বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২।

পদের নাম: উপসহকারী প্রকৌশলী (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a ভাষা আন্দোলন
b অসহযোগ আন্দোলন
c তেভাগা আন্দোলন
d মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভাষা আন্দোলন ১. কেন সঠিক: - মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকটি ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি কালজয়ী ও প্রতিবাদী একাঙ্ক নাটক। - জেলখানায় বন্দि থাকা অবস্থায় ১৯৫৩ সালে তিনি এই নাটকটি রচনা করেন যা তৎকালীন রাজনৈতিক বন্দিদের ভাষা আন্দোলনের প্রতি সমর্থন ও শহীদের স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের প্রতীক। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী ছিলেন একাধারে নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক ও ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সক্রিয় কর্মী যিনি নিজেই বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে কারাগারে বন্দि ছিলেন। - কবর নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে প্রথম প্রতীকী ও প্রতিবাদী নাটক হিসেবে পরিচিত যেখানে শহীদের আত্মার অবমূল্যায়ন ও শাসকগোষ্ঠীর অমানবিক আচরণের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জহির রায়হানের আরেক ফাল্গুন ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা একুশে ফেব্রুয়ারির প্রেক্ষাপটে রচিত। উদাহরণ ২: আলাউদ্দিন আল আজাদের বরফ গলা নদী ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলন ও সমাজজীবনের প্রভাব নিয়ে রচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষা আন্দোলন — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ নাটকটির মূল পটভূমি বা ঐতিহাসিক ঘটনা বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন। B) অসহযোগ আন্দোলন — অসহযোগ আন্দোলন একটি ভিন্ন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট যা মূলত ব্রিটিশবিরোধী ও অসহযোগের সাথে যুক্ত, এর সাথে কবর নাটকের সম্পর্ক নেই। C) তেভাগা আন্দোলন — তেভাগা আন্দোলন ছিল কৃষকদের নায়েব ও জমিদারবিরোধী অর্থনৈতিক আন্দোলন, যা এই নাটকের বিষয়বস্তু নয়। D) মুক্তিযুদ্ধ — মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১ সালের ঘটনা, অথচ কবর নাটকটি তার অনেক আগেই ১৯৫৩ সালে রচিত ও প্রকাশিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: মুনীর চৌধুরীর কবর নাটক মানেই বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের চেতনা। এভাবে মনে রাখতে পারো যে জেলখানায় বসে লেখা প্রথম শহীদ স্মারক নাটক হলো কবর। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকের প্রেক্ষাপট এবং রচনার স্থান ও কাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। নাটকটি ১৯৫৩ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দि অবস্থায় রচিত হয়েছিল।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b সুকুমার সেন
c ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
d আহমদ শরীফ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ১. কেন সঠিক: - 'বাংলা সাহিত্যের কথা' গ্রন্থটির রচয়িতা ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। - এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত প্রামাণিক ও জনপ্রিয় গ্রন্থ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি ভাষাবিজ্ঞানী, গবেষক ও শিক্ষাবিদ। - গ্রন্থটি দুটি খণ্ডে প্রকাশিত হয় এবং এতে প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম কাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন যুগের বিবর্তন ও সাহিত্যিকদের অবদান সম্পর্কে ধারণা দেয়। উদাহরণ ২: অবৈদিক বাংলা ভাষা ব্যাখ্যা: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ক গবেষণার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বাংলার উৎপত্তি নিয়ে গবেষণা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বকবি হলেও 'বাংলা সাহিত্যের কথা' নামক কোনো ইতিহাস গ্রন্থ তিনি রচনা করেননি। B) সুকুমার সেন — সুকুমার সেন 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' রচনা করেছেন, যা ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর গ্রন্থ থেকে আলাদা। D) আহমদ শরীফ — আহমদ শরীফ প্রধানত মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের গবেষক ও সম্পাদক ছিলেন, এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - শহীদুল্লাহর কথা সবসময় মনে রাখা ভালো, তাই 'বাংলা সাহিত্যের কথা' বললেই ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর নাম মনে রাখবে। - ইতিহাসধর্মী গবেষণামূলক গ্রন্থটি শহীদুল্লাহ স্যারের লেখা একটি মাস্টারপিস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিভিন্ন লেখকের ইতিহাস গ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে ছক আকারে পড়লে সহজে মনে রাখা যায়।
a বেগম রোকেয়া
b মালেকা বেগম
c সুফিয়া কামাল
d নূরজাহান বেগম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নূরজাহান বেগম ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হবে নূরজাহান বেগম, যা এই ব্যাখ্যার শুরুতে সংশোধন করে দেওয়া হলো। - বেগম পত্রিকা ১৯৪৭ সালের ২০ জুলাই প্রকাশিত বাংলাদেশের প্রথম নারীদের সাপ্তাহিক পত্রিকা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নূরজাহান বেগম ছিলেন উপমহাদেশের প্রথম নারী সাংবাদিক এবং বেগম পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। - বেগম পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন সুলতানা খাতুন এবং প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও পরবর্তীতে দীর্ঘকাল সম্পাদক ছিলেন নূরজাহান বেগম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ব্যাখ্যা: তিনি বাঙালি নারী জাগরণের অগ্রদূত এবং সুলতানাস ড্রিম তার বিখ্যাত গ্রন্থ। উদাহরণ ২: সুফিয়া কামাল ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি, সাহিত্যিক ও নারী আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেগম রোকেয়া — তিনি নারী জাগরণের অগ্রদূত হলেও বেগম পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। B) মালেকা বেগম — তিনি বিশিষ্ট নারী নেত্রী ও গবেষক হলেও এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক নন। C) সুফিয়া কামাল — তিনি এই পত্রিকার প্রথম প্রকাশের সময় এর নামকরণে ও উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত ছিলেন কিন্তু সম্পাদক নূরজাহান বেগম। D) নূরজাহান বেগম — তিনি বেগম পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক এবং দীর্ঘকাল সফলভাবে তা পরিচালনা করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - নারীদের প্রথম কাগজ বেগম পত্রিকার নূর ছড়ানো সম্পাদক ছিলেন নূরজাহান বেগম। - প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদনার সাথে নূরজাহান নামটি দৃঢ়ভাবে যুক্ত তা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বেগম পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালে কলকাতার সখা সমিতির প্রেস থেকে। - এই পত্রিকার সূচনালগ্নে বেগম রোকেয়া পরিবার ও সওগাত পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরুদ্দীনের বিশেষ ভূমিকা ছিল।
a ২০১৫ সালে
b ১৯৭১ সালে
c ২০১০ সালে
d ১৯৬০ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০১০ সালে ১. কেন সঠিক: বাংলা একাডেমি ২০১০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী স্মরণে এবং রবীন্দ্রসাহিত্য চর্চাকে উৎসাহিত করার জন্য নিয়মিতভাবে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন ও প্রদান করে আসছে। এই পুরস্কারটি বাংলাদেশের শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রে রবীন্দ্রচর্চায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে প্রদান করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা একাডেমি বাংলাদেশের একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান যা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে কাজ করে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য পুরস্কার দিয়ে থাকে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা এবং তাঁর সাহিত্যকর্ম বিশ্বসাহিত্যে বাংলা ভাষাকে উচ্চাসনে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বিশেষ অবদানের জন্য বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রদত্ত আরেকটি মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার। উদাহরণ ২: একুশে পদক ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলন ও বিভিন্ন জাতীয় ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার এই পদক প্রদান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১৫ সালে — এই বছরে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়নি কারণ এটি ২০১০ সালে চালু হয়েছিল। B) ১৯৭১ সালে — এই বছর বাংলাদেশ স্বাধীন হয় এবং এটি রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তনের সাল নয়। D) ১৯৬০ সালে — এই সালটি বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা একাডেমির রবীন্দ্র পুরস্কার চালুর সালটি মনে রাখতে ২০১০ সংখ্যাটি মনে রাখুন যেখানে শূন্য মানে সাহিত্যের পূর্ণতা। রবীন্দ্রনাথের জন্মজয়ন্তী উদযাপনের আধুনিক ধারার সঙ্গে এই পুরস্কার চালুর সালটি মিলিয়ে পড়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা একাডেমির প্রবর্তিত বিভিন্ন পুরস্কার এবং তাদের শুরুর সাল প্রায়ই আসে। একইভাবে অন্যান্য জাতীয় পুরস্কার ও পদক চালুর সালগুলো ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন।
a সমিচিন
b সমীচিন
c সমীচীন
d সমীচিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমীচীন ১. কেন সঠিক: - সমীচীন শব্দের বানানে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার এবং শেষ বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটি একটি অতৎসম বা তৎসম শব্দ যেখানে উভয় ই-কার দীর্ঘ হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে ই-কার এবং উ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। - সমাস বা প্রত্যয়জনিত কারণে কিছু শব্দের বানানে দীর্ঘ স্বরবর্ণের ব্যবহার বাধ্যতামূলক হয় যা প্রমিত বানানে অনুসৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিভীষণ ব্যাখ্যা: এই শব্দটির বানানেও ই-কারের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: মণীষী ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও দীর্ঘ ঈ-কারের সঠিক ব্যবহার দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমিচিন — এই বানানে দীর্ঘ ঈ-কারের পরিবর্তে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) সমীচিন — এই বানানে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার থাকলেও শেষ বর্ণে ভুলভাবে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। C) সমীচীন — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বাংলা একাডেমি অনুমোদিত প্রমিত রূপ। D) সমীচিন — এই বানানেও শেষের বর্ণে হ্রস্ব ই-কার থাকার কারণে বানানটি অশুদ্ধ হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমীচীন বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো এই শব্দটিতে দুটিই দীর্ঘ ঈ-কার হয়। - বানানের শেষে ন এর সাথে সবসময় দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বানানটি অত্যন্তFrequently আসে। - প্রতিযোগিতায় সফল হতে প্রমিত বানানরীতির তালিকা নিয়মিত চর্চা করতে হবে।
a 1913
b 1915
c 1917
d 1920
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯১৫ ১. কেন সঠিক: ব্রিটিশ সরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯১৫ সালে নাইটহুড বা স্যার উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর তাঁর আন্তর্জাতিক খ্যাতি বৃদ্ধি পেলে ব্রিটিশ রাজপরিবার এই সম্মাননা প্রদান করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তিনি ১৮৬১ সালের ৭ মে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের জন্য প্রথম এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ব্যাখ্যা: এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি তাঁর বিশ্বকবিখ্যাতি নিশ্চিত করে এবং ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে স্যার উপাধি দেওয়ার পথ সুগম করে। উদাহরণ ২: ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রিটিশ সরকারের দেওয়া নাইটহুড বা স্যার উপাধি বর্জন করেন। ব্যাখ্যা: পাঞ্জাবের অমৃতসরে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর নির্বিচারে সাধারণ মানুষ হত্যার প্রতিবাদে তিনি এই সম্মানজনক উপাধি ত্যাগ করে তীব্র প্রতিবাদ জানান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৩ — এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গীতাঞ্জলির জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, তবে তখন তাঁকে স্যার উপাধি দেওয়া হয়নি। B) ১৯১৫ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সালেই ব্রিটিশ সরকার তাঁকে নাইটহুড উপাধিতে ভূষিত করেছিল। C) ১৯১৭ — এই সালটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপাধি প্রাপ্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি অন্য কোনো সাহিত্যিক বা ঐতিহাসিক ঘটনার বছর। D) ১৯২০ — এই সালটিও নাইটহুড উপাধি প্রাপ্তির বছর নয়, বরং এটি তাঁর জীবনের একটি ভিন্ন সময়ের সাল। ৫ মনে রাখার টিপস: মনে রাখার সহজ উপায় হলো নোবেল প্রাপ্তির ঠিক দুই বছর পর ১৯১৫ সালে তিনি স্যার উপাধি পান। আবার এর চার বছর পর ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি তা বর্জন করেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে ও কেন নাইটহুড উপাধি বর্জন করেছিলেন। সাল এবং ঘটনার প্রেক্ষাপট মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
c কাজী নজরুল ইসলাম
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'চন্দ্রশেখর' উপন্যাসটির রচয়িতা বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। - এটি একটি ঐতিহাসিক ও রোমান্টিক ধারার উপন্যাস যা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৭৫ সালে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের প্রথম সার্থক রূপকার এবং আধুনিক উপন্যাসের পথপ্রদর্শক। - 'চন্দ্রশেখর' উপন্যাসে ব্রিটিশ আমলের পূর্ববর্তী রাজনৈতিক পটভূমি এবং পারিবারিক দ্বন্দ্বের চিত্র ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা অন্যতম বিখ্যাত একটি সামাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: দুর্গেশনন্দিনী ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি 'চন্দ্রশেখর' উপন্যাসের রচয়িতা। B) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি বিখ্যাত প্রকৃতিবাদী কথাসাহিত্যিক, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'পথের পাঁচালী'। C) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি আমাদের জাতীয় কবি, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'মৃত্যুক্ষুধা' ও 'কুহেলিকা'। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বিশ্বকবি, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'যোগাযোগ', 'গোরা' ও 'চোখের বালি'। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য চরিত্রভিত্তিক নামের তালিকা পড়তে পারো। - চন্দ্রশেখর, কাপালিক, প্রতাপ ও শৈবলিনী এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্রের ঐতিহাসিক উপন্যাসের নাম ও প্রকাশকাল প্রায়ই আসে। - 'চন্দ্রশেখর' উপন্যাসের শৈবলিনী চরিত্রটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি পরীক্ষার জন্য বারবার আসে।
a নূরলদীনের সারাজীবন
b কবর
c কিতনখোলা
d পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ১. কেন সঠিক: - পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকটি সরাসরি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত এবং এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ কাব্যনাট্য। - নাটকে গ্রামীণ জনপদের ওপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম নির্যাতন এবং সাধারণ মানুষের প্রতিরোধ ও মুক্তির আকুতি অত্যন্ত কাব্যিক ও মর্মান্তিক ভাষায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাটকটির রচিয়তা হলেন বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক যিনি বাংলা সাহিত্যে বহুমুখী প্রতিভার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। - এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যের একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি যা কাব্যরূপের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক সত্য ও আবেগ খুব গভীরভাবে তুলে ধরেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিঙ্করকুমার রায় রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক অন্য কোনো উল্লেখযোগ্য ধারা নয়। ব্যাখ্যা: এটি এই প্রশ্নের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত কোনো বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক নয়। উদাহরণ ২: মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক। ব্যাখ্যা: এটি মুক্তিযুদ্ধের নাটক নয়, বরং ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত একাঙ্ক নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নূরলদীনের সারাজীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি বিখ্যাত নাটক হলেও এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়, বরং উত্তরবঙ্গের কৃষক বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত। B) কবর — এটি মুনীর চৌধুরী রচিত ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি ঐতিহাসিক ও প্রতীকী নাটক। C) কীর্তনখোলা — এটি সেলিনা হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা নাটকে রূপান্তরিত হয়েছে এবং এর মূল বিষয় গ্রামীণ জীবন ও সমাজ বাস্তবতায় নদী ভাঙন। D) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত কাব্যনাট্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হকের দুটি বিখ্যাত নাটক মনে রাখার সহজ উপায় হলো নূরলদীন হলো কৃষক বিদ্রোহের এবং পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় হলো মুক্তিযুদ্ধের নাটক। - কাব্যনাট্য মানেই কবিতার ছন্দে রচিত নাটক, যা পাঠ করলে কবিতার মতো সুর ও লয় পাওয়া যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নাটকটি কার লেখা অথবা এটি কোন বিষয়ের ওপর রচিত, তা জানতে চাওয়া হয়। - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটকের ক্ষেত্রে সৈয়দ শামসুল হকের পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় এবং নাট্যকার হিসেবে তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a চর্যাপদ
b শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
c রামায়ণ
d মনসামঙ্গল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন ও প্রথম কাব্যসংকলন। - এটি মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা গীতিআটিকা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন। - এটি ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হারাপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় হাজার বছরের পুরানো বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে প্রথম প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাকরণের পদকর্তা লুইপা। ব্যাখ্যা: লুইপা চর্যাপদের প্রথম পদটির রচয়িতা এবং তাঁর পদের সংখ্যা ছিল একটি। উদাহরণ ২: ডোমপা চর্যাপদের একজন বিশিষ্ট কবি। ব্যাখ্যা: ডোমপা চর্যাপদের একাধিক পদ রচনা করেছেন এবং তাঁর পদগুলো সন্ধ্যা ভাষায় লিখিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চর্যাপদ — এটি প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্দেশক ও সঠিক উত্তর। B) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — এটি মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন এবং বডু চণ্ডীদাসের রচনা। C) রামায়ণ — এটি মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় কাব্য। D) মনসামঙ্গল — এটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্যতম প্রধান ধারা। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ মানেই চর্যাপদ এবং এর আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। - প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রাপ্ত নিদর্শন হিসেবে চর্যাপদ নামটি সবার আগে মাথায় রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও ডক্টর সুকুমার সেনের মতে পদ সংখ্যা ছেচল্লিশটি। - চর্যাপদের ভাষা প্রাকৃত ও বাংলা ভাষার সান্ধ্য ভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা নামে পরিচিত।
a 1821
b 1757
c 1800
d 1921
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 1800 ১. কেন সঠিক: - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১৮০০ সালের ১৮ মে তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলি কর্তৃক কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে প্রতিষ্ঠিত হয়। - এই কলেজ প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ সিভিলিয়ান বা কর্মকর্তাদের বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধীন বাংলা ভাষা চর্চার জন্য একটি বিভাগ খোলা হয় যার প্রধান ছিলেন উইলিয়াম কেরি। - এই প্রতিষ্ঠানের লেখকদের হাত ধরেই মূলত বাংলা গদ্যের সূচনা ও বিকাশ ঘটেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রামরাম বসু রচিত রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র। ব্যাখ্যা: এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ থেকে প্রকাশিত বাংলা গদ্যের অন্যতম একটি প্রারম্ভিক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: মৃত্যঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচিত বাতত্রিশ সিংহাসন। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের নির্দেশনায় রচিত এবং বাংলা গদ্য বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1821 — এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়নি বরং কলেজটি প্রতিষ্ঠার একুশ বছর পরের একটি সাল। B) 1757 — এই সালে পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল যার সঙ্গে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার কোনো সম্পর্ক নেই। C) 1800 — এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার সঠিক ঐতিহাসিক সাল এবং প্রশ্নটির কাঙ্ক্ষিত উত্তর। D) 1921 — এই সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় যা ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার বহু পরের ঘটনা। ৫. মনে রাখার টিপস: - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে ১৮০০ সংখ্যাটি মনে রাখবে। - উইলিয়াম কেরি ও ১৮০০ সাল একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রথম অধ্যক্ষ বা বাংলা বিভাগের প্রধান সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাংলা গদ্যের ইতিহাস পড়তে গেলে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অবদান ও এর প্রকাশনাগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a কলকাতা
b চব্বিশ পরগনা
c শান্তি নিকেতন
d কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কিশোরগঞ্জ ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নারী কবি চন্দ্রাবতী কিশোরগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের কাচারীপার গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ষোড়শ শতকের এই প্রখ্যাত কবি বাংলা সাহিত্যে রামায়ণের নারী দৃষ্টিকোণ থেকে পুনর্লিখন বা মৈমনসিংহ গীতিকার জন্য অমর হয়ে আছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি চন্দ্রাবতী মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ও রামায়ণ সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি হিসেবে স্বীকৃত। তিনি ষোড়শ শতাব্দীতে বর্তমান কিশোরগঞ্জ জেলার ঐতিহাসিক নরসুন্দা নদীর তীরে জন্মগ্রহণ করেন এবং তাঁর পিতা কবি দ্বিজ বংশীদাসের অনুপ্রেরণায় সাহিত্যচর্চা শুরু করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মলুয়া ব্যাখ্যা: এটি চন্দ্রাবতীর অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি পালাগান বা মৈমনসিংহ গীতিকার অংশবিশেষ যা নারী হৃদয়ের বেদনা ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: রামায়ণ ব্যাখ্যা: চন্দ্রাবতীর বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যার মাধ্যমে তিনি সীতার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে রামায়ণ রচনা করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কলকাতা — কলকাতা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী এবং বাংলার আধুনিক সাহিত্য ও সংস্কৃতির কেন্দ্র হলেও কবি চন্দ্রাবতীর জন্মস্থান নয়। B) চব্বিশ পরগনা — চব্বিশ পরগনা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি ঐতিহাসিক জেলা যা চন্দ্রাবতীর জন্মস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) শান্তি নিকেতন — শান্তি নিকেতন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় অবস্থিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত স্থান যা চন্দ্রাবতীর জন্মস্থান নয়। D) কিশোরগঞ্জ — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবি চন্দ্রাবতীর জন্ম বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলায় হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের প্রথম নারী কবি চন্দ্রাবতীর জন্মস্থান মনে রাখতে কিশোরগঞ্জের নরসুন্দা নদীর তীর এবং তাঁর বিখ্যাত রামায়ণ রচনার কথা একসঙ্গে স্মরণ করতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের নারী কবিদের মধ্যে চন্দ্রাবতী এবং মলুয়া পালাগান থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি হিসেবে তাঁর জন্মস্থান কিশোরগঞ্জ বারবার বিভিন্ন পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
a ইয়াসির আরাফাত
b শামসুর রাহমান
c নাজিম হিকমত
d আল্লামা ইকবাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শামসুর রাহমান ১. কেন সঠিক: - মজলুম আদিব শব্দের অর্থ হলো নির্যাতিত সাহিত্যিক। - প্রখ্যাত আধুনিক কবি শামসুর রাহমান সামরিক শাসন ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদস্বরূপ এই ছদ্মনাম ব্যবহার করে লেখালেখি করতেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর প্রথম সারির একজন বাঙালি কবি ও সাংবাদিক। - ১৯২৯ সালের ২৩শে অক্টোবর পুরান ঢাকায় জন্মগ্রহণকারী এই কবি নাগরিক জীবন, দ্রোহ ও দেশপ্রেমের জন্য বিখ্যাত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ময়ূখ ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর একটি সাহিত্যিক ছদ্মনাম। উদাহরণ ২: বীরবল ব্যাখ্যা: এটিও প্রমথ চৌধুরীর অপর একটি বিখ্যাত ছদ্মনাম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইয়াসির আরাফাত — ইনি ফিলিস্তিনের প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা ছিলেন, কোনো সাহিত্যিক ছদ্মনাম ব্যবহারকারী কবি নন। B) শামসুর রাহমান — এটি সঠিক উত্তর। C) নাজিম হিকমত — ইনি তুরস্কের বিশ্বখ্যাত সাম্যবাদী কবি, তবে মজলুম আদিব তাঁর ছদ্মনাম নয়। D) আল্লামা ইকবাল — ইনি পাকিস্তানের প্রখ্যাত দার্শনিক ও কবি, তাঁর ছদ্মনাম এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শামসুর রাহমান ছিলেন নির্যাতিত মানুষের পক্ষে সোচ্চার কণ্ঠ, তাই তাঁর ছদ্মনামের অর্থ মনে রাখলে সহজেই উত্তর মেলানো যায়। - আদিব শব্দের অর্থ সাহিত্যিক এবং মজলুম অর্থ নির্যাতিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অন্য ছদ্মনাম যেমন বনফুল অর্থ বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়, এটিও ভালোভাবে মনে রাখবে।
a কাজী নজরুল ইসলামের
b সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
d মোহিতলাল মজুমদারের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১. কেন সঠিক: 'সন্ধ্যাসঙ্গীত' হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যসংকলন। এই কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হওয়ার মাধ্যমেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবি হিসেবে তাঁর নিজস্ব স্বকীয়তা ও স্বাতন্ত্র্য লাভ করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: 'সন্ধ্যাসঙ্গীত' কাব্যগ্রন্থটি ১৮৮২ সালে প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো পড়ে মুগ্ধ হয়ে তৎকালীন বরেণ্য সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কবিকে অভিনন্দিত করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রভাতসঙ্গীত ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা সন্ধ্যাসঙ্গীতের অব্যবহিত পরেই প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভনিতা ব্যবহার করে লেখা বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে রচিত কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলামের — কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ হলো 'ভোরের হাওয়া' নয়, বরং 'অগ্নিবীণা'। তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। B) সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের — সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো 'সবিতা' ও 'বেণু ও বীণা'। তিনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত হলেও সন্ধ্যাসঙ্গীত তাঁর রচনা নয়। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের — এই অপশনটি সঠিক কারণ সন্ধ্যাসঙ্গীত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অনন্য কাব্যগ্রন্থ। D) মোহিতলাল মজুমدارের — মোহিতলাল মজুমদারের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো 'স্বপ্নের পসরা'। এটি রবীন্দ্রনাথের কাব্যগ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সন্ধ্যা নামলে কবি রবীন্দ্রনাথ গান বা কবিতা লিখতেন, এভাবে মনে রাখতে পারো যে সন্ধ্যাসঙ্গীত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্য। রবীন্দ্রনাথের প্রথম দিকের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে সন্ধ্যাসঙ্গীত একটি অন্যতম মাইলফলক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সন্ধ্যাসঙ্গীত প্রকাশিত হয় ১৮৮২ সালে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম দিকের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম ও প্রকাশকাল জানতে চাওয়া হয়।
a মহাকাব্য
b কাব্যনাট্য
c গল্প
d উপন্যাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাব্যনাট্য ১. কেন সঠিক: 'নূরলদীনের সারাজীবন' একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য যার রচয়িতা সৈয়দ শামসুল হক। কাব্যনাট্য হলো এমন একটি সাহিত্যকর্ম যা দেখতে নাটকের মতো সংলাপধর্মী হলেও মূলত কবিতার ছন্দে রচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই কাব্যনাট্যের রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক, কবি ও নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক। এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে কাব্যনাট্যের এক অনন্য নিদর্শন যেখানে ঐতিহাসিক পটভূমির সঙ্গে সমসাময়িক রাজনৈতিক চেতনা যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যনাট্য যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রেক্ষাপটে রচিত। উদাহরণ ২: ইর্ষা ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের লেখা আরেকটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য যা নাট্যসাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাকাব্য — এটি মহাকাব্য নয় কারণ মহাকাব্য হলো বিশাল আয়তনের পদ্যে রচিত বীরত্বগাথা কাহিনী যেমন মেঘনাদবধ কাব্য। B) কাব্যনাট্য — এটি সঠিক উত্তর। C) গল্প — এটি কোনো ছোটগল্প নয় কারণ গল্প মূলত গদ্যে রচিত ছোট কলেবরের কাল্পনিক বা বাস্তবধর্মী কাহিনী। D) উপন্যাস — এটি উপন্যাস নয় কারণ উপন্যাস হলো দীর্ঘ আকৃতির গদ্যরীতিতে রচিত কথাসাহিত্য। ৫ মনে রাখার টিপস: সৈয়দ শামসুল হকের নাটকের ক্ষেত্রে মনে রাখবে তার নাটকগুলো প্রধানত কাব্যনাট্য যেমন নূরলদীনের সারাজীবন ও পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়। নাটকের নাম দেখলে আগে দেখতে হবে তা পদ্যে নাকি গদ্যে রচিত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্যগুলো থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। নূরলদীনের সারাজীবন এবং পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় দুটিই কাব্যনাট্য হিসেবে বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে।
a অকৃত্রিম
b মৌলিক
c স্বাভাবিক
d সরল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্বাভাবিক ১. কেন সঠিক: - কৃত্রিম শব্দের অর্থ মানুষের তৈরি বা যা স্বাভাবিকভাবে উৎপন্ন হয়নি। - এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো স্বাভাবিক, যার অর্থ প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট বা স্বাভাবিক নিয়মে ঘটে যা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ বিষয়ের অন্তর্গত এটি একটি শব্দার্থগত প্রশ্ন। - শব্দের উৎস, ভাব ও প্রসঙ্গের ওপর ভিত্তি করে বিপরীত শব্দ নির্ধারণ করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শুষ্ক শব্দের বিপরীত আর্দ্র। ব্যাখ্যা: শুষ্ক অর্থ ভেজা নয় এমন, আর আর্দ্র অর্থ ভেজা বা জলীয় বাষ্পপূর্ণ। উদাহরণ ২: প্রকাশ শব্দের বিপরীত গোপন। ব্যাখ্যা: প্রকাশ অর্থ যা সবার সামনে দৃশ্যমান, আর গোপন অর্থ যা লুকিয়ে রাখা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অকৃত্রিম — এটি কৃত্রিম শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, বিপরীতার্থক শব্দ নয়। B) মৌলিক — মৌলিক শব্দের অর্থ যা অন্য কিছু থেকে উদ্ভূত নয়, কৃত্রিম শব্দের সঠিক বিপরীত এটি নয়। সি) স্বাভাবিক — এটি সঠিক উত্তর। D) সরল — সরল শব্দের বিপরীত জটিল বা কুটিল, কৃত্রিম শব্দের বিপরীত স্বাভাবিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - কৃত্রিম মানে ভেজাল বা মানুষের তৈরি, আর স্বাভাবিক মানে খাঁটি বা প্রাকৃতিকভাবে তৈরি। - বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার সময় শব্দের মূল ভাব মনে রাখা সবচেয়ে ভালো উপায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের ভাবার্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। - সমার্থক শব্দ এবং বিপরীতার্থক শব্দ গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a বনে কান্না
b বনের কান্না
c পাগলের প্রলাপ
d নিষ্ফল আবেদন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিষ্ফল আবেদন ১. কেন সঠিক: - 'অরণ্যে রোদন' একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ বনে বসে কান্না করা। - গভীর অরণ্যে কেউ কাঁদলে তা যেমন কারোর কানে পৌঁছায় না এবং কোনো প্রতিকারও হয় না, তেমনি নির্বোধের কাছে বা যেখানে কোনো ফল পাওয়ার আশা নেই সেখানে আবেদন করাকেও এই বাগধারা দিয়ে বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও ভাবগত অর্থ প্রকাশ করে। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে অত্যন্ত সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরের কাছে ধর্মের কথা বলা আর অরণ্যে রোদন করা একই কথা। ব্যাখ্যা: চোর যেহেতু ধর্ম মানে না, তাই তার কাছে ধর্মোপদেশ দেওয়া সম্পূর্ণ বৃথা, যা অরণ্যে রোদনের সমতুল্য। উদাহরণ ২: দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে একা আন্দোলন করা মানে অরণ্যে রোদন করা। ব্যাখ্যা: যেখানে কোনো সুফল পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না, সেখানে এককভাবে চেষ্টা করাকে বোঝাতে এই উদাহরণটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বনে কান্না — বাগধারার ক্ষেত্রে শব্দের আক্ষরিক অর্থ গ্রহণযোগ্য নয়, বরং এর ভাবার্থ বা বিশেষ অর্থ ধরতে হয়। B) বনের কান্না — এটিও শব্দের সরল বা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে, যা বাগধারার রূপক অর্থকে নির্দেশ করে না। C) পাগলের প্রলাপ — এর অর্থ অমূলক বা অসংলগ্ন কথা বলা, যা নিষ্ফল আবেদনের সঙ্গে মেলে না। D) নিষ্ফল আবেদন — এটি সঠিক কারণ অরণ্যে রোদন বলতে এমন আবেদন বা কান্নাকাটি বোঝায় যার কোনো ফল হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বনে গিয়ে কান্নাকাটি করলে যেমন কেউ শোনে না, তেমনি যে আবেদনে কোনো ফল পাওয়া যায় না তাকেই অরণ্যে রোদন বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অপ্রাসঙ্গিক বা বৃথা বোঝাতে এই বাগধারাটি অপশনে দেওয়া হয়। - বাগধারার উত্তর দেওয়ার সময় আক্ষরিক অর্থ না ভেবে তার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা প্রমিত অর্থ বিবেচনা করতে হবে।
a চ
b ট
c প
d থ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) থ ১. কেন সঠিক: - থ একটি মহাপ্রাণ ধ্বনি কারণ এটি উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে নির্গত বাতাসের পরিমাণ বেশি থাকে এবং জোর বা প্রাণবায়ু বেশি লাগে। - বাংলা বর্ণমালার স্পর্শ ধ্বনি বা বর্গীয় ধ্বনিগুলোকে উচ্চারণের সময় বাতাসের কম-বেশি নির্গমনের ওপর ভিত্তি করে অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বর্গের প্রতি বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ হলো মহাপ্রাণ ধ্বনি এবং প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ হলো অল্পপ্রাণ ধ্বনি। - ত বর্গের বর্ণগুলো হলো ত, থ, দ, ধ, ন; এর মধ্যে থ হলো দ্বিতীয় বর্ণ এবং ধ হলো চতুর্থ বর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খ ব্যাখ্যা: খ হলো ক বর্গের দ্বিতীয় বর্ণ, তাই এটি একটি মহাপ্রাণ ধ্বনি। উদাহরণ ২: ভ ব্যাখ্যা: ভ হলো প বর্গের চতুর্থ বর্ণ, তাই এটি একটি মহাপ্রাণ ধ্বনি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চ — চ হলো চ বর্গের প্রথম বর্ণ, তাই এটি অল্পপ্রাণ ধ্বনি মহাপ্রাণ নয়। B) ট — ট হলো ট বর্গের প্রথম বর্ণ, তাই এটি অল্পপ্রাণ ধ্বনি মহাপ্রাণ নয়। C) প — প হলো প বর্গের প্রথম বর্ণ, তাই এটি অল্পপ্রাণ ধ্বনি মহাপ্রাণ নয়। D) থ — থ হলো ত বর্গের দ্বিতীয় বর্ণ, তাই এটি মহাপ্রাণ ধ্বনি হিসেবে সম্পূর্ণ সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - বর্গের জোড় বর্ণ অর্থাৎ দুই ও চার নম্বর বর্ণগুলো মহাপ্রাণ ধ্বনি হয়। - বিজোড় বর্ণ অর্থাৎ এক ও তিন নম্বর বর্ণগুলো অল্পপ্রাণ ধ্বনি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ ধ্বনি চিহ্নিত করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বর্গীয় ধ্বনির ক্রম মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই নির্ণয় করা যায়।
a ক্ষুধিত পাষাণ
b মৃত্যুক্ষুধা
c জননী
