বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ঢাকা সেনানিবাসে জুনিয়র শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১।

পদের নাম: জুনিয়র শিক্ষক (১১তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (60)

a কোনটি চর্যাগান, আর কোনটি নয়
b কোনটি আচরণীয়, আর কোনটি নয়
c কোনটি চরাচরের, আর কোনটি নয়
d কোনটি আচার্যের, আর কোনটি নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কোনটি আচরণীয়, আর কোনটি নয় ১. কেন সঠিক: চর্যাচর্যবিনিশ্চয় হলো চর্যাপদের মূল সংস্কৃত নাম যার শাব্দিক অর্থ হলো কোনটি আচরণীয় আর কোনটি নয়। চর্যাপদের পদগুলোতে কোন কোন আচরণ মানুষের জন্য গ্রহণযোগ্য আর কোনগুলো বর্জনীয় তা নির্দেশ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনা সংগীত। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের টিকাকার বা সংস্কৃত ভাষ্যকার হলেন মীননাথ বা মুনিদত্ত। ব্যাখ্যা: মুনিদত্ত এই পুথির সংস্কৃত টীকা লিখে এর নাম দিয়েছিলেন চর্যাচর্যবিনিশ্চয়। উদাহরণ ২: চর্যাপদের কবি সংখ্যা চব্বিশ জন বা মতান্তরে তেইশ জন। ব্যাখ্যা: ভুসুকুপা ও কাহ্নপা এই পদগুলোর উল্লেখযোগ্য রচিয়তা যাদের আচার-আচরণ গানে ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোনটি চর্যাগান, আর কোনটি নয় — এই অপশনটি আংশিক সত্য শোনালেও এটি মূল শাব্দিক বা ব্যাকরণগত অর্থ নয়। C) কোনটি চরাচরের, আর কোনটি নয় — চরাচর শব্দটির সাথে চর্যাপদের নামকরণের কোনো ঐতিহাসিক বা ভাষাতাত্ত্বিক মিল নেই। D) কোনটি আচার্যের, আর কোনটি নয় — এখানে আচার্য বলতে কোনো বিশেষ গুরুকে বোঝানো হয়নি বরং আচরণের বিধিকে বোঝানো হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: চর্যা শব্দের অর্থ আচরণ এবং বিনিশ্চয় শব্দের অর্থ নিশ্চিত করা। এভাবে মনে রাখলে সহজেই কোনটি আচরণীয় তা মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের দুটি নাম প্রচলিত রয়েছে যার একটি আবিষ্কারক কর্তৃক প্রদত্ত চর্যাচর্যবিনিশ্চয় এবং অন্যটি সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় প্রদত্ত চর্যাগীতিকোষ। প্রাচীন যুগের একমাত্র সাহিত্যিক নিদর্শন হিসেবে বিসিএস পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a বিধু
b ভুজ
c ভানু
d তপন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিধু ১. কেন সঠিক: - বিধু শব্দটির অর্থ হলো চাঁদ। এটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যা বাংলা কবিতায় চন্দ্রের সমার্থক হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়। - প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে চাঁদ শব্দটির সমার্থক শব্দ কোনটি এবং বিধু সরাসরি চাঁদের একটি সুপরিচিত প্রতিশব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমাহার যেগুলোর অর্থ প্রায় একই রকম হয়। বাংলা ভাষায় সংস্কৃত প্রাকৃত ও দেশি ভাষার প্রভাবে অনেক সমার্থক শব্দ তৈরি হয়েছে। - চাঁদের অনেকগুলো তৎসম সমার্থক শব্দ রয়েছে যেমন শশাঙ্ক সুধাংশু চন্দ্র ইন্দু ও বিধু। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গগনে আজ উঠেছে শশাঙ্ক। ব্যাখ্যা: এখানে শশাঙ্ক শব্দটি চাঁদের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: রাতে আকাশে শোভা পায় পূর্ণেন্দু। ব্যাখ্যা: এখানে পূর্ণেন্দু শব্দটি পূর্ণ চাঁদের অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিধু — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ চাঁদ। B) ভুজ — এই অপশনটি ভুল কারণ ভুজ শব্দের অর্থ হাত বা বাহু। C) ভানু — এই অপশনটি ভুল কারণ ভানু শব্দের অর্থ সূর্য। D) তপন — এই অপশনটি ভুল কারণ তপন শব্দের অর্থ সূর্য বা তাপদাতা। ৫. মনে রাখার টিপস: - চাঁদের সাথে যুক্ত শব্দে সাধারণত অংশ বা কর শব্দ থাকে যেমন সুধাংশু শশাঙ্ক। - সূর্য বোঝাতে ভানু রবি তপন এবং চাঁদ বোঝাতে বিধু সুধাংশু মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চাঁদ ও সূর্য সম্পর্কিত সমার্থক শব্দ প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে। - তাই বিধু শশাঙ্ক চন্দ্র হলো চাঁদ এবং ভানু রবি তপন হলো সূর্য, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b অতুল প্রসাদ
c কাজী নজরুল ইসলাম
d রজনীকান্ত সেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - 'শূন্য এ বুকে পাখি মোর আয়' গানটির রচয়িতা বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। - এটি তাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ভক্তিগীতি ও ইসলামি গান, যা মানুষের অন্তরের আকুতি প্রকাশ করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি অজস্র শ্যামাসংগীত, ইসলামি গান ও ভক্তিগীতি রচনা করেছেন। - তাঁর রচিত গানগুলোকে সাধারণত নজরুলসংগীত বলা হয়, যা বাংলা সঙ্গীত জগতের এক অনন্য সম্পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হে শিকলপরা ছল ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী গান। উদাহরণ ২: দৌলত মাজারের গান ব্যাখ্যা: এটিও কবি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত ভক্তিমূলক গানের একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি এই গানের রচয়িতা নন, কারণ এটি তাঁর ব্রহ্মসংগীত বা পূজা পর্যায়ের গানের অন্তর্ভুক্ত নয়। B) অতুল প্রসাদ — ইনি বাংলা আধুনিক গান ও দেশাত্মবোধক গানের জন্য বিখ্যাত হলেও এই গানটির রচয়িতা নন। C) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক এবং গানটির রচয়িতা হিসেবে পরীক্ষিত সত্য। D) রজনীকান্ত সেন — ইনি ভক্তিগীতি ও কানাইলাল প্রণীত গানের জন্য পরিচিত হলেও এই গানের সঙ্গে যুক্ত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - শূন্য বুকে পাখির আগমন বা আকুলতার গানগুলো সাধারণত নজরুলের ভাবগম্ভীর গীতিসাহিত্যের অংশ হিসেবে মনে রাখা যায়। - কবির ইসলামি ও ভক্তিমূলক গানগুলোর ভাবার্থ থেকে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে অনুমান করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির বিখ্যাত গান ও কবিতার লাইন প্রায়ই তুলে দেওয়া হয়। - নজরুলসংগীতের বিভিন্ন ধারা ও বিখ্যাত পঙক্তিগুলো আলাদা করে নোট করে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত উপকারী।
a সঞ্চিতা
b সঞ্চয়িতা
c অগ্নি-বীণা
d মৃত্যুক্ষুধা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সঞ্চিতা ১. কেন সঠিক: কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর বিখ্যাত কবিতা সংকলন 'সঞ্চিতা' গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেণির কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শনের জন্য বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এই গ্রন্থটি তাঁকে উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: 'সঞ্চিতা' হলো কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতাগুলোর একটি সংকলন যা ১৯২৮ সালে প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে নজরুলের বিদ্রোহী, প্রেম ও সাম্যবাদী চেতনার বহু বিখ্যাত কবিতা স্থান পেয়েছে যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'অগ্নি-বীণা' কাব্যগ্রন্থটি বিপ্লবী রাজনীতিক ও বন্ধু বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। ব্যাখ্যা: এই উৎসর্গ থেকে নজরুলের সঙ্গে তাঁর সমসাময়িক রাজনৈতিক ও বিপ্লবীদের সম্পর্কের পরিচয় পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সঞ্চয়িতা' গ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করা হয়নি বরং এটি তাঁর নিজের কবিতার সংকলন। ব্যাখ্যা: এই তথ্যটি দুটি গ্রন্থের মধ্যে বিভ্রান্তি দূর করতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঞ্চিতা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কবিতা সংকলনটিই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। B) সঞ্চয়িতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিজের কবিতার সংকলন, যা কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করা হয়নি। C) অগ্নি-বীণা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করা হয়। D) মৃত্যুক্ষুধা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, কোনো কবিতা সংকলন বা উৎসর্গিত গ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের কবিতার বই রবীন্দ্রনাথকে দেওয়া হয়েছে যার নাম 'সঞ্চিতা' আর রবীন্দ্রনাথের নিজের বইয়ের নাম 'সঞ্চয়িতা'। নাম দুটির এই সূক্ষ্ম পার্থক্য মনে রাখলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আর ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উৎসর্গপত্র সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। কোন লেখক কার উদ্দেশ্যে বই উৎসর্গ করেছেন, তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a গণনাবাচক শব্দ
b তারিখবাচক শব্দ
c পূরণবাচক শব্দ
d অঙ্কবাচক শব্দ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পূরণবাচক শব্দ ১. কেন সঠিক: - পূরণবাচক শব্দ বলতে এমন সংখ্যাবাচক শব্দকে বোঝায় যা কোনো বস্তু বা ব্যক্তির ক্রম, অবস্থান বা সিরিয়াল প্রকাশ করে। - তৃতীয় শব্দটি দ্বারা দুইয়ের পরের বা তৃতীয় ক্রম নির্দেশ করা হয়েছে, যা কোনো পরিমাপ বা তারিখ নয় বরং অবস্থান প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সংখ্যাবাচক শব্দ প্রধানত চার প্রকার যথা অঙ্কবাচক, গণনাবাচক, ক্রমবাচক বা পূরণবাচক এবং তারিখবাচক। - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ইত্যাদি শব্দগুলো সংস্কৃত নিয়মে গঠিত পূরণবাচক শব্দ, যা নির্দিষ্ট কোনো পদের ক্রম বা অবস্থান বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম ব্যাখ্যা: এটি একটি পূরণবাচক শব্দ যা সবার আগের বা প্রথম অবস্থান নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: চতুর্থ ব্যাখ্যা: এটি একটি পূরণবাচক শব্দ যা তিনের পরের বা চতুর্থ ক্রম নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গণনাবাচক শব্দ — গণনাবাচক শব্দ দ্বারা সংখ্যা গণনা করা বোঝায় যেমন এক, দুই, তিন ইত্যাদি, কিন্তু তৃতীয় কোনো গণনা নয় বরং ক্রম বোঝায়। B) তারিখবাচক শব্দ — তারিখবাচক শব্দ বাংলা মাসের তারিখ প্রকাশ করার জন্য ব্যবহৃত হয় যেমন পয়হেলা, দোসরা, তেসরা ইত্যাদি। D) অঙ্কবাচক শব্দ — অঙ্কবাচক শব্দ হলো সংখ্যার সাংকেতিক রূপ বা ডিজিট যেমন ১, ২, ৩ ইত্যাদি। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্রম বা সিরিয়াল বোঝালেই তা পূরণবাচক শব্দ হবে। - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ দেখলে চোখ বন্ধ করে পূরণবাচক দাগাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্রমবাচক ও পূরণবাচক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাংলা মাসের তারিখবাচক রূপ যেমন তেসরা, চৌঠা এবং ক্রমবাচক রূপ যেমন তৃতীয়, চতুর্থ এর পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখবে।
a জটিল বাক্য
b যৌগিক বাক্য
c সরল বাক্য
d বিযুক্ত বাক্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সরল বাক্য ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা বা উদ্দেশ্য এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া বা বিধেয় থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। প্রদত্ত বাক্যে জ্ঞানী লোক হলো উদ্দেশ্য বা কর্তা এবং শ্রদ্ধা পান হলো সমাপিকা ক্রিয়া, যা একটি মাত্র সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্য গঠনের দিক থেকে বাক্য প্রধানত তিন প্রকার যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য এবং যৌগিক বাক্য। সরল বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য বা আশ্রিত বাক্য থাকে না এবং কোনো যোজক দ্বারা বাক্যগুলো সংযুক্ত থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি একটি সরল বাক্য কারণ এখানে একটি মাত্র উদ্দেশ্য এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে। উদাহরণ ২: পরিশ্রমীরাই জীবনে সফল হয়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যেও একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া বর্তমান থাকায় এটি সরল বাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জটিল বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ জটিল বাক্যে একটি প্রধান বাক্যের সাথে এক বা একাধিক নির্ভরশীল বা আশ্রিত বাক্য যুক্ত থাকে এবং যা, সে, যিনি, তার মতো সাপেক্ষ সর্বনাম থাকে। B) যৌগিক বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ যৌগিক বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য এবং, কিন্তু, কিংবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে। D) বিযুক্ত বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলা ব্যাকরণে বাক্য রূপান্তরের ক্ষেত্রে এই নামে কোনো নির্দিষ্ট বা স্বীকৃত বাক্যরীতি নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: সরল বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকবে এবং কোনো যোজক বা সাপেক্ষ সর্বনাম থাকবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে সমাপিকা ক্রিয়ার সংখ্যা এবং যোজকের ব্যবহার লক্ষ করতে হবে।
a পনেরটি
b উনিশটি
c বিশটি
d একুশটি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিশটি ১. কেন সঠিক: সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ নির্দিষ্টভাবে বিশটি। বাংলা ব্যাকরণে শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠনকারী অব্যয় সূচক শব্দাংশকে উপসর্গ বলে এবং তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা নির্দিষ্ট। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত উপসর্গগুলো তৎসম শব্দের পূর্বে যুক্ত হয় এবং বাংলা ভাষায় সরাসরি ব্যবহৃত হয়। বাংলা ব্যাকরণবিদদের মতে এই উপসর্গগুলোর নির্দিষ্ট তালিকা রয়েছে যা মুখস্থ রাখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার ব্যাখ্যা: প্র একটি সংস্কৃত উপসর্গ যা মূল শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: পরি + পূর্ণ = পরিপূর্ণ ব্যাখ্যা: পরি একটি সংস্কৃত উপসর্গ যা বিশেষ অর্থ দ্যোতনায় ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পনেরটি — এই সংখ্যাটি কোনো উপসর্গ শ্রেণীর সাথে মেলে না। B) উনিশটি — বাংলা উপসর্গ সংখ্যায় উনিশটি, তৎসম উপসর্গ নয়। D) একুশটি — এই সংখ্যাটি বাংলা ব্যাকরণের কোনো নির্দিষ্ট উপসর্গ নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত উপসর্গ বিশটি মনে রাখার জন্য সু প্র পরা অপ সম নি অব অনু নির্ দুর্ বি অধি সু উৎ পরি প্রতি অভি অতি অপি সু অভি সূত্র মনে রাখতে পারো। বাংলা উপসর্গ উনিশটি এবং তৎসম উপসর্গ বিশটি এই সংখ্যা দুটি গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা ও তৎসম উপসাগরের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন আসে। তাই বাংলা উপসর্গ উনিশটি এবং তৎসম উপসর্গ বিশটি এই তথ্যটি খুব ভালোভাবে মনে রাখবে।
a প্র, পরি
b সম, অব
c কু, নি
d অজ, অভি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কু, নি ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষায় উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। - 'কু' এবং 'নি' উভয়ই বাংলা ভাষায় প্রাকৃত ও দেশি শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত খাঁটি বাংলা উপসর্গ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় মোট একার্ডুবিংশতি অর্থাৎ একুশটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ রয়েছে। এগুলো সাধারণত খাঁটি বাংলা শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। - উপসর্গগুলোর নিজস্ব কোনো অর্থ নেই, তবে অন্য শব্দের পূর্বে বসে শব্দের অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন ঘটিয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুখ্যাত ব্যাখ্যা: এখানে 'কু' উপসর্গটি বাংলা অর্থে খারাপ বা মন্দ বোঝাতে বিশেষ্য পদের পূর্বে যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: নিখুঁত ব্যাখ্যা: এখানে 'নি' উপসর্গটি না বা অভাব অর্থ প্রকাশ করতে মূল শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্র, পরি — 'প্র' এবং 'পরি' উভয় উপসর্গই তৎসম বা সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে, তাই এটি ভুল। B) সম, অব — 'সম' এবং 'অব' দুটি উপসর্গই সংস্কৃত বা তৎসম শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত, খাঁটি বাংলা উপসর্গ নয়। C) কু, নি — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গের জোড়াকে সঠিকভাবে নির্দেশ করে। D) অজ, অভি — এখানে 'অজ' খাঁটি বাংলা উপসর্গ হলেও 'অভি' একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। ৫. মনে রাখার টিপস: - একুশটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ মনে রাখার একটি জনপ্রিয় ছন্দ হলো: আ সু নি পা হা / অঘা অজ আব আন / রাম সতি শা হাড় / বি তি ই কুনো রাম। - ছন্দের এই শব্দগুলোর মধ্যে 'কু' এবং 'নি' দুটিই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা খাঁটি বাংলা উপসর্গ হিসেবে পরীক্ষাগারে সহজে শনাক্ত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খাঁটি বাংলা উপসрга এবং তৎসম উপসর্গের সংখ্যা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি এবং তৎসম উপসর্গ বিশটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
a ষত্ব বিধান
b ণত্ব বিধান
c উপসর্গ
d প্রত্যয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ণত্ব বিধান ১. কেন সঠিক: - তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য ণ এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মকে ণত্ব বিধান বলা হয়। - বাংলা ভাষায় সাধারণত ট বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য ণ বসে এবং ত বর্গীয় ধ্বনির আগে দন্ত্য ন বসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তৎসম শব্দে ট বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের নিয়মই ণত্ব বিধান। - ঋ, র, ষ এর পরে মূর্ধন্য ণ বসে এবং তৎসম শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য ণ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কর্ণ ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে ঋ, র, ষ এর নিয়মে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: তৃণ ব্যাখ্যা: এখানেও তৎসম শব্দে ঋকার যুক্ত হওয়ার কারণে দন্ত্য ন এর পরিবর্তে মূর্ধন্য ণ বসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষত্ব বিধান — এটি তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য ষ ব্যবহারের নিয়ম নির্দেশ করে। B) ণত্ব বিধান — এটি সঠিক উত্তর যা তৎসম শব্দের বানানে ণ এর ব্যবহার বোঝায়। C) উপসর্গ — এটি শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। D) প্রত্যয় — এটি শব্দের বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ণত্ব বিধান কেবল তৎসম শব্দের বানানে প্রযোজ্য হয়। - রি, র, ষ এর পরে সবসময় মূর্ধন্য ণ বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দে ন এবং ণ এর ব্যবহার থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - স্বভাবতই মূর্ধন্য ণ হয় এমন শব্দগুলো ভালো করে মুখস্থ রাখা আবশ্যক।
a কবিগান
b বৈষ্ণব পদ সাহিত্য
c নাথ সাহিত্য
d পুঁথি সাহিত্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কবিগান ১. কেন সঠিক: - এন্টনি ফিরিঙ্গি বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত কবিয়াল ছিলেন যিনি মূলত কবিগান রচনা ও পরিবেশন করতেন। - তাঁর রচিত গানগুলোতে ভক্তি ও তত্ত্বের পাশাপাশি বাংলার লোক সংস্কৃতির গভীর পরিচয় পাওয়া যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এন্টনি ফিরিঙ্গি অষ্টাদশ শতকের শেষভাগ ও উনবিংশ শতকের প্রথমার্ধে বাংলায় আবির্ভূত হন এবং বাংলা ভাষায় গান রচনা করে কবিগানকে সমৃদ্ধ করেন। - কবিগান হলো দুই দলের কবিয়ালদের মধ্যে ছন্দে ছন্দে গান ও তর্কের লড়াইমূলক এক ধরণের লোকসংগীত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোঁসাই সরকারের কবিগান ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকে প্রচলিত কবি গানের একটি ঐতিহ্যবাহী ধারা যেখানে প্রতিদ্বন্দিতা মূলক গান গাওয়া হতো। উদাহরণ ২: ভোলা ময়রার কবিগান ব্যাখ্যা: ভোলা ময়রাও এন্টনি ফিরিঙ্গির সমসাময়িক একজন বিখ্যাত কবিয়াল যিনি কবিগানের জন্য বিশেষ পরিচিত ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবিগান — এটি সঠিক কারণ এন্টনি ফিরিঙ্গি কবিগানের অন্যতম প্রধান রচয়িতা ছিলেন। B) বৈষ্ণব পদ সাহিত্য — এটি রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের লীলাভিত্তিক পদাবলী সাহিত্যের ধারা যার সঙ্গে এন্টনি ফিরিঙ্গির কবিগানের কোনো সম্পর্ক নেই। C) নাথ সাহিত্য — এটি ধর্মীয় ও যোগসাধনা ভিত্তিক প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের ধারা যা নাথ গুরুদের নিয়ে রচিত। D) পুঁথি সাহিত্য — এটি মধ্যযুগের মধ্য এশীয় বা দেশীয় মুসলিম কবিদের দ্বারা রচিত কাব্য ধারা যার বিষয়বস্তু ছিল ইসলামি ইতিহাস ও পুণ্যকথা। ৫. মনে রাখার টিপস: - এন্টনি ফিরিঙ্গি মানেই কবিগান। ফিরিঙ্গি সাহেবের বাংলা ভাষার প্রতি প্রেম এবং কবিগানের আসর মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তর সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এন্টনি ফিরিঙ্গি পর্তুগীজ বংশোদ্ভূত হলেও বাংলায় এসে কবিগান গেয়ে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। - বাংলা লোকসাহিত্যের ইতিহাস থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিয়ালদের নাম প্রায়শই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a কণি
b যুধিষ্ঠির
c বিষাণ
d অভিলাষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যুধিষ্ঠির ১. কেন সঠিক: - যুধিষ্ঠির বানানটি অশুদ্ধ কারণ এর সঠিক রূপ হবে যুধিষ্ঠির যেখানে ষ এর পরিবর্তে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হবে না বরং ট বর্গের ধ্বনির সাথে মূর্ধন্য ষ যুক্ত হবে। - প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী যুদ্ধ যোগ স্থির মিলে যুধিষ্ঠির গঠিত হয় যেখানে পদমধ্যস্থ স মূর্ধন্য ষ এ রূপান্তরিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি ব্যঞ্জনসন্ধি ও ষত্ব বিধানের নিয়ম সম্পর্কিত ব্যাকরণগত প্রশ্ন যেখানে সন্ধির নিয়মে দ এর সাথে থ যুক্ত হয়ে ধ এবং স মূর্ধন্য ষ এ পরিবর্তিত হয়। - বাংলা বানানরীতিতে তৎসম শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য ষ এর ব্যবহার হয় এবং সন্ধিজাত শব্দে এই নিয়ম কঠোরভাবে অনুসৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরিষ্কার ব্যাখ্যা: পরি যোগ কার মিলে পরিষ্কার শব্দে মূর্ধন্য ষ যুক্ত হয় যা বানানের শুদ্ধ রূপ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: আবিষ্কার ব্যাখ্যা: আবি যোগ কার মিলে আবিষ্কার শব্দে মূর্ধন্য ষ এর সঠিক ব্যবহার দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কণি - এই বানানটি সঠিক এবং এটি প্রমিত বাংলা অভিধানের একটি নির্ভুল শব্দ যার অর্থ কণা বা ক্ষুদ্র অংশ। C) বিষাণ - এই বানানটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং এর অর্থ প্রকাণ্ড শিং বা রণবাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) অভিলাষ - এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল এবং এর অর্থ প্রবল ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা। ৫. মনে রাখার টিপস: - যুধিষ্ঠির বানানে সর্বদা মূর্ধন্য ষ ব্যবহার করতে হবে এবং থ এর সাথে যুক্ত বর্ণটি খেয়াল রাখতে হবে। - সন্ধির মাধ্যমে গঠিত শব্দগুলোর ক্ষেত্রে পূর্বপদের অন্তস্থিত স এবং পরপদের প্রথম বর্ণ মিলিয়ে সঠিক রূপ মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত এবং সন্ধিজাত বানান থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা বানান নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই জাতীয় বানান ভুল এড়ানো সম্ভব।
a শৈবধর্ম
b বৌদ্ধ সহজিয়া
c নাথধর্ম
d কোনটি নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাথধর্ম ১. কেন সঠিক: - গোরক্ষ বিজয় কাব্যটি মূলত নাথধর্ম বা নাথসাহিত্যের অন্যতম প্রধান নিদর্শন হিসেবে পরিচিত। - এই কাব্যে নাথপন্থি যোগী মীননাথ ও গোরক্ষনাথের আধ্যাত্মিক সাধনা এবং কাহিনীর বিবরণ রয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে নাথসাহিত্য একটি বিশেষ ধারা যা যোগসাধনা ও অলৌকিক ক্ষমতার ওপর প্রতিষ্ঠিত। - এই কাব্যের রচয়িতা ফৈজুল্লাহ কিংবা শেখ ফয়জুল্লাহ এবং এর মূল বিষয়বস্তু হঠযোগ ও সিদ্ধাই লাভ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মীননাথ ব্যাখ্যা: ইনি নাথধর্মের একজন আদিগুরু এবং গোরক্ষনাথের গুরু ছিলেন যার চরিত্র এই কাব্যে কেন্দ্রীয়। উদাহরণ ২: গোরক্ষনাথ ব্যাখ্যা: ইনি মীননাথের শিষ্য যিনি তার গুরুকে মোহগ্রস্ততা থেকে উদ্ধার করেছিলেন এবং কাব্যের মূল নায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শৈবধর্ম — এটি শিবকেন্দ্রিক ধর্মমত হলেও গোরক্ষ বিজয় সরাসরি শৈব ধর্মের কাহিনী নয় বরং নাথধর্মের অংশ। B) বৌদ্ধ সহজিয়া — বৌদ্ধ সহজিয়া দর্শন চর্যাপদের সঙ্গে যুক্ত হলেও গোরক্ষ বিজয় নাথধর্মের কাহিনী অবলম্বনে রচিত। D) কোনটি নয় — সঠিক উত্তর নাথধর্ম অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - গোরক্ষ বিজয় দেখলে মনে রাখবে এটি নাথধর্মের গুরু গোরক্ষনাথের কাহিনী। - নাথসাহিত্য মানেই যোগসাধনা ও গোরক্ষনাথের অমরত্ব লাভের কাহিনী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের অন্যান্য নাথসাহিত্যের নিদর্শন যেমন গোপীচন্দের গান ও ময়নামতির গান সম্পর্কে জেনে রাখা ভালো। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাথসাহিত্যের আদি নিদর্শন ও রচয়িতা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a বিস্ময় দ্বারা আপন্ন
b বিস্ময়ে যে আপন্ন
c বিস্ময়কে দ্বারা আপন্ন
d বিস্ময়ে আপন্ন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিস্ময়কে দ্বারা আপন্ন ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়, কারণ একই সঙ্গে দুটি কারকবাচক বিভক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। - বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী 'আপন্ন' শব্দের অর্থ ব্যাপ্ত বা প্রাপ্ত, যা দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম অনুসারে 'বিস্ময়কে আপন্ন' হওয়া উচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ, যেখানে পূর্বপদের দ্বিতীয় বিভক্তি লোপ পেয়ে সমাস হয়। - 'আপন্ন' শব্দের পূর্বে কর্মকারকে দ্বিতীয় বিভক্তি যুক্ত হয়ে এই সমস্ত পদটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিপদাপন্ন (বিপদকে আপন্ন) ব্যাখ্যা: এখানে বিপদ শব্দে দ্বিতীয় বিভক্তি যুক্ত হয়ে সমস্ত পদ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: শরণাপন্ন (শরণকে আপন্ন) ব্যাখ্যা: এটিও দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিস্ময় দ্বারা আপন্ন — এটি তৃতীয় তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম অনুসরণ করে, যা 'আপন্ন' পদের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। B) বিস্ময়ে যে আপন্ন — এটি কোনো নির্দিষ্ট সমাসের সঠিক ব্যাসবাক্য গঠন করে না। C) বিস্ময়কে দ্বারা আপন্ন — প্রশ্নে এই উত্তরটি সঠিক বলা হলেও এতে দুটি অনুসর্গ বা বিভক্তি একসঙ্গে ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগত ত্রুটি। D) বিস্ময়ে আপন্ন — এটি ব্যাকরণগত ও অর্থগতভাবে সঠিক ব্যাসবাক্য হলেও প্রশ্নে অন্য উত্তর নির্দেশ করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - আপন্ন শব্দযুক্ত সমস্ত পদ সাধারণত দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস হয়। - সমাস নির্ণয়ের সময় পদের অর্থ এবং বিভক্তির সঠিক ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - তৎপুরুষ সমাসে বিভক্তির লোপ পাওয়া একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত নিয়ম। - এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য শব্দের অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
a বুদ্ধদেব বসু
b দীনেশরঞ্জন দাশ
c সজনীকান্ত রায়
d প্রেমেন্দ্র মিত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দীনেশরঞ্জন দাশ ১. কেন সঠিক: - 'কল্লোল' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ। ১৯২৩ সালের বঙ্গাব্দ ১৩৩০ এর বৈশাখ মাসে এই পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। - বাংলা সাহিত্য জগতে আধুনিকতার সূচনা এবং কল্লোল যুগের উন্মেষ ঘটাতে এই পত্রিকার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'কল্লোল' পত্রিকা বিশ শতকের তৃতীয় ও চতুর্থ দশকে বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার জন্ম দেয় যাকে 'কল্লোল যুগ' বলা হয়। - এই পত্রিকার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম, বুদ্ধদেব বসু, অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের মতো প্রগতিশীল লেখকরা সাহিত্যচর্চা করতেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের 'কালাান্তর' ও 'বেদনা বসুমতী'। ব্যাখ্যা: এটি কল্লোল যুগের সাহিত্য ধারার একটি অন্যতম প্রধান নিদর্শন। উদাহরণ ২: বুদ্ধদেব বসুর 'বন্দির বন্দনা'। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটি কল্লোল যুগের আধুনিক মনন ও রোমান্টিকতার প্রকাশ ঘটায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — তিনি কল্লোল পত্রিকার অন্যতম প্রধান লেখক ও পরবর্তী সময়ে সম্পাদক হিসেবে যুক্ত ছিলেন, তবে প্রথম সম্পাদক নন। B) দীনেশরঞ্জন দাশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন। C) সজনীকান্ত রায় — তিনি 'শনিবারের চিঠি' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং কল্লোল গোষ্ঠীর সাহিত্যিকদের প্রধান সমালোচক ছিলেন। D) প্রেমেন্দ্র মিত্র — তিনি কল্লোল গোষ্ঠীর অন্যতম বিশিষ্ট লেখক ও কবি ছিলেন, কিন্তু প্রথম সম্পাদক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: কল্লোল পত্রিকার সম্পাদক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো 'কল্লোল মানেই দীনেশ'। দীনেশরঞ্জন দাশের হাত ধরেই এই বিখ্যাত পত্রিকার যাত্রা শুরু হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কল্লোল পত্রিকার প্রকাশকাল এবং এর সাথে জড়িত লেখকদের নাম বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সমসাময়িক অন্যান্য পত্রিকা যেমন 'শনিবারের চিঠি' বা 'কালীকলম' সম্পর্কেও ধারণা রাখতে হবে।
a আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত
b তার কথা শুনে আমি আশ্চর্য্যান্বিত হলাম
c তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি মুগ্ধ
d সেদিন থেকে আমি সেখানে আর যায় না
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তার কথা শুনে আমি আশ্চর্য্যান্বিত হলাম ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে প্রদত্ত সঠিক উত্তর B) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা মূলত একটি বাক্যশুদ্ধির প্রশ্ন। তবে বাংলা ব্যাকরণ ও প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'আশ্চর্য্যান্বিত' একটি ভুল শব্দ এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে 'আশ্চর্য' শব্দের সঙ্গে 'অন্বিত' প্রত্যয় যুক্ত করে শুদ্ধ শব্দ গঠিত হয় 'আশ্চর্যন্বিত'। শব্দটির সঠিক গঠন হলো আশ্চর্য + অন্বিত = আশ্চর্যন্বিত, যেখানে ব্যঞ্জনসন্ধি ও প্রত্যয়জনিত নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি ঘটনাটি শুনে সবিস্ময় হলেন। ব্যাখ্যা: এখানে 'সবিস্ময়' একটি শুদ্ধ বিশেষণ পদ যা বাক্যকে প্রমিত করে তোলে। উদাহরণ ২: আপনার সদয় চিঠির জন্য ধন্যবাদ। ব্যাখ্যা: পত্র লিখন বা সাধারণ বাক্যে 'সদয়' শব্দটি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত — 'স্বপরিবারে' শব্দটি অশুদ্ধ কারণ 'সপরিবার' মানে পরিবারসহ, তাই 'সপরিবারে' লেখা উচিত। B) তার কথা শুনে আমি আশ্চর্য্যান্বিত হলাম — প্রদত্ত উত্তর অনুযায়ী এটি সঠিক ধরা হলেও ব্যাকরণগতভাবে 'আশ্চর্য্যান্বিত' একটি অপ্রমিত রূপ। C) তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি মুগ্ধ — 'পরশ্রীকাতরতা' একটি নেতিবাচক গুণ বা দোষ, যা নিয়ে মুগ্ধ হওয়া যায় না, তাই বাক্যটি অর্থগতভাবে ভুল। D) সেদিন থেকে আমি সেখানে আর যায় না — ক্রিয়াপদের রূপের সঙ্গে পুরুষ মেলেনি, সঠিক রূপ হবে আমি সেখানে আর যাই না। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যশুদ্ধি ও বানান নির্ণয়ের সময় শব্দের গঠন এবং প্রমিত রূপ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। অপ্রচলিত বা মিশ্রিত বানান যেমন আশ্চর্য্যান্বিত বর্জন করে প্রমিত বানান চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দগঠন ও প্রত্যয়জনিত ভুল বানানগুলো অপশনে দেওয়া হয়। তাই বাংলা একাডেমির বানান অভিধান অনুসরণ করে সঠিক শব্দ চেনার অভ্যাস করতে হবে।
a মুমুষু
b অনুষঙ্গ
c বর্ষণ
d ভীষণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভীষণ ১. কেন সঠিক: - নিয়ম অনুযায়ী ই-কার বা উ-কারান্ত উপসর্গের পর ক, খ, প, ফ থাকলে মূর্ধন্য ষ হয়। ভীষণ শব্দে এই সাধারণ নিয়ম কাজ করে না। - স্বাভাবিক নিয়মের বাইরে গিয়ে যে শব্দগুলোতে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়, তাদেরকে নিপাতনে সিদ্ধ ষ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম শব্দে ই-কার বা উ-কারান্ত উপসর্গের পরে ষ হয়। ভীষণ শব্দটি এই নিয়মের ব্যতিক্রম হিসেবে নিপাতনে সিদ্ধ হয়েছে। - নিপাতনে সিদ্ধ শব্দের অর্থ হলো যা কোনো সাধারণ নিয়মের মধ্যে পড়ে না বরং প্রাকৃতিকভাবে বা ব্যবহারের মাধ্যমে সিদ্ধ হয়ে গেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রোষ ব্যাখ্যা: এটিও একটি নিপাতনে সিদ্ধ ষ এর উদাহরণ যেখানে সাধারণ নিয়ম প্রযোজ্য হয়নি। উদাহরণ ২: ভাষণ ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও স্বাভাবিক নিয়মের বাইরে গিয়ে মূর্ধন্য ষ এর ব্যবহার হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুমুষু — এই শব্দটি বানানগতভাবে ভুল কারণ এর সঠিক রূপ হলো মুমূর্ষু যেখানে রেফ এর পর ষ ব্যবহৃত হয়। B) অনুষঙ্গ — এটি নিপাতনে সিদ্ধ ষ নয় কারণ এখানে অনু উপসর্গের প্রভাবে স্বাভাবিক নিয়মেই ষ এসেছে। C) বর্ষণ — এই শব্দটিতে ঋ-কার যুক্ত হওয়ার কারণে স্বাভাবিক নিয়মেই মূর্ধন্য ষ এর ব্যবহার হয়েছে। D) ভীষণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে কোনো সাধারণ নিয়ম ছাড়াই নিপাতনে সিদ্ধভাবে ষ বসেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভীষণ, রোষ ও ভাষণ শব্দগুলো নিপাতনে সিদ্ধ ষ এর সবচেয়ে সাধারণ উদাহরণ। - পরীক্ষার হলে এই শব্দগুলো দেখলে নিপাতনে সিদ্ধ হিসেবে দাগাবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নিপাতনে সিদ্ধ শব্দগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বানান ও সন্ধি বা প্রত্যয় অংশে আসে। - সাধারণ নিয়ম না মিললে শব্দটির উৎস ও প্রকৃতি ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a সুবচন নির্বাসনে
b রক্তাক্ত প্রান্তর
c নূরলদীনের সারা জীবন
d পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ১. কেন সঠিক: - সৈয়দ শামসুল হকের লেখা পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় একটি কাব্যনাট্য যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত। - নাটকে গ্রামীণ মানুষের ওপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অত্যাচার এবং এর বিপরীতে সাধারণ মানুষের মুক্তির আকুতি তুলে ধরা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের এক বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক যিনি কবিতা উপন্যাস এবং নাটক রচনায় খ্যাতি অর্জন করেছেন। - এই নাটকটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে কাব্যনাট্যের এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিঙ্কর (কাব্যনাট্য) ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য যা নাট্যসাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। উদাহরণ ২: নুরুলদীনের সারাজীবন (নাটক) ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হকের রচিত ঐতিহাসিক নাটক যা কৃষক বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে লেখা হয়েছে কিন্তু মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুবচন নির্বাসনে — এটি আবদুল্লাহ আল মামুন রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক ও রাজনৈতিক নাটক কিন্তু সরাসরি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক নাটক নয়। B) রক্তাক্ত প্রান্তর — এটি মুনীর চৌধুরী রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক যা পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে। C) নূরলদীনের সারা জীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হকের নাটক হলেও এটি ব্রিটিশ বিরোধী ও কৃষক বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে রচিত। D) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক নাটক এবং এটিই প্রশ্নের সঠিক চাহিদা পূরণ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য মনে রাখতে পায়ের শব্দ মাথায় রাখবে কারণ এটি সৈয়দ শামসুল হকের বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য। সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্মগুলো পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকটির রচয়িতা সৈয়দ শামসুল হক এবং এটি একটি কাব্যনাট্য। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্যান্য নাটক ও উপন্যাসের নাম আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত।
a সভাসদ
b শুভেচ্ছা
c ফলবান
d তন্বী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শুভেচ্ছা ১. কেন সঠিক: - শুভেচ্ছা শব্দটি প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়নি, বরং এটি সন্ধির মাধ্যমে গঠিত একটি শব্দ। - শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ হলো শুভ + ইচ্ছা, যা গুণের নিয়মে শুভেচ্ছা গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সন্ধি হলো দুটি ধ্বনির মিলন। - শুভেচ্ছা শব্দটি অ বা আ কারের পর ই বা ঈ কার থাকলে উভয়ে মিলে এ কার হয়, এই নিয়মে সাধিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যোদয় ব্যাখ্যা: এটি সূর্য ও উদয় শব্দের সন্ধির মাধ্যমে গঠিত, প্রত্যয়যোগে নয়। উদাহরণ ২: যথোচিত ব্যাখ্যা: এটি যথা ও উচিত শব্দের সন্ধির মাধ্যমে গঠিত একটি শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সভাসদ — এটি সভা শব্দের সঙ্গে সদ প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তরের চাহিদা পূরণ করে না। B) শুভেচ্ছা — এটি সন্ধিসাধিত শব্দ হওয়ায় প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়নি এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) ফলবান — এটি ফল শব্দের সঙ্গে বান প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ, তাই এটি প্রত্যয়যোগে গঠিত। D) তন্বী — এটি তনু শব্দের সঙ্গে ঈ প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ, তাই এটি প্রত্যয়যোগে গঠিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - সন্ধিযুক্ত শব্দ চেনার জন্য শব্দের মাঝখানের অংশ ভেঙে দুটি অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় কিনা তা দেখতে হবে। - শুভেচ্ছা শব্দে কোনো প্রত্যয়যুক্ত অংশ বা প্রত্যয়ভিত্তিক অর্থ নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়যুক্ত শব্দ এবং সন্ধিসাধিত শব্দ আলাদা করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - শব্দ দেখলে আগে সন্ধি বিচ্ছেদ করার চেষ্টা করা উচিত।
a I had left my college yesterday
b I left my college yesterday
c I was leaving my college yesterday
d I was left my college yesterday
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I left my college yesterday কেন সঠিক: - বাক্যে 'yesterday' থাকলে সেটি অতীত নির্দেশ করে এবং সাধারণ অতীত কালের নিয়ম অনুযায়ী verb-এর Past Form বসে। - 'leave' verb-এর Past Form হলো 'left', তাই সঠিক গঠন হলো Subject + Verb-এর Past Form + Object। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I had left my college yesterday — 'yesterday' থাকলে Past Perfect Tense (had+V3) হয় না, নির্দিষ্ট সময়ের অতীত বোঝাতে Past Indefinite Tense হয়। B) I left my college yesterday — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। C) I was leaving my college yesterday — এই গঠনটি Past Continuous Tense বোঝায়, যা নির্দিষ্ট কোনো সময়ে চলমান কাজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) I was left my college yesterday — এটি Passive Voice-এর ভুল গঠন, কারণ বাক্যটি Active Voice-এ হওয়া উচিত। মনে রাখার টিপস: বাক্যে yesterday, ago, last থাকলে চোখ বন্ধ করে Past Indefinite Tense (verb-এর past form) ব্যবহার করবে।
a that
b whom
c whose
d what
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) that কেন সঠিক: - শূন্যস্থানের আগের antecedent বা পূর্বপদটি the book হলো একটি ইতর প্রাণী বা বস্তুর নির্দেশক noun. - বস্তুর ক্ষেত্রে relative pronoun হিসেবে who বা whom না বসে that বা which ব্যবহৃত হয় এবং নির্দিষ্ট বোঝাতে that সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) that — এটি বস্তুবাচক antecedent-এর পর বসে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করেছে। B) whom — এটি ব্যক্তিবাচক noun-এর objective form হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই বস্তুবাচক the book-এর পর বসবে না। C) whose — এটি অধিকার বা সম্বন্ধ বোঝাতে possessive form হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থহীন। D) what — এটি antecedent ছাড়া একা বসে এবং its antecedent থাকা সত্ত্বেও what বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: বস্তুবাচক noun-এর পর নির্দিষ্ট কিছু থাকলে relative pronoun হিসেবে that ব্যবহার করা নিরাপদ।
a swine
b swung
c swing
d swong
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) swine কেন সঠিক: - 'Swine' শব্দটির অর্থ হলো শূকর, যার সিঙ্গুলার এবং প্লুরাল বা একবচন ও বহুবচন রূপ একই থাকে। - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু পশুর নাম অপরিবর্তিত থেকে বহুবচন হয় যেমন deer বা sheep। বাকি অপশন কেন ভুল: A) swine - এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দটির বহুবচন রূপ হিসেবে swine-ই ব্যবহৃত হয়। B) swung - এটি swing verb এর পাস্ট ও পাস্ট পার্টিসিপল রূপ, কোনো নাউনের প্লুরাল রূপ নয়। C) swing - এটি একটি verb বা noun যার অর্থ দোলনা বা দুলানো, এটি swine এর প্লুরাল নয়। D) swong - ইংরেজি ব্যাকরণে এই নামে কোনো সঠিক শব্দ বা রূপের অস্তিত্ব নেই। মনে রাখার টিপস: শূকর ও ভেড়ার মতো কিছু প্রাণীর নাম একবচন ও বহুবসনে একই থাকে যেমন swine এবং sheep।
a because
b as
c due
d because of
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) because of কেন সঠিক: - শূন্যস্থানের পরের অংশটি কোনো পূর্ণাঙ্গ বাক্য নয়, বরং একটি নাউন ফ্রেজ (my sister's marriage ceremony)। - কারণ বোঝাতে নাউন ফ্রেজের পূর্বে conjunction হিসেবে because of ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) because — এটি একটি conjunction যা সাধারণত কারণবাচক পূর্ণাঙ্গ clause বা বাক्याংশের পূর্বে বসে। B) as — এটি একটি conjunction হিসেবে কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এরপরে একটি সাবজেক্ট ও ভার্বযুক্ত clause থাকতে হয়। C) due — এটি সাধারণত noun-এর পরে adjective হিসেবে বসে (যেমন: delay due to rain), এখানে সরাসরি prepositional phrase হিসেবে বসে না। D) because of — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি prepositional phrase হিসেবে noun বা noun phrase-এর পূর্বে বসে কারণ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে কারণ বোঝাতে clause থাকলে because বা as ব্যবহার করবে এবং শুধু noun phrase থাকলে because of ব্যবহার করবে।
a Mother frightened me not to tell a lie.
b Mother suggested me to not tell a lie.
c Mother warned me to not to tell a lie.
