সঠিক উত্তর: A) ১৮০১ সালে
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যে আধুনিক যুগের সূচনা হয় ১৮০১ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। এই বছর বাংলা গদ্যের চর্চা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে এবং যুগান্তকারী সাহিত্যিক পরিবর্তনের সূত্রপাত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১৮০১ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর কেরানি সাহেবদের বাংলা শেখানোর জন্য পাঠ্যপুস্তক রচনা শুরু হয়। উইলিয়াম কেরী ও রামমৃত্যু তর্কালঙ্কারসহ অন্যান্য পন্ডিতদের হাত ধরে বাংলা গদ্য তার শৈশবকাল পার করে আধুনিকতার পথে যাত্রা করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচনা করেন বাত্রিশ সিংহাসন।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটি ১৮০২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি আধুনিক গদ্যরীতির একটি অন্যতম নিদর্শন।
উদাহরণ ২: উইলিয়াম কেরী রচনা করেন ইতিহাসমালা।
ব্যাখ্যা: এটি ১৮১২ সালে প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ যা আধুনিক যুগের গদ্যসাহিত্যের বিকাশকে ত্বরান্বিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮০১ সালে — এটি সঠিক কারণ এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বাংলা গদ্যের আধুনিক যুগের সূচনা ঘটে।
B) ১৮০২ সালে — এই সালে আধুনিক যুগের সূচনা হয়নি বরং মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের বাত্রিশ সিংহাসন গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছিল।
C) ১৮০৩ সালে — এই সালে বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের সূচনা হয়নি বরং উইলিয়াম কেরীর কথোপকথন গ্রন্থ প্রকাশিত হয়।
D) ১৮৬১ সালে — এই সালে আধুনিক যুগের সূচনা হয়নি বরং মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্য ও একেই কি বলে সভ্যতা প্রকাশিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
আধুনিক যুগের সূচনা বোঝাতে ১৮০১ সাল মনে রাখবে। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার সালটিই বাংলা গদ্য ও আধুনিক যুগের সূচনার সাল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস মূলত তিনটি যুগে বিভক্ত প্রাচীন মধ্য ও আধুনিক। আধুনিক যুগের সূচনা ১৮০১ সাল থেকে বর্তমানকাল পর্যন্ত ধরা হয়।
সঠিক উত্তর: B) কাব্যগ্রন্থ
১. কেন সঠিক:
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' হলো আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি আবু হেনা মোস্তফা কামালের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে যেখানে নির্দিষ্ট একটি সাহিত্যকর্ম কোন ধরনের রচনা তা জানতে চাওয়া হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের কবি ও কবিতা অংশের অন্তর্ভুক্ত।
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতাটি বা কাব্যগ্রন্থটি বাঙালি সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং মুক্তি সংগ্রামের চেতনায় সমৃদ্ধ একটি অনন্য সৃষ্টি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'জলিল সাহেবের পিটিশন'
ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত নাটক, যা নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক রচনা করেছেন।
উদাহরণ ২: 'সূর্যদীঘল বাড়ি'
ব্যাখ্যা: এটি আবু ইসহাক রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপন্যাস — উপন্যাস হলো গদ্যে রচিত দীর্ঘ কল্পিত আখ্যান, কিন্তু এটি কোনো উপন্যাস নয়।
B) কাব্যগ্রন্থ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কবিতার সংকলন বা কাব্যগ্রন্থ।
C) নাটক — নাটক হলো অভিনয়ের উপযোগী দৃশ্যকাব্য, কিন্তু এই গ্রন্থটি নাটক নয়।
D) প্রবন্ধসংগ্রহ — প্রবন্ধসংগ্রহ হলো তথ্য বা যুক্তিনির্ভর গদ্য রচনার সংকলন, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কিংবদন্তি শব্দটি ঐতিহ্য ও ইতিহাসকে বোঝায়, যা সাধারণত কবিতায় রূপায়িত হয়।
- আবু হেনা মোস্তফা কামালের একমাত্র কাব্যগ্রন্থ হলো এটি, তাই এটি কাব্যগ্রন্থ হিসেবে মনে রাখা সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর ধরন প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- কবি আবু হেনা মোস্তফা কামালের সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) একুশটি
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত খাঁটি বাংলা উপসর্গের নির্দিষ্ট সংখ্যা একুশটি। ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এবং ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ব্যাকরণ অনুযায়ী খাঁটি বাংলা উপসর্গ এই সংখ্যায় নির্ধারিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যেসব শব্দাংশ স্বাধীনভাবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না কিন্তু শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটায় সেগুলোকে উপসর্গ বলে। বাংলা ভাষায় উপসর্গ মূলত তিন প্রকার যথা খাঁটি বাংলা উপসর্গ তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনা বৃষ্টি
ব্যাখ্যা: এখানে অনা একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা বৃষ্টির পূর্বে বসে অভাব অর্থে নতুন শব্দ তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: পাতি হাঁস
ব্যাখ্যা: এখানে পাতি একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা হাঁসের পূর্বে বসে ছোট বা ক্ষুদ্র অর্থে নতুন শব্দ তৈরি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উনিশটি — এটি কোনো স্বীকৃত উপসর্গের সংখ্যা নয় তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) বিশটি — এটিও বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গের নির্ধারিত কোনো সংখ্যা নির্দেশ করে না।
D) বাইশটি — এটি বিদেশি উপসর্গ বা অন্য কোনো ব্যাকরণিক পদের সংখ্যার সাথে মিলে যেতে পারে কিন্তু বাংলা উপসর্গের সংখ্যা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি মনে রাখার জন্য সুপরিচিত ছন্দটি মনে রাখতে পারো অঘা অজ অনা আ আন আর আর্ক ইতি উ পাতি স সলা স সু বি নি হা রাম। এই একুশটি উপসর্গ মুখস্থ রাখলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই খাঁটি বাংলা উপসর্গ এবং সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন আসে। সংস্কৃত উপসর্গ বিশটি এবং খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি এই পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
১. কেন সঠিক:
- 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার সফল ও প্রথম সম্পাদক হলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। ১৮৩১ সালের ২৮ জানুয়ারি সাপ্তাহিক হিসেবে এটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং ১৮৩৯ সালে দৈনিক রূপ লাভ করে।
- এই পত্রিকাটির মাধ্যমে উনিশ শতকের মধ্যভাগে বাংলা সাংবাদিকতা ও সাহিত্য জগতে এক নতুন যুগের সূচনা ঘটে এবং বহু নতুন লেখকের আত্মপ্রকাশ ঘটে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক, যাকে যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়। তিনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবিদের জীবন ও সাহিত্য নিয়ে প্রথম গবেষণা ও সংকলন করেন।
- 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রসারে এবং সমাজ সংস্কারমূলক লেখালিখিতে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৩১ সালে।
ব্যাখ্যা: এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সন ও পত্রিকার নাম।
উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই পত্রিকার মাধ্যমেই সাহিত্যচর্চা শুরু করেছিলেন।
ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত 'সংবাদ প্রভাকর' নতুন লেখকদের জন্য একটি বড় প্ল্যাটফর্ম ছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, 'সংবাদ প্রভাকর' এর নন।
B) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত একজন প্রখ্যাত গীতিকবি ও সম্পাদক, তবে তিনি এই পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
C) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী বিশ্বকবি এবং 'সাধনা' ও 'বঙ্গদর্শন' (নবায়ন) পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রভাকর শব্দের অর্থ সূর্য। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত হলেন সাহিত্যের সূর্য যিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা প্রকাশ করেছিলেন। এভাবে প্রভাকর ও ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে একসাথে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার প্রথম প্রকাশকাল এবং সম্পাদক সংক্রান্ত প্রশ্ন বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার আসে।
- বাংলা সংবাদপত্রের ইতিহাস থেকে প্রশ্ন আসলে পত্রিকার নাম এবং সম্পাদকের নাম জোড়বদ্ধ করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
১. কেন সঠিক:
- 'কারাগারের রোজনামচা' গ্রন্থটির রচয়িতা স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- রোজনামচা শব্দের অর্থ হলো দিনলিপি বা ডায়েরি, যেখানে প্রতিদিনের ঘটনা ও অনুভূতি লিপিবদ্ধ করা হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি জাতির পিতার দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ যা বাংলা একাডেমি থেকে ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত কারাগারে বন্দि থাকা অবস্থায় তিনি এই ডায়েরিটি লিখেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ যা ২০১২ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: আমার দেখা নয়া চীন
ব্যাখ্যা: এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত তৃতীয় গ্রন্থ যা ২০২০ সালে প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও কবি হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
B) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং এর পক্ষে উপরে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।
C) সুফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত নারী কবি ও সাহিত্যিক, এই গ্রন্থের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই।
D) শেখ হাসিনা — তিনি বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুর কন্যা হলেও এই গ্রন্থটি তাঁর নিজের লেখা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর জেল জীবনের ডায়েরি মানেই 'কারাগারের রোজনামচা'। রোজনামচা শব্দটি দেখলেই জাতির পিতার নাম মনে রাখবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্গবন্ধুর লেখা তিনটি গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। গ্রন্থ তিনটি হলো অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়া চীন।
সঠিক উত্তর: B) অগ্নিবীণা
১. কেন সঠিক:
- অগ্নিবীণা বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যকর্মের তালিকার সঙ্গে অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- অগ্নিবীণা প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে এবং এটি বাংলা কাব্য সাহিত্যে এক নতুন যুগান্তরের সূচনা করেছিল।
- এই কাব্যগ্রন্থের বিখ্যাত কবিতার মধ্যে প্রলয়োল্লাস, বিদ্রোহী ও কামাল পাশা অন্যতম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সঞ্চিতা
ব্যাখ্যা: সঞ্চিতা হলো কাজী নজরুল ইসলামের নির্বাচিত কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন।
উদাহরণ ২: বিষের বাঁশি
ব্যাখ্যা: বিষের বাঁশি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ও প্রগতিশীল কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চিত্রা — এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
B) অগ্নিবীণা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রবীন্দ্রনাথের নয়, কাজী নজরুল ইসলামের রচনা।
C) সোনার তরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতীকধর্মী ও দার্শনিক চেতনায় সমৃদ্ধ একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
D) সেঁজুতি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ বয়সের মননশীল ও গভীর জীবনদর্শনমূলক একটি কাব্যগ্রন্থ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অগ্নিবীণা নাম শুনলেই মনে রাখবে এটি বাদ্যযন্ত্রের মতো ঝংকার তোলা নজরুলের বিদ্রোহী কবিতার বই।
- রবীন্দ্রনাথের কাব্যগ্রন্থ চেনার জন্য চিত্রা, সোনার তরী ও সেঁজুতি শব্দগুলো মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ও বিখ্যাত রচনা প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম সার্থক কাব্যগ্রন্থ মানসী ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) তিন প্রকার
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষার উপসর্গ তিন প্রকার। এগুলো হলো বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যেসব শব্দাংশ মূল শব্দের আগে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে তাকে উপসর্গ বলে। উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার উপসর্গগুলোকে প্রধানত এই তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনাদৃত শব্দের অনা উপসর্গটি একটি বাংলা উপসর্গ।
ব্যাখ্যা: এটি খাঁটি বাংলা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: প্রখ্যাত শব্দের প্র উপসর্গটি একটি তৎসম উপসর্গ।
ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের পূর্বে ব্যবহৃত হয়ে শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটিয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তিন প্রকার — এই অপশনটি সঠিক কারণ উৎসের দিক থেকে বাংলা উপসর্গ তিন প্রকারেই বিভক্ত।
B) চার প্রকার — উপসর্গ চার প্রকার নয় বলে এই অপশনটি ভুল।
C) পাঁচ প্রকার — উপসর্গ পাঁচ প্রকার নয় বলে এই অপশনটি সঠিক নয়।
D) সাত প্রকার — উপসর্গের সংখ্যা সাত প্রকার ধরা হয় না বিধায় এটি ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাংলা উপসর্গ মনে রাখার একটি সহজ কৌশল হলো উৎসের নাম মনে রাখা, যা বাংলা, তৎসম ও বিদেশি এই তিন ভাগে বিভক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ভাষায় খাঁটি বাংলা উপসর্গ কুড়িটি এবং তৎসম উপসর্গ কুড়িটি রয়েছে। এই সংখ্যাগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) ১৮০১ সালে
১. কেন সঠিক:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮০০ সালের চতুর্থ দিনে। তবে এর বাংলা বিভাগ খোলা হয় এবং কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ১৮০১ সালের মে মাসে।
বাংলা গদ্যের বিকাশ ও ভারতে নিযুক্ত ব্রিটিশ সিভিলিয়ানদের বাংলা ভাষা শেখানোর উদ্দেশ্যে এই বিভাগ চালু করা হয়। উইলিয়াম কেরি এই বিভাগের প্রধান বা পদবাচ্য অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত হন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কলকাতার লালদিঘির উত্তরপাশে ১৮০০ সালের ৪ঠা মে লর্ড ওয়েলেসলি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়। সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ তরুণ ইংরেজ শাসকদের ভারতীয় ভাষা ও সংস্কৃতি শেখানোই ছিল এই প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য।
এই কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান উইলিয়াম কেরির উদ্যোগে বহু পন্ডিত যুক্ত হয়ে একের পর এক মৌলিক ও অনূদিত গ্রন্থ রচনা করেন। বাংলা গদ্যের সূচনা ও বিকাশে এই প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অত্যন্ত অপরিসীম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রামরাম বসুর রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র
ব্যাখ্যা: এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ থেকে ১৮০১ সালে প্রকাশিত প্রথম মৌলিক বাংলা গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের বাতত্রিশ সিংহাসন
ব্যাখ্যা: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের উদ্যোগে রচিত ও প্রকাশিত বাংলা গদ্যের একটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮০০ সালে — এই সালে কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলেও বাংলা বিভাগ খোলা হয়নি।
B) ১৮০১ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বাংলা বিভাগ চালু করা হয়।
C) ১৮০৩ সালে — এই সালে কলেজ প্রতিষ্ঠার বছর নয় এবং বাংলা বিভাগ চালুর সালও এটি নয়।
D) ১৮০২ সালে — এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগ খোলা হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে হবে ১৮০০ এবং তার ঠিক এক বছর পর ১৮০১ সালে খোলে বাংলা বিভাগ। কেরির কলম চলেছে ১৮০১ সাল থেকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রথম বাংলা অধ্যাপক উইলিয়াম কেরি এবং বাংলা বিভাগের প্রথম গ্রন্থ রামরাম বসুর রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র। এই দুটি তথ্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: A) দুর্লভ
১. কেন সঠিক:
- 'যা কষ্টে লাভ করা যায়' এই বাক্যাংশটির সংকুচিত রূপ হলো দুর্লভ।
- এখানে 'দুঃ' উপসর্গ বা না-বোধক অর্থে এবং 'লভ' ধাতু থেকে শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ।
- বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই ভাষা সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা নিবারণ করা যায় না
ব্যাখ্যা: একে এককথায় অনিবার্য বলা হয়।
উদাহরণ ২: যা সহজে জয় করা যায় না
ব্যাখ্যা: একে এককথায় দুর্জয় বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুর্লভ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ যা সহজে পাওয়া যায় না বা কষ্টে লাভ করা যায়।
B) অলভ্য — এর অর্থ যা লাভ করা যায় না বা অসম্ভব, যা প্রদত্ত বাক্যের অর্থের সঙ্গে হুবহু মেলে না।
C) কষ্টসাধ্য — এর অর্থ যা করতে অনেক কষ্ট হয়, কিন্তু এটি প্রাপ্তির চেয়ে কাজের ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য।
D) দুর্জয় — এর অর্থ যাকে জয় করা কঠিন, এটি লাভ করার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- লাভ বা প্রাপ্তি বোঝাতে লভ ধাতু যুক্ত শব্দ যেমন দুর্লভ বা অলভ্য ব্যবহার করা হয়।
- সহজে পাওয়া যায় না এমন অর্থে দুর্লভ শব্দটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য সংকোচন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- একই ধরনের শব্দগুলোর সূক্ষ্ম পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সান্ধ্য ভাষা
১. কেন সঠিক:
- চর্যাপদের ভাষা সান্ধ্য ভাষা হিসেবে পরিচিত কারণ এর শব্দ ও ভাবার্থ সহজে বোধগম্য নয় এবং এর মধ্যে আলো-আঁধারি বা দ্ব্যর্থক অর্থ লুকিয়ে আছে।
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদের টিকাকার মুনিদত্তের ব্যাখ্যার ওপর ভিত্তি করে এর ভাষাকে সান্ধ্য ভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা হিসেবে অভিহিত করেছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন এবং বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত।
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর ওডিবিএল গ্রন্থে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা মূলত প্রাচীন বাংলা ভাষার রূপ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদের প্রথম পদটি করেছেন লুইপা, যার মূল সুর ছিল সাধনার তত্ত্ব প্রকাশ করা।
ব্যাখ্যা: এই পদের ভাষা ও রূপকধর্মী প্রকাশভঙ্গি সান্ধ্য ভাষার উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
উদাহরণ ২: কাণপাদের গীতগুলোতেও সান্ধ্য ভাষার রূপক ও অবহট্ঠ ভাষার প্রভাব দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: এসব পদে হরফে লেখা রূপক এবং সাধনার কথা সান্ধ্য ভাষার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সান্ধ্য ভাষা — এটি সঠিক কারণ চর্যাপদের ভাষাতাত্ত্বিক আলোচনার সূচনায় একে সান্ধ্য ভাষা বলা হয়েছে।
B) ব্রজবুলী ভাষা — এটি কোনো প্রকৃত কথ্য ভাষা নয়, এটি কৃত্রিম কাব্যভাষা যার বিকাশ ঘটেছিল মধ্যযুগে বৈষ্ণব পদাবলীতে।
C) বাংলা ভাষা — চর্যাপদের ভাষা বাংলা ভাষার প্রাচীন রূপ হলেও, পরীক্ষার বহুনির্বাচনী প্রশ্নে প্রথাগতভাবে সান্ধ্য ভাষা অপশনটিকেই সঠিক ধরা হয়।
D) মৈথিলি ভাষা — বিদ্যাপতি ব্রজবুলী ভাষায় পদ রচনা করলেও চর্যাপদের ভাষা মৈথিলি ভাষা ছিল না, এটি প্রাচীন বাংলা ভাষার অন্তর্ভুক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
চর্যাপদের ভাষা নিয়ে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মত মনে রাখতে সান্ধ্য বা আলো-আঁধারি কথাটি মাথায় রাখবে।
পরীক্ষায় চর্যাপদের ভাষা কী এমন প্রশ্ন এলে সান্ধ্য ভাষা অপশনটি প্রথম পছন্দ হিসেবে বিবেচনা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় নেপালের রাজদরবার থেকে এবং ১৯০৭ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে তা প্রকাশিত হয়।
এই ধরনের প্রশ্নে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতপার্থক্যের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটটি মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) দুই ভাগে
১. কেন সঠিক:
প্রত্যয়কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। এই ভাগ দুটি হলো কৃৎপ্রত্যয় এবং তদ্ধিতপ্রত্যয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
প্রকৃতির সাথে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে। ধাতুর সাথে যুক্ত হয় কৃৎপ্রত্যয় এবং শব্দের সাথে যুক্ত হয় তদ্ধিতপ্রত্যয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চল + আ = চলা
ব্যাখ্যা: এটি কৃৎপ্রত্যয়ের উদাহরণ কারণ চল ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সাথে আ প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ঢাকা + আই = ঢাকাই
ব্যাখ্যা: এটি তদ্ধিতপ্রত্যয়ের উদাহরণ কারণ ঢাকা বিশেষ্য পদের সাথে আই প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চার ভাগে — এই সংখ্যাটি প্রত্যয়ের প্রধানভাগের সাথে মেলে না। ব্যাকরণে প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার।
B) দুই ভাগে — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রত্যয় প্রধানত কৃৎ ও তদ্ধিত এই দুই ভাগে বিভক্ত।
C) তিন ভাগে — তিন ভাগে ভাগ করা ব্যাকরণের নিয়মে সঠিক নয়। এটি ভুল তথ্য।
D) পাঁচ ভাগে — পাঁচ ভাগে ভাগ করার কোনো ভিত্তি বাংলা ব্যাকরণে নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার তা মনে রাখতে ধাতু ও শব্দ এই দুটি উৎস মাথায় রাখতে হবে। ধাতু থেকে কৃৎ এবং শব্দ থেকে তদ্ধিত প্রত্যয় হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রত্যয়ের প্রধান প্রকারভেদ বা কৃৎ ও তদ্ধিত প্রত্যয়ের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। শব্দ বিশ্লেষণ করে প্রকৃতি ও প্রত্যয় আলাদা করার অভ্যাস রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
- 'চক্রবাক' হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
