বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে হিসাবরক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১।

পদের নাম: হিসাবরক্ষক (১৬তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (90)

a অপিনিহিতি
b সম্প্রকর্ষ
c স্বরসংগতি
d অন্তর্হতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সম্প্রকর্ষ ১. কেন সঠিক: - উচ্চারণের সুবিধার জন্য বা দ্রুত উচ্চারণের সময় শব্দের আদি, মধ্য বা অন্ত্যস্বর কিংবা ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ পাওয়ার প্রক্রিয়াকে সম্প্রকর্ষ বা সমপ্রকর্ষ বলে। - প্রদত্ত প্রশ্নে 'উদ্ধার' শব্দটি থেকে মধ্যবর্তী 'ধ' ধ্বনি এবং পরবর্তীতে স্বরধ্বনি লোপ পেয়ে সংক্ষিপ্ত হয়ে ক্রমান্বয়ে 'উধার' ও সবশেষে 'ধার' শব্দে পরিণত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ধ্বনি পরিবর্তনের অন্যতম একটি প্রক্রিয়া হলো সম্প্রকর্ষ বা ক্ষয়, যেখানে শব্দের উচ্চারণের সহজতার জন্য শব্দ ছোট হয়ে আসে। - সম্প্রকর্ষ সাধারণত তিন প্রকারের হতে পারে, যেমন আদি সম্প্রকর্ষ, মধ্য সম্প্রকর্ষ এবং অন্ত্য সম্প্রকর্ষ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফলাহার থেকে ফলার ব্যাখ্যা: উচ্চারণের দ্রুততার কারণে মধ্যবর্তী স্বরধ্বনি লোপ পাওয়ার এটি সম্প্রকর্ষ বা সমপ্রকর্ষের একটি স্পষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: গলায় থেকে গায় ব্যাখ্যা: শব্দের মধ্যবর্তী ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ পেয়ে সংক্ষিপ্ত হওয়ার মাধ্যমে এটি সম্প্রকর্ষ প্রক্রিয়াকে সমর্থন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপিনিহিতি — যুক্তব্যঞ্জনের আগের ই-কার বা উ-কার উচ্চারণ বা অন্য স্বরধ্বনি আগে চলে আসার প্রক্রিয়াকে অপিনিহিতি বলে, যা এখানে ঘটেনি। B) সম্প্রকর্ষ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি শব্দের ধ্বনি লোপ পাওয়ার প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। C) স্বরসংগতি — শব্দের মধ্যে একটি স্বরধ্বنیর প্রভাবে অন্য স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটার প্রক্রিয়াকে স্বরসংগতি বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) অন্তর্হতি — পদের মধ্যবর্তী কোনো স্বর বা ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সুবিধার জন্য লুপ্ত হওয়াকে অন্তর্হতি বলে, তবে প্রদত্ত ধারাবাহিক পরিবর্তনটি সম্প্রকর্ষের অন্তর্ভুক্ত। ৫ মনে রাখার টিপস: - বড় শব্দ ছোট হয়ে বা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে সংক্ষিপ্ত রূপ ধারণ করলে তাকে সম্প্রকর্ষ মনে রাখবে। - ধ্বনি বা বর্ণ লোপ পাওয়ার অপর নাম হলো সম্প্রকর্ষ বা সমপ্রকর্ষ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের ছোট হওয়ার প্রক্রিয়াটি কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - অপিনিহিতি ও সম্প্রকর্ষের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে যাতে বিভ্রান্তি তৈরি না হয়।
a সংবাদ প্রভাকর
b বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য
c শিখা
d বাসন্তিক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শিখা ১. কেন সঠিক: "জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব" বিখ্যাত এই বাণীটি মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র 'শিখা' পত্রিকার প্রতি সংখ্যার প্রচ্ছদে বা শুরুতে মুদ্রিত থাকত। বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রধান স্লোগান ছিল এটি, যা মুক্তবুদ্ধি চর্চা ও গোঁড়ামি থেকে সমাজকে মুক্ত করার আহ্বান জানায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: 'শিখা' পত্রিকা ১৯২৬ সালে গঠিত 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ'-এর মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সংগঠক ছিলেন আবুল হুসেন এবং কাজী আব্দুল ওদুদ, আর প্রথম সম্পাদক ছিলেন আবুল ফজল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী আব্দুল ওদুদের 'সমাজ ও সাহিত্য' প্রবন্ধ গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে লেখকের বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের চিন্তাধারা ও সমাজ সংস্কারের রূপ প্রতিফলিত হয়েছে। উদাহরণ ২: আবুল ফজলের 'সমাজ সংস্কৃতি ও সাহিত্য' গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের চেতনায় সমৃদ্ধ একটি প্রখ্যাত সাহিত্যকর্ম ও প্রবন্ধ সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংবাদ প্রভাকর - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত উনিশ শতকের একটি প্রখ্যাত সংবাদপত্র, যার সঙ্গে এই বাণীর কোনো সম্পর্ক নেই। B) বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য - এটি বঙ্গীয় সাহিত্য সমাজের মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত অন্য একটি ঐতিহাসিক পত্রিকা। D) বাসন্তিক - এটি এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ কোনো প্রখ্যাত বা প্রামাণ্য সাহিত্য পত্রিকা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বুদ্ধির মুক্তি বা জ্ঞানের সীমার কথা এলেই 'শিখা' পত্রিকার কথা মনে রাখবে, কারণ শিখার আলো দিয়েই অন্ধকার ও আড়ষ্টতা দূর হয়। মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র হিসেবে 'শিখা' পত্রিকার এই স্লোগানটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত ঘন ঘন আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র কোনটি এবং এর স্লোগান কী ছিল, তা BCS ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় বারবার আসে। বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক এই সাহিত্য সমাজ থেকেই, যার মুখপত্র ছিল 'শিখা'।
a কাব্যগ্রন্থ
b প্রবন্ধগ্রন্থ
c গল্পগ্রন্থ
d সঙ্গীতগ্রন্থ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রবন্ধগ্রন্থ ১. কেন সঠিক: - 'রুদ্র মঙ্গল' হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ। - এই গ্রন্থে নজরুলের বিদ্রোহী চেতনা ও রাজনৈতিক ভাবধারার পরিচয় পাওয়া যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি ও প্রবন্ধকার। - 'রুদ্র মঙ্গল' গ্রন্থে সংকলিত প্রবন্ধগুলোতে লেখকের সমাজচিন্তা ও রাষ্ট্রচিন্তার প্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যুগবাণী ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় প্রবন্ধগ্রন্থ। উদাহরণ ২: দুর্দিনের যাত্রী ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত সমাজচিন্তামূলক প্রবন্ধগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্যগ্রন্থ — রুদ্র মঙ্গল কোনো কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি গদ্যে রচিত প্রবন্ধের সংকলন। B) প্রবন্ধগ্রন্থ — এটি সঠিক কারণ রুদ্র মঙ্গল গদ্য প্রবন্ধের একটি সংকলন। C) গল্পগ্রন্থ — এই গ্রন্থে কোনো ছোটগল্প বা কল্পকাহিনি সংকলিত হয়নি। D) সঙ্গীতগ্রন্থ — এটি গান বা সুরের কোনো সংগ্রহ নয়, এটি প্রবন্ধের বই। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের গদ্যগ্রন্থগুলো মনে রাখার জন্য মঙ্গল শব্দটিকে মূল ভিত্তি হিসেবে ধরতে পারো। - রুদ্র মঙ্গল এবং দুর্দিনের যাত্রী উভয়ই নজরুলের বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের প্রবন্ধগ্রন্থগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - যুগবাণী, দুর্দিনের যাত্রী এবং রাজবন্দীর জবানবন্দী নজরুলের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ।
a তোমাকে ভাবতে হবে।
b বিষয়টি ভালো শোনায় না।
c আসামীকে জরিমানা করা হয়েছে।
d তার যেন আসা হয়।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিষয়টি ভালো শোনায় না। ১. কেন সঠিক: - যে বাক্যে কর্তার উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও কর্মপদটি নিজেই কর্তার মতো আচরণ করে এবং বাক্যটি কর্মপ্রধান বা কর্মকর্তৃবাচ্যের অর্থ প্রকাশ করে, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্য বলে। - এখানে বিষয়টি কর্ম হওয়া সত্ত্বেও বাক্যের মূল অর্থ প্রকাশ করছে এবং এর সাথে কোনো সক্রিয় কর্তা যুক্ত নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কর্মকর্তৃবাচ্যের সংজ্ঞা: বাক্যের কর্মপদ যখন নিজেই কর্তার স্থান দখল করে এবং বাক্যটিতে কর্তার উল্লেখ থাকে না, তখন তাকে কর্মকর্তৃবাচ্যের ক্রিয়া বা কর্মকর্তৃবাচ্য বলে। - এই বাচ্যে কর্মপদটি বাক্যের শুরুতে বসে কর্তার মতো কাজ করে এবং ক্রিয়াপদটি কর্মের পুরুষ অনুসারেই গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঁশীতে সুর বাজে। ব্যাখ্যা: এখানে সুর কর্মপদ হলেও তা নিজে নিজেই বাজার ভাব প্রকাশ করছে, তাই এটি কর্মকর্তৃবাচ্যের উদাহরণ। উদাহরণ ২: পাঠ্যবই পড়তে ভালো লাগে। ব্যাখ্যা: এখানে পাঠ্যবই কর্মপদটি বাক্যে কর্তার মতো কাজ করছে এবং এটি কর্মকর্তৃবাচ্যের চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তোমাকে ভাবতে হবে। — এটি মূলত ভাববাচ্যের উদাহরণ, কারণ এখানে ক্রিয়ার ভাব বা কাজটি প্রধান হয়ে উঠেছে এবং কর্তার ওপর বাধ্যবাধকতা বোঝাচ্ছে। B) বিষয়টি ভালো শোনায় না। — এটি কর্মকর্তৃবাচ্যের সঠিক উদাহরণ, কারণ কর্মপদটি এখানে কর্তার স্থলাভিষিক্ত হয়ে নিজে থেকেই ভাব প্রকাশ করছে। C) আসামীকে জরিমানা করা হয়েছে। — এটি কর্মবাচ্যের উদাহরণ, কারণ এখানে মূল কর্তা উহ্য থাকে এবং কর্মপদটি মুখ্য হয়ে ওঠে কিন্তু এটি কর্মকর্তৃবাচ্য নয়। D) তার যেন আসা হয়। — এটি ভাববাচ্যের উদাহরণ, কারণ এখানে ক্রিয়ার অর্থ বা ভাবই প্রধান এবং কর্তাটি গৌণ বা বিভক্তিযুক্ত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কর্মকর্তৃবাচ্য চেনার সহজ উপায় হলো বাক্যের কর্মপদটি খুঁজে বের করা এবং দেখা সেটি নিজে নিজেই কাজটি সম্পন্ন করার ভাব প্রকাশ করছে কি না। - কর্ম যখন নিজে কর্তা হয়ে যায় এবং কোনো বাহ্যিক কর্তা থাকে না, তখন সেটি কর্মকর্তৃবাচ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাচ্য পরিবর্তনের নিয়ম এবং বিভিন্ন বাচ্যের পার্থক্য প্রায়ই আসে। - কর্তৃবাচ্য, কর্মবাচ্য, ভাববাচ্য এবং কর্মকর্তৃবাচ্যের সংজ্ঞাগত পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a অপ্রয়োজনীয় কথা
b বিশৃঙ্খলা অবস্থা
c সুসময়
d দুঃসময়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অপ্রয়োজনীয় কথা ১. কেন সঠিক: - 'সাত সতোরো' একটি বহুল প্রচলিত বাগধারা যার অন্তর্নিহিত অর্থ হলো অপ্রয়োজনীয়, অদরকারি বা অবান্তর কথা। - আক্ষরিক অর্থের চেয়ে বাগধারার বিশেষ ও রূপক অর্থ এখানে প্রধান হয়ে ওঠে, যা বাক্যে ভাবকে ফুটিয়ে তোলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের একটি অংশ যা বাগধারা হিসেবে পরিচিত এবং বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। - বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং গদ্য বা পদ্যের প্রকাশভঙ্গি আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার সাথে কথা বলা আর সাত সতোরো শোনার মধ্যে কোনো তফাত নেই। ব্যাখ্যা: এখানে বক্তার অপ্রয়োজনীয় ও বিরক্তিকর কথা বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: কাজের সময় সাত সতোরো বাদ দিয়ে আসল বিষয়ে মন দাও। ব্যাখ্যা: কাজের মধ্যে অবান্তর ও অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা পরিহার করার নির্দেশ দিতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপ্রয়োজনীয় কথা — এটি সঠিক এবং বাগধারাটির নির্ধারিত অর্থ নির্দেশ করে। B) বিশৃঙ্খলা অবস্থা — এটি সঠিক নয় কারণ বিশৃঙ্খলা বোঝাতে অন্য বাগধারা যেমন তালগোল পাকানো ব্যবহৃত হয়। C) সুসময় — এটি সঠিক নয় কারণ সুসময় বোঝাতে সুদিন বা ভালো সময় বোঝানো হয়। D) দুঃসময় — এটি সঠিক নয় কারণ দুঃসময় বোঝাতে দুর্দিন বা মেঘের ছায়া ব্যবহার করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাত ও সতোরো মিলিয়ে অনেকগুলো অবান্তর সংখ্যা বা কথার হিসাব বোঝায়, যা থেকে অপ্রয়োজনীয় কথা মনে রাখা সহজ হয়। - বাগধারার আক্ষরিক অর্থ না খুঁজে এর প্রচলিত রূপক অর্থ মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই অর্থ মুখস্থ রাখার পাশাপাশি বাক্যে প্রয়োগ জানতে হবে। - একই রকম অন্য বাগধারাগুলো অনুশীলনের মাধ্যমে প্রস্তুতি আরও শাণিত করা সম্ভব।
a মেঘের ধ্বনি
b সেতারের ঝংকার
c ময়ুরের ডাক
d গম্ভীর ধ্বনি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গম্ভীর ধ্বনি ১. কেন সঠিক: - মন্দ্র শব্দের অর্থ গম্ভীর বা গভীর ধ্বনি। এটি সাধারণত মেঘের ডাক, ঢোলের শব্দ বা গভীর কোনো আওয়াজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। - প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডারে মন্দ্র একটি তৎসম শব্দ যার মূল অর্থ নিচু স্বরের গম্ভীর ধ্বনি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন। - সংস্কৃত ভাষা থেকে যে শব্দগুলো অপরিবর্তিতভাবে বাংলা ভাষায় এসেছে সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে এবং মন্দ্র একটি তেমনই তৎসম শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মন্দ্র সপ্তক ব্যাখ্যা: সংগীতের ভাষায় বা সুরের ক্ষেত্রে নিচু বা গম্ভীর স্বরকে মন্দ্র সপ্তক বলা হয়। উদাহরণ ২: মন্দ্র ধ্বনি ব্যাখ্যা: কোনো বড় বা ভারী বাদ্যযন্ত্রের গম্ভীর আওয়াজ বোঝাতে মন্দ্র ধ্বনি শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘের ধ্বনি — মেঘের ধ্বনি বোঝাতে মন্দ্র ব্যবহার করা হলেও এর মূল বা সাধারণ শাব্দিক অর্থ কেবল মেঘ নয় বরং যেকোনো গম্ভীর ধ্বনি। B) সেতারের ঝংকার — সেতারের ঝংকার বা তারের আওয়াজ বোঝাতে সাধারণত ঝংকার বা তার সপ্তক বলা হয়, মন্দ্র নয়। C) ময়ুরের ডাক — ময়ুরের ডাককে কেকা বলা হয়, তাই এটি মন্দ্র শব্দের সঠিক অর্থ নয়। D) গম্ভীর ধ্বনি — এটি মন্দ্র শব্দের সরাসরি এবং সবচেয়ে সঠিক আভিধানিক অর্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - মন্দ্র শব্দের সাথে গম্ভীর ধ্বনির মিল মনে রাখতে মন্দ্র মানেই গভীর বা গম্ভীর আওয়াজ এই কৌশলটি মনে রাখতে পারো। - সংগীতের মন্দ্র সপ্তক বা নিচু সুরের কথা মাথায় রাখলেও এর অর্থ সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই তৎসম শব্দের অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - একই ধরনের অন্যান্য শব্দের অর্থ পড়ার সময় তার মূল উৎস এবং ব্যবহারিক ক্ষেত্র খেয়াল রাখা জরুরি।
a জননী
b জলাংগী
c চৌরসন্ধি
d পতঙ্গ পিঞ্জর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জলাংগী ১. কেন সঠিক: - শওকত ওসমান রচিত 'জলাংগী' একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জনগণের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান বাংলা সাহিত্যে প্রতিবাদী ও মননশীল লেখক হিসেবে পরিচিত। - তার এই উপন্যাসে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম নির্যাতনের পাশাপাশি বাঙালির প্রতিরোধ লড়াইয়ের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্থান পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শওকত ওসমানের আরেকটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো জাহান্নাম হইতে বিদায়। ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের পটভূমিতে রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের আরেকটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো দুই সৈনিক। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসেও মুক্তিযুদ্ধের সময়ের একটি বিশেষ ঘটনা ও মানবিক সংকটের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জননী — এটি শওকত ওসমান রচিত গ্রামীণ সমাজজীবনের ওপর ভিত্তি করে লেখা একটি সামাজিক উপন্যাস, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। B) জলাংগী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) চৌরসন্ধি — এটি শওকত ওসমানের কোনো বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, তাই এটি সঠিক নয়। D) পতঙ্গ পিঞ্জর — এটি শওকত ওসমানের একটি ভিন্ন আঙ্গিকের উপন্যাস, যা মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: - শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো মনে রাখতে জলাংগী, জাহান্নাম হইতে বিদায় ও দুই সৈনিক এই নামগুলো একত্রে একটি বাক্যে চর্চা করতে পারো। - লেখকের নামের সঙ্গে তার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনার যোগসূত্র মনে রাখলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - একই লেখকের অন্য সামাজিক উপন্যাসগুলোর সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলোর নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a অধিকন্তু
b যেন
c নিশ্চয়ই
d হায়রে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যেন ১. কেন সঠিক: - যে অব্যয় পদ স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ না করে অন্য কোনো পদের ওপর নির্ভর করে বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তাকে অনুগামী বা পরাধীন সমুচ্চয়ী অব্যয় বলা হয়। - 'যেন' শব্দটি বাক্যে একা সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না, বরং অন্য বাক্যের বা শব্দের ওপর নির্ভর করে তুলনামূলক বা সম্ভাবনামূলক ভাব প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সমুচ্চয়ী অব্যয় প্রধানত দুই প্রকার, যেমন সংযোজক অব্যয় ও বিয়োজক অব্যয়। এছাড়া ভাব বা অর্থের দিক থেকে এগুলোকে সমরূপ বা সমানাধিক এবং অনুগামী বা পরাধীন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। - অনুগামী অব্যয় সাধারণত সাপেক্ষ বা পরাধীনভাবে বাক্যে বসে মনের ভাব প্রকাশ করে এবং জটিল বাক্য গঠনে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘ দেখে মনে হচ্ছে যেন বৃষ্টি নামবে। ব্যাখ্যা: এখানে 'যেন' অব্যয়টি দুটি খণ্ডবাক্যকে এমনভাবে যুক্ত করেছে যেখানে দ্বিতীয় অংশটি প্রথম অংশের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। উদাহরণ ২: সে এমনভাবে কথা বলছে যেন সে সব জানে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'যেন' শব্দটি অনুগামী অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে তুলনামূলক বা অনুমানের ভাব প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধিকন্তু — এটি একটি সংযোজক সমুচ্চয়ী অব্যয়, যা একটি বাক্যের সঙ্গে অন্য বাক্য বা তথ্য যোগ করতে ব্যবহৃত হয়, অনুগামী অব্যয় নয়। B) যেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পরাধীন বা অনুগামী সমুচ্চয়ী অব্যয়ের উদাহরণ। C) নিশ্চয়ই — এটি একটি নিশ্চিতকরণবাচক বা ভাববাচক অব্যয় বা অনুসারী শব্দ, যা সমুচ্চয়ী অব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত নয়। D) হায়রে — এটি একটি আবেগবাচক অব্যয়, যা দুঃখ বা বেদনা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়, সমুচ্চয়ী অব্যয় নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করতে না পেরে অন্য বাক্যের ওপর নির্ভর করলেই সেটি অনুগামী সমুচ্চয়ী অব্যয় হবে। - যেন, যদি, যদিও, যেহেতু শব্দগুলো সাধারণত অনুগামী সমুচ্চয়ী অব্যয়ের কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অব্যয় পদের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাক্যের সংযোগ রক্ষা করার ধরন দেখে সংযোজক ও অনুগামী অব্যয় আলাদা করতে হবে।
a দৌহিত্র
b জলধি
c প্রবীণ
d মধুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রবীণ ১. কেন সঠিক: - গঠন বা উৎসের ভিত্তিতে বাংলা শব্দকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে রুঢ়ি শব্দ হলো সেই শব্দ যা প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত হলেও শব্দের মূল বা ব্যুৎপত্তিগত অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। - 'প্রবীণ' শব্দটির বুৎপত্তিগত বা আক্ষরিক অর্থ হলো প্রকৃষ্ট রূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি। কিন্তু বর্তমানে এটি কোনো বাদ্যযন্ত্র বাদক না বুঝিয়ে সাধারণভাবে বয়স্ক, অভিজ্ঞ বা মুরুব্বি ব্যক্তিকে বোঝায়, যা রুঢ়ি শব্দের সংজ্ঞার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে যৌগিক, রুঢ় বা রুঢ়ি এবং যোগরূঢ় এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়। রুঢ়ি শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের প্রচলিত ও বিশেষ অর্থ মূল অর্থকে ছাপিয়ে প্রধান হয়ে ওঠে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই শব্দগুলো থেকে প্রশ্ন আসে, তাই বুৎপত্তিগত অর্থের সঙ্গে প্রচলিত অর্থের পার্থক্যগুলো মনে রাখা জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গবেষণা ব্যাখ্যা: শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থ গো অন্বেষণ বা গরু খোঁজা হলেও বর্তমানে এর প্রচলিত অর্থ ব্যাপক পড়াশোনা বা অনুসন্ধান, যা একটি রুঢ়ি শব্দ। উদাহরণ ২: হস্তী ব্যাখ্যা: হস্ত বা হাত আছে যার তাকে হস্তী বলা হলেও এটি হাত বিশিষ্ট কোনো মানুষকে না বুঝিয়ে কেবল হাতি প্রাণীকে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৌহিত্র — এটি একটি যৌগিক শব্দ কারণ এর গঠনগত ও প্রচলিত অর্থ একই অর্থাৎ কন্যার পুত্র বা দৌহিত্র। B) জলধি — এটি একটি যোগরূঢ় শব্দ কারণ সমাসবদ্ধ হয়ে জল ধারণ করে এমন যেকোনো কিছু না বুঝিয়ে নির্দিষ্ট করে সমুদ্রকে বোঝায়। D) মধুর — এটি একটি যৌগিক শব্দ কারণ মধু যোগ র প্রত্যয় সাধित হয়ে এর আক্ষরিক ও প্রচলিত অর্থ একই অর্থাৎ যা মধুর বা মিষ্টি। ৫. মনে রাখার টিপস: - রুঢ়ি শব্দগুলো সহজে মনে রাখতে প্রবীণ, গবেষণা, সন্দেশ, হস্তী ও বাঁশি এই কয়েকটি বহুল প্রচলিত শব্দ মুখস্থ রাখলে পরীক্ষার হলে দ্রুত সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও শব্দের গঠন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। যৌগিক, রুঢ়ি ও যোগরূঢ় শব্দের সংজ্ঞা এবং এদের ৫টি করে প্রধান উদাহরণ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সহজে করা সম্ভব।
a ফারসি
b ফরাসি
c পর্তুগীজ
d ওলন্দাজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পর্তুগীজ ১. কেন সঠিক: - গুদাম শব্দটি পর্তুগীজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। পর্তুগীজ বণিক ও পামরদের মাধ্যমে এই শব্দটি বাংলা শব্দভান্ডারে প্রবেশ করেছে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের মধ্যে পর্তুগীজ শব্দগুলো ব্যবসায়, বাণিজ্য, ধর্ম ও দৈনন্দিন ব্যবহারের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের অন্তর্গত শব্দের উৎস বা রূপান্তর সম্পর্কিত একটি ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। - বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফারসি, ইংরেজি শব্দ ছাড়াও পর্তুগীজ, ওলন্দাজ, ফরাসি, গ্রিক ও চীনা শব্দ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আনারস ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত পর্তুগীজ শব্দ যা বাংলায় ফল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: আলমারি ব্যাখ্যা: আসবাবপত্র বোঝাতে ব্যবহৃত এই শব্দটি পর্তুগীজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় হাজার, চশমা, বাগান ইত্যাদি শব্দ এসেছে, গুদাম আসেনি। B) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে কার্তুজ, কুপন, বুফে ইত্যাদি শব্দ এসেছে, গুদাম আসেনি। C) পর্তুগীজ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ ভাষা থেকে হরতন, ইস্কাপন, টেক্কা ইত্যাদি শব্দ এসেছে, গুদাম আসেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাণিজ্য ও গৃহস্থালির অনেক জিনিসপত্র যেমন গুদাম, আলমারি, চাবি, বালতি পর্তুগীজরা ব্যবহার করত বলে মনে রাখতে পারেন। - ফল ও খাদ্যদ্রব্য যেমন আনারস, পেঁপে, কাবুলিওয়ালা না হলেও পর্তুগীজ শব্দগুলো সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পর্তুগীজ শব্দ যেমন আনারস, আলমারি, চাবি, সাবান প্রায়ই আসে। - বিদেশি শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে পরীক্ষায় উত্তর করা সহজ হয়।
a ওষ্ঠ
b জিহ্বামূল
c অগ্রতালু
d অগ্র দন্তমূল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অগ্র দন্তমূল ১. কেন সঠিক: - 'ত, থ, দ, ধ, ন, ল, স' ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় জিউভার অগ্রভাগ ওপরের সারির দাঁতের গোড়ায় বা দন্তমূলে স্পর্শ করে। - বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনিতত্ত্বে উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী এই ধ্বনিগুলোকে দন্ত্য বা অগ্র দন্তমূলীয় ধ্বনি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - মুখবিবরের যে নির্দিষ্ট অংশ থেকে বা অঙ্গের সাহায্যে কোনো ধ্বনি উচ্চারিত হয়, তাকে সেই ধ্বনির উচ্চারণ স্থান বাArticulation বলে। - দন্ত্য বর্ণগুলোর উচ্চারণে জিহ্বা ও দাঁতের মূলের স্পর্শ ঘটে, যা বাংলা বর্ণমালার ত-বর্গীয় ধ্বনি হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তলোয়ার ব্যাখ্যা: এই শব্দের শুরুতে থাকা 'ত' ধ্বনিটি অগ্র দন্তমূলীয় উচ্চারণের একটি স্পষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ নদী ব্যাখ্যা: শব্দের শুরুতে থাকা 'ন' ধ্বনিটি উচ্চারিত হওয়ার সময় জিউভার অগ্রভাগ দন্তমূল স্পর্শ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওষ্ঠ — এই অপশনটি ভুল কারণ ওষ্ঠ বা ঠোঁট থেকে প, ফ, ব, ভ, ম ধ্বনিগুলো উচ্চারিত হয়। B) জিহ্বামূল — এই অপশনটি ভুল কারণ জিহ্বামূল বা কণ্ঠনালীর পেছনের অংশ থেকে ক, খ, গ, ঘ, ঙ ধ্বনি উচ্চারিত হয়। C) অগ্রতালু — এই অপশনটি ভুল কারণ অগ্রতালু বা তালু থেকে চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, য, শ ধ্বনিগুলো উচ্চারিত হয়। D) অগ্র দন্তমূল — এই অপশনটি সঠিক কারণ ত, থ, দ, ধ, ন, ল, স ধ্বনিগুলোর সঠিক উচ্চারণ স্থান হলো অগ্র দন্তমূল। ৫ মনে রাখার টিপস: - দন্ত্য বর্ণ মনে রাখার সহজ সূত্র হলো ত-বর্গীয় সকল বর্ণই দন্ত্য বা দন্তমূলীয় ধ্বনি। - ল এবং স বর্ণ দুটিও দন্তমূল থেকে উচ্চারিত হয় বলে এদের দন্তমূলীয় ধ্বনি বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উচ্চারণ স্থান থেকে একটি প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ক-বর্গ কণ্ঠ্য, চ-বর্গ তালু, ট-বর্গ মূর্ধা, ত-বর্গ দন্ত এবং প-বর্গ ওষ্ঠ্য ধ্বনি হিসেবে মনে রাখতে হবে।
a নিঃ + রব
b নীঃ + রব
c নীরঃ + ব
d নৈ + রব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিঃ + রব ১. কেন সঠিক: - নীরব শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ হলো নিঃ + রব, যা বিসর্গ সন্ধির নিয়মে সাধিত হয়েছে। - এখানে বিসর্গের পূর্বে ই কার এবং বিসর্গের পরে র ধ্বনি থাকার কারণে বিসর্গটি লোপ পেয়েছে এবং আগের স্বরধ্বনি দীর্ঘ হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পরে র থাকলে বিসর্গ লোপ পায় এবং তার আগের হ্রস্ব স্বর দীর্ঘস্বরে পরিণত হয়। - অর্থাৎ নি + রব যুক্ত হয়ে নীরব শব্দ গঠন করে, যেখানে ই কার ঈ কারে রূপান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নি + রস = নীরস ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে র থাকার কারণে বিসর্গ লোপ পেয়ে নি এর ই কার ঈ কারে পরিণত হয়েছে। উদাহরণ ২: নি + রোগ = নিরোগ ব্যাখ্যা: একই নিয়মে বিসর্গ লুপ্ত হয়ে এবং ই কার দীর্ঘ ঈ কারে পরিবর্তিত হয়ে এই শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিঃ + রব — এটি সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ এবং বিসর্গ সন্ধির নিয়ম নিখুঁতভাবে মেনে চলে। B) নীঃ + রব — এই অপশনটি ভুল কারণ মূল শব্দে নি উপসর্গে হ্রস্ব ই কার থাকে, দীর্ঘ ঈ কার থাকে না। C) নীরঃ + ব — এই অপশনটি ভুল কারণ নীরঃ বলে কোনো উপসর্গ বা শব্দাংশ ব্যাকরণসম্মতভাবে সন্ধির পূর্বে বসে না। D) নৈ + রব — এই অপশনটি ভুল কারণ নৈ হলো স্বরসন্ধির একটি উপাদান, যা এই বিসর্গ সন্ধির শব্দের সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিসর্গের পরে র থাকলে বিসর্গ তুলে দিয়ে আগের ছোট ই বা উ কারকে বড় ঈ বা ঊ কার করে দিতে হয়। - এই নিয়মের শব্দগুলোতে সাধারণত দীর্ঘ স্বরধ্বনি দেখতে পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধির এই বিশেষ নিয়মটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - নি উপসর্গযুক্ত শব্দের সঙ্গে র যুক্ত শব্দ দেখলে এই নিয়মটি প্রয়োগ করতে হবে।
a নিজ বাসভূমে
b নিরালোকে দিবানিশি
c দুঃসময়ের মুখোমুখি
d আর্ত শব্দাবলী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আর্ত শব্দাবলী ১. কেন সঠিক: - আর্ত শব্দাবলী গ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমানের লেখা নয়। - এই কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের আরেক বিশিষ্ট কবি নির্মলেন্দু গুণ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে আবির্ভূত হওয়া বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি ও সাংবাদিক। - তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে নিজ বাসভূমে, নিরালোকে দিবানিশি ও দুঃসময়ের মুখোমুখি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বন্দী শিবির থেকে ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমান রচিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অত্যন্ত বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: প্রেমাংশুর রক্ত চাই ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমানের সমসাময়িক কবি নির্মলেন্দু গুণের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিজ বাসভূমে — এটি কবি শামসুর রাহমানের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও আলোচিত কাব্যগ্রন্থ। B) নিরালোকে দিবানিশি — এটি কবি শামসুর রাহমান রচিত একটি পরিচিত কাব্যগ্রন্থ। C) দুঃসময়ের মুখোমুখি — এটিও কবি শামসুর রাহমানের রচিত একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। D) আর্ত শব্দাবলী — এটি কবি শামসুর রাহমানের লেখা নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখতে তার বিখ্যাত রাজনৈতিক ও নাগরিক চেতনার কবিতাগুলো মাথায় রাখতে পারো। - নির্মলেন্দু গুণের কাব্যগ্রন্থের তালিকায় আর্ত শব্দাবলী বিশেষভাবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - কোনো নির্দিষ্ট লেখকের গ্রন্থ নয় ধরনের প্রশ্নে অপশনের অন্য গ্রন্থগুলোর রচয়িতা কে তা জেনে রাখা জরুরি।
a মধুমালা
b বিদ্রোহী
c মানুষ
d চিত্রনামা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মধুমালা ১. কেন সঠিক: - কবি কাজী নজরুল ইসলামের 'মধুমালা' কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি একটি নাটক বা গীতি নাটিকা। - প্রশ্নটিতে জানতে চাওয়া হয়েছে নিচের কোনটি কাব্যগ্রন্থ নয়, তাই যে অপশনটি কাব্যগ্রন্থ নয় সেটিই সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হবে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক ছিলেন যিনি বিংশ শতাব্দীতে বাংলার প্রধান সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। - তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশি, সাম্যবাদী, সর্বহারা, সিন্ধু-হিন্দোল ও চক্রবাক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' ব্যাখ্যা: এটি কবির প্রথম প্রকাশিত ও অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ, যা বাংলা কবিতায় এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের 'বিষের বাঁশি' ব্যাখ্যা: এটি কবির অন্যতম বিদ্রোহী ও সাম্যবাদী চেতনায় সমৃদ্ধ একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধুমালা — এটি কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত গীতি নাটিকা। B) বিদ্রোহী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের অত্যন্ত বিখ্যাত একটি কবিতা যা তার 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। C) মানুষ — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কবিতা যা 'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। D) চিত্রনামা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অন্যতম পরিচিত কাব্যগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার সময় খেয়াল রাখবে অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশি ও সাম্যবাদী হলো কবিতা বা কাব্যের সংকলন আর মধুমালা হলো নাটক। নাটক ও কাব্যের তালিকা আলাদা করে পড়লে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবির কাব্যগ্রন্থ এবং নাটক বা উপন্যাসের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। কোনো লেখকের বিখ্যাত কবিতা বা নাটকের নাম দিয়ে সেটি কোন ধরণের রচনা, তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a নৈবেদ্য
b বলাকা
c ক্ষণিকা
d চিত্রা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চিত্রা ১. কেন সঠিক: - '১৪০০ সাল', 'উর্বশী' ও 'স্বর্গ হইতে বিদায়' এই বিখ্যাত কবিতাগুলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চিত্রা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। - ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত 'চিত্রা' কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যযাত্রার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সৃষ্টিশীল পর্যায়ের নিদর্শন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক প্রাতঃস্মরণীয় প্রতিভা যিনি কবিতা, ছোটগল্প, নাটক ও গানসহ সাহিত্যের সব শাখায় অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। - 'চিত্রা' কাব্যগ্রন্থে কবির অন্তলোক ও বহির্লোকের সৌন্দর্যচেতনা, প্রেম এবং দার্শনিক ভাবনার অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে যা বাংলা কাব্যসাহিত্যে অনন্য স্থান অধিকার করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'ান্তিম' ব্যাখ্যা: এটিও 'চিত্রা' কাব্যগ্রন্থের একটি অন্যতম জনপ্রিয় ও গভীর ভাবসমৃদ্ধ কবিতা। উদাহরণ ২: 'দুই পাখি' ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চিত্রা' কাব্যের আরেকটি বিখ্যাত ও বহুল পঠিত কবিতা এটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নৈবেদ্য — এই কাব্যগ্রন্থে আধ্যাত্মিকতা, ধর্ম ও সমাজচেতনাভিত্তিক কবিতা রয়েছে, কিন্তু আলোচ্য কবিতাগুলো এতে নেই। B) বলাকা — এটি মূলত গতিশীলতা ও পরিবর্তনের ভাব নিয়ে রচিত কাব্য, তাই এই প্রশ্নভুক্ত কবিতাগুলো এর অন্তর্ভুক্ত নয়। C) ক্ষণিকা — এটি রবীন্দ্রনাথের একটি লঘু ও আনন্দময় রসের কাব্যগ্রন্থ, যার বিষয়বস্তু আলোচ্য কবিতার সঙ্গে মেলে না। D) চিত্রা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নভুক্ত কবিতাগুলোর প্রকৃত উৎস হিসেবে প্রমাণিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - চিত্রার চৌদ্দ শ' বছর বয়সি উর্বশী স্বর্গ হইতে বিদায় নিল। এই বাক্যটি মনে রাখলে কাব্যগ্রন্থের নাম এবং এর ভেতরের প্রধান কবিতাগুলো সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থের নাম এবং এর ভেতরের বিখ্যাত কবিতা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য কবির প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম এবং সেগুলোর বিখ্যাত কবিতাগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি।
a বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়
b সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়
c বিদেশী তদ্ধিত প্রত্যয়
d নিপাতনে সিদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় ১. কেন সঠিক: - সার্বভৌম শব্দটি গঠিত হয়েছে সার্বভূমি শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে, যা সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে সাধিত হয়েছে। - এখানে মূল শব্দ সার্বভূমি হলো সংস্কৃত শব্দ এবং এর সঙ্গে যুক্ত ষ্ণ প্রত্যয়টিও সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়ের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তদ্ধিত প্রত্যয় হলো সেই প্রত্যয় যা নামপদের (বিশেষ্য বা বিশেষণ) পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। - সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন ঘটিয়ে (বৃদ্ধির নিয়ম) এই ধরনের প্রত্যয় যুক্ত হয়, যেমন ভূমি থেকে সার্বভৌম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানব + ষ্ণ = মানবের ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়ের আরেকটি সাধারণ উদাহরণ যেখানে মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রকৃতি + ষ্ণ = প্রাকৃতিক ব্যাখ্যা: এখানেও সংস্কৃত শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় — সার্বভূমি শব্দটি বাংলা নয়, বরং তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ হওয়ায় এটি বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়মে সাধিত হয়নি। B) সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় — এটি সঠিক কারণ সার্বভূমি এবং ষ্ণ উভয়ই সংস্কৃত ব্যাকরণের আওতাভুক্ত। C) বিদেশী তদ্ধিত প্রত্যয় — সার্বভৌম শব্দটিতে কোনো বিদেশী ভাষার শব্দ বা প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়নি। D) নিপাতনে সিদ্ধ — এটি কোনো নিয়মবহির্ভূত বা নিপাতনে সিদ্ধ শব্দ নয়, বরং নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত নিয়মে গঠিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - শব্দের শেষে ষ্ণ প্রত্যয়যুক্ত দেখলে এবং শব্দটি তৎসম হলে চোখ বন্ধ করে সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় দাগাবে। - তৎসম শব্দের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়গুলো সাধারণত সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় হয়ে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের প্রত্যয় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস চেনা অত্যন্ত জরুরি। - এই ধরনের প্রশ্নে মূল শব্দ এবং প্রত্যয়ের উৎস এক হলে সেটি সাধারণত সংস্কৃত প্রত্যয় হয়।
a মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
b উপমান কর্মধারয়
c উপমিত কর্মধারয়
d রূপক কর্মধারয়
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উপমান কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - 'আঁধার কৃষ্ণ' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো আন্ধারের ন্যায় কৃষ্ণ। এখানে কৃষ্ণ বা কাল রঙের সাথে অন্ধকারের তুলনা করা হয়েছে। - উপমান কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমেয় পদের তুলনা বোঝায় এবং সাধারণ গুণটি উভয় স্থানে বিদ্যমান থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে কর্মধারয় সমাসে একটি পদ উপমান অর্থাৎ যার সাথে তুলনা করা হয় এবং অপরটি সাধারণ ধর্মবাচক পদ হয়, তাকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে। - এতে সাধারণত সত্য বা চিরন্তন সত্য বা স্বাভাবিক তুলনা বোঝায়, যেখানে ব্যাসবাক্যে 'ন্যায়' শব্দটি মাঝখানে বসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুষারশুভ্র ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য তুষারের ন্যায় শুভ্র। এখানে তুষারের সাথে শুভ্রতার চিরন্তন তুলনা বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: অরুনিম লাল ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্যের গঠন অনুযায়ী উপমান ও সাধারণ ধর্মের তুলনা স্পষ্ট হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় — এই সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ সম্পূর্ণ লোপ পায়, যা এখানে ঘটেনি। B) উপমান কর্মধারয় — এটি সঠিক অপশন এবং এর নিয়ম এখানে পুরোপুরি প্রযোজ্য। C) উপমিত কর্মধারয় — এখানে সাধারণ ধর্ম উহ্য থাকে এবং উপমেয়কে উপমানের সাথে তুলনা করা হয়, যা এখানে নেই। D) রূপক কর্মধারয় — এটি উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভিন্নতা বা রূপ কল্পনা করে, যা এখানে বোঝায়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপমান কর্মধারয় চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে মাঝখানে 'ন্যায়' থাকে এবং তুলনাটি সবসময় বাস্তব বা চিরসত্য হয়। - রঙবাচক শব্দ যেমন কৃষ্ণ বা ধবল থাকলে সাধারণত তা উপমান কর্মধারয় হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাস থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - ব্যাসবাক্য সঠিকভাবে নির্ণয় করতে পারলে উপমান ও উপমিত সমাসের পার্থক্য সহজে বোঝা যায়।
a তেপায়া
b দেখাদেখি
c জীবনমৃত
d দোটানা
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দোটানা ১. কেন সঠিক: - যে বহুব্রীহি সমাসের সমস্তপদে 'অ', 'আ', 'ই' ইত্যাদি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সমাসবদ্ধ পদ গঠন করে এবং অন্য পদকে বোঝায়, তাকে প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাস বলে। - 'দোটানা' শব্দটি দুটি টানের সমাহার বা এমন অবস্থা বোঝাতে 'অ' প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে, যা ব্যাসবাক্যের নিয়ম মেনে বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্ভুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বহুব্রীহি সমাসে সমসমান পদের শেষে যদি আ, ই, বা উ প্রত্যয় যুক্ত হয় এবং সমস্তপদটি বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ হিসেবে অন্য কোনো অর্থ প্রকাশ করে, তবে তাকে প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাস বলা হয়। - এই সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ মিলে তৃতীয় কোনো অর্থ বা ভাব প্রকাশ করে এবং সমস্তপদের শেষে প্রত্যয় যুক্ত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একরোখা ব্যাখ্যা: এক রোখ যার, এভাবে বহুব্রীহি সমাস সাধিত হয়ে 'আ' প্রত্যয় যোগে প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাস গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: চর্মসার ব্যাখ্যা: চর্ম সার যার, এভাবে বহুব্রীহি সমাস সাধিত হয়ে প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তেপায়া — এটি সমাসবদ্ধ শব্দ হলেও এটি দ্বিগু সমাসের উদাহরণ, কারণ এর দ্বারা তিন পায়ের সমাহার বোঝায় এবং সংখ্যাবাচক শব্দ সামনে থাকে। B) দেখাদেখি — এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ, যেখানে একই ক্রিয়ার পারস্পরিক আদান-প্রদান বোঝায়। C) জীবনমৃত — এটি কর্মধারয় বা অন্য কোনো সমাসের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, কিন্তু এটি প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাসের নিয়ম মেনে গঠিত নয়। D) দোটানা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাসের সঠিক উদাহরণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমাসের সমস্তপদের শেষে যদি অতিরিক্ত 'অ', 'আ' বা 'ই' প্রত্যয় পাও এবং তা যদি অন্য কোনো ভাব প্রকাশ করে, তবে প্রথমে প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাস হিসেবে বিবেচনা করবে। - বহুব্রীহি সমাস মানেই অন্য পদ বা তৃতীয় কোনো অর্থের প্রাধান্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুব্রীহি সমাসের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে প্রত্যয়ান্ত ও ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে। - সমস্তপদের শেষের গঠন দেখে সমাসের প্রকার নির্ণয় করার অভ্যাস করতে হবে।
a উন্মুখ
b জন্ম
c বড়দা
d পদ্ম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উন্মুখ ১. কেন সঠিক: পরাগত সমীভবনের নিয়ম অনুযায়ী পেছনের ধ্বনির প্রভাবে সামনের ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে পেছনের ধ্বনির মতো হয়। এখানে 'উৎ + মুখ' মিলে 'উন্মুখ' শব্দে ত-এর পরে ম থাকার কারণে ত পরিবর্তিত হয়ে ন এ পরিণত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমীভবন হলো দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে কাছাকাছি বা এক রকম হওয়ার প্রক্রিয়া। পরাগত সমীভবনে পূর্ববর্তী ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে পরবর্তী ধ্বনির মতো হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৎ + ম = তস্মিন থেকে তসিনের মতো তদ্বভবে তেন ব্যাখ্যা: এটি পরাগত সমীভবনের একটি ধ্রুপদী ব্যাকরণগত উদাহরণ। উদাহরণ ২: পদ্ম থেকে পদ্দ ব্যাখ্যা: এখানে দ-এর প্রভাবে ম পরিবর্তিত হয়ে দ হয়েছে যা পরাগত সমীভবন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উন্মুখ — এটি পরাগত সমীভবন সাধিত শব্দ এবং প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) জন্ম — এটি বিষমীভবন বা অন্য প্রক্রিয়াধীন শব্দ যা সমীভবনের নিয়মে পড়ে না। C) বড়দা — এটি সমাসবদ্ধ বা অন্য গঠনরীতির শব্দ যার সাথে সমীভবনের সরাসরি মিল নেই। D) পদ্ম — এটি প্রগত সমীভবন সাধিত শব্দ কারণ এখানে পেছনের ধ্বনির প্রভাবে সামনের ধ্বনি বদলেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: পরের ধ্বনির প্রভাবে আগের ধ্বনি বদলালে তা প্রগত আর আগের ধ্বনির প্রভাবে পরের ধ্বনি বদলালে তা পরাগত। উন্মুখ শব্দে পেছনের ম এর প্রভাবে সামনের ত ন এ রূপ নেয় তাই এটি পরাগত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমীভবন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। প্রগত ও পরাগত সমীভবনের পার্থক্য ভালোভাবে বুঝতে উদাহরণের শব্দগুলো চর্চা করা উচিত।
a যাপিত জীবন
b খোয়াবনামা
c নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি
d গায়ত্রী সন্ধ্যা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যাপিত জীবন ১. কেন সঠিক: সেলিনা হোসেন রচিত প্রথম উপন্যাস হলো যাপিত জীবন। এই উপন্যাসের মূল পটভূমি হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সেলিনা হোসেন বাংলাদেশের কথাসাহিত্যের অন্যতম প্রধান একজন শক্তিশালী লেখক। তাঁর উপন্যাসে সাধারণত ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ গুরুত্ব পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেলিনা হোসেনের উপন্যাস নির্জন স্বাক্ষর। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর অন্যতম একটি সুপরিচিত উপন্যাস। উদাহরণ ২: সেলিনা হোসেনের উপন্যাস পদাতিক। ব্যাখ্যা: এটিও তাঁর একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যাপিত জীবন — এটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত সেলিনা হোসেনের বিখ্যাত উপন্যাস। B) খোয়াবনামা — এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত তেভাগা আন্দোলনের পটভূমির উপন্যাস। C) নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি — এটি সেলিনা হোসেন রচিত উপন্যাস হলেও এর পটভূমি ভিন্ন। D) গায়ত্রী সন্ধ্যা — এটি সেলিনা হোসেনের একটি বিখ্যাত উপন্যাস তবে ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সেলিনা হোসেনের প্রথম উপন্যাস যাপিত জীবন এবং এটি ভাষা আন্দোলনের ওপর লেখা। এভাবে মনে রাখতে পারো যে জীবনের শুরুতে ভাষা আন্দোলন এসেছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সেলিনা হোসেনের উপন্যাস এবং সেগুলোর পটভূমি প্রায়ই আসে। তাই কোন উপন্যাস কোন ঐতিহাসিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে লেখা, তা ভালো করে পড়তে হবে।
a ফজলুল আহমদ
b মীর মশাররফ হোসেন
c শেখ ফজলুল করিম
d প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মীর মশাররফ হোসেন ১. কেন সঠিক: - 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে মীর মশাররফ হোসেন কিছুকাল দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - কাঙাল হরিনাথ মজুমদারের সম্পাদনায় এই পত্রিকাটি প্রকাশিত হলেও মীর মশাররফ হোসেন এর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত ছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। - তার বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম বিষাদ সিন্ধু মহাকাব্যিক উপন্যাসের জন্য তিনি বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সবচেয়ে বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস যা কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর রচিত। উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত নাটক যা নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্বরূপ লেখা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফজলুল আহমদ — ইনি 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না এবং এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নন। B) মীর মশাররফ হোসেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই পত্রিকার সঙ্গে সম্পাদকীয় ও সাংবাদিকতার কাজে যুক্ত ছিলেন। C) শেখ ফজলুল করিম — ইনি একজন সাহিত্যিক হলেও 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে পরিচিত নন। D) প্রমথ চৌধুরী — ইনি বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামে পরিচিত এবং সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - কাঙাল হরিনাথের পত্রিকা গ্রামবার্তা প্রকাশিকা মনে রাখতে মীর মশাররফ হোসেনের সাংবাদিক জীবন ও কুষ্টিয়ার সংযোগের কথা স্মরণ করবে। - সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের সাংবাদিকতার অবদান মনে রাখলে এই প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গ্রামবার্তা প্রকাশিকা পত্রিকাটি কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে কাঙাল হরিনাথ মজুমদারের সম্পাদনায় প্রকাশিত হতো। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সম্পাদক ও পত্রিকার নাম প্রায়ই আসে।
a রাজর্ষি
b নৌকাডুবি
c গোরা
d যোগাযোগ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গোরা ১. কেন সঠিক: - গোরা উপন্যাসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, জাতীয়তাবাদ এবং ভারতীয় সমাজজীবনের দ্বন্দ্ব অত্যন্ত গভীরভাবে তুলে ধরেছেন। - এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র গোরার মাধ্যমে লেখক স্বাদেশিকতা, ধর্মীয় গোঁড়ামি এবং সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদের স্বরূপ উন্মোচন করে একটি বৃহত্তর মানবতার জয়গান গেয়েছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গোরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ত্রয়োদশ এবং সর্ববৃহৎ সামাজিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস যা ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হলো দেশপ্রেম, আত্মপরিচয় অনুসন্ধান এবং তৎকালীন সমাজের হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যকার সম্পর্ক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘরে বাইরে ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও একটি রাজনৈতিক উপন্যাস যা বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন এবং স্বদেশী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত। উদাহরণ ২: চার অধ্যায় ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সর্বশেষ রাজনৈতিক উপন্যাস যা ভারতীয় স্বাধিকার আন্দোলনের সহিংস রাজনীতির পটভূমিতে লেখা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজর্ষি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যা ত্রিপুরার রাজবংশের ইতিহাস এবং পশু বলির প্রথার বিরুদ্ধে রচিত, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নয়। B) নৌকাডুবি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি সামাজিক ও রোমান্টিক উপন্যাস যা ভুল বোঝাবুঝি এবং দাম্পত্য সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে রচিত। D) যোগাযোগ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক উপন্যাস যা দুটি প্রভাবশালী পরিবারের দ্বন্দ্ব এবং পতি-পত্নীর সম্পর্কের অবক্ষয় ফুটিয়ে তোলে। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক উপন্যাসে গোরা সবার আগে মনে রাখবে কারণ এতে ব্রিটিশ আমলের সরাসরি রাজনৈতিক ও ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের প্রশ্ন জোরালোভাবে উঠে এসেছে। - গোরা মানেই রাজনৈতিক সচেতনতা ও স্বাদেশিকতার প্রশ্ন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গোরা উপন্যাস প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে এবং এর প্রধান চরিত্রগুলো হলো গোরা, বিনয়, ললিতা ও সুচরিতা। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের উপন্যাসগুলোর রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a পরিচ্ছেদ
b বেকার
c নিরেট
d অনাবৃষ্টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পরিচ্ছেদ ১. কেন সঠিক: - পরিচ্ছেদ শব্দটিতে পরি উপসর্গ যুক্ত আছে যা একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। - পরি উপসর্গটি বিশেষ্য বা বিশেষণের পূর্বে যুক্ত হয়ে পূর্ণতা বা পরিবেষ্টন অর্থে নতুন শব্দ গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ সৃষ্টি করে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয় যেমন তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ, খাঁটি বাংলা উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। - সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ মোট কুড়িটি যথা প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির, দূর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরাজয় ব্যাখ্যা: পরা তৎসম উপসর্গ যোগে গঠিত একটি শব্দ যার অর্থ হার বা জয় নয়। উদাহরণ ২: প্রগতি ব্যাখ্যা: প্র তৎসম উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ যার অর্থ বিশেষ গতি বা উন্নতি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিচ্ছেদ — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি তৎসম উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দের উদাহরণ। B) বেকার — এই শব্দটিতে বে উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে যা একটি ফার্সি বা বিদেশি উপসর্গ। C) নিরেট — এই শব্দটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ নি দিয়ে গঠিত হয়েছে যা তৎসম উপসর্গ নয়। D) অনাবৃষ্টি — এই শব্দটিতে অনা উপসর্গটি যুক্ত হয়েছে যা একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ। ৫. মনে রাখার টিপস: - তৎসম উপসর্গ মোট কুড়িটি মুখস্থ রাখার জন্য প্র-পরা-অপ ছড়াটি মনে রাখতে পারো। - সংস্কৃত উপসর্গগুলোর অধিকাংশই সরাসরি তৎসম শব্দ গঠনে ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা, সংস্কৃত ও বিদেশি উপসাগর আলাদা করার প্রশ্ন আসে। - উপসর্গের তালিকা মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a He has a few friends
b He has no friends.
c He has few friends.
d He has the few friends
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He has few friends. কেন সঠিক: - Few শব্দটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে এবং এর অর্থ নেই বললেই চলে বা প্রায় নাই। - countable noun বা গণনাবাচক বিশেষ্যের ক্ষেত্রে খুব কম সংখ্যা বোঝাতে Few ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He has a few friends — A few positive অর্থ প্রকাশ করে যার অর্থ কিছু সংখ্যক বন্ধু আছে। B) He has no friends. — এটি সরাসরি শূন্য বা সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি বোঝায়, যা বললেই চলে এমন ধারণার চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। C) He has few friends. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ তার কোনো বন্ধুই নেই বললেই চলে। D) He has the few friends — The few নির্দিষ্ট করে অল্প কিছু বোঝায়, যা এই বাক্যের সাধারণ শূন্য প্রায় অর্থের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: Few মানে নাই বললেই চলে, A few মানে কিছু সংখ্যক এবং The few মানে নির্দিষ্ট করে অল্প কিছু।
a a suffix
b a prefix
c an auxiliary
d a syllable
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a suffix কেন সঠিক: - 'survive' একটি ভার্ব যার সঙ্গে 'al' যুক্ত করে 'survival' নাউন গঠন করা হয়। - মূল শব্দের শেষে কিছু বর্ণ বা বর্ণগুচ্ছ যোগ করে নতুন পার্টস অব স্পিচ তৈরির প্রক্রিয়াকে সাফিক্স বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a suffix — এটি সঠিক কারণ শব্দের শেষে সাফিক্স যোগ করে ভার্বকে নাউনে রূপান্তর করা হয়েছে। B) a prefix — এটি ভুল কারণ প্রিফিক্স শব্দের শুরুতে যুক্ত হয়, কিন্তু এখানে পরিবর্তনের জন্য শেষে অংশ যুক্ত করতে হবে। C) an auxiliary — এটি ভুল কারণ এটি প্রধান ভার্বকে সাহায্যকারী ভার্বের একটি প্রকার, যা শব্দ গঠন প্রক্রিয়া নয়। D) a syllable — এটি ভুল কারণ সিলেবল হলো উচ্চারণের একক, কোনো নির্দিষ্ট শব্দ গঠনের রূপান্তরের মাধ্যম নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে কিছু যোগ করে নতুন শব্দ তৈরি করলে তা সাফিক্স এবং প্রথমে যোগ করলে তা প্রিফিক্স হয়।
a The land is belonged to an old lady
b They parted from one another suddenly.
c The leader expressed himself forcibly.
d Mother bought me an ice cream.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The land is belonged to an old lady কেন সঠিক: - 'Belong' একটি intransitive verb, যার passive form হয় না। - তাই সঠিক বাক্যটি হবে দ্য ল্যান্ড বিলংস টু অ্যান ওল্ড লেডি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The land is belonged to an old lady — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ belong verb-এর passive রূপ হয় না। B) They parted from one another suddenly — ব্যক্তির ক্ষেত্রে পৃথক হওয়া বোঝাতে part from সঠিক প্রয়োগ। C) The leader expressed himself forcibly — reflexive pronoun হিসেবে himself সঠিক এবং জোর প্রকাশ করতে forcibly ব্যবহৃত হয়েছে। D) Mother bought me an ice cream — ditransitive verb হিসেবে buy-এর পর indirect object এবং direct object-এর সঠিক ব্যবহার হয়েছে। মনে রাখার টিপস: belong, happen, consist ইত্যাদি intransitive verb-এর কখনোই passive form হয় না।
a This is an unique case.
b This is a unique case.
c This is a very unique case.
d This is the most unique case.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) This is a unique case. কেন সঠিক: - 'Unique' শব্দটি একটি Absolute Adjective, যার নিজস্ব অর্থ চরম ও অনন্য। - Absolute Adjective-এর পূর্বে সাধারণত কোনো Article (a/an/the) বসলে তা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে 'an' এর পরিবর্তে 'a' হয় কারণ এর উচ্চারণ ইউ (y-এর মতো) দিয়ে শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) This is an unique case. — 'Unique' শব্দের উচ্চারণ 'ইউ' (vowel sound নয়, consonant sound) হওয়ায় এর পূর্বে 'an' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) This is a unique case. — এটি সঠিক কারণ 'unique' শব্দের পূর্বে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী 'a' আর্টিকেল ব্যবহৃত হয়েছে এবং এটি একটি সম্পূর্ণ বাক্য। C) This is a very unique case. — 'Unique' শব্দের অর্থ অনন্য বা তুলনাহীন, তাই এর পূর্বে 'very' বা কোনো Intensifier ব্যবহার করা redundancy বা বাহুল্য দোষে দুষ্ট। D) This is the most unique case. — 'Unique' যেহেতু চরম অবস্থা প্রকাশ করে, তাই এর সাথে 'most' বা তুলনামূলক ডিগ্রি (Superlative) ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: 'Unique' শব্দের আগে 'an' হয় না 'a' হয় এবং এর সাথে 'more' বা 'most' বসে না।
a in
b dis
c un
d non
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) un কেন সঠিক: - 'Certain' শব্দের শুরুতে 'un' প্রিফিক্স যুক্ত করে এর বিপরীতার্থক শব্দ 'uncertain' তৈরি করা হয়। - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট কিছু শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে 'un' প্রিফিক্স ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — 'In' প্রিফিক্সটি 'certain' শব্দের পূর্বে বসে বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। B) dis — 'Discertain' বলে কোনো অর্থপূর্ণ ইংরেজি শব্দ প্রচলিত নেই। D) non — 'Non' প্রিফিক্সটি সাধারণত বিশেষ বিশেষ বিশেষ্য বা বিশেষণের ক্ষেত্রে বসে, এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: সাধারণত অনেক সাধারণ adjectives বা বিশেষণের বিপরীত শব্দ তৈරির জন্য শুরুতে un প্রিফিক্স যুক্ত করতে হয়।
a I asked Tashfia if she had passed.
b I asked Tashfia if you had she passed.
c I asked Tashfia that she had passed.
d I asked Tashfia had she passed.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I asked Tashfia if she had passed. কেন সঠিক: - প্রত্যক্ষ উক্তির প্রশ্নবোধক বাক্যকে পরোক্ষ উক্তিতে রূপান্তর করার সময় রিপোর্টিং ভার্ব হিসেবে ask এবং कंजাংশন হিসেবে if বা whether বসে। - ন্যারেশনের নিয়ম অনুযায়ী ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্স অ্যাসারটিভ সেন্টেন্সে রূপান্তরিত হয় এবং সাবজেক্টের পর ভার্ব বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I asked Tashfia if she had passed. — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক এবং ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল। B) I asked Tashfia if you had she passed. — সাবজেক্টের পর ভুলভাবে অতিরিক্ত pronoun ব্যবহারের কারণে বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) I asked Tashfia that she had passed. — প্রশ্নবোধক বাক্যের পরোক্ষ রূপে if বা whether এর পরিবর্তে that ব্যবহার করায় বাক্যটি ভুল হয়েছে। D) I asked Tashfia had she passed. — রিপোর্টিং ভার্ব ও রিপোর্টেড স্পিচের মাঝে কোনো कंजাংশন বা if না থাকায় বাক্যটি অগঠিত। মনে রাখার টিপস: ন্যায়েশনের ক্ষেত্রে প্রশ্নবোধক বাক্যকে পরোক্ষ করার সময় if বসে এবং সাবজেক্টের পরে ভার্ব বসে।
a has come
b had come
c came
d arrived
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) had come কেন সঠিক: - রিপোর্টিং ভার্ব said পাস্ট টেন্সে থাকায় ন্যারেশনের নিয়মে ভেতরের পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স পরিবর্তিত হয়ে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়। - the previous day থাকায় বাক্যটি অতীতের অতীত বা পাস্ট পারফেক্ট টেন্স নির্দেশ করে, তাই had come সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) has come — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা পাস্ট টেন্সের রিপোর্টিং ভার্বের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। B) had come — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়। C) came — এটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স, কিন্তু the previous day থাকার কারণে এখানে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স প্রয়োজন। D) arrived — অর্থের দিক থেকে ভিন্ন এবং ন্যারেশনের নিয়ম অনুযায়ী পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ার শর্ত পূরণ করে না। মনে রাখার টিপস: ন্যারেশনে the previous day দেখলে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সকে পাস্ট পারফেক্ট টেন্সে রূপান্তর করতে হয়।
a He urged me to go home with him.
b He proposed to me to go to home together.
c He proposed to me that we should go home together.
d He asked me to go home together.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He proposed to me that we should go home together. কেন সঠিক: - রিপোর্টেড স্পিচে Let us থাকলে প্রস্তাব বোঝাতে Indirect করার সময় Subject-এর পরে propose ব্যবহার করতে হয়। - Inverted comma উঠে গিয়ে Conjunction হিসেবে that বসে এবং subject-এর পরে should বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He urged me to go home with him. — Let us দ্বারা প্রস্তাব বোঝানো হলে urged ব্যবহার না করে propose ব্যবহার করা নিয়মসম্মত। B) He proposed to me to go to home together. — Home শব্দের পূর্বে to preposition বসে না এবং that clause ব্যবহার না করে Infinitive ব্যবহার করায় বাক্যটি ত্রুটিপূর্ণ। C) He proposed to me that we should go home together. — এটি সঠিক অপশন কারণ প্রস্তাব বোঝাতে propose এবং that এর পরে we should বসেছে। D) He asked me to go home together. — Let us যুক্ত Imperative sentence-কে Indirect করার সময় asked ব্যবহার না করে proposed ব্যবহার করতে হয়। মনে রাখার টিপস: Narration-এ Let us দেখলে propose, that এবং should ব্যবহার করতে হয়।
a I prefer death from dishonor
b I liked death more than dishonor.
c I prefer death more than insult.
d I prefer death to dishonor.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I prefer death to dishonor. কেন সঠিক: - prefer এর পর দুটি নাউনের তুলনা করার সময় 중간 এ preposition হিসেবে to বসে। - insult এর চেয়ে সম্মানহানিকর বা মর্যাদাহানিকর পরিস্থিতির ক্ষেত্রে dishonor শব্দটি অধিক উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I prefer death from dishonor — prefer এর পর তুলনার ক্ষেত্রে from বসে না, সঠিক নিয়ম হলো to ব্যবহার করা। B) I liked death more than dishonor — বাক্যটি past tense এ এবং more than ব্যবহার করে করা হয়েছে, যা prefer এর সঠিক grammatical structure নয়। C) I prefer death more than insult — prefer এর সাথে more than ব্যবহার করা ভুল এবং insult এর চেয়ে dishonor এখানে শ্রেয়। D) I prefer death to dishonor — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং নিয়ম অনুযায়ী গঠিত। মনে রাখার টিপস: prefer এর ক্ষেত্রে ہمیشہ than এর বদলে to বসে, যেমন prefer A to B।
a temporary
b permanent
c transparent
d short-lived
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) permanent কেন সঠিক: - 'Transitory' শব্দটির অর্থ ক্ষণস্থায়ী বা যা স্থায়ী নয়। - এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'permanent' যার অর্থ স্থায়ী বা চিরস্থায়ী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) temporary — এটি 'transitory' শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়। B) permanent — এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ কারণ এর অর্থ স্থায়ী। C) transparent — এর অর্থ স্বচ্ছ, যা এই শব্দের অর্থের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) short-lived — এটিও 'transitory' শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: Transitory শব্দটির উৎপত্তি Transit থেকে যার অর্থ চলামান বা সাময়িক, তাই এর বিপরীত permanent বা স্থায়ী।
a By whom it can be done?
b By whom can it be do?
c By whom can it be done?
d By whom can it be did?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) By whom can it be done? কেন সঠিক: - Interrogative বাক্যের শুরুতে Who থাকলে Passive করার সময় বাক্যের প্রথমে By whom বসে। - Modals auxiliary verb (can) যুক্ত Interrogative বাক্যের Passive গঠন হলো By whom + modal + object-কে subject + be + verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom it can be done? — এখানে auxiliary verb (can) সাবজেক্টের পরে বসেছে, যা প্রশ্নবোধক বাক্যের গঠন অনুযায়ী ভুল। B) By whom can it be do? — এখানে মূল verb-এর বেজ ফর্ম (do) ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ passive-এ verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল (done) প্রয়োজন। C) By whom can it be done? — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এখানে প্রশ্নবোধক বাক্যের সঠিক গঠন ও Passive-এর নিয়ম নিখুঁতভাবে অনুসৃত হয়েছে। D) By whom can it be did? — এখানে verb-এর পাস্ট ফর্ম (did) ব্যবহার করা হয়েছে, যা passive voice-এর নিয়মের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। মনে রাখার টিপস: Who যুক্ত Active voice-কে Passive করার সময় প্রথমে By whom বসাবে এবং বাক্যের বাকি অংশে Interrogative-এর নিয়ম অনুযায়ী Modal verb-এর পর be ও মূল verb-এর V3 বসাবে।
a Your promise should be kept.
b Your promise is to be kept by you.
c Your promise should keep by you.