d Mother advised me not to tell a lie.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Mother advised me not to tell a lie. কেন সঠিক: - রিপোর্টেড স্পিচটি ইম্পারেটিভ সেন্টেন্স (অনুজ্ঞাসূচক বাক্য) হওয়ায় রিপোর্টিং ভার্ব 'said to' পরিবর্তিত হয়ে 'advised' হয়েছে। - ইনভার্টেড কমা তুলে দিয়ে 'to' বসানো হয়েছে এবং নিষেধসূচক বাক্যের ক্ষেত্রে 'to'-র আগে 'not' বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mother frightened me not to tell a lie. — এখানে 'frightened' (ভয় দেখানো) শব্দটি বাক্যের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। B) Mother suggested me to not tell a lie. — 'suggest' verb-এর পর সাধারণত infinitive-এর আগে সরাসরি 'not to' বসে না এবং এখানে গঠনের নিয়ম ভুল। C) Mother warned me to not to tell a lie. — একই সাথে 'to' এবং 'not to' পরপর ব্যবহার করায় ব্যাকরণগত ভুল হয়েছে। D) Mother advised me not to tell a lie. — এটি সঠিক এবং নিয়মানুযায়ী গঠিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ইম্পারেটিভ সেন্টেন্সে নিষেধমূলক (Do not) বাক্যকে ইনডাইরেক্ট করার সময় রিপোর্টিং ভার্ব পরিবর্তন করে advised বা forbade হয় এবং to-র আগে not বসে।
a Simple
b Exclamatory
c Complex
d Compound
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Compound কেন সঠিক: - বাক্যটিতে 'Do' এবং 'die' দুটি স্বাধীন ক্লজ বা প্রিন্সিপাল ক্লজ রয়েছে যা উহ্য 'and' বা 'or' এর অর্থ প্রকাশ করে। - Imperative বাক্যের মাঝে 'or' থাকলে তা Compound sentence হয়, যার পূর্ণরূপ হলো You must do or you will die. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Simple — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়াযুক্ত স্বাধীন ক্লজ নেই, বরং দুটি ভিন্ন ক্রিয়ার সমন্বয় রয়েছে। B) Exclamatory — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি দ্বারা কোনো তীব্র আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ করা হচ্ছে না। C) Complex — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে কোনো প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর নির্ভরশীল আশ্রিত বা অধীন ক্লজ নেই। D) Compound — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে দুটি স্বাধীন ক্লজ 'or' কনজাংশন দ্বারা যুক্ত রয়েছে। মনে রাখার টিপস: Imperative বাক্যে মাঝখানে 'and' বা 'or' থাকলে তা Compound sentence হয়।
a Very, but
b Neither, or
c either, or
d either, nor
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) either, or কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে either এর সঙ্গে সর্বদা or যুক্ত হয়ে Correlative Conjunction হিসেবে জোড়া গঠন করে। - এখানে either...or বসালে বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় যে খেলোয়াড়েরা হয় ক্লান্ত অথবা স্নায়ুচাপে ভুগছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Very, but — Very এর সঙ্গে but যুক্ত হয়ে কোনো সঠিক জোড়া গঠন করে না এবং ব্যাকরণগতভাবে এটি ভুল। B) Neither, or — Neither এর সঠিক জোড়া হলো nor, তাই এখানে or ব্যবহার করায় এটি ভুল হয়েছে। C) either, or — এটি সঠিক উত্তর কারণ either এর সঙ্গে or যুক্ত হয়ে সঠিক Correlative Conjunction গঠিত হয়েছে। D) either, nor — Either এর সঙ্গে nor বসে না, neither এর সঙ্গে nor বসে তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: Either এর সঙ্গী সর্বদা or এবং Neither এর সঙ্গী সর্বদা nor, এই জোড়া সবসময় মনে রাখবে।
a Adjective phrase
b Adverbial phrase
c Noun phrase
d Verb phrase
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Noun phrase কেন সঠিক: - বাক্যে blue blood একটি বা একাধিক শব্দের সমষ্টি যা কোনো Preposition বা Conjunction ছাড়াই একসাথে একটি বিশেষ অর্থ (অভিজাত বংশ) প্রকাশ করছে। - এটি বাক্যে of Preposition-এর Object হিসেবে এবং মূল Noun-এর কাজ করছে, তাই এটি Noun phrase। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adjective phrase — এটি কোনো Noun বা Pronoun-কে মডিফাই করছে না, তাই এটি Adjective phrase নয়। B) Adverbial phrase — এটি কোনো Verb, Adjective বা Adverb-কে সময়, স্থান বা কারণ নির্দেশ করে মডিফাই করছে না, তাই এটি Adverbial phrase নয়। C) Noun phrase — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক, কারণ এটি বাক্যে Noun-এর মতো কাজ করেছে। D) Verb phrase — এটি কোনো কাজের বা অবস্থার মূল Verb-এর কাজ করছে না, তাই এটি Verb phrase নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে যে শব্দগুচ্ছ কোনো Noun-এর কাজ সম্পন্ন করে এবং Subject বা Object হিসেবে বসে, তাকে Noun phrase বলে।
a It is beautiful night
b Night is very beautiful
c It is very beautiful night
d Night is beautiful
ব্যাখ্যাঃ
বিষয় ও ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Transformation of Sentences) সঠিক উত্তর: B) Night is very beautiful কেন সঠিক: - Exclamatory sentence-এ What দিয়ে শুরু হলে assertive করার সময় Subject এবং Verb প্রথমে বসে। - Adjective-এর পূর্বে Very বসে এবং article না থাকলে a বা an বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is beautiful night — এখানে Night শব্দটি singular countable হওয়া সত্ত্বেও পূর্বে কোনো article (a বা an) ব্যবহার করা হয়নি। B) Night is very beautiful — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং মূল বাক্যের অর্থ ও গঠন সঠিকভাবে প্রকাশ করে। C) It is very beautiful night — মূল বাক্যে It নেই, তাই অতিরিক্ত It এনে বাক্য পরিবর্তন করার প্রয়োজন নেই। D) Night is beautiful — এখানে very শব্দটি না থাকায় মূল Exclamatory বাক্যের তীব্রতা বা ভাবের সম্পূর্ণ প্রকাশ ঘটে না। মনে রাখার টিপস: What দিয়ে শুরু Exclamatory Sentence-কে Assertive করার সময় Subject + Verb + very/great + Adjective বসাতে হয়।
a History of books
b Collection of books
c Worshiper of books
d Book on biologyans
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Collection of books কেন সঠিক: - Bibliography শব্দের অর্থ হলো গ্রন্থপঞ্জি বা বইয়ের তালিকা, যা মূলত বিভিন্ন বইয়ের একটি সংগ্রহকে নির্দেশ করে। - গবেষণা বা লেখার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন বই ও প্রকাশনার সংকলন বা তালিকা তৈরি করতেই এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) History of books — এটি ভুল কারণ কোনো বইয়ের ইতিহাসকে Bibliography বলা হয় না, এর জন্য অন্য নির্দিষ্ট পরিভাষা রয়েছে। B) Collection of books — এটি সঠিক কারণ Bibliography বলতে বিভিন্ন বইয়ের সংগ্রহ বা তালিকা বোঝায়। C) Worshiper of books — এটি ভুল কারণ বইয়ের পূজারি বা বইপ্রেমীকে Bibliography বলা হয় না। D) Book on biologyans — এটি ভুল কারণ এটি জীববিদ্যা সংক্রান্ত বইকে বোঝায়, যা Bibliography-র অর্থের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Bibli শব্দের অর্থ বই এবং graphy শব্দের অর্থ লেখা বা তালিকা, তাই Bibliography হলো বইয়ের তালিকা বা সংগ্রহ।
a Cabinet
b Steering
c Advice
d Trade
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Advice কেন সঠিক: - 'Counsel' শব্দটির অর্থ হলো পরামর্শ, উপদেশ বা সুপরামর্শ দেওয়া। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'Advice' শব্দটির অর্থও পরামর্শ বা উপদেশ, যা 'Counsel'-এর সঠিক সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cabinet — এর অর্থ মন্ত্রিপরিষদ বা মন্ত্রিসভা, যা কোনো পরামর্শ বা উপদেশের সমার্থক নয়। B) Steering — এর অর্থ কোনো কিছুর দিক পরিবর্তন করা বা চালনা করা, তাই এটি সঠিক নয়। C) Advice — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) Trade — এর অর্থ ব্যবসা বা বাণিজ্য, যা পরামর্গত কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Counsel শব্দের সাথে Advice মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন কারণ দুটির অর্থই পরামর্শ।
a Asassination
b Assassination
c Assistination
d Asaysination
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Assassination কেন সঠিক: - ইংরেজি বানানের নিয়ম অনুযায়ী শব্দটিতে দুটি 's', দুটি 's' এবং দুটি 'n' যুক্ত হয়েছে। - শব্দটির গঠন মনে রাখার একটি বিখ্যাত সূত্র রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Asassination — এখানে প্রথম অংশে একটি 's' কম রয়েছে, তাই এটি ভুল বানান। B) Assassination — এটি বানান ও গঠনের দিক থেকে সম্পূর্ণ সঠিক শব্দ। C) Assistination — এখানে মাঝখানে 's' এর পরিবর্তে 'st' ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভুল। D) Asaysination — এখানে 'ss' এর স্থানে 'y' ব্যবহার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে শব্দটিকে ভেঙে এভাবে মনে রাখুন: আস (Ass) + আস (as) + সিন (sin) + নেশন (nation)।
a to
b for
c in
d on
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to কেন সঠিক: - 'Conducive' একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ অনুকূল বা সাহায্যকারী, এবং এরপরে সাধারণত 'to' প্রিপজিশন বসে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু নির্দিষ্ট শব্দের পরে নির্দিষ্ট প্রিপজিশন বা Appropriate Preposition ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে conducive এর সাথে to যুক্ত হওয়া বাধ্যতামূলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সঠিক উত্তর কারণ conducive শব্দের পরে উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে 'to' ব্যবহৃত হয়। B) for — এটি ভুল কারণ conducive শব্দের সাথে 'for' প্রিপজিশন ব্যাকরণগতভাবে মানানসই বা গ্রহণযোগ্য নয়। C) in — এটি ভুল কারণ বাক্যের অর্থ ও কাঠামোর সাথে 'in' প্রিপজিশনের কোনো মিল নেই। D) on — এটি ভুল কারণ 'on' প্রিপজিশনটি এই নির্দিষ্ট শব্দের সাথে বসে কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Conducive শব্দের অর্থ অনুকূল, তাই এর সাথে সবসময় 'to' প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a Optative
b Imperative
c Assertive
d Exclamatory
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Optative কেন সঠিক: - যে সেন্টেন্স বা বাক্য দ্বারা মনের ইচ্ছা, প্রার্থনা বা আশীর্বাদ প্রকাশ পায়, তাকে Optative Sentence বলে। - প্রদত্ত বাক্যে মহান আল্লাহর কাছে সাহায্য কামনা করা হয়েছে, যা বক্তার প্রার্থনা বা ইচ্ছাকে প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Optative — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটি দ্বারা প্রার্থনা বা ইচ্ছা প্রকাশ করা হয়েছে। B) Imperative — এই অপশনটি ভুল কারণ Imperative Sentence দ্বারা আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ বা প্রস্তাব বোঝায়, প্রার্থনা বোঝায় না। C) Assertive — এই অপশনটি ভুল কারণ Assertive Sentence সাধারণ বর্ণনা বা বিবৃতি প্রকাশ করে। D) Exclamatory — এই অপশনটি ভুল কারণ Exclamatory Sentence মনের আকস্মিক আবেগ বা অনুভূতি প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে সাধারণত May বা Long live থাকলে এবং তা দ্বারা কোনো প্রার্থনা বা আশীর্বাদ বোঝালে সেটি Optative Sentence হয়।
a He started weeping silently
b He has started weeping silently
c He is weeping silently
d He had started weeping silently
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He started weeping silently কেন সঠিক: - বাংলা বাক্যে কোনো কাজ শুরু হলো বা শুরু করেছিল বোঝালে Start বা Begin verb-এর অতীত রূপ (Started) ব্যবহৃত হয়। - কাজটি অতীতে শুরু হওয়ার কারণে এখানে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স প্রযোজ্য হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He started weeping silently — এটি সঠিক উত্তর। B) He has started weeping silently — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা অতীতে শুরু হওয়া কাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) He is weeping silently — এটি প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স, যা দিয়ে বর্তমানের চলমান কাজ বোঝায়। D) He had started weeping silently — এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স, যেখানে দুটি অতীতের কাজের তুলনার প্রয়োজন হয় যা এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজ শুরু হলো বোঝালে Start বা Begin-এর পর মূল ভার্বের সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
a ৩ √৩
b ৪ √৩
c ৬ √৩
d ৯ √৩
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯ √৩ প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৬ সেন্টিমিটার ধরি, সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক সেন্টিমিটার এখানে, ক = ৬ অতএব, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (বাহুর দৈর্ঘ্য)² সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (৬ × ৬) ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × ৩৬ ক্ষেত্রফল = ৯ √৩ বর্গ সেন্টিমিটার উত্তর: ৯ √৩ বর্গ সেন্টিমিটার
a 8
b 6
c 8
d 5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ প্রদত্ত তথ্য: কেক কাটার মোট সংখ্যা = ৩ বার ধরি, প্রথম কাটায় টুকরা হয় = ২ টুকরা দ্বিতীয় কাটায় টুকরা হয় = ৪ টুকরা অতএব, তৃতীয় বা শেষ কাটায় টুকরা হবে দ্বিগুণ সুতরাং, সর্বোচ্চ টুকরার সংখ্যা = ২ × ২ × ২ = ৮ টুকরা উত্তর: ৮
a 8
b 8
c 15
d 16
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: সেট এ এর উপাদান সংখ্যা = ৪ ধরি, সেট এ এর উপাদান সংখ্যাকে এন দ্বারা প্রকাশ করা হলো এন = ৪ অতএব, সেট এ এর মোট উপসেটের সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র হলো দুই এর ওপর পাওয়ার এন দুই এর ওপর পাওয়ার চার = ২ × ২ × ২ × ২ = ১৬ সুতরাং, প্রকৃত উপসেটের সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র হলো মোট উপসেট থেকে এক বিয়োগ ১৬ − ১ = ১৫ উত্তর: ১৫
a a² = bc
b ab = bc
c b² = ac
d a = b = c
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) b² = ac প্রদত্ত তথ্য: a, b এবং c তিনটি রাশি ক্রমিক সমানুপাতি ধরি, প্রথম রাশি = a দ্বিতীয় রাশি = b তৃতীয় রাশি সমান c অতএব, প্রথম ও দ্বিতীয় রাশির অনুপাত = a ÷ b দ্বিতীয় ও তৃতীয় রাশির অনুপাত = b ÷ সি সুতরাং, ক্রমিক সমানুপাতের নিয়ম অনুযায়ী লেখা যায়, a ÷ b = b ÷ c উত্তর: b² = ac
a ১২০°
b ০°
c ১৩৫°
d ৪৫°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমবাহু ত্রিভুজ সমবাহু ত্রিভুজের প্রতিটি কোণের মান ষাট ডিগ্রি ধরি, ত্রিভুজটির একটি বাহুকে উভয় দিকে বর্ধিত করা হলো বর্ধিত করার ফলে দুটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হলো অতএব, প্রথম বহিঃস্থ কোণ = একশত আশি ডিগ্রি − ষাট ডিগ্রি প্রথম বহিঃস্থ কোণ = একশত বিশ ডিগ্রি দ্বিতীয় বহিঃস্থ কোণ = একশত আশি ডিগ্রি − ষাট ডিগ্রি দ্বিতীয় বহিঃস্থ কোণ = একশত বিশ ডিগ্রি সুতরাং, উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণদ্বয়ের বিয়োগফল = একশত বিশ ডিগ্রি − একশত বিশ ডিগ্রি উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণদ্বয়ের বিয়োগফল = শূন্য ডিগ্রি উত্তর: ০°
a 123
b 127
c 128
d 129
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২৭ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম পদ = ৫ সাধারণ অন্তর = ৮ − ৫ = ৩ ধরি, ধারাটির n-তম পদ = ৩৮৩ অতএব, প্রথম পদ + (n − ১) × সাধারণ অন্তর = ৩৮৩ ৫ + (n − ১) × ৩ = ৩৮৩ সুতরাং, ৩ × (n − ১) = ৩৮৩ − ৫ ৩ × (n − ১) = ৩৭৮ উত্তর: n − ১ = ১২৬ এবং n = ১২৭
a 37
b 38
c 35
d 42
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৫ প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের অনুপাত ৭ : ২ ৫ বছর পরে তাদের বয়সের অনুপাত ৮ : ৩ হবে ধরি, পিতার বর্তমান বয়স = ৭ক বছর পুত্রের বর্তমান বয়স = ২ক বছর অতএব, ৫ বছর পরে পিতার বয়স হবে = ৭ক + ৫ বছর ৫ বছর পরে পুত্রের বয়স হবে = ২ক + ৫ বছর শর্তমতে, (৭ক + ৫) ÷ (২ক + ৫) = ৮ ÷ ৩ হিসাব করে পাই, ৩ গুণ (৭ক + ৫) = ৮ গুণ (২ক + ৫) ২১ক + ১৫ = ১৬ক + ৪০ সুতরাং, ২১ক − ১৬ক = ৪০ − ১৫ ৫ক = ২৫ বা ক = ৫ উত্তর: পিতার বর্তমান বয়স = ৭ গুণ ৫ = ৩৫ বছর
a অমূলদ সংখ্যা
b মূলদ সংখ্যা
c স্বাভাবিক সংখ্যা
d পূর্ণবর্গ সংখ্যা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পূর্ণবর্গ সংখ্যা প্রদত্ত তথ্য: চারটি ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যা ধরা যাক তাদের গুণফলের সাথে এক যোগ করতে হবে ধরি, প্রথম স্বাভাবিক সংখ্যাটি = ক পরবর্তী সংখ্যাগুলো হলো (ক + ১), (ক + ২) এবং (ক + ৩) অতএব, সংখ্যা চারটির গুণফল = ক × (ক + ১) × (ক + ২) × (ক + ৩) এটি সাজিয়ে লেখা যায় এভাবে: [ক × (ক + ৩)] × [(ক + ১) × (ক + ২)] গুণফল দাঁড়ায়: (ক স্কয়ার + ৩ক) × (ক স্কয়ার + ৩ক + ২) সুতরাং, ধরি ক স্কয়ার + ৩ক = খ তাহলে গুণফলের সাথে এক যোগ করলে হয়: খ × (খ + ২) + ১ = খ স্কয়ার + ২খ + ১ উত্তর: (খ + ১) স্কয়ার, যা একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা
a ২৭০ টাকা
b ২৬৮ টাকা
c ৪০৫ টাকা
d ২৭৩ টাকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৭৩ টাকা প্রদত্ত তথ্য: আসল (P) = ৬৫০ টাকা মুনাফার হার (r) = ৭% বা ৭ ÷ ১০০ সময় (n) = ৬ বছর ধরি, মুনাফা = I অতএব, আমরা জানি, সরল মুনাফা (I) = P × r × n সুতরাং, I = ৬৫০ × (৭ ÷ ১০০) × ৬ উত্তর: ২৭৩ টাকা
a ২০%
b ২১%
c ১৬%
d ২৮%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১% প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের প্রত্যেক বাহুর পরিমাণ বৃদ্ধি পায় ১০% ধরি, বর্গক্ষেত্রের আদি বাহুর দৈর্ঘ্য = ১০০ একক আদি ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক অতএব, বৃদ্ধি পাওয়ার পর বাহুর দৈর্ঘ্য = ১১০ একক নতুন ক্ষেত্রফল = ১১০ × ১১০ = ১২১০০ বর্গ একক সুতরাং, ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = ১২১০০ − ১০০০০ = ২১০০ বর্গ একক উত্তর: ক্ষেত্রফল শতকরা বৃদ্ধি পায় ২১%
a কিউবা
b আইভরি কোস্ট
c সুদান
d চীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কিউবা কেন সঠিক: - ক্যারিবীয় সাগরে অবস্থিত কিউবাকে ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রাকৃতিকভাবে মুক্তা সদৃশ দ্বীপের সঙ্গে তুলনা করা হয়। - আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে চিনি ও উৎপাদিত বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের জন্য কিউবা একসময় বিশ্বের মুক্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিউবা — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ একে ভূগোলে মুক্তার দেশ বলা হয়। B) আইভরি কোস্ট — একে হাতির দাতের দেশ বলা হয়, মুক্তার দেশ নয়। C) সুদান — এটি আফ্রিকার একটি দেশ এবং প্রাচীন সভ্যতার জন্য পরিচিত, মুক্তার দেশ নয়। D) চীন — একে প্রাচ্যের দেশ বা সভ্যতার সূতিকাগার বলা হয়, মুক্তার দেশ নয়। মনে রাখার টিপস: কিউবার মানচিত্রটি দেখতে ঝিনুকের ভেতর থাকা মুক্তার মতো, তাই একে মুক্তার দেশ বলা হয়।
a শায়েস্তা খাঁ
b লর্ড কার্জন
c নবাব সিরাজ
d মীর জুমলা
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা প্রদত্ত উত্তর সংশোধন: প্রদত্ত সঠিক উত্তর (D) মীর জুমলা ভুল। 'ঢাকা গেইট'-এর প্রকৃত নির্মাতা মীর জুমলা নন, বরং মীর জুমলার তৈরি পূর্বের একটি সীমানা প্রাচীরের স্থানে পরবর্তীকালে রমনা এলাকার উন্নয়নের সময় ঢাকা গেট নির্মিত হয়। এর আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর মূল স্থপতি মীর সাহেব এবং এটি রমনা গেট নামেও পরিচিত ছিল, তবে এর ঐতিহাসিক নির্মাতা বা সংস্কারক হিসেবে ব্রিটিশ আমলে মির্জা নাথান বা রমনা উন্নয়নের সাথে জড়িত লর্ড কার্জন কিংবা সংশ্লিষ্ট শাসকরা আলোচিত হন। তবে সঠিক ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী, সুবাদার মীর জুমলা ঢাকার প্রাচীন প্রবেশদ্বার বা মেইন গেট নির্মাণ করেছিলেন অন্য স্থানে, যা ঢাকা গেইট নামে পরিচিত নয়। এই প্রশ্নে সঠিক উত্তর হবে মীর জুমলা নয়, তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রচলিত ভুল ধারা অনুযায়ী অনেক সময় মীর জুমলা উত্তর হিসেবে থাকে। ঐতিহাসিক সত্য হলো, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালय সংলগ্ন বর্তমান যে 'ঢাকা গেইট' দেখা যায়, তার মূল অবকাঠামো মীর জুমলার আমলের সীমানা প্রাচীরের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও বর্তমান তোরণটি মোঘল আমলে নির্মিত মীর জুমলার মূল প্রবেশদ্বার নয়। এই প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তরটি ইতিহাসগতভাবে বিতর্কিত বা অসম্পূর্ণ। সঠিক উত্তর: D) মীর জুমলা (ঐতিহাসিক তথ্যগত ত্রুটির কারণে এটি প্রচলিত ভুল উত্তর, মূল নির্মাতা মোঘল সুবাদার মীর জুমলা নন বরং এটি পরবর্তীতে সংস্কার করা হয়)। কেন সঠিক: - প্রদত্ত উত্তরটি ভুল হওয়া সত্ত্বেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রচলিত সিলেবাসে মীর জুমলাকে ঢাকার অনেক স্থাপনার নির্মাতা হিসেবে যুক্ত করা হয়। - মীর জুমলা seventeenth শতাব্দীতে ঢাকা অঞ্চলের গোড়াপত্তন ও বিভিন্ন তোরণ বা সীমানা প্রাচীর নির্মাণের সাথে যুক্ত ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শায়েস্তা খাঁ — তিনি ঢাকার বহু ঐতিহাসিক মসজিদ ও তোরণ নির্মাণ করলেও ঢাকা গেইটের মূল নির্মাতা হিসেবে তিনি পরিচিত নন। B) লর্ড কার্জন — তিনি ঢাকা গেইটের নির্মাতা নন, তবে তার নামানুসারে কার্জন হল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালय এলাকার উন্নয়নের ইতিহাস জড়িত। C) নবাব সিরাজ — তিনি বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন এবং তৎকালীন রাজধানী মুর্শিদাবাদের সাথে যুক্ত ছিলেন, ঢাকার স্থাপত্যের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নন। D) মীর জুমলা — প্রদত্ত উত্তর হিসেবে এটি ভুল হলেও মোঘল সেনাপতি ও সুবাদার হিসেবে তিনি ঢাকার সীমানা প্রাচীর নির্মাণের সাথে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ঢাকা গেইট মোঘল আমলের সীমানা প্রাচীরের সাথে সম্পর্কিত হলেও এর বর্তমান রূপ এবং নির্মাতা নিয়ে ইতিহাসে বিতর্ক রয়েছে।
a গণতন্ত্র
b বিচার ব্যবস্থা
c সংবিধান
d আইনের শাসন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আইনের শাসন কেন সঠিক: - আইনের চোখে সবাই সমান এবং অপরাধের জন্য নির্দিষ্ট আইনের মাধ্যমেই বিচার নিশ্চিত করাই হলো আইনের শাসন। - আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত না হলে সমাজে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় এবং নাগরিকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গণতন্ত্র — এটি একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে জনগণের অংশগ্রহণ থাকে, কিন্তু এটি সরাসরি সভ্য সমাজের মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয় না। B) বিচার ব্যবস্থা — এটি বিচার প্রক্রিয়া পরিচালনার মাধ্যম, তবে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আইনের শাসন না থাকলে একা বিচার ব্যবস্থা মানদণ্ড হতে পারে না। সি) সংবিধান — এটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন বা দলিল মাত্র, কিন্তু এর সঠিক প্রয়োগ ও কার্যকারিতাই মূল বিষয়। D) আইনের শাসন — এটি সঠিক উত্তর, তাই এর কোনো ভুল অপশন হিসেবে আলাদা ব্যাখ্যা নেই। মনে রাখার টিপস: আইন সবার জন্য সমান, তাই আইনের শাসনই হলো সভ্য সমাজের মূল মানদণ্ড।
a ট্রপোমণ্ডল
b স্ট্র্যাটোমণ্ডল
c মেসোমণ্ডল
d তাপমণ্ডল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ট্রপোমণ্ডল কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর ট্রপোমণ্ডলে জলীয় বাষ্প, মেঘ এবং ধূলিকণা থাকে যার ফলে এখানেই যাবতীয় আবহাওয়া পরিবর্তন ও বজ্রপাত ঘটে। - বায়ুমণ্ডলের মোট ভরের প্রায় পঁচাত্তর শতাংশ গ্যাস এই স্তরেই ঘনীভূত অবস্থায় বিদ্যমান থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ট্রপোমণ্ডল - এটি সঠিক উত্তর কারণ এই স্তরেই মূলত ঝড়, বৃষ্টি এবং বজ্রপাত সংঘটিত হয়। B) স্ট্র্যাটোমণ্ডল - এটি ট্রপোমণ্ডলের ওপরের স্তর যেখানে কোনো জলীয় বাষ্প না থাকায় মেঘ বা বজ্রপাত হয় না এবং এখানে ওজোন স্তর থাকে। C) মেসোমণ্ডল - এটি বায়ুমণ্ডলের তৃতীয় স্তর যেখানে তাপমাত্রা অত্যন্ত কম থাকে এবং উল্কা পিন্ড পুড়ে ছাই হয়। D) তাপমণ্ডল - এটি বায়ুমণ্ডলের উচ্চতম স্তর যেখানে বাতাস অত্যন্ত হালকা থাকে এবং রেডিও তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়। মনে রাখার টিপস: আবহাওয়া ও বজ্রপাত মানেই ট্রপোমণ্ডল।
a সক্রেটিস
b প্লেটো
c অ্যারিস্টটল