- চক্রবাক শব্দের অর্থ এক জোড়া পাখি, যা বিরহ ও প্রেমের প্রতীক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে ব্যবহৃত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও যুগসন্ধিক্ষণের অন্যতম প্রধান কবি।
- 'চক্রবাক' কাব্যগ্রন্থটি তাঁর রোমান্টিক ধারার কবিতার এক অনন্য নিদর্শন, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম ও অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: বিষের বাঁশি
ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ও প্রগতিশীল কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফররুখ আহমদ — ফররুখ আহমদ একজন বিশিষ্ট মুসলিম রেনেসাঁস কবি হলেও 'চক্রবাক' তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ নয়।
B) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই।
C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হলেও তিনি এই কাব্য লেখেননি।
D) শামসুর রাহমান — শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও তাঁর কোনো কাব্যগ্রন্থের নাম চক্রবাক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের রোমান্টিক ও প্রেমমূলক কবিতা মনে রাখতে চক্রবাক নামটি বিশেষভাবে স্মরণ রাখতে হবে।
- কবির প্রথম কাব্য অগ্নিবীণা এবং অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগুলোর সঙ্গে চক্রবাক নামটি আলাদা করে মনে রাখতে হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কবিদের কাব্যগ্রন্থের নাম থেকে প্রশ্ন আসে।
- কবির সাহিত্যকর্মের প্রকাশকাল ও প্রকারভেদ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) ভাষা আন্দোলন
১. কেন সঠিক:
'কবর' নাটকটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত নাটক। শহীদ মিনার ও ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে নাটকীয় রূপ দেওয়ায় এটি এই পটভূমির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
নাটকটির রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। তিনি জেলখানায় বন্দী থাকা অবস্থায় ১৯৫৩ সালে এই নাটকটি রচনা করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন
ব্যাখ্যা: জহির রায়হান রচিত এই উপন্যাসটিও ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত।
উদাহরণ ২: আর্তনাদ
ব্যাখ্যা: শওকত ওসমান রচিত এই উপন্যাসটিও ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তেভাগা আন্দোলন — এই পটভূমিতে মুনীর চৌধুরীর 'কবর' নাটকটি রচিত হয়নি। এটি অন্য একটি ঐতিহাসিক কৃষক আন্দোলন।
B) ভাষা আন্দোলন — এই অপশনটি সঠিক এবং নাটকের মূল প্রেক্ষাপটকে নির্দেশ করে।
C) দেশ বিভাগ — এই পটভূমিতে নাটকটি রচিত নয়, যদিও দেশ বিভাগ বাংলা সাহিত্যে অনেক উপন্যাসের বিষয়বস্তু হয়েছে।
D) মুক্তিযুদ্ধ — মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ের পটভূমি হলেও 'কবর' নাটকটি মূলত ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে লেখা।
৫ মনে রাখার টিপস:
মুনীর চৌধুরীর নাটক 'কবর' মানেই ভাষা আন্দোলন। জেলখানায় বসে লেখা এই নাটকের মূল সুর বায়ান্নর ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যে ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম নাটক হলো মুনীর চৌধুরীর 'কবর'। নাটকের চরিত্রগুলোর মধ্যে মুর্দা ফকির ও ময়নামতি অত্যন্ত প্রতীকী।
সঠিক উত্তর: C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
১. কেন সঠিক:
অমিল্যাক্ষর বা অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
তিনি বাংলা কাব্যে সংস্কৃত পয়ার ছন্দের প্রথাবদ্ধ নিয়ম ভেঙে পঙ্ক্তির শেষে পদের মিলবন্ধন বা অন্ত্যমিল বর্জন করে এই নতুন ছন্দ ধারার সূচনা করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি এবং সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের স্রষ্টা।
তার বিখ্যাত মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রথম সফল ও সার্থক প্রয়োগ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হে বঙ্গ ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন।
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বঙ্গভাষা কবিতার অংশ যেখানে অন্ত্যমিল ছাড়া ভাব প্রকাশ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: রক্ষঃকুলপতি কিন্তু দেখিয়া এ সব।
ব্যাখ্যা: এটি মেঘনাদবধ কাব্যের একটি পঙ্ক্তি যা অমিত্রাক্ষর ছন্দের কাঠামোগত ব্যবহারের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা কাব্যে গদ্যছন্দ এবং নানা রকম নতুন ছন্দের প্রবর্তক হলেও অমিল্যাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক নন।
B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা কবিতায় ইসলামি ঐতিহ্য, আরবি ফারসি শব্দ এবং ওজস্বিনী মাত্রাবৃত্ত ছন্দের সফল ব্যবহার করেন।
D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত এবং তিনি মূলত নানা বিদেশি শব্দের সংমিশ্রণে বাংলা ছন্দের জাঁকজমক বৃদ্ধি করেছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
মধু দিয়ে অমিল দূর করা যায় এভাবে মনে রাখতে পারেন যে মধুসূদন দত্ত অমিল বা অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
বাংলা কাব্যে অমিল বা অমিত্রাক্ষর ছন্দ মানেই মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তন করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং তার মেঘনাদবধ কাব্য এই ছন্দের সর্বশ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে তাই কবির নাম এবং মহাকাব্যের নাম ভালোভাবে মনে রাখবেন।
সঠিক উত্তর: A) ১৮৬১ সালে
১. কেন সঠিক:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য মেঘনাদবধ মহাকাব্য ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়।
এই মহাকাব্যটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত পূর্ণাঙ্গ কাব্যগ্রন্থ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই মহাকাব্যের রচয়িতা বিদ্রোহী কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত যিনি বাংলা সাহিত্যে প্রথম আধুনিকতার সূচনা করেন।
রামায়ণের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত হলেও কবি এখানে রাবণ ও মেঘনাদকে দেশপ্রেমিক ও বীর হিসেবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত প্রথম বাংলা কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি পত্রকাব্য যা ১৮৬৪ সালে প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮৬১ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ মেঘনাদবধ মহাকাব্য এই সালেই প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
B) ১৮৬৫ সালে — এই অপশনটি ভুল কারণ এই সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের চতুর্দশপদী কবিতাবলী প্রকাশিত হয়েছিল।
C) ১৯৫২ সালে — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি বাঙালি জাতির ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক বছর এবং এর সঙ্গে এই কাব্যের প্রকাশকাল সম্পর্কিত নয়।
D) ১৯৭০ সালে — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ঠিক আগের একটি রাজনৈতিক বছর এবং মহাকাব্যের প্রকাশকালের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
মেঘনাদবধ মহাকাব্যের প্রকাশকাল মনে রাখার সহজ কৌশল হলো মধুসূদন ১৮৬১ সালে তার শ্রেষ্ঠ কীর্তি উপহার দেন।
১৮৬১ সাল হলো এমন একটি বছর যখন বাংলা সাহিত্যে মহাকাব্যের সার্থক সূচনা ঘটেছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই মেঘনাদবধ মহাকাব্যের রচয়িতা এবং প্রকাশকাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
একইভাবে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক কীর্তিবিলাসের পরিবর্তে নন্দিকেশুরের মিত্রের শর্মিষ্ঠা নাটক ১৮৫৯ সালের কথা মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) হাঙর নদী গ্রেনেড
১. কেন সঠিক:
- হাঙর নদী গ্রেনেড উপন্যাসটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন পটভূমিতে রচিত এবং এতে এক জননী বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
- কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন এই উপন্যাসে একাত্তরের ভয়াবহতা এবং সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের চিত্র তুলে ধরেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সেলিনা হোসেন বাংলা কথাসাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র যিনি মুক্তিযুদ্ধ ও প্রান্তিক মানুষের জীবন নিয়ে বহু গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস রচনা করেছেন।
- হাঙর নদী গ্রেনেড উপন্যাসে প্রধান চরিত্র বুড়ি মাতৃত্বের টানে নিজের প্রতিবন্ধী সন্তানকে বিসর্জন দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের রক্ষা করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জোছনা ও জননীর গল্প
ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অন্যতম সেরা উপন্যাস।
উদাহরণ ২: আগুনের পরশমণি
ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যা সেলুলয়েডেও রূপায়িত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পথের পাঁচালী — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত গ্রামবাংলার গ্রামীণ প্রকৃতি ও অপু দুর্গার শৈশবের পটভূমিতে লেখা উপন্যাস।
B) হাঙর নদী গ্রেনেড — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
C) কবর — এটি মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম নাটক যা ১৯৫৩ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় রচিত হয়।
D) আরেক ফাল্গুন — এটি জহির রায়হান রচিত ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে সেলিনা হোসেনের হাঙর নদী গ্রেনেড এবং জহির রায়হানের আরেক ফাল্গুন ও বরফ গলা নদী গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
- পরীক্ষার হলে নাটকের ক্ষেত্রে মুনীর চৌধুরীর কবর এবং উপন্যাসের ক্ষেত্রে ভাষা বা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনাগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ও নাটক থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- লেখক পরিচিতি এবং উপন্যাসের পটভূমি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর খুব সহজেই নির্ভুল করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) মিথিলার
১. কেন সঠিক:
বিদ্যাপতি ছিলেন ভারতের বর্তমান বিহার রাজ্যের মিথিলা অঞ্চলের কবি। তিনি মূলত মৈথিলি ভাষার কবি হলেও বাংলা সাহিত্য ও পদাবলীতে তাঁর অবদান অত্যন্ত গভীর ও অবিস্মরণীয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিদ্যাপতি সংস্কৃত ও মৈথিলি ভাষায় সাহিত্য রচনা করলেও তাঁর পদগুলো ব্রজবুলি ভাষায় রচিত হওয়ায় বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছিল। মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম প্রধান ও আদি কবি হিসেবে তাঁকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ স্থান দেওয়া হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পদাবলী সাহিত্য
ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতি রচিত বৈষ্ণব পদাবলী বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের শুরুর দিকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
উদাহরণ ২: মৈথিলি কোকিল
ব্যাখ্যা: মধুর কণ্ঠস্বর ও রচনার সৌন্দর্যের জন্য বিদ্যাপতিকে মৈথিলি কোকিল উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নবদ্বীপের — নবদ্বীপ বাংলার নদীয়া জেলায় অবস্থিত এবং এটি শ্রীচৈতন্যদেবের জন্মস্থান, বিদ্যাপতির জন্মস্থান নয়।
B) মিথিলার — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি মিথিলার পিন্ডারী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
C) কৃষ্ণনগরের — কৃষ্ণনগর নদীয়া জেলার একটি ঐতিহাসিক শহর, যা বিদ্যাপতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) বর্ধমানের — বর্ধমান পশ্চিমবঙ্গের একটি জেলা, যা বিদ্যাপতির জন্ম বা কর্মক্ষেত্র ছিল না।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিদ্যাপতি ও মিথিলা মনে রাখার জন্য মাথায় রাখতে হবে যে তিনি মৈথিলি ভাষার কবি ছিলেন এবং মিথিলা অঞ্চলের অধিবাসী ছিলেন। ব্রজবুলি ভাষার সঙ্গে তাঁর নাম অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বিদ্যাপতি কোন ভাষার কবি বা কোথাকার কবি। মনে রাখতে হবে তিনি মৈথিলি ভাষার কবি এবং মিথিলার অধিবাসী হলেও বাংলা পদাবলীতে তাঁর প্রভাব অপরিসীম।
সঠিক উত্তর: B) হাতি
১. কেন সঠিক:
- ঐরাবত শব্দটির অর্থ হাতি এবং এটি একটি সমার্থক শব্দ।
- পৌরাণিক উপাখ্যান অনুযায়ী, এটি স্বর্গের রাজা ইন্দ্রের বাহন এবং দেবরাজ ইন্দ্রের হাতি হিসেবে পরিচিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই সব ভিন্ন শব্দ যেগুলোর অর্থ একই বা প্রায় কাছাকাছি।
- বাংলা ভাষায় সমার্থক শব্দ ভাণ্ডার সমৃদ্ধ এবং বহু শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গজ
ব্যাখ্যা: গজ হলো হাতির আরেকটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: করী
ব্যাখ্যা: কর বা শুঁড় আছে যার, তাকে করী বলা হয় এবং এটি হাতির সমার্থক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঘোড়া — ঘোড়ার সমার্থক শব্দ হলো অশ্ব, তুরঙ্গ, বাজি ও ঘোটক।
B) হাতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) সাপ — সাপের সমার্থক শব্দ হলো সর্প, ভুজঙ্গ, নাগ ও উরগ।
D) হরিণ — হরিণের সমার্থক শব্দ হলো মৃগ, সারঙ্গ ও কুরঙ্গ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইন্দ্রের হাতি হলো ঐরাবত, তাই হাতি এবং ঐরাবত সমার্থক শব্দ হিসেবে মনে রাখতে হবে।
- পৌরাণিক নামগুলোর সাথে শব্দের অর্থ মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পৌরাণিক চরিত্র ও বাহনের সমার্থক শব্দ প্রায়ই আসে।
- শব্দের মূল উৎস ও অর্থ জানলে যেকোনো সমার্থক শব্দ সহজেই নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) প্রমথ চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- 'বীরবল' ছদ্মনামটি প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক পরিচয়ের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।
- বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবক্তা এবং বীরবল ছদ্মনামে তিনি বিখ্যাত প্রবন্ধ রচনা করেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে বুদ্ধিবৃত্তিক প্রবন্ধের ধারা প্রবর্তন করেন এবং তার সম্পাদিত 'সবুজপত্র' পত্রিকা বাংলা গদ্যে এক নতুন বিপ্লব এনেছিল।
- তিনি ছিলেন বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক প্রাবন্ধিক যিনি গুরুগম্ভীর ভাব বাদ দিয়ে হালকা চালে গভীর কথা বলার শৈলী তৈরি করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বীরবলের হালখাতা
ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত একটি প্রবন্ধগ্রন্থ যা তার ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়েছিল।
উদাহরণ ২: রায়তের কথা
ব্যাখ্যা: এটিও প্রমথ চৌধুরীর একটি প্রখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ যেখানে কৃষকদের অধিকারের কথা তুলে ধরা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি কোনো ছদ্মনাম ব্যবহার করেননি।
B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তার ছদ্মনাম ছিল না, যদিও তিনি কিছু ক্ষেত্রে ভিন্ন নাম ব্যবহার করেছেন।
C) প্রমথ চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি 'বীরবল' ছদ্মনামে লিখতেন।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি ভানুসিংহ ঠাকুর ছদ্মনামে পদাবলী সাহিত্য রচনা করেছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত ছদ্মনাম মনে রাখার সহজ উপায় হলো বীরবল চরিত্রটির সঙ্গে তার বুদ্ধিমত্তা ও রসবোধের মিল খুঁজে নেওয়া।
- সবুজপত্র পত্রিকার সঙ্গে বীরবলের নাম মনে রাখলে পরীক্ষা ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, যেমন ভানুসিংহ ঠাকুর কার ছদ্মনাম।
- ছদ্মনামের পাশাপাশি লেখকদের সম্পাদিত পত্রিকার নামও ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ (Vocabulary / One Word Substitution)
সঠিক উত্তর: B) appointee
কেন সঠিক:
- প্রশ্নটিতে এমন একজন ব্যক্তির কথা জানতে চাওয়া হয়েছে যাকে সদ্য কোনো পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো পদে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে appointee বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) appointer — এই শব্দের অর্থ যিনি নিয়োগকর্তা বা যিনি কাউকে চাকরিতে নিয়োগ প্রদান করেন।
B) appointee — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ যাকে নিয়োগ করা হয়েছে।
C) novice — এই শব্দের অর্থ অনভিজ্ঞ বা নতুন শিক্ষানবিস, যা সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তির সঠিক প্রতিশব্দ নয়।
D) apprentice — এই শব্দের অর্থ কোনো নির্দিষ্ট কাজে প্রশিক্ষণার্থী বা হাতে-কলমে কাজ শেখার জন্য নিযুক্ত ব্যক্তি।
মনে রাখার টিপস:
যিনি নিয়োগ দেন তিনি appointer আর যাকে নিয়োগ দেওয়া হয় তিনি appointee।
সঠিক উত্তর: B) adept
কেন সঠিক:
- adept শব্দের অর্থ দক্ষ বা পটু, যা skilled শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এই দুটি শব্দই কোনো কাজে বিশেষ পারদর্শিতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adopt — এর অর্থ গ্রহণ করা বা দত্তক নেওয়া, যা skilled শব্দের সমার্থক নয়।
B) adept — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) adupt — এটি একটি বানানগত ভুল শব্দ, ইংরেজিতে এর কোনো অর্থ নেই।
D) adapt — এর অর্থ মানিয়ে নেওয়া বা অভিযোজিত করা, যা skilled শব্দের সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Skilled এবং Adept উভয় শব্দের শেষ অক্ষর d দিয়ে শুরু বা সম্পর্কিত মনে রেখে দক্ষতা বোঝাতে এই দুটি শব্দ একসঙ্গে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) spinster
কেন সঠিক:
- 'Spinster' শব্দটির অর্থ অবিবাহিত নারী, যা ব্যাকরণগতভাবে ফেমিনাইন জেন্ডার নির্দেশ করে।
- পুরুষবাচক শব্দ 'bachelor' এর বিপরীতে অবিবাহিত নারীর ক্ষেত্রে 'spinster' ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) peer — এটি কমন জেন্ডার, যার অর্থ সমকক্ষ বা সহকর্মী এবং এটি পুরুষ বা নারী উভয়কেই বোঝায়।
B) parent — এটি কমন জেন্ডার, যা মাতা বা পিতা উভয়কেই নির্দেশ করে।
C) boar — এটি ম্যাসকুলাইন জেন্ডার, যার অর্থ বুনো শূকর এবং এর ফেমিনাইন রূপ হলো sow।
D) spinster — এটি সঠিক ফেমিনাইন জেন্ডার হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত।
মনে রাখার টিপস:
অবিবাহিত পুরুষের ক্ষেত্রে bachelor এবং অবিবাহিত নারীর ক্ষেত্রে spinster ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) Thomas Hardy
কেন সঠিক:
- থমাস হার্ডি মূলত একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন, যিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের শেষভাগে সাহিত্য রচনা করেছেন।
- তার বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে টেস অব দ্য ডারবারভিলস এবং রিটার্ন অব দ্য নেটিভ অন্যতম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Thomas Hardy — ইনি একজন বিশ্বখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কবি, তাই এটি সঠিক উত্তর।
B) John Milton — ইনি সপ্তদশ শতকের একজন প্রখ্যাত মহাকাব্যিক কবি, কোনো ঔপন্যাসিক নন।
C) Alexander Pope — ইনি অষ্টাদশ শতকের একজন বিশিষ্ট ব্যঙ্গাত্মক কবি, ঔপন্যাসিক নন।
D) P. B. Shelley — ইনি রোমান্টিক যুগের একজন প্রখ্যাত লিরিক কবি, ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত নন।
মনে রাখার টিপস:
থমাস হার্ডির উপন্যাসগুলোর মূল পটভূমি ওয়েসল্যান্ড বা কাল্পনিক Wessex প্রদেশ।
সঠিক উত্তর: B) sight
কেন সঠিক:
- 'Ocular' একটি ইংরেজি বিশেষণ যার বাংলা অর্থ চোখের বা দৃষ্টিসংক্রান্ত।
- এটি মানুষের দৃষ্টিশক্তি বা দেখার প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) sound — এই শব্দটি শব্দ বা শ্রবণের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা দৃষ্টির সঙ্গে মিলে না।
B) sight — এটি সঠিক উত্তর কারণ ocular শব্দের মূল অর্থ দৃষ্টিশক্তি।
C) hearing — এই শব্দটির অর্থ শ্রবণ বা শোনার ক্ষমতা, যা ocular শব্দের অর্থ নয়।
D) smell — এই শব্দটির অর্থ ঘ্রাণ বা গন্ধ নেওয়া, যা দেখার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Ocular শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ oculus থেকে, যার অর্থ চোখ বা দৃষ্টি।
সঠিক উত্তর: C) strung
কেন সঠিক:
- 'string' একটি irrégular verb বা অনিয়মিত ভার্ব যার পাস্ট বা অতীত রূপ গঠন করতে ইডি যুক্ত হয় না।
- এর পাস্ট ও পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম হলো 'strung'।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) strang — এটি সঠিক ইংরেজি শব্দ বা ভার্বের কোনো রূপ নয়।
B) stringed — এটি নিয়মিত ভার্বের নিয়মে ভুলভাবে গঠিত রূপ, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) strung — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে গণ্য হবে না।
D) strunged — এটি একটি ভুল রূপ কারণ এর শেষে অপ্রয়োজনীয়ভাবে ইডি যুক্ত করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
রিং বা দড়ি দিয়ে কিছু ঝোলানোর ক্ষেত্রে string ভার্বের পাস্ট ফর্ম হিসেবে ring এর মতো swing, sting, string শব্দের শেষে ইউ জি যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: D) before
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী Hardly had যুক্ত বাক্যের দ্বিতীয় অংশে when বা before বসে।
- প্রদত্ত বাক্যের শূন্যস্থানের পরে the train left clauseটি থাকায় সঠিক সংযোজক হিসেবে before ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) then — then শব্দটি No sooner... than কাঠামোর সাথে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে সঠিক নয়।
B) than — than শব্দটি তুলনামূলক বাক্য বা No sooner... than গঠনে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) but — but একটি বিপরীতার্থক সংযোজক যা এই বিশেষ বাক্য কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
D) before — এই অপশনটি সঠিক কারণ Hardly had এর সাথে when অথবা before ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
Hardly had থাকলে বাক্যের মাঝখানে when বা before এবং No sooner had থাকলে than বসে।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: B) up
কেন সঠিক:
- Set up একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব যার অর্থ প্রতিষ্ঠা করা বা স্থাপন করা।
