বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১।

পদের নাম: উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

a কায়কোবাদ
b ফররুখ আহমদ
c বিহারীলাল চক্রবর্তী
d জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিহারীলাল চক্রবর্তী ১. কেন সঠিক: - বিহারীলাল চক্রবর্তীকে আধুনিক বাংলা কবিতার ভোরের পাখি বলা হয় কারণ তিনি মধ্যযুগের পীর ও কৃত্রিমতা থেকে বাংলা কবিতাকে মুক্ত করেছিলেন। - রবীন্দ্রপূর্ব যুগের এই কবি প্রথম তাঁর কবিতায় আধুনিক গীতিকবিতার আত্মিক প্রকাশ ও ব্যক্তিগত অনুভূতির সার্থক রূপায়ন ঘটিয়েছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা গীতি কাব্যের ধারার প্রবর্তক এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে গভীরভাবে শ্রদ্ধা করতেন। - তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে সারদামঙ্গল, সাধুসঙ্গ এবং বঙ্গসুন্দরী অন্যতম যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সারদামঙ্গল কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটি বিহারীলাল চক্রবর্তীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্য এবং বাংলা গীতিকবিতার ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল। উদাহরণ ২: বঙ্গসুন্দরী কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এই কাব্যে কবি বাঙালি নারীর রূপ ও গুণ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন যা আধুনিক কবিতার একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কায়কোবাদ — কায়কোবাদ বাংলা মহাকাব্যের ধারার একজন বিশিষ্ট কবি হলেও তাঁকে ভোরের পাখি বলা হয় না। B) ফররুখ আহমদ — ফররুখ আহমদ বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতিমান মুসলিম রেনেসাঁস ও ইসলামী ভাবধারার কবি। C) বিহারীলাল চক্রবর্তী — এটি সঠিক উত্তর। D) জীবনানন্দ দাশ — জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলার কবি ও নির্জনতার কবি হিসেবে পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভোরের পাখি মানে ভোরে যে পাখি সবার আগে গান গায়, তেমনি বাংলা আধুনিক কবিতার ভোরে প্রথম গান গেয়েছিলেন বিহারীলাল চক্রবর্তী। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যাঁকে গুরুর মতো শ্রদ্ধা করতেন, তিনিই হলেন এই ভোরের পাখি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের ছদ্মনাম বা উপাধি প্রায়ই আসে, যেমন ভোরের পাখি মানে বিহারীলাল চক্রবর্তী। - সাহিত্যিকদের এই উপাধিগুলো মনে রাখলে খুব সহজে এক নম্বরের উত্তর করা সম্ভব হয়।
a সভা বর্জন
b নিয়মিত হাঁটা
c কর্ম-পরিকল্পনা
d হরতাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সভা বর্জন ১. কেন সঠিক: - 'Walk-out' একটি ইংরেজি পারিভাষিক শব্দ যার বাংলা অর্থ সভা বা কক্ষ থেকে প্রতিবাদস্বরূপ দলগতভাবে বাইরে চলে যাওয়া। - সংসদে বা কোনো সভা-সেমিনারে কোনো প্রস্তাবের প্রতিবাদ জানাতে সদস্যরা যখন একসঙ্গে কক্ষ ত্যাগ করেন, তাকে 'সভা বর্জন' বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো সেই শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্র বা বিজ্ঞানের ভাব প্রকাশ করার জন্য নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়। - ইংরেজি প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক পরিভাষার ভাবানুবাদ করে বাংলায় সঠিক ও প্রমিত শব্দ তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা বাজেট বক্তৃতার প্রতিবাদে ওয়াকআউট করলেন। ব্যাখ্যা: এখানে 'ওয়াকআউট' বা 'সভা বর্জন' রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রতিবাদ জানানোর মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: অনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সভায় উপস্থিত সকল সদস্য সভা বর্জন করলেন। ব্যাখ্যা: দলগতভাবে কোনো সভা ত্যাগ করার ক্ষেত্রে এই পরিভাষাটি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সভা বর্জন — এটি 'Walk-out' শব্দের সঠিক ও প্রমিত বাংলা পারিভাষিক রূপ। B) নিয়মিত হাঁটা — এটি Walk-out শব্দের আক্ষরিক অনুবাদ হতে পারে, কিন্তু পরিভাষার দিক থেকে এটি সম্পূর্ণ ভুল। C) কর্ম-পরিকল্পনা — এর ইংরেজি পরিভাষা হলো Work plan, যা প্রদত্ত শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) হরতাল — এর ইংরেজি পরিভাষা হলো Strike বা General strike, যা সভা বর্জনের সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - Walk অর্থ হাঁটা এবং Out অর্থ বাইরে যাওয়া। অর্থাৎ, কোনো সভা থেকে হেঁটে বাইরে চলে যাওয়া মানেই হলো সভা বর্জন করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি পারিভাষিক শব্দের সঠিক বাংলা রূপ প্রায়ই আসে। - সভা সংক্রান্ত পরিভাষায় Walk-out মানে সভা বর্জন এবং Boycott মানে সাধারণভাবে বর্জন করা।
a আবদুল গাফফার চৌধুরী
b আলতাফ মাহমুদ
c আলাউদ্দিন আলী
d সুবল দাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আলতাফ মাহমুদ ১. কেন সঠিক: - 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির সফল ও জনপ্রিয় সুরকার শহীদ বুদ্ধিজীবী আলতাফ মাহমুদ। - ১৯৫৩ সালে আবদুল গাফফার চৌধুরীর লেখা এই গানে প্রথম সুর দিয়েছিলেন লতিফ আব্দুল জন্মগ্রহণকারী এবং পরবর্তী সময়ে আলতাফ মাহমুদ ১৯৫৪ সালে বর্তমানের অমর সুরটি সংযোজন করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শহীদ আলতাফ মাহমুদ ছিলেন একাধারে একজন প্রখ্যাত সুরকার, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় সংগঠক যিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন। - এই গানটির প্রথম রচিয়তা ও গীতিকার হলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী এবং এর প্রথম কণ্ঠশিল্পী ছিলেন আব্দুল লতিফ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'আমার দেশ বাংলাদেশ' ব্যাখ্যা: এটিও আলতাফ মাহমুদের সুর করা একটি অত্যন্ত দেশপ্রেমমূলক ও পরিচিত গান। উদাহরণ ২: 'চলে যায় যদি দিন যাক না' ব্যাখ্যা: এটিও শহীদ আলতাফ মাহমুদের সুর করা একটি বিখ্যাত গান যা বাঙালি সংস্কৃতিতে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবদুল গাফফার চৌধুরী — তিনি এই গানের গীতিকার বা রচিয়তা, সুরকার নন। B) আলতাফ মাহমুদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই অমর গানটির মূল সুরকার। C) আলাউদ্দিন আলী — তিনি বাংলা চলচ্চিত্রের একজন প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক হলেও এই গানের সুরকার নন। D) সুবল দাস — তিনি বাংলা গানের প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক হলেও এই ঐতিহাসিক গানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। ৫. মনে রাখার টিপস: - গান লেখার ক্ষেত্রে গাফফার ভাই আর সুর দেওয়ার ক্ষেত্রে আলতাফ ভাইয়ের কথা মনে রাখলেই বিভ্রান্তি দূর হবে। - মনে রাখবে লেখা আবদুল গাফফার চৌধুরী এবং সুর আলতাফ মাহমুদের। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাষা আন্দোলনভিত্তিক যেকোনো গানের গীতিকার ও সুরকার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই সঙ্গে এই গানের প্রথম গায়ক বা প্রথম সুরকার কে ছিলেন, সে বিষয়েও স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
a নির্বাসিতা
b পদ্মারাগ
c রায়নন্দিনী
d সুলতানার স্বপ্ন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পদ্মারাগ ১. কেন সঠিক: - পদ্মারাগ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসে নারী শিক্ষা, নারীর অর্থনৈতিক মুক্তি এবং সমাজ সংস্কারের জোরালো বার্তা তুলে ধরা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বাঙালি নারী জাগরণের অগ্রদূত এবং একাধারে প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও সমাজসংস্কারক। - তাঁর সাহিত্যকর্মে নারী সমাজের ওপর চলা অকথ্য নির্যাতন ও বৈষম্যের চিত্র অত্যন্ত সাবলীলভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুলতানার স্বপ্ন ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত কল্পবিজ্ঞানমূলক নারীবাদী সাহিত্যকর্ম, যা মূলত ইংরেজি ভাষায় রচিত লেডিস ড্রিম ল্যান্ডের বাংলা অনুবাদ। উদাহরণ ২: মতিচূর ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত প্রববন্ধগ্রন্থ, যেখানে নারীদের অধিকার ও সমাজ সংস্কারমূলক বিভিন্ন প্রবন্ধ সংকলিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নির্বাসিতা — এটি বেগম রোকেয়ার কোনো মৌলিক উপন্যাস নয় এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভ্রান্ত করার জন্য এই অপশনটি ব্যবহার করা হয়। B) পদ্মারাগ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বেগম রোকেয়া রচিত একমাত্র পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস। C) রায়নন্দিনী — এটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, বেগম রোকেয়ার নয়। D) সুলতানার স্বপ্ন — এটি বেগম রোকেয়ার রচিত উপন্যাস নয়, এটি তাঁর বিখ্যাত একটি কল্পবিজ্ঞানমূলক ও নারীবাদী ছোটগল্প বা রূপক রচনা। ৫ মনে রাখার টিপস: - রোকেয়ার উপন্যাস মনে রাখার সহজ উপায় হলো প্রবাল বা পদ্মারাগ একটি রত্নের নাম, আর বেগম রোকেয়ার একমাত্র উপন্যাসও পদ্মারাগ। - প্রবন্ধগ্রন্থের জন্য মতিচূর এবং কল্পবিজ্ঞানের জন্য সুলতানার স্বপ্ন মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেগম রোকেয়ার উপন্যাস কোনটি, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। - উপন্যাস পদ্মারাগ এবং প্রবন্ধ মতিচূর ও সুলতানার স্বপ্ন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a ধ্বনি
b শব্দ
c বর্ণ
d ধাতু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনি ১. কেন সঠিক: মানুষের বাক প্রত্যঙ্গের সাহায্যে উচ্চারিত অর্থপূর্ণ আওয়াজ বা ধ্বনিই হলো ভাষার মূল ভিত্তি। মুখের ভেতর অবস্থিত বিভিন্ন অঙ্গ যেমন কণ্ঠ, তালু, মূর্ধা, দন্ত ও ওষ্ঠের সাহায্যে এই আওয়াজ উৎপাদিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি যা কান দিয়ে শোনা যায় এবং যার নির্দিষ্ট অর্থ থাকে। বাক প্রত্যঙ্গ বলতে ফুসফুস তাড়িত বাতাস মুখবিবরের বিভিন্ন অংশে বাধা পেয়ে যে আওয়াজ তৈরি করে তাকে বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ক, খ ব্যাখ্যা: এগুলি মানুষের বাক প্রত্যঙ্গ দিয়ে উচ্চারিত মৌলিক ধ্বনি। উদাহরণ ২: ম, ন, প ব্যাখ্যা: এগুলি উচ্চারণ করার সময় ঠোঁট বা মুখের ভেতর বিভিন্ন প্রত্যঙ্গের সাহায্য নিতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনি — এটি বাক প্রত্যঙ্গের সাহায্যে উচ্চারিত আওয়াজ নির্দেশ করে। B) শব্দ — এক বা একাধিক ধ্বনি মিলিত হয়ে যখন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে শব্দ বলে। C) বর্ণ — ধ্বনির লিখিত রূপ বা প্রতীককে বর্ণ বলা হয়, উচ্চারিত আওয়াজ নয়। D) ধাতু — ক্রিয়ামূলকে ধাতু বলা হয় যা শব্দের উৎস নির্দেশ করে, উচ্চারিত আওয়াজ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক প্রত্যঙ্গ দিয়ে যা উচ্চারিত হয় তা হলো ধ্বনি এবং যা চোখে দেখা যায় বা লেখা হয় তা হলো বর্ণ। উচ্চারণ বা কান দিয়ে শোনা সম্পর্কিত প্রশ্ন এলে উত্তর সবসময় ধ্বনি হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভাষার মূল উপাদান বা ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি আর লেখার ক্ষুদ্রতম একক হলো বর্ণ। এই ধরনের প্রশ্নে ধ্বনি ও বর্ণের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a ভাষা আন্দোলন
b গণঅভ্যুত্থান
c দেশভাগ
d মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুক্তিযুদ্ধ ১. কেন সঠিক: - হুমায়ুন আহমেদের 'জোছনা ও জননীর গল্প' উপন্যাসটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি কালজয়ী রচনা। - উপন্যাসের মূল ক্যানভাসজুড়ে রয়েছে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং এর আগের ঐতিহাসিক পটভূমি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - লেখক হুমায়ুন আহমেদ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। - এটি তাঁর একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যেখানে সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগ ও বীরত্বের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের দিনগুলি ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমামের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ। উদাহরণ ২: আগুনের পরশমণি ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ুন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষা আন্দোলন — ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস হলো শওকত ওসমানের 'দিনের পর দিন' বা সেলিনা হোসেনের 'নিরন্তর ঘন্টাধ্বনি'। B) গণঅভ্যুত্থান — এই উপন্যাসটি ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান বা অন্য কোনো ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত নয়। C) দেশভাগ — দেশভাগ বা ১৯৪৭ সালের ভারত বিভাজন নিয়ে হাসান আজিজুল হকের 'আগুনপাখি' উপন্যাস রচিত হয়েছে। D) মুক্তিযুদ্ধ — এই অপশনটি সঠিক কারণ উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। ৫ মনে রাখার টিপস: - হুমায়ুন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের মধ্যে 'জোছনা ও জননীর গল্প' সবচেয়ে বড় কলেবরের কাজ। - মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি মনে রাখতে উপন্যাসের নামের জননী শব্দটিকে প্রতীক হিসেবে ধরতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় হুমায়ুন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ও নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখকের অন্যান্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সৃষ্টি যেমন চলচ্চিত্র 'শ্যামল ছায়া' সম্পর্কেও ধারণা রাখবে।
a লিকলিকে
b লম্বা-চাওড়া
c মন্দভাগ্য
d মোটাচোটা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লম্বা-চাওড়া ১. কেন সঠিক: 'দশাসই' শব্দটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর আকৃতি বা গঠন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এর মূল অর্থ হলো আকারে বিশাল, প্রকাণ্ড বা লম্বা-চাওড়া। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি বিশিষ্ট শব্দ বা শব্দের উৎস ও অর্থ বিষয়ক প্রশ্ন। বাংলা শব্দভান্ডারে কিছু শব্দ রয়েছে যা বিশেষ কোনো অবয়ব বা আকৃতি প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার শরীরটা বেশ দশাসই গড়ে উঠেছে। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যক্তির বিশাল বা স্বাস্থ্যবান আকৃতি বোঝাতে দশাসই শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ঘরের কোণে একটা দশাসই সিন্দুক রাখা আছে। ব্যাখ্যা: এখানে সিন্দুকের বড় আকৃতি বা প্রকাণ্ড রূপ বোঝাতে শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিকলিকে — এই শব্দটির অর্থ অতিশয় রোগা বা সরু, যা দশাসই শব্দের বিপরীত। B) লম্বা-চাওড়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বিশাল বা প্রকাণ্ড। C) মন্দভাগ্য — এই শব্দটির অর্থ যার ভাগ্য খারাপ, যা আকৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) মোটাচোটা — এই শব্দটি কিছুটা স্থূল বা ভারী বোঝায়, কিন্তু প্রকাণ্ড বা লম্বা-চাওড়া অর্থে দশাসই সবচেয়ে উপযোগী। ৫. মনে রাখার টিপস: দশাসই মানে দশ জন মানুষের সমান সাইজ বা বড় আকৃতি। এভাবে মনে রাখলে শব্দটি দীর্ঘকাল স্মরণে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ থেকে প্রায়ই এমন প্রশ্ন আসে। প্রমিত শব্দের সঠিক অর্থ জানতে নিয়মিত ভালো মানের শব্দকোষ চর্চা করতে হবে।
a ফ্রান্সিসকো পেত্রার্কা
b উইলিয়াম শেক্সপিয়ার
c মাইকেল মধুসূদন দত্ত
d জন মিল্টন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক বা জনক হলেন মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কার সনেটের আদলে বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালে প্রবাসে অবস্থানকালে ববিয়ড ও চতুর্দশপদী কবিতা রচনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে সনেটের সূচনা করেন। তাঁর 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী' বাংলা সনেটের প্রথম পূর্ণাঙ্গ সংকলন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গভাষা ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা একটি বিখ্যাত সনেট। উদাহরণ ২: কপোতাক্ষ নদ ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সনেট। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্সিসকো পেত্রার্কা — তিনি ইতালীয় সনেটের জনক, বাংলা ভাষার সনেটের জনক নন। B) উইলিয়াম শেক্সপিয়ার — তিনি ইংরেজি সনেটরীতির অন্যতম প্রবক্তা, বাংলা ভাষার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই। C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর, তাই কোনো ভুল নেই। D) জন মিলتون — তিনি ইংরেজি মহাকাব্যের জন্য বিখ্যাত, বাংলা সনেটের জনক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলা সনেটের জনক মনে রাখতে মধুসূদন ও সনেট শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখবে। পেত্রার্কা বিশ্ব সনেটের জনক আর মধুসূদন বাংলা সনেটের জনক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সনেটের জনক এবং প্রথম সনেট সংকলন সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। চতুর্দশপদী কবিতাবলী গ্রন্থটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা এটি ভালোভাবে মনে রাখবে।
a কানে প্রলেপ দেওয়া
b কানে ওজনদার গহনা পরা
c কানে কম শোনা
d কু পরামর্শ দেওয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কু পরামর্শ দেওয়া ১. কেন সঠিক: 'কান ভারী করা' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ কানের মধ্যে কোনো কিছু প্রবেশ করানো হলেও ভাবার্থ বা প্রাগুক্ত রূপক অর্থে এটি কু পরামর্শ দেওয়া, চোগলখুরি করা বা কারও বিরুদ্ধে গোপনে অপপ্রচার চালানো বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ তাদের সাধারণ বা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে সম্পূর্ণ ভিন্ন ও বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে বাগধারা বলে। 'কান ভারী করা' বাগধারাটি মানুষের কান বা শোনার ইন্দ্রিয়কে ব্যবহার করে কুচক্রী মানুষের অপচেষ্টা ও চুগলখুরির স্বভাবকে প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মন্ত্রীর কানে নানা কথা তুলে তার মন বিষিয়ে দেওয়া হলো। ব্যাখ্যা: এটি দিয়ে কারও বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর ভাব প্রকাশ পায়। উদাহরণ ২: সহকর্মীর বিরুদ্ধে বসের কাছে কান ভারী করা তার স্বভাব। ব্যাখ্যা: এখানে কু পরামর্শ দেওয়া বা চোগলখুরি করার অর্থ স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানে প্রলেপ দেওয়া — এটি বাগধারার প্রচলিত কোনো বিশেষ অর্থ বহন করে না এবং এটি সম্পূর্ণ শাব্দিক ও অর্থহীন। B) কানে ওজনদার গহনা পরা — এটি গহনা পরিধান করার বাস্তব অবস্থা বোঝালেও বাগধারার রূপক অর্থের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। C) কানে কম শোনা — এটি শারীরিক অক্ষমতা নির্দেশ করে, যা কোনো প্রবচন বা বাগধারার অন্তর্নিহিত রূপক অর্থ নয়। D) কু পরামর্শ দেওয়া — এটি 'কান ভারী করা' বাগধারার সঠিক ও অভিধানসম্মত ভাবার্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: কান ভারী করা মানে কারও কানে খারাপ কথা ঢেলে তার মাথা খারাপ করে দেওয়া বা কু পরামর্শ দেওয়া। এভাবে কান ও খারাপ পরামর্শের সম্পর্ক মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংশ্লিষ্ট বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। কান, মুখ, চোখ ও হাত সম্পর্কিত বাগধারাগুলোর ভাবার্থ বিশেষভাবে চর্চা করবে।
a মুনীর চৌধুরী
b জসিম উদ্দীন
c আল মাহমুদ
d আনিস চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুনীর চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - কবর নাটকটির রচয়িতা শহিদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী। - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় তিনি এই ঐতিহাসিক নাটকটি রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী ১৯২৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে শহিদ হন। - কবর নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে ভাষাভিত্তিক প্রথম প্রতিবাদী ও সফল নাটক হিসেবে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রক্তমুখা নেকড়ে ব্যাখ্যা: এটিও মুনীর চৌধুরী রচিত একটি বিখ্যাত নাটক, যা আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে লেখা। উদাহরণ ২: দন্ডকারণ্য ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরীর আরেকটি পরিচিত নাটক, যা তার নাট্যশিল্পের উৎকর্ষ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুনীর চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনিই ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে কবর নাটকটি রচনা করেছেন। B) জসিম উদ্দীন — তিনি বিখ্যাত পল্লীকবি এবং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম কবর, যা নাটকের সঙ্গে মিলে যায় কিন্তু নাটকটির রচয়িতা নন। C) আল মাহমুদ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, কবর নাটকের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। D) আনিস চৌধুরী — তিনি একজন বিশিষ্ট নাট্যকার হলেও কবর নাটকের রচয়িতা হিসেবে পরিচিত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - পল্লীকবি জসিম উদ্দীনের বিখ্যাত কবিতার নাম কবর এবং মুনীর চৌধুরীর বিখ্যাত নাটকের নাম কবর। - পরীক্ষায় কনফিউজড না হয়ে খেয়াল রাখবে যে কবিতা বললে জসিম উদ্দীন এবং নাটক বললে মুনীর চৌধুরী হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কবর নাটকটি প্রথম মঞ্চস্থ হয় ১৯৫৩ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দিদের দ্বারা। - ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত নাটকগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ও পরীক্ষাগারে বারবার আসা একটি প্রশ্ন।
a বারিধি
b অর্ণব
c উদক
d জলেশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উদক ১. কেন সঠিক: - উদক শব্দের অর্থ পানি বা জল যা সরাসরি জলের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - বাংলা ব্যাকরণে শব্দের উৎস ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সংস্কৃত ও প্রমিত রূপের মিল থাকা জরুরি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের অর্থ একই বা প্রায় একই রকম হয়। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সমার্থক শব্দগুলোর একটি বড় অংশ সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পানি ব্যাখ্যা: জল শব্দের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত প্রমিত সমার্থক শব্দ হলো পানি। উদাহরণ ২: সলিল ব্যাখ্যা: এটিও জলের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও গুরুত্বপূর্ণ সমার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বারিধি — বারিধি শব্দের অর্থ সমুদ্র কারণ বারি শব্দের সাথে ধি যুক্ত হয়ে সমুদ্র বোঝায়। B) অর্ণব — অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র বা মহাসাগর যা জলের আধার হলেও জল নয়। C) উদক — এটি সঠিক উত্তর। D) জলেশ — জলেশ শব্দের অর্থ জলের ঈশ্বর বা বরুণ দেবতাকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - জলের সমার্থক শব্দ মনে রাখতে পানি, সলিল, উদক, নীর এই চারটি শব্দ একসাথে চর্চা করবে। - সমুদ্রের সমার্থক শব্দের সাথে জলের সমার্থক শব্দের পার্থক্য খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জল এবং সমুদ্রের সমার্থক শব্দ মিলিয়ে ফেলা যাবে না। - ধি বা নিধি যুক্ত শব্দ সাধারণত সমুদ্র বোঝায় আর সরাসরি শব্দগুলো জল বোঝায়।
a চিলেকোঠার সেপাই
b জাহান্নাম হইতে বিদায়
c হাজার বছর ধরে
d সূর্য সবুজ রক্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জাহান্নাম হইতে বিদায় ১. কেন সঠিক: জাহান্নাম হইতে বিদায় উপন্যাসটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পটভূমিতে রচিত। এই উপন্যাসে লেখকের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার আলোকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের বর্বরতা এবং বাঙালি জাতির সশস্ত্র প্রতিরোধের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসের রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও শহীদ জননী জাহানারা ইমাম। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বাংলা সাহিত্যের উপন্যাসগুলোর মধ্যে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রামাণ্য একটি দলিল হিসেবে স্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাবেয়া খাতুনের মেঘের অনেক রঙ ব্যাখ্যা: এটিও মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা যুদ্ধের পটভূমিতে মানুষের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের জনক ও জননী ব্যাখ্যা: শওকত ওসমান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অনেক উপন্যাস ও গল্প লিখেছেন, যা এই ধারার সাহিত্যের একটি বিশেষ অংশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চিলেকোঠার সেপাই — এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস হলেও এর মূল পটভূমি হলো ঊনসত্তরের গণঅভুথান, মুক্তিযুদ্ধ নয়। B) জাহান্নাম হইতে বিদায় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। C) হাজার বছর ধরে — এটি জহির রায়হানের লেখা একটি ক্ল্যাসিক গ্রামীণ জীবনভিত্তিক উপন্যাস, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। D) সূর্য সবুজ রক্ত — এটি রশিদ হায়দার রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি উপন্যাস হলেও প্রদত্ত প্রশ্নে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের বিখ্যাত উপন্যাসটিকে অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখার জন্য লেখকদের নাম ও তাদের কালজয়ী সৃষ্টিগুলো একসঙ্গে তালিকা করে পড়তে পারো। জাহানারা ইমামের জাহান্নাম হইতে বিদায় একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, এটি মনে রাখলে পরীক্ষার অনেক বিভ্রান্তি এড়ানো যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ও নাটক থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। উপন্যাসগুলোর রচয়িতা এবং তাদের মূল পটভূমি কোনটি, তা ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
a 1911
b 1912
c 1913
d 1914
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯১৩ ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ গীতাঞ্জলি এর ইংরেজি অনুবাদ সংলা গীতাঞ্জলি (Song Offerings) এর জন্য এ সম্মান অর্জন করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক। তিনি প্রথম এশিয়ান ও বাঙালি হিসেবে নোবেল পুরস্কার অর্জন করে বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডব্লিউ বি ইয়েটসের ভূমিকা ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথের সংলা গীতাঞ্জলি গ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের ভূমিকা লিখেছিলেন বিখ্যাত আইরিশ কবি ডব্লিউ বি ইয়েটস। উদাহরণ ২: নোবেল প্রাপ্তির সাল ব্যাখ্যা: তিনি ১৯১৩ সালের ১৩ নভেম্বর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার সংবাদ পান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১১ — এই সালে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হলেও রবীন্দ্রনাথ পাননি এবং এটি তার নোবেল প্রাপ্তির সাল নয়। B) ১৯১২ — এই সালে তিনি ইংল্যান্ডে যাওয়ার সময় গীতাঞ্জলি ইংরেজি অনুবাদ শুরু করেন, যা নোবেল প্রাপ্তির সাল নয়। C) ১৯১৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। D) ১৯১৪ — এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শুরুর বছর, যা রবীন্দ্রনাথের নোবেল প্রাপ্তির পরের বছর। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল প্রাপ্তির সাল মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো ১৯১৩ সাল মানেই বিশ্বজয়ী কবির নোবেল জয়। গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশের পরের বছরই তিনি এই সম্মান পান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে রবীন্দ্রনাথ কত সালে নোবেল পান এবং কোন গ্রন্থের জন্য পান। সংলা গীতাঞ্জলি বা সং অফারিংস গ্রন্থটির নাম ও প্রকাশের সাল ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ফরাসি
b ওলন্দাজ
c পর্তুগিজ
d ফারসি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: - পেঁপে শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। পর্তুগিজরা দীর্ঘদিন বাংলায় বাণিজ্য ও আধিপত্য বিস্তার করায় তাদের অনেক শব্দ বাংলা ভাষায় মিশে গেছে। - বিদেশি শব্দ হিসেবে বিভিন্ন ভাষার শব্দ বাংলায় ব্যবহৃত হয় এবং পেঁপে তেমনি একটি বহিরাগত ফলবাচক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দের উৎস বা শব্দের শ্রেণিবিভাগ অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দে ভাগ করা হয়। - পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো প্রধানত খাদ্যদ্রব্য, পরিধেয় বস্তু, ধর্মীয় ও গৃহস্থালি উপকরণের সঙ্গে সম্পর্কিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আনারস ব্যাখ্যা: এটিও একটি পর্তুগিজ শব্দ যা পেঁপে শব্দের মতো ফলবাচক বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: চাবি ব্যাখ্যা: চাবি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে এবং এটি গৃহস্থালি ব্যবহারের একটি পরিচিত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে কার্তুজ, কুপন ও বুর্জোয়া ইত্যাদি শব্দ বাংলায় এসেছে, কিন্তু পেঁপে আসেনি। B) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ ভাষা থেকে হরতন, ইস্কাপন ও তুরুপ ইত্যাদি শব্দ বাংলায় এসেছে, পেঁপে আসেনি। D) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে চশমা, কাগজ ও কলম ইত্যাদি শব্দ এসেছে, পেঁপে ফারসি শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পর্তুগিজ ফল ও খাদ্যের নাম মনে রাখতে আনারস, পেঁপে ও লেবু শব্দগুলোকে একসাথে মনে রাখতে পারো। - বিদেশি শব্দের উৎস মনে রাখার জন্য শব্দগুলোর উৎস ভাষা অনুযায়ী আলাদা তালিকা করে চর্চা করা সবচেয়ে ভালো উপায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পর্তুগিজ ও ফারসি শব্দের উৎস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - গৃহস্থালি ও খাদ্যদ্রব্য সম্পর্কিত বিদেশি শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই করা সম্ভব।
a বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
c উইলিয়াম কেরি
d হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১. কেন সঠিক: বাংলা গদ্যে প্রথম শৃঙ্খলা, যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার এবং সুবিন্যস্ত শৈলী এনে একে শিল্পসম্মত রূপ দেওয়ার জন্য ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। তাঁর রচিত গ্রন্থগুলোতে বাংলা গদ্যের যে প্রমিত রূপ ও গতিশীলতা দেখা যায়, তা আগের লেখকদের মধ্যে অনুপস্থিত ছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর উনবিংশ শতকের বাঙালি সমাজ সংস্কারক, শিক্ষাবিদ ও গদ্যকার হিসেবে অত্যন্ত খ্যাত। তাঁর রচিত বর্ণপরিচয়, বেতাল পঞ্চবিংশতি ও শকুন্তলা বাংলা গদ্য সাহিত্যকে শক্তিশালী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেতাল পঞ্চবিংশতি ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গদ্য রচনা যা বাংলা গদ্যের রূপ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখে। উদাহরণ ২: ভ্রান্তিবিলাস ব্যাখ্যা: এটি শেক্সপিয়রের কমেডি অফ এররস অবলম্বনে রচিত বিদ্যাসাগরের একটি জনপ্রিয় অনুবাদ গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক, গদ্যের জনক নন। B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর। C) উইলিয়াম কেরি — তিনি বাংলা গদ্যের পত্তন বা শুরুর সঙ্গে যুক্ত হলেও জনক নন। D) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — তিনি প্রাচীন বাংলা ভাষার নিদর্শন চর্যাপদের আবিষ্কারক। ৫ মনে রাখার টিপস: গদ্য মানে বিদ্যাসাগর আর উপন্যাস মানে বঙ্কিমচন্দ্র এটি মনে রাখলে পরীক্ষার বিভ্রান্তি দূর হবে। বিদ্যাসাগর গদ্যের ছন্দ ও যতিচিহ্ন ঠিক করেছিলেন বলেই তিনি গদ্যের জনক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই গদ্যের জনক এবং উপন্যাসের জনকের মধ্যে প্যাঁচ লাগানোর চেষ্টা করা হয়। তাই গদ্যের ক্ষেত্রে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এবং উপন্যাসের ক্ষেত্রে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নাম দুটি আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c শহীদ কাদরী
d চণ্ডীদাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত চরণটি বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা। - মানবতাবাদ ও সাম্যবাদের জয়গান গাইতে গিয়ে তিনি এই অমর পঙ্ক্তি রচনা করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে সাম্য ও দ্রোহের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। - মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তাঁর সাহিত্যকর্ম অনন্য ভূমিকা পালন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাহি সাম্যের গান / মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান। ব্যাখ্যা: এটি কবির বিখ্যাত সাম্যবাদী কবিতার অংশ, যা মানুষের সর্বোচ্চ মর্যাদাকে তুলে ধরে। উদাহরণ ২: মম এক হাতে বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণতুর্য। ব্যাখ্যা: এটি কবির বিদ্রোহী সত্তার বহিঃপ্রকাশ, যা তাঁর সাম্যবাদী ও দ্রোহের চেমনিকে ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই নির্দিষ্ট চরণের রচয়িতা নন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই চরণের প্রকৃত রচয়িতা। C) শহীদ কাদরী — ইনি আধুনিক যুগের একজন বিশিষ্ট কবি হলেও এই পঙ্ক্তিটি তাঁর নয়। D) চণ্ডীদাস — মধ্যযুগের পদাবলি সাহিত্যের কবি হলেও এই আধুনিক মানবতাবাদী বাণী তাঁর সৃষ্টি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মানুষের জয়গান ও সাম্যের কথা এলেই কাজী নজরুল ইসলামের নাম স্মরণ করতে হবে। - নজরুল মানেই সাম্যবাদ এবং মানুষের অধিকারের পক্ষে জোরালো কণ্ঠস্বর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের বিখ্যাত পঙ্ক্তি ও তার রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - কবির সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থ ও কবিতাগুলোর নাম ভালোভাবে পড়তে হবে।
a প্রাচীন যুগ
b মধ্যযুগ
c অন্ধকার যুগ
d আধুনিক যুগ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাচীন যুগ ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন এবং এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক সাহিত্যকর্ম। - ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা গীতিআটিকা। - ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ঐতিহাসিক তুলনামূলক ভাষাভাষ্য বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেছেন যে চর্যাপদের ভাষা বাংলা ভাষার আদি রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের টিকাকার মুনিদত্ত। ব্যাখ্যা: মুনিদত্ত চর্যাপদের সংস্কৃত টীকা রচনা করেন যার নাম মুনিদত্তের টীকা। উদাহরণ ২: চর্যাপদের পদকর্তা কাহ্নপা। ব্যাখ্যা: কাহ্নপা চর্যাপদের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক তেরোটি পদ রচনা করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাচীন যুগ — এটি সঠিক উত্তর কারণ চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের সূচনা করে এবং একমাত্র নিদর্শন। B) মধ্যযুগ — মধ্যযুগ শুরু হয় শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য বা মঙ্গলকাব্যের মাধ্যমে, চর্যাপদ এই যুগের অন্তর্ভুক্ত নয়। C) অন্ধকার যুগ — বাংলা সাহিত্যে ত্রয়োদশ শতাব্দীকে অন্ধকার যুগ বলা হয়, যা চর্যাপদের সময়কালের পরের পর্যায়। D) আধুনিক যুগ — আধুনিক যুগ শুরু হয় ১৮০১ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে, চর্যাপদ এর অনেক আগের সৃষ্টি। ৫. মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদ মানেই প্রাচীন যুগ এবং এর আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এটি মনে রাখলে পরীক্ষার উত্তর সহজে মেলানো সম্ভব। - চর্যাপদের কালসীমা ধরা হয় ৯৫০ থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চর্যাপদের আবিষ্কারক, আবিষ্কারের সাল এবং মোট পদের সংখ্যা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। - চর্যাপদের প্রাপ্ত পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর মূল রচিয়তা চব্বিশজন বা ছাব্বিশজন বলে জানা যায়।
a বর্ণমালা আমার দুঃখিনী বর্ণমালা।
b স্মৃতিস্তম্ভ।
c কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি।
d একুশে ফেব্রুয়ারি।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি। ১. কেন সঠিক: - এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অমর একুশে ফেব্রুয়ারি বা ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত প্রথম কবিতা। - কবি মাহবুব উল আলম চৌধুরী ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিকভাবে এই কবিতাটি রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি মাহবুব উল আলম চৌধুরী ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি রাতে এই কবিতাটি রচনা করেন এবং এটি একুশের প্রথম সংকলন একুশে ফেব্রুয়ারি তে প্রকাশিত হয়। - এই কবিতাটি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি উৎসর্গ করা হয় এবং তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর প্রতি তীব্র ঘৃণা প্রকাশ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলাউদ্দিন আল আজাদের স্মৃতিস্তম্ভ কবিতা। ব্যাখ্যা: এটিও ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও আবেগঘন কবিতা। উদাহরণ ২: মাহবুব উল আলম চৌধুরীর অন্যান্য লেখা। ব্যাখ্যা: তিনি একজন প্রগতিশীল সাহিত্যিক ছিলেন যিনি ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্ণমালা আমার দুঃখিনী বর্ণমালা — এটি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত কবিতা হলেও একুশের প্রথম কবিতা নয়। B) স্মৃতিস্তম্ভ — এটি আলাউদ্দিন আল আজাদের ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কবিতা যা পরবর্তীতে রচিত হয়। D) একুশে ফেব্রুয়ারি — এটি হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত প্রথম একুশের সংকলনের নাম, কোনো কবিতা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - একুশের প্রথম কবিতার ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে কান্নার সাথে ফাঁসির দাবির কথা। - মাহবুব উল আলম চৌধুরীর নাম এবং ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি তারিখটি একসাথে মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম কবিতা বা প্রথম সংকলন সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - প্রথম কবিতা এবং প্রথম সংকলনের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়।
b এই দেশে এই বেশে।
c ঘুম নেই।
d নূরলদীনের সারাজীবন।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নূরলদীনের সারাজীবন ১. কেন সঠিক: - নূরলদীনের সারাজীবন নাটকটি মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক নয়, বরং এটি ব্রিটিশ বিরোধী কৃষক আন্দোলন ও বাংলার মানুষের অধিকার রক্ষার সংগ্রামের ওপর রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক। - এই নাটকে রংপুরের নূরলদীনের নেতৃত্বে সংঘটিত ঐতিহাসিক কৃষক বিদ্রোহের পটভূমি তুলে ধরা হয়েছে, যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি পটভূমি নয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রখ্যাত নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক এই নাটকটির রচয়িতা এবং এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে একটি অনন্য ক্লাসিক হিসেবে সমাদৃত। - নাটকের মূল সুর হলো সাধারণ মানুষের ওপর শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং ঘুমিয়ে থাকা জাতিকে জাগ্রত করার উদাত্ত আহ্বান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিকক কাব্যনাট্য যা একাত্তরের ঘাতক ও দালালদের চিত্র ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: এই দেশে এই বেশে ব্যাখ্যা: এটিও একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক যা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এটি সরাসরি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য। B) এই দেশে এই বেশে — এটিও ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও তার পরবর্তী সময়ের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি নাটক। C) ঘুম নেই — এটি মুক্তিযুদ্ধের সময়কার বাস্তব চিত্র ও সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগকে কেন্দ্র করে রচিত নাটক। D) নূরলদীনের সারাজীবন — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়, বরং ব্রিটিশ বিরোধী কৃষক বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক। ৫ মনে রাখার টিপস: সৈয়দ শামসুল হকের ঐতিহাসিক নাটক বললেই নূরলদীনের সারাজীবন মাথায় রাখতে হবে যা মুক্তিযুদ্ধ নয় বরং কৃষক বিদ্রোহ নিয়ে লেখা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাটকগুলোর রচয়িতা এবং কোন প্রেক্ষাপটে রচিত তা প্রায়ই আসে, তাই নাটকের পটভূমি ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a প্রাঙ্গন
b সান্তনা
c শ্রীমতি
d আশিস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আশিস ১. কেন সঠিক: আশিস বানানটিতে তালব্য শ এর সঙ্গে ই কার এবং দন্ত ন যুক্ত হয়েছে যা প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী তৎসম শব্দে ই কার এবং মূর্ধন্য বা দন্ত ন এর ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শুদ্ধ বানান বা বাক্যশুদ্ধি প্রশ্নটি বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ এবং বানানরীতির অংশ। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী তৎসম শব্দে ই কার এবং দন্ত্য ন বা মূর্ধন্য ণ এর সঠিক প্রয়োগ করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিষেশ ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল প্রচলিত শুদ্ধ বানান যেখানে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: নিষিদ্ধ ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ই কার এবং মূর্ধন্য ষ এর সঠিক প্রয়োগ রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাঙ্গন — এই বানানটি ভুল কারণ প্রাঙ্গণ বানানে মূর্ধন্য ণ হবে, দন্ত্য ন হবে না। B) সান্তনা — এই বানানটি ভুল কারণ সান্ত্বনা বানানে ব ফলা যুক্ত হবে। C) শ্রীমতি — এই বানানটি ভুল কারণ শ্রীমতী বানানে দীর্ঘী কার হবে। D) আশিস — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত রীতি অনুসরণ করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: শুদ্ধ বানান মনে রাখার জন্য বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়ম বারবার চর্চা করতে হবে। তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করলে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য ণ এবং দন্ত্য ন এর পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। বানান শুদ্ধ করার সময় শব্দের উৎস এবং ব্যাকরণগত রূপ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a excess
b access
c axcess
d axces
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) access কেন সঠিক: - শূন্যস্থানের পূর্বে free শব্দটি থাকায় এবং এরপর to preposition থাকায় এখানে noun হিসেবে access ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ প্রবেশাধিকার। - free access to an institution বা persons একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি ফ্রেজ বা সঠিক collocation। বাকি অপশন কেন ভুল: A) excess — এটি একটি noun যার অর্থ আধিক্য বা অতিরিক্ত, যা বাক্যের অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। C) axcess — এটি ইংরেজি ভাষার কোনো সঠিক শব্দ বা বানান নয়। D) axces — এটিও ইংরেজি ভাষার কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা বানান নয়। মনে রাখার টিপস: প্রবেশাধিকার বোঝাতে access শব্দের পর সাধারণত to preposition বসে এবং এর বানান হলো A-C-C-E-S-S।
a a collection of stories
b b) collection of poems
c c) drama
d d) novel
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) c) drama কেন সঠিক: - 'হ্যামলেট' (Hamlet) হলো বিশ্বখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের লেখা একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাটক। - এটি মূলত মঞ্চে প্রদর্শনের জন্য রচিত একটি নাটকীয় সাহিত্যকর্ম, যা পাঁচটি অঙ্কে বিভক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a collection of stories — এটি কোনো ছোটগল্পের সংকলন নয়, কারণ এটি মঞ্চে অভিনীত হওয়ার জন্য সংলাপভিত্তিক নাটক হিসেবে রচিত হয়েছে। B) b) collection of poems — এটি কোনো কবিতার বই নয়, যদিও এর সংলাপে কাব্যিক ছন্দ ও পদ্যের ব্যবহার রয়েছে। ড) d) novel — এটি কোনো উপন্যাস নয়, কারণ উপন্যাসের মতো এতে কোনো বর্ণনামূলক গদ্যের দীর্ঘ বিস্তার নেই। মনে রাখার টিপস: উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের হ্যামলেট, ম্যাকবেথ এবং রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট হলো বিশ্ববিখ্যাত নাটক বা ট্র্যাজেডি।
a urologist
b cardiologist
c pathologist
d neurologist
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) cardiologist কেন সঠিক: - ইংরেজি পরিভাষা অনুযায়ী মানবদেহের হৃদপিণ্ড ও হৃদরোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে কার্ডিওলজিস্ট বলা হয়। - গ্রীক শব্দ কার্ডিয়া যার অর্থ হৃদপিণ্ড এবং লজিস্ট যার অর্থ বিশেষজ্ঞ, এর সমন্বয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) urologist — এই চিকিৎসক মানবদেহের মূত্রনালি এবং পুরুষদের প্রজননতন্ত্রের রোগ নিয়ে কাজ করেন, হৃদপিণ্ডের সাথে সম্পর্কিত নন। B) cardiologist — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) pathologist — এই বিশেষজ্ঞ রোগের কারণ, প্রকৃতি এবং ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নির্ণয় নিয়ে কাজ করেন। D) neurologist — এই চিকিৎসক মানবদেহের ব্রেইন, স্পাইনাল কর্ড ও স্নায়ুতন্ত্রের রোগ নিয়ে গবেষণা ও চিকিৎসা করেন। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি কার্ডিয়া অর্থ হৃদপিণ্ড, তাই হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ মনে রাখতে কার্ডিওলজিস্ট শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
a colon
b semicolon
c dash
d hyphen
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) hyphen কেন সঠিক: - হাইফেন মূলত দুটি বা ততোধিক শব্দকে যুক্ত করে একটি নতুন যৌগিক শব্দ গঠন করতে ব্যবহৃত হয়। - এটি শব্দগুলোকে সংযুক্ত করে পাঠের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে এবং অর্থ স্পষ্ট করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) colon — কোলন সাধারণত কোনো তালিকা, উদ্ধৃতি বা বড় বিবরণের পূর্বে বসে, দুটি শব্দকে যুক্ত করতে নয়। B) semicolon — সেমিকোলন দুটি স্বাধীন উপবাক্যকে সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, যা হাইফেনের কাজ নয়। C) dash — ড্যাশ বাক্যের ভাব বা তথ্যের অতিরিক্ত সংযোজন বোঝাতে বা বিরতি দিতে ব্যবহৃত হয়, ছোট শব্দ জুড়তে নয়। D) hyphen — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ হাইফেন সরাসরি দুটি শব্দকে একত্রে যুক্ত করে। মনে রাখার টিপস: ছোট শব্দগুলোকে একসাথে জোড়া লাগাতে হাইফেন ব্যবহার করা হয়, যেমন মাদার-ইন-ল।
a strong
b robust
c soft
d hard
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) soft কেন সঠিক: - 'Tender' শব্দটির বাংলা অর্থ হলো কোমল, নরম বা সুকুমার, যার ইংরেজি সমার্থক শব্দ হলো 'soft'। - এটি কোনো বস্তু বা অনুভূতির ক্ষেত্রে কোমলতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) strong — এর অর্থ শক্তিশালী বা বলবান, যা 'tender' শব্দের বিপরীত। B) robust — এর অর্থ শক্তসমর্থ বা জোরালো, যা কোমলতার বিপরীতার্থক। C) soft — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ নরম বা কোমল। D) hard — এর অর্থ শক্ত বা কঠিন, যা 'tender' শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: টেন্ডার বা টেন্ডার পান রুটি নরম করতে হয়, এভাবে 'Tender' মানে নরম বা 'soft' মনে রাখতে পারেন।
a by
b in
c at
d of
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) by কেন সঠিক: - ঘড়ি বা কোনো যন্ত্রের সময় নির্দেশ করার ক্ষেত্রে উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে by ব্যবহৃত হয়। - এটি কোনো ঘড়ির সময় অনুযায়ী কোনো কিছু ঠিক আছে কি না তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — ঘড়ির সময়ের ক্ষেত্রে সঠিক প্রিপজিশন হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) in — ঘড়ির সময়ের ক্ষেত্রে ইন ব্যবহৃত হয় না, এটি সাধারণত মাস বা বছরের পূর্বে বসে। C) at — নির্দিষ্ট সময়ের ক্ষেত্রে অ্যাট বসলেও ঘড়ির নির্দেশনার ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়। D) of — এটি সম্বন্ধ বা অধিকার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ঘড়ির সময় দেখার ক্ষেত্রে সবসময় by my watch বা by the watch মনে রাখবে।
a newtral
b neutral
c neutrel
d newtrel
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) neutral কেন সঠিক: - ইংরেজি বানানরীতি অনুযায়ী 'neutral' শব্দটিতে 'n-e-u-t-r-a-l' বর্ণগুলো ব্যবহার করা হয় যার অর্থ নিরপেক্ষ। - এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দ যার সঠিক উচ্চারণ এবং বানান উভয় ক্ষেত্রেই শেষের দিকে 'ral' যুক্ত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) newtral — বানানটি ভুল কারণ এতে 'neu' এর পরিবর্তে ভুলভাবে 'new' ব্যবহার করা হয়েছে। B) neutral — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর বানান সম্পূর্ণরূপে সঠিক। C) neutrel — বানানটি ভুল কারণ এর শেষে 'ral' এর পরিবর্তে ভুলভাবে 'rel' ব্যবহার করা হয়েছে। D) newtrel — বানানটি ভুল কারণ এতে সঠিক বর্ণমালার পরিবর্তে 'new' এবং 'rel' উভয়ই ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: 'neutral' বানানটি মনে রাখতে এর শুরুর অংশ 'neu' এবং শেষের অংশ 'tral' আলাদা করে চর্চা করতে পারো।
a for
b at
c with
d by
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) with কেন সঠিক: - কোনো ব্যক্তির ওপর রাগ করা বোঝাতে 'angry' শব্দের পর 'with' preposition ব্যবহৃত হয়। - এখানে the students হলো ব্যক্তিবাচক, তাই তাদের ওপর রাগের ক্ষেত্রে with বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — কোনো কারণ বা বস্তুর জন্য রাগ বোঝাতে এটি বসে, কিন্তু এখানে শিক্ষার্থীরা ব্যক্তি তাই এটি ভুল। B) at — কোনো বস্তু, আচরণ বা পরিস্থিতির ওপর রাগ বোঝাতে এটি বসে, কিন্তু এখানে শিক্ষার্থীরা ব্যক্তি হওয়ায় with বসবে। D) by — এটি সাধারণত প্যাসিভ ভয়েসে কর্তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ব্যক্তির ওপর রাগ করলে with এবং কোনো বিষয়ের ওপর রাগ করলে at বসে।
a The lame man was laughed by the boy.
b The lame man was laughed at by the boy.
c The lame man was being laughed by the boy.
d The lame man was being laughed at by the boy.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The lame man was laughed at by the boy. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি Past Indefinite Tense-এর Active Voice-এ আছে, তাই Passive করার সময় Subject-এর পর was এবং Verb-এর Past Participle বসে। - intransitive verb-এর সাথে যুক্ত preposition (laughed at) passive করার সময় তুলে দেওয়া যায় না, এটি verb-এর সাথেই যুক্ত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The lame man was laughed by the boy. — এই অপশনে সঠিক Preposition 'at' বাদ দেওয়া হয়েছে যা ভুল। B) The lame man was laughed at by the boy. — এটি সঠিক এবং নিয়মানুগ Passive Voice-এর রূপ। C) The lame man was being laughed by the boy. — বাক্যটি Continuous Tense না হওয়া সত্ত্বেও 'was being' ব্যবহার করা হয়েছে এবং Preposition বাদ দেওয়া হয়েছে। D) The lame man was being laughed at by the boy. — বাক্যটি Indefinite Tense-এর হওয়ায় এখানে 'was being' ব্যবহার করা ভুল। মনে রাখার টিপস: Preposition যুক্ত intransitive verb-কে passive করার সময় Preposition-টিকে অবশ্যই মূল verb-এর সাথেই রাখতে হবে।
a They are all but happy.
b He was in hurry.
c I am in a fix.
d The loss cannot be made up
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He was in hurry. কেন সঠিক: - hurry একটি Singular Common Noun এবং এর পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল a বসা বাধ্যতামূলক। - সঠিক নিয়ম অনুযায়ী phrase টি হবে in a hurry, কিন্তু অপশনে a অনুপস্থিত থাকায় বাক্যটি ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) They are all but happy. — এখানে all but অর্থ almost বা প্রায়, তাই বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। B) He was in hurry. — hurry একটি Noun এবং এর পূর্বে an indefinite article হিসেবে a বসা আবশ্যক ছিল। C) I am in a fix. — in a fix একটি সঠিক Idiomatic phrase যার অর্থ কিংকর্তব্যবিমূঢ় বা বিপদে পড়া। D) The loss cannot be made up — make up a loss একটি সঠিক Group Verb, যার অর্থ ক্ষতি পূরণ করা। মনে রাখার টিপস: hurry শব্দের আগে সবসময় a বসিয়ে in a hurry ফ্রেজটি মনে রাখবে।
a have done
b done
c to be done
d do
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) done কেন সঠিক: - এটি একটি Causative Verb এর ব্যবহার যেখানে Subject নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজটি করায়। - Causative Verb হিসেবে Get ব্যবহৃত হলে এবং তার পরের object (the work) যদি কাজটি নিজে করতে না পারে, তবে মূল verb এর Past Participle রূপ (done) বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) have done — এটি Active Voice এর গঠন নির্দেশ করে, কিন্তু এখানে কাজটি অন্যের দ্বারা সম্পাদিত হওয়ায় Past Participle রূপ প্রয়োজন। B) done — এই অপশনটি সঠিক, কারণ Get এর পর জড় পদার্থ Object থাকলে মূল Verb এর Past Participle বসে। C) to be done — এটি Infinitive Passive রূপ, যা এই Causative গঠনে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) do — এটি Verb এর Base Form, যা Get এর পরে Object থাকার পর সরাসরি বসতে পারে না। মনে রাখার টিপস: Get এর পরে যদি বস্তুবাচক Object থাকে, তবে পরের Verb টি সবসময় Past Participle হয়।
a Mary Shelley
b John Locke
c Charles Dickens
d John Keats
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) John Keats কেন সঠিক: - জন কিটস রোমান্টিক যুগের একজন প্রখ্যাত ইংরেজ কবি, যিনি তার সংবেদনশীল ও সৌন্দর্যবাদী কবিতার জন্য বিশ্ববিখ্যাত। - 'ওড টু আ নাইটিঙ্গেল' এবং 'হাইপারিয়ন' তার অমর কাব্যকৃতি, যা তাকে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mary Shelley — তিনি একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ছিলেন, যিনি সায়েন্স ফিকশন ঘরানার 'ফ্রাঙ্কেনস্টাইন' উপন্যাসের জন্য পরিচিত। B) John Locke — তিনি একজন প্রখ্যাত ইংরেজ দার্শনিক এবং রাজনৈতিক তাত্ত্বিক ছিলেন, কবি নন। C) Charles Dickens — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিশ্বখ্যাত ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার ছিলেন, কবি হিসেবে পরিচিত নন। D) John Keats — তিনি একজন সফল ও প্রখ্যাত রোমান্টিক কবি ছিলেন। মনে রাখার টিপস: কিটস মানেই কবিতা, কারণ তিনি রোমান্টিক যুগের সর্বকনিষ্ঠ ও প্রতিভাবান কবি।
a Buy the buy
b Bye the by
c By the by
d Bye the bye
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) By the by কেন সঠিক: - by the by একটি প্রচলিত ইংরেজি idiomatic phrase, যার অর্থ প্রসঙ্গক্রমে বা অবান্তর কথায়। - কথ্য ও লেখ্য ইংরেজিতে এই নির্দিষ্ট বানান ও গঠনটিই প্রমিত হিসেবে গৃহিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Buy the buy — এখানে buy শব্দটির অর্থ ক্রয় করা, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) Bye the by — এখানে বিদায়সূচক bye শব্দটি ব্যবহার করায় সম্পূর্ণ অর্থ বদলে গেছে এবং এটি ভুল গঠন। সি) By the by — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত অপশন। D) Bye the bye — এটি একটি ভুল বানান ও অপ্রচলিত রূপ, কারণ এখানে সঠিক idiom-এর নিয়ম মানা হয়নি। মনে রাখার টিপস: by the by মানে প্রসঙ্গক্রমে, তাই মনে রাখার জন্য শুধু প্রথম শব্দ হিসেবে preposition অর্থাৎ by ব্যবহার করতে হবে।
a moral
b lunar
c solar
d colar
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) solar কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে 'sun' বিশেষ্য বা নাউনের বিশেষণ বা এডজেক্টিভ রূপ হলো 'solar'। - এর অর্থ সৌর বা সূর্য সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) moral — এটি একটি স্বাধীন শব্দ যার অর্থ নৈতিক, যা 'sun' শব্দের এডজেক্টিভ রূপ নয়। B) lunar — এটি 'moon' বা চাঁদের এডজেক্টিভ রূপ, যা সূর্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। C) solar — এটি সঠিক উত্তর। D) colar — এটি একটি ভুল বানানযুক্ত শব্দ এবং এর কোনো সঠিক ব্যাকরণগত অর্থ নেই। মনে রাখার টিপস: সূর্য সম্পর্কিত কিছু বোঝাতে 'solar' শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যেমন সোলার প্যানেল।
a a
b an
c the
d no article
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a কেন সঠিক: - humorist শব্দটি হ বর্ণ দিয়ে শুরু হয়েছে এবং এর উচ্চারণ বাংলা হ এর মতো। - consonant sound বা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ থাকায় এর পূর্বে indefinte article হিসেবে a বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি সঠিক কারণ humorist শব্দের শুরুতে ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ রয়েছে। B) an — এটি ভুল কারণ an সাধারণত vowel sound বা স্বরবর্ণের উচ্চারণের পূর্বে বসে। C) the — এটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট করে কোনো বিশেষ humorist বোঝানো হয়নি। D) no article — এটি ভুল কারণ countable singular noun একা থাকতে পারে না, তার পূর্বে article বসাতে হয়। মনে রাখার টিপস: শব্দটির উচ্চারণ যদি হ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মতো হয়, তবে তার আগে an না বসিয়ে a বসাতে হয়।
a from
b off
c of
d for
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) of কেন সঠিক: - কোনো রোগ, না খেয়ে থাকা, কিংবা অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা আঘাতে মারা যাওয়া বোঝালে ডাই ভার্বের পরে অফ প্রিপজিশন বসে। - ক্যান্সারে মৃত্যু বোঝানো হয়েছে বলে এখানে সঠিক উত্তর হবে অফ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from — কোনো দুর্ঘটনা, অতিরিক্ত কাজ বা বিষক্রিয়ায় মারা যাওয়া বোঝালে ডাই ভার্বের পরে ফ্রম বসে, যা ক্যান্সারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) off — এটি সাধারণত বিচ্ছিন্নতা বা কোনো কিছু থেকে দূরে সরে যাওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা মৃত্যুর কারণ বোঝাতে উপযুক্ত নয়। C) of — এটি সঠিক উত্তর, কারণ কোনো রোগ বা অভ্যন্তরীণ জটিলতার কারণে মারা গেলে ডাই ভার্বের পরে অব বসে। D) for — দেশের জন্য আত্মত্যাগ বা কোনো মহৎ উদ্দেশ্যে প্রাণ বিসর্জন দেওয়া বোঝালে ডাই ভার্বের পরে ফর বসে। মনে রাখার টিপস: রোগে মৃত্যু হলে অব এবং দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে ফ্রম বসে।
a See the word in the dictionary.
b Open page 50
c They have gone for a picnic.