d ম্যাকিয়াভেলি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্লেটো কেন সঠিক: - দি রিপাবলিক প্রাচীন গ্রিসের বিখ্যাত দার্শনিক প্লেটোর লেখা একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী রাষ্ট্রদর্শন বিষয়ক গ্রন্থ। - এই গ্রন্থে প্লেটো একটি আদর্শ রাষ্ট্র এবং ন্যায়বিচার সম্পর্কে তাঁর সুদূরপ্রসারী ও দার্শনিক ধারণা তুলে ধরেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সক্রেটিস — তিনি প্লেটোর শিক্ষক ছিলেন কিন্তু কোনো লিখিত গ্রন্থ রেখে যাননি, তাঁর দর্শন প্লেটোর লেখায় পাওয়া যায়। B) প্লেটো — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি এই অমর গ্রন্থের রচয়িতা। C) অ্যারিস্টটল — তিনি প্লেটোর ছাত্র ছিলেন এবং তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থের নাম পলিটিক্স। D) ম্যাকিয়াভেলি — তিনি রেনেসাঁ যুগের রাজনৈতিক চিন্তাবিদ এবং দ্য প্রিন্স গ্রন্থের লেখক। মনে রাখার টিপস: প্লেটোর নাম পি দিয়ে শুরু এবং তাঁর বিখ্যাত বই রিপাবলিকের মধ্যেও পি বর্ণটি খুঁজে পাওয়া যায়।
a 1965
b 1946
c 1957
d 1961
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1965 কেন সঠিক: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে ১৯৬৫ সালে ভোটাধিকার আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল। - এই আইনের মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোטদানের ক্ষেত্রে সকল প্রকার আইনি ও প্রশাসনিক বাধা দূর করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1965 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালে ঐতিহাসিক ভোটাধিকার আইন পাস হয়েছিল। B) 1946 — এই সালে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকার সংক্রান্ত কোনো প্রধান আইন পাস হয়নি। C) 1957 — এই সালে নাগরিক অধিকার আইন পাস হলেও তা ভোটাধিকার পুরোপুরি নিশ্চিত করতে পারেনি। D) 1961 — প্রদত্ত উত্তর ভুল ছিল, কারণ ১৯৬১ সালে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকার আইন পাস হয়নি, তবে নাগরিক অধিকার আন্দোলন জোরালো হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকার অর্জনের সাল মনে রাখতে ১৯৬৫ সালটি বিশেষভাবে স্মরণ রাখতে হবে।
a ১৫ আগস্ট ২০২১
b ৩১ আগস্ট ২০২১
c ২৯ আগস্ট ২০২১
d ৩১ জানুয়ারি ২০২১
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৯ আগস্ট ২০২১ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ওই দিন উত্তরার দিয়াবাড়ী ডিপো এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে মেট্রোরেলের চলাচল উদ্বোধন করেন। - এটি ছিল দেশের প্রথম মেট্রোরেল প্রকল্পের (এমআরটি লাইন-৬) পরীক্ষামূলক চলাচল বা ট্রায়াল রান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ আগস্ট ২০২১ — এই তারিখে মেট্রোরেলের পরীক্ষামূলক চলাচল শুরু হয়নি, এটি অন্য কোনো সরকারি প্রকল্পের নির্ধারিত দিন নয়। B) ৩১ আগস্ট ২০২১ — এই তারিখের সঙ্গে মেট্রোরেলের প্রথম পরীক্ষামূলক উদ্বোধনের কোনো ঐতিহাসিক সংশ্লিষ্টতা নেই। C) ২৯ আগস্ট ২০২১ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) ৩১ জানুয়ারি ২০২১ — এই তারিখে মেট্রোরেলের পরীক্ষামূলক চলাচল শুরু হয়নি, এটি কেবল ভুল একটি সাল ও তারিখ। মনে রাখার টিপস: মেট্রোরেলের পরীক্ষামূলক চলাচল শুরুর মাসটি ছিল আগস্ট এবং তারিখটি ছিল ২৯ দিন, যা ২০২১ সালের ঘটনা।
a আমেরিকা
b চীন
c রাশিয়া
d ভারত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চীন কেন সঠিক: - চীন উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহজে বড় অঙ্কের ঋণ দিয়ে তাদের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে। - এই ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে কৌশলগত বন্দর বা ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণের কূটনীতিকে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে চেকবুক কূটনীতি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমেরিকা — আমেরিকা মূলত সামরিক সহায়তা এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার নীতি অনুসরণ করে, একে চেকবুক কূটনীতি বলা হয় না। B) চীন — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই দেশটিই ঋণ বিতরণের মাধ্যমে এই কৌশল ব্যবহার করে। C) রাশিয়া — রাশিয়া মূলত জ্বালানি সরবরাহ এবং সামরিক অস্ত্র বিক্রির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক প্রভাব বিস্তার করে। D) ভারত — ভারত প্রতিবেশী দেশগুলোকে অনুদান ও সহজ শর্তে ঋণ দিয়ে সম্পর্ক উন্নয়নের নীতি অনুসরণ করে। মনে রাখার টিপস: টাকা বা চেক দিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করে যে দেশ, তার নাম চীন।
a মোস্তাফিজুর রহমান
b মেহেদী হাসান মিরাজ
c সাকিব আল হাসান
d তাইজুল ইসলাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মেহেদী হাসান মিরাজ কেন সঠিক: - মেহেদী হাসান মিরাজ টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম উইকেটের শতক বা ১০০ উইকেট শিকারকারী বোলার। - তিনি ২৪টি টেস্ট ম্যাচ খেলে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন, যা বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে কম ম্যাচে ১০০ উইকেট শিকারের রেকর্ড। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোস্তাফিজুর রহমান — তিনি একজন সফল পেস বোলার হলেও টেস্ট ক্রিকেটে দ্রুততম ১০০ উইকেট শিকারের রেকর্ডের অধিকারী নন। B) মেহেদী হাসান মিরাজ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি সবচেয়ে কম ২৪টি টেস্টে ১০০ উইকেট শিকার করেছেন। C) সাকিব আল হাসান — তিনি বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে সর্বাধিক উইকেটের মালিক হলেও মিরাজের চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলে ১০০ উইকেট পূর্ণ করেছিলেন। D) তাইজুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের অন্যতম সেরা স্পিনার হলেও দ্রুততম ১০০ উইকেট শিকারের দিক থেকে মিরাজের পেছনে রয়েছেন। মনে রাখার টিপস: টেস্টে দ্রুততম ১০০ উইকেটের মালিক মিরাজ, ২৪ ম্যাচ খেলে গড়েছেন এই ঐতিহাসিক রেকর্ড।
a ইরাক
b ইরান
c সৌদি আরব
d ওমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৌদি আরব কেন সঠিক: - সৌদি আরব একটি নিরঙ্কুশ রাজতন্ত্র এবং দেশটিতে কোনো নির্বাচিত সংসদ বা আইনসভা নেই। - দেশটির রাজা ও রাজপরিবারের ইচ্ছা এবং ইসলামিক শরিয়াহ আইন অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরাক — ইরাকে একটি নির্বাচিত সংসদ রয়েছে যা দেশটির আইন প্রণয়ন করে। B) ইরান — ইরানে ইসলামিক কনসালটেশনেবল অ্যাজেমবলি বা সংসদ রয়েছে। D) ওমান — ওমানের মজলিস আল শূরা নামে একটি নির্বাচিত পরামর্শক সংসদ রয়েছে। মনে রাখার টিপস: সৌদি রাজপরিবার সরাসরি দেশ চালায়, তাই সেখানে সংসদের প্রয়োজন হয় না।
a বাংলা
b ইংরেজি
c সমাজবিজ্ঞান
d রাষ্ট্রবিজ্ঞান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইংরেজি কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থটি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সম্মান শ্রেণীর পাঠ্যসূচীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। - বিশ্বসাহিত্যের সাথে শিক্ষার্থীদের পরিচিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশের ইতিহাস ও আত্মজীবনীমূলক সাহিত্য ইংরেজি মাধ্যমে অধ্যয়নের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা — যদিও এটি একটি বাংলা সাহিত্যকর্ম, তবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রন্থটি বিশেষভাবে ইংরেজি বিভাগের পাঠ্যসূচীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। B) ইংরেজি — এই অপশনটি সঠিক এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগেই গ্রন্থটি পাঠ্য করা হয়েছে। C) সমাজবিজ্ঞান — গ্রন্থটি সমাজবিজ্ঞান বিভাগের নিয়মিত পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই এটি ভুল অপশন। D) রাষ্ট্রবিজ্ঞান — রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে রাজনৈতিক ইতিহাস পড়ানো হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটি এই বিভাগের মূল পাঠ্যসূচীতে অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন অধ্যাপক ফকরুল আলম, যা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের পাঠ্যসূচীতে পড়ানো হয়।
a ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০
b ৩১ জানুয়ারি ২০২০
c ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১
d ১৬ আগস্ট ২০২১
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩১ জানুয়ারি ২০২০ কেন সঠিক: - যুক্তরাজ্য ২০১৬ সালের গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যায়। - এই চুক্তি কার্যকরের মাধ্যমে যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ ও বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক আনুষ্ঠানিকভাবে ছিন্ন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ — এটি ব্রেক্সিট কার্যকরের তারিখ নয়, এটি একটি ভুল তারিখ যা পরীক্ষার বিভ্রান্তির জন্য দেওয়া হয়েছে। B) ৩১ জানুয়ারি ২০২০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই ব্রেক্সিট আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হয়েছিল। C) ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১ — এই তারিখে ব্রেক্সিট কার্যকর হয়নি, এটি একটি কাল্পনিক বা অসম্পর্কিত তারিখ। D) ১৬ আগস্ট ২০২১ — এটি ব্রেক্সিট কার্যকরের কোনো ঐতিহাসিক দিন বা সাল নয়। মনে রাখার টিপস: ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসের শেষ দিন অর্থাৎ ৩১ তারিখে যুক্তরাজ্য ইইউ ত্যাগ করে ব্রেক্সিট কার্যকর করেছিল।
a O2
b নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড
c সালফার ডাই-অক্সাইড
d CO2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) CO২ ১. কেন সঠিক: - ড্রাই আইস বা শুষ্ক বরফ তৈরিতে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস ব্যবহার করা হয়। - গ্যাসীয় কার্বন ডাই-অক্সাইডকে অতিরিক্ত ঠান্ডা ও উচ্চ চাপে ঘনীভূত করে তরলে পরিণত করার পর হঠাৎ চাপ কমালে এটি সরাসরি কঠিন বরফে রূপান্তরিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে বরফ পানি থেকে তৈরি না হয়ে সরাসরি কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস থেকে তৈরি হয় এবং গললে তরল না হয়ে সরাসরি গ্যাসে পরিণত হয়, তাকে ড্রাই আইস বলে। - কার্যপ্রণালি: সাধারণ বায়ুমণ্ডলের চাপে তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড মাইনাস ৭৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সরাসরি কঠিন রূপ ধারণ করে। - কারণ ও ফলাফল: এই প্রক্রিয়ায় কোনো জলীয় বাষ্প থাকে না বলে এটি ছোঁয়ার পর হাত ভিজে যায় না এবং এটি অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রা বজায় রাখতে পারে। - বাস্তব প্রয়োগ: আইসক্রিম বা পচনশীল খাদ্যদ্রব্য ঠান্ডা ও সতেজ রাখতে এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণাগারে নিম্ন তাপমাত্রা সৃষ্টি করতে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইসক্রিম পার্সেল বা হোম ডেলিভারির সময় বাক্সে ড্রাই আইস ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি গলে পানি হয় না বলে কাগজের বাক্স বা আইসক্রিম নষ্ট হয় না এবং দীর্ঘক্ষণ শক্ত থাকে। উদাহরণ ২: সিনেমা হলের মঞ্চে কৃত্রিম কুয়াশা তৈরিতে ড্রাই আইস ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: গরম পানির সংস্পর্শে এলে ড্রাই আইস দ্রুত গ্যাসীয় কার্বন ডাই-অক্সাইডে রূপান্তরিত হয়ে ঘন ধোঁয়া বা কুয়াশার সৃষ্টি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) O২ — এটি অক্সিজেন গ্যাস, যা জীবের শ্বাসকার্য এবং যেকোনো বস্তু দহনে সহায়তা করে কিন্তু ড্রাই আইস তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না। B) নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড — এটি একটি বিষাক্ত বাদামী রঙের গ্যাস, যা বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ এবং অ্যাসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী। C) সালফার ডাই-অক্সাইড — এটি তীব্র গন্ধযুক্ত একটি ক্ষতিকর গ্যাস যা প্রধানত শিল্প কারখানার বর্জ্য ও জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে সৃষ্টি হয়। D) CO২ — এটি কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস, যাকে উচ্চ চাপ ও ঠান্ডায় পরিণত করে ড্রাই আইস বা শুষ্ক বরফ তৈরি করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ড্রাই আইস বা শুষ্ক বরফের মূল উপাদান হলো সোডা ওয়াটারে ব্যবহৃত সেই গ্যাস, যাকে আমরা কার্বন ডাই-অক্সাইড বা CO২ বলি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ড্রাই আইসের তাপমাত্রা প্রায় মাইনাস ৭৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং এটি ঊর্ধ্বপাতন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সরাসরি গ্যাসে রূপান্তরিত হয়। - এই একই প্রশ্নটি কখনো ঘুরিয়ে আসতে পারে যে, কোন পদার্থের ঊর্ধ্বপাতন ঘটে বা বায়ুমণ্ডলে কঠিন কার্বন ডাই-অক্সাইড কী নামে পরিচিত।
a ট্যালক
b হীরা
c চুনাপাথর
d সিলিকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ট্যালক ১. কেন সঠিক: ট্যালক হলো প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্ত একটি খনিজ যা মোহস স্কেলের একেবারে শুরুতে অবস্থিত। এর নমনীয়তা এত বেশি যে এটি মানুষের আঙুলের নখ দিয়েই সহজেই আঁচড় কেটে কেটে ফেলা যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: খনিজের কঠোরতা পরিমাপের জন্য জার্মান ভূতত্ত্ববিদ ফ্রেডরিখ মোহস ১৮১২ সালে একটি শক্তিমাত্রা বা স্কেল আবিষ্কার করেন। এই স্কেলে ১ থেকে ১০ পর্যন্ত সংখ্যা ব্যবহার করে খনিজগুলোর আপেক্ষিক কঠোরতা নির্ধারণ করা হয়। স্কেলের সর্বনিম্ন মান ১ হলো ট্যালকের জন্য এবং সর্বোচ্চ মান ১০ হলো হীরার জন্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ট্যালকম পাউডার বা বেবি পাউডার তৈরির প্রধান কাঁচামাল হলো এই ট্যালক খনিজ। এটি পিষে অতি সূক্ষ্ম গুঁড়ো করে ত্বকে ব্যবহার করা হয় কারণ এটি অত্যন্ত নরম এবং ত্বকে কোনো আঘাত করে না। ব্যাখ্যা: ট্যালকের নরম গুণাগুণ একে প্রসাধন শিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহারের উপযোগী করে তুলেছে যা অন্য কোনো কঠিন খনিজ দিয়ে সম্ভব নয়। উদাহরণ ২: দর্জিদের চক বা টেইলার্স চক তৈরিতে ট্যালক ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: নরম হওয়ার কারণে এটি কাপড়ের ওপর সহজে দাগ কাটতে পারে এবং ঘষলে সহজেই উঠে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ট্যালক — এটি সঠিক উত্তর কারণ মোহস কঠোরতা স্কেলে এর মান ১ এবং এটিই সবচেয়ে নরম খনিজ। B) হীরা — এটি ভুল কারণ হীরা মোহস স্কেলে সর্বোচ্চ ১০ মান বিশিষ্ট এবং এটি পৃথিবীর সবচেয়ে শক্ত প্রাকৃতিক পদার্থ। C) চুনাপাথর — এটি ভুল কারণ চুনাপাথরের মোহস কঠোরতা প্রায় ৩ এর কাছাকাছি, যা ট্যালকের চেয়ে অনেক বেশি শক্ত। D) সিলিকা — এটি ভুল কারণ সিলিকা বা কোয়ার্টজ খনিজের মোহস কঠোরতা ৭, যা কাঁচ কাটতেও সক্ষম এবং ট্যালকের চেয়ে বহুগুণ শক্ত। ৫ মনে রাখার টিপস: ট্যালক নামটির সঙ্গে ট্যালকম পাউডারের মিল রয়েছে যা আমরা ত্বকে মাখি এবং এটি খুব নরম হয়। এভাবে মনে রাখা যায় যে সবচেয়ে নরম জিনিস দিয়েই পাউডার তৈরি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মোহস স্কেল থেকে প্রশ্ন আসে যেমন সবচেয়ে শক্ত খনিজ কোনটি। এই প্রশ্ন থেকে হীরা বা ট্যালক সম্পর্কিত বিভিন্ন খনিজের কঠোরতার ক্রম মনে রাখা জরুরি।
a সালফিউরিক এসিড
b অক্সালিক এসিড
c হাইড্রোক্লোরিক এসিড
d নাইট্রিক এসিড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অক্সালিক এসিড ১. কেন সঠিক: - অক্সালিক এসিড একটি দুর্বল এসিড কারণ এটি জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে বিয়োজিত হয় না এবং আংশিকভাবে হাইড্রোজেন আয়ন উৎপন্ন করে। - এটি জৈব এসিড হওয়ায় এর অম্লীয়強度 খনিজ এসিডের তুলনায় অনেক কম হয়ে থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে এসিড জলীয় দ্রবণে আংশিক বিয়োজিত হয়ে অল্প পরিমাণে হাইড্রোজেন আয়ন উৎপন্ন করে, তাকে দুর্বল এসিড বলে। - রাসায়নিক প্রকৃতি: অক্সালিক এসিড একটি জৈব যৌগ যার রাসায়নিক সংকেত হলো C2H2O4 এবং এটি সাধারণত উদ্ভিজ্জ উৎসে পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: টমেটো বা পালং শাকের টক স্বাদ। ব্যাখ্যা: এগুলোতে অক্সালিক এসিডসহ বিভিন্ন দুর্বল জৈব এসিড উপস্থিত থাকে যা মানবদেহে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না। উদাহরণ ২: লেবুর রসের সাইট্রিক এসিড। ব্যাখ্যা: এটিও একটি দুর্বল জৈব এসিড যা খাদ্যদ্রব্যে স্বাদ বৃদ্ধি করে এবং সহজেই হজম হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সালফিউরিক এসিড — এটি একটি প্রবল খনিজ এসিড যা জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণ বিয়োজিত হয়। B) অক্সালিক এসিড — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি দুর্বল জৈব এসিড। C) হাইড্রোক্লোরিক এসিড — এটি একটি শক্তিশালী অজৈব এসিড যা পাকস্থলীতে পাওয়া গেলেও অত্যন্ত ক্ষয়কারী। D) নাইট্রিক এসিড — এটি একটি তীব্র এসিড যা জলীয় দ্রবণে শতভাগ বিয়োজিত হয়ে প্রচুর হাইড্রোজেন আয়ন দেয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সাধারণত যেসব এসিড ফলমূল বা উদ্ভিদে পাওয়া যায় অর্থাৎ জৈব এসিড, সেগুলো দুর্বল এসিড হয়। অন্যদিকে ল্যাবরেটরিতে ব্যবহৃত খনিজ এসিডগুলো প্রবল এসিড হিসেবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রবল ও দুর্বল এসিডের উদাহরণ জানতে চাওয়া হয়। ভিনেগারে উপস্থিত অ্যাসিটিক এসিড এবং তেঁতুলে উপস্থিত টারটারিক এসিডও দুর্বল এসিডের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
a তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে
b যান্ত্রিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করে
c বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে
d শব্দ শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে ১. কেন সঠিক: লাউড স্পিকার বৈদ্যুতিক সংকেতকে মানুষের শ্রবণযোগ্য শব্দ তরঙ্গে রূপান্তরিত করার যন্ত্র। এর ভেতরে থাকা তড়িচ্চুম্বক ও পার্মানেন্ট চুম্বকের মিথস্ক্রিয়া তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক গতি এবং পরবর্তীতে শব্দে পরিণত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: শক্তির রূপান্তর প্রক্রিয়ায় লাউড স্পিকার মূলত বৈদ্যুতিক শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। কার্যপ্রণালি: অ্যামপ্লিফায়ার থেকে আসা বৈদ্যুতিক সংকেত স্পিকারের ভয়েস কয়েলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হলে চুম্বকক্ষেত্র তৈরি হয়। এই চৌম্বকীয় মিথস্ক্রিয়ার ফলে কয়েলসহ স্পিকারের ডায়াফ্রাম কম্পিত হয় এবং বাতাসে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোফোন বা কথা বলার চোঙা। ব্যাখ্যা: মাইক্রোফোন ঠিক উল্টো কাজ করে শব্দ শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। উদাহরণ ২: ঘরের মিউজিক সিস্টেম বা সাউন্ড বক্স। ব্যাখ্যা: এটি গান বা চালিত বিদ্যুৎ প্রবাহকে স্পিকারের মাধ্যমে জোরালো শব্দে পরিণত করে আমাদের শোনায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে — এটি লাউড স্পিকারের সঠিক কার্যপ্রণালি। B) যান্ত্রিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করে — এই রূপান্তরটি ডায়নামো বা জেনারেটরের ক্ষেত্রে ঘটে, লাউড স্পিকারের ক্ষেত্রে নয়। C) বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে — এটি বৈদ্যুতিক মোটরের কাজ, যা লাউড স্পিকারের মূল চূড়ান্ত আউটপুট নয়। D) শব্দ শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে — এই প্রক্রিয়াটি মাইক্রোফোনে ঘটে, যেখানে শব্দকে বৈদ্যুতিক সিগন্যালে রূপান্তর করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: স্পিকার আমাদের শব্দ শোনায়, তাই এর ইনপুট বিদ্যুৎ এবং আউটপুট শব্দ। সংক্ষেপে মনে রাখতে পারো স্পিকার মানে শব্দ তৈরি করা যন্ত্র, যার উৎস হলো বিদ্যুৎ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শক্তির রূপান্তর সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে জেনারেটর, মোটর এবং মাইক্রোফোনের শক্তির রূপান্তর সংক্রান্ত প্রশ্নও পরীক্ষাতে আসতে পারে।
a ইনসুলিন
b পেপলিন
c পেনিসিলিন
d ইথিলিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তরটি বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়। পঁচা ডিমের দুর্গন্ধের মূল কারণ হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস। নিচে বিস্তারিত সঠিক ব্যাখ্যা দেওয়া হলো। ১. কেন সঠিক: পঁচা ডিমের তীব্র গন্ধের জন্য মূলত হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস দায়ী। ডিমে থাকা প্রোটিনের সালফার বা গন্ধক যৌগ পচে এই গ্যাস উৎপন্ন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ডিমের কুসুম এবং সাদা অংশে প্রোটিন থাকে যাতে সালফার বা গন্ধক পরমাণু বিদ্যমান। কার্যপ্রণালি: ডিম নষ্ট হলে ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবে প্রোটিন ভেঙে হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস তৈরি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেদ্ধ ডিমের কুসুমের চারপাশে অনেক সময় যে কালচে আস্তরণ দেখা যায় তা আয়রন সালফাইড। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত তাপে ডিমের ভেতরের সালফার ও আয়রনের প্রতিক্রিয়ায় এটি গঠিত হয়। উদাহরণ ২: পচা পেঁয়াজ বা রসুনের দুর্গন্ধ। ব্যাখ্যা: এগুলোতেও সালফারযুক্ত যৌগ থাকে যা পচে দুর্গন্ধ ছড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইনসুলিন — এটি অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত রক্তে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণকারী একটি হরমোন। ডিমের পচনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) পেপলিন — এটি একটি ভুল শব্দ, সঠিক শব্দ পেপসিন যা প্রোটিন পরিপাককারী একটি গ্যাস্ট্রিক এনজাইম। C) পেনিসিলিন — এটি আলেকজান্ডার ফ্লেমিং কর্তৃক আবিষ্কৃত বিশ্বের প্রথম জীবন রক্ষাকারী অ্যান্টিবায়োটিক বা জীবাণুরোধী ওষুধ। D) ইথিলিন — এটি একটি ফল পাকানোর প্রাকৃতিক হরমোন বা গ্যাসীয় প্ল্যান্ট হরমোন, যা ডিমের পচা গন্ধের জন্য দায়ী নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পচা ডিমের গন্ধে সালফার থাকে এবং সালফারযুক্ত গ্যাসের মধ্যে হাইড্রোজেন সালফাইড সবচেয়ে পরিচিত। ইথিলিন গ্যাস কেবল ফল পাকাতে সাহায্য করে এটি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পচা ডিমের দুর্গন্ধ সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাসের রাসায়নিক সংকেত হলো এইচ টু এস।

মোট প্রশ্ন (18)

a মুমুষু
b অনুষঙ্গ
c বর্ষণ
d ভীষণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভীষণ ১. কেন সঠিক: - নিয়ম অনুযায়ী ই-কার বা উ-কারান্ত উপসর্গের পর ক, খ, প, ফ থাকলে মূর্ধন্য ষ হয়। ভীষণ শব্দে এই সাধারণ নিয়ম কাজ করে না। - স্বাভাবিক নিয়মের বাইরে গিয়ে যে শব্দগুলোতে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়, তাদেরকে নিপাতনে সিদ্ধ ষ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম শব্দে ই-কার বা উ-কারান্ত উপসর্গের পরে ষ হয়। ভীষণ শব্দটি এই নিয়মের ব্যতিক্রম হিসেবে নিপাতনে সিদ্ধ হয়েছে। - নিপাতনে সিদ্ধ শব্দের অর্থ হলো যা কোনো সাধারণ নিয়মের মধ্যে পড়ে না বরং প্রাকৃতিকভাবে বা ব্যবহারের মাধ্যমে সিদ্ধ হয়ে গেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রোষ ব্যাখ্যা: এটিও একটি নিপাতনে সিদ্ধ ষ এর উদাহরণ যেখানে সাধারণ নিয়ম প্রযোজ্য হয়নি। উদাহরণ ২: ভাষণ ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও স্বাভাবিক নিয়মের বাইরে গিয়ে মূর্ধন্য ষ এর ব্যবহার হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুমুষু — এই শব্দটি বানানগতভাবে ভুল কারণ এর সঠিক রূপ হলো মুমূর্ষু যেখানে রেফ এর পর ষ ব্যবহৃত হয়। B) অনুষঙ্গ — এটি নিপাতনে সিদ্ধ ষ নয় কারণ এখানে অনু উপসর্গের প্রভাবে স্বাভাবিক নিয়মেই ষ এসেছে। C) বর্ষণ — এই শব্দটিতে ঋ-কার যুক্ত হওয়ার কারণে স্বাভাবিক নিয়মেই মূর্ধন্য ষ এর ব্যবহার হয়েছে। D) ভীষণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে কোনো সাধারণ নিয়ম ছাড়াই নিপাতনে সিদ্ধভাবে ষ বসেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভীষণ, রোষ ও ভাষণ শব্দগুলো নিপাতনে সিদ্ধ ষ এর সবচেয়ে সাধারণ উদাহরণ। - পরীক্ষার হলে এই শব্দগুলো দেখলে নিপাতনে সিদ্ধ হিসেবে দাগাবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নিপাতনে সিদ্ধ শব্দগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বানান ও সন্ধি বা প্রত্যয় অংশে আসে। - সাধারণ নিয়ম না মিললে শব্দটির উৎস ও প্রকৃতি ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a বিধু
b ভুজ
c ভানু
