বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্যক্তিগত কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২।

পদের নাম: ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a লক্ষণ
b মেঘনাদ
c রাবণ
d বরুণ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মেঘনাদ ১. কেন সঠিক: - 'অরিন্দম' শব্দের অর্থ হলো রিপু বা শত্রুকে দমন করেন যিনি। মাইকেল মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্য এ এই অভিধাটি বীরবাহু রাক্ষসরাজের পুত্র মেঘনাদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়েছে। - উদ্ধৃতিটি কাব্যের একটি বিশেষ নাটকীয় ও বিষাদময় মুহূর্তে উচ্চারিত হয়েছে, যা মেঘনাদের চরিত্র ও তার ভাগ্যের করুণ পরিণতিকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য রচনা করেন, যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে লিখিত এবং মোট নয়টি সর্গে বিভক্ত। - রাবণ ও মন্দোদরার পুত্র মেঘনাদ বা ইন্দ্রজিত রামচন্দ্র ও লক্ষ্মণের বিরুদ্ধে লঙ্কাপুরী রক্ষার্থে যুদ্ধ করতে গিয়ে মায়াবী কৌশলে নিহত হন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিখিল বঙ্গ সীতে, তুমি মজ্জাও লঙ্কায় ব্যাখ্যা: মেঘনাদবধ কাব্যের বিভিন্ন সর্গে বীরত্ব ও ট্র্যাজেডির প্রকাশ ঘটেছে, যেখানে লঙ্কার পতন অনিবার্য হয়ে ওঠে। উদাহরণ ২: হে রক্ষকবর, কহ দাসে লঙ্কার কুশল ব্যাখ্যা: মহাকাব্যের বিভিন্ন চরিত্রে দেশপ্রেম ও বীরত্বের অপূর্ব সংমিশ্রণ ঘটিয়েছেন কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লক্ষণ — লক্ষণ রামচন্দ্রের ভাই এবং মেঘনাদের হত্যাকারী, তাই তাকে অরিন্দম বলা হয়নি। C) রাবণ — রাবণ লঙ্কার রাজা এবং মেঘনাদের পিতা, যিনি নিজেই একজন বীর হলেও এখানে তাকে বোঝানো হয়নি। D) বরুণ — বরুণ হিন্দু পৌরাণিক দেবতা এবং জলের অধিপতি, যার সাথে এই উদ্ধৃতির কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - অরিন্দম মানে শত্রু দমনকারী এবং বাংলা সাহিত্যে এটি একমাত্র মেঘনাদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বিখ্যাত বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। - মাইকেল মধুসূদন দত্তের শ্রেষ্ঠ কীর্তি মেঘনাদবধ কাব্য মনে রাখলে এই ধরনের উদ্ধৃতি সহজেই চেনা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মেঘনাদবধ কাব্য প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে এবং এটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য। - এই ধরনের সাহিত্যিক উদ্ধৃতির ক্ষেত্রে চরিত্রের নাম ও রচয়িতা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a মনসা মঙ্গল
b চণ্ডীমঙ্গল
c অন্নদামঙ্গল
d ধর্মমঙ্গল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চণ্ডীমঙ্গল ১. কেন সঠিক: - 'ফুলুরার বারমাস্যা' মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও আবেগপূর্ণ অংশ। - মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর রচিত 'অভ্যামঙ্গল' বা চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতু ও ফুলুরার উপাখ্যানে এই বারমাস্যা অংশটি পাওয়া যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দ্বিজ মাধব ও মুকুন্দরাম চক্রবর্তী রচিত চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ চরিত্র হলো ফুলুরা, যিনি ব্যাধ কালকেতুর স্ত্রী। - বারমাস্যা কাব্যে ফুলুরা বারো মাসের প্রাকৃতিক পরিবর্তনের সাথে তার দুঃখ ও অভাবের কষ্টের কথা অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতু ও ফুলুরার উপাখ্যান ব্যাখ্যা: এই উপাখ্যানে গরিব ব্যাধ দম্পতির সংগ্রাম ও ভাগ্যের পরিবর্তনের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মধ্যযুগের সাহিত্যে বারমাস্যা গান ব্যাখ্যা: বারমাস্যা হলো এমন একটি কাব্যরীতি যেখানে সারা বছরের বারো মাসের সুখ দুঃখের বিবরণ দেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনসা মঙ্গল — মনসা মঙ্গল কাব্যে দেবী মনসার পূজা প্রচারের কাহিনি থাকে, যেখানে ফুলুরার বারমাস্যা অনুপস্থিত। B) চণ্ডীমঙ্গল — এই অপশনটি সঠিক এবং এর কালকেতু উপাখ্যানেই ফুলুরার বারমাস্যা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। C) অন্নদামঙ্গল — অন্নদামঙ্গল কাব্যটি আঠারো শতকের রচনা এবং এর রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। D) ধর্মমঙ্গল — ধর্মমঙ্গল কাব্যে লাউসেনের বীরত্ব ও ধর্মঠাকুরের মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে, ফুলুরার কোনো স্থান নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফুলুরা চরিত্রটি কেবল চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতু উপাখ্যানের সঙ্গেই ওতপ্রোতভাবে জড়িত। - বারমাস্যা মানেই মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যে নারীদের কষ্টের ১২ মাসের নিখুঁত বর্ণনা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুকুন্দরাম চক্রবর্তীকে কবিকঙ্কণ উপাধি দেওয়া হয়েছিল। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের বিভিন্ন চরিত্র ও অংশ থেকে প্রশ্ন আসে।
a মানচিত্র
b বিষণ্ন নীলিমা
c সোনালি কাবিন
d রাত্রিশেষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাত্রিশেষ ১. কেন সঠিক: - রাত্রিশেষ কবি আহসান হাবীবের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ। - আধুনিক বাংলা কবিতায় নগরজীবন, নিঃসঙ্গতা ও মধ্যবিত্তের যন্ত্রণার প্রকাশ ঘটে এই ধরনের কাব্যগ্রন্থে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আহসান হাবীব বিংশ শতাব্দীর আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি ও বিশিষ্ট সাংবাদিক। - তার কাব্যগ্রন্থে মানবপ্রেম, সামাজিক বৈষম্য এবং জীবনের গভীর উপলব্ধি শিল্পসম্মতভাবে প্রকাশিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছায়াহরিণ ব্যাখ্যা: এটি আহসান হাবীবের আরেকটি অত্যন্ত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক কবিতায় বিশেষ স্থান দখল করে আছে। উদাহরণ ২: সারা দুপুর ব্যাখ্যা: এটিও কবি আহসান হাবীব রচিত একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ, যা তার কাব্যিক দক্ষতার পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানচিত্র — এটি প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক আলাউদ্দিন আল আজাদের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। B) বিষণ্ন নীলিমা — এটি কবি শহীদ কাদরী রচিত একটি আধুনিক বাংলা কাব্যগ্রন্থ। C) সোনালি কাবিন — এটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম দিকপাল কবি আল মাহমুদের একটি শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। D) রাত্রিশেষ — এটি কবি আহসান হাবীবের কাব্যগ্রন্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - আহসান হাবীবের নাম মনে রাখলে তার রাত্রিশেষ, ছায়াহরিণ ও সারা দুপুর কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম একসঙ্গে চর্চা করা উচিত। - অন্যান্য অপশনের কবিদের সঙ্গে তাদের প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলো মিলিয়ে পড়লে বিভ্রান্তি দূর হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ও তাদের কাব্যগ্রন্থের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - প্রখ্যাত কবিদের প্রথম ও প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য খুবই কার্যকর।
a মানুষ
b আলোছায়া
c গরীবের ক্ষেত্র
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয় ১. কেন সঠিক: ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত বিখ্যাত নাটক হলো মুনীর চৌধুরীর কবর অথবা ইব্রাহিম খলিলের রক্তঋণ। প্রদত্ত অপশনগুলোতে ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে লেখা কোনো নাটক নেই, তাই সঠিক উত্তর হবে কোনটিই নয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মুনীর চৌধুরী কারাগারে বন্দि থাকা অবস্থায় ১৯৫৩ সালে কবর নাটকটি রচনা করেন যা ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা প্রথম নাটক। ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটকগুলো বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন ও জাতীয় চেতনার উন্মেষ ঘটাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কবর ব্যাখ্যা: মুনীর চৌধুরী রচিত কবর নাটকটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত প্রথম ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাটক। উদাহরণ ২: ফেরারী ফৌজ ব্যাখ্যা: এটি ইব্রাহিম খলিল রচিত ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানুষ — এটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে লেখা কোনো নাটক নয়, এটি মূলত কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ। B) আলোছায়া — এটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত নাটক নয়, এটি একটি ভিন্ন বিষয়ের সাহিত্যকর্ম। C) গরীবের ক্ষেত্র — এটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে লেখা কোনো নাটক বা সাহিত্যকর্ম হিসেবে স্বীকৃত নয়। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর কারণ ওপরের কোনো অপশনই ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটের নাটক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের নাটকের কথা মনে রাখতে মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকের নাম সবার আগে স্মরণ করবে। পরীক্ষার হলে অপশন মিল না পেলে সঠিক উত্তর কোনটিই নয় নির্বাচন করতে ভয় পাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভাষা আন্দোলনের প্রথম নাটক কোনটি এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। উত্তর হবে মুনীর চৌধুরীর কবর এবং এটি কারাগারে বসে লেখা হয়েছিল।
a গণনার ধারণা
b ব্যক্তি ও বস্তুর ধারণা
c সংখ্যার ধারণা
d একের ধারণা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংখ্যার ধারণা ১. কেন সঠিক: - বচন ব্যাকরণের এমন একটি পরিভাষা যা কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সংখ্যা নির্দেশ করে। - এর মাধ্যমে বোঝা যায় কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণী একটি না একাধিক। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ব্যাকরণে বচন শব্দের অর্থ হলো সংখ্যার ধারণা। - বাংলা ব্যাকরণে বচন দুই প্রকার, যথা একবচন ও বহুবচন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলম ব্যাখ্যা: এটি একটিমাত্র কলম বোঝাচ্ছে, তাই এটি একবচন। উদাহরণ ২: কলমগুলো ব্যাখ্যা: এটি একাধিক কলম বোঝাচ্ছে, তাই এটি বহুবচন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গণনার ধারণা — গণনা হলো সংখ্যা বের করার প্রক্রিয়া, কিন্তু বচন সরাসরি সংখ্যা নির্দেশ করে। B) ব্যক্তি ও বস্তুর ধারণা — ব্যক্তি বা বস্তুর ধারণা দেয় বিশেষ্য পদ, বচন কেবল তাদের সংখ্যা প্রকাশ করে। D) একের ধারণা — একের ধারণা কেবল একবচনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, কিন্তু বহুবচনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বচন মানেই সংখ্যা। সংখ্যা মনে রাখলেই বচন বিষয়টি সহজ হবে। - বচন শব্দটির আক্ষরিক অর্থ বা কাজ হলো গণনা বা সংখ্যা নির্দেশ করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বচনের প্রকারভেদ থেকে প্রশ্ন আসে। - বাংলা ব্যাকরণে কেবল বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের বচন ভেদ হয়।
a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b কাজী নজরুল ইসলাম
c শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: বাংলা ছোটগল্পের প্রকৃত পথপ্রদর্শক ও জনক হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনিই প্রথম বাংলা সাহিত্যে ইউরোপীয় ঢঙে আধুনিক ছোটগল্পের সূচনা করেন এবং এর শিল্পসম্মত রূপ দেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পে বাংলা গ্রামীণ জীবন, মানুষের মনস্তত্ত্ব ও সমাজচিত্র গভীরভাবে ফুটে উঠেছে। সাধনা ও সবুজপত্র পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা ছোটগল্প নতুন মাত্রা লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেনাপাওনা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামাজিক ছোটগল্প, যেখানে তৎকালীন সমাজব্যবস্থার চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: ক্ষুধিত পাষাণ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক ও অতিলৌকিক ছোটগল্প। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক ও পথপ্রদর্শক, ছোটগল্পের নন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা কবিতার বিদ্রোহী কবি ও কথাসাহিত্যিক হলেও ছোটগল্পের পথপ্রদর্শক নন। C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও ছোটগল্পের জনক নন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ছোটগল্পের পথপ্রদর্শক হিসেবে তিনিই সর্বস্বীকৃত ও সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: উপন্যাসের জনক বঙ্কিম আর ছোটগল্পের জনক রবীন্দ্রনাথ, এই জোড়টি মনে রাখলে পরীক্ষা ভুল হবে না। ছোটগল্পের ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম সবার আগে আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ছোটগল্পের সূচনাকাল ধরা হয় উনিশ শতকের শেষভাগকে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম সার্থক ছোটগল্প হলো দেনাপাওনা যা ১৮৯১ সালে প্রকাশিত হয়।
a মেজর (অব:) রফিকুল ইসলাম
b লে-কর্নেল (অব:) সাজ্জাদ জহীর
c মঈদুল ইসলাম
d এম আর আখতার মুকুল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) এম আর আখতার মুকুল ১. কেন সঠিক: - 'আমি বিজয় দেখেছি' গ্রন্থটির রচয়িতা বিশিষ্ট সাংবাদিক ও গবেষক এম আর আখতার মুকুল। - ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এই গ্রন্থটিতে লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রামাণিক দলিল তুলে ধরা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এম আর আখতার মুকুল একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক, লেখক ও বুদ্ধিজীবী যিনি মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদান রাখেন। - তার রচিত সবচেয়ে বিখ্যাত গ্রন্থ হলো 'সৈনিক থেকে সাংবাদিক' এবং 'আমি বিজয় দেখেছি'। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা কত দূর ব্যাখ্যা: এটি এম আর আখতার মুকুল রচিত আরেকটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ও ভ্রমণবিষয়ক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: মুজিবনগর ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসভিত্তিক এই গ্রন্থটির লেখকও এম আর আখতার মুকুল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেজর (অব:) রফিকুল ইসলাম — এই লেখক 'লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে' গ্রন্থের রচয়িতা, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ। B) লে-কর্নেল (অব:) সাজ্জাদ জহীর — তিনি একজন বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও গবেষক যিনি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে একাধিক গ্রন্থ লিখেছেন। C) মঈদুল ইসলাম — ইনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও ইতিহাস বিষয়ক অন্য কোনো গ্রন্থের সঙ্গে যুক্ত, তবে এই গ্রন্থের লেখক নন। D) এম আর আখতার মুকুল — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি স্বয়ং 'আমি বিজয় দেখেছি' গ্রন্থটি রচনা করেছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিজয় দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল মুকুল ভাইয়ের, তাই 'আমি বিজয় দেখেছি' গ্রন্থের লেখক এম আর আখতার মুকুল। - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ মনে রাখার জন্য লেখকের নামের সঙ্গে রচনার বিষয় মিলিয়ে নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ ও লেখকের নাম প্রায়ই আসে। - এম আর আখতার মুকুল রচিত গ্রন্থসমূহ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রশ্ন সহজেই কমন পাওয়া যায়।
a যোগ্যতা
b বাহুল্য দোষ
c উদ্দেশ্য
d আকাঙ্ক্ষা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যোগ্যতা ১. কেন সঠিক: একটি সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ থাকা আবশ্যক, যার অন্যতম হলো যোগ্যতা। পদের উপযুক্ত অর্থসংগত মেলবন্ধন বা ভাবগত মিলবন্ধন না থাকলে বাক্যের যোগ্যতা নষ্ট হয়। অরণ্যে রোদন একটি প্রচলিত বাগধারা যার অর্থ বৃথা চেষ্টা, তাই এর পরিবর্তে সমার্থক শব্দ বনাঞ্চল বা বন বসালে ভাবার্থ ঠিক থাকে না। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যের পদগুলোর অর্থের সংগতি রক্ষা করার নামই যোগ্যতা।语义 বা অর্থের দিক থেকে পদের মিল না থাকলে বাক্য তার যোগ্যতা হারায়। বাগধারার শব্দগুলো ঐতিহ্যামাফিক প্রমিত রূপে ব্যবহৃত হয়, যা পরিবর্তন করলে ভাব নষ্ট হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বর্ষায় বৃষ্টি পড়ে ব্যাখ্যা: এটি একটি যোগ্যতাসম্পন্ন বাক্য কারণ পদের অর্থগত মিল রয়েছে। উদাহরণ ২: বর্ষায় আগুন জ্বলে ব্যাখ্যা: এটি যোগ্যতা হারিয়েছে কারণ বর্ষার সঙ্গে আগুনের ভাবগত সংগতি নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যোগ্যতা — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাগধারার শব্দ পরিবর্তন করায় অর্থের সংগতি বা যোগ্যতা নষ্ট হয়েছে। B) বাহুল্য দোষ — বাক্যে অতিরিক্ত শব্দের ব্যবহারের কারণে বাহুল্য দোষ ঘটে, যা এখানে ঘটেনি। C) উদ্দেশ্য — বাক্যে যার সম্পর্কে কিছু বলা হয় তাকে উদ্দেশ্য বলে, এটি বাক্য গঠনের কোনো ত্রুটি নয়। D) আকাঙ্ক্ষা — বাক্য পডবার পর আরও কিছু শোনার ইচ্ছাকে আকাঙ্ক্ষা বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাগধারার শব্দ হুবহু মুখস্থ রাখতে হবে এবং শব্দ পরিবর্তন করা যাবে না। শব্দ পরিবর্তন করলেই বাক্যের যোগ্যতা নষ্ট হয়ে যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যশুদ্ধি ও বাক্যের গুণাবলি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা—এই তিনটি শর্ত ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a আবুল কালাম শামসুদ্দীন
b শামসুদ্দীন আবুল কালাম
c আবুল ফজল
d আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ১. কেন সঠিক: - 'অন্য ঘরে অন্য স্বর' প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ। - লেখকের জন্ম ও মৃত্যুর সাল এবং তাঁর সাহিত্যকর্মের অনন্য শৈলী এই গ্রন্থটিকে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ পরিচিতি দিয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বিশ শতকের বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী ও পরীক্ষিত এক জাদুকরি কলম সৈনিক ছিলেন। - তাঁর গল্প ও উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজ ও শহুরে জীবনের দ্বন্দ্ব অত্যন্ত বাস্তবসম্মত ও শৈল্পিক রূপ লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খোঁয়ারি ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের অন্যতম বিখ্যাত আরেকটি গল্পগ্রন্থ যা বাংলা কথাসাহিত্যে সমাদৃত। উদাহরণ ২: চিলেকোঠার সেপাই ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক পটভূমিতে লেখা অসামান্য উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল কালাম শামসুদ্দীন — এই সাহিত্যিক প্রধানত সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক হলেও আলোচ্য গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়। B) শামসুদ্দীন আবুল কালাম — ইনি একজন ভিন্ন লেখক এবং তাঁর সাহিত্যকর্মের ধারা এই গল্পের সঙ্গে মেলে না। C) আবুল ফজল — ইনি একজন প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী ও ঔপন্যাসিক হলেও 'অন্য ঘরে অন্য স্বর' তাঁর সৃষ্টি নয়। D) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই অনবদ্য ছোটগল্প সংকলন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইলিয়াসের দুটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ মনে রাখার কৌশল হলো অন্য ঘরে অন্য স্বর শুনতে পেলে খোঁয়ারি কেটে যায়। - এভাবে লেখকের নাম ও তাঁর সাহিত্যকর্মগুলো সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের গল্পগ্রন্থ ও উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - তাঁর লেখা উপন্যাস সংখ্যা মাত্র দুটি হওয়ায় এই তথ্যটি মনে রাখা খুব সহজ।
a মুনীর চৌধুরী
b শামসুর রাহমান
c কাজী নজরুল ইসলাম
d জসীমউদ্দীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জসীমউদ্দীন ১. কেন সঠিক: - 'কবর' বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত প্রখ্যাত একটি কবিতা, যার রচয়িতা পল্লীকবি জসীমউদ্দীন। - কবিতাটি ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা কাব্যসাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জসীমউদ্দীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি ও ঔপন্যাসিক। - পল্লিপ্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা তাঁর সাহিত্যে অনন্য রূপ লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশী কাথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি কবি জসীমউদ্দীনের লেখা একটি জনপ্রিয় ও বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: সোজন বাদের ঘাট ব্যাখ্যা: এটিও জসীমউদ্দীনের রচিত অপর একটি বিশিষ্ট প্রণয়ধর্মী কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুনীর চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার, শিক্ষাবিদ ও শহীদ বুদ্ধিজীবী হলেও 'কবর' কবিতার রচয়িতা নন। B) শামসুর রাহমান — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই বিখ্যাত কবিতার সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি, তাঁর রচিত বিখ্যাত কবিতার মধ্যে রয়েছে বিদ্রোহী ও প্রলয়োল্লাস। D) জসীমউদ্দীন — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ তিনি 'কবর' কবিতার রচয়িতা। ৫. মনে রাখার টিপস: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের নাম শুনলেই মনে রাখবে তাঁর অমর সৃষ্টি 'কবর' কবিতাটি, যা আমাদের পাঠ্যপুস্তকে বহুল পঠিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'কবর' কবিতার রচয়িতা ও এর প্রকাশকাল প্রায়ই আসে, তাই জসীমউদ্দীনের অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নামও জেনে রাখা জরুরি।
a জ্ঞান
b আমকারা দেওয়া
c অঙ্গবিশেষ
d দিব্যি দেওয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দিব্যি দেওয়া ১. কেন সঠিক: এখানে 'মাথা খাওয়া' একটি প্রবাদপ্রতিম বাগধারা, যার অর্থ কসম দেওয়া বা দিব্যি দেওয়া। কোনো বিশেষ বিষয়ে জোর দিয়ে অনুরোধ করতে বা জোরালো তাগিদ বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি বিশেষ বাগধারা বা প্রবাদ-প্রবচন, যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। এখানে মাথা শব্দের আক্ষরিক অর্থ শরীর বা অঙ্গবিশেষ হলেও প্রয়োগের ক্ষেত্রে এটি দিব্যি বা কসম বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তোমার পা ধরি, আমার মাথা খাও, এ কথা কাউকে বলো না। ব্যাখ্যা: এখানে কাউকে জোরালোভাবে অনুরোধ করতে এবং গোপনীয়তা রক্ষা করতে দিব্যি দেওয়া অর্থে মাথা খাওয়া ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: বাবা, আমার মাথা খাও, আজ আর বাইরে যেও না। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সন্তানকে ঘরে রাখার জন্য গভীর আবেগ ও কসম বা দিব্যি দেওয়ার অর্থে মাথা খাওয়া প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্ঞান — মাথা শব্দের আক্ষরিক অর্থ বা রূপক হিসেবে জ্ঞান প্রকাশ পেলেও এই বাগধারায় তা বোঝায় না। B) আমকারা দেওয়া — এই অপশনটি প্রশ্নোক্ত বাগধারার অর্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক ও অর্থহীন। C) অঙ্গবিশেষ — এটি মাথা শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলেও বাক্যে বিশেষ অর্থে দিব্যি বোঝানো হয়েছে। D) দিব্যি দেওয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বাগধারাটি কসম বা শপথ বা দিব্যি দেওয়া অর্থেই ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মাথা খাওয়া মানে কাউকে কিছু করার জন্য খুব বেশি জোড়াজোড়ি করা বা শপথ করানো। মনে রাখবে যেখানেই অনুরোধের সাথে দিব্যি দেওয়ার ভাব থাকবে, সেটাই সঠিক উত্তর হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা প্রমিত অর্থ প্রায়ই আসে। আক্ষরিক অর্থের দিকে না গিয়ে বাগধারার প্রচলিত ভাবার্থ মুখস্থ রাখতে হবে।
a শামসুর রাহমান
b আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
c কাজী নজরুল ইসলাম
d আহসান হাবীব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত পংক্তিটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যিক উদ্ধৃতি। - এখানে মানুষের হৃদয়ের পবিত্রতা ও শ্রেষ্ঠত্ব বোঝাতে কাবার সঙ্গে হৃদয়ের তুলনা করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও আমাদের জাতীয় কবি। - তাঁর কবিতায় মানবপ্রেম, সাম্য ও দ্রোহের বাণী জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার আপনার চেয়ে যে আপন, তারে খুঁজি আপনার মনে। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতি কবিতার একটি বিখ্যাত পংক্তি যা মনের গভীরের উপলব্ধিকে প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই। ব্যাখ্যা: এটি চণ্ডীদাসের লেখা মানবধর্ম বিষয়ক একটি অমর পংক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামসুর রাহমান — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই পংক্তিটি তাঁর নয়। B) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ — ইনি বিশিষ্ট কবি ও রাজনীতিবিদ হলেও এই বিখ্যাত উদ্ধৃতিটি তাঁর রচিত নয়। C) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পংক্তিটি তাঁরই সৃষ্টি। D) আহসান হাবীব — ইনি আধুনিক যুগের বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক হলেও এই পংক্তিটি তাঁর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - হৃদয়ের চেয়ে বড় মন্দির বা কাবার কথা এলেই মনে রাখবে এটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মানবতাবাদী দর্শন। - বিদ্রোহী কবির কবিতায় যেমন দ্রোহ আছে, তেমনি নিখাদ মানবপ্রেমের এমন পংক্তিও রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিদের জনপ্রিয় পংক্তি প্রায়ই আসে। - উদ্ধৃতিমূলক প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে কবির মূল ভাব ও কবিতার বিষয়বস্তু মনে রাখা জরুরি।
a উক্ত
b প্রাচ্য
c প্রত্যয়
d লয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রত্যয় ১. কেন সঠিক: - প্রত্যয় হলো নতুন শব্দ গঠনের একটি অন্যতম প্রধান ব্যাকরণগত প্রক্রিয়া। - প্রকৃতি বা মূল শব্দের সঙ্গে নতুন শব্দ বা পদ তৈরির জন্য যে ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে প্রত্যয় বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধাতু বা প্রাতিপদিকের পরে নতুন শব্দ বা পদ গঠনের উদ্দেশ্যে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে প্রত্যয় বলে। - প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার, যথা কৃৎ প্রত্যয় এবং তদ্ধিত প্রত্যয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চল + অন্ত = চলতি ব্যাখ্যা: এটি কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ যেখানে ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ঢাকা + আই = ঢাকাই ব্যাখ্যা: এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ যেখানে শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উক্ত — এটি কোনো শব্দ গঠনের প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি বচ ধাতু বা বুধ ধাতুর উত্তর ক্ত প্রত্যয় সাধিত একটি বিশেষ শব্দ মাত্র। B) প্রাচ্য — এটি একটি শব্দ বিশেষ, যা দিক বা অঞ্চল বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি সরাসরি শব্দ গঠনের কোনো প্রক্রিয়া নয়। C) প্রত্যয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি নতুন শব্দ গঠনের একটি স্বীকৃত ব্যাকরণগত প্রক্রিয়া। D) লয় — এই শব্দটির অর্থ ধ্বংস বা বিনাশ, যা কোনো শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - নতুন শব্দ গঠনের প্রধান চারটি উপায় হলো সন্ধি, সমাস, উপসর্গ ও প্রত্যয়। - ধাতুর সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় এবং শব্দের সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দ গঠনের উপায় সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - উপসর্গ শব্দের আগে বসে এবং প্রত্যয় শব্দের পরে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে।
a শাহ্ মুহম্মদ সগীর
b হায়াৎ মামুদ
c আবদুল হাকিম
d আলাওল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আবদুল হাকিম ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত পঙক্তিটি মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি আবদুল হাকিমের বঙ্গবাণী কবিতার অংশ। - কবি এখানে নিজ মাতৃভাষার প্রতি গভীর অনুরাগ এবং বাংলা ভাষার প্রতি অবহেলাকারীদের কঠোর সমালোচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি আবদুল হাকিম সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগের পুথি সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং আরাকান রাজসভার অন্যতম কবি। - তার জন্মস্থান সন্দ্বীপের সুধারামপুর গ্রামে এবং তিনি মধ্যযুগের বাঙালি মুসলমান কবিদের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষাপ্রেমিক হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৌতূহলী হয়ে মোর কে বা কিবা জুড়ায়। ব্যাখ্যা: এটি কবি আবদুল হাকিমের অন্য একটি বিখ্যাত সাহিত্যিক পঙক্তি যা তার ভাবনার পরিচয় দেয়। উদাহরণ ২: সবে বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী। ব্যাখ্যা: মাতৃভাষার প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারীদের উদ্দেশ্যে কবি এই অমর বাণীটি উচ্চারণ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাহ্ মুহম্মদ সগীর — তিনি প্রাচীন যুগের কবি এবং তার বিখ্যাত কাব্য ইউসুফ জোলেখা, যা এই পঙক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) হায়াৎ মামুদ — তিনি আধুনিক যুগের প্রাবন্ধিক ও গবেষক, তাই সপ্তদশ শতকের এই কাব্যাংশের রচয়িতা তিনি নন। D) আলাওল — তিনি মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের শ্রেষ্ঠ কবি এবং তার বিখ্যাত রচনা পদ্মাবতী। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাংলা ভাষার প্রতি কবির ভক্তি ও বঙ্গবাণী শব্দ দেখলেই কবি আবদুল হাকিমকে মনে রাখতে হবে। - মধ্যযুগে মাতৃভাষার পক্ষে কথা বলা একমাত্র কবি ছিলেন আবদুল হাকিম। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্গবাণী কবিতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মধ্যযুগের কবিদের মধ্যে ভাষার প্রতি এমন প্রীতি কেবল আবদুল হাকিমের রচনাতেই স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
a কাব্যের নাম
b ছোটগল্প
c নাটক
d উপন্যাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাটক ১. কেন সঠিক: 'নীল-দর্পণ' একটি ঐতিহাসিক নাটক। এই নাটকটির মূল বিষয়বস্তু হলো বাংলার নীলকর সাহেবদের দ্বারা সাধারণ কৃষকদের ওপর চালিত অমানবিক নির্যাতন ও নিপীড়ন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই নাটকটির রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক ও রাজনৈতিক নাটক যার ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'সধবার একাদশী' ব্যাখ্যা: এটি দীনবন্ধু মিত্রের রচিত আরেকটি বিখ্যাত সামাজিক প্রহসনমূলক নাটক। উদাহরণ ২: 'বিয়ে পাগলা বুড়ো' ব্যাখ্যা: এটিও দীনবন্ধু মিত্রের রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সমাজসংস্কারমূলক প্রবাসীর নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্যের নাম — 'নীল-দর্পণ' কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি গদ্যে রচিত একটি নাটক। B) ছোটগল্প — এটি কোনো কাল্পনিক বা বাস্তব ছোটগল্প নয়, এটি দীর্ঘ কলেবরের একটি নাটক। D) উপন্যাস — যদিও এর পটভূমি বিশাল এবং উপন্যাসধর্মী, তবুও এটি সংলাপভিত্তিক একটি পূর্ণাঙ্গ নাটক। ৫ মনে রাখার টিপস: দীনবন্ধু মিত্রের নাটক মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে তিনি নীলকরদের অত্যাচার দর্পণের মতো পরিষ্কার করে নাটকে দেখিয়েছেন। তাই 'নীল-দর্পণ' একটি বিখ্যাত নাটক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে 'নীল-দর্পণ' নাটকের রচয়িতা কে কিংবা এটি কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম। নাটকের ক্ষেত্রে চরিত্র ও প্রকাশসাল মনে রাখা জরুরি।
a বন্ধনী
b উদ্ধারণ চিহ্ন
c বিস্ময়সূচক
d প্রশ্নবোধক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিস্ময়সূচক ১. কেন সঠিক: - হৃদয়া বেগ বা আবেগ প্রকাশে বিস্ময়সূচক চিহ্ন ব্যবহৃত হয়। - মানুষের মনের আনন্দ, বেদনা, ঘৃণা, ভয় ও বিস্ময় প্রকাশ করতে এই চিহ্ন বসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মনের নানা ভাব বা আবেগ প্রকাশ করার জন্য বাক্যের শেষে বা কখনো পদের পরে বিস্ময়সূচক চিহ্ন (! ব্যবহার করা হয়। - একে আবেগবাচক বা বিস্ময়চিহ্নও বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঃ! কী সুন্দর পাখি। ব্যাখ্যা: এখানে মনের আনন্দ প্রকাশ করতে বিস্ময়সূচক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ছিঃ! এ তুমি কী করলে। ব্যাখ্যা: এখানে ঘৃণা বা লজ্জা প্রকাশের আবেগ বোঝাতে বিস্ময়সূচক চিহ্ন বসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বন্ধনী — এটি মূলত কোনো শব্দ বা বাক্যাংশকে আলাদা করতে বা অতিরিক্ত তথ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) উদ্ধারণ চিহ্ন — এটি কোনো প্রবচন, উক্তি বা বিশেষ শব্দকে চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। C) বিস্ময়সূচক — এটি সঠিক কারণ আবেগ বা হৃদয়া বেগ প্রকাশে এটি ব্যবহার করা হয়। D) প্রশ্নবোধক — এটি কোনো কিছু জানতে চাওয়া বা প্রশ্ন করার বাক্যের শেষে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনের আবেগ যেমন খুশি, দুঃখ, ভয় বা অবাক হওয়া বোঝালেই বিস্ময়সূচক চিহ্ন ব্যবহার করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্নের ব্যবহার থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কোন চিহ্নের কী কাজ তা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে সহজেই নম্বর পাওয়া সম্ভব।
a সংযোজক অব্যয়
b পদান্বয়ী অব্যয়
c অনুকার অব্যয়
