সঠিক উত্তর: B) আসক্তি
১. কেন সঠিক:
একটি সার্থক বাক্য গঠনের জন্য তিনটি প্রধান গুণ বা শর্ত থাকা আবশ্যক। গুণ তিনটি হলো আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে আসক্তি সার্থক বাক্যের গুণ হলেও, প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে কোনটি গুণ নয়। তাই 'আসক্তি' এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
একটি সার্থক বাক্যের অপরিহার্য গুণ তিনটি যথা আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা। বাক্যে পদের পর পদ সাজিয়ে লেখার নিয়ম বা সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসই হলো আসক্তি।
বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য এক পদের পর অন্য পদ যথাযথভাবে সাজিয়ে বসার নামই আসক্তি। আসক্তি না থাকলে পদের মেলবন্ধন নষ্ট হয় এবং অর্থের সঠিক প্রকাশ ঘটে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাল আমি ঢাকা যাব।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে পদগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে মনের ভাব সম্পূর্ণ ও পরিষ্কারভাবে প্রকাশ পায়।
উদাহরণ ২: যাব ঢাকা কাল আমি।
ব্যাখ্যা: এটি একটি ত্রুটিপূর্ণ বাক্য কারণ এখানে শব্দের সুশৃঙ্খল বিন্যাস বা আসক্তি রক্ষা করা হয়নি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আকাঙ্ক্ষা — এটি সার্থক বাক্যের একটি অন্যতম প্রধান গুণ, যার অর্থ বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণরূপে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা।
B) আসক্তি — এটি সার্থক বাক্যের গুণ হলেও প্রশ্নে ভুল বানানে আসা 'আসত্তি' বা অপশনের সঙ্গে তুলনা করে এটি নির্ণীত, তবে মূলত 'আসক্তি' বাক্যের গুণ।
C) যোগ্যতা — এটি সার্থক বাক্যের একটি অন্যতম অপরিহার্য গুণ, যা পদের ভাবগত মিল ও বাস্তবসম্মত অর্থ প্রকাশ করে।
D) আসত্তি — এটি মূলত নৈকট্য বা গভীর অনুরাগ অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা ব্যাকরণগতভাবে বাক্যের গুণ হিসেবে প্রযোজ্য নয় বরং 'আসক্তি' হলো বাক্যের গুণ।
৫. মনে রাখার টিপস:
সার্থক বাক্যের গুণ মনে রাখার সহজ সূত্র হলো আ আ য অর্থাৎ আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা। আসক্তি মানে সাজিয়ে বসা আর আসত্তি মানে নৈকট্য, এই বানান পার্থক্য খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসক্তি এবং আসত্তি শব্দের বানান ও অর্থ নিয়ে প্রায়ই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়। আসক্তি হলো বাক্যের পদ বিন্যাসের গুণ এবং আসত্তি হলো নৈকট্য বা গাঢ় অনুরাগ।
সঠিক উত্তর: C) সাময়িকী
১. কেন সঠিক:
- পারিভাষিক শব্দ হলো সেই সকল শব্দ যা বিদেশি শব্দের ভাবানুবাদ বা প্রতিশব্দ হিসেবে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
- সাময়িকী শব্দটি পিরিয়ডিক্যাল শব্দের বাংলা পরিভাষা হিসেবে বাংলা একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত এবং প্রমিত রূপে স্বীকৃত।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- পারিভাষিক শব্দ সাধারণত প্রশাসন, বিজ্ঞান, সাহিত্য এবং বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- বিদেশি শব্দের সরাসরি উচ্চারণ না করে যখন তার যথাযথ বাংলা অর্থ বা প্রতিশব্দ তৈরি করা হয়, তাকে পারিভাষিক শব্দ বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা: এটি ইউনিভার্সিটি শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ, যা উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: সংবিধান
ব্যাখ্যা: এটি কনস্টিটিউশন শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ, যা দেশের সর্বোচ্চ আইন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রেডিও — এটি একটি বিদেশি শব্দ, যার কোনো বাংলা পরিভাষা হিসেবে সাময়িকী শব্দটি ব্যবহৃত হয় না।
B) ম্যানেজার — এটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা পরিভাষা ব্যবস্থাপক, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) সাময়িকী — এটি সঠিক পারিভাষিক শব্দ এবং পিরিয়ডিক্যাল শব্দের বাংলা প্রতিরূপ।
D) ফাইল — এটি একটি বহুল প্রচলিত বিদেশি দাপ্তরিক শব্দ, যা পারিভাষিক শব্দের আওতায় সরাসরি পড়ে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিদেশি শব্দের সরাসরি অনুবাদের মাধ্যমে যে শব্দ তৈরি হয় তা পারিভাষিক শব্দ। যেমন পিরিয়ডিক্যাল মানে সাময়িকী।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি শব্দ এবং তার সঠিক বাংলা পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। বাংলা একাডেমি প্রণীত পারিভাষিক শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বীরবল
১. কেন সঠিক:
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম ব্যবহারের এক অনন্য ধারা সৃষ্টি করেন এবং তিনি বীরবল ছদ্মনামে লিখতেন।
- তার সাহিত্যিক পরিচয় প্রকাশের জন্য তিনি এই ছদ্মনামটি বেছে নিয়েছিলেন এবং তার সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকায় এটি বেশি ব্যবহৃত হতো।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বাংলা প্রবন্ধ সাহিত্যে বুদ্ধিবৃত্তিক ধারার জনক হিসেবে পরিচিত।
- তিনি বাংলা গদ্যে হালকা চালের অথচ গভীর ভাবসমৃদ্ধ প্রমথীয় বা রম্য রচনা ধারার সূত্রপাত করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে লেখা প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ গ্রন্থ হলো বীরবলের হালখাতা।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে তার প্রমথীয় রচনার অনন্য শৈলী ও বুদ্ধিদীপ্ত প্রকাশ দেখতে পাওয়া যায়।
উদাহরণ ২: তার আরেকটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ হলো রায়তের কথা।
ব্যাখ্যা: এটি তার সমাজচেতনামূলক ও চিন্তাশীল সাহিত্যকর্মের একটি চমৎকার উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হুতোম প্যাঁচা — এটি কালীপ্রসন্ন সিংহের বিখ্যাত ছদ্মনাম যিনি হুতোম প্যাঁচার নকশা লিখেছেন।
B) বীরবল — এটি সঠিক উত্তর যা প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
C) টেকচাঁদ ঠাকুর — এটি প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম যিনি আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাস লিখেছেন।
D) অবধূত — এটি কালকূট বা সমীরণ মজুমদারের ছদ্মনাম যিনি বিভিন্ন ভ্রমণকাহিনী ও উপন্যাস লিখেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রমথ চৌধুরীর প্র দিয়ে প্রমথ এবং ব দিয়ে বীরবল মিলিয়ে মনে রাখা যায় প্রমথ মানেই বীরবল।
- সবুজপত্র পত্রিকার সাথে বীরবল নামটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তাই পত্রিকা মনে রাখলে ছদ্মনাম মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে প্রমথ চৌধুরী ও কালীপ্রসন্ন সিংহের ছদ্মনাম খুব গুরুত্বপূর্ণ।
- একই ধরনের অন্যান্য লেখকের ছদ্মনাম যেমন বনফুল বা বিমল করের ছদ্মনাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) চোখের বালি
১. কেন সঠিক:
- চোখের বালি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি তাঁর একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
- প্রশ্নটিতে কোনটি কাব্য নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই যে অপশনটি উপন্যাস সেটিকে সঠিক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক হলেও তিনি মূলত কবি হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
- চোখের বালি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম সার্থক বাংলা মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে তৎকালীন সমাজের পারিবারিক সম্পর্ক ও বিধবার মনের জটিলতা ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শেষের কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যধর্মী উপন্যাস, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়।
উদাহরণ ২: নৌকাডুবি
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস, যা ১৯০৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটিও কোনো কাব্যগ্রন্থ বা কবিতা সংকলন নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মানসী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৯০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে কবির রোমান্টিক চেতনার প্রকাশ ঘটেছে।
B) সোনার তরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর নামীয় কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ।
C) চোখের বালি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কাব্য নয়, বরং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
D) গীতাঞ্জলি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশ্বখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো যেমন চোখের বালি, গোরা, নৌকাডুবি, শেষের কবিতা আলাদা করে মনে রাখলে এমন প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
- কাব্যগ্রন্থগুলো সাধারণত মানসী, সোনার তরী, চিত্রা, চৈতালী, গীতাঞ্জলি নামে পরিচিত যা দেখে কাব্য ও উপন্যাসের পার্থক্য করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাব্য, উপন্যাস ও নাটকের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
- কোনো সাহিত্যকর্মের নাম দেখে সেটি কাব্য নাকি উপন্যাস, তা নিশ্চিত হতে লেখকের বিখ্যাত উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) রবি
১. কেন সঠিক:
- রবি শব্দের অর্থ সূর্য, যা দিন বা আলো প্রকাশ করে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ে এই তথ্যটি সরাসরি কাজে লাগে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ, যা ভিন্ন বানান ও উচ্চারণের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের সমার্থক শব্দ ভিন্ন হতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দিবাকর
ব্যাখ্যা: দিবাকর শব্দের অর্থ দিন করেন যিনি অর্থাৎ সূর্য।
উদাহরণ ২: তপন
ব্যাখ্যা: তপন শব্দের অর্থ যা তাপ দেয় অর্থাৎ সূর্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সূর্য।
B) শশী — শশী শব্দের অর্থ চাঁদ, যা সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়।
C) পবন — পবন শব্দের অর্থ বাতাস বা বায়ু, যা সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়।
D) বসুধা — বসুধা শব্দের অর্থ পৃথিবী বা ধরা, যা সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সূর্যকে আলো ও তাপের উৎস হিসেবে মনে রেখে দিবাকর, তপন, রবি ও ভাস্কর শব্দগুলো একসূত্রে মনে রাখা যায়।
- চাঁদ বোঝাতে শশী এবং বাতাস বোঝাতে পবন শব্দ ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্য, চাঁদ, পৃথিবী ও বাতাসের সমার্থক শব্দগুলো বারবার আসে।
- প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করতে সমার্থক শব্দগুলো আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত।
সঠিক উত্তর: D) সেলিনা হোসেন
১. কেন সঠিক:
- 'নীল ময়ূরের যৌবন' উপন্যাসের রচয়িতা বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন।
- এটি মূলত ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সেলিনা হোসেন বাংলাদেশের সমকালীন কথাসাহিত্যের অন্যতম প্রধান শক্তিশালী লেখক।
- তাঁর উপন্যাসে সামাজিক ও রাজনৈতিক ইতিহাস গভীর শিল্পরূপ লাভ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাঁদের গাড়ি
ব্যাখ্যা: এটি সেলিনা হোসেন রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় আরেকটি উপন্যাস।
উদাহরণ ২: পোকামাকড়ের ঘরবসতি
ব্যাখ্যা: সেলিনা হোসেন রচিত বাংলা কথাসাহিত্যের একটি বিশিষ্ট উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুফিয়া কামাল — তিনি মূলত বিখ্যাত কবি ও নারীবাদী লেখিকা, কোনো উপন্যাসিক নন।
B) রাজিয়া বেগম — তিনি এই উপন্যাসের রচয়িতা নন, তাই উত্তরটি ভুল।
C) রাবেয়া খাতুন — তিনি বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক হলেও এই গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়।
D) সেলিনা হোসেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপন্যাসটি তাঁরই সৃষ্টি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সেলিনা হোসেনের নামের প্রথম অক্ষর এবং উপন্যাসের নামের ময়ূর মিলিয়ে মনে রাখা সহজ।
- ঐতিহাসিক উপন্যাস বললেই সেলিনা হোসেনের নাম স্মরণ করা যেতে পারে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সেলিনা হোসেনের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লেখকদের বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়ে রাখা ভালো।
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনিতত্ত্ব
১. কেন সঠিক:
- ধ্বনিতত্ত্ব হলো বাংলা ব্যাকরণের সেই শাখা যেখানে ধ্বনি, বর্ণ, নত্ব বিধান, ষত্ব বিধান, সন্ধি, উচ্চারণ ইত্যাদি আলোচিত হয়।
- সন্ধি মানে মিলন। পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে, আর ধ্বনি সংক্রান্ত আলোচনা ধ্বনিতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় সন্ধি এখানেই আলোচিত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয় চারটি: ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব ও অর্থতত্ত্ব বা বাগার্থ তত্ত্ব।
- ধ্বনিতে ধ্বনির পরিবর্তন, সংযোগ ও উচ্চারণের নিয়ম শেখানো হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয়
ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম শব্দের শেষ ধ্বনি অ এবং পরের শব্দের প্রথম ধ্বনি আ মিলে আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে, যা ধ্বনিতত্ত্বের নিয়মে ঘটে।
উদাহরণ ২: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়
ব্যাখ্যা: ধ্বনির মিলনের মাধ্যমে দুটি পদের অংশ একত্রিত হয়ে নতুন শব্দ গঠনের এই প্রক্রিয়া ধ্বনিতত্ত্বের আলোচনার বিষয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধ্বনিতত্ত্ব — এটি সঠিক উত্তর কারণ সন্ধি ধ্বনির মিলন নিয়ে কাজ করে।
B) রূপতত্ত্ব — এটি ভুল কারণ রূপতত্ত্বে শব্দ ও পদের গঠন, উপসর্গ, প্রত্যয়, সমাস এবং লিঙ্গ-বচন আলোচিত হয়।
C) বাক্যতত্ত্ব — এটি ভুল কারণ বাক্যতত্ত্বে পদের বিন্যাস, বাক্যের গঠন ও বাক্য রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করা হয়।
D) বাগার্থ তত্ত্ব — এটি ভুল কারণ বাগার্থ তত্ত্বে শব্দের অর্থ, বাগধারা, বিপরীত শব্দ ও সমার্থক শব্দ আলোচিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সন্ধি মানে ধ্বনির মিলন, আর ধ্বনি মানেই ধ্বনিতত্ত্ব। এই সহজ সূত্র মনে রাখলে উত্তর ভুল হবে না।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকরণের কোন অংশ কী নিয়ে আলোচনা করে, তা থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। সমাস রূপতত্ত্বে এবং সন্ধি ধ্বনিতত্ত্বে আলোচিত হয়, এই পার্থক্যটি সবসময় মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বন্দি শিবির থেকে
১. কেন সঠিক:
- বন্দি শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হয়েছে।
- এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা মুক্তিকামী মানুষের আন্দোলন ও পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অত্যাচারের দলিল হিসেবে কাজ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বন্দি শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি শামসুর রাহমান।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে অবরুদ্ধ ঢাকায় বসে কবি এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো রচনা করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্মৃতিচিহ্ন
ব্যাখ্যা: এটি কবি শামসুর রাহমানের আরেকটি অত্যন্ত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তার সাহিত্যকৃতির পরিচয় বহন করে।
উদাহরণ ২: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে
ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের রচিত একটি প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তার কাব্য প্রতিভার সাক্ষ্য দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিষিদ্ধ লোবান — এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি প্রখ্যাত উপন্যাস, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়।
C) রাত্রিশেষ — এটি আলাউদ্দিন আল আজাদের একটি উপন্যাস, কাব্যগ্রন্থের আওতাভুক্ত নয়।
D) নেকড়ে অরণ্য — এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা ভিন্ন প্রেক্ষাপটে রচিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের ওপর রচিত কাব্যগ্রন্থ মনে রাখতে কবি শামসুর রাহমানের বন্দি শিবির থেকে নামটি সবার আগে মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বন্দি শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা শামসুর রাহমান এবং এটি মুক্তিযুদ্ধের অবরুদ্ধ পরিবেশের অনন্য দলিল।
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনি
১. কেন সঠিক:
ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি, যা কান দিয়ে শোনা যায় এবং মুখ দিয়ে উচ্চারণ করা হয়।
ভাষার প্রধান উপাদান বাক্য, বাক্যের উপাদান শব্দ, শব্দের উপাদান বর্ণ এবং বর্ণের মূল ভিত্তি হলো ধ্বনি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ধ্বনি হলো মানুষের বাকযন্ত্রের সাহায্যে উৎপাদিত আওয়াজ বা ভাষার ক্ষুদ্রতম একক।
বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, অর্থাৎ ধ্বনিকে যখন লিখে প্রকাশ করা হয় তখন তাকে বর্ণ বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ, আ, ক, খ
ব্যাখ্যা: এগুলো হলো বাংলা ভাষার বিভিন্ন ধ্বনি বা বর্ণের প্রতীক।
উদাহরণ ২: কলম শব্দের ধ্বনি বিশ্লেষণ: ক + অ + ল + অ + ম + অ
ব্যাখ্যা: একটি শব্দ ভেঙে ছোট এককে রূপান্তর করলে ধ্বনি পাওয়া যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভাষার মৌলিক ও শ্রবণযোগ্য ক্ষুদ্রতম একক।
B) বর্ণ — এটি ধ্বনির লিখিত রূপ, মৌখিক বা ভাষার ক্ষুদ্রতম মূল একক নয়।
C) শব্দ — এটি এক বা একাধিক ধ্বনি বা বর্ণের মিলনে গঠিত হয়, যা ক্ষুদ্রতম একক নয়।
D) বাক্য — এটি ভাষার বৃহত্তম অর্থপূর্ণ একক, ক্ষুদ্রতম একক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক বললে ধ্বনি দাগাবে এবং লেখার ক্ষুদ্রতম একক বললে বর্ণ দাগাবে।
কানে শোনা যায় ধ্বনি এবং চোখে দেখা যায় বর্ণ, এই সহজ সূত্র মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি অত্যন্ত কমন ও বারবার আসে।
ধ্বনি হলো ভাষার প্রাণ এবং বর্ণ হলো তার পোষাক বা রূপ।
সঠিক উত্তর: B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
- 'রচনার শিল্পগুণ' প্রবন্ধটির রচয়িতা বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
- বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর বিভিন্ন প্রবন্ধে সাহিত্য রচনার কলাকৌশল ও শিল্পরূপ নিয়ে আলোচনা করেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক এবং সাহিত্য সমালোচনার অন্যতম পথপ্রদর্শক।
- তাঁর রচিত বিবিধ প্রবন্ধ, কমলাকান্তের দপ্তর এবং লোকরহস্য বাংলা গদ্যসাহিত্যের অমূল্য সম্পদ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ লোকরহস্য।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে সমাজের নানা ত্রুটি ও কুসংস্কার নিয়ে তীক্ষ্ণ ও শিল্পসম্মত গদ্যে প্রবন্ধ রচিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অপর একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ বিবিধ প্রবন্ধ।
ব্যাখ্যা: সাহিত্য, বিজ্ঞান ও সমাজ বিষয়ক বিভিন্ন প্রবন্ধের সংকলন হিসেবে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের জনক ও প্রাবন্ধিক হলেও এই প্রবন্ধটি তাঁর লেখা নয়।
B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর এবং তাঁর সাহিত্যিক পরিচয়ের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
C) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল এর রচয়িতা, কিন্তু এই প্রবন্ধের লেখক নন।
D) বিহারীলাল — তিনি বাংলা গীতিকবিতার ভোরের পাখি হিসেবে পরিচিত, তবে এই প্রবন্ধটি তাঁর নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সাহিত্য রচনার শিল্প বা সৌন্দর্য নিয়ে গভীর আলোচনা করেছেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
- বঙ্কিম মানেই উপন্যাসের পাশাপাশি মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য শিল্পকলার শ্রেষ্ঠ রূপকার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রবন্ধ গ্রন্থগুলোর নাম প্রায়ই আসে।
- সাহিত্যিকদের প্রবন্ধ ও সমালোচনামূলক রচনাগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) আষাঢ়
১. কেন সঠিক:
- আষাঢ় শব্দটি বাংলা সনের তৃতীয় মাসের নাম নির্দেশ করে এবং এতে মূর্ধন্য ণ এর ধ্বনিগত প্রভাবে মধ্যন্য ঢ় ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই মাসে মূর্ধন্য ঢ় যুক্ত বর্ণটি আবশ্যিক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানে তৎসম ও তদ্ভব শব্দের ক্ষেত্রে মূর্ধন্য ণ এবং মূর্ধন্য ষ এর নিয়মের মতো ড় ও ঢ় ব্যবহারের নির্দিষ্ট ব্যাকরণিক নিয়ম রয়েছে।
- আষাঢ় একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যেখানে মূর্ধন্য ঢ় এর সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ষাঁড়
ব্যাখ্যা: এটি একটি তদ্ভব শব্দ যেখানে ড এর নিচে বিন্দু যুক্ত হয়ে ড় ধ্বনি তৈরি হয়েছে।
উদাহরণ ২: মূর্খ
ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে রেফ এর পর খ যুক্ত হয়ে শব্দের বানান রূপ গঠন করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আশার — এই বানানে তালিব্য শ এর সাথে আকার এবং ড শূন্য র ব্যবহার করা হয়েছে যা আষাঢ় মাসের সঠিক প্রমিত বানান নয়।
B) আসার — এই বানানে দন্ত স এর সাথে আকার এবং ড শূন্য র ব্যবহার করা হয়েছে যা আসা ক্রিয়াপদ বা অন্য অর্থ প্রকাশ করে।
C) আষাঢ় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে সঠিক বর্ণ ও মূর্ধন্য ঢ় ব্যবহার করা হয়েছে।
D) আষাঢ় — এই অপশনটি সঠিক উত্তরের অনুরূপ হওয়ায় এটিও সঠিক বানান হিসেবে বিবেচিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাংলা সনের মাসগুলোর বানান ভালোভাবে চর্চা করতে হবে বিশেষ করে যেগুলোতে ড় বা ঢ় রয়েছে।
- আষাঢ় মাস লেখার সময় সবসময় ড শূন্য র এর পরিবর্তে ঢ শূন্য ঢ় ব্যবহার করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা মাসের নাম থেকে প্রায়শই শুদ্ধ বানানের প্রশ্ন আসে।
- প্রমিত বানানরীতি অনুসরণে বাংলা একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত বানান তালিকা মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) শামসুদ্দীন আবুল কালাম
১. কেন সঠিক:
- 'কাশবনের কন্যা' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস যার রচিয়তা কথাসাহিত্যিক শামসুদ্দীন আবুল কালাম।
- এই উপন্যাসে মূলত গ্রামীণ জনপদের মানুষের জীবনযাত্রা, প্রকৃতি এবং মানুষের মনস্তত্ত্ব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শামসুদ্দীন আবুল কালাম বিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক।
- গ্রামীণ জীবন, মাটি ও মানুষের সংগ্রামের বাস্তবসম্মত চিত্র তাঁর উপন্যাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সামসুদ্দীন আবুল কালাম রচিত আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো 'পথ জানা নাই'।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটিতেও লেখকের গ্রামীণ জীবনের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলার মুন্সিয়ানা প্রকাশ পেয়েছে।
উদাহরণ ২: তাঁর রচিত অন্য একটি জনপ্রিয় উপন্যাস হলো 'জীবন ও যৌবন'।
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের সাহিত্যকর্মের পরিধি এবং গ্রামীণ সমাজের প্রতি গভীর অনুরাগের পরিচয় বহন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — তিনি আধুনিক বাংলা উপন্যাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কথাসাহিত্যিক হলেও 'কাশবনের কন্যা' তাঁর রচনা নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'লালসালু'।
B) আবু জাফর শামসুদ্দীন — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও সাংবাদিক হলেও এই উপন্যাসের রচিয়তা নন, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'সংকর প্রহর'।
C) শামসুদ্দীন আবুল কালাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপন্যাসটি তাঁরই সৃষ্টি।
D) জসীম উদ্দীন — তিনি বাংলাদেশের বিখ্যাত পল্লিকবি ও সাহিত্যিক, তবে 'কাশবনের কন্যা' তাঁর উপন্যাস নয়, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'নকশী কাথার মাঠ'।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কাশবনে আবুল কালাম ঘুড়ি ওড়ায় এই ছলে, কাশবনের কন্যা উপন্যাসটি শামসুদ্দীন আবুল কালামের বলে মনে রেখো সহজে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রখ্যাত উপন্যাস ও তাদের লেখকদের নাম জিজ্ঞেস করা হয়।
- এই ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত সাহিত্যকর্মগুলোও আলাদা করে পড়ে রাখা ভালো।
সঠিক উত্তর: B) ১৯১৭ সালে
১. কেন সঠিক:
শওকত ওসমান বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক যিনি ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান হলেও তিনি সাহিত্যজগতে শওকত ওসমান ছদ্মনামে পরিচিত লাভ করেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শওকত ওসমান বিশ শতকের আধুনিক বাংলা উপন্যাসের ধারায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।
তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে ক্রীতদাসের হাসি, জলাঙ্গি এবং সমাগম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্রীতদাসের হাসি
ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত প্রতীকধর্মী উপন্যাস যা ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর জন্য তিনি আদমজী সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।
উদাহরণ ২: জাহান্নাম হইতে বিদায়
ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রখ্যাত উপন্যাস যা লেখকের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার আলোকে রচিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯২১ সালে — এই সালে শওকত ওসমান জন্মগ্রহণ করেননি বরং এটি অন্য কোনো সাহিত্যিকের জন্মসাল হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) ১৯১৭ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ শওকত ওসমান ঠিক এই সালেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
C) ১৯১৫ সালে — এই সালে শওকত ওসমান জন্মগ্রহণ করেননি বরং এটি ভুল তথ্য নির্দেশ করে।
D) ১৯২৩ সালে — এই সালে শওকত ওসমান জন্মগ্রহণ করেননি তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
শওকত ওসমানের জন্মসাল মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে তিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে অর্থাৎ ১৯১৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর জন্মস্থান পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলা তাও মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
