সঠিক উত্তর: A) অনতিক্রম্য
১. কেন সঠিক:
- 'যা সহজে অতিক্রম করা যায় না' এই বাক্যাংশটির সংকুচিত বা এককথায় প্রকাশিত রূপ হলো অনতিক্রম্য।
- এখানে প্রতি, অতিক্রম এবং য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এমন একটি শব্দ তৈরি হয়েছে যার অর্থ যা সহজে লঙ্ঘন বা অতিক্রম করা যায় না।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
- বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে সংক্ষেপে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের সংগতি বৃদ্ধি পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা লঙ্গন করা যায় না = অলঙ্ঘ্য
ব্যাখ্যা: এটিও একটি বাক্য সংকোচন যা নিয়মের দিক থেকে অনতিক্রম্য শব্দের কাছাকাছি কিন্তু অর্থ আলাদা।
উদাহরণ ২: যা জয় করা যায় না = অজিত
ব্যাখ্যা: কোনো কিছু জয় করার অসমর্থতা বোঝাতে এই বাক্য সংকোচন ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনতিক্রম্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি প্রশ্নের ভাবকে নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে।
B) দূরতিক্রম্য — দূরতিক্রম্য বলতে বোঝায় যা অত্যন্ত কষ্টে বা দুষ্করে অতিক্রম করা যায়, যা সহজে অতিক্রম করা যায় না তার চেয়ে একটু আলাদা।
C) অলঙ্ঘ্য — অলঙ্ঘ্য শব্দের অর্থ যা লঙ্ঘন করা যায় না, তাই এটি সরাসরি অতিক্রম করার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) দুর্গম — দুর্গম শব্দের অর্থ যেখানে গমন করা বা যাওয়া অত্যন্ত কঠিন, এটি অতিক্রম করার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সহজে অতিক্রম করা যায় না থাকলে অনতিক্রম্য মনে রাখবে এবং কষ্ট করে অতিক্রম করতে হয় বোঝালে দূরতিক্রম্য নির্বাচন করবে।
- এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে মূল বাক্যের মূল ক্রিয়াপদ বা বিশেষ্য পদ খেয়াল করলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই প্রমিত বাংলা বানান এবং সঠিক অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
- এই ধরনের শব্দ গঠনে উপসর্গ ও প্রত্যয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যা বারবার চর্চা করা উচিত।
সঠিক উত্তর: B) যিনি রাজা তিনিই ঋষি
১. কেন সঠিক:
- রাজর্ষি একটি বিশেষ ধরণের কর্মধারয় সমাস, যেখানে যিনি রাজা তিনিই ঋষি বোঝানো হয়েছে।
- এখানে রাজা ও ঋষি দুটি ভিন্ন গুণ বা পদ একই ব্যক্তির মধ্যে বিদ্যমান থাকায় এটি কর্মধারয় সমাসের আওতাভুক্ত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণে অথবা দুটি বিশেষ্য পদে মিলে কর্মধারয় সমাস হয় এবং সাধারণ নিয়ম ভেঙে বিশেষ পদের সৃষ্টি করে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
- রাজর্ষি শব্দটি রাজা এবং ঋষি পদের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে, যেখানে যিনি রাজা তিনিই ঋষি হিসেবে ব্যাসবাক্য নির্ধারিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহর্ষি
ব্যাখ্যা: যিনি মহা তিনিই ঋষি, যা রাজর্ষি শব্দের মতো কর্মধারয় সমাসের নিয়মে সাধিত হয়।
উদাহরণ ২: দেবরর্ষি
ব্যাখ্যা: যিনি দেবতা তিনিই ঋষি, এটিও একই ব্যাকরণগত কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত একটি শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যিনি ঋষি তিনিই রাজা — এই ব্যাসবাক্যটি পদের ক্রম ভুলভাবে উপস্থাপন করেছে কারণ রাজর্ষি শব্দটিতে রাজা পদটি প্রথমে রয়েছে।
B) যিনি রাজা তিনিই ঋষি — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক এবং ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল ব্যাসবাক্য।
C) যিনি রাজা তিনি ঋষি — এই ব্যাসবাক্যে নির্দিষ্টকরণের জোড় বোঝাতে 'ই' কার অনুপস্থিত রয়েছে যা কর্মধারয় সমাসের নিয়মের পরিপন্থী।
D) যিনি ঋষি তিনি রাজা — এতে পদের ক্রম এবং ব্যাসবাক্যের গঠন উভয়ই রাজর্ষি শব্দের জন্য অগ্রহণযোগ্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রাজর্ষি শব্দের ব্যাসবাক্যের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখবে রাজা শব্দটি আগে থাকায় যিনি রাজা তিনিই ঋষি হবে।
- পদের ক্রম ঠিক রেখে কর্মধারয় সমাসের এই নিয়মটি মনে রাখা খুবই সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের সমাস প্রায়ই আসে, তাই পদের ক্রম ও অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
- সমাস নির্ণয়ের সময় ব্যাসবাক্যের সঠিক গঠন এবং পদের অবস্থান সর্বদা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অজ
১. কেন সঠিক:
অজ একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ। বাংলা ভাষায় উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যার মধ্যে খাঁটি বাংলা উপসর্গ অন্যতম।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট একুশটি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অজপাড়াাঁয়ে
ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ পাড়াাঁর পূর্বে অজ উপসর্গটি যুক্ত হয়ে অশিক্ষিত বা অনুন্নত অর্থ প্রকাশ করেছে।
উদাহরণ ২: অজনা
ব্যাখ্যা: এখানে জানা শব্দের পূর্বে অজ উপসর্গ যুক্ত হয়ে না জানা বা অপরিচিত অর্থ প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অজ — এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ এবং সঠিক উত্তর।
B) ফি — এটি একটি বিদেশি উপসর্গ, যা মূলত ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
C) অতি — এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ, যা বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের সাথে ব্যবহৃত হয়।
D) খাস — এটি একটি বিদেশি উপসর্গ, যা আরবি বা ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি মনে রাখার জন্য বিভিন্ন ছড়ার সাহায্য নিতে পারো। অ কাজের অ আ সু বি নি পাতি হলো খাঁটি বাংলা উপসর্গের অংশ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ থেকে প্রশ্ন আসে এবং কোনটি কোন ভাষার উপসর্গ তা আলাদা করতে বলা হয়। উপসর্গ সবসময় শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে।
সঠিক উত্তর: A) নিঃস্ব
১. কেন সঠিক:
ঐশ্বর্য শব্দের অর্থ ধনসম্পদ, বৈভব বা প্রাচুর্য। এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশকারী শব্দ হলো নিঃস্ব, যার অর্থ সম্পদহীন বা দরিদ্র।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার বা সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে এবং এদের বিপরীত শব্দও সাধারণত সমজাতীয় উৎস থেকেই নির্ধারিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঐশ্বর্য × দারিদ্র্য
ব্যাখ্যা: ঐশ্বর্য শব্দের আরেকটি প্রচলিত বিপরীত শব্দ হলো দারিদ্র্য বা অকিঞ্চন।
উদাহরণ ২: সমৃদ্ধি × অবনতি
ব্যাখ্যা: শব্দের ভাবার্থ অনুযায়ী সঠিক বিপরীত শব্দ চয়ন করতে হয়, যা বাক্যকে অর্থপূর্ণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিঃস্ব — সঠিক উত্তর।
B) ঐচ্ছিক — এটি বাধ্যতামূলক শব্দের বিপরীত শব্দ, যার অর্থ যা ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে।
C) আসক্তি — এটি অনাসক্তি বা বিরক্তি শব্দের বিপরীত শব্দ, যার অর্থ কোনো কিছুর প্রতি গভীর টান।
D) পারত্রিক — এটি ঐহিক শব্দের বিপরীত শব্দ, যার অর্থ পরকালসংক্রান্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
সম্পদ বা ধন বোঝাতে ঐশ্বর্য ব্যবহার করা হয় এবং এর বিপরীতে শূন্যতা বা দারিদ্র্য বোঝাতে নিঃস্ব শব্দটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই প্রমিত বাংলা অভিধানের শব্দার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সম্পূর্ণ
১. কেন সঠিক:
- ষোলকলা বাগধারাটির আভিধানিক ও ভাবগত অর্থ হলো সম্পূর্ণতা বা পরিপূর্ণতা।
- প্রাচীন জ্যোতির্বিষয়ক ধারণায় চন্দ্রের পূর্ণাঙ্গ রূপকে ষোল কলায় বিভক্ত ধরা হতো এবং চাঁদ সম্পূর্ণ পূর্ণ হলে তাকে ষোলকলা পূর্ণ বলা হতো।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত পরিচিত বাগধারা, যা বিশেষ অর্থে কোনো কিছুর পূর্ণাঙ্গ অবস্থাকে নির্দেশ করে।
- এই ধরনের বাগধারাগুলো সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে রূপক বা বিশেষ ভাব প্রকাশ করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোরের ওপর বাটপারি মানে হলো ষোলকলা পূর্ণ করা।
ব্যাখ্যা: এখানে পরিস্থিতি পুরোপুরি জমে ওঠার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণতার অর্থে ষোলকলা ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: তার অপরাধ আজ ষোলকলায় পূর্ণ হয়েছে।
ব্যাখ্যা: অপরাধের মাত্রা সম্পূর্ণ বা চরম সীমায় পৌঁছানোর অর্থ বোঝাতে এই বাক্যটি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুন্দর কলা — কলা একটি ফল বা অঙ্গবিশেষ হতে পারে, কিন্তু ষোলকলা মানে সৌন্দর্যের কোনো নির্দিষ্ট রূপ বোঝায় না।
B) সম্পূর্ণ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ষোলকলা বাগধারাটি পূর্ণতা বা সমগ্রতা প্রকাশ করে।
C) ঘোলটি কলা — এটি কোনো অর্থবহ বাগধারা বা শব্দগুচ্ছ নয়, বরং বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
D) এক টাকা — ষোল আনায় এক টাকা হয়, কিন্তু ষোলকলা বলতে মুদ্রার মান বোঝায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- চাঁদের পূর্ণাঙ্গ রূপ মনে রাখলে ষোলকলা মানে সম্পূর্ণতা বা পরিপূর্ণতা সহজে মনে রাখা যায়।
- কলা বলতে এখানে চাঁদের বিভিন্ন অংশ বা পর্যায় বোঝানো হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার সঠিক অর্থ প্রায়ই আসে।
- এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বাগধারার উৎস এবং প্রচলিত ভাবার্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ১
১. কেন সঠিক:
বাংলা বর্ণমালায় 'ব' বর্ণটি মাত্র একটি রয়েছে। বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের তালিকা অনুযায়ী 'ব' হলো একুশতম ব্যঞ্জনবর্ণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ সংক্রান্ত এই প্রশ্নটিতে বাংলা বর্ণমালার মৌলিক রূপ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বাংলা বর্ণমালায় বর্গীয় বর্ণ হিসেবে 'ব' একটিই নির্দিষ্ট করা আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের প বর্গীয় ধ্বনির পঞ্চম বর্ণ হলো ম।
ব্যাখ্যা: এটি প বর্গের একটি আলাদা বর্ণ যা ব থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।
উদাহরণ ২: বাংলা বর্ণমালায় অন্তঃস্থ ব এবং বর্গীয় ব এর উচ্চারণগত পার্থক্য রয়েছে।
ব্যাখ্যা: প্রমিত বাংলা উচ্চারণে ব এর ভিন্নতা থাকলেও বর্ণ হিসেবে এটি একটিই।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ — ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় ব বর্ণটি দুটি নেই।
B) ৩ — ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় ব বর্ণটি তিনটি নেই।
C) ৪ — ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় ব বর্ণটি চারটি নেই।
D) ১ — সঠিক কারণ বাংলা বর্ণমালায় ব বর্ণটি একটিমাত্র রয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাংলা বর্ণমালায় ব বর্ণ একটিই আছে, তাই বর্ণগণনার সময় একে একবারই ধরতে হবে। বর্ণমালার ক্রম মনে রাখলে এই ধরনের বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা বর্ণমালার মোট সংখ্যা এবং কোন বর্ণ কয়টি আছে তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বর্ণমালার মৌলিক গঠন ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Greed leads to sin and to death
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি একটি চিরন্তন সত্যমূলক প্রবাদ বাক্য, যা সর্বদা প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে অনুবাদ করতে হয়।
- সাবজেক্ট Greed হলো থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার, তাই মূল ভার্ব lead এর সাথে s যুক্ত হয়ে leads হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চিরন্তন সত্য, প্রবাদ বাক্য এবং অভ্যাসগত কর্ম বোঝাতে প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করা হয়।
- এই ধরনের বাক্যে একাধিক নাউনের পূর্বে preposition repetition এর নিয়ম অনুসারে প্রতিটির আগে to বসতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৎতাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা - Honesty is the best policy.
ব্যাখ্যা: এটি একটি চিরন্তন সত্য ও প্রবাদ বাক্য, যা প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: গায়কের চেয়ে প্রবচনের গুরুত্ব বেশি - Action speaks louder than words.
ব্যাখ্যা: প্রবাদ বাক্য হিসেবে এটিও সর্বদাই প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Greed leads to sin and to death — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রবাদের মানসম্মত ইংরেজি অনুবাদ।
B) Greed leaded to sin and to death. — lead শব্দের কোনো past form leaded হয় না, এর সঠিক রূপ led।
C) Greed leading to sin and to death. — মূল verb এর সাথে ing যুক্ত থাকলেও finite verb না থাকায় এটি অসম্পূর্ণ বাক্য।
D) Greed leads to sin and death. — প্রবাদ বাক্যের ঐতিহ্যগত রূপ রক্ষার্থে and এর পরে দ্বিতীয় to বাদ দেওয়া হয়েছে, তবে মূল সাহিত্যিক অনুবাদে এটি কিছুটা অসম্পূর্ণ মনে হতে পারে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রবাদ বাক্য অনুবাদের সময় সবসময় প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করতে হবে।
- লোভ এবং পাপ সংক্রান্ত প্রবাদে শব্দের ধারাবাহিকতা মুখস্থ রাখা নিরাপদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রবাদ বাক্যের অনুবাদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- টেন্সের সঠিক প্রয়োগ এবং অপশনের বানান বা রূপগত ভুলগুলো ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) শাহ মুহম্মদ সগীর
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে শাহ মুহম্মদ সগীরকে প্রথম মুসলমান কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তিনি সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে বিখ্যাত 'ইউসুফ জুলেখা' কাব্য রচনা করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শাহ মুহম্মদ সগীর মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম যুগের একজন বিশিষ্ট কবি। তার রচিত 'ইউসুফ জুলেখা' কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের মুসলিম রচিত প্রথম কাব্য নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শাহ মুহম্মদ সগীর রচিত 'ইউসুফ জুলেখা'।
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের পুঁথি সাহিত্য ও প্রেমের কাহিনীর এক অনন্য নিদর্শন।
উদাহরণ ২: মধ্যযুগের অপর এক কবি দৌড় কাজী।
ব্যাখ্যা: তিনিও মধ্যযুগে মুসলিম কবি হিসেবে বিখ্যাত কাব্য রচনা করেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শাহ মুহম্মদ সগীর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি।
B) ভারত চন্দ্র রায় — ইনি মধ্যযুগের শেষের দিকে আবির্ভূত হন এবং তিনি হিন্দু কবি ও অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা।
C) শামসুর রাহমান — ইনি আধুনিক যুগের একজন প্রথিতযশা কবি ও সাহিত্যিক, মধ্যযুগের কবি নন।
D) কবি কঙ্ক — এটি কোনো নির্দিষ্ট কবি নয়, বরং কঙ্কন কবি বা চণ্ডীমঙ্গলের রচয়িতা মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর উপাধি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রথম মুসলমান কবি মনে রাখতে মাথায় রাখবে সগীর মানে ছোট বা প্রথম সূচনা, যিনি ইউসুফ জুলেখা লিখেছেন। মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের মধ্যে তার নাম সবার আগে আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের প্রথম কবি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। প্রথম মুসলমান কবি হিসেবে শাহ মুহম্মদ সগীরের নাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) একটি মাত্র শব্দে ভাবকে প্রকাশ করা
১. কেন সঠিক:
বাক্য সংকোচন বলতে এমন একটি প্রক্রিয়াকে বোঝায় যেখানে একটি দীর্ঘ বাক্য বা বাক্যাংশকে সংকুচিত করে মাত্র একটি শব্দে প্রকাশ করা হয়। এটি ভাবসংক্ষেপণ বা এককথায় প্রকাশ নামেও পরিচিত।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্য সংকোচন বাংলা ব্যাকরণের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা বাক্যগঠনকে শৈল্পিক ও সংক্ষিপ্ত করে। এর মাধ্যমে লেখার মান উন্নত হয় এবং অপ্রয়োজনীয় শব্দের ব্যবহার কমে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা সহজে লাভ করা যায় না - দুর্লভ
ব্যাখ্যা: একটি বড় বাক্যাংশকে সংক্ষেপে 'দুর্লভ' শব্দের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: উপকারের উপকার স্বীকার করে যে - কৃতজ্ঞ
ব্যাখ্যা: পুরো বাক্যের অর্থ একটিমাত্র শব্দের মাধ্যমে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইঙ্গিতময় শব্দ ব্যবহার করে বাক্য তৈরি — বাক্য সংকোচন বলতে ইঙ্গিতময় শব্দ তৈরি করা বোঝায় না, বরং ভাবকে ছোট করা বোঝায়।
B) অসম্পূর্ণ বাক্য — বাক্য সংকোচন কোনো অসম্পূর্ণ বাক্য নয়, এটি একটি সম্পূর্ণ অর্থবোধক একক শব্দ।
C) ক্ষুদ্রতম বাক্য — এটি ক্ষুদ্রতম বাক্য নয়, বরং একটি মাত্র শব্দ যা পুরো বাক্যের কাজ করে।
D) একটি মাত্র শব্দে ভাবকে প্রকাশ করা — এটি সঠিক, কারণ বাক্য সংকোচনের মূল কাজই হলো একটি শব্দে ভাব প্রকাশ করা।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্য সংকোচন মানে ছোট করা বা এককথায় প্রকাশ করা। বড় বাক্যকে ছাঁটাই করে যখন একটি শব্দ বানানো হয়, সেটাই হলো বাক্য সংকোচন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই কমন কিছু শব্দ নিয়মিত চর্চা করলে সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) অসমীচীন
কেন সঠিক:
- এই বানানটিতে প্রথম অংশ হিসেবে 'অস' উপসর্গ এবং পরে 'চীন' প্রত্যয় বা শব্দ যুক্ত হয়েছে।
- বাংলা বানান বিধান অনুযায়ী নির্দিষ্ট প্রত্যয় যোগে এই শব্দের গঠন সর্বদাই দীর্ঘঈ এবং দীর্ঘঊ কার যুক্ত হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী 'চীন' বা এই জাতীয় শব্দযুক্ত শব্দে দীর্ঘ স্বরধ্বনি ব্যবহৃত হয়।
- সমাস বা প্রত্যয় সাধিত শব্দের ক্ষেত্রে মূল শব্দের দীর্ঘস্বর অপরিবর্তিত থাকে।
- যেমন: সমীচীন শব্দের সঙ্গে 'অ' উপসর্গ যুক্ত হয়ে গঠিত হয় অসমীচীন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) অসমীচীন — এই অপশনটি সঠিক এবং এর বানান পুরোপুরি ঠিক আছে।
- B) অসমীচিন — এই অপশনে শেষের বর্ণে হ্রস্বই কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল।
- C) অসমিচিন — এই অপশনে প্রথম ও শেষের উভয় বর্ণে হ্রস্বই কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল।
- D) অসমিচীন — এই অপশনে প্রথম অংশে হ্রস্বই কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণসিদ্ধ নয়।
মনে রাখার টিপস:
- সমীচীন বানানটিতে ম-এ দীর্ঘঈ এবং ছ-এ দীর্ঘঊ কার থাকে, তাই এর আগে 'অ' বসালেও দীর্ঘস্বরগুলো অপরিবর্তিত থাকে।
সঠিক উত্তর: B) মন রূপ মাঝি
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি রূপক কর্মধারয় সমাসের নিয়ম অনুসারে গঠিত হয়েছে।
- এখানে মন ও মাঝি দুটি পদের মধ্যে অভেদ বা কল্পিত রূপ বোঝানো হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে কর্মধারয় সমাসে উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয় তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে।
- এই সমাসে সাধারণত পূর্বপদ উপমেয় এবং পরপদ উপমান হয় এবং ব্যাসবাক্যে মাঝখানে রূপ শব্দটি বসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাদসিন্ধু
ব্যাখ্যা: বিষাদ রূপ সিন্ধু, এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ক্রোধানল
ব্যাখ্যা: ক্রোধ রূপ অনল, এটিও মনমাঝির মতো অভেদ কল্পনা করে রূপক কর্মধারয় সমাস সাধন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মনের মাঝি — এটি ষষ্টি তৎপুরুষ সমাস নির্দেশ করে, যা প্রদত্ত শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) মন রূপ মাঝি — এটি সঠিক কারণ এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের সঠিক গঠন প্রণালী অনুসরণ করে।
C) মন মাঝির ন্যায় — এটি উপমা বা তুলনামূলক বোঝায়, যা রূপক কর্মধারয় সমাসের নিয়মের বাইরে।
D) মন ও মাঝি — এটি দ্বন্দ্ব সমাস বোঝায়, কিন্তু মন ও মাঝি সমার্থক বা জোড়া পদ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রূপক কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের মাঝে রূপ শব্দ থাকা।
- মনের মতো মানসিক অবস্থাকে মাঝির সঙ্গে তুলনা না করে অভিন্ন ভাবলে রূপক সমাস হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় রূপক কর্মধারয় সমাসের শব্দ প্রায়ই আসে।
- বিষাদসিন্ধু, ক্রাধানল ও মনমাঝি এই তিনটি শব্দ ভালো করে চর্চা করলে পরীক্ষায় কমন পাওয়া সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: D) মুমূর্ষু
১. কেন সঠিক:
মুমূর্ষু শব্দের অর্থ মরণের কাছাকাছি বা যার মরার ইচ্ছা আছে। বানানের নিয়মানুযায়ী প্রথম ম-এ হ্রস্ব উ-কার, দ্বিতীয় ম-এ দীর্ঘ ঊ-কার, মূর্ধন্য-ষ-এ রেফ এবং হ্রস্ব উ-কার বসে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী সমাসবদ্ধ বা তদ্ভব ও তৎসম শব্দে ই, ঈ, উ, ঊ ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। মুমূর্ষু একটি তৎসম শব্দ যেখানে প্রথমে হ্রস্ব উ এবং পরে দীর্ঘ ঊ ব্যবহারের ব্যাকরণগত বিধান রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুহূর্ত
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ বানান যেখানে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: সুচিপত্র
ব্যাখ্যা: এটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বানান যেখানে হ্রস্ব ই-কার ও উ-কার সঠিক নিয়মে বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুমুর্ষু — এই অপশনে দ্বিতীয় ম-এ দীর্ঘ ঊ-কার না দিয়ে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) মুমূর্ষ — এই অপশনে শব্দের শেষে রেফযুক্ত ষ-এর সাথে হ্রস্ব উ-কার বাদ দেওয়া হয়েছে যা অসম্পূর্ণ বানান।
C) মূমূর্ষু — এই অপশনে প্রথম ম-এ দীর্ঘ ঊ-কার এবং দ্বিতীয় ম-এ হ্রস্ব উ-কার দেওয়া হয়েছে যা ঠিক উল্টো এবং ভুল।
D) মুমূর্ষু — এটি সঠিক বানান কারণ এতে প্রথম ম-এ হ্রস্ব উ-কার এবং দ্বিতীয় ম-এ দীর্ঘ ঊ-কার সঠিকভাবে বসেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
মুমূর্ষু বানানটি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে প্রথমে ছোট উ-কার এবং মাঝে বড় ঊ-কার বসে। অর্থাৎ মু-মূ-র্ষু ক্রমানুসারে ছোট থেকে বড় এবং আবার ছোট উ-কার হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বানানটি প্রায়ই আসে কারণ পরীক্ষার্থীরা হ্রস্ব উ এবং দীর্ঘ ঊ এর অবস্থান নিয়ে বিভ্রান্ত হয়। তাই বানানের গঠন ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ
১. কেন সঠিক:
- ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস তিন ভাগে বিভক্ত যার মধ্যযুগ হলো ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।
- রাজনৈতিক পটপরিবর্তন বিশেষ করে তুর্কী আক্রমণ ও মুসলিম শাসনের সূচনাকে বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সূচনার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ধরা হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ শুরু হয় ৬৫০ বা ৯৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এবং এর একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ।
- আধুনিক যুগ শুরু হয় ১৮০১ খ্রিস্টাব্দ থেকে যার সূচনাপর্বে গদ্য চর্চার বিকাশ ঘটে এবং মুদ্রণ যন্ত্রের আগমন ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের প্রারম্ভিক সময়ের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন যা বড় চণ্ডীদাস রচিত বলে মনে করা হয়।
উদাহরণ ২: মঙ্গলকাব্য
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় ধারা হলো মঙ্গলকাব্য যা দেবী বা দেবতাদের মহিমা প্রচারের জন্য রচিত হতো।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২০১ থেকে ১৫০০ খ্রিস্টাব্দ — এই সময়কালটি মধ্যযুগের কেবল অন্ধকার যুগ বা প্রাক-চৈতন্য যুগকে নির্দেশ করে পুরো মধ্যযুগকে নয়।
B) ৬০০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দ — এই সময়কালটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের সঙ্গে সম্পর্কিত যার প্রধান নিদর্শন চর্যাপদ।
D) ৮০০ থেকে ১০০0 খ্রিস্টাব্দ — এই সময়কালটি মূলত প্রাচীন যুগের মধ্যবর্তী একটি অংশ যা বাংলা সাহিত্যের সামগ্রিক যুগ বিভাজনের সঙ্গে সরাসরি মিলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রাচীন যুগ শেষ হয় ১২০০ সালে আর মধ্যযুগের সমাপ্তি ১৮০০ সালে অর্থাৎ প্রাচীন ১২০০ ও আধুনিক ১৮০০ এর মাঝের সময়টাই মধ্যযুগ।