d তপন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিধু ১. কেন সঠিক: - বিধু শব্দটির অর্থ হলো চাঁদ। এটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যা বাংলা কবিতায় চন্দ্রের সমার্থক হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়। - প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে চাঁদ শব্দটির সমার্থক শব্দ কোনটি এবং বিধু সরাসরি চাঁদের একটি সুপরিচিত প্রতিশব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমাহার যেগুলোর অর্থ প্রায় একই রকম হয়। বাংলা ভাষায় সংস্কৃত প্রাকৃত ও দেশি ভাষার প্রভাবে অনেক সমার্থক শব্দ তৈরি হয়েছে। - চাঁদের অনেকগুলো তৎসম সমার্থক শব্দ রয়েছে যেমন শশাঙ্ক সুধাংশু চন্দ্র ইন্দু ও বিধু। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গগনে আজ উঠেছে শশাঙ্ক। ব্যাখ্যা: এখানে শশাঙ্ক শব্দটি চাঁদের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: রাতে আকাশে শোভা পায় পূর্ণেন্দু। ব্যাখ্যা: এখানে পূর্ণেন্দু শব্দটি পূর্ণ চাঁদের অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিধু — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ চাঁদ। B) ভুজ — এই অপশনটি ভুল কারণ ভুজ শব্দের অর্থ হাত বা বাহু। C) ভানু — এই অপশনটি ভুল কারণ ভানু শব্দের অর্থ সূর্য। D) তপন — এই অপশনটি ভুল কারণ তপন শব্দের অর্থ সূর্য বা তাপদাতা। ৫. মনে রাখার টিপস: - চাঁদের সাথে যুক্ত শব্দে সাধারণত অংশ বা কর শব্দ থাকে যেমন সুধাংশু শশাঙ্ক। - সূর্য বোঝাতে ভানু রবি তপন এবং চাঁদ বোঝাতে বিধু সুধাংশু মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চাঁদ ও সূর্য সম্পর্কিত সমার্থক শব্দ প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে। - তাই বিধু শশাঙ্ক চন্দ্র হলো চাঁদ এবং ভানু রবি তপন হলো সূর্য, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b অতুল প্রসাদ
c কাজী নজরুল ইসলাম
d রজনীকান্ত সেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - 'শূন্য এ বুকে পাখি মোর আয়' গানটির রচয়িতা বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। - এটি তাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ভক্তিগীতি ও ইসলামি গান, যা মানুষের অন্তরের আকুতি প্রকাশ করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি অজস্র শ্যামাসংগীত, ইসলামি গান ও ভক্তিগীতি রচনা করেছেন। - তাঁর রচিত গানগুলোকে সাধারণত নজরুলসংগীত বলা হয়, যা বাংলা সঙ্গীত জগতের এক অনন্য সম্পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হে শিকলপরা ছল ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী গান। উদাহরণ ২: দৌলত মাজারের গান ব্যাখ্যা: এটিও কবি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত ভক্তিমূলক গানের একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি এই গানের রচয়িতা নন, কারণ এটি তাঁর ব্রহ্মসংগীত বা পূজা পর্যায়ের গানের অন্তর্ভুক্ত নয়। B) অতুল প্রসাদ — ইনি বাংলা আধুনিক গান ও দেশাত্মবোধক গানের জন্য বিখ্যাত হলেও এই গানটির রচয়িতা নন। C) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক এবং গানটির রচয়িতা হিসেবে পরীক্ষিত সত্য। D) রজনীকান্ত সেন — ইনি ভক্তিগীতি ও কানাইলাল প্রণীত গানের জন্য পরিচিত হলেও এই গানের সঙ্গে যুক্ত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - শূন্য বুকে পাখির আগমন বা আকুলতার গানগুলো সাধারণত নজরুলের ভাবগম্ভীর গীতিসাহিত্যের অংশ হিসেবে মনে রাখা যায়। - কবির ইসলামি ও ভক্তিমূলক গানগুলোর ভাবার্থ থেকে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে অনুমান করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির বিখ্যাত গান ও কবিতার লাইন প্রায়ই তুলে দেওয়া হয়। - নজরুলসংগীতের বিভিন্ন ধারা ও বিখ্যাত পঙক্তিগুলো আলাদা করে নোট করে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত উপকারী।
a সঞ্চিতা
b সঞ্চয়িতা
c অগ্নি-বীণা
d মৃত্যুক্ষুধা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সঞ্চিতা ১. কেন সঠিক: কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর বিখ্যাত কবিতা সংকলন 'সঞ্চিতা' গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেণির কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শনের জন্য বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এই গ্রন্থটি তাঁকে উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: 'সঞ্চিতা' হলো কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতাগুলোর একটি সংকলন যা ১৯২৮ সালে প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে নজরুলের বিদ্রোহী, প্রেম ও সাম্যবাদী চেতনার বহু বিখ্যাত কবিতা স্থান পেয়েছে যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'অগ্নি-বীণা' কাব্যগ্রন্থটি বিপ্লবী রাজনীতিক ও বন্ধু বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। ব্যাখ্যা: এই উৎসর্গ থেকে নজরুলের সঙ্গে তাঁর সমসাময়িক রাজনৈতিক ও বিপ্লবীদের সম্পর্কের পরিচয় পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সঞ্চয়িতা' গ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করা হয়নি বরং এটি তাঁর নিজের কবিতার সংকলন। ব্যাখ্যা: এই তথ্যটি দুটি গ্রন্থের মধ্যে বিভ্রান্তি দূর করতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঞ্চিতা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কবিতা সংকলনটিই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। B) সঞ্চয়িতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিজের কবিতার সংকলন, যা কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করা হয়নি। C) অগ্নি-বীণা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করা হয়। D) মৃত্যুক্ষুধা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, কোনো কবিতা সংকলন বা উৎসর্গিত গ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের কবিতার বই রবীন্দ্রনাথকে দেওয়া হয়েছে যার নাম 'সঞ্চিতা' আর রবীন্দ্রনাথের নিজের বইয়ের নাম 'সঞ্চয়িতা'। নাম দুটির এই সূক্ষ্ম পার্থক্য মনে রাখলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আর ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উৎসর্গপত্র সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। কোন লেখক কার উদ্দেশ্যে বই উৎসর্গ করেছেন, তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a গণনাবাচক শব্দ
b তারিখবাচক শব্দ
c পূরণবাচক শব্দ
d অঙ্কবাচক শব্দ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পূরণবাচক শব্দ ১. কেন সঠিক: - পূরণবাচক শব্দ বলতে এমন সংখ্যাবাচক শব্দকে বোঝায় যা কোনো বস্তু বা ব্যক্তির ক্রম, অবস্থান বা সিরিয়াল প্রকাশ করে। - তৃতীয় শব্দটি দ্বারা দুইয়ের পরের বা তৃতীয় ক্রম নির্দেশ করা হয়েছে, যা কোনো পরিমাপ বা তারিখ নয় বরং অবস্থান প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সংখ্যাবাচক শব্দ প্রধানত চার প্রকার যথা অঙ্কবাচক, গণনাবাচক, ক্রমবাচক বা পূরণবাচক এবং তারিখবাচক। - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ইত্যাদি শব্দগুলো সংস্কৃত নিয়মে গঠিত পূরণবাচক শব্দ, যা নির্দিষ্ট কোনো পদের ক্রম বা অবস্থান বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম ব্যাখ্যা: এটি একটি পূরণবাচক শব্দ যা সবার আগের বা প্রথম অবস্থান নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: চতুর্থ ব্যাখ্যা: এটি একটি পূরণবাচক শব্দ যা তিনের পরের বা চতুর্থ ক্রম নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গণনাবাচক শব্দ — গণনাবাচক শব্দ দ্বারা সংখ্যা গণনা করা বোঝায় যেমন এক, দুই, তিন ইত্যাদি, কিন্তু তৃতীয় কোনো গণনা নয় বরং ক্রম বোঝায়। B) তারিখবাচক শব্দ — তারিখবাচক শব্দ বাংলা মাসের তারিখ প্রকাশ করার জন্য ব্যবহৃত হয় যেমন পয়হেলা, দোসরা, তেসরা ইত্যাদি। D) অঙ্কবাচক শব্দ — অঙ্কবাচক শব্দ হলো সংখ্যার সাংকেতিক রূপ বা ডিজিট যেমন ১, ২, ৩ ইত্যাদি। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্রম বা সিরিয়াল বোঝালেই তা পূরণবাচক শব্দ হবে। - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ দেখলে চোখ বন্ধ করে পূরণবাচক দাগাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্রমবাচক ও পূরণবাচক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাংলা মাসের তারিখবাচক রূপ যেমন তেসরা, চৌঠা এবং ক্রমবাচক রূপ যেমন তৃতীয়, চতুর্থ এর পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখবে।
a জটিল বাক্য
b যৌগিক বাক্য
c সরল বাক্য
d বিযুক্ত বাক্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সরল বাক্য ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা বা উদ্দেশ্য এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া বা বিধেয় থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। প্রদত্ত বাক্যে জ্ঞানী লোক হলো উদ্দেশ্য বা কর্তা এবং শ্রদ্ধা পান হলো সমাপিকা ক্রিয়া, যা একটি মাত্র সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্য গঠনের দিক থেকে বাক্য প্রধানত তিন প্রকার যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য এবং যৌগিক বাক্য। সরল বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য বা আশ্রিত বাক্য থাকে না এবং কোনো যোজক দ্বারা বাক্যগুলো সংযুক্ত থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি একটি সরল বাক্য কারণ এখানে একটি মাত্র উদ্দেশ্য এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে। উদাহরণ ২: পরিশ্রমীরাই জীবনে সফল হয়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যেও একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া বর্তমান থাকায় এটি সরল বাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জটিল বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ জটিল বাক্যে একটি প্রধান বাক্যের সাথে এক বা একাধিক নির্ভরশীল বা আশ্রিত বাক্য যুক্ত থাকে এবং যা, সে, যিনি, তার মতো সাপেক্ষ সর্বনাম থাকে। B) যৌগিক বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ যৌগিক বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য এবং, কিন্তু, কিংবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে। D) বিযুক্ত বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলা ব্যাকরণে বাক্য রূপান্তরের ক্ষেত্রে এই নামে কোনো নির্দিষ্ট বা স্বীকৃত বাক্যরীতি নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: সরল বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকবে এবং কোনো যোজক বা সাপেক্ষ সর্বনাম থাকবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে সমাপিকা ক্রিয়ার সংখ্যা এবং যোজকের ব্যবহার লক্ষ করতে হবে।
a পনেরটি
b উনিশটি
c বিশটি
d একুশটি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিশটি ১. কেন সঠিক: সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ নির্দিষ্টভাবে বিশটি। বাংলা ব্যাকরণে শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠনকারী অব্যয় সূচক শব্দাংশকে উপসর্গ বলে এবং তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা নির্দিষ্ট। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত উপসর্গগুলো তৎসম শব্দের পূর্বে যুক্ত হয় এবং বাংলা ভাষায় সরাসরি ব্যবহৃত হয়। বাংলা ব্যাকরণবিদদের মতে এই উপসর্গগুলোর নির্দিষ্ট তালিকা রয়েছে যা মুখস্থ রাখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার ব্যাখ্যা: প্র একটি সংস্কৃত উপসর্গ যা মূল শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: পরি + পূর্ণ = পরিপূর্ণ ব্যাখ্যা: পরি একটি সংস্কৃত উপসর্গ যা বিশেষ অর্থ দ্যোতনায় ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পনেরটি — এই সংখ্যাটি কোনো উপসর্গ শ্রেণীর সাথে মেলে না। B) উনিশটি — বাংলা উপসর্গ সংখ্যায় উনিশটি, তৎসম উপসর্গ নয়। D) একুশটি — এই সংখ্যাটি বাংলা ব্যাকরণের কোনো নির্দিষ্ট উপসর্গ নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত উপসর্গ বিশটি মনে রাখার জন্য সু প্র পরা অপ সম নি অব অনু নির্ দুর্ বি অধি সু উৎ পরি প্রতি অভি অতি অপি সু অভি সূত্র মনে রাখতে পারো। বাংলা উপসর্গ উনিশটি এবং তৎসম উপসর্গ বিশটি এই সংখ্যা দুটি গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা ও তৎসম উপসাগরের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন আসে। তাই বাংলা উপসর্গ উনিশটি এবং তৎসম উপসর্গ বিশটি এই তথ্যটি খুব ভালোভাবে মনে রাখবে।
a প্র, পরি
b সম, অব
c কু, নি
d অজ, অভি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কু, নি ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষায় উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। - 'কু' এবং 'নি' উভয়ই বাংলা ভাষায় প্রাকৃত ও দেশি শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত খাঁটি বাংলা উপসর্গ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় মোট একার্ডুবিংশতি অর্থাৎ একুশটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ রয়েছে। এগুলো সাধারণত খাঁটি বাংলা শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। - উপসর্গগুলোর নিজস্ব কোনো অর্থ নেই, তবে অন্য শব্দের পূর্বে বসে শব্দের অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন ঘটিয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুখ্যাত ব্যাখ্যা: এখানে 'কু' উপসর্গটি বাংলা অর্থে খারাপ বা মন্দ বোঝাতে বিশেষ্য পদের পূর্বে যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: নিখুঁত ব্যাখ্যা: এখানে 'নি' উপসর্গটি না বা অভাব অর্থ প্রকাশ করতে মূল শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্র, পরি — 'প্র' এবং 'পরি' উভয় উপসর্গই তৎসম বা সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে, তাই এটি ভুল। B) সম, অব — 'সম' এবং 'অব' দুটি উপসর্গই সংস্কৃত বা তৎসম শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত, খাঁটি বাংলা উপসর্গ নয়। C) কু, নি — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গের জোড়াকে সঠিকভাবে নির্দেশ করে। D) অজ, অভি — এখানে 'অজ' খাঁটি বাংলা উপসর্গ হলেও 'অভি' একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। ৫. মনে রাখার টিপস: - একুশটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ মনে রাখার একটি জনপ্রিয় ছন্দ হলো: আ সু নি পা হা / অঘা অজ আব আন / রাম সতি শা হাড় / বি তি ই কুনো রাম। - ছন্দের এই শব্দগুলোর মধ্যে 'কু' এবং 'নি' দুটিই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা খাঁটি বাংলা উপসর্গ হিসেবে পরীক্ষাগারে সহজে শনাক্ত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খাঁটি বাংলা উপসрга এবং তৎসম উপসর্গের সংখ্যা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি এবং তৎসম উপসর্গ বিশটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
a ষত্ব বিধান
b ণত্ব বিধান
c উপসর্গ
d প্রত্যয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ণত্ব বিধান ১. কেন সঠিক: - তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য ণ এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মকে ণত্ব বিধান বলা হয়। - বাংলা ভাষায় সাধারণত ট বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য ণ বসে এবং ত বর্গীয় ধ্বনির আগে দন্ত্য ন বসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তৎসম শব্দে ট বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের নিয়মই ণত্ব বিধান। - ঋ, র, ষ এর পরে মূর্ধন্য ণ বসে এবং তৎসম শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য ণ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কর্ণ ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে ঋ, র, ষ এর নিয়মে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: তৃণ ব্যাখ্যা: এখানেও তৎসম শব্দে ঋকার যুক্ত হওয়ার কারণে দন্ত্য ন এর পরিবর্তে মূর্ধন্য ণ বসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষত্ব বিধান — এটি তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য ষ ব্যবহারের নিয়ম নির্দেশ করে। B) ণত্ব বিধান — এটি সঠিক উত্তর যা তৎসম শব্দের বানানে ণ এর ব্যবহার বোঝায়। C) উপসর্গ — এটি শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। D) প্রত্যয় — এটি শব্দের বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ণত্ব বিধান কেবল তৎসম শব্দের বানানে প্রযোজ্য হয়। - রি, র, ষ এর পরে সবসময় মূর্ধন্য ণ বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দে ন এবং ণ এর ব্যবহার থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - স্বভাবতই মূর্ধন্য ণ হয় এমন শব্দগুলো ভালো করে মুখস্থ রাখা আবশ্যক।
a কণি
b যুধিষ্ঠির
c বিষাণ
d অভিলাষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যুধিষ্ঠির ১. কেন সঠিক: - যুধিষ্ঠির বানানটি অশুদ্ধ কারণ এর সঠিক রূপ হবে যুধিষ্ঠির যেখানে ষ এর পরিবর্তে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হবে না বরং ট বর্গের ধ্বনির সাথে মূর্ধন্য ষ যুক্ত হবে। - প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী যুদ্ধ যোগ স্থির মিলে যুধিষ্ঠির গঠিত হয় যেখানে পদমধ্যস্থ স মূর্ধন্য ষ এ রূপান্তরিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি ব্যঞ্জনসন্ধি ও ষত্ব বিধানের নিয়ম সম্পর্কিত ব্যাকরণগত প্রশ্ন যেখানে সন্ধির নিয়মে দ এর সাথে থ যুক্ত হয়ে ধ এবং স মূর্ধন্য ষ এ পরিবর্তিত হয়। - বাংলা বানানরীতিতে তৎসম শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য ষ এর ব্যবহার হয় এবং সন্ধিজাত শব্দে এই নিয়ম কঠোরভাবে অনুসৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরিষ্কার ব্যাখ্যা: পরি যোগ কার মিলে পরিষ্কার শব্দে মূর্ধন্য ষ যুক্ত হয় যা বানানের শুদ্ধ রূপ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: আবিষ্কার ব্যাখ্যা: আবি যোগ কার মিলে আবিষ্কার শব্দে মূর্ধন্য ষ এর সঠিক ব্যবহার দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কণি - এই বানানটি সঠিক এবং এটি প্রমিত বাংলা অভিধানের একটি নির্ভুল শব্দ যার অর্থ কণা বা ক্ষুদ্র অংশ। C) বিষাণ - এই বানানটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং এর অর্থ প্রকাণ্ড শিং বা রণবাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) অভিলাষ - এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল এবং এর অর্থ প্রবল ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা। ৫. মনে রাখার টিপস: - যুধিষ্ঠির বানানে সর্বদা মূর্ধন্য ষ ব্যবহার করতে হবে এবং থ এর সাথে যুক্ত বর্ণটি খেয়াল রাখতে হবে। - সন্ধির মাধ্যমে গঠিত শব্দগুলোর ক্ষেত্রে পূর্বপদের অন্তস্থিত স এবং পরপদের প্রথম বর্ণ মিলিয়ে সঠিক রূপ মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত এবং সন্ধিজাত বানান থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা বানান নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই জাতীয় বানান ভুল এড়ানো সম্ভব।
a কবিগান
b বৈষ্ণব পদ সাহিত্য
c নাথ সাহিত্য
d পুঁথি সাহিত্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কবিগান ১. কেন সঠিক: - এন্টনি ফিরিঙ্গি বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত কবিয়াল ছিলেন যিনি মূলত কবিগান রচনা ও পরিবেশন করতেন। - তাঁর রচিত গানগুলোতে ভক্তি ও তত্ত্বের পাশাপাশি বাংলার লোক সংস্কৃতির গভীর পরিচয় পাওয়া যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এন্টনি ফিরিঙ্গি অষ্টাদশ শতকের শেষভাগ ও উনবিংশ শতকের প্রথমার্ধে বাংলায় আবির্ভূত হন এবং বাংলা ভাষায় গান রচনা করে কবিগানকে সমৃদ্ধ করেন। - কবিগান হলো দুই দলের কবিয়ালদের মধ্যে ছন্দে ছন্দে গান ও তর্কের লড়াইমূলক এক ধরণের লোকসংগীত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোঁসাই সরকারের কবিগান ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকে প্রচলিত কবি গানের একটি ঐতিহ্যবাহী ধারা যেখানে প্রতিদ্বন্দিতা মূলক গান গাওয়া হতো। উদাহরণ ২: ভোলা ময়রার কবিগান ব্যাখ্যা: ভোলা ময়রাও এন্টনি ফিরিঙ্গির সমসাময়িক একজন বিখ্যাত কবিয়াল যিনি কবিগানের জন্য বিশেষ পরিচিত ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবিগান — এটি সঠিক কারণ এন্টনি ফিরিঙ্গি কবিগানের অন্যতম প্রধান রচয়িতা ছিলেন। B) বৈষ্ণব পদ সাহিত্য — এটি রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের লীলাভিত্তিক পদাবলী সাহিত্যের ধারা যার সঙ্গে এন্টনি ফিরিঙ্গির কবিগানের কোনো সম্পর্ক নেই। C) নাথ সাহিত্য — এটি ধর্মীয় ও যোগসাধনা ভিত্তিক প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের ধারা যা নাথ গুরুদের নিয়ে রচিত। D) পুঁথি সাহিত্য — এটি মধ্যযুগের মধ্য এশীয় বা দেশীয় মুসলিম কবিদের দ্বারা রচিত কাব্য ধারা যার বিষয়বস্তু ছিল ইসলামি ইতিহাস ও পুণ্যকথা। ৫. মনে রাখার টিপস: - এন্টনি ফিরিঙ্গি মানেই কবিগান। ফিরিঙ্গি সাহেবের বাংলা ভাষার প্রতি প্রেম এবং কবিগানের আসর মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তর সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এন্টনি ফিরিঙ্গি পর্তুগীজ বংশোদ্ভূত হলেও বাংলায় এসে কবিগান গেয়ে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। - বাংলা লোকসাহিত্যের ইতিহাস থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিয়ালদের নাম প্রায়শই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a সুবচন নির্বাসনে
b রক্তাক্ত প্রান্তর
c নূরলদীনের সারা জীবন
d পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ১. কেন সঠিক: - সৈয়দ শামসুল হকের লেখা পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় একটি কাব্যনাট্য যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত। - নাটকে গ্রামীণ মানুষের ওপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অত্যাচার এবং এর বিপরীতে সাধারণ মানুষের মুক্তির আকুতি তুলে ধরা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের এক বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক যিনি কবিতা উপন্যাস এবং নাটক রচনায় খ্যাতি অর্জন করেছেন। - এই নাটকটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে কাব্যনাট্যের এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিঙ্কর (কাব্যনাট্য) ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য যা নাট্যসাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। উদাহরণ ২: নুরুলদীনের সারাজীবন (নাটক) ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হকের রচিত ঐতিহাসিক নাটক যা কৃষক বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে লেখা হয়েছে কিন্তু মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুবচন নির্বাসনে — এটি আবদুল্লাহ আল মামুন রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক ও রাজনৈতিক নাটক কিন্তু সরাসরি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক নাটক নয়। B) রক্তাক্ত প্রান্তর — এটি মুনীর চৌধুরী রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক যা পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে। C) নূরলদীনের সারা জীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হকের নাটক হলেও এটি ব্রিটিশ বিরোধী ও কৃষক বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে রচিত। D) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক নাটক এবং এটিই প্রশ্নের সঠিক চাহিদা পূরণ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য মনে রাখতে পায়ের শব্দ মাথায় রাখবে কারণ এটি সৈয়দ শামসুল হকের বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য। সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্মগুলো পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকটির রচয়িতা সৈয়দ শামসুল হক এবং এটি একটি কাব্যনাট্য। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্যান্য নাটক ও উপন্যাসের নাম আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত।
a সভাসদ
b শুভেচ্ছা
c ফলবান