শওকত ওসমানের জন্মতারিখ এবং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ক্রীতদাসের হাসি প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
লেখকদের জন্মসাল ও সাহিত্যকর্ম জোড় মিলিয়ে পড়ার অভ্যাস থাকলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) ফরিদপুর
১. কেন সঠিক:
- জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যের একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় কবি, যিনি তার পল্লীপ্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবনভিত্তিক রচনার জন্য পল্লীকবি নামে পরিচিত।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১লা জানুয়ারি তৎকালীন বৃহত্তর ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং তার সাহিত্যকর্মে এই অঞ্চলের মাটি ও মানুষের রূপ ফুটে উঠেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জসীমউদ্দীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন এবং দীনেশচন্দ্র সেনের সাথে সংগ্রহ ও সম্পাদনা কাজে যুক্ত ছিলেন।
- তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশীাঁ কাঁথার মাঠ এবং সোজন বাদিয়ার ঘাট বিশ্বসাহিত্যেও সমাদৃত হয়েছে এবং তার কবিতায় গ্রামীণ বাংলার নিখুঁত চিত্র পাওয়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নকশী কাঁথার মাঠ
ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত কাহিনীকাব্য যা পল্লীজীবনের প্রেম ও বিষাদের রূপ ফুটিয়ে তোলে।
উদাহরণ ২: সোজন বাদিয়ার ঘাট
ব্যাখ্যা: এটি কবির আরেকটি অনবদ্য কাব্যগ্রন্থ যা গ্রামীণ প্রেমের এক অমর সৃষ্টি হিসেবে পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গোপালগঞ্জ — এটি জসীমউদ্দীনের জন্মস্থান নয়, যদিও এটি বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
B) ফরিদপুর — এটি জসীমউদ্দীনের জন্মস্থানের সঠিক জেলা এবং তিনি এখানেই জন্মগ্রহণ করেন।
C) পিরোজপুর — এটি দক্ষিণাঞ্চলের একটি জেলা যেখানে অন্য অনেক সাহিত্যিক জন্মগ্রহণ করেছেন কিন্তু জসীমউদ্দীনের জন্মস্থান এটি নয়।
D) বিক্রমপুর — এটি প্রাচীন বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির একটি বিখ্যাত কেন্দ্র হলেও জসীমউদ্দীনের জন্মস্থান নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের জন্মস্থান মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে যে তিনি ফরিদপুরের তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তার নামের সাথে পল্লীকবি উপাধি এবং ফরিদপুরের গ্রামীণ পরিবেশ অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জসীমউদ্দীনকে তার অবদানের জন্য পল্লীকবি উপাধিতে ভূষিত করা হয় এবং তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ রাখালী।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তার জন্মস্থান, বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ এবং ছদ্মনাম সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
- লালসালু হলো বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি মনস্তাত্ত্বিক সামাজিক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের ধর্মান্ধতা এবং কুসংস্কারের নিখুঁত চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ আধুনিক বাংলা উপন্যাসের ধারার অন্যতম প্রধান কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক।
- ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে মজিদ চরিত্রের মাধ্যমে শোষণের রূপ উন্মোচিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাঁদো নদী কাঁদো
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচিত আরেকটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: চাঁদের অমাবস্যা
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত উপন্যাস যা অপরাধবোধ ও নৈতিকতা নিয়ে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপন্যাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ লালসালু একটি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস।
B) ছোটগল্প — লালসালু আকারে বড় এবং এর পটভূমি ব্যাপক হওয়ায় এটি ছোটগল্প নয়।
C) নাটক — এটি মঞ্চে অভিনীত হওয়ার জন্য রচিত নাটক নয়, বরং পড়ার উপন্যাস।
D) কাব্যগ্রন্থ — এটি কোনো পদ্য বা কবিতার বই নয়, বরং গদ্যে রচিত উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস মনে রাখার সহজ উপায় হলো ওয়ালীউল্লাহর লালসালু ও কাঁদো নদী কাঁদো দুটি বিখ্যাত উপন্যাস।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
লালসালু উপন্যাসটি ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রধান চরিত্র মজিদ। এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশের রণসঙ্গীতের রচয়িতা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
তাঁর লেখা 'চল চল চল, ঊর্ধ্ব গগনে বাজে মাদল' গানটি বাংলাদেশের রণসঙ্গীত হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং বিংশ শতাব্দীর প্রধান বাঙালি কবি ও সঙ্গীতকার।
তাঁর রচিত 'সন্ধ্যা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত 'চল চল চল' গানটি বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর রণসঙ্গীত হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের অন্যতম বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান যার রচয়িতা আব্দুল গাফফার চৌধুরী।
উদাহরণ ২: ধন ধান্যে পুষ্প ভরা আমদের এই বসুন্ধরা
ব্যাখ্যা: এটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফররুখ আহমদ — তিনি একজন বিশিষ্ট মুসলিম রেনেসাঁর কবি হলেও বাংলাদেশের রণসঙ্গীত রচনা করেননি।
B) মহাদেব সাহা — তিনি বাংলাদেশের একজন আধুনিক ও প্রখ্যাত কবি হলেও রণসঙ্গীতের রচয়িতা নন।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ তাঁর রচিত গান বাংলাদেশের রণসঙ্গীত।
D) আল মাহমুদ — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই গানের সঙ্গে যুক্ত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
রণসঙ্গীতের রচয়িতা মনে রাখতে মনে রাখবে যুদ্ধের মাঠে বা রণক্ষেত্রে নজরুলের বিদ্রোহী সুর ও গান সবচেয়ে বেশি উদ্দীপনা জোগায়।
তাই রণসঙ্গীত মানেই বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশের রণসঙ্গীতের প্রথম ২১ লাইন অফিশিয়ালি রণসঙ্গীত হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
এই ধরনের প্রশ্নে রচয়িতা এবং গানের প্রথম লাইন উভয়ই ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ৭টি
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি বা প্রধান স্বরধ্বনি সাতটি।
- উচ্চারণের সময় জিভের অবস্থান ও মুখের আকৃতির ওপর ভিত্তি করে এই স্বরধ্বনিগুলো নির্ধারিত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় মোট স্বরবর্ণ এগারোটি হলেও মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি।
- এই সাতটি মৌলিক স্বরধ্বনি হলো অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আম
ব্যাখ্যা: এখানে আ হলো একটি মৌলিক স্বরধ্বনি।
উদাহরণ ২: ইঁদুর
ব্যাখ্যা: এখানে ই হলো একটি মৌলিক স্বরধ্বনি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯টি — বাংলা মৌলিক স্বরধ্বনি নয় বরং এটি ভুল একটি সংখ্যা।
B) ১১টি — এটি বাংলা স্বরবর্ণের সংখ্যা, স্বরধ্বনি নয়।
D) ৫টি — এটি বাংলা স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ বা কার চিহ্নের সংখ্যা নয়, এটি একটি ভুল সংখ্যা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বর্ণ এগারোটি আর স্বরধ্বনি সাতটি এভাবে মনে রাখতে হবে।
- স্বরবর্ণ ও স্বরধ্বনির পার্থক্য পরিষ্কার রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বরবর্ণ ও স্বরধ্বনির পার্থক্য প্রায়ই আসে।
- মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি এই প্রশ্নটি ধ্বনিতত্ত্বের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
সঠিক উত্তর: A) মোহাম্মদ আকরম খাঁ
১. কেন সঠিক:
- মোহাম্মদ আকরম খাঁ ছিলেন বিখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ এবং ইসলামি চিন্তাবিদ যিনি ঐতিহাসিক 'দৈনিক আজাদ' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
- বাঙালি মুসলমান সমাজের আধুনিকীকরণ এবং সাংবাদিকতার বিকাশে এই পত্রিকাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'দৈনিক আজাদ' পত্রিকাটি ১৯৩৬ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর কলকাতা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে স্থানান্তরিত হয়।
- মোহাম্মদ আকরম খাঁ ১৯০৫ সাল থেকেই বিভিন্ন পত্রিকা সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বাংলা সাংবাদিকতায় তাঁর অবদান অনন্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'দৈনিক সংবাদ' পত্রিকা
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও প্রগতিশীল একটি দৈনিক সংবাদপত্র যা সাংবাদিকতার ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ ২: 'দৈনিক ইত্তেফাক' পত্রিকা
ব্যাখ্যা: তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া সম্পাদিত এই পত্রিকাটি বাংলাদেশের স্বাধিকার আন্দোলনে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোহাম্মদ আকরম খাঁ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি 'দৈনিক আজাদ' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন।
B) আহমদ ছফা — তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি লেখক ও চিন্তাবিদ হলেও 'দৈনিক আজাদ' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না।
C) সিকানদার আবু জাফর — তিনি বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা 'সমকাল'-এর সম্পাদক ছিলেন, 'দৈনিক আজাদ'-এর নন।
D) রাহাত খান — তিনি বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক ছিলেন এবং দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আজাদ মানে স্বাধীনতা, আর আকরম খাঁর প্রথম অক্ষর আ দিয়ে আজাদ মনে রাখা যায়।
- প্রথম সম্পাদক হিসেবে মোহাম্মদ আকরম খাঁর নাম সাংবাদিকতার ইতিহাসে চিরস্মরণীয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত সংবাদপত্র এবং এর সম্পাদকদের নাম জিজ্ঞেস করা হয়।
- এই ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে পত্রিকার প্রকাশকাল এবং প্রতিষ্ঠাতা বা সম্পাদকের নাম আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) গৃহান্তর
১. কেন সঠিক:
যে সমাসে সমাসবদ্ধ পদের অর্থ সম্পূর্ণভাবে অপরিবর্তিত থাকে এবং ব্যাসবাক্য করতে হয় অন্য পদের সাহায্যে, তাকে নিত্য সমাস বলে।
গৃহান্তর শব্দের ব্যাসবাক্য হলো অন্য গৃহ, যেখানে অন্য পদের সাহায্যে সমস্তপদটি গঠিত হয়েছে এবং নিত্য সমাসের নিয়মানুযায়ী ব্যাসবাক্যে অন্য শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যে সমাসে সমাসবদ্ধ পদগুলো সব সময় সমাসবদ্ধ অবস্থাতেই থাকে এবং সাধারণ নিয়মে ব্যাসবাক্য করা যায় না, তাকে নিত্য সমাস বলে।
নিত্য সমাসের ক্ষেত্রে ব্যাসবাক্য করার সময় সাধারণত অন্য, কেবল, মাত্র ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেশান্তর
ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য অন্য দেশ এবং এটি নিত্য সমাসের একটি অন্যতম প্রধান উদাহরণ।
উদাহরণ ২: কেবল দর্শন
ব্যাখ্যা: এর সমস্তপদ দর্শনমাত্র এবং এটি নিত্য সমাসের আরেকটি পরিচিত রূপ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজপুত্র — এটি তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ কারণ এর ব্যাসবাক্য রাজার পুত্র এবং এখানে সম্বন্ধ পদের বিভক্তি লোপ পেয়েছে।
B) গৃহান্তর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি নিত্য সমাসের অন্তর্ভুক্ত।
C) সস্ত্রীক — এটি বহুপ্রীহি সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাক্য সহ স্ত্রী যার এবং এটি কোনো নিত্য সমাস নয়।
D) গায়েহলুদ — এটি অলুক মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ, কারণ গায়ে ও হলুদে উভয় পদে বিভক্তি বহাল থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
নিত্য সমাস মনে রাখার সহজ উপায় হলো সমস্তপদে সাধারণত অন্তর বা মাত্র শব্দ থাকা এবং ব্যাসবাক্যে অন্য বা কেবল শব্দ ব্যবহার করা।
যেমন দেশান্তর বা গ্রামান্তর দেখলে সহজেই বুঝতে হবে এটি নিত্য সমাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য সমাস থেকে প্রশ্ন আসলে সাধারণত দেশান্তর, গৃহান্তর, গ্রামান্তর অথবা দর্শনমাত্র শব্দগুলো বেশি থাকে।
অন্য এবং কেবল শব্দের ব্যবহার দেখেই নিত্য সমাস সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
১. কেন সঠিক:
মহাকাব্য হলো এমন একটি বিশাল আকৃতির দীর্ঘ কবিতা যেখানে কোনো ঐতিহাসিক বা পৌরাণিক বীরের জীবনের পরাধীনতা মুক্তি, যুদ্ধ বা মহান কোনো কাজের বর্ণনা থাকে। বাংলা সাহিত্যে মহাকাব্যের সকল বৈশিষ্ট্য সফলভাবে ফুটিয়ে তুলে প্রথম সার্থক মহাকাব্য রচনা করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা নাটকে ও কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক এবং আধুনিক বাংলা কবিতার পথপ্রদর্শক। তাঁর রচিত মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও সার্থক মহাকাব্য যা প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের শ্রেষ্ঠ কীর্তি এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য।
উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নবীনচন্দ্র — নবীনচন্দ্র সেন মহাকাব্য রচনা করলেও তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্যের রচয়িতা নন।
B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) মীর মশাররফ হোসেন — মীর মশাররফ হোসেন মহাকাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত নন, তিনি মূলত বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের জন্য পরিচিত।
D) কায়কোবাদ — কায়কোবাদ মহাকাব্য জাতীয় মহাকাব্য মহাশ্মশান রচনা করলেও তা প্রথম সার্থক মহাকাব্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মহাকাব্যের মহাপ্রাণ মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং তাঁর মহাকাব্যের নাম মেঘনাদবধ কাব্য। প্রথম সার্থক মহাকাব্যের ক্ষেত্রে সব সময় মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য কোনটি এবং এর রচয়িতা কে, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। মেঘনাদবধ কাব্য মোট নয়টি সর্গে বিভক্ত এবং এটি রামায়ণের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত।
সঠিক উত্তর: A) of
কেন সঠিক:
- Remind ভার্বটির পর কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বা স্মারক বোঝাতে উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে of ব্যবহৃত হয়।
- কাউকে কোনো কিছুর কথা মনে করিয়ে দিতে Remind someone of something গঠনটি সঠিক ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী মানসম্মত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) of — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি Remind ভার্বের সাথে এপ্রোপ্রিয়েট প্রিপজিশন হিসেবে বসে।
B) to — এই অপশনটি ভুল কারণ Remind-এর পর সাধারণত স্থান বা লক্ষ্যের দিকে বোঝাতে to বসে না।
C) on — এই অপশনটি ভুল কারণ কোনো নির্দিষ্ট দিন বা পৃষ্ঠার ওপর বোঝাতে on বসে, যা এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়।
D) about — যদিও কথ্য ভাষায় sometimes about শোনা যায়, তবে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাকরণে Remind-এর সাথে সঠিক এপ্রোপ্রিয়েট প্রিপজিশন হলো of।
মনে রাখার টিপস:
Remind-এর পর কোনো কিছু স্মরণ করিয়ে দেওয়া অর্থে সবসময় অবজেক্টের পরে of প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) You, he and I
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণ বাক্যে একাধিক ভিন্ন পুরুষের প্রোনাউন একসঙ্গে বসলে ক্রমানুসারে প্রথমে দ্বিতীয় পুরুষ (You), পরে তৃতীয় পুরুষ (He) এবং শেষে প্রথম পুরুষ (I) বসে।
- এই ক্রমটি মনে রাখার সাধারণ সূত্র হলো দুই, তিন, এক (২৩১)।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He, I and you — এখানে প্রোনাউনের সঠিক ক্রম (২৩১) অনুসরণ করা হয়নি, তাই এটি ভুল।
B) You, he and I — এটি প্রোনাউনের সঠিক ক্রম (২৩১) অনুযায়ী গঠিত হয়েছে এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
C) I, you and he — এখানে প্রথম পুরুষ প্রথমে আসায় এবং ক্রম ভুল থাকায় এটি সঠিক নয়।
D) He, you and I — এখানে তৃতীয় পুরুষ প্রথমে আসায় নিয়ম লঙ্ঘন হয়েছে, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণ বাক্য বা দোষ স্বীকার করা ছাড়া অন্য সব ক্ষেত্রে প্রোনাউনের ক্রম মনে রাখবে দুই, তিন, এক বা ২৩১ (You, he and I)।
সঠিক উত্তর: C) won't
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি এফারমেটিভ বা হ্যা-বোধক হওয়ায় এর ট্যাগ কোশ্চেনটি না-বোধক হবে।
- মূল বাক্যের সাহায্যকারী ভার্ব will এবং সাবজেক্ট you থাকায় সঠিক সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে won't ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) will — বাক্যটি হ্যা-বোধক হওয়ায় ট্যাগ কোশ্চেনটি না-বোধক হবে, তাই এটি সঠিক নয়।
B) not will — ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী উইল নটের সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে not will সরাসরি বসে না, won't বসাতে হয়।
C) won't — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ হ্যা-বোধক বাক্যের শেষে সঠিক নেগেটিভ ট্যাগ গঠন করেছে।
D) don't — মূল বাক্যে প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে মূল ভার্ব না থেকে auxiliary verb হিসেবে will রয়েছে, তাই don't ব্যবহার করা যাবে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্য হ্যা-বোধক হলে ট্যাগ কোশ্চেন না-বোধক হবে এবং will-এর নেগেটিভ রূপ হিসেবে won't ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) recently
কেন সঠিক:
- 'Of late' একটি ইংরেজি প্রবাদতুল্য ফ্রেজ বা বাগধারা, যার অর্থ হলো সম্প্রতি বা অল্প কিছুদিন আগে।
- এটি সাধারণত প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্সের বাক্যে সময় নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) long ago — এর অর্থ অনেক আগে, যা 'of late' ফ্রেজের সাম্প্রতিক সময়ের অর্থের বিপরীত।
B) occasionally — এর অর্থ মাঝে মাঝে বা কদাচিৎ, যা দিয়ে নিয়মিত নয় এমন কাজ বোঝায় কিন্তু সাম্প্রতিক সময় বোঝায় না।
C) long since — এর অর্থ অনেককাল আগে, যা দূরবর্তী অতীত নির্দেশ করে।
D) recently — এটি সঠিক উত্তরের বিকল্প রূপ হিসেবে ফ্রেজটির সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
'Of late' এবং 'Lately' উভয় শব্দের অর্থ একই অর্থাৎ সম্প্রতি, যা দিয়ে অতীতের কোনো কাজ এইমাত্র শেষ হয়েছে বা ইদানীং ঘটেছে বোঝায়।
সঠিক উত্তর: D) an adjective
কেন সঠিক:
- 'barking' শব্দটি একটি participle যা noun 'dog'-এর ঠিক পূর্বে বসে সেটির দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে।
- participle যখন noun-এর পূর্বে বসে adjective-এর কাজ করে, তখন তাকে participial adjective বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a gerund — gerund হলো verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun-এর কাজ করে, কিন্তু এখানে এটি noun-এর কাজ করছে না বরং adjective-এর কাজ করছে।
B) an adverb — adverb সাধারণত verb, adjective বা অন্য adverb-কে modify করে, কিন্তু এখানে এটি dog নামক noun-কে modify করছে।
C) a verb — sentence-টিতে 'bites' হলো মূল verb, তাই 'barking' এখানে verb হিসেবে কাজ করছে না।
D) an adjective — এটি সঠিক উত্তর কারণ barking শব্দটি dog noun-টি সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে।
মনে রাখার টিপস:
noun-এর ঠিক পূর্বে বসে যদি ing যুক্ত verb কোনো বিশেষ অবস্থা বোঝায়, তবে তা adjective হয়।
সঠিক উত্তর: D) He know him to be honest
কেন সঠিক:
- Subject third person singular number হওয়ায় Present Indefinite Tense-এ মূল Verb-এর সাথে s বা es যুক্ত হওয়ার নিয়ম রয়েছে।
- প্রদত্ত বাক্যে Subject He হওয়ার পরে know-এর সাথে s যুক্ত না হয়ে know ব্যবহৃত হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I owed it to him to be honest — এখানে Subject I এবং Verb-এর সঠিক রূপ ব্যবহৃত হয়েছে, তাই বাক্যটি সঠিক।
B) I know that he is an honest man — এখানে Subject I-এর সাথে know এবং he-এর সাথে is সঠিকভাবেই ব্যবহৃত হয়েছে।
C) They know that he was honest — এখানে Subject They-এর সাথে know এবং Past Tense-এ was সঠিক নিয়মে বসেছে।
D) He know him to be honest — এখানে Subject He-এর সাথে know বসেছে, যা সঠিক নয় এবং সঠিক রূপ হবে knows।
মনে রাখার টিপস:
Subject third person singular number হলে Present Tense-এ Verb-এর শেষে s বা es যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) are
কেন সঠিক:
- Adjective-এর পূর্বে definite article 'the' বসলে তা একটি নির্দিষ্ট শ্রেণীর সকল মানুষকে বোঝায় এবং তখন তা Plural Noun হিসেবে গণ্য হয়।
- Subject Plural হওয়ায় এর সাথে Plural Verb অর্থাৎ 'are' ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) are — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'The poor' বহুবচন হিসেবে গণ্য হয় এবং এর সাথে Plural Verb বসে।
B) is — এটি Singular Verb, তাই Plural Subject 'The poor'-এর সাথে এটি বসবে না।
C) were — এটি Past Tense, কিন্তু চিরন্তন সত্য বা সাধারণ স্বভাবের বাক্যে Present Tense ব্যবহৃত হয়।
D) has — এটি Singular Verb এবং Perfect Tense-এর সাহায্যকারী verb, যা এখানে গ্রামার অনুযায়ী সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
Adjective-এর আগে 'the' বসালে সাবজেক্ট Plural হয়ে যায়, তাই Verb-ও সবসময় Plural (যেমন- are) হবে।
সঠিক উত্তর: A) 13
কেন সঠিক:
- Baker's dozen একটি ইংরেজি প্রবাদপ্রতিম বাগধারা (idiom), যার অর্থ ১৩ টি বা তেরোটি।
- প্রাচীন ইংল্যান্ডে বেকারি ব্যবসায়ীরা রুটি বিক্রির সময় প্রতারণার অভিযোগ এড়াতে প্রতি ১২ টির সাথে অতিরিক্ত ১ টি রুটি ফ্রি দিতো, যা থেকে এই পরিমাপের প্রচলন হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 13 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বাগধারাটি ১২ টির সাথে ১ টি অতিরিক্ত যোগ করে মোট ১৩ টি বোঝায়।
B) 12 — এটি সাধারণ ডজন (Dozen) এর সংখ্যা, কিন্তু Baker's dozen বলতে অতিরিক্ত ১ টি সহ ১৩ টি বোঝায়।
C) 11 — এটি ১৩ বা ১২ এর কাছাকাছি একটি সংখ্যা হলেও Baker's dozen এর পরিমাণের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
D) 24 — এটি দুই ডজন বা Double dozen এর সংখ্যা, যা Baker's dozen এর পরিমাণের দ্বিগুণেরও বেশি।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণ ডজন মানে ১২ টি, আর তার সাথে বেকারদের উপহার স্বরূপ ১ টি রুটি যোগ করলে হয় Baker's dozen বা ১৩ টি।
সঠিক উত্তর: C) opening
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী Would you mind Phrase-টির পর মূল verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়।
- তাই এখানে mind-এর পর open verb-টির সঙ্গে ing যুক্ত হয়ে opening সঠিক রূপ গঠন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) open — Would you mind-এর পর verb-এর বেস ফর্ম বসে না বিধায় এটি ভুল।
B) to open — Would you mind-এর পর infinitive (to + verb) ব্যবহার করা যায় না বিধায় এটি ভুল।
C) opening — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ mind-এর পর gerund (verb + ing) ব্যবহৃত হয়।
D) opened — Would you mind-এর পর verb-এর পাস্ট টেন্স বা পাস্ট পার্টিসিপল বসে না বিধায় এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Mind, worth, keep ইত্যাদি শব্দের পর সবসময় verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) ought to obey
কেন সঠিক:
- এই অপশনে একটি মডাল অক্সিলিয়ারি ভার্ব (ought to) এবং একটি মূল ভার্ব (obey) মিলে একটি ভার্ব ফ্রেজ বা ক্রিয়াগুচ্ছ গঠন করেছে।
- এটি বাক্যে মূল ক্রিয়া হিসেবে কাজ করে কর্তা বা সাবজেক্টের কাজ বা অবস্থাকে প্রকাশ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ought to obey — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই।
B) with blank eyes — এটি একটি প্রিপজিশনাল ফ্রেজ, কারণ এটি প্রিপজিশন দিয়ে শুরু হয়ে নাউন ফ্রেজ পর্যন্ত বিস্তৃত।
C) at the point of — এটি একটি ফ্রেজ প্রিপজিশন, যা বাক্যে প্রিপজিশনের কাজ করে।
D) what a pity — এটি একটি ইন্টারজেকশন বা আবেগসূচক বাক্যংশ, যা মনের আবেগ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
মডাল অক্সিলিয়ারি এবং মূল ভার্বের সমন্বয় দেখলে সেটি সাধারণত ভার্ব ফ্রেজ হয়।
সঠিক উত্তর: D) Do or die
কেন সঠিক:
- এটি একটি Compound Sentence কারণ এখানে দুটি Independent Clause বা খণ্ডবাক্য 'Do' এবং 'die' একটি Coordinating Conjunction 'or' দ্বারা যুক্ত রয়েছে।
- Imperative Sentence-এর ক্ষেত্রে অনেক সময় subject উহ্য থাকে এবং মাঝখানে conjunction থাকলে তা Compound Sentence হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Look before you leap — এটি একটি Complex Sentence কারণ এতে 'before' Subordinating Conjunction যুক্ত একটি Dependent Clause রয়েছে।
B) A drowning man catches at a straw — এটি একটি Simple Sentence কারণ এতে একটিমাত্র Subject এবং একটি Finite Verb রয়েছে।
C) All's well that ends well — এটি একটি Complex Sentence কারণ এতে 'that' Relative Pronoun বা Subordinating Conjunction যুক্ত হয়ে দুটি ক্লজ গঠন করেছে।
D) Do or die — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা Coordinating Conjunction দ্বারা যুক্ত হয়ে Compound Sentence গঠন করেছে।
মনে রাখার টিপস:
And, but, or, yet, so ইত্যাদি coordinating conjunction দ্বারা দুটি স্বাধীন বাক্য যুক্ত থাকলে তা compound sentence হয়।
সঠিক উত্তর: B) of
কেন সঠিক:
- Aware একটি adjective যার পরে সাধারণত নির্দিষ্ট preposition হিসেবে of বসে।
- Be aware of অর্থ হলো কোনো বিষয়ে সচেতন থাকা বা সতর্ক হওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) at — Aware শব্দের পরে সাধারণত at বসে না, এটি সঠিক collocation নয়।
B) of — এটি সঠিক উত্তর কারণ Aware এর সাথে সবসময় of ব্যবহৃত হয়।
C) about — বাংলা অর্থে সম্পর্কে মনে হলেও ইংরেজি ব্যাকরণে Aware এর সাথে about বসে না।
D) to — এটি লক্ষ্য বা গন্তব্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা Aware শব্দের সাথে যায় না।
মনে রাখার টিপস:
Aware শব্দের সাথে সবসময় of বসে, যেমন Aware of danger বা Be aware of lies.
