সঠিক উত্তর: A) বড়ু চণ্ডীদাস
১. কেন সঠিক:
- চণ্ডীদাস নামে একাধিক কবি বাংলা সাহিত্যে আবির্ভূত হয়েছেন এবং তাদের মধ্যে বড়ু চণ্ডীদাস কালগতভাবে প্রাচীনতম।
- বড়ু চণ্ডীদাসের আবির্ভাবেই বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি রচিত হয় যা বাংলা ভাষার অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের একমাত্র রচয়িতা হলেন বড়ু চণ্ডীদাস।
- ড. বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বৎবল্লভ ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের এক গোয়ালঘর থেকে পুথিটি আবিষ্কার করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
ব্যাখ্যা: এটি বড়ু চণ্ডীদাসের একমাত্র প্রাপ্ত এবং মধ্যযুগের অন্যতম প্রাচীন একটি প্রামাণিক কাব্য।
উদাহরণ ২: বাসলী দেবী
ব্যাখ্যা: বড়ু চণ্ডীদাস কাব্যের ভণিতায় নিজেকে বাসলী দেবীর সেবক বা অনুগত বলে পরিচয় দিয়েছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বড়ু চণ্ডীদাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রাচীনতম চণ্ডীদাস হিসেবে স্বীকৃত।
B) জ্ঞানদাস — ইনি বৈষ্ণব পদাবলীর একজন পরবর্তী যুগের বিশিষ্ট কবি এবং বড়ু চণ্ডীদাসের অনেক পরের সময়ের মানুষ।
C) দ্বিজ চণ্ডীদাস — ইনিও মধ্যযুগের একজন চণ্ডীদাস নামে কবি তবে কালক্রমে বড়ু চণ্ডীদাসের পরে তার আবির্ভাব ঘটেছিল।
D) দীন চণ্ডীদাস — ইনিও পরবর্তী যুগের চণ্ডীদাস ভণিতায় পদ রচনা করা একজন কবি যিনি প্রাচীনতম নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বড় দিয়ে শুরু বড়ু চণ্ডীদাস এবং তিনিই সবার চেয়ে প্রাচীনতম চণ্ডীদাস।
- মধ্যযুগের শুরুতে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন লিখে বড়ু চণ্ডীদাস সাহিত্য ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি কোন যুগের তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে এবং এটি মধ্যযুগের আদি নিদর্শন।
- চণ্ডীদাস নামধারী একাধিক কবি থাকলেও বড়ু চণ্ডীদাসকেই বাংলা সাহিত্যে প্রাচীনতম হিসেবে ধরা হয়।
সঠিক উত্তর: A) শামসুর রহমান
১. কেন সঠিক:
শামসুর রহমান আধুনিক বাংলা কবিতার একজন প্রধান কবি, যিনি তাঁর কবিতায় নগরজীবনের যান্ত্রিকতা, নাগরিক মধ্যবিত্তের সুখ-দুঃখ, আশা-নিরাশা এবং দ্রোহ অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
ঢাকা শহরের অলিগলি, রিকশা, ট্রাফিক জ্যাম এবং মহানগরের নানা লৌকিক ও অলৌকিক দৃশ্য তাঁর কবিতায় প্রধান্য পাওয়ায় তাঁকে বাংলাদেশের নাগরিক কবি বলা হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শামসুর রহমান ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি আধুনিক বাংলা কাব্যান্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব।
তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে, রৌদ্র করোটিতে, বিধ্বস্ত প্রহর এবং বন্দী শিবির থেকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শামসুর রহমানের বিখ্যাত কবিতা উন্মুখ প্রহর।
ব্যাখ্যা: এই কবিতায় নাগরিক জীবনের একাকীত্ব ও যান্ত্রিক ব্যস্ততার নিখুঁত চিত্র ফুটে উঠেছে।
উদাহরণ ২: শামসুর রহমানের বিখ্যাত কবিতা উত্তরাধিকার।
ব্যাখ্যা: এই কবিতায় নগরকেন্দ্রিক বাঙালির রাজনৈতিক চেতনা ও ইতিহাসচেতনা দারুণভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শামসুর রহমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নাগরিক জীবনের নানা দিক সফলভাবে কবিতায় ফুটিয়ে তুলেছেন।
B) রফিক আজাদ — রফিক আজাদ একজন বিশিষ্ট কবি হলেও তাঁকে প্রধানত দ্রোহ ও প্রেমের কবি হিসেবে চেনা যায়, নাগরিক কবি হিসেবে নয়।
C) সৈয়দ শামসুল হক — সৈয়দ শামসুল হক একজন বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক হলেও তাঁকে বলা হয় সব্যসাচী লেখক।
D) আহসান হাবীব — আহসান হাবীব মূলত সুরের কবি ও নিঃসঙ্গতার কবি হিসেবে পরিচিত, তাঁকে নাগরিক কবি বলা হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
নগরজীবনের নানা বৈচিত্র্য ও মহানগরের দৃশ্যপটের রূপকার হিসেবে শামসুর রহমানকে মনে রাখবে নাগরিক কবি হিসেবে।
শামসুর রহমান মানেই ঢাকার অলিগলি আর নগর জীবনের কবি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
শামসুর রহমান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত কবিতা বন্দী শিবির থেকে রচনা করেন।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে শামসুর রহমানের ছদ্মনাম কী, যার উত্তর হলো ময়ূরবাহন।
সঠিক উত্তর: B) হাঙর নদী গ্রেনেড
১. কেন সঠিক:
- হাঙর নদী গ্রেনেড একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ও উপন্যাস যার প্রেক্ষাপট ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।
- এই উপন্যাসে গ্রেনেড বিস্ফোরণের মাধ্যমে আত্মত্যাগের ঐতিহাসিক ও মর্মান্তিক চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই উপন্যাসটির রচয়িতা সেলিনা হোসেন যিনি বাংলাদেশের সমসাময়িক কথাসাহিত্যের অন্যতম প্রধান একজন শক্তিশালী লেখক।
- এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা পরবর্তীতে চলচ্চিত্র হিসেবেও নির্মিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জোছনা ও জননীর গল্প
ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত ও বহুল পঠিত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: আগুনের পরশমনি
ব্যাখ্যা: এটিও কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ রচিত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি জনপ্রিয় উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কবর — এটি মুনীর চৌধুরী রচিত ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি বিখ্যাত নাটক।
B) হাঙর নদী গ্রেনেড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) পদ্মা নদীর মাঝি — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক ও প্রমত্তা নদীভিত্তিক উপন্যাস।
D) লালসালু — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত গ্রামীণ সমাজ ও ধর্মীয় ভন্ডামির ওপর ভিত্তি করে লেখা একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখার জন্য লেখকদের নাম আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়তে পারো।
- সেলিনা হোসেনের বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো হাঙর নদী গ্রেনেড।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সেলিনা হোসেনের অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে পোকামাকড়ের ঘরবসতি ও যাপিত জীবন।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক, উপন্যাস ও চলচ্চিত্রের নাম আলাদা করতে বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) সবুজমাটি
১. কেন সঠিক:
- রূপবাচক নাম বিশেষ্য বলতে সেই বিশেষ্য পদকে বোঝায় যা কোনো বস্তু বা পদার্থের রূপ, বর্ণ বা বাহ্যিক আকার নির্দেশ করে।
- সবুজমাটি শব্দটিতে মাটির একটি বিশেষ রঙের রূপ প্রকাশ পেয়েছে, তাই এটি রূপবাচক নাম বিশেষ্য হিসেবে গণ্য হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- নাম বিশেষ্য হলো সেই পদ যা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, স্থান বা গুণের নাম বোঝায়।
- রূপবাচক বিশেষ্য হলো নাম বিশেষ্যের একটি উপবিভাগ যা কোনো বস্তুর রূপ বা রঙের বৈশিষ্ট্য ফুটিয়ে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লালপদ্ম
ব্যাখ্যা: লালপদ্ম শব্দে পদ্মের একটি লাল রঙের রূপ প্রকাশিত হয়েছে, যা রূপবাচক নাম বিশেষ্যের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: কালসাপ
ব্যাখ্যা: কালসাপ শব্দে সাপের একটি বিশেষ কালো রূপ বা বর্ণ বোঝানো হয়েছে, যা রূপবাচক বিশেষ্যের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তাজা মাছ — তাজা মাছ দ্বারা বিশেষ্যের গুণ বা অবস্থা বোঝানো হয়েছে, তাই এটি গুণবাচক বা অবস্থাবাচক বিশেষণ।
B) বেলেমাটি — বেলেমাটি দ্বারা মাটির একটি বিশেষ উপাদান বা প্রকৃতি বোঝায়, যা উপাদানবাচক বা বস্তুবাচক বিশেষ্যের অন্তর্ভুক্ত।
C) পাথরের মূর্তি — পাথরের মূর্তি দ্বারা উপাদানের নাম বোঝানো হয়েছে, যা বস্তুবাচক বা উপাদানবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ।
D) সবুজমাটি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি মাটির রূপ বা রং নির্দেশ করে রূপবাচক নাম বিশেষ্য হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রূপ বা রঙের নাম বোঝালে রূপবাচক বিশেষ্য হয় এবং উপাদানের নাম বোঝালে বস্তুবাচক বিশেষ্য হয়।
- মাটির রঙের সঙ্গে সবুজ যুক্ত থাকায় এটি রূপবাচক বিশেষ্য হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্যের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- পদ নির্ণয়ের সময় শব্দটির মূল অর্থ এবং তার প্রকাশভঙ্গি ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ২৫ জনের
১. কেন সঠিক:
চর্যাপদে মোট পদকর্তা বা রচিয়তার সংখ্যা নিয়ে কিছুটা ভিন্নমত থাকলেও হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কৃত পুথিতে পদকর্তার সংখ্যা ২৫ জন হিসেবে পাওয়া যায়। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের ভাষা ও রচয়িতাদের পরিচয় নিয়ে গবেষকদের মধ্যে নানা মত রয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন যা মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন। ড. সুকুমার সেনের মতে চর্যাপদের পদকর্তার সংখ্যা ২৪ জন, তবে অধিকাংশ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রমিত মত হিসেবে ২৫ জনকেই সঠিক ধরা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভুসুকুপা
ব্যাখ্যা: চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচয়িতা ভুসুকুপা মোট আটটি পদ রচনা করেছিলেন।
উদাহরণ ২: কাহ্নপা
ব্যাখ্যা: চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ তেরটি পদ রচনা করেছেন কাহ্নপা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৫ জনের — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রচলিত ও প্রমিত গ্রন্থগুলোতে চর্যাপদের পদকর্তার সংখ্যা ২৫ জন হিসেবে স্বীকৃত।
B) ২৪ জনের — ড. সুকুমার সেনের মতে পদকর্তা ২৪ জন হলেও এটি সাধারণ পরীক্ষার জন্য প্রধান গ্রহণযোগ্য উত্তর নয়।
C) ৩৪ জনের — এই সংখ্যাটি চর্যাপদের মোট প্রাপ্ত পদের সংখ্যার কাছাকাছি হলেও পদকর্তার সংখ্যার সঙ্গে মিল নেই।
D) ২১ জনের — এই সংখ্যাটি চর্যাপদের কোনো গবেষক বা প্রামাণিক দলিলে পদকর্তার সংখ্যা হিসেবে স্বীকৃত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
চর্যাপদে পদকর্তা পঁচিশ জন মনে রাখতে সংখ্যাটি ভালোভাবে খেয়াল রাখবে এবং প্রমিত তথ্য হিসেবে এটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চর্যাপদের মোট পদ সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
সঠিক উত্তর: D) হুলিয়া
১. কেন সঠিক:
- 'হুলিয়া' হলো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, যা ১৯৭০ সালের পটভূমি এবং পরবর্তীতে মহান মুক্তিযুদ্ধে গ্রামীণ জনপদের মানুষের অংশগ্রহণের ওপর নির্মিত।
- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার তানভীর মোকাম্মেল পরিচালিত এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি বাংলা স্বাধীন স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সৃষ্টি।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- তানভীর মোকাম্মেল বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট প্রামাণ্যচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাতা, যিনি মুক্তিযুদ্ধ ও বামপন্থী রাজনীতির ইতিহাস নিয়ে বহু কাজ করেছেন।
- 'হুলিয়া' চলচ্চিত্রটি সেলিনা হোসেনের বিখ্যাত ছোটগল্প অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে যা যুদ্ধকালীন এক তরুণ বিপ্লবীর আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'আরেক ফাল্গুন'
ব্যাখ্যা: জহির রায়হানের লেখা ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা মুক্তিযুদ্ধ ও আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্যের চমৎকার উদাহরণ।
উদাহরণ ২: 'স্টॉप জেনোসাইড'
ব্যাখ্যা: জহির রায়হান পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত একটি প্রামাণ্য প্রামাণ্যচিত্র বা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধীরে বহে মেঘনা — এটি আলমগীর কবির পরিচালিত একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নয়।
B) কলমীলতা — এটি শহীদুল হক খান পরিচালিত একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, যা মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত।
C) আবার তোরা মানুষ হ — এটি খান আতাউর রহমান পরিচালিত একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, যা যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশের সমাজ বাস্তবতার ওপর নির্মিত।
D) হুলিয়া — এটি তানভীর মোকাম্মেল পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
৫ মনে রাখার টিপস:
- স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হিসেবে 'হুলিয়া' নামটি মনে রাখতে তানভীর মোকাম্মেলের পরিচালনায় ছোট পরিসরের কাজের কথা স্মরণ করতে হবে।
- পূর্ণদৈর্ঘ্য ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের পার্থক্য মাথায় রাখলে এই ধরনের বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চলচ্চিত্র ও সাহিত্যকর্মের নির্মাতা বা পরিচালকের নাম প্রায়ই আসে।
- প্রশ্ন সমাধানের সময় চলচ্চিত্রটি পূর্ণদৈর্ঘ্য নাকি স্বল্পদৈর্ঘ্য, তা মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী। বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষারীতি প্রবর্তনে এই পত্রিকার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- প্রমথ চৌধুরী বীরবল ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন এবং এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা গদ্যে নতুন এক শৈলীর সূচনা ঘটে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমথ চৌধুরী বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের প্রথিতযশা প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক। ১৯১৪ সালের শ্রাবণ মাসে সবুজপত্র পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
- বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার রূপ প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে এই পত্রিকা ও এর লেখকদের অবদান সবচেয়ে বেশি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বীরবল
ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম। তিনি এই নামে সবুজপত্র পত্রিকায় বিভিন্ন প্রবন্ধ ও নিবন্ধ লিখতেন।
উদাহরণ ২: তেল নুন লাকড়ি
ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন যা সবুজপত্র পত্রিকায় প্রকাশিত বিভিন্ন লেখার সংকলন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি সবুজপত্র পত্রিকার প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও নিয়মিত লেখক হলেও এর সম্পাদক ছিলেন না।
B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি ধूमকেতু ও লাঙল পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, সবুজপত্র পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
C) প্রমথনাথ বিশী — তিনি একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও গবেষক হলেও সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক নন।
D) প্রমথ চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সবুজ পাতার রঙ যেমন সতেজ, প্রমথ চৌধুরীর লেখার ভাষা ও চলিত রীতির ব্যবহারও তেমনি বাংলা গদ্যে সতেজতা এনেছিল।
- সবুজপত্র মানেই প্রমথ চৌধুরী বা বীরবল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সবুজপত্র পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পত্রিকার নাম ও সম্পাদকের নাম জিজ্ঞাসা করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) সমাপ্তি
১. কেন সঠিক:
'মৃন্ময়ী' চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'সমাপ্তি' ছোটগল্পের প্রধান নারী চরিত্র।
অপুরূপ গ্রামীণ কিশোরী মৃন্ময়ীর চঞ্চল ও অপ্রতিরোধ্য স্বভাবের কারণে বাংলা সাহিত্যে চরিত্রটি অমর হয়ে আছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক হিসেবে পরিচিত এবং 'সমাপ্তি' তাঁর একটি অনবদ্য সৃষ্টি।
এই গল্পে অপূর্বর সঙ্গে মৃন্ময়ীর অদ্ভুত ও কৌতূহলোদ্দীপক দাম্পত্য জীবনের মনস্তাত্ত্বিক চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'কাদম্বিনী' — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'জীবিত ও মৃত' গল্পের একটি বিখ্যাত চরিত্র।
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথের অন্যতম সেরা মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্পের চরিত্র।
উদাহরণ ২: 'নিরূপমা' — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'দеныাপাওনা' গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র।
ব্যাখ্যা: যৌতুক প্রথার নির্মম বলিদান ফুটিয়ে তুলতে এই চরিত্রটি সৃষ্টি করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাল্যদান — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ছোটগল্প হলেও এর মূল চরিত্র বিপিন ও চন্দ্রকান্ত, মৃন্ময়ী নয়।
B) সমাপ্তি — এটি সঠিক উত্তর।
C) কাবুলিওয়ালা — এই গল্পের প্রধান চরিত্র হলো মিন্নি ও রহমত, এখানে মৃন্ময়ী চরিত্রটি নেই।
D) শাস্তি — এই গল্পের প্রধান দুই চরিত্র চন্দরা ও দফাদার ধীরারাম, মৃন্ময়ী এই গল্পের চরিত্র নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথের সমাপ্তি ছোটগল্পের শেষ বা সমাপ্তি ঘটে মৃন্ময়ী চরিত্রটির মন পরিবর্তনের মাধ্যমে।
এভাবে গল্পের নাম ও প্রধান চরিত্র মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পের চরিত্র থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
গল্পের নাম এবং তার প্রধান চরিত্রগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে পড়লে এই ধরনের উত্তর সহজেই মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) কপালকুণ্ডলা
১. কেন সঠিক:
- কপালকুণ্ডলা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় এবং অত্যন্ত বিখ্যাত একটি রোমান্টিক উপন্যাস।
- বাংলা উপন্যাসের বিকাশে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অবদান অনস্বীকার্য এবং এই উপন্যাসটি তাঁর শিল্পনৈপুণ্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর প্রথম সার্থক উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী।
- কপালকুণ্ডলা উপন্যাসটি ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর পটভূমি ছিল সপ্তদশ শতাব্দীর উড়িষ্যার সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা আরও একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: আনন্দমঠ
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক উপন্যাস, যেখান থেকে ভারতের জাতীয় সংগীত বন্দে মাতরম নেওয়া হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দেনা-পাওনা — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস নয়, বরং এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
B) নীল দর্পণ — এটি দীনবন্ধু মিত্রের রচিত বিখ্যাত নাটক, যা নীলকর সাহেবদের নির্যাতনের ওপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে।
C) গৃহদাহ — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, বঙ্কিমচন্দ্রের রচনা নয়।
D) কপালকুণ্ডলা — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বঙ্কিমচন্দ্রের ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলো মনে রাখতে কপালকুণ্ডলা ও দুর্গেশনন্দিনী নাম দুটি একসঙ্গে পড়তে পারো।
- বঙ্কিমচন্দ্রকে বাংলা উপন্যাসের সম্রাট বলা হয়, যার প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী এবং দ্বিতীয় কপালকুণ্ডলা।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস ও তাদের প্রকাশকাল খুব প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- লেখকের প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী ১৮৬৫ সালে এবং কপালকুণ্ডলা ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) কাব্য
১. কেন সঠিক:
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ একটি গীতিসংকলন বা কাব্যগ্রন্থ, যার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের সূচনা হয়েছে।
- প্রাচীন যুগে গদ্য রচনার প্রচলন ছিল না, তাই সেকালের সাহিত্য বলতে মূলত পদ্য বা কাব্যকেই বোঝানো হতো।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন এবং এটি মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের পদ বা গান।
- চর্যাপদের ভাষা সন্ধ্যভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা নামে পরিচিত, যা প্রাচীন বাংলা ও অন্যান্য পূর্ব ভারতীয় ভাষার কাছাকাছি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদ
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্যিক নিদর্শন যা হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন।
উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের প্রাচীনতম প্রাপ্ত কাব্য এবং এর রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাব্য — সঠিক উত্তর কারণ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন কাব্য বা পদ্য আকারে রচিত।
B) নাটক — ভুল কারণ বাংলা নাটকের সূচনা হয় আধুনিক যুগে এসে, প্রাচীন যুগে নাটক রচনার কোনো প্রমাণ নেই।
C) উপন্যাস — ভুল কারণ বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস রচিত হয় উনবিচল শতাব্দীতে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে।
D) গল্প — ভুল কারণ ছোটগল্প বা আধুনিক গল্পের উদ্ভব ও বিকাশ ঘটে উনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে রবীন্দ্রযুগে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রাচীন কাল মানেই পদ্য বা কবিতা, তাই প্রাচীনতম শাখা কাব্য। প্রাচীন যুগে গদ্য লেখার কোনো চল ছিল না।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ একটি কাব্যগ্রন্থ এবং এর আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
সঠিক উত্তর: A) বচনভেদে
১. কেন সঠিক:
ক্রিয়ার রূপ বা গঠনে বচনের (একবচন বা বহুবচন) কোনো প্রভাব পড়ে না। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কর্তা একবচন বা বহুবচন যাই হোক না কেন, ক্রিয়াপদের মূল রূপ অপরিবর্তিত থাকে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে পদ প্রকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ক্রিয়া। ক্রিয়াপদ মূলত কাল, পুরুষ ও অর্থের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয় কিন্তু বচনের পার্থক্যে এর রূপ বদলায় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ছাত্রটি পড়ছে এবং ছাত্রদল পড়ছে।
ব্যাখ্যা: এখানে কর্তা একবচন ও বহুবচন হওয়া সত্ত্বেও ক্রিয়াপদ একই রয়েছে।
উদাহরণ ২: আমি যাই এবং আমরা যাই।
ব্যাখ্যা: কর্তা পরিবর্তিত হলেও ক্রিয়াপদের রূপ অপরিবর্তিত থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বচনভেদে — এটি সঠিক কারণ বচনের পরিবর্তনের কারণে ক্রিয়ার রূপ বদলায় না।
B) পুরুষভেদে — এটি ভুল কারণ উত্তম, মধ্যম বা প্রথম পুরুষ ভেদে ক্রিয়ার রূপ পরিবর্তিত হয়।
C) অর্থভেদে — এটি ভুল কারণ ভাবের বা অর্থের পার্থক্যে ক্রিয়ার রূপের পরিবর্তন ঘটে।
D) প্রয়োগভেদে — এটি ভুল কারণ বাক্যে পদের ভিন্ন ব্যবহারের কারণে ক্রিয়ার রূপ ভিন্ন হতে পারে।
৫ মনে রাখার টিপস:
বচনভেদে ক্রিয়ার রূপ কখনো বদলায় না, তবে পুরুষভেদে অবশ্যই রূপ বদলায়। এই নিয়মটি মনে রাখলে চাকরির পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পদ ও ক্রিয়া প্রকরণ থেকে এই ধরনের প্রশ্ন আসে। তাই ক্রিয়ার রূপ পরিবর্তনের শর্তগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ০৯ টি
১. কেন সঠিক:
মেঘনাদবধ কাব্যের মোট সর্গের সংখ্যা নয়টি। মাইকেল মধুসূদন দত্ত এই মহাকাব্যে রামায়ণ কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রাবণ ও মেঘনাদের বীরত্ব তুলে ধরেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই মহাকাব্যের রচয়িতা মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। ১৮৬১ সালে প্রকাশিত এই কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্যের প্রথম সর্গের নাম অভিষেক।
ব্যাখ্যা: এই সর্গে ইন্দ্রজিৎ বা মেঘনাদ লঙ্কার যুদ্ধ প্রস্তুতির জন্য দেবলোক থেকে বীরবাহুর মৃত্যুর সংবাদ পান।
উদাহরণ ২: মেঘনাদবধ কাব্যের ষষ্ঠ সর্গের নাম বধ।
ব্যাখ্যা: এই সর্গেই লক্ষণ কর্তৃক মেঘনাদের মৃত্যুর ঘটনা অত্যন্ত নাটকীয়ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ০৯ টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মহাকাব্যে সর্গের সংখ্যা ঠিক নয়টি।
B) ১০ টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ মেঘনাদবধ কাব্যে দশটি সর্গ নেই।
C) ০৭ টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ মহাকাব্যটিতে সাতটি সর্গ থাকার প্রচলিত ধারণা সঠিক নয়।
D) ০৮ টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ মেঘনাদবধ কাব্যের সর্গ সংখ্যা আটটি নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মেঘনাদবধ কাব্যের সর্গ সংখ্যা মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো নবগ্রহ বা নয়টি গ্রহের মতো এই মহাকাব্যের সর্গ সংখ্যাও নয়টি। বাংলা প্রথম মহাকাব্যের সর্গ মনে রাখতে সংখ্যা নয় খুব গুরুত্বপূর্ণ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মেঘনাদবধ কাব্যের সর্গ সংখ্যা, ছন্দ এবং রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। মহাকাব্যের প্রথম ও ষষ্ঠ সর্গের নামও পরীক্ষার জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) প
১. কেন সঠিক:
- প উচ্চারণ করার সময় মুখের উপরের ও নিচের ঠোঁট একে অপরকে স্পর্শ করে ধ্বনি তৈরি করে। তাই প হলো একটি ওষ্ঠ্য বর্ণ বা ঠোঁটের সাহায্যে উচ্চারিত ধ্বনি।
- বাংলা বর্ণমালায় প বর্গীয় ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় ঠোঁটের প্রধান ভূমিকা থাকে বলে এদের ওষ্ঠ্য ধ্বনি বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণস্থানের ওপর ভিত্তি করে ধ্বনিগুলোকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে প বর্গীয় বর্ণগুলো যেমন প, ফ, ব, ভ, ম উচ্চারণের সময় ওষ্ঠ বা ঠোঁট ব্যবহৃত হয় বলে এগুলোকে ওষ্ঠ্য বর্ণ বলে।
- মুখবিবরের যে অংশ বা উচ্চারণের স্থান থেকে ধ্বনি উৎপাদিত হয়, তার ওপর ভিত্তি করে ধ্বনিগুলোর এমন নামকরণ করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব
ব্যাখ্যা: ব বর্ণটি উচ্চারণের সময়ও ঠোঁট দুটি পরস্পর মিলিত হয়, যা ওষ্ঠ্য ধ্বনির একটি প্রমিত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ম
ব্যাখ্যা: ম উচ্চারণ করার সময়ও ওষ্ঠের প্রধান ভূমিকা থাকে এবং এটি একটি নাসিক্য ওষ্ঠ্য বর্ণ হিসেবে পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ট — এটি একটি মূর্ধন্য বর্ণ কারণ এটি উচ্চারণের সময় জিহ্বা মূর্ধা বা তালুর পেছনের অংশ স্পর্শ করে।
B) ঢ — এটি একটি মূর্ধন্য ধ্বনি এবং এর উচ্চারণস্থান জিহ্বার অগ্রভাগ উল্টিয়ে মূর্ধার সঙ্গে স্পর্শ করার মাধ্যমে হয়।
C) ত — এটি একটি দন্ত্য বর্ণ কারণ এটি উচ্চারণের সময় জিহ্বার অগ্রভাগ দাঁতের সঙ্গে স্পর্শ করে।
D) প — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ওষ্ঠ বা ঠোঁট দিয়ে উচ্চারিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ওষ্ঠ্য বর্ণ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প বর্গীয় সব বর্ণই ওষ্ঠ্য ধ্বনি। প ফ ব ভ ম উচ্চারণ করে দেখলেই বোঝা যায় ঠোঁটের সাহায্য লাগে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বর্ণসমূহের উচ্চারণস্থান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। প বর্গ মানেই ওষ্ঠ্য বর্ণ, এই সহজ সূত্রটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) ধনী
১. কেন সঠিক:
- ধনী শব্দটি দ্বারা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর অবস্থা, গুণ বা পরিমাণ নির্দেশ করা হয়েছে, যা বিশেষণের সংজ্ঞা পূরণ করে।
- ব্যাকরণ অনুযায়ী যে পদ দ্বারা বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ বোঝায় তাকে বিশেষণ পদ বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পদ প্রকরণে বিশেষণ হলো এমন একটি পদ যা বিশেষ্য, সর্বনাম বা অন্য কোনো পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাপ প্রকাশ করে।
- প্রদত্ত প্রশ্নে ধনী শব্দটি দ্বারা মানুষের আর্থিক অবস্থা বা গুণ বোঝানো হয়েছে, যা বিশেষ্য পদের অবস্থা নির্দেশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাল গোলাপ
ব্যাখ্যা: এখানে লাল শব্দটি গোলাপ ফুলের রং বা গুণ প্রকাশ করছে, তাই লাল একটি বিশেষণ।
উদাহরণ ২: চালাক ছেলে
ব্যাখ্যা: এখানে চালাক শব্দটি ছেলের বুদ্ধিমত্তা বা গুণ প্রকাশ করছে, তাই চালাক একটি বিশেষণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধনী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি অবস্থার নির্দেশক বিশেষণ পদ।
B) শফিক — এটি একটি বিশেষ্য পদ কারণ এটি দ্বারা নির্দিষ্ট একজন ব্যক্তির নাম বোঝানো হয়েছে।
C) আমি — এটি একটি সর্বনাম পদ কারণ এটি বিশেষ্যের পরিবর্তে বাক্যে ব্যবহৃত হয়েছে।
D) দেখলাম — এটি একটি ক্রিয়া পদ কারণ এটি দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝানো হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কোনো শব্দ শোনার পর যদি মনে প্রশ্ন জাগে কেমন বা কতটুকু, তবে সেই শব্দটি সাধারণত বিশেষণ হয়।
- নাম বোঝালে বিশেষ্য, নামের বদলে বসলে সর্বনাম এবং কাজ বোঝালে ক্রিয়া হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পদ নির্ণয়ের সময় বাক্যের অর্থ এবং শব্দের কাজ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
- বিশেষ্য পদের আগে যে শব্দ বসে তার দোষ বা গুণ বলে, তা সাধারণত নামবাচক বিশেষণ হয়।
সঠিক উত্তর: B) শর্মিষ্ঠা
১. কেন সঠিক:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত শর্মিষ্ঠা নাটকটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক হিসেবে স্বীকৃত।
- ১৮৫৯ সালে প্রকাশিত এই নাটকের মাধ্যমে বাংলা নাট্যজগতে আধুনিক যুগের সূচনা ঘটেছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি ও নাট্যকার।
- তিনি সংস্কৃত ও ইউরিপিডিসের নাট্যরীতির মিশ্রণে অমিত্রাক্ষর ছন্দের পাশাপাশি নাটক রচনায় নতুন ধারা এনেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পদ্মাবতী নাটক
ব্যাখ্যা: এটিও মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি বিখ্যাত নাটক, যা গ্রিক পৌরাণিক কাহিনীর আদ I এ রচিত।
উদাহরণ ২: কৃষ্ণকুমারী নাটক
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের সর্বশ্রেষ্ঠ এবং প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুলীনকুল সর্বস্ব — রামনারায়ন তর্করত্ন রচিত এই নাটকটি প্রথম বাংলা মৌলিক নাটক হলেও এটি সার্থক নাটক হিসেবে গণ্য হয় না।
B) শর্মিষ্ঠা — এটি সঠিক উত্তর।
C) রত্নাবলী — এটি রামনারায়ন তর্করত্ন কর্তৃক সংস্কৃত থেকে অনূদিত একটি নাটক, মৌলিক বা প্রথম সার্থক নাটক নয়।
D) নীল দর্পণ — দীনবন্ধু মিত্র রচিত এই নাটকটি প্রথম সার্থক সামাজিক নাটক, কিন্তু প্রথম সার্থক নাটক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রথম মৌলিক নাটক রামনারায়নের হলেও প্রথম সার্থক নাটক মাইকেলের শর্মিষ্ঠা।
- শর্মিষ্ঠা নামটি মনে রাখলেই মাইকেলের প্রথম নাটকের কীর্তি মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রথম সার্থক নাটক এবং প্রথম সার্থক সামাজিক নাটকের মধ্যে প্রায়ই প্যাচ লাগে।
- প্রথম সার্থক নাটক শর্মিষ্ঠা এবং প্রথম সার্থক সামাজিক নাটক নীল দর্পণ, এই পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ফারসি
১. কেন সঠিক:
- মুরগী শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত একটি বৈদেশিক শব্দ।
- ফারসি ভাষার সঙ্গে আমাদের দীর্ঘ ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের কারণে এই শব্দটি বাংলা শব্দভান্ডারে স্থায়ীভাবে স্থান করে নিয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে কয়েকটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয় যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ।
- বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগীজ ইত্যাদি ভাষা থেকে বহু শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে এবং প্রমিত শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চশমা
ব্যাখ্যা: চশমা একটি বহুল ব্যবহৃত ফারসি শব্দ যা বাংলা ভাষায় সরাসরি ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: দরজা
ব্যাখ্যা: দরজা শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত একটি অতি পরিচিত বিদেশি শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা — মুরগী শব্দটি খাঁটি বাংলা শব্দ নয় কারণ এর উৎপত্তি দেশীয় মূল থেকে হয়নি।
B) হিন্দি — মুরগী হিন্দি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় প্রধানত গৃহীত হয়নি, এর উৎস ফারসি।
C) আরবি — মুরগী শব্দটি আরবি ভাষার শব্দ নয়, এটি ফারসি ভাষার অন্তর্গত।
D) ফারসি — এই অপশনটি সঠিক এবং এর সপক্ষে যথাযথ ভাষাতাত্ত্বিক প্রমাণ রয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ফারসি শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো প্রশাসনিক ও গৃহস্থালির কিছু পরিচিত বস্তু যেমন মুরগী, চশমা, দরজা ফারসি ভাষার অন্তর্ভুক্ত।
- বিদেশি শব্দ চেনার জন্য শব্দের উৎস ও প্রচলিত প্রমিত বানানরীতি ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে ফারসি ও আরবি শব্দ আলাদা করা জরুরি।
- গৃহস্থালি ও পোশাক-পরিচ্ছদ সংক্রান্ত অনেক শব্দ ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
সঠিক উত্তর: A) দিগদর্শন
১. কেন সঠিক:
শ্রীরামপুর মিশন থেকে ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে দিগদর্শন পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়। এটি ছিল বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম মাসিক পত্রিকা বা সংবাদপত্র।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই পত্রিকাটি জনশিক্ষা বিস্তারের উদ্দেশ্যে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান। এতে ইতিহাস, বিজ্ঞান ও নৈতিকতার বিভিন্ন শিক্ষণীয় বিষয় সহজ বাংলায় তুলে ধরা হতো।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমাচার দর্পণ
ব্যাখ্যা: এটিও শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সাপ্তাহিক সংবাদপত্র।
উদাহরণ ২: সংবাদ প্রভাকর
ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত প্রথম বাংলা দৈনিক সংবাদপত্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিগদর্শন — এটি শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত প্রথম মাসিক পত্রিকা হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) সমাচার দর্পণ — এটি শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র, মাসিক পত্রিকা নয়।
C) সংবাদ প্রভাকর — এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত প্রথম দৈনিক পত্রিকা, যা শ্রীরামপুর থেকে প্রকাশিত হয়নি।
D) সবুজপত্র — এটি প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় বিশ শতকে প্রকাশিত একটি সাহিত্যপত্র, শ্রীরামপুর মিশনের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
মাসিক মানে দিশা বা দিগদর্শন এবং সাপ্তাহিক মানে সমাচারে দর্পণ দেখা। এভাবে প্রথম মাসিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকা মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাংবাদিকতার ইতিহাসে শ্রীরামপুর মিশনের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম মাসিক এবং প্রথম সাপ্তাহিক দুটি পত্রিকার প্রকাশকালই পরীক্ষার জন্য মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) ৫০ টি
১. কেন সঠিক:
বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০ টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি মিলে মোট ৫০ টি বর্ণ প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালা হলো ধ্বনি লেখার সাংকেতিক চিহ্ন। স্বরবর্ণ ১১ টি (অ থেকে ঔ) এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি (ক থেকে চন্দ্রবিন্দু পর্যন্ত) একত্রে বাংলা বর্ণমালা গঠন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ, আ, ই, ঈ — এগুলো স্বরবর্ণের অংশ যা উচ্চারণে অন্য বর্ণের সাহায্য নেয় না।
ব্যাখ্যা: স্বরবর্ণ স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে এবং অন্যের সাহায্য নেয় না।
উদাহরণ ২: ক, খ, গ, ঘ — এগুলো ব্যঞ্জনবর্ণের অংশ যা স্বরবর্ণের সাহায্য নিয়ে উচ্চারিত হয়।
ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনবর্ণ একা পূর্ণাঙ্গভাবে উচ্চারিত হতে পারে না এবং স্বরবর্ণের ওপর নির্ভর করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫১ টি — এটি প্রচলিত বাংলা বর্ণমালার সঠিক সংখ্যা নয়, প্রাচীন বা অপ্রমিত গণনার ভুল রূপ।
B) ৪৯ টি — এটি কোনো প্রমিত ব্যাকরণসম্মত বাংলা বর্ণসংখ্যার মান নয়।
C) ৪৭ টি — এটিও বাংলা বর্ণমালার সঠিক ও প্রমিত সংখ্যা হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
D) ৫০ টি — এটি বাংলা একাডেমি ও প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী সর্বসম্মত সঠিক বর্ণসংখ্যা।
৫. মনে রাখার টিপস:
স্বরে ১১ ব্যঞ্জনে ৩৯, যোগ করলে হয় মোট ৫০ টি বর্ণ। এই সংখ্যাটি মনে রাখলে যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি, এই বিভাজনটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে। বর্ণমালা সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নে এই মূল সংখ্যাটিই প্রমিত উত্তর হিসেবে গণ্য হয়।
সঠিক উত্তর: C) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
শেষের কবিতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর মূল বিষয়বস্তু হলো প্রেমের ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রচলিত রীতির বিরুদ্ধে বুদ্ধিবৃত্তিক বিদ্রোহ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা এবং নোবেলজয়ী লেখক। শেষের কবিতা একটি গীতধর্মী ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যেখানে অমিত রায় ও লাবণ্য সেন প্রধান চরিত্র।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা সমাজ ও মানুষের সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে লেখা।
উদাহরণ ২: চোখের চশমা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস যা সামাজিক মনস্তত্ত্বের ওপর আধারিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাব্যগ্রন্থ — শেষের কবিতা নামের মধ্যে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং একটি গদ্য উপন্যাস।