d Your promise should kept by you.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Your promise should be kept. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যের Modal Auxiliary (should) যুক্ত Active Voice-কে Passive করার নিয়ম হলো Object-কে Subject করা এবং should-এর পরে be বসিয়ে মূল Verb-এর Past Participle রূপ লেখা। - এখানে Active Voice-এর Object হলো your promise এবং মূল Verb-এর Past Participle হলো kept, তাই সঠিক গঠনটি অপশন এ তে সঠিকভাবে এসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Your promise should be kept. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Your promise is to be kept by you. — এখানে modal verb-এর পরিবর্তে is to ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। C) Your promise should keep by you. — এখানে be ব্যবহার করা হয়নি এবং kept-এর বদলে keep ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) Your promise should kept by you. — এখানে should-এর পরে সরাসরি Past Participle ব্যবহার করা হয়েছে মাঝে be না থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: Modal auxiliary (can, could, shall, should, may, might, must) যুক্ত Active Voice-কে Passive করার সময় এদের পরে অবশ্যই be যোগ করতে হয় এবং মূল Verb-এর V3 রূপ হয়।
a Interesting
b Loving
c Affectionate
d Friendly
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Friendly কেন সঠিক: - Amicable শব্দের অর্থ হলো অমায়িক, সৌহার্দ্যপূর্ণ বা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়। - Friendly শব্দের অর্থও বন্ধুত্বপূর্ণ, তাই এটি প্রদত্ত শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Interesting — এর অর্থ আকর্ষণীয়, যা অমায়িক বা বন্ধুত্বপূর্ণ শব্দের সাথে মেলে না। B) Loving — এর অর্থ স্নেহময় বা ভালোবাসাপূর্ণ, যা অমায়িক শব্দের কাছাকাছি হলেও পুরোপুরি সমার্থক নয়। C) Affectionate — এর অর্থ স্নেহশীল বা মমতাভরা, যা প্রীতির ভাব প্রকাশ করলেও সরাসরি Friendly বা Amicable এর সঠিক রূপ নয়। D) Friendly — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি অমায়িক বা সৌহার্দ্যপূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Amicable শব্দের শুরুতে Ami আছে, যা French শব্দ Ami (বন্ধু) থেকে এসেছে। তাই Ami দেখলেই বন্ধু বা Friendly মনে রাখবে।
a shall we
b do we
c don't we
d aren't we
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) shall we কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী Let's দিয়ে বাক্য শুরু হলে Tag question-এ সর্বদা shall we ব্যবহার করতে হয়। - Let's হলো Let us-এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যা বক্তা ও শ্রোতা উভয়কেই কোনো কাজে যুক্ত করার প্রস্তাব বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) shall we — এই অপশনটি সঠিক কারণ Let's যুক্ত প্রস্তাবমূলক বাক্যের ক্ষেত্রে ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটিই নির্ধারিত। B) do we — এটি ভুল কারণ এটি বর্তমান সাধারণ কালের সাধারণ বাক্যের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, প্রস্তাবমূলক বাক্যের জন্য নয়। C) don't we — এটি দেখতে নেতিবাচক মনে হলেও Let's বাক্যের ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী এই গঠন গ্রহণযোগ্য নয়। D) aren't we — এটি বাক্যের মূল Verb বা Auxilliary verb-এর সঙ্গে মিলছে না এবং Let's-এর ক্ষেত্রে ব্যাকরণগতভাবে বেমানান। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে Let's দেখলে চোখ বন্ধ করে shall we বসিয়ে দেবে।
a do they
b must they
c don't they
d aren't they
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) don't they কেন সঠিক: - মূল বাক্যের অংশটি প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সে এবং মূল ভার্বটি হ্যাভ বা বি ভার্ব ছাড়া অন্য ভার্ব হওয়ায় ট্যাগ করার সময় ডো বা ডাস ব্যবহার করতে হয়। - মূল বাক্যটি এফারমেটিভ বা হ্যাসূচক হওয়ায় এর সঙ্গে যুক্ত ট্যাগ কোশ্চেনটি নেগেটিভ বা না-সূচক হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) do they — মূল বাক্যটি হ্যাসূচক হওয়ায় ট্যাগটি না-সূচক হবে, তাই এটি সঠিক নয়। B) must they — এখানে মডাল অক্সিলিয়ারি ভার্ব ব্যবহারের কোনো ব্যাকরণগত প্রয়োজন বা প্রেক্ষিত নেই। C) don't they — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) aren't they — মূল বাক্যে কোনো বি ভার্ব বা অক্সিলিয়ারি ভার্ব না থাকায় এখানে আর ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: মূল বাক্য প্রেজেন্ট টেন্সে হ্যাসূচক হলে এবং মূল ভার্ব থাকলে ডন্ট বা ডাজেন্ট বসাতে হয়।
a with
b from
c after
d about
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) about কেন সঠিক: - 'Fantasize' verb-টির পর নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সাধারণত 'about' ব্যবহৃত হয়। - কোনো কাল্পনিক বা অসম্ভব ভালো কিছু নিয়ে মনে মনে কল্পনা করা অর্থে 'fantasize about' সঠিক ধারা গঠন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — 'Fantasize' এর সাথে 'with' preposition বসে না, তাই এটি grammatically ভুল। B) from — 'Fantasize from' কোনো অর্থ প্রকাশ করে না এবং এটি প্রচলিত নিয়মবহির্ভূত। C) after — 'Fantasize after' ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ অসংগত হয়ে যায়। D) about — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'fantasize about' একটি সঠিক prepositional combination। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছু নিয়ে কল্পনা করা বা স্বপ্ন দেখার ইংরেজি করার সময় 'fantasize' শব্দের পরে সবসময় 'about' ব্যবহার করবে।
a At, over
b In, across
c Since, around
d On, over
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) On, over কেন সঠিক: - নির্দিষ্ট কোনো দিবস বা উৎসবের দিন বোঝাতে তার আগে অন প্রিপজিশন বসে, তাই পয়লা বৈশাখের আগে অন ব্যবহার করা হয়েছে। - কোনো কিছুর সার্বিক ব্যাপ্তি বা সারা দেশব্যাপী বোঝাতে ওভার দ্য কান্ট্রি ফ্রেজটি সঠিক ও প্রমিত হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) At, over — অ্যাট নির্দিষ্ট সময় বা ছোট স্থানের ক্ষেত্রে বসে, যা পহেলা বৈশাখের মতো দিবসের নামের পূর্বে বসে না। B) ইন, অ্যাক্রস — ইন সাধারণত মাস, বছর বা বড় স্থানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে তা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। C) সিন্স, এরাউন্ড — সিন্স নির্দিষ্ট পয়েন্ট অব টাইম বা থেকে অর্থে বসে এবং এখানে প্রসঙ্গের সঙ্গে তা পুরোপুরি বেমানান। D) অন, ওভার — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই নিয়মের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট দিবসের আগে অন এবং সারা দেশব্যাপী বোঝাতে ওভার ব্যবহার করা হয়।
a into
b on
c to
d in
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) into কেন সঠিক: - বাইরে থেকে কোনো বস্তুর ভেতরে প্রবেশ করা বা গতিশীল অবস্থা বোঝাতে into ব্যবহৃত হয়। - চা ঢালার মাধ্যমে তরল পদার্থটি বাইরে থেকে মগের ভেতরে প্রবেশ করছে, তাই এখানে into সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) into — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাইরে থেকে ভেতরে গতিশীল প্রবেশ বোঝায়। B) on — এটি সাধারণত কোনো কিছুর উপরে স্পর্শ করে অবস্থান করা বোঝালে ব্যবহৃত হয়। C) to — এটি সাধারণত কোনো কিছুর দিকে দিক বা গন্তব্য নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। D) in — এটি স্থিরভাবে ভেতরে অবস্থান করা বা স্থিতি বোঝালে ব্যবহৃত হয়, গতিশীল প্রবেশ বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: বাইরে থেকে ভেতরে গতিশীলভাবে প্রবেশ করা বোঝালে in না বসে into বসে।
a My education will be employed by the university
b I will be employed by the university
c The University will employ me
d Employment will be given to me by the university.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The University will employ me কেন সঠিক: - বাক্যের শুরুতে থাকা introductory clause "According to the conditions of my scholarship after finishing my degree" এর মূল উদ্দেশ্য হলো শর্ত বা সময় নির্দেশ করা। - এই introductory clause-এর পরের প্রধান ক্লজ বা মূল বাক্যের সাবজেক্ট হিসেবে শিক্ষার্থীর ডিগ্রি শেষ করার পর বিশ্ববিদ্যালয় তাকে চাকরি দেবে, তাই "The University" হলো সঠিক সাবজেক্ট এবং "will employ me" হলো সঠিক প্রেডিকেট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) My education will be employed by the university — শিক্ষা নিজেই চাকরি পেতে পারে না, তাই এই passive গঠনটি অর্থহীন ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) I will be employed by the university — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও, প্রদত্ত প্রশ্নের সাথে এই উত্তরটি মিলছে না এবং অপশন সি এখানে মূল উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। C) The University will employ me — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি সাবজেক্ট ও অবজেক্টের সঠিক সম্পর্কের মাধ্যমে বাক্যটিকে অর্থপূর্ণ করে তুলেছে। D) Employment will be given to me by the university — এই passive গঠনটি অত্যন্ত দীর্ঘ এবং অপ্রয়োজনীয় জটিলতা তৈরি করে, যা বাক্য সংশোধনের নিয়মে অনুপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে শর্তমূলক বাক্যাংশ থাকলে মূল ক্লজে সঠিক সাবজেক্ট ও অ্যাক্টিভ ভয়েস ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো।
a making a noise
b is making a noise
c makes a noise
d make a noise
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) is making a noise কেন সঠিক: - বাক্যটিতে 'Rain falling on the roof' হলো সাবজেক্ট এবং এটি বর্তমানে ঘটে চলা একটি কাজ বোঝাচ্ছে। - সাবজেক্টটি থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার হওয়ায় এর সাথে প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্সের সাহায্যকারী ভার্ব is এবং মূল ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) making a noise — এটি ভুল কারণ এতে কোনো অক্সিলিয়ারি ভার্ব বা সাহায্যকারী ভার্ব নেই, যা বাক্য গঠনের নিয়ম অনুযায়ী অসম্পূর্ণ। B) is making a noise — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে টেন্স ও সাবজেক্টের সাথে ভার্বের সঠিক মিল রয়েছে। C) makes a noise — এটি ভুল কারণ বৃষ্টির পড়ার কাজটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘটে চলেছে বোঝাতে প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সের পরিবর্তে প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স প্রয়োজন। D) make a noise — এটি ভুল কারণ সাবজেক্ট সিঙ্গুলার হওয়া সত্ত্বেও এখানে প্লুরাল ভার্ব ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: চলমান কাজ বোঝাতে এবং সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হলে is + ভার্ব + ing ব্যবহার করতে হয়।
a trial
b emulation
c following
d exploration
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) emulation কেন সঠিক: - Emulation শব্দের অর্থ অনুকরণ করা বা আদর্শ হিসেবে অনুসরণ করা, যা মহিতের ভালো আচরণ সবার দ্বারা অনুসরণ করার প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে উপযোগী। - Worthy of এর পর সাধারণত জিরান্ড বা নাউন বসে এবং অর্থপূর্ণভাবে এখানে emulation শব্দটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) trial — Trial অর্থ বিচার বা পরীক্ষা, যা মানুষের আচরণের ক্ষেত্রে এখানে অর্থসংগত নয়। B) emulation — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) following — Following জিরান্ড হিসেবে ব্যাকরণগতভাবে বসলেও emulation-এর মতো এত নিখুঁত ও মানানসই অর্থ প্রকাশ করে না। D) exploration — Exploration অর্থ অন্বেষণ বা গবেষণা, যা আচরণের ক্ষেত্রে ব্যবহারের উপযোগী নয়। মনে রাখার টিপস: কারো ভালো গুণ বা আদর্শ অনুসরণ করার ক্ষেত্রে সবসময় Emulation শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
a to offer a person what he cannot eat.
b to force a person to do something.
c to reverse the natural order of things
d to raise obstacle
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to reverse the natural order of things কেন সঠিক: - ঘোড়ার আগে গাড়ি জুড়ে দেওয়া স্বাভাবিক নিয়মের বিপরীত কাজ করার একটি পরিচিত প্রবাদ। - কাজের সঠিক ধারাবাহিকতা বা কার্যকারণ সম্পর্ক উল্টে ফেলা বোঝাতে এই ইডিয়মটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to offer a person what he cannot eat. — এটি আক্ষরিক বা অন্য কোনো বিশেষ পরিস্থিতির অর্থ প্রকাশ করে, যা এই ইডিয়মের ভাবার্থের সাথে মেলে না। B) কাউকে কোনো কাজ করতে বাধ্য করার সাথে এই ইডিয়মের কোনো সম্পর্ক নেই। C) to reverse the natural order of things — এটি সঠিক কারণ ঘোড়ার আগে গাড়ি রাখা মানেই প্রাকৃতিকভাবে যা আগে হওয়ার কথা তা পরে করা। D) কোনো বাধা সৃষ্টি করা বোঝাতে এই ইডিয়মটি ব্যবহার করা হয় না, এর মূল অর্থ উল্টো বা ভুল ক্রমে কাজ করা। মনে রাখার টিপস: গাড়ি টানার কথা ঘোড়ার, কিন্তু গাড়ি যদি ঘোড়ার আগে রাখা হয় তবে সেটা নিয়ম বা স্বাভাবিক ক্রমের ঠিক উল্টো কাজ হয়ে যায়।
a A chart of bus fare
b A price list
c A valuable document
d A list of dishes at a restaurant
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A list of dishes at a restaurant কেন সঠিক: - 'Bill of fare' একটি বহুল ব্যবহৃত ইডিওম, যার শাব্দিক অর্থ খাবারের তালিকা হলেও এটি মূলত রেস্তোরাঁর মেনুকার্ড বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই ফ্রেজটি বারবার আসে, তাই এর সঠিক অর্থ মনে রাখা জরুরি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A chart of bus fare — এটি বাসের ভাড়ার তালিকা বোঝায়, যা এই ইডিওমের সাহিত্যিক বা আক্ষরিক অর্থ নয়। B) A price list — এটি যেকোনো পণ্যের সাধারণ মূল্য তালিকা, যা রেস্তোরাঁর খাবারের তালিকার চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত। C) A valuable document — এটি কোনো মূল্যবান দলিল বা কাগজপত্রকে বোঝায়, যার সঙ্গে খাবারের তালিকার কোনো সম্পর্ক নেই। D) A list of dishes at a restaurant — এটি এই ইডিওমের সঠিক অর্থ যা রেস্তোরাঁয় খাবারের তালিকা বা মেনু নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: 'Bill' মানে বিল বা হিসাব এবং 'Fare' মানে খাবারের খরচ, তাই খাবারের হিসাবের তালিকা বা মেনু বোঝাতে 'Bill of fare' ব্যবহার করা হয়।
a to read carefully
b to read only some lines
c to read quickly to save time
d to read carefully to find out any hidden meaning.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to read carefully to find out any hidden meaning. কেন সঠিক: - এই Idiom-টির আক্ষরিক অর্থ লাইনের মাঝখানে পড়া হলেও ভাবার্থ হলো কোনো লেখার ভেতরের অন্তর্নিহিত বা গোপন অর্থ খুঁজে বের করা। - ভাষা ও সাহিত্যের প্রতিযোগিতামূলক প্রশ্নে এই ধরনের প্রবাদ বা বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ বের করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to read carefully — এটি সাধারণ পঠন বোঝায়, কিন্তু এর মধ্যে কোনো গোপন বা অন্তর্নিহিত অর্থ খোঁজার ভাবার্থ নেই। B) to read only some lines — এটি অসম্পূর্ণভাবে পড়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) to read quickly to save time — এটি দ্রুত পড়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা গভীর অর্থ অনুধাবনের বিপরীত। D) to read carefully to find out any hidden meaning — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর মাধ্যমে লেখার ভেতরের আসল উদ্দেশ্য বা অন্তর্নিহিত অর্থ খুঁজে বের করা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: লাইনের মাঝে (between the lines) বা ফাঁকে লুকিয়ে থাকা আসল অর্থ খুঁজে বের করাই হলো এই Idiom-টির মূল রহস্য।
a to be puzzled
b to get nervous
c to be disappointed
d to bear up
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to get nervous কেন সঠিক: - To meet trouble half way একটি ইংরেজি ইডিওম, যার অর্থ কোনো বিপদ আসার আগেই ঘাবড়ে যাওয়া বা অতিরিক্ত বিচলিত হওয়া। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে to get nervous কথাটি এই ইডিওমের মূল ভাব অর্থাৎ মানসিক অস্থিরতা বা ভয় পাওয়ার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to be puzzled — এর অর্থ হতবুদ্ধি বা বিভ্রান্ত হওয়া, যা এই ইডিওমের নির্দিষ্ট অর্থ নয়। B) to get nervous — এটি এই ইডিওমের সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। C) to be disappointed — এর অর্থ নিরাশ হওয়া, যা বিপদ আসার আগের ভয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) to bear up — এর অর্থ সংকট বা বিপদের মধ্যেও ধৈর্য ধরে টিকে থাকা, যা মূল অর্থের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: অর্ধেক পথ না যেতেই ট্রাবলস বা বিপদ দেখে নার্ভাস হয়ে যাওয়া বা ঘাবড়ে যাওয়া হলো to meet trouble half way।
a ২, ৩, ৫ সে.মি.
b ৪, ৫, ৬ সে.মি.
c ৩, ৫, ৭ সে.মি.
d ৫, ৬, ৮ সে.মি.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২, ৩, ৫ সে.মি. প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ২, ৩ এবং ৫ সে.মি. ধরি, প্রথম বাহু = ২ সে.মি. দ্বিতীয় বাহু = ৩ সে.মি. তৃতীয় বাহু = ৫ সে.মি. অতএব, প্রথম ও দ্বিতীয় বাহুর দৈর্ঘ্যর যোগফল = ২ + ৩ = ৫ সে.মি. সুতরাং, ত্রিভুজের যে কোনো দুই বাহুর সমষ্টি তৃতীয় বাহুর অপেক্ষা বৃহত্তর হতে হয়, যা এখানে মানছে না কারণ ৫ সে.মি. ৫ সে.মি. এর সমান হয়ে যায় উত্তর: A) ২, ৩, ৫ সে.মি.
a 2
b 3
c 4
d 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো দুই এর ঘাত এক্স যোগ সাত সমান চার এর ঘাত এক্স যোগ দুই ধরি, সমীকরণটির ভিত্তি সমান করতে হবে চার কে লেখা যায় দুই এর স্কয়ার বা দুই গুণ দুই অতএব, বামপক্ষের ভিত্তি দুই এবং ডানপক্ষের ভিত্তি দুই করা হলো দুই এর ঘাত এক্স যোগ সাত সমান দুই এর স্কয়ার এর হোল ঘাত এক্স যোগ দুই সুতরাং, ঘাত দুটি সমান ধরে পাই এক্স যোগ সাত সমান দুই গুণ এক্স যোগ চার এক্স যোগ সাত সমান দুই এক্স যোগ চার উত্তর: ৩
a ৩৮°
b ৩৯°
c ৪০°
d ৪১°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪১° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ ত্রিভুজের সূক্ষ্ম কোণদ্বয়ের অন্তরের মান ৮° ধরি, ত্রিভুজের একটি সূক্ষ্ম কোণ = ক ডিগ্রি অপর সূক্ষ্ম কোণটি = (ক + ৮) ডিগ্রি অতএব, সমকোণী ত্রিভুজের সূক্ষ্ম কোণদ্বয়ের সমষ্টি = ৯০ ডিগ্রি ক + (ক + ৮) = ৯০ ২ক + ৮ = ৯০ সুতরাং, ২ক = ৯০ − ৮ ২ক = ৮২ ক = ৪১ উত্তর: ৪১°
a 2
b -2
c 0
d 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x কিউব + ১ ÷ x কিউব = ০ আমাদের x কিউবের মান বের করতে হবে ধরি, x কিউব = a অতএব, a + (১ ÷ a) = ০ a স্কয়ার + ১ = ০ সুতরাং, a স্কয়ার = −১ উত্তর: ১
a -5
b -1
c -1/5
d 1/32
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) −৫ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম রাশি হলো লজভিত্তিক এক ভাগ বত্রিশ ধরি, লগারিদমের মান সমান ক অতএব, দুই এর পাওয়ার ক সমান এক ভাগ বত্রিশ দুই এর পাওয়ার ক সমান এক ভাগ দুই এর পাওয়ার পাঁচ সুতরাং, দুই এর পাওয়ার ক সমান দুই এর পাওয়ার মাইনাস পাঁচ উত্তর: −৫
a ১২ ফুট
b ০৯ ফুট
c ০৬ ফুট
d ০৩ ফুট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০৬ ফুট প্রদত্ত তথ্য: খুঁটির মোট উচ্চতা = ১৮ ফুট ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৩০° ধরি, খুঁটিটি মাটি থেকে x ফুট উঁচুতে ভেঙ্গেছিল ভাঙ্গা অংশটি মাটির সাথে ৩০° কোণ উৎপন্ন করেছে অতএব, লম্ব = x এবং অতিভুজ = (১৮ − x) ত্রিকোণমিতির সূত্র অনুযায়ী sin(৩০°) = লম্ব ÷ অতিভুজ সুতরাং, sin(৩০°) এর মান ১ ÷ ২ বসিয়ে পাই, x ÷ (১৮ − x) = ১ ÷ ২ কোণাকোণি গুণ করে পাই, ২x = ১৮ − x উত্তর: ৩x = ১৮, অর্থাৎ x = ৬ ফুট
a 0
b 1
c 2
d 4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (২^২)^(x + ৩) = ২৫৬ ধরি, ২৫৬ সংখ্যাটিকে ভিত্তির সাহায্যে লেখা যায় অতএব, ২৫৬ কে দুই এর ঘাত হিসেবে ভাঙালে পাই দুই এর পাওয়ার আট সুতরাং, (২)^(২x + ৬) = (২)^৮ উত্তর: ১
a (x + a)(ax + 1)
b (x - a)(ax - 1)
c (a + 1)(ax + 1)
d (x + 1)(ax + 1)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (x + a)(ax + 1) প্রدত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ax^২ + (a^২ + ১)x + a ধরি, রাশিটির মধ্যপদ ভেঙে উৎপাদক বিশ্লেষণ করতে হবে তাই ব্র্যাকেট তুলে গুণ করে দিতে হবে অতএব, ax^২ + a^২x + x + a প্রথম দুটি পদ থেকে ax কমন নিতে হবে সুতরাং, ax(x + a) + ১(x + a) এখন (x + a) কমন নিলে পাই (x + a)(ax + ১) উত্তর: (x + a)(ax + ১)
a 794
b 804
c 806
d 704
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮০৬ প্রদত্ত তথ্য: ধারার প্রথম সংখ্যাটি দুই প্রতিটি সংখ্যা ঠিক আগের সংখ্যা থেকে চার বেশি ধরি, এটি একটি সমান্তর ধারা যার প্রথম পদ সমান দুই সাধারণ অন্তর সমান চার পদ সংখ্যা সমান ২০২ অতএব, এন তম পদের সূত্র অনুযায়ী প্রথম পদ যোগ বন্ধনী শুরু এন বিয়োগ এক বন্ধনী শেষ গুণ সাধারণ অন্তর এখানে ২০২ তম পদ সমান দুই যোগ বন্ধনী শুরু ২০২ বিয়োগ এক বন্ধনী শেষ গুণ চার বা দুই যোগ দুই শত এক গুণ চার সুতরাং, দুই যোগ আট শত চার যোগফল সমান আট শত ছয় উত্তর: আট শত ছয়
a ২৫ জন
b ১৫ জন
c ১০ জন
d ০৫ জন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০৫ জন প্রদত্ত তথ্য: আমের সংখ্যা = ১২৫টি লিচুর সংখ্যা = ১৪৫টি ধরি, বালকের সংখ্যা ১২৫ এবং ১৪৫ এর সাধারণ গুণনীয়ক হবে কারণ সমানভাবে ভাগ করে দিতে হলে অবশিষ্ট কিছু থাকবে না অতএব, ১২৫ সংখ্যাটিকে যে সকল সংখ্যা দ্বারা নিঃশেষে ভাগ করা যায় তাদের মধ্যে ৫ একটি অন্যতম সংখ্যা দ্বিতীয় হিসাব: একইভাবে ১৪৫ সংখ্যাটিকেও ৫ দ্বারা নিঃশেষে ভাগ করা যায় কারণ ১৪৫ এর একক স্থানীয় অঙ্ক ৫ সুতরাং, ১২৫ এবং ১৪৫ এর গসাগু নির্ণয় করতে হবে গসাগু হবে ৫ উত্তর: ০৫ জন
a হাশেম খান
b মোস্তফা মনোয়ার
c শেখ হাসিনা
d সব্যসাচী হাজরা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সব্যসাচী হাজরা কেন সঠিক: - শিল্পী সব্যসাচী হাজরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য নির্ধারিত 'মুজিব বর্ষ' লোগোর মূল নকশা তৈরি করেন। - এই লোগোতে একটি সুনির্দিষ্ট শিল্পরীতির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যাতে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক সত্তা ও জন্মশতবর্ষের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাশেম খান — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী হলেও মুজিব বর্ষের লোগো ডিজাইন করেননি। B) মোস্তফা মনোয়ার — তিনি দেশের বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী ও puppeteer হলেও এই লোগোটি তিনি তৈরি করেননি। C) শেখ হাসিনা — তিনি এই লোগোর উন্মোচক ও এর ধারণার মূল প্রেরণা হলেও এর ডিজাইনার নন। D) সব্যসাচী হাজরা — তিনি মুজিব বর্ষের মূল লোগোটি সফলভাবে ডিজাইন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: মুজিব বর্ষের লোগো মানেই সব্যসাচী হাজরার শিল্পকর্ম।
a সুফিয়া কামাল
b বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
c সেলিনা হোসেন
d জাহানারা ইমাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সুফিয়া কামাল কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রথিতযশা সাহিত্যিক ও নারী অধিকার নেত্রী কবি সুফিয়া কামালকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জননী সাহসিক উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। - বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তী সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তাঁর সাহসিকতাপূর্ণ নেতৃত্ব ও অবদানের জন্য তাঁকে এই সম্মান জানানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুফিয়া কামাল — এই অপশনটি সঠিক, কারণ তিনি তাঁর সাহসিকতা ও আপসহীন ভূমিকার জন্য জননী সাহসিক উপাধি লাভ করেছিলেন। B) বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন — তিনি বাঙালি নারী জাগরণের অগ্রদূত হলেও তাঁকে জননী সাহসিক বলা হয় না, তাঁকে নারী জাগরণের পথকৃৎ বলা হয়। C) সেলিনা হোসেন — তিনি একজন প্রখ্যাত সমকালীন ঔপন্যাসিক ও কথাসাহিত্যিক, যাঁর সাহিত্যকর্ম প্রশংসিত হলেও এই উপাধির সঙ্গে সম্পর্কিত নন। D) জাহানারা ইমাম — তিনি একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নেত্রী ও শহীদ জননী হিসেবে পরিচিত, তবে তাঁকে জননী সাহসিক বলা হয় না। মনে রাখার টিপস: সাহসিকতার সঙ্গে যিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন এবং কবি হিসেবে পরিচিত, তিনিই কবি সুফিয়া কামাল বা জননী সাহসিক।
a সুফিয়া কামাল
b নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী
c গোলাম মোস্তফা
d বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন কেন সঠিক: - বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন মুসলিম নারীদের অধিকার ও শিক্ষার প্রসারের জন্য ১৯১৬ সালে আঞ্জুমান খাওয়াতিনে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেন। - এই সংগঠনের মাধ্যমে তিনি পর্দানশীন মুসলিম নারীদের মধ্যে শিক্ষা বিস্তার এবং তাদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলার কাজ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুফিয়া কামাল — তিনি বিশিষ্ট কবি ও নারী অধিকার নেত্রী হলেও এই ঐতিহাসিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা নন। B) নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী — তিনি দানশীল নারী ও নারী শিক্ষার অগ্রদূত হলেও আঞ্জুমান খাওয়াতিনে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেননি। C) গোলাম মোস্তফা — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক ছিলেন, এই নারী সংগঠনের সাথে তার সম্পৃক্ততা নেই। D) বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: রোকেয়ার 'র' দিয়ে রোকেয়া এবং 'র' দিয়ে ১৯১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত নারী সংগঠন আঞ্জুমান খাওয়াতিনে ইসলাম মনে রাখতে পারেন।
a ১২০৪-১৩০৫
b ১৩১৩-১৪৪৫
c ১৩৬৮-১৭৫৭
d ১৩৩৭-১৪৫৩
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩৩৭-১৪৫৩ কেন সঠিক: - এই যুদ্ধটি ইংল্যান্ডের প্লান্টাজেনেট রাজবংশ এবং ফ্রান্সের ভালোয়া রাজবংশের মধ্যে সিংহাসন ও ভূখণ্ডগত অধিকার নিয়ে সংঘটিত হয়েছিল। - মাঝে বিভিন্ন সময় যুদ্ধবিরতি ও শান্তি চুক্তি হলেও রক্তক্ষয়ী এই সংঘাতটি মূলত ১৩৩৭ সাল থেকে শুরু হয়ে ১৪৫৩ সালে সমাপ্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২০৪-১৩০৫ — এই সময়সীমা ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের শতবর্ষ যুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, বরং এটি ত্রয়োদশ শতাব্দীর ভিন্ন রাজনৈতিক সংঘাতের কাল। B) ১৩১৩-১৪৪৫ — এই কালপঞ্জিটি ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের শতবর্ষ যুদ্ধের ঐতিহাসিক সূচনার সঠিক সময়কাল নির্দেশ করে না। C) ১৩৬৮-১৭৫৭ — এই সময়সীমাটি অনেক দীর্ঘ এবং এর শেষ সময়টি ভারতীয় উপমহাদেশের পলাশী যুদ্ধের সঙ্গে জড়িত, শতবর্ষ যুদ্ধের সঙ্গে নয়। D) ১৩৩৭-১৪৫৩ — এটিই ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে সংঘটিত ঐতিহাসিক শতবর্ষ যুদ্ধের প্রকৃত সময়কাল। মনে রাখার টিপস: শতবর্ষ যুদ্ধ মনে রাখতে ১৩৩৭ সাল থেকে শুরু হয়ে ১৪৫৩ সালে শেষ হয়েছে এই সংখ্যাগুলো ক্রমানুসারে মনে রাখুন।
a ১৯৩৯-১৯৬৯
b ১৯৫০-১৯৯০
c ১৯৪৭-১৯৭৫
d ১৯৪৫-১৯৯১