সঠিক উত্তর: D) mean
কেন সঠিক:
- 'noble' শব্দের অর্থ মহৎ, উন্নত বা অভিজাত।
- এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'mean', যার অর্থ নিচ, সংকীর্ণমনা বা তুচ্ছ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) grand — এটি 'noble' শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ মহাসমারোহ বা বিরাট।
B) dignified — এটিও 'noble' শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ মর্যাদাপূর্ণ।
C) elevated — এটি 'noble' শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ উচ্চ বা উন্নত।
D) mean — এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ, কারণ এর অর্থ নিচ বা হীন।
মনে রাখার টিপস:
মহৎ (noble) মানুষেরা কখনো নিচ (mean) মনের অধিকারী হন না।
সঠিক উত্তর: D) common
কেন সঠিক:
- 'River' শব্দটি নির্দিষ্ট কোনো একটি নদীকে না বুঝিয়ে পৃথিবীতে যত নদী আছে তাদের সকলের সাধারণ নাম বোঝায়।
- কোনো নির্দিষ্ট নাম না বুঝিয়ে সমজাতীয় সকলের সাধারণ নাম বোঝালে তাকে Common Noun বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) proper — নির্দিষ্ট কোনো নদী যেমন পদ্মা বা মেঘনাকে বোঝালে তা Proper Noun হতো, কিন্তু এখানে সাধারণ নাম বোঝানো হয়েছে।
B) abstract — নদী একটি বস্তুগত ও দৃশ্যমান সত্তা, তাই এটি কোনো গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম বা Abstract Noun হতে পারে না।
C) collective — একটি মাত্র নদী কোনো সমষ্টি বোঝায় না, তাই এটি Collective Noun নয়।
D) common — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'river' একটি সাধারণ নাম যা সমজাতীয় সব নদীকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
যে noun দ্বারা কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীর নির্দিষ্ট নাম না বুঝিয়ে একই শ্রেণীর সকলকে সাধারণভাবে বোঝায়, সেটাই Common Noun।
সঠিক উত্তর: A) Phenomenon
কেন সঠিক:
- Phenomenon শব্দটির শেষে on আছে যা গ্রিক বা ল্যাটিন উৎসের শব্দের একবচন রূপ নির্দেশ করে।
- এর বহুবচন রূপ হলো Phenomena যার শেষে a যুক্ত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Phenomenon — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি singular number যার plural হলো phenomena।
B) lice — এটি louse শব্দের plural form বা বহুবচন, তাই এটি singular নয়।
C) mice — এটি mouse শব্দের plural form বা বহুবচন, তাই এটি singular নয়।
D) crises — এটি crisis শব্দের plural form বা বহুবচন, তাই এটি singular নয়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দের শেষে on থাকে (যেমন phenomenon) তা সাধারণত singular হয় এবং শেষের on উঠে গিয়ে a যুক্ত হলে (যেমন phenomena) তা plural হয়।
সঠিক উত্তর: D) had
কেন সঠিক:
- I wish যুক্ত বাক্যের প্রেজেন্ট বা কাল্পনিক অতীতে অসম্ভব ইচ্ছার প্রকাশ ঘটাতে ব্র্যাকেটের ভেতরের মূল ভার্বের পাস্ট ফর্ম বা Past Indefinite Tense ব্যবহৃত হয়।
- এই নিয়ম অনুসারে Subject এর পরে মূল ভার্ব হিসেবে have এর পাস্ট ফর্ম had বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) have — বাক্যে I wish থাকার কারণে প্রেজেন্ট টেন্সের এই রূপটি এখানে সঠিক নয়।
B) shall have — এটি ভবিষ্যতের কাল্পনিক বা নিশ্চিত ঘটনা নির্দেশ করে যা I wish এর নিয়মের সাথে মেলে না।
C) have had — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় কাল্পনিক অতীত বা অপূরণীয় ইচ্ছা প্রকাশ করতে বসে না।
D) had — এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স নির্দেশ করায় নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়।
মনে রাখার টিপস:
I wish এর পরে বাক্য অসম্পূর্ণ বা কাল্পনিক বোঝালে verb এর পাস্ট ফর্ম অর্থাৎ had বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) disease
কেন সঠিক:
- ইংরেজি বানানের নিয়ম অনুযায়ী শব্দটির সঠিক বানান হলো disease যার অর্থ রোগ বা ব্যধি।
- উচ্চারণ ও বানানের সঠিক মিলের জন্য এই বানানটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) desiase — এই বানানের শেষের অংশ ভুল কারণ সঠিক বানানে 'ea' এর পর 's' ব্যবহৃত হয় না।
B) disease — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এর বানান সম্পূর্ণ নির্ভুল।
C) desease — এই বানানের শুরুর অংশে 'de' এর পরিবর্তে 'di' হবে।
D) disese — এই বানানে মধ্যবর্তী স্বরবর্ণের বানান ভুল রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
disease বানানটি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারেন যে এর ভেতরে ease অংশটি যুক্ত থাকে।
সঠিক উত্তর: A) 16th December
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে পরাজিত করে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
- এই ঐতিহাসিক দিনটিকে স্মরণ করে প্রতি বছর বাংলাদেশে বিজয় দিবস পালন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 16th December — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে বাংলাদেশ বিজয় লাভ করে।
B) 14th December — এটি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস, বিজয় দিবস নয়।
C) 26th March — এটি আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস নয়।
D) 17th April — এটি ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস, বিজয় দিবস নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিজয় অর্জিত হয়েছিল ১৬ই ডিসেম্বরে, তাই ১৬ই ডিসেম্বর হলো বিজয় দিবস।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: A) maintenance
কেন সঠিক:
- সঠিক বানানটিতে main শব্দের সাথে ten এবং ance প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
- শব্দটির প্রমিত বানান রূপ হলো maintenance এবং এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) maintenance — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ।
B) manitainnence — এই বানানটিতে অতিরিক্ত অক্ষর এবং ভুল গঠন রয়েছে।
C) maintinance — এই বানানে ট এর পর সঠিক স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের বিন্যাস নেই।
D) maintainance — এখানে maintain অংশের সাথে anance যুক্ত করা হয়েছে যা ভুল।
মনে রাখার টিপস:
main এর সাথে ten এবং ance যুক্ত করে maintenance বানানটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) forgive
কেন সঠিক:
- 'pardon' শব্দের অর্থ হলো ক্ষমা করা বা মুক্তি দেওয়া।
- 'forgive' শব্দটির অর্থও একই অর্থাৎ ক্ষমা করা, তাই এটি এর সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) condemn — এর অর্থ হলো নিন্দা করা বা শাস্তি দেওয়া, যা ক্ষমা করার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) accuse — এর অর্থ হলো কাউকে অভিযুক্ত করা বা দোষারোপ করা, যা ক্ষমার সমার্থক নয়।
C) forgive — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল শব্দের সমার্থক হিসেবে কাজ করে।
D) convict — এর অর্থ হলো অপরাধী সাব্যস্ত করা, যা আইনি প্রক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত এবং ক্ষমার বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
Pardon এবং Forgive উভয় শব্দের অর্থই ক্ষমা করা। পি দিয়ে শুরু pardon মানে অপরাধ ক্ষমা করা আর এফ দিয়ে শুরু forgive মানে ভুল ক্ষমা করা।
সঠিক উত্তর: B) আরাকান
কেন সঠিক:
- বর্তমান মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের ঐতিহাসিক ও প্রাচীন নাম ছিল আরাকান।
- ব্রিটিশ আমল এবং এর পূর্বে এই অঞ্চলটি স্বাধীন ও স্বতন্ত্র আরাকান রাজ্য হিসেবে পরিচিত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রেঙ্গুন — এটি মিয়ানমারের বর্তমান বৃহত্তম শহর ইয়াঙ্গুনের ঐতিহাসিক নাম, রাখাইনের নাম নয়।
B) আরাকান — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং রাখাইন রাজ্যের ঐতিহাসিক নাম।
C) কাচিন — এটি মিয়ানমারের উত্তর দিকের একটি পাহাড়ি রাজ্য বা প্রদেশের নাম।
D) শান — এটি মিয়ানমারের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য যা থাইল্যান্ড সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
রাখাইন রাজ্যের প্রাচীন নাম মনে রাখতে 'র' দিয়ে রাখাইন এবং 'আ' দিয়ে আরাকান, এভাবে 'র-আ' ছন্দ মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) ১৫৩ টি
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মূল অনুচ্ছেদের সংখ্যা ঠিক ১৫৩ টি।
- সংবিধান প্রণীত হওয়ার পর থেকেই এই নির্দিষ্ট সংখ্যাটি কার্যকর রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৩৩ টি — এটি বাংলাদেশের সংবিধানের মোট অনুচ্ছেদ সংখ্যার সঙ্গে মেলে না এবং ভুল তথ্য।
B) ১৪৩ টি — এটি সংবিধানের অনুচ্ছেদ সংখ্যার সঠিক তথ্য নয়।
C) ১৫৩ টি — এটি সঠিক উত্তর এবং সংবিধਾਨে অনুচ্ছেদের নির্ধারিত সংখ্যা।
D) ১৫৩টি — এটি সঠিক উত্তরের অনুরূপ হলেও অপশনের বিন্যাসের কারণে সি অপশনটি মূল উত্তর হিসেবে গৃহীত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের সংবিধানের মোট অনুচ্ছেদ সংখ্যা মনে রাখতে ১৫৩ সংখ্যাটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: D) জেনেভা
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যা আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে।
- এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর।
B) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত।
C) হেগ — এটি নেদারল্যান্ডসের শহর এবং আন্তর্জাতিক আদালতের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত।
D) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর এবং সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
স্বাস্থ্য ভালো রাখতে জীবন জেনেভায় কাটাতে হয়, এভাবে মনে রাখতে পারেন ডব্লিউএইচও এর সদর দপ্তর জেনেভায়।
সঠিক উত্তর: D) Critical Path Method
কেন সঠিক:
- CPM হলো প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টের একটি বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি, যার পূর্ণরূপ Critical Path Method।
- এটি কোনো প্রকল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘতম পথ নির্ধারণ করে সময় ও কাজ নিখুঁতভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Common Project Method — এটি প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টের কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা স্বীকৃত পদ্ধতি নয়।
B) Common Path Method — এই নামে কম্পিউটার বিজ্ঞান বা প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টে কোনো জনপ্রিয় পূর্ণরূপ নেই।
C) Critical Project Method — এটি সঠিক পরিভাষা নয়, সঠিক পরিভাষাটি হলো Critical Path Method।
D) Critical Path Method — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রজেক্ট শিডিউলিংয়ের একটি সর্বজনস্বীকৃত ও সঠিক প্রযুক্তিগত পরিভাষা।
মনে রাখার টিপস:
প্রজেক্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বা সংকটপূর্ণ পথ বোঝাতে Critical Path শব্দ দুটি ব্যবহার করা হয়, যার সংক্ষেপ হলো CPM।
সঠিক উত্তর: A) অর্থ সচিব
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের প্রচলিত মুদ্রা নীতি অনুযায়ী ১ ও ২ টাকার নোটে অর্থ সচিব স্বাক্ষর করেন।
- এটি সরকারের অভ্যন্তরীণ বা সরকারি মুদ্রা হিসেবে গণ্য হয় যা বাংলাদেশ ব্যাংক নয় বরং অর্থ মন্ত্রণালয় ইস্যু করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্থ সচিব — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের ১ ও ২ টাকার নোটে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে।
B) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর — এটি ভুল কারণ গভর্নর ৫ টাকা থেকে শুরু করে সমস্ত ব্যাংকনোটে স্বাক্ষর করেন।
C) অর্মন্ত্রী — এটি ভুল কারণ দেশের মুদ্রায় অর্থমন্ত্রীর স্বাক্ষর করার কোনো সাংবিধানিক নিয়ম নেই।
ডি) প্রধানমন্ত্রী — এটি ভুল কারণ সরকারপ্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী কোনো মুদ্রা বা নোটে স্বাক্ষর করেন না।
মনে রাখার টিপস:
কম অংকের কাগজী মুদ্রা অর্থাৎ ১ ও ২ টাকার নোটে সচিব স্বাক্ষর করেন এবং বাকি সব বড় নোটে গভর্নর স্বাক্ষর করেন।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ৮ মার্চ, ২০২০
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশে প্রথম তিন জন ব্যক্তির শরীরে কোভিড-১৯ ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার কথা ২০২০ সালের ৮ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)।
- বিশ্বজুড়ে মহামারী শুরুর পর বাংলাদেশে এটিই ছিল প্রথম সংক্রমণের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০ ডিসেম্বর, ২০১৯ — এই সময়ে চীনে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হলেও বাংলাদেশে কোনো রোগী পাওয়া যায়নি।
B) ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ — এটি বাংলাদেশে কোভিড-১৯ শনাক্তকরণের কোনো ঐতিহাসিক তারিখ নয়।
C) ১ এপ্রিল, ২০২০ — এটি বাংলাদেশে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পরের একটি সময়, প্রথম শনাক্তের তারিখ নয়।
D) ৮ মার্চ, ২০২০ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
আন্তর্জাতিক নারী দিবসে (৮ মার্চ) ২০২০ সালে বাংলাদেশে প্রথম করোনাক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) ৪১টি
কেন সঠিক:
- পদ্মা সেতুতে মোট ৪১টি স্প্যান বা ইস্পাতের কাঠামো বসানো হয়েছে, যার মাধ্যমে পুরো সেতুটি দৃশ্যমান হয়।
- ৪১টি স্প্যানের ওপর ৪২টি পিয়ার বা খুঁটি নির্মিত হয়েছে এবং প্রতিটি স্প্যানের দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩৯ টি — এটি পদ্মা সেতুর মোট স্প্যানের সঠিক সংখ্যা নয়, কারণ সেতুটি সম্পূর্ণ করতে আরও বেশি স্প্যান লেগেছে।
B) ৪০টি — এটি সঠিক উত্তরের চেয়ে কম এবং এর মাধ্যমে সেতুর পুরো দৈর্ঘ্য সম্পূর্ণ হয় না।
C) ৪১টি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত এবং এর মাধ্যমেই সব স্প্যান বসানো সম্পন্ন হয়েছে।
D) ৪২টি — এটি পদ্মা সেতুর স্প্যান সংখ্যা নয়, বরং এটি সেতুটির মোট পিয়ার বা খুঁটির সংখ্যা।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা সেতুতে খুঁটি বা পিয়ার হলো বিয়াল্লিশটি আর তার ওপর বসা স্প্যান হলো একচল্লিশটি।
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা
কেন সঠিক:
- ক্র্যাক প্লাটুন ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে ঢাকা শহরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা আক্রমণে অংশ নেয়।
- এই বিশেষ দলটির নেতৃত্বে ছিলেন শহীদুল্লাহ কায়সার এবং খালেদ মোশাররফসহ অন্যান্য বিশিষ্ট সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তিবর্গ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম সেক্টরে অন্যান্য নিয়মিত ও অনিয়মিত মুক্তিবাহিনী এবং এম আর চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল, ক্র্যাক প্লাটুন এখানে সক্রিয় ছিল না।
B) খুলনা — খুলনা অঞ্চলে সুন্দরবন ভিত্তিক সুন্দরবন সাব-সেক্টর ও নৌ-কম্যান্ডোরা তৎপর ছিল, ক্র্যাক প্লাটুন এই শহরে ছিল না।
C) ঢাকা — এই অপশনটি সঠিক, কারণ ক্র্যাক প্লাটুন মূলত ঢাকা শহরের ভেতরে বিভিন্ন দুঃসাহসিক গেরিলা অপারেশন পরিচালনা করত।
D) বরিশাল — বরিশাল অঞ্চলে হেমায়েত বাহিনীর নেতৃত্বে এবং মেজর জলিলের পরিচালনায় মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছিল, ক্র্যাক প্লাটুন এখানে সক্রিয় ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
ক্র্যাক প্লাটুন মানেই ঢাকার রাজপথে গেরিলা হামলা; এটি মনে রাখতে ঢাকা শহরের নামটির সাথে ক্র্যাক প্লাটুনের শহুরে গেরিলা যুদ্ধের ইতিহাস যুক্ত করে পড়বেন।
সঠিক উত্তর: D) ৫টি
কেন সঠিক:
- ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ টুর্নামেন্টে মোট পাঁচটি দল অংশ নিয়েছিল।
- দলগুলো হলো জেমকন খুলনা, গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম, ফরচুন বরিশাল, মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী এবং বেক্সিমকো ঢাকা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬টি — এই টুর্নামেন্টে ছয়টি দল অংশ নেয়নি, সঠিক সংখ্যাটি পাঁচ।
B) ৭টি — বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে সাধারণত সাতটি দল খেললেও এই টুর্নামেন্টে তা ছিল না।
সি) ৪টি — চারষষ্টি বা অন্য কোনো কম দল নয়, টুর্নামেন্টের দল সংখ্যা ছিল পাঁচ।
ডি) ৫টি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং টুর্নামেন্টে দল সংখ্যা পাঁচটিই ছিল।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ টুর্নামেন্টের নামের শেষ অক্ষর ও দলের সংখ্যা মনে রাখতে পারেন এভাবে যে, টুর্নামেন্টে দল ছিল হাতের পাঁচ আঙুলের সমান অর্থাৎ পাঁচটি।
সঠিক উত্তর: C) অস্ট্রেলিয়া
কেন সঠিক:
- উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন।
- তিনি একমাত্র বিদেশী নাগরিক যিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক এই খেতাব অর্জন করেছেন এবং তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত — ভারত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হলেও ওডারল্যান্ড এই দেশের নাগরিক ছিলেন না।
B) যুক্তরাজ্য — উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড যুক্তরাজ্য বা ব্রিটিশ নাগরিক ছিলেন না।
C) অস্ট্রেলিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) জাপান — উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড জাপান বা জাপানি নাগরিক ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
বিদেশী বীর প্রতীক ওডারল্যান্ডের দেশ মনে রাখতে অ দিয়ে অস্ট্রেলিয়া এবং অ দিয়ে একমাত্র বিদেশী এই মিল মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) ১৯২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি
কেন সঠিক:
- ১৯২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথমবার আগমন করেন এবং মুসলিম হল প্রাঙ্গণে তাঁর প্রথম বক্তৃতা প্রদান করেন।
- তাঁর এই ঐতিহাসিক আগমন ও বক্তৃতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি — এই তারিখে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর প্রথম ঐতিহাসিক বক্তৃতা প্রদান করেন।
B) ১৯২৬ সালের ১০ এপ্রিল — এই তারিখটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম বক্তৃতা প্রদানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ১৯৩০ সালের ১০ মে — এই সাল ও তারিখটি এই ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে মেলে না।
D) ১৯৩২ সালের ১০ আগস্ট — এই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর প্রথম বক্তৃতা দেওয়ার কোনো ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই।
মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম আগমন ও বক্তৃতা দেওয়ার সালটি হলো ১৯২৬ এবং মাসটি হলো ফেব্রুয়ারি।
সঠিক উত্তর: C) ২০২৬
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরের চূড়ান্ত স্বীকৃতি লাভ করবে।
- করোনার কারণে দুই বছর সময় বাড়ানোর পর ২০২৬ সালের নভেম্বর মাসে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০২৪ — এই বছরে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার প্রাথমিক কথা থাকলেও মহামারীর কারণে সময়সীমা বাড়ানো হয়।
B) ২০২৮ — এটি ভুল সাল কারণ জাতিসংঘের নির্ধারিত চূড়ান্ত রূপান্তরের বছর এটি নয়।
D) ২০৩০ — এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্junের নির্ধারিত বছর, উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার স্বীকৃতি অর্জনের বছর নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পা রাখবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর পাঁচ বছর পর, অর্থাৎ ২০২৬ সালে।
সঠিক উত্তর: C) লাহোর
কেন সঠিক:
- ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই কনভেনশনেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ ও ঘোষণা করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইসলামাবাদ — এটি পাকিস্তানের বর্তমান রাজধানী হলেও এখানে ছয় দফা ঘোষণা করা হয়নি।
B) ঢাকা — ছয় দফা উত্থাপনের পর ঢাকায় এর পক্ষে প্রচার চালানো হয় এবং পরবর্তীতে প্রস্তাব গৃহীত হয়।
D) করাচী — এটি পাকিস্তানের একটি প্রধান শহর এবং বন্দর হলেও এখানে ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণা করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
ছয় দফা ঘোষণা করা হয়েছিল সুদূর পশ্চিম পাকিস্তানের লাহোর শহরে, যেখানে পাকিস্তান প্রস্তাব পাস হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা-কোভিশিল্ড
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকারের টিকাদান কর্মসূচির শুরুতে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট উৎপাদিত অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন প্রথম ব্যবহার করা হয়।
- ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে এই টিকার প্রথম চালান বাংলাদেশে আসে এবং ২৭ জানুয়ারি পরীক্ষামূলকভাবে টিকাদান শুরু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা-কোভিশিল্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশে সর্বপ্রথম এই ভ্যাকসিন দিয়েই টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।
B) সিনোভ্যাক্সের করোনাভ্যাক — এটি পরবর্তীতে চীনের সহায়তায় বাংলাদেশে ব্যবহারের অনুমোদন পায় এবং ব্যবহৃত হয়, যা প্রথম ব্যবহারের সঠিক উত্তর নয়।
C) ফাইজারের বায়োএনটেক — এটি বাংলাদেশ পরে কোভ্যাক্স সুবিধার আওতায় উপহার ও ক্রয়ের মাধ্যমে পাওয়া শুরু করে, যা প্রথম ব্যবহৃত ভ্যাকসিন নয়।
D) জনসন এন্ড জনসন-জনসেন — এই একক ডোজের টিকাটি বাংলাদেশে অনেক পরে আপৎকালীন ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত ও সরবরাহ করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশে প্রথম করোনা টিকা হিসেবে 'কোভিশিল্ড' (অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা) ব্যবহৃত হয়, যা ভারত থেকে আমদানি করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী
কেন সঠিক:
- ২০২০ সালে যুদ্ধপীড়িত অঞ্চলে ক্ষুধা নিবারণ এবং শান্তির পরিবেশ তৈরিতে অবদানের জন্য বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচীকে (WFP) শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।
- এটি জাতিসংঘের একটি শাখা যা বিশ্বজুড়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও ক্ষুধা দূর করতে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউনেস্কো — এটি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসারে কাজ করে, ২০২০ সালের শান্তিতে নোবেল পায়নি।
B) বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
C) নিরাপত্তা পরিষদ — এটি জাতিসংঘের একটি মূল অঙ্গসংগঠন যা আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষা করে, তবে ২০২০ সালে নোবেল পায়নি।
D) ইউনিসেফ — এটি শিশুদের অধিকার ও কল্যাণ নিয়ে কাজ করে, তবে ২০২০ সালে শান্তিতে নোবেল লাভ করেনি।
মনে রাখার টিপস:
করোনাকালে মানুষের পেটে খাবার জোগাতে অবদান রাখার জন্য বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী নোবেল পায়, কারণ ক্ষুধা দূর করলেই শান্তি আসে।
সঠিক উত্তর: C) ইলা মিত্র
কেন সঠিক:
- ইলা মিত্র তেভাগা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেত্রী ছিলেন যিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে কৃষকদের সংগঠিত করেছিলেন।
- ১৯৫০ সালে নাচোল কৃষক বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে তিনি ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রীতিলতা ওয়াদ্দার — তিনি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের বীর সেনানী এবং ইউরোপীয় ক্লাব আক্রমণ অভিযազের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
B) লক্ষ্মীরানী — তিনি নাচোল বিদ্রোহের সাথে যুক্ত কোনো প্রধান ঐতিহাসিক নেত্রী নন।
C) ইলা মিত্র — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায় — তিনি ব্রিটিশ ভারতের প্রথম দুই নারী গ্র্যাজুয়েট ও চিকিৎসকদের মধ্যে একজন, নাচোল বিদ্রোহের সাথে সম্পর্কিত নন।
মনে রাখার টিপস:
নাচোল বিদ্রোহ মানেই ইলা মিত্র, যিনি তেভাগা আন্দোলনের সাথেও গভীরভাবে যুক্ত ছিলেন।
সঠিক উত্তর: B) বরেন্দ্র
কেন সঠিক:
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর ১৯১০ সালে রাজশাহীতে প্রতিষ্ঠিত হয় যা বাংলাদেশের তথা সমগ্র অঞ্চলের প্রাচীনতম জাদুঘর।
- এটি মূলত ঐতিহাসিক নিদর্শন ও প্রাচীন প্রত্নতত্ত্ব সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — ঢাকা জাদুঘর অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর বরেন্দ্র জাদুঘরের পরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
C) সিলেট — সিলেটে প্রাচীন জাদুঘর হিসেবে বরেন্দ্র জাদুঘরের মতো এত পুরনো বা প্রথম প্রতিষ্ঠিত কোনো খ্যাতিমান জাদুঘর নেই।
D) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রামে ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর থাকলেও তা বাংলাদেশের সর্বপ্রথম জাদুঘর নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর হলো বরেন্দ্র, যা রাজশাহীতে অবস্থিত এবং এটি ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) ১.০৩৩ কেজি/সে. মি.
