ধি পেয়ে ফলন ৩০% পর্যন্ত বাড়ে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুন্দরবনের মৌয়ালরা প্রাকৃতিক উৎস থেকে মধু সংগ্রহ করেন যা ঐতিহ্যগত পদ্ধতি।
ব্যাখ্যা: এটি বাণিজ্যিকভাবে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশের বদলে বন্য মৌমাছি থেকে মধু সংগ্রহের প্রাচীন রূপ।
উদাহরণ ২: আমের বাগানে মৌবাক্স স্থাপন করা।
ব্যাখ্যা: এতে মৌমাছিরা ফুলের পরাগায়ন ঘটিয়ে আমের ফলন বাড়ায় এবং অতিরিক্ত মধু উৎপাদন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পিসিকালচার — এটি বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ ও উৎপাদনের বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়াকে বোঝায়।
B) এপিকালচার — এটি বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি পালন ও মধু উৎপাদনের সঠিক বৈজ্ঞানিক টার্ম।
C) সেরিকালচার — এটি রেশম পোকা পালন এবং রেশমি সুতা উৎপাদনের প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে।
D) সেরিকালচার — এটি সি অপশনের পুনরাবৃত্তি এবং রেশম চাষের সঙ্গে সম্পর্কিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
মৌমাছির ইংরেজি অ্যাপিস জেনাস থেকে এপিকালচার শব্দটি এসেছে।
মৌমাছি মানে অ্যাপিস আর পালন মানে কালচার, দুটি মিলে এপিকালচার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রেশম পোকা চাষকে সেরিকালচার এবং মৎস্য চাষকে পিসিকালচার বলা হয়।
বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই এই চাষাবাদ সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক নামগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) ভিটামিন - এ
১. কেন সঠিক:
ভিটামিন - এ চোখের রেটিনার রড কোষের সুস্থতার জন্য অত্যন্ত জরুরি একটি পুষ্টি উপাদান।
এই ভিটামিনের অভাবে চোখের রড কোষগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে, যার ফলে স্বল্প আলোতে বা রাতে দেখতে সমস্যা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ভিটামিন - এ ফ্যাটে দ্রবণীয় একটি ভিটামিন যা দৃষ্টিশক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক রাখে।
কার্যপ্রণালি: এটি চোখের কর্নিয়া ও রেটিনায় রডপসিন নামক রঞ্জক পদার্থ তৈরি করতে সাহায্য করে।
কারণ ও ফলাফল: ভিটামিন - এ এর ঘাটতি হলে রডপসিন উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে, ফলস্বরূপ রাতের আলোতে চোখে দেখার ক্ষমতা লোপ পায়।
বাস্তব প্রয়োগ: গাজর, মিষ্টি আলু ও কলিজা খাওয়ার মাধ্যমে শরীরের ভিটামিন - এ এর চাহিদা পূরণ করা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গোধূলি বা রাতের আলোতে গাড়ি চালকদের রাস্তা দেখতে সমস্যা হওয়া।
ব্যাখ্যা: এটি ভিটামিন - এ এর অভাবে সৃষ্ট রাতকানা রোগের প্রাথমিক লক্ষণ নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: সন্ধ্যার পর শিশুদের ঘর অন্ধকার মনে হওয়া বা চোখে দেখতে না পাওয়া।
ব্যাখ্যা: এটি শরীরের ভিটামিন - এ এর ঘাটতির একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন - এ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অভাবেই মূলত রাতকানা রোগ বা নিকোটালোপিয়া হয়ে থাকে।
B) ভিটামিন - সি — এটি স্কালভি রোগ প্রতিরোধ করে এবং ত্বক ও দাঁতের মাড়ি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
C) ভিটামিন - ডি — এটি ক্যালসিয়াম শোষণ বাড়ায় এবং এর অভাবে শিশুদের রিকেটস রোগ হয়।
D) ভিটামিন - বি — এটি স্নায়ুতন্ত্রের কাজ স্বাভাবিক রাখে এবং এর অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
চোখ ভালো রাখতে এ খাও, রাতকানা রোগ দূরে রাখো।