d অনন্বয়ী অব্যয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনুকার অব্যয় ১. কেন সঠিক: - কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক ধ্বনির অনুকরণে যে অব্যয় গঠিত হয়, তাকে অনুকার অব্যয় বা ধনাত্মক অব্যয় বলে। - 'টাপুর টুপুর' শব্দযুগল বৃষ্টির পতনের শব্দকে নির্দেশ করে, যা একটি ধ্বনির অনুকরণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে অব্যয় শব্দ কোনো বাস্তব বা কাল্পনিক ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয়ে বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তাকে অনুকার অব্যয় বলা হয়। - এই শব্দগুলো সাধারণত বিশেষণের কাজ করে এবং বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঝিরঝির করে বৃষ্টি পড়ছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'ঝিরঝির' শব্দটি বৃষ্টির মৃদু শব্দের অনুকরণে গঠিত অনুকার অব্যয়। উদাহরণ ২: ঘেউ ঘেউ করে কুকুর ডাকছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'ঘেউ ঘেউ' শব্দটি কুকুরের আওয়াজের অনুকরণে গঠিত অনুকার অব্যয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংযোজক অব্যয় — এটি দুটি পদ বা বাক্যকে যুক্ত করে, কিন্তু 'টাপুর টুপুর' শব্দ দুটিকে যুক্ত করেনি। B) পদান্বয়ী অব্যয় — এটি বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে কারক বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) অনুকার অব্যয় — এটি সঠিক কারণ এটি ধ্বনির অনুকরণ বোঝায়। D) অনন্বয়ী অব্যয় — এটি মনের ভাব বা আবেগ প্রকাশ করে, কিন্তু 'টাপুর টুপুর' কোনো আবেগ প্রকাশ করছে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দ যদি আওয়াজ বা ধ্বনি বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে অনুকার অব্যয় বা ধনাত্মক অব্যয় দাগিয়ে দেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বন্যাত্মক বা অনুকার অব্যয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের অর্থ ও ব্যবহারের প্রকৃতি দেখে এটি সহজে চেনা যায়।
a তামার বিষ
b একাদশে বৃহস্পতি
c শাপে বর
d তীর্থের কাক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শাপে বর ১. কেন সঠিক: - শাপে বর একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার অর্থ অনিষ্ট করতে গিয়ে ভালো ফল পাওয়া। - সাধারণত অভিশাপ বা ক্ষতি করার চেষ্টা করা হলে উল্টো সেখান থেকে যখন কল্যাণ বা উপকার সাধিত হয়, তখন এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - এটি বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণের শব্দার্থ ও প্রবাদ-প্রবচন অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা ভাষাটিকে আরও সমৃদ্ধ ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শত্রুর চক্রান্তে চাকরিটা হারালেও শেষ পর্যন্ত সে আরও ভালো একটা চাকরি পেয়ে গেল, এটা তার জন্য শাপে বর হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে চাকরি হারানোর মতো একটি ক্ষতিকর ঘটনা বা অনিষ্ট শেষ পর্যন্ত আরও বড় ভালো কিছু বয়ে আনার কারণে শাপে বর বাগধারাটি প্রযোজ্য হয়েছে। উদাহরণ ২: ঝড়ের কারণে আমগাছের ডাল ভেঙে যাওয়ায় বাগান পরিষ্কারের সুবিধা হলো এবং গাছটি আরও আলো পেল। ব্যাখ্যা: প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতি বা অনিষ্ট থেকে উল্টো বাগানের জন্য ভালো কিছু লাভ হওয়ার বিষয়টি এখানে প্রকাশিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামার বিষ — এই বাগধারার অর্থ কুসংসারের প্রভাব বা অর্থের কুপ্রভাব, যা প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে মেলে না। B) একাদশে বৃহস্পতি — এই বাগধারার অর্থ সৌভাগ্যের বিষয় বা সুসময়, যা অনিষ্ট করার ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) শাপে বর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ অনিষ্ট করতে গিয়ে ভালো ফল লাভ করা। D) তীর্থের কাক — এই বাগধারার অর্থ দীর্ঘ প্রতীক্ষায় থাকা ব্যক্তি, যা প্রশ্নের অর্থের বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - শাপ অর্থ অভিশাপ বা ক্ষতি এবং বর অর্থ আশীর্বাদ বা ভালো ফল। - শাপ থেকে বর পাওয়া মানেই হলো খারাপ বা ক্ষতিকর কিছু থেকে ভালো কিছু পেয়ে যাওয়া। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - বাগধারার মূল ভাবার্থ বোঝার জন্য এর উৎস ও আক্ষরিক অর্থের চেয়ে অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a শ্যামলিকা
b শ্যাম
c শ্যামলিমা
d শ্যামলী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শ্যামলী ১. কেন সঠিক: 'শ্যামল' একটি বিশেষণ পদ যার অর্থ সবুজ বা শ্যামবর্ণ। এই বিশেষণ শব্দটির ভাববাচক বিশেষ্য রূপ হলো 'শ্যামলী'। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিশেষণ পদ থেকে বিশেষ্য পদে রূপান্তর করার সময় উপযুক্ত প্রত্যয় যোগ করতে হয় এবং এই ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বিশেষ্য পদ হিসেবে 'শ্যামলী' শব্দটি গ্রহণ করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিশেষণ পদ হলো যা কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ করে। পদ পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী অনেক সময় বিশেষণ শব্দকে বিশেষ্য পদে রূপান্তর করতে হয়। 'শ্যামল' শব্দের মূল অর্থ সবুজ রং বা প্রকৃতি, যা থেকে বিশেষ্য হিসেবে 'শ্যামলী' বা 'শ্যামলিমা' গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মধুর থেকে মাধুর্য ব্যাখ্যা: মধুর হলো বিশেষণ পদ এবং এর ভাববাচক বিশেষ্য রূপ হলো মাধুর্য। উদাহরণ ২: সুন্দর থেকে সৌন্দর্য ব্যাখ্যা: সুন্দর একটি গুণবাচক বিশেষণ যা থেকে বিশেষ্য পদ সৌন্দর্য গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্যামলিকা — এটি একটি ভিন্ন শব্দ বা নাম হতে পারে কিন্তু শ্যামল শব্দের সরাসরি ব্যাকরণগত বিশেষ্য রূপ নয়। B) শ্যাম — এটি নিজেই একটি বিশেষ্য বা নাম পদ, তাই শ্যামল শব্দের বিশেষ্য হিসেবে এটি প্রযোজ্য নয়। C) শ্যামলিমা — এটিও বিশেষ্য পদ এবং এর অর্থ শ্যামলিম ভাব, তবে প্রমিত ব্যাকরণে শ্যামল শব্দের নির্দিষ্ট বিশেষ্য হিসেবে শ্যামলী বেশি প্রচলিত। D) শ্যামলী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি শ্যামল শব্দের উপযুক্ত বিশেষ্য রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দের শেষে ল বা ইমা থাকলে তা পরিবর্তন করার সময় মূল শব্দের সঙ্গে মিল রেখে বিশেষ্য রূপ নির্ণয় করতে হয়। ব্যাকরণের পদ পরিবর্তন অংশ ভালো করে অনুশীলন করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদ পরিবর্তন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই বিশেষ্য থেকে বিশেষণ এবং বিশেষণ থেকে বিশেষ্য পদ চেনার নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
a সাপের গর্ত
b উইপোকার ঢিবি
c পাখির বাসা
d পাতাল পুরি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উইপোকার ঢিবি ১. কেন সঠিক: - বাল্মীকি শব্দের আক্ষরিক ও পৌরাণিক অর্থ উইপোকার ঢিবি। - প্রাচীন পৌরাণিক উপাখ্যান অনুযায়ী ঋষি বাল্মীকি দীর্ঘকাল কঠোর সাধনায় মগ্ন থাকার সময় তাঁর শরীর উইপোকার ঢিবি দ্বারা আবৃত হয়ে গিয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহাকবি বাল্মীকি সংস্কৃত সাহিত্যের আদি মহাকাব্য রামায়ণের রচয়িতা হিসেবে বিশ্ববিখ্যাত। - তাঁর পূর্বাশ্রমের নাম রত্নাকর ছিল এবং ডাকাত হিসেবে জীবন শুরু করলেও পরবর্তীতে তপস্যার মাধ্যমে তিনি মহর্ষিতে পরিণত হন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রত্নাকর ডাকাত তপস্যার মাধ্যমে বাল্মীকি ঋষিতে পরিণত হন। ব্যাখ্যা: উইপোকার ঢিবি বা বাল্মীকি নামের ঐতিহাসিক পৌরাণিক প্রেক্ষাপট বোঝাতে এই উদাহরণটি প্রযোজ্য। উদাহরণ ২: সংস্কৃত সাহিত্যে রামায়ণ মহাকাব্যের আদি রচয়িতা হিসেবে বাল্মীকি পরিচিত। ব্যাখ্যা: বাল্মীকি নামটি রামায়ণ রচনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত এবং এটি তাঁর সাহিত্যিক পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাপের গর্ত — এটি ভুল কারণ বাল্মীকি শব্দের অর্থ সাপের গর্ত বোঝায় না, বরং এটি উইপোকার ঢিবিকে নির্দেশ করে। B) উইপোকার ঢিবি — এটি সঠিক উত্তর এবং এর পৌরাণিক ভিত্তি রয়েছে। C) পাখির বাসা — এটি ভুল কারণ পাখির বাসার সঙ্গে বাল্মীকি শব্দের কোনো আক্ষরিক বা পৌরাণিক সম্পর্ক নেই। D) পাতাল পুরি — এটি ভুল কারণ পাতাল পুরি বলতে পাতালে অবস্থিত কোনো স্থানকে বোঝায়, যার সঙ্গে বাল্মীকি শব্দের মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাল্মীকি মানে উইপোকার ঢিবি মনে রাখতে রত্নাকরের সাধনার সময় তাঁর শরীরে উইপোকার ঢিবি জমার পৌরাণিক গল্পটি মনে রাখতে পারো। - রামায়ণের আদি কবির নাম এবং তাঁর নামের অর্থ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রামায়ণ মহাকাব্যের রচয়িতা কে এবং বাল্মীকি শব্দের অর্থ কী, এই দুটি প্রশ্ন বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার আসে। - পৌরাণিক শব্দগুলোর মূল অর্থ ও উৎস সম্পর্কে ধারণা থাকলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজে করা সম্ভব।
a বিধায়ক ভট্টাচার্য
b বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
c সুবোধ ঘোষ
d প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'বনফুল' হলো প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম। - তিনি বাংলা সাহিত্যে মূলত ছোটগল্পকার হিসেবে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট ছোটগল্পকার, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার। - তাঁর সাহিত্যকর্মে বিজ্ঞানভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং মানবজীবনের গভীর উপলব্ধির অপূর্ব প্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনফুলের বিখ্যাত ছোটগল্প 'মঞ্জরী মণি'। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প যা বাংলা সাহিত্যে ব্যাপকভাবে সমাদৃত। উদাহরণ ২: বনফুলের রচিত উপন্যাস 'হৈমবর্তী'। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে লেখকের সুনিপুণ চরিত্র বিশ্লেষণ ও সমাজভাবনার পরিচয় পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিধায়ক ভট্টাচার্য — ইনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার হলেও 'বনফুল' তাঁর ছদ্মনাম নয়। B) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়েরই ছদ্মনাম। C) সুবোধ ঘোষ — ইনি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হলেও 'বনফুল' ছদ্মনামে লেখেননি। D) প্রমথ চৌধুরী — ইনি 'বীরবল' ছদ্মনামে প্রবন্ধ ও গদ্য রচনা করতেন, বনফুল নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - বনফুল বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় মনে রাখতে ব এবং ব বর্ণ দুটি মিলিয়ে নিতে পারো। - ছদ্মনামের ক্ষেত্রে বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় মানেই বনফুল এটি বারবার চর্চা করলে সহজে মনে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখক ও তাঁদের ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম ব্যবহারের ইতিহাস ও প্রখ্যাত লেখকদের ছদ্মনাম ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
a সৎকর্ম ও মনোযোগ
b দান ও মনোযোগ
c সৎকাজ ও অজ্ঞাত
d দান ও আবেগ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সৎকর্ম ও মনোযোগ ১. কেন সঠিক: - 'অবদান' শব্দের অর্থ সৎকর্ম, কীর্তি বা ভালো কাজ, আর 'অবধান' শব্দের অর্থ মনোযোগ, নিবেশ বা অবধান করা। - উচ্চারণ ও বানানে সামান্য পার্থক্য থাকলেও শব্দ দুটির অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা, যা সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে এই শব্দগুলোকে প্রায় সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ বলা হয়, যার দেখতে কাছাকাছি হলেও অর্থ ভিন্ন। - শব্দার্থ সঠিকভাবে আয়ত্ত করতে না পারলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্নগুলোতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেশের জন্য তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। ব্যাখ্যা: এখানে 'অবদান' শব্দটি ভালো কাজ বা কীর্তি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: শিক্ষকের কথায় বিশেষ অবধান দাও। ব্যাখ্যা: এখানে 'অবধান' শব্দটি মনোযোগ বা নিবেশ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৎকর্ম ও মনোযোগ — এই অপশনটি সঠিক কারণ অবদান অর্থ সৎকর্ম এবং অবধান অর্থ মনোযোগ। B) দান ও মনোযোগ — এখানে অবদানের অর্থ দান বলা হয়েছে যা সঠিক নয়, কারণ অবদান অর্থ সৎকর্ম। C) সৎকাজ ও অজ্ঞাত — এখানে অবধানের অর্থ অজ্ঞাত বলা হয়েছে যা সঠিক নয়, কারণ অবধান অর্থ মনোযোগ। D) দান ও আবেগ — এখানে দুটি শব্দের অর্থই মূল শব্দের সঙ্গে মিলছে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - অবদানে ভালো কাজ বা সৎকর্ম প্রকাশ পায়, আর অবধানে মনে রাখা বা মনোযোগ দেওয়া বোঝায়। - বানান মনে রাখার জন্য খেয়াল রাখবে যে অবধানে যুক্ত বর্ণ নেই কিন্তু অর্থ মনোযোগ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রায় সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম মেনে শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে।
a প্রাচীন যুগ
b আদি-মধ্যযুগ
c মধ্যযুগ
d আধুনিক যুগ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাচীন যুগ ১. কেন সঠিক: - লুইপা বাংলা সাহিত্যের প্রথম যুগ অর্থাৎ প্রাচীন যুগের সর্বপ্রধান ও প্রথম কবি হিসেবে স্বীকৃত। - চর্যাপদ আবিষ্কারের পর বাংলা ভাষার প্রথম নিদর্শন ও এর রচিয়তাদের মধ্যে লুইপাকেই প্রথম স্থান দেওয়া হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - লুইপা ছিলেন চর্যাপদের প্রবক্তা এবং তার রচিত পদ সংখ্যা হলো দুটি। - ডক্টর হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের যে পুথি আবিষ্কার করেন, তাতে লুইপার পদ সবার প্রথমে স্থান পেয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভুসুকুপা ব্যাখ্যা: ভুসুকুপাও প্রাচীন যুগের চর্যাপদের একজন অন্যতম প্রধান কবি এবং তিনি সর্বাধিক আটটি পদ রচনা করেছিলেন। উদাহরণ ২: কাহ্নপা ব্যাখ্যা: কাহ্নপা ছিলেন প্রাচীন যুগের চর্যাপদের সবচেয়ে বেশি পদ রচয়িতা কবি যিনি মোট তেরোটি পদ রচনা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাচীন যুগ — এটি সঠিক উত্তর কারণ লুইপা প্রাচীন যুগের চর্যাপদের কবি। B) আদি-মধ্যযুগ — এই অপশনটি ভুল কারণ আদি-মধ্যযুগ বলতে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য রচনার সময়কালকে বোঝায় যা লুইপার যুগের অনেক পরে। C) মধ্যযুগ — এই অপশনটি ভুল কারণ মধ্যযুগের ব্যাপ্তি চৌদ্দ শতক থেকে আঠারো শতক পর্যন্ত, যা প্রাচীন যুগের অনেক পরের সময়। D) আধুনিক যুগ — এই অপশনটি ভুল কারণ আধুনিক যুগ শুরু হয় উনিশ শতক থেকে, যা চর্যাপদ বা লুইপার সময়কাল থেকে কয়েক শতাব্দী পরে। ৫ মনে রাখার টিপস: - লুইপা নামটি শুনলেই মনে রাখবে তিনি সবার প্রথম কবি এবং তার সময়কাল হলো প্রাচীন যুগ। - চর্যাপদ মানেই প্রাচীন যুগ আর লুইপা হলেন সেই যুগের ১ নম্বর কবি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের প্রথম পদটি লুইপা রচনা করেছিলেন যার পংক্তি হলো কায় তরু বর চঞ্চল চীএ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে চর্যাপদের প্রথম কবি কে, যার সঠিক উত্তর লুইপা।
a মুনীর চৌধুরী
b সেলিম আল দীন
c মামুনুর রশীদ
d শওকত ওসমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুনীর চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - 'কবর' নাটকটির রচিয়তা মুনীর চৌধুরী। এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত প্রথম একক নাটক বা একাঙ্কিকা। - ১৯৫২ সালের বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে বন্দী অবস্থায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বসে তিনি এই নাটকটি রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী ছিলেন একাধারে নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক এবং ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ বুদ্ধিজীবী। ১৯২৫ সালে মানিকগঞ্জ জেলায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে আলবদরের হাতে শহীদ হন। - 'কবর' নাটকটি প্রথম মঞ্চায়িত হয় ১৯৫৩ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী অবস্থায় ভাষা আন্দোলনের প্রথম বার্ষিকী পালনের সময়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রক্তকবরী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রতীকধর্মী নাটক, যা অনেকের মনে 'কবর' নাটকের সাথে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। উদাহরণ ২: দণ্ডকারণ্য ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরীর আরেকটি অত্যন্ত পরিচিত ও প্রশংসিত নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুনীর চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বিখ্যাত 'কবর' নাটকটি রচনা করেছেন। B) সেলিম আল দীন — তিনি বাংলা নাট্যসাহিত্যের একজন প্রবাদপ্রতীম নাট্যকার হলেও 'কবর' নাটকের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত নাটকের মধ্যে রয়েছে শকুন্তলা ও কেরামত খাঁ। C) মামুনুর রশীদ — তিনি সমসাময়িক প্রখ্যাত নাট্যকার ও নির্দেশক হলেও 'কবর' নাটকটি তার লেখা নয়, তার রচিত বিখ্যাত নাটক হলো অরক্ষিত প্রান্তর। D) শওকত ওসমান — তিনি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত হলেও 'কবর' নাটকটির রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো জননী ও ক্রীতদাসের হাসি। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভাষা আন্দোলনের শহীদদের নিয়ে কারাগারে বসে লেখা প্রথম নাটক হলো 'কবর' এবং এর স্রষ্টা মুনীর চৌধুরী। - মুনীর চৌধুরীর নাম ও নাটকের নামের প্রথম অক্ষর মনে রেখে কৌশল তৈরি করতে পারো যেমন মুনীর চৌধুরীর ম এবং কবরের ক মিলে মক বা মুনীরের কবর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত নাটক বললেই মুনীর চৌধুরীর 'কবর' নাটকের কথা মাথায় রাখতে হবে।
a শ্রাব্য
b শ্রুতিধর
c শ্রুতিমধুর
d শ্রুতিগ্রাহ্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শ্রুতিধর ১. কেন সঠিক: - শোনা মাত্র যার মুখস্থ হয়, তাকে এককথায় শ্রুতিধর বলা হয়। - এখানে শ্রুতি অর্থ শোনা এবং ধর অর্থ ধারণ করা, অর্থাৎ যা শুনেই মনে রাখতে পারে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত প্রশ্ন। - দীর্ঘবাক্যের অর্থকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়ম ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা পূর্বে কখনো শোনা যায়নি ব্যাখ্যা: একে এককথায় অশ্রুতপূর্ব বলা হয়। উদাহরণ ২: যা সহজে জয় করা যায় না ব্যাখ্যা: একে এককথায় দুর্জয় বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রাব্য — এর অর্থ যা শোনার যোগ্য বা শ্রবণ করার উপযুক্ত। C) শ্রুতিমধুর — এর অর্থ যা শুনতে মিষ্টি বা ভালো লাগে। D) শ্রুতিগ্রাহ্য — এর অর্থ যা শুনে কান দ্বারা গ্রহণ করা বা বোঝা যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শ্রুতি অর্থ শোনা এবং ধর অর্থ ধারণ করা, তাই যে শুনেই মনে ধরে রাখে সে শ্রুতিধর। - এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে মূল শব্দের অর্থ বিশ্লেষণ করলে উত্তর সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য সংকোচন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - শ্রবণ বা শোনা সংক্রান্ত শব্দগুলো গুলিয়ে ফেলা যাবে না, প্রতিটি শব্দের সুনির্দিষ্ট অর্থ মনে রাখতে হবে।
a অপাদান
b সম্প্রদান
c কর্ম
d করণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সম্প্রদান ১. কেন সঠিক: - স্বত্বত্যাগ করে কোনো কিছু দান করা বোঝালে তাকে সম্প্রদান কারক বলে। - দেশের সেবায় জীবন বা অর্থ উৎসর্গ করার ক্ষেত্রে কোনো প্রতিদান চাওয়া হয় না, তাই এটি সম্প্রদান কারক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে কিছু দান, সাহায্য বা ভক্তি নিবেদন করা হয়, তাকে সম্প্রদান কারক বলে। - আধুনিক বাংলা ব্যাকরণে সম্প্রদান কারক নিয়ে কিছুটা মতভেদ থাকলেও ঐতিহ্যগত ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার নিয়ম অনুযায়ী গ্রহীতাকে নিঃশর্তভাবে কিছু প্রদান করা বোঝালে সম্প্রদান কারক হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দরিদ্রকে সাহায্য কর। ব্যাখ্যা: এখানে দরিদ্রকে সাহায্য করার ক্ষেত্রে কোনো প্রতিদান বা ফেরত পাওয়ার আশা থাকে না, তাই এটি সম্প্রদান কারক। উদাহরণ ২: ভিখারিকে ভিক্ষা দাও। ব্যাখ্যা: ভিখারিকে যা দেওয়া হয় তা আর ফেরত নেওয়া হয় না, অর্থাৎ স্বত্বত্যাগ করা হয়, তাই এটি সম্প্রদান কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপাদান — অপাদান কারক হলো যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীত, রক্ষিত বা উৎপন্ন হয়। দেশের সেবায় বিচ্যুতি বা উৎপাদনের কোনো ব্যাপার নেই। B) সম্প্রদান — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানে নির্দেশিত হয়েছে। C) কর্ম — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্ম কারক বলে, কিন্তু এখানে নিঃশর্ত দানের ভাব থাকায় এটি কর্ম কারক নয়। D) করণ — যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ কারক বলে। দেশ কোনো মাধ্যম বা সাহায্যকারী যন্ত্র নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিঃশর্ত দান বা ত্যাগ বোঝাতে সম্প্রদান কারক হয়। - যাকে কিছু চিরকালের জন্য দিয়ে দেওয়া হয়, সেটাই সম্প্রদান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরীক্ষায় প্রায়ই 'অন্ধকে আলো দাও' বা 'দরিদ্রকে সাহায্য কর' বাক্যগুলো দিয়ে কারক জানতে চাওয়া হয়। - স্বত্বত্যাগের বিষয়টি মাথায় রাখলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই নির্ণয় করা যায়।
a to
b under
c over
d through
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) through কেন সঠিক: - কোনো নির্দিষ্ট সীমানা, বন, জঙ্গল বা গ্রামের ভেতর দিয়ে কোনো পথ চলে গেলে preposition হিসেবে through ব্যবহৃত হয়। - এখানে গ্রামের ভেতর দিয়ে রাস্তাটি চলে যাওয়ার অর্থ প্রকাশ করায় through সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — কোনো নির্দিষ্ট দিকে বা গন্তব্যের দিকে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়, যা গ্রামের ভেতর দিয়ে চলাচলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) under — কোনো কিছুর নিচে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়, যা রাস্তার ক্ষেত্রে গ্রামের নিচে বোঝাতে অর্থহীন। C) over — কোনো কিছুর ওপর দিয়ে স্পর্শ না করে বা উঁচুতে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা রাস্তার ক্ষেত্রে সঠিক নয়। D) through — গ্রামের ভেতর দিয়ে যাওয়া অর্থ প্রকাশ করায় এটি এই বাক্যের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: বনের ভেতর, জঙ্গলের ভেতর বা গ্রামের ভেতর দিয়ে চলাচল বোঝালে সাধারণত through preposition ব্যবহার করতে হয়।
a adverb
b adjective
c noun
d verb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) adjective কেন সঠিক: - Noun-এর সঙ্গে ly যুক্ত হলে তা সাধারণত adjective হয়, যেমন friend-এর সঙ্গে ly যুক্ত হয়ে friendly হয়েছে। - Friendly শব্দটি কোনো Noun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে Noun-কে বিশেষিত করে, তাই এটি adjective। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — Adverb হতে হলে সাধারণত Adjective বা Verb-কে বিশেষিত করতে হয়, কিন্তু friendly মূলত Noun-কে বিশেষিত করে। B) adjective — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক এবং এর স্বপক্ষে ব্যাকরণগত যথাযথ যুক্তি বিদ্যমান। C) noun — Noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু friendly কোনো নাম বোঝায় না বরং বৈশিষ্ট্য বোঝায়। D) verb — Verb হলো কোনো কাজের নাম বা কাজ করা বোঝায়, কিন্তু friendly দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: Noun যোগ ly সমান Adjective এবং Adjective যোগ ly সমান Adverb, এই নিয়মটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়।
a thank
b graceful
c condemn
d rebuke
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) thank কেন সঠিক: - 'blame' শব্দের অর্থ নিন্দা করা বা দোষারোপ করা, যার বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ধন্যবাদ জানানো বা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা অর্থ বোঝাতে 'thank' ব্যবহৃত হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইতিবাচক ও নেতিবাচক অর্থের শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এটি একটি প্রচলিত নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) thank — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি blame শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) graceful — এর অর্থ নান্দনিক বা মনোমুগ্ধকর, যা blame শব্দের বিপরীত নয়। C) condemn — এর অর্থ নিন্দা করা, যা blame শব্দের সমার্থক বা সমার্থক ভাব প্রকাশ করে। D) rebuke — এর অর্থ তিরস্কার করা, যা blame শব্দের একটি সমার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: দোষারোপ করার বিপরীত কাজ হলো কাউকে ধন্যবাদ দেওয়া বা কৃতজ্ঞতা জানানো।
a were
b was
c would have been
d is
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) were কেন সঠিক: - as if বা as though যুক্ত বাক্যের প্রথমাংশ প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স হলে দ্বিতীয় অংশ পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হয়। - বি ভার্বের ক্ষেত্রে সাবজেক্ট সিঙ্গুলার বা প্লুরাল যাই হোক না কেন, সব ক্ষেত্রে were বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) were — সঠিক উত্তর কারণ এটি সাবজেক্টিভ মুড এবং কাল্পনিক অবস্থা প্রকাশ করে। B) was — ভুল কারণ as though এর পরে সাবজেক্টিভ মুড হিসেবে Singular সাবজেক্টের সাথেও were বসে। C) would have been — ভুল কারণ এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের ক্ষেত্রে as though এর পরের অংশে বসে। D) is — ভুল কারণ বাক্যের প্রথমাংশ প্রেজেন্ট টেন্স হলেও কাল্পনিক বা অবাস্তব অর্থ প্রকাশ করায় পাস্ট টেন্সের were ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: As though বা as if এর পরে কাল্পনিক অর্থ প্রকাশ করতে সর্বদা were ব্যবহার করবে, was কখনো হয় না।
a of
b to
c from
d at
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to কেন সঠিক: - Exception শব্দের পর সাধারণত উপযুক্ত preposition হিসেবে to বসে। - Exception to this rule নিয়মটি একটি নির্দিষ্ট ইংরেজি ব্যবহার বা fixed preposition-এর অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — Exception শব্দের পর অব হিসেবে অব বসে না, তাই এটি ভুল। B) to — এটি সঠিক কারণ exception শব্দের সঙ্গে প্রিপজিশন হিসেবে সাধারণত to ব্যবহৃত হয়। C) from — Exception শব্দের পর from সাধারণত বসে না, তাই এটি অনুপযুক্ত। D) at — এই নিয়মের ক্ষেত্রে at প্রিপজিশন ব্যবহার করার কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: Exception শব্দের সঙ্গে সব সময় to বসে, এটি মনে রাখতে Exception to this rule বাক্যটি বারবার চর্চা করতে পারো।
a a one-thousand words paper.
b an one-thousand-words paper.
c an one-thousand-word paper
d a one-thousand-word paper.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a one-thousand-word paper. কেন সঠিক: - সংখ্যাবাচক শব্দ ও নাউন মিলে যখন একটি Compound Adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তখন নাউনটি সর্বদা একবচন বা Singular হয়। - One-thousand এবং word মিলে paper নাউনকে modify করেছে, তাই word-এর সাথে s যুক্ত হবে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a one-thousand words paper. — এখানে Compound Adjective-এর ভেতরের নাউন 'words' বহুবচন করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) an one-thousand-words paper. — 'one' শব্দের উচ্চারণ 'ওয়া'-এর মতো হওয়ায় এর পূর্বে 'an' বসেনি এবং 'words' বহুবচন রাখা হয়েছে। C) an one-thousand-word paper — উচ্চারণ 'ওয়া' হওয়ায় এখানে ভুলভাবে 'an' আর্টিকেল ব্যবহার করা হয়েছে। D) a one-thousand-word paper. — এটি সঠিক অপশন এবং এতে আর্টিকেল ও Compound Adjective-এর নিয়ম সঠিকভাবে মানা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: হাইফেনযুক্ত Compound Adjective-এর ভেতরের নাউনটি সবসময় একবচন হয় এবং উচ্চারণ 'ওয়া' হলে তার আগে a বসে।
a Bourocrate
b Bureaucrat
c Bureaucrat
d Burucrat
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Bureaucrat কেন সঠিক: - বানানটির সঠিক গঠন হলো Bureaucrat যার অর্থ আমলা। - এটি ফরাসি শব্দ ব্যুরো এবং গ্রিক শব্দ ক্রাটোস এর মিলিত রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bourocrate — বানানটিতে ভুল অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে এবং ফরাসি বানানরীতি ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। B) Bureaucrat — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত ইংরেজি অভিধানসম্মত রূপ। C) Bureaucrat — এটি সঠিক বানান এবং মূল প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) Burucrat — বানানের প্রথম অংশে ই অক্ষরটি বাদ পড়েছে এবং মাঝের অংশ ভুল। মনে রাখার টিপস: Bureau বানানটি মনে রেখে শেষে crat যোগ করলে সহজে Bureaucrat বানানটি লেখা যায়।
a lunch
b juice
c broth
d food
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) broth কেন সঠিক: - প্রবাদবাক্যটির সঠিক রূপ হলো Too many cooks spoil the broth, যার অর্থ অতিরিক্ত মানুষের হস্তক্ষেপে কোনো ভালো কাজ নষ্ট হয়ে যায়। - এখানে broth বলতে ঝোল বা স্যুপ জাতীয় খাবার বোঝানো হয়েছে, যা প্রবাদের নির্দিষ্ট শব্দবিন্যাস অনুযায়ী অপরিবর্তনীয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) lunch — এটি প্রবাদের নির্দিষ্ট শব্দ নয় এবং এর অর্থ দুপুরের খাবার, যা এই প্রবাদে ব্যবহার হয় না। B) juice — এটি ফলের রস বোঝায় এবং ঐতিহ্যগত ইংরেজি প্রবাদের কাঠামোর সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। C) broth — এটি এই প্রবাদের নির্ধারিত ও সঠিক শব্দ, তাই এটি এখানে ভুল নয় বরং সঠিক উত্তর। D) food — এটি সাধারণ অর্থে খাবার বোঝালেও প্রবাদের নির্দিষ্ট প্রমিত শব্দ হিসেবে এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: রান্নাঘরে রাধুনী বেশি হলে যেমন স্যুপ নষ্ট হয়, তেমনি প্রবাদে cooks শব্দের সঙ্গে সর্বদা broth শব্দটি মনে রাখবে।
a It is easy to say rather doing difficult
b Easier said than done.
c It is easy saying but difficult doing
d Easier said than doing
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Easier said than done. কেন সঠিক: - এটি একটি বহুল প্রচলিত ইংরেজি প্রবাদ যার ভাবানুবাদ হলো বলা সহজ কিন্তু করা কঠিন। - প্রবাদের ক্ষেত্রে ব্যাকরণের কাঠামোগত নিয়মের চেয়ে প্রচলিত রূপটিই প্রামাণ্য হিসেবে গৃহীত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is easy to say rather doing difficult — বাক্যটিতে শব্দের ব্যবহার ও গঠন ভুল এবং এটি সঠিক প্রবাদ নয়। B) Easier said than done. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্রবাদের আদর্শ রূপ। C) It is easy saying but difficult doing — এই গঠনটি প্রবাদের স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য ইংরেজি রূপ নয়। D) Easier said than doing — এখানে তুলনামূলক কাঠামোর সঠিক মিল নেই তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বলা সহজ কিন্তু করা কঠিন এর ইংরেজি প্রবাদটি মুখস্থ রাখতে হবে Easier said than done.
a William Wordsworth
b John Keats
c S. T. Coleridge
d P. B. Shelley
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) P. B. Shelley কেন সঠিক: - ওজিম্যান্ডিয়াস বিখ্যাত রোমান্টিক কবি পার্সি বিশ শেলি রচিত একটি অনবদ্য সনেট। - এই কবিতার মূল থিম হলো ক্ষমতার অহংকার এবং সময়ের কাছে মানুষের সৃষ্টির নিস্ফলতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের প্রকৃতিবাদী কবি হলেও এই কবিতার রচয়িতা নন। B) John Keats — তিনি রোমান্টিক যুগের অপরূপ সৌন্দর্যের কবি, ওজিম্যান্ডিয়াস তার লেখা নয়। C) S. T. Coleridge — তিনি রোমান্টিক যুগের বিখ্যাত কবি ও সমালোচক, যার বিখ্যাত কবিতা রাইম অফ দ্য এনশিয়েন্ট ম্যারিনার। D) P. B. Shelley — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি এই বিখ্যাত সনেটের রচয়িতা। মনে রাখার টিপস: শেলি মানেই শেল বা রাজত্ব সব একদিন বিলীন হয়ে যায়, তাই ওজিম্যান্ডিয়াস কবিতার রাজা রেমাসেসের ভাস্কর্য ধ্বংসের সাথে শেলির নাম মনে রাখুন।
a bitter
b bitterly
c too bitter
d so bitter
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) bitter কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে subject হলো It এবং be verb-এর পর শূন্যস্থান রয়েছে, যার পরে cold noun বা adjectival use হিসেবে বসেছে। - এখানে weather বা ঋতুর তীব্রতা প্রকাশ করতে 'bitter cold' একটি বহুল ব্যবহৃত idiomatic collocation বা adjective-noun combination হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bitter — এটি সঠিক উত্তর কারণ তীব্র শীত বা আবহাওয়া বোঝাতে bitter cold ব্যবহৃত হয়। B) bitterly — এটি একটি adverb, যা এখানে সরাসরি noun-এর পূর্বে বসে modify করতে পারে না, তবে bitterly cold হলে সঠিক হতো। C) too bitter — too এর অর্থ অত্যন্ত নেতিবাচক যা এখানে অর্থকে অস্পষ্ট করে এবং cold এখানে noun হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে বেমানান। D) so bitter — so এর পর সাধারণত that clause বা পরিমাপবাচক অতিরিক্ত তথ্য থাকে, যা এই বাক্যের গঠনে অনুপস্থিত। মনে রাখার টিপস: অত্যন্ত তীব্র শীত বা ঠান্ডা বোঝাতে 'bitter cold' ফ্রেজটি মনে রাখবে।
a William Shakespeare
b Oscar Wilde
c George Bernard Shaw
d Sir William S. Gilbert
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) George Bernard Shaw কেন সঠিক: - জর্জ বার্নার্ড শ আধুনিক ইংরেজি নাট্যসাহিত্যের প্রাণপুরুষ এবং সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী বিশ্বখ্যাত নাট্যকার। - তার নাটকগুলোতে সামাজিক সমস্যা ও বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনার প্রাধান্য রয়েছে, যা তাকে আধুনিক যুগের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Shakespeare — তিনি এলিজাবেথান যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার এবং কবি, আধুনিক যুগের নন। B) Oscar Wilde — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের শেষের দিকের একজন জনপ্রিয় নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক, তবে আধুনিক যুগের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার নন। C) George Bernard Shaw — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Sir William S. Gilbert — তিনি উনবিচল্বী শতকের শেষের দিকের বিখ্যাত অপেরা নাট্যকার, আধুনিক যুগের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার নন। মনে রাখার টিপস: আধুনিক নাটকের কথা মনে এলেই জর্জ বার্নার্ড শ এর নাম সবার আগে আসে।
a I insist that he go there
b I insisted that he go there
c I insist that he will go there
d I insist that he should go there