১. কেন সঠিক:
বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের নির্দিষ্ট ভরের কারণে তার ঠিক নিচের একক ক্ষেত্রফলের ওপর প্রযুক্ত বল। প্রমাণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হলো সমুদ্রপৃষ্ঠে পারদ স্তম্ভের উচ্চতার সাহায্যে নির্ধারিত চাপ।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: প্রমাণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হলো ৭৬ সেন্টিমিটার উচ্চতাবিশিষ্ট পারদ স্তম্ভের চাপ।
হিসাব: পারদের ঘনত্ব ১৩.৫৯ গ্রাম প্রতি ঘনসেন্টিমিটার এবং অভিকর্ষজ ত্বরণ ৯৮০ সেন্টিমিটার প্রতি বর্গসেকেন্ড ধরলে চাপ হয় প্রায় ১.০৩৩ কিলোগ্রাম প্রতি বর্গসেন্টিমিটার।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমুদ্রপৃষ্ঠে মানুষের শরীরের ওপর প্রতি বর্গসেন্টিমিটারে প্রায় ১.০৩৩ কিলোগ্রাম বায়ুর চাপ থাকে।
ব্যাখ্যা: মানবদেহ এই অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক চাপের ভারসাম্য বজায় রাখতে পারে কারণ আমাদের শরীরের ভেতরেও তরল পদার্থ সমান বিপরীতমুখী চাপ প্রয়োগ করে।
উদাহরণ ২: সাইকেলের চাকায় পাম্প করার সময় অতিরিক্ত বাতাস প্রবেশ করানোর ফলে ভেতরে চাপ বৃদ্ধি পায়।
ব্যাখ্যা: এটি বায়ুমণ্ডলীয় চাপের চেয়ে বেশি চাপ প্রয়োগ করে টায়ারকে শক্ত রাখে এবং বাহ্যিক ওজন বহন করতে সহায়তা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৪.৭ কেজি/সে. মি. — এটি ব্রিটিশ এককে প্রতি বর্গইঞ্চিতে পাউন্ড এককে বায়ুমণ্ডলীয় চাপের মান (১৪.৭ পাউন্ড প্রতি বর্গইঞ্চ)।
B) ১.০৩৩ কেজি/মি. — এটি মিটার এককে ভুল একক নির্দেশ করে কারণ ক্ষেত্রফল বর্গমিটারে প্রকাশ করা উচিত ছিল।
C) ১.০৩৩ কেজি/সে. মি. — এটি সঠিক বৈজ্ঞানিক মান যা প্রতি বর্গসেন্টিমিটারে কিলোগ্রাম এককে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ প্রকাশ করে।
D) ১ কেজি/মি. — এটি কোনো প্রমিত বায়ুমণ্ডলীয় চাপের মান নয় এবং এর এককও ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
বায়ুমণ্ডলীয় চাপের মেট্রিক মান মনে রাখার জন্য সংখ্যাটি ১.০৩৩ এবং একক হলো কেজি প্রতি বর্গসেকেন্ড সেন্টিমিটার মনে রাখবে। ব্রিটিশ এককের ১৪.৭ এর সাথে মেট্রিক এককের ১.০৩৩ এর পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সমুদ্রপৃষ্ঠে প্রমাণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পারদ স্তম্ভের মাপে ৭৬ সেন্টিমিটার বা ৭৬০ মিলিমিটার। এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় একক রূপান্তর বা মান নির্ণয়ের জন্য প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) Malleability
১. কেন সঠিক:
ধাতুর নমনীয়তা বা পিটিয়ে পাত করার ধর্মকে ম্যালেবিলিটি বলা হয়।
এই গুণের কারণে ধাতুকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে বা রোলার চালিয়ে খুব সহজেই পাতলা চাদর বা পাতে পরিণত করা যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ধাতুর পরমাণুগুলোর বিশেষ বিন্যাস এবং ধাতব বন্ধনের কারণে পরমাণুর স্তরগুলো একে অপরের ওপর পিছলে সরে যেতে পারে।
কার্যপ্রণালি: বল প্রয়োগ করলে ধাতুর পরমাণুগুলো ভেঙে যায় না, বরং স্থান পরিবর্তন করে নতুন অবস্থানে সাম্যাবস্থা অর্জন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সোনা ও রুপা অত্যন্ত নমনীয় ধাতু হওয়ায় এগুলো দিয়ে খুব সহজেই অত্যন্ত পাতলা ورق বা গহনা তৈরি করা যায়।
ব্যাখ্যা: এই ধাতুগুলোর পারমাণবিক গঠন বল প্রয়োগের পরও ভেঙে না গিয়ে সহজে আকার পরিবর্তন করতে পারে।
উদাহরণ ২: অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল বা পাত যা রান্নার কাজে বা খাবার মোড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: অ্যালুমিনিয়ামের ম্যালেবিলিটি গুণের জন্যই একে পিটিয়ে খুব পাতলা কাগজে রূপান্তর করা সম্ভব হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Ductility — এটি ধাতুর তারে পরিণত করার ধর্ম বা নমনীয়তা, যা পাতের রূপান্তর থেকে আলাদা।
B) Brittleness — এটি ভঙ্গুরতার বৈশিষ্ট্য, যা বল প্রয়োগ করলে ধাতু ভেঙে গুঁড়ো হয়ে যায়, যেমন অধাতু বা কাঁচ।
C) Malleability — এটি সঠিক উত্তর যা ধাতুকে পিটিয়ে পাত করার ধর্ম নির্দেশ করে।
D) Toughness — এটি পদার্থের ঘাত সহনশীলতা বা আঘাত সহ্য করার ক্ষমতা, যা আকृति পরিবর্তনের নির্দিষ্ট ধর্ম নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ম্যালেবিলিটি শব্দের সঙ্গে পাত বা মেটাল শিটের সম্পর্ক মনে রাখবে।
ডাকটিলিটি শব্দটির সঙ্গে তার বা ড্রিল করার ধারণার মিল রেখে তার টানার ধর্ম মনে রাখবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সবচেয়ে বেশি নমনীয় ধাতু হলো সোনা।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন ধর্মের কারণে ধাতুকে টেনে তারে রূপান্তর করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) Elastomer
১. কেন সঠিক:
রাবার এমন একটি পলিমার যা বল প্রয়োগ করলে দীর্ঘায়িত হয় এবং বল সরিয়ে নিলে আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে।
এই বিশেষ ধরনের স্থিতিস্থাপকতা থাকার কারণে রাবারকে বৈজ্ঞানিক ভাষায় ইলাস্টোমার বলা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ইলাস্টোমার হলো এমন পলিমার যার অত্যন্ত উচ্চ মাত্রার স্থিতিস্থাপকতা বা রাবারের মতো বৈশিষ্ট্য থাকে।
কার্যপ্রণালি: এর আণবিক গঠন কুন্ডলী পাকানো অবস্থায় থাকে যা টানের ফলে সোজা হয় এবং বল মুক্ত করলে পূর্বের আকৃতি ধারণ করে।
বাস্তব প্রয়োগ: গাড়ির টায়ার, রাবার ব্যান্ড এবং বিভিন্ন সিল তৈরিতে ইলাস্টোমার ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাড়ির টায়ার
ব্যাখ্যা: টায়ার তৈরির সময় ইলাস্টোমার বা রাবার ব্যবহার করা হয় যা রাস্তার ধাক্কা সহ্য করে এবং দ্রুত পূর্বের রূপ ফিরে পায়।
উদাহরণ ২: রাবার ব্যান্ড
ব্যাখ্যা: রাবার ব্যান্ড টেনে লম্বা করা যায় এবং ছেড়ে দিলে আবার ছোট হয়ে যায় যা ইলাস্টোমারের মূল বৈশিষ্ট্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Plastomer — এটি এমন পলিমার যা তাপ প্রয়োগে নরম হয় এবং প্লাস্টিকের মতো স্থায়ীভাবে আকার পরিবর্তন করে।
B) Elastomer — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রাবারের স্থিতিস্থাপক ধর্ম নির্দেশ করে।
C) Resin — এটি এক ধরনের সান্দ্র পদার্থ যা মূলত আঠা বা প্রলেপ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
D) Soft Plastic — এটি নমনীয় প্লাস্টিক বোঝায় কিন্তু রাবারের মতো সম্পূর্ণ স্থিতিস্থাপক পলিমার নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইলাস্টিক শব্দটির সঙ্গে মিল রেখে রাবারের অপর নাম ইলাস্টোমার মনে রাখা সহজ।
টেনে লম্বা করা যায় এমন পদার্থই ইলাস্টোমার হিসেবে পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পলিমারের স্থিতিস্থাপক রূপটি ইলাস্টোমার নামে পরিচিত যা BCS পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
ইলাস্টোমার এবং থার্মোপ্লাস্টিক এর মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কিত প্রশ্নও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দেখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) ইভাপোরেটরে
১. কেন সঠিক:
- হিমায়ন চক্রের ইভাপোরেটর অংশে তরল হিমায়ক চারপাশ থেকে সুপ্ততাপ শোষণ করে বাষ্পে পরিণত হয়।
- এর ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার তাপমাত্রা হ্রাস পায় এবং শীতলীকরণের মূল প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র অনুসারে তাপ সর্বদা উষ্ণ বস্তু থেকে শীতল বস্তুর দিকে প্রবাহিত হয় এবং তরল বাষ্পীভূত হওয়ার সময় পরিবেশ থেকে সুপ্ততাপ গ্রহণ করে।
- কার্যপ্রণালি: নিম্নচাপের তরল হিমায়ক ইভাপোরেটরে প্রবেশ করার পর চারপাশের বাতাস বা বস্তুর থেকে তাপ শোষণ করে তা ফুটতে ও বাষ্পীভূত হতে শুরু করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: রেফ্রিজারেটর বা এয়ার কন্ডিশনারের ভেতরের অংশ ঠান্ডা রাখতে এই ইভাপোরেটর কয়েল ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রেফ্রিজারেটরের ভেতরের তাকগুলো ঠান্ডা রাখা।
ব্যাখ্যা: ইভাপোরেটর কয়েল ভেতরের খাবার ও বাতাস থেকে তাপ টেনে নেয় বলে ভেতরের তাপমাত্রা কমে যায়।
উদাহরণ ২: এয়ার কন্ডিশনার বা এসি চালুর পর ঘর ঠান্ডা হওয়া।
ব্যাখ্যা: এসি-র ভেতরের ইভাপোরেটর ঘরের গরম বাতাস থেকে তাপ শোষণ করে বাইরে পাঠিয়ে দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কন্ডেন্সারে — এটি হিমায়কের বর্জ্য তাপ বাইরে পরিবেশে বর্জন করে, তাপ শোষণ করে না।
B) ইভাপোরেটরে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি তাপ শোষণ করে বাষ্পীভূত হয়।
C) কম্প্রেসরে — এটি হিমায়ক বাষ্পের চাপ ও তাপমাত্রা বৃদ্ধি করার কাজ করে।
D) থ্রোটল ভালভে — এটি উচ্চচাপের তরল হিমায়কের চাপ কমিয়ে ইভাপোরেটরে প্রবেশের পথ তৈরি করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইভাপোরেটর মানেই এভাপোরেশন বা বাষ্পীভবন, যা ঘটাতে তাপ শোষণ করতে হয়।
- রেফ্রিজারেটরের ভেতরে তাপ শোষিত হয় এবং বাইরে কন্ডেন্সারে তাপ বর্জিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- হিমায়ন চক্রে কোন অংশ তাপ বর্জন করে তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে, যার উত্তর কন্ডেন্সার।
- ইভাপোরেটরের মূল কাজ তাপ শোষণ করা এবং কন্ডেন্সরের মূল কাজ তাপ বর্জন করা।
সঠিক উত্তর: C) Platinum
১. কেন সঠিক:
- প্লাটিনামের নমনীয়তা বা ডাক্টিলিটি সবচেয়ে বেশি, যার ফলে এটি থেকে অত্যন্ত সূক্ষ্ম তার তৈরি করা সম্ভব।
- ধাতুর এই বিশেষ ধর্মের কারণে সামান্য পরিমাণে প্লাটিনাম দিয়ে অনেক লম্বা তার টেনে বের করা যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ডাক্টিলিটি হলো ধাতুর এমন একটি যান্ত্রিক ধর্ম, যার বলে ধাতুকে টেনে কোনো ভাঙন ছাড়া সরু তারে পরিণত করা যায়।
- কার্যপ্রণালি: ধাতুর পরমাণুগুলোর ভেতরে ধাতব বন্ধন এমনভাবে কাজ করে যে বল প্রয়োগ করলে স্তরগুলো একে অপরের ওপর পিছলে যায় কিন্তু ভেঙে যায় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটিমাত্র গ্রাম ওজনের প্লাটিনাম থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ তার তৈরি করা যায়।
ব্যাখ্যা: এটি প্লাটিনামের অত্যন্ত উচ্চ ডাক্টিলিটির সবচেয়ে বড় ও পরীক্ষিত প্রমাণ।
উদাহরণ ২: স্বর্ণালংকার তৈরিতে স্বর্ণের সঙ্গে সামান্য তামা বা লোহা মেশানো হয়।
ব্যাখ্যা: খাঁটি সোনা খুব নমনীয় হওয়ায় তা দিয়ে শক্ত গহনা তৈরি করতে সমস্যা হয়, তাই সংকর ধাতু ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mild Steel — মাইল্ড স্টিল বা মৃদু ইস্পাত নির্মাণকাজে ব্যবহৃত হয় এবং এর নমনীয়তা প্লাটিনামের মতো সর্বোচ্চ স্তরের নয়।
B) Copper — তামা অত্যন্ত নমনীয় এবং বিদ্যুৎ পরিবাহী হলেও ডাক্টিলিটির দিক থেকে এটি প্লাটিনামের পরে অবস্থান করে।
C) Platinum — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর প্রসারন ক্ষমতা এবং ডাক্টিলিটি সব ধাতুর মধ্যে সবচেয়ে বেশি।
D) Aluminum — অ্যালুমিনিয়াম হালকা ও নরম ধাতু হলেও এর ডাক্টিলিটি প্লাটিনামের তুলনায় কম।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সবচেয়ে সূক্ষ্ম কাজ ও গহনার ক্ষেত্রে প্লাটিনাম ব্যবহৃত হয়, তাই সর্বোচ্চ ডাক্টিলিটির প্রশ্নে প্লাটিনাম উত্তর হবে।
- ডাক্টিলিটি মানে তার টানার ক্ষমতা, আর সোনা ও প্লাটিনাম এক্ষেত্রে সবার ওপরে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ধাতুগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নমনীয় বা ডাক্টিল ধাতু হলো সোনা এবং প্লাটিনাম।
- একই ধারণা থেকে পরীক্ষায় আসতে পারে কোন ধাতুর ম্যালিয়েবিলিটি বা পিটিয়ে পাত করার ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
সঠিক উত্তর: D) Blast furnace
১. কেন সঠিক:
- কাস্ট আয়রন বা কাঁচা লোহা সরাসরি ব্লাস্ট ফার্নেসে উৎপাদিত হয় না, তবে ব্লাস্ট ফার্নেস থেকে প্রাপ্ত পিগ আয়রন বা কাঁচা লোহাকে গলিয়ে কাস্ট আয়রন তৈরি করা হয়।
- ব্লাস্ট ফার্নেসে আকরিক লোহা, কোক এবং চুনাপাথর গলিয়ে গলিত লোহা বা পিগ আয়রন প্রস্তুত করা হয়, যা পরবর্তীতে কাস্ট আয়রন তৈরিতে মূল কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: আকরিক থেকে ধাতু নিষ্কাশনের জন্য যে বিশেষ চুল্লি ব্যবহার করা হয় তাকে ব্লাস্ট ফার্নেস বা কার্পাস চুল্লি বলা হয়।
- কার্যপ্রণালি: এই চুল্লিতে উচ্চ তাপমাত্রায় কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস ব্যবহার করে আয়রন অক্সাইডকে বিজারিত করে লোহা নিষ্কাশন করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রান্নার কড়াই বা ভারী পাইপ তৈরিতে কাস্ট আয়রন ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: কাস্ট আয়রনের ওপর চাপ সহ্য করার ক্ষমতা বেশি থাকায় এটি শিল্প কারখানায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: মোটর গাড়ির ইঞ্জিন ব্লক তৈরিতে কাস্ট আয়রন ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি সহজে ক্ষয় হয় না এবং উচ্চ তাপেও এর আকৃতি ঠিক থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Bessemer Converter — এটি মূলত ইস্পাত বা স্টিল উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে পিগ আয়রন থেকে অতিরিক্ত কার্বন দূর করা হয়।
B) Cupola furnace — এটি ছোট চুল্লি যা সাধারণত ঢালাই লোহা বা কাস্ট আয়রনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ তৈরির গলানোর কাজে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি কাঁচামাল উৎপাদনে নয়।
C) Open hearth furnace — এটি উচ্চমানের স্টিল বা ইস্পাত উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত একটি প্রচলিত পদ্ধতি।
D) Blast furnace — এটি সঠিক উত্তর কারণ লোহা নিষ্কাশনের প্রাথমিক প্রক্রিয়ায় ব্লাস্ট ফার্নেস অপরিহার্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
- লোহা তৈরির শুরুর চুল্লি হলো ব্লাস্ট ফার্নেস।
- কাস্ট আয়রনে কার্বনের পরিমাণ প্রায় দুই থেকে চার শতাংশ পর্যন্ত থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় লোহা ও ইস্পাত উৎপাদন প্রক্রিয়া থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- পিগ আয়রনে কার্বনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে এবং মেইন আকরিক হলো হেমাটাইট।
সঠিক উত্তর: C) VDU
১. কেন সঠিক:
কম্পিউটার মনিটরকে দৃশ্যমান আউটপুট প্রদর্শন করার প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
এর পূর্ণরূপ হলো Visual Display Unit, যা কম্পিউটারের প্রসেস করা ডেটা ব্যবহারকারীর চোখের সামনে ছবিতে রূপান্তর করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: VDU হলো এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিসপ্লে ডিভাইস যা কম্পিউটারের প্রসেসর থেকে প্রাপ্ত সংকেতকে মানুষের দেখার উপযোগী টেক্সট, চিত্র বা ভিডিওতে রূপান্তর করে।
কার্যপদ্ধতি: এটি গ্রাফিক্স কার্ড বা মাদারবোর্ডের ভিডিও পোর্ট থেকে ডেটা গ্রহণ করে এবং পিক্সেল বা উপাদানের মাধ্যমে স্ক্রিনে আলো জ্বালিয়ে দৃশ্য ফুটিয়ে তোলে।
বৈশিষ্ট্য: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত আউটপুট ডিভাইস যা সফটওয়্যার চালনা ও ইন্টারফেসের দৃশ্যমান রূপ দেখায়।
ব্যবহার: ডেস্কটপ কম্পিউটার, ল্যাপটপ, সার্ভার এবং বিভিন্ন ডিজিটাল ডিসপ্লে সিস্টেমে এটি অপরিহার্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অফিসিয়াল কাজের সময় ডেস্কটপ কম্পিউটারে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ফাইল খোলা এবং মনিটরে তার লেখা দেখা।
ব্যাখ্যা: প্রসেসর থেকে নির্দেশ পেয়ে মনিটর বা VDU ব্যবহারকারীকে টাইপ করা অক্ষরগুলো তাৎক্ষণিকভাবে দৃশ্যমান আউটপুট হিসেবে দেখায়।
উদাহরণ ২: গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের কাজের ক্ষেত্রে ফটোশপ সফটওয়্যার ব্যবহার করে ছবি এডিট করা।
ব্যাখ্যা: ডিজাইন করা ছবির রঙ ও আকৃতি নিখুঁতভাবে দেখার জন্য VDU বা মনিটরের ডিসপ্লে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) DVU — এই নামে কম্পিউটারে কোনো স্ট্যান্ডার্ড আউটপুট ডিভাইস বা প্রযুক্তি নেই। এটি একটি বিভ্রান্তিকর বা ভুল অপশন।
B) UVD — এই সংক্ষিপ্ত রূপটি কম্পিউটার প্রযুক্তির সাধারণ আউটপুট ডিভাইসের সাথে সম্পর্কিত নয়। এটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক একটি শব্দ।
D) CCTV — এর পূর্ণরূপ Closed-Circuit Television, যা মূলত নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ ও ভিডিও সার্ভিল্যান্সের জন্য ব্যবহৃত হয়, কোনো কম্পিউটার মনিটর নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভিজুয়াল বা দৃশ্যমান আউটপুট দেখার জন্য মনিটর ব্যবহার করা হয়, তাই এর অপর নাম Visual Display Unit বা VDU।
সংক্ষিপ্ত রূপ মনে রাখার সহজ উপায় হলো মনিটরের কাজ দেখা, আর ভিজ্যুয়াল শব্দের ভি অক্ষর দিয়েই VDU গঠিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার মনিটর যুগপৎ একটি আউটপুট ডিভাইস এবং হার্ডওয়্যার উপাদান হিসেবে পরিচিত।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পূর্ণরূপ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে, তাই VDU-এর পূর্ণরূপ ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) Blue Ray Disk
১. কেন সঠিক:
- ব্লু-রে ডিস্ক বা Blu-ray Disk অপটিক্যাল স্টোরেজ প্রযুক্তির অন্যতম উন্নত সংস্করণ যেখানে অতিবেগুনি লেজার রশ্মি ব্যবহার করে অত্যন্ত ঘনত্বের ডেটা সংরক্ষণ করা হয়।
- ডিভিডির তুলনায় এর ধারণক্ষমতা বহুগুণ বেশি হওয়ায় এটি সহজেই উচ্চ রেজুলেশনের ভিডিও এবং বড় আকারের ফাইল সংরক্ষণ করতে পারে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ব্লু-রে ডিস্ক হলো একটি উচ্চ-ঘনত্বের অপটিক্যাল ডিস্ক ফরম্যাট যা মূলত হাই-ডেফিনিশন ভিডিও এবং বিশাল আকারের ডেটা সংরক্ষণের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
- কার্যপদ্ধতি: এটি ডেটা পড়তে এবং লিখতে নীল-বেগুনি রঙের লেজার রশ্মি ব্যবহার করে, যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য সিডি বা ডিভিডির লাল লেজারের চেয়ে ছোট হওয়ায় অনেক সূক্ষ্ম পিট বা খাঁজ তৈরি করা সম্ভব হয়।
- বৈশিষ্ট্য: এর স্ট্যান্ডার্ড ধারণক্ষমতা একক স্তরে ২৫ গিগাবাইট এবং দ্বৈত স্তরে ৫০ গিগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ব্যবহার: আধুনিক হোম থিয়েটার সিস্টেম, প্লেস্টেশন বা এক্সবক্সের মতো গেমিং কনসোল এবং উচ্চমানের সিনেমা সংরক্ষণে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি সাধারণ ডিভিডিতে সাধারণত ৪.৭ গিগাবাইট ডেটা রাখা যায়, যেখানে একটি একক স্তরের ব্লু-রে ডিস্কে ২৫ গিগাবাইট পর্যন্ত ডেটা সংরক্ষণ করা সম্ভব।
ব্যাখ্যা: এই বিশাল ধারণক্ষমতার পার্থক্যের কারণেই ব্লু-রে ডিস্কে সম্পূর্ণ একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য থ্রিডি বা ফোরকে মুভি সহজে রাখা যায় যা ডিভিডিতে সম্ভব নয়।
উদাহরণ ২: প্লেস্টেশন ফাইভে গেম খেলার সময় বিশাল আকারের আধুনিক গেমের ডেটা ব্লু-রে ডিস্কের মাধ্যমে রিড করা হয়।
ব্যাখ্যা: গেমের গ্রাফিক্স ও অডিওর মান এতটাই উন্নত হয় যে তা সাধারণ অপটিক্যাল ডিস্কে কুলায় না, তাই ব্লু-রে প্রযুক্তির প্রয়োজন হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) CD Rom — সিডি রম বা কম্প্যাক্ট ডিস্ক রিড অনলি মেমোরির ধারণক্ষমতা মাত্র ৭০০ মেগাবাইট, যা ডিভিডির চেয়ে অনেক কম।
B) Red Ray Disk — রেড রে ডিস্ক নামে কম্পিউটারে কোনো নির্দিষ্ট বা স্ট্যান্ডার্ড অপটিক্যাল স্টোরেজ প্রযুক্তি বা ফরম্যাট নেই।
C) Blue Ray Disk — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এর ডেটা স্টোরেজ ক্ষমতা ডিভিডির তুলনার অনেক বেশি।
D) Floppy — ফ্লপি ডিস্ক হলো একটি পুরনো চৌম্বকীয় স্টোরেজ ডিভাইস যার ধারণক্ষমতা মাত্র ১.৪৪ মেগাবাইট এবং এটি অপটিক্যাল ডিস্কের চেয়ে অনেক পিছিয়ে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সিডি ধারণ করে ৭০০ মেগাবাইট, ডিভিডি ধারণ করে ৪.৭ গিগাবাইট এবং ব্লু-রে ডিস্ক ধারণ করে ২৫ গিগাবাইট বা তার বেশি।
- লেজারের রঙের ওপর ভিত্তি করে সিডি বা ডিভিডিতে লাল লেজার এবং ব্লু-রে ডিস্কে নীল-বেগুনি লেজার ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ব্লু-রে ডিস্কে ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের লেজার ব্যবহারের কারণে ডেটার ঘনত্ব বেশি হয়।
- অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইসগুলোর মধ্যে সিডি, ডিভিডি ও ব্লু-রে ডিস্কের ক্রমিক ধারণক্ষমতা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) টিম বার্নার্স লি.
১. কেন সঠিক:
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ এর জনক হলেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী স্যার টিম বার্নার্স লি। তিনি ১৯৮৯ সালে সুইজারল্যান্ডের সার্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অবস্থায় এই বৈপ্লবিক তথ্য পরিকাঠামো উদ্ভাবন করেন।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: World Wide Web হলো ইন্টারনেট ব্যবহার করে পরস্পর সংযুক্ত হাইপারটেক্সট ডকুমেন্টের একটি বিশাল ভান্ডার।
কার্যপদ্ধতি: এটি হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রোটোকল বা এইচটিটিপি ব্যবহার করে ক্লায়েন্ট ও সার্ভারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে কোনো ঠিকানা লেখা।
ব্যাখ্যা: এটি ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ কাঠামোর মাধ্যমে নির্দিষ্ট ওয়েব পেজ ব্যবহারকারীর সামনে প্রদর্শন করে।
উদাহরণ ২: ইন্টারনেটে কোনো লিংকে ক্লিক করা।
ব্যাখ্যা: এই হাইপারলিংক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এক পেজ থেকে অন্য পেজে খুব সহজে যাওয়া যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিল গেটস — মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা, যিনি এমএস-ডস ও উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের উন্নয়নে প্রধান ভূমিকা রেখেছেন।
B) স্টিভ জবস — অ্যাপল কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতা, যিনি আইফোন, ম্যাকিনটোশ ও আইপ্যাড উদ্ভাবনে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
D) জেফ বেজোস — ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা এবং ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা এডব্লিউএস এর প্রবক্তা।
৫ মনে রাখার টিপস:
ওয়েবের ডব্লিউ দিয়ে শুরু হয় ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব, আর আবিষ্কারকের নামের আদ্যক্ষর টি দিয়ে টিম বার্নার্স লি মনে রাখা যায়। ১৯৮৯ সালটিকে ওয়েব জন্মের সাল হিসেবে মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
স্যার টিম বার্নার্স লি একই সাথে প্রথম ওয়েব ব্রাউজার, প্রথম ওয়েব সার্ভার এবং প্রথম ওয়েব পেজ তৈরি করেছিলেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই আবিষ্কারের সাল ও প্রতিষ্ঠানের নাম জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: B) ২০০ নটিক্যাল মাইল
১. কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কনভেনশন অনুযায়ী উপকূলীয় রেখা থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত অঞ্চলকে এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন বা অনন্য অর্থনৈতিক অঞ্চল বলা হয়।
- এই সীমার মধ্যে সংশ্লিষ্ট দেশের সমুদ্রের তলদেশ, উপরিভাগ এবং জলরাশির সব প্রাকৃতিক সম্পদ যেমন মৎস্য ও খনিজ উত্তোলনের একচ্ছত্র আইনগত অধিকার থাকে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: উপকূলীয় রেখা বা বেজলাইন থেকে সমুদ্রের ভেতরের দিকে পরিমাপ করা হয়।
- বৈশিষ্ট্য: এই অঞ্চলে অন্য কোনো দেশ বিনা অনুমতিতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারে না।
- সংশ্লিষ্ট তথ্য: আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন বা আনক্লোজ ১৯৮২ এর মাধ্যমে এই সীমানা নির্ধারিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: বঙ্গোপসাগর
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের সমুদ্র এলাকার আইন এবং পরবর্তী সময়ে আনক্লোজ বিধান অনুযায়ী বঙ্গোপসাগরে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন নিশ্চিত করেছে।
উদাহরণ ২: ভারত মহাসাগর
ব্যাখ্যা: ভারত মহাসাগরের উপকূলবর্তী দেশগুলো তাদের নিজ নিজ উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত জলসীমায় অর্থনৈতিক অধিকার ভোগ করে থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০০ নটিক্যাল মাইল — এটি সমুদ্র আইন কনভেনশনে এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনের নির্ধারিত মান নয় এবং কোনো দেশের সমুদ্র অঞ্চলের প্রধান অর্থনৈতিক সীমানা হিসেবে স্বীকৃত নয়।
B) ২০০ নটিক্যাল মাইল — এটি সঠিক উত্তর।
C) ৪০০ নটিক্যাল মাইল — এই দূরত্বের কোনো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একক সমুদ্র অর্থনৈতিক অঞ্চল বা জোন বিশ্বে নেই।
D) ৩০০ নটিক্যাল মাইল — এটি আনক্লোজ চুক্তিতে এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনের জন্য নির্ধারিত কোনো বৈধ বা প্রচলিত দূরত্ব নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনের সাথে দ্বিগুণ অর্থাৎ ২০০ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে। আঞ্চলিক জলসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল এবং অর্থনৈতিক অঞ্চল ২০০ নটিক্যাল মাইল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় সমুদ্র অর্থনীতি ও ভূরাজনীতি অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখান থেকে আঞ্চলিক জলসীমা বা মহিসোপান সংক্রান্ত প্রশ্নও আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) সিলেট
১. কেন সঠিক:
রাতারগুল বাংলাদেশের একমাত্র জলাবন বা সোয়াম্প ফরেস্ট হিসেবে পরিচিত। এটি সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত এবং এখানে প্রধানত জলসহিষ্ণু করচ গাছ জন্মায়।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলা, বাংলাদেশ।
বৈশিষ্ট্য: বর্ষাকালে পানির নিচে ডুবে থাকে এবং শুকনো মৌসুমে পানি কমে যায়।
সংশ্লিষ্ট তথ্য: এটি দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক সোয়াম্প ফরেস্ট।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: সুন্দরবন
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের লবণাক্ত পানির ম্যানগ্রোভ বন, যা রাতারগুলের জলাবন থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
উদাহরণ ২: আমাজন অববাহিকা
ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বের বৃহত্তম জলবন বা ফ্লাডেড ফরেস্ট অঞ্চল, যার সাথে রাতারগুলের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের আংশিক মিল রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাঙ্গামাটি — এটি পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের একটি পাহাড়ি জেলা যেখানে কাপ্তাই হ্রদ ও পাহাড় রয়েছে কিন্তু সোয়াম্প ফরেস্ট নেই।
B) সাতক্ষীরা — এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা যেখানে সুন্দরবনের অংশ ও উপকূলীয় লোনাপানি বিদ্যমান।
D) কক্সবাজার — এটি দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী সমুদ্র সৈকত ও পাহাড়ি এলাকা।
৫. মনে রাখার টিপস:
সিলেট মানেই চা বাগান আর হাওরের দেশ, তাই একমাত্র সোয়াম্প ফরেস্ট রাতারগুল সিলেটেই অবস্থিত তা মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রাতারগুল হলো বাংলাদেশের একমাত্র সোয়াম্প ফরেস্ট বা জলাবন। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: A) মাতৃ মৎস্য ভান্ডার
১. কেন সঠিক:
হালদা নদী এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র। এখানে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশসহ বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির মা মাছ ডিম ছাড়তে আসে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম জেলার খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা থেকে উৎপন্ন হয়ে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি, হাটহাজারী ও রাউজান উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
বৈশিষ্ট্য: আঁকাবাঁকা গতিপথ এবং জোয়ার-ভাটার প্রভাবে এই নদীতে এক বিশেষ ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টি হয়।