ভিটামিন এ এর রাসায়নিক নাম রেটিনল, যা চোখের রেটিনার সাথে সরাসরি যুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভিটামিন - এ এর অভাবে জেরোথালমিয়া রোগও হতে পারে যা চোখের কর্নিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই ভিটামিনের অভাবজনিত বিভিন্ন রোগের নাম ও তাদের রাসায়নিক নাম থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) ধমনী
১. কেন সঠিক:
- ধমনী এমন এক ধরনের রক্তনালী যা অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিণ্ড থেকে শরীরের প্রতিটি অঙ্গ ও কোষে বহন করে নিয়ে যায়।
- হৃৎপিণ্ডের সংকোচনের ফলে সৃষ্ট অতিরিক্ত চাপের কারণে ধমনীর মাধ্যমে রক্ত খুব দ্রুত ও সজোরে প্রবাহিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: রক্তসংবহন তন্ত্রের যে নালীগুলোর মাধ্যমে হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে, সেগুলোকে ধমনী বা আর্টারি বলা হয়।
- কার্যপ্রণালি: ধমনীর প্রাচীর বেশ পুরু ও শক্তিশালী হয় কারণ এটি হৃৎপিণ্ডের পাম্প করা রক্তের উচ্চ চাপ সহ্য করে।
- কারণ ও ফলাফল: ফুসফুস ধমনী ব্যতীত সব ধমনী অক্সিজেনযুক্ত লাল রক্ত বহন করে, যা দেহের কোষে শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহাধমনী বা অোর্টা।
ব্যাখ্যা: এটি মানবদেহের সবচেয়ে বড় ধমনী যা সরাসরি হৃৎপিণ্ডের বাম নিলয় থেকে রক্ত সারা দেহে সরবরাহ করে।
উদাহরণ ২: ক্যারোটিড ধমনী।
ব্যাখ্যা: এটি হৃৎপিণ্ড থেকে মস্তিস্কে রক্ত সরবরাহ করে, যা আমাদের সচেতনতা ও স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা বজায় রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিরা — শিরা হলো সেই রক্তনালী যা শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইডযুক্ত রক্ত পুনরায় হৃৎপিণ্ডে ফিরিয়ে আনে।
B) ধমনী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নালী হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বাহিত করে।
C) কৈশিক জালিকা — এটি ধমনী ও শিরার সংযোগকারী অত্যন্ত সূক্ষ্ম নালী যার মাধ্যমে রক্ত ও কোষের মধ্যে অক্সিজেন ও পুষ্টির আদান-প্রদান ঘটে।
D) উপশিরা — এটি শিরারই একটি ছোট শাখা যা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ থেকে রক্ত সংগ্রহ করে প্রধান শিরায় সরবরাহ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ধমনী শব্দটির প্রথম অক্ষর ধ এবং দূরে শব্দটির প্রথম অক্ষর ধ মিলে মনে রাখতে পারো ধমনী রক্ত হৃৎপিণ্ড থেকে দূরে (দেহের বিভিন্ন অংশে) নিয়ে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ফুসফুস ধমনী হলো একমাত্র ব্যতিক্রম ধমনী যা কার্বন ডাই-অক্সাইডযুক্ত রক্ত হৃৎপিণ্ড থেকে ফুসফুসে নিয়ে যায়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় কোন রক্তনালীর প্রাচীর সবচেয়ে পুরু, যার উত্তর হলো ধমনী।
সঠিক উত্তর: A) RAM
১. কেন সঠিক:
- RAM-এর পূর্ণরূপ হলো Random Access Memory। এটি কম্পিউটারের প্রধান বা প্রাইমারি মেমোরি হিসেবে সরাসরি প্রসেসরের সাথে কাজ করে।
- প্রসেসর যখন কোনো ডেটা বা প্রোগ্রাম নিয়ে কাজ করে, তখন তা সাময়িকভাবে এই মেমরিতে সংরক্ষিত থাকে এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে এর ডেটা মুছে যায়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: যে মেমোরি বা স্মৃতিতে কম্পিউটারের বর্তমান কাজের ডেটা ও নির্দেশাবলি সাময়িকভাবে সংরক্ষিত থাকে এবং বিদ্যুৎ বন্ধ করলে ডেটা মুছে যায়, তাকে প্রাইমারি মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি বলে।
- কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী কোনো অ্যাপ খুললে তা সেকেন্ডারি স্টোরেজ থেকে প্রাইমারি মেমোরিতে লোড হয় এবং প্রসেসর দ্রুত সেখান থেকে ডেটা নিয়ে কাজ সম্পন্ন করে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি অত্যন্ত দ্রুতগতির ডেটা অ্যাক্সেস প্রদান করে এবং এটি ভোলাটাইল বা উদীয়মান প্রকৃতির হওয়ায় বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হলে এর সব তথ্য হারিয়ে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কম্পিউটারে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ফাইল নিয়ে কাজ করার সময় বিদ্যুৎ চলে গেলে ফাইলটি সেভ না করা থাকলে হারিয়ে যায়।
ব্যাখ্যা: কারণ চলমান কাজটি তখন সেকেন্ডারি ডিস্কে না থেকে প্রাইমারি মেমোরি বা RAM-এ সাময়িকভাবে সংরক্ষিত ছিল।
উদাহরণ ২: স্মার্টফোনে একাধিক গেমস বা অ্যাপ একসাথে সচল রাখলে ফোন দ্রুত কাজ করে।
ব্যাখ্যা: ফোনের পর্যাপ্ত RAM থাকার কারণে প্রসেসর অ্যাপগুলোর ডেটা দ্রুত প্রসেস করতে পারে, যা ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে মসৃণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) RAM — এটি একটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
B) Hard Disk — এটি একটি সেকেন্ডারি মেমোরি বা দীর্ঘস্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইস, যা বৃহৎ পরিসরে ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়।
C) Pen Drive — এটি ফ্লাশ মেমোরিভিত্তিক একটি পোর্টেবল সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস, যা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরে ব্যবহৃত হয়।
D) ROM — এটি রিড অনলি মেমোরি, যা নন-ভোলাটাইল হলেও আর্কিটেকচারগতভাবে এটিকে অনেক সময় আলাদা ক্যাটাগরিতে রাখা হয় এবং এটি প্রধানত সিস্টেমের বুটস্ট্র্যাপ নির্দেশাবলি সংরক্ষণ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রাইমারি মেমোরির প্রধান দুটি রূপ হলো RAM এবং ROM।
- RAM হলো ভোলাটাইল বা অস্থায়ী এবং ROM হলো নন-ভোলাটাইল বা স্থায়ী মেমোরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি মেমোরির পার্থক্য এবং ভোলাটাইল মেমোরি সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
- RAM-কে রিড ও রাইট মেমোরি এবং ROM-কে শুধু রিড মেমোরি বলা হয়।
সঠিক উত্তর: C) উইকিপিডিয়া
১. কেন সঠিক:
- ফেসবুক, টুইটার এবং ইউটিউব হলো সোশ্যাল মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং কন্টেন্ট শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম।
- অন্যদিকে উইকিপিডিয়া হলো একটি উন্মুক্ত অনলাইন বিশ্বকোষ, যার কাজের ধরন ও উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ আলাদা।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: উইকিপিডিয়া হলো একটি ওয়েবভিত্তিক মুক্ত বিশ্বকোষ যেখানে যে কেউ তথ্য যোগ বা সম্পাদনা করতে পারে।
- কার্যপদ্ধতি: এটি উইকি প্রযুক্তির মাধ্যমে কাজ করে এবং বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের স্বেচ্ছাসেবীরা এর নিবন্ধ তৈরি ও সংশোধন করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফেসবুক
ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহারকারীদের নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ, ছবি বা ভিডিও শেয়ার এবং মতামত প্রকাশের সুযোগ দেয়।
উদাহরণ ২: ইউটিউব
ব্যাখ্যা এটি একটি ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম যেখানে ব্যবহারாளர்கள் ভিডিও দেখতে এবং আপলোড করতে পারেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফেসবুক — এটি একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যা ব্যবহারকারীদের সংযুক্ত করে, তাই এটি উইকিপিডিয়া থেকে আলাদা।
