বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে ল্যাবরেটরি সহকারী পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১।

পদের নাম: ল্যাবরেটরী সহকারী (১৪তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (70)

a মাছ + ও
b মাছ + উয়া > ও
c মাছি + উয়া > ও
d মেছ + ও
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাছ + উয়া > ও ১. কেন সঠিক: 'মেছো' একটি তদ্ধিতান্ত শব্দ যা বিশেষ্য পদ থেকে বিশেষণ পদ গঠনে ব্যবহৃত হয়। মূল বিশেষ্য শব্দ 'মাছ'-এর সঙ্গে 'উয়া' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এবং ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মে ও-কারে রূপান্তরিত হয়ে 'মেছো' শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দমূল বা প্রাতিপদিকের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। বাংলা ভাষায় বিশেষ্য পদের সঙ্গে 'উয়া' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে অনেক সময় বিশেষণ পদ গঠন করে এবং উচ্চারণের সুবিধার জন্য 'উয়া' অংশটি সংকুচিত হয়ে ও-কার রূপ ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা + উয়া > ঢাকাইয়া ব্যাখ্যা: বিশেষ্য পদের সঙ্গে উয়া প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্থানবাচক বিশেষণ পদ গঠন করেছে। উদাহরণ ২: হাত + উয়া > হাতো ব্যাখ্যা: বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে উয়া প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এবং ধ্বনি পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন বিশেষণ শব্দ তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাছ + ও — সরাসরি 'ও' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দ গঠন প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সিদ্ধ নয়, এখানে মাঝের উয়া প্রত্যয় লোপ পাওয়ার প্রক্রিয়া অনুপস্থিত। C) মাছি + উয়া > ও — 'মাছি' আলাদা একটি শব্দ যার অর্থ ভিন্ন, তাই এর সঙ্গে 'উয়া' যুক্ত হয়ে মেছো শব্দ তৈরি হতে পারে না। D) মেছ + ও — 'মেছ' কোনো মৌলিক শব্দ বা প্রাতিপদিক নয়, তাই এর সঙ্গে সরাসরি ও প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মেছো গঠিত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: বিশেষ্য পদের সঙ্গে উয়া প্রত্যয় যুক্ত করার পর তা যদি সংক্ষিপ্ত হয়ে ও-কার রূপ নেয়, তবে তা সাধারণত বিশেষণ পদ নির্দেশ করে। শব্দের মূল অংশ চেনার জন্য প্রত্যয় বাদ দিয়ে মূল বিশেষ্য পদটি খুঁজে বের করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের শেষাংশে ও-কার থাকলে তা সাধারণত উয়া প্রত্যয়ান্ত শব্দ হিসেবে গণ্য করতে হয়।
a উপন্যাস
b ছোট গল্প
c প্রবন্ধ
d অনুবাদ নাটক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনুবাদ নাটক ১. কেন সঠিক: - মুনীর চৌধুরীর 'মুখরা রমণী বশীকরণ' একটি অনুবাদ নাটক। - এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত কমেডি নাটক 'দ্য টেমিং অব দ্য শ্রিউ' এর বাংলা অনুবাদ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী, নাট্যকার ও ভাষাসৈনিক। - ১৯৬০ সালে বাংলা একাডেমির উদ্যোগে উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের নাটকটির এই অনুবাদ প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রক্তকরবী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত প্রতীকধর্মী নাটক। উদাহরণ ২: কবর ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরীর লেখা ভাষাভিত্তিক প্রথম মৌলিক নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — 'মুখরা রমণী বশীকরণ' কোনো উপন্যাস নয়, কারণ এটি মঞ্চে অভিনীত হওয়ার উপযোগী নাটক হিসেবে রচিত। B) ছোট গল্প — এটি ছোটগল্পের কাঠামোগত বৈশিষ্ট্য যেমন সংক্ষিপ্ত পরিসর ও একক ভাব বহন করে না, বরং এটি একটি নাটক। C) প্রবন্ধ — প্রবন্ধ হলো কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে তত্ত্ব বা তথ্যভিত্তিক গদ্য রচনা, যা এই নাটকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) অনুবাদ নাটক — এটি সঠিক কারণ গ্রন্থটি শেক্সপিয়ারের নাটকের সফল অনুবাদ রূপ। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুনীর চৌধুরী মানেই শেক্সপিয়ারের নাটকের অনুবাদ, আর মুখরা রমণী বশীকরণ তার বিখ্যাত অনুবাদকর্ম। - নাটক মনে রাখতে মুখের বশীকরণ নাটকের মাধ্যমে হয়, এমন কৌশল মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি নাটকের বাংলা অনুবাদ প্রায়ই আসে। - শেক্সপিয়ারের নাটকের অনুবাদক হিসেবে মুনীর চৌধুরীর এই কাজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a 1861
b 1865
c 1969
d 1961
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1861 ১. কেন সঠিক: মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বিখ্যাত 'মেঘনাদবধ কাব্য' প্রথম ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়। বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য হিসেবে এর প্রকাশকাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেট প্রবর্তন করে নতুন যুগের সূচনা করেন। 'মেঘনাদবধ কাব্য' বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য যা রামায়ণ কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত হলেও রাবণ ও মেঘনাদের চরিত্রকে মহিমান্বিত করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরাঙ্গনা কাব্য (১৮৬২) ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য। উদাহরণ ২: তিলোৎসম্ভব কাব্য (১৮৬০) ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1861 — এই সালে 'মেঘনাদবধ কাব্য' প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। B) 1865 — এই সালে মধুসূদন দত্তের কোনো মহাকাব্য প্রকাশিত হয়নি, তাই এই অপশনটি ভুল। C) 1969 — এই সালটি অনেক পরের এবং এটি বাংলা সাহিত্যের কোনো প্রাচীন প্রকাশকাল নয়। D) 1961 — এই সালে রবীন্দ্রজন্মশতবর্ষ পালিত হয়েছিল, যা মেঘনাদবধ কাব্যের প্রকাশকালের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালে তার শ্রেষ্ঠ কীর্তি মেঘনাদবধ কাব্য প্রকাশ করেন। এভাবে মনে রাখতে পারো যে ১৮৬১ সালটি মহাকাব্যের প্রকাশের জন্য বিখ্যাত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য এবং এর রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত। এই ধরনের প্রকাশকাল সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a Buddhist Mystic Songs
b চর্যাগীতিকা
c চর্যাগীতিকোষ
d হাজার বছরের পুরান বাংলা ভাষার বৌদ্ধগান ও দোহা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Buddhist Mystic Songs ১. কেন সঠিক: - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ১৯৫৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চর্যাপদ প্রকাশ করার সময় এর ইংরেজি নামকরণ করেছিলেন Buddhist Mystic Songs। - এই নামকরণের মাধ্যমে তিনি চর্যাপদের মূল বৌদ্ধ ধর্মের রহস্যবাদ ও আধ্যাত্মিক গানগুলোর ভাবার্থ প্রকাশ করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্দেশক নিদর্শন চর্যাপদের অন্যতম প্রধান সম্পাদক ও গবেষক। - তিনি চর্যাপদের ভাষা ও ধর্মের তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করে এর সূচনাকাল সপ্তম শতাব্দী বলে মত প্রকাশ করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী সম্পাদিত গ্রন্থ: হাজার বছর পুরান বাংলা ভাষার বৌদ্ধ গান ও দোহা। ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ যার সঙ্গে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সম্পাদিত গ্রন্থের নাম প্রায় মিলে যায় কিন্তু ইংরেজি নাম আলাদা। উদাহরণ ২: ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের গবেষণা গ্রন্থ: ওডিসি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অব বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ নিয়ে রচিত একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ যেখানে চর্যাপদের ভাষা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Buddhist Mystic Songs — এই অপশনটি সঠিক কারণ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত গ্রন্থের ইংরেজি নাম এটিই ছিল। B) চর্যাগীতিকা — এটি ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বা অন্য কোনো গবেষকের দেওয়া নামকরণ হতে পারে কিন্তু ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সম্পাদিত নির্দিষ্ট গ্রন্থের ইংরেজি নাম এটি নয়। C) চর্যাগীতিকোষ — এটি আচার্য সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় বা প্রবোধ চন্দ্র বাগচীর সম্পাদিত গ্রন্থের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নাম, শহীদুল্লাহর সম্পাদিত গ্রন্থের নাম নয়। D) হাজার বছরের পুরান বাংলা ভাষার বৌদ্ধগান ও দোহা — এটি মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী সম্পাদিত চর্যাপদের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থের নাম, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সম্পাদিত গ্রন্থের নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শহীদুল্লাহর এস এবং সংস বা সংংস এর এস মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সম্পাদিত গ্রন্থের ইংরেজি নামের সঙ্গে সং শব্দ বা Mystic Songs যুক্ত আছে। - হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর বইয়ের নামের সঙ্গে হাজার বছর আর শহীদুল্লাহর বইয়ের ইংরেজি নামের সঙ্গে Mystic Songs মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদ আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এর বিভিন্ন সম্পাদকের গ্রন্থের নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - কোন সম্পাদক চর্যাপদের কোন কাল নির্ধারণ করেছেন এবং কোন গ্রন্থ কোন সালে প্রকাশিত হয়েছে তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a জনশ্রুতি
b আনমনা
c খাসমহল
d তপোবন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জনশ্রুতি ১. কেন সঠিক: যে সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থের বাইরে নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ পায় এবং পুরো পদটি একটি বিশেষণ পদ হিসেবে কাজ করে, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। জনশ্রুতি শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো মানুষের মুখে মুখে যা প্রচলিত, যা একটি বিশেষ অর্থ বা জনপ্রবাদ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বহুব্রীহি সমাস প্রধানত নয় প্রকারের হয়ে থাকে যেমন সমানাধিকরণ, ব্যাধিকরণ, ব্যতিহার, মধ্যপদলোপী ইত্যাদি। সমাসবদ্ধ পদটি সাধারণত পূর্বপদ ও পরপদের অর্থ প্রকাশ না করে অন্য কোনো নতুন অর্থ বা ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিনা পানিতে যার = বিনা পানি। এটি বহুব্রীহি সমাসের একটি প্রচলিত উদাহরণ যেখানে দেবী সরস্বতীকে বোঝায়। উদাহরণ ২: হাতাখাতা যার = হাতাহাতি। এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ যা পারস্পরিক ক্রিয়ার অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জনশ্রুতি শব্দের সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। B) আনমনা শব্দটি প্রাদি সমাস বা অব্যয়ীভাব সমাসের নিয়ম অনুসারে গঠিত যেখানে মনের অনুপস্থিতি বোঝায়। C) খাসমহল শব্দটি ফার্সি উপসর্গ যোগে গঠিত একটি বিশেষ শব্দ যা কর্মধারয় সমাসের মতো অর্থ প্রকাশ করে। D) তপোবন শব্দটি তপন বা তপস্যার বন যার ব্যাসবাক্য করলে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বহুব্রীহি সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের শেষে যার বা যাতে থাকা এবং সমস্ত পদের মাধ্যমে অন্য কাউকে বা কিছুকে বোঝানো। সমাসের নাম নির্ণয়ের সময় সবসময় শব্দের ব্যাসবাক্য এবং অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুব্রীহি সমাস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। ব্যাসবাক্য নির্ণয় করার সময় পদের অর্থ এবং তৎপুরুষ বা কর্মধারয়ের সাথে পার্থক্য ভালোভাবে বুঝতে হবে।
a সরল
b মিশ্র
c যৌগিক
d জটীল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মিশ্র ১. কেন সঠিক: - যে বাক্যে একটি প্রধান বা খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক অধীন বা আশ্রিত বাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে যুক্ত থাকে, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে। - প্রদত্ত বাক্যে 'তুমি আসবে বলে' হলো অধীন বা আশ্রিত খণ্ডবাক্য এবং 'হে স্বাধীনতা সখিনা বিবির কপাল ভাঙল' হলো প্রধান খণ্ডবাক্য, যা সাপেক্ষ শব্দ দ্বারা যুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মিশ্র বা জটিল বাক্যের ক্ষেত্রে সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় জোড় ব্যবহৃত হয় যেমন যারা-তারা, যে-সে, যদি-তবে, যত-ততো ইত্যাদি। - এখানে 'বলে' অব্যয়টি দুটি অংশকে এমনভাবে যুক্ত করেছে যেখানে একটি অংশ সম্পূর্ণ হওয়ার জন্য অন্য অংশের ওপর নির্ভর করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যদি তুমি আসো, তবে আমি যাবো। ব্যাখ্যা: এটি মিশ্র বাক্য কারণ একটি অংশ অন্য অংশের ওপর শর্তসাপেক্ষে নির্ভরশীল। উদাহরণ ২: যারা পরিশ্রম করে, তারাই সফল হয়। ব্যাখ্যা: এটি মিশ্র বাক্য কারণ এখানে সাপেক্ষ সর্বনামের জোড় ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল — সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, যা এই বাক্যে নেই। B) মিশ্র — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। C) যৌগিক — যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এখানে নেই। D) জটীল — বানানটি ভুল (সঠিক বানান জটিল) এবং মিশ্র বাক্যের অপর নাম জটিল হলেও অপশনে বানানগত ও প্রমিত রূপের ত্রুটি রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যের অংশগুলো যদি একে অপরের ওপর নির্ভরশীল হয় এবং য যদি তবে যিনি তিনি ইত্যাদি ভাব প্রকাশ করে, তবে তা মিশ্র বাক্য হবে। - প্রধান বাক্যের সঙ্গে যখন কারণ বা শর্ত বোঝায়, তখন সেটি সাধারণত মিশ্র বাক্য হিসেবে গণ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাক্যের রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণের প্রশ্নে আশ্রিত খণ্ডবাক্যের উপস্থিতি লক্ষ করতে হবে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জটিল এবং মিশ্র বাক্য একই অর্থে ব্যবহৃত হয়, তাই অপশন নির্বাচনে সতর্ক থাকতে হবে।
a গোবিন্দ দাস
b কায়কোবাদ
c কাহ্ন পা
d ভূসুকুপা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভূসুকুপা ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদের অন্যতম পদকর্তা ভূসুকুপা তাঁর একটি পদে নিজেকে বাঙালি হিসেবে দাবি করেছেন। - চর্যাপদের ৪৯ নম্বর পদে তিনি পরিষ্কার ভাষায় লিখেছেন আপন সংস্কৃতির কথা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্য নিদর্শন। - মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আজ কাল হবণ কালে বাঢ়িউ সাসা ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের একটি বিখ্যাত পংক্তি যা প্রাচীন ভাষার রূপ দেখায়। উদাহরণ ২: দেশ হিলআ পইসিঅ জই নিসাস্রি ব্যাখ্যা: চর্যাপদের ভাষা ও রূপকধর্মী ভাবার্থ বোঝাতে এই পংক্তিটি গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোবিন্দ দাস — ইনি বৈষ্ণব পদকর্তা এবং মধ্যযুগের কবি, চর্যাপদের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। B) কায়কোবাদ — ইনি আধুনিক যুগের মহাকাব্যের কবি যিনি মহাশ্মশান মহাকাব্যের জন্য বিখ্যাত। C) কাহ্ন পা — ইনি চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচনা করলেও নিজেকে বাঙালি হিসেবে পরিচয় দেননি। D) ভূসুকুপা — সঠিক উত্তর হিসেবে ইনিই চর্যাপদে বাঙালি পরিচয়ের উল্লেখ করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদে বাঙালি পরিচয় দিয়েছেন কে তা মনে রাখতে ভূসুকুপা নামটির সঙ্গে বাঙালি শব্দ মিলিয়ে মনে রাখা যায়। - পরীক্ষার হলে চর্যাপদের কবি ও তাঁদের পদের সংখ্যা বা বিশেষত্ব আলাদা করে ছক বানিয়ে পড়বে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের কোন কবি নিজেকে বাঙালি বলেছেন তা বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে। - চর্যাপদের আবিষ্কারক এবং মোট পদের সংখ্যা সম্পর্কিত তথ্যগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।
a স্বরবৃত্ত
b অক্ষরবৃত্ত
c মাত্রাবৃত্ত
d মাত্রাবৃত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাত্রাবৃত্ত (অথবা D) মাত্রাবৃত্ত) ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'সোনারতরী' কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। মাত্রাবৃত্ত ছন্দকে পর্বসংকুল, কলাবৃত্ত বা তানপ্রধান ছন্দও বলা হয়, যেখানে প্রতি চরণে নির্দিষ্ট মাত্রা থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যে ছন্দের জাদুকর হিসেবে পরিচিত এবং তিনি বাংলা ছন্দে নতুন মাত্রা যোগ করেন। 'সোনারতরী' কবিতাটি ১৮৯৩ সালে রচিত এবং এটি তাঁর সমনামহীন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'বলাকা' কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রসাহিত্যের গতিশীল ও পরিবর্তনশীল চেতনার প্রতীক যা অন্য ছন্দের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের 'বিদ্রোহী' কবিতা ব্যাখ্যা: এই কবিতাটিতে মাত্রাবৃত্ত ছন্দের নান্দনিক ও বীরত্বব্যঞ্জক প্রয়োগ লক্ষ করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরবৃত্ত — এটি মূলত লোকসাহিত্য, ছড়া ও দ্রুতগতির উচ্চারণের ছন্দ যেখানে স্বরধ্বনি প্রধান, যা সোনারতরী কবিতার ছন্দের সঙ্গে মেলে না। B) অক্ষরবৃত্ত — এটি পয়ার বা মিশ্রবৃত্ত নামে পরিচিত এবং এটি বাংলা সাহিত্যের দীর্ঘতম ও ঐতিহ্যবাহী ধারা, যা সোনারতরীর ছন্দ নয়। C) মাত্রাবৃত্ত — এটি সঠিক উত্তর যা পর্বভিত্তিক মাত্রা গণনার ওপর প্রতিষ্ঠিত। D) মাত্রাবৃত্ত — এটিও সঠিক উত্তর কারণ প্রশ্নে একই অপশন দুইবার রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে 'সোনারতরী' একটি অনন্য সৃষ্টি এবং এর ছন্দ মনে রাখতে মাত্রা গণনার বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। মাত্রাবৃত্ত ছন্দকে সাধারণত গুরুগম্ভীর ও ভাবগম্ভীর কবিতার জন্য ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সোনারতরী কবিতার প্রতীকী অর্থ হলো মানবজীবনের কর্মফল ও কালপ্রবাহের নদী পারাপারের দর্শন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত কবিতা ও তার ছন্দ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b যতী মোহন বাগচী
c ব্রাসি হেলহেড
d রাজা রামমোহন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাজা রামমোহন ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা হিসেবে রাজা রামমোহন রায় সর্বস্বীকৃত। তিনি ১৮৩৩ সালে প্রথম বাংলা ভাষায় বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন যার নাম গৌড়ীয় ব্যাকরণ। ২. সাহিত্য ও ইতিহাস ব্যাখ্যা: রাজা রামমোহন রায় আধুনিক বাংলা গদ্যের অন্যতম পথিকৃৎ ও সমাজ সংস্কারক। তার রচিত গৌড়ীয় ব্যাকরণ গ্রন্থটি প্রথম বাংলা ভাষায় রচিত হলেও এটি প্রথমে ইংরেজিতে রচিত হয়েছিল এবং পরে বাংলায় অনূদিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গৌড়ীয় ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি রাজা রামমোহন রায় কর্তৃক রচিত প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ গ্রন্থ। উদাহরণ ২: ইংরেজিতে রচিত ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: নাথানিয়েল ব্রাসি হেলহেড ইংরেজি ভাষায় প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা নন তবে তিনি ব্যাকরণ কৌমুদী রচনা করেছিলেন। B) যতী মোহন বাগচী — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক ছিলেন কিন্তু কোনো ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেননি। C) ব্রাসি হেলহেড — তিনি প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করলেও তা ইংরেজি ভাষায় রচিত হয়েছিল বাংলা ভাষায় নয়। D) রাজা রামমোহন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ রচনা করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাষা বাংলা হলে রাজা রামমোহন আর ভাষা ইংরেজি হলে ব্রাসি হেলহেড মনে রাখবে। গৌড়ীয় ব্যাকরণ গ্রন্থের রচয়িতা রাজা রামমোহন রায় এটি এভাবে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ রচিত হয় ১৮৩৩ সালে। নাথানিয়েল ব্রাসি হেলহেড রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণের নাম এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ভাষা।
a ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে
b ১৩৫৫ বঙ্গাব্দে
c ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে
d ১৩৬২ বঙ্গাব্দে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। - ভাষা আন্দোলনের পর বাঙালির ভাষা ও সাহিত্যচর্চার একটি কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানের তীব্র প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয় এবং তারই ফলশ্রুতিতে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা একাডেমি বাংলাদেশের জাতীয় ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চার সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান। - এটি বাংলা ভাষার মান রক্ষা, গবেষণা, এবং প্রমিত বানানরীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানরীতি ব্যাখ্যা: বাংলা বানান ও ব্যাকরণকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করতে এই প্রতিষ্ঠান প্রমিত নিয়ম প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: বাংলা একাডেমি বাংলা অভিধান ব্যাখ্যা: বাংলা শব্দের সঠিক অর্থ ও বানান জানতে এই অভিধান প্রমিত উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। B) ১৩৫৫ বঙ্গাব্দে — এই বঙ্গাব্দে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়নি কারণ এটি খ্রিষ্টীয় ১৯৫৫ সালের সঙ্গে মিলছে না। C) ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে — ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন হয়েছিল কিন্তু বাংলা একাডেমি তখন প্রতিষ্ঠিত হয়নি। D) ১৩৬২ বঙ্গাব্দে — এই বঙ্গাব্দটি ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দের সমার্থক হলেও বাংলা একাডেমির আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠার সন এটি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভাষা আন্দোলনের তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৫৫ সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। - সালটি মনে রাখতে ৫২ এর ভাষা আন্দোলন এবং তার ৩ বছর পর একাডেমি এই সূত্র মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন ড. মুহাম্মদ এনামুল হক এবং প্রথম সচিব ছিলেন মুহম্মদ বরকতুল্লাহ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা একাডেমির প্রতিষ্ঠা সাল এবং এর বর্তমান কার্যক্রম সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a প্রতিরোধ
b উপস্থাপন
c অনুরোধ
d উপযোগী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনুরোধ ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো অনুরোধ কারণ উপরোধ শব্দের আক্ষরিক ও প্রায়োগিক অর্থ হলো কাউকে কোনো কিছু করার জন্য বিশেষভাবে বলা বা প্রার্থনা করা। - প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডারে উপরোধ এবং অনুরোধ সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এটি প্রায়শই কোনো সামাজিক বা আনুষ্ঠানিক আবদারে প্রয়োগ করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন যেখানে শব্দের সঠিক অর্থ নির্ণয় করতে হয়। - বাংলা ভাষায় অনেক সময় উপসর্গ বা পরিবর্তিত রূপের কারণে শব্দের অর্থে সামান্য ভিন্নতা আসলেও উপরোধ শব্দটির মূল ভাব অনুরোধ বা সাধাসাধি করার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তোমার উপরোধে আমি কাজটি করতে রাজি হলাম। ব্যাখ্যা: এখানে উপরোধ বলতে কারো অনুরোধ বা আবদারকে বোঝানো হয়েছে যার কারণে বক্তা কাজটি করতে সম্মত হয়েছেন। উদাহরণ ২: মুরুব্বিদের উপরোধ এড়ানো আমাদের উচিত নয়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে উপরোধ শব্দটি গুরুজনদের অনুরোধ বা নির্দেশ পালনের গুরুত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিরোধ — প্রতিরোধ শব্দের অর্থ বাধা দেওয়া বা কোনো কিছু প্রতিহত করা যা উপরোধ শব্দের সঙ্গে মেলে না। B) উপস্থাপন — উপস্থাপন শব্দের অর্থ কোনো কিছু সামনে আনা বা পেশ করা যা অনুরোধ শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) উপযোগী — উপযোগী শব্দের অর্থ কোনো কিছুর উপযুক্ত বা মানানসই যা উপরোধ বা অনুরোধের সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপরোধ এবং অনুরোধ শব্দ দুটি দেখতে এবং উচ্চারণে কাছাকাছি হওয়ায় এদের অর্থও প্রায় একই হয়। - অনুরোধ শব্দের উ অংশটি মনে রাখলে উপরোধ শব্দের অর্থ সহজেই অনুমান করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রমিত শব্দের সঠিক অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের শব্দার্থ মনে রাখার জন্য বাক্যে প্রয়োগ করে চর্চা করা সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।
a শেখ রেহানা
b অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
c তোফায়েল আহমেদ
d শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শেখ হাসিনা ১. কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'কারাগারের রোজনামচা'র ভূমিকা লিখেছেন তাঁর জ্যেষ্ঠ কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। - রচনার প্রাক্কালে বা সূচনার পূর্বে গ্রন্থের পটভূমি ও গুরুত্ব তুলে ধরার জন্য এই ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও প্রামাণ্য দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯ সালের কারাবন্দী জীবনের দিনগুলোতে এই ডায়েরি লিখেছিলেন। - বাংলা একাডেমি ২০১৭ সালের মার্চ মাসে গ্রন্থাকারে এটি প্রকাশ করে এবং এর নামকরণ করেন শেখ হাসিনা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী ব্যাখ্যা: এটিও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা একটি প্রামাণ্য আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: আমার দেখা নয়া চীন ব্যাখ্যা: বঙ্গবন্ধুর চীন ভ্রমণ নিয়ে লেখা আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেখ রেহানা — তিনি বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা হলেও এই গ্রন্থের ভূমিকা তিনি লেখেননি। B) অধ্যাপক আনিসুজ্জামান — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও লেখক হলেও এই গ্রন্থের ভূমিকা তিনি লেখেননি। C) তোফায়েল আহমেদ — তিনি একজন প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা হলেও এই গ্রন্থের ভূমিকা লেখার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। D) শেখ হাসিনা — এই অপশনটি সঠিক এবং ভূমিকাটি তিনি লিখেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্গবন্ধু জেলের ভেতরে ডায়েরি লিখেছিলেন এবং কন্যা শেখ হাসিনা তা সম্পাদনা ও প্রকাশ করে ভূমিকা লিখেছিলেন। - আত্মজীবনীমূলক বইগুলোর ভূমিকা বা সম্পাদনা সাধারণত পরিবারের সদস্য হিসেবে শেখ হাসিনাই করেছেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - 'কারাগারের রোজনামচা' গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ২০১৭ সালে এবং এর প্রকাশক বাংলা একাডেমি। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য বঙ্গবন্ধুর লেখা তিনটি গ্রন্থ ও তাদের প্রকাশকাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a পদাশ্রিত নির্দেশক
b প্রকৃতি
c বিভক্তি
d উপসর্গ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পদাশ্রিত নির্দেশক ১. কেন সঠিক: - টা, টি, খানা, খানি ইত্যাদি শব্দ বা শব্দাংশ পদাশ্রিত নির্দেশক হিসেবে কাজ করে। এরা পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা বা পদের বচন প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে শব্দ বা শব্দাংশ পদের আশ্রয়ে বা পরে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বা অনির্দিষ্টতা নির্দেশ করে, তাকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলে। - বাংলা ব্যাকরণে পদাশ্রিত নির্দেশকগুলো সাধারণত বিশেষ্যের পরে বসে এবং বচন ও লিঙ্গ ভেদে ভিন্ন রূপ নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বইটি আমাকে দাও। ব্যাখ্যা: এখানে বই শব্দের সঙ্গে টি যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট একটি বইকে বোঝাচ্ছে। উদাহরণ ২: কলমটা হারিয়ে গেছে। ব্যাখ্যা: এখানে কলম শব্দের সঙ্গে টা যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট একটি কলমকে নির্দেশ করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদাশ্রিত নির্দেশক — এটি সঠিক উত্তর কারণ টা, টি, খানা, খানি পদাশ্রিত নির্দেশকের অন্তর্ভুক্ত। B) প্রকৃতি — প্রকৃতি হলো শব্দের মূল অংশ যা প্রত্যয় বা বিভক্তির আগে থাকে, তাই এটি ভুল। C) বিভক্তি — বিভক্তি হলো শব্দের সঙ্গে যুক্ত বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা কারক বোঝাতে সাহায্য করে, তাই এটি ভুল। D) উপসর্গ — উপসর্গ হলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - টা, টি, খানা, খানি, টুকুই, গুলোর মতো শব্দগুলো দেখলেই বুঝবে এগুলো পদাশ্রিত নির্দেশক। - এগুলো সবসময় শব্দের শেষে বসে নির্দিষ্টতা বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদাশ্রিত নির্দেশক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - খানা ও খানি সাধারণত ইতরপ্রাণী বা জড় পদার্থের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
a সৈয়দ শামসুল হক
b হাসান হাফিজুর রহমান
c আলাউদ্দিন আল আজাদ
d শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হাসান হাফিজুর রহমান ১. কেন সঠিক: রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের প্রথম সাহিত্য সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সম্পাদনা করেন হাসান হাফিজুর রহমান। ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত এই সংকলনটি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে প্রকাশিত প্রথম প্রামাণ্য দলিল ও সাহিত্যিক সংকলন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই সংকলনে ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কবিতা, প্রবন্ধ, গল্প ও গান স্থান পেয়েছিল। এটি বাংলা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন ব্যাখ্যা: জহির রায়হান রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: আর্তনাদ ব্যাখ্যা: শওকত ওসমান রচিত ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই সংকলনটি তিনি সম্পাদনা করেননি। B) হাসান হাফিজুর রহমান — ইনি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত। C) আলাউদ্দিন আল আজাদ — তিনি ভাষা আন্দোলন নিয়ে বিখ্যাত 'স্মৃতিস্তম্ভ' কবিতা ও 'בשান' নাটক লিখলেও এই সংকলন সম্পাদক নন। D) শামসুর রাহমান — তিনি ভাষা আন্দোলন নিয়ে বিখ্যাত 'বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা' কবিতা লিখলেও এই সংকলনটির সম্পাদক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: একুশে ফেব্রুয়ারি সংকলন সম্পাদনা করেছেন হাসান হাফিজুর রহমান। এভাবে মনে রাখতে পারো যে প্রথম সংকলন প্রকাশের কাজটি হাসান হাফিজুর রহমান দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করেছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সাহিত্য সংকলন কোনটি এবং এর সম্পাদক কে, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। তাই এটি ভালোভাবে মনে রাখা আবশ্যক।
a জয়ন্তী
b বিজয় উৎসব
c বিজয় জয়ন্তী
d জয় অজয়ী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জয়ন্তী ১. কেন সঠিক: - জয়ের জন্য যে উৎসব তাকে এক কথায় জয়ন্তী বলা হয়। - এই শব্দটি কোনো বিশেষ বিজয়, সাফল্য বা আনন্দের উদ্‌যাপনকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ। - বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জয় করার ইচ্ছা ব্যাখ্যা: একে এক কথায় জিগীষা বলা হয়, যা একই ধরনের বাক্য সংকোচনের উদাহরণ। উদাহরণ ২: জয় করার ইচ্ছুক যে ব্যাখ্যা: একে এক কথায় জিগীষু বলা হয়, যা পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়ন্তী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। B) বিজয় উৎসব — এটি সাধারণ অর্থ প্রকাশ করলেও এককথায় প্রকাশের ব্যাকরণগত মানদণ্ডে সুনির্দিষ্ট একক শব্দ নয়। C) বিজয় জয়ন্তী — এটি ব্যাকরণগতভাবে একটি বাহুল্য দোষযুক্ত শব্দ যুগল এবং অপ্রয়োজনীয়। D) জয় অজয়ী — এই শব্দগুলোর জোড়াটি অর্থপূর্ণ বাক্য সংকোচন তৈরি করে না এবং প্রসঙ্গবহির্ভূত। ৫. মনে রাখার টিপস: - জয়ের সঙ্গে উৎসব যুক্ত থাকলে এক কথায় সবসময় জয়ন্তী শব্দটি মনে রাখবে। - বাক্য সংকোচনের ক্ষেত্রে মূল শব্দের ভেতরের ভাবটি ধরতে পারলে উত্তর করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ধরনের শব্দ আয়ত্ত করলে পরীক্ষায় ফুল মার্কস পাওয়া সম্ভব।
a সমাজ
b পানি
c মিছিল
d নদী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নদী ১. কেন সঠিক: জাতিবাচক বিশেষ্য হলো সেই পদ যা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু বা স্থান না বুঝিয়ে একজাতীয় সকলের সাধারণ নাম বোঝায়। 'নদী' শব্দটি কোনো একটি নির্দিষ্ট নদীকে না বুঝিয়ে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা সহ বিশ্বের সব নদীকে সাধারণভাবে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে বিশেষ্য পদ কোনো একজাতীয় ব্যক্তি, প্রাণী বা পদার্থের সাধারণ নাম বোঝায় তাকে জাতিবাচক বিশেষ্য বলে। এটি বিশেষ্য পদের একটি অন্যতম প্রধান শ্রেণি যা সমগ্র জাতিকে বা সমজাতীয় সকলকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পর্বত ব্যাখ্যা: পর্বত বলতে পৃথিবীর যেকোনো পর্বতমালাকে বোঝায়, তাই এটি জাতিবাচক বিশেষ্য। উদাহরণ ২: মানুষ ব্যাখ্যা: মানুষ বলতে সমগ্র মানবজাতিকে বোঝায়, তাই এটি জাতিবাচক বিশেষ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাজ — সমাজ একটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্য কারণ এটি অনেকগুলো মানুষের সমষ্টিকে বোঝায়। B) পানি — পানি একটি বস্তুবাচক বিশেষ্য কারণ এটি উপাদান বা পদার্থের নাম বোঝায়। C) মিছিল — মিছিল একটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্য কারণ এটি মানুষের একটি দলকে বোঝায়। D) নদী — নদী সঠিক উত্তর কারণ এটি একজাতীয় সকল নদীকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: যে নাম শুনলে চোখের সামনে একটি নির্দিষ্ট নাম না ভেসে পুরো জাতি বা শ্রেণি ভেসে ওঠে, সেটাই জাতিবাচক বিশেষ্য। নদী বললে সব নদী বোঝায়, তাই এটি জাতিবাচক বিশেষ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বস্তুবাচক এবং জাতিবাচক বিশেষ্যের মধ্যে প্রায়ই প্যাচ লাগে। মনে রাখবে, যা মাপা বা ওজন করা যায় তা বস্তুবাচক এবং যা গণনা করা যায় বা যার অনেকগুলো রূপ থাকে তা জাতিবাচক বিশেষ্য।
a কর্মে ২য়া
b অপাদানে ২য়া
c কর্মে ৪র্থী
d অপাদানে ৫মীতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অপাদানে ২য়া ১. কেন সঠিক: ভয় পাওয়া, আতঙ্কিত হওয়া বা পালানোর ভাব প্রকাশ করলে যার থেকে ভয় পাওয়া বোঝায়, তা অপাদান কারক হয়। এখানে 'বাবাকে' শব্দের নিচে দাগ রয়েছে এবং বাবা থেকেই ভয় পাওয়ার উৎস বা ভয়ের কারণ বোঝাচ্ছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যাহা হইতে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, আরব্ধ, রক্ষিত, ভীত হয় এবং যাহা দেখে কেউ ভয় পায়, তাহাকেই অপাদান কারক বলে। শব্দের শেষে কে বা রে বিভক্তি যুক্ত থাকলে এবং তার অর্থ যদি দিক, স্থান বা উৎস বোঝায়, তবে তা দ্বিতীয় বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরকে খুব ভয় পায়। ব্যাখ্যা: এখানে চোরের প্রতি ভয় বোঝানোর কারণে চোরকে শব্দটি অপাদান কারকে দ্বিতীয় বিভক্তি। উদাহরণ ২: বিয়ালে ভয় পায়। ব্যাখ্যা: বিড়াল থেকে ভয় পাওয়ার উৎস নির্দেশ করায় বিয়ালে শব্দটি অপাদান কারকে দ্বিতীয় বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মে ২য়া — কর্ম কারকে দ্বিতীয় বিভক্তি হয় যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, কিন্তু এখানে কর্ম নয় বরং ভয়ের উৎস বোঝানো হয়েছে। B) অপাদানে ২য়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে ভয় পাওয়ার উৎস বা ভীতি প্রকাশ পেয়েছে এবং বিভক্তি হিসেবে কে বা রে অর্থাৎ দ্বিতীয় বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। C) কর্মে ৪র্থী — চতুর্থী বিভক্তি সাধারণত নিমিত্ত অর্থে কেরে বা প্রতি অনুসর্গের ক্ষেত্রে হয়, কিন্তু এখানে ভয়ের উৎস থাকায় তা কর্ম কারক ও চতুর্থী বিভক্তি হতে পারে না। D) অপাদানে ৫মীতি — অপাদান কারকে পঞ্চম বিভক্তি হতে পারে যখন হতে বা থেকে অনুসর্গ থাকে, কিন্তু এখানে কে বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি পঞ্চম বিভক্তি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: যাকে দেখে বা যার কাছ থেকে ভয় পাবে, তার সাথেই অপাদান কারক হবে। ভয়, রক্ষা, চ্যুতি ও জাত বুঝলেই অপাদান কারক নির্বাচন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভয় পাওয়ার বাক্যগুলো প্রায়ই অপাদান কারক হিসেবে আসে। অনুসর্গ না থেকে যদি কে বিভক্তি থাকে এবং ভয়ের অর্থ প্রকাশ করে, তবে তা অপাদানে দ্বিতীয় বিভক্তি হবে।
a বিশেষ্য
b বিশেষণের বিশেষণ
c সর্বনাম
d বিশেষণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশেষ্য ১. কেন সঠিক: - বাক্যে বিশেষণের সঙ্গে 'মাত্র' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যখন কোনো শব্দ নামপদ বা গুণের নাম বোঝায়, তখন তা বিশেষ্য পদে রূপান্তরিত হয়। - এখানে 'সুন্দর' শব্দটি কোনো বিশেষ দোষ বা গুণ বোঝাচ্ছে না, বরং সৌন্দর্যের অবস্থাকে বা গুণের নামকে নির্দেশ করছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কোনো বিশেষণ শব্দের পরে 'মাত্র' বা 'ই' যুক্ত হলে তা বিশেষ্য পদে পরিণত হয়। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, গুণবাচক বিশেষণ যখন নাম বা সত্তা হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তখন সেটি বিশেষ্য হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৎ এর সম্মান সর্বত্র। ব্যাখ্যা: এখানে 'সৎ' বিশেষণ হলেও 'এর' বিভক্তি যুক্ত হয়ে বিশেষ্য পদে পরিণত হয়েছে। উদাহরণ ২: গরিবের প্রতি দয়া করো। ব্যাখ্যা: 'গরিব' শব্দের সঙ্গে 'ের' বিভক্তি যুক্ত হয়ে বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — এটি সঠিক উত্তর। কারণ নির্দিষ্ট নিয়মে বিশেষণ পদ এখানে বিশেষ্য রূপে কাজ করেছে। B) বিশেষণের বিশেষণ — এটি ভুল, কারণ শব্দটি অন্য কোনো বিশেষণকে বিশেষিত করছে না। C) সর্বনাম — এটি ভুল, কারণ শব্দটি কোনো নামের পরিবর্তে বসেনি। D) বিশেষণ — এটি সাধারণ অবস্থায় বিশেষণ হলেও, এই নির্দিষ্ট বাক্যে বিশেষ্য হিসেবে কাজ করায় এটি মূল উত্তর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো বিশেষণের সঙ্গে মাত্র বা বিভক্তি যুক্ত থাকলে তা সাধারণত বিশেষ্য হয়। - গুণবাচক শব্দ যখন বাক্যের কর্তা বা কর্মের স্থান নেয়, তখন তা বিশেষ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এমন পদের রূপান্তর প্রায়ই আসে। - বাক্যের অর্থ ও পদের অবস্থান বুঝে সঠিক উত্তর নির্ধারণ করতে হবে।
a ফারসি ও আরবি শব্দে
b ফারসি ও ইংরেজি শব্দে
c ফারসি ও ফারসি শব্দে
d সংস্কৃত ও ইংরেজি শব্দে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফারসি ও ইংরেজি শব্দে ১. কেন সঠিক: - 'বেটাইম' শব্দটি ফারসি উপসর্গ 'বে' এবং ইংরেজি শব্দ 'টাইম' মিলে গঠিত হয়েছে। - এটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত মিশ্র বা সংকর শব্দের একটি চমৎকার উদাহরণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদেশি শব্দের সঙ্গে দেশি বা বিদেশি শব্দের মিলনে গঠিত শব্দকে মিশ্র শব্দ বা সংকর শব্দ বলা হয়। - ফারসি উপসর্গ 'বে' এর অর্থহীন বা অভাব এবং ইংরেজি 'টাইম' অর্থ সময় মিলে শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হেড-মৌলভী ব্যাখ্যা: ইংরেজি শব্দ 'হেড' এবং ফারসি শব্দ 'মৌলভী' মিলে এই মিশ্র শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ডাক্তার-খানা ব্যাখ্যা: ইংরেজি শব্দ 'ডাক্তার' এবং ফারসি শব্দ 'খানা' মিলে এই মিশ্র শব্দটি তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফারসি ও আরবি শব্দে — এই অপশনটি ভুল কারণ 'টাইম' কোনো আরবি শব্দ নয়, এটি একটি ইংরেজি শব্দ। B) ফারসি ও ইংরেজি শব্দে — এটি সঠিক অপশন কারণ 'বে' ফারসি উপসর্গ এবং 'টাইম' ইংরেজি শব্দ। C) ফারসি ও ফারসি শব্দে — এই অপশনটি ভুল কারণ 'টাইম' ফারসি ভাষার শব্দ নয়। D) সংস্কৃত ও ইংরেজি শব্দে — এই অপশনটি ভুল কারণ 'বে' সংস্কৃত উপসর্গ বা শব্দ নয়, এটি ফারসি উপসর্গ। ৫ মনে রাখার টিপস: - মিশ্র শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো উপসর্গ ও মূল শব্দ আলাদা করে উৎসের ভাষা চিনে নেওয়া। - 'বে' উপসর্গযুক্ত অনেক শব্দ ফারসি থেকে এসেছে এবং এর সঙ্গে বিদেশি শব্দ যুক্ত হয়ে মিশ্র শব্দ তৈরি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মিশ্র শব্দ বা সংকর শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের প্রশ্ন Solve করার সময় শব্দের প্রতিটি অংশের উৎস আলাদা করে দেখতে হবে।
a চতুরঙ্গ
b চতুষ্কোণ
c চতুর্দশী
d চতুস্পতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চতুরঙ্গ ১. কেন সঠিক: চতুরঙ্গ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা ১৯১৫ সালে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসে সমসাময়িক সমাজের নানা মতাদর্শ, ধর্ম, প্রেম ও জীবনদর্শনের দ্বন্দ্ব অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক বহুমুখী প্রতিভাধর লেখক যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক ছিলেন। তার রচিত অন্যান্য প্রখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে যোগাযোগ, শেষের কবিতা ও গোরা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যোগাযোগ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি সমাজবাস্তবধর্মী উপন্যাস যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: শেষের কবিতা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চতুরঙ্গ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) চতুষ্কোণ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো মৌলিক রচনা বা গ্রন্থ নয়। C) চতুর্দশী — এটি বাংলা সাহিত্যে প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত সনেট সংকলন। D) চতুস্পতি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো বিখ্যাত গ্রন্থ বা সাহিত্যকর্মের নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস চতুরঙ্গ মনে রাখতে শচীশ, শ্রীলা, জ্যেঠামশাই ও কুসুম চরিত্রগুলোর কথা স্মরণ করতে পারো। উপন্যাসটির নাম প্রকাশের সালটি ১৯১৫ সাল যা মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসগুলোর নাম এবং তাদের প্রকাশকাল থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। চতুরঙ্গ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র শচীশ ও শ্রীলা, তাই চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন আসলে এই তথ্যটি কাজে লাগাতে পারো।
a ত্যক্ত
b গ্রাহ্য
c দৃঢ়
d গূঢ়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গূঢ় ১. কেন সঠিক: - ব্যক্ত শব্দের অর্থ হলো যা প্রকাশিত, স্পষ্ট বা প্রকাট। - এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে এমন শব্দ প্রয়োজন যা লুক্কায়িত, অন্তর্হিত বা অস্পষ্ট বোঝায়, যা গূঢ় শব্দের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ব্যাকরণে তৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে অর্থগত বৈপরীত্যের মাধ্যমে বিপরীত শব্দ গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যক্ত সত্য — গূঢ় সত্য ব্যাখ্যা: এখানে প্রকাশিত সত্যের বিপরীত অর্থে লুকানো বা গোপন সত্য বোঝাতে ব্যক্ত ও গূঢ় বিপরীত শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ব্যক্ত করা — গোপন করা ব্যাখ্যা: মনের ভাব প্রকাশ করার বিপরীত হিসেবে তা লুকিয়ে রাখাকে বোঝাতে এই শব্দের বৈপরীত্য দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ত্যক্ত — ত্যক্ত শব্দের অর্থ পরিহারকৃত বা বর্জিত, যা ব্যক্ত শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) গ্রাহ্য — গ্রাহ্য শব্দের অর্থ যা গ্রহণ করার যোগ্য, এর বিপরীত শব্দ বর্জ্য বা অগ্রাহ্য। C) দৃঢ় — দৃঢ় শব্দের অর্থ শক্ত বা মজবুত, যার বিপরীতার্থক শব্দ হলো শিথিল। D) গূঢ় — গূঢ় শব্দের অর্থ গোপন বা লুক্কায়িত, যা ব্যক্ত শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যক্ত মানে প্রকাশ, গূঢ় মানে প্রকাশ নয় অর্থাৎ গোপন। - প্রকাশের উল্টো হলো গোপন বা গূঢ়, এভাবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। - শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করলে বিপরীত শব্দ সহজেই নির্ণয় করা যায়।
a তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা
b ধূমকেতু
c কল্লোল
d কালি ও কলম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কল্লোল ১. কেন সঠিক: পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের বিখ্যাত "কবর" কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের অন্যতম প্রভাবশালী ও আন্দোলন সৃষ্টিকারী পত্রিকা "কল্লোল"-এ। ১৯২৫ সালের জানুয়ারি মাসে (প্যারাডাইস পত্রিকার তথ্য মতে ১৩৩১ বঙ্গাব্দের মাঘ সংখ্যায়) কল্লোল পত্রিকায় কবিতাটি প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই বাংলা কবিতায় এক নতুন মাত্রা যোগ হয় এবং জসীম উদ্দীন রাতারাতি পরিচিতি লাভ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি জসীম উদ্দীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম জনপ্রিয় পল্লীকবি। তাঁর কবিতায় বাংলার গ্রামীণ প্রকৃতি, সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ এবং লোকজীবনের সহজ চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে। "কবর" কবিতাটি তাঁর প্রথম জীবনের রচনা এবং এটি তাঁর অমর সৃষ্টি যা বাংলা কাব্যজগতে শোকগাথার এক অনন্য নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জসীম উদ্দীনের "রাখাল ছেলে" কবিতা। ব্যাখ্যা: এটিও কবির গ্রামীণ ঐতিহ্য ও লোকসংস্কৃতি নির্ভর আরেকটি বিখ্যাত কবিতা। উদাহরণ ২: জসীম উদ্দীনের "নকশী কাঁথার মাঠ" কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর সর্বাধিক সমাদৃত এবং বিশ্বসাহিত্যে সমাদৃত একটি শ্রেষ্ঠ কাহিনীকাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা — এটি জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবার থেকে প্রকাশিত হতো এবং এটি ব্রহ্মসমাজ ও আধুনিক বাংলা গদ্যের বিকাশে ভূমিকা রেখেছিল, জসীম উদ্দীনের কবিতার সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। B) ধূমকেতু — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত বিদ্রোহী চেতনার একটি বিখ্যাত অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা, যেখানে নজরুলের বিখ্যাত কবিতা ও প্রবন্ধ প্রকাশিত হতো। D) কালি ও কলম — এটি আধুনিক যুগের একটি সাহিত্যিক পত্রিকা হলেও "কবর" কবিতা প্রকাশের সময় এর কোনো অস্তিত্ব ছিল না, এটি অনেক পরে প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জসীম উদ্দীনের কবর কবিতাটি কল্লোল পত্রিকায় প্রকাশিত হয় তা মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে পল্লীকবির কবর কবিতার ঢেউ কল্লোলের মতো সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়েছিল। কল্লোল মানে ঢেউ এবং এই পত্রিকার মাধ্যমেই কবিতাটি সবার মাঝে আলোড়ন তুলেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কবর কবিতাটি জসীম উদ্দীনের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে, এটি তাঁর "রাখালী" কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। এছাড়া কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে পল্লিগীতির প্রথম সফল সার্থক প্রয়াস হিসেবে বিবেচিত হয়।
a Nun
b Bishop
c Clergy
d Hare
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Nun কেন সঠিক: - Nun শব্দটি ফেমিনাইন জেন্ডার বা স্ত্রীবাচক শব্দ এবং এর মাসকুলিন জেন্ডার হলো Monk. - খ্রিস্টধর্মের মঠবাসিনী বা সন্যাসিনীদের বোঝাতে Nun শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Nun — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট ফেমিনাইন জেন্ডার। B) Bishop — এটি কমন জেন্ডার বা মাসকুলিন জেন্ডার হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কারণ বিশপ পদটি পুরুষ বা নারী উভয়েই হতে পারে তবে এটি ফেমিনাইন নয়। C) Clergy — এটি একটি কালেক্টিভ নাউন যা যাজক সম্প্রদায়কে বোঝায় এবং এটি জেন্ডারের নিয়মে পড়ে না। D) Hare — এটি মূলত একটি মাসকুলিন বা সাধারণ লিঙ্গের প্রাণীবাচক শব্দ, যার ফেমিনাইন রূপ হলো Doe. মনে রাখার টিপস: Monk মানে সন্যাসী আর Nun মানে সন্যাসিনী, এই জোড়টি মনে রাখলে জেন্ডার নির্ণয় সহজ হয়।
a in
b over
c by
d on
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: D) on কেন সঠিক: - টেলিফোন, মোবাইল বা ফোন ডিভাইসের মাধ্যমে যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রিপজিশন হিসেবে অন ব্যবহৃত হয়। - অন ফোন বা অন দ্য ফোন একটি স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি ফ্রেজ বা মাধ্যম বোঝানোর নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — ইন সাধারণত কোনো enclosed বা আবদ্ধ জায়গার ভেতরে অবস্থান বোঝাতে বসে, ফোনের মাধ্যমের ক্ষেত্রে নয়। B) over — ওভার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা যায় না; তবে ওভার দ্য ফোন অনেক সময় অনানুষ্ঠানিক কথ্য রূপ হিসেবে চলে, কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে অন শ্রেয়। C) by — বাই মাধ্যম হিসেবে বসলেও ফোনের ক্ষেত্রে বাই ফোন প্রমিত নয়, বরং বাই পোস্ট বা বাই হ্যান্ড হয়। D) on — এটি সঠিক অপশন এবং ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগের ক্ষেত্রে অন প্রিপজিশনই নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: ফোনে কথা বলার সময় যোগাযোগ মাধ্যম বোঝাতে সবসময় অন ফোন বা অন দ্য ফোন ব্যবহার করবে।
a many
b much
c most
d enough
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) many কেন সঠিক: - 'people' একটি কাউন্টেবল বা গণনাযোগ্য নাউন, যার আগে সংখ্যার পরিমাণ বোঝাতে 'many' বসে। - 'as ... as possible' কাঠামোর মাঝে ডিগ্রি অনুযায়ী সঠিক পরিমাণের পজিটিভ ফর্ম ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) many — এটি কাউন্টেবল নাউনের পূর্বে সঠিক উত্তর হিসেবে বসে। B) much — এটি আনকাউন্টেবল বা গণনাহীন নাউনের পূর্বে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে ভুল। C) most — এটি সুপারলেটিভ ডিগ্রি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই কাঠামোর সঙ্গে সংগত নয়। D) enough — এর অর্থ যথেষ্ট, যা 'as ... as possible' কাঠামোর নিয়ম অনুযায়ী এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: গণনা করা যায় এমন জিনিসের ক্ষেত্রে 'many' এবং যা গণনা করা যায় না তার ক্ষেত্রে 'much' ব্যবহার করতে হয়।
a furnishers
b furniture
c furnisher
d furnitures
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) furniture কেন সঠিক: - 'Furniture' একটি আনকাউন্টেবল বা অগণনযোগ্য বিশেষ্য, তাই এর সঙ্গে বহুবচন করার জন্য এস বা ইএস যোগ করা যায় না। - কিছু নির্দিষ্ট নাউন সবসময় একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এদের পূর্বে সাম বা এ পিস অব ব্যবহার করে পরিমাণ বোঝাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) furnishers — এটি সঠিক বানান নয় এবং ফার্নিচার শব্দের কোনো বহুবচন রূপ ইংরেজিতে হয় না। বি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটির মূল উত্তর হিসেবে প্রযোজ্য হওয়ার সুযোগ নেই। C) furnisher — এটি দিয়ে আসবাবপত্র প্রস্তুতকারক ব্যক্তিকে বোঝায়, যা এখানে ক্রিয়ার অবজেক্ট হিসেবে অর্থহীন। D) furnitures — ফার্নিচার শব্দের সাথে এস যুক্ত করে কখনো বহুবচন করা যায় না কারণ এটি আনকাউন্টেবল নাউন। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ব্যাকরণে furniture, information, advice এবং scenery শব্দগুলো সবসময় আনকাউন্টেবল নাউন, এদের সাথে কখনো এস বা ইএস যুক্ত হয় না।
a Sayeed said that he had been busy.