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: D) ১৯৪৫-১৯৯১ কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে মতাদর্শগত দ্বন্দ্বের সূচনা হয়। - ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের আনুষ্ঠানিক ভাঙনের মধ্য দিয়ে এই স্নায়ুযুদ্ধের অবসান ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৩৯-১৯৬৯ — এই সময়কালটি স্নায়ুযুদ্ধের সঠিক ব্যাপ্তি নির্দেশ করে না, কারণ ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়েছিল। B) ১৯৫০-১৯৯০ — এই সালগুলো স্নায়ুযুদ্ধের পূর্ণ সময়সীমা নয়, কারণ এর শুরু ও শেষের সাল ভুল দেওয়া আছে। C) ১৯৪৭-১৯৭৫ — ১৯৪৭ সাল থেকে স্নায়ুযুদ্ধ তীব্র হলেও এর সমাপ্তি ১৯৭৫ সালে হয়নি, ১৯৯১ সালে হয়েছিল। D) ১৯৪৫-১৯৯১ — এই সময়কালটিই যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার স্নায়ুযুদ্ধের সঠিক ঐতিহাসিক কালকাল। মনে রাখার টিপস: বিশ্বযুদ্ধ শেষের বছর ১৯৪৫ থেকে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙার বছর ১৯৯১ পর্যন্ত সময়কাল হলো স্নায়ুযুদ্ধ।
a ফ্রান্স
b ইতালি
c ইংল্যান্ড
d জার্মানি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইতালি কেন সঠিক: - চতুর্দশ শতাব্দীতে ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে সর্বপ্রথম রেনেসাঁ বা পুনর্জন্ম শুরু হয়েছিল। - প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সংস্কৃতি এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের পুনরুজ্জীবনের মাধ্যমে আধুনিক ইউরোপের সূচনা ঘটেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — ফ্রান্সে রেনেসাঁ শুরু হয়েছিল পরবর্তী সময়ে, ইতালির প্রভাব ছড়িয়ে পড়ার পর। B) ইতালি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ডে রেনেসাঁ শুরু হয়েছিল এলিজাবেথীয় যুগে, যা ইতালির তুলনায় অনেক পরে। D) জার্মানি — জার্মানিতে রেনেসাঁ মূলত ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিল এবং এটিও ইতালির পরে ঘটেছিল। মনে রাখার টিপস: রেনেসাঁ বা পুনর্জন্মের সূতিকাগার বলা হয় ইতালিকে, যার রাজধানী রোম প্রাচীন সভ্যতার কেন্দ্র ছিল।
a অন্ধ্র প্রদেশ
b দিল্লি
c গুজরাট
d উত্তর প্রদেশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গুজরাট কেন সঠিক: - নরেন্দ্র মোদী ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে ২০০১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ সময় গুজরাট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - তাঁর এই দীর্ঘ মেয়াদী মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে গুজরাট রাজ্যে ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শিল্পায়ন সাধিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্ধ্র প্রদেশ — এটি ভারতের দক্ষিণ অঞ্চলের একটি রাজ্য এবং নরেন্দ্র মোদী এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কখনো ছিলেন না। B) দিল্লি — দিল্লি ভারতের একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং জাতীয় রাজধানী অঞ্চল, যার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদী কখনো দায়িত্ব পালন করেননি। C) গুজরাট — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) উত্তর প্রদেশ — এটি ভারতের সর্বাধিক জনসংখ্যাপূর্ণ রাজ্য হলেও নরেন্দ্র মোদী এখান থেকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কখনো দায়িত্ব পালন করেননি। মনে রাখার টিপস: মোদীজি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে তাঁর নিজ রাজ্য গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।
a 2009
b 2010
c 2011
d 2012
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০১২ কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা এই আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থটি ২০১২ সালের ১৮ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়। - দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড ইউপিএল থেকে বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০৯ — এই সালে বইটি প্রকাশের কোনো ঐতিহাসিক রেকর্ড বা সরকারি ঘোষণা নেই। B) ২০১০ — এই সালে বইটি প্রকাশিত হয়নি, এটি প্রকাশের পূর্বের প্রস্তুতিমূলক সময় ছিল। C) ২০১১ — এই সালে বইটি প্রকাশের কাজ বা সম্পাদনার প্রস্তুতি চললেও গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়নি। D) ২০১২ — এই সালে বঙ্গবন্ধু রচিত অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রথম প্রকাশিত হয়, তাই এটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর জন্ম ১৯২০ সালে এবং তাঁর অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে, সাল দুটির শেষ অঙ্ক ২0 এবং ১২ মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
a সুন্দরবনের দক্ষিণে
b সন্দ্বীপের পশ্চিমে
c হাতিয়ার উত্তরে
d ভোলার পশ্চিমে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সুন্দরবনের দক্ষিণে কেন সঠিক: - বঙ্গোপসাগরের অববাহিকায় এবং সুন্দরবনের দক্ষিণ-পূর্বে ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সংলগ্ন এলাকায় এই দ্বীপটি অবস্থিত। - ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে এটি সুন্দরবনের দক্ষিণ অংশ ও সমুদ্রের মোহনার কাছাকাছি অঞ্চলে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুন্দরবনের দক্ষিণে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ভৌগোলিকভাবে দ্বীপটির সঠিক অবস্থান নির্দেশ করে। B) সন্দ্বীপের পশ্চিমে — সন্দ্বীপ চট্টগ্রাম অঞ্চলের একটি দ্বীপ যা বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং এর সঙ্গে এই দ্বীপের কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই। C) হাতিয়ার উত্তরে — নোয়াখালী জেলার হাতিয়া দ্বীপটি মূল ভূখণ্ড ও অন্যান্য চরের আরও উত্তরে বা পূর্বে অবস্থিত, তাই এই অবস্থানটি সঠিক নয়। D) ভোলার পশ্চিমে — ভোলা বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ দ্বীপ যা মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত এবং এর ভৌগোলিক অবস্থান সুন্দরবনের দক্ষিণ অঞ্চলের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: সুন্দরবনের দক্ষিণ দিকে সাগরের বুকে জাসুস বা বনভূমির ধারাবাহিকতায় জেগে ওঠা দ্বীপটির নামই বঙ্গবন্ধু দ্বীপ।
a 10
b 12
c 15
d 18
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ১২ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের মোট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সংখ্যা ছিল ১২টি। - এই মন্ত্রণালয়গুলোর মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক যোগাযোগ রক্ষা করা হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ — এটি ভুল কারণ মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সংখ্যা ১০টি ছিল না, বরং মোট ১২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ নিয়ে সরকার গঠিত হয়েছিল। B) ১২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সরকার গঠনের সময় সুনির্দিষ্টভাবে ১২টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগ বন্টন করা হয়েছিল। C) ১৫ — এটি ভুল কারণ ১৫টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগের কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি মুজিবনগর সরকারের গঠনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১৮ — এটি ভুল কারণ ১৮টি মন্ত্রণালয় তখন গঠিত হয়নি, তৎকালীন প্রশাসনিক কাঠামোর পরিধি অনুযায়ী মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা ছিল ১২টি। মনে রাখার টিপস: মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রণালয় মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ১২, যা বাংলাদেশের প্রথম সরকারের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি নির্দেশ করে।
a ২১ ফেব্রুয়ারি-০২ মার্চ
b ১৭ মার্চ - ২৬ মার্চ
c ১০ এপ্রিল - ১৯ এপ্রিল
d ২৬ মার্চ - ০৪ এপ্রিল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭ মার্চ - ২৬ মার্চ কেন সঠিক: - ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী এবং ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস। - এই দুটি ঐতিহাসিক তাৎপর্যপূর্ণ দিনকে কেন্দ্র করেই ১০ দিনব্যাপী 'মুজিব চিরন্তন' অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১ ফেব্রুয়ারি-০২ মার্চ — ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস হলেও এই সময়কালটি মুজিব শতবর্ষ বা সুবর্ণজয়ন্তীর মূল অনুষ্ঠানমালার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ১৭ মার্চ - ২৬ মার্চ — এটি সঠিক সময়কাল যা বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও স্বাধীনতা দিবসকে সংযুক্ত করে। সি) ১০ এপ্রিল - ১৯ এপ্রিল — এই সময়কালটি বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণ বা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা ১০ দিনের এই অনুষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত ছিল না। D) ২৬ মার্চ - ০৪ এপ্রিল — ২৬ মার্চ থেকে শুরু হলেও শেষ তারিখটি সঠিক নয় কারণ অনুষ্ঠান শেষ হয়েছিল ২৬ মার্চ। মনে রাখার টিপস: জাতির জন্মদিনের মাসেই অর্থাৎ ১৭ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত এই উৎসব পালিত হয়েছিল।
a নিউ ইয়র্ক টাইমস
b ওয়াশিংটন পোস্ট
c নিউজ উইকস
d দ্যা টেলিগ্রাফ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিউজ উইকস কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত নিউজউইক ম্যাগাজিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কভার স্টোরিতে 'রাজনীতির কবি' বা 'পোয়েট অব পলিটিক্স' উপাধিতে ভূষিত করে। - এই ঐতিহাসিক প্রতিবেদনে ৭ মার্চের ভাষণের অসামান্য নেতৃত্ব ও জনসমুদ্রের ঐক্যের প্রশংসা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউ ইয়র্ক টাইমস — এটি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রভাবশালী দৈনিক পত্রিকা হলেও বঙ্গবন্ধুকে এই নির্দিষ্ট উপাধি দেয়নি। B) ওয়াশিংটন পোস্ট — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্র হলেও এই উপাধি প্রদানের সঙ্গে যুক্ত নয়। C) নিউজ উইকস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে সঠিক কারণ প্রযোজ্য। D) দ্যা টেলিগ্রাফ — এটি ব্রিটিশ দৈনিক পত্রিকা হলেও এই ঐতিহাসিক উপাধির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: নিউজউইক ম্যাগাজিনের কভার পেজে ৭ মার্চের ভাষণকে কেন্দ্র করে বঙ্গবন্ধুকে 'রাজনীতির কবি' বলা হয়েছিল।
a অপারেটিং সিস্টেম
b এমবেডেড সিস্টেমের প্রোগ্রাম
c এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম
d কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম
ব্যাখ্যাঃ
বিষয় ও ধরন: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত সঠিক উত্তর (কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম) ভুল। ফার্মওয়্যার মূলত একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম, যা হার্ডওয়্যারের সাথে স্থায়ীভাবে যুক্ত থাকে। তাই সঠিক উত্তর হবে এমবেডেড সিস্টেমের প্রোগ্রাম। সঠিক উত্তর: B) এমবেডেড সিস্টেমের প্রোগ্রাম কেন সঠিক: - ফার্মওয়্যার হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা হার্ডওয়্যারের রিড-অনলি মেমরিতে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। - এটি মূলত এমবেডেড সিস্টেম বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইসের হার্ডওয়্যারকে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপারেটিং সিস্টেম — এটি কম্পিউটারের সামগ্রিক সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার ব্যবস্থাপনা করে, যা ফার্মওয়্যারের চেয়ে অনেক বড় ও বিস্তৃত এবং সাধারণত স্টোরেজে থাকে। B) এমবেডেড সিস্টেমের প্রোগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ফার্মওয়্যার হলো হার্ডওয়ারে এমবেড বা স্থায়ীভাবে যুক্ত থাকা নিয়ন্ত্রণকারী প্রোগ্রাম। C) এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম — এটি এক ধরনের সিকিউরিটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের ক্ষতিকর ভাইরাস বা মেলওয়্যার শনাক্ত ও অপসারণ করে। D) কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম — প্রদত্ত উত্তর ভুল, কারণ নেটওয়ার্ক হলো একাধিক কম্পিউটারের সংযোগ ব্যবস্থা, যা ফার্মওয়্যার নয়। মনে রাখার টিপস: ফার্মওয়্যার হলো হার্ডওয়্যারের স্থায়ী প্রাণ, যা এমবেডেড ডিভাইসের ভেতর স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম আকারে থাকে।
a পূর্ববঙ্গ
b পশ্চিমবঙ্গ
c উত্তরবঙ্গ
d দক্ষিণবঙ্গ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উত্তরবঙ্গ কেন সঠিক: - বরেন্দ্র বলতে প্রাচীন বাংলার পুণ্ড্রবর্ধন ভূহ্বলের একটি নির্দিষ্ট অংশকে বোঝায়। - এটি মূলত বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বিস্তীর্ণ পলি অঞ্চল নিয়ে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্ববঙ্গ — পূর্ববঙ্গ বলতে বৃহত্তর ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী অঞ্চলকে বোঝায়, যা বরেন্দ্র অঞ্চল নয়। B) পশ্চিমবঙ্গ — পশ্চিমবঙ্গ ভারতের একটি অঙ্গরাজ্য এবং এটি ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক কারণে বরেন্দ্র অঞ্চলের সমার্থক নয়। সি) উত্তরবঙ্গ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) দক্ষিণবঙ্গ — দক্ষিণবঙ্গ বলতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগসহ উপকূলীয় অঞ্চলকে বোঝায়, যা বরেন্দ্র অঞ্চলের আওতাভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: বরেন্দ্র ভূমি মানেই উত্তরবঙ্গের রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলের প্রাচীন ও উর্বর উঁচু পলিমাটি।
a বাবর
b হুমায়ুন
c আকবর
d জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হুমায়ুন কেন সঠিক: - মুঘল সম্রাট হুমায়ুন ১৫৩৮ সালে গৌড় দখল করার পর বাংলার নাম রাখেন জান্নাতাবাদ। - তার নামকরণের পেছনে বাংলার উর্বর ভূমি ও সৌন্দর্যের প্রতি মুগ্ধতা কাজ করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাবর — তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হলেও বাংলার নামকরণের সঙ্গে জড়িত নন। B) হুমায়ুন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) আকবর — তিনি বাংলাকে সুবা বা প্রদেশ হিসেবে ঘোষণা করেন এবং সুবা বাংলা নাম দেন। D) জাহাঙ্গীর — তার নামানুসারে তৎকালীন বাংলার রাজধানী ঢাকার নাম রাখা হয়েছিল জাহাঙ্গীরনগর। মনে রাখার টিপস: হুমায়ুন শব্দের অর্থ ভাগ্যবান, আর ভাগ্য ভালো বলেই তিনি সুন্দর বাংলাকে জান্নাতাবাদ বা স্বর্গের মতো স্থান বলে নামকরণ করেছিলেন।
a নীল বিদ্রোহ
b ফকির ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
c সিপাহী বিদ্রোহ
d ক্ষুদিরাম বিদ্রোহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফকির ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহ কেন সঠিক: - ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালি তথা ভারতীয় উপমহাদেশে সংঘটিত প্রথম প্রতিরোধ আন্দোলন হলো ফকির ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহ। - ১৭৭০ সালের ছিয়াত্তরের মন্বন্তর ও ব্রিটিশদের কঠোর রাজস্ব নীতির কারণে মজনু শাহের নেতৃত্বে এই বিদ্রোহ শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীল বিদ্রোহ — এটি উনিশ শতকের মাঝামা সময়ে (১৮৫৯ থেকে ১৮৬০ সাল) সংঘটিত হয়েছিল, যা প্রথম বিদ্রোহ নয়। B) ফকির ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ। C) সিপাহী বিদ্রোহ — এটি ১৮৫৭ সালে সংঘটিত হয়েছিল, যা ফকির ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহের অনেক পরের ঘটনা। D) ক্ষুদিরাম বিদ্রোহ — এটি কোনো নির্দিষ্ট বিদ্রোহের নাম নয়, বরং ক্ষুদিরাম বসু ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের একজন শহীদ বিপ্লবী। মনে রাখার টিপস: ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে প্রথম আন্দোলন শুরু করেছিলেন সাধু-বাবারা, তাই মনে রাখুন ফকির ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহ হলো প্রথম বিদ্রোহ।
a শাল
b কাঁঠাল
c আম
d সেগুন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আম কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আম গাছকে জাতীয় বৃক্ষ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। - আম গাছ বাংলাদেশের গ্রামীণ সংস্কৃতি এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং এর অর্থনৈতিক গুরুত্বও অনেক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাল — শাল বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান বনজ বৃক্ষ এবং শালবনের প্রধান উপাদান হলেও এটি জাতীয় বৃক্ষ নয়। B) কাঁঠাল — কাঁঠাল বাংলাদেশের জাতীয় ফল, তবে এটি জাতীয় বৃক্ষ হিসেবে নির্ধারিত নয়। C) আম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রযোজ্য। D) সেগুন — সেগুন একটি মূল্যবান কাঠ উৎপাদনকারী বৃক্ষ হলেও এটি বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ নয়। মনে রাখার টিপস: ফল হলো কাঁঠাল আর বৃক্ষ হলো আম, এই দুটি গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a পরিকল্পনামন্ত্রী
b অর্থমন্ত্রী
c সড়ক ও যোগাযোগমন্ত্রী
d জনপ্রশাসনমন্ত্রী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্থমন্ত্রী কেন সঠিক: - একনেক বা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (ECNEC) সভাপতি হলেন প্রধানমন্ত্রী। - প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে বা বিকল্প হিসেবে অর্থমন্ত্রী এই কমিটির বিকল্প চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিকল্পনামন্ত্রী — পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকলেও তিনি একনেক-এর বিকল্প চেয়ারম্যান নন। C) সড়ক ও যোগাযোগমন্ত্রী — এই মন্ত্রণালয় অবকাঠামো উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত হলেও বিকল্প চেয়ারম্যানের পদের জন্য নির্ধারিত নয়। D) জনপ্রশাসনমন্ত্রী — জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে, যা একনেক-এর নির্বাহী প্রধানের পদের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: একনেক-এর প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী আর বিকল্প প্রধান হলেন অর্থমন্ত্রী।
a সাকিব আল হাসান
b তামিম ইকবাল
c লিটন দাস
d মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লিটন দাস কেন সঠিক: - লিটন দাস ২০২০ সালে জিম্বাবুয়ে বিপক্ষে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৪৩ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলেন। - এটি ওয়ানডে ফরম্যাটে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটারের করা ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ একক রান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাকিব আল হাসান — ওয়ানডেতে তাঁর ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান ২১৭ হলেও টেস্টে, ওয়ানডেতে নয়। B) তামিম ইকবাল — তিনি ওয়ানডেতে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বাধিক সেঞ্চুরির মালিক হলেও ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান লিটন দাসের নিচে। C) লিটন দাস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি সঠিক। D) মুশফিকুর রহিম — তাঁর ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ রান অপরাজিত ১৪৪ হলেও এটি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ছিল না এবং লিটন দাসের রান এর চেয়ে বেশি অর্থাৎ ১৭৬। মনে রাখার টিপস: লিটন দাসের এল (L) দিয়ে লিটন এবং ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ রানের (L) রেকর্ড মনে রাখতে পারেন।
a AOECM
b AEOCN
c ACEOM
d AECOM
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) AECOM কেন সঠিক: - আমেরিকান মাল্টিন্যাশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্ম এইকম পদ্মা বহুমুখী সেতুর মূল নকশা বা ডিজাইন প্রণয়ন করেছে। - বিশ্বমানের এই প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানটি সেতুর নকশা প্রণয়ন ও কনসালট্যান্ট হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) AOECM — এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা পরিচিত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠানের নাম নয়, এটি সঠিক উত্তরের একটি এলোমেলো বানান রূপ। B) AEOCN — এই নামের কোনো প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান পদ্মা সেতুর নকশা প্রণয়নের সাথে যুক্ত ছিল না। C) ACEOM — এটি একটি ভুল বিন্যাসের নাম এবং পদ্মা সেতুর ডিজাইনের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) AECOM — এটি সঠিক প্রতিষ্ঠান যা পদ্মা সেতুর নকশা প্রণয়ন করেছে। মনে রাখার টিপস: পদ্মা সেতুর নকশা করেছে আমেরিকার প্রতিষ্ঠান এইকম, নামের শেষে কম আছে।
a ঋণ গ্রহীতা
b ঋণ পরিশোধে অক্ষম
c ঋণের জামানতকারী
d ঋণ খেলাপি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঋণ পরিশোধে অক্ষম কেন সঠিক: - দেউলিয়া বা банкрот হলো আইনিভাবে এমন এক অবস্থা, যেখানে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাদের পাওনাদারদের ঋণ পরিশোধ করতে সম্পূর্ণ অক্ষম হয়। - আদালতের ঘোষণা অনুযায়ী এই ধরনের ব্যক্তির সম্পত্তি বিক্রি করে পাওনাদারদের পাওনা মেটানোর ব্যবস্থা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঋণ গ্রহীতা — ঋণ গ্রহীতা যেকোনো ব্যক্তি হতে পারে যিনি ঋণ নেন, তিনি নিয়মিত ঋণ পরিশোধও করতে পারেন তাই এটি ভুল। B) ঋণ পরিশোধে অক্ষম — এটি সঠিক কারণ দেউলিয়া হওয়ার মূল শর্তই হলো দেনা পরিশোধে আইনগত ও আর্থিকভাবে অক্ষমতা। সি) ঋণের জামানতকারী — জামানতকারী মূল ঋণ গ্রহীতার পক্ষে গ্যারান্টি দেন, তিনি নিজে সরাসরি দেউলিয়া হওয়ার সমার্থক নন। D) ঋণ খেলাপি — ঋণ খেলাপি নির্দিষ্ট সময়ে কিস্তি বা ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হন, কিন্তু তিনি আইনি প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ দেউলিয়া ঘোষিত নাও হতে পারেন। মনে রাখার টিপস: দেউলিয়া মানেই আর্থিক শূন্যতা, অর্থাৎ ঋণ পরিশোধ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলা।
a পিআরএসপি
b পিকেএসএফ
c মাইক্রো ক্রেডিট
d পিডিবিএফ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পিডিবিএফ কেন সঠিক: - পিডিবিএফ (PDBF) হলো পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীনে পরিচালিত একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান, যা কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নে ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান করে। - এই সংস্থাটি দুস্থ ও দরিদ্র গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং কৃষিভিত্তিক খাতের উন্নয়নে বিশেষভাবে কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিআরএসপি — এটি কোনো ঋণ প্রদানকারী প্রকল্প নয়, এটি হলো দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য সরকারের একটি কৌশলগত নীতি দলিল বা প্রামাণ্য দলিল। B) পিকেএসএফ — এটি দেশের বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থাকে (এনজিও) পাইকারি হারে ঋণ প্রদানকারী একটি শীর্ষস্থানীয় অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান, সরাসরি ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্প নয়। C) মাইক্রো ক্রেডিট — এটি কোনো নির্দিষ্ট সরকারি প্রকল্প বা প্রতিষ্ঠানের নাম নয়, এটি সামগ্রিক অর্থে ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থার একটি সাধারণ ইংরেজি পরিভাষা। D) পিডিবিএফ — এটি কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নে সরাসরি ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণকারী একটি নির্দিষ্ট সরকারি প্রকল্প বা তহবিল। মনে রাখার টিপস: কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নে সরাসরি সরকারি ক্ষুদ্র ঋণ মানেই পিডিবিএফ (PDBF)।
a মূলধন
b বণ্টন
c মুনাফা
d থলে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) থলে কেন সঠিক: - বাজেট শব্দটি ফরাসি শব্দ বুজেট থেকে এসেছে যার আক্ষরিক অর্থ চামড়ার থলে। - প্রাচীনকালে যুক্তরাজ্যে অর্থমন্ত্রী বা চ্যান্সেলর অব দ্য এক্সচেকার হিসাবের কাগজপত্রের থলে নিয়ে পার্লামেন্টে উপস্থিত হতেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মূলধন — এটি ব্যবসার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত আর্থিক সম্পদ বা পুঁজি নির্দেশ করে যা বাজেটের মূল অর্থ নয়। B) বণ্টন — এটি অর্থ বা সম্পদ বিভাজনের প্রক্রিয়া বোঝায় কিন্তু বাজেট শব্দের শাব্দিক অর্থ এটি নয়। C) মুনাফা — এটি ব্যবসা বা বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত লাভ বোঝায় যা বাজেটের আক্ষরিক অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। D) থলে — এটি বাজেট শব্দের মূল এবং ঐতিহাসিক আক্ষরিক অর্থ যা চামড়ার থলে হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: বাজেট মানেই একটি থলে যেখানে হিসাবের কাগজপত্র রাখা হতো।
a ফিসার ব্ল্যাক
b উইলিয়াম ক্যারি
c নিকোলাস বারবন
d ইউজিন ফামা
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা সঠিক উত্তর: C) নিকোলাস বারবন কেন সঠিক: - ১৬৬৬ সালের ভয়াবহ লন্ডন অগ্নিকাণ্ডের পর ডক্টর নিকোলাস বারবন অগ্নি বীমা ব্যবস্থার প্রচলন করেন। - তিনি লণ্ডনে প্রথম অগ্নি বীমা কোম্পানি গঠন করে বাড়ি ও ভবন বীমার আধুনিক ধারণা দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিসার ব্ল্যাক — তিনি আধুনিক আর্থিক অর্থনীতি এবং ব্ল্যাক স্কোলস অপশন প্রাইসিং মডেলের সাথে যুক্ত। B) উইলিয়াম ক্যারি — তিনি আধুনিক বাংলা মুদ্রণ শিল্পের জনক এবং শ্রীরামপুর মিশনের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন। D) ইউজিন ফামা — তিনি দক্ষ বাজার অনুমান তত্ত্বের জন্য পরিচিত একজন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ। মনে রাখার টিপস: অগ্নি মানে আগুন বা বার্ন, আর বারবন নামের সাথে বার্ন শব্দটি মিলিয়ে নিকোলাস বারবনকে মনে রাখা যায়।
a সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
b ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন বোর্ড
c বাণিজ্যিক ব্যাংক
d কেন্দ্রীয় ব্যাংক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কেন্দ্রীয় ব্যাংক কেন সঠিক: - কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের মুদ্রাবাজারের অভিভাবক এবং অর্থ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণকারী প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠান। - এটি সুদের হার নির্ধারণ এবং ব্যাংক খাতের ওপর তদারকি করার মাধ্যমে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন — এটি পুঁজিবাজার বা শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ করে, মুদ্রাবাজার নয়। B) ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন বোর্ড — এটি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং পুঁজিবাজারে সিকিউরিটিজ ক্রয়-বিক্রয়ের সাথে যুক্ত। C) বাণিজ্যিক ব্যাংক — এরা জনগণের আমানত গ্রহণ ও ঋণ প্রদান করে, তবে পুরো মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ করে না। D) কেন্দ্রীয় ব্যাংক — এটি দেশের মুদ্রাবাজারের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ করে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন।
a আয় ও ব্যয়ের হিসাব
b সম্পত্তি ও দায়ের পার্থক্য
c নগদ প্রাপ্তি ও প্রদানের পার্থক্য
d সম্পত্তি ও দায়ের হিসাব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সম্পত্তি ও দায়ের পার্থক্য কেন সঠিক: - ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মোট সম্পদ থেকে মোট দায় বাদ দিলে যা অবশিষ্ট থাকে, তাকে মূলধন তহবিল বলা হয়। - অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এটি প্রারম্ভিক বা সমাপনী মূলধন হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয় ও ব্যয়ের হিসাব — এটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের উদ্বৃত্ত বা ঘাটতি নির্ণয় করে, মূলধন তহবিল নয়। B) সম্পত্তি ও দায়ের পার্থক্য — এটি মূলধন তহবিলের সঠিক সংজ্ঞা ও নির্ণয়ের পদ্ধতি। C) নগদ প্রাপ্তি ও প্রদানের হিসাব — এটি কেবল নগদ লেনদেনের বিবরণী প্রকাশ করে, যা মূলধন তহবিল নির্দেশ করে না। D) সম্পত্তি ও দায়ের হিসাব — এটি সামগ্রিক হিসাবের বিবরণী, নির্দিষ্ট কোনো তহবিল নয়। মনে রাখার টিপস: মূলধন তহবিল পেতে হলে সম্পদ থেকে দায় বিয়োগ করতে হয়।
a ১৪৪১ খ্রি.
b ১৩৯৪ খ্রি.
c ১৪৯৪ খ্রি.