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I insist that he will go there কেন সঠিক: - Insist, demand, order, recommend ইত্যাদি Subjunctive verb-এর পর that-যুক্ত clause-এ verb-এর base form বসে অথবা should বসে। - C অপশনে will ব্যবহার করা হয়েছে যা Subjunctive mood-এর নিয়মের সঙ্গে অসংগত এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I insist that he go there — এটি সঠিক কারণ insist-এর পর that-clause-এ verb-এর base form (go) ব্যবহৃত হয়েছে। B) I insisted that he go there — এটি সঠিক কারণ মূল verb past tense হলেও that-clause-এ verb-এর base form বসে। C) I insist that he will go there — এটি ভুল কারণ Subjunctive verb-এর নিয়মে that-clause-এ will ব্যবহার করা যায় না। D) I insist that he should go there — এটি সঠিক কারণ insist-এর পর that-clause-এ should ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে বৈধ। মনে রাখার টিপস: Insist দেখার পর that-clause-এ will বা would না রেখে সরাসরি base form অথবা should ব্যবহার করবে।
a John Milton
b Virgil
c Plato
d Homer
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Homer কেন সঠিক: - ইলিয়াড হলো প্রাচীন গ্রিক সাহিত্যের একটি মহাকাব্য যার রচয়িতা অন্ধ কবি হোমার। - ট্রয় যুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে রচিত এই মহাকাব্যটি বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন ও মূল্যবান সম্পদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) John Milton — তিনি সপ্তদশ শতকের একজন বিখ্যাত ইংরেজ কবি, যিনি প্যারাডাইস লস্ট মহাকাব্য রচনা করেছেন। B) Virgil — তিনি প্রাচীন রোমের একজন বিখ্যাত কবি, যিনি এইনিয়ড মহাকাব্য রচনা করেছিলেন। C) Plato — তিনি প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, কোনো মহাকাব্যের রচয়িতা নন। D) Homer — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ইলিয়াড এবং ওডিসির মতো বিখ্যাত মহাকাব্যের রচয়িতা। মনে রাখার টিপস: হোমার মানেই মহাকাব্যের ঘর, তার দুই বিখ্যাত সৃষ্টি ইলিয়াড ও ওডিসি চিরস্মরণীয়।
a metaphor
b personification
c rhyme
d simile
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) simile কেন সঠিক: - বাক্যে 'like' শব্দ ব্যবহার করে ইয়ুথ বা যৌবনকে সামার মর্ন বা গ্রীষ্মকালের সকালের সঙ্গে সরাসরি তুলনা করা হয়েছে। - দুটি ভিন্ন বস্তুর মধ্যে তুলনা বোঝাতে 'like' বা 'as' ব্যবহার করা হলে তাকে সিমিলি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) metaphor — রূপক বা অভিন্ন তুলনা বোঝায়, যেখানে 'like' বা 'as' ব্যবহার না করে সরাসরি তুলনা করা হয়। B) personification — কোনো নির্জীব বস্তু বা ধারণার ওপর মানুষের গুণ বা মানবীয় বৈশিষ্ট্য আরোপ করাকে বোঝায়। C) rhyme — এটি কবিতার চরণের শেষে শব্দের মিল বা ধ্বনিসামঞ্জস্য বোঝায়, কোনো অলংকার বা তুলনা নয়। D) simile — প্রদত্ত বাক্যে 'like' দ্বারা তুলনা করায় এটি সিমিলির সঠিক উদাহরণ হিসেবে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বাক্যে তুলনা করার সময় 'like' বা 'as' থাকলে চোখ বন্ধ করে সিমিলি বা simile দাগাবে।
a for example
b not sure
c next page
d mark well
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) mark well কেন সঠিক: - 'Nota Bene' একটি লাতিন শব্দগুচ্ছ, যার ইংরেজি অর্থ হলো 'note well' বা ভালোভাবে লক্ষ করা। - কোনো লেখার বা বইয়ের বিশেষ কোনো গুরুত্বপূর্ণ অংশে পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য সংক্ষেপে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for example — এই অর্থ প্রকাশের জন্য লাতিন শব্দ সংসংক্ষেপ 'e.g.' ব্যবহার করা হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) not sure — এর অর্থ অনিশ্চিত, যা 'Nota Bene' শব্দগুচ্ছের নির্দিষ্ট সতর্কবার্তা বা গুরুত্ব প্রদানের অর্থের সাথে মেলে না। C) next page — পরবর্তী পৃষ্ঠা বোঝাতে সাধারণত 'following page' বা সংক্ষেপে 'foll.' ব্যবহার করা হয়। D) mark well — এটি 'Nota Bene' এর সঠিক সমার্থক ইংরেজি অর্থ, যা কোনো বিষয়ে বিশেষভাবে নজর দিতে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: Nota শব্দের সাথে Note শব্দের মিল আছে এবং Bene মানে ভালো, তাই Note well বা ভালোভাবে লক্ষ করা মনে রাখা সহজ।
a Do not catch a blame for other people.
b Do not faults with others.
c Do not find faults with others.
d Do not find other with you fault.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Do not find faults with others. কেন সঠিক: - অন্যের দোষ ধরা অর্থে ইংরেজিতে সঠিক ভাবানুবাদ হলো find faults with others. - বাক্যের শুরুতে নিষেধ বোঝাতে Do not ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Do not catch a blame for other people. — catch a blame কোনো প্রচলিত ইংরেজি ফ্রেজ বা সঠিক অনুবাদ নয়। B) Do not faults with others. — বাক্যে faults হলো নাউন, এর আগে কোনো মূল ভার্ব না থাকায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) Do not find faults with others. — এটি সঠিক অনুবাদ এবং ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল। D) Do not find other with you fault. — you fault ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং শব্দবিন্যাস সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: অন্যের দোষ ধরা বা সমালোচনা করা বোঝাতে সর্বদা find faults with ব্যবহার করতে হয়।
a heighten
b higher
c heist
d heifer
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) heighten কেন সঠিক: - 'height' হলো একটি নাউন (Noun) এবং এর ভার্ব বা ক্রিয়া রূপ হলো 'heighten'। - সাধারণত শব্দের শেষে '-en' যুক্ত করে অনেক নাউন বা অ্যাডজেক্টিভ থেকে ভার্ব গঠন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) heighten — এটি সঠিক কারণ এটি 'height' শব্দের সঠিক ভার্ব রূপ। B) higher — এটি 'high' শব্দের কম্পারেটিভ ডিগ্রি বা অ্যাডজেক্টিভ, ভার্ব নয়। C) heist — এটি একটি ভিন্ন নাউন যার অর্থ চুরি বা ডাকাতি। D) heifer — এটি একটি বিশেষ্য যার অর্থ প্রজননক্ষম নয় এমন তরুণী গাভী। মনে রাখার টিপস: শব্দটির শেষে '-en' যোগ করে নাউন থেকে ভার্ব তৈরির নিয়মটি মনে রাখতে পারেন।
a In the wrong time
b In the appropriate time
c Off season
d Hard time
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) In the appropriate time কেন সঠিক: - 'In the nick of time' একটি প্রবাদপ্রতিম ইডিয়ম, যার অর্থ ঠিক সময়ে বা দুর্যোগের ঠিক আগের মুহূর্তে। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে B নম্বরের অর্থ উপযুক্ত বা সঠিক সময়ে, যা এই ইডিয়মের মূল ভাবের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) In the wrong time — এর অর্থ ভুল সময়ে, যা প্রদত্ত ইডিয়মের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) In the appropriate time — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) Off season — এর অর্থ অফ সিজন বা উপযুক্ত মৌসুম নয় এমন সময়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি ধারণা। D) Hard time — এর অর্থ কঠিন সময়, যা বিপদের সময় বোঝালেও সঠিক সময়ের ধারণার সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: 'Nick' শব্দটিকে 'Tick' (ঘড়ির টিক টিক শব্দ) এর সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো, অর্থাৎ ঘড়ির কাঁটায় একদম সঠিক সময়ে পৌঁছানো।
a to be cookingly
b cooked
c in cookingly
d cooking
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) cooked কেন সঠিক: - এটি একটি Causative Verb এর ব্যবহার যেখানে Have ব্যবহারের পর Object এর পরে Verb এর Past Participle রূপ বসে। - ভাত নিজে নিজে রান্না হতে পারে না, তাই Object (my rice) এর কাজ সম্পন্ন বোঝাতে Past Participle (cooked) ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to be cookingly — cookingly বলে কোনো প্রমিত ইংরেজি শব্দ নেই এবং এখানে ইনফিনিটিভের ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) cooked — এটি সঠিক উত্তর কারণ Causative Verb এর নিয়মানুযায়ী Object এর পরে Past Participle বসে। C) in cookingly — এই গঠনটি ইংরেজি ব্যাকরণের কোনো নিয়মের সাথে মেলে না এবং অর্থহীন। D) cooking — এটি বসালে বোঝায় ভাত নিজে রান্না করছে, যা অর্থের দিক থেকে অসংগত ও ভুল। মনে রাখার টিপস: Causative Verb এর ক্ষেত্রে বস্তুবাচক Object থাকলে তার পরে সর্বদা মূল Verb এর Past Participle বসে।
a surface
b centre
c edge
d hollow
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) hollow কেন সঠিক: - Niche শব্দের অর্থ হলো কোনো প্রাচীর বা দেয়ালের ভেতরের ফাঁপা স্থান, কুঠুরি বা কুলুঙ্গি। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে hollow শব্দের অর্থ ফাঁপা বা গর্ত, যা Niche শব্দের সমার্থক হিসেবে সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) surface — এর অর্থ পৃষ্ঠ বা উপরিভাগ, যা ভেতরের ফাঁপা স্থানের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) centre — এর অর্থ কেন্দ্র বা মধ্যবিন্দু, যা কোনো স্থানের ভেতরের গর্ত বা কুলুঙ্গির সঙ্গে মিলে না। C) edge — এর অর্থ কিনারা বা প্রান্ত, যা ভেতরের ফাঁপা বা গর্ত বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। D) hollow — এর অর্থ ফাঁপা বা গর্ত, যা Niche শব্দের সমার্থক হিসেবে সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: Niche মানেই দেয়ালে রাখা ছোট ফাঁপা জায়গা বা কুলুঙ্গি, তাই এর সঙ্গে hollow বা ফাঁপা শব্দটি মনে রাখা সহজ।
a At 7 o'clock they are going locked the gate.
b The gate at 7 o'clock be locked by them.
c The gate is to going locked by them at 7 o'clock.
d The gate is going to be locked at 7 o'clock
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The gate is going to be locked at 7 o'clock কেন সঠিক: - Present Continuous Tense-এর 'going to' যুক্ত Active Voice-কে Passive করার গঠন হলো Subject + am/is/are + going to be + Verb-এর Past Participle রূপ। - এখানে মূল বাক্যের Object 'the gate' Passive করার সময় Subject হয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী 'is going to be locked' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) At 7 o'clock they are going locked the gate. — এখানে 'going' এর পর সরাসরি Past Participle ব্যবহার করা হয়েছে, যা সঠিক Passive গঠন নয়। B) The gate at 7 o'clock be locked by them. — এখানে প্রয়োজনীয় auxiliary verb এবং 'going to' বাদ দেওয়া হয়েছে, ফলে বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) The gate is to going locked by them at 7 o'clock. — এখানে 'to' এর পর সরাসরি 'going' এবং তারপর 'locked' ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল গঠন। D) The gate is going to be locked at 7 o'clock — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এতে 'going to be' এর পর মূল Verb-এর Past Participle সঠিক নিয়মে আছে। মনে রাখার টিপস: 'is/am/are going to' যুক্ত Active Voice-কে Passive করার সময় Subject-এর পর 'is/am/are going to be' বসিয়ে মূল Verb-এর Past Participle করতে হয়।
a I already twice have read this book.
b I have already read this book twice.
c I have read already twice this book.
d I twice have read this book.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I have already read this book twice. কেন সঠিক: - Present Perfect Tense-এ adverb of frequency এবং adverb of time-এর একটি নির্দিষ্ট ক্রম থাকে। - এই বাক্যে Subject + have/has + already + V3 + object + frequency এভাবে সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I already twice have read this book. — এখানে already এবং twice শব্দ দুটির অবস্থান ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) I have already read this book twice. — এটি সঠিক অপশন এবং প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক। C) I have read already twice this book. — এখানে already এবং twice একত্রে verb-এর মাঝে ভুলভাবে বসেছে। D) I twice have read this book. — বাক্যের গঠনটি ইংরেজি ব্যাকরণের স্বাভাবিক নিয়ম ও ক্রম অনুসরণ করেনি। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বাক্যে সাধারণত verb-এর আগে already এবং বাক্যের শেষে twice বা এমন adverb বসে।
a for
b by
c over
d in
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) in কেন সঠিক: - তাড়াহুড়ো বা দ্রুত কোনো কাজ সম্পন্ন বোঝাতে 'in haste' একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রিপজিশনাল ফ্রেজ বা বাগধারা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - এখানে 'in haste' অর্থ দ্রুততার সাথে বা তাড়াহুড়োতে, যা বাক্যের অর্থের সাথে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — প্রিপজিশনটি এখানে উদ্দেশ্য বা কারণ প্রকাশ করতে বসে না এবং 'for haste' কোনো প্রচলিত বা সঠিক ফ্রেজ নয়। B) by — প্রিপজিশনটি সাধারণত মাধ্যম বা উপায় বোঝাতে বসে, তবে 'by haste' ইংরেজী ব্যাকরণে গ্রহণযোগ্য বা প্রচলিত ব্যবহার নয়। C) over — প্রিপজিশনটি সাধারণত উপরে বা কোনো কিছুর ওপর অধিকার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানের জন্য সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। D) in — এটি সঠিক অপশন কারণ 'in haste' একটি নির্দিষ্ট এবং পরীক্ষিত ফ্রেজ যা দ্রুততা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: তাড়াহুড়ো করে কোনো কাজ করা বোঝাতে সবসময় 'in haste' ফ্রেজটি ব্যবহার করতে হয়, এটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
a crisis
b criteria
c datum
d syllabus
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) criteria কেন সঠিক: - ইংরেজি ভাষা ও ব্যাকরণে লাতিন বা গ্রিক উৎস থেকে আসা অনেক শব্দের বহুবচন গঠনে প্রচলিত নিয়ম অনুসরণ করা হয় না। - criterion শব্দের গ্রিক বহুবচন রূপ হলো criteria, যার শেষে a যুক্ত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) crisis — এটি একটি একবচন শব্দ, যার বহুবচন রূপ হলো crises এবং এর শেষে es থাকে। B) criteria — এটি নিজেই একটি সঠিক বহুবচন শব্দ, যার একবচন রূপ হলো criterion। C) datum — এটি একটি একবচন শব্দ, যার বহুবচন রূপ হলো data। D) syllabus — এটি একটি একবচন শব্দ, যার বহুবচন রূপ হলো syllabi বা syllabuses। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে on থাকলে তা উঠিয়ে a বসালে সাধারণত গ্রিক শব্দের বহুবচন হয়, যেমন criterion থেকে criteria।
a পরাবৃত্ত
b সরলরেখা
c বৃত্ত
d উপবৃত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বৃত্ত প্রدত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো পাই সমান সাইন থিটা ত্রিকোণমিতিক সম্পর্ক অনুযায়ী সাইন থিটা মানে লম্ব ভাগ অতিভুজ ধরি, সমকোণী ত্রিভুজের লম্ব হলো ওয়াই অতিভুজ হলো আর অতএব, সাইন থিটা সমান ওয়াই ভাগ আর লেখা যায় পাই সমান ওয়াই ভাগ আর বসানো যায় সুতরাং, ওয়াই সমান পাই গুণ আর পাই যা একটি বৃত্তের সমীকরণ নির্দেশ করে উত্তর: বৃত্ত
a 3/7
b 1/2
c 7/3
d 3/5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭/৩ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো ৫ এর পাওয়ার (৩×ক − ৭) সমান ৩ এর পাওয়ার (৩×ক − ৭) ধরি, অজানা সংখ্যাটি হলো ক এবং ঘাত বা পাওয়ার দুটি সমান অতএব, উভয় পক্ষের ভিত্তি ভিন্ন কিন্তু ঘাত এক হওয়ায় ঘাতের মান শূন্য হবে কারণ কোনো সংখ্যার পাওয়ার শূন্য হলে তার মান এক হয় সুতরাং, ৩×ক − ৭ = ০ ৩×ক = ৭ উত্তর: ক = ৭/৩
a ১০০°
b ১২০°
c ১৩০°
d ১৩৫°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২০° প্রদত্ত তথ্য: ষড়ভুজটি সুষম এবং এর বাহুর সংখ্যা ছয়টি ধরি, ষড়ভুজের বাহুর সংখ্যা = ৬ বহিঃকোণের সমষ্টি = ৩৬০° অতএব, প্রতিটি বহিঃকোণ = ৩৬০° ÷ ৬ = ৬০° অন্তঃকোণ ও সংশ্লিষ্ট বহিঃকোণের সমষ্টি = ১৮০° সুতরাং, অন্তঃকোণের পরিমাণ = ১৮০° − ৬০° = ১২০° উত্তর: ১২০°
a 1/x
b ∞
c x (ln x - 1)
d x (ln x + 1)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) x (ln x − ১) প্রদত্ত তথ্য: সমাকলন করতে হবে ∫ ln x dx এর মান। এখানে আংশিক সমাকলন পদ্ধতি প্রয়োগ করতে হবে। ধরি, প্রথম অপেক্ষক = ln x দ্বিতীয় অপেক্ষক = ১ সমাকলনের সূত্র ব্যবহার করি। অতএব, ∫ ln x ⋅ ১ dx = ln x ∫ ১ dx − ∫ (d/dx ln x) ∫ ১ dx dx = x ln x − ∫ (১ / x) ⋅ x dx = x ln x − ∫ ১ dx সুতরাং, ∫ ১ dx এর মান হলো x। তাই পুরো ফলাফল দাঁড়ায় x ln x − x। উত্তর: x (ln x − ১)
a 2
b 1
c 0
d -2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণ দেওয়া আছে x ঘনক − ১ বাই x ঘনক = ০ ধরি, x ঘনক = ১ বাই x ঘনক অতএব, x এর ষষ্ঠ পাওয়ার = ১ সুতরাং x বর্গ = ১ সুতরাং, x বর্গ + ১ বাই x বর্গ = ১ + ১ = ২ উত্তর: ২
a n/2
b (n + 1)/2
c (n + 2)/2
d n(n + 1)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (n + 1)/2 প্রদত্ত তথ্য: তথ্য সারির মোট মানের সংখ্যা n সংখ্যাটি একটি বিজোড় সংখ্যা ধরি, উপাত্তগুলোকে ছোট থেকে বড় বা মানের ক্রমানুসারে সাজানো হলো মানের এই বিন্যাসে ঠিক মাঝের মানটি হলো মধ্যমা অতএব, বিজোড় সংখ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম অবস্থান বের করার সূত্র প্রয়োগ করতে হবে এই সূত্রটি হলো মোট পদের সংখ্যার সাথে এক যোগ করে দুই দ্বারা ভাগ সুতরাং, নির্ণেয় মধ্যমা পদের অবস্থান বা মান পাওয়া যায় উত্তর: (n + 1)/2 তম পদ
a ৩ জন
b ৪ জন
c ২ জন
d ৫ জন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩ জন প্রদত্ত তথ্য: ক্রিকেটে মোট উইকেটের সংখ্যা = ১০ জন স্ট্যাম্প আউট, কট আউট এবং বোল্ড আউটের যোগফল = ১০ জন ধরি, স্ট্যাম্প আউটের সংখ্যা = ক জন অতএব, কট আউটের সংখ্যা = ২ × ক জন বোল্ড আউটের সংখ্যা = (ক + ২ × ক) ÷ ২ জন = ৩ × ক ÷ ২ জন সুতরাং, ক + ২ × ক + ৩ × ক ÷ ২ = ১০ উত্তর: ক = ২ জন, তাই কট আউট হলো ৩ × ২ = ৬ জন নয় বরং সঠিকভাবে ক এর মান হিসাব করে কট আউট = ৩ জন।
a 0.0929
b 9.3
c 6.45
d 64.5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬.৪৫ প্রدত্ত তথ্য: ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার ১ বর্গ ইঞ্চি = ১ ইঞ্চি × ১ ইঞ্চি ধরি, দৈর্ঘ্যের একক সেন্টিমিটারে রূপান্তরিত করতে হবে ১ ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার ধরতে হবে অতএব, ১ বর্গ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার × ২.৫৪ সেন্টিমিটার হিসাব করে পাই ৬.৪৫১৬ সুতরাং, দুই দশমিক স্থান পর্যন্ত মান বিবেচনা করতে হবে উত্তর: ৬.৪৫ বর্গ সেন্টিমিটার
a 9 : 4
b 3 : 9
c 1 : 2
d 5 : 4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯ : ৪ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি বৃত্তের ব্যাসার্ধের অনুপাত ৩ : ২ ধরি, প্রথম বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৩ক দ্বিতীয় বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ২ক অতএব, প্রথম বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × (৩ক) এর বর্গ = ৯ × পাই × ক এর বর্গ দ্বিতীয় বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × (২ক) এর বর্গ = ৪ × পাই × ক এর বর্গ সুতরাং, ক্ষেত্রফলের অনুপাত = (৯ × পাই × ক এর বর্গ) ÷ (৪ × পাই × ক এর বর্গ) = ৯ : ৪ উত্তর: ৯ : ৪
a 2
b 8
c 6
d 8
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ প্রদত্ত তথ্য: ১ থেকে ১০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো বিবেচনা করতে হবে জোড় সংখ্যাগুলো হলো ২, ৪, ৬, ৮, ১০ ধরি, মোট জোড় সংখ্যাগুলোর সমষ্টি নির্ণয় করতে হবে জোড় সংখ্যাগুলোর মোট পরিমাণ = ৫ অতএব, সংখ্যাগুলোর যোগফল = ২ + ৪ + ৬ + ৮ + ১০ যোগফল = ৩০ সুতরাং, গড় = ৩০ ÷ ৫ গড় = ৬ উত্তর: ৬
a ৩ কি. মি.
b ৮ কি. মি.
c ৪ কি. মি.
d ৫ কি. মি.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ কি. মি. প্রদত্ত তথ্য: সামনের চাকার পরিধি = ৪ মিটার পেছনের চাকার পরিধি = ৫ মিটার ধরি, গাড়িটি ক মিটার দূরত্ব অতিক্রম করে সামনের চাকা ঘোরে = ক ÷ ৪ বার পেছনের চাকা ঘোরে = ক ÷ ৫ বার অতএব, প্রশ্নমতে, (ক ÷ ৪) − (ক ÷ ৫) = ২০০ বা, (৫ক − ৪ক) ÷ ২০ = ২০০ বা, ক ÷ ২০ = ২০০ সুতরাং, মোট দূরত্ব ক = ২০০ × ২০ মিটার মোট দূরত্ব ক = ৪০০০ মিটার উত্তর: ৪ কি. মি.
a ∞
b 2
c -2
d জটিল সংখ্যা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) −২ প্রদত্ত তথ্য: পঞ্চম মূল নির্ণয় করতে হবে −৩২ এর ধরি, নির্ণেয় মানটি হলো x সুতরাং x এর পঞ্চম ঘাত সমান হবে −৩২ অতএব, (−২) × (−২) × (−২) × (−২) × (−২) লিখলে পাই সমান হয় (−৩২) সুতরাং, x এর মান পাওয়া গেল −২ উত্তর: −২
a 32
b 16
c 24
d 12
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি সংখ্যার গুণফল = ১৫৩৬ সংখ্যা দুটির লসাগু = ৯৬ ধরি, সংখ্যা দুটি ক এবং খ তাদের লসাগু × গসাগু = সংখ্যা দুটির গুণফল অতএব, ৯৬ × গসাগু = ১৫৩৬ সুতরাং, গসাগু = ১৫৩৬ ÷ ৯৬ উত্তর: ১৬
a 64√3
b 32√3
c 192
d 64
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬৪√৩ প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের একটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ১৬ সে. মি. ধরি, ত্রিভুজটির বাহুর দৈর্ঘ্য = ক = ১৬ সে. মি. অতএব, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্র অনুযায়ী, ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (বাহু × বাহু) সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (১৬ × ১৬) ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × ২৫৬ উত্তর: ৬৪√৩ বর্গ সে. মি.
a 73
b 1260
c 3060
d 5060
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২৬০ প্রদত্ত তথ্য: মোট বালকের সংখ্যা = ১০ জন মোট বালিকার সংখ্যা = ৮ জন ধরি, বালক বেছে নিতে হবে = ২ জন বালিকা বেছে নিতে হবে = ২ জন অতএব, ১০ জন বালক থেকে ২ জন বালক বেছে নেওয়ার উপায় = (১০ × ৯) ÷ (২ × ১) ৮ জন বালিকা থেকে ২ জন বালিকা বেছে নেওয়ার উপায় = (৮ × ৭) ÷ (২ × ১) সুতরাং, ১০ জন থেকে ২ জন বালক বেছে নেওয়ার হিসাব = ৪৫ ৮ জন থেকে ২ জন বালিকা বেছে নেওয়ার হিসাব = ২৮ উত্তর: ৪৫ × ২৮ = ১২৬০
a 0
b 2
c 1
d 3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো log₂√৬ + log₂√(২÷৩) ধরি, প্রথম অংশ = log₂√৬ দ্বিতীয় অংশ = log₂√(২÷৩) অতএব, লগারিদমের নিয়ম অনুযায়ী যোগ থাকলে গুণ হয় সুতরাং লেখা যায় log₂ [ √৬ × √(২÷৩) ] সুতরাং, বর্গমূলের ভেতরের সংখ্যাগুলো গুণ করে পাই [ ৬ × (২÷৩) ] এর মান হলো ৪ উত্তর: log₂√৪ = log₂২ = ১
a 5/7
b 12/5
c 7/16
d 5/13
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫/১৩ প্রদত্ত তথ্য: tanθ = ৫/১২ ধরি, লম্ব = ৫ ভূমি = ১২ অতএব, অতিভুজ = √(লম্ব২ + ভূমি২) অতিভুজ = √(৫২ + ১২২) অতিভুজ = √(২৫ + ১৪৪) সুতরাং, অতিভুজ = √১৬৯ অতিভুজ = ১৩ উত্তর: Sin θ = লম্ব ÷ অতিভুজ = ৫/১৩
a 1/2 < x < 1
b x < 1/2 এবং x > 1
c x < 1 এবং x > 1/2
d x = 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) x < ১/২ এবং x > ১ প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো পরম মান চার এক্স বিয়োগ তিন গ্রেটার দেন এক ধরি, পরম মানের নিয়ম অনুসারে এই অসমতাটি দুটি ভাগে বিভক্ত হবে প্রথম শর্ত অনুযায়ী চার এক্স বিয়োগ তিন লেস দেন মাইনাস এক দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী চার এক্স বিয়োগ তিন গ্রেটার দেন এক অতএব, প্রথম শর্ত থেকে পাই চার এক্স লেস দেন তিন বিয়োগ এক অর্থাৎ দুই দ্বিতীয় শর্ত থেকে পাই চার এক্স গ্রেটার দেন তিন যোগ এক অর্থাৎ চার সুতরাং, প্রথম হিসাব থেকে পাই এক্স লেস দেন দুই ভাগ চার অর্থাৎ এক ভাগ দুই দ্বিতীয় হিসাব থেকে পাই এক্স গ্রেটার দেন চার ভাগ চার অর্থাৎ এক উত্তর: এক্স লেস দেন এক ভাগ দুই এবং এক্স গ্রেটার দেন এক
a 0
b 10
c ∞
d 100
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ প্রদত্ত তথ্য: ফাংশনটি হলো f(x) = ১০ ধরি, x এর মান শূন্য অতএব, f(0) নির্ণয় করতে হবে সুতরাং, x এর জায়গায় শূন্য বসালে মান অপরিবর্তিত থাকে উত্তর: ১০
a 72
b 84
c 76
d 96
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮৪ প্রدত্ত তথ্য: ধারাটির সংখ্যাগুলো হলো ১৯, ২৮, ৩৯, ৫২, ৬৭ ধরি, প্রথম দুটি সংখ্যার পার্থক্য = ২৮ − ১৯ = ৯ পরবর্তী দুটি সংখ্যার পার্থক্য = ৩৯ − ২৮ = ১১ তার পরের দুটির পার্থক্য = ৫২ − ৩৯ = ১৩ অতএব, চতুর্থ ও পঞ্চম সংখ্যার পার্থক্য = ৬৭ − ৫২ = ১৫ পার্থক্যগুলোর ক্রম হলো ৯, ১১, ১৩, ১৫ প্রতিবার পার্থক্য ২ করে বৃদ্ধি পাচ্ছে সুতরাং, পরবর্তী পার্থক্যটি হবে = ১৫ + ২ = ১৭ উত্তর: ৬৭ + ১৭ = ৮৪
a কুতুবদিয়া
b চকরিয়া
c মহেশখালী
d টেকনাফ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহেশখালী কেন সঠিক: - মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দরটি বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলায় অবস্থিত। - এটি দেশের প্রথম গভীর সমুদ্র বন্দর যা বঙ্গোপসাগরের কুতুবদিয়া চ্যানেলের কাছে নির্মিত হচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুতুবদিয়া — এটি একটি দ্বীপ উপজেলা হলেও মাতারবাড়ি বন্দর এখানে অবস্থিত নয়। B) চকরিয়া — এটি কক্সবাজারের একটি উপজেলা হলেও এই বন্দরের ভৌগোলিক অবস্থান এখানে নয়। C) মহেশখালী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর এই উপজেলায় অবস্থিত। D) টেকনাফ — এটি কক্সবাজারের সর্বদক্ষিণের উপজেলা যা এই বন্দর থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: মাতারবাড়ির গভীর সমুদ্র বন্দর মহেশখালীতে অবস্থিত, এভাবে মনে রাখুন যে 'ম' দিয়ে মহেশখালী এবং 'ম' দিয়ে মাতারবাড়ি।
a ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
b ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
c ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২
d ২৬ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়। - এই সরকারের অধীনেই ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আমবাগানে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ — এই তারিখে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে এবং পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। B) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়েছিল। C) ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২ — এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পাকিস্তান থেকে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের তারিখ। D) ২৬ মার্চ, ১৯৭১ — এই তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঘোষণা ২৬ মার্চ, সরকার গঠন ১০ এপ্রিল এবং শপথ গ্রহণ ১৭ এপ্রিল।
a 2023
b 2024
c 2025
d 2026
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০২৬ কেন সঠিক: - জাতিসংঘ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ করে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করেছে। - কোভিড মহামারীর কারণে উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর বাড়িয়ে ২০২৬ সাল নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০২৩ — এই সালে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে রূপান্তরের নির্ধারিত কোনো মূল লক্ষ্যমাত্রা ছিল না। B) ২০২৪ — প্রথমে বাংলাদেশ ২০২৪ সালে উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার কথা ছিল, যা পরবর্তীতে পরিবর্তন করা হয়। C) ২০২৫ — এই সালটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উত্তরণের প্রক্রিয়ার কোনো নির্ধারিত মাইলফলক নয়। D) ২০২৬ — এটিই জাতিসংঘের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে পদার্পণের নির্ধারিত বছর। মনে রাখার টিপস: উন্নয়নশীল দেশের খাতায় নাম লেখাতে বাংলাদেশ সময় নিয়েছে ২০২৬ সাল পর্যন্ত।
a রাজশাহী
b গাজীপুর
c চট্টগ্রাম
d খুলনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গাজীপুর কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পার্ক, যা গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলায় অবস্থিত। - সফটওয়্যার উন্নয়ন, হার্ডওয়্যার উৎপাদন এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিনিয়োগ আকর্ষণ করার জন্য এই হাইটেক পার্কটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজশাহী — রাজশাহী জেলায় 'বঙ্গবন্ধু সিলিকন সিটি' অবস্থিত, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। B) গাজীপুর — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটির প্রকৃত ভৌগোলিক অবস্থান। C) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম জেলায় আইটি পার্ক রয়েছে, তবে এটি বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি নয়। D) খুলনা — খুলনা অঞ্চলে আলাদা হাইটেক পার্ক স্থাপনের পরিকল্পনা থাকলেও বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অবস্থিত, যা ঢাকার খুব কাছেই প্রযুক্তির শহর হিসেবে পরিচিত।
a 1
b 1.5
c 2
d 2.5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 1.5 কেন সঠিক: - ২০১৫ সালের প্যারিস জলবায়ু চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রাক শিল্পযুগের তুলনায় ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা। - জলবায়ুর চরম বিপর্যয় এড়াতে এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধ করতে এই কঠোর তাপমাত্রা সীমা নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1 — ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা সীমিত রাখার লক্ষ্যমাত্রা প্যারিস চুক্তিতে ধরা হয়নি কারণ এটি বর্তমান বাস্তবতায় অপর্যাপ্ত। B) 1.5 — এটিই সঠিক উত্তর যা প্যারিস জলবায়ু সম্মেলনে বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধের সর্বোচ্চ নিরাপদ মাত্রা হিসেবে নির্ধারিত হয়। C) 2 — ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস একটি বিকল্প উচ্চসীমা হিসেবে আলোচনায় থাকলেও চুক্তির মূল কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য ছিল ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। D) 2.5 — আড়াই ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ জলবায়ু বিপর্যয় ঘটেবে, তাই এটি রোধের মাত্রা হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: প্যারিস চুক্তির উষ্ণতা রোধের ম্যাজিক সংখ্যা হলো দেড় ডিগ্রি বা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
a দিনার
b রিঙ্গিত
c পেসো
d ডলার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রিঙ্গিত কেন সঠিক: - মালয়েশিয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচলিত মুদ্রার নাম রিঙ্গিত এবং এর আন্তর্জাতিক কোড হলো এমওয়াইআর। - অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটির মুদ্রাকে রিঙ্গিত হিসেবেই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিনার — এটি মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশ যেমন কুয়েত, বাহরাইন ও জর্ডানের মুদ্রার নাম, যা মালয়েশিয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) রিঙ্গিত — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং মালয়েশিয়ার বর্তমান সরকারি মুদ্রা। C) পেসো — এটি ফিলিপাইন, মেক্সিকোসহ লাতিন আমেরিকার কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম, মালয়েশিয়ার মুদ্রা নয়। D) ডলার — এটি যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশের মুদ্রার নাম, যা মালয়েশিয়ার মুদ্রা হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: মালয়েশিয়ার নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারেন যে মালয়েশিয়ার লোকজন হাতে রিং বা রিঙ্গিত পরে।
a শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক
b হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
c বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেন সঠিক: - এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত তৃতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ, যা ২০২০ সালে প্রকাশিত হয়। - ১৯৫৭ সালে চীন সফরের অভিজ্ঞতা ও ডায়েরির পাতার ভিত্তিতে এই ঐতিহাসিক গ্রন্থটি রচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক — তিনি বিখ্যাত রাজনৈতিক নেতা হলেও এই গ্রন্থটির লেখক নন। B) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — তিনি বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, এই ভ্রমণকাহিনির সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তরটি অপশন সিতে موجود রয়েছে, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: নয়াচীন ভ্রমণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু, তাই গ্রন্থটির নাম মনে রাখতে তাঁর চীন সফরের কথা স্মরণ করলেই চলবে।
a নারায়ন ঘোষ মিতা
b খান আতাউর রহমান
c চাষী নজরুল ইসলাম
d জহির রায়হান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চাষী নজরুল ইসলাম কেন সঠিক: - চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত 'ওরা এগারো জন' বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। - এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা, যা এটিকে ঐতিহাসিক ও প্রামাণ্য রূপ দিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নারায়ন ঘোষ মিতা — তিনি বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা হলেও 'ওরা এগারো জন' পরিচালনা করেননি, তার বিখ্যাত কাজের মধ্যে রয়েছে 'আলোর মিছিল'। B) খান আতাউর রহমান — তিনি প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার হলেও এই চলচ্চিত্রের পরিচালক নন, তার পরিচালিত বিখ্যাত ছবি 'জীবন তৃষ্ণা' ও 'সাত ভাই চম্পা'। C) চাষী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি এই চলচ্চিত্রের সফল পরিচালক হিসেবে ইতিহাসের অংশ হয়ে আছেন। D) জহির রায়হান — তিনি প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক ও বুদ্ধিজীবী হলেও এই ছবিটির পরিচালক নন, তার বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছবি 'স্টপ জেনোসাইড' ও 'লেট দেয়ার বি লাইট'। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ছবি মানেই চাষী নজরুল ইসলামের এগারো জন বীর মুক্তিযোদ্ধার গল্প।
a জুরিখ
b ব্রাসেলস
c জেনেভা
d রোম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জেনেভা কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও এর প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত। - আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে কাজ করে এবং এর সদর দপ্তর জেনেভাতেই নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জুরিখ — এটি সুইজারল্যান্ডের একটি অর্থনৈতিক শহর হলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর এখানে নয়। B) ব্রাসেলস — এটি বেলজিয়ামের রাজধানী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয়, তাই এটি ভুল। C) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঠিক সদর দপ্তর অবস্থিত শহর। D) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: স্বাস্থ্য সচেতন মানুষরা সাধারণত জেনে শুনে চলে, তাই স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর জেনেভাতে অবস্থিত।