- প্রাচীন যুগ শূন্য থেকে ১২০০ এবং মধ্যযুগ ১২০১ থেকে ১৮০০ এভাবে সালগুলো ক্রমানুসারে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা সাহিত্যের কালসীমা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- ডক্টর সুকুমার সেন ও ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর যুগ বিভাজনের কালপঞ্জি ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: D) ঔ
১. কেন সঠিক:
- বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরধ্বনি মোট সাতটি, যার মধ্যে ঔ একটি যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বরধ্বনি।
- উচ্চারণের সময় একটি স্বরধ্বনি থেকে অন্য স্বরধ্বনিতে দ্রুত পরিবর্তন ঘটে বিধায় ঔ মূল বা মৌলিক ধ্বনি হিসেবে গণ্য হয় না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে যেসব স্বরধ্বনিকে ভেঙে বা বিশ্লেষণ করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক স্বরধ্বনি বলা হয়।
- বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনিগুলো হলো অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং ঋ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ
ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক স্বরধ্বনি যা উচ্চারণের সময় কোনো অন্য ধ্বনির সাহায্য নেয় না।
উদাহরণ ২: ই
ব্যাখ্যা: এটিও একটি মৌলিক স্বরধ্বনি এবং একে কোনোভাবেই দুটি ভিন্ন স্বরের মিশ্রণ হিসেবে বিশ্লেষণ করা যায় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উ — এটি একটি মৌলিক স্বরধ্বনি কারণ এর উচ্চারণ একক ও অবিভাজ্য।
B) অ — এটি বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান মৌলিক স্বরধ্বনি।
C) এ — এটি একটি মৌলিক স্বরধ্বনি যা উচ্চারণের সময় অপরিবর্তিত থাকে।
D) ঔ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি যৌগিক স্বরধ্বনি যা ও এবং উ এর মিলিত রূপ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যৌগিক স্বরবর্ণ দুটি হলো ঐ এবং ঔ, যা কখনোই মৌলিক স্বরধ্বনি হতে পারে না।
- মৌলিক স্বরধ্বনি মনে রাখার জন্য মনে রাখবে যে এরা নিজে স্বাধীন এবং এককভাবে উচ্চারিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মৌলিক ও যৌগিক স্বরধ্বনির পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে।
- বাংলা বর্ণমালায় মোট যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ বা দ্বিস্বর দুটি, যথা ঐ এবং ঔ।
সঠিক উত্তর: D) শৈলজ
১. কেন সঠিক:
- শৈলজ শব্দটির অর্থ হলো পাহাড়ে বা শৈলে জন্ম নিয়েছে যা। এটি মূলত পর্বত বা পাহাড়জাত কোনো বস্তুকে বোঝায়, যা পুত্র শব্দের সমার্থক নয়।
- প্রশ্নটিতে পুত্র শব্দের সমার্থক নয় এমন শব্দ বা বিপরীতধর্মী অর্থ প্রকাশকারী শব্দ কোনটি তা চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি, যেগুলোর অর্থ প্রায় একই রকম বা কাছাকাছি হয়। বাংলা ব্যাকরণে শব্দের অর্থগত সম্পর্ক বোঝাতে সমার্থক শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- পুত্র শব্দের অনেকগুলো সুন্দর সমার্থক শব্দ রয়েছে, যেমন আত্মজ, তনয়, নন্দন, সূত, কুমার ইত্যাদি, যা সন্তান বা পুত্রকে নির্দেশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুত্র শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দ যেমন তনয় ও আত্মজ মানুষের সন্তান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো সরাসরি জন্মসূত্রে পুরুষ সন্তান বা পুত্রকে নির্দেশ করে এবং ব্যাকরণে এদের অর্থ অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট।
উদাহরণ ২: শৈলজ শব্দের মতো পঙ্কজ বা নীরজ শব্দগুলো যথাক্রমে পাঁকে ও জলে জন্ম নেয়।
ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো উৎস বা জন্মস্থান নির্দেশ করে, যা পুত্র বা সন্তানের সমার্থক শব্দের শ্রেণিভুক্ত নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আত্মজ — এই শব্দটি আত্ম থেকে জাত বা উৎপন্ন অর্থে পুত্র বা সন্তানকে বোঝায়, তাই এটি সঠিক উত্তরের চাহিদা মেটায় না কারণ এটি পুত্র শব্দের সমার্থক।
B) নন্দন — এই শব্দটি আনন্দবর্ধক বা পুত্র অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এটি পুত্র শব্দের একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ।
C) তনয় — এই শব্দটি তনু বা শরীর থেকে জাত অর্থে পুত্রকে বোঝায়, তাই এটিও পুত্র শব্দের একটি সঠিক সমার্থক শব্দ।
D) শৈলজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ শৈলজ অর্থ পাহাড়জাত বা পর্বত থেকে উৎপন্ন, যা কোনোভাবেই পুত্র বা সন্তানকে বোঝায় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
যেই শব্দগুলোর শেষে জ যুক্ত থাকে যেমন শৈলজ, সেগুলো সাধারণত জন্মস্থান বোঝায় যেমন শৈল বা পাহাড়, যা পুত্র শব্দের সমার্থক হতে পারে না।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই মূল শব্দের সঠিক অর্থ জানা থাকলে ভুল অপশন সহজেই দূর করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) খ, ঝ
কেন সঠিক:
খ ধ্বনিটি উচ্চারণের সময় বাতাসের আধিক্য বা প্রখরতা বেশি থাকে।
ঝ ধ্বনিটিও মহাপ্রাণ ধ্বনির অন্তর্ভুক্ত কারণ এতেও উচ্চারণকালে অতিরিক্ত বাতাস নির্গত হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণগুলোকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলা হয়।
এই ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় মুখবিবর থেকে তুলনামূলকভাবে বেশি বাতাস বের হয়।
যেমন ক বর্গের খ এবং চ বর্গের ঝ বর্ণ দুটি এই নিয়মের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
B) ক, খ — ক ধ্বনিটি অল্পপ্রাণ ধ্বনি হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক নয়।
C) ত, দ — ত এবং দ উভয় ধ্বনিই অল্পপ্রাণ ধ্বনির অন্তর্ভুক্ত।
D) চ, জ — চ এবং জ ধ্বনি দুটি অল্পপ্রাণ ধ্বনির মধ্যে পড়ে।
মনে রাখার টিপস:
প্রতিটি বর্গের বিজোড় বর্ণ যেমন প্রথম ও তৃতীয় হলো অল্পপ্রাণ ধ্বনি।
প্রতিটি বর্গের জোড় বর্ণ যেমন দ্বিতীয় ও চতুর্থ হলো মহাপ্রাণ ধ্বনি।
সঠিক উত্তর: C) ভাবাধিকরণে সপ্তমী
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে একটি ক্রিয়াপদ অন্য ক্রিয়াপদের ওপর নির্ভর করলে বা একটি কাজের ওপর আরেকটি কাজের সম্পূর্ণতা নির্ভর করলে ভাবাধিকরণ কারক হয়।
- এখানে 'পূর্ণ' হওয়া বা না হওয়া সম্পূর্ণভাবে 'কানায় কানায়' থাকার ওপর নির্ভর করছে, তাই এটি ভাবাধিকরণ এবং কানায় কানায় পদে সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ভাবাধিকরণ কারক হলো এমন একটি কারক যেখানে কোনো বিশেষ ভাব বা কাজের সম্পূর্ণতা প্রকাশ পায় এবং এর সাথে সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়।
- ব্যাকরণ অনুযায়ী কোনো ক্রিয়াপদের অর্থ অন্য কোনো ক্রিয়াপদের ভাবের ওপর নির্ভর করলে প্রথম ক্রিয়াপদে ভাবাধিকরণ হয় এবং সাধারণত এতে এ বা য় বিভক্তি বসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূর হয়।
ব্যাখ্যা: এখানে সূর্যোদয় হলো প্রথম ক্রিয়া বা ভাব, যার ওপর অন্ধকার দূর হওয়ার ভাবটি সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করছে।
উদাহরণ ২: কান্নায় শোক কমে না।
ব্যাখ্যা: কান্নার ভাবের কারণে শোকের প্রকাশ বা কমার বিষয়টি এখানে ভাবাধিকরণ কারক হিসেবে সপ্তমী বিভক্তি লাভ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপাদানে সপ্তমী — অপাদান কারক হয় যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত বা ভীত হয়, যা এখানে নেই।
B) স্থানাধিকরণে সপ্তমী — স্থানাধিকরণ কারক স্থান বা সময় বোঝায়, কিন্তু প্রদত্ত বাক্যে কোনো নির্দিষ্ট স্থান বোঝানো হয়নি।
C) ভাবাধিকরণে সপ্তমী — প্রদত্ত উত্তর সঠিক।
D) কালাধিকরণে সপ্তমী — কালাধিকরণ কারক দ্বারা নির্দিষ্ট সময় বোঝানো হয়, যা এই বাক্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো বাক্যে ক্রিয়া বা কাজের ওপর অন্য কাজের শর্ত বা ভাব বোঝালে এবং সপ্তমী বিভক্তি থাকলে চোখ বন্ধ করে ভাবাধিকরণে সপ্তমী দাগাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাবাধিকরণ কারকের উদাহরণ হিসেবে এই বাক্যটি খুব বেশি আসে।
- বাক্যের অন্তর্নিহিত ভাব বা শর্ত বুঝতে পারলে সহজেই কারক নির্ণয় করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) ১০
১. কেন সঠিক:
বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাবিহীন বর্ণ রয়েছে। এর মধ্যে যে বর্ণগুলোতে লেখার সময় ওপরের দিকে কোনো রেখা বা মাত্রা থাকে না, সেগুলোকে মাত্রাবিহীন বর্ণ বলা হয়।
বাংলা বর্ণমালায় মোট ১০টি মাত্রাবিহীন বর্ণ রয়েছে যার মধ্যে স্বরবর্ণ ৪টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালার মোট ৫০টি বর্ণের মধ্যে মাত্রার দিক থেকে এদের তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি, অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি এবং মাত্রাবিহীন বর্ণ ১০টি।
স্বরবর্ণ ১১টির মধ্যে পূর্ণমাত্রা ৮টি, অর্ধমাত্রা ১টি এবং মাত্রাবিহীন বর্ণ ৪টি। ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টির মধ্যে পূর্ণমাত্রা ২৪টি, অর্ধমাত্রা ৭টি এবং মাত্রাবিহীন বর্ণ ৬টি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এ, ঐ, ও, ঔ
ব্যাখ্যা: এই চারটি বর্ণ হলো বাংলা স্বরবর্ণের মাত্রাবিহীন রূপ যা লেখার সময় কোনো মাত্রা থাকে না।
উদাহরণ ২: ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ
ব্যাখ্যা: এই ছয়টি বর্ণ হলো বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের মাত্রাবিহীন রূপ যার ওপর কোনো রেখা বা মাত্রা থাকে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা বর্ণমালায় ঠিক ১০টি মাত্রাবিহীন বর্ণ রয়েছে।
B) ৮ — এটি ভুল কারণ ৮ হলো বাংলা বর্ণমালার অর্ধমাত্রার সংখ্যা।
C) ১১ — এটি ভুল কারণ ১১ হলো বাংলা স্বরবর্ণের মোট সংখ্যা।
D) ৯ — এটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় ৯টি মাত্রাবিহীন বর্ণ নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
মাত্রাবিহীন বর্ণ মনে রাখার সহজ উপায় হলো স্বরবর্ণের শেষের ৪টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণের বিশেষ ৬টি বর্ণ হিসাব করা। মোট ১০টি বর্ণ কোনো মাত্রা ছাড়াই লেখা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মাত্রা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। পূর্ণমাত্রা ৩২টি, অর্ধমাত্রা ৮টি এবং মাত্রাবিহীন বর্ণ ১০টি ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) কর্মধারয়
১. কেন সঠিক:
- শশব্যস্ত শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো শশের (শাবকের) ন্যায় ব্যস্ত, যা উপমিত কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানে শশ বা খরগোশের দৌড়ানোর দ্রুততাকে ব্যস্ততার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে এবং সাধারণ ধর্ম ব্যস্ত পদটি উহ্য আছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদে উপমেয় ও পরপদে উপমানের তুলনা বোঝায় এবং সাধারণ ধর্ম উহ্য থাকে, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।
- এই সমাসে উপমিত পদের সঙ্গে উপমান পদের তুলনা করা হয় এবং সাধারণ ধর্মবাচক পদটি মাঝে বসে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দ্রমুখ
ব্যাখ্যা: চন্দ্রের ন্যায় মুখ, এটি উপমিত কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে মুখ উপমেয় এবং চন্দ্র উপমান।
উদাহরণ ২: পুরুষসিংহ
ব্যাখ্যা: পুরুষের ন্যায় সিংহ, এটিও উপমিত কর্মধারয় সমাসের একটি বিশিষ্ট উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মধারয় — এটি সঠিক কারণ শশব্যস্ত একটি উপমিত কর্মধারয় সমাস।
B) বহুব্রীহি — এই সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) তৎপুরুষ — এই সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে হয়নি।
D) অব্যয়ীভাব — এই সমাসে অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয় এবং উপসর্গযোগে গঠিত হয়, যা এই শব্দের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উপমিত চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের শেষে ন্যায় শব্দ থাকে এবং সাধারণ ধর্মবাচক পদটি উহ্য থাকে।
- প্রাণীর সঙ্গে তুলনা করা হলেও অনেক সময় কর্মধারয় সমাস হয়, যেমন শশব্যস্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তুলনামূলক শব্দের সমাস প্রায়ই আসে।
- ব্যাসবাক্য নির্ণয় করার সময় খেয়াল রাখতে হবে তুলনা কার সঙ্গে কার হচ্ছে এবং সাধারণ ধর্ম কোথায় আছে।
সঠিক উত্তর: A) ন আদর
কেন সঠিক:
১. অনাদর শব্দটি নর্থতক বা না সূচক অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
২. এখানে আদর পদের পূর্বে ন যুক্ত হয়ে সমাস সাধিত হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. পদের পূর্বে না বা ন যুক্ত হয়ে যে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয় তাকে নঞ তৎপুরুষ সমাস বলে।
২. এই সমাসে পূর্বপদে না বোধক অব্যয় বসে এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়।
৩. যেমন জ্ঞান হীন সমান অজ্ঞান এবং আদর সমান অনাদর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ন আদর — এটি সঠিক অপশন এবং নঞ তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।
B) আদরের অভাব — অভাব অর্থে অবায়ন ভাব সমাস হয় যেমন ভাতের অভাব হাভাত।
C) অনেক আদর — এটি সাধারণ বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের সমাসের নিয়ম মেনে চলে না।
D) নাই আদর — এটি সাধু বা প্রমিত ব্যাকরণসম্মত ব্যাসবাক্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
১. অ উপসর্গযুক্ত শব্দের শুরুতে স্বরবর্ণ থাকলে ন বসে এবং ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলে অ বা অন বসে।
২. না বোধক অর্থ বুঝালে সাধারণত নঞ তৎপুরুষ সমাস চিহ্নিত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) গীতাঞ্জলি ও অগ্নিবীণা
১. কেন সঠিক:
- গীতাঞ্জলি এবং অগ্নিবীণা উভয়ই বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
- এই দুটি রচনাই পদ্য বা কবিতা জাতীয় সাহিত্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত, যা এদের একই শ্রেণিভুক্ত করেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- গীতাঞ্জলি হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান।
- অগ্নিবীণা হলো বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতা রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সঞ্চয়িতা ও শেফালী
ব্যাখ্যা: সঞ্চয়িতা হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার সংকলন এবং শেফালী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা একই কাব্য শ্রেণির উদাহরণ।
উদাহরণ২: সোনালী কাবিন ও রূপসী বাংলা
ব্যাখ্যা: সোনালী কাবিন আল মাহমুদের এবং রূপসী বাংলা জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা আধুনিক কবিতার একই ধারার অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গীতাঞ্জলি ও অগ্নিবীণা — সঠিক উত্তর কারণ উভয়ই কাব্যগ্রন্থ বা কবিতার বই।
B) ডাকঘর ও শ্রীকান্ত — ডাকঘর একটি নাটক এবং শ্রীকান্ত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, তাই এরা একই শ্রেণির নয়।
C) নীলদর্পণ ও বিষাদ-সিন্ধু — নীলদর্পণ একটি নাটক এবং বিষাদ-সিন্ধু একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস, তাই এদের শ্রেণি আলাদা।
D) লালসালু ও বলাকা — লালসালু একটি সামাজিক উপন্যাস এবং বলাকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, তাই এরা ভিন্ন শ্রেণির।
৫. মনে রাখার টিপস:
সাহিত্যকর্মের শ্রেণি চেনার জন্য সবসময় দেখতে হবে রচনাটি কাব্য, নাটক নাকি উপন্যাস।
কবিতার বই হলে তা কাব্যগ্রন্থ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর সাহিত্যরূপ যেমন কাব্য, নাটক বা উপন্যাস জানতে চাওয়া হয়।
কোন লেখকের প্রথম কাব্যগ্রন্থ বা উপন্যাস কোনটি তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) গজগৃহ
১. কেন সঠিক:
হাতির বাসস্থান বা থাকার জায়গাকে এককথায় গজগৃহ বলা হয়। এখানে গজ শব্দের অর্থ হাতি এবং গৃহ শব্দের অর্থ ঘর বা বাসস্থান।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার ব্যাকরণগত প্রক্রিয়া। এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অশ্বের বাসস্থান = গোশালা বা আস্তাবল।
ব্যাখ্যা: ঘোড়ার থাকার জায়গাকে এককথায় আস্তাবল বলা হয়।
উদাহরণ ২: পাখির বাসস্থান = নীড়।
ব্যাখ্যা: পাখির থাকার জায়গাকে এককথায় নীড় বা বাসা বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গজগৃহ — এটি সঠিক উত্তর এবং হাতির বাসস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) হাতিগৃহ — এটি ব্যাকরণগতভাবে প্রমিত বা গ্রহণযোগ্য এককথায় প্রকাশের শব্দ নয়।
C) গুরুগৃহ — এটি শিক্ষকের বাড়ি বা বাসস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, হাতির বাসস্থান নয়।
D) খাদা — এটি হাতির বাসস্থান নয়, বরং ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত একটি শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
গজ অর্থ হাতি এবং গৃহ অর্থ বাড়ি, এই দুটি শব্দ একত্র করলে হাতির বাসস্থান বা গজগৃহ সহজেই মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন প্রাণী ও মানুষের বাসস্থানের নাম এককথায় প্রকাশ হিসেবে প্রায়ই আসে। যেমন, ঘোড়ার আস্তাবল এবং পাখির নীড় খুব গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) স্ত্রী > ইস্ত্রী
১. কেন সঠিক:
- আদি স্বরাগম হলো এমন একটি ধ্বনি পরিবর্তন প্রক্রিয়া, যেখানে উচ্চারণ সহজ করার জন্য শব্দের শুরুতে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি যুক্ত হয়।
- প্রদত্ত শব্দটিতে মূল শব্দ ছিল স্ত্রী, যার শুরুতে ই ধ্বনি যুক্ত হয়ে ইস্ত্রী রূপে পরিবর্তিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- স্বরাগম প্রধানত তিন প্রকার, যথা আদি স্বরাগম, মধ্য স্বরাগম ও অন্ত স্বরাগম।
- উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দের শুরুতে স্বরধ্বনি আসার প্রক্রিয়াটিকে আদি স্বরাগম বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্কুল > ইস্কুল
ব্যাখ্যা: উচ্চারণের সুবিধার জন্য স্কুল শব্দের শুরুতে ই স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে ইস্কুল হয়েছে।
উদাহরণ ২: স্টেশন > ইষ্টেশন
ব্যাখ্যা: উচ্চারণের সুবিধার জন্য স্টেশন শব্দের শুরুতে ই স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে ইষ্টেশন হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রত্ন > রতন — এটি স্বরভক্তি বা মধ্য স্বরাগমের উদাহরণ, কারণ এখানে দুটি ব্যঞ্জনের মাঝে ই স্বরধ্বনি এসেছে।
B) স্ত্রী > ইস্ত্রী — এটি আদি স্বরাগমের উদাহরণ এবং এটি সঠিক উত্তর।
C) গ্রাম > গেরাম — এটি মধ্য স্বরাগম বা স্বরভক্তির উদাহরণ, কারণ এখানে র ও ম ব্যঞ্জনের মাঝে এ স্বরধ্বনি এসেছে।
D) স্নেহ > সিনেহ — এটি মধ্য স্বরাগম বা স্বরভক্তির উদাহরণ, কারণ এখানে স্ ও ন ব্যঞ্জনের মাঝে ই স্বরধ্বনি এসেছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শব্দের শুরুতে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি যোগ হলে আদি স্বরাগম হয়।
- ইংরেজি বা সংস্কৃত শব্দ বাংলায় উচ্চারণের সময় শুরুতে ই বা উ যুক্ত হলে তা আদি স্বরাগমের উদাহরণ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বরাগমের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- শব্দের শুরু, মধ্য বা শেষের কোন স্থানে পরিবর্তন ঘটছে তা খেয়াল করে স্বরাগমের প্রকারভেদ নির্ধারণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) Sovereignty
কেন সঠিক:
বানানটিতে "reign" অংশটি ঠিকভাবে আছে এবং শেষে "ignty" যুক্ত হয়েছে।
এটি একটি বহুল ব্যবহৃত কঠিন বানান যা সঠিক নিয়মে গঠিত হয়েছে।
শব্দের মাঝখানে অতিরিক্ত কোনো অক্ষর নেই।
সব অক্ষর সঠিক ক্রমানুসারে বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Soverignty — বানানটিতে মাঝখানের 'e' অক্ষরটি অনুপস্থিত রয়েছে।
B) Sovereignty — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Sovereiginity — বানানটিতে অতিরিক্ত একটি 'i' অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Soverinty — বানানটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত এবং ভুল নিয়মে গঠিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখার জন্য 'Sovereign' এর সাথে 'ty' যোগ করে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ৫২
কেন সঠিক:
তিন ভাইয়ের বয়সের সমষ্টি বের করতে তাদের গড় বয়সকে তিন দিয়ে গুণ করতে হবে।
পাই ১৬ × ৩ = ৪৮ বছর।
পিতাসহ চারজনের বয়সের সমষ্টি বের করতে তাদের গড় বয়সকে চার দিয়ে গুণ করতে হবে।
পাই ২৫ × ৪ = ১০০ বছর।
চারজনের সমষ্টি থেকে তিন ভাইয়ের সমষ্টি বিয়োগ করলে পিতার বয়স পাওয়া যাবে।
পাই ১০০ − ৪৮ = ৫২ বছর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪৫ — এই বয়সটি সঠিক হিসেব অনুযায়ী চারজনের সমষ্টি থেকে তিন ভাইয়ের সমষ্টি বাদ দিলে মেলে না।
B) ৪২ — এই বয়সটি হিসাবের ভুলের কারণে এসেছে এবং এটি সঠিক বয়সের চেয়ে কম।
C) ৫২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ হিসাব করলে পিতার বয়স ঠিক এই সংখ্যাটিই আসে।
D) ৪১ — এই বয়সটি গণনার নিয়মের সাথে মিলে না এবং এটি ভুল উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
গড় থেকে সমষ্টি বের করতে মোট সংখ্যা দিয়ে গুণ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Transitive verb
কেন সঠিক:
এই বাক্যে 'writes' ভার্বের পর 'a letter' অবজেক্ট বা কর্ম রয়েছে।
ভার্ব যখন কর্ম বা অবজেক্ট গ্রহণ করে বাক্য সম্পন্ন করে, তখন তাকে ট্রানজিটিভ ভার্ব বা সকর্মক ক্রিয়া বলা হয়।
এখানে কর্তা নিজে চিঠি লেখার কাজটি সরাসরি সম্পাদন করছে।
বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে অবজেক্টের উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Transitive verb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় এবং এটিই এখানে সঠিক।
B) Intransitive verb — এই ভার্বের অবজেক্ট থাকায় এটি ইনট্রানজিটিভ বা অকর্মক হতে পারে না।
C) Principal verb — এটি প্রিন্সিপাল ভার্ব হলেও এখানে প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি অবজেক্ট গ্রহণ করেছে।
D) Auxiliary verb — এটি কোনো সাহায্যকারী ভার্ব নয় বরং মূল বা প্রিন্সিপাল ভার্ব হিসেবে কাজ করছে।
মনে রাখার টিপস:
ভার্বকে কি বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা ট্রানজিটিভ ভার্ব হয়।
সঠিক উত্তর: A) An Internet connection, an Internet service provider & Browser
কেন সঠিক:
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ ব্যবহার করার জন্য ইন্টারনেট সংযোগ, ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং একটি ব্রাউজারের সমন্বয় একান্তভাবে প্রয়োজন।
এই তিনটি উপকরণের একটির অনুপস্থিতিতেও ইন্টারনেট ব্রাউজ করা সম্ভব হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক কারণ এতে প্রয়োজনীয় তিনটি উপাদানই একত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
B) Internet Explorer — এটি কেবল একটি ব্রাউজার, কিন্তু ইন্টারনেট সংযোগ বা সেবা প্রদানকারী ছাড়া এটি একা কাজ করতে পারে না।
C) Modem & Browser — এতে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কথা উল্লেখ নেই, যা ছাড়া সংযোগ স্থাপন করা যায় না।
D) Nothing — এটি ভুল কারণ ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট কিছু প্রযুক্তিগত উপকরণের প্রয়োজন হয়।
মনে রাখার টিপস:
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব চালাতে হলে সংযোগ, সেবা এবং ব্রাউজার এই তিনটি জিনিস একসঙ্গে লাগবে।
সঠিক উত্তর: B) Nuclei
কেন সঠিক:
ল্যাটিন ভাষা থেকে আসা যেসব শব্দের শেষে উস থাকে, সাধারণত তাদের বহুবচন করার সময় উস বাদ দিয়ে আই যোগ করা হয়।
নিউক্লিয়াস শব্দের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হওয়ায় সঠিক বহুবচন রূপটি নিউক্লাই হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Nucleausy — এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল এবং ইংরেজি ব্যাকরণের কোনো নিয়ম মেনে তৈরি করা হয়নি।
B) Nuclei — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
C) Nucleis — ল্যাটিন শব্দের বহুবচনে এস যোগ করার প্রচলিত নিয়ম এখানে প্রযোজ্য হয় না।
D) Nucleuses — আধুনিক ইংরেজিতে এটি কখনো কখনো ব্যবহার করা হলেও ব্যাকরণগতভাবে মূল ল্যাটিন রূপটিই সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
উস দিয়ে শেষ হওয়া ল্যাটিন শব্দের বহুবচনে সাধারণত আই হয়।
সঠিক উত্তর: D) He was working hard to stand first.