b Sayeed said that he was busy.
c Sayeed that I had been busy.
d Sayeed said that I was busy.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Sayeed said that he had been busy. কেন সঠিক: - রিপোর্টিং ভার্ব Past Tense (said) হলে ইনডাইরেক্ট ন্যারেশনে রিপোর্টেড স্পীচটির টেন্স পরিবর্তিত হয়ে Past Indefinite থেকে Past Perfect Tense এ রূপান্তরিত হয়। - প্রদত্ত বাক্যের রিপোর্টেড স্পীচটি Past Indefinite (was busy) এ থাকায় তা পরিবর্তিত হয়ে Past Perfect (had been busy) হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sayeed said that he had been busy. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি নিয়মানুযায়ী সঠিক টেন্স পরিবর্তন করেছে। B) Sayeed said that he was busy. — রিপোর্টিং ভার্ব Past Tense থাকা সত্ত্বেও রিপোর্টেড স্পীচের টেন্স পরিবর্তন না করায় এটি ভুল। C) Sayeed that I had been busy. — রিপোর্টিং ভার্বের পরে প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক কনজাংশন বা রিপোর্টিং ভার্ব (said) বাদ পড়ায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ। D) Sayeed said that I was busy. — ফার্স্ট পারসন (I) সাবজেক্ট অনুযায়ী পরিবর্তিত না হয়ে অপরিবর্তিত থাকা এবং টেন্স পরিবর্তন না হওয়ার কারণে এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: ন‍্যারেশন পরিবর্তনের সময় রিপোর্টিং ভার্ব Past Tense হলে রিপোর্টেড স্পীচের was বা were থাকলে তা পরিবর্তিত হয়ে had been হয়।
a A cat is being had by me.
b A cat has been had by me.
c A cat have been had by me.
d A cat is had by me.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A cat is had by me. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সে আছে এবং এখানে 'have' মূল ভার্ব বা প্রধান ক্রিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। - প্যাসিভ করার সময় অবজেক্ট 'a cat' সাবজেক্ট হয়, টেন্স অনুযায়ী 'is' বসে এবং মূল ভার্ব 'have'-এর পাস্ট পার্টিসিপল 'had' বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A cat is being had by me. — এটি কন্টিনিউয়াস টেন্সের প্যাসিভ গঠন, কিন্তু মূল বাক্যটি কন্টিনিউয়াস নয়। B) A cat has been had by me. — এটি পারফেক্ট টেন্সের প্যাসিভ গঠন, যা মূল বাক্যের টেন্সের সাথে মেলে না। C) A cat have been had by me. — এখানে 'cat' থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হওয়া সত্ত্বেও ভুলভাবে 'have' ব্যবহার করা হয়েছে। D) A cat is had by me. — এটি সঠিক, কারণ প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সের নিয়ম অনুযায়ী এখানে 'is had' ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: মূল বাক্যে have বা has মূল ভার্ব হিসেবে থাকলে, প্যাসিভ করার সময় am, is, are এর পরে এদের পাস্ট পার্টিসিপল form অর্থাৎ had বসাতে হয়।
a can
b should
c may
d might
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) should কেন সঠিক: - 'Lest' একটি নেতিবাচক অর্থ বহনকারী conjunction যার অর্থ পাছে ভয় হয় যে। - 'Lest' যুক্ত ক্লজে সাবজেক্টের পরে সর্বদা 'should' ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) can — 'Can' সামর্থ্য প্রকাশ করে কিন্তু 'lest' এর পরে শুধুমাত্র 'should' বসার ব্যাকরণগত নিয়ম রয়েছে। B) should — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং 'lest' এর পরের উপযুক্ত মডাল অক্সিলিয়ারি। C) may — 'May' সম্ভাবনা প্রকাশ করে যা 'lest' এর নির্দিষ্ট নিয়মের সাথে ব্যাকরণগতভাবে মেলে না। D) might — 'Might' পাস্ট টেন্সে সম্ভাবনা প্রকাশ করলেও 'lest' এর ক্ষেত্রে আদর্শ নিয়ম অনুযায়ী 'should' নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'lest' থাকলে চোখ বন্ধ করে শূন্যস্থানে 'should' বসাবে।
a than
b welcomed
c accept
d accepted
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) accept কেন সঠিক: - বাক্যে 'had better' একটি মোডাল ফ্রেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ বরং ভালো হয়। - 'had better'-এর পর সর্বদা মূল ভার্বের বেস ফর্ম বা প্রেজেন্ট ফর্ম বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) than — এটি একটি কনজাংশন বা প্রিপজিশন, যা 'had better' কাঠামোর পর বসে না এবং এখানে কোনো তুলনা বোঝানো হয়নি। B) welcomed — এটি ভার্বের পাস্ট ফর্ম, যা 'had better'-এর পর বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) accept — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মূল ভার্বের বেস ফর্ম। D) accepted — এটি ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বা পাস্ট ফর্ম, যা এখানে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'had better' দেখলে মনে রাখবে এর পরে সবসময় ভার্বের বেস ফর্ম বসে।
a High
b The higher
c The highest
d Highest
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The higher কেন সঠিক: - এটি একটি ডাবল কম্পারেটিভের নিয়ম, যেখানে দুটি সমান্তরাল পরিবর্তন বোঝাতে উভয় অংশে দ্য এর সাথে কম্পারেটিভ ডিগ্রি ব্যবহৃত হয়। - চাহিদা বাড়লে দামও বাড়ে, এই অনুপাত বোঝাতে প্রথম অংশের মতো দ্বিতীয় অংশেও দ্য হায়ার কথাটি বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) High — এটি পজিটিভ ডিগ্রি হওয়ায় এবং এর পূর্বে দ্য না থাকায় কাঠামোর নিয়ম অনুযায়ী এটি এখানে সঠিক নয়। B) The higher — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাক্যটির সাথে সম্পূর্ণ ব্যাকরণগত সামঞ্জস্য রক্ষা করে। C) The highest — এটি সুপারলেটিভ ডিগ্রি, যা দুটি বিষয়ের তুলনামূলক সমান্তরাল বৃদ্ধি বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না। D) Highest — এর পূর্বে প্রয়োজনীয় দ্য আর্টিকেলটি নেই এবং এটি সুপারলেটিভ ডিগ্রি হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যত তত বা দি মোর দি মোর নিয়মের মতো ডাবল কম্পারেটিভ বাক্যে উভয় clauses এর শুরুতে দ্য এবং কম্পারেটিভ ডিগ্রি ব্যবহার করতে হয়।
a adjective
b adverb
c noun
d pronoun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) noun কেন সঠিক: - patience শব্দটি দ্বারা কোনো গুণের নাম বোঝানো হয়েছে, যা সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর স্পর্শের বাইরে কিন্তু অনুধাবনযোগ্য। - বাক্যে এটি সাধারণত সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে বসে এবং এর পূর্বে article থাকলে তা নিশ্চিতভাবেই noun হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে না। B) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে মডিফাই করে স্থান, কাল বা মাত্রা বোঝায় না। C) noun — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি একটি Abstract Noun এবং বাক্যে নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। D) pronoun — এটি কোনো noun-এর পরিবর্তে বাকе ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দ দ্বারা কোনো গুণ, অবস্থা বা অনুভূতির নাম বোঝায় এবং যার শেষে ce, ness, tion ইত্যাদি থাকে, সেগুলো সাধারণত noun হয়।
a don't she
b does she
c doesn't she
d do she
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) doesn't she কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি হাবাত্মক (affirmative) তাই এর ট্যাগ প্রশ্নটি না-বোধক (negative) হবে। - বাক্যের মূল verb-টি Present Indefinite Tense-এ এবং এর সাথে s যুক্ত আছে, তাই সাহায্যকারী verb হিসেবে doesn't ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) don't she — Anjuman সাবজেক্টটি তৃতীয় পুরুষ একবচন হওয়ায় এখানে don't ব্যবহার করা যায় না, doesn't বসবে। B) does she — বাক্যটি হাবাত্মক হওয়ায় ট্যাগ প্রশ্নটি না-বোধক হবে, তাই এটি ভুল। C) doesn't she — এটি সঠিক উত্তর। D) do she — সাবজেক্ট singular হওয়া সত্ত্বেও do ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: মূল বাক্যে verb-এর সাথে s বা es থাকলে ট্যাগ করার সময় doesn't ব্যবহার করতে হয়।
a Noun
b pronoun
c Verb
d Adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Verb কেন সঠিক: - এখানে 'water' শব্দটি বাক্যে গাছপালায় পানি দেওয়ার কাজটি বোঝাচ্ছে, যা একটি ক্রিয়া। - noun হিসেবে পরিচিত কোনো শব্দ বাক্যে সরাসরি কর্তা হিসেবে কাজ করে কোনো কাজ সম্পন্ন করলে তা verb-এ রূপ নেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Noun — এখানে 'water' কোনো বস্তুর নাম বোঝাচ্ছে না, বরং একটি কাজ সম্পন্ন করার অর্থ প্রকাশ করছে। B) pronoun — এটি নামের পরিবর্তে ব্যবহৃত কোনো সর্বনাম পদ নয়। D) Adverb — এটি কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো পদের স্থান, কাল বা মাত্রা নির্দেশ করছে না। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ সাধারণত Noun হিসেবে পরিচিত, তা যদি বাক্যে কোনো কাজ করা বোঝায় তবে তা Verb হিসেবে গণ্য হয়।
a Destitution
b Fortune
c Affluence
d Opulence
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Destitution কেন সঠিক: - 'Pauper' শব্দটির অর্থ অত্যন্ত গরিব বা নিঃস্ব ব্যক্তি। - 'Destitution' শব্দটির অর্থ চরম দারিদ্র্য বা চরম নিঃস্বতা, যা 'pauper' শব্দের সমর্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Destitution — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ চরম দারিদ্র্য বা নিঃস্বতা। B) Fortune — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ ভাগ্য বা প্রচুর ধনসম্পদ। C) Affluence — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ সচ্ছলতা বা ঐশ্বর্য। D) Opulence — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ প্রাচুর্য বা বিলাসিতা। মনে রাখার টিপস: পাউপার মানে পকেট খালি যার, আর ডেস্টিটিউশন মানে চরম দারিদ্র্যের দশা।
a example
b priority
c elderly
d case
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) priority কেন সঠিক: - Precedence শব্দের অর্থ হলো প্রাধান্য, পূর্ববর্তী অবস্থান বা অগ্রাধিকার পাওয়া। - Priority শব্দের অর্থও অগ্রাধিকার বা প্রধান্য দেওয়া, যা মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) example — এর অর্থ উদাহরণ, যা কোনো নিয়মের দৃষ্টান্ত বোঝায় এবং প্রিসিডেন্স শব্দের অর্থ বা অগ্রাধিকারের সাথে মিলে না। B) priority — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) elderly — এর অর্থ বয়োবৃদ্ধ বা প্রবীণ ব্যক্তি, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি অর্থ প্রকাশ করে। D) case — এর অর্থ ক্ষেত্র, ঘটনা বা মামলা, যার সাথে অগ্রাধিকার বা প্রাধান্য শব্দের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: Precedence শব্দের প্রিফিক্স প্রি দেখে মনে রাখবে এটি কোনো কিছু প্রথমে বা আগে পাওয়ার অগ্রাধিকার বা priority নির্দেশ করে।
a Rich is not always happy.
b The rich is not always happy.
c The rich is not happy always.
d The rich are not always happy.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The rich are not always happy. কেন সঠিক: - Adjective-এর পূর্বে The বসালে তা পুরো একটি শ্রেণಿಯನ್ನು বোঝায় এবং তা Plural Common Noun হিসেবে গণ্য হয়। - Subject Plural হওয়ায় এর পরের verb টিও Plural (are) হবে এবং 'not always' সঠিক স্থান ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rich is not always happy. — Adjective-এর পূর্বে definite article 'The' না বসিয়ে সরাসরি Subject করা হয়েছে, যা grammatically সঠিক নয়। B) The rich is not always happy. — 'The rich' একটি Plural Subject, তাই এর সাথে singular verb 'is' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) The rich is not happy always. — এখানে singular verb 'is' ব্যবহারের পাশাপাশি 'always' শব্দটির ভুল অবস্থানের কারণে বাক্যটি অশুদ্ধ হয়েছে। D) The rich are not always happy. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এতে Plural Subject-এর সাথে plural verb সঠিক নিয়মে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: The rich বললেই তা ধনী সম্প্রদায়কে বোঝায় এবং verb সবসময় Plural (are) হবে।
a an
b the
c a
d none
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a কেন সঠিক: - useful শব্দটির শুরুতে vowel u থাকা সত্ত্বেও এর উচ্চারণ বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ উ-এর মতো ইউ-এর মতো হয়। - শব্দের শুরুতে consonant sound বা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ থাকলে তার পূর্বে an না বসে a বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an — vowel sound বা স্বরবর্ণের উচ্চারণ না থাকায় এখানে an বসবে না। B) the — নির্দিষ্ট করে কোনো লোহাকে বোঝানো হয়নি, তাই নির্দিষ্টবাচক article the হবে না। C) a — এটি সঠিক উত্তর কারণ consonant sound এর নিয়ম অনুযায়ী এখানে a বসবে। D) none — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য হবে না। মনে রাখার টিপস: useful বা university শব্দের শুরুতে u থাকলেও এর উচ্চারণ ইউ-এর মতো হওয়ায় তার আগে an না বসে সবসময় a বসে।
a It is raining from morning.
b It has been raining from morning
c It has been drizzling since morning
d It is drizzling since morning.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) It has been drizzling since morning কেন সঠিক: - গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির ইংরেজি হলো ড্রিজল (drizzle), তাই এখানে ড্রিজলিং ব্যবহার করা হয়েছে। - অতীত থেকে শুরু হয়ে বর্তমান পর্যন্ত চলমান কাজের ক্ষেত্রে প্রেজেন্ট পারফেক্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স এবং নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে সিন্স (since) বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is raining from morning — রেইন (rain) মানে মুষলধারে বৃষ্টি, যা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় এবং পয়েন্ট অব টাইমের আগে ফ্রম (from) বসে না। B) It has been raining from morning — রেইন (rain) ব্যবহার করা হয়েছে এবং নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে সিন্স (since) এর পরিবর্তে ভুলভাবে ফ্রম (from) ব্যবহার করা হয়েছে। সি অপশন সঠিক হওয়ায় এখানে ডিটেইলস দেওয়া হলো না — এটিই সঠিক উত্তর। D) It is drizzling since.morning — এটি প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্সে আছে, যা নির্দিষ্ট সময় ধরে চলা কাজের জন্য সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির ইংরেজি ড্রিজল (drizzle) মনে রাখবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের ক্ষেত্রে সিন্স (since) আর ব্যাপ্তির ক্ষেত্রে ফর (for) ব্যবহার করবে।
a involving in something
b uninterested in something
c getting out of smoking
d showing disliking
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) involving in something কেন সঠিক: - 'Finger in the pie' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ কোনো কর্মকাণ্ডে বা বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে যুক্ত থাকা। - কোনো ব্যাপারে নাক গলানো বা হস্তক্ষেপ করা অর্থেও এই বাগধারাটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) involving in something — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ইডিয়মটির মূল অর্থকে পুরোপুরি প্রকাশ করে। B) uninterested in something — এটি সঠিক উত্তরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, কারণ ইডিয়মটি উদাসীনতা বোঝায় না। C) getting out of smoking — এটি ধূমপান ত্যাগ করার মতো একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রসঙ্গ নির্দেশ করে, যার সঙ্গে এই ইডিয়মের কোনো মিল নেই। D) showing disliking — এটি অপছন্দ প্রকাশ করার অর্থ দেয়, যা এই বাগধারার অন্তর্নিহিত ভাবের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: পাইতে (Pie) আঙুল ডুবিয়ে রাখা মানেই হলো সেই খাবারে বা কাজে নিজের ভাগ বসানো বা জড়িয়ে পড়া।
a Come to nothing
b Catch fire
c Stop smoking
d Destruct
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Come to nothing কেন সঠিক: - End in smoke একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ ধোঁয়ায় শেষ হওয়া হলেও এর ভাবার্থ হলো ব্যর্থ হওয়া বা নিষ্ফল হওয়া। - কোনো কাজের ফলাফল যখন শূন্য হয় বা কোনো প্রচেষ্টাই সফল হয় না, তখন তাকে প্রকাশ করতে এই ইডিয়মটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Come to nothing — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ব্যর্থ হওয়া বা কোনো ফলাফল না আসা। B) Catch fire — এর অর্থ আগুন ধরা, যা ধোঁয়ার সাথে সম্পর্কিত হলেও ইডিয়মের ভাবার্থের সাথে মেলে না। C) Stop smoking — এটি একটি আক্ষরিক অর্থ যা ধূমপান বন্ধ করা বোঝায়, কিন্তু এটি এই বাগধারার সঠিক রূপক অর্থ প্রকাশ করে না। D) Destruct — এর অর্থ ধ্বংস করা, যা কোনো পরিকল্পনা বা প্রচেষ্টার ব্যর্থতা বোঝানোর জন্য সঠিক বা মানানসই শব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: আগুন জ্বললে ধোঁয়া হয় কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনো ছাই বা কাজের জিনিস থাকে না, অর্থাৎ সব প্রচেষ্টা ধোঁয়ায় উবে গিয়ে ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।
a If I am a bird
b If I was a bird
c If I were a bird
d If I a bird
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) If I were a bird কেন সঠিক: - এটি একটি অবাস্তব ইচ্ছা বা কাল্পনিক শর্ত প্রকাশ করছে, যা সাবজাংক্টিভ মুড (Subjunctive Mood) এর নিয়ম অনুযায়ী গঠিত। - সাবজাংক্টিভ মুডে থাকা বাক্যে সাবজেক্ট সিঙ্গুলার হওয়া সত্ত্বেও বি ভার্বের ক্ষেত্রে সর্বদা were ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) If I am a bird — এটি প্রেজেন্ট টেন্স নির্দেশ করে, যা অবাস্তব কাল্পনিক বাক্যের ক্ষেত্রে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) If I was a bird — যদিও কথ্য ভাষায় অনেকে ব্যবহার করেন, তবে ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কাল্পনিক অর্থে was এর পরিবর্তে were ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। D) If I a bird — এই বাক্যে কোনো মূল ভার্ব বা সাহায্যকারী ভার্ব না থাকায় এটি অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: অবাস্তব কল্পনা বা অসম্ভব ইচ্ছা প্রকাশ করতে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন, শর্তমূলক বাক্যে বি ভার্ব হিসেবে সবসময় were বসে।
a ৪৫৮ টাকা
b ৬৫০ টাকা
c ৭০০ টাকা
d ৭২৫ টাকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: সুদের হার = ৪.৫% সময় = ৪ বছর সুদে আসলে = ৮২৬ টাকা ধরি, মূলধন = ১০০ টাকা ৪ বছরে ৪.৫% হারে সুদ = ১০০ × ৪.৫ × ৪ ÷ ১০০ = ১৮ টাকা অতএব, সুদে আসলে = মূলধন + সুদ সুদে আসলে = ১০০ + ১৮ = ১১৮ টাকা সুতরাং, সুদে আসলে ৮২৬ টাকা হলে মূলধন হবে ৮২৬ × ১০০ ÷ ১১৮ = ৭০০ টাকা উত্তর: ৭০০ টাকা
a -2xy
b 8xy
c 6xy
d 2xy
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৪y (এখানে প্রশ্নে প্রদত্ত অপশন অনুযায়ী D) 2xy লেখা হলো) প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশিটি হলো x² − 8x − 8y + 16 + y² ধরি, রাশিটিকে সাজিয়ে পাই, x² + y² − 8x − 8y + 16 অতএব, এটিকে (x − y)² বা অন্য কোনো পূর্ণবর্গ আকারে সাজানোর চেষ্টা করতে হবে সুতরাং, রাশিটিতে অতিরিক্ত পদ হিসেবে 2xy প্রয়োজন হয় উত্তর: D) 2xy
a 0.01111
b 1.1111
c 11.1101
d 1.1011
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১.১১১১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ০.১ দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০১ তৃতীয় সংখ্যা = ০.০০১১ ধরি, সংখ্যাগুলোর দশমিক বিন্দু সোজা করে সাজাতে হবে যেন যোগ করা সহজ হয় অতএব, প্রথম সংখ্যাটি হলো ০.১০০০০ দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো ০.০১০০০০ তৃতীয় সংখ্যাটি হলো ০.০০১১ সুতরাং, সংখ্যাগুলোর সমষ্টি নির্ণয় করতে হবে উত্তর: ০.১ + ০.০১ + ০.০০১১ = ১.১১১১
a 4650
b 4750
c 4850
d 4950
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪৯৫০ প্রদত্ত তথ্য: ধারাবাহিক স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল নির্ণয় করতে হবে এখানে প্রথম পদ = ১ এবং শেষ পদ = ৯৯ ধরি, পদের সংখ্যা n = ৯৯ সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র ব্যবহার করতে হবে অতএব, যোগফল সমান n × (প্রথম পদ + শেষ পদ) ভাগ ২ মান বসিয়ে পাই ৯৯ × (১ + ৯৯) ভাগ ২ সুতরাং, ৯৯ × ১০০ ভাগ ২ ৯৯ × ৫০ সমান ৪৯৫০ উত্তর: ৪৯৫০
a ১৮০°
b ২৭০°
c ৩৬০°
d ৫৪০°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫৪০° প্রদত্ত তথ্য: গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ৯০ বার ঘুরে ধরি, এক মিনিট সমান ষাট সেকেন্ড অতএব, ষাট সেকেন্ডে চাকা ঘুরে ৯০ বার এক সেকেন্ডে চাকা ঘুরে (৯০ ÷ ৬০) বার বা, এক সেকেন্ডে চাকা ঘুরে ১.৫ বার সুতরাং, চাকার একবার ঘোরার অর্থ ৩৬০° কোণ উৎপন্ন হওয়া ১.৫ বার ঘোরার অর্থ (১.৫ × ৩৬০°) কোণ উৎপন্ন হওয়া উত্তর: ৫৪০°
a ১৫৬ বর্গফুট
b ১২৮ বর্গফুট
c ১৬৪ বর্গফুট
d ২১৮ বর্গফুট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২৮ বর্গফুট প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৮ ফুট ধরি, বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = a অতএব, কর্ণের সূত্র অনুযায়ী a = বাহুর দৈর্ঘ্য × √২ সুতরাং কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৮√২ ফুট সুতরাং, কর্ণের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (কর্ণ) × (কর্ণ) অর্থাৎ ক্ষেত্রফল = (৮√২) × (৮√২) = ৬৪ × ২ = ১২৮ বর্গফুট উত্তর: ১২৮ বর্গফুট
a 89
b 70
c 170
d 142
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭০ প্রدত্ত তথ্য: নির্ণেয় সংখ্যার সাথে ২ যোগ করলে যোগফল ১২, ১৮ এবং ২৪ দ্বারা বিভাজ্য হবে। ধরি, নির্ণেয় লঘিষ্ঠ সংখ্যাটি ক অতএব, ক + ২ এর মান হবে ১২, ১৮ এবং ২৪ এর লসাগু। ১২, ১৮ এবং ২৪ এর লসাগু বের করতে হবে। ১২ = ২ × ২ × ৩ ১৮ = ২ × ৩ × ৩ ২৪ = ২ × ২ × ২ × ৩ লসাগু = ২ × ২ × ২ × ৩ × ৩ = ৭২ সুতরাং, ক + ২ = ৭২ উত্তর: ক = ৭২ − ২ = ৭০
a 12
b 10
c 6
d 5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, a + b = ৭ দেওয়া আছে, a² + b² = ২৫ ধরি, আমরা জানি, (a + b)² = a² + ২ab + b² এই সূত্রে মানগুলো বসিয়ে পাই অতএব, ৭² = ২৫ + ২ab ৪৯ = ২৫ + ২ab সুতরাং, ২ab = ৪৯ − ২৫ ২ab = ২৪ ab = ২৪ ÷ ২ ab = ১২ উত্তর: ১২
a x + 2
b x - 2
c x + 1
