সঠিক উত্তর: B) সংক্ষেপ করে
১. কেন সঠিক:
সমাস শব্দের আক্ষরিক অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ।
বাক্যে ব্যবহৃত একাধিক পদকে সংক্ষেপ করে একটি মাত্র পদে পরিণত করাই সমাসের মূল কাজ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
অর্থের সংগতি রক্ষা করে একাধিক পদের একপদীনিকরণ বা মিলনকে সমাস বলা হয়।
এর ফলে বাক্যের অপ্রয়োজনীয় দীর্ঘতা হ্রাস পায় এবং ভাষা সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন
ব্যাখ্যা: এখানে তিনটি পদ মিলে একটি সংক্ষিপ্ত ও শ্রুতিমধুর পদ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: তুষারের ন্যায় শুভ্র = তুষারশুভ্র
ব্যাখ্যা: এখানে একাধিক পদ সংকুচিত হয়ে একটি মাত্র বিশেষণ পদে রূপ নিয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাষা রূপ ক্ষুণ্ন করে — সমাস ভাষার রূপ নষ্ট করে না, বরং ভাষাকে আরও সুন্দর ও গতিশীল করে।
C) অর্থবোধক করে — সমাস পদকে সংক্ষেপ করলেও মূল অর্থবোধকতা ঠিক রাখে, তবে প্রধান কাজ সংক্ষেপ করা।
D) বিস্তৃত করে — সমাস পদের বিস্তার ঘটায় না, বরং একাধিক পদকে ছোট বা সংক্ষেপ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
সমাস শব্দের অর্থ সমসংক্ষেপ।
তাই মনে রাখবে সমাস মানেই ছোট করা বা সংক্ষেপ করা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাসের আক্ষরিক অর্থ প্রায়ই আসে।
সমাস ভাষাকে সংক্ষেপ করে এবং প্রত্যয় বা উপসর্গ নতুন শব্দ তৈরি করে।
সঠিক উত্তর: A) অব্যয়ীভাব
১. কেন সঠিক:
- পূর্বপদের অর্থে প্রধান্য এবং অব্যয় যোগে গঠিত পদের মাধ্যমে সমাস নিষ্পন্ন হলে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
- এখানে দিন শব্দের পুনরাবৃত্তি ঘটে সামীপ্য বা বিপ্সা অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস গঠিত হয়েছে যার ব্যাসবাক্য দিন দিন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যোগ হয় এবং অব্যয়ের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
- সাধারণত সামীপ্য, বিপ্সা, অভাব, পশ্চাৎ, ক্ষুদ্র ইত্যাদি অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়ে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্ষণে ক্ষণে = প্রতিক্ষণ
ব্যাখ্যা: এটি বিপ্সা বা পুনরাবৃত্তি অর্থে অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ঘরে ঘরে = প্রতিঘর
ব্যাখ্যা: পদের পুনরাবৃত্তি বুঝাতে অব্যয়ীভাব সমাসের মাধ্যমে এই শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অব্যয়ীভাব — এটি সঠিক উত্তর কারণ পূর্বপদের প্রভাবে অব্যয় পদ গঠিত হয়েছে।
B) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে যা এখানে অনুপস্থিত।
C) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে সমাহার বোঝায় যা এখানে নেই।
D) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে অন্য পদের অর্থ প্রকাশ পায় কিন্তু এখানে পদের পুনরাবৃত্তি ঘটেছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- একই শব্দের পুনরাবৃত্তি বা দিনে দিনে, দ্বারে দ্বারে জাতীয় শব্দ দেখলে সাধারণত অব্যয়ীভাব সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে।
- প্রতি বা আ উপসর্গ যোগেও অব্যয়ীভাব সমাস গঠিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় পদের পুনরাবৃত্তি ঘনীভূত সমাস প্রায়ই আসে।
- বিপ্সা অর্থে অব্যয়ীভাব সমাসের ব্যবহার খুব ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) প্রত্যয়
১. কেন সঠিক:
'সংশয়' শব্দের অর্থ সন্দেহ, অনিশ্চয়তা বা মন দ্বিধাগ্রস্ত থাকা। এর বিপরীতার্থক বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে 'প্রত্যয়' শব্দটি, যার অর্থ বিশ্বাস, দৃঢ় ধারণা বা আস্থা।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বা প্রায় বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ব্যাকরণে শব্দের অর্থগত বৈচিত্র্য বোঝাতে বিপরীত শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সংশয় কাটিয়ে জীবনে এগিয়ে যেতে হবে।
ব্যাখ্যা: এখানে সংশয় অর্থ অনিশ্চয়তা বা সন্দেহ বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: নিজের প্রতি দৃঢ় প্রত্যয় রাখো।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রত্যয় অর্থ বিশ্বাস বা আস্থা বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিস্ময় — বিস্ময় শব্দের অর্থ অবাক হওয়া বা তাজ্জব হওয়া, যা সংশয়ের বিপরীত নয়।
B) নির্ভয় — নির্ভয় শব্দের অর্থ ভয়হীন বা অভয়, যা মূলত ভয়ের বিপরীতার্থক শব্দ।
C) দ্বিধা — দ্বিধা শব্দের অর্থ সংশয় বা সন্দেহ, যা সংশয়ের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) প্রত্যয় — প্রত্যয় শব্দের অর্থ বিশ্বাস বা আস্থা, যা সংশয়ের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
সংশয় মানে মনের ভেতর সন্দেহ বা প্রশ্ন থাকা এবং প্রত্যয় মানে মনের ভেতর বিশ্বাস বা প্রত্যয় থাকা। সন্দেহ দূর হলে বিশ্বাস জন্মায়, তাই সংশয়ের বিপরীত প্রত্যয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। তাই প্রমিত বাংলা শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে বিপরীত শব্দগুলো অর্থসহ চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) নব + উঢ়া
১. কেন সঠিক:
- 'নবূঢ়া' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো নব + উঢ়া। এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুসারে সাধিত হয়েছে।
- এখানে পূর্বপদের শেষ ধ্বনি অ এবং পরপদের প্রথম ধ্বনি উ মিলে ও কার হয়েছে এবং তা পূর্ববর্তী বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- অ বা আ কারের পর উ বা ঊ কার থাকলে উভয় মিলে ও কার হয় এবং তা যুক্তবর্ণের ওপর বসে।
- এই নিয়মে নব শব্দের শেষ অ এবং উঢ়া শব্দের প্রথম উ মিলে ও কার গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য + উদয় = সূর্যোদয়
ব্যাখ্যা: পূর্বপদের অ এবং পরপদের উ মিলে ও কার হয়েছে।
উদাহরণ ২: মহা + উদয় = মহোদয়
ব্যাখ্যা: পূর্বপদের আ এবং পরপদের উ মিলে ও কার হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নব + উঢ়া - এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কারণ এর নিয়ম ও অর্থ সম্পূর্ণ নির্ভুল।
B) নব + উর - উর কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ নয় এবং এর দ্বারা কাঙ্ক্ষিত ও কার উৎপন্ন হয় না।
C) নব + উরা - উরা কোনো প্রমিত শব্দ নয় এবং সন্ধির নিয়মের সঙ্গে মেলে না।
D) নবৌ + উঢ়া - নবৌ কোনো মূল শব্দ নয়, তাই এটি ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ও কার বা ঔ কার যুক্ত সন্ধির ক্ষেত্রে অ বা আ এর সঙ্গে উ বা ঊ যোগ করলে ও কার হয়। নবূঢ়া শব্দটির ক্ষেত্রে নব এর সঙ্গে উঢ়া যোগ করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বরসন্ধির এই নিয়মটি প্রায়ই আসে। বিশেষ করে ব্যতিক্রমী শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ধরি মাছ না ছুঁই পানি
১. কেন সঠিক:
- 'ধরি মাছ না ছুঁই পানি' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার অর্থ কৌশলে কার্যউদ্ধার করা বা কোনো রকম ঝুঁকি না নিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করা।
- এখানে মাছ ধরার মতো কঠিন কাজটি করার কথা বলা হলেও পানি না ছুঁয়ে অর্থাৎ কোনো ঝামেলায় না জড়িয়ে বা হাত না ভিজিয়ে কাজটি সম্পন্ন করার চতুর কৌশল বোঝানো হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি বিশেষ বাগধারা বা প্রবাদ-প্রবচন, যা কোনো শব্দের সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে বিশেষ বা লক্ষণার্থ প্রকাশ করে।
- এই ধরনের বাক্যাংশ বা শব্দগুচ্ছ বাক্যকে আকর্ষণীয় করে তোলে এবং মানুষের আচার-আচরণ বা স্বভাবের বিশেষ বৈশিষ্ট্য ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাজনীতিতে টিকে থাকতে হলে অনেক সময় ধরি মাছ না ছুঁই পানি নীতিতে চলতে হয়।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে কোনো প্রকার ঝুঁকি না নিয়ে খুব সাবধানে নিজের উদ্দেশ্য সফল করার কৌশল বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: সে কাউকে চট না করে ধরি মাছ না ছুঁই পানি কৌশলে নিজের কাজটি করিয়ে নিল।
ব্যাখ্যা: এখানে কারোর সাথে ঝামেলায় না জড়িয়ে অত্যন্ত চতুরতার সাথে কার্যসিদ্ধির অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া — এই বাগধারার অর্থ অসম্ভব বস্তু লাভ করা, যা কৌশলে কার্যউদ্ধার করার সমার্থক নয়।
B) এক ক্ষুরে মাথা মোড়ানো — এই বাগধারার অর্থ সবাইকে এক পর্যায়ে ফেলা বা একই রকম বিপদে ফেলা, যা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
C) ধরি মাছ না ছুঁই পানি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) গাছে তুলে মই কাড়া — এই বাগধারার অর্থ সহায়তার আশা দিয়ে বিপদে ফেলা, যা কৌশলে কার্যউদ্ধার বোঝায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মাছ ধরতে গেলে সাধারণত হাত ভিজে যায় বা পানি ছুঁতে হয়, কিন্তু পানি না ছুঁয়ে মাছ ধরার অর্থ হলো কোনো ঝুঁকি বা ঝামেলা ছাড়াই চতুরতার সাথে কাজ হাসিল করা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার সঠিক অর্থ নির্ণয়ের জন্য শব্দের আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা লক্ষণার্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) অক্লান্তকর্মী
১. কেন সঠিক:
- 'কর্মের যার ক্লান্তি নাই' এই বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো অক্লান্তকর্মী।
- এখানে ক্লান্তি নেই যার অর্থাৎ অক্লান্ত এবং কর্মে ক্লান্তি নেই যিনি অর্থাৎ অক্লান্তকর্মী, যা সামগ্রिक অর্থে এই বাক্যটিকে প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ।
- বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে বাক্য সংকোচন বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভাবার বিষয় নয় যা — ভাবনীতীত
ব্যাখ্যা: এটি একটি জটিল ভাবকে সংক্ষিপ্ত করে এককথায় প্রকাশ করার চমৎকার উদাহরণ।
উদাহরণ ২: পরিভ্রমণ করতে ইচ্ছুক যে — পরিভ্রমী
ব্যাখ্যা: কোনো বিশেষ গুণের অধিকারী ব্যক্তিকে এক শব্দে প্রকাশ করার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্লান্তিহীন — এটি শুধু ক্লান্তি না থাকাকে বোঝায়, কিন্তু কর্মের সঙ্গে এর সরাসরি সংযোগ নেই।
B) অক্লান্ত — এর অর্থ যার ক্লান্তি নাই, কিন্তু এটি সরাসরি কর্মী বা কাজের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিকে সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করে না।
D) অবিশ্রাম — এর অর্থ যা থেমে থাকে না বা নিরবচ্ছিন্ন, যা মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বাক্যের মধ্যে কর্মী বা কাজ শব্দ থাকলে এককথায় প্রকাশের সময় কর্মী যুক্ত শব্দ নির্বাচন করতে হবে।
- ক্লান্তি নাই যার মানে অক্লান্ত এবং কর্মে ক্লান্তি নাই মানে অক্লান্তকর্মী, এই পার্থক্যটি খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই মূল শব্দের অর্থ বুঝতে হবে।
- এই ধরনের প্রশ্নে সামান্য শব্দের পার্থক্যের কারণে উত্তর পরিবর্তিত হতে পারে, তাই পুরো বাক্যাংশ মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
- শেষের কবিতা একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস যার রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত একটি কাব্যধর্মী আধুনিক উপন্যাস।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী একচ্ছত্র অধিপতি ও বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক।