d তন্বী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শুভেচ্ছা ১. কেন সঠিক: - শুভেচ্ছা শব্দটি প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়নি, বরং এটি সন্ধির মাধ্যমে গঠিত একটি শব্দ। - শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ হলো শুভ + ইচ্ছা, যা গুণের নিয়মে শুভেচ্ছা গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সন্ধি হলো দুটি ধ্বনির মিলন। - শুভেচ্ছা শব্দটি অ বা আ কারের পর ই বা ঈ কার থাকলে উভয়ে মিলে এ কার হয়, এই নিয়মে সাধিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যোদয় ব্যাখ্যা: এটি সূর্য ও উদয় শব্দের সন্ধির মাধ্যমে গঠিত, প্রত্যয়যোগে নয়। উদাহরণ ২: যথোচিত ব্যাখ্যা: এটি যথা ও উচিত শব্দের সন্ধির মাধ্যমে গঠিত একটি শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সভাসদ — এটি সভা শব্দের সঙ্গে সদ প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তরের চাহিদা পূরণ করে না। B) শুভেচ্ছা — এটি সন্ধিসাধিত শব্দ হওয়ায় প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়নি এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) ফলবান — এটি ফল শব্দের সঙ্গে বান প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ, তাই এটি প্রত্যয়যোগে গঠিত। D) তন্বী — এটি তনু শব্দের সঙ্গে ঈ প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ, তাই এটি প্রত্যয়যোগে গঠিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - সন্ধিযুক্ত শব্দ চেনার জন্য শব্দের মাঝখানের অংশ ভেঙে দুটি অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় কিনা তা দেখতে হবে। - শুভেচ্ছা শব্দে কোনো প্রত্যয়যুক্ত অংশ বা প্রত্যয়ভিত্তিক অর্থ নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়যুক্ত শব্দ এবং সন্ধিসাধিত শব্দ আলাদা করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - শব্দ দেখলে আগে সন্ধি বিচ্ছেদ করার চেষ্টা করা উচিত।
a আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত
b তার কথা শুনে আমি আশ্চর্য্যান্বিত হলাম
c তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি মুগ্ধ
d সেদিন থেকে আমি সেখানে আর যায় না
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তার কথা শুনে আমি আশ্চর্য্যান্বিত হলাম ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে প্রদত্ত সঠিক উত্তর B) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা মূলত একটি বাক্যশুদ্ধির প্রশ্ন। তবে বাংলা ব্যাকরণ ও প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'আশ্চর্য্যান্বিত' একটি ভুল শব্দ এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে 'আশ্চর্য' শব্দের সঙ্গে 'অন্বিত' প্রত্যয় যুক্ত করে শুদ্ধ শব্দ গঠিত হয় 'আশ্চর্যন্বিত'। শব্দটির সঠিক গঠন হলো আশ্চর্য + অন্বিত = আশ্চর্যন্বিত, যেখানে ব্যঞ্জনসন্ধি ও প্রত্যয়জনিত নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি ঘটনাটি শুনে সবিস্ময় হলেন। ব্যাখ্যা: এখানে 'সবিস্ময়' একটি শুদ্ধ বিশেষণ পদ যা বাক্যকে প্রমিত করে তোলে। উদাহরণ ২: আপনার সদয় চিঠির জন্য ধন্যবাদ। ব্যাখ্যা: পত্র লিখন বা সাধারণ বাক্যে 'সদয়' শব্দটি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত — 'স্বপরিবারে' শব্দটি অশুদ্ধ কারণ 'সপরিবার' মানে পরিবারসহ, তাই 'সপরিবারে' লেখা উচিত। B) তার কথা শুনে আমি আশ্চর্য্যান্বিত হলাম — প্রদত্ত উত্তর অনুযায়ী এটি সঠিক ধরা হলেও ব্যাকরণগতভাবে 'আশ্চর্য্যান্বিত' একটি অপ্রমিত রূপ। C) তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি মুগ্ধ — 'পরশ্রীকাতরতা' একটি নেতিবাচক গুণ বা দোষ, যা নিয়ে মুগ্ধ হওয়া যায় না, তাই বাক্যটি অর্থগতভাবে ভুল। D) সেদিন থেকে আমি সেখানে আর যায় না — ক্রিয়াপদের রূপের সঙ্গে পুরুষ মেলেনি, সঠিক রূপ হবে আমি সেখানে আর যাই না। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যশুদ্ধি ও বানান নির্ণয়ের সময় শব্দের গঠন এবং প্রমিত রূপ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। অপ্রচলিত বা মিশ্রিত বানান যেমন আশ্চর্য্যান্বিত বর্জন করে প্রমিত বানান চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দগঠন ও প্রত্যয়জনিত ভুল বানানগুলো অপশনে দেওয়া হয়। তাই বাংলা একাডেমির বানান অভিধান অনুসরণ করে সঠিক শব্দ চেনার অভ্যাস করতে হবে।
a বুদ্ধদেব বসু
b দীনেশরঞ্জন দাশ
c সজনীকান্ত রায়
d প্রেমেন্দ্র মিত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দীনেশরঞ্জন দাশ ১. কেন সঠিক: - 'কল্লোল' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ। ১৯২৩ সালের বঙ্গাব্দ ১৩৩০ এর বৈশাখ মাসে এই পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। - বাংলা সাহিত্য জগতে আধুনিকতার সূচনা এবং কল্লোল যুগের উন্মেষ ঘটাতে এই পত্রিকার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'কল্লোল' পত্রিকা বিশ শতকের তৃতীয় ও চতুর্থ দশকে বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার জন্ম দেয় যাকে 'কল্লোল যুগ' বলা হয়। - এই পত্রিকার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম, বুদ্ধদেব বসু, অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের মতো প্রগতিশীল লেখকরা সাহিত্যচর্চা করতেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের 'কালাান্তর' ও 'বেদনা বসুমতী'। ব্যাখ্যা: এটি কল্লোল যুগের সাহিত্য ধারার একটি অন্যতম প্রধান নিদর্শন। উদাহরণ ২: বুদ্ধদেব বসুর 'বন্দির বন্দনা'। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটি কল্লোল যুগের আধুনিক মনন ও রোমান্টিকতার প্রকাশ ঘটায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — তিনি কল্লোল পত্রিকার অন্যতম প্রধান লেখক ও পরবর্তী সময়ে সম্পাদক হিসেবে যুক্ত ছিলেন, তবে প্রথম সম্পাদক নন। B) দীনেশরঞ্জন দাশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন। C) সজনীকান্ত রায় — তিনি 'শনিবারের চিঠি' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং কল্লোল গোষ্ঠীর সাহিত্যিকদের প্রধান সমালোচক ছিলেন। D) প্রেমেন্দ্র মিত্র — তিনি কল্লোল গোষ্ঠীর অন্যতম বিশিষ্ট লেখক ও কবি ছিলেন, কিন্তু প্রথম সম্পাদক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: কল্লোল পত্রিকার সম্পাদক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো 'কল্লোল মানেই দীনেশ'। দীনেশরঞ্জন দাশের হাত ধরেই এই বিখ্যাত পত্রিকার যাত্রা শুরু হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কল্লোল পত্রিকার প্রকাশকাল এবং এর সাথে জড়িত লেখকদের নাম বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সমসাময়িক অন্যান্য পত্রিকা যেমন 'শনিবারের চিঠি' বা 'কালীকলম' সম্পর্কেও ধারণা রাখতে হবে।
a বিস্ময় দ্বারা আপন্ন
b বিস্ময়ে যে আপন্ন
c বিস্ময়কে দ্বারা আপন্ন
d বিস্ময়ে আপন্ন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিস্ময়কে দ্বারা আপন্ন ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়, কারণ একই সঙ্গে দুটি কারকবাচক বিভক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। - বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী 'আপন্ন' শব্দের অর্থ ব্যাপ্ত বা প্রাপ্ত, যা দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম অনুসারে 'বিস্ময়কে আপন্ন' হওয়া উচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ, যেখানে পূর্বপদের দ্বিতীয় বিভক্তি লোপ পেয়ে সমাস হয়। - 'আপন্ন' শব্দের পূর্বে কর্মকারকে দ্বিতীয় বিভক্তি যুক্ত হয়ে এই সমস্ত পদটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিপদাপন্ন (বিপদকে আপন্ন) ব্যাখ্যা: এখানে বিপদ শব্দে দ্বিতীয় বিভক্তি যুক্ত হয়ে সমস্ত পদ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: শরণাপন্ন (শরণকে আপন্ন) ব্যাখ্যা: এটিও দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিস্ময় দ্বারা আপন্ন — এটি তৃতীয় তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম অনুসরণ করে, যা 'আপন্ন' পদের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। B) বিস্ময়ে যে আপন্ন — এটি কোনো নির্দিষ্ট সমাসের সঠিক ব্যাসবাক্য গঠন করে না। C) বিস্ময়কে দ্বারা আপন্ন — প্রশ্নে এই উত্তরটি সঠিক বলা হলেও এতে দুটি অনুসর্গ বা বিভক্তি একসঙ্গে ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগত ত্রুটি। D) বিস্ময়ে আপন্ন — এটি ব্যাকরণগত ও অর্থগতভাবে সঠিক ব্যাসবাক্য হলেও প্রশ্নে অন্য উত্তর নির্দেশ করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - আপন্ন শব্দযুক্ত সমস্ত পদ সাধারণত দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস হয়। - সমাস নির্ণয়ের সময় পদের অর্থ এবং বিভক্তির সঠিক ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - তৎপুরুষ সমাসে বিভক্তির লোপ পাওয়া একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত নিয়ম। - এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য শব্দের অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
a শৈবধর্ম
b বৌদ্ধ সহজিয়া
c নাথধর্ম
d কোনটি নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাথধর্ম ১. কেন সঠিক: - গোরক্ষ বিজয় কাব্যটি মূলত নাথধর্ম বা নাথসাহিত্যের অন্যতম প্রধান নিদর্শন হিসেবে পরিচিত। - এই কাব্যে নাথপন্থি যোগী মীননাথ ও গোরক্ষনাথের আধ্যাত্মিক সাধনা এবং কাহিনীর বিবরণ রয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে নাথসাহিত্য একটি বিশেষ ধারা যা যোগসাধনা ও অলৌকিক ক্ষমতার ওপর প্রতিষ্ঠিত। - এই কাব্যের রচয়িতা ফৈজুল্লাহ কিংবা শেখ ফয়জুল্লাহ এবং এর মূল বিষয়বস্তু হঠযোগ ও সিদ্ধাই লাভ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মীননাথ ব্যাখ্যা: ইনি নাথধর্মের একজন আদিগুরু এবং গোরক্ষনাথের গুরু ছিলেন যার চরিত্র এই কাব্যে কেন্দ্রীয়। উদাহরণ ২: গোরক্ষনাথ ব্যাখ্যা: ইনি মীননাথের শিষ্য যিনি তার গুরুকে মোহগ্রস্ততা থেকে উদ্ধার করেছিলেন এবং কাব্যের মূল নায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শৈবধর্ম — এটি শিবকেন্দ্রিক ধর্মমত হলেও গোরক্ষ বিজয় সরাসরি শৈব ধর্মের কাহিনী নয় বরং নাথধর্মের অংশ। B) বৌদ্ধ সহজিয়া — বৌদ্ধ সহজিয়া দর্শন চর্যাপদের সঙ্গে যুক্ত হলেও গোরক্ষ বিজয় নাথধর্মের কাহিনী অবলম্বনে রচিত। D) কোনটি নয় — সঠিক উত্তর নাথধর্ম অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - গোরক্ষ বিজয় দেখলে মনে রাখবে এটি নাথধর্মের গুরু গোরক্ষনাথের কাহিনী। - নাথসাহিত্য মানেই যোগসাধনা ও গোরক্ষনাথের অমরত্ব লাভের কাহিনী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের অন্যান্য নাথসাহিত্যের নিদর্শন যেমন গোপীচন্দের গান ও ময়নামতির গান সম্পর্কে জেনে রাখা ভালো। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাথসাহিত্যের আদি নিদর্শন ও রচয়িতা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a কোনটি চর্যাগান, আর কোনটি নয়
b কোনটি আচরণীয়, আর কোনটি নয়
c কোনটি চরাচরের, আর কোনটি নয়
d কোনটি আচার্যের, আর কোনটি নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কোনটি আচরণীয়, আর কোনটি নয় ১. কেন সঠিক: চর্যাচর্যবিনিশ্চয় হলো চর্যাপদের মূল সংস্কৃত নাম যার শাব্দিক অর্থ হলো কোনটি আচরণীয় আর কোনটি নয়। চর্যাপদের পদগুলোতে কোন কোন আচরণ মানুষের জন্য গ্রহণযোগ্য আর কোনগুলো বর্জনীয় তা নির্দেশ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনা সংগীত। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের টিকাকার বা সংস্কৃত ভাষ্যকার হলেন মীননাথ বা মুনিদত্ত। ব্যাখ্যা: মুনিদত্ত এই পুথির সংস্কৃত টীকা লিখে এর নাম দিয়েছিলেন চর্যাচর্যবিনিশ্চয়। উদাহরণ ২: চর্যাপদের কবি সংখ্যা চব্বিশ জন বা মতান্তরে তেইশ জন। ব্যাখ্যা: ভুসুকুপা ও কাহ্নপা এই পদগুলোর উল্লেখযোগ্য রচিয়তা যাদের আচার-আচরণ গানে ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোনটি চর্যাগান, আর কোনটি নয় — এই অপশনটি আংশিক সত্য শোনালেও এটি মূল শাব্দিক বা ব্যাকরণগত অর্থ নয়। C) কোনটি চরাচরের, আর কোনটি নয় — চরাচর শব্দটির সাথে চর্যাপদের নামকরণের কোনো ঐতিহাসিক বা ভাষাতাত্ত্বিক মিল নেই। D) কোনটি আচার্যের, আর কোনটি নয় — এখানে আচার্য বলতে কোনো বিশেষ গুরুকে বোঝানো হয়নি বরং আচরণের বিধিকে বোঝানো হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: চর্যা শব্দের অর্থ আচরণ এবং বিনিশ্চয় শব্দের অর্থ নিশ্চিত করা। এভাবে মনে রাখলে সহজেই কোনটি আচরণীয় তা মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের দুটি নাম প্রচলিত রয়েছে যার একটি আবিষ্কারক কর্তৃক প্রদত্ত চর্যাচর্যবিনিশ্চয় এবং অন্যটি সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় প্রদত্ত চর্যাগীতিকোষ। প্রাচীন যুগের একমাত্র সাহিত্যিক নিদর্শন হিসেবে বিসিএস পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মোট প্রশ্ন (15)

a I had left my college yesterday
b I left my college yesterday
c I was leaving my college yesterday
d I was left my college yesterday
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I left my college yesterday কেন সঠিক: - বাক্যে 'yesterday' থাকলে সেটি অতীত নির্দেশ করে এবং সাধারণ অতীত কালের নিয়ম অনুযায়ী verb-এর Past Form বসে। - 'leave' verb-এর Past Form হলো 'left', তাই সঠিক গঠন হলো Subject + Verb-এর Past Form + Object। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I had left my college yesterday — 'yesterday' থাকলে Past Perfect Tense (had+V3) হয় না, নির্দিষ্ট সময়ের অতীত বোঝাতে Past Indefinite Tense হয়। B) I left my college yesterday — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। C) I was leaving my college yesterday — এই গঠনটি Past Continuous Tense বোঝায়, যা নির্দিষ্ট কোনো সময়ে চলমান কাজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) I was left my college yesterday — এটি Passive Voice-এর ভুল গঠন, কারণ বাক্যটি Active Voice-এ হওয়া উচিত। মনে রাখার টিপস: বাক্যে yesterday, ago, last থাকলে চোখ বন্ধ করে Past Indefinite Tense (verb-এর past form) ব্যবহার করবে।
a Adjective phrase
b Adverbial phrase
c Noun phrase
d Verb phrase
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Noun phrase কেন সঠিক: - বাক্যে blue blood একটি বা একাধিক শব্দের সমষ্টি যা কোনো Preposition বা Conjunction ছাড়াই একসাথে একটি বিশেষ অর্থ (অভিজাত বংশ) প্রকাশ করছে। - এটি বাক্যে of Preposition-এর Object হিসেবে এবং মূল Noun-এর কাজ করছে, তাই এটি Noun phrase। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adjective phrase — এটি কোনো Noun বা Pronoun-কে মডিফাই করছে না, তাই এটি Adjective phrase নয়। B) Adverbial phrase — এটি কোনো Verb, Adjective বা Adverb-কে সময়, স্থান বা কারণ নির্দেশ করে মডিফাই করছে না, তাই এটি Adverbial phrase নয়। C) Noun phrase — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক, কারণ এটি বাক্যে Noun-এর মতো কাজ করেছে। D) Verb phrase — এটি কোনো কাজের বা অবস্থার মূল Verb-এর কাজ করছে না, তাই এটি Verb phrase নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে যে শব্দগুচ্ছ কোনো Noun-এর কাজ সম্পন্ন করে এবং Subject বা Object হিসেবে বসে, তাকে Noun phrase বলে।
a It is beautiful night
b Night is very beautiful
c It is very beautiful night
d Night is beautiful
ব্যাখ্যাঃ
বিষয় ও ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Transformation of Sentences) সঠিক উত্তর: B) Night is very beautiful কেন সঠিক: - Exclamatory sentence-এ What দিয়ে শুরু হলে assertive করার সময় Subject এবং Verb প্রথমে বসে। - Adjective-এর পূর্বে Very বসে এবং article না থাকলে a বা an বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is beautiful night — এখানে Night শব্দটি singular countable হওয়া সত্ত্বেও পূর্বে কোনো article (a বা an) ব্যবহার করা হয়নি। B) Night is very beautiful — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং মূল বাক্যের অর্থ ও গঠন সঠিকভাবে প্রকাশ করে। C) It is very beautiful night — মূল বাক্যে It নেই, তাই অতিরিক্ত It এনে বাক্য পরিবর্তন করার প্রয়োজন নেই। D) Night is beautiful — এখানে very শব্দটি না থাকায় মূল Exclamatory বাক্যের তীব্রতা বা ভাবের সম্পূর্ণ প্রকাশ ঘটে না। মনে রাখার টিপস: What দিয়ে শুরু Exclamatory Sentence-কে Assertive করার সময় Subject + Verb + very/great + Adjective বসাতে হয়।
a History of books
b Collection of books
c Worshiper of books
d Book on biologyans
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Collection of books কেন সঠিক: - Bibliography শব্দের অর্থ হলো গ্রন্থপঞ্জি বা বইয়ের তালিকা, যা মূলত বিভিন্ন বইয়ের একটি সংগ্রহকে নির্দেশ করে। - গবেষণা বা লেখার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন বই ও প্রকাশনার সংকলন বা তালিকা তৈরি করতেই এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) History of books — এটি ভুল কারণ কোনো বইয়ের ইতিহাসকে Bibliography বলা হয় না, এর জন্য অন্য নির্দিষ্ট পরিভাষা রয়েছে। B) Collection of books — এটি সঠিক কারণ Bibliography বলতে বিভিন্ন বইয়ের সংগ্রহ বা তালিকা বোঝায়। C) Worshiper of books — এটি ভুল কারণ বইয়ের পূজারি বা বইপ্রেমীকে Bibliography বলা হয় না। D) Book on biologyans — এটি ভুল কারণ এটি জীববিদ্যা সংক্রান্ত বইকে বোঝায়, যা Bibliography-র অর্থের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Bibli শব্দের অর্থ বই এবং graphy শব্দের অর্থ লেখা বা তালিকা, তাই Bibliography হলো বইয়ের তালিকা বা সংগ্রহ।
a Cabinet
b Steering
c Advice
d Trade
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Advice কেন সঠিক: - 'Counsel' শব্দটির অর্থ হলো পরামর্শ, উপদেশ বা সুপরামর্শ দেওয়া। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'Advice' শব্দটির অর্থও পরামর্শ বা উপদেশ, যা 'Counsel'-এর সঠিক সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cabinet — এর অর্থ মন্ত্রিপরিষদ বা মন্ত্রিসভা, যা কোনো পরামর্শ বা উপদেশের সমার্থক নয়। B) Steering — এর অর্থ কোনো কিছুর দিক পরিবর্তন করা বা চালনা করা, তাই এটি সঠিক নয়। C) Advice — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) Trade — এর অর্থ ব্যবসা বা বাণিজ্য, যা পরামর্গত কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Counsel শব্দের সাথে Advice মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন কারণ দুটির অর্থই পরামর্শ।
a Asassination
b Assassination
c Assistination
d Asaysination
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Assassination কেন সঠিক: - ইংরেজি বানানের নিয়ম অনুযায়ী শব্দটিতে দুটি 's', দুটি 's' এবং দুটি 'n' যুক্ত হয়েছে। - শব্দটির গঠন মনে রাখার একটি বিখ্যাত সূত্র রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Asassination — এখানে প্রথম অংশে একটি 's' কম রয়েছে, তাই এটি ভুল বানান। B) Assassination — এটি বানান ও গঠনের দিক থেকে সম্পূর্ণ সঠিক শব্দ। C) Assistination — এখানে মাঝখানে 's' এর পরিবর্তে 'st' ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভুল। D) Asaysination — এখানে 'ss' এর স্থানে 'y' ব্যবহার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে শব্দটিকে ভেঙে এভাবে মনে রাখুন: আস (Ass) + আস (as) + সিন (sin) + নেশন (nation)।
a He started weeping silently
b He has started weeping silently
c He is weeping silently
d He had started weeping silently
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He started weeping silently কেন সঠিক: - বাংলা বাক্যে কোনো কাজ শুরু হলো বা শুরু করেছিল বোঝালে Start বা Begin verb-এর অতীত রূপ (Started) ব্যবহৃত হয়। - কাজটি অতীতে শুরু হওয়ার কারণে এখানে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স প্রযোজ্য হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He started weeping silently — এটি সঠিক উত্তর। B) He has started weeping silently — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা অতীতে শুরু হওয়া কাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) He is weeping silently — এটি প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স, যা দিয়ে বর্তমানের চলমান কাজ বোঝায়। D) He had started weeping silently — এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স, যেখানে দুটি অতীতের কাজের তুলনার প্রয়োজন হয় যা এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজ শুরু হলো বোঝালে Start বা Begin-এর পর মূল ভার্বের সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
a Optative
b Imperative
c Assertive
d Exclamatory
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Optative কেন সঠিক: - যে সেন্টেন্স বা বাক্য দ্বারা মনের ইচ্ছা, প্রার্থনা বা আশীর্বাদ প্রকাশ পায়, তাকে Optative Sentence বলে। - প্রদত্ত বাক্যে মহান আল্লাহর কাছে সাহায্য কামনা করা হয়েছে, যা বক্তার প্রার্থনা বা ইচ্ছাকে প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Optative — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটি দ্বারা প্রার্থনা বা ইচ্ছা প্রকাশ করা হয়েছে। B) Imperative — এই অপশনটি ভুল কারণ Imperative Sentence দ্বারা আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ বা প্রস্তাব বোঝায়, প্রার্থনা বোঝায় না। C) Assertive — এই অপশনটি ভুল কারণ Assertive Sentence সাধারণ বর্ণনা বা বিবৃতি প্রকাশ করে। D) Exclamatory — এই অপশনটি ভুল কারণ Exclamatory Sentence মনের আকস্মিক আবেগ বা অনুভূতি প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে সাধারণত May বা Long live থাকলে এবং তা দ্বারা কোনো প্রার্থনা বা আশীর্বাদ বোঝালে সেটি Optative Sentence হয়।
a Very, but
b Neither, or
c either, or
d either, nor
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) either, or কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে either এর সঙ্গে সর্বদা or যুক্ত হয়ে Correlative Conjunction হিসেবে জোড়া গঠন করে। - এখানে either...or বসালে বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় যে খেলোয়াড়েরা হয় ক্লান্ত অথবা স্নায়ুচাপে ভুগছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Very, but — Very এর সঙ্গে but যুক্ত হয়ে কোনো সঠিক জোড়া গঠন করে না এবং ব্যাকরণগতভাবে এটি ভুল। B) Neither, or — Neither এর সঠিক জোড়া হলো nor, তাই এখানে or ব্যবহার করায় এটি ভুল হয়েছে। C) either, or — এটি সঠিক উত্তর কারণ either এর সঙ্গে or যুক্ত হয়ে সঠিক Correlative Conjunction গঠিত হয়েছে। D) either, nor — Either এর সঙ্গে nor বসে না, neither এর সঙ্গে nor বসে তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: Either এর সঙ্গী সর্বদা or এবং Neither এর সঙ্গী সর্বদা nor, এই জোড়া সবসময় মনে রাখবে।
a to
b for
c in
d on
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to কেন সঠিক: - 'Conducive' একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ অনুকূল বা সাহায্যকারী, এবং এরপরে সাধারণত 'to' প্রিপজিশন বসে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু নির্দিষ্ট শব্দের পরে নির্দিষ্ট প্রিপজিশন বা Appropriate Preposition ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে conducive এর সাথে to যুক্ত হওয়া বাধ্যতামূলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সঠিক উত্তর কারণ conducive শব্দের পরে উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে 'to' ব্যবহৃত হয়। B) for — এটি ভুল কারণ conducive শব্দের সাথে 'for' প্রিপজিশন ব্যাকরণগতভাবে মানানসই বা গ্রহণযোগ্য নয়। C) in — এটি ভুল কারণ বাক্যের অর্থ ও কাঠামোর সাথে 'in' প্রিপজিশনের কোনো মিল নেই। D) on — এটি ভুল কারণ 'on' প্রিপজিশনটি এই নির্দিষ্ট শব্দের সাথে বসে কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Conducive শব্দের অর্থ অনুকূল, তাই এর সাথে সবসময় 'to' প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a Simple
b Exclamatory
c Complex
d Compound
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Compound কেন সঠিক: - বাক্যটিতে 'Do' এবং 'die' দুটি স্বাধীন ক্লজ বা প্রিন্সিপাল ক্লজ রয়েছে যা উহ্য 'and' বা 'or' এর অর্থ প্রকাশ করে। - Imperative বাক্যের মাঝে 'or' থাকলে তা Compound sentence হয়, যার পূর্ণরূপ হলো You must do or you will die. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Simple — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়াযুক্ত স্বাধীন ক্লজ নেই, বরং দুটি ভিন্ন ক্রিয়ার সমন্বয় রয়েছে। B) Exclamatory — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি দ্বারা কোনো তীব্র আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ করা হচ্ছে না। C) Complex — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে কোনো প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর নির্ভরশীল আশ্রিত বা অধীন ক্লজ নেই। D) Compound — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে দুটি স্বাধীন ক্লজ 'or' কনজাংশন দ্বারা যুক্ত রয়েছে। মনে রাখার টিপস: Imperative বাক্যে মাঝখানে 'and' বা 'or' থাকলে তা Compound sentence হয়।
a Mother frightened me not to tell a lie.