d ১৪৮৯ খ্রি.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪৯৪ খ্রি. কেন সঠিক: - হিসাববিজ্ঞানের জনক লুকা প্যাসিওলি ১৪৯৪ সালে ইতালির ভেনিস শহরে 'সুমা দ্য আরিথমেটিকা' গ্রন্থ প্রকাশ করেন। - এই বইটিতে প্রথমবারের মতো দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতির বিস্তারিত নীতি ও কৌশল আলোচনা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪৪১ খ্রি. — এটি দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতির উৎপত্তির সাল নয় এবং এই সালে হিসাববিজ্ঞান সংক্রান্ত কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। B) ১৩৯৪ খ্রি. — এটি একটি ভুল সাল এবং লুকা প্যাসিওলি তার বিখ্যাত গ্রন্থটি এর অনেক পরে প্রকাশ করেছিলেন। C) ১৪৯৪ খ্রি. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) ১৪৮৯ খ্রি. — এটি কাছাকাছি একটি সাল হলেও লুকা প্যাসিওলি তার গ্রন্থটি এই বছরে প্রকাশ করেননি। মনে রাখার টিপস: লুকা প্যাসিওলি ১৪৯৪ সালে বই লিখে দু'তরফা পদ্ধতির সূচনা করেন; মনে রাখুন ১৪ এবং ৯৪ মিলে ১৪৯৪ সাল।
a ডেবিট জের
b ক্রেডিট জের
c ডেবিট, ক্রেডিট এবং শূন্য জের
d ডেবিট এবং ক্রেডিট জের দুটিই
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ডেবিট এবং ক্রেডিট জের দুটিই কেন সঠিক: - হিসাববিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো হিসাবের উদ্বৃত্ত বা জের সাধারণত ডেবিট অথবা ক্রেডিট যেকোনো একটি হতে পারে। - লেনদেনের ধরন ও প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে হিসাবের ডেবিট দিক বা ক্রেডিট দিক বড় হতে পারে, যার ফলে জের দুটিই প্রকাশ পাওয়া সম্ভব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেবিট জের — এটি সঠিক হলেও কেবল একটি পক্ষকে নির্দেশ করে, কারণ কোনো হিসাব কেবল ডেবিট জের ছাড়াও ক্রেডিট জেরও প্রকাশ করতে পারে। B) ক্রেডিট জের — এটিও সত্য কিন্তু অসম্পূর্ণ, কারণ ডেবিট জেরের পাশাপাশি হিসাব ক্রেডিট জেরও প্রকাশ করতে সক্ষম। C) ডেবিট, ক্রেডিট এবং শূন্য জের — হিসাব শূন্য হতে পারে, তবে মূলত জের বলতে ডেবিট বা ক্রেডিট অবস্থাকেই বোঝানো হয়, তাই এটি প্রচলিত প্রধান উত্তর নয়। D) ডেবিট এবং ক্রেডিট জের দুটিই — এটি সম্পূর্ণ ও সঠিক কারণ একটি হিসাব তার জীবনকালে ডেবিট বা ক্রেডিট উভয় প্রকার জেরই প্রকাশ করতে পারে। মনে রাখার টিপস: হিসাবের জের সবসময় দুটি রূপ নিতে পারে, ডেবিট অথবা ক্রেডিট।
a আর্থিক অবস্থা
b মূলধন
c সঠিক হিসাবরক্ষণ
d অর্জিত মুনাফা
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা সঠিক উত্তর: D) অর্জিত মুনাফা কেন সঠিক: - আয়কর, মূল্য সংযোজন কর এবং আবগারি শুল্ক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অর্থনৈতিক কার্যক্রমের ফলস্বরূপ অর্জিত মুনাফা বা আয়ের ওপর ধার্য করা হয়। - কর ব্যবস্থার মূল ভিত্তি হলো উৎপাদন বা বিক্রয়ের মাধ্যমে অর্জিত আয় বা মুনাফা থেকে নির্দিষ্ট হারে রাজস্ব সংগ্রহ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আর্থিক অবস্থা — আর্থিক অবস্থা কর নির্ধারণের পরিমাপক হতে পারে, তবে কর ধার্যের মূল ভিত্তি হলো অর্জিত আয় বা মুনাফা। B) মূলধন — মূলধন হলো ব্যবসার সূচনার তহবিল, যা সরাসরি করের ভিত্তি নয় বরং মুনাফা অর্জনের মাধ্যম। C) সঠিক হিসাবরক্ষণ — এটি কর গণনার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে, কিন্তু কর ধার্যের মূল অর্থনৈতিক ভিত্তি বা উৎস নয়। D) অর্জিত মুনাফা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কর মানেই আয়ের ওপর টান, তাই আয় বা মুনাফাই হলো কর ধার্যের প্রধানানান।
a দাতা, গ্রহীতা এবং বিবরণী
b নাম, দাতা ও গ্রহীতা
c তারিখ, বিবরণী ও টাকার অংক
d দাতা, গ্রহীতা ও টাকার অংক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নাম, দাতা ও গ্রহীতা কেন সঠিক: - হিসাববিজ্ঞানের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী একটি হিসাবে মূলত হিসাবের নাম, দাতা এবং গ্রহীতা এই তিনটি প্রধান উপাদান থাকে। - এটি মূলত সনাতন পদ্ধতিতে হিসাবের ডেবিট ও ক্রেডিট নির্ণয়ের মূল ভিত্তি নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দাতা, গ্রহীতা এবং বিবরণী — বিবরণী হিসাবের একটি অংশ হলেও হিসাবের তিনটি মৌলিক উপাদানের সঠিক সেট এটি নয়। B) নাম, দাতা ও গ্রহীতা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং হিসাবের তিনটি প্রধান উপাদানকে সঠিকভাবে নির্দেশ করে। C) তারিখ, বিবরণী ও টাকার অংক — এটি খতিয়ান বা জাবেদার ঘর তৈরির উপাদান, হিসাবের মৌলিক উপাদান নয়। D) দাতা, গ্রহীতা ও টাকার অংক — টাকার অংক হিসাবের অপরিহার্য অংশ হলেও হিসাবের তাত্ত্বিক উপাদান হিসেবে এখানে বিবরণীর পরিবর্তে টাকার অংক ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: হিসাবের মূল উপাদান মনে রাখতে "নাম ও দুই পক্ষ (দাতা ও গ্রহীতা)" এই সূত্রটি মনে রাখতে হবে।
a দৃশ্যমান ব্যয়
b নগদ ব্যয়
c বাকী ব্যয়
d অনগদ ব্যয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনগদ ব্যয় কেন সঠিক: - অবচয় এমন একটি ব্যয় যা কারবারের সম্পদ ব্যবহারের ফলে সৃষ্টি হয় কিন্তু এর জন্য বাস্তবে কোনো নগদ টাকা কারবার থেকে চলে যায় না। - এটি হিসাবকালের একটি অভ্যন্তরীণ ও সমন্বয়কারী লেনদেন, যা মুনাফা থেকে কর্তন করা হলেও ক্যাশ ফ্লো বা নগদ প্রবাহকে সরাসরি প্রভাবিত করে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৃশ্যমান ব্যয় — অবচয় দৃশ্যমান নয়, কারণ এটি স্থায়ী সম্পদের মূল্য হ্রাসের একটি কাল্পনিক বা হিসাবরক্ষণ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া। B) নগদ ব্যয় — অবচয়ের ক্ষেত্রে কোনো নগদ অর্থের লেনদেন হয় না বিধায় এটি নগদ ব্যয় নয়। C) বাকী ব্যয় — অবচয় কোনো বাকিতে লেনদেন নয়, এটি ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির হিসাবরক্ষণজনিত বরাদ্দ মাত্র। D) অনগদ ব্যয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ অবচয় সরাসরি নগদ অর্থের বহির্গমন ঘটায় না। মনে রাখার টিপস: যেই খরচে হাত দিয়ে টাকা দেওয়া লাগে না সেটাই অনগদ ব্যয়, আর অবচয় হলো এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ।
a সম্পদ সর্বাধিকরণ
b মুনাফা সর্বাধিকরণ
c মূলধন বৃদ্ধি
d বিক্রয় বৃদ্ধি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুনাফা সর্বাধিকরণ কেন সঠিক: - ব্যবসার মূল উদ্দেশ্য হলো কম খরচে পণ্য বা সেবা উৎপাদন করে সর্বোচ্চ আর্থিক লাভ বা মুনাফা অর্জন করা। - ঐতিহ্যবাহী ও ধ্রুপদী অর্থায়ন বা ব্যবসায় নীতি অনুযায়ী মুনাফা অর্জনই যেকোনো ফার্মের প্রাথমিক ও প্রধান লক্ষ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্পদ সর্বাধিকরণ — এটি আধুনিক ফিন্যান্সের লক্ষ্য হলেও, ঐতিহ্যবাহী ব্যবসায়িক ফার্মের প্রাথমিক বা প্রধান লক্ষ্য হিসেবে মুনাফা সর্বাধিকরণকেই বিবেচনা করা হয়। B) মুনাফা সর্বাধিকরণ — এটি এই প্রশ্নের জন্য সঠিক উত্তর এবং ফার্মের প্রাথমিক লক্ষ্য। C) মূলধন বৃদ্ধি — মূলধন বৃদ্ধি ব্যবসার একটি সহায়ক কার্যক্রম বা দীর্ঘমেয়াদী ফলাফল হতে পারে, তবে এটি ফার্মের প্রধান লক্ষ্য নয়। D) বিক্রয় বৃদ্ধি — বিক্রয় বৃদ্ধি মুনাফা অর্জনের একটি মাধ্যম হতে পারে, কিন্তু এটি সরাসরি ফার্মের একমাত্র বা প্রধান লক্ষ্য হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: ব্যবসা মানেই লাভ, তাই ফার্মের প্রধান লক্ষ্য হলো মুনাফা সর্বাধিকরণ।

মোট প্রশ্ন (23)

a নিজ বাসভূমে
b নিরালোকে দিবানিশি
c দুঃসময়ের মুখোমুখি
d আর্ত শব্দাবলী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আর্ত শব্দাবলী ১. কেন সঠিক: - আর্ত শব্দাবলী গ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমানের লেখা নয়। - এই কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের আরেক বিশিষ্ট কবি নির্মলেন্দু গুণ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে আবির্ভূত হওয়া বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি ও সাংবাদিক। - তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে নিজ বাসভূমে, নিরালোকে দিবানিশি ও দুঃসময়ের মুখোমুখি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বন্দী শিবির থেকে ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমান রচিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অত্যন্ত বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: প্রেমাংশুর রক্ত চাই ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমানের সমসাময়িক কবি নির্মলেন্দু গুণের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিজ বাসভূমে — এটি কবি শামসুর রাহমানের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও আলোচিত কাব্যগ্রন্থ। B) নিরালোকে দিবানিশি — এটি কবি শামসুর রাহমান রচিত একটি পরিচিত কাব্যগ্রন্থ। C) দুঃসময়ের মুখোমুখি — এটিও কবি শামসুর রাহমানের রচিত একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। D) আর্ত শব্দাবলী — এটি কবি শামসুর রাহমানের লেখা নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখতে তার বিখ্যাত রাজনৈতিক ও নাগরিক চেতনার কবিতাগুলো মাথায় রাখতে পারো। - নির্মলেন্দু গুণের কাব্যগ্রন্থের তালিকায় আর্ত শব্দাবলী বিশেষভাবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - কোনো নির্দিষ্ট লেখকের গ্রন্থ নয় ধরনের প্রশ্নে অপশনের অন্য গ্রন্থগুলোর রচয়িতা কে তা জেনে রাখা জরুরি।
a কাব্যগ্রন্থ
b প্রবন্ধগ্রন্থ
c গল্পগ্রন্থ
d সঙ্গীতগ্রন্থ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রবন্ধগ্রন্থ ১. কেন সঠিক: - 'রুদ্র মঙ্গল' হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ। - এই গ্রন্থে নজরুলের বিদ্রোহী চেতনা ও রাজনৈতিক ভাবধারার পরিচয় পাওয়া যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি ও প্রবন্ধকার। - 'রুদ্র মঙ্গল' গ্রন্থে সংকলিত প্রবন্ধগুলোতে লেখকের সমাজচিন্তা ও রাষ্ট্রচিন্তার প্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যুগবাণী ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় প্রবন্ধগ্রন্থ। উদাহরণ ২: দুর্দিনের যাত্রী ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত সমাজচিন্তামূলক প্রবন্ধগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্যগ্রন্থ — রুদ্র মঙ্গল কোনো কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি গদ্যে রচিত প্রবন্ধের সংকলন। B) প্রবন্ধগ্রন্থ — এটি সঠিক কারণ রুদ্র মঙ্গল গদ্য প্রবন্ধের একটি সংকলন। C) গল্পগ্রন্থ — এই গ্রন্থে কোনো ছোটগল্প বা কল্পকাহিনি সংকলিত হয়নি। D) সঙ্গীতগ্রন্থ — এটি গান বা সুরের কোনো সংগ্রহ নয়, এটি প্রবন্ধের বই। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের গদ্যগ্রন্থগুলো মনে রাখার জন্য মঙ্গল শব্দটিকে মূল ভিত্তি হিসেবে ধরতে পারো। - রুদ্র মঙ্গল এবং দুর্দিনের যাত্রী উভয়ই নজরুলের বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের প্রবন্ধগ্রন্থগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - যুগবাণী, দুর্দিনের যাত্রী এবং রাজবন্দীর জবানবন্দী নজরুলের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ।
a তোমাকে ভাবতে হবে।
b বিষয়টি ভালো শোনায় না।
c আসামীকে জরিমানা করা হয়েছে।
d তার যেন আসা হয়।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিষয়টি ভালো শোনায় না। ১. কেন সঠিক: - যে বাক্যে কর্তার উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও কর্মপদটি নিজেই কর্তার মতো আচরণ করে এবং বাক্যটি কর্মপ্রধান বা কর্মকর্তৃবাচ্যের অর্থ প্রকাশ করে, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্য বলে। - এখানে বিষয়টি কর্ম হওয়া সত্ত্বেও বাক্যের মূল অর্থ প্রকাশ করছে এবং এর সাথে কোনো সক্রিয় কর্তা যুক্ত নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কর্মকর্তৃবাচ্যের সংজ্ঞা: বাক্যের কর্মপদ যখন নিজেই কর্তার স্থান দখল করে এবং বাক্যটিতে কর্তার উল্লেখ থাকে না, তখন তাকে কর্মকর্তৃবাচ্যের ক্রিয়া বা কর্মকর্তৃবাচ্য বলে। - এই বাচ্যে কর্মপদটি বাক্যের শুরুতে বসে কর্তার মতো কাজ করে এবং ক্রিয়াপদটি কর্মের পুরুষ অনুসারেই গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঁশীতে সুর বাজে। ব্যাখ্যা: এখানে সুর কর্মপদ হলেও তা নিজে নিজেই বাজার ভাব প্রকাশ করছে, তাই এটি কর্মকর্তৃবাচ্যের উদাহরণ। উদাহরণ ২: পাঠ্যবই পড়তে ভালো লাগে। ব্যাখ্যা: এখানে পাঠ্যবই কর্মপদটি বাক্যে কর্তার মতো কাজ করছে এবং এটি কর্মকর্তৃবাচ্যের চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তোমাকে ভাবতে হবে। — এটি মূলত ভাববাচ্যের উদাহরণ, কারণ এখানে ক্রিয়ার ভাব বা কাজটি প্রধান হয়ে উঠেছে এবং কর্তার ওপর বাধ্যবাধকতা বোঝাচ্ছে। B) বিষয়টি ভালো শোনায় না। — এটি কর্মকর্তৃবাচ্যের সঠিক উদাহরণ, কারণ কর্মপদটি এখানে কর্তার স্থলাভিষিক্ত হয়ে নিজে থেকেই ভাব প্রকাশ করছে। C) আসামীকে জরিমানা করা হয়েছে। — এটি কর্মবাচ্যের উদাহরণ, কারণ এখানে মূল কর্তা উহ্য থাকে এবং কর্মপদটি মুখ্য হয়ে ওঠে কিন্তু এটি কর্মকর্তৃবাচ্য নয়। D) তার যেন আসা হয়। — এটি ভাববাচ্যের উদাহরণ, কারণ এখানে ক্রিয়ার অর্থ বা ভাবই প্রধান এবং কর্তাটি গৌণ বা বিভক্তিযুক্ত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কর্মকর্তৃবাচ্য চেনার সহজ উপায় হলো বাক্যের কর্মপদটি খুঁজে বের করা এবং দেখা সেটি নিজে নিজেই কাজটি সম্পন্ন করার ভাব প্রকাশ করছে কি না। - কর্ম যখন নিজে কর্তা হয়ে যায় এবং কোনো বাহ্যিক কর্তা থাকে না, তখন সেটি কর্মকর্তৃবাচ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাচ্য পরিবর্তনের নিয়ম এবং বিভিন্ন বাচ্যের পার্থক্য প্রায়ই আসে। - কর্তৃবাচ্য, কর্মবাচ্য, ভাববাচ্য এবং কর্মকর্তৃবাচ্যের সংজ্ঞাগত পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a অপ্রয়োজনীয় কথা
b বিশৃঙ্খলা অবস্থা
c সুসময়
d দুঃসময়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অপ্রয়োজনীয় কথা ১. কেন সঠিক: - 'সাত সতোরো' একটি বহুল প্রচলিত বাগধারা যার অন্তর্নিহিত অর্থ হলো অপ্রয়োজনীয়, অদরকারি বা অবান্তর কথা। - আক্ষরিক অর্থের চেয়ে বাগধারার বিশেষ ও রূপক অর্থ এখানে প্রধান হয়ে ওঠে, যা বাক্যে ভাবকে ফুটিয়ে তোলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের একটি অংশ যা বাগধারা হিসেবে পরিচিত এবং বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। - বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং গদ্য বা পদ্যের প্রকাশভঙ্গি আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার সাথে কথা বলা আর সাত সতোরো শোনার মধ্যে কোনো তফাত নেই। ব্যাখ্যা: এখানে বক্তার অপ্রয়োজনীয় ও বিরক্তিকর কথা বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: কাজের সময় সাত সতোরো বাদ দিয়ে আসল বিষয়ে মন দাও। ব্যাখ্যা: কাজের মধ্যে অবান্তর ও অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা পরিহার করার নির্দেশ দিতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপ্রয়োজনীয় কথা — এটি সঠিক এবং বাগধারাটির নির্ধারিত অর্থ নির্দেশ করে। B) বিশৃঙ্খলা অবস্থা — এটি সঠিক নয় কারণ বিশৃঙ্খলা বোঝাতে অন্য বাগধারা যেমন তালগোল পাকানো ব্যবহৃত হয়। C) সুসময় — এটি সঠিক নয় কারণ সুসময় বোঝাতে সুদিন বা ভালো সময় বোঝানো হয়। D) দুঃসময় — এটি সঠিক নয় কারণ দুঃসময় বোঝাতে দুর্দিন বা মেঘের ছায়া ব্যবহার করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাত ও সতোরো মিলিয়ে অনেকগুলো অবান্তর সংখ্যা বা কথার হিসাব বোঝায়, যা থেকে অপ্রয়োজনীয় কথা মনে রাখা সহজ হয়। - বাগধারার আক্ষরিক অর্থ না খুঁজে এর প্রচলিত রূপক অর্থ মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই অর্থ মুখস্থ রাখার পাশাপাশি বাক্যে প্রয়োগ জানতে হবে। - একই রকম অন্য বাগধারাগুলো অনুশীলনের মাধ্যমে প্রস্তুতি আরও শাণিত করা সম্ভব।
a মেঘের ধ্বনি
b সেতারের ঝংকার
c ময়ুরের ডাক
d গম্ভীর ধ্বনি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গম্ভীর ধ্বনি ১. কেন সঠিক: - মন্দ্র শব্দের অর্থ গম্ভীর বা গভীর ধ্বনি। এটি সাধারণত মেঘের ডাক, ঢোলের শব্দ বা গভীর কোনো আওয়াজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। - প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডারে মন্দ্র একটি তৎসম শব্দ যার মূল অর্থ নিচু স্বরের গম্ভীর ধ্বনি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন। - সংস্কৃত ভাষা থেকে যে শব্দগুলো অপরিবর্তিতভাবে বাংলা ভাষায় এসেছে সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে এবং মন্দ্র একটি তেমনই তৎসম শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মন্দ্র সপ্তক ব্যাখ্যা: সংগীতের ভাষায় বা সুরের ক্ষেত্রে নিচু বা গম্ভীর স্বরকে মন্দ্র সপ্তক বলা হয়। উদাহরণ ২: মন্দ্র ধ্বনি ব্যাখ্যা: কোনো বড় বা ভারী বাদ্যযন্ত্রের গম্ভীর আওয়াজ বোঝাতে মন্দ্র ধ্বনি শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘের ধ্বনি — মেঘের ধ্বনি বোঝাতে মন্দ্র ব্যবহার করা হলেও এর মূল বা সাধারণ শাব্দিক অর্থ কেবল মেঘ নয় বরং যেকোনো গম্ভীর ধ্বনি। B) সেতারের ঝংকার — সেতারের ঝংকার বা তারের আওয়াজ বোঝাতে সাধারণত ঝংকার বা তার সপ্তক বলা হয়, মন্দ্র নয়। C) ময়ুরের ডাক — ময়ুরের ডাককে কেকা বলা হয়, তাই এটি মন্দ্র শব্দের সঠিক অর্থ নয়। D) গম্ভীর ধ্বনি — এটি মন্দ্র শব্দের সরাসরি এবং সবচেয়ে সঠিক আভিধানিক অর্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - মন্দ্র শব্দের সাথে গম্ভীর ধ্বনির মিল মনে রাখতে মন্দ্র মানেই গভীর বা গম্ভীর আওয়াজ এই কৌশলটি মনে রাখতে পারো। - সংগীতের মন্দ্র সপ্তক বা নিচু সুরের কথা মাথায় রাখলেও এর অর্থ সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই তৎসম শব্দের অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - একই ধরনের অন্যান্য শব্দের অর্থ পড়ার সময় তার মূল উৎস এবং ব্যবহারিক ক্ষেত্র খেয়াল রাখা জরুরি।
a জননী
b জলাংগী
c চৌরসন্ধি
d পতঙ্গ পিঞ্জর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জলাংগী ১. কেন সঠিক: - শওকত ওসমান রচিত 'জলাংগী' একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জনগণের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান বাংলা সাহিত্যে প্রতিবাদী ও মননশীল লেখক হিসেবে পরিচিত। - তার এই উপন্যাসে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম নির্যাতনের পাশাপাশি বাঙালির প্রতিরোধ লড়াইয়ের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্থান পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শওকত ওসমানের আরেকটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো জাহান্নাম হইতে বিদায়। ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের পটভূমিতে রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের আরেকটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো দুই সৈনিক। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসেও মুক্তিযুদ্ধের সময়ের একটি বিশেষ ঘটনা ও মানবিক সংকটের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জননী — এটি শওকত ওসমান রচিত গ্রামীণ সমাজজীবনের ওপর ভিত্তি করে লেখা একটি সামাজিক উপন্যাস, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। B) জলাংগী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) চৌরসন্ধি — এটি শওকত ওসমানের কোনো বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, তাই এটি সঠিক নয়। D) পতঙ্গ পিঞ্জর — এটি শওকত ওসমানের একটি ভিন্ন আঙ্গিকের উপন্যাস, যা মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: - শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো মনে রাখতে জলাংগী, জাহান্নাম হইতে বিদায় ও দুই সৈনিক এই নামগুলো একত্রে একটি বাক্যে চর্চা করতে পারো। - লেখকের নামের সঙ্গে তার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনার যোগসূত্র মনে রাখলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - একই লেখকের অন্য সামাজিক উপন্যাসগুলোর সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলোর নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a অধিকন্তু
b যেন
c নিশ্চয়ই
d হায়রে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যেন ১. কেন সঠিক: - যে অব্যয় পদ স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ না করে অন্য কোনো পদের ওপর নির্ভর করে বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তাকে অনুগামী বা পরাধীন সমুচ্চয়ী অব্যয় বলা হয়। - 'যেন' শব্দটি বাক্যে একা সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না, বরং অন্য বাক্যের বা শব্দের ওপর নির্ভর করে তুলনামূলক বা সম্ভাবনামূলক ভাব প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সমুচ্চয়ী অব্যয় প্রধানত দুই প্রকার, যেমন সংযোজক অব্যয় ও বিয়োজক অব্যয়। এছাড়া ভাব বা অর্থের দিক থেকে এগুলোকে সমরূপ বা সমানাধিক এবং অনুগামী বা পরাধীন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। - অনুগামী অব্যয় সাধারণত সাপেক্ষ বা পরাধীনভাবে বাক্যে বসে মনের ভাব প্রকাশ করে এবং জটিল বাক্য গঠনে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘ দেখে মনে হচ্ছে যেন বৃষ্টি নামবে। ব্যাখ্যা: এখানে 'যেন' অব্যয়টি দুটি খণ্ডবাক্যকে এমনভাবে যুক্ত করেছে যেখানে দ্বিতীয় অংশটি প্রথম অংশের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। উদাহরণ ২: সে এমনভাবে কথা বলছে যেন সে সব জানে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'যেন' শব্দটি অনুগামী অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে তুলনামূলক বা অনুমানের ভাব প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধিকন্তু — এটি একটি সংযোজক সমুচ্চয়ী অব্যয়, যা একটি বাক্যের সঙ্গে অন্য বাক্য বা তথ্য যোগ করতে ব্যবহৃত হয়, অনুগামী অব্যয় নয়। B) যেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পরাধীন বা অনুগামী সমুচ্চয়ী অব্যয়ের উদাহরণ। C) নিশ্চয়ই — এটি একটি নিশ্চিতকরণবাচক বা ভাববাচক অব্যয় বা অনুসারী শব্দ, যা সমুচ্চয়ী অব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত নয়। D) হায়রে — এটি একটি আবেগবাচক অব্যয়, যা দুঃখ বা বেদনা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়, সমুচ্চয়ী অব্যয় নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করতে না পেরে অন্য বাক্যের ওপর নির্ভর করলেই সেটি অনুগামী সমুচ্চয়ী অব্যয় হবে। - যেন, যদি, যদিও, যেহেতু শব্দগুলো সাধারণত অনুগামী সমুচ্চয়ী অব্যয়ের কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অব্যয় পদের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাক্যের সংযোগ রক্ষা করার ধরন দেখে সংযোজক ও অনুগামী অব্যয় আলাদা করতে হবে।
a দৌহিত্র
b জলধি
c প্রবীণ
d মধুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রবীণ ১. কেন সঠিক: - গঠন বা উৎসের ভিত্তিতে বাংলা শব্দকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে রুঢ়ি শব্দ হলো সেই শব্দ যা প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত হলেও শব্দের মূল বা ব্যুৎপত্তিগত অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। - 'প্রবীণ' শব্দটির বুৎপত্তিগত বা আক্ষরিক অর্থ হলো প্রকৃষ্ট রূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি। কিন্তু বর্তমানে এটি কোনো বাদ্যযন্ত্র বাদক না বুঝিয়ে সাধারণভাবে বয়স্ক, অভিজ্ঞ বা মুরুব্বি ব্যক্তিকে বোঝায়, যা রুঢ়ি শব্দের সংজ্ঞার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে যৌগিক, রুঢ় বা রুঢ়ি এবং যোগরূঢ় এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়। রুঢ়ি শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের প্রচলিত ও বিশেষ অর্থ মূল অর্থকে ছাপিয়ে প্রধান হয়ে ওঠে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই শব্দগুলো থেকে প্রশ্ন আসে, তাই বুৎপত্তিগত অর্থের সঙ্গে প্রচলিত অর্থের পার্থক্যগুলো মনে রাখা জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গবেষণা ব্যাখ্যা: শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থ গো অন্বেষণ বা গরু খোঁজা হলেও বর্তমানে এর প্রচলিত অর্থ ব্যাপক পড়াশোনা বা অনুসন্ধান, যা একটি রুঢ়ি শব্দ। উদাহরণ ২: হস্তী ব্যাখ্যা: হস্ত বা হাত আছে যার তাকে হস্তী বলা হলেও এটি হাত বিশিষ্ট কোনো মানুষকে না বুঝিয়ে কেবল হাতি প্রাণীকে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৌহিত্র — এটি একটি যৌগিক শব্দ কারণ এর গঠনগত ও প্রচলিত অর্থ একই অর্থাৎ কন্যার পুত্র বা দৌহিত্র। B) জলধি — এটি একটি যোগরূঢ় শব্দ কারণ সমাসবদ্ধ হয়ে জল ধারণ করে এমন যেকোনো কিছু না বুঝিয়ে নির্দিষ্ট করে সমুদ্রকে বোঝায়। D) মধুর — এটি একটি যৌগিক শব্দ কারণ মধু যোগ র প্রত্যয় সাধित হয়ে এর আক্ষরিক ও প্রচলিত অর্থ একই অর্থাৎ যা মধুর বা মিষ্টি। ৫. মনে রাখার টিপস: - রুঢ়ি শব্দগুলো সহজে মনে রাখতে প্রবীণ, গবেষণা, সন্দেশ, হস্তী ও বাঁশি এই কয়েকটি বহুল প্রচলিত শব্দ মুখস্থ রাখলে পরীক্ষার হলে দ্রুত সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও শব্দের গঠন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। যৌগিক, রুঢ়ি ও যোগরূঢ় শব্দের সংজ্ঞা এবং এদের ৫টি করে প্রধান উদাহরণ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সহজে করা সম্ভব।
a ফারসি
b ফরাসি
c পর্তুগীজ
d ওলন্দাজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পর্তুগীজ ১. কেন সঠিক: - গুদাম শব্দটি পর্তুগীজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। পর্তুগীজ বণিক ও পামরদের মাধ্যমে এই শব্দটি বাংলা শব্দভান্ডারে প্রবেশ করেছে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের মধ্যে পর্তুগীজ শব্দগুলো ব্যবসায়, বাণিজ্য, ধর্ম ও দৈনন্দিন ব্যবহারের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের অন্তর্গত শব্দের উৎস বা রূপান্তর সম্পর্কিত একটি ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। - বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফারসি, ইংরেজি শব্দ ছাড়াও পর্তুগীজ, ওলন্দাজ, ফরাসি, গ্রিক ও চীনা শব্দ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আনারস ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত পর্তুগীজ শব্দ যা বাংলায় ফল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: আলমারি ব্যাখ্যা: আসবাবপত্র বোঝাতে ব্যবহৃত এই শব্দটি পর্তুগীজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় হাজার, চশমা, বাগান ইত্যাদি শব্দ এসেছে, গুদাম আসেনি। B) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে কার্তুজ, কুপন, বুফে ইত্যাদি শব্দ এসেছে, গুদাম আসেনি। C) পর্তুগীজ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ ভাষা থেকে হরতন, ইস্কাপন, টেক্কা ইত্যাদি শব্দ এসেছে, গুদাম আসেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাণিজ্য ও গৃহস্থালির অনেক জিনিসপত্র যেমন গুদাম, আলমারি, চাবি, বালতি পর্তুগীজরা ব্যবহার করত বলে মনে রাখতে পারেন। - ফল ও খাদ্যদ্রব্য যেমন আনারস, পেঁপে, কাবুলিওয়ালা না হলেও পর্তুগীজ শব্দগুলো সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পর্তুগীজ শব্দ যেমন আনারস, আলমারি, চাবি, সাবান প্রায়ই আসে। - বিদেশি শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে পরীক্ষায় উত্তর করা সহজ হয়।
a ওষ্ঠ
b জিহ্বামূল
c অগ্রতালু
d অগ্র দন্তমূল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অগ্র দন্তমূল ১. কেন সঠিক: - 'ত, থ, দ, ধ, ন, ল, স' ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় জিউভার অগ্রভাগ ওপরের সারির দাঁতের গোড়ায় বা দন্তমূলে স্পর্শ করে। - বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনিতত্ত্বে উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী এই ধ্বনিগুলোকে দন্ত্য বা অগ্র দন্তমূলীয় ধ্বনি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - মুখবিবরের যে নির্দিষ্ট অংশ থেকে বা অঙ্গের সাহায্যে কোনো ধ্বনি উচ্চারিত হয়, তাকে সেই ধ্বনির উচ্চারণ স্থান বাArticulation বলে। - দন্ত্য বর্ণগুলোর উচ্চারণে জিহ্বা ও দাঁতের মূলের স্পর্শ ঘটে, যা বাংলা বর্ণমালার ত-বর্গীয় ধ্বনি হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তলোয়ার ব্যাখ্যা: এই শব্দের শুরুতে থাকা 'ত' ধ্বনিটি অগ্র দন্তমূলীয় উচ্চারণের একটি স্পষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ নদী ব্যাখ্যা: শব্দের শুরুতে থাকা 'ন' ধ্বনিটি উচ্চারিত হওয়ার সময় জিউভার অগ্রভাগ দন্তমূল স্পর্শ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওষ্ঠ — এই অপশনটি ভুল কারণ ওষ্ঠ বা ঠোঁট থেকে প, ফ, ব, ভ, ম ধ্বনিগুলো উচ্চারিত হয়। B) জিহ্বামূল — এই অপশনটি ভুল কারণ জিহ্বামূল বা কণ্ঠনালীর পেছনের অংশ থেকে ক, খ, গ, ঘ, ঙ ধ্বনি উচ্চারিত হয়। C) অগ্রতালু — এই অপশনটি ভুল কারণ অগ্রতালু বা তালু থেকে চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, য, শ ধ্বনিগুলো উচ্চারিত হয়। D) অগ্র দন্তমূল — এই অপশনটি সঠিক কারণ ত, থ, দ, ধ, ন, ল, স ধ্বনিগুলোর সঠিক উচ্চারণ স্থান হলো অগ্র দন্তমূল। ৫ মনে রাখার টিপস: - দন্ত্য বর্ণ মনে রাখার সহজ সূত্র হলো ত-বর্গীয় সকল বর্ণই দন্ত্য বা দন্তমূলীয় ধ্বনি। - ল এবং স বর্ণ দুটিও দন্তমূল থেকে উচ্চারিত হয় বলে এদের দন্তমূলীয় ধ্বনি বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উচ্চারণ স্থান থেকে একটি প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ক-বর্গ কণ্ঠ্য, চ-বর্গ তালু, ট-বর্গ মূর্ধা, ত-বর্গ দন্ত এবং প-বর্গ ওষ্ঠ্য ধ্বনি হিসেবে মনে রাখতে হবে।
a নিঃ + রব
b নীঃ + রব
c নীরঃ + ব
d নৈ + রব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিঃ + রব ১. কেন সঠিক: - নীরব শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ হলো নিঃ + রব, যা বিসর্গ সন্ধির নিয়মে সাধিত হয়েছে। - এখানে বিসর্গের পূর্বে ই কার এবং বিসর্গের পরে র ধ্বনি থাকার কারণে বিসর্গটি লোপ পেয়েছে এবং আগের স্বরধ্বনি দীর্ঘ হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পরে র থাকলে বিসর্গ লোপ পায় এবং তার আগের হ্রস্ব স্বর দীর্ঘস্বরে পরিণত হয়। - অর্থাৎ নি + রব যুক্ত হয়ে নীরব শব্দ গঠন করে, যেখানে ই কার ঈ কারে রূপান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নি + রস = নীরস ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে র থাকার কারণে বিসর্গ লোপ পেয়ে নি এর ই কার ঈ কারে পরিণত হয়েছে। উদাহরণ ২: নি + রোগ = নিরোগ ব্যাখ্যা: একই নিয়মে বিসর্গ লুপ্ত হয়ে এবং ই কার দীর্ঘ ঈ কারে পরিবর্তিত হয়ে এই শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিঃ + রব — এটি সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ এবং বিসর্গ সন্ধির নিয়ম নিখুঁতভাবে মেনে চলে। B) নীঃ + রব — এই অপশনটি ভুল কারণ মূল শব্দে নি উপসর্গে হ্রস্ব ই কার থাকে, দীর্ঘ ঈ কার থাকে না। C) নীরঃ + ব — এই অপশনটি ভুল কারণ নীরঃ বলে কোনো উপসর্গ বা শব্দাংশ ব্যাকরণসম্মতভাবে সন্ধির পূর্বে বসে না। D) নৈ + রব — এই অপশনটি ভুল কারণ নৈ হলো স্বরসন্ধির একটি উপাদান, যা এই বিসর্গ সন্ধির শব্দের সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিসর্গের পরে র থাকলে বিসর্গ তুলে দিয়ে আগের ছোট ই বা উ কারকে বড় ঈ বা ঊ কার করে দিতে হয়। - এই নিয়মের শব্দগুলোতে সাধারণত দীর্ঘ স্বরধ্বনি দেখতে পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধির এই বিশেষ নিয়মটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - নি উপসর্গযুক্ত শব্দের সঙ্গে র যুক্ত শব্দ দেখলে এই নিয়মটি প্রয়োগ করতে হবে।
a পরিচ্ছেদ
b বেকার
c নিরেট
d অনাবৃষ্টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পরিচ্ছেদ ১. কেন সঠিক: - পরিচ্ছেদ শব্দটিতে পরি উপসর্গ যুক্ত আছে যা একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। - পরি উপসর্গটি বিশেষ্য বা বিশেষণের পূর্বে যুক্ত হয়ে পূর্ণতা বা পরিবেষ্টন অর্থে নতুন শব্দ গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ সৃষ্টি করে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয় যেমন তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ, খাঁটি বাংলা উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। - সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ মোট কুড়িটি যথা প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির, দূর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরাজয় ব্যাখ্যা: পরা তৎসম উপসর্গ যোগে গঠিত একটি শব্দ যার অর্থ হার বা জয় নয়। উদাহরণ ২: প্রগতি ব্যাখ্যা: প্র তৎসম উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ যার অর্থ বিশেষ গতি বা উন্নতি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিচ্ছেদ — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি তৎসম উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দের উদাহরণ। B) বেকার — এই শব্দটিতে বে উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে যা একটি ফার্সি বা বিদেশি উপসর্গ। C) নিরেট — এই শব্দটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ নি দিয়ে গঠিত হয়েছে যা তৎসম উপসর্গ নয়। D) অনাবৃষ্টি — এই শব্দটিতে অনা উপসর্গটি যুক্ত হয়েছে যা একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ। ৫. মনে রাখার টিপস: - তৎসম উপসর্গ মোট কুড়িটি মুখস্থ রাখার জন্য প্র-পরা-অপ ছড়াটি মনে রাখতে পারো। - সংস্কৃত উপসর্গগুলোর অধিকাংশই সরাসরি তৎসম শব্দ গঠনে ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা, সংস্কৃত ও বিদেশি উপসাগর আলাদা করার প্রশ্ন আসে। - উপসর্গের তালিকা মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a সংবাদ প্রভাকর
b বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য
c শিখা
d বাসন্তিক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শিখা ১. কেন সঠিক: "জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব" বিখ্যাত এই বাণীটি মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র 'শিখা' পত্রিকার প্রতি সংখ্যার প্রচ্ছদে বা শুরুতে মুদ্রিত থাকত। বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রধান স্লোগান ছিল এটি, যা মুক্তবুদ্ধি চর্চা ও গোঁড়ামি থেকে সমাজকে মুক্ত করার আহ্বান জানায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: 'শিখা' পত্রিকা ১৯২৬ সালে গঠিত 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ'-এর মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সংগঠক ছিলেন আবুল হুসেন এবং কাজী আব্দুল ওদুদ, আর প্রথম সম্পাদক ছিলেন আবুল ফজল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী আব্দুল ওদুদের 'সমাজ ও সাহিত্য' প্রবন্ধ গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে লেখকের বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের চিন্তাধারা ও সমাজ সংস্কারের রূপ প্রতিফলিত হয়েছে। উদাহরণ ২: আবুল ফজলের 'সমাজ সংস্কৃতি ও সাহিত্য' গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের চেতনায় সমৃদ্ধ একটি প্রখ্যাত সাহিত্যকর্ম ও প্রবন্ধ সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংবাদ প্রভাকর - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত উনিশ শতকের একটি প্রখ্যাত সংবাদপত্র, যার সঙ্গে এই বাণীর কোনো সম্পর্ক নেই। B) বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য - এটি বঙ্গীয় সাহিত্য সমাজের মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত অন্য একটি ঐতিহাসিক পত্রিকা। D) বাসন্তিক - এটি এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ কোনো প্রখ্যাত বা প্রামাণ্য সাহিত্য পত্রিকা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বুদ্ধির মুক্তি বা জ্ঞানের সীমার কথা এলেই 'শিখা' পত্রিকার কথা মনে রাখবে, কারণ শিখার আলো দিয়েই অন্ধকার ও আড়ষ্টতা দূর হয়। মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র হিসেবে 'শিখা' পত্রিকার এই স্লোগানটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত ঘন ঘন আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র কোনটি এবং এর স্লোগান কী ছিল, তা BCS ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় বারবার আসে। বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক এই সাহিত্য সমাজ থেকেই, যার মুখপত্র ছিল 'শিখা'।
a রাজর্ষি
b নৌকাডুবি
c গোরা