d The man has returned yesterday.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) They have gone for a picnic. কেন সঠিক: - পিকনিকে যাওয়া বা কোথাও গিয়ে বর্তমানে সেখানে উপস্থিত থাকা বোঝাতে Present Perfect Tense-এর ক্ষেত্রে have gone ব্যবহার করা হয়। - কোথাও গিয়ে আবার ফিরে আসার ক্ষেত্রে have been ব্যবহার করা হয়, কিন্তু এখানে সাবজেক্ট পিকনিকে গিয়েছে এবং বর্তমানে সেখানে অবস্থান করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) See the word in the dictionary — ডেকশনারিতে কোনো শব্দ খোঁজার ক্ষেত্রে See ব্যবহার করা হয় না, সঠিক নিয়ম হলো Look up the word in the dictionary. B) Open page 50 — বইয়ের পাতা খোলার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়মে Open at page 50 লিখতে হয়, তাই এখানে at প্রিপজিশন মিসিং থাকায় এটি ভুল। C) They have gone for a picnic — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক কারণ সাবজেক্ট ও Tense-এর গঠন সঠিক রয়েছে। D) The man has returned yesterday — বাক্যে yesterday বা অতীত নির্দেশক শব্দ থাকলে সেটি Past Indefinite Tense হয়, তাই এখানে Present Perfect Tense ব্যবহার করা ভুল। মনে রাখার টিপস: অতীতের নির্দিষ্ট সময়ের উল্লেখ যেমন yesterday থাকলে Past Indefinite Tense হয় এবং কোথাও গিয়ে ফিরে না আসার ক্ষেত্রে have gone ব্যবহৃত হয়।
a witch
b mare
c bachelor
d hen
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) bachelor কেন সঠিক: - Bachelor শব্দের অর্থ অবিবাহিত পুরুষ, যা ব্যাকরণগতভাবে পুংলিঙ্গ বা মাসকুলিন জেন্ডার নির্দেশ করে। - এর স্ত্রীলিঙ্গ বা ফেমিনাইন জেন্ডার হলো স্পিনস্টার বা মেইড। বাকি অপশন কেন ভুল: A) witch — এটি একটি ফেমিনাইন জেন্ডার, যার মাসকুলিন রূপ উইজার্ড বা জাদুকর। B) mare — এটি ঘোড়ার ফেমিনাইন জেন্ডার, যার মাসকুলিন রূপ হর্স বা স্ট্যালিয়ন। C) bachelor — এটি নিজেই সঠিক মাসকুলিন জেন্ডার এবং এর ফেমিনাইন হলো স্পিনস্টার। D) hen — এটি মুরগির ফেমিনাইন জেন্ডার, যার মাসকুলিন রূপ হলো রুস্টার বা ককারেল। মনে রাখার টিপস: Bachelor মানে অবিবাহিত পুরুষ বা পুংলিঙ্গ, আর এর বিপরীত শব্দ স্পিনস্টার হলো স্ত্রীলিঙ্গ।
a index
b mice
c medium
d scenery
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) mice কেন সঠিক: - 'mouse' শব্দের বহুবচন বা প্লুরাল ফর্ম হলো 'mice', যা অনিয়মিত বা ইরেগুলার প্লুরাল নিয়মে গঠিত হয়েছে। - এটি অভ্যন্তরীণ ভাওয়েল পরিবর্তন করে প্লুরাল করা হয়েছে, যেখানে ou পরিবর্তিত হয়ে i হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) index — এটি একটি একবচন শব্দ, যার বহুবচন হলো indices বা indexes। B) mice — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার একবচন হলো mouse। C) medium — এটি একটি একবচন শব্দ, যার বহুবচন হলো media। D) scenery — এটি একটি আনকাউন্টেবল নাউন, যার কোনো বহুবচন রূপ হয় না। মনে রাখার টিপস: কিছু অনিয়মিত নাউনের প্লুরাল করার সময় শেষের অক্ষর না বদলে ভেতরের ভাওয়েল বদলে যায়, যেমন mouse থেকে mice এবং louse থেকে lice।
a merriment
b pain
c happiness
d hypocrisy
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) pain কেন সঠিক: - 'Pleasure' শব্দের বাংলা অর্থ আনন্দ বা সুখ। - এর বিপরীত বা বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'pain', যার অর্থ কষ্ট বা বেদনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) merriment — এর অর্থ উল্লাস বা আনন্দ, যা pleasure শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। B) pain — এটি সঠিক উত্তর কারণ pleasure বা আনন্দের বিপরীত অর্থ হলো pain বা কষ্ট। C) happiness — এর অর্থ সুখ, যা pleasure শব্দের একটি সমার্থক শব্দ। D) hypocrisy — এর অর্থ ভণ্ডামি, যা pleasure শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: আনন্দ বা pleasure পেলে মন ভালো থাকে, আর কষ্ট বা pain পেলে মন খারাপ হয়।
a 1980
b 1981
c 1982
d 1983
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 1981 কেন সঠিক: - ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পর শেখ হাসিনা দীর্ঘ ছয় বছর প্রবাস জীবন কাটেন। - তিনি ১৯৮১ সালের ১৭ মে ভারত থেকে স্বদেশের মাটিতে প্রত্যাবর্তন করেন এবং আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1980 — এই সালে তিনি দেশে ফেরেননি, বরং তখন তিনি ভারতের নয়াদিল্লিতে প্রবাস জীবন অতিবাহিত করছিলেন। B) 1981 — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালের ১৭ মে তিনি প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন। C) 1982 — এই সালটি সঠিক নয়, কারণ তিনি এর এক বছর আগেই দেশে ফিরে এসেছিলেন। D) 1983 — এই সালটি সঠিক নয়, এই সময়ে তিনি দেশের রাজনৈতিক আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। মনে রাখার টিপস: ১৯৭৫ সালের শোকাবহ ঘটনার ঠিক ছয় বছর পর অর্থাৎ ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা দেশে ফিরেছিলেন।
a 676
b 780
c 576
d 776
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬৭৬ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মোট সংখ্যা ৬৭৬ জন। - এর মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, বীর উত্তম ৬৮ জন, বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং বীর প্রতীক ৪২৬ জন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬৭৬ — এটি সঠিক সংখ্যা, কারণ মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা নির্দিষ্টভাবে ৬৭৬ জন। B) ৭৮০ — এটি ভুল সংখ্যা, কারণ মোট খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৭৮০ জন নয়। C) ৫৭৬ — এটি একটি ভুল সংখ্যা এবং মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্তদের সঠিক তালিকার সাথে মেলে না। D) ৭৭৬ — এটি ভুল সংখ্যা, কারণ সঠিক সংখ্যাটি ৬৭৬ জন। মনে রাখার টিপস: বীরদের সংখ্যা মনে রাখতে ৬৭৬ সংখ্যাটি মনে রাখুন যেখানে ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ এবং বাকিগুলো অন্যান্য খেতাব।
a সিরিয়া
b মরোক্কো
c ইরাক
d লেবানন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইরাক কেন সঠিক: - মেসোপটেমিয়া প্রাচীন বিশ্বের একটি ঐতিহাসিক অঞ্চল যা টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে উঠেছিল। - বর্তমান ইরাক এবং কুয়েত ও সিরিয়ার কিছু অংশ নিয়ে প্রাচীন মেসোপটেমিয়া গঠিত হলেও এর মূল ভূখণ্ড বর্তমান ইরাকেই অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিরিয়া — এটি বর্তমান মধ্যপ্রাচ্যের একটি স্বাধীন রাষ্ট্র এবং মেসোপটেমিয়ার অববাহিকার উত্তর-পশ্চিম সীমানায় অবস্থিত হলেও পুরো মেসোপটেমিয়া নয়। B) মরোক্কো — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ, যার সঙ্গে প্রাচীন মেসোপটেমিয়া সভ্যতার কোনো ভৌগোলিক বা ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। C) ইরাক — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। D) লেবানন — এটি ভূমধ্যসাগরের পূর্ব তীরের একটি দেশ, যা প্রাচীন ফিনিশীয় সভ্যতার অংশ ছিল কিন্তু মেসোপটেমিয়া নয়। মনে রাখার টিপস: মেসোপটেমিয়া মানে দুই নদীর মাঝের ভূমি আর বর্তমান ইরাক মানেই টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকা।
a ঢাকা
b চট্টগ্রাম
c লাহোর
d কলকাতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লাহোর কেন সঠিক: - ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর একটি জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। - এই সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন ও ঘোষণা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — ছয় দফা লাহোরে ঘোষিত হলেও বঙ্গবন্ধু ঢাকায় ফিরে ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটিতে এটি পাস করান। B) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণার স্থান নয়, এটি ষড়যন্ত্র মামলা বা অন্যান্য আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত। D) কলকাতা — কলকাতা ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণার স্থান নয়, এটি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের সময় এবং আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। মনে রাখার টিপস: ছয় দফা দাবি ঘোষণা করা হয়েছিল পাকিস্তানের লাহোরে, তাই লা দিয়ে লাহোর এবং লা দিয়ে দাবি মনে রাখতে পারেন।
a হেনরি কিসিঞ্জার
b প্যাট্রিস লুমুম্বা
c সালভাদর আলেন্দে
d উইনস্টন চার্চিল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উইনস্টন চার্চিল কেন সঠিক: - উইনস্টন চার্চিল ১৯৫৩ সালে বিশ্বখ্যাত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন স্মৃতিকথা এবং ঐতিহাসিক রচনার জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - তিনি পেশাদার সাহিত্যিক না হয়েও তার অসাধারণ গদ্যশৈলী এবং রাজনৈতিক বক্তৃতার স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা পান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হেনরি কিসিঞ্জার — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন এবং কূটনীতিতে অবদানের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন, সাহিত্যে নয়। B) প্যাট্রিস লুমুম্বা — তিনি কঙ্গোর প্রথম প্রধানমন্ত্রী এবং একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ছিলেন, কিন্তু তিনি নোবেল পুরস্কার পাননি। C) সালভাদর আলেন্দে — তিনি চিলির রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক সংস্কারের জন্য পরিচিত হলেও নোবেল পুরস্কার পাননি। D) উইনস্টন চার্চিল — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি একমাত্র রাজনীতিবিদ যিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছেন। মনে রাখার টিপস: রাজনীতিবিদ চার্চিলের কলমের জোর এতটাই বেশি ছিল যে তিনি যুদ্ধ জয়ের পাশাপাশি সাহিত্যেও নোবেল জিতে নিয়েছিলেন।
a ইরান
b ইরাক
c মিশর
d সিরিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইরাক কেন সঠিক: - ইরাক ১৯৭২ সালের ৮ জুলাই স্বাধীন বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রদান করে। - মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে তারাই প্রথম বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরান — ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলেও তারা মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম স্বীকৃতিদানকারী দেশ নয়, বরং তারা স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ২৪ জুলাই। B) ইরাক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ তারা সবার আগে স্বীকৃতি প্রদান করেছিল। C) মিশর — মিশর মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রভাবশালী দেশ হলেও তারা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৩ সালে। D) সিরিয়া — সিরিয়া মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ হলেও তারা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৯৭২ সালের জুলাই মাসের শেষের দিকে। মনে রাখার টিপস: মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম বন্ধু ইরাক, স্বীকৃতি দিল বাহাত্তরের জুলাইয়ে।
a ২০১০ সালে
b ২০১৫ সালে
c ২০১৭ সালে
d ২০১৮ সালে
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: C) ২০১৭ সালে কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করে। - এই স্বীকৃতির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে বিশ্ববাসীর কাছে স্বীকৃতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১০ সালে — এই সালে ইউনেস্কো বাংলাদেশের সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি, এটি ভুল সাল। B) ২০১৫ সালে — এই সালে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পায়নি, এটি একটি বিভ্রান্তিকর সাল। C) ২০১৭ সালে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই ভাষণটি বিশ্ব ঐতিহ্যের দলিল হিসেবে স্বীকৃতি পায়। D) ২০১৮ সালে — এই সালে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি, কারণ স্বীকৃতিটি ঠিক আগের বছর অর্থাৎ ২০১৭ সালে প্রদান করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ বিশ্ব ঐতিহ্যের দলিল হয় ২০১৭ সালে। সালটি মনে রাখতে ৭ এবং ১৭ এর মিল মনে রাখতে পারেন।
a অলি আহাদ
b শ্রী মনোরঞ্জন ধর
c ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
d শামসুল আলম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত কেন সঠিক: - ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলা ভাষাকে গণপরিষদের অন্যতম ভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন। - এটি ছিল পাকিস্তান গণপরিষদে মাতৃভাষা বাংলার অধিকার আদায়ে প্রথম আনুষ্ঠানিক ও ঐতিহাসিক প্রতিবাদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অলি আহাদ — তিনি ভাষা আন্দোলনের একজন অন্যতম ছাত্রনেতা ও সংগঠক ছিলেন, তবে গণপরিষদে ভাষা ব্যবহারের প্রথম দাবি তিনি তোলেননি। B) শ্রী মনোরঞ্জন ধর — তিনি গণপরিষদের একজন সদস্য ছিলেন এবং ভাষা আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছিলেন, কিন্তু এই প্রস্তাব উত্থাপন করেননি। C) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) শামসুল আলম — তিনি ভাষা আন্দোলনের সমসাময়িক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন, তবে গণপরিষদে এই দাবি উত্থাপনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত মানেই ধীরস্থিরভাবে প্রথম বাংলায় কথা বলার ঐতিহাসিক দাবিদার।
a গাজীপুরের জয়দেবপুরে।
b জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে।
c চট্টগ্রামের বিপ্লব উদ্যানে।
d রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। কেন সঠিক: - 'সাবাস বাংলাদেশ' ভাস্কর্যটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের পেছনে অবস্থিত। - এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে নির্মিত একটি ঐতিহাসিক ভাস্কর্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গাজীপুরের জয়দেবপুরে — এখানে রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস ও ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান অবস্থিত, 'সাবাস বাংলাদেশ' ভাস্কর্যটি এখানে নেই। B) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে — এখানে 'সংশপ্তক' ও 'পাথর ও জীবন' নামক বিখ্যাত ভাস্কর্যগুলো অবস্থিত। C) চট্টগ্রামের বিপ্লব উদ্যানে — এখানে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র ও বিপ্লব সংশ্লিষ্ট স্মৃতিচিহ্ন রয়েছে, এই ভাস্কর্যটি নেই। D) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানেই অবস্থিত হওয়ায় এটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: 'সাবাস' বললেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযুদ্ধের বিখ্যাত ভাস্কর্যটির কথা মনে রাখবে।
a ঢাকা
b দিল্লী
c ইসলামাবাদ
d কাঠমান্ডু
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) কাঠমান্ডু কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বা সার্কের স্থায়ী সচিবালয় নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। - ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থার সদর দপ্তর ১৯৮৭ সালের ১৬ জানুয়ারি কাঠমান্ডুতে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — কারণ ঢাকা হলো সার্কের প্রতিষ্ঠাতা প্রস্তাবকারী দেশ বাংলাদেশের রাজধানী, এর সদর দপ্তর এখানে নয়। B) দিল্লী — কারণ দিল্লী হলো ভারতের রাজধানী, সার্কের সদর দপ্তর ভারতে অবস্থিত নয়। C) ইসলামাবাদ — কারণ ইসলামাবাদ হলো পাকিস্তানের রাজধানী, সার্কের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়। D) কাঠমান্ডু — এটি সঠিক উত্তর কারণ কাঠমান্ডুতেই সার্কের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: সার্ক গঠনের প্রস্তাব ঢাকায় হলেও এর সদর দপ্তর নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।
a মাউস
b পেনড্রাইভ
c ওএমআর
d মাইক্রোফোন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পেনড্রাইভ কেন সঠিক: - পেনড্রাইভ মূলত একটি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস বা মেমোরি ডিভাইস, যার মাধ্যমে কম্পিউটারে ডেটা সংরক্ষণ ও আদান-প্রদান করা হয়। - এটি কোনো তথ্য কম্পিউটারের ভেতরে প্রবেশ করানোর মূল ইনপুট যন্ত্র নয়, বরং এটি ডেটা বহন করার মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাউস — এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে কম্পিউটারের স্ক্রিনে কার্সর নিয়ন্ত্রণ ও নির্দেশ প্রদান করা হয়। B) পেনড্রাইভ — এটি কোনো ইনপুট বা আউটপুট ডিভাইস নয়, এটি একটি পোর্টেবল তথ্য সংরক্ষণ বা মেমোরি ডিভাইস। C) ওএমআর — এটি অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন ইনপুট ডিভাইস, যা পরীক্ষার উত্তরপত্রের বিশেষ দাগ পড়তে ব্যবহৃত হয়। D) মাইক্রোফোন — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কণ্ঠস্বর বা শব্দ কম্পিউটারে প্রবেশ করানো হয়। মনে রাখার টিপস: মাউস, ওএমআর এবং মাইক্রোফোন সরাসরি কম্পিউটারে তথ্য বা নির্দেশ পাঠায় বলে এগুলো ইনপুট ডিভাইস, আর পেনড্রাইভ কেবল তথ্য সংরক্ষণ ও বহন করে।
a ময়মনসিংহ
b মেহেরপুর
c যশোর
d নওগাঁ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যশোর কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর যশোর জেলা পাকিস্তানি হানাদার মুক্ত হয় এবং এটিই বাংলাদেশের প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা। - এই জেলা শত্রুমুক্ত হওয়ার ফলে মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়মনসিংহ — এটি যুদ্ধের শেষ দিকে ১১ ডিসেম্বর শত্রুমুক্ত হয়, তাই এটি প্রথম জেলা নয়। B) মেহেরপুর — ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বৈদ্যনাথতলায় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করে, কিন্তু এটি প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা নয়। D) নওগাঁ — এটি ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর শত্রুমুক্ত হয়, তাই এটি প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা নয়। মনে রাখার টিপস: যশোর মানে জয় দিয়ে শুরু, তাই মুক্তিযুদ্ধে প্রথম বিজয়ের জেলা হলো যশোর।
a চীন
b ভারত
c যুক্তরাষ্ট্র
d জার্মানি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চীন কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সর্বাধিক পণ্য আমদানি করে চীন থেকে, যা মোট বৈদেশিক বাণিজ্যের সিংহভাগ দখল করে আছে। - অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ বিবেচনায় চীন বর্তমানে বাংলাদেশের শীর্ষ বাণিজ্য অংশীদার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ বাংলাদেশের সাথে এই দেশটির আমদানির পরিমাণ ও বাণিজ্য ঘাটতি সবচেয়ে বেশি। B) ভারত — বাংলাদেশ দ্বিতীয় সর্বাধিক আমদানি করলেও সামগ্রिक বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণে চীনের পরেই এর অবস্থান। C) যুক্তরাষ্ট্র — বাংলাদেশের রপ্তানির একক দেশ হিসেবে বড় বাজার হলেও সামগ্রিক বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণে চীনের পেছনে রয়েছে। D) জার্মানি — এটি বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির একটি বড় গন্তব্য হলেও সামগ্রিক বৈদেশিক বাণিজ্যে শীর্ষ অবস্থানে নেই। মনে রাখার টিপস: আমদানিতে শীর্ষে চীন, মনে রাখতে প্রথম অক্ষর চ দিয়ে চীন এবং চ দিয়ে চলতি বাণিজ্য ঘাটতির শীর্ষ দেশ হিসেবে মনে রাখা যায়।
a যুক্তরাষ্ট্র
b ভারত
c চীন
d জাপান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চীন কেন সঠিক: - চীন বিশ্বে প্রথম সংবাদপত্র বা সংবাদ বুলেটিন চালুর ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। - হান রাজবংশের সময় চীনে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য 'বাও' নামের সংবাদ বুলেটিন প্রকাশিত হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র প্রথম মুদ্রিত সংবাদপত্র প্রকাশের অনেক পরে আধুনিক সংবাদপত্রের বিস্তার ঘটায়। B) ভারত — ভারতে প্রথম সংবাদপত্র হিকির বেঙ্গল গেজেট প্রকাশিত হয় অনেক পরে ১৭৮০ সালে। C) চীন — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) জাপান — জাপানে প্রথম আধুনিক সংবাদপত্র প্রকাশিত হয় আরও অনেক পরে উনিশ শতকে। মনে রাখার টিপস: বিশ্বে প্রথম লেখার কাগজ ও সংবাদপত্র আবিষ্কার বা চালুর দিক থেকে চীন সবার চেয়ে এগিয়ে ছিল।
a নিউইয়র্ক
b ওয়াশিংটন
c লন্ডন
d কলকাতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কলকাতা কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশের প্রথম কূটনৈতিক মিশন প্রতিষ্ঠিত হয়। - তৎকালীন পাকিস্তান উপ-হাইকমিশনের বাঙালি কর্মকর্তা হোসেন আলী পাকিস্তান সরকারের প্রতি আনুগত্য ত্যাগ করে মিশনটিকে বাংলাদেশের প্রথম মিশন হিসেবে ঘোষণা করেন এবং সেখানে প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি পরবর্তীতে বাংলাদেশের জাতিসংঘ স্থায়ী মিশন হিসেবে কাজ শুরু করে, তবে প্রথম মিশন নয়। B) ওয়াশিংটন — এটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং পরবর্তী সময়ে সেখানে বাংলাদেশের দূতাবাস স্থাপন করা হয়। সি) লন্ডন — যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। D) কলকাতা — এই অপশনটি সঠিক কারণ ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল এখানেই প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলিত হয়। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতে প্রথম মিশন চালু হয় এবং কলকাতা থেকেই প্রথম পতাকা ওড়ানো হয়েছিল।
a পানি
b খাবার
c মাটি
d অক্সিজেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাটি ১. কেন সঠিক: জীবের বেঁচে থাকার জন্য মৌলিক শারীরবৃত্তীয় চাহিদা হলো পানি, খাবার এবং অক্সিজেন যা বিপাকীয় ক্রিয়া সচল রাখে। মাটি উদ্ভিদের জন্য মাধ্যম হলেও কিছু জীব যেমন জলজ ও বায়বীয় জীব মাটি ছাড়া সম্পূর্ণ স্বাভাবিক জীবন কাটাতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: জীবের বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেন শ্বসন প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপন্ন করে এবং পানি ও খাবার কোষের পুষ্টি জোগায়। কার্যপ্রণালি: শ্বসনতন্ত্র অক্সিজেন গ্রহণ করে কোষের মাইটোকন্ড্রিয়ায় গ্লুকোজ জারিত করে শক্তি উৎপাদন করে যা জীবের জীবন ধারণের জন্য অপরিহার্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিমি ও ডলফিন জলজ প্রাণী হিসেবে আজীবন পানিতে বাস করে এবং তাদের বেঁচে থাকার জন্য মাটি কোনো প্রয়োজন হয় না। ব্যাখ্যা: এরা পানিতে সাঁতার কাটে এবং বায়ুমণ্ডল থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে বেঁচে থাকে, যা প্রমাণ করে মাটি অত্যাবশ্যকীয় নয়। উদাহরণ ২: এয়ার প্লান্ট বা এপিফাইট জাতীয় উদ্ভিদ যেমন অর্কিড অন্য গাছের ডালে জন্মে এবং বাতাস থেকে আর্দ্রতা শোষণ করে বেঁচে থাকে। ব্যাখ্যা: এই উদ্ভিদগুলোর বৃদ্ধির জন্য কোনো মাটির প্রয়োজন হয় না, যা দেখায় মাটি ছাড়া জীবন সম্ভব। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পানি — প্রোটোপ্লাজম সচল রাখতে এবং দেহের রাসায়নিক বিক্রিয়া সম্পন্ন করতে পানি অতি আবশ্যকীয় উপাদান। B) খাবার — শক্তির উৎস ও দেহের ক্ষয়পূরণ এবং বৃদ্ধির জন্য সব জীবেরই খাদ্য বা পুষ্টি উপাদান প্রয়োজন। C) মাটি — এটি উদ্ভিদের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির মাধ্যম হলেও অনেক জলজ ও বায়বীয় জীবের বেঁচে থাকার জন্য মাটি আবশ্যক নয়। D) অক্সিজেন — সব সবাত শ্বসনকারী জীবের শক্তি উৎপাদনের জন্য অক্সিজেন গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক। ৫ মনে রাখার টিপস: জীবের মৌলিক চাহিদার ক্ষেত্রে প্রাণ এবং শক্তির উৎসগুলোকে আগে মনে রাখতে হবে যেমন অন্ন, জল ও বাতাস। মাটি নির্দিষ্ট কিছু উদ্ভিদ ও স্থলজীবের জন্য সহায়ক হলেও সার্বিকভাবে সকল জীবের প্রাথমিক অস্তিত্বের প্রধান শর্ত নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই ধরনের প্রশ্নে জীবের সার্বজনীন মৌলিক চাহিদা এবং বিশেষ মাধ্যমের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে হবে। ভবিষ্যতের পরীক্ষায় এপিফাইট উদ্ভিদ বা জলজ প্রাণীর বেঁচে থাকার শর্ত নিয়ে ঘুরিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
a আমিষ
b শর্করা
c ভিটামিন
d এনজাইম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শর্করা ১. কেন সঠিক: - সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে কার্বন ডাই অক্সাইড ও পানির রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে গ্লুকোজ বা শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে। - এই প্রক্রিয়ায় সৌরশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে শর্করার অণুতে সঞ্চিত থাকে, যা উদ্ভিদের প্রধান খাদ্য এবং অন্যান্য জীবের শক্তির উৎস। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: উদ্ভিদ ক্লোরোফিল ও সূর্যালোকের সাহায্যে অজৈব উপাদান থেকে জৈব খাদ্য প্রস্তুত করার প্রক্রিয়া হলো সালোকসংশ্লেষণ। - কার্যপ্রণালি: উদ্ভিদ বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড এবং শিকড় দিয়ে মাটি থেকে পানি শোষণ করে ক্লোরোফিলের সাহায্যে সৌরশক্তিকে আবদ্ধ করে শর্করা উৎপন্ন করে। - রসায়ন সমীকরণ: ছয় অনু কার্বন ডাই অক্সাইড যোগ বারো অনু পানি সূর্যালোক ও ক্লোরোফিলের প্রভাবে এক অনু গ্লুকোজ যোগ ছয় অনু অক্সিজেন যোগ ছয় অনু পানি উৎপন্ন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মিষ্টি আম বা পাকা কলা খাওয়া। ব্যাখ্যা: উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় তৈরি শর্করা উদ্ভিদে জমা হয়ে ফলকে মিষ্টি করে তোলে, যা আমরা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করি। উদাহরণ ২: ভাত বা আলু জাতীয় খাবার খাওয়া। ব্যাখ্যা: উদ্ভিদের পাতায় তৈরি শর্করা পরবর্তীতে স্টার্চ বা শ্বেতসার হিসেবে উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশে জমা থাকে, যা আমাদের শক্তির জোগান দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমিষ — আমিষ বা প্রোটিন হলো নাইট্রোজেনযুক্ত জটিল জৈব যৌগ, যা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সরাসরি তৈরি হয় না। B) শর্করা — এটি সঠিক উত্তর কারণ সালোকসংশ্লেষণে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা জাতীয় খাদ্য উৎপাদিত হয়। C) ভিটামিন — ভিটামিন হলো ক্ষুদ্র পুষ্টি উপাদান, যা জীবদেহের বিপাকীয় কাজের জন্য প্রয়োজন কিন্তু সালোকসংশ্লেষণের সরাসরি উৎপাদ নয়। D) এনজাইম — এনজাইম হলো জৈব অনুঘটক বা প্রোটিন জাতীয় পদার্থ, যা সালোকসংশ্লেষণে সহায়তা করে কিন্তু সরাসরি এই প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - সালোকসংশ্লেষণ মানেই আলোর সাহায্যে খাদ্য বা শর্করা তৈরি করা। - মনে রাখবে, উদ্ভিদ কার্বন ডাই অক্সাইড ও পানি নিয়ে শর্করা বানায় এবং উপজাত হিসেবে অক্সিজেন ছাড়ে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উপজাত হিসেবে অক্সিজেন নির্গত হয়। - এই ধরনের প্রশ্নে প্রায়শই জানতে চাওয়া হয় সালোকসংশ্লেষণের প্রধান উৎপাদ কোনটি, যার সঠিক উত্তর হবে শর্করা বা গ্লুকোজ।
a শনি
b বৃহস্পতি
c শুক্র
d বুধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শুক্র ১. কেন সঠিক: - সৌরজগতের অভ্যন্তরীণ গ্রহগুলোর মধ্যে শুক্র এবং বুধের কোনো প্রাকৃতিক উপগ্রহ বা চাঁদ নেই। - সূর্যের তীব্র মহাকর্ষ বল এবং গ্রহ দুটির ছোট আকারের কারণে এদের নিজস্ব কোনো উপগ্রহ ধরে রাখার ক্ষমতা নেই। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: জ্যোতির্বিজ্ঞান ও মহাকাশ বিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী কোনো গ্রহের চারপাশে তার আকর্ষণে ঘুরতে থাকা ছোট জ্যোতিষ্ককে উপগ্রহ বলে। - কারণ ও ফলাফল: সূর্যের খুব কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ার কারণে সূর্য শক্তিশালী জোয়ার বল প্রয়োগ করে, ফলে গ্রহের কাছাকাছি কোনো উপগ্রহ থাকলে তা ছিটকে দূরে চলে যায় বা সূর্য কর্তৃক গ্রাস হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুধ গ্রহ ব্যাখ্যা: সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধের কোনো উপগ্রহ নেই কারণ এর ওপর সূর্যের মহাকর্ষীয় প্রভাব অত্যন্ত শক্তিশালী। উদাহরণ ২: বৃহস্পতি গ্রহ ব্যাখ্যা: সূর্য থেকে অনেক দূরে অবস্থিত হওয়ায় বৃহস্পতির শক্তিশালী মহাকর্ষ বল রয়েছে এবং এর ৯৫টি উপগ্রহ বা চাঁদ রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শনি — শনির অনেক উপগ্রহ রয়েছে, যার মধ্যে টাইটান অন্যতম এবং এটি দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ যার চাঁদ আছে। B) বৃহস্পতি — বৃহস্পতির বর্তমান আবিষ্কৃত উপগ্রহের সংখ্যা ৯৫টি, যা সৌরজগতের অন্যতম সর্বোচ্চ চাঁদধারী গ্রহ। C) শুক্র — শুক্র গ্রহের নিজস্ব কোনো প্রাকৃতিক উপগ্রহ নেই, তাই এটি সঠিক উত্তর। D) বুধ — বুধ গ্রহের কোনো প্রাকৃতিক উপগ্রহ নেই, তবে প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তর সি এবং বুধ উভয়ই উপগ্রহহীন হলেও মূল প্রমিত উত্তরে শুক্রকে ধরা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার কৌশল হিসেবে ভাবুন, সৌরজগতের প্রথম দুটি গ্রহ বুধ ও শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই, বাকি সবারই কমবেশি চাঁদ আছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সৌরজগতের কোন গ্রহের সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ আছে, এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - কোন গ্রহের উপগ্রহ নেই তা জানলে অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক গ্রহের মহাকর্ষীয় পার্থক্য পরিষ্কার হয়।
a কর্ণফুলী
b কুশিয়ারা
c হালদা
d যমুনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হালদা ১. কেন সঠিক: - হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র জোয়ারভাটার নদী যার উৎপত্তি ও সমাপ্তি সম্পূর্ণরূপে দেশের সীমানার ভেতরেই ঘটেছে। - এটি খাগড়াছড়ি জেলার বদনাতলী পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে চট্টগ্রামের কালুরঘাটের কাছে কর্ণফুলী নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল তথা চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি জেলা। - বৈশিষ্ট্য: এটি এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র যেখানে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশ মাছ ডিম ছাড়ে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: হালদা নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ৮১ কিলোমিটার এবং এর অববাহিকা অঞ্চলে তীব্র জোয়ারভাটা পরিলক্ষিত হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: বঙ্গোপসাগর ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ সীমানায় অবস্থিত এবং দেশের সব নদ-নদীর চূড়ান্ত সমাপ্তি স্থল হলেও এর উৎপত্তি বাংলাদেশে নয়। উদাহরণ ২: সুন্দরবন ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের সীমানার ভেতরে অবস্থিত একটি একক প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র, যা নদী ও সমুদ্রের সংযোগস্থলে গড়ে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্ণফুলী — এটি আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে, তাই এর উৎপত্তি দেশের বাইরে। B) কুশিয়ারা — এটি বরাক নদী থেকে শাখা হিসেবে ভারতের বরাক উপত্যকা থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে, তাই এর উৎপত্তিও দেশের বাইরে। D) যমুনা — এটি ব্রহ্মপুত্র নদের প্রধান ধারা হিসেবে তিব্বত ও ভারত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে, তাই এটি আন্তর্জাতিক নদী। ৫. মনে রাখার টিপস: - হালদা নদীর জন্ম ও মৃত্যু বা সমাপ্তি সবই বাংলাদেশের ভেতরে ঘটেছে, তাই একে খাঁটি দেশি নদী মনে রাখা যায়। - উৎস খাগড়াছড়ির পাহাড় এবং মোহনা চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী, এই দুটি নাম মনে রাখলে ভৌগোলিক অবস্থান স্পষ্ট হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - হালদা নদী কেন বিখ্যাত, এই প্রশ্নটি বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদ ও ভূগোল অংশে বারবার আসে। - একই ধারণা থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন নদী প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
a চূড়া
b গিরিসঙ্কট
c পর্বতশৃঙ্গ
d উপত্যকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপত্যকা ১. কেন সঠিক: দুই বা ততোধিক পাহাড় বা পর্বতের মাঝখানের দীর্ঘ ও তুলনামূলক সমতল বা ঢালু ভূমিকে উপত্যকা বলা হয়। সাধারণত নদী বা হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে পর্বতগাত্র ক্ষয় পেয়ে এই ধরনের ভৌগোলিক ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: বৈশিষ্ট্য: উপত্যকা সাধারণত দীর্ঘ আকৃতির হয় এবং এর মধ্য দিয়ে প্রায়শই নদনদী প্রবাহিত হয়। সংশ্লিষ্ট তথ্য: পাহাড়ি অঞ্চলের এই উপত্যকাগুলোতে উর্বর মাটি থাকার কারণে কৃষকাজ ও জনবসতি গড়ে ওঠে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: কাশ্মীর উপত্যকা ব্যাখ্যা: এটি হিমালয় ও পীর পঞ্জাল পর্বতমালার মাঝখানে অবস্থিত একটি বিখ্যাত ও উর্বর উপত্যকা। উদাহরণ ২: গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন ব্যাখ্যা: এটি যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে কলোরাডো নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট বিশ্বের অন্যতম গভীর উপত্যকা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চূড়া — এটি পাহাড় বা পর্বতের একেবারে উপরের সবচেয়ে উঁচুতম বিন্দুকে বোঝায়, সমতল ভূমি নয়। B) গিরিসঙ্কট — এটি পাহাড় বা পর্বতের মধ্যবর্তী অত্যন্ত সংকীর্ণ পথ বা ফাঁক, যা সমতল ভূমি নয়। C) পর্বতশৃঙ্গ — এটি চূড়ার সমার্থক এবং পাহাড়ের সর্বোচ্চ শীর্ষদেশকে নির্দেশ করে। D) উপত্যকা — এটি দুই পাহাড়ের মাঝখানের তুলনামূলক সমতল ভূমি হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: পাহাড়ের ওপরের অংশ হলো চূড়া বা শৃঙ্গ, আর পাহাড়ের নিচের মাঝখানের সমতল অংশ হলো উপত্যকা। এই সামান্য পার্থক্যটি মনে রাখলে পরীক্ষাকেন্দ্রে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নদী বা হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে কোন ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়, এই প্রশ্নটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। উপত্যকা এবং গিরিসঙ্কট সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো মূলত ভূপ্রকৃতি অধ্যায়ের অন্তর্গত।
a নরওয়ে
b জাপান
c নিউজিল্যান্ড
d রাশিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নরওয়ে ১. কেন সঠিক: - নরওয়ে পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে সুমেরু বৃত্তের কাছাকাছি অবস্থিত একটি দেশ, যেখানে গ্রীষ্মকালে পৃথিবীর আবর্তনের কারণে সূর্য দিগন্তের নিচে সম্পূর্ণ অস্ত যায় না। - পৃথিবীর অক্ষের ২৬.৫ ডিগ্রি বা ২৩.৫ ডিগ্রি আনতির কারণে উচ্চ অক্ষাংশ অঞ্চলে এই প্রাকৃতিক ঘটনা ঘটে, যা মধ্যরাতের সূর্য নামে পরিচিত। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: ইউরোপ মহাদেশের উত্তর অংশে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপদ্বীপে নরওয়ে অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এই দেশের ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর এবং এখানে সমুদ্র উপকূলের গভীরে প্রবেশ করা ফিওর্ড বা বরফগলিত উপত্যকা দেখা যায়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: সোভালবার্ড দ্বীপপুঞ্জ ব্যাখ্যা: নরওয়ের এই অঞ্চলে এপ্রিল মাস থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত একটানা সূর্য দেখা যায় এবং কোনো অন্ধকার নামে না। উদাহরণ ২: হ্যামারফেস্ট শহর ব্যাখ্যা: নরওয়ের এই শহরটিকে নিশীথ সূর্যের শহর বলা হয় কারণ এখানে মে থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত সূর্য সার্বক্ষণিক দৃশ্যমান থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নরওয়ে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশে সুমেরু বৃত্তের ভেতর নিশীথ সূর্য দেখা যায়। B) জাপান — এটি এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এটিকে উদীয়মান সূর্যের দেশ বলা হয়, নিশীথ সূর্যের দেশ নয়। C) নিউজিল্যান্ড — এটি দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত একটি ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশ এবং এর জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ ধরনের। D) রাশিয়া — এটি বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হলেও এর সুমেরু সংলগ্ন অঞ্চলে নিশীথ সূর্য দেখা গেলেও সামগ্রिकভাবে একে নিশীথ সূর্যের দেশ বলা হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: নরওয়ে নামের প্রথম অক্ষর ন এবং নিশীথ সূর্যের প্রথম অক্ষর ন দিয়ে মনে রাখা যায় যে ন তে নরওয়ে। উচ্চ অক্ষাংশ এবং সুমেরু বৃত্তের দেশ মানেই উত্তর গোলার্ধের নরওয়েকে মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিশ্ব ভূগোল এবং বিভিন্ন দেশের ভৌগোলিক উপনাম অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন দেশকে উদীয়মান সূর্যের দেশ বলা হয়, যার উত্তর হবে জাপান।
a সুতি
b শিফন
c রেশমি
d ভেলভেট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রেশমি কেন সঠিক: - রেশম পোকা বা মথ থেকে প্রোটিনজাতীয় আঁশ পাওয়া যায়, যা থেকে রেশমি বা সিল্ক কাপড় তৈরি করা হয়। - রেশম চাষ বা সেরিকালচার প্রক্রিয়ায় এই আঁশ সংগ্রহ করে সুতা তৈরি করা হয় এবং তা থেকে উন্নত মানের রেশমি বস্ত্র উৎপাদিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুতি — সুতি কাপড় তুলো থেকে প্রস্তুত করা হয়, রেশম কীট থেকে নয়। B) শিফন — শিফন সুতা কৃত্রিম বা সিল্ক দুই মাধ্যমেই হতে পারে, তবে এটি নির্দিষ্ট কোনো কীট নিঃসৃত আঁশের একমাত্র নাম নয়। C) রেশমি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা রেশম পোকার কোকুন থেকে উৎপাদিত আঁশ দিয়ে তৈরি হয়। D) ভেলভেট — ভেলভেট এক ধরনের বিশেষ বুনন পদ্ধতি, যা তুলা, সিল্ক বা কৃত্রিম তন্তু থেকে তৈরি হতে পারে। মনে রাখার টিপস: রেশম পোকা থেকে রেশমি কাপড় তৈরি হয়, তাই রেশম শব্দটির সাথে রেশমি উত্তরটি সরাসরি মিলে যায়।
a মাটির কণার ফাঁকে
b মাটির কণার চারপাশে
c মাটিতে মিশ্রিত অবস্থায়
d জৈব পদার্থের মধ্যে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাটির কণার ফাঁকে কেন সঠিক: - মাটির প্রধান উপাদানগুলোর মধ্যে খনিজ কণার পাশাপাশি রন্ধ্র বা ফাঁকা স্থান থাকে। - এই ফাঁকা স্থান বা পোর স্পেসেই বাতাস ও পানি অবস্থান করে উদ্ভিদের শিকড়কে বাঁচিয়ে রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাটির কণার ফাঁকে — এটি সঠিক কারণ মাটির কঠিন কণাগুলোর মাঝের খালি জায়গাতেই বাতাস থাকে। B) মাটির কণার চারপাশে — এটি ভুল কারণ কণার চারপাশে প্রধানত পানির পাতলা আস্তরণ বা ফিল্ম থাকে, বাতাস থাকে ফাঁকা স্থানে। C) মাটিতে মিশ্রিত অবস্থায় — এটি ভুল কারণ বাতাস মাটিতে কোনো রাসায়নিক মিশ্রণ হিসেবে থাকে না, মুক্ত অবস্থায় ফাঁকে থাকে। D) জৈব পদার্থের মধ্যে — এটি ভুল কারণ জৈব পদার্থ মাটির একটি অংশ মাত্র, যেখানে বাতাস সরাসরি সংরক্ষিত থাকে না। মনে রাখার টিপস: মাটিতে কণার মাঝে যে ফাঁকা জায়গা থাকে, তাকে রন্ধ্র বলে এবং সেখানেই মাটি ও উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় বাতাস জমা হয়।
a রুট ট্রেনিং
b রুট হার্ডেনিং
c রুট প্রুনিং
d রুট প্রুনিং
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রুট প্রুনিং কেন সঠিক: - গাছ বা উদ্ভিদের অতিরিক্ত বা মৃত শিকড় কেটে ফেলার বিজ্ঞানসম্মত প্রক্রিয়া হলো রুট প্রুনিং। - এটি গাছের নতুন শিকড় গজাতে এবং পুষ্টি উপাদান শোষণ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রুট ট্রেনিং — এটি শিকড়কে নির্দিষ্ট দিকে বাড়তে সাহায্য করার প্রক্রিয়া, কাটার প্রক্রিয়া নয়। B) রুট হার্ডেনিং — এটি চারাগাছকে প্রতিকূল পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেওয়ার উপযোগী করার প্রক্রিয়া। সি) রুট প্রুনিং — এটি সঠিক উত্তর, যদিও অপশনে পুনরাবৃত্তি রয়েছে। ডি) রুট প্রুনিং — এটি গাছের শিকড় কাটার সঠিক প্রক্রিয়া নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি প্রুন শব্দের অর্থ ছাঁটাই করা, তাই শিকড় ছাঁটাই করাকে রুট প্রুনিং বলে।
a N, P, K
b C, H, O
c Ca, Mo, S
d As, Hg, Si
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) N, P, K কেন সঠিক: - N বলতে নাইট্রোজেন, P বলতে ফসফরাস এবং K বলতে পটাশিয়াম বোঝায়, যা উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য সর্বাধিক পরিমাণে প্রয়োজন হয়। - উদ্ভিদের পুষ্টির জন্য এদের প্রধান বা মুখ্য উপাদান বলা হয় কারণ এরা উদ্ভিদের খাদ্য তৈরিতে এবং কোষ গঠনে সরাসরি অংশ নেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) N, P, K — এটি সঠিক উত্তর কারণ এগুলো উদ্ভিদের প্রাথমিক বা মুখ্য পুষ্টি উপাদান। B) C, H, O — কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন উদ্ভিদের গাঠনিক উপাদান, পুষ্টি উপাদান নয়। C) Ca, Mo, S — ক্যালসিয়াম, মলিবডেনাম ও সালফার উদ্ভিদের গৌণ পুষ্টি উপাদান। D) As, Hg, সাই — আর্সেনিক ও পারদ উদ্ভিদের জন্য অত্যন্ত বিষাক্ত ভারী ধাতু এবং পুষ্টি উপাদান নয়। মনে রাখার টিপস: প্রাথমিক পুষ্টি উপাদান মনে রাখতে 'না পামু কাকা' বা N-P-K মনে রাখুন।
a ইউরিয়া
b টিএসপি
c মিউরেইট অব পটাশ
d ডিএপি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মিউরেইট অব পটাশ কেন সঠিক: - মিউরেইট অব পটাশ সারে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম বা পটাশ থাকে, যা উদ্ভিদের মূল শক্ত করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। - এটি উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং ফলের গুণগত মান বৃদ্ধি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউরিয়া — এটি মূলত নাইট্রোজেন সরবরাহকারী সার, যা গাছের পাতা ও ডালের বৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। B) টিএসপি — এটি ট্রিপল সুপার ফসফেট সার, যা ফসফরাস সরবরাহ করে এবং গাছের শিকড় গঠনে সহায়তা করে। C) মিউরেইট অব পটাশ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে পটাশিয়াম সরবরাহকারী সার হিসেবে কাজ করে। D) ডিএপি — এটি ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট সার, যা নাইট্রোজেন ও ফসফরাসের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: পটাশিয়াম বা পটাশ বোঝাতে মিউরেইট অব পটাশ নামটি মনে রাখতে হবে, কারণ এটি উদ্ভিদের জন্য প্রধান পটাশিয়াম সার।
a সবজিচাষ সংক্রান্ত
b ফুলচাষ সংক্রান্ত
c ফলচাষ সংক্রান্ত
d শস্যচাষ সংক্রান্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফুলচাষ সংক্রান্ত কেন সঠিক: - ফ্লোরিকালচার বা ফুলচাষ কৃষি বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা, যেখানে বাণিজ্যিক ও সৌখিন উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধরনের ফুল উৎপাদন ও পরিচর্যা করা হয়। - গ্রিক শব্দ ফ্লোর এবং কালচার শব্দ দুটি মিলে এই বিশেষ কৃষিভিত্তিক চর্চাকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সবজিচাষ সংক্রান্ত — সবজি উৎপাদন ও পরিচর্যার বিদ্যাকে অলেরিকালচার বলা হয়, ফ্লোরিকালচার নয়। B) ফুলচাষ সংক্রান্ত — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা ফুল উৎপাদন ও গবেষণার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। C) ফলচাষ সংক্রান্ত — ফল উৎপাদনের বিদ্যাকে পোমোলজিতে আলোচনা করা হয়, ফ্লোরিকালচারে নয়। D) শস্যচাষ সংক্রান্ত — মাঠের প্রধান ফসল উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনার বিদ্যাকে এগ্রোনমি বলা হয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ফ্লোর শব্দের অর্থ ফুল, তাই ফ্লোরিকালচার বললেই ফুলচাষ বোঝায়।
a নাইট্রোজেন
b বোরণ
c আর্সেনিক
d মারকারি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাইট্রোজেন কেন সঠিক: - উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও প্রোটিন তৈরির জন্য যেসব খনিজ পুষ্টি উপাদান বেশি পরিমাণে প্রয়োজন হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোমৌল বলে। - নাইট্রোজেন উদ্ভিদের একটি প্রধান ম্যাক্রোমৌল বা মুখ্য পুষ্টি উপাদান যা উদ্ভিদ মাটি থেকে প্রচুর পরিমাণে গ্রহণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইট্রোজেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ উদ্ভিদ এটি প্রচুর পরিমাণে গ্রহণ করে এবং এটি প্রধান ম্যাক্রোমৌল। B) বোরণ — এটি একটি মাইক্রোমৌল বা গৌণ পুষ্টি উপাদান, যা উদ্ভিদের খুব অল্প পরিমাণে প্রয়োজন হয়। C) আর্সেনিক — এটি কোনো প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান নয়, বরং এটি উদ্ভিদের জন্য একটি বিষাক্ত ভারী ধাতু। D) মারকারি — এটিও পারদ নামক একটি ক্ষতিকর ভারী ধাতু, যা উদ্ভিদের পুষ্টির সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ম্যাক্রোমৌল মনে রাখার সহজ শব্দ হলো 'ম্যা C-H-O-N P-K-Ca-Mg', যেখানে নাইট্রোজেন অন্যতম প্রধান উপাদান।
a ব্রুডার ঘর
b হ্যাচারি ঘর
c ব্রয়লার ঘর
d গ্রোয়ার ঘর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হ্যাচারি ঘর কেন সঠিক: - ইনকিউবেটর বা কৃত্রিম তা দেওয়ার যন্ত্র ব্যবহার করে ডিম থেকে বাচ্চা ফোটানোর নির্দিষ্ট ঘরকে হ্যাচারি ঘর বলা হয়। - এই ঘরে তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতা কৃত্রিম উপايে নিয়ন্ত্রণ করে সফলভাবে ডিম ফোটানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রুডার ঘর — বাচ্চা ফোটার পর কৃত্রিম উত্তাপ দিয়ে ছোট বাচ্চা লালন-পালনের ঘরকে ব্রুডার ঘর বলা হয়, ডিম ফোটানোর ঘর নয়। B) হ্যাচারি ঘর — ইনকিউবেটরের সাহায্যে ডিম থেকে বাচ্চা ফোটানোর ঘর হিসেবে এটি সঠিক। C) ব্রয়লার ঘর — মাংস উৎপাদনের উদ্দেশ্যে পালিত ব্রয়লার মুরগি রাখার ঘরকে ব্রয়লার ঘর বলা হয়। D) গ্রোয়ার ঘর — মুরগির বাচ্চারা বড় হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে (গ্রোয়ার স্টেজে) যে ঘরে রাখা হয় তাকে গ্রোয়ার ঘর বলে। মনে রাখার টিপস: হ্যাচ শব্দের অর্থ ডিম থেকে বাচ্চা ফোটানো, তাই ডিম ফোটার ঘর হলো হ্যাচারি ঘর।
a BRRI
b BINA
c BJRI
d BARI
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) BARI কেন সঠিক: - BARI বা বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট হলো দেশের একমাত্র প্রধান বহু শস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা বিভিন্ন খাদ্য ও অর্থকরী ফসলের উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন করে। - এই প্রতিষ্ঠানটি ধান, পাট ও চা ব্যতীত অন্যান্য সকল প্রধান ফসলের গবেষণা ও উন্নয়নের সাথে সরাসরি যুক্ত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) BRRI — এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা শুধুমাত্র ধান গবেষণা ও এর নতুন জাত উদ্ভাবনের সাথে সম্পর্কিত। B) BINA — এটি বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা পরমাণু প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসলের উন্নত জাত উদ্ভাবন করে। C) BJRI — এটি বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা বিশেষভাবে পাট ও পাটজাত ফাইবার নিয়ে গবেষণা করে। D) BARI — এটি বহু শস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: ধানের জন্য BRRI, পাটের জন্য BJRI এবং বহুমুখী বা বহু শস্যের গবেষণার জন্য BARI মনে রাখতে হবে।
a কলা
b আম
c পেঁপে
d লিচু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আম কেন সঠিক: - হাঁড়িভাঙা বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলের বিশেষ করে রংপুরের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সুস্বাদু আমের জাত। - এই আমের আঁটি বেশ ছোট এবং শ্বাস বা শাঁস খুব মিষ্টি ও সুগন্ধযুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কলা — কলা একটি ভিন্ন জাতীয় ফল এবং এর অনেক জাত রয়েছে যেমন সাগর, চম্পা, সবরি, কিন্তু হাঁড়িভাঙা কলা নয়। B) আম — এটি আম ফলের একটি বিশেষ ও জনপ্রিয় জাত। C) পেঁপে — পেঁপে গাছ ও ফলের জাত ভিন্ন হয়ে থাকে এবং হাঁড়িভাঙা পেঁপে নয়। D) লিচু — লিচু একটি গ্রীষ্মকালীন ফল এবং এর জনপ্রিয় জাতগুলোর মধ্যে বোম্বাই ও চায়না থ্রি উল্লেখযোগ্য, হাঁড়িভাঙা লিচু নয়। মনে রাখার টিপস: রংপুরের মিষ্টি আম মানেই হাঁড়িভাঙা আম।
a জারুল
b গরান
c গর্জন
d শাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শাল কেন সঠিক: - শাল গাছ মূলত পর্ণমোচী বৃক্ষ যা মাটিতে কেটে ফেলার পর এর মূল বা গুঁড়ি থেকে নতুন চারা জন্মায়। - উদ্ভিদের এই পুনরুৎপাদন প্রক্রিয়াকে বনবিদ্যায় কপিসিং বা খুঁটি চারা পদ্ধতি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জারুল — এটি আর্দ্র অঞ্চলের সোমপ্রকাশী বৃক্ষ এবং সাধারণত কপিসিং পদ্ধতিতে এর বংশবৃদ্ধি বা ব্যবস্থাপনা করা হয় না। B) গরান — এটি সুন্দরবনের একটি চিরহরিৎ গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ যা জোয়ারভাটা প্লাবিত লবণাক্ত মাটিতে জন্মায় এবং এর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি প্রযোজ্য নয়। C) গর্জন — এটি উচ্চ মানসম্পন্ন দীর্ঘ কাঠ প্রদানকারী চিরহরিৎ বৃক্ষ যা মূলত বীজ থেকে প্রাকৃতিকভাবে জন্মায়। D) শাল — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক হওয়ায় এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক অপশন হিসেবে বিবেচিত। মনে রাখার টিপস: শাল গাছ কাটলে মূল থেকে নতুন গাছ জন্মায়, যাকে কপিসিং বলা হয়।
a ইলিশ মাছ
b চিংড়ি মাছ
c পাট
d ধান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চিংড়ি মাছ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে চিংড়ি মাছের ব্যাপক অবদান থাকায় একে 'শ্বেতস্বর্ণ' বা হোয়াইট গোল্ড বলা হয়। - রপ্তানি বাণিজ্যে উচ্চমূল্য ও সাদা রঙের জন্য চিংড়ি মাছ এই বিশেষ উপাধিতে ভূষিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইলিশ মাছ — ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ এবং একে 'রূপালি ইলিশ' বলা হয়, শ্বেতস্বর্ণ বলা হয় না। B) চিংড়ি মাছ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর। C) পাট — পাটকে সোনালী আঁশ বলা হয়, শ্বেতস্বর্ণ বলা হয় না। D) ধান — ধান বা চাল বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য, একে শ্বেতস্বর্ণ বলা হয় না। মনে রাখার টিপস: সাদা রঙের চিংড়ি বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় বলে একে শ্বেতস্বর্ণ বলা হয়।
a উন্নত জাতের ধান
b উন্নত জাতের পাট
c উন্নত জাতের আলু
d উন্নত জাতের চা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উন্নত জাতের ধান কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের যৌথ উদ্যোগে উদ্ভাবित অধিক ফলনশীল ধানের একটি জাত। - আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বা আইআরআরআই এটি উদ্ভাবন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উন্নত জাতের ধান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ইরাটম ধানের একটি উন্নত জাত। B) উন্নত জাতের পাট — এটি ভুল কারণ পাট বা এর কোনো জাতের সঙ্গে ইরাটম নামটি সম্পর্কিত নয়। C) উন্নত জাতের আলু — এটি ভুল কারণ আলু বা এর কোনো উন্নত জাত বোঝাতে ইরাটম শব্দটি ব্যবহৃত হয় না। D) উন্নত জাতের চা — এটি ভুল কারণ চা পাতার কোনো উন্নত জাতের নাম ইরাটম নয়। মনে রাখার টিপস: ইরাটম শব্দের শুরুতে থাকা আইআর বা আইআরআরআই কথাটি আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সঙ্গে মিলে যায়, যা দিয়ে ধান মনে রাখা সহজ।
a অধ্যাপক আব্দুল সালাম
b ড. মোঃ সিদ্দিকুল্লাহ
c ড. মাকসুদুল আলম
d কুদরাত-ই-খুদা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ড. মাকসুদুল আলম কেন সঠিক: - ড. মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে একদল গবেষক ২০১০ সালে সফলভাবে পাটের জিন রহস্য বা জীবনরহস্য আবিষ্কার করেন। - এটি বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল পাটের উন্নত জাত উদ্ভাবন এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ঐতিহাসিক অবদান রেখেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধ্যাপক আব্দুল সালাম — ইনি একজন বিশিষ্ট পদার্থবিজ্ঞানী ছিলেন, যা পাটের জিন রহস্য আবিষ্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ড. মোঃ সিদ্দিকুল্লাহ — ইনি এই বৈজ্ঞানিক গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) ড. মাকসুদুল আলম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) কুদরাত-ই-খুদা — ইনি একজন প্রখ্যাত রসায়নবিদ ও শিক্ষাবিদ ছিলেন, তবে জিন রহস্য আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত নন। মনে রাখার টিপস: পাট আমাদের সোনালী আঁশ এবং এর জিন আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত আছেন সোনালী মনের বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম।
a পহেলা অগ্রহায়ণ
b পহেলা কার্তিক
c পহেলা আষাঢ়
d পহেলা পৌষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পহেলা অগ্রহায়ণ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকার ১৪০৬ বঙ্গাব্দ থেকে পহেলা অগ্রহায়ণকে জাতীয় কৃষি দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। - এই দিনে কৃষির সাথে জড়িত মানুষ ও কৃষিজ পণ্যের গুরুত্ব তুলে ধরতে দেশজুড়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠান পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পহেলা অগ্রহায়ণ — এটি বাংলাদেশ সরকারের নির্ধারিত অফিসিয়াল জাতীয় কৃষি দিবস। B) পহেলা কার্তিক — এটি বাংলা সেশনের কার্তিক মাসের প্রথম দিন হলেও জাতীয় কৃষি দিবস নয়। C) পহেলা আষাঢ় — এটি বর্ষাকাল শুরুর দিন হলেও জাতীয় কৃষি দিবস হিসেবে পালিত হয় না। D) পহেলা পৌষ — এটি পৌষ সংক্রান্তি বা শীতের আগমনী দিন, কৃষি দিবস নয়। মনে রাখার টিপস: নতুন ধান কাটার মৌসুম অগ্রহায়ণ মাস থেকেই শুরু হয়, তাই পহেলা অগ্রহায়ণ হলো আমাদের জাতীয় কৃষি দিবস।
a BARI
b BRRI
c BADC
d BINA
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) BADC কেন সঠিক: - বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বা BADC কৃষকদের মধ্যে মানসম্মত বীজ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য গঠিত প্রধান সরকারি প্রতিষ্ঠান। - এটি দেশের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন ফসলের বীজ উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) BARI — এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা মূলত নতুন ফসলের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে থাকে। B) BRRI — এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যার প্রধান কাজ ধানের নতুন জাত ও চাষাবাদ পদ্ধতি উদ্ভাবন করা। C) BADC — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) BINA — এটি বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা পরমাণু প্রযুক্তি ব্যবহার. করে ফসলের উন্নত জাত উদ্ভাবন করে। মনে রাখার টিপস: বীজ উৎপাদনের মূল দায়িত্ব পালন করে কর্পোরেশন বা BADC, আর গবেষণা করে ইনস্টিটিউটগুলো।
a পাট
b ধনিয়া
c অর্জুন
d তুলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অর্জুন কেন সঠিক: - অর্জুন একটি পরিচিত ঔষধি গাছ যার ছাল হৃদরোগের চিকিৎসায় অত্যন্ত কার্যকর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - এর বাকল বা ছাল প্রাচীনকাল থেকেই ভেষজ ওষুধ তৈরিতে এবং আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাট — এটি বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল এবং এর আঁশ দিয়ে বস্তা বা চটের থলে তৈরি হয়, এটি কোনো ঔষধি গাছ নয়। B) ধনিয়া — এটি একটি জনপ্রিয় মসলা জাতীয় উদ্ভিদ এবং এর পাতা ও বীজ রান্নায় ঘ্রাণ ও স্বাদ বাড়াতে ব্যবহার করা হয়। C) অর্জুন — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো প্রেক্ষাপট প্রযোজ্য নয়। D) তুলা — এটি একটি আশ উৎপাদনকারী উদ্ভিদ যা বস্ত্রশিল্পে সুতা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, ঔষধি গাছ হিসেবে পরিচিত নয়। মনে রাখার টিপস: হৃদরোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিখ্যাত ঔষধি গাছ হলো অর্জুন।
a কৃষি অর্থনীতি
b কৃষি উন্নয়ন
c কৃষি অবকাঠামো
d কৃষি ব্যবস্থাপনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৃষি উন্নয়ন কেন সঠিক: - খাদ্য নিরাপত্তা বলতে পর্যাপ্ত নিরাপদ খাদ্যের প্রাপ্যতা, স্থায়িত্ব ও মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বোঝায়, যা সরাসরি টেকসই কৃষি উন্নয়নের ওপর নির্ভরশীল। - কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার এবং খাদ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থার উন্নতি একমাত্র কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমেই অর্জিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষি অর্থনীতি — এটি কৃষি খাতের আর্থিক লেনদেন, আয় এবং ব্যয়ের সাথে যুক্ত, যা খাদ্য নিরাপত্তার সামগ্রিক খাতের একটি অংশ মাত্র। B) কৃষি উন্নয়ন — এই অপশনটি সঠিক কারণ উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য প্রাপ্তির স্থায়িত্ব সরাসরি এর সাথে সম্পর্কিত। C) কৃষি অবকাঠামো — এটি মূলত সেচ, গুদামজাতকরণ এবং সড়ক ব্যবস্থার মতো ভৌত সুযোগ-সুবিধা নির্দেশ করে, যা উন্নয়নের একটি উপাদান। D) কৃষি ব্যবস্থাপনা — এটি খামার বা উৎপাদন পরিচালনার প্রশাসনিক ও প্রায়োগিক কৌশল বোঝায়, যা সরাসরি খাদ্য নিরাপত্তার মূল লক্ষ্য নয়। মনে রাখার টিপস: খাদ্য নিশ্চিত করতে হলে সবার আগে কৃষি উৎপাদন ও ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়ন করতে হবে।
a গরু
b হাঁস
c মুরগী
d ছাগল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ছাগল কেন সঠিক: - ব্ল্যাক বেঙ্গল হলো বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিশ্বমানের ছাগলের জাত, যা মূলত মাংস ও চামড়ার জন্য বিখ্যাত। - এই জাতের ছাগল আকারে ছোট হলেও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি এবং এর চামড়া আন্তর্জাতিক বাজারে উচ্চমানের হিসেবে সমাদৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গরু — গরু স্তন্যপায়ী গবাদি পশু হলেও ব্ল্যাক বেঙ্গল গরুর কোনো জাত নয়, এটি ছাগলের পরিচিত একটি জাত। B) হাঁস — হাঁস হলো এক ধরনের গৃহপালিত পাখি, তাই ব্ল্যাক বেঙ্গল হাঁসের জাত হতে পারে না। C) মুরগী — মুরগী হলো পোল্ট্রি বা পাখি জাতীয় প্রাণী, অথচ ব্ল্যাক বেঙ্গল একটি চারপেয়ে ছাগল। D) ছাগল — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্ল্যাক বেঙ্গল নির্দিষ্টভাবে একটি ছাগলের জাতকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত মূল্যবান, তাই বেঙ্গল নাম শুনলেই ছাগলের কথা মনে রাখবে।

মোট প্রশ্ন (20)

a ধ্বনি
b শব্দ
c বর্ণ
d ধাতু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনি ১. কেন সঠিক: মানুষের বাক প্রত্যঙ্গের সাহায্যে উচ্চারিত অর্থপূর্ণ আওয়াজ বা ধ্বনিই হলো ভাষার মূল ভিত্তি। মুখের ভেতর অবস্থিত বিভিন্ন অঙ্গ যেমন কণ্ঠ, তালু, মূর্ধা, দন্ত ও ওষ্ঠের সাহায্যে এই আওয়াজ উৎপাদিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি যা কান দিয়ে শোনা যায় এবং যার নির্দিষ্ট অর্থ থাকে। বাক প্রত্যঙ্গ বলতে ফুসফুস তাড়িত বাতাস মুখবিবরের বিভিন্ন অংশে বাধা পেয়ে যে আওয়াজ তৈরি করে তাকে বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ক, খ ব্যাখ্যা: এগুলি মানুষের বাক প্রত্যঙ্গ দিয়ে উচ্চারিত মৌলিক ধ্বনি। উদাহরণ ২: ম, ন, প ব্যাখ্যা: এগুলি উচ্চারণ করার সময় ঠোঁট বা মুখের ভেতর বিভিন্ন প্রত্যঙ্গের সাহায্য নিতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনি — এটি বাক প্রত্যঙ্গের সাহায্যে উচ্চারিত আওয়াজ নির্দেশ করে। B) শব্দ — এক বা একাধিক ধ্বনি মিলিত হয়ে যখন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে শব্দ বলে। C) বর্ণ — ধ্বনির লিখিত রূপ বা প্রতীককে বর্ণ বলা হয়, উচ্চারিত আওয়াজ নয়। D) ধাতু — ক্রিয়ামূলকে ধাতু বলা হয় যা শব্দের উৎস নির্দেশ করে, উচ্চারিত আওয়াজ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক প্রত্যঙ্গ দিয়ে যা উচ্চারিত হয় তা হলো ধ্বনি এবং যা চোখে দেখা যায় বা লেখা হয় তা হলো বর্ণ। উচ্চারণ বা কান দিয়ে শোনা সম্পর্কিত প্রশ্ন এলে উত্তর সবসময় ধ্বনি হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভাষার মূল উপাদান বা ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি আর লেখার ক্ষুদ্রতম একক হলো বর্ণ। এই ধরনের প্রশ্নে ধ্বনি ও বর্ণের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a ফরাসি