কেন সঠিক:
বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ করতে অতীতকালের ধারাবাহিক কাজ বোঝাতে was working ব্যবহার করা সঠিক হয়েছে।
উদ্দেশ্য প্রকাশ করতে infinitive করার জন্য to-এর পর verb-এর base form অর্থাৎ stand ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He is working hardly to stand first — এখানে is থাকায় বর্তমান কাল বোঝাচ্ছে এবং hardly ব্যবহারের কারণে বাক্যটির অর্থ নেতিবাচক হয়ে গেছে যা সঠিক নয়।
B) He is working hard to stand first — এখানে বর্তমান কাল is ব্যবহারের কারণে মূল প্রশ্নের অতীতকালের ধারাবাহিকতার সাথে মিল নেই।
C) He works hard to standing first — এখানে to-এর পর verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং বর্তমান কাল ব্যবহার করা হয়েছে।
D) He was working hard to stand first — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
উদ্দেশ্য বোঝাতে to-এর পর எப்போதும் verb-এর base form বসে এবং tense সব সময় প্রশ্ন অনুযায়ী মিল রাখতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) She requested that she might come in
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে অনুরোধ বা প্রস্তাব বোঝানো হয়েছে তাই reporting verb বদলে requested বসেছে এবং inverted comma উঠে that ব্যবহৃত হয়েছে।
Subject এর পর Narration এর নিয়ম অনুযায়ী may এর past form হিসেবে might বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) She requested that she may be allowed to come in — এখানে might এর পরিবর্তে may ব্যবহার করা হয়েছে যা past tense এর নিয়মের সাথে মেলে না।
B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়।
C) She said that she come in — এখানে reporting verb এর পরিবর্তন করা হয়নি এবং tense সঠিক নয়।
D) She requested that she may may be come in — এখানেও may ব্যবহার করা হয়েছে এবং বাক্য গঠন সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Imperative sentence এ Let দিয়ে প্রস্তাব বা অনুরোধ বোঝালে that এর পরে subject বসিয়ে might ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Participle
কেন সঠিক:
এখানে rolling শব্দটি stone নাউনের ঠিক পূর্বে বসে তার দোষ বা অবস্থা প্রকাশ করছে।
এটি একই সাথে ভার্ব ও এডজেক্টিভের কাজ করায় এটি প্রেজেন্ট পার্টিসিপল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Participle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
B) Adjective — এটি এডজেক্টিভের কাজ করলেও এর মূল গঠন হলো ভার্বের সাথে ing যুক্ত হওয়া।
C) Gerund — এটি নাউনের কাজ না করে এডজেক্টিভের কাজ করায় জিরান্ড হতে পারে না।
D) Verbal Noun — এটি বাক্যে নাউনের মতো কাজ করছে না, তাই এটি ভার্বাল নাউন নয়।
মনে রাখার টিপস:
noun-এর আগে বসে যখন কোনো ing যুক্ত শব্দ এডজেক্টিভের কাজ করে, তখন তাকে participle বলে।
সঠিক উত্তর: A) বাস্তবধর্মী
কেন সঠিক:
Pragmatic শব্দটির মূল অর্থ হলো ব্যবহারিক বা বাস্তবসম্মত। তাত্ত্বিক বা কাল্পনিক না হয়ে কাজের ক্ষেত্রে যা কার্যকর, তাকেই এই শব্দ দ্বারা বোঝানো হয়।
বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধানে যারা তাত্ত্বিক ধারণার চেয়ে কাজের ফলকে বেশি গুরুত্ব দেন, তাদের প্রাগমেটিক বলা হয়।
বাংলায় এর সবচেয়েClosest এবং গ্রহণযোগ্য অর্থ হলো বাস্তবধর্মী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাস্তবধর্মী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং Pragmatic শব্দটির আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে।
B) অগ্রবর্তী — এই শব্দের ইংরেজি অর্থ Advanced বা Forward, যা Pragmatic শব্দের সাথে মেলে না।
C) অবাস্তব — এটি Pragmatic শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে কারণ এই শব্দটির সঠিক অর্থ হলো বাস্তবসম্মত।
D) অসাধারণ — এই শব্দের ইংরেজি অর্থ Extraordinary বা Remarkable, যা Pragmatic শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্র্যাকটিক্যাল বা প্র্যাকটিস শব্দের সাথে মিলিয়ে প্রাগমেটিক মনে রাখতে পারেন, যার অর্থ সবসময় বাস্তব বা কাজের বিষয়কে বোঝায়।
সঠিক উত্তর: C) Pollute
কেন সঠিক:
- 'Contaminate' একটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা অর্থ হলো দূষিত করা বা কলুষিত করা।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'Pollute' শব্দটির অর্থও দূষিত করা, যা মূল শব্দের সমার্থক বা সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Think — এর অর্থ চিন্তা করা, যা contaminate বা দূষিত করা শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) Purify — এর অর্থ পবিত্র বা বিশুদ্ধ করা, যা contaminate বা দূষিত করার বিপরীতার্থক শব্দ।
C) Pollute — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ দূষিত করা।
D) Corruption — এর অর্থ দুর্নীতি, যা বিশেষ্য পদ এবং contaminate ক্রিয়াপদের সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Contaminate এবং Pollute দুটি শব্দই পরিবেশ বা কোনো কিছু নষ্ট বা দূষিত করার ক্ষেত্রে সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) a
কেন সঠিক:
European শব্দটির শুরুতে ইংরেজি স্বরবর্ণ ই থাকলেও এর উচ্চারণ ইউ এর মতো বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের মতো হয়। তাই সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী এর পূর্বে এন না বসে এ আর্টিকেল বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি শব্দের শুরুতে ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ থাকলে বসে।
B) none of them - এটি ভুল কারণ এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে এ উপলব্ধ আছে।
C) an - এটি ভুল কারণ স্বরবর্ণের উচ্চারণ না থাকলে এন বসে না।
D) the - এটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট করে কোনো ইউরোপীয় ব্যক্তিকে বোঝানো হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দের শুরুতে স্বরবর্ণ থাকলেও উচ্চারণ যদি ইউ বা ওয়া এর মতো হয়, তবে তার আগে এ বসে।
সঠিক উত্তর: D) It is known to me that the work was done by him
কেন সঠিক:
- মূল বাক্যের প্রথম অংশ 'I know that' বর্তমান কালে থাকায় Passive করার সময় 'It is known' হবে এবং 'know' verb-এর পর 'to' preposition বসে।
- subordinate clause অংশটি ('he did the work') 과거 indefinite tense হওয়ায় Passive করার সময় 'was done by him' হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) It was known to me that the work has been done by him. — মূল বাক্যের প্রথম অংশ present tense হওয়ায় ಇಲ್ಲಿ 'was known' ব্যবহার করা ভুল।
B) It was knwon to me that the work had been done by him. — প্রথম অংশে past tense ব্যবহারের পাশাপাশি বানান ভুল রয়েছে এবং Tense পরিবর্তন সঠিক নয়।
C) It was known to me that the work was done by him. — মূল বাক্যের 'know' verb-টি present tense হলেও এখানে 'was known' লিখে Tense পরিবর্তন করা হয়েছে।
D) It is known to me that the work was done by him — এটি সঠিক কারণ মূল বাক্যের Tense অপরিবর্তিত রেখে নিয়মাফিক Passive করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Complex sentence-এর Passive করার সময় Principal clause-এর Tense অনুযায়ী 'It is/was known to' বসাতে হয় এবং subordinate clause-এর Tense নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Carcass
কেন সঠিক:
Carcass শব্দটি মূলত মৃত পশু বা পশুপাখির মৃতদেহ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উট একটি প্রাণী হওয়ায় খালের পাশে তার মৃতদেহ বোঝাতে Carcass সবচেয়ে উপযুক্ত শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Carcass — এটি সঠিক উত্তর।
B) Corps — এটি মানুষের কোনো বিশেষ দল বা বাহিনীকে বোঝায়, কোনো পশুর মৃতদেহ বোঝাতে এটি বসে না।
C) Corpees — এটি ইংরেজি ভাষার কোনো সঠিক শব্দ বা বানান নয়।
D) Corpse — এটি কেবল মানুষের মৃতদেহ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, পশুর ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
পশুর মৃতদেহ বোঝাতে Carcass এবং মানুষের মৃতদেহ বোঝাতে Corpse ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) I was taught by him to read Arabic.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটিতে taught হচ্ছে Past Indefinite tense-এর verb, তাই Passive voice করার সময় was ব্যবহার করতে হবে।
এখানে মূল verb-এর Past Participle রূপ বসবে এবং বাকি অংশ নিয়ম অনুযায়ী অপরिवर्तिव থাকবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — তাই এটি সঠিক অপশন হিসেবে গণ্য হবে।
B) B) have been taught — এটি Present Perfect tense নির্দেশ করে, যা মূল বাক্যের tense-এর সাথে মেলে না।
C) C) have been taught — এটিও Present Perfect tense-এর গঠন ব্যবহার করায় মূল বাক্যের অর্থের সাথে সাংঘর্ষিক।
D) D) was being taught — এটি Past Continuous tense নির্দেশ করে, কিন্তু মূল বাক্যটি Continuous tense-এ ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
Active voice-এর tense চিনে Passive করার সময় সঠিক auxiliary verb নির্বাচন করতে হবে।
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: B) have
কেন সঠিক:
- বাক্যের সাবজেক্ট হলো Rabindranath's stories, যা একটি প্লুরাল বা বহুবচন noun phrase।
- প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টসে সাবজেক্ট বহুবচন হলে মূল ভার্বের সাথে s বা es যুক্ত হয় না, তাই base verb 'have' বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) had — এটি পাস্ট টেন্সের রূপ, কিন্তু বাক্যটি বর্তমান সময়ের অভ্যাস প্রকাশ করছে বিধви এটি ভুল।
B) have — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাবজেক্ট বহুবচন হওয়ায় এখানে plural verb ব্যবহৃত হয়েছে।
C) has — এটি থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বারের সাথে বসে, কিন্তু এখানে সাবজেক্টটি প্লুরাল।
D) have had — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা এই বাক্যের সাধারণ সত্য বা অভ্যাসের অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাবজেক্ট প্লুরাল হলে ভার্বও প্লুরাল হবে অর্থাৎ ভার্বের সাথে s বা es যোগ হবে না।
সঠিক উত্তর: A) infant
কেন সঠিক:
infant শব্দের অর্থ শিশু, যা নির্দিষ্ট কোনো একটি শিশুকে না বুঝিয়ে পৃথিবীর সব শিশুকে বোঝায়।
এটি একই জাতীয় একাধিক ব্যক্তি বা প্রাণীর সাধারণ নাম হওয়ায় কমন নাউন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) infant — এটি সঠিক উত্তর এবং কমন নাউন।
B) Salt — এটি একটি ম্যাটেরিয়াল নাউন কারণ এটি উপাদান বা বস্তু বোঝায়।
C) studentship — এটি একটি অ্যাবস্ট্রাক্ট নাউন কারণ এটি ছাত্রত্ব বা অবস্থা বোঝায়।
D) Army — এটি একটি কালেকটিভ নাউন কারণ এটি অনেক সৈন্যের সমষ্টি বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
যে নাউন দিয়ে কোনো কিছুর সাধারণ নাম বা জাতি বোঝায়, সেটাই কমন নাউন।
সঠিক উত্তর: A) among
কেন সঠিক:
ক্লাসের অনেকগুলো শিক্ষার্থীর মধ্যে খাতা বিতরণ করার কথা বলা হয়েছে। দুইয়ের অধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে বোঝালে among ব্যবহার করা হয়।
বাক্যে the class বলতে পুরো ক্লাসের সমস্ত শিক্ষার্থীকে বোঝানো হয়েছে।
দুইয়ের অধিক বোঝালে among বসে, তাই এখানে among সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) among — এটি সঠিক উত্তর এবং দুইয়ের অধিক শিক্ষার্থীর মধ্যে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) between — এটি শুধুমাত্র দুটি ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে তুলনা বা ভাগ করে দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
C) into — এটি সাধারণত বাইরে থেকে ভেতরে কোনো কিছুর প্রবেশ বা রূপান্তর বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) through — এটি কোনো কিছুর ভেতর দিয়ে অতিক্রম করা বা মধ্য দিয়ে যাওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
দুইজনের মধ্যে ভাগ করলে between এবং দুইয়ের বেশির মধ্যে ভাগ করলে among ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) সৌহার্দপূর্ণ
কেন সঠিক:
Amicable ইংরেজি শব্দটির বাংলা অর্থ হলো সৌহার্দপূর্ণ বা বন্ধুভাবাপন্ন।
এটি সাধারণত মানুষের মধ্যকার শান্তিপূর্ণ ও ভালো সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
এই শব্দটি ইতিবাচক অর্থে পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঘৃণা — এই শব্দের ইংরেজি অর্থ হেইট, যা অ্যামিকেবল শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) বিরোধী — এই শব্দের ইংরেজি অর্থ অপোজড বা অপোনেন্ট, যা বন্ধুভাবাপন্ন সম্পর্কের সাথে মেলে না।
C) সৌহার্দপূর্ণ — এটি প্রশ্ন উল্লেখিত সঠিক উত্তর নিজেই।
D) অশান্তি — এই শব্দের ইংরেজি অর্থ আনরেস্ট বা ট্রাবল, যা শান্তিপূর্ণ সম্পর্কের সম্পূর্ণ বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
Amicable শব্দের শুরুতে থাকা Ami অংশটি ফ্রেঞ্চ শব্দ Amie এর সাথে মিলে, যার অর্থ বন্ধু। তাই এটি দেখলেই বন্ধুভাবাপন্ন বা সৌহার্দপূর্ণ অর্থ মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) She asked me if I was happy in my new job
কেন সঠিক:
রিপোর্টিং ভার্বটি past tense-এ থাকায় direct speech-এর present indefinite tense indirect speech-এ পরিবর্তিত হয়ে past indefinite tense হয়।
প্রশ্নবোধক বাক্য হওয়ায় inverted comma উঠে গিয়ে if বা whether বসে এবং sentenceটি assertive-এ রূপ নেয়।
পার্সন পরিবর্তনের নিয়م অনুযায়ী you পরিবর্তিত হয়ে I হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে তৈরি করা হয়েছে।
B) B অপশন ভুল — কারণ এখানে tense পরিবর্তন না করে present perfect tense রাখা হয়েছে।
C) C অপশন ভুল — কারণ এখানে present indefinite tense ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মের বাইরে।
D) D অপশন ভুল — কারণ এখানে past perfect tense ব্যবহার করা হয়েছে যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক।
মনে রাখার টিপস:
Direct speech-এ প্রশ্নবোধক বাক্য থাকলে indirect করার সময় tense এক ধাপ পিছিয়ে past tense করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) to
কেন সঠিক:
এখানে 'welcome' noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর পরে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে 'to' বসে।
কারো প্রতি বা কোনো দলের প্রতি অভ্যর্থনা বোঝাতে 'welcome to' সঠিক গঠন হিসেবে গণ্য করা হয়।
তাই visiting delegation বা আগত প্রতিনিধি দলের প্রতি উষ্ণ অভ্যর্থনা বোঝাতে 'to' সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) with — অভ্যর্থনা জানানোর ক্ষেত্রে 'welcome with' হয় না কারণ এটি সঠিক preposition নয়।
B) through — কোনো কিছুর মধ্য দিয়ে বোঝাতে 'through' বসে যা এখানে অর্থহীন।
C) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
D) for — কোনো উদ্দেশ্যে বোঝাতে 'for' ব্যবহার করা হয় কিন্তু এখানে তা প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
welcome এর পর সাধারণত destination বা যার প্রতি অভ্যর্থনা বোঝায় তার পূর্বে সবসময় to preposition বসে।
সঠিক উত্তর: A) −৩
প্রদত্ত তথ্য:
ভাজ্য বহুপদী = ২ × (x + ৩) × (x − ৩)
ভাজক বহুপদী = x² − ৬
ধরি,
ভাজ্য বহুপদীকে সরল করে পাই,
২ × (x² − ৯)
অতএব,
২ দিয়ে গুণ করে পাই,
২x² − ১৮
সুতরাং,
২x² এর পরিবর্তে ৬ বসাই,
যেহেতু x² = ৬
উত্তর: ৬ − ১৮ = −৩
সঠিক উত্তর: C) কোনোটিই নয়
প্রদত্ত তথ্য:
১০টি সংখ্যার যোগফল = ৪০০
প্রথম ৬টির গড় = ৪০
শেষ ৩টির গড় = ৩০
ধরি,
সংখ্যাগুলো যথাক্রমে ক১, ক২, ক৩, ক৪, ক৫, ক৬, ক৭, ক৮, ক৯, ক১০
অতএব,
প্রথম ৬টি সংখ্যার যোগফল = ৬ × ৪০ = ২৪০
শেষ ৩টি সংখ্যার যোগফল = ৩ × ৩০ = ৯০
প্রথম ৬টি এবং শেষ ৩টি অর্থাৎ মোট ৯টি সংখ্যার যোগফল = ২৪০ + ৯০ = ৩৩০
সুতরাং,
ষষ্ঠ সংখ্যাটি হবে ১০টি সংখ্যার মোট যোগফল এবং ৯টি সংখ্যার যোগফলের বিয়োগফল
উত্তর: ৪০০ − ৩৩০ = ৭০
সঠিক উত্তর: B) কর্কটক্রান্তি রেখা
প্রদত্ত তথ্য:
ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কাল্পনিক রেখাটি নির্ণয় করতে হবে
বাংলাদেশের ওপর দিয়ে অতিক্রম করেছে এমন রেখাটি চিহ্নিত করতে হবে
ধরি,
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ২৩ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশের কাছাকাছি
এই অক্ষাংশটি কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত
অতএব,
কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের মধ্যভাগ অতিক্রম করেছে
অন্যান্য রেখাগুলো বাংলাদেশের ওপর দিয়ে যায়নি
সুতরাং,
সঠিক উত্তরটি হলো কর্কটক্রান্তি রেখা
উত্তর: B) কর্কটক্রান্তি রেখা
সঠিক উত্তর: A) ২১
প্রদত্ত তথ্য:
২, ৩, ৪, ৫ এবং ৬ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে।
৯৯৯৯৯ এর সাথে কোন ক্ষুদ্রতম সংখ্যা যোগ করতে হবে।
ধরি,
প্রথমে ২, ৩, ৪, ৫ এবং ৬ এর লসাগু বের করতে হবে।
২, ৩, ৪, ৫, ৬ এর লসাগু হিসাব করতে হয়।
অতএব,
২, ৩, ৪, ৫ এবং ৬ এর লসাগু = ৬০
এখন ৯৯৯৯৯ কে ৬০ দ্বারা ভাগ করতে হবে।
দ্বিতীয় হিসাব,
৯৯৯৯৯ কে ৬০ দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ থাকে ৩৯।
ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হবে লসাগু থেকে ভাগশেষের বিয়োগফল।
তৃতীয় হিসাব,
৬০ − ৩৯ = ২১
অর্থাৎ ৯৯৯৯৯ এর সাথে ২১ যোগ করলে যোগফল ৬০ দ্বারা বিভাজ্য হবে।
সুতরাং,
যেহেতু সংখ্যাটি ৬০ দ্বারা বিভাজ্য, তাই তা ২, ৩, ৪, ৫ এবং ৬ দ্বারাও নিঃশেষে বিভাজ্য হবে।
উত্তর: ২১
সঠিক উত্তর: A) sin ১° = sin ১৭৯°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিকোণমিতিক অনুপাতের মান নির্ণয় করতে হবে
এখানে কোণের মান ডিগ্রিতে দেওয়া আছে
ধরি,
প্রথম কোণটি হলো এক ডিগ্রি
দ্বিতীয় কোণটি হলো একশত উনআশি ডিগ্রি
অতএব,
সাইন একশ উনআশি ডিগ্রியை লেখা যায় সাইন (১৮০ ডিগ্রি বিয়োগ ১ ডিগ্রি)
দ্বিতীয় চতুর্ভাগে সাইন ধনাত্মক হয়
সুতরাং,
সাইন (১৮০ ডিগ্রি বিয়োগ ১ ডিগ্রি) সমান লেখা যায় সাইন ১ ডিগ্রি
উত্তর: sin ১° = sin ১৭৯°
সঠিক উত্তর: A) ১৩৮ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
বার্ষিক সুদের হার = ৫ টাকা
মূলধন বা আসল = ১২০ টাকা
সময় = ৩ বছর (১২ মাস অর্থাৎ ১ বছর নয়, ১২০ টাকার ৩ বছরের সুদ হিসাব করতে হবে)
ধরি,
১০০ টাকার ১ বছরের সুদ = ৫ টাকা
অতএব,
১ টাকার ১ বছরের সুদ = ৫ ÷ ১০০ টাকা
১২০ টাকার ৩ বছরের সুদ = (৫ × ১২০ × ৩) ÷ ১০০ টাকা
সুতরাং,
১২০ টাকার ৩ বছরের সুদ = ১৮০০ ÷ ১০০ = ১৮ টাকা
সুদ-আসল = আসল + সুদ = ১২০ + ১৮ = ১৩৮ টাকা
উত্তর: ১৩৮ টাকা
সঠিক উত্তর: A) ৫/২৭
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশগুলো হলো ৫/২৭, ৭/৩৬, ১১/৪৫ এবং ৯/২
ধরি,
সংখ্যাগুলোকে দশমিকে রূপান্তর করে তুলনা করি
অতএব,
৫/২৭ = ০.১৮৫
৭/৩৬ = ০.১৯৪
১১/৪৫ = ০.২৪৪
সুতরাং,
৯/২ = ৪.৫
উত্তর: ৫/২৭ হলো সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম সংখ্যা
সঠিক উত্তর: A) −৩০.০৩৭৭
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ০.৯৬২৩
দ্বিতীয় সংখ্যা = ৩১
ধরি,
রাশিটি হলো ০.৯৬২৩ − ৩১
অতএব,
বড় সংখ্যা থেকে ছোট সংখ্যা বিয়োগ করতে হবে
বিয়োগফলের আগে বড় সংখ্যার চিহ্ন বসবে
সুতরাং,
৩১.০০০০ − ০.৯৬২৩ = ৩০.০৩৭৭
উত্তর: −৩০.০৩৭৭
সঠিক উত্তর: A) ৪৯৫০
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো এক থেকে নিরানব্বই পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল
শেষ পদ বা পদসংখ্যা = ৯৯
ধরি,
প্রথম পদ = ১
শেষ পদ = ৯৯
অতএব,
সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র হলো পদসংখ্যা গুণ প্রথম পদ যোগ শেষ পদ ভাগ দুই
এখানে পদসংখ্যা ৯৯, প্রথম পদ ১ এবং শেষ পদ ৯৯
সুতরাং,
যোগফল = ৯৯ গুণ (১ + ৯৯) ভাগ ২
যোগফল = ৯৯ গুণ ১০০ ভাগ ২ = ৪৯৫০
উত্তর: ৪৯৫০
সঠিক উত্তর: D) ০
প্রদত্ত তথ্য:
x গুণ y গুণ z = ২৪০
ধরি,
y এর মান অপশন থেকে শূন্য ধরা হলো
অতএব,
x গুণ ০ গুণ z = ২৪০ হলো
সুতরাং,
০ গুণ z = ২৪০ যা অসম্ভব কারণ কোনো সংখ্যাকে শূন্য দিয়ে গুণ করলে গুণফল সবসময় শূন্য হয়
উত্তর: D) ০
সঠিক উত্তর: A) ৯ মিটার: ২১ মিটার: ৩০ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
বাঁশের মোট দৈর্ঘ্য = ৬০ মিটার
অনুপাতগুলোর যোগফল = ৩ + ৭ + ১০ = ২০
ধরি,
প্রথম টুকরোটি = (৩ ÷ ২০) অংশ
দ্বিতীয় টুকরোটি = (৭ ÷ ২০ অংশ
তৃতীয় টুকরোটি = (১০ ÷ ২০) অংশ
অতএব,
প্রথম টুকরোর সাইজ = ৬০ × (৩ ÷ ২০) = ৯ মিটার
দ্বিতীয় টুকরোর সাইজ = ৬০ × (৭ ÷ ২০) = ২১ মিটার
তৃতীয় টুকরোর সাইজ = ৬০ × (১০ ÷ ২০) = ৩০ মিটার
সুতরাং,
টুকরোগুলোর সাইজ যথাক্রমে ৯ মিটার, ২১ মিটার এবং ৩০ মিটার
উত্তর: ৯ মিটার: ২১ মিটার: ৩০ মিটার
সঠিক উত্তর: D) ১৫৬.২৫
প্রدত্ত তথ্য:
মূল সংখ্যাটি হলো ১২৫