B) ছোট গল্প — এটি আয়তনে ও বিষয়বস্তুর গভীরতায় ছোটগল্পের পরিধি অতিক্রম করে পূর্ণাঙ্গ উপন্যাসে রূপ নিয়েছে।
D) প্রবন্ধ — এটি কোনো তাত্ত্বিক বা মননশীল প্রবন্ধ নয়, বরং পাত্র-পাত্রীর সংলাপনির্ভর একটি রোমান্টিক উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
নামে কবিতা থাকলেও শেষের কবিতা আসলে একটি উপন্যাস, এটি মনে রাখলেই ভুল এড়ানো যাবে। রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস মনে রাখার জন্য অমিত রায় ও লাবণ্য সেন চরিত্রের কথা স্মরণ করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় শেষের কবিতা কোন ধরনের রচনা। উত্তরটি সবসময় উপন্যাস হিসেবে দাগাতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বিষাদ সিন্ধু
১. কেন সঠিক:
- বিষাদ সিন্ধু মীর মশাররফ হোসেনের সবচেয়ে বিখ্যাত এবং শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম যা কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর রচিত।
- এটি একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস হলেও এতে লেখকের কল্পনা ও আবেগপূর্ণ বর্ণনার শৈল্পিক রূপ প্রকাশ পেয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক ও গদ্যশিল্পী যিনি ঊনবিংশ শতাব্দীতে আবির্ভূত হন।
- বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসটি তিনটি খণ্ডে বিভক্ত যথা মহরম পর্ব উদ্ধার পর্ব এবং এজিদ বধ পর্ব।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উদাসীন পথিকের মনের কথা
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস যা গ্রামীণ সমাজের শোষণ ও অনিয়ম তুলে ধরে।
উদাহরণ ২: গাজী মিঞার বস্তানী
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি আত্মজৈবনিক ও সমাজচিত্রধর্মী জনপ্রিয় রচনা যাতে তৎকালীন সমাজের নানা অসঙ্গতি ফুটে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রত্নাবতী — এটি মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম উপন্যাস তবে এটি তাঁর শ্রেষ্ঠ উপন্যাস হিসেবে বিবেচিত হয় না।
B) বিষাদ সিন্ধু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়।
C) জমিদার দর্পণ — এটি মীর মশাররফ হোসেনের একটি বিখ্যাত নাটক যা সিরাজদহ কৃষক বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত।
D) গো-জীবন — এটি মীর মশাররফ হোসেনের একটি সমাজসংস্কারমূলক গদ্যগ্রন্থ যা উপন্যাস বা শ্রেষ্ঠ রচনা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মীর মশাররফ হোসেনের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মনে রাখতে বিষাদময় কারবালার যুদ্ধ ও বিষাদ সিন্ধু নাম দুটি মিলিয়ে মনে রাখা সহজ।
- তাঁর উপন্যাসের মধ্যে বিষাদ সিন্ধুই সর্বাধিক জনপ্রিয় এবং পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসটির রচনাকাল ১৮৮৫ থেকে ১৮৯১ সাল এবং এটি বাংলা সাহিত্যে মুসলিম রচিত মহাকাব্যিক উপন্যাসের মর্যাদা পায়।
- এই ধরনের প্রশ্নে লেখকের শ্রেষ্ঠ রচনা কোনটি তা আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে কারণ একই লেখকের অন্যান্য রচনাও অপশনে থাকতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) সেলিম আল দীন
১. কেন সঠিক:
- 'মুমতাসীর ফ্যান্টাসি' নাটকটির রচয়িতা নাট্যকার সেলিম আল দীন।
- এই নাটকটিতে নাট্যকার ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধনে এক অনন্য নাট্যশৈলী ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সেলিম আল দীন বাংলা নাট্যসাহিত্যে শিকড়সন্ধানী নাট্যকার হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
- তাঁর নাটকে বাংলা লোকসংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং আদিবাসী জীবনের নানা উপাদান অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে উঠে এসেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'কীত্তনখোলা'
ব্যাখ্যা: এটি সেলিম আল দীনের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি নাটক, যা বাংলা নাট্যজগতে এক নতুন ধারা তৈরি করেছিল।
উদাহরণ ২: 'চাকা'
ব্যাখ্যা: এটি সেলিম আল দীনের আরেকটি বিখ্যাত নাটক, যা গ্রামীণ জীবনের এক মর্মান্তিক দৃশ্যপট তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আব্দুল্লাহ আল মামুন — এই নাট্যকার 'এখনও ক্রীতদাস' ও 'সুবচন নির্বাসন' নাটকের জন্য পরিচিত হলেও 'মুমতাসীর ফ্যান্টাসি' তাঁর রচনা নয়।
B) সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ — ইনি বিখ্যাত 'বহিপীর' ও 'তরঙ্গভঙ্গ' নাটকের রচয়িতা, যা আলোচ্য নাটকের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) সেলিম আল দীন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, এটি তাঁরই নাটক।
D) মুনীর চৌধুরী — ইনি 'কবর' ও 'রক্তাক্ত প্রান্তর' নাটকের রচয়িতা, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সেলিম আল দীন মানেই বৈচিত্র্যময় ও ঐতিহ্যবাহী নাটক যেমন 'মুমতাসীর ফ্যান্টাসি', 'শকুন্তলা' ও 'কীর্তনখোলা'।
- নাটকের নামের সাথে লেখকের নাম মনে রাখতে তাঁর বিখ্যাত নাটকগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে পড়তে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা নাটকের রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- সেলিম আল দীন এবং মুনীর চৌধুরীর নাটকগুলোর তালিকা ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে পরীক্ষার হলে উত্তর করা সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: C) আলাওল
১. কেন সঠিক:
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে উজ্জ্বল এবং বহুমুখী প্রতিভাধর কবি হলেন মহাকবি আলাওল।
তাঁর অমর সৃষ্টি পদ্মাবতী তাঁকে মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ ও সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কবির মর্যাদা এনে দিয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি আলাওল সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক ধারার মধ্যযুগের অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত।
তিনি আরাকান রাজসভার মন্ত্রী মাগন ঠাকুরের উৎসাহে এবং পরবর্তীতে অন্যান্য আমিদের পৃষ্ঠপোষকতায় একাধিক মহাকাব্য রচনা করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পদ্মাবতী
ব্যাখ্যা: এটি মালিক মুহাম্মদ জায়সির পদুমাবত অবলম্বনে রচিত আলাওলের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ যা মধ্যযুগের সাহিত্যে অনন্য স্থান অধিকার করেছে।
উদাহরণ ২: সপ্তপয়কর
ব্যাখ্যা: নিজামীর হফত পয়েকর অবলম্বনে রচিত এই কাব্যটি আলাওলের পাণ্ডিত্য ও ফার্সি ভাষা থেকে অনুবাদের মুন্সিয়ানার এক চমৎকার নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দৌলত কাজী — তিনি মধ্যযুগের একজন প্রখ্যাত কবি হলেও আলাওলের মতো বহুমুখী ও বৃহৎ পরিসরে খ্যাতি অর্জন করতে পারেননি।
B) সৈয়দ সুলতান — তিনি নবী বংশ এবং রসূল বিজয় রচনার জন্য বিখ্যাত হলেও আলাওলের মতো মধ্যযুগের সার্বিক শ্রেষ্ঠ কবির স্বীকৃতি পাননি।
C) আলাওল — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
D) নাসির মাহমুদ — তিনি মধ্যযুগের কবি নন এবং বাংলা সাহিত্যের মূল ধারার উল্লেখযোগ্য কবি হিসেবে পরিগণিত হন না।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ ও উল্লেখযোগ্য কবি বললেই আলাওলের পদ্মাবতীর কথা মনে রাখবে।
আলাওল মানেই সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মধ্যযুগের রোমান্টিক ধারার প্রধান কবির নাম জানতে চাওয়া হয়।
এই ধরনের প্রশ্নে আলাওলের নাম এবং তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ পদ্মাবতী সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) উপসর্গ
১. কেন সঠিক:
যে অব্যয়সূচক শব্দাংশ মূল শব্দের বা ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন, সংকোচন বা সম্প্রসারণ ঘটায় তাকে উপসর্গ বলে। উপসর্গ শব্দের আধা-অর্থ প্রকাশ করে এবং এর নিজস্ব কোনো স্বাধীন ব্যবহার নেই।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
উপসর্গ হলো এমন এক ধরনের শব্দাংশ যা শব্দের আদিতে বসে শব্দের অর্থবাচকতা পরিবর্তন বা নতুন অর্থ তৈরি করে। বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ প্রধানত তিন প্রকার যেমন বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হার শব্দের পূর্বে বি উপসর্গ যোগ হয়ে বিহার নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে।
ব্যাখ্যা: মূল শব্দ হারের আগে বি যুক্ত হয়ে ভ্রমণের অর্থে নতুন শব্দ তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: কাজ শব্দের পূর্বে কু উপসর্গ যোগ হয়ে কুকাজ নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে।
ব্যাখ্যা: মূল শব্দ কাজের আগে কু যুক্ত হয়ে খারাপ কাজের অর্থে নতুন শব্দ তৈরি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনুসর্গ — অনুসর্গ শব্দের পরে বসে কারক বোঝাতে সাহায্য করে কিন্তু শব্দের আগে বসে না।
B) কর্ম প্রবচনীয় — কর্ম প্রপ্রবচনীয় মূলত অব্যয় পদ যা বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে বিভক্তির মতো বসে।
D) প্রত্যয় — প্রত্যয় মূল শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, আগে বসে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
উপসর্গ শব্দটি মনে রাখতে উপসর্গ কথাটি সামনে বসে এই কৌশল মনে রাখতে পারো। কারণ উপসর্গ সবসময় শব্দের সামনে বা পূর্বে বসে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ কোন পদ বা কোথায় বসে তা জানতে চাওয়া হয়। উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে এই মৌলিক বিষয়টি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
- নারী কবিতাটির রচয়িতা বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
- সমাজের অর্ধাংশ নারী সমাজের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি এই কবিতাটি রচনা করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও সাম্যবাদী লেখক হিসেবে পরিচিত।
- এই কবিতাটি তার বিখ্যাত সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত যেখানে নারী ও পুরুষের সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাম্যবাদী কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি বিখ্যাত কবিতা যেখানে মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ না করার কথা বলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: বিদ্রোহী কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি কবির সর্বশ্রেষ্ঠ ও পরিচিত কবিতা যা তার কাব্যিক প্রতিভার অন্যতম নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মধুসূদন দত্ত — তিনি মহাকবি ও নাট্যকার ছিলেন এবং তিনি মেঘনাদবধ কাব্য রচনা করেছেন।
B) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি নারী কবিতাটি লিখেছেন।
C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ্বকবি এবং তার বিখ্যাত কবিতার মধ্যে রয়েছে সোনার তরী ও নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ।
D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত এবং তার বিখ্যাত কবিতার মধ্যে রয়েছে কুহু ও কেকা।
৫ মনে রাখার টিপস:
সাম্য ও অধিকারের কবি কাজী নজরুল ইসলাম সাম্যবাদী চেতনায় নারী কবিতায় নর-নারীর সমান অধিকারের জয়গান গেয়েছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের নারী কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত বা তার সাম্যবাদী রচনাগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) পত্রকাব্য
১. কেন সঠিক:
- 'বীরাঙ্গনা' একটি পত্রকাব্য কারণ এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত পত্রাকারে লিখিত একমাত্র কাব্যগ্রন্থ।
- এই কাব্যে পৌরাণিক চরিত্রগুলোর মাধ্যমে চিঠির আকারে মনের আবেগ ও ভেতরের কথা প্রকাশ করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
- ১৮৬২ সালে প্রকাশিত এই কাব্যটিতে মোট একচল্লিশটি পত্র বা চিঠি রয়েছে এবং এটি Ovid কবির Heroides কাব্য অবলম্বনে রচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি মহাকাব্য, যা বাংলা সাহিত্যে ক্লাসিক্যাল মহাকাব্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
উদাহরণ ২: ব্রজাঙ্গনা কাব্য
ব্যাখ্যা: এটিও মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি গীতিমূলক কাব্যগ্রন্থ, যা রাধাকৃষ্ণের প্রেমের ওপর ভিত্তি করে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ট্রাজেডি কাব্য — ট্রাজেডি মূলত নাটক বা কাব্যনাট্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, কিন্তু 'বীরাঙ্গনা' কোনো ট্রাজেডি কাব্য নয় বরং পত্রকাব্য।
B) মহাকাব্য — মহাকাব্য হলো বিশাল আকৃতির বীরত্বপূর্ণ কাহিনিভিত্তিক কাব্য, আর বীরাঙ্গনা পত্রাকারে রচিত হওয়ায় এটি মহাকাব্য নয়।
D) সনেট — সনেট হলো চতুর্দশপদী কবিতা, কিন্তু 'বীরাঙ্গনা' কাব্যটি সনেট আকারে রচিত নয় বরং এটি পত্রাকারে লেখা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বীরাঙ্গনা মানেই পত্রকাব্য এবং এর লেখক মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
- মনে রাখার জন্য মাথায় রাখতে পারো যে বীরাঙ্গনা নারীরা এখানে চিঠি বা পত্রের মাধ্যমে তাদের মনের কথা বলেছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য একটিই এবং এর নাম বীরাঙ্গনা কাব্য।
- এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে রচনার ধরন এবং লেখকের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) from
কেন সঠিক:
- deviation শব্দের পর উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে সাধারণত from বসে।
- নিয়ম বা কোড অব কন্ডাক্ট থেকে বিচ্যুতির ক্ষেত্রে deviation from ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) from — এটি সঠিক উত্তর কারণ Deviation শব্দের সাথে প্রিপজিশন হিসেবে from যুক্ত হয়ে নিয়ম ভঙ্গের ক্ষেত্রে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
B) of — এটি ভুল কারণ Deviation-এর পর সম্পর্ক বা অধিকার বোঝাতে of বসে না।
C) with — এটি ভুল কারণ সহযোগ বা সাথে বোঝাতে with ব্যবহৃত হয় যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
D) over — এটি ভুল কারণ উপরে বা কোনো কিছুর ওপর অধিকার বোঝাতে over ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
Deviation শব্দের অর্থ বিচ্যুতি বা সরে যাওয়া, তাই পথ বা নিয়ম থেকে সরে যাওয়া বোঝাতে Deviation-এর পরে always from বসে।
সঠিক উত্তর: A) accommodation
কেন সঠিক:
- এই শব্দটিতে ডাবল সি (cc) এবং ডাবল এম (mm) রয়েছে, যা বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রে মূল নিয়ম।
- ইংরেজি বানানের ক্ষেত্রে প্রিফিক্স বা অন্য কোনো জটিলতা ছাড়াই ac এবংmodation যোগ করে শব্দটি গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) accommodation — এটি সঠিক বানান কারণ এতে ডাবল সি এবং ডাবল এম সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
B) accomodation — এটি ভুল কারণ এতে ডাবল সি (cc) এর পরিবর্তে একটি সি (c) দেওয়া হয়েছে।
C) acommodation — এটি ভুল কারণ এতে প্রথম অংশে একটি সি (c) কম রয়েছে।
D) acomodation — এটি ভুল কারণ এতে সি (c) এবং এম (mm) উভয় ক্ষেত্রেই অক্ষর কম রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটিতে ছোট সি এবং ছোট এম দুটি করে আছে, অর্থাৎ দুটো সি এবং দুটো এম মিলিয়ে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Mausoleum
কেন সঠিক:
- তাজমহল ভারতের আগ্রায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক সমাধি সৌধ, যা সম্রাট শাহজাহান তাঁর স্ত্রী মমতাজ মহলের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মাণ করেছিলেন।
- ইংরেজিতে সমাধিক্ষেত্র বা مقبرة বোঝাতে Mausoleum শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mausoleum — এটি সঠিক উত্তর কারণ তাজমহল একটি রাজকীয় সমাধি সৌধ।
B) Castle — ক্যাসেল বা দুর্গ বলতে সাধারণত রাজা বা রানীর সুরক্ষামূলক বাসভবনকে বোঝায়, যা তাজমহল নয়।
C) Tower — টাওয়ার বলতে উঁচু ও সরু দালানকে বোঝায়, যা এই স্থাপত্যের প্রধান রূপ নয়।
D) Mansion — ম্যানসন হলো একটি অত্যন্ত বড় ও বিলাসবহুল আবাসিক বাড়ি, যা তাজমহলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
মমতাজ মহলের নাম এবং তাজমহলের সমাধি রূপটি মনে রাখলে Mausoleum শব্দটি সহজেই চেনা যায়।
সঠিক উত্তর: C) had started
কেন সঠিক:
- অতীতকালের দুটি ঘটনার মধ্যে যেটি আগে ঘটেছিল, তার ক্ষেত্রে Past Perfect Tense (had + V3) ব্যবহৃত হয়।
- এখানে আমার পৌঁছানোর আগে পরীক্ষা শুরু হওয়ার কাজটি আগে ঘটেছিল, তাই সঠিক উত্তর C।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) has started — এটি Present Perfect Tense, যা অতীতকালের দুটি ঘটনার ক্রম বোঝাতে এই বাক্যে ব্যবহার করা যায় না।
B) had been started — এটি Passive Voice-এর গঠন, কিন্তু এখানে বাক্যটি Active Voice-এ হওয়া প্রয়োজন কারণ পরীক্ষা নিজে থেকেই শুরু হয়েছিল।
C) had started — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়।
D) did start — এটি Past Indefinite Tense, যা অতীতকালের তুলনামূলকভাবে আগের কাজের ক্ষেত্রে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
অতীতকালের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটে, সেখানে Past Perfect (had + V3) এবং যেটি পরে ঘটে, সেখানে Past Indefinite Tense বসে।
সঠিক উত্তর: B) adverb
কেন সঠিক:
- এই বাক্যে 'bad' শব্দটি 'hurt' ভার্বকে modify করেছে বা তার মাত্রা বুঝিয়েছে, তাই এটি adverb হিসেবে কাজ করেছে।
- কথ্য ইংরেজিতে প্রায়ই Adjective-এর পরিবর্তে Informal Adverb হিসেবে 'bad' ব্যবহার করা হয়, যা মূলত 'badly' এর অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) pronoun — Pronoun হলো যা কোনো Noun-এর পরিবর্তে বসে, কিন্তু এখানে 'bad' কোনো নামের বদলের কাজ করছে না।
B) adverb — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি একটি ক্রিয়াকে বিশেষিত করেছে।
C) adjective — যদিও 'bad' সাধারণত Adjective হয়, তবে এই বাক্যে এটি কোনো Noun বা Pronoun-কে বিশেষায়িত করছে না।
D) noun — Noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু 'bad' বাক্যে কোনো নাম বোঝাচ্ছে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো শব্দ Verb-কে কেমন বা কীভাবে প্রশ্ন করলে উত্তর পেলে তা Adverb হয়।
সঠিক উত্তর: A) little
কেন সঠিক:
- 'Hope' একটি আনকাউন্টেবল বা গণনাসম্পন্ন করা যায় না এমন না-বোধক বিশেষ্য, যার আগে পরিমাণ বোঝাতে 'little' বসে।
- 'Little' শব্দটি প্রায় নেই বললেই চলে এমন নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) little — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'hope' একটি আনকাউন্টেবল নাউন এবং এখানে সামান্য পরিমাণের নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।
B) several — এটি প্লুরাল কাউন্টেবল নাউনের পূর্বে বসে, কিন্তু 'hope' কাউন্টেবল নয়।
C) few — এটি প্লুরাল কাউন্টেবল নাউনের পূর্বে বসে, কিন্তু 'hope' আনকাউন্টেবল হওয়ায় এখানে বসবে না।
D) a few — এটি সংখ্যায় অল্প বোঝাতে প্লুরাল কাউন্টেবল নাউনের পূর্বে বসে, যা 'hope' এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
আনকাউন্টেবল নাউনের পরিমাণ কম বোঝাতে little এবং কাউন্টেবল নাউনের সংখ্যা কম বোঝাতে few বসে।
সঠিক উত্তর: C) Moon
কেন সঠিক:
- 'Lunar' শব্দটি ল্যাটিন শব্দ 'luna' থেকে এসেছে, যার অর্থ চাঁদ।
- বিজ্ঞানে বা জ্যোতির্বিজ্ঞানে চাঁদের সঙ্গে সম্পর্কিত যেকোনো কিছুকে বোঝাতে 'lunar' বিশেষণটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Sun — সূর্যের সঙ্গে সম্পর্কিত শব্দের ল্যাটিন বা ইংরেজি রূপ হলো সোলার বা solar।
B) Planet — যেকোনো গ্রহের সঙ্গে সম্পর্কিত শব্দের রূপ প্ল্যানেটারি বা planetary।
D) Water — পানির সঙ্গে সম্পর্কিত শব্দের ল্যাটিন বা ইংরেজি রূপ হলো অ্যাকুয়াটিক বা aquatic।
মনে রাখার টিপস:
সোলার প্যানেল থেকে যেমন সূর্য বা Solar মনে রাখা যায়, তেমনি লুনার এক্লিপ্স বা চন্দ্রগ্রহণ শব্দ থেকে Lunar মানে চাঁদ মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: B) gerund
কেন সঠিক:
- 'reading' শব্দটি verb (read)-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে এবং বাক্যে transitive verb 'like'-এর object হিসেবে noun-এর কাজ করেছে।
- verb এবং noun উভয় গুণের অধিকারী হওয়ায় এটি একটি gerund.
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Participle — participle একই সাথে verb এবং adjective হিসেবে কাজ করে, যা এখানে nouns-এর কাজ করায় প্রযোজ্য নয়।
B) gerund — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাক্যে noun-এর কাজ করেছে।
C) infinitive — infinitive বলতে verb-এর পূর্বে to বসা বোঝায়, কিন্তু এখানে to নেই।
D) verb — reading এখানে সরাসরি মূল verb বা finite verb হিসেবে কাজ করছে না, বরং noun-এর কাজ করছে।
মনে রাখার টিপস:
Verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি বাক্যে Noun-এর কাজ করে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে Gerund বলবে।
সঠিক উত্তর: C) based on the first impression
কেন সঠিক:
- 'Prima facie' একটি ল্যাটিন ফ্রেজ, যার আক্ষরিক অর্থ হলো প্রথম দর্শনে বা প্রথম নজরে।
- আইনগত বা সাধারণ প্রেক্ষাপটে এটি এমন কোনো বিষয় বা প্রমাণ বোঝায় যা প্রথম দেখাতেই সত্য বলে মনে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the prime accused — এটি দিয়ে প্রধান আসামিকে বোঝায়, যা ফ্রেজটির আক্ষরিক অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) the main figure — এর অর্থ মূল ব্যক্তিত্ব, যা প্রারম্ভিক ধারণার ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) based on the first impression — এটি সঠিক কারণ ফ্রেজটির অর্থ প্রথম দর্শনে প্রাপ্ত ধারণার ওপর ভিত্তি করে গঠিত।
D) according to the main facts — এটি মূল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বোঝায়, যা প্রথম দর্শনের ধারণার চেয়ে আলাদা।
মনে রাখার টিপস:
'Prima' শব্দটিকে প্রাইমারি বা প্রাথমিক হিসেবে মনে রাখতে পারেন, যা থেকে প্রথম ইমপ্রেশনের ধারণাটি সহজেই মাথায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) He asked me if I knew him
কেন সঠিক:
- রিপোর্টিং ভার্ব 'said to' পরিবর্তিত হয়ে 'asked' হয় এবং ইন্টারোগটিভ বাক্যটি অ্যাসারটিভ বাক্যে রূপান্তরিত হয়।
- রিপোর্টেড স্পিচটি প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স হওয়ায় ইনডাইরেক্ট করার সময় তা পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স (knew) এ পরিবর্তিত হয়।
- সাবজেক্ট 'you' পরিবর্তিত হয়ে অবজেক্ট 'me' অনুযায়ী 'I' হয় এবং পার্সন পরিবর্তনের নিয়ম মেনে 'me' পরিবর্তিত হয়ে 'him' হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He asked me if I know him, — এখানে রিপোর্টেড স্পিচের টেন্স পরিবর্তন করা হয়নি, প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট রাখা হয়েছে যা ভুল।
B) He asked do I know him, — এখানে ইনডাইরেক্ট স্পিচে 'if' বা 'whether' ব্যবহার করা হয়নি এবং সাহায্যকারী ভার্ব আগে রাখা হয়েছে যা ভুল।
C) He asked me if I knew him — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং নিয়মানুসারে পরিবর্তিত হয়েছে।
D) He asked me did I know him — এখানে ইনডাইরেক্ট স্পিচে ভুলভাবে 'did' ব্যবহার করা হয়েছে এবং বাক্যটিকে অ্যাসারটিভ করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
ইন্টারোগটিভ সেন্টেন্সকে ইনডাইরেক্ট করার সময় ইনভার্টেড কমা তুলে if বসাতে হয় এবং টেন্সকে এক ধাপ পেছনের পাস্ট টেন্সে রূপান্তর করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) an
কেন সঠিক:
- 'heiress' শব্দের শুরুতে 'h' অক্ষর থাকলেও এর উচ্চারণ স্বরবর্ণের মতো (এয়ারিস) হয়।
- উচ্চারণের শুরুতে স্বরধ্বনি আসার কারণে এর পূর্বে 'a' এর পরিবর্তে 'an' বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the — নির্দিষ্ট করে বোঝাতে 'the' বসে, কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট কোনো উত্তরাধিকারীকে বোঝাচ্ছে না।
B) an — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দের শুরুতে স্বরধ্বনি থাকলে 'an' বসে।
C) a — ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ দিয়ে শুরু শব্দে 'a' বসে, কিন্তু এখানে 'heiress' এর উচ্চারণ স্বরবর্ণ দিয়ে শুরু হয়।
D) none — প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'an' সঠিক হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের বানান নয়, উচ্চারণের প্রথম ধ্বনি স্বরবর্ণের মতো হলে তার আগে 'an' বসবে, যেমন 'hour' বা 'heiress'।
সঠিক উত্তর: C) princes
কেন সঠিক:
- 'Prince' শব্দের শেষে es যুক্ত করে এর বহুবচন বা plural form করা হয়েছে।
- এটি একটি নিয়মিত বা regular plural noun-এর উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) news — এটি দেখতে plural এর মতো মনে হলেও এটি মূলত একটি singular uncountable noun.
B) princess — এটি প্রিন্স শব্দের feminine gender বা স্ত্রীবাচক রূপ এবং singular ফর্মে আছে।
C) princes — এটি সঠিক উত্তর যা prince শব্দের plural form.
D) actress — এটি actor শব্দের feminine gender বা স্ত্রীবাচক রূপ এবং singular ফর্মে আছে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে s বা es দেখলে তাড়াহুড়ো না করে দেখতে হবে শব্দটি singular noun-এর plural রূপ নাকি অন্য কোনো gender বা noun।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: A) very successfully
কেন সঠিক:
- With flying colours একটি ইংরেজি প্রবাদপ্রতিম Idiom, যার অর্থ অত্যন্ত সফলভাবে বা গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য অর্জন করা।
- পরীক্ষায় বা প্রতিযোগিতায় অসাধারণ ফলাফল করার ক্ষেত্রে এই ফ্রেজটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) very successfully — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ফ্রেজটির আক্ষরিক ও ভাবার্থ একই।
B) with pomp and ceremony — এর অর্থ ঘটা করে বা জাঁকজমকের সাথে, যা সাফল্যের সাথে মিলে না।
C) with too much pride — এর অর্থ অতিরিক্ত অহংকার নিয়ে, যা এই ইডিয়ামের অর্থের বিপরীত।
D) very enthusiastically — এর অর্থ অত্যন্ত উৎসাহের সাথে, যা সাফল্যের সরাসরি প্রকাশ নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিজয়ী পতাকা ওড়ানোর দৃশ্য কল্পনা করো, যার অর্থ হলো তুমি অত্যন্ত সফলভাবে বা with flying colours জয়লাভ করেছ।
সঠিক উত্তর: C) common
কেন সঠিক:
- 'Parent' শব্দটি পিতা বা মাতা উভয়কেই নির্দেশ করে, যা নির্দিষ্ট কোনো লিঙ্গ বোঝায় না।
- পুরুষ বা স্ত্রী উভয়বাচক বিশেষ্যকে একসাথে কমন জেন্ডার বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) masculine — এটি কেবল পুরুষবাচক বিশেষ্য বোঝায়, কিন্তু parent দ্বারা মাকেও বোঝানো যায়।
B) feminine — এটি কেবল স্ত্রীবাচক বিশেষ্য বোঝায়, কিন্তু parent দ্বারা পিতাকেও বোঝানো যায়।
C) common — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি পুরুষ ও স্ত্রী উভয়কেই সমানভাবে নির্দেশ করে।
D) neuter — এটি অচেতন বা ক্লীব লিঙ্গ বোঝায়, কিন্তু parent একটি জীবন্ত মানুষকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
যেই শব্দগুলো দিয়ে মা কিংবা বাবা উভয়কেই বোঝানো যায়, সেগুলো সবসময় কমন জেন্ডার হয়।
সঠিক উত্তর: B) Neigh
কেন সঠিক:
- ঘোড়ার ডাককে ইংরেজিতে Neigh বলা হয়, যা এই প্রাণীর পরিচিত শব্দ নির্দেশ করে।
- প্রশ্নের বাক্যে কুকুরের ডাকের (Bark) সাথে সামঞ্জস্য রেখে ঘোড়ার সঠিক ডাক চাওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Hum — এটি মাছির গুঞ্জন বা নিচু স্বরে গুনগুন শব্দ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, ঘোড়ার ডাক নয়।
B) Neigh — এটি ঘোড়ার ডাক, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
C) Hiss — এটি সাপের ফোঁস ফোঁস শব্দ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) Croak — এটি ব্যাঙের ডাক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ঘোড়ার ডাক হলো Neigh এবং কুকুরের ডাক হলো Bark, প্রাণীদের নির্দিষ্ট শব্দগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) He was called a fool by us,
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি Past Indefinite Tense-এর Active Voice-এ আছে, যার Passive রূপ করার সময় Subject-এর পর was বা were এবং মূল Verb-এর Past Participle বসে।
- এই বাক্যে দুটি Object (him এবং a fool) আছে, যার মধ্যে গৌণ Object (him) কে Subject করে He এবং তারপর was called লেখা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He had been called a fool by us, — Past Perfect Tense-এর গঠন ব্যবহার করায় এই অপশনটি ভুল হয়েছে।
B) He was called a fool by us, — এটি সঠিক কারণ এটি Past Indefinite Tense-এর সঠিক Passive গঠন নির্দেশ করে।
C) He has called a fool by us, — Present Perfect Tense ব্যবহার করায় এবং গঠন সঠিক না থাকায় এটি ভুল।
D) He has been called a fool by us — Present Perfect Tense-এর Passive রূপ হওয়ায় এটি প্রদত্ত Past Indefinite Tense-এর বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
Active Voice-এ Verb যদি Past Indefinite Tense-এ থাকে, তবে Passive Voice করার সময় was বা were বসিয়ে Verb-এর Past Participle করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) the cheaper
কেন সঠিক:
- নির্দিষ্ট দুইটির মধ্যে তুলনা বোঝালে এবং পছন্দের বা নির্বাচনের প্রশ্ন আসলে Comparative Degree-এর আগে নির্দিষ্ট আর্টিকেল the বসে।
- এই বাক্যে of the two থাকার কারণে Comparative adjective-এর পূর্বে অবশ্যই the বসাতে হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) cheap — এটি Positive Degree এবং এর পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল the নেই, যা তুলনার নিয়মের সাথে সাংঘর্ষিক।
B) শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ Positive Degree-এর সাথে the যুক্ত করে তুলনা প্রকাশ করা যায় না।
C) the cheaper — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Comparative Degree এবং এর পূর্বে সঠিক নিয়মে the বসেছে।
D) the cheapest — দুইয়ের অধিক বস্তুর মধ্যে তুলনা বা শ্রেষ্ঠত্ব বোঝাতে Superlative Degree ব্যবহার হয়, কিন্তু এখানে মাত্র দুইটির কথা বলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে of the two থাকলে চোখ বন্ধ করে Comparative Degree এবং তার আগে the বসাবে।
সঠিক উত্তর: A) obligatory
কেন সঠিক:
- Mandatory শব্দের বাংলা অর্থ হলো বাধ্যতামূলক বা যা পালন করা আবশ্যক।
- Obligatory শব্দটির অর্থও বাধ্যতামূলক, যা প্রদত্ত শব্দের সমার্থক হিসেবে নিখুঁতভাবে প্রযোজ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) obligatory — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বাধ্যতামূলক এবং এটি mandatory শব্দের সমার্থক।
B) confidential — এর অর্থ গোপনীয় বা সংবেদনশীল, যা বাধ্যতামূলক শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
C) optional — এর অর্থ ঐচ্ছিক বা যা ইচ্ছা করলে করা যায়, যা বাধ্যতামূলক শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত।
D) temporary — এর অর্থ সাময়িক বা ক্ষণস্থায়ী, যা বাধ্যতামূলক বা আবশ্যকীয় অর্থে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
Mandatory এবং Obligatory উভয় শব্দের অর্থই বাধ্যতামূলক। পরীক্ষার হলে দুটি শব্দ সমার্থক হিসেবে মনে রাখবেন।
সঠিক উত্তর: B) People are better educated now.
কেন সঠিক:
- এখানে 'better' শব্দটি 'educated' নামক Adjective-কে Modify বা বিশেষিত করেছে।
- Adverb সাধারণত Adjective-কে Modify করে, তাই এটি এখানে Adverb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I have a better plan. — এখানে 'better' শব্দটি 'plan' (Noun) এর পূর্বে বসে তাকে বিশেষিত করেছে, তাই এটি Adjective।
B) People are better educated now. — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে 'better' শব্দটি 'educated' (Adjective)-কে বিশেষিত করায় এটি Adverb।
C) I expected better of him. — এখানে 'better' শব্দটি একটি Noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ অপেক্ষাকৃত ভালো কিছু।
D) Try to better your lot. — এখানে 'better' শব্দটি একটি Verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ উন্নতি করা।
মনে রাখার টিপস:
Adjective-এর পূর্বে বসে যখন কোনো শব্দ তার মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং কেমন শিক্ষিত তা বোঝায়, তখন সেটি Adverb হয়।
সঠিক উত্তর: D) didn't he
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটির মূল অংশ 'He excelled in sports' পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে রয়েছে, তাই ট্যাগ কোশ্চেন গঠনের সময় ডিড (did) সাহায্যকারী ভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
- মূল বাক্যের ক্রিয়াটি অ্যাফার্মেটিভ বা হাবভাবসূচক হওয়ায় এর ট্যাগ অংশটি নেগেটিভ (didn't) হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) won't he — বাক্যটি ফিউচার টেন্সে নেই, তাই উইল (will) বা ওয়ান্ট (won't) ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) don't he — মূল বাক্যের সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হলেও এটি প্রেজেন্ট টেন্স নয়, তাই ডোন্ট (don't) ব্যবহার করা যায় না।
C) doesn't he — মূল বাক্যটি পাস্ট টেন্সে থাকায় প্রেজেন্ট টেন্সের সাহায্যকারী ভার্ব ডাজ (does) ব্যবহার করা ভুল।
D) didn't he — এটি সঠিক অপশন কারণ প্রদত্ত বাক্যটি পাস্ট টেন্সে রয়েছে এবং সাবজেক্টের সাথে সঠিক মিল রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
মূল বাক্যে ভার্বের পাস্ট ফর্ম (excelled) থাকলে ট্যাগ কোশ্চেনে ডিড (did) বসবে এবং বাক্যটি হাবভাবসূচক হলে ট্যাগটি নেগেটিভ (didn't) হবে।
সঠিক উত্তর: C) ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
কেন সঠিক:
- ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ২০২১ সালের আগস্ট মাসে ইতালিয়ান ক্লাব জুভেন্টাস ছেড়ে ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে দ্বিতীয়বারের মতো যোগ দেন।
- এর আগে তিনি ২০০৩ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত এই ক্লাবেই খেলে বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জুভেন্টাস — এটি ইতালিয়ান ক্লাব যেখানে তিনি ২০১৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত খেলেছিলেন, বর্তমান ক্লাব নন।
B) রিয়েল মাদ্রিদ — এটি স্প্যানিশ ক্লাব যেখানে তিনি ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত অত্যন্ত সফল সময় পার করেছিলেন।
D) রোমা — এটি ইতালির রাজধানী রোমভিত্তিক একটি ক্লাব যার সাথে রোনালদোর ক্যারিয়ারের কোনো সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
রোনালদো বিশ্বখ্যাত ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ২০০৩ সালে প্রথম এবং ২০২১ সালে দ্বিতীয় দফায় খেলেছিলেন।
সঠিক উত্তর: A) শের বাহাদুর দেউবা
কেন সঠিক:
- শের বাহাদুর দেউবা ২০২১ সালের জুলাই মাসে পঞ্চমবারের মতো নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান।
- তিনি নেপালি কংগ্রেস পার্টির সভাপতি এবং দেশটির রাজনীতিতে দীর্ঘকাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শের বাহাদুর দেউবা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি ২০২১ সালে পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন।
B) খড়গ প্রসাদ অলি — তিনি নেপালের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তবে শের বাহাদুর দেউবার মতো পঞ্চমবারের মতো এই পদে নিয়োগ পাননি।
C) বিদ্যা দেবী ভান্ডারি — তিনি নেপালের সাবেক রাষ্ট্রপতি ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী নন।
D) হাজরা প্রসাদ — এটি নেপালের কোনো প্রধান রাজনৈতিক নেতার নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
পাঁচবার ক্ষমতায় আসা নেপালের নেতা হলেন শের বাহাদুর দেউবা।
সঠিক উত্তর: A) ৮ মার্চ ২০২০
কেন সঠিক:
- আইইডিসিআর এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম তিন জন করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়।
- বিশ্বজুড়ে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া কোভিড ঊনিশ ভাইরাসের সংক্রমণ বাংলাদেশেও এই তারিখ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮ মার্চ ২০২০ — এই তারিখে বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছিল।
B) ২৮ মার্চ ২০২০ — এই তারিখে প্রথম করোনা রোগীর মৃত্যুর খবর প্রকাশ করা হয়েছিল, শনাক্তের তারিখ নয়।
C) ২০ মার্চ ২০২০ — এই তারিখে করোনা শনাক্তের প্রথম দিকে সংক্রমণ বাড়তে থাকে, তবে এটি প্রথম রোগী শনাক্তের দিন নয়।
D) ৮ এপ্রিল ২০২০ — এই তারিখটি প্রথম রোগী শনাক্তের এক মাস পরের সময়কে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
বছরের মার্চ মাসের প্রথম আট দিন পরেই অর্থাৎ আট মার্চ বাংলাদেশে করোনার সূচনা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) হামিদুর রহমান
কেন সঠিক:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশা ও পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন ভাস্কর হামিদুর রহমান।
- ১৯৫৭ সালে তার নকশ অনুযায়ী শহীদ মিনারের নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং এতে ভাষা আন্দোলনের প্রতীকী তাৎপর্য ফুটিয়ে তোলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তানভির কবির — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি নন এবং এই ঐতিহাসিক স্থাপনার নকশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
B) হামিদুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই।
C) হামিদুজ্জামান — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত ভাস্কর হলেও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি নন।
D) অবসর বাদল — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশা বা নির্মাণের সঙ্গে কোনোভাবেই সংশ্লিষ্ট ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
শহীদ মিনারের নকশার সাথে 'হ' দিয়ে শুরু নাম মনে রাখুন, যেমন স্থপতি হামিদুর রহমান।
সঠিক উত্তর: A) ৬.১৫ কি.মি.