b ওলন্দাজ
c পর্তুগিজ
d ফারসি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: - পেঁপে শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। পর্তুগিজরা দীর্ঘদিন বাংলায় বাণিজ্য ও আধিপত্য বিস্তার করায় তাদের অনেক শব্দ বাংলা ভাষায় মিশে গেছে। - বিদেশি শব্দ হিসেবে বিভিন্ন ভাষার শব্দ বাংলায় ব্যবহৃত হয় এবং পেঁপে তেমনি একটি বহিরাগত ফলবাচক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দের উৎস বা শব্দের শ্রেণিবিভাগ অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দে ভাগ করা হয়। - পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো প্রধানত খাদ্যদ্রব্য, পরিধেয় বস্তু, ধর্মীয় ও গৃহস্থালি উপকরণের সঙ্গে সম্পর্কিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আনারস ব্যাখ্যা: এটিও একটি পর্তুগিজ শব্দ যা পেঁপে শব্দের মতো ফলবাচক বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: চাবি ব্যাখ্যা: চাবি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে এবং এটি গৃহস্থালি ব্যবহারের একটি পরিচিত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে কার্তুজ, কুপন ও বুর্জোয়া ইত্যাদি শব্দ বাংলায় এসেছে, কিন্তু পেঁপে আসেনি। B) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ ভাষা থেকে হরতন, ইস্কাপন ও তুরুপ ইত্যাদি শব্দ বাংলায় এসেছে, পেঁপে আসেনি। D) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে চশমা, কাগজ ও কলম ইত্যাদি শব্দ এসেছে, পেঁপে ফারসি শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পর্তুগিজ ফল ও খাদ্যের নাম মনে রাখতে আনারস, পেঁপে ও লেবু শব্দগুলোকে একসাথে মনে রাখতে পারো। - বিদেশি শব্দের উৎস মনে রাখার জন্য শব্দগুলোর উৎস ভাষা অনুযায়ী আলাদা তালিকা করে চর্চা করা সবচেয়ে ভালো উপায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পর্তুগিজ ও ফারসি শব্দের উৎস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - গৃহস্থালি ও খাদ্যদ্রব্য সম্পর্কিত বিদেশি শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই করা সম্ভব।
a বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
c উইলিয়াম কেরি
d হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১. কেন সঠিক: বাংলা গদ্যে প্রথম শৃঙ্খলা, যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার এবং সুবিন্যস্ত শৈলী এনে একে শিল্পসম্মত রূপ দেওয়ার জন্য ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। তাঁর রচিত গ্রন্থগুলোতে বাংলা গদ্যের যে প্রমিত রূপ ও গতিশীলতা দেখা যায়, তা আগের লেখকদের মধ্যে অনুপস্থিত ছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর উনবিংশ শতকের বাঙালি সমাজ সংস্কারক, শিক্ষাবিদ ও গদ্যকার হিসেবে অত্যন্ত খ্যাত। তাঁর রচিত বর্ণপরিচয়, বেতাল পঞ্চবিংশতি ও শকুন্তলা বাংলা গদ্য সাহিত্যকে শক্তিশালী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেতাল পঞ্চবিংশতি ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গদ্য রচনা যা বাংলা গদ্যের রূপ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখে। উদাহরণ ২: ভ্রান্তিবিলাস ব্যাখ্যা: এটি শেক্সপিয়রের কমেডি অফ এররস অবলম্বনে রচিত বিদ্যাসাগরের একটি জনপ্রিয় অনুবাদ গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক, গদ্যের জনক নন। B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর। C) উইলিয়াম কেরি — তিনি বাংলা গদ্যের পত্তন বা শুরুর সঙ্গে যুক্ত হলেও জনক নন। D) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — তিনি প্রাচীন বাংলা ভাষার নিদর্শন চর্যাপদের আবিষ্কারক। ৫ মনে রাখার টিপস: গদ্য মানে বিদ্যাসাগর আর উপন্যাস মানে বঙ্কিমচন্দ্র এটি মনে রাখলে পরীক্ষার বিভ্রান্তি দূর হবে। বিদ্যাসাগর গদ্যের ছন্দ ও যতিচিহ্ন ঠিক করেছিলেন বলেই তিনি গদ্যের জনক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই গদ্যের জনক এবং উপন্যাসের জনকের মধ্যে প্যাঁচ লাগানোর চেষ্টা করা হয়। তাই গদ্যের ক্ষেত্রে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এবং উপন্যাসের ক্ষেত্রে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নাম দুটি আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে।
a প্রাঙ্গন
b সান্তনা
c শ্রীমতি
d আশিস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আশিস ১. কেন সঠিক: আশিস বানানটিতে তালব্য শ এর সঙ্গে ই কার এবং দন্ত ন যুক্ত হয়েছে যা প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী তৎসম শব্দে ই কার এবং মূর্ধন্য বা দন্ত ন এর ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শুদ্ধ বানান বা বাক্যশুদ্ধি প্রশ্নটি বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ এবং বানানরীতির অংশ। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী তৎসম শব্দে ই কার এবং দন্ত্য ন বা মূর্ধন্য ণ এর সঠিক প্রয়োগ করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিষেশ ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল প্রচলিত শুদ্ধ বানান যেখানে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: নিষিদ্ধ ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ই কার এবং মূর্ধন্য ষ এর সঠিক প্রয়োগ রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাঙ্গন — এই বানানটি ভুল কারণ প্রাঙ্গণ বানানে মূর্ধন্য ণ হবে, দন্ত্য ন হবে না। B) সান্তনা — এই বানানটি ভুল কারণ সান্ত্বনা বানানে ব ফলা যুক্ত হবে। C) শ্রীমতি — এই বানানটি ভুল কারণ শ্রীমতী বানানে দীর্ঘী কার হবে। D) আশিস — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত রীতি অনুসরণ করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: শুদ্ধ বানান মনে রাখার জন্য বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়ম বারবার চর্চা করতে হবে। তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করলে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য ণ এবং দন্ত্য ন এর পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। বানান শুদ্ধ করার সময় শব্দের উৎস এবং ব্যাকরণগত রূপ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a প্রাচীন যুগ
b মধ্যযুগ
c অন্ধকার যুগ
d আধুনিক যুগ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাচীন যুগ ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন এবং এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক সাহিত্যকর্ম। - ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা গীতিআটিকা। - ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ঐতিহাসিক তুলনামূলক ভাষাভাষ্য বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেছেন যে চর্যাপদের ভাষা বাংলা ভাষার আদি রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের টিকাকার মুনিদত্ত। ব্যাখ্যা: মুনিদত্ত চর্যাপদের সংস্কৃত টীকা রচনা করেন যার নাম মুনিদত্তের টীকা। উদাহরণ ২: চর্যাপদের পদকর্তা কাহ্নপা। ব্যাখ্যা: কাহ্নপা চর্যাপদের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক তেরোটি পদ রচনা করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাচীন যুগ — এটি সঠিক উত্তর কারণ চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের সূচনা করে এবং একমাত্র নিদর্শন। B) মধ্যযুগ — মধ্যযুগ শুরু হয় শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য বা মঙ্গলকাব্যের মাধ্যমে, চর্যাপদ এই যুগের অন্তর্ভুক্ত নয়। C) অন্ধকার যুগ — বাংলা সাহিত্যে ত্রয়োদশ শতাব্দীকে অন্ধকার যুগ বলা হয়, যা চর্যাপদের সময়কালের পরের পর্যায়। D) আধুনিক যুগ — আধুনিক যুগ শুরু হয় ১৮০১ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে, চর্যাপদ এর অনেক আগের সৃষ্টি। ৫. মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদ মানেই প্রাচীন যুগ এবং এর আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এটি মনে রাখলে পরীক্ষার উত্তর সহজে মেলানো সম্ভব। - চর্যাপদের কালসীমা ধরা হয় ৯৫০ থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চর্যাপদের আবিষ্কারক, আবিষ্কারের সাল এবং মোট পদের সংখ্যা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। - চর্যাপদের প্রাপ্ত পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর মূল রচিয়তা চব্বিশজন বা ছাব্বিশজন বলে জানা যায়।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c শহীদ কাদরী
d চণ্ডীদাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত চরণটি বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা। - মানবতাবাদ ও সাম্যবাদের জয়গান গাইতে গিয়ে তিনি এই অমর পঙ্ক্তি রচনা করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে সাম্য ও দ্রোহের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। - মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তাঁর সাহিত্যকর্ম অনন্য ভূমিকা পালন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাহি সাম্যের গান / মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান। ব্যাখ্যা: এটি কবির বিখ্যাত সাম্যবাদী কবিতার অংশ, যা মানুষের সর্বোচ্চ মর্যাদাকে তুলে ধরে। উদাহরণ ২: মম এক হাতে বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণতুর্য। ব্যাখ্যা: এটি কবির বিদ্রোহী সত্তার বহিঃপ্রকাশ, যা তাঁর সাম্যবাদী ও দ্রোহের চেমনিকে ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই নির্দিষ্ট চরণের রচয়িতা নন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই চরণের প্রকৃত রচয়িতা। C) শহীদ কাদরী — ইনি আধুনিক যুগের একজন বিশিষ্ট কবি হলেও এই পঙ্ক্তিটি তাঁর নয়। D) চণ্ডীদাস — মধ্যযুগের পদাবলি সাহিত্যের কবি হলেও এই আধুনিক মানবতাবাদী বাণী তাঁর সৃষ্টি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মানুষের জয়গান ও সাম্যের কথা এলেই কাজী নজরুল ইসলামের নাম স্মরণ করতে হবে। - নজরুল মানেই সাম্যবাদ এবং মানুষের অধিকারের পক্ষে জোরালো কণ্ঠস্বর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের বিখ্যাত পঙ্ক্তি ও তার রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - কবির সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থ ও কবিতাগুলোর নাম ভালোভাবে পড়তে হবে।
a চিলেকোঠার সেপাই
b জাহান্নাম হইতে বিদায়
c হাজার বছর ধরে
d সূর্য সবুজ রক্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জাহান্নাম হইতে বিদায় ১. কেন সঠিক: জাহান্নাম হইতে বিদায় উপন্যাসটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পটভূমিতে রচিত। এই উপন্যাসে লেখকের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার আলোকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের বর্বরতা এবং বাঙালি জাতির সশস্ত্র প্রতিরোধের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসের রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও শহীদ জননী জাহানারা ইমাম। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বাংলা সাহিত্যের উপন্যাসগুলোর মধ্যে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রামাণ্য একটি দলিল হিসেবে স্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাবেয়া খাতুনের মেঘের অনেক রঙ ব্যাখ্যা: এটিও মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা যুদ্ধের পটভূমিতে মানুষের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের জনক ও জননী ব্যাখ্যা: শওকত ওসমান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অনেক উপন্যাস ও গল্প লিখেছেন, যা এই ধারার সাহিত্যের একটি বিশেষ অংশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চিলেকোঠার সেপাই — এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস হলেও এর মূল পটভূমি হলো ঊনসত্তরের গণঅভুথান, মুক্তিযুদ্ধ নয়। B) জাহান্নাম হইতে বিদায় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। C) হাজার বছর ধরে — এটি জহির রায়হানের লেখা একটি ক্ল্যাসিক গ্রামীণ জীবনভিত্তিক উপন্যাস, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। D) সূর্য সবুজ রক্ত — এটি রশিদ হায়দার রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি উপন্যাস হলেও প্রদত্ত প্রশ্নে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের বিখ্যাত উপন্যাসটিকে অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখার জন্য লেখকদের নাম ও তাদের কালজয়ী সৃষ্টিগুলো একসঙ্গে তালিকা করে পড়তে পারো। জাহানারা ইমামের জাহান্নাম হইতে বিদায় একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, এটি মনে রাখলে পরীক্ষার অনেক বিভ্রান্তি এড়ানো যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ও নাটক থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। উপন্যাসগুলোর রচয়িতা এবং তাদের মূল পটভূমি কোনটি, তা ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
a কায়কোবাদ
b ফররুখ আহমদ
c বিহারীলাল চক্রবর্তী
d জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিহারীলাল চক্রবর্তী ১. কেন সঠিক: - বিহারীলাল চক্রবর্তীকে আধুনিক বাংলা কবিতার ভোরের পাখি বলা হয় কারণ তিনি মধ্যযুগের পীর ও কৃত্রিমতা থেকে বাংলা কবিতাকে মুক্ত করেছিলেন। - রবীন্দ্রপূর্ব যুগের এই কবি প্রথম তাঁর কবিতায় আধুনিক গীতিকবিতার আত্মিক প্রকাশ ও ব্যক্তিগত অনুভূতির সার্থক রূপায়ন ঘটিয়েছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা গীতি কাব্যের ধারার প্রবর্তক এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে গভীরভাবে শ্রদ্ধা করতেন। - তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে সারদামঙ্গল, সাধুসঙ্গ এবং বঙ্গসুন্দরী অন্যতম যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সারদামঙ্গল কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটি বিহারীলাল চক্রবর্তীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্য এবং বাংলা গীতিকবিতার ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল। উদাহরণ ২: বঙ্গসুন্দরী কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এই কাব্যে কবি বাঙালি নারীর রূপ ও গুণ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন যা আধুনিক কবিতার একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কায়কোবাদ — কায়কোবাদ বাংলা মহাকাব্যের ধারার একজন বিশিষ্ট কবি হলেও তাঁকে ভোরের পাখি বলা হয় না। B) ফররুখ আহমদ — ফররুখ আহমদ বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতিমান মুসলিম রেনেসাঁস ও ইসলামী ভাবধারার কবি। C) বিহারীলাল চক্রবর্তী — এটি সঠিক উত্তর। D) জীবনানন্দ দাশ — জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলার কবি ও নির্জনতার কবি হিসেবে পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভোরের পাখি মানে ভোরে যে পাখি সবার আগে গান গায়, তেমনি বাংলা আধুনিক কবিতার ভোরে প্রথম গান গেয়েছিলেন বিহারীলাল চক্রবর্তী। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যাঁকে গুরুর মতো শ্রদ্ধা করতেন, তিনিই হলেন এই ভোরের পাখি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের ছদ্মনাম বা উপাধি প্রায়ই আসে, যেমন ভোরের পাখি মানে বিহারীলাল চক্রবর্তী। - সাহিত্যিকদের এই উপাধিগুলো মনে রাখলে খুব সহজে এক নম্বরের উত্তর করা সম্ভব হয়।
a বারিধি
b অর্ণব
c উদক
d জলেশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উদক ১. কেন সঠিক: - উদক শব্দের অর্থ পানি বা জল যা সরাসরি জলের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - বাংলা ব্যাকরণে শব্দের উৎস ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সংস্কৃত ও প্রমিত রূপের মিল থাকা জরুরি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের অর্থ একই বা প্রায় একই রকম হয়। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সমার্থক শব্দগুলোর একটি বড় অংশ সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পানি ব্যাখ্যা: জল শব্দের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত প্রমিত সমার্থক শব্দ হলো পানি। উদাহরণ ২: সলিল ব্যাখ্যা: এটিও জলের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও গুরুত্বপূর্ণ সমার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বারিধি — বারিধি শব্দের অর্থ সমুদ্র কারণ বারি শব্দের সাথে ধি যুক্ত হয়ে সমুদ্র বোঝায়। B) অর্ণব — অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র বা মহাসাগর যা জলের আধার হলেও জল নয়। C) উদক — এটি সঠিক উত্তর। D) জলেশ — জলেশ শব্দের অর্থ জলের ঈশ্বর বা বরুণ দেবতাকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - জলের সমার্থক শব্দ মনে রাখতে পানি, সলিল, উদক, নীর এই চারটি শব্দ একসাথে চর্চা করবে। - সমুদ্রের সমার্থক শব্দের সাথে জলের সমার্থক শব্দের পার্থক্য খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জল এবং সমুদ্রের সমার্থক শব্দ মিলিয়ে ফেলা যাবে না। - ধি বা নিধি যুক্ত শব্দ সাধারণত সমুদ্র বোঝায় আর সরাসরি শব্দগুলো জল বোঝায়।
a ফ্রান্সিসকো পেত্রার্কা
b উইলিয়াম শেক্সপিয়ার
c মাইকেল মধুসূদন দত্ত
d জন মিল্টন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক বা জনক হলেন মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কার সনেটের আদলে বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালে প্রবাসে অবস্থানকালে ববিয়ড ও চতুর্দশপদী কবিতা রচনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে সনেটের সূচনা করেন। তাঁর 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী' বাংলা সনেটের প্রথম পূর্ণাঙ্গ সংকলন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গভাষা ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা একটি বিখ্যাত সনেট। উদাহরণ ২: কপোতাক্ষ নদ ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সনেট। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্সিসকো পেত্রার্কা — তিনি ইতালীয় সনেটের জনক, বাংলা ভাষার সনেটের জনক নন। B) উইলিয়াম শেক্সপিয়ার — তিনি ইংরেজি সনেটরীতির অন্যতম প্রবক্তা, বাংলা ভাষার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই। C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর, তাই কোনো ভুল নেই। D) জন মিলتون — তিনি ইংরেজি মহাকাব্যের জন্য বিখ্যাত, বাংলা সনেটের জনক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলা সনেটের জনক মনে রাখতে মধুসূদন ও সনেট শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখবে। পেত্রার্কা বিশ্ব সনেটের জনক আর মধুসূদন বাংলা সনেটের জনক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সনেটের জনক এবং প্রথম সনেট সংকলন সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। চতুর্দশপদী কবিতাবলী গ্রন্থটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা এটি ভালোভাবে মনে রাখবে।
a বর্ণমালা আমার দুঃখিনী বর্ণমালা।
b স্মৃতিস্তম্ভ।
c কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি।
d একুশে ফেব্রুয়ারি।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি। ১. কেন সঠিক: - এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অমর একুশে ফেব্রুয়ারি বা ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত প্রথম কবিতা। - কবি মাহবুব উল আলম চৌধুরী ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিকভাবে এই কবিতাটি রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি মাহবুব উল আলম চৌধুরী ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি রাতে এই কবিতাটি রচনা করেন এবং এটি একুশের প্রথম সংকলন একুশে ফেব্রুয়ারি তে প্রকাশিত হয়। - এই কবিতাটি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি উৎসর্গ করা হয় এবং তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর প্রতি তীব্র ঘৃণা প্রকাশ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলাউদ্দিন আল আজাদের স্মৃতিস্তম্ভ কবিতা। ব্যাখ্যা: এটিও ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও আবেগঘন কবিতা। উদাহরণ ২: মাহবুব উল আলম চৌধুরীর অন্যান্য লেখা। ব্যাখ্যা: তিনি একজন প্রগতিশীল সাহিত্যিক ছিলেন যিনি ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্ণমালা আমার দুঃখিনী বর্ণমালা — এটি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত কবিতা হলেও একুশের প্রথম কবিতা নয়। B) স্মৃতিস্তম্ভ — এটি আলাউদ্দিন আল আজাদের ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কবিতা যা পরবর্তীতে রচিত হয়। D) একুশে ফেব্রুয়ারি — এটি হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত প্রথম একুশের সংকলনের নাম, কোনো কবিতা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - একুশের প্রথম কবিতার ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে কান্নার সাথে ফাঁসির দাবির কথা। - মাহবুব উল আলম চৌধুরীর নাম এবং ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি তারিখটি একসাথে মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম কবিতা বা প্রথম সংকলন সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - প্রথম কবিতা এবং প্রথম সংকলনের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a আবদুল গাফফার চৌধুরী
b আলতাফ মাহমুদ
c আলাউদ্দিন আলী
d সুবল দাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আলতাফ মাহমুদ ১. কেন সঠিক: - 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির সফল ও জনপ্রিয় সুরকার শহীদ বুদ্ধিজীবী আলতাফ মাহমুদ। - ১৯৫৩ সালে আবদুল গাফফার চৌধুরীর লেখা এই গানে প্রথম সুর দিয়েছিলেন লতিফ আব্দুল জন্মগ্রহণকারী এবং পরবর্তী সময়ে আলতাফ মাহমুদ ১৯৫৪ সালে বর্তমানের অমর সুরটি সংযোজন করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শহীদ আলতাফ মাহমুদ ছিলেন একাধারে একজন প্রখ্যাত সুরকার, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় সংগঠক যিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন। - এই গানটির প্রথম রচিয়তা ও গীতিকার হলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী এবং এর প্রথম কণ্ঠশিল্পী ছিলেন আব্দুল লতিফ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'আমার দেশ বাংলাদেশ' ব্যাখ্যা: এটিও আলতাফ মাহমুদের সুর করা একটি অত্যন্ত দেশপ্রেমমূলক ও পরিচিত গান। উদাহরণ ২: 'চলে যায় যদি দিন যাক না' ব্যাখ্যা: এটিও শহীদ আলতাফ মাহমুদের সুর করা একটি বিখ্যাত গান যা বাঙালি সংস্কৃতিতে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবদুল গাফফার চৌধুরী — তিনি এই গানের গীতিকার বা রচিয়তা, সুরকার নন। B) আলতাফ মাহমুদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই অমর গানটির মূল সুরকার। C) আলাউদ্দিন আলী — তিনি বাংলা চলচ্চিত্রের একজন প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক হলেও এই গানের সুরকার নন। D) সুবল দাস — তিনি বাংলা গানের প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক হলেও এই ঐতিহাসিক গানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। ৫. মনে রাখার টিপস: - গান লেখার ক্ষেত্রে গাফফার ভাই আর সুর দেওয়ার ক্ষেত্রে আলতাফ ভাইয়ের কথা মনে রাখলেই বিভ্রান্তি দূর হবে। - মনে রাখবে লেখা আবদুল গাফফার চৌধুরী এবং সুর আলতাফ মাহমুদের। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাষা আন্দোলনভিত্তিক যেকোনো গানের গীতিকার ও সুরকার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই সঙ্গে এই গানের প্রথম গায়ক বা প্রথম সুরকার কে ছিলেন, সে বিষয়েও স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
a সভা বর্জন
b নিয়মিত হাঁটা
c কর্ম-পরিকল্পনা
d হরতাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সভা বর্জন ১. কেন সঠিক: - 'Walk-out' একটি ইংরেজি পারিভাষিক শব্দ যার বাংলা অর্থ সভা বা কক্ষ থেকে প্রতিবাদস্বরূপ দলগতভাবে বাইরে চলে যাওয়া। - সংসদে বা কোনো সভা-সেমিনারে কোনো প্রস্তাবের প্রতিবাদ জানাতে সদস্যরা যখন একসঙ্গে কক্ষ ত্যাগ করেন, তাকে 'সভা বর্জন' বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো সেই শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্র বা বিজ্ঞানের ভাব প্রকাশ করার জন্য নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়। - ইংরেজি প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক পরিভাষার ভাবানুবাদ করে বাংলায় সঠিক ও প্রমিত শব্দ তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা বাজেট বক্তৃতার প্রতিবাদে ওয়াকআউট করলেন। ব্যাখ্যা: এখানে 'ওয়াকআউট' বা 'সভা বর্জন' রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রতিবাদ জানানোর মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: অনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সভায় উপস্থিত সকল সদস্য সভা বর্জন করলেন। ব্যাখ্যা: দলগতভাবে কোনো সভা ত্যাগ করার ক্ষেত্রে এই পরিভাষাটি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সভা বর্জন — এটি 'Walk-out' শব্দের সঠিক ও প্রমিত বাংলা পারিভাষিক রূপ। B) নিয়মিত হাঁটা — এটি Walk-out শব্দের আক্ষরিক অনুবাদ হতে পারে, কিন্তু পরিভাষার দিক থেকে এটি সম্পূর্ণ ভুল। C) কর্ম-পরিকল্পনা — এর ইংরেজি পরিভাষা হলো Work plan, যা প্রদত্ত শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) হরতাল — এর ইংরেজি পরিভাষা হলো Strike বা General strike, যা সভা বর্জনের সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - Walk অর্থ হাঁটা এবং Out অর্থ বাইরে যাওয়া। অর্থাৎ, কোনো সভা থেকে হেঁটে বাইরে চলে যাওয়া মানেই হলো সভা বর্জন করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি পারিভাষিক শব্দের সঠিক বাংলা রূপ প্রায়ই আসে। - সভা সংক্রান্ত পরিভাষায় Walk-out মানে সভা বর্জন এবং Boycott মানে সাধারণভাবে বর্জন করা।
a নির্বাসিতা
b পদ্মারাগ
c রায়নন্দিনী
d সুলতানার স্বপ্ন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পদ্মারাগ ১. কেন সঠিক: - পদ্মারাগ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসে নারী শিক্ষা, নারীর অর্থনৈতিক মুক্তি এবং সমাজ সংস্কারের জোরালো বার্তা তুলে ধরা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বাঙালি নারী জাগরণের অগ্রদূত এবং একাধারে প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও সমাজসংস্কারক। - তাঁর সাহিত্যকর্মে নারী সমাজের ওপর চলা অকথ্য নির্যাতন ও বৈষম্যের চিত্র অত্যন্ত সাবলীলভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুলতানার স্বপ্ন ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত কল্পবিজ্ঞানমূলক নারীবাদী সাহিত্যকর্ম, যা মূলত ইংরেজি ভাষায় রচিত লেডিস ড্রিম ল্যান্ডের বাংলা অনুবাদ। উদাহরণ ২: মতিচূর ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত প্রববন্ধগ্রন্থ, যেখানে নারীদের অধিকার ও সমাজ সংস্কারমূলক বিভিন্ন প্রবন্ধ সংকলিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নির্বাসিতা — এটি বেগম রোকেয়ার কোনো মৌলিক উপন্যাস নয় এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভ্রান্ত করার জন্য এই অপশনটি ব্যবহার করা হয়। B) পদ্মারাগ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বেগম রোকেয়া রচিত একমাত্র পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস। C) রায়নন্দিনী — এটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, বেগম রোকেয়ার নয়। D) সুলতানার স্বপ্ন — এটি বেগম রোকেয়ার রচিত উপন্যাস নয়, এটি তাঁর বিখ্যাত একটি কল্পবিজ্ঞানমূলক ও নারীবাদী ছোটগল্প বা রূপক রচনা। ৫ মনে রাখার টিপস: - রোকেয়ার উপন্যাস মনে রাখার সহজ উপায় হলো প্রবাল বা পদ্মারাগ একটি রত্নের নাম, আর বেগম রোকেয়ার একমাত্র উপন্যাসও পদ্মারাগ। - প্রবন্ধগ্রন্থের জন্য মতিচূর এবং কল্পবিজ্ঞানের জন্য সুলতানার স্বপ্ন মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেগম রোকেয়ার উপন্যাস কোনটি, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। - উপন্যাস পদ্মারাগ এবং প্রবন্ধ মতিচূর ও সুলতানার স্বপ্ন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a ভাষা আন্দোলন
b গণঅভ্যুত্থান
c দেশভাগ
d মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুক্তিযুদ্ধ ১. কেন সঠিক: - হুমায়ুন আহমেদের 'জোছনা ও জননীর গল্প' উপন্যাসটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি কালজয়ী রচনা। - উপন্যাসের মূল ক্যানভাসজুড়ে রয়েছে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং এর আগের ঐতিহাসিক পটভূমি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - লেখক হুমায়ুন আহমেদ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। - এটি তাঁর একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যেখানে সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগ ও বীরত্বের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের দিনগুলি ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমামের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ। উদাহরণ ২: আগুনের পরশমণি ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ুন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষা আন্দোলন — ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস হলো শওকত ওসমানের 'দিনের পর দিন' বা সেলিনা হোসেনের 'নিরন্তর ঘন্টাধ্বনি'। B) গণঅভ্যুত্থান — এই উপন্যাসটি ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান বা অন্য কোনো ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত নয়। C) দেশভাগ — দেশভাগ বা ১৯৪৭ সালের ভারত বিভাজন নিয়ে হাসান আজিজুল হকের 'আগুনপাখি' উপন্যাস রচিত হয়েছে। D) মুক্তিযুদ্ধ — এই অপশনটি সঠিক কারণ উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। ৫ মনে রাখার টিপস: - হুমায়ুন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের মধ্যে 'জোছনা ও জননীর গল্প' সবচেয়ে বড় কলেবরের কাজ। - মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি মনে রাখতে উপন্যাসের নামের জননী শব্দটিকে প্রতীক হিসেবে ধরতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় হুমায়ুন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ও নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখকের অন্যান্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সৃষ্টি যেমন চলচ্চিত্র 'শ্যামল ছায়া' সম্পর্কেও ধারণা রাখবে।