a লালমনির হাট
b রংপুর
c কুড়িগ্রাম
d পঞ্চগড়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লালমনির হাট কেন সঠিক: - দহগ্রাম বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ও পাটগ্রাম উপজেলার অন্তর্গত একটি ছিটমহল ছিল। - ২০১৫ সালের ১ আগস্ট ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে লালমনিরহাট জেলার অন্তর্ভুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লালমনির হাট — এটি সঠিক কারণ দহগ্রাম ছিটমহলটি লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার অংশ হিসেবে বর্তমানে যুক্ত। B) রংপুর — রংপুর বিভাগের অন্তর্ভুক্ত জেলা লালমনিরহাট হলেও দহগ্রাম সরাসরি রংপুর জেলার অংশ নয়। C) কুড়িগ্রাম — কুড়িগ্রাম লালমনিরহাটের পার্শ্ববর্তী জেলা হলেও দহগ্রাম এই জেলার ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত নয়। D) পঞ্চগড় — পঞ্চগড় অন্য একটি সীমান্তবর্তী জেলা এবং এই জেলার সাথে দহগ্রাম ছিটমহলের কোনো সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: লাল রঙের আম (লালমনিরহাট) খেতে ভালোবাসে দহগ্রামের মানুষ।
a নয়াদিল্লি
b নিউ ইয়র্ক
c লন্ডন
d প্যারিস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিউ ইয়র্ক কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরের বিখ্যাত ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে এই ঐতিহাসিক কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়। - বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত গঠন এবং শরণার্থীদের সহায়তার জন্য এই কনসার্টের আয়োজন করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নয়াদিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী এবং মুক্তিযুদ্ধকে ভারত সমর্থন করলেও এই কনসার্টটি এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি। B) নিউ ইয়র্ক — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে কনসার্টটি আয়োজিত হয়েছিল। C) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং সেখানে বাংলাদেশ সহায়তার নানা কার্যক্রম হলেও এই নির্দিষ্ট কনসার্টটি সেখানে হয়নি। D) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং এই বিশেষ ঐতিহাসিক কনসার্টের ভেন্যু এটি ছিল না। মনে রাখার টিপস: পণ্ডিত রবিশংকর ও জর্জ হ্যারিসনের বিখ্যাত কনসার্টটি আমেরিকার নিউ ইয়র্ক শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
a 20
b 21
c 22
d 23
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদে সব সময় জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের পবিত্র কর্তব্য বলে ঘোষণা করা হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির দায়িত্ব হলো সব সময় জনগণের সেবা করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ — এই অনুচ্ছেদে অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শ্রম নিষিদ্ধকরণ এবং উৎপাদনের সাথে জড়িত বিভিন্ন মাধ্যমের মালিকানার নীতি সম্পর্কে বলা হয়েছে। B) ২১ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য এবং প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি সুরক্ষার কথা বলা হয়েছে। C) ২২ — এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রীয় অঙ্গসমূহ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে, যা সংবিধানের একটি অন্যতম মৌলিক নীতি। D) ২৩ — এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হিসেবে জনগণের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও উত্তরাধিকার রক্ষার কথা বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের ২১ নম্বর ধারায় সরকারি কর্মচারী ও নাগরিকদের দায়িত্ব বা কর্তব্যের কথা মনে রাখতে একুশ মানেই দায়িত্ব বা কর্তব্য এই কথাটি স্মরণ রাখতে পারেন।
a জওহর লাল নেহেরু
b নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু
c সরদার বল্লভ ভাই প্যাটেল
d মহাত্মা গান্ধী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু কেন সঠিক: - নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু ১৯৪৩ সালের অক্টোবর মাসে আজাদ হিন্দ ফৌজের সর্বাধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - তাঁর নেতৃত্বেই এই বাহিনী ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন ও সংগ্রামে নতুন গতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জওহর লাল নেহেরু — তিনি ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা ছিলেন, আজাদ হিন্দ ফৌজের সর্বাধিনায়ক ছিলেন না। B) নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) সরদার বল্লভ ভাই প্যাটেল — তিনি ভারতের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও লোহমানব হিসেবে পরিচিত ছিলেন, এই বাহিনীর সাথে যুক্ত ছিলেন না। D) মহাত্মা গান্ধী — তিনি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অহিংস জননেতা ছিলেন, সামরিক বাহিনীর নেতৃত্ব দেননি। মনে রাখার টিপস: নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর নাম এবং আজাদ হিন্দ ফৌজ উভয়ই সু দিয়ে শুরু হয়, যা সহজেই মনে রাখতে সাহায্য করে।
a জোনাথান সুইফট
b মার্টিন লুথার কিং
c নেলসন ম্যান্ডেলা
d উইনস্টন চার্চিল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নেলসন ম্যান্ডেলা কেন সঠিক: - এটি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট ও বর্ণবাদবিরোধী নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। - বইটিতে তার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন, দীর্ঘ কারাবাস ও সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জোনাথান সুইফট — তিনি একজন বিখ্যাত আইরিশ সাহিত্যিক ও ব্যঙ্গকার, যার বিখ্যাত রচনা গালিভার্স ট্রাভেলস। B) মার্টিন লুথার কিং — তিনি আমেরিকার নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা, যিনি আই হ্যাভ এ ড্রিম ভাষণের জন্য পরিচিত। C) নেলসন ম্যান্ডেলা — এটি তার নিজের জীবনের সংগ্রামের ওপর লেখা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। D) উইনস্টন চার্চিল — তিনি যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও লেখক, যিনি দ্য সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার বইটির জন্য নোবেল পান। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার (Freedom) জন্য যিনি দীর্ঘ (Long walk) কারাবাস সহ্য করেছেন, তিনি হলেন নেলসন ম্যান্ডেলা।
a সুস্মিতা সেন
b লারা দত্ত
c লালেসা সামওয়ানে
d হারনাজ সান্ধু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হারনাজ সান্ধু কেন সঠিক: - ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে ইসরাইলের ইলাতে অনুষ্ঠিত ৭০তম মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় ভারতের হারনাজ সান্ধু বিজয়ী হন। - তিনি ভারতের তৃতীয় নারী হিসেবে এই মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় মুকুট অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুস্মিতা সেন — তিনি ১৯৯৪ সালের মিস ইউনিভার্স মুকুটজয়ী প্রথম ভারতীয় নারী, ২০২১ সালের বিজয়ী নন। B) লারা দত্ত — তিনি ২০০০ সালের মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন, ২০২১ সালের প্রতিযোগী নন। C) লালেসা সামওয়ানে — তিনি ২০২১ সালের মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় রানার-আপ বা অন্য কোনো দেশের প্রতিযোগী ছিলেন, মুকুটজয়ী নন। D) হারনাজ সান্ধু — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি ২০২১ সালের মিস ইউনিভার্স খেতাব অর্জন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: ভারতের হারনাজ সান্ধু ২০২১ সালে মিস ইউনিভার্স হয়েছেন, এভাবে মনে রাখুন যে এস দিয়ে সান্ধু এবং স দিয়ে সালটি একুশ সাল।
a 2454
b 2591
c 2654
d 3020
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) সঠিক উত্তর: D) ৩০২০ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এর চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী সাম্প্রতিক অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ৩০২০ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। - এটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও জনগণের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪৫৪ — এটি আগের একটি অর্থবছরের মাথাপিছু আয় নির্দেশ করে, যা বর্তমানের হালনাগাদ তথ্যের চেয়ে কম। B) ২৫৯১ — এটিও অতীতের একটি পুরোনো অর্থনৈতিক বছরের মাথাপিছু আয়ের পরিসংখ্যান, যা বর্তমানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) ২৬৫৫ — এই সংখ্যাটি গত অর্থবছরের সাময়িক অনুমানের কাছাকাছি ছিল, যা চূড়ান্ত হিসাবে পরিবর্তিত হয়েছে। D) ৩০২০ — এটি বর্তমান অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী সঠিক ও হালনাগাদ মাথাপিছু আয়ের পরিমাণ। মনে রাখার টিপস: মাথাপিছু আয়ের এই নতুন পরিসংখ্যানটি মনে রাখতে তিন হাজার বিশ মার্কিন ডলার সংখ্যাটি বারবার চর্চা করুন।
a পোল্যান্ড
b সুইজারল্যান্ড
c ফিনল্যান্ড
d আয়ারল্যান্ড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুইজারল্যান্ড কেন সঠিক: - সুইজারল্যান্ড ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত হলেও ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ-এর সদস্য রাষ্ট্র নয়। - এটি রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখার জন্য ইইউ-এর পূর্ণ সদস্যপদ গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পোল্যান্ড — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র এবং ২০০৪ সালে এতে যোগদান করে। B) সুইজারল্যান্ড — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয়, তবে শেনজেন এলাকার অন্তর্ভুক্ত একটি দেশ। C) ফিনল্যান্ড — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র এবং ১৯৯৫ সালে এতে যোগ দেয়। D) আয়ারল্যান্ড — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র এবং ১৯৭৩ সালে এতে যোগ দেয়। মনে রাখার টিপস: ইউরোপের ধনী দেশ হওয়া সত্ত্বেও সুইজারল্যান্ড নিরপেক্ষ থাকার কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয়।
a 1964
b 1966
c 1969
d 1971
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯২৬ প্রদত্ত তথ্য: বাঙালির মুক্তির সনদ ঐতিহাসিক ছয় দফা ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু কর্তৃক উত্থাপিত ধরি, তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবির সঠিক সন হলো ১৯৬৬ সাল অতএব, প্রথম দফা থেকে ষষ্ঠ দফা পর্যন্ত বিভিন্ন দাবি পেশ করা হয় পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে এই ঘোষণা দেওয়া হয় সুতরাং, ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি এই ঐতিহাসিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল উত্তর: ১৯৬৬
a Jagjit singh Aurora
b William A-S Ouderland
c Kuldip singh chand puri
d Ian Cardozo
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) William A-S Ouderland কেন সঠিক: - উইলিয়াম ওডারল্যান্ড একজন অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক হয়েও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সাহসী অবদান রাখেন। - তাঁর এই বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে 'বীর প্রতীক' খেতাবে ভূষিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Jagjit singh Aurora — তিনি ১৯৭১ সালে ভারতীয় পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান ছিলেন, কোনো খেতাবপ্রাপ্ত নন। B) William A-S Ouderland — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ নেই। C) Kuldip singh chand puri — তিনি ১৯৭১ সালের যুদ্ধের একজন ভারতীয় সেনা কর্মকর্তা ছিলেন, বীর প্রতীক নন। D) Ian Cardozo — তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল, বাংলাদেশের খেতাবপ্রাপ্ত নন। মনে রাখার টিপস: বিদেশী বীর প্রতীক উইলিয়াম ওডারল্যান্ডের নামের আদ্যক্ষর ডব্লিউ (W) মনে রাখলে বিদেশি বীর প্রতীকের কথা সহজে মনে পড়বে।
a বজ্রকণ্ঠ
b জল্লাদের দরবার
c গানের ডালি
d চরমপত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গানের ডালি কেন সঠিক: - স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে প্রচারিত জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে 'বজ্রকণ্ঠ', 'জল্লাদের দরবার' এবং 'চরমপত্র' অন্তর্ভুক্ত ছিল। - 'গানের ডালি' নামে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে কোনো নিয়মিত বা ঐতিহাসিক বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়নি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বজ্রকণ্ঠ — এটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি নিয়মিত অনুষ্ঠান ছিল। B) জল্লাদের দরবার — এটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ব্যাঙ্গাত্মক নাটকীয় অনুষ্ঠান ছিল, যার রচয়িতা ছিলেন কল্যাণ মিত্র। C) গানের ডালি — এটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। D) চরমপত্র — এটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে এম এ হান্নানের পরিচালনায় ও সৈয়দ শামসুল হকের লেখা এবং রাহাত খানের সম্পাদনায় এম আর আক্তারের কণ্ঠে প্রচারিত অত্যন্ত জনপ্রিয় রাজনৈতিক কথিকা ছিল। মনে রাখার টিপস: স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের জনপ্রিয় অনুষ্ঠানগুলো মনে রাখতে 'বচ' (বজ্রকণ্ঠ, চরমপত্র, জল্লাদের দরবার) সূত্রটি মনে রাখতে পারেন, যার মধ্যে 'গানের ডালি' নেই।
a বিজয়
b জয়োৎসব
c জয়সূচক
d জয়ন্তী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জয়ন্তী কেন সঠিক: - 'জয়ন্তী' শব্দের অর্থ যা জয়সূচক বা কোনো বিশেষ স্মারক উৎসব। - কোনো মহান ব্যক্তি বা ঘটনার জন্ম বা সাফল্যের উৎসব বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিজয় — এটি কোনো বিশেষ উৎসবের নাম নয়, বরং কোনো যুদ্ধে বা প্রতিযোগিতায় জেতার ফলাফল বা অবস্থাকে বোঝায়। B) জয়োৎসব — এটি সাধারণ অর্থে জয়ের আনন্দ উদযাপন বোঝায়, কিন্তু নির্দিষ্ট জয়সূচক উৎসবের প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিশব্দ জয়ন্তী। C) জয়সূচক — এটি একটি বিশেষণ পদ যা জয় বোঝাতে ব্যবহার করা হয়, কোনো বিশেষ উৎসবের নাম নয়। D) জয়ন্তী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি জয়সূচক উৎসবের সঠিক সমার্থক বা পরিভাষা। মনে রাখার টিপস: স্মরণীয় দিন বা উৎসব বোঝাতে 'জয়ন্তী' শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যেমন জন্মজয়ন্তী বা রজতজয়ন্তী।
a অ্যাকটিন
b ক্যারোটিন
c গ্লোবিউলিন
d মায়োসিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্যারোটিন ১. কেন সঠিক: নখ, চুল এবং পশম গঠিত হয় কেরাটিন বা ক্যারোটিন নামক একধরনের তন্তুযুক্ত প্রোটিন দিয়ে। এটি শরীরের কোষকে রক্ষা করে এবং শক্ত কাঠামো প্রদান করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ক্যারোটিন হলো একটি শক্ত ও অদ্রবণীয় প্রোটিন, যা এপিডার্মাল কোষে জমা হয়। এটি স্তন্যপায়ী প্রাণীর ত্বক, চুল ও নখের প্রধান কাঠামোগত উপাদান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের চুল ও নখ শক্ত হওয়া। ব্যাখ্যা: কেরাটিন প্রোটিনের উপস্থিতির কারণে চুল ও নখ সহজে ভাঙে না এবং বাইরের আঘাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে। উদাহরণ ২: পাখির ডানা ও পশমের গঠন। ব্যাখ্যা: পাখির পালক এবং গরুর শিংও এই জাতীয় শক্ত প্রোটিন দিয়ে তৈরি হয়, যা তাদের বেঁচে থাকতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যাকটিন — এটি পেশির সংকোচনে সাহায্যকারী একটি প্রধান প্রোটিন। নখ গঠনে এর কোনো ভূমিকা নেই। B) ক্যারোটিন — এটি নখ, চুল ও ত্বকের প্রধান কাঠামোগত প্রোটিন এবং সঠিক উত্তর। C) গ্লোবিউলিন — এটি রক্তের প্লাজমায় থাকা একধরনের প্রোটিন, যা রোগ প্রতিরোধে এবং অ্যান্টিবডি তৈরিতে কাজ করে। D) মায়োসিন — এটি পেশি টিস্যুতে অ্যাকটিনের সাথে কাজ করে পেশি সংকোচন ও প্রসারণ ঘটায়। ৫ মনে রাখার টিপস: নখের ইংরেজি Nail এবং কেরাটিনের প্রথম অক্ষর K বা C দিয়ে মনে রাখতে পারো যে নখে কেরাটিন থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানবদেহের বিভিন্ন টিস্যু ও প্রোটিন সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। চুল, নখ ও শিং কেরাটিন প্রোটিন দ্বারা গঠিত, এই তথ্যটি মনে রাখা জরুরি।
a পরিপাক
b খাদ্যগ্রহণ
c শ্বসন
d রক্ত সংবহন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শ্বসন ১. কেন সঠিক: - মানবদেহে শক্তি উৎপাদনের প্রধান প্রক্রিয়া হলো কোষীয় শ্বসন, যেখানে গ্লুকোজ জারিত হয়ে শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। - খাদ্য সরাসরি শক্তি দেয় না, খাদ্য ভেঙে কোষের মাইটোকন্ড্রিয়ায় এটি শক্তিতে পরিণত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: শ্বসন একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে জীবকোষ অক্সিজেনের সাহায্যে খাদ্যস্থ রাসায়নিক শক্তিকে এটিপি নামক জৈব মুদ্রায় রূপান্তরিত করে। - কার্যপ্রণালি: খাদ্য পরিপাকের পর গ্লুকোজ রক্তে মিশে কোষে পৌঁছায় এবং অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই অক্সাইড, পানি ও শক্তি উৎপাদন করে। - রাসায়নিক সমীকরণ: গ্লুকোজ + অক্সিজেন থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড + পানি + শক্তি উৎপন্ন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যায়াম করার সময় পেশিকোষে শক্তি উৎপাদনে অক্সিজেনের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। ব্যাখ্যা: এ সময় হৃদস্পন্দন বেড়ে যায় যাতে কোষে দ্রুত অক্সিজেন পৌঁছে বেশি শক্তি উৎপন্ন হতে পারে। উদাহরণ ২: উদ্ভিদের বীজ অঙ্কুরোদগমের সময় শ্বসন হার বেড়ে যায়। ব্যাখ্যা: নতুন চারাগাছ বৃদ্ধির জন্য প্রচুর শক্তির প্রয়োজন হয় যা শ্বসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিপাক — পরিপাক কেবল জটিল খাদ্যকে সরল উপাদানে পরিণত করে, কিন্তু সরাসরি শক্তি উৎপাদন করে না। B) খাদ্যগ্রহণ — খাদ্যগ্রহণ হলো শক্তি উৎপাদনের কাঁচামাল সরবরাহের প্রথম ধাপ মাত্র, যা নিজে শক্তি উৎপাদন করে না। C) শ্বসন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জৈবিক প্রক্রিয়ায় সরাসরি শক্তি বা এটিপি উৎপন্ন হয়। D) রক্ত সংবহন — রক্ত সংবহন কেবল অক্সিজেন ও পুষ্টি উপাদান কোষে পরিবহন করে, শক্তি উৎপাদন করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - খাদ্য খাবে শক্তির জন্য, কিন্তু শক্তি তৈরি হবে কোষে শ্বসনের মাধ্যমে। - শ্বসন মানেই শক্তি উৎপাদন, যা ঘটে মাইটোকন্ড্রিয়ায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কোষের কোন অঙ্গাণুকে শক্তির আধার বলা হয় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, উত্তর হলো মাইটোকন্ড্রিয়া। - অবাত শ্বসনে কম শক্তি উৎপন্ন হয় এবং ল্যাকটিক এসিড বা ইথানল তৈরি হয়।
a 80°
b - 40°
c - 45°
d 50°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) - ৪০° ১. কেন সঠিক: - সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের মধ্যে তাপমাত্রার রূপান্তর সমীকরণ ব্যবহার করে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় উভয় স্কেলের মান সমান পাওয়া যায়। - মাইনাস ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় দুটি স্কেলের সাংখ্যিক মান পুরোপুরি এক হয় এবং তাপীয় সাম্যাবস্থা বজায় থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সেলসিয়াস স্কেলের হিমাঙ্ক ০ ডিগ্রি এবং স্ফুটনাঙ্ক ১০০ ডিগ্রি, অন্যদিকে ফারেনহাইট স্কেলের হিমাঙ্ক ৩২ ডিগ্রি এবং স্ফুটনাঙ্ক ২১২ ডিগ্রি। - সূত্র: সি ভাগ ৫ সমান এফ বিয়োগ ৩২ ভাগ ৯, যেখানে সি হলো সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং এফ হলো ফারেনহাইট তাপমাত্রা। - কার্যপ্রণালি: সি এবং এফ এর পরিবর্তে এক্স ধরে সমীকরণ সমাধান করলে মান পাওয়া যায় মাইনাস ৪০ ডিগ্রি। - বাস্তব প্রয়োগ: আবহাওয়া বিজ্ঞান এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দুটি ভিন্ন তাপমাত্রিক স্কেলের তুলনা করার সময় এই রূপান্তর পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে অনেক সময় মাইনাস ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় যা সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট উভয় স্কেলেই একই সংখ্যা প্রকাশ করে। ব্যাখ্যা: এই তাপমাত্রায় পারদের ধর্ম এমনভাবে কাজ করে যে দুটি স্কেলের রিডিং একই বিন্দুতে মিলে যায়। উদাহরণ ২: গবেষণাগারে থার্মোমিটার ক্যালিব্রেশন বা পরিমাপের নির্ভুলতা যাচাই করার সময় স্কেল দুটির এই অভিন্ন বিন্দুটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে থার্মোমিটারের ত্রুটি সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮০° — এই তাপমাত্রায় সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের মান ভিন্ন হয় কারণ সমীকরণ অনুযায়ী হিসাব করলে মান সমান হয় না। B) - ৪০° — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই তাপমাত্রায় সমীকরণের উভয় পক্ষ সমান ফলাফল প্রদান করে। C) - ৪৫° — এই তাপমাত্রায় সেলসিয়াস স্কেলে তাপমাত্রা মাইনাস পঁয়তাল্লিশ এবং ফারেনহাইট স্কেলে মাইনাস উনপঞ্চাশ হয়। D) ৫০° — এই তাপমাত্রায় সেলসিয়াস স্কেলের মান পঞ্চাশ হলে ফারেনহাইট স্কেলের মান একশো বাইশ হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মাইনাস চল্লিশ সংখ্যাটি মনে রাখুন কারণ এটিই একমাত্র বিশেষ তাপমাত্রা যেখানে সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেল মিলে যায়। - সমীকরণে সি এর জায়গায় এক্স বসিয়ে সমাধান করলে এই নির্দিষ্ট মানটি খুব সহজেই বের করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাপমাত্রার স্কেল সম্পর্কিত এই প্রশ্নটি বারবার আসে। - সেলসিয়াস ও কেলভিন স্কেলের সম্পর্ক অর্থাৎ কে সমান সি যোগ ২৭৩.১৫ থেকেও একই ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে।
a ইনসুলিন
b গ্লুকাগন
c থাইরোক্যালসিটোনিন
d থাইরক্সিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) থাইরোক্যালসিটোনিন ১. কেন সঠিক: - থাইরোক্যালসিটোনিন হরমোন রক্তে অতিরিক্ত ক্যালসিয়ামের মাত্রা কমাতে সরাসরি ভূমিকা পালন করে। - এই হরমোন রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে এন্ডোক্রাইন সিস্টেমের মাধ্যমে কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মানবদেহের থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে এই হরমোন নিঃসৃত হয় যা ক্যালসিয়াম বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে। - কার্যপ্রণালি: এটি রক্ত থেকে ক্যালসিয়াম টেনে নিয়ে অস্থিতে জমা হতে সাহায্য করে এবং কিডনির মাধ্যমে ক্যালসিয়াম নির্গমন বাড়ায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রক্তে ক্যালসিয়াম বৃদ্ধি ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার খাওয়ার পর থাইরোক্যালসিটোনিন নিঃসৃত হয়ে রক্তের ভারসাম্য রক্ষা করে। উদাহরণ ২: অস্থি গঠন ব্যাখ্যা: রক্ত থেকে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম হাড়ে জমা করে হাড়ের গঠনে সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইনসুলিন — ইনসুলিন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, ক্যালসিয়াম নয়। B) গ্লুকাগন — গ্লুকাগন যকৃতে গ্লাইকোজেন ভেঙে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি করে। C) থাইরোক্যালসিটোনিন — এটি রক্তে ক্যালসিয়াম নিয়ন্ত্রণের সঠিক হরমোন। D) থাইরক্সিন — থাইরক্সিন শরীরের বিপাকীয় হার বা মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: থাইরয়েড গ্রন্থির ক্যালসিটোনিন নামটির মধ্যেই ক্যালসিয়াম নিয়ন্ত্রণের ইঙ্গিত রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তে ক্যালসিয়াম কমানোর হরমোন হলো থাইরোক্যালসিটোনিন এবং বাড়ানোর হরমোন হলো প্যারাথরমোন।
a 0.3
b 0.41
c 0.03
d 0.8
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 0.03 ১. কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের স্বাভাবিক পরিমাণ শতকরা শূন্য দশমিক শূন্য তিন ভাগ। - এটি উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন গ্যাসের মিশ্রণ যেখানে নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন প্রধান হলেও অন্যান্য গ্যাসের ভূমিকা অপরিসীম। - কারণ ও ফলাফল: এই নির্দিষ্ট পরিমাণের তারতম্য ঘটলে গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়া ও বৈশ্বিক উষ্ণতার ওপর সরাসরি প্রভাব পড়ে। - বাস্তব প্রয়োগ: কার্বন-ডাই-অক্সাইডের এই উপস্থিতি পৃথিবীর তাপমাত্রা ধরে রাখতে এবং গ্রিনহাউস প্রভাবে পৃথিবীকে বাসযোগ্য রাখতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উদ্ভিদ খাদ্য তৈরি ব্যাখ্যা: উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় এই গ্যাস প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কোমল পানীয় তৈরি ব্যাখ্যা: সোডা ওয়াটার বা কোমল পানীয় তৈরিতে এই গ্যাস উচ্চ চাপে দ্রবীভূত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.3 — এই মানটি বায়ুমণ্ডলের কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণের তুলনায় অনেক বেশি এবং এটি ভুল তথ্য। B) 0.41 — বর্তমানে বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে শূন্য দশমিক চার এক শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছালেও এটি আদর্শ বা স্বাভাবিক মান নয়। C) 0.03 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের স্বীকৃত শতকরা পরিমাণ। D) 0.8 — এই মানটি বায়ুমণ্ডলের গ্যাসের উপাদানের সঙ্গে মেলে না এবং এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - শূন্য দশমিক শূন্য তিন সংখ্যাটি মনে রাখলে বায়ুমণ্ডলের কার্বন-ডাই-অক্সাইডের সঠিক শতকরা হার সহজে মনে রাখা যায়। - জীববিজ্ঞানের পড়াশোনায় গ্যাসের এই অনুপাত মুখস্থ রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে নাইট্রোজেন গ্যাস যার পরিমাণ প্রায় আটাত্তর শতাংশ। - অক্সিজেন গ্যাসের পরিমাণ প্রায় একুশ শতাংশ এবং আর্গন গ্যাস থাকে প্রায় শূন্য দশমিক নয় তিন শতাংশ।
a সিরাম ইনস্টিটিউট
b ফাইজার বায়োএনটেক
c গ্লোব বায়োটেক
d ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গ্লোব বায়োটেক ১. কেন সঠিক: - গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড বাংলাদেশের একটি স্বনামধন্য গবেষণাভিত্তিক ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান। - ২০২০ সালে করোনা মহামারি চলাকালীন এই প্রতিষ্ঠানটি দেশীয় প্রযুক্তিতে 'বঙ্গভ্যাক্স' নামক কোভিড-১৯ প্রতিষেধক টিকা আবিষ্কারের ঘোষণা দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ভ্যাকসিন বা টিকা হলো মৃত বা নিষ্ক্রিয় জীবাণু অথবা তার অংশের নির্যাস, যা মানবদেহে প্রবেশ করিয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করা হয়। - কার্যপ্রণালি: এটি দেহে প্রবেশ করার পর শ্বেত রক্তকণিকা ও অ্যান্টিবডি তৈরিকে উদ্দীপ্ত করে, যাতে ভবিষ্যতে আসল আক্রমণ প্রতিহত করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পোলিও টিকা। ব্যাখ্যা: এটি মুখ বা ইনজেকশনের মাধ্যমে খাইয়ে বা পুশ করে পোলিও রোগ প্রতিরোধ করা হয়। উদাহরণ ২: বিসিজি টিকা। ব্যাখ্যা: এটি যক্ষ্মা রোগ প্রতিরোধের জন্য শিশুদের জন্মলগ্নে দেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিরাম ইনস্টিটিউট — এটি ভারতের একটি বিশাল টিকা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান যা মূলত অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা উৎপাদন করেছে। B) ফাইজার বায়োএনটেক — এটি মার্কিন ও জার্মান যৌথ উদ্যোগের কোম্পানি যারা এমআরএনএ প্রযুক্তিভিত্তিক কোভিড টিকা তৈরি করেছে। C) গ্লোব বায়োটেক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাংলাদেশের প্রথম করোনাকালের টিকা উদ্ভাবক প্রতিষ্ঠান। D) ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস — এটি বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় ওষুধ কোম্পানি হলেও বঙ্গভ্যাক্সের উদ্ভাবক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - গ্লোব শব্দের অর্থ পৃথিবী বা বিশ্ব, আর বাংলাদেশ নিজের বিশ্বমানের টিকা তৈরি করেছে গ্লোব বায়োটেক থেকে। এভাবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বঙ্গভ্যাক্স হলো বাংলাদেশের প্রথম আবিষ্কৃত কোনো কোভিড-১৯ প্রতিষেধক টিকা। - এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত দেশীয় আবিষ্কার এবং ওষুধ কোম্পানির নাম বারবার আসে।
a Boeing
b Virgin Galactic
c Blue origin
d Space X
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Space X ১. কেন সঠিক: বঙ্গবন্ধু-১ বাংলাদেশের প্রথম ভূউপগ্রহ বা কৃত্রিম উপগ্রহ, যা মহাশূন্যে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হয় আমেরিকার বিখ্যাত মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স-এর মাধ্যমে। এই উৎক্ষেপণের জন্য স্পেসএক্স-এর ফ্যালকন ৯ রকেট ব্যবহার করা হয়েছিল, যা মহাকাশ যাত্রায় অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বজুড়ে সমাদৃত একটি যান। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট হলো এমন একটি মানবনির্মিত বস্তু, যা নির্দিষ্ট কক্ষপথে থেকে পৃথিবী বা অন্য কোনো গ্রহকে প্রদক্ষিণ করে এবং যোগাযোগ, আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ বা তথ্য আদান-প্রদান করে। কার্যপদ্ধতি: রকেটের মাধ্যমে স্যাটেলাইটকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ভেদ করে নির্দিষ্ট উচ্চতায় ও কক্ষপথে স্থাপন করা হয়, যেখানে এটি সৌরশক্তি ব্যবহার করে সচল থাকে। ব্যবহার: বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটটি মূলত টেলিযোগাযোগ, সম্প্রচার এবং ইন্টারনেট সেবার মান উন্নত করার জন্য মহাকাশে পাঠানো হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফ্যালকন ৯ রকেট ব্যাখ্যা: এটি স্পেসএক্স কোম্পানির তৈরি একটি রিইউজেবল বা পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেট, যা বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটকে মহাকাশে সফলভাবে বহন করেছিল। উদাহরণ ২: কেপ ক্যানাভেরাল লঞ্চ প্যাড ব্যাখ্যা: আমেরিকার ফ্লোরিডার এই ঐতিহাসিক উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকেই বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট মহাকাশের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Boeing — বোয়িং হলো মূলত বিমান নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান, যারা বাণিজ্যিক ও সামরিক বিমান তৈরি করে, কিন্তু বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণে এরা রকেট সরবরাহ করেনি। B) Virgin Galactic — ভার্জিন গ্যালাকটিক মূলত মহাকাশ পর্যটন নিয়ে কাজ করে এবং সাধারণ মানুষের জন্য মহাকাশ ভ্রমণের ব্যবস্থা করে, স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে যুক্ত নয়। C) Blue origin — ব্লু অরিজিন হলো জেফ বেজোসের একটি মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, যা মহাকাশ পর্যটন ও রকেট তৈরিতে কাজ করলেও বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণ করেনি। D) Space X — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠানটিই ফ্যালকন ৯ রকেটের সাহায্যে সফলভাবে স্যাটেলাইটটি মহাকাশে পাঠিয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের সঙ্গে স্পেসএক্স নাম দুটি মনে রাখতে হবে কারণ বাংলাদেশ স্পেসএক্স-এর রকেট ব্যবহার করে মহাশূন্যে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিয়েছিল। স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বোয়িং বা ভার্জিন গ্যালাকটিক নয়, স্পেসএক্স নামটাই পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট ২০১৮ সালের ১২ মে আমেরিকার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল এবং এটি বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট। বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট উৎকারী দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং এর অরবিটাল স্লট ছিল ১১৯ দশমিক ১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
a ইউরোপ
b এশিয়া
c আফ্রিকা
d অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইউরোপ ১. কেন সঠিক: দানিয়ুব নদীটি ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত এবং এটি এই মহাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী। জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে এটি মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কৃষ্ণ সাগরে পতিত হয়েছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: জার্মানি থেকে শুরু হয়ে অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি ও রোমানিয়া সহ ১০টি দেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের একমাত্র নদী যা ১০টি দেশের রাজধানী ও ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য: দানিয়ুব নদীর তীরে ভিয়েনা, বুদাপেস্ট ও বেলগ্রেডের মতো বিখ্যাত ইউরোপীয় রাজধানীগুলো অবস্থিত। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ভিয়েনা শহর। ব্যাখ্যা: অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা দানিয়ুব নদীর তীরে অবস্থিত এবং এটি ইউরোপের অন্যতম প্রধান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। উদাহরণ ২: কৃষ্ণ সাগর। ব্যাখ্যা: দানিয়ুব নদী তার দীর্ঘ পথ পরিক্রমা শেষে কৃষ্ণ সাগরে গিয়ে মেশে যা ইউরোপ ও এশিয়ার সংযোগকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ জলভাগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউরোপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ দানিয়ুব নদী এই মহাদেশের অন্যতম প্রধান জলপথ। B) এশিয়া — এশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ হলেও দানিয়ুব নদী এই মহাদেশে অবস্থিত নয়। সি) আফ্রিকা — আফ্রিকা মহাদেশে নীল ও কঙ্গোর মতো বিখ্যাত নদী রয়েছে, দানিয়ুব এখানে নেই। ডি) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়া ও ওশেনিয়া অঞ্চলে মুারে ও ডার্লিং নদী প্রধান, দানিয়ুবের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: ইউরোপের বিখ্যাত গান ব্লু দানিয়ুব ওয়াজ মনে রাখলে সহজেই নদীটির মহাদেশ মনে রাখা যায়। জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট থেকে উৎপত্তি হয়ে কৃষ্ণ সাগরে পড়েছে এই কথাটি মনে রাখলে নদীর গতিপথ স্পষ্ট থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: দানিয়ুব নদী সর্বাধিক দেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার কারণে আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও বাণিজ্যে এর গুরুত্ব অপরিসীম। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন নদী সর্বাধিক দেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