কেন সঠিক:
- পদ্মা সেতুর মূল কাঠামোগত দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং সংযোগ সড়কসহ মোট দৈর্ঘ্য ১০ কিলোমিটার।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম বহুমুখী সেতু যা দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপ্লব ঘটিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬.১৫ কি.মি. — এটি পদ্মা সেতুর মূল দৈর্ঘ্য এবং প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তর।
B) ৬.২৫ কি.মি. — এটি ভুল কারণ পদ্মা সেতুর মূল দৈর্ঘ্য এই পরিমাপের চেয়ে কম।
C) ৬.৩০ কি.মি. — এটি একটি ভুল পরিমাপ এবং সেতুটির প্রকৃত দৈর্ঘ্যের সঙ্গে মিলে না।
D) ৬.৪০ কি.মি. — এটিও ভুল কারণ সেতুটির মূল দৈর্ঘ্য এই সংখ্যা নয়।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ছয় দশমিক পনেরো কিমি।
সঠিক উত্তর: D) ৭ম তফসিলে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম তফসিলে ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল জারি করা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে এই তফসিলটি সংযোজন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪র্থ তফসিলে — এই তফসিলে প্রথম সংসদের শপথ ও কার্যভার গ্রহণসংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
B) ১ম তফসিলে — এই তফসিলে যেসব আইনের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হয়েছে তার তালিকা রয়েছে।
C) ৬ষ্ঠ তফসিলে — এই তফসিলে রাষ্ট্রপতির শপথ ও ঘোষণাসংক্রান্ত বিধান উল্লেখ আছে।
D) ৭ম তফসিলে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানেই স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংযুক্ত করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সাত দিয়ে মনে রাখুন স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম তফসিলে আছে।
সঠিক উত্তর: C) প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনস্থল
কেন সঠিক:
- নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলায় অবস্থিত উয়ারী বটেশ্বর একটি প্রাচীন দুর্গনগরী ও সমৃদ্ধ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনস্থল।
- এখানে খননকার্য চালিয়ে প্রাচীন মুদ্রা, অস্ত্রশস্ত্র, মৃত্তিকা শিল্প এবং মৌর্য আমলের বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নদী বন্দর — এটি কোনো প্রাচীন বা আধুনিক নদী বন্দর হিসেবে পরিচিত নয়, যদিও এর নিকটে প্রাচীনকালে নদী যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছে।
B) বধ্যভূমি — ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রধান বধ্যভূমি হিসেবে এটি পরিচিত নয়।
C) প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনস্থল — এটি সঠিক কারণ এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
D) চেকপোস্ট — এটি কোনো সামরিক বা প্রশাসনিক চেকপোস্টের নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
উয়ারী বটেশ্বর মানেই প্রাচীন নিদর্শন ও প্রত্নতত্ত্ব, যা নরসিংদীতে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) ১৭
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ বন বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী দেশের মোট বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১৭ শতাংশ।
- দেশের পরিবেশ ও ভারসাম্য রক্ষার জন্য মোট ভূমির কমপক্ষে ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৫ — এই পরিমাণটি দেশের প্রকৃত বনভূমির পরিমাপের চেয়ে কম এবং এটি বনভূমির সঠিক সরকারি পরিসংখ্যান নয়।
B) ১৭ — এই পরিমাণটি বাংলাদেশের মোট বনভূমির বর্তমান সরকারি ও দাপ্তরিক পরিসংখ্যানের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
C) ১৯ — এই পরিমাণটি বাংলাদেশের বনভূমির প্রকৃত অনুপাতের চেয়ে কিছুটা বেশি অনুমান করা হয়েছে।
D) ২২ — এই পরিমাণটি বর্তমান বাস্তবতার তুলনায় অনেক বেশি এবং এটি মূলত কাঙ্ক্ষিত বা পরিকল্পিত বনভূমির লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ বা বাংলা শব্দটিতে মোট অক্ষর বা শেষের সংখ্যা হিসাব করে ১৭ মনে রাখতে পারেন, কারণ দেশের বনভূমি ঠিক ১৭ শতাংশ।
সঠিক উত্তর: C) ১৫৩ টি
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধয়নে মূল অনুচ্ছেদ রয়েছে মোট ১৫৩টি।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৩৩ টি — এটি সংবিধানের কোনো অনুচ্ছেদ সংখ্যা নয় এবং এটি একটি ভুল তথ্য।
B) ১৪৩ টি — এটিও সংবিধানের মোট অনুচ্ছেদ সংখ্যার সঠিক তথ্য নয়।
১৫৩ টি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য।
D) ১৬৩ টি — বাংলাদেশের সংবিধানে ১৫৩টির বেশি অনুচ্ছেদ নেই, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের অনুচ্ছেদের সংখ্যা মনে রাখতে ১৫৩ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যার শেষে ৩ এবং শুরুতে ১৫ আছে।
সঠিক উত্তর: B) ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর আল-বদর বাহিনী বাংলাদেশের প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পনা করে হত্যা করে।
- জাতির মেধাশূন্য করার উদ্দেশ্যে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালানো হয়, যা শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এটি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস নয়, এটি যুদ্ধের একটি বিশেষ দিন তবে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের তারিখ নয়।
B) ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এটি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের তারিখ নয়, এটি বিজয়ের আগের একটি দিন মাত্র।
D) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এটি মহান বিজয় দিবস, যেদিন বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
মনে রাখার টিপস:
বিজয়ের ঠিক দুই দিন আগে অর্থাৎ চৌদ্দই ডিসেম্বর জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) ১০ এপ্রিল ১৯৭১
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার বা মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
- এই সরকার গঠনের মাধ্যমেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম আইনগত ও সাংবিধানিক ভিত্তি লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ মার্চ ১৯৭১ — এই তারিখে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়নি, এটি সরকার গঠনের আগের উত্তাল অসহযোগ আন্দোলনের সময়কাল।
B) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর, এই দিনেই সরকার গঠিত হয় এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়।
C) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের তারিখ, গঠনের তারিখ নয়।
D) ১০ মে ১৯৭১ — এটি মুজিবনগর সরকার গঠনের সঠিক তারিখ নয়, এটি সরকার গঠনের পরবর্তী সময়।
মনে রাখার টিপস:
গঠন হয়েছে ১০ এপ্রিল আর শপথ নিয়েছে ১৭ এপ্রিল, এই ৭ দিনের ব্যবধান মনে রাখলেই ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: A) Wolffia arrhiza
১. কেন সঠিক:
- Wolffia arrhiza পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম সপুষ্পক জলজ উদ্ভিদ এবং এর আকার একটি পিনহেডের মতো খুব ছোট হয়।
- এটি মুক্ত ভাসমান উদ্ভিদ এবং এর কোনো মূল বা পাতার স্পষ্ট আলাদা অংশ থাকে না, বরং একটি থ্যালাসের মতো দেহ থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: উদ্ভিদবিজ্ঞান অনুযায়ী কিছু জলজ উদ্ভিদ এত ক্ষুদ্র হয় যে খালি চোখে এদের পুরো গঠন বোঝা যায় না।
- কার্যপ্রণালি: এরা জলীয় পরিবেশ থেকে সরাসরি পুষ্টি উপাদান শোষণ করে এবং খুব দ্রুত অঙ্গজ প্রজননের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুকুরের পানিতে অনেক সময় যে সবুজ গুঁড়ার মতো আস্তরণ দেখা যায় তার মধ্যে এই ক্ষুদ্র উদ্ভিদ থাকতে পারে।
ব্যাখ্যা: এটি অতি দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে জলাশয়ের উপরিভাগ ঢেকে ফেলতে পারে।
উদাহরণ ২: অ্যাকুরিয়ামে অনেক সময় এই ক্ষুদ্র উদ্ভিদ জন্ম নেয়।
ব্যাখ্যা: এটি পানির পুষ্টি উপাদান ব্যবহার করে বেঁচে থাকে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Wolffia arrhiza - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ক্ষুদ্রতম জলজ উদ্ভিদ।
B) Pistia stratiotes - এটি কচুরিপানা জাতীয় একটি জলজ উদ্ভিদ যা আকারে এর চেয়ে অনেক বড় হয়।
C) Salvinia natans - এটি একটি জলজ ফার্ন যা ভাসমান অবস্থায় থাকে এবং এর পাতা বেশ বড় আকৃতির হয়।
D) Azolla pinnata - এটি একটি ক্ষুদ্র জলজ পানা হলেও ওলফিয়ার তুলনায় এর আকার বড় এবং এটি নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ওলফিয়া হলো জলজ জগতের ক্ষুদ্রতম রাজা বা ক্ষুদ্রতম উদ্ভিদ।
- নামের শুরু ও অক্ষর দিয়ে মনে রাখতে পারো এটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র একটি উদ্ভিদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্ষুদ্রতম সপুষ্পক উদ্ভিদ সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- জলজ উদ্ভিদের বিভিন্ন প্রজাতি এবং তাদের বৈশিষ্ট্য থেকে অন্য এমসিকিউ আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) অতি বেগুনী রশ্মি
১. কেন সঠিক:
- অতি বেগুনী রশ্মি বা আল্ট্রাভায়োলেট রে অণুজীবের ডিএনএ নষ্ট করতে পারে।
- এই রশ্মির শক্তি ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের কোষপ্রাচীর ভেদ করে তাদের বংশবৃদ্ধির ক্ষমতা চিরতরে কেড়ে নেয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: অতি বেগুনী রশ্মি হলো এক ধরণের তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোর চেয়ে কম কিন্তু এক্স রশ্মির চেয়ে বেশি।
- কার্যপ্রণালি: জীবাণুর কোষের ভেতরের নিউক্লিক অ্যাসিড এই রশ্মি শোষণ করে, ফলে ডিএনএ অণুতে পরিবর্তন ঘটে এবং জীবাণু মারা যায়।
- বাস্তব প্রয়োগ: পানি বিশুদ্ধকরণ প্ল্যান্ট, হাসপাতাল ও ল্যাবরেটরির বাতাস এবং চিকিৎসা যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করতে এই রশ্মি বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পানির ফিল্টার
ব্যাখ্যা: আধুনিক ইউভি ওয়াটার পিউরিফায়ারে অতি বেগুনী রশ্মি ব্যবহার করে পানিবাহিত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস ধ্বংস করা হয়।
উদাহরণ ২: অপারেশন থিয়েটার জীবাণুমুক্তকরণ
ব্যাখ্যা: অস্ত্রোপচারের আগে হাসপাতালের কক্ষে অতি বেগুনী বা ইউভি ল্যাম্প জ্বালিয়ে সমস্ত ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এক্স রশ্মি — এটি মূলত উচ্চ ভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ যা মানবদেহের হাড়ের ছবি তুলতে ব্যবহৃত হয়, জীবাণু ধ্বংসে সরাসরি ব্যবহৃত হয় না।
B) অতি বেগুনী রশ্মি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও শক্তি অণুজীবের কোষ ধ্বংস করতে সবচেয়ে বেশি উপযোগী।
C) অবলাল রশ্মি — এটি তাপীয় বিকিরণ বা ইনফ্রারেড রে, যা মূলত তাপ উৎপন্ন করতে এবং নাইট ভিশন প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়, জীবাণুনাশক নয়।
D) গামা রশ্মি — এটি অত্যন্ত শক্তিশালী তেজস্ক্রিয় রশ্মি যা জীবাণু ধ্বংস করতে পারে, তবে এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং চিকিৎসাসামগ্রী শিল্প কারখানায় স্টারলাইজেশনে ব্যবহৃত হয়, সাধারণ বা প্রচলিত অর্থে এটি পরীক্ষামূলক বা পরীক্ষাগার জীবাণু ধ্বংসের আদর্শ মাধ্যম নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইউভি বা অতি বেগুনী রশ্মিকে সূর্যের আলোর প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক হিসেবে মনে রাখতে পারো।
- রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে কাপড় শুকালে জীবাণু মুক্ত হয়, যার পেছনে এই অতি বেগুনী রশ্মি কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- অতি বেগুনী রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং এর জীবাণু ধ্বংসকারী ক্ষমতা সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- জীবাণুনাশক হিসেবে ওজোন গ্যাস এবং ক্লোরিনের ব্যবহারের পাশাপাশি এই রশ্মির কার্যকারিতাও মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) Linnaeus
১. কেন সঠিক:
- সুইডিশ প্রকৃতিবিদ ক্যারোলাস লিনিয়াস ১৭৫৮ সালে সিস্টেমা ন্যাচুরাই গ্রন্থের দশম সংস্করণে জীবের দ্বিপদ নামকরণের প্রথা চালু করেন।
- এই পদ্ধতিতে প্রতিটি জীবের নামকরণে দুটি অংশ থাকে যার প্রথমটি গণ এবং দ্বিতীয়টি প্রজাতি নির্দেশ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: জীবজগতের প্রতিটি প্রজাতিকে আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে দুটি লাতিন শব্দের সাহায্যে বৈজ্ঞানিক নাম দেওয়ার পদ্ধতি হলো দ্বিপদ নামকরণ।
- কার্যপ্রণালি: প্রথম পদটি বিশেষ্য এবং এটি জীবের গণ নির্দেশ করে যার প্রথম অক্ষর বড় হাতের হয়, এবং দ্বিতীয় পদটি বিশেষণ যা প্রজাতি নির্দেশ করে এবং ছোট হাতের অক্ষর দিয়ে লেখা হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: আন্তর্জাতিকভাবে একই জীবকে ভিন্ন ভিন্ন নামে চেনার বিভ্রান্তি দূর করতে এবং বিজ্ঞানচর্চায় সার্বজনীন যোগাযোগের জন্য এই নামকরণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম হোমো স্যাপিয়েন্স।
ব্যাখ্যা: এখানে হোমো হলো গণ এবং স্যাপিয়েন্স হলো প্রজাতি যা সারা বিশ্বে মানুষের একটিমাত্র পরিচিত বৈজ্ঞানিক নাম নিশ্চিত করে।
উদাহরণ ২: ধান গাছের বৈজ্ঞানিক নাম অরাইজা সেটিভা।
ব্যাখ্যা: অরাইজা গণ এবং সেটিভা প্রজাতি নির্দেশ করার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে উদ্ভিদবিজ্ঞানীরা এই নির্দিষ্ট ধান প্রজাতিটিকে আলাদাভাবে শনাক্ত করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Theophrastus — থিওফ্রেস্টাসকে উদ্ভিদবিজ্ঞানের জনক বলা হয় এবং তিনি উদ্ভিদের শ্রেণীবিন্যাসের প্রাথমিক কাজ করেছিলেন কিন্তু দ্বিপদ নামকরণ প্রবর্তন করেননি।
B) Linnaeus — ক্যারোলাস লিনিয়াস আধুনিক দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতির সফল প্রবর্তক এবং তিনি জীববিজ্ঞানের এই নিয়মটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
C) Simpson — সিম্পসন জীববিজ্ঞানের নামকরণের সাথে সরাসরি যুক্ত নন বরং তিনি জীবাশ্মবিজ্ঞান এবং পরিসংখ্যানগত বাস্তুতন্ত্রের সাথে পরিচিত।
D) Aristotle — অ্যারিস্টটল প্রাণিবিজ্ঞানের জনক এবং তিনি প্রাচীনকালে জীবকে রক্তযুক্ত ও রক্তহীন প্রাণীতে ভাগ করেছিলেন কিন্তু দ্বিপদ নামকরণ দেননি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দ্বি পদ মানে দুটি পদ, আর লিনিয়াস হলেন লিডার যিনি এই দুই পদের নামকরণের প্রথা চালু করেছিলেন।
- লিনিয়াস নামটির সাথে নামকরণ শব্দটির প্রথম অক্ষরের মিল মনে রেখে এটি সহজে দীর্ঘদিন মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ক্যারোলাস লিনিয়াসকে আধুনিক শ্রেণীবিন্যাসের জনক বলা হয় এবং তার প্রস্তাবিত দ্বিপদ নামকরণ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত।
- এই টপিক থেকে প্রায়ই পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে যে সিস্টেমা ন্যাচুরাই কার লেখা অথবা দ্বিপদ নামকরণের জনক কে।
সঠিক উত্তর: B) বনাঞ্চল অভয়ারণ্য
১. কেন সঠিক:
- ইন-সিটু বা স্থানীয় সংরক্ষণ বলতে জীববৈচিত্র্যকে তার নিজস্ব প্রাকৃতিক আবাসস্থলে রক্ষা করাকে বোঝায়। বনাঞ্চল অভয়ারণ্য হলো এমন একটি প্রাকৃতিক পরিবেশ যেখানে উদ্ভিদ ও প্রাণী স্বাধীনভাবে বসবাস করে।
- এই পদ্ধতিতে জীব তার নিজস্ব খাদ্য শৃঙ্খল ও প্রতিবেশ ব্যবস্থার মধ্যে থেকে বংশবৃদ্ধি ও বিকাশ লাভ করে, যা কৃত্রিম উপায়ে সম্ভব নয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ইন-সিটু সংরক্ষণ হলো প্রাকৃতিক পরিবেশে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করার সবচেয়ে কার্যকর বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি।
- কার্যপ্রণালি: এতে বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদকে তাদের নিজস্ব জন্মস্থান বা প্রাকৃতিক নিকেসে রেখেই সরকারি বা সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনা হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার বা সিলেট ও শ্রীমঙ্গলের বনাঞ্চলের বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ এভাবেই নিজ আবাসে সংরক্ষিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুন্দরবন জাতীয় উদ্যান
ব্যাখ্যা: এটি সুন্দরবনের গোলপাতা, সুন্দরী গাছ এবং বাঘের নিজস্ব প্রাকৃতিক আবাসস্থল, যেখানে কৃত্রিম হস্তক্ষেপ ছাড়াই জীববৈচিত্র্য টিকে থাকে।
উদাহরণ ২: লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একটি প্রাকৃতিক বনাঞ্চল যা বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের নিজস্ব আবাসস্থল হিসেবে ইন-সিটু সংরক্ষণের কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উদ্ভিদ উদ্যান — এটি এক্স-সিটু বা অস্থানিক সংরক্ষণের উদাহরণ, কারণ এখানে প্রাকৃতিকভাবে উদ্ভিদ জন্মায় না বরং কৃত্রিমভাবে সংগ্রহ করে আনা হয়।
B) বনাঞ্চল অভয়ারণ্য — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি জীবকুলের প্রাকৃতিক আবাসস্থলে সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
C) বীজ ব্যাংক — এটি এক্স-সিটু সংরক্ষণের উদাহরণ, যেখানে উদ্ভিদের বীজ কৃত্রিমভাবে কম তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা হয়।
D) চিড়িয়াখানা — এটি এক্স-সিটু বা অস্থানিক সংরক্ষণের উদাহরণ, যেখানে বিভিন্ন স্থান থেকে প্রাণী এনে কৃত্রিম পরিবেশে রাখা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইন মানে ভেতরে, তাই ইন-সিটু মানে নিজের ভেতরে বা নিজস্ব প্রাকৃতিক পরিবেশে সংরক্ষণ। আর এক্স মানে বাইরে, তাই এক্স-সিটু মানে প্রাকৃতিক পরিবেশের বাইরে কৃত্রিম উপায়ে সংরক্ষণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইন-সিটু এবং এক্স-সিটু সংরক্ষণের পার্থক্য থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। জাতীয় উদ্যান, অভয়ারণ্য ও বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ ইন-সিটু সংরক্ষণ এবং বোটানিক্যাল গার্ডেন, চিড়িয়াখানা ও জিন ব্যাংক এক্স-সিটু সংরক্ষণের উদাহরণ।
সঠিক উত্তর: B) ৬০ ডেসিবল
১. কেন সঠিক:
- ৬০ ডেসিবল বা তার অধিক মাত্রার শব্দ মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ক্ষমতার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে এবং পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট করে।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, আবাসিক এলাকায় দিনের বেলা শব্দের সহনীয় মাত্রা প্রায় ৪৫ ডেসিবল এবং রাতে প্রায় ৩৫ ডেসিবল।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: শব্দ দূষণ হলো এমন এক ধরনের অবাঞ্ছিত ও তীব্র শব্দ যা মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে এবং পরিবেশের স্বাভাবিক শান্তি বিঘ্নিত করে।
- কার্যপ্রণালি: অতিরিক্ত মাত্রার শব্দ কানের পর্দায় অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে এবং দীর্ঘস্থায়ী হলে কানের শ্রবণ কোষগুলোকে স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
- কারণ ও ফলাফল: ৬০ ডেসিবলের বেশি শব্দ মানুষের হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দেয়, উচ্চ রক্তচাপ সৃষ্টি করে এবং দীর্ঘমেয়াদে বধিরতা ও মানসিক অবসাদ ঘটায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাধারণ কথোপকথন বা শান্ত অফিসের পরিবেশের শব্দ প্রায় ৪০ থেকে ৫০ ডেসিবল হয়, যা মানুষের জন্য নিরাপদ।
ব্যাখ্যা: এটি নির্দেশ করে যে এই মাত্রার শব্দ আমাদের স্নায়ুতন্ত্রের ওপর কোনো ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না।
উদাহরণ ২: ব্যস্ত রাস্তার ট্রাফিক বা কারখানার মেশিনের শব্দ সাধারণত ৭০ থেকে ৯০ ডেসিবল পর্যন্ত হয়ে থাকে।
ব্যাখ্যা: এটি পরিবেশ দূষণের সৃষ্টি করে এবং মানুষের কানে বিরক্তি ও ক্লান্তি এনে দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪০ ডেসিবল — এটি ফিসফিস করে কথা বলা বা খুব শান্ত পরিবেশের শব্দ নির্দেশ করে, যা মানবদেহের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং দূষণমুক্ত।
B) ৬০ ডেসিবল — এটি পরিবেশ দূষণ সৃষ্টিকারী নিম্নসীমা হিসেবে গণ্য হয়, তাই এই অপশনটি সঠিক।
C) ৫০ ডেসিবল — সাধারণ ঘরের বা মৃদু শব্দের মাত্রা ৫০ ডেসিবলের কাছাকাছি থাকে, যা সরাসরি শব্দ দূষণ ঘটায় না।
D) ১০ ডেসিবল — এটি পাতার মর্মর শব্দ বা অত্যন্ত ক্ষীণ শব্দের মাত্রা, যা সাধারণ কান প্রায় শুনতে পায় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ৬০ সংখ্যাটি মনে রাখলেই বোঝা যায় যে ষাট ডেসিবল অতিক্রম করলেই শব্দের মাত্রা দূষণের পর্যায়ে পৌঁছে যায়।
- আবাসিক এলাকার শব্দের সীমার সঙ্গে ৬০ ডেসিবলের তুলনা করে এই মানটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শব্দ পরিমাপের একক হলো ডেসিবল বা dB।
- বিমান বন্দরের কাছাকাছি এলাকায় শব্দের মাত্রা অনেক বেশি হয়, যা প্রায় ১২০ ডেসিবল পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) জেরোফাইট
১. কেন সঠিক:
মরুভূমি বা অত্যন্ত শুষ্ক অঞ্চলে যেসব উদ্ভিদ জন্মায় এবং বেঁচে থাকে, তাদেরকে জেরোফাইট বা মরুজ উদ্ভিদ বলা হয়।
এই উদ্ভিদগুলো শুষ্ক পরিবেশে টিকে থাকার জন্য শারীরিক ও শারীরবৃত্তীয় বিশেষ অভিযোজন বা রূপান্তর ঘটিয়ে থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: জেরোফাইট হলো এমন উদ্ভিদ যা পানির চরম ঘাটতিযুক্ত মাটিতে জন্মে এবং বাষ্পমোচন রোধ করার বিশেষ কৌশল ধারণ করে।
কার্যপ্রণালি: এদের পাতা সাধারণত কাঁটায় রূপান্তরিত হয়, কান্ড মাংসল ও সবুজ হয় এবং পাতার উপরিভাগে পুরু কিউটিকলের আস্তরণ থাকে যা পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফণীমনসা বা ক্যাকটাস
ব্যাখ্যা: ক্যাকটাসের পাতাগুলো কাঁটায় রূপান্তরিত হওয়ায় বাষ্পমোচনের মাধ্যমে পানির অপচয় কমে যায় এবং কান্ডে পানি জমা থাকে।
উদাহরণ ২: অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী
ব্যাখ্যা: অ্যালোভেরা উদ্ভিদের মাংসল পাতায় প্রচুর পানি সংরক্ষিত থাকে যা মরুভূমির মতো শুষ্ক পরিবেশে টিকে থাকতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হ্যালোফাইট — হ্যালোফাইট হলো লবণাক্ত মাটিতে জন্ম নেওয়া উদ্ভিদ, যা উপকূলীয় অঞ্চলে বা সুন্দরবনের মতো এলাকায় জন্মায়।
B) জেরোফাইট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উদ্ভিদগুলো মরুভূমির শুষ্ক পরিবেশে জন্মাতে বিশেষভাবে অভিযোজিত।
C) হাইড্রোফাইট — হাইড্রোফাইট হলো জলজ উদ্ভিদ, যা পানিতে বা আর্দ্র জলীয় পরিবেশে সম্পূর্ণ বা আংশিক নিমজ্জিত থাকে।
D) মেসোফাইট — মেসোফাইট হলো সাধারণ মাঝারি মানের পানিযুক্ত মাটিতে জন্ম নেওয়া উদ্ভিদ, যেমন আম বা কাঁঠাল গাছ।
৫. মনে রাখার টিপস:
মরুভূমিতে পানির জিরো বা শূন্য অবস্থা থাকে, তাই মরুভূমির উদ্ভিদকে জেরোফাইট বলা হয়।
নামের শুরুতে থাকা জেরো শব্দটিকে জিরো বা শূন্য পানির সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সুন্দরবনের সুন্দরী বা গেওয়া গাছ কোন ধরনের উদ্ভিদ, এই প্রশ্ন প্রায়ই আসে এবং এর উত্তর হবে হ্যালোফাইট।
উদ্ভিদের পরিবেশগত অভিযোজন সংক্রান্ত এই প্রশ্নগুলো বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় নিয়মিত দেখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) পাতায়
১. কেন সঠিক:
- উদ্ভিদের পাতায় ক্লোরোপ্লাস্ট নামক অঙ্গাণু এবং ক্লোরোফিল নামক রঞ্জক পদার্থ থাকে যা সূর্যালোক শোষণ করে।
- এই ক্লোরোফিলের সাহায্যে পাতা পরিবেশ থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং মূলের মাধ্যমে শোষিত জল একত্রিত করে খাদ্য প্রস্তুত করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: সালোকসংশ্লেষণ হলো এমন একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোকে রঞ্জক পদার্থের সাহায্যে জল এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড থেকে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে।
- কার্যপ্রণালি: পাতার মেসোফিল টিস্যুতে অবস্থিত ক্লোরোপ্লাস্টে সৌরশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং জলের আলোক বিশ্লেষণ ঘটে।
- কারণ ও ফলাফল: এই প্রক্রিয়ায় উপজাত হিসেবে অক্সিজেন নির্গত হয় যা পৃথিবীর জীবকুলের শ্বসনের জন্য অত্যন্ত জরুরি এবং গ্লুকোজ উৎপন্ন হয় যা উদ্ভিদের খাদ্য হিসেবে জমা থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আম গাছের সবুজ পাতা।
ব্যাখ্যা: আম গাছের সবুজ পাতা প্রতিনিয়ত সূর্যালোক ব্যবহার করে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে গাছকে বাঁচিয়ে রাখে।
উদাহরণ ২: ঘরের ভেতর রাখা ইনডোর প্ল্যান্ট।
ব্যাখ্যা: ঘরের ভেতর পর্যাপ্ত আলো না পেলে গাছের পাতা সালোকসংশ্লেষণ করতে পারে না এবং একসময় খাদ্য অভাবে উদ্ভিদ মারা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফুলে — ফুল উদ্ভিদের প্রজনন অঙ্গ এবং এতে পরাগায়ন ঘটে, তাই এটি সালোকসংশ্লেষণের প্রধান স্থান নয়।
B) মূলে — মূল মাটি থেকে জল ও খনিজ লবণ শোষণ করে এবং মাটির নিচে থাকে বলে সেখানে সূর্য পৌঁছায় না।
C) কাণ্ডে — কাণ্ড সাধারণত উদ্ভিদকে সহায়তা ও পরিবহনের কাজ করে, তবে কিছু ক্যাকটাসের মতো উদ্ভিদের কাণ্ড সবুজ হলে তা সালোকসংশ্লেষণ করতে পারে।
D) পাতায় — পাতায় প্রচুর পরিমাণ ক্লোরোপ্লাস্ট ও স্টোমাটা থাকায় এটি সালোকসংশ্লেষণের প্রধান ও আদর্শ স্থান।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সালোকসংশ্লেষণ মানেই উদ্ভিদের রান্নাঘর এবং উদ্ভিদের এই রান্নাঘর প্রধানত তার সবুজ পাতাতেই অবস্থিত।
- ক্লোরোফিল আছে বলেই পাতা সবুজ হয় এবং পাতা খাবার তৈরি করতে পারে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সালোকসংশ্লেষণে কোন গ্যাস নির্গত হয় এবং কোন গ্যাস গৃহিত হয় তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- উদ্ভিদের কোন কোষে সালোকসংশ্লেষণ ঘটে এবং উপজাত হিসেবে কী উৎপন্ন হয় তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয়
১. কেন সঠিক:
প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে উত্তর আমেরিকা দেওয়া হলেও বৈজ্ঞানিক তথ্য অনুযায়ী লাং ফিশ উত্তর আমেরিকায় পাওয়া যায় না। লাং ফিশ মূলত আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়ায় প্রাকৃতিকভাবে বসবাস করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: লাং ফিশ হলো এমন এক ধরনের মাছ যাদের ফুলকার পাশাপাশি ফুসফুস রয়েছে যা তাদের জলবায়ুর পরিবর্তন বা পানির শুষ্ক মৌসুমে বেঁচে থাকতে সাহায্য করে।
কার্যপ্রণালি: এরা ফুলকার সাহায্যে পানিতে শ্বাস নেওয়ার পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে কাদা বা মাটির নিচে কোকুন তৈরি করে ফুসফুসের মাধ্যমে বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে বেঁচে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আফ্রিকান লাং ফিশ।
ব্যাখ্যা: এরা আফ্রিকার শুষ্ক অঞ্চলে পানির অভাব দেখা দিলে মাটির নিচে সুপ্তাবস্থায় বা এস্টিভেশনে চলে যায় এবং ফুসফুস দিয়ে শ্বাস নেয়।
উদাহরণ ২: অস্ট্রেলিয়ান লাং ফিশ।
ব্যাখ্যা: এরা অস্ট্রেলিয়ার নদী অঞ্চলে পাওয়া যায় এবং তুলনামূলক বেশি জলীয় পরিবেশে বাস করলেও ফুসফুসের সাহায্যে বাতাস থেকে শ্বাস নিতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দক্ষিণ আমেরিকা — দক্ষিণ আমেরিকাতে লেপিডোসিরেন গণের লাং ফিশ প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায় তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়।
B) এশিয়া — এশিয়া মহাদেশে কোনো প্রাকৃতিক লাং ফিশ পাওয়া যায় না কারণ এখানকার জলবায়ু এদের জন্য উপযুক্ত নয়।
C) উত্তর আমেরিকা — উত্তর আমেরিকায় কোনো লাং ফিশ পাওয়া যায় না এবং প্রদত্ত উত্তরে এটি ভুলবশত সঠিক বলা হয়েছে।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা বা অস্ট্রেলিয়া হতে পারে এবং তা অপশনে নেই, তাই এটিই সঠিক বিকল্প।
৫ মনে রাখার টিপস:
লাং ফিশের ভৌগোলিক বিস্তার মনে রাখতে ৩-এ সূত্র ব্যবহার করতে পারো, যার অর্থ হলো এটি ৩টি মহাদেশ যথা আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকায় পাওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
লাং ফিশ হলো মাছ ও উভচর প্রাণীর মধ্যকার একটি বিবর্তনীয় সংযোগকারী সেতু বা মিসিং লিংক।
এই টপিক থেকে মাছের ফুসফুসীয় শ্বাসকার্য বা বিবর্তন নিয়ে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) সূর্য
১. কেন সঠিক:
পৃথিবীতে শক্তির প্রাথমিক ও মূল উৎস হলো সূর্য। সূর্যের অভ্যন্তরে প্রতিনিয়ত নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রচুর শক্তি উৎপন্ন হয় যা আলো ও তাপ হিসেবে মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: সূর্যের কেন্দ্রভাগে হাইড্রোজেন পরমাণু একত্রিত হয়ে হিলিয়াম গঠন করে এবং প্রচুর শক্তি নির্গত করে।
কার্যপ্রণালি: এই সৌরশক্তি আলো ও তাপ আকারে পৃথিবীতে আসে এবং পৃথিবীর জলবায়ু, আবহাওয়া ও জীবনের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখে।
বাস্তব প্রয়োগ: সোলার প্যানেল ব্যবহার করে সৌরশক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া।
ব্যাখ্যা: উদ্ভিদ সূর্যের আলোর উপস্থিতিতে খাদ্য তৈরি করে, যা সমগ্র জীবজগতের খাদ্যশৃঙ্খলের ভিত্তি।
উদাহরণ ২: জলচক্র ও বায়ুপ্রবাহ।
ব্যাখ্যা: সূর্যের তাপে সমুদ্রের পানি বাষ্পীভূত হয়ে মেঘ হয় এবং পরবর্তীতে বৃষ্টিপাত ঘটে ও বায়ুপ্রবাহ সৃষ্টি হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কয়লা — এটি জীবাশ্ম জ্বালানি, যা মূলত প্রাচীন উদ্ভিদের দেহাবশেষ থেকে তৈরি এবং এর মূল উৎসও অতীতে সঞ্চিত সৌরশক্তি।
B) সূর্য — সঠিক উত্তর, কারণ এটি সব শক্তির মূল উৎস।
C) গ্যাস — প্রাকৃতিক গ্যাস এক প্রকার জীবাশ্ম জ্বালানি এবং এটি শক্তির প্রধান উৎস নয়, বরং শক্তির একটি মাধ্যম।
D) জৈব পদার্থ — জৈব পদার্থ শক্তি ধারণ করতে পারে কিন্তু এটি শক্তির মূল বা প্রাথমিক উৎস নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
জীবনের চাকা সচল রাখতে এবং সব শক্তির উৎস মনে রাখতে মনে রাখবে আলো ও জীবনের কেন্দ্রবিন্দু হলো সূর্য।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শক্তির রূপান্তর এবং নবায়নযোগ্য শক্তি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। সৌরশক্তি একটি অন্যতম প্রধান নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।
সঠিক উত্তর: B) অ্যালুমিনিয়াম
১. কেন সঠিক:
পৃথিবীর ভূ-ত্বক বা ক্রাস্ট মূলত বিভিন্ন মৌলের যৌগ নিয়ে গঠিত। ভর অনুপাতে ভূ-ত্বকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে রয়েছে অক্সিজেন, তারপরে সিলিকন এবং তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ধাতু হিসেবে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যাওয়া মৌল অ্যালুমিনিয়াম।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ভূ-ত্বক বা ক্রাস্ট হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বাইরের শক্ত স্তর যা শিলা ও খনিজ পদার্থ দিয়ে গঠিত।
কারণ ও ফলাফল: ভূ-ত্বকের গঠনকারী প্রধান মৌলগুলোর শতকরা পরিমাণ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় অক্সিজেনের পরিমাণ প্রায় ছেচল্লিশ শতাংশ, সিলিকনের পরিমাণ প্রায় আঠারো শতাংশ এবং অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ প্রায় আট শতাংশ।
বাস্তব প্রয়োগ: অ্যালুমিনিয়াম ভূ-ত্বকে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া গেলেও এটি সরাসরি মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় না, বরং বক্সাইট নামক আকরিক থেকে নিষ্কাশন করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাটির নিচের শিলা ও বালি গঠন।
ব্যাখ্যা: বালি মূলত সিলিকন ডাই-অক্সাইড, যা ভূ-ত্বকের দ্বিতীয় প্রধান উপাদান সিলিকনের প্রাচুর্য নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: বিমানের বডি তৈরি।
ব্যাখ্যা: ভূ-ত্বকে প্রচুর পরিমাণে প্রাপ্ত অ্যালুমিনিয়াম হালকা ও শক্তিশালী হওয়ার কারণে বিমান ও রান্নার তৈজসপত্র তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লৌহ — এটি ভূ-ত্বকের চতুর্থ প্রধান মৌল এবং এর পরিমাণ প্রায় পাঁচ শতাংশ, তাই এটি তৃতীয় সর্বোচ্চ নয়।
B) অ্যালুমিনিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভূ-ত্বকে অক্সিজ ও সিলিকনের পরেই এর অবস্থান।
C) অক্সিজেন — এটি ভূ-ত্বকের মধ্যে প্রথম সর্বোচ্চ মৌল যার পরিমাণ প্রায় ছেচল্লিশ শতাংশ।
D) সিলিকন — এটি ভূ-ত্বকের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৌল যার পরিমাণ প্রায় আঠারো শতাংশ।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভূ-ত্বকের উপাদানগুলো মনে রাখার সহজ বাংলা ছন্দ হলো অসিয়ালো লোহা, যার অর্থ অক্সিজেন, সিলিকন, অ্যালুমিনিয়াম এবং লোহা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। এখান থেকে ভিন্নভাবে প্রশ্ন হতে পারে যে ভূ-ত্বকে কোন ধাতু সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়, যার উত্তর হবে অ্যালুমিনিয়াম।
সঠিক উত্তর: C) ভূট্টা
১. কেন সঠিক:
- ক্রানজ এনাটমি হলো সি ফোর উদ্ভিদের পাতার বিশেষ анатоми বা অভ্যন্তরীণ গঠন, যা ভূট্টার মতো উদ্ভিদে পাওয়া যায়।
- এই গঠনে ভাস্কুলার বান্ডল বা পরিবাহক বান্ডলগুলো বড় আকারের পেঁয়াজাসদৃশ বা কুন্ডলাকার ক্লোরোপ্লাস্টযুক্ত বান্ডল শিথ বা আবরণী কোষ দ্বারা ঘেরা থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ক্রানজ এনাটমি হলো সি ফোর উদ্ভিদের পাতার এমন একটি শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য, যা তীব্র আলো ও উষ্ণ তাপমাত্রায় সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াকে অধিক কার্যকর করে।
- কার্যপ্রণালি: পাতার মেসোফিল কোষে প্রথমে ফোর কার্বযুক্ত অক্সালোএসিটিক অ্যাসিড উৎপন্ন হয় এবং পরে তা বান্ডল শিথ কোষে স্থানান্তরিত হয়ে ক্যালভিন চক্র সম্পন্ন করে।
- কারণ ও ফলাফল: এই বিশেষ কাঠামোর কারণে উদ্ভিদের ফটোরেসপিরেশন বা সালোকসংশ্লেষণী শ্বসন প্রক্রিয়া হ্রাস পায় এবং উদ্ভিদের জৈববস্তু উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভুট্টা গাছ
ব্যাখ্যা: ভুট্টা হলো একটি আদর্শ সি ফোর উদ্ভিদ, যার পাতার প্রস্থচ্ছেদে স্পষ্টভাবে ক্রানজ এনাটমি বা কুন্ডলাকার বিন্যাস দেখা যায়।
উদাহরণ ২: আক বা আখ
ব্যাখ্যা: আখ উদ্ভিদেও ক্রানজ এনাটমি বিদ্যমান থাকে, যা এদের প্রখর রোদেও উচ্চ মাত্রায় শর্করা তৈরি করতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধান — এটি একটি সি থ্রি উদ্ভিদ, তাই এর পাতায় ক্রানজ এনাটমি দেখা যায় না এবং এর পাতার অভ্যন্তরীণ গঠন সাধারণ প্রকৃতির হয়।
B) আম — আম গাছ দ্বিবীজপত্রী এবং সি থ্রি উদ্ভিদ শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত, ফলে এর পাতায় সি ফোর উদ্ভিদের মতো ক্রানজ এনাটমি অনুপস্থিত থাকে।
C) ভূট্টা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ভুট্টা হলো সি ফোর উদ্ভিদ এবং এর পাতার শিরাগুলো ক্রানজ এনাটমি বা বিশেষ বান্ডল শিথ দ্বারা গঠিত।
D) জাম — জাম একটি কাষ্ঠল সি থ্রি উদ্ভিদ, যার পাতার অভ্যন্তরীণ গঠনে ক্রানজ এনাটমির পরিবর্তে সাধারণ মেসোফিল টিস্যু বিন্যাস থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সি ফোর উদ্ভিদের নাম মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ভুট্টা ও আক হলো সি ফোর উদ্ভিদ এবং এদের পাতায় ক্রানজ এনাটমি থাকে।
- ক্রানজ শব্দটি জার্মান ভাষা থেকে এসেছে যার অর্থ পুষ্পস্তবক বা রিং, যা পাতার ভেতরের গোল রিং আকৃতির কোষ বিন্যাসকে বোঝায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সি ফোর উদ্ভিদের উদাহরণ এবং ক্রানজ এনাটমির বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
- সি থ্রি উদ্ভিদের উদাহরণ হিসেবে ধান, গম, পাট এবং সি ফোর উদ্ভিদের উদাহরণ হিসেবে ভুট্টা, আখ ও জোয়ার পরীক্ষার্থীদের ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ০ থেকে ১৪