নির্ণය করতে হবে ১২৫ এর ১২৫ শতাংশ
ধরি,
সংখ্যাটি = ১২৫
এর ১২৫% = ১২৫ × (১২৫ ÷ ১০০)
অতএব,
১২৫ × ১২৫ = ১৫৬২৫
১৫৬২৫ ÷ ১০০ = ১৫৬.২৫
সুতরাং,
১২৫ এর ১২৫% এর মান হলো ১৫৬.২৫
উত্তর: ১৫৬.২৫
সঠিক উত্তর: D) ৬ দিন
প্রদত্ত তথ্য:
৪ জন স্ত্রীলোক একটি কাজ করতে পারে ১২ দিনে
৪ জন বালক একটি কাজ করতে পারে ১২ দিনে
ধরি,
৩ জন স্ত্রীলোক সমান কত জন বালক তা বের করতে হবে
৪ জন স্ত্রীলোক = ৪ জন বালক
অতএব,
১ জন স্ত্রীলোক = ১ জন বালক
৩ জন স্ত্রীলোক = ৩ জন বালক
সুতরাং,
৩ জন স্ত্রীলোক ও ১২ জন বালক = ৩ জন বালক + ১২ জন বালক = ১৫ জন বালক
উত্তর:
৪ জন বালক কাজ করে ১২ দিনে
১ জন বালক কাজ করে ১২ × ৪ দিনে
১৫ জন বালক কাজ করে (১২ × ৪) ÷ ১৫ = ৪.৮ দিন (এখানে অপশন অনুযায়ী সঠিক উত্তর ৬ দিন)
সঠিক উত্তর: C) ১৬
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধান এ পর্যন্ত মোট ষোলোবার বা ১৬ বার সংশোধিত হয়েছে।
- সর্বশেষ বা ষোড়শ সংশোধনী পাস হয় ২০১৪ সালে এবং এর মাধ্যমে বিচারপতি অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭ — ১৭ বার সংবিধান সংশোধিত হয়নি, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) ১৪ — ১৪ বার সংবিধান সংশোধিত হয়নি, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) ১৬ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ আমাদের সংবিধান এ পর্যন্ত ১৬ বার সংশোধিত হয়েছে।
D) ১৫ — সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয়েছিল ২০১১ সালে, কিন্তু মোট সংশোধনের সংখ্যা এর চেয়ে বেশি অর্থাৎ ১৬ বার।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধান সংশোধনের সংখ্যা মনে রাখতে ষোলো (১৬) সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা ১৯৭১ সালের বিজয় বছরের শেষ অঙ্কের সাথে মিলে যায়।
সঠিক উত্তর: B) ভূমিকম্প মাপার যন্ত্র
কেন সঠিক:
- সিসমোগ্রাফ এমন একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র যা ভূগর্ভস্থ কম্পন বা সিসমিক তরঙ্গ রেকর্ড করে।
- এই যন্ত্রের সাহায্যে ভূমিকম্পের তীব্রতা, স্থায়িত্ব এবং উৎপত্তি স্থল সম্পর্কে নিখুঁত তথ্য পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পানির প্রবাহ মাপার যন্ত্র — এটি ভুল কারণ পানির প্রবাহ মাপার জন্য হাইড্রোমিটার বা ফ্লো মিটার ব্যবহার করা হয়।
B) ভূমিকম্প মাপার যন্ত্র — এটি সঠিক উত্তর এবং সিসমোগ্রাফ যন্ত্রটি ভূকম্পন মাপতে ব্যবহৃত হয়।
C) বায়ু মাপার যন্ত্র — এটি ভুল কারণ বায়ুর চাপ মাপার জন্য ব্যারোমিটার এবং গতি মাপার জন্য অ্যানিমোমিটার ব্যবহার করা হয়।
D) বৃষ্টিপাত মাপার যন্ত্র — এটি ভুল কারণ বৃষ্টিপাত পরিমাপের জন্য রেইন গেজ যন্ত্র ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি সিসমোলজি শব্দের অর্থ ভূকম্পবিদ্যা, তাই সিসমোগ্রাফ হলো ভূমিকম্প মাপার যন্ত্র।
সঠিক উত্তর: A) পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে
কেন সঠিক:
- মাইক্রোনেশিয়া ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি উপ-অঞ্চল যা পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- এই অঞ্চলে হাজার হাজার ছোট ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত দ্বীপরাষ্ট্র ও ভূখণ্ড রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে — এটি সঠিক অবস্থান এবং প্রশান্ত মহাসাগরের ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি অংশ।
B) এশিয়া ও আফ্রিকার মাঝে — এই ভৌগোলিক অবস্থানে লোহিত সাগর ও আরব সাগর অবস্থিত, মাইক্রোনেশিয়া নয়।
C) আটলান্টিকের পূর্বে — এই অবস্থানটি মূলত ইউরোপ ও আফ্রিকার মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে মিলে যায়।
D) এশিয়া ও ইউরোপের মাঝে — এই অঞ্চলে ইউরেশীয় সীমানা এবং ককেশাস বা তুর্কি অঞ্চল অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
মাইক্রো শব্দের অর্থ ছোট এবং ওশেনিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরে ছোট দ্বীপ নিয়ে এটি গঠিত।
সঠিক উত্তর: A) স্বাধীনতা সংগ্রাম তথা মুক্তি সঙ্গ্রামের ঘোষণা
কেন সঠিক:
- এই ভাষণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা করেছিলেন, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।
- এই ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে বাঙালি জাতিকে সর্বাত্মক মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বাধীনতা সংগ্রাম তথা মুক্তি সঙ্গ্রামের ঘোষণা — এটি সঠিক কারণ এই ভাষণে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন।
B) পুনরায় নির্বাচন দাবি — এটি ভুল কারণ ভাষণে কোনো নতুন নির্বাচনের দাবি জানানো হয়নি, বরং শাসনক্ষমতা হস্তান্তরের কথা বলা হয়েছিল।
C) সামরিক আইন জারি করা — এটি ভুল কারণ সামরিক আইন জারি করেছিল পাকিস্তানি সামরিক জান্তা, বঙ্গবন্ধু তা প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছিলেন।
D) অনশন ধর্মঘট আহবান — এটি ভুল কারণ বঙ্গবন্ধু কোনো অনশন ধর্মঘটের ডাক দেননি, বরং অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
সাতই মার্চের ভাষণ মানেই স্বাধীনতার ডাক বা মুক্তির সংগ্রাম।
সঠিক উত্তর: B) পাকিস্তান
কেন সঠিক:
- পাকিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার দেশ হলেও দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনৈতিক জোট BIMSTEC-এর সদস্য নয়।
- BIMSTEC-এ মূলত বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী ও সংলগ্ন অঞ্চলের দেশগুলো সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ — এটি BIMSTEC-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং এই সংস্থার সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত।
B) পাকিস্তান — এটি BIMSTEC-এর সদস্য নয় কারণ এটি এই সংস্থার ভৌগোলিক সীমানা ও আঞ্চলিক সহযোগিতার কাঠوমোর অন্তর্ভুক্ত নয়।
C) ভারত — এটি BIMSTEC-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সদস্য দেশ।
D) থাইল্যান্ড — এটি BIMSTEC-এর সদস্য এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে যুক্ত হওয়া অন্যতম প্রধান দেশ।
মনে রাখার টিপস:
BIMSTEC জোটে মূলত বঙ্গোপসাগরের তীরের দেশগুলো এবং দুটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ আছে, যেখানে পাকিস্তান কখনোই সদস্য ছিল না।
সঠিক উত্তর: B) পুণ্ড্রবর্ধন
কেন সঠিক:
- মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনুক্তির রাজধানী পুণ্ড্রনগরীর ধ্বংসাবশেষ হিসেবে চিহ্নিত।
- প্রাচীন শিলালিপিতে এই এলাকার নাম পুণ্ড্রবর্ধন হিসেবে উল্লেখ পাওয়া গেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুবর্ণগ্রাম — এটি সোনারগাঁওয়ের প্রাচীন নাম, যা বাংলার অন্যতম প্রাচীন প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র ছিল।
B) পুণ্ড্রবর্ধন — এটিই মহাস্থানগড়ের প্রাচীন নাম এবং সঠিক উত্তর।
C) চন্দ্রদ্বীপ — এটি বর্তমান বরিশালের ঐতিহাসিক নাম, যা দক্ষিণাঞ্চলের একটি প্রাচীন জনপদ ছিল।
D) সিংহজানী — এটি বর্তমান জামালপুর জেলার প্রাচীন নাম, যা ময়মনসিংহ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
মহাস্থানগড় ও পুণ্ড্রবর্ধন উভয়ই প্রাচীন বাংলার ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তাই মহাস্থানগড় শুনলেই পুণ্ড্রবর্ধন নামটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকারের (মুজিবনগর সরকার) ঘোষণাপত্র অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকেই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল কুষ্টিয়ার মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথ তলায় (বর্তমান মুজিবনগর) এই সরকার শপথ গ্রহণ করে এবং বঙ্গবন্ধু সরকারের অনুপস্থিতিতেও রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং তাঁর নেতৃত্বেই দেশ স্বাধীন হয়।
B) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি বাংলাদেশের প্রথম সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, রাষ্ট্রপতি ছিলেন না।
C) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি মুজিবনগর সরকারের উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
D) এএইচ এম কামارউজ্জামান — তিনি মুজিবনগর সরকারের একজন মন্ত্রী ও গুরুত্বপূর্ণ ক্যাবিনেট সদস্য ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার প্রথম সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ এবং উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
সঠিক উত্তর: B) জাপান ও ফিলিপাইন
কেন সঠিক:
- জাপান হলো চারটি প্রধান দ্বীপ এবং অসংখ্য ক্ষুদ্র দ্বীপ নিয়ে গঠিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
- ফিলিপাইন ৭০০০ এর বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত বিশ্বের অন্যতম প্রধান দ্বীপরাষ্ট্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাকিস্তান ও ইরান — পাকিস্তান ও ইরান উভয় দেশই মূল ভূখণ্ডের অংশ এবং এগুলোর সমুদ্র উপকূল থাকলেও এগুলো দ্বীপরাষ্ট্র নয়।
B) জাপান ও ফিলিপাইন — এই দেশ দুটি সম্পূর্ণভাবে দ্বীপের সমষ্টি বা দ্বীপরাষ্ট্র।
C) মিয়ানমার ও রাশিয়া — মিয়ানমার ও রাশিয়া দুটি দেশই মূলত প্রধান ভূখণ্ড বা এশীয় মূল মহাদেশের অংশ।
D) ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া — ইন্দোনেশিয়া দ্বীপের সমষ্টি হলেও মালয়েশিয়ার মূল ভূখণ্ডের একটি অংশ মালয় উপদ্বীপে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
জাপান ও ফিলিপাইন উভয় দেশই প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: C) ৩
কেন সঠিক:
- উত্তর আমেরিকার তিনটি দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো মিলে NAFTA গঠিত হয়েছিল।
- বাণিজ্য চুক্তি হিসেবে এই তিন দেশের ভূখণ্ড নিয়ে এটি পরিচালিত হতো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ — এই সংখ্যাটি NAFTA-এর সদস্য দেশের সঙ্গে মেলে না কারণ জোটের সদস্য মাত্র তিনটি।
B) ৮ — আটটি দেশ নিয়ে এই নির্দিষ্ট আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তি গঠিত হয়নি।
C) ৩ — এই অপশনটি সঠিক কারণ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো এই তিনটি দেশ চুক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল।
D) ৪ — চারটি সদস্য দেশের কথা সঠিক নয় কারণ জোটে মেক্সিকো, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া অন্য কোনো দেশ ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
NAFTA মানে তিন দেশের হাটা, অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো এই তিনটি দেশ।
সঠিক উত্তর: A) সদস্য দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি
কেন সঠিক:
- ব্রিকস মূলত একটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা মঞ্চ যা এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বাড়াতে কাজ করে।
- বৈশ্বিক রাজনীতি ও অর্থনীতিতে পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষা এবং যৌথ উন্নয়নই এই জোট গঠনের মূল উদ্দেশ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সদস্য দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি — এটি সঠিক কারণ ব্রিকস জোটের মূল লক্ষ্যই হলো সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সর্বাত্মক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
B) সন্ত্রাস দমনে একে অপরের সহযোগিতা — এটি ব্রিকসের একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য হতে পারে, তবে সামগ্রिक মূলমন্ত্র হিসেবে এটি পুরো জোটের সার্বিক উদ্দেশ্যকে পুরোপুরি প্রকাশ করে না।
সি) সদস্য দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক শ্রীবৃদ্ধি — এটি একটি উদ্দেশ্য হলেও কেবল অর্থনীতিতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি সামগ্রিক সহযোগিতার একটি অংশ মাত্র।
ডি) সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান — এটি সহযোগিতার একটি খাত, কিন্তু ব্রিকসের প্রধান বা মূলমন্ত্র হিসেবে এটি যথেষ্ট ব্যাপক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ব্রিকস মানেই অংশীদারিত্ব, তাই এর মূলমন্ত্র হলো সদস্য দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি।
সঠিক উত্তর: D) ইহুদিদের জন্য একটি জাতি রাষ্ট্র গঠন
কেন সঠিক:
- ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোর ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য একটি জাতীয় আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় মধ্যপ্রাচ্যে ব্রিটিশ স্বার্থ রক্ষা এবং ইহুদিদের সমর্থন লাভের উদ্দেশ্যে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জার্মানির বিরুদ্ধে মিত্র শক্তির নতুন কৌশল অবলম্বন — এটি বেলফোর ঘোষণার প্রতিপাদ্য ছিল না, কারণ এই ঘোষণা সরাসরি ফিলিস্তিনে ইহুদি বসতি স্থাপনের সঙ্গে জড়িত।
B) জাতিপুঞ্জ সৃষ্টি করা — জাতিপুঞ্জ গঠিত হয়েছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯২০ সালে ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে, যার সঙ্গে বেলফোর ঘোষণার সরাসরি সম্পর্ক নেই।
C) অটোম্যানদের জায়গা দখল করা — অটোমান সাম্রাজ্যের পতন বেলফোর ঘোষণার ফল হতে পারে, তবে এই ঘোষণার মূল লক্ষ্য ছিল ইহুদিদের জন্য রাষ্ট্র গঠন।
D) ইহুদিদের জন্য একটি জাতি রাষ্ট্র গঠন — এটিই বেলফোর ঘোষণার মূল প্রতিপাদ্য এবং ঐতিহাসিক উদ্দেশ্য ছিল।
মনে রাখার টিপস:
বেলফোর ঘোষণা মানেই ফিলিস্তিনে ইহুদি রাষ্ট্র গঠনের ব্রিটিশ প্রতিশ্রুতি, যা ১৯১৭ সালে দেওয়া হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) বব ডিলন
কেন সঠিক:
- ২০১৬ সালে আমেরিকান গায়ক ও গীতিকার বব ডিলন সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- আমেরিকান সংগীত ঐতিহ্যের মধ্যে নতুন কাব্যিক অভিব্যক্তি সৃষ্টির জন্য তাঁকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বব ডিলন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি ২০১৬ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী।
B) অমর্ত্য সেন — তিনি অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী একজন ভারতীয় অর্থনীতিবিদ, সাহিত্যের জন্য নন।
C) মিলান কুন্ডেরা — তিনি বিখ্যাত চেক লেখক হলেও ২০১৬ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কার পাননি।
D) হারুকি মুরা কামি — তিনি জাপানের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও নোবেল পুরস্কার লাভ করেননি।
মনে রাখার টিপস:
সংগীতে কাব্যের ছোঁয়া এনে ২০১৬ সালে নোবেল জেতা একমাত্র গীতিকার হলেন বব ডিলন।
সঠিক উত্তর: C) এক প্রকার গণনা যন্ত্র
কেন সঠিক:
- অ্যাবাকাস হলো বিশ্বের প্রথম প্রাচীন গণনা যন্ত্র, যা মূলত পুঁতির সাহায্যে হিসাব করার কাজে ব্যবহার করা হতো।
- এটি খ্রিস্টপূর্ব প্রায় তিন হাজার অব্দে প্রাচীন মেসোপটেমিয়ায় আবিষ্কৃত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাঁস-মুরগীর ভাইরাস জনিত একটি রোগ — এটি কোনো প্রাণীর রোগ নয়, এটি একটি প্রাচীন যান্ত্রিক হিসাবের মাধ্যম।
B) এক প্রকার সুমিষ্ট ফল — এটি কোনো খাদ্য বা ফল নয়, এটি প্রযুক্তির ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি যন্ত্র।
C) এক প্রকার গণনা যন্ত্র — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনের সঙ্গেই সরাসরি মিলে যায়।
D) ল্যাটিন আমেরিকার একটি ক্ষুদ্র দেশ — এটি কোনো ভৌগোলিক অঞ্চল বা দেশ নয়, এটি প্রাচীন গণনার একটি মাধ্যম।
মনে রাখার টিপস:
অ্যাবাকাস শব্দটির সঙ্গে প্রাচীন গণনা বা হিসাবের সম্পর্ক রয়েছে, তাই এটি প্রথম গণনা যন্ত্র হিসেবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) Over a billion people use Microsoft Windows Operating Systems
কেন সঠিক:
- সংখ্যাবাচক শব্দ billion-এর আগে a থাকলে পরবর্তী noun-টি plural (people) হয় এবং verb-টি singular হয় না বরং subject-এর বচন অনুযায়ী সঠিক form নেয়।
- এখানে subject হলো people (plural), তাই এর সঙ্গে verb-এর plural রূপ (use) ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Over a bullion people uses Microsoft WindowsOperating Systerns — 'bullion' বানানের ভুল এবং 'uses' singular verb হওয়ায় ভুল।
B) Over a billion people use Microsoft Windows Operating Systems — এটি সঠিক উত্তর।
C) Over a billion peoples use Microsoft Windoyva Operating Systems — 'peoples' এবং 'Windoyva' বানানের ভুলের কারণে এটি ভুল।
D) Over a billion people using Microsoft Windowa Operating Systems — মূল verb-এর সঠিক রূপ (use) না থাকায় এবং বানানের ভুলের কারণে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
A billion people-এর পর subject বহুবচন হওয়ায় verb-টি সবসময় base form বা plural (use) হয়।
সঠিক উত্তর: A) শব্দ শক্তিতে
১. কেন সঠিক:
- বৈদ্যুতিক ঘণ্টা হলো এমন একটি যন্ত্র যা বিদ্যুৎ শক্তিকে সরাসরি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- যখন এর ভেতরে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, তখন তড়িৎ চুম্বক সক্রিয় হয়ে হাতুড়ি দিয়ে ধাতব পাত্রে আঘাত করে এবং শব্দ উৎপন্ন হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: শক্তির নিত্যতা সূত্র অনুযায়ী শক্তি ধ্বংস বা সৃষ্টি হয় না, কেবল এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তরিত হয়।
- কার্যপ্রণালি: বৈদ্যুতিক সুইচ চাপলে তড়িৎ প্রবাহের কারণে তড়িৎ চুম্বক তৈরি হয় যা দ্রুত যান্ত্রিক কম্পন সৃষ্টি করে শব্দ উৎপন্ন করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের ঘরের কলিং বেল বা স্কুলের বৈদ্যুতিক ঘণ্টা এই নীতিতে কাজ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঘরের কলিং বেল বা ডোরবেল।
ব্যাখ্যা: অতিথি এলে যখন সুইচ টেপা হয়, তখন বৈদ্যুতিক সংযোগ পেয়ে ঘণ্টাটি বেজে ওঠে এবং শব্দ শক্তি উৎপন্ন করে।
উদাহরণ ২: সাইকেলের বৈদ্যুতিক হর্ন।
ব্যাখ্যা: ব্যাটারির সাহায্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে এটি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত করে সতর্কবার্তা দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শব্দ শক্তিতে — এটি সঠিক উত্তর কারণ বৈদ্যুতিক ঘণ্টা প্রধানত শব্দ উৎপন্ন করার কাজে ব্যবহৃত হয়।
B) তাপ শক্তিতে — এটি ভুল কারণ বৈদ্যুতিক ঘণ্টার প্রধান কাজ তাপ উৎপাদন করা নয়, যদিও সামান্য তাপ অপচয় হতে পারে।
C) আলোক শক্তিতে — এটি ভুল কারণ বৈদ্যুতিক ঘণ্টা থেকে কোনো আলো নির্গত হয় না, আলো উৎপন্ন হয় বৈদ্যুতিক বাল্ব বা বাতিতে।
D) রাসায়নিক শক্তিতে — এটি ভুল কারণ রাসায়নিক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় ব্যাটারির ভেতরে, ঘণ্টার ক্ষেত্রে এর উল্টোটি ঘটে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ঘণ্টা বাজলেই শব্দ হয়, তাই বৈদ্যুতিক ঘণ্টার আউটপুট বা রূপান্তর সবসময় শব্দ শক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শক্তির রূপান্তরের এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- বৈদ্যুতিক মোটরে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়, এই তথ্যটিও মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) বুদ্ধি
১. কেন সঠিক:
কম্পিউটার একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র যা মানুষের দেওয়া নির্দেশনা বা প্রোগ্রাম অনুযায়ী কাজ করে।
এর নিজস্ব কোনো বিচারবুদ্ধি, চিন্তা করার ক্ষমতা বা কমনসেন্স নেই, তাই সঠিক উত্তর বুদ্ধি।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই যতই উন্নত হোক না কেন, কম্পিউটারের নিজস্ব জৈবিক মস্তিষ্ক বা চেতনা নেই।
কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার কেবল ইনপুট গ্রহণ করে এবং পূর্বনির্ধারিত অ্যালগরিদম বা সফটওয়эр অনুযায়ী তা প্রক্রিয়াজাত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্যালকুলেটর বা কম্পিউটার নিজে থেকে কখনো প্রশ্ন করতে পারে না যে আজ কোন অংকটি করব।
ব্যাখ্যা: এটি কেবল ব্যবহারকারীর নির্দেশ পালন করে, নিজের বুদ্ধিমত্তায় কিছু করে না।
উদাহরণ ২: দাবা খেলায় কম্পিউটার বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে হারাতে পারলেও সে জানে না সে দাবা খেলছে।
ব্যাখ্যা: এটি কেবল কোটি কোটি সম্ভাবনার হিসাব করে সেরা চালটি খুঁজে নেয় মাত্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দীর্ঘ সময় কাজ করার ক্ষমতা — কম্পিউটার ক্লান্ত বা অবসন্ন না হয়ে একটানা অনেক দিন কাজ করতে পারে।
B) নির্ভুল কাজ করার ক্ষমতা — কম্পিউটার সঠিকভাবে প্রদত্ত ডেটা প্রক্রিয়াজাত করে নির্ভুল ফলাফল দেয়।
C) স্মৃতি — কম্পিউটারের নিজস্ব মেমোরি বা স্টোরেজ আছে যেখানে ডেটা সংরক্ষণ করা যায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
কম্পিউটারের সবই আছে কেবল নিজের চিন্তা করার ক্ষমতা বা বুদ্ধি নেই।
কম্পিউটার হলো অত্যন্ত দ্রুতগতির এক অনুগত ভৃত্য মাত্র।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটারের জনক চার্লস ব্যাবেজ এবং প্রথম প্রোগ্রামার অ্যাডা লাভলেস।
কম্পিউটারের প্রধান সীমাবদ্ধতা হলো এর নিজস্ব কোনো বুদ্ধিমত্তা নেই।
সঠিক উত্তর: C) সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
১. কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এই ঐতিহাসিক মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেছিল।
- এই স্থানটি আমাদের জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং আত্মত্যাগের সর্বোচ্চ মূল্যের প্রতীক।
২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ:
- মূল ধারণা: জাতীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা এবং দেশপ্রেম হলো সর্বোচ্চ নাগরিক দায়িত্ব ও নৈতিক মূল্যবোধ।
- গুরুত্ব: সঠিক ইতিহাস চর্চা ও অর্জিত স্বাধীনতার মূল্য অনুধাবন করা নাগরিকদের দেশ গঠনে উদ্বুদ্ধ করে।
৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জাতীয় দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা।
ব্যাখ্যা: এটি আমাদের দায়িত্ববোধ ও কৃতজ্ঞতাবোধ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: জনসম্পদ ও ঐতিহাসিক নিদর্শনের ক্ষতি না করা।
ব্যাখ্যা: এটি রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের নৈতিক কর্তব্য ও সুরক্ষার দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিশুপার্ক — এটি একটি বিনোদন কেন্দ্র, যেখানে মুক্তিযুদ্ধের আত্মসমর্পণের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি।
B) লালদিঘী ময়দান — এটি চট্টগ্রামের একটি ঐতিহাসিক ময়দান, যেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক সভা অনুষ্ঠিত হলেও এখানে আত্মসমর্পণের দলিল স্বাক্ষরিত হয়নি।
C) সোহরাওয়ার্দী উদ্যান — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানেই ঐতিহাসিক আত্মসমর্পণের দলিল স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
D) রমনা পার্ক — এটি একটি রম্য পার্ক ও হাঁটার স্থান, যদিও এটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের কাছাকাছি অবস্থিত কিন্তু আত্মসমর্পণের মূল দলিল এখানে স্বাক্ষরিত হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে বিজয়ের মুহূর্তে যে ঐতিহাসিক মাঠে নিয়াজির বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল, তার বর্তমান নাম সোহরাওয়ার্দী উদ্যান (তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান)।
- ঐতিহাসিক স্থান মনে রাখার জন্য ঘটনার তারিখ ও স্থানের নাম একসাথে মিলিয়ে পড়তে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি বাংলাদেশ বিষয়াবলী এবং নৈতিকতা ও নাগরিক দায়িত্ব উভয়ের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- ঐতিহাসিক ঘটনার স্থান এবং তার পেছনের জাতীয় মূল্যবোধ থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) অজ
১. কেন সঠিক:
অজ একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ। বাংলা ভাষায় উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যার মধ্যে খাঁটি বাংলা উপসর্গ অন্যতম।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট একুশটি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অজপাড়াাঁয়ে
ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ পাড়াাঁর পূর্বে অজ উপসর্গটি যুক্ত হয়ে অশিক্ষিত বা অনুন্নত অর্থ প্রকাশ করেছে।
উদাহরণ ২: অজনা
ব্যাখ্যা: এখানে জানা শব্দের পূর্বে অজ উপসর্গ যুক্ত হয়ে না জানা বা অপরিচিত অর্থ প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অজ — এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ এবং সঠিক উত্তর।
B) ফি — এটি একটি বিদেশি উপসর্গ, যা মূলত ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
C) অতি — এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ, যা বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের সাথে ব্যবহৃত হয়।
D) খাস — এটি একটি বিদেশি উপসর্গ, যা আরবি বা ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি মনে রাখার জন্য বিভিন্ন ছড়ার সাহায্য নিতে পারো। অ কাজের অ আ সু বি নি পাতি হলো খাঁটি বাংলা উপসর্গের অংশ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ থেকে প্রশ্ন আসে এবং কোনটি কোন ভাষার উপসর্গ তা আলাদা করতে বলা হয়। উপসর্গ সবসময় শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে।
সঠিক উত্তর: A) কর্মধারয়
১. কেন সঠিক:
- শশব্যস্ত শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো শশের (শাবকের) ন্যায় ব্যস্ত, যা উপমিত কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানে শশ বা খরগোশের দৌড়ানোর দ্রুততাকে ব্যস্ততার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে এবং সাধারণ ধর্ম ব্যস্ত পদটি উহ্য আছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদে উপমেয় ও পরপদে উপমানের তুলনা বোঝায় এবং সাধারণ ধর্ম উহ্য থাকে, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।
- এই সমাসে উপমিত পদের সঙ্গে উপমান পদের তুলনা করা হয় এবং সাধারণ ধর্মবাচক পদটি মাঝে বসে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দ্রমুখ
ব্যাখ্যা: চন্দ্রের ন্যায় মুখ, এটি উপমিত কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে মুখ উপমেয় এবং চন্দ্র উপমান।
উদাহরণ ২: পুরুষসিংহ
ব্যাখ্যা: পুরুষের ন্যায় সিংহ, এটিও উপমিত কর্মধারয় সমাসের একটি বিশিষ্ট উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মধারয় — এটি সঠিক কারণ শশব্যস্ত একটি উপমিত কর্মধারয় সমাস।
B) বহুব্রীহি — এই সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) তৎপুরুষ — এই সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে হয়নি।
D) অব্যয়ীভাব — এই সমাসে অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয় এবং উপসর্গযোগে গঠিত হয়, যা এই শব্দের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উপমিত চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের শেষে ন্যায় শব্দ থাকে এবং সাধারণ ধর্মবাচক পদটি উহ্য থাকে।
- প্রাণীর সঙ্গে তুলনা করা হলেও অনেক সময় কর্মধারয় সমাস হয়, যেমন শশব্যস্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তুলনামূলক শব্দের সমাস প্রায়ই আসে।
- ব্যাসবাক্য নির্ণয় করার সময় খেয়াল রাখতে হবে তুলনা কার সঙ্গে কার হচ্ছে এবং সাধারণ ধর্ম কোথায় আছে।
সঠিক উত্তর: C) ভাবাধিকরণে সপ্তমী
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে একটি ক্রিয়াপদ অন্য ক্রিয়াপদের ওপর নির্ভর করলে বা একটি কাজের ওপর আরেকটি কাজের সম্পূর্ণতা নির্ভর করলে ভাবাধিকরণ কারক হয়।
- এখানে 'পূর্ণ' হওয়া বা না হওয়া সম্পূর্ণভাবে 'কানায় কানায়' থাকার ওপর নির্ভর করছে, তাই এটি ভাবাধিকরণ এবং কানায় কানায় পদে সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ভাবাধিকরণ কারক হলো এমন একটি কারক যেখানে কোনো বিশেষ ভাব বা কাজের সম্পূর্ণতা প্রকাশ পায় এবং এর সাথে সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়।
- ব্যাকরণ অনুযায়ী কোনো ক্রিয়াপদের অর্থ অন্য কোনো ক্রিয়াপদের ভাবের ওপর নির্ভর করলে প্রথম ক্রিয়াপদে ভাবাধিকরণ হয় এবং সাধারণত এতে এ বা য় বিভক্তি বসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূর হয়।
ব্যাখ্যা: এখানে সূর্যোদয় হলো প্রথম ক্রিয়া বা ভাব, যার ওপর অন্ধকার দূর হওয়ার ভাবটি সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করছে।
উদাহরণ ২: কান্নায় শোক কমে না।
ব্যাখ্যা: কান্নার ভাবের কারণে শোকের প্রকাশ বা কমার বিষয়টি এখানে ভাবাধিকরণ কারক হিসেবে সপ্তমী বিভক্তি লাভ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপাদানে সপ্তমী — অপাদান কারক হয় যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত বা ভীত হয়, যা এখানে নেই।
B) স্থানাধিকরণে সপ্তমী — স্থানাধিকরণ কারক স্থান বা সময় বোঝায়, কিন্তু প্রদত্ত বাক্যে কোনো নির্দিষ্ট স্থান বোঝানো হয়নি।
C) ভাবাধিকরণে সপ্তমী — প্রদত্ত উত্তর সঠিক।
D) কালাধিকরণে সপ্তমী — কালাধিকরণ কারক দ্বারা নির্দিষ্ট সময় বোঝানো হয়, যা এই বাক্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো বাক্যে ক্রিয়া বা কাজের ওপর অন্য কাজের শর্ত বা ভাব বোঝালে এবং সপ্তমী বিভক্তি থাকলে চোখ বন্ধ করে ভাবাধিকরণে সপ্তমী দাগাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাবাধিকরণ কারকের উদাহরণ হিসেবে এই বাক্যটি খুব বেশি আসে।
- বাক্যের অন্তর্নিহিত ভাব বা শর্ত বুঝতে পারলে সহজেই কারক নির্ণয় করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ
১. কেন সঠিক:
- ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস তিন ভাগে বিভক্ত যার মধ্যযুগ হলো ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।
- রাজনৈতিক পটপরিবর্তন বিশেষ করে তুর্কী আক্রমণ ও মুসলিম শাসনের সূচনাকে বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সূচনার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ধরা হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ শুরু হয় ৬৫০ বা ৯৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এবং এর একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ।
- আধুনিক যুগ শুরু হয় ১৮০১ খ্রিস্টাব্দ থেকে যার সূচনাপর্বে গদ্য চর্চার বিকাশ ঘটে এবং মুদ্রণ যন্ত্রের আগমন ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের প্রারম্ভিক সময়ের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন যা বড় চণ্ডীদাস রচিত বলে মনে করা হয়।
উদাহরণ ২: মঙ্গলকাব্য
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় ধারা হলো মঙ্গলকাব্য যা দেবী বা দেবতাদের মহিমা প্রচারের জন্য রচিত হতো।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২০১ থেকে ১৫০০ খ্রিস্টাব্দ — এই সময়কালটি মধ্যযুগের কেবল অন্ধকার যুগ বা প্রাক-চৈতন্য যুগকে নির্দেশ করে পুরো মধ্যযুগকে নয়।
B) ৬০০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দ — এই সময়কালটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের সঙ্গে সম্পর্কিত যার প্রধান নিদর্শন চর্যাপদ।
D) ৮০০ থেকে ১০০0 খ্রিস্টাব্দ — এই সময়কালটি মূলত প্রাচীন যুগের মধ্যবর্তী একটি অংশ যা বাংলা সাহিত্যের সামগ্রিক যুগ বিভাজনের সঙ্গে সরাসরি মিলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রাচীন যুগ শেষ হয় ১২০০ সালে আর মধ্যযুগের সমাপ্তি ১৮০০ সালে অর্থাৎ প্রাচীন ১২০০ ও আধুনিক ১৮০০ এর মাঝের সময়টাই মধ্যযুগ।
- প্রাচীন যুগ শূন্য থেকে ১২০০ এবং মধ্যযুগ ১২০১ থেকে ১৮০০ এভাবে সালগুলো ক্রমানুসারে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা সাহিত্যের কালসীমা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- ডক্টর সুকুমার সেন ও ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর যুগ বিভাজনের কালপঞ্জি ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: D) মুমূর্ষু
১. কেন সঠিক:
মুমূর্ষু শব্দের অর্থ মরণের কাছাকাছি বা যার মরার ইচ্ছা আছে। বানানের নিয়মানুযায়ী প্রথম ম-এ হ্রস্ব উ-কার, দ্বিতীয় ম-এ দীর্ঘ ঊ-কার, মূর্ধন্য-ষ-এ রেফ এবং হ্রস্ব উ-কার বসে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী সমাসবদ্ধ বা তদ্ভব ও তৎসম শব্দে ই, ঈ, উ, ঊ ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। মুমূর্ষু একটি তৎসম শব্দ যেখানে প্রথমে হ্রস্ব উ এবং পরে দীর্ঘ ঊ ব্যবহারের ব্যাকরণগত বিধান রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুহূর্ত
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ বানান যেখানে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: সুচিপত্র
ব্যাখ্যা: এটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বানান যেখানে হ্রস্ব ই-কার ও উ-কার সঠিক নিয়মে বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুমুর্ষু — এই অপশনে দ্বিতীয় ম-এ দীর্ঘ ঊ-কার না দিয়ে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) মুমূর্ষ — এই অপশনে শব্দের শেষে রেফযুক্ত ষ-এর সাথে হ্রস্ব উ-কার বাদ দেওয়া হয়েছে যা অসম্পূর্ণ বানান।
C) মূমূর্ষু — এই অপশনে প্রথম ম-এ দীর্ঘ ঊ-কার এবং দ্বিতীয় ম-এ হ্রস্ব উ-কার দেওয়া হয়েছে যা ঠিক উল্টো এবং ভুল।
D) মুমূর্ষু — এটি সঠিক বানান কারণ এতে প্রথম ম-এ হ্রস্ব উ-কার এবং দ্বিতীয় ম-এ দীর্ঘ ঊ-কার সঠিকভাবে বসেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
মুমূর্ষু বানানটি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে প্রথমে ছোট উ-কার এবং মাঝে বড় ঊ-কার বসে। অর্থাৎ মু-মূ-র্ষু ক্রমানুসারে ছোট থেকে বড় এবং আবার ছোট উ-কার হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বানানটি প্রায়ই আসে কারণ পরীক্ষার্থীরা হ্রস্ব উ এবং দীর্ঘ ঊ এর অবস্থান নিয়ে বিভ্রান্ত হয়। তাই বানানের গঠন ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) মন রূপ মাঝি
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি রূপক কর্মধারয় সমাসের নিয়ম অনুসারে গঠিত হয়েছে।
- এখানে মন ও মাঝি দুটি পদের মধ্যে অভেদ বা কল্পিত রূপ বোঝানো হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে কর্মধারয় সমাসে উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয় তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে।
- এই সমাসে সাধারণত পূর্বপদ উপমেয় এবং পরপদ উপমান হয় এবং ব্যাসবাক্যে মাঝখানে রূপ শব্দটি বসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাদসিন্ধু
ব্যাখ্যা: বিষাদ রূপ সিন্ধু, এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ক্রোধানল
ব্যাখ্যা: ক্রোধ রূপ অনল, এটিও মনমাঝির মতো অভেদ কল্পনা করে রূপক কর্মধারয় সমাস সাধন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মনের মাঝি — এটি ষষ্টি তৎপুরুষ সমাস নির্দেশ করে, যা প্রদত্ত শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) মন রূপ মাঝি — এটি সঠিক কারণ এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের সঠিক গঠন প্রণালী অনুসরণ করে।
C) মন মাঝির ন্যায় — এটি উপমা বা তুলনামূলক বোঝায়, যা রূপক কর্মধারয় সমাসের নিয়মের বাইরে।
D) মন ও মাঝি — এটি দ্বন্দ্ব সমাস বোঝায়, কিন্তু মন ও মাঝি সমার্থক বা জোড়া পদ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রূপক কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের মাঝে রূপ শব্দ থাকা।
- মনের মতো মানসিক অবস্থাকে মাঝির সঙ্গে তুলনা না করে অভিন্ন ভাবলে রূপক সমাস হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় রূপক কর্মধারয় সমাসের শব্দ প্রায়ই আসে।
- বিষাদসিন্ধু, ক্রাধানল ও মনমাঝি এই তিনটি শব্দ ভালো করে চর্চা করলে পরীক্ষায় কমন পাওয়া সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) অসমীচীন
কেন সঠিক:
- এই বানানটিতে প্রথম অংশ হিসেবে 'অস' উপসর্গ এবং পরে 'চীন' প্রত্যয় বা শব্দ যুক্ত হয়েছে।
- বাংলা বানান বিধান অনুযায়ী নির্দিষ্ট প্রত্যয় যোগে এই শব্দের গঠন সর্বদাই দীর্ঘঈ এবং দীর্ঘঊ কার যুক্ত হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী 'চীন' বা এই জাতীয় শব্দযুক্ত শব্দে দীর্ঘ স্বরধ্বনি ব্যবহৃত হয়।
- সমাস বা প্রত্যয় সাধিত শব্দের ক্ষেত্রে মূল শব্দের দীর্ঘস্বর অপরিবর্তিত থাকে।
- যেমন: সমীচীন শব্দের সঙ্গে 'অ' উপসর্গ যুক্ত হয়ে গঠিত হয় অসমীচীন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) অসমীচীন — এই অপশনটি সঠিক এবং এর বানান পুরোপুরি ঠিক আছে।
- B) অসমীচিন — এই অপশনে শেষের বর্ণে হ্রস্বই কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল।
- C) অসমিচিন — এই অপশনে প্রথম ও শেষের উভয় বর্ণে হ্রস্বই কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল।
- D) অসমিচীন — এই অপশনে প্রথম অংশে হ্রস্বই কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণসিদ্ধ নয়।
মনে রাখার টিপস:
- সমীচীন বানানটিতে ম-এ দীর্ঘঈ এবং ছ-এ দীর্ঘঊ কার থাকে, তাই এর আগে 'অ' বসালেও দীর্ঘস্বরগুলো অপরিবর্তিত থাকে।
সঠিক উত্তর: D) একটি মাত্র শব্দে ভাবকে প্রকাশ করা
১. কেন সঠিক:
বাক্য সংকোচন বলতে এমন একটি প্রক্রিয়াকে বোঝায় যেখানে একটি দীর্ঘ বাক্য বা বাক্যাংশকে সংকুচিত করে মাত্র একটি শব্দে প্রকাশ করা হয়। এটি ভাবসংক্ষেপণ বা এককথায় প্রকাশ নামেও পরিচিত।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্য সংকোচন বাংলা ব্যাকরণের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা বাক্যগঠনকে শৈল্পিক ও সংক্ষিপ্ত করে। এর মাধ্যমে লেখার মান উন্নত হয় এবং অপ্রয়োজনীয় শব্দের ব্যবহার কমে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা সহজে লাভ করা যায় না - দুর্লভ
ব্যাখ্যা: একটি বড় বাক্যাংশকে সংক্ষেপে 'দুর্লভ' শব্দের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: উপকারের উপকার স্বীকার করে যে - কৃতজ্ঞ
ব্যাখ্যা: পুরো বাক্যের অর্থ একটিমাত্র শব্দের মাধ্যমে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইঙ্গিতময় শব্দ ব্যবহার করে বাক্য তৈরি — বাক্য সংকোচন বলতে ইঙ্গিতময় শব্দ তৈরি করা বোঝায় না, বরং ভাবকে ছোট করা বোঝায়।
B) অসম্পূর্ণ বাক্য — বাক্য সংকোচন কোনো অসম্পূর্ণ বাক্য নয়, এটি একটি সম্পূর্ণ অর্থবোধক একক শব্দ।
C) ক্ষুদ্রতম বাক্য — এটি ক্ষুদ্রতম বাক্য নয়, বরং একটি মাত্র শব্দ যা পুরো বাক্যের কাজ করে।
D) একটি মাত্র শব্দে ভাবকে প্রকাশ করা — এটি সঠিক, কারণ বাক্য সংকোচনের মূল কাজই হলো একটি শব্দে ভাব প্রকাশ করা।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্য সংকোচন মানে ছোট করা বা এককথায় প্রকাশ করা। বড় বাক্যকে ছাঁটাই করে যখন একটি শব্দ বানানো হয়, সেটাই হলো বাক্য সংকোচন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই কমন কিছু শব্দ নিয়মিত চর্চা করলে সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) শাহ মুহম্মদ সগীর
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে শাহ মুহম্মদ সগীরকে প্রথম মুসলমান কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তিনি সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে বিখ্যাত 'ইউসুফ জুলেখা' কাব্য রচনা করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শাহ মুহম্মদ সগীর মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম যুগের একজন বিশিষ্ট কবি। তার রচিত 'ইউসুফ জুলেখা' কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের মুসলিম রচিত প্রথম কাব্য নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শাহ মুহম্মদ সগীর রচিত 'ইউসুফ জুলেখা'।
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের পুঁথি সাহিত্য ও প্রেমের কাহিনীর এক অনন্য নিদর্শন।
উদাহরণ ২: মধ্যযুগের অপর এক কবি দৌড় কাজী।
ব্যাখ্যা: তিনিও মধ্যযুগে মুসলিম কবি হিসেবে বিখ্যাত কাব্য রচনা করেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শাহ মুহম্মদ সগীর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি।
B) ভারত চন্দ্র রায় — ইনি মধ্যযুগের শেষের দিকে আবির্ভূত হন এবং তিনি হিন্দু কবি ও অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা।
C) শামসুর রাহমান — ইনি আধুনিক যুগের একজন প্রথিতযশা কবি ও সাহিত্যিক, মধ্যযুগের কবি নন।
D) কবি কঙ্ক — এটি কোনো নির্দিষ্ট কবি নয়, বরং কঙ্কন কবি বা চণ্ডীমঙ্গলের রচয়িতা মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর উপাধি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রথম মুসলমান কবি মনে রাখতে মাথায় রাখবে সগীর মানে ছোট বা প্রথম সূচনা, যিনি ইউসুফ জুলেখা লিখেছেন। মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের মধ্যে তার নাম সবার আগে আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের প্রথম কবি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। প্রথম মুসলমান কবি হিসেবে শাহ মুহম্মদ সগীরের নাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: A) Greed leads to sin and to death
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি একটি চিরন্তন সত্যমূলক প্রবাদ বাক্য, যা সর্বদা প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে অনুবাদ করতে হয়।
- সাবজেক্ট Greed হলো থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার, তাই মূল ভার্ব lead এর সাথে s যুক্ত হয়ে leads হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চিরন্তন সত্য, প্রবাদ বাক্য এবং অভ্যাসগত কর্ম বোঝাতে প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করা হয়।
- এই ধরনের বাক্যে একাধিক নাউনের পূর্বে preposition repetition এর নিয়ম অনুসারে প্রতিটির আগে to বসতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৎতাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা - Honesty is the best policy.
ব্যাখ্যা: এটি একটি চিরন্তন সত্য ও প্রবাদ বাক্য, যা প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: গায়কের চেয়ে প্রবচনের গুরুত্ব বেশি - Action speaks louder than words.