কারণ ও প্রভাব: পাহাড়ি ঢল, নির্দিষ্ট তাপমাত্রা এবং লোনাপানির সংমিশ্রণ মা মাছের ডিম ছাড়ার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: পদ্মাসেতু এলাকা
ব্যাখ্যা: এটি যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য বিখ্যাত হলেও হালদার মতো প্রাকৃতিকভাবে ডিম ছাড়ার নির্দিষ্ট কোনো স্থান নয়।
উদাহরণ ২: সুন্দরবন
ব্যাখ্যা: এটি জীববৈচিত্র্য ও ম্যানগ্রোভ বনের জন্য বিখ্যাত হলেও এটি নদীর মাতৃ মৎস্য ভান্ডারের সমার্থক নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাতৃ মৎস্য ভান্ডার — এই অপশনটি সঠিক কারণ হালদা নদী প্রাকৃতিক উপায়ে মাছের ডিম ছাড়ার জন্য বিশ্বে অনন্য।
B) পর্যটন — হালদা নদী পর্যটনের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত নয়, যদিও এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অনেককে আকর্ষণ করে।
C) রামসা সাইট — রামসা সাইট হলো আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি, যার স্বীকৃতি হালদার ক্ষেত্রে প্রধান পরিচায়ক নয়।
D) নদী বন্দর — হালদা নদীর ওপর কোনো বড় বাণিজ্যিক নদী বন্দর গড়ে ওঠেনি।
৫. মনে রাখার টিপস:
হালদা মানেই মা মাছের ডিম ছাড়ার স্থান। মনে রাখুন হালদা নদী হলো বাংলাদেশের প্রাকৃতিক মৎস্য ভান্ডার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
হালদা নদী কোন জেলায় অবস্থিত এবং এটি কিসের জন্য বিখ্যাত, এই প্রশ্নগুলো বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে নদীর উৎপত্তিস্থল বা প্রবাহপথ সম্পর্কেও প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) নোয়াখালী
১. কেন সঠিক:
ভাসানচর বঙ্গোপসাগরের মেঘনা নদীর মোহনায় পলি জমে নতুন জেগে ওঠা একটি চর। প্রশাসনিকভাবে এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্ভুক্ত।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত বঙ্গোপসাগরের একটি দ্বীপ চর।
বৈশিষ্ট্য: মেঘনা নদীর পলি বাহিত হয়ে সমুদ্রের মোহনায় এই চরের সৃষ্টি হয়েছে যা নদীমাতৃক বাংলাদেশের একটি নবগঠিত ভূখণ্ড।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: হাতিয়া দ্বীপ
ব্যাখ্যা: ভাসানচরের নিকটবর্তী একটি প্রধান জনবহুল দ্বীপ এবং প্রশাসনিকভাবে এটি একই উপজেলার অংশ।
উদাহরণ ২: সন্দ্বীপ
ব্যাখ্যা: নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম জেলার সীমান্তবর্তী আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় দ্বীপ যা পলি জমার মাধ্যমে গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম একটি প্রধান বন্দর নগরী এবং বিভাগ হলেও ভাসানচর এর মূল ভূখণ্ডের প্রশাসনিক সীমানার বাইরে নোয়াখালীর অন্তর্ভুক্ত।
B) ভোলা — ভোলা বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা হলেও ভাসানচর এর ভৌগোলিক অবস্থান ভোলার মূল সীমানায় নয়।
D) কক্সবাজার — কক্সবাজার দেশের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত একটি উপকূলীয় জেলা যা ভাসানচর থেকে অনেক দূরে অবস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
চর মানেই নদী ও সাগরের মিলনস্থল, আর ভাসানচর নামটি নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার সঙ্গে বিশেষভাবে যুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
নবগঠিত চর ও দ্বীপসমূহের ভৌগোলিক অবস্থান এবং প্রশাসনিক জেলা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) আষাঢ়
১. কেন সঠিক:
- আষাঢ় শব্দটি বাংলা সনের তৃতীয় মাসের নাম নির্দেশ করে এবং এতে মূর্ধন্য ণ এর ধ্বনিগত প্রভাবে মধ্যন্য ঢ় ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই মাসে মূর্ধন্য ঢ় যুক্ত বর্ণটি আবশ্যিক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানে তৎসম ও তদ্ভব শব্দের ক্ষেত্রে মূর্ধন্য ণ এবং মূর্ধন্য ষ এর নিয়মের মতো ড় ও ঢ় ব্যবহারের নির্দিষ্ট ব্যাকরণিক নিয়ম রয়েছে।
- আষাঢ় একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যেখানে মূর্ধন্য ঢ় এর সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ষাঁড়
ব্যাখ্যা: এটি একটি তদ্ভব শব্দ যেখানে ড এর নিচে বিন্দু যুক্ত হয়ে ড় ধ্বনি তৈরি হয়েছে।
উদাহরণ ২: মূর্খ
ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে রেফ এর পর খ যুক্ত হয়ে শব্দের বানান রূপ গঠন করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আশার — এই বানানে তালিব্য শ এর সাথে আকার এবং ড শূন্য র ব্যবহার করা হয়েছে যা আষাঢ় মাসের সঠিক প্রমিত বানান নয়।
B) আসার — এই বানানে দন্ত স এর সাথে আকার এবং ড শূন্য র ব্যবহার করা হয়েছে যা আসা ক্রিয়াপদ বা অন্য অর্থ প্রকাশ করে।
C) আষাঢ় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে সঠিক বর্ণ ও মূর্ধন্য ঢ় ব্যবহার করা হয়েছে।
D) আষাঢ় — এই অপশনটি সঠিক উত্তরের অনুরূপ হওয়ায় এটিও সঠিক বানান হিসেবে বিবেচিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাংলা সনের মাসগুলোর বানান ভালোভাবে চর্চা করতে হবে বিশেষ করে যেগুলোতে ড় বা ঢ় রয়েছে।
- আষাঢ় মাস লেখার সময় সবসময় ড শূন্য র এর পরিবর্তে ঢ শূন্য ঢ় ব্যবহার করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা মাসের নাম থেকে প্রায়শই শুদ্ধ বানানের প্রশ্ন আসে।
- প্রমিত বানানরীতি অনুসরণে বাংলা একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত বানান তালিকা মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) সাময়িকী
১. কেন সঠিক:
- পারিভাষিক শব্দ হলো সেই সকল শব্দ যা বিদেশি শব্দের ভাবানুবাদ বা প্রতিশব্দ হিসেবে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
- সাময়িকী শব্দটি পিরিয়ডিক্যাল শব্দের বাংলা পরিভাষা হিসেবে বাংলা একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত এবং প্রমিত রূপে স্বীকৃত।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- পারিভাষিক শব্দ সাধারণত প্রশাসন, বিজ্ঞান, সাহিত্য এবং বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- বিদেশি শব্দের সরাসরি উচ্চারণ না করে যখন তার যথাযথ বাংলা অর্থ বা প্রতিশব্দ তৈরি করা হয়, তাকে পারিভাষিক শব্দ বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা: এটি ইউনিভার্সিটি শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ, যা উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: সংবিধান
ব্যাখ্যা: এটি কনস্টিটিউশন শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ, যা দেশের সর্বোচ্চ আইন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রেডিও — এটি একটি বিদেশি শব্দ, যার কোনো বাংলা পরিভাষা হিসেবে সাময়িকী শব্দটি ব্যবহৃত হয় না।
B) ম্যানেজার — এটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা পরিভাষা ব্যবস্থাপক, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) সাময়িকী — এটি সঠিক পারিভাষিক শব্দ এবং পিরিয়ডিক্যাল শব্দের বাংলা প্রতিরূপ।
D) ফাইল — এটি একটি বহুল প্রচলিত বিদেশি দাপ্তরিক শব্দ, যা পারিভাষিক শব্দের আওতায় সরাসরি পড়ে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিদেশি শব্দের সরাসরি অনুবাদের মাধ্যমে যে শব্দ তৈরি হয় তা পারিভাষিক শব্দ। যেমন পিরিয়ডিক্যাল মানে সাময়িকী।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি শব্দ এবং তার সঠিক বাংলা পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। বাংলা একাডেমি প্রণীত পারিভাষিক শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বীরবল
১. কেন সঠিক:
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম ব্যবহারের এক অনন্য ধারা সৃষ্টি করেন এবং তিনি বীরবল ছদ্মনামে লিখতেন।
- তার সাহিত্যিক পরিচয় প্রকাশের জন্য তিনি এই ছদ্মনামটি বেছে নিয়েছিলেন এবং তার সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকায় এটি বেশি ব্যবহৃত হতো।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বাংলা প্রবন্ধ সাহিত্যে বুদ্ধিবৃত্তিক ধারার জনক হিসেবে পরিচিত।
- তিনি বাংলা গদ্যে হালকা চালের অথচ গভীর ভাবসমৃদ্ধ প্রমথীয় বা রম্য রচনা ধারার সূত্রপাত করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে লেখা প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ গ্রন্থ হলো বীরবলের হালখাতা।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে তার প্রমথীয় রচনার অনন্য শৈলী ও বুদ্ধিদীপ্ত প্রকাশ দেখতে পাওয়া যায়।
উদাহরণ ২: তার আরেকটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ হলো রায়তের কথা।
ব্যাখ্যা: এটি তার সমাজচেতনামূলক ও চিন্তাশীল সাহিত্যকর্মের একটি চমৎকার উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হুতোম প্যাঁচা — এটি কালীপ্রসন্ন সিংহের বিখ্যাত ছদ্মনাম যিনি হুতোম প্যাঁচার নকশা লিখেছেন।
B) বীরবল — এটি সঠিক উত্তর যা প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
C) টেকচাঁদ ঠাকুর — এটি প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম যিনি আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাস লিখেছেন।
D) অবধূত — এটি কালকূট বা সমীরণ মজুমদারের ছদ্মনাম যিনি বিভিন্ন ভ্রমণকাহিনী ও উপন্যাস লিখেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রমথ চৌধুরীর প্র দিয়ে প্রমথ এবং ব দিয়ে বীরবল মিলিয়ে মনে রাখা যায় প্রমথ মানেই বীরবল।
- সবুজপত্র পত্রিকার সাথে বীরবল নামটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তাই পত্রিকা মনে রাখলে ছদ্মনাম মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে প্রমথ চৌধুরী ও কালীপ্রসন্ন সিংহের ছদ্মনাম খুব গুরুত্বপূর্ণ।
- একই ধরনের অন্যান্য লেখকের ছদ্মনাম যেমন বনফুল বা বিমল করের ছদ্মনাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) চোখের বালি
১. কেন সঠিক:
- চোখের বালি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি তাঁর একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
- প্রশ্নটিতে কোনটি কাব্য নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই যে অপশনটি উপন্যাস সেটিকে সঠিক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক হলেও তিনি মূলত কবি হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
- চোখের বালি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম সার্থক বাংলা মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে তৎকালীন সমাজের পারিবারিক সম্পর্ক ও বিধবার মনের জটিলতা ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শেষের কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যধর্মী উপন্যাস, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়।
উদাহরণ ২: নৌকাডুবি
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস, যা ১৯০৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটিও কোনো কাব্যগ্রন্থ বা কবিতা সংকলন নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মানসী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৯০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে কবির রোমান্টিক চেতনার প্রকাশ ঘটেছে।
B) সোনার তরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর নামীয় কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ।
C) চোখের বালি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কাব্য নয়, বরং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
D) গীতাঞ্জলি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশ্বখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো যেমন চোখের বালি, গোরা, নৌকাডুবি, শেষের কবিতা আলাদা করে মনে রাখলে এমন প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
- কাব্যগ্রন্থগুলো সাধারণত মানসী, সোনার তরী, চিত্রা, চৈতালী, গীতাঞ্জলি নামে পরিচিত যা দেখে কাব্য ও উপন্যাসের পার্থক্য করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাব্য, উপন্যাস ও নাটকের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
- কোনো সাহিত্যকর্মের নাম দেখে সেটি কাব্য নাকি উপন্যাস, তা নিশ্চিত হতে লেখকের বিখ্যাত উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) রবি
১. কেন সঠিক:
- রবি শব্দের অর্থ সূর্য, যা দিন বা আলো প্রকাশ করে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ে এই তথ্যটি সরাসরি কাজে লাগে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ, যা ভিন্ন বানান ও উচ্চারণের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের সমার্থক শব্দ ভিন্ন হতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দিবাকর
ব্যাখ্যা: দিবাকর শব্দের অর্থ দিন করেন যিনি অর্থাৎ সূর্য।
উদাহরণ ২: তপন
ব্যাখ্যা: তপন শব্দের অর্থ যা তাপ দেয় অর্থাৎ সূর্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সূর্য।
B) শশী — শশী শব্দের অর্থ চাঁদ, যা সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়।
C) পবন — পবন শব্দের অর্থ বাতাস বা বায়ু, যা সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়।
D) বসুধা — বসুধা শব্দের অর্থ পৃথিবী বা ধরা, যা সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সূর্যকে আলো ও তাপের উৎস হিসেবে মনে রেখে দিবাকর, তপন, রবি ও ভাস্কর শব্দগুলো একসূত্রে মনে রাখা যায়।
- চাঁদ বোঝাতে শশী এবং বাতাস বোঝাতে পবন শব্দ ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সূর্য, চাঁদ, পৃথিবী ও বাতাসের সমার্থক শব্দগুলো বারবার আসে।
- প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করতে সমার্থক শব্দগুলো আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত।
সঠিক উত্তর: D) সেলিনা হোসেন
১. কেন সঠিক:
- 'নীল ময়ূরের যৌবন' উপন্যাসের রচয়িতা বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন।
- এটি মূলত ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সেলিনা হোসেন বাংলাদেশের সমকালীন কথাসাহিত্যের অন্যতম প্রধান শক্তিশালী লেখক।
- তাঁর উপন্যাসে সামাজিক ও রাজনৈতিক ইতিহাস গভীর শিল্পরূপ লাভ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাঁদের গাড়ি
ব্যাখ্যা: এটি সেলিনা হোসেন রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় আরেকটি উপন্যাস।
উদাহরণ ২: পোকামাকড়ের ঘরবসতি
ব্যাখ্যা: সেলিনা হোসেন রচিত বাংলা কথাসাহিত্যের একটি বিশিষ্ট উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুফিয়া কামাল — তিনি মূলত বিখ্যাত কবি ও নারীবাদী লেখিকা, কোনো উপন্যাসিক নন।
B) রাজিয়া বেগম — তিনি এই উপন্যাসের রচয়িতা নন, তাই উত্তরটি ভুল।
C) রাবেয়া খাতুন — তিনি বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক হলেও এই গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়।
D) সেলিনা হোসেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপন্যাসটি তাঁরই সৃষ্টি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সেলিনা হোসেনের নামের প্রথম অক্ষর এবং উপন্যাসের নামের ময়ূর মিলিয়ে মনে রাখা সহজ।
- ঐতিহাসিক উপন্যাস বললেই সেলিনা হোসেনের নাম স্মরণ করা যেতে পারে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সেলিনা হোসেনের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লেখকদের বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়ে রাখা ভালো।
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনিতত্ত্ব
১. কেন সঠিক:
- ধ্বনিতত্ত্ব হলো বাংলা ব্যাকরণের সেই শাখা যেখানে ধ্বনি, বর্ণ, নত্ব বিধান, ষত্ব বিধান, সন্ধি, উচ্চারণ ইত্যাদি আলোচিত হয়।
- সন্ধি মানে মিলন। পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে, আর ধ্বনি সংক্রান্ত আলোচনা ধ্বনিতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় সন্ধি এখানেই আলোচিত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয় চারটি: ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব ও অর্থতত্ত্ব বা বাগার্থ তত্ত্ব।
- ধ্বনিতে ধ্বনির পরিবর্তন, সংযোগ ও উচ্চারণের নিয়ম শেখানো হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয়
ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম শব্দের শেষ ধ্বনি অ এবং পরের শব্দের প্রথম ধ্বনি আ মিলে আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে, যা ধ্বনিতত্ত্বের নিয়মে ঘটে।
উদাহরণ ২: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়
ব্যাখ্যা: ধ্বনির মিলনের মাধ্যমে দুটি পদের অংশ একত্রিত হয়ে নতুন শব্দ গঠনের এই প্রক্রিয়া ধ্বনিতত্ত্বের আলোচনার বিষয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধ্বনিতত্ত্ব — এটি সঠিক উত্তর কারণ সন্ধি ধ্বনির মিলন নিয়ে কাজ করে।
B) রূপতত্ত্ব — এটি ভুল কারণ রূপতত্ত্বে শব্দ ও পদের গঠন, উপসর্গ, প্রত্যয়, সমাস এবং লিঙ্গ-বচন আলোচিত হয়।
C) বাক্যতত্ত্ব — এটি ভুল কারণ বাক্যতত্ত্বে পদের বিন্যাস, বাক্যের গঠন ও বাক্য রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করা হয়।
D) বাগার্থ তত্ত্ব — এটি ভুল কারণ বাগার্থ তত্ত্বে শব্দের অর্থ, বাগধারা, বিপরীত শব্দ ও সমার্থক শব্দ আলোচিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সন্ধি মানে ধ্বনির মিলন, আর ধ্বনি মানেই ধ্বনিতত্ত্ব। এই সহজ সূত্র মনে রাখলে উত্তর ভুল হবে না।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকরণের কোন অংশ কী নিয়ে আলোচনা করে, তা থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। সমাস রূপতত্ত্বে এবং সন্ধি ধ্বনিতত্ত্বে আলোচিত হয়, এই পার্থক্যটি সবসময় মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বন্দি শিবির থেকে
১. কেন সঠিক:
- বন্দি শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হয়েছে।
- এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা মুক্তিকামী মানুষের আন্দোলন ও পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অত্যাচারের দলিল হিসেবে কাজ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বন্দি শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি শামসুর রাহমান।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে অবরুদ্ধ ঢাকায় বসে কবি এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো রচনা করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্মৃতিচিহ্ন
ব্যাখ্যা: এটি কবি শামসুর রাহমানের আরেকটি অত্যন্ত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তার সাহিত্যকৃতির পরিচয় বহন করে।
উদাহরণ ২: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে
ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের রচিত একটি প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তার কাব্য প্রতিভার সাক্ষ্য দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিষিদ্ধ লোবান — এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি প্রখ্যাত উপন্যাস, কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়।
C) রাত্রিশেষ — এটি আলাউদ্দিন আল আজাদের একটি উপন্যাস, কাব্যগ্রন্থের আওতাভুক্ত নয়।
D) নেকড়ে অরণ্য — এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা ভিন্ন প্রেক্ষাপটে রচিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের ওপর রচিত কাব্যগ্রন্থ মনে রাখতে কবি শামসুর রাহমানের বন্দি শিবির থেকে নামটি সবার আগে মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বন্দি শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা শামসুর রাহমান এবং এটি মুক্তিযুদ্ধের অবরুদ্ধ পরিবেশের অনন্য দলিল।
সঠিক উত্তর: B) আসক্তি
১. কেন সঠিক:
একটি সার্থক বাক্য গঠনের জন্য তিনটি প্রধান গুণ বা শর্ত থাকা আবশ্যক। গুণ তিনটি হলো আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে আসক্তি সার্থক বাক্যের গুণ হলেও, প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে কোনটি গুণ নয়। তাই 'আসক্তি' এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
একটি সার্থক বাক্যের অপরিহার্য গুণ তিনটি যথা আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা। বাক্যে পদের পর পদ সাজিয়ে লেখার নিয়ম বা সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসই হলো আসক্তি।
বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য এক পদের পর অন্য পদ যথাযথভাবে সাজিয়ে বসার নামই আসক্তি। আসক্তি না থাকলে পদের মেলবন্ধন নষ্ট হয় এবং অর্থের সঠিক প্রকাশ ঘটে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাল আমি ঢাকা যাব।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে পদগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে মনের ভাব সম্পূর্ণ ও পরিষ্কারভাবে প্রকাশ পায়।
উদাহরণ ২: যাব ঢাকা কাল আমি।
ব্যাখ্যা: এটি একটি ত্রুটিপূর্ণ বাক্য কারণ এখানে শব্দের সুশৃঙ্খল বিন্যাস বা আসক্তি রক্ষা করা হয়নি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আকাঙ্ক্ষা — এটি সার্থক বাক্যের একটি অন্যতম প্রধান গুণ, যার অর্থ বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণরূপে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা।
B) আসক্তি — এটি সার্থক বাক্যের গুণ হলেও প্রশ্নে ভুল বানানে আসা 'আসত্তি' বা অপশনের সঙ্গে তুলনা করে এটি নির্ণীত, তবে মূলত 'আসক্তি' বাক্যের গুণ।
C) যোগ্যতা — এটি সার্থক বাক্যের একটি অন্যতম অপরিহার্য গুণ, যা পদের ভাবগত মিল ও বাস্তবসম্মত অর্থ প্রকাশ করে।
D) আসত্তি — এটি মূলত নৈকট্য বা গভীর অনুরাগ অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা ব্যাকরণগতভাবে বাক্যের গুণ হিসেবে প্রযোজ্য নয় বরং 'আসক্তি' হলো বাক্যের গুণ।
৫. মনে রাখার টিপস:
সার্থক বাক্যের গুণ মনে রাখার সহজ সূত্র হলো আ আ য অর্থাৎ আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা। আসক্তি মানে সাজিয়ে বসা আর আসত্তি মানে নৈকট্য, এই বানান পার্থক্য খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসক্তি এবং আসত্তি শব্দের বানান ও অর্থ নিয়ে প্রায়ই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়। আসক্তি হলো বাক্যের পদ বিন্যাসের গুণ এবং আসত্তি হলো নৈকট্য বা গাঢ় অনুরাগ।
সঠিক উত্তর: B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
- 'রচনার শিল্পগুণ' প্রবন্ধটির রচয়িতা বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
- বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর বিভিন্ন প্রবন্ধে সাহিত্য রচনার কলাকৌশল ও শিল্পরূপ নিয়ে আলোচনা করেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক এবং সাহিত্য সমালোচনার অন্যতম পথপ্রদর্শক।
- তাঁর রচিত বিবিধ প্রবন্ধ, কমলাকান্তের দপ্তর এবং লোকরহস্য বাংলা গদ্যসাহিত্যের অমূল্য সম্পদ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ লোকরহস্য।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে সমাজের নানা ত্রুটি ও কুসংস্কার নিয়ে তীক্ষ্ণ ও শিল্পসম্মত গদ্যে প্রবন্ধ রচিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অপর একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ বিবিধ প্রবন্ধ।
ব্যাখ্যা: সাহিত্য, বিজ্ঞান ও সমাজ বিষয়ক বিভিন্ন প্রবন্ধের সংকলন হিসেবে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের জনক ও প্রাবন্ধিক হলেও এই প্রবন্ধটি তাঁর লেখা নয়।
B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর এবং তাঁর সাহিত্যিক পরিচয়ের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
C) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল এর রচয়িতা, কিন্তু এই প্রবন্ধের লেখক নন।
D) বিহারীলাল — তিনি বাংলা গীতিকবিতার ভোরের পাখি হিসেবে পরিচিত, তবে এই প্রবন্ধটি তাঁর নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সাহিত্য রচনার শিল্প বা সৌন্দর্য নিয়ে গভীর আলোচনা করেছেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
- বঙ্কিম মানেই উপন্যাসের পাশাপাশি মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য শিল্পকলার শ্রেষ্ঠ রূপকার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রবন্ধ গ্রন্থগুলোর নাম প্রায়ই আসে।
- সাহিত্যিকদের প্রবন্ধ ও সমালোচনামূলক রচনাগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনি
১. কেন সঠিক:
ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি, যা কান দিয়ে শোনা যায় এবং মুখ দিয়ে উচ্চারণ করা হয়।
ভাষার প্রধান উপাদান বাক্য, বাক্যের উপাদান শব্দ, শব্দের উপাদান বর্ণ এবং বর্ণের মূল ভিত্তি হলো ধ্বনি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ধ্বনি হলো মানুষের বাকযন্ত্রের সাহায্যে উৎপাদিত আওয়াজ বা ভাষার ক্ষুদ্রতম একক।
বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, অর্থাৎ ধ্বনিকে যখন লিখে প্রকাশ করা হয় তখন তাকে বর্ণ বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ, আ, ক, খ
ব্যাখ্যা: এগুলো হলো বাংলা ভাষার বিভিন্ন ধ্বনি বা বর্ণের প্রতীক।
উদাহরণ ২: কলম শব্দের ধ্বনি বিশ্লেষণ: ক + অ + ল + অ + ম + অ
ব্যাখ্যা: একটি শব্দ ভেঙে ছোট এককে রূপান্তর করলে ধ্বনি পাওয়া যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভাষার মৌলিক ও শ্রবণযোগ্য ক্ষুদ্রতম একক।
B) বর্ণ — এটি ধ্বনির লিখিত রূপ, মৌখিক বা ভাষার ক্ষুদ্রতম মূল একক নয়।
C) শব্দ — এটি এক বা একাধিক ধ্বনি বা বর্ণের মিলনে গঠিত হয়, যা ক্ষুদ্রতম একক নয়।
D) বাক্য — এটি ভাষার বৃহত্তম অর্থপূর্ণ একক, ক্ষুদ্রতম একক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক বললে ধ্বনি দাগাবে এবং লেখার ক্ষুদ্রতম একক বললে বর্ণ দাগাবে।
কানে শোনা যায় ধ্বনি এবং চোখে দেখা যায় বর্ণ, এই সহজ সূত্র মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি অত্যন্ত কমন ও বারবার আসে।
ধ্বনি হলো ভাষার প্রাণ এবং বর্ণ হলো তার পোষাক বা রূপ।
সঠিক উত্তর: C) শামসুদ্দীন আবুল কালাম
১. কেন সঠিক:
- 'কাশবনের কন্যা' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস যার রচিয়তা কথাসাহিত্যিক শামসুদ্দীন আবুল কালাম।
- এই উপন্যাসে মূলত গ্রামীণ জনপদের মানুষের জীবনযাত্রা, প্রকৃতি এবং মানুষের মনস্তত্ত্ব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শামসুদ্দীন আবুল কালাম বিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক।
- গ্রামীণ জীবন, মাটি ও মানুষের সংগ্রামের বাস্তবসম্মত চিত্র তাঁর উপন্যাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সামসুদ্দীন আবুল কালাম রচিত আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো 'পথ জানা নাই'।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটিতেও লেখকের গ্রামীণ জীবনের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলার মুন্সিয়ানা প্রকাশ পেয়েছে।
উদাহরণ ২: তাঁর রচিত অন্য একটি জনপ্রিয় উপন্যাস হলো 'জীবন ও যৌবন'।
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের সাহিত্যকর্মের পরিধি এবং গ্রামীণ সমাজের প্রতি গভীর অনুরাগের পরিচয় বহন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — তিনি আধুনিক বাংলা উপন্যাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কথাসাহিত্যিক হলেও 'কাশবনের কন্যা' তাঁর রচনা নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'লালসালু'।
B) আবু জাফর শামসুদ্দীন — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও সাংবাদিক হলেও এই উপন্যাসের রচিয়তা নন, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'সংকর প্রহর'।
C) শামসুদ্দীন আবুল কালাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপন্যাসটি তাঁরই সৃষ্টি।
D) জসীম উদ্দীন — তিনি বাংলাদেশের বিখ্যাত পল্লিকবি ও সাহিত্যিক, তবে 'কাশবনের কন্যা' তাঁর উপন্যাস নয়, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'নকশী কাথার মাঠ'।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কাশবনে আবুল কালাম ঘুড়ি ওড়ায় এই ছলে, কাশবনের কন্যা উপন্যাসটি শামসুদ্দীন আবুল কালামের বলে মনে রেখো সহজে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রখ্যাত উপন্যাস ও তাদের লেখকদের নাম জিজ্ঞেস করা হয়।