মোট প্রশ্ন (26)

a যোগ্যতা
b বাহুল্য দোষ
c উদ্দেশ্য
d আকাঙ্ক্ষা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যোগ্যতা ১. কেন সঠিক: একটি সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ থাকা আবশ্যক, যার অন্যতম হলো যোগ্যতা। পদের উপযুক্ত অর্থসংগত মেলবন্ধন বা ভাবগত মিলবন্ধন না থাকলে বাক্যের যোগ্যতা নষ্ট হয়। অরণ্যে রোদন একটি প্রচলিত বাগধারা যার অর্থ বৃথা চেষ্টা, তাই এর পরিবর্তে সমার্থক শব্দ বনাঞ্চল বা বন বসালে ভাবার্থ ঠিক থাকে না। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যের পদগুলোর অর্থের সংগতি রক্ষা করার নামই যোগ্যতা।语义 বা অর্থের দিক থেকে পদের মিল না থাকলে বাক্য তার যোগ্যতা হারায়। বাগধারার শব্দগুলো ঐতিহ্যামাফিক প্রমিত রূপে ব্যবহৃত হয়, যা পরিবর্তন করলে ভাব নষ্ট হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বর্ষায় বৃষ্টি পড়ে ব্যাখ্যা: এটি একটি যোগ্যতাসম্পন্ন বাক্য কারণ পদের অর্থগত মিল রয়েছে। উদাহরণ ২: বর্ষায় আগুন জ্বলে ব্যাখ্যা: এটি যোগ্যতা হারিয়েছে কারণ বর্ষার সঙ্গে আগুনের ভাবগত সংগতি নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যোগ্যতা — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাগধারার শব্দ পরিবর্তন করায় অর্থের সংগতি বা যোগ্যতা নষ্ট হয়েছে। B) বাহুল্য দোষ — বাক্যে অতিরিক্ত শব্দের ব্যবহারের কারণে বাহুল্য দোষ ঘটে, যা এখানে ঘটেনি। C) উদ্দেশ্য — বাক্যে যার সম্পর্কে কিছু বলা হয় তাকে উদ্দেশ্য বলে, এটি বাক্য গঠনের কোনো ত্রুটি নয়। D) আকাঙ্ক্ষা — বাক্য পডবার পর আরও কিছু শোনার ইচ্ছাকে আকাঙ্ক্ষা বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাগধারার শব্দ হুবহু মুখস্থ রাখতে হবে এবং শব্দ পরিবর্তন করা যাবে না। শব্দ পরিবর্তন করলেই বাক্যের যোগ্যতা নষ্ট হয়ে যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যশুদ্ধি ও বাক্যের গুণাবলি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা—এই তিনটি শর্ত ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a অপাদান
b সম্প্রদান
c কর্ম
d করণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সম্প্রদান ১. কেন সঠিক: - স্বত্বত্যাগ করে কোনো কিছু দান করা বোঝালে তাকে সম্প্রদান কারক বলে। - দেশের সেবায় জীবন বা অর্থ উৎসর্গ করার ক্ষেত্রে কোনো প্রতিদান চাওয়া হয় না, তাই এটি সম্প্রদান কারক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে কিছু দান, সাহায্য বা ভক্তি নিবেদন করা হয়, তাকে সম্প্রদান কারক বলে। - আধুনিক বাংলা ব্যাকরণে সম্প্রদান কারক নিয়ে কিছুটা মতভেদ থাকলেও ঐতিহ্যগত ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার নিয়ম অনুযায়ী গ্রহীতাকে নিঃশর্তভাবে কিছু প্রদান করা বোঝালে সম্প্রদান কারক হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দরিদ্রকে সাহায্য কর। ব্যাখ্যা: এখানে দরিদ্রকে সাহায্য করার ক্ষেত্রে কোনো প্রতিদান বা ফেরত পাওয়ার আশা থাকে না, তাই এটি সম্প্রদান কারক। উদাহরণ ২: ভিখারিকে ভিক্ষা দাও। ব্যাখ্যা: ভিখারিকে যা দেওয়া হয় তা আর ফেরত নেওয়া হয় না, অর্থাৎ স্বত্বত্যাগ করা হয়, তাই এটি সম্প্রদান কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপাদান — অপাদান কারক হলো যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীত, রক্ষিত বা উৎপন্ন হয়। দেশের সেবায় বিচ্যুতি বা উৎপাদনের কোনো ব্যাপার নেই। B) সম্প্রদান — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানে নির্দেশিত হয়েছে। C) কর্ম — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্ম কারক বলে, কিন্তু এখানে নিঃশর্ত দানের ভাব থাকায় এটি কর্ম কারক নয়। D) করণ — যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ কারক বলে। দেশ কোনো মাধ্যম বা সাহায্যকারী যন্ত্র নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিঃশর্ত দান বা ত্যাগ বোঝাতে সম্প্রদান কারক হয়। - যাকে কিছু চিরকালের জন্য দিয়ে দেওয়া হয়, সেটাই সম্প্রদান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরীক্ষায় প্রায়ই 'অন্ধকে আলো দাও' বা 'দরিদ্রকে সাহায্য কর' বাক্যগুলো দিয়ে কারক জানতে চাওয়া হয়। - স্বত্বত্যাগের বিষয়টি মাথায় রাখলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই নির্ণয় করা যায়।
a শ্রাব্য
b শ্রুতিধর
c শ্রুতিমধুর
d শ্রুতিগ্রাহ্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শ্রুতিধর ১. কেন সঠিক: - শোনা মাত্র যার মুখস্থ হয়, তাকে এককথায় শ্রুতিধর বলা হয়। - এখানে শ্রুতি অর্থ শোনা এবং ধর অর্থ ধারণ করা, অর্থাৎ যা শুনেই মনে রাখতে পারে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত প্রশ্ন। - দীর্ঘবাক্যের অর্থকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়ম ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা পূর্বে কখনো শোনা যায়নি ব্যাখ্যা: একে এককথায় অশ্রুতপূর্ব বলা হয়। উদাহরণ ২: যা সহজে জয় করা যায় না ব্যাখ্যা: একে এককথায় দুর্জয় বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রাব্য — এর অর্থ যা শোনার যোগ্য বা শ্রবণ করার উপযুক্ত। C) শ্রুতিমধুর — এর অর্থ যা শুনতে মিষ্টি বা ভালো লাগে। D) শ্রুতিগ্রাহ্য — এর অর্থ যা শুনে কান দ্বারা গ্রহণ করা বা বোঝা যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শ্রুতি অর্থ শোনা এবং ধর অর্থ ধারণ করা, তাই যে শুনেই মনে ধরে রাখে সে শ্রুতিধর। - এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে মূল শব্দের অর্থ বিশ্লেষণ করলে উত্তর সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য সংকোচন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - শ্রবণ বা শোনা সংক্রান্ত শব্দগুলো গুলিয়ে ফেলা যাবে না, প্রতিটি শব্দের সুনির্দিষ্ট অর্থ মনে রাখতে হবে।
a মুনীর চৌধুরী
b সেলিম আল দীন
c মামুনুর রশীদ
d শওকত ওসমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুনীর চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - 'কবর' নাটকটির রচিয়তা মুনীর চৌধুরী। এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত প্রথম একক নাটক বা একাঙ্কিকা। - ১৯৫২ সালের বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে বন্দী অবস্থায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বসে তিনি এই নাটকটি রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী ছিলেন একাধারে নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক এবং ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ বুদ্ধিজীবী। ১৯২৫ সালে মানিকগঞ্জ জেলায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে আলবদরের হাতে শহীদ হন। - 'কবর' নাটকটি প্রথম মঞ্চায়িত হয় ১৯৫৩ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী অবস্থায় ভাষা আন্দোলনের প্রথম বার্ষিকী পালনের সময়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রক্তকবরী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রতীকধর্মী নাটক, যা অনেকের মনে 'কবর' নাটকের সাথে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। উদাহরণ ২: দণ্ডকারণ্য ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরীর আরেকটি অত্যন্ত পরিচিত ও প্রশংসিত নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুনীর চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বিখ্যাত 'কবর' নাটকটি রচনা করেছেন। B) সেলিম আল দীন — তিনি বাংলা নাট্যসাহিত্যের একজন প্রবাদপ্রতীম নাট্যকার হলেও 'কবর' নাটকের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত নাটকের মধ্যে রয়েছে শকুন্তলা ও কেরামত খাঁ। C) মামুনুর রশীদ — তিনি সমসাময়িক প্রখ্যাত নাট্যকার ও নির্দেশক হলেও 'কবর' নাটকটি তার লেখা নয়, তার রচিত বিখ্যাত নাটক হলো অরক্ষিত প্রান্তর। D) শওকত ওসমান — তিনি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত হলেও 'কবর' নাটকটির রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো জননী ও ক্রীতদাসের হাসি। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভাষা আন্দোলনের শহীদদের নিয়ে কারাগারে বসে লেখা প্রথম নাটক হলো 'কবর' এবং এর স্রষ্টা মুনীর চৌধুরী। - মুনীর চৌধুরীর নাম ও নাটকের নামের প্রথম অক্ষর মনে রেখে কৌশল তৈরি করতে পারো যেমন মুনীর চৌধুরীর ম এবং কবরের ক মিলে মক বা মুনীরের কবর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত নাটক বললেই মুনীর চৌধুরীর 'কবর' নাটকের কথা মাথায় রাখতে হবে।
a প্রাচীন যুগ
b আদি-মধ্যযুগ
c মধ্যযুগ
d আধুনিক যুগ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাচীন যুগ ১. কেন সঠিক: - লুইপা বাংলা সাহিত্যের প্রথম যুগ অর্থাৎ প্রাচীন যুগের সর্বপ্রধান ও প্রথম কবি হিসেবে স্বীকৃত। - চর্যাপদ আবিষ্কারের পর বাংলা ভাষার প্রথম নিদর্শন ও এর রচিয়তাদের মধ্যে লুইপাকেই প্রথম স্থান দেওয়া হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - লুইপা ছিলেন চর্যাপদের প্রবক্তা এবং তার রচিত পদ সংখ্যা হলো দুটি। - ডক্টর হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের যে পুথি আবিষ্কার করেন, তাতে লুইপার পদ সবার প্রথমে স্থান পেয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভুসুকুপা ব্যাখ্যা: ভুসুকুপাও প্রাচীন যুগের চর্যাপদের একজন অন্যতম প্রধান কবি এবং তিনি সর্বাধিক আটটি পদ রচনা করেছিলেন। উদাহরণ ২: কাহ্নপা ব্যাখ্যা: কাহ্নপা ছিলেন প্রাচীন যুগের চর্যাপদের সবচেয়ে বেশি পদ রচয়িতা কবি যিনি মোট তেরোটি পদ রচনা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাচীন যুগ — এটি সঠিক উত্তর কারণ লুইপা প্রাচীন যুগের চর্যাপদের কবি। B) আদি-মধ্যযুগ — এই অপশনটি ভুল কারণ আদি-মধ্যযুগ বলতে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য রচনার সময়কালকে বোঝায় যা লুইপার যুগের অনেক পরে। C) মধ্যযুগ — এই অপশনটি ভুল কারণ মধ্যযুগের ব্যাপ্তি চৌদ্দ শতক থেকে আঠারো শতক পর্যন্ত, যা প্রাচীন যুগের অনেক পরের সময়। D) আধুনিক যুগ — এই অপশনটি ভুল কারণ আধুনিক যুগ শুরু হয় উনিশ শতক থেকে, যা চর্যাপদ বা লুইপার সময়কাল থেকে কয়েক শতাব্দী পরে। ৫ মনে রাখার টিপস: - লুইপা নামটি শুনলেই মনে রাখবে তিনি সবার প্রথম কবি এবং তার সময়কাল হলো প্রাচীন যুগ। - চর্যাপদ মানেই প্রাচীন যুগ আর লুইপা হলেন সেই যুগের ১ নম্বর কবি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের প্রথম পদটি লুইপা রচনা করেছিলেন যার পংক্তি হলো কায় তরু বর চঞ্চল চীএ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে চর্যাপদের প্রথম কবি কে, যার সঠিক উত্তর লুইপা।
a সাপের গর্ত
b উইপোকার ঢিবি
c পাখির বাসা
d পাতাল পুরি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উইপোকার ঢিবি ১. কেন সঠিক: - বাল্মীকি শব্দের আক্ষরিক ও পৌরাণিক অর্থ উইপোকার ঢিবি। - প্রাচীন পৌরাণিক উপাখ্যান অনুযায়ী ঋষি বাল্মীকি দীর্ঘকাল কঠোর সাধনায় মগ্ন থাকার সময় তাঁর শরীর উইপোকার ঢিবি দ্বারা আবৃত হয়ে গিয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহাকবি বাল্মীকি সংস্কৃত সাহিত্যের আদি মহাকাব্য রামায়ণের রচয়িতা হিসেবে বিশ্ববিখ্যাত। - তাঁর পূর্বাশ্রমের নাম রত্নাকর ছিল এবং ডাকাত হিসেবে জীবন শুরু করলেও পরবর্তীতে তপস্যার মাধ্যমে তিনি মহর্ষিতে পরিণত হন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রত্নাকর ডাকাত তপস্যার মাধ্যমে বাল্মীকি ঋষিতে পরিণত হন। ব্যাখ্যা: উইপোকার ঢিবি বা বাল্মীকি নামের ঐতিহাসিক পৌরাণিক প্রেক্ষাপট বোঝাতে এই উদাহরণটি প্রযোজ্য। উদাহরণ ২: সংস্কৃত সাহিত্যে রামায়ণ মহাকাব্যের আদি রচয়িতা হিসেবে বাল্মীকি পরিচিত। ব্যাখ্যা: বাল্মীকি নামটি রামায়ণ রচনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত এবং এটি তাঁর সাহিত্যিক পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাপের গর্ত — এটি ভুল কারণ বাল্মীকি শব্দের অর্থ সাপের গর্ত বোঝায় না, বরং এটি উইপোকার ঢিবিকে নির্দেশ করে। B) উইপোকার ঢিবি — এটি সঠিক উত্তর এবং এর পৌরাণিক ভিত্তি রয়েছে। C) পাখির বাসা — এটি ভুল কারণ পাখির বাসার সঙ্গে বাল্মীকি শব্দের কোনো আক্ষরিক বা পৌরাণিক সম্পর্ক নেই। D) পাতাল পুরি — এটি ভুল কারণ পাতাল পুরি বলতে পাতালে অবস্থিত কোনো স্থানকে বোঝায়, যার সঙ্গে বাল্মীকি শব্দের মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাল্মীকি মানে উইপোকার ঢিবি মনে রাখতে রত্নাকরের সাধনার সময় তাঁর শরীরে উইপোকার ঢিবি জমার পৌরাণিক গল্পটি মনে রাখতে পারো। - রামায়ণের আদি কবির নাম এবং তাঁর নামের অর্থ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রামায়ণ মহাকাব্যের রচয়িতা কে এবং বাল্মীকি শব্দের অর্থ কী, এই দুটি প্রশ্ন বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার আসে। - পৌরাণিক শব্দগুলোর মূল অর্থ ও উৎস সম্পর্কে ধারণা থাকলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজে করা সম্ভব।
a শ্যামলিকা
b শ্যাম
c শ্যামলিমা
d শ্যামলী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শ্যামলী ১. কেন সঠিক: 'শ্যামল' একটি বিশেষণ পদ যার অর্থ সবুজ বা শ্যামবর্ণ। এই বিশেষণ শব্দটির ভাববাচক বিশেষ্য রূপ হলো 'শ্যামলী'। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিশেষণ পদ থেকে বিশেষ্য পদে রূপান্তর করার সময় উপযুক্ত প্রত্যয় যোগ করতে হয় এবং এই ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বিশেষ্য পদ হিসেবে 'শ্যামলী' শব্দটি গ্রহণ করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিশেষণ পদ হলো যা কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ করে। পদ পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী অনেক সময় বিশেষণ শব্দকে বিশেষ্য পদে রূপান্তর করতে হয়। 'শ্যামল' শব্দের মূল অর্থ সবুজ রং বা প্রকৃতি, যা থেকে বিশেষ্য হিসেবে 'শ্যামলী' বা 'শ্যামলিমা' গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মধুর থেকে মাধুর্য ব্যাখ্যা: মধুর হলো বিশেষণ পদ এবং এর ভাববাচক বিশেষ্য রূপ হলো মাধুর্য। উদাহরণ ২: সুন্দর থেকে সৌন্দর্য ব্যাখ্যা: সুন্দর একটি গুণবাচক বিশেষণ যা থেকে বিশেষ্য পদ সৌন্দর্য গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্যামলিকা — এটি একটি ভিন্ন শব্দ বা নাম হতে পারে কিন্তু শ্যামল শব্দের সরাসরি ব্যাকরণগত বিশেষ্য রূপ নয়। B) শ্যাম — এটি নিজেই একটি বিশেষ্য বা নাম পদ, তাই শ্যামল শব্দের বিশেষ্য হিসেবে এটি প্রযোজ্য নয়। C) শ্যামলিমা — এটিও বিশেষ্য পদ এবং এর অর্থ শ্যামলিম ভাব, তবে প্রমিত ব্যাকরণে শ্যামল শব্দের নির্দিষ্ট বিশেষ্য হিসেবে শ্যামলী বেশি প্রচলিত। D) শ্যামলী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি শ্যামল শব্দের উপযুক্ত বিশেষ্য রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দের শেষে ল বা ইমা থাকলে তা পরিবর্তন করার সময় মূল শব্দের সঙ্গে মিল রেখে বিশেষ্য রূপ নির্ণয় করতে হয়। ব্যাকরণের পদ পরিবর্তন অংশ ভালো করে অনুশীলন করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদ পরিবর্তন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই বিশেষ্য থেকে বিশেষণ এবং বিশেষণ থেকে বিশেষ্য পদ চেনার নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
a তামার বিষ
b একাদশে বৃহস্পতি
c শাপে বর
d তীর্থের কাক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শাপে বর ১. কেন সঠিক: - শাপে বর একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার অর্থ অনিষ্ট করতে গিয়ে ভালো ফল পাওয়া। - সাধারণত অভিশাপ বা ক্ষতি করার চেষ্টা করা হলে উল্টো সেখান থেকে যখন কল্যাণ বা উপকার সাধিত হয়, তখন এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - এটি বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণের শব্দার্থ ও প্রবাদ-প্রবচন অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা ভাষাটিকে আরও সমৃদ্ধ ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শত্রুর চক্রান্তে চাকরিটা হারালেও শেষ পর্যন্ত সে আরও ভালো একটা চাকরি পেয়ে গেল, এটা তার জন্য শাপে বর হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে চাকরি হারানোর মতো একটি ক্ষতিকর ঘটনা বা অনিষ্ট শেষ পর্যন্ত আরও বড় ভালো কিছু বয়ে আনার কারণে শাপে বর বাগধারাটি প্রযোজ্য হয়েছে। উদাহরণ ২: ঝড়ের কারণে আমগাছের ডাল ভেঙে যাওয়ায় বাগান পরিষ্কারের সুবিধা হলো এবং গাছটি আরও আলো পেল। ব্যাখ্যা: প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতি বা অনিষ্ট থেকে উল্টো বাগানের জন্য ভালো কিছু লাভ হওয়ার বিষয়টি এখানে প্রকাশিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামার বিষ — এই বাগধারার অর্থ কুসংসারের প্রভাব বা অর্থের কুপ্রভাব, যা প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে মেলে না। B) একাদশে বৃহস্পতি — এই বাগধারার অর্থ সৌভাগ্যের বিষয় বা সুসময়, যা অনিষ্ট করার ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) শাপে বর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ অনিষ্ট করতে গিয়ে ভালো ফল লাভ করা। D) তীর্থের কাক — এই বাগধারার অর্থ দীর্ঘ প্রতীক্ষায় থাকা ব্যক্তি, যা প্রশ্নের অর্থের বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - শাপ অর্থ অভিশাপ বা ক্ষতি এবং বর অর্থ আশীর্বাদ বা ভালো ফল। - শাপ থেকে বর পাওয়া মানেই হলো খারাপ বা ক্ষতিকর কিছু থেকে ভালো কিছু পেয়ে যাওয়া। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - বাগধারার মূল ভাবার্থ বোঝার জন্য এর উৎস ও আক্ষরিক অর্থের চেয়ে অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a মনসা মঙ্গল
b চণ্ডীমঙ্গল
c অন্নদামঙ্গল
d ধর্মমঙ্গল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চণ্ডীমঙ্গল ১. কেন সঠিক: - 'ফুলুরার বারমাস্যা' মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও আবেগপূর্ণ অংশ। - মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর রচিত 'অভ্যামঙ্গল' বা চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতু ও ফুলুরার উপাখ্যানে এই বারমাস্যা অংশটি পাওয়া যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দ্বিজ মাধব ও মুকুন্দরাম চক্রবর্তী রচিত চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ চরিত্র হলো ফুলুরা, যিনি ব্যাধ কালকেতুর স্ত্রী। - বারমাস্যা কাব্যে ফুলুরা বারো মাসের প্রাকৃতিক পরিবর্তনের সাথে তার দুঃখ ও অভাবের কষ্টের কথা অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতু ও ফুলুরার উপাখ্যান ব্যাখ্যা: এই উপাখ্যানে গরিব ব্যাধ দম্পতির সংগ্রাম ও ভাগ্যের পরিবর্তনের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মধ্যযুগের সাহিত্যে বারমাস্যা গান ব্যাখ্যা: বারমাস্যা হলো এমন একটি কাব্যরীতি যেখানে সারা বছরের বারো মাসের সুখ দুঃখের বিবরণ দেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনসা মঙ্গল — মনসা মঙ্গল কাব্যে দেবী মনসার পূজা প্রচারের কাহিনি থাকে, যেখানে ফুলুরার বারমাস্যা অনুপস্থিত। B) চণ্ডীমঙ্গল — এই অপশনটি সঠিক এবং এর কালকেতু উপাখ্যানেই ফুলুরার বারমাস্যা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। C) অন্নদামঙ্গল — অন্নদামঙ্গল কাব্যটি আঠারো শতকের রচনা এবং এর রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। D) ধর্মমঙ্গল — ধর্মমঙ্গল কাব্যে লাউসেনের বীরত্ব ও ধর্মঠাকুরের মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে, ফুলুরার কোনো স্থান নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফুলুরা চরিত্রটি কেবল চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতু উপাখ্যানের সঙ্গেই ওতপ্রোতভাবে জড়িত। - বারমাস্যা মানেই মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যে নারীদের কষ্টের ১২ মাসের নিখুঁত বর্ণনা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুকুন্দরাম চক্রবর্তীকে কবিকঙ্কণ উপাধি দেওয়া হয়েছিল। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের বিভিন্ন চরিত্র ও অংশ থেকে প্রশ্ন আসে।
a মুনীর চৌধুরী
b শামসুর রাহমান
c কাজী নজরুল ইসলাম
d জসীমউদ্দীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জসীমউদ্দীন ১. কেন সঠিক: - 'কবর' বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত প্রখ্যাত একটি কবিতা, যার রচয়িতা পল্লীকবি জসীমউদ্দীন। - কবিতাটি ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা কাব্যসাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জসীমউদ্দীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি ও ঔপন্যাসিক। - পল্লিপ্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা তাঁর সাহিত্যে অনন্য রূপ লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশী কাথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি কবি জসীমউদ্দীনের লেখা একটি জনপ্রিয় ও বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: সোজন বাদের ঘাট ব্যাখ্যা: এটিও জসীমউদ্দীনের রচিত অপর একটি বিশিষ্ট প্রণয়ধর্মী কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুনীর চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার, শিক্ষাবিদ ও শহীদ বুদ্ধিজীবী হলেও 'কবর' কবিতার রচয়িতা নন। B) শামসুর রাহমান — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই বিখ্যাত কবিতার সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি, তাঁর রচিত বিখ্যাত কবিতার মধ্যে রয়েছে বিদ্রোহী ও প্রলয়োল্লাস। D) জসীমউদ্দীন — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ তিনি 'কবর' কবিতার রচয়িতা। ৫. মনে রাখার টিপস: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের নাম শুনলেই মনে রাখবে তাঁর অমর সৃষ্টি 'কবর' কবিতাটি, যা আমাদের পাঠ্যপুস্তকে বহুল পঠিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'কবর' কবিতার রচয়িতা ও এর প্রকাশকাল প্রায়ই আসে, তাই জসীমউদ্দীনের অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নামও জেনে রাখা জরুরি।
a মানচিত্র
b বিষণ্ন নীলিমা
c সোনালি কাবিন
d রাত্রিশেষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাত্রিশেষ ১. কেন সঠিক: - রাত্রিশেষ কবি আহসান হাবীবের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ। - আধুনিক বাংলা কবিতায় নগরজীবন, নিঃসঙ্গতা ও মধ্যবিত্তের যন্ত্রণার প্রকাশ ঘটে এই ধরনের কাব্যগ্রন্থে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আহসান হাবীব বিংশ শতাব্দীর আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি ও বিশিষ্ট সাংবাদিক। - তার কাব্যগ্রন্থে মানবপ্রেম, সামাজিক বৈষম্য এবং জীবনের গভীর উপলব্ধি শিল্পসম্মতভাবে প্রকাশিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছায়াহরিণ ব্যাখ্যা: এটি আহসান হাবীবের আরেকটি অত্যন্ত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক কবিতায় বিশেষ স্থান দখল করে আছে। উদাহরণ ২: সারা দুপুর ব্যাখ্যা: এটিও কবি আহসান হাবীব রচিত একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ, যা তার কাব্যিক দক্ষতার পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানচিত্র — এটি প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক আলাউদ্দিন আল আজাদের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। B) বিষণ্ন নীলিমা — এটি কবি শহীদ কাদরী রচিত একটি আধুনিক বাংলা কাব্যগ্রন্থ। C) সোনালি কাবিন — এটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম দিকপাল কবি আল মাহমুদের একটি শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। D) রাত্রিশেষ — এটি কবি আহসান হাবীবের কাব্যগ্রন্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - আহসান হাবীবের নাম মনে রাখলে তার রাত্রিশেষ, ছায়াহরিণ ও সারা দুপুর কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম একসঙ্গে চর্চা করা উচিত। - অন্যান্য অপশনের কবিদের সঙ্গে তাদের প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলো মিলিয়ে পড়লে বিভ্রান্তি দূর হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ও তাদের কাব্যগ্রন্থের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - প্রখ্যাত কবিদের প্রথম ও প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য খুবই কার্যকর।
a গণনার ধারণা
b ব্যক্তি ও বস্তুর ধারণা
c সংখ্যার ধারণা
d একের ধারণা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংখ্যার ধারণা ১. কেন সঠিক: - বচন ব্যাকরণের এমন একটি পরিভাষা যা কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সংখ্যা নির্দেশ করে। - এর মাধ্যমে বোঝা যায় কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণী একটি না একাধিক। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ব্যাকরণে বচন শব্দের অর্থ হলো সংখ্যার ধারণা। - বাংলা ব্যাকরণে বচন দুই প্রকার, যথা একবচন ও বহুবচন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলম ব্যাখ্যা: এটি একটিমাত্র কলম বোঝাচ্ছে, তাই এটি একবচন। উদাহরণ ২: কলমগুলো ব্যাখ্যা: এটি একাধিক কলম বোঝাচ্ছে, তাই এটি বহুবচন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গণনার ধারণা — গণনা হলো সংখ্যা বের করার প্রক্রিয়া, কিন্তু বচন সরাসরি সংখ্যা নির্দেশ করে। B) ব্যক্তি ও বস্তুর ধারণা — ব্যক্তি বা বস্তুর ধারণা দেয় বিশেষ্য পদ, বচন কেবল তাদের সংখ্যা প্রকাশ করে। D) একের ধারণা — একের ধারণা কেবল একবচনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, কিন্তু বহুবচনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বচন মানেই সংখ্যা। সংখ্যা মনে রাখলেই বচন বিষয়টি সহজ হবে। - বচন শব্দটির আক্ষরিক অর্থ বা কাজ হলো গণনা বা সংখ্যা নির্দেশ করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বচনের প্রকারভেদ থেকে প্রশ্ন আসে। - বাংলা ব্যাকরণে কেবল বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের বচন ভেদ হয়।
a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b কাজী নজরুল ইসলাম
c শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: বাংলা ছোটগল্পের প্রকৃত পথপ্রদর্শক ও জনক হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনিই প্রথম বাংলা সাহিত্যে ইউরোপীয় ঢঙে আধুনিক ছোটগল্পের সূচনা করেন এবং এর শিল্পসম্মত রূপ দেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পে বাংলা গ্রামীণ জীবন, মানুষের মনস্তত্ত্ব ও সমাজচিত্র গভীরভাবে ফুটে উঠেছে। সাধনা ও সবুজপত্র পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা ছোটগল্প নতুন মাত্রা লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেনাপাওনা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামাজিক ছোটগল্প, যেখানে তৎকালীন সমাজব্যবস্থার চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: ক্ষুধিত পাষাণ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক ও অতিলৌকিক ছোটগল্প। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক ও পথপ্রদর্শক, ছোটগল্পের নন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা কবিতার বিদ্রোহী কবি ও কথাসাহিত্যিক হলেও ছোটগল্পের পথপ্রদর্শক নন। C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও ছোটগল্পের জনক নন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ছোটগল্পের পথপ্রদর্শক হিসেবে তিনিই সর্বস্বীকৃত ও সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: উপন্যাসের জনক বঙ্কিম আর ছোটগল্পের জনক রবীন্দ্রনাথ, এই জোড়টি মনে রাখলে পরীক্ষা ভুল হবে না। ছোটগল্পের ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম সবার আগে আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ছোটগল্পের সূচনাকাল ধরা হয় উনিশ শতকের শেষভাগকে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম সার্থক ছোটগল্প হলো দেনাপাওনা যা ১৮৯১ সালে প্রকাশিত হয়।
a সৎকর্ম ও মনোযোগ
b দান ও মনোযোগ
c সৎকাজ ও অজ্ঞাত
d দান ও আবেগ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সৎকর্ম ও মনোযোগ ১. কেন সঠিক: - 'অবদান' শব্দের অর্থ সৎকর্ম, কীর্তি বা ভালো কাজ, আর 'অবধান' শব্দের অর্থ মনোযোগ, নিবেশ বা অবধান করা। - উচ্চারণ ও বানানে সামান্য পার্থক্য থাকলেও শব্দ দুটির অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা, যা সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে এই শব্দগুলোকে প্রায় সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ বলা হয়, যার দেখতে কাছাকাছি হলেও অর্থ ভিন্ন। - শব্দার্থ সঠিকভাবে আয়ত্ত করতে না পারলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্নগুলোতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেশের জন্য তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। ব্যাখ্যা: এখানে 'অবদান' শব্দটি ভালো কাজ বা কীর্তি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: শিক্ষকের কথায় বিশেষ অবধান দাও। ব্যাখ্যা: এখানে 'অবধান' শব্দটি মনোযোগ বা নিবেশ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৎকর্ম ও মনোযোগ — এই অপশনটি সঠিক কারণ অবদান অর্থ সৎকর্ম এবং অবধান অর্থ মনোযোগ। B) দান ও মনোযোগ — এখানে অবদানের অর্থ দান বলা হয়েছে যা সঠিক নয়, কারণ অবদান অর্থ সৎকর্ম। C) সৎকাজ ও অজ্ঞাত — এখানে অবধানের অর্থ অজ্ঞাত বলা হয়েছে যা সঠিক নয়, কারণ অবধান অর্থ মনোযোগ। D) দান ও আবেগ — এখানে দুটি শব্দের অর্থই মূল শব্দের সঙ্গে মিলছে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - অবদানে ভালো কাজ বা সৎকর্ম প্রকাশ পায়, আর অবধানে মনে রাখা বা মনোযোগ দেওয়া বোঝায়। - বানান মনে রাখার জন্য খেয়াল রাখবে যে অবধানে যুক্ত বর্ণ নেই কিন্তু অর্থ মনোযোগ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রায় সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম মেনে শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে।
a আবুল কালাম শামসুদ্দীন
b শামসুদ্দীন আবুল কালাম
c আবুল ফজল
d আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ১. কেন সঠিক: - 'অন্য ঘরে অন্য স্বর' প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ। - লেখকের জন্ম ও মৃত্যুর সাল এবং তাঁর সাহিত্যকর্মের অনন্য শৈলী এই গ্রন্থটিকে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ পরিচিতি দিয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বিশ শতকের বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী ও পরীক্ষিত এক জাদুকরি কলম সৈনিক ছিলেন। - তাঁর গল্প ও উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজ ও শহুরে জীবনের দ্বন্দ্ব অত্যন্ত বাস্তবসম্মত ও শৈল্পিক রূপ লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খোঁয়ারি ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের অন্যতম বিখ্যাত আরেকটি গল্পগ্রন্থ যা বাংলা কথাসাহিত্যে সমাদৃত। উদাহরণ ২: চিলেকোঠার সেপাই ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক পটভূমিতে লেখা অসামান্য উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল কালাম শামসুদ্দীন — এই সাহিত্যিক প্রধানত সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক হলেও আলোচ্য গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়। B) শামসুদ্দীন আবুল কালাম — ইনি একজন ভিন্ন লেখক এবং তাঁর সাহিত্যকর্মের ধারা এই গল্পের সঙ্গে মেলে না। C) আবুল ফজল — ইনি একজন প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী ও ঔপন্যাসিক হলেও 'অন্য ঘরে অন্য স্বর' তাঁর সৃষ্টি নয়। D) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই অনবদ্য ছোটগল্প সংকলন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইলিয়াসের দুটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ মনে রাখার কৌশল হলো অন্য ঘরে অন্য স্বর শুনতে পেলে খোঁয়ারি কেটে যায়। - এভাবে লেখকের নাম ও তাঁর সাহিত্যকর্মগুলো সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের গল্পগ্রন্থ ও উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - তাঁর লেখা উপন্যাস সংখ্যা মাত্র দুটি হওয়ায় এই তথ্যটি মনে রাখা খুব সহজ।
a লক্ষণ
b মেঘনাদ
c রাবণ
d বরুণ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মেঘনাদ ১. কেন সঠিক: - 'অরিন্দম' শব্দের অর্থ হলো রিপু বা শত্রুকে দমন করেন যিনি। মাইকেল মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্য এ এই অভিধাটি বীরবাহু রাক্ষসরাজের পুত্র মেঘনাদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়েছে। - উদ্ধৃতিটি কাব্যের একটি বিশেষ নাটকীয় ও বিষাদময় মুহূর্তে উচ্চারিত হয়েছে, যা মেঘনাদের চরিত্র ও তার ভাগ্যের করুণ পরিণতিকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য রচনা করেন, যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে লিখিত এবং মোট নয়টি সর্গে বিভক্ত। - রাবণ ও মন্দোদরার পুত্র মেঘনাদ বা ইন্দ্রজিত রামচন্দ্র ও লক্ষ্মণের বিরুদ্ধে লঙ্কাপুরী রক্ষার্থে যুদ্ধ করতে গিয়ে মায়াবী কৌশলে নিহত হন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিখিল বঙ্গ সীতে, তুমি মজ্জাও লঙ্কায় ব্যাখ্যা: মেঘনাদবধ কাব্যের বিভিন্ন সর্গে বীরত্ব ও ট্র্যাজেডির প্রকাশ ঘটেছে, যেখানে লঙ্কার পতন অনিবার্য হয়ে ওঠে। উদাহরণ ২: হে রক্ষকবর, কহ দাসে লঙ্কার কুশল ব্যাখ্যা: মহাকাব্যের বিভিন্ন চরিত্রে দেশপ্রেম ও বীরত্বের অপূর্ব সংমিশ্রণ ঘটিয়েছেন কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লক্ষণ — লক্ষণ রামচন্দ্রের ভাই এবং মেঘনাদের হত্যাকারী, তাই তাকে অরিন্দম বলা হয়নি। C) রাবণ — রাবণ লঙ্কার রাজা এবং মেঘনাদের পিতা, যিনি নিজেই একজন বীর হলেও এখানে তাকে বোঝানো হয়নি। D) বরুণ — বরুণ হিন্দু পৌরাণিক দেবতা এবং জলের অধিপতি, যার সাথে এই উদ্ধৃতির কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - অরিন্দম মানে শত্রু দমনকারী এবং বাংলা সাহিত্যে এটি একমাত্র মেঘনাদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বিখ্যাত বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। - মাইকেল মধুসূদন দত্তের শ্রেষ্ঠ কীর্তি মেঘনাদবধ কাব্য মনে রাখলে এই ধরনের উদ্ধৃতি সহজেই চেনা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মেঘনাদবধ কাব্য প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে এবং এটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য। - এই ধরনের সাহিত্যিক উদ্ধৃতির ক্ষেত্রে চরিত্রের নাম ও রচয়িতা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a জ্ঞান
b আমকারা দেওয়া
c অঙ্গবিশেষ
d দিব্যি দেওয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দিব্যি দেওয়া ১. কেন সঠিক: এখানে 'মাথা খাওয়া' একটি প্রবাদপ্রতিম বাগধারা, যার অর্থ কসম দেওয়া বা দিব্যি দেওয়া। কোনো বিশেষ বিষয়ে জোর দিয়ে অনুরোধ করতে বা জোরালো তাগিদ বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি বিশেষ বাগধারা বা প্রবাদ-প্রবচন, যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। এখানে মাথা শব্দের আক্ষরিক অর্থ শরীর বা অঙ্গবিশেষ হলেও প্রয়োগের ক্ষেত্রে এটি দিব্যি বা কসম বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তোমার পা ধরি, আমার মাথা খাও, এ কথা কাউকে বলো না। ব্যাখ্যা: এখানে কাউকে জোরালোভাবে অনুরোধ করতে এবং গোপনীয়তা রক্ষা করতে দিব্যি দেওয়া অর্থে মাথা খাওয়া ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: বাবা, আমার মাথা খাও, আজ আর বাইরে যেও না। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সন্তানকে ঘরে রাখার জন্য গভীর আবেগ ও কসম বা দিব্যি দেওয়ার অর্থে মাথা খাওয়া প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্ঞান — মাথা শব্দের আক্ষরিক অর্থ বা রূপক হিসেবে জ্ঞান প্রকাশ পেলেও এই বাগধারায় তা বোঝায় না। B) আমকারা দেওয়া — এই অপশনটি প্রশ্নোক্ত বাগধারার অর্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক ও অর্থহীন। C) অঙ্গবিশেষ — এটি মাথা শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলেও বাক্যে বিশেষ অর্থে দিব্যি বোঝানো হয়েছে। D) দিব্যি দেওয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বাগধারাটি কসম বা শপথ বা দিব্যি দেওয়া অর্থেই ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মাথা খাওয়া মানে কাউকে কিছু করার জন্য খুব বেশি জোড়াজোড়ি করা বা শপথ করানো। মনে রাখবে যেখানেই অনুরোধের সাথে দিব্যি দেওয়ার ভাব থাকবে, সেটাই সঠিক উত্তর হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা প্রমিত অর্থ প্রায়ই আসে। আক্ষরিক অর্থের দিকে না গিয়ে বাগধারার প্রচলিত ভাবার্থ মুখস্থ রাখতে হবে।
a শামসুর রাহমান
b আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
c কাজী নজরুল ইসলাম
d আহসান হাবীব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত পংক্তিটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যিক উদ্ধৃতি। - এখানে মানুষের হৃদয়ের পবিত্রতা ও শ্রেষ্ঠত্ব বোঝাতে কাবার সঙ্গে হৃদয়ের তুলনা করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও আমাদের জাতীয় কবি। - তাঁর কবিতায় মানবপ্রেম, সাম্য ও দ্রোহের বাণী জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার আপনার চেয়ে যে আপন, তারে খুঁজি আপনার মনে। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতি কবিতার একটি বিখ্যাত পংক্তি যা মনের গভীরের উপলব্ধিকে প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই। ব্যাখ্যা: এটি চণ্ডীদাসের লেখা মানবধর্ম বিষয়ক একটি অমর পংক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামসুর রাহমান — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই পংক্তিটি তাঁর নয়। B) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ — ইনি বিশিষ্ট কবি ও রাজনীতিবিদ হলেও এই বিখ্যাত উদ্ধৃতিটি তাঁর রচিত নয়। C) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পংক্তিটি তাঁরই সৃষ্টি। D) আহসান হাবীব — ইনি আধুনিক যুগের বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক হলেও এই পংক্তিটি তাঁর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - হৃদয়ের চেয়ে বড় মন্দির বা কাবার কথা এলেই মনে রাখবে এটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মানবতাবাদী দর্শন। - বিদ্রোহী কবির কবিতায় যেমন দ্রোহ আছে, তেমনি নিখাদ মানবপ্রেমের এমন পংক্তিও রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিদের জনপ্রিয় পংক্তি প্রায়ই আসে। - উদ্ধৃতিমূলক প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে কবির মূল ভাব ও কবিতার বিষয়বস্তু মনে রাখা জরুরি।
a উক্ত
b প্রাচ্য
c প্রত্যয়
d লয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রত্যয় ১. কেন সঠিক: - প্রত্যয় হলো নতুন শব্দ গঠনের একটি অন্যতম প্রধান ব্যাকরণগত প্রক্রিয়া। - প্রকৃতি বা মূল শব্দের সঙ্গে নতুন শব্দ বা পদ তৈরির জন্য যে ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে প্রত্যয় বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধাতু বা প্রাতিপদিকের পরে নতুন শব্দ বা পদ গঠনের উদ্দেশ্যে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে প্রত্যয় বলে। - প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার, যথা কৃৎ প্রত্যয় এবং তদ্ধিত প্রত্যয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চল + অন্ত = চলতি ব্যাখ্যা: এটি কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ যেখানে ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ঢাকা + আই = ঢাকাই ব্যাখ্যা: এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ যেখানে শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উক্ত — এটি কোনো শব্দ গঠনের প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি বচ ধাতু বা বুধ ধাতুর উত্তর ক্ত প্রত্যয় সাধিত একটি বিশেষ শব্দ মাত্র। B) প্রাচ্য — এটি একটি শব্দ বিশেষ, যা দিক বা অঞ্চল বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি সরাসরি শব্দ গঠনের কোনো প্রক্রিয়া নয়। C) প্রত্যয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি নতুন শব্দ গঠনের একটি স্বীকৃত ব্যাকরণগত প্রক্রিয়া। D) লয় — এই শব্দটির অর্থ ধ্বংস বা বিনাশ, যা কোনো শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - নতুন শব্দ গঠনের প্রধান চারটি উপায় হলো সন্ধি, সমাস, উপসর্গ ও প্রত্যয়। - ধাতুর সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় এবং শব্দের সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দ গঠনের উপায় সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - উপসর্গ শব্দের আগে বসে এবং প্রত্যয় শব্দের পরে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে।
a শাহ্ মুহম্মদ সগীর
b হায়াৎ মামুদ
c আবদুল হাকিম
d আলাওল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আবদুল হাকিম ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত পঙক্তিটি মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি আবদুল হাকিমের বঙ্গবাণী কবিতার অংশ। - কবি এখানে নিজ মাতৃভাষার প্রতি গভীর অনুরাগ এবং বাংলা ভাষার প্রতি অবহেলাকারীদের কঠোর সমালোচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি আবদুল হাকিম সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগের পুথি সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং আরাকান রাজসভার অন্যতম কবি। - তার জন্মস্থান সন্দ্বীপের সুধারামপুর গ্রামে এবং তিনি মধ্যযুগের বাঙালি মুসলমান কবিদের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষাপ্রেমিক হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৌতূহলী হয়ে মোর কে বা কিবা জুড়ায়। ব্যাখ্যা: এটি কবি আবদুল হাকিমের অন্য একটি বিখ্যাত সাহিত্যিক পঙক্তি যা তার ভাবনার পরিচয় দেয়। উদাহরণ ২: সবে বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী। ব্যাখ্যা: মাতৃভাষার প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারীদের উদ্দেশ্যে কবি এই অমর বাণীটি উচ্চারণ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাহ্ মুহম্মদ সগীর — তিনি প্রাচীন যুগের কবি এবং তার বিখ্যাত কাব্য ইউসুফ জোলেখা, যা এই পঙক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) হায়াৎ মামুদ — তিনি আধুনিক যুগের প্রাবন্ধিক ও গবেষক, তাই সপ্তদশ শতকের এই কাব্যাংশের রচয়িতা তিনি নন। D) আলাওল — তিনি মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের শ্রেষ্ঠ কবি এবং তার বিখ্যাত রচনা পদ্মাবতী। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাংলা ভাষার প্রতি কবির ভক্তি ও বঙ্গবাণী শব্দ দেখলেই কবি আবদুল হাকিমকে মনে রাখতে হবে। - মধ্যযুগে মাতৃভাষার পক্ষে কথা বলা একমাত্র কবি ছিলেন আবদুল হাকিম। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্গবাণী কবিতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মধ্যযুগের কবিদের মধ্যে ভাষার প্রতি এমন প্রীতি কেবল আবদুল হাকিমের রচনাতেই স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
a কাব্যের নাম
b ছোটগল্প
c নাটক
d উপন্যাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাটক ১. কেন সঠিক: 'নীল-দর্পণ' একটি ঐতিহাসিক নাটক। এই নাটকটির মূল বিষয়বস্তু হলো বাংলার নীলকর সাহেবদের দ্বারা সাধারণ কৃষকদের ওপর চালিত অমানবিক নির্যাতন ও নিপীড়ন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই নাটকটির রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক ও রাজনৈতিক নাটক যার ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'সধবার একাদশী' ব্যাখ্যা: এটি দীনবন্ধু মিত্রের রচিত আরেকটি বিখ্যাত সামাজিক প্রহসনমূলক নাটক। উদাহরণ ২: 'বিয়ে পাগলা বুড়ো' ব্যাখ্যা: এটিও দীনবন্ধু মিত্রের রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সমাজসংস্কারমূলক প্রবাসীর নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্যের নাম — 'নীল-দর্পণ' কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি গদ্যে রচিত একটি নাটক। B) ছোটগল্প — এটি কোনো কাল্পনিক বা বাস্তব ছোটগল্প নয়, এটি দীর্ঘ কলেবরের একটি নাটক। D) উপন্যাস — যদিও এর পটভূমি বিশাল এবং উপন্যাসধর্মী, তবুও এটি সংলাপভিত্তিক একটি পূর্ণাঙ্গ নাটক। ৫ মনে রাখার টিপস: দীনবন্ধু মিত্রের নাটক মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে তিনি নীলকরদের অত্যাচার দর্পণের মতো পরিষ্কার করে নাটকে দেখিয়েছেন। তাই 'নীল-দর্পণ' একটি বিখ্যাত নাটক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে 'নীল-দর্পণ' নাটকের রচয়িতা কে কিংবা এটি কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম। নাটকের ক্ষেত্রে চরিত্র ও প্রকাশসাল মনে রাখা জরুরি।
a সংযোজক অব্যয়
b পদান্বয়ী অব্যয়
c অনুকার অব্যয়
d অনন্বয়ী অব্যয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনুকার অব্যয় ১. কেন সঠিক: - কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক ধ্বনির অনুকরণে যে অব্যয় গঠিত হয়, তাকে অনুকার অব্যয় বা ধনাত্মক অব্যয় বলে। - 'টাপুর টুপুর' শব্দযুগল বৃষ্টির পতনের শব্দকে নির্দেশ করে, যা একটি ধ্বনির অনুকরণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে অব্যয় শব্দ কোনো বাস্তব বা কাল্পনিক ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয়ে বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তাকে অনুকার অব্যয় বলা হয়। - এই শব্দগুলো সাধারণত বিশেষণের কাজ করে এবং বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঝিরঝির করে বৃষ্টি পড়ছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'ঝিরঝির' শব্দটি বৃষ্টির মৃদু শব্দের অনুকরণে গঠিত অনুকার অব্যয়। উদাহরণ ২: ঘেউ ঘেউ করে কুকুর ডাকছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'ঘেউ ঘেউ' শব্দটি কুকুরের আওয়াজের অনুকরণে গঠিত অনুকার অব্যয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংযোজক অব্যয় — এটি দুটি পদ বা বাক্যকে যুক্ত করে, কিন্তু 'টাপুর টুপুর' শব্দ দুটিকে যুক্ত করেনি। B) পদান্বয়ী অব্যয় — এটি বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে কারক বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) অনুকার অব্যয় — এটি সঠিক কারণ এটি ধ্বনির অনুকরণ বোঝায়। D) অনন্বয়ী অব্যয় — এটি মনের ভাব বা আবেগ প্রকাশ করে, কিন্তু 'টাপুর টুপুর' কোনো আবেগ প্রকাশ করছে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দ যদি আওয়াজ বা ধ্বনি বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে অনুকার অব্যয় বা ধনাত্মক অব্যয় দাগিয়ে দেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বন্যাত্মক বা অনুকার অব্যয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের অর্থ ও ব্যবহারের প্রকৃতি দেখে এটি সহজে চেনা যায়।
a বন্ধনী
b উদ্ধারণ চিহ্ন
c বিস্ময়সূচক
d প্রশ্নবোধক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিস্ময়সূচক ১. কেন সঠিক: - হৃদয়া বেগ বা আবেগ প্রকাশে বিস্ময়সূচক চিহ্ন ব্যবহৃত হয়। - মানুষের মনের আনন্দ, বেদনা, ঘৃণা, ভয় ও বিস্ময় প্রকাশ করতে এই চিহ্ন বসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মনের নানা ভাব বা আবেগ প্রকাশ করার জন্য বাক্যের শেষে বা কখনো পদের পরে বিস্ময়সূচক চিহ্ন (! ব্যবহার করা হয়। - একে আবেগবাচক বা বিস্ময়চিহ্নও বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঃ! কী সুন্দর পাখি। ব্যাখ্যা: এখানে মনের আনন্দ প্রকাশ করতে বিস্ময়সূচক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ছিঃ! এ তুমি কী করলে। ব্যাখ্যা: এখানে ঘৃণা বা লজ্জা প্রকাশের আবেগ বোঝাতে বিস্ময়সূচক চিহ্ন বসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বন্ধনী — এটি মূলত কোনো শব্দ বা বাক্যাংশকে আলাদা করতে বা অতিরিক্ত তথ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) উদ্ধারণ চিহ্ন — এটি কোনো প্রবচন, উক্তি বা বিশেষ শব্দকে চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। C) বিস্ময়সূচক — এটি সঠিক কারণ আবেগ বা হৃদয়া বেগ প্রকাশে এটি ব্যবহার করা হয়। D) প্রশ্নবোধক — এটি কোনো কিছু জানতে চাওয়া বা প্রশ্ন করার বাক্যের শেষে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনের আবেগ যেমন খুশি, দুঃখ, ভয় বা অবাক হওয়া বোঝালেই বিস্ময়সূচক চিহ্ন ব্যবহার করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্নের ব্যবহার থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কোন চিহ্নের কী কাজ তা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে সহজেই নম্বর পাওয়া সম্ভব।
a মেজর (অব:) রফিকুল ইসলাম
b লে-কর্নেল (অব:) সাজ্জাদ জহীর
c মঈদুল ইসলাম
d এম আর আখতার মুকুল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) এম আর আখতার মুকুল ১. কেন সঠিক: - 'আমি বিজয় দেখেছি' গ্রন্থটির রচয়িতা বিশিষ্ট সাংবাদিক ও গবেষক এম আর আখতার মুকুল। - ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এই গ্রন্থটিতে লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রামাণিক দলিল তুলে ধরা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এম আর আখতার মুকুল একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক, লেখক ও বুদ্ধিজীবী যিনি মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদান রাখেন। - তার রচিত সবচেয়ে বিখ্যাত গ্রন্থ হলো 'সৈনিক থেকে সাংবাদিক' এবং 'আমি বিজয় দেখেছি'। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা কত দূর ব্যাখ্যা: এটি এম আর আখতার মুকুল রচিত আরেকটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ও ভ্রমণবিষয়ক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: মুজিবনগর ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসভিত্তিক এই গ্রন্থটির লেখকও এম আর আখতার মুকুল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেজর (অব:) রফিকুল ইসলাম — এই লেখক 'লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে' গ্রন্থের রচয়িতা, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ। B) লে-কর্নেল (অব:) সাজ্জাদ জহীর — তিনি একজন বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও গবেষক যিনি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে একাধিক গ্রন্থ লিখেছেন। C) মঈদুল ইসলাম — ইনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও ইতিহাস বিষয়ক অন্য কোনো গ্রন্থের সঙ্গে যুক্ত, তবে এই গ্রন্থের লেখক নন। D) এম আর আখতার মুকুল — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি স্বয়ং 'আমি বিজয় দেখেছি' গ্রন্থটি রচনা করেছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিজয় দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল মুকুল ভাইয়ের, তাই 'আমি বিজয় দেখেছি' গ্রন্থের লেখক এম আর আখতার মুকুল। - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ মনে রাখার জন্য লেখকের নামের সঙ্গে রচনার বিষয় মিলিয়ে নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ ও লেখকের নাম প্রায়ই আসে। - এম আর আখতার মুকুল রচিত গ্রন্থসমূহ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রশ্ন সহজেই কমন পাওয়া যায়।
a মানুষ
b আলোছায়া
c গরীবের ক্ষেত্র
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয় ১. কেন সঠিক: ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত বিখ্যাত নাটক হলো মুনীর চৌধুরীর কবর অথবা ইব্রাহিম খলিলের রক্তঋণ। প্রদত্ত অপশনগুলোতে ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে লেখা কোনো নাটক নেই, তাই সঠিক উত্তর হবে কোনটিই নয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মুনীর চৌধুরী কারাগারে বন্দि থাকা অবস্থায় ১৯৫৩ সালে কবর নাটকটি রচনা করেন যা ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা প্রথম নাটক। ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটকগুলো বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন ও জাতীয় চেতনার উন্মেষ ঘটাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কবর ব্যাখ্যা: মুনীর চৌধুরী রচিত কবর নাটকটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত প্রথম ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাটক। উদাহরণ ২: ফেরারী ফৌজ ব্যাখ্যা: এটি ইব্রাহিম খলিল রচিত ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানুষ — এটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে লেখা কোনো নাটক নয়, এটি মূলত কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ। B) আলোছায়া — এটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত নাটক নয়, এটি একটি ভিন্ন বিষয়ের সাহিত্যকর্ম। C) গরীবের ক্ষেত্র — এটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে লেখা কোনো নাটক বা সাহিত্যকর্ম হিসেবে স্বীকৃত নয়। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর কারণ ওপরের কোনো অপশনই ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটের নাটক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের নাটকের কথা মনে রাখতে মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকের নাম সবার আগে স্মরণ করবে। পরীক্ষার হলে অপশন মিল না পেলে সঠিক উত্তর কোনটিই নয় নির্বাচন করতে ভয় পাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভাষা আন্দোলনের প্রথম নাটক কোনটি এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। উত্তর হবে মুনীর চৌধুরীর কবর এবং এটি কারাগারে বসে লেখা হয়েছিল।
a বিধায়ক ভট্টাচার্য
b বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
c সুবোধ ঘোষ
d প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'বনফুল' হলো প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম। - তিনি বাংলা সাহিত্যে মূলত ছোটগল্পকার হিসেবে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট ছোটগল্পকার, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার। - তাঁর সাহিত্যকর্মে বিজ্ঞানভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং মানবজীবনের গভীর উপলব্ধির অপূর্ব প্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনফুলের বিখ্যাত ছোটগল্প 'মঞ্জরী মণি'। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প যা বাংলা সাহিত্যে ব্যাপকভাবে সমাদৃত। উদাহরণ ২: বনফুলের রচিত উপন্যাস 'হৈমবর্তী'। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে লেখকের সুনিপুণ চরিত্র বিশ্লেষণ ও সমাজভাবনার পরিচয় পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিধায়ক ভট্টাচার্য — ইনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার হলেও 'বনফুল' তাঁর ছদ্মনাম নয়। B) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়েরই ছদ্মনাম। C) সুবোধ ঘোষ — ইনি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হলেও 'বনফুল' ছদ্মনামে লেখেননি। D) প্রমথ চৌধুরী — ইনি 'বীরবল' ছদ্মনামে প্রবন্ধ ও গদ্য রচনা করতেন, বনফুল নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - বনফুল বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় মনে রাখতে ব এবং ব বর্ণ দুটি মিলিয়ে নিতে পারো। - ছদ্মনামের ক্ষেত্রে বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় মানেই বনফুল এটি বারবার চর্চা করলে সহজে মনে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখক ও তাঁদের ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম ব্যবহারের ইতিহাস ও প্রখ্যাত লেখকদের ছদ্মনাম ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।