১. কেন সঠিক:
পিএইচ স্কেল মূলত কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়নের ঘনমাত্রা পরিমাপ করার একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি।
এই স্কেলের সর্বনিম্ন মান শূন্য এবং সর্বোচ্চ মান চৌদ্দ পর্যন্ত নির্ধারিত থাকে, যেখানে সাত হলো নিরপেক্ষ বিন্দু।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: পিএইচ মানে হলো হাইড্রোজেনের শক্তি বা পোটেনশিয়াল অব হাইড্রোজেন।
কার্যপ্রণালি: শূন্য থেকে সাতের নিচে পর্যন্ত অম্লীয় পরিবেশ, ঠিক সাত হলো নিরপেক্ষ এবং সাতের ওপর থেকে চৌদ্দ পর্যন্ত ক্ষারীয় পরিবেশ নির্দেশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিশুদ্ধ পানির পিএইচ মান ঠিক সাত।
ব্যাখ্যা: এটি অম্লীয়ও নয় আবার ক্ষারীয়ও নয়, তাই পানি একটি নিরপেক্ষ তরল হিসেবে গণ্য হয়।
উদাহরণ ২: পাতিলেবুর রসের পিএইচ মান সাধারণত দুই এর কাছাকাছি।
ব্যাখ্যা: এটি নির্দেশ করে লেবুর রস অত্যন্ত শক্তিশালী একটি অম্ল জাতীয় পদার্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ থেকে ১৫ — এই পরিসরটি বৈজ্ঞানিক নিয়ম অনুযায়ী পিএইচ স্কেলের সঠিক মান নির্ধারণ করে না কারণ এর শেষ সীমা চৌদ্দ পর্যন্ত নির্দিষ্ট।
B) ০ থেকে ১৪ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এটি সর্বজনস্বীকৃত প্রমাণসম্মত পিএইচ স্কেলের পরিমাপ সীমা।
C) ০ থেকে ২০ — এই সীমার মানটি পিএইচ স্কেলের সঙ্গে কোনোভাবেই মিল নয় এবং এটি একটি কাল্পনিক বা ভুল পরিসর।
D) ২ থেকে ১৪ — এই পরিসরে শূন্য থেকে একের ঘর অনুপস্থিত থাকায় এটি পিএইচ স্কেলের সম্পূর্ণ মাপকাঠি প্রকাশ করতে পারে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
পিএইচ স্কেলের ঘর মনে রাখার সহজ উপায় হলো হাত তালির মতো শূন্য থেকে শুরু করে চৌদ্দ পর্যন্ত গুনে যাওয়া।
মাঝের সংখ্যা সাত হলো নিরপেক্ষ বিন্দু যা মনে রাখলে অম্ল ও ক্ষার আলাদা করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পিএইচ স্কেলের মান সাতের কম হলে তাকে অম্ল এবং সাতের বেশি হলে তাকে ক্ষার বলা হয়।
এই অধ্যায় থেকে প্রায়ই বিভিন্ন দ্রব্যের পিএইচ মান বা অম্লত্বের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) লাল
১. কেন সঠিক:
উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রიয়ায় সূর্যালোকের অদৃশ্য শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর করে খাদ্য তৈরি করে। দৃশ্যমান আলোর বিভিন্ন তরঙ্গের মধ্যে লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণে অংশগ্রহণকারী ক্লোরোফিল অণু সবচেয়ে বেশি পরিমাণ আলো শোষণ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: সালোকসংশ্লেষণ হলো এমন একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোক, পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের সাহায্যে গ্লুকোজ জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে।
কার্যপ্রণালি: দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীর লাল আলো প্রায় ৬৪০ থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার তরঙ্গের হয়ে থাকে, যা ক্লোরোফিল এ এবং ক্লোরোফিল বি রঞ্জক পদার্থ দ্বারা সর্বাধিক পরিমাণে শোষিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কৃষিকাজে গ্রীনহাউসে বা কৃত্রিম আলোতে চাষাবাদের সময় লাল এবং নীল আলোর LED বাতি ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণের হার বৃদ্ধি করে দ্রুত বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: একটি গাছের পাতার ওপর লাল রঙের আবেশ ফেললে উদ্ভিদের বৃদ্ধির হার হলুদ বা সবুজ আলোর তুলনামূলক বেশি হয়।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে লাল আলো সালোকসংশ্লেষণে সবচেয়ে বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কমলা — কমলা আলো দৃশ্যমান বর্ণালীর একটি অংশ হলেও ক্লোরোফিল এটি লাল বা নীল আলোর মতো দক্ষতার সাথে শোষণ করতে পারে না। ফলে এতে সালোকসংশ্লেষণের হার কম হয়।
B) বেগুনী — বেগুনী আলোতে সালোকসংশ্লেষণ ঘটে তবে লাল আলোর তুলনায় এর কার্যকারিতা কম কারণ উদ্ভিদ রঞ্জকগুলো এই তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম শোষণ করে।
C) লাল — এই অপশনটি সঠিক কারণ লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য উদ্ভিদের ক্লোরোফিল দ্বারা সর্বাধিক শোষিত হয় এবং সালোকসংশ্লেষণের হার সবচেয়ে বেশি থাকে।
D) হলুদ — হলুদ আলো উদ্ভিদের ক্লোরোফিল খুব একটা শোষণ করতে পারে না, তাই হলুদ আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সর্বনিম্ন পর্যায়ে সংঘটিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সালোকসংশ্লেষণে লাল ও নীল আলো সেরা, আর লালেই হয় সবচেয়ে বেশি খেরা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
দৃশ্যমান আলোর মধ্যে সবুজ আলো সালোকসংশ্লেষণে সবচেয়ে কম ব্যবহৃত হয় কারণ পাতা সবুজ আলোকে প্রতিফলিত করে।
কোন আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে কম হয়, এই প্রশ্ন আস লেও উত্তর হবে সবুজ আলো।
সঠিক উত্তর: C) Panthera tigris
১. কেন সঠিক:
- রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বৈজ্ঞানিক নাম হলো প্যানথেরা টাইগ্রিস যা দ্বিপদ নামকরণ নীতির মাধ্যমে নির্ধারিত।
- কার্ল লিনিয়াস প্রবর্তিত এই নিয়মে প্রথম শব্দটি গণ এবং দ্বিতীয় শব্দটি প্রজাতি নির্দেশ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: জীবজগতের প্রতিটি প্রাণীকে আন্তর্জাতিকভাবে নির্দিষ্ট করার জন্য দুটি ল্যাটিন পদের মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক নাম দেওয়া হয়।
- কার্যপ্রণালি: প্যানথেরা গণভুক্ত প্রাণীগুলো সাধারণত বড় আকারের গর্জনকারী বিড়াল জাতীয় হয়ে থাকে এবং টাইগ্রিস শব্দটি বাঘ প্রজাতিকে বিশেষভাবে চিহ্নিত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম হোমোজাপিয়েন্স।
ব্যাখ্যা: এখানে হোমো হলো গণ এবং সাপিয়েন্স হলো প্রজাতি।
উদাহরণ ২: আমের বৈজ্ঞানিক নাম ম্যাঙ্গিফেরা ইন্ডিকা।
ব্যাখ্যা: এটি উদ্ভিদের ক্ষেত্রে দ্বিপদ নামকরণের একটি ক্লাসিক উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Panthera pardus — এটি চিতাবাঘের বৈজ্ঞানিক নাম।
B) Platanista gangetica — এটি সুশুক বা গাঙ্গেয় ডলফিনের বৈজ্ঞানিক নাম।
C) Panthera tigris — এটি রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বৈজ্ঞানিক নাম এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) Panthera leopard — এটি কোনো সঠিক ও গ্রহণযোগ্য দ্বিপদ নাম নয় কারণ লেপার্ডের সঠিক নাম প্যানথেরা পারডুস।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাঘের নামের শেষে টাইগ্রিস শব্দটি থাকে যা টাইগার শব্দের সঙ্গে মিলে যায়।
প্যানথেরা অংশটি সিংহ ও চিতাবাঘের বেলাতেও ব্যবহৃত হয় তাই প্রজাতি অংশটি মনে রাখা জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জাতীয় প্রতীক ও প্রাণীসমূহের বৈজ্ঞানিক নাম প্রায়ই আসে।
রয়েল বেঙ্গল টাইগার বাংলাদেশের জাতীয় পশু এবং এর বৈজ্ঞানিক নাম মুখস্থ রাখা বাধ্যতামূলক।
সঠিক উত্তর: B) তিমি হাঙর
১. কেন সঠিক:
- তিমি হাঙর হলো পৃথিবীর বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় মাছ, যা কার্টিলাজিনিয়াস বা তরুণাস্থিময় মাছ পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।
- এটি মাছের শ্রেণীতে পড়লেও এর বিশাল আকৃতি তিমি মাছের মতো হওয়ায় একে তিমি হাঙর বলা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: মাছ হলো জলচর মেরুদণ্ডী প্রাণী যা ফুলকার সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায় এবং ডানার সাহায্যে সাঁতার কাটে।
- কার্যপ্রণালি: তিমি হাঙর প্ল্যাংকটন বা অতি ক্ষুদ্র জলজ প্রাণী ফিল্টার করে খায় এবং বিশাল মুখ হাঁ করে পানি ছেঁকে খাদ্য গ্রহণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিমি হাঙরের আকার
ব্যাখ্যা: একটি পূর্ণাঙ্গ তিমি হাঙর প্রায় ১২ মিটার বা তার বেশি দীর্ঘ হতে পারে, যা একটি বড় বাসের সমান।
উদাহরণ ২: হাঙরের কঙ্কাল
ব্যাখ্যা: তিমি হাঙরের কঙ্কাল শক্ত হাড় দিয়ে নয়, বরং নমনীয় তরুণাস্থি দিয়ে গঠিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নীল তিমি — এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রাণী হলেও মাছ নয়, এটি স্তন্যপায়ী প্রাণী।
B) তিমি হাঙর — এটি সঠিক উত্তর এবং পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মাছ।
C) সামুদ্রিক সানফিশ — এটি সবচেয়ে ভারী অস্থিময় মাছ, কিন্তু তিমি হাঙরের চেয়ে আকারে অনেক ছোট।
D) তুনা মাছ — এটি অত্যন্ত দ্রুতগামী মাছ হলেও আকৃতিতে তিমি হাঙরের তুলনায় অত্যন্ত ক্ষুদ্র।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মাছের মধ্যে রাজা হলো তিমি হাঙর এবং স্তন্যপায়ী প্রাণীর মধ্যে রাজা হলো নীল তিমি।
- এই দুটি নাম প্রায়ই পরীক্ষায় কনফিউশন তৈরি করে, তাই মাছ বললে তিমি হাঙর আর প্রাণী বললে নীল তিমি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রশ্নটি প্রাণিবিজ্ঞান এবং সাধারণ জ্ঞান অংশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- প্রায়ই প্রশ্ন আসে তিমি হাঙর কোন শ্রেণীর প্রাণী, যার উত্তর হবে তরুণাস্থিময় মাছ।
সঠিক উত্তর: D) Trochlear
১. কেন সঠিক:
- ট্রকলিয়ার (Trochlear) স্নায়ু মানুষের চতুর্থ করোটিক স্নায়ু যা চোখের সুপিরিয়র অব্লিক পেশীর সঞ্চালন নিয়ন্ত্রণ করে।
- এই স্নায়ু চোখের বলকে নিচের দিকে ও ভেতরের দিকে ঘোরাতে সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: করোটিক স্নায়ু হলো সেই স্নায়ু যা সরাসরি মস্তিষ্ক থেকে উৎপন্ন হয়ে মাথা ও ঘাড়ের বিভিন্ন অংশে সংকেত পাঠায়। মানবদেহে মোট ১২ জোড়া করোটিক স্নায়ু রয়েছে।
- কার্যপ্রণালি: ট্রকলিয়ার স্নায়ু মস্তিষ্কের মিডব্রেন অংশ থেকে উৎপন্ন হয়ে চোখের অক্ষিকোটরে প্রবেশ করে এবং নির্দিষ্ট পেশীকে উদ্দীপিত করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: চোখকে ওপর-নিচ বা পাশ থেকে পাশে ঘোরানোর সময় এই স্নায়ুগুলোর সুনির্দিষ্ট সমন্বয় ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিড়ি দিয়ে নামার সময় চোখ নিচে নামানো।
ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় ট্রকলিয়ার স্নায়ু চোখের সুপিরিয়র অব্লিক পেশীকে সংকুচিত করে দৃষ্টি নিচে নামাতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: নাকের ডগার দিকে একদৃষ্টিতে তাকানো।
ব্যাখ্যা: এই বিশেষ দৃষ্টির সঞ্চালনে ট্রকলিয়ার স্নায়ু চোখের পেশীর ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Olfactory — এটি প্রথম করোটিক স্নায়ু যা গন্ধ গ্রহণের সাথে সম্পর্কিত এবং নাকের ঘ্রাণঝিল্লি থেকে মস্তিষ্কে সংকেত পাঠায়।
B) Optic — এটি দ্বিতীয় করোটিক স্নায়ু যা দৃষ্টিশক্তি বা চোখের দেখার অনুভূতির সাথে সম্পর্কিত এবং রেটিনা থেকে মস্তিষ্কে আলো পৌঁছে দেয়।
C) Vagus — এটি দশম করোটিক স্নায়ু যা হৃদস্পন্দন, পরিপাক এবং ফুসফুসের মতো অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর স্বয়ংক্রিয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
D) Trochlear — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি চোখের পেশী সঞ্চালনের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- করোটিক স্নায়ু মনে রাখার জন্য এদের উৎপত্তি ও কাজ ক্রমানুসারে মনে রাখা সহজ। চতুর্থ স্নায়ু ট্রকলিয়ার চোখের পেশী সঞ্চালনে কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মানবদেহের দীর্ঘতম ও সবচেয়ে জটিল করোটিক স্নায়ু কোনটি এবং কোন স্নায়ু চোখের পেশী সঞ্চালনে সাহায্য করে, তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) Cnidaria
১. কেন সঠিক:
- প্রবাল হলো সামুদ্রিক অমেরুদণ্ডী প্রাণী যা Cnidaria বা নিডারিয়া ফাইলামের অন্তর্ভুক্ত।
- এই ফাইলামের প্রাণীদের দেহে বিশেষ ধরনের নিডোব্লাস্ট কোষ থাকে যা শিকার ধরতে ও আত্মরক্ষায় সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: নিডারিয়া ফাইলামের প্রাণীরা জলজ, সাধারণত সামুদ্রিক এবং অরীয় প্রতিসম হয়।
- কার্যপ্রণালি: প্রবাল পলিপ নামক ক্ষুদ্র নরম দেহের প্রাণী হিসেবে ক্যালসিয়াম কার্বনেট নিঃসরণ করে শক্ত কঙ্কাল তৈরি করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: প্রবাল জমে সামুদ্রিক প্রবাল প্রাচীর বা কোরাল রিফ গঠিত হয় যা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সেন্ট মার্টিন দ্বীপের জীববৈচিত্র্য।
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনে প্রচুর প্রবাল দেখা যায় যা সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষা করে।
উদাহরণ ২: গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ।
ব্যাখ্যা: অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে অবস্থিত এটি বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর যা মহাকাশ থেকেও দৃশ্যমান এবং নিডারিয়া প্রাণীদের দ্বারা গঠিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Porifera — এটি স্পঞ্জ জাতীয় ছিদ্রযুক্ত অমেরুদণ্ডী প্রাণীদের ফাইলাম, প্রবাল এইভুক্ত নয়।
B) Cnidaria — এটি সঠিক উত্তর।
C) Annelida — এটি নলাকার ও খণ্ডিত দেহবিশিষ্ট প্রাণী যেমন কেঁচোর ফাইলাম, প্রবাল এতে থাকে না।
D) Arthropoda — এটি সন্ধিপদ প্রাণী যেমন পোকামাকড় ও চিংড়ির বৃহত্তম ফাইলাম।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নিডারিয়া ফাইলামের নামের শুরুতে নিডোব্লাস্ট কোষের কথা মনে রাখতে পারো যা প্রবালের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- প্রবাল হলো পাথর নয়, বরং এক ধরনের ক্ষুদ্র সামুদ্রিক প্রাণী যা কঙ্কাল জমা করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রবাল প্রাচীরকে সমুদ্রের রেইনফরেস্ট বলা হয় কারণ এখানে প্রচুর সামুদ্রিক প্রজাতি বাস করে।
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে সেন্ট মার্টিন কী ধরনের দ্বীপ বা প্রবাল কোন ফাইলামের অন্তর্গত।
সঠিক উত্তর: C) প্লাঙ্ক
১. কেন সঠিক:
আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবর্তক হলেন জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক। তিনি ১৯০০ সালে প্রস্তাব করেন যে শক্তি অবিচ্ছিন্নভাবে নয়, বরং ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তির প্যাকেট বা কোয়ান্টা হিসেবে নির্গত বা শোষিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: শক্তির অবিচ্ছিন্ন প্রবাহের ধারণা ভুল প্রমাণিত করে প্ল্যাঙ্ক দেখান শক্তি বিচ্ছিন্ন একক হিসেবে বিনিময় হয়।
তত্ত্ব: প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব অনুসারে শক্তির পরিমাণ আলোর কম্পাঙ্কের সমানুপাতিক এবং সমানুপাতিক ধ্রুবক হলো প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আলোক তড়িৎ ক্রিয়া।
ব্যাখ্যা: আলোর কোয়ান্টাম স্বরূপ ব্যাখ্যার জন্যই আইনস্টাইন আলোক তড়িৎ ক্রিয়া সফলভাবে ব্যাখ্যা করতে পেরেছিলেন।
উদাহরণ ২: কৃষ্ণকায়া বিকিরণ।
ব্যাখ্যা: উত্তপ্ত বস্তু থেকে শক্তি কীভাবে নির্গত হয় তা প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের মাধ্যমে প্রথম সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউটন — নিউটন আলোর কণিকা তত্ত্ব বা করপাসকুলার তত্ত্বের প্রবর্তক ছিলেন, কোয়ান্টাম তত্ত্বের নন।
B) হাইগেনস — ক্রিশ্চিয়ান হাইগেনস আলোর তরঙ্গ তত্ত্বের প্রবর্তক ছিলেন, যা কোয়ান্টাম তত্ত্ব থেকে আলাদা।
C) প্লাঙ্ক — ম্যাক্স প্লাঙ্ক আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবর্তক এবং এই অপশনটি সঠিক।
D) ম্যাক্সওয়েল — জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল আলোর তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ তত্ত্বের প্রবর্তক ছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
কোয়ান্টাম তত্ত্ব মানেই প্যাকেটের শক্তি, আর এই প্যাকেট বা কুঁচি বানানোর কারিগর হলেন প্ল্যাঙ্ক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ১৯১৮ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। একই রকম প্রশ্ন আসতে পারে আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার জন্য কে নোবেল পান।
সঠিক উত্তর: B) Local Area Network
১. কেন সঠিক:
LAN কথাটির পূর্ণরূপ হলো Local Area Network, যার বাংলা অর্থ হলো স্থানীয় এলাকানিউজ নেটওয়ার্ক।
সীমিত ভৌগোলিক এলাকার মধ্যে কম্পিউটারগুলো যুক্ত করার জন্য এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: একটি নির্দিষ্ট ভবন, অফিস কক্ষ বা ক্যাম্পাসের ভেতরের কম্পিউটারগুলোকে নিজেদের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করার জন্য যে নেটওয়ার্কে যুক্ত করা হয় তাকে LAN বলে।
কার্যপদ্ধতি: এই নেটওয়ার্কে তারের মাধ্যমে বা ওয়াইফাই প্রযুক্তির সাহায্যে সুইচ বা হাবের সাথে কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত থাকে।
ব্যবহার: অফিস, ব্যাংক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বাসাবাড়ির কম্পিউটার ও প্রিন্টার একে অপরের সাথে যুক্ত করতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
পার্থক্য: বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত নেটওয়ার্ক অর্থাৎ WAN এর তুলনায় LAN এর আওতাধীন এলাকা অনেক ছোট এবং এর ডেটা স্থানান্তরের গতি অনেক বেশি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব।
ব্যাখ্যা: ল্যাবের ভেতরের সব কম্পিউটার একটি কেন্দ্রীয় সার্ভারের সাথে যুক্ত থাকে যাতে শিক্ষার্থীরা সহজেই ফাইল শেয়ার করতে পারে।
উদাহরণ ২: একটি ব্যাংকের শাখা অফিস।
ব্যাখ্যা: ওই শাখার সব কম্পিউটার ও প্রিন্টার একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে যাতে ব্যাংকিং কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Large area Network — এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড নেটওয়ার্কের নাম নয়, এমন কোনো প্রযুক্তিগত পরিভাষা কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয় না।
B) Local Area Network — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট এলাকার নেটওয়ার্ক বোঝাতে এই পরিভাষাটি নির্ধারিত।
C) Land Area Network — কম্পিউটারে নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে Land বা জমির কোনো সম্পর্ক নেই, এটি একটি ভুল শব্দ।
D) Legal Area Network — আইনি বা আইনগত ক্ষেত্রের সাথে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের এই নামটির কোনো সংযোগ নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
LAN শব্দের Local কথাটি মনে রাখলে বোঝা যায় এটি স্থানীয় বা সীমিত এলাকার জন্য তৈরি।
কম দূরত্বের নেটওয়ার্ক মানেই Local Area Network।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই LAN, MAN এবং WAN এর পূর্ণরূপ ও পরিসর সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
ছোট পরিসরের জন্য LAN, শহরের ভেতরে MAN এবং বিশ্বব্যাপী যোগাযোগের জন্য WAN ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: B) দার্জিলিং
১. কেন সঠিক:
- টাইগার হিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিখ্যাত পাহাড়ি শহর দার্জিলিংয়ে অবস্থিত।
- এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বতশৃঙ্গ এবং সূর্যোদয়ের দৃশ্য দেখার জন্য পর্যটকেরা এখানে ভিড় করেন।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দার্জিলিং জেলায় অবস্থিত।
- বৈশিষ্ট্য: এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় দুই হাজার পাঁচশ নব্বই মিটার উচ্চতায় অবস্থিত একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।
- সংশ্লিষ্ট তথ্য: এটি এখান থেকে মাউন্ট এভারেস্ট ও কাঞ্চনজঙ্ঘার বরফাবৃত চূড়ার দৃশ্য দেখানোর জন্য বিখ্যাত।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: সান্দাকফু
ব্যাখ্যা: এটি পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এবং দার্জিলিং জেলার অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত পর্বতশৃঙ্গ।
উদাহরণ ২: ঘুম রেলওয়ে স্টেশন
ব্যাখ্যা: এটি ভারতের উচ্চতম রেলওয়ে স্টেশন যা দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের অংশ এবং টাইগার হিলের কাছাকাছি অবস্থিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপালে — এটি একটি স্বাধীন দেশ যেখানে মাউন্ট এভারেস্ট অবস্থিত, তবে টাইগার হিল এখানে নেই।
B) দার্জিলিং — এটি সঠিক উত্তর কারণ টাইগার হিল ভারতের এই পাহাড়ি অঞ্চলেই অবস্থিত।
C) জেরুজালেমে — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় নগরী যা ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে অবস্থিত এবং এর সঙ্গে টাইগার হিলের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) কাশ্মীরে — এটি ভারতের উত্তরভাগের একটি পাহাড়ি অঞ্চল যা হিমালয় পর্বতমালার অন্তর্গত হলেও এখানে টাইগার হিল অবস্থিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- টাইগার হিল মানেই চা পাতার দেশ দার্জিলিংয়ের পাহাড়ি চূড়া থেকে সূর্যোদয় দেখা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্ব বা আঞ্চলিক ভূগোলের সাধারণ জ্ঞান হিসেবে প্রায়ই আসে।
- একই ধারণা থেকে দার্জিলিংয়ের উচ্চতা বা ভারতের বিখ্যাত পর্বতশৃঙ্গ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান
১. কেন সঠিক:
বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ আইন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী উদ্ভিদ সংরক্ষণ, গবেষণা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নির্দিষ্ট এলাকাকে সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান বা বোটানিক্যাল গার্ডেন জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ প্রজাতির সুরক্ষার জন্য সরকারের বন অধিদপ্তর কর্তৃক সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে স্বীকৃত।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: ঢাকা জেলার মিরপুরে অবস্থিত যা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উদ্ভিদ সংরক্ষণ কেন্দ্র।
বৈশিষ্ট্য: এটি বিরল প্রজাতির উদ্ভিদ সংগ্রহ, কৃত্রিম বনসৃজন এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: মিরপুর জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান।
ব্যাখ্যা: এটি দেশের বৃহত্তম উদ্ভিদ উদ্যান যা বনায়ন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
উদাহরণ ২: সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক।
ব্যাখ্যা: এটিও বন অধিদপ্তরের অধীনে সংরক্ষিত এবং বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ সংরক্ষণের জন্য নির্ধারিত এলাকা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান — বন অধিদপ্তরের ঘোষণা অনুযায়ী এটি একটি সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত।
B) চিড়িয়াখানা — চিড়িয়াখানা মূলত বন্যপ্রাণী প্রদর্শন ও বিনোদন কেন্দ্র, যা বন অধিদপ্তরের সরাসরি সংরক্ষিত এলাকার প্রজ্ঞাপনের অন্তর্ভুক্ত নয়।
C) বাঁশখালী ইকোপার্ক — এটি বনাঞ্চল হলেও প্রধানত পর্যটন ও বিনোদনের জন্য প্রতিষ্ঠিত এবং সংরক্ষিত এলাকার প্রবচন ভিন্ন।
D) রমনা পার্ক — এটি ঢাকা শহরের একটি নাগরিক উদ্যান বা বিনোদন পার্ক, যা গণপূর্ত অধিদপ্তর বা সিটি কর্পোরেশনের অধীনে পরিচালিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
উদ্ভিদ বা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য সরকারিভাবে নির্ধারিত উদ্যান বা পার্কগুলোর মধ্যে জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান বন অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে গণ্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশ বন অধিদপ্তরের অধীনে কোন কোন এলাকা সংরক্ষিত বনাঞ্চল বা ইকোপার্ক হিসেবে তালিকাভুক্ত, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একই ধারণা থেকে অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য বা জাতীয় উদ্যান কোন সংস্থার অধীনে পরিচালিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) ৫ জুন
১. কেন সঠিক:
- প্রতি বছর ৫ জুন তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করা হয়।
- ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের স্টকহোম সম্মেলনে এই দিনটিকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিকভাবে এই দিবস পালিত হয়।
- বৈশিষ্ট্য: পরিবেশের সুরক্ষা এবং সচেতনতা বৃদ্ধি এই দিবসের প্রধান লক্ষ্য।
- সংশ্লিষ্ট তথ্য: ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতি বছর বিভিন্ন থিম বা প্রতিপাদ্যের মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: স্টকহোম সম্মেলন
ব্যাখ্যা: ১৯৭২ সালের ৫ জুন সুইডেনের স্টকহোমে জাতিসংঘের মানব পরিবেশ সম্মেলন শুরু হয়েছিল, যা পরিবেশ সুরক্ষার ভিত্তি স্থাপন করে।
উদাহরণ ২: বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য
ব্যাখ্যা: প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট দেশকে স্বাগতিক দেশ হিসেবে বেছে নেওয়া হয় এবং পরিবেশগত বিশেষ সমস্যার ওপর গুরুত্ব দিয়ে থিম নির্ধারণ করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬ জুন — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবসের তারিখ নয়।
B) ৫ জুন — এটি সঠিক উত্তর।
C) ৫ মে — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস নয়, এই দিনে অন্য কোনো আন্তর্জাতিক বা জাতীয় দিবস থাকতে পারে।
D) ৫ জুলাই — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবসের তারিখের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
৫ সংখ্যাটি মনে রাখলে এবং জুনের ৫ তারিখ মাথায় রাখলে খুব সহজে পরিবেশ দিবস মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রবক্তা জাতিসংঘ এবং এটি প্রথম পালিত হয় ১৯৭৪ সালে।
ভবিষ্যতে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে প্রথম বিশ্ব পরিবেশ দিবস কোন সালে পালিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) পরিবেশ
১. কেন সঠিক:
কিওটো প্রোটোকল সরাসরি বৈশ্বিক পরিবেশগত সমস্যা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
এটি বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন হ্রাসের মাধ্যমে বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ করার উদ্দেশ্যে প্রণীত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: জাপানের কিওটো শহরে ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর চুক্তিটি গৃহীত হয় এবং ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কার্যকর হয়।
বৈশিষ্ট্য: এটি শিল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর আইনি বাধ্যবাধকতা আরোপ করে।
সংশ্লিষ্ট তথ্য: এটি জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কাঠamoগত কনভেনশন বা UNFCCC এর একটি অংশ।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: কার্বন ডাই অক্সাইড ও মিথেন গ্যাস নির্গমন নিয়ন্ত্রণ।
ব্যাখ্যা: কিওটো প্রোটোকল স্বাক্ষরকারী দেশগুলোকে তাদের শিল্প কারখানা ও যানবাহনের মাধ্যমে নির্গত ক্ষতিকর গ্যাসের পরিমাণ নির্দিষ্ট মাত্রার নিচে রাখতে বাধ্য করে।
উদাহরণ ২: ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাপানের পরিবেশ নীতি।
ব্যাখ্যা: এই দেশগুলো কিওটো প্রোটোকলের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার ও বনায়ন বৃদ্ধি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শান্তি — শান্তি আন্তর্জাতিক কূটনীতি বা নোবেল শান্তি পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও কিওটো প্রোটোকলের মূল বিষয়বস্তু শান্তি রক্ষা নয়।
B) পরিবেশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ কিওটো প্রোটোকল বৈশ্বিক উষ্ণতা ও পরিবেশ সুরক্ষার জন্য তৈরি হয়েছে।
C) কৃষি — কৃষি অর্থনৈতিক ভূগোলের অংশ হলেও কিওটো প্রোটোকল কৃষিপণ্য উৎপাদন বা বাণিজ্যের জন্য করা হয়নি।
D) বাণিজ্য — বাণিজ্য বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিও এর আওতাধীন, যা পরিবেশগত চুক্তির মূল উদ্দেশ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
কিওটো একটি শহরের নাম এবং পরিবেশ বাঁচাতে পৃথিবীর উষ্ণতা কমানোর জন্য এই শহরের নামানুসারে প্রোটোকল করা হয়েছে।
পরিবেশ রক্ষার বড় চুক্তি মানেই কিওটো প্রোটোকল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কিওটো প্রোটোকল কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত অথবা এটি কবে স্বাক্ষরিত হয়।
ভবিষ্যতে এটি থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কিওটো প্রোটোকল কোন গ্যাস হ্রাসের সঙ্গে যুক্ত।
সঠিক উত্তর: B) আমাজন ফরেস্ট
১. কেন সঠিক:
- আমাজন রেইনফরেস্ট পৃথিবীর বৃহত্তম ক্রান্তীয় বৃষ্টিবহুল বনভূমি এবং এটি গ্রহের জীববৈচিত্র্যের অন্যতম প্রধান আধার।
- এর বিশাল আয়তন এবং অতি ঘন উদ্ভিদের কারণে একে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয় যা প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন সরবরাহ করে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের আমাজন অববাহিকা জুড়ে প্রধানত ব্রাজিল, পেরু ও কলম্বিয়াতে বিস্তৃত।
- বৈশিষ্ট্য: এটি নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে অবস্থিত এবং এখানে সারা বছর প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সংশ্লিষ্ট তথ্য: পৃথিবীর মোট রেইনফরেস্টের অর্ধেকের বেশি অংশ জুড়ে রয়েছে এই বন।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: আমাজন নদী
ব্যাখ্যা: আমাজন বনের মধ্য দিয়েই আমাজন নদী প্রবাহিত হয়েছে যা পানি প্রবাহের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম নদী।
উদাহরণ ২: আন্দিজ পর্বতমালা
ব্যাখ্যা: এই পর্বতমালা আমাজন অববাহিকার পশ্চিম সীমানা নির্ধারণ করেছে এবং নদীটির উৎস হিসেবে কাজ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কঙ্গো ফরেস্ট — এটি আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৃষ্টিবহুল বনভূমি।
B) আমাজন ফরেস্ট — এটি প্রশ্ন অনুযায়ী বিশ্বের বৃহত্তম বনভূমি এবং সঠিক উত্তর।
C) সুন্দরবন ফরেস্ট — এটি বাংলাদেশ ও ভারতে অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বা লবণাক্ত বনভূমি, সামগ্রिक বৃহত্তম বন নয়।
D) ব্ল্যাক ফরেস্ট — এটি জার্মানি অবস্হত একটি পাহাড়ি জঙ্গল যা আকারে আমাজনের তুলনায় অনেক ছোট।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিশ্বে যখনই বৃহত্তম বনের কথা আসবে, তখন দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন নদীর অববাহিকাকে মনে রাখতে হবে।
- সুন্দরবন হলো বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ আর আমাজন হলো সার্বিকভাবে বৃহত্তম বন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে আমাজন বন কোন মহাদেশে অবস্থিত বা বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন কোনটি।
সঠিক উত্তর: A) কাব্য
১. কেন সঠিক:
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ একটি গীতিসংকলন বা কাব্যগ্রন্থ, যার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের সূচনা হয়েছে।
- প্রাচীন যুগে গদ্য রচনার প্রচলন ছিল না, তাই সেকালের সাহিত্য বলতে মূলত পদ্য বা কাব্যকেই বোঝানো হতো।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন এবং এটি মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের পদ বা গান।
- চর্যাপদের ভাষা সন্ধ্যভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা নামে পরিচিত, যা প্রাচীন বাংলা ও অন্যান্য পূর্ব ভারতীয় ভাষার কাছাকাছি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদ
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্যিক নিদর্শন যা হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন।
উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের প্রাচীনতম প্রাপ্ত কাব্য এবং এর রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাব্য — সঠিক উত্তর কারণ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন কাব্য বা পদ্য আকারে রচিত।
B) নাটক — ভুল কারণ বাংলা নাটকের সূচনা হয় আধুনিক যুগে এসে, প্রাচীন যুগে নাটক রচনার কোনো প্রমাণ নেই।
C) উপন্যাস — ভুল কারণ বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস রচিত হয় উনবিচল শতাব্দীতে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে।
D) গল্প — ভুল কারণ ছোটগল্প বা আধুনিক গল্পের উদ্ভব ও বিকাশ ঘটে উনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে রবীন্দ্রযুগে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রাচীন কাল মানেই পদ্য বা কবিতা, তাই প্রাচীনতম শাখা কাব্য। প্রাচীন যুগে গদ্য লেখার কোনো চল ছিল না।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ একটি কাব্যগ্রন্থ এবং এর আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
সঠিক উত্তর: D) সবুজমাটি
১. কেন সঠিক:
- রূপবাচক নাম বিশেষ্য বলতে সেই বিশেষ্য পদকে বোঝায় যা কোনো বস্তু বা পদার্থের রূপ, বর্ণ বা বাহ্যিক আকার নির্দেশ করে।
- সবুজমাটি শব্দটিতে মাটির একটি বিশেষ রঙের রূপ প্রকাশ পেয়েছে, তাই এটি রূপবাচক নাম বিশেষ্য হিসেবে গণ্য হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- নাম বিশেষ্য হলো সেই পদ যা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, স্থান বা গুণের নাম বোঝায়।
- রূপবাচক বিশেষ্য হলো নাম বিশেষ্যের একটি উপবিভাগ যা কোনো বস্তুর রূপ বা রঙের বৈশিষ্ট্য ফুটিয়ে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লালপদ্ম
ব্যাখ্যা: লালপদ্ম শব্দে পদ্মের একটি লাল রঙের রূপ প্রকাশিত হয়েছে, যা রূপবাচক নাম বিশেষ্যের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: কালসাপ
ব্যাখ্যা: কালসাপ শব্দে সাপের একটি বিশেষ কালো রূপ বা বর্ণ বোঝানো হয়েছে, যা রূপবাচক বিশেষ্যের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তাজা মাছ — তাজা মাছ দ্বারা বিশেষ্যের গুণ বা অবস্থা বোঝানো হয়েছে, তাই এটি গুণবাচক বা অবস্থাবাচক বিশেষণ।
B) বেলেমাটি — বেলেমাটি দ্বারা মাটির একটি বিশেষ উপাদান বা প্রকৃতি বোঝায়, যা উপাদানবাচক বা বস্তুবাচক বিশেষ্যের অন্তর্ভুক্ত।
C) পাথরের মূর্তি — পাথরের মূর্তি দ্বারা উপাদানের নাম বোঝানো হয়েছে, যা বস্তুবাচক বা উপাদানবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ।
D) সবুজমাটি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি মাটির রূপ বা রং নির্দেশ করে রূপবাচক নাম বিশেষ্য হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রূপ বা রঙের নাম বোঝালে রূপবাচক বিশেষ্য হয় এবং উপাদানের নাম বোঝালে বস্তুবাচক বিশেষ্য হয়।
- মাটির রঙের সঙ্গে সবুজ যুক্ত থাকায় এটি রূপবাচক বিশেষ্য হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্যের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- পদ নির্ণয়ের সময় শব্দটির মূল অর্থ এবং তার প্রকাশভঙ্গি ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) হাঙর নদী গ্রেনেড
১. কেন সঠিক:
- হাঙর নদী গ্রেনেড একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ও উপন্যাস যার প্রেক্ষাপট ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।
- এই উপন্যাসে গ্রেনেড বিস্ফোরণের মাধ্যমে আত্মত্যাগের ঐতিহাসিক ও মর্মান্তিক চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই উপন্যাসটির রচয়িতা সেলিনা হোসেন যিনি বাংলাদেশের সমসাময়িক কথাসাহিত্যের অন্যতম প্রধান একজন শক্তিশালী লেখক।
- এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা পরবর্তীতে চলচ্চিত্র হিসেবেও নির্মিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জোছনা ও জননীর গল্প
ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত ও বহুল পঠিত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: আগুনের পরশমনি
ব্যাখ্যা: এটিও কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ রচিত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি জনপ্রিয় উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কবর — এটি মুনীর চৌধুরী রচিত ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি বিখ্যাত নাটক।
B) হাঙর নদী গ্রেনেড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) পদ্মা নদীর মাঝি — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক ও প্রমত্তা নদীভিত্তিক উপন্যাস।
D) লালসালু — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত গ্রামীণ সমাজ ও ধর্মীয় ভন্ডামির ওপর ভিত্তি করে লেখা একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখার জন্য লেখকদের নাম আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়তে পারো।
- সেলিনা হোসেনের বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো হাঙর নদী গ্রেনেড।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সেলিনা হোসেনের অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে পোকামাকড়ের ঘরবসতি ও যাপিত জীবন।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক, উপন্যাস ও চলচ্চিত্রের নাম আলাদা করতে বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) শামসুর রহমান
১. কেন সঠিক:
শামসুর রহমান আধুনিক বাংলা কবিতার একজন প্রধান কবি, যিনি তাঁর কবিতায় নগরজীবনের যান্ত্রিকতা, নাগরিক মধ্যবিত্তের সুখ-দুঃখ, আশা-নিরাশা এবং দ্রোহ অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
ঢাকা শহরের অলিগলি, রিকশা, ট্রাফিক জ্যাম এবং মহানগরের নানা লৌকিক ও অলৌকিক দৃশ্য তাঁর কবিতায় প্রধান্য পাওয়ায় তাঁকে বাংলাদেশের নাগরিক কবি বলা হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শামসুর রহমান ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি আধুনিক বাংলা কাব্যান্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব।
তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে, রৌদ্র করোটিতে, বিধ্বস্ত প্রহর এবং বন্দী শিবির থেকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শামসুর রহমানের বিখ্যাত কবিতা উন্মুখ প্রহর।
ব্যাখ্যা: এই কবিতায় নাগরিক জীবনের একাকীত্ব ও যান্ত্রিক ব্যস্ততার নিখুঁত চিত্র ফুটে উঠেছে।
উদাহরণ ২: শামসুর রহমানের বিখ্যাত কবিতা উত্তরাধিকার।
ব্যাখ্যা: এই কবিতায় নগরকেন্দ্রিক বাঙালির রাজনৈতিক চেতনা ও ইতিহাসচেতনা দারুণভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শামসুর রহমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নাগরিক জীবনের নানা দিক সফলভাবে কবিতায় ফুটিয়ে তুলেছেন।
B) রফিক আজাদ — রফিক আজাদ একজন বিশিষ্ট কবি হলেও তাঁকে প্রধানত দ্রোহ ও প্রেমের কবি হিসেবে চেনা যায়, নাগরিক কবি হিসেবে নয়।
C) সৈয়দ শামসুল হক — সৈয়দ শামসুল হক একজন বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক হলেও তাঁকে বলা হয় সব্যসাচী লেখক।
D) আহসান হাবীব — আহসান হাবীব মূলত সুরের কবি ও নিঃসঙ্গতার কবি হিসেবে পরিচিত, তাঁকে নাগরিক কবি বলা হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
নগরজীবনের নানা বৈচিত্র্য ও মহানগরের দৃশ্যপটের রূপকার হিসেবে শামসুর রহমানকে মনে রাখবে নাগরিক কবি হিসেবে।
শামসুর রহমান মানেই ঢাকার অলিগলি আর নগর জীবনের কবি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
শামসুর রহমান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত কবিতা বন্দী শিবির থেকে রচনা করেন।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে শামসুর রহমানের ছদ্মনাম কী, যার উত্তর হলো ময়ূরবাহন।
সঠিক উত্তর: A) বড়ু চণ্ডীদাস
১. কেন সঠিক:
- চণ্ডীদাস নামে একাধিক কবি বাংলা সাহিত্যে আবির্ভূত হয়েছেন এবং তাদের মধ্যে বড়ু চণ্ডীদাস কালগতভাবে প্রাচীনতম।
- বড়ু চণ্ডীদাসের আবির্ভাবেই বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি রচিত হয় যা বাংলা ভাষার অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের একমাত্র রচয়িতা হলেন বড়ু চণ্ডীদাস।
- ড. বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বৎবল্লভ ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের এক গোয়ালঘর থেকে পুথিটি আবিষ্কার করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
ব্যাখ্যা: এটি বড়ু চণ্ডীদাসের একমাত্র প্রাপ্ত এবং মধ্যযুগের অন্যতম প্রাচীন একটি প্রামাণিক কাব্য।
উদাহরণ ২: বাসলী দেবী
ব্যাখ্যা: বড়ু চণ্ডীদাস কাব্যের ভণিতায় নিজেকে বাসলী দেবীর সেবক বা অনুগত বলে পরিচয় দিয়েছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বড়ু চণ্ডীদাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রাচীনতম চণ্ডীদাস হিসেবে স্বীকৃত।
B) জ্ঞানদাস — ইনি বৈষ্ণব পদাবলীর একজন পরবর্তী যুগের বিশিষ্ট কবি এবং বড়ু চণ্ডীদাসের অনেক পরের সময়ের মানুষ।
C) দ্বিজ চণ্ডীদাস — ইনিও মধ্যযুগের একজন চণ্ডীদাস নামে কবি তবে কালক্রমে বড়ু চণ্ডীদাসের পরে তার আবির্ভাব ঘটেছিল।
D) দীন চণ্ডীদাস — ইনিও পরবর্তী যুগের চণ্ডীদাস ভণিতায় পদ রচনা করা একজন কবি যিনি প্রাচীনতম নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বড় দিয়ে শুরু বড়ু চণ্ডীদাস এবং তিনিই সবার চেয়ে প্রাচীনতম চণ্ডীদাস।
- মধ্যযুগের শুরুতে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন লিখে বড়ু চণ্ডীদাস সাহিত্য ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি কোন যুগের তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে এবং এটি মধ্যযুগের আদি নিদর্শন।
- চণ্ডীদাস নামধারী একাধিক কবি থাকলেও বড়ু চণ্ডীদাসকেই বাংলা সাহিত্যে প্রাচীনতম হিসেবে ধরা হয়।
সঠিক উত্তর: A) ২৫ জনের
১. কেন সঠিক:
চর্যাপদে মোট পদকর্তা বা রচিয়তার সংখ্যা নিয়ে কিছুটা ভিন্নমত থাকলেও হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কৃত পুথিতে পদকর্তার সংখ্যা ২৫ জন হিসেবে পাওয়া যায়। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের ভাষা ও রচয়িতাদের পরিচয় নিয়ে গবেষকদের মধ্যে নানা মত রয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন যা মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন। ড. সুকুমার সেনের মতে চর্যাপদের পদকর্তার সংখ্যা ২৪ জন, তবে অধিকাংশ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রমিত মত হিসেবে ২৫ জনকেই সঠিক ধরা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভুসুকুপা
ব্যাখ্যা: চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচয়িতা ভুসুকুপা মোট আটটি পদ রচনা করেছিলেন।
উদাহরণ ২: কাহ্নপা
ব্যাখ্যা: চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ তেরটি পদ রচনা করেছেন কাহ্নপা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৫ জনের — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রচলিত ও প্রমিত গ্রন্থগুলোতে চর্যাপদের পদকর্তার সংখ্যা ২৫ জন হিসেবে স্বীকৃত।
B) ২৪ জনের — ড. সুকুমার সেনের মতে পদকর্তা ২৪ জন হলেও এটি সাধারণ পরীক্ষার জন্য প্রধান গ্রহণযোগ্য উত্তর নয়।
C) ৩৪ জনের — এই সংখ্যাটি চর্যাপদের মোট প্রাপ্ত পদের সংখ্যার কাছাকাছি হলেও পদকর্তার সংখ্যার সঙ্গে মিল নেই।
D) ২১ জনের — এই সংখ্যাটি চর্যাপদের কোনো গবেষক বা প্রামাণিক দলিলে পদকর্তার সংখ্যা হিসেবে স্বীকৃত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
চর্যাপদে পদকর্তা পঁচিশ জন মনে রাখতে সংখ্যাটি ভালোভাবে খেয়াল রাখবে এবং প্রমিত তথ্য হিসেবে এটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চর্যাপদের মোট পদ সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
সঠিক উত্তর: C) সেলিম আল দীন
১. কেন সঠিক:
- 'মুমতাসীর ফ্যান্টাসি' নাটকটির রচয়িতা নাট্যকার সেলিম আল দীন।
- এই নাটকটিতে নাট্যকার ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধনে এক অনন্য নাট্যশৈলী ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সেলিম আল দীন বাংলা নাট্যসাহিত্যে শিকড়সন্ধানী নাট্যকার হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
- তাঁর নাটকে বাংলা লোকসংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং আদিবাসী জীবনের নানা উপাদান অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে উঠে এসেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'কীত্তনখোলা'
ব্যাখ্যা: এটি সেলিম আল দীনের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি নাটক, যা বাংলা নাট্যজগতে এক নতুন ধারা তৈরি করেছিল।
উদাহরণ ২: 'চাকা'
ব্যাখ্যা: এটি সেলিম আল দীনের আরেকটি বিখ্যাত নাটক, যা গ্রামীণ জীবনের এক মর্মান্তিক দৃশ্যপট তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আব্দুল্লাহ আল মামুন — এই নাট্যকার 'এখনও ক্রীতদাস' ও 'সুবচন নির্বাসন' নাটকের জন্য পরিচিত হলেও 'মুমতাসীর ফ্যান্টাসি' তাঁর রচনা নয়।
B) সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ — ইনি বিখ্যাত 'বহিপীর' ও 'তরঙ্গভঙ্গ' নাটকের রচয়িতা, যা আলোচ্য নাটকের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) সেলিম আল দীন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, এটি তাঁরই নাটক।
D) মুনীর চৌধুরী — ইনি 'কবর' ও 'রক্তাক্ত প্রান্তর' নাটকের রচয়িতা, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সেলিম আল দীন মানেই বৈচিত্র্যময় ও ঐতিহ্যবাহী নাটক যেমন 'মুমতাসীর ফ্যান্টাসি', 'শকুন্তলা' ও 'কীর্তনখোলা'।
- নাটকের নামের সাথে লেখকের নাম মনে রাখতে তাঁর বিখ্যাত নাটকগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে পড়তে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা নাটকের রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- সেলিম আল দীন এবং মুনীর চৌধুরীর নাটকগুলোর তালিকা ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে পরীক্ষার হলে উত্তর করা সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: C) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
শেষের কবিতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর মূল বিষয়বস্তু হলো প্রেমের ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রচলিত রীতির বিরুদ্ধে বুদ্ধিবৃত্তিক বিদ্রোহ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা এবং নোবেলজয়ী লেখক। শেষের কবিতা একটি গীতধর্মী ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যেখানে অমিত রায় ও লাবণ্য সেন প্রধান চরিত্র।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা সমাজ ও মানুষের সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে লেখা।
উদাহরণ ২: চোখের চশমা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস যা সামাজিক মনস্তত্ত্বের ওপর আধারিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাব্যগ্রন্থ — শেষের কবিতা নামের মধ্যে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং একটি গদ্য উপন্যাস।
B) ছোট গল্প — এটি আয়তনে ও বিষয়বস্তুর গভীরতায় ছোটগল্পের পরিধি অতিক্রম করে পূর্ণাঙ্গ উপন্যাসে রূপ নিয়েছে।
D) প্রবন্ধ — এটি কোনো তাত্ত্বিক বা মননশীল প্রবন্ধ নয়, বরং পাত্র-পাত্রীর সংলাপনির্ভর একটি রোমান্টিক উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
নামে কবিতা থাকলেও শেষের কবিতা আসলে একটি উপন্যাস, এটি মনে রাখলেই ভুল এড়ানো যাবে। রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস মনে রাখার জন্য অমিত রায় ও লাবণ্য সেন চরিত্রের কথা স্মরণ করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় শেষের কবিতা কোন ধরনের রচনা। উত্তরটি সবসময় উপন্যাস হিসেবে দাগাতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ৫০ টি
১. কেন সঠিক:
বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০ টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি মিলে মোট ৫০ টি বর্ণ প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালা হলো ধ্বনি লেখার সাংকেতিক চিহ্ন। স্বরবর্ণ ১১ টি (অ থেকে ঔ) এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি (ক থেকে চন্দ্রবিন্দু পর্যন্ত) একত্রে বাংলা বর্ণমালা গঠন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ, আ, ই, ঈ — এগুলো স্বরবর্ণের অংশ যা উচ্চারণে অন্য বর্ণের সাহায্য নেয় না।
ব্যাখ্যা: স্বরবর্ণ স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে এবং অন্যের সাহায্য নেয় না।
উদাহরণ ২: ক, খ, গ, ঘ — এগুলো ব্যঞ্জনবর্ণের অংশ যা স্বরবর্ণের সাহায্য নিয়ে উচ্চারিত হয়।
ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনবর্ণ একা পূর্ণাঙ্গভাবে উচ্চারিত হতে পারে না এবং স্বরবর্ণের ওপর নির্ভর করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫১ টি — এটি প্রচলিত বাংলা বর্ণমালার সঠিক সংখ্যা নয়, প্রাচীন বা অপ্রমিত গণনার ভুল রূপ।
B) ৪৯ টি — এটি কোনো প্রমিত ব্যাকরণসম্মত বাংলা বর্ণসংখ্যার মান নয়।
C) ৪৭ টি — এটিও বাংলা বর্ণমালার সঠিক ও প্রমিত সংখ্যা হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
D) ৫০ টি — এটি বাংলা একাডেমি ও প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী সর্বসম্মত সঠিক বর্ণসংখ্যা।
৫. মনে রাখার টিপস:
স্বরে ১১ ব্যঞ্জনে ৩৯, যোগ করলে হয় মোট ৫০ টি বর্ণ। এই সংখ্যাটি মনে রাখলে যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি, এই বিভাজনটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে। বর্ণমালা সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নে এই মূল সংখ্যাটিই প্রমিত উত্তর হিসেবে গণ্য হয়।
সঠিক উত্তর: A) ধনী
১. কেন সঠিক:
- ধনী শব্দটি দ্বারা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর অবস্থা, গুণ বা পরিমাণ নির্দেশ করা হয়েছে, যা বিশেষণের সংজ্ঞা পূরণ করে।
- ব্যাকরণ অনুযায়ী যে পদ দ্বারা বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ বোঝায় তাকে বিশেষণ পদ বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পদ প্রকরণে বিশেষণ হলো এমন একটি পদ যা বিশেষ্য, সর্বনাম বা অন্য কোনো পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাপ প্রকাশ করে।
- প্রদত্ত প্রশ্নে ধনী শব্দটি দ্বারা মানুষের আর্থিক অবস্থা বা গুণ বোঝানো হয়েছে, যা বিশেষ্য পদের অবস্থা নির্দেশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাল গোলাপ
ব্যাখ্যা: এখানে লাল শব্দটি গোলাপ ফুলের রং বা গুণ প্রকাশ করছে, তাই লাল একটি বিশেষণ।
উদাহরণ ২: চালাক ছেলে
ব্যাখ্যা: এখানে চালাক শব্দটি ছেলের বুদ্ধিমত্তা বা গুণ প্রকাশ করছে, তাই চালাক একটি বিশেষণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধনী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি অবস্থার নির্দেশক বিশেষণ পদ।
B) শফিক — এটি একটি বিশেষ্য পদ কারণ এটি দ্বারা নির্দিষ্ট একজন ব্যক্তির নাম বোঝানো হয়েছে।
C) আমি — এটি একটি সর্বনাম পদ কারণ এটি বিশেষ্যের পরিবর্তে বাক্যে ব্যবহৃত হয়েছে।
D) দেখলাম — এটি একটি ক্রিয়া পদ কারণ এটি দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝানো হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কোনো শব্দ শোনার পর যদি মনে প্রশ্ন জাগে কেমন বা কতটুকু, তবে সেই শব্দটি সাধারণত বিশেষণ হয়।
- নাম বোঝালে বিশেষ্য, নামের বদলে বসলে সর্বনাম এবং কাজ বোঝালে ক্রিয়া হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পদ নির্ণয়ের সময় বাক্যের অর্থ এবং শব্দের কাজ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
- বিশেষ্য পদের আগে যে শব্দ বসে তার দোষ বা গুণ বলে, তা সাধারণত নামবাচক বিশেষণ হয়।
সঠিক উত্তর: B) সমাপ্তি
১. কেন সঠিক:
'মৃন্ময়ী' চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'সমাপ্তি' ছোটগল্পের প্রধান নারী চরিত্র।
অপুরূপ গ্রামীণ কিশোরী মৃন্ময়ীর চঞ্চল ও অপ্রতিরোধ্য স্বভাবের কারণে বাংলা সাহিত্যে চরিত্রটি অমর হয়ে আছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক হিসেবে পরিচিত এবং 'সমাপ্তি' তাঁর একটি অনবদ্য সৃষ্টি।
এই গল্পে অপূর্বর সঙ্গে মৃন্ময়ীর অদ্ভুত ও কৌতূহলোদ্দীপক দাম্পত্য জীবনের মনস্তাত্ত্বিক চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'কাদম্বিনী' — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'জীবিত ও মৃত' গল্পের একটি বিখ্যাত চরিত্র।
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথের অন্যতম সেরা মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্পের চরিত্র।
উদাহরণ ২: 'নিরূপমা' — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'দеныাপাওনা' গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র।
ব্যাখ্যা: যৌতুক প্রথার নির্মম বলিদান ফুটিয়ে তুলতে এই চরিত্রটি সৃষ্টি করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাল্যদান — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ছোটগল্প হলেও এর মূল চরিত্র বিপিন ও চন্দ্রকান্ত, মৃন্ময়ী নয়।
B) সমাপ্তি — এটি সঠিক উত্তর।
C) কাবুলিওয়ালা — এই গল্পের প্রধান চরিত্র হলো মিন্নি ও রহমত, এখানে মৃন্ময়ী চরিত্রটি নেই।
D) শাস্তি — এই গল্পের প্রধান দুই চরিত্র চন্দরা ও দফাদার ধীরারাম, মৃন্ময়ী এই গল্পের চরিত্র নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথের সমাপ্তি ছোটগল্পের শেষ বা সমাপ্তি ঘটে মৃন্ময়ী চরিত্রটির মন পরিবর্তনের মাধ্যমে।
এভাবে গল্পের নাম ও প্রধান চরিত্র মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পের চরিত্র থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
গল্পের নাম এবং তার প্রধান চরিত্রগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে পড়লে এই ধরনের উত্তর সহজেই মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) হুলিয়া
১. কেন সঠিক:
- 'হুলিয়া' হলো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, যা ১৯৭০ সালের পটভূমি এবং পরবর্তীতে মহান মুক্তিযুদ্ধে গ্রামীণ জনপদের মানুষের অংশগ্রহণের ওপর নির্মিত।
- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার তানভীর মোকাম্মেল পরিচালিত এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি বাংলা স্বাধীন স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সৃষ্টি।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- তানভীর মোকাম্মেল বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট প্রামাণ্যচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাতা, যিনি মুক্তিযুদ্ধ ও বামপন্থী রাজনীতির ইতিহাস নিয়ে বহু কাজ করেছেন।
- 'হুলিয়া' চলচ্চিত্রটি সেলিনা হোসেনের বিখ্যাত ছোটগল্প অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে যা যুদ্ধকালীন এক তরুণ বিপ্লবীর আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'আরেক ফাল্গুন'
ব্যাখ্যা: জহির রায়হানের লেখা ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা মুক্তিযুদ্ধ ও আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্যের চমৎকার উদাহরণ।
উদাহরণ ২: 'স্টॉप জেনোসাইড'
ব্যাখ্যা: জহির রায়হান পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত একটি প্রামাণ্য প্রামাণ্যচিত্র বা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধীরে বহে মেঘনা — এটি আলমগীর কবির পরিচালিত একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নয়।
B) কলমীলতা — এটি শহীদুল হক খান পরিচালিত একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, যা মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত।
C) আবার তোরা মানুষ হ — এটি খান আতাউর রহমান পরিচালিত একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, যা যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশের সমাজ বাস্তবতার ওপর নির্মিত।
D) হুলিয়া — এটি তানভীর মোকাম্মেল পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
৫ মনে রাখার টিপস:
- স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হিসেবে 'হুলিয়া' নামটি মনে রাখতে তানভীর মোকাম্মেলের পরিচালনায় ছোট পরিসরের কাজের কথা স্মরণ করতে হবে।
- পূর্ণদৈর্ঘ্য ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের পার্থক্য মাথায় রাখলে এই ধরনের বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চলচ্চিত্র ও সাহিত্যকর্মের নির্মাতা বা পরিচালকের নাম প্রায়ই আসে।
- প্রশ্ন সমাধানের সময় চলচ্চিত্রটি পূর্ণদৈর্ঘ্য নাকি স্বল্পদৈর্ঘ্য, তা মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) কপালকুণ্ডলা
১. কেন সঠিক:
- কপালকুণ্ডলা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় এবং অত্যন্ত বিখ্যাত একটি রোমান্টিক উপন্যাস।
- বাংলা উপন্যাসের বিকাশে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অবদান অনস্বীকার্য এবং এই উপন্যাসটি তাঁর শিল্পনৈপুণ্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর প্রথম সার্থক উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী।
- কপালকুণ্ডলা উপন্যাসটি ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর পটভূমি ছিল সপ্তদশ শতাব্দীর উড়িষ্যার সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা আরও একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: আনন্দমঠ
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক উপন্যাস, যেখান থেকে ভারতের জাতীয় সংগীত বন্দে মাতরম নেওয়া হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দেনা-পাওনা — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস নয়, বরং এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
B) নীল দর্পণ — এটি দীনবন্ধু মিত্রের রচিত বিখ্যাত নাটক, যা নীলকর সাহেবদের নির্যাতনের ওপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে।
C) গৃহদাহ — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, বঙ্কিমচন্দ্রের রচনা নয়।
D) কপালকুণ্ডলা — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বঙ্কিমচন্দ্রের ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলো মনে রাখতে কপালকুণ্ডলা ও দুর্গেশনন্দিনী নাম দুটি একসঙ্গে পড়তে পারো।
- বঙ্কিমচন্দ্রকে বাংলা উপন্যাসের সম্রাট বলা হয়, যার প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী এবং দ্বিতীয় কপালকুণ্ডলা।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস ও তাদের প্রকাশকাল খুব প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- লেখকের প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী ১৮৬৫ সালে এবং কপালকুণ্ডলা ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী। বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষারীতি প্রবর্তনে এই পত্রিকার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- প্রমথ চৌধুরী বীরবল ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন এবং এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা গদ্যে নতুন এক শৈলীর সূচনা ঘটে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমথ চৌধুরী বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের প্রথিতযশা প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক। ১৯১৪ সালের শ্রাবণ মাসে সবুজপত্র পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
- বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার রূপ প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে এই পত্রিকা ও এর লেখকদের অবদান সবচেয়ে বেশি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বীরবল
ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম। তিনি এই নামে সবুজপত্র পত্রিকায় বিভিন্ন প্রবন্ধ ও নিবন্ধ লিখতেন।
উদাহরণ ২: তেল নুন লাকড়ি
ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন যা সবুজপত্র পত্রিকায় প্রকাশিত বিভিন্ন লেখার সংকলন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি সবুজপত্র পত্রিকার প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও নিয়মিত লেখক হলেও এর সম্পাদক ছিলেন না।
B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি ধूमকেতু ও লাঙল পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, সবুজপত্র পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
C) প্রমথনাথ বিশী — তিনি একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও গবেষক হলেও সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক নন।
D) প্রমথ চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সবুজ পাতার রঙ যেমন সতেজ, প্রমথ চৌধুরীর লেখার ভাষা ও চলিত রীতির ব্যবহারও তেমনি বাংলা গদ্যে সতেজতা এনেছিল।
- সবুজপত্র মানেই প্রমথ চৌধুরী বা বীরবল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সবুজপত্র পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পত্রিকার নাম ও সম্পাদকের নাম জিজ্ঞাসা করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) বচনভেদে
১. কেন সঠিক:
ক্রিয়ার রূপ বা গঠনে বচনের (একবচন বা বহুবচন) কোনো প্রভাব পড়ে না। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কর্তা একবচন বা বহুবচন যাই হোক না কেন, ক্রিয়াপদের মূল রূপ অপরিবর্তিত থাকে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে পদ প্রকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ক্রিয়া। ক্রিয়াপদ মূলত কাল, পুরুষ ও অর্থের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয় কিন্তু বচনের পার্থক্যে এর রূপ বদলায় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ছাত্রটি পড়ছে এবং ছাত্রদল পড়ছে।
ব্যাখ্যা: এখানে কর্তা একবচন ও বহুবচন হওয়া সত্ত্বেও ক্রিয়াপদ একই রয়েছে।
উদাহরণ ২: আমি যাই এবং আমরা যাই।
ব্যাখ্যা: কর্তা পরিবর্তিত হলেও ক্রিয়াপদের রূপ অপরিবর্তিত থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বচনভেদে — এটি সঠিক কারণ বচনের পরিবর্তনের কারণে ক্রিয়ার রূপ বদলায় না।
B) পুরুষভেদে — এটি ভুল কারণ উত্তম, মধ্যম বা প্রথম পুরুষ ভেদে ক্রিয়ার রূপ পরিবর্তিত হয়।
C) অর্থভেদে — এটি ভুল কারণ ভাবের বা অর্থের পার্থক্যে ক্রিয়ার রূপের পরিবর্তন ঘটে।
D) প্রয়োগভেদে — এটি ভুল কারণ বাক্যে পদের ভিন্ন ব্যবহারের কারণে ক্রিয়ার রূপ ভিন্ন হতে পারে।
৫ মনে রাখার টিপস:
বচনভেদে ক্রিয়ার রূপ কখনো বদলায় না, তবে পুরুষভেদে অবশ্যই রূপ বদলায়। এই নিয়মটি মনে রাখলে চাকরির পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পদ ও ক্রিয়া প্রকরণ থেকে এই ধরনের প্রশ্ন আসে। তাই ক্রিয়ার রূপ পরিবর্তনের শর্তগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ০৯ টি
১. কেন সঠিক:
মেঘনাদবধ কাব্যের মোট সর্গের সংখ্যা নয়টি। মাইকেল মধুসূদন দত্ত এই মহাকাব্যে রামায়ণ কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রাবণ ও মেঘনাদের বীরত্ব তুলে ধরেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই মহাকাব্যের রচয়িতা মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। ১৮৬১ সালে প্রকাশিত এই কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্যের প্রথম সর্গের নাম অভিষেক।
ব্যাখ্যা: এই সর্গে ইন্দ্রজিৎ বা মেঘনাদ লঙ্কার যুদ্ধ প্রস্তুতির জন্য দেবলোক থেকে বীরবাহুর মৃত্যুর সংবাদ পান।
উদাহরণ ২: মেঘনাদবধ কাব্যের ষষ্ঠ সর্গের নাম বধ।
ব্যাখ্যা: এই সর্গেই লক্ষণ কর্তৃক মেঘনাদের মৃত্যুর ঘটনা অত্যন্ত নাটকীয়ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ০৯ টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মহাকাব্যে সর্গের সংখ্যা ঠিক নয়টি।
B) ১০ টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ মেঘনাদবধ কাব্যে দশটি সর্গ নেই।
C) ০৭ টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ মহাকাব্যটিতে সাতটি সর্গ থাকার প্রচলিত ধারণা সঠিক নয়।
D) ০৮ টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ মেঘনাদবধ কাব্যের সর্গ সংখ্যা আটটি নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মেঘনাদবধ কাব্যের সর্গ সংখ্যা মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো নবগ্রহ বা নয়টি গ্রহের মতো এই মহাকাব্যের সর্গ সংখ্যাও নয়টি। বাংলা প্রথম মহাকাব্যের সর্গ মনে রাখতে সংখ্যা নয় খুব গুরুত্বপূর্ণ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মেঘনাদবধ কাব্যের সর্গ সংখ্যা, ছন্দ এবং রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। মহাকাব্যের প্রথম ও ষষ্ঠ সর্গের নামও পরীক্ষার জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) প
১. কেন সঠিক:
- প উচ্চারণ করার সময় মুখের উপরের ও নিচের ঠোঁট একে অপরকে স্পর্শ করে ধ্বনি তৈরি করে। তাই প হলো একটি ওষ্ঠ্য বর্ণ বা ঠোঁটের সাহায্যে উচ্চারিত ধ্বনি।
- বাংলা বর্ণমালায় প বর্গীয় ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় ঠোঁটের প্রধান ভূমিকা থাকে বলে এদের ওষ্ঠ্য ধ্বনি বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণস্থানের ওপর ভিত্তি করে ধ্বনিগুলোকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে প বর্গীয় বর্ণগুলো যেমন প, ফ, ব, ভ, ম উচ্চারণের সময় ওষ্ঠ বা ঠোঁট ব্যবহৃত হয় বলে এগুলোকে ওষ্ঠ্য বর্ণ বলে।
- মুখবিবরের যে অংশ বা উচ্চারণের স্থান থেকে ধ্বনি উৎপাদিত হয়, তার ওপর ভিত্তি করে ধ্বনিগুলোর এমন নামকরণ করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব
ব্যাখ্যা: ব বর্ণটি উচ্চারণের সময়ও ঠোঁট দুটি পরস্পর মিলিত হয়, যা ওষ্ঠ্য ধ্বনির একটি প্রমিত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ম
ব্যাখ্যা: ম উচ্চারণ করার সময়ও ওষ্ঠের প্রধান ভূমিকা থাকে এবং এটি একটি নাসিক্য ওষ্ঠ্য বর্ণ হিসেবে পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ট — এটি একটি মূর্ধন্য বর্ণ কারণ এটি উচ্চারণের সময় জিহ্বা মূর্ধা বা তালুর পেছনের অংশ স্পর্শ করে।
B) ঢ — এটি একটি মূর্ধন্য ধ্বনি এবং এর উচ্চারণস্থান জিহ্বার অগ্রভাগ উল্টিয়ে মূর্ধার সঙ্গে স্পর্শ করার মাধ্যমে হয়।
C) ত — এটি একটি দন্ত্য বর্ণ কারণ এটি উচ্চারণের সময় জিহ্বার অগ্রভাগ দাঁতের সঙ্গে স্পর্শ করে।
D) প — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ওষ্ঠ বা ঠোঁট দিয়ে উচ্চারিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ওষ্ঠ্য বর্ণ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প বর্গীয় সব বর্ণই ওষ্ঠ্য ধ্বনি। প ফ ব ভ ম উচ্চারণ করে দেখলেই বোঝা যায় ঠোঁটের সাহায্য লাগে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বর্ণসমূহের উচ্চারণস্থান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। প বর্গ মানেই ওষ্ঠ্য বর্ণ, এই সহজ সূত্রটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) শর্মিষ্ঠা
১. কেন সঠিক:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত শর্মিষ্ঠা নাটকটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক হিসেবে স্বীকৃত।
- ১৮৫৯ সালে প্রকাশিত এই নাটকের মাধ্যমে বাংলা নাট্যজগতে আধুনিক যুগের সূচনা ঘটেছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি ও নাট্যকার।
- তিনি সংস্কৃত ও ইউরিপিডিসের নাট্যরীতির মিশ্রণে অমিত্রাক্ষর ছন্দের পাশাপাশি নাটক রচনায় নতুন ধারা এনেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পদ্মাবতী নাটক
ব্যাখ্যা: এটিও মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি বিখ্যাত নাটক, যা গ্রিক পৌরাণিক কাহিনীর আদ I এ রচিত।
উদাহরণ ২: কৃষ্ণকুমারী নাটক
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের সর্বশ্রেষ্ঠ এবং প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুলীনকুল সর্বস্ব — রামনারায়ন তর্করত্ন রচিত এই নাটকটি প্রথম বাংলা মৌলিক নাটক হলেও এটি সার্থক নাটক হিসেবে গণ্য হয় না।
B) শর্মিষ্ঠা — এটি সঠিক উত্তর।
C) রত্নাবলী — এটি রামনারায়ন তর্করত্ন কর্তৃক সংস্কৃত থেকে অনূদিত একটি নাটক, মৌলিক বা প্রথম সার্থক নাটক নয়।
D) নীল দর্পণ — দীনবন্ধু মিত্র রচিত এই নাটকটি প্রথম সার্থক সামাজিক নাটক, কিন্তু প্রথম সার্থক নাটক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রথম মৌলিক নাটক রামনারায়নের হলেও প্রথম সার্থক নাটক মাইকেলের শর্মিষ্ঠা।
- শর্মিষ্ঠা নামটি মনে রাখলেই মাইকেলের প্রথম নাটকের কীর্তি মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রথম সার্থক নাটক এবং প্রথম সার্থক সামাজিক নাটকের মধ্যে প্রায়ই প্যাচ লাগে।
- প্রথম সার্থক নাটক শর্মিষ্ঠা এবং প্রথম সার্থক সামাজিক নাটক নীল দর্পণ, এই পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ফারসি
১. কেন সঠিক:
- মুরগী শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত একটি বৈদেশিক শব্দ।
- ফারসি ভাষার সঙ্গে আমাদের দীর্ঘ ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের কারণে এই শব্দটি বাংলা শব্দভান্ডারে স্থায়ীভাবে স্থান করে নিয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে কয়েকটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয় যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ।
- বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগীজ ইত্যাদি ভাষা থেকে বহু শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে এবং প্রমিত শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চশমা
ব্যাখ্যা: চশমা একটি বহুল ব্যবহৃত ফারসি শব্দ যা বাংলা ভাষায় সরাসরি ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: দরজা
ব্যাখ্যা: দরজা শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত একটি অতি পরিচিত বিদেশি শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা — মুরগী শব্দটি খাঁটি বাংলা শব্দ নয় কারণ এর উৎপত্তি দেশীয় মূল থেকে হয়নি।
B) হিন্দি — মুরগী হিন্দি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় প্রধানত গৃহীত হয়নি, এর উৎস ফারসি।
C) আরবি — মুরগী শব্দটি আরবি ভাষার শব্দ নয়, এটি ফারসি ভাষার অন্তর্গত।
D) ফারসি — এই অপশনটি সঠিক এবং এর সপক্ষে যথাযথ ভাষাতাত্ত্বিক প্রমাণ রয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ফারসি শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো প্রশাসনিক ও গৃহস্থালির কিছু পরিচিত বস্তু যেমন মুরগী, চশমা, দরজা ফারসি ভাষার অন্তর্ভুক্ত।
- বিদেশি শব্দ চেনার জন্য শব্দের উৎস ও প্রচলিত প্রমিত বানানরীতি ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে ফারসি ও আরবি শব্দ আলাদা করা জরুরি।
- গৃহস্থালি ও পোশাক-পরিচ্ছদ সংক্রান্ত অনেক শব্দ ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
সঠিক উত্তর: A) দিগদর্শন
১. কেন সঠিক:
শ্রীরামপুর মিশন থেকে ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে দিগদর্শন পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়। এটি ছিল বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম মাসিক পত্রিকা বা সংবাদপত্র।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই পত্রিকাটি জনশিক্ষা বিস্তারের উদ্দেশ্যে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান। এতে ইতিহাস, বিজ্ঞান ও নৈতিকতার বিভিন্ন শিক্ষণীয় বিষয় সহজ বাংলায় তুলে ধরা হতো।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমাচার দর্পণ
ব্যাখ্যা: এটিও শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সাপ্তাহিক সংবাদপত্র।
উদাহরণ ২: সংবাদ প্রভাকর
ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত প্রথম বাংলা দৈনিক সংবাদপত্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিগদর্শন — এটি শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত প্রথম মাসিক পত্রিকা হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) সমাচার দর্পণ — এটি শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র, মাসিক পত্রিকা নয়।
C) সংবাদ প্রভাকর — এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত প্রথম দৈনিক পত্রিকা, যা শ্রীরামপুর থেকে প্রকাশিত হয়নি।
D) সবুজপত্র — এটি প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় বিশ শতকে প্রকাশিত একটি সাহিত্যপত্র, শ্রীরামপুর মিশনের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
মাসিক মানে দিশা বা দিগদর্শন এবং সাপ্তাহিক মানে সমাচারে দর্পণ দেখা। এভাবে প্রথম মাসিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকা মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাংবাদিকতার ইতিহাসে শ্রীরামপুর মিশনের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম মাসিক এবং প্রথম সাপ্তাহিক দুটি পত্রিকার প্রকাশকালই পরীক্ষার জন্য মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
- নারী কবিতাটির রচয়িতা বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
- সমাজের অর্ধাংশ নারী সমাজের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি এই কবিতাটি রচনা করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও সাম্যবাদী লেখক হিসেবে পরিচিত।
- এই কবিতাটি তার বিখ্যাত সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত যেখানে নারী ও পুরুষের সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাম্যবাদী কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি বিখ্যাত কবিতা যেখানে মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ না করার কথা বলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: বিদ্রোহী কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি কবির সর্বশ্রেষ্ঠ ও পরিচিত কবিতা যা তার কাব্যিক প্রতিভার অন্যতম নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মধুসূদন দত্ত — তিনি মহাকবি ও নাট্যকার ছিলেন এবং তিনি মেঘনাদবধ কাব্য রচনা করেছেন।
B) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি নারী কবিতাটি লিখেছেন।
C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ্বকবি এবং তার বিখ্যাত কবিতার মধ্যে রয়েছে সোনার তরী ও নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ।
D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত এবং তার বিখ্যাত কবিতার মধ্যে রয়েছে কুহু ও কেকা।
৫ মনে রাখার টিপস:
সাম্য ও অধিকারের কবি কাজী নজরুল ইসলাম সাম্যবাদী চেতনায় নারী কবিতায় নর-নারীর সমান অধিকারের জয়গান গেয়েছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের নারী কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত বা তার সাম্যবাদী রচনাগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) বিষাদ সিন্ধু
১. কেন সঠিক:
- বিষাদ সিন্ধু মীর মশাররফ হোসেনের সবচেয়ে বিখ্যাত এবং শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম যা কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর রচিত।
- এটি একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস হলেও এতে লেখকের কল্পনা ও আবেগপূর্ণ বর্ণনার শৈল্পিক রূপ প্রকাশ পেয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক ও গদ্যশিল্পী যিনি ঊনবিংশ শতাব্দীতে আবির্ভূত হন।
- বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসটি তিনটি খণ্ডে বিভক্ত যথা মহরম পর্ব উদ্ধার পর্ব এবং এজিদ বধ পর্ব।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উদাসীন পথিকের মনের কথা
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস যা গ্রামীণ সমাজের শোষণ ও অনিয়ম তুলে ধরে।
উদাহরণ ২: গাজী মিঞার বস্তানী
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি আত্মজৈবনিক ও সমাজচিত্রধর্মী জনপ্রিয় রচনা যাতে তৎকালীন সমাজের নানা অসঙ্গতি ফুটে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রত্নাবতী — এটি মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম উপন্যাস তবে এটি তাঁর শ্রেষ্ঠ উপন্যাস হিসেবে বিবেচিত হয় না।
B) বিষাদ সিন্ধু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়।
C) জমিদার দর্পণ — এটি মীর মশাররফ হোসেনের একটি বিখ্যাত নাটক যা সিরাজদহ কৃষক বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত।
D) গো-জীবন — এটি মীর মশাররফ হোসেনের একটি সমাজসংস্কারমূলক গদ্যগ্রন্থ যা উপন্যাস বা শ্রেষ্ঠ রচনা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মীর মশাররফ হোসেনের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মনে রাখতে বিষাদময় কারবালার যুদ্ধ ও বিষাদ সিন্ধু নাম দুটি মিলিয়ে মনে রাখা সহজ।
- তাঁর উপন্যাসের মধ্যে বিষাদ সিন্ধুই সর্বাধিক জনপ্রিয় এবং পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসটির রচনাকাল ১৮৮৫ থেকে ১৮৯১ সাল এবং এটি বাংলা সাহিত্যে মুসলিম রচিত মহাকাব্যিক উপন্যাসের মর্যাদা পায়।
- এই ধরনের প্রশ্নে লেখকের শ্রেষ্ঠ রচনা কোনটি তা আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে কারণ একই লেখকের অন্যান্য রচনাও অপশনে থাকতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) পত্রকাব্য
১. কেন সঠিক:
- 'বীরাঙ্গনা' একটি পত্রকাব্য কারণ এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত পত্রাকারে লিখিত একমাত্র কাব্যগ্রন্থ।
- এই কাব্যে পৌরাণিক চরিত্রগুলোর মাধ্যমে চিঠির আকারে মনের আবেগ ও ভেতরের কথা প্রকাশ করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
- ১৮৬২ সালে প্রকাশিত এই কাব্যটিতে মোট একচল্লিশটি পত্র বা চিঠি রয়েছে এবং এটি Ovid কবির Heroides কাব্য অবলম্বনে রচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি মহাকাব্য, যা বাংলা সাহিত্যে ক্লাসিক্যাল মহাকাব্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
উদাহরণ ২: ব্রজাঙ্গনা কাব্য
ব্যাখ্যা: এটিও মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি গীতিমূলক কাব্যগ্রন্থ, যা রাধাকৃষ্ণের প্রেমের ওপর ভিত্তি করে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ট্রাজেডি কাব্য — ট্রাজেডি মূলত নাটক বা কাব্যনাট্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, কিন্তু 'বীরাঙ্গনা' কোনো ট্রাজেডি কাব্য নয় বরং পত্রকাব্য।
B) মহাকাব্য — মহাকাব্য হলো বিশাল আকৃতির বীরত্বপূর্ণ কাহিনিভিত্তিক কাব্য, আর বীরাঙ্গনা পত্রাকারে রচিত হওয়ায় এটি মহাকাব্য নয়।
D) সনেট — সনেট হলো চতুর্দশপদী কবিতা, কিন্তু 'বীরাঙ্গনা' কাব্যটি সনেট আকারে রচিত নয় বরং এটি পত্রাকারে লেখা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বীরাঙ্গনা মানেই পত্রকাব্য এবং এর লেখক মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
- মনে রাখার জন্য মাথায় রাখতে পারো যে বীরাঙ্গনা নারীরা এখানে চিঠি বা পত্রের মাধ্যমে তাদের মনের কথা বলেছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য একটিই এবং এর নাম বীরাঙ্গনা কাব্য।
- এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে রচনার ধরন এবং লেখকের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) উপসর্গ
১. কেন সঠিক:
যে অব্যয়সূচক শব্দাংশ মূল শব্দের বা ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন, সংকোচন বা সম্প্রসারণ ঘটায় তাকে উপসর্গ বলে। উপসর্গ শব্দের আধা-অর্থ প্রকাশ করে এবং এর নিজস্ব কোনো স্বাধীন ব্যবহার নেই।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
উপসর্গ হলো এমন এক ধরনের শব্দাংশ যা শব্দের আদিতে বসে শব্দের অর্থবাচকতা পরিবর্তন বা নতুন অর্থ তৈরি করে। বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ প্রধানত তিন প্রকার যেমন বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হার শব্দের পূর্বে বি উপসর্গ যোগ হয়ে বিহার নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে।
ব্যাখ্যা: মূল শব্দ হারের আগে বি যুক্ত হয়ে ভ্রমণের অর্থে নতুন শব্দ তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: কাজ শব্দের পূর্বে কু উপসর্গ যোগ হয়ে কুকাজ নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে।
ব্যাখ্যা: মূল শব্দ কাজের আগে কু যুক্ত হয়ে খারাপ কাজের অর্থে নতুন শব্দ তৈরি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনুসর্গ — অনুসর্গ শব্দের পরে বসে কারক বোঝাতে সাহায্য করে কিন্তু শব্দের আগে বসে না।
B) কর্ম প্রবচনীয় — কর্ম প্রপ্রবচনীয় মূলত অব্যয় পদ যা বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে বিভক্তির মতো বসে।
D) প্রত্যয় — প্রত্যয় মূল শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, আগে বসে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
উপসর্গ শব্দটি মনে রাখতে উপসর্গ কথাটি সামনে বসে এই কৌশল মনে রাখতে পারো। কারণ উপসর্গ সবসময় শব্দের সামনে বা পূর্বে বসে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ কোন পদ বা কোথায় বসে তা জানতে চাওয়া হয়। উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে এই মৌলিক বিষয়টি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) আলাওল
১. কেন সঠিক:
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে উজ্জ্বল এবং বহুমুখী প্রতিভাধর কবি হলেন মহাকবি আলাওল।
তাঁর অমর সৃষ্টি পদ্মাবতী তাঁকে মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ ও সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কবির মর্যাদা এনে দিয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি আলাওল সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক ধারার মধ্যযুগের অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত।
তিনি আরাকান রাজসভার মন্ত্রী মাগন ঠাকুরের উৎসাহে এবং পরবর্তীতে অন্যান্য আমিদের পৃষ্ঠপোষকতায় একাধিক মহাকাব্য রচনা করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পদ্মাবতী
ব্যাখ্যা: এটি মালিক মুহাম্মদ জায়সির পদুমাবত অবলম্বনে রচিত আলাওলের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ যা মধ্যযুগের সাহিত্যে অনন্য স্থান অধিকার করেছে।
উদাহরণ ২: সপ্তপয়কর
ব্যাখ্যা: নিজামীর হফত পয়েকর অবলম্বনে রচিত এই কাব্যটি আলাওলের পাণ্ডিত্য ও ফার্সি ভাষা থেকে অনুবাদের মুন্সিয়ানার এক চমৎকার নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দৌলত কাজী — তিনি মধ্যযুগের একজন প্রখ্যাত কবি হলেও আলাওলের মতো বহুমুখী ও বৃহৎ পরিসরে খ্যাতি অর্জন করতে পারেননি।
B) সৈয়দ সুলতান — তিনি নবী বংশ এবং রসূল বিজয় রচনার জন্য বিখ্যাত হলেও আলাওলের মতো মধ্যযুগের সার্বিক শ্রেষ্ঠ কবির স্বীকৃতি পাননি।
C) আলাওল — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
D) নাসির মাহমুদ — তিনি মধ্যযুগের কবি নন এবং বাংলা সাহিত্যের মূল ধারার উল্লেখযোগ্য কবি হিসেবে পরিগণিত হন না।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ ও উল্লেখযোগ্য কবি বললেই আলাওলের পদ্মাবতীর কথা মনে রাখবে।
আলাওল মানেই সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মধ্যযুগের রোমান্টিক ধারার প্রধান কবির নাম জানতে চাওয়া হয়।
এই ধরনের প্রশ্নে আলাওলের নাম এবং তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ পদ্মাবতী সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) adverb
কেন সঠিক:
- এই বাক্যে 'bad' শব্দটি 'hurt' ভার্বকে modify করেছে বা তার মাত্রা বুঝিয়েছে, তাই এটি adverb হিসেবে কাজ করেছে।
- কথ্য ইংরেজিতে প্রায়ই Adjective-এর পরিবর্তে Informal Adverb হিসেবে 'bad' ব্যবহার করা হয়, যা মূলত 'badly' এর অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) pronoun — Pronoun হলো যা কোনো Noun-এর পরিবর্তে বসে, কিন্তু এখানে 'bad' কোনো নামের বদলের কাজ করছে না।
B) adverb — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি একটি ক্রিয়াকে বিশেষিত করেছে।
C) adjective — যদিও 'bad' সাধারণত Adjective হয়, তবে এই বাক্যে এটি কোনো Noun বা Pronoun-কে বিশেষায়িত করছে না।
D) noun — Noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু 'bad' বাক্যে কোনো নাম বোঝাচ্ছে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো শব্দ Verb-কে কেমন বা কীভাবে প্রশ্ন করলে উত্তর পেলে তা Adverb হয়।
সঠিক উত্তর: C) Moon
কেন সঠিক:
- 'Lunar' শব্দটি ল্যাটিন শব্দ 'luna' থেকে এসেছে, যার অর্থ চাঁদ।
- বিজ্ঞানে বা জ্যোতির্বিজ্ঞানে চাঁদের সঙ্গে সম্পর্কিত যেকোনো কিছুকে বোঝাতে 'lunar' বিশেষণটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Sun — সূর্যের সঙ্গে সম্পর্কিত শব্দের ল্যাটিন বা ইংরেজি রূপ হলো সোলার বা solar।
B) Planet — যেকোনো গ্রহের সঙ্গে সম্পর্কিত শব্দের রূপ প্ল্যানেটারি বা planetary।
D) Water — পানির সঙ্গে সম্পর্কিত শব্দের ল্যাটিন বা ইংরেজি রূপ হলো অ্যাকুয়াটিক বা aquatic।
মনে রাখার টিপস:
সোলার প্যানেল থেকে যেমন সূর্য বা Solar মনে রাখা যায়, তেমনি লুনার এক্লিপ্স বা চন্দ্রগ্রহণ শব্দ থেকে Lunar মানে চাঁদ মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: B) gerund
কেন সঠিক:
- 'reading' শব্দটি verb (read)-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে এবং বাক্যে transitive verb 'like'-এর object হিসেবে noun-এর কাজ করেছে।
- verb এবং noun উভয় গুণের অধিকারী হওয়ায় এটি একটি gerund.
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Participle — participle একই সাথে verb এবং adjective হিসেবে কাজ করে, যা এখানে nouns-এর কাজ করায় প্রযোজ্য নয়।
B) gerund — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাক্যে noun-এর কাজ করেছে।
C) infinitive — infinitive বলতে verb-এর পূর্বে to বসা বোঝায়, কিন্তু এখানে to নেই।
D) verb — reading এখানে সরাসরি মূল verb বা finite verb হিসেবে কাজ করছে না, বরং noun-এর কাজ করছে।
মনে রাখার টিপস:
Verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি বাক্যে Noun-এর কাজ করে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে Gerund বলবে।
সঠিক উত্তর: A) Mausoleum
কেন সঠিক:
- তাজমহল ভারতের আগ্রায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক সমাধি সৌধ, যা সম্রাট শাহজাহান তাঁর স্ত্রী মমতাজ মহলের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মাণ করেছিলেন।
- ইংরেজিতে সমাধিক্ষেত্র বা مقبرة বোঝাতে Mausoleum শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mausoleum — এটি সঠিক উত্তর কারণ তাজমহল একটি রাজকীয় সমাধি সৌধ।
B) Castle — ক্যাসেল বা দুর্গ বলতে সাধারণত রাজা বা রানীর সুরক্ষামূলক বাসভবনকে বোঝায়, যা তাজমহল নয়।
C) Tower — টাওয়ার বলতে উঁচু ও সরু দালানকে বোঝায়, যা এই স্থাপত্যের প্রধান রূপ নয়।
D) Mansion — ম্যানসন হলো একটি অত্যন্ত বড় ও বিলাসবহুল আবাসিক বাড়ি, যা তাজমহলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
মমতাজ মহলের নাম এবং তাজমহলের সমাধি রূপটি মনে রাখলে Mausoleum শব্দটি সহজেই চেনা যায়।
সঠিক উত্তর: A) little
কেন সঠিক:
- 'Hope' একটি আনকাউন্টেবল বা গণনাসম্পন্ন করা যায় না এমন না-বোধক বিশেষ্য, যার আগে পরিমাণ বোঝাতে 'little' বসে।
- 'Little' শব্দটি প্রায় নেই বললেই চলে এমন নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) little — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'hope' একটি আনকাউন্টেবল নাউন এবং এখানে সামান্য পরিমাণের নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।
B) several — এটি প্লুরাল কাউন্টেবল নাউনের পূর্বে বসে, কিন্তু 'hope' কাউন্টেবল নয়।
C) few — এটি প্লুরাল কাউন্টেবল নাউনের পূর্বে বসে, কিন্তু 'hope' আনকাউন্টেবল হওয়ায় এখানে বসবে না।
D) a few — এটি সংখ্যায় অল্প বোঝাতে প্লুরাল কাউন্টেবল নাউনের পূর্বে বসে, যা 'hope' এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
আনকাউন্টেবল নাউনের পরিমাণ কম বোঝাতে little এবং কাউন্টেবল নাউনের সংখ্যা কম বোঝাতে few বসে।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: A) very successfully
কেন সঠিক:
- With flying colours একটি ইংরেজি প্রবাদপ্রতিম Idiom, যার অর্থ অত্যন্ত সফলভাবে বা গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য অর্জন করা।
- পরীক্ষায় বা প্রতিযোগিতায় অসাধারণ ফলাফল করার ক্ষেত্রে এই ফ্রেজটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) very successfully — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ফ্রেজটির আক্ষরিক ও ভাবার্থ একই।
B) with pomp and ceremony — এর অর্থ ঘটা করে বা জাঁকজমকের সাথে, যা সাফল্যের সাথে মিলে না।
C) with too much pride — এর অর্থ অতিরিক্ত অহংকার নিয়ে, যা এই ইডিয়ামের অর্থের বিপরীত।
D) very enthusiastically — এর অর্থ অত্যন্ত উৎসাহের সাথে, যা সাফল্যের সরাসরি প্রকাশ নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিজয়ী পতাকা ওড়ানোর দৃশ্য কল্পনা করো, যার অর্থ হলো তুমি অত্যন্ত সফলভাবে বা with flying colours জয়লাভ করেছ।
সঠিক উত্তর: A) from
কেন সঠিক:
- deviation শব্দের পর উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে সাধারণত from বসে।
- নিয়ম বা কোড অব কন্ডাক্ট থেকে বিচ্যুতির ক্ষেত্রে deviation from ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) from — এটি সঠিক উত্তর কারণ Deviation শব্দের সাথে প্রিপজিশন হিসেবে from যুক্ত হয়ে নিয়ম ভঙ্গের ক্ষেত্রে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
B) of — এটি ভুল কারণ Deviation-এর পর সম্পর্ক বা অধিকার বোঝাতে of বসে না।
C) with — এটি ভুল কারণ সহযোগ বা সাথে বোঝাতে with ব্যবহৃত হয় যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
D) over — এটি ভুল কারণ উপরে বা কোনো কিছুর ওপর অধিকার বোঝাতে over ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
Deviation শব্দের অর্থ বিচ্যুতি বা সরে যাওয়া, তাই পথ বা নিয়ম থেকে সরে যাওয়া বোঝাতে Deviation-এর পরে always from বসে।
সঠিক উত্তর: C) the cheaper
কেন সঠিক:
- নির্দিষ্ট দুইটির মধ্যে তুলনা বোঝালে এবং পছন্দের বা নির্বাচনের প্রশ্ন আসলে Comparative Degree-এর আগে নির্দিষ্ট আর্টিকেল the বসে।
- এই বাক্যে of the two থাকার কারণে Comparative adjective-এর পূর্বে অবশ্যই the বসাতে হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) cheap — এটি Positive Degree এবং এর পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল the নেই, যা তুলনার নিয়মের সাথে সাংঘর্ষিক।
B) শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ Positive Degree-এর সাথে the যুক্ত করে তুলনা প্রকাশ করা যায় না।
C) the cheaper — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Comparative Degree এবং এর পূর্বে সঠিক নিয়মে the বসেছে।
D) the cheapest — দুইয়ের অধিক বস্তুর মধ্যে তুলনা বা শ্রেষ্ঠত্ব বোঝাতে Superlative Degree ব্যবহার হয়, কিন্তু এখানে মাত্র দুইটির কথা বলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে of the two থাকলে চোখ বন্ধ করে Comparative Degree এবং তার আগে the বসাবে।
সঠিক উত্তর: B) an
কেন সঠিক:
- 'heiress' শব্দের শুরুতে 'h' অক্ষর থাকলেও এর উচ্চারণ স্বরবর্ণের মতো (এয়ারিস) হয়।
- উচ্চারণের শুরুতে স্বরধ্বনি আসার কারণে এর পূর্বে 'a' এর পরিবর্তে 'an' বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the — নির্দিষ্ট করে বোঝাতে 'the' বসে, কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট কোনো উত্তরাধিকারীকে বোঝাচ্ছে না।
B) an — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দের শুরুতে স্বরধ্বনি থাকলে 'an' বসে।
C) a — ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ দিয়ে শুরু শব্দে 'a' বসে, কিন্তু এখানে 'heiress' এর উচ্চারণ স্বরবর্ণ দিয়ে শুরু হয়।
D) none — প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'an' সঠিক হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের বানান নয়, উচ্চারণের প্রথম ধ্বনি স্বরবর্ণের মতো হলে তার আগে 'an' বসবে, যেমন 'hour' বা 'heiress'।
সঠিক উত্তর: A) obligatory
কেন সঠিক:
- Mandatory শব্দের বাংলা অর্থ হলো বাধ্যতামূলক বা যা পালন করা আবশ্যক।
- Obligatory শব্দটির অর্থও বাধ্যতামূলক, যা প্রদত্ত শব্দের সমার্থক হিসেবে নিখুঁতভাবে প্রযোজ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) obligatory — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বাধ্যতামূলক এবং এটি mandatory শব্দের সমার্থক।
B) confidential — এর অর্থ গোপনীয় বা সংবেদনশীল, যা বাধ্যতামূলক শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
C) optional — এর অর্থ ঐচ্ছিক বা যা ইচ্ছা করলে করা যায়, যা বাধ্যতামূলক শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত।
D) temporary — এর অর্থ সাময়িক বা ক্ষণস্থায়ী, যা বাধ্যতামূলক বা আবশ্যকীয় অর্থে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
Mandatory এবং Obligatory উভয় শব্দের অর্থই বাধ্যতামূলক। পরীক্ষার হলে দুটি শব্দ সমার্থক হিসেবে মনে রাখবেন।
সঠিক উত্তর: C) He asked me if I knew him
কেন সঠিক:
- রিপোর্টিং ভার্ব 'said to' পরিবর্তিত হয়ে 'asked' হয় এবং ইন্টারোগটিভ বাক্যটি অ্যাসারটিভ বাক্যে রূপান্তরিত হয়।
- রিপোর্টেড স্পিচটি প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স হওয়ায় ইনডাইরেক্ট করার সময় তা পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স (knew) এ পরিবর্তিত হয়।
- সাবজেক্ট 'you' পরিবর্তিত হয়ে অবজেক্ট 'me' অনুযায়ী 'I' হয় এবং পার্সন পরিবর্তনের নিয়ম মেনে 'me' পরিবর্তিত হয়ে 'him' হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He asked me if I know him, — এখানে রিপোর্টেড স্পিচের টেন্স পরিবর্তন করা হয়নি, প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট রাখা হয়েছে যা ভুল।
B) He asked do I know him, — এখানে ইনডাইরেক্ট স্পিচে 'if' বা 'whether' ব্যবহার করা হয়নি এবং সাহায্যকারী ভার্ব আগে রাখা হয়েছে যা ভুল।
C) He asked me if I knew him — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং নিয়মানুসারে পরিবর্তিত হয়েছে।
D) He asked me did I know him — এখানে ইনডাইরেক্ট স্পিচে ভুলভাবে 'did' ব্যবহার করা হয়েছে এবং বাক্যটিকে অ্যাসারটিভ করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
ইন্টারোগটিভ সেন্টেন্সকে ইনডাইরেক্ট করার সময় ইনভার্টেড কমা তুলে if বসাতে হয় এবং টেন্সকে এক ধাপ পেছনের পাস্ট টেন্সে রূপান্তর করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) had started
কেন সঠিক:
- অতীতকালের দুটি ঘটনার মধ্যে যেটি আগে ঘটেছিল, তার ক্ষেত্রে Past Perfect Tense (had + V3) ব্যবহৃত হয়।
- এখানে আমার পৌঁছানোর আগে পরীক্ষা শুরু হওয়ার কাজটি আগে ঘটেছিল, তাই সঠিক উত্তর C।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) has started — এটি Present Perfect Tense, যা অতীতকালের দুটি ঘটনার ক্রম বোঝাতে এই বাক্যে ব্যবহার করা যায় না।
B) had been started — এটি Passive Voice-এর গঠন, কিন্তু এখানে বাক্যটি Active Voice-এ হওয়া প্রয়োজন কারণ পরীক্ষা নিজে থেকেই শুরু হয়েছিল।
C) had started — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়।
D) did start — এটি Past Indefinite Tense, যা অতীতকালের তুলনামূলকভাবে আগের কাজের ক্ষেত্রে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
অতীতকালের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটে, সেখানে Past Perfect (had + V3) এবং যেটি পরে ঘটে, সেখানে Past Indefinite Tense বসে।
সঠিক উত্তর: A) accommodation
কেন সঠিক:
- এই শব্দটিতে ডাবল সি (cc) এবং ডাবল এম (mm) রয়েছে, যা বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রে মূল নিয়ম।
- ইংরেজি বানানের ক্ষেত্রে প্রিফিক্স বা অন্য কোনো জটিলতা ছাড়াই ac এবংmodation যোগ করে শব্দটি গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) accommodation — এটি সঠিক বানান কারণ এতে ডাবল সি এবং ডাবল এম সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
B) accomodation — এটি ভুল কারণ এতে ডাবল সি (cc) এর পরিবর্তে একটি সি (c) দেওয়া হয়েছে।
C) acommodation — এটি ভুল কারণ এতে প্রথম অংশে একটি সি (c) কম রয়েছে।
D) acomodation — এটি ভুল কারণ এতে সি (c) এবং এম (mm) উভয় ক্ষেত্রেই অক্ষর কম রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটিতে ছোট সি এবং ছোট এম দুটি করে আছে, অর্থাৎ দুটো সি এবং দুটো এম মিলিয়ে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) based on the first impression
কেন সঠিক:
- 'Prima facie' একটি ল্যাটিন ফ্রেজ, যার আক্ষরিক অর্থ হলো প্রথম দর্শনে বা প্রথম নজরে।
- আইনগত বা সাধারণ প্রেক্ষাপটে এটি এমন কোনো বিষয় বা প্রমাণ বোঝায় যা প্রথম দেখাতেই সত্য বলে মনে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the prime accused — এটি দিয়ে প্রধান আসামিকে বোঝায়, যা ফ্রেজটির আক্ষরিক অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) the main figure — এর অর্থ মূল ব্যক্তিত্ব, যা প্রারম্ভিক ধারণার ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) based on the first impression — এটি সঠিক কারণ ফ্রেজটির অর্থ প্রথম দর্শনে প্রাপ্ত ধারণার ওপর ভিত্তি করে গঠিত।
D) according to the main facts — এটি মূল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বোঝায়, যা প্রথম দর্শনের ধারণার চেয়ে আলাদা।
মনে রাখার টিপস:
'Prima' শব্দটিকে প্রাইমারি বা প্রাথমিক হিসেবে মনে রাখতে পারেন, যা থেকে প্রথম ইমপ্রেশনের ধারণাটি সহজেই মাথায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) Neigh
কেন সঠিক:
- ঘোড়ার ডাককে ইংরেজিতে Neigh বলা হয়, যা এই প্রাণীর পরিচিত শব্দ নির্দেশ করে।
- প্রশ্নের বাক্যে কুকুরের ডাকের (Bark) সাথে সামঞ্জস্য রেখে ঘোড়ার সঠিক ডাক চাওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Hum — এটি মাছির গুঞ্জন বা নিচু স্বরে গুনগুন শব্দ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, ঘোড়ার ডাক নয়।
B) Neigh — এটি ঘোড়ার ডাক, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
C) Hiss — এটি সাপের ফোঁস ফোঁস শব্দ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) Croak — এটি ব্যাঙের ডাক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ঘোড়ার ডাক হলো Neigh এবং কুকুরের ডাক হলো Bark, প্রাণীদের নির্দিষ্ট শব্দগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) didn't he
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটির মূল অংশ 'He excelled in sports' পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে রয়েছে, তাই ট্যাগ কোশ্চেন গঠনের সময় ডিড (did) সাহায্যকারী ভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
- মূল বাক্যের ক্রিয়াটি অ্যাফার্মেটিভ বা হাবভাবসূচক হওয়ায় এর ট্যাগ অংশটি নেগেটিভ (didn't) হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) won't he — বাক্যটি ফিউচার টেন্সে নেই, তাই উইল (will) বা ওয়ান্ট (won't) ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) don't he — মূল বাক্যের সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হলেও এটি প্রেজেন্ট টেন্স নয়, তাই ডোন্ট (don't) ব্যবহার করা যায় না।
C) doesn't he — মূল বাক্যটি পাস্ট টেন্সে থাকায় প্রেজেন্ট টেন্সের সাহায্যকারী ভার্ব ডাজ (does) ব্যবহার করা ভুল।
D) didn't he — এটি সঠিক অপশন কারণ প্রদত্ত বাক্যটি পাস্ট টেন্সে রয়েছে এবং সাবজেক্টের সাথে সঠিক মিল রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
মূল বাক্যে ভার্বের পাস্ট ফর্ম (excelled) থাকলে ট্যাগ কোশ্চেনে ডিড (did) বসবে এবং বাক্যটি হাবভাবসূচক হলে ট্যাগটি নেগেটিভ (didn't) হবে।
সঠিক উত্তর: B) People are better educated now.
কেন সঠিক:
- এখানে 'better' শব্দটি 'educated' নামক Adjective-কে Modify বা বিশেষিত করেছে।
- Adverb সাধারণত Adjective-কে Modify করে, তাই এটি এখানে Adverb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I have a better plan. — এখানে 'better' শব্দটি 'plan' (Noun) এর পূর্বে বসে তাকে বিশেষিত করেছে, তাই এটি Adjective।
B) People are better educated now. — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে 'better' শব্দটি 'educated' (Adjective)-কে বিশেষিত করায় এটি Adverb।
C) I expected better of him. — এখানে 'better' শব্দটি একটি Noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ অপেক্ষাকৃত ভালো কিছু।
D) Try to better your lot. — এখানে 'better' শব্দটি একটি Verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ উন্নতি করা।
মনে রাখার টিপস:
Adjective-এর পূর্বে বসে যখন কোনো শব্দ তার মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং কেমন শিক্ষিত তা বোঝায়, তখন সেটি Adverb হয়।
সঠিক উত্তর: B) He was called a fool by us,
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি Past Indefinite Tense-এর Active Voice-এ আছে, যার Passive রূপ করার সময় Subject-এর পর was বা were এবং মূল Verb-এর Past Participle বসে।
- এই বাক্যে দুটি Object (him এবং a fool) আছে, যার মধ্যে গৌণ Object (him) কে Subject করে He এবং তারপর was called লেখা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He had been called a fool by us, — Past Perfect Tense-এর গঠন ব্যবহার করায় এই অপশনটি ভুল হয়েছে।
B) He was called a fool by us, — এটি সঠিক কারণ এটি Past Indefinite Tense-এর সঠিক Passive গঠন নির্দেশ করে।
C) He has called a fool by us, — Present Perfect Tense ব্যবহার করায় এবং গঠন সঠিক না থাকায় এটি ভুল।
D) He has been called a fool by us — Present Perfect Tense-এর Passive রূপ হওয়ায় এটি প্রদত্ত Past Indefinite Tense-এর বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
Active Voice-এ Verb যদি Past Indefinite Tense-এ থাকে, তবে Passive Voice করার সময় was বা were বসিয়ে Verb-এর Past Participle করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) common
কেন সঠিক:
- 'Parent' শব্দটি পিতা বা মাতা উভয়কেই নির্দেশ করে, যা নির্দিষ্ট কোনো লিঙ্গ বোঝায় না।
- পুরুষ বা স্ত্রী উভয়বাচক বিশেষ্যকে একসাথে কমন জেন্ডার বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) masculine — এটি কেবল পুরুষবাচক বিশেষ্য বোঝায়, কিন্তু parent দ্বারা মাকেও বোঝানো যায়।
B) feminine — এটি কেবল স্ত্রীবাচক বিশেষ্য বোঝায়, কিন্তু parent দ্বারা পিতাকেও বোঝানো যায়।
C) common — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি পুরুষ ও স্ত্রী উভয়কেই সমানভাবে নির্দেশ করে।
D) neuter — এটি অচেতন বা ক্লীব লিঙ্গ বোঝায়, কিন্তু parent একটি জীবন্ত মানুষকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
যেই শব্দগুলো দিয়ে মা কিংবা বাবা উভয়কেই বোঝানো যায়, সেগুলো সবসময় কমন জেন্ডার হয়।
সঠিক উত্তর: C) princes
কেন সঠিক:
- 'Prince' শব্দের শেষে es যুক্ত করে এর বহুবচন বা plural form করা হয়েছে।
- এটি একটি নিয়মিত বা regular plural noun-এর উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) news — এটি দেখতে plural এর মতো মনে হলেও এটি মূলত একটি singular uncountable noun.
B) princess — এটি প্রিন্স শব্দের feminine gender বা স্ত্রীবাচক রূপ এবং singular ফর্মে আছে।
C) princes — এটি সঠিক উত্তর যা prince শব্দের plural form.
D) actress — এটি actor শব্দের feminine gender বা স্ত্রীবাচক রূপ এবং singular ফর্মে আছে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে s বা es দেখলে তাড়াহুড়ো না করে দেখতে হবে শব্দটি singular noun-এর plural রূপ নাকি অন্য কোনো gender বা noun।
সঠিক উত্তর: B) ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর আল-বদর বাহিনী বাংলাদেশের প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পনা করে হত্যা করে।
- জাতির মেধাশূন্য করার উদ্দেশ্যে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালানো হয়, যা শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এটি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস নয়, এটি যুদ্ধের একটি বিশেষ দিন তবে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের তারিখ নয়।
B) ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এটি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের তারিখ নয়, এটি বিজয়ের আগের একটি দিন মাত্র।
D) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এটি মহান বিজয় দিবস, যেদিন বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
মনে রাখার টিপস:
বিজয়ের ঠিক দুই দিন আগে অর্থাৎ চৌদ্দই ডিসেম্বর জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনস্থল
কেন সঠিক:
- নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলায় অবস্থিত উয়ারী বটেশ্বর একটি প্রাচীন দুর্গনগরী ও সমৃদ্ধ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনস্থল।
- এখানে খননকার্য চালিয়ে প্রাচীন মুদ্রা, অস্ত্রশস্ত্র, মৃত্তিকা শিল্প এবং মৌর্য আমলের বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নদী বন্দর — এটি কোনো প্রাচীন বা আধুনিক নদী বন্দর হিসেবে পরিচিত নয়, যদিও এর নিকটে প্রাচীনকালে নদী যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছে।
B) বধ্যভূমি — ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রধান বধ্যভূমি হিসেবে এটি পরিচিত নয়।
C) প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনস্থল — এটি সঠিক কারণ এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
D) চেকপোস্ট — এটি কোনো সামরিক বা প্রশাসনিক চেকপোস্টের নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
উয়ারী বটেশ্বর মানেই প্রাচীন নিদর্শন ও প্রত্নতত্ত্ব, যা নরসিংদীতে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) ৭ম তফসিলে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম তফসিলে ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল জারি করা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে এই তফসিলটি সংযোজন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪র্থ তফসিলে — এই তফসিলে প্রথম সংসদের শপথ ও কার্যভার গ্রহণসংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
B) ১ম তফসিলে — এই তফসিলে যেসব আইনের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হয়েছে তার তালিকা রয়েছে।
C) ৬ষ্ঠ তফসিলে — এই তফসিলে রাষ্ট্রপতির শপথ ও ঘোষণাসংক্রান্ত বিধান উল্লেখ আছে।
D) ৭ম তফসিলে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানেই স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংযুক্ত করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সাত দিয়ে মনে রাখুন স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম তফসিলে আছে।
সঠিক উত্তর: A) ৬.১৫ কি.মি.