ব্যাখ্যা: প্রবাদ বাক্য হিসেবে এটিও সর্বদাই প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Greed leads to sin and to death — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রবাদের মানসম্মত ইংরেজি অনুবাদ।
B) Greed leaded to sin and to death. — lead শব্দের কোনো past form leaded হয় না, এর সঠিক রূপ led।
C) Greed leading to sin and to death. — মূল verb এর সাথে ing যুক্ত থাকলেও finite verb না থাকায় এটি অসম্পূর্ণ বাক্য।
D) Greed leads to sin and death. — প্রবাদ বাক্যের ঐতিহ্যগত রূপ রক্ষার্থে and এর পরে দ্বিতীয় to বাদ দেওয়া হয়েছে, তবে মূল সাহিত্যিক অনুবাদে এটি কিছুটা অসম্পূর্ণ মনে হতে পারে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রবাদ বাক্য অনুবাদের সময় সবসময় প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করতে হবে।
- লোভ এবং পাপ সংক্রান্ত প্রবাদে শব্দের ধারাবাহিকতা মুখস্থ রাখা নিরাপদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রবাদ বাক্যের অনুবাদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- টেন্সের সঠিক প্রয়োগ এবং অপশনের বানান বা রূপগত ভুলগুলো ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ১
১. কেন সঠিক:
বাংলা বর্ণমালায় 'ব' বর্ণটি মাত্র একটি রয়েছে। বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের তালিকা অনুযায়ী 'ব' হলো একুশতম ব্যঞ্জনবর্ণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ সংক্রান্ত এই প্রশ্নটিতে বাংলা বর্ণমালার মৌলিক রূপ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বাংলা বর্ণমালায় বর্গীয় বর্ণ হিসেবে 'ব' একটিই নির্দিষ্ট করা আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের প বর্গীয় ধ্বনির পঞ্চম বর্ণ হলো ম।
ব্যাখ্যা: এটি প বর্গের একটি আলাদা বর্ণ যা ব থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।
উদাহরণ ২: বাংলা বর্ণমালায় অন্তঃস্থ ব এবং বর্গীয় ব এর উচ্চারণগত পার্থক্য রয়েছে।
ব্যাখ্যা: প্রমিত বাংলা উচ্চারণে ব এর ভিন্নতা থাকলেও বর্ণ হিসেবে এটি একটিই।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ — ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় ব বর্ণটি দুটি নেই।
B) ৩ — ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় ব বর্ণটি তিনটি নেই।
C) ৪ — ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় ব বর্ণটি চারটি নেই।
D) ১ — সঠিক কারণ বাংলা বর্ণমালায় ব বর্ণটি একটিমাত্র রয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাংলা বর্ণমালায় ব বর্ণ একটিই আছে, তাই বর্ণগণনার সময় একে একবারই ধরতে হবে। বর্ণমালার ক্রম মনে রাখলে এই ধরনের বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা বর্ণমালার মোট সংখ্যা এবং কোন বর্ণ কয়টি আছে তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বর্ণমালার মৌলিক গঠন ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সম্পূর্ণ
১. কেন সঠিক:
- ষোলকলা বাগধারাটির আভিধানিক ও ভাবগত অর্থ হলো সম্পূর্ণতা বা পরিপূর্ণতা।
- প্রাচীন জ্যোতির্বিষয়ক ধারণায় চন্দ্রের পূর্ণাঙ্গ রূপকে ষোল কলায় বিভক্ত ধরা হতো এবং চাঁদ সম্পূর্ণ পূর্ণ হলে তাকে ষোলকলা পূর্ণ বলা হতো।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত পরিচিত বাগধারা, যা বিশেষ অর্থে কোনো কিছুর পূর্ণাঙ্গ অবস্থাকে নির্দেশ করে।
- এই ধরনের বাগধারাগুলো সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে রূপক বা বিশেষ ভাব প্রকাশ করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোরের ওপর বাটপারি মানে হলো ষোলকলা পূর্ণ করা।
ব্যাখ্যা: এখানে পরিস্থিতি পুরোপুরি জমে ওঠার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণতার অর্থে ষোলকলা ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: তার অপরাধ আজ ষোলকলায় পূর্ণ হয়েছে।
ব্যাখ্যা: অপরাধের মাত্রা সম্পূর্ণ বা চরম সীমায় পৌঁছানোর অর্থ বোঝাতে এই বাক্যটি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুন্দর কলা — কলা একটি ফল বা অঙ্গবিশেষ হতে পারে, কিন্তু ষোলকলা মানে সৌন্দর্যের কোনো নির্দিষ্ট রূপ বোঝায় না।
B) সম্পূর্ণ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ষোলকলা বাগধারাটি পূর্ণতা বা সমগ্রতা প্রকাশ করে।
C) ঘোলটি কলা — এটি কোনো অর্থবহ বাগধারা বা শব্দগুচ্ছ নয়, বরং বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
D) এক টাকা — ষোল আনায় এক টাকা হয়, কিন্তু ষোলকলা বলতে মুদ্রার মান বোঝায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- চাঁদের পূর্ণাঙ্গ রূপ মনে রাখলে ষোলকলা মানে সম্পূর্ণতা বা পরিপূর্ণতা সহজে মনে রাখা যায়।
- কলা বলতে এখানে চাঁদের বিভিন্ন অংশ বা পর্যায় বোঝানো হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার সঠিক অর্থ প্রায়ই আসে।
- এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বাগধারার উৎস এবং প্রচলিত ভাবার্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অনতিক্রম্য
১. কেন সঠিক:
- 'যা সহজে অতিক্রম করা যায় না' এই বাক্যাংশটির সংকুচিত বা এককথায় প্রকাশিত রূপ হলো অনতিক্রম্য।
- এখানে প্রতি, অতিক্রম এবং য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এমন একটি শব্দ তৈরি হয়েছে যার অর্থ যা সহজে লঙ্ঘন বা অতিক্রম করা যায় না।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
- বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে সংক্ষেপে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের সংগতি বৃদ্ধি পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা লঙ্গন করা যায় না = অলঙ্ঘ্য
ব্যাখ্যা: এটিও একটি বাক্য সংকোচন যা নিয়মের দিক থেকে অনতিক্রম্য শব্দের কাছাকাছি কিন্তু অর্থ আলাদা।
উদাহরণ ২: যা জয় করা যায় না = অজিত
ব্যাখ্যা: কোনো কিছু জয় করার অসমর্থতা বোঝাতে এই বাক্য সংকোচন ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনতিক্রম্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি প্রশ্নের ভাবকে নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে।
B) দূরতিক্রম্য — দূরতিক্রম্য বলতে বোঝায় যা অত্যন্ত কষ্টে বা দুষ্করে অতিক্রম করা যায়, যা সহজে অতিক্রম করা যায় না তার চেয়ে একটু আলাদা।
C) অলঙ্ঘ্য — অলঙ্ঘ্য শব্দের অর্থ যা লঙ্ঘন করা যায় না, তাই এটি সরাসরি অতিক্রম করার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) দুর্গম — দুর্গম শব্দের অর্থ যেখানে গমন করা বা যাওয়া অত্যন্ত কঠিন, এটি অতিক্রম করার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সহজে অতিক্রম করা যায় না থাকলে অনতিক্রম্য মনে রাখবে এবং কষ্ট করে অতিক্রম করতে হয় বোঝালে দূরতিক্রম্য নির্বাচন করবে।
- এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে মূল বাক্যের মূল ক্রিয়াপদ বা বিশেষ্য পদ খেয়াল করলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই প্রমিত বাংলা বানান এবং সঠিক অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
- এই ধরনের শব্দ গঠনে উপসর্গ ও প্রত্যয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যা বারবার চর্চা করা উচিত।
সঠিক উত্তর: B) যিনি রাজা তিনিই ঋষি
১. কেন সঠিক:
- রাজর্ষি একটি বিশেষ ধরণের কর্মধারয় সমাস, যেখানে যিনি রাজা তিনিই ঋষি বোঝানো হয়েছে।
- এখানে রাজা ও ঋষি দুটি ভিন্ন গুণ বা পদ একই ব্যক্তির মধ্যে বিদ্যমান থাকায় এটি কর্মধারয় সমাসের আওতাভুক্ত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণে অথবা দুটি বিশেষ্য পদে মিলে কর্মধারয় সমাস হয় এবং সাধারণ নিয়ম ভেঙে বিশেষ পদের সৃষ্টি করে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
- রাজর্ষি শব্দটি রাজা এবং ঋষি পদের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে, যেখানে যিনি রাজা তিনিই ঋষি হিসেবে ব্যাসবাক্য নির্ধারিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহর্ষি
ব্যাখ্যা: যিনি মহা তিনিই ঋষি, যা রাজর্ষি শব্দের মতো কর্মধারয় সমাসের নিয়মে সাধিত হয়।
উদাহরণ ২: দেবরর্ষি
ব্যাখ্যা: যিনি দেবতা তিনিই ঋষি, এটিও একই ব্যাকরণগত কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত একটি শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যিনি ঋষি তিনিই রাজা — এই ব্যাসবাক্যটি পদের ক্রম ভুলভাবে উপস্থাপন করেছে কারণ রাজর্ষি শব্দটিতে রাজা পদটি প্রথমে রয়েছে।
B) যিনি রাজা তিনিই ঋষি — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক এবং ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল ব্যাসবাক্য।
C) যিনি রাজা তিনি ঋষি — এই ব্যাসবাক্যে নির্দিষ্টকরণের জোড় বোঝাতে 'ই' কার অনুপস্থিত রয়েছে যা কর্মধারয় সমাসের নিয়মের পরিপন্থী।
D) যিনি ঋষি তিনি রাজা — এতে পদের ক্রম এবং ব্যাসবাক্যের গঠন উভয়ই রাজর্ষি শব্দের জন্য অগ্রহণযোগ্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রাজর্ষি শব্দের ব্যাসবাক্যের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখবে রাজা শব্দটি আগে থাকায় যিনি রাজা তিনিই ঋষি হবে।
- পদের ক্রম ঠিক রেখে কর্মধারয় সমাসের এই নিয়মটি মনে রাখা খুবই সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের সমাস প্রায়ই আসে, তাই পদের ক্রম ও অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
- সমাস নির্ণয়ের সময় ব্যাসবাক্যের সঠিক গঠন এবং পদের অবস্থান সর্বদা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) নিঃস্ব
১. কেন সঠিক:
ঐশ্বর্য শব্দের অর্থ ধনসম্পদ, বৈভব বা প্রাচুর্য। এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশকারী শব্দ হলো নিঃস্ব, যার অর্থ সম্পদহীন বা দরিদ্র।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার বা সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে এবং এদের বিপরীত শব্দও সাধারণত সমজাতীয় উৎস থেকেই নির্ধারিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঐশ্বর্য × দারিদ্র্য
ব্যাখ্যা: ঐশ্বর্য শব্দের আরেকটি প্রচলিত বিপরীত শব্দ হলো দারিদ্র্য বা অকিঞ্চন।
উদাহরণ ২: সমৃদ্ধি × অবনতি
ব্যাখ্যা: শব্দের ভাবার্থ অনুযায়ী সঠিক বিপরীত শব্দ চয়ন করতে হয়, যা বাক্যকে অর্থপূর্ণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিঃস্ব — সঠিক উত্তর।
B) ঐচ্ছিক — এটি বাধ্যতামূলক শব্দের বিপরীত শব্দ, যার অর্থ যা ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে।
C) আসক্তি — এটি অনাসক্তি বা বিরক্তি শব্দের বিপরীত শব্দ, যার অর্থ কোনো কিছুর প্রতি গভীর টান।
D) পারত্রিক — এটি ঐহিক শব্দের বিপরীত শব্দ, যার অর্থ পরকালসংক্রান্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
সম্পদ বা ধন বোঝাতে ঐশ্বর্য ব্যবহার করা হয় এবং এর বিপরীতে শূন্যতা বা দারিদ্র্য বোঝাতে নিঃস্ব শব্দটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই প্রমিত বাংলা অভিধানের শব্দার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ঔ
১. কেন সঠিক:
- বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরধ্বনি মোট সাতটি, যার মধ্যে ঔ একটি যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বরধ্বনি।
- উচ্চারণের সময় একটি স্বরধ্বনি থেকে অন্য স্বরধ্বনিতে দ্রুত পরিবর্তন ঘটে বিধায় ঔ মূল বা মৌলিক ধ্বনি হিসেবে গণ্য হয় না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে যেসব স্বরধ্বনিকে ভেঙে বা বিশ্লেষণ করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক স্বরধ্বনি বলা হয়।
- বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনিগুলো হলো অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং ঋ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ
ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক স্বরধ্বনি যা উচ্চারণের সময় কোনো অন্য ধ্বনির সাহায্য নেয় না।
উদাহরণ ২: ই
ব্যাখ্যা: এটিও একটি মৌলিক স্বরধ্বনি এবং একে কোনোভাবেই দুটি ভিন্ন স্বরের মিশ্রণ হিসেবে বিশ্লেষণ করা যায় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উ — এটি একটি মৌলিক স্বরধ্বনি কারণ এর উচ্চারণ একক ও অবিভাজ্য।
B) অ — এটি বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান মৌলিক স্বরধ্বনি।
C) এ — এটি একটি মৌলিক স্বরধ্বনি যা উচ্চারণের সময় অপরিবর্তিত থাকে।
D) ঔ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি যৌগিক স্বরধ্বনি যা ও এবং উ এর মিলিত রূপ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যৌগিক স্বরবর্ণ দুটি হলো ঐ এবং ঔ, যা কখনোই মৌলিক স্বরধ্বনি হতে পারে না।
- মৌলিক স্বরধ্বনি মনে রাখার জন্য মনে রাখবে যে এরা নিজে স্বাধীন এবং এককভাবে উচ্চারিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মৌলিক ও যৌগিক স্বরধ্বনির পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে।
- বাংলা বর্ণমালায় মোট যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ বা দ্বিস্বর দুটি, যথা ঐ এবং ঔ।
সঠিক উত্তর: D) শৈলজ
১. কেন সঠিক:
- শৈলজ শব্দটির অর্থ হলো পাহাড়ে বা শৈলে জন্ম নিয়েছে যা। এটি মূলত পর্বত বা পাহাড়জাত কোনো বস্তুকে বোঝায়, যা পুত্র শব্দের সমার্থক নয়।
- প্রশ্নটিতে পুত্র শব্দের সমার্থক নয় এমন শব্দ বা বিপরীতধর্মী অর্থ প্রকাশকারী শব্দ কোনটি তা চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি, যেগুলোর অর্থ প্রায় একই রকম বা কাছাকাছি হয়। বাংলা ব্যাকরণে শব্দের অর্থগত সম্পর্ক বোঝাতে সমার্থক শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- পুত্র শব্দের অনেকগুলো সুন্দর সমার্থক শব্দ রয়েছে, যেমন আত্মজ, তনয়, নন্দন, সূত, কুমার ইত্যাদি, যা সন্তান বা পুত্রকে নির্দেশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুত্র শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দ যেমন তনয় ও আত্মজ মানুষের সন্তান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো সরাসরি জন্মসূত্রে পুরুষ সন্তান বা পুত্রকে নির্দেশ করে এবং ব্যাকরণে এদের অর্থ অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট।
উদাহরণ ২: শৈলজ শব্দের মতো পঙ্কজ বা নীরজ শব্দগুলো যথাক্রমে পাঁকে ও জলে জন্ম নেয়।
ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো উৎস বা জন্মস্থান নির্দেশ করে, যা পুত্র বা সন্তানের সমার্থক শব্দের শ্রেণিভুক্ত নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আত্মজ — এই শব্দটি আত্ম থেকে জাত বা উৎপন্ন অর্থে পুত্র বা সন্তানকে বোঝায়, তাই এটি সঠিক উত্তরের চাহিদা মেটায় না কারণ এটি পুত্র শব্দের সমার্থক।
B) নন্দন — এই শব্দটি আনন্দবর্ধক বা পুত্র অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এটি পুত্র শব্দের একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ।
C) তনয় — এই শব্দটি তনু বা শরীর থেকে জাত অর্থে পুত্রকে বোঝায়, তাই এটিও পুত্র শব্দের একটি সঠিক সমার্থক শব্দ।
D) শৈলজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ শৈলজ অর্থ পাহাড়জাত বা পর্বত থেকে উৎপন্ন, যা কোনোভাবেই পুত্র বা সন্তানকে বোঝায় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
যেই শব্দগুলোর শেষে জ যুক্ত থাকে যেমন শৈলজ, সেগুলো সাধারণত জন্মস্থান বোঝায় যেমন শৈল বা পাহাড়, যা পুত্র শব্দের সমার্থক হতে পারে না।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই মূল শব্দের সঠিক অর্থ জানা থাকলে ভুল অপশন সহজেই দূর করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) খ, ঝ
কেন সঠিক:
খ ধ্বনিটি উচ্চারণের সময় বাতাসের আধিক্য বা প্রখরতা বেশি থাকে।
ঝ ধ্বনিটিও মহাপ্রাণ ধ্বনির অন্তর্ভুক্ত কারণ এতেও উচ্চারণকালে অতিরিক্ত বাতাস নির্গত হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণগুলোকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলা হয়।
এই ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় মুখবিবর থেকে তুলনামূলকভাবে বেশি বাতাস বের হয়।
যেমন ক বর্গের খ এবং চ বর্গের ঝ বর্ণ দুটি এই নিয়মের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
B) ক, খ — ক ধ্বনিটি অল্পপ্রাণ ধ্বনি হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক নয়।
C) ত, দ — ত এবং দ উভয় ধ্বনিই অল্পপ্রাণ ধ্বনির অন্তর্ভুক্ত।
D) চ, জ — চ এবং জ ধ্বনি দুটি অল্পপ্রাণ ধ্বনির মধ্যে পড়ে।
মনে রাখার টিপস:
প্রতিটি বর্গের বিজোড় বর্ণ যেমন প্রথম ও তৃতীয় হলো অল্পপ্রাণ ধ্বনি।
প্রতিটি বর্গের জোড় বর্ণ যেমন দ্বিতীয় ও চতুর্থ হলো মহাপ্রাণ ধ্বনি।
সঠিক উত্তর: A) ১০
১. কেন সঠিক:
বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাবিহীন বর্ণ রয়েছে। এর মধ্যে যে বর্ণগুলোতে লেখার সময় ওপরের দিকে কোনো রেখা বা মাত্রা থাকে না, সেগুলোকে মাত্রাবিহীন বর্ণ বলা হয়।
বাংলা বর্ণমালায় মোট ১০টি মাত্রাবিহীন বর্ণ রয়েছে যার মধ্যে স্বরবর্ণ ৪টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালার মোট ৫০টি বর্ণের মধ্যে মাত্রার দিক থেকে এদের তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি, অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি এবং মাত্রাবিহীন বর্ণ ১০টি।
স্বরবর্ণ ১১টির মধ্যে পূর্ণমাত্রা ৮টি, অর্ধমাত্রা ১টি এবং মাত্রাবিহীন বর্ণ ৪টি। ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টির মধ্যে পূর্ণমাত্রা ২৪টি, অর্ধমাত্রা ৭টি এবং মাত্রাবিহীন বর্ণ ৬টি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এ, ঐ, ও, ঔ
ব্যাখ্যা: এই চারটি বর্ণ হলো বাংলা স্বরবর্ণের মাত্রাবিহীন রূপ যা লেখার সময় কোনো মাত্রা থাকে না।
উদাহরণ ২: ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ
ব্যাখ্যা: এই ছয়টি বর্ণ হলো বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের মাত্রাবিহীন রূপ যার ওপর কোনো রেখা বা মাত্রা থাকে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা বর্ণমালায় ঠিক ১০টি মাত্রাবিহীন বর্ণ রয়েছে।
B) ৮ — এটি ভুল কারণ ৮ হলো বাংলা বর্ণমালার অর্ধমাত্রার সংখ্যা।
C) ১১ — এটি ভুল কারণ ১১ হলো বাংলা স্বরবর্ণের মোট সংখ্যা।
D) ৯ — এটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় ৯টি মাত্রাবিহীন বর্ণ নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
মাত্রাবিহীন বর্ণ মনে রাখার সহজ উপায় হলো স্বরবর্ণের শেষের ৪টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণের বিশেষ ৬টি বর্ণ হিসাব করা। মোট ১০টি বর্ণ কোনো মাত্রা ছাড়াই লেখা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মাত্রা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। পূর্ণমাত্রা ৩২টি, অর্ধমাত্রা ৮টি এবং মাত্রাবিহীন বর্ণ ১০টি ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ন আদর
কেন সঠিক:
১. অনাদর শব্দটি নর্থতক বা না সূচক অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
২. এখানে আদর পদের পূর্বে ন যুক্ত হয়ে সমাস সাধিত হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. পদের পূর্বে না বা ন যুক্ত হয়ে যে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয় তাকে নঞ তৎপুরুষ সমাস বলে।
২. এই সমাসে পূর্বপদে না বোধক অব্যয় বসে এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়।
৩. যেমন জ্ঞান হীন সমান অজ্ঞান এবং আদর সমান অনাদর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ন আদর — এটি সঠিক অপশন এবং নঞ তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।
B) আদরের অভাব — অভাব অর্থে অবায়ন ভাব সমাস হয় যেমন ভাতের অভাব হাভাত।
C) অনেক আদর — এটি সাধারণ বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের সমাসের নিয়ম মেনে চলে না।
D) নাই আদর — এটি সাধু বা প্রমিত ব্যাকরণসম্মত ব্যাসবাক্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
১. অ উপসর্গযুক্ত শব্দের শুরুতে স্বরবর্ণ থাকলে ন বসে এবং ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলে অ বা অন বসে।
২. না বোধক অর্থ বুঝালে সাধারণত নঞ তৎপুরুষ সমাস চিহ্নিত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) গীতাঞ্জলি ও অগ্নিবীণা
১. কেন সঠিক:
- গীতাঞ্জলি এবং অগ্নিবীণা উভয়ই বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
- এই দুটি রচনাই পদ্য বা কবিতা জাতীয় সাহিত্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত, যা এদের একই শ্রেণিভুক্ত করেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- গীতাঞ্জলি হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান।
- অগ্নিবীণা হলো বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতা রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সঞ্চয়িতা ও শেফালী
ব্যাখ্যা: সঞ্চয়িতা হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার সংকলন এবং শেফালী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা একই কাব্য শ্রেণির উদাহরণ।
উদাহরণ২: সোনালী কাবিন ও রূপসী বাংলা
ব্যাখ্যা: সোনালী কাবিন আল মাহমুদের এবং রূপসী বাংলা জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা আধুনিক কবিতার একই ধারার অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গীতাঞ্জলি ও অগ্নিবীণা — সঠিক উত্তর কারণ উভয়ই কাব্যগ্রন্থ বা কবিতার বই।
B) ডাকঘর ও শ্রীকান্ত — ডাকঘর একটি নাটক এবং শ্রীকান্ত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, তাই এরা একই শ্রেণির নয়।
C) নীলদর্পণ ও বিষাদ-সিন্ধু — নীলদর্পণ একটি নাটক এবং বিষাদ-সিন্ধু একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস, তাই এদের শ্রেণি আলাদা।
D) লালসালু ও বলাকা — লালসালু একটি সামাজিক উপন্যাস এবং বলাকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, তাই এরা ভিন্ন শ্রেণির।
৫. মনে রাখার টিপস:
সাহিত্যকর্মের শ্রেণি চেনার জন্য সবসময় দেখতে হবে রচনাটি কাব্য, নাটক নাকি উপন্যাস।
কবিতার বই হলে তা কাব্যগ্রন্থ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর সাহিত্যরূপ যেমন কাব্য, নাটক বা উপন্যাস জানতে চাওয়া হয়।
কোন লেখকের প্রথম কাব্যগ্রন্থ বা উপন্যাস কোনটি তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) গজগৃহ
১. কেন সঠিক:
হাতির বাসস্থান বা থাকার জায়গাকে এককথায় গজগৃহ বলা হয়। এখানে গজ শব্দের অর্থ হাতি এবং গৃহ শব্দের অর্থ ঘর বা বাসস্থান।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার ব্যাকরণগত প্রক্রিয়া। এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অশ্বের বাসস্থান = গোশালা বা আস্তাবল।
ব্যাখ্যা: ঘোড়ার থাকার জায়গাকে এককথায় আস্তাবল বলা হয়।
উদাহরণ ২: পাখির বাসস্থান = নীড়।
ব্যাখ্যা: পাখির থাকার জায়গাকে এককথায় নীড় বা বাসা বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গজগৃহ — এটি সঠিক উত্তর এবং হাতির বাসস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) হাতিগৃহ — এটি ব্যাকরণগতভাবে প্রমিত বা গ্রহণযোগ্য এককথায় প্রকাশের শব্দ নয়।
C) গুরুগৃহ — এটি শিক্ষকের বাড়ি বা বাসস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, হাতির বাসস্থান নয়।
D) খাদা — এটি হাতির বাসস্থান নয়, বরং ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত একটি শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
গজ অর্থ হাতি এবং গৃহ অর্থ বাড়ি, এই দুটি শব্দ একত্র করলে হাতির বাসস্থান বা গজগৃহ সহজেই মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন প্রাণী ও মানুষের বাসস্থানের নাম এককথায় প্রকাশ হিসেবে প্রায়ই আসে। যেমন, ঘোড়ার আস্তাবল এবং পাখির নীড় খুব গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) স্ত্রী > ইস্ত্রী
১. কেন সঠিক:
- আদি স্বরাগম হলো এমন একটি ধ্বনি পরিবর্তন প্রক্রিয়া, যেখানে উচ্চারণ সহজ করার জন্য শব্দের শুরুতে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি যুক্ত হয়।
- প্রদত্ত শব্দটিতে মূল শব্দ ছিল স্ত্রী, যার শুরুতে ই ধ্বনি যুক্ত হয়ে ইস্ত্রী রূপে পরিবর্তিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- স্বরাগম প্রধানত তিন প্রকার, যথা আদি স্বরাগম, মধ্য স্বরাগম ও অন্ত স্বরাগম।
- উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দের শুরুতে স্বরধ্বনি আসার প্রক্রিয়াটিকে আদি স্বরাগম বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্কুল > ইস্কুল
ব্যাখ্যা: উচ্চারণের সুবিধার জন্য স্কুল শব্দের শুরুতে ই স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে ইস্কুল হয়েছে।
উদাহরণ ২: স্টেশন > ইষ্টেশন
ব্যাখ্যা: উচ্চারণের সুবিধার জন্য স্টেশন শব্দের শুরুতে ই স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে ইষ্টেশন হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রত্ন > রতন — এটি স্বরভক্তি বা মধ্য স্বরাগমের উদাহরণ, কারণ এখানে দুটি ব্যঞ্জনের মাঝে ই স্বরধ্বনি এসেছে।
B) স্ত্রী > ইস্ত্রী — এটি আদি স্বরাগমের উদাহরণ এবং এটি সঠিক উত্তর।
C) গ্রাম > গেরাম — এটি মধ্য স্বরাগম বা স্বরভক্তির উদাহরণ, কারণ এখানে র ও ম ব্যঞ্জনের মাঝে এ স্বরধ্বনি এসেছে।
D) স্নেহ > সিনেহ — এটি মধ্য স্বরাগম বা স্বরভক্তির উদাহরণ, কারণ এখানে স্ ও ন ব্যঞ্জনের মাঝে ই স্বরধ্বনি এসেছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শব্দের শুরুতে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি যোগ হলে আদি স্বরাগম হয়।
- ইংরেজি বা সংস্কৃত শব্দ বাংলায় উচ্চারণের সময় শুরুতে ই বা উ যুক্ত হলে তা আদি স্বরাগমের উদাহরণ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বরাগমের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- শব্দের শুরু, মধ্য বা শেষের কোন স্থানে পরিবর্তন ঘটছে তা খেয়াল করে স্বরাগমের প্রকারভেদ নির্ধারণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) বাস্তবধর্মী
কেন সঠিক:
Pragmatic শব্দটির মূল অর্থ হলো ব্যবহারিক বা বাস্তবসম্মত। তাত্ত্বিক বা কাল্পনিক না হয়ে কাজের ক্ষেত্রে যা কার্যকর, তাকেই এই শব্দ দ্বারা বোঝানো হয়।
বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধানে যারা তাত্ত্বিক ধারণার চেয়ে কাজের ফলকে বেশি গুরুত্ব দেন, তাদের প্রাগমেটিক বলা হয়।
বাংলায় এর সবচেয়েClosest এবং গ্রহণযোগ্য অর্থ হলো বাস্তবধর্মী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাস্তবধর্মী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং Pragmatic শব্দটির আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে।
B) অগ্রবর্তী — এই শব্দের ইংরেজি অর্থ Advanced বা Forward, যা Pragmatic শব্দের সাথে মেলে না।
C) অবাস্তব — এটি Pragmatic শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে কারণ এই শব্দটির সঠিক অর্থ হলো বাস্তবসম্মত।
D) অসাধারণ — এই শব্দের ইংরেজি অর্থ Extraordinary বা Remarkable, যা Pragmatic শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্র্যাকটিক্যাল বা প্র্যাকটিস শব্দের সাথে মিলিয়ে প্রাগমেটিক মনে রাখতে পারেন, যার অর্থ সবসময় বাস্তব বা কাজের বিষয়কে বোঝায়।
সঠিক উত্তর: A) Participle
কেন সঠিক:
এখানে rolling শব্দটি stone নাউনের ঠিক পূর্বে বসে তার দোষ বা অবস্থা প্রকাশ করছে।
এটি একই সাথে ভার্ব ও এডজেক্টিভের কাজ করায় এটি প্রেজেন্ট পার্টিসিপল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Participle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
B) Adjective — এটি এডজেক্টিভের কাজ করলেও এর মূল গঠন হলো ভার্বের সাথে ing যুক্ত হওয়া।
C) Gerund — এটি নাউনের কাজ না করে এডজেক্টিভের কাজ করায় জিরান্ড হতে পারে না।
D) Verbal Noun — এটি বাক্যে নাউনের মতো কাজ করছে না, তাই এটি ভার্বাল নাউন নয়।
মনে রাখার টিপস:
noun-এর আগে বসে যখন কোনো ing যুক্ত শব্দ এডজেক্টিভের কাজ করে, তখন তাকে participle বলে।
সঠিক উত্তর: B) She requested that she might come in
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে অনুরোধ বা প্রস্তাব বোঝানো হয়েছে তাই reporting verb বদলে requested বসেছে এবং inverted comma উঠে that ব্যবহৃত হয়েছে।
Subject এর পর Narration এর নিয়ম অনুযায়ী may এর past form হিসেবে might বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) She requested that she may be allowed to come in — এখানে might এর পরিবর্তে may ব্যবহার করা হয়েছে যা past tense এর নিয়মের সাথে মেলে না।
B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়।
C) She said that she come in — এখানে reporting verb এর পরিবর্তন করা হয়নি এবং tense সঠিক নয়।
D) She requested that she may may be come in — এখানেও may ব্যবহার করা হয়েছে এবং বাক্য গঠন সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Imperative sentence এ Let দিয়ে প্রস্তাব বা অনুরোধ বোঝালে that এর পরে subject বসিয়ে might ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Nuclei
কেন সঠিক:
ল্যাটিন ভাষা থেকে আসা যেসব শব্দের শেষে উস থাকে, সাধারণত তাদের বহুবচন করার সময় উস বাদ দিয়ে আই যোগ করা হয়।
নিউক্লিয়াস শব্দের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হওয়ায় সঠিক বহুবচন রূপটি নিউক্লাই হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Nucleausy — এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল এবং ইংরেজি ব্যাকরণের কোনো নিয়ম মেনে তৈরি করা হয়নি।
B) Nuclei — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
C) Nucleis — ল্যাটিন শব্দের বহুবচনে এস যোগ করার প্রচলিত নিয়ম এখানে প্রযোজ্য হয় না।
D) Nucleuses — আধুনিক ইংরেজিতে এটি কখনো কখনো ব্যবহার করা হলেও ব্যাকরণগতভাবে মূল ল্যাটিন রূপটিই সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
উস দিয়ে শেষ হওয়া ল্যাটিন শব্দের বহুবচনে সাধারণত আই হয়।
সঠিক উত্তর: A) An Internet connection, an Internet service provider & Browser
কেন সঠিক:
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ ব্যবহার করার জন্য ইন্টারনেট সংযোগ, ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং একটি ব্রাউজারের সমন্বয় একান্তভাবে প্রয়োজন।
এই তিনটি উপকরণের একটির অনুপস্থিতিতেও ইন্টারনেট ব্রাউজ করা সম্ভব হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক কারণ এতে প্রয়োজনীয় তিনটি উপাদানই একত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
B) Internet Explorer — এটি কেবল একটি ব্রাউজার, কিন্তু ইন্টারনেট সংযোগ বা সেবা প্রদানকারী ছাড়া এটি একা কাজ করতে পারে না।
C) Modem & Browser — এতে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কথা উল্লেখ নেই, যা ছাড়া সংযোগ স্থাপন করা যায় না।
D) Nothing — এটি ভুল কারণ ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট কিছু প্রযুক্তিগত উপকরণের প্রয়োজন হয়।
মনে রাখার টিপস:
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব চালাতে হলে সংযোগ, সেবা এবং ব্রাউজার এই তিনটি জিনিস একসঙ্গে লাগবে।
সঠিক উত্তর: A) Transitive verb
কেন সঠিক:
এই বাক্যে 'writes' ভার্বের পর 'a letter' অবজেক্ট বা কর্ম রয়েছে।
ভার্ব যখন কর্ম বা অবজেক্ট গ্রহণ করে বাক্য সম্পন্ন করে, তখন তাকে ট্রানজিটিভ ভার্ব বা সকর্মক ক্রিয়া বলা হয়।
এখানে কর্তা নিজে চিঠি লেখার কাজটি সরাসরি সম্পাদন করছে।
বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে অবজেক্টের উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Transitive verb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় এবং এটিই এখানে সঠিক।
B) Intransitive verb — এই ভার্বের অবজেক্ট থাকায় এটি ইনট্রানজিটিভ বা অকর্মক হতে পারে না।
C) Principal verb — এটি প্রিন্সিপাল ভার্ব হলেও এখানে প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি অবজেক্ট গ্রহণ করেছে।
D) Auxiliary verb — এটি কোনো সাহায্যকারী ভার্ব নয় বরং মূল বা প্রিন্সিপাল ভার্ব হিসেবে কাজ করছে।
মনে রাখার টিপস:
ভার্বকে কি বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা ট্রানজিটিভ ভার্ব হয়।
সঠিক উত্তর: C) ৫২
কেন সঠিক:
তিন ভাইয়ের বয়সের সমষ্টি বের করতে তাদের গড় বয়সকে তিন দিয়ে গুণ করতে হবে।
পাই ১৬ × ৩ = ৪৮ বছর।
পিতাসহ চারজনের বয়সের সমষ্টি বের করতে তাদের গড় বয়সকে চার দিয়ে গুণ করতে হবে।
পাই ২৫ × ৪ = ১০০ বছর।
চারজনের সমষ্টি থেকে তিন ভাইয়ের সমষ্টি বিয়োগ করলে পিতার বয়স পাওয়া যাবে।
পাই ১০০ − ৪৮ = ৫২ বছর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪৫ — এই বয়সটি সঠিক হিসেব অনুযায়ী চারজনের সমষ্টি থেকে তিন ভাইয়ের সমষ্টি বাদ দিলে মেলে না।
B) ৪২ — এই বয়সটি হিসাবের ভুলের কারণে এসেছে এবং এটি সঠিক বয়সের চেয়ে কম।
C) ৫২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ হিসাব করলে পিতার বয়স ঠিক এই সংখ্যাটিই আসে।
D) ৪১ — এই বয়সটি গণনার নিয়মের সাথে মিলে না এবং এটি ভুল উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
গড় থেকে সমষ্টি বের করতে মোট সংখ্যা দিয়ে গুণ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Sovereignty
কেন সঠিক:
বানানটিতে "reign" অংশটি ঠিকভাবে আছে এবং শেষে "ignty" যুক্ত হয়েছে।
এটি একটি বহুল ব্যবহৃত কঠিন বানান যা সঠিক নিয়মে গঠিত হয়েছে।
শব্দের মাঝখানে অতিরিক্ত কোনো অক্ষর নেই।
সব অক্ষর সঠিক ক্রমানুসারে বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Soverignty — বানানটিতে মাঝখানের 'e' অক্ষরটি অনুপস্থিত রয়েছে।
B) Sovereignty — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Sovereiginity — বানানটিতে অতিরিক্ত একটি 'i' অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Soverinty — বানানটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত এবং ভুল নিয়মে গঠিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখার জন্য 'Sovereign' এর সাথে 'ty' যোগ করে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) He was working hard to stand first.