- শেষের কবিতা উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো অমিত রায় ও লাবণ্য এবং এর একটি বিখ্যাত প্রীতিবাক্য হলো হে মোর দুর্ভাগা দেশ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গোরা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও দীর্ঘ সামাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা আরেকটি মনস্তাত্ত্বিক ও পারিবারিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি প্রধানত কবিতা ও গান রচনার জন্য বিখ্যাত।
B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক, যার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে দুর্গেশনন্দিনী ও কপালকুন্ডলা অন্যতম।
C) কাজী আনোয়ার হোসেন — তিনি আধুনিক জনপ্রিয় সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার এবং জনপ্রিয় মাসুদ রানা সিরিজের স্রষ্টা।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি শেষের কবিতা উপন্যাসের রচয়িতা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ বা শেষের দিকের একটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো শেষের কবিতা।
- শেষের কবিতা উপন্যাসের নামের মধ্যে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি মূলত একটি আধুনিক উপন্যাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস, বিশেষ করে শেষের কবিতা ও যোগাযোগের প্রকাশকাল প্রায়ই আসে।
- উপন্যাসটি কবে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এর মূল চরিত্র কারা, তা মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) ইতি + আদি
১. কেন সঠিক:
- ইতি শব্দের শেষের ই কার এবং আদি শব্দের শুরুর আ মিলে ই এবং আ এর স্থানে য ফলা যুক্ত হয়েছে। এটি স্বরসন্ধির একটি অতি পরিচিত নিয়ম এবং ধ্বনির পরিবর্তনের ফলে শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- ইত্যাদি শব্দের অর্থ এইরকম আরও অনেক বা প্রভৃতি, যা কোনো তালিকার শেষে ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- ই বা ঈ কারের পর ই বা ঈ ভিন্ন অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে ই বা ঈ এর স্থানে য এবং উ বা ঊ কারের পর উ বা ঊ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি থাকলে উ বা ঊ এর স্থানে ব হয়। এটি য ফলা ও ব ফলা জলার সন্ধির নিয়ম।
- এখানে ইতি শব্দের ই এবং আদি শব্দের আ যুক্ত হয়ে য ফলা তৈরি করেছে এবং ত এর সঙ্গে য ফলা যুক্ত হয়ে ত্যা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যদি + অপি = যদ্যপি
ব্যাখ্যা: ইতি + আদি এর মতোই এখানে য ফলা যুক্ত হওয়ার নিয়মে যদ্যপি শব্দটি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: প্রতি + এক = প্রত্যেক
ব্যাখ্যা: ই কারের পর এ কার যুক্ত হয়ে এখানে এ কার বা এককার যোগ হয়েছে, যা স্বরসন্ধির নিয়মের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইতি + আদি — এটি সঠিক কারণ নিয়ম অনুযায়ী ই এবং আ মিলে য ফলা গঠন করেছে এবং সঠিক শব্দ তৈরি হয়েছে।
B) ইতি + ঈ — এখানে দ্বিতীয় শব্দটিতে দীর্ঘ ঈ ব্যবহার করা হয়েছে, যা আদি শব্দের মূল বানান ও অর্থের সঙ্গে মেলে না।
C) ইতি + আদী — এখানে আদী শব্দটিতে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) ইতী + আদি — এখানে ইতি শব্দের ই কার দীর্ঘ ঈ কার দিয়ে লেখা হয়েছে, যা ভুল বানানের অন্তর্ভুক্ত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইত্যাদি শব্দটি ভাঙলে প্রথমে ইতি এবং পরে আদি লিখতে হয় মনে রাখতে হবে।
- ই কারের পরে স্বরধ্বনি থাকলে য ফলা হয় এই সূত্রটি মাথায় রাখলে এই ধরনের সন্ধি সহজে মেলানো যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের স্বরসন্ধি প্রায়ই আসে।
- প্রতি + এক সমান প্রত্যেক অথবা নদী + অম্বু সমান নদ্যম্বু এই নিয়মগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে পরীক্ষায় কমন পাওয়া সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) আমি, তুমি ও সে
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সর্বনাম পদের ক্ষেত্রে পুরুষবাচক বিন্যাসে প্রথম পুরুষ, দ্বিতীয় পুরুষ এবং তৃতীয় পুরুষ একত্রে ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলা ব্যাকরণের নির্দিষ্ট ক্রম অনুসরণ করতে হয়।
- 'আমরা' শব্দটি বহুবচন বোঝায় এবং এর ব্যাসবাক্য করতে হলে উত্তম পুরুষ (আমি), মধ্যম পুরুষ (তুমি) এবং প্রথম পুরুষ (সে)-এর সমষ্টি বোঝাতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পদ ও পদ প্রকরণ এবং সর্বনাম পদের নিয়ম অনুযায়ী বাংলা ভাষায় পুরুষবাচক শব্দের ক্রমানুসারে উত্তম পুরুষ প্রথমে, মধ্যম পুরুষ মাঝে এবং প্রথম পুরুষ শেষে বসে।
- বহুবচন গঠনে আমি, তুমি ও সে মিলে 'আমরা' সর্বনাম পদটি গঠিত হয় যা বক্তা ও তার সঙ্গীদের একত্রে প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তুমি, সে ও আমি মিলে কাজটি করেছি।
ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে বাংলা ব্যাকরণের প্রমিত পুরুষ বিন্যাস সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: তোমরা এর সঠিক ব্যাসবাক্য হলো তুমি ও সে।
ব্যাখ্যা: মধ্যম পুরুষ ও প্রথম পুরুষ মিলে 'তোমরা' বহুবচন গঠিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমি, সে ও তুমি — এই বিন্যাসে মধ্যম ও প্রথম পুরুষের ক্রম সঠিক নয় কারণ ব্যাকরণ অনুযায়ী তুমি আগে এবং সে পরে বসে।
B) আমি, তুমি ও সে — এটি সঠিক উত্তর।
C) তুমি, সে ও আমি — এই বিন্যাসে উত্তম পুরুষকে সবার শেষে রাখা হয়েছে যা বাংলা ব্যাকরণের নিয়মের পরিপন্থী।
D) সে, তুমি ও আমি — এই বিন্যাসে প্রথম ও মধ্যম পুরুষকে প্রথমে রেখে উত্তম পুরুষকে শেষে দেওয়া হয়েছে যা ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পুরুষ বিন্যাসের ক্ষেত্রে মনে রাখবে উত্তম পুরুষ (আমি) সবার আগে, মধ্যম পুরুষ (তুমি) মাঝে এবং প্রথম পুরুষ (সে) সবার শেষে বসে।
- আমি + তুমি + সে = আমরা, এই সূত্রটি মনে রাখলে পরীক্ষাও ভুল হবে না।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সর্বনাম পদের ব্যাসবাক্য প্রায়ই আসে।
- পদ প্রকরণের এই সাধারণ নিয়মটি আয়ত্ত করলে সমাস ও বাক্য রূপান্তরের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) আব্দুল গাফফার চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো, অমর একুশে ফেব্রুয়ারি স্মরণে রচিত কালজয়ী 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির গীতিকার বা রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও কলামিস্ট আব্দুল গাফফার চৌধুরী।
- বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই গানটি বাঙালি জাতির জাতীয় চেতনার উন্মেষ ঘটাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক গান ও ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে নিহত শহীদদের স্মরণে প্রথমে এটি একটি কবিতা হিসেবে রচিত হয় এবং পরবর্তী সময়ে এটি গানে রূপ নেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'তোমরা ভুলো না মোಡারে'
ব্যাখ্যা: এটিও ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি বিখ্যাত গান, যা সে সময়ের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বহন করে।
উদাহরণ ২: 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই'
ব্যাখ্যা: এটি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান স্লোগান যা তৎকালীন বাঙালির অধিকার আদায়ের লড়াইকে ফুটিয়ে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলতাফ মাহমুদ — ইনি এই গানটির প্রথম সুরকার, তবে গানের রচয়িতা নন।
B) আব্দুল রফিক চৌধুরী — ইনি এই গানের সঙ্গে যুক্ত কোনো বিশিষ্ট রচয়িতা বা সুরকার নন।
C) আব্দুল গাফফার চৌধুরী — ইনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং গানটির রচয়িতা।
D) আব্দুল লতিফ — ইনি ভাষা আন্দোলনের আরেকটি বিখ্যাত 'ও আমার দেশের মাটি' কিংবা 'تora deshe deshe' গোত্রীয় গানের সঙ্গে যুক্ত বিশিষ্ট গীতিকার হলেও এই গানের রচয়িতা নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গান লিখেছেন গাফফার (গ দিয়ে গাফফার, গ দিয়ে গান) এবং সুর দিয়েছেন আলতাফ, এই কৌশলটি মনে রাখলে আর ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভাষা আন্দোলনভিত্তিক যেকোনো গান বা কবিতার রচয়িতা এবং সুরকার আলাদাভাবে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
- অনেক সময় রচয়িতা এবং সুরকারের নাম গুলিয়ে ফেলার সম্ভাবনা থাকে, তাই উভয় নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সমক্ষ
১. কেন সঠিক:
- 'অক্ষির সমীপে' বাক্যটির এককথায় প্রকাশ হলো 'সমক্ষ'। এখানে 'অক্ষি' শব্দের অর্থ চোখ বা চক্ষু এবং 'সমীপ' শব্দের অর্থ নিকট বা সামনে।
- চোখের সামনে বা দৃষ্টির গোচরে যা অবস্থিত, তাকে ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এককথায় সমক্ষ বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়ম ব্যবহার করা হয়।
- সমাস বা প্রত্যয়ের নিয়মের মতো বাক্য সংকোচন ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষিপ্ত ও জোরালো করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অক্ষির সমক্ষে বর্তমান
ব্যাখ্যা: এই বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো প্রত্যক্ষ, যা চোখের সামনে উপস্থিত কোনো কিছুকে বোঝায়।
উদাহরণ ২: অক্ষির অগোচরে
ব্যাখ্যা: এই বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো পরোক্ষ, যা চোখের আড়ালে বা সামনে উপস্থিত নেই এমন কিছুকে বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমক্ষ — এটি সঠিক উত্তর এবং 'অক্ষির সমীপে' এর এককথায় প্রকাশিত রূপ।
B) পরোক্ষ — এই শব্দটির অর্থ যা চোখের সামনে নেই বা অগোচরে ঘটে, তাই এটি সঠিক নয়।
C) প্রত্যক্ষ — এই শব্দটির অর্থ যা অক্ষির সামনে বা সমক্ষে বর্তমান, তাই এটি সরাসরি মূল প্রশ্নকে প্রকাশ করে না।
D) নিরপেক্ষ — এই শব্দটির অর্থ কোনো পক্ষের দিকে না ঝুঁকে থাকা বা উদাসীন থাকা, যার সঙ্গে অক্ষির কোনো সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অ দিয়ে শুরু অক্ষি এবং সমীপ শব্দ দুটি থেকে সমক্ষ শব্দটি মনে রাখা সহজ। অক্ষি থেকে স এবং সমীপে থেকে মক্ষ নিয়ে সমক্ষ গঠিত হয়েছে এভাবে ভাবলে ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। চক্ষু বা অক্ষি সংক্রান্ত শব্দগুলো যেমন সমক্ষ, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে, তাই এদের অর্থ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: A) his
কেন সঠিক:
- Everyone indefinite pronoun টি singular হওয়ায় এর পরবর্তী possessive pronoun হিসেবে traditionally masculine gender-কে নির্দেশ করে singular pronoun (his) ব্যবহৃত হয়।
- প্রথাগত ইংরেজি ব্যাকরণে সাধারণ বা অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বোঝাতে Everyone এর পরে his ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) his — এটি সঠিক কারণ Everyone singular হওয়ায় এখানে his ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে অনুমোদিত।
B) one's — এটি one pronoun-এর possessive form, তাই Everyone-এর সাথে সরাসরি বসে না।
C) own — এটি একটি adjective, যা possessive pronoun-এর কাজ একা করতে পারে না।
D) their — Everyone দেখতে singular হলেও আধুনিক ব্যবহারে their অনেক সময় আসে, তবে ঐতিহ্যগত পরীক্ষায় A অপশনটিই বেশি গ্রহণযোগ্য।
মনে রাখার টিপস:
Everyone বা Everybody জাতীয় indefinite pronoun বাক্যের শুরুতে থাকলে সাধারণত singular হিসেবে গণ্য হয় এবং possessive হিসেবে his ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) Honesty is the best policy.
কেন সঠিক:
- এটি একটি বহুল প্রচলিত চিরন্তন সত্য প্রবাদ বাক্য।
- প্রবাদটির সঠিক বাংলা অনুবাদ ও ইংরেজি রূপ হিসেবে 'policy' শব্দটি নির্ধারিত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Honesty is the best virtue. — 'virtue' শব্দের অর্থ গুণ, যা প্রবাদের নির্ধারিত শব্দ কাঠামোর সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
B) Honesty is the best way. — 'way' শব্দের অর্থ পথ হলেও এই প্রবাদে এই শব্দের প্রচলিত ব্যবহার নেই।
C) Honesty is the well way. — এই বাক্যটির ইংরেজি ব্যাকরণগত গঠন সঠিক নয় এবং এটি কোনো প্রবাদ নয়।
D) Honesty is the best policy. — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত প্রবাদ বাক্য যার অর্থ সততা সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা।
মনে রাখার টিপস:
সততা সম্পর্কিত এই প্রবাদের শেষে সবসময় 'policy' শব্দটি বসে, তাই অন্য শব্দযুক্ত অপশনগুলো বাদ দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) Popularize
কেন সঠিক:
- Popular শব্দটি একটি Adjective যার সাথে ize প্রত্যয় যোগ করে Verb এ রূপান্তর করা হয়েছে।
- Popularize শব্দের অর্থ জনপ্রিয় করে তোলা, যা বাক্যে Verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Popular — এটি একটি Adjective, যার অর্থ জনপ্রিয় এবং এটি মূল শব্দ নিজেই।
B) Populary — এটি ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো সঠিক বা গ্রহণযোগ্য শব্দ নয়।
D) Popularity — এর শেষে ty যুক্ত থাকায় এটি একটি Noun, যার অর্থ জনপ্রিয়তা।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে ize বা fy দেখলে সাধারণত তা Verb হয়, যেমন Popular থেকে Popularize।
সঠিক উত্তর: C) Dauntless
কেন সঠিক:
- Valiant শব্দটির অর্থ বীর বা সাহসী।
- Dauntless শব্দটির অর্থ নির্ভীক বা সাহসী, যা Valiant শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Craven — এর অর্থ কাপুরুষ বা ভীতু, যা Valiant শব্দের বিপরীত।
B) Fearful — এর অর্থ ভয়াতুর বা আতঙ্কিত, যা Valiant শব্দের বিপরীত।
C) Dauntless — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ নির্ভীক বা সাহসী।
D) Oscillate — এর অর্থ দোদুল্যমান হওয়া বা একবার ডানে একবার বামে যাওয়া, যা সাহসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Valiant শব্দটির শুরুতে V আছে যার সঙ্গে Victory বা বিজয়ের মিল পাওয়া যায় এবং বিজয়ী হতে হলে Dauntless বা নির্ভীক হতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Aggravate grief
কেন সঠিক:
- Console শব্দের অর্থ সান্ত্বনা দেওয়া বা দুঃখ লাঘব করা।
- Aggravate grief শব্দের অর্থ দুঃখ বাড়িয়ে দেওয়া বা কষ্ট তীব্র করা, যা Console শব্দের বিপরীতার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Pretend sympathy — এর অর্থ সহানুভূতি দেখানো যা Console শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু বিপরীত নয়।
B) Betray — এর অর্থ বিশ্বাসঘাতকতা করা যা সান্ত্বনা দেওয়ার বিপরীত নয়।
D) Vilify — এর অর্থ কুৎসা রটানো বা অবমাননা করা যা সরাসরি দুঃখ বাড়ানোর সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Console মানে সান্ত্বনা দিয়ে দুঃখ কমানো আর Aggravate grief মানে কষ্ট বা দুঃখ বাড়িয়ে দেওয়া।
সঠিক উত্তর: A) Conjunction
কেন সঠিক:
- 'He is poor' এবং 'He is honest' এই দুটি স্বাধীন ক্লজ বা বাক্যংশকে যুক্ত করেছে 'but' শব্দটি।
- দুটি ভিন্নধর্মী বা বিপরীত ভাবপ্রকাশক বাক্যংশকে যুক্ত করায় এটি Conjunction হিসেবে কাজ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Conjunction — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দুটি ক্লজকে যুক্ত করেছে।
B) Preposition — এটি nouns বা pronouns এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক বোঝায়, যা এখানে ঘটেনি।
C) Interjection — এটি মনের হঠাৎ আবেগ প্রকাশ করে, যা এই বাক্যে নেই।
D) Adverb — এটি verb, adjective বা অন্য adverb কে modify করে, যা এখানে কাজ করছে না।
মনে রাখার টিপস:
দুই বা ততোধিক শব্দ, বাক্যাংশ বা ক্লজকে যুক্ত করার কাজ যার, সেই হলো Conjunction.
সঠিক উত্তর: A) Psychology
কেন সঠিক:
- শব্দটির শুরুতেই 'Psycho' অংশটির সঠিক বানান ব্যবহৃত হয়েছে, যার অর্থ মন বা মানসিক।
- চিকিৎসা বিজ্ঞান ও মনোবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এই প্রমিত বানানটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Psychology — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত রূপ।
B) Psichology — 'i' বর্ণ ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে।
C) Phechology — 'Phe' বর্ণ ব্যবহারের কারণে বানানটি সম্পূর্ণ অশুদ্ধ।
D) Phychology — 'Phy' বর্ণ ব্যবহারের কারণে এই বানানটি অগ্রহণযোগ্য।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে শব্দটিকে ভেঙে পি-এস-ওয়াই (Psy) সি-এইচ-ও (cho) এল-ও-জি-ওয়াই (logy) এভাবে উচ্চারণ করে শিখতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) a
কেন সঠিক:
- university শব্দটি ভাওয়েল দিয়ে শুরু হলেও এর উচ্চারণ বাংলা ইউ (Y) এর মতো হয়।
- উচ্চারণ consonant এর মতো হওয়ায় এর পূর্বে an না বসে a বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a — এটি সঠিক উত্তর কারণ consonant উচ্চারণের নিয়ম অনুযায়ী এখানে a বসবে।
B) an — এটি ভুল কারণ university শব্দের শুরুতে ভাওয়েল থাকলেও তার উচ্চারণ ইউ এর মতো।
C) the — এটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট করে কোনো বিশেষ university বোঝানো হয়নি।
D) none — এটি ভুল কারণ শূন্যস্থানে article a বসানো বাধ্যতামূলক।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দের শুরুতে ভাওয়েল (A, E, I, O, U) থাকলেও যদি তার উচ্চারণ ইউ (Y) এর মতো হয়, তবে তার পূর্বে an না বসে a বসে।
সঠিক উত্তর: D) Latif is senior to me by three years.
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী senior শব্দের পরে than না বসে সবসময় preposition হিসেবে to বসে।
- বয়স বা বয়োজ্যেষ্ঠতা বোঝাতে senior to এর পর নির্দিষ্ট ব্যবধান প্রকাশ করতে by preposition ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Latif is three years older than me. — যদিও অর্থ সঠিক, কিন্তু বয়স বোঝাতে senior to এর ব্যবহার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অধিক গ্রহণযোগ্য।
B) Latif is more aged than me by three years — more aged গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে অসিদ্ধ এবং অপ্রাকৃতিক ইংরেজি।
C) Latif is senior than me by three years. — senior শব্দের পরে than ব্যবহার করা সম্পূর্ণ ব্যাকরণগত ভুল।
D) Latif is senior to me by three years. — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি অনুবাদ।
মনে রাখার টিপস:
Junior, senior, superior এবং inferior শব্দের পরে সবসময় to বসে, than বসে না।
সঠিক উত্তর: B) Time and tide wait for none.
কেন সঠিক:
- 'Time and tide' একটি প্রবাদপ্রতীম জোড়া শব্দ (Idiomatic Pair), যা সাধারণত প্লুরাল সাবজেক্ট হিসেবে গণ্য হয়।
- প্রবাদের ঐতিহ্যগত ও ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী এর সঙ্গে প্লুরাল ভার্ব 'wait' এবং প্রিপজিশনাল ফ্রেজ 'for none' ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Time and tide does not wait for anyone. — 'Time and tide' প্লুরাল হওয়ায় এখানে singular verb 'does not' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) Time and tide wait for none. — এটি প্রবাদের সঠিক রূপ এবং এর ব্যাকরণগত গঠন সম্পূর্ণরূপে নির্ভুল।
C) Time and tide do not wait for anyone. — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও এটি প্রবাদের প্রচলিত ও প্রমিত রূপ নয়।
D) Time and tide waits for none. — 'Time and tide' প্লুরাল সাবজেক্ট হওয়ায় এর সঙ্গে singular verb 'waits' বসানো ভুল।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদের ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন করা যায় না, তাই মনে রাখবেন চিরন্তন সত্য এই প্রবাদটি সর্বদা 'Time and tide wait for none' এভাবেই ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: D) 1966
কেন সঠিক:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করেন।
- বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে পরিচিত এই ছয় দফা আন্দোলন আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৬৬ সালেই শুরু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1962 — এই সালে বাংলাদেশে শিক্ষা কমিশনবিরোধী আন্দোলন হয়েছিল, ছয় দফা আন্দোলন নয়।
B) 1969 — এটি ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সাল, ছয় দফা আন্দোলনের শুরুর সাল নয়।
C) 1965 — এই সালে পাক-ভারত যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, ছয় দফা আন্দোলনের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
D) 1966 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই ঐতিহাসিক ছয় দফা পেশ ও আন্দোলন শুরু হয়।
মনে রাখার টিপস:
ছয় দফা মানে ছয়টি দাবি এবং এর সালটি ছয় দিয়ে শেষ হয় অর্থাৎ ১৯৬৬ সাল।
সঠিক উত্তর: B) বঙ্গমাতা
কেন সঠিক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবকে শ্রদ্ধার সঙ্গে বঙ্গমাতা উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রাম ও স্বাধীনতাযুদ্ধে তাঁর অসামান্য অবদান এবং নেপথ্য ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই বিশেষ উপাধি দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্গজননী — এটি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা ঐতিহাসিক উপাধি নয়, যা সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হলেও তাঁর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) বঙ্গজায়া — শব্দটির অর্থ বাংলার স্ত্রী বা জায়া হলেও এটি তাঁর জন্য নির্ধারিত কোনো ঐতিহাসিক উপাধি বা নাম নয়।
D) বঙ্গমায়া — এটি একটি কাল্পনিক বা ভুল শব্দ, যার সঙ্গে তাঁর নামের কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধু নামের সঙ্গে মিল রেখে তাঁর সহধর্মিণীকে সম্মানসূচক বঙ্গমাতা উপাধিতে ডাকা হয়।
সঠিক উত্তর: D) দিনাজপুর
কেন সঠিক:
- দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়ায় দেশের একমাত্র কয়লা খনি অবস্থিত এবং এখান থেকেই বাণিজ্যিকভাবে সর্বাধিক কয়লা উত্তোলন করা হয়।
- ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের এই জেলায় খনিজ কয়লার প্রধান মজুত ও উৎপাদন ক্ষেত্র রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বগুড়া — এই জেলায় গ্যাস ও অন্যান্য খনিজ পাওয়া গেলেও এটি প্রধান কয়লা উৎপাদনকারী অঞ্চল নয়।
B) সিলেট — সিলেট মূলত প্রাকৃতিক গ্যাস, চা এবং চুনাপাথরের জন্য পরিচিত, কোনো কয়লা খনি নেই।
সি) রংপুর — রংপুর অঞ্চলে কয়লার সন্ধান মিললেও তা দিনাজপুরের মতো বাণিজ্যিকভাবে সর্বাধিক উৎপাদনের জন্য পরিচিত নয়।
D) দিনাজপুর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ এখান থেকেই সবচেয়ে বেশি কয়লা উৎপাদিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির নাম মনে রাখলে খুব সহজেই এই প্রশ্নের উত্তর মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) কাবাডি
কেন সঠিক:
- কাবাডি বাংলাদেশের জাতীয় খেলা এবং এটি গ্রামীণ জনপদে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ঐতিহ্যবাহী খেলা।
- ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হিসেবে কাবাডি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফুটবল — এটি দেশের অন্যতম জনপ্রিয় খেলা হলেও জাতীয় খেলার মর্যাদা পায়নি।
B) ক্রিকেট — বর্তমানে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বাণিজ্যিকভাবে সফল খেলা হলেও এটি জাতীয় খেলা নয়।
C) সাঁতার — এটি একটি জনপ্রিয় ক্রীড়া ইভেন্ট হলেও বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হিসেবে নির্ধারিত নয়।
D) কাবাডি — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক এবং এটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত জাতীয় খেলা।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই ১৯৭২ সালে হাডুডু বা কাবাডি খেলাকে জাতীয় খেলার মর্যাদা দেওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: C) শেখ মুজিবুর রহমান
কেন সঠিক:
- এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- ২০১২ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থে তাঁর রাজনৈতিক জীবন, সংগ্রাম এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা দিক উঠে এসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তাজুদ্দীন আহমেদ — তিনি বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় নেতা হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
B) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হলেও এই গ্রন্থের লেখক নন।
C) শেখ মুজিবুর রহমান — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি এই ঐতিহাসিক গ্রন্থের রচয়িতা।
D) জাহানারা ইমাম — তিনি 'একাত্তরের দিনগুলি' গ্রন্থের লেখক, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর প্রথম আত্মজীবনী মানেই 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী'।
সঠিক উত্তর: C) সাকিব আল হাসান
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাকিব আল হাসান বর্তমান টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার হিসেবে তার অভিজ্ঞতাই তাকে এই পদে সবচেয়ে যোগ্য করে তুলেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তামিম ইকবাল — তিনি বর্তমানে দলের নিয়মিত সদস্য হলেও টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্বে নেই।
B) মুশফিকুর রহিম — তিনি পূর্বে টেস্ট অধিনায়ক ছিলেন, তবে বর্তমানে এই দায়িত্বে নেই।
D) মোমিনুল হক — তিনি পূর্বে টেস্ট অধিনায়কত্ব থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ টেস্ট দলের বর্তমান অধিনায়ক কে, তা মনে রাখতে বর্তমান বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের নামটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) মিউ
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটিতে একটি ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে। মূল প্রশ্নে সঠিক উত্তর C) মিউ বলা হলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী মিউ (Mu) একটি ভ্যারিয়েন্ট ছিল। তবে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কোনটি করোনা ভাইরাসের ভ্যারিয়েন্ট নয়, তা নির্ধারণ করতে হবে। আসলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তালিকাভুক্ত প্রধান ভ্যারিয়েন্টগুলোর মধ্যে জিটা (Zeta), ওমিক্রন (Omicron), মিউ (Mu) এবং ডেল্টা (Delta) সবই করোনা ভাইরাসের ভ্যারিয়েন্ট হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার এই নির্দিষ্ট প্রশ্নে কিছুটা বিভ্রান্তি থাকতে পারে, তবে মিউ ভ্যারিয়েন্টটি ২০২১ সালের আগস্ট মাসে প্রথম শনাক্ত হয়েছিল।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: করোনা ভাইরাস বা সার্স-কোভ-টু ভাইরাসটি সময়ের সাথে মিউটেশনের মাধ্যমে নতুন রূপ বা ভ্যারিয়েন্ট ধারণ করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এসব ভ্যারিয়েন্টকে উদ্বেগের বিষয় এবং নজরদারির বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করতে গ্রিক বর্ণমালা ব্যবহার করে নামকরণ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট
ব্যাখ্যা: এটি ভারতে প্রথম শনাক্ত হয়েছিল এবং অত্যন্ত দ্রুত ছড়ানোর ক্ষমতা সম্পন্ন একটি প্রধান ভ্যারিয়েন্ট ছিল।
উদাহরণ ২: ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট
ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত হয় এবং বিশ্বজুড়ে দ্রুত সংক্রমণ ছড়ানোর জন্য পরিচিত একটি ভ্যারিয়েন্ট।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জিটা — এটি করোনা ভাইরাসের একটি ভ্যারিয়েন্ট যা প্রথম ব্রাজিলে শনাক্ত হয়েছিল এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নজরদারির তালিকায় ছিল।
B) ওমিক্রম — এটি আসলে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টকে বোঝায়, যা করোনা ভাইরাসের একটি অতি সংক্রামক প্রধান ভ্যারিয়েন্ট।
C) মিউ — এটি করোনা ভাইরাসের একটি ভ্যারিয়েন্ট যা কলম্বিয়ায় প্রথম শনাক্ত হয়েছিল এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তালিকায় স্থান পেয়েছিল।
D) ডেল্টা — এটি করোনা ভাইরাসের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও শক্তিশালী ভ্যারিয়েন্ট যা বিশ্বজুড়ে মহামারি ছড়িয়েছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
করোনা ভাইরাসের ভ্যারিয়েন্টগুলোর নাম মনে রাখতে গ্রিক বর্ণমালা যেমন আলফা, বিটা, গামা, ডেল্টা, ওমিক্রন ক্রমানুসারে মনে রাখতে পারো। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বৈজ্ঞানিক নামের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জন্য এই গ্রিক নামগুলো ব্যবহার করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা ভাইরাসের ভ্যারিয়েন্টগুলোকে প্রধানত ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন এবং ভ্যারিয়েন্ট অব ইন্টারেস্ট এই দুই ভাগে ভাগ করে থাকে। এই টপিক থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে কোন ভ্যারিয়েন্টটি কোন দেশে প্রথম শনাক্ত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: D) কোনোটি নয়
১. কেন সঠিক:
কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকর সফটওয়্যার বা ম্যালওয়্যার যা জৈবিক কোনো ভাইরাস নয়। এটি মানবদেহ বা প্রাণীকে আক্রমণ করে না, বরং কম্পিউটার প্রোগ্রাম ও ডেটাকে আক্রমণ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন একটি ক্ষতিকর কোড যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই কম্পিউটারে প্রবেশ করে এবং নিজের কপি নিজে তৈরি করে।
কার্যপদ্ধতি: এটি ইমেইল, পেনড্রাইভ বা ইন্টারনেট থেকে ছড়িয়ে পড়ে এবং সিস্টেমের ফাইল মুছে দেয় বা ধীর করে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্টাকনেট
ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত কম্পিউটার ভাইরাস যা পারমাণবিক সেন্ট্রিফিউজ ধ্বংস করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
উদাহরণ ২: মেলিসা ভাইরাস
ব্যাখ্যা: এটি একটি ইমেইলভিত্তিক ভাইরাস যা সংক্রামিত ইমেইল পাঠকদের কন্টাক্ট লিস্টে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়িয়ে পড়ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডিএনএ ভাইরাস — এটি জীববিজ্ঞানের বিষয়, যা মানুষ বা প্রাণীর কোষে আক্রমণ করে এবং কম্পিউটারের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) আরএনএ ভাইরাস — এটিও জীববিজ্ঞানের বিষয়, যা ইনফ্লুয়েঞ্জা বা কোভিড-১৯ এর মতো রোগ ছড়ায় এবং এটি কোনো ডিজিটাল প্রোগ্রাম নয়।
C) মেটা ভাইরাস — এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক বা অপ্রাসঙ্গিক একটি শব্দ, কারণ কম্পিউটার বিজ্ঞানে এই নামে কোনো নির্দিষ্ট ম্যালওয়্যার বা ভাইরাস নেই।
D) কোনোটি নয় — সঠিক, কারণ কম্পিউটার ভাইরাস হলো ডিজিটাল সফটওয়্যার এবং প্রথম তিনটি অপশন জীববিজ্ঞানের সঙ্গে সম্পর্কিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
কম্পিউটার ভাইরাস কোনো জীব বা জীবাণু নয়, এটি হলো মানুষের তৈরি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার কোড।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার ভাইরাসের পূর্ণরূপ হলো ভাইটাল ইনফরমেশন আন্ডার সাইজ এবং কম্পিউটার ভাইরাসের জনক ফ্রেড কোহেন।
সঠিক উত্তর: C) উত্তর আমেরিকা
১. কেন সঠিক:
হন্দুরাস মধ্য আমেরিকা অঞ্চলের একটি দেশ যা মূলত উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত। ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মূল ভূখণ্ড এবং ক্যারিবিয়ান অঞ্চল মিলিয়ে এই রাষ্ট্রটি গঠিত হয়েছে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: এটি মধ্য আমেরিকার উত্তরাংশে ক্যারিবিয়ান সাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।
সীমান্ত: এর উত্তর ও পূর্বে ক্যারিবিয়ান সাগর, দক্ষিণে নিকারাগুয়া ও এল সালভাদোর এবং পশ্চিমে গুয়াতেমালা অবস্থিত।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: পানামা
ব্যাখ্যা: পানামা হন্দুরাসের দক্ষিণে অবস্থিত মধ্য আমেরিকার অপর একটি দেশ যা উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকাকে সংযোগ করেছে।
উদাহরণ ২: মেক্সিকো
ব্যাখ্যা: মেক্সিকো উত্তর আমেরিকা মহাদেশের একটি দেশ এবং এটি হন্দুরাসের উত্তর-পশ্চিম দিকে অবস্থিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আফ্রিকা — আফ্রিকা একটি সম্পূর্ণ আলাদা মহাদেশ এবং হন্দুরাস এই মহাদেশে অবস্থিত নয়।
B) দক্ষিণ আমেরিকা — হন্দুরাস মধ্য আমেরিকায় অবস্থিত হলেও একে দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের অংশ ধরা হয় না।
D) ইউরোপ — ইউরোপ আটলান্টিক মহাসাগরের পূর্বে অবস্থিত একটি দূরবর্তী মহাদেশ যার সঙ্গে হন্দুরাসের ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
মধ্য আমেরিকার দেশগুলো যেমন গুয়াতেমালা, হন্দুরাস ও পানামা উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অংশ হিসেবে পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্য আমেরিকার দেশগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান এবং তাদের রাজধানী সম্পর্কে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) সমক্ষ
১. কেন সঠিক:
- 'অক্ষির সমীপে' বাক্যটির এককথায় প্রকাশ হলো 'সমক্ষ'। এখানে 'অক্ষি' শব্দের অর্থ চোখ বা চক্ষু এবং 'সমীপ' শব্দের অর্থ নিকট বা সামনে।
- চোখের সামনে বা দৃষ্টির গোচরে যা অবস্থিত, তাকে ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এককথায় সমক্ষ বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়ম ব্যবহার করা হয়।
- সমাস বা প্রত্যয়ের নিয়মের মতো বাক্য সংকোচন ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষিপ্ত ও জোরালো করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অক্ষির সমক্ষে বর্তমান
ব্যাখ্যা: এই বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো প্রত্যক্ষ, যা চোখের সামনে উপস্থিত কোনো কিছুকে বোঝায়।
উদাহরণ ২: অক্ষির অগোচরে
ব্যাখ্যা: এই বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো পরোক্ষ, যা চোখের আড়ালে বা সামনে উপস্থিত নেই এমন কিছুকে বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমক্ষ — এটি সঠিক উত্তর এবং 'অক্ষির সমীপে' এর এককথায় প্রকাশিত রূপ।
B) পরোক্ষ — এই শব্দটির অর্থ যা চোখের সামনে নেই বা অগোচরে ঘটে, তাই এটি সঠিক নয়।
C) প্রত্যক্ষ — এই শব্দটির অর্থ যা অক্ষির সামনে বা সমক্ষে বর্তমান, তাই এটি সরাসরি মূল প্রশ্নকে প্রকাশ করে না।
D) নিরপেক্ষ — এই শব্দটির অর্থ কোনো পক্ষের দিকে না ঝুঁকে থাকা বা উদাসীন থাকা, যার সঙ্গে অক্ষির কোনো সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অ দিয়ে শুরু অক্ষি এবং সমীপ শব্দ দুটি থেকে সমক্ষ শব্দটি মনে রাখা সহজ। অক্ষি থেকে স এবং সমীপে থেকে মক্ষ নিয়ে সমক্ষ গঠিত হয়েছে এভাবে ভাবলে ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। চক্ষু বা অক্ষি সংক্রান্ত শব্দগুলো যেমন সমক্ষ, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে, তাই এদের অর্থ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সংক্ষেপ করে
১. কেন সঠিক:
সমাস শব্দের আক্ষরিক অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ।
বাক্যে ব্যবহৃত একাধিক পদকে সংক্ষেপ করে একটি মাত্র পদে পরিণত করাই সমাসের মূল কাজ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
অর্থের সংগতি রক্ষা করে একাধিক পদের একপদীনিকরণ বা মিলনকে সমাস বলা হয়।
এর ফলে বাক্যের অপ্রয়োজনীয় দীর্ঘতা হ্রাস পায় এবং ভাষা সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন
ব্যাখ্যা: এখানে তিনটি পদ মিলে একটি সংক্ষিপ্ত ও শ্রুতিমধুর পদ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: তুষারের ন্যায় শুভ্র = তুষারশুভ্র
ব্যাখ্যা: এখানে একাধিক পদ সংকুচিত হয়ে একটি মাত্র বিশেষণ পদে রূপ নিয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাষা রূপ ক্ষুণ্ন করে — সমাস ভাষার রূপ নষ্ট করে না, বরং ভাষাকে আরও সুন্দর ও গতিশীল করে।
C) অর্থবোধক করে — সমাস পদকে সংক্ষেপ করলেও মূল অর্থবোধকতা ঠিক রাখে, তবে প্রধান কাজ সংক্ষেপ করা।
D) বিস্তৃত করে — সমাস পদের বিস্তার ঘটায় না, বরং একাধিক পদকে ছোট বা সংক্ষেপ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
সমাস শব্দের অর্থ সমসংক্ষেপ।
তাই মনে রাখবে সমাস মানেই ছোট করা বা সংক্ষেপ করা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাসের আক্ষরিক অর্থ প্রায়ই আসে।
সমাস ভাষাকে সংক্ষেপ করে এবং প্রত্যয় বা উপসর্গ নতুন শব্দ তৈরি করে।
সঠিক উত্তর: A) অব্যয়ীভাব
১. কেন সঠিক:
- পূর্বপদের অর্থে প্রধান্য এবং অব্যয় যোগে গঠিত পদের মাধ্যমে সমাস নিষ্পন্ন হলে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
- এখানে দিন শব্দের পুনরাবৃত্তি ঘটে সামীপ্য বা বিপ্সা অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস গঠিত হয়েছে যার ব্যাসবাক্য দিন দিন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যোগ হয় এবং অব্যয়ের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
- সাধারণত সামীপ্য, বিপ্সা, অভাব, পশ্চাৎ, ক্ষুদ্র ইত্যাদি অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়ে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্ষণে ক্ষণে = প্রতিক্ষণ
ব্যাখ্যা: এটি বিপ্সা বা পুনরাবৃত্তি অর্থে অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ঘরে ঘরে = প্রতিঘর
ব্যাখ্যা: পদের পুনরাবৃত্তি বুঝাতে অব্যয়ীভাব সমাসের মাধ্যমে এই শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অব্যয়ীভাব — এটি সঠিক উত্তর কারণ পূর্বপদের প্রভাবে অব্যয় পদ গঠিত হয়েছে।
B) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে যা এখানে অনুপস্থিত।
C) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে সমাহার বোঝায় যা এখানে নেই।
D) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে অন্য পদের অর্থ প্রকাশ পায় কিন্তু এখানে পদের পুনরাবৃত্তি ঘটেছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- একই শব্দের পুনরাবৃত্তি বা দিনে দিনে, দ্বারে দ্বারে জাতীয় শব্দ দেখলে সাধারণত অব্যয়ীভাব সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে।
- প্রতি বা আ উপসর্গ যোগেও অব্যয়ীভাব সমাস গঠিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় পদের পুনরাবৃত্তি ঘনীভূত সমাস প্রায়ই আসে।
- বিপ্সা অর্থে অব্যয়ীভাব সমাসের ব্যবহার খুব ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) প্রত্যয়
১. কেন সঠিক:
'সংশয়' শব্দের অর্থ সন্দেহ, অনিশ্চয়তা বা মন দ্বিধাগ্রস্ত থাকা। এর বিপরীতার্থক বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে 'প্রত্যয়' শব্দটি, যার অর্থ বিশ্বাস, দৃঢ় ধারণা বা আস্থা।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বা প্রায় বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ব্যাকরণে শব্দের অর্থগত বৈচিত্র্য বোঝাতে বিপরীত শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সংশয় কাটিয়ে জীবনে এগিয়ে যেতে হবে।
ব্যাখ্যা: এখানে সংশয় অর্থ অনিশ্চয়তা বা সন্দেহ বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: নিজের প্রতি দৃঢ় প্রত্যয় রাখো।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রত্যয় অর্থ বিশ্বাস বা আস্থা বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিস্ময় — বিস্ময় শব্দের অর্থ অবাক হওয়া বা তাজ্জব হওয়া, যা সংশয়ের বিপরীত নয়।
B) নির্ভয় — নির্ভয় শব্দের অর্থ ভয়হীন বা অভয়, যা মূলত ভয়ের বিপরীতার্থক শব্দ।
C) দ্বিধা — দ্বিধা শব্দের অর্থ সংশয় বা সন্দেহ, যা সংশয়ের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) প্রত্যয় — প্রত্যয় শব্দের অর্থ বিশ্বাস বা আস্থা, যা সংশয়ের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
সংশয় মানে মনের ভেতর সন্দেহ বা প্রশ্ন থাকা এবং প্রত্যয় মানে মনের ভেতর বিশ্বাস বা প্রত্যয় থাকা। সন্দেহ দূর হলে বিশ্বাস জন্মায়, তাই সংশয়ের বিপরীত প্রত্যয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। তাই প্রমিত বাংলা শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে বিপরীত শব্দগুলো অর্থসহ চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) নব + উঢ়া
১. কেন সঠিক:
- 'নবূঢ়া' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো নব + উঢ়া। এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুসারে সাধিত হয়েছে।
- এখানে পূর্বপদের শেষ ধ্বনি অ এবং পরপদের প্রথম ধ্বনি উ মিলে ও কার হয়েছে এবং তা পূর্ববর্তী বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- অ বা আ কারের পর উ বা ঊ কার থাকলে উভয় মিলে ও কার হয় এবং তা যুক্তবর্ণের ওপর বসে।
- এই নিয়মে নব শব্দের শেষ অ এবং উঢ়া শব্দের প্রথম উ মিলে ও কার গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য + উদয় = সূর্যোদয়
ব্যাখ্যা: পূর্বপদের অ এবং পরপদের উ মিলে ও কার হয়েছে।
উদাহরণ ২: মহা + উদয় = মহোদয়
ব্যাখ্যা: পূর্বপদের আ এবং পরপদের উ মিলে ও কার হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নব + উঢ়া - এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কারণ এর নিয়ম ও অর্থ সম্পূর্ণ নির্ভুল।
B) নব + উর - উর কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ নয় এবং এর দ্বারা কাঙ্ক্ষিত ও কার উৎপন্ন হয় না।
C) নব + উরা - উরা কোনো প্রমিত শব্দ নয় এবং সন্ধির নিয়মের সঙ্গে মেলে না।
D) নবৌ + উঢ়া - নবৌ কোনো মূল শব্দ নয়, তাই এটি ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ও কার বা ঔ কার যুক্ত সন্ধির ক্ষেত্রে অ বা আ এর সঙ্গে উ বা ঊ যোগ করলে ও কার হয়। নবূঢ়া শব্দটির ক্ষেত্রে নব এর সঙ্গে উঢ়া যোগ করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বরসন্ধির এই নিয়মটি প্রায়ই আসে। বিশেষ করে ব্যতিক্রমী শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ধরি মাছ না ছুঁই পানি
১. কেন সঠিক:
- 'ধরি মাছ না ছুঁই পানি' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার অর্থ কৌশলে কার্যউদ্ধার করা বা কোনো রকম ঝুঁকি না নিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করা।
- এখানে মাছ ধরার মতো কঠিন কাজটি করার কথা বলা হলেও পানি না ছুঁয়ে অর্থাৎ কোনো ঝামেলায় না জড়িয়ে বা হাত না ভিজিয়ে কাজটি সম্পন্ন করার চতুর কৌশল বোঝানো হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি বিশেষ বাগধারা বা প্রবাদ-প্রবচন, যা কোনো শব্দের সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে বিশেষ বা লক্ষণার্থ প্রকাশ করে।
- এই ধরনের বাক্যাংশ বা শব্দগুচ্ছ বাক্যকে আকর্ষণীয় করে তোলে এবং মানুষের আচার-আচরণ বা স্বভাবের বিশেষ বৈশিষ্ট্য ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাজনীতিতে টিকে থাকতে হলে অনেক সময় ধরি মাছ না ছুঁই পানি নীতিতে চলতে হয়।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে কোনো প্রকার ঝুঁকি না নিয়ে খুব সাবধানে নিজের উদ্দেশ্য সফল করার কৌশল বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: সে কাউকে চট না করে ধরি মাছ না ছুঁই পানি কৌশলে নিজের কাজটি করিয়ে নিল।
ব্যাখ্যা: এখানে কারোর সাথে ঝামেলায় না জড়িয়ে অত্যন্ত চতুরতার সাথে কার্যসিদ্ধির অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া — এই বাগধারার অর্থ অসম্ভব বস্তু লাভ করা, যা কৌশলে কার্যউদ্ধার করার সমার্থক নয়।
B) এক ক্ষুরে মাথা মোড়ানো — এই বাগধারার অর্থ সবাইকে এক পর্যায়ে ফেলা বা একই রকম বিপদে ফেলা, যা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
C) ধরি মাছ না ছুঁই পানি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) গাছে তুলে মই কাড়া — এই বাগধারার অর্থ সহায়তার আশা দিয়ে বিপদে ফেলা, যা কৌশলে কার্যউদ্ধার বোঝায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মাছ ধরতে গেলে সাধারণত হাত ভিজে যায় বা পানি ছুঁতে হয়, কিন্তু পানি না ছুঁয়ে মাছ ধরার অর্থ হলো কোনো ঝুঁকি বা ঝামেলা ছাড়াই চতুরতার সাথে কাজ হাসিল করা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার সঠিক অর্থ নির্ণয়ের জন্য শব্দের আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা লক্ষণার্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) অক্লান্তকর্মী
১. কেন সঠিক:
- 'কর্মের যার ক্লান্তি নাই' এই বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো অক্লান্তকর্মী।
- এখানে ক্লান্তি নেই যার অর্থাৎ অক্লান্ত এবং কর্মে ক্লান্তি নেই যিনি অর্থাৎ অক্লান্তকর্মী, যা সামগ্রिक অর্থে এই বাক্যটিকে প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ।
- বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে বাক্য সংকোচন বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভাবার বিষয় নয় যা — ভাবনীতীত
ব্যাখ্যা: এটি একটি জটিল ভাবকে সংক্ষিপ্ত করে এককথায় প্রকাশ করার চমৎকার উদাহরণ।
উদাহরণ ২: পরিভ্রমণ করতে ইচ্ছুক যে — পরিভ্রমী
ব্যাখ্যা: কোনো বিশেষ গুণের অধিকারী ব্যক্তিকে এক শব্দে প্রকাশ করার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্লান্তিহীন — এটি শুধু ক্লান্তি না থাকাকে বোঝায়, কিন্তু কর্মের সঙ্গে এর সরাসরি সংযোগ নেই।
B) অক্লান্ত — এর অর্থ যার ক্লান্তি নাই, কিন্তু এটি সরাসরি কর্মী বা কাজের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিকে সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করে না।
D) অবিশ্রাম — এর অর্থ যা থেমে থাকে না বা নিরবচ্ছিন্ন, যা মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বাক্যের মধ্যে কর্মী বা কাজ শব্দ থাকলে এককথায় প্রকাশের সময় কর্মী যুক্ত শব্দ নির্বাচন করতে হবে।
- ক্লান্তি নাই যার মানে অক্লান্ত এবং কর্মে ক্লান্তি নাই মানে অক্লান্তকর্মী, এই পার্থক্যটি খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই মূল শব্দের অর্থ বুঝতে হবে।
- এই ধরনের প্রশ্নে সামান্য শব্দের পার্থক্যের কারণে উত্তর পরিবর্তিত হতে পারে, তাই পুরো বাক্যাংশ মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
- শেষের কবিতা একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস যার রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত একটি কাব্যধর্মী আধুনিক উপন্যাস।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী একচ্ছত্র অধিপতি ও বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক।
- শেষের কবিতা উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো অমিত রায় ও লাবণ্য এবং এর একটি বিখ্যাত প্রীতিবাক্য হলো হে মোর দুর্ভাগা দেশ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গোরা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও দীর্ঘ সামাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা আরেকটি মনস্তাত্ত্বিক ও পারিবারিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি প্রধানত কবিতা ও গান রচনার জন্য বিখ্যাত।
B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক, যার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে দুর্গেশনন্দিনী ও কপালকুন্ডলা অন্যতম।
C) কাজী আনোয়ার হোসেন — তিনি আধুনিক জনপ্রিয় সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার এবং জনপ্রিয় মাসুদ রানা সিরিজের স্রষ্টা।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি শেষের কবিতা উপন্যাসের রচয়িতা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ বা শেষের দিকের একটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো শেষের কবিতা।
- শেষের কবিতা উপন্যাসের নামের মধ্যে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি মূলত একটি আধুনিক উপন্যাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস, বিশেষ করে শেষের কবিতা ও যোগাযোগের প্রকাশকাল প্রায়ই আসে।
- উপন্যাসটি কবে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এর মূল চরিত্র কারা, তা মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) ইতি + আদি
১. কেন সঠিক:
- ইতি শব্দের শেষের ই কার এবং আদি শব্দের শুরুর আ মিলে ই এবং আ এর স্থানে য ফলা যুক্ত হয়েছে। এটি স্বরসন্ধির একটি অতি পরিচিত নিয়ম এবং ধ্বনির পরিবর্তনের ফলে শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- ইত্যাদি শব্দের অর্থ এইরকম আরও অনেক বা প্রভৃতি, যা কোনো তালিকার শেষে ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- ই বা ঈ কারের পর ই বা ঈ ভিন্ন অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে ই বা ঈ এর স্থানে য এবং উ বা ঊ কারের পর উ বা ঊ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি থাকলে উ বা ঊ এর স্থানে ব হয়। এটি য ফলা ও ব ফলা জলার সন্ধির নিয়ম।
- এখানে ইতি শব্দের ই এবং আদি শব্দের আ যুক্ত হয়ে য ফলা তৈরি করেছে এবং ত এর সঙ্গে য ফলা যুক্ত হয়ে ত্যা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যদি + অপি = যদ্যপি
ব্যাখ্যা: ইতি + আদি এর মতোই এখানে য ফলা যুক্ত হওয়ার নিয়মে যদ্যপি শব্দটি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: প্রতি + এক = প্রত্যেক
ব্যাখ্যা: ই কারের পর এ কার যুক্ত হয়ে এখানে এ কার বা এককার যোগ হয়েছে, যা স্বরসন্ধির নিয়মের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইতি + আদি — এটি সঠিক কারণ নিয়ম অনুযায়ী ই এবং আ মিলে য ফলা গঠন করেছে এবং সঠিক শব্দ তৈরি হয়েছে।
B) ইতি + ঈ — এখানে দ্বিতীয় শব্দটিতে দীর্ঘ ঈ ব্যবহার করা হয়েছে, যা আদি শব্দের মূল বানান ও অর্থের সঙ্গে মেলে না।
C) ইতি + আদী — এখানে আদী শব্দটিতে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) ইতী + আদি — এখানে ইতি শব্দের ই কার দীর্ঘ ঈ কার দিয়ে লেখা হয়েছে, যা ভুল বানানের অন্তর্ভুক্ত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইত্যাদি শব্দটি ভাঙলে প্রথমে ইতি এবং পরে আদি লিখতে হয় মনে রাখতে হবে।
- ই কারের পরে স্বরধ্বনি থাকলে য ফলা হয় এই সূত্রটি মাথায় রাখলে এই ধরনের সন্ধি সহজে মেলানো যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের স্বরসন্ধি প্রায়ই আসে।
- প্রতি + এক সমান প্রত্যেক অথবা নদী + অম্বু সমান নদ্যম্বু এই নিয়মগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে পরীক্ষায় কমন পাওয়া সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) আমি, তুমি ও সে
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সর্বনাম পদের ক্ষেত্রে পুরুষবাচক বিন্যাসে প্রথম পুরুষ, দ্বিতীয় পুরুষ এবং তৃতীয় পুরুষ একত্রে ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলা ব্যাকরণের নির্দিষ্ট ক্রম অনুসরণ করতে হয়।
- 'আমরা' শব্দটি বহুবচন বোঝায় এবং এর ব্যাসবাক্য করতে হলে উত্তম পুরুষ (আমি), মধ্যম পুরুষ (তুমি) এবং প্রথম পুরুষ (সে)-এর সমষ্টি বোঝাতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পদ ও পদ প্রকরণ এবং সর্বনাম পদের নিয়ম অনুযায়ী বাংলা ভাষায় পুরুষবাচক শব্দের ক্রমানুসারে উত্তম পুরুষ প্রথমে, মধ্যম পুরুষ মাঝে এবং প্রথম পুরুষ শেষে বসে।
- বহুবচন গঠনে আমি, তুমি ও সে মিলে 'আমরা' সর্বনাম পদটি গঠিত হয় যা বক্তা ও তার সঙ্গীদের একত্রে প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তুমি, সে ও আমি মিলে কাজটি করেছি।
ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে বাংলা ব্যাকরণের প্রমিত পুরুষ বিন্যাস সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: তোমরা এর সঠিক ব্যাসবাক্য হলো তুমি ও সে।
ব্যাখ্যা: মধ্যম পুরুষ ও প্রথম পুরুষ মিলে 'তোমরা' বহুবচন গঠিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমি, সে ও তুমি — এই বিন্যাসে মধ্যম ও প্রথম পুরুষের ক্রম সঠিক নয় কারণ ব্যাকরণ অনুযায়ী তুমি আগে এবং সে পরে বসে।
B) আমি, তুমি ও সে — এটি সঠিক উত্তর।
C) তুমি, সে ও আমি — এই বিন্যাসে উত্তম পুরুষকে সবার শেষে রাখা হয়েছে যা বাংলা ব্যাকরণের নিয়মের পরিপন্থী।
D) সে, তুমি ও আমি — এই বিন্যাসে প্রথম ও মধ্যম পুরুষকে প্রথমে রেখে উত্তম পুরুষকে শেষে দেওয়া হয়েছে যা ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পুরুষ বিন্যাসের ক্ষেত্রে মনে রাখবে উত্তম পুরুষ (আমি) সবার আগে, মধ্যম পুরুষ (তুমি) মাঝে এবং প্রথম পুরুষ (সে) সবার শেষে বসে।
- আমি + তুমি + সে = আমরা, এই সূত্রটি মনে রাখলে পরীক্ষাও ভুল হবে না।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সর্বনাম পদের ব্যাসবাক্য প্রায়ই আসে।
- পদ প্রকরণের এই সাধারণ নিয়মটি আয়ত্ত করলে সমাস ও বাক্য রূপান্তরের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) আব্দুল গাফফার চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো, অমর একুশে ফেব্রুয়ারি স্মরণে রচিত কালজয়ী 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির গীতিকার বা রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও কলামিস্ট আব্দুল গাফফার চৌধুরী।
- বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই গানটি বাঙালি জাতির জাতীয় চেতনার উন্মেষ ঘটাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক গান ও ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে নিহত শহীদদের স্মরণে প্রথমে এটি একটি কবিতা হিসেবে রচিত হয় এবং পরবর্তী সময়ে এটি গানে রূপ নেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'তোমরা ভুলো না মোಡারে'
ব্যাখ্যা: এটিও ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি বিখ্যাত গান, যা সে সময়ের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বহন করে।
উদাহরণ ২: 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই'
ব্যাখ্যা: এটি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান স্লোগান যা তৎকালীন বাঙালির অধিকার আদায়ের লড়াইকে ফুটিয়ে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলতাফ মাহমুদ — ইনি এই গানটির প্রথম সুরকার, তবে গানের রচয়িতা নন।
B) আব্দুল রফিক চৌধুরী — ইনি এই গানের সঙ্গে যুক্ত কোনো বিশিষ্ট রচয়িতা বা সুরকার নন।
C) আব্দুল গাফফার চৌধুরী — ইনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং গানটির রচয়িতা।
D) আব্দুল লতিফ — ইনি ভাষা আন্দোলনের আরেকটি বিখ্যাত 'ও আমার দেশের মাটি' কিংবা 'تora deshe deshe' গোত্রীয় গানের সঙ্গে যুক্ত বিশিষ্ট গীতিকার হলেও এই গানের রচয়িতা নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গান লিখেছেন গাফফার (গ দিয়ে গাফফার, গ দিয়ে গান) এবং সুর দিয়েছেন আলতাফ, এই কৌশলটি মনে রাখলে আর ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভাষা আন্দোলনভিত্তিক যেকোনো গান বা কবিতার রচয়িতা এবং সুরকার আলাদাভাবে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
- অনেক সময় রচয়িতা এবং সুরকারের নাম গুলিয়ে ফেলার সম্ভাবনা থাকে, তাই উভয় নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) Time and tide wait for none.
কেন সঠিক:
- 'Time and tide' একটি প্রবাদপ্রতীম জোড়া শব্দ (Idiomatic Pair), যা সাধারণত প্লুরাল সাবজেক্ট হিসেবে গণ্য হয়।
- প্রবাদের ঐতিহ্যগত ও ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী এর সঙ্গে প্লুরাল ভার্ব 'wait' এবং প্রিপজিশনাল ফ্রেজ 'for none' ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Time and tide does not wait for anyone. — 'Time and tide' প্লুরাল হওয়ায় এখানে singular verb 'does not' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) Time and tide wait for none. — এটি প্রবাদের সঠিক রূপ এবং এর ব্যাকরণগত গঠন সম্পূর্ণরূপে নির্ভুল।
C) Time and tide do not wait for anyone. — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও এটি প্রবাদের প্রচলিত ও প্রমিত রূপ নয়।
D) Time and tide waits for none. — 'Time and tide' প্লুরাল সাবজেক্ট হওয়ায় এর সঙ্গে singular verb 'waits' বসানো ভুল।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদের ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন করা যায় না, তাই মনে রাখবেন চিরন্তন সত্য এই প্রবাদটি সর্বদা 'Time and tide wait for none' এভাবেই ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: D) Latif is senior to me by three years.
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী senior শব্দের পরে than না বসে সবসময় preposition হিসেবে to বসে।
- বয়স বা বয়োজ্যেষ্ঠতা বোঝাতে senior to এর পর নির্দিষ্ট ব্যবধান প্রকাশ করতে by preposition ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Latif is three years older than me. — যদিও অর্থ সঠিক, কিন্তু বয়স বোঝাতে senior to এর ব্যবহার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অধিক গ্রহণযোগ্য।
B) Latif is more aged than me by three years — more aged গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে অসিদ্ধ এবং অপ্রাকৃতিক ইংরেজি।
C) Latif is senior than me by three years. — senior শব্দের পরে than ব্যবহার করা সম্পূর্ণ ব্যাকরণগত ভুল।
D) Latif is senior to me by three years. — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি অনুবাদ।
মনে রাখার টিপস:
Junior, senior, superior এবং inferior শব্দের পরে সবসময় to বসে, than বসে না।
সঠিক উত্তর: A) a
কেন সঠিক:
- university শব্দটি ভাওয়েল দিয়ে শুরু হলেও এর উচ্চারণ বাংলা ইউ (Y) এর মতো হয়।
- উচ্চারণ consonant এর মতো হওয়ায় এর পূর্বে an না বসে a বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a — এটি সঠিক উত্তর কারণ consonant উচ্চারণের নিয়ম অনুযায়ী এখানে a বসবে।
B) an — এটি ভুল কারণ university শব্দের শুরুতে ভাওয়েল থাকলেও তার উচ্চারণ ইউ এর মতো।
C) the — এটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট করে কোনো বিশেষ university বোঝানো হয়নি।
D) none — এটি ভুল কারণ শূন্যস্থানে article a বসানো বাধ্যতামূলক।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দের শুরুতে ভাওয়েল (A, E, I, O, U) থাকলেও যদি তার উচ্চারণ ইউ (Y) এর মতো হয়, তবে তার পূর্বে an না বসে a বসে।
সঠিক উত্তর: A) Psychology
কেন সঠিক:
- শব্দটির শুরুতেই 'Psycho' অংশটির সঠিক বানান ব্যবহৃত হয়েছে, যার অর্থ মন বা মানসিক।
- চিকিৎসা বিজ্ঞান ও মনোবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এই প্রমিত বানানটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Psychology — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত রূপ।
B) Psichology — 'i' বর্ণ ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে।
C) Phechology — 'Phe' বর্ণ ব্যবহারের কারণে বানানটি সম্পূর্ণ অশুদ্ধ।
D) Phychology — 'Phy' বর্ণ ব্যবহারের কারণে এই বানানটি অগ্রহণযোগ্য।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে শব্দটিকে ভেঙে পি-এস-ওয়াই (Psy) সি-এইচ-ও (cho) এল-ও-জি-ওয়াই (logy) এভাবে উচ্চারণ করে শিখতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) Conjunction
কেন সঠিক:
- 'He is poor' এবং 'He is honest' এই দুটি স্বাধীন ক্লজ বা বাক্যংশকে যুক্ত করেছে 'but' শব্দটি।
- দুটি ভিন্নধর্মী বা বিপরীত ভাবপ্রকাশক বাক্যংশকে যুক্ত করায় এটি Conjunction হিসেবে কাজ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Conjunction — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দুটি ক্লজকে যুক্ত করেছে।
B) Preposition — এটি nouns বা pronouns এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক বোঝায়, যা এখানে ঘটেনি।
C) Interjection — এটি মনের হঠাৎ আবেগ প্রকাশ করে, যা এই বাক্যে নেই।
D) Adverb — এটি verb, adjective বা অন্য adverb কে modify করে, যা এখানে কাজ করছে না।
মনে রাখার টিপস:
দুই বা ততোধিক শব্দ, বাক্যাংশ বা ক্লজকে যুক্ত করার কাজ যার, সেই হলো Conjunction.
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: A) his
কেন সঠিক:
- Everyone indefinite pronoun টি singular হওয়ায় এর পরবর্তী possessive pronoun হিসেবে traditionally masculine gender-কে নির্দেশ করে singular pronoun (his) ব্যবহৃত হয়।
- প্রথাগত ইংরেজি ব্যাকরণে সাধারণ বা অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বোঝাতে Everyone এর পরে his ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) his — এটি সঠিক কারণ Everyone singular হওয়ায় এখানে his ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে অনুমোদিত।
B) one's — এটি one pronoun-এর possessive form, তাই Everyone-এর সাথে সরাসরি বসে না।
C) own — এটি একটি adjective, যা possessive pronoun-এর কাজ একা করতে পারে না।
D) their — Everyone দেখতে singular হলেও আধুনিক ব্যবহারে their অনেক সময় আসে, তবে ঐতিহ্যগত পরীক্ষায় A অপশনটিই বেশি গ্রহণযোগ্য।
মনে রাখার টিপস:
Everyone বা Everybody জাতীয় indefinite pronoun বাক্যের শুরুতে থাকলে সাধারণত singular হিসেবে গণ্য হয় এবং possessive হিসেবে his ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) Aggravate grief
কেন সঠিক:
- Console শব্দের অর্থ সান্ত্বনা দেওয়া বা দুঃখ লাঘব করা।
- Aggravate grief শব্দের অর্থ দুঃখ বাড়িয়ে দেওয়া বা কষ্ট তীব্র করা, যা Console শব্দের বিপরীতার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Pretend sympathy — এর অর্থ সহানুভূতি দেখানো যা Console শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু বিপরীত নয়।
B) Betray — এর অর্থ বিশ্বাসঘাতকতা করা যা সান্ত্বনা দেওয়ার বিপরীত নয়।
D) Vilify — এর অর্থ কুৎসা রটানো বা অবমাননা করা যা সরাসরি দুঃখ বাড়ানোর সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Console মানে সান্ত্বনা দিয়ে দুঃখ কমানো আর Aggravate grief মানে কষ্ট বা দুঃখ বাড়িয়ে দেওয়া।
সঠিক উত্তর: C) Dauntless
কেন সঠিক:
- Valiant শব্দটির অর্থ বীর বা সাহসী।
- Dauntless শব্দটির অর্থ নির্ভীক বা সাহসী, যা Valiant শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Craven — এর অর্থ কাপুরুষ বা ভীতু, যা Valiant শব্দের বিপরীত।
B) Fearful — এর অর্থ ভয়াতুর বা আতঙ্কিত, যা Valiant শব্দের বিপরীত।
C) Dauntless — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ নির্ভীক বা সাহসী।
D) Oscillate — এর অর্থ দোদুল্যমান হওয়া বা একবার ডানে একবার বামে যাওয়া, যা সাহসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Valiant শব্দটির শুরুতে V আছে যার সঙ্গে Victory বা বিজয়ের মিল পাওয়া যায় এবং বিজয়ী হতে হলে Dauntless বা নির্ভীক হতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Popularize
কেন সঠিক:
- Popular শব্দটি একটি Adjective যার সাথে ize প্রত্যয় যোগ করে Verb এ রূপান্তর করা হয়েছে।
- Popularize শব্দের অর্থ জনপ্রিয় করে তোলা, যা বাক্যে Verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Popular — এটি একটি Adjective, যার অর্থ জনপ্রিয় এবং এটি মূল শব্দ নিজেই।
B) Populary — এটি ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো সঠিক বা গ্রহণযোগ্য শব্দ নয়।
D) Popularity — এর শেষে ty যুক্ত থাকায় এটি একটি Noun, যার অর্থ জনপ্রিয়তা।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে ize বা fy দেখলে সাধারণত তা Verb হয়, যেমন Popular থেকে Popularize।
সঠিক উত্তর: D) Honesty is the best policy.
কেন সঠিক:
- এটি একটি বহুল প্রচলিত চিরন্তন সত্য প্রবাদ বাক্য।
- প্রবাদটির সঠিক বাংলা অনুবাদ ও ইংরেজি রূপ হিসেবে 'policy' শব্দটি নির্ধারিত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Honesty is the best virtue. — 'virtue' শব্দের অর্থ গুণ, যা প্রবাদের নির্ধারিত শব্দ কাঠামোর সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
B) Honesty is the best way. — 'way' শব্দের অর্থ পথ হলেও এই প্রবাদে এই শব্দের প্রচলিত ব্যবহার নেই।
C) Honesty is the well way. — এই বাক্যটির ইংরেজি ব্যাকরণগত গঠন সঠিক নয় এবং এটি কোনো প্রবাদ নয়।
D) Honesty is the best policy. — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত প্রবাদ বাক্য যার অর্থ সততা সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা।
মনে রাখার টিপস:
সততা সম্পর্কিত এই প্রবাদের শেষে সবসময় 'policy' শব্দটি বসে, তাই অন্য শব্দযুক্ত অপশনগুলো বাদ দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) 1966
কেন সঠিক:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করেন।
- বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে পরিচিত এই ছয় দফা আন্দোলন আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৬৬ সালেই শুরু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1962 — এই সালে বাংলাদেশে শিক্ষা কমিশনবিরোধী আন্দোলন হয়েছিল, ছয় দফা আন্দোলন নয়।
B) 1969 — এটি ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সাল, ছয় দফা আন্দোলনের শুরুর সাল নয়।
C) 1965 — এই সালে পাক-ভারত যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, ছয় দফা আন্দোলনের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
D) 1966 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই ঐতিহাসিক ছয় দফা পেশ ও আন্দোলন শুরু হয়।
মনে রাখার টিপস:
ছয় দফা মানে ছয়টি দাবি এবং এর সালটি ছয় দিয়ে শেষ হয় অর্থাৎ ১৯৬৬ সাল।
সঠিক উত্তর: B) বঙ্গমাতা
কেন সঠিক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবকে শ্রদ্ধার সঙ্গে বঙ্গমাতা উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রাম ও স্বাধীনতাযুদ্ধে তাঁর অসামান্য অবদান এবং নেপথ্য ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই বিশেষ উপাধি দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্গজননী — এটি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা ঐতিহাসিক উপাধি নয়, যা সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হলেও তাঁর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) বঙ্গজায়া — শব্দটির অর্থ বাংলার স্ত্রী বা জায়া হলেও এটি তাঁর জন্য নির্ধারিত কোনো ঐতিহাসিক উপাধি বা নাম নয়।
D) বঙ্গমায়া — এটি একটি কাল্পনিক বা ভুল শব্দ, যার সঙ্গে তাঁর নামের কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধু নামের সঙ্গে মিল রেখে তাঁর সহধর্মিণীকে সম্মানসূচক বঙ্গমাতা উপাধিতে ডাকা হয়।
সঠিক উত্তর: D) দিনাজপুর
কেন সঠিক:
- দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়ায় দেশের একমাত্র কয়লা খনি অবস্থিত এবং এখান থেকেই বাণিজ্যিকভাবে সর্বাধিক কয়লা উত্তোলন করা হয়।
- ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের এই জেলায় খনিজ কয়লার প্রধান মজুত ও উৎপাদন ক্ষেত্র রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বগুড়া — এই জেলায় গ্যাস ও অন্যান্য খনিজ পাওয়া গেলেও এটি প্রধান কয়লা উৎপাদনকারী অঞ্চল নয়।
B) সিলেট — সিলেট মূলত প্রাকৃতিক গ্যাস, চা এবং চুনাপাথরের জন্য পরিচিত, কোনো কয়লা খনি নেই।
সি) রংপুর — রংপুর অঞ্চলে কয়লার সন্ধান মিললেও তা দিনাজপুরের মতো বাণিজ্যিকভাবে সর্বাধিক উৎপাদনের জন্য পরিচিত নয়।
D) দিনাজপুর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ এখান থেকেই সবচেয়ে বেশি কয়লা উৎপাদিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির নাম মনে রাখলে খুব সহজেই এই প্রশ্নের উত্তর মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) কাবাডি
কেন সঠিক:
- কাবাডি বাংলাদেশের জাতীয় খেলা এবং এটি গ্রামীণ জনপদে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ঐতিহ্যবাহী খেলা।
- ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হিসেবে কাবাডি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফুটবল — এটি দেশের অন্যতম জনপ্রিয় খেলা হলেও জাতীয় খেলার মর্যাদা পায়নি।
B) ক্রিকেট — বর্তমানে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বাণিজ্যিকভাবে সফল খেলা হলেও এটি জাতীয় খেলা নয়।
C) সাঁতার — এটি একটি জনপ্রিয় ক্রীড়া ইভেন্ট হলেও বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হিসেবে নির্ধারিত নয়।
D) কাবাডি — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক এবং এটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত জাতীয় খেলা।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই ১৯৭২ সালে হাডুডু বা কাবাডি খেলাকে জাতীয় খেলার মর্যাদা দেওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: C) শেখ মুজিবুর রহমান
কেন সঠিক:
- এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- ২০১২ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থে তাঁর রাজনৈতিক জীবন, সংগ্রাম এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা দিক উঠে এসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তাজুদ্দীন আহমেদ — তিনি বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় নেতা হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
B) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হলেও এই গ্রন্থের লেখক নন।
C) শেখ মুজিবুর রহমান — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি এই ঐতিহাসিক গ্রন্থের রচয়িতা।
D) জাহানারা ইমাম — তিনি 'একাত্তরের দিনগুলি' গ্রন্থের লেখক, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর প্রথম আত্মজীবনী মানেই 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী'।
সঠিক উত্তর: C) সাকিব আল হাসান
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাকিব আল হাসান বর্তমান টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার হিসেবে তার অভিজ্ঞতাই তাকে এই পদে সবচেয়ে যোগ্য করে তুলেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তামিম ইকবাল — তিনি বর্তমানে দলের নিয়মিত সদস্য হলেও টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্বে নেই।
B) মুশফিকুর রহিম — তিনি পূর্বে টেস্ট অধিনায়ক ছিলেন, তবে বর্তমানে এই দায়িত্বে নেই।
D) মোমিনুল হক — তিনি পূর্বে টেস্ট অধিনায়কত্ব থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ টেস্ট দলের বর্তমান অধিনায়ক কে, তা মনে রাখতে বর্তমান বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের নামটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) মিউ
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটিতে একটি ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে। মূল প্রশ্নে সঠিক উত্তর C) মিউ বলা হলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী মিউ (Mu) একটি ভ্যারিয়েন্ট ছিল। তবে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কোনটি করোনা ভাইরাসের ভ্যারিয়েন্ট নয়, তা নির্ধারণ করতে হবে। আসলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তালিকাভুক্ত প্রধান ভ্যারিয়েন্টগুলোর মধ্যে জিটা (Zeta), ওমিক্রন (Omicron), মিউ (Mu) এবং ডেল্টা (Delta) সবই করোনা ভাইরাসের ভ্যারিয়েন্ট হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার এই নির্দিষ্ট প্রশ্নে কিছুটা বিভ্রান্তি থাকতে পারে, তবে মিউ ভ্যারিয়েন্টটি ২০২১ সালের আগস্ট মাসে প্রথম শনাক্ত হয়েছিল।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: করোনা ভাইরাস বা সার্স-কোভ-টু ভাইরাসটি সময়ের সাথে মিউটেশনের মাধ্যমে নতুন রূপ বা ভ্যারিয়েন্ট ধারণ করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এসব ভ্যারিয়েন্টকে উদ্বেগের বিষয় এবং নজরদারির বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করতে গ্রিক বর্ণমালা ব্যবহার করে নামকরণ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট
ব্যাখ্যা: এটি ভারতে প্রথম শনাক্ত হয়েছিল এবং অত্যন্ত দ্রুত ছড়ানোর ক্ষমতা সম্পন্ন একটি প্রধান ভ্যারিয়েন্ট ছিল।
উদাহরণ ২: ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট
ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত হয় এবং বিশ্বজুড়ে দ্রুত সংক্রমণ ছড়ানোর জন্য পরিচিত একটি ভ্যারিয়েন্ট।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জিটা — এটি করোনা ভাইরাসের একটি ভ্যারিয়েন্ট যা প্রথম ব্রাজিলে শনাক্ত হয়েছিল এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নজরদারির তালিকায় ছিল।
B) ওমিক্রম — এটি আসলে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টকে বোঝায়, যা করোনা ভাইরাসের একটি অতি সংক্রামক প্রধান ভ্যারিয়েন্ট।
C) মিউ — এটি করোনা ভাইরাসের একটি ভ্যারিয়েন্ট যা কলম্বিয়ায় প্রথম শনাক্ত হয়েছিল এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তালিকায় স্থান পেয়েছিল।
D) ডেল্টা — এটি করোনা ভাইরাসের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও শক্তিশালী ভ্যারিয়েন্ট যা বিশ্বজুড়ে মহামারি ছড়িয়েছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
করোনা ভাইরাসের ভ্যারিয়েন্টগুলোর নাম মনে রাখতে গ্রিক বর্ণমালা যেমন আলফা, বিটা, গামা, ডেল্টা, ওমিক্রন ক্রমানুসারে মনে রাখতে পারো। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বৈজ্ঞানিক নামের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জন্য এই গ্রিক নামগুলো ব্যবহার করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা ভাইরাসের ভ্যারিয়েন্টগুলোকে প্রধানত ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন এবং ভ্যারিয়েন্ট অব ইন্টারেস্ট এই দুই ভাগে ভাগ করে থাকে। এই টপিক থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে কোন ভ্যারিয়েন্টটি কোন দেশে প্রথম শনাক্ত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: D) কোনোটি নয়
১. কেন সঠিক:
কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকর সফটওয়্যার বা ম্যালওয়্যার যা জৈবিক কোনো ভাইরাস নয়। এটি মানবদেহ বা প্রাণীকে আক্রমণ করে না, বরং কম্পিউটার প্রোগ্রাম ও ডেটাকে আক্রমণ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন একটি ক্ষতিকর কোড যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই কম্পিউটারে প্রবেশ করে এবং নিজের কপি নিজে তৈরি করে।
কার্যপদ্ধতি: এটি ইমেইল, পেনড্রাইভ বা ইন্টারনেট থেকে ছড়িয়ে পড়ে এবং সিস্টেমের ফাইল মুছে দেয় বা ধীর করে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্টাকনেট
ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত কম্পিউটার ভাইরাস যা পারমাণবিক সেন্ট্রিফিউজ ধ্বংস করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
উদাহরণ ২: মেলিসা ভাইরাস
ব্যাখ্যা: এটি একটি ইমেইলভিত্তিক ভাইরাস যা সংক্রামিত ইমেইল পাঠকদের কন্টাক্ট লিস্টে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়িয়ে পড়ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডিএনএ ভাইরাস — এটি জীববিজ্ঞানের বিষয়, যা মানুষ বা প্রাণীর কোষে আক্রমণ করে এবং কম্পিউটারের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) আরএনএ ভাইরাস — এটিও জীববিজ্ঞানের বিষয়, যা ইনফ্লুয়েঞ্জা বা কোভিড-১৯ এর মতো রোগ ছড়ায় এবং এটি কোনো ডিজিটাল প্রোগ্রাম নয়।
C) মেটা ভাইরাস — এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক বা অপ্রাসঙ্গিক একটি শব্দ, কারণ কম্পিউটার বিজ্ঞানে এই নামে কোনো নির্দিষ্ট ম্যালওয়্যার বা ভাইরাস নেই।
D) কোনোটি নয় — সঠিক, কারণ কম্পিউটার ভাইরাস হলো ডিজিটাল সফটওয়্যার এবং প্রথম তিনটি অপশন জীববিজ্ঞানের সঙ্গে সম্পর্কিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
কম্পিউটার ভাইরাস কোনো জীব বা জীবাণু নয়, এটি হলো মানুষের তৈরি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার কোড।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার ভাইরাসের পূর্ণরূপ হলো ভাইটাল ইনফরমেশন আন্ডার সাইজ এবং কম্পিউটার ভাইরাসের জনক ফ্রেড কোহেন।
সঠিক উত্তর: C) উত্তর আমেরিকা
১. কেন সঠিক:
হন্দুরাস মধ্য আমেরিকা অঞ্চলের একটি দেশ যা মূলত উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত। ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মূল ভূখণ্ড এবং ক্যারিবিয়ান অঞ্চল মিলিয়ে এই রাষ্ট্রটি গঠিত হয়েছে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: এটি মধ্য আমেরিকার উত্তরাংশে ক্যারিবিয়ান সাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।
সীমান্ত: এর উত্তর ও পূর্বে ক্যারিবিয়ান সাগর, দক্ষিণে নিকারাগুয়া ও এল সালভাদোর এবং পশ্চিমে গুয়াতেমালা অবস্থিত।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: পানামা
ব্যাখ্যা: পানামা হন্দুরাসের দক্ষিণে অবস্থিত মধ্য আমেরিকার অপর একটি দেশ যা উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকাকে সংযোগ করেছে।
উদাহরণ ২: মেক্সিকো
ব্যাখ্যা: মেক্সিকো উত্তর আমেরিকা মহাদেশের একটি দেশ এবং এটি হন্দুরাসের উত্তর-পশ্চিম দিকে অবস্থিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আফ্রিকা — আফ্রিকা একটি সম্পূর্ণ আলাদা মহাদেশ এবং হন্দুরাস এই মহাদেশে অবস্থিত নয়।
B) দক্ষিণ আমেরিকা — হন্দুরাস মধ্য আমেরিকায় অবস্থিত হলেও একে দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের অংশ ধরা হয় না।
D) ইউরোপ — ইউরোপ আটলান্টিক মহাসাগরের পূর্বে অবস্থিত একটি দূরবর্তী মহাদেশ যার সঙ্গে হন্দুরাসের ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
মধ্য আমেরিকার দেশগুলো যেমন গুয়াতেমালা, হন্দুরাস ও পানামা উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অংশ হিসেবে পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্য আমেরিকার দেশগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান এবং তাদের রাজধানী সম্পর্কে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)