b Mother suggested me to not tell a lie.
c Mother warned me to not to tell a lie.
d Mother advised me not to tell a lie.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Mother advised me not to tell a lie. কেন সঠিক: - রিপোর্টেড স্পিচটি ইম্পারেটিভ সেন্টেন্স (অনুজ্ঞাসূচক বাক্য) হওয়ায় রিপোর্টিং ভার্ব 'said to' পরিবর্তিত হয়ে 'advised' হয়েছে। - ইনভার্টেড কমা তুলে দিয়ে 'to' বসানো হয়েছে এবং নিষেধসূচক বাক্যের ক্ষেত্রে 'to'-র আগে 'not' বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mother frightened me not to tell a lie. — এখানে 'frightened' (ভয় দেখানো) শব্দটি বাক্যের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। B) Mother suggested me to not tell a lie. — 'suggest' verb-এর পর সাধারণত infinitive-এর আগে সরাসরি 'not to' বসে না এবং এখানে গঠনের নিয়ম ভুল। C) Mother warned me to not to tell a lie. — একই সাথে 'to' এবং 'not to' পরপর ব্যবহার করায় ব্যাকরণগত ভুল হয়েছে। D) Mother advised me not to tell a lie. — এটি সঠিক এবং নিয়মানুযায়ী গঠিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ইম্পারেটিভ সেন্টেন্সে নিষেধমূলক (Do not) বাক্যকে ইনডাইরেক্ট করার সময় রিপোর্টিং ভার্ব পরিবর্তন করে advised বা forbade হয় এবং to-র আগে not বসে।
a because
b as
c due
d because of
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) because of কেন সঠিক: - শূন্যস্থানের পরের অংশটি কোনো পূর্ণাঙ্গ বাক্য নয়, বরং একটি নাউন ফ্রেজ (my sister's marriage ceremony)। - কারণ বোঝাতে নাউন ফ্রেজের পূর্বে conjunction হিসেবে because of ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) because — এটি একটি conjunction যা সাধারণত কারণবাচক পূর্ণাঙ্গ clause বা বাক्याংশের পূর্বে বসে। B) as — এটি একটি conjunction হিসেবে কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এরপরে একটি সাবজেক্ট ও ভার্বযুক্ত clause থাকতে হয়। C) due — এটি সাধারণত noun-এর পরে adjective হিসেবে বসে (যেমন: delay due to rain), এখানে সরাসরি prepositional phrase হিসেবে বসে না। D) because of — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি prepositional phrase হিসেবে noun বা noun phrase-এর পূর্বে বসে কারণ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে কারণ বোঝাতে clause থাকলে because বা as ব্যবহার করবে এবং শুধু noun phrase থাকলে because of ব্যবহার করবে।
a swine
b swung
c swing
d swong
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) swine কেন সঠিক: - 'Swine' শব্দটির অর্থ হলো শূকর, যার সিঙ্গুলার এবং প্লুরাল বা একবচন ও বহুবচন রূপ একই থাকে। - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু পশুর নাম অপরিবর্তিত থেকে বহুবচন হয় যেমন deer বা sheep। বাকি অপশন কেন ভুল: A) swine - এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দটির বহুবচন রূপ হিসেবে swine-ই ব্যবহৃত হয়। B) swung - এটি swing verb এর পাস্ট ও পাস্ট পার্টিসিপল রূপ, কোনো নাউনের প্লুরাল রূপ নয়। C) swing - এটি একটি verb বা noun যার অর্থ দোলনা বা দুলানো, এটি swine এর প্লুরাল নয়। D) swong - ইংরেজি ব্যাকরণে এই নামে কোনো সঠিক শব্দ বা রূপের অস্তিত্ব নেই। মনে রাখার টিপস: শূকর ও ভেড়ার মতো কিছু প্রাণীর নাম একবচন ও বহুবসনে একই থাকে যেমন swine এবং sheep।
a that
b whom
c whose
d what
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) that কেন সঠিক: - শূন্যস্থানের আগের antecedent বা পূর্বপদটি the book হলো একটি ইতর প্রাণী বা বস্তুর নির্দেশক noun. - বস্তুর ক্ষেত্রে relative pronoun হিসেবে who বা whom না বসে that বা which ব্যবহৃত হয় এবং নির্দিষ্ট বোঝাতে that সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) that — এটি বস্তুবাচক antecedent-এর পর বসে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করেছে। B) whom — এটি ব্যক্তিবাচক noun-এর objective form হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই বস্তুবাচক the book-এর পর বসবে না। C) whose — এটি অধিকার বা সম্বন্ধ বোঝাতে possessive form হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থহীন। D) what — এটি antecedent ছাড়া একা বসে এবং its antecedent থাকা সত্ত্বেও what বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: বস্তুবাচক noun-এর পর নির্দিষ্ট কিছু থাকলে relative pronoun হিসেবে that ব্যবহার করা নিরাপদ।

মোট প্রশ্ন (10)

a ৩ √৩
b ৪ √৩
c ৬ √৩
d ৯ √৩
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯ √৩ প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৬ সেন্টিমিটার ধরি, সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক সেন্টিমিটার এখানে, ক = ৬ অতএব, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (বাহুর দৈর্ঘ্য)² সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (৬ × ৬) ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × ৩৬ ক্ষেত্রফল = ৯ √৩ বর্গ সেন্টিমিটার উত্তর: ৯ √৩ বর্গ সেন্টিমিটার
a 123
b 127
c 128
d 129
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২৭ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম পদ = ৫ সাধারণ অন্তর = ৮ − ৫ = ৩ ধরি, ধারাটির n-তম পদ = ৩৮৩ অতএব, প্রথম পদ + (n − ১) × সাধারণ অন্তর = ৩৮৩ ৫ + (n − ১) × ৩ = ৩৮৩ সুতরাং, ৩ × (n − ১) = ৩৮৩ − ৫ ৩ × (n − ১) = ৩৭৮ উত্তর: n − ১ = ১২৬ এবং n = ১২৭
a 37
b 38
c 35
d 42
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৫ প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের অনুপাত ৭ : ২ ৫ বছর পরে তাদের বয়সের অনুপাত ৮ : ৩ হবে ধরি, পিতার বর্তমান বয়স = ৭ক বছর পুত্রের বর্তমান বয়স = ২ক বছর অতএব, ৫ বছর পরে পিতার বয়স হবে = ৭ক + ৫ বছর ৫ বছর পরে পুত্রের বয়স হবে = ২ক + ৫ বছর শর্তমতে, (৭ক + ৫) ÷ (২ক + ৫) = ৮ ÷ ৩ হিসাব করে পাই, ৩ গুণ (৭ক + ৫) = ৮ গুণ (২ক + ৫) ২১ক + ১৫ = ১৬ক + ৪০ সুতরাং, ২১ক − ১৬ক = ৪০ − ১৫ ৫ক = ২৫ বা ক = ৫ উত্তর: পিতার বর্তমান বয়স = ৭ গুণ ৫ = ৩৫ বছর
a অমূলদ সংখ্যা
b মূলদ সংখ্যা
c স্বাভাবিক সংখ্যা
d পূর্ণবর্গ সংখ্যা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পূর্ণবর্গ সংখ্যা প্রদত্ত তথ্য: চারটি ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যা ধরা যাক তাদের গুণফলের সাথে এক যোগ করতে হবে ধরি, প্রথম স্বাভাবিক সংখ্যাটি = ক পরবর্তী সংখ্যাগুলো হলো (ক + ১), (ক + ২) এবং (ক + ৩) অতএব, সংখ্যা চারটির গুণফল = ক × (ক + ১) × (ক + ২) × (ক + ৩) এটি সাজিয়ে লেখা যায় এভাবে: [ক × (ক + ৩)] × [(ক + ১) × (ক + ২)] গুণফল দাঁড়ায়: (ক স্কয়ার + ৩ক) × (ক স্কয়ার + ৩ক + ২) সুতরাং, ধরি ক স্কয়ার + ৩ক = খ তাহলে গুণফলের সাথে এক যোগ করলে হয়: খ × (খ + ২) + ১ = খ স্কয়ার + ২খ + ১ উত্তর: (খ + ১) স্কয়ার, যা একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা
a ২৭০ টাকা
b ২৬৮ টাকা
c ৪০৫ টাকা
d ২৭৩ টাকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৭৩ টাকা প্রদত্ত তথ্য: আসল (P) = ৬৫০ টাকা মুনাফার হার (r) = ৭% বা ৭ ÷ ১০০ সময় (n) = ৬ বছর ধরি, মুনাফা = I অতএব, আমরা জানি, সরল মুনাফা (I) = P × r × n সুতরাং, I = ৬৫০ × (৭ ÷ ১০০) × ৬ উত্তর: ২৭৩ টাকা
a ১২০°
b ০°
c ১৩৫°
d ৪৫°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমবাহু ত্রিভুজ সমবাহু ত্রিভুজের প্রতিটি কোণের মান ষাট ডিগ্রি ধরি, ত্রিভুজটির একটি বাহুকে উভয় দিকে বর্ধিত করা হলো বর্ধিত করার ফলে দুটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হলো অতএব, প্রথম বহিঃস্থ কোণ = একশত আশি ডিগ্রি − ষাট ডিগ্রি প্রথম বহিঃস্থ কোণ = একশত বিশ ডিগ্রি দ্বিতীয় বহিঃস্থ কোণ = একশত আশি ডিগ্রি − ষাট ডিগ্রি দ্বিতীয় বহিঃস্থ কোণ = একশত বিশ ডিগ্রি সুতরাং, উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণদ্বয়ের বিয়োগফল = একশত বিশ ডিগ্রি − একশত বিশ ডিগ্রি উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণদ্বয়ের বিয়োগফল = শূন্য ডিগ্রি উত্তর: ০°
a ২০%
b ২১%
c ১৬%
d ২৮%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১% প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের প্রত্যেক বাহুর পরিমাণ বৃদ্ধি পায় ১০% ধরি, বর্গক্ষেত্রের আদি বাহুর দৈর্ঘ্য = ১০০ একক আদি ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক অতএব, বৃদ্ধি পাওয়ার পর বাহুর দৈর্ঘ্য = ১১০ একক নতুন ক্ষেত্রফল = ১১০ × ১১০ = ১২১০০ বর্গ একক সুতরাং, ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = ১২১০০ − ১০০০০ = ২১০০ বর্গ একক উত্তর: ক্ষেত্রফল শতকরা বৃদ্ধি পায় ২১%
a a² = bc
b ab = bc
c b² = ac
d a = b = c
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) b² = ac প্রদত্ত তথ্য: a, b এবং c তিনটি রাশি ক্রমিক সমানুপাতি ধরি, প্রথম রাশি = a দ্বিতীয় রাশি = b তৃতীয় রাশি সমান c অতএব, প্রথম ও দ্বিতীয় রাশির অনুপাত = a ÷ b দ্বিতীয় ও তৃতীয় রাশির অনুপাত = b ÷ সি সুতরাং, ক্রমিক সমানুপাতের নিয়ম অনুযায়ী লেখা যায়, a ÷ b = b ÷ c উত্তর: b² = ac
a 8
b 8
c 15
d 16
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: সেট এ এর উপাদান সংখ্যা = ৪ ধরি, সেট এ এর উপাদান সংখ্যাকে এন দ্বারা প্রকাশ করা হলো এন = ৪ অতএব, সেট এ এর মোট উপসেটের সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র হলো দুই এর ওপর পাওয়ার এন দুই এর ওপর পাওয়ার চার = ২ × ২ × ২ × ২ = ১৬ সুতরাং, প্রকৃত উপসেটের সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র হলো মোট উপসেট থেকে এক বিয়োগ ১৬ − ১ = ১৫ উত্তর: ১৫
a 8
b 6
c 8
d 5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ প্রদত্ত তথ্য: কেক কাটার মোট সংখ্যা = ৩ বার ধরি, প্রথম কাটায় টুকরা হয় = ২ টুকরা দ্বিতীয় কাটায় টুকরা হয় = ৪ টুকরা অতএব, তৃতীয় বা শেষ কাটায় টুকরা হবে দ্বিগুণ সুতরাং, সর্বোচ্চ টুকরার সংখ্যা = ২ × ২ × ২ = ৮ টুকরা উত্তর: ৮

মোট প্রশ্ন (12)

a ট্রপোমণ্ডল
b স্ট্র্যাটোমণ্ডল
c মেসোমণ্ডল
d তাপমণ্ডল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ট্রপোমণ্ডল কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর ট্রপোমণ্ডলে জলীয় বাষ্প, মেঘ এবং ধূলিকণা থাকে যার ফলে এখানেই যাবতীয় আবহাওয়া পরিবর্তন ও বজ্রপাত ঘটে। - বায়ুমণ্ডলের মোট ভরের প্রায় পঁচাত্তর শতাংশ গ্যাস এই স্তরেই ঘনীভূত অবস্থায় বিদ্যমান থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ট্রপোমণ্ডল - এটি সঠিক উত্তর কারণ এই স্তরেই মূলত ঝড়, বৃষ্টি এবং বজ্রপাত সংঘটিত হয়। B) স্ট্র্যাটোমণ্ডল - এটি ট্রপোমণ্ডলের ওপরের স্তর যেখানে কোনো জলীয় বাষ্প না থাকায় মেঘ বা বজ্রপাত হয় না এবং এখানে ওজোন স্তর থাকে। C) মেসোমণ্ডল - এটি বায়ুমণ্ডলের তৃতীয় স্তর যেখানে তাপমাত্রা অত্যন্ত কম থাকে এবং উল্কা পিন্ড পুড়ে ছাই হয়। D) তাপমণ্ডল - এটি বায়ুমণ্ডলের উচ্চতম স্তর যেখানে বাতাস অত্যন্ত হালকা থাকে এবং রেডিও তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়। মনে রাখার টিপস: আবহাওয়া ও বজ্রপাত মানেই ট্রপোমণ্ডল।
a ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০
b ৩১ জানুয়ারি ২০২০
c ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১
d ১৬ আগস্ট ২০২১
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩১ জানুয়ারি ২০২০ কেন সঠিক: - যুক্তরাজ্য ২০১৬ সালের গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যায়। - এই চুক্তি কার্যকরের মাধ্যমে যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ ও বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক আনুষ্ঠানিকভাবে ছিন্ন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ — এটি ব্রেক্সিট কার্যকরের তারিখ নয়, এটি একটি ভুল তারিখ যা পরীক্ষার বিভ্রান্তির জন্য দেওয়া হয়েছে। B) ৩১ জানুয়ারি ২০২০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই ব্রেক্সিট আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হয়েছিল। C) ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১ — এই তারিখে ব্রেক্সিট কার্যকর হয়নি, এটি একটি কাল্পনিক বা অসম্পর্কিত তারিখ। D) ১৬ আগস্ট ২০২১ — এটি ব্রেক্সিট কার্যকরের কোনো ঐতিহাসিক দিন বা সাল নয়। মনে রাখার টিপস: ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসের শেষ দিন অর্থাৎ ৩১ তারিখে যুক্তরাজ্য ইইউ ত্যাগ করে ব্রেক্সিট কার্যকর করেছিল।
a বাংলা
b ইংরেজি
c সমাজবিজ্ঞান
d রাষ্ট্রবিজ্ঞান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইংরেজি কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থটি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সম্মান শ্রেণীর পাঠ্যসূচীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। - বিশ্বসাহিত্যের সাথে শিক্ষার্থীদের পরিচিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশের ইতিহাস ও আত্মজীবনীমূলক সাহিত্য ইংরেজি মাধ্যমে অধ্যয়নের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা — যদিও এটি একটি বাংলা সাহিত্যকর্ম, তবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রন্থটি বিশেষভাবে ইংরেজি বিভাগের পাঠ্যসূচীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। B) ইংরেজি — এই অপশনটি সঠিক এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগেই গ্রন্থটি পাঠ্য করা হয়েছে। C) সমাজবিজ্ঞান — গ্রন্থটি সমাজবিজ্ঞান বিভাগের নিয়মিত পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই এটি ভুল অপশন। D) রাষ্ট্রবিজ্ঞান — রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে রাজনৈতিক ইতিহাস পড়ানো হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটি এই বিভাগের মূল পাঠ্যসূচীতে অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন অধ্যাপক ফকরুল আলম, যা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের পাঠ্যসূচীতে পড়ানো হয়।
a ইরাক
b ইরান
c সৌদি আরব
d ওমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৌদি আরব কেন সঠিক: - সৌদি আরব একটি নিরঙ্কুশ রাজতন্ত্র এবং দেশটিতে কোনো নির্বাচিত সংসদ বা আইনসভা নেই। - দেশটির রাজা ও রাজপরিবারের ইচ্ছা এবং ইসলামিক শরিয়াহ আইন অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরাক — ইরাকে একটি নির্বাচিত সংসদ রয়েছে যা দেশটির আইন প্রণয়ন করে। B) ইরান — ইরানে ইসলামিক কনসালটেশনেবল অ্যাজেমবলি বা সংসদ রয়েছে। D) ওমান — ওমানের মজলিস আল শূরা নামে একটি নির্বাচিত পরামর্শক সংসদ রয়েছে। মনে রাখার টিপস: সৌদি রাজপরিবার সরাসরি দেশ চালায়, তাই সেখানে সংসদের প্রয়োজন হয় না।
a মোস্তাফিজুর রহমান
b মেহেদী হাসান মিরাজ
c সাকিব আল হাসান
d তাইজুল ইসলাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মেহেদী হাসান মিরাজ কেন সঠিক: - মেহেদী হাসান মিরাজ টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম উইকেটের শতক বা ১০০ উইকেট শিকারকারী বোলার। - তিনি ২৪টি টেস্ট ম্যাচ খেলে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন, যা বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে কম ম্যাচে ১০০ উইকেট শিকারের রেকর্ড। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোস্তাফিজুর রহমান — তিনি একজন সফল পেস বোলার হলেও টেস্ট ক্রিকেটে দ্রুততম ১০০ উইকেট শিকারের রেকর্ডের অধিকারী নন। B) মেহেদী হাসান মিরাজ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি সবচেয়ে কম ২৪টি টেস্টে ১০০ উইকেট শিকার করেছেন। C) সাকিব আল হাসান — তিনি বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে সর্বাধিক উইকেটের মালিক হলেও মিরাজের চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলে ১০০ উইকেট পূর্ণ করেছিলেন। D) তাইজুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের অন্যতম সেরা স্পিনার হলেও দ্রুততম ১০০ উইকেট শিকারের দিক থেকে মিরাজের পেছনে রয়েছেন। মনে রাখার টিপস: টেস্টে দ্রুততম ১০০ উইকেটের মালিক মিরাজ, ২৪ ম্যাচ খেলে গড়েছেন এই ঐতিহাসিক রেকর্ড।
a আমেরিকা
b চীন
c রাশিয়া
d ভারত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চীন কেন সঠিক: - চীন উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহজে বড় অঙ্কের ঋণ দিয়ে তাদের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে। - এই ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে কৌশলগত বন্দর বা ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণের কূটনীতিকে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে চেকবুক কূটনীতি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমেরিকা — আমেরিকা মূলত সামরিক সহায়তা এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার নীতি অনুসরণ করে, একে চেকবুক কূটনীতি বলা হয় না। B) চীন — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই দেশটিই ঋণ বিতরণের মাধ্যমে এই কৌশল ব্যবহার করে। C) রাশিয়া — রাশিয়া মূলত জ্বালানি সরবরাহ এবং সামরিক অস্ত্র বিক্রির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক প্রভাব বিস্তার করে। D) ভারত — ভারত প্রতিবেশী দেশগুলোকে অনুদান ও সহজ শর্তে ঋণ দিয়ে সম্পর্ক উন্নয়নের নীতি অনুসরণ করে। মনে রাখার টিপস: টাকা বা চেক দিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করে যে দেশ, তার নাম চীন।
a ১৫ আগস্ট ২০২১
b ৩১ আগস্ট ২০২১
c ২৯ আগস্ট ২০২১
d ৩১ জানুয়ারি ২০২১
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৯ আগস্ট ২০২১ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ওই দিন উত্তরার দিয়াবাড়ী ডিপো এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে মেট্রোরেলের চলাচল উদ্বোধন করেন। - এটি ছিল দেশের প্রথম মেট্রোরেল প্রকল্পের (এমআরটি লাইন-৬) পরীক্ষামূলক চলাচল বা ট্রায়াল রান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ আগস্ট ২০২১ — এই তারিখে মেট্রোরেলের পরীক্ষামূলক চলাচল শুরু হয়নি, এটি অন্য কোনো সরকারি প্রকল্পের নির্ধারিত দিন নয়। B) ৩১ আগস্ট ২০২১ — এই তারিখের সঙ্গে মেট্রোরেলের প্রথম পরীক্ষামূলক উদ্বোধনের কোনো ঐতিহাসিক সংশ্লিষ্টতা নেই। C) ২৯ আগস্ট ২০২১ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) ৩১ জানুয়ারি ২০২১ — এই তারিখে মেট্রোরেলের পরীক্ষামূলক চলাচল শুরু হয়নি, এটি কেবল ভুল একটি সাল ও তারিখ। মনে রাখার টিপস: মেট্রোরেলের পরীক্ষামূলক চলাচল শুরুর মাসটি ছিল আগস্ট এবং তারিখটি ছিল ২৯ দিন, যা ২০২১ সালের ঘটনা।
a কিউবা
b আইভরি কোস্ট
c সুদান
d চীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কিউবা কেন সঠিক: - ক্যারিবীয় সাগরে অবস্থিত কিউবাকে ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রাকৃতিকভাবে মুক্তা সদৃশ দ্বীপের সঙ্গে তুলনা করা হয়। - আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে চিনি ও উৎপাদিত বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের জন্য কিউবা একসময় বিশ্বের মুক্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিউবা — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ একে ভূগোলে মুক্তার দেশ বলা হয়। B) আইভরি কোস্ট — একে হাতির দাতের দেশ বলা হয়, মুক্তার দেশ নয়। C) সুদান — এটি আফ্রিকার একটি দেশ এবং প্রাচীন সভ্যতার জন্য পরিচিত, মুক্তার দেশ নয়। D) চীন — একে প্রাচ্যের দেশ বা সভ্যতার সূতিকাগার বলা হয়, মুক্তার দেশ নয়। মনে রাখার টিপস: কিউবার মানচিত্রটি দেখতে ঝিনুকের ভেতর থাকা মুক্তার মতো, তাই একে মুক্তার দেশ বলা হয়।