মোট প্রশ্ন (25)

a thank
b graceful
c condemn
d rebuke
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) thank কেন সঠিক: - 'blame' শব্দের অর্থ নিন্দা করা বা দোষারোপ করা, যার বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ধন্যবাদ জানানো বা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা অর্থ বোঝাতে 'thank' ব্যবহৃত হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইতিবাচক ও নেতিবাচক অর্থের শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এটি একটি প্রচলিত নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) thank — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি blame শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) graceful — এর অর্থ নান্দনিক বা মনোমুগ্ধকর, যা blame শব্দের বিপরীত নয়। C) condemn — এর অর্থ নিন্দা করা, যা blame শব্দের সমার্থক বা সমার্থক ভাব প্রকাশ করে। D) rebuke — এর অর্থ তিরস্কার করা, যা blame শব্দের একটি সমার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: দোষারোপ করার বিপরীত কাজ হলো কাউকে ধন্যবাদ দেওয়া বা কৃতজ্ঞতা জানানো।
a crisis
b criteria
c datum
d syllabus
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) criteria কেন সঠিক: - ইংরেজি ভাষা ও ব্যাকরণে লাতিন বা গ্রিক উৎস থেকে আসা অনেক শব্দের বহুবচন গঠনে প্রচলিত নিয়ম অনুসরণ করা হয় না। - criterion শব্দের গ্রিক বহুবচন রূপ হলো criteria, যার শেষে a যুক্ত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) crisis — এটি একটি একবচন শব্দ, যার বহুবচন রূপ হলো crises এবং এর শেষে es থাকে। B) criteria — এটি নিজেই একটি সঠিক বহুবচন শব্দ, যার একবচন রূপ হলো criterion। C) datum — এটি একটি একবচন শব্দ, যার বহুবচন রূপ হলো data। D) syllabus — এটি একটি একবচন শব্দ, যার বহুবচন রূপ হলো syllabi বা syllabuses। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে on থাকলে তা উঠিয়ে a বসালে সাধারণত গ্রিক শব্দের বহুবচন হয়, যেমন criterion থেকে criteria।
a for
b by
c over
d in
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) in কেন সঠিক: - তাড়াহুড়ো বা দ্রুত কোনো কাজ সম্পন্ন বোঝাতে 'in haste' একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রিপজিশনাল ফ্রেজ বা বাগধারা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - এখানে 'in haste' অর্থ দ্রুততার সাথে বা তাড়াহুড়োতে, যা বাক্যের অর্থের সাথে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — প্রিপজিশনটি এখানে উদ্দেশ্য বা কারণ প্রকাশ করতে বসে না এবং 'for haste' কোনো প্রচলিত বা সঠিক ফ্রেজ নয়। B) by — প্রিপজিশনটি সাধারণত মাধ্যম বা উপায় বোঝাতে বসে, তবে 'by haste' ইংরেজী ব্যাকরণে গ্রহণযোগ্য বা প্রচলিত ব্যবহার নয়। C) over — প্রিপজিশনটি সাধারণত উপরে বা কোনো কিছুর ওপর অধিকার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানের জন্য সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। D) in — এটি সঠিক অপশন কারণ 'in haste' একটি নির্দিষ্ট এবং পরীক্ষিত ফ্রেজ যা দ্রুততা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: তাড়াহুড়ো করে কোনো কাজ করা বোঝাতে সবসময় 'in haste' ফ্রেজটি ব্যবহার করতে হয়, এটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
a to
b under
c over
d through
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) through কেন সঠিক: - কোনো নির্দিষ্ট সীমানা, বন, জঙ্গল বা গ্রামের ভেতর দিয়ে কোনো পথ চলে গেলে preposition হিসেবে through ব্যবহৃত হয়। - এখানে গ্রামের ভেতর দিয়ে রাস্তাটি চলে যাওয়ার অর্থ প্রকাশ করায় through সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — কোনো নির্দিষ্ট দিকে বা গন্তব্যের দিকে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়, যা গ্রামের ভেতর দিয়ে চলাচলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) under — কোনো কিছুর নিচে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়, যা রাস্তার ক্ষেত্রে গ্রামের নিচে বোঝাতে অর্থহীন। C) over — কোনো কিছুর ওপর দিয়ে স্পর্শ না করে বা উঁচুতে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা রাস্তার ক্ষেত্রে সঠিক নয়। D) through — গ্রামের ভেতর দিয়ে যাওয়া অর্থ প্রকাশ করায় এটি এই বাক্যের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: বনের ভেতর, জঙ্গলের ভেতর বা গ্রামের ভেতর দিয়ে চলাচল বোঝালে সাধারণত through preposition ব্যবহার করতে হয়।
a were
b was
c would have been
d is
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) were কেন সঠিক: - as if বা as though যুক্ত বাক্যের প্রথমাংশ প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স হলে দ্বিতীয় অংশ পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হয়। - বি ভার্বের ক্ষেত্রে সাবজেক্ট সিঙ্গুলার বা প্লুরাল যাই হোক না কেন, সব ক্ষেত্রে were বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) were — সঠিক উত্তর কারণ এটি সাবজেক্টিভ মুড এবং কাল্পনিক অবস্থা প্রকাশ করে। B) was — ভুল কারণ as though এর পরে সাবজেক্টিভ মুড হিসেবে Singular সাবজেক্টের সাথেও were বসে। C) would have been — ভুল কারণ এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের ক্ষেত্রে as though এর পরের অংশে বসে। D) is — ভুল কারণ বাক্যের প্রথমাংশ প্রেজেন্ট টেন্স হলেও কাল্পনিক বা অবাস্তব অর্থ প্রকাশ করায় পাস্ট টেন্সের were ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: As though বা as if এর পরে কাল্পনিক অর্থ প্রকাশ করতে সর্বদা were ব্যবহার করবে, was কখনো হয় না।
a of
b to
c from
d at
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to কেন সঠিক: - Exception শব্দের পর সাধারণত উপযুক্ত preposition হিসেবে to বসে। - Exception to this rule নিয়মটি একটি নির্দিষ্ট ইংরেজি ব্যবহার বা fixed preposition-এর অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — Exception শব্দের পর অব হিসেবে অব বসে না, তাই এটি ভুল। B) to — এটি সঠিক কারণ exception শব্দের সঙ্গে প্রিপজিশন হিসেবে সাধারণত to ব্যবহৃত হয়। C) from — Exception শব্দের পর from সাধারণত বসে না, তাই এটি অনুপযুক্ত। D) at — এই নিয়মের ক্ষেত্রে at প্রিপজিশন ব্যবহার করার কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: Exception শব্দের সঙ্গে সব সময় to বসে, এটি মনে রাখতে Exception to this rule বাক্যটি বারবার চর্চা করতে পারো।
a Bourocrate
b Bureaucrat
c Bureaucrat
d Burucrat
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Bureaucrat কেন সঠিক: - বানানটির সঠিক গঠন হলো Bureaucrat যার অর্থ আমলা। - এটি ফরাসি শব্দ ব্যুরো এবং গ্রিক শব্দ ক্রাটোস এর মিলিত রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bourocrate — বানানটিতে ভুল অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে এবং ফরাসি বানানরীতি ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। B) Bureaucrat — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত ইংরেজি অভিধানসম্মত রূপ। C) Bureaucrat — এটি সঠিক বানান এবং মূল প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) Burucrat — বানানের প্রথম অংশে ই অক্ষরটি বাদ পড়েছে এবং মাঝের অংশ ভুল। মনে রাখার টিপস: Bureau বানানটি মনে রেখে শেষে crat যোগ করলে সহজে Bureaucrat বানানটি লেখা যায়।
a lunch
b juice
c broth
d food
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) broth কেন সঠিক: - প্রবাদবাক্যটির সঠিক রূপ হলো Too many cooks spoil the broth, যার অর্থ অতিরিক্ত মানুষের হস্তক্ষেপে কোনো ভালো কাজ নষ্ট হয়ে যায়। - এখানে broth বলতে ঝোল বা স্যুপ জাতীয় খাবার বোঝানো হয়েছে, যা প্রবাদের নির্দিষ্ট শব্দবিন্যাস অনুযায়ী অপরিবর্তনীয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) lunch — এটি প্রবাদের নির্দিষ্ট শব্দ নয় এবং এর অর্থ দুপুরের খাবার, যা এই প্রবাদে ব্যবহার হয় না। B) juice — এটি ফলের রস বোঝায় এবং ঐতিহ্যগত ইংরেজি প্রবাদের কাঠামোর সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। C) broth — এটি এই প্রবাদের নির্ধারিত ও সঠিক শব্দ, তাই এটি এখানে ভুল নয় বরং সঠিক উত্তর। D) food — এটি সাধারণ অর্থে খাবার বোঝালেও প্রবাদের নির্দিষ্ট প্রমিত শব্দ হিসেবে এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: রান্নাঘরে রাধুনী বেশি হলে যেমন স্যুপ নষ্ট হয়, তেমনি প্রবাদে cooks শব্দের সঙ্গে সর্বদা broth শব্দটি মনে রাখবে।
a It is easy to say rather doing difficult
b Easier said than done.
c It is easy saying but difficult doing
d Easier said than doing
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Easier said than done. কেন সঠিক: - এটি একটি বহুল প্রচলিত ইংরেজি প্রবাদ যার ভাবানুবাদ হলো বলা সহজ কিন্তু করা কঠিন। - প্রবাদের ক্ষেত্রে ব্যাকরণের কাঠামোগত নিয়মের চেয়ে প্রচলিত রূপটিই প্রামাণ্য হিসেবে গৃহীত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is easy to say rather doing difficult — বাক্যটিতে শব্দের ব্যবহার ও গঠন ভুল এবং এটি সঠিক প্রবাদ নয়। B) Easier said than done. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্রবাদের আদর্শ রূপ। C) It is easy saying but difficult doing — এই গঠনটি প্রবাদের স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য ইংরেজি রূপ নয়। D) Easier said than doing — এখানে তুলনামূলক কাঠামোর সঠিক মিল নেই তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বলা সহজ কিন্তু করা কঠিন এর ইংরেজি প্রবাদটি মুখস্থ রাখতে হবে Easier said than done.
a adverb
b adjective
c noun
d verb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) adjective কেন সঠিক: - Noun-এর সঙ্গে ly যুক্ত হলে তা সাধারণত adjective হয়, যেমন friend-এর সঙ্গে ly যুক্ত হয়ে friendly হয়েছে। - Friendly শব্দটি কোনো Noun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে Noun-কে বিশেষিত করে, তাই এটি adjective। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — Adverb হতে হলে সাধারণত Adjective বা Verb-কে বিশেষিত করতে হয়, কিন্তু friendly মূলত Noun-কে বিশেষিত করে। B) adjective — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক এবং এর স্বপক্ষে ব্যাকরণগত যথাযথ যুক্তি বিদ্যমান। C) noun — Noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু friendly কোনো নাম বোঝায় না বরং বৈশিষ্ট্য বোঝায়। D) verb — Verb হলো কোনো কাজের নাম বা কাজ করা বোঝায়, কিন্তু friendly দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: Noun যোগ ly সমান Adjective এবং Adjective যোগ ly সমান Adverb, এই নিয়মটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়।
a William Wordsworth
b John Keats
c S. T. Coleridge
d P. B. Shelley
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) P. B. Shelley কেন সঠিক: - ওজিম্যান্ডিয়াস বিখ্যাত রোমান্টিক কবি পার্সি বিশ শেলি রচিত একটি অনবদ্য সনেট। - এই কবিতার মূল থিম হলো ক্ষমতার অহংকার এবং সময়ের কাছে মানুষের সৃষ্টির নিস্ফলতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের প্রকৃতিবাদী কবি হলেও এই কবিতার রচয়িতা নন। B) John Keats — তিনি রোমান্টিক যুগের অপরূপ সৌন্দর্যের কবি, ওজিম্যান্ডিয়াস তার লেখা নয়। C) S. T. Coleridge — তিনি রোমান্টিক যুগের বিখ্যাত কবি ও সমালোচক, যার বিখ্যাত কবিতা রাইম অফ দ্য এনশিয়েন্ট ম্যারিনার। D) P. B. Shelley — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি এই বিখ্যাত সনেটের রচয়িতা। মনে রাখার টিপস: শেলি মানেই শেল বা রাজত্ব সব একদিন বিলীন হয়ে যায়, তাই ওজিম্যান্ডিয়াস কবিতার রাজা রেমাসেসের ভাস্কর্য ধ্বংসের সাথে শেলির নাম মনে রাখুন।
a bitter
b bitterly
c too bitter
d so bitter
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) bitter কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে subject হলো It এবং be verb-এর পর শূন্যস্থান রয়েছে, যার পরে cold noun বা adjectival use হিসেবে বসেছে। - এখানে weather বা ঋতুর তীব্রতা প্রকাশ করতে 'bitter cold' একটি বহুল ব্যবহৃত idiomatic collocation বা adjective-noun combination হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bitter — এটি সঠিক উত্তর কারণ তীব্র শীত বা আবহাওয়া বোঝাতে bitter cold ব্যবহৃত হয়। B) bitterly — এটি একটি adverb, যা এখানে সরাসরি noun-এর পূর্বে বসে modify করতে পারে না, তবে bitterly cold হলে সঠিক হতো। C) too bitter — too এর অর্থ অত্যন্ত নেতিবাচক যা এখানে অর্থকে অস্পষ্ট করে এবং cold এখানে noun হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে বেমানান। D) so bitter — so এর পর সাধারণত that clause বা পরিমাপবাচক অতিরিক্ত তথ্য থাকে, যা এই বাক্যের গঠনে অনুপস্থিত। মনে রাখার টিপস: অত্যন্ত তীব্র শীত বা ঠান্ডা বোঝাতে 'bitter cold' ফ্রেজটি মনে রাখবে।
a a one-thousand words paper.
b an one-thousand-words paper.
c an one-thousand-word paper
d a one-thousand-word paper.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a one-thousand-word paper. কেন সঠিক: - সংখ্যাবাচক শব্দ ও নাউন মিলে যখন একটি Compound Adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তখন নাউনটি সর্বদা একবচন বা Singular হয়। - One-thousand এবং word মিলে paper নাউনকে modify করেছে, তাই word-এর সাথে s যুক্ত হবে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a one-thousand words paper. — এখানে Compound Adjective-এর ভেতরের নাউন 'words' বহুবচন করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) an one-thousand-words paper. — 'one' শব্দের উচ্চারণ 'ওয়া'-এর মতো হওয়ায় এর পূর্বে 'an' বসেনি এবং 'words' বহুবচন রাখা হয়েছে। C) an one-thousand-word paper — উচ্চারণ 'ওয়া' হওয়ায় এখানে ভুলভাবে 'an' আর্টিকেল ব্যবহার করা হয়েছে। D) a one-thousand-word paper. — এটি সঠিক অপশন এবং এতে আর্টিকেল ও Compound Adjective-এর নিয়ম সঠিকভাবে মানা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: হাইফেনযুক্ত Compound Adjective-এর ভেতরের নাউনটি সবসময় একবচন হয় এবং উচ্চারণ 'ওয়া' হলে তার আগে a বসে।
a William Shakespeare
b Oscar Wilde
c George Bernard Shaw
d Sir William S. Gilbert
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) George Bernard Shaw কেন সঠিক: - জর্জ বার্নার্ড শ আধুনিক ইংরেজি নাট্যসাহিত্যের প্রাণপুরুষ এবং সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী বিশ্বখ্যাত নাট্যকার। - তার নাটকগুলোতে সামাজিক সমস্যা ও বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনার প্রাধান্য রয়েছে, যা তাকে আধুনিক যুগের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Shakespeare — তিনি এলিজাবেথান যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার এবং কবি, আধুনিক যুগের নন। B) Oscar Wilde — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের শেষের দিকের একজন জনপ্রিয় নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক, তবে আধুনিক যুগের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার নন। C) George Bernard Shaw — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Sir William S. Gilbert — তিনি উনবিচল্বী শতকের শেষের দিকের বিখ্যাত অপেরা নাট্যকার, আধুনিক যুগের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার নন। মনে রাখার টিপস: আধুনিক নাটকের কথা মনে এলেই জর্জ বার্নার্ড শ এর নাম সবার আগে আসে।
a At 7 o'clock they are going locked the gate.
b The gate at 7 o'clock be locked by them.
c The gate is to going locked by them at 7 o'clock.
d The gate is going to be locked at 7 o'clock
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The gate is going to be locked at 7 o'clock কেন সঠিক: - Present Continuous Tense-এর 'going to' যুক্ত Active Voice-কে Passive করার গঠন হলো Subject + am/is/are + going to be + Verb-এর Past Participle রূপ। - এখানে মূল বাক্যের Object 'the gate' Passive করার সময় Subject হয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী 'is going to be locked' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) At 7 o'clock they are going locked the gate. — এখানে 'going' এর পর সরাসরি Past Participle ব্যবহার করা হয়েছে, যা সঠিক Passive গঠন নয়। B) The gate at 7 o'clock be locked by them. — এখানে প্রয়োজনীয় auxiliary verb এবং 'going to' বাদ দেওয়া হয়েছে, ফলে বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) The gate is to going locked by them at 7 o'clock. — এখানে 'to' এর পর সরাসরি 'going' এবং তারপর 'locked' ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল গঠন। D) The gate is going to be locked at 7 o'clock — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এতে 'going to be' এর পর মূল Verb-এর Past Participle সঠিক নিয়মে আছে। মনে রাখার টিপস: 'is/am/are going to' যুক্ত Active Voice-কে Passive করার সময় Subject-এর পর 'is/am/are going to be' বসিয়ে মূল Verb-এর Past Participle করতে হয়।
a heighten
b higher
c heist
d heifer
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) heighten কেন সঠিক: - 'height' হলো একটি নাউন (Noun) এবং এর ভার্ব বা ক্রিয়া রূপ হলো 'heighten'। - সাধারণত শব্দের শেষে '-en' যুক্ত করে অনেক নাউন বা অ্যাডজেক্টিভ থেকে ভার্ব গঠন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) heighten — এটি সঠিক কারণ এটি 'height' শব্দের সঠিক ভার্ব রূপ। B) higher — এটি 'high' শব্দের কম্পারেটিভ ডিগ্রি বা অ্যাডজেক্টিভ, ভার্ব নয়। C) heist — এটি একটি ভিন্ন নাউন যার অর্থ চুরি বা ডাকাতি। D) heifer — এটি একটি বিশেষ্য যার অর্থ প্রজননক্ষম নয় এমন তরুণী গাভী। মনে রাখার টিপস: শব্দটির শেষে '-en' যোগ করে নাউন থেকে ভার্ব তৈরির নিয়মটি মনে রাখতে পারেন।
a for example
b not sure
c next page
d mark well
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) mark well কেন সঠিক: - 'Nota Bene' একটি লাতিন শব্দগুচ্ছ, যার ইংরেজি অর্থ হলো 'note well' বা ভালোভাবে লক্ষ করা। - কোনো লেখার বা বইয়ের বিশেষ কোনো গুরুত্বপূর্ণ অংশে পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য সংক্ষেপে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for example — এই অর্থ প্রকাশের জন্য লাতিন শব্দ সংসংক্ষেপ 'e.g.' ব্যবহার করা হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) not sure — এর অর্থ অনিশ্চিত, যা 'Nota Bene' শব্দগুচ্ছের নির্দিষ্ট সতর্কবার্তা বা গুরুত্ব প্রদানের অর্থের সাথে মেলে না। C) next page — পরবর্তী পৃষ্ঠা বোঝাতে সাধারণত 'following page' বা সংক্ষেপে 'foll.' ব্যবহার করা হয়। D) mark well — এটি 'Nota Bene' এর সঠিক সমার্থক ইংরেজি অর্থ, যা কোনো বিষয়ে বিশেষভাবে নজর দিতে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: Nota শব্দের সাথে Note শব্দের মিল আছে এবং Bene মানে ভালো, তাই Note well বা ভালোভাবে লক্ষ করা মনে রাখা সহজ।
a metaphor
b personification
c rhyme
d simile
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) simile কেন সঠিক: - বাক্যে 'like' শব্দ ব্যবহার করে ইয়ুথ বা যৌবনকে সামার মর্ন বা গ্রীষ্মকালের সকালের সঙ্গে সরাসরি তুলনা করা হয়েছে। - দুটি ভিন্ন বস্তুর মধ্যে তুলনা বোঝাতে 'like' বা 'as' ব্যবহার করা হলে তাকে সিমিলি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) metaphor — রূপক বা অভিন্ন তুলনা বোঝায়, যেখানে 'like' বা 'as' ব্যবহার না করে সরাসরি তুলনা করা হয়। B) personification — কোনো নির্জীব বস্তু বা ধারণার ওপর মানুষের গুণ বা মানবীয় বৈশিষ্ট্য আরোপ করাকে বোঝায়। C) rhyme — এটি কবিতার চরণের শেষে শব্দের মিল বা ধ্বনিসামঞ্জস্য বোঝায়, কোনো অলংকার বা তুলনা নয়। D) simile — প্রদত্ত বাক্যে 'like' দ্বারা তুলনা করায় এটি সিমিলির সঠিক উদাহরণ হিসেবে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বাক্যে তুলনা করার সময় 'like' বা 'as' থাকলে চোখ বন্ধ করে সিমিলি বা simile দাগাবে।
a I insist that he go there
b I insisted that he go there
c I insist that he will go there
d I insist that he should go there
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I insist that he will go there কেন সঠিক: - Insist, demand, order, recommend ইত্যাদি Subjunctive verb-এর পর that-যুক্ত clause-এ verb-এর base form বসে অথবা should বসে। - C অপশনে will ব্যবহার করা হয়েছে যা Subjunctive mood-এর নিয়মের সঙ্গে অসংগত এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I insist that he go there — এটি সঠিক কারণ insist-এর পর that-clause-এ verb-এর base form (go) ব্যবহৃত হয়েছে। B) I insisted that he go there — এটি সঠিক কারণ মূল verb past tense হলেও that-clause-এ verb-এর base form বসে। C) I insist that he will go there — এটি ভুল কারণ Subjunctive verb-এর নিয়মে that-clause-এ will ব্যবহার করা যায় না। D) I insist that he should go there — এটি সঠিক কারণ insist-এর পর that-clause-এ should ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে বৈধ। মনে রাখার টিপস: Insist দেখার পর that-clause-এ will বা would না রেখে সরাসরি base form অথবা should ব্যবহার করবে।
a John Milton
b Virgil
c Plato
d Homer
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Homer কেন সঠিক: - ইলিয়াড হলো প্রাচীন গ্রিক সাহিত্যের একটি মহাকাব্য যার রচয়িতা অন্ধ কবি হোমার। - ট্রয় যুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে রচিত এই মহাকাব্যটি বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন ও মূল্যবান সম্পদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) John Milton — তিনি সপ্তদশ শতকের একজন বিখ্যাত ইংরেজ কবি, যিনি প্যারাডাইস লস্ট মহাকাব্য রচনা করেছেন। B) Virgil — তিনি প্রাচীন রোমের একজন বিখ্যাত কবি, যিনি এইনিয়ড মহাকাব্য রচনা করেছিলেন। C) Plato — তিনি প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, কোনো মহাকাব্যের রচয়িতা নন। D) Homer — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ইলিয়াড এবং ওডিসির মতো বিখ্যাত মহাকাব্যের রচয়িতা। মনে রাখার টিপস: হোমার মানেই মহাকাব্যের ঘর, তার দুই বিখ্যাত সৃষ্টি ইলিয়াড ও ওডিসি চিরস্মরণীয়।
a Do not catch a blame for other people.
b Do not faults with others.
c Do not find faults with others.
d Do not find other with you fault.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Do not find faults with others. কেন সঠিক: - অন্যের দোষ ধরা অর্থে ইংরেজিতে সঠিক ভাবানুবাদ হলো find faults with others. - বাক্যের শুরুতে নিষেধ বোঝাতে Do not ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Do not catch a blame for other people. — catch a blame কোনো প্রচলিত ইংরেজি ফ্রেজ বা সঠিক অনুবাদ নয়। B) Do not faults with others. — বাক্যে faults হলো নাউন, এর আগে কোনো মূল ভার্ব না থাকায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) Do not find faults with others. — এটি সঠিক অনুবাদ এবং ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল। D) Do not find other with you fault. — you fault ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং শব্দবিন্যাস সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: অন্যের দোষ ধরা বা সমালোচনা করা বোঝাতে সর্বদা find faults with ব্যবহার করতে হয়।
a to be cookingly
b cooked
c in cookingly
d cooking
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) cooked কেন সঠিক: - এটি একটি Causative Verb এর ব্যবহার যেখানে Have ব্যবহারের পর Object এর পরে Verb এর Past Participle রূপ বসে। - ভাত নিজে নিজে রান্না হতে পারে না, তাই Object (my rice) এর কাজ সম্পন্ন বোঝাতে Past Participle (cooked) ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to be cookingly — cookingly বলে কোনো প্রমিত ইংরেজি শব্দ নেই এবং এখানে ইনফিনিটিভের ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) cooked — এটি সঠিক উত্তর কারণ Causative Verb এর নিয়মানুযায়ী Object এর পরে Past Participle বসে। C) in cookingly — এই গঠনটি ইংরেজি ব্যাকরণের কোনো নিয়মের সাথে মেলে না এবং অর্থহীন। D) cooking — এটি বসালে বোঝায় ভাত নিজে রান্না করছে, যা অর্থের দিক থেকে অসংগত ও ভুল। মনে রাখার টিপস: Causative Verb এর ক্ষেত্রে বস্তুবাচক Object থাকলে তার পরে সর্বদা মূল Verb এর Past Participle বসে।
a In the wrong time
b In the appropriate time
c Off season
d Hard time
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) In the appropriate time কেন সঠিক: - 'In the nick of time' একটি প্রবাদপ্রতিম ইডিয়ম, যার অর্থ ঠিক সময়ে বা দুর্যোগের ঠিক আগের মুহূর্তে। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে B নম্বরের অর্থ উপযুক্ত বা সঠিক সময়ে, যা এই ইডিয়মের মূল ভাবের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) In the wrong time — এর অর্থ ভুল সময়ে, যা প্রদত্ত ইডিয়মের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) In the appropriate time — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) Off season — এর অর্থ অফ সিজন বা উপযুক্ত মৌসুম নয় এমন সময়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি ধারণা। D) Hard time — এর অর্থ কঠিন সময়, যা বিপদের সময় বোঝালেও সঠিক সময়ের ধারণার সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: 'Nick' শব্দটিকে 'Tick' (ঘড়ির টিক টিক শব্দ) এর সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো, অর্থাৎ ঘড়ির কাঁটায় একদম সঠিক সময়ে পৌঁছানো।
a I already twice have read this book.
b I have already read this book twice.
c I have read already twice this book.
d I twice have read this book.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I have already read this book twice. কেন সঠিক: - Present Perfect Tense-এ adverb of frequency এবং adverb of time-এর একটি নির্দিষ্ট ক্রম থাকে। - এই বাক্যে Subject + have/has + already + V3 + object + frequency এভাবে সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I already twice have read this book. — এখানে already এবং twice শব্দ দুটির অবস্থান ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) I have already read this book twice. — এটি সঠিক অপশন এবং প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক। C) I have read already twice this book. — এখানে already এবং twice একত্রে verb-এর মাঝে ভুলভাবে বসেছে। D) I twice have read this book. — বাক্যের গঠনটি ইংরেজি ব্যাকরণের স্বাভাবিক নিয়ম ও ক্রম অনুসরণ করেনি। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বাক্যে সাধারণত verb-এর আগে already এবং বাক্যের শেষে twice বা এমন adverb বসে।
a surface
b centre
c edge
d hollow
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) hollow কেন সঠিক: - Niche শব্দের অর্থ হলো কোনো প্রাচীর বা দেয়ালের ভেতরের ফাঁপা স্থান, কুঠুরি বা কুলুঙ্গি। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে hollow শব্দের অর্থ ফাঁপা বা গর্ত, যা Niche শব্দের সমার্থক হিসেবে সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) surface — এর অর্থ পৃষ্ঠ বা উপরিভাগ, যা ভেতরের ফাঁপা স্থানের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) centre — এর অর্থ কেন্দ্র বা মধ্যবিন্দু, যা কোনো স্থানের ভেতরের গর্ত বা কুলুঙ্গির সঙ্গে মিলে না। C) edge — এর অর্থ কিনারা বা প্রান্ত, যা ভেতরের ফাঁপা বা গর্ত বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। D) hollow — এর অর্থ ফাঁপা বা গর্ত, যা Niche শব্দের সমার্থক হিসেবে সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: Niche মানেই দেয়ালে রাখা ছোট ফাঁপা জায়গা বা কুলুঙ্গি, তাই এর সঙ্গে hollow বা ফাঁপা শব্দটি মনে রাখা সহজ।

মোট প্রশ্ন (20)

a n/2
b (n + 1)/2
c (n + 2)/2
d n(n + 1)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (n + 1)/2 প্রদত্ত তথ্য: তথ্য সারির মোট মানের সংখ্যা n সংখ্যাটি একটি বিজোড় সংখ্যা ধরি, উপাত্তগুলোকে ছোট থেকে বড় বা মানের ক্রমানুসারে সাজানো হলো মানের এই বিন্যাসে ঠিক মাঝের মানটি হলো মধ্যমা অতএব, বিজোড় সংখ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম অবস্থান বের করার সূত্র প্রয়োগ করতে হবে এই সূত্রটি হলো মোট পদের সংখ্যার সাথে এক যোগ করে দুই দ্বারা ভাগ সুতরাং, নির্ণেয় মধ্যমা পদের অবস্থান বা মান পাওয়া যায় উত্তর: (n + 1)/2 তম পদ
a 3/7
b 1/2
c 7/3
d 3/5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭/৩ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো ৫ এর পাওয়ার (৩×ক − ৭) সমান ৩ এর পাওয়ার (৩×ক − ৭) ধরি, অজানা সংখ্যাটি হলো ক এবং ঘাত বা পাওয়ার দুটি সমান অতএব, উভয় পক্ষের ভিত্তি ভিন্ন কিন্তু ঘাত এক হওয়ায় ঘাতের মান শূন্য হবে কারণ কোনো সংখ্যার পাওয়ার শূন্য হলে তার মান এক হয় সুতরাং, ৩×ক − ৭ = ০ ৩×ক = ৭ উত্তর: ক = ৭/৩
a পরাবৃত্ত
b সরলরেখা
c বৃত্ত
d উপবৃত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বৃত্ত প্রدত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো পাই সমান সাইন থিটা ত্রিকোণমিতিক সম্পর্ক অনুযায়ী সাইন থিটা মানে লম্ব ভাগ অতিভুজ ধরি, সমকোণী ত্রিভুজের লম্ব হলো ওয়াই অতিভুজ হলো আর অতএব, সাইন থিটা সমান ওয়াই ভাগ আর লেখা যায় পাই সমান ওয়াই ভাগ আর বসানো যায় সুতরাং, ওয়াই সমান পাই গুণ আর পাই যা একটি বৃত্তের সমীকরণ নির্দেশ করে উত্তর: বৃত্ত
a 32
b 16
c 24
d 12
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি সংখ্যার গুণফল = ১৫৩৬ সংখ্যা দুটির লসাগু = ৯৬ ধরি, সংখ্যা দুটি ক এবং খ তাদের লসাগু × গসাগু = সংখ্যা দুটির গুণফল অতএব, ৯৬ × গসাগু = ১৫৩৬ সুতরাং, গসাগু = ১৫৩৬ ÷ ৯৬ উত্তর: ১৬
a ৩ কি. মি.
b ৮ কি. মি.
c ৪ কি. মি.
d ৫ কি. মি.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ কি. মি. প্রদত্ত তথ্য: সামনের চাকার পরিধি = ৪ মিটার পেছনের চাকার পরিধি = ৫ মিটার ধরি, গাড়িটি ক মিটার দূরত্ব অতিক্রম করে সামনের চাকা ঘোরে = ক ÷ ৪ বার পেছনের চাকা ঘোরে = ক ÷ ৫ বার অতএব, প্রশ্নমতে, (ক ÷ ৪) − (ক ÷ ৫) = ২০০ বা, (৫ক − ৪ক) ÷ ২০ = ২০০ বা, ক ÷ ২০ = ২০০ সুতরাং, মোট দূরত্ব ক = ২০০ × ২০ মিটার মোট দূরত্ব ক = ৪০০০ মিটার উত্তর: ৪ কি. মি.
a 2
b 8
c 6
d 8
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ প্রদত্ত তথ্য: ১ থেকে ১০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো বিবেচনা করতে হবে জোড় সংখ্যাগুলো হলো ২, ৪, ৬, ৮, ১০ ধরি, মোট জোড় সংখ্যাগুলোর সমষ্টি নির্ণয় করতে হবে জোড় সংখ্যাগুলোর মোট পরিমাণ = ৫ অতএব, সংখ্যাগুলোর যোগফল = ২ + ৪ + ৬ + ৮ + ১০ যোগফল = ৩০ সুতরাং, গড় = ৩০ ÷ ৫ গড় = ৬ উত্তর: ৬
a ১০০°
b ১২০°
c ১৩০°
d ১৩৫°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২০° প্রদত্ত তথ্য: ষড়ভুজটি সুষম এবং এর বাহুর সংখ্যা ছয়টি ধরি, ষড়ভুজের বাহুর সংখ্যা = ৬ বহিঃকোণের সমষ্টি = ৩৬০° অতএব, প্রতিটি বহিঃকোণ = ৩৬০° ÷ ৬ = ৬০° অন্তঃকোণ ও সংশ্লিষ্ট বহিঃকোণের সমষ্টি = ১৮০° সুতরাং, অন্তঃকোণের পরিমাণ = ১৮০° − ৬০° = ১২০° উত্তর: ১২০°
a 2
b 1
c 0
d -2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণ দেওয়া আছে x ঘনক − ১ বাই x ঘনক = ০ ধরি, x ঘনক = ১ বাই x ঘনক অতএব, x এর ষষ্ঠ পাওয়ার = ১ সুতরাং x বর্গ = ১ সুতরাং, x বর্গ + ১ বাই x বর্গ = ১ + ১ = ২ উত্তর: ২
a 0
b 2
c 1
d 3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো log₂√৬ + log₂√(২÷৩) ধরি, প্রথম অংশ = log₂√৬ দ্বিতীয় অংশ = log₂√(২÷৩) অতএব, লগারিদমের নিয়ম অনুযায়ী যোগ থাকলে গুণ হয় সুতরাং লেখা যায় log₂ [ √৬ × √(২÷৩) ] সুতরাং, বর্গমূলের ভেতরের সংখ্যাগুলো গুণ করে পাই [ ৬ × (২÷৩) ] এর মান হলো ৪ উত্তর: log₂√৪ = log₂২ = ১
a 0
b 10
c ∞
d 100
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ প্রদত্ত তথ্য: ফাংশনটি হলো f(x) = ১০ ধরি, x এর মান শূন্য অতএব, f(0) নির্ণয় করতে হবে সুতরাং, x এর জায়গায় শূন্য বসালে মান অপরিবর্তিত থাকে উত্তর: ১০
a 5/7
b 12/5
c 7/16
d 5/13
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫/১৩ প্রদত্ত তথ্য: tanθ = ৫/১২ ধরি, লম্ব = ৫ ভূমি = ১২ অতএব, অতিভুজ = √(লম্ব২ + ভূমি২) অতিভুজ = √(৫২ + ১২২) অতিভুজ = √(২৫ + ১৪৪) সুতরাং, অতিভুজ = √১৬৯ অতিভুজ = ১৩ উত্তর: Sin θ = লম্ব ÷ অতিভুজ = ৫/১৩
a 72
b 84
c 76
d 96
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮৪ প্রدত্ত তথ্য: ধারাটির সংখ্যাগুলো হলো ১৯, ২৮, ৩৯, ৫২, ৬৭ ধরি, প্রথম দুটি সংখ্যার পার্থক্য = ২৮ − ১৯ = ৯ পরবর্তী দুটি সংখ্যার পার্থক্য = ৩৯ − ২৮ = ১১ তার পরের দুটির পার্থক্য = ৫২ − ৩৯ = ১৩ অতএব, চতুর্থ ও পঞ্চম সংখ্যার পার্থক্য = ৬৭ − ৫২ = ১৫ পার্থক্যগুলোর ক্রম হলো ৯, ১১, ১৩, ১৫ প্রতিবার পার্থক্য ২ করে বৃদ্ধি পাচ্ছে সুতরাং, পরবর্তী পার্থক্যটি হবে = ১৫ + ২ = ১৭ উত্তর: ৬৭ + ১৭ = ৮৪
a 73
b 1260
c 3060
d 5060
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২৬০ প্রদত্ত তথ্য: মোট বালকের সংখ্যা = ১০ জন মোট বালিকার সংখ্যা = ৮ জন ধরি, বালক বেছে নিতে হবে = ২ জন বালিকা বেছে নিতে হবে = ২ জন অতএব, ১০ জন বালক থেকে ২ জন বালক বেছে নেওয়ার উপায় = (১০ × ৯) ÷ (২ × ১) ৮ জন বালিকা থেকে ২ জন বালিকা বেছে নেওয়ার উপায় = (৮ × ৭) ÷ (২ × ১) সুতরাং, ১০ জন থেকে ২ জন বালক বেছে নেওয়ার হিসাব = ৪৫ ৮ জন থেকে ২ জন বালিকা বেছে নেওয়ার হিসাব = ২৮ উত্তর: ৪৫ × ২৮ = ১২৬০
a 1/2 < x < 1
b x < 1/2 এবং x > 1
c x < 1 এবং x > 1/2
d x = 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) x < ১/২ এবং x > ১ প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো পরম মান চার এক্স বিয়োগ তিন গ্রেটার দেন এক ধরি, পরম মানের নিয়ম অনুসারে এই অসমতাটি দুটি ভাগে বিভক্ত হবে প্রথম শর্ত অনুযায়ী চার এক্স বিয়োগ তিন লেস দেন মাইনাস এক দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী চার এক্স বিয়োগ তিন গ্রেটার দেন এক অতএব, প্রথম শর্ত থেকে পাই চার এক্স লেস দেন তিন বিয়োগ এক অর্থাৎ দুই দ্বিতীয় শর্ত থেকে পাই চার এক্স গ্রেটার দেন তিন যোগ এক অর্থাৎ চার সুতরাং, প্রথম হিসাব থেকে পাই এক্স লেস দেন দুই ভাগ চার অর্থাৎ এক ভাগ দুই দ্বিতীয় হিসাব থেকে পাই এক্স গ্রেটার দেন চার ভাগ চার অর্থাৎ এক উত্তর: এক্স লেস দেন এক ভাগ দুই এবং এক্স গ্রেটার দেন এক
a 1/x
b ∞
c x (ln x - 1)
d x (ln x + 1)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) x (ln x − ১) প্রদত্ত তথ্য: সমাকলন করতে হবে ∫ ln x dx এর মান। এখানে আংশিক সমাকলন পদ্ধতি প্রয়োগ করতে হবে। ধরি, প্রথম অপেক্ষক = ln x দ্বিতীয় অপেক্ষক = ১ সমাকলনের সূত্র ব্যবহার করি। অতএব, ∫ ln x ⋅ ১ dx = ln x ∫ ১ dx − ∫ (d/dx ln x) ∫ ১ dx dx = x ln x − ∫ (১ / x) ⋅ x dx = x ln x − ∫ ১ dx সুতরাং, ∫ ১ dx এর মান হলো x। তাই পুরো ফলাফল দাঁড়ায় x ln x − x। উত্তর: x (ln x − ১)
a ৩ জন
b ৪ জন
c ২ জন
d ৫ জন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩ জন প্রদত্ত তথ্য: ক্রিকেটে মোট উইকেটের সংখ্যা = ১০ জন স্ট্যাম্প আউট, কট আউট এবং বোল্ড আউটের যোগফল = ১০ জন ধরি, স্ট্যাম্প আউটের সংখ্যা = ক জন অতএব, কট আউটের সংখ্যা = ২ × ক জন বোল্ড আউটের সংখ্যা = (ক + ২ × ক) ÷ ২ জন = ৩ × ক ÷ ২ জন সুতরাং, ক + ২ × ক + ৩ × ক ÷ ২ = ১০ উত্তর: ক = ২ জন, তাই কট আউট হলো ৩ × ২ = ৬ জন নয় বরং সঠিকভাবে ক এর মান হিসাব করে কট আউট = ৩ জন।
a 9 : 4
b 3 : 9
c 1 : 2
d 5 : 4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯ : ৪ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি বৃত্তের ব্যাসার্ধের অনুপাত ৩ : ২ ধরি, প্রথম বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৩ক দ্বিতীয় বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ২ক অতএব, প্রথম বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × (৩ক) এর বর্গ = ৯ × পাই × ক এর বর্গ দ্বিতীয় বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × (২ক) এর বর্গ = ৪ × পাই × ক এর বর্গ সুতরাং, ক্ষেত্রফলের অনুপাত = (৯ × পাই × ক এর বর্গ) ÷ (৪ × পাই × ক এর বর্গ) = ৯ : ৪ উত্তর: ৯ : ৪
a ∞
b 2
c -2
d জটিল সংখ্যা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) −২ প্রদত্ত তথ্য: পঞ্চম মূল নির্ণয় করতে হবে −৩২ এর ধরি, নির্ণেয় মানটি হলো x সুতরাং x এর পঞ্চম ঘাত সমান হবে −৩২ অতএব, (−২) × (−২) × (−২) × (−২) × (−২) লিখলে পাই সমান হয় (−৩২) সুতরাং, x এর মান পাওয়া গেল −২ উত্তর: −২
a 64√3
b 32√3
c 192
d 64
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬৪√৩ প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের একটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ১৬ সে. মি. ধরি, ত্রিভুজটির বাহুর দৈর্ঘ্য = ক = ১৬ সে. মি. অতএব, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্র অনুযায়ী, ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (বাহু × বাহু) সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (১৬ × ১৬) ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × ২৫৬ উত্তর: ৬৪√৩ বর্গ সে. মি.
a 0.0929
b 9.3
c 6.45
d 64.5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬.৪৫ প্রدত্ত তথ্য: ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার ১ বর্গ ইঞ্চি = ১ ইঞ্চি × ১ ইঞ্চি ধরি, দৈর্ঘ্যের একক সেন্টিমিটারে রূপান্তরিত করতে হবে ১ ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার ধরতে হবে অতএব, ১ বর্গ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার × ২.৫৪ সেন্টিমিটার হিসাব করে পাই ৬.৪৫১৬ সুতরাং, দুই দশমিক স্থান পর্যন্ত মান বিবেচনা করতে হবে উত্তর: ৬.৪৫ বর্গ সেন্টিমিটার

মোট প্রশ্ন (21)