- এই ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত সাহিত্যকর্মগুলোও আলাদা করে পড়ে রাখা ভালো।
সঠিক উত্তর: B) ১৯১৭ সালে
১. কেন সঠিক:
শওকত ওসমান বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক যিনি ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান হলেও তিনি সাহিত্যজগতে শওকত ওসমান ছদ্মনামে পরিচিত লাভ করেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শওকত ওসমান বিশ শতকের আধুনিক বাংলা উপন্যাসের ধারায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।
তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে ক্রীতদাসের হাসি, জলাঙ্গি এবং সমাগম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্রীতদাসের হাসি
ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত প্রতীকধর্মী উপন্যাস যা ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর জন্য তিনি আদমজী সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।
উদাহরণ ২: জাহান্নাম হইতে বিদায়
ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রখ্যাত উপন্যাস যা লেখকের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার আলোকে রচিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯২১ সালে — এই সালে শওকত ওসমান জন্মগ্রহণ করেননি বরং এটি অন্য কোনো সাহিত্যিকের জন্মসাল হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) ১৯১৭ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ শওকত ওসমান ঠিক এই সালেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
C) ১৯১৫ সালে — এই সালে শওকত ওসমান জন্মগ্রহণ করেননি বরং এটি ভুল তথ্য নির্দেশ করে।
D) ১৯২৩ সালে — এই সালে শওকত ওসমান জন্মগ্রহণ করেননি তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
শওকত ওসমানের জন্মসাল মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে তিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে অর্থাৎ ১৯১৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর জন্মস্থান পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলা তাও মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
শওকত ওসমানের জন্মতারিখ এবং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ক্রীতদাসের হাসি প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
লেখকদের জন্মসাল ও সাহিত্যকর্ম জোড় মিলিয়ে পড়ার অভ্যাস থাকলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) ফরিদপুর
১. কেন সঠিক:
- জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যের একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় কবি, যিনি তার পল্লীপ্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবনভিত্তিক রচনার জন্য পল্লীকবি নামে পরিচিত।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১লা জানুয়ারি তৎকালীন বৃহত্তর ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং তার সাহিত্যকর্মে এই অঞ্চলের মাটি ও মানুষের রূপ ফুটে উঠেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জসীমউদ্দীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন এবং দীনেশচন্দ্র সেনের সাথে সংগ্রহ ও সম্পাদনা কাজে যুক্ত ছিলেন।
- তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশীাঁ কাঁথার মাঠ এবং সোজন বাদিয়ার ঘাট বিশ্বসাহিত্যেও সমাদৃত হয়েছে এবং তার কবিতায় গ্রামীণ বাংলার নিখুঁত চিত্র পাওয়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নকশী কাঁথার মাঠ
ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত কাহিনীকাব্য যা পল্লীজীবনের প্রেম ও বিষাদের রূপ ফুটিয়ে তোলে।
উদাহরণ ২: সোজন বাদিয়ার ঘাট
ব্যাখ্যা: এটি কবির আরেকটি অনবদ্য কাব্যগ্রন্থ যা গ্রামীণ প্রেমের এক অমর সৃষ্টি হিসেবে পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গোপালগঞ্জ — এটি জসীমউদ্দীনের জন্মস্থান নয়, যদিও এটি বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
B) ফরিদপুর — এটি জসীমউদ্দীনের জন্মস্থানের সঠিক জেলা এবং তিনি এখানেই জন্মগ্রহণ করেন।
C) পিরোজপুর — এটি দক্ষিণাঞ্চলের একটি জেলা যেখানে অন্য অনেক সাহিত্যিক জন্মগ্রহণ করেছেন কিন্তু জসীমউদ্দীনের জন্মস্থান এটি নয়।
D) বিক্রমপুর — এটি প্রাচীন বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির একটি বিখ্যাত কেন্দ্র হলেও জসীমউদ্দীনের জন্মস্থান নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের জন্মস্থান মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে যে তিনি ফরিদপুরের তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তার নামের সাথে পল্লীকবি উপাধি এবং ফরিদপুরের গ্রামীণ পরিবেশ অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জসীমউদ্দীনকে তার অবদানের জন্য পল্লীকবি উপাধিতে ভূষিত করা হয় এবং তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ রাখালী।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তার জন্মস্থান, বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ এবং ছদ্মনাম সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
- লালসালু হলো বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি মনস্তাত্ত্বিক সামাজিক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের ধর্মান্ধতা এবং কুসংস্কারের নিখুঁত চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ আধুনিক বাংলা উপন্যাসের ধারার অন্যতম প্রধান কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক।
- ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে মজিদ চরিত্রের মাধ্যমে শোষণের রূপ উন্মোচিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাঁদো নদী কাঁদো
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচিত আরেকটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: চাঁদের অমাবস্যা
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত উপন্যাস যা অপরাধবোধ ও নৈতিকতা নিয়ে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপন্যাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ লালসালু একটি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস।
B) ছোটগল্প — লালসালু আকারে বড় এবং এর পটভূমি ব্যাপক হওয়ায় এটি ছোটগল্প নয়।
C) নাটক — এটি মঞ্চে অভিনীত হওয়ার জন্য রচিত নাটক নয়, বরং পড়ার উপন্যাস।
D) কাব্যগ্রন্থ — এটি কোনো পদ্য বা কবিতার বই নয়, বরং গদ্যে রচিত উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস মনে রাখার সহজ উপায় হলো ওয়ালীউল্লাহর লালসালু ও কাঁদো নদী কাঁদো দুটি বিখ্যাত উপন্যাস।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
লালসালু উপন্যাসটি ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রধান চরিত্র মজিদ। এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশের রণসঙ্গীতের রচয়িতা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
তাঁর লেখা 'চল চল চল, ঊর্ধ্ব গগনে বাজে মাদল' গানটি বাংলাদেশের রণসঙ্গীত হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং বিংশ শতাব্দীর প্রধান বাঙালি কবি ও সঙ্গীতকার।
তাঁর রচিত 'সন্ধ্যা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত 'চল চল চল' গানটি বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর রণসঙ্গীত হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের অন্যতম বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান যার রচয়িতা আব্দুল গাফফার চৌধুরী।
উদাহরণ ২: ধন ধান্যে পুষ্প ভরা আমদের এই বসুন্ধরা
ব্যাখ্যা: এটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফররুখ আহমদ — তিনি একজন বিশিষ্ট মুসলিম রেনেসাঁর কবি হলেও বাংলাদেশের রণসঙ্গীত রচনা করেননি।
B) মহাদেব সাহা — তিনি বাংলাদেশের একজন আধুনিক ও প্রখ্যাত কবি হলেও রণসঙ্গীতের রচয়িতা নন।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ তাঁর রচিত গান বাংলাদেশের রণসঙ্গীত।
D) আল মাহমুদ — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই গানের সঙ্গে যুক্ত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
রণসঙ্গীতের রচয়িতা মনে রাখতে মনে রাখবে যুদ্ধের মাঠে বা রণক্ষেত্রে নজরুলের বিদ্রোহী সুর ও গান সবচেয়ে বেশি উদ্দীপনা জোগায়।
তাই রণসঙ্গীত মানেই বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশের রণসঙ্গীতের প্রথম ২১ লাইন অফিশিয়ালি রণসঙ্গীত হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
এই ধরনের প্রশ্নে রচয়িতা এবং গানের প্রথম লাইন উভয়ই ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মোহাম্মদ আকরম খাঁ
১. কেন সঠিক:
- মোহাম্মদ আকরম খাঁ ছিলেন বিখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ এবং ইসলামি চিন্তাবিদ যিনি ঐতিহাসিক 'দৈনিক আজাদ' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
- বাঙালি মুসলমান সমাজের আধুনিকীকরণ এবং সাংবাদিকতার বিকাশে এই পত্রিকাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'দৈনিক আজাদ' পত্রিকাটি ১৯৩৬ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর কলকাতা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে স্থানান্তরিত হয়।
- মোহাম্মদ আকরম খাঁ ১৯০৫ সাল থেকেই বিভিন্ন পত্রিকা সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বাংলা সাংবাদিকতায় তাঁর অবদান অনন্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'দৈনিক সংবাদ' পত্রিকা
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও প্রগতিশীল একটি দৈনিক সংবাদপত্র যা সাংবাদিকতার ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ ২: 'দৈনিক ইত্তেফাক' পত্রিকা
ব্যাখ্যা: তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া সম্পাদিত এই পত্রিকাটি বাংলাদেশের স্বাধিকার আন্দোলনে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোহাম্মদ আকরম খাঁ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি 'দৈনিক আজাদ' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন।
B) আহমদ ছফা — তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি লেখক ও চিন্তাবিদ হলেও 'দৈনিক আজাদ' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না।
C) সিকানদার আবু জাফর — তিনি বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা 'সমকাল'-এর সম্পাদক ছিলেন, 'দৈনিক আজাদ'-এর নন।
D) রাহাত খান — তিনি বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক ছিলেন এবং দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আজাদ মানে স্বাধীনতা, আর আকরম খাঁর প্রথম অক্ষর আ দিয়ে আজাদ মনে রাখা যায়।
- প্রথম সম্পাদক হিসেবে মোহাম্মদ আকরম খাঁর নাম সাংবাদিকতার ইতিহাসে চিরস্মরণীয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত সংবাদপত্র এবং এর সম্পাদকদের নাম জিজ্ঞেস করা হয়।
- এই ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে পত্রিকার প্রকাশকাল এবং প্রতিষ্ঠাতা বা সম্পাদকের নাম আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) গৃহান্তর
১. কেন সঠিক:
যে সমাসে সমাসবদ্ধ পদের অর্থ সম্পূর্ণভাবে অপরিবর্তিত থাকে এবং ব্যাসবাক্য করতে হয় অন্য পদের সাহায্যে, তাকে নিত্য সমাস বলে।
গৃহান্তর শব্দের ব্যাসবাক্য হলো অন্য গৃহ, যেখানে অন্য পদের সাহায্যে সমস্তপদটি গঠিত হয়েছে এবং নিত্য সমাসের নিয়মানুযায়ী ব্যাসবাক্যে অন্য শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যে সমাসে সমাসবদ্ধ পদগুলো সব সময় সমাসবদ্ধ অবস্থাতেই থাকে এবং সাধারণ নিয়মে ব্যাসবাক্য করা যায় না, তাকে নিত্য সমাস বলে।
নিত্য সমাসের ক্ষেত্রে ব্যাসবাক্য করার সময় সাধারণত অন্য, কেবল, মাত্র ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেশান্তর
ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য অন্য দেশ এবং এটি নিত্য সমাসের একটি অন্যতম প্রধান উদাহরণ।
উদাহরণ ২: কেবল দর্শন
ব্যাখ্যা: এর সমস্তপদ দর্শনমাত্র এবং এটি নিত্য সমাসের আরেকটি পরিচিত রূপ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজপুত্র — এটি তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ কারণ এর ব্যাসবাক্য রাজার পুত্র এবং এখানে সম্বন্ধ পদের বিভক্তি লোপ পেয়েছে।
B) গৃহান্তর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি নিত্য সমাসের অন্তর্ভুক্ত।
C) সস্ত্রীক — এটি বহুপ্রীহি সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাক্য সহ স্ত্রী যার এবং এটি কোনো নিত্য সমাস নয়।
D) গায়েহলুদ — এটি অলুক মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ, কারণ গায়ে ও হলুদে উভয় পদে বিভক্তি বহাল থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
নিত্য সমাস মনে রাখার সহজ উপায় হলো সমস্তপদে সাধারণত অন্তর বা মাত্র শব্দ থাকা এবং ব্যাসবাক্যে অন্য বা কেবল শব্দ ব্যবহার করা।
যেমন দেশান্তর বা গ্রামান্তর দেখলে সহজেই বুঝতে হবে এটি নিত্য সমাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য সমাস থেকে প্রশ্ন আসলে সাধারণত দেশান্তর, গৃহান্তর, গ্রামান্তর অথবা দর্শনমাত্র শব্দগুলো বেশি থাকে।
অন্য এবং কেবল শব্দের ব্যবহার দেখেই নিত্য সমাস সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
১. কেন সঠিক:
মহাকাব্য হলো এমন একটি বিশাল আকৃতির দীর্ঘ কবিতা যেখানে কোনো ঐতিহাসিক বা পৌরাণিক বীরের জীবনের পরাধীনতা মুক্তি, যুদ্ধ বা মহান কোনো কাজের বর্ণনা থাকে। বাংলা সাহিত্যে মহাকাব্যের সকল বৈশিষ্ট্য সফলভাবে ফুটিয়ে তুলে প্রথম সার্থক মহাকাব্য রচনা করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা নাটকে ও কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক এবং আধুনিক বাংলা কবিতার পথপ্রদর্শক। তাঁর রচিত মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও সার্থক মহাকাব্য যা প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের শ্রেষ্ঠ কীর্তি এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য।
উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নবীনচন্দ্র — নবীনচন্দ্র সেন মহাকাব্য রচনা করলেও তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্যের রচয়িতা নন।
B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) মীর মশাররফ হোসেন — মীর মশাররফ হোসেন মহাকাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত নন, তিনি মূলত বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের জন্য পরিচিত।
D) কায়কোবাদ — কায়কোবাদ মহাকাব্য জাতীয় মহাকাব্য মহাশ্মশান রচনা করলেও তা প্রথম সার্থক মহাকাব্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মহাকাব্যের মহাপ্রাণ মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং তাঁর মহাকাব্যের নাম মেঘনাদবধ কাব্য। প্রথম সার্থক মহাকাব্যের ক্ষেত্রে সব সময় মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য কোনটি এবং এর রচয়িতা কে, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। মেঘনাদবধ কাব্য মোট নয়টি সর্গে বিভক্ত এবং এটি রামায়ণের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত।
সঠিক উত্তর: C) ৭টি
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি বা প্রধান স্বরধ্বনি সাতটি।
- উচ্চারণের সময় জিভের অবস্থান ও মুখের আকৃতির ওপর ভিত্তি করে এই স্বরধ্বনিগুলো নির্ধারিত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় মোট স্বরবর্ণ এগারোটি হলেও মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি।
- এই সাতটি মৌলিক স্বরধ্বনি হলো অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আম
ব্যাখ্যা: এখানে আ হলো একটি মৌলিক স্বরধ্বনি।
উদাহরণ ২: ইঁদুর
ব্যাখ্যা: এখানে ই হলো একটি মৌলিক স্বরধ্বনি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯টি — বাংলা মৌলিক স্বরধ্বনি নয় বরং এটি ভুল একটি সংখ্যা।
B) ১১টি — এটি বাংলা স্বরবর্ণের সংখ্যা, স্বরধ্বনি নয়।
D) ৫টি — এটি বাংলা স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ বা কার চিহ্নের সংখ্যা নয়, এটি একটি ভুল সংখ্যা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বর্ণ এগারোটি আর স্বরধ্বনি সাতটি এভাবে মনে রাখতে হবে।
- স্বরবর্ণ ও স্বরধ্বনির পার্থক্য পরিষ্কার রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বরবর্ণ ও স্বরধ্বনির পার্থক্য প্রায়ই আসে।
- মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি এই প্রশ্নটি ধ্বনিতত্ত্বের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
সঠিক উত্তর: C) opening
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী Would you mind Phrase-টির পর মূল verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়।
- তাই এখানে mind-এর পর open verb-টির সঙ্গে ing যুক্ত হয়ে opening সঠিক রূপ গঠন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) open — Would you mind-এর পর verb-এর বেস ফর্ম বসে না বিধায় এটি ভুল।
B) to open — Would you mind-এর পর infinitive (to + verb) ব্যবহার করা যায় না বিধায় এটি ভুল।
C) opening — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ mind-এর পর gerund (verb + ing) ব্যবহৃত হয়।
D) opened — Would you mind-এর পর verb-এর পাস্ট টেন্স বা পাস্ট পার্টিসিপল বসে না বিধায় এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Mind, worth, keep ইত্যাদি শব্দের পর সবসময় verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত করতে হয়।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: A) maintenance
কেন সঠিক:
- সঠিক বানানটিতে main শব্দের সাথে ten এবং ance প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
- শব্দটির প্রমিত বানান রূপ হলো maintenance এবং এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) maintenance — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ।
B) manitainnence — এই বানানটিতে অতিরিক্ত অক্ষর এবং ভুল গঠন রয়েছে।
C) maintinance — এই বানানে ট এর পর সঠিক স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের বিন্যাস নেই।
D) maintainance — এখানে maintain অংশের সাথে anance যুক্ত করা হয়েছে যা ভুল।
মনে রাখার টিপস:
main এর সাথে ten এবং ance যুক্ত করে maintenance বানানটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) Do or die
কেন সঠিক:
- এটি একটি Compound Sentence কারণ এখানে দুটি Independent Clause বা খণ্ডবাক্য 'Do' এবং 'die' একটি Coordinating Conjunction 'or' দ্বারা যুক্ত রয়েছে।
- Imperative Sentence-এর ক্ষেত্রে অনেক সময় subject উহ্য থাকে এবং মাঝখানে conjunction থাকলে তা Compound Sentence হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Look before you leap — এটি একটি Complex Sentence কারণ এতে 'before' Subordinating Conjunction যুক্ত একটি Dependent Clause রয়েছে।
B) A drowning man catches at a straw — এটি একটি Simple Sentence কারণ এতে একটিমাত্র Subject এবং একটি Finite Verb রয়েছে।
C) All's well that ends well — এটি একটি Complex Sentence কারণ এতে 'that' Relative Pronoun বা Subordinating Conjunction যুক্ত হয়ে দুটি ক্লজ গঠন করেছে।
D) Do or die — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা Coordinating Conjunction দ্বারা যুক্ত হয়ে Compound Sentence গঠন করেছে।
মনে রাখার টিপস:
And, but, or, yet, so ইত্যাদি coordinating conjunction দ্বারা দুটি স্বাধীন বাক্য যুক্ত থাকলে তা compound sentence হয়।
সঠিক উত্তর: D) an adjective
কেন সঠিক:
- 'barking' শব্দটি একটি participle যা noun 'dog'-এর ঠিক পূর্বে বসে সেটির দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে।
- participle যখন noun-এর পূর্বে বসে adjective-এর কাজ করে, তখন তাকে participial adjective বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a gerund — gerund হলো verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun-এর কাজ করে, কিন্তু এখানে এটি noun-এর কাজ করছে না বরং adjective-এর কাজ করছে।
B) an adverb — adverb সাধারণত verb, adjective বা অন্য adverb-কে modify করে, কিন্তু এখানে এটি dog নামক noun-কে modify করছে।
C) a verb — sentence-টিতে 'bites' হলো মূল verb, তাই 'barking' এখানে verb হিসেবে কাজ করছে না।
D) an adjective — এটি সঠিক উত্তর কারণ barking শব্দটি dog noun-টি সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে।
মনে রাখার টিপস:
noun-এর ঠিক পূর্বে বসে যদি ing যুক্ত verb কোনো বিশেষ অবস্থা বোঝায়, তবে তা adjective হয়।
সঠিক উত্তর: D) recently
কেন সঠিক:
- 'Of late' একটি ইংরেজি প্রবাদতুল্য ফ্রেজ বা বাগধারা, যার অর্থ হলো সম্প্রতি বা অল্প কিছুদিন আগে।
- এটি সাধারণত প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্সের বাক্যে সময় নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) long ago — এর অর্থ অনেক আগে, যা 'of late' ফ্রেজের সাম্প্রতিক সময়ের অর্থের বিপরীত।
B) occasionally — এর অর্থ মাঝে মাঝে বা কদাচিৎ, যা দিয়ে নিয়মিত নয় এমন কাজ বোঝায় কিন্তু সাম্প্রতিক সময় বোঝায় না।
C) long since — এর অর্থ অনেককাল আগে, যা দূরবর্তী অতীত নির্দেশ করে।
D) recently — এটি সঠিক উত্তরের বিকল্প রূপ হিসেবে ফ্রেজটির সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
'Of late' এবং 'Lately' উভয় শব্দের অর্থ একই অর্থাৎ সম্প্রতি, যা দিয়ে অতীতের কোনো কাজ এইমাত্র শেষ হয়েছে বা ইদানীং ঘটেছে বোঝায়।
সঠিক উত্তর: C) won't
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি এফারমেটিভ বা হ্যা-বোধক হওয়ায় এর ট্যাগ কোশ্চেনটি না-বোধক হবে।
- মূল বাক্যের সাহায্যকারী ভার্ব will এবং সাবজেক্ট you থাকায় সঠিক সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে won't ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) will — বাক্যটি হ্যা-বোধক হওয়ায় ট্যাগ কোশ্চেনটি না-বোধক হবে, তাই এটি সঠিক নয়।
B) not will — ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী উইল নটের সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে not will সরাসরি বসে না, won't বসাতে হয়।
C) won't — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ হ্যা-বোধক বাক্যের শেষে সঠিক নেগেটিভ ট্যাগ গঠন করেছে।
D) don't — মূল বাক্যে প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে মূল ভার্ব না থেকে auxiliary verb হিসেবে will রয়েছে, তাই don't ব্যবহার করা যাবে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্য হ্যা-বোধক হলে ট্যাগ কোশ্চেন না-বোধক হবে এবং will-এর নেগেটিভ রূপ হিসেবে won't ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) of
কেন সঠিক:
- Remind ভার্বটির পর কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বা স্মারক বোঝাতে উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে of ব্যবহৃত হয়।
- কাউকে কোনো কিছুর কথা মনে করিয়ে দিতে Remind someone of something গঠনটি সঠিক ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী মানসম্মত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) of — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি Remind ভার্বের সাথে এপ্রোপ্রিয়েট প্রিপজিশন হিসেবে বসে।
B) to — এই অপশনটি ভুল কারণ Remind-এর পর সাধারণত স্থান বা লক্ষ্যের দিকে বোঝাতে to বসে না।
C) on — এই অপশনটি ভুল কারণ কোনো নির্দিষ্ট দিন বা পৃষ্ঠার ওপর বোঝাতে on বসে, যা এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়।
D) about — যদিও কথ্য ভাষায় sometimes about শোনা যায়, তবে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাকরণে Remind-এর সাথে সঠিক এপ্রোপ্রিয়েট প্রিপজিশন হলো of।
মনে রাখার টিপস:
Remind-এর পর কোনো কিছু স্মরণ করিয়ে দেওয়া অর্থে সবসময় অবজেক্টের পরে of প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) You, he and I
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণ বাক্যে একাধিক ভিন্ন পুরুষের প্রোনাউন একসঙ্গে বসলে ক্রমানুসারে প্রথমে দ্বিতীয় পুরুষ (You), পরে তৃতীয় পুরুষ (He) এবং শেষে প্রথম পুরুষ (I) বসে।
- এই ক্রমটি মনে রাখার সাধারণ সূত্র হলো দুই, তিন, এক (২৩১)।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He, I and you — এখানে প্রোনাউনের সঠিক ক্রম (২৩১) অনুসরণ করা হয়নি, তাই এটি ভুল।
B) You, he and I — এটি প্রোনাউনের সঠিক ক্রম (২৩১) অনুযায়ী গঠিত হয়েছে এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
C) I, you and he — এখানে প্রথম পুরুষ প্রথমে আসায় এবং ক্রম ভুল থাকায় এটি সঠিক নয়।
D) He, you and I — এখানে তৃতীয় পুরুষ প্রথমে আসায় নিয়ম লঙ্ঘন হয়েছে, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণ বাক্য বা দোষ স্বীকার করা ছাড়া অন্য সব ক্ষেত্রে প্রোনাউনের ক্রম মনে রাখবে দুই, তিন, এক বা ২৩১ (You, he and I)।
সঠিক উত্তর: D) He know him to be honest
কেন সঠিক:
- Subject third person singular number হওয়ায় Present Indefinite Tense-এ মূল Verb-এর সাথে s বা es যুক্ত হওয়ার নিয়ম রয়েছে।
- প্রদত্ত বাক্যে Subject He হওয়ার পরে know-এর সাথে s যুক্ত না হয়ে know ব্যবহৃত হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I owed it to him to be honest — এখানে Subject I এবং Verb-এর সঠিক রূপ ব্যবহৃত হয়েছে, তাই বাক্যটি সঠিক।
B) I know that he is an honest man — এখানে Subject I-এর সাথে know এবং he-এর সাথে is সঠিকভাবেই ব্যবহৃত হয়েছে।
C) They know that he was honest — এখানে Subject They-এর সাথে know এবং Past Tense-এ was সঠিক নিয়মে বসেছে।
D) He know him to be honest — এখানে Subject He-এর সাথে know বসেছে, যা সঠিক নয় এবং সঠিক রূপ হবে knows।
মনে রাখার টিপস:
Subject third person singular number হলে Present Tense-এ Verb-এর শেষে s বা es যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) 13
কেন সঠিক:
- Baker's dozen একটি ইংরেজি প্রবাদপ্রতিম বাগধারা (idiom), যার অর্থ ১৩ টি বা তেরোটি।
- প্রাচীন ইংল্যান্ডে বেকারি ব্যবসায়ীরা রুটি বিক্রির সময় প্রতারণার অভিযোগ এড়াতে প্রতি ১২ টির সাথে অতিরিক্ত ১ টি রুটি ফ্রি দিতো, যা থেকে এই পরিমাপের প্রচলন হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 13 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বাগধারাটি ১২ টির সাথে ১ টি অতিরিক্ত যোগ করে মোট ১৩ টি বোঝায়।
B) 12 — এটি সাধারণ ডজন (Dozen) এর সংখ্যা, কিন্তু Baker's dozen বলতে অতিরিক্ত ১ টি সহ ১৩ টি বোঝায়।
C) 11 — এটি ১৩ বা ১২ এর কাছাকাছি একটি সংখ্যা হলেও Baker's dozen এর পরিমাণের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
D) 24 — এটি দুই ডজন বা Double dozen এর সংখ্যা, যা Baker's dozen এর পরিমাণের দ্বিগুণেরও বেশি।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণ ডজন মানে ১২ টি, আর তার সাথে বেকারদের উপহার স্বরূপ ১ টি রুটি যোগ করলে হয় Baker's dozen বা ১৩ টি।
সঠিক উত্তর: B) of
কেন সঠিক:
- Aware একটি adjective যার পরে সাধারণত নির্দিষ্ট preposition হিসেবে of বসে।
- Be aware of অর্থ হলো কোনো বিষয়ে সচেতন থাকা বা সতর্ক হওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) at — Aware শব্দের পরে সাধারণত at বসে না, এটি সঠিক collocation নয়।
B) of — এটি সঠিক উত্তর কারণ Aware এর সাথে সবসময় of ব্যবহৃত হয়।
C) about — বাংলা অর্থে সম্পর্কে মনে হলেও ইংরেজি ব্যাকরণে Aware এর সাথে about বসে না।
D) to — এটি লক্ষ্য বা গন্তব্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা Aware শব্দের সাথে যায় না।
মনে রাখার টিপস:
Aware শব্দের সাথে সবসময় of বসে, যেমন Aware of danger বা Be aware of lies.