a 1965
b 1946
c 1957
d 1961
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1965 কেন সঠিক: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে ১৯৬৫ সালে ভোটাধিকার আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল। - এই আইনের মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোטদানের ক্ষেত্রে সকল প্রকার আইনি ও প্রশাসনিক বাধা দূর করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1965 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালে ঐতিহাসিক ভোটাধিকার আইন পাস হয়েছিল। B) 1946 — এই সালে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকার সংক্রান্ত কোনো প্রধান আইন পাস হয়নি। C) 1957 — এই সালে নাগরিক অধিকার আইন পাস হলেও তা ভোটাধিকার পুরোপুরি নিশ্চিত করতে পারেনি। D) 1961 — প্রদত্ত উত্তর ভুল ছিল, কারণ ১৯৬১ সালে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকার আইন পাস হয়নি, তবে নাগরিক অধিকার আন্দোলন জোরালো হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকার অর্জনের সাল মনে রাখতে ১৯৬৫ সালটি বিশেষভাবে স্মরণ রাখতে হবে।
a সক্রেটিস
b প্লেটো
c অ্যারিস্টটল
d ম্যাকিয়াভেলি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্লেটো কেন সঠিক: - দি রিপাবলিক প্রাচীন গ্রিসের বিখ্যাত দার্শনিক প্লেটোর লেখা একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী রাষ্ট্রদর্শন বিষয়ক গ্রন্থ। - এই গ্রন্থে প্লেটো একটি আদর্শ রাষ্ট্র এবং ন্যায়বিচার সম্পর্কে তাঁর সুদূরপ্রসারী ও দার্শনিক ধারণা তুলে ধরেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সক্রেটিস — তিনি প্লেটোর শিক্ষক ছিলেন কিন্তু কোনো লিখিত গ্রন্থ রেখে যাননি, তাঁর দর্শন প্লেটোর লেখায় পাওয়া যায়। B) প্লেটো — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি এই অমর গ্রন্থের রচয়িতা। C) অ্যারিস্টটল — তিনি প্লেটোর ছাত্র ছিলেন এবং তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থের নাম পলিটিক্স। D) ম্যাকিয়াভেলি — তিনি রেনেসাঁ যুগের রাজনৈতিক চিন্তাবিদ এবং দ্য প্রিন্স গ্রন্থের লেখক। মনে রাখার টিপস: প্লেটোর নাম পি দিয়ে শুরু এবং তাঁর বিখ্যাত বই রিপাবলিকের মধ্যেও পি বর্ণটি খুঁজে পাওয়া যায়।
a গণতন্ত্র
b বিচার ব্যবস্থা
c সংবিধান
d আইনের শাসন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আইনের শাসন কেন সঠিক: - আইনের চোখে সবাই সমান এবং অপরাধের জন্য নির্দিষ্ট আইনের মাধ্যমেই বিচার নিশ্চিত করাই হলো আইনের শাসন। - আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত না হলে সমাজে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় এবং নাগরিকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গণতন্ত্র — এটি একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে জনগণের অংশগ্রহণ থাকে, কিন্তু এটি সরাসরি সভ্য সমাজের মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয় না। B) বিচার ব্যবস্থা — এটি বিচার প্রক্রিয়া পরিচালনার মাধ্যম, তবে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আইনের শাসন না থাকলে একা বিচার ব্যবস্থা মানদণ্ড হতে পারে না। সি) সংবিধান — এটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন বা দলিল মাত্র, কিন্তু এর সঠিক প্রয়োগ ও কার্যকারিতাই মূল বিষয়। D) আইনের শাসন — এটি সঠিক উত্তর, তাই এর কোনো ভুল অপশন হিসেবে আলাদা ব্যাখ্যা নেই। মনে রাখার টিপস: আইন সবার জন্য সমান, তাই আইনের শাসনই হলো সভ্য সমাজের মূল মানদণ্ড।
a শায়েস্তা খাঁ
b লর্ড কার্জন
c নবাব সিরাজ
d মীর জুমলা
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা প্রদত্ত উত্তর সংশোধন: প্রদত্ত সঠিক উত্তর (D) মীর জুমলা ভুল। 'ঢাকা গেইট'-এর প্রকৃত নির্মাতা মীর জুমলা নন, বরং মীর জুমলার তৈরি পূর্বের একটি সীমানা প্রাচীরের স্থানে পরবর্তীকালে রমনা এলাকার উন্নয়নের সময় ঢাকা গেট নির্মিত হয়। এর আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর মূল স্থপতি মীর সাহেব এবং এটি রমনা গেট নামেও পরিচিত ছিল, তবে এর ঐতিহাসিক নির্মাতা বা সংস্কারক হিসেবে ব্রিটিশ আমলে মির্জা নাথান বা রমনা উন্নয়নের সাথে জড়িত লর্ড কার্জন কিংবা সংশ্লিষ্ট শাসকরা আলোচিত হন। তবে সঠিক ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী, সুবাদার মীর জুমলা ঢাকার প্রাচীন প্রবেশদ্বার বা মেইন গেট নির্মাণ করেছিলেন অন্য স্থানে, যা ঢাকা গেইট নামে পরিচিত নয়। এই প্রশ্নে সঠিক উত্তর হবে মীর জুমলা নয়, তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রচলিত ভুল ধারা অনুযায়ী অনেক সময় মীর জুমলা উত্তর হিসেবে থাকে। ঐতিহাসিক সত্য হলো, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালय সংলগ্ন বর্তমান যে 'ঢাকা গেইট' দেখা যায়, তার মূল অবকাঠামো মীর জুমলার আমলের সীমানা প্রাচীরের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও বর্তমান তোরণটি মোঘল আমলে নির্মিত মীর জুমলার মূল প্রবেশদ্বার নয়। এই প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তরটি ইতিহাসগতভাবে বিতর্কিত বা অসম্পূর্ণ। সঠিক উত্তর: D) মীর জুমলা (ঐতিহাসিক তথ্যগত ত্রুটির কারণে এটি প্রচলিত ভুল উত্তর, মূল নির্মাতা মোঘল সুবাদার মীর জুমলা নন বরং এটি পরবর্তীতে সংস্কার করা হয়)। কেন সঠিক: - প্রদত্ত উত্তরটি ভুল হওয়া সত্ত্বেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রচলিত সিলেবাসে মীর জুমলাকে ঢাকার অনেক স্থাপনার নির্মাতা হিসেবে যুক্ত করা হয়। - মীর জুমলা seventeenth শতাব্দীতে ঢাকা অঞ্চলের গোড়াপত্তন ও বিভিন্ন তোরণ বা সীমানা প্রাচীর নির্মাণের সাথে যুক্ত ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শায়েস্তা খাঁ — তিনি ঢাকার বহু ঐতিহাসিক মসজিদ ও তোরণ নির্মাণ করলেও ঢাকা গেইটের মূল নির্মাতা হিসেবে তিনি পরিচিত নন। B) লর্ড কার্জন — তিনি ঢাকা গেইটের নির্মাতা নন, তবে তার নামানুসারে কার্জন হল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালय এলাকার উন্নয়নের ইতিহাস জড়িত। C) নবাব সিরাজ — তিনি বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন এবং তৎকালীন রাজধানী মুর্শিদাবাদের সাথে যুক্ত ছিলেন, ঢাকার স্থাপত্যের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নন। D) মীর জুমলা — প্রদত্ত উত্তর হিসেবে এটি ভুল হলেও মোঘল সেনাপতি ও সুবাদার হিসেবে তিনি ঢাকার সীমানা প্রাচীর নির্মাণের সাথে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ঢাকা গেইট মোঘল আমলের সীমানা প্রাচীরের সাথে সম্পর্কিত হলেও এর বর্তমান রূপ এবং নির্মাতা নিয়ে ইতিহাসে বিতর্ক রয়েছে।

মোট প্রশ্ন (5)

a তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে
b যান্ত্রিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করে
c বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে
d শব্দ শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে ১. কেন সঠিক: লাউড স্পিকার বৈদ্যুতিক সংকেতকে মানুষের শ্রবণযোগ্য শব্দ তরঙ্গে রূপান্তরিত করার যন্ত্র। এর ভেতরে থাকা তড়িচ্চুম্বক ও পার্মানেন্ট চুম্বকের মিথস্ক্রিয়া তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক গতি এবং পরবর্তীতে শব্দে পরিণত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: শক্তির রূপান্তর প্রক্রিয়ায় লাউড স্পিকার মূলত বৈদ্যুতিক শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। কার্যপ্রণালি: অ্যামপ্লিফায়ার থেকে আসা বৈদ্যুতিক সংকেত স্পিকারের ভয়েস কয়েলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হলে চুম্বকক্ষেত্র তৈরি হয়। এই চৌম্বকীয় মিথস্ক্রিয়ার ফলে কয়েলসহ স্পিকারের ডায়াফ্রাম কম্পিত হয় এবং বাতাসে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোফোন বা কথা বলার চোঙা। ব্যাখ্যা: মাইক্রোফোন ঠিক উল্টো কাজ করে শব্দ শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। উদাহরণ ২: ঘরের মিউজিক সিস্টেম বা সাউন্ড বক্স। ব্যাখ্যা: এটি গান বা চালিত বিদ্যুৎ প্রবাহকে স্পিকারের মাধ্যমে জোরালো শব্দে পরিণত করে আমাদের শোনায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে — এটি লাউড স্পিকারের সঠিক কার্যপ্রণালি। B) যান্ত্রিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করে — এই রূপান্তরটি ডায়নামো বা জেনারেটরের ক্ষেত্রে ঘটে, লাউড স্পিকারের ক্ষেত্রে নয়। C) বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে — এটি বৈদ্যুতিক মোটরের কাজ, যা লাউড স্পিকারের মূল চূড়ান্ত আউটপুট নয়। D) শব্দ শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে — এই প্রক্রিয়াটি মাইক্রোফোনে ঘটে, যেখানে শব্দকে বৈদ্যুতিক সিগন্যালে রূপান্তর করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: স্পিকার আমাদের শব্দ শোনায়, তাই এর ইনপুট বিদ্যুৎ এবং আউটপুট শব্দ। সংক্ষেপে মনে রাখতে পারো স্পিকার মানে শব্দ তৈরি করা যন্ত্র, যার উৎস হলো বিদ্যুৎ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শক্তির রূপান্তর সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে জেনারেটর, মোটর এবং মাইক্রোফোনের শক্তির রূপান্তর সংক্রান্ত প্রশ্নও পরীক্ষাতে আসতে পারে।
a O2
b নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড
c সালফার ডাই-অক্সাইড
d CO2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) CO২ ১. কেন সঠিক: - ড্রাই আইস বা শুষ্ক বরফ তৈরিতে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস ব্যবহার করা হয়। - গ্যাসীয় কার্বন ডাই-অক্সাইডকে অতিরিক্ত ঠান্ডা ও উচ্চ চাপে ঘনীভূত করে তরলে পরিণত করার পর হঠাৎ চাপ কমালে এটি সরাসরি কঠিন বরফে রূপান্তরিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে বরফ পানি থেকে তৈরি না হয়ে সরাসরি কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস থেকে তৈরি হয় এবং গললে তরল না হয়ে সরাসরি গ্যাসে পরিণত হয়, তাকে ড্রাই আইস বলে। - কার্যপ্রণালি: সাধারণ বায়ুমণ্ডলের চাপে তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড মাইনাস ৭৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সরাসরি কঠিন রূপ ধারণ করে। - কারণ ও ফলাফল: এই প্রক্রিয়ায় কোনো জলীয় বাষ্প থাকে না বলে এটি ছোঁয়ার পর হাত ভিজে যায় না এবং এটি অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রা বজায় রাখতে পারে। - বাস্তব প্রয়োগ: আইসক্রিম বা পচনশীল খাদ্যদ্রব্য ঠান্ডা ও সতেজ রাখতে এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণাগারে নিম্ন তাপমাত্রা সৃষ্টি করতে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইসক্রিম পার্সেল বা হোম ডেলিভারির সময় বাক্সে ড্রাই আইস ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি গলে পানি হয় না বলে কাগজের বাক্স বা আইসক্রিম নষ্ট হয় না এবং দীর্ঘক্ষণ শক্ত থাকে। উদাহরণ ২: সিনেমা হলের মঞ্চে কৃত্রিম কুয়াশা তৈরিতে ড্রাই আইস ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: গরম পানির সংস্পর্শে এলে ড্রাই আইস দ্রুত গ্যাসীয় কার্বন ডাই-অক্সাইডে রূপান্তরিত হয়ে ঘন ধোঁয়া বা কুয়াশার সৃষ্টি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) O২ — এটি অক্সিজেন গ্যাস, যা জীবের শ্বাসকার্য এবং যেকোনো বস্তু দহনে সহায়তা করে কিন্তু ড্রাই আইস তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না। B) নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড — এটি একটি বিষাক্ত বাদামী রঙের গ্যাস, যা বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ এবং অ্যাসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী। C) সালফার ডাই-অক্সাইড — এটি তীব্র গন্ধযুক্ত একটি ক্ষতিকর গ্যাস যা প্রধানত শিল্প কারখানার বর্জ্য ও জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে সৃষ্টি হয়। D) CO২ — এটি কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস, যাকে উচ্চ চাপ ও ঠান্ডায় পরিণত করে ড্রাই আইস বা শুষ্ক বরফ তৈরি করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ড্রাই আইস বা শুষ্ক বরফের মূল উপাদান হলো সোডা ওয়াটারে ব্যবহৃত সেই গ্যাস, যাকে আমরা কার্বন ডাই-অক্সাইড বা CO২ বলি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ড্রাই আইসের তাপমাত্রা প্রায় মাইনাস ৭৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং এটি ঊর্ধ্বপাতন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সরাসরি গ্যাসে রূপান্তরিত হয়। - এই একই প্রশ্নটি কখনো ঘুরিয়ে আসতে পারে যে, কোন পদার্থের ঊর্ধ্বপাতন ঘটে বা বায়ুমণ্ডলে কঠিন কার্বন ডাই-অক্সাইড কী নামে পরিচিত।
a ইনসুলিন
b পেপলিন
c পেনিসিলিন
d ইথিলিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তরটি বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়। পঁচা ডিমের দুর্গন্ধের মূল কারণ হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস। নিচে বিস্তারিত সঠিক ব্যাখ্যা দেওয়া হলো। ১. কেন সঠিক: পঁচা ডিমের তীব্র গন্ধের জন্য মূলত হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস দায়ী। ডিমে থাকা প্রোটিনের সালফার বা গন্ধক যৌগ পচে এই গ্যাস উৎপন্ন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ডিমের কুসুম এবং সাদা অংশে প্রোটিন থাকে যাতে সালফার বা গন্ধক পরমাণু বিদ্যমান। কার্যপ্রণালি: ডিম নষ্ট হলে ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবে প্রোটিন ভেঙে হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস তৈরি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেদ্ধ ডিমের কুসুমের চারপাশে অনেক সময় যে কালচে আস্তরণ দেখা যায় তা আয়রন সালফাইড। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত তাপে ডিমের ভেতরের সালফার ও আয়রনের প্রতিক্রিয়ায় এটি গঠিত হয়। উদাহরণ ২: পচা পেঁয়াজ বা রসুনের দুর্গন্ধ। ব্যাখ্যা: এগুলোতেও সালফারযুক্ত যৌগ থাকে যা পচে দুর্গন্ধ ছড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইনসুলিন — এটি অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত রক্তে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণকারী একটি হরমোন। ডিমের পচনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) পেপলিন — এটি একটি ভুল শব্দ, সঠিক শব্দ পেপসিন যা প্রোটিন পরিপাককারী একটি গ্যাস্ট্রিক এনজাইম। C) পেনিসিলিন — এটি আলেকজান্ডার ফ্লেমিং কর্তৃক আবিষ্কৃত বিশ্বের প্রথম জীবন রক্ষাকারী অ্যান্টিবায়োটিক বা জীবাণুরোধী ওষুধ। D) ইথিলিন — এটি একটি ফল পাকানোর প্রাকৃতিক হরমোন বা গ্যাসীয় প্ল্যান্ট হরমোন, যা ডিমের পচা গন্ধের জন্য দায়ী নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পচা ডিমের গন্ধে সালফার থাকে এবং সালফারযুক্ত গ্যাসের মধ্যে হাইড্রোজেন সালফাইড সবচেয়ে পরিচিত। ইথিলিন গ্যাস কেবল ফল পাকাতে সাহায্য করে এটি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পচা ডিমের দুর্গন্ধ সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাসের রাসায়নিক সংকেত হলো এইচ টু এস।
a ট্যালক
b হীরা
c চুনাপাথর
d সিলিকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ট্যালক ১. কেন সঠিক: ট্যালক হলো প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্ত একটি খনিজ যা মোহস স্কেলের একেবারে শুরুতে অবস্থিত। এর নমনীয়তা এত বেশি যে এটি মানুষের আঙুলের নখ দিয়েই সহজেই আঁচড় কেটে কেটে ফেলা যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: খনিজের কঠোরতা পরিমাপের জন্য জার্মান ভূতত্ত্ববিদ ফ্রেডরিখ মোহস ১৮১২ সালে একটি শক্তিমাত্রা বা স্কেল আবিষ্কার করেন। এই স্কেলে ১ থেকে ১০ পর্যন্ত সংখ্যা ব্যবহার করে খনিজগুলোর আপেক্ষিক কঠোরতা নির্ধারণ করা হয়। স্কেলের সর্বনিম্ন মান ১ হলো ট্যালকের জন্য এবং সর্বোচ্চ মান ১০ হলো হীরার জন্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ট্যালকম পাউডার বা বেবি পাউডার তৈরির প্রধান কাঁচামাল হলো এই ট্যালক খনিজ। এটি পিষে অতি সূক্ষ্ম গুঁড়ো করে ত্বকে ব্যবহার করা হয় কারণ এটি অত্যন্ত নরম এবং ত্বকে কোনো আঘাত করে না। ব্যাখ্যা: ট্যালকের নরম গুণাগুণ একে প্রসাধন শিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহারের উপযোগী করে তুলেছে যা অন্য কোনো কঠিন খনিজ দিয়ে সম্ভব নয়। উদাহরণ ২: দর্জিদের চক বা টেইলার্স চক তৈরিতে ট্যালক ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: নরম হওয়ার কারণে এটি কাপড়ের ওপর সহজে দাগ কাটতে পারে এবং ঘষলে সহজেই উঠে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ট্যালক — এটি সঠিক উত্তর কারণ মোহস কঠোরতা স্কেলে এর মান ১ এবং এটিই সবচেয়ে নরম খনিজ। B) হীরা — এটি ভুল কারণ হীরা মোহস স্কেলে সর্বোচ্চ ১০ মান বিশিষ্ট এবং এটি পৃথিবীর সবচেয়ে শক্ত প্রাকৃতিক পদার্থ। C) চুনাপাথর — এটি ভুল কারণ চুনাপাথরের মোহস কঠোরতা প্রায় ৩ এর কাছাকাছি, যা ট্যালকের চেয়ে অনেক বেশি শক্ত। D) সিলিকা — এটি ভুল কারণ সিলিকা বা কোয়ার্টজ খনিজের মোহস কঠোরতা ৭, যা কাঁচ কাটতেও সক্ষম এবং ট্যালকের চেয়ে বহুগুণ শক্ত। ৫ মনে রাখার টিপস: ট্যালক নামটির সঙ্গে ট্যালকম পাউডারের মিল রয়েছে যা আমরা ত্বকে মাখি এবং এটি খুব নরম হয়। এভাবে মনে রাখা যায় যে সবচেয়ে নরম জিনিস দিয়েই পাউডার তৈরি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মোহস স্কেল থেকে প্রশ্ন আসে যেমন সবচেয়ে শক্ত খনিজ কোনটি। এই প্রশ্ন থেকে হীরা বা ট্যালক সম্পর্কিত বিভিন্ন খনিজের কঠোরতার ক্রম মনে রাখা জরুরি।
a সালফিউরিক এসিড
b অক্সালিক এসিড
c হাইড্রোক্লোরিক এসিড
d নাইট্রিক এসিড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অক্সালিক এসিড ১. কেন সঠিক: - অক্সালিক এসিড একটি দুর্বল এসিড কারণ এটি জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে বিয়োজিত হয় না এবং আংশিকভাবে হাইড্রোজেন আয়ন উৎপন্ন করে। - এটি জৈব এসিড হওয়ায় এর অম্লীয়強度 খনিজ এসিডের তুলনায় অনেক কম হয়ে থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে এসিড জলীয় দ্রবণে আংশিক বিয়োজিত হয়ে অল্প পরিমাণে হাইড্রোজেন আয়ন উৎপন্ন করে, তাকে দুর্বল এসিড বলে। - রাসায়নিক প্রকৃতি: অক্সালিক এসিড একটি জৈব যৌগ যার রাসায়নিক সংকেত হলো C2H2O4 এবং এটি সাধারণত উদ্ভিজ্জ উৎসে পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: টমেটো বা পালং শাকের টক স্বাদ। ব্যাখ্যা: এগুলোতে অক্সালিক এসিডসহ বিভিন্ন দুর্বল জৈব এসিড উপস্থিত থাকে যা মানবদেহে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না। উদাহরণ ২: লেবুর রসের সাইট্রিক এসিড। ব্যাখ্যা: এটিও একটি দুর্বল জৈব এসিড যা খাদ্যদ্রব্যে স্বাদ বৃদ্ধি করে এবং সহজেই হজম হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সালফিউরিক এসিড — এটি একটি প্রবল খনিজ এসিড যা জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণ বিয়োজিত হয়। B) অক্সালিক এসিড — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি দুর্বল জৈব এসিড। C) হাইড্রোক্লোরিক এসিড — এটি একটি শক্তিশালী অজৈব এসিড যা পাকস্থলীতে পাওয়া গেলেও অত্যন্ত ক্ষয়কারী। D) নাইট্রিক এসিড — এটি একটি তীব্র এসিড যা জলীয় দ্রবণে শতভাগ বিয়োজিত হয়ে প্রচুর হাইড্রোজেন আয়ন দেয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সাধারণত যেসব এসিড ফলমূল বা উদ্ভিদে পাওয়া যায় অর্থাৎ জৈব এসিড, সেগুলো দুর্বল এসিড হয়। অন্যদিকে ল্যাবরেটরিতে ব্যবহৃত খনিজ এসিডগুলো প্রবল এসিড হিসেবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রবল ও দুর্বল এসিডের উদাহরণ জানতে চাওয়া হয়। ভিনেগারে উপস্থিত অ্যাসিটিক এসিড এবং তেঁতুলে উপস্থিত টারটারিক এসিডও দুর্বল এসিডের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।