d যোগাযোগ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গোরা ১. কেন সঠিক: - গোরা উপন্যাসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, জাতীয়তাবাদ এবং ভারতীয় সমাজজীবনের দ্বন্দ্ব অত্যন্ত গভীরভাবে তুলে ধরেছেন। - এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র গোরার মাধ্যমে লেখক স্বাদেশিকতা, ধর্মীয় গোঁড়ামি এবং সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদের স্বরূপ উন্মোচন করে একটি বৃহত্তর মানবতার জয়গান গেয়েছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গোরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ত্রয়োদশ এবং সর্ববৃহৎ সামাজিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস যা ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হলো দেশপ্রেম, আত্মপরিচয় অনুসন্ধান এবং তৎকালীন সমাজের হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যকার সম্পর্ক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘরে বাইরে ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও একটি রাজনৈতিক উপন্যাস যা বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন এবং স্বদেশী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত। উদাহরণ ২: চার অধ্যায় ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সর্বশেষ রাজনৈতিক উপন্যাস যা ভারতীয় স্বাধিকার আন্দোলনের সহিংস রাজনীতির পটভূমিতে লেখা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজর্ষি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যা ত্রিপুরার রাজবংশের ইতিহাস এবং পশু বলির প্রথার বিরুদ্ধে রচিত, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নয়। B) নৌকাডুবি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি সামাজিক ও রোমান্টিক উপন্যাস যা ভুল বোঝাবুঝি এবং দাম্পত্য সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে রচিত। D) যোগাযোগ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক উপন্যাস যা দুটি প্রভাবশালী পরিবারের দ্বন্দ্ব এবং পতি-পত্নীর সম্পর্কের অবক্ষয় ফুটিয়ে তোলে। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক উপন্যাসে গোরা সবার আগে মনে রাখবে কারণ এতে ব্রিটিশ আমলের সরাসরি রাজনৈতিক ও ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের প্রশ্ন জোরালোভাবে উঠে এসেছে। - গোরা মানেই রাজনৈতিক সচেতনতা ও স্বাদেশিকতার প্রশ্ন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গোরা উপন্যাস প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে এবং এর প্রধান চরিত্রগুলো হলো গোরা, বিনয়, ললিতা ও সুচরিতা। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের উপন্যাসগুলোর রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a ফজলুল আহমদ
b মীর মশাররফ হোসেন
c শেখ ফজলুল করিম
d প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মীর মশাররফ হোসেন ১. কেন সঠিক: - 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে মীর মশাররফ হোসেন কিছুকাল দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - কাঙাল হরিনাথ মজুমদারের সম্পাদনায় এই পত্রিকাটি প্রকাশিত হলেও মীর মশাররফ হোসেন এর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত ছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। - তার বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম বিষাদ সিন্ধু মহাকাব্যিক উপন্যাসের জন্য তিনি বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সবচেয়ে বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস যা কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর রচিত। উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত নাটক যা নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্বরূপ লেখা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফজলুল আহমদ — ইনি 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না এবং এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নন। B) মীর মশাররফ হোসেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই পত্রিকার সঙ্গে সম্পাদকীয় ও সাংবাদিকতার কাজে যুক্ত ছিলেন। C) শেখ ফজলুল করিম — ইনি একজন সাহিত্যিক হলেও 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে পরিচিত নন। D) প্রমথ চৌধুরী — ইনি বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামে পরিচিত এবং সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - কাঙাল হরিনাথের পত্রিকা গ্রামবার্তা প্রকাশিকা মনে রাখতে মীর মশাররফ হোসেনের সাংবাদিক জীবন ও কুষ্টিয়ার সংযোগের কথা স্মরণ করবে। - সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের সাংবাদিকতার অবদান মনে রাখলে এই প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গ্রামবার্তা প্রকাশিকা পত্রিকাটি কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে কাঙাল হরিনাথ মজুমদারের সম্পাদনায় প্রকাশিত হতো। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সম্পাদক ও পত্রিকার নাম প্রায়ই আসে।
a যাপিত জীবন
b খোয়াবনামা
c নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি
d গায়ত্রী সন্ধ্যা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যাপিত জীবন ১. কেন সঠিক: সেলিনা হোসেন রচিত প্রথম উপন্যাস হলো যাপিত জীবন। এই উপন্যাসের মূল পটভূমি হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সেলিনা হোসেন বাংলাদেশের কথাসাহিত্যের অন্যতম প্রধান একজন শক্তিশালী লেখক। তাঁর উপন্যাসে সাধারণত ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ গুরুত্ব পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেলিনা হোসেনের উপন্যাস নির্জন স্বাক্ষর। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর অন্যতম একটি সুপরিচিত উপন্যাস। উদাহরণ ২: সেলিনা হোসেনের উপন্যাস পদাতিক। ব্যাখ্যা: এটিও তাঁর একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যাপিত জীবন — এটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত সেলিনা হোসেনের বিখ্যাত উপন্যাস। B) খোয়াবনামা — এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত তেভাগা আন্দোলনের পটভূমির উপন্যাস। C) নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি — এটি সেলিনা হোসেন রচিত উপন্যাস হলেও এর পটভূমি ভিন্ন। D) গায়ত্রী সন্ধ্যা — এটি সেলিনা হোসেনের একটি বিখ্যাত উপন্যাস তবে ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সেলিনা হোসেনের প্রথম উপন্যাস যাপিত জীবন এবং এটি ভাষা আন্দোলনের ওপর লেখা। এভাবে মনে রাখতে পারো যে জীবনের শুরুতে ভাষা আন্দোলন এসেছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সেলিনা হোসেনের উপন্যাস এবং সেগুলোর পটভূমি প্রায়ই আসে। তাই কোন উপন্যাস কোন ঐতিহাসিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে লেখা, তা ভালো করে পড়তে হবে।
a উন্মুখ
b জন্ম
c বড়দা
d পদ্ম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উন্মুখ ১. কেন সঠিক: পরাগত সমীভবনের নিয়ম অনুযায়ী পেছনের ধ্বনির প্রভাবে সামনের ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে পেছনের ধ্বনির মতো হয়। এখানে 'উৎ + মুখ' মিলে 'উন্মুখ' শব্দে ত-এর পরে ম থাকার কারণে ত পরিবর্তিত হয়ে ন এ পরিণত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমীভবন হলো দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে কাছাকাছি বা এক রকম হওয়ার প্রক্রিয়া। পরাগত সমীভবনে পূর্ববর্তী ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে পরবর্তী ধ্বনির মতো হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৎ + ম = তস্মিন থেকে তসিনের মতো তদ্বভবে তেন ব্যাখ্যা: এটি পরাগত সমীভবনের একটি ধ্রুপদী ব্যাকরণগত উদাহরণ। উদাহরণ ২: পদ্ম থেকে পদ্দ ব্যাখ্যা: এখানে দ-এর প্রভাবে ম পরিবর্তিত হয়ে দ হয়েছে যা পরাগত সমীভবন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উন্মুখ — এটি পরাগত সমীভবন সাধিত শব্দ এবং প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) জন্ম — এটি বিষমীভবন বা অন্য প্রক্রিয়াধীন শব্দ যা সমীভবনের নিয়মে পড়ে না। C) বড়দা — এটি সমাসবদ্ধ বা অন্য গঠনরীতির শব্দ যার সাথে সমীভবনের সরাসরি মিল নেই। D) পদ্ম — এটি প্রগত সমীভবন সাধিত শব্দ কারণ এখানে পেছনের ধ্বনির প্রভাবে সামনের ধ্বনি বদলেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: পরের ধ্বনির প্রভাবে আগের ধ্বনি বদলালে তা প্রগত আর আগের ধ্বনির প্রভাবে পরের ধ্বনি বদলালে তা পরাগত। উন্মুখ শব্দে পেছনের ম এর প্রভাবে সামনের ত ন এ রূপ নেয় তাই এটি পরাগত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমীভবন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। প্রগত ও পরাগত সমীভবনের পার্থক্য ভালোভাবে বুঝতে উদাহরণের শব্দগুলো চর্চা করা উচিত।
a তেপায়া
b দেখাদেখি
c জীবনমৃত
d দোটানা
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দোটানা ১. কেন সঠিক: - যে বহুব্রীহি সমাসের সমস্তপদে 'অ', 'আ', 'ই' ইত্যাদি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সমাসবদ্ধ পদ গঠন করে এবং অন্য পদকে বোঝায়, তাকে প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাস বলে। - 'দোটানা' শব্দটি দুটি টানের সমাহার বা এমন অবস্থা বোঝাতে 'অ' প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে, যা ব্যাসবাক্যের নিয়ম মেনে বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্ভুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বহুব্রীহি সমাসে সমসমান পদের শেষে যদি আ, ই, বা উ প্রত্যয় যুক্ত হয় এবং সমস্তপদটি বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ হিসেবে অন্য কোনো অর্থ প্রকাশ করে, তবে তাকে প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাস বলা হয়। - এই সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ মিলে তৃতীয় কোনো অর্থ বা ভাব প্রকাশ করে এবং সমস্তপদের শেষে প্রত্যয় যুক্ত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একরোখা ব্যাখ্যা: এক রোখ যার, এভাবে বহুব্রীহি সমাস সাধিত হয়ে 'আ' প্রত্যয় যোগে প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাস গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: চর্মসার ব্যাখ্যা: চর্ম সার যার, এভাবে বহুব্রীহি সমাস সাধিত হয়ে প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তেপায়া — এটি সমাসবদ্ধ শব্দ হলেও এটি দ্বিগু সমাসের উদাহরণ, কারণ এর দ্বারা তিন পায়ের সমাহার বোঝায় এবং সংখ্যাবাচক শব্দ সামনে থাকে। B) দেখাদেখি — এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ, যেখানে একই ক্রিয়ার পারস্পরিক আদান-প্রদান বোঝায়। C) জীবনমৃত — এটি কর্মধারয় বা অন্য কোনো সমাসের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, কিন্তু এটি প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাসের নিয়ম মেনে গঠিত নয়। D) দোটানা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাসের সঠিক উদাহরণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমাসের সমস্তপদের শেষে যদি অতিরিক্ত 'অ', 'আ' বা 'ই' প্রত্যয় পাও এবং তা যদি অন্য কোনো ভাব প্রকাশ করে, তবে প্রথমে প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাস হিসেবে বিবেচনা করবে। - বহুব্রীহি সমাস মানেই অন্য পদ বা তৃতীয় কোনো অর্থের প্রাধান্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুব্রীহি সমাসের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে প্রত্যয়ান্ত ও ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে। - সমস্তপদের শেষের গঠন দেখে সমাসের প্রকার নির্ণয় করার অভ্যাস করতে হবে।
a মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
b উপমান কর্মধারয়
c উপমিত কর্মধারয়
d রূপক কর্মধারয়
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উপমান কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - 'আঁধার কৃষ্ণ' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো আন্ধারের ন্যায় কৃষ্ণ। এখানে কৃষ্ণ বা কাল রঙের সাথে অন্ধকারের তুলনা করা হয়েছে। - উপমান কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমেয় পদের তুলনা বোঝায় এবং সাধারণ গুণটি উভয় স্থানে বিদ্যমান থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে কর্মধারয় সমাসে একটি পদ উপমান অর্থাৎ যার সাথে তুলনা করা হয় এবং অপরটি সাধারণ ধর্মবাচক পদ হয়, তাকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে। - এতে সাধারণত সত্য বা চিরন্তন সত্য বা স্বাভাবিক তুলনা বোঝায়, যেখানে ব্যাসবাক্যে 'ন্যায়' শব্দটি মাঝখানে বসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুষারশুভ্র ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য তুষারের ন্যায় শুভ্র। এখানে তুষারের সাথে শুভ্রতার চিরন্তন তুলনা বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: অরুনিম লাল ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্যের গঠন অনুযায়ী উপমান ও সাধারণ ধর্মের তুলনা স্পষ্ট হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় — এই সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ সম্পূর্ণ লোপ পায়, যা এখানে ঘটেনি। B) উপমান কর্মধারয় — এটি সঠিক অপশন এবং এর নিয়ম এখানে পুরোপুরি প্রযোজ্য। C) উপমিত কর্মধারয় — এখানে সাধারণ ধর্ম উহ্য থাকে এবং উপমেয়কে উপমানের সাথে তুলনা করা হয়, যা এখানে নেই। D) রূপক কর্মধারয় — এটি উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভিন্নতা বা রূপ কল্পনা করে, যা এখানে বোঝায়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপমান কর্মধারয় চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে মাঝখানে 'ন্যায়' থাকে এবং তুলনাটি সবসময় বাস্তব বা চিরসত্য হয়। - রঙবাচক শব্দ যেমন কৃষ্ণ বা ধবল থাকলে সাধারণত তা উপমান কর্মধারয় হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাস থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - ব্যাসবাক্য সঠিকভাবে নির্ণয় করতে পারলে উপমান ও উপমিত সমাসের পার্থক্য সহজে বোঝা যায়।
a বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়
b সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়
c বিদেশী তদ্ধিত প্রত্যয়
d নিপাতনে সিদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় ১. কেন সঠিক: - সার্বভৌম শব্দটি গঠিত হয়েছে সার্বভূমি শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে, যা সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে সাধিত হয়েছে। - এখানে মূল শব্দ সার্বভূমি হলো সংস্কৃত শব্দ এবং এর সঙ্গে যুক্ত ষ্ণ প্রত্যয়টিও সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়ের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তদ্ধিত প্রত্যয় হলো সেই প্রত্যয় যা নামপদের (বিশেষ্য বা বিশেষণ) পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। - সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন ঘটিয়ে (বৃদ্ধির নিয়ম) এই ধরনের প্রত্যয় যুক্ত হয়, যেমন ভূমি থেকে সার্বভৌম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানব + ষ্ণ = মানবের ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়ের আরেকটি সাধারণ উদাহরণ যেখানে মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রকৃতি + ষ্ণ = প্রাকৃতিক ব্যাখ্যা: এখানেও সংস্কৃত শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় — সার্বভূমি শব্দটি বাংলা নয়, বরং তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ হওয়ায় এটি বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়মে সাধিত হয়নি। B) সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় — এটি সঠিক কারণ সার্বভূমি এবং ষ্ণ উভয়ই সংস্কৃত ব্যাকরণের আওতাভুক্ত। C) বিদেশী তদ্ধিত প্রত্যয় — সার্বভৌম শব্দটিতে কোনো বিদেশী ভাষার শব্দ বা প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়নি। D) নিপাতনে সিদ্ধ — এটি কোনো নিয়মবহির্ভূত বা নিপাতনে সিদ্ধ শব্দ নয়, বরং নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত নিয়মে গঠিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - শব্দের শেষে ষ্ণ প্রত্যয়যুক্ত দেখলে এবং শব্দটি তৎসম হলে চোখ বন্ধ করে সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় দাগাবে। - তৎসম শব্দের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়গুলো সাধারণত সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় হয়ে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের প্রত্যয় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস চেনা অত্যন্ত জরুরি। - এই ধরনের প্রশ্নে মূল শব্দ এবং প্রত্যয়ের উৎস এক হলে সেটি সাধারণত সংস্কৃত প্রত্যয় হয়।
a নৈবেদ্য
b বলাকা
c ক্ষণিকা
d চিত্রা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চিত্রা ১. কেন সঠিক: - '১৪০০ সাল', 'উর্বশী' ও 'স্বর্গ হইতে বিদায়' এই বিখ্যাত কবিতাগুলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চিত্রা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। - ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত 'চিত্রা' কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যযাত্রার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সৃষ্টিশীল পর্যায়ের নিদর্শন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক প্রাতঃস্মরণীয় প্রতিভা যিনি কবিতা, ছোটগল্প, নাটক ও গানসহ সাহিত্যের সব শাখায় অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। - 'চিত্রা' কাব্যগ্রন্থে কবির অন্তলোক ও বহির্লোকের সৌন্দর্যচেতনা, প্রেম এবং দার্শনিক ভাবনার অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে যা বাংলা কাব্যসাহিত্যে অনন্য স্থান অধিকার করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'ান্তিম' ব্যাখ্যা: এটিও 'চিত্রা' কাব্যগ্রন্থের একটি অন্যতম জনপ্রিয় ও গভীর ভাবসমৃদ্ধ কবিতা। উদাহরণ ২: 'দুই পাখি' ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চিত্রা' কাব্যের আরেকটি বিখ্যাত ও বহুল পঠিত কবিতা এটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নৈবেদ্য — এই কাব্যগ্রন্থে আধ্যাত্মিকতা, ধর্ম ও সমাজচেতনাভিত্তিক কবিতা রয়েছে, কিন্তু আলোচ্য কবিতাগুলো এতে নেই। B) বলাকা — এটি মূলত গতিশীলতা ও পরিবর্তনের ভাব নিয়ে রচিত কাব্য, তাই এই প্রশ্নভুক্ত কবিতাগুলো এর অন্তর্ভুক্ত নয়। C) ক্ষণিকা — এটি রবীন্দ্রনাথের একটি লঘু ও আনন্দময় রসের কাব্যগ্রন্থ, যার বিষয়বস্তু আলোচ্য কবিতার সঙ্গে মেলে না। D) চিত্রা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নভুক্ত কবিতাগুলোর প্রকৃত উৎস হিসেবে প্রমাণিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - চিত্রার চৌদ্দ শ' বছর বয়সি উর্বশী স্বর্গ হইতে বিদায় নিল। এই বাক্যটি মনে রাখলে কাব্যগ্রন্থের নাম এবং এর ভেতরের প্রধান কবিতাগুলো সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থের নাম এবং এর ভেতরের বিখ্যাত কবিতা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য কবির প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম এবং সেগুলোর বিখ্যাত কবিতাগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি।
a মধুমালা
b বিদ্রোহী
c মানুষ
d চিত্রনামা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মধুমালা ১. কেন সঠিক: - কবি কাজী নজরুল ইসলামের 'মধুমালা' কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি একটি নাটক বা গীতি নাটিকা। - প্রশ্নটিতে জানতে চাওয়া হয়েছে নিচের কোনটি কাব্যগ্রন্থ নয়, তাই যে অপশনটি কাব্যগ্রন্থ নয় সেটিই সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হবে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক ছিলেন যিনি বিংশ শতাব্দীতে বাংলার প্রধান সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। - তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশি, সাম্যবাদী, সর্বহারা, সিন্ধু-হিন্দোল ও চক্রবাক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' ব্যাখ্যা: এটি কবির প্রথম প্রকাশিত ও অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ, যা বাংলা কবিতায় এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের 'বিষের বাঁশি' ব্যাখ্যা: এটি কবির অন্যতম বিদ্রোহী ও সাম্যবাদী চেতনায় সমৃদ্ধ একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধুমালা — এটি কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত গীতি নাটিকা। B) বিদ্রোহী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের অত্যন্ত বিখ্যাত একটি কবিতা যা তার 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। C) মানুষ — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কবিতা যা 'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। D) চিত্রনামা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অন্যতম পরিচিত কাব্যগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার সময় খেয়াল রাখবে অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশি ও সাম্যবাদী হলো কবিতা বা কাব্যের সংকলন আর মধুমালা হলো নাটক। নাটক ও কাব্যের তালিকা আলাদা করে পড়লে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবির কাব্যগ্রন্থ এবং নাটক বা উপন্যাসের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। কোনো লেখকের বিখ্যাত কবিতা বা নাটকের নাম দিয়ে সেটি কোন ধরণের রচনা, তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a অপিনিহিতি
b সম্প্রকর্ষ
c স্বরসংগতি
d অন্তর্হতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সম্প্রকর্ষ ১. কেন সঠিক: - উচ্চারণের সুবিধার জন্য বা দ্রুত উচ্চারণের সময় শব্দের আদি, মধ্য বা অন্ত্যস্বর কিংবা ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ পাওয়ার প্রক্রিয়াকে সম্প্রকর্ষ বা সমপ্রকর্ষ বলে। - প্রদত্ত প্রশ্নে 'উদ্ধার' শব্দটি থেকে মধ্যবর্তী 'ধ' ধ্বনি এবং পরবর্তীতে স্বরধ্বনি লোপ পেয়ে সংক্ষিপ্ত হয়ে ক্রমান্বয়ে 'উধার' ও সবশেষে 'ধার' শব্দে পরিণত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ধ্বনি পরিবর্তনের অন্যতম একটি প্রক্রিয়া হলো সম্প্রকর্ষ বা ক্ষয়, যেখানে শব্দের উচ্চারণের সহজতার জন্য শব্দ ছোট হয়ে আসে। - সম্প্রকর্ষ সাধারণত তিন প্রকারের হতে পারে, যেমন আদি সম্প্রকর্ষ, মধ্য সম্প্রকর্ষ এবং অন্ত্য সম্প্রকর্ষ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফলাহার থেকে ফলার ব্যাখ্যা: উচ্চারণের দ্রুততার কারণে মধ্যবর্তী স্বরধ্বনি লোপ পাওয়ার এটি সম্প্রকর্ষ বা সমপ্রকর্ষের একটি স্পষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: গলায় থেকে গায় ব্যাখ্যা: শব্দের মধ্যবর্তী ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ পেয়ে সংক্ষিপ্ত হওয়ার মাধ্যমে এটি সম্প্রকর্ষ প্রক্রিয়াকে সমর্থন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপিনিহিতি — যুক্তব্যঞ্জনের আগের ই-কার বা উ-কার উচ্চারণ বা অন্য স্বরধ্বনি আগে চলে আসার প্রক্রিয়াকে অপিনিহিতি বলে, যা এখানে ঘটেনি। B) সম্প্রকর্ষ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি শব্দের ধ্বনি লোপ পাওয়ার প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। C) স্বরসংগতি — শব্দের মধ্যে একটি স্বরধ্বنیর প্রভাবে অন্য স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটার প্রক্রিয়াকে স্বরসংগতি বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) অন্তর্হতি — পদের মধ্যবর্তী কোনো স্বর বা ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সুবিধার জন্য লুপ্ত হওয়াকে অন্তর্হতি বলে, তবে প্রদত্ত ধারাবাহিক পরিবর্তনটি সম্প্রকর্ষের অন্তর্ভুক্ত। ৫ মনে রাখার টিপস: - বড় শব্দ ছোট হয়ে বা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে সংক্ষিপ্ত রূপ ধারণ করলে তাকে সম্প্রকর্ষ মনে রাখবে। - ধ্বনি বা বর্ণ লোপ পাওয়ার অপর নাম হলো সম্প্রকর্ষ বা সমপ্রকর্ষ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের ছোট হওয়ার প্রক্রিয়াটি কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - অপিনিহিতি ও সম্প্রকর্ষের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে যাতে বিভ্রান্তি তৈরি না হয়।

মোট প্রশ্ন (25)

a in
b dis
c un
d non
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) un কেন সঠিক: - 'Certain' শব্দের শুরুতে 'un' প্রিফিক্স যুক্ত করে এর বিপরীতার্থক শব্দ 'uncertain' তৈরি করা হয়। - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট কিছু শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে 'un' প্রিফিক্স ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — 'In' প্রিফিক্সটি 'certain' শব্দের পূর্বে বসে বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। B) dis — 'Discertain' বলে কোনো অর্থপূর্ণ ইংরেজি শব্দ প্রচলিত নেই। D) non — 'Non' প্রিফিক্সটি সাধারণত বিশেষ বিশেষ বিশেষ্য বা বিশেষণের ক্ষেত্রে বসে, এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: সাধারণত অনেক সাধারণ adjectives বা বিশেষণের বিপরীত শব্দ তৈරির জন্য শুরুতে un প্রিফিক্স যুক্ত করতে হয়।
a Interesting
b Loving
c Affectionate
d Friendly
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Friendly কেন সঠিক: - Amicable শব্দের অর্থ হলো অমায়িক, সৌহার্দ্যপূর্ণ বা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়। - Friendly শব্দের অর্থও বন্ধুত্বপূর্ণ, তাই এটি প্রদত্ত শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Interesting — এর অর্থ আকর্ষণীয়, যা অমায়িক বা বন্ধুত্বপূর্ণ শব্দের সাথে মেলে না। B) Loving — এর অর্থ স্নেহময় বা ভালোবাসাপূর্ণ, যা অমায়িক শব্দের কাছাকাছি হলেও পুরোপুরি সমার্থক নয়। C) Affectionate — এর অর্থ স্নেহশীল বা মমতাভরা, যা প্রীতির ভাব প্রকাশ করলেও সরাসরি Friendly বা Amicable এর সঠিক রূপ নয়। D) Friendly — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি অমায়িক বা সৌহার্দ্যপূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Amicable শব্দের শুরুতে Ami আছে, যা French শব্দ Ami (বন্ধু) থেকে এসেছে। তাই Ami দেখলেই বন্ধু বা Friendly মনে রাখবে।
a Your promise should be kept.
b Your promise is to be kept by you.
c Your promise should keep by you.
d Your promise should kept by you.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Your promise should be kept. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যের Modal Auxiliary (should) যুক্ত Active Voice-কে Passive করার নিয়ম হলো Object-কে Subject করা এবং should-এর পরে be বসিয়ে মূল Verb-এর Past Participle রূপ লেখা। - এখানে Active Voice-এর Object হলো your promise এবং মূল Verb-এর Past Participle হলো kept, তাই সঠিক গঠনটি অপশন এ তে সঠিকভাবে এসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Your promise should be kept. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Your promise is to be kept by you. — এখানে modal verb-এর পরিবর্তে is to ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। C) Your promise should keep by you. — এখানে be ব্যবহার করা হয়নি এবং kept-এর বদলে keep ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) Your promise should kept by you. — এখানে should-এর পরে সরাসরি Past Participle ব্যবহার করা হয়েছে মাঝে be না থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: Modal auxiliary (can, could, shall, should, may, might, must) যুক্ত Active Voice-কে Passive করার সময় এদের পরে অবশ্যই be যোগ করতে হয় এবং মূল Verb-এর V3 রূপ হয়।
a By whom it can be done?
b By whom can it be do?
c By whom can it be done?
d By whom can it be did?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) By whom can it be done? কেন সঠিক: - Interrogative বাক্যের শুরুতে Who থাকলে Passive করার সময় বাক্যের প্রথমে By whom বসে। - Modals auxiliary verb (can) যুক্ত Interrogative বাক্যের Passive গঠন হলো By whom + modal + object-কে subject + be + verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom it can be done? — এখানে auxiliary verb (can) সাবজেক্টের পরে বসেছে, যা প্রশ্নবোধক বাক্যের গঠন অনুযায়ী ভুল। B) By whom can it be do? — এখানে মূল verb-এর বেজ ফর্ম (do) ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ passive-এ verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল (done) প্রয়োজন। C) By whom can it be done? — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এখানে প্রশ্নবোধক বাক্যের সঠিক গঠন ও Passive-এর নিয়ম নিখুঁতভাবে অনুসৃত হয়েছে। D) By whom can it be did? — এখানে verb-এর পাস্ট ফর্ম (did) ব্যবহার করা হয়েছে, যা passive voice-এর নিয়মের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। মনে রাখার টিপস: Who যুক্ত Active voice-কে Passive করার সময় প্রথমে By whom বসাবে এবং বাক্যের বাকি অংশে Interrogative-এর নিয়ম অনুযায়ী Modal verb-এর পর be ও মূল verb-এর V3 বসাবে।
a temporary
b permanent
c transparent
d short-lived
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) permanent কেন সঠিক: - 'Transitory' শব্দটির অর্থ ক্ষণস্থায়ী বা যা স্থায়ী নয়। - এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'permanent' যার অর্থ স্থায়ী বা চিরস্থায়ী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) temporary — এটি 'transitory' শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়। B) permanent — এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ কারণ এর অর্থ স্থায়ী। C) transparent — এর অর্থ স্বচ্ছ, যা এই শব্দের অর্থের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) short-lived — এটিও 'transitory' শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: Transitory শব্দটির উৎপত্তি Transit থেকে যার অর্থ চলামান বা সাময়িক, তাই এর বিপরীত permanent বা স্থায়ী।
a He has a few friends
b He has no friends.
c He has few friends.
d He has the few friends
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He has few friends. কেন সঠিক: - Few শব্দটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে এবং এর অর্থ নেই বললেই চলে বা প্রায় নাই। - countable noun বা গণনাবাচক বিশেষ্যের ক্ষেত্রে খুব কম সংখ্যা বোঝাতে Few ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He has a few friends — A few positive অর্থ প্রকাশ করে যার অর্থ কিছু সংখ্যক বন্ধু আছে। B) He has no friends. — এটি সরাসরি শূন্য বা সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি বোঝায়, যা বললেই চলে এমন ধারণার চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। C) He has few friends. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ তার কোনো বন্ধুই নেই বললেই চলে। D) He has the few friends — The few নির্দিষ্ট করে অল্প কিছু বোঝায়, যা এই বাক্যের সাধারণ শূন্য প্রায় অর্থের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: Few মানে নাই বললেই চলে, A few মানে কিছু সংখ্যক এবং The few মানে নির্দিষ্ট করে অল্প কিছু।
a I prefer death from dishonor
b I liked death more than dishonor.
c I prefer death more than insult.
d I prefer death to dishonor.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I prefer death to dishonor. কেন সঠিক: - prefer এর পর দুটি নাউনের তুলনা করার সময় 중간 এ preposition হিসেবে to বসে। - insult এর চেয়ে সম্মানহানিকর বা মর্যাদাহানিকর পরিস্থিতির ক্ষেত্রে dishonor শব্দটি অধিক উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I prefer death from dishonor — prefer এর পর তুলনার ক্ষেত্রে from বসে না, সঠিক নিয়ম হলো to ব্যবহার করা। B) I liked death more than dishonor — বাক্যটি past tense এ এবং more than ব্যবহার করে করা হয়েছে, যা prefer এর সঠিক grammatical structure নয়। C) I prefer death more than insult — prefer এর সাথে more than ব্যবহার করা ভুল এবং insult এর চেয়ে dishonor এখানে শ্রেয়। D) I prefer death to dishonor — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং নিয়ম অনুযায়ী গঠিত। মনে রাখার টিপস: prefer এর ক্ষেত্রে ہمیشہ than এর বদলে to বসে, যেমন prefer A to B।
a He urged me to go home with him.
b He proposed to me to go to home together.
c He proposed to me that we should go home together.
d He asked me to go home together.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He proposed to me that we should go home together. কেন সঠিক: - রিপোর্টেড স্পিচে Let us থাকলে প্রস্তাব বোঝাতে Indirect করার সময় Subject-এর পরে propose ব্যবহার করতে হয়। - Inverted comma উঠে গিয়ে Conjunction হিসেবে that বসে এবং subject-এর পরে should বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He urged me to go home with him. — Let us দ্বারা প্রস্তাব বোঝানো হলে urged ব্যবহার না করে propose ব্যবহার করা নিয়মসম্মত। B) He proposed to me to go to home together. — Home শব্দের পূর্বে to preposition বসে না এবং that clause ব্যবহার না করে Infinitive ব্যবহার করায় বাক্যটি ত্রুটিপূর্ণ। C) He proposed to me that we should go home together. — এটি সঠিক অপশন কারণ প্রস্তাব বোঝাতে propose এবং that এর পরে we should বসেছে। D) He asked me to go home together. — Let us যুক্ত Imperative sentence-কে Indirect করার সময় asked ব্যবহার না করে proposed ব্যবহার করতে হয়। মনে রাখার টিপস: Narration-এ Let us দেখলে propose, that এবং should ব্যবহার করতে হয়।
a has come
b had come
c came
d arrived
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) had come কেন সঠিক: - রিপোর্টিং ভার্ব said পাস্ট টেন্সে থাকায় ন্যারেশনের নিয়মে ভেতরের পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স পরিবর্তিত হয়ে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়। - the previous day থাকায় বাক্যটি অতীতের অতীত বা পাস্ট পারফেক্ট টেন্স নির্দেশ করে, তাই had come সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) has come — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা পাস্ট টেন্সের রিপোর্টিং ভার্বের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। B) had come — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়। C) came — এটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স, কিন্তু the previous day থাকার কারণে এখানে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স প্রয়োজন। D) arrived — অর্থের দিক থেকে ভিন্ন এবং ন্যারেশনের নিয়ম অনুযায়ী পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ার শর্ত পূরণ করে না। মনে রাখার টিপস: ন্যারেশনে the previous day দেখলে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সকে পাস্ট পারফেক্ট টেন্সে রূপান্তর করতে হয়।
a I asked Tashfia if she had passed.
b I asked Tashfia if you had she passed.
c I asked Tashfia that she had passed.
d I asked Tashfia had she passed.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I asked Tashfia if she had passed. কেন সঠিক: - প্রত্যক্ষ উক্তির প্রশ্নবোধক বাক্যকে পরোক্ষ উক্তিতে রূপান্তর করার সময় রিপোর্টিং ভার্ব হিসেবে ask এবং कंजাংশন হিসেবে if বা whether বসে। - ন্যারেশনের নিয়ম অনুযায়ী ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্স অ্যাসারটিভ সেন্টেন্সে রূপান্তরিত হয় এবং সাবজেক্টের পর ভার্ব বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I asked Tashfia if she had passed. — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক এবং ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল। B) I asked Tashfia if you had she passed. — সাবজেক্টের পর ভুলভাবে অতিরিক্ত pronoun ব্যবহারের কারণে বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) I asked Tashfia that she had passed. — প্রশ্নবোধক বাক্যের পরোক্ষ রূপে if বা whether এর পরিবর্তে that ব্যবহার করায় বাক্যটি ভুল হয়েছে। D) I asked Tashfia had she passed. — রিপোর্টিং ভার্ব ও রিপোর্টেড স্পিচের মাঝে কোনো कंजাংশন বা if না থাকায় বাক্যটি অগঠিত। মনে রাখার টিপস: ন্যায়েশনের ক্ষেত্রে প্রশ্নবোধক বাক্যকে পরোক্ষ করার সময় if বসে এবং সাবজেক্টের পরে ভার্ব বসে।
a This is an unique case.
b This is a unique case.
c This is a very unique case.
d This is the most unique case.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) This is a unique case. কেন সঠিক: - 'Unique' শব্দটি একটি Absolute Adjective, যার নিজস্ব অর্থ চরম ও অনন্য। - Absolute Adjective-এর পূর্বে সাধারণত কোনো Article (a/an/the) বসলে তা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে 'an' এর পরিবর্তে 'a' হয় কারণ এর উচ্চারণ ইউ (y-এর মতো) দিয়ে শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) This is an unique case. — 'Unique' শব্দের উচ্চারণ 'ইউ' (vowel sound নয়, consonant sound) হওয়ায় এর পূর্বে 'an' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) This is a unique case. — এটি সঠিক কারণ 'unique' শব্দের পূর্বে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী 'a' আর্টিকেল ব্যবহৃত হয়েছে এবং এটি একটি সম্পূর্ণ বাক্য। C) This is a very unique case. — 'Unique' শব্দের অর্থ অনন্য বা তুলনাহীন, তাই এর পূর্বে 'very' বা কোনো Intensifier ব্যবহার করা redundancy বা বাহুল্য দোষে দুষ্ট। D) This is the most unique case. — 'Unique' যেহেতু চরম অবস্থা প্রকাশ করে, তাই এর সাথে 'most' বা তুলনামূলক ডিগ্রি (Superlative) ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: 'Unique' শব্দের আগে 'an' হয় না 'a' হয় এবং এর সাথে 'more' বা 'most' বসে না।
a The land is belonged to an old lady
b They parted from one another suddenly.
c The leader expressed himself forcibly.