সঠিক উত্তর: A) ought to obey
কেন সঠিক:
- এই অপশনে একটি মডাল অক্সিলিয়ারি ভার্ব (ought to) এবং একটি মূল ভার্ব (obey) মিলে একটি ভার্ব ফ্রেজ বা ক্রিয়াগুচ্ছ গঠন করেছে।
- এটি বাক্যে মূল ক্রিয়া হিসেবে কাজ করে কর্তা বা সাবজেক্টের কাজ বা অবস্থাকে প্রকাশ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ought to obey — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই।
B) with blank eyes — এটি একটি প্রিপজিশনাল ফ্রেজ, কারণ এটি প্রিপজিশন দিয়ে শুরু হয়ে নাউন ফ্রেজ পর্যন্ত বিস্তৃত।
C) at the point of — এটি একটি ফ্রেজ প্রিপজিশন, যা বাক্যে প্রিপজিশনের কাজ করে।
D) what a pity — এটি একটি ইন্টারজেকশন বা আবেগসূচক বাক্যংশ, যা মনের আবেগ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
মডাল অক্সিলিয়ারি এবং মূল ভার্বের সমন্বয় দেখলে সেটি সাধারণত ভার্ব ফ্রেজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) forgive
কেন সঠিক:
- 'pardon' শব্দের অর্থ হলো ক্ষমা করা বা মুক্তি দেওয়া।
- 'forgive' শব্দটির অর্থও একই অর্থাৎ ক্ষমা করা, তাই এটি এর সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) condemn — এর অর্থ হলো নিন্দা করা বা শাস্তি দেওয়া, যা ক্ষমা করার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) accuse — এর অর্থ হলো কাউকে অভিযুক্ত করা বা দোষারোপ করা, যা ক্ষমার সমার্থক নয়।
C) forgive — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল শব্দের সমার্থক হিসেবে কাজ করে।
D) convict — এর অর্থ হলো অপরাধী সাব্যস্ত করা, যা আইনি প্রক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত এবং ক্ষমার বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
Pardon এবং Forgive উভয় শব্দের অর্থই ক্ষমা করা। পি দিয়ে শুরু pardon মানে অপরাধ ক্ষমা করা আর এফ দিয়ে শুরু forgive মানে ভুল ক্ষমা করা।
সঠিক উত্তর: D) had
কেন সঠিক:
- I wish যুক্ত বাক্যের প্রেজেন্ট বা কাল্পনিক অতীতে অসম্ভব ইচ্ছার প্রকাশ ঘটাতে ব্র্যাকেটের ভেতরের মূল ভার্বের পাস্ট ফর্ম বা Past Indefinite Tense ব্যবহৃত হয়।
- এই নিয়ম অনুসারে Subject এর পরে মূল ভার্ব হিসেবে have এর পাস্ট ফর্ম had বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) have — বাক্যে I wish থাকার কারণে প্রেজেন্ট টেন্সের এই রূপটি এখানে সঠিক নয়।
B) shall have — এটি ভবিষ্যতের কাল্পনিক বা নিশ্চিত ঘটনা নির্দেশ করে যা I wish এর নিয়মের সাথে মেলে না।
C) have had — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় কাল্পনিক অতীত বা অপূরণীয় ইচ্ছা প্রকাশ করতে বসে না।
D) had — এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স নির্দেশ করায় নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়।
মনে রাখার টিপস:
I wish এর পরে বাক্য অসম্পূর্ণ বা কাল্পনিক বোঝালে verb এর পাস্ট ফর্ম অর্থাৎ had বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Phenomenon
কেন সঠিক:
- Phenomenon শব্দটির শেষে on আছে যা গ্রিক বা ল্যাটিন উৎসের শব্দের একবচন রূপ নির্দেশ করে।
- এর বহুবচন রূপ হলো Phenomena যার শেষে a যুক্ত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Phenomenon — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি singular number যার plural হলো phenomena।
B) lice — এটি louse শব্দের plural form বা বহুবচন, তাই এটি singular নয়।
C) mice — এটি mouse শব্দের plural form বা বহুবচন, তাই এটি singular নয়।
D) crises — এটি crisis শব্দের plural form বা বহুবচন, তাই এটি singular নয়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দের শেষে on থাকে (যেমন phenomenon) তা সাধারণত singular হয় এবং শেষের on উঠে গিয়ে a যুক্ত হলে (যেমন phenomena) তা plural হয়।
সঠিক উত্তর: D) mean
কেন সঠিক:
- 'noble' শব্দের অর্থ মহৎ, উন্নত বা অভিজাত।
- এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'mean', যার অর্থ নিচ, সংকীর্ণমনা বা তুচ্ছ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) grand — এটি 'noble' শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ মহাসমারোহ বা বিরাট।
B) dignified — এটিও 'noble' শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ মর্যাদাপূর্ণ।
C) elevated — এটি 'noble' শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ উচ্চ বা উন্নত।
D) mean — এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ, কারণ এর অর্থ নিচ বা হীন।
মনে রাখার টিপস:
মহৎ (noble) মানুষেরা কখনো নিচ (mean) মনের অধিকারী হন না।
সঠিক উত্তর: A) 16th December
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে পরাজিত করে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
- এই ঐতিহাসিক দিনটিকে স্মরণ করে প্রতি বছর বাংলাদেশে বিজয় দিবস পালন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 16th December — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে বাংলাদেশ বিজয় লাভ করে।
B) 14th December — এটি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস, বিজয় দিবস নয়।
C) 26th March — এটি আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস নয়।
D) 17th April — এটি ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস, বিজয় দিবস নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিজয় অর্জিত হয়েছিল ১৬ই ডিসেম্বরে, তাই ১৬ই ডিসেম্বর হলো বিজয় দিবস।
সঠিক উত্তর: A) are
কেন সঠিক:
- Adjective-এর পূর্বে definite article 'the' বসলে তা একটি নির্দিষ্ট শ্রেণীর সকল মানুষকে বোঝায় এবং তখন তা Plural Noun হিসেবে গণ্য হয়।
- Subject Plural হওয়ায় এর সাথে Plural Verb অর্থাৎ 'are' ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) are — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'The poor' বহুবচন হিসেবে গণ্য হয় এবং এর সাথে Plural Verb বসে।
B) is — এটি Singular Verb, তাই Plural Subject 'The poor'-এর সাথে এটি বসবে না।
C) were — এটি Past Tense, কিন্তু চিরন্তন সত্য বা সাধারণ স্বভাবের বাক্যে Present Tense ব্যবহৃত হয়।
D) has — এটি Singular Verb এবং Perfect Tense-এর সাহায্যকারী verb, যা এখানে গ্রামার অনুযায়ী সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
Adjective-এর আগে 'the' বসালে সাবজেক্ট Plural হয়ে যায়, তাই Verb-ও সবসময় Plural (যেমন- are) হবে।
সঠিক উত্তর: B) disease
কেন সঠিক:
- ইংরেজি বানানের নিয়ম অনুযায়ী শব্দটির সঠিক বানান হলো disease যার অর্থ রোগ বা ব্যধি।
- উচ্চারণ ও বানানের সঠিক মিলের জন্য এই বানানটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) desiase — এই বানানের শেষের অংশ ভুল কারণ সঠিক বানানে 'ea' এর পর 's' ব্যবহৃত হয় না।
B) disease — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এর বানান সম্পূর্ণ নির্ভুল।
C) desease — এই বানানের শুরুর অংশে 'de' এর পরিবর্তে 'di' হবে।
D) disese — এই বানানে মধ্যবর্তী স্বরবর্ণের বানান ভুল রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
disease বানানটি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারেন যে এর ভেতরে ease অংশটি যুক্ত থাকে।
সঠিক উত্তর: D) common
কেন সঠিক:
- 'River' শব্দটি নির্দিষ্ট কোনো একটি নদীকে না বুঝিয়ে পৃথিবীতে যত নদী আছে তাদের সকলের সাধারণ নাম বোঝায়।
- কোনো নির্দিষ্ট নাম না বুঝিয়ে সমজাতীয় সকলের সাধারণ নাম বোঝালে তাকে Common Noun বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) proper — নির্দিষ্ট কোনো নদী যেমন পদ্মা বা মেঘনাকে বোঝালে তা Proper Noun হতো, কিন্তু এখানে সাধারণ নাম বোঝানো হয়েছে।
B) abstract — নদী একটি বস্তুগত ও দৃশ্যমান সত্তা, তাই এটি কোনো গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম বা Abstract Noun হতে পারে না।
C) collective — একটি মাত্র নদী কোনো সমষ্টি বোঝায় না, তাই এটি Collective Noun নয়।
D) common — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'river' একটি সাধারণ নাম যা সমজাতীয় সব নদীকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
যে noun দ্বারা কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীর নির্দিষ্ট নাম না বুঝিয়ে একই শ্রেণীর সকলকে সাধারণভাবে বোঝায়, সেটাই Common Noun।
সঠিক উত্তর: C) ২০২৬
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরের চূড়ান্ত স্বীকৃতি লাভ করবে।
- করোনার কারণে দুই বছর সময় বাড়ানোর পর ২০২৬ সালের নভেম্বর মাসে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০২৪ — এই বছরে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার প্রাথমিক কথা থাকলেও মহামারীর কারণে সময়সীমা বাড়ানো হয়।
B) ২০২৮ — এটি ভুল সাল কারণ জাতিসংঘের নির্ধারিত চূড়ান্ত রূপান্তরের বছর এটি নয়।
D) ২০৩০ — এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্junের নির্ধারিত বছর, উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার স্বীকৃতি অর্জনের বছর নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পা রাখবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর পাঁচ বছর পর, অর্থাৎ ২০২৬ সালে।
সঠিক উত্তর: D) Critical Path Method
কেন সঠিক:
- CPM হলো প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টের একটি বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি, যার পূর্ণরূপ Critical Path Method।
- এটি কোনো প্রকল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘতম পথ নির্ধারণ করে সময় ও কাজ নিখুঁতভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Common Project Method — এটি প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টের কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা স্বীকৃত পদ্ধতি নয়।
B) Common Path Method — এই নামে কম্পিউটার বিজ্ঞান বা প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টে কোনো জনপ্রিয় পূর্ণরূপ নেই।
C) Critical Project Method — এটি সঠিক পরিভাষা নয়, সঠিক পরিভাষাটি হলো Critical Path Method।
D) Critical Path Method — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রজেক্ট শিডিউলিংয়ের একটি সর্বজনস্বীকৃত ও সঠিক প্রযুক্তিগত পরিভাষা।
মনে রাখার টিপস:
প্রজেক্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বা সংকটপূর্ণ পথ বোঝাতে Critical Path শব্দ দুটি ব্যবহার করা হয়, যার সংক্ষেপ হলো CPM।
সঠিক উত্তর: C) ১৫৩ টি
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মূল অনুচ্ছেদের সংখ্যা ঠিক ১৫৩ টি।
- সংবিধান প্রণীত হওয়ার পর থেকেই এই নির্দিষ্ট সংখ্যাটি কার্যকর রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৩৩ টি — এটি বাংলাদেশের সংবিধানের মোট অনুচ্ছেদ সংখ্যার সঙ্গে মেলে না এবং ভুল তথ্য।
B) ১৪৩ টি — এটি সংবিধানের অনুচ্ছেদ সংখ্যার সঠিক তথ্য নয়।
C) ১৫৩ টি — এটি সঠিক উত্তর এবং সংবিধਾਨে অনুচ্ছেদের নির্ধারিত সংখ্যা।
D) ১৫৩টি — এটি সঠিক উত্তরের অনুরূপ হলেও অপশনের বিন্যাসের কারণে সি অপশনটি মূল উত্তর হিসেবে গৃহীত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের সংবিধানের মোট অনুচ্ছেদ সংখ্যা মনে রাখতে ১৫৩ সংখ্যাটি মনে রাখুন।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ৮ মার্চ, ২০২০
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশে প্রথম তিন জন ব্যক্তির শরীরে কোভিড-১৯ ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার কথা ২০২০ সালের ৮ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)।
- বিশ্বজুড়ে মহামারী শুরুর পর বাংলাদেশে এটিই ছিল প্রথম সংক্রমণের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০ ডিসেম্বর, ২০১৯ — এই সময়ে চীনে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হলেও বাংলাদেশে কোনো রোগী পাওয়া যায়নি।
B) ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ — এটি বাংলাদেশে কোভিড-১৯ শনাক্তকরণের কোনো ঐতিহাসিক তারিখ নয়।
C) ১ এপ্রিল, ২০২০ — এটি বাংলাদেশে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পরের একটি সময়, প্রথম শনাক্তের তারিখ নয়।
D) ৮ মার্চ, ২০২০ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
আন্তর্জাতিক নারী দিবসে (৮ মার্চ) ২০২০ সালে বাংলাদেশে প্রথম করোনাক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) অর্থ সচিব
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের প্রচলিত মুদ্রা নীতি অনুযায়ী ১ ও ২ টাকার নোটে অর্থ সচিব স্বাক্ষর করেন।
- এটি সরকারের অভ্যন্তরীণ বা সরকারি মুদ্রা হিসেবে গণ্য হয় যা বাংলাদেশ ব্যাংক নয় বরং অর্থ মন্ত্রণালয় ইস্যু করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্থ সচিব — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের ১ ও ২ টাকার নোটে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে।
B) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর — এটি ভুল কারণ গভর্নর ৫ টাকা থেকে শুরু করে সমস্ত ব্যাংকনোটে স্বাক্ষর করেন।
C) অর্মন্ত্রী — এটি ভুল কারণ দেশের মুদ্রায় অর্থমন্ত্রীর স্বাক্ষর করার কোনো সাংবিধানিক নিয়ম নেই।
ডি) প্রধানমন্ত্রী — এটি ভুল কারণ সরকারপ্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী কোনো মুদ্রা বা নোটে স্বাক্ষর করেন না।
মনে রাখার টিপস:
কম অংকের কাগজী মুদ্রা অর্থাৎ ১ ও ২ টাকার নোটে সচিব স্বাক্ষর করেন এবং বাকি সব বড় নোটে গভর্নর স্বাক্ষর করেন।
সঠিক উত্তর: D) জেনেভা
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যা আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে।
- এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর।
B) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত।
C) হেগ — এটি নেদারল্যান্ডসের শহর এবং আন্তর্জাতিক আদালতের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত।
D) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর এবং সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
স্বাস্থ্য ভালো রাখতে জীবন জেনেভায় কাটাতে হয়, এভাবে মনে রাখতে পারেন ডব্লিউএইচও এর সদর দপ্তর জেনেভায়।
সঠিক উত্তর: B) আরাকান
কেন সঠিক:
- বর্তমান মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের ঐতিহাসিক ও প্রাচীন নাম ছিল আরাকান।
- ব্রিটিশ আমল এবং এর পূর্বে এই অঞ্চলটি স্বাধীন ও স্বতন্ত্র আরাকান রাজ্য হিসেবে পরিচিত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রেঙ্গুন — এটি মিয়ানমারের বর্তমান বৃহত্তম শহর ইয়াঙ্গুনের ঐতিহাসিক নাম, রাখাইনের নাম নয়।
B) আরাকান — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং রাখাইন রাজ্যের ঐতিহাসিক নাম।
C) কাচিন — এটি মিয়ানমারের উত্তর দিকের একটি পাহাড়ি রাজ্য বা প্রদেশের নাম।
D) শান — এটি মিয়ানমারের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য যা থাইল্যান্ড সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
রাখাইন রাজ্যের প্রাচীন নাম মনে রাখতে 'র' দিয়ে রাখাইন এবং 'আ' দিয়ে আরাকান, এভাবে 'র-আ' ছন্দ মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) ৪১টি
কেন সঠিক:
- পদ্মা সেতুতে মোট ৪১টি স্প্যান বা ইস্পাতের কাঠামো বসানো হয়েছে, যার মাধ্যমে পুরো সেতুটি দৃশ্যমান হয়।
- ৪১টি স্প্যানের ওপর ৪২টি পিয়ার বা খুঁটি নির্মিত হয়েছে এবং প্রতিটি স্প্যানের দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩৯ টি — এটি পদ্মা সেতুর মোট স্প্যানের সঠিক সংখ্যা নয়, কারণ সেতুটি সম্পূর্ণ করতে আরও বেশি স্প্যান লেগেছে।
B) ৪০টি — এটি সঠিক উত্তরের চেয়ে কম এবং এর মাধ্যমে সেতুর পুরো দৈর্ঘ্য সম্পূর্ণ হয় না।
C) ৪১টি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত এবং এর মাধ্যমেই সব স্প্যান বসানো সম্পন্ন হয়েছে।
D) ৪২টি — এটি পদ্মা সেতুর স্প্যান সংখ্যা নয়, বরং এটি সেতুটির মোট পিয়ার বা খুঁটির সংখ্যা।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা সেতুতে খুঁটি বা পিয়ার হলো বিয়াল্লিশটি আর তার ওপর বসা স্প্যান হলো একচল্লিশটি।
সঠিক উত্তর: C) অস্ট্রেলিয়া
কেন সঠিক:
- উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন।
- তিনি একমাত্র বিদেশী নাগরিক যিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক এই খেতাব অর্জন করেছেন এবং তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত — ভারত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হলেও ওডারল্যান্ড এই দেশের নাগরিক ছিলেন না।
B) যুক্তরাজ্য — উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড যুক্তরাজ্য বা ব্রিটিশ নাগরিক ছিলেন না।
C) অস্ট্রেলিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) জাপান — উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড জাপান বা জাপানি নাগরিক ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
বিদেশী বীর প্রতীক ওডারল্যান্ডের দেশ মনে রাখতে অ দিয়ে অস্ট্রেলিয়া এবং অ দিয়ে একমাত্র বিদেশী এই মিল মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: D) ৫টি
কেন সঠিক:
- ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ টুর্নামেন্টে মোট পাঁচটি দল অংশ নিয়েছিল।
- দলগুলো হলো জেমকন খুলনা, গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম, ফরচুন বরিশাল, মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী এবং বেক্সিমকো ঢাকা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬টি — এই টুর্নামেন্টে ছয়টি দল অংশ নেয়নি, সঠিক সংখ্যাটি পাঁচ।
B) ৭টি — বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে সাধারণত সাতটি দল খেললেও এই টুর্নামেন্টে তা ছিল না।
সি) ৪টি — চারষষ্টি বা অন্য কোনো কম দল নয়, টুর্নামেন্টের দল সংখ্যা ছিল পাঁচ।
ডি) ৫টি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং টুর্নামেন্টে দল সংখ্যা পাঁচটিই ছিল।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ টুর্নামেন্টের নামের শেষ অক্ষর ও দলের সংখ্যা মনে রাখতে পারেন এভাবে যে, টুর্নামেন্টে দল ছিল হাতের পাঁচ আঙুলের সমান অর্থাৎ পাঁচটি।
সঠিক উত্তর: C) ইলা মিত্র
কেন সঠিক:
- ইলা মিত্র তেভাগা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেত্রী ছিলেন যিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে কৃষকদের সংগঠিত করেছিলেন।
- ১৯৫০ সালে নাচোল কৃষক বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে তিনি ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রীতিলতা ওয়াদ্দার — তিনি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের বীর সেনানী এবং ইউরোপীয় ক্লাব আক্রমণ অভিযազের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
B) লক্ষ্মীরানী — তিনি নাচোল বিদ্রোহের সাথে যুক্ত কোনো প্রধান ঐতিহাসিক নেত্রী নন।
C) ইলা মিত্র — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায় — তিনি ব্রিটিশ ভারতের প্রথম দুই নারী গ্র্যাজুয়েট ও চিকিৎসকদের মধ্যে একজন, নাচোল বিদ্রোহের সাথে সম্পর্কিত নন।
মনে রাখার টিপস:
নাচোল বিদ্রোহ মানেই ইলা মিত্র, যিনি তেভাগা আন্দোলনের সাথেও গভীরভাবে যুক্ত ছিলেন।
সঠিক উত্তর: B) বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী
কেন সঠিক:
- ২০২০ সালে যুদ্ধপীড়িত অঞ্চলে ক্ষুধা নিবারণ এবং শান্তির পরিবেশ তৈরিতে অবদানের জন্য বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচীকে (WFP) শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।
- এটি জাতিসংঘের একটি শাখা যা বিশ্বজুড়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও ক্ষুধা দূর করতে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউনেস্কো — এটি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসারে কাজ করে, ২০২০ সালের শান্তিতে নোবেল পায়নি।
B) বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
C) নিরাপত্তা পরিষদ — এটি জাতিসংঘের একটি মূল অঙ্গসংগঠন যা আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষা করে, তবে ২০২০ সালে নোবেল পায়নি।
D) ইউনিসেফ — এটি শিশুদের অধিকার ও কল্যাণ নিয়ে কাজ করে, তবে ২০২০ সালে শান্তিতে নোবেল লাভ করেনি।
মনে রাখার টিপস:
করোনাকালে মানুষের পেটে খাবার জোগাতে অবদান রাখার জন্য বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী নোবেল পায়, কারণ ক্ষুধা দূর করলেই শান্তি আসে।
সঠিক উত্তর: A) ১৯২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি
কেন সঠিক:
- ১৯২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথমবার আগমন করেন এবং মুসলিম হল প্রাঙ্গণে তাঁর প্রথম বক্তৃতা প্রদান করেন।
- তাঁর এই ঐতিহাসিক আগমন ও বক্তৃতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি — এই তারিখে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর প্রথম ঐতিহাসিক বক্তৃতা প্রদান করেন।
B) ১৯২৬ সালের ১০ এপ্রিল — এই তারিখটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম বক্তৃতা প্রদানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ১৯৩০ সালের ১০ মে — এই সাল ও তারিখটি এই ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে মেলে না।
D) ১৯৩২ সালের ১০ আগস্ট — এই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর প্রথম বক্তৃতা দেওয়ার কোনো ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই।
মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম আগমন ও বক্তৃতা দেওয়ার সালটি হলো ১৯২৬ এবং মাসটি হলো ফেব্রুয়ারি।
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা
কেন সঠিক:
- ক্র্যাক প্লাটুন ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে ঢাকা শহরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা আক্রমণে অংশ নেয়।
- এই বিশেষ দলটির নেতৃত্বে ছিলেন শহীদুল্লাহ কায়সার এবং খালেদ মোশাররফসহ অন্যান্য বিশিষ্ট সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তিবর্গ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম সেক্টরে অন্যান্য নিয়মিত ও অনিয়মিত মুক্তিবাহিনী এবং এম আর চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল, ক্র্যাক প্লাটুন এখানে সক্রিয় ছিল না।
B) খুলনা — খুলনা অঞ্চলে সুন্দরবন ভিত্তিক সুন্দরবন সাব-সেক্টর ও নৌ-কম্যান্ডোরা তৎপর ছিল, ক্র্যাক প্লাটুন এই শহরে ছিল না।
C) ঢাকা — এই অপশনটি সঠিক, কারণ ক্র্যাক প্লাটুন মূলত ঢাকা শহরের ভেতরে বিভিন্ন দুঃসাহসিক গেরিলা অপারেশন পরিচালনা করত।
D) বরিশাল — বরিশাল অঞ্চলে হেমায়েত বাহিনীর নেতৃত্বে এবং মেজর জলিলের পরিচালনায় মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছিল, ক্র্যাক প্লাটুন এখানে সক্রিয় ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
ক্র্যাক প্লাটুন মানেই ঢাকার রাজপথে গেরিলা হামলা; এটি মনে রাখতে ঢাকা শহরের নামটির সাথে ক্র্যাক প্লাটুনের শহুরে গেরিলা যুদ্ধের ইতিহাস যুক্ত করে পড়বেন।
সঠিক উত্তর: A) অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা-কোভিশিল্ড
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকারের টিকাদান কর্মসূচির শুরুতে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট উৎপাদিত অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন প্রথম ব্যবহার করা হয়।
- ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে এই টিকার প্রথম চালান বাংলাদেশে আসে এবং ২৭ জানুয়ারি পরীক্ষামূলকভাবে টিকাদান শুরু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা-কোভিশিল্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশে সর্বপ্রথম এই ভ্যাকসিন দিয়েই টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।
B) সিনোভ্যাক্সের করোনাভ্যাক — এটি পরবর্তীতে চীনের সহায়তায় বাংলাদেশে ব্যবহারের অনুমোদন পায় এবং ব্যবহৃত হয়, যা প্রথম ব্যবহারের সঠিক উত্তর নয়।
C) ফাইজারের বায়োএনটেক — এটি বাংলাদেশ পরে কোভ্যাক্স সুবিধার আওতায় উপহার ও ক্রয়ের মাধ্যমে পাওয়া শুরু করে, যা প্রথম ব্যবহৃত ভ্যাকসিন নয়।
D) জনসন এন্ড জনসন-জনসেন — এই একক ডোজের টিকাটি বাংলাদেশে অনেক পরে আপৎকালীন ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত ও সরবরাহ করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশে প্রথম করোনা টিকা হিসেবে 'কোভিশিল্ড' (অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা) ব্যবহৃত হয়, যা ভারত থেকে আমদানি করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) বরেন্দ্র
কেন সঠিক:
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর ১৯১০ সালে রাজশাহীতে প্রতিষ্ঠিত হয় যা বাংলাদেশের তথা সমগ্র অঞ্চলের প্রাচীনতম জাদুঘর।
- এটি মূলত ঐতিহাসিক নিদর্শন ও প্রাচীন প্রত্নতত্ত্ব সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — ঢাকা জাদুঘর অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর বরেন্দ্র জাদুঘরের পরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
C) সিলেট — সিলেটে প্রাচীন জাদুঘর হিসেবে বরেন্দ্র জাদুঘরের মতো এত পুরনো বা প্রথম প্রতিষ্ঠিত কোনো খ্যাতিমান জাদুঘর নেই।
D) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রামে ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর থাকলেও তা বাংলাদেশের সর্বপ্রথম জাদুঘর নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর হলো বরেন্দ্র, যা রাজশাহীতে অবস্থিত এবং এটি ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) লাহোর
কেন সঠিক:
- ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই কনভেনশনেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ ও ঘোষণা করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইসলামাবাদ — এটি পাকিস্তানের বর্তমান রাজধানী হলেও এখানে ছয় দফা ঘোষণা করা হয়নি।
B) ঢাকা — ছয় দফা উত্থাপনের পর ঢাকায় এর পক্ষে প্রচার চালানো হয় এবং পরবর্তীতে প্রস্তাব গৃহীত হয়।
D) করাচী — এটি পাকিস্তানের একটি প্রধান শহর এবং বন্দর হলেও এখানে ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণা করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
ছয় দফা ঘোষণা করা হয়েছিল সুদূর পশ্চিম পাকিস্তানের লাহোর শহরে, যেখানে পাকিস্তান প্রস্তাব পাস হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) Malleability
১. কেন সঠিক:
ধাতুর নমনীয়তা বা পিটিয়ে পাত করার ধর্মকে ম্যালেবিলিটি বলা হয়।
এই গুণের কারণে ধাতুকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে বা রোলার চালিয়ে খুব সহজেই পাতলা চাদর বা পাতে পরিণত করা যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ধাতুর পরমাণুগুলোর বিশেষ বিন্যাস এবং ধাতব বন্ধনের কারণে পরমাণুর স্তরগুলো একে অপরের ওপর পিছলে সরে যেতে পারে।
কার্যপ্রণালি: বল প্রয়োগ করলে ধাতুর পরমাণুগুলো ভেঙে যায় না, বরং স্থান পরিবর্তন করে নতুন অবস্থানে সাম্যাবস্থা অর্জন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সোনা ও রুপা অত্যন্ত নমনীয় ধাতু হওয়ায় এগুলো দিয়ে খুব সহজেই অত্যন্ত পাতলা ورق বা গহনা তৈরি করা যায়।
ব্যাখ্যা: এই ধাতুগুলোর পারমাণবিক গঠন বল প্রয়োগের পরও ভেঙে না গিয়ে সহজে আকার পরিবর্তন করতে পারে।
উদাহরণ ২: অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল বা পাত যা রান্নার কাজে বা খাবার মোড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: অ্যালুমিনিয়ামের ম্যালেবিলিটি গুণের জন্যই একে পিটিয়ে খুব পাতলা কাগজে রূপান্তর করা সম্ভব হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Ductility — এটি ধাতুর তারে পরিণত করার ধর্ম বা নমনীয়তা, যা পাতের রূপান্তর থেকে আলাদা।
B) Brittleness — এটি ভঙ্গুরতার বৈশিষ্ট্য, যা বল প্রয়োগ করলে ধাতু ভেঙে গুঁড়ো হয়ে যায়, যেমন অধাতু বা কাঁচ।
C) Malleability — এটি সঠিক উত্তর যা ধাতুকে পিটিয়ে পাত করার ধর্ম নির্দেশ করে।
D) Toughness — এটি পদার্থের ঘাত সহনশীলতা বা আঘাত সহ্য করার ক্ষমতা, যা আকृति পরিবর্তনের নির্দিষ্ট ধর্ম নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ম্যালেবিলিটি শব্দের সঙ্গে পাত বা মেটাল শিটের সম্পর্ক মনে রাখবে।
ডাকটিলিটি শব্দটির সঙ্গে তার বা ড্রিল করার ধারণার মিল রেখে তার টানার ধর্ম মনে রাখবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সবচেয়ে বেশি নমনীয় ধাতু হলো সোনা।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন ধর্মের কারণে ধাতুকে টেনে তারে রূপান্তর করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) Blast furnace
১. কেন সঠিক:
- কাস্ট আয়রন বা কাঁচা লোহা সরাসরি ব্লাস্ট ফার্নেসে উৎপাদিত হয় না, তবে ব্লাস্ট ফার্নেস থেকে প্রাপ্ত পিগ আয়রন বা কাঁচা লোহাকে গলিয়ে কাস্ট আয়রন তৈরি করা হয়।
- ব্লাস্ট ফার্নেসে আকরিক লোহা, কোক এবং চুনাপাথর গলিয়ে গলিত লোহা বা পিগ আয়রন প্রস্তুত করা হয়, যা পরবর্তীতে কাস্ট আয়রন তৈরিতে মূল কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: আকরিক থেকে ধাতু নিষ্কাশনের জন্য যে বিশেষ চুল্লি ব্যবহার করা হয় তাকে ব্লাস্ট ফার্নেস বা কার্পাস চুল্লি বলা হয়।
- কার্যপ্রণালি: এই চুল্লিতে উচ্চ তাপমাত্রায় কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস ব্যবহার করে আয়রন অক্সাইডকে বিজারিত করে লোহা নিষ্কাশন করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রান্নার কড়াই বা ভারী পাইপ তৈরিতে কাস্ট আয়রন ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: কাস্ট আয়রনের ওপর চাপ সহ্য করার ক্ষমতা বেশি থাকায় এটি শিল্প কারখানায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: মোটর গাড়ির ইঞ্জিন ব্লক তৈরিতে কাস্ট আয়রন ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি সহজে ক্ষয় হয় না এবং উচ্চ তাপেও এর আকৃতি ঠিক থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Bessemer Converter — এটি মূলত ইস্পাত বা স্টিল উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে পিগ আয়রন থেকে অতিরিক্ত কার্বন দূর করা হয়।
B) Cupola furnace — এটি ছোট চুল্লি যা সাধারণত ঢালাই লোহা বা কাস্ট আয়রনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ তৈরির গলানোর কাজে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি কাঁচামাল উৎপাদনে নয়।
C) Open hearth furnace — এটি উচ্চমানের স্টিল বা ইস্পাত উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত একটি প্রচলিত পদ্ধতি।
D) Blast furnace — এটি সঠিক উত্তর কারণ লোহা নিষ্কাশনের প্রাথমিক প্রক্রিয়ায় ব্লাস্ট ফার্নেস অপরিহার্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
- লোহা তৈরির শুরুর চুল্লি হলো ব্লাস্ট ফার্নেস।
- কাস্ট আয়রনে কার্বনের পরিমাণ প্রায় দুই থেকে চার শতাংশ পর্যন্ত থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় লোহা ও ইস্পাত উৎপাদন প্রক্রিয়া থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- পিগ আয়রনে কার্বনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে এবং মেইন আকরিক হলো হেমাটাইট।
সঠিক উত্তর: C) ১.০৩৩ কেজি/সে. মি.