B) টুইটার — এটি মাইক্রোব্লগিং ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, যা উইকিপিডিয়ার বিশ্বকোষধর্মী কাজের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) উইকিপিডিয়া — এটি একটি উন্মুক্ত বিশ্বকোষ এবং তথ্যভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম, যা বাকি তিনটি অপশনের সামাজিক যোগাযোগ বা কন্টেন্ট শেয়ারিং মাধ্যমের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) ইউটিউব — এটি একটি ভিডিও হোস্টিং ও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অন্তর্ভুক্ত এবং উইকিপিডিয়া থেকে ভিন্ন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেসবুক ও টুইটার এবং বিনোদন মাধ্যম যেমন ইউটিউব হলো যোগাযোগের মাধ্যম।
- উইকিপিডিয়া হলো জ্ঞান আহরণ বা তথ্য খোঁজার একটি বিশ্বকোষ, তাই এটি এই দলের বাইরে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- উইকিপিডিয়া প্রতিষ্ঠা করেন জিমি ওয়েলস এবং ল্যারি স্যাঙ্গার ২০০১ সালে।
- এই ধরনের প্রশ্নে সাধারণত সেবা বা প্রযুক্তির মূল প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে অমিল বা সামঞ্জস্যহীন অপশনটি খুঁজে বের করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) ৬.১৫ কি. মি.
১. কেন সঠিক:
- পদ্মা সেতু বাংলাদেশের মুন্সিগঞ্জ জেলার মাওয়া এবং শরীয়তপুর ও মাদারীপুর জেলার জাজিরাকে যুক্ত করেছে।
- সেতুটির মূল কাঠামোর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং সংযোগ সড়কসহ মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৯.৮৩ কিলোমিটার।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: পদ্মা নদী বাংলাদেশের প্রধান নদনদীর একটি যা গঙ্গার প্রধান শাখা হিসেবে পরিচিত।
- বৈশিষ্ট্য: এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু এবং দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু সেতু।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম সেতু যা দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে অন্য অঞ্চলের যোগাযোগ স্থাপন করেছে।
উদাহরণ ২: শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর নির্মিত সেতু।
ব্যাখ্যা: এটি অপেক্ষাকৃত ছোট সেতু যা স্থানীয় নদী পারাপার ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬.০১ কি. মি. — এটি পদ্মা সেতুর সঠিক দৈর্ঘ্য নয় এবং এই মানের কোনো দীর্ঘ সেতু বাংলাদেশের মূল যোগাযোগ নেটওয়ার্কে নেই।
B) ৬.১৯ কি. মি. — এটি পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্যের সঠিক মান নয়, যা পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য অপশনে রাখা হয়।
C) ৬.০৫ কি. মি. — এটিও পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য নির্দেশ করে না এবং এর সঙ্গে সেতুটির কোনো বাস্তব পরিমাপের মিল নেই।
D) ৬.১৫ কি. মি. — এটি পদ্মা সেতুর মূল দৈর্ঘ্য যা পরীক্ষাকেন্দ্রিক তথ্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ নির্ভুল ও পরীক্ষিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ছয় দশমিক পনেরো কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু হিসেবে এর দৈর্ঘ্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পদ্মা সেতু কোন নদী এবং কোন জেলাগুলোকে যুক্ত করেছে তা জানা আবশ্যক।
- একই ধারণা থেকে সেতুর নদী, অবস্থান ও সংযোগকারী জেলা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)