d Mother bought me an ice cream.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The land is belonged to an old lady কেন সঠিক: - 'Belong' একটি intransitive verb, যার passive form হয় না। - তাই সঠিক বাক্যটি হবে দ্য ল্যান্ড বিলংস টু অ্যান ওল্ড লেডি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The land is belonged to an old lady — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ belong verb-এর passive রূপ হয় না। B) They parted from one another suddenly — ব্যক্তির ক্ষেত্রে পৃথক হওয়া বোঝাতে part from সঠিক প্রয়োগ। C) The leader expressed himself forcibly — reflexive pronoun হিসেবে himself সঠিক এবং জোর প্রকাশ করতে forcibly ব্যবহৃত হয়েছে। D) Mother bought me an ice cream — ditransitive verb হিসেবে buy-এর পর indirect object এবং direct object-এর সঠিক ব্যবহার হয়েছে। মনে রাখার টিপস: belong, happen, consist ইত্যাদি intransitive verb-এর কখনোই passive form হয় না।
a a suffix
b a prefix
c an auxiliary
d a syllable
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a suffix কেন সঠিক: - 'survive' একটি ভার্ব যার সঙ্গে 'al' যুক্ত করে 'survival' নাউন গঠন করা হয়। - মূল শব্দের শেষে কিছু বর্ণ বা বর্ণগুচ্ছ যোগ করে নতুন পার্টস অব স্পিচ তৈরির প্রক্রিয়াকে সাফিক্স বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a suffix — এটি সঠিক কারণ শব্দের শেষে সাফিক্স যোগ করে ভার্বকে নাউনে রূপান্তর করা হয়েছে। B) a prefix — এটি ভুল কারণ প্রিফিক্স শব্দের শুরুতে যুক্ত হয়, কিন্তু এখানে পরিবর্তনের জন্য শেষে অংশ যুক্ত করতে হবে। C) an auxiliary — এটি ভুল কারণ এটি প্রধান ভার্বকে সাহায্যকারী ভার্বের একটি প্রকার, যা শব্দ গঠন প্রক্রিয়া নয়। D) a syllable — এটি ভুল কারণ সিলেবল হলো উচ্চারণের একক, কোনো নির্দিষ্ট শব্দ গঠনের রূপান্তরের মাধ্যম নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে কিছু যোগ করে নতুন শব্দ তৈরি করলে তা সাফিক্স এবং প্রথমে যোগ করলে তা প্রিফিক্স হয়।
a with
b from
c after
d about
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) about কেন সঠিক: - 'Fantasize' verb-টির পর নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সাধারণত 'about' ব্যবহৃত হয়। - কোনো কাল্পনিক বা অসম্ভব ভালো কিছু নিয়ে মনে মনে কল্পনা করা অর্থে 'fantasize about' সঠিক ধারা গঠন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — 'Fantasize' এর সাথে 'with' preposition বসে না, তাই এটি grammatically ভুল। B) from — 'Fantasize from' কোনো অর্থ প্রকাশ করে না এবং এটি প্রচলিত নিয়মবহির্ভূত। C) after — 'Fantasize after' ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ অসংগত হয়ে যায়। D) about — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'fantasize about' একটি সঠিক prepositional combination। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছু নিয়ে কল্পনা করা বা স্বপ্ন দেখার ইংরেজি করার সময় 'fantasize' শব্দের পরে সবসময় 'about' ব্যবহার করবে।
a do they
b must they
c don't they
d aren't they
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) don't they কেন সঠিক: - মূল বাক্যের অংশটি প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সে এবং মূল ভার্বটি হ্যাভ বা বি ভার্ব ছাড়া অন্য ভার্ব হওয়ায় ট্যাগ করার সময় ডো বা ডাস ব্যবহার করতে হয়। - মূল বাক্যটি এফারমেটিভ বা হ্যাসূচক হওয়ায় এর সঙ্গে যুক্ত ট্যাগ কোশ্চেনটি নেগেটিভ বা না-সূচক হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) do they — মূল বাক্যটি হ্যাসূচক হওয়ায় ট্যাগটি না-সূচক হবে, তাই এটি সঠিক নয়। B) must they — এখানে মডাল অক্সিলিয়ারি ভার্ব ব্যবহারের কোনো ব্যাকরণগত প্রয়োজন বা প্রেক্ষিত নেই। C) don't they — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) aren't they — মূল বাক্যে কোনো বি ভার্ব বা অক্সিলিয়ারি ভার্ব না থাকায় এখানে আর ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: মূল বাক্য প্রেজেন্ট টেন্সে হ্যাসূচক হলে এবং মূল ভার্ব থাকলে ডন্ট বা ডাজেন্ট বসাতে হয়।
a shall we
b do we
c don't we
d aren't we
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) shall we কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী Let's দিয়ে বাক্য শুরু হলে Tag question-এ সর্বদা shall we ব্যবহার করতে হয়। - Let's হলো Let us-এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যা বক্তা ও শ্রোতা উভয়কেই কোনো কাজে যুক্ত করার প্রস্তাব বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) shall we — এই অপশনটি সঠিক কারণ Let's যুক্ত প্রস্তাবমূলক বাক্যের ক্ষেত্রে ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটিই নির্ধারিত। B) do we — এটি ভুল কারণ এটি বর্তমান সাধারণ কালের সাধারণ বাক্যের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, প্রস্তাবমূলক বাক্যের জন্য নয়। C) don't we — এটি দেখতে নেতিবাচক মনে হলেও Let's বাক্যের ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী এই গঠন গ্রহণযোগ্য নয়। D) aren't we — এটি বাক্যের মূল Verb বা Auxilliary verb-এর সঙ্গে মিলছে না এবং Let's-এর ক্ষেত্রে ব্যাকরণগতভাবে বেমানান। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে Let's দেখলে চোখ বন্ধ করে shall we বসিয়ে দেবে।
a to be puzzled
b to get nervous
c to be disappointed
d to bear up
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to get nervous কেন সঠিক: - To meet trouble half way একটি ইংরেজি ইডিওম, যার অর্থ কোনো বিপদ আসার আগেই ঘাবড়ে যাওয়া বা অতিরিক্ত বিচলিত হওয়া। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে to get nervous কথাটি এই ইডিওমের মূল ভাব অর্থাৎ মানসিক অস্থিরতা বা ভয় পাওয়ার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to be puzzled — এর অর্থ হতবুদ্ধি বা বিভ্রান্ত হওয়া, যা এই ইডিওমের নির্দিষ্ট অর্থ নয়। B) to get nervous — এটি এই ইডিওমের সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। C) to be disappointed — এর অর্থ নিরাশ হওয়া, যা বিপদ আসার আগের ভয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) to bear up — এর অর্থ সংকট বা বিপদের মধ্যেও ধৈর্য ধরে টিকে থাকা, যা মূল অর্থের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: অর্ধেক পথ না যেতেই ট্রাবলস বা বিপদ দেখে নার্ভাস হয়ে যাওয়া বা ঘাবড়ে যাওয়া হলো to meet trouble half way।
a to read carefully
b to read only some lines
c to read quickly to save time
d to read carefully to find out any hidden meaning.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to read carefully to find out any hidden meaning. কেন সঠিক: - এই Idiom-টির আক্ষরিক অর্থ লাইনের মাঝখানে পড়া হলেও ভাবার্থ হলো কোনো লেখার ভেতরের অন্তর্নিহিত বা গোপন অর্থ খুঁজে বের করা। - ভাষা ও সাহিত্যের প্রতিযোগিতামূলক প্রশ্নে এই ধরনের প্রবাদ বা বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ বের করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to read carefully — এটি সাধারণ পঠন বোঝায়, কিন্তু এর মধ্যে কোনো গোপন বা অন্তর্নিহিত অর্থ খোঁজার ভাবার্থ নেই। B) to read only some lines — এটি অসম্পূর্ণভাবে পড়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) to read quickly to save time — এটি দ্রুত পড়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা গভীর অর্থ অনুধাবনের বিপরীত। D) to read carefully to find out any hidden meaning — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর মাধ্যমে লেখার ভেতরের আসল উদ্দেশ্য বা অন্তর্নিহিত অর্থ খুঁজে বের করা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: লাইনের মাঝে (between the lines) বা ফাঁকে লুকিয়ে থাকা আসল অর্থ খুঁজে বের করাই হলো এই Idiom-টির মূল রহস্য।
a A chart of bus fare
b A price list
c A valuable document
d A list of dishes at a restaurant
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A list of dishes at a restaurant কেন সঠিক: - 'Bill of fare' একটি বহুল ব্যবহৃত ইডিওম, যার শাব্দিক অর্থ খাবারের তালিকা হলেও এটি মূলত রেস্তোরাঁর মেনুকার্ড বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই ফ্রেজটি বারবার আসে, তাই এর সঠিক অর্থ মনে রাখা জরুরি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A chart of bus fare — এটি বাসের ভাড়ার তালিকা বোঝায়, যা এই ইডিওমের সাহিত্যিক বা আক্ষরিক অর্থ নয়। B) A price list — এটি যেকোনো পণ্যের সাধারণ মূল্য তালিকা, যা রেস্তোরাঁর খাবারের তালিকার চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত। C) A valuable document — এটি কোনো মূল্যবান দলিল বা কাগজপত্রকে বোঝায়, যার সঙ্গে খাবারের তালিকার কোনো সম্পর্ক নেই। D) A list of dishes at a restaurant — এটি এই ইডিওমের সঠিক অর্থ যা রেস্তোরাঁয় খাবারের তালিকা বা মেনু নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: 'Bill' মানে বিল বা হিসাব এবং 'Fare' মানে খাবারের খরচ, তাই খাবারের হিসাবের তালিকা বা মেনু বোঝাতে 'Bill of fare' ব্যবহার করা হয়।
a to offer a person what he cannot eat.
b to force a person to do something.
c to reverse the natural order of things
d to raise obstacle
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to reverse the natural order of things কেন সঠিক: - ঘোড়ার আগে গাড়ি জুড়ে দেওয়া স্বাভাবিক নিয়মের বিপরীত কাজ করার একটি পরিচিত প্রবাদ। - কাজের সঠিক ধারাবাহিকতা বা কার্যকারণ সম্পর্ক উল্টে ফেলা বোঝাতে এই ইডিয়মটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to offer a person what he cannot eat. — এটি আক্ষরিক বা অন্য কোনো বিশেষ পরিস্থিতির অর্থ প্রকাশ করে, যা এই ইডিয়মের ভাবার্থের সাথে মেলে না। B) কাউকে কোনো কাজ করতে বাধ্য করার সাথে এই ইডিয়মের কোনো সম্পর্ক নেই। C) to reverse the natural order of things — এটি সঠিক কারণ ঘোড়ার আগে গাড়ি রাখা মানেই প্রাকৃতিকভাবে যা আগে হওয়ার কথা তা পরে করা। D) কোনো বাধা সৃষ্টি করা বোঝাতে এই ইডিয়মটি ব্যবহার করা হয় না, এর মূল অর্থ উল্টো বা ভুল ক্রমে কাজ করা। মনে রাখার টিপস: গাড়ি টানার কথা ঘোড়ার, কিন্তু গাড়ি যদি ঘোড়ার আগে রাখা হয় তবে সেটা নিয়ম বা স্বাভাবিক ক্রমের ঠিক উল্টো কাজ হয়ে যায়।
a trial
b emulation
c following
d exploration
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) emulation কেন সঠিক: - Emulation শব্দের অর্থ অনুকরণ করা বা আদর্শ হিসেবে অনুসরণ করা, যা মহিতের ভালো আচরণ সবার দ্বারা অনুসরণ করার প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে উপযোগী। - Worthy of এর পর সাধারণত জিরান্ড বা নাউন বসে এবং অর্থপূর্ণভাবে এখানে emulation শব্দটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) trial — Trial অর্থ বিচার বা পরীক্ষা, যা মানুষের আচরণের ক্ষেত্রে এখানে অর্থসংগত নয়। B) emulation — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) following — Following জিরান্ড হিসেবে ব্যাকরণগতভাবে বসলেও emulation-এর মতো এত নিখুঁত ও মানানসই অর্থ প্রকাশ করে না। D) exploration — Exploration অর্থ অন্বেষণ বা গবেষণা, যা আচরণের ক্ষেত্রে ব্যবহারের উপযোগী নয়। মনে রাখার টিপস: কারো ভালো গুণ বা আদর্শ অনুসরণ করার ক্ষেত্রে সবসময় Emulation শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
a making a noise
b is making a noise
c makes a noise
d make a noise
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) is making a noise কেন সঠিক: - বাক্যটিতে 'Rain falling on the roof' হলো সাবজেক্ট এবং এটি বর্তমানে ঘটে চলা একটি কাজ বোঝাচ্ছে। - সাবজেক্টটি থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার হওয়ায় এর সাথে প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্সের সাহায্যকারী ভার্ব is এবং মূল ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) making a noise — এটি ভুল কারণ এতে কোনো অক্সিলিয়ারি ভার্ব বা সাহায্যকারী ভার্ব নেই, যা বাক্য গঠনের নিয়ম অনুযায়ী অসম্পূর্ণ। B) is making a noise — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে টেন্স ও সাবজেক্টের সাথে ভার্বের সঠিক মিল রয়েছে। C) makes a noise — এটি ভুল কারণ বৃষ্টির পড়ার কাজটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘটে চলেছে বোঝাতে প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সের পরিবর্তে প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স প্রয়োজন। D) make a noise — এটি ভুল কারণ সাবজেক্ট সিঙ্গুলার হওয়া সত্ত্বেও এখানে প্লুরাল ভার্ব ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: চলমান কাজ বোঝাতে এবং সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হলে is + ভার্ব + ing ব্যবহার করতে হয়।
a My education will be employed by the university
b I will be employed by the university
c The University will employ me
d Employment will be given to me by the university.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The University will employ me কেন সঠিক: - বাক্যের শুরুতে থাকা introductory clause "According to the conditions of my scholarship after finishing my degree" এর মূল উদ্দেশ্য হলো শর্ত বা সময় নির্দেশ করা। - এই introductory clause-এর পরের প্রধান ক্লজ বা মূল বাক্যের সাবজেক্ট হিসেবে শিক্ষার্থীর ডিগ্রি শেষ করার পর বিশ্ববিদ্যালয় তাকে চাকরি দেবে, তাই "The University" হলো সঠিক সাবজেক্ট এবং "will employ me" হলো সঠিক প্রেডিকেট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) My education will be employed by the university — শিক্ষা নিজেই চাকরি পেতে পারে না, তাই এই passive গঠনটি অর্থহীন ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) I will be employed by the university — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও, প্রদত্ত প্রশ্নের সাথে এই উত্তরটি মিলছে না এবং অপশন সি এখানে মূল উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। C) The University will employ me — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি সাবজেক্ট ও অবজেক্টের সঠিক সম্পর্কের মাধ্যমে বাক্যটিকে অর্থপূর্ণ করে তুলেছে। D) Employment will be given to me by the university — এই passive গঠনটি অত্যন্ত দীর্ঘ এবং অপ্রয়োজনীয় জটিলতা তৈরি করে, যা বাক্য সংশোধনের নিয়মে অনুপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে শর্তমূলক বাক্যাংশ থাকলে মূল ক্লজে সঠিক সাবজেক্ট ও অ্যাক্টিভ ভয়েস ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো।
a into
b on
c to
d in
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) into কেন সঠিক: - বাইরে থেকে কোনো বস্তুর ভেতরে প্রবেশ করা বা গতিশীল অবস্থা বোঝাতে into ব্যবহৃত হয়। - চা ঢালার মাধ্যমে তরল পদার্থটি বাইরে থেকে মগের ভেতরে প্রবেশ করছে, তাই এখানে into সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) into — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাইরে থেকে ভেতরে গতিশীল প্রবেশ বোঝায়। B) on — এটি সাধারণত কোনো কিছুর উপরে স্পর্শ করে অবস্থান করা বোঝালে ব্যবহৃত হয়। C) to — এটি সাধারণত কোনো কিছুর দিকে দিক বা গন্তব্য নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। D) in — এটি স্থিরভাবে ভেতরে অবস্থান করা বা স্থিতি বোঝালে ব্যবহৃত হয়, গতিশীল প্রবেশ বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: বাইরে থেকে ভেতরে গতিশীলভাবে প্রবেশ করা বোঝালে in না বসে into বসে।
a At, over
b In, across
c Since, around
d On, over
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) On, over কেন সঠিক: - নির্দিষ্ট কোনো দিবস বা উৎসবের দিন বোঝাতে তার আগে অন প্রিপজিশন বসে, তাই পয়লা বৈশাখের আগে অন ব্যবহার করা হয়েছে। - কোনো কিছুর সার্বিক ব্যাপ্তি বা সারা দেশব্যাপী বোঝাতে ওভার দ্য কান্ট্রি ফ্রেজটি সঠিক ও প্রমিত হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) At, over — অ্যাট নির্দিষ্ট সময় বা ছোট স্থানের ক্ষেত্রে বসে, যা পহেলা বৈশাখের মতো দিবসের নামের পূর্বে বসে না। B) ইন, অ্যাক্রস — ইন সাধারণত মাস, বছর বা বড় স্থানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে তা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। C) সিন্স, এরাউন্ড — সিন্স নির্দিষ্ট পয়েন্ট অব টাইম বা থেকে অর্থে বসে এবং এখানে প্রসঙ্গের সঙ্গে তা পুরোপুরি বেমানান। D) অন, ওভার — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই নিয়মের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট দিবসের আগে অন এবং সারা দেশব্যাপী বোঝাতে ওভার ব্যবহার করা হয়।

মোট প্রশ্ন (10)

a ২৫ জন
b ১৫ জন
c ১০ জন
d ০৫ জন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০৫ জন প্রদত্ত তথ্য: আমের সংখ্যা = ১২৫টি লিচুর সংখ্যা = ১৪৫টি ধরি, বালকের সংখ্যা ১২৫ এবং ১৪৫ এর সাধারণ গুণনীয়ক হবে কারণ সমানভাবে ভাগ করে দিতে হলে অবশিষ্ট কিছু থাকবে না অতএব, ১২৫ সংখ্যাটিকে যে সকল সংখ্যা দ্বারা নিঃশেষে ভাগ করা যায় তাদের মধ্যে ৫ একটি অন্যতম সংখ্যা দ্বিতীয় হিসাব: একইভাবে ১৪৫ সংখ্যাটিকেও ৫ দ্বারা নিঃশেষে ভাগ করা যায় কারণ ১৪৫ এর একক স্থানীয় অঙ্ক ৫ সুতরাং, ১২৫ এবং ১৪৫ এর গসাগু নির্ণয় করতে হবে গসাগু হবে ৫ উত্তর: ০৫ জন
a 794
b 804
c 806
d 704
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮০৬ প্রদত্ত তথ্য: ধারার প্রথম সংখ্যাটি দুই প্রতিটি সংখ্যা ঠিক আগের সংখ্যা থেকে চার বেশি ধরি, এটি একটি সমান্তর ধারা যার প্রথম পদ সমান দুই সাধারণ অন্তর সমান চার পদ সংখ্যা সমান ২০২ অতএব, এন তম পদের সূত্র অনুযায়ী প্রথম পদ যোগ বন্ধনী শুরু এন বিয়োগ এক বন্ধনী শেষ গুণ সাধারণ অন্তর এখানে ২০২ তম পদ সমান দুই যোগ বন্ধনী শুরু ২০২ বিয়োগ এক বন্ধনী শেষ গুণ চার বা দুই যোগ দুই শত এক গুণ চার সুতরাং, দুই যোগ আট শত চার যোগফল সমান আট শত ছয় উত্তর: আট শত ছয়
a (x + a)(ax + 1)
b (x - a)(ax - 1)
c (a + 1)(ax + 1)
d (x + 1)(ax + 1)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (x + a)(ax + 1) প্রدত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ax^২ + (a^২ + ১)x + a ধরি, রাশিটির মধ্যপদ ভেঙে উৎপাদক বিশ্লেষণ করতে হবে তাই ব্র্যাকেট তুলে গুণ করে দিতে হবে অতএব, ax^২ + a^২x + x + a প্রথম দুটি পদ থেকে ax কমন নিতে হবে সুতরাং, ax(x + a) + ১(x + a) এখন (x + a) কমন নিলে পাই (x + a)(ax + ১) উত্তর: (x + a)(ax + ১)
a 0
b 1
c 2
d 4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (২^২)^(x + ৩) = ২৫৬ ধরি, ২৫৬ সংখ্যাটিকে ভিত্তির সাহায্যে লেখা যায় অতএব, ২৫৬ কে দুই এর ঘাত হিসেবে ভাঙালে পাই দুই এর পাওয়ার আট সুতরাং, (২)^(২x + ৬) = (২)^৮ উত্তর: ১
a ১২ ফুট
b ০৯ ফুট
c ০৬ ফুট
d ০৩ ফুট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০৬ ফুট প্রদত্ত তথ্য: খুঁটির মোট উচ্চতা = ১৮ ফুট ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৩০° ধরি, খুঁটিটি মাটি থেকে x ফুট উঁচুতে ভেঙ্গেছিল ভাঙ্গা অংশটি মাটির সাথে ৩০° কোণ উৎপন্ন করেছে অতএব, লম্ব = x এবং অতিভুজ = (১৮ − x) ত্রিকোণমিতির সূত্র অনুযায়ী sin(৩০°) = লম্ব ÷ অতিভুজ সুতরাং, sin(৩০°) এর মান ১ ÷ ২ বসিয়ে পাই, x ÷ (১৮ − x) = ১ ÷ ২ কোণাকোণি গুণ করে পাই, ২x = ১৮ − x উত্তর: ৩x = ১৮, অর্থাৎ x = ৬ ফুট
a -5
b -1
c -1/5
d 1/32
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) −৫ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম রাশি হলো লজভিত্তিক এক ভাগ বত্রিশ ধরি, লগারিদমের মান সমান ক অতএব, দুই এর পাওয়ার ক সমান এক ভাগ বত্রিশ দুই এর পাওয়ার ক সমান এক ভাগ দুই এর পাওয়ার পাঁচ সুতরাং, দুই এর পাওয়ার ক সমান দুই এর পাওয়ার মাইনাস পাঁচ উত্তর: −৫
a 2
b -2
c 0
d 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x কিউব + ১ ÷ x কিউব = ০ আমাদের x কিউবের মান বের করতে হবে ধরি, x কিউব = a অতএব, a + (১ ÷ a) = ০ a স্কয়ার + ১ = ০ সুতরাং, a স্কয়ার = −১ উত্তর: ১
a ৩৮°
b ৩৯°
c ৪০°
d ৪১°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪১° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ ত্রিভুজের সূক্ষ্ম কোণদ্বয়ের অন্তরের মান ৮° ধরি, ত্রিভুজের একটি সূক্ষ্ম কোণ = ক ডিগ্রি অপর সূক্ষ্ম কোণটি = (ক + ৮) ডিগ্রি অতএব, সমকোণী ত্রিভুজের সূক্ষ্ম কোণদ্বয়ের সমষ্টি = ৯০ ডিগ্রি ক + (ক + ৮) = ৯০ ২ক + ৮ = ৯০ সুতরাং, ২ক = ৯০ − ৮ ২ক = ৮২ ক = ৪১ উত্তর: ৪১°
a 2
b 3
c 4
d 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো দুই এর ঘাত এক্স যোগ সাত সমান চার এর ঘাত এক্স যোগ দুই ধরি, সমীকরণটির ভিত্তি সমান করতে হবে চার কে লেখা যায় দুই এর স্কয়ার বা দুই গুণ দুই অতএব, বামপক্ষের ভিত্তি দুই এবং ডানপক্ষের ভিত্তি দুই করা হলো দুই এর ঘাত এক্স যোগ সাত সমান দুই এর স্কয়ার এর হোল ঘাত এক্স যোগ দুই সুতরাং, ঘাত দুটি সমান ধরে পাই এক্স যোগ সাত সমান দুই গুণ এক্স যোগ চার এক্স যোগ সাত সমান দুই এক্স যোগ চার উত্তর: ৩
a ২, ৩, ৫ সে.মি.
b ৪, ৫, ৬ সে.মি.
c ৩, ৫, ৭ সে.মি.
d ৫, ৬, ৮ সে.মি.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২, ৩, ৫ সে.মি. প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ২, ৩ এবং ৫ সে.মি. ধরি, প্রথম বাহু = ২ সে.মি. দ্বিতীয় বাহু = ৩ সে.মি. তৃতীয় বাহু = ৫ সে.মি. অতএব, প্রথম ও দ্বিতীয় বাহুর দৈর্ঘ্যর যোগফল = ২ + ৩ = ৫ সে.মি. সুতরাং, ত্রিভুজের যে কোনো দুই বাহুর সমষ্টি তৃতীয় বাহুর অপেক্ষা বৃহত্তর হতে হয়, যা এখানে মানছে না কারণ ৫ সে.মি. ৫ সে.মি. এর সমান হয়ে যায় উত্তর: A) ২, ৩, ৫ সে.মি.