- বাক্যে একজন ব্যবসায়ী কর্তৃক একটি ক্লাব প্রতিষ্ঠা করার অর্থ প্রকাশ করতে set up ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) down — Set down অর্থ নিচে নামানো বা লিপিবদ্ধ করা, যা এখানে অর্থসংগত নয়।
B) up — এটি সঠিক কারণ set up অর্থ স্থাপন করা বা প্রতিষ্ঠা করা।
C) for — Set for প্রমিত গ্রুপ ভার্ব হিসেবে এখানে অর্থ প্রকাশ করে না।
D) off — Set off অর্থ যাত্রা শুরু করা, যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো প্রতিষ্ঠান, ক্লাব বা ব্যবসা শুরু করা বা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সর্বদা Set এর সাথে up যুক্ত হয়ে Set up ফ্রেজাল ভার্বটি গঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) of
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো অপরাধ বা অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া অর্থে absolved শব্দের পর preposition হিসেবে অবিকল of বসে।
- প্রমিত ইংরেজি ব্যবহার ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার নিয়ম অনুযায়ী absolve এর সঠিক collocation হলো absolve of something।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) of — এই প্রশ্নটির ক্ষেত্রে এটিই সঠিক preposition এবং এটি নির্দিষ্ট অভিযোগ থেকে অব্যাহতি বোঝাতে বসে।
B) from — সাধারণত free বা prevent শব্দের পরে from বসে, কিন্তু absolve শব্দের সাথে প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী of ব্যবহৃত হয়।
C) out — এটি phrasal verb বা নির্দিষ্ট কোনো idiom গঠনে ব্যবহৃত হয়, যা এই শূন্যস্থানের জন্য ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) off — এটি সাধারণত কোনো কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বা দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা absolve শব্দের সাথে উপযুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো অভিযোগ থেকে মুক্তি বা অব্যাহতি পাওয়ার ইংরেজি হলো absolve of, যেখানে of প্রিপজিশনটি নির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: B) Videos
কেন সঠিক:
- 'Video' একটি লাতিন শব্দ, যার শেষে 'o' রয়েছে এবং তার আগে একটি ভাওয়েল ('e') আছে।
- যে সব শব্দের শেষে 'o' থাকে এবং তার আগে ভাওয়েল থাকে, তাদের সাথে শুধু 's' যোগ করে বহুবচন করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Videoes — 'o' এর আগে ভাওয়েল থাকা সত্ত্বেও 'es' যুক্ত করা হয়েছে যা বানান নিয়মের বাইরে।
B) Videos — এটি সঠিক উত্তর, কারণ নিয়মানুযায়ী এখানে শুধু 's' যুক্ত হয়েছে।
C) Vidioes — এখানে মূল শব্দের বানানে ভুল করা হয়েছে এবং অপ্রাসঙ্গিকভাবে 'es' যুক্ত করা হয়েছে।
D) Vidios — এখানে মূল শব্দের বানান ভুল (Vidio লেখা হয়েছে) এবং সঠিক বানানরীতি মানা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
O অক্ষরের আগে ভাওয়েল থাকলে শুধু S বসে, যেমন- Radio থেকে Radios এবং Video থেকে Videos।
বিষয়ের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: B) The son is as foolish as the father is intelligent.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি একটি তুলনামূলক বা correlative comparison-এর উদাহরণ, যা ইংরেজিতে as ... as কাঠামোর মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।
- বাংলা বাক্যের ভাব বজায় রেখে সঠিক ইংরেজি অনুবাদ করতে প্রথম অংশে পজিটিভ ডিগ্রি এবং দ্বিতীয় অংশে তার বিপরীতার্থক পজিটিভ ডিগ্রি ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The father is as intelligent as the son is fool — এখানে fool হলো noun, অথচ তুলনার ক্ষেত্রে adjective (foolish) ব্যবহার করা উচিত ছিল।
B) The son is as foolish as the father is intelligent — এটি সম্পূর্ণ সঠিক অনুবাদ, তাই প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তরটি ভুল এবং এই অপশনটিই সঠিক উত্তর।
C) The father is as intelligent as the son is a foolish — এখানে foolish-এর আগে অযৌক্তিকভাবে article 'a' ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Father is so intelligent as much as son is foolish — এটি সঠিক ইংরেজি ব্যাকরণগত গঠন বা প্রবাদতুল্য অনুবাদ নয়, কারণ এখানে so...as much as কাঠামোর ভুল প্রয়োগ হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
যত তত যুক্ত বিপরীতার্থক তুলনামূলক বাক্যের ইংরেজি অনুবাদের ক্ষেত্রে Subject + verb + as + adjective + as + subject + verb + opposite adjective কাঠামো ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) anguish
কেন সঠিক:
- Anguish শব্দটি কেবল Noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ তীব্র মানসিক বা শারীরিক যন্ত্রণা।
- এই শব্দের কোনো Verb রূপ নেই, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) fool — এটি Noun হিসেবে ব্যবহৃত হলেও 'foolish' করা বা বোকামি করা অর্থে Verb হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
B) better — এটি Adjective বা Adverb হলেও কোনো অবস্থাকে উন্নত করা অর্থে Verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) anguish — এটি শুধুমাত্র Noun হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর কোনো Verb রূপ না থাকায় এটি সঠিক উত্তর।
D) school — এটি Noun হলেও কাউকে প্রশিক্ষণ দেওয়া বা শিক্ষা দেওয়া অর্থে Verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
যেই শব্দগুলোর Verb রূপ হয় না সেগুলোর ক্ষেত্রে সাধারণত Noun হিসেবেই বেশি ব্যবহার দেখা যায়, যেমন anguish।
সঠিক উত্তর: C) While
কেন সঠিক:
- একই ব্যক্তির ক্ষেত্রে দুটি কাজের সময় বোঝাতে মূল verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত করার আগে While ব্যবহার করা হয়।
- এখানে অফিসে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল বোঝাতে While going to office সঠিক হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) When — সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো সময় বা ঘটনার ক্ষেত্রে বসে, তবে এখানে While-এর মতো সরাসরি continuous বোঝাতে While বেশি উপযুক্ত।
B) on — on-এর পর সাধারণত gerund বসে (যেমন On going), কিন্তু এখানে বাক্য গঠনে While অধিকতর স্বাভাবিক ও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
C) While — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) Behind — এটি একটি Preposition যার অর্থ পিছনে, যা এখানে বাক্যটির অর্থ বা কাঠামোর সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
একই সময়ে দুটি কাজ ঘটার ক্ষেত্রে verb-এর সঙ্গে ing থাকলে সাধারণত While ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) William Shakespeare
কেন সঠিক:
- 'The Tempest' উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের লেখা একটি বিখ্যাত নাটক এবং এটি তাঁর শেষ একক নাটক হিসেবে পরিচিত।
- এটি মূলত রোমান্স ধারার নাটক, যেখানে জাদুকর প্রস্পরো এবং ঝড়ের প্রেক্ষাপটে প্রতিশোধ ও ক্ষমার থিম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) William Wordsworth — উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ মূলত রোমান্টিক যুগের কবি, কোনো নাটককার নন।
B) G. B. Shaw — জর্জ বার্নার্ড শ আধুনিক যুগের বিখ্যাত নাট্যকার হলেও তিনি 'The Tempest' নাটকটি লেখেননি।
C) William Shakespeare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) Harold Pinter — হ্যারল্ড পিন্টার বিংশ শতাব্দীর একজন ব্রিটিশ নাট্যকার ও চিত্রনাট্যকার, যিনি অ্যাবসার্ড নাটকের জন্য পরিচিত এবং তিনি শেক্সপিয়ারের এই নাটকের রচয়িতা নন।
মনে রাখার টিপস:
শেপসিয়ারের শেষ নাটক 'The Tempest'-এর নামের সাথে সমুদ্রের ঝড়ের (Tempest) সম্পর্ক রয়েছে, যা তাঁর নাট্যজীবনের সমাপ্তি নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: C) media
কেন সঠিক:
- ল্যাটিন ভাষায় যেসব শব্দের শেষে um থাকে, সেগুলোর প্লুরাল করার সময় um বাদ দিয়ে a যুক্ত করা হয়।
- medium শব্দের প্লুরাল রূপ হলো media, যা প্রদত্ত অপশনে সঠিক হিসেবে রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) radius — এটি একটি সিঙ্গुलर বা একবচন শব্দ, যার প্লুরাল রূপ হলো radii।
B) analysis — এটি একটি সিঙ্গুলার শব্দ, যার প্লুরাল রূপ হলো analyses (শেষে es যুক্ত হয়)।
C) media — এটি সঠিক প্লুরাল ফর্ম, তাই এটি ভুল নয়।
D) datum — এটি সিঙ্গুলার শব্দ, যার প্লুরাল রূপ হলো data (um বাদ দিয়ে a হয়েছে)।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটির শেষে um থাকলে তা উঠিয়ে a বসালে প্লুরাল হয়, যেমন medium থেকে media এবং datum থেকে data।
সঠিক উত্তর: C) adverb
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে Having finished the work অংশটি একটি Participial Phrase যা মূল বাক্যের কাজের সময় বা কারণ নির্দেশ করছে।
- এটি বাক্যের মূল Verb left সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে বা কখন কাজ সম্পন্ন হয়েছে তা প্রকাশ করছে বিধায় এটি Adverb-এর কাজ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না বা বাক্যের Subject বা Object হিসেবে কাজ করছে না।
B) adjective — এটি কোনো Noun বা Pronoun-এর দোষ, গুণ, সংখ্যা বা অবস্থা প্রকাশ করে তাদের বিশেষিত করছে না।
C) adverb — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি Verb-এর কাজের সময় বা প্রেক্ষাপট নির্দেশ করছে।
D) preposition — এটি কোনো Noun বা Pronoun-এর পূর্বে বসে অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করছে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে থাকা Participial Phrase যদি মূল কাজ সম্পাদনের সময় বা কারণ বুঝিয়ে Verb-কে বিশেষিত করে, তবে তা সাধারণত Adverb-এর কাজ করে।
সঠিক উত্তর: C) They are paying no attention to my advice
কেন সঠিক:
- Advice একটি আনকাউন্টেবল নাউন, যার সঙ্গে কখনো এস বা ইএস যুক্ত হয় না এবং পে অ্যাটেনশন টু সঠিক ধারা অনুসরণ করে।
- সাবজেক্ট প্লুরাল হওয়ায় টু বি ভার্ব হিসেবে আর এবং মূল ভার্বের সঙ্গে আইএনজি সঠিক নিয়মে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I shook his hand. — হাত মেলানোর ক্ষেত্রে হ্যান্ডশেক অর্থে সাধারণত শেক হ্যান্ডস উইথ ব্যবহৃত হয়, তাই সরাসরি হিজ হ্যান্ড বলা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
B) My watch gives correct time. — ঘড়ি সঠিক সময় দেয় বোঝাতে গিভস কারেক্ট টাইম না বলে সঠিক idiom অনুযায়ী কিপস কারেক্ট টাইম বলতে হয়।
C) They are paying no attention to my advice — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বাক্য কারণ এখানে পে অ্যাটেনশন টু এবং আনকাউন্টেবল নাউন অ্যাডভাইস সঠিক নিয়মে বসেছে।
D) He sold all his furniture's. — ফার্নিচার একটি আনকাউন্টেবল নাউন, তাই এর সঙ্গে এস যুক্ত করে ফার্নিচার্স লেখা সম্পূর্ণ ভুল।
মনে রাখার টিপস:
ফার্নিচার এবং অ্যাডভাইস সবসময় আনকাউন্টেবল নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই এদের সঙ্গে কখনো এস বা ইএস যুক্ত করা যায় না।
সঠিক উত্তর: D) colon
কেন সঠিক:
- কোলন (:) সাধারণত কোনো তালিকা, উদাহরণ বা উদ্ধৃতি শুরু করার আগে ব্যবহার করা হয়।
- এটি বাক্যের প্রধান অংশের পরে কোনো বস্তুর বা বিষয়ের তালিকা উপস্থাপন করতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) comma — কমা বাক্যের বিভিন্ন অংশ আলাদা করতে বা ছোট বিরতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তালিকা শুরুর জন্য নয়।
B) hyphen — হাইফেন দুটি শব্দকে যুক্ত করে একটি নতুন শব্দ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়, তালিকা বোঝাতে নয়।
C) semicolon — সেমিকোলন দুটি কাছাকাছি অর্থসম্পন্ন স্বাধীন ক্লজকে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, তালিকা উপস্থাপনে নয়।
D) colon — এই অপশনটি সঠিক কারণ কোলন সরাসরি কোনো তালিকা বা বস্তুর সমষ্টির পূর্বে বসে।
মনে রাখার টিপস:
তালিকা বা উদাহরণ দেখানোর ঠিক আগেই কোলন বসাতে হয়, যেমনটা আমরা শপিং লিস্ট লেখার সময় করি।
সঠিক উত্তর: A) a
কেন সঠিক:
- 'horrible' শব্দটির শুরুতে consonant sound বা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ রয়েছে।
- ইংরেজি উচ্চারণের নিয়ম অনুযায়ী consonant sound-এর পূর্বে indefinite article হিসেবে 'a' বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a — এটি সঠিক উত্তর কারণ horrible শব্দের উচ্চারণ হ দিয়ে শুরু হয় যা consonant sound।
B) an — এটি ভুল কারণ an সাধারণত vowel sound বা স্বরবর্ণের উচ্চারণের পূর্বে বসে।
C) the — এটি ভুল কারণ incident টি নির্দিষ্ট নয়, তাই definite article বসবে না।
D) no article — এটি ভুল কারণ singular countable noun একা বসতে পারে না, article প্রয়োজন।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের প্রথম অক্ষর consonant হলেও তার উচ্চারণ যদি consonant sound হয়, তবে তার পূর্বে সবসময় 'a' বসে।
সঠিক উত্তর: A) এস.এম. সুলতান
কেন সঠিক:
- বিখ্যাত চিত্রশিল্পী এস.এম. সুলতান নড়াইলে শিশুদের শিল্পচর্চার জন্য 'শিশু স্বর্গ' এবং 'চারুপীঠ' প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- তিনি শিশুদের প্রতি গভীর ভালোবাসার কারণে তাদের নিয়ে কাজ করার জন্য এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এস.এম. সুলতান — তিনি শিশুদের চিত্রাঙ্কন ও বিকাশের জন্য নড়াইলে শিশু স্বর্গ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বিধায় এটি সঠিক উত্তর।
B) জয়নুল আবেদীন — তিনি ঢাকা আর্ট কলেজ ও লোকশিল্প জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করলেও শিশু স্বর্গ প্রতিষ্ঠা করেননি।
C) মোস্তফা মনোয়ার — তিনি বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী ও puppeteer হলেও শিশু স্বর্গ তাঁর গড়া প্রতিষ্ঠান নয়।
D) কামরুল হাসান — তিনি শিল্পী ও ডিজাইনার হিসেবে বিখ্যাত হলেও শিশু স্বর্গ নামক প্রতিষ্ঠানটি তিনি গড়ে তোলেননি।
মনে রাখার টিপস:
সুলতান মানে রাজা, আর শিশুদের কাছে স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছিলেন শিল্পী এস.এম. সুলতান।
সঠিক উত্তর: D) ব্রাসেলস
কেন সঠিক:
- বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস ইউরোপীয় ইউনিয়নের মূল প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারক সংস্থাগুলোর প্রধান কার্যালয়।
- ইউরোপীয় কমিশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর ব্রাসেলসে অবস্থিত হওয়ায় এটি ইইউর কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কোপেনহেগেন — এটি ডেনমার্কের রাজধানী, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর নয়।
B) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্র নয় এবং এর সদর দপ্তরও নয়।
C) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং এটি ঐতিহাসিক শহর হলেও ইইউর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়।
D) ব্রাসেলস — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর হিসেবে সঠিক ও নির্ধারিত স্থান।
মনে রাখার টিপস:
ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে বেলজিয়াম মানেই ব্রাসেলসের প্রশাসনিক কেন্দ্র।
সঠিক উত্তর: A) ইউনেস্কো
কেন সঠিক:
- ইউনেসকোর সাধারণ সম্মেলনের ৩০তম অধিবেশনে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- কানাডার কান্ডুরূপী রফিকুল ইসলাম ও আবদুস সালামের প্রস্তাব এবং বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে এই স্বীকৃতি অর্জিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউনেস্কো — এটি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসারে কাজ করে এবং ভাষা ও সংস্কৃতির বৈচিত্র্য রক্ষার্থে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে।
B) ইউনিসেফ — এটি জাতিসংঘ শিশু তহবিল, যা শিশুদের অধিকার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে, ভাষা দিবসের ঘোষণায় এর সরাসরি ভূমিকা নেই।
C) ইউনিফেম — এটি ছিল জাতিসংঘের নারী উন্নয়ন তহবিল, যা নারী অধিকার ও সমতা নিয়ে কাজ করে এবং এই ঘোষণার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) আইএলও — এটি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা, যা শ্রমিকদের অধিকার ও কর্মপরিবেশ উন্নয়নে কাজ করে, মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতির সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
মাতৃভাষা ও সংস্কৃতির বিষয় দেখলেই ইউনেস্কো মনে রাখবে, কারণ এটি জাতিসংঘের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সংস্থা।
সঠিক উত্তর: A) বুড়িগঙ্গা
কেন সঠিক:
- বাকল্যান্ড বাঁধ ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক বাঁধ।
- উনিশ শতকে নগর রক্ষা এবং নদীর তীর সংরক্ষণের জন্য এটি নির্মিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুড়িগঙ্গা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাকল্যান্ড বাঁধ এই নদীর তীরেই নির্মিত হয়েছে।
B) হোয়াংহো — এটি চীনের নদী, যা ঢাকার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) শীতলক্ষ্যা — এটি নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি নদী, যেখানে বাকল্যান্ড বাঁধ অবস্থিত নয়।
D) সিন্ধু — এটি পাকিস্তান ও ভারতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত একটি প্রধান নদী, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকার বিখ্যাত নদী বুড়িগঙ্গার তীরেই ঐতিহাসিক বাকল্যান্ড বাঁধ অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) নরসিংদী
কেন সঠিক:
- উয়ারী বটেশ্বর বাংলাদেশের নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
- এটি প্রাচীন মহাস্তানগড়ের সমসাময়িক বা তার চেয়েও প্রাচীন মৌর্য আমল ও প্রস্তর যুগের অন্যতম প্রাচীন জনপদ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিনাজপুর — দিনাজপুর জেলায় ঐতিহাসিক কান্তনগর মন্দির ও কান্তজীর মন্দির অবস্থিত, উয়ারী বটেশ্বর নয়।
B) ঢাকা — ঢাকা জেলায় লালবাগ ক堡 ও আহসান মঞ্জিলসহ মোগল আমলের ঐতিহাসিক নিদর্শন রয়েছে, উয়ারী বটেশ্বর এখানে নয়।
C) নরসিংদী — এই অপশনটি সঠিক কারণ উয়ারী বটেশ্বর নরসিংদী জেলায় অবস্থিত।
D) কুমিল্লা — কুমিল্লা জেলায় ময়নামতির প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার ও শালবন বিহার অবস্থিত, উয়ারী বটেশ্বর নয়।
মনে রাখার টিপস:
উয়ারী বটেশ্বর ও নরসিংদী মনে রাখতে 'উ-ব-ন' বা 'উয়ারী বটেশ্বর নরসিংদী' শব্দটি একসাথে মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: D) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
কেন সঠিক:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- লাহোরে ঐতিহাসিক বিরোধী দলগুলোর কনভেনশনে তিনি এই দাবি উত্থাপন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ — এই তারিখে লাহোরে বিরোধী দলের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয় দফা পেশ করেছিলেন কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছিলেন ২৩ মার্চ।
B) ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ — এই তারিখে ছয় দফা দাবির প্রথম খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছিল কিন্তু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এই দিনে হয়নি।
C) ২৩ এপ্রিল, ১৯৬৬ — এই তারিখে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় ছয় দফা অনুমোদিত হয়েছিল কিন্তু ঘোষণার তারিখ এটি নয়।
D) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই দিনেই ছয় দফা কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঘোষণা করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
মার্চ মাসের তেইশ তারিখেই বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা ঘোষণা করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৭২ সালে
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭২ সালের ২ জুলাই ভারতের সিমলা শহরে এই ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো বাংলাদেশ ও অন্যান্য দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭০ সালে — এই সালে ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, সিমলা চুক্তি হয়নি।
B) ১৯৭১ সালে — এই সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং দেশ স্বাধীন হয়, সিমলা চুক্তি নয়।
C) ১৯৭২ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি সঠিক।
D) ১৯৭৩ সালে — এই সালে সিমলা চুক্তির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে যুদ্ধবন্দী বিনিময় শুরু হয়, চুক্তি স্বাক্ষরের সাল এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার ঠিক পরেই অর্থাৎ ১৯৭২ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) ম্যানিলা
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সদর দপ্তর ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলাই অবস্থিত।
- ধান গবেষণার আন্তর্জাতিক মানোন্নয়ন ও নতুন জাত উদ্ভাবনের জন্য এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — এটি বাংলাদেশের রাজধানী এবং এখানে আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সদর দপ্তর নেই।
B) নয়াদিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী এবং এই সংস্থার সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়।
C) ম্যানিলা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের জন্য ভুল কারণ প্রযোজ্য নয়।
D) ব্যাংকক — এটি থাইল্যান্ডের রাজধানী এবং আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এখানে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ধান উৎপাদন বেশি হয় এমন দেশ ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলাতেই ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: C) ১৯৯২ সালে
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের দাবিতে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে ১৯৯২ সালের ১৯ জানুয়ারি ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গঠিত হয়।
- এই কমিটি একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে বাংলাদেশে গণআন্দোলন গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯০ সালে — এই সালে স্বৈরাচার বিরোধী গণঅভুত্থান ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল, যা এই কমিটির গঠনের সাল নয়।
B) ১৯৯১ সালে — এই সালে বাংলাদেশে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনরায় প্রবর্তিত হয়েছিল।
C) ১৯৯২ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে কমিটি গঠিত হয়।