১. কেন সঠিক:
বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের নির্দিষ্ট ভরের কারণে তার ঠিক নিচের একক ক্ষেত্রফলের ওপর প্রযুক্ত বল। প্রমাণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হলো সমুদ্রপৃষ্ঠে পারদ স্তম্ভের উচ্চতার সাহায্যে নির্ধারিত চাপ।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: প্রমাণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হলো ৭৬ সেন্টিমিটার উচ্চতাবিশিষ্ট পারদ স্তম্ভের চাপ।
হিসাব: পারদের ঘনত্ব ১৩.৫৯ গ্রাম প্রতি ঘনসেন্টিমিটার এবং অভিকর্ষজ ত্বরণ ৯৮০ সেন্টিমিটার প্রতি বর্গসেকেন্ড ধরলে চাপ হয় প্রায় ১.০৩৩ কিলোগ্রাম প্রতি বর্গসেন্টিমিটার।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমুদ্রপৃষ্ঠে মানুষের শরীরের ওপর প্রতি বর্গসেন্টিমিটারে প্রায় ১.০৩৩ কিলোগ্রাম বায়ুর চাপ থাকে।
ব্যাখ্যা: মানবদেহ এই অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক চাপের ভারসাম্য বজায় রাখতে পারে কারণ আমাদের শরীরের ভেতরেও তরল পদার্থ সমান বিপরীতমুখী চাপ প্রয়োগ করে।
উদাহরণ ২: সাইকেলের চাকায় পাম্প করার সময় অতিরিক্ত বাতাস প্রবেশ করানোর ফলে ভেতরে চাপ বৃদ্ধি পায়।
ব্যাখ্যা: এটি বায়ুমণ্ডলীয় চাপের চেয়ে বেশি চাপ প্রয়োগ করে টায়ারকে শক্ত রাখে এবং বাহ্যিক ওজন বহন করতে সহায়তা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৪.৭ কেজি/সে. মি. — এটি ব্রিটিশ এককে প্রতি বর্গইঞ্চিতে পাউন্ড এককে বায়ুমণ্ডলীয় চাপের মান (১৪.৭ পাউন্ড প্রতি বর্গইঞ্চ)।
B) ১.০৩৩ কেজি/মি. — এটি মিটার এককে ভুল একক নির্দেশ করে কারণ ক্ষেত্রফল বর্গমিটারে প্রকাশ করা উচিত ছিল।
C) ১.০৩৩ কেজি/সে. মি. — এটি সঠিক বৈজ্ঞানিক মান যা প্রতি বর্গসেন্টিমিটারে কিলোগ্রাম এককে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ প্রকাশ করে।
D) ১ কেজি/মি. — এটি কোনো প্রমিত বায়ুমণ্ডলীয় চাপের মান নয় এবং এর এককও ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
বায়ুমণ্ডলীয় চাপের মেট্রিক মান মনে রাখার জন্য সংখ্যাটি ১.০৩৩ এবং একক হলো কেজি প্রতি বর্গসেকেন্ড সেন্টিমিটার মনে রাখবে। ব্রিটিশ এককের ১৪.৭ এর সাথে মেট্রিক এককের ১.০৩৩ এর পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সমুদ্রপৃষ্ঠে প্রমাণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পারদ স্তম্ভের মাপে ৭৬ সেন্টিমিটার বা ৭৬০ মিলিমিটার। এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় একক রূপান্তর বা মান নির্ণয়ের জন্য প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) Platinum
১. কেন সঠিক:
- প্লাটিনামের নমনীয়তা বা ডাক্টিলিটি সবচেয়ে বেশি, যার ফলে এটি থেকে অত্যন্ত সূক্ষ্ম তার তৈরি করা সম্ভব।
- ধাতুর এই বিশেষ ধর্মের কারণে সামান্য পরিমাণে প্লাটিনাম দিয়ে অনেক লম্বা তার টেনে বের করা যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ডাক্টিলিটি হলো ধাতুর এমন একটি যান্ত্রিক ধর্ম, যার বলে ধাতুকে টেনে কোনো ভাঙন ছাড়া সরু তারে পরিণত করা যায়।
- কার্যপ্রণালি: ধাতুর পরমাণুগুলোর ভেতরে ধাতব বন্ধন এমনভাবে কাজ করে যে বল প্রয়োগ করলে স্তরগুলো একে অপরের ওপর পিছলে যায় কিন্তু ভেঙে যায় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটিমাত্র গ্রাম ওজনের প্লাটিনাম থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ তার তৈরি করা যায়।
ব্যাখ্যা: এটি প্লাটিনামের অত্যন্ত উচ্চ ডাক্টিলিটির সবচেয়ে বড় ও পরীক্ষিত প্রমাণ।
উদাহরণ ২: স্বর্ণালংকার তৈরিতে স্বর্ণের সঙ্গে সামান্য তামা বা লোহা মেশানো হয়।
ব্যাখ্যা: খাঁটি সোনা খুব নমনীয় হওয়ায় তা দিয়ে শক্ত গহনা তৈরি করতে সমস্যা হয়, তাই সংকর ধাতু ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mild Steel — মাইল্ড স্টিল বা মৃদু ইস্পাত নির্মাণকাজে ব্যবহৃত হয় এবং এর নমনীয়তা প্লাটিনামের মতো সর্বোচ্চ স্তরের নয়।
B) Copper — তামা অত্যন্ত নমনীয় এবং বিদ্যুৎ পরিবাহী হলেও ডাক্টিলিটির দিক থেকে এটি প্লাটিনামের পরে অবস্থান করে।
C) Platinum — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর প্রসারন ক্ষমতা এবং ডাক্টিলিটি সব ধাতুর মধ্যে সবচেয়ে বেশি।
D) Aluminum — অ্যালুমিনিয়াম হালকা ও নরম ধাতু হলেও এর ডাক্টিলিটি প্লাটিনামের তুলনায় কম।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সবচেয়ে সূক্ষ্ম কাজ ও গহনার ক্ষেত্রে প্লাটিনাম ব্যবহৃত হয়, তাই সর্বোচ্চ ডাক্টিলিটির প্রশ্নে প্লাটিনাম উত্তর হবে।
- ডাক্টিলিটি মানে তার টানার ক্ষমতা, আর সোনা ও প্লাটিনাম এক্ষেত্রে সবার ওপরে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ধাতুগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নমনীয় বা ডাক্টিল ধাতু হলো সোনা এবং প্লাটিনাম।
- একই ধারণা থেকে পরীক্ষায় আসতে পারে কোন ধাতুর ম্যালিয়েবিলিটি বা পিটিয়ে পাত করার ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
সঠিক উত্তর: B) ইভাপোরেটরে
১. কেন সঠিক:
- হিমায়ন চক্রের ইভাপোরেটর অংশে তরল হিমায়ক চারপাশ থেকে সুপ্ততাপ শোষণ করে বাষ্পে পরিণত হয়।
- এর ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার তাপমাত্রা হ্রাস পায় এবং শীতলীকরণের মূল প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র অনুসারে তাপ সর্বদা উষ্ণ বস্তু থেকে শীতল বস্তুর দিকে প্রবাহিত হয় এবং তরল বাষ্পীভূত হওয়ার সময় পরিবেশ থেকে সুপ্ততাপ গ্রহণ করে।
- কার্যপ্রণালি: নিম্নচাপের তরল হিমায়ক ইভাপোরেটরে প্রবেশ করার পর চারপাশের বাতাস বা বস্তুর থেকে তাপ শোষণ করে তা ফুটতে ও বাষ্পীভূত হতে শুরু করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: রেফ্রিজারেটর বা এয়ার কন্ডিশনারের ভেতরের অংশ ঠান্ডা রাখতে এই ইভাপোরেটর কয়েল ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রেফ্রিজারেটরের ভেতরের তাকগুলো ঠান্ডা রাখা।
ব্যাখ্যা: ইভাপোরেটর কয়েল ভেতরের খাবার ও বাতাস থেকে তাপ টেনে নেয় বলে ভেতরের তাপমাত্রা কমে যায়।
উদাহরণ ২: এয়ার কন্ডিশনার বা এসি চালুর পর ঘর ঠান্ডা হওয়া।
ব্যাখ্যা: এসি-র ভেতরের ইভাপোরেটর ঘরের গরম বাতাস থেকে তাপ শোষণ করে বাইরে পাঠিয়ে দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কন্ডেন্সারে — এটি হিমায়কের বর্জ্য তাপ বাইরে পরিবেশে বর্জন করে, তাপ শোষণ করে না।
B) ইভাপোরেটরে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি তাপ শোষণ করে বাষ্পীভূত হয়।
C) কম্প্রেসরে — এটি হিমায়ক বাষ্পের চাপ ও তাপমাত্রা বৃদ্ধি করার কাজ করে।
D) থ্রোটল ভালভে — এটি উচ্চচাপের তরল হিমায়কের চাপ কমিয়ে ইভাপোরেটরে প্রবেশের পথ তৈরি করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইভাপোরেটর মানেই এভাপোরেশন বা বাষ্পীভবন, যা ঘটাতে তাপ শোষণ করতে হয়।
- রেফ্রিজারেটরের ভেতরে তাপ শোষিত হয় এবং বাইরে কন্ডেন্সারে তাপ বর্জিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- হিমায়ন চক্রে কোন অংশ তাপ বর্জন করে তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে, যার উত্তর কন্ডেন্সার।
- ইভাপোরেটরের মূল কাজ তাপ শোষণ করা এবং কন্ডেন্সরের মূল কাজ তাপ বর্জন করা।
সঠিক উত্তর: B) Elastomer
১. কেন সঠিক:
রাবার এমন একটি পলিমার যা বল প্রয়োগ করলে দীর্ঘায়িত হয় এবং বল সরিয়ে নিলে আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে।
এই বিশেষ ধরনের স্থিতিস্থাপকতা থাকার কারণে রাবারকে বৈজ্ঞানিক ভাষায় ইলাস্টোমার বলা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ইলাস্টোমার হলো এমন পলিমার যার অত্যন্ত উচ্চ মাত্রার স্থিতিস্থাপকতা বা রাবারের মতো বৈশিষ্ট্য থাকে।
কার্যপ্রণালি: এর আণবিক গঠন কুন্ডলী পাকানো অবস্থায় থাকে যা টানের ফলে সোজা হয় এবং বল মুক্ত করলে পূর্বের আকৃতি ধারণ করে।
বাস্তব প্রয়োগ: গাড়ির টায়ার, রাবার ব্যান্ড এবং বিভিন্ন সিল তৈরিতে ইলাস্টোমার ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাড়ির টায়ার
ব্যাখ্যা: টায়ার তৈরির সময় ইলাস্টোমার বা রাবার ব্যবহার করা হয় যা রাস্তার ধাক্কা সহ্য করে এবং দ্রুত পূর্বের রূপ ফিরে পায়।
উদাহরণ ২: রাবার ব্যান্ড
ব্যাখ্যা: রাবার ব্যান্ড টেনে লম্বা করা যায় এবং ছেড়ে দিলে আবার ছোট হয়ে যায় যা ইলাস্টোমারের মূল বৈশিষ্ট্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Plastomer — এটি এমন পলিমার যা তাপ প্রয়োগে নরম হয় এবং প্লাস্টিকের মতো স্থায়ীভাবে আকার পরিবর্তন করে।
B) Elastomer — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রাবারের স্থিতিস্থাপক ধর্ম নির্দেশ করে।
C) Resin — এটি এক ধরনের সান্দ্র পদার্থ যা মূলত আঠা বা প্রলেপ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
D) Soft Plastic — এটি নমনীয় প্লাস্টিক বোঝায় কিন্তু রাবারের মতো সম্পূর্ণ স্থিতিস্থাপক পলিমার নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইলাস্টিক শব্দটির সঙ্গে মিল রেখে রাবারের অপর নাম ইলাস্টোমার মনে রাখা সহজ।
টেনে লম্বা করা যায় এমন পদার্থই ইলাস্টোমার হিসেবে পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পলিমারের স্থিতিস্থাপক রূপটি ইলাস্টোমার নামে পরিচিত যা BCS পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
ইলাস্টোমার এবং থার্মোপ্লাস্টিক এর মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কিত প্রশ্নও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দেখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) Blue Ray Disk
১. কেন সঠিক:
- ব্লু-রে ডিস্ক বা Blu-ray Disk অপটিক্যাল স্টোরেজ প্রযুক্তির অন্যতম উন্নত সংস্করণ যেখানে অতিবেগুনি লেজার রশ্মি ব্যবহার করে অত্যন্ত ঘনত্বের ডেটা সংরক্ষণ করা হয়।
- ডিভিডির তুলনায় এর ধারণক্ষমতা বহুগুণ বেশি হওয়ায় এটি সহজেই উচ্চ রেজুলেশনের ভিডিও এবং বড় আকারের ফাইল সংরক্ষণ করতে পারে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ব্লু-রে ডিস্ক হলো একটি উচ্চ-ঘনত্বের অপটিক্যাল ডিস্ক ফরম্যাট যা মূলত হাই-ডেফিনিশন ভিডিও এবং বিশাল আকারের ডেটা সংরক্ষণের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
- কার্যপদ্ধতি: এটি ডেটা পড়তে এবং লিখতে নীল-বেগুনি রঙের লেজার রশ্মি ব্যবহার করে, যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য সিডি বা ডিভিডির লাল লেজারের চেয়ে ছোট হওয়ায় অনেক সূক্ষ্ম পিট বা খাঁজ তৈরি করা সম্ভব হয়।
- বৈশিষ্ট্য: এর স্ট্যান্ডার্ড ধারণক্ষমতা একক স্তরে ২৫ গিগাবাইট এবং দ্বৈত স্তরে ৫০ গিগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ব্যবহার: আধুনিক হোম থিয়েটার সিস্টেম, প্লেস্টেশন বা এক্সবক্সের মতো গেমিং কনসোল এবং উচ্চমানের সিনেমা সংরক্ষণে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি সাধারণ ডিভিডিতে সাধারণত ৪.৭ গিগাবাইট ডেটা রাখা যায়, যেখানে একটি একক স্তরের ব্লু-রে ডিস্কে ২৫ গিগাবাইট পর্যন্ত ডেটা সংরক্ষণ করা সম্ভব।
ব্যাখ্যা: এই বিশাল ধারণক্ষমতার পার্থক্যের কারণেই ব্লু-রে ডিস্কে সম্পূর্ণ একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য থ্রিডি বা ফোরকে মুভি সহজে রাখা যায় যা ডিভিডিতে সম্ভব নয়।
উদাহরণ ২: প্লেস্টেশন ফাইভে গেম খেলার সময় বিশাল আকারের আধুনিক গেমের ডেটা ব্লু-রে ডিস্কের মাধ্যমে রিড করা হয়।
ব্যাখ্যা: গেমের গ্রাফিক্স ও অডিওর মান এতটাই উন্নত হয় যে তা সাধারণ অপটিক্যাল ডিস্কে কুলায় না, তাই ব্লু-রে প্রযুক্তির প্রয়োজন হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) CD Rom — সিডি রম বা কম্প্যাক্ট ডিস্ক রিড অনলি মেমোরির ধারণক্ষমতা মাত্র ৭০০ মেগাবাইট, যা ডিভিডির চেয়ে অনেক কম।
B) Red Ray Disk — রেড রে ডিস্ক নামে কম্পিউটারে কোনো নির্দিষ্ট বা স্ট্যান্ডার্ড অপটিক্যাল স্টোরেজ প্রযুক্তি বা ফরম্যাট নেই।
C) Blue Ray Disk — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এর ডেটা স্টোরেজ ক্ষমতা ডিভিডির তুলনার অনেক বেশি।
D) Floppy — ফ্লপি ডিস্ক হলো একটি পুরনো চৌম্বকীয় স্টোরেজ ডিভাইস যার ধারণক্ষমতা মাত্র ১.৪৪ মেগাবাইট এবং এটি অপটিক্যাল ডিস্কের চেয়ে অনেক পিছিয়ে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সিডি ধারণ করে ৭০০ মেগাবাইট, ডিভিডি ধারণ করে ৪.৭ গিগাবাইট এবং ব্লু-রে ডিস্ক ধারণ করে ২৫ গিগাবাইট বা তার বেশি।
- লেজারের রঙের ওপর ভিত্তি করে সিডি বা ডিভিডিতে লাল লেজার এবং ব্লু-রে ডিস্কে নীল-বেগুনি লেজার ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ব্লু-রে ডিস্কে ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের লেজার ব্যবহারের কারণে ডেটার ঘনত্ব বেশি হয়।
- অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইসগুলোর মধ্যে সিডি, ডিভিডি ও ব্লু-রে ডিস্কের ক্রমিক ধারণক্ষমতা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) টিম বার্নার্স লি.
১. কেন সঠিক:
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ এর জনক হলেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী স্যার টিম বার্নার্স লি। তিনি ১৯৮৯ সালে সুইজারল্যান্ডের সার্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অবস্থায় এই বৈপ্লবিক তথ্য পরিকাঠামো উদ্ভাবন করেন।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: World Wide Web হলো ইন্টারনেট ব্যবহার করে পরস্পর সংযুক্ত হাইপারটেক্সট ডকুমেন্টের একটি বিশাল ভান্ডার।
কার্যপদ্ধতি: এটি হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রোটোকল বা এইচটিটিপি ব্যবহার করে ক্লায়েন্ট ও সার্ভারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে কোনো ঠিকানা লেখা।
ব্যাখ্যা: এটি ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ কাঠামোর মাধ্যমে নির্দিষ্ট ওয়েব পেজ ব্যবহারকারীর সামনে প্রদর্শন করে।
উদাহরণ ২: ইন্টারনেটে কোনো লিংকে ক্লিক করা।
ব্যাখ্যা: এই হাইপারলিংক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এক পেজ থেকে অন্য পেজে খুব সহজে যাওয়া যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিল গেটস — মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা, যিনি এমএস-ডস ও উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের উন্নয়নে প্রধান ভূমিকা রেখেছেন।
B) স্টিভ জবস — অ্যাপল কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতা, যিনি আইফোন, ম্যাকিনটোশ ও আইপ্যাড উদ্ভাবনে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
D) জেফ বেজোস — ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা এবং ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা এডব্লিউএস এর প্রবক্তা।
৫ মনে রাখার টিপস:
ওয়েবের ডব্লিউ দিয়ে শুরু হয় ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব, আর আবিষ্কারকের নামের আদ্যক্ষর টি দিয়ে টিম বার্নার্স লি মনে রাখা যায়। ১৯৮৯ সালটিকে ওয়েব জন্মের সাল হিসেবে মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
স্যার টিম বার্নার্স লি একই সাথে প্রথম ওয়েব ব্রাউজার, প্রথম ওয়েব সার্ভার এবং প্রথম ওয়েব পেজ তৈরি করেছিলেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই আবিষ্কারের সাল ও প্রতিষ্ঠানের নাম জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: C) VDU
১. কেন সঠিক:
কম্পিউটার মনিটরকে দৃশ্যমান আউটপুট প্রদর্শন করার প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
এর পূর্ণরূপ হলো Visual Display Unit, যা কম্পিউটারের প্রসেস করা ডেটা ব্যবহারকারীর চোখের সামনে ছবিতে রূপান্তর করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: VDU হলো এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিসপ্লে ডিভাইস যা কম্পিউটারের প্রসেসর থেকে প্রাপ্ত সংকেতকে মানুষের দেখার উপযোগী টেক্সট, চিত্র বা ভিডিওতে রূপান্তর করে।
কার্যপদ্ধতি: এটি গ্রাফিক্স কার্ড বা মাদারবোর্ডের ভিডিও পোর্ট থেকে ডেটা গ্রহণ করে এবং পিক্সেল বা উপাদানের মাধ্যমে স্ক্রিনে আলো জ্বালিয়ে দৃশ্য ফুটিয়ে তোলে।
বৈশিষ্ট্য: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত আউটপুট ডিভাইস যা সফটওয়্যার চালনা ও ইন্টারফেসের দৃশ্যমান রূপ দেখায়।
ব্যবহার: ডেস্কটপ কম্পিউটার, ল্যাপটপ, সার্ভার এবং বিভিন্ন ডিজিটাল ডিসপ্লে সিস্টেমে এটি অপরিহার্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অফিসিয়াল কাজের সময় ডেস্কটপ কম্পিউটারে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ফাইল খোলা এবং মনিটরে তার লেখা দেখা।
ব্যাখ্যা: প্রসেসর থেকে নির্দেশ পেয়ে মনিটর বা VDU ব্যবহারকারীকে টাইপ করা অক্ষরগুলো তাৎক্ষণিকভাবে দৃশ্যমান আউটপুট হিসেবে দেখায়।
উদাহরণ ২: গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের কাজের ক্ষেত্রে ফটোশপ সফটওয়্যার ব্যবহার করে ছবি এডিট করা।
ব্যাখ্যা: ডিজাইন করা ছবির রঙ ও আকৃতি নিখুঁতভাবে দেখার জন্য VDU বা মনিটরের ডিসপ্লে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) DVU — এই নামে কম্পিউটারে কোনো স্ট্যান্ডার্ড আউটপুট ডিভাইস বা প্রযুক্তি নেই। এটি একটি বিভ্রান্তিকর বা ভুল অপশন।
B) UVD — এই সংক্ষিপ্ত রূপটি কম্পিউটার প্রযুক্তির সাধারণ আউটপুট ডিভাইসের সাথে সম্পর্কিত নয়। এটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক একটি শব্দ।
D) CCTV — এর পূর্ণরূপ Closed-Circuit Television, যা মূলত নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ ও ভিডিও সার্ভিল্যান্সের জন্য ব্যবহৃত হয়, কোনো কম্পিউটার মনিটর নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভিজুয়াল বা দৃশ্যমান আউটপুট দেখার জন্য মনিটর ব্যবহার করা হয়, তাই এর অপর নাম Visual Display Unit বা VDU।
সংক্ষিপ্ত রূপ মনে রাখার সহজ উপায় হলো মনিটরের কাজ দেখা, আর ভিজ্যুয়াল শব্দের ভি অক্ষর দিয়েই VDU গঠিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার মনিটর যুগপৎ একটি আউটপুট ডিভাইস এবং হার্ডওয়্যার উপাদান হিসেবে পরিচিত।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পূর্ণরূপ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে, তাই VDU-এর পূর্ণরূপ ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) মাতৃ মৎস্য ভান্ডার
১. কেন সঠিক:
হালদা নদী এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র। এখানে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশসহ বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির মা মাছ ডিম ছাড়তে আসে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম জেলার খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা থেকে উৎপন্ন হয়ে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি, হাটহাজারী ও রাউজান উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
বৈশিষ্ট্য: আঁকাবাঁকা গতিপথ এবং জোয়ার-ভাটার প্রভাবে এই নদীতে এক বিশেষ ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টি হয়।
কারণ ও প্রভাব: পাহাড়ি ঢল, নির্দিষ্ট তাপমাত্রা এবং লোনাপানির সংমিশ্রণ মা মাছের ডিম ছাড়ার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: পদ্মাসেতু এলাকা
ব্যাখ্যা: এটি যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য বিখ্যাত হলেও হালদার মতো প্রাকৃতিকভাবে ডিম ছাড়ার নির্দিষ্ট কোনো স্থান নয়।
উদাহরণ ২: সুন্দরবন
ব্যাখ্যা: এটি জীববৈচিত্র্য ও ম্যানগ্রোভ বনের জন্য বিখ্যাত হলেও এটি নদীর মাতৃ মৎস্য ভান্ডারের সমার্থক নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাতৃ মৎস্য ভান্ডার — এই অপশনটি সঠিক কারণ হালদা নদী প্রাকৃতিক উপায়ে মাছের ডিম ছাড়ার জন্য বিশ্বে অনন্য।
B) পর্যটন — হালদা নদী পর্যটনের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত নয়, যদিও এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অনেককে আকর্ষণ করে।
C) রামসা সাইট — রামসা সাইট হলো আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি, যার স্বীকৃতি হালদার ক্ষেত্রে প্রধান পরিচায়ক নয়।
D) নদী বন্দর — হালদা নদীর ওপর কোনো বড় বাণিজ্যিক নদী বন্দর গড়ে ওঠেনি।
৫. মনে রাখার টিপস:
হালদা মানেই মা মাছের ডিম ছাড়ার স্থান। মনে রাখুন হালদা নদী হলো বাংলাদেশের প্রাকৃতিক মৎস্য ভান্ডার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
হালদা নদী কোন জেলায় অবস্থিত এবং এটি কিসের জন্য বিখ্যাত, এই প্রশ্নগুলো বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে নদীর উৎপত্তিস্থল বা প্রবাহপথ সম্পর্কেও প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) সিলেট
১. কেন সঠিক:
রাতারগুল বাংলাদেশের একমাত্র জলাবন বা সোয়াম্প ফরেস্ট হিসেবে পরিচিত। এটি সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত এবং এখানে প্রধানত জলসহিষ্ণু করচ গাছ জন্মায়।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলা, বাংলাদেশ।
বৈশিষ্ট্য: বর্ষাকালে পানির নিচে ডুবে থাকে এবং শুকনো মৌসুমে পানি কমে যায়।
সংশ্লিষ্ট তথ্য: এটি দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক সোয়াম্প ফরেস্ট।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: সুন্দরবন
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের লবণাক্ত পানির ম্যানগ্রোভ বন, যা রাতারগুলের জলাবন থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
উদাহরণ ২: আমাজন অববাহিকা
ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বের বৃহত্তম জলবন বা ফ্লাডেড ফরেস্ট অঞ্চল, যার সাথে রাতারগুলের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের আংশিক মিল রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাঙ্গামাটি — এটি পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের একটি পাহাড়ি জেলা যেখানে কাপ্তাই হ্রদ ও পাহাড় রয়েছে কিন্তু সোয়াম্প ফরেস্ট নেই।
B) সাতক্ষীরা — এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা যেখানে সুন্দরবনের অংশ ও উপকূলীয় লোনাপানি বিদ্যমান।
D) কক্সবাজার — এটি দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী সমুদ্র সৈকত ও পাহাড়ি এলাকা।
৫. মনে রাখার টিপস:
সিলেট মানেই চা বাগান আর হাওরের দেশ, তাই একমাত্র সোয়াম্প ফরেস্ট রাতারগুল সিলেটেই অবস্থিত তা মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রাতারগুল হলো বাংলাদেশের একমাত্র সোয়াম্প ফরেস্ট বা জলাবন। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: B) ২০০ নটিক্যাল মাইল
১. কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কনভেনশন অনুযায়ী উপকূলীয় রেখা থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত অঞ্চলকে এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন বা অনন্য অর্থনৈতিক অঞ্চল বলা হয়।
- এই সীমার মধ্যে সংশ্লিষ্ট দেশের সমুদ্রের তলদেশ, উপরিভাগ এবং জলরাশির সব প্রাকৃতিক সম্পদ যেমন মৎস্য ও খনিজ উত্তোলনের একচ্ছত্র আইনগত অধিকার থাকে।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: উপকূলীয় রেখা বা বেজলাইন থেকে সমুদ্রের ভেতরের দিকে পরিমাপ করা হয়।
- বৈশিষ্ট্য: এই অঞ্চলে অন্য কোনো দেশ বিনা অনুমতিতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারে না।
- সংশ্লিষ্ট তথ্য: আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন বা আনক্লোজ ১৯৮২ এর মাধ্যমে এই সীমানা নির্ধারিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: বঙ্গোপসাগর
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের সমুদ্র এলাকার আইন এবং পরবর্তী সময়ে আনক্লোজ বিধান অনুযায়ী বঙ্গোপসাগরে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন নিশ্চিত করেছে।
উদাহরণ ২: ভারত মহাসাগর
ব্যাখ্যা: ভারত মহাসাগরের উপকূলবর্তী দেশগুলো তাদের নিজ নিজ উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত জলসীমায় অর্থনৈতিক অধিকার ভোগ করে থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০০ নটিক্যাল মাইল — এটি সমুদ্র আইন কনভেনশনে এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনের নির্ধারিত মান নয় এবং কোনো দেশের সমুদ্র অঞ্চলের প্রধান অর্থনৈতিক সীমানা হিসেবে স্বীকৃত নয়।
B) ২০০ নটিক্যাল মাইল — এটি সঠিক উত্তর।
C) ৪০০ নটিক্যাল মাইল — এই দূরত্বের কোনো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একক সমুদ্র অর্থনৈতিক অঞ্চল বা জোন বিশ্বে নেই।
D) ৩০০ নটিক্যাল মাইল — এটি আনক্লোজ চুক্তিতে এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনের জন্য নির্ধারিত কোনো বৈধ বা প্রচলিত দূরত্ব নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনের সাথে দ্বিগুণ অর্থাৎ ২০০ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে। আঞ্চলিক জলসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল এবং অর্থনৈতিক অঞ্চল ২০০ নটিক্যাল মাইল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় সমুদ্র অর্থনীতি ও ভূরাজনীতি অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখান থেকে আঞ্চলিক জলসীমা বা মহিসোপান সংক্রান্ত প্রশ্নও আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) নোয়াখালী
১. কেন সঠিক:
ভাসানচর বঙ্গোপসাগরের মেঘনা নদীর মোহনায় পলি জমে নতুন জেগে ওঠা একটি চর। প্রশাসনিকভাবে এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্ভুক্ত।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত বঙ্গোপসাগরের একটি দ্বীপ চর।
বৈশিষ্ট্য: মেঘনা নদীর পলি বাহিত হয়ে সমুদ্রের মোহনায় এই চরের সৃষ্টি হয়েছে যা নদীমাতৃক বাংলাদেশের একটি নবগঠিত ভূখণ্ড।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: হাতিয়া দ্বীপ
ব্যাখ্যা: ভাসানচরের নিকটবর্তী একটি প্রধান জনবহুল দ্বীপ এবং প্রশাসনিকভাবে এটি একই উপজেলার অংশ।
উদাহরণ ২: সন্দ্বীপ
ব্যাখ্যা: নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম জেলার সীমান্তবর্তী আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় দ্বীপ যা পলি জমার মাধ্যমে গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম একটি প্রধান বন্দর নগরী এবং বিভাগ হলেও ভাসানচর এর মূল ভূখণ্ডের প্রশাসনিক সীমানার বাইরে নোয়াখালীর অন্তর্ভুক্ত।
B) ভোলা — ভোলা বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা হলেও ভাসানচর এর ভৌগোলিক অবস্থান ভোলার মূল সীমানায় নয়।
D) কক্সবাজার — কক্সবাজার দেশের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত একটি উপকূলীয় জেলা যা ভাসানচর থেকে অনেক দূরে অবস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
চর মানেই নদী ও সাগরের মিলনস্থল, আর ভাসানচর নামটি নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার সঙ্গে বিশেষভাবে যুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
নবগঠিত চর ও দ্বীপসমূহের ভৌগোলিক অবস্থান এবং প্রশাসনিক জেলা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)