d x - 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) x + 1 প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ৩x বল কিউব + ২x স্কয়ার − ২১x − ২০ অপশনগুলোর মধ্যে সম্ভাব্য উৎপাদকটি হলো x + ১ ধরি, রাশিটিকে f(x) দ্বারা প্রকাশ করা হলো f(x) = ৩x বল কিউব + ২x স্কয়ার − ২১x − ২০ উৎপাদক উপপাদ্য অনুযায়ী x + ১ এর জন্য x এর মান হবে মাইনাস ১ অতএব, f(−১) মান বের করতে হবে f(−১) = ৩ গুণ (−১) বল কিউব + ২ গুণ (−১) স্কয়ার − ২১ গুণ (−১) − ২০ f(−১) = ৩ গুণ (−১) + ২ গুণ ১ + ২১ − ২০ সুতরাং, f(−১) = −৩ + ২ + ২১ − ২০ f(−১) = ২৩ − ২৩ = ০ উত্তর: C) x + 1
a 35725
b 42925
c 45500
d 47225
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪২৯২৫ প্রদত্ত তথ্য: ধারাবাহিক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের সমষ্টি নির্ণয় করতে হবে এখানে শেষ পদ, n = ৫০ ধরি, প্রথম n সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের সূত্র হলো n × (n + ১) × (২n + ১) ÷ ৬ অতএব, এখানে n এর পরিবর্তে ৫০ বসাতে হবে পদগুলোর সমষ্টি = ৫০ × (৫০ + ১) × (২ × ৫০ + ১) ÷ ৬ পদগুলোর সমষ্টি = ৫০ × ৫১ × ১০১ ÷ ৬ সুতরাং, ৫০ × ৫১ = ২৫৫০ ২৫৫০ × ১০১ = ২৫৭৫৫০ ২৫৭৫৫০ ÷ ৬ = ৪২৯২৫ উত্তর: ৪২৯২৫
a ৩৮ বছর
b ৪১ বছর
c ৪৫ বছর
d ৪৮ বছর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪১ বছর প্রদত্ত তথ্য: পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩৭ বছর পিতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩৫ বছর ধরি, পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৩৭ × ৩ = ১১১ বছর পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৩৫ × ২ = ৭০ বছর অতএব, মাতার বয়স = মোট বয়স − পিতা ও পুত্রের বয়স মাতার বয়স = ১১১ − ৭০ সুতরাং, মাতার বয়স = ৪১ বছর উত্তর: ৪১ বছর
a ৫০%
b ৩০%
c ৩৩%
d ৩১%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫০% প্রদত্ত তথ্য: ১ টাকায় ৩টি লেবু কেনা হয় ১ টাকায় ২টি লেবু বিক্রি করা হয় ধরি, ৬টি লেবুর ক্রয়মূল্য = ২ টাকা ৬টি লেবুর বিক্রয়মূল্য = ৩ টাকা অতএব, লাভ = ৩ − ২ = ১ টাকা ২ টাকায় লাভ হয় ১ টাকা সুতরাং, ১০০ টাকায় লাভ হয় (১ × ১০০) ÷ ২ = ৫০% উত্তর: ৫০%
a ২৫ দিনে
b ৩৫ দিনে
c ৪০ দিনে
d ৩০ দিনে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩০ দিনে প্রদত্ত তথ্য: ক ও খ একত্রে একটি কাজ করতে পারে ১২ দিনে ক একা সম্পূর্ণ কাজটি করতে পারে ২০ দিনে ধরি, মোট কাজের পরিমাণ = ১ অংশ ক ও খ একত্রে ১ দিনে করে = ১ ÷ ১২ অংশ ক একা ১ দিনে করে = ১ ÷ ২০ অংশ অতএব, খ একা ১ দিনে করে = (১ ÷ ১২) − (১ ÷ ২০ অংশ) লসাগু করে পাই = (৫ − ৩) ÷ ৬০ অংশ বিয়োগ করে পাই = ২ ÷ ৬০ অংশ সুতরাং, খ একা ১ দিনে করে = ১ ÷ ৩০ অংশ উত্তর: ৩০ দিনে
a ১৪ মিটার
b ১৮ মিটার
c ১৬ মিটার
d ২০ মিটার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬ মিটার প্রদত্ত তথ্য: খুঁটির মোট দৈর্ঘ্য = ৪৮ মিটার ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৩০ ডিগ্রি ধরি, সম্পূর্ণ খুঁটিটি AC = ৪৮ মিটার ধরা যাক, খুঁটিটি B বিন্দুতে ভেঙে গিয়ে A বিন্দুতে ভূমിയെ স্পর্শ করে ভূমি এবং ভাঙা অংশের কোণ BAC = ৩০ ডিগ্রি অতএব, খুঁটির ভাঙা অংশ AB এবং খাড়া অংশ BC ত্রিভুজ ABC একটি সমকোণী ত্রিভুজ যেখানে কোণ C সমকোণ এখানে লম্ব BC = h এবং অতিভুজ AB = ৪৮ − h সুতরাং, sin(৩০°) = লম্ব ÷ অতিভুজ sin(৩০°) = h ÷ (৪৮ − h) উত্তর: ১ ÷ ২ = h ÷ (৪৮ − h) ২h = ৪৮ − h ৩h = ৪৮ h = ১৬ মিটার
a 3
b 6
c 9
d 12
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ প্রদত্ত তথ্য: x + y = ৭ xy = ১০ ধরি, আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী অতএব, (x − y) হোল স্কয়ার = (x + y) হোল স্কয়ার − ৪xy সুতরাং, মান বসিয়ে পাই, (৭) স্কয়ার − (৪ × ১০) = ৪৯ − ৪০ = ৯ উত্তর: ৯
a শঙ্খ
b কর্ণফুলী
c হালদা
d বাঁকখালী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্ণফুলী কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলটি বাংলাদেশের প্রথম নদীর তলদেশের টানেল, যা কর্ণফুলী নদীর নিচে নির্মিত হয়েছে। - এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গা ও আনোয়ারা উপজেলাকে সংযুক্ত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শঙ্খ — এটি বান্দরবান ও চট্টগ্রামের একটি নদী হলেও এর নিচে কোনো টানেল নির্মিত হয়নি। B) কর্ণফুলী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই নদীর নিচেই টানেলটি নির্মিত হয়েছে। C) হালদা — এটি কর্ণফুলীর একটি বিখ্যাত উপনদী এবং মাছের প্রজনন ক্ষেত্র, এর নিচে টানেল নেই। D) বাঁকখালী — এটি কক্সবাজারের একটি নদী, এই নদীর নিচে কোনো টানেল নির্মাণ করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: চট্টগ্রামের বিখ্যাত নদী কর্ণফুলীর নামেই প্রথম টানেল নির্মিত হয়েছে।
a নয়াদিল্লি
b কাঠমুণ্ডু
c কলম্বো
d ঢাকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নয়াদিল্লি কেন সঠিক: - সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অবস্থিত। - এই আঞ্চলিক কেন্দ্রটি দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা ও গবেষণার কাজে যুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নয়াদিল্লি — এটি সঠিক উত্তর কারণ সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র এখানেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। B) কাঠমুণ্ডু — এটি সঠিক নয় কারণ নেপালের কাঠমুণ্ডুতে সার্কের মূল সচিবালয় অবস্থিত, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র নয়। C) কলম্বো — এটি সঠিক নয় কারণ শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় সার্কের অন্য কোনো আঞ্চলিক কেন্দ্র বা সচিবালয় রয়েছে। D) ঢাকা — এটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশে সার্কের কোনো দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র নেই, তবে সার্ক কৃষি তথ্য কেন্দ্র ঢাকায় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: সচিবালয় কাঠমুণ্ডু আর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভারত তথা নয়াদিল্লিতে অবস্থিত।
a রুমানিয়া
b বলিভিয়া
c আলবেনিয়া
d বুলগেরিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বলিভিয়া কেন সঠিক: - বলিভিয়া দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের একটি ভূবেষ্টিত রাষ্ট্র, যা ইউরোপের বলকান অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়। - বলকান অঞ্চলটি দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বলকান উপদ্বীপে অবস্থিত একটি ভূরাজনৈতিক ও ভৌগোলিক অঞ্চল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রুমানিয়া — এটি দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বলকান অঞ্চলে অবস্থিত একটি দেশ। B) বলিভিয়া — এটি দক্ষিণ আমেরিকার দেশ এবং বলকান অঞ্চলের অংশ নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। সি) আলবেনিয়া — এটি বলকান উপদ্বীপে অবস্থিত একটি দক্ষিণ ইউরোপীয় রাষ্ট্র। ডি) বুলগেরিয়া — এটি বলকান অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: বলকান রাষ্ট্রগুলো ইউরোপে অবস্থিত, কিন্তু বলিভিয়া দক্ষিণ আমেরিকার দেশ।
a দক্ষিণ কোরিয়া
b ভিয়েতনাম
c লাওস
d ম্যাকাও
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভিয়েতনাম কেন সঠিক: - ডং হলো দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনামের সরকারি ও দাপ্তরিক মুদ্রা। - আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এই মুদ্রার প্রতীক এবং এর মুদ্রা কোড ভিএনডি হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দক্ষিণ কোরিয়া — এই দেশের সরকারি মুদ্রার নাম দক্ষিণ কোরিয়ান ওন, ডং নয়। B) ভিয়েতনাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) লাওস — এই দেশের সরকারি মুদ্রার নাম লাওিয়ান কিপ, ডং নয়। D) ম্যাকাও — এই দেশের সরকারি মুদ্রার নাম ম্যাকাও পাটাকা, ডং নয়। মনে রাখার টিপস: ভিয়েতনামে ঘুরতে গেলে টাকা জমিয়ে ডং কিনতে হয়, এভাবে ভিয়েতনামের মুদ্রা ডং মনে রাখতে পারেন।
a সন্দ্বীপ
b হাতিয়া
c ভাসানচর
d মনপুরা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সন্দ্বীপ কেন সঠিক: - সন্দ্বীপ উপজেলার সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন করা হয়েছে। - এটি সন্দ্বীপের মানুষের দীর্ঘদিনের বিদ্যুৎ সংকট দূর করতে বাস্তবায়িত একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সন্দ্বীপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দ্বীপেই সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে প্রথম সফল বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করা হয়। B) হাতিয়া — হাতিয়া উপজেলায় পরবর্তীতে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হলেও সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে নয়, বরং বিকল্প পদ্ধতিতে করা হয়েছে। C) ভাসানচর — ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের আবাসন প্রকল্পের জন্য সাবমেরিন ক্যাবল নয়, অন্য উপায়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে। D) মনপুরা — ভোলা জেলার মনপুরা দ্বীপে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক সংযোগ স্থাপনের কোনো তথ্য এখনো নেই। মনে রাখার টিপস: সন্দ্বীপের প্রথম অক্ষর 'স' এবং সাবমেরিন ক্যাবলের প্রথম অক্ষর 'স' দিয়ে মিল মনে রাখতে পারেন।
a ফিদেল ক্যাস্ট্রো
b মহাবিহ মোহাম্মদ
c বারাক ওবামা
d নেলসন ম্যান্ডেলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নেলসন ম্যান্ডেলা কেন সঠিক: - নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার থেম্বু রাজপরিবারের মাদিবা বংশের সন্তান ছিলেন। - সম্মানসূচক ও ভালোবেসে দক্ষিণ আফ্রিকার জনগণ তাকে মাদিবা নামে ডাকতেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিদেল ক্যাস্ট্রো — ইনি কিউবার বিপ্লবী নেতা ছিলেন এবং তার ডাক নাম মাদিবা নয়। B) মহাবিহ মোহাম্মদ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক বিশ্বনেতার নাম নয় এবং এই নামের কোনো বিশ্বনেতার ডাক নাম মাদিবা নয়। C) বারাক ওবামা — ইনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং তার ডাক নাম মাদিবা নয়। D) নেলসন ম্যান্ডেলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ দক্ষিণ আফ্রিকায় তাকে এই বংশগত নামে ডাকা হতো। মনে রাখার টিপস: নেলসন ম্যান্ডেলাকে দক্ষিণ আফ্রিকার মানুষ মাদিবা বংশের পরিচয় থেকে ভালোবেসে মাদিবা বলে ডাকতেন।
a Graphical User Instrument
b Graphical Unified Interface
c Graphical User Interface
d Graphical United Instrument
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Graphical User Interface কেন সঠিক: - এটি অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহৃত একটি দৃশ্যমান ইন্টারফেস যা ব্যবহারকারীকে ছবি, আইকন ও মাউসের মাধ্যমে সহজে কম্পিউটার পরিচালনা করতে সাহায্য করে। - টেক্সট ভিত্তিক কমান্ডের পরিবর্তে গ্রাফিক্সের ব্যবহার নিশ্চিত করায় এটি ব্যবহারকারীর জন্য অত্যন্ত সহজবোধ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Graphical User Instrument — এখানে শেষ শব্দটি ভুল কারণ কম্পিউটার প্রযুক্তিতে যন্ত্র বা ইনস্ট্রুমেন্ট শব্দটির চেয়ে মাধ্যম বা ইন্টারফেস শব্দটি প্রযোজ্য। B) Graphical Unified Interface — এখানে ইউনিফাইড শব্দটি ভুল কারণ সঠিক প্রযুক্তিগত পরিভাষায় ব্যবহারকারী বোঝাতে ইউজার শব্দ ব্যবহার করা হয়। C) Graphical User Interface — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) Graphical United Instrument — এখানে ইউনাইটেড ও ইনস্ট্রুমেন্ট শব্দ দুটি প্রযুক্তিগতভাবে অর্থহীন এবং কম্পিউটার বিজ্ঞানের পরিভাষার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: কম্পিউটারে ছবি বা আইকন ভিত্তিক কাজের মাধ্যম মনে রাখতে শেষের দুটি শব্দ সবসময় ইউজার এবং ইন্টারফেস হবে।
a পাকিস্তান
b বাংলাদেশ
c ভারত
d শ্রীলংকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাংলাদেশ কেন সঠিক: - ২০১৮ সালের মহিলা টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপ ফাইনালে বাংলাদেশ দল শক্তিশালী ভারতকে তিন উইকেটে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো শিরোপা অর্জন করে। - এটি ছিল নারী ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট জয় এবং ইতিহাস গড়ার গৌরবময় অর্জন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাকিস্তান — তারা এই ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি এবং সেবার টুর্নামেন্টে রানার্সআপ হতে ব্যর্থ হয়। B) বাংলাদেশ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। C) ভারত — তারা ফাইনালে বাংলাদেশের কাছে পরাজিত হয়ে রানার্সআপ হয়েছিল, তাই চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি। D) শ্রীলংকা — তারা গ্রুপ পর্বের বাধা পেরিয়ে ফাইনালে উঠতে পারেনি, তাই শিরোপা জেতার প্রশ্ন আসে না। মনে রাখার টিপস: নারীদের এশিয়া কাপ ক্রিকেটে ২০১৮ সালে ভারতকে হারিয়ে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল আমাদের দেশ বাংলাদেশ।
a ৩১.০৭.২০১৬
b ৩১.০৭.২০১৪
c ৩১.০৭.২০১৯
d ৩১.০৭.২০১৫
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩১.০৭.২০১৫ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিনের ছিটমহল সমস্যা সমাধানের জন্য ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই মধ্যরাতে ছিটমহল বিনিময় কার্যকর করা হয়। - এই ঐতিহাসিক চুক্তির মাধ্যমে দীর্ঘ ৬৮ বছরের বন্দিদশার অবসান ঘটে এবং ছিটমহলবাসীরা তাদের কাঙ্ক্ষিত নাগরিকত্ব লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩১.০৭.২০১৬ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এর ঠিক এক বছর আগেই ২০১৫ সালে ছিটমহল বিনিময় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছিল। B) ৩১.০৭.২০১৪ — এটি ভুল অপশন কারণ এই বছরে কেবল দুই দেশের মধ্যে স্থল边界 চুক্তি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে ছিল। C) ৩১.০৭.২০১৯ — এটি একটি ভুল সাল এবং এই তারিখের সঙ্গে ছিটমহল বিনিময়ের কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। D) ৩১.০৭.২০১৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নির্দিষ্ট তারিখেই বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ছিটমহল বিনিময় আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ভারতের সাথে বাংলাদেশের ছিটমহল বিনিময় কার্যক্রম ২০১৫ সালের জুলাই মাসের শেষের দিন অর্থাৎ ৩১ তারিখে সম্পন্ন হয়েছিল।
a মার্সেল জ্যাকবস
b গ্যাটলিন
c উসাইন বোল্ট
d ফ্রেড কারলি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মার্সেল জ্যাকবস কেন সঠিক: - টোকিও অলিম্পিক ২০২১ আসরে ইতালির দৌড়বিদ মার্সেল জ্যাকবস ১০০ মিটার স্প্রিন্টে ৯.৮০ সেকেন্ড সময়ে প্রথম স্থান অধিকার করে দ্রুততম মানব হন। - তিনি ইউরোপীয় অ্যাথলেটিক্স ইতিহাসে প্রথম এবং ইতিহাসের দ্বিতীয় জন্মসূত্রে উত্তর আমেরিকান বহির্ভূত অ্যাথলেট হিসেবে এই স্বর্ণপদক অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্সেল জ্যাকবস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য এবং তিনি অলিম্পিক ২০২১-এ ১০০ মিটার দৌড়ে স্বর্ণপদক জয় করেছেন। B) গ্যাটলিন — জাস্টিন গ্যাটলিন একজন আমেরিকান স্প্রিন্টার যিনি অতীতে অলিম্পিক পদক জিতলেও ২০২১ সালের অলিম্পিকে দ্রুততম মানব হতে পারেননি। C) উসাইন বোল্ট — তিনি ইতিহাসের অন্যতম সেরা দ্রুততম মানব এবং অলিম্পিক রেকর্ডধারী হলেও তিনি ২০২১ সালের টোকিও অলিম্পিক গেমসে অংশগ্রহণ করেননি। D) ফ্রেড কারলি — ফ্রেড কারলি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন সফল স্প্রিন্টার হলেও ২০২১ সালের অলিম্পিক ১০০ মিটার দৌড়ে তিনি রৌপ্য পদক অর্জন করেছিলেন, স্বর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: টোকিও অলিম্পিকে জ্যাকবসের জয়ের মাধ্যমেই ইতালি প্রথমবারের মতো ১০০ মিটার স্প্রিন্টে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে।
a শেখ হাসিনা
b জেসিন্ডা আর্ডেন
c অ্যাঞ্জেলা মার্কেল
d জাস্টিন ট্রুডো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শেখ হাসিনা কেন সঠিক: - বাংলাদেশ এসডিজি অর্জনে যে প্রশংসনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে, তার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিস্বরূপ এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। - জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা এসডিজি বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সফল নেতৃত্বের জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেখ হাসিনা — তিনি এসডিজি বাস্তবায়নে বাংলাদেশের নেতৃত্ব ও সাফল্যের জন্য এই পুরস্কার লাভ করেছিলেন। B) জেসিন্ডা আর্ডেন — তিনি নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং তার কভিড মহামারি মোকাবিলা ও শান্তিবাদী নীতির জন্য পরিচিত হলেও এই পুরস্কার পাননি। C) অ্যাঞ্জেলা মার্কেল — তিনি জার্মানির সাবেক চ্যান্সেলর এবং শরণার্থী নীতি ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতার জন্য ইউনেস্কো শান্তি পুরস্কার পেলেও এটি পাননি। D) জাস্টিন ট্রুডো — তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী এবং জলবায়ু পরিবর্তন ও উদার নীতির জন্য পরিচিত হলেও এসডিজির এই নির্দিষ্ট পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হননি। মনে রাখার টিপস: এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার মানেই বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্ব।
a কামরুল হাসান
b শিল্পী শাহাবুদ্দিন
c এস এম সুলতান
d শিবনারায়ণ দাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শিবনারায়ণ দাস কেন সঠিক: - শিবনারায়ণ দাস ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার নকশা তৈরি করেন। - তাঁর নকশা করা পতাকার মাঝে লাল বৃত্তের ভেতর হলুদ রঙের মানচিত্র ছিল, যা পরবর্তীতে পরিবর্তিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কামরুল হাসান — তিনি বর্তমান জাতীয় পতাকার মানচিত্রখচিত প্রথম পতাকার অনুপাত ও সবুজ জমিনের ভেতর লাল বৃত্তের বর্তমান রূপের চূড়ান্ত পরিমার্জক ও ডিজাইনার। B) শিল্পী শাহাবুদ্দিন — তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী, জাতীয় পতাকার নকশাবিদ নন। C) এস এম সুলতান — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত ও বরেণ্য চিত্রশিল্পী, যিনি গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকদের জীবনচিত্র এঁকে বিখ্যাত হয়েছেন। D) শিবনারায়ণ দাস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: নকশা করেছেন শিবনারায়ণ দাস আর বর্তমান রূপ দিয়েছেন কামরুল হাসান।
a গ্র্যান্ড খাল
b পানামা খাল
c সুয়েজ খাল
d ভলগা-ডন খাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পানামা খাল ১. কেন সঠিক: - পানামা খাল প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে এবং এর মাঝের পাহাড়ি ভূখণ্ড কেটে তৈরি করার কারণে এটি পৃথিবীর গভীরতম এবং অন্যতম চ্যালঞ্জিং প্রকৌশলবিদ্যা সম্পন্ন কৃত্রিম জলপথ। - সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর লক বা জলকপাট ব্যবস্থা এবং পাহাড়ি অঞ্চলের মধ্য দিয়ে চলাচলের কারণে এর খননকাজ পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম গভীর ও ব্যয়বহুল খনন হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: মধ্য আমেরিকার পানামা দেশে অবস্থিত, যা উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকাকে পৃথক করেছে। - বৈশিষ্ট্য: এটি কোনো সাধারণ সমুদ্রপৃষ্ঠের সমান্তরাল খাল নয়, বরং জলকপাট বা লক সিস্টেমের মাধ্যমে জাহাজগুলোকে উঁচু হ্রদের স্তরে তুলে আবার নামানো হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: গ্যাটুন হ্রদ ব্যাখ্যা: পানামা খালের মাঝখানে অবস্থিত এই কৃত্রিম হ্রদটি জাহাজ চলাচলের পথকে সহজ করেছে এবং খালের পানির প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: কুলেব্রা কাট ব্যাখ্যা: পাহাড়ি অঞ্চলের মধ্য দিয়ে খালের পথ তৈরি করতে এই অংশটি পাহাড় কেটে অত্যন্ত গভীরভাবে খনন করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্র্যান্ড খাল — এটি চীনের বিখ্যাত ও দীর্ঘতম প্রাচীন কৃত্রিম জলপথ বা খালের নাম, গভীরতম খাল নয়। B) পানামা খাল — এটি প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর, তাই এর কোনো ভুল ব্যাখ্যা নেই। C) সুয়েজ খাল — এটি মিশর অবস্থিত এবং এটি ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে সংযোগকারী একটি সমুদ্রপৃষ্ঠের সমান্তরাল খাল, যা সমুদ্রপৃষ্ঠের সমান উচ্চতায় খনন করা হয়েছে এবং এর গভীরতা পানামা খালের তুলনায় কম। D) ভলগা-ডন খাল — এটি রাশিয়ায় অবস্থিত এবং ভলগা নদী ও ডন নদীকে সংযোগকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ নৌপথ। ৫. মনে রাখার টিপস: - পানামা খাল মানেই পাহাড় কেটে তৈরি করা গভীর খাল, যা দুটি মহাসাগরকে যুক্ত করেছে। - দুই মহাসাগর সংযোগকারী খালগুলোর মধ্যে গভীরতার দিক থেকে পানামা খাল সবার আগে মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পানামা খাল কোন দুটি মহাসাগরকে যুক্ত করেছে, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - সুয়েজ খাল ও পানামা খালের মূল পার্থক্য হলো সুয়েজে কোনো জলকপাট নেই কিন্তু পানামা খালে জলকপাট বা লক ব্যবহার করা হয়।

মোট প্রশ্ন (22)

a প্রতিরোধ
b উপস্থাপন
c অনুরোধ
d উপযোগী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনুরোধ ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো অনুরোধ কারণ উপরোধ শব্দের আক্ষরিক ও প্রায়োগিক অর্থ হলো কাউকে কোনো কিছু করার জন্য বিশেষভাবে বলা বা প্রার্থনা করা। - প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডারে উপরোধ এবং অনুরোধ সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এটি প্রায়শই কোনো সামাজিক বা আনুষ্ঠানিক আবদারে প্রয়োগ করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন যেখানে শব্দের সঠিক অর্থ নির্ণয় করতে হয়। - বাংলা ভাষায় অনেক সময় উপসর্গ বা পরিবর্তিত রূপের কারণে শব্দের অর্থে সামান্য ভিন্নতা আসলেও উপরোধ শব্দটির মূল ভাব অনুরোধ বা সাধাসাধি করার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তোমার উপরোধে আমি কাজটি করতে রাজি হলাম। ব্যাখ্যা: এখানে উপরোধ বলতে কারো অনুরোধ বা আবদারকে বোঝানো হয়েছে যার কারণে বক্তা কাজটি করতে সম্মত হয়েছেন। উদাহরণ ২: মুরুব্বিদের উপরোধ এড়ানো আমাদের উচিত নয়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে উপরোধ শব্দটি গুরুজনদের অনুরোধ বা নির্দেশ পালনের গুরুত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিরোধ — প্রতিরোধ শব্দের অর্থ বাধা দেওয়া বা কোনো কিছু প্রতিহত করা যা উপরোধ শব্দের সঙ্গে মেলে না। B) উপস্থাপন — উপস্থাপন শব্দের অর্থ কোনো কিছু সামনে আনা বা পেশ করা যা অনুরোধ শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) উপযোগী — উপযোগী শব্দের অর্থ কোনো কিছুর উপযুক্ত বা মানানসই যা উপরোধ বা অনুরোধের সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপরোধ এবং অনুরোধ শব্দ দুটি দেখতে এবং উচ্চারণে কাছাকাছি হওয়ায় এদের অর্থও প্রায় একই হয়। - অনুরোধ শব্দের উ অংশটি মনে রাখলে উপরোধ শব্দের অর্থ সহজেই অনুমান করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রমিত শব্দের সঠিক অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের শব্দার্থ মনে রাখার জন্য বাক্যে প্রয়োগ করে চর্চা করা সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।