D) ১৯৯৩ সালে — এই সালে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি তাদের কার্যক্রমের পরিধি বাড়ায়, তবে গঠনের সাল এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে একাত্তরের ঘাতকদের বিচারের দাবিতে ১৯৯২ সালে নির্মূল কমিটি গঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) নাগোর্নো-কারাবাখ
কেন সঠিক:
- নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের অংশ হিসেবে স্বীকৃত হলেও মূলত আর্মেনীয় জনগোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সামরিক সংঘর্ষ শুরু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেলাপান — এটি এই সংঘাতের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রধান ভূখণ্ড বা রণক্ষেত্র নয়।
B) বারদা — এটি আজারবাইজানের একটি শহর যা সংঘাতের সময় গোলন্দাজ হামলার শিকার হয়েছিল কিন্তু মূল বিতর্কিত এলাকা নয়।
C) নাগোর্নো-কারাবাখ — এটিই ২০২০ সালের যুদ্ধে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে বিরোধের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল।
D) টার্টা — এটি আজারবাইজানের একটি জেলা যা যুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল কিন্তু মূল বিতর্কিত ভূখণ্ড নয়।
মনে রাখার টিপস:
আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া যুদ্ধের মূল কেন্দ্র ছিল নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চল।
সঠিক উত্তর: D) নিউইয়র্কে
কেন সঠিক:
- ওয়াল স্ট্রিট যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ম্যানহাটন দ্বীপে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক ও বিখ্যাত সড়ক।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক কেন্দ্র এবং বিশ্বের অন্যতম প্রধান স্টক এক্সচেঞ্জ নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান কার্যালয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লন্ডনে — লন্ডন যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং ইউরোপের আর্থিক কেন্দ্র হলেও বিখ্যাত ওয়াল স্ট্রিট এখানে অবস্থিত নয়, বরং এখানকার প্রধান আর্থিক কেন্দ্র হলো ল্যাম্বার্ড স্ট্রিট বা সিটি অব লন্ডন।
B) টোকিওতে — টোকিও জাপানের রাজধানী এবং এশিয়ার অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র হলেও ওয়াল স্ট্রিট এখানে অবস্থিত নয়, জাপানের প্রধান স্টক বাজার কাবুটোচো এলাকায় অবস্থিত।
C) প্যারিসে — প্যারিস ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউরোপের অন্যতম প্রধান শহর হলেও বিখ্যাত ওয়াল স্ট্রিট এখানে অবস্থিত নয়, প্যারিসের প্রধান আর্থিক জেলা লা দেফাঁস নামে পরিচিত।
D) নিউইয়র্কে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ওয়াল স্ট্রিট যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যানহাটনে অবস্থিত এবং এটি বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
মনে রাখার টিপস:
নিউইয়র্ক শহরের ম্যানহাটনে বিশ্বের অর্থনীতি নিয়ন্ত্রিত হয়, তাই মার্কিন অর্থবাজারের প্রতীক ওয়াল স্ট্রিট নিউইয়র্কেই অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) গারো
কেন সঠিক:
- ওয়াঙ্গালা হলো বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী গারো সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ও প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব।
- নতুন ফসল কাটার আনন্দ উদযাপন এবং দেবদেবীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য গারোরা এই উৎসব পালন করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মারমা — মারমা সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব হলো সাংগ্রাই, ওয়াঙ্গালা তাদের উৎসব নয়।
B) গারো — এই অপশনটি সঠিক কারণ ওয়াঙ্গালা গারো সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব।
C) সাঁওতাল — সাঁওতাল সম্প্রদায়ের প্রধান উৎসব হলো সোহরাই ও বাহা উৎসব, ওয়াঙ্গালা নয়।
D) চাকমা — চাকমা সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব হলো বিজু, ওয়াঙ্গালা তাদের উৎসব নয়।
মনে রাখার টিপস:
গারোদের প্রধান উৎসব হলো ওয়াঙ্গালা, যা এভাবে মনে রাখা যায় যে গারোরা ওয়াঙ্গালা উৎসব পালন করে নতুন ফসল ঘরে তোলার সময়।
সঠিক উত্তর: A) হামিদুর রহমান
কেন সঠিক:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত প্রথম শহীদ মিনারের মূল নকশা ও স্থপতি ছিলেন হামিদুর রহমান।
- ১৯৫৭ সালে তার নকশা অনুসারেই ঢাকা মেডিকেল কলেজের মূল প্রাঙ্গণে শহীদ মিনার নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হামিদুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) শাহাবুদ্দিন আহমেদ — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী, শহীদ মিনারের স্থপতি নন।
C) হাসেম খান — তিনি একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও ক্যালিগ্রাফার, এই স্থাপত্যের নকশাচারক নন।
D) মঈনুল হোসেন — তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌদের স্থপতি, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি নন।
মনে রাখার টিপস:
শহীদ মিনারের নকশাকার হামিদুর রহমান, আর স্মৃতিসৌদের নকশাকার মঈনুল হোসেন।
সঠিক উত্তর: D) তারেক মাসুদ
কেন সঠিক:
- চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ যৌথভাবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র 'মুক্তির গান' নির্মাণ করেন।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন চলচ্চিত্র নির্মাতা লেয়ার লেভিন যে ফুটেজ সংগ্রহ করেছিলেন, তা এই প্রামাণ্যচিত্রের মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোরশেদুল ইসলাম — তিনি 'চাকা' ও 'দীপু নম্বর টু' চলচ্চিত্রের নির্মাতা, 'মুক্তির গান' প্রামাণ্যচিত্রের পরিচালক নন।
B) তানভীর মোকাম্মেল — তিনি 'চিত্রনায়িকা সূচানা' ও 'নদীর নাম মধুমতী' চলচ্চিত্রের পরিচালক, তাই এই অপশন সঠিক নয়।
C) নাসিরউদ্দিন ইউসুফ — তিনি নাট্যব্যক্তিত্ব এবং 'গেরিলা' চলচ্চিত্রের পরিচালক, যা এই প্রামাণ্যচিত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) তারেক মাসুদ — তিনি এই প্রামাণ্যচিত্রের নির্মাতা বিধায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের প্রামাণ্যচিত্র 'মুক্তির গান' পরিচালনা করেছেন তারেক মাসুদ, নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: A) সাধারণ পরিষদে
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৯৪৮ সালের ১০ই ডিসেম্বর সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা অনুমোদন করে।
- সাধারণ পরিষদ হলো জাতিসংঘের একমাত্র অঙ্গসংস্থা যেখানে সব সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাধারণ পরিষদে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পরিষদেই মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত ও অনুমোদিত হয়েছিল।
B) নিরাপত্তা পরিষদে — এটি জাতিসংঘের শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত নির্বাহী অঙ্গসংস্থা, মানবাধিকার ঘোষণা এখানে অনুমোদিত হয়নি।
C) আন্তর্জাতিক আদালতে — এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গসংস্থা, যা রাষ্ট্রসমূহের মধ্যকার আইনি বিরোধ নিষ্পত্তি করে।
D) অছি পরিষদে — এটি জাতিসংঘের অধীন অনুন্নত বা পরাধীন ভূখণ্ডগুলোর তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল, যা এখন নিষ্ক্রিয়।
মনে রাখার টিপস:
মানবাধিকার সবার জন্য সমান, তাই এটি জাতিসংঘের সকল সদস্যের সভা অর্থাৎ সাধারণ পরিষদে ঘোষিত হয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) জুলিও কুরি পদক
কেন সঠিক:
- বিশ্ব শান্তি পরিষদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশ্বশান্তিরপক্ষে অবদানের জন্য ১৯৭৩ সালের ১০ অক্টোবর মর্যাদাপূর্ণ জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করে।
- এটি ছিল বাংলাদেশের প্রাপ্ত প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মাননা, যা বাঙালি জাতির জন্য অত্যন্ত গৌরবোজ্জ্বল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) র্যামন ম্যাগসেসে পদক — এটি এশিয়ার বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সমাজসেবা ও নেতৃত্বের জন্য প্রদান করা হয়, যা বঙ্গবন্ধু পাননি।
B) জুলিও কুরি পদক — এটিই সঠিক উত্তর, কারণ বিশ্ব শান্তি পরিষদ শান্তি ও মানবতার পক্ষে অবদানের জন্য এই পদক প্রদান করে।
C) মাদাম কুরি পদক — এমন নামে বিশ্ব শান্তি পরিষদের কোনো পদক নেই, মাদাম কুরি ভৌতবিজ্ঞান ও রসায়নে অবদানের জন্য বিখ্যাত।
D) নোবেল পদক — এটি বিশ্বখ্যাত শান্তি, সাহিত্য, বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন শাখায় অসামান্য অবদানের জন্য দেওয়া সুইডিশ পুরস্কার, যা বঙ্গবন্ধু পাননি।
মনে রাখার টিপস:
শান্তির প্রতীক জুলিও কুরি পদক পেয়েছিলেন আমাদের শান্তির দূত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
সঠিক উত্তর: B) ৬৪ টি
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র দেশকে মোট ১১ টি সেক্টরে এবং সেক্টরগুলোকে বিভিন্ন সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- সেক্টর কমান্ডারগণ তাদের অধীক্ষকে যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র যুদ্ধক্ষেত্রকে সর্বমোট ৬৪ টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬০ টি — এটি ভুল কারণ সাব সেক্টরের সংখ্যা ৬০ টি ছিল না, সঠিক সংখ্যাটি ছিল ৬৪ টি।
B) ৬৪ টি — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই।
C) ৪৪ টি — এটি ভুল সংখ্যা, যা মুক্তিযুদ্ধের সাব সেক্টর বা অন্য কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সংখ্যার সাথে মিলে না।
D) ৫৪ টি — এটি ভুল কারণ সাব সেক্টরের সংখ্যা ৫৪ টি নয়, বরং সমগ্র যুদ্ধক্ষেত্র ৬৪ টি সাব সেক্টরে বিভক্ত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের জেলার সংখ্যা যেমন ৬৪ টি, তেমনি মুক্তিযুদ্ধের সাব সেক্টরের সংখ্যাও ৬৪ টি।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস
সঠিক উত্তর: C) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
কেন সঠিক:
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
- এই সরকারের ঘোষণাপত্র অনুসারে স্বাধীনতার ঘোষণা অনুমোদন করা হয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ মার্চ, ১৯৭১ — এই দিনে রেসকোর্স ময়দানে ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
B) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ — এই দিনে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথগ্রহণ করেছিল।
D) ২৬ মার্চ, ১৯৭১ — এই দিনে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল এবং মুক্তিযুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
মনে রাখার টিপস:
সরকার গঠনের তারিখ ১০ এপ্রিল এবং শপথের তারিখ ১৭ এপ্রিল, এই দুটি সাল ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসের পরপরই ঘটেছিল।
সঠিক উত্তর: D) পারদ
১. কেন সঠিক:
- পারদ একটি ধাতু হওয়া সত্ত্বেও সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে এবং এর গলনাংক এত কম যে এটি মাইনাস ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি।
- ধাতুর ক্ষেত্রে অণুর মধ্যকার বন্ধন খুব শক্ত হলেও পারদের ক্ষেত্রে পারমাণবিক আকর্ষণ বল অপেক্ষাকৃত দুর্বল হওয়ায় এটি সহজে তরল ও পরে কঠিন হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ধাতু ও অধাতুর ভৌত অবস্থা এবং গলনাংক। পারদ (Mercury) পর্যায় সারণীর ডি ব্লকের একটি ধাতু যা কক্ষ তাপমাত্রায় তরল থাকে।
- কার্যপ্রণালি: পারদের ইলেকট্রন বিন্যাসের কারণে এর পরমাণুগুলোর মধ্যে ধাতব বন্ধন দুর্বল প্রকৃতির হয়। ফলে সামান্য তাপমাত্রাতেই এর স্ফটিক কাঠামো ভেঙে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: থার্মোমিটারের ব্যবহার
ব্যাখ্যা: পারদের গলনাংক ও স্ফুটনাংক সুবিধাজনক হওয়ায় এবং তাপমাত্রার পরিবর্তনে সুষমভাবে প্রসারিত হওয়ায় এটি জ্বর মাপার থার্মোমিটারে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: শীতপ্রধান অঞ্চলে পারদ জমে যাওয়া
ব্যাখ্যা: মাইনাস ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে তাপমাত্রা নামলে পারদ কঠিন অবস্থায় রূপ নেয়, যা এর অত্যন্ত কম গলনাংকের প্রমাণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দস্তা — দস্তার গলনাংক প্রায় ৪২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা পারদের তুলনায় অনেক বেশি।
B) সীসা — সীসার গলনাংক প্রায় ৩২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা সাধারণ তাপমাত্রায় কঠিন ধাতু হিসেবে থাকে।
C) লোহা — লোহার গলনাংক প্রায় ১৫৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এটি অত্যন্ত শক্ত ও উচ্চ গলনাংকবিশিষ্ট ধাতু।
D) পারদ — পারদের গলনাংক সবচেয়ে কম এবং এটি একমাত্র তরল ধাতু।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তরল ধাতু মানেই পারদ এবং এর গলনাংক সব ধাতুর মধ্যে সর্বনিম্ন। মাইনাস ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস সংখ্যাটি মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সাধারণ তাপমাত্রায় তরল ধাতু কোনটি এবং তরল অধাতু কোনটি, এই দুটি প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। তরল অধাতু হলো ব্রোমিন।
সঠিক উত্তর: A) ১২০ দিন
১. কেন সঠিক:
- লোহিত রক্ত কণিকার গড় আয়ু প্রায় চার মাস বা ১২০ দিন এবং নির্দিষ্ট সময় পর এটি প্লীহায় ধ্বংস হয়।
- নতুন রক্ত কণিকা তৈরির মাধ্যমে মানবদেহের রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ ও কোষের পুষ্টির ভারসাম্য রক্ষা করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: লোহিত রক্ত কণিকা হলো মেরুদণ্ডী প্রাণীদের রক্তের এমন একটি কোষ যা ফুসফুস থেকে শরীরের সব অঙ্গে অক্সিজেন পরিবহন করে।
- কার্যপ্রণালি: অস্থিমজ্জা থেকে উৎপন্ন হয়ে এই কোষগুলো রক্তরসে ভাসমান অবস্থায় ঘুরে বেড়ায় এবং হিমোগ্লোবিনের মাধ্যমে গ্যাসীয় আদান-প্রদান সম্পন্ন করে।
- কারণ ও ফলাফল: বয়স বাড়ার সাথে সাথে এদের কোষঝিল্লি দুর্বল হয়ে যায় এবং জীর্ণ কোষগুলো প্লীহা ও যকৃতে অবস্থিত ম্যাক্রোফেজ নামক কোষ দ্বারা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: মানুষের রক্তের হিমোগ্লোবিন ও লোহিত কণিকার পরিমাণ পরিমাপ করে চিকিৎসকরা রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া রোগ নির্ণয় করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানবদেহের রক্ত পরীক্ষা বা সিবিসি টেস্ট।
ব্যাখ্যা: এই পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তে লোহিত কণিকার সংখ্যা ও আয়ুষ্কাল স্বাভাবিক আছে কি না তা যাচাই করা হয়।
উদাহরণ ২: পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের রক্তকণিকা।
ব্যাখ্যা: কম অক্সিজেনের কারণে পাহাড়ি অঞ্চলে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা এবং আয়ুষ্কালের ওপর বিশেষ শারীরিক অভিযোজন দেখা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২০ দিন — এটি লোহিত রক্ত কণিকার সঠিক স্বাভাবিক জীবনকাল যা মানবদেহের শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া দ্বারা নির্ধারিত।
B) ৭০ দিন — এটি লোহিত রক্ত কণিকার জীবনকাল নয় বরং মানবদেহে কিছু নির্দিষ্ট শ্বেত রক্ত কণিকা বা অন্য কোষের কার্যকালের সাথে সম্পর্কিত।
C) ৮০ দিন — এই সংখ্যাটি মানবদেহের লোহিত রক্ত কণিকার আয়ুষ্কালের সাথে মেলে না এবং এটি ভুল তথ্য।
ডি) ১০০ দিন — লোহিত রক্ত কণিকার আয়ু ১০০ দিন নয় বরং তা আরও বিশ দিন বেশি অর্থাৎ ১২০ দিন স্থায়ী হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- লোহিত রক্ত কণিকার আয়ু মনে রাখতে চার মাস সময়কাল মাথায় রাখো এবং প্রতি মাসে ত্রিশ দিন ধরে চার গুণ করলে ১২০ দিন পাওয়া যায়।
- পরীক্ষার হলে রক্ত কণিকার জীবনকাল সংক্রান্ত প্রশ্ন এলে সবসময় ১২০ দিন সংখ্যাটিকে প্রধান হিসেবে মনে রাখবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানবদেহের রক্ত ও কোষ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন স্থান, কাজ এবং কোথায় ধ্বংস হয়—এই তিনটি তথ্য একসঙ্গে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) খাদ্যলবণ
১. কেন সঠিক:
খাদ্যলবণ বা সোডিয়াম ক্লোরাইড প্রাচীনকাল থেকেই খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
এটি অভিসরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্যদ্রব্যে থাকা ব্যাকটেরিয়া এবং অণুজীবের কোষ থেকে পানি শোষণ করে তাদের নিষ্ক্রিয় ও মৃত করে দেয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: অভিসরণ বা অসমোসিস প্রক্রিয়ায় কম ঘনত্বের এলাকা থেকে পানি বেশি ঘনত্বের এলাকার দিকে প্রবাহিত হয়।
কার্যপ্রণালি: লবণের সংস্পর্শে এলে ব্যাকটেরিয়া কোষের ভেতরের জলীয় অংশ বাইরে চলে আসে এবং কোষের বিপাকীয় ক্রিয়া বন্ধ হয়ে পচন রোধ হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাছ বা মাংস সংরক্ষণে লবণ মাখিয়ে শুকানো।
ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত লবণের উপস্থিতির কারণে পচনকারী ব্যাকটেরিয়া তাতে বংশবৃদ্ধি করতে পারে না।
উদাহরণ ২: আচার তৈরির সময় তেলের পাশাপাশি পর্যাপ্ত লবণ ব্যবহার করা।
ব্যাখ্যা: লবণ আচারের মধ্যে থাকা অতিরিক্ত আর্দ্রতা শোষণ করে ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ প্রতিহত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খাবার সোডা — এটি মূলত সোডিয়াম বাইকার্বোনেট যা পিঠা ফুলানো বা অ্যান্টাসিড হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি খাদ্য সংরক্ষক নয়।
B) পরম অ্যালকোহল — এটি শতভাগ বিশুদ্ধ ইথানল যা গবেষণাগারে ও রাসায়নিক কাজে ব্যবহৃত হয়, খাদ্য সংরক্ষণে নয়।
C) ম্যুরিয়াটিক এসিড — এটি লঘু হাইড্রোক্লোরিক এসিড যা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এটি অত্যন্ত ক্ষতিকারক।
D) খাদ্যলবণ — এটি নিরাপদ এবং কার্যকর ঐতিহ্যবাহী খাদ্য সংরক্ষক যা মাছ, মাংস ও আচারে বহুল ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
খাদ্য সংরক্ষণে সবচেয়ে সহজ ও প্রাচীন উপাদান হলো লবণ।
লবণ পানি শোষণ করে ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলে বলে খাবার নষ্ট হয় না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
খাদ্য সংরক্ষণে লবণের পাশাপাশি চিনি ও ভিনেগারও বহুল ব্যবহৃত হয়।
এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) উড়োজাহাজে
১. কেন সঠিক:
- ব্ল্যাক বক্স মূলত একটি ফ্লাইট ডাটা রেকর্ডার এবং ককপিট ভয়েস রেকর্ডার।
- উড়োজাহাজে কোনো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার পর এর অন্তর্নিহিত কারণ অনুসন্ধানের জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ব্ল্যাক বক্স হলো অত্যন্ত টেকসই একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা উড়োজাহাজের যান্ত্রিক গতিবিধি ও বৈমানিকদের কথোপকথন সংরক্ষণ করে।
- কার্যপ্রণালি: এটি বিমানের গতি, উচ্চতা, ইঞ্জিন কার্যক্রম এবং ককপিটের ভেতরের শব্দ একটানা রেকর্ড করতে থাকে যা দুর্ঘটনার পরও অক্ষত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাণিজ্যিক বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত।
ব্যাখ্যা: আকাশে কোনো বিমান নিখোঁজ হলে বা বিধ্বস্ত হলে এর ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করে দুর্ঘটনার আসল কারণ জানা সম্ভব হয়।
উদাহরণ ২: পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন।
ব্যাখ্যা: নতুন তৈরি কোনো বিমানের ত্রুটি পরীক্ষা করার সময় ব্ল্যাক বক্সের রেকর্ড বিশ্লেষণ করে প্রকৌশলীরা প্রয়োজনীয় সংশোধন করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোটর গাড়িতে — মোটর গাড়িতে ব্ল্যাক বক্সের মতো বিশেষ কোনো ফ্লাইট রেকর্ডার ব্যবহার করা হয় না। তবে আধুনিক কিছু প্রিমিয়াম গাড়িতে ইভেন্ট ডাটা রেকর্ডার থাকে যা এর সমতুল্য নয়।
B) জাহাজে — জাহাজে ব্ল্যাক বক্সের পরিবর্তে ভয়েস রেকর্ডার এবং নেভিগেশনাল ডাটা রেকর্ডার ব্যবহার করা হয়। এটি সামুদ্রিক আইন ও নিরাপত্তা তদারকিতে ব্যবহৃত হয়।
C) রকেটে — রকেটে বা মহাকাশযানে সরাসরি ব্ল্যাক বক্স বলা হয় না, বরং টেলিমেট্রি সিস্টেমের মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠে সব তথ্য রিয়েল টাইমে পাঠানো হয়।
D) উড়োজাহাজে — আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল বিধিমালার আওতায় প্রতিটি বাণিজ্যিক উড়োজাহাজে ব্ল্যাক বক্স থাকা বাধ্যতামূলক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিমান ও আকাশে ওড়ার সাথে ব্ল্যাক বক্স শব্দটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
- উড়োজাহাজ দুর্ঘটনার রহস্য উন্মোচনের একমাত্র চাবিকাঠি হলো এই যন্ত্র।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ব্ল্যাক বক্সের রং সাধারণত উজ্জ্বল কমলা বা হলুদ হয় যাতে এটি সহজে খুঁজে পাওয়া যায়।
- এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক প্রযুক্তি ও সাধারণ বিজ্ঞান অংশ থেকে প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) পানি
১. কেন সঠিক:
- খাদ্যের পচন মূলত অণুজীব যেমন ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের বংশবৃদ্ধির কারণে ঘটে থাকে এবং পানির উপস্থিতি ছাড়া এসব অণুজীব বেঁচে থাকতে পারে না।
- খাদ্যের মধ্যে থাকা মুক্ত পানি অণুজীবের রাসায়নিক বিক্রিয়া ও বিপাকীয় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মাধ্যম হিসেবে কাজ করে পচন ত্বরান্বিত করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: খাদ্যের পচন হলো জৈব পদার্থের রাসায়নিক ও জৈবিক ভেঙে যাওয়ার প্রক্রিয়া।
- কার্যপ্রণালি: খাদ্যে পানির পরিমাণ বেশি থাকলে এনজাইম সক্রিয় হয় এবং ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে পচন ঘটায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: টাটকা মাছ বা মাংস খোলা বাতাসে রেখে দিলে দ্রুত পচে যায়।
ব্যাখ্যা: এতে প্রচুর আর্দ্রতা বা পানি থাকায় ব্যাকটেরিয়া সহজেই আক্রমণ করে।
উদাহরণ ২: আচার সংরক্ষণে তেল ও লবণ ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: লবণ ও তেল পানি শোষণ করে বা সরিয়ে দেয়, ফলে ব্যাকটেরিয়া বাঁচতে পারে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লবণ — এটি পানি শোষণ করে এবং উল্টো খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে কাজ করে পচন রোধ করে।
B) ভিটামিন — এটি খাদ্যের একটি পুষ্টি উপাদান যা পচনের জন্য দায়ী নয় বরং দেহের জন্য জরুরি।
C) লিপিড — এটি ফ্যাটজাতীয় পুষ্টি উপাদান যা নিজেই পচে যেতে পারে কিন্তু পচনের মূল অনুঘটক পানি নয়।
D) পানি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর উপস্থিতি ছাড়া খাদ্যের পচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পানি হলো জীবাণুর জীবন, তাই পানি থাকলেই খাদ্য হবে পচনশীল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- খাদ্য সংরক্ষণের প্রধান উপায় হলো খাদ্য থেকে পানি দূর করা বা শুকিয়ে ফেলা।