d আগুন পাখি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মৃত্যুক্ষুধা ১. কেন সঠিক: - মৃত্যুক্ষুধা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা দরিদ্র মানুষের জীবন সংগ্রাম ও নৈতিকতার দ্বন্দ্ব তুলে ধরে। - এই উপন্যাসে কলকাতার বস্তি জীবনের দরিদ্র মানুষের ক্ষুধা এবং তাদের বেঁচে থাকার তীব্র লড়াই অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে সমাদৃত হলেও তিনি সফলভাবে কয়েকটি উপন্যাসও রচনা করেছেন। - তাঁর রচিত প্রধান তিনটি উপন্যাস হলো বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা, যা বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঁধনহারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম পত্রোপন্যাস যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে তরুণ সমাজের মনস্তত্ত্ব প্রকাশ পায়। উদাহরণ ২: কুহেলিকা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি রাজনৈতিক উপন্যাস যা ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে দেশপ্রেম ও বিপ্লবের বাণী রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষুধিত পাষাণ — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত উপন্যাস নয়, এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প। B) মৃত্যুক্ষুধা — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস। C) জননী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত কোনো উপন্যাস নয়, এটি কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। D) আগুন পাখি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত উপন্যাস নয়, এটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। ৫. মনে রাখার টিপস: - নজরুলের তিনটি বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বাঁধনহারা কুহেলি চোখে মৃত্যুক্ষুধা পেলে নজরুল অমর হন। - এর মাধ্যমে বাঁধনহারা, কুহেলিকা ও মৃত্যুক্ষুধা এই তিনটি উপন্যাসের নাম একসঙ্গে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস সংখ্যা মাত্র তিনটি, তাই এই নামগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও অন্যান্য বিখ্যাত লেখকদের উপন্যাসের সঙ্গে নজরুলের উপন্যাসের নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a অনল
b পবন
c যবন
d কমল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অনল ১. কেন সঠিক: - 'অগ্নি' শব্দের অর্থ আগুন, দহনকারী শক্তি বা তাপ। অনল শব্দের অর্থও আগুন, যা অগ্নি শব্দের সরাসরি সমার্থক। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অর্থ ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস ও প্রচলিত ব্যবহার জানা অত্যন্ত জরুরি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই সমস্ত শব্দ যেগুলোর অর্থ প্রায় একই রকম হয়। বাংলা ভাষায় তৎসম, তদ্ভব ও দেশি শব্দের ভাণ্ডারে অনেক সমার্থক শব্দ রয়েছে। - 'অগ্নি' একটি তৎসম শব্দ এবং এর অনেকগুলো চমৎকার সমার্থক শব্দ রয়েছে যা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বহ্নি ব্যাখ্যা: এটি অগ্নি শব্দের আরেকটি অতি পরিচিত তৎসম সমার্থক শব্দ, যার অর্থ আগুন। উদাহরণ ২: পাবক ব্যাখ্যা: পাবক শব্দের অর্থও আগুন বা অগ্নি, যা যজ্ঞে ব্যবহৃত পবিত্র আগুনকে বোঝাতেও প্রথাগতভাবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনল — এটি সঠিক কারণ অনল এবং অগ্নি একই অর্থ প্রকাশ করে। B) পবন — এটি ভুল কারণ পবন শব্দের অর্থ বাতাস বা বায়ু, যা আগুনের সমার্থক নয়। C) যবন — এটি ভুল কারণ যবন প্রাচীনকালে বিদেশি বা ভিনদেশি আক্রমণকারীদের বোঝাতে ব্যবহৃত হতো। D) কমল — এটি ভুল কারণ কমল শব্দের অর্থ পদ্মফুল, যা কোনোভাবেই অগ্নি বা আগুনের সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অগ্নি শব্দের সমার্থকগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো আগুন সম্পর্কিত প্রধান তৎসম শব্দগুলো একসাথে পড়া যেমন অনল, পাবক, বহ্নি, হুতাশন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নি, বায়ু, সূর্য, সমুদ্র ও নদী শব্দের সমার্থক শব্দগুলো থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - সমার্থক শব্দ মুখস্থ করার পরিবর্তে শব্দের মূল উৎস ও প্রচলিত ব্যবহার খেয়াল করলে উত্তর করা সহজ হয়।
a ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
b মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
c বিজয় গুপ্ত
d ঘনরাম চক্রবর্তী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ১. কেন সঠিক: - 'চণ্ডীমঙ্গল' হলো মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় নিদর্শন। - কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী এই কাব্য রচনা করেন এবং বাংলা সাহিত্যে তিনি কবিকঙ্কন উপাধিতে ভূষিত হন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ষোড়শ শতকের মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি এবং তাঁর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যটি বাংলায় কবিমুকুন্দরামের দ্বিজত্ব ও কবিকঙ্কন উপাধির জন্য বিখ্যাত। - এই কাব্যে তৎকালীন গ্রামীণ বাংলার সমাজচিত্র, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও অর্থনৈতিক সংকটের এক বাস্তবসম্মত ও জীবন্ত চিত্র ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কালকেতু ও ফুল্লরার উপাখ্যান ব্যাখ্যা: চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আখেটিক খণ্ডের একটি বিখ্যাত অংশ হলো কালকেতু ও ফুল্লরার উপাখ্যান, যা তৎকালীন মানুষের জীবন সংগ্রামকে ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: ধনপতি ও খূলনার উপাখ্যান ব্যাখ্যা: চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের বণিক খণ্ডের এই উপাখ্যানে মধ্যযুগের সমুদ্র বাণিজ্য ও বেদের জীবনযাত্রার নিখুঁত বিবরণ পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর — তিনি অষ্টাদশ শতকের কবি এবং অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা, চণ্ডীমঙ্গলের নন। B) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — এটি সঠিক উত্তর। C) বিজয় গুপ্ত — তিনি পদ্মাপুরাণ বা মনসামঙ্গল কাব্যের অন্যতম প্রধান রচয়িতা। D) ঘনরাম চক্রবর্তী — তিনি ধর্মমঙ্গল কাব্যের একজন বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কবি। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুকুন্দ মানে কঙ্কন, অর্থাৎ কবিকঙ্কন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী চণ্ডীমঙ্গল লিখে বিখ্যাত হয়েছেন। - মঙ্গলকাব্যের কবি ও তাদের কাব্যের নাম মনে রাখার জন্য কবির নামের প্রথম অক্ষর ও কাব্যের নাম ছন্দে মিলিয়ে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর উপাধি প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যগুলোর রচয়িতা এবং তাদের নির্দিষ্ট কাব্যধারার নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a bee
b hind
c ewe
d lass
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) bee কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে মৌমাছির ক্ষেত্রে পুরুষবাচক শব্দ ড্রোন (drone) এর স্ত্রীবাচক রূপ হলো বি (bee) বা কুইন বি (queen bee)। - ড্রোন বলতে সাধারণত পুরুষ মৌমাছির প্রজাতিকে বোঝায়, যার স্ত্রীবাচক প্রতিশব্দ হিসেবে অপশনের মধ্যে এই উত্তরটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bee — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ড্রোন শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) hind — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ hind হলো স্ট্যাগ (stag) বা হরিণের স্ত্রীবাচক রূপ। C) ewe — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ ewe হলো রাম (ram) বা ভেড়ার স্ত্রীবাচক রূপ। D) lass — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ lass হলো ল্যাড (lad) বা বালকের স্ত্রীবাচক রূপ। মনে রাখার টিপস: মৌমাছি পরিবারের পুরুষ সদস্য হলো ড্রোন এবং স্ত্রী সদস্য হলো বি বা কুইন বি।
a Alumnus
b Alumnous
c Alumninus
d Aluminise
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Alumnus কেন সঠিক: - ল্যাটিন ভাষার নিয়ম অনুযায়ী উএস (us)ending শব্দগুলোর বহুবচন করার সময় ইউএস (us) বাদ দিয়ে আই (i) যুক্ত করা হয়। - Alumnus শব্দের শেষে উএস (us) থাকায় এর বহুবচন রূপ হিসেবে Alumni শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Alumnus - এটি নিজেই একটি সঠিক একবচন শব্দ যার বহুবচন হলো Alumni। B) Alumnous - এটি একটি ভুল বানান এবং ইংরেজি ব্যাকরণে এ ধরনের কোনো শব্দ অনুমোদিত নয়। C) Alumninus - এটি একটি ভুল শব্দ গঠন যার সাথে সঠিক ইংরেজি বা ল্যাটিন ব্যাকরণের মিল নেই। D) Aluminise - এটি একটি কাল্পনিক শব্দ এবং ব্যাকরণগতভাবে এটি কোনো শব্দের বহুবচন রূপ নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে us থাকলে তা পরিবর্তন করে i বসালে বহুবচন হয় যেমন Alumnus থেকে Alumni।
a a noun
b an adjective
c a preposition
d an adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) an adverb কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে overnight শব্দটি became verb-টিকে মডিফাই করছে বা কখন ধনী হয়েছিল তা বোঝাচ্ছে। - verb-কে বিশেষিত করায় overnight শব্দটি এখানে Adverb হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a noun — noun হতে হলে শব্দটিকে বাক্যে subject বা object হিসেবে বসতে হতো, যা এখানে হয়নি। B) an adjective — adjective হতে হলে শব্দটিকে কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা বোঝাতে হতো। C) a preposition — preposition হতে হলে শব্দটির পরে কোনো noun বা pronoun থেকে সম্পর্ক স্থাপন করতে হতো। D) an adverb — সঠিক কারণ এটি verb-কে মডিফাই করেছে। মনে রাখার টিপস: verb-কে কখন, কোথায় বা কিভাবে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত Adverb হয়।
a is
b are
c has
d have
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) are কেন সঠিক: - উইলিয়াম শেক্সপিয়রের অ্যাজ ইউ লাইক ইট নাটক থেকে নেওয়া বিখ্যাত উদ্ধৃতিটিতে 'uses' হলো plural subject। - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী plural subject-এর পরে plural verb (are) বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — Subject (uses) plural হওয়ায় singular verb 'is' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) are — এটি বাক্যের subject 'uses'-এর সাথে সঠিকভাবে মিলে যায় এবং এটি সঠিক উত্তর। C) has — এটি একটি singular auxiliary verb যা plural subject-এর সাথে বসে না। D) have — এখানে বাক্যটির অর্থ ও গঠন অনুযায়ী সাহায্যকারী verb হিসেবে 'have'-এর পরিবর্তে 'are' প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: বাক্যের subject যদি plural হয়, তবে verb-ও plural হবে। এখানে 'uses' plural হওয়ায় verb 'are' বসেছে।
a adjective
b preposition
c conjunction
d adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) preposition কেন সঠিক: - 'except' শব্দটি এখানে noun বা pronoun (Friday)-এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য অংশের সাথে তার সম্পর্ক স্থাপন করেছে। - preposition-এর কাজ হলো noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্যান্য পদের সাথে তার সম্পর্ক প্রকাশ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-কে বিশেষিত করছে না, তাই এটি adjective নয়। B) preposition — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি noun-এর পূর্বে বসে সম্পর্ক প্রকাশ করেছে। C) conjunction — এটি দুটি বাক্য বা Clause-কে যুক্ত করেনি, তাই এটি conjunction নয়। D) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb-কে বিশেষিত করছে না, তাই এটি adverb নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে except-এর পরে যদি কোনো noun বা pronoun থাকে এবং তা কোনো Clause যুক্ত না করে, তবে সাধারণত except একটি preposition হিসেবে কাজ করে।
a high
b higher
c the higher
d highest
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) the higher কেন সঠিক: - এটি একটি দ্বিঘাত তুলনামূলক বাক্য বা ডাবল কম্পারেটিভের নিয়ম, যেখানে দুটি ক্লজই দ্য এবং কম্পারেটিভ ডিগ্রি দিয়ে শুরু হয়। - একটির বৃদ্ধির সাথে অন্যটির বৃদ্ধি বোঝাতে সমান্তরালভাবে দুটি ক্লজেই দ্য প্লাস কম্পারেটিভ ডিগ্রি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) high — এটি পজিটিভ ডিগ্রি হওয়ায় এই ধরনের সমান্তরাল তুলনামূলক বাক্যের গঠনে ব্যাকরণগতভাবে বেমানান। B) higher — এর পূর্বে দ্য আর্টিকেল না থাকায় বাক্যটির কাঠামো অসম্পূর্ণ ও নিয়মবহির্ভূত হয়েছে। C) the higher — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাক্যের কাঠামোর সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। D) highest — এটি সুপারলেটিভ ডিগ্রি হওয়ায় এখানে দুটি বিষয়ের পারস্পরিক বৃদ্ধি বোঝানোর জন্য এটি অনুপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে দ্য প্লাস কম্পারেটিভ পেলে পরের অংশেও দ্য প্লাস কম্পারেটিভ বসাতে হবে।
a verbal noun
b gerund
c participle
d adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) participle কেন সঠিক: - 'singing' শব্দটি একটি noun (bird)-এর পূর্বে বসে সেটির দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে এবং adjective-এর কাজ করছে। - Verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যখন একই সাথে verb ও adjective-এর কাজ করে, তখন তাকে participle বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) verbal noun — Verbal noun হলো এমন gerund যার পূর্বে the এবং পরে of থাকে, কিন্তু এখানে তা নেই। B) gerund — Gerund verb ও noun-এর কাজ করে, কিন্তু এখানে singing শব্দটি noun-এর কাজ না করে adjective-এর কাজ করছে। C) participle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) adverb — Adverb সাধারণত verb, adjective বা অন্য adverb-কে modify করে, কিন্তু এখানে singing শব্দটি bird নামক noun-কে modify করছে। মনে রাখার টিপস: Noun-এর ঠিক আগে বসে যদি ing যুক্ত কোনো শব্দ noun-এর দোষ বা গুণ বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে তা participle হবে।
a noun
b adjective
c verb
d adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) noun কেন সঠিক: - এখানে 'round' শব্দের পূর্বে দ্য (the) আর্টিকেল বসেছে এবং এর পরে কোনো নাউন নেই, যা একে নাউনে পরিণত করেছে। - ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী, আর্টিকেল ও প্রিপজিশনের মাঝের একক শব্দ সবসময় নাউন হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে round শব্দটি দ্য (the) আর্টিকেলের পর বসে অবজেক্টের কাজ করেছে। B) adjective — এটি ভুল কারণ অ্যাডজেক্টিভ সাধারণত কোনো নাউনের দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে এবং কোনো নাউনের পূর্বে বসে। C) verb — এটি ভুল কারণ ভার্ব কোনো কাজ করা বোঝায়, কিন্তু এখানে রাউন্ড কোনো কাজ করা বোঝাচ্ছে না। D) adverb — এটি ভুল কারণ অ্যাডভার্ব সাধারণত ভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ বা অন্য অ্যাডভার্বকে মডিফাই করে, যা এখানে হয়নি। মনে রাখার টিপস: আর্টিকেল (the) এবং প্রিপজিশনের মাঝখানে একটিমাত্র শব্দ থাকলে সেটি চোখ বন্ধ করে নাউন হবে।
a wasn't it
b didn't it
c did it
d isn't it
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) didn't it কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি Past Indefinite Tense-এ আছে এবং মূল verb হলো rained, যা Past form-এ রয়েছে। - Past Tense-এর affirmative বাক্যে tag question তৈরি করতে auxiliary verb হিসেবে did এবং subject-এর pronoun ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) wasn't it — বাক্যটি Past Tense-এর হলেও এখানে মূল verb হিসেবে was নেই, তাই wasn't ব্যবহার করা ভুল। B) didn't it — এটি সঠিক উত্তর কারণ মূল verb-এর Past form থাকার কারণে did ব্যবহৃত হয়েছে। C) did it — মূল বাক্যটি affirmative হওয়ায় tag question-টি negative হওয়া দরকার, তাই এটি ভুল। D) isn't it — বাক্যটি Present Tense-এ নয় এবং verb-টি to be verb নয়, তাই isn't ব্যবহার করা সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে V2 বা Past form থাকলে tag question-এ didn't ব্যবহার করবে এবং V1 বা Present form থাকলে don't বা doesn't ব্যবহার করবে।
a datum
b media
c analysis
d radius
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) media কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দটি লাতিন বা গ্রিক মূলের বহুবচন রূপ, যার একবচন হলো মিডিয়াম বা medium। - মিডিয়াম শব্দের বহুবচন হিসেবে মিডিয়া বা media শব্দটি বহুল ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) datum — এটি একটি একবচন শব্দ, যার বহুবচন হলো ডাটা বা data। B) media — এটি নিজে একটি বহুবচন শব্দ, তাই এটিই সঠিক উত্তর। C) analysis — এটি একটি একবচন শব্দ, যার বহুবচন হলো অ্যানালিসেস বা analyses। D) radius — এটি একটি একবচন শব্দ, যার বহুবচন হলো রেডিআই বা radii। মনে রাখার টিপস: উম বা অন দিয়ে শেষ হওয়া শব্দগুলো সাধারণত একবচন হয় এবং এগুলোর শেষে আ বা ই থাকলে তা বহুবচন নির্দেশ করে।
a stopped
b stop
c has stopped
d had stopped
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) had stopped কেন সঠিক: - অতীতকালের দুটি ঘটনার মধ্যে যেটি তুলনামূলক আগে ঘটেছিল, তার ক্ষেত্রে Past Perfect Tense (had + V3) ব্যবহার করতে হয়। - এখানে বৃষ্টি থামার কাজটি বাড়ি পৌঁছানোর আগের ঘটনা, তাই খালি ঘরে had stopped বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) stopped — এটি Past Indefinite Tense, যা অতীতের একক ঘটনা বোঝায় এবং পূর্ববর্তী ঘটনা বোঝাতে অক্ষম। B) stop — এটি Present Indefinite Tense-এর মূল রূপ, যা অতীতকালের বাক্যে ব্যবহারের নিয়মবহির্ভূত। C) has stopped — এটি Present Perfect Tense, যা অতীতকালের ঘটনার সঙ্গে বর্তমানের সংযোগ বোঝায়। D) had stopped — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি Past Perfect Tense গঠন করে অতীতকালের আগের ঘটনা নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: অতীতকালের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটে, তা Past Perfect Tense (had + V3) হয় এবং পরেরটি Past Indefinite Tense হয়।
a I was being annoyed by his conduct.
b I was annoyed by his conduct.
c I was annoyed at his conduct.
d I had been annoyed on his conduct.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I was annoyed at his conduct. কেন সঠিক: - বাক্যের Subject যদি কোনো বস্তু বা আচরণ (his conduct) হয় এবং Object (me) যদি ব্যক্তি হয়, তবে Annoy verb-এর পর by না বসে at বসে। - Past Indefinite Tense-এর Active voice-কে Passive করার সময় Subject-এর পর was এবং Verb-এর Past Participle বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I was being annoyed by his conduct. — এটি Past Continuous Tense-এর গঠন, যা প্রদত্ত প্রশ্নে নেই। B) I was annoyed by his conduct. — এখানে Preposition হিসেবে by ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও আচরণের ক্ষেত্রে at বসে। C) I was annoyed at his conduct. — এটি সঠিক অপশন। D) I had been annoyed on his conduct. — এটি Past Perfect Tense-এর গঠন এবং on Preposition ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ব্যাবহারিক আচরণ বা কোনো বিষয়ের প্রতি বিরক্ত অর্থে Annoy verb-এর পরে সাধারণত at বসে, আর ব্যক্তির দ্বারা বিরক্ত হলে by বসে।
a are
b have
c were
d is
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) is কেন সঠিক: - বাক্যের শুরুতে Each থাকায় এটি Singular Subject হিসেবে গণ্য হয়। - Singular Subject-এর পরে সব সময় Singular Verb (is) বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — Subject 'Each' একবচন হওয়ায় বহুবচন Verb 'are' ব্যবহার করা ভুল। B) have — Subject একবচন হওয়ায় plural auxiliary verb 'have' এখানে বসবে না। C) were — এটি Past Tense-এর বহুবচন রূপ, যা Singular Subject-এর সাথে অসংগত। D) is — এটি সঠিক কারণ Subject 'Each' একবচন হওয়ায় Singular Verb 'is' সঠিক। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে Each, Every বা Everyone থাকলে Verb সবসময় একবচন (Singular) হবে।
a less
b few
c lesser
d fewer
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) fewer কেন সঠিক: - guests শব্দটি একটি Countable Noun বা গনণযোগ্য বিশেষ্য, যার সংখ্যা গণনা করা যায়। - Countable Noun এর ক্ষেত্রে সংখ্যার তুলনা করতে fewer ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) less — এটি Uncountable Noun বা পরিমাপযোগ্য পদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই guests এর সাথে বসবে না। B) few — এটি সাধারণ অবস্থান বোঝায়, কিন্তু এখানে than থাকার কারণে তুলনামূলক রূপ fewer প্রয়োজন। C) lesser — এটি সাধারণত গুরুত্ব বা মাত্রার ক্ষেত্রে ছোট বোঝাতে বসে, সংখ্যার তুলনার জন্য এটি সঠিক নয়। D) fewer — এটি Countable Noun এর তুলনামূলক রূপ হিসেবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং এখানে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: গননা করা যায় এমন পদের ক্ষেত্রে fewer এবং পরিমাপ করা যায় এমন পদের ক্ষেত্রে less ব্যবহার করতে হয়।
a will
b take
c much
d time
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) much কেন সঠিক: - 'much' শব্দটি এখানে 'time' নাউনের পূর্বে বসে তার পরিমাণ নির্দেশ করছে এবং ডিটারমিনারের কাজ করেছে। - আনcountable নাউনের পরিমাণ বোঝাতে 'much' একটি সঠিক ডিটারমিনার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will — এটি একটি সাহায্যকারী ভার্ব বা মডাল অক্সিলিয়ারি, ডিটারমিনার নয়। B) take — এটি বাক্যের মূল ভার্ব বা ক্রিয়া, কোনো ডিটারমিনার নয়। C) much — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সঠিক ডিটারমিনার। D) time — এটি একটি নাউন, যা ডিটারমিনার দ্বারা নির্দেশিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: noun-এর ঠিক পূর্বে বসে যা তার সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে, তাকেই ডিটারমিনার বলে।
a collective
b abstract
c countable
d uncountable
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) uncountable কেন সঠিক: - যে নাউনগুলো গণনা করা যায় না, যেমন তরল, গ্যাস বা বস্তুর সমষ্টিগত রূপ, তাকে Uncountable Noun বলে। - Money বা টাকা হলো এমন একটি সাধারণ ধারণা বা বস্তু যা সরাসরি একটি, দুটি বা তিনটি এভাবে গণনা করা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) collective — এটি Collective Noun নয়, কারণ এটি কোনো দল বা সমষ্টি বোঝায় না। B) abstract — এটি Abstract Noun নয়, কারণ মানি দৃশ্যমান এবং এর বাস্তব অস্তিত্ব আছে। C) countable — এটি Countable Noun নয়, কারণ মানি শব্দটি এককভাবে বহুবচন বা সংখ্যাবাচক হিসেবে গণনা করা যায় না। D) uncountable — এটি সঠিক কারণ মানি নিজে গণনা করা যায় না, এর মুদ্রা বা নোট গণনা করা যায়। মনে রাখার টিপস: Money শব্দটি নিজে Uncountable হলেও এর নির্দিষ্ট একক যেমন taka, dollar বা coin হলো Countable.
a noun phrase
b adjective phrase
c preposition phrase
d adverb
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) noun phrase কেন সঠিক: - 'To go home' ইনফিনিটিভ ফ্রেজটি বাক্যের মূল Verb 'wants'-এর অবজেক্ট হিসেবে কাজ করছে। - এটি বাক্যে কী বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর দেয় এবং একটি নাউনের কাজ সম্পন্ন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun phrase — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফ্রেজটি অবজেক্টের স্থানে বসে নাউনের কাজ করেছে। B) adjective phrase — এটি ভুল কারণ ফ্রেজটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনকে মডিফাই করছে না। C) preposition phrase — এটি ভুল কারণ ফ্রেজটি প্রিপ্রোজিশন দিয়ে শুরু হয়নি এবং এর কাজ তা নয়। D) adverb — এটি ভুল কারণ এটি একটি ফ্রেজ, কোনো একক শব্দ নয় এবং অ্যাডভার্বের কাজ করছে না। মনে রাখার টিপস: Verb-এর পরে বসে যদি 'কী' বা 'কাকে' এর উত্তর দেয়, তবে সেই ইনফিনিটিভ ফ্রেজটি সাধারণত Noun phrase হয়।
a Superstition
b Superistition
c Superstision
d Superistision
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Superstition কেন সঠিক: - শব্দটির সঠিক বানান হলো Superstition যার অর্থ কুসংস্কার বা অন্ধবিশ্বাস। - এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দ এবং এর গঠনরীতি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Superstition — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর বানান সম্পূর্ণ নির্ভুল। B) Superistition — এই বানানে অতিরিক্ত 'i' যুক্ত করা হয়েছে যা ভুল। C) Superstision — এই বানানে শেষের দিকে বানান ভুল রয়েছে কারণ 'tion' এর পরিবর্তে 'sion' ব্যবহার করা হয়েছে। D) Superistition — এই বানানে অতিরিক্ত 'i' এবং ভুল অংশ দুটিই একত্রে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে Super এবং stition এই দুটি অংশে ভাগ করে মুখস্থ করতে পারেন।
a for
b to
c on
d of
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) on কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী congratulate শব্দের পরে সাধারণত on প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। - সাফল্য বা অর্জনের জন্য কাউকে অভিনন্দন জানানোর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রিপজিশন হিসেবে on সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — অভিনন্দন জানানোর ক্ষেত্রে for প্রিপজিশন ব্যবহার করার নিয়ম ব্যাকরণে নেই। B) to — অভিনন্দন জানানোর ক্ষেত্রে to প্রিপজিশন ব্যবহার করলে বাক্যটি grammatically সঠিক হয় না। C) on — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি কোনো ভুল অপশন নয়। D) of — সাফল্য বা অর্জনের ক্ষেত্রে of প্রিপজিশন ব্যবহার করার কোনো নিয়ম নেই। মনে রাখার টিপস: Congratulate শব্দের সাথে সবসময় on প্রিপজিশন বসে, যেমন Congratulate on success.
a an
b a
c the
d no article
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a কেন সঠিক: - unique শব্দটির শুরুতে ইউ (yoo) এর মতো উচ্চারণ হয়, যা ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনি। - vowel থাকা সত্ত্বেও শব্দের উচ্চারণ ব্যঞ্জনবর্ণের মতো হলে তার পূর্বে a বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an — an সাধারণত vowel ধ্বনি দিয়ে শুরু শব্দের আগে বসে, কিন্তু unique শব্দের উচ্চারণ ব্যঞ্জনবর্ণ দিয়ে শুরু হয়। B) a — এই অপশনটি সঠিক কারণ unique শব্দের উচ্চারণ ব্যঞ্জনবর্ণ (y) এর মতো। C) the — নির্দিষ্ট করে বোঝাতে the বসে, কিন্তু এখানে সুযোগটি নির্দিষ্ট নয় বরং অনির্দিষ্ট। D) no article — countable singular noun होनेy কারণে এখানে article বসানো বাধ্যতামূলক। মনে রাখার টিপস: ইউ (yoo) বা ওয়া (wa) এর মতো উচ্চারিত vowel-এর আগে an না বসিয়ে সবসময় a বসাতে হয়।
a তুরস্ক
b ইতালি
c ইংল্যান্ড
d সুইডেন
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের বিষয় ও ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) সুইডেন (বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর 'তুরস্ক' ভুল ছিল। তুরস্ক ১৯৫২ সাল থেকেই ন্যাটোর সদস্য। বর্তমান তথ্য অনুযায়ী সুইডেন সম্প্রতি ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করলেও এই ধরনের প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে সুইডেন সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয় অথবা অতীতে সুইডেন ন্যাটোবহির্ভূত দেশ ছিল।) কেন সঠিক: - সুইডেন দীর্ঘদিন সামরিকভাবে নিরপেক্ষ নীতি অনুসরণ করে আসছিল এবং সাম্প্রতিক সময়ে ন্যাটোর সদস্যপদ গ্রহণ করেছে। - ঐতিহাসিকভাবে ন্যাটো সামরিক জোটে সুইডেনের অন্তর্ভুক্তি ছিল না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুরস্ক — তুরস্ক ১৯৫২ সাল থেকে সামরিক জোট ন্যাটোর একটি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র। B) ইতালি — ইতালি ন্যাটোর অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র। সি) ইংল্যান্ড — যুক্তরাজ্য বা ইংল্যান্ড ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং অন্যতম শীর্ষ সামরিক শক্তি। D) সুইডেন — সুইডেন দীর্ঘদিন নিরপেক্ষ থাকার পর সম্প্রতি ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করেছে। মনে রাখার টিপস: সুইডেন ও ফিনল্যান্ড ঐতিহ্যগতভাবে নিরপেক্ষ দেশ ছিল, যা সাম্প্রতিক সময়ে ন্যাটো জোটে যুক্ত হয়েছে।
a নায়িকা মেডোনার ওপর
b দুর্ভিক্ষের ওপর
c চলচ্চিত্র পুরস্কারের ওপর
d দুর্ভিক্ষের ওপর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দুর্ভিক্ষের ওপর কেন সঠিক: - বিশ্বখ্যাত চিত্রশিল্পী জয়নুল আবেদিন ১৯৪৩ সালের মন্বন্তর বা দুর্ভিক্ষের ভয়াবহতা ফুটিয়ে তুলতে এই চিত্রকর্মটি এঁকেছিলেন। - অর্ধাহারে ও অনাহারে ধুঁকে থাকা মানুষের কঙ্কালসার রূপ এবং নিদারুণ কষ্টের বাস্তব চিত্র এতে তুলে ধরা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নায়িকা মেডোনার ওপর — এটি কোনো সিনেমার নায়িকা বা পৌরাণিক চরিত্র নিয়ে আঁকা হয়নি। B) দুর্ভিক্ষের ওপর — এটি সঠিক উত্তর, অপশনটি দুবার থাকায় এটিও সঠিক হিসেবে গণ্য হচ্ছে। সি) চলচ্চিত্র পুরস্কারের ওপর — চলচ্চিত্র পুরস্কারের সঙ্গে এই ঐতিহাসিক শিল্পকর্মের কোনো সম্পর্ক নেই। ডি) দুর্ভিক্ষের ওপর — এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: চিত্রকর্মের নামের সঙ্গে সংখ্যাটি মিলিয়ে মনে রাখুন, মেডোনা-৪৩ মানেই ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ।
a ১০ টি
b ১৫ টি
c ১৭ টি
d ২৩ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭ টি কেন সঠিক: - টেকসই উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ ২০১৫ সালে এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা গ্রহণ করে। - এই বৈশ্বিক এজেন্ডায় মানবকল্যাণ ও পরিবেশ সুরক্ষার জন্য মোট ১৭ টি অভীষ্ট বা লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ টি — এই সংখ্যাটি এসডিজির মোট লক্ষ্যের সঙ্গে মেলে না এবং এটি একটি ভুল তথ্য। B) ১৫ টি — এটি এসডিজির মোট লক্ষ্য নয়, কারণ এমডিজি বা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮ টি। C) ১৭ টি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং জাতিসংঘ কর্তৃক নির্ধারিত এসডিজির মূল লক্ষ্যসংখ্যা। D) ২৩ টি — এসডিজির লক্ষ্য ১৭ টি, এর বেশি কোনো মূল লক্ষ্য নির্ধারিত নেই। মনে রাখার টিপস: এসডিজি শব্দের ইংরেজি বর্ণ এস-ডি-জি তে ৩ টি অক্ষর আছে এবং লক্ষ্য হলো ১৭ টি, এভাবে সংখ্যাটি মনে রাখা যায়।
a নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া
b ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়া
c বাংলাদেশ ও মিয়ানমার
d জাপান ও রাশিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জাপান ও রাশিয়া কেন সঠিক: - কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর অংশে অবস্থিত এবং এর মালিকানা নিয়ে জাপান ও রাশিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও ভূরাজনৈতিক বিরোধ রয়েছে। - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন এই দ্বীপগুলো দখল করে নেয়, যা বর্তমানে রাশিয়া নিয়ন্ত্রণ করলেও জাপান নিজেদের বলে দাবি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া — এই দুটি দেশ ওশেনিয়া অঞ্চলের এবং এদের মধ্যে কোনো কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে বিরোধ নেই। B) ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়া — এরা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সামুদ্রিক প্রতিবেশী এবং এদের বিরোধের বিষয়টি কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) বাংলাদেশ ও মিয়ানমার — এদের মধ্যে সামুদ্রিক সীমানা ও সামুদ্রিক জলসীমা সংক্রান্ত বিরোধ ছিল, যা আন্তর্জাতিক আদালতে মীমাংসিত হয়েছে। D) জাপান ও রাশিয়া — এই দুটি দেশের মধ্যেই কেবল কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব নিয়ে ঐতিহাসিক ও বর্তমান বিরোধ বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: রুশ-জাপান শীতল সম্পর্কের মূল কাঁটা হলো কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
a বীরপ্রতীক
b বীরশ্রেষ্ঠ
c বীরউত্তম
d বীরবিক্রম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বীরশ্রেষ্ঠ কেন সঠিক: - বীরশ্রেষ্ঠ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য সাহসিকতা ও ত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রদান করা সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব। - মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহস ও আত্মত্যাগের জন্য মাত্র ৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে এই খেতাব দেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীরপ্রতীক — এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে চতুর্থ সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব। B) বীরশ্রেষ্ঠ — এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব এবং প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক। C) বীরউত্তম — এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব। D) বীরবিক্রম — এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তৃতীয় সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব। মনে রাখার টিপস: বীরত্বসূচক খেতাবগুলোর ক্রম মনে রাখতে পারেন শ্রেষ্ঠ, উত্তম, বিক্রম, প্রতীক এই ক্রমানুসারে।
a জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ
b আজাদ কাশ্মীর
c গিলগিট ও বালটিস্থান
d কাশ্মীর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ কেন সঠিক: - ২০১৯ সালের আগস্ট মাসে ভারত সরকার বিশেষ ধারা ৩৭০ বাতিলের মাধ্যমে সমগ্র কাশ্মীর অঞ্চলকে পুনর্গঠন করে। - এই পুনর্গঠনের ফলে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ অঞ্চল দুটি সরাসরি ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ — এই অঞ্চলটি বর্তমানে ভারত নিয়ন্ত্রিত ও শাসিত অংশ হিসেবে তালিকাভুক্ত। B) আজাদ কাশ্মীর — এটি পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত একটি স্বাধীন অঞ্চলের মর্যাদা ভোগকারী অংশ। C) গিলগিট ও বালটিস্থান — এই ভূখণ্ডটিও বর্তমান পাকিস্তানের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে ও শাসনাধীন রয়েছে। D) কাশ্মীর — এটি একটি সামগ্রিক ভৌগোলিক অঞ্চল, যা নির্দিষ্ট কোনো একটি দেশের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নেই। মনে রাখার টিপস: ভারত নিয়ন্ত্রিত অংশ মনে রাখতে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর গঠিত জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ এই দুটি নামের কথা মনে রাখবে।
a মাদ্রিদ (স্পেন)
b কাতোভাইস (পোল্যান্ড)
c রোম (ইতালি)
d ভিয়েনা (অস্ট্রিয়া)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাতোভাইস (পোল্যান্ড) কেন সঠিক: - জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন বা COP-২৪ ২০১৮ সালে পোল্যান্ডের কাতোভাইস শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। - এই সম্মেলনে প্যারিস জলবায়ু চুক্তির বাস্তবায়ন বিধিমালা বা রুলবুক চূড়ান্ত করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাদ্রিদ (স্পেন) — এই শহরটি ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত COP-২৫ সম্মেলনের আয়োজক ছিল। B) কাতোভাইস (পোল্যান্ড) — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) রোম (ইতালি) — এটি জলবায়ু সম্মেলনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি FAO-এর প্রধান কার্যালয়। D) ভিয়েনা (অস্ট্রিয়া) — এটি ওপেকের (OPEC) সদর দপ্তর, পরিবেশ সম্মেলনের আয়োজক নয়। মনে রাখার টিপস: পোল্যান্ডের ক্যাট (Cat) ওবাইস (Ovais) কাতোভাইসে COP-২৪ সম্মেলন সফল করেছিল।
a বুদ্ধদেব বসু
b কাজী আবদুল ওদুদ
c সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
d হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও কেন সঠিক: - হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও ১৮২০-এর দশকের শেষের দিকে কলকাতার হিন্দু কলেজের তরুণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে মুক্তচিন্তা ও আধুনিক ভাবধারার প্রসার ঘটান। - তার অনুসারীদের নিয়ে গঠিত 'ইয়ং বেঙ্গল' বা 'ডিরোভিয়ানস' গোষ্ঠী তৎকালীন সমাজসংস্কার ও প্রচলিত কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — তিনি বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক ও প্রবন্ধকার এবং আধুনিক কবিতার অন্যতম পুরোধা, ইয়ং বেঙ্গল আন্দোলনের সাথে সম্পর্কিত নন। B) কাজী আবদুল ওদুদ — তিনি বিশ শতকের বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও গবেষক ছিলেন, ইয়ং বেঙ্গল আন্দোলনের নন। C) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত কবি ও ঔপন্যাসিক, যিনি অনেক পরে আবির্ভূত হয়েছিলেন। D) হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও — তিনি এই আন্দোলনের প্রধান প্রবক্তা ও পুরোধা-ব্যক্তি ছিলেন। মনে রাখার টিপস: ডিরোজিও নামের সাথে 'ড' বর্ণ আছে এবং ইয়ং বেঙ্গল আন্দোলনের 'ডিরোভিয়ানস' শব্দটি তার নাম থেকেই এসেছে।
a অনুচ্ছেদ ২২
b অনুচ্ছেদ ২১
c অনুচ্ছেদ ২০
d অনুচ্ছেদ ২৩
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অনুচ্ছেদ ২১ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদে সব সময়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা সরকারি কর্মচারীদের অবশ্য কর্তব্য বলে ঘোষণা করা হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, প্রজাতন্ত্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের সব সময় জনগণের প্রতি অনুগত থাকা উচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুচ্ছেদ ২২ — এই অনুচ্ছেদে নির্বাহী অঙ্গ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে, যা নাগরিক বা কর্মচারীর কর্তব্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) অনুচ্ছেদ ২১ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে সঠিক অপশন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। C) অনুচ্ছেদ ২০ — এই অনুচ্ছেদে কাজের জন্য পারিশ্রমিক হিসেবে সমাজতান্ত্রিক নীতি অনুসরণে জীবনযাত্রার মান অর্জনের কথা বলা হয়েছে। D) অনুচ্ছেদ ২৩ — এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও উত্তরাধিকার সংরক্ষণের ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের একুশ মানেই একনিষ্ঠভাবে জনগণের সেবা করা এবং সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য পালন করা।