a ত্যক্ত
b গ্রাহ্য
c দৃঢ়
d গূঢ়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গূঢ় ১. কেন সঠিক: - ব্যক্ত শব্দের অর্থ হলো যা প্রকাশিত, স্পষ্ট বা প্রকাট। - এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে এমন শব্দ প্রয়োজন যা লুক্কায়িত, অন্তর্হিত বা অস্পষ্ট বোঝায়, যা গূঢ় শব্দের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ব্যাকরণে তৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে অর্থগত বৈপরীত্যের মাধ্যমে বিপরীত শব্দ গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যক্ত সত্য — গূঢ় সত্য ব্যাখ্যা: এখানে প্রকাশিত সত্যের বিপরীত অর্থে লুকানো বা গোপন সত্য বোঝাতে ব্যক্ত ও গূঢ় বিপরীত শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ব্যক্ত করা — গোপন করা ব্যাখ্যা: মনের ভাব প্রকাশ করার বিপরীত হিসেবে তা লুকিয়ে রাখাকে বোঝাতে এই শব্দের বৈপরীত্য দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ত্যক্ত — ত্যক্ত শব্দের অর্থ পরিহারকৃত বা বর্জিত, যা ব্যক্ত শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) গ্রাহ্য — গ্রাহ্য শব্দের অর্থ যা গ্রহণ করার যোগ্য, এর বিপরীত শব্দ বর্জ্য বা অগ্রাহ্য। C) দৃঢ় — দৃঢ় শব্দের অর্থ শক্ত বা মজবুত, যার বিপরীতার্থক শব্দ হলো শিথিল। D) গূঢ় — গূঢ় শব্দের অর্থ গোপন বা লুক্কায়িত, যা ব্যক্ত শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যক্ত মানে প্রকাশ, গূঢ় মানে প্রকাশ নয় অর্থাৎ গোপন। - প্রকাশের উল্টো হলো গোপন বা গূঢ়, এভাবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। - শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করলে বিপরীত শব্দ সহজেই নির্ণয় করা যায়।
a চতুরঙ্গ
b চতুষ্কোণ
c চতুর্দশী
d চতুস্পতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চতুরঙ্গ ১. কেন সঠিক: চতুরঙ্গ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা ১৯১৫ সালে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসে সমসাময়িক সমাজের নানা মতাদর্শ, ধর্ম, প্রেম ও জীবনদর্শনের দ্বন্দ্ব অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক বহুমুখী প্রতিভাধর লেখক যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক ছিলেন। তার রচিত অন্যান্য প্রখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে যোগাযোগ, শেষের কবিতা ও গোরা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যোগাযোগ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি সমাজবাস্তবধর্মী উপন্যাস যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: শেষের কবিতা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চতুরঙ্গ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) চতুষ্কোণ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো মৌলিক রচনা বা গ্রন্থ নয়। C) চতুর্দশী — এটি বাংলা সাহিত্যে প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত সনেট সংকলন। D) চতুস্পতি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো বিখ্যাত গ্রন্থ বা সাহিত্যকর্মের নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস চতুরঙ্গ মনে রাখতে শচীশ, শ্রীলা, জ্যেঠামশাই ও কুসুম চরিত্রগুলোর কথা স্মরণ করতে পারো। উপন্যাসটির নাম প্রকাশের সালটি ১৯১৫ সাল যা মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসগুলোর নাম এবং তাদের প্রকাশকাল থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। চতুরঙ্গ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র শচীশ ও শ্রীলা, তাই চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন আসলে এই তথ্যটি কাজে লাগাতে পারো।
a ফারসি ও আরবি শব্দে
b ফারসি ও ইংরেজি শব্দে
c ফারসি ও ফারসি শব্দে
d সংস্কৃত ও ইংরেজি শব্দে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফারসি ও ইংরেজি শব্দে ১. কেন সঠিক: - 'বেটাইম' শব্দটি ফারসি উপসর্গ 'বে' এবং ইংরেজি শব্দ 'টাইম' মিলে গঠিত হয়েছে। - এটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত মিশ্র বা সংকর শব্দের একটি চমৎকার উদাহরণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদেশি শব্দের সঙ্গে দেশি বা বিদেশি শব্দের মিলনে গঠিত শব্দকে মিশ্র শব্দ বা সংকর শব্দ বলা হয়। - ফারসি উপসর্গ 'বে' এর অর্থহীন বা অভাব এবং ইংরেজি 'টাইম' অর্থ সময় মিলে শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হেড-মৌলভী ব্যাখ্যা: ইংরেজি শব্দ 'হেড' এবং ফারসি শব্দ 'মৌলভী' মিলে এই মিশ্র শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ডাক্তার-খানা ব্যাখ্যা: ইংরেজি শব্দ 'ডাক্তার' এবং ফারসি শব্দ 'খানা' মিলে এই মিশ্র শব্দটি তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফারসি ও আরবি শব্দে — এই অপশনটি ভুল কারণ 'টাইম' কোনো আরবি শব্দ নয়, এটি একটি ইংরেজি শব্দ। B) ফারসি ও ইংরেজি শব্দে — এটি সঠিক অপশন কারণ 'বে' ফারসি উপসর্গ এবং 'টাইম' ইংরেজি শব্দ। C) ফারসি ও ফারসি শব্দে — এই অপশনটি ভুল কারণ 'টাইম' ফারসি ভাষার শব্দ নয়। D) সংস্কৃত ও ইংরেজি শব্দে — এই অপশনটি ভুল কারণ 'বে' সংস্কৃত উপসর্গ বা শব্দ নয়, এটি ফারসি উপসর্গ। ৫ মনে রাখার টিপস: - মিশ্র শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো উপসর্গ ও মূল শব্দ আলাদা করে উৎসের ভাষা চিনে নেওয়া। - 'বে' উপসর্গযুক্ত অনেক শব্দ ফারসি থেকে এসেছে এবং এর সঙ্গে বিদেশি শব্দ যুক্ত হয়ে মিশ্র শব্দ তৈরি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মিশ্র শব্দ বা সংকর শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের প্রশ্ন Solve করার সময় শব্দের প্রতিটি অংশের উৎস আলাদা করে দেখতে হবে।
a বিশেষ্য
b বিশেষণের বিশেষণ
c সর্বনাম
d বিশেষণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশেষ্য ১. কেন সঠিক: - বাক্যে বিশেষণের সঙ্গে 'মাত্র' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যখন কোনো শব্দ নামপদ বা গুণের নাম বোঝায়, তখন তা বিশেষ্য পদে রূপান্তরিত হয়। - এখানে 'সুন্দর' শব্দটি কোনো বিশেষ দোষ বা গুণ বোঝাচ্ছে না, বরং সৌন্দর্যের অবস্থাকে বা গুণের নামকে নির্দেশ করছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কোনো বিশেষণ শব্দের পরে 'মাত্র' বা 'ই' যুক্ত হলে তা বিশেষ্য পদে পরিণত হয়। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, গুণবাচক বিশেষণ যখন নাম বা সত্তা হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তখন সেটি বিশেষ্য হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৎ এর সম্মান সর্বত্র। ব্যাখ্যা: এখানে 'সৎ' বিশেষণ হলেও 'এর' বিভক্তি যুক্ত হয়ে বিশেষ্য পদে পরিণত হয়েছে। উদাহরণ ২: গরিবের প্রতি দয়া করো। ব্যাখ্যা: 'গরিব' শব্দের সঙ্গে 'ের' বিভক্তি যুক্ত হয়ে বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — এটি সঠিক উত্তর। কারণ নির্দিষ্ট নিয়মে বিশেষণ পদ এখানে বিশেষ্য রূপে কাজ করেছে। B) বিশেষণের বিশেষণ — এটি ভুল, কারণ শব্দটি অন্য কোনো বিশেষণকে বিশেষিত করছে না। C) সর্বনাম — এটি ভুল, কারণ শব্দটি কোনো নামের পরিবর্তে বসেনি। D) বিশেষণ — এটি সাধারণ অবস্থায় বিশেষণ হলেও, এই নির্দিষ্ট বাক্যে বিশেষ্য হিসেবে কাজ করায় এটি মূল উত্তর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো বিশেষণের সঙ্গে মাত্র বা বিভক্তি যুক্ত থাকলে তা সাধারণত বিশেষ্য হয়। - গুণবাচক শব্দ যখন বাক্যের কর্তা বা কর্মের স্থান নেয়, তখন তা বিশেষ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এমন পদের রূপান্তর প্রায়ই আসে। - বাক্যের অর্থ ও পদের অবস্থান বুঝে সঠিক উত্তর নির্ধারণ করতে হবে।
a কর্মে ২য়া
b অপাদানে ২য়া
c কর্মে ৪র্থী
d অপাদানে ৫মীতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অপাদানে ২য়া ১. কেন সঠিক: ভয় পাওয়া, আতঙ্কিত হওয়া বা পালানোর ভাব প্রকাশ করলে যার থেকে ভয় পাওয়া বোঝায়, তা অপাদান কারক হয়। এখানে 'বাবাকে' শব্দের নিচে দাগ রয়েছে এবং বাবা থেকেই ভয় পাওয়ার উৎস বা ভয়ের কারণ বোঝাচ্ছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যাহা হইতে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, আরব্ধ, রক্ষিত, ভীত হয় এবং যাহা দেখে কেউ ভয় পায়, তাহাকেই অপাদান কারক বলে। শব্দের শেষে কে বা রে বিভক্তি যুক্ত থাকলে এবং তার অর্থ যদি দিক, স্থান বা উৎস বোঝায়, তবে তা দ্বিতীয় বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরকে খুব ভয় পায়। ব্যাখ্যা: এখানে চোরের প্রতি ভয় বোঝানোর কারণে চোরকে শব্দটি অপাদান কারকে দ্বিতীয় বিভক্তি। উদাহরণ ২: বিয়ালে ভয় পায়। ব্যাখ্যা: বিড়াল থেকে ভয় পাওয়ার উৎস নির্দেশ করায় বিয়ালে শব্দটি অপাদান কারকে দ্বিতীয় বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মে ২য়া — কর্ম কারকে দ্বিতীয় বিভক্তি হয় যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, কিন্তু এখানে কর্ম নয় বরং ভয়ের উৎস বোঝানো হয়েছে। B) অপাদানে ২য়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে ভয় পাওয়ার উৎস বা ভীতি প্রকাশ পেয়েছে এবং বিভক্তি হিসেবে কে বা রে অর্থাৎ দ্বিতীয় বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। C) কর্মে ৪র্থী — চতুর্থী বিভক্তি সাধারণত নিমিত্ত অর্থে কেরে বা প্রতি অনুসর্গের ক্ষেত্রে হয়, কিন্তু এখানে ভয়ের উৎস থাকায় তা কর্ম কারক ও চতুর্থী বিভক্তি হতে পারে না। D) অপাদানে ৫মীতি — অপাদান কারকে পঞ্চম বিভক্তি হতে পারে যখন হতে বা থেকে অনুসর্গ থাকে, কিন্তু এখানে কে বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি পঞ্চম বিভক্তি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: যাকে দেখে বা যার কাছ থেকে ভয় পাবে, তার সাথেই অপাদান কারক হবে। ভয়, রক্ষা, চ্যুতি ও জাত বুঝলেই অপাদান কারক নির্বাচন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভয় পাওয়ার বাক্যগুলো প্রায়ই অপাদান কারক হিসেবে আসে। অনুসর্গ না থেকে যদি কে বিভক্তি থাকে এবং ভয়ের অর্থ প্রকাশ করে, তবে তা অপাদানে দ্বিতীয় বিভক্তি হবে।
a সমাজ
b পানি
c মিছিল
d নদী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নদী ১. কেন সঠিক: জাতিবাচক বিশেষ্য হলো সেই পদ যা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু বা স্থান না বুঝিয়ে একজাতীয় সকলের সাধারণ নাম বোঝায়। 'নদী' শব্দটি কোনো একটি নির্দিষ্ট নদীকে না বুঝিয়ে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা সহ বিশ্বের সব নদীকে সাধারণভাবে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে বিশেষ্য পদ কোনো একজাতীয় ব্যক্তি, প্রাণী বা পদার্থের সাধারণ নাম বোঝায় তাকে জাতিবাচক বিশেষ্য বলে। এটি বিশেষ্য পদের একটি অন্যতম প্রধান শ্রেণি যা সমগ্র জাতিকে বা সমজাতীয় সকলকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পর্বত ব্যাখ্যা: পর্বত বলতে পৃথিবীর যেকোনো পর্বতমালাকে বোঝায়, তাই এটি জাতিবাচক বিশেষ্য। উদাহরণ ২: মানুষ ব্যাখ্যা: মানুষ বলতে সমগ্র মানবজাতিকে বোঝায়, তাই এটি জাতিবাচক বিশেষ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাজ — সমাজ একটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্য কারণ এটি অনেকগুলো মানুষের সমষ্টিকে বোঝায়। B) পানি — পানি একটি বস্তুবাচক বিশেষ্য কারণ এটি উপাদান বা পদার্থের নাম বোঝায়। C) মিছিল — মিছিল একটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্য কারণ এটি মানুষের একটি দলকে বোঝায়। D) নদী — নদী সঠিক উত্তর কারণ এটি একজাতীয় সকল নদীকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: যে নাম শুনলে চোখের সামনে একটি নির্দিষ্ট নাম না ভেসে পুরো জাতি বা শ্রেণি ভেসে ওঠে, সেটাই জাতিবাচক বিশেষ্য। নদী বললে সব নদী বোঝায়, তাই এটি জাতিবাচক বিশেষ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বস্তুবাচক এবং জাতিবাচক বিশেষ্যের মধ্যে প্রায়ই প্যাচ লাগে। মনে রাখবে, যা মাপা বা ওজন করা যায় তা বস্তুবাচক এবং যা গণনা করা যায় বা যার অনেকগুলো রূপ থাকে তা জাতিবাচক বিশেষ্য।
a জয়ন্তী
b বিজয় উৎসব
c বিজয় জয়ন্তী
d জয় অজয়ী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জয়ন্তী ১. কেন সঠিক: - জয়ের জন্য যে উৎসব তাকে এক কথায় জয়ন্তী বলা হয়। - এই শব্দটি কোনো বিশেষ বিজয়, সাফল্য বা আনন্দের উদ্‌যাপনকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ। - বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জয় করার ইচ্ছা ব্যাখ্যা: একে এক কথায় জিগীষা বলা হয়, যা একই ধরনের বাক্য সংকোচনের উদাহরণ। উদাহরণ ২: জয় করার ইচ্ছুক যে ব্যাখ্যা: একে এক কথায় জিগীষু বলা হয়, যা পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়ন্তী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। B) বিজয় উৎসব — এটি সাধারণ অর্থ প্রকাশ করলেও এককথায় প্রকাশের ব্যাকরণগত মানদণ্ডে সুনির্দিষ্ট একক শব্দ নয়। C) বিজয় জয়ন্তী — এটি ব্যাকরণগতভাবে একটি বাহুল্য দোষযুক্ত শব্দ যুগল এবং অপ্রয়োজনীয়। D) জয় অজয়ী — এই শব্দগুলোর জোড়াটি অর্থপূর্ণ বাক্য সংকোচন তৈরি করে না এবং প্রসঙ্গবহির্ভূত। ৫. মনে রাখার টিপস: - জয়ের সঙ্গে উৎসব যুক্ত থাকলে এক কথায় সবসময় জয়ন্তী শব্দটি মনে রাখবে। - বাক্য সংকোচনের ক্ষেত্রে মূল শব্দের ভেতরের ভাবটি ধরতে পারলে উত্তর করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ধরনের শব্দ আয়ত্ত করলে পরীক্ষায় ফুল মার্কস পাওয়া সম্ভব।
a সৈয়দ শামসুল হক
b হাসান হাফিজুর রহমান
c আলাউদ্দিন আল আজাদ
d শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হাসান হাফিজুর রহমান ১. কেন সঠিক: রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের প্রথম সাহিত্য সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সম্পাদনা করেন হাসান হাফিজুর রহমান। ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত এই সংকলনটি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে প্রকাশিত প্রথম প্রামাণ্য দলিল ও সাহিত্যিক সংকলন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই সংকলনে ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কবিতা, প্রবন্ধ, গল্প ও গান স্থান পেয়েছিল। এটি বাংলা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন ব্যাখ্যা: জহির রায়হান রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: আর্তনাদ ব্যাখ্যা: শওকত ওসমান রচিত ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই সংকলনটি তিনি সম্পাদনা করেননি। B) হাসান হাফিজুর রহমান — ইনি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত। C) আলাউদ্দিন আল আজাদ — তিনি ভাষা আন্দোলন নিয়ে বিখ্যাত 'স্মৃতিস্তম্ভ' কবিতা ও 'בשান' নাটক লিখলেও এই সংকলন সম্পাদক নন। D) শামসুর রাহমান — তিনি ভাষা আন্দোলন নিয়ে বিখ্যাত 'বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা' কবিতা লিখলেও এই সংকলনটির সম্পাদক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: একুশে ফেব্রুয়ারি সংকলন সম্পাদনা করেছেন হাসান হাফিজুর রহমান। এভাবে মনে রাখতে পারো যে প্রথম সংকলন প্রকাশের কাজটি হাসান হাফিজুর রহমান দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করেছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সাহিত্য সংকলন কোনটি এবং এর সম্পাদক কে, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। তাই এটি ভালোভাবে মনে রাখা আবশ্যক।
a পদাশ্রিত নির্দেশক
b প্রকৃতি
c বিভক্তি
d উপসর্গ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পদাশ্রিত নির্দেশক ১. কেন সঠিক: - টা, টি, খানা, খানি ইত্যাদি শব্দ বা শব্দাংশ পদাশ্রিত নির্দেশক হিসেবে কাজ করে। এরা পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা বা পদের বচন প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে শব্দ বা শব্দাংশ পদের আশ্রয়ে বা পরে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বা অনির্দিষ্টতা নির্দেশ করে, তাকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলে। - বাংলা ব্যাকরণে পদাশ্রিত নির্দেশকগুলো সাধারণত বিশেষ্যের পরে বসে এবং বচন ও লিঙ্গ ভেদে ভিন্ন রূপ নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বইটি আমাকে দাও। ব্যাখ্যা: এখানে বই শব্দের সঙ্গে টি যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট একটি বইকে বোঝাচ্ছে। উদাহরণ ২: কলমটা হারিয়ে গেছে। ব্যাখ্যা: এখানে কলম শব্দের সঙ্গে টা যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট একটি কলমকে নির্দেশ করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদাশ্রিত নির্দেশক — এটি সঠিক উত্তর কারণ টা, টি, খানা, খানি পদাশ্রিত নির্দেশকের অন্তর্ভুক্ত। B) প্রকৃতি — প্রকৃতি হলো শব্দের মূল অংশ যা প্রত্যয় বা বিভক্তির আগে থাকে, তাই এটি ভুল। C) বিভক্তি — বিভক্তি হলো শব্দের সঙ্গে যুক্ত বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা কারক বোঝাতে সাহায্য করে, তাই এটি ভুল। D) উপসর্গ — উপসর্গ হলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - টা, টি, খানা, খানি, টুকুই, গুলোর মতো শব্দগুলো দেখলেই বুঝবে এগুলো পদাশ্রিত নির্দেশক। - এগুলো সবসময় শব্দের শেষে বসে নির্দিষ্টতা বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদাশ্রিত নির্দেশক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - খানা ও খানি সাধারণত ইতরপ্রাণী বা জড় পদার্থের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
a মাছ + ও
b মাছ + উয়া > ও
c মাছি + উয়া > ও
d মেছ + ও
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাছ + উয়া > ও ১. কেন সঠিক: 'মেছো' একটি তদ্ধিতান্ত শব্দ যা বিশেষ্য পদ থেকে বিশেষণ পদ গঠনে ব্যবহৃত হয়। মূল বিশেষ্য শব্দ 'মাছ'-এর সঙ্গে 'উয়া' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এবং ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মে ও-কারে রূপান্তরিত হয়ে 'মেছো' শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দমূল বা প্রাতিপদিকের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। বাংলা ভাষায় বিশেষ্য পদের সঙ্গে 'উয়া' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে অনেক সময় বিশেষণ পদ গঠন করে এবং উচ্চারণের সুবিধার জন্য 'উয়া' অংশটি সংকুচিত হয়ে ও-কার রূপ ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা + উয়া > ঢাকাইয়া ব্যাখ্যা: বিশেষ্য পদের সঙ্গে উয়া প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্থানবাচক বিশেষণ পদ গঠন করেছে। উদাহরণ ২: হাত + উয়া > হাতো ব্যাখ্যা: বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে উয়া প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এবং ধ্বনি পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন বিশেষণ শব্দ তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাছ + ও — সরাসরি 'ও' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দ গঠন প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সিদ্ধ নয়, এখানে মাঝের উয়া প্রত্যয় লোপ পাওয়ার প্রক্রিয়া অনুপস্থিত। C) মাছি + উয়া > ও — 'মাছি' আলাদা একটি শব্দ যার অর্থ ভিন্ন, তাই এর সঙ্গে 'উয়া' যুক্ত হয়ে মেছো শব্দ তৈরি হতে পারে না। D) মেছ + ও — 'মেছ' কোনো মৌলিক শব্দ বা প্রাতিপদিক নয়, তাই এর সঙ্গে সরাসরি ও প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মেছো গঠিত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: বিশেষ্য পদের সঙ্গে উয়া প্রত্যয় যুক্ত করার পর তা যদি সংক্ষিপ্ত হয়ে ও-কার রূপ নেয়, তবে তা সাধারণত বিশেষণ পদ নির্দেশ করে। শব্দের মূল অংশ চেনার জন্য প্রত্যয় বাদ দিয়ে মূল বিশেষ্য পদটি খুঁজে বের করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের শেষাংশে ও-কার থাকলে তা সাধারণত উয়া প্রত্যয়ান্ত শব্দ হিসেবে গণ্য করতে হয়।
a শেখ রেহানা
b অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
c তোফায়েল আহমেদ
d শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শেখ হাসিনা ১. কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'কারাগারের রোজনামচা'র ভূমিকা লিখেছেন তাঁর জ্যেষ্ঠ কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। - রচনার প্রাক্কালে বা সূচনার পূর্বে গ্রন্থের পটভূমি ও গুরুত্ব তুলে ধরার জন্য এই ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও প্রামাণ্য দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯ সালের কারাবন্দী জীবনের দিনগুলোতে এই ডায়েরি লিখেছিলেন। - বাংলা একাডেমি ২০১৭ সালের মার্চ মাসে গ্রন্থাকারে এটি প্রকাশ করে এবং এর নামকরণ করেন শেখ হাসিনা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী ব্যাখ্যা: এটিও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা একটি প্রামাণ্য আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: আমার দেখা নয়া চীন ব্যাখ্যা: বঙ্গবন্ধুর চীন ভ্রমণ নিয়ে লেখা আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেখ রেহানা — তিনি বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা হলেও এই গ্রন্থের ভূমিকা তিনি লেখেননি। B) অধ্যাপক আনিসুজ্জামান — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও লেখক হলেও এই গ্রন্থের ভূমিকা তিনি লেখেননি। C) তোফায়েল আহমেদ — তিনি একজন প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা হলেও এই গ্রন্থের ভূমিকা লেখার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। D) শেখ হাসিনা — এই অপশনটি সঠিক এবং ভূমিকাটি তিনি লিখেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্গবন্ধু জেলের ভেতরে ডায়েরি লিখেছিলেন এবং কন্যা শেখ হাসিনা তা সম্পাদনা ও প্রকাশ করে ভূমিকা লিখেছিলেন। - আত্মজীবনীমূলক বইগুলোর ভূমিকা বা সম্পাদনা সাধারণত পরিবারের সদস্য হিসেবে শেখ হাসিনাই করেছেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - 'কারাগারের রোজনামচা' গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ২০১৭ সালে এবং এর প্রকাশক বাংলা একাডেমি। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য বঙ্গবন্ধুর লেখা তিনটি গ্রন্থ ও তাদের প্রকাশকাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে
b ১৩৫৫ বঙ্গাব্দে
c ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে
d ১৩৬২ বঙ্গাব্দে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। - ভাষা আন্দোলনের পর বাঙালির ভাষা ও সাহিত্যচর্চার একটি কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানের তীব্র প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয় এবং তারই ফলশ্রুতিতে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা একাডেমি বাংলাদেশের জাতীয় ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চার সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান। - এটি বাংলা ভাষার মান রক্ষা, গবেষণা, এবং প্রমিত বানানরীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানরীতি ব্যাখ্যা: বাংলা বানান ও ব্যাকরণকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করতে এই প্রতিষ্ঠান প্রমিত নিয়ম প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: বাংলা একাডেমি বাংলা অভিধান ব্যাখ্যা: বাংলা শব্দের সঠিক অর্থ ও বানান জানতে এই অভিধান প্রমিত উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। B) ১৩৫৫ বঙ্গাব্দে — এই বঙ্গাব্দে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়নি কারণ এটি খ্রিষ্টীয় ১৯৫৫ সালের সঙ্গে মিলছে না। C) ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে — ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন হয়েছিল কিন্তু বাংলা একাডেমি তখন প্রতিষ্ঠিত হয়নি। D) ১৩৬২ বঙ্গাব্দে — এই বঙ্গাব্দটি ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দের সমার্থক হলেও বাংলা একাডেমির আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠার সন এটি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভাষা আন্দোলনের তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৫৫ সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। - সালটি মনে রাখতে ৫২ এর ভাষা আন্দোলন এবং তার ৩ বছর পর একাডেমি এই সূত্র মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন ড. মুহাম্মদ এনামুল হক এবং প্রথম সচিব ছিলেন মুহম্মদ বরকতুল্লাহ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা একাডেমির প্রতিষ্ঠা সাল এবং এর বর্তমান কার্যক্রম সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b যতী মোহন বাগচী
c ব্রাসি হেলহেড
d রাজা রামমোহন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাজা রামমোহন ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা হিসেবে রাজা রামমোহন রায় সর্বস্বীকৃত। তিনি ১৮৩৩ সালে প্রথম বাংলা ভাষায় বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন যার নাম গৌড়ীয় ব্যাকরণ। ২. সাহিত্য ও ইতিহাস ব্যাখ্যা: রাজা রামমোহন রায় আধুনিক বাংলা গদ্যের অন্যতম পথিকৃৎ ও সমাজ সংস্কারক। তার রচিত গৌড়ীয় ব্যাকরণ গ্রন্থটি প্রথম বাংলা ভাষায় রচিত হলেও এটি প্রথমে ইংরেজিতে রচিত হয়েছিল এবং পরে বাংলায় অনূদিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গৌড়ীয় ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি রাজা রামমোহন রায় কর্তৃক রচিত প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ গ্রন্থ। উদাহরণ ২: ইংরেজিতে রচিত ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: নাথানিয়েল ব্রাসি হেলহেড ইংরেজি ভাষায় প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা নন তবে তিনি ব্যাকরণ কৌমুদী রচনা করেছিলেন। B) যতী মোহন বাগচী — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক ছিলেন কিন্তু কোনো ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেননি। C) ব্রাসি হেলহেড — তিনি প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করলেও তা ইংরেজি ভাষায় রচিত হয়েছিল বাংলা ভাষায় নয়। D) রাজা রামমোহন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ রচনা করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাষা বাংলা হলে রাজা রামমোহন আর ভাষা ইংরেজি হলে ব্রাসি হেলহেড মনে রাখবে। গৌড়ীয় ব্যাকরণ গ্রন্থের রচয়িতা রাজা রামমোহন রায় এটি এভাবে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ রচিত হয় ১৮৩৩ সালে। নাথানিয়েল ব্রাসি হেলহেড রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণের নাম এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ভাষা।
a স্বরবৃত্ত
b অক্ষরবৃত্ত
c মাত্রাবৃত্ত
d মাত্রাবৃত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাত্রাবৃত্ত (অথবা D) মাত্রাবৃত্ত) ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'সোনারতরী' কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। মাত্রাবৃত্ত ছন্দকে পর্বসংকুল, কলাবৃত্ত বা তানপ্রধান ছন্দও বলা হয়, যেখানে প্রতি চরণে নির্দিষ্ট মাত্রা থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যে ছন্দের জাদুকর হিসেবে পরিচিত এবং তিনি বাংলা ছন্দে নতুন মাত্রা যোগ করেন। 'সোনারতরী' কবিতাটি ১৮৯৩ সালে রচিত এবং এটি তাঁর সমনামহীন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'বলাকা' কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রসাহিত্যের গতিশীল ও পরিবর্তনশীল চেতনার প্রতীক যা অন্য ছন্দের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের 'বিদ্রোহী' কবিতা ব্যাখ্যা: এই কবিতাটিতে মাত্রাবৃত্ত ছন্দের নান্দনিক ও বীরত্বব্যঞ্জক প্রয়োগ লক্ষ করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরবৃত্ত — এটি মূলত লোকসাহিত্য, ছড়া ও দ্রুতগতির উচ্চারণের ছন্দ যেখানে স্বরধ্বনি প্রধান, যা সোনারতরী কবিতার ছন্দের সঙ্গে মেলে না। B) অক্ষরবৃত্ত — এটি পয়ার বা মিশ্রবৃত্ত নামে পরিচিত এবং এটি বাংলা সাহিত্যের দীর্ঘতম ও ঐতিহ্যবাহী ধারা, যা সোনারতরীর ছন্দ নয়। C) মাত্রাবৃত্ত — এটি সঠিক উত্তর যা পর্বভিত্তিক মাত্রা গণনার ওপর প্রতিষ্ঠিত। D) মাত্রাবৃত্ত — এটিও সঠিক উত্তর কারণ প্রশ্নে একই অপশন দুইবার রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে 'সোনারতরী' একটি অনন্য সৃষ্টি এবং এর ছন্দ মনে রাখতে মাত্রা গণনার বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। মাত্রাবৃত্ত ছন্দকে সাধারণত গুরুগম্ভীর ও ভাবগম্ভীর কবিতার জন্য ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সোনারতরী কবিতার প্রতীকী অর্থ হলো মানবজীবনের কর্মফল ও কালপ্রবাহের নদী পারাপারের দর্শন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত কবিতা ও তার ছন্দ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a গোবিন্দ দাস
b কায়কোবাদ
c কাহ্ন পা
d ভূসুকুপা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভূসুকুপা ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদের অন্যতম পদকর্তা ভূসুকুপা তাঁর একটি পদে নিজেকে বাঙালি হিসেবে দাবি করেছেন। - চর্যাপদের ৪৯ নম্বর পদে তিনি পরিষ্কার ভাষায় লিখেছেন আপন সংস্কৃতির কথা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্য নিদর্শন। - মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আজ কাল হবণ কালে বাঢ়িউ সাসা ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের একটি বিখ্যাত পংক্তি যা প্রাচীন ভাষার রূপ দেখায়। উদাহরণ ২: দেশ হিলআ পইসিঅ জই নিসাস্রি ব্যাখ্যা: চর্যাপদের ভাষা ও রূপকধর্মী ভাবার্থ বোঝাতে এই পংক্তিটি গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোবিন্দ দাস — ইনি বৈষ্ণব পদকর্তা এবং মধ্যযুগের কবি, চর্যাপদের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। B) কায়কোবাদ — ইনি আধুনিক যুগের মহাকাব্যের কবি যিনি মহাশ্মশান মহাকাব্যের জন্য বিখ্যাত। C) কাহ্ন পা — ইনি চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচনা করলেও নিজেকে বাঙালি হিসেবে পরিচয় দেননি। D) ভূসুকুপা — সঠিক উত্তর হিসেবে ইনিই চর্যাপদে বাঙালি পরিচয়ের উল্লেখ করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদে বাঙালি পরিচয় দিয়েছেন কে তা মনে রাখতে ভূসুকুপা নামটির সঙ্গে বাঙালি শব্দ মিলিয়ে মনে রাখা যায়। - পরীক্ষার হলে চর্যাপদের কবি ও তাঁদের পদের সংখ্যা বা বিশেষত্ব আলাদা করে ছক বানিয়ে পড়বে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের কোন কবি নিজেকে বাঙালি বলেছেন তা বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে। - চর্যাপদের আবিষ্কারক এবং মোট পদের সংখ্যা সম্পর্কিত তথ্যগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।
a সরল
b মিশ্র
c যৌগিক
d জটীল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মিশ্র ১. কেন সঠিক: - যে বাক্যে একটি প্রধান বা খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক অধীন বা আশ্রিত বাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে যুক্ত থাকে, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে। - প্রদত্ত বাক্যে 'তুমি আসবে বলে' হলো অধীন বা আশ্রিত খণ্ডবাক্য এবং 'হে স্বাধীনতা সখিনা বিবির কপাল ভাঙল' হলো প্রধান খণ্ডবাক্য, যা সাপেক্ষ শব্দ দ্বারা যুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মিশ্র বা জটিল বাক্যের ক্ষেত্রে সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় জোড় ব্যবহৃত হয় যেমন যারা-তারা, যে-সে, যদি-তবে, যত-ততো ইত্যাদি। - এখানে 'বলে' অব্যয়টি দুটি অংশকে এমনভাবে যুক্ত করেছে যেখানে একটি অংশ সম্পূর্ণ হওয়ার জন্য অন্য অংশের ওপর নির্ভর করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যদি তুমি আসো, তবে আমি যাবো। ব্যাখ্যা: এটি মিশ্র বাক্য কারণ একটি অংশ অন্য অংশের ওপর শর্তসাপেক্ষে নির্ভরশীল। উদাহরণ ২: যারা পরিশ্রম করে, তারাই সফল হয়। ব্যাখ্যা: এটি মিশ্র বাক্য কারণ এখানে সাপেক্ষ সর্বনামের জোড় ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল — সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, যা এই বাক্যে নেই। B) মিশ্র — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। C) যৌগিক — যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এখানে নেই। D) জটীল — বানানটি ভুল (সঠিক বানান জটিল) এবং মিশ্র বাক্যের অপর নাম জটিল হলেও অপশনে বানানগত ও প্রমিত রূপের ত্রুটি রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যের অংশগুলো যদি একে অপরের ওপর নির্ভরশীল হয় এবং য যদি তবে যিনি তিনি ইত্যাদি ভাব প্রকাশ করে, তবে তা মিশ্র বাক্য হবে। - প্রধান বাক্যের সঙ্গে যখন কারণ বা শর্ত বোঝায়, তখন সেটি সাধারণত মিশ্র বাক্য হিসেবে গণ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাক্যের রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণের প্রশ্নে আশ্রিত খণ্ডবাক্যের উপস্থিতি লক্ষ করতে হবে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জটিল এবং মিশ্র বাক্য একই অর্থে ব্যবহৃত হয়, তাই অপশন নির্বাচনে সতর্ক থাকতে হবে।
a জনশ্রুতি
b আনমনা
c খাসমহল
d তপোবন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জনশ্রুতি ১. কেন সঠিক: যে সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থের বাইরে নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ পায় এবং পুরো পদটি একটি বিশেষণ পদ হিসেবে কাজ করে, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। জনশ্রুতি শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো মানুষের মুখে মুখে যা প্রচলিত, যা একটি বিশেষ অর্থ বা জনপ্রবাদ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বহুব্রীহি সমাস প্রধানত নয় প্রকারের হয়ে থাকে যেমন সমানাধিকরণ, ব্যাধিকরণ, ব্যতিহার, মধ্যপদলোপী ইত্যাদি। সমাসবদ্ধ পদটি সাধারণত পূর্বপদ ও পরপদের অর্থ প্রকাশ না করে অন্য কোনো নতুন অর্থ বা ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিনা পানিতে যার = বিনা পানি। এটি বহুব্রীহি সমাসের একটি প্রচলিত উদাহরণ যেখানে দেবী সরস্বতীকে বোঝায়। উদাহরণ ২: হাতাখাতা যার = হাতাহাতি। এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ যা পারস্পরিক ক্রিয়ার অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জনশ্রুতি শব্দের সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। B) আনমনা শব্দটি প্রাদি সমাস বা অব্যয়ীভাব সমাসের নিয়ম অনুসারে গঠিত যেখানে মনের অনুপস্থিতি বোঝায়। C) খাসমহল শব্দটি ফার্সি উপসর্গ যোগে গঠিত একটি বিশেষ শব্দ যা কর্মধারয় সমাসের মতো অর্থ প্রকাশ করে। D) তপোবন শব্দটি তপন বা তপস্যার বন যার ব্যাসবাক্য করলে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বহুব্রীহি সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের শেষে যার বা যাতে থাকা এবং সমস্ত পদের মাধ্যমে অন্য কাউকে বা কিছুকে বোঝানো। সমাসের নাম নির্ণয়ের সময় সবসময় শব্দের ব্যাসবাক্য এবং অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুব্রীহি সমাস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। ব্যাসবাক্য নির্ণয় করার সময় পদের অর্থ এবং তৎপুরুষ বা কর্মধারয়ের সাথে পার্থক্য ভালোভাবে বুঝতে হবে।
a Buddhist Mystic Songs
b চর্যাগীতিকা
c চর্যাগীতিকোষ
d হাজার বছরের পুরান বাংলা ভাষার বৌদ্ধগান ও দোহা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Buddhist Mystic Songs ১. কেন সঠিক: - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ১৯৫৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চর্যাপদ প্রকাশ করার সময় এর ইংরেজি নামকরণ করেছিলেন Buddhist Mystic Songs। - এই নামকরণের মাধ্যমে তিনি চর্যাপদের মূল বৌদ্ধ ধর্মের রহস্যবাদ ও আধ্যাত্মিক গানগুলোর ভাবার্থ প্রকাশ করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্দেশক নিদর্শন চর্যাপদের অন্যতম প্রধান সম্পাদক ও গবেষক। - তিনি চর্যাপদের ভাষা ও ধর্মের তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করে এর সূচনাকাল সপ্তম শতাব্দী বলে মত প্রকাশ করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী সম্পাদিত গ্রন্থ: হাজার বছর পুরান বাংলা ভাষার বৌদ্ধ গান ও দোহা। ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ যার সঙ্গে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সম্পাদিত গ্রন্থের নাম প্রায় মিলে যায় কিন্তু ইংরেজি নাম আলাদা। উদাহরণ ২: ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের গবেষণা গ্রন্থ: ওডিসি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অব বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ নিয়ে রচিত একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ যেখানে চর্যাপদের ভাষা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Buddhist Mystic Songs — এই অপশনটি সঠিক কারণ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত গ্রন্থের ইংরেজি নাম এটিই ছিল। B) চর্যাগীতিকা — এটি ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বা অন্য কোনো গবেষকের দেওয়া নামকরণ হতে পারে কিন্তু ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সম্পাদিত নির্দিষ্ট গ্রন্থের ইংরেজি নাম এটি নয়। C) চর্যাগীতিকোষ — এটি আচার্য সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় বা প্রবোধ চন্দ্র বাগচীর সম্পাদিত গ্রন্থের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নাম, শহীদুল্লাহর সম্পাদিত গ্রন্থের নাম নয়। D) হাজার বছরের পুরান বাংলা ভাষার বৌদ্ধগান ও দোহা — এটি মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী সম্পাদিত চর্যাপদের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থের নাম, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সম্পাদিত গ্রন্থের নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শহীদুল্লাহর এস এবং সংস বা সংংস এর এস মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সম্পাদিত গ্রন্থের ইংরেজি নামের সঙ্গে সং শব্দ বা Mystic Songs যুক্ত আছে। - হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর বইয়ের নামের সঙ্গে হাজার বছর আর শহীদুল্লাহর বইয়ের ইংরেজি নামের সঙ্গে Mystic Songs মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদ আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এর বিভিন্ন সম্পাদকের গ্রন্থের নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - কোন সম্পাদক চর্যাপদের কোন কাল নির্ধারণ করেছেন এবং কোন গ্রন্থ কোন সালে প্রকাশিত হয়েছে তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a 1861
b 1865
c 1969
d 1961
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1861 ১. কেন সঠিক: মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বিখ্যাত 'মেঘনাদবধ কাব্য' প্রথম ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়। বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য হিসেবে এর প্রকাশকাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেট প্রবর্তন করে নতুন যুগের সূচনা করেন। 'মেঘনাদবধ কাব্য' বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য যা রামায়ণ কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত হলেও রাবণ ও মেঘনাদের চরিত্রকে মহিমান্বিত করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরাঙ্গনা কাব্য (১৮৬২) ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য। উদাহরণ ২: তিলোৎসম্ভব কাব্য (১৮৬০) ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1861 — এই সালে 'মেঘনাদবধ কাব্য' প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। B) 1865 — এই সালে মধুসূদন দত্তের কোনো মহাকাব্য প্রকাশিত হয়নি, তাই এই অপশনটি ভুল। C) 1969 — এই সালটি অনেক পরের এবং এটি বাংলা সাহিত্যের কোনো প্রাচীন প্রকাশকাল নয়। D) 1961 — এই সালে রবীন্দ্রজন্মশতবর্ষ পালিত হয়েছিল, যা মেঘনাদবধ কাব্যের প্রকাশকালের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালে তার শ্রেষ্ঠ কীর্তি মেঘনাদবধ কাব্য প্রকাশ করেন। এভাবে মনে রাখতে পারো যে ১৮৬১ সালটি মহাকাব্যের প্রকাশের জন্য বিখ্যাত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য এবং এর রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত। এই ধরনের প্রকাশকাল সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a উপন্যাস
b ছোট গল্প
c প্রবন্ধ
d অনুবাদ নাটক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনুবাদ নাটক ১. কেন সঠিক: - মুনীর চৌধুরীর 'মুখরা রমণী বশীকরণ' একটি অনুবাদ নাটক। - এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত কমেডি নাটক 'দ্য টেমিং অব দ্য শ্রিউ' এর বাংলা অনুবাদ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী, নাট্যকার ও ভাষাসৈনিক। - ১৯৬০ সালে বাংলা একাডেমির উদ্যোগে উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের নাটকটির এই অনুবাদ প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রক্তকরবী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত প্রতীকধর্মী নাটক। উদাহরণ ২: কবর ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরীর লেখা ভাষাভিত্তিক প্রথম মৌলিক নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — 'মুখরা রমণী বশীকরণ' কোনো উপন্যাস নয়, কারণ এটি মঞ্চে অভিনীত হওয়ার উপযোগী নাটক হিসেবে রচিত। B) ছোট গল্প — এটি ছোটগল্পের কাঠামোগত বৈশিষ্ট্য যেমন সংক্ষিপ্ত পরিসর ও একক ভাব বহন করে না, বরং এটি একটি নাটক। C) প্রবন্ধ — প্রবন্ধ হলো কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে তত্ত্ব বা তথ্যভিত্তিক গদ্য রচনা, যা এই নাটকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) অনুবাদ নাটক — এটি সঠিক কারণ গ্রন্থটি শেক্সপিয়ারের নাটকের সফল অনুবাদ রূপ। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুনীর চৌধুরী মানেই শেক্সপিয়ারের নাটকের অনুবাদ, আর মুখরা রমণী বশীকরণ তার বিখ্যাত অনুবাদকর্ম। - নাটক মনে রাখতে মুখের বশীকরণ নাটকের মাধ্যমে হয়, এমন কৌশল মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি নাটকের বাংলা অনুবাদ প্রায়ই আসে। - শেক্সপিয়ারের নাটকের অনুবাদক হিসেবে মুনীর চৌধুরীর এই কাজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা
b ধূমকেতু
c কল্লোল
d কালি ও কলম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কল্লোল ১. কেন সঠিক: পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের বিখ্যাত "কবর" কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের অন্যতম প্রভাবশালী ও আন্দোলন সৃষ্টিকারী পত্রিকা "কল্লোল"-এ। ১৯২৫ সালের জানুয়ারি মাসে (প্যারাডাইস পত্রিকার তথ্য মতে ১৩৩১ বঙ্গাব্দের মাঘ সংখ্যায়) কল্লোল পত্রিকায় কবিতাটি প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই বাংলা কবিতায় এক নতুন মাত্রা যোগ হয় এবং জসীম উদ্দীন রাতারাতি পরিচিতি লাভ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি জসীম উদ্দীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম জনপ্রিয় পল্লীকবি। তাঁর কবিতায় বাংলার গ্রামীণ প্রকৃতি, সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ এবং লোকজীবনের সহজ চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে। "কবর" কবিতাটি তাঁর প্রথম জীবনের রচনা এবং এটি তাঁর অমর সৃষ্টি যা বাংলা কাব্যজগতে শোকগাথার এক অনন্য নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জসীম উদ্দীনের "রাখাল ছেলে" কবিতা। ব্যাখ্যা: এটিও কবির গ্রামীণ ঐতিহ্য ও লোকসংস্কৃতি নির্ভর আরেকটি বিখ্যাত কবিতা। উদাহরণ ২: জসীম উদ্দীনের "নকশী কাঁথার মাঠ" কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর সর্বাধিক সমাদৃত এবং বিশ্বসাহিত্যে সমাদৃত একটি শ্রেষ্ঠ কাহিনীকাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা — এটি জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবার থেকে প্রকাশিত হতো এবং এটি ব্রহ্মসমাজ ও আধুনিক বাংলা গদ্যের বিকাশে ভূমিকা রেখেছিল, জসীম উদ্দীনের কবিতার সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। B) ধূমকেতু — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত বিদ্রোহী চেতনার একটি বিখ্যাত অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা, যেখানে নজরুলের বিখ্যাত কবিতা ও প্রবন্ধ প্রকাশিত হতো। D) কালি ও কলম — এটি আধুনিক যুগের একটি সাহিত্যিক পত্রিকা হলেও "কবর" কবিতা প্রকাশের সময় এর কোনো অস্তিত্ব ছিল না, এটি অনেক পরে প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জসীম উদ্দীনের কবর কবিতাটি কল্লোল পত্রিকায় প্রকাশিত হয় তা মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে পল্লীকবির কবর কবিতার ঢেউ কল্লোলের মতো সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়েছিল। কল্লোল মানে ঢেউ এবং এই পত্রিকার মাধ্যমেই কবিতাটি সবার মাঝে আলোড়ন তুলেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কবর কবিতাটি জসীম উদ্দীনের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে, এটি তাঁর "রাখালী" কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। এছাড়া কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে পল্লিগীতির প্রথম সফল সার্থক প্রয়াস হিসেবে বিবেচিত হয়।

মোট প্রশ্ন (20)

a It is raining from morning.