a লিকলিকে
b লম্বা-চাওড়া
c মন্দভাগ্য
d মোটাচোটা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লম্বা-চাওড়া ১. কেন সঠিক: 'দশাসই' শব্দটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর আকৃতি বা গঠন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এর মূল অর্থ হলো আকারে বিশাল, প্রকাণ্ড বা লম্বা-চাওড়া। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি বিশিষ্ট শব্দ বা শব্দের উৎস ও অর্থ বিষয়ক প্রশ্ন। বাংলা শব্দভান্ডারে কিছু শব্দ রয়েছে যা বিশেষ কোনো অবয়ব বা আকৃতি প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার শরীরটা বেশ দশাসই গড়ে উঠেছে। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যক্তির বিশাল বা স্বাস্থ্যবান আকৃতি বোঝাতে দশাসই শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ঘরের কোণে একটা দশাসই সিন্দুক রাখা আছে। ব্যাখ্যা: এখানে সিন্দুকের বড় আকৃতি বা প্রকাণ্ড রূপ বোঝাতে শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিকলিকে — এই শব্দটির অর্থ অতিশয় রোগা বা সরু, যা দশাসই শব্দের বিপরীত। B) লম্বা-চাওড়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বিশাল বা প্রকাণ্ড। C) মন্দভাগ্য — এই শব্দটির অর্থ যার ভাগ্য খারাপ, যা আকৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) মোটাচোটা — এই শব্দটি কিছুটা স্থূল বা ভারী বোঝায়, কিন্তু প্রকাণ্ড বা লম্বা-চাওড়া অর্থে দশাসই সবচেয়ে উপযোগী। ৫. মনে রাখার টিপস: দশাসই মানে দশ জন মানুষের সমান সাইজ বা বড় আকৃতি। এভাবে মনে রাখলে শব্দটি দীর্ঘকাল স্মরণে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ থেকে প্রায়ই এমন প্রশ্ন আসে। প্রমিত শব্দের সঠিক অর্থ জানতে নিয়মিত ভালো মানের শব্দকোষ চর্চা করতে হবে।
a কানে প্রলেপ দেওয়া
b কানে ওজনদার গহনা পরা
c কানে কম শোনা
d কু পরামর্শ দেওয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কু পরামর্শ দেওয়া ১. কেন সঠিক: 'কান ভারী করা' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ কানের মধ্যে কোনো কিছু প্রবেশ করানো হলেও ভাবার্থ বা প্রাগুক্ত রূপক অর্থে এটি কু পরামর্শ দেওয়া, চোগলখুরি করা বা কারও বিরুদ্ধে গোপনে অপপ্রচার চালানো বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ তাদের সাধারণ বা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে সম্পূর্ণ ভিন্ন ও বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে বাগধারা বলে। 'কান ভারী করা' বাগধারাটি মানুষের কান বা শোনার ইন্দ্রিয়কে ব্যবহার করে কুচক্রী মানুষের অপচেষ্টা ও চুগলখুরির স্বভাবকে প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মন্ত্রীর কানে নানা কথা তুলে তার মন বিষিয়ে দেওয়া হলো। ব্যাখ্যা: এটি দিয়ে কারও বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর ভাব প্রকাশ পায়। উদাহরণ ২: সহকর্মীর বিরুদ্ধে বসের কাছে কান ভারী করা তার স্বভাব। ব্যাখ্যা: এখানে কু পরামর্শ দেওয়া বা চোগলখুরি করার অর্থ স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানে প্রলেপ দেওয়া — এটি বাগধারার প্রচলিত কোনো বিশেষ অর্থ বহন করে না এবং এটি সম্পূর্ণ শাব্দিক ও অর্থহীন। B) কানে ওজনদার গহনা পরা — এটি গহনা পরিধান করার বাস্তব অবস্থা বোঝালেও বাগধারার রূপক অর্থের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। C) কানে কম শোনা — এটি শারীরিক অক্ষমতা নির্দেশ করে, যা কোনো প্রবচন বা বাগধারার অন্তর্নিহিত রূপক অর্থ নয়। D) কু পরামর্শ দেওয়া — এটি 'কান ভারী করা' বাগধারার সঠিক ও অভিধানসম্মত ভাবার্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: কান ভারী করা মানে কারও কানে খারাপ কথা ঢেলে তার মাথা খারাপ করে দেওয়া বা কু পরামর্শ দেওয়া। এভাবে কান ও খারাপ পরামর্শের সম্পর্ক মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংশ্লিষ্ট বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। কান, মুখ, চোখ ও হাত সম্পর্কিত বাগধারাগুলোর ভাবার্থ বিশেষভাবে চর্চা করবে।
a মুনীর চৌধুরী
b জসিম উদ্দীন
c আল মাহমুদ
d আনিস চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুনীর চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - কবর নাটকটির রচয়িতা শহিদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী। - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় তিনি এই ঐতিহাসিক নাটকটি রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী ১৯২৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে শহিদ হন। - কবর নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে ভাষাভিত্তিক প্রথম প্রতিবাদী ও সফল নাটক হিসেবে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রক্তমুখা নেকড়ে ব্যাখ্যা: এটিও মুনীর চৌধুরী রচিত একটি বিখ্যাত নাটক, যা আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে লেখা। উদাহরণ ২: দন্ডকারণ্য ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরীর আরেকটি পরিচিত নাটক, যা তার নাট্যশিল্পের উৎকর্ষ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুনীর চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনিই ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে কবর নাটকটি রচনা করেছেন। B) জসিম উদ্দীন — তিনি বিখ্যাত পল্লীকবি এবং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম কবর, যা নাটকের সঙ্গে মিলে যায় কিন্তু নাটকটির রচয়িতা নন। C) আল মাহমুদ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, কবর নাটকের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। D) আনিস চৌধুরী — তিনি একজন বিশিষ্ট নাট্যকার হলেও কবর নাটকের রচয়িতা হিসেবে পরিচিত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - পল্লীকবি জসিম উদ্দীনের বিখ্যাত কবিতার নাম কবর এবং মুনীর চৌধুরীর বিখ্যাত নাটকের নাম কবর। - পরীক্ষায় কনফিউজড না হয়ে খেয়াল রাখবে যে কবিতা বললে জসিম উদ্দীন এবং নাটক বললে মুনীর চৌধুরী হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কবর নাটকটি প্রথম মঞ্চস্থ হয় ১৯৫৩ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দিদের দ্বারা। - ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত নাটকগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ও পরীক্ষাগারে বারবার আসা একটি প্রশ্ন।
a 1911
b 1912
c 1913
d 1914
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯১৩ ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ গীতাঞ্জলি এর ইংরেজি অনুবাদ সংলা গীতাঞ্জলি (Song Offerings) এর জন্য এ সম্মান অর্জন করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক। তিনি প্রথম এশিয়ান ও বাঙালি হিসেবে নোবেল পুরস্কার অর্জন করে বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডব্লিউ বি ইয়েটসের ভূমিকা ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথের সংলা গীতাঞ্জলি গ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের ভূমিকা লিখেছিলেন বিখ্যাত আইরিশ কবি ডব্লিউ বি ইয়েটস। উদাহরণ ২: নোবেল প্রাপ্তির সাল ব্যাখ্যা: তিনি ১৯১৩ সালের ১৩ নভেম্বর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার সংবাদ পান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১১ — এই সালে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হলেও রবীন্দ্রনাথ পাননি এবং এটি তার নোবেল প্রাপ্তির সাল নয়। B) ১৯১২ — এই সালে তিনি ইংল্যান্ডে যাওয়ার সময় গীতাঞ্জলি ইংরেজি অনুবাদ শুরু করেন, যা নোবেল প্রাপ্তির সাল নয়। C) ১৯১৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। D) ১৯১৪ — এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শুরুর বছর, যা রবীন্দ্রনাথের নোবেল প্রাপ্তির পরের বছর। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল প্রাপ্তির সাল মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো ১৯১৩ সাল মানেই বিশ্বজয়ী কবির নোবেল জয়। গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশের পরের বছরই তিনি এই সম্মান পান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে রবীন্দ্রনাথ কত সালে নোবেল পান এবং কোন গ্রন্থের জন্য পান। সংলা গীতাঞ্জলি বা সং অফারিংস গ্রন্থটির নাম ও প্রকাশের সাল ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়।
b এই দেশে এই বেশে।
c ঘুম নেই।
d নূরলদীনের সারাজীবন।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নূরলদীনের সারাজীবন ১. কেন সঠিক: - নূরলদীনের সারাজীবন নাটকটি মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক নয়, বরং এটি ব্রিটিশ বিরোধী কৃষক আন্দোলন ও বাংলার মানুষের অধিকার রক্ষার সংগ্রামের ওপর রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক। - এই নাটকে রংপুরের নূরলদীনের নেতৃত্বে সংঘটিত ঐতিহাসিক কৃষক বিদ্রোহের পটভূমি তুলে ধরা হয়েছে, যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি পটভূমি নয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রখ্যাত নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক এই নাটকটির রচয়িতা এবং এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে একটি অনন্য ক্লাসিক হিসেবে সমাদৃত। - নাটকের মূল সুর হলো সাধারণ মানুষের ওপর শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং ঘুমিয়ে থাকা জাতিকে জাগ্রত করার উদাত্ত আহ্বান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিকক কাব্যনাট্য যা একাত্তরের ঘাতক ও দালালদের চিত্র ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: এই দেশে এই বেশে ব্যাখ্যা: এটিও একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক যা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এটি সরাসরি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য। B) এই দেশে এই বেশে — এটিও ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও তার পরবর্তী সময়ের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি নাটক। C) ঘুম নেই — এটি মুক্তিযুদ্ধের সময়কার বাস্তব চিত্র ও সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগকে কেন্দ্র করে রচিত নাটক। D) নূরলদীনের সারাজীবন — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়, বরং ব্রিটিশ বিরোধী কৃষক বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক। ৫ মনে রাখার টিপস: সৈয়দ শামসুল হকের ঐতিহাসিক নাটক বললেই নূরলদীনের সারাজীবন মাথায় রাখতে হবে যা মুক্তিযুদ্ধ নয় বরং কৃষক বিদ্রোহ নিয়ে লেখা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাটকগুলোর রচয়িতা এবং কোন প্রেক্ষাপটে রচিত তা প্রায়ই আসে, তাই নাটকের পটভূমি ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।

মোট প্রশ্ন (20)

a urologist
b cardiologist
c pathologist
d neurologist
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) cardiologist কেন সঠিক: - ইংরেজি পরিভাষা অনুযায়ী মানবদেহের হৃদপিণ্ড ও হৃদরোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে কার্ডিওলজিস্ট বলা হয়। - গ্রীক শব্দ কার্ডিয়া যার অর্থ হৃদপিণ্ড এবং লজিস্ট যার অর্থ বিশেষজ্ঞ, এর সমন্বয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) urologist — এই চিকিৎসক মানবদেহের মূত্রনালি এবং পুরুষদের প্রজননতন্ত্রের রোগ নিয়ে কাজ করেন, হৃদপিণ্ডের সাথে সম্পর্কিত নন। B) cardiologist — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) pathologist — এই বিশেষজ্ঞ রোগের কারণ, প্রকৃতি এবং ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নির্ণয় নিয়ে কাজ করেন। D) neurologist — এই চিকিৎসক মানবদেহের ব্রেইন, স্পাইনাল কর্ড ও স্নায়ুতন্ত্রের রোগ নিয়ে গবেষণা ও চিকিৎসা করেন। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি কার্ডিয়া অর্থ হৃদপিণ্ড, তাই হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ মনে রাখতে কার্ডিওলজিস্ট শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
a strong
b robust
c soft
d hard
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) soft কেন সঠিক: - 'Tender' শব্দটির বাংলা অর্থ হলো কোমল, নরম বা সুকুমার, যার ইংরেজি সমার্থক শব্দ হলো 'soft'। - এটি কোনো বস্তু বা অনুভূতির ক্ষেত্রে কোমলতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) strong — এর অর্থ শক্তিশালী বা বলবান, যা 'tender' শব্দের বিপরীত। B) robust — এর অর্থ শক্তসমর্থ বা জোরালো, যা কোমলতার বিপরীতার্থক। C) soft — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ নরম বা কোমল। D) hard — এর অর্থ শক্ত বা কঠিন, যা 'tender' শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: টেন্ডার বা টেন্ডার পান রুটি নরম করতে হয়, এভাবে 'Tender' মানে নরম বা 'soft' মনে রাখতে পারেন।
a by
b in
c at
d of
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) by কেন সঠিক: - ঘড়ি বা কোনো যন্ত্রের সময় নির্দেশ করার ক্ষেত্রে উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে by ব্যবহৃত হয়। - এটি কোনো ঘড়ির সময় অনুযায়ী কোনো কিছু ঠিক আছে কি না তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — ঘড়ির সময়ের ক্ষেত্রে সঠিক প্রিপজিশন হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) in — ঘড়ির সময়ের ক্ষেত্রে ইন ব্যবহৃত হয় না, এটি সাধারণত মাস বা বছরের পূর্বে বসে। C) at — নির্দিষ্ট সময়ের ক্ষেত্রে অ্যাট বসলেও ঘড়ির নির্দেশনার ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়। D) of — এটি সম্বন্ধ বা অধিকার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ঘড়ির সময় দেখার ক্ষেত্রে সবসময় by my watch বা by the watch মনে রাখবে।
a for
b at
c with
d by
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) with কেন সঠিক: - কোনো ব্যক্তির ওপর রাগ করা বোঝাতে 'angry' শব্দের পর 'with' preposition ব্যবহৃত হয়। - এখানে the students হলো ব্যক্তিবাচক, তাই তাদের ওপর রাগের ক্ষেত্রে with বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — কোনো কারণ বা বস্তুর জন্য রাগ বোঝাতে এটি বসে, কিন্তু এখানে শিক্ষার্থীরা ব্যক্তি তাই এটি ভুল। B) at — কোনো বস্তু, আচরণ বা পরিস্থিতির ওপর রাগ বোঝাতে এটি বসে, কিন্তু এখানে শিক্ষার্থীরা ব্যক্তি হওয়ায় with বসবে। D) by — এটি সাধারণত প্যাসিভ ভয়েসে কর্তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ব্যক্তির ওপর রাগ করলে with এবং কোনো বিষয়ের ওপর রাগ করলে at বসে।
a The lame man was laughed by the boy.
b The lame man was laughed at by the boy.
c The lame man was being laughed by the boy.
d The lame man was being laughed at by the boy.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The lame man was laughed at by the boy. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি Past Indefinite Tense-এর Active Voice-এ আছে, তাই Passive করার সময় Subject-এর পর was এবং Verb-এর Past Participle বসে। - intransitive verb-এর সাথে যুক্ত preposition (laughed at) passive করার সময় তুলে দেওয়া যায় না, এটি verb-এর সাথেই যুক্ত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The lame man was laughed by the boy. — এই অপশনে সঠিক Preposition 'at' বাদ দেওয়া হয়েছে যা ভুল। B) The lame man was laughed at by the boy. — এটি সঠিক এবং নিয়মানুগ Passive Voice-এর রূপ। C) The lame man was being laughed by the boy. — বাক্যটি Continuous Tense না হওয়া সত্ত্বেও 'was being' ব্যবহার করা হয়েছে এবং Preposition বাদ দেওয়া হয়েছে। D) The lame man was being laughed at by the boy. — বাক্যটি Indefinite Tense-এর হওয়ায় এখানে 'was being' ব্যবহার করা ভুল। মনে রাখার টিপস: Preposition যুক্ত intransitive verb-কে passive করার সময় Preposition-টিকে অবশ্যই মূল verb-এর সাথেই রাখতে হবে।
a Mary Shelley
b John Locke
c Charles Dickens
d John Keats
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) John Keats কেন সঠিক: - জন কিটস রোমান্টিক যুগের একজন প্রখ্যাত ইংরেজ কবি, যিনি তার সংবেদনশীল ও সৌন্দর্যবাদী কবিতার জন্য বিশ্ববিখ্যাত। - 'ওড টু আ নাইটিঙ্গেল' এবং 'হাইপারিয়ন' তার অমর কাব্যকৃতি, যা তাকে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mary Shelley — তিনি একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ছিলেন, যিনি সায়েন্স ফিকশন ঘরানার 'ফ্রাঙ্কেনস্টাইন' উপন্যাসের জন্য পরিচিত। B) John Locke — তিনি একজন প্রখ্যাত ইংরেজ দার্শনিক এবং রাজনৈতিক তাত্ত্বিক ছিলেন, কবি নন। C) Charles Dickens — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিশ্বখ্যাত ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার ছিলেন, কবি হিসেবে পরিচিত নন। D) John Keats — তিনি একজন সফল ও প্রখ্যাত রোমান্টিক কবি ছিলেন। মনে রাখার টিপস: কিটস মানেই কবিতা, কারণ তিনি রোমান্টিক যুগের সর্বকনিষ্ঠ ও প্রতিভাবান কবি।
a have done
b done
c to be done
d do
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) done কেন সঠিক: - এটি একটি Causative Verb এর ব্যবহার যেখানে Subject নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজটি করায়। - Causative Verb হিসেবে Get ব্যবহৃত হলে এবং তার পরের object (the work) যদি কাজটি নিজে করতে না পারে, তবে মূল verb এর Past Participle রূপ (done) বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) have done — এটি Active Voice এর গঠন নির্দেশ করে, কিন্তু এখানে কাজটি অন্যের দ্বারা সম্পাদিত হওয়ায় Past Participle রূপ প্রয়োজন। B) done — এই অপশনটি সঠিক, কারণ Get এর পর জড় পদার্থ Object থাকলে মূল Verb এর Past Participle বসে। C) to be done — এটি Infinitive Passive রূপ, যা এই Causative গঠনে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) do — এটি Verb এর Base Form, যা Get এর পরে Object থাকার পর সরাসরি বসতে পারে না। মনে রাখার টিপস: Get এর পরে যদি বস্তুবাচক Object থাকে, তবে পরের Verb টি সবসময় Past Participle হয়।
a newtral
b neutral
c neutrel
d newtrel
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) neutral কেন সঠিক: - ইংরেজি বানানরীতি অনুযায়ী 'neutral' শব্দটিতে 'n-e-u-t-r-a-l' বর্ণগুলো ব্যবহার করা হয় যার অর্থ নিরপেক্ষ। - এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দ যার সঠিক উচ্চারণ এবং বানান উভয় ক্ষেত্রেই শেষের দিকে 'ral' যুক্ত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) newtral — বানানটি ভুল কারণ এতে 'neu' এর পরিবর্তে ভুলভাবে 'new' ব্যবহার করা হয়েছে। B) neutral — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর বানান সম্পূর্ণরূপে সঠিক। C) neutrel — বানানটি ভুল কারণ এর শেষে 'ral' এর পরিবর্তে ভুলভাবে 'rel' ব্যবহার করা হয়েছে। D) newtrel — বানানটি ভুল কারণ এতে সঠিক বর্ণমালার পরিবর্তে 'new' এবং 'rel' উভয়ই ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: 'neutral' বানানটি মনে রাখতে এর শুরুর অংশ 'neu' এবং শেষের অংশ 'tral' আলাদা করে চর্চা করতে পারো।
a excess
b access
c axcess
d axces
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) access কেন সঠিক: - শূন্যস্থানের পূর্বে free শব্দটি থাকায় এবং এরপর to preposition থাকায় এখানে noun হিসেবে access ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ প্রবেশাধিকার। - free access to an institution বা persons একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি ফ্রেজ বা সঠিক collocation। বাকি অপশন কেন ভুল: A) excess — এটি একটি noun যার অর্থ আধিক্য বা অতিরিক্ত, যা বাক্যের অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। C) axcess — এটি ইংরেজি ভাষার কোনো সঠিক শব্দ বা বানান নয়। D) axces — এটিও ইংরেজি ভাষার কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা বানান নয়। মনে রাখার টিপস: প্রবেশাধিকার বোঝাতে access শব্দের পর সাধারণত to preposition বসে এবং এর বানান হলো A-C-C-E-S-S।
a colon
b semicolon
c dash
d hyphen
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) hyphen কেন সঠিক: - হাইফেন মূলত দুটি বা ততোধিক শব্দকে যুক্ত করে একটি নতুন যৌগিক শব্দ গঠন করতে ব্যবহৃত হয়। - এটি শব্দগুলোকে সংযুক্ত করে পাঠের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে এবং অর্থ স্পষ্ট করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) colon — কোলন সাধারণত কোনো তালিকা, উদ্ধৃতি বা বড় বিবরণের পূর্বে বসে, দুটি শব্দকে যুক্ত করতে নয়। B) semicolon — সেমিকোলন দুটি স্বাধীন উপবাক্যকে সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, যা হাইফেনের কাজ নয়। C) dash — ড্যাশ বাক্যের ভাব বা তথ্যের অতিরিক্ত সংযোজন বোঝাতে বা বিরতি দিতে ব্যবহৃত হয়, ছোট শব্দ জুড়তে নয়। D) hyphen — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ হাইফেন সরাসরি দুটি শব্দকে একত্রে যুক্ত করে। মনে রাখার টিপস: ছোট শব্দগুলোকে একসাথে জোড়া লাগাতে হাইফেন ব্যবহার করা হয়, যেমন মাদার-ইন-ল।
a witch
b mare
c bachelor
d hen
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) bachelor কেন সঠিক: - Bachelor শব্দের অর্থ অবিবাহিত পুরুষ, যা ব্যাকরণগতভাবে পুংলিঙ্গ বা মাসকুলিন জেন্ডার নির্দেশ করে। - এর স্ত্রীলিঙ্গ বা ফেমিনাইন জেন্ডার হলো স্পিনস্টার বা মেইড। বাকি অপশন কেন ভুল: A) witch — এটি একটি ফেমিনাইন জেন্ডার, যার মাসকুলিন রূপ উইজার্ড বা জাদুকর। B) mare — এটি ঘোড়ার ফেমিনাইন জেন্ডার, যার মাসকুলিন রূপ হর্স বা স্ট্যালিয়ন। C) bachelor — এটি নিজেই সঠিক মাসকুলিন জেন্ডার এবং এর ফেমিনাইন হলো স্পিনস্টার। D) hen — এটি মুরগির ফেমিনাইন জেন্ডার, যার মাসকুলিন রূপ হলো রুস্টার বা ককারেল। মনে রাখার টিপস: Bachelor মানে অবিবাহিত পুরুষ বা পুংলিঙ্গ, আর এর বিপরীত শব্দ স্পিনস্টার হলো স্ত্রীলিঙ্গ।
a a collection of stories
b b) collection of poems
c c) drama
d d) novel
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) c) drama কেন সঠিক: - 'হ্যামলেট' (Hamlet) হলো বিশ্বখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের লেখা একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাটক। - এটি মূলত মঞ্চে প্রদর্শনের জন্য রচিত একটি নাটকীয় সাহিত্যকর্ম, যা পাঁচটি অঙ্কে বিভক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a collection of stories — এটি কোনো ছোটগল্পের সংকলন নয়, কারণ এটি মঞ্চে অভিনীত হওয়ার জন্য সংলাপভিত্তিক নাটক হিসেবে রচিত হয়েছে। B) b) collection of poems — এটি কোনো কবিতার বই নয়, যদিও এর সংলাপে কাব্যিক ছন্দ ও পদ্যের ব্যবহার রয়েছে। ড) d) novel — এটি কোনো উপন্যাস নয়, কারণ উপন্যাসের মতো এতে কোনো বর্ণনামূলক গদ্যের দীর্ঘ বিস্তার নেই। মনে রাখার টিপস: উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের হ্যামলেট, ম্যাকবেথ এবং রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট হলো বিশ্ববিখ্যাত নাটক বা ট্র্যাজেডি।
a a
b an
c the
d no article
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a কেন সঠিক: - humorist শব্দটি হ বর্ণ দিয়ে শুরু হয়েছে এবং এর উচ্চারণ বাংলা হ এর মতো। - consonant sound বা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ থাকায় এর পূর্বে indefinte article হিসেবে a বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি সঠিক কারণ humorist শব্দের শুরুতে ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ রয়েছে। B) an — এটি ভুল কারণ an সাধারণত vowel sound বা স্বরবর্ণের উচ্চারণের পূর্বে বসে। C) the — এটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট করে কোনো বিশেষ humorist বোঝানো হয়নি। D) no article — এটি ভুল কারণ countable singular noun একা থাকতে পারে না, তার পূর্বে article বসাতে হয়। মনে রাখার টিপস: শব্দটির উচ্চারণ যদি হ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মতো হয়, তবে তার আগে an না বসিয়ে a বসাতে হয়।
a merriment
b pain
c happiness
d hypocrisy
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) pain কেন সঠিক: - 'Pleasure' শব্দের বাংলা অর্থ আনন্দ বা সুখ। - এর বিপরীত বা বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'pain', যার অর্থ কষ্ট বা বেদনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) merriment — এর অর্থ উল্লাস বা আনন্দ, যা pleasure শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। B) pain — এটি সঠিক উত্তর কারণ pleasure বা আনন্দের বিপরীত অর্থ হলো pain বা কষ্ট। C) happiness — এর অর্থ সুখ, যা pleasure শব্দের একটি সমার্থক শব্দ। D) hypocrisy — এর অর্থ ভণ্ডামি, যা pleasure শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: আনন্দ বা pleasure পেলে মন ভালো থাকে, আর কষ্ট বা pain পেলে মন খারাপ হয়।
a index
b mice
c medium
d scenery
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) mice কেন সঠিক: - 'mouse' শব্দের বহুবচন বা প্লুরাল ফর্ম হলো 'mice', যা অনিয়মিত বা ইরেগুলার প্লুরাল নিয়মে গঠিত হয়েছে। - এটি অভ্যন্তরীণ ভাওয়েল পরিবর্তন করে প্লুরাল করা হয়েছে, যেখানে ou পরিবর্তিত হয়ে i হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) index — এটি একটি একবচন শব্দ, যার বহুবচন হলো indices বা indexes। B) mice — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার একবচন হলো mouse। C) medium — এটি একটি একবচন শব্দ, যার বহুবচন হলো media। D) scenery — এটি একটি আনকাউন্টেবল নাউন, যার কোনো বহুবচন রূপ হয় না। মনে রাখার টিপস: কিছু অনিয়মিত নাউনের প্লুরাল করার সময় শেষের অক্ষর না বদলে ভেতরের ভাওয়েল বদলে যায়, যেমন mouse থেকে mice এবং louse থেকে lice।
a moral
b lunar
c solar
d colar
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) solar কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে 'sun' বিশেষ্য বা নাউনের বিশেষণ বা এডজেক্টিভ রূপ হলো 'solar'। - এর অর্থ সৌর বা সূর্য সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) moral — এটি একটি স্বাধীন শব্দ যার অর্থ নৈতিক, যা 'sun' শব্দের এডজেক্টিভ রূপ নয়। B) lunar — এটি 'moon' বা চাঁদের এডজেক্টিভ রূপ, যা সূর্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। C) solar — এটি সঠিক উত্তর। D) colar — এটি একটি ভুল বানানযুক্ত শব্দ এবং এর কোনো সঠিক ব্যাকরণগত অর্থ নেই। মনে রাখার টিপস: সূর্য সম্পর্কিত কিছু বোঝাতে 'solar' শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যেমন সোলার প্যানেল।
a Buy the buy
b Bye the by
c By the by
d Bye the bye
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) By the by কেন সঠিক: - by the by একটি প্রচলিত ইংরেজি idiomatic phrase, যার অর্থ প্রসঙ্গক্রমে বা অবান্তর কথায়। - কথ্য ও লেখ্য ইংরেজিতে এই নির্দিষ্ট বানান ও গঠনটিই প্রমিত হিসেবে গৃহিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Buy the buy — এখানে buy শব্দটির অর্থ ক্রয় করা, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) Bye the by — এখানে বিদায়সূচক bye শব্দটি ব্যবহার করায় সম্পূর্ণ অর্থ বদলে গেছে এবং এটি ভুল গঠন। সি) By the by — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত অপশন। D) Bye the bye — এটি একটি ভুল বানান ও অপ্রচলিত রূপ, কারণ এখানে সঠিক idiom-এর নিয়ম মানা হয়নি। মনে রাখার টিপস: by the by মানে প্রসঙ্গক্রমে, তাই মনে রাখার জন্য শুধু প্রথম শব্দ হিসেবে preposition অর্থাৎ by ব্যবহার করতে হবে।
a from
b off
c of
d for
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) of কেন সঠিক: - কোনো রোগ, না খেয়ে থাকা, কিংবা অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা আঘাতে মারা যাওয়া বোঝালে ডাই ভার্বের পরে অফ প্রিপজিশন বসে। - ক্যান্সারে মৃত্যু বোঝানো হয়েছে বলে এখানে সঠিক উত্তর হবে অফ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from — কোনো দুর্ঘটনা, অতিরিক্ত কাজ বা বিষক্রিয়ায় মারা যাওয়া বোঝালে ডাই ভার্বের পরে ফ্রম বসে, যা ক্যান্সারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) off — এটি সাধারণত বিচ্ছিন্নতা বা কোনো কিছু থেকে দূরে সরে যাওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা মৃত্যুর কারণ বোঝাতে উপযুক্ত নয়। C) of — এটি সঠিক উত্তর, কারণ কোনো রোগ বা অভ্যন্তরীণ জটিলতার কারণে মারা গেলে ডাই ভার্বের পরে অব বসে। D) for — দেশের জন্য আত্মত্যাগ বা কোনো মহৎ উদ্দেশ্যে প্রাণ বিসর্জন দেওয়া বোঝালে ডাই ভার্বের পরে ফর বসে। মনে রাখার টিপস: রোগে মৃত্যু হলে অব এবং দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে ফ্রম বসে।
a See the word in the dictionary.
b Open page 50
c They have gone for a picnic.