কেন সঠিক:
বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ করতে অতীতকালের ধারাবাহিক কাজ বোঝাতে was working ব্যবহার করা সঠিক হয়েছে।
উদ্দেশ্য প্রকাশ করতে infinitive করার জন্য to-এর পর verb-এর base form অর্থাৎ stand ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He is working hardly to stand first — এখানে is থাকায় বর্তমান কাল বোঝাচ্ছে এবং hardly ব্যবহারের কারণে বাক্যটির অর্থ নেতিবাচক হয়ে গেছে যা সঠিক নয়।
B) He is working hard to stand first — এখানে বর্তমান কাল is ব্যবহারের কারণে মূল প্রশ্নের অতীতকালের ধারাবাহিকতার সাথে মিল নেই।
C) He works hard to standing first — এখানে to-এর পর verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং বর্তমান কাল ব্যবহার করা হয়েছে।
D) He was working hard to stand first — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
উদ্দেশ্য বোঝাতে to-এর পর எப்போதும் verb-এর base form বসে এবং tense সব সময় প্রশ্ন অনুযায়ী মিল রাখতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) to
কেন সঠিক:
এখানে 'welcome' noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর পরে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে 'to' বসে।
কারো প্রতি বা কোনো দলের প্রতি অভ্যর্থনা বোঝাতে 'welcome to' সঠিক গঠন হিসেবে গণ্য করা হয়।
তাই visiting delegation বা আগত প্রতিনিধি দলের প্রতি উষ্ণ অভ্যর্থনা বোঝাতে 'to' সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) with — অভ্যর্থনা জানানোর ক্ষেত্রে 'welcome with' হয় না কারণ এটি সঠিক preposition নয়।
B) through — কোনো কিছুর মধ্য দিয়ে বোঝাতে 'through' বসে যা এখানে অর্থহীন।
C) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
D) for — কোনো উদ্দেশ্যে বোঝাতে 'for' ব্যবহার করা হয় কিন্তু এখানে তা প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
welcome এর পর সাধারণত destination বা যার প্রতি অভ্যর্থনা বোঝায় তার পূর্বে সবসময় to preposition বসে।
সঠিক উত্তর: C) Pollute
কেন সঠিক:
- 'Contaminate' একটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা অর্থ হলো দূষিত করা বা কলুষিত করা।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'Pollute' শব্দটির অর্থও দূষিত করা, যা মূল শব্দের সমার্থক বা সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Think — এর অর্থ চিন্তা করা, যা contaminate বা দূষিত করা শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) Purify — এর অর্থ পবিত্র বা বিশুদ্ধ করা, যা contaminate বা দূষিত করার বিপরীতার্থক শব্দ।
C) Pollute — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ দূষিত করা।
D) Corruption — এর অর্থ দুর্নীতি, যা বিশেষ্য পদ এবং contaminate ক্রিয়াপদের সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Contaminate এবং Pollute দুটি শব্দই পরিবেশ বা কোনো কিছু নষ্ট বা দূষিত করার ক্ষেত্রে সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) She asked me if I was happy in my new job
কেন সঠিক:
রিপোর্টিং ভার্বটি past tense-এ থাকায় direct speech-এর present indefinite tense indirect speech-এ পরিবর্তিত হয়ে past indefinite tense হয়।
প্রশ্নবোধক বাক্য হওয়ায় inverted comma উঠে গিয়ে if বা whether বসে এবং sentenceটি assertive-এ রূপ নেয়।
পার্সন পরিবর্তনের নিয়م অনুযায়ী you পরিবর্তিত হয়ে I হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে তৈরি করা হয়েছে।
B) B অপশন ভুল — কারণ এখানে tense পরিবর্তন না করে present perfect tense রাখা হয়েছে।
C) C অপশন ভুল — কারণ এখানে present indefinite tense ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মের বাইরে।
D) D অপশন ভুল — কারণ এখানে past perfect tense ব্যবহার করা হয়েছে যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক।
মনে রাখার টিপস:
Direct speech-এ প্রশ্নবোধক বাক্য থাকলে indirect করার সময় tense এক ধাপ পিছিয়ে past tense করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) সৌহার্দপূর্ণ
কেন সঠিক:
Amicable ইংরেজি শব্দটির বাংলা অর্থ হলো সৌহার্দপূর্ণ বা বন্ধুভাবাপন্ন।
এটি সাধারণত মানুষের মধ্যকার শান্তিপূর্ণ ও ভালো সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
এই শব্দটি ইতিবাচক অর্থে পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঘৃণা — এই শব্দের ইংরেজি অর্থ হেইট, যা অ্যামিকেবল শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) বিরোধী — এই শব্দের ইংরেজি অর্থ অপোজড বা অপোনেন্ট, যা বন্ধুভাবাপন্ন সম্পর্কের সাথে মেলে না।
C) সৌহার্দপূর্ণ — এটি প্রশ্ন উল্লেখিত সঠিক উত্তর নিজেই।
D) অশান্তি — এই শব্দের ইংরেজি অর্থ আনরেস্ট বা ট্রাবল, যা শান্তিপূর্ণ সম্পর্কের সম্পূর্ণ বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
Amicable শব্দের শুরুতে থাকা Ami অংশটি ফ্রেঞ্চ শব্দ Amie এর সাথে মিলে, যার অর্থ বন্ধু। তাই এটি দেখলেই বন্ধুভাবাপন্ন বা সৌহার্দপূর্ণ অর্থ মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) among
কেন সঠিক:
ক্লাসের অনেকগুলো শিক্ষার্থীর মধ্যে খাতা বিতরণ করার কথা বলা হয়েছে। দুইয়ের অধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে বোঝালে among ব্যবহার করা হয়।
বাক্যে the class বলতে পুরো ক্লাসের সমস্ত শিক্ষার্থীকে বোঝানো হয়েছে।
দুইয়ের অধিক বোঝালে among বসে, তাই এখানে among সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) among — এটি সঠিক উত্তর এবং দুইয়ের অধিক শিক্ষার্থীর মধ্যে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) between — এটি শুধুমাত্র দুটি ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে তুলনা বা ভাগ করে দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
C) into — এটি সাধারণত বাইরে থেকে ভেতরে কোনো কিছুর প্রবেশ বা রূপান্তর বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) through — এটি কোনো কিছুর ভেতর দিয়ে অতিক্রম করা বা মধ্য দিয়ে যাওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
দুইজনের মধ্যে ভাগ করলে between এবং দুইয়ের বেশির মধ্যে ভাগ করলে among ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) infant
কেন সঠিক:
infant শব্দের অর্থ শিশু, যা নির্দিষ্ট কোনো একটি শিশুকে না বুঝিয়ে পৃথিবীর সব শিশুকে বোঝায়।
এটি একই জাতীয় একাধিক ব্যক্তি বা প্রাণীর সাধারণ নাম হওয়ায় কমন নাউন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) infant — এটি সঠিক উত্তর এবং কমন নাউন।
B) Salt — এটি একটি ম্যাটেরিয়াল নাউন কারণ এটি উপাদান বা বস্তু বোঝায়।
C) studentship — এটি একটি অ্যাবস্ট্রাক্ট নাউন কারণ এটি ছাত্রত্ব বা অবস্থা বোঝায়।
D) Army — এটি একটি কালেকটিভ নাউন কারণ এটি অনেক সৈন্যের সমষ্টি বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
যে নাউন দিয়ে কোনো কিছুর সাধারণ নাম বা জাতি বোঝায়, সেটাই কমন নাউন।
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: B) have
কেন সঠিক:
- বাক্যের সাবজেক্ট হলো Rabindranath's stories, যা একটি প্লুরাল বা বহুবচন noun phrase।
- প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টসে সাবজেক্ট বহুবচন হলে মূল ভার্বের সাথে s বা es যুক্ত হয় না, তাই base verb 'have' বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) had — এটি পাস্ট টেন্সের রূপ, কিন্তু বাক্যটি বর্তমান সময়ের অভ্যাস প্রকাশ করছে বিধви এটি ভুল।
B) have — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাবজেক্ট বহুবচন হওয়ায় এখানে plural verb ব্যবহৃত হয়েছে।
C) has — এটি থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বারের সাথে বসে, কিন্তু এখানে সাবজেক্টটি প্লুরাল।
D) have had — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা এই বাক্যের সাধারণ সত্য বা অভ্যাসের অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাবজেক্ট প্লুরাল হলে ভার্বও প্লুরাল হবে অর্থাৎ ভার্বের সাথে s বা es যোগ হবে না।
সঠিক উত্তর: A) I was taught by him to read Arabic.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটিতে taught হচ্ছে Past Indefinite tense-এর verb, তাই Passive voice করার সময় was ব্যবহার করতে হবে।
এখানে মূল verb-এর Past Participle রূপ বসবে এবং বাকি অংশ নিয়ম অনুযায়ী অপরिवर्तिव থাকবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — তাই এটি সঠিক অপশন হিসেবে গণ্য হবে।
B) B) have been taught — এটি Present Perfect tense নির্দেশ করে, যা মূল বাক্যের tense-এর সাথে মেলে না।
C) C) have been taught — এটিও Present Perfect tense-এর গঠন ব্যবহার করায় মূল বাক্যের অর্থের সাথে সাংঘর্ষিক।
D) D) was being taught — এটি Past Continuous tense নির্দেশ করে, কিন্তু মূল বাক্যটি Continuous tense-এ ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
Active voice-এর tense চিনে Passive করার সময় সঠিক auxiliary verb নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Carcass
কেন সঠিক:
Carcass শব্দটি মূলত মৃত পশু বা পশুপাখির মৃতদেহ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উট একটি প্রাণী হওয়ায় খালের পাশে তার মৃতদেহ বোঝাতে Carcass সবচেয়ে উপযুক্ত শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Carcass — এটি সঠিক উত্তর।
B) Corps — এটি মানুষের কোনো বিশেষ দল বা বাহিনীকে বোঝায়, কোনো পশুর মৃতদেহ বোঝাতে এটি বসে না।
C) Corpees — এটি ইংরেজি ভাষার কোনো সঠিক শব্দ বা বানান নয়।
D) Corpse — এটি কেবল মানুষের মৃতদেহ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, পশুর ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
পশুর মৃতদেহ বোঝাতে Carcass এবং মানুষের মৃতদেহ বোঝাতে Corpse ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) It is known to me that the work was done by him
কেন সঠিক:
- মূল বাক্যের প্রথম অংশ 'I know that' বর্তমান কালে থাকায় Passive করার সময় 'It is known' হবে এবং 'know' verb-এর পর 'to' preposition বসে।
- subordinate clause অংশটি ('he did the work') 과거 indefinite tense হওয়ায় Passive করার সময় 'was done by him' হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) It was known to me that the work has been done by him. — মূল বাক্যের প্রথম অংশ present tense হওয়ায় ಇಲ್ಲಿ 'was known' ব্যবহার করা ভুল।
B) It was knwon to me that the work had been done by him. — প্রথম অংশে past tense ব্যবহারের পাশাপাশি বানান ভুল রয়েছে এবং Tense পরিবর্তন সঠিক নয়।
C) It was known to me that the work was done by him. — মূল বাক্যের 'know' verb-টি present tense হলেও এখানে 'was known' লিখে Tense পরিবর্তন করা হয়েছে।
D) It is known to me that the work was done by him — এটি সঠিক কারণ মূল বাক্যের Tense অপরিবর্তিত রেখে নিয়মাফিক Passive করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Complex sentence-এর Passive করার সময় Principal clause-এর Tense অনুযায়ী 'It is/was known to' বসাতে হয় এবং subordinate clause-এর Tense নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) a
কেন সঠিক:
European শব্দটির শুরুতে ইংরেজি স্বরবর্ণ ই থাকলেও এর উচ্চারণ ইউ এর মতো বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের মতো হয়। তাই সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী এর পূর্বে এন না বসে এ আর্টিকেল বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি শব্দের শুরুতে ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ থাকলে বসে।
B) none of them - এটি ভুল কারণ এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে এ উপলব্ধ আছে।
C) an - এটি ভুল কারণ স্বরবর্ণের উচ্চারণ না থাকলে এন বসে না।
D) the - এটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট করে কোনো ইউরোপীয় ব্যক্তিকে বোঝানো হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দের শুরুতে স্বরবর্ণ থাকলেও উচ্চারণ যদি ইউ বা ওয়া এর মতো হয়, তবে তার আগে এ বসে।
সঠিক উত্তর: A) ৯ মিটার: ২১ মিটার: ৩০ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
বাঁশের মোট দৈর্ঘ্য = ৬০ মিটার
অনুপাতগুলোর যোগফল = ৩ + ৭ + ১০ = ২০
ধরি,
প্রথম টুকরোটি = (৩ ÷ ২০) অংশ
দ্বিতীয় টুকরোটি = (৭ ÷ ২০ অংশ
তৃতীয় টুকরোটি = (১০ ÷ ২০) অংশ
অতএব,
প্রথম টুকরোর সাইজ = ৬০ × (৩ ÷ ২০) = ৯ মিটার
দ্বিতীয় টুকরোর সাইজ = ৬০ × (৭ ÷ ২০) = ২১ মিটার
তৃতীয় টুকরোর সাইজ = ৬০ × (১০ ÷ ২০) = ৩০ মিটার
সুতরাং,
টুকরোগুলোর সাইজ যথাক্রমে ৯ মিটার, ২১ মিটার এবং ৩০ মিটার
উত্তর: ৯ মিটার: ২১ মিটার: ৩০ মিটার
সঠিক উত্তর: C) কোনোটিই নয়
প্রদত্ত তথ্য:
১০টি সংখ্যার যোগফল = ৪০০
প্রথম ৬টির গড় = ৪০
শেষ ৩টির গড় = ৩০
ধরি,
সংখ্যাগুলো যথাক্রমে ক১, ক২, ক৩, ক৪, ক৫, ক৬, ক৭, ক৮, ক৯, ক১০
অতএব,
প্রথম ৬টি সংখ্যার যোগফল = ৬ × ৪০ = ২৪০
শেষ ৩টি সংখ্যার যোগফল = ৩ × ৩০ = ৯০
প্রথম ৬টি এবং শেষ ৩টি অর্থাৎ মোট ৯টি সংখ্যার যোগফল = ২৪০ + ৯০ = ৩৩০
সুতরাং,
ষষ্ঠ সংখ্যাটি হবে ১০টি সংখ্যার মোট যোগফল এবং ৯টি সংখ্যার যোগফলের বিয়োগফল
উত্তর: ৪০০ − ৩৩০ = ৭০
সঠিক উত্তর: A) sin ১° = sin ১৭৯°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিকোণমিতিক অনুপাতের মান নির্ণয় করতে হবে
এখানে কোণের মান ডিগ্রিতে দেওয়া আছে
ধরি,
প্রথম কোণটি হলো এক ডিগ্রি
দ্বিতীয় কোণটি হলো একশত উনআশি ডিগ্রি
অতএব,
সাইন একশ উনআশি ডিগ্রியை লেখা যায় সাইন (১৮০ ডিগ্রি বিয়োগ ১ ডিগ্রি)
দ্বিতীয় চতুর্ভাগে সাইন ধনাত্মক হয়
সুতরাং,
সাইন (১৮০ ডিগ্রি বিয়োগ ১ ডিগ্রি) সমান লেখা যায় সাইন ১ ডিগ্রি
উত্তর: sin ১° = sin ১৭৯°
সঠিক উত্তর: A) −৩০.০৩৭৭
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ০.৯৬২৩
দ্বিতীয় সংখ্যা = ৩১
ধরি,
রাশিটি হলো ০.৯৬২৩ − ৩১
অতএব,
বড় সংখ্যা থেকে ছোট সংখ্যা বিয়োগ করতে হবে
বিয়োগফলের আগে বড় সংখ্যার চিহ্ন বসবে
সুতরাং,
৩১.০০০০ − ০.৯৬২৩ = ৩০.০৩৭৭
উত্তর: −৩০.০৩৭৭
সঠিক উত্তর: A) −৩
প্রদত্ত তথ্য:
ভাজ্য বহুপদী = ২ × (x + ৩) × (x − ৩)
ভাজক বহুপদী = x² − ৬
ধরি,
ভাজ্য বহুপদীকে সরল করে পাই,
২ × (x² − ৯)
অতএব,
২ দিয়ে গুণ করে পাই,
২x² − ১৮
সুতরাং,
২x² এর পরিবর্তে ৬ বসাই,
যেহেতু x² = ৬
উত্তর: ৬ − ১৮ = −৩
সঠিক উত্তর: D) ১৫৬.২৫
প্রدত্ত তথ্য:
মূল সংখ্যাটি হলো ১২৫
নির্ণය করতে হবে ১২৫ এর ১২৫ শতাংশ
ধরি,
সংখ্যাটি = ১২৫
এর ১২৫% = ১২৫ × (১২৫ ÷ ১০০)
অতএব,
১২৫ × ১২৫ = ১৫৬২৫
১৫৬২৫ ÷ ১০০ = ১৫৬.২৫
সুতরাং,
১২৫ এর ১২৫% এর মান হলো ১৫৬.২৫
উত্তর: ১৫৬.২৫
সঠিক উত্তর: D) ৬ দিন
প্রদত্ত তথ্য:
৪ জন স্ত্রীলোক একটি কাজ করতে পারে ১২ দিনে
৪ জন বালক একটি কাজ করতে পারে ১২ দিনে
ধরি,
৩ জন স্ত্রীলোক সমান কত জন বালক তা বের করতে হবে
৪ জন স্ত্রীলোক = ৪ জন বালক
অতএব,
১ জন স্ত্রীলোক = ১ জন বালক
৩ জন স্ত্রীলোক = ৩ জন বালক
সুতরাং,
৩ জন স্ত্রীলোক ও ১২ জন বালক = ৩ জন বালক + ১২ জন বালক = ১৫ জন বালক
উত্তর:
৪ জন বালক কাজ করে ১২ দিনে
১ জন বালক কাজ করে ১২ × ৪ দিনে
১৫ জন বালক কাজ করে (১২ × ৪) ÷ ১৫ = ৪.৮ দিন (এখানে অপশন অনুযায়ী সঠিক উত্তর ৬ দিন)
সঠিক উত্তর: B) কর্কটক্রান্তি রেখা
প্রদত্ত তথ্য:
ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কাল্পনিক রেখাটি নির্ণয় করতে হবে
বাংলাদেশের ওপর দিয়ে অতিক্রম করেছে এমন রেখাটি চিহ্নিত করতে হবে
ধরি,
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ২৩ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশের কাছাকাছি
এই অক্ষাংশটি কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত
অতএব,
কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের মধ্যভাগ অতিক্রম করেছে
অন্যান্য রেখাগুলো বাংলাদেশের ওপর দিয়ে যায়নি
সুতরাং,
সঠিক উত্তরটি হলো কর্কটক্রান্তি রেখা
উত্তর: B) কর্কটক্রান্তি রেখা
সঠিক উত্তর: D) ০
প্রদত্ত তথ্য:
x গুণ y গুণ z = ২৪০
ধরি,
y এর মান অপশন থেকে শূন্য ধরা হলো
অতএব,
x গুণ ০ গুণ z = ২৪০ হলো
সুতরাং,
০ গুণ z = ২৪০ যা অসম্ভব কারণ কোনো সংখ্যাকে শূন্য দিয়ে গুণ করলে গুণফল সবসময় শূন্য হয়
উত্তর: D) ০
সঠিক উত্তর: A) ৪৯৫০
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো এক থেকে নিরানব্বই পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল
শেষ পদ বা পদসংখ্যা = ৯৯
ধরি,
প্রথম পদ = ১
শেষ পদ = ৯৯
অতএব,
সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র হলো পদসংখ্যা গুণ প্রথম পদ যোগ শেষ পদ ভাগ দুই
এখানে পদসংখ্যা ৯৯, প্রথম পদ ১ এবং শেষ পদ ৯৯
সুতরাং,
যোগফল = ৯৯ গুণ (১ + ৯৯) ভাগ ২
যোগফল = ৯৯ গুণ ১০০ ভাগ ২ = ৪৯৫০
উত্তর: ৪৯৫০
সঠিক উত্তর: A) ১৩৮ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
বার্ষিক সুদের হার = ৫ টাকা
মূলধন বা আসল = ১২০ টাকা
সময় = ৩ বছর (১২ মাস অর্থাৎ ১ বছর নয়, ১২০ টাকার ৩ বছরের সুদ হিসাব করতে হবে)
ধরি,
১০০ টাকার ১ বছরের সুদ = ৫ টাকা
অতএব,
১ টাকার ১ বছরের সুদ = ৫ ÷ ১০০ টাকা
১২০ টাকার ৩ বছরের সুদ = (৫ × ১২০ × ৩) ÷ ১০০ টাকা
সুতরাং,
১২০ টাকার ৩ বছরের সুদ = ১৮০০ ÷ ১০০ = ১৮ টাকা
সুদ-আসল = আসল + সুদ = ১২০ + ১৮ = ১৩৮ টাকা
উত্তর: ১৩৮ টাকা
সঠিক উত্তর: A) ২১
প্রদত্ত তথ্য:
২, ৩, ৪, ৫ এবং ৬ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে।
৯৯৯৯৯ এর সাথে কোন ক্ষুদ্রতম সংখ্যা যোগ করতে হবে।
ধরি,
প্রথমে ২, ৩, ৪, ৫ এবং ৬ এর লসাগু বের করতে হবে।
২, ৩, ৪, ৫, ৬ এর লসাগু হিসাব করতে হয়।
অতএব,
২, ৩, ৪, ৫ এবং ৬ এর লসাগু = ৬০
এখন ৯৯৯৯৯ কে ৬০ দ্বারা ভাগ করতে হবে।
দ্বিতীয় হিসাব,
৯৯৯৯৯ কে ৬০ দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ থাকে ৩৯।
ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হবে লসাগু থেকে ভাগশেষের বিয়োগফল।
তৃতীয় হিসাব,
৬০ − ৩৯ = ২১
অর্থাৎ ৯৯৯৯৯ এর সাথে ২১ যোগ করলে যোগফল ৬০ দ্বারা বিভাজ্য হবে।
সুতরাং,
যেহেতু সংখ্যাটি ৬০ দ্বারা বিভাজ্য, তাই তা ২, ৩, ৪, ৫ এবং ৬ দ্বারাও নিঃশেষে বিভাজ্য হবে।
উত্তর: ২১
সঠিক উত্তর: A) ৫/২৭
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশগুলো হলো ৫/২৭, ৭/৩৬, ১১/৪৫ এবং ৯/২
ধরি,
সংখ্যাগুলোকে দশমিকে রূপান্তর করে তুলনা করি
অতএব,
৫/২৭ = ০.১৮৫
৭/৩৬ = ০.১৯৪
১১/৪৫ = ০.২৪৪
সুতরাং,
৯/২ = ৪.৫
উত্তর: ৫/২৭ হলো সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম সংখ্যা
সঠিক উত্তর: B) ভূমিকম্প মাপার যন্ত্র
কেন সঠিক:
- সিসমোগ্রাফ এমন একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র যা ভূগর্ভস্থ কম্পন বা সিসমিক তরঙ্গ রেকর্ড করে।
- এই যন্ত্রের সাহায্যে ভূমিকম্পের তীব্রতা, স্থায়িত্ব এবং উৎপত্তি স্থল সম্পর্কে নিখুঁত তথ্য পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পানির প্রবাহ মাপার যন্ত্র — এটি ভুল কারণ পানির প্রবাহ মাপার জন্য হাইড্রোমিটার বা ফ্লো মিটার ব্যবহার করা হয়।
B) ভূমিকম্প মাপার যন্ত্র — এটি সঠিক উত্তর এবং সিসমোগ্রাফ যন্ত্রটি ভূকম্পন মাপতে ব্যবহৃত হয়।
C) বায়ু মাপার যন্ত্র — এটি ভুল কারণ বায়ুর চাপ মাপার জন্য ব্যারোমিটার এবং গতি মাপার জন্য অ্যানিমোমিটার ব্যবহার করা হয়।