b It has been raining from morning
c It has been drizzling since morning
d It is drizzling since morning.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) It has been drizzling since morning কেন সঠিক: - গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির ইংরেজি হলো ড্রিজল (drizzle), তাই এখানে ড্রিজলিং ব্যবহার করা হয়েছে। - অতীত থেকে শুরু হয়ে বর্তমান পর্যন্ত চলমান কাজের ক্ষেত্রে প্রেজেন্ট পারফেক্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স এবং নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে সিন্স (since) বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is raining from morning — রেইন (rain) মানে মুষলধারে বৃষ্টি, যা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় এবং পয়েন্ট অব টাইমের আগে ফ্রম (from) বসে না। B) It has been raining from morning — রেইন (rain) ব্যবহার করা হয়েছে এবং নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে সিন্স (since) এর পরিবর্তে ভুলভাবে ফ্রম (from) ব্যবহার করা হয়েছে। সি অপশন সঠিক হওয়ায় এখানে ডিটেইলস দেওয়া হলো না — এটিই সঠিক উত্তর। D) It is drizzling since.morning — এটি প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্সে আছে, যা নির্দিষ্ট সময় ধরে চলা কাজের জন্য সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির ইংরেজি ড্রিজল (drizzle) মনে রাখবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের ক্ষেত্রে সিন্স (since) আর ব্যাপ্তির ক্ষেত্রে ফর (for) ব্যবহার করবে।
a High
b The higher
c The highest
d Highest
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The higher কেন সঠিক: - এটি একটি ডাবল কম্পারেটিভের নিয়ম, যেখানে দুটি সমান্তরাল পরিবর্তন বোঝাতে উভয় অংশে দ্য এর সাথে কম্পারেটিভ ডিগ্রি ব্যবহৃত হয়। - চাহিদা বাড়লে দামও বাড়ে, এই অনুপাত বোঝাতে প্রথম অংশের মতো দ্বিতীয় অংশেও দ্য হায়ার কথাটি বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) High — এটি পজিটিভ ডিগ্রি হওয়ায় এবং এর পূর্বে দ্য না থাকায় কাঠামোর নিয়ম অনুযায়ী এটি এখানে সঠিক নয়। B) The higher — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাক্যটির সাথে সম্পূর্ণ ব্যাকরণগত সামঞ্জস্য রক্ষা করে। C) The highest — এটি সুপারলেটিভ ডিগ্রি, যা দুটি বিষয়ের তুলনামূলক সমান্তরাল বৃদ্ধি বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না। D) Highest — এর পূর্বে প্রয়োজনীয় দ্য আর্টিকেলটি নেই এবং এটি সুপারলেটিভ ডিগ্রি হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যত তত বা দি মোর দি মোর নিয়মের মতো ডাবল কম্পারেটিভ বাক্যে উভয় clauses এর শুরুতে দ্য এবং কম্পারেটিভ ডিগ্রি ব্যবহার করতে হয়।
a Nun
b Bishop
c Clergy
d Hare
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Nun কেন সঠিক: - Nun শব্দটি ফেমিনাইন জেন্ডার বা স্ত্রীবাচক শব্দ এবং এর মাসকুলিন জেন্ডার হলো Monk. - খ্রিস্টধর্মের মঠবাসিনী বা সন্যাসিনীদের বোঝাতে Nun শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Nun — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট ফেমিনাইন জেন্ডার। B) Bishop — এটি কমন জেন্ডার বা মাসকুলিন জেন্ডার হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কারণ বিশপ পদটি পুরুষ বা নারী উভয়েই হতে পারে তবে এটি ফেমিনাইন নয়। C) Clergy — এটি একটি কালেক্টিভ নাউন যা যাজক সম্প্রদায়কে বোঝায় এবং এটি জেন্ডারের নিয়মে পড়ে না। D) Hare — এটি মূলত একটি মাসকুলিন বা সাধারণ লিঙ্গের প্রাণীবাচক শব্দ, যার ফেমিনাইন রূপ হলো Doe. মনে রাখার টিপস: Monk মানে সন্যাসী আর Nun মানে সন্যাসিনী, এই জোড়টি মনে রাখলে জেন্ডার নির্ণয় সহজ হয়।
a adjective
b adverb
c noun
d pronoun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) noun কেন সঠিক: - patience শব্দটি দ্বারা কোনো গুণের নাম বোঝানো হয়েছে, যা সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর স্পর্শের বাইরে কিন্তু অনুধাবনযোগ্য। - বাক্যে এটি সাধারণত সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে বসে এবং এর পূর্বে article থাকলে তা নিশ্চিতভাবেই noun হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে না। B) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে মডিফাই করে স্থান, কাল বা মাত্রা বোঝায় না। C) noun — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি একটি Abstract Noun এবং বাক্যে নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। D) pronoun — এটি কোনো noun-এর পরিবর্তে বাকе ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দ দ্বারা কোনো গুণ, অবস্থা বা অনুভূতির নাম বোঝায় এবং যার শেষে ce, ness, tion ইত্যাদি থাকে, সেগুলো সাধারণত noun হয়।
a don't she
b does she
c doesn't she
d do she
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) doesn't she কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি হাবাত্মক (affirmative) তাই এর ট্যাগ প্রশ্নটি না-বোধক (negative) হবে। - বাক্যের মূল verb-টি Present Indefinite Tense-এ এবং এর সাথে s যুক্ত আছে, তাই সাহায্যকারী verb হিসেবে doesn't ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) don't she — Anjuman সাবজেক্টটি তৃতীয় পুরুষ একবচন হওয়ায় এখানে don't ব্যবহার করা যায় না, doesn't বসবে। B) does she — বাক্যটি হাবাত্মক হওয়ায় ট্যাগ প্রশ্নটি না-বোধক হবে, তাই এটি ভুল। C) doesn't she — এটি সঠিক উত্তর। D) do she — সাবজেক্ট singular হওয়া সত্ত্বেও do ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: মূল বাক্যে verb-এর সাথে s বা es থাকলে ট্যাগ করার সময় doesn't ব্যবহার করতে হয়।
a Noun
b pronoun
c Verb
d Adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Verb কেন সঠিক: - এখানে 'water' শব্দটি বাক্যে গাছপালায় পানি দেওয়ার কাজটি বোঝাচ্ছে, যা একটি ক্রিয়া। - noun হিসেবে পরিচিত কোনো শব্দ বাক্যে সরাসরি কর্তা হিসেবে কাজ করে কোনো কাজ সম্পন্ন করলে তা verb-এ রূপ নেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Noun — এখানে 'water' কোনো বস্তুর নাম বোঝাচ্ছে না, বরং একটি কাজ সম্পন্ন করার অর্থ প্রকাশ করছে। B) pronoun — এটি নামের পরিবর্তে ব্যবহৃত কোনো সর্বনাম পদ নয়। D) Adverb — এটি কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো পদের স্থান, কাল বা মাত্রা নির্দেশ করছে না। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ সাধারণত Noun হিসেবে পরিচিত, তা যদি বাক্যে কোনো কাজ করা বোঝায় তবে তা Verb হিসেবে গণ্য হয়।
a Destitution
b Fortune
c Affluence
d Opulence
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Destitution কেন সঠিক: - 'Pauper' শব্দটির অর্থ অত্যন্ত গরিব বা নিঃস্ব ব্যক্তি। - 'Destitution' শব্দটির অর্থ চরম দারিদ্র্য বা চরম নিঃস্বতা, যা 'pauper' শব্দের সমর্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Destitution — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ চরম দারিদ্র্য বা নিঃস্বতা। B) Fortune — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ ভাগ্য বা প্রচুর ধনসম্পদ। C) Affluence — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ সচ্ছলতা বা ঐশ্বর্য। D) Opulence — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ প্রাচুর্য বা বিলাসিতা। মনে রাখার টিপস: পাউপার মানে পকেট খালি যার, আর ডেস্টিটিউশন মানে চরম দারিদ্র্যের দশা।
a example
b priority
c elderly
d case
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) priority কেন সঠিক: - Precedence শব্দের অর্থ হলো প্রাধান্য, পূর্ববর্তী অবস্থান বা অগ্রাধিকার পাওয়া। - Priority শব্দের অর্থও অগ্রাধিকার বা প্রধান্য দেওয়া, যা মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) example — এর অর্থ উদাহরণ, যা কোনো নিয়মের দৃষ্টান্ত বোঝায় এবং প্রিসিডেন্স শব্দের অর্থ বা অগ্রাধিকারের সাথে মিলে না। B) priority — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) elderly — এর অর্থ বয়োবৃদ্ধ বা প্রবীণ ব্যক্তি, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি অর্থ প্রকাশ করে। D) case — এর অর্থ ক্ষেত্র, ঘটনা বা মামলা, যার সাথে অগ্রাধিকার বা প্রাধান্য শব্দের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: Precedence শব্দের প্রিফিক্স প্রি দেখে মনে রাখবে এটি কোনো কিছু প্রথমে বা আগে পাওয়ার অগ্রাধিকার বা priority নির্দেশ করে।
a Rich is not always happy.
b The rich is not always happy.
c The rich is not happy always.
d The rich are not always happy.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The rich are not always happy. কেন সঠিক: - Adjective-এর পূর্বে The বসালে তা পুরো একটি শ্রেণಿಯನ್ನು বোঝায় এবং তা Plural Common Noun হিসেবে গণ্য হয়। - Subject Plural হওয়ায় এর পরের verb টিও Plural (are) হবে এবং 'not always' সঠিক স্থান ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rich is not always happy. — Adjective-এর পূর্বে definite article 'The' না বসিয়ে সরাসরি Subject করা হয়েছে, যা grammatically সঠিক নয়। B) The rich is not always happy. — 'The rich' একটি Plural Subject, তাই এর সাথে singular verb 'is' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) The rich is not happy always. — এখানে singular verb 'is' ব্যবহারের পাশাপাশি 'always' শব্দটির ভুল অবস্থানের কারণে বাক্যটি অশুদ্ধ হয়েছে। D) The rich are not always happy. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এতে Plural Subject-এর সাথে plural verb সঠিক নিয়মে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: The rich বললেই তা ধনী সম্প্রদায়কে বোঝায় এবং verb সবসময় Plural (are) হবে।
a an
b the
c a
d none
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a কেন সঠিক: - useful শব্দটির শুরুতে vowel u থাকা সত্ত্বেও এর উচ্চারণ বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ উ-এর মতো ইউ-এর মতো হয়। - শব্দের শুরুতে consonant sound বা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ থাকলে তার পূর্বে an না বসে a বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an — vowel sound বা স্বরবর্ণের উচ্চারণ না থাকায় এখানে an বসবে না। B) the — নির্দিষ্ট করে কোনো লোহাকে বোঝানো হয়নি, তাই নির্দিষ্টবাচক article the হবে না। C) a — এটি সঠিক উত্তর কারণ consonant sound এর নিয়ম অনুযায়ী এখানে a বসবে। D) none — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য হবে না। মনে রাখার টিপস: useful বা university শব্দের শুরুতে u থাকলেও এর উচ্চারণ ইউ-এর মতো হওয়ায় তার আগে an না বসে সবসময় a বসে।
a than
b welcomed
c accept
d accepted
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) accept কেন সঠিক: - বাক্যে 'had better' একটি মোডাল ফ্রেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ বরং ভালো হয়। - 'had better'-এর পর সর্বদা মূল ভার্বের বেস ফর্ম বা প্রেজেন্ট ফর্ম বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) than — এটি একটি কনজাংশন বা প্রিপজিশন, যা 'had better' কাঠামোর পর বসে না এবং এখানে কোনো তুলনা বোঝানো হয়নি। B) welcomed — এটি ভার্বের পাস্ট ফর্ম, যা 'had better'-এর পর বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) accept — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মূল ভার্বের বেস ফর্ম। D) accepted — এটি ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বা পাস্ট ফর্ম, যা এখানে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'had better' দেখলে মনে রাখবে এর পরে সবসময় ভার্বের বেস ফর্ম বসে।
a involving in something
b uninterested in something
c getting out of smoking
d showing disliking
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) involving in something কেন সঠিক: - 'Finger in the pie' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ কোনো কর্মকাণ্ডে বা বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে যুক্ত থাকা। - কোনো ব্যাপারে নাক গলানো বা হস্তক্ষেপ করা অর্থেও এই বাগধারাটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) involving in something — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ইডিয়মটির মূল অর্থকে পুরোপুরি প্রকাশ করে। B) uninterested in something — এটি সঠিক উত্তরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, কারণ ইডিয়মটি উদাসীনতা বোঝায় না। C) getting out of smoking — এটি ধূমপান ত্যাগ করার মতো একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রসঙ্গ নির্দেশ করে, যার সঙ্গে এই ইডিয়মের কোনো মিল নেই। D) showing disliking — এটি অপছন্দ প্রকাশ করার অর্থ দেয়, যা এই বাগধারার অন্তর্নিহিত ভাবের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: পাইতে (Pie) আঙুল ডুবিয়ে রাখা মানেই হলো সেই খাবারে বা কাজে নিজের ভাগ বসানো বা জড়িয়ে পড়া।
a Come to nothing
b Catch fire
c Stop smoking
d Destruct
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Come to nothing কেন সঠিক: - End in smoke একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ ধোঁয়ায় শেষ হওয়া হলেও এর ভাবার্থ হলো ব্যর্থ হওয়া বা নিষ্ফল হওয়া। - কোনো কাজের ফলাফল যখন শূন্য হয় বা কোনো প্রচেষ্টাই সফল হয় না, তখন তাকে প্রকাশ করতে এই ইডিয়মটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Come to nothing — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ব্যর্থ হওয়া বা কোনো ফলাফল না আসা। B) Catch fire — এর অর্থ আগুন ধরা, যা ধোঁয়ার সাথে সম্পর্কিত হলেও ইডিয়মের ভাবার্থের সাথে মেলে না। C) Stop smoking — এটি একটি আক্ষরিক অর্থ যা ধূমপান বন্ধ করা বোঝায়, কিন্তু এটি এই বাগধারার সঠিক রূপক অর্থ প্রকাশ করে না। D) Destruct — এর অর্থ ধ্বংস করা, যা কোনো পরিকল্পনা বা প্রচেষ্টার ব্যর্থতা বোঝানোর জন্য সঠিক বা মানানসই শব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: আগুন জ্বললে ধোঁয়া হয় কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনো ছাই বা কাজের জিনিস থাকে না, অর্থাৎ সব প্রচেষ্টা ধোঁয়ায় উবে গিয়ে ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।
a If I am a bird
b If I was a bird
c If I were a bird
d If I a bird
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) If I were a bird কেন সঠিক: - এটি একটি অবাস্তব ইচ্ছা বা কাল্পনিক শর্ত প্রকাশ করছে, যা সাবজাংক্টিভ মুড (Subjunctive Mood) এর নিয়ম অনুযায়ী গঠিত। - সাবজাংক্টিভ মুডে থাকা বাক্যে সাবজেক্ট সিঙ্গুলার হওয়া সত্ত্বেও বি ভার্বের ক্ষেত্রে সর্বদা were ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) If I am a bird — এটি প্রেজেন্ট টেন্স নির্দেশ করে, যা অবাস্তব কাল্পনিক বাক্যের ক্ষেত্রে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) If I was a bird — যদিও কথ্য ভাষায় অনেকে ব্যবহার করেন, তবে ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কাল্পনিক অর্থে was এর পরিবর্তে were ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। D) If I a bird — এই বাক্যে কোনো মূল ভার্ব বা সাহায্যকারী ভার্ব না থাকায় এটি অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: অবাস্তব কল্পনা বা অসম্ভব ইচ্ছা প্রকাশ করতে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন, শর্তমূলক বাক্যে বি ভার্ব হিসেবে সবসময় were বসে।
a in
b over
c by
d on
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: D) on কেন সঠিক: - টেলিফোন, মোবাইল বা ফোন ডিভাইসের মাধ্যমে যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রিপজিশন হিসেবে অন ব্যবহৃত হয়। - অন ফোন বা অন দ্য ফোন একটি স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি ফ্রেজ বা মাধ্যম বোঝানোর নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — ইন সাধারণত কোনো enclosed বা আবদ্ধ জায়গার ভেতরে অবস্থান বোঝাতে বসে, ফোনের মাধ্যমের ক্ষেত্রে নয়। B) over — ওভার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা যায় না; তবে ওভার দ্য ফোন অনেক সময় অনানুষ্ঠানিক কথ্য রূপ হিসেবে চলে, কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে অন শ্রেয়। C) by — বাই মাধ্যম হিসেবে বসলেও ফোনের ক্ষেত্রে বাই ফোন প্রমিত নয়, বরং বাই পোস্ট বা বাই হ্যান্ড হয়। D) on — এটি সঠিক অপশন এবং ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগের ক্ষেত্রে অন প্রিপজিশনই নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: ফোনে কথা বলার সময় যোগাযোগ মাধ্যম বোঝাতে সবসময় অন ফোন বা অন দ্য ফোন ব্যবহার করবে।
a many
b much
c most
d enough
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) many কেন সঠিক: - 'people' একটি কাউন্টেবল বা গণনাযোগ্য নাউন, যার আগে সংখ্যার পরিমাণ বোঝাতে 'many' বসে। - 'as ... as possible' কাঠামোর মাঝে ডিগ্রি অনুযায়ী সঠিক পরিমাণের পজিটিভ ফর্ম ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) many — এটি কাউন্টেবল নাউনের পূর্বে সঠিক উত্তর হিসেবে বসে। B) much — এটি আনকাউন্টেবল বা গণনাহীন নাউনের পূর্বে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে ভুল। C) most — এটি সুপারলেটিভ ডিগ্রি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই কাঠামোর সঙ্গে সংগত নয়। D) enough — এর অর্থ যথেষ্ট, যা 'as ... as possible' কাঠামোর নিয়ম অনুযায়ী এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: গণনা করা যায় এমন জিনিসের ক্ষেত্রে 'many' এবং যা গণনা করা যায় না তার ক্ষেত্রে 'much' ব্যবহার করতে হয়।
a furnishers
b furniture
c furnisher
d furnitures
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) furniture কেন সঠিক: - 'Furniture' একটি আনকাউন্টেবল বা অগণনযোগ্য বিশেষ্য, তাই এর সঙ্গে বহুবচন করার জন্য এস বা ইএস যোগ করা যায় না। - কিছু নির্দিষ্ট নাউন সবসময় একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এদের পূর্বে সাম বা এ পিস অব ব্যবহার করে পরিমাণ বোঝাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) furnishers — এটি সঠিক বানান নয় এবং ফার্নিচার শব্দের কোনো বহুবচন রূপ ইংরেজিতে হয় না। বি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটির মূল উত্তর হিসেবে প্রযোজ্য হওয়ার সুযোগ নেই। C) furnisher — এটি দিয়ে আসবাবপত্র প্রস্তুতকারক ব্যক্তিকে বোঝায়, যা এখানে ক্রিয়ার অবজেক্ট হিসেবে অর্থহীন। D) furnitures — ফার্নিচার শব্দের সাথে এস যুক্ত করে কখনো বহুবচন করা যায় না কারণ এটি আনকাউন্টেবল নাউন। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ব্যাকরণে furniture, information, advice এবং scenery শব্দগুলো সবসময় আনকাউন্টেবল নাউন, এদের সাথে কখনো এস বা ইএস যুক্ত হয় না।
a Sayeed said that he had been busy.
b Sayeed said that he was busy.
c Sayeed that I had been busy.
d Sayeed said that I was busy.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Sayeed said that he had been busy. কেন সঠিক: - রিপোর্টিং ভার্ব Past Tense (said) হলে ইনডাইরেক্ট ন্যারেশনে রিপোর্টেড স্পীচটির টেন্স পরিবর্তিত হয়ে Past Indefinite থেকে Past Perfect Tense এ রূপান্তরিত হয়। - প্রদত্ত বাক্যের রিপোর্টেড স্পীচটি Past Indefinite (was busy) এ থাকায় তা পরিবর্তিত হয়ে Past Perfect (had been busy) হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sayeed said that he had been busy. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি নিয়মানুযায়ী সঠিক টেন্স পরিবর্তন করেছে। B) Sayeed said that he was busy. — রিপোর্টিং ভার্ব Past Tense থাকা সত্ত্বেও রিপোর্টেড স্পীচের টেন্স পরিবর্তন না করায় এটি ভুল। C) Sayeed that I had been busy. — রিপোর্টিং ভার্বের পরে প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক কনজাংশন বা রিপোর্টিং ভার্ব (said) বাদ পড়ায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ। D) Sayeed said that I was busy. — ফার্স্ট পারসন (I) সাবজেক্ট অনুযায়ী পরিবর্তিত না হয়ে অপরিবর্তিত থাকা এবং টেন্স পরিবর্তন না হওয়ার কারণে এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: ন‍্যারেশন পরিবর্তনের সময় রিপোর্টিং ভার্ব Past Tense হলে রিপোর্টেড স্পীচের was বা were থাকলে তা পরিবর্তিত হয়ে had been হয়।
a A cat is being had by me.
b A cat has been had by me.
c A cat have been had by me.