সঠিক উত্তর: A) ১৮০১ সালে
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যে আধুনিক যুগের সূচনা হয় ১৮০১ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। এই বছর বাংলা গদ্যের চর্চা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে এবং যুগান্তকারী সাহিত্যিক পরিবর্তনের সূত্রপাত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১৮০১ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর কেরানি সাহেবদের বাংলা শেখানোর জন্য পাঠ্যপুস্তক রচনা শুরু হয়। উইলিয়াম কেরী ও রামমৃত্যু তর্কালঙ্কারসহ অন্যান্য পন্ডিতদের হাত ধরে বাংলা গদ্য তার শৈশবকাল পার করে আধুনিকতার পথে যাত্রা করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচনা করেন বাত্রিশ সিংহাসন।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটি ১৮০২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি আধুনিক গদ্যরীতির একটি অন্যতম নিদর্শন।
উদাহরণ ২: উইলিয়াম কেরী রচনা করেন ইতিহাসমালা।
ব্যাখ্যা: এটি ১৮১২ সালে প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ যা আধুনিক যুগের গদ্যসাহিত্যের বিকাশকে ত্বরান্বিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮০১ সালে — এটি সঠিক কারণ এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বাংলা গদ্যের আধুনিক যুগের সূচনা ঘটে।
B) ১৮০২ সালে — এই সালে আধুনিক যুগের সূচনা হয়নি বরং মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের বাত্রিশ সিংহাসন গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছিল।
C) ১৮০৩ সালে — এই সালে বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের সূচনা হয়নি বরং উইলিয়াম কেরীর কথোপকথন গ্রন্থ প্রকাশিত হয়।
D) ১৮৬১ সালে — এই সালে আধুনিক যুগের সূচনা হয়নি বরং মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্য ও একেই কি বলে সভ্যতা প্রকাশিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
আধুনিক যুগের সূচনা বোঝাতে ১৮০১ সাল মনে রাখবে। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার সালটিই বাংলা গদ্য ও আধুনিক যুগের সূচনার সাল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস মূলত তিনটি যুগে বিভক্ত প্রাচীন মধ্য ও আধুনিক। আধুনিক যুগের সূচনা ১৮০১ সাল থেকে বর্তমানকাল পর্যন্ত ধরা হয়।
সঠিক উত্তর: B) কাব্যগ্রন্থ
১. কেন সঠিক:
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' হলো আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি আবু হেনা মোস্তফা কামালের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে যেখানে নির্দিষ্ট একটি সাহিত্যকর্ম কোন ধরনের রচনা তা জানতে চাওয়া হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের কবি ও কবিতা অংশের অন্তর্ভুক্ত।
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতাটি বা কাব্যগ্রন্থটি বাঙালি সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং মুক্তি সংগ্রামের চেতনায় সমৃদ্ধ একটি অনন্য সৃষ্টি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'জলিল সাহেবের পিটিশন'
ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত নাটক, যা নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক রচনা করেছেন।
উদাহরণ ২: 'সূর্যদীঘল বাড়ি'
ব্যাখ্যা: এটি আবু ইসহাক রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপন্যাস — উপন্যাস হলো গদ্যে রচিত দীর্ঘ কল্পিত আখ্যান, কিন্তু এটি কোনো উপন্যাস নয়।
B) কাব্যগ্রন্থ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কবিতার সংকলন বা কাব্যগ্রন্থ।
C) নাটক — নাটক হলো অভিনয়ের উপযোগী দৃশ্যকাব্য, কিন্তু এই গ্রন্থটি নাটক নয়।
D) প্রবন্ধসংগ্রহ — প্রবন্ধসংগ্রহ হলো তথ্য বা যুক্তিনির্ভর গদ্য রচনার সংকলন, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কিংবদন্তি শব্দটি ঐতিহ্য ও ইতিহাসকে বোঝায়, যা সাধারণত কবিতায় রূপায়িত হয়।
- আবু হেনা মোস্তফা কামালের একমাত্র কাব্যগ্রন্থ হলো এটি, তাই এটি কাব্যগ্রন্থ হিসেবে মনে রাখা সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর ধরন প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- কবি আবু হেনা মোস্তফা কামালের সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) একুশটি
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত খাঁটি বাংলা উপসর্গের নির্দিষ্ট সংখ্যা একুশটি। ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এবং ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ব্যাকরণ অনুযায়ী খাঁটি বাংলা উপসর্গ এই সংখ্যায় নির্ধারিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যেসব শব্দাংশ স্বাধীনভাবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না কিন্তু শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটায় সেগুলোকে উপসর্গ বলে। বাংলা ভাষায় উপসর্গ মূলত তিন প্রকার যথা খাঁটি বাংলা উপসর্গ তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনা বৃষ্টি
ব্যাখ্যা: এখানে অনা একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা বৃষ্টির পূর্বে বসে অভাব অর্থে নতুন শব্দ তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: পাতি হাঁস
ব্যাখ্যা: এখানে পাতি একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা হাঁসের পূর্বে বসে ছোট বা ক্ষুদ্র অর্থে নতুন শব্দ তৈরি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উনিশটি — এটি কোনো স্বীকৃত উপসর্গের সংখ্যা নয় তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) বিশটি — এটিও বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গের নির্ধারিত কোনো সংখ্যা নির্দেশ করে না।
D) বাইশটি — এটি বিদেশি উপসর্গ বা অন্য কোনো ব্যাকরণিক পদের সংখ্যার সাথে মিলে যেতে পারে কিন্তু বাংলা উপসর্গের সংখ্যা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি মনে রাখার জন্য সুপরিচিত ছন্দটি মনে রাখতে পারো অঘা অজ অনা আ আন আর আর্ক ইতি উ পাতি স সলা স সু বি নি হা রাম। এই একুশটি উপসর্গ মুখস্থ রাখলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই খাঁটি বাংলা উপসর্গ এবং সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন আসে। সংস্কৃত উপসর্গ বিশটি এবং খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি এই পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
১. কেন সঠিক:
- 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার সফল ও প্রথম সম্পাদক হলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। ১৮৩১ সালের ২৮ জানুয়ারি সাপ্তাহিক হিসেবে এটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং ১৮৩৯ সালে দৈনিক রূপ লাভ করে।
- এই পত্রিকাটির মাধ্যমে উনিশ শতকের মধ্যভাগে বাংলা সাংবাদিকতা ও সাহিত্য জগতে এক নতুন যুগের সূচনা ঘটে এবং বহু নতুন লেখকের আত্মপ্রকাশ ঘটে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক, যাকে যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়। তিনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবিদের জীবন ও সাহিত্য নিয়ে প্রথম গবেষণা ও সংকলন করেন।
- 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রসারে এবং সমাজ সংস্কারমূলক লেখালিখিতে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৩১ সালে।
ব্যাখ্যা: এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সন ও পত্রিকার নাম।
উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই পত্রিকার মাধ্যমেই সাহিত্যচর্চা শুরু করেছিলেন।
ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত 'সংবাদ প্রভাকর' নতুন লেখকদের জন্য একটি বড় প্ল্যাটফর্ম ছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, 'সংবাদ প্রভাকর' এর নন।
B) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত একজন প্রখ্যাত গীতিকবি ও সম্পাদক, তবে তিনি এই পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
C) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী বিশ্বকবি এবং 'সাধনা' ও 'বঙ্গদর্শন' (নবায়ন) পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রভাকর শব্দের অর্থ সূর্য। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত হলেন সাহিত্যের সূর্য যিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা প্রকাশ করেছিলেন। এভাবে প্রভাকর ও ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে একসাথে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার প্রথম প্রকাশকাল এবং সম্পাদক সংক্রান্ত প্রশ্ন বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার আসে।
- বাংলা সংবাদপত্রের ইতিহাস থেকে প্রশ্ন আসলে পত্রিকার নাম এবং সম্পাদকের নাম জোড়বদ্ধ করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
১. কেন সঠিক:
- 'কারাগারের রোজনামচা' গ্রন্থটির রচয়িতা স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- রোজনামচা শব্দের অর্থ হলো দিনলিপি বা ডায়েরি, যেখানে প্রতিদিনের ঘটনা ও অনুভূতি লিপিবদ্ধ করা হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি জাতির পিতার দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ যা বাংলা একাডেমি থেকে ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত কারাগারে বন্দि থাকা অবস্থায় তিনি এই ডায়েরিটি লিখেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ যা ২০১২ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: আমার দেখা নয়া চীন
ব্যাখ্যা: এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত তৃতীয় গ্রন্থ যা ২০২০ সালে প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও কবি হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
B) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং এর পক্ষে উপরে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।
C) সুফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত নারী কবি ও সাহিত্যিক, এই গ্রন্থের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই।
D) শেখ হাসিনা — তিনি বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুর কন্যা হলেও এই গ্রন্থটি তাঁর নিজের লেখা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর জেল জীবনের ডায়েরি মানেই 'কারাগারের রোজনামচা'। রোজনামচা শব্দটি দেখলেই জাতির পিতার নাম মনে রাখবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্গবন্ধুর লেখা তিনটি গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। গ্রন্থ তিনটি হলো অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়া চীন।
সঠিক উত্তর: B) অগ্নিবীণা
১. কেন সঠিক:
- অগ্নিবীণা বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যকর্মের তালিকার সঙ্গে অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- অগ্নিবীণা প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে এবং এটি বাংলা কাব্য সাহিত্যে এক নতুন যুগান্তরের সূচনা করেছিল।
- এই কাব্যগ্রন্থের বিখ্যাত কবিতার মধ্যে প্রলয়োল্লাস, বিদ্রোহী ও কামাল পাশা অন্যতম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সঞ্চিতা
ব্যাখ্যা: সঞ্চিতা হলো কাজী নজরুল ইসলামের নির্বাচিত কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন।
উদাহরণ ২: বিষের বাঁশি
ব্যাখ্যা: বিষের বাঁশি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ও প্রগতিশীল কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চিত্রা — এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
B) অগ্নিবীণা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রবীন্দ্রনাথের নয়, কাজী নজরুল ইসলামের রচনা।
C) সোনার তরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতীকধর্মী ও দার্শনিক চেতনায় সমৃদ্ধ একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
D) সেঁজুতি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ বয়সের মননশীল ও গভীর জীবনদর্শনমূলক একটি কাব্যগ্রন্থ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অগ্নিবীণা নাম শুনলেই মনে রাখবে এটি বাদ্যযন্ত্রের মতো ঝংকার তোলা নজরুলের বিদ্রোহী কবিতার বই।
- রবীন্দ্রনাথের কাব্যগ্রন্থ চেনার জন্য চিত্রা, সোনার তরী ও সেঁজুতি শব্দগুলো মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ও বিখ্যাত রচনা প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম সার্থক কাব্যগ্রন্থ মানসী ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) তিন প্রকার
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষার উপসর্গ তিন প্রকার। এগুলো হলো বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যেসব শব্দাংশ মূল শব্দের আগে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে তাকে উপসর্গ বলে। উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার উপসর্গগুলোকে প্রধানত এই তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনাদৃত শব্দের অনা উপসর্গটি একটি বাংলা উপসর্গ।
ব্যাখ্যা: এটি খাঁটি বাংলা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: প্রখ্যাত শব্দের প্র উপসর্গটি একটি তৎসম উপসর্গ।
ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের পূর্বে ব্যবহৃত হয়ে শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটিয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তিন প্রকার — এই অপশনটি সঠিক কারণ উৎসের দিক থেকে বাংলা উপসর্গ তিন প্রকারেই বিভক্ত।
B) চার প্রকার — উপসর্গ চার প্রকার নয় বলে এই অপশনটি ভুল।
C) পাঁচ প্রকার — উপসর্গ পাঁচ প্রকার নয় বলে এই অপশনটি সঠিক নয়।
D) সাত প্রকার — উপসর্গের সংখ্যা সাত প্রকার ধরা হয় না বিধায় এটি ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাংলা উপসর্গ মনে রাখার একটি সহজ কৌশল হলো উৎসের নাম মনে রাখা, যা বাংলা, তৎসম ও বিদেশি এই তিন ভাগে বিভক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ভাষায় খাঁটি বাংলা উপসর্গ কুড়িটি এবং তৎসম উপসর্গ কুড়িটি রয়েছে। এই সংখ্যাগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) ১৮০১ সালে
১. কেন সঠিক:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮০০ সালের চতুর্থ দিনে। তবে এর বাংলা বিভাগ খোলা হয় এবং কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ১৮০১ সালের মে মাসে।
বাংলা গদ্যের বিকাশ ও ভারতে নিযুক্ত ব্রিটিশ সিভিলিয়ানদের বাংলা ভাষা শেখানোর উদ্দেশ্যে এই বিভাগ চালু করা হয়। উইলিয়াম কেরি এই বিভাগের প্রধান বা পদবাচ্য অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত হন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কলকাতার লালদিঘির উত্তরপাশে ১৮০০ সালের ৪ঠা মে লর্ড ওয়েলেসলি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়। সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ তরুণ ইংরেজ শাসকদের ভারতীয় ভাষা ও সংস্কৃতি শেখানোই ছিল এই প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য।
এই কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান উইলিয়াম কেরির উদ্যোগে বহু পন্ডিত যুক্ত হয়ে একের পর এক মৌলিক ও অনূদিত গ্রন্থ রচনা করেন। বাংলা গদ্যের সূচনা ও বিকাশে এই প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অত্যন্ত অপরিসীম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রামরাম বসুর রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র
ব্যাখ্যা: এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ থেকে ১৮০১ সালে প্রকাশিত প্রথম মৌলিক বাংলা গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের বাতত্রিশ সিংহাসন
ব্যাখ্যা: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের উদ্যোগে রচিত ও প্রকাশিত বাংলা গদ্যের একটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮০০ সালে — এই সালে কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলেও বাংলা বিভাগ খোলা হয়নি।
B) ১৮০১ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বাংলা বিভাগ চালু করা হয়।
C) ১৮০৩ সালে — এই সালে কলেজ প্রতিষ্ঠার বছর নয় এবং বাংলা বিভাগ চালুর সালও এটি নয়।
D) ১৮০২ সালে — এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগ খোলা হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে হবে ১৮০০ এবং তার ঠিক এক বছর পর ১৮০১ সালে খোলে বাংলা বিভাগ। কেরির কলম চলেছে ১৮০১ সাল থেকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রথম বাংলা অধ্যাপক উইলিয়াম কেরি এবং বাংলা বিভাগের প্রথম গ্রন্থ রামরাম বসুর রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র। এই দুটি তথ্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: A) দুর্লভ
১. কেন সঠিক:
- 'যা কষ্টে লাভ করা যায়' এই বাক্যাংশটির সংকুচিত রূপ হলো দুর্লভ।
- এখানে 'দুঃ' উপসর্গ বা না-বোধক অর্থে এবং 'লভ' ধাতু থেকে শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ।
- বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই ভাষা সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা নিবারণ করা যায় না
ব্যাখ্যা: একে এককথায় অনিবার্য বলা হয়।
উদাহরণ ২: যা সহজে জয় করা যায় না
ব্যাখ্যা: একে এককথায় দুর্জয় বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুর্লভ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ যা সহজে পাওয়া যায় না বা কষ্টে লাভ করা যায়।
B) অলভ্য — এর অর্থ যা লাভ করা যায় না বা অসম্ভব, যা প্রদত্ত বাক্যের অর্থের সঙ্গে হুবহু মেলে না।
C) কষ্টসাধ্য — এর অর্থ যা করতে অনেক কষ্ট হয়, কিন্তু এটি প্রাপ্তির চেয়ে কাজের ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য।
D) দুর্জয় — এর অর্থ যাকে জয় করা কঠিন, এটি লাভ করার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- লাভ বা প্রাপ্তি বোঝাতে লভ ধাতু যুক্ত শব্দ যেমন দুর্লভ বা অলভ্য ব্যবহার করা হয়।
- সহজে পাওয়া যায় না এমন অর্থে দুর্লভ শব্দটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য সংকোচন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- একই ধরনের শব্দগুলোর সূক্ষ্ম পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সান্ধ্য ভাষা
১. কেন সঠিক:
- চর্যাপদের ভাষা সান্ধ্য ভাষা হিসেবে পরিচিত কারণ এর শব্দ ও ভাবার্থ সহজে বোধগম্য নয় এবং এর মধ্যে আলো-আঁধারি বা দ্ব্যর্থক অর্থ লুকিয়ে আছে।
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদের টিকাকার মুনিদত্তের ব্যাখ্যার ওপর ভিত্তি করে এর ভাষাকে সান্ধ্য ভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা হিসেবে অভিহিত করেছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন এবং বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত।
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর ওডিবিএল গ্রন্থে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা মূলত প্রাচীন বাংলা ভাষার রূপ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদের প্রথম পদটি করেছেন লুইপা, যার মূল সুর ছিল সাধনার তত্ত্ব প্রকাশ করা।
ব্যাখ্যা: এই পদের ভাষা ও রূপকধর্মী প্রকাশভঙ্গি সান্ধ্য ভাষার উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
উদাহরণ ২: কাণপাদের গীতগুলোতেও সান্ধ্য ভাষার রূপক ও অবহট্ঠ ভাষার প্রভাব দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: এসব পদে হরফে লেখা রূপক এবং সাধনার কথা সান্ধ্য ভাষার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সান্ধ্য ভাষা — এটি সঠিক কারণ চর্যাপদের ভাষাতাত্ত্বিক আলোচনার সূচনায় একে সান্ধ্য ভাষা বলা হয়েছে।
B) ব্রজবুলী ভাষা — এটি কোনো প্রকৃত কথ্য ভাষা নয়, এটি কৃত্রিম কাব্যভাষা যার বিকাশ ঘটেছিল মধ্যযুগে বৈষ্ণব পদাবলীতে।
C) বাংলা ভাষা — চর্যাপদের ভাষা বাংলা ভাষার প্রাচীন রূপ হলেও, পরীক্ষার বহুনির্বাচনী প্রশ্নে প্রথাগতভাবে সান্ধ্য ভাষা অপশনটিকেই সঠিক ধরা হয়।
D) মৈথিলি ভাষা — বিদ্যাপতি ব্রজবুলী ভাষায় পদ রচনা করলেও চর্যাপদের ভাষা মৈথিলি ভাষা ছিল না, এটি প্রাচীন বাংলা ভাষার অন্তর্ভুক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
চর্যাপদের ভাষা নিয়ে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মত মনে রাখতে সান্ধ্য বা আলো-আঁধারি কথাটি মাথায় রাখবে।
পরীক্ষায় চর্যাপদের ভাষা কী এমন প্রশ্ন এলে সান্ধ্য ভাষা অপশনটি প্রথম পছন্দ হিসেবে বিবেচনা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় নেপালের রাজদরবার থেকে এবং ১৯০৭ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে তা প্রকাশিত হয়।
এই ধরনের প্রশ্নে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতপার্থক্যের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটটি মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) মিথিলার
১. কেন সঠিক:
বিদ্যাপতি ছিলেন ভারতের বর্তমান বিহার রাজ্যের মিথিলা অঞ্চলের কবি। তিনি মূলত মৈথিলি ভাষার কবি হলেও বাংলা সাহিত্য ও পদাবলীতে তাঁর অবদান অত্যন্ত গভীর ও অবিস্মরণীয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিদ্যাপতি সংস্কৃত ও মৈথিলি ভাষায় সাহিত্য রচনা করলেও তাঁর পদগুলো ব্রজবুলি ভাষায় রচিত হওয়ায় বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছিল। মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম প্রধান ও আদি কবি হিসেবে তাঁকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ স্থান দেওয়া হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পদাবলী সাহিত্য
ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতি রচিত বৈষ্ণব পদাবলী বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের শুরুর দিকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
উদাহরণ ২: মৈথিলি কোকিল
ব্যাখ্যা: মধুর কণ্ঠস্বর ও রচনার সৌন্দর্যের জন্য বিদ্যাপতিকে মৈথিলি কোকিল উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নবদ্বীপের — নবদ্বীপ বাংলার নদীয়া জেলায় অবস্থিত এবং এটি শ্রীচৈতন্যদেবের জন্মস্থান, বিদ্যাপতির জন্মস্থান নয়।
B) মিথিলার — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি মিথিলার পিন্ডারী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
C) কৃষ্ণনগরের — কৃষ্ণনগর নদীয়া জেলার একটি ঐতিহাসিক শহর, যা বিদ্যাপতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) বর্ধমানের — বর্ধমান পশ্চিমবঙ্গের একটি জেলা, যা বিদ্যাপতির জন্ম বা কর্মক্ষেত্র ছিল না।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিদ্যাপতি ও মিথিলা মনে রাখার জন্য মাথায় রাখতে হবে যে তিনি মৈথিলি ভাষার কবি ছিলেন এবং মিথিলা অঞ্চলের অধিবাসী ছিলেন। ব্রজবুলি ভাষার সঙ্গে তাঁর নাম অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বিদ্যাপতি কোন ভাষার কবি বা কোথাকার কবি। মনে রাখতে হবে তিনি মৈথিলি ভাষার কবি এবং মিথিলার অধিবাসী হলেও বাংলা পদাবলীতে তাঁর প্রভাব অপরিসীম।