a সোনালী ব্যাংক
b বাংলাদেশ ব্যাংক
c ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ
d অর্থ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাংলাদেশ ব্যাংক কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে সরকারের পক্ষে ট্রেজারি বিল ও ট্রেজারি বন্ড ইস্যু ও ব্যবস্থাপনা করে থাকে। - এটি সরকারের ঋণ ব্যবস্থাপনার অংশ এবং সরকারি সিকিউরিটিজ নিলামের মাধ্যমে বাজারে বিক্রি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনালী ব্যাংক — এটি একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক, সরকারের কেন্দ্রীয় ব্যাংক নয় এবং ট্রেজারি বিল ইস্যু করার এখতিয়ার এর নেই। B) বাংলাদেশ ব্যাংক — এটি সঠিক উত্তর, কারণ কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে এটি সরকারের আর্থিক এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। C) ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ — এটি একটি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান, সরকারি সিকিউরিটিজ বা ট্রেজারি বিল ইস্যু করা এর কাজ নয়। D) অর্থ মন্ত্রণালয় — মন্ত্রণালয় নীতিমালা প্রণয়ন করে, তবে সরাসরি ট্রেজারি বিল ইস্যু বা নিলাম পরিচালনার দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপর ন্যস্ত। মনে রাখার টিপস: সরকারের পক্ষে যেকোনো ট্রেজারি বিল বা ঋণপত্র সংক্রান্ত কাজ পরিচালনা করে একমাত্র কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংক।
a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b মাইকেল মধুসূদন দত্ত
c রামমোহন রায়
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রামমোহন রায় কেন সঠিক: - রাজা রামমোহন রায় ১৮২৮ সালের ২০ আগস্ট ভারতের সামাজিক ও ধর্মীয় সংস্কারের উদ্দেশ্যে ব্রাহ্ম সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন। - তিনি ঊনবিংশ শতকের বাংলায় প্রবর্তন করেন রেনেসাঁ বা নবজাগরণ এবং সতীদাহ প্রথার মতো কুসংস্কার দূর করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি ব্রাহ্ম সমাজের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন না, তবে তিনি নারী শিক্ষা বিস্তার ও বিধবা বিবাহ প্রচলনে বিশেষ অবদান রাখেন। B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি ব্রাহ্ম সমাজের প্রতিষ্ঠাতা নন, তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি ও নাট্যকার। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি ব্রাহ্ম সমাজের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত ছিলেন এবং এর প্রচার করেন, তবে তিনি এর প্রতিষ্ঠাতা নন। মনে রাখার টিপস: ব্রাহ্ম সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন রাজা রামমোহন রায়, যা মনে রাখতে ব্রাহ্ম শব্দের ব্র এবং রামমোহন রায়ের র যুক্ত করে ব্র-রা বা ব্রহ্ম-রাম মনে রাখতে পারেন।
a দ্রুততাই লক্ষ্য
b সেবাই আদর্শ
c গতিই আদর্শ
d সেবাই ধর্ম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সেবাই আদর্শ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ডাক বিভাগের আনুষ্ঠানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক মূল স্লোগান হলো সেবাই আদর্শ। - জনগণের দোরগোড়ায় ডাকসেবা পৌঁছে দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য ও দর্শনকে এই স্লোগানের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্রুততাই লক্ষ্য — এটি বাংলাদেশ ডাক বিভাগের স্লোগান নয়, এটি অন্য কোনো বাণিজ্যিক কুরিয়ার বা পরিবহন সেবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। B) সেবাই আদর্শ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশ ডাক বিভাগের নির্ধারিত স্লোগান। C) গতিই আদর্শ — এই কথাটি ডাক বিভাগের স্লোগানের সঙ্গে মেলে না, এটি গতিশীলতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) সেবাই ধর্ম — এটি একটি প্রচলিত নৈতিক বাক্য, যা ডাক বিভাগের আনুষ্ঠানিক স্লোগান হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: ডাক বিভাগ মানুষের সেবা করে, তাই তাদের প্রধান নীতি বা আদর্শ হলো সেবা।
a 1942
b 1948
c 1958
d 1968
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৪৮ কেন সঠিক: - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ প্যারিসে ১০ ডিসেম্বর ১৯৪৮ সালে মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র অনুমোদন করে। - এই ঐতিহাসিক ঘোষণাপত্র মানুষের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতার আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নির্ধারণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪২ — এই সালে জাতিসংঘ মানবাধিকার ঘোষণাপত্র অনুমোদিত হয়নি, এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কাল। B) ১৯৪৮ — এটি সঠিক বছর, এই সালেই জাতিসংঘ এই ঘোষণাপত্র অনুমোদন করেছিল। C) ১৯৫৮ — এই সালে ঘোষণাপত্র অনুমোদন করা হয়নি, এটি সঠিক উত্তরের পরের একটি সাল। D) ১৯৬৮ — এই সালটি মানবাধিকার দিবসের বিশ বছর পূর্তির বছর, অনুমোদনের বছর নয়। মনে রাখার টিপস: মানবাধিকারের বিশ্বসনদ পাস হয় ১৯৪৮ সালে, মনে রাখতে শেষের আট সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a সিরাম
b প্লাজমা
c লোহিত কণিকা
d অনুচক্রিকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্লাজমা ১. কেন সঠিক: - রক্তের প্রায় ৫৫ শতাংশ অংশ হলো তরল, যাকে প্লাজমা বা রক্তরস বলা হয়। - এটি রক্তকণিকাগুলোকে ভাসিয়ে রাখতে এবং পুষ্টি উপাদান সারা দেহে পরিবহন করতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রক্ত হলো এক ধরনের তরল যোজক কলা যা রক্তরস এবং রক্তকণিকা নিয়ে গঠিত। - কার্যপ্রণালি: প্লাজমার প্রায় ৯০ থেকে ৯২ শতাংশ পানি এবং বাকি অংশে প্রোটিন, গ্লুকোজ, হরমোন ও খনিজ লবণ দ্রবীভূত থাকে। - বাস্তব প্রয়োগ: মানবদেহে অক্সিজেন, খাদ্যসার ও বর্জ্য পদার্থ পরিবহনে প্লাজমা মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্যালাইন বা ডাবের পানি ব্যাখ্যা: মানবদেহে পানিশূন্যতা দেখা দিলে যে তরল বা স্যালাইন দেওয়া হয়, তার মূল কাজ রক্তের প্লাজমার সমতা রক্ষা করা। উদাহরণ ২: নদী ও তার মধ্যে ভাসমান নৌকা ব্যাখ্যা: নদীর পানির প্রবাহ যেমন নৌকা বহন করে, তেমনি প্লাজমা তরল হিসেবে রক্তকণিকাগুলোকে সারা দেহে বয়ে নিয়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিরাম — এটি রক্ত জমাট বাঁধার পর যে হালকা হলুদ রঙের তরল অংশ আলাদা হয়ে যায়, তাকে সিরাম বলে, রক্তের মূল তরল অংশ নয়। B) প্লাজমা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রক্তের মূল তরল অংশ। C) লোহিত কণিকা — এটি রক্তের কোনো তরল অংশ নয়, বরং রক্তে ভাসমান এক ধরনের কঠিন বা কোষীয় উপাদান। D) অনুচক্রিকা — এটি রক্তে উপস্থিত কোষীয় উপাদান যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে, তরল অংশ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রক্তে পানি বেশি থাকে এবং তরল অংশকে প্লাজমা বলে। - প্লাজমা শব্দটির সাথে তরল ভাব এবং পুষ্টি পরিবহনের বিষয়টি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রক্তের মোট উপাদানের কত শতাংশ প্লাজমা, তা প্রায় সময় বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - প্লাজমার কাজ এবং রক্তরসের উপাদান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে কোষ ও যোজক কলা সম্পর্কিত অন্যান্য প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a ব্রোমিন
b ক্লোরিন
c আয়োডিন
d সালফার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্রোমিন ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি ভুল এবং বিভ্রান্তিকর। প্রশ্নকর্তা বা বইয়ের উত্তরে ব্রোমিনকে সঠিক বলা হলেও বৈজ্ঞানিক সত্য হলো ব্রোমিন একটি অধাতু, মৌলিক ধাতু নয়। - সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকা একমাত্র মৌলিক ধাতু হলো পারদ, যার প্রতীক এইচজি এবং এটি পর্যায় সারণির গ্রুপ বারো এর একটি অবস্থান্তর ধাতু। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: স্বাভাবিক তাপমাত্রা ও চাপে পর্যায় সারণির মৌলগুলোর মধ্যে পারদ হলো একমাত্র ধাতু যা তরল অবস্থায় থাকে এবং ব্রোমিন হলো একমাত্র অধাতু যা তরল অবস্থায় থাকে। - কারণ ও ফলাফল: ধাতব বন্ধনে পরমাণুগুলোর মধ্যে ইলেকট্রন সমুদ্রের শক্তিশালী আকর্ষণের কারণে সাধারণত ধাতুগুলো কঠিন হয়, কিন্তু পারদের ক্ষেত্রে ইলেকট্রন বিন্যাসের বিশেষ relativistic প্রভাবের কারণে বন্ধন দুর্বল হয়ে এটি তরল হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: থার্মোমিটার ও রক্তচাপ মাপার যন্ত্রে পারদ ব্যবহার করা হয় কারণ এটি তাপ পেলে সুষমভাবে প্রসারিত হয় এবং কাচের গায়ে লেগে থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: থার্মোমিটারের ভেতরে সিলভার রঙের তরল পদার্থ। ব্যাখ্যা: এটি পারদ ধাতু, যা সামান্য তাপমাত্রার পরিবর্তনেও প্রসারিত হয়ে জ্বর বা তাপমাত্রা নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: ল্যাবরেটরিতে ব্যবহৃত গাঢ় লালচে বাদামী রঙের কাচের বোতলের তরল। ব্যাখ্যা: এটি ব্রোমিন অধাতু, যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে এবং এর তীব্র ঝাঁঝালো বাষ্প উৎপন্ন হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রোমিন — এটি সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে ঠিকই, কিন্তু এটি কোনো ধাতু নয়, এটি একটি হ্যালোজেন বা অধাতু। B) ক্লোরিন — এটি একটি গ্যাসীয় অধাতু, যা সাধারণ তাপমাত্রায় সবুজাভ হলুদ রঙের গ্যাস হিসেবে অবস্থান করে। C) আয়োডিন — এটি একটি কঠিন অধাতু, যা তাপ প্রয়োগ করলে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয় বা ঊর্ধ্বপাতিত হয়। D) সালফার — এটি একটি কঠিন অধাতু, যা সাধারণ তাপমাত্রায় হলুদ রঙের গুঁড়া বা স্ফটিকাকার কঠিন পদার্থ হিসেবে থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ধাতু তরল বললে পারদ মনে রাখবে এবং অধাতু তরল বললে ব্রোমিন মনে রাখবে। - পারদের ইংরেজি নাম মার্সিউরি এবং এর তরল রূপ থার্মোমিটারে ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই ধাতু ও অধাতুর পার্থক্যের বিষয়টি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। - যদি প্রশ্নে মৌলিক পদার্থ বলা হয় কিন্তু ধাতু না থাকে, তবে উত্তর ব্রোমিন হতে পারে, আর নির্দিষ্ট করে মৌলিক ধাতু বললে সবসময় পারদ উত্তর হবে।
a কার্বন ডাই-অক্সাইড
b কার্বন মনো অক্সাইড
c ওজোন
d মিথেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কার্বন ডাই-অক্সাইড ১. কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধির ফলে গ্রিনহাউস প্রভাবে পৃথিবী পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। - জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো এবং শিল্পায়নের কারণে বাতাসে এই গ্যাসের মাত্রা সবচেয়ে বেশি বেড়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক উষ্ণতায় এর ভূমিকা সর্বাধিক। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: গ্রিনহাউস গ্যাস বায়ুমণ্ডলে একটি স্তর তৈরি করে যা সূর্য থেকে আসা তাপ শোষণ করে পৃথিবীর তাপমাত্রা ধরে রাখে। - কারণ ও ফলাফল: শিল্পায়ন ও বন উজাড়ের ফলে বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘনত্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় অধিক তাপ আটকে গিয়ে বৈশ্বিক উষ্ণতা সৃষ্টি করছে। - বাস্তব প্রয়োগ: শীতপ্রধান দেশে কাঁচের ঘরে গাছপালা চাষ করার সময় এই গ্রিনহাউস তত্ত্বের ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশে গ্লাস হাউসে কাঁচের ভেতর সূর্যের তাপ আটকে রেখে চারাগাছ রক্ষা করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের তাপ আটকে রাখার প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার একটি কৃত্রিম রূপ। উদাহরণ ২: গ্রীষ্মকালে বন্ধ গাড়িতে রোদ লাগলে ভেতরের তাপমাত্রা বাইরের চেয়ে অনেক বেশি গরম হয়ে যায়। ব্যাখ্যা: গাড়িটি এখানে গ্রিনহাউস হিসেবে কাজ করে যা সূর্যের তাপ ভেতরে ঢুকতে দিলেও সহজে বের হতে দেয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্বন ডাই-অক্সাইড — এটি বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস। B) কার্বন মনো অক্সাইড — এটি একটি বিষাক্ত গ্যাস যা সরাসরি গ্রিনহাউস প্রভাবে প্রধান ভূমিকা রাখে না। C) ওজোন — এটি গ্রিনহাউস গ্যাস হলেও বায়ুমণ্ডলে এর পরিমাণ এবং উষ্ণতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা কার্বন ডাই-অক্সাইডের চেয়ে কম। D) মিথেন — এটি একটি শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস হলেও বায়ুমণ্ডলে এর মোট পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইডের চেয়ে অনেক কম। ৫ মনে রাখার টিপস: - গ্রিনহাউস গ্যাসের রাজা কার্বন ডাই-অক্সাইড মনে রাখলেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর সহজে মনে রাখা যায়। - বাতাসে যে গ্যাস সবচেয়ে বেশি উষ্ণতা বাড়ায় তা হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা গ্রিনহাউস গ্যাস হলো জলীয় বাষ্প, কিন্তু মানবসৃষ্ট কারণে উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য প্রধান দায়ী কার্বন ডাই-অক্সাইড। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং পরিবেশ বিজ্ঞান সম্পর্কিত যেকোনো প্রতিযোগিতায় বারবার আসে।
a যাদুকাটা নদী
b কর্ণফুলী নদী
c গোমতী নদী
d সাঙ্গু নদী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যাদুকাটা নদী ১. কেন সঠিক: যাদুকাটা নদী ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে সুরমা নদীতে পতিত হয়েছে। যেহেতু নদীটি ভারতের অভ্যন্তরে উৎপন্ন হয়ে পরবর্তীতে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করেছে এবং এখানেই অন্য নদীর সাথে মিলিত হয়ে এর প্রবাহ শেষ করেছে, তাই এটি বাংলাদেশে উৎপন্ন নদী নয়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: উৎপত্তি: যাদুকাটা নদীর উৎপত্তি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাসিয়া জয়ন্তীয়া পাহাড় থেকে। প্রবাহ ও সমাপ্তি: নদীটি সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে এবং সুরমা বা অন্য স্থানীয় নদনদীর সাথে মিলিত হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: হালদা নদী ব্যাখ্যা: হালদা নদী বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের মধ্যেই সমাপ্ত হয়েছে, যা এই প্রশ্নের বিপরীত একটি উদাহরণ। উদাহরণ ২: কর্ণফুলী নদী ব্যাখ্যা: কর্ণফুলী নদী ভারতের মিজোরাম থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবাহিত হয়েছে, যা উৎস ও সমাপ্তির ভিন্নতার আরেকটি স্পষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যাদুকাটা নদী — এই নদীটি ভারতিয় অংশে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের জলসীমায় শেষ হয়েছে, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তরের শর্ত পূরণ করে। B) কর্ণফুলী নদী — এটি ভারতের মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও কাপ্তার ওপর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। C) গোমতী নদী — এটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মেঘনা নদীতে পতিত হয়েছে। D) সাঙ্গু নদী — এটি আরাকান ইয়েমা পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: যাদুকাটা নদীর উৎপত্তি ভারতের মেঘালয়ে হলেও এর মূল প্রবাহ এবং সমাপ্তি বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ অঞ্চলে সীমাবদ্ধ। নদীগুলোর উৎস এবং সমাপ্তি মনে রাখতে ভারতের সীমান্তবর্তী নদীগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলাদেশের নদনদীর উৎস এবং সমাপ্তি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। আন্তর্জাতিক নদী এবং সীমান্ত নদীগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a চলন বিল
b হাকালুকি হাওর
c সুন্দরবন
d টাংগুয়ার হাওর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুন্দরবন ১. কেন সঠিক: - সুন্দরবনকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা হয় কারণ এটি প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং ক্ষতিকর কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে বায়ুমণ্ডলকে সতেজ রাখে। - এটি দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় একক ম্যানগ্রোভ বন যা প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে কাজ করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে অবস্থিত দক্ষিণ এশিয়ার একটি বিশাল বনাঞ্চল যা বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী এলাকায় বিস্তৃত। - বৈশিষ্ট্য: এটি জোয়ার ভাটার টানে প্লাবিত লবণাক্ত মাটি ও জলের পলিদ্বারা গঠিত এবং এর প্রধান উদ্ভিদ সুন্দরী গাছ। - পরিবেশগত ভূমিকা: এই বনটি জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ কমিয়ে বাংলাদেশের জনপদকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: আমাজন বনাঞ্চল ব্যাখ্যা: আমাজনকে যেমন পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয় কারণ এটি বিশ্বের সর্বাধিক অক্সিজেন উৎপন্ন করে, তেমনি সুন্দরবন বাংলাদেশের জন্য একই ভূমিকা পালন করে। উদাহরণ ২: উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ বাস্তুতন্ত্র ব্যাখ্যা: এই বাস্তুতন্ত্র কার্বন শোষণে সাধারণ বনের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর যা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চলন বিল — এটি বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলে অবস্থিত একটি বিশাল জলাভূমি বা বিল যা মৎস্য উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত কিন্তু ফুসফুস নয়। B) হাকালুকি হাওর — এটি দেশের বৃহত্তম হাওর যা মূলত মিঠা পানির জীববৈচিত্র্যের আধার এবং পরিযায়ী পাখির আবাসস্থল। D) টাংগুয়ার হাওর — এটি সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ রামসার সাইট ও জলাভূমি যা জীববৈচিত্র্যের জন্য পরিচিত কিন্তু ফুসফুস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মানুষের ফুসফুস যেমন বাতাস থেকে অক্সিজেন নেয় এবং বিষাক্ত গ্যাস দূর করে, তেমনি দেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক বন সুন্দরবনও পরিবেশের বাতাসকে নির্মল রাখে। তাই সুন্দরবন হলো বাংলাদেশের ফুসফুস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুন্দরবন ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং এটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের প্রধান আবাসস্থল। - এই প্রশ্নটি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুন্দরবনের ভৌগোলিক অবস্থান, পরিবেশগত গুরুত্ব এবং এর জীববৈচিত্র্য সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্ন আসতে পারে।
a মালদ্বীপ
b ভারত
c শ্রীলংকা
d মিয়ানমার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারত ১. কেন সঠিক: - আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ভারতের একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং এর সার্বভৌমত্ব ভারতের হাতে ন্যস্ত। - ভৌগোলিক ও কৌশলগতভাবে এই দ্বীপমালা বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরের সংযোগস্থলে অবস্থিত এবং এর নিরাপত্তা ভারতের দায়িত্ব। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পূর্বে এবং সুমাত্রা দ্বীপের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি একাধিক দ্বীপের একটি সংঘ যা ভারতীয় ভূখণ্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ইন্দিরা পয়েন্ট ব্যাখ্যা: এটি নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত ভারতের সর্বদক্ষিণ বিন্দু। উদাহরণ ২: টেন ডিগ্রি চ্যানেল ব্যাখ্যা: এই জলপথটি আন্দামান দ্বীপপুঞ্জকে নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ থেকে পৃথক করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালদ্বীপ — এটি ভারত মহাসাগরের একটি স্বাধীন দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এর সঙ্গে নিকোবরের কোনো সম্পর্ক নেই। B) ভারত — এটি সঠিক উত্তর এবং এই দ্বীপমালার প্রকৃত মালিকানা ভারতের। C) শ্রীলংকা — এটি ভারত মহাসাগরের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র যা ভারতের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত। D) মিয়ানমার — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ যার সীমানা ভারতের উত্তর-পূর্বাংশের সঙ্গে যুক্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: আন্দামান ও নিকোবরের আগে ভারতীয় পতাকা ওরে, তাই এর মালিক ভারত। বঙ্গোপসাগরে ভারতের দক্ষিণ সীমানা নির্দেশ করে এই নিকোবর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি সীমান্ত, দ্বীপ ও উপদ্বীপ এবং আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতি থেকে বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ১০ ডিগ্রি চ্যানেল কোন দুটি স্থানকে আলাদা করে, তা পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
a একটি খরস্রোতা পাহাড়ি নদী
b একটি পর্যটন এলাকা
c একটি প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র
d প্রকৃতিগত সংকটপূর্ণ এলাকা
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: নদ-নদী, হ্রদ ও জলপ্রপাত / বাংলাদেশের ভূগোল সঠিক উত্তর: C) একটি প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র ১. কেন সঠিক: হালদা নদী এশিয়ার একমাত্র জোয়ারভাটাযুক্ত নদী যেখানে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশ জাতীয় প্রধান কার্পজাতীয় মা মাছ সরাসরি ডিম পাড়ে। এই নদীর বিশেষ ভৌগোলিক বাঁক, পাহাড়ি ঢলের পানির তাপমাত্রা এবং নির্দিষ্ট মাত্রার লবণাক্ততা ও অম্লত্ব মা মাছের প্রাকৃতিক প্রজননের জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: নদীটি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি পাহাড় থেকে উৎপত্তি লাভ করে ফটিকছড়ি, হাটহাজারী ও চট্টগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে কর্ণফুলী নদীতে পতিত হয়েছে। বৈশিষ্ট্য: এটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও বৈশ্বিক দিক থেকে অনন্য প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র এবং ঐতিহ্যবাহী ব্যাংক হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণা। ব্যাখ্যা: হালদা নদীর অনন্য বৈশিষ্ট্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য বাংলাদেশ সরকার একে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করেছে। উদাহরণ ২: ডলফিন সংরক্ষণ। ব্যাখ্যা: এই নদীতে বিপন্ন প্রজাতির মিঠাপানির ডলফিন বা সুশুক বাস করে যা নদীটির প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার অন্যতম উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি খরস্রোতা পাহাড়ি নদী — হালদা নদীর উৎস পাহাড়ি হলেও এটি মূলত জোয়ারভাটা প্রভাবিত সমভূমির নদী, তাই এই বৈশিষ্ট্যটি এর মূল পরিচিতি নয়। B) একটি পর্যটন এলাকা — হালদা নদী কোনো উল্লেখযোগ্য পর্যটন কেন্দ্র নয়, বরং এটি প্রধানত মৎস্য গবেষণা ও জীববৈচিত্র্যের জন্য পরিচিত। D) প্রকৃতিগত সংকটপূর্ণ এলাকা — নদীটিতে নানা পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ থাকলেও এর মূল আন্তর্জাতিক ও জাতীয় খ্যাতি প্রকৃতিগত সংকটপূর্ণ এলাকা হিসেবে নয়, বরং মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে। ৫. মনে রাখার টিপস: হালদার নাম শুনলেই মনে রাখবে ডিম বা প্রজনন। এটি বাংলাদেশের একমাত্র নদী যেখানে মা মাছ প্রাকৃতিকভাবে ডিম পাড়ে এবং তা সংগ্রহ করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: হালদা নদী কোন নদীর সাথে মিশেছে এবং কোন জেলাগুলোর উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে হালদা নদী কোন নদীর উপনদী বা শাখা নদী কিংবা একে কোন সরকারি মর্যাদায় ভূষিত করা হয়েছে।
a Depression
b Hillock
c Plane surface
d জলাধার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Hillock ১. কেন সঠিক: - সমোচ্চ রেখা বা contour line মানচিত্রে এমন একটি কাল্পনিক রেখা যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সমান উচ্চতাযুক্ত স্থানগুলোকে সংযুক্ত করে। - Closed contour বা আবদ্ধ সমোচ্চ রেখায় যদি কেন্দ্রের দিকে মান ক্রমাগত বাড়তে থাকে, তবে তা কোনো উঁচু ভূমি যেমন পাহাড় বা টিলা নির্দেশ করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - বৈশিষ্ট্য: সমোচ্চ রেখাগুলো যত কাছাকাছি থাকে, ভূমির ঢাল তত তীব্র হয় এবং মান বৃদ্ধির দিকটি উচ্চভূমির চূড়াকে নির্দেশ করে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: টপোগ্রাফিক মানচিত্র বা ভূসংস্থানিক মানচিত্রে ত্রিমাত্রিক ভূপ্রকৃতি দ্বিিমাত্রিক পৃষ্ঠে ফুটিয়ে তুলতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: মধুপুর গড় ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের মধুপুর গড়ের মতো উঁচু ভূসংস্থান মানচিত্রে এই ধরনের সমোচ্চ রেখার সাহায্যে চিহ্নিত করা হয়। উদাহরণ ২: হিমালয় পর্বতমালা ব্যাখ্যা: উচ্চ পাহাড়ি অঞ্চলের মানচিত্রে কেন্দ্রের দিকে মান বৃদ্ধি পেয়ে চূড়ার সর্বোচ্চ উচ্চতা নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Depression — এই অপশনটি ভুল কারণ অববাহিকা বা অবনমনের ক্ষেত্রে ভেতরের দিকে সমোচ্চ রেখার মান বাড়ার পরিবর্তে কমতে থাকে। B) Hillock — এটি সঠিক উত্তর কারণ আবদ্ধ রেখার ভেতরে মান বৃদ্ধি পেলে তা পাহাড়ে পরিণত হয়। C) Plane surface — এই অপশনটি ভুল কারণ সমতল ভূমিতে সমোচ্চ রেখাগুলোর দূরত্ব সমান থাকে এবং মানের বড় কোনো তারতম্য থাকে না। D) জলাধার — এই অপশনটি ভুল কারণ জলাধারের ক্ষেত্রেও ভেতরের দিকে মান ক্রমান্বয়ে কমতে থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মান ভেতরে বাড়ে, পাহাড় উঁচুতে চড়ে। সমোচ্চ রেখার কেন্দ্রবিন্দু যদি সর্বোচ্চ মান ধারণ করে, তবে তা নিশ্চিতভাবেই একটি পাহাড় বা টিলা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমোচ্চ রেখার মান কমে যাওয়ার ধারা থেকে কি ধরনের ভূপ্রকৃতি বোঝা যায়, তা নিয়ে প্রায়ই বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a End support
b Intermediate support
c (ক) ও (খ)
d span-এর মধ্য বিন্দুতে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (ক) ও (খ) কেন সঠিক: - কন্টিনিউয়াস স্ল্যাব বা একাধিক স্প্যান বিশিষ্ট স্ল্যাবের ক্ষেত্রে সাপোর্টের ওপর হগিং মোমেন্ট বা নেগেটিভ বেন্ডিং মোমেন্ট উৎপন্ন হয়। - বিম বা স্ল্যাব যখন একাধিক স্প্যানের ওপর ক্রমাগত বিস্তৃত থাকে, তখন এন্ড সাপোর্ট এবং ইন্টারমিডিয়েট সাপোর্ট উভয় স্থানেই নেগেটিভ বেন্ডিং মোমেন্ট সৃষ্টি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) End support — এটি সঠিক হলেও কেবল একা এটি উত্তর নয়, কারণ ইন্টারমিডিয়েট সাপোর্টেও নেগেটিভ বেন্ডিং মোমেন্ট হয়। B) Intermediate support — এটি সঠিক হলেও কেবল একা এটি উত্তর নয়, কারণ এন্ড সাপোর্টেও নেগেটিভ বেন্ডিং মোমেন্ট হয়। C) (ক) ও (খ) — এটি সঠিক কারণ এন্ড সাপোর্ট এবং ইন্টারমিডিয়েট সাপোর্ট উভয় স্থানেই নেগেটিভ বেন্ডিং মোমেন্ট তৈরি হয়। D) span-এর মধ্য বিন্দুতে — এটি ভুল কারণ স্প্যানের মধ্য বিন্দুতে সাধারণত পজিটিভ বেন্ডিং মোমেন্ট বা স্যাগিং মোমেন্ট উৎপন্ন হয়। মনে রাখার টিপস: স্ল্যাবের ক্ষেত্রে সাপোর্টগুলোতে (এন্ড ও ইন্টারমিডিয়েট) নেগেটিভ মোমেন্ট এবং স্প্যানের মাঝখানে পজিটিভ মোমেন্ট হয়।
a One flange, two webs
b Two webs
c Two flanges, one web
d Two flanges
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Two flanges, one web কেন সঠিক: - চ্যানেল সেকশন হলো স্ট্রাকচারাল স্টিলের একটি রূপ যার প্রস্থচ্ছেদ ইংরেজি বর্ণমালা সি অক্ষরের মতো দেখায়। - এতে দুটি সমান্তরাল ফ্ল্যাঞ্জ থাকে যা একটি কেন্দ্রীয় ওয়েব দ্বারা সংযুক্ত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) One flange, two webs — এই গঠন চ্যানেল সেকশনের বিপরীত এবং এটি কোনো পরিচিত বা আদর্শ স্ট্রাকচারাল সেকশন নয়। B) Two webs — শুধুমাত্র দুটি ওয়েব দ্বারা কোনো চ্যানেল সেকশন গঠিত হতে পারে না কারণ ফ্ল্যাঞ্জ আবশ্যক। C) Two flanges, one web — এটি সঠিক কারণ একটি চ্যানেল সেকশনে দুটি ফ্ল্যাঞ্জ এবং একটি ওয়েব থাকে। D) Two flanges — শুধু দুটি ফ্ল্যাঞ্জ থাকলে তা কোনো সম্পূর্ণ চ্যানেল সেকশন তৈরি করতে পারে না, এর মাঝে ওয়েব থাকা জরুরি। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি সি আকৃতির চ্যানেল সেকশন মনে রাখতে মনে রাখবেন দুই মাথায় দুটি ফ্ল্যাঞ্জ এবং মাঝখানে একটি ওয়েব থাকে।
a Impact of heave wheel
b Punching effect
c Improper compaction of dub grede
d সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো কেন সঠিক: - রানওয়ের পেভমেন্টে ড্রেপেশন বা ঢেউ খেলানো ভাব ও অবনমন সৃষ্টির জন্য ভারী চাকার অভিঘাত এবং অনুচিত মাটির কম্প্যাকশন সমানভাবে দায়ী। - পাঞ্চিং ইফেক্ট বা মাটির দুর্বলতার কারণেও রানওয়ের পৃষ্ঠে এই ধরনের কাঠামোগত ত্রুটি দেখা দিতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Impact of heave wheel — এটি সঠিক হলেও রানওয়ে নষ্ট হওয়ার একমাত্র কারণ নয়, কারণ অন্য কারণগুলোও এর সঙ্গে জড়িত। B) Punching effect — এটি পেভমেন্টের গভীর ক্ষয়ের একটি কারণ, তবে এটি একা একমাত্র কারণ হিসেবে সম্পূর্ণ নয়। C) Improper compaction of dub grede — মাটির অনুপযুক্ত কম্প্যাকশন পেভমেন্টের অবনমনের অন্যতম মূল কারণ, তবে এর সঙ্গে অন্য কারণগুলোও যুক্ত। D) সবগুলো — রানওয়ের পেভমেন্টে অবনমন সৃষ্টির জন্য উল্লিখিত সবগুলো কারণই একসঙ্গে দায়ী। মনে রাখার টিপস: রানওয়ের অবনমন মনে রাখতে হলে ভারী চাকার চাপ, পাঞ্চিং এবং মাটির ভুল কম্প্যাকশন এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে মনে রাখতে হবে।
a Cl2
b O3
c ClO2
d সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো কেন সঠিক: - ক্লোরিন, ওজোন এবং ক্লোরিন ডাইঅক্সাইড প্রতিটি পদার্থই পানি শোধন বা জীবাণু মুক্ত করতে সরাসরি ব্যবহৃত হয়। - আধুনিক পানি শোধনাগারে রোগজীবাণু ধ্বংস করার জন্য এই রাসায়নিক উপাদানগুলো অত্যন্ত কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cl2 — এটি সঠিক উত্তর কিন্তু শুধু একা এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ বাকিগুলোও পানির জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) O3 — এটি সঠিক উত্তর কিন্তু একা ওজোন ব্যবহার করলে সম্পূর্ণ অপশনটি সঠিক হয় না কারণ ক্লোরিনও এর অন্তর্ভুক্ত। C) ClO2 — এটি সঠিক উত্তর কিন্তু এটি একা সঠিক নয় কারণ অন্য রাসায়নিকগুলোও এই কাজে ব্যবহৃত হয়। D) সবগুলো — এই অপশনের সবকটি উপাদানই পানির জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় এটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: পানির জীবাণুনাশক মনে রাখতে ক্লোরিন ও ওজোনের প্রথম অক্ষর এবং ক্লোরিন ডাইঅক্সাইড একসঙ্গে মনে রাখবে।
a 1.5mm
b 2.5mm
c 4.75mm
d 6mm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 4.75mm কেন সঠিক: - সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং নির্মাণ প্রযুক্তির মানদণ্ড অনুযায়ী ফাইন এগ্রিগেট বা মিহি দানাদার সামগ্রীর সর্বোচ্চ আকার নির্দিষ্ট করা হয়েছে ৪.৭৫ মিলিমিটার। - এই আকারের চেয়ে ছোট দানাদার সামগ্রী যেমন বালু কংক্রিট তৈরিতে ফাইন এগ্রিগেট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1.5mm — এই মাপটি ফাইন এগ্রিগেটের সাধারণ সর্বোচ্চ সীমা নয়, এটি অনেক বেশি সূক্ষ্ম বালুর মাপ। B) 2.5mm — এই মাপটি ফাইন এগ্রিগেটের সামগ্রিক সর্বোচ্চ সীমা নির্দেশ করে না, এটি ফাইনেস মডিউলাসের একটি মান হতে পারে। C) 4.75mm — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ফাইন এগ্রিগেট ও কোর্স এগ্রিগেটের বিভাজক মাপ। D) 6mm — এই মাপটি ফাইন এগ্রিগেটের সীমার বাইরে এবং এটি সাধারণত নির্মাণকাজে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: ফাইন এগ্রিগেট বা বালুর সর্বোচ্চ সাইজ মনে রাখতে চার দশমিক সাত পাঁচ মিলিমিটার সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a 1.5 মিটার
b 2.5 মিটার
c 2 মিটার
d 3 মিটার
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১.৫ মিটার কেন সঠিক: - কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা বিধি অনুযায়ী ১.৫ মিটার বা তার বেশি উচ্চতায় কাজ করার সময় শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে স্ক্যাফোল্ডিং বা মাচা নির্মাণ বাধ্যতামূলক। - এটি উচ্চতায় কাজ করার সময় পতন রোধ করতে এবং শ্রমিকদের নিরাপদ ও স্থিতিশীল কাজের প্ল্যাটফর্ম প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১.৫ মিটার — এটি প্রযোজ্য কারণ আন্তর্জাতিক ও জাতীয় শ্রম আইন অনুযায়ী এই উচ্চতা থেকেই স্ক্যাফোল্ডিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। B) ২.৫ মিটার — এই উচ্চতা অনেক বেশি এবং এর নিচে কাজ করার সময়ও নিরাপত্তার জন্য স্ক্যাফোল্ডিং প্রয়োজন হয়। C) ২ মিটার — এই উচ্চতাও সঠিক নয় কারণ নিরাপত্তা বিধিমালা অনুযায়ী ১.৫ মিটার থেকেই স্ক্যাফোল্ডিং এর প্রয়োজনীয়তা শুরু হয়। D) ৩ মিটার — এই উচ্চতা অতিরিক্ত বেশি এবং এর অপেক্ষা কম উচ্চতাতেই স্ক্যাফোল্ডিং নির্মাণ বাধ্যতামূলক। মনে রাখার টিপস: উচ্চতায় কাজের নিরাপত্তা রক্ষায় দেড় মিটার বা ১.৫ মিটার উচ্চতাকেই স্ক্যাফোল্ডিং নির্মাণের সর্বনিম্ন সীমা হিসেবে মনে রাখুন।
a 4mm
b 5mm
c 6mm
d 8mm
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ মিলিমিটার কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ইমারত নির্মাণ বিধিমালা বা বিএনবিসি কোড এবং এসিআই কোড অনুযায়ী কলামের টাই বারের ব্যাস মূল লম্বালম্বি বারের ব্যাসের চারভাগের একভাগ হতে হয়। - প্রদত্ত প্রশ্নে লম্বালম্বি বারের ব্যাস ১৬ মিলিমিটার হওয়ায় টাই বারের সর্বনিম্ন ব্যাস ১৬ কে চার দ্বারা ভাগ করে চার মিলিমিটার পাওয়ার কথা, কিন্তু কোডের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী কলামের টাই বারের সর্বনিম্ন ব্যাস ৬ মিলিমিটার হতে হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ মিলিমিটার — গণিত অনুযায়ী ১৬ এর চারভাগের একভাগ হলেও এটি কোড অনুমোদিত সর্বনিম্ন ব্যাসের মানের চেয়ে কম। B) ৫ মিলিমিটার — এটি স্ট্যান্ডার্ড রডের মাপ নয় এবং কলামের টাই বারের জন্য প্রযোজ্য সর্বনিম্ন আন্তর্জাতিক বা দেশীয় মান নয়। C) ৬ মিলিমিটার — এটি কলামের টাই বারের জন্য প্রযোজ্য সর্বনিম্ন মান যা ১৬ মিলিমিটার বারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। D) ৮ মিলিমিটার — এটি ১৬ মিলিমিটার বারের জন্য প্রযোজ্য নয় কারণ এটি এই ক্ষেত্রে বড় মাপের টাই বার হিসেবে গণনায় আসে। মনে রাখার টিপস: কলামের টাই বারের ক্ষেত্রে মূল রডের চারভাগের একভাগ এবং কোডের নিয়ম অনুযায়ী সর্বনিম্ন মান হিসেবে ৬ মিলিমিটার মনে রাখতে হবে।
a ক্লোরাইড আয়োন
b Electrical conductivity
c Alkalinity
d (ক) এবং (খ)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (ক) এবং (খ) কেন সঠিক: - প্রাকৃতিক জলে দ্রবীভূত লবণের পরিমাণ বা লবণাক্ততা নির্ধারণের জন্য ক্লোরাইড আয়নের উপস্থিতি সরাসরি মাপা হয়। - পানির তড়িৎ পরিবাহিতা বা Electrical conductivity পরিমাপ করেও পানিতে দ্রবীভূত লবণের পরিমাণ সঠিকভাবে নির্ণয় করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্লোরাইড আয়োন — এটি সঠিক হলেও কেবল এটি দিয়েই সম্পূর্ণ লবণাক্ততা মাপা যায় না, কারণ অন্য আয়নও এর সাথে যুক্ত থাকে। B) Electrical conductivity — এটি সঠিক হলেও শুধুমাত্র পরিবাহিতা দিয়ে নির্দিষ্ট লবণের উপস্থিতি বা ক্লোরাইডের পরিমাণ নিশ্চিত করা যায় না। C) Alkalinity — এটি পানির ক্ষারত্ব বা অ্যাসিড প্রশমিত করার ক্ষমতা নির্দেশ করে, যা সরাসরি লবণাক্ততা পরিমাপের একক নয়। D) (ক) এবং (খ) — এই অপশনটি সঠিক কারণ ক্লোরাইড আয়ন এবং বৈদ্যুতিক পরিবাহিতা উভয়ই লবণাক্ততা নির্ণয়ের মূল ভিত্তি। মনে রাখার টিপস: পানির লবণাক্ততা মাপতে ক্লোরাইড আয়নের উপস্থিতি এবং বৈদ্যুতিক পরিবাহিতা উভয়েরই সাহায্য নেওয়া হয়।
a 0.1%
b 0.12%
c 0.15%
d 0.18%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 0.15% কেন সঠিক: - BNBC বা কোড অনুযায়ী তাপমাত্রা ও সংকোচনজনিত ফাটল রোধ করার জন্য স্লাবের মোট গ্রস সেকশনাল এরিয়ার অন্তত ০.১৫ শতাংশ রিইনফোর্সমেন্ট ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। - বিকৃত রড বা ডিফর্মড বার ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই সর্বনিম্ন সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.1% — এই পরিমাণ রিইনফোর্সমেন্ট স্লাবের ফাটল রোধের জন্য যথেষ্ট নয় এবং এটি কাঠামোগত কোডের ন্যূনতম মান পূরণ করে না। B) 0.12% — এটি সাধারণ মাইল্ড স্টিল বা মসলিন বারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও, বর্তমানে স্লাবের জন্য পর্যাপ্ত নয়। C) 0.15% — এটি সঠিক উত্তর, কারণ কোড অনুযায়ী ডিফর্মড বারের জন্য স্লাবের গ্রস সেকশনের ন্যূনতম ০.১৫% রিইনফোর্সমেন্ট দিতে হয়। D) 0.18% — এটি মাইনর ডিরেকশন বা অন্য কোনো বিশেষ স্ট্রাকচারাল উপাদানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে, সাধারণ স্লাবের সর্বনিম্ন সীমা এটি নয়। মনে রাখার টিপস: স্লাবে ফাটল ঠেকাতে জিরো পয়েন্ট পনেরো (০.১৫) মনে রাখুন।
a HCO3
b OH
c CO3
d সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো কেন সঠিক: - প্রাকৃতিক বা ক্ষারীয় পানিতে বাইকার্বনেট, কার্বনেট এবং হাইড্রোক্সাইড আয়ন উপস্থিত থাকে। - এই তিনটি প্রধান উপাদানই পানির মোট ক্ষারত্ব বা ক্ষারীয় মান তৈরি করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) HCO3 — এটি পানির একটি ক্ষারত্ব সৃষ্টিকারী উপাদান হলেও একমাত্র উপাদান নয়, তাই এটি অপূর্ণ। B) OH — এটি তীব্র ক্ষারীয় উপাদান, তবে একা পানির সম্পূর্ণ ক্ষারত্ব নির্ধারণ করে না। C) CO3 — এটি ক্ষারত্বের অন্যতম প্রধান উৎস, কিন্তু এটি একা সঠিক উত্তর হতে পারে না। D) সবগুলো — এই তিনটি উপাদানই সম্মিলিতভাবে পানির ক্ষারত্ব বা Alkalinity তৈরি করে। মনে রাখার টিপস: পানির ক্ষারত্ব মনে রাখতে আদ্যক্ষর মনে রাখুন, কার্বনেট, বাইকার্বনেট ও হাইড্রোক্সাইড মিলে হয় ক্ষারত্ব।
a Climate
b Cost of water
c মানুষের দৈহিক গঠন
d সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো কেন সঠিক: - জলবায়ু এবং পানির মূল্য মানুষের দৈনন্দিন পানির চাহিদাকে সরাসরি প্রভাবিত করে। - মানুষের শারীরিক গঠন ও জীবনযাত্রার মান পানি ব্যবহারের পরিমাণ নির্ধারণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Climate — জলবায়ু একা পানির চাহিদার একমাত্র কারণ নয়, কারণ পানির দাম ও মানুষের অভ্যাসও সমানভাবে প্রভাব ফেলে। B) Cost of water — পানির মূল্য এককভাবে চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করে না, আবহাওয়া এবং শারীরিক প্রয়োজনও এর সাথে জড়িত। C) মানুষের দৈহিক গঠন — মানুষের শারীরিক গঠন পানির চাহিদাকে প্রভাবিত করলেও জলবায়ু এবং দামের প্রভাবকেও অস্বীকার করা যায় না। D) সবগুলো — জলবায়ু, পানির মূল্য এবং মানুষের শারীরিক গঠন প্রতিটি ফ্যাক্টরই মাথাপিছু পানির চাহিদাকে প্রভাবিত করে বলে এটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: মাথাপিছু পানির চাহিদা নির্ধারণের ক্ষেত্রে আবহাওয়া, পানির দাম এবং মানুষের শারীরিক গঠন ও জীবনযাত্রা সবই একসাথে প্রভাব ফেলে।
a 0
b 5
c 10
d 15
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 0 কেন সঠিক: - BOD এর পূর্ণরূপ হলো বায়োকেমিক্যাল অক্সিজেন ডিমান্ড, যা পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ নির্দেশ করে। - শতভাগ নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানযোগ্য পানিতে জৈব দূষণ বা পচনশীল পদার্থ থাকে না, তাই এর BOD এর মান শূন্য হতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0 — এটি বিশুদ্ধ ও নিরাপদ পানযোগ্য পানির আদর্শ মান কারণ এতে কোনো জৈব আবর্জনা বা দূষণ থাকে না। B) 5 — এই মাত্রার BOD নির্দেশ করে পানিতে কিছু পরিমাণ জৈব দূষণ রয়েছে, যা পানের জন্য নিরাপদ নয়। C) 10 — এই মানের BOD যুক্ত পানি মাঝারি মাত্রার দূষিত এবং এটি পান করলে নানা ধরনের রোগ হতে পারে। D) 15 — এই মাত্রা অতিমাত্রায় দূষিত পানিকে নির্দেশ করে, যা জলজ প্রাণীর জন্য ক্ষতিকর এবং পানের অযোগ্য। মনে রাখার টিপস: নিরাপদ পানির মান দেখতে শূন্য পেতে হবে, অর্থাৎ নিরাপদ পানির BOD সব সময় ০ হতে হয়।
a 25%
b 50%
c 75%
d 100%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 50% কেন সঠিক: - কোহেশনলেস বা কণা জাতীয় মাটির (যেমন বালু) বেয়ারিং ক্যাপাসিটি মাটির নিচে থাকা পানির স্তরের অবস্থানের ওপর সরাসরি নির্ভর করে। - পানির স্তর গ্রাউন্ড সারফেসে চলে আসলে মাটির কার্যকর ওজন বা ইফেক্টিভ ইউনিট ওয়েট প্রায় অর্ধেক বা ৫০% কমে যায়, ফলে আল্টিমেট বেয়ারিং ক্যাপাসিটিও ৫০% হ্রাস পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 25% — পানির স্তর সারফেসে এলে বেয়ারিং ক্যাপাসিটি পঁচিশ শতাংশ কমে না, বরং কার্যকারী ওজন অর্ধেক কমে যাওয়ায় কমার পরিমাণ বেশি হয়। B) 50% — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং মাটির নিমজ্জন বা সাবমার্জড অবস্থার কারণে বেয়ারিং ক্যাপাসিটি ঠিক অর্ধেক কমে যায়। C) 75% — পঁচাত্তর শতাংশ কমার হিসাবটি ভুল, কারণ পানির প্রভাবে মাটির শক্তি সম্পূর্ণ বিলুপ্ত না হয়ে কেবল অর্ধেক হ্রাস পায়। D) 100% — শতভাগ বা সম্পূর্ণ বেয়ারিং ক্যাপাসিটি নষ্ট হয় না, কারণ মাটির নিজস্ব buoyant ওজন তখনও কিছুটা বেয়ারিং ক্ষমতা প্রদান করে। মনে রাখার টিপস: বালু মাটিতে পানি যখন একদম ওপরে উঠে আসে (গ্রাউন্ড সারফেস), তখন মাটির ওজন পানিতে ভাসে এবং এর শক্তি ঠিক অর্ধেক বা ৫০% কমে যায়।
a Linear
b Parabolic
c Cubic
d কোনোটিই নয়
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: A) Linear কেন সঠিক: - বিমের ওপর যখন সমভাবে বিস্তৃত লোড প্রয়োগ করা হয়, তখন শিয়ার ফোর্সের সমীকরণটি প্রথম মাত্রার সমীকরণ বা সরলরৈখিক সম্পর্ক প্রকাশ করে। - এই কারণে শিয়ার ফোর্স ডায়াগ্রামের আকৃতি একটি সরলরেখা বা লিনিয়ার হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Linear — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ লোডের মাত্রা অনুযায়ী শিয়ার ফোর্স সরলরৈখিক রেখা তৈরি করে। B) Parabolic — সমভাবে বিস্তৃত লোডের ক্ষেত্রে বেন্ডিং মোমেন্ট ডায়াগ্রাম প্যারাবলিক হয়, শিয়ার ফোর্সের ক্ষেত্রে নয়। C) Cubic — ঘন আকৃতির ডায়াগ্রাম ত্রিঘাত লোডের ক্ষেত্রে দেখা যায়, যা এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: লোড এক ডিগ্রি বাড়লে শিয়ার ফোর্স এক ডিগ্রি এবং বেন্ডিং মোমেন্ট দুই ডিগ্রি বৃদ্ধি পায়।
a Linear
b Parabolic
c Cubic
d কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Parabolic কেন সঠিক: - সমভাবে বিস্তৃত লোডের ক্ষেত্রে বিমের বেন্ডিং মোমেন্ট সমীকরণ দ্বিতীয় ডিগ্রির বহুপদী বা পরাবৃত্তাকার হয়। - শেয়ার ফোর্স ডায়াগ্রামের ডিগ্রি এক এবং বেন্ডিং মোমেন্ট ডায়াগ্রামের ডিগ্রি দুই হওয়ায় শেপটি পরাবৃত্তাকার হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Linear — এটি পয়েন্ট লোড বা কেন্দ্রীভূত লোডের ক্ষেত্রে বেন্ডিং মোমেন্ট ডায়াগ্রামের শেপ হয়। B) Parabolic — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা ইউনিফর্মলি ডিস্ট্রিবিউটেড লোডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। C) Cubic — এটি এমন লোডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যার লোড ইন্টেনসিটি রৈখিকভাবে পরিবর্তিত হয়। D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: লোড রৈখিক হলে শেয়ার ফোর্স লিনিয়ার এবং বেন্ডিং মোমেন্ট প্যারাবোলিক হয়।
a D60/D30
b D30/D10
c D60/D10
d D30/D60
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) D60/D10 কেন সঠিক: - মৃত্তিকা mechanics-এ Uniformity coefficient বা সুষমতা সহগুণক হলো মাটির কণার আকার বিতরণের একটি সূচক যা মাটির সুষমতা প্রকাশ করে। - এটি ৬০% কণা পাসের কার্যকর আকার এবং ১০% কণা পাসের কার্যকর আকারের অনুপাত হিসেবে হিসাব করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) D60/D30 — এটি মাটির কণার বক্রতার সহগুণক বা Coefficient of curvature নির্ণয়ের সূত্র নয় এবং এই নির্দিষ্ট অনুপাতে সুষমতা সহগুণক প্রকাশ করা যায় না। B) D30/D10 — এটি সুষমতা সহগুণকের সঠিক অনুপাত নয় এবং এর মাধ্যমে মাটির সামগ্রিক কণা বিতরণের সুষমতা সঠিকভাবে মাপা সম্ভব হয় না। C) D60/D10 — এটি সুষমতা সহগুণকের নিখুঁত এবং পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক অনুপাত যা সরাসরি মাটির কণার আকার বিতরণের বৈচিত্র্য নির্দেশ করে। D) D30/D60 — এটি লব ও হরের সঠিক ক্রম নয় কারণ সুষমতা সহগুণক বের করতে সবসময় বড় কণার আকার ছোট কণার আকার দিয়ে ভাগ করতে হয়। মনে রাখার টিপস: ইউমর্নিফটি বা সুষমতা মনে রাখতে ষাট এবং দশের অনুপাত অর্থাৎ ওপরের সংখ্যা ষাট এবং নিচের সংখ্যা দশ মনে রাখবে।
a Light construction
b Heavy construction
c Industrial construction
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Heavy construction কেন সঠিক: - এয়ারপোর্ট বা বিমানবন্দর নির্মাণ হলো বিশাল আকারের এবং জটিল প্রকৌশলগত অবকাঠামো প্রকল্প। - এই ধরনের বৃহৎ প্রকল্প অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং এটি হেভি কনস্ট্রাকশন বা ভারী নির্মাণ খাতের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Light construction — এটি ছোট আকারের ভবন বা আবাসিক নির্মাণ বোঝায়, যা বিমানবন্দর নির্মাণের মতো বিশাল কাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) Heavy construction — এটি বিমানবন্দর বা মহাসড়কের মতো বিশাল ও জটিল অবকাঠামোগত নির্মাণকাজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) Industrial construction — এটি মূলত কারখানা, উৎপাদন কেন্দ্র বা রিফাইনারি নির্মাণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা বিমানবন্দর থেকে ভিন্ন। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বিমান বা রানওয়ে অনেক ভারী ও বড় হয়, তাই এয়ারপোর্ট নির্মাণ সব সময় হেভি কনস্ট্রাকশন বা ভারী নির্মাণ হবে।
a 0.5
b 1
c 0
d 2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ কেন সঠিক: - সয়েল মেকানিক্সের সূত্র অনুযায়ী void ratio বা শূন্যতা অনুপাত হলো volume of voids এবং volume of solids এর অনুপাত। - প্রশ্নে volume of voids এবং volume of solids সমান বলা হয়েছে, তাই সমীকরণের লব ও হর সমান হওয়ায় মান ১ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.৫ — শূন্যতার পরিমাণ কঠিন পদার্থের অর্ধেক হলে এই মান আসত, যা প্রদত্ত শর্তের সঙ্গে মেলে না। B) ১ — এটি সঠিক উত্তর কারণ voids এবং solids এর পরিমাণ সমান হওয়ায় অনুপাত ১ হয়। C) ০ — voids এর পরিমাণ শূন্য হলে এই মান হতো, কিন্তু প্রশ্নে তা বলা নেই। D) ২ — voids এর পরিমাণ solids এর দ্বিগুণ হলে এই মান আসত, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: একই জাতীয় দুটি রাশির মান সমান হলে তাদের ভাগফল বা অনুপাত সবসময় ১ হয়।
a Tangential
b Normal
c Tangential ও Normal উভয়ই
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Normal কেন সঠিক: - প্রিন্সিপাল প্লেনে শেয়ার স্ট্রেস বা টেনজেন্টাল স্ট্রেসের মান শূন্য হয় এবং এই তলে শুধুমাত্র লম্বভাবে প্রযুক্ত নরমাল স্ট্রেস কাজ করে। - মেকানিক্স অফ ম্যাটেরিয়ালস বা স্ট্রেন্থ অফ মেটেরিয়ালস তত্ত্ব অনুযায়ী এই তলে প্রধান পীড়ন উৎপন্ন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tangential — এই তলে কোনো টেনজেন্টাল বা শেয়ার স্ট্রেস থাকে না কারণ শেয়ার স্ট্রেসের মান শূন্য হয়। B) Normal — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই তলে কেবল নরমাল স্ট্রেস কাজ করে। C) Tangential ও Normal উভয়ই — এই তলে শুধু নরমাল স্ট্রেস থাকে কিন্তু টেনজেন্টাল স্ট্রেস থাকে না। D) কোনটিই নয় — যেহেতু নরমাল অপশনটি সঠিক তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: প্রিন্সিপাল প্লেন মানেই হলো শেয়ার মুক্ত তল যেখানে কেবল নরমাল স্ট্রেস বা প্রধান পীড়ন কাজ করে।
a 1.15
b 1.25
c 1.5
d 1.75
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 1.5 কেন সঠিক: - আয়তাকার বা রেকট্যাঙ্গুলার বিমের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শিয়ার স্ট্রেস বিমের নিউট্রাল অ্যাকসিসে ঘটে। - গাণিতিক সূত্র অনুযায়ী আয়তাকার বিমের সর্বোচ্চ শিয়ার স্ট্রেস গড় শিয়ার স্ট্রেসের দেড় গুণ বা ১.৫ গুণ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1.15 — এই মানটি রেকট্যাঙ্গুলার বিমের জন্য প্রযোজ্য নয় এবং এটি একটি ভুল অনুপাত। B) 1.25 — এটি সার্কুলার বা বৃত্তাকার বিমের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ও গড় শিয়ার স্ট্রেসের অনুপাত। C) 1.5 — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা আয়তাকার বিমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। D) 1.75 — এই মানটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড বিম সেকশনের শিয়ার স্ট্রেসের অনুপাত নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: আয়তাকার বিম দেখলে ১.৫ মনে রাখবে, কারণ আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শিয়ার স্ট্রেস গড় মানের দেড় গুণ হয়।
a Cement
b Aggregate
c Bitumen
d Concrete
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Concrete কেন সঠিক: - স্ল্যাম্প টেস্টের মাধ্যমে মূলত তাজা বা ফ্রেশ কংক্রিটের ওয়ার্কাবিলিটি বা কর্মক্ষমতা পরিমাপ করা হয়। - এই পরীক্ষার সাহায্যে কংক্রিটের মিশ্রণে পানির সঠিক অনুপাত ও প্রবাহের ক্ষমতা যাচাই করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cement — সিমেন্ট হলো কংক্রিটের একটি বাইন্ডিং মেটেরিয়াল, যার নিজস্ব স্ল্যাম্প টেস্ট করা হয় না। B) Aggregate — এগ্রিগেট বা খোয়া কংক্রিটের উপাদান হলেও এর নির্দিষ্ট সাইজ ও গ্রেডিং পরীক্ষা করা হয়, স্ল্যাম্প টেস্ট নয়। C) Bitumen — বিটুমিন সড়ক নির্মাণে ব্যবহৃত একটি পিচ্ছিল ও粘ালু উপাদান, যার জন্য বিভিন্ন পেনিট্রেশন ও সফটনিং পয়েন্ট টেস্ট করা হয়। D) Concrete — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্ল্যাম্প টেস্ট বিশেষভাবে তাজা কংক্রিটের প্রবাহ ও ঘণত্ব যাচাইয়ের জন্যই নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: স্ল্যাম্প টেস্ট মানেই কংক্রিটের কাজ করার উপযোগিতা বা ওয়ার্কাবিলিটি মাপা।
a L/2
b L/3
c L/4
d 2L/3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) L/2 কেন সঠিক: - কলামের দুই প্রান্ত ফিক্সড বা আটকানো থাকলে বাকলিংয়ের সময় এর কার্যকরী দৈর্ঘ্য বা ইকুইভ্যালেন্ট লেন্থ মূল দৈর্ঘ্যের অর্ধেক হয়। - ফিক্সড এন্ড কলামের মাঝখানের অংশ বাঁক নেয়, যা মুক্ত প্রান্তের কলামের তুলনায় বেশি দৃঢ়তা প্রদান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) L/2 — এটি সঠিক উত্তর কারণ দুই প্রান্ত ফিক্সড থাকলে কার্যকরী দৈর্ঘ্য আসল দৈর্ঘ্যের অর্ধেক হয়। B) L/3 — এটি ভুল কারণ কলামের দুই প্রান্ত ফিক্সড থাকার কাঠামোগত শর্তের সাথে এই মানটি মিলে না। C) L/4 — এটি ভুল কারণ এক প্রান্ত ফিক্সড এবং অন্য প্রান্ত সম্পূর্ণ মুক্ত থাকলে কার্যকরী দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ হয়, এই মানের সাথে তার মিল নেই। D) 2L/3 — এটি ভুল কারণ এটি কলামের বিভিন্ন প্রান্তের অন্য কোনো বিশেষ সাপোর্টের অবস্থার জন্য প্রযোজ্য, দুই প্রান্ত ফিক্সড থাকার জন্য নয়। মনে রাখার টিপস: দুই প্রান্ত ফিক্সড থাকলে কলাম বেশি শক্তিশালী হয়, তাই এর কার্যকরী দৈর্ঘ্য অর্ধেক অর্থাৎ L/2 হয়ে যায়।
a 0.5
b 0
c 1
d 2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৫ কেন সঠিক: - পোরোসিটির সংজ্ঞা হলো শূন্যস্থানের আয়তন এবং মোট আয়তনের অনুপাত। - প্রশ্নে দেওয়া আছে শূন্যস্থানের আয়তন এবং কঠিন অংশের আয়তন সমান, তাই মোট আয়তন হলো শূন্যস্থানের দ্বিগুণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.৫ — শূন্যস্থানের আয়তন ও কঠিন অংশের আয়তন সমান হওয়ায় অনুপাতটি ০.৫ হয়। B) ০ — শূন্যস্থান না থাকলে পোরোসিটি শূন্য হতো, কিন্তু এখানে শূন্যস্থান বিদ্যমান। সি) ১ — শূন্যস্থানের আয়তন মোট আয়তনের সমান হলে পোরোসিটি ১ হতো, যা এখানে নয়। ডি) ২ — এটি পোরোসিটির ক্ষেত্রে একটি অসম্ভব মান কারণ পোরোসিটির মান কখনো ১-এর বেশি হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: শূন্যস্থান ও কঠিন অংশ সমান হলে পোরোসিটি হবে ঠিক অর্ধেক বা শূন্য দশমিক পাঁচ।
a ত্রিভুজ
b গোলাকার
c বর্গাকার
d আয়তাকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গোলাকার কেন সঠিক: - ট্রাফিক সাইন বা ট্রাফিক চিহ্ন আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী তিন ভাগে বিভক্ত, যার মধ্যে বাধ্যতামূলক বা ম্যান্ডেটরি সাইনগুলো সাধারণত আদেশ নির্দেশ করে। - এই বাধ্যতামূলক নির্দেশমূলক ট্রাফিক সাইনগুলোর সার্বজনীন ও আন্তর্জাতিক আকৃতি হলো গোলাকার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ত্রিভুজ — এটি মূলত সতর্কতামূলক বা ওয়ার্নিং ট্রাফিক সাইনের আকৃতি নির্দেশ করে। B) গোলাকার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি বাধ্যতামূলক ট্রাফিক সাইনের জন্য নির্ধারিত। C) বর্গাকার — এটি সাধারণত নির্দেশিকা বা ইনফরমেশন সাইনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। D) আয়তাকার — এটিও তথ্যমূলক বা বিভিন্ন দিকনির্দেশনা মূলক সাইন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: বাধ্যতামূলক নিয়ম সব সময় গোল বৃত্তের ভেতর মানতে হয়, তাই ম্যান্ডেটরি সাইন গোলাকার হয়।
a Single time estimate
b Double time estimate
c Triple time estimate
d সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Single time estimate কেন সঠিক: - CPM বা Critical Path Method একটি নির্দিষ্ট নিয়মের ওপর কাজ করে যেখানে কাজের সময় নিশ্চিত থাকে। - এই পদ্ধতিতে প্রতিটি কাজের জন্য একটি মাত্র নির্ধারিত বা একক সময়ের প্রাক্কলন ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Single time estimate — এটি সঠিক কারণ CPM পদ্ধতিতে কাজের সময় নিশ্চিত ও নির্দিষ্ট থাকে। B) Double time estimate — এটি ভুল কারণ CPM-এ দ্বৈত সময়ের প্রাক্কলন করা হয় না। C) Triple time estimate — এটি ভুল কারণ তিনটি সময়ের প্রাক্কলন PERT পদ্ধতিতে ব্যবহার করা হয়, CPM-এ নয়। D) সবগুলো — এটি ভুল কারণ শুধুমাত্র অপশন এ সঠিক। মনে রাখার টিপস: CPM মানে সিঙ্গল টাইম, আর PERT মানে ট্রিপল টাইম।
a Compressive Zone
b Tensile Zone
c Neutral Zone
d Tensile ও compressive উভয় Zone এ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Tensile Zone কেন সঠিক: - কংক্রিট কম্প্রেশন বা চাপ নিতে অত্যন্ত শক্তিশালী হলেও টেনশন বা টান নিতে খুবই দুর্বল হয়। - এই দুর্বলতা দূর করার জন্য Singly reinforced beam এর টেনশন জোনে রড বা রিইনফোর্সমেন্ট ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Compressive Zone — Singly reinforced beam এর এই অংশে কেবল কংক্রিট থাকে এবং আলাদা কোনো রড দেওয়া হয় না। B) Tensile Zone — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে রিইনফোর্সমেন্ট দেওয়া হয়। C) Neutral Zone — এই অংশে কম্প্রেশন ও টেনশনের মান শূন্য থাকে, তাই এখানে রডের কোনো প্রয়োজন হয় না। D) Tensile ও compressive উভয় Zone এ — এটি Doubly reinforced beam এর বৈশিষ্ট্য, Singly reinforced beam এ কেবল এক জোনে রড থাকে। মনে রাখার টিপস: কংক্রিট টানে দুর্বল, তাই টান বল সহ্য করতে Tensile Zone এ রড দিতে হয়।
a 10-25kPa
b 25-150 kPa
c 150-400 kPa
d >400 kPa
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০-২৫ kPa কেন সঠিক: - মাটির আনকনফাইন্ড কমপ্রেসিভ স্ট্রেন্থ বা অপরিবদ্ধ সংকোচন শক্তি পরীক্ষা করে মাটির দৃঢ়তা নির্ণয় করা হয়। - অত্যন্ত নরম বা ভেরি সফট ক্লে এর মান ১০ থেকে ২৫ কিলোপ্যাসকেল এর মধ্যে হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০-২৫ kPa - এটি ভেরি সফট ক্লে বা অত্যন্ত নরম মাটির সঠিক সীমা নির্দেশ করে। B) ২৫-১৫০ kPa - এই সীমাটি সফট থেকে মিডিয়াম বা নরম থেকে মাঝারি ধরনের মাটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। C) ১৫০-৪০0 kPa - এই মানটি স্টিফ থেকে ভেরি স্টিফ বা শক্ত থেকে অত্যন্ত শক্ত মাটির জন্য নির্ধারিত। D) >৪০0 kPa - এই মানটি হার্ড ক্লে বা পাথুরে ও অত্যন্ত কঠিন মাটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: নরম মাটির শক্তি কম হয়, তাই ১০ থেকে শুরু করে ২৫ পর্যন্ত হলো ভেরি সফট ক্লে এর মান।
a 0
b 4
c 2
d 10
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 0 কেন সঠিক: - CPM বা Critical Path Method এ Critical activity হলো সেই কাজ যার Total Float বা Total Slack এর মান শূন্য হয়। - Total Float শূন্য হওয়ার অর্থ হলো এই কাজের সময় পরিবর্তন হলে পুরো প্রকল্পের সময়ও বিলম্বিত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0 — এটি সঠিক উত্তর কারণ Critical activity এর মোট সময় বা float এর মান শূন্য হয়। B) 4 — এটি ভুল কারণ Critical activity এর মান কোনো ধনাত্মক সংখ্যা হতে পারে না, এটি শূন্য হয়। C) 2 — এটি ভুল কারণ এটি সাধারণ বা non-critical activity এর float নির্দেশ করতে পারে, critical এর নয়। D) 10 — এটি ভুল কারণ এত বেশি মানের float থাকলে তা কোনোভাবেই critical activity হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: Critical মানেই কোনো ছাড় নেই, তাই এর Float বা Slack সবসময় শূন্য হয়।
a Column head
b Panel
c Drop
d Capital
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Column head কেন সঠিক: - ফ্ল্যাট স্ল্যাব সিস্টেমে কলামের উপরের অংশটি কিছুটা প্রসারিত হয়ে কলাম হেড বা ক্যাপিটেল হিসেবে কাজ করে এবং স্ল্যাব থেকে আসা লোড কলামে স্থানান্তর করে। - এটি স্ল্যাব ও কলামের সংযোগস্থলের শিয়ারিং বা কাটার স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Column head — এটি সঠিক উত্তর কারণ কলামের শীর্ষদেশ স্ল্যাবকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য একটু বড় বা প্রশস্ত করা হয়। B) Panel — এটি ফ্ল্যাট স্ল্যাবের ভেতরের অংশ বিশেষ, যা কলাম স্ট্রিপের অংশ হিসেবে মোমেন্ট ও শিয়ার প্রতিহত করে। C) Drop — এটি কলামের চারপাশে স্ল্যাবের নিচের দিকে সামান্য নামানো বা অতিরিক্ত পুরু অংশ, যা কলাম হেডের সাথে যুক্ত থাকে। D) Capital — এটি কলামের ওপরের প্রশস্ত অংশ, যা সাধারণত ঐতিহ্যবাহী কলাম বা মাশরুম স্ল্যাবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: কলামের ঠিক মাথার অংশটি হলো কলাম হেড আর স্ল্যাবের নিচের পুরু অংশ হলো ড্রপ।
a Tensile zone
b Compressive zone
c Neutral zone এবং tensile zone
d Tensile ও compressive zone
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Tensile ও compressive zone কেন সঠিক: - কংক্রিট সংকোচনে শক্তিশালী হলেও টান বল সহ্য করতে পারে না, তাই টেনসাইল জোনে স্টিল দেওয়া হয়। - বিমের লোড বা মোমেন্ট যখন অনেক বেশি হয়, তখন কেবল নিচের টেনসাইল জোন নয়, ওপরের কম্প্রেন্সিভ জোনেও অতিরিক্ত স্টিল রিইনফোর্সমেন্টের প্রয়োজন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tensile zone — শুধু এখানে স্টিল দিলে তা সিঙ্গেল রিইনফোর্সড বিম হয়, যা উচ্চ লোডের জন্য যথেষ্ট নয়। B) Compressive zone — কেবল এখানে স্টিল দেওয়া হয় না, কারণ বিমের নিচে টান বলের কারণে টেনসাইল জোনেও স্টিল দিতে হয়। C) Neutral zone এবং tensile zone — নিউট্রাল জোনে কোনো প্রকার শেয়ার বা বেন্ডিং স্ট্রেস কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করতে স্টিল দেওয়া হয় না। D) Tensile ও compressive zone — এই অপশনটি সঠিক কারণ ডাবল রিইনফোর্সড বিমে ওপরের কম্প্রেশন জোন এবং নিচের টেনশন জোন উভয় স্থানেই স্টিল রড ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: সিঙ্গেল মানে শুধু নিচে অর্থাৎ টেনসাইল জোন, আর ডাবল মানে ওপরে এবং নিচে অর্থাৎ কম্প্রেন্সিভ ও টেনসাইল উভয় জোনেই স্টিল।
a 5mm
b 10mm
c 15mm
d 20mm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 10mm কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড বা বিএনবিসি অনুযায়ী কলামের ল্যাটারাল টাইসের ন্যূনতম ব্যাস ১০ মিলিমিটার বা মেইন রডের ব্যাসের এক-চতুর্থাংশ হতে হবে। - স্ট্রাকচারাল ডিজাইনে কলামের বাংক্লিং প্রতিরোধ এবং মেইন রডগুলোকে সঠিকভাবে ধরে রাখতে এই মাপের ল্যাটারাল টাইস ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 5mm — এটি কলামের ল্যাটারাল টাইসের জন্য অত্যন্ত কম এবং কোডের নির্দেশিকা অনুযায়ী অপর্যাপ্ত। B) 10mm — এটি কলামের ল্যাটারাল টাইসের জন্য নির্ধারিত সঠিক ও ন্যূনতম নিরাপদ ব্যাস। C) 15mm — এটি সাধারণত সাধারণ কলামের টাইসের জন্য প্রয়োজনের তুলনায় বেশি এবং এটি বড় কলাম বা বিশেষ ডিজাইনে ব্যবহৃত হতে পারে। D) 20mm — এটি ল্যাটারাল টাইসের ব্যাস নয়, বরং এটি সাধারণত মাঝারি বা বড় আকারের মেইন রডের ডায়ামিটার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: কলামের শক্তি বাড়াতে এবং রড বাঁকা হওয়া রোধ করতে ল্যাটারাল টাইসের সর্বনিম্ন ব্যাস সবসময় ১০ মিলিমিটার ধরতে হবে।
a 40mm
b 25mm
c 50mm
d 15mm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 25mm কেন সঠিক: - রেললাইনের পয়েন্টস এবং ক্রসিং অংশে ট্রেনের অতিরিক্ত চাপ ও ঘর্ষণ সামলানোর জন্য অপেক্ষাকৃত ছোট আকারের ব্যালাস্ট বা পাথর ব্যবহার করা হয়। - আদর্শ নিয়ম অনুযায়ী এই বিশেষ অংশগুলোতে ২৫ মিলিমিটার সাইজের ব্যালাস্ট ব্যবহার করা হয় যাতে ভালোভাবে ট্যাকিং ও কম্প্যাকশন করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 40mm — এটি সাধারণ মেইন লাইনে ব্যবহৃত ব্যালাস্টের সাইজ, যা পয়েন্টস এবং ক্রসিংয়ের জন্য খুব বড়। B) 25mm — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মাপের পাথর পয়েন্টস এবং ক্রসিংয়ের ক্ষুদ্র স্থানে নিখুঁতভাবে ফিট হয়। C) 50mm — এটি অনেক বড় সাইজের পাথর যা সাধারণত রেলপথের সাধারণ ট্র্যাকে ব্যবহার করা হয় না। D) 15mm — এটি অতিরিক্ত ছোট সাইজের পাথর, যা রেললাইনের লোড বা ওজন সঠিকভাবে বহন করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: পয়েন্টস ও ক্রসিং জটিল স্থান হওয়ায় সেখানে ছোট অর্থাৎ পঁচিশ মিলিমিটার বা ২৫মিমি সাইজের পাথর লাগে।
a Vicat
b Casagrande
c Proctor
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Vicat কেন সঠিক: - ভিকাট অ্যাপারেটাস সিমেন্টের স্ট্যান্ডার্ড কনসিস্টেন্সি বা স্বাভাবিক পরিমিতি এবং সেটিং টাইম নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়। - এই যন্ত্রের মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমাণ পানির সঙ্গে মিশ্রিত সিমেন্টের পেস্টের ভেদ্যতা বা ঘনত্ব নিখুঁতভাবে মাপা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vicat — এটি সিমেন্টের কনসিস্টেন্সি ও সেটিং টাইম নির্ণয়ের সঠিক ও নির্দিষ্ট যন্ত্র। B) কাজাগ্রান্দে — এটি মৃত্তিকা মেকানিক্সে মাটির লিকুইড লিমিট বা তারল্য সীমা নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়। C) প্রোক্টর — এটি মাটির কমপ্যাকশন বা ঘনীভবন পরীক্ষার মাধ্যমে সর্বোচ্চ শুষ্ক ঘনত্ব ও অপটিমাম ময়েশ্চার কন্টেন্ট নির্ণয় করে। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক অপশন এ তালিকায় বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: সিমেন্ট পেস্টের সামঞ্জস্য বা কনসিস্টেন্সির কথা থাকলেই ভিকাট বা Vicat apparatus এর নাম মনে রাখবে।
a S > 0
b S < 0
c 0 < S < 100
d 0 <= S <= 100
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০ <= S <= ১০০ কেন সঠিক: - ডিগ্রি অব স্যাচুরেশন হলো মাটিতে উপস্থিত পানির আয়তন এবং শূন্যস্থানের আয়তনের অনুপাত। - মাটি পুরোপুরি পানিপূর্ণ থাকলে মান ১০০% এবং সম্পূর্ণ শুষ্ক হলে মান ০% হয়, তাই এটি ০ থেকে ১০০ এর মধ্যে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) S > ০ — এটি ভুল কারণ মাটি সম্পূর্ণ শুষ্ক হলে পানির পরিমাণ শূন্য হতে পারে, যা শূন্যের চেয়ে বড় নয়। B) S < ০ — এটি ভুল কারণ শূন্যস্থানের পানির পরিমাণ কখনো ঋণাত্মক হতে পারে না। C) ০ < S < ১০০ — এটি ভুল কারণ মাটি সম্পূর্ণ শুষ্ক (০%) কিংবা সম্পূর্ণ সম্পৃক্ত (১০০%) হতে পারে, তাই সমান চিহ্ন বাদ পড়া ভুল। D) ০ <= S <= ১০০ — এটি সঠিক কারণ মাটির ডিগ্রি অব স্যাচুরেশন শূন্য থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ একশত শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। মনে রাখার টিপস: মাটিতে পানি না থাকলে ০% এবং পুরোটাই পানিতে ডুবানো থাকলে ১০০%, তাই সীমাটি হবে ০ থেকে ১০০ এর মধ্যে এবং সমান চিহ্নসহ।
a Triangular
b Rectangular
c Trapezoidal
d Circular
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Trapezoidal কেন সঠিক: - ট্রাপিজয়ডাল সেকশনের জ্যামিতিক আকৃতি খোলা চ্যানেলের তরল প্রবাহের ক্ষেত্রে ঘর্ষণজনিত বাধা সর্বনিম্ন রাখতে সাহায্য করে। - এই আকৃতিতে ভেজা পরিধি কম এবং জলীয় ব্যাসার্ধ বেশি থাকে, যা প্রবাহের দক্ষতা বৃদ্ধি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Triangular — ত্রিকোণাকার সেকশন নির্দিষ্ট গভীরতার জন্য কম তরল ধারণ করে এবং এটি ছোট খালের ক্ষেত্রে কার্যকর হলেও সামগ্রিক সর্বাধিক দক্ষতা দেয় না। B) Rectangular — আয়তাকার সেকশনের কোণগুলোতে অতিরিক্ত ঘর্ষণ ও মৃত জোন তৈরি হয়, যা প্রবাহের দক্ষতা কমিয়ে দেয়। C) Trapezoidal — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি তরল প্রবাহের জন্য সবচেয়ে কার্যকর সেকশন। D) Circular — বৃত্তাকার সেকশন পাইপ বা বন্ধ কনুইয়ের জন্য ভালো হলেও, খোলা চ্যানেলের প্রবাহের জন্য এটি সেরা দক্ষতা প্রদান করে না। মনে রাখার টিপস: খোলা চ্যানেলে পানি বা তরল চলাচলের সময় বাধা সবচেয়ে কম দিতে ট্রাপিজয়ডাল বা ট্রাপিজিওম আকৃতি সবচেয়ে বেশি কার্যকর।
a 0.9m³
b 0.94m³
c 0.98m³
d 1m³
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৯ ঘনমিটার কেন সঠিক: - ফ্লোরের আয়তন বের করতে ক্ষেত্রফল ১০০ বর্গমিটারকে পুরুত্ব ০.০৪ মিটার দিয়ে গুণ করলে শুষ্ক কাজের পরিমাণ ৪ ঘনমিটার পাওয়া যায়। - সিমেন্ট, বালি ও খোয়ার অনুপাত ১:২:৪ অর্থাৎ মোট অনুপাত ৭ হলে সিমেন্টের পরিমাণ হয় ৪ কে ৭ দ্বারা ভাগ করে ১ দিয়ে গুণ করলে প্রায় ০.৫৭ ঘনমিটার ভেজা কাজ এবং শুষ্ক আয়তনের জন্য ১.৫ দিয়ে গুণ করলে প্রায় ০.৯ ঘনমিটার হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.৯ ঘনমিটার — এটি সঠিক হিসাব অনুযায়ী সিমেন্টের সঠিক পরিমাণ নির্দেশ করে। B) ০.৯৪ ঘনমিটার — এই মানটি অনুপাতের হিসাবের চেয়ে বেশি এবং সঠিক নয়। সি) ০.৯৮ ঘনমিটার — এটি গণনার ত্রুটির কারণে অতিরিক্ত মান হিসেবে এসেছে। ডি) ১ ঘনমিটার — এটি সঠিক অনুপাতের হিসাবের তুলনায় অনেক বেশি। মনে রাখার টিপস: শতাংশ বা ক্ষেত্রফলকে পুরুত্ব দিয়ে গুণ করে শুষ্ক আয়তন বের করে অনুপাতের যোগফল দিয়ে ভাগ করলেই সিমেন্টের সঠিক পরিমাণ পাওয়া যায়।
a 6mm
b 8mm
c 10mm
d 12mm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 10mm কেন সঠিক: - বিএনবিসি কোড অনুযায়ী আরসিসি কলামের প্রধান রডের সর্বনিম্ন ব্যাস ১০ মিলিমিটার হওয়া বাধ্যতামূলক। - কাঠামোগত নিরাপত্তা এবং বাকলিং রোধ করতে ১০ মিলিমিটারের কম ব্যাসের রড কলামে ব্যবহার করা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 6mm — এটি কলামের প্রধান রডের জন্য অত্যন্ত চিকন এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মানদণ্ড অনুযায়ী এটি সঠিক নয়। B) 8mm — এটি সাধারণত রিং বা টাই রডের জন্য ব্যবহৃত হয়, প্রধান রডের সর্বনিম্ন মান এটি নয়। সি অপশন সঠিক হওয়ায় ডি অপশন এখানে সর্বনিম্ন ব্যাসের শর্ত পূরণ করছে না। D) 12mm — এটি কলামে ব্যবহার করা গেলেও প্রশ্নে সর্বনিম্ন ব্যাস জানতে চাওয়া হয়েছে, যা ১০ মিলিমিটার। মনে রাখার টিপস: কলামের প্রধান রড মানেই দশ মিলিমিটার।
a Flash and fire Point
b Penetration
c Setting time
d Los Angeles Abrasion
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Los Angeles Abrasion কেন সঠিক: - এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগার পদ্ধতি যার মাধ্যমে সড়ক নির্মাণ বা কংক্রিটে ব্যবহৃত এগ্রিগেট বা খোয়ার ঘর্ষণ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং শক্তিমত্তা যাচাই করা হয়। - এই Test-এর সাহায্যে এগ্রিগেটের ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ার হার নির্ণয় করা হয়, যা টেকসই নির্মাণ নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Flash and fire Point — এটি বিটুমিন বা তেলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা তাপমাত্রা নির্দেশ করে যেখানে এটি জ্বলে ওঠে বা আগুন ধরে। B) Penetration — এটি বিটুমিনের গ্রেড বা কঠোরতা নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়, এগ্রিগেটের জন্য নয়। সি) C) Setting time — এটি মূলত সিমেন্টের জমাট বাঁধার সময় নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়, এগ্রিগেটের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) Los Angeles Abrasion — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এগ্রিগেটের যান্ত্রিক শক্তি ও ক্ষয় পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: এগ্রিগেট বা খোয়া ক্ষয় পরীক্ষা করতে লস অ্যাঞ্জেলেস বা Abrasion Test ব্যবহার করা হয়।
a CBR test
b Slump test
c penetration test
d Softening point test
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) penetration test কেন সঠিক: - বিটুমিনের কঠোরতা বা ঘণত্ব নির্ধারণের জন্য পেনট্রেশন টেস্ট বা ভেদন পরীক্ষা করা হয়। - নির্দিষ্ট ওজনের একটি সূঁচ নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বিটুমিনের ভেতরে কতটুকু প্রবেশ করে, তা এই পরীক্ষার মাধ্যমে মাপা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) CBR test — এটি মাটির বেয়ারিং ক্যাপাসিটি বা শক্তি পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়, বিটুমিনের জন্য নয়। B) Slump test — এটি ঢালাই কাজের আগে ভেজা কংক্রিটের কার্যোপযোগিতা বা দৃঢ়তা মাপার জন্য করা হয়। C) penetration test — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) Softening point test — এটি বিটুমিন কোন তাপমাত্রায় নরম হতে শুরু করে তা নির্ধারণ করতে ব্যবহৃত হয়, কঠোরতা মাপতে নয়। মনে রাখার টিপস: বিটুমিনে সূঁচ কতটুকু ঢোকে তা দেখতে পেনট্রেশন টেস্ট করা হয়।

মোট প্রশ্ন (20)

a ইয়াসির আরাফাত
b শামসুর রাহমান
c নাজিম হিকমত
d আল্লামা ইকবাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শামসুর রাহমান ১. কেন সঠিক: - মজলুম আদিব শব্দের অর্থ হলো নির্যাতিত সাহিত্যিক। - প্রখ্যাত আধুনিক কবি শামসুর রাহমান সামরিক শাসন ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদস্বরূপ এই ছদ্মনাম ব্যবহার করে লেখালেখি করতেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর প্রথম সারির একজন বাঙালি কবি ও সাংবাদিক। - ১৯২৯ সালের ২৩শে অক্টোবর পুরান ঢাকায় জন্মগ্রহণকারী এই কবি নাগরিক জীবন, দ্রোহ ও দেশপ্রেমের জন্য বিখ্যাত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ময়ূখ ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর একটি সাহিত্যিক ছদ্মনাম। উদাহরণ ২: বীরবল ব্যাখ্যা: এটিও প্রমথ চৌধুরীর অপর একটি বিখ্যাত ছদ্মনাম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইয়াসির আরাফাত — ইনি ফিলিস্তিনের প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা ছিলেন, কোনো সাহিত্যিক ছদ্মনাম ব্যবহারকারী কবি নন। B) শামসুর রাহমান — এটি সঠিক উত্তর। C) নাজিম হিকমত — ইনি তুরস্কের বিশ্বখ্যাত সাম্যবাদী কবি, তবে মজলুম আদিব তাঁর ছদ্মনাম নয়। D) আল্লামা ইকবাল — ইনি পাকিস্তানের প্রখ্যাত দার্শনিক ও কবি, তাঁর ছদ্মনাম এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শামসুর রাহমান ছিলেন নির্যাতিত মানুষের পক্ষে সোচ্চার কণ্ঠ, তাই তাঁর ছদ্মনামের অর্থ মনে রাখলে সহজেই উত্তর মেলানো যায়। - আদিব শব্দের অর্থ সাহিত্যিক এবং মজলুম অর্থ নির্যাতিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অন্য ছদ্মনাম যেমন বনফুল অর্থ বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়, এটিও ভালোভাবে মনে রাখবে।
a বেগম রোকেয়া
b মালেকা বেগম
c সুফিয়া কামাল
d নূরজাহান বেগম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নূরজাহান বেগম ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হবে নূরজাহান বেগম, যা এই ব্যাখ্যার শুরুতে সংশোধন করে দেওয়া হলো। - বেগম পত্রিকা ১৯৪৭ সালের ২০ জুলাই প্রকাশিত বাংলাদেশের প্রথম নারীদের সাপ্তাহিক পত্রিকা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নূরজাহান বেগম ছিলেন উপমহাদেশের প্রথম নারী সাংবাদিক এবং বেগম পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। - বেগম পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন সুলতানা খাতুন এবং প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও পরবর্তীতে দীর্ঘকাল সম্পাদক ছিলেন নূরজাহান বেগম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ব্যাখ্যা: তিনি বাঙালি নারী জাগরণের অগ্রদূত এবং সুলতানাস ড্রিম তার বিখ্যাত গ্রন্থ। উদাহরণ ২: সুফিয়া কামাল ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি, সাহিত্যিক ও নারী আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেগম রোকেয়া — তিনি নারী জাগরণের অগ্রদূত হলেও বেগম পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। B) মালেকা বেগম — তিনি বিশিষ্ট নারী নেত্রী ও গবেষক হলেও এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক নন। C) সুফিয়া কামাল — তিনি এই পত্রিকার প্রথম প্রকাশের সময় এর নামকরণে ও উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত ছিলেন কিন্তু সম্পাদক নূরজাহান বেগম। D) নূরজাহান বেগম — তিনি বেগম পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক এবং দীর্ঘকাল সফলভাবে তা পরিচালনা করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - নারীদের প্রথম কাগজ বেগম পত্রিকার নূর ছড়ানো সম্পাদক ছিলেন নূরজাহান বেগম। - প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদনার সাথে নূরজাহান নামটি দৃঢ়ভাবে যুক্ত তা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বেগম পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালে কলকাতার সখা সমিতির প্রেস থেকে। - এই পত্রিকার সূচনালগ্নে বেগম রোকেয়া পরিবার ও সওগাত পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরুদ্দীনের বিশেষ ভূমিকা ছিল।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b সুকুমার সেন
c ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
d আহমদ শরীফ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ১. কেন সঠিক: - 'বাংলা সাহিত্যের কথা' গ্রন্থটির রচয়িতা ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। - এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত প্রামাণিক ও জনপ্রিয় গ্রন্থ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি ভাষাবিজ্ঞানী, গবেষক ও শিক্ষাবিদ। - গ্রন্থটি দুটি খণ্ডে প্রকাশিত হয় এবং এতে প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম কাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন যুগের বিবর্তন ও সাহিত্যিকদের অবদান সম্পর্কে ধারণা দেয়। উদাহরণ ২: অবৈদিক বাংলা ভাষা ব্যাখ্যা: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ক গবেষণার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বাংলার উৎপত্তি নিয়ে গবেষণা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বকবি হলেও 'বাংলা সাহিত্যের কথা' নামক কোনো ইতিহাস গ্রন্থ তিনি রচনা করেননি। B) সুকুমার সেন — সুকুমার সেন 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' রচনা করেছেন, যা ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর গ্রন্থ থেকে আলাদা। D) আহমদ শরীফ — আহমদ শরীফ প্রধানত মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের গবেষক ও সম্পাদক ছিলেন, এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - শহীদুল্লাহর কথা সবসময় মনে রাখা ভালো, তাই 'বাংলা সাহিত্যের কথা' বললেই ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর নাম মনে রাখবে। - ইতিহাসধর্মী গবেষণামূলক গ্রন্থটি শহীদুল্লাহ স্যারের লেখা একটি মাস্টারপিস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিভিন্ন লেখকের ইতিহাস গ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে ছক আকারে পড়লে সহজে মনে রাখা যায়।
a ভাষা আন্দোলন
b অসহযোগ আন্দোলন
c তেভাগা আন্দোলন
d মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভাষা আন্দোলন ১. কেন সঠিক: - মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকটি ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি কালজয়ী ও প্রতিবাদী একাঙ্ক নাটক। - জেলখানায় বন্দि থাকা অবস্থায় ১৯৫৩ সালে তিনি এই নাটকটি রচনা করেন যা তৎকালীন রাজনৈতিক বন্দিদের ভাষা আন্দোলনের প্রতি সমর্থন ও শহীদের স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের প্রতীক। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী ছিলেন একাধারে নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক ও ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সক্রিয় কর্মী যিনি নিজেই বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে কারাগারে বন্দि ছিলেন। - কবর নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে প্রথম প্রতীকী ও প্রতিবাদী নাটক হিসেবে পরিচিত যেখানে শহীদের আত্মার অবমূল্যায়ন ও শাসকগোষ্ঠীর অমানবিক আচরণের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জহির রায়হানের আরেক ফাল্গুন ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা একুশে ফেব্রুয়ারির প্রেক্ষাপটে রচিত। উদাহরণ ২: আলাউদ্দিন আল আজাদের বরফ গলা নদী ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলন ও সমাজজীবনের প্রভাব নিয়ে রচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষা আন্দোলন — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ নাটকটির মূল পটভূমি বা ঐতিহাসিক ঘটনা বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন। B) অসহযোগ আন্দোলন — অসহযোগ আন্দোলন একটি ভিন্ন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট যা মূলত ব্রিটিশবিরোধী ও অসহযোগের সাথে যুক্ত, এর সাথে কবর নাটকের সম্পর্ক নেই। C) তেভাগা আন্দোলন — তেভাগা আন্দোলন ছিল কৃষকদের নায়েব ও জমিদারবিরোধী অর্থনৈতিক আন্দোলন, যা এই নাটকের বিষয়বস্তু নয়। D) মুক্তিযুদ্ধ — মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১ সালের ঘটনা, অথচ কবর নাটকটি তার অনেক আগেই ১৯৫৩ সালে রচিত ও প্রকাশিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: মুনীর চৌধুরীর কবর নাটক মানেই বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের চেতনা। এভাবে মনে রাখতে পারো যে জেলখানায় বসে লেখা প্রথম শহীদ স্মারক নাটক হলো কবর। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকের প্রেক্ষাপট এবং রচনার স্থান ও কাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। নাটকটি ১৯৫৩ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দि অবস্থায় রচিত হয়েছিল।
a সমিচিন
b সমীচিন
c সমীচীন
d সমীচিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমীচীন ১. কেন সঠিক: - সমীচীন শব্দের বানানে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার এবং শেষ বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটি একটি অতৎসম বা তৎসম শব্দ যেখানে উভয় ই-কার দীর্ঘ হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে ই-কার এবং উ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। - সমাস বা প্রত্যয়জনিত কারণে কিছু শব্দের বানানে দীর্ঘ স্বরবর্ণের ব্যবহার বাধ্যতামূলক হয় যা প্রমিত বানানে অনুসৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিভীষণ ব্যাখ্যা: এই শব্দটির বানানেও ই-কারের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: মণীষী ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও দীর্ঘ ঈ-কারের সঠিক ব্যবহার দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমিচিন — এই বানানে দীর্ঘ ঈ-কারের পরিবর্তে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) সমীচিন — এই বানানে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার থাকলেও শেষ বর্ণে ভুলভাবে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। C) সমীচীন — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বাংলা একাডেমি অনুমোদিত প্রমিত রূপ। D) সমীচিন — এই বানানেও শেষের বর্ণে হ্রস্ব ই-কার থাকার কারণে বানানটি অশুদ্ধ হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমীচীন বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো এই শব্দটিতে দুটিই দীর্ঘ ঈ-কার হয়। - বানানের শেষে ন এর সাথে সবসময় দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বানানটি অত্যন্তFrequently আসে। - প্রতিযোগিতায় সফল হতে প্রমিত বানানরীতির তালিকা নিয়মিত চর্চা করতে হবে।
a কাজী নজরুল ইসলামের
b সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
d মোহিতলাল মজুমদারের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১. কেন সঠিক: 'সন্ধ্যাসঙ্গীত' হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যসংকলন। এই কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হওয়ার মাধ্যমেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবি হিসেবে তাঁর নিজস্ব স্বকীয়তা ও স্বাতন্ত্র্য লাভ করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: 'সন্ধ্যাসঙ্গীত' কাব্যগ্রন্থটি ১৮৮২ সালে প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো পড়ে মুগ্ধ হয়ে তৎকালীন বরেণ্য সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কবিকে অভিনন্দিত করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রভাতসঙ্গীত ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা সন্ধ্যাসঙ্গীতের অব্যবহিত পরেই প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভনিতা ব্যবহার করে লেখা বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে রচিত কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলামের — কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ হলো 'ভোরের হাওয়া' নয়, বরং 'অগ্নিবীণা'। তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। B) সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের — সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো 'সবিতা' ও 'বেণু ও বীণা'। তিনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত হলেও সন্ধ্যাসঙ্গীত তাঁর রচনা নয়। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের — এই অপশনটি সঠিক কারণ সন্ধ্যাসঙ্গীত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অনন্য কাব্যগ্রন্থ। D) মোহিতলাল মজুমدارের — মোহিতলাল মজুমদারের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো 'স্বপ্নের পসরা'। এটি রবীন্দ্রনাথের কাব্যগ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সন্ধ্যা নামলে কবি রবীন্দ্রনাথ গান বা কবিতা লিখতেন, এভাবে মনে রাখতে পারো যে সন্ধ্যাসঙ্গীত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্য। রবীন্দ্রনাথের প্রথম দিকের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে সন্ধ্যাসঙ্গীত একটি অন্যতম মাইলফলক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সন্ধ্যাসঙ্গীত প্রকাশিত হয় ১৮৮২ সালে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম দিকের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম ও প্রকাশকাল জানতে চাওয়া হয়।
a অকৃত্রিম
b মৌলিক
c স্বাভাবিক
d সরল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্বাভাবিক ১. কেন সঠিক: - কৃত্রিম শব্দের অর্থ মানুষের তৈরি বা যা স্বাভাবিকভাবে উৎপন্ন হয়নি। - এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো স্বাভাবিক, যার অর্থ প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট বা স্বাভাবিক নিয়মে ঘটে যা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ বিষয়ের অন্তর্গত এটি একটি শব্দার্থগত প্রশ্ন। - শব্দের উৎস, ভাব ও প্রসঙ্গের ওপর ভিত্তি করে বিপরীত শব্দ নির্ধারণ করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শুষ্ক শব্দের বিপরীত আর্দ্র। ব্যাখ্যা: শুষ্ক অর্থ ভেজা নয় এমন, আর আর্দ্র অর্থ ভেজা বা জলীয় বাষ্পপূর্ণ। উদাহরণ ২: প্রকাশ শব্দের বিপরীত গোপন। ব্যাখ্যা: প্রকাশ অর্থ যা সবার সামনে দৃশ্যমান, আর গোপন অর্থ যা লুকিয়ে রাখা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অকৃত্রিম — এটি কৃত্রিম শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, বিপরীতার্থক শব্দ নয়। B) মৌলিক — মৌলিক শব্দের অর্থ যা অন্য কিছু থেকে উদ্ভূত নয়, কৃত্রিম শব্দের সঠিক বিপরীত এটি নয়। সি) স্বাভাবিক — এটি সঠিক উত্তর। D) সরল — সরল শব্দের বিপরীত জটিল বা কুটিল, কৃত্রিম শব্দের বিপরীত স্বাভাবিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - কৃত্রিম মানে ভেজাল বা মানুষের তৈরি, আর স্বাভাবিক মানে খাঁটি বা প্রাকৃতিকভাবে তৈরি। - বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার সময় শব্দের মূল ভাব মনে রাখা সবচেয়ে ভালো উপায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের ভাবার্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। - সমার্থক শব্দ এবং বিপরীতার্থক শব্দ গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a ক্ষুধিত পাষাণ
b মৃত্যুক্ষুধা
c জননী
d আগুন পাখি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মৃত্যুক্ষুধা ১. কেন সঠিক: - মৃত্যুক্ষুধা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা দরিদ্র মানুষের জীবন সংগ্রাম ও নৈতিকতার দ্বন্দ্ব তুলে ধরে। - এই উপন্যাসে কলকাতার বস্তি জীবনের দরিদ্র মানুষের ক্ষুধা এবং তাদের বেঁচে থাকার তীব্র লড়াই অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে সমাদৃত হলেও তিনি সফলভাবে কয়েকটি উপন্যাসও রচনা করেছেন। - তাঁর রচিত প্রধান তিনটি উপন্যাস হলো বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা, যা বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঁধনহারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম পত্রোপন্যাস যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে তরুণ সমাজের মনস্তত্ত্ব প্রকাশ পায়। উদাহরণ ২: কুহেলিকা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি রাজনৈতিক উপন্যাস যা ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে দেশপ্রেম ও বিপ্লবের বাণী রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষুধিত পাষাণ — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত উপন্যাস নয়, এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প। B) মৃত্যুক্ষুধা — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস। C) জননী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত কোনো উপন্যাস নয়, এটি কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। D) আগুন পাখি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত উপন্যাস নয়, এটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। ৫. মনে রাখার টিপস: - নজরুলের তিনটি বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বাঁধনহারা কুহেলি চোখে মৃত্যুক্ষুধা পেলে নজরুল অমর হন। - এর মাধ্যমে বাঁধনহারা, কুহেলিকা ও মৃত্যুক্ষুধা এই তিনটি উপন্যাসের নাম একসঙ্গে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস সংখ্যা মাত্র তিনটি, তাই এই নামগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও অন্যান্য বিখ্যাত লেখকদের উপন্যাসের সঙ্গে নজরুলের উপন্যাসের নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a চ
b ট
c প
d থ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) থ ১. কেন সঠিক: - থ একটি মহাপ্রাণ ধ্বনি কারণ এটি উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে নির্গত বাতাসের পরিমাণ বেশি থাকে এবং জোর বা প্রাণবায়ু বেশি লাগে। - বাংলা বর্ণমালার স্পর্শ ধ্বনি বা বর্গীয় ধ্বনিগুলোকে উচ্চারণের সময় বাতাসের কম-বেশি নির্গমনের ওপর ভিত্তি করে অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বর্গের প্রতি বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ হলো মহাপ্রাণ ধ্বনি এবং প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ হলো অল্পপ্রাণ ধ্বনি। - ত বর্গের বর্ণগুলো হলো ত, থ, দ, ধ, ন; এর মধ্যে থ হলো দ্বিতীয় বর্ণ এবং ধ হলো চতুর্থ বর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খ ব্যাখ্যা: খ হলো ক বর্গের দ্বিতীয় বর্ণ, তাই এটি একটি মহাপ্রাণ ধ্বনি। উদাহরণ ২: ভ ব্যাখ্যা: ভ হলো প বর্গের চতুর্থ বর্ণ, তাই এটি একটি মহাপ্রাণ ধ্বনি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চ — চ হলো চ বর্গের প্রথম বর্ণ, তাই এটি অল্পপ্রাণ ধ্বনি মহাপ্রাণ নয়। B) ট — ট হলো ট বর্গের প্রথম বর্ণ, তাই এটি অল্পপ্রাণ ধ্বনি মহাপ্রাণ নয়। C) প — প হলো প বর্গের প্রথম বর্ণ, তাই এটি অল্পপ্রাণ ধ্বনি মহাপ্রাণ নয়। D) থ — থ হলো ত বর্গের দ্বিতীয় বর্ণ, তাই এটি মহাপ্রাণ ধ্বনি হিসেবে সম্পূর্ণ সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - বর্গের জোড় বর্ণ অর্থাৎ দুই ও চার নম্বর বর্ণগুলো মহাপ্রাণ ধ্বনি হয়। - বিজোড় বর্ণ অর্থাৎ এক ও তিন নম্বর বর্ণগুলো অল্পপ্রাণ ধ্বনি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ ধ্বনি চিহ্নিত করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বর্গীয় ধ্বনির ক্রম মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই নির্ণয় করা যায়।
a মহাকাব্য
b কাব্যনাট্য
c গল্প
d উপন্যাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাব্যনাট্য ১. কেন সঠিক: 'নূরলদীনের সারাজীবন' একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য যার রচয়িতা সৈয়দ শামসুল হক। কাব্যনাট্য হলো এমন একটি সাহিত্যকর্ম যা দেখতে নাটকের মতো সংলাপধর্মী হলেও মূলত কবিতার ছন্দে রচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই কাব্যনাট্যের রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক, কবি ও নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক। এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে কাব্যনাট্যের এক অনন্য নিদর্শন যেখানে ঐতিহাসিক পটভূমির সঙ্গে সমসাময়িক রাজনৈতিক চেতনা যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যনাট্য যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রেক্ষাপটে রচিত। উদাহরণ ২: ইর্ষা ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের লেখা আরেকটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য যা নাট্যসাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাকাব্য — এটি মহাকাব্য নয় কারণ মহাকাব্য হলো বিশাল আয়তনের পদ্যে রচিত বীরত্বগাথা কাহিনী যেমন মেঘনাদবধ কাব্য। B) কাব্যনাট্য — এটি সঠিক উত্তর। C) গল্প — এটি কোনো ছোটগল্প নয় কারণ গল্প মূলত গদ্যে রচিত ছোট কলেবরের কাল্পনিক বা বাস্তবধর্মী কাহিনী। D) উপন্যাস — এটি উপন্যাস নয় কারণ উপন্যাস হলো দীর্ঘ আকৃতির গদ্যরীতিতে রচিত কথাসাহিত্য। ৫ মনে রাখার টিপস: সৈয়দ শামসুল হকের নাটকের ক্ষেত্রে মনে রাখবে তার নাটকগুলো প্রধানত কাব্যনাট্য যেমন নূরলদীনের সারাজীবন ও পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়। নাটকের নাম দেখলে আগে দেখতে হবে তা পদ্যে নাকি গদ্যে রচিত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্যগুলো থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। নূরলদীনের সারাজীবন এবং পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় দুটিই কাব্যনাট্য হিসেবে বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে।
a ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
b মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
c বিজয় গুপ্ত
d ঘনরাম চক্রবর্তী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ১. কেন সঠিক: - 'চণ্ডীমঙ্গল' হলো মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় নিদর্শন। - কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী এই কাব্য রচনা করেন এবং বাংলা সাহিত্যে তিনি কবিকঙ্কন উপাধিতে ভূষিত হন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ষোড়শ শতকের মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি এবং তাঁর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যটি বাংলায় কবিমুকুন্দরামের দ্বিজত্ব ও কবিকঙ্কন উপাধির জন্য বিখ্যাত। - এই কাব্যে তৎকালীন গ্রামীণ বাংলার সমাজচিত্র, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও অর্থনৈতিক সংকটের এক বাস্তবসম্মত ও জীবন্ত চিত্র ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কালকেতু ও ফুল্লরার উপাখ্যান ব্যাখ্যা: চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আখেটিক খণ্ডের একটি বিখ্যাত অংশ হলো কালকেতু ও ফুল্লরার উপাখ্যান, যা তৎকালীন মানুষের জীবন সংগ্রামকে ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: ধনপতি ও খূলনার উপাখ্যান ব্যাখ্যা: চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের বণিক খণ্ডের এই উপাখ্যানে মধ্যযুগের সমুদ্র বাণিজ্য ও বেদের জীবনযাত্রার নিখুঁত বিবরণ পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর — তিনি অষ্টাদশ শতকের কবি এবং অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা, চণ্ডীমঙ্গলের নন। B) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — এটি সঠিক উত্তর। C) বিজয় গুপ্ত — তিনি পদ্মাপুরাণ বা মনসামঙ্গল কাব্যের অন্যতম প্রধান রচয়িতা। D) ঘনরাম চক্রবর্তী — তিনি ধর্মমঙ্গল কাব্যের একজন বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কবি। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুকুন্দ মানে কঙ্কন, অর্থাৎ কবিকঙ্কন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী চণ্ডীমঙ্গল লিখে বিখ্যাত হয়েছেন। - মঙ্গলকাব্যের কবি ও তাদের কাব্যের নাম মনে রাখার জন্য কবির নামের প্রথম অক্ষর ও কাব্যের নাম ছন্দে মিলিয়ে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর উপাধি প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যগুলোর রচয়িতা এবং তাদের নির্দিষ্ট কাব্যধারার নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a চর্যাপদ
b শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
c রামায়ণ
d মনসামঙ্গল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন ও প্রথম কাব্যসংকলন। - এটি মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা গীতিআটিকা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন। - এটি ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হারাপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় হাজার বছরের পুরানো বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে প্রথম প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাকরণের পদকর্তা লুইপা। ব্যাখ্যা: লুইপা চর্যাপদের প্রথম পদটির রচয়িতা এবং তাঁর পদের সংখ্যা ছিল একটি। উদাহরণ ২: ডোমপা চর্যাপদের একজন বিশিষ্ট কবি। ব্যাখ্যা: ডোমপা চর্যাপদের একাধিক পদ রচনা করেছেন এবং তাঁর পদগুলো সন্ধ্যা ভাষায় লিখিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চর্যাপদ — এটি প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্দেশক ও সঠিক উত্তর। B) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — এটি মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন এবং বডু চণ্ডীদাসের রচনা। C) রামায়ণ — এটি মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় কাব্য। D) মনসামঙ্গল — এটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্যতম প্রধান ধারা। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ মানেই চর্যাপদ এবং এর আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। - প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রাপ্ত নিদর্শন হিসেবে চর্যাপদ নামটি সবার আগে মাথায় রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও ডক্টর সুকুমার সেনের মতে পদ সংখ্যা ছেচল্লিশটি। - চর্যাপদের ভাষা প্রাকৃত ও বাংলা ভাষার সান্ধ্য ভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা নামে পরিচিত।
a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
c কাজী নজরুল ইসলাম
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'চন্দ্রশেখর' উপন্যাসটির রচয়িতা বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। - এটি একটি ঐতিহাসিক ও রোমান্টিক ধারার উপন্যাস যা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৭৫ সালে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের প্রথম সার্থক রূপকার এবং আধুনিক উপন্যাসের পথপ্রদর্শক। - 'চন্দ্রশেখর' উপন্যাসে ব্রিটিশ আমলের পূর্ববর্তী রাজনৈতিক পটভূমি এবং পারিবারিক দ্বন্দ্বের চিত্র ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা অন্যতম বিখ্যাত একটি সামাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: দুর্গেশনন্দিনী ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি 'চন্দ্রশেখর' উপন্যাসের রচয়িতা। B) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি বিখ্যাত প্রকৃতিবাদী কথাসাহিত্যিক, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'পথের পাঁচালী'। C) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি আমাদের জাতীয় কবি, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'মৃত্যুক্ষুধা' ও 'কুহেলিকা'। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বিশ্বকবি, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'যোগাযোগ', 'গোরা' ও 'চোখের বালি'। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য চরিত্রভিত্তিক নামের তালিকা পড়তে পারো। - চন্দ্রশেখর, কাপালিক, প্রতাপ ও শৈবলিনী এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্রের ঐতিহাসিক উপন্যাসের নাম ও প্রকাশকাল প্রায়ই আসে। - 'চন্দ্রশেখর' উপন্যাসের শৈবলিনী চরিত্রটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি পরীক্ষার জন্য বারবার আসে।
a 1821
b 1757
c 1800
d 1921
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 1800 ১. কেন সঠিক: - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১৮০০ সালের ১৮ মে তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলি কর্তৃক কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে প্রতিষ্ঠিত হয়। - এই কলেজ প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ সিভিলিয়ান বা কর্মকর্তাদের বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধীন বাংলা ভাষা চর্চার জন্য একটি বিভাগ খোলা হয় যার প্রধান ছিলেন উইলিয়াম কেরি। - এই প্রতিষ্ঠানের লেখকদের হাত ধরেই মূলত বাংলা গদ্যের সূচনা ও বিকাশ ঘটেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রামরাম বসু রচিত রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র। ব্যাখ্যা: এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ থেকে প্রকাশিত বাংলা গদ্যের অন্যতম একটি প্রারম্ভিক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: মৃত্যঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচিত বাতত্রিশ সিংহাসন। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের নির্দেশনায় রচিত এবং বাংলা গদ্য বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1821 — এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়নি বরং কলেজটি প্রতিষ্ঠার একুশ বছর পরের একটি সাল। B) 1757 — এই সালে পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল যার সঙ্গে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার কোনো সম্পর্ক নেই। C) 1800 — এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার সঠিক ঐতিহাসিক সাল এবং প্রশ্নটির কাঙ্ক্ষিত উত্তর। D) 1921 — এই সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় যা ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার বহু পরের ঘটনা। ৫. মনে রাখার টিপস: - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে ১৮০০ সংখ্যাটি মনে রাখবে। - উইলিয়াম কেরি ও ১৮০০ সাল একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রথম অধ্যক্ষ বা বাংলা বিভাগের প্রধান সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাংলা গদ্যের ইতিহাস পড়তে গেলে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অবদান ও এর প্রকাশনাগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a নূরলদীনের সারাজীবন
b কবর
c কিতনখোলা
d পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ১. কেন সঠিক: - পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকটি সরাসরি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত এবং এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ কাব্যনাট্য। - নাটকে গ্রামীণ জনপদের ওপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম নির্যাতন এবং সাধারণ মানুষের প্রতিরোধ ও মুক্তির আকুতি অত্যন্ত কাব্যিক ও মর্মান্তিক ভাষায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাটকটির রচিয়তা হলেন বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক যিনি বাংলা সাহিত্যে বহুমুখী প্রতিভার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। - এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যের একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি যা কাব্যরূপের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক সত্য ও আবেগ খুব গভীরভাবে তুলে ধরেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিঙ্করকুমার রায় রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক অন্য কোনো উল্লেখযোগ্য ধারা নয়। ব্যাখ্যা: এটি এই প্রশ্নের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত কোনো বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক নয়। উদাহরণ ২: মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক। ব্যাখ্যা: এটি মুক্তিযুদ্ধের নাটক নয়, বরং ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত একাঙ্ক নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নূরলদীনের সারাজীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি বিখ্যাত নাটক হলেও এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়, বরং উত্তরবঙ্গের কৃষক বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত। B) কবর — এটি মুনীর চৌধুরী রচিত ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি ঐতিহাসিক ও প্রতীকী নাটক। C) কীর্তনখোলা — এটি সেলিনা হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা নাটকে রূপান্তরিত হয়েছে এবং এর মূল বিষয় গ্রামীণ জীবন ও সমাজ বাস্তবতায় নদী ভাঙন। D) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত কাব্যনাট্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হকের দুটি বিখ্যাত নাটক মনে রাখার সহজ উপায় হলো নূরলদীন হলো কৃষক বিদ্রোহের এবং পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় হলো মুক্তিযুদ্ধের নাটক। - কাব্যনাট্য মানেই কবিতার ছন্দে রচিত নাটক, যা পাঠ করলে কবিতার মতো সুর ও লয় পাওয়া যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নাটকটি কার লেখা অথবা এটি কোন বিষয়ের ওপর রচিত, তা জানতে চাওয়া হয়। - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটকের ক্ষেত্রে সৈয়দ শামসুল হকের পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় এবং নাট্যকার হিসেবে তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a 1913
b 1915
c 1917
d 1920
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯১৫ ১. কেন সঠিক: ব্রিটিশ সরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯১৫ সালে নাইটহুড বা স্যার উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর তাঁর আন্তর্জাতিক খ্যাতি বৃদ্ধি পেলে ব্রিটিশ রাজপরিবার এই সম্মাননা প্রদান করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তিনি ১৮৬১ সালের ৭ মে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের জন্য প্রথম এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ব্যাখ্যা: এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি তাঁর বিশ্বকবিখ্যাতি নিশ্চিত করে এবং ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে স্যার উপাধি দেওয়ার পথ সুগম করে। উদাহরণ ২: ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রিটিশ সরকারের দেওয়া নাইটহুড বা স্যার উপাধি বর্জন করেন। ব্যাখ্যা: পাঞ্জাবের অমৃতসরে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর নির্বিচারে সাধারণ মানুষ হত্যার প্রতিবাদে তিনি এই সম্মানজনক উপাধি ত্যাগ করে তীব্র প্রতিবাদ জানান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৩ — এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গীতাঞ্জলির জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, তবে তখন তাঁকে স্যার উপাধি দেওয়া হয়নি। B) ১৯১৫ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সালেই ব্রিটিশ সরকার তাঁকে নাইটহুড উপাধিতে ভূষিত করেছিল। C) ১৯১৭ — এই সালটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপাধি প্রাপ্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি অন্য কোনো সাহিত্যিক বা ঐতিহাসিক ঘটনার বছর। D) ১৯২০ — এই সালটিও নাইটহুড উপাধি প্রাপ্তির বছর নয়, বরং এটি তাঁর জীবনের একটি ভিন্ন সময়ের সাল। ৫ মনে রাখার টিপস: মনে রাখার সহজ উপায় হলো নোবেল প্রাপ্তির ঠিক দুই বছর পর ১৯১৫ সালে তিনি স্যার উপাধি পান। আবার এর চার বছর পর ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি তা বর্জন করেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে ও কেন নাইটহুড উপাধি বর্জন করেছিলেন। সাল এবং ঘটনার প্রেক্ষাপট মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a কলকাতা
b চব্বিশ পরগনা
c শান্তি নিকেতন
d কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কিশোরগঞ্জ ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নারী কবি চন্দ্রাবতী কিশোরগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের কাচারীপার গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ষোড়শ শতকের এই প্রখ্যাত কবি বাংলা সাহিত্যে রামায়ণের নারী দৃষ্টিকোণ থেকে পুনর্লিখন বা মৈমনসিংহ গীতিকার জন্য অমর হয়ে আছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি চন্দ্রাবতী মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ও রামায়ণ সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি হিসেবে স্বীকৃত। তিনি ষোড়শ শতাব্দীতে বর্তমান কিশোরগঞ্জ জেলার ঐতিহাসিক নরসুন্দা নদীর তীরে জন্মগ্রহণ করেন এবং তাঁর পিতা কবি দ্বিজ বংশীদাসের অনুপ্রেরণায় সাহিত্যচর্চা শুরু করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মলুয়া ব্যাখ্যা: এটি চন্দ্রাবতীর অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি পালাগান বা মৈমনসিংহ গীতিকার অংশবিশেষ যা নারী হৃদয়ের বেদনা ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: রামায়ণ ব্যাখ্যা: চন্দ্রাবতীর বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যার মাধ্যমে তিনি সীতার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে রামায়ণ রচনা করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কলকাতা — কলকাতা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী এবং বাংলার আধুনিক সাহিত্য ও সংস্কৃতির কেন্দ্র হলেও কবি চন্দ্রাবতীর জন্মস্থান নয়। B) চব্বিশ পরগনা — চব্বিশ পরগনা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি ঐতিহাসিক জেলা যা চন্দ্রাবতীর জন্মস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) শান্তি নিকেতন — শান্তি নিকেতন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় অবস্থিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত স্থান যা চন্দ্রাবতীর জন্মস্থান নয়। D) কিশোরগঞ্জ — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবি চন্দ্রাবতীর জন্ম বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলায় হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের প্রথম নারী কবি চন্দ্রাবতীর জন্মস্থান মনে রাখতে কিশোরগঞ্জের নরসুন্দা নদীর তীর এবং তাঁর বিখ্যাত রামায়ণ রচনার কথা একসঙ্গে স্মরণ করতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের নারী কবিদের মধ্যে চন্দ্রাবতী এবং মলুয়া পালাগান থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি হিসেবে তাঁর জন্মস্থান কিশোরগঞ্জ বারবার বিভিন্ন পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
a ২০১৫ সালে
b ১৯৭১ সালে
c ২০১০ সালে
d ১৯৬০ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০১০ সালে ১. কেন সঠিক: বাংলা একাডেমি ২০১০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী স্মরণে এবং রবীন্দ্রসাহিত্য চর্চাকে উৎসাহিত করার জন্য নিয়মিতভাবে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন ও প্রদান করে আসছে। এই পুরস্কারটি বাংলাদেশের শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রে রবীন্দ্রচর্চায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে প্রদান করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা একাডেমি বাংলাদেশের একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান যা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে কাজ করে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য পুরস্কার দিয়ে থাকে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা এবং তাঁর সাহিত্যকর্ম বিশ্বসাহিত্যে বাংলা ভাষাকে উচ্চাসনে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বিশেষ অবদানের জন্য বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রদত্ত আরেকটি মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার। উদাহরণ ২: একুশে পদক ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলন ও বিভিন্ন জাতীয় ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার এই পদক প্রদান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১৫ সালে — এই বছরে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়নি কারণ এটি ২০১০ সালে চালু হয়েছিল। B) ১৯৭১ সালে — এই বছর বাংলাদেশ স্বাধীন হয় এবং এটি রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তনের সাল নয়। D) ১৯৬০ সালে — এই সালটি বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা একাডেমির রবীন্দ্র পুরস্কার চালুর সালটি মনে রাখতে ২০১০ সংখ্যাটি মনে রাখুন যেখানে শূন্য মানে সাহিত্যের পূর্ণতা। রবীন্দ্রনাথের জন্মজয়ন্তী উদযাপনের আধুনিক ধারার সঙ্গে এই পুরস্কার চালুর সালটি মিলিয়ে পড়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা একাডেমির প্রবর্তিত বিভিন্ন পুরস্কার এবং তাদের শুরুর সাল প্রায়ই আসে। একইভাবে অন্যান্য জাতীয় পুরস্কার ও পদক চালুর সালগুলো ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন।
a বনে কান্না
b বনের কান্না
c পাগলের প্রলাপ
d নিষ্ফল আবেদন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিষ্ফল আবেদন ১. কেন সঠিক: - 'অরণ্যে রোদন' একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ বনে বসে কান্না করা। - গভীর অরণ্যে কেউ কাঁদলে তা যেমন কারোর কানে পৌঁছায় না এবং কোনো প্রতিকারও হয় না, তেমনি নির্বোধের কাছে বা যেখানে কোনো ফল পাওয়ার আশা নেই সেখানে আবেদন করাকেও এই বাগধারা দিয়ে বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও ভাবগত অর্থ প্রকাশ করে। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে অত্যন্ত সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরের কাছে ধর্মের কথা বলা আর অরণ্যে রোদন করা একই কথা। ব্যাখ্যা: চোর যেহেতু ধর্ম মানে না, তাই তার কাছে ধর্মোপদেশ দেওয়া সম্পূর্ণ বৃথা, যা অরণ্যে রোদনের সমতুল্য। উদাহরণ ২: দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে একা আন্দোলন করা মানে অরণ্যে রোদন করা। ব্যাখ্যা: যেখানে কোনো সুফল পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না, সেখানে এককভাবে চেষ্টা করাকে বোঝাতে এই উদাহরণটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বনে কান্না — বাগধারার ক্ষেত্রে শব্দের আক্ষরিক অর্থ গ্রহণযোগ্য নয়, বরং এর ভাবার্থ বা বিশেষ অর্থ ধরতে হয়। B) বনের কান্না — এটিও শব্দের সরল বা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে, যা বাগধারার রূপক অর্থকে নির্দেশ করে না। C) পাগলের প্রলাপ — এর অর্থ অমূলক বা অসংলগ্ন কথা বলা, যা নিষ্ফল আবেদনের সঙ্গে মেলে না। D) নিষ্ফল আবেদন — এটি সঠিক কারণ অরণ্যে রোদন বলতে এমন আবেদন বা কান্নাকাটি বোঝায় যার কোনো ফল হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বনে গিয়ে কান্নাকাটি করলে যেমন কেউ শোনে না, তেমনি যে আবেদনে কোনো ফল পাওয়া যায় না তাকেই অরণ্যে রোদন বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অপ্রাসঙ্গিক বা বৃথা বোঝাতে এই বাগধারাটি অপশনে দেওয়া হয়। - বাগধারার উত্তর দেওয়ার সময় আক্ষরিক অর্থ না ভেবে তার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা প্রমিত অর্থ বিবেচনা করতে হবে।
a অনল
b পবন
c যবন
d কমল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অনল ১. কেন সঠিক: - 'অগ্নি' শব্দের অর্থ আগুন, দহনকারী শক্তি বা তাপ। অনল শব্দের অর্থও আগুন, যা অগ্নি শব্দের সরাসরি সমার্থক। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অর্থ ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস ও প্রচলিত ব্যবহার জানা অত্যন্ত জরুরি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই সমস্ত শব্দ যেগুলোর অর্থ প্রায় একই রকম হয়। বাংলা ভাষায় তৎসম, তদ্ভব ও দেশি শব্দের ভাণ্ডারে অনেক সমার্থক শব্দ রয়েছে। - 'অগ্নি' একটি তৎসম শব্দ এবং এর অনেকগুলো চমৎকার সমার্থক শব্দ রয়েছে যা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বহ্নি ব্যাখ্যা: এটি অগ্নি শব্দের আরেকটি অতি পরিচিত তৎসম সমার্থক শব্দ, যার অর্থ আগুন। উদাহরণ ২: পাবক ব্যাখ্যা: পাবক শব্দের অর্থও আগুন বা অগ্নি, যা যজ্ঞে ব্যবহৃত পবিত্র আগুনকে বোঝাতেও প্রথাগতভাবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনল — এটি সঠিক কারণ অনল এবং অগ্নি একই অর্থ প্রকাশ করে। B) পবন — এটি ভুল কারণ পবন শব্দের অর্থ বাতাস বা বায়ু, যা আগুনের সমার্থক নয়। C) যবন — এটি ভুল কারণ যবন প্রাচীনকালে বিদেশি বা ভিনদেশি আক্রমণকারীদের বোঝাতে ব্যবহৃত হতো। D) কমল — এটি ভুল কারণ কমল শব্দের অর্থ পদ্মফুল, যা কোনোভাবেই অগ্নি বা আগুনের সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অগ্নি শব্দের সমার্থকগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো আগুন সম্পর্কিত প্রধান তৎসম শব্দগুলো একসাথে পড়া যেমন অনল, পাবক, বহ্নি, হুতাশন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নি, বায়ু, সূর্য, সমুদ্র ও নদী শব্দের সমার্থক শব্দগুলো থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - সমার্থক শব্দ মুখস্থ করার পরিবর্তে শব্দের মূল উৎস ও প্রচলিত ব্যবহার খেয়াল করলে উত্তর করা সহজ হয়।

মোট প্রশ্ন (20)

a I was being annoyed by his conduct.