কেন সঠিক:
- পদ্মা সেতুর মূল কাঠামোগত দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং সংযোগ সড়কসহ মোট দৈর্ঘ্য ১০ কিলোমিটার।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম বহুমুখী সেতু যা দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপ্লব ঘটিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬.১৫ কি.মি. — এটি পদ্মা সেতুর মূল দৈর্ঘ্য এবং প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তর।
B) ৬.২৫ কি.মি. — এটি ভুল কারণ পদ্মা সেতুর মূল দৈর্ঘ্য এই পরিমাপের চেয়ে কম।
C) ৬.৩০ কি.মি. — এটি একটি ভুল পরিমাপ এবং সেতুটির প্রকৃত দৈর্ঘ্যের সঙ্গে মিলে না।
D) ৬.৪০ কি.মি. — এটিও ভুল কারণ সেতুটির মূল দৈর্ঘ্য এই সংখ্যা নয়।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ছয় দশমিক পনেরো কিমি।
সঠিক উত্তর: A) ৮ মার্চ ২০২০
কেন সঠিক:
- আইইডিসিআর এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম তিন জন করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়।
- বিশ্বজুড়ে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া কোভিড ঊনিশ ভাইরাসের সংক্রমণ বাংলাদেশেও এই তারিখ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮ মার্চ ২০২০ — এই তারিখে বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছিল।
B) ২৮ মার্চ ২০২০ — এই তারিখে প্রথম করোনা রোগীর মৃত্যুর খবর প্রকাশ করা হয়েছিল, শনাক্তের তারিখ নয়।
C) ২০ মার্চ ২০২০ — এই তারিখে করোনা শনাক্তের প্রথম দিকে সংক্রমণ বাড়তে থাকে, তবে এটি প্রথম রোগী শনাক্তের দিন নয়।
D) ৮ এপ্রিল ২০২০ — এই তারিখটি প্রথম রোগী শনাক্তের এক মাস পরের সময়কে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
বছরের মার্চ মাসের প্রথম আট দিন পরেই অর্থাৎ আট মার্চ বাংলাদেশে করোনার সূচনা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
কেন সঠিক:
- ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ২০২১ সালের আগস্ট মাসে ইতালিয়ান ক্লাব জুভেন্টাস ছেড়ে ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে দ্বিতীয়বারের মতো যোগ দেন।
- এর আগে তিনি ২০০৩ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত এই ক্লাবেই খেলে বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জুভেন্টাস — এটি ইতালিয়ান ক্লাব যেখানে তিনি ২০১৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত খেলেছিলেন, বর্তমান ক্লাব নন।
B) রিয়েল মাদ্রিদ — এটি স্প্যানিশ ক্লাব যেখানে তিনি ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত অত্যন্ত সফল সময় পার করেছিলেন।
D) রোমা — এটি ইতালির রাজধানী রোমভিত্তিক একটি ক্লাব যার সাথে রোনালদোর ক্যারিয়ারের কোনো সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
রোনালদো বিশ্বখ্যাত ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ২০০৩ সালে প্রথম এবং ২০২১ সালে দ্বিতীয় দফায় খেলেছিলেন।
সঠিক উত্তর: B) হামিদুর রহমান
কেন সঠিক:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশা ও পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন ভাস্কর হামিদুর রহমান।
- ১৯৫৭ সালে তার নকশ অনুযায়ী শহীদ মিনারের নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং এতে ভাষা আন্দোলনের প্রতীকী তাৎপর্য ফুটিয়ে তোলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তানভির কবির — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি নন এবং এই ঐতিহাসিক স্থাপনার নকশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
B) হামিদুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই।
C) হামিদুজ্জামান — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত ভাস্কর হলেও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি নন।
D) অবসর বাদল — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশা বা নির্মাণের সঙ্গে কোনোভাবেই সংশ্লিষ্ট ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
শহীদ মিনারের নকশার সাথে 'হ' দিয়ে শুরু নাম মনে রাখুন, যেমন স্থপতি হামিদুর রহমান।
সঠিক উত্তর: B) ১৭
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ বন বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী দেশের মোট বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১৭ শতাংশ।
- দেশের পরিবেশ ও ভারসাম্য রক্ষার জন্য মোট ভূমির কমপক্ষে ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৫ — এই পরিমাণটি দেশের প্রকৃত বনভূমির পরিমাপের চেয়ে কম এবং এটি বনভূমির সঠিক সরকারি পরিসংখ্যান নয়।
B) ১৭ — এই পরিমাণটি বাংলাদেশের মোট বনভূমির বর্তমান সরকারি ও দাপ্তরিক পরিসংখ্যানের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
C) ১৯ — এই পরিমাণটি বাংলাদেশের বনভূমির প্রকৃত অনুপাতের চেয়ে কিছুটা বেশি অনুমান করা হয়েছে।
D) ২২ — এই পরিমাণটি বর্তমান বাস্তবতার তুলনায় অনেক বেশি এবং এটি মূলত কাঙ্ক্ষিত বা পরিকল্পিত বনভূমির লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ বা বাংলা শব্দটিতে মোট অক্ষর বা শেষের সংখ্যা হিসাব করে ১৭ মনে রাখতে পারেন, কারণ দেশের বনভূমি ঠিক ১৭ শতাংশ।
সঠিক উত্তর: C) ১৫৩ টি
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধয়নে মূল অনুচ্ছেদ রয়েছে মোট ১৫৩টি।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৩৩ টি — এটি সংবিধানের কোনো অনুচ্ছেদ সংখ্যা নয় এবং এটি একটি ভুল তথ্য।
B) ১৪৩ টি — এটিও সংবিধানের মোট অনুচ্ছেদ সংখ্যার সঠিক তথ্য নয়।
১৫৩ টি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য।
D) ১৬৩ টি — বাংলাদেশের সংবিধানে ১৫৩টির বেশি অনুচ্ছেদ নেই, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের অনুচ্ছেদের সংখ্যা মনে রাখতে ১৫৩ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যার শেষে ৩ এবং শুরুতে ১৫ আছে।
সঠিক উত্তর: A) শের বাহাদুর দেউবা
কেন সঠিক:
- শের বাহাদুর দেউবা ২০২১ সালের জুলাই মাসে পঞ্চমবারের মতো নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান।
- তিনি নেপালি কংগ্রেস পার্টির সভাপতি এবং দেশটির রাজনীতিতে দীর্ঘকাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শের বাহাদুর দেউবা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি ২০২১ সালে পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন।
B) খড়গ প্রসাদ অলি — তিনি নেপালের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তবে শের বাহাদুর দেউবার মতো পঞ্চমবারের মতো এই পদে নিয়োগ পাননি।
C) বিদ্যা দেবী ভান্ডারি — তিনি নেপালের সাবেক রাষ্ট্রপতি ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী নন।
D) হাজরা প্রসাদ — এটি নেপালের কোনো প্রধান রাজনৈতিক নেতার নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
পাঁচবার ক্ষমতায় আসা নেপালের নেতা হলেন শের বাহাদুর দেউবা।
সঠিক উত্তর: B) ১০ এপ্রিল ১৯৭১
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার বা মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
- এই সরকার গঠনের মাধ্যমেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম আইনগত ও সাংবিধানিক ভিত্তি লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ মার্চ ১৯৭১ — এই তারিখে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়নি, এটি সরকার গঠনের আগের উত্তাল অসহযোগ আন্দোলনের সময়কাল।
B) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর, এই দিনেই সরকার গঠিত হয় এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়।
C) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের তারিখ, গঠনের তারিখ নয়।
D) ১০ মে ১৯৭১ — এটি মুজিবনগর সরকার গঠনের সঠিক তারিখ নয়, এটি সরকার গঠনের পরবর্তী সময়।
মনে রাখার টিপস:
গঠন হয়েছে ১০ এপ্রিল আর শপথ নিয়েছে ১৭ এপ্রিল, এই ৭ দিনের ব্যবধান মনে রাখলেই ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: B) অ্যালুমিনিয়াম
১. কেন সঠিক:
পৃথিবীর ভূ-ত্বক বা ক্রাস্ট মূলত বিভিন্ন মৌলের যৌগ নিয়ে গঠিত। ভর অনুপাতে ভূ-ত্বকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে রয়েছে অক্সিজেন, তারপরে সিলিকন এবং তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ধাতু হিসেবে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যাওয়া মৌল অ্যালুমিনিয়াম।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ভূ-ত্বক বা ক্রাস্ট হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বাইরের শক্ত স্তর যা শিলা ও খনিজ পদার্থ দিয়ে গঠিত।
কারণ ও ফলাফল: ভূ-ত্বকের গঠনকারী প্রধান মৌলগুলোর শতকরা পরিমাণ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় অক্সিজেনের পরিমাণ প্রায় ছেচল্লিশ শতাংশ, সিলিকনের পরিমাণ প্রায় আঠারো শতাংশ এবং অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ প্রায় আট শতাংশ।
বাস্তব প্রয়োগ: অ্যালুমিনিয়াম ভূ-ত্বকে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া গেলেও এটি সরাসরি মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় না, বরং বক্সাইট নামক আকরিক থেকে নিষ্কাশন করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাটির নিচের শিলা ও বালি গঠন।
ব্যাখ্যা: বালি মূলত সিলিকন ডাই-অক্সাইড, যা ভূ-ত্বকের দ্বিতীয় প্রধান উপাদান সিলিকনের প্রাচুর্য নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: বিমানের বডি তৈরি।
ব্যাখ্যা: ভূ-ত্বকে প্রচুর পরিমাণে প্রাপ্ত অ্যালুমিনিয়াম হালকা ও শক্তিশালী হওয়ার কারণে বিমান ও রান্নার তৈজসপত্র তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লৌহ — এটি ভূ-ত্বকের চতুর্থ প্রধান মৌল এবং এর পরিমাণ প্রায় পাঁচ শতাংশ, তাই এটি তৃতীয় সর্বোচ্চ নয়।
B) অ্যালুমিনিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভূ-ত্বকে অক্সিজ ও সিলিকনের পরেই এর অবস্থান।
C) অক্সিজেন — এটি ভূ-ত্বকের মধ্যে প্রথম সর্বোচ্চ মৌল যার পরিমাণ প্রায় ছেচল্লিশ শতাংশ।
D) সিলিকন — এটি ভূ-ত্বকের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৌল যার পরিমাণ প্রায় আঠারো শতাংশ।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভূ-ত্বকের উপাদানগুলো মনে রাখার সহজ বাংলা ছন্দ হলো অসিয়ালো লোহা, যার অর্থ অক্সিজেন, সিলিকন, অ্যালুমিনিয়াম এবং লোহা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। এখান থেকে ভিন্নভাবে প্রশ্ন হতে পারে যে ভূ-ত্বকে কোন ধাতু সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়, যার উত্তর হবে অ্যালুমিনিয়াম।
সঠিক উত্তর: B) অতি বেগুনী রশ্মি
১. কেন সঠিক:
- অতি বেগুনী রশ্মি বা আল্ট্রাভায়োলেট রে অণুজীবের ডিএনএ নষ্ট করতে পারে।
- এই রশ্মির শক্তি ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের কোষপ্রাচীর ভেদ করে তাদের বংশবৃদ্ধির ক্ষমতা চিরতরে কেড়ে নেয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: অতি বেগুনী রশ্মি হলো এক ধরণের তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোর চেয়ে কম কিন্তু এক্স রশ্মির চেয়ে বেশি।
- কার্যপ্রণালি: জীবাণুর কোষের ভেতরের নিউক্লিক অ্যাসিড এই রশ্মি শোষণ করে, ফলে ডিএনএ অণুতে পরিবর্তন ঘটে এবং জীবাণু মারা যায়।
- বাস্তব প্রয়োগ: পানি বিশুদ্ধকরণ প্ল্যান্ট, হাসপাতাল ও ল্যাবরেটরির বাতাস এবং চিকিৎসা যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করতে এই রশ্মি বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পানির ফিল্টার
ব্যাখ্যা: আধুনিক ইউভি ওয়াটার পিউরিফায়ারে অতি বেগুনী রশ্মি ব্যবহার করে পানিবাহিত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস ধ্বংস করা হয়।
উদাহরণ ২: অপারেশন থিয়েটার জীবাণুমুক্তকরণ
ব্যাখ্যা: অস্ত্রোপচারের আগে হাসপাতালের কক্ষে অতি বেগুনী বা ইউভি ল্যাম্প জ্বালিয়ে সমস্ত ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এক্স রশ্মি — এটি মূলত উচ্চ ভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ যা মানবদেহের হাড়ের ছবি তুলতে ব্যবহৃত হয়, জীবাণু ধ্বংসে সরাসরি ব্যবহৃত হয় না।
B) অতি বেগুনী রশ্মি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও শক্তি অণুজীবের কোষ ধ্বংস করতে সবচেয়ে বেশি উপযোগী।
C) অবলাল রশ্মি — এটি তাপীয় বিকিরণ বা ইনফ্রারেড রে, যা মূলত তাপ উৎপন্ন করতে এবং নাইট ভিশন প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়, জীবাণুনাশক নয়।
D) গামা রশ্মি — এটি অত্যন্ত শক্তিশালী তেজস্ক্রিয় রশ্মি যা জীবাণু ধ্বংস করতে পারে, তবে এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং চিকিৎসাসামগ্রী শিল্প কারখানায় স্টারলাইজেশনে ব্যবহৃত হয়, সাধারণ বা প্রচলিত অর্থে এটি পরীক্ষামূলক বা পরীক্ষাগার জীবাণু ধ্বংসের আদর্শ মাধ্যম নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইউভি বা অতি বেগুনী রশ্মিকে সূর্যের আলোর প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক হিসেবে মনে রাখতে পারো।
- রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে কাপড় শুকালে জীবাণু মুক্ত হয়, যার পেছনে এই অতি বেগুনী রশ্মি কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- অতি বেগুনী রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং এর জীবাণু ধ্বংসকারী ক্ষমতা সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- জীবাণুনাশক হিসেবে ওজোন গ্যাস এবং ক্লোরিনের ব্যবহারের পাশাপাশি এই রশ্মির কার্যকারিতাও মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) Wolffia arrhiza
১. কেন সঠিক:
- Wolffia arrhiza পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম সপুষ্পক জলজ উদ্ভিদ এবং এর আকার একটি পিনহেডের মতো খুব ছোট হয়।
- এটি মুক্ত ভাসমান উদ্ভিদ এবং এর কোনো মূল বা পাতার স্পষ্ট আলাদা অংশ থাকে না, বরং একটি থ্যালাসের মতো দেহ থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: উদ্ভিদবিজ্ঞান অনুযায়ী কিছু জলজ উদ্ভিদ এত ক্ষুদ্র হয় যে খালি চোখে এদের পুরো গঠন বোঝা যায় না।
- কার্যপ্রণালি: এরা জলীয় পরিবেশ থেকে সরাসরি পুষ্টি উপাদান শোষণ করে এবং খুব দ্রুত অঙ্গজ প্রজননের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুকুরের পানিতে অনেক সময় যে সবুজ গুঁড়ার মতো আস্তরণ দেখা যায় তার মধ্যে এই ক্ষুদ্র উদ্ভিদ থাকতে পারে।
ব্যাখ্যা: এটি অতি দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে জলাশয়ের উপরিভাগ ঢেকে ফেলতে পারে।
উদাহরণ ২: অ্যাকুরিয়ামে অনেক সময় এই ক্ষুদ্র উদ্ভিদ জন্ম নেয়।
ব্যাখ্যা: এটি পানির পুষ্টি উপাদান ব্যবহার করে বেঁচে থাকে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Wolffia arrhiza - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ক্ষুদ্রতম জলজ উদ্ভিদ।
B) Pistia stratiotes - এটি কচুরিপানা জাতীয় একটি জলজ উদ্ভিদ যা আকারে এর চেয়ে অনেক বড় হয়।
C) Salvinia natans - এটি একটি জলজ ফার্ন যা ভাসমান অবস্থায় থাকে এবং এর পাতা বেশ বড় আকৃতির হয়।
D) Azolla pinnata - এটি একটি ক্ষুদ্র জলজ পানা হলেও ওলফিয়ার তুলনায় এর আকার বড় এবং এটি নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ওলফিয়া হলো জলজ জগতের ক্ষুদ্রতম রাজা বা ক্ষুদ্রতম উদ্ভিদ।
- নামের শুরু ও অক্ষর দিয়ে মনে রাখতে পারো এটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র একটি উদ্ভিদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্ষুদ্রতম সপুষ্পক উদ্ভিদ সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- জলজ উদ্ভিদের বিভিন্ন প্রজাতি এবং তাদের বৈশিষ্ট্য থেকে অন্য এমসিকিউ আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) পাতায়
১. কেন সঠিক:
- উদ্ভিদের পাতায় ক্লোরোপ্লাস্ট নামক অঙ্গাণু এবং ক্লোরোফিল নামক রঞ্জক পদার্থ থাকে যা সূর্যালোক শোষণ করে।
- এই ক্লোরোফিলের সাহায্যে পাতা পরিবেশ থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং মূলের মাধ্যমে শোষিত জল একত্রিত করে খাদ্য প্রস্তুত করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: সালোকসংশ্লেষণ হলো এমন একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোকে রঞ্জক পদার্থের সাহায্যে জল এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড থেকে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে।
- কার্যপ্রণালি: পাতার মেসোফিল টিস্যুতে অবস্থিত ক্লোরোপ্লাস্টে সৌরশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং জলের আলোক বিশ্লেষণ ঘটে।
- কারণ ও ফলাফল: এই প্রক্রিয়ায় উপজাত হিসেবে অক্সিজেন নির্গত হয় যা পৃথিবীর জীবকুলের শ্বসনের জন্য অত্যন্ত জরুরি এবং গ্লুকোজ উৎপন্ন হয় যা উদ্ভিদের খাদ্য হিসেবে জমা থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আম গাছের সবুজ পাতা।
ব্যাখ্যা: আম গাছের সবুজ পাতা প্রতিনিয়ত সূর্যালোক ব্যবহার করে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে গাছকে বাঁচিয়ে রাখে।
উদাহরণ ২: ঘরের ভেতর রাখা ইনডোর প্ল্যান্ট।
ব্যাখ্যা: ঘরের ভেতর পর্যাপ্ত আলো না পেলে গাছের পাতা সালোকসংশ্লেষণ করতে পারে না এবং একসময় খাদ্য অভাবে উদ্ভিদ মারা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফুলে — ফুল উদ্ভিদের প্রজনন অঙ্গ এবং এতে পরাগায়ন ঘটে, তাই এটি সালোকসংশ্লেষণের প্রধান স্থান নয়।
B) মূলে — মূল মাটি থেকে জল ও খনিজ লবণ শোষণ করে এবং মাটির নিচে থাকে বলে সেখানে সূর্য পৌঁছায় না।
C) কাণ্ডে — কাণ্ড সাধারণত উদ্ভিদকে সহায়তা ও পরিবহনের কাজ করে, তবে কিছু ক্যাকটাসের মতো উদ্ভিদের কাণ্ড সবুজ হলে তা সালোকসংশ্লেষণ করতে পারে।
D) পাতায় — পাতায় প্রচুর পরিমাণ ক্লোরোপ্লাস্ট ও স্টোমাটা থাকায় এটি সালোকসংশ্লেষণের প্রধান ও আদর্শ স্থান।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সালোকসংশ্লেষণ মানেই উদ্ভিদের রান্নাঘর এবং উদ্ভিদের এই রান্নাঘর প্রধানত তার সবুজ পাতাতেই অবস্থিত।
- ক্লোরোফিল আছে বলেই পাতা সবুজ হয় এবং পাতা খাবার তৈরি করতে পারে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সালোকসংশ্লেষণে কোন গ্যাস নির্গত হয় এবং কোন গ্যাস গৃহিত হয় তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- উদ্ভিদের কোন কোষে সালোকসংশ্লেষণ ঘটে এবং উপজাত হিসেবে কী উৎপন্ন হয় তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) জেরোফাইট
১. কেন সঠিক:
মরুভূমি বা অত্যন্ত শুষ্ক অঞ্চলে যেসব উদ্ভিদ জন্মায় এবং বেঁচে থাকে, তাদেরকে জেরোফাইট বা মরুজ উদ্ভিদ বলা হয়।
এই উদ্ভিদগুলো শুষ্ক পরিবেশে টিকে থাকার জন্য শারীরিক ও শারীরবৃত্তীয় বিশেষ অভিযোজন বা রূপান্তর ঘটিয়ে থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: জেরোফাইট হলো এমন উদ্ভিদ যা পানির চরম ঘাটতিযুক্ত মাটিতে জন্মে এবং বাষ্পমোচন রোধ করার বিশেষ কৌশল ধারণ করে।
কার্যপ্রণালি: এদের পাতা সাধারণত কাঁটায় রূপান্তরিত হয়, কান্ড মাংসল ও সবুজ হয় এবং পাতার উপরিভাগে পুরু কিউটিকলের আস্তরণ থাকে যা পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফণীমনসা বা ক্যাকটাস
ব্যাখ্যা: ক্যাকটাসের পাতাগুলো কাঁটায় রূপান্তরিত হওয়ায় বাষ্পমোচনের মাধ্যমে পানির অপচয় কমে যায় এবং কান্ডে পানি জমা থাকে।
উদাহরণ ২: অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী
ব্যাখ্যা: অ্যালোভেরা উদ্ভিদের মাংসল পাতায় প্রচুর পানি সংরক্ষিত থাকে যা মরুভূমির মতো শুষ্ক পরিবেশে টিকে থাকতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হ্যালোফাইট — হ্যালোফাইট হলো লবণাক্ত মাটিতে জন্ম নেওয়া উদ্ভিদ, যা উপকূলীয় অঞ্চলে বা সুন্দরবনের মতো এলাকায় জন্মায়।
B) জেরোফাইট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উদ্ভিদগুলো মরুভূমির শুষ্ক পরিবেশে জন্মাতে বিশেষভাবে অভিযোজিত।
C) হাইড্রোফাইট — হাইড্রোফাইট হলো জলজ উদ্ভিদ, যা পানিতে বা আর্দ্র জলীয় পরিবেশে সম্পূর্ণ বা আংশিক নিমজ্জিত থাকে।
D) মেসোফাইট — মেসোফাইট হলো সাধারণ মাঝারি মানের পানিযুক্ত মাটিতে জন্ম নেওয়া উদ্ভিদ, যেমন আম বা কাঁঠাল গাছ।
৫. মনে রাখার টিপস:
মরুভূমিতে পানির জিরো বা শূন্য অবস্থা থাকে, তাই মরুভূমির উদ্ভিদকে জেরোফাইট বলা হয়।
নামের শুরুতে থাকা জেরো শব্দটিকে জিরো বা শূন্য পানির সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সুন্দরবনের সুন্দরী বা গেওয়া গাছ কোন ধরনের উদ্ভিদ, এই প্রশ্ন প্রায়ই আসে এবং এর উত্তর হবে হ্যালোফাইট।
উদ্ভিদের পরিবেশগত অভিযোজন সংক্রান্ত এই প্রশ্নগুলো বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় নিয়মিত দেখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) ৬০ ডেসিবল
১. কেন সঠিক:
- ৬০ ডেসিবল বা তার অধিক মাত্রার শব্দ মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ক্ষমতার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে এবং পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট করে।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, আবাসিক এলাকায় দিনের বেলা শব্দের সহনীয় মাত্রা প্রায় ৪৫ ডেসিবল এবং রাতে প্রায় ৩৫ ডেসিবল।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: শব্দ দূষণ হলো এমন এক ধরনের অবাঞ্ছিত ও তীব্র শব্দ যা মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে এবং পরিবেশের স্বাভাবিক শান্তি বিঘ্নিত করে।
- কার্যপ্রণালি: অতিরিক্ত মাত্রার শব্দ কানের পর্দায় অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে এবং দীর্ঘস্থায়ী হলে কানের শ্রবণ কোষগুলোকে স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
- কারণ ও ফলাফল: ৬০ ডেসিবলের বেশি শব্দ মানুষের হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দেয়, উচ্চ রক্তচাপ সৃষ্টি করে এবং দীর্ঘমেয়াদে বধিরতা ও মানসিক অবসাদ ঘটায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাধারণ কথোপকথন বা শান্ত অফিসের পরিবেশের শব্দ প্রায় ৪০ থেকে ৫০ ডেসিবল হয়, যা মানুষের জন্য নিরাপদ।
ব্যাখ্যা: এটি নির্দেশ করে যে এই মাত্রার শব্দ আমাদের স্নায়ুতন্ত্রের ওপর কোনো ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না।
উদাহরণ ২: ব্যস্ত রাস্তার ট্রাফিক বা কারখানার মেশিনের শব্দ সাধারণত ৭০ থেকে ৯০ ডেসিবল পর্যন্ত হয়ে থাকে।
ব্যাখ্যা: এটি পরিবেশ দূষণের সৃষ্টি করে এবং মানুষের কানে বিরক্তি ও ক্লান্তি এনে দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪০ ডেসিবল — এটি ফিসফিস করে কথা বলা বা খুব শান্ত পরিবেশের শব্দ নির্দেশ করে, যা মানবদেহের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং দূষণমুক্ত।
B) ৬০ ডেসিবল — এটি পরিবেশ দূষণ সৃষ্টিকারী নিম্নসীমা হিসেবে গণ্য হয়, তাই এই অপশনটি সঠিক।
C) ৫০ ডেসিবল — সাধারণ ঘরের বা মৃদু শব্দের মাত্রা ৫০ ডেসিবলের কাছাকাছি থাকে, যা সরাসরি শব্দ দূষণ ঘটায় না।
D) ১০ ডেসিবল — এটি পাতার মর্মর শব্দ বা অত্যন্ত ক্ষীণ শব্দের মাত্রা, যা সাধারণ কান প্রায় শুনতে পায় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ৬০ সংখ্যাটি মনে রাখলেই বোঝা যায় যে ষাট ডেসিবল অতিক্রম করলেই শব্দের মাত্রা দূষণের পর্যায়ে পৌঁছে যায়।
- আবাসিক এলাকার শব্দের সীমার সঙ্গে ৬০ ডেসিবলের তুলনা করে এই মানটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শব্দ পরিমাপের একক হলো ডেসিবল বা dB।
- বিমান বন্দরের কাছাকাছি এলাকায় শব্দের মাত্রা অনেক বেশি হয়, যা প্রায় ১২০ ডেসিবল পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) বনাঞ্চল অভয়ারণ্য
১. কেন সঠিক:
- ইন-সিটু বা স্থানীয় সংরক্ষণ বলতে জীববৈচিত্র্যকে তার নিজস্ব প্রাকৃতিক আবাসস্থলে রক্ষা করাকে বোঝায়। বনাঞ্চল অভয়ারণ্য হলো এমন একটি প্রাকৃতিক পরিবেশ যেখানে উদ্ভিদ ও প্রাণী স্বাধীনভাবে বসবাস করে।
- এই পদ্ধতিতে জীব তার নিজস্ব খাদ্য শৃঙ্খল ও প্রতিবেশ ব্যবস্থার মধ্যে থেকে বংশবৃদ্ধি ও বিকাশ লাভ করে, যা কৃত্রিম উপায়ে সম্ভব নয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ইন-সিটু সংরক্ষণ হলো প্রাকৃতিক পরিবেশে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করার সবচেয়ে কার্যকর বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি।
- কার্যপ্রণালি: এতে বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদকে তাদের নিজস্ব জন্মস্থান বা প্রাকৃতিক নিকেসে রেখেই সরকারি বা সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনা হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার বা সিলেট ও শ্রীমঙ্গলের বনাঞ্চলের বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ এভাবেই নিজ আবাসে সংরক্ষিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুন্দরবন জাতীয় উদ্যান
ব্যাখ্যা: এটি সুন্দরবনের গোলপাতা, সুন্দরী গাছ এবং বাঘের নিজস্ব প্রাকৃতিক আবাসস্থল, যেখানে কৃত্রিম হস্তক্ষেপ ছাড়াই জীববৈচিত্র্য টিকে থাকে।
উদাহরণ ২: লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একটি প্রাকৃতিক বনাঞ্চল যা বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের নিজস্ব আবাসস্থল হিসেবে ইন-সিটু সংরক্ষণের কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উদ্ভিদ উদ্যান — এটি এক্স-সিটু বা অস্থানিক সংরক্ষণের উদাহরণ, কারণ এখানে প্রাকৃতিকভাবে উদ্ভিদ জন্মায় না বরং কৃত্রিমভাবে সংগ্রহ করে আনা হয়।
B) বনাঞ্চল অভয়ারণ্য — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি জীবকুলের প্রাকৃতিক আবাসস্থলে সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
C) বীজ ব্যাংক — এটি এক্স-সিটু সংরক্ষণের উদাহরণ, যেখানে উদ্ভিদের বীজ কৃত্রিমভাবে কম তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা হয়।
D) চিড়িয়াখানা — এটি এক্স-সিটু বা অস্থানিক সংরক্ষণের উদাহরণ, যেখানে বিভিন্ন স্থান থেকে প্রাণী এনে কৃত্রিম পরিবেশে রাখা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইন মানে ভেতরে, তাই ইন-সিটু মানে নিজের ভেতরে বা নিজস্ব প্রাকৃতিক পরিবেশে সংরক্ষণ। আর এক্স মানে বাইরে, তাই এক্স-সিটু মানে প্রাকৃতিক পরিবেশের বাইরে কৃত্রিম উপায়ে সংরক্ষণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইন-সিটু এবং এক্স-সিটু সংরক্ষণের পার্থক্য থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। জাতীয় উদ্যান, অভয়ারণ্য ও বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ ইন-সিটু সংরক্ষণ এবং বোটানিক্যাল গার্ডেন, চিড়িয়াখানা ও জিন ব্যাংক এক্স-সিটু সংরক্ষণের উদাহরণ।
সঠিক উত্তর: B) Linnaeus
১. কেন সঠিক:
- সুইডিশ প্রকৃতিবিদ ক্যারোলাস লিনিয়াস ১৭৫৮ সালে সিস্টেমা ন্যাচুরাই গ্রন্থের দশম সংস্করণে জীবের দ্বিপদ নামকরণের প্রথা চালু করেন।
- এই পদ্ধতিতে প্রতিটি জীবের নামকরণে দুটি অংশ থাকে যার প্রথমটি গণ এবং দ্বিতীয়টি প্রজাতি নির্দেশ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: জীবজগতের প্রতিটি প্রজাতিকে আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে দুটি লাতিন শব্দের সাহায্যে বৈজ্ঞানিক নাম দেওয়ার পদ্ধতি হলো দ্বিপদ নামকরণ।
- কার্যপ্রণালি: প্রথম পদটি বিশেষ্য এবং এটি জীবের গণ নির্দেশ করে যার প্রথম অক্ষর বড় হাতের হয়, এবং দ্বিতীয় পদটি বিশেষণ যা প্রজাতি নির্দেশ করে এবং ছোট হাতের অক্ষর দিয়ে লেখা হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: আন্তর্জাতিকভাবে একই জীবকে ভিন্ন ভিন্ন নামে চেনার বিভ্রান্তি দূর করতে এবং বিজ্ঞানচর্চায় সার্বজনীন যোগাযোগের জন্য এই নামকরণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম হোমো স্যাপিয়েন্স।
ব্যাখ্যা: এখানে হোমো হলো গণ এবং স্যাপিয়েন্স হলো প্রজাতি যা সারা বিশ্বে মানুষের একটিমাত্র পরিচিত বৈজ্ঞানিক নাম নিশ্চিত করে।
উদাহরণ ২: ধান গাছের বৈজ্ঞানিক নাম অরাইজা সেটিভা।
ব্যাখ্যা: অরাইজা গণ এবং সেটিভা প্রজাতি নির্দেশ করার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে উদ্ভিদবিজ্ঞানীরা এই নির্দিষ্ট ধান প্রজাতিটিকে আলাদাভাবে শনাক্ত করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Theophrastus — থিওফ্রেস্টাসকে উদ্ভিদবিজ্ঞানের জনক বলা হয় এবং তিনি উদ্ভিদের শ্রেণীবিন্যাসের প্রাথমিক কাজ করেছিলেন কিন্তু দ্বিপদ নামকরণ প্রবর্তন করেননি।
B) Linnaeus — ক্যারোলাস লিনিয়াস আধুনিক দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতির সফল প্রবর্তক এবং তিনি জীববিজ্ঞানের এই নিয়মটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
C) Simpson — সিম্পসন জীববিজ্ঞানের নামকরণের সাথে সরাসরি যুক্ত নন বরং তিনি জীবাশ্মবিজ্ঞান এবং পরিসংখ্যানগত বাস্তুতন্ত্রের সাথে পরিচিত।
D) Aristotle — অ্যারিস্টটল প্রাণিবিজ্ঞানের জনক এবং তিনি প্রাচীনকালে জীবকে রক্তযুক্ত ও রক্তহীন প্রাণীতে ভাগ করেছিলেন কিন্তু দ্বিপদ নামকরণ দেননি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দ্বি পদ মানে দুটি পদ, আর লিনিয়াস হলেন লিডার যিনি এই দুই পদের নামকরণের প্রথা চালু করেছিলেন।
- লিনিয়াস নামটির সাথে নামকরণ শব্দটির প্রথম অক্ষরের মিল মনে রেখে এটি সহজে দীর্ঘদিন মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ক্যারোলাস লিনিয়াসকে আধুনিক শ্রেণীবিন্যাসের জনক বলা হয় এবং তার প্রস্তাবিত দ্বিপদ নামকরণ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত।
- এই টপিক থেকে প্রায়ই পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে যে সিস্টেমা ন্যাচুরাই কার লেখা অথবা দ্বিপদ নামকরণের জনক কে।
সঠিক উত্তর: B) সূর্য
১. কেন সঠিক:
পৃথিবীতে শক্তির প্রাথমিক ও মূল উৎস হলো সূর্য। সূর্যের অভ্যন্তরে প্রতিনিয়ত নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রচুর শক্তি উৎপন্ন হয় যা আলো ও তাপ হিসেবে মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: সূর্যের কেন্দ্রভাগে হাইড্রোজেন পরমাণু একত্রিত হয়ে হিলিয়াম গঠন করে এবং প্রচুর শক্তি নির্গত করে।
কার্যপ্রণালি: এই সৌরশক্তি আলো ও তাপ আকারে পৃথিবীতে আসে এবং পৃথিবীর জলবায়ু, আবহাওয়া ও জীবনের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখে।
বাস্তব প্রয়োগ: সোলার প্যানেল ব্যবহার করে সৌরশক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া।
ব্যাখ্যা: উদ্ভিদ সূর্যের আলোর উপস্থিতিতে খাদ্য তৈরি করে, যা সমগ্র জীবজগতের খাদ্যশৃঙ্খলের ভিত্তি।
উদাহরণ ২: জলচক্র ও বায়ুপ্রবাহ।
ব্যাখ্যা: সূর্যের তাপে সমুদ্রের পানি বাষ্পীভূত হয়ে মেঘ হয় এবং পরবর্তীতে বৃষ্টিপাত ঘটে ও বায়ুপ্রবাহ সৃষ্টি হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কয়লা — এটি জীবাশ্ম জ্বালানি, যা মূলত প্রাচীন উদ্ভিদের দেহাবশেষ থেকে তৈরি এবং এর মূল উৎসও অতীতে সঞ্চিত সৌরশক্তি।
B) সূর্য — সঠিক উত্তর, কারণ এটি সব শক্তির মূল উৎস।
C) গ্যাস — প্রাকৃতিক গ্যাস এক প্রকার জীবাশ্ম জ্বালানি এবং এটি শক্তির প্রধান উৎস নয়, বরং শক্তির একটি মাধ্যম।
D) জৈব পদার্থ — জৈব পদার্থ শক্তি ধারণ করতে পারে কিন্তু এটি শক্তির মূল বা প্রাথমিক উৎস নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
জীবনের চাকা সচল রাখতে এবং সব শক্তির উৎস মনে রাখতে মনে রাখবে আলো ও জীবনের কেন্দ্রবিন্দু হলো সূর্য।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শক্তির রূপান্তর এবং নবায়নযোগ্য শক্তি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। সৌরশক্তি একটি অন্যতম প্রধান নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।
সঠিক উত্তর: C) প্লাঙ্ক
১. কেন সঠিক:
আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবর্তক হলেন জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক। তিনি ১৯০০ সালে প্রস্তাব করেন যে শক্তি অবিচ্ছিন্নভাবে নয়, বরং ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তির প্যাকেট বা কোয়ান্টা হিসেবে নির্গত বা শোষিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: শক্তির অবিচ্ছিন্ন প্রবাহের ধারণা ভুল প্রমাণিত করে প্ল্যাঙ্ক দেখান শক্তি বিচ্ছিন্ন একক হিসেবে বিনিময় হয়।
তত্ত্ব: প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব অনুসারে শক্তির পরিমাণ আলোর কম্পাঙ্কের সমানুপাতিক এবং সমানুপাতিক ধ্রুবক হলো প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আলোক তড়িৎ ক্রিয়া।
ব্যাখ্যা: আলোর কোয়ান্টাম স্বরূপ ব্যাখ্যার জন্যই আইনস্টাইন আলোক তড়িৎ ক্রিয়া সফলভাবে ব্যাখ্যা করতে পেরেছিলেন।
উদাহরণ ২: কৃষ্ণকায়া বিকিরণ।
ব্যাখ্যা: উত্তপ্ত বস্তু থেকে শক্তি কীভাবে নির্গত হয় তা প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের মাধ্যমে প্রথম সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউটন — নিউটন আলোর কণিকা তত্ত্ব বা করপাসকুলার তত্ত্বের প্রবর্তক ছিলেন, কোয়ান্টাম তত্ত্বের নন।
B) হাইগেনস — ক্রিশ্চিয়ান হাইগেনস আলোর তরঙ্গ তত্ত্বের প্রবর্তক ছিলেন, যা কোয়ান্টাম তত্ত্ব থেকে আলাদা।
C) প্লাঙ্ক — ম্যাক্স প্লাঙ্ক আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবর্তক এবং এই অপশনটি সঠিক।
D) ম্যাক্সওয়েল — জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল আলোর তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ তত্ত্বের প্রবর্তক ছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
কোয়ান্টাম তত্ত্ব মানেই প্যাকেটের শক্তি, আর এই প্যাকেট বা কুঁচি বানানোর কারিগর হলেন প্ল্যাঙ্ক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ১৯১৮ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। একই রকম প্রশ্ন আসতে পারে আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার জন্য কে নোবেল পান।
সঠিক উত্তর: C) ভূট্টা
১. কেন সঠিক:
- ক্রানজ এনাটমি হলো সি ফোর উদ্ভিদের পাতার বিশেষ анатоми বা অভ্যন্তরীণ গঠন, যা ভূট্টার মতো উদ্ভিদে পাওয়া যায়।