সঠিক উত্তর: B) দুই ভাগে
১. কেন সঠিক:
প্রত্যয়কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। এই ভাগ দুটি হলো কৃৎপ্রত্যয় এবং তদ্ধিতপ্রত্যয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
প্রকৃতির সাথে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে। ধাতুর সাথে যুক্ত হয় কৃৎপ্রত্যয় এবং শব্দের সাথে যুক্ত হয় তদ্ধিতপ্রত্যয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চল + আ = চলা
ব্যাখ্যা: এটি কৃৎপ্রত্যয়ের উদাহরণ কারণ চল ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সাথে আ প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ঢাকা + আই = ঢাকাই
ব্যাখ্যা: এটি তদ্ধিতপ্রত্যয়ের উদাহরণ কারণ ঢাকা বিশেষ্য পদের সাথে আই প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চার ভাগে — এই সংখ্যাটি প্রত্যয়ের প্রধানভাগের সাথে মেলে না। ব্যাকরণে প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার।
B) দুই ভাগে — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রত্যয় প্রধানত কৃৎ ও তদ্ধিত এই দুই ভাগে বিভক্ত।
C) তিন ভাগে — তিন ভাগে ভাগ করা ব্যাকরণের নিয়মে সঠিক নয়। এটি ভুল তথ্য।
D) পাঁচ ভাগে — পাঁচ ভাগে ভাগ করার কোনো ভিত্তি বাংলা ব্যাকরণে নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার তা মনে রাখতে ধাতু ও শব্দ এই দুটি উৎস মাথায় রাখতে হবে। ধাতু থেকে কৃৎ এবং শব্দ থেকে তদ্ধিত প্রত্যয় হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রত্যয়ের প্রধান প্রকারভেদ বা কৃৎ ও তদ্ধিত প্রত্যয়ের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। শব্দ বিশ্লেষণ করে প্রকৃতি ও প্রত্যয় আলাদা করার অভ্যাস রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
- 'চক্রবাক' হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
- চক্রবাক শব্দের অর্থ এক জোড়া পাখি, যা বিরহ ও প্রেমের প্রতীক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে ব্যবহৃত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও যুগসন্ধিক্ষণের অন্যতম প্রধান কবি।
- 'চক্রবাক' কাব্যগ্রন্থটি তাঁর রোমান্টিক ধারার কবিতার এক অনন্য নিদর্শন, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম ও অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: বিষের বাঁশি
ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ও প্রগতিশীল কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফররুখ আহমদ — ফররুখ আহমদ একজন বিশিষ্ট মুসলিম রেনেসাঁস কবি হলেও 'চক্রবাক' তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ নয়।
B) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই।
C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হলেও তিনি এই কাব্য লেখেননি।
D) শামসুর রাহমান — শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও তাঁর কোনো কাব্যগ্রন্থের নাম চক্রবাক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের রোমান্টিক ও প্রেমমূলক কবিতা মনে রাখতে চক্রবাক নামটি বিশেষভাবে স্মরণ রাখতে হবে।
- কবির প্রথম কাব্য অগ্নিবীণা এবং অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগুলোর সঙ্গে চক্রবাক নামটি আলাদা করে মনে রাখতে হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কবিদের কাব্যগ্রন্থের নাম থেকে প্রশ্ন আসে।
- কবির সাহিত্যকর্মের প্রকাশকাল ও প্রকারভেদ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) ভাষা আন্দোলন
১. কেন সঠিক:
'কবর' নাটকটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত নাটক। শহীদ মিনার ও ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে নাটকীয় রূপ দেওয়ায় এটি এই পটভূমির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
নাটকটির রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। তিনি জেলখানায় বন্দী থাকা অবস্থায় ১৯৫৩ সালে এই নাটকটি রচনা করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন
ব্যাখ্যা: জহির রায়হান রচিত এই উপন্যাসটিও ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত।
উদাহরণ ২: আর্তনাদ
ব্যাখ্যা: শওকত ওসমান রচিত এই উপন্যাসটিও ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তেভাগা আন্দোলন — এই পটভূমিতে মুনীর চৌধুরীর 'কবর' নাটকটি রচিত হয়নি। এটি অন্য একটি ঐতিহাসিক কৃষক আন্দোলন।
B) ভাষা আন্দোলন — এই অপশনটি সঠিক এবং নাটকের মূল প্রেক্ষাপটকে নির্দেশ করে।
C) দেশ বিভাগ — এই পটভূমিতে নাটকটি রচিত নয়, যদিও দেশ বিভাগ বাংলা সাহিত্যে অনেক উপন্যাসের বিষয়বস্তু হয়েছে।
D) মুক্তিযুদ্ধ — মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ের পটভূমি হলেও 'কবর' নাটকটি মূলত ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে লেখা।
৫ মনে রাখার টিপস:
মুনীর চৌধুরীর নাটক 'কবর' মানেই ভাষা আন্দোলন। জেলখানায় বসে লেখা এই নাটকের মূল সুর বায়ান্নর ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যে ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম নাটক হলো মুনীর চৌধুরীর 'কবর'। নাটকের চরিত্রগুলোর মধ্যে মুর্দা ফকির ও ময়নামতি অত্যন্ত প্রতীকী।
সঠিক উত্তর: C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
১. কেন সঠিক:
অমিল্যাক্ষর বা অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
তিনি বাংলা কাব্যে সংস্কৃত পয়ার ছন্দের প্রথাবদ্ধ নিয়ম ভেঙে পঙ্ক্তির শেষে পদের মিলবন্ধন বা অন্ত্যমিল বর্জন করে এই নতুন ছন্দ ধারার সূচনা করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি এবং সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের স্রষ্টা।
তার বিখ্যাত মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রথম সফল ও সার্থক প্রয়োগ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হে বঙ্গ ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন।
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বঙ্গভাষা কবিতার অংশ যেখানে অন্ত্যমিল ছাড়া ভাব প্রকাশ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: রক্ষঃকুলপতি কিন্তু দেখিয়া এ সব।
ব্যাখ্যা: এটি মেঘনাদবধ কাব্যের একটি পঙ্ক্তি যা অমিত্রাক্ষর ছন্দের কাঠামোগত ব্যবহারের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা কাব্যে গদ্যছন্দ এবং নানা রকম নতুন ছন্দের প্রবর্তক হলেও অমিল্যাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক নন।
B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা কবিতায় ইসলামি ঐতিহ্য, আরবি ফারসি শব্দ এবং ওজস্বিনী মাত্রাবৃত্ত ছন্দের সফল ব্যবহার করেন।
D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত এবং তিনি মূলত নানা বিদেশি শব্দের সংমিশ্রণে বাংলা ছন্দের জাঁকজমক বৃদ্ধি করেছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
মধু দিয়ে অমিল দূর করা যায় এভাবে মনে রাখতে পারেন যে মধুসূদন দত্ত অমিল বা অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
বাংলা কাব্যে অমিল বা অমিত্রাক্ষর ছন্দ মানেই মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তন করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং তার মেঘনাদবধ কাব্য এই ছন্দের সর্বশ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে তাই কবির নাম এবং মহাকাব্যের নাম ভালোভাবে মনে রাখবেন।
সঠিক উত্তর: A) ১৮৬১ সালে
১. কেন সঠিক:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য মেঘনাদবধ মহাকাব্য ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়।
এই মহাকাব্যটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত পূর্ণাঙ্গ কাব্যগ্রন্থ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই মহাকাব্যের রচয়িতা বিদ্রোহী কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত যিনি বাংলা সাহিত্যে প্রথম আধুনিকতার সূচনা করেন।
রামায়ণের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত হলেও কবি এখানে রাবণ ও মেঘনাদকে দেশপ্রেমিক ও বীর হিসেবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত প্রথম বাংলা কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি পত্রকাব্য যা ১৮৬৪ সালে প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮৬১ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ মেঘনাদবধ মহাকাব্য এই সালেই প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
B) ১৮৬৫ সালে — এই অপশনটি ভুল কারণ এই সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের চতুর্দশপদী কবিতাবলী প্রকাশিত হয়েছিল।
C) ১৯৫২ সালে — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি বাঙালি জাতির ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক বছর এবং এর সঙ্গে এই কাব্যের প্রকাশকাল সম্পর্কিত নয়।
D) ১৯৭০ সালে — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ঠিক আগের একটি রাজনৈতিক বছর এবং মহাকাব্যের প্রকাশকালের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
মেঘনাদবধ মহাকাব্যের প্রকাশকাল মনে রাখার সহজ কৌশল হলো মধুসূদন ১৮৬১ সালে তার শ্রেষ্ঠ কীর্তি উপহার দেন।
১৮৬১ সাল হলো এমন একটি বছর যখন বাংলা সাহিত্যে মহাকাব্যের সার্থক সূচনা ঘটেছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই মেঘনাদবধ মহাকাব্যের রচয়িতা এবং প্রকাশকাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
একইভাবে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক কীর্তিবিলাসের পরিবর্তে নন্দিকেশুরের মিত্রের শর্মিষ্ঠা নাটক ১৮৫৯ সালের কথা মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) হাঙর নদী গ্রেনেড
১. কেন সঠিক:
- হাঙর নদী গ্রেনেড উপন্যাসটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন পটভূমিতে রচিত এবং এতে এক জননী বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
- কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন এই উপন্যাসে একাত্তরের ভয়াবহতা এবং সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের চিত্র তুলে ধরেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সেলিনা হোসেন বাংলা কথাসাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র যিনি মুক্তিযুদ্ধ ও প্রান্তিক মানুষের জীবন নিয়ে বহু গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস রচনা করেছেন।
- হাঙর নদী গ্রেনেড উপন্যাসে প্রধান চরিত্র বুড়ি মাতৃত্বের টানে নিজের প্রতিবন্ধী সন্তানকে বিসর্জন দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের রক্ষা করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জোছনা ও জননীর গল্প
ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অন্যতম সেরা উপন্যাস।
উদাহরণ ২: আগুনের পরশমণি
ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যা সেলুলয়েডেও রূপায়িত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পথের পাঁচালী — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত গ্রামবাংলার গ্রামীণ প্রকৃতি ও অপু দুর্গার শৈশবের পটভূমিতে লেখা উপন্যাস।
B) হাঙর নদী গ্রেনেড — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
C) কবর — এটি মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম নাটক যা ১৯৫৩ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় রচিত হয়।
D) আরেক ফাল্গুন — এটি জহির রায়হান রচিত ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে সেলিনা হোসেনের হাঙর নদী গ্রেনেড এবং জহির রায়হানের আরেক ফাল্গুন ও বরফ গলা নদী গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
- পরীক্ষার হলে নাটকের ক্ষেত্রে মুনীর চৌধুরীর কবর এবং উপন্যাসের ক্ষেত্রে ভাষা বা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনাগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ও নাটক থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- লেখক পরিচিতি এবং উপন্যাসের পটভূমি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর খুব সহজেই নির্ভুল করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) হাতি
১. কেন সঠিক:
- ঐরাবত শব্দটির অর্থ হাতি এবং এটি একটি সমার্থক শব্দ।
- পৌরাণিক উপাখ্যান অনুযায়ী, এটি স্বর্গের রাজা ইন্দ্রের বাহন এবং দেবরাজ ইন্দ্রের হাতি হিসেবে পরিচিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই সব ভিন্ন শব্দ যেগুলোর অর্থ একই বা প্রায় কাছাকাছি।
- বাংলা ভাষায় সমার্থক শব্দ ভাণ্ডার সমৃদ্ধ এবং বহু শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গজ
ব্যাখ্যা: গজ হলো হাতির আরেকটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: করী
ব্যাখ্যা: কর বা শুঁড় আছে যার, তাকে করী বলা হয় এবং এটি হাতির সমার্থক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঘোড়া — ঘোড়ার সমার্থক শব্দ হলো অশ্ব, তুরঙ্গ, বাজি ও ঘোটক।
B) হাতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) সাপ — সাপের সমার্থক শব্দ হলো সর্প, ভুজঙ্গ, নাগ ও উরগ।
D) হরিণ — হরিণের সমার্থক শব্দ হলো মৃগ, সারঙ্গ ও কুরঙ্গ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইন্দ্রের হাতি হলো ঐরাবত, তাই হাতি এবং ঐরাবত সমার্থক শব্দ হিসেবে মনে রাখতে হবে।
- পৌরাণিক নামগুলোর সাথে শব্দের অর্থ মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পৌরাণিক চরিত্র ও বাহনের সমার্থক শব্দ প্রায়ই আসে।
- শব্দের মূল উৎস ও অর্থ জানলে যেকোনো সমার্থক শব্দ সহজেই নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) প্রমথ চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- 'বীরবল' ছদ্মনামটি প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক পরিচয়ের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।
- বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবক্তা এবং বীরবল ছদ্মনামে তিনি বিখ্যাত প্রবন্ধ রচনা করেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে বুদ্ধিবৃত্তিক প্রবন্ধের ধারা প্রবর্তন করেন এবং তার সম্পাদিত 'সবুজপত্র' পত্রিকা বাংলা গদ্যে এক নতুন বিপ্লব এনেছিল।
- তিনি ছিলেন বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক প্রাবন্ধিক যিনি গুরুগম্ভীর ভাব বাদ দিয়ে হালকা চালে গভীর কথা বলার শৈলী তৈরি করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বীরবলের হালখাতা
ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত একটি প্রবন্ধগ্রন্থ যা তার ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়েছিল।
উদাহরণ ২: রায়তের কথা
ব্যাখ্যা: এটিও প্রমথ চৌধুরীর একটি প্রখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ যেখানে কৃষকদের অধিকারের কথা তুলে ধরা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি কোনো ছদ্মনাম ব্যবহার করেননি।
B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তার ছদ্মনাম ছিল না, যদিও তিনি কিছু ক্ষেত্রে ভিন্ন নাম ব্যবহার করেছেন।
C) প্রমথ চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি 'বীরবল' ছদ্মনামে লিখতেন।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি ভানুসিংহ ঠাকুর ছদ্মনামে পদাবলী সাহিত্য রচনা করেছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত ছদ্মনাম মনে রাখার সহজ উপায় হলো বীরবল চরিত্রটির সঙ্গে তার বুদ্ধিমত্তা ও রসবোধের মিল খুঁজে নেওয়া।
- সবুজপত্র পত্রিকার সঙ্গে বীরবলের নাম মনে রাখলে পরীক্ষা ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, যেমন ভানুসিংহ ঠাকুর কার ছদ্মনাম।
- ছদ্মনামের পাশাপাশি লেখকদের সম্পাদিত পত্রিকার নামও ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) media
কেন সঠিক:
- ল্যাটিন ভাষায় যেসব শব্দের শেষে um থাকে, সেগুলোর প্লুরাল করার সময় um বাদ দিয়ে a যুক্ত করা হয়।
- medium শব্দের প্লুরাল রূপ হলো media, যা প্রদত্ত অপশনে সঠিক হিসেবে রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) radius — এটি একটি সিঙ্গुलर বা একবচন শব্দ, যার প্লুরাল রূপ হলো radii।
B) analysis — এটি একটি সিঙ্গুলার শব্দ, যার প্লুরাল রূপ হলো analyses (শেষে es যুক্ত হয়)।
C) media — এটি সঠিক প্লুরাল ফর্ম, তাই এটি ভুল নয়।
D) datum — এটি সিঙ্গুলার শব্দ, যার প্লুরাল রূপ হলো data (um বাদ দিয়ে a হয়েছে)।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটির শেষে um থাকলে তা উঠিয়ে a বসালে প্লুরাল হয়, যেমন medium থেকে media এবং datum থেকে data।
সঠিক উত্তর: C) While
কেন সঠিক:
- একই ব্যক্তির ক্ষেত্রে দুটি কাজের সময় বোঝাতে মূল verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত করার আগে While ব্যবহার করা হয়।
- এখানে অফিসে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল বোঝাতে While going to office সঠিক হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) When — সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো সময় বা ঘটনার ক্ষেত্রে বসে, তবে এখানে While-এর মতো সরাসরি continuous বোঝাতে While বেশি উপযুক্ত।
B) on — on-এর পর সাধারণত gerund বসে (যেমন On going), কিন্তু এখানে বাক্য গঠনে While অধিকতর স্বাভাবিক ও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
C) While — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) Behind — এটি একটি Preposition যার অর্থ পিছনে, যা এখানে বাক্যটির অর্থ বা কাঠামোর সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
একই সময়ে দুটি কাজ ঘটার ক্ষেত্রে verb-এর সঙ্গে ing থাকলে সাধারণত While ব্যবহার করতে হয়।
বিষয়ের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: B) The son is as foolish as the father is intelligent.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি একটি তুলনামূলক বা correlative comparison-এর উদাহরণ, যা ইংরেজিতে as ... as কাঠামোর মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।
- বাংলা বাক্যের ভাব বজায় রেখে সঠিক ইংরেজি অনুবাদ করতে প্রথম অংশে পজিটিভ ডিগ্রি এবং দ্বিতীয় অংশে তার বিপরীতার্থক পজিটিভ ডিগ্রি ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The father is as intelligent as the son is fool — এখানে fool হলো noun, অথচ তুলনার ক্ষেত্রে adjective (foolish) ব্যবহার করা উচিত ছিল।
B) The son is as foolish as the father is intelligent — এটি সম্পূর্ণ সঠিক অনুবাদ, তাই প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তরটি ভুল এবং এই অপশনটিই সঠিক উত্তর।
C) The father is as intelligent as the son is a foolish — এখানে foolish-এর আগে অযৌক্তিকভাবে article 'a' ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Father is so intelligent as much as son is foolish — এটি সঠিক ইংরেজি ব্যাকরণগত গঠন বা প্রবাদতুল্য অনুবাদ নয়, কারণ এখানে so...as much as কাঠামোর ভুল প্রয়োগ হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
যত তত যুক্ত বিপরীতার্থক তুলনামূলক বাক্যের ইংরেজি অনুবাদের ক্ষেত্রে Subject + verb + as + adjective + as + subject + verb + opposite adjective কাঠামো ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Videos
কেন সঠিক:
- 'Video' একটি লাতিন শব্দ, যার শেষে 'o' রয়েছে এবং তার আগে একটি ভাওয়েল ('e') আছে।
- যে সব শব্দের শেষে 'o' থাকে এবং তার আগে ভাওয়েল থাকে, তাদের সাথে শুধু 's' যোগ করে বহুবচন করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Videoes — 'o' এর আগে ভাওয়েল থাকা সত্ত্বেও 'es' যুক্ত করা হয়েছে যা বানান নিয়মের বাইরে।
B) Videos — এটি সঠিক উত্তর, কারণ নিয়মানুযায়ী এখানে শুধু 's' যুক্ত হয়েছে।
C) Vidioes — এখানে মূল শব্দের বানানে ভুল করা হয়েছে এবং অপ্রাসঙ্গিকভাবে 'es' যুক্ত করা হয়েছে।
D) Vidios — এখানে মূল শব্দের বানান ভুল (Vidio লেখা হয়েছে) এবং সঠিক বানানরীতি মানা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
O অক্ষরের আগে ভাওয়েল থাকলে শুধু S বসে, যেমন- Radio থেকে Radios এবং Video থেকে Videos।
সঠিক উত্তর: A) of
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো অপরাধ বা অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া অর্থে absolved শব্দের পর preposition হিসেবে অবিকল of বসে।
- প্রমিত ইংরেজি ব্যবহার ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার নিয়ম অনুযায়ী absolve এর সঠিক collocation হলো absolve of something।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) of — এই প্রশ্নটির ক্ষেত্রে এটিই সঠিক preposition এবং এটি নির্দিষ্ট অভিযোগ থেকে অব্যাহতি বোঝাতে বসে।
B) from — সাধারণত free বা prevent শব্দের পরে from বসে, কিন্তু absolve শব্দের সাথে প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী of ব্যবহৃত হয়।
C) out — এটি phrasal verb বা নির্দিষ্ট কোনো idiom গঠনে ব্যবহৃত হয়, যা এই শূন্যস্থানের জন্য ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) off — এটি সাধারণত কোনো কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বা দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা absolve শব্দের সাথে উপযুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো অভিযোগ থেকে মুক্তি বা অব্যাহতি পাওয়ার ইংরেজি হলো absolve of, যেখানে of প্রিপজিশনটি নির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: D) before
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী Hardly had যুক্ত বাক্যের দ্বিতীয় অংশে when বা before বসে।
- প্রদত্ত বাক্যের শূন্যস্থানের পরে the train left clauseটি থাকায় সঠিক সংযোজক হিসেবে before ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) then — then শব্দটি No sooner... than কাঠামোর সাথে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে সঠিক নয়।
B) than — than শব্দটি তুলনামূলক বাক্য বা No sooner... than গঠনে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) but — but একটি বিপরীতার্থক সংযোজক যা এই বিশেষ বাক্য কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
D) before — এই অপশনটি সঠিক কারণ Hardly had এর সাথে when অথবা before ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
Hardly had থাকলে বাক্যের মাঝখানে when বা before এবং No sooner had থাকলে than বসে।