a Jagjit singh Aurora
b William A-S Ouderland
c Kuldip singh chand puri
d Ian Cardozo
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) William A-S Ouderland কেন সঠিক: - উইলিয়াম ওডারল্যান্ড একজন অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক হয়েও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সাহসী অবদান রাখেন। - তাঁর এই বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে 'বীর প্রতীক' খেতাবে ভূষিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Jagjit singh Aurora — তিনি ১৯৭১ সালে ভারতীয় পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান ছিলেন, কোনো খেতাবপ্রাপ্ত নন। B) William A-S Ouderland — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ নেই। C) Kuldip singh chand puri — তিনি ১৯৭১ সালের যুদ্ধের একজন ভারতীয় সেনা কর্মকর্তা ছিলেন, বীর প্রতীক নন। D) Ian Cardozo — তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল, বাংলাদেশের খেতাবপ্রাপ্ত নন। মনে রাখার টিপস: বিদেশী বীর প্রতীক উইলিয়াম ওডারল্যান্ডের নামের আদ্যক্ষর ডব্লিউ (W) মনে রাখলে বিদেশি বীর প্রতীকের কথা সহজে মনে পড়বে।
a লালমনির হাট
b রংপুর
c কুড়িগ্রাম
d পঞ্চগড়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লালমনির হাট কেন সঠিক: - দহগ্রাম বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ও পাটগ্রাম উপজেলার অন্তর্গত একটি ছিটমহল ছিল। - ২০১৫ সালের ১ আগস্ট ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে লালমনিরহাট জেলার অন্তর্ভুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লালমনির হাট — এটি সঠিক কারণ দহগ্রাম ছিটমহলটি লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার অংশ হিসেবে বর্তমানে যুক্ত। B) রংপুর — রংপুর বিভাগের অন্তর্ভুক্ত জেলা লালমনিরহাট হলেও দহগ্রাম সরাসরি রংপুর জেলার অংশ নয়। C) কুড়িগ্রাম — কুড়িগ্রাম লালমনিরহাটের পার্শ্ববর্তী জেলা হলেও দহগ্রাম এই জেলার ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত নয়। D) পঞ্চগড় — পঞ্চগড় অন্য একটি সীমান্তবর্তী জেলা এবং এই জেলার সাথে দহগ্রাম ছিটমহলের কোনো সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: লাল রঙের আম (লালমনিরহাট) খেতে ভালোবাসে দহগ্রামের মানুষ।
a নারায়ন ঘোষ মিতা
b খান আতাউর রহমান
c চাষী নজরুল ইসলাম
d জহির রায়হান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চাষী নজরুল ইসলাম কেন সঠিক: - চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত 'ওরা এগারো জন' বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। - এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা, যা এটিকে ঐতিহাসিক ও প্রামাণ্য রূপ দিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নারায়ন ঘোষ মিতা — তিনি বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা হলেও 'ওরা এগারো জন' পরিচালনা করেননি, তার বিখ্যাত কাজের মধ্যে রয়েছে 'আলোর মিছিল'। B) খান আতাউর রহমান — তিনি প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার হলেও এই চলচ্চিত্রের পরিচালক নন, তার পরিচালিত বিখ্যাত ছবি 'জীবন তৃষ্ণা' ও 'সাত ভাই চম্পা'। C) চাষী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি এই চলচ্চিত্রের সফল পরিচালক হিসেবে ইতিহাসের অংশ হয়ে আছেন। D) জহির রায়হান — তিনি প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক ও বুদ্ধিজীবী হলেও এই ছবিটির পরিচালক নন, তার বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছবি 'স্টপ জেনোসাইড' ও 'লেট দেয়ার বি লাইট'। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ছবি মানেই চাষী নজরুল ইসলামের এগারো জন বীর মুক্তিযোদ্ধার গল্প।
a শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক
b হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
c বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেন সঠিক: - এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত তৃতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ, যা ২০২০ সালে প্রকাশিত হয়। - ১৯৫৭ সালে চীন সফরের অভিজ্ঞতা ও ডায়েরির পাতার ভিত্তিতে এই ঐতিহাসিক গ্রন্থটি রচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক — তিনি বিখ্যাত রাজনৈতিক নেতা হলেও এই গ্রন্থটির লেখক নন। B) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — তিনি বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, এই ভ্রমণকাহিনির সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তরটি অপশন সিতে موجود রয়েছে, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: নয়াচীন ভ্রমণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু, তাই গ্রন্থটির নাম মনে রাখতে তাঁর চীন সফরের কথা স্মরণ করলেই চলবে।
a কুতুবদিয়া
b চকরিয়া
c মহেশখালী
d টেকনাফ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহেশখালী কেন সঠিক: - মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দরটি বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলায় অবস্থিত। - এটি দেশের প্রথম গভীর সমুদ্র বন্দর যা বঙ্গোপসাগরের কুতুবদিয়া চ্যানেলের কাছে নির্মিত হচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুতুবদিয়া — এটি একটি দ্বীপ উপজেলা হলেও মাতারবাড়ি বন্দর এখানে অবস্থিত নয়। B) চকরিয়া — এটি কক্সবাজারের একটি উপজেলা হলেও এই বন্দরের ভৌগোলিক অবস্থান এখানে নয়। C) মহেশখালী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর এই উপজেলায় অবস্থিত। D) টেকনাফ — এটি কক্সবাজারের সর্বদক্ষিণের উপজেলা যা এই বন্দর থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: মাতারবাড়ির গভীর সমুদ্র বন্দর মহেশখালীতে অবস্থিত, এভাবে মনে রাখুন যে 'ম' দিয়ে মহেশখালী এবং 'ম' দিয়ে মাতারবাড়ি।
a 2023
b 2024
c 2025
d 2026
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০২৬ কেন সঠিক: - জাতিসংঘ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ করে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করেছে। - কোভিড মহামারীর কারণে উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর বাড়িয়ে ২০২৬ সাল নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০২৩ — এই সালে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে রূপান্তরের নির্ধারিত কোনো মূল লক্ষ্যমাত্রা ছিল না। B) ২০২৪ — প্রথমে বাংলাদেশ ২০২৪ সালে উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার কথা ছিল, যা পরবর্তীতে পরিবর্তন করা হয়। C) ২০২৫ — এই সালটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উত্তরণের প্রক্রিয়ার কোনো নির্ধারিত মাইলফলক নয়। D) ২০২৬ — এটিই জাতিসংঘের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে পদার্পণের নির্ধারিত বছর। মনে রাখার টিপস: উন্নয়নশীল দেশের খাতায় নাম লেখাতে বাংলাদেশ সময় নিয়েছে ২০২৬ সাল পর্যন্ত।
a 20
b 21
c 22
d 23
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদে সব সময় জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের পবিত্র কর্তব্য বলে ঘোষণা করা হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির দায়িত্ব হলো সব সময় জনগণের সেবা করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ — এই অনুচ্ছেদে অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শ্রম নিষিদ্ধকরণ এবং উৎপাদনের সাথে জড়িত বিভিন্ন মাধ্যমের মালিকানার নীতি সম্পর্কে বলা হয়েছে। B) ২১ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য এবং প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি সুরক্ষার কথা বলা হয়েছে। C) ২২ — এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রীয় অঙ্গসমূহ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে, যা সংবিধানের একটি অন্যতম মৌলিক নীতি। D) ২৩ — এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হিসেবে জনগণের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও উত্তরাধিকার রক্ষার কথা বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের ২১ নম্বর ধারায় সরকারি কর্মচারী ও নাগরিকদের দায়িত্ব বা কর্তব্যের কথা মনে রাখতে একুশ মানেই দায়িত্ব বা কর্তব্য এই কথাটি স্মরণ রাখতে পারেন।
a পোল্যান্ড
b সুইজারল্যান্ড
c ফিনল্যান্ড
d আয়ারল্যান্ড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুইজারল্যান্ড কেন সঠিক: - সুইজারল্যান্ড ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত হলেও ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ-এর সদস্য রাষ্ট্র নয়। - এটি রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখার জন্য ইইউ-এর পূর্ণ সদস্যপদ গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পোল্যান্ড — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র এবং ২০০৪ সালে এতে যোগদান করে। B) সুইজারল্যান্ড — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয়, তবে শেনজেন এলাকার অন্তর্ভুক্ত একটি দেশ। C) ফিনল্যান্ড — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র এবং ১৯৯৫ সালে এতে যোগ দেয়। D) আয়ারল্যান্ড — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র এবং ১৯৭৩ সালে এতে যোগ দেয়। মনে রাখার টিপস: ইউরোপের ধনী দেশ হওয়া সত্ত্বেও সুইজারল্যান্ড নিরপেক্ষ থাকার কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয়।
a জোনাথান সুইফট
b মার্টিন লুথার কিং
c নেলসন ম্যান্ডেলা
d উইনস্টন চার্চিল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নেলসন ম্যান্ডেলা কেন সঠিক: - এটি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট ও বর্ণবাদবিরোধী নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। - বইটিতে তার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন, দীর্ঘ কারাবাস ও সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জোনাথান সুইফট — তিনি একজন বিখ্যাত আইরিশ সাহিত্যিক ও ব্যঙ্গকার, যার বিখ্যাত রচনা গালিভার্স ট্রাভেলস। B) মার্টিন লুথার কিং — তিনি আমেরিকার নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা, যিনি আই হ্যাভ এ ড্রিম ভাষণের জন্য পরিচিত। C) নেলসন ম্যান্ডেলা — এটি তার নিজের জীবনের সংগ্রামের ওপর লেখা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। D) উইনস্টন চার্চিল — তিনি যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও লেখক, যিনি দ্য সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার বইটির জন্য নোবেল পান। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার (Freedom) জন্য যিনি দীর্ঘ (Long walk) কারাবাস সহ্য করেছেন, তিনি হলেন নেলসন ম্যান্ডেলা।
a জওহর লাল নেহেরু
b নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু
c সরদার বল্লভ ভাই প্যাটেল
d মহাত্মা গান্ধী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু কেন সঠিক: - নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু ১৯৪৩ সালের অক্টোবর মাসে আজাদ হিন্দ ফৌজের সর্বাধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - তাঁর নেতৃত্বেই এই বাহিনী ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন ও সংগ্রামে নতুন গতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জওহর লাল নেহেরু — তিনি ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা ছিলেন, আজাদ হিন্দ ফৌজের সর্বাধিনায়ক ছিলেন না। B) নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) সরদার বল্লভ ভাই প্যাটেল — তিনি ভারতের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও লোহমানব হিসেবে পরিচিত ছিলেন, এই বাহিনীর সাথে যুক্ত ছিলেন না। D) মহাত্মা গান্ধী — তিনি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অহিংস জননেতা ছিলেন, সামরিক বাহিনীর নেতৃত্ব দেননি। মনে রাখার টিপস: নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর নাম এবং আজাদ হিন্দ ফৌজ উভয়ই সু দিয়ে শুরু হয়, যা সহজেই মনে রাখতে সাহায্য করে।
a 1964
b 1966
c 1969
d 1971
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯২৬ প্রদত্ত তথ্য: বাঙালির মুক্তির সনদ ঐতিহাসিক ছয় দফা ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু কর্তৃক উত্থাপিত ধরি, তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবির সঠিক সন হলো ১৯৬৬ সাল অতএব, প্রথম দফা থেকে ষষ্ঠ দফা পর্যন্ত বিভিন্ন দাবি পেশ করা হয় পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে এই ঘোষণা দেওয়া হয় সুতরাং, ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি এই ঐতিহাসিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল উত্তর: ১৯৬৬
a জুরিখ
b ব্রাসেলস
c জেনেভা
d রোম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জেনেভা কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও এর প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত। - আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে কাজ করে এবং এর সদর দপ্তর জেনেভাতেই নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জুরিখ — এটি সুইজারল্যান্ডের একটি অর্থনৈতিক শহর হলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর এখানে নয়। B) ব্রাসেলস — এটি বেলজিয়ামের রাজধানী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয়, তাই এটি ভুল। C) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঠিক সদর দপ্তর অবস্থিত শহর। D) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: স্বাস্থ্য সচেতন মানুষরা সাধারণত জেনে শুনে চলে, তাই স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর জেনেভাতে অবস্থিত।
a দিনার
b রিঙ্গিত
c পেসো
d ডলার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রিঙ্গিত কেন সঠিক: - মালয়েশিয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচলিত মুদ্রার নাম রিঙ্গিত এবং এর আন্তর্জাতিক কোড হলো এমওয়াইআর। - অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটির মুদ্রাকে রিঙ্গিত হিসেবেই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিনার — এটি মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশ যেমন কুয়েত, বাহরাইন ও জর্ডানের মুদ্রার নাম, যা মালয়েশিয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) রিঙ্গিত — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং মালয়েশিয়ার বর্তমান সরকারি মুদ্রা। C) পেসো — এটি ফিলিপাইন, মেক্সিকোসহ লাতিন আমেরিকার কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম, মালয়েশিয়ার মুদ্রা নয়। D) ডলার — এটি যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশের মুদ্রার নাম, যা মালয়েশিয়ার মুদ্রা হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: মালয়েশিয়ার নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারেন যে মালয়েশিয়ার লোকজন হাতে রিং বা রিঙ্গিত পরে।
a 1
b 1.5
c 2
d 2.5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 1.5 কেন সঠিক: - ২০১৫ সালের প্যারিস জলবায়ু চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রাক শিল্পযুগের তুলনায় ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা। - জলবায়ুর চরম বিপর্যয় এড়াতে এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধ করতে এই কঠোর তাপমাত্রা সীমা নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1 — ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা সীমিত রাখার লক্ষ্যমাত্রা প্যারিস চুক্তিতে ধরা হয়নি কারণ এটি বর্তমান বাস্তবতায় অপর্যাপ্ত। B) 1.5 — এটিই সঠিক উত্তর যা প্যারিস জলবায়ু সম্মেলনে বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধের সর্বোচ্চ নিরাপদ মাত্রা হিসেবে নির্ধারিত হয়। C) 2 — ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস একটি বিকল্প উচ্চসীমা হিসেবে আলোচনায় থাকলেও চুক্তির মূল কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য ছিল ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। D) 2.5 — আড়াই ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ জলবায়ু বিপর্যয় ঘটেবে, তাই এটি রোধের মাত্রা হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: প্যারিস চুক্তির উষ্ণতা রোধের ম্যাজিক সংখ্যা হলো দেড় ডিগ্রি বা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
a নয়াদিল্লি
b নিউ ইয়র্ক
c লন্ডন
d প্যারিস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিউ ইয়র্ক কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরের বিখ্যাত ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে এই ঐতিহাসিক কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়। - বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত গঠন এবং শরণার্থীদের সহায়তার জন্য এই কনসার্টের আয়োজন করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নয়াদিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী এবং মুক্তিযুদ্ধকে ভারত সমর্থন করলেও এই কনসার্টটি এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি। B) নিউ ইয়র্ক — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে কনসার্টটি আয়োজিত হয়েছিল। C) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং সেখানে বাংলাদেশ সহায়তার নানা কার্যক্রম হলেও এই নির্দিষ্ট কনসার্টটি সেখানে হয়নি। D) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং এই বিশেষ ঐতিহাসিক কনসার্টের ভেন্যু এটি ছিল না। মনে রাখার টিপস: পণ্ডিত রবিশংকর ও জর্জ হ্যারিসনের বিখ্যাত কনসার্টটি আমেরিকার নিউ ইয়র্ক শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
a 2454
b 2591
c 2654
d 3020
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) সঠিক উত্তর: D) ৩০২০ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এর চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী সাম্প্রতিক অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ৩০২০ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। - এটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও জনগণের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪৫৪ — এটি আগের একটি অর্থবছরের মাথাপিছু আয় নির্দেশ করে, যা বর্তমানের হালনাগাদ তথ্যের চেয়ে কম। B) ২৫৯১ — এটিও অতীতের একটি পুরোনো অর্থনৈতিক বছরের মাথাপিছু আয়ের পরিসংখ্যান, যা বর্তমানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) ২৬৫৫ — এই সংখ্যাটি গত অর্থবছরের সাময়িক অনুমানের কাছাকাছি ছিল, যা চূড়ান্ত হিসাবে পরিবর্তিত হয়েছে। D) ৩০২০ — এটি বর্তমান অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী সঠিক ও হালনাগাদ মাথাপিছু আয়ের পরিমাণ। মনে রাখার টিপস: মাথাপিছু আয়ের এই নতুন পরিসংখ্যানটি মনে রাখতে তিন হাজার বিশ মার্কিন ডলার সংখ্যাটি বারবার চর্চা করুন।
a ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
b ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
c ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২
d ২৬ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়। - এই সরকারের অধীনেই ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আমবাগানে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ — এই তারিখে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে এবং পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। B) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়েছিল। C) ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২ — এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পাকিস্তান থেকে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের তারিখ। D) ২৬ মার্চ, ১৯৭১ — এই তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঘোষণা ২৬ মার্চ, সরকার গঠন ১০ এপ্রিল এবং শপথ গ্রহণ ১৭ এপ্রিল।
a সুস্মিতা সেন
b লারা দত্ত
c লালেসা সামওয়ানে
d হারনাজ সান্ধু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হারনাজ সান্ধু কেন সঠিক: - ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে ইসরাইলের ইলাতে অনুষ্ঠিত ৭০তম মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় ভারতের হারনাজ সান্ধু বিজয়ী হন। - তিনি ভারতের তৃতীয় নারী হিসেবে এই মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় মুকুট অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুস্মিতা সেন — তিনি ১৯৯৪ সালের মিস ইউনিভার্স মুকুটজয়ী প্রথম ভারতীয় নারী, ২০২১ সালের বিজয়ী নন। B) লারা দত্ত — তিনি ২০০০ সালের মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন, ২০২১ সালের প্রতিযোগী নন। C) লালেসা সামওয়ানে — তিনি ২০২১ সালের মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় রানার-আপ বা অন্য কোনো দেশের প্রতিযোগী ছিলেন, মুকুটজয়ী নন। D) হারনাজ সান্ধু — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি ২০২১ সালের মিস ইউনিভার্স খেতাব অর্জন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: ভারতের হারনাজ সান্ধু ২০২১ সালে মিস ইউনিভার্স হয়েছেন, এভাবে মনে রাখুন যে এস দিয়ে সান্ধু এবং স দিয়ে সালটি একুশ সাল।
a বজ্রকণ্ঠ
b জল্লাদের দরবার
c গানের ডালি
d চরমপত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গানের ডালি কেন সঠিক: - স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে প্রচারিত জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে 'বজ্রকণ্ঠ', 'জল্লাদের দরবার' এবং 'চরমপত্র' অন্তর্ভুক্ত ছিল। - 'গানের ডালি' নামে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে কোনো নিয়মিত বা ঐতিহাসিক বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়নি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বজ্রকণ্ঠ — এটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি নিয়মিত অনুষ্ঠান ছিল। B) জল্লাদের দরবার — এটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ব্যাঙ্গাত্মক নাটকীয় অনুষ্ঠান ছিল, যার রচয়িতা ছিলেন কল্যাণ মিত্র। C) গানের ডালি — এটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। D) চরমপত্র — এটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে এম এ হান্নানের পরিচালনায় ও সৈয়দ শামসুল হকের লেখা এবং রাহাত খানের সম্পাদনায় এম আর আক্তারের কণ্ঠে প্রচারিত অত্যন্ত জনপ্রিয় রাজনৈতিক কথিকা ছিল। মনে রাখার টিপস: স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের জনপ্রিয় অনুষ্ঠানগুলো মনে রাখতে 'বচ' (বজ্রকণ্ঠ, চরমপত্র, জল্লাদের দরবার) সূত্রটি মনে রাখতে পারেন, যার মধ্যে 'গানের ডালি' নেই।
a বিজয়
b জয়োৎসব
c জয়সূচক
d জয়ন্তী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জয়ন্তী কেন সঠিক: - 'জয়ন্তী' শব্দের অর্থ যা জয়সূচক বা কোনো বিশেষ স্মারক উৎসব। - কোনো মহান ব্যক্তি বা ঘটনার জন্ম বা সাফল্যের উৎসব বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিজয় — এটি কোনো বিশেষ উৎসবের নাম নয়, বরং কোনো যুদ্ধে বা প্রতিযোগিতায় জেতার ফলাফল বা অবস্থাকে বোঝায়। B) জয়োৎসব — এটি সাধারণ অর্থে জয়ের আনন্দ উদযাপন বোঝায়, কিন্তু নির্দিষ্ট জয়সূচক উৎসবের প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিশব্দ জয়ন্তী। C) জয়সূচক — এটি একটি বিশেষণ পদ যা জয় বোঝাতে ব্যবহার করা হয়, কোনো বিশেষ উৎসবের নাম নয়। D) জয়ন্তী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি জয়সূচক উৎসবের সঠিক সমার্থক বা পরিভাষা। মনে রাখার টিপস: স্মরণীয় দিন বা উৎসব বোঝাতে 'জয়ন্তী' শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যেমন জন্মজয়ন্তী বা রজতজয়ন্তী।
a রাজশাহী
b গাজীপুর
c চট্টগ্রাম
d খুলনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গাজীপুর কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পার্ক, যা গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলায় অবস্থিত। - সফটওয়্যার উন্নয়ন, হার্ডওয়্যার উৎপাদন এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিনিয়োগ আকর্ষণ করার জন্য এই হাইটেক পার্কটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজশাহী — রাজশাহী জেলায় 'বঙ্গবন্ধু সিলিকন সিটি' অবস্থিত, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। B) গাজীপুর — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটির প্রকৃত ভৌগোলিক অবস্থান। C) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম জেলায় আইটি পার্ক রয়েছে, তবে এটি বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি নয়। D) খুলনা — খুলনা অঞ্চলে আলাদা হাইটেক পার্ক স্থাপনের পরিকল্পনা থাকলেও বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অবস্থিত, যা ঢাকার খুব কাছেই প্রযুক্তির শহর হিসেবে পরিচিত।

মোট প্রশ্ন (6)

a পরিপাক
b খাদ্যগ্রহণ
c শ্বসন
d রক্ত সংবহন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শ্বসন ১. কেন সঠিক: - মানবদেহে শক্তি উৎপাদনের প্রধান প্রক্রিয়া হলো কোষীয় শ্বসন, যেখানে গ্লুকোজ জারিত হয়ে শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। - খাদ্য সরাসরি শক্তি দেয় না, খাদ্য ভেঙে কোষের মাইটোকন্ড্রিয়ায় এটি শক্তিতে পরিণত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: শ্বসন একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে জীবকোষ অক্সিজেনের সাহায্যে খাদ্যস্থ রাসায়নিক শক্তিকে এটিপি নামক জৈব মুদ্রায় রূপান্তরিত করে। - কার্যপ্রণালি: খাদ্য পরিপাকের পর গ্লুকোজ রক্তে মিশে কোষে পৌঁছায় এবং অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই অক্সাইড, পানি ও শক্তি উৎপাদন করে। - রাসায়নিক সমীকরণ: গ্লুকোজ + অক্সিজেন থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড + পানি + শক্তি উৎপন্ন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যায়াম করার সময় পেশিকোষে শক্তি উৎপাদনে অক্সিজেনের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। ব্যাখ্যা: এ সময় হৃদস্পন্দন বেড়ে যায় যাতে কোষে দ্রুত অক্সিজেন পৌঁছে বেশি শক্তি উৎপন্ন হতে পারে। উদাহরণ ২: উদ্ভিদের বীজ অঙ্কুরোদগমের সময় শ্বসন হার বেড়ে যায়। ব্যাখ্যা: নতুন চারাগাছ বৃদ্ধির জন্য প্রচুর শক্তির প্রয়োজন হয় যা শ্বসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিপাক — পরিপাক কেবল জটিল খাদ্যকে সরল উপাদানে পরিণত করে, কিন্তু সরাসরি শক্তি উৎপাদন করে না। B) খাদ্যগ্রহণ — খাদ্যগ্রহণ হলো শক্তি উৎপাদনের কাঁচামাল সরবরাহের প্রথম ধাপ মাত্র, যা নিজে শক্তি উৎপাদন করে না। C) শ্বসন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জৈবিক প্রক্রিয়ায় সরাসরি শক্তি বা এটিপি উৎপন্ন হয়। D) রক্ত সংবহন — রক্ত সংবহন কেবল অক্সিজেন ও পুষ্টি উপাদান কোষে পরিবহন করে, শক্তি উৎপাদন করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - খাদ্য খাবে শক্তির জন্য, কিন্তু শক্তি তৈরি হবে কোষে শ্বসনের মাধ্যমে। - শ্বসন মানেই শক্তি উৎপাদন, যা ঘটে মাইটোকন্ড্রিয়ায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কোষের কোন অঙ্গাণুকে শক্তির আধার বলা হয় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, উত্তর হলো মাইটোকন্ড্রিয়া। - অবাত শ্বসনে কম শক্তি উৎপন্ন হয় এবং ল্যাকটিক এসিড বা ইথানল তৈরি হয়।
a 0.3
b 0.41
c 0.03
d 0.8
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 0.03 ১. কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের স্বাভাবিক পরিমাণ শতকরা শূন্য দশমিক শূন্য তিন ভাগ। - এটি উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন গ্যাসের মিশ্রণ যেখানে নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন প্রধান হলেও অন্যান্য গ্যাসের ভূমিকা অপরিসীম। - কারণ ও ফলাফল: এই নির্দিষ্ট পরিমাণের তারতম্য ঘটলে গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়া ও বৈশ্বিক উষ্ণতার ওপর সরাসরি প্রভাব পড়ে। - বাস্তব প্রয়োগ: কার্বন-ডাই-অক্সাইডের এই উপস্থিতি পৃথিবীর তাপমাত্রা ধরে রাখতে এবং গ্রিনহাউস প্রভাবে পৃথিবীকে বাসযোগ্য রাখতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উদ্ভিদ খাদ্য তৈরি ব্যাখ্যা: উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় এই গ্যাস প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কোমল পানীয় তৈরি ব্যাখ্যা: সোডা ওয়াটার বা কোমল পানীয় তৈরিতে এই গ্যাস উচ্চ চাপে দ্রবীভূত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.3 — এই মানটি বায়ুমণ্ডলের কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণের তুলনায় অনেক বেশি এবং এটি ভুল তথ্য। B) 0.41 — বর্তমানে বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে শূন্য দশমিক চার এক শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছালেও এটি আদর্শ বা স্বাভাবিক মান নয়। C) 0.03 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের স্বীকৃত শতকরা পরিমাণ। D) 0.8 — এই মানটি বায়ুমণ্ডলের গ্যাসের উপাদানের সঙ্গে মেলে না এবং এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - শূন্য দশমিক শূন্য তিন সংখ্যাটি মনে রাখলে বায়ুমণ্ডলের কার্বন-ডাই-অক্সাইডের সঠিক শতকরা হার সহজে মনে রাখা যায়। - জীববিজ্ঞানের পড়াশোনায় গ্যাসের এই অনুপাত মুখস্থ রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে নাইট্রোজেন গ্যাস যার পরিমাণ প্রায় আটাত্তর শতাংশ। - অক্সিজেন গ্যাসের পরিমাণ প্রায় একুশ শতাংশ এবং আর্গন গ্যাস থাকে প্রায় শূন্য দশমিক নয় তিন শতাংশ।
a 80°
b - 40°
c - 45°
d 50°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) - ৪০° ১. কেন সঠিক: - সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের মধ্যে তাপমাত্রার রূপান্তর সমীকরণ ব্যবহার করে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় উভয় স্কেলের মান সমান পাওয়া যায়। - মাইনাস ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় দুটি স্কেলের সাংখ্যিক মান পুরোপুরি এক হয় এবং তাপীয় সাম্যাবস্থা বজায় থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সেলসিয়াস স্কেলের হিমাঙ্ক ০ ডিগ্রি এবং স্ফুটনাঙ্ক ১০০ ডিগ্রি, অন্যদিকে ফারেনহাইট স্কেলের হিমাঙ্ক ৩২ ডিগ্রি এবং স্ফুটনাঙ্ক ২১২ ডিগ্রি। - সূত্র: সি ভাগ ৫ সমান এফ বিয়োগ ৩২ ভাগ ৯, যেখানে সি হলো সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং এফ হলো ফারেনহাইট তাপমাত্রা। - কার্যপ্রণালি: সি এবং এফ এর পরিবর্তে এক্স ধরে সমীকরণ সমাধান করলে মান পাওয়া যায় মাইনাস ৪০ ডিগ্রি। - বাস্তব প্রয়োগ: আবহাওয়া বিজ্ঞান এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দুটি ভিন্ন তাপমাত্রিক স্কেলের তুলনা করার সময় এই রূপান্তর পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে অনেক সময় মাইনাস ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় যা সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট উভয় স্কেলেই একই সংখ্যা প্রকাশ করে। ব্যাখ্যা: এই তাপমাত্রায় পারদের ধর্ম এমনভাবে কাজ করে যে দুটি স্কেলের রিডিং একই বিন্দুতে মিলে যায়। উদাহরণ ২: গবেষণাগারে থার্মোমিটার ক্যালিব্রেশন বা পরিমাপের নির্ভুলতা যাচাই করার সময় স্কেল দুটির এই অভিন্ন বিন্দুটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে থার্মোমিটারের ত্রুটি সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮০° — এই তাপমাত্রায় সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের মান ভিন্ন হয় কারণ সমীকরণ অনুযায়ী হিসাব করলে মান সমান হয় না। B) - ৪০° — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই তাপমাত্রায় সমীকরণের উভয় পক্ষ সমান ফলাফল প্রদান করে। C) - ৪৫° — এই তাপমাত্রায় সেলসিয়াস স্কেলে তাপমাত্রা মাইনাস পঁয়তাল্লিশ এবং ফারেনহাইট স্কেলে মাইনাস উনপঞ্চাশ হয়। D) ৫০° — এই তাপমাত্রায় সেলসিয়াস স্কেলের মান পঞ্চাশ হলে ফারেনহাইট স্কেলের মান একশো বাইশ হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মাইনাস চল্লিশ সংখ্যাটি মনে রাখুন কারণ এটিই একমাত্র বিশেষ তাপমাত্রা যেখানে সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেল মিলে যায়। - সমীকরণে সি এর জায়গায় এক্স বসিয়ে সমাধান করলে এই নির্দিষ্ট মানটি খুব সহজেই বের করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাপমাত্রার স্কেল সম্পর্কিত এই প্রশ্নটি বারবার আসে। - সেলসিয়াস ও কেলভিন স্কেলের সম্পর্ক অর্থাৎ কে সমান সি যোগ ২৭৩.১৫ থেকেও একই ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে।
a ইনসুলিন
b গ্লুকাগন
c থাইরোক্যালসিটোনিন
d থাইরক্সিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) থাইরোক্যালসিটোনিন ১. কেন সঠিক: - থাইরোক্যালসিটোনিন হরমোন রক্তে অতিরিক্ত ক্যালসিয়ামের মাত্রা কমাতে সরাসরি ভূমিকা পালন করে। - এই হরমোন রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে এন্ডোক্রাইন সিস্টেমের মাধ্যমে কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মানবদেহের থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে এই হরমোন নিঃসৃত হয় যা ক্যালসিয়াম বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে। - কার্যপ্রণালি: এটি রক্ত থেকে ক্যালসিয়াম টেনে নিয়ে অস্থিতে জমা হতে সাহায্য করে এবং কিডনির মাধ্যমে ক্যালসিয়াম নির্গমন বাড়ায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রক্তে ক্যালসিয়াম বৃদ্ধি ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার খাওয়ার পর থাইরোক্যালসিটোনিন নিঃসৃত হয়ে রক্তের ভারসাম্য রক্ষা করে। উদাহরণ ২: অস্থি গঠন ব্যাখ্যা: রক্ত থেকে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম হাড়ে জমা করে হাড়ের গঠনে সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইনসুলিন — ইনসুলিন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, ক্যালসিয়াম নয়। B) গ্লুকাগন — গ্লুকাগন যকৃতে গ্লাইকোজেন ভেঙে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি করে। C) থাইরোক্যালসিটোনিন — এটি রক্তে ক্যালসিয়াম নিয়ন্ত্রণের সঠিক হরমোন। D) থাইরক্সিন — থাইরক্সিন শরীরের বিপাকীয় হার বা মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: থাইরয়েড গ্রন্থির ক্যালসিটোনিন নামটির মধ্যেই ক্যালসিয়াম নিয়ন্ত্রণের ইঙ্গিত রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তে ক্যালসিয়াম কমানোর হরমোন হলো থাইরোক্যালসিটোনিন এবং বাড়ানোর হরমোন হলো প্যারাথরমোন।
a অ্যাকটিন
b ক্যারোটিন
c গ্লোবিউলিন
d মায়োসিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্যারোটিন ১. কেন সঠিক: নখ, চুল এবং পশম গঠিত হয় কেরাটিন বা ক্যারোটিন নামক একধরনের তন্তুযুক্ত প্রোটিন দিয়ে। এটি শরীরের কোষকে রক্ষা করে এবং শক্ত কাঠামো প্রদান করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ক্যারোটিন হলো একটি শক্ত ও অদ্রবণীয় প্রোটিন, যা এপিডার্মাল কোষে জমা হয়। এটি স্তন্যপায়ী প্রাণীর ত্বক, চুল ও নখের প্রধান কাঠামোগত উপাদান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের চুল ও নখ শক্ত হওয়া। ব্যাখ্যা: কেরাটিন প্রোটিনের উপস্থিতির কারণে চুল ও নখ সহজে ভাঙে না এবং বাইরের আঘাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে। উদাহরণ ২: পাখির ডানা ও পশমের গঠন। ব্যাখ্যা: পাখির পালক এবং গরুর শিংও এই জাতীয় শক্ত প্রোটিন দিয়ে তৈরি হয়, যা তাদের বেঁচে থাকতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যাকটিন — এটি পেশির সংকোচনে সাহায্যকারী একটি প্রধান প্রোটিন। নখ গঠনে এর কোনো ভূমিকা নেই। B) ক্যারোটিন — এটি নখ, চুল ও ত্বকের প্রধান কাঠামোগত প্রোটিন এবং সঠিক উত্তর। C) গ্লোবিউলিন — এটি রক্তের প্লাজমায় থাকা একধরনের প্রোটিন, যা রোগ প্রতিরোধে এবং অ্যান্টিবডি তৈরিতে কাজ করে। D) মায়োসিন — এটি পেশি টিস্যুতে অ্যাকটিনের সাথে কাজ করে পেশি সংকোচন ও প্রসারণ ঘটায়। ৫ মনে রাখার টিপস: নখের ইংরেজি Nail এবং কেরাটিনের প্রথম অক্ষর K বা C দিয়ে মনে রাখতে পারো যে নখে কেরাটিন থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানবদেহের বিভিন্ন টিস্যু ও প্রোটিন সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। চুল, নখ ও শিং কেরাটিন প্রোটিন দ্বারা গঠিত, এই তথ্যটি মনে রাখা জরুরি।
a সিরাম ইনস্টিটিউট
b ফাইজার বায়োএনটেক
c গ্লোব বায়োটেক
d ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গ্লোব বায়োটেক ১. কেন সঠিক: - গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড বাংলাদেশের একটি স্বনামধন্য গবেষণাভিত্তিক ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান। - ২০২০ সালে করোনা মহামারি চলাকালীন এই প্রতিষ্ঠানটি দেশীয় প্রযুক্তিতে 'বঙ্গভ্যাক্স' নামক কোভিড-১৯ প্রতিষেধক টিকা আবিষ্কারের ঘোষণা দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ভ্যাকসিন বা টিকা হলো মৃত বা নিষ্ক্রিয় জীবাণু অথবা তার অংশের নির্যাস, যা মানবদেহে প্রবেশ করিয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করা হয়। - কার্যপ্রণালি: এটি দেহে প্রবেশ করার পর শ্বেত রক্তকণিকা ও অ্যান্টিবডি তৈরিকে উদ্দীপ্ত করে, যাতে ভবিষ্যতে আসল আক্রমণ প্রতিহত করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পোলিও টিকা। ব্যাখ্যা: এটি মুখ বা ইনজেকশনের মাধ্যমে খাইয়ে বা পুশ করে পোলিও রোগ প্রতিরোধ করা হয়। উদাহরণ ২: বিসিজি টিকা। ব্যাখ্যা: এটি যক্ষ্মা রোগ প্রতিরোধের জন্য শিশুদের জন্মলগ্নে দেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিরাম ইনস্টিটিউট — এটি ভারতের একটি বিশাল টিকা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান যা মূলত অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা উৎপাদন করেছে। B) ফাইজার বায়োএনটেক — এটি মার্কিন ও জার্মান যৌথ উদ্যোগের কোম্পানি যারা এমআরএনএ প্রযুক্তিভিত্তিক কোভিড টিকা তৈরি করেছে। C) গ্লোব বায়োটেক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাংলাদেশের প্রথম করোনাকালের টিকা উদ্ভাবক প্রতিষ্ঠান। D) ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস — এটি বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় ওষুধ কোম্পানি হলেও বঙ্গভ্যাক্সের উদ্ভাবক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - গ্লোব শব্দের অর্থ পৃথিবী বা বিশ্ব, আর বাংলাদেশ নিজের বিশ্বমানের টিকা তৈরি করেছে গ্লোব বায়োটেক থেকে। এভাবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বঙ্গভ্যাক্স হলো বাংলাদেশের প্রথম আবিষ্কৃত কোনো কোভিড-১৯ প্রতিষেধক টিকা। - এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত দেশীয় আবিষ্কার এবং ওষুধ কোম্পানির নাম বারবার আসে।

মোট প্রশ্ন (1)

a Boeing
b Virgin Galactic
c Blue origin
d Space X
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Space X ১. কেন সঠিক: বঙ্গবন্ধু-১ বাংলাদেশের প্রথম ভূউপগ্রহ বা কৃত্রিম উপগ্রহ, যা মহাশূন্যে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হয় আমেরিকার বিখ্যাত মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স-এর মাধ্যমে। এই উৎক্ষেপণের জন্য স্পেসএক্স-এর ফ্যালকন ৯ রকেট ব্যবহার করা হয়েছিল, যা মহাকাশ যাত্রায় অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বজুড়ে সমাদৃত একটি যান। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট হলো এমন একটি মানবনির্মিত বস্তু, যা নির্দিষ্ট কক্ষপথে থেকে পৃথিবী বা অন্য কোনো গ্রহকে প্রদক্ষিণ করে এবং যোগাযোগ, আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ বা তথ্য আদান-প্রদান করে। কার্যপদ্ধতি: রকেটের মাধ্যমে স্যাটেলাইটকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ভেদ করে নির্দিষ্ট উচ্চতায় ও কক্ষপথে স্থাপন করা হয়, যেখানে এটি সৌরশক্তি ব্যবহার করে সচল থাকে। ব্যবহার: বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটটি মূলত টেলিযোগাযোগ, সম্প্রচার এবং ইন্টারনেট সেবার মান উন্নত করার জন্য মহাকাশে পাঠানো হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফ্যালকন ৯ রকেট ব্যাখ্যা: এটি স্পেসএক্স কোম্পানির তৈরি একটি রিইউজেবল বা পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেট, যা বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটকে মহাকাশে সফলভাবে বহন করেছিল। উদাহরণ ২: কেপ ক্যানাভেরাল লঞ্চ প্যাড ব্যাখ্যা: আমেরিকার ফ্লোরিডার এই ঐতিহাসিক উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকেই বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট মহাকাশের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Boeing — বোয়িং হলো মূলত বিমান নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান, যারা বাণিজ্যিক ও সামরিক বিমান তৈরি করে, কিন্তু বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণে এরা রকেট সরবরাহ করেনি। B) Virgin Galactic — ভার্জিন গ্যালাকটিক মূলত মহাকাশ পর্যটন নিয়ে কাজ করে এবং সাধারণ মানুষের জন্য মহাকাশ ভ্রমণের ব্যবস্থা করে, স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে যুক্ত নয়। C) Blue origin — ব্লু অরিজিন হলো জেফ বেজোসের একটি মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, যা মহাকাশ পর্যটন ও রকেট তৈরিতে কাজ করলেও বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণ করেনি। D) Space X — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠানটিই ফ্যালকন ৯ রকেটের সাহায্যে সফলভাবে স্যাটেলাইটটি মহাকাশে পাঠিয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের সঙ্গে স্পেসএক্স নাম দুটি মনে রাখতে হবে কারণ বাংলাদেশ স্পেসএক্স-এর রকেট ব্যবহার করে মহাশূন্যে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিয়েছিল। স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বোয়িং বা ভার্জিন গ্যালাকটিক নয়, স্পেসএক্স নামটাই পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট ২০১৮ সালের ১২ মে আমেরিকার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল এবং এটি বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট। বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট উৎকারী দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং এর অরবিটাল স্লট ছিল ১১৯ দশমিক ১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।

মোট প্রশ্ন (1)

a ইউরোপ
b এশিয়া
c আফ্রিকা
d অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইউরোপ ১. কেন সঠিক: দানিয়ুব নদীটি ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত এবং এটি এই মহাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী। জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে এটি মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কৃষ্ণ সাগরে পতিত হয়েছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: জার্মানি থেকে শুরু হয়ে অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি ও রোমানিয়া সহ ১০টি দেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের একমাত্র নদী যা ১০টি দেশের রাজধানী ও ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য: দানিয়ুব নদীর তীরে ভিয়েনা, বুদাপেস্ট ও বেলগ্রেডের মতো বিখ্যাত ইউরোপীয় রাজধানীগুলো অবস্থিত। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ভিয়েনা শহর। ব্যাখ্যা: অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা দানিয়ুব নদীর তীরে অবস্থিত এবং এটি ইউরোপের অন্যতম প্রধান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। উদাহরণ ২: কৃষ্ণ সাগর। ব্যাখ্যা: দানিয়ুব নদী তার দীর্ঘ পথ পরিক্রমা শেষে কৃষ্ণ সাগরে গিয়ে মেশে যা ইউরোপ ও এশিয়ার সংযোগকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ জলভাগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউরোপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ দানিয়ুব নদী এই মহাদেশের অন্যতম প্রধান জলপথ। B) এশিয়া — এশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ হলেও দানিয়ুব নদী এই মহাদেশে অবস্থিত নয়। সি) আফ্রিকা — আফ্রিকা মহাদেশে নীল ও কঙ্গোর মতো বিখ্যাত নদী রয়েছে, দানিয়ুব এখানে নেই। ডি) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়া ও ওশেনিয়া অঞ্চলে মুারে ও ডার্লিং নদী প্রধান, দানিয়ুবের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: ইউরোপের বিখ্যাত গান ব্লু দানিয়ুব ওয়াজ মনে রাখলে সহজেই নদীটির মহাদেশ মনে রাখা যায়। জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট থেকে উৎপত্তি হয়ে কৃষ্ণ সাগরে পড়েছে এই কথাটি মনে রাখলে নদীর গতিপথ স্পষ্ট থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: দানিয়ুব নদী সর্বাধিক দেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার কারণে আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও বাণিজ্যে এর গুরুত্ব অপরিসীম। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন নদী সর্বাধিক দেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।