- এই গঠনে ভাস্কুলার বান্ডল বা পরিবাহক বান্ডলগুলো বড় আকারের পেঁয়াজাসদৃশ বা কুন্ডলাকার ক্লোরোপ্লাস্টযুক্ত বান্ডল শিথ বা আবরণী কোষ দ্বারা ঘেরা থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ক্রানজ এনাটমি হলো সি ফোর উদ্ভিদের পাতার এমন একটি শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য, যা তীব্র আলো ও উষ্ণ তাপমাত্রায় সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াকে অধিক কার্যকর করে।
- কার্যপ্রণালি: পাতার মেসোফিল কোষে প্রথমে ফোর কার্বযুক্ত অক্সালোএসিটিক অ্যাসিড উৎপন্ন হয় এবং পরে তা বান্ডল শিথ কোষে স্থানান্তরিত হয়ে ক্যালভিন চক্র সম্পন্ন করে।
- কারণ ও ফলাফল: এই বিশেষ কাঠামোর কারণে উদ্ভিদের ফটোরেসপিরেশন বা সালোকসংশ্লেষণী শ্বসন প্রক্রিয়া হ্রাস পায় এবং উদ্ভিদের জৈববস্তু উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভুট্টা গাছ
ব্যাখ্যা: ভুট্টা হলো একটি আদর্শ সি ফোর উদ্ভিদ, যার পাতার প্রস্থচ্ছেদে স্পষ্টভাবে ক্রানজ এনাটমি বা কুন্ডলাকার বিন্যাস দেখা যায়।
উদাহরণ ২: আক বা আখ
ব্যাখ্যা: আখ উদ্ভিদেও ক্রানজ এনাটমি বিদ্যমান থাকে, যা এদের প্রখর রোদেও উচ্চ মাত্রায় শর্করা তৈরি করতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধান — এটি একটি সি থ্রি উদ্ভিদ, তাই এর পাতায় ক্রানজ এনাটমি দেখা যায় না এবং এর পাতার অভ্যন্তরীণ গঠন সাধারণ প্রকৃতির হয়।
B) আম — আম গাছ দ্বিবীজপত্রী এবং সি থ্রি উদ্ভিদ শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত, ফলে এর পাতায় সি ফোর উদ্ভিদের মতো ক্রানজ এনাটমি অনুপস্থিত থাকে।
C) ভূট্টা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ভুট্টা হলো সি ফোর উদ্ভিদ এবং এর পাতার শিরাগুলো ক্রানজ এনাটমি বা বিশেষ বান্ডল শিথ দ্বারা গঠিত।
D) জাম — জাম একটি কাষ্ঠল সি থ্রি উদ্ভিদ, যার পাতার অভ্যন্তরীণ গঠনে ক্রানজ এনাটমির পরিবর্তে সাধারণ মেসোফিল টিস্যু বিন্যাস থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সি ফোর উদ্ভিদের নাম মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ভুট্টা ও আক হলো সি ফোর উদ্ভিদ এবং এদের পাতায় ক্রানজ এনাটমি থাকে।
- ক্রানজ শব্দটি জার্মান ভাষা থেকে এসেছে যার অর্থ পুষ্পস্তবক বা রিং, যা পাতার ভেতরের গোল রিং আকৃতির কোষ বিন্যাসকে বোঝায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সি ফোর উদ্ভিদের উদাহরণ এবং ক্রানজ এনাটমির বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
- সি থ্রি উদ্ভিদের উদাহরণ হিসেবে ধান, গম, পাট এবং সি ফোর উদ্ভিদের উদাহরণ হিসেবে ভুট্টা, আখ ও জোয়ার পরীক্ষার্থীদের ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ০ থেকে ১৪
১. কেন সঠিক:
পিএইচ স্কেল মূলত কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়নের ঘনমাত্রা পরিমাপ করার একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি।
এই স্কেলের সর্বনিম্ন মান শূন্য এবং সর্বোচ্চ মান চৌদ্দ পর্যন্ত নির্ধারিত থাকে, যেখানে সাত হলো নিরপেক্ষ বিন্দু।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: পিএইচ মানে হলো হাইড্রোজেনের শক্তি বা পোটেনশিয়াল অব হাইড্রোজেন।
কার্যপ্রণালি: শূন্য থেকে সাতের নিচে পর্যন্ত অম্লীয় পরিবেশ, ঠিক সাত হলো নিরপেক্ষ এবং সাতের ওপর থেকে চৌদ্দ পর্যন্ত ক্ষারীয় পরিবেশ নির্দেশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিশুদ্ধ পানির পিএইচ মান ঠিক সাত।
ব্যাখ্যা: এটি অম্লীয়ও নয় আবার ক্ষারীয়ও নয়, তাই পানি একটি নিরপেক্ষ তরল হিসেবে গণ্য হয়।
উদাহরণ ২: পাতিলেবুর রসের পিএইচ মান সাধারণত দুই এর কাছাকাছি।
ব্যাখ্যা: এটি নির্দেশ করে লেবুর রস অত্যন্ত শক্তিশালী একটি অম্ল জাতীয় পদার্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ থেকে ১৫ — এই পরিসরটি বৈজ্ঞানিক নিয়ম অনুযায়ী পিএইচ স্কেলের সঠিক মান নির্ধারণ করে না কারণ এর শেষ সীমা চৌদ্দ পর্যন্ত নির্দিষ্ট।
B) ০ থেকে ১৪ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এটি সর্বজনস্বীকৃত প্রমাণসম্মত পিএইচ স্কেলের পরিমাপ সীমা।
C) ০ থেকে ২০ — এই সীমার মানটি পিএইচ স্কেলের সঙ্গে কোনোভাবেই মিল নয় এবং এটি একটি কাল্পনিক বা ভুল পরিসর।
D) ২ থেকে ১৪ — এই পরিসরে শূন্য থেকে একের ঘর অনুপস্থিত থাকায় এটি পিএইচ স্কেলের সম্পূর্ণ মাপকাঠি প্রকাশ করতে পারে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
পিএইচ স্কেলের ঘর মনে রাখার সহজ উপায় হলো হাত তালির মতো শূন্য থেকে শুরু করে চৌদ্দ পর্যন্ত গুনে যাওয়া।
মাঝের সংখ্যা সাত হলো নিরপেক্ষ বিন্দু যা মনে রাখলে অম্ল ও ক্ষার আলাদা করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পিএইচ স্কেলের মান সাতের কম হলে তাকে অম্ল এবং সাতের বেশি হলে তাকে ক্ষার বলা হয়।
এই অধ্যায় থেকে প্রায়ই বিভিন্ন দ্রব্যের পিএইচ মান বা অম্লত্বের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) লাল
১. কেন সঠিক:
উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রიয়ায় সূর্যালোকের অদৃশ্য শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর করে খাদ্য তৈরি করে। দৃশ্যমান আলোর বিভিন্ন তরঙ্গের মধ্যে লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণে অংশগ্রহণকারী ক্লোরোফিল অণু সবচেয়ে বেশি পরিমাণ আলো শোষণ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: সালোকসংশ্লেষণ হলো এমন একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোক, পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের সাহায্যে গ্লুকোজ জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে।
কার্যপ্রণালি: দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীর লাল আলো প্রায় ৬৪০ থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার তরঙ্গের হয়ে থাকে, যা ক্লোরোফিল এ এবং ক্লোরোফিল বি রঞ্জক পদার্থ দ্বারা সর্বাধিক পরিমাণে শোষিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কৃষিকাজে গ্রীনহাউসে বা কৃত্রিম আলোতে চাষাবাদের সময় লাল এবং নীল আলোর LED বাতি ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণের হার বৃদ্ধি করে দ্রুত বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: একটি গাছের পাতার ওপর লাল রঙের আবেশ ফেললে উদ্ভিদের বৃদ্ধির হার হলুদ বা সবুজ আলোর তুলনামূলক বেশি হয়।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে লাল আলো সালোকসংশ্লেষণে সবচেয়ে বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কমলা — কমলা আলো দৃশ্যমান বর্ণালীর একটি অংশ হলেও ক্লোরোফিল এটি লাল বা নীল আলোর মতো দক্ষতার সাথে শোষণ করতে পারে না। ফলে এতে সালোকসংশ্লেষণের হার কম হয়।
B) বেগুনী — বেগুনী আলোতে সালোকসংশ্লেষণ ঘটে তবে লাল আলোর তুলনায় এর কার্যকারিতা কম কারণ উদ্ভিদ রঞ্জকগুলো এই তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম শোষণ করে।
C) লাল — এই অপশনটি সঠিক কারণ লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য উদ্ভিদের ক্লোরোফিল দ্বারা সর্বাধিক শোষিত হয় এবং সালোকসংশ্লেষণের হার সবচেয়ে বেশি থাকে।
D) হলুদ — হলুদ আলো উদ্ভিদের ক্লোরোফিল খুব একটা শোষণ করতে পারে না, তাই হলুদ আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সর্বনিম্ন পর্যায়ে সংঘটিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সালোকসংশ্লেষণে লাল ও নীল আলো সেরা, আর লালেই হয় সবচেয়ে বেশি খেরা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
দৃশ্যমান আলোর মধ্যে সবুজ আলো সালোকসংশ্লেষণে সবচেয়ে কম ব্যবহৃত হয় কারণ পাতা সবুজ আলোকে প্রতিফলিত করে।
কোন আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে কম হয়, এই প্রশ্ন আস লেও উত্তর হবে সবুজ আলো।
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয়
১. কেন সঠিক:
প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে উত্তর আমেরিকা দেওয়া হলেও বৈজ্ঞানিক তথ্য অনুযায়ী লাং ফিশ উত্তর আমেরিকায় পাওয়া যায় না। লাং ফিশ মূলত আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়ায় প্রাকৃতিকভাবে বসবাস করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: লাং ফিশ হলো এমন এক ধরনের মাছ যাদের ফুলকার পাশাপাশি ফুসফুস রয়েছে যা তাদের জলবায়ুর পরিবর্তন বা পানির শুষ্ক মৌসুমে বেঁচে থাকতে সাহায্য করে।
কার্যপ্রণালি: এরা ফুলকার সাহায্যে পানিতে শ্বাস নেওয়ার পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে কাদা বা মাটির নিচে কোকুন তৈরি করে ফুসফুসের মাধ্যমে বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে বেঁচে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আফ্রিকান লাং ফিশ।
ব্যাখ্যা: এরা আফ্রিকার শুষ্ক অঞ্চলে পানির অভাব দেখা দিলে মাটির নিচে সুপ্তাবস্থায় বা এস্টিভেশনে চলে যায় এবং ফুসফুস দিয়ে শ্বাস নেয়।
উদাহরণ ২: অস্ট্রেলিয়ান লাং ফিশ।
ব্যাখ্যা: এরা অস্ট্রেলিয়ার নদী অঞ্চলে পাওয়া যায় এবং তুলনামূলক বেশি জলীয় পরিবেশে বাস করলেও ফুসফুসের সাহায্যে বাতাস থেকে শ্বাস নিতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দক্ষিণ আমেরিকা — দক্ষিণ আমেরিকাতে লেপিডোসিরেন গণের লাং ফিশ প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায় তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়।
B) এশিয়া — এশিয়া মহাদেশে কোনো প্রাকৃতিক লাং ফিশ পাওয়া যায় না কারণ এখানকার জলবায়ু এদের জন্য উপযুক্ত নয়।
C) উত্তর আমেরিকা — উত্তর আমেরিকায় কোনো লাং ফিশ পাওয়া যায় না এবং প্রদত্ত উত্তরে এটি ভুলবশত সঠিক বলা হয়েছে।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা বা অস্ট্রেলিয়া হতে পারে এবং তা অপশনে নেই, তাই এটিই সঠিক বিকল্প।
৫ মনে রাখার টিপস:
লাং ফিশের ভৌগোলিক বিস্তার মনে রাখতে ৩-এ সূত্র ব্যবহার করতে পারো, যার অর্থ হলো এটি ৩টি মহাদেশ যথা আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকায় পাওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
লাং ফিশ হলো মাছ ও উভচর প্রাণীর মধ্যকার একটি বিবর্তনীয় সংযোগকারী সেতু বা মিসিং লিংক।
এই টপিক থেকে মাছের ফুসফুসীয় শ্বাসকার্য বা বিবর্তন নিয়ে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) Panthera tigris
১. কেন সঠিক:
- রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বৈজ্ঞানিক নাম হলো প্যানথেরা টাইগ্রিস যা দ্বিপদ নামকরণ নীতির মাধ্যমে নির্ধারিত।
- কার্ল লিনিয়াস প্রবর্তিত এই নিয়মে প্রথম শব্দটি গণ এবং দ্বিতীয় শব্দটি প্রজাতি নির্দেশ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: জীবজগতের প্রতিটি প্রাণীকে আন্তর্জাতিকভাবে নির্দিষ্ট করার জন্য দুটি ল্যাটিন পদের মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক নাম দেওয়া হয়।
- কার্যপ্রণালি: প্যানথেরা গণভুক্ত প্রাণীগুলো সাধারণত বড় আকারের গর্জনকারী বিড়াল জাতীয় হয়ে থাকে এবং টাইগ্রিস শব্দটি বাঘ প্রজাতিকে বিশেষভাবে চিহ্নিত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম হোমোজাপিয়েন্স।
ব্যাখ্যা: এখানে হোমো হলো গণ এবং সাপিয়েন্স হলো প্রজাতি।
উদাহরণ ২: আমের বৈজ্ঞানিক নাম ম্যাঙ্গিফেরা ইন্ডিকা।
ব্যাখ্যা: এটি উদ্ভিদের ক্ষেত্রে দ্বিপদ নামকরণের একটি ক্লাসিক উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Panthera pardus — এটি চিতাবাঘের বৈজ্ঞানিক নাম।
B) Platanista gangetica — এটি সুশুক বা গাঙ্গেয় ডলফিনের বৈজ্ঞানিক নাম।
C) Panthera tigris — এটি রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বৈজ্ঞানিক নাম এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) Panthera leopard — এটি কোনো সঠিক ও গ্রহণযোগ্য দ্বিপদ নাম নয় কারণ লেপার্ডের সঠিক নাম প্যানথেরা পারডুস।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাঘের নামের শেষে টাইগ্রিস শব্দটি থাকে যা টাইগার শব্দের সঙ্গে মিলে যায়।
প্যানথেরা অংশটি সিংহ ও চিতাবাঘের বেলাতেও ব্যবহৃত হয় তাই প্রজাতি অংশটি মনে রাখা জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জাতীয় প্রতীক ও প্রাণীসমূহের বৈজ্ঞানিক নাম প্রায়ই আসে।
রয়েল বেঙ্গল টাইগার বাংলাদেশের জাতীয় পশু এবং এর বৈজ্ঞানিক নাম মুখস্থ রাখা বাধ্যতামূলক।
সঠিক উত্তর: B) তিমি হাঙর
১. কেন সঠিক:
- তিমি হাঙর হলো পৃথিবীর বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় মাছ, যা কার্টিলাজিনিয়াস বা তরুণাস্থিময় মাছ পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।
- এটি মাছের শ্রেণীতে পড়লেও এর বিশাল আকৃতি তিমি মাছের মতো হওয়ায় একে তিমি হাঙর বলা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: মাছ হলো জলচর মেরুদণ্ডী প্রাণী যা ফুলকার সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায় এবং ডানার সাহায্যে সাঁতার কাটে।
- কার্যপ্রণালি: তিমি হাঙর প্ল্যাংকটন বা অতি ক্ষুদ্র জলজ প্রাণী ফিল্টার করে খায় এবং বিশাল মুখ হাঁ করে পানি ছেঁকে খাদ্য গ্রহণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিমি হাঙরের আকার
ব্যাখ্যা: একটি পূর্ণাঙ্গ তিমি হাঙর প্রায় ১২ মিটার বা তার বেশি দীর্ঘ হতে পারে, যা একটি বড় বাসের সমান।
উদাহরণ ২: হাঙরের কঙ্কাল
ব্যাখ্যা: তিমি হাঙরের কঙ্কাল শক্ত হাড় দিয়ে নয়, বরং নমনীয় তরুণাস্থি দিয়ে গঠিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নীল তিমি — এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রাণী হলেও মাছ নয়, এটি স্তন্যপায়ী প্রাণী।
B) তিমি হাঙর — এটি সঠিক উত্তর এবং পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মাছ।
C) সামুদ্রিক সানফিশ — এটি সবচেয়ে ভারী অস্থিময় মাছ, কিন্তু তিমি হাঙরের চেয়ে আকারে অনেক ছোট।
D) তুনা মাছ — এটি অত্যন্ত দ্রুতগামী মাছ হলেও আকৃতিতে তিমি হাঙরের তুলনায় অত্যন্ত ক্ষুদ্র।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মাছের মধ্যে রাজা হলো তিমি হাঙর এবং স্তন্যপায়ী প্রাণীর মধ্যে রাজা হলো নীল তিমি।
- এই দুটি নাম প্রায়ই পরীক্ষায় কনফিউশন তৈরি করে, তাই মাছ বললে তিমি হাঙর আর প্রাণী বললে নীল তিমি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রশ্নটি প্রাণিবিজ্ঞান এবং সাধারণ জ্ঞান অংশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- প্রায়ই প্রশ্ন আসে তিমি হাঙর কোন শ্রেণীর প্রাণী, যার উত্তর হবে তরুণাস্থিময় মাছ।
সঠিক উত্তর: D) Trochlear
১. কেন সঠিক:
- ট্রকলিয়ার (Trochlear) স্নায়ু মানুষের চতুর্থ করোটিক স্নায়ু যা চোখের সুপিরিয়র অব্লিক পেশীর সঞ্চালন নিয়ন্ত্রণ করে।
- এই স্নায়ু চোখের বলকে নিচের দিকে ও ভেতরের দিকে ঘোরাতে সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: করোটিক স্নায়ু হলো সেই স্নায়ু যা সরাসরি মস্তিষ্ক থেকে উৎপন্ন হয়ে মাথা ও ঘাড়ের বিভিন্ন অংশে সংকেত পাঠায়। মানবদেহে মোট ১২ জোড়া করোটিক স্নায়ু রয়েছে।
- কার্যপ্রণালি: ট্রকলিয়ার স্নায়ু মস্তিষ্কের মিডব্রেন অংশ থেকে উৎপন্ন হয়ে চোখের অক্ষিকোটরে প্রবেশ করে এবং নির্দিষ্ট পেশীকে উদ্দীপিত করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: চোখকে ওপর-নিচ বা পাশ থেকে পাশে ঘোরানোর সময় এই স্নায়ুগুলোর সুনির্দিষ্ট সমন্বয় ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিড়ি দিয়ে নামার সময় চোখ নিচে নামানো।
ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় ট্রকলিয়ার স্নায়ু চোখের সুপিরিয়র অব্লিক পেশীকে সংকুচিত করে দৃষ্টি নিচে নামাতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: নাকের ডগার দিকে একদৃষ্টিতে তাকানো।
ব্যাখ্যা: এই বিশেষ দৃষ্টির সঞ্চালনে ট্রকলিয়ার স্নায়ু চোখের পেশীর ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Olfactory — এটি প্রথম করোটিক স্নায়ু যা গন্ধ গ্রহণের সাথে সম্পর্কিত এবং নাকের ঘ্রাণঝিল্লি থেকে মস্তিষ্কে সংকেত পাঠায়।
B) Optic — এটি দ্বিতীয় করোটিক স্নায়ু যা দৃষ্টিশক্তি বা চোখের দেখার অনুভূতির সাথে সম্পর্কিত এবং রেটিনা থেকে মস্তিষ্কে আলো পৌঁছে দেয়।
C) Vagus — এটি দশম করোটিক স্নায়ু যা হৃদস্পন্দন, পরিপাক এবং ফুসফুসের মতো অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর স্বয়ংক্রিয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
D) Trochlear — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি চোখের পেশী সঞ্চালনের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- করোটিক স্নায়ু মনে রাখার জন্য এদের উৎপত্তি ও কাজ ক্রমানুসারে মনে রাখা সহজ। চতুর্থ স্নায়ু ট্রকলিয়ার চোখের পেশী সঞ্চালনে কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মানবদেহের দীর্ঘতম ও সবচেয়ে জটিল করোটিক স্নায়ু কোনটি এবং কোন স্নায়ু চোখের পেশী সঞ্চালনে সাহায্য করে, তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) Cnidaria
১. কেন সঠিক:
- প্রবাল হলো সামুদ্রিক অমেরুদণ্ডী প্রাণী যা Cnidaria বা নিডারিয়া ফাইলামের অন্তর্ভুক্ত।
- এই ফাইলামের প্রাণীদের দেহে বিশেষ ধরনের নিডোব্লাস্ট কোষ থাকে যা শিকার ধরতে ও আত্মরক্ষায় সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: নিডারিয়া ফাইলামের প্রাণীরা জলজ, সাধারণত সামুদ্রিক এবং অরীয় প্রতিসম হয়।
- কার্যপ্রণালি: প্রবাল পলিপ নামক ক্ষুদ্র নরম দেহের প্রাণী হিসেবে ক্যালসিয়াম কার্বনেট নিঃসরণ করে শক্ত কঙ্কাল তৈরি করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: প্রবাল জমে সামুদ্রিক প্রবাল প্রাচীর বা কোরাল রিফ গঠিত হয় যা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সেন্ট মার্টিন দ্বীপের জীববৈচিত্র্য।
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনে প্রচুর প্রবাল দেখা যায় যা সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষা করে।
উদাহরণ ২: গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ।
ব্যাখ্যা: অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে অবস্থিত এটি বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর যা মহাকাশ থেকেও দৃশ্যমান এবং নিডারিয়া প্রাণীদের দ্বারা গঠিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Porifera — এটি স্পঞ্জ জাতীয় ছিদ্রযুক্ত অমেরুদণ্ডী প্রাণীদের ফাইলাম, প্রবাল এইভুক্ত নয়।
B) Cnidaria — এটি সঠিক উত্তর।
C) Annelida — এটি নলাকার ও খণ্ডিত দেহবিশিষ্ট প্রাণী যেমন কেঁচোর ফাইলাম, প্রবাল এতে থাকে না।
D) Arthropoda — এটি সন্ধিপদ প্রাণী যেমন পোকামাকড় ও চিংড়ির বৃহত্তম ফাইলাম।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নিডারিয়া ফাইলামের নামের শুরুতে নিডোব্লাস্ট কোষের কথা মনে রাখতে পারো যা প্রবালের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- প্রবাল হলো পাথর নয়, বরং এক ধরনের ক্ষুদ্র সামুদ্রিক প্রাণী যা কঙ্কাল জমা করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রবাল প্রাচীরকে সমুদ্রের রেইনফরেস্ট বলা হয় কারণ এখানে প্রচুর সামুদ্রিক প্রজাতি বাস করে।
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে সেন্ট মার্টিন কী ধরনের দ্বীপ বা প্রবাল কোন ফাইলামের অন্তর্গত।
সঠিক উত্তর: B) Local Area Network
১. কেন সঠিক:
LAN কথাটির পূর্ণরূপ হলো Local Area Network, যার বাংলা অর্থ হলো স্থানীয় এলাকানিউজ নেটওয়ার্ক।
সীমিত ভৌগোলিক এলাকার মধ্যে কম্পিউটারগুলো যুক্ত করার জন্য এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: একটি নির্দিষ্ট ভবন, অফিস কক্ষ বা ক্যাম্পাসের ভেতরের কম্পিউটারগুলোকে নিজেদের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করার জন্য যে নেটওয়ার্কে যুক্ত করা হয় তাকে LAN বলে।
কার্যপদ্ধতি: এই নেটওয়ার্কে তারের মাধ্যমে বা ওয়াইফাই প্রযুক্তির সাহায্যে সুইচ বা হাবের সাথে কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত থাকে।
ব্যবহার: অফিস, ব্যাংক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বাসাবাড়ির কম্পিউটার ও প্রিন্টার একে অপরের সাথে যুক্ত করতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
পার্থক্য: বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত নেটওয়ার্ক অর্থাৎ WAN এর তুলনায় LAN এর আওতাধীন এলাকা অনেক ছোট এবং এর ডেটা স্থানান্তরের গতি অনেক বেশি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব।
ব্যাখ্যা: ল্যাবের ভেতরের সব কম্পিউটার একটি কেন্দ্রীয় সার্ভারের সাথে যুক্ত থাকে যাতে শিক্ষার্থীরা সহজেই ফাইল শেয়ার করতে পারে।
উদাহরণ ২: একটি ব্যাংকের শাখা অফিস।
ব্যাখ্যা: ওই শাখার সব কম্পিউটার ও প্রিন্টার একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে যাতে ব্যাংকিং কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Large area Network — এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড নেটওয়ার্কের নাম নয়, এমন কোনো প্রযুক্তিগত পরিভাষা কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয় না।
B) Local Area Network — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট এলাকার নেটওয়ার্ক বোঝাতে এই পরিভাষাটি নির্ধারিত।
C) Land Area Network — কম্পিউটারে নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে Land বা জমির কোনো সম্পর্ক নেই, এটি একটি ভুল শব্দ।
D) Legal Area Network — আইনি বা আইনগত ক্ষেত্রের সাথে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের এই নামটির কোনো সংযোগ নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
LAN শব্দের Local কথাটি মনে রাখলে বোঝা যায় এটি স্থানীয় বা সীমিত এলাকার জন্য তৈরি।
কম দূরত্বের নেটওয়ার্ক মানেই Local Area Network।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই LAN, MAN এবং WAN এর পূর্ণরূপ ও পরিসর সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
ছোট পরিসরের জন্য LAN, শহরের ভেতরে MAN এবং বিশ্বব্যাপী যোগাযোগের জন্য WAN ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: B) আমাজন ফরেস্ট
১. কেন সঠিক:
- আমাজন রেইনফরেস্ট পৃথিবীর বৃহত্তম ক্রান্তীয় বৃষ্টিবহুল বনভূমি এবং এটি গ্রহের জীববৈচিত্র্যের অন্যতম প্রধান আধার।
- এর বিশাল আয়তন এবং অতি ঘন উদ্ভিদের কারণে একে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয় যা প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন সরবরাহ করে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের আমাজন অববাহিকা জুড়ে প্রধানত ব্রাজিল, পেরু ও কলম্বিয়াতে বিস্তৃত।
- বৈশিষ্ট্য: এটি নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে অবস্থিত এবং এখানে সারা বছর প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সংশ্লিষ্ট তথ্য: পৃথিবীর মোট রেইনফরেস্টের অর্ধেকের বেশি অংশ জুড়ে রয়েছে এই বন।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: আমাজন নদী
ব্যাখ্যা: আমাজন বনের মধ্য দিয়েই আমাজন নদী প্রবাহিত হয়েছে যা পানি প্রবাহের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম নদী।
উদাহরণ ২: আন্দিজ পর্বতমালা
ব্যাখ্যা: এই পর্বতমালা আমাজন অববাহিকার পশ্চিম সীমানা নির্ধারণ করেছে এবং নদীটির উৎস হিসেবে কাজ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কঙ্গো ফরেস্ট — এটি আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৃষ্টিবহুল বনভূমি।
B) আমাজন ফরেস্ট — এটি প্রশ্ন অনুযায়ী বিশ্বের বৃহত্তম বনভূমি এবং সঠিক উত্তর।
C) সুন্দরবন ফরেস্ট — এটি বাংলাদেশ ও ভারতে অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বা লবণাক্ত বনভূমি, সামগ্রिक বৃহত্তম বন নয়।
D) ব্ল্যাক ফরেস্ট — এটি জার্মানি অবস্হত একটি পাহাড়ি জঙ্গল যা আকারে আমাজনের তুলনায় অনেক ছোট।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিশ্বে যখনই বৃহত্তম বনের কথা আসবে, তখন দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন নদীর অববাহিকাকে মনে রাখতে হবে।
- সুন্দরবন হলো বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ আর আমাজন হলো সার্বিকভাবে বৃহত্তম বন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে আমাজন বন কোন মহাদেশে অবস্থিত বা বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন কোনটি।
সঠিক উত্তর: B) পরিবেশ
১. কেন সঠিক:
কিওটো প্রোটোকল সরাসরি বৈশ্বিক পরিবেশগত সমস্যা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
এটি বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন হ্রাসের মাধ্যমে বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ করার উদ্দেশ্যে প্রণীত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: জাপানের কিওটো শহরে ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর চুক্তিটি গৃহীত হয় এবং ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কার্যকর হয়।
বৈশিষ্ট্য: এটি শিল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর আইনি বাধ্যবাধকতা আরোপ করে।
সংশ্লিষ্ট তথ্য: এটি জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কাঠamoগত কনভেনশন বা UNFCCC এর একটি অংশ।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: কার্বন ডাই অক্সাইড ও মিথেন গ্যাস নির্গমন নিয়ন্ত্রণ।
ব্যাখ্যা: কিওটো প্রোটোকল স্বাক্ষরকারী দেশগুলোকে তাদের শিল্প কারখানা ও যানবাহনের মাধ্যমে নির্গত ক্ষতিকর গ্যাসের পরিমাণ নির্দিষ্ট মাত্রার নিচে রাখতে বাধ্য করে।
উদাহরণ ২: ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাপানের পরিবেশ নীতি।
ব্যাখ্যা: এই দেশগুলো কিওটো প্রোটোকলের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার ও বনায়ন বৃদ্ধি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শান্তি — শান্তি আন্তর্জাতিক কূটনীতি বা নোবেল শান্তি পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও কিওটো প্রোটোকলের মূল বিষয়বস্তু শান্তি রক্ষা নয়।
B) পরিবেশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ কিওটো প্রোটোকল বৈশ্বিক উষ্ণতা ও পরিবেশ সুরক্ষার জন্য তৈরি হয়েছে।
C) কৃষি — কৃষি অর্থনৈতিক ভূগোলের অংশ হলেও কিওটো প্রোটোকল কৃষিপণ্য উৎপাদন বা বাণিজ্যের জন্য করা হয়নি।
D) বাণিজ্য — বাণিজ্য বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিও এর আওতাধীন, যা পরিবেশগত চুক্তির মূল উদ্দেশ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
কিওটো একটি শহরের নাম এবং পরিবেশ বাঁচাতে পৃথিবীর উষ্ণতা কমানোর জন্য এই শহরের নামানুসারে প্রোটোকল করা হয়েছে।
পরিবেশ রক্ষার বড় চুক্তি মানেই কিওটো প্রোটোকল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কিওটো প্রোটোকল কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত অথবা এটি কবে স্বাক্ষরিত হয়।
ভবিষ্যতে এটি থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কিওটো প্রোটোকল কোন গ্যাস হ্রাসের সঙ্গে যুক্ত।
সঠিক উত্তর: B) ৫ জুন
১. কেন সঠিক:
- প্রতি বছর ৫ জুন তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করা হয়।
- ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের স্টকহোম সম্মেলনে এই দিনটিকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিকভাবে এই দিবস পালিত হয়।
- বৈশিষ্ট্য: পরিবেশের সুরক্ষা এবং সচেতনতা বৃদ্ধি এই দিবসের প্রধান লক্ষ্য।
- সংশ্লিষ্ট তথ্য: ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতি বছর বিভিন্ন থিম বা প্রতিপাদ্যের মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: স্টকহোম সম্মেলন
ব্যাখ্যা: ১৯৭২ সালের ৫ জুন সুইডেনের স্টকহোমে জাতিসংঘের মানব পরিবেশ সম্মেলন শুরু হয়েছিল, যা পরিবেশ সুরক্ষার ভিত্তি স্থাপন করে।
উদাহরণ ২: বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য
ব্যাখ্যা: প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট দেশকে স্বাগতিক দেশ হিসেবে বেছে নেওয়া হয় এবং পরিবেশগত বিশেষ সমস্যার ওপর গুরুত্ব দিয়ে থিম নির্ধারণ করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬ জুন — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবসের তারিখ নয়।
B) ৫ জুন — এটি সঠিক উত্তর।
C) ৫ মে — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস নয়, এই দিনে অন্য কোনো আন্তর্জাতিক বা জাতীয় দিবস থাকতে পারে।
D) ৫ জুলাই — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবসের তারিখের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
৫ সংখ্যাটি মনে রাখলে এবং জুনের ৫ তারিখ মাথায় রাখলে খুব সহজে পরিবেশ দিবস মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রবক্তা জাতিসংঘ এবং এটি প্রথম পালিত হয় ১৯৭৪ সালে।
ভবিষ্যতে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে প্রথম বিশ্ব পরিবেশ দিবস কোন সালে পালিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান
১. কেন সঠিক:
বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ আইন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী উদ্ভিদ সংরক্ষণ, গবেষণা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নির্দিষ্ট এলাকাকে সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান বা বোটানিক্যাল গার্ডেন জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ প্রজাতির সুরক্ষার জন্য সরকারের বন অধিদপ্তর কর্তৃক সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে স্বীকৃত।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: ঢাকা জেলার মিরপুরে অবস্থিত যা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উদ্ভিদ সংরক্ষণ কেন্দ্র।
বৈশিষ্ট্য: এটি বিরল প্রজাতির উদ্ভিদ সংগ্রহ, কৃত্রিম বনসৃজন এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: মিরপুর জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান।
ব্যাখ্যা: এটি দেশের বৃহত্তম উদ্ভিদ উদ্যান যা বনায়ন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
উদাহরণ ২: সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক।
ব্যাখ্যা: এটিও বন অধিদপ্তরের অধীনে সংরক্ষিত এবং বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ সংরক্ষণের জন্য নির্ধারিত এলাকা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান — বন অধিদপ্তরের ঘোষণা অনুযায়ী এটি একটি সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত।
B) চিড়িয়াখানা — চিড়িয়াখানা মূলত বন্যপ্রাণী প্রদর্শন ও বিনোদন কেন্দ্র, যা বন অধিদপ্তরের সরাসরি সংরক্ষিত এলাকার প্রজ্ঞাপনের অন্তর্ভুক্ত নয়।
C) বাঁশখালী ইকোপার্ক — এটি বনাঞ্চল হলেও প্রধানত পর্যটন ও বিনোদনের জন্য প্রতিষ্ঠিত এবং সংরক্ষিত এলাকার প্রবচন ভিন্ন।
D) রমনা পার্ক — এটি ঢাকা শহরের একটি নাগরিক উদ্যান বা বিনোদন পার্ক, যা গণপূর্ত অধিদপ্তর বা সিটি কর্পোরেশনের অধীনে পরিচালিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
উদ্ভিদ বা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য সরকারিভাবে নির্ধারিত উদ্যান বা পার্কগুলোর মধ্যে জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান বন অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে গণ্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশ বন অধিদপ্তরের অধীনে কোন কোন এলাকা সংরক্ষিত বনাঞ্চল বা ইকোপার্ক হিসেবে তালিকাভুক্ত, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একই ধারণা থেকে অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য বা জাতীয় উদ্যান কোন সংস্থার অধীনে পরিচালিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) দার্জিলিং
১. কেন সঠিক:
- টাইগার হিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিখ্যাত পাহাড়ি শহর দার্জিলিংয়ে অবস্থিত।
- এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বতশৃঙ্গ এবং সূর্যোদয়ের দৃশ্য দেখার জন্য পর্যটকেরা এখানে ভিড় করেন।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দার্জিলিং জেলায় অবস্থিত।
- বৈশিষ্ট্য: এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় দুই হাজার পাঁচশ নব্বই মিটার উচ্চতায় অবস্থিত একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।
- সংশ্লিষ্ট তথ্য: এটি এখান থেকে মাউন্ট এভারেস্ট ও কাঞ্চনজঙ্ঘার বরফাবৃত চূড়ার দৃশ্য দেখানোর জন্য বিখ্যাত।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: সান্দাকফু
ব্যাখ্যা: এটি পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এবং দার্জিলিং জেলার অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত পর্বতশৃঙ্গ।
উদাহরণ ২: ঘুম রেলওয়ে স্টেশন
ব্যাখ্যা: এটি ভারতের উচ্চতম রেলওয়ে স্টেশন যা দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের অংশ এবং টাইগার হিলের কাছাকাছি অবস্থিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপালে — এটি একটি স্বাধীন দেশ যেখানে মাউন্ট এভারেস্ট অবস্থিত, তবে টাইগার হিল এখানে নেই।
B) দার্জিলিং — এটি সঠিক উত্তর কারণ টাইগার হিল ভারতের এই পাহাড়ি অঞ্চলেই অবস্থিত।
C) জেরুজালেমে — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় নগরী যা ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে অবস্থিত এবং এর সঙ্গে টাইগার হিলের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) কাশ্মীরে — এটি ভারতের উত্তরভাগের একটি পাহাড়ি অঞ্চল যা হিমালয় পর্বতমালার অন্তর্গত হলেও এখানে টাইগার হিল অবস্থিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- টাইগার হিল মানেই চা পাতার দেশ দার্জিলিংয়ের পাহাড়ি চূড়া থেকে সূর্যোদয় দেখা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্ব বা আঞ্চলিক ভূগোলের সাধারণ জ্ঞান হিসেবে প্রায়ই আসে।
- একই ধারণা থেকে দার্জিলিংয়ের উচ্চতা বা ভারতের বিখ্যাত পর্বতশৃঙ্গ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)