সঠিক উত্তর: C) strung
কেন সঠিক:
- 'string' একটি irrégular verb বা অনিয়মিত ভার্ব যার পাস্ট বা অতীত রূপ গঠন করতে ইডি যুক্ত হয় না।
- এর পাস্ট ও পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম হলো 'strung'।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) strang — এটি সঠিক ইংরেজি শব্দ বা ভার্বের কোনো রূপ নয়।
B) stringed — এটি নিয়মিত ভার্বের নিয়মে ভুলভাবে গঠিত রূপ, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) strung — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে গণ্য হবে না।
D) strunged — এটি একটি ভুল রূপ কারণ এর শেষে অপ্রয়োজনীয়ভাবে ইডি যুক্ত করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
রিং বা দড়ি দিয়ে কিছু ঝোলানোর ক্ষেত্রে string ভার্বের পাস্ট ফর্ম হিসেবে ring এর মতো swing, sting, string শব্দের শেষে ইউ জি যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: B) adept
কেন সঠিক:
- adept শব্দের অর্থ দক্ষ বা পটু, যা skilled শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এই দুটি শব্দই কোনো কাজে বিশেষ পারদর্শিতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adopt — এর অর্থ গ্রহণ করা বা দত্তক নেওয়া, যা skilled শব্দের সমার্থক নয়।
B) adept — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) adupt — এটি একটি বানানগত ভুল শব্দ, ইংরেজিতে এর কোনো অর্থ নেই।
D) adapt — এর অর্থ মানিয়ে নেওয়া বা অভিযোজিত করা, যা skilled শব্দের সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Skilled এবং Adept উভয় শব্দের শেষ অক্ষর d দিয়ে শুরু বা সম্পর্কিত মনে রেখে দক্ষতা বোঝাতে এই দুটি শব্দ একসঙ্গে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) spinster
কেন সঠিক:
- 'Spinster' শব্দটির অর্থ অবিবাহিত নারী, যা ব্যাকরণগতভাবে ফেমিনাইন জেন্ডার নির্দেশ করে।
- পুরুষবাচক শব্দ 'bachelor' এর বিপরীতে অবিবাহিত নারীর ক্ষেত্রে 'spinster' ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) peer — এটি কমন জেন্ডার, যার অর্থ সমকক্ষ বা সহকর্মী এবং এটি পুরুষ বা নারী উভয়কেই বোঝায়।
B) parent — এটি কমন জেন্ডার, যা মাতা বা পিতা উভয়কেই নির্দেশ করে।
C) boar — এটি ম্যাসকুলাইন জেন্ডার, যার অর্থ বুনো শূকর এবং এর ফেমিনাইন রূপ হলো sow।
D) spinster — এটি সঠিক ফেমিনাইন জেন্ডার হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত।
মনে রাখার টিপস:
অবিবাহিত পুরুষের ক্ষেত্রে bachelor এবং অবিবাহিত নারীর ক্ষেত্রে spinster ব্যবহার করা হয়।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ (Vocabulary / One Word Substitution)
সঠিক উত্তর: B) appointee
কেন সঠিক:
- প্রশ্নটিতে এমন একজন ব্যক্তির কথা জানতে চাওয়া হয়েছে যাকে সদ্য কোনো পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো পদে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে appointee বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) appointer — এই শব্দের অর্থ যিনি নিয়োগকর্তা বা যিনি কাউকে চাকরিতে নিয়োগ প্রদান করেন।
B) appointee — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ যাকে নিয়োগ করা হয়েছে।
C) novice — এই শব্দের অর্থ অনভিজ্ঞ বা নতুন শিক্ষানবিস, যা সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তির সঠিক প্রতিশব্দ নয়।
D) apprentice — এই শব্দের অর্থ কোনো নির্দিষ্ট কাজে প্রশিক্ষণার্থী বা হাতে-কলমে কাজ শেখার জন্য নিযুক্ত ব্যক্তি।
মনে রাখার টিপস:
যিনি নিয়োগ দেন তিনি appointer আর যাকে নিয়োগ দেওয়া হয় তিনি appointee।
সঠিক উত্তর: D) colon
কেন সঠিক:
- কোলন (:) সাধারণত কোনো তালিকা, উদাহরণ বা উদ্ধৃতি শুরু করার আগে ব্যবহার করা হয়।
- এটি বাক্যের প্রধান অংশের পরে কোনো বস্তুর বা বিষয়ের তালিকা উপস্থাপন করতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) comma — কমা বাক্যের বিভিন্ন অংশ আলাদা করতে বা ছোট বিরতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তালিকা শুরুর জন্য নয়।
B) hyphen — হাইফেন দুটি শব্দকে যুক্ত করে একটি নতুন শব্দ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়, তালিকা বোঝাতে নয়।
C) semicolon — সেমিকোলন দুটি কাছাকাছি অর্থসম্পন্ন স্বাধীন ক্লজকে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, তালিকা উপস্থাপনে নয়।
D) colon — এই অপশনটি সঠিক কারণ কোলন সরাসরি কোনো তালিকা বা বস্তুর সমষ্টির পূর্বে বসে।
মনে রাখার টিপস:
তালিকা বা উদাহরণ দেখানোর ঠিক আগেই কোলন বসাতে হয়, যেমনটা আমরা শপিং লিস্ট লেখার সময় করি।
সঠিক উত্তর: A) a
কেন সঠিক:
- 'horrible' শব্দটির শুরুতে consonant sound বা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ রয়েছে।
- ইংরেজি উচ্চারণের নিয়ম অনুযায়ী consonant sound-এর পূর্বে indefinite article হিসেবে 'a' বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a — এটি সঠিক উত্তর কারণ horrible শব্দের উচ্চারণ হ দিয়ে শুরু হয় যা consonant sound।
B) an — এটি ভুল কারণ an সাধারণত vowel sound বা স্বরবর্ণের উচ্চারণের পূর্বে বসে।
C) the — এটি ভুল কারণ incident টি নির্দিষ্ট নয়, তাই definite article বসবে না।
D) no article — এটি ভুল কারণ singular countable noun একা বসতে পারে না, article প্রয়োজন।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের প্রথম অক্ষর consonant হলেও তার উচ্চারণ যদি consonant sound হয়, তবে তার পূর্বে সবসময় 'a' বসে।
সঠিক উত্তর: C) They are paying no attention to my advice
কেন সঠিক:
- Advice একটি আনকাউন্টেবল নাউন, যার সঙ্গে কখনো এস বা ইএস যুক্ত হয় না এবং পে অ্যাটেনশন টু সঠিক ধারা অনুসরণ করে।
- সাবজেক্ট প্লুরাল হওয়ায় টু বি ভার্ব হিসেবে আর এবং মূল ভার্বের সঙ্গে আইএনজি সঠিক নিয়মে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I shook his hand. — হাত মেলানোর ক্ষেত্রে হ্যান্ডশেক অর্থে সাধারণত শেক হ্যান্ডস উইথ ব্যবহৃত হয়, তাই সরাসরি হিজ হ্যান্ড বলা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
B) My watch gives correct time. — ঘড়ি সঠিক সময় দেয় বোঝাতে গিভস কারেক্ট টাইম না বলে সঠিক idiom অনুযায়ী কিপস কারেক্ট টাইম বলতে হয়।
C) They are paying no attention to my advice — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বাক্য কারণ এখানে পে অ্যাটেনশন টু এবং আনকাউন্টেবল নাউন অ্যাডভাইস সঠিক নিয়মে বসেছে।
D) He sold all his furniture's. — ফার্নিচার একটি আনকাউন্টেবল নাউন, তাই এর সঙ্গে এস যুক্ত করে ফার্নিচার্স লেখা সম্পূর্ণ ভুল।
মনে রাখার টিপস:
ফার্নিচার এবং অ্যাডভাইস সবসময় আনকাউন্টেবল নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই এদের সঙ্গে কখনো এস বা ইএস যুক্ত করা যায় না।
সঠিক উত্তর: A) Thomas Hardy
কেন সঠিক:
- থমাস হার্ডি মূলত একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন, যিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের শেষভাগে সাহিত্য রচনা করেছেন।
- তার বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে টেস অব দ্য ডারবারভিলস এবং রিটার্ন অব দ্য নেটিভ অন্যতম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Thomas Hardy — ইনি একজন বিশ্বখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কবি, তাই এটি সঠিক উত্তর।
B) John Milton — ইনি সপ্তদশ শতকের একজন প্রখ্যাত মহাকাব্যিক কবি, কোনো ঔপন্যাসিক নন।
C) Alexander Pope — ইনি অষ্টাদশ শতকের একজন বিশিষ্ট ব্যঙ্গাত্মক কবি, ঔপন্যাসিক নন।
D) P. B. Shelley — ইনি রোমান্টিক যুগের একজন প্রখ্যাত লিরিক কবি, ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত নন।
মনে রাখার টিপস:
থমাস হার্ডির উপন্যাসগুলোর মূল পটভূমি ওয়েসল্যান্ড বা কাল্পনিক Wessex প্রদেশ।
সঠিক উত্তর: C) adverb
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে Having finished the work অংশটি একটি Participial Phrase যা মূল বাক্যের কাজের সময় বা কারণ নির্দেশ করছে।
- এটি বাক্যের মূল Verb left সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে বা কখন কাজ সম্পন্ন হয়েছে তা প্রকাশ করছে বিধায় এটি Adverb-এর কাজ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না বা বাক্যের Subject বা Object হিসেবে কাজ করছে না।
B) adjective — এটি কোনো Noun বা Pronoun-এর দোষ, গুণ, সংখ্যা বা অবস্থা প্রকাশ করে তাদের বিশেষিত করছে না।
C) adverb — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি Verb-এর কাজের সময় বা প্রেক্ষাপট নির্দেশ করছে।
D) preposition — এটি কোনো Noun বা Pronoun-এর পূর্বে বসে অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করছে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে থাকা Participial Phrase যদি মূল কাজ সম্পাদনের সময় বা কারণ বুঝিয়ে Verb-কে বিশেষিত করে, তবে তা সাধারণত Adverb-এর কাজ করে।
সঠিক উত্তর: B) sight
কেন সঠিক:
- 'Ocular' একটি ইংরেজি বিশেষণ যার বাংলা অর্থ চোখের বা দৃষ্টিসংক্রান্ত।
- এটি মানুষের দৃষ্টিশক্তি বা দেখার প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) sound — এই শব্দটি শব্দ বা শ্রবণের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা দৃষ্টির সঙ্গে মিলে না।
B) sight — এটি সঠিক উত্তর কারণ ocular শব্দের মূল অর্থ দৃষ্টিশক্তি।
C) hearing — এই শব্দটির অর্থ শ্রবণ বা শোনার ক্ষমতা, যা ocular শব্দের অর্থ নয়।
D) smell — এই শব্দটির অর্থ ঘ্রাণ বা গন্ধ নেওয়া, যা দেখার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Ocular শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ oculus থেকে, যার অর্থ চোখ বা দৃষ্টি।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: B) up
কেন সঠিক:
- Set up একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব যার অর্থ প্রতিষ্ঠা করা বা স্থাপন করা।
- বাক্যে একজন ব্যবসায়ী কর্তৃক একটি ক্লাব প্রতিষ্ঠা করার অর্থ প্রকাশ করতে set up ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) down — Set down অর্থ নিচে নামানো বা লিপিবদ্ধ করা, যা এখানে অর্থসংগত নয়।
B) up — এটি সঠিক কারণ set up অর্থ স্থাপন করা বা প্রতিষ্ঠা করা।
C) for — Set for প্রমিত গ্রুপ ভার্ব হিসেবে এখানে অর্থ প্রকাশ করে না।
D) off — Set off অর্থ যাত্রা শুরু করা, যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো প্রতিষ্ঠান, ক্লাব বা ব্যবসা শুরু করা বা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সর্বদা Set এর সাথে up যুক্ত হয়ে Set up ফ্রেজাল ভার্বটি গঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) anguish
কেন সঠিক:
- Anguish শব্দটি কেবল Noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ তীব্র মানসিক বা শারীরিক যন্ত্রণা।
- এই শব্দের কোনো Verb রূপ নেই, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) fool — এটি Noun হিসেবে ব্যবহৃত হলেও 'foolish' করা বা বোকামি করা অর্থে Verb হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
B) better — এটি Adjective বা Adverb হলেও কোনো অবস্থাকে উন্নত করা অর্থে Verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) anguish — এটি শুধুমাত্র Noun হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর কোনো Verb রূপ না থাকায় এটি সঠিক উত্তর।
D) school — এটি Noun হলেও কাউকে প্রশিক্ষণ দেওয়া বা শিক্ষা দেওয়া অর্থে Verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
যেই শব্দগুলোর Verb রূপ হয় না সেগুলোর ক্ষেত্রে সাধারণত Noun হিসেবেই বেশি ব্যবহার দেখা যায়, যেমন anguish।
সঠিক উত্তর: C) William Shakespeare
কেন সঠিক:
- 'The Tempest' উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের লেখা একটি বিখ্যাত নাটক এবং এটি তাঁর শেষ একক নাটক হিসেবে পরিচিত।
- এটি মূলত রোমান্স ধারার নাটক, যেখানে জাদুকর প্রস্পরো এবং ঝড়ের প্রেক্ষাপটে প্রতিশোধ ও ক্ষমার থিম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) William Wordsworth — উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ মূলত রোমান্টিক যুগের কবি, কোনো নাটককার নন।
B) G. B. Shaw — জর্জ বার্নার্ড শ আধুনিক যুগের বিখ্যাত নাট্যকার হলেও তিনি 'The Tempest' নাটকটি লেখেননি।
C) William Shakespeare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) Harold Pinter — হ্যারল্ড পিন্টার বিংশ শতাব্দীর একজন ব্রিটিশ নাট্যকার ও চিত্রনাট্যকার, যিনি অ্যাবসার্ড নাটকের জন্য পরিচিত এবং তিনি শেক্সপিয়ারের এই নাটকের রচয়িতা নন।
মনে রাখার টিপস:
শেপসিয়ারের শেষ নাটক 'The Tempest'-এর নামের সাথে সমুদ্রের ঝড়ের (Tempest) সম্পর্ক রয়েছে, যা তাঁর নাট্যজীবনের সমাপ্তি নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: A) হামিদুর রহমান
কেন সঠিক:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত প্রথম শহীদ মিনারের মূল নকশা ও স্থপতি ছিলেন হামিদুর রহমান।
- ১৯৫৭ সালে তার নকশা অনুসারেই ঢাকা মেডিকেল কলেজের মূল প্রাঙ্গণে শহীদ মিনার নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হামিদুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) শাহাবুদ্দিন আহমেদ — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী, শহীদ মিনারের স্থপতি নন।
C) হাসেম খান — তিনি একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও ক্যালিগ্রাফার, এই স্থাপত্যের নকশাচারক নন।
D) মঈনুল হোসেন — তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌদের স্থপতি, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি নন।
মনে রাখার টিপস:
শহীদ মিনারের নকশাকার হামিদুর রহমান, আর স্মৃতিসৌদের নকশাকার মঈনুল হোসেন।
সঠিক উত্তর: A) ইউনেস্কো
কেন সঠিক:
- ইউনেসকোর সাধারণ সম্মেলনের ৩০তম অধিবেশনে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- কানাডার কান্ডুরূপী রফিকুল ইসলাম ও আবদুস সালামের প্রস্তাব এবং বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে এই স্বীকৃতি অর্জিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউনেস্কো — এটি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসারে কাজ করে এবং ভাষা ও সংস্কৃতির বৈচিত্র্য রক্ষার্থে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে।
B) ইউনিসেফ — এটি জাতিসংঘ শিশু তহবিল, যা শিশুদের অধিকার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে, ভাষা দিবসের ঘোষণায় এর সরাসরি ভূমিকা নেই।
C) ইউনিফেম — এটি ছিল জাতিসংঘের নারী উন্নয়ন তহবিল, যা নারী অধিকার ও সমতা নিয়ে কাজ করে এবং এই ঘোষণার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) আইএলও — এটি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা, যা শ্রমিকদের অধিকার ও কর্মপরিবেশ উন্নয়নে কাজ করে, মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতির সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
মাতৃভাষা ও সংস্কৃতির বিষয় দেখলেই ইউনেস্কো মনে রাখবে, কারণ এটি জাতিসংঘের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সংস্থা।
সঠিক উত্তর: A) বুড়িগঙ্গা
কেন সঠিক:
- বাকল্যান্ড বাঁধ ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক বাঁধ।
- উনিশ শতকে নগর রক্ষা এবং নদীর তীর সংরক্ষণের জন্য এটি নির্মিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুড়িগঙ্গা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাকল্যান্ড বাঁধ এই নদীর তীরেই নির্মিত হয়েছে।
B) হোয়াংহো — এটি চীনের নদী, যা ঢাকার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) শীতলক্ষ্যা — এটি নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি নদী, যেখানে বাকল্যান্ড বাঁধ অবস্থিত নয়।
D) সিন্ধু — এটি পাকিস্তান ও ভারতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত একটি প্রধান নদী, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকার বিখ্যাত নদী বুড়িগঙ্গার তীরেই ঐতিহাসিক বাকল্যান্ড বাঁধ অবস্থিত।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: C) ১৯৯২ সালে
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের দাবিতে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে ১৯৯২ সালের ১৯ জানুয়ারি ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গঠিত হয়।
- এই কমিটি একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে বাংলাদেশে গণআন্দোলন গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯০ সালে — এই সালে স্বৈরাচার বিরোধী গণঅভুত্থান ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল, যা এই কমিটির গঠনের সাল নয়।
B) ১৯৯১ সালে — এই সালে বাংলাদেশে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনরায় প্রবর্তিত হয়েছিল।
C) ১৯৯২ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে কমিটি গঠিত হয়।
D) ১৯৯৩ সালে — এই সালে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি তাদের কার্যক্রমের পরিধি বাড়ায়, তবে গঠনের সাল এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে একাত্তরের ঘাতকদের বিচারের দাবিতে ১৯৯২ সালে নির্মূল কমিটি গঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: D) নিউইয়র্কে
কেন সঠিক:
- ওয়াল স্ট্রিট যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ম্যানহাটন দ্বীপে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক ও বিখ্যাত সড়ক।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক কেন্দ্র এবং বিশ্বের অন্যতম প্রধান স্টক এক্সচেঞ্জ নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান কার্যালয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লন্ডনে — লন্ডন যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং ইউরোপের আর্থিক কেন্দ্র হলেও বিখ্যাত ওয়াল স্ট্রিট এখানে অবস্থিত নয়, বরং এখানকার প্রধান আর্থিক কেন্দ্র হলো ল্যাম্বার্ড স্ট্রিট বা সিটি অব লন্ডন।
B) টোকিওতে — টোকিও জাপানের রাজধানী এবং এশিয়ার অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র হলেও ওয়াল স্ট্রিট এখানে অবস্থিত নয়, জাপানের প্রধান স্টক বাজার কাবুটোচো এলাকায় অবস্থিত।
C) প্যারিসে — প্যারিস ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউরোপের অন্যতম প্রধান শহর হলেও বিখ্যাত ওয়াল স্ট্রিট এখানে অবস্থিত নয়, প্যারিসের প্রধান আর্থিক জেলা লা দেফাঁস নামে পরিচিত।
D) নিউইয়র্কে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ওয়াল স্ট্রিট যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যানহাটনে অবস্থিত এবং এটি বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
মনে রাখার টিপস:
নিউইয়র্ক শহরের ম্যানহাটনে বিশ্বের অর্থনীতি নিয়ন্ত্রিত হয়, তাই মার্কিন অর্থবাজারের প্রতীক ওয়াল স্ট্রিট নিউইয়র্কেই অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) তারেক মাসুদ
কেন সঠিক:
- চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ যৌথভাবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র 'মুক্তির গান' নির্মাণ করেন।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন চলচ্চিত্র নির্মাতা লেয়ার লেভিন যে ফুটেজ সংগ্রহ করেছিলেন, তা এই প্রামাণ্যচিত্রের মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোরশেদুল ইসলাম — তিনি 'চাকা' ও 'দীপু নম্বর টু' চলচ্চিত্রের নির্মাতা, 'মুক্তির গান' প্রামাণ্যচিত্রের পরিচালক নন।
B) তানভীর মোকাম্মেল — তিনি 'চিত্রনায়িকা সূচানা' ও 'নদীর নাম মধুমতী' চলচ্চিত্রের পরিচালক, তাই এই অপশন সঠিক নয়।
C) নাসিরউদ্দিন ইউসুফ — তিনি নাট্যব্যক্তিত্ব এবং 'গেরিলা' চলচ্চিত্রের পরিচালক, যা এই প্রামাণ্যচিত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) তারেক মাসুদ — তিনি এই প্রামাণ্যচিত্রের নির্মাতা বিধায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের প্রামাণ্যচিত্র 'মুক্তির গান' পরিচালনা করেছেন তারেক মাসুদ, নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: B) জুলিও কুরি পদক
কেন সঠিক:
- বিশ্ব শান্তি পরিষদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশ্বশান্তিরপক্ষে অবদানের জন্য ১৯৭৩ সালের ১০ অক্টোবর মর্যাদাপূর্ণ জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করে।
- এটি ছিল বাংলাদেশের প্রাপ্ত প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মাননা, যা বাঙালি জাতির জন্য অত্যন্ত গৌরবোজ্জ্বল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) র্যামন ম্যাগসেসে পদক — এটি এশিয়ার বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সমাজসেবা ও নেতৃত্বের জন্য প্রদান করা হয়, যা বঙ্গবন্ধু পাননি।
B) জুলিও কুরি পদক — এটিই সঠিক উত্তর, কারণ বিশ্ব শান্তি পরিষদ শান্তি ও মানবতার পক্ষে অবদানের জন্য এই পদক প্রদান করে।
C) মাদাম কুরি পদক — এমন নামে বিশ্ব শান্তি পরিষদের কোনো পদক নেই, মাদাম কুরি ভৌতবিজ্ঞান ও রসায়নে অবদানের জন্য বিখ্যাত।
D) নোবেল পদক — এটি বিশ্বখ্যাত শান্তি, সাহিত্য, বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন শাখায় অসামান্য অবদানের জন্য দেওয়া সুইডিশ পুরস্কার, যা বঙ্গবন্ধু পাননি।
মনে রাখার টিপস:
শান্তির প্রতীক জুলিও কুরি পদক পেয়েছিলেন আমাদের শান্তির দূত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
সঠিক উত্তর: B) ৬৪ টি
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র দেশকে মোট ১১ টি সেক্টরে এবং সেক্টরগুলোকে বিভিন্ন সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- সেক্টর কমান্ডারগণ তাদের অধীক্ষকে যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র যুদ্ধক্ষেত্রকে সর্বমোট ৬৪ টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬০ টি — এটি ভুল কারণ সাব সেক্টরের সংখ্যা ৬০ টি ছিল না, সঠিক সংখ্যাটি ছিল ৬৪ টি।
B) ৬৪ টি — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই।
C) ৪৪ টি — এটি ভুল সংখ্যা, যা মুক্তিযুদ্ধের সাব সেক্টর বা অন্য কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সংখ্যার সাথে মিলে না।
D) ৫৪ টি — এটি ভুল কারণ সাব সেক্টরের সংখ্যা ৫৪ টি নয়, বরং সমগ্র যুদ্ধক্ষেত্র ৬৪ টি সাব সেক্টরে বিভক্ত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের জেলার সংখ্যা যেমন ৬৪ টি, তেমনি মুক্তিযুদ্ধের সাব সেক্টরের সংখ্যাও ৬৪ টি।
সঠিক উত্তর: D) ব্রাসেলস
কেন সঠিক:
- বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস ইউরোপীয় ইউনিয়নের মূল প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারক সংস্থাগুলোর প্রধান কার্যালয়।