d A cat is had by me.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A cat is had by me. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সে আছে এবং এখানে 'have' মূল ভার্ব বা প্রধান ক্রিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। - প্যাসিভ করার সময় অবজেক্ট 'a cat' সাবজেক্ট হয়, টেন্স অনুযায়ী 'is' বসে এবং মূল ভার্ব 'have'-এর পাস্ট পার্টিসিপল 'had' বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A cat is being had by me. — এটি কন্টিনিউয়াস টেন্সের প্যাসিভ গঠন, কিন্তু মূল বাক্যটি কন্টিনিউয়াস নয়। B) A cat has been had by me. — এটি পারফেক্ট টেন্সের প্যাসিভ গঠন, যা মূল বাক্যের টেন্সের সাথে মেলে না। C) A cat have been had by me. — এখানে 'cat' থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হওয়া সত্ত্বেও ভুলভাবে 'have' ব্যবহার করা হয়েছে। D) A cat is had by me. — এটি সঠিক, কারণ প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সের নিয়ম অনুযায়ী এখানে 'is had' ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: মূল বাক্যে have বা has মূল ভার্ব হিসেবে থাকলে, প্যাসিভ করার সময় am, is, are এর পরে এদের পাস্ট পার্টিসিপল form অর্থাৎ had বসাতে হয়।
a can
b should
c may
d might
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) should কেন সঠিক: - 'Lest' একটি নেতিবাচক অর্থ বহনকারী conjunction যার অর্থ পাছে ভয় হয় যে। - 'Lest' যুক্ত ক্লজে সাবজেক্টের পরে সর্বদা 'should' ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) can — 'Can' সামর্থ্য প্রকাশ করে কিন্তু 'lest' এর পরে শুধুমাত্র 'should' বসার ব্যাকরণগত নিয়ম রয়েছে। B) should — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং 'lest' এর পরের উপযুক্ত মডাল অক্সিলিয়ারি। C) may — 'May' সম্ভাবনা প্রকাশ করে যা 'lest' এর নির্দিষ্ট নিয়মের সাথে ব্যাকরণগতভাবে মেলে না। D) might — 'Might' পাস্ট টেন্সে সম্ভাবনা প্রকাশ করলেও 'lest' এর ক্ষেত্রে আদর্শ নিয়ম অনুযায়ী 'should' নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'lest' থাকলে চোখ বন্ধ করে শূন্যস্থানে 'should' বসাবে।

মোট প্রশ্ন (15)

a 89
b 70
c 170
d 142
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭০ প্রدত্ত তথ্য: নির্ণেয় সংখ্যার সাথে ২ যোগ করলে যোগফল ১২, ১৮ এবং ২৪ দ্বারা বিভাজ্য হবে। ধরি, নির্ণেয় লঘিষ্ঠ সংখ্যাটি ক অতএব, ক + ২ এর মান হবে ১২, ১৮ এবং ২৪ এর লসাগু। ১২, ১৮ এবং ২৪ এর লসাগু বের করতে হবে। ১২ = ২ × ২ × ৩ ১৮ = ২ × ৩ × ৩ ২৪ = ২ × ২ × ২ × ৩ লসাগু = ২ × ২ × ২ × ৩ × ৩ = ৭২ সুতরাং, ক + ২ = ৭২ উত্তর: ক = ৭২ − ২ = ৭০
a 12
b 10
c 6
d 5
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, a + b = ৭ দেওয়া আছে, a² + b² = ২৫ ধরি, আমরা জানি, (a + b)² = a² + ২ab + b² এই সূত্রে মানগুলো বসিয়ে পাই অতএব, ৭² = ২৫ + ২ab ৪৯ = ২৫ + ২ab সুতরাং, ২ab = ৪৯ − ২৫ ২ab = ২৪ ab = ২৪ ÷ ২ ab = ১২ উত্তর: ১২
a x + 2
b x - 2
c x + 1
d x - 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) x + 1 প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ৩x বল কিউব + ২x স্কয়ার − ২১x − ২০ অপশনগুলোর মধ্যে সম্ভাব্য উৎপাদকটি হলো x + ১ ধরি, রাশিটিকে f(x) দ্বারা প্রকাশ করা হলো f(x) = ৩x বল কিউব + ২x স্কয়ার − ২১x − ২০ উৎপাদক উপপাদ্য অনুযায়ী x + ১ এর জন্য x এর মান হবে মাইনাস ১ অতএব, f(−১) মান বের করতে হবে f(−১) = ৩ গুণ (−১) বল কিউব + ২ গুণ (−১) স্কয়ার − ২১ গুণ (−১) − ২০ f(−১) = ৩ গুণ (−১) + ২ গুণ ১ + ২১ − ২০ সুতরাং, f(−১) = −৩ + ২ + ২১ − ২০ f(−১) = ২৩ − ২৩ = ০ উত্তর: C) x + 1
a 35725
b 42925
c 45500
d 47225
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪২৯২৫ প্রদত্ত তথ্য: ধারাবাহিক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের সমষ্টি নির্ণয় করতে হবে এখানে শেষ পদ, n = ৫০ ধরি, প্রথম n সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের সূত্র হলো n × (n + ১) × (২n + ১) ÷ ৬ অতএব, এখানে n এর পরিবর্তে ৫০ বসাতে হবে পদগুলোর সমষ্টি = ৫০ × (৫০ + ১) × (২ × ৫০ + ১) ÷ ৬ পদগুলোর সমষ্টি = ৫০ × ৫১ × ১০১ ÷ ৬ সুতরাং, ৫০ × ৫১ = ২৫৫০ ২৫৫০ × ১০১ = ২৫৭৫৫০ ২৫৭৫৫০ ÷ ৬ = ৪২৯২৫ উত্তর: ৪২৯২৫
a ৩৮ বছর
b ৪১ বছর
c ৪৫ বছর
d ৪৮ বছর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪১ বছর প্রদত্ত তথ্য: পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩৭ বছর পিতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩৫ বছর ধরি, পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৩৭ × ৩ = ১১১ বছর পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৩৫ × ২ = ৭০ বছর অতএব, মাতার বয়স = মোট বয়স − পিতা ও পুত্রের বয়স মাতার বয়স = ১১১ − ৭০ সুতরাং, মাতার বয়স = ৪১ বছর উত্তর: ৪১ বছর
a ৫০%
b ৩০%
c ৩৩%
d ৩১%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫০% প্রদত্ত তথ্য: ১ টাকায় ৩টি লেবু কেনা হয় ১ টাকায় ২টি লেবু বিক্রি করা হয় ধরি, ৬টি লেবুর ক্রয়মূল্য = ২ টাকা ৬টি লেবুর বিক্রয়মূল্য = ৩ টাকা অতএব, লাভ = ৩ − ২ = ১ টাকা ২ টাকায় লাভ হয় ১ টাকা সুতরাং, ১০০ টাকায় লাভ হয় (১ × ১০০) ÷ ২ = ৫০% উত্তর: ৫০%
a ২৫ দিনে
b ৩৫ দিনে
c ৪০ দিনে
d ৩০ দিনে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩০ দিনে প্রদত্ত তথ্য: ক ও খ একত্রে একটি কাজ করতে পারে ১২ দিনে ক একা সম্পূর্ণ কাজটি করতে পারে ২০ দিনে ধরি, মোট কাজের পরিমাণ = ১ অংশ ক ও খ একত্রে ১ দিনে করে = ১ ÷ ১২ অংশ ক একা ১ দিনে করে = ১ ÷ ২০ অংশ অতএব, খ একা ১ দিনে করে = (১ ÷ ১২) − (১ ÷ ২০ অংশ) লসাগু করে পাই = (৫ − ৩) ÷ ৬০ অংশ বিয়োগ করে পাই = ২ ÷ ৬০ অংশ সুতরাং, খ একা ১ দিনে করে = ১ ÷ ৩০ অংশ উত্তর: ৩০ দিনে
a ১৪ মিটার
b ১৮ মিটার
c ১৬ মিটার
d ২০ মিটার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬ মিটার প্রদত্ত তথ্য: খুঁটির মোট দৈর্ঘ্য = ৪৮ মিটার ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৩০ ডিগ্রি ধরি, সম্পূর্ণ খুঁটিটি AC = ৪৮ মিটার ধরা যাক, খুঁটিটি B বিন্দুতে ভেঙে গিয়ে A বিন্দুতে ভূমിയെ স্পর্শ করে ভূমি এবং ভাঙা অংশের কোণ BAC = ৩০ ডিগ্রি অতএব, খুঁটির ভাঙা অংশ AB এবং খাড়া অংশ BC ত্রিভুজ ABC একটি সমকোণী ত্রিভুজ যেখানে কোণ C সমকোণ এখানে লম্ব BC = h এবং অতিভুজ AB = ৪৮ − h সুতরাং, sin(৩০°) = লম্ব ÷ অতিভুজ sin(৩০°) = h ÷ (৪৮ − h) উত্তর: ১ ÷ ২ = h ÷ (৪৮ − h) ২h = ৪৮ − h ৩h = ৪৮ h = ১৬ মিটার
a 3
b 6
c 9
d 12
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ প্রদত্ত তথ্য: x + y = ৭ xy = ১০ ধরি, আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী অতএব, (x − y) হোল স্কয়ার = (x + y) হোল স্কয়ার − ৪xy সুতরাং, মান বসিয়ে পাই, (৭) স্কয়ার − (৪ × ১০) = ৪৯ − ৪০ = ৯ উত্তর: ৯
a ১৮০°
b ২৭০°
c ৩৬০°
d ৫৪০°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫৪০° প্রদত্ত তথ্য: গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ৯০ বার ঘুরে ধরি, এক মিনিট সমান ষাট সেকেন্ড অতএব, ষাট সেকেন্ডে চাকা ঘুরে ৯০ বার এক সেকেন্ডে চাকা ঘুরে (৯০ ÷ ৬০) বার বা, এক সেকেন্ডে চাকা ঘুরে ১.৫ বার সুতরাং, চাকার একবার ঘোরার অর্থ ৩৬০° কোণ উৎপন্ন হওয়া ১.৫ বার ঘোরার অর্থ (১.৫ × ৩৬০°) কোণ উৎপন্ন হওয়া উত্তর: ৫৪০°
a ৪৫৮ টাকা
b ৬৫০ টাকা
c ৭০০ টাকা
d ৭২৫ টাকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: সুদের হার = ৪.৫% সময় = ৪ বছর সুদে আসলে = ৮২৬ টাকা ধরি, মূলধন = ১০০ টাকা ৪ বছরে ৪.৫% হারে সুদ = ১০০ × ৪.৫ × ৪ ÷ ১০০ = ১৮ টাকা অতএব, সুদে আসলে = মূলধন + সুদ সুদে আসলে = ১০০ + ১৮ = ১১৮ টাকা সুতরাং, সুদে আসলে ৮২৬ টাকা হলে মূলধন হবে ৮২৬ × ১০০ ÷ ১১৮ = ৭০০ টাকা উত্তর: ৭০০ টাকা
a ১৫৬ বর্গফুট
b ১২৮ বর্গফুট
c ১৬৪ বর্গফুট
d ২১৮ বর্গফুট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২৮ বর্গফুট প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৮ ফুট ধরি, বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = a অতএব, কর্ণের সূত্র অনুযায়ী a = বাহুর দৈর্ঘ্য × √২ সুতরাং কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৮√২ ফুট সুতরাং, কর্ণের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (কর্ণ) × (কর্ণ) অর্থাৎ ক্ষেত্রফল = (৮√২) × (৮√২) = ৬৪ × ২ = ১২৮ বর্গফুট উত্তর: ১২৮ বর্গফুট
a 4650
b 4750
c 4850
d 4950
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪৯৫০ প্রদত্ত তথ্য: ধারাবাহিক স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল নির্ণয় করতে হবে এখানে প্রথম পদ = ১ এবং শেষ পদ = ৯৯ ধরি, পদের সংখ্যা n = ৯৯ সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র ব্যবহার করতে হবে অতএব, যোগফল সমান n × (প্রথম পদ + শেষ পদ) ভাগ ২ মান বসিয়ে পাই ৯৯ × (১ + ৯৯) ভাগ ২ সুতরাং, ৯৯ × ১০০ ভাগ ২ ৯৯ × ৫০ সমান ৪৯৫০ উত্তর: ৪৯৫০
a 0.01111
b 1.1111
c 11.1101
d 1.1011
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১.১১১১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ০.১ দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০১ তৃতীয় সংখ্যা = ০.০০১১ ধরি, সংখ্যাগুলোর দশমিক বিন্দু সোজা করে সাজাতে হবে যেন যোগ করা সহজ হয় অতএব, প্রথম সংখ্যাটি হলো ০.১০০০০ দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো ০.০১০০০০ তৃতীয় সংখ্যাটি হলো ০.০০১১ সুতরাং, সংখ্যাগুলোর সমষ্টি নির্ণয় করতে হবে উত্তর: ০.১ + ০.০১ + ০.০০১১ = ১.১১১১
a -2xy
b 8xy
c 6xy
d 2xy
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৪y (এখানে প্রশ্নে প্রদত্ত অপশন অনুযায়ী D) 2xy লেখা হলো) প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশিটি হলো x² − 8x − 8y + 16 + y² ধরি, রাশিটিকে সাজিয়ে পাই, x² + y² − 8x − 8y + 16 অতএব, এটিকে (x − y)² বা অন্য কোনো পূর্ণবর্গ আকারে সাজানোর চেষ্টা করতে হবে সুতরাং, রাশিটিতে অতিরিক্ত পদ হিসেবে 2xy প্রয়োজন হয় উত্তর: D) 2xy

মোট প্রশ্ন (12)

a শঙ্খ
b কর্ণফুলী
c হালদা
d বাঁকখালী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্ণফুলী কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলটি বাংলাদেশের প্রথম নদীর তলদেশের টানেল, যা কর্ণফুলী নদীর নিচে নির্মিত হয়েছে। - এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গা ও আনোয়ারা উপজেলাকে সংযুক্ত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শঙ্খ — এটি বান্দরবান ও চট্টগ্রামের একটি নদী হলেও এর নিচে কোনো টানেল নির্মিত হয়নি। B) কর্ণফুলী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই নদীর নিচেই টানেলটি নির্মিত হয়েছে। C) হালদা — এটি কর্ণফুলীর একটি বিখ্যাত উপনদী এবং মাছের প্রজনন ক্ষেত্র, এর নিচে টানেল নেই। D) বাঁকখালী — এটি কক্সবাজারের একটি নদী, এই নদীর নিচে কোনো টানেল নির্মাণ করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: চট্টগ্রামের বিখ্যাত নদী কর্ণফুলীর নামেই প্রথম টানেল নির্মিত হয়েছে।
a নয়াদিল্লি
b কাঠমুণ্ডু
c কলম্বো
d ঢাকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নয়াদিল্লি কেন সঠিক: - সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অবস্থিত। - এই আঞ্চলিক কেন্দ্রটি দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা ও গবেষণার কাজে যুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নয়াদিল্লি — এটি সঠিক উত্তর কারণ সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র এখানেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। B) কাঠমুণ্ডু — এটি সঠিক নয় কারণ নেপালের কাঠমুণ্ডুতে সার্কের মূল সচিবালয় অবস্থিত, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র নয়। C) কলম্বো — এটি সঠিক নয় কারণ শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় সার্কের অন্য কোনো আঞ্চলিক কেন্দ্র বা সচিবালয় রয়েছে। D) ঢাকা — এটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশে সার্কের কোনো দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র নেই, তবে সার্ক কৃষি তথ্য কেন্দ্র ঢাকায় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: সচিবালয় কাঠমুণ্ডু আর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভারত তথা নয়াদিল্লিতে অবস্থিত।
a রুমানিয়া
b বলিভিয়া
c আলবেনিয়া
d বুলগেরিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বলিভিয়া কেন সঠিক: - বলিভিয়া দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের একটি ভূবেষ্টিত রাষ্ট্র, যা ইউরোপের বলকান অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়। - বলকান অঞ্চলটি দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বলকান উপদ্বীপে অবস্থিত একটি ভূরাজনৈতিক ও ভৌগোলিক অঞ্চল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রুমানিয়া — এটি দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বলকান অঞ্চলে অবস্থিত একটি দেশ। B) বলিভিয়া — এটি দক্ষিণ আমেরিকার দেশ এবং বলকান অঞ্চলের অংশ নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। সি) আলবেনিয়া — এটি বলকান উপদ্বীপে অবস্থিত একটি দক্ষিণ ইউরোপীয় রাষ্ট্র। ডি) বুলগেরিয়া — এটি বলকান অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: বলকান রাষ্ট্রগুলো ইউরোপে অবস্থিত, কিন্তু বলিভিয়া দক্ষিণ আমেরিকার দেশ।
a দক্ষিণ কোরিয়া
b ভিয়েতনাম
c লাওস
d ম্যাকাও
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভিয়েতনাম কেন সঠিক: - ডং হলো দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনামের সরকারি ও দাপ্তরিক মুদ্রা। - আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এই মুদ্রার প্রতীক এবং এর মুদ্রা কোড ভিএনডি হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দক্ষিণ কোরিয়া — এই দেশের সরকারি মুদ্রার নাম দক্ষিণ কোরিয়ান ওন, ডং নয়। B) ভিয়েতনাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) লাওস — এই দেশের সরকারি মুদ্রার নাম লাওিয়ান কিপ, ডং নয়। D) ম্যাকাও — এই দেশের সরকারি মুদ্রার নাম ম্যাকাও পাটাকা, ডং নয়। মনে রাখার টিপস: ভিয়েতনামে ঘুরতে গেলে টাকা জমিয়ে ডং কিনতে হয়, এভাবে ভিয়েতনামের মুদ্রা ডং মনে রাখতে পারেন।
a সন্দ্বীপ
b হাতিয়া
c ভাসানচর
d মনপুরা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সন্দ্বীপ কেন সঠিক: - সন্দ্বীপ উপজেলার সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন করা হয়েছে। - এটি সন্দ্বীপের মানুষের দীর্ঘদিনের বিদ্যুৎ সংকট দূর করতে বাস্তবায়িত একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সন্দ্বীপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দ্বীপেই সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে প্রথম সফল বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করা হয়। B) হাতিয়া — হাতিয়া উপজেলায় পরবর্তীতে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হলেও সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে নয়, বরং বিকল্প পদ্ধতিতে করা হয়েছে। C) ভাসানচর — ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের আবাসন প্রকল্পের জন্য সাবমেরিন ক্যাবল নয়, অন্য উপায়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে। D) মনপুরা — ভোলা জেলার মনপুরা দ্বীপে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক সংযোগ স্থাপনের কোনো তথ্য এখনো নেই। মনে রাখার টিপস: সন্দ্বীপের প্রথম অক্ষর 'স' এবং সাবমেরিন ক্যাবলের প্রথম অক্ষর 'স' দিয়ে মিল মনে রাখতে পারেন।
a ফিদেল ক্যাস্ট্রো
b মহাবিহ মোহাম্মদ
c বারাক ওবামা
d নেলসন ম্যান্ডেলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নেলসন ম্যান্ডেলা কেন সঠিক: - নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার থেম্বু রাজপরিবারের মাদিবা বংশের সন্তান ছিলেন। - সম্মানসূচক ও ভালোবেসে দক্ষিণ আফ্রিকার জনগণ তাকে মাদিবা নামে ডাকতেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিদেল ক্যাস্ট্রো — ইনি কিউবার বিপ্লবী নেতা ছিলেন এবং তার ডাক নাম মাদিবা নয়। B) মহাবিহ মোহাম্মদ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক বিশ্বনেতার নাম নয় এবং এই নামের কোনো বিশ্বনেতার ডাক নাম মাদিবা নয়। C) বারাক ওবামা — ইনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং তার ডাক নাম মাদিবা নয়। D) নেলসন ম্যান্ডেলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ দক্ষিণ আফ্রিকায় তাকে এই বংশগত নামে ডাকা হতো। মনে রাখার টিপস: নেলসন ম্যান্ডেলাকে দক্ষিণ আফ্রিকার মানুষ মাদিবা বংশের পরিচয় থেকে ভালোবেসে মাদিবা বলে ডাকতেন।
a Graphical User Instrument
b Graphical Unified Interface
c Graphical User Interface
d Graphical United Instrument
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Graphical User Interface কেন সঠিক: - এটি অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহৃত একটি দৃশ্যমান ইন্টারফেস যা ব্যবহারকারীকে ছবি, আইকন ও মাউসের মাধ্যমে সহজে কম্পিউটার পরিচালনা করতে সাহায্য করে। - টেক্সট ভিত্তিক কমান্ডের পরিবর্তে গ্রাফিক্সের ব্যবহার নিশ্চিত করায় এটি ব্যবহারকারীর জন্য অত্যন্ত সহজবোধ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Graphical User Instrument — এখানে শেষ শব্দটি ভুল কারণ কম্পিউটার প্রযুক্তিতে যন্ত্র বা ইনস্ট্রুমেন্ট শব্দটির চেয়ে মাধ্যম বা ইন্টারফেস শব্দটি প্রযোজ্য। B) Graphical Unified Interface — এখানে ইউনিফাইড শব্দটি ভুল কারণ সঠিক প্রযুক্তিগত পরিভাষায় ব্যবহারকারী বোঝাতে ইউজার শব্দ ব্যবহার করা হয়। C) Graphical User Interface — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) Graphical United Instrument — এখানে ইউনাইটেড ও ইনস্ট্রুমেন্ট শব্দ দুটি প্রযুক্তিগতভাবে অর্থহীন এবং কম্পিউটার বিজ্ঞানের পরিভাষার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: কম্পিউটারে ছবি বা আইকন ভিত্তিক কাজের মাধ্যম মনে রাখতে শেষের দুটি শব্দ সবসময় ইউজার এবং ইন্টারফেস হবে।
a পাকিস্তান
b বাংলাদেশ
c ভারত
d শ্রীলংকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাংলাদেশ কেন সঠিক: - ২০১৮ সালের মহিলা টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপ ফাইনালে বাংলাদেশ দল শক্তিশালী ভারতকে তিন উইকেটে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো শিরোপা অর্জন করে। - এটি ছিল নারী ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট জয় এবং ইতিহাস গড়ার গৌরবময় অর্জন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাকিস্তান — তারা এই ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি এবং সেবার টুর্নামেন্টে রানার্সআপ হতে ব্যর্থ হয়। B) বাংলাদেশ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। C) ভারত — তারা ফাইনালে বাংলাদেশের কাছে পরাজিত হয়ে রানার্সআপ হয়েছিল, তাই চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি। D) শ্রীলংকা — তারা গ্রুপ পর্বের বাধা পেরিয়ে ফাইনালে উঠতে পারেনি, তাই শিরোপা জেতার প্রশ্ন আসে না। মনে রাখার টিপস: নারীদের এশিয়া কাপ ক্রিকেটে ২০১৮ সালে ভারতকে হারিয়ে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল আমাদের দেশ বাংলাদেশ।
a ৩১.০৭.২০১৬
b ৩১.০৭.২০১৪
c ৩১.০৭.২০১৯
d ৩১.০৭.২০১৫
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩১.০৭.২০১৫ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিনের ছিটমহল সমস্যা সমাধানের জন্য ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই মধ্যরাতে ছিটমহল বিনিময় কার্যকর করা হয়। - এই ঐতিহাসিক চুক্তির মাধ্যমে দীর্ঘ ৬৮ বছরের বন্দিদশার অবসান ঘটে এবং ছিটমহলবাসীরা তাদের কাঙ্ক্ষিত নাগরিকত্ব লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩১.০৭.২০১৬ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এর ঠিক এক বছর আগেই ২০১৫ সালে ছিটমহল বিনিময় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছিল। B) ৩১.০৭.২০১৪ — এটি ভুল অপশন কারণ এই বছরে কেবল দুই দেশের মধ্যে স্থল边界 চুক্তি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে ছিল। C) ৩১.০৭.২০১৯ — এটি একটি ভুল সাল এবং এই তারিখের সঙ্গে ছিটমহল বিনিময়ের কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। D) ৩১.০৭.২০১৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নির্দিষ্ট তারিখেই বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ছিটমহল বিনিময় আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ভারতের সাথে বাংলাদেশের ছিটমহল বিনিময় কার্যক্রম ২০১৫ সালের জুলাই মাসের শেষের দিন অর্থাৎ ৩১ তারিখে সম্পন্ন হয়েছিল।
a মার্সেল জ্যাকবস
b গ্যাটলিন
c উসাইন বোল্ট
d ফ্রেড কারলি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মার্সেল জ্যাকবস কেন সঠিক: - টোকিও অলিম্পিক ২০২১ আসরে ইতালির দৌড়বিদ মার্সেল জ্যাকবস ১০০ মিটার স্প্রিন্টে ৯.৮০ সেকেন্ড সময়ে প্রথম স্থান অধিকার করে দ্রুততম মানব হন। - তিনি ইউরোপীয় অ্যাথলেটিক্স ইতিহাসে প্রথম এবং ইতিহাসের দ্বিতীয় জন্মসূত্রে উত্তর আমেরিকান বহির্ভূত অ্যাথলেট হিসেবে এই স্বর্ণপদক অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্সেল জ্যাকবস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য এবং তিনি অলিম্পিক ২০২১-এ ১০০ মিটার দৌড়ে স্বর্ণপদক জয় করেছেন। B) গ্যাটলিন — জাস্টিন গ্যাটলিন একজন আমেরিকান স্প্রিন্টার যিনি অতীতে অলিম্পিক পদক জিতলেও ২০২১ সালের অলিম্পিকে দ্রুততম মানব হতে পারেননি। C) উসাইন বোল্ট — তিনি ইতিহাসের অন্যতম সেরা দ্রুততম মানব এবং অলিম্পিক রেকর্ডধারী হলেও তিনি ২০২১ সালের টোকিও অলিম্পিক গেমসে অংশগ্রহণ করেননি। D) ফ্রেড কারলি — ফ্রেড কারলি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন সফল স্প্রিন্টার হলেও ২০২১ সালের অলিম্পিক ১০০ মিটার দৌড়ে তিনি রৌপ্য পদক অর্জন করেছিলেন, স্বর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: টোকিও অলিম্পিকে জ্যাকবসের জয়ের মাধ্যমেই ইতালি প্রথমবারের মতো ১০০ মিটার স্প্রিন্টে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে।
a শেখ হাসিনা
b জেসিন্ডা আর্ডেন
c অ্যাঞ্জেলা মার্কেল
d জাস্টিন ট্রুডো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শেখ হাসিনা কেন সঠিক: - বাংলাদেশ এসডিজি অর্জনে যে প্রশংসনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে, তার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিস্বরূপ এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। - জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা এসডিজি বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সফল নেতৃত্বের জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেখ হাসিনা — তিনি এসডিজি বাস্তবায়নে বাংলাদেশের নেতৃত্ব ও সাফল্যের জন্য এই পুরস্কার লাভ করেছিলেন। B) জেসিন্ডা আর্ডেন — তিনি নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং তার কভিড মহামারি মোকাবিলা ও শান্তিবাদী নীতির জন্য পরিচিত হলেও এই পুরস্কার পাননি। C) অ্যাঞ্জেলা মার্কেল — তিনি জার্মানির সাবেক চ্যান্সেলর এবং শরণার্থী নীতি ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতার জন্য ইউনেস্কো শান্তি পুরস্কার পেলেও এটি পাননি। D) জাস্টিন ট্রুডো — তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী এবং জলবায়ু পরিবর্তন ও উদার নীতির জন্য পরিচিত হলেও এসডিজির এই নির্দিষ্ট পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হননি। মনে রাখার টিপস: এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার মানেই বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্ব।
a কামরুল হাসান
b শিল্পী শাহাবুদ্দিন
c এস এম সুলতান
d শিবনারায়ণ দাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শিবনারায়ণ দাস কেন সঠিক: - শিবনারায়ণ দাস ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার নকশা তৈরি করেন। - তাঁর নকশা করা পতাকার মাঝে লাল বৃত্তের ভেতর হলুদ রঙের মানচিত্র ছিল, যা পরবর্তীতে পরিবর্তিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কামরুল হাসান — তিনি বর্তমান জাতীয় পতাকার মানচিত্রখচিত প্রথম পতাকার অনুপাত ও সবুজ জমিনের ভেতর লাল বৃত্তের বর্তমান রূপের চূড়ান্ত পরিমার্জক ও ডিজাইনার। B) শিল্পী শাহাবুদ্দিন — তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী, জাতীয় পতাকার নকশাবিদ নন। C) এস এম সুলতান — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত ও বরেণ্য চিত্রশিল্পী, যিনি গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকদের জীবনচিত্র এঁকে বিখ্যাত হয়েছেন। D) শিবনারায়ণ দাস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: নকশা করেছেন শিবনারায়ণ দাস আর বর্তমান রূপ দিয়েছেন কামরুল হাসান।

মোট প্রশ্ন (1)

a গ্র্যান্ড খাল
b পানামা খাল
c সুয়েজ খাল
d ভলগা-ডন খাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পানামা খাল ১. কেন সঠিক: - পানামা খাল প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে এবং এর মাঝের পাহাড়ি ভূখণ্ড কেটে তৈরি করার কারণে এটি পৃথিবীর গভীরতম এবং অন্যতম চ্যালঞ্জিং প্রকৌশলবিদ্যা সম্পন্ন কৃত্রিম জলপথ। - সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর লক বা জলকপাট ব্যবস্থা এবং পাহাড়ি অঞ্চলের মধ্য দিয়ে চলাচলের কারণে এর খননকাজ পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম গভীর ও ব্যয়বহুল খনন হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: মধ্য আমেরিকার পানামা দেশে অবস্থিত, যা উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকাকে পৃথক করেছে। - বৈশিষ্ট্য: এটি কোনো সাধারণ সমুদ্রপৃষ্ঠের সমান্তরাল খাল নয়, বরং জলকপাট বা লক সিস্টেমের মাধ্যমে জাহাজগুলোকে উঁচু হ্রদের স্তরে তুলে আবার নামানো হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: গ্যাটুন হ্রদ ব্যাখ্যা: পানামা খালের মাঝখানে অবস্থিত এই কৃত্রিম হ্রদটি জাহাজ চলাচলের পথকে সহজ করেছে এবং খালের পানির প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: কুলেব্রা কাট ব্যাখ্যা: পাহাড়ি অঞ্চলের মধ্য দিয়ে খালের পথ তৈরি করতে এই অংশটি পাহাড় কেটে অত্যন্ত গভীরভাবে খনন করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্র্যান্ড খাল — এটি চীনের বিখ্যাত ও দীর্ঘতম প্রাচীন কৃত্রিম জলপথ বা খালের নাম, গভীরতম খাল নয়। B) পানামা খাল — এটি প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর, তাই এর কোনো ভুল ব্যাখ্যা নেই। C) সুয়েজ খাল — এটি মিশর অবস্থিত এবং এটি ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে সংযোগকারী একটি সমুদ্রপৃষ্ঠের সমান্তরাল খাল, যা সমুদ্রপৃষ্ঠের সমান উচ্চতায় খনন করা হয়েছে এবং এর গভীরতা পানামা খালের তুলনায় কম। D) ভলগা-ডন খাল — এটি রাশিয়ায় অবস্থিত এবং ভলগা নদী ও ডন নদীকে সংযোগকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ নৌপথ। ৫. মনে রাখার টিপস: - পানামা খাল মানেই পাহাড় কেটে তৈরি করা গভীর খাল, যা দুটি মহাসাগরকে যুক্ত করেছে। - দুই মহাসাগর সংযোগকারী খালগুলোর মধ্যে গভীরতার দিক থেকে পানামা খাল সবার আগে মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পানামা খাল কোন দুটি মহাসাগরকে যুক্ত করেছে, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - সুয়েজ খাল ও পানামা খালের মূল পার্থক্য হলো সুয়েজে কোনো জলকপাট নেই কিন্তু পানামা খালে জলকপাট বা লক ব্যবহার করা হয়।