b I was annoyed by his conduct.
c I was annoyed at his conduct.
d I had been annoyed on his conduct.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I was annoyed at his conduct. কেন সঠিক: - বাক্যের Subject যদি কোনো বস্তু বা আচরণ (his conduct) হয় এবং Object (me) যদি ব্যক্তি হয়, তবে Annoy verb-এর পর by না বসে at বসে। - Past Indefinite Tense-এর Active voice-কে Passive করার সময় Subject-এর পর was এবং Verb-এর Past Participle বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I was being annoyed by his conduct. — এটি Past Continuous Tense-এর গঠন, যা প্রদত্ত প্রশ্নে নেই। B) I was annoyed by his conduct. — এখানে Preposition হিসেবে by ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও আচরণের ক্ষেত্রে at বসে। C) I was annoyed at his conduct. — এটি সঠিক অপশন। D) I had been annoyed on his conduct. — এটি Past Perfect Tense-এর গঠন এবং on Preposition ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ব্যাবহারিক আচরণ বা কোনো বিষয়ের প্রতি বিরক্ত অর্থে Annoy verb-এর পরে সাধারণত at বসে, আর ব্যক্তির দ্বারা বিরক্ত হলে by বসে।
a an
b a
c the
d no article
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a কেন সঠিক: - unique শব্দটির শুরুতে ইউ (yoo) এর মতো উচ্চারণ হয়, যা ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনি। - vowel থাকা সত্ত্বেও শব্দের উচ্চারণ ব্যঞ্জনবর্ণের মতো হলে তার পূর্বে a বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an — an সাধারণত vowel ধ্বনি দিয়ে শুরু শব্দের আগে বসে, কিন্তু unique শব্দের উচ্চারণ ব্যঞ্জনবর্ণ দিয়ে শুরু হয়। B) a — এই অপশনটি সঠিক কারণ unique শব্দের উচ্চারণ ব্যঞ্জনবর্ণ (y) এর মতো। C) the — নির্দিষ্ট করে বোঝাতে the বসে, কিন্তু এখানে সুযোগটি নির্দিষ্ট নয় বরং অনির্দিষ্ট। D) no article — countable singular noun होनेy কারণে এখানে article বসানো বাধ্যতামূলক। মনে রাখার টিপস: ইউ (yoo) বা ওয়া (wa) এর মতো উচ্চারিত vowel-এর আগে an না বসিয়ে সবসময় a বসাতে হয়।
a for
b to
c on
d of
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) on কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী congratulate শব্দের পরে সাধারণত on প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। - সাফল্য বা অর্জনের জন্য কাউকে অভিনন্দন জানানোর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রিপজিশন হিসেবে on সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — অভিনন্দন জানানোর ক্ষেত্রে for প্রিপজিশন ব্যবহার করার নিয়ম ব্যাকরণে নেই। B) to — অভিনন্দন জানানোর ক্ষেত্রে to প্রিপজিশন ব্যবহার করলে বাক্যটি grammatically সঠিক হয় না। C) on — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি কোনো ভুল অপশন নয়। D) of — সাফল্য বা অর্জনের ক্ষেত্রে of প্রিপজিশন ব্যবহার করার কোনো নিয়ম নেই। মনে রাখার টিপস: Congratulate শব্দের সাথে সবসময় on প্রিপজিশন বসে, যেমন Congratulate on success.
a will
b take
c much
d time
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) much কেন সঠিক: - 'much' শব্দটি এখানে 'time' নাউনের পূর্বে বসে তার পরিমাণ নির্দেশ করছে এবং ডিটারমিনারের কাজ করেছে। - আনcountable নাউনের পরিমাণ বোঝাতে 'much' একটি সঠিক ডিটারমিনার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will — এটি একটি সাহায্যকারী ভার্ব বা মডাল অক্সিলিয়ারি, ডিটারমিনার নয়। B) take — এটি বাক্যের মূল ভার্ব বা ক্রিয়া, কোনো ডিটারমিনার নয়। C) much — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সঠিক ডিটারমিনার। D) time — এটি একটি নাউন, যা ডিটারমিনার দ্বারা নির্দেশিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: noun-এর ঠিক পূর্বে বসে যা তার সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে, তাকেই ডিটারমিনার বলে।
a are
b have
c were
d is
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) is কেন সঠিক: - বাক্যের শুরুতে Each থাকায় এটি Singular Subject হিসেবে গণ্য হয়। - Singular Subject-এর পরে সব সময় Singular Verb (is) বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — Subject 'Each' একবচন হওয়ায় বহুবচন Verb 'are' ব্যবহার করা ভুল। B) have — Subject একবচন হওয়ায় plural auxiliary verb 'have' এখানে বসবে না। C) were — এটি Past Tense-এর বহুবচন রূপ, যা Singular Subject-এর সাথে অসংগত। D) is — এটি সঠিক কারণ Subject 'Each' একবচন হওয়ায় Singular Verb 'is' সঠিক। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে Each, Every বা Everyone থাকলে Verb সবসময় একবচন (Singular) হবে।
a stopped
b stop
c has stopped
d had stopped
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) had stopped কেন সঠিক: - অতীতকালের দুটি ঘটনার মধ্যে যেটি তুলনামূলক আগে ঘটেছিল, তার ক্ষেত্রে Past Perfect Tense (had + V3) ব্যবহার করতে হয়। - এখানে বৃষ্টি থামার কাজটি বাড়ি পৌঁছানোর আগের ঘটনা, তাই খালি ঘরে had stopped বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) stopped — এটি Past Indefinite Tense, যা অতীতের একক ঘটনা বোঝায় এবং পূর্ববর্তী ঘটনা বোঝাতে অক্ষম। B) stop — এটি Present Indefinite Tense-এর মূল রূপ, যা অতীতকালের বাক্যে ব্যবহারের নিয়মবহির্ভূত। C) has stopped — এটি Present Perfect Tense, যা অতীতকালের ঘটনার সঙ্গে বর্তমানের সংযোগ বোঝায়। D) had stopped — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি Past Perfect Tense গঠন করে অতীতকালের আগের ঘটনা নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: অতীতকালের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটে, তা Past Perfect Tense (had + V3) হয় এবং পরেরটি Past Indefinite Tense হয়।
a bee
b hind
c ewe
d lass
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) bee কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে মৌমাছির ক্ষেত্রে পুরুষবাচক শব্দ ড্রোন (drone) এর স্ত্রীবাচক রূপ হলো বি (bee) বা কুইন বি (queen bee)। - ড্রোন বলতে সাধারণত পুরুষ মৌমাছির প্রজাতিকে বোঝায়, যার স্ত্রীবাচক প্রতিশব্দ হিসেবে অপশনের মধ্যে এই উত্তরটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bee — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ড্রোন শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) hind — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ hind হলো স্ট্যাগ (stag) বা হরিণের স্ত্রীবাচক রূপ। C) ewe — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ ewe হলো রাম (ram) বা ভেড়ার স্ত্রীবাচক রূপ। D) lass — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ lass হলো ল্যাড (lad) বা বালকের স্ত্রীবাচক রূপ। মনে রাখার টিপস: মৌমাছি পরিবারের পুরুষ সদস্য হলো ড্রোন এবং স্ত্রী সদস্য হলো বি বা কুইন বি।
a wasn't it
b didn't it
c did it
d isn't it
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) didn't it কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি Past Indefinite Tense-এ আছে এবং মূল verb হলো rained, যা Past form-এ রয়েছে। - Past Tense-এর affirmative বাক্যে tag question তৈরি করতে auxiliary verb হিসেবে did এবং subject-এর pronoun ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) wasn't it — বাক্যটি Past Tense-এর হলেও এখানে মূল verb হিসেবে was নেই, তাই wasn't ব্যবহার করা ভুল। B) didn't it — এটি সঠিক উত্তর কারণ মূল verb-এর Past form থাকার কারণে did ব্যবহৃত হয়েছে। C) did it — মূল বাক্যটি affirmative হওয়ায় tag question-টি negative হওয়া দরকার, তাই এটি ভুল। D) isn't it — বাক্যটি Present Tense-এ নয় এবং verb-টি to be verb নয়, তাই isn't ব্যবহার করা সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে V2 বা Past form থাকলে tag question-এ didn't ব্যবহার করবে এবং V1 বা Present form থাকলে don't বা doesn't ব্যবহার করবে।
a collective
b abstract
c countable
d uncountable
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) uncountable কেন সঠিক: - যে নাউনগুলো গণনা করা যায় না, যেমন তরল, গ্যাস বা বস্তুর সমষ্টিগত রূপ, তাকে Uncountable Noun বলে। - Money বা টাকা হলো এমন একটি সাধারণ ধারণা বা বস্তু যা সরাসরি একটি, দুটি বা তিনটি এভাবে গণনা করা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) collective — এটি Collective Noun নয়, কারণ এটি কোনো দল বা সমষ্টি বোঝায় না। B) abstract — এটি Abstract Noun নয়, কারণ মানি দৃশ্যমান এবং এর বাস্তব অস্তিত্ব আছে। C) countable — এটি Countable Noun নয়, কারণ মানি শব্দটি এককভাবে বহুবচন বা সংখ্যাবাচক হিসেবে গণনা করা যায় না। D) uncountable — এটি সঠিক কারণ মানি নিজে গণনা করা যায় না, এর মুদ্রা বা নোট গণনা করা যায়। মনে রাখার টিপস: Money শব্দটি নিজে Uncountable হলেও এর নির্দিষ্ট একক যেমন taka, dollar বা coin হলো Countable.
a less
b few
c lesser
d fewer
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) fewer কেন সঠিক: - guests শব্দটি একটি Countable Noun বা গনণযোগ্য বিশেষ্য, যার সংখ্যা গণনা করা যায়। - Countable Noun এর ক্ষেত্রে সংখ্যার তুলনা করতে fewer ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) less — এটি Uncountable Noun বা পরিমাপযোগ্য পদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই guests এর সাথে বসবে না। B) few — এটি সাধারণ অবস্থান বোঝায়, কিন্তু এখানে than থাকার কারণে তুলনামূলক রূপ fewer প্রয়োজন। C) lesser — এটি সাধারণত গুরুত্ব বা মাত্রার ক্ষেত্রে ছোট বোঝাতে বসে, সংখ্যার তুলনার জন্য এটি সঠিক নয়। D) fewer — এটি Countable Noun এর তুলনামূলক রূপ হিসেবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং এখানে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: গননা করা যায় এমন পদের ক্ষেত্রে fewer এবং পরিমাপ করা যায় এমন পদের ক্ষেত্রে less ব্যবহার করতে হয়।
a Alumnus
b Alumnous
c Alumninus
d Aluminise
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Alumnus কেন সঠিক: - ল্যাটিন ভাষার নিয়ম অনুযায়ী উএস (us)ending শব্দগুলোর বহুবচন করার সময় ইউএস (us) বাদ দিয়ে আই (i) যুক্ত করা হয়। - Alumnus শব্দের শেষে উএস (us) থাকায় এর বহুবচন রূপ হিসেবে Alumni শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Alumnus - এটি নিজেই একটি সঠিক একবচন শব্দ যার বহুবচন হলো Alumni। B) Alumnous - এটি একটি ভুল বানান এবং ইংরেজি ব্যাকরণে এ ধরনের কোনো শব্দ অনুমোদিত নয়। C) Alumninus - এটি একটি ভুল শব্দ গঠন যার সাথে সঠিক ইংরেজি বা ল্যাটিন ব্যাকরণের মিল নেই। D) Aluminise - এটি একটি কাল্পনিক শব্দ এবং ব্যাকরণগতভাবে এটি কোনো শব্দের বহুবচন রূপ নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে us থাকলে তা পরিবর্তন করে i বসালে বহুবচন হয় যেমন Alumnus থেকে Alumni।
a noun
b adjective
c verb
d adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) noun কেন সঠিক: - এখানে 'round' শব্দের পূর্বে দ্য (the) আর্টিকেল বসেছে এবং এর পরে কোনো নাউন নেই, যা একে নাউনে পরিণত করেছে। - ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী, আর্টিকেল ও প্রিপজিশনের মাঝের একক শব্দ সবসময় নাউন হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে round শব্দটি দ্য (the) আর্টিকেলের পর বসে অবজেক্টের কাজ করেছে। B) adjective — এটি ভুল কারণ অ্যাডজেক্টিভ সাধারণত কোনো নাউনের দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে এবং কোনো নাউনের পূর্বে বসে। C) verb — এটি ভুল কারণ ভার্ব কোনো কাজ করা বোঝায়, কিন্তু এখানে রাউন্ড কোনো কাজ করা বোঝাচ্ছে না। D) adverb — এটি ভুল কারণ অ্যাডভার্ব সাধারণত ভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ বা অন্য অ্যাডভার্বকে মডিফাই করে, যা এখানে হয়নি। মনে রাখার টিপস: আর্টিকেল (the) এবং প্রিপজিশনের মাঝখানে একটিমাত্র শব্দ থাকলে সেটি চোখ বন্ধ করে নাউন হবে।
a is
b are
c has
d have
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) are কেন সঠিক: - উইলিয়াম শেক্সপিয়রের অ্যাজ ইউ লাইক ইট নাটক থেকে নেওয়া বিখ্যাত উদ্ধৃতিটিতে 'uses' হলো plural subject। - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী plural subject-এর পরে plural verb (are) বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — Subject (uses) plural হওয়ায় singular verb 'is' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) are — এটি বাক্যের subject 'uses'-এর সাথে সঠিকভাবে মিলে যায় এবং এটি সঠিক উত্তর। C) has — এটি একটি singular auxiliary verb যা plural subject-এর সাথে বসে না। D) have — এখানে বাক্যটির অর্থ ও গঠন অনুযায়ী সাহায্যকারী verb হিসেবে 'have'-এর পরিবর্তে 'are' প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: বাক্যের subject যদি plural হয়, তবে verb-ও plural হবে। এখানে 'uses' plural হওয়ায় verb 'are' বসেছে।
a a noun
b an adjective
c a preposition
d an adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) an adverb কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে overnight শব্দটি became verb-টিকে মডিফাই করছে বা কখন ধনী হয়েছিল তা বোঝাচ্ছে। - verb-কে বিশেষিত করায় overnight শব্দটি এখানে Adverb হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a noun — noun হতে হলে শব্দটিকে বাক্যে subject বা object হিসেবে বসতে হতো, যা এখানে হয়নি। B) an adjective — adjective হতে হলে শব্দটিকে কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা বোঝাতে হতো। C) a preposition — preposition হতে হলে শব্দটির পরে কোনো noun বা pronoun থেকে সম্পর্ক স্থাপন করতে হতো। D) an adverb — সঠিক কারণ এটি verb-কে মডিফাই করেছে। মনে রাখার টিপস: verb-কে কখন, কোথায় বা কিভাবে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত Adverb হয়।
a datum
b media
c analysis
d radius
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) media কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দটি লাতিন বা গ্রিক মূলের বহুবচন রূপ, যার একবচন হলো মিডিয়াম বা medium। - মিডিয়াম শব্দের বহুবচন হিসেবে মিডিয়া বা media শব্দটি বহুল ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) datum — এটি একটি একবচন শব্দ, যার বহুবচন হলো ডাটা বা data। B) media — এটি নিজে একটি বহুবচন শব্দ, তাই এটিই সঠিক উত্তর। C) analysis — এটি একটি একবচন শব্দ, যার বহুবচন হলো অ্যানালিসেস বা analyses। D) radius — এটি একটি একবচন শব্দ, যার বহুবচন হলো রেডিআই বা radii। মনে রাখার টিপস: উম বা অন দিয়ে শেষ হওয়া শব্দগুলো সাধারণত একবচন হয় এবং এগুলোর শেষে আ বা ই থাকলে তা বহুবচন নির্দেশ করে।
a adjective
b preposition
c conjunction
d adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) preposition কেন সঠিক: - 'except' শব্দটি এখানে noun বা pronoun (Friday)-এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য অংশের সাথে তার সম্পর্ক স্থাপন করেছে। - preposition-এর কাজ হলো noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্যান্য পদের সাথে তার সম্পর্ক প্রকাশ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-কে বিশেষিত করছে না, তাই এটি adjective নয়। B) preposition — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি noun-এর পূর্বে বসে সম্পর্ক প্রকাশ করেছে। C) conjunction — এটি দুটি বাক্য বা Clause-কে যুক্ত করেনি, তাই এটি conjunction নয়। D) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb-কে বিশেষিত করছে না, তাই এটি adverb নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে except-এর পরে যদি কোনো noun বা pronoun থাকে এবং তা কোনো Clause যুক্ত না করে, তবে সাধারণত except একটি preposition হিসেবে কাজ করে।
a high
b higher
c the higher
d highest
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) the higher কেন সঠিক: - এটি একটি দ্বিঘাত তুলনামূলক বাক্য বা ডাবল কম্পারেটিভের নিয়ম, যেখানে দুটি ক্লজই দ্য এবং কম্পারেটিভ ডিগ্রি দিয়ে শুরু হয়। - একটির বৃদ্ধির সাথে অন্যটির বৃদ্ধি বোঝাতে সমান্তরালভাবে দুটি ক্লজেই দ্য প্লাস কম্পারেটিভ ডিগ্রি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) high — এটি পজিটিভ ডিগ্রি হওয়ায় এই ধরনের সমান্তরাল তুলনামূলক বাক্যের গঠনে ব্যাকরণগতভাবে বেমানান। B) higher — এর পূর্বে দ্য আর্টিকেল না থাকায় বাক্যটির কাঠামো অসম্পূর্ণ ও নিয়মবহির্ভূত হয়েছে। C) the higher — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাক্যের কাঠামোর সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। D) highest — এটি সুপারলেটিভ ডিগ্রি হওয়ায় এখানে দুটি বিষয়ের পারস্পরিক বৃদ্ধি বোঝানোর জন্য এটি অনুপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে দ্য প্লাস কম্পারেটিভ পেলে পরের অংশেও দ্য প্লাস কম্পারেটিভ বসাতে হবে।
a verbal noun
b gerund
c participle
d adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) participle কেন সঠিক: - 'singing' শব্দটি একটি noun (bird)-এর পূর্বে বসে সেটির দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে এবং adjective-এর কাজ করছে। - Verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যখন একই সাথে verb ও adjective-এর কাজ করে, তখন তাকে participle বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) verbal noun — Verbal noun হলো এমন gerund যার পূর্বে the এবং পরে of থাকে, কিন্তু এখানে তা নেই। B) gerund — Gerund verb ও noun-এর কাজ করে, কিন্তু এখানে singing শব্দটি noun-এর কাজ না করে adjective-এর কাজ করছে। C) participle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) adverb — Adverb সাধারণত verb, adjective বা অন্য adverb-কে modify করে, কিন্তু এখানে singing শব্দটি bird নামক noun-কে modify করছে। মনে রাখার টিপস: Noun-এর ঠিক আগে বসে যদি ing যুক্ত কোনো শব্দ noun-এর দোষ বা গুণ বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে তা participle হবে।
a noun phrase
b adjective phrase
c preposition phrase
d adverb
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) noun phrase কেন সঠিক: - 'To go home' ইনফিনিটিভ ফ্রেজটি বাক্যের মূল Verb 'wants'-এর অবজেক্ট হিসেবে কাজ করছে। - এটি বাক্যে কী বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর দেয় এবং একটি নাউনের কাজ সম্পন্ন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun phrase — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফ্রেজটি অবজেক্টের স্থানে বসে নাউনের কাজ করেছে। B) adjective phrase — এটি ভুল কারণ ফ্রেজটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনকে মডিফাই করছে না। C) preposition phrase — এটি ভুল কারণ ফ্রেজটি প্রিপ্রোজিশন দিয়ে শুরু হয়নি এবং এর কাজ তা নয়। D) adverb — এটি ভুল কারণ এটি একটি ফ্রেজ, কোনো একক শব্দ নয় এবং অ্যাডভার্বের কাজ করছে না। মনে রাখার টিপস: Verb-এর পরে বসে যদি 'কী' বা 'কাকে' এর উত্তর দেয়, তবে সেই ইনফিনিটিভ ফ্রেজটি সাধারণত Noun phrase হয়।
a Superstition
b Superistition
c Superstision
d Superistision
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Superstition কেন সঠিক: - শব্দটির সঠিক বানান হলো Superstition যার অর্থ কুসংস্কার বা অন্ধবিশ্বাস। - এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দ এবং এর গঠনরীতি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Superstition — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর বানান সম্পূর্ণ নির্ভুল। B) Superistition — এই বানানে অতিরিক্ত 'i' যুক্ত করা হয়েছে যা ভুল। C) Superstision — এই বানানে শেষের দিকে বানান ভুল রয়েছে কারণ 'tion' এর পরিবর্তে 'sion' ব্যবহার করা হয়েছে। D) Superistition — এই বানানে অতিরিক্ত 'i' এবং ভুল অংশ দুটিই একত্রে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে Super এবং stition এই দুটি অংশে ভাগ করে মুখস্থ করতে পারেন।

মোট প্রশ্ন (13)

a মাদ্রিদ (স্পেন)
b কাতোভাইস (পোল্যান্ড)
c রোম (ইতালি)
d ভিয়েনা (অস্ট্রিয়া)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাতোভাইস (পোল্যান্ড) কেন সঠিক: - জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন বা COP-২৪ ২০১৮ সালে পোল্যান্ডের কাতোভাইস শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। - এই সম্মেলনে প্যারিস জলবায়ু চুক্তির বাস্তবায়ন বিধিমালা বা রুলবুক চূড়ান্ত করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাদ্রিদ (স্পেন) — এই শহরটি ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত COP-২৫ সম্মেলনের আয়োজক ছিল। B) কাতোভাইস (পোল্যান্ড) — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) রোম (ইতালি) — এটি জলবায়ু সম্মেলনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি FAO-এর প্রধান কার্যালয়। D) ভিয়েনা (অস্ট্রিয়া) — এটি ওপেকের (OPEC) সদর দপ্তর, পরিবেশ সম্মেলনের আয়োজক নয়। মনে রাখার টিপস: পোল্যান্ডের ক্যাট (Cat) ওবাইস (Ovais) কাতোভাইসে COP-২৪ সম্মেলন সফল করেছিল।
a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b মাইকেল মধুসূদন দত্ত
c রামমোহন রায়
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রামমোহন রায় কেন সঠিক: - রাজা রামমোহন রায় ১৮২৮ সালের ২০ আগস্ট ভারতের সামাজিক ও ধর্মীয় সংস্কারের উদ্দেশ্যে ব্রাহ্ম সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন। - তিনি ঊনবিংশ শতকের বাংলায় প্রবর্তন করেন রেনেসাঁ বা নবজাগরণ এবং সতীদাহ প্রথার মতো কুসংস্কার দূর করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি ব্রাহ্ম সমাজের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন না, তবে তিনি নারী শিক্ষা বিস্তার ও বিধবা বিবাহ প্রচলনে বিশেষ অবদান রাখেন। B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি ব্রাহ্ম সমাজের প্রতিষ্ঠাতা নন, তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি ও নাট্যকার। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি ব্রাহ্ম সমাজের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত ছিলেন এবং এর প্রচার করেন, তবে তিনি এর প্রতিষ্ঠাতা নন। মনে রাখার টিপস: ব্রাহ্ম সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন রাজা রামমোহন রায়, যা মনে রাখতে ব্রাহ্ম শব্দের ব্র এবং রামমোহন রায়ের র যুক্ত করে ব্র-রা বা ব্রহ্ম-রাম মনে রাখতে পারেন।
a 1942
b 1948
c 1958
d 1968
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৪৮ কেন সঠিক: - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ প্যারিসে ১০ ডিসেম্বর ১৯৪৮ সালে মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র অনুমোদন করে। - এই ঐতিহাসিক ঘোষণাপত্র মানুষের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতার আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নির্ধারণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪২ — এই সালে জাতিসংঘ মানবাধিকার ঘোষণাপত্র অনুমোদিত হয়নি, এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কাল। B) ১৯৪৮ — এটি সঠিক বছর, এই সালেই জাতিসংঘ এই ঘোষণাপত্র অনুমোদন করেছিল। C) ১৯৫৮ — এই সালে ঘোষণাপত্র অনুমোদন করা হয়নি, এটি সঠিক উত্তরের পরের একটি সাল। D) ১৯৬৮ — এই সালটি মানবাধিকার দিবসের বিশ বছর পূর্তির বছর, অনুমোদনের বছর নয়। মনে রাখার টিপস: মানবাধিকারের বিশ্বসনদ পাস হয় ১৯৪৮ সালে, মনে রাখতে শেষের আট সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a বীরপ্রতীক
b বীরশ্রেষ্ঠ
c বীরউত্তম
d বীরবিক্রম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বীরশ্রেষ্ঠ কেন সঠিক: - বীরশ্রেষ্ঠ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য সাহসিকতা ও ত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রদান করা সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব। - মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহস ও আত্মত্যাগের জন্য মাত্র ৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে এই খেতাব দেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীরপ্রতীক — এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে চতুর্থ সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব। B) বীরশ্রেষ্ঠ — এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব এবং প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক। C) বীরউত্তম — এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব। D) বীরবিক্রম — এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তৃতীয় সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব। মনে রাখার টিপস: বীরত্বসূচক খেতাবগুলোর ক্রম মনে রাখতে পারেন শ্রেষ্ঠ, উত্তম, বিক্রম, প্রতীক এই ক্রমানুসারে।
a অনুচ্ছেদ ২২
b অনুচ্ছেদ ২১
c অনুচ্ছেদ ২০
d অনুচ্ছেদ ২৩
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অনুচ্ছেদ ২১ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদে সব সময়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা সরকারি কর্মচারীদের অবশ্য কর্তব্য বলে ঘোষণা করা হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, প্রজাতন্ত্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের সব সময় জনগণের প্রতি অনুগত থাকা উচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুচ্ছেদ ২২ — এই অনুচ্ছেদে নির্বাহী অঙ্গ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে, যা নাগরিক বা কর্মচারীর কর্তব্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) অনুচ্ছেদ ২১ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে সঠিক অপশন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। C) অনুচ্ছেদ ২০ — এই অনুচ্ছেদে কাজের জন্য পারিশ্রমিক হিসেবে সমাজতান্ত্রিক নীতি অনুসরণে জীবনযাত্রার মান অর্জনের কথা বলা হয়েছে। D) অনুচ্ছেদ ২৩ — এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও উত্তরাধিকার সংরক্ষণের ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের একুশ মানেই একনিষ্ঠভাবে জনগণের সেবা করা এবং সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য পালন করা।
a বুদ্ধদেব বসু
b কাজী আবদুল ওদুদ
c সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
d হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও কেন সঠিক: - হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও ১৮২০-এর দশকের শেষের দিকে কলকাতার হিন্দু কলেজের তরুণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে মুক্তচিন্তা ও আধুনিক ভাবধারার প্রসার ঘটান। - তার অনুসারীদের নিয়ে গঠিত 'ইয়ং বেঙ্গল' বা 'ডিরোভিয়ানস' গোষ্ঠী তৎকালীন সমাজসংস্কার ও প্রচলিত কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — তিনি বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক ও প্রবন্ধকার এবং আধুনিক কবিতার অন্যতম পুরোধা, ইয়ং বেঙ্গল আন্দোলনের সাথে সম্পর্কিত নন। B) কাজী আবদুল ওদুদ — তিনি বিশ শতকের বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও গবেষক ছিলেন, ইয়ং বেঙ্গল আন্দোলনের নন। C) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত কবি ও ঔপন্যাসিক, যিনি অনেক পরে আবির্ভূত হয়েছিলেন। D) হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও — তিনি এই আন্দোলনের প্রধান প্রবক্তা ও পুরোধা-ব্যক্তি ছিলেন। মনে রাখার টিপস: ডিরোজিও নামের সাথে 'ড' বর্ণ আছে এবং ইয়ং বেঙ্গল আন্দোলনের 'ডিরোভিয়ানস' শব্দটি তার নাম থেকেই এসেছে।
a ১০ টি
b ১৫ টি
c ১৭ টি
d ২৩ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭ টি কেন সঠিক: - টেকসই উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ ২০১৫ সালে এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা গ্রহণ করে। - এই বৈশ্বিক এজেন্ডায় মানবকল্যাণ ও পরিবেশ সুরক্ষার জন্য মোট ১৭ টি অভীষ্ট বা লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ টি — এই সংখ্যাটি এসডিজির মোট লক্ষ্যের সঙ্গে মেলে না এবং এটি একটি ভুল তথ্য। B) ১৫ টি — এটি এসডিজির মোট লক্ষ্য নয়, কারণ এমডিজি বা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮ টি। C) ১৭ টি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং জাতিসংঘ কর্তৃক নির্ধারিত এসডিজির মূল লক্ষ্যসংখ্যা। D) ২৩ টি — এসডিজির লক্ষ্য ১৭ টি, এর বেশি কোনো মূল লক্ষ্য নির্ধারিত নেই। মনে রাখার টিপস: এসডিজি শব্দের ইংরেজি বর্ণ এস-ডি-জি তে ৩ টি অক্ষর আছে এবং লক্ষ্য হলো ১৭ টি, এভাবে সংখ্যাটি মনে রাখা যায়।
a নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া
b ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়া
c বাংলাদেশ ও মিয়ানমার
d জাপান ও রাশিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জাপান ও রাশিয়া কেন সঠিক: - কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর অংশে অবস্থিত এবং এর মালিকানা নিয়ে জাপান ও রাশিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও ভূরাজনৈতিক বিরোধ রয়েছে। - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন এই দ্বীপগুলো দখল করে নেয়, যা বর্তমানে রাশিয়া নিয়ন্ত্রণ করলেও জাপান নিজেদের বলে দাবি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া — এই দুটি দেশ ওশেনিয়া অঞ্চলের এবং এদের মধ্যে কোনো কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে বিরোধ নেই। B) ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়া — এরা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সামুদ্রিক প্রতিবেশী এবং এদের বিরোধের বিষয়টি কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) বাংলাদেশ ও মিয়ানমার — এদের মধ্যে সামুদ্রিক সীমানা ও সামুদ্রিক জলসীমা সংক্রান্ত বিরোধ ছিল, যা আন্তর্জাতিক আদালতে মীমাংসিত হয়েছে। D) জাপান ও রাশিয়া — এই দুটি দেশের মধ্যেই কেবল কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব নিয়ে ঐতিহাসিক ও বর্তমান বিরোধ বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: রুশ-জাপান শীতল সম্পর্কের মূল কাঁটা হলো কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
a নায়িকা মেডোনার ওপর
b দুর্ভিক্ষের ওপর
c চলচ্চিত্র পুরস্কারের ওপর
d দুর্ভিক্ষের ওপর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দুর্ভিক্ষের ওপর কেন সঠিক: - বিশ্বখ্যাত চিত্রশিল্পী জয়নুল আবেদিন ১৯৪৩ সালের মন্বন্তর বা দুর্ভিক্ষের ভয়াবহতা ফুটিয়ে তুলতে এই চিত্রকর্মটি এঁকেছিলেন। - অর্ধাহারে ও অনাহারে ধুঁকে থাকা মানুষের কঙ্কালসার রূপ এবং নিদারুণ কষ্টের বাস্তব চিত্র এতে তুলে ধরা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নায়িকা মেডোনার ওপর — এটি কোনো সিনেমার নায়িকা বা পৌরাণিক চরিত্র নিয়ে আঁকা হয়নি। B) দুর্ভিক্ষের ওপর — এটি সঠিক উত্তর, অপশনটি দুবার থাকায় এটিও সঠিক হিসেবে গণ্য হচ্ছে। সি) চলচ্চিত্র পুরস্কারের ওপর — চলচ্চিত্র পুরস্কারের সঙ্গে এই ঐতিহাসিক শিল্পকর্মের কোনো সম্পর্ক নেই। ডি) দুর্ভিক্ষের ওপর — এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: চিত্রকর্মের নামের সঙ্গে সংখ্যাটি মিলিয়ে মনে রাখুন, মেডোনা-৪৩ মানেই ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ।
a সোনালী ব্যাংক
b বাংলাদেশ ব্যাংক
c ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ
d অর্থ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাংলাদেশ ব্যাংক কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে সরকারের পক্ষে ট্রেজারি বিল ও ট্রেজারি বন্ড ইস্যু ও ব্যবস্থাপনা করে থাকে। - এটি সরকারের ঋণ ব্যবস্থাপনার অংশ এবং সরকারি সিকিউরিটিজ নিলামের মাধ্যমে বাজারে বিক্রি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনালী ব্যাংক — এটি একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক, সরকারের কেন্দ্রীয় ব্যাংক নয় এবং ট্রেজারি বিল ইস্যু করার এখতিয়ার এর নেই। B) বাংলাদেশ ব্যাংক — এটি সঠিক উত্তর, কারণ কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে এটি সরকারের আর্থিক এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। C) ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ — এটি একটি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান, সরকারি সিকিউরিটিজ বা ট্রেজারি বিল ইস্যু করা এর কাজ নয়। D) অর্থ মন্ত্রণালয় — মন্ত্রণালয় নীতিমালা প্রণয়ন করে, তবে সরাসরি ট্রেজারি বিল ইস্যু বা নিলাম পরিচালনার দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপর ন্যস্ত। মনে রাখার টিপস: সরকারের পক্ষে যেকোনো ট্রেজারি বিল বা ঋণপত্র সংক্রান্ত কাজ পরিচালনা করে একমাত্র কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংক।
a জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ
b আজাদ কাশ্মীর
c গিলগিট ও বালটিস্থান
d কাশ্মীর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ কেন সঠিক: - ২০১৯ সালের আগস্ট মাসে ভারত সরকার বিশেষ ধারা ৩৭০ বাতিলের মাধ্যমে সমগ্র কাশ্মীর অঞ্চলকে পুনর্গঠন করে। - এই পুনর্গঠনের ফলে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ অঞ্চল দুটি সরাসরি ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ — এই অঞ্চলটি বর্তমানে ভারত নিয়ন্ত্রিত ও শাসিত অংশ হিসেবে তালিকাভুক্ত। B) আজাদ কাশ্মীর — এটি পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত একটি স্বাধীন অঞ্চলের মর্যাদা ভোগকারী অংশ। C) গিলগিট ও বালটিস্থান — এই ভূখণ্ডটিও বর্তমান পাকিস্তানের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে ও শাসনাধীন রয়েছে। D) কাশ্মীর — এটি একটি সামগ্রিক ভৌগোলিক অঞ্চল, যা নির্দিষ্ট কোনো একটি দেশের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নেই। মনে রাখার টিপস: ভারত নিয়ন্ত্রিত অংশ মনে রাখতে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর গঠিত জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ এই দুটি নামের কথা মনে রাখবে।
a দ্রুততাই লক্ষ্য
b সেবাই আদর্শ
c গতিই আদর্শ
d সেবাই ধর্ম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সেবাই আদর্শ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ডাক বিভাগের আনুষ্ঠানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক মূল স্লোগান হলো সেবাই আদর্শ। - জনগণের দোরগোড়ায় ডাকসেবা পৌঁছে দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য ও দর্শনকে এই স্লোগানের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্রুততাই লক্ষ্য — এটি বাংলাদেশ ডাক বিভাগের স্লোগান নয়, এটি অন্য কোনো বাণিজ্যিক কুরিয়ার বা পরিবহন সেবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। B) সেবাই আদর্শ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশ ডাক বিভাগের নির্ধারিত স্লোগান। C) গতিই আদর্শ — এই কথাটি ডাক বিভাগের স্লোগানের সঙ্গে মেলে না, এটি গতিশীলতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) সেবাই ধর্ম — এটি একটি প্রচলিত নৈতিক বাক্য, যা ডাক বিভাগের আনুষ্ঠানিক স্লোগান হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: ডাক বিভাগ মানুষের সেবা করে, তাই তাদের প্রধান নীতি বা আদর্শ হলো সেবা।
a তুরস্ক
b ইতালি
c ইংল্যান্ড
d সুইডেন
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের বিষয় ও ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) সুইডেন (বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর 'তুরস্ক' ভুল ছিল। তুরস্ক ১৯৫২ সাল থেকেই ন্যাটোর সদস্য। বর্তমান তথ্য অনুযায়ী সুইডেন সম্প্রতি ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করলেও এই ধরনের প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে সুইডেন সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয় অথবা অতীতে সুইডেন ন্যাটোবহির্ভূত দেশ ছিল।) কেন সঠিক: - সুইডেন দীর্ঘদিন সামরিকভাবে নিরপেক্ষ নীতি অনুসরণ করে আসছিল এবং সাম্প্রতিক সময়ে ন্যাটোর সদস্যপদ গ্রহণ করেছে। - ঐতিহাসিকভাবে ন্যাটো সামরিক জোটে সুইডেনের অন্তর্ভুক্তি ছিল না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুরস্ক — তুরস্ক ১৯৫২ সাল থেকে সামরিক জোট ন্যাটোর একটি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র। B) ইতালি — ইতালি ন্যাটোর অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র। সি) ইংল্যান্ড — যুক্তরাজ্য বা ইংল্যান্ড ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং অন্যতম শীর্ষ সামরিক শক্তি। D) সুইডেন — সুইডেন দীর্ঘদিন নিরপেক্ষ থাকার পর সম্প্রতি ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করেছে। মনে রাখার টিপস: সুইডেন ও ফিনল্যান্ড ঐতিহ্যগতভাবে নিরপেক্ষ দেশ ছিল, যা সাম্প্রতিক সময়ে ন্যাটো জোটে যুক্ত হয়েছে।

মোট প্রশ্ন (3)

a ব্রোমিন
b ক্লোরিন
c আয়োডিন
d সালফার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্রোমিন ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি ভুল এবং বিভ্রান্তিকর। প্রশ্নকর্তা বা বইয়ের উত্তরে ব্রোমিনকে সঠিক বলা হলেও বৈজ্ঞানিক সত্য হলো ব্রোমিন একটি অধাতু, মৌলিক ধাতু নয়। - সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকা একমাত্র মৌলিক ধাতু হলো পারদ, যার প্রতীক এইচজি এবং এটি পর্যায় সারণির গ্রুপ বারো এর একটি অবস্থান্তর ধাতু। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: স্বাভাবিক তাপমাত্রা ও চাপে পর্যায় সারণির মৌলগুলোর মধ্যে পারদ হলো একমাত্র ধাতু যা তরল অবস্থায় থাকে এবং ব্রোমিন হলো একমাত্র অধাতু যা তরল অবস্থায় থাকে। - কারণ ও ফলাফল: ধাতব বন্ধনে পরমাণুগুলোর মধ্যে ইলেকট্রন সমুদ্রের শক্তিশালী আকর্ষণের কারণে সাধারণত ধাতুগুলো কঠিন হয়, কিন্তু পারদের ক্ষেত্রে ইলেকট্রন বিন্যাসের বিশেষ relativistic প্রভাবের কারণে বন্ধন দুর্বল হয়ে এটি তরল হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: থার্মোমিটার ও রক্তচাপ মাপার যন্ত্রে পারদ ব্যবহার করা হয় কারণ এটি তাপ পেলে সুষমভাবে প্রসারিত হয় এবং কাচের গায়ে লেগে থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: থার্মোমিটারের ভেতরে সিলভার রঙের তরল পদার্থ। ব্যাখ্যা: এটি পারদ ধাতু, যা সামান্য তাপমাত্রার পরিবর্তনেও প্রসারিত হয়ে জ্বর বা তাপমাত্রা নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: ল্যাবরেটরিতে ব্যবহৃত গাঢ় লালচে বাদামী রঙের কাচের বোতলের তরল। ব্যাখ্যা: এটি ব্রোমিন অধাতু, যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে এবং এর তীব্র ঝাঁঝালো বাষ্প উৎপন্ন হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রোমিন — এটি সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে ঠিকই, কিন্তু এটি কোনো ধাতু নয়, এটি একটি হ্যালোজেন বা অধাতু। B) ক্লোরিন — এটি একটি গ্যাসীয় অধাতু, যা সাধারণ তাপমাত্রায় সবুজাভ হলুদ রঙের গ্যাস হিসেবে অবস্থান করে। C) আয়োডিন — এটি একটি কঠিন অধাতু, যা তাপ প্রয়োগ করলে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয় বা ঊর্ধ্বপাতিত হয়। D) সালফার — এটি একটি কঠিন অধাতু, যা সাধারণ তাপমাত্রায় হলুদ রঙের গুঁড়া বা স্ফটিকাকার কঠিন পদার্থ হিসেবে থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ধাতু তরল বললে পারদ মনে রাখবে এবং অধাতু তরল বললে ব্রোমিন মনে রাখবে। - পারদের ইংরেজি নাম মার্সিউরি এবং এর তরল রূপ থার্মোমিটারে ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই ধাতু ও অধাতুর পার্থক্যের বিষয়টি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। - যদি প্রশ্নে মৌলিক পদার্থ বলা হয় কিন্তু ধাতু না থাকে, তবে উত্তর ব্রোমিন হতে পারে, আর নির্দিষ্ট করে মৌলিক ধাতু বললে সবসময় পারদ উত্তর হবে।
a সিরাম
b প্লাজমা
c লোহিত কণিকা
d অনুচক্রিকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্লাজমা ১. কেন সঠিক: - রক্তের প্রায় ৫৫ শতাংশ অংশ হলো তরল, যাকে প্লাজমা বা রক্তরস বলা হয়। - এটি রক্তকণিকাগুলোকে ভাসিয়ে রাখতে এবং পুষ্টি উপাদান সারা দেহে পরিবহন করতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রক্ত হলো এক ধরনের তরল যোজক কলা যা রক্তরস এবং রক্তকণিকা নিয়ে গঠিত। - কার্যপ্রণালি: প্লাজমার প্রায় ৯০ থেকে ৯২ শতাংশ পানি এবং বাকি অংশে প্রোটিন, গ্লুকোজ, হরমোন ও খনিজ লবণ দ্রবীভূত থাকে। - বাস্তব প্রয়োগ: মানবদেহে অক্সিজেন, খাদ্যসার ও বর্জ্য পদার্থ পরিবহনে প্লাজমা মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্যালাইন বা ডাবের পানি ব্যাখ্যা: মানবদেহে পানিশূন্যতা দেখা দিলে যে তরল বা স্যালাইন দেওয়া হয়, তার মূল কাজ রক্তের প্লাজমার সমতা রক্ষা করা। উদাহরণ ২: নদী ও তার মধ্যে ভাসমান নৌকা ব্যাখ্যা: নদীর পানির প্রবাহ যেমন নৌকা বহন করে, তেমনি প্লাজমা তরল হিসেবে রক্তকণিকাগুলোকে সারা দেহে বয়ে নিয়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিরাম — এটি রক্ত জমাট বাঁধার পর যে হালকা হলুদ রঙের তরল অংশ আলাদা হয়ে যায়, তাকে সিরাম বলে, রক্তের মূল তরল অংশ নয়। B) প্লাজমা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রক্তের মূল তরল অংশ। C) লোহিত কণিকা — এটি রক্তের কোনো তরল অংশ নয়, বরং রক্তে ভাসমান এক ধরনের কঠিন বা কোষীয় উপাদান। D) অনুচক্রিকা — এটি রক্তে উপস্থিত কোষীয় উপাদান যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে, তরল অংশ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রক্তে পানি বেশি থাকে এবং তরল অংশকে প্লাজমা বলে। - প্লাজমা শব্দটির সাথে তরল ভাব এবং পুষ্টি পরিবহনের বিষয়টি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রক্তের মোট উপাদানের কত শতাংশ প্লাজমা, তা প্রায় সময় বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - প্লাজমার কাজ এবং রক্তরসের উপাদান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে কোষ ও যোজক কলা সম্পর্কিত অন্যান্য প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a কার্বন ডাই-অক্সাইড
b কার্বন মনো অক্সাইড
c ওজোন
d মিথেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কার্বন ডাই-অক্সাইড ১. কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধির ফলে গ্রিনহাউস প্রভাবে পৃথিবী পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। - জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো এবং শিল্পায়নের কারণে বাতাসে এই গ্যাসের মাত্রা সবচেয়ে বেশি বেড়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক উষ্ণতায় এর ভূমিকা সর্বাধিক। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: গ্রিনহাউস গ্যাস বায়ুমণ্ডলে একটি স্তর তৈরি করে যা সূর্য থেকে আসা তাপ শোষণ করে পৃথিবীর তাপমাত্রা ধরে রাখে। - কারণ ও ফলাফল: শিল্পায়ন ও বন উজাড়ের ফলে বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘনত্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় অধিক তাপ আটকে গিয়ে বৈশ্বিক উষ্ণতা সৃষ্টি করছে। - বাস্তব প্রয়োগ: শীতপ্রধান দেশে কাঁচের ঘরে গাছপালা চাষ করার সময় এই গ্রিনহাউস তত্ত্বের ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশে গ্লাস হাউসে কাঁচের ভেতর সূর্যের তাপ আটকে রেখে চারাগাছ রক্ষা করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের তাপ আটকে রাখার প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার একটি কৃত্রিম রূপ। উদাহরণ ২: গ্রীষ্মকালে বন্ধ গাড়িতে রোদ লাগলে ভেতরের তাপমাত্রা বাইরের চেয়ে অনেক বেশি গরম হয়ে যায়। ব্যাখ্যা: গাড়িটি এখানে গ্রিনহাউস হিসেবে কাজ করে যা সূর্যের তাপ ভেতরে ঢুকতে দিলেও সহজে বের হতে দেয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্বন ডাই-অক্সাইড — এটি বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস। B) কার্বন মনো অক্সাইড — এটি একটি বিষাক্ত গ্যাস যা সরাসরি গ্রিনহাউস প্রভাবে প্রধান ভূমিকা রাখে না। C) ওজোন — এটি গ্রিনহাউস গ্যাস হলেও বায়ুমণ্ডলে এর পরিমাণ এবং উষ্ণতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা কার্বন ডাই-অক্সাইডের চেয়ে কম। D) মিথেন — এটি একটি শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস হলেও বায়ুমণ্ডলে এর মোট পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইডের চেয়ে অনেক কম। ৫ মনে রাখার টিপস: - গ্রিনহাউস গ্যাসের রাজা কার্বন ডাই-অক্সাইড মনে রাখলেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর সহজে মনে রাখা যায়। - বাতাসে যে গ্যাস সবচেয়ে বেশি উষ্ণতা বাড়ায় তা হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা গ্রিনহাউস গ্যাস হলো জলীয় বাষ্প, কিন্তু মানবসৃষ্ট কারণে উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য প্রধান দায়ী কার্বন ডাই-অক্সাইড। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং পরিবেশ বিজ্ঞান সম্পর্কিত যেকোনো প্রতিযোগিতায় বারবার আসে।

মোট প্রশ্ন (5)

a মালদ্বীপ
b ভারত
c শ্রীলংকা
d মিয়ানমার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারত ১. কেন সঠিক: - আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ভারতের একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং এর সার্বভৌমত্ব ভারতের হাতে ন্যস্ত। - ভৌগোলিক ও কৌশলগতভাবে এই দ্বীপমালা বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরের সংযোগস্থলে অবস্থিত এবং এর নিরাপত্তা ভারতের দায়িত্ব। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পূর্বে এবং সুমাত্রা দ্বীপের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি একাধিক দ্বীপের একটি সংঘ যা ভারতীয় ভূখণ্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ইন্দিরা পয়েন্ট ব্যাখ্যা: এটি নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত ভারতের সর্বদক্ষিণ বিন্দু। উদাহরণ ২: টেন ডিগ্রি চ্যানেল ব্যাখ্যা: এই জলপথটি আন্দামান দ্বীপপুঞ্জকে নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ থেকে পৃথক করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালদ্বীপ — এটি ভারত মহাসাগরের একটি স্বাধীন দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এর সঙ্গে নিকোবরের কোনো সম্পর্ক নেই। B) ভারত — এটি সঠিক উত্তর এবং এই দ্বীপমালার প্রকৃত মালিকানা ভারতের। C) শ্রীলংকা — এটি ভারত মহাসাগরের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র যা ভারতের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত। D) মিয়ানমার — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ যার সীমানা ভারতের উত্তর-পূর্বাংশের সঙ্গে যুক্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: আন্দামান ও নিকোবরের আগে ভারতীয় পতাকা ওরে, তাই এর মালিক ভারত। বঙ্গোপসাগরে ভারতের দক্ষিণ সীমানা নির্দেশ করে এই নিকোবর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি সীমান্ত, দ্বীপ ও উপদ্বীপ এবং আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতি থেকে বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ১০ ডিগ্রি চ্যানেল কোন দুটি স্থানকে আলাদা করে, তা পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
a চলন বিল
b হাকালুকি হাওর
c সুন্দরবন
d টাংগুয়ার হাওর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুন্দরবন ১. কেন সঠিক: - সুন্দরবনকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা হয় কারণ এটি প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং ক্ষতিকর কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে বায়ুমণ্ডলকে সতেজ রাখে। - এটি দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় একক ম্যানগ্রোভ বন যা প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে কাজ করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে অবস্থিত দক্ষিণ এশিয়ার একটি বিশাল বনাঞ্চল যা বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী এলাকায় বিস্তৃত। - বৈশিষ্ট্য: এটি জোয়ার ভাটার টানে প্লাবিত লবণাক্ত মাটি ও জলের পলিদ্বারা গঠিত এবং এর প্রধান উদ্ভিদ সুন্দরী গাছ। - পরিবেশগত ভূমিকা: এই বনটি জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ কমিয়ে বাংলাদেশের জনপদকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: আমাজন বনাঞ্চল ব্যাখ্যা: আমাজনকে যেমন পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয় কারণ এটি বিশ্বের সর্বাধিক অক্সিজেন উৎপন্ন করে, তেমনি সুন্দরবন বাংলাদেশের জন্য একই ভূমিকা পালন করে। উদাহরণ ২: উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ বাস্তুতন্ত্র ব্যাখ্যা: এই বাস্তুতন্ত্র কার্বন শোষণে সাধারণ বনের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর যা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চলন বিল — এটি বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলে অবস্থিত একটি বিশাল জলাভূমি বা বিল যা মৎস্য উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত কিন্তু ফুসফুস নয়। B) হাকালুকি হাওর — এটি দেশের বৃহত্তম হাওর যা মূলত মিঠা পানির জীববৈচিত্র্যের আধার এবং পরিযায়ী পাখির আবাসস্থল। D) টাংগুয়ার হাওর — এটি সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ রামসার সাইট ও জলাভূমি যা জীববৈচিত্র্যের জন্য পরিচিত কিন্তু ফুসফুস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মানুষের ফুসফুস যেমন বাতাস থেকে অক্সিজেন নেয় এবং বিষাক্ত গ্যাস দূর করে, তেমনি দেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক বন সুন্দরবনও পরিবেশের বাতাসকে নির্মল রাখে। তাই সুন্দরবন হলো বাংলাদেশের ফুসফুস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুন্দরবন ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং এটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের প্রধান আবাসস্থল। - এই প্রশ্নটি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুন্দরবনের ভৌগোলিক অবস্থান, পরিবেশগত গুরুত্ব এবং এর জীববৈচিত্র্য সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্ন আসতে পারে।
a যাদুকাটা নদী
b কর্ণফুলী নদী
c গোমতী নদী
d সাঙ্গু নদী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যাদুকাটা নদী ১. কেন সঠিক: যাদুকাটা নদী ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে সুরমা নদীতে পতিত হয়েছে। যেহেতু নদীটি ভারতের অভ্যন্তরে উৎপন্ন হয়ে পরবর্তীতে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করেছে এবং এখানেই অন্য নদীর সাথে মিলিত হয়ে এর প্রবাহ শেষ করেছে, তাই এটি বাংলাদেশে উৎপন্ন নদী নয়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: উৎপত্তি: যাদুকাটা নদীর উৎপত্তি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাসিয়া জয়ন্তীয়া পাহাড় থেকে। প্রবাহ ও সমাপ্তি: নদীটি সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে এবং সুরমা বা অন্য স্থানীয় নদনদীর সাথে মিলিত হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: হালদা নদী ব্যাখ্যা: হালদা নদী বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের মধ্যেই সমাপ্ত হয়েছে, যা এই প্রশ্নের বিপরীত একটি উদাহরণ। উদাহরণ ২: কর্ণফুলী নদী ব্যাখ্যা: কর্ণফুলী নদী ভারতের মিজোরাম থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবাহিত হয়েছে, যা উৎস ও সমাপ্তির ভিন্নতার আরেকটি স্পষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যাদুকাটা নদী — এই নদীটি ভারতিয় অংশে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের জলসীমায় শেষ হয়েছে, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তরের শর্ত পূরণ করে। B) কর্ণফুলী নদী — এটি ভারতের মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও কাপ্তার ওপর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। C) গোমতী নদী — এটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মেঘনা নদীতে পতিত হয়েছে। D) সাঙ্গু নদী — এটি আরাকান ইয়েমা পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: যাদুকাটা নদীর উৎপত্তি ভারতের মেঘালয়ে হলেও এর মূল প্রবাহ এবং সমাপ্তি বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ অঞ্চলে সীমাবদ্ধ। নদীগুলোর উৎস এবং সমাপ্তি মনে রাখতে ভারতের সীমান্তবর্তী নদীগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলাদেশের নদনদীর উৎস এবং সমাপ্তি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। আন্তর্জাতিক নদী এবং সীমান্ত নদীগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a একটি খরস্রোতা পাহাড়ি নদী
b একটি পর্যটন এলাকা
c একটি প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র
d প্রকৃতিগত সংকটপূর্ণ এলাকা
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: নদ-নদী, হ্রদ ও জলপ্রপাত / বাংলাদেশের ভূগোল সঠিক উত্তর: C) একটি প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র ১. কেন সঠিক: হালদা নদী এশিয়ার একমাত্র জোয়ারভাটাযুক্ত নদী যেখানে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশ জাতীয় প্রধান কার্পজাতীয় মা মাছ সরাসরি ডিম পাড়ে। এই নদীর বিশেষ ভৌগোলিক বাঁক, পাহাড়ি ঢলের পানির তাপমাত্রা এবং নির্দিষ্ট মাত্রার লবণাক্ততা ও অম্লত্ব মা মাছের প্রাকৃতিক প্রজননের জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: নদীটি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি পাহাড় থেকে উৎপত্তি লাভ করে ফটিকছড়ি, হাটহাজারী ও চট্টগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে কর্ণফুলী নদীতে পতিত হয়েছে। বৈশিষ্ট্য: এটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও বৈশ্বিক দিক থেকে অনন্য প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র এবং ঐতিহ্যবাহী ব্যাংক হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণা। ব্যাখ্যা: হালদা নদীর অনন্য বৈশিষ্ট্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য বাংলাদেশ সরকার একে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করেছে। উদাহরণ ২: ডলফিন সংরক্ষণ। ব্যাখ্যা: এই নদীতে বিপন্ন প্রজাতির মিঠাপানির ডলফিন বা সুশুক বাস করে যা নদীটির প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার অন্যতম উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি খরস্রোতা পাহাড়ি নদী — হালদা নদীর উৎস পাহাড়ি হলেও এটি মূলত জোয়ারভাটা প্রভাবিত সমভূমির নদী, তাই এই বৈশিষ্ট্যটি এর মূল পরিচিতি নয়। B) একটি পর্যটন এলাকা — হালদা নদী কোনো উল্লেখযোগ্য পর্যটন কেন্দ্র নয়, বরং এটি প্রধানত মৎস্য গবেষণা ও জীববৈচিত্র্যের জন্য পরিচিত। D) প্রকৃতিগত সংকটপূর্ণ এলাকা — নদীটিতে নানা পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ থাকলেও এর মূল আন্তর্জাতিক ও জাতীয় খ্যাতি প্রকৃতিগত সংকটপূর্ণ এলাকা হিসেবে নয়, বরং মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে। ৫. মনে রাখার টিপস: হালদার নাম শুনলেই মনে রাখবে ডিম বা প্রজনন। এটি বাংলাদেশের একমাত্র নদী যেখানে মা মাছ প্রাকৃতিকভাবে ডিম পাড়ে এবং তা সংগ্রহ করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: হালদা নদী কোন নদীর সাথে মিশেছে এবং কোন জেলাগুলোর উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে হালদা নদী কোন নদীর উপনদী বা শাখা নদী কিংবা একে কোন সরকারি মর্যাদায় ভূষিত করা হয়েছে।
a Depression
b Hillock
c Plane surface
d জলাধার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Hillock ১. কেন সঠিক: - সমোচ্চ রেখা বা contour line মানচিত্রে এমন একটি কাল্পনিক রেখা যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সমান উচ্চতাযুক্ত স্থানগুলোকে সংযুক্ত করে। - Closed contour বা আবদ্ধ সমোচ্চ রেখায় যদি কেন্দ্রের দিকে মান ক্রমাগত বাড়তে থাকে, তবে তা কোনো উঁচু ভূমি যেমন পাহাড় বা টিলা নির্দেশ করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - বৈশিষ্ট্য: সমোচ্চ রেখাগুলো যত কাছাকাছি থাকে, ভূমির ঢাল তত তীব্র হয় এবং মান বৃদ্ধির দিকটি উচ্চভূমির চূড়াকে নির্দেশ করে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: টপোগ্রাফিক মানচিত্র বা ভূসংস্থানিক মানচিত্রে ত্রিমাত্রিক ভূপ্রকৃতি দ্বিিমাত্রিক পৃষ্ঠে ফুটিয়ে তুলতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: মধুপুর গড় ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের মধুপুর গড়ের মতো উঁচু ভূসংস্থান মানচিত্রে এই ধরনের সমোচ্চ রেখার সাহায্যে চিহ্নিত করা হয়। উদাহরণ ২: হিমালয় পর্বতমালা ব্যাখ্যা: উচ্চ পাহাড়ি অঞ্চলের মানচিত্রে কেন্দ্রের দিকে মান বৃদ্ধি পেয়ে চূড়ার সর্বোচ্চ উচ্চতা নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Depression — এই অপশনটি ভুল কারণ অববাহিকা বা অবনমনের ক্ষেত্রে ভেতরের দিকে সমোচ্চ রেখার মান বাড়ার পরিবর্তে কমতে থাকে। B) Hillock — এটি সঠিক উত্তর কারণ আবদ্ধ রেখার ভেতরে মান বৃদ্ধি পেলে তা পাহাড়ে পরিণত হয়। C) Plane surface — এই অপশনটি ভুল কারণ সমতল ভূমিতে সমোচ্চ রেখাগুলোর দূরত্ব সমান থাকে এবং মানের বড় কোনো তারতম্য থাকে না। D) জলাধার — এই অপশনটি ভুল কারণ জলাধারের ক্ষেত্রেও ভেতরের দিকে মান ক্রমান্বয়ে কমতে থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মান ভেতরে বাড়ে, পাহাড় উঁচুতে চড়ে। সমোচ্চ রেখার কেন্দ্রবিন্দু যদি সর্বোচ্চ মান ধারণ করে, তবে তা নিশ্চিতভাবেই একটি পাহাড় বা টিলা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমোচ্চ রেখার মান কমে যাওয়ার ধারা থেকে কি ধরনের ভূপ্রকৃতি বোঝা যায়, তা নিয়ে প্রায়ই বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।

মোট প্রশ্ন (39)

a 0
b 5
c 10
d 15
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 0 কেন সঠিক: - BOD এর পূর্ণরূপ হলো বায়োকেমিক্যাল অক্সিজেন ডিমান্ড, যা পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ নির্দেশ করে। - শতভাগ নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানযোগ্য পানিতে জৈব দূষণ বা পচনশীল পদার্থ থাকে না, তাই এর BOD এর মান শূন্য হতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0 — এটি বিশুদ্ধ ও নিরাপদ পানযোগ্য পানির আদর্শ মান কারণ এতে কোনো জৈব আবর্জনা বা দূষণ থাকে না। B) 5 — এই মাত্রার BOD নির্দেশ করে পানিতে কিছু পরিমাণ জৈব দূষণ রয়েছে, যা পানের জন্য নিরাপদ নয়। C) 10 — এই মানের BOD যুক্ত পানি মাঝারি মাত্রার দূষিত এবং এটি পান করলে নানা ধরনের রোগ হতে পারে। D) 15 — এই মাত্রা অতিমাত্রায় দূষিত পানিকে নির্দেশ করে, যা জলজ প্রাণীর জন্য ক্ষতিকর এবং পানের অযোগ্য। মনে রাখার টিপস: নিরাপদ পানির মান দেখতে শূন্য পেতে হবে, অর্থাৎ নিরাপদ পানির BOD সব সময় ০ হতে হয়।
a Triangular
b Rectangular
c Trapezoidal
d Circular
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Trapezoidal কেন সঠিক: - ট্রাপিজয়ডাল সেকশনের জ্যামিতিক আকৃতি খোলা চ্যানেলের তরল প্রবাহের ক্ষেত্রে ঘর্ষণজনিত বাধা সর্বনিম্ন রাখতে সাহায্য করে। - এই আকৃতিতে ভেজা পরিধি কম এবং জলীয় ব্যাসার্ধ বেশি থাকে, যা প্রবাহের দক্ষতা বৃদ্ধি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Triangular — ত্রিকোণাকার সেকশন নির্দিষ্ট গভীরতার জন্য কম তরল ধারণ করে এবং এটি ছোট খালের ক্ষেত্রে কার্যকর হলেও সামগ্রিক সর্বাধিক দক্ষতা দেয় না। B) Rectangular — আয়তাকার সেকশনের কোণগুলোতে অতিরিক্ত ঘর্ষণ ও মৃত জোন তৈরি হয়, যা প্রবাহের দক্ষতা কমিয়ে দেয়। C) Trapezoidal — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি তরল প্রবাহের জন্য সবচেয়ে কার্যকর সেকশন। D) Circular — বৃত্তাকার সেকশন পাইপ বা বন্ধ কনুইয়ের জন্য ভালো হলেও, খোলা চ্যানেলের প্রবাহের জন্য এটি সেরা দক্ষতা প্রদান করে না। মনে রাখার টিপস: খোলা চ্যানেলে পানি বা তরল চলাচলের সময় বাধা সবচেয়ে কম দিতে ট্রাপিজয়ডাল বা ট্রাপিজিওম আকৃতি সবচেয়ে বেশি কার্যকর।
a 0.9m³
b 0.94m³
c 0.98m³
d 1m³
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৯ ঘনমিটার কেন সঠিক: - ফ্লোরের আয়তন বের করতে ক্ষেত্রফল ১০০ বর্গমিটারকে পুরুত্ব ০.০৪ মিটার দিয়ে গুণ করলে শুষ্ক কাজের পরিমাণ ৪ ঘনমিটার পাওয়া যায়। - সিমেন্ট, বালি ও খোয়ার অনুপাত ১:২:৪ অর্থাৎ মোট অনুপাত ৭ হলে সিমেন্টের পরিমাণ হয় ৪ কে ৭ দ্বারা ভাগ করে ১ দিয়ে গুণ করলে প্রায় ০.৫৭ ঘনমিটার ভেজা কাজ এবং শুষ্ক আয়তনের জন্য ১.৫ দিয়ে গুণ করলে প্রায় ০.৯ ঘনমিটার হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.৯ ঘনমিটার — এটি সঠিক হিসাব অনুযায়ী সিমেন্টের সঠিক পরিমাণ নির্দেশ করে। B) ০.৯৪ ঘনমিটার — এই মানটি অনুপাতের হিসাবের চেয়ে বেশি এবং সঠিক নয়। সি) ০.৯৮ ঘনমিটার — এটি গণনার ত্রুটির কারণে অতিরিক্ত মান হিসেবে এসেছে। ডি) ১ ঘনমিটার — এটি সঠিক অনুপাতের হিসাবের তুলনায় অনেক বেশি। মনে রাখার টিপস: শতাংশ বা ক্ষেত্রফলকে পুরুত্ব দিয়ে গুণ করে শুষ্ক আয়তন বের করে অনুপাতের যোগফল দিয়ে ভাগ করলেই সিমেন্টের সঠিক পরিমাণ পাওয়া যায়।
a 6mm
b 8mm
c 10mm
d 12mm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 10mm কেন সঠিক: - বিএনবিসি কোড অনুযায়ী আরসিসি কলামের প্রধান রডের সর্বনিম্ন ব্যাস ১০ মিলিমিটার হওয়া বাধ্যতামূলক। - কাঠামোগত নিরাপত্তা এবং বাকলিং রোধ করতে ১০ মিলিমিটারের কম ব্যাসের রড কলামে ব্যবহার করা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 6mm — এটি কলামের প্রধান রডের জন্য অত্যন্ত চিকন এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মানদণ্ড অনুযায়ী এটি সঠিক নয়। B) 8mm — এটি সাধারণত রিং বা টাই রডের জন্য ব্যবহৃত হয়, প্রধান রডের সর্বনিম্ন মান এটি নয়। সি অপশন সঠিক হওয়ায় ডি অপশন এখানে সর্বনিম্ন ব্যাসের শর্ত পূরণ করছে না। D) 12mm — এটি কলামে ব্যবহার করা গেলেও প্রশ্নে সর্বনিম্ন ব্যাস জানতে চাওয়া হয়েছে, যা ১০ মিলিমিটার। মনে রাখার টিপস: কলামের প্রধান রড মানেই দশ মিলিমিটার।
a Flash and fire Point
b Penetration
c Setting time
d Los Angeles Abrasion
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Los Angeles Abrasion কেন সঠিক: - এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগার পদ্ধতি যার মাধ্যমে সড়ক নির্মাণ বা কংক্রিটে ব্যবহৃত এগ্রিগেট বা খোয়ার ঘর্ষণ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং শক্তিমত্তা যাচাই করা হয়। - এই Test-এর সাহায্যে এগ্রিগেটের ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ার হার নির্ণয় করা হয়, যা টেকসই নির্মাণ নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Flash and fire Point — এটি বিটুমিন বা তেলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা তাপমাত্রা নির্দেশ করে যেখানে এটি জ্বলে ওঠে বা আগুন ধরে। B) Penetration — এটি বিটুমিনের গ্রেড বা কঠোরতা নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়, এগ্রিগেটের জন্য নয়। সি) C) Setting time — এটি মূলত সিমেন্টের জমাট বাঁধার সময় নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়, এগ্রিগেটের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) Los Angeles Abrasion — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এগ্রিগেটের যান্ত্রিক শক্তি ও ক্ষয় পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: এগ্রিগেট বা খোয়া ক্ষয় পরীক্ষা করতে লস অ্যাঞ্জেলেস বা Abrasion Test ব্যবহার করা হয়।
a CBR test
b Slump test
c penetration test
d Softening point test
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) penetration test কেন সঠিক: - বিটুমিনের কঠোরতা বা ঘণত্ব নির্ধারণের জন্য পেনট্রেশন টেস্ট বা ভেদন পরীক্ষা করা হয়। - নির্দিষ্ট ওজনের একটি সূঁচ নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বিটুমিনের ভেতরে কতটুকু প্রবেশ করে, তা এই পরীক্ষার মাধ্যমে মাপা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) CBR test — এটি মাটির বেয়ারিং ক্যাপাসিটি বা শক্তি পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়, বিটুমিনের জন্য নয়। B) Slump test — এটি ঢালাই কাজের আগে ভেজা কংক্রিটের কার্যোপযোগিতা বা দৃঢ়তা মাপার জন্য করা হয়। C) penetration test — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) Softening point test — এটি বিটুমিন কোন তাপমাত্রায় নরম হতে শুরু করে তা নির্ধারণ করতে ব্যবহৃত হয়, কঠোরতা মাপতে নয়। মনে রাখার টিপস: বিটুমিনে সূঁচ কতটুকু ঢোকে তা দেখতে পেনট্রেশন টেস্ট করা হয়।
a 10-25kPa
b 25-150 kPa
c 150-400 kPa
d >400 kPa
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০-২৫ kPa কেন সঠিক: - মাটির আনকনফাইন্ড কমপ্রেসিভ স্ট্রেন্থ বা অপরিবদ্ধ সংকোচন শক্তি পরীক্ষা করে মাটির দৃঢ়তা নির্ণয় করা হয়। - অত্যন্ত নরম বা ভেরি সফট ক্লে এর মান ১০ থেকে ২৫ কিলোপ্যাসকেল এর মধ্যে হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০-২৫ kPa - এটি ভেরি সফট ক্লে বা অত্যন্ত নরম মাটির সঠিক সীমা নির্দেশ করে। B) ২৫-১৫০ kPa - এই সীমাটি সফট থেকে মিডিয়াম বা নরম থেকে মাঝারি ধরনের মাটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। C) ১৫০-৪০0 kPa - এই মানটি স্টিফ থেকে ভেরি স্টিফ বা শক্ত থেকে অত্যন্ত শক্ত মাটির জন্য নির্ধারিত। D) >৪০0 kPa - এই মানটি হার্ড ক্লে বা পাথুরে ও অত্যন্ত কঠিন মাটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: নরম মাটির শক্তি কম হয়, তাই ১০ থেকে শুরু করে ২৫ পর্যন্ত হলো ভেরি সফট ক্লে এর মান।
a 1.5mm
b 2.5mm
c 4.75mm
d 6mm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 4.75mm কেন সঠিক: - সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং নির্মাণ প্রযুক্তির মানদণ্ড অনুযায়ী ফাইন এগ্রিগেট বা মিহি দানাদার সামগ্রীর সর্বোচ্চ আকার নির্দিষ্ট করা হয়েছে ৪.৭৫ মিলিমিটার। - এই আকারের চেয়ে ছোট দানাদার সামগ্রী যেমন বালু কংক্রিট তৈরিতে ফাইন এগ্রিগেট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1.5mm — এই মাপটি ফাইন এগ্রিগেটের সাধারণ সর্বোচ্চ সীমা নয়, এটি অনেক বেশি সূক্ষ্ম বালুর মাপ। B) 2.5mm — এই মাপটি ফাইন এগ্রিগেটের সামগ্রিক সর্বোচ্চ সীমা নির্দেশ করে না, এটি ফাইনেস মডিউলাসের একটি মান হতে পারে। C) 4.75mm — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ফাইন এগ্রিগেট ও কোর্স এগ্রিগেটের বিভাজক মাপ। D) 6mm — এই মাপটি ফাইন এগ্রিগেটের সীমার বাইরে এবং এটি সাধারণত নির্মাণকাজে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: ফাইন এগ্রিগেট বা বালুর সর্বোচ্চ সাইজ মনে রাখতে চার দশমিক সাত পাঁচ মিলিমিটার সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a ক্লোরাইড আয়োন
b Electrical conductivity
c Alkalinity
d (ক) এবং (খ)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (ক) এবং (খ) কেন সঠিক: - প্রাকৃতিক জলে দ্রবীভূত লবণের পরিমাণ বা লবণাক্ততা নির্ধারণের জন্য ক্লোরাইড আয়নের উপস্থিতি সরাসরি মাপা হয়। - পানির তড়িৎ পরিবাহিতা বা Electrical conductivity পরিমাপ করেও পানিতে দ্রবীভূত লবণের পরিমাণ সঠিকভাবে নির্ণয় করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্লোরাইড আয়োন — এটি সঠিক হলেও কেবল এটি দিয়েই সম্পূর্ণ লবণাক্ততা মাপা যায় না, কারণ অন্য আয়নও এর সাথে যুক্ত থাকে। B) Electrical conductivity — এটি সঠিক হলেও শুধুমাত্র পরিবাহিতা দিয়ে নির্দিষ্ট লবণের উপস্থিতি বা ক্লোরাইডের পরিমাণ নিশ্চিত করা যায় না। C) Alkalinity — এটি পানির ক্ষারত্ব বা অ্যাসিড প্রশমিত করার ক্ষমতা নির্দেশ করে, যা সরাসরি লবণাক্ততা পরিমাপের একক নয়। D) (ক) এবং (খ) — এই অপশনটি সঠিক কারণ ক্লোরাইড আয়ন এবং বৈদ্যুতিক পরিবাহিতা উভয়ই লবণাক্ততা নির্ণয়ের মূল ভিত্তি। মনে রাখার টিপস: পানির লবণাক্ততা মাপতে ক্লোরাইড আয়নের উপস্থিতি এবং বৈদ্যুতিক পরিবাহিতা উভয়েরই সাহায্য নেওয়া হয়।
a 0.1%
b 0.12%
c 0.15%
d 0.18%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 0.15% কেন সঠিক: - BNBC বা কোড অনুযায়ী তাপমাত্রা ও সংকোচনজনিত ফাটল রোধ করার জন্য স্লাবের মোট গ্রস সেকশনাল এরিয়ার অন্তত ০.১৫ শতাংশ রিইনফোর্সমেন্ট ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। - বিকৃত রড বা ডিফর্মড বার ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই সর্বনিম্ন সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.1% — এই পরিমাণ রিইনফোর্সমেন্ট স্লাবের ফাটল রোধের জন্য যথেষ্ট নয় এবং এটি কাঠামোগত কোডের ন্যূনতম মান পূরণ করে না। B) 0.12% — এটি সাধারণ মাইল্ড স্টিল বা মসলিন বারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও, বর্তমানে স্লাবের জন্য পর্যাপ্ত নয়। C) 0.15% — এটি সঠিক উত্তর, কারণ কোড অনুযায়ী ডিফর্মড বারের জন্য স্লাবের গ্রস সেকশনের ন্যূনতম ০.১৫% রিইনফোর্সমেন্ট দিতে হয়। D) 0.18% — এটি মাইনর ডিরেকশন বা অন্য কোনো বিশেষ স্ট্রাকচারাল উপাদানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে, সাধারণ স্লাবের সর্বনিম্ন সীমা এটি নয়। মনে রাখার টিপস: স্লাবে ফাটল ঠেকাতে জিরো পয়েন্ট পনেরো (০.১৫) মনে রাখুন।
a S > 0
b S < 0
c 0 < S < 100
d 0 <= S <= 100
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০ <= S <= ১০০ কেন সঠিক: - ডিগ্রি অব স্যাচুরেশন হলো মাটিতে উপস্থিত পানির আয়তন এবং শূন্যস্থানের আয়তনের অনুপাত। - মাটি পুরোপুরি পানিপূর্ণ থাকলে মান ১০০% এবং সম্পূর্ণ শুষ্ক হলে মান ০% হয়, তাই এটি ০ থেকে ১০০ এর মধ্যে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) S > ০ — এটি ভুল কারণ মাটি সম্পূর্ণ শুষ্ক হলে পানির পরিমাণ শূন্য হতে পারে, যা শূন্যের চেয়ে বড় নয়। B) S < ০ — এটি ভুল কারণ শূন্যস্থানের পানির পরিমাণ কখনো ঋণাত্মক হতে পারে না। C) ০ < S < ১০০ — এটি ভুল কারণ মাটি সম্পূর্ণ শুষ্ক (০%) কিংবা সম্পূর্ণ সম্পৃক্ত (১০০%) হতে পারে, তাই সমান চিহ্ন বাদ পড়া ভুল। D) ০ <= S <= ১০০ — এটি সঠিক কারণ মাটির ডিগ্রি অব স্যাচুরেশন শূন্য থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ একশত শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। মনে রাখার টিপস: মাটিতে পানি না থাকলে ০% এবং পুরোটাই পানিতে ডুবানো থাকলে ১০০%, তাই সীমাটি হবে ০ থেকে ১০০ এর মধ্যে এবং সমান চিহ্নসহ।
a 25%
b 50%
c 75%
d 100%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 50% কেন সঠিক: - কোহেশনলেস বা কণা জাতীয় মাটির (যেমন বালু) বেয়ারিং ক্যাপাসিটি মাটির নিচে থাকা পানির স্তরের অবস্থানের ওপর সরাসরি নির্ভর করে। - পানির স্তর গ্রাউন্ড সারফেসে চলে আসলে মাটির কার্যকর ওজন বা ইফেক্টিভ ইউনিট ওয়েট প্রায় অর্ধেক বা ৫০% কমে যায়, ফলে আল্টিমেট বেয়ারিং ক্যাপাসিটিও ৫০% হ্রাস পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 25% — পানির স্তর সারফেসে এলে বেয়ারিং ক্যাপাসিটি পঁচিশ শতাংশ কমে না, বরং কার্যকারী ওজন অর্ধেক কমে যাওয়ায় কমার পরিমাণ বেশি হয়। B) 50% — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং মাটির নিমজ্জন বা সাবমার্জড অবস্থার কারণে বেয়ারিং ক্যাপাসিটি ঠিক অর্ধেক কমে যায়। C) 75% — পঁচাত্তর শতাংশ কমার হিসাবটি ভুল, কারণ পানির প্রভাবে মাটির শক্তি সম্পূর্ণ বিলুপ্ত না হয়ে কেবল অর্ধেক হ্রাস পায়। D) 100% — শতভাগ বা সম্পূর্ণ বেয়ারিং ক্যাপাসিটি নষ্ট হয় না, কারণ মাটির নিজস্ব buoyant ওজন তখনও কিছুটা বেয়ারিং ক্ষমতা প্রদান করে। মনে রাখার টিপস: বালু মাটিতে পানি যখন একদম ওপরে উঠে আসে (গ্রাউন্ড সারফেস), তখন মাটির ওজন পানিতে ভাসে এবং এর শক্তি ঠিক অর্ধেক বা ৫০% কমে যায়।
a HCO3
b OH
c CO3
d সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো কেন সঠিক: - প্রাকৃতিক বা ক্ষারীয় পানিতে বাইকার্বনেট, কার্বনেট এবং হাইড্রোক্সাইড আয়ন উপস্থিত থাকে। - এই তিনটি প্রধান উপাদানই পানির মোট ক্ষারত্ব বা ক্ষারীয় মান তৈরি করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) HCO3 — এটি পানির একটি ক্ষারত্ব সৃষ্টিকারী উপাদান হলেও একমাত্র উপাদান নয়, তাই এটি অপূর্ণ। B) OH — এটি তীব্র ক্ষারীয় উপাদান, তবে একা পানির সম্পূর্ণ ক্ষারত্ব নির্ধারণ করে না। C) CO3 — এটি ক্ষারত্বের অন্যতম প্রধান উৎস, কিন্তু এটি একা সঠিক উত্তর হতে পারে না। D) সবগুলো — এই তিনটি উপাদানই সম্মিলিতভাবে পানির ক্ষারত্ব বা Alkalinity তৈরি করে। মনে রাখার টিপস: পানির ক্ষারত্ব মনে রাখতে আদ্যক্ষর মনে রাখুন, কার্বনেট, বাইকার্বনেট ও হাইড্রোক্সাইড মিলে হয় ক্ষারত্ব।
a 4mm
b 5mm
c 6mm
d 8mm
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ মিলিমিটার কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ইমারত নির্মাণ বিধিমালা বা বিএনবিসি কোড এবং এসিআই কোড অনুযায়ী কলামের টাই বারের ব্যাস মূল লম্বালম্বি বারের ব্যাসের চারভাগের একভাগ হতে হয়। - প্রদত্ত প্রশ্নে লম্বালম্বি বারের ব্যাস ১৬ মিলিমিটার হওয়ায় টাই বারের সর্বনিম্ন ব্যাস ১৬ কে চার দ্বারা ভাগ করে চার মিলিমিটার পাওয়ার কথা, কিন্তু কোডের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী কলামের টাই বারের সর্বনিম্ন ব্যাস ৬ মিলিমিটার হতে হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ মিলিমিটার — গণিত অনুযায়ী ১৬ এর চারভাগের একভাগ হলেও এটি কোড অনুমোদিত সর্বনিম্ন ব্যাসের মানের চেয়ে কম। B) ৫ মিলিমিটার — এটি স্ট্যান্ডার্ড রডের মাপ নয় এবং কলামের টাই বারের জন্য প্রযোজ্য সর্বনিম্ন আন্তর্জাতিক বা দেশীয় মান নয়। C) ৬ মিলিমিটার — এটি কলামের টাই বারের জন্য প্রযোজ্য সর্বনিম্ন মান যা ১৬ মিলিমিটার বারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। D) ৮ মিলিমিটার — এটি ১৬ মিলিমিটার বারের জন্য প্রযোজ্য নয় কারণ এটি এই ক্ষেত্রে বড় মাপের টাই বার হিসেবে গণনায় আসে। মনে রাখার টিপস: কলামের টাই বারের ক্ষেত্রে মূল রডের চারভাগের একভাগ এবং কোডের নিয়ম অনুযায়ী সর্বনিম্ন মান হিসেবে ৬ মিলিমিটার মনে রাখতে হবে।
a 1.5 মিটার
b 2.5 মিটার
c 2 মিটার
d 3 মিটার
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১.৫ মিটার কেন সঠিক: - কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা বিধি অনুযায়ী ১.৫ মিটার বা তার বেশি উচ্চতায় কাজ করার সময় শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে স্ক্যাফোল্ডিং বা মাচা নির্মাণ বাধ্যতামূলক। - এটি উচ্চতায় কাজ করার সময় পতন রোধ করতে এবং শ্রমিকদের নিরাপদ ও স্থিতিশীল কাজের প্ল্যাটফর্ম প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১.৫ মিটার — এটি প্রযোজ্য কারণ আন্তর্জাতিক ও জাতীয় শ্রম আইন অনুযায়ী এই উচ্চতা থেকেই স্ক্যাফোল্ডিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। B) ২.৫ মিটার — এই উচ্চতা অনেক বেশি এবং এর নিচে কাজ করার সময়ও নিরাপত্তার জন্য স্ক্যাফোল্ডিং প্রয়োজন হয়। C) ২ মিটার — এই উচ্চতাও সঠিক নয় কারণ নিরাপত্তা বিধিমালা অনুযায়ী ১.৫ মিটার থেকেই স্ক্যাফোল্ডিং এর প্রয়োজনীয়তা শুরু হয়। D) ৩ মিটার — এই উচ্চতা অতিরিক্ত বেশি এবং এর অপেক্ষা কম উচ্চতাতেই স্ক্যাফোল্ডিং নির্মাণ বাধ্যতামূলক। মনে রাখার টিপস: উচ্চতায় কাজের নিরাপত্তা রক্ষায় দেড় মিটার বা ১.৫ মিটার উচ্চতাকেই স্ক্যাফোল্ডিং নির্মাণের সর্বনিম্ন সীমা হিসেবে মনে রাখুন।
a Impact of heave wheel
b Punching effect
c Improper compaction of dub grede
d সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো কেন সঠিক: - রানওয়ের পেভমেন্টে ড্রেপেশন বা ঢেউ খেলানো ভাব ও অবনমন সৃষ্টির জন্য ভারী চাকার অভিঘাত এবং অনুচিত মাটির কম্প্যাকশন সমানভাবে দায়ী। - পাঞ্চিং ইফেক্ট বা মাটির দুর্বলতার কারণেও রানওয়ের পৃষ্ঠে এই ধরনের কাঠামোগত ত্রুটি দেখা দিতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Impact of heave wheel — এটি সঠিক হলেও রানওয়ে নষ্ট হওয়ার একমাত্র কারণ নয়, কারণ অন্য কারণগুলোও এর সঙ্গে জড়িত। B) Punching effect — এটি পেভমেন্টের গভীর ক্ষয়ের একটি কারণ, তবে এটি একা একমাত্র কারণ হিসেবে সম্পূর্ণ নয়। C) Improper compaction of dub grede — মাটির অনুপযুক্ত কম্প্যাকশন পেভমেন্টের অবনমনের অন্যতম মূল কারণ, তবে এর সঙ্গে অন্য কারণগুলোও যুক্ত। D) সবগুলো — রানওয়ের পেভমেন্টে অবনমন সৃষ্টির জন্য উল্লিখিত সবগুলো কারণই একসঙ্গে দায়ী। মনে রাখার টিপস: রানওয়ের অবনমন মনে রাখতে হলে ভারী চাকার চাপ, পাঞ্চিং এবং মাটির ভুল কম্প্যাকশন এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে মনে রাখতে হবে।
a Cl2
b O3
c ClO2
d সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো কেন সঠিক: - ক্লোরিন, ওজোন এবং ক্লোরিন ডাইঅক্সাইড প্রতিটি পদার্থই পানি শোধন বা জীবাণু মুক্ত করতে সরাসরি ব্যবহৃত হয়। - আধুনিক পানি শোধনাগারে রোগজীবাণু ধ্বংস করার জন্য এই রাসায়নিক উপাদানগুলো অত্যন্ত কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cl2 — এটি সঠিক উত্তর কিন্তু শুধু একা এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ বাকিগুলোও পানির জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) O3 — এটি সঠিক উত্তর কিন্তু একা ওজোন ব্যবহার করলে সম্পূর্ণ অপশনটি সঠিক হয় না কারণ ক্লোরিনও এর অন্তর্ভুক্ত। C) ClO2 — এটি সঠিক উত্তর কিন্তু এটি একা সঠিক নয় কারণ অন্য রাসায়নিকগুলোও এই কাজে ব্যবহৃত হয়। D) সবগুলো — এই অপশনের সবকটি উপাদানই পানির জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় এটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: পানির জীবাণুনাশক মনে রাখতে ক্লোরিন ও ওজোনের প্রথম অক্ষর এবং ক্লোরিন ডাইঅক্সাইড একসঙ্গে মনে রাখবে।
a Climate
b Cost of water
c মানুষের দৈহিক গঠন
d সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো কেন সঠিক: - জলবায়ু এবং পানির মূল্য মানুষের দৈনন্দিন পানির চাহিদাকে সরাসরি প্রভাবিত করে। - মানুষের শারীরিক গঠন ও জীবনযাত্রার মান পানি ব্যবহারের পরিমাণ নির্ধারণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Climate — জলবায়ু একা পানির চাহিদার একমাত্র কারণ নয়, কারণ পানির দাম ও মানুষের অভ্যাসও সমানভাবে প্রভাব ফেলে। B) Cost of water — পানির মূল্য এককভাবে চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করে না, আবহাওয়া এবং শারীরিক প্রয়োজনও এর সাথে জড়িত। C) মানুষের দৈহিক গঠন — মানুষের শারীরিক গঠন পানির চাহিদাকে প্রভাবিত করলেও জলবায়ু এবং দামের প্রভাবকেও অস্বীকার করা যায় না। D) সবগুলো — জলবায়ু, পানির মূল্য এবং মানুষের শারীরিক গঠন প্রতিটি ফ্যাক্টরই মাথাপিছু পানির চাহিদাকে প্রভাবিত করে বলে এটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: মাথাপিছু পানির চাহিদা নির্ধারণের ক্ষেত্রে আবহাওয়া, পানির দাম এবং মানুষের শারীরিক গঠন ও জীবনযাত্রা সবই একসাথে প্রভাব ফেলে।
a End support
b Intermediate support
c (ক) ও (খ)
d span-এর মধ্য বিন্দুতে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (ক) ও (খ) কেন সঠিক: - কন্টিনিউয়াস স্ল্যাব বা একাধিক স্প্যান বিশিষ্ট স্ল্যাবের ক্ষেত্রে সাপোর্টের ওপর হগিং মোমেন্ট বা নেগেটিভ বেন্ডিং মোমেন্ট উৎপন্ন হয়। - বিম বা স্ল্যাব যখন একাধিক স্প্যানের ওপর ক্রমাগত বিস্তৃত থাকে, তখন এন্ড সাপোর্ট এবং ইন্টারমিডিয়েট সাপোর্ট উভয় স্থানেই নেগেটিভ বেন্ডিং মোমেন্ট সৃষ্টি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) End support — এটি সঠিক হলেও কেবল একা এটি উত্তর নয়, কারণ ইন্টারমিডিয়েট সাপোর্টেও নেগেটিভ বেন্ডিং মোমেন্ট হয়। B) Intermediate support — এটি সঠিক হলেও কেবল একা এটি উত্তর নয়, কারণ এন্ড সাপোর্টেও নেগেটিভ বেন্ডিং মোমেন্ট হয়। C) (ক) ও (খ) — এটি সঠিক কারণ এন্ড সাপোর্ট এবং ইন্টারমিডিয়েট সাপোর্ট উভয় স্থানেই নেগেটিভ বেন্ডিং মোমেন্ট তৈরি হয়। D) span-এর মধ্য বিন্দুতে — এটি ভুল কারণ স্প্যানের মধ্য বিন্দুতে সাধারণত পজিটিভ বেন্ডিং মোমেন্ট বা স্যাগিং মোমেন্ট উৎপন্ন হয়। মনে রাখার টিপস: স্ল্যাবের ক্ষেত্রে সাপোর্টগুলোতে (এন্ড ও ইন্টারমিডিয়েট) নেগেটিভ মোমেন্ট এবং স্প্যানের মাঝখানে পজিটিভ মোমেন্ট হয়।
a One flange, two webs
b Two webs
c Two flanges, one web
d Two flanges
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Two flanges, one web কেন সঠিক: - চ্যানেল সেকশন হলো স্ট্রাকচারাল স্টিলের একটি রূপ যার প্রস্থচ্ছেদ ইংরেজি বর্ণমালা সি অক্ষরের মতো দেখায়। - এতে দুটি সমান্তরাল ফ্ল্যাঞ্জ থাকে যা একটি কেন্দ্রীয় ওয়েব দ্বারা সংযুক্ত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) One flange, two webs — এই গঠন চ্যানেল সেকশনের বিপরীত এবং এটি কোনো পরিচিত বা আদর্শ স্ট্রাকচারাল সেকশন নয়। B) Two webs — শুধুমাত্র দুটি ওয়েব দ্বারা কোনো চ্যানেল সেকশন গঠিত হতে পারে না কারণ ফ্ল্যাঞ্জ আবশ্যক। C) Two flanges, one web — এটি সঠিক কারণ একটি চ্যানেল সেকশনে দুটি ফ্ল্যাঞ্জ এবং একটি ওয়েব থাকে। D) Two flanges — শুধু দুটি ফ্ল্যাঞ্জ থাকলে তা কোনো সম্পূর্ণ চ্যানেল সেকশন তৈরি করতে পারে না, এর মাঝে ওয়েব থাকা জরুরি। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি সি আকৃতির চ্যানেল সেকশন মনে রাখতে মনে রাখবেন দুই মাথায় দুটি ফ্ল্যাঞ্জ এবং মাঝখানে একটি ওয়েব থাকে।
a Single time estimate
b Double time estimate
c Triple time estimate
d সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Single time estimate কেন সঠিক: - CPM বা Critical Path Method একটি নির্দিষ্ট নিয়মের ওপর কাজ করে যেখানে কাজের সময় নিশ্চিত থাকে। - এই পদ্ধতিতে প্রতিটি কাজের জন্য একটি মাত্র নির্ধারিত বা একক সময়ের প্রাক্কলন ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Single time estimate — এটি সঠিক কারণ CPM পদ্ধতিতে কাজের সময় নিশ্চিত ও নির্দিষ্ট থাকে। B) Double time estimate — এটি ভুল কারণ CPM-এ দ্বৈত সময়ের প্রাক্কলন করা হয় না। C) Triple time estimate — এটি ভুল কারণ তিনটি সময়ের প্রাক্কলন PERT পদ্ধতিতে ব্যবহার করা হয়, CPM-এ নয়। D) সবগুলো — এটি ভুল কারণ শুধুমাত্র অপশন এ সঠিক। মনে রাখার টিপস: CPM মানে সিঙ্গল টাইম, আর PERT মানে ট্রিপল টাইম।
a D60/D30
b D30/D10
c D60/D10
d D30/D60
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) D60/D10 কেন সঠিক: - মৃত্তিকা mechanics-এ Uniformity coefficient বা সুষমতা সহগুণক হলো মাটির কণার আকার বিতরণের একটি সূচক যা মাটির সুষমতা প্রকাশ করে। - এটি ৬০% কণা পাসের কার্যকর আকার এবং ১০% কণা পাসের কার্যকর আকারের অনুপাত হিসেবে হিসাব করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) D60/D30 — এটি মাটির কণার বক্রতার সহগুণক বা Coefficient of curvature নির্ণয়ের সূত্র নয় এবং এই নির্দিষ্ট অনুপাতে সুষমতা সহগুণক প্রকাশ করা যায় না। B) D30/D10 — এটি সুষমতা সহগুণকের সঠিক অনুপাত নয় এবং এর মাধ্যমে মাটির সামগ্রিক কণা বিতরণের সুষমতা সঠিকভাবে মাপা সম্ভব হয় না। C) D60/D10 — এটি সুষমতা সহগুণকের নিখুঁত এবং পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক অনুপাত যা সরাসরি মাটির কণার আকার বিতরণের বৈচিত্র্য নির্দেশ করে। D) D30/D60 — এটি লব ও হরের সঠিক ক্রম নয় কারণ সুষমতা সহগুণক বের করতে সবসময় বড় কণার আকার ছোট কণার আকার দিয়ে ভাগ করতে হয়। মনে রাখার টিপস: ইউমর্নিফটি বা সুষমতা মনে রাখতে ষাট এবং দশের অনুপাত অর্থাৎ ওপরের সংখ্যা ষাট এবং নিচের সংখ্যা দশ মনে রাখবে।
a Light construction
b Heavy construction
c Industrial construction
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Heavy construction কেন সঠিক: - এয়ারপোর্ট বা বিমানবন্দর নির্মাণ হলো বিশাল আকারের এবং জটিল প্রকৌশলগত অবকাঠামো প্রকল্প। - এই ধরনের বৃহৎ প্রকল্প অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং এটি হেভি কনস্ট্রাকশন বা ভারী নির্মাণ খাতের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Light construction — এটি ছোট আকারের ভবন বা আবাসিক নির্মাণ বোঝায়, যা বিমানবন্দর নির্মাণের মতো বিশাল কাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) Heavy construction — এটি বিমানবন্দর বা মহাসড়কের মতো বিশাল ও জটিল অবকাঠামোগত নির্মাণকাজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) Industrial construction — এটি মূলত কারখানা, উৎপাদন কেন্দ্র বা রিফাইনারি নির্মাণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা বিমানবন্দর থেকে ভিন্ন। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বিমান বা রানওয়ে অনেক ভারী ও বড় হয়, তাই এয়ারপোর্ট নির্মাণ সব সময় হেভি কনস্ট্রাকশন বা ভারী নির্মাণ হবে।
a 0.5
b 1
c 0
d 2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ কেন সঠিক: - সয়েল মেকানিক্সের সূত্র অনুযায়ী void ratio বা শূন্যতা অনুপাত হলো volume of voids এবং volume of solids এর অনুপাত। - প্রশ্নে volume of voids এবং volume of solids সমান বলা হয়েছে, তাই সমীকরণের লব ও হর সমান হওয়ায় মান ১ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.৫ — শূন্যতার পরিমাণ কঠিন পদার্থের অর্ধেক হলে এই মান আসত, যা প্রদত্ত শর্তের সঙ্গে মেলে না। B) ১ — এটি সঠিক উত্তর কারণ voids এবং solids এর পরিমাণ সমান হওয়ায় অনুপাত ১ হয়। C) ০ — voids এর পরিমাণ শূন্য হলে এই মান হতো, কিন্তু প্রশ্নে তা বলা নেই। D) ২ — voids এর পরিমাণ solids এর দ্বিগুণ হলে এই মান আসত, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: একই জাতীয় দুটি রাশির মান সমান হলে তাদের ভাগফল বা অনুপাত সবসময় ১ হয়।
a Tangential
b Normal
c Tangential ও Normal উভয়ই
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Normal কেন সঠিক: - প্রিন্সিপাল প্লেনে শেয়ার স্ট্রেস বা টেনজেন্টাল স্ট্রেসের মান শূন্য হয় এবং এই তলে শুধুমাত্র লম্বভাবে প্রযুক্ত নরমাল স্ট্রেস কাজ করে। - মেকানিক্স অফ ম্যাটেরিয়ালস বা স্ট্রেন্থ অফ মেটেরিয়ালস তত্ত্ব অনুযায়ী এই তলে প্রধান পীড়ন উৎপন্ন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tangential — এই তলে কোনো টেনজেন্টাল বা শেয়ার স্ট্রেস থাকে না কারণ শেয়ার স্ট্রেসের মান শূন্য হয়। B) Normal — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই তলে কেবল নরমাল স্ট্রেস কাজ করে। C) Tangential ও Normal উভয়ই — এই তলে শুধু নরমাল স্ট্রেস থাকে কিন্তু টেনজেন্টাল স্ট্রেস থাকে না। D) কোনটিই নয় — যেহেতু নরমাল অপশনটি সঠিক তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: প্রিন্সিপাল প্লেন মানেই হলো শেয়ার মুক্ত তল যেখানে কেবল নরমাল স্ট্রেস বা প্রধান পীড়ন কাজ করে।
a 1.15
b 1.25
c 1.5
d 1.75
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 1.5 কেন সঠিক: - আয়তাকার বা রেকট্যাঙ্গুলার বিমের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শিয়ার স্ট্রেস বিমের নিউট্রাল অ্যাকসিসে ঘটে। - গাণিতিক সূত্র অনুযায়ী আয়তাকার বিমের সর্বোচ্চ শিয়ার স্ট্রেস গড় শিয়ার স্ট্রেসের দেড় গুণ বা ১.৫ গুণ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1.15 — এই মানটি রেকট্যাঙ্গুলার বিমের জন্য প্রযোজ্য নয় এবং এটি একটি ভুল অনুপাত। B) 1.25 — এটি সার্কুলার বা বৃত্তাকার বিমের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ও গড় শিয়ার স্ট্রেসের অনুপাত। C) 1.5 — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা আয়তাকার বিমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। D) 1.75 — এই মানটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড বিম সেকশনের শিয়ার স্ট্রেসের অনুপাত নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: আয়তাকার বিম দেখলে ১.৫ মনে রাখবে, কারণ আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শিয়ার স্ট্রেস গড় মানের দেড় গুণ হয়।
a Cement
b Aggregate
c Bitumen
d Concrete
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Concrete কেন সঠিক: - স্ল্যাম্প টেস্টের মাধ্যমে মূলত তাজা বা ফ্রেশ কংক্রিটের ওয়ার্কাবিলিটি বা কর্মক্ষমতা পরিমাপ করা হয়। - এই পরীক্ষার সাহায্যে কংক্রিটের মিশ্রণে পানির সঠিক অনুপাত ও প্রবাহের ক্ষমতা যাচাই করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cement — সিমেন্ট হলো কংক্রিটের একটি বাইন্ডিং মেটেরিয়াল, যার নিজস্ব স্ল্যাম্প টেস্ট করা হয় না। B) Aggregate — এগ্রিগেট বা খোয়া কংক্রিটের উপাদান হলেও এর নির্দিষ্ট সাইজ ও গ্রেডিং পরীক্ষা করা হয়, স্ল্যাম্প টেস্ট নয়। C) Bitumen — বিটুমিন সড়ক নির্মাণে ব্যবহৃত একটি পিচ্ছিল ও粘ালু উপাদান, যার জন্য বিভিন্ন পেনিট্রেশন ও সফটনিং পয়েন্ট টেস্ট করা হয়। D) Concrete — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্ল্যাম্প টেস্ট বিশেষভাবে তাজা কংক্রিটের প্রবাহ ও ঘণত্ব যাচাইয়ের জন্যই নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: স্ল্যাম্প টেস্ট মানেই কংক্রিটের কাজ করার উপযোগিতা বা ওয়ার্কাবিলিটি মাপা।
a L/2
b L/3
c L/4
d 2L/3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) L/2 কেন সঠিক: - কলামের দুই প্রান্ত ফিক্সড বা আটকানো থাকলে বাকলিংয়ের সময় এর কার্যকরী দৈর্ঘ্য বা ইকুইভ্যালেন্ট লেন্থ মূল দৈর্ঘ্যের অর্ধেক হয়। - ফিক্সড এন্ড কলামের মাঝখানের অংশ বাঁক নেয়, যা মুক্ত প্রান্তের কলামের তুলনায় বেশি দৃঢ়তা প্রদান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) L/2 — এটি সঠিক উত্তর কারণ দুই প্রান্ত ফিক্সড থাকলে কার্যকরী দৈর্ঘ্য আসল দৈর্ঘ্যের অর্ধেক হয়। B) L/3 — এটি ভুল কারণ কলামের দুই প্রান্ত ফিক্সড থাকার কাঠামোগত শর্তের সাথে এই মানটি মিলে না। C) L/4 — এটি ভুল কারণ এক প্রান্ত ফিক্সড এবং অন্য প্রান্ত সম্পূর্ণ মুক্ত থাকলে কার্যকরী দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ হয়, এই মানের সাথে তার মিল নেই। D) 2L/3 — এটি ভুল কারণ এটি কলামের বিভিন্ন প্রান্তের অন্য কোনো বিশেষ সাপোর্টের অবস্থার জন্য প্রযোজ্য, দুই প্রান্ত ফিক্সড থাকার জন্য নয়। মনে রাখার টিপস: দুই প্রান্ত ফিক্সড থাকলে কলাম বেশি শক্তিশালী হয়, তাই এর কার্যকরী দৈর্ঘ্য অর্ধেক অর্থাৎ L/2 হয়ে যায়।
a 0.5
b 0
c 1
d 2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৫ কেন সঠিক: - পোরোসিটির সংজ্ঞা হলো শূন্যস্থানের আয়তন এবং মোট আয়তনের অনুপাত। - প্রশ্নে দেওয়া আছে শূন্যস্থানের আয়তন এবং কঠিন অংশের আয়তন সমান, তাই মোট আয়তন হলো শূন্যস্থানের দ্বিগুণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.৫ — শূন্যস্থানের আয়তন ও কঠিন অংশের আয়তন সমান হওয়ায় অনুপাতটি ০.৫ হয়। B) ০ — শূন্যস্থান না থাকলে পোরোসিটি শূন্য হতো, কিন্তু এখানে শূন্যস্থান বিদ্যমান। সি) ১ — শূন্যস্থানের আয়তন মোট আয়তনের সমান হলে পোরোসিটি ১ হতো, যা এখানে নয়। ডি) ২ — এটি পোরোসিটির ক্ষেত্রে একটি অসম্ভব মান কারণ পোরোসিটির মান কখনো ১-এর বেশি হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: শূন্যস্থান ও কঠিন অংশ সমান হলে পোরোসিটি হবে ঠিক অর্ধেক বা শূন্য দশমিক পাঁচ।
a ত্রিভুজ
b গোলাকার
c বর্গাকার
d আয়তাকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গোলাকার কেন সঠিক: - ট্রাফিক সাইন বা ট্রাফিক চিহ্ন আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী তিন ভাগে বিভক্ত, যার মধ্যে বাধ্যতামূলক বা ম্যান্ডেটরি সাইনগুলো সাধারণত আদেশ নির্দেশ করে। - এই বাধ্যতামূলক নির্দেশমূলক ট্রাফিক সাইনগুলোর সার্বজনীন ও আন্তর্জাতিক আকৃতি হলো গোলাকার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ত্রিভুজ — এটি মূলত সতর্কতামূলক বা ওয়ার্নিং ট্রাফিক সাইনের আকৃতি নির্দেশ করে। B) গোলাকার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি বাধ্যতামূলক ট্রাফিক সাইনের জন্য নির্ধারিত। C) বর্গাকার — এটি সাধারণত নির্দেশিকা বা ইনফরমেশন সাইনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। D) আয়তাকার — এটিও তথ্যমূলক বা বিভিন্ন দিকনির্দেশনা মূলক সাইন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: বাধ্যতামূলক নিয়ম সব সময় গোল বৃত্তের ভেতর মানতে হয়, তাই ম্যান্ডেটরি সাইন গোলাকার হয়।
a Linear
b Parabolic
c Cubic
d কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Parabolic কেন সঠিক: - সমভাবে বিস্তৃত লোডের ক্ষেত্রে বিমের বেন্ডিং মোমেন্ট সমীকরণ দ্বিতীয় ডিগ্রির বহুপদী বা পরাবৃত্তাকার হয়। - শেয়ার ফোর্স ডায়াগ্রামের ডিগ্রি এক এবং বেন্ডিং মোমেন্ট ডায়াগ্রামের ডিগ্রি দুই হওয়ায় শেপটি পরাবৃত্তাকার হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Linear — এটি পয়েন্ট লোড বা কেন্দ্রীভূত লোডের ক্ষেত্রে বেন্ডিং মোমেন্ট ডায়াগ্রামের শেপ হয়। B) Parabolic — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা ইউনিফর্মলি ডিস্ট্রিবিউটেড লোডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। C) Cubic — এটি এমন লোডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যার লোড ইন্টেনসিটি রৈখিকভাবে পরিবর্তিত হয়। D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: লোড রৈখিক হলে শেয়ার ফোর্স লিনিয়ার এবং বেন্ডিং মোমেন্ট প্যারাবোলিক হয়।
a Compressive Zone
b Tensile Zone
c Neutral Zone
d Tensile ও compressive উভয় Zone এ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Tensile Zone কেন সঠিক: - কংক্রিট কম্প্রেশন বা চাপ নিতে অত্যন্ত শক্তিশালী হলেও টেনশন বা টান নিতে খুবই দুর্বল হয়। - এই দুর্বলতা দূর করার জন্য Singly reinforced beam এর টেনশন জোনে রড বা রিইনফোর্সমেন্ট ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Compressive Zone — Singly reinforced beam এর এই অংশে কেবল কংক্রিট থাকে এবং আলাদা কোনো রড দেওয়া হয় না। B) Tensile Zone — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে রিইনফোর্সমেন্ট দেওয়া হয়। C) Neutral Zone — এই অংশে কম্প্রেশন ও টেনশনের মান শূন্য থাকে, তাই এখানে রডের কোনো প্রয়োজন হয় না। D) Tensile ও compressive উভয় Zone এ — এটি Doubly reinforced beam এর বৈশিষ্ট্য, Singly reinforced beam এ কেবল এক জোনে রড থাকে। মনে রাখার টিপস: কংক্রিট টানে দুর্বল, তাই টান বল সহ্য করতে Tensile Zone এ রড দিতে হয়।
a Linear
b Parabolic
c Cubic
d কোনোটিই নয়
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: A) Linear কেন সঠিক: - বিমের ওপর যখন সমভাবে বিস্তৃত লোড প্রয়োগ করা হয়, তখন শিয়ার ফোর্সের সমীকরণটি প্রথম মাত্রার সমীকরণ বা সরলরৈখিক সম্পর্ক প্রকাশ করে। - এই কারণে শিয়ার ফোর্স ডায়াগ্রামের আকৃতি একটি সরলরেখা বা লিনিয়ার হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Linear — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ লোডের মাত্রা অনুযায়ী শিয়ার ফোর্স সরলরৈখিক রেখা তৈরি করে। B) Parabolic — সমভাবে বিস্তৃত লোডের ক্ষেত্রে বেন্ডিং মোমেন্ট ডায়াগ্রাম প্যারাবলিক হয়, শিয়ার ফোর্সের ক্ষেত্রে নয়। C) Cubic — ঘন আকৃতির ডায়াগ্রাম ত্রিঘাত লোডের ক্ষেত্রে দেখা যায়, যা এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: লোড এক ডিগ্রি বাড়লে শিয়ার ফোর্স এক ডিগ্রি এবং বেন্ডিং মোমেন্ট দুই ডিগ্রি বৃদ্ধি পায়।
a 0
b 4
c 2
d 10
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 0 কেন সঠিক: - CPM বা Critical Path Method এ Critical activity হলো সেই কাজ যার Total Float বা Total Slack এর মান শূন্য হয়। - Total Float শূন্য হওয়ার অর্থ হলো এই কাজের সময় পরিবর্তন হলে পুরো প্রকল্পের সময়ও বিলম্বিত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0 — এটি সঠিক উত্তর কারণ Critical activity এর মোট সময় বা float এর মান শূন্য হয়। B) 4 — এটি ভুল কারণ Critical activity এর মান কোনো ধনাত্মক সংখ্যা হতে পারে না, এটি শূন্য হয়। C) 2 — এটি ভুল কারণ এটি সাধারণ বা non-critical activity এর float নির্দেশ করতে পারে, critical এর নয়। D) 10 — এটি ভুল কারণ এত বেশি মানের float থাকলে তা কোনোভাবেই critical activity হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: Critical মানেই কোনো ছাড় নেই, তাই এর Float বা Slack সবসময় শূন্য হয়।
a Column head
b Panel
c Drop
d Capital
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Column head কেন সঠিক: - ফ্ল্যাট স্ল্যাব সিস্টেমে কলামের উপরের অংশটি কিছুটা প্রসারিত হয়ে কলাম হেড বা ক্যাপিটেল হিসেবে কাজ করে এবং স্ল্যাব থেকে আসা লোড কলামে স্থানান্তর করে। - এটি স্ল্যাব ও কলামের সংযোগস্থলের শিয়ারিং বা কাটার স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Column head — এটি সঠিক উত্তর কারণ কলামের শীর্ষদেশ স্ল্যাবকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য একটু বড় বা প্রশস্ত করা হয়। B) Panel — এটি ফ্ল্যাট স্ল্যাবের ভেতরের অংশ বিশেষ, যা কলাম স্ট্রিপের অংশ হিসেবে মোমেন্ট ও শিয়ার প্রতিহত করে। C) Drop — এটি কলামের চারপাশে স্ল্যাবের নিচের দিকে সামান্য নামানো বা অতিরিক্ত পুরু অংশ, যা কলাম হেডের সাথে যুক্ত থাকে। D) Capital — এটি কলামের ওপরের প্রশস্ত অংশ, যা সাধারণত ঐতিহ্যবাহী কলাম বা মাশরুম স্ল্যাবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: কলামের ঠিক মাথার অংশটি হলো কলাম হেড আর স্ল্যাবের নিচের পুরু অংশ হলো ড্রপ।
a Tensile zone
b Compressive zone
c Neutral zone এবং tensile zone
d Tensile ও compressive zone
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Tensile ও compressive zone কেন সঠিক: - কংক্রিট সংকোচনে শক্তিশালী হলেও টান বল সহ্য করতে পারে না, তাই টেনসাইল জোনে স্টিল দেওয়া হয়। - বিমের লোড বা মোমেন্ট যখন অনেক বেশি হয়, তখন কেবল নিচের টেনসাইল জোন নয়, ওপরের কম্প্রেন্সিভ জোনেও অতিরিক্ত স্টিল রিইনফোর্সমেন্টের প্রয়োজন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tensile zone — শুধু এখানে স্টিল দিলে তা সিঙ্গেল রিইনফোর্সড বিম হয়, যা উচ্চ লোডের জন্য যথেষ্ট নয়। B) Compressive zone — কেবল এখানে স্টিল দেওয়া হয় না, কারণ বিমের নিচে টান বলের কারণে টেনসাইল জোনেও স্টিল দিতে হয়। C) Neutral zone এবং tensile zone — নিউট্রাল জোনে কোনো প্রকার শেয়ার বা বেন্ডিং স্ট্রেস কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করতে স্টিল দেওয়া হয় না। D) Tensile ও compressive zone — এই অপশনটি সঠিক কারণ ডাবল রিইনফোর্সড বিমে ওপরের কম্প্রেশন জোন এবং নিচের টেনশন জোন উভয় স্থানেই স্টিল রড ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: সিঙ্গেল মানে শুধু নিচে অর্থাৎ টেনসাইল জোন, আর ডাবল মানে ওপরে এবং নিচে অর্থাৎ কম্প্রেন্সিভ ও টেনসাইল উভয় জোনেই স্টিল।
a 5mm
b 10mm
c 15mm
d 20mm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 10mm কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড বা বিএনবিসি অনুযায়ী কলামের ল্যাটারাল টাইসের ন্যূনতম ব্যাস ১০ মিলিমিটার বা মেইন রডের ব্যাসের এক-চতুর্থাংশ হতে হবে। - স্ট্রাকচারাল ডিজাইনে কলামের বাংক্লিং প্রতিরোধ এবং মেইন রডগুলোকে সঠিকভাবে ধরে রাখতে এই মাপের ল্যাটারাল টাইস ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 5mm — এটি কলামের ল্যাটারাল টাইসের জন্য অত্যন্ত কম এবং কোডের নির্দেশিকা অনুযায়ী অপর্যাপ্ত। B) 10mm — এটি কলামের ল্যাটারাল টাইসের জন্য নির্ধারিত সঠিক ও ন্যূনতম নিরাপদ ব্যাস। C) 15mm — এটি সাধারণত সাধারণ কলামের টাইসের জন্য প্রয়োজনের তুলনায় বেশি এবং এটি বড় কলাম বা বিশেষ ডিজাইনে ব্যবহৃত হতে পারে। D) 20mm — এটি ল্যাটারাল টাইসের ব্যাস নয়, বরং এটি সাধারণত মাঝারি বা বড় আকারের মেইন রডের ডায়ামিটার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: কলামের শক্তি বাড়াতে এবং রড বাঁকা হওয়া রোধ করতে ল্যাটারাল টাইসের সর্বনিম্ন ব্যাস সবসময় ১০ মিলিমিটার ধরতে হবে।
a 40mm
b 25mm
c 50mm
d 15mm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 25mm কেন সঠিক: - রেললাইনের পয়েন্টস এবং ক্রসিং অংশে ট্রেনের অতিরিক্ত চাপ ও ঘর্ষণ সামলানোর জন্য অপেক্ষাকৃত ছোট আকারের ব্যালাস্ট বা পাথর ব্যবহার করা হয়। - আদর্শ নিয়ম অনুযায়ী এই বিশেষ অংশগুলোতে ২৫ মিলিমিটার সাইজের ব্যালাস্ট ব্যবহার করা হয় যাতে ভালোভাবে ট্যাকিং ও কম্প্যাকশন করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 40mm — এটি সাধারণ মেইন লাইনে ব্যবহৃত ব্যালাস্টের সাইজ, যা পয়েন্টস এবং ক্রসিংয়ের জন্য খুব বড়। B) 25mm — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মাপের পাথর পয়েন্টস এবং ক্রসিংয়ের ক্ষুদ্র স্থানে নিখুঁতভাবে ফিট হয়। C) 50mm — এটি অনেক বড় সাইজের পাথর যা সাধারণত রেলপথের সাধারণ ট্র্যাকে ব্যবহার করা হয় না। D) 15mm — এটি অতিরিক্ত ছোট সাইজের পাথর, যা রেললাইনের লোড বা ওজন সঠিকভাবে বহন করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: পয়েন্টস ও ক্রসিং জটিল স্থান হওয়ায় সেখানে ছোট অর্থাৎ পঁচিশ মিলিমিটার বা ২৫মিমি সাইজের পাথর লাগে।
a Vicat
b Casagrande
c Proctor
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Vicat কেন সঠিক: - ভিকাট অ্যাপারেটাস সিমেন্টের স্ট্যান্ডার্ড কনসিস্টেন্সি বা স্বাভাবিক পরিমিতি এবং সেটিং টাইম নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়। - এই যন্ত্রের মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমাণ পানির সঙ্গে মিশ্রিত সিমেন্টের পেস্টের ভেদ্যতা বা ঘনত্ব নিখুঁতভাবে মাপা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vicat — এটি সিমেন্টের কনসিস্টেন্সি ও সেটিং টাইম নির্ণয়ের সঠিক ও নির্দিষ্ট যন্ত্র। B) কাজাগ্রান্দে — এটি মৃত্তিকা মেকানিক্সে মাটির লিকুইড লিমিট বা তারল্য সীমা নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়। C) প্রোক্টর — এটি মাটির কমপ্যাকশন বা ঘনীভবন পরীক্ষার মাধ্যমে সর্বোচ্চ শুষ্ক ঘনত্ব ও অপটিমাম ময়েশ্চার কন্টেন্ট নির্ণয় করে। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক অপশন এ তালিকায় বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: সিমেন্ট পেস্টের সামঞ্জস্য বা কনসিস্টেন্সির কথা থাকলেই ভিকাট বা Vicat apparatus এর নাম মনে রাখবে।