- ইউরোপীয় কমিশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর ব্রাসেলসে অবস্থিত হওয়ায় এটি ইইউর কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কোপেনহেগেন — এটি ডেনমার্কের রাজধানী, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর নয়।
B) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্র নয় এবং এর সদর দপ্তরও নয়।
C) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং এটি ঐতিহাসিক শহর হলেও ইইউর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়।
D) ব্রাসেলস — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর হিসেবে সঠিক ও নির্ধারিত স্থান।
মনে রাখার টিপস:
ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে বেলজিয়াম মানেই ব্রাসেলসের প্রশাসনিক কেন্দ্র।
সঠিক উত্তর: C) নরসিংদী
কেন সঠিক:
- উয়ারী বটেশ্বর বাংলাদেশের নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
- এটি প্রাচীন মহাস্তানগড়ের সমসাময়িক বা তার চেয়েও প্রাচীন মৌর্য আমল ও প্রস্তর যুগের অন্যতম প্রাচীন জনপদ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিনাজপুর — দিনাজপুর জেলায় ঐতিহাসিক কান্তনগর মন্দির ও কান্তজীর মন্দির অবস্থিত, উয়ারী বটেশ্বর নয়।
B) ঢাকা — ঢাকা জেলায় লালবাগ ক堡 ও আহসান মঞ্জিলসহ মোগল আমলের ঐতিহাসিক নিদর্শন রয়েছে, উয়ারী বটেশ্বর এখানে নয়।
C) নরসিংদী — এই অপশনটি সঠিক কারণ উয়ারী বটেশ্বর নরসিংদী জেলায় অবস্থিত।
D) কুমিল্লা — কুমিল্লা জেলায় ময়নামতির প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার ও শালবন বিহার অবস্থিত, উয়ারী বটেশ্বর নয়।
মনে রাখার টিপস:
উয়ারী বটেশ্বর ও নরসিংদী মনে রাখতে 'উ-ব-ন' বা 'উয়ারী বটেশ্বর নরসিংদী' শব্দটি একসাথে মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) এস.এম. সুলতান
কেন সঠিক:
- বিখ্যাত চিত্রশিল্পী এস.এম. সুলতান নড়াইলে শিশুদের শিল্পচর্চার জন্য 'শিশু স্বর্গ' এবং 'চারুপীঠ' প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- তিনি শিশুদের প্রতি গভীর ভালোবাসার কারণে তাদের নিয়ে কাজ করার জন্য এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এস.এম. সুলতান — তিনি শিশুদের চিত্রাঙ্কন ও বিকাশের জন্য নড়াইলে শিশু স্বর্গ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বিধায় এটি সঠিক উত্তর।
B) জয়নুল আবেদীন — তিনি ঢাকা আর্ট কলেজ ও লোকশিল্প জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করলেও শিশু স্বর্গ প্রতিষ্ঠা করেননি।
C) মোস্তফা মনোয়ার — তিনি বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী ও puppeteer হলেও শিশু স্বর্গ তাঁর গড়া প্রতিষ্ঠান নয়।
D) কামরুল হাসান — তিনি শিল্পী ও ডিজাইনার হিসেবে বিখ্যাত হলেও শিশু স্বর্গ নামক প্রতিষ্ঠানটি তিনি গড়ে তোলেননি।
মনে রাখার টিপস:
সুলতান মানে রাজা, আর শিশুদের কাছে স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছিলেন শিল্পী এস.এম. সুলতান।
সঠিক উত্তর: C) নাগোর্নো-কারাবাখ
কেন সঠিক:
- নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের অংশ হিসেবে স্বীকৃত হলেও মূলত আর্মেনীয় জনগোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সামরিক সংঘর্ষ শুরু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেলাপান — এটি এই সংঘাতের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রধান ভূখণ্ড বা রণক্ষেত্র নয়।
B) বারদা — এটি আজারবাইজানের একটি শহর যা সংঘাতের সময় গোলন্দাজ হামলার শিকার হয়েছিল কিন্তু মূল বিতর্কিত এলাকা নয়।
C) নাগোর্নো-কারাবাখ — এটিই ২০২০ সালের যুদ্ধে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে বিরোধের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল।
D) টার্টা — এটি আজারবাইজানের একটি জেলা যা যুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল কিন্তু মূল বিতর্কিত ভূখণ্ড নয়।
মনে রাখার টিপস:
আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া যুদ্ধের মূল কেন্দ্র ছিল নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চল।
সঠিক উত্তর: C) ম্যানিলা
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সদর দপ্তর ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলাই অবস্থিত।
- ধান গবেষণার আন্তর্জাতিক মানোন্নয়ন ও নতুন জাত উদ্ভাবনের জন্য এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — এটি বাংলাদেশের রাজধানী এবং এখানে আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সদর দপ্তর নেই।
B) নয়াদিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী এবং এই সংস্থার সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়।
C) ম্যানিলা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের জন্য ভুল কারণ প্রযোজ্য নয়।
D) ব্যাংকক — এটি থাইল্যান্ডের রাজধানী এবং আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এখানে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ধান উৎপাদন বেশি হয় এমন দেশ ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলাতেই ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
কেন সঠিক:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- লাহোরে ঐতিহাসিক বিরোধী দলগুলোর কনভেনশনে তিনি এই দাবি উত্থাপন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ — এই তারিখে লাহোরে বিরোধী দলের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয় দফা পেশ করেছিলেন কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছিলেন ২৩ মার্চ।
B) ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ — এই তারিখে ছয় দফা দাবির প্রথম খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছিল কিন্তু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এই দিনে হয়নি।
C) ২৩ এপ্রিল, ১৯৬৬ — এই তারিখে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় ছয় দফা অনুমোদিত হয়েছিল কিন্তু ঘোষণার তারিখ এটি নয়।
D) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই দিনেই ছয় দফা কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঘোষণা করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
মার্চ মাসের তেইশ তারিখেই বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা ঘোষণা করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৭২ সালে
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭২ সালের ২ জুলাই ভারতের সিমলা শহরে এই ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো বাংলাদেশ ও অন্যান্য দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭০ সালে — এই সালে ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, সিমলা চুক্তি হয়নি।
B) ১৯৭১ সালে — এই সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং দেশ স্বাধীন হয়, সিমলা চুক্তি নয়।
C) ১৯৭২ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি সঠিক।
D) ১৯৭৩ সালে — এই সালে সিমলা চুক্তির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে যুদ্ধবন্দী বিনিময় শুরু হয়, চুক্তি স্বাক্ষরের সাল এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার ঠিক পরেই অর্থাৎ ১৯৭২ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস
সঠিক উত্তর: C) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
কেন সঠিক:
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
- এই সরকারের ঘোষণাপত্র অনুসারে স্বাধীনতার ঘোষণা অনুমোদন করা হয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ মার্চ, ১৯৭১ — এই দিনে রেসকোর্স ময়দানে ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
B) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ — এই দিনে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথগ্রহণ করেছিল।
D) ২৬ মার্চ, ১৯৭১ — এই দিনে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল এবং মুক্তিযুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
মনে রাখার টিপস:
সরকার গঠনের তারিখ ১০ এপ্রিল এবং শপথের তারিখ ১৭ এপ্রিল, এই দুটি সাল ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসের পরপরই ঘটেছিল।
সঠিক উত্তর: A) সাধারণ পরিষদে
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৯৪৮ সালের ১০ই ডিসেম্বর সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা অনুমোদন করে।
- সাধারণ পরিষদ হলো জাতিসংঘের একমাত্র অঙ্গসংস্থা যেখানে সব সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাধারণ পরিষদে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পরিষদেই মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত ও অনুমোদিত হয়েছিল।
B) নিরাপত্তা পরিষদে — এটি জাতিসংঘের শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত নির্বাহী অঙ্গসংস্থা, মানবাধিকার ঘোষণা এখানে অনুমোদিত হয়নি।
C) আন্তর্জাতিক আদালতে — এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গসংস্থা, যা রাষ্ট্রসমূহের মধ্যকার আইনি বিরোধ নিষ্পত্তি করে।
D) অছি পরিষদে — এটি জাতিসংঘের অধীন অনুন্নত বা পরাধীন ভূখণ্ডগুলোর তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল, যা এখন নিষ্ক্রিয়।
মনে রাখার টিপস:
মানবাধিকার সবার জন্য সমান, তাই এটি জাতিসংঘের সকল সদস্যের সভা অর্থাৎ সাধারণ পরিষদে ঘোষিত হয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) গারো
কেন সঠিক:
- ওয়াঙ্গালা হলো বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী গারো সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ও প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব।
- নতুন ফসল কাটার আনন্দ উদযাপন এবং দেবদেবীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য গারোরা এই উৎসব পালন করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মারমা — মারমা সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব হলো সাংগ্রাই, ওয়াঙ্গালা তাদের উৎসব নয়।
B) গারো — এই অপশনটি সঠিক কারণ ওয়াঙ্গালা গারো সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব।
C) সাঁওতাল — সাঁওতাল সম্প্রদায়ের প্রধান উৎসব হলো সোহরাই ও বাহা উৎসব, ওয়াঙ্গালা নয়।
D) চাকমা — চাকমা সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব হলো বিজু, ওয়াঙ্গালা তাদের উৎসব নয়।
মনে রাখার টিপস:
গারোদের প্রধান উৎসব হলো ওয়াঙ্গালা, যা এভাবে মনে রাখা যায় যে গারোরা ওয়াঙ্গালা উৎসব পালন করে নতুন ফসল ঘরে তোলার সময়।
সঠিক উত্তর: D) খাদ্যলবণ
১. কেন সঠিক:
খাদ্যলবণ বা সোডিয়াম ক্লোরাইড প্রাচীনকাল থেকেই খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
এটি অভিসরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্যদ্রব্যে থাকা ব্যাকটেরিয়া এবং অণুজীবের কোষ থেকে পানি শোষণ করে তাদের নিষ্ক্রিয় ও মৃত করে দেয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: অভিসরণ বা অসমোসিস প্রক্রিয়ায় কম ঘনত্বের এলাকা থেকে পানি বেশি ঘনত্বের এলাকার দিকে প্রবাহিত হয়।
কার্যপ্রণালি: লবণের সংস্পর্শে এলে ব্যাকটেরিয়া কোষের ভেতরের জলীয় অংশ বাইরে চলে আসে এবং কোষের বিপাকীয় ক্রিয়া বন্ধ হয়ে পচন রোধ হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাছ বা মাংস সংরক্ষণে লবণ মাখিয়ে শুকানো।
ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত লবণের উপস্থিতির কারণে পচনকারী ব্যাকটেরিয়া তাতে বংশবৃদ্ধি করতে পারে না।
উদাহরণ ২: আচার তৈরির সময় তেলের পাশাপাশি পর্যাপ্ত লবণ ব্যবহার করা।
ব্যাখ্যা: লবণ আচারের মধ্যে থাকা অতিরিক্ত আর্দ্রতা শোষণ করে ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ প্রতিহত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খাবার সোডা — এটি মূলত সোডিয়াম বাইকার্বোনেট যা পিঠা ফুলানো বা অ্যান্টাসিড হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি খাদ্য সংরক্ষক নয়।
B) পরম অ্যালকোহল — এটি শতভাগ বিশুদ্ধ ইথানল যা গবেষণাগারে ও রাসায়নিক কাজে ব্যবহৃত হয়, খাদ্য সংরক্ষণে নয়।
C) ম্যুরিয়াটিক এসিড — এটি লঘু হাইড্রোক্লোরিক এসিড যা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এটি অত্যন্ত ক্ষতিকারক।
D) খাদ্যলবণ — এটি নিরাপদ এবং কার্যকর ঐতিহ্যবাহী খাদ্য সংরক্ষক যা মাছ, মাংস ও আচারে বহুল ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
খাদ্য সংরক্ষণে সবচেয়ে সহজ ও প্রাচীন উপাদান হলো লবণ।
লবণ পানি শোষণ করে ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলে বলে খাবার নষ্ট হয় না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
খাদ্য সংরক্ষণে লবণের পাশাপাশি চিনি ও ভিনেগারও বহুল ব্যবহৃত হয়।
এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) ১২০ দিন
১. কেন সঠিক:
- লোহিত রক্ত কণিকার গড় আয়ু প্রায় চার মাস বা ১২০ দিন এবং নির্দিষ্ট সময় পর এটি প্লীহায় ধ্বংস হয়।
- নতুন রক্ত কণিকা তৈরির মাধ্যমে মানবদেহের রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ ও কোষের পুষ্টির ভারসাম্য রক্ষা করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: লোহিত রক্ত কণিকা হলো মেরুদণ্ডী প্রাণীদের রক্তের এমন একটি কোষ যা ফুসফুস থেকে শরীরের সব অঙ্গে অক্সিজেন পরিবহন করে।
- কার্যপ্রণালি: অস্থিমজ্জা থেকে উৎপন্ন হয়ে এই কোষগুলো রক্তরসে ভাসমান অবস্থায় ঘুরে বেড়ায় এবং হিমোগ্লোবিনের মাধ্যমে গ্যাসীয় আদান-প্রদান সম্পন্ন করে।
- কারণ ও ফলাফল: বয়স বাড়ার সাথে সাথে এদের কোষঝিল্লি দুর্বল হয়ে যায় এবং জীর্ণ কোষগুলো প্লীহা ও যকৃতে অবস্থিত ম্যাক্রোফেজ নামক কোষ দ্বারা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: মানুষের রক্তের হিমোগ্লোবিন ও লোহিত কণিকার পরিমাণ পরিমাপ করে চিকিৎসকরা রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া রোগ নির্ণয় করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানবদেহের রক্ত পরীক্ষা বা সিবিসি টেস্ট।
ব্যাখ্যা: এই পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তে লোহিত কণিকার সংখ্যা ও আয়ুষ্কাল স্বাভাবিক আছে কি না তা যাচাই করা হয়।
উদাহরণ ২: পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের রক্তকণিকা।
ব্যাখ্যা: কম অক্সিজেনের কারণে পাহাড়ি অঞ্চলে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা এবং আয়ুষ্কালের ওপর বিশেষ শারীরিক অভিযোজন দেখা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২০ দিন — এটি লোহিত রক্ত কণিকার সঠিক স্বাভাবিক জীবনকাল যা মানবদেহের শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া দ্বারা নির্ধারিত।
B) ৭০ দিন — এটি লোহিত রক্ত কণিকার জীবনকাল নয় বরং মানবদেহে কিছু নির্দিষ্ট শ্বেত রক্ত কণিকা বা অন্য কোষের কার্যকালের সাথে সম্পর্কিত।
C) ৮০ দিন — এই সংখ্যাটি মানবদেহের লোহিত রক্ত কণিকার আয়ুষ্কালের সাথে মেলে না এবং এটি ভুল তথ্য।
ডি) ১০০ দিন — লোহিত রক্ত কণিকার আয়ু ১০০ দিন নয় বরং তা আরও বিশ দিন বেশি অর্থাৎ ১২০ দিন স্থায়ী হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- লোহিত রক্ত কণিকার আয়ু মনে রাখতে চার মাস সময়কাল মাথায় রাখো এবং প্রতি মাসে ত্রিশ দিন ধরে চার গুণ করলে ১২০ দিন পাওয়া যায়।
- পরীক্ষার হলে রক্ত কণিকার জীবনকাল সংক্রান্ত প্রশ্ন এলে সবসময় ১২০ দিন সংখ্যাটিকে প্রধান হিসেবে মনে রাখবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানবদেহের রক্ত ও কোষ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন স্থান, কাজ এবং কোথায় ধ্বংস হয়—এই তিনটি তথ্য একসঙ্গে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) উড়োজাহাজে
১. কেন সঠিক:
- ব্ল্যাক বক্স মূলত একটি ফ্লাইট ডাটা রেকর্ডার এবং ককপিট ভয়েস রেকর্ডার।
- উড়োজাহাজে কোনো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার পর এর অন্তর্নিহিত কারণ অনুসন্ধানের জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ব্ল্যাক বক্স হলো অত্যন্ত টেকসই একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা উড়োজাহাজের যান্ত্রিক গতিবিধি ও বৈমানিকদের কথোপকথন সংরক্ষণ করে।
- কার্যপ্রণালি: এটি বিমানের গতি, উচ্চতা, ইঞ্জিন কার্যক্রম এবং ককপিটের ভেতরের শব্দ একটানা রেকর্ড করতে থাকে যা দুর্ঘটনার পরও অক্ষত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাণিজ্যিক বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত।
ব্যাখ্যা: আকাশে কোনো বিমান নিখোঁজ হলে বা বিধ্বস্ত হলে এর ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করে দুর্ঘটনার আসল কারণ জানা সম্ভব হয়।
উদাহরণ ২: পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন।
ব্যাখ্যা: নতুন তৈরি কোনো বিমানের ত্রুটি পরীক্ষা করার সময় ব্ল্যাক বক্সের রেকর্ড বিশ্লেষণ করে প্রকৌশলীরা প্রয়োজনীয় সংশোধন করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোটর গাড়িতে — মোটর গাড়িতে ব্ল্যাক বক্সের মতো বিশেষ কোনো ফ্লাইট রেকর্ডার ব্যবহার করা হয় না। তবে আধুনিক কিছু প্রিমিয়াম গাড়িতে ইভেন্ট ডাটা রেকর্ডার থাকে যা এর সমতুল্য নয়।
B) জাহাজে — জাহাজে ব্ল্যাক বক্সের পরিবর্তে ভয়েস রেকর্ডার এবং নেভিগেশনাল ডাটা রেকর্ডার ব্যবহার করা হয়। এটি সামুদ্রিক আইন ও নিরাপত্তা তদারকিতে ব্যবহৃত হয়।
C) রকেটে — রকেটে বা মহাকাশযানে সরাসরি ব্ল্যাক বক্স বলা হয় না, বরং টেলিমেট্রি সিস্টেমের মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠে সব তথ্য রিয়েল টাইমে পাঠানো হয়।
D) উড়োজাহাজে — আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল বিধিমালার আওতায় প্রতিটি বাণিজ্যিক উড়োজাহাজে ব্ল্যাক বক্স থাকা বাধ্যতামূলক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিমান ও আকাশে ওড়ার সাথে ব্ল্যাক বক্স শব্দটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
- উড়োজাহাজ দুর্ঘটনার রহস্য উন্মোচনের একমাত্র চাবিকাঠি হলো এই যন্ত্র।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ব্ল্যাক বক্সের রং সাধারণত উজ্জ্বল কমলা বা হলুদ হয় যাতে এটি সহজে খুঁজে পাওয়া যায়।
- এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক প্রযুক্তি ও সাধারণ বিজ্ঞান অংশ থেকে প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) পানি
১. কেন সঠিক:
- খাদ্যের পচন মূলত অণুজীব যেমন ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের বংশবৃদ্ধির কারণে ঘটে থাকে এবং পানির উপস্থিতি ছাড়া এসব অণুজীব বেঁচে থাকতে পারে না।
- খাদ্যের মধ্যে থাকা মুক্ত পানি অণুজীবের রাসায়নিক বিক্রিয়া ও বিপাকীয় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মাধ্যম হিসেবে কাজ করে পচন ত্বরান্বিত করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: খাদ্যের পচন হলো জৈব পদার্থের রাসায়নিক ও জৈবিক ভেঙে যাওয়ার প্রক্রিয়া।
- কার্যপ্রণালি: খাদ্যে পানির পরিমাণ বেশি থাকলে এনজাইম সক্রিয় হয় এবং ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে পচন ঘটায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: টাটকা মাছ বা মাংস খোলা বাতাসে রেখে দিলে দ্রুত পচে যায়।
ব্যাখ্যা: এতে প্রচুর আর্দ্রতা বা পানি থাকায় ব্যাকটেরিয়া সহজেই আক্রমণ করে।
উদাহরণ ২: আচার সংরক্ষণে তেল ও লবণ ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: লবণ ও তেল পানি শোষণ করে বা সরিয়ে দেয়, ফলে ব্যাকটেরিয়া বাঁচতে পারে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লবণ — এটি পানি শোষণ করে এবং উল্টো খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে কাজ করে পচন রোধ করে।
B) ভিটামিন — এটি খাদ্যের একটি পুষ্টি উপাদান যা পচনের জন্য দায়ী নয় বরং দেহের জন্য জরুরি।
C) লিপিড — এটি ফ্যাটজাতীয় পুষ্টি উপাদান যা নিজেই পচে যেতে পারে কিন্তু পচনের মূল অনুঘটক পানি নয়।
D) পানি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর উপস্থিতি ছাড়া খাদ্যের পচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পানি হলো জীবাণুর জীবন, তাই পানি থাকলেই খাদ্য হবে পচনশীল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- খাদ্য সংরক্ষণের প্রধান উপায় হলো খাদ্য থেকে পানি দূর করা বা শুকিয়ে ফেলা।
সঠিক উত্তর: D) পারদ
১. কেন সঠিক:
- পারদ একটি ধাতু হওয়া সত্ত্বেও সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে এবং এর গলনাংক এত কম যে এটি মাইনাস ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি।
- ধাতুর ক্ষেত্রে অণুর মধ্যকার বন্ধন খুব শক্ত হলেও পারদের ক্ষেত্রে পারমাণবিক আকর্ষণ বল অপেক্ষাকৃত দুর্বল হওয়ায় এটি সহজে তরল ও পরে কঠিন হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ধাতু ও অধাতুর ভৌত অবস্থা এবং গলনাংক। পারদ (Mercury) পর্যায় সারণীর ডি ব্লকের একটি ধাতু যা কক্ষ তাপমাত্রায় তরল থাকে।
- কার্যপ্রণালি: পারদের ইলেকট্রন বিন্যাসের কারণে এর পরমাণুগুলোর মধ্যে ধাতব বন্ধন দুর্বল প্রকৃতির হয়। ফলে সামান্য তাপমাত্রাতেই এর স্ফটিক কাঠামো ভেঙে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: থার্মোমিটারের ব্যবহার
ব্যাখ্যা: পারদের গলনাংক ও স্ফুটনাংক সুবিধাজনক হওয়ায় এবং তাপমাত্রার পরিবর্তনে সুষমভাবে প্রসারিত হওয়ায় এটি জ্বর মাপার থার্মোমিটারে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: শীতপ্রধান অঞ্চলে পারদ জমে যাওয়া
ব্যাখ্যা: মাইনাস ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে তাপমাত্রা নামলে পারদ কঠিন অবস্থায় রূপ নেয়, যা এর অত্যন্ত কম গলনাংকের প্রমাণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দস্তা — দস্তার গলনাংক প্রায় ৪২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা পারদের তুলনায় অনেক বেশি।
B) সীসা — সীসার গলনাংক প্রায় ৩২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা সাধারণ তাপমাত্রায় কঠিন ধাতু হিসেবে থাকে।
C) লোহা — লোহার গলনাংক প্রায় ১৫৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এটি অত্যন্ত শক্ত ও উচ্চ গলনাংকবিশিষ্ট ধাতু।
D) পারদ — পারদের গলনাংক সবচেয়ে কম এবং এটি একমাত্র তরল ধাতু।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তরল ধাতু মানেই পারদ এবং এর গলনাংক সব ধাতুর মধ্যে সর্বনিম্ন। মাইনাস ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস সংখ্যাটি মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সাধারণ তাপমাত্রায় তরল ধাতু কোনটি এবং তরল অধাতু কোনটি, এই দুটি প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। তরল অধাতু হলো ব্রোমিন।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)