d The man has returned yesterday.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) They have gone for a picnic. কেন সঠিক: - পিকনিকে যাওয়া বা কোথাও গিয়ে বর্তমানে সেখানে উপস্থিত থাকা বোঝাতে Present Perfect Tense-এর ক্ষেত্রে have gone ব্যবহার করা হয়। - কোথাও গিয়ে আবার ফিরে আসার ক্ষেত্রে have been ব্যবহার করা হয়, কিন্তু এখানে সাবজেক্ট পিকনিকে গিয়েছে এবং বর্তমানে সেখানে অবস্থান করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) See the word in the dictionary — ডেকশনারিতে কোনো শব্দ খোঁজার ক্ষেত্রে See ব্যবহার করা হয় না, সঠিক নিয়ম হলো Look up the word in the dictionary. B) Open page 50 — বইয়ের পাতা খোলার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়মে Open at page 50 লিখতে হয়, তাই এখানে at প্রিপজিশন মিসিং থাকায় এটি ভুল। C) They have gone for a picnic — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক কারণ সাবজেক্ট ও Tense-এর গঠন সঠিক রয়েছে। D) The man has returned yesterday — বাক্যে yesterday বা অতীত নির্দেশক শব্দ থাকলে সেটি Past Indefinite Tense হয়, তাই এখানে Present Perfect Tense ব্যবহার করা ভুল। মনে রাখার টিপস: অতীতের নির্দিষ্ট সময়ের উল্লেখ যেমন yesterday থাকলে Past Indefinite Tense হয় এবং কোথাও গিয়ে ফিরে না আসার ক্ষেত্রে have gone ব্যবহৃত হয়।
a They are all but happy.
b He was in hurry.
c I am in a fix.
d The loss cannot be made up
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He was in hurry. কেন সঠিক: - hurry একটি Singular Common Noun এবং এর পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল a বসা বাধ্যতামূলক। - সঠিক নিয়ম অনুযায়ী phrase টি হবে in a hurry, কিন্তু অপশনে a অনুপস্থিত থাকায় বাক্যটি ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) They are all but happy. — এখানে all but অর্থ almost বা প্রায়, তাই বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। B) He was in hurry. — hurry একটি Noun এবং এর পূর্বে an indefinite article হিসেবে a বসা আবশ্যক ছিল। C) I am in a fix. — in a fix একটি সঠিক Idiomatic phrase যার অর্থ কিংকর্তব্যবিমূঢ় বা বিপদে পড়া। D) The loss cannot be made up — make up a loss একটি সঠিক Group Verb, যার অর্থ ক্ষতি পূরণ করা। মনে রাখার টিপস: hurry শব্দের আগে সবসময় a বসিয়ে in a hurry ফ্রেজটি মনে রাখবে।

মোট প্রশ্ন (15)

a ২০১০ সালে
b ২০১৫ সালে
c ২০১৭ সালে
d ২০১৮ সালে
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: C) ২০১৭ সালে কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করে। - এই স্বীকৃতির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে বিশ্ববাসীর কাছে স্বীকৃতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১০ সালে — এই সালে ইউনেস্কো বাংলাদেশের সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি, এটি ভুল সাল। B) ২০১৫ সালে — এই সালে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পায়নি, এটি একটি বিভ্রান্তিকর সাল। C) ২০১৭ সালে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই ভাষণটি বিশ্ব ঐতিহ্যের দলিল হিসেবে স্বীকৃতি পায়। D) ২০১৮ সালে — এই সালে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি, কারণ স্বীকৃতিটি ঠিক আগের বছর অর্থাৎ ২০১৭ সালে প্রদান করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ বিশ্ব ঐতিহ্যের দলিল হয় ২০১৭ সালে। সালটি মনে রাখতে ৭ এবং ১৭ এর মিল মনে রাখতে পারেন।
a সিরিয়া
b মরোক্কো
c ইরাক
d লেবানন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইরাক কেন সঠিক: - মেসোপটেমিয়া প্রাচীন বিশ্বের একটি ঐতিহাসিক অঞ্চল যা টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে উঠেছিল। - বর্তমান ইরাক এবং কুয়েত ও সিরিয়ার কিছু অংশ নিয়ে প্রাচীন মেসোপটেমিয়া গঠিত হলেও এর মূল ভূখণ্ড বর্তমান ইরাকেই অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিরিয়া — এটি বর্তমান মধ্যপ্রাচ্যের একটি স্বাধীন রাষ্ট্র এবং মেসোপটেমিয়ার অববাহিকার উত্তর-পশ্চিম সীমানায় অবস্থিত হলেও পুরো মেসোপটেমিয়া নয়। B) মরোক্কো — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ, যার সঙ্গে প্রাচীন মেসোপটেমিয়া সভ্যতার কোনো ভৌগোলিক বা ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। C) ইরাক — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। D) লেবানন — এটি ভূমধ্যসাগরের পূর্ব তীরের একটি দেশ, যা প্রাচীন ফিনিশীয় সভ্যতার অংশ ছিল কিন্তু মেসোপটেমিয়া নয়। মনে রাখার টিপস: মেসোপটেমিয়া মানে দুই নদীর মাঝের ভূমি আর বর্তমান ইরাক মানেই টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকা।
a 676
b 780
c 576
d 776
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬৭৬ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মোট সংখ্যা ৬৭৬ জন। - এর মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, বীর উত্তম ৬৮ জন, বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং বীর প্রতীক ৪২৬ জন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬৭৬ — এটি সঠিক সংখ্যা, কারণ মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা নির্দিষ্টভাবে ৬৭৬ জন। B) ৭৮০ — এটি ভুল সংখ্যা, কারণ মোট খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৭৮০ জন নয়। C) ৫৭৬ — এটি একটি ভুল সংখ্যা এবং মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্তদের সঠিক তালিকার সাথে মেলে না। D) ৭৭৬ — এটি ভুল সংখ্যা, কারণ সঠিক সংখ্যাটি ৬৭৬ জন। মনে রাখার টিপস: বীরদের সংখ্যা মনে রাখতে ৬৭৬ সংখ্যাটি মনে রাখুন যেখানে ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ এবং বাকিগুলো অন্যান্য খেতাব।
a হেনরি কিসিঞ্জার
b প্যাট্রিস লুমুম্বা
c সালভাদর আলেন্দে
d উইনস্টন চার্চিল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উইনস্টন চার্চিল কেন সঠিক: - উইনস্টন চার্চিল ১৯৫৩ সালে বিশ্বখ্যাত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন স্মৃতিকথা এবং ঐতিহাসিক রচনার জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - তিনি পেশাদার সাহিত্যিক না হয়েও তার অসাধারণ গদ্যশৈলী এবং রাজনৈতিক বক্তৃতার স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা পান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হেনরি কিসিঞ্জার — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন এবং কূটনীতিতে অবদানের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন, সাহিত্যে নয়। B) প্যাট্রিস লুমুম্বা — তিনি কঙ্গোর প্রথম প্রধানমন্ত্রী এবং একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ছিলেন, কিন্তু তিনি নোবেল পুরস্কার পাননি। C) সালভাদর আলেন্দে — তিনি চিলির রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক সংস্কারের জন্য পরিচিত হলেও নোবেল পুরস্কার পাননি। D) উইনস্টন চার্চিল — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি একমাত্র রাজনীতিবিদ যিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছেন। মনে রাখার টিপস: রাজনীতিবিদ চার্চিলের কলমের জোর এতটাই বেশি ছিল যে তিনি যুদ্ধ জয়ের পাশাপাশি সাহিত্যেও নোবেল জিতে নিয়েছিলেন।
a গাজীপুরের জয়দেবপুরে।
b জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে।
c চট্টগ্রামের বিপ্লব উদ্যানে।
d রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। কেন সঠিক: - 'সাবাস বাংলাদেশ' ভাস্কর্যটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের পেছনে অবস্থিত। - এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে নির্মিত একটি ঐতিহাসিক ভাস্কর্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গাজীপুরের জয়দেবপুরে — এখানে রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস ও ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান অবস্থিত, 'সাবাস বাংলাদেশ' ভাস্কর্যটি এখানে নেই। B) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে — এখানে 'সংশপ্তক' ও 'পাথর ও জীবন' নামক বিখ্যাত ভাস্কর্যগুলো অবস্থিত। C) চট্টগ্রামের বিপ্লব উদ্যানে — এখানে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র ও বিপ্লব সংশ্লিষ্ট স্মৃতিচিহ্ন রয়েছে, এই ভাস্কর্যটি নেই। D) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানেই অবস্থিত হওয়ায় এটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: 'সাবাস' বললেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযুদ্ধের বিখ্যাত ভাস্কর্যটির কথা মনে রাখবে।
a ঢাকা
b দিল্লী
c ইসলামাবাদ
d কাঠমান্ডু
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) কাঠমান্ডু কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বা সার্কের স্থায়ী সচিবালয় নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। - ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থার সদর দপ্তর ১৯৮৭ সালের ১৬ জানুয়ারি কাঠমান্ডুতে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — কারণ ঢাকা হলো সার্কের প্রতিষ্ঠাতা প্রস্তাবকারী দেশ বাংলাদেশের রাজধানী, এর সদর দপ্তর এখানে নয়। B) দিল্লী — কারণ দিল্লী হলো ভারতের রাজধানী, সার্কের সদর দপ্তর ভারতে অবস্থিত নয়। C) ইসলামাবাদ — কারণ ইসলামাবাদ হলো পাকিস্তানের রাজধানী, সার্কের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়। D) কাঠমান্ডু — এটি সঠিক উত্তর কারণ কাঠমান্ডুতেই সার্কের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: সার্ক গঠনের প্রস্তাব ঢাকায় হলেও এর সদর দপ্তর নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।
a মাউস
b পেনড্রাইভ
c ওএমআর
d মাইক্রোফোন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পেনড্রাইভ কেন সঠিক: - পেনড্রাইভ মূলত একটি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস বা মেমোরি ডিভাইস, যার মাধ্যমে কম্পিউটারে ডেটা সংরক্ষণ ও আদান-প্রদান করা হয়। - এটি কোনো তথ্য কম্পিউটারের ভেতরে প্রবেশ করানোর মূল ইনপুট যন্ত্র নয়, বরং এটি ডেটা বহন করার মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাউস — এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে কম্পিউটারের স্ক্রিনে কার্সর নিয়ন্ত্রণ ও নির্দেশ প্রদান করা হয়। B) পেনড্রাইভ — এটি কোনো ইনপুট বা আউটপুট ডিভাইস নয়, এটি একটি পোর্টেবল তথ্য সংরক্ষণ বা মেমোরি ডিভাইস। C) ওএমআর — এটি অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন ইনপুট ডিভাইস, যা পরীক্ষার উত্তরপত্রের বিশেষ দাগ পড়তে ব্যবহৃত হয়। D) মাইক্রোফোন — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কণ্ঠস্বর বা শব্দ কম্পিউটারে প্রবেশ করানো হয়। মনে রাখার টিপস: মাউস, ওএমআর এবং মাইক্রোফোন সরাসরি কম্পিউটারে তথ্য বা নির্দেশ পাঠায় বলে এগুলো ইনপুট ডিভাইস, আর পেনড্রাইভ কেবল তথ্য সংরক্ষণ ও বহন করে।
a ময়মনসিংহ
b মেহেরপুর
c যশোর
d নওগাঁ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যশোর কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর যশোর জেলা পাকিস্তানি হানাদার মুক্ত হয় এবং এটিই বাংলাদেশের প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা। - এই জেলা শত্রুমুক্ত হওয়ার ফলে মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়মনসিংহ — এটি যুদ্ধের শেষ দিকে ১১ ডিসেম্বর শত্রুমুক্ত হয়, তাই এটি প্রথম জেলা নয়। B) মেহেরপুর — ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বৈদ্যনাথতলায় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করে, কিন্তু এটি প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা নয়। D) নওগাঁ — এটি ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর শত্রুমুক্ত হয়, তাই এটি প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা নয়। মনে রাখার টিপস: যশোর মানে জয় দিয়ে শুরু, তাই মুক্তিযুদ্ধে প্রথম বিজয়ের জেলা হলো যশোর।
a যুক্তরাষ্ট্র
b ভারত
c চীন
d জাপান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চীন কেন সঠিক: - চীন বিশ্বে প্রথম সংবাদপত্র বা সংবাদ বুলেটিন চালুর ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। - হান রাজবংশের সময় চীনে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য 'বাও' নামের সংবাদ বুলেটিন প্রকাশিত হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র প্রথম মুদ্রিত সংবাদপত্র প্রকাশের অনেক পরে আধুনিক সংবাদপত্রের বিস্তার ঘটায়। B) ভারত — ভারতে প্রথম সংবাদপত্র হিকির বেঙ্গল গেজেট প্রকাশিত হয় অনেক পরে ১৭৮০ সালে। C) চীন — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) জাপান — জাপানে প্রথম আধুনিক সংবাদপত্র প্রকাশিত হয় আরও অনেক পরে উনিশ শতকে। মনে রাখার টিপস: বিশ্বে প্রথম লেখার কাগজ ও সংবাদপত্র আবিষ্কার বা চালুর দিক থেকে চীন সবার চেয়ে এগিয়ে ছিল।
a 1980
b 1981
c 1982
d 1983
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 1981 কেন সঠিক: - ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পর শেখ হাসিনা দীর্ঘ ছয় বছর প্রবাস জীবন কাটেন। - তিনি ১৯৮১ সালের ১৭ মে ভারত থেকে স্বদেশের মাটিতে প্রত্যাবর্তন করেন এবং আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1980 — এই সালে তিনি দেশে ফেরেননি, বরং তখন তিনি ভারতের নয়াদিল্লিতে প্রবাস জীবন অতিবাহিত করছিলেন। B) 1981 — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালের ১৭ মে তিনি প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন। C) 1982 — এই সালটি সঠিক নয়, কারণ তিনি এর এক বছর আগেই দেশে ফিরে এসেছিলেন। D) 1983 — এই সালটি সঠিক নয়, এই সময়ে তিনি দেশের রাজনৈতিক আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। মনে রাখার টিপস: ১৯৭৫ সালের শোকাবহ ঘটনার ঠিক ছয় বছর পর অর্থাৎ ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা দেশে ফিরেছিলেন।
a চীন
b ভারত
c যুক্তরাষ্ট্র
d জার্মানি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চীন কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সর্বাধিক পণ্য আমদানি করে চীন থেকে, যা মোট বৈদেশিক বাণিজ্যের সিংহভাগ দখল করে আছে। - অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ বিবেচনায় চীন বর্তমানে বাংলাদেশের শীর্ষ বাণিজ্য অংশীদার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ বাংলাদেশের সাথে এই দেশটির আমদানির পরিমাণ ও বাণিজ্য ঘাটতি সবচেয়ে বেশি। B) ভারত — বাংলাদেশ দ্বিতীয় সর্বাধিক আমদানি করলেও সামগ্রिक বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণে চীনের পরেই এর অবস্থান। C) যুক্তরাষ্ট্র — বাংলাদেশের রপ্তানির একক দেশ হিসেবে বড় বাজার হলেও সামগ্রিক বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণে চীনের পেছনে রয়েছে। D) জার্মানি — এটি বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির একটি বড় গন্তব্য হলেও সামগ্রিক বৈদেশিক বাণিজ্যে শীর্ষ অবস্থানে নেই। মনে রাখার টিপস: আমদানিতে শীর্ষে চীন, মনে রাখতে প্রথম অক্ষর চ দিয়ে চীন এবং চ দিয়ে চলতি বাণিজ্য ঘাটতির শীর্ষ দেশ হিসেবে মনে রাখা যায়।
a অলি আহাদ
b শ্রী মনোরঞ্জন ধর
c ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
d শামসুল আলম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত কেন সঠিক: - ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলা ভাষাকে গণপরিষদের অন্যতম ভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন। - এটি ছিল পাকিস্তান গণপরিষদে মাতৃভাষা বাংলার অধিকার আদায়ে প্রথম আনুষ্ঠানিক ও ঐতিহাসিক প্রতিবাদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অলি আহাদ — তিনি ভাষা আন্দোলনের একজন অন্যতম ছাত্রনেতা ও সংগঠক ছিলেন, তবে গণপরিষদে ভাষা ব্যবহারের প্রথম দাবি তিনি তোলেননি। B) শ্রী মনোরঞ্জন ধর — তিনি গণপরিষদের একজন সদস্য ছিলেন এবং ভাষা আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছিলেন, কিন্তু এই প্রস্তাব উত্থাপন করেননি। C) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) শামসুল আলম — তিনি ভাষা আন্দোলনের সমসাময়িক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন, তবে গণপরিষদে এই দাবি উত্থাপনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত মানেই ধীরস্থিরভাবে প্রথম বাংলায় কথা বলার ঐতিহাসিক দাবিদার।
a ঢাকা
b চট্টগ্রাম
c লাহোর
d কলকাতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লাহোর কেন সঠিক: - ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর একটি জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। - এই সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন ও ঘোষণা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — ছয় দফা লাহোরে ঘোষিত হলেও বঙ্গবন্ধু ঢাকায় ফিরে ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটিতে এটি পাস করান। B) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণার স্থান নয়, এটি ষড়যন্ত্র মামলা বা অন্যান্য আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত। D) কলকাতা — কলকাতা ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণার স্থান নয়, এটি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের সময় এবং আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। মনে রাখার টিপস: ছয় দফা দাবি ঘোষণা করা হয়েছিল পাকিস্তানের লাহোরে, তাই লা দিয়ে লাহোর এবং লা দিয়ে দাবি মনে রাখতে পারেন।
a ইরান
b ইরাক
c মিশর
d সিরিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইরাক কেন সঠিক: - ইরাক ১৯৭২ সালের ৮ জুলাই স্বাধীন বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রদান করে। - মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে তারাই প্রথম বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরান — ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলেও তারা মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম স্বীকৃতিদানকারী দেশ নয়, বরং তারা স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ২৪ জুলাই। B) ইরাক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ তারা সবার আগে স্বীকৃতি প্রদান করেছিল। C) মিশর — মিশর মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রভাবশালী দেশ হলেও তারা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৩ সালে। D) সিরিয়া — সিরিয়া মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ হলেও তারা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৯৭২ সালের জুলাই মাসের শেষের দিকে। মনে রাখার টিপস: মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম বন্ধু ইরাক, স্বীকৃতি দিল বাহাত্তরের জুলাইয়ে।
a নিউইয়র্ক
b ওয়াশিংটন
c লন্ডন
d কলকাতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কলকাতা কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশের প্রথম কূটনৈতিক মিশন প্রতিষ্ঠিত হয়। - তৎকালীন পাকিস্তান উপ-হাইকমিশনের বাঙালি কর্মকর্তা হোসেন আলী পাকিস্তান সরকারের প্রতি আনুগত্য ত্যাগ করে মিশনটিকে বাংলাদেশের প্রথম মিশন হিসেবে ঘোষণা করেন এবং সেখানে প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি পরবর্তীতে বাংলাদেশের জাতিসংঘ স্থায়ী মিশন হিসেবে কাজ শুরু করে, তবে প্রথম মিশন নয়। B) ওয়াশিংটন — এটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং পরবর্তী সময়ে সেখানে বাংলাদেশের দূতাবাস স্থাপন করা হয়। সি) লন্ডন — যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। D) কলকাতা — এই অপশনটি সঠিক কারণ ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল এখানেই প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলিত হয়। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতে প্রথম মিশন চালু হয় এবং কলকাতা থেকেই প্রথম পতাকা ওড়ানো হয়েছিল।

মোট প্রশ্ন (3)

a আমিষ
b শর্করা
c ভিটামিন
d এনজাইম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শর্করা ১. কেন সঠিক: - সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে কার্বন ডাই অক্সাইড ও পানির রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে গ্লুকোজ বা শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে। - এই প্রক্রিয়ায় সৌরশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে শর্করার অণুতে সঞ্চিত থাকে, যা উদ্ভিদের প্রধান খাদ্য এবং অন্যান্য জীবের শক্তির উৎস। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: উদ্ভিদ ক্লোরোফিল ও সূর্যালোকের সাহায্যে অজৈব উপাদান থেকে জৈব খাদ্য প্রস্তুত করার প্রক্রিয়া হলো সালোকসংশ্লেষণ। - কার্যপ্রণালি: উদ্ভিদ বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড এবং শিকড় দিয়ে মাটি থেকে পানি শোষণ করে ক্লোরোফিলের সাহায্যে সৌরশক্তিকে আবদ্ধ করে শর্করা উৎপন্ন করে। - রসায়ন সমীকরণ: ছয় অনু কার্বন ডাই অক্সাইড যোগ বারো অনু পানি সূর্যালোক ও ক্লোরোফিলের প্রভাবে এক অনু গ্লুকোজ যোগ ছয় অনু অক্সিজেন যোগ ছয় অনু পানি উৎপন্ন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মিষ্টি আম বা পাকা কলা খাওয়া। ব্যাখ্যা: উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় তৈরি শর্করা উদ্ভিদে জমা হয়ে ফলকে মিষ্টি করে তোলে, যা আমরা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করি। উদাহরণ ২: ভাত বা আলু জাতীয় খাবার খাওয়া। ব্যাখ্যা: উদ্ভিদের পাতায় তৈরি শর্করা পরবর্তীতে স্টার্চ বা শ্বেতসার হিসেবে উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশে জমা থাকে, যা আমাদের শক্তির জোগান দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমিষ — আমিষ বা প্রোটিন হলো নাইট্রোজেনযুক্ত জটিল জৈব যৌগ, যা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সরাসরি তৈরি হয় না। B) শর্করা — এটি সঠিক উত্তর কারণ সালোকসংশ্লেষণে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা জাতীয় খাদ্য উৎপাদিত হয়। C) ভিটামিন — ভিটামিন হলো ক্ষুদ্র পুষ্টি উপাদান, যা জীবদেহের বিপাকীয় কাজের জন্য প্রয়োজন কিন্তু সালোকসংশ্লেষণের সরাসরি উৎপাদ নয়। D) এনজাইম — এনজাইম হলো জৈব অনুঘটক বা প্রোটিন জাতীয় পদার্থ, যা সালোকসংশ্লেষণে সহায়তা করে কিন্তু সরাসরি এই প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - সালোকসংশ্লেষণ মানেই আলোর সাহায্যে খাদ্য বা শর্করা তৈরি করা। - মনে রাখবে, উদ্ভিদ কার্বন ডাই অক্সাইড ও পানি নিয়ে শর্করা বানায় এবং উপজাত হিসেবে অক্সিজেন ছাড়ে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উপজাত হিসেবে অক্সিজেন নির্গত হয়। - এই ধরনের প্রশ্নে প্রায়শই জানতে চাওয়া হয় সালোকসংশ্লেষণের প্রধান উৎপাদ কোনটি, যার সঠিক উত্তর হবে শর্করা বা গ্লুকোজ।
a শনি
b বৃহস্পতি
c শুক্র
d বুধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শুক্র ১. কেন সঠিক: - সৌরজগতের অভ্যন্তরীণ গ্রহগুলোর মধ্যে শুক্র এবং বুধের কোনো প্রাকৃতিক উপগ্রহ বা চাঁদ নেই। - সূর্যের তীব্র মহাকর্ষ বল এবং গ্রহ দুটির ছোট আকারের কারণে এদের নিজস্ব কোনো উপগ্রহ ধরে রাখার ক্ষমতা নেই। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: জ্যোতির্বিজ্ঞান ও মহাকাশ বিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী কোনো গ্রহের চারপাশে তার আকর্ষণে ঘুরতে থাকা ছোট জ্যোতিষ্ককে উপগ্রহ বলে। - কারণ ও ফলাফল: সূর্যের খুব কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ার কারণে সূর্য শক্তিশালী জোয়ার বল প্রয়োগ করে, ফলে গ্রহের কাছাকাছি কোনো উপগ্রহ থাকলে তা ছিটকে দূরে চলে যায় বা সূর্য কর্তৃক গ্রাস হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুধ গ্রহ ব্যাখ্যা: সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধের কোনো উপগ্রহ নেই কারণ এর ওপর সূর্যের মহাকর্ষীয় প্রভাব অত্যন্ত শক্তিশালী। উদাহরণ ২: বৃহস্পতি গ্রহ ব্যাখ্যা: সূর্য থেকে অনেক দূরে অবস্থিত হওয়ায় বৃহস্পতির শক্তিশালী মহাকর্ষ বল রয়েছে এবং এর ৯৫টি উপগ্রহ বা চাঁদ রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শনি — শনির অনেক উপগ্রহ রয়েছে, যার মধ্যে টাইটান অন্যতম এবং এটি দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ যার চাঁদ আছে। B) বৃহস্পতি — বৃহস্পতির বর্তমান আবিষ্কৃত উপগ্রহের সংখ্যা ৯৫টি, যা সৌরজগতের অন্যতম সর্বোচ্চ চাঁদধারী গ্রহ। C) শুক্র — শুক্র গ্রহের নিজস্ব কোনো প্রাকৃতিক উপগ্রহ নেই, তাই এটি সঠিক উত্তর। D) বুধ — বুধ গ্রহের কোনো প্রাকৃতিক উপগ্রহ নেই, তবে প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তর সি এবং বুধ উভয়ই উপগ্রহহীন হলেও মূল প্রমিত উত্তরে শুক্রকে ধরা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার কৌশল হিসেবে ভাবুন, সৌরজগতের প্রথম দুটি গ্রহ বুধ ও শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই, বাকি সবারই কমবেশি চাঁদ আছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সৌরজগতের কোন গ্রহের সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ আছে, এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - কোন গ্রহের উপগ্রহ নেই তা জানলে অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক গ্রহের মহাকর্ষীয় পার্থক্য পরিষ্কার হয়।
a পানি
b খাবার
c মাটি
d অক্সিজেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাটি ১. কেন সঠিক: জীবের বেঁচে থাকার জন্য মৌলিক শারীরবৃত্তীয় চাহিদা হলো পানি, খাবার এবং অক্সিজেন যা বিপাকীয় ক্রিয়া সচল রাখে। মাটি উদ্ভিদের জন্য মাধ্যম হলেও কিছু জীব যেমন জলজ ও বায়বীয় জীব মাটি ছাড়া সম্পূর্ণ স্বাভাবিক জীবন কাটাতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: জীবের বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেন শ্বসন প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপন্ন করে এবং পানি ও খাবার কোষের পুষ্টি জোগায়। কার্যপ্রণালি: শ্বসনতন্ত্র অক্সিজেন গ্রহণ করে কোষের মাইটোকন্ড্রিয়ায় গ্লুকোজ জারিত করে শক্তি উৎপাদন করে যা জীবের জীবন ধারণের জন্য অপরিহার্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিমি ও ডলফিন জলজ প্রাণী হিসেবে আজীবন পানিতে বাস করে এবং তাদের বেঁচে থাকার জন্য মাটি কোনো প্রয়োজন হয় না। ব্যাখ্যা: এরা পানিতে সাঁতার কাটে এবং বায়ুমণ্ডল থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে বেঁচে থাকে, যা প্রমাণ করে মাটি অত্যাবশ্যকীয় নয়। উদাহরণ ২: এয়ার প্লান্ট বা এপিফাইট জাতীয় উদ্ভিদ যেমন অর্কিড অন্য গাছের ডালে জন্মে এবং বাতাস থেকে আর্দ্রতা শোষণ করে বেঁচে থাকে। ব্যাখ্যা: এই উদ্ভিদগুলোর বৃদ্ধির জন্য কোনো মাটির প্রয়োজন হয় না, যা দেখায় মাটি ছাড়া জীবন সম্ভব। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পানি — প্রোটোপ্লাজম সচল রাখতে এবং দেহের রাসায়নিক বিক্রিয়া সম্পন্ন করতে পানি অতি আবশ্যকীয় উপাদান। B) খাবার — শক্তির উৎস ও দেহের ক্ষয়পূরণ এবং বৃদ্ধির জন্য সব জীবেরই খাদ্য বা পুষ্টি উপাদান প্রয়োজন। C) মাটি — এটি উদ্ভিদের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির মাধ্যম হলেও অনেক জলজ ও বায়বীয় জীবের বেঁচে থাকার জন্য মাটি আবশ্যক নয়। D) অক্সিজেন — সব সবাত শ্বসনকারী জীবের শক্তি উৎপাদনের জন্য অক্সিজেন গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক। ৫ মনে রাখার টিপস: জীবের মৌলিক চাহিদার ক্ষেত্রে প্রাণ এবং শক্তির উৎসগুলোকে আগে মনে রাখতে হবে যেমন অন্ন, জল ও বাতাস। মাটি নির্দিষ্ট কিছু উদ্ভিদ ও স্থলজীবের জন্য সহায়ক হলেও সার্বিকভাবে সকল জীবের প্রাথমিক অস্তিত্বের প্রধান শর্ত নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই ধরনের প্রশ্নে জীবের সার্বজনীন মৌলিক চাহিদা এবং বিশেষ মাধ্যমের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে হবে। ভবিষ্যতের পরীক্ষায় এপিফাইট উদ্ভিদ বা জলজ প্রাণীর বেঁচে থাকার শর্ত নিয়ে ঘুরিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।

মোট প্রশ্ন (3)

a নরওয়ে
b জাপান
c নিউজিল্যান্ড
d রাশিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নরওয়ে ১. কেন সঠিক: - নরওয়ে পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে সুমেরু বৃত্তের কাছাকাছি অবস্থিত একটি দেশ, যেখানে গ্রীষ্মকালে পৃথিবীর আবর্তনের কারণে সূর্য দিগন্তের নিচে সম্পূর্ণ অস্ত যায় না। - পৃথিবীর অক্ষের ২৬.৫ ডিগ্রি বা ২৩.৫ ডিগ্রি আনতির কারণে উচ্চ অক্ষাংশ অঞ্চলে এই প্রাকৃতিক ঘটনা ঘটে, যা মধ্যরাতের সূর্য নামে পরিচিত। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: ইউরোপ মহাদেশের উত্তর অংশে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপদ্বীপে নরওয়ে অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এই দেশের ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর এবং এখানে সমুদ্র উপকূলের গভীরে প্রবেশ করা ফিওর্ড বা বরফগলিত উপত্যকা দেখা যায়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: সোভালবার্ড দ্বীপপুঞ্জ ব্যাখ্যা: নরওয়ের এই অঞ্চলে এপ্রিল মাস থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত একটানা সূর্য দেখা যায় এবং কোনো অন্ধকার নামে না। উদাহরণ ২: হ্যামারফেস্ট শহর ব্যাখ্যা: নরওয়ের এই শহরটিকে নিশীথ সূর্যের শহর বলা হয় কারণ এখানে মে থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত সূর্য সার্বক্ষণিক দৃশ্যমান থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নরওয়ে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশে সুমেরু বৃত্তের ভেতর নিশীথ সূর্য দেখা যায়। B) জাপান — এটি এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এটিকে উদীয়মান সূর্যের দেশ বলা হয়, নিশীথ সূর্যের দেশ নয়। C) নিউজিল্যান্ড — এটি দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত একটি ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশ এবং এর জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ ধরনের। D) রাশিয়া — এটি বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হলেও এর সুমেরু সংলগ্ন অঞ্চলে নিশীথ সূর্য দেখা গেলেও সামগ্রिकভাবে একে নিশীথ সূর্যের দেশ বলা হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: নরওয়ে নামের প্রথম অক্ষর ন এবং নিশীথ সূর্যের প্রথম অক্ষর ন দিয়ে মনে রাখা যায় যে ন তে নরওয়ে। উচ্চ অক্ষাংশ এবং সুমেরু বৃত্তের দেশ মানেই উত্তর গোলার্ধের নরওয়েকে মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিশ্ব ভূগোল এবং বিভিন্ন দেশের ভৌগোলিক উপনাম অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন দেশকে উদীয়মান সূর্যের দেশ বলা হয়, যার উত্তর হবে জাপান।
a কর্ণফুলী
b কুশিয়ারা
c হালদা
d যমুনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হালদা ১. কেন সঠিক: - হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র জোয়ারভাটার নদী যার উৎপত্তি ও সমাপ্তি সম্পূর্ণরূপে দেশের সীমানার ভেতরেই ঘটেছে। - এটি খাগড়াছড়ি জেলার বদনাতলী পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে চট্টগ্রামের কালুরঘাটের কাছে কর্ণফুলী নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল তথা চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি জেলা। - বৈশিষ্ট্য: এটি এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র যেখানে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশ মাছ ডিম ছাড়ে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: হালদা নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ৮১ কিলোমিটার এবং এর অববাহিকা অঞ্চলে তীব্র জোয়ারভাটা পরিলক্ষিত হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: বঙ্গোপসাগর ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ সীমানায় অবস্থিত এবং দেশের সব নদ-নদীর চূড়ান্ত সমাপ্তি স্থল হলেও এর উৎপত্তি বাংলাদেশে নয়। উদাহরণ ২: সুন্দরবন ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের সীমানার ভেতরে অবস্থিত একটি একক প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র, যা নদী ও সমুদ্রের সংযোগস্থলে গড়ে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্ণফুলী — এটি আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে, তাই এর উৎপত্তি দেশের বাইরে। B) কুশিয়ারা — এটি বরাক নদী থেকে শাখা হিসেবে ভারতের বরাক উপত্যকা থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে, তাই এর উৎপত্তিও দেশের বাইরে। D) যমুনা — এটি ব্রহ্মপুত্র নদের প্রধান ধারা হিসেবে তিব্বত ও ভারত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে, তাই এটি আন্তর্জাতিক নদী। ৫. মনে রাখার টিপস: - হালদা নদীর জন্ম ও মৃত্যু বা সমাপ্তি সবই বাংলাদেশের ভেতরে ঘটেছে, তাই একে খাঁটি দেশি নদী মনে রাখা যায়। - উৎস খাগড়াছড়ির পাহাড় এবং মোহনা চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী, এই দুটি নাম মনে রাখলে ভৌগোলিক অবস্থান স্পষ্ট হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - হালদা নদী কেন বিখ্যাত, এই প্রশ্নটি বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদ ও ভূগোল অংশে বারবার আসে। - একই ধারণা থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন নদী প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
a চূড়া
b গিরিসঙ্কট
c পর্বতশৃঙ্গ
d উপত্যকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপত্যকা ১. কেন সঠিক: দুই বা ততোধিক পাহাড় বা পর্বতের মাঝখানের দীর্ঘ ও তুলনামূলক সমতল বা ঢালু ভূমিকে উপত্যকা বলা হয়। সাধারণত নদী বা হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে পর্বতগাত্র ক্ষয় পেয়ে এই ধরনের ভৌগোলিক ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: বৈশিষ্ট্য: উপত্যকা সাধারণত দীর্ঘ আকৃতির হয় এবং এর মধ্য দিয়ে প্রায়শই নদনদী প্রবাহিত হয়। সংশ্লিষ্ট তথ্য: পাহাড়ি অঞ্চলের এই উপত্যকাগুলোতে উর্বর মাটি থাকার কারণে কৃষকাজ ও জনবসতি গড়ে ওঠে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: কাশ্মীর উপত্যকা ব্যাখ্যা: এটি হিমালয় ও পীর পঞ্জাল পর্বতমালার মাঝখানে অবস্থিত একটি বিখ্যাত ও উর্বর উপত্যকা। উদাহরণ ২: গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন ব্যাখ্যা: এটি যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে কলোরাডো নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট বিশ্বের অন্যতম গভীর উপত্যকা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চূড়া — এটি পাহাড় বা পর্বতের একেবারে উপরের সবচেয়ে উঁচুতম বিন্দুকে বোঝায়, সমতল ভূমি নয়। B) গিরিসঙ্কট — এটি পাহাড় বা পর্বতের মধ্যবর্তী অত্যন্ত সংকীর্ণ পথ বা ফাঁক, যা সমতল ভূমি নয়। C) পর্বতশৃঙ্গ — এটি চূড়ার সমার্থক এবং পাহাড়ের সর্বোচ্চ শীর্ষদেশকে নির্দেশ করে। D) উপত্যকা — এটি দুই পাহাড়ের মাঝখানের তুলনামূলক সমতল ভূমি হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: পাহাড়ের ওপরের অংশ হলো চূড়া বা শৃঙ্গ, আর পাহাড়ের নিচের মাঝখানের সমতল অংশ হলো উপত্যকা। এই সামান্য পার্থক্যটি মনে রাখলে পরীক্ষাকেন্দ্রে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নদী বা হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে কোন ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়, এই প্রশ্নটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। উপত্যকা এবং গিরিসঙ্কট সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো মূলত ভূপ্রকৃতি অধ্যায়ের অন্তর্গত।

মোট প্রশ্ন (19)

a জারুল
b গরান
c গর্জন
d শাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শাল কেন সঠিক: - শাল গাছ মূলত পর্ণমোচী বৃক্ষ যা মাটিতে কেটে ফেলার পর এর মূল বা গুঁড়ি থেকে নতুন চারা জন্মায়। - উদ্ভিদের এই পুনরুৎপাদন প্রক্রিয়াকে বনবিদ্যায় কপিসিং বা খুঁটি চারা পদ্ধতি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জারুল — এটি আর্দ্র অঞ্চলের সোমপ্রকাশী বৃক্ষ এবং সাধারণত কপিসিং পদ্ধতিতে এর বংশবৃদ্ধি বা ব্যবস্থাপনা করা হয় না। B) গরান — এটি সুন্দরবনের একটি চিরহরিৎ গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ যা জোয়ারভাটা প্লাবিত লবণাক্ত মাটিতে জন্মায় এবং এর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি প্রযোজ্য নয়। C) গর্জন — এটি উচ্চ মানসম্পন্ন দীর্ঘ কাঠ প্রদানকারী চিরহরিৎ বৃক্ষ যা মূলত বীজ থেকে প্রাকৃতিকভাবে জন্মায়। D) শাল — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক হওয়ায় এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক অপশন হিসেবে বিবেচিত। মনে রাখার টিপস: শাল গাছ কাটলে মূল থেকে নতুন গাছ জন্মায়, যাকে কপিসিং বলা হয়।
a সুতি
b শিফন
c রেশমি
d ভেলভেট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রেশমি কেন সঠিক: - রেশম পোকা বা মথ থেকে প্রোটিনজাতীয় আঁশ পাওয়া যায়, যা থেকে রেশমি বা সিল্ক কাপড় তৈরি করা হয়। - রেশম চাষ বা সেরিকালচার প্রক্রিয়ায় এই আঁশ সংগ্রহ করে সুতা তৈরি করা হয় এবং তা থেকে উন্নত মানের রেশমি বস্ত্র উৎপাদিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুতি — সুতি কাপড় তুলো থেকে প্রস্তুত করা হয়, রেশম কীট থেকে নয়। B) শিফন — শিফন সুতা কৃত্রিম বা সিল্ক দুই মাধ্যমেই হতে পারে, তবে এটি নির্দিষ্ট কোনো কীট নিঃসৃত আঁশের একমাত্র নাম নয়। C) রেশমি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা রেশম পোকার কোকুন থেকে উৎপাদিত আঁশ দিয়ে তৈরি হয়। D) ভেলভেট — ভেলভেট এক ধরনের বিশেষ বুনন পদ্ধতি, যা তুলা, সিল্ক বা কৃত্রিম তন্তু থেকে তৈরি হতে পারে। মনে রাখার টিপস: রেশম পোকা থেকে রেশমি কাপড় তৈরি হয়, তাই রেশম শব্দটির সাথে রেশমি উত্তরটি সরাসরি মিলে যায়।
a মাটির কণার ফাঁকে
b মাটির কণার চারপাশে
c মাটিতে মিশ্রিত অবস্থায়
d জৈব পদার্থের মধ্যে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাটির কণার ফাঁকে কেন সঠিক: - মাটির প্রধান উপাদানগুলোর মধ্যে খনিজ কণার পাশাপাশি রন্ধ্র বা ফাঁকা স্থান থাকে। - এই ফাঁকা স্থান বা পোর স্পেসেই বাতাস ও পানি অবস্থান করে উদ্ভিদের শিকড়কে বাঁচিয়ে রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাটির কণার ফাঁকে — এটি সঠিক কারণ মাটির কঠিন কণাগুলোর মাঝের খালি জায়গাতেই বাতাস থাকে। B) মাটির কণার চারপাশে — এটি ভুল কারণ কণার চারপাশে প্রধানত পানির পাতলা আস্তরণ বা ফিল্ম থাকে, বাতাস থাকে ফাঁকা স্থানে। C) মাটিতে মিশ্রিত অবস্থায় — এটি ভুল কারণ বাতাস মাটিতে কোনো রাসায়নিক মিশ্রণ হিসেবে থাকে না, মুক্ত অবস্থায় ফাঁকে থাকে। D) জৈব পদার্থের মধ্যে — এটি ভুল কারণ জৈব পদার্থ মাটির একটি অংশ মাত্র, যেখানে বাতাস সরাসরি সংরক্ষিত থাকে না। মনে রাখার টিপস: মাটিতে কণার মাঝে যে ফাঁকা জায়গা থাকে, তাকে রন্ধ্র বলে এবং সেখানেই মাটি ও উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় বাতাস জমা হয়।
a N, P, K
b C, H, O
c Ca, Mo, S
d As, Hg, Si
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) N, P, K কেন সঠিক: - N বলতে নাইট্রোজেন, P বলতে ফসফরাস এবং K বলতে পটাশিয়াম বোঝায়, যা উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য সর্বাধিক পরিমাণে প্রয়োজন হয়। - উদ্ভিদের পুষ্টির জন্য এদের প্রধান বা মুখ্য উপাদান বলা হয় কারণ এরা উদ্ভিদের খাদ্য তৈরিতে এবং কোষ গঠনে সরাসরি অংশ নেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) N, P, K — এটি সঠিক উত্তর কারণ এগুলো উদ্ভিদের প্রাথমিক বা মুখ্য পুষ্টি উপাদান। B) C, H, O — কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন উদ্ভিদের গাঠনিক উপাদান, পুষ্টি উপাদান নয়। C) Ca, Mo, S — ক্যালসিয়াম, মলিবডেনাম ও সালফার উদ্ভিদের গৌণ পুষ্টি উপাদান। D) As, Hg, সাই — আর্সেনিক ও পারদ উদ্ভিদের জন্য অত্যন্ত বিষাক্ত ভারী ধাতু এবং পুষ্টি উপাদান নয়। মনে রাখার টিপস: প্রাথমিক পুষ্টি উপাদান মনে রাখতে 'না পামু কাকা' বা N-P-K মনে রাখুন।
a ইউরিয়া
b টিএসপি
c মিউরেইট অব পটাশ
d ডিএপি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মিউরেইট অব পটাশ কেন সঠিক: - মিউরেইট অব পটাশ সারে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম বা পটাশ থাকে, যা উদ্ভিদের মূল শক্ত করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। - এটি উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং ফলের গুণগত মান বৃদ্ধি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউরিয়া — এটি মূলত নাইট্রোজেন সরবরাহকারী সার, যা গাছের পাতা ও ডালের বৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। B) টিএসপি — এটি ট্রিপল সুপার ফসফেট সার, যা ফসফরাস সরবরাহ করে এবং গাছের শিকড় গঠনে সহায়তা করে। C) মিউরেইট অব পটাশ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে পটাশিয়াম সরবরাহকারী সার হিসেবে কাজ করে। D) ডিএপি — এটি ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট সার, যা নাইট্রোজেন ও ফসফরাসের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: পটাশিয়াম বা পটাশ বোঝাতে মিউরেইট অব পটাশ নামটি মনে রাখতে হবে, কারণ এটি উদ্ভিদের জন্য প্রধান পটাশিয়াম সার।
a রুট ট্রেনিং
b রুট হার্ডেনিং
c রুট প্রুনিং
d রুট প্রুনিং
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রুট প্রুনিং কেন সঠিক: - গাছ বা উদ্ভিদের অতিরিক্ত বা মৃত শিকড় কেটে ফেলার বিজ্ঞানসম্মত প্রক্রিয়া হলো রুট প্রুনিং। - এটি গাছের নতুন শিকড় গজাতে এবং পুষ্টি উপাদান শোষণ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রুট ট্রেনিং — এটি শিকড়কে নির্দিষ্ট দিকে বাড়তে সাহায্য করার প্রক্রিয়া, কাটার প্রক্রিয়া নয়। B) রুট হার্ডেনিং — এটি চারাগাছকে প্রতিকূল পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেওয়ার উপযোগী করার প্রক্রিয়া। সি) রুট প্রুনিং — এটি সঠিক উত্তর, যদিও অপশনে পুনরাবৃত্তি রয়েছে। ডি) রুট প্রুনিং — এটি গাছের শিকড় কাটার সঠিক প্রক্রিয়া নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি প্রুন শব্দের অর্থ ছাঁটাই করা, তাই শিকড় ছাঁটাই করাকে রুট প্রুনিং বলে।
a নাইট্রোজেন
b বোরণ
c আর্সেনিক
d মারকারি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাইট্রোজেন কেন সঠিক: - উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও প্রোটিন তৈরির জন্য যেসব খনিজ পুষ্টি উপাদান বেশি পরিমাণে প্রয়োজন হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোমৌল বলে। - নাইট্রোজেন উদ্ভিদের একটি প্রধান ম্যাক্রোমৌল বা মুখ্য পুষ্টি উপাদান যা উদ্ভিদ মাটি থেকে প্রচুর পরিমাণে গ্রহণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইট্রোজেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ উদ্ভিদ এটি প্রচুর পরিমাণে গ্রহণ করে এবং এটি প্রধান ম্যাক্রোমৌল। B) বোরণ — এটি একটি মাইক্রোমৌল বা গৌণ পুষ্টি উপাদান, যা উদ্ভিদের খুব অল্প পরিমাণে প্রয়োজন হয়। C) আর্সেনিক — এটি কোনো প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান নয়, বরং এটি উদ্ভিদের জন্য একটি বিষাক্ত ভারী ধাতু। D) মারকারি — এটিও পারদ নামক একটি ক্ষতিকর ভারী ধাতু, যা উদ্ভিদের পুষ্টির সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ম্যাক্রোমৌল মনে রাখার সহজ শব্দ হলো 'ম্যা C-H-O-N P-K-Ca-Mg', যেখানে নাইট্রোজেন অন্যতম প্রধান উপাদান।
a ব্রুডার ঘর
b হ্যাচারি ঘর
c ব্রয়লার ঘর
d গ্রোয়ার ঘর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হ্যাচারি ঘর কেন সঠিক: - ইনকিউবেটর বা কৃত্রিম তা দেওয়ার যন্ত্র ব্যবহার করে ডিম থেকে বাচ্চা ফোটানোর নির্দিষ্ট ঘরকে হ্যাচারি ঘর বলা হয়। - এই ঘরে তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতা কৃত্রিম উপايে নিয়ন্ত্রণ করে সফলভাবে ডিম ফোটানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রুডার ঘর — বাচ্চা ফোটার পর কৃত্রিম উত্তাপ দিয়ে ছোট বাচ্চা লালন-পালনের ঘরকে ব্রুডার ঘর বলা হয়, ডিম ফোটানোর ঘর নয়। B) হ্যাচারি ঘর — ইনকিউবেটরের সাহায্যে ডিম থেকে বাচ্চা ফোটানোর ঘর হিসেবে এটি সঠিক। C) ব্রয়লার ঘর — মাংস উৎপাদনের উদ্দেশ্যে পালিত ব্রয়লার মুরগি রাখার ঘরকে ব্রয়লার ঘর বলা হয়। D) গ্রোয়ার ঘর — মুরগির বাচ্চারা বড় হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে (গ্রোয়ার স্টেজে) যে ঘরে রাখা হয় তাকে গ্রোয়ার ঘর বলে। মনে রাখার টিপস: হ্যাচ শব্দের অর্থ ডিম থেকে বাচ্চা ফোটানো, তাই ডিম ফোটার ঘর হলো হ্যাচারি ঘর।
a BRRI
b BINA
c BJRI
d BARI
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) BARI কেন সঠিক: - BARI বা বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট হলো দেশের একমাত্র প্রধান বহু শস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা বিভিন্ন খাদ্য ও অর্থকরী ফসলের উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন করে। - এই প্রতিষ্ঠানটি ধান, পাট ও চা ব্যতীত অন্যান্য সকল প্রধান ফসলের গবেষণা ও উন্নয়নের সাথে সরাসরি যুক্ত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) BRRI — এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা শুধুমাত্র ধান গবেষণা ও এর নতুন জাত উদ্ভাবনের সাথে সম্পর্কিত। B) BINA — এটি বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা পরমাণু প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসলের উন্নত জাত উদ্ভাবন করে। C) BJRI — এটি বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা বিশেষভাবে পাট ও পাটজাত ফাইবার নিয়ে গবেষণা করে। D) BARI — এটি বহু শস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: ধানের জন্য BRRI, পাটের জন্য BJRI এবং বহুমুখী বা বহু শস্যের গবেষণার জন্য BARI মনে রাখতে হবে।
a কলা
b আম
c পেঁপে
d লিচু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আম কেন সঠিক: - হাঁড়িভাঙা বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলের বিশেষ করে রংপুরের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সুস্বাদু আমের জাত। - এই আমের আঁটি বেশ ছোট এবং শ্বাস বা শাঁস খুব মিষ্টি ও সুগন্ধযুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কলা — কলা একটি ভিন্ন জাতীয় ফল এবং এর অনেক জাত রয়েছে যেমন সাগর, চম্পা, সবরি, কিন্তু হাঁড়িভাঙা কলা নয়। B) আম — এটি আম ফলের একটি বিশেষ ও জনপ্রিয় জাত। C) পেঁপে — পেঁপে গাছ ও ফলের জাত ভিন্ন হয়ে থাকে এবং হাঁড়িভাঙা পেঁপে নয়। D) লিচু — লিচু একটি গ্রীষ্মকালীন ফল এবং এর জনপ্রিয় জাতগুলোর মধ্যে বোম্বাই ও চায়না থ্রি উল্লেখযোগ্য, হাঁড়িভাঙা লিচু নয়। মনে রাখার টিপস: রংপুরের মিষ্টি আম মানেই হাঁড়িভাঙা আম।
a সবজিচাষ সংক্রান্ত
b ফুলচাষ সংক্রান্ত
c ফলচাষ সংক্রান্ত
d শস্যচাষ সংক্রান্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফুলচাষ সংক্রান্ত কেন সঠিক: - ফ্লোরিকালচার বা ফুলচাষ কৃষি বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা, যেখানে বাণিজ্যিক ও সৌখিন উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধরনের ফুল উৎপাদন ও পরিচর্যা করা হয়। - গ্রিক শব্দ ফ্লোর এবং কালচার শব্দ দুটি মিলে এই বিশেষ কৃষিভিত্তিক চর্চাকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সবজিচাষ সংক্রান্ত — সবজি উৎপাদন ও পরিচর্যার বিদ্যাকে অলেরিকালচার বলা হয়, ফ্লোরিকালচার নয়। B) ফুলচাষ সংক্রান্ত — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা ফুল উৎপাদন ও গবেষণার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। C) ফলচাষ সংক্রান্ত — ফল উৎপাদনের বিদ্যাকে পোমোলজিতে আলোচনা করা হয়, ফ্লোরিকালচারে নয়। D) শস্যচাষ সংক্রান্ত — মাঠের প্রধান ফসল উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনার বিদ্যাকে এগ্রোনমি বলা হয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ফ্লোর শব্দের অর্থ ফুল, তাই ফ্লোরিকালচার বললেই ফুলচাষ বোঝায়।
a ইলিশ মাছ
b চিংড়ি মাছ
c পাট
d ধান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চিংড়ি মাছ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে চিংড়ি মাছের ব্যাপক অবদান থাকায় একে 'শ্বেতস্বর্ণ' বা হোয়াইট গোল্ড বলা হয়। - রপ্তানি বাণিজ্যে উচ্চমূল্য ও সাদা রঙের জন্য চিংড়ি মাছ এই বিশেষ উপাধিতে ভূষিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইলিশ মাছ — ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ এবং একে 'রূপালি ইলিশ' বলা হয়, শ্বেতস্বর্ণ বলা হয় না। B) চিংড়ি মাছ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর। C) পাট — পাটকে সোনালী আঁশ বলা হয়, শ্বেতস্বর্ণ বলা হয় না। D) ধান — ধান বা চাল বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য, একে শ্বেতস্বর্ণ বলা হয় না। মনে রাখার টিপস: সাদা রঙের চিংড়ি বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় বলে একে শ্বেতস্বর্ণ বলা হয়।
a অধ্যাপক আব্দুল সালাম
b ড. মোঃ সিদ্দিকুল্লাহ
c ড. মাকসুদুল আলম
d কুদরাত-ই-খুদা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ড. মাকসুদুল আলম কেন সঠিক: - ড. মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে একদল গবেষক ২০১০ সালে সফলভাবে পাটের জিন রহস্য বা জীবনরহস্য আবিষ্কার করেন। - এটি বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল পাটের উন্নত জাত উদ্ভাবন এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ঐতিহাসিক অবদান রেখেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধ্যাপক আব্দুল সালাম — ইনি একজন বিশিষ্ট পদার্থবিজ্ঞানী ছিলেন, যা পাটের জিন রহস্য আবিষ্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ড. মোঃ সিদ্দিকুল্লাহ — ইনি এই বৈজ্ঞানিক গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) ড. মাকসুদুল আলম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) কুদরাত-ই-খুদা — ইনি একজন প্রখ্যাত রসায়নবিদ ও শিক্ষাবিদ ছিলেন, তবে জিন রহস্য আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত নন। মনে রাখার টিপস: পাট আমাদের সোনালী আঁশ এবং এর জিন আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত আছেন সোনালী মনের বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম।
a পহেলা অগ্রহায়ণ
b পহেলা কার্তিক
c পহেলা আষাঢ়
d পহেলা পৌষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পহেলা অগ্রহায়ণ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকার ১৪০৬ বঙ্গাব্দ থেকে পহেলা অগ্রহায়ণকে জাতীয় কৃষি দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। - এই দিনে কৃষির সাথে জড়িত মানুষ ও কৃষিজ পণ্যের গুরুত্ব তুলে ধরতে দেশজুড়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠান পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পহেলা অগ্রহায়ণ — এটি বাংলাদেশ সরকারের নির্ধারিত অফিসিয়াল জাতীয় কৃষি দিবস। B) পহেলা কার্তিক — এটি বাংলা সেশনের কার্তিক মাসের প্রথম দিন হলেও জাতীয় কৃষি দিবস নয়। C) পহেলা আষাঢ় — এটি বর্ষাকাল শুরুর দিন হলেও জাতীয় কৃষি দিবস হিসেবে পালিত হয় না। D) পহেলা পৌষ — এটি পৌষ সংক্রান্তি বা শীতের আগমনী দিন, কৃষি দিবস নয়। মনে রাখার টিপস: নতুন ধান কাটার মৌসুম অগ্রহায়ণ মাস থেকেই শুরু হয়, তাই পহেলা অগ্রহায়ণ হলো আমাদের জাতীয় কৃষি দিবস।
a BARI
b BRRI
c BADC
d BINA
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) BADC কেন সঠিক: - বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বা BADC কৃষকদের মধ্যে মানসম্মত বীজ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য গঠিত প্রধান সরকারি প্রতিষ্ঠান। - এটি দেশের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন ফসলের বীজ উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) BARI — এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা মূলত নতুন ফসলের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে থাকে। B) BRRI — এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যার প্রধান কাজ ধানের নতুন জাত ও চাষাবাদ পদ্ধতি উদ্ভাবন করা। C) BADC — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) BINA — এটি বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা পরমাণু প্রযুক্তি ব্যবহার. করে ফসলের উন্নত জাত উদ্ভাবন করে। মনে রাখার টিপস: বীজ উৎপাদনের মূল দায়িত্ব পালন করে কর্পোরেশন বা BADC, আর গবেষণা করে ইনস্টিটিউটগুলো।
a পাট
b ধনিয়া
c অর্জুন
d তুলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অর্জুন কেন সঠিক: - অর্জুন একটি পরিচিত ঔষধি গাছ যার ছাল হৃদরোগের চিকিৎসায় অত্যন্ত কার্যকর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - এর বাকল বা ছাল প্রাচীনকাল থেকেই ভেষজ ওষুধ তৈরিতে এবং আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাট — এটি বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল এবং এর আঁশ দিয়ে বস্তা বা চটের থলে তৈরি হয়, এটি কোনো ঔষধি গাছ নয়। B) ধনিয়া — এটি একটি জনপ্রিয় মসলা জাতীয় উদ্ভিদ এবং এর পাতা ও বীজ রান্নায় ঘ্রাণ ও স্বাদ বাড়াতে ব্যবহার করা হয়। C) অর্জুন — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো প্রেক্ষাপট প্রযোজ্য নয়। D) তুলা — এটি একটি আশ উৎপাদনকারী উদ্ভিদ যা বস্ত্রশিল্পে সুতা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, ঔষধি গাছ হিসেবে পরিচিত নয়। মনে রাখার টিপস: হৃদরোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিখ্যাত ঔষধি গাছ হলো অর্জুন।
a গরু
b হাঁস
c মুরগী
d ছাগল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ছাগল কেন সঠিক: - ব্ল্যাক বেঙ্গল হলো বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিশ্বমানের ছাগলের জাত, যা মূলত মাংস ও চামড়ার জন্য বিখ্যাত। - এই জাতের ছাগল আকারে ছোট হলেও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি এবং এর চামড়া আন্তর্জাতিক বাজারে উচ্চমানের হিসেবে সমাদৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গরু — গরু স্তন্যপায়ী গবাদি পশু হলেও ব্ল্যাক বেঙ্গল গরুর কোনো জাত নয়, এটি ছাগলের পরিচিত একটি জাত। B) হাঁস — হাঁস হলো এক ধরনের গৃহপালিত পাখি, তাই ব্ল্যাক বেঙ্গল হাঁসের জাত হতে পারে না। C) মুরগী — মুরগী হলো পোল্ট্রি বা পাখি জাতীয় প্রাণী, অথচ ব্ল্যাক বেঙ্গল একটি চারপেয়ে ছাগল। D) ছাগল — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্ল্যাক বেঙ্গল নির্দিষ্টভাবে একটি ছাগলের জাতকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত মূল্যবান, তাই বেঙ্গল নাম শুনলেই ছাগলের কথা মনে রাখবে।
a কৃষি অর্থনীতি
b কৃষি উন্নয়ন
c কৃষি অবকাঠামো
d কৃষি ব্যবস্থাপনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৃষি উন্নয়ন কেন সঠিক: - খাদ্য নিরাপত্তা বলতে পর্যাপ্ত নিরাপদ খাদ্যের প্রাপ্যতা, স্থায়িত্ব ও মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বোঝায়, যা সরাসরি টেকসই কৃষি উন্নয়নের ওপর নির্ভরশীল। - কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার এবং খাদ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থার উন্নতি একমাত্র কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমেই অর্জিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষি অর্থনীতি — এটি কৃষি খাতের আর্থিক লেনদেন, আয় এবং ব্যয়ের সাথে যুক্ত, যা খাদ্য নিরাপত্তার সামগ্রিক খাতের একটি অংশ মাত্র। B) কৃষি উন্নয়ন — এই অপশনটি সঠিক কারণ উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য প্রাপ্তির স্থায়িত্ব সরাসরি এর সাথে সম্পর্কিত। C) কৃষি অবকাঠামো — এটি মূলত সেচ, গুদামজাতকরণ এবং সড়ক ব্যবস্থার মতো ভৌত সুযোগ-সুবিধা নির্দেশ করে, যা উন্নয়নের একটি উপাদান। D) কৃষি ব্যবস্থাপনা — এটি খামার বা উৎপাদন পরিচালনার প্রশাসনিক ও প্রায়োগিক কৌশল বোঝায়, যা সরাসরি খাদ্য নিরাপত্তার মূল লক্ষ্য নয়। মনে রাখার টিপস: খাদ্য নিশ্চিত করতে হলে সবার আগে কৃষি উৎপাদন ও ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়ন করতে হবে।
a উন্নত জাতের ধান
b উন্নত জাতের পাট
c উন্নত জাতের আলু
d উন্নত জাতের চা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উন্নত জাতের ধান কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের যৌথ উদ্যোগে উদ্ভাবित অধিক ফলনশীল ধানের একটি জাত। - আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বা আইআরআরআই এটি উদ্ভাবন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উন্নত জাতের ধান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ইরাটম ধানের একটি উন্নত জাত। B) উন্নত জাতের পাট — এটি ভুল কারণ পাট বা এর কোনো জাতের সঙ্গে ইরাটম নামটি সম্পর্কিত নয়। C) উন্নত জাতের আলু — এটি ভুল কারণ আলু বা এর কোনো উন্নত জাত বোঝাতে ইরাটম শব্দটি ব্যবহৃত হয় না। D) উন্নত জাতের চা — এটি ভুল কারণ চা পাতার কোনো উন্নত জাতের নাম ইরাটম নয়। মনে রাখার টিপস: ইরাটম শব্দের শুরুতে থাকা আইআর বা আইআরআরআই কথাটি আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সঙ্গে মিলে যায়, যা দিয়ে ধান মনে রাখা সহজ।