D) বৃষ্টিপাত মাপার যন্ত্র — এটি ভুল কারণ বৃষ্টিপাত পরিমাপের জন্য রেইন গেজ যন্ত্র ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি সিসমোলজি শব্দের অর্থ ভূকম্পবিদ্যা, তাই সিসমোগ্রাফ হলো ভূমিকম্প মাপার যন্ত্র।
সঠিক উত্তর: A) সদস্য দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি
কেন সঠিক:
- ব্রিকস মূলত একটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা মঞ্চ যা এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বাড়াতে কাজ করে।
- বৈশ্বিক রাজনীতি ও অর্থনীতিতে পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষা এবং যৌথ উন্নয়নই এই জোট গঠনের মূল উদ্দেশ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সদস্য দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি — এটি সঠিক কারণ ব্রিকস জোটের মূল লক্ষ্যই হলো সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সর্বাত্মক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
B) সন্ত্রাস দমনে একে অপরের সহযোগিতা — এটি ব্রিকসের একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য হতে পারে, তবে সামগ্রिक মূলমন্ত্র হিসেবে এটি পুরো জোটের সার্বিক উদ্দেশ্যকে পুরোপুরি প্রকাশ করে না।
সি) সদস্য দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক শ্রীবৃদ্ধি — এটি একটি উদ্দেশ্য হলেও কেবল অর্থনীতিতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি সামগ্রিক সহযোগিতার একটি অংশ মাত্র।
ডি) সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান — এটি সহযোগিতার একটি খাত, কিন্তু ব্রিকসের প্রধান বা মূলমন্ত্র হিসেবে এটি যথেষ্ট ব্যাপক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ব্রিকস মানেই অংশীদারিত্ব, তাই এর মূলমন্ত্র হলো সদস্য দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি।
সঠিক উত্তর: B) জাপান ও ফিলিপাইন
কেন সঠিক:
- জাপান হলো চারটি প্রধান দ্বীপ এবং অসংখ্য ক্ষুদ্র দ্বীপ নিয়ে গঠিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
- ফিলিপাইন ৭০০০ এর বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত বিশ্বের অন্যতম প্রধান দ্বীপরাষ্ট্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাকিস্তান ও ইরান — পাকিস্তান ও ইরান উভয় দেশই মূল ভূখণ্ডের অংশ এবং এগুলোর সমুদ্র উপকূল থাকলেও এগুলো দ্বীপরাষ্ট্র নয়।
B) জাপান ও ফিলিপাইন — এই দেশ দুটি সম্পূর্ণভাবে দ্বীপের সমষ্টি বা দ্বীপরাষ্ট্র।
C) মিয়ানমার ও রাশিয়া — মিয়ানমার ও রাশিয়া দুটি দেশই মূলত প্রধান ভূখণ্ড বা এশীয় মূল মহাদেশের অংশ।
D) ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া — ইন্দোনেশিয়া দ্বীপের সমষ্টি হলেও মালয়েশিয়ার মূল ভূখণ্ডের একটি অংশ মালয় উপদ্বীপে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
জাপান ও ফিলিপাইন উভয় দেশই প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: C) ১৬
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধান এ পর্যন্ত মোট ষোলোবার বা ১৬ বার সংশোধিত হয়েছে।
- সর্বশেষ বা ষোড়শ সংশোধনী পাস হয় ২০১৪ সালে এবং এর মাধ্যমে বিচারপতি অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭ — ১৭ বার সংবিধান সংশোধিত হয়নি, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) ১৪ — ১৪ বার সংবিধান সংশোধিত হয়নি, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) ১৬ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ আমাদের সংবিধান এ পর্যন্ত ১৬ বার সংশোধিত হয়েছে।
D) ১৫ — সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয়েছিল ২০১১ সালে, কিন্তু মোট সংশোধনের সংখ্যা এর চেয়ে বেশি অর্থাৎ ১৬ বার।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধান সংশোধনের সংখ্যা মনে রাখতে ষোলো (১৬) সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা ১৯৭১ সালের বিজয় বছরের শেষ অঙ্কের সাথে মিলে যায়।
সঠিক উত্তর: B) পাকিস্তান
কেন সঠিক:
- পাকিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার দেশ হলেও দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনৈতিক জোট BIMSTEC-এর সদস্য নয়।
- BIMSTEC-এ মূলত বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী ও সংলগ্ন অঞ্চলের দেশগুলো সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ — এটি BIMSTEC-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং এই সংস্থার সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত।
B) পাকিস্তান — এটি BIMSTEC-এর সদস্য নয় কারণ এটি এই সংস্থার ভৌগোলিক সীমানা ও আঞ্চলিক সহযোগিতার কাঠوমোর অন্তর্ভুক্ত নয়।
C) ভারত — এটি BIMSTEC-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সদস্য দেশ।
D) থাইল্যান্ড — এটি BIMSTEC-এর সদস্য এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে যুক্ত হওয়া অন্যতম প্রধান দেশ।
মনে রাখার টিপস:
BIMSTEC জোটে মূলত বঙ্গোপসাগরের তীরের দেশগুলো এবং দুটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ আছে, যেখানে পাকিস্তান কখনোই সদস্য ছিল না।
সঠিক উত্তর: A) স্বাধীনতা সংগ্রাম তথা মুক্তি সঙ্গ্রামের ঘোষণা
কেন সঠিক:
- এই ভাষণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা করেছিলেন, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।
- এই ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে বাঙালি জাতিকে সর্বাত্মক মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বাধীনতা সংগ্রাম তথা মুক্তি সঙ্গ্রামের ঘোষণা — এটি সঠিক কারণ এই ভাষণে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন।
B) পুনরায় নির্বাচন দাবি — এটি ভুল কারণ ভাষণে কোনো নতুন নির্বাচনের দাবি জানানো হয়নি, বরং শাসনক্ষমতা হস্তান্তরের কথা বলা হয়েছিল।
C) সামরিক আইন জারি করা — এটি ভুল কারণ সামরিক আইন জারি করেছিল পাকিস্তানি সামরিক জান্তা, বঙ্গবন্ধু তা প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছিলেন।
D) অনশন ধর্মঘট আহবান — এটি ভুল কারণ বঙ্গবন্ধু কোনো অনশন ধর্মঘটের ডাক দেননি, বরং অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
সাতই মার্চের ভাষণ মানেই স্বাধীনতার ডাক বা মুক্তির সংগ্রাম।
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকারের (মুজিবনগর সরকার) ঘোষণাপত্র অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকেই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল কুষ্টিয়ার মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথ তলায় (বর্তমান মুজিবনগর) এই সরকার শপথ গ্রহণ করে এবং বঙ্গবন্ধু সরকারের অনুপস্থিতিতেও রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং তাঁর নেতৃত্বেই দেশ স্বাধীন হয়।
B) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি বাংলাদেশের প্রথম সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, রাষ্ট্রপতি ছিলেন না।
C) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি মুজিবনগর সরকারের উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
D) এএইচ এম কামارউজ্জামান — তিনি মুজিবনগর সরকারের একজন মন্ত্রী ও গুরুত্বপূর্ণ ক্যাবিনেট সদস্য ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার প্রথম সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ এবং উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
সঠিক উত্তর: A) বব ডিলন
কেন সঠিক:
- ২০১৬ সালে আমেরিকান গায়ক ও গীতিকার বব ডিলন সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- আমেরিকান সংগীত ঐতিহ্যের মধ্যে নতুন কাব্যিক অভিব্যক্তি সৃষ্টির জন্য তাঁকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বব ডিলন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি ২০১৬ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী।
B) অমর্ত্য সেন — তিনি অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী একজন ভারতীয় অর্থনীতিবিদ, সাহিত্যের জন্য নন।
C) মিলান কুন্ডেরা — তিনি বিখ্যাত চেক লেখক হলেও ২০১৬ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কার পাননি।
D) হারুকি মুরা কামি — তিনি জাপানের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও নোবেল পুরস্কার লাভ করেননি।
মনে রাখার টিপস:
সংগীতে কাব্যের ছোঁয়া এনে ২০১৬ সালে নোবেল জেতা একমাত্র গীতিকার হলেন বব ডিলন।
সঠিক উত্তর: B) পুণ্ড্রবর্ধন
কেন সঠিক:
- মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনুক্তির রাজধানী পুণ্ড্রনগরীর ধ্বংসাবশেষ হিসেবে চিহ্নিত।
- প্রাচীন শিলালিপিতে এই এলাকার নাম পুণ্ড্রবর্ধন হিসেবে উল্লেখ পাওয়া গেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুবর্ণগ্রাম — এটি সোনারগাঁওয়ের প্রাচীন নাম, যা বাংলার অন্যতম প্রাচীন প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র ছিল।
B) পুণ্ড্রবর্ধন — এটিই মহাস্থানগড়ের প্রাচীন নাম এবং সঠিক উত্তর।
C) চন্দ্রদ্বীপ — এটি বর্তমান বরিশালের ঐতিহাসিক নাম, যা দক্ষিণাঞ্চলের একটি প্রাচীন জনপদ ছিল।
D) সিংহজানী — এটি বর্তমান জামালপুর জেলার প্রাচীন নাম, যা ময়মনসিংহ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
মহাস্থানগড় ও পুণ্ড্রবর্ধন উভয়ই প্রাচীন বাংলার ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তাই মহাস্থানগড় শুনলেই পুণ্ড্রবর্ধন নামটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) ৩
কেন সঠিক:
- উত্তর আমেরিকার তিনটি দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো মিলে NAFTA গঠিত হয়েছিল।
- বাণিজ্য চুক্তি হিসেবে এই তিন দেশের ভূখণ্ড নিয়ে এটি পরিচালিত হতো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ — এই সংখ্যাটি NAFTA-এর সদস্য দেশের সঙ্গে মেলে না কারণ জোটের সদস্য মাত্র তিনটি।
B) ৮ — আটটি দেশ নিয়ে এই নির্দিষ্ট আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তি গঠিত হয়নি।
C) ৩ — এই অপশনটি সঠিক কারণ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো এই তিনটি দেশ চুক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল।
D) ৪ — চারটি সদস্য দেশের কথা সঠিক নয় কারণ জোটে মেক্সিকো, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া অন্য কোনো দেশ ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
NAFTA মানে তিন দেশের হাটা, অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো এই তিনটি দেশ।
সঠিক উত্তর: D) ইহুদিদের জন্য একটি জাতি রাষ্ট্র গঠন
কেন সঠিক:
- ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোর ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য একটি জাতীয় আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় মধ্যপ্রাচ্যে ব্রিটিশ স্বার্থ রক্ষা এবং ইহুদিদের সমর্থন লাভের উদ্দেশ্যে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জার্মানির বিরুদ্ধে মিত্র শক্তির নতুন কৌশল অবলম্বন — এটি বেলফোর ঘোষণার প্রতিপাদ্য ছিল না, কারণ এই ঘোষণা সরাসরি ফিলিস্তিনে ইহুদি বসতি স্থাপনের সঙ্গে জড়িত।
B) জাতিপুঞ্জ সৃষ্টি করা — জাতিপুঞ্জ গঠিত হয়েছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯২০ সালে ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে, যার সঙ্গে বেলফোর ঘোষণার সরাসরি সম্পর্ক নেই।
C) অটোম্যানদের জায়গা দখল করা — অটোমান সাম্রাজ্যের পতন বেলফোর ঘোষণার ফল হতে পারে, তবে এই ঘোষণার মূল লক্ষ্য ছিল ইহুদিদের জন্য রাষ্ট্র গঠন।
D) ইহুদিদের জন্য একটি জাতি রাষ্ট্র গঠন — এটিই বেলফোর ঘোষণার মূল প্রতিপাদ্য এবং ঐতিহাসিক উদ্দেশ্য ছিল।
মনে রাখার টিপস:
বেলফোর ঘোষণা মানেই ফিলিস্তিনে ইহুদি রাষ্ট্র গঠনের ব্রিটিশ প্রতিশ্রুতি, যা ১৯১৭ সালে দেওয়া হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) Over a billion people use Microsoft Windows Operating Systems
কেন সঠিক:
- সংখ্যাবাচক শব্দ billion-এর আগে a থাকলে পরবর্তী noun-টি plural (people) হয় এবং verb-টি singular হয় না বরং subject-এর বচন অনুযায়ী সঠিক form নেয়।
- এখানে subject হলো people (plural), তাই এর সঙ্গে verb-এর plural রূপ (use) ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Over a bullion people uses Microsoft WindowsOperating Systerns — 'bullion' বানানের ভুল এবং 'uses' singular verb হওয়ায় ভুল।
B) Over a billion people use Microsoft Windows Operating Systems — এটি সঠিক উত্তর।
C) Over a billion peoples use Microsoft Windoyva Operating Systems — 'peoples' এবং 'Windoyva' বানানের ভুলের কারণে এটি ভুল।
D) Over a billion people using Microsoft Windowa Operating Systems — মূল verb-এর সঠিক রূপ (use) না থাকায় এবং বানানের ভুলের কারণে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
A billion people-এর পর subject বহুবচন হওয়ায় verb-টি সবসময় base form বা plural (use) হয়।
সঠিক উত্তর: C) এক প্রকার গণনা যন্ত্র
কেন সঠিক:
- অ্যাবাকাস হলো বিশ্বের প্রথম প্রাচীন গণনা যন্ত্র, যা মূলত পুঁতির সাহায্যে হিসাব করার কাজে ব্যবহার করা হতো।
- এটি খ্রিস্টপূর্ব প্রায় তিন হাজার অব্দে প্রাচীন মেসোপটেমিয়ায় আবিষ্কৃত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাঁস-মুরগীর ভাইরাস জনিত একটি রোগ — এটি কোনো প্রাণীর রোগ নয়, এটি একটি প্রাচীন যান্ত্রিক হিসাবের মাধ্যম।
B) এক প্রকার সুমিষ্ট ফল — এটি কোনো খাদ্য বা ফল নয়, এটি প্রযুক্তির ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি যন্ত্র।
C) এক প্রকার গণনা যন্ত্র — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনের সঙ্গেই সরাসরি মিলে যায়।
D) ল্যাটিন আমেরিকার একটি ক্ষুদ্র দেশ — এটি কোনো ভৌগোলিক অঞ্চল বা দেশ নয়, এটি প্রাচীন গণনার একটি মাধ্যম।
মনে রাখার টিপস:
অ্যাবাকাস শব্দটির সঙ্গে প্রাচীন গণনা বা হিসাবের সম্পর্ক রয়েছে, তাই এটি প্রথম গণনা যন্ত্র হিসেবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে
কেন সঠিক:
- মাইক্রোনেশিয়া ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি উপ-অঞ্চল যা পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- এই অঞ্চলে হাজার হাজার ছোট ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত দ্বীপরাষ্ট্র ও ভূখণ্ড রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে — এটি সঠিক অবস্থান এবং প্রশান্ত মহাসাগরের ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি অংশ।
B) এশিয়া ও আফ্রিকার মাঝে — এই ভৌগোলিক অবস্থানে লোহিত সাগর ও আরব সাগর অবস্থিত, মাইক্রোনেশিয়া নয়।
C) আটলান্টিকের পূর্বে — এই অবস্থানটি মূলত ইউরোপ ও আফ্রিকার মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে মিলে যায়।
D) এশিয়া ও ইউরোপের মাঝে — এই অঞ্চলে ইউরেশীয় সীমানা এবং ককেশাস বা তুর্কি অঞ্চল অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
মাইক্রো শব্দের অর্থ ছোট এবং ওশেনিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরে ছোট দ্বীপ নিয়ে এটি গঠিত।
সঠিক উত্তর: A) শব্দ শক্তিতে
১. কেন সঠিক:
- বৈদ্যুতিক ঘণ্টা হলো এমন একটি যন্ত্র যা বিদ্যুৎ শক্তিকে সরাসরি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- যখন এর ভেতরে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, তখন তড়িৎ চুম্বক সক্রিয় হয়ে হাতুড়ি দিয়ে ধাতব পাত্রে আঘাত করে এবং শব্দ উৎপন্ন হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: শক্তির নিত্যতা সূত্র অনুযায়ী শক্তি ধ্বংস বা সৃষ্টি হয় না, কেবল এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তরিত হয়।
- কার্যপ্রণালি: বৈদ্যুতিক সুইচ চাপলে তড়িৎ প্রবাহের কারণে তড়িৎ চুম্বক তৈরি হয় যা দ্রুত যান্ত্রিক কম্পন সৃষ্টি করে শব্দ উৎপন্ন করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের ঘরের কলিং বেল বা স্কুলের বৈদ্যুতিক ঘণ্টা এই নীতিতে কাজ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঘরের কলিং বেল বা ডোরবেল।
ব্যাখ্যা: অতিথি এলে যখন সুইচ টেপা হয়, তখন বৈদ্যুতিক সংযোগ পেয়ে ঘণ্টাটি বেজে ওঠে এবং শব্দ শক্তি উৎপন্ন করে।
উদাহরণ ২: সাইকেলের বৈদ্যুতিক হর্ন।
ব্যাখ্যা: ব্যাটারির সাহায্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে এটি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত করে সতর্কবার্তা দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শব্দ শক্তিতে — এটি সঠিক উত্তর কারণ বৈদ্যুতিক ঘণ্টা প্রধানত শব্দ উৎপন্ন করার কাজে ব্যবহৃত হয়।
B) তাপ শক্তিতে — এটি ভুল কারণ বৈদ্যুতিক ঘণ্টার প্রধান কাজ তাপ উৎপাদন করা নয়, যদিও সামান্য তাপ অপচয় হতে পারে।
C) আলোক শক্তিতে — এটি ভুল কারণ বৈদ্যুতিক ঘণ্টা থেকে কোনো আলো নির্গত হয় না, আলো উৎপন্ন হয় বৈদ্যুতিক বাল্ব বা বাতিতে।
D) রাসায়নিক শক্তিতে — এটি ভুল কারণ রাসায়নিক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় ব্যাটারির ভেতরে, ঘণ্টার ক্ষেত্রে এর উল্টোটি ঘটে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ঘণ্টা বাজলেই শব্দ হয়, তাই বৈদ্যুতিক ঘণ্টার আউটপুট বা রূপান্তর সবসময় শব্দ শক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শক্তির রূপান্তরের এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- বৈদ্যুতিক মোটরে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়, এই তথ্যটিও মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) বুদ্ধি
১. কেন সঠিক:
কম্পিউটার একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র যা মানুষের দেওয়া নির্দেশনা বা প্রোগ্রাম অনুযায়ী কাজ করে।
এর নিজস্ব কোনো বিচারবুদ্ধি, চিন্তা করার ক্ষমতা বা কমনসেন্স নেই, তাই সঠিক উত্তর বুদ্ধি।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই যতই উন্নত হোক না কেন, কম্পিউটারের নিজস্ব জৈবিক মস্তিষ্ক বা চেতনা নেই।
কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার কেবল ইনপুট গ্রহণ করে এবং পূর্বনির্ধারিত অ্যালগরিদম বা সফটওয়эр অনুযায়ী তা প্রক্রিয়াজাত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্যালকুলেটর বা কম্পিউটার নিজে থেকে কখনো প্রশ্ন করতে পারে না যে আজ কোন অংকটি করব।
ব্যাখ্যা: এটি কেবল ব্যবহারকারীর নির্দেশ পালন করে, নিজের বুদ্ধিমত্তায় কিছু করে না।
উদাহরণ ২: দাবা খেলায় কম্পিউটার বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে হারাতে পারলেও সে জানে না সে দাবা খেলছে।
ব্যাখ্যা: এটি কেবল কোটি কোটি সম্ভাবনার হিসাব করে সেরা চালটি খুঁজে নেয় মাত্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দীর্ঘ সময় কাজ করার ক্ষমতা — কম্পিউটার ক্লান্ত বা অবসন্ন না হয়ে একটানা অনেক দিন কাজ করতে পারে।
B) নির্ভুল কাজ করার ক্ষমতা — কম্পিউটার সঠিকভাবে প্রদত্ত ডেটা প্রক্রিয়াজাত করে নির্ভুল ফলাফল দেয়।
C) স্মৃতি — কম্পিউটারের নিজস্ব মেমোরি বা স্টোরেজ আছে যেখানে ডেটা সংরক্ষণ করা যায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
কম্পিউটারের সবই আছে কেবল নিজের চিন্তা করার ক্ষমতা বা বুদ্ধি নেই।
কম্পিউটার হলো অত্যন্ত দ্রুতগতির এক অনুগত ভৃত্য মাত্র।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটারের জনক চার্লস ব্যাবেজ এবং প্রথম প্রোগ্রামার অ্যাডা লাভলেস।
কম্পিউটারের প্রধান সীমাবদ্ধতা হলো এর নিজস্ব কোনো বুদ্ধিমত্তা নেই।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)