মোট প্রশ্ন (20)

a নিউ ইয়র্ক টাইমস
b ওয়াশিংটন পোস্ট
c নিউজ উইকস
d দ্যা টেলিগ্রাফ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিউজ উইকস কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত নিউজউইক ম্যাগাজিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কভার স্টোরিতে 'রাজনীতির কবি' বা 'পোয়েট অব পলিটিক্স' উপাধিতে ভূষিত করে। - এই ঐতিহাসিক প্রতিবেদনে ৭ মার্চের ভাষণের অসামান্য নেতৃত্ব ও জনসমুদ্রের ঐক্যের প্রশংসা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউ ইয়র্ক টাইমস — এটি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রভাবশালী দৈনিক পত্রিকা হলেও বঙ্গবন্ধুকে এই নির্দিষ্ট উপাধি দেয়নি। B) ওয়াশিংটন পোস্ট — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্র হলেও এই উপাধি প্রদানের সঙ্গে যুক্ত নয়। C) নিউজ উইকস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে সঠিক কারণ প্রযোজ্য। D) দ্যা টেলিগ্রাফ — এটি ব্রিটিশ দৈনিক পত্রিকা হলেও এই ঐতিহাসিক উপাধির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: নিউজউইক ম্যাগাজিনের কভার পেজে ৭ মার্চের ভাষণকে কেন্দ্র করে বঙ্গবন্ধুকে 'রাজনীতির কবি' বলা হয়েছিল।
a সাকিব আল হাসান
b তামিম ইকবাল
c লিটন দাস
d মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লিটন দাস কেন সঠিক: - লিটন দাস ২০২০ সালে জিম্বাবুয়ে বিপক্ষে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৪৩ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলেন। - এটি ওয়ানডে ফরম্যাটে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটারের করা ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ একক রান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাকিব আল হাসান — ওয়ানডেতে তাঁর ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান ২১৭ হলেও টেস্টে, ওয়ানডেতে নয়। B) তামিম ইকবাল — তিনি ওয়ানডেতে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বাধিক সেঞ্চুরির মালিক হলেও ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান লিটন দাসের নিচে। C) লিটন দাস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি সঠিক। D) মুশফিকুর রহিম — তাঁর ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ রান অপরাজিত ১৪৪ হলেও এটি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ছিল না এবং লিটন দাসের রান এর চেয়ে বেশি অর্থাৎ ১৭৬। মনে রাখার টিপস: লিটন দাসের এল (L) দিয়ে লিটন এবং ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ রানের (L) রেকর্ড মনে রাখতে পারেন।
a AOECM
b AEOCN
c ACEOM
d AECOM
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) AECOM কেন সঠিক: - আমেরিকান মাল্টিন্যাশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্ম এইকম পদ্মা বহুমুখী সেতুর মূল নকশা বা ডিজাইন প্রণয়ন করেছে। - বিশ্বমানের এই প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানটি সেতুর নকশা প্রণয়ন ও কনসালট্যান্ট হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) AOECM — এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা পরিচিত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠানের নাম নয়, এটি সঠিক উত্তরের একটি এলোমেলো বানান রূপ। B) AEOCN — এই নামের কোনো প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান পদ্মা সেতুর নকশা প্রণয়নের সাথে যুক্ত ছিল না। C) ACEOM — এটি একটি ভুল বিন্যাসের নাম এবং পদ্মা সেতুর ডিজাইনের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) AECOM — এটি সঠিক প্রতিষ্ঠান যা পদ্মা সেতুর নকশা প্রণয়ন করেছে। মনে রাখার টিপস: পদ্মা সেতুর নকশা করেছে আমেরিকার প্রতিষ্ঠান এইকম, নামের শেষে কম আছে।
a পরিকল্পনামন্ত্রী
b অর্থমন্ত্রী
c সড়ক ও যোগাযোগমন্ত্রী
d জনপ্রশাসনমন্ত্রী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্থমন্ত্রী কেন সঠিক: - একনেক বা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (ECNEC) সভাপতি হলেন প্রধানমন্ত্রী। - প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে বা বিকল্প হিসেবে অর্থমন্ত্রী এই কমিটির বিকল্প চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিকল্পনামন্ত্রী — পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকলেও তিনি একনেক-এর বিকল্প চেয়ারম্যান নন। C) সড়ক ও যোগাযোগমন্ত্রী — এই মন্ত্রণালয় অবকাঠামো উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত হলেও বিকল্প চেয়ারম্যানের পদের জন্য নির্ধারিত নয়। D) জনপ্রশাসনমন্ত্রী — জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে, যা একনেক-এর নির্বাহী প্রধানের পদের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: একনেক-এর প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী আর বিকল্প প্রধান হলেন অর্থমন্ত্রী।
a শাল
b কাঁঠাল
c আম
d সেগুন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আম কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আম গাছকে জাতীয় বৃক্ষ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। - আম গাছ বাংলাদেশের গ্রামীণ সংস্কৃতি এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং এর অর্থনৈতিক গুরুত্বও অনেক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাল — শাল বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান বনজ বৃক্ষ এবং শালবনের প্রধান উপাদান হলেও এটি জাতীয় বৃক্ষ নয়। B) কাঁঠাল — কাঁঠাল বাংলাদেশের জাতীয় ফল, তবে এটি জাতীয় বৃক্ষ হিসেবে নির্ধারিত নয়। C) আম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রযোজ্য। D) সেগুন — সেগুন একটি মূল্যবান কাঠ উৎপাদনকারী বৃক্ষ হলেও এটি বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ নয়। মনে রাখার টিপস: ফল হলো কাঁঠাল আর বৃক্ষ হলো আম, এই দুটি গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a নীল বিদ্রোহ
b ফকির ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
c সিপাহী বিদ্রোহ
d ক্ষুদিরাম বিদ্রোহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফকির ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহ কেন সঠিক: - ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালি তথা ভারতীয় উপমহাদেশে সংঘটিত প্রথম প্রতিরোধ আন্দোলন হলো ফকির ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহ। - ১৭৭০ সালের ছিয়াত্তরের মন্বন্তর ও ব্রিটিশদের কঠোর রাজস্ব নীতির কারণে মজনু শাহের নেতৃত্বে এই বিদ্রোহ শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীল বিদ্রোহ — এটি উনিশ শতকের মাঝামা সময়ে (১৮৫৯ থেকে ১৮৬০ সাল) সংঘটিত হয়েছিল, যা প্রথম বিদ্রোহ নয়। B) ফকির ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ। C) সিপাহী বিদ্রোহ — এটি ১৮৫৭ সালে সংঘটিত হয়েছিল, যা ফকির ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহের অনেক পরের ঘটনা। D) ক্ষুদিরাম বিদ্রোহ — এটি কোনো নির্দিষ্ট বিদ্রোহের নাম নয়, বরং ক্ষুদিরাম বসু ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের একজন শহীদ বিপ্লবী। মনে রাখার টিপস: ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে প্রথম আন্দোলন শুরু করেছিলেন সাধু-বাবারা, তাই মনে রাখুন ফকির ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহ হলো প্রথম বিদ্রোহ।
a বাবর
b হুমায়ুন
c আকবর
d জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হুমায়ুন কেন সঠিক: - মুঘল সম্রাট হুমায়ুন ১৫৩৮ সালে গৌড় দখল করার পর বাংলার নাম রাখেন জান্নাতাবাদ। - তার নামকরণের পেছনে বাংলার উর্বর ভূমি ও সৌন্দর্যের প্রতি মুগ্ধতা কাজ করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাবর — তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হলেও বাংলার নামকরণের সঙ্গে জড়িত নন। B) হুমায়ুন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) আকবর — তিনি বাংলাকে সুবা বা প্রদেশ হিসেবে ঘোষণা করেন এবং সুবা বাংলা নাম দেন। D) জাহাঙ্গীর — তার নামানুসারে তৎকালীন বাংলার রাজধানী ঢাকার নাম রাখা হয়েছিল জাহাঙ্গীরনগর। মনে রাখার টিপস: হুমায়ুন শব্দের অর্থ ভাগ্যবান, আর ভাগ্য ভালো বলেই তিনি সুন্দর বাংলাকে জান্নাতাবাদ বা স্বর্গের মতো স্থান বলে নামকরণ করেছিলেন।
a পূর্ববঙ্গ
b পশ্চিমবঙ্গ
c উত্তরবঙ্গ
d দক্ষিণবঙ্গ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উত্তরবঙ্গ কেন সঠিক: - বরেন্দ্র বলতে প্রাচীন বাংলার পুণ্ড্রবর্ধন ভূহ্বলের একটি নির্দিষ্ট অংশকে বোঝায়। - এটি মূলত বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বিস্তীর্ণ পলি অঞ্চল নিয়ে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্ববঙ্গ — পূর্ববঙ্গ বলতে বৃহত্তর ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী অঞ্চলকে বোঝায়, যা বরেন্দ্র অঞ্চল নয়। B) পশ্চিমবঙ্গ — পশ্চিমবঙ্গ ভারতের একটি অঙ্গরাজ্য এবং এটি ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক কারণে বরেন্দ্র অঞ্চলের সমার্থক নয়। সি) উত্তরবঙ্গ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) দক্ষিণবঙ্গ — দক্ষিণবঙ্গ বলতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগসহ উপকূলীয় অঞ্চলকে বোঝায়, যা বরেন্দ্র অঞ্চলের আওতাভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: বরেন্দ্র ভূমি মানেই উত্তরবঙ্গের রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলের প্রাচীন ও উর্বর উঁচু পলিমাটি।
a অপারেটিং সিস্টেম
b এমবেডেড সিস্টেমের প্রোগ্রাম
c এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম
d কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম
ব্যাখ্যাঃ
বিষয় ও ধরন: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত সঠিক উত্তর (কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম) ভুল। ফার্মওয়্যার মূলত একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম, যা হার্ডওয়্যারের সাথে স্থায়ীভাবে যুক্ত থাকে। তাই সঠিক উত্তর হবে এমবেডেড সিস্টেমের প্রোগ্রাম। সঠিক উত্তর: B) এমবেডেড সিস্টেমের প্রোগ্রাম কেন সঠিক: - ফার্মওয়্যার হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা হার্ডওয়্যারের রিড-অনলি মেমরিতে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। - এটি মূলত এমবেডেড সিস্টেম বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইসের হার্ডওয়্যারকে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপারেটিং সিস্টেম — এটি কম্পিউটারের সামগ্রিক সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার ব্যবস্থাপনা করে, যা ফার্মওয়্যারের চেয়ে অনেক বড় ও বিস্তৃত এবং সাধারণত স্টোরেজে থাকে। B) এমবেডেড সিস্টেমের প্রোগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ফার্মওয়্যার হলো হার্ডওয়ারে এমবেড বা স্থায়ীভাবে যুক্ত থাকা নিয়ন্ত্রণকারী প্রোগ্রাম। C) এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম — এটি এক ধরনের সিকিউরিটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের ক্ষতিকর ভাইরাস বা মেলওয়্যার শনাক্ত ও অপসারণ করে। D) কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম — প্রদত্ত উত্তর ভুল, কারণ নেটওয়ার্ক হলো একাধিক কম্পিউটারের সংযোগ ব্যবস্থা, যা ফার্মওয়্যার নয়। মনে রাখার টিপস: ফার্মওয়্যার হলো হার্ডওয়্যারের স্থায়ী প্রাণ, যা এমবেডেড ডিভাইসের ভেতর স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম আকারে থাকে।
a হাশেম খান
b মোস্তফা মনোয়ার
c শেখ হাসিনা
d সব্যসাচী হাজরা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সব্যসাচী হাজরা কেন সঠিক: - শিল্পী সব্যসাচী হাজরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য নির্ধারিত 'মুজিব বর্ষ' লোগোর মূল নকশা তৈরি করেন। - এই লোগোতে একটি সুনির্দিষ্ট শিল্পরীতির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যাতে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক সত্তা ও জন্মশতবর্ষের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাশেম খান — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী হলেও মুজিব বর্ষের লোগো ডিজাইন করেননি। B) মোস্তফা মনোয়ার — তিনি দেশের বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী ও puppeteer হলেও এই লোগোটি তিনি তৈরি করেননি। C) শেখ হাসিনা — তিনি এই লোগোর উন্মোচক ও এর ধারণার মূল প্রেরণা হলেও এর ডিজাইনার নন। D) সব্যসাচী হাজরা — তিনি মুজিব বর্ষের মূল লোগোটি সফলভাবে ডিজাইন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: মুজিব বর্ষের লোগো মানেই সব্যসাচী হাজরার শিল্পকর্ম।
a সুফিয়া কামাল
b নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী
c গোলাম মোস্তফা
d বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন কেন সঠিক: - বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন মুসলিম নারীদের অধিকার ও শিক্ষার প্রসারের জন্য ১৯১৬ সালে আঞ্জুমান খাওয়াতিনে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেন। - এই সংগঠনের মাধ্যমে তিনি পর্দানশীন মুসলিম নারীদের মধ্যে শিক্ষা বিস্তার এবং তাদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলার কাজ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুফিয়া কামাল — তিনি বিশিষ্ট কবি ও নারী অধিকার নেত্রী হলেও এই ঐতিহাসিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা নন। B) নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী — তিনি দানশীল নারী ও নারী শিক্ষার অগ্রদূত হলেও আঞ্জুমান খাওয়াতিনে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেননি। C) গোলাম মোস্তফা — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক ছিলেন, এই নারী সংগঠনের সাথে তার সম্পৃক্ততা নেই। D) বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: রোকেয়ার 'র' দিয়ে রোকেয়া এবং 'র' দিয়ে ১৯১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত নারী সংগঠন আঞ্জুমান খাওয়াতিনে ইসলাম মনে রাখতে পারেন।
a ২১ ফেব্রুয়ারি-০২ মার্চ
b ১৭ মার্চ - ২৬ মার্চ
c ১০ এপ্রিল - ১৯ এপ্রিল
d ২৬ মার্চ - ০৪ এপ্রিল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭ মার্চ - ২৬ মার্চ কেন সঠিক: - ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী এবং ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস। - এই দুটি ঐতিহাসিক তাৎপর্যপূর্ণ দিনকে কেন্দ্র করেই ১০ দিনব্যাপী 'মুজিব চিরন্তন' অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১ ফেব্রুয়ারি-০২ মার্চ — ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস হলেও এই সময়কালটি মুজিব শতবর্ষ বা সুবর্ণজয়ন্তীর মূল অনুষ্ঠানমালার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ১৭ মার্চ - ২৬ মার্চ — এটি সঠিক সময়কাল যা বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও স্বাধীনতা দিবসকে সংযুক্ত করে। সি) ১০ এপ্রিল - ১৯ এপ্রিল — এই সময়কালটি বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণ বা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা ১০ দিনের এই অনুষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত ছিল না। D) ২৬ মার্চ - ০৪ এপ্রিল — ২৬ মার্চ থেকে শুরু হলেও শেষ তারিখটি সঠিক নয় কারণ অনুষ্ঠান শেষ হয়েছিল ২৬ মার্চ। মনে রাখার টিপস: জাতির জন্মদিনের মাসেই অর্থাৎ ১৭ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত এই উৎসব পালিত হয়েছিল।
a 10
b 12
c 15
d 18
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ১২ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের মোট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সংখ্যা ছিল ১২টি। - এই মন্ত্রণালয়গুলোর মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক যোগাযোগ রক্ষা করা হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ — এটি ভুল কারণ মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সংখ্যা ১০টি ছিল না, বরং মোট ১২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ নিয়ে সরকার গঠিত হয়েছিল। B) ১২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সরকার গঠনের সময় সুনির্দিষ্টভাবে ১২টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগ বন্টন করা হয়েছিল। C) ১৫ — এটি ভুল কারণ ১৫টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগের কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি মুজিবনগর সরকারের গঠনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১৮ — এটি ভুল কারণ ১৮টি মন্ত্রণালয় তখন গঠিত হয়নি, তৎকালীন প্রশাসনিক কাঠামোর পরিধি অনুযায়ী মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা ছিল ১২টি। মনে রাখার টিপস: মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রণালয় মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ১২, যা বাংলাদেশের প্রথম সরকারের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি নির্দেশ করে।
a সুন্দরবনের দক্ষিণে
b সন্দ্বীপের পশ্চিমে
c হাতিয়ার উত্তরে
d ভোলার পশ্চিমে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সুন্দরবনের দক্ষিণে কেন সঠিক: - বঙ্গোপসাগরের অববাহিকায় এবং সুন্দরবনের দক্ষিণ-পূর্বে ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সংলগ্ন এলাকায় এই দ্বীপটি অবস্থিত। - ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে এটি সুন্দরবনের দক্ষিণ অংশ ও সমুদ্রের মোহনার কাছাকাছি অঞ্চলে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুন্দরবনের দক্ষিণে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ভৌগোলিকভাবে দ্বীপটির সঠিক অবস্থান নির্দেশ করে। B) সন্দ্বীপের পশ্চিমে — সন্দ্বীপ চট্টগ্রাম অঞ্চলের একটি দ্বীপ যা বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং এর সঙ্গে এই দ্বীপের কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই। C) হাতিয়ার উত্তরে — নোয়াখালী জেলার হাতিয়া দ্বীপটি মূল ভূখণ্ড ও অন্যান্য চরের আরও উত্তরে বা পূর্বে অবস্থিত, তাই এই অবস্থানটি সঠিক নয়। D) ভোলার পশ্চিমে — ভোলা বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ দ্বীপ যা মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত এবং এর ভৌগোলিক অবস্থান সুন্দরবনের দক্ষিণ অঞ্চলের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: সুন্দরবনের দক্ষিণ দিকে সাগরের বুকে জাসুস বা বনভূমির ধারাবাহিকতায় জেগে ওঠা দ্বীপটির নামই বঙ্গবন্ধু দ্বীপ।
a 2009
b 2010
c 2011
d 2012
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০১২ কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা এই আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থটি ২০১২ সালের ১৮ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়। - দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড ইউপিএল থেকে বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০৯ — এই সালে বইটি প্রকাশের কোনো ঐতিহাসিক রেকর্ড বা সরকারি ঘোষণা নেই। B) ২০১০ — এই সালে বইটি প্রকাশিত হয়নি, এটি প্রকাশের পূর্বের প্রস্তুতিমূলক সময় ছিল। C) ২০১১ — এই সালে বইটি প্রকাশের কাজ বা সম্পাদনার প্রস্তুতি চললেও গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়নি। D) ২০১২ — এই সালে বঙ্গবন্ধু রচিত অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রথম প্রকাশিত হয়, তাই এটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর জন্ম ১৯২০ সালে এবং তাঁর অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে, সাল দুটির শেষ অঙ্ক ২0 এবং ১২ মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
a অন্ধ্র প্রদেশ
b দিল্লি
c গুজরাট
d উত্তর প্রদেশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গুজরাট কেন সঠিক: - নরেন্দ্র মোদী ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে ২০০১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ সময় গুজরাট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - তাঁর এই দীর্ঘ মেয়াদী মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে গুজরাট রাজ্যে ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শিল্পায়ন সাধিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্ধ্র প্রদেশ — এটি ভারতের দক্ষিণ অঞ্চলের একটি রাজ্য এবং নরেন্দ্র মোদী এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কখনো ছিলেন না। B) দিল্লি — দিল্লি ভারতের একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং জাতীয় রাজধানী অঞ্চল, যার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদী কখনো দায়িত্ব পালন করেননি। C) গুজরাট — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) উত্তর প্রদেশ — এটি ভারতের সর্বাধিক জনসংখ্যাপূর্ণ রাজ্য হলেও নরেন্দ্র মোদী এখান থেকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কখনো দায়িত্ব পালন করেননি। মনে রাখার টিপস: মোদীজি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে তাঁর নিজ রাজ্য গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।
a ফ্রান্স
b ইতালি
c ইংল্যান্ড
d জার্মানি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইতালি কেন সঠিক: - চতুর্দশ শতাব্দীতে ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে সর্বপ্রথম রেনেসাঁ বা পুনর্জন্ম শুরু হয়েছিল। - প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সংস্কৃতি এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের পুনরুজ্জীবনের মাধ্যমে আধুনিক ইউরোপের সূচনা ঘটেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — ফ্রান্সে রেনেসাঁ শুরু হয়েছিল পরবর্তী সময়ে, ইতালির প্রভাব ছড়িয়ে পড়ার পর। B) ইতালি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ডে রেনেসাঁ শুরু হয়েছিল এলিজাবেথীয় যুগে, যা ইতালির তুলনায় অনেক পরে। D) জার্মানি — জার্মানিতে রেনেসাঁ মূলত ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিল এবং এটিও ইতালির পরে ঘটেছিল। মনে রাখার টিপস: রেনেসাঁ বা পুনর্জন্মের সূতিকাগার বলা হয় ইতালিকে, যার রাজধানী রোম প্রাচীন সভ্যতার কেন্দ্র ছিল।
a ১৯৩৯-১৯৬৯
b ১৯৫০-১৯৯০
c ১৯৪৭-১৯৭৫
d ১৯৪৫-১৯৯১
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: D) ১৯৪৫-১৯৯১ কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে মতাদর্শগত দ্বন্দ্বের সূচনা হয়। - ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের আনুষ্ঠানিক ভাঙনের মধ্য দিয়ে এই স্নায়ুযুদ্ধের অবসান ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৩৯-১৯৬৯ — এই সময়কালটি স্নায়ুযুদ্ধের সঠিক ব্যাপ্তি নির্দেশ করে না, কারণ ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়েছিল। B) ১৯৫০-১৯৯০ — এই সালগুলো স্নায়ুযুদ্ধের পূর্ণ সময়সীমা নয়, কারণ এর শুরু ও শেষের সাল ভুল দেওয়া আছে। C) ১৯৪৭-১৯৭৫ — ১৯৪৭ সাল থেকে স্নায়ুযুদ্ধ তীব্র হলেও এর সমাপ্তি ১৯৭৫ সালে হয়নি, ১৯৯১ সালে হয়েছিল। D) ১৯৪৫-১৯৯১ — এই সময়কালটিই যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার স্নায়ুযুদ্ধের সঠিক ঐতিহাসিক কালকাল। মনে রাখার টিপস: বিশ্বযুদ্ধ শেষের বছর ১৯৪৫ থেকে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙার বছর ১৯৯১ পর্যন্ত সময়কাল হলো স্নায়ুযুদ্ধ।
a ১২০৪-১৩০৫
b ১৩১৩-১৪৪৫
c ১৩৬৮-১৭৫৭
d ১৩৩৭-১৪৫৩
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩৩৭-১৪৫৩ কেন সঠিক: - এই যুদ্ধটি ইংল্যান্ডের প্লান্টাজেনেট রাজবংশ এবং ফ্রান্সের ভালোয়া রাজবংশের মধ্যে সিংহাসন ও ভূখণ্ডগত অধিকার নিয়ে সংঘটিত হয়েছিল। - মাঝে বিভিন্ন সময় যুদ্ধবিরতি ও শান্তি চুক্তি হলেও রক্তক্ষয়ী এই সংঘাতটি মূলত ১৩৩৭ সাল থেকে শুরু হয়ে ১৪৫৩ সালে সমাপ্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২০৪-১৩০৫ — এই সময়সীমা ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের শতবর্ষ যুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, বরং এটি ত্রয়োদশ শতাব্দীর ভিন্ন রাজনৈতিক সংঘাতের কাল। B) ১৩১৩-১৪৪৫ — এই কালপঞ্জিটি ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের শতবর্ষ যুদ্ধের ঐতিহাসিক সূচনার সঠিক সময়কাল নির্দেশ করে না। C) ১৩৬৮-১৭৫৭ — এই সময়সীমাটি অনেক দীর্ঘ এবং এর শেষ সময়টি ভারতীয় উপমহাদেশের পলাশী যুদ্ধের সঙ্গে জড়িত, শতবর্ষ যুদ্ধের সঙ্গে নয়। D) ১৩৩৭-১৪৫৩ — এটিই ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে সংঘটিত ঐতিহাসিক শতবর্ষ যুদ্ধের প্রকৃত সময়কাল। মনে রাখার টিপস: শতবর্ষ যুদ্ধ মনে রাখতে ১৩৩৭ সাল থেকে শুরু হয়ে ১৪৫৩ সালে শেষ হয়েছে এই সংখ্যাগুলো ক্রমানুসারে মনে রাখুন।
a সুফিয়া কামাল
b বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
c সেলিনা হোসেন
d জাহানারা ইমাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সুফিয়া কামাল কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রথিতযশা সাহিত্যিক ও নারী অধিকার নেত্রী কবি সুফিয়া কামালকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জননী সাহসিক উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। - বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তী সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তাঁর সাহসিকতাপূর্ণ নেতৃত্ব ও অবদানের জন্য তাঁকে এই সম্মান জানানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুফিয়া কামাল — এই অপশনটি সঠিক, কারণ তিনি তাঁর সাহসিকতা ও আপসহীন ভূমিকার জন্য জননী সাহসিক উপাধি লাভ করেছিলেন। B) বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন — তিনি বাঙালি নারী জাগরণের অগ্রদূত হলেও তাঁকে জননী সাহসিক বলা হয় না, তাঁকে নারী জাগরণের পথকৃৎ বলা হয়। C) সেলিনা হোসেন — তিনি একজন প্রখ্যাত সমকালীন ঔপন্যাসিক ও কথাসাহিত্যিক, যাঁর সাহিত্যকর্ম প্রশংসিত হলেও এই উপাধির সঙ্গে সম্পর্কিত নন। D) জাহানারা ইমাম — তিনি একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নেত্রী ও শহীদ জননী হিসেবে পরিচিত, তবে তাঁকে জননী সাহসিক বলা হয় না। মনে রাখার টিপস: সাহসিকতার সঙ্গে যিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন এবং কবি হিসেবে পরিচিত, তিনিই কবি সুফিয়া কামাল বা জননী সাহসিক।

মোট প্রশ্ন (12)

a পিআরএসপি
b পিকেএসএফ
c মাইক্রো ক্রেডিট
d পিডিবিএফ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পিডিবিএফ কেন সঠিক: - পিডিবিএফ (PDBF) হলো পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীনে পরিচালিত একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান, যা কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নে ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান করে। - এই সংস্থাটি দুস্থ ও দরিদ্র গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং কৃষিভিত্তিক খাতের উন্নয়নে বিশেষভাবে কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিআরএসপি — এটি কোনো ঋণ প্রদানকারী প্রকল্প নয়, এটি হলো দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য সরকারের একটি কৌশলগত নীতি দলিল বা প্রামাণ্য দলিল। B) পিকেএসএফ — এটি দেশের বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থাকে (এনজিও) পাইকারি হারে ঋণ প্রদানকারী একটি শীর্ষস্থানীয় অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান, সরাসরি ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্প নয়। C) মাইক্রো ক্রেডিট — এটি কোনো নির্দিষ্ট সরকারি প্রকল্প বা প্রতিষ্ঠানের নাম নয়, এটি সামগ্রিক অর্থে ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থার একটি সাধারণ ইংরেজি পরিভাষা। D) পিডিবিএফ — এটি কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নে সরাসরি ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণকারী একটি নির্দিষ্ট সরকারি প্রকল্প বা তহবিল। মনে রাখার টিপস: কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নে সরাসরি সরকারি ক্ষুদ্র ঋণ মানেই পিডিবিএফ (PDBF)।
a মূলধন
b বণ্টন
c মুনাফা
d থলে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) থলে কেন সঠিক: - বাজেট শব্দটি ফরাসি শব্দ বুজেট থেকে এসেছে যার আক্ষরিক অর্থ চামড়ার থলে। - প্রাচীনকালে যুক্তরাজ্যে অর্থমন্ত্রী বা চ্যান্সেলর অব দ্য এক্সচেকার হিসাবের কাগজপত্রের থলে নিয়ে পার্লামেন্টে উপস্থিত হতেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মূলধন — এটি ব্যবসার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত আর্থিক সম্পদ বা পুঁজি নির্দেশ করে যা বাজেটের মূল অর্থ নয়। B) বণ্টন — এটি অর্থ বা সম্পদ বিভাজনের প্রক্রিয়া বোঝায় কিন্তু বাজেট শব্দের শাব্দিক অর্থ এটি নয়। C) মুনাফা — এটি ব্যবসা বা বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত লাভ বোঝায় যা বাজেটের আক্ষরিক অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। D) থলে — এটি বাজেট শব্দের মূল এবং ঐতিহাসিক আক্ষরিক অর্থ যা চামড়ার থলে হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: বাজেট মানেই একটি থলে যেখানে হিসাবের কাগজপত্র রাখা হতো।
a সম্পদ সর্বাধিকরণ
b মুনাফা সর্বাধিকরণ
c মূলধন বৃদ্ধি
d বিক্রয় বৃদ্ধি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুনাফা সর্বাধিকরণ কেন সঠিক: - ব্যবসার মূল উদ্দেশ্য হলো কম খরচে পণ্য বা সেবা উৎপাদন করে সর্বোচ্চ আর্থিক লাভ বা মুনাফা অর্জন করা। - ঐতিহ্যবাহী ও ধ্রুপদী অর্থায়ন বা ব্যবসায় নীতি অনুযায়ী মুনাফা অর্জনই যেকোনো ফার্মের প্রাথমিক ও প্রধান লক্ষ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্পদ সর্বাধিকরণ — এটি আধুনিক ফিন্যান্সের লক্ষ্য হলেও, ঐতিহ্যবাহী ব্যবসায়িক ফার্মের প্রাথমিক বা প্রধান লক্ষ্য হিসেবে মুনাফা সর্বাধিকরণকেই বিবেচনা করা হয়। B) মুনাফা সর্বাধিকরণ — এটি এই প্রশ্নের জন্য সঠিক উত্তর এবং ফার্মের প্রাথমিক লক্ষ্য। C) মূলধন বৃদ্ধি — মূলধন বৃদ্ধি ব্যবসার একটি সহায়ক কার্যক্রম বা দীর্ঘমেয়াদী ফলাফল হতে পারে, তবে এটি ফার্মের প্রধান লক্ষ্য নয়। D) বিক্রয় বৃদ্ধি — বিক্রয় বৃদ্ধি মুনাফা অর্জনের একটি মাধ্যম হতে পারে, কিন্তু এটি সরাসরি ফার্মের একমাত্র বা প্রধান লক্ষ্য হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: ব্যবসা মানেই লাভ, তাই ফার্মের প্রধান লক্ষ্য হলো মুনাফা সর্বাধিকরণ।
a দৃশ্যমান ব্যয়
b নগদ ব্যয়
c বাকী ব্যয়
d অনগদ ব্যয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনগদ ব্যয় কেন সঠিক: - অবচয় এমন একটি ব্যয় যা কারবারের সম্পদ ব্যবহারের ফলে সৃষ্টি হয় কিন্তু এর জন্য বাস্তবে কোনো নগদ টাকা কারবার থেকে চলে যায় না। - এটি হিসাবকালের একটি অভ্যন্তরীণ ও সমন্বয়কারী লেনদেন, যা মুনাফা থেকে কর্তন করা হলেও ক্যাশ ফ্লো বা নগদ প্রবাহকে সরাসরি প্রভাবিত করে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৃশ্যমান ব্যয় — অবচয় দৃশ্যমান নয়, কারণ এটি স্থায়ী সম্পদের মূল্য হ্রাসের একটি কাল্পনিক বা হিসাবরক্ষণ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া। B) নগদ ব্যয় — অবচয়ের ক্ষেত্রে কোনো নগদ অর্থের লেনদেন হয় না বিধায় এটি নগদ ব্যয় নয়। C) বাকী ব্যয় — অবচয় কোনো বাকিতে লেনদেন নয়, এটি ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির হিসাবরক্ষণজনিত বরাদ্দ মাত্র। D) অনগদ ব্যয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ অবচয় সরাসরি নগদ অর্থের বহির্গমন ঘটায় না। মনে রাখার টিপস: যেই খরচে হাত দিয়ে টাকা দেওয়া লাগে না সেটাই অনগদ ব্যয়, আর অবচয় হলো এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ।
a দাতা, গ্রহীতা এবং বিবরণী
b নাম, দাতা ও গ্রহীতা
c তারিখ, বিবরণী ও টাকার অংক
d দাতা, গ্রহীতা ও টাকার অংক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নাম, দাতা ও গ্রহীতা কেন সঠিক: - হিসাববিজ্ঞানের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী একটি হিসাবে মূলত হিসাবের নাম, দাতা এবং গ্রহীতা এই তিনটি প্রধান উপাদান থাকে। - এটি মূলত সনাতন পদ্ধতিতে হিসাবের ডেবিট ও ক্রেডিট নির্ণয়ের মূল ভিত্তি নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দাতা, গ্রহীতা এবং বিবরণী — বিবরণী হিসাবের একটি অংশ হলেও হিসাবের তিনটি মৌলিক উপাদানের সঠিক সেট এটি নয়। B) নাম, দাতা ও গ্রহীতা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং হিসাবের তিনটি প্রধান উপাদানকে সঠিকভাবে নির্দেশ করে। C) তারিখ, বিবরণী ও টাকার অংক — এটি খতিয়ান বা জাবেদার ঘর তৈরির উপাদান, হিসাবের মৌলিক উপাদান নয়। D) দাতা, গ্রহীতা ও টাকার অংক — টাকার অংক হিসাবের অপরিহার্য অংশ হলেও হিসাবের তাত্ত্বিক উপাদান হিসেবে এখানে বিবরণীর পরিবর্তে টাকার অংক ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: হিসাবের মূল উপাদান মনে রাখতে "নাম ও দুই পক্ষ (দাতা ও গ্রহীতা)" এই সূত্রটি মনে রাখতে হবে।
a আর্থিক অবস্থা
b মূলধন
c সঠিক হিসাবরক্ষণ
d অর্জিত মুনাফা
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা সঠিক উত্তর: D) অর্জিত মুনাফা কেন সঠিক: - আয়কর, মূল্য সংযোজন কর এবং আবগারি শুল্ক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অর্থনৈতিক কার্যক্রমের ফলস্বরূপ অর্জিত মুনাফা বা আয়ের ওপর ধার্য করা হয়। - কর ব্যবস্থার মূল ভিত্তি হলো উৎপাদন বা বিক্রয়ের মাধ্যমে অর্জিত আয় বা মুনাফা থেকে নির্দিষ্ট হারে রাজস্ব সংগ্রহ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আর্থিক অবস্থা — আর্থিক অবস্থা কর নির্ধারণের পরিমাপক হতে পারে, তবে কর ধার্যের মূল ভিত্তি হলো অর্জিত আয় বা মুনাফা। B) মূলধন — মূলধন হলো ব্যবসার সূচনার তহবিল, যা সরাসরি করের ভিত্তি নয় বরং মুনাফা অর্জনের মাধ্যম। C) সঠিক হিসাবরক্ষণ — এটি কর গণনার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে, কিন্তু কর ধার্যের মূল অর্থনৈতিক ভিত্তি বা উৎস নয়। D) অর্জিত মুনাফা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কর মানেই আয়ের ওপর টান, তাই আয় বা মুনাফাই হলো কর ধার্যের প্রধানানান।
a ডেবিট জের
b ক্রেডিট জের
c ডেবিট, ক্রেডিট এবং শূন্য জের
d ডেবিট এবং ক্রেডিট জের দুটিই
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ডেবিট এবং ক্রেডিট জের দুটিই কেন সঠিক: - হিসাববিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো হিসাবের উদ্বৃত্ত বা জের সাধারণত ডেবিট অথবা ক্রেডিট যেকোনো একটি হতে পারে। - লেনদেনের ধরন ও প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে হিসাবের ডেবিট দিক বা ক্রেডিট দিক বড় হতে পারে, যার ফলে জের দুটিই প্রকাশ পাওয়া সম্ভব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেবিট জের — এটি সঠিক হলেও কেবল একটি পক্ষকে নির্দেশ করে, কারণ কোনো হিসাব কেবল ডেবিট জের ছাড়াও ক্রেডিট জেরও প্রকাশ করতে পারে। B) ক্রেডিট জের — এটিও সত্য কিন্তু অসম্পূর্ণ, কারণ ডেবিট জেরের পাশাপাশি হিসাব ক্রেডিট জেরও প্রকাশ করতে সক্ষম। C) ডেবিট, ক্রেডিট এবং শূন্য জের — হিসাব শূন্য হতে পারে, তবে মূলত জের বলতে ডেবিট বা ক্রেডিট অবস্থাকেই বোঝানো হয়, তাই এটি প্রচলিত প্রধান উত্তর নয়। D) ডেবিট এবং ক্রেডিট জের দুটিই — এটি সম্পূর্ণ ও সঠিক কারণ একটি হিসাব তার জীবনকালে ডেবিট বা ক্রেডিট উভয় প্রকার জেরই প্রকাশ করতে পারে। মনে রাখার টিপস: হিসাবের জের সবসময় দুটি রূপ নিতে পারে, ডেবিট অথবা ক্রেডিট।
a ১৪৪১ খ্রি.
b ১৩৯৪ খ্রি.
c ১৪৯৪ খ্রি.
d ১৪৮৯ খ্রি.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪৯৪ খ্রি. কেন সঠিক: - হিসাববিজ্ঞানের জনক লুকা প্যাসিওলি ১৪৯৪ সালে ইতালির ভেনিস শহরে 'সুমা দ্য আরিথমেটিকা' গ্রন্থ প্রকাশ করেন। - এই বইটিতে প্রথমবারের মতো দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতির বিস্তারিত নীতি ও কৌশল আলোচনা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪৪১ খ্রি. — এটি দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতির উৎপত্তির সাল নয় এবং এই সালে হিসাববিজ্ঞান সংক্রান্ত কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। B) ১৩৯৪ খ্রি. — এটি একটি ভুল সাল এবং লুকা প্যাসিওলি তার বিখ্যাত গ্রন্থটি এর অনেক পরে প্রকাশ করেছিলেন। C) ১৪৯৪ খ্রি. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) ১৪৮৯ খ্রি. — এটি কাছাকাছি একটি সাল হলেও লুকা প্যাসিওলি তার গ্রন্থটি এই বছরে প্রকাশ করেননি। মনে রাখার টিপস: লুকা প্যাসিওলি ১৪৯৪ সালে বই লিখে দু'তরফা পদ্ধতির সূচনা করেন; মনে রাখুন ১৪ এবং ৯৪ মিলে ১৪৯৪ সাল।
a আয় ও ব্যয়ের হিসাব
b সম্পত্তি ও দায়ের পার্থক্য
c নগদ প্রাপ্তি ও প্রদানের পার্থক্য
d সম্পত্তি ও দায়ের হিসাব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সম্পত্তি ও দায়ের পার্থক্য কেন সঠিক: - ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মোট সম্পদ থেকে মোট দায় বাদ দিলে যা অবশিষ্ট থাকে, তাকে মূলধন তহবিল বলা হয়। - অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এটি প্রারম্ভিক বা সমাপনী মূলধন হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয় ও ব্যয়ের হিসাব — এটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের উদ্বৃত্ত বা ঘাটতি নির্ণয় করে, মূলধন তহবিল নয়। B) সম্পত্তি ও দায়ের পার্থক্য — এটি মূলধন তহবিলের সঠিক সংজ্ঞা ও নির্ণয়ের পদ্ধতি। C) নগদ প্রাপ্তি ও প্রদানের হিসাব — এটি কেবল নগদ লেনদেনের বিবরণী প্রকাশ করে, যা মূলধন তহবিল নির্দেশ করে না। D) সম্পত্তি ও দায়ের হিসাব — এটি সামগ্রিক হিসাবের বিবরণী, নির্দিষ্ট কোনো তহবিল নয়। মনে রাখার টিপস: মূলধন তহবিল পেতে হলে সম্পদ থেকে দায় বিয়োগ করতে হয়।
a সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
b ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন বোর্ড
c বাণিজ্যিক ব্যাংক
d কেন্দ্রীয় ব্যাংক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কেন্দ্রীয় ব্যাংক কেন সঠিক: - কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের মুদ্রাবাজারের অভিভাবক এবং অর্থ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণকারী প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠান। - এটি সুদের হার নির্ধারণ এবং ব্যাংক খাতের ওপর তদারকি করার মাধ্যমে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন — এটি পুঁজিবাজার বা শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ করে, মুদ্রাবাজার নয়। B) ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন বোর্ড — এটি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং পুঁজিবাজারে সিকিউরিটিজ ক্রয়-বিক্রয়ের সাথে যুক্ত। C) বাণিজ্যিক ব্যাংক — এরা জনগণের আমানত গ্রহণ ও ঋণ প্রদান করে, তবে পুরো মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ করে না। D) কেন্দ্রীয় ব্যাংক — এটি দেশের মুদ্রাবাজারের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ করে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন।
a ফিসার ব্ল্যাক
b উইলিয়াম ক্যারি
c নিকোলাস বারবন
d ইউজিন ফামা
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা সঠিক উত্তর: C) নিকোলাস বারবন কেন সঠিক: - ১৬৬৬ সালের ভয়াবহ লন্ডন অগ্নিকাণ্ডের পর ডক্টর নিকোলাস বারবন অগ্নি বীমা ব্যবস্থার প্রচলন করেন। - তিনি লণ্ডনে প্রথম অগ্নি বীমা কোম্পানি গঠন করে বাড়ি ও ভবন বীমার আধুনিক ধারণা দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিসার ব্ল্যাক — তিনি আধুনিক আর্থিক অর্থনীতি এবং ব্ল্যাক স্কোলস অপশন প্রাইসিং মডেলের সাথে যুক্ত। B) উইলিয়াম ক্যারি — তিনি আধুনিক বাংলা মুদ্রণ শিল্পের জনক এবং শ্রীরামপুর মিশনের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন। D) ইউজিন ফামা — তিনি দক্ষ বাজার অনুমান তত্ত্বের জন্য পরিচিত একজন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ। মনে রাখার টিপস: অগ্নি মানে আগুন বা বার্ন, আর বারবন নামের সাথে বার্ন শব্দটি মিলিয়ে নিকোলাস বারবনকে মনে রাখা যায়।
a ঋণ গ্রহীতা
b ঋণ পরিশোধে অক্ষম
c ঋণের জামানতকারী
d ঋণ খেলাপি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঋণ পরিশোধে অক্ষম কেন সঠিক: - দেউলিয়া বা банкрот হলো আইনিভাবে এমন এক অবস্থা, যেখানে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাদের পাওনাদারদের ঋণ পরিশোধ করতে সম্পূর্ণ অক্ষম হয়। - আদালতের ঘোষণা অনুযায়ী এই ধরনের ব্যক্তির সম্পত্তি বিক্রি করে পাওনাদারদের পাওনা মেটানোর ব্যবস্থা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঋণ গ্রহীতা — ঋণ গ্রহীতা যেকোনো ব্যক্তি হতে পারে যিনি ঋণ নেন, তিনি নিয়মিত ঋণ পরিশোধও করতে পারেন তাই এটি ভুল। B) ঋণ পরিশোধে অক্ষম — এটি সঠিক কারণ দেউলিয়া হওয়ার মূল শর্তই হলো দেনা পরিশোধে আইনগত ও আর্থিকভাবে অক্ষমতা। সি) ঋণের জামানতকারী — জামানতকারী মূল ঋণ গ্রহীতার পক্ষে গ্যারান্টি দেন, তিনি নিজে সরাসরি দেউলিয়া হওয়ার সমার্থক নন। D) ঋণ খেলাপি — ঋণ খেলাপি নির্দিষ্ট সময়ে কিস্তি বা ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হন, কিন্তু তিনি আইনি প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ দেউলিয়া ঘোষিত নাও হতে পারেন। মনে রাখার টিপস: দেউলিয়া মানেই আর্থিক শূন্যতা, অর্থাৎ ঋণ পরিশোধ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলা।