সঠিক উত্তর: A) শেষের কবিতা
১. কেন সঠিক:
- শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসের নাম শেষের কবিতা হলেও এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং একটি আধুনিক গদ্য উপন্যাস।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বসাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং বাংলা উপন্যাসের ধারায় আধুনিকতার প্রবক্তা।
- শেষের কবিতা উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো অমিত রায় ও লাবণ্য, যা বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোখের আলো
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা দাম্পত্য সম্পর্ক ও মনস্তত্ত্ব নিয়ে রচিত।
উদাহরণ ২: গোরা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সর্বশ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক ও সামাজিক উপন্যাস, যা ১৯০৭ সালে প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শেষের কবিতা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি সার্থক উপন্যাস।
B) বলাকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
C) ডাকঘর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত রূপকধর্মী নাটক, যা ১৯১২ সালে প্রকাশিত হয়।
D) কালান্তর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ, যা ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শেষের কবিতা নামের শেষে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি মূলত উপন্যাস, এটি মনে রাখলে পরীক্ষায় ভুল হবে না।
- রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য চরিত্রভিত্তিক কৌশল ব্যবহার করা যেতে পারে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভ্রান্ত করার জন্য কাব্যগ্রন্থের নামে উপন্যাস বা নাটকের নাম অপশনে দেওয়া হয়।
- তাই রচনার নাম দেখে ধরন বা genre ভালোভাবে চিনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) বৃথা চেষ্টা
১. কেন সঠিক:
- 'অরণ্যে রোদন' একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা যার আক্ষরিক অর্থ বনে বসে কান্না করা।
- বনে বা অরণ্যে বসে কান্না করলে সেই কান্নার শব্দ শোনার বা দেখার কেউ থাকে না, ফলে সেই কান্নার কোনো প্রতিকার বা ফল হয় না।
- এই বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকেই এমন কোনো কাজের ক্ষেত্রে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয় যার কোনো ফল বা পরিণতি নেই।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি বিশিষ্টার্থক শব্দসমষ্টি বা বাগধারা, যা বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও গভীর ভাব প্রকাশ করে।
- এই ধরনের বাগধারাগুলো ভাষাটিকে আরও সুন্দর, আকর্ষণীয় ও ভাবপূর্ণ করে তোলে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোরকে বারবার ভালো উপদেশ দেওয়া আর অরণ্যে রোদন করা একই কথা।
ব্যাখ্যা: এখানে চোরকে উপদেশ দেওয়ার ফলশূন্যতা বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে একা আন্দোলন করা যেন অরণ্যে রোদনের শামिल।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অবিরাম কান্না — এই অপশনটি বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থের কাছাকাছি হলেও আলংকারিক ও সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে না।
B) বারংবার চেষ্টা করা — বারংবার চেষ্টা করার সাথে সফলতার সম্ভাবনা থাকে, কিন্তু অরণ্যে রোদনের ক্ষেত্রে কোনো ফলই পাওয়া যায় না।
D) ছিঁচকাঁদুনে — এটি সামান্য বিষয়ে কান্না করা এমন কোনো ব্যক্তিকে বোঝায়, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অরণ্য অর্থ বন এবং রোদন অর্থ কান্না; বনে বসে কাঁদলে কেউ শোনে না, তাই এর ফল শূন্য বা বৃথা চেষ্টা।
- এই কৌশল মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের অর্থভিত্তিক বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে।
- একই রকম অর্থ প্রকাশ করে এমন আরেকটি জনপ্রিয় বাগধারা হলো 'শূকরের গলায় মুক্তা ছড়ানো' বা 'কূর্মের লোম'।
সঠিক উত্তর: A) কার্পণ্য
১. কেন সঠিক:
উদার শব্দের অর্থ হলো যার মন বড়, বদান্য বা সংকীর্ণতাহীন। এর বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে কৃপণতা বা কার্পণ্য শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যার অর্থ হলো ত্যাগের অভাব বা সংকীর্ণ মন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের অর্থের গভীরতা ও ব্যাকরণগত রূপের মিল দেখতে হয়। উদার একটি বিশেষণ পদ, অন্যদিকে কার্পণ্য হলো একটি বিশেষ্য পদ, যা মূলত কৃপণ শব্দের ভাববাচক রূপ এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অর্থের সামঞ্জস্যের জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কৃপণ
ব্যাখ্যা: কৃপণ শব্দের বিপরীত শব্দ উদার, যা মানুষের মানসিকতার ভিন্নতা প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: দানশীল
ব্যাখ্যা: দানশীল শব্দের বিপরীত শব্দ কৃপণ বা কার্পণ্যযুক্ত, যা উদার শব্দের সমার্থক হিসেবে বসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কার্পণ্য — এটি সঠিক উত্তর।
B) পতন — পতন শব্দের অর্থ অবনতি বা ধ্বংস, যার বিপরীত শব্দ উত্থান এবং এটি উদার শব্দের বিপরীত নয়।
C) বিনয় — বিনয় শব্দের অর্থ নম্রতা, যার বিপরীত শব্দ অহংকার বা ঔদ্ধত্য এবং এটি উদার শব্দের বিপরীত নয়।
D) সাগরেদ — সাগরেদ শব্দের অর্থ শাগরিদ, শিষ্য বা অনুসারী, যা উদার শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মন বড় হলে তাকে উদার বলে আর মন ছোট বা হাত শক্ত হলে তাকে কার্পণ্য বলে। বিপরীত শব্দ মনে রাখতে সবসময় শব্দের মূল ভাব বা অর্থের দিকে নজর দিতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য ও বিশেষণের রূপভেদ মাথায় রেখে বিপরীত শব্দ নির্বাচন করতে হয়। প্রায়ই বিশেষ্য পদের বিপরীতে বিশেষ্য এবং বিশেষণের বিপরীতে বিশেষণ বসে।
সঠিক উত্তর: B) ঘরোয়া
১. কেন সঠিক:
- 'গৃহ' শব্দের অর্থ বাড়ি, আলয়, আবাস বা বাসস্থান, কিন্তু 'ঘরোয়া' শব্দের অর্থ ঘর সংক্রান্ত, পারিবারিক বা ঘরোয়া পরিবেশ বোঝায়।
- প্রশ্নটিতে সমার্থক শব্দ নয় এমন অপশনটি চাওয়া হয়েছে, তাই সঠিক উত্তরটি হলো ঘরোয়া।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই সমস্ত শব্দ যার অর্থের দিক থেকে মিল থাকে কিন্তু রূপের দিক থেকে আলাদা হয়।
- 'গৃহ' শব্দের অনেক সমার্থক শব্দ রয়েছে যা বাড়ি বা ঘরের প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিবাস
ব্যাখ্যা: এটি গৃহ শব্দের সমার্থক শব্দ কারণ এর অর্থও থাকার জায়গা বা বাসস্থান।
উদাহরণ ২: ভবন
ব্যাখ্যা: এটিও গৃহ শব্দের সমার্থক শব্দ কারণ এর অর্থ পাকা বা বড় ঘর বা বাড়ি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিবাস — এটি গৃহ শব্দের একটি সরাসরি সমার্থক শব্দ।
B) ঘরোয়া — এটি গৃহ শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কারণ এটি বিশেষণ পদ যা ঘর সংক্রান্ত বোঝায়।
C) ভবন — এটিও গৃহ শব্দের একটি সঠিক সমার্থক শব্দ।
D) ঘর — এটি গৃহ শব্দের সবচেয়ে পরিচিত সমার্থক শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সমার্থক শব্দ পড়ার সময় বিশেষ্য এবং বিশেষণের পার্থক্য খেয়াল রাখতে হবে।
- গৃহ হলো বিশেষ্য পদ এবং ঘরোয়া হলো বিশেষণ পদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য ও বিশেষণের পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে প্রায়ই সমার্থক শব্দের প্রশ্ন আসে।
- শব্দের প্রকৃতি ও অর্থ ভালোভাবে বুঝে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) তৎপুরুষ
১. কেন সঠিক:
- 'মুক্তিযুদ্ধ' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো যুদ্ধের জন্য মুক্তি নয়, বরং মুক্তির জন্য যুদ্ধ। এখানে পূর্বপদের বিভক্তি বা পদের লোপ পেয়ে সমাস সাধিত হয়েছে।
- সমাসবদ্ধ পদে যখন বিভক্তি বা পদের লোপ পেয়ে অর্থ প্রকাশ পায় এবং তৎপরবর্তী পদের অর্থ প্রধান হয়, তখন তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি (কে, রে, দ্বারা, দিয়া, হইতে, থেকে, চে, র, এর) কিংবা পদের লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
- বিভক্তির নামানুসারে তৎপুরুষ সমাসকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন চতুর্থী তৎপুরুষ, ষষ্টি তৎপুরুষ ইত্যাদি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিলাত ফেরত
ব্যাখ্যা: বিলাত হইতে ফেরত, এখানে 'হ হইতে' পঞ্চমী বিভক্তি লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস হয়েছে।
উদাহরণ ২: শ্রমলব্ধ
ব্যাখ্যা: শ্রম দ্বারা লব্ধ, এখানে 'দ্বারা' তৃতীয় বিভক্তি লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মধ্যপদলোপী — এই অপশনটি ভুল কারণ মধ্যপদলোপী সমাস কর্মধারয় সমাসের একটি প্রকার, যেখানে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ সম্পূর্ণ লোপ পায়। এখানে বিভক্তি বা পদের লোপের নিয়ম প্রযোজ্য।
B) উপমেয়-উপমান — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি রূপক বা উপমিত কর্মধারয় সমাসের অংশ। এখানে সরাসরি তুলনা বা রূপের কল্পনা বোঝায় না।
C) উপমান — এই অপশনটি ভুল কারণ উপমান কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমান পদের তুলনা করা হয়। মুক্তিযুদ্ধ কোনো উপমান বা উপমেয় পদের তুলনা নয়।
D) তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে পদের পারস্পরিক সম্বন্ধ ও বিভক্তির লোপের মাধ্যমে সমাস গঠিত হয়েছে। এটি ব্যাকরণগতভাবে তৎপুরুষ সমাসের আওতাভুক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো ঘটনা বা যুদ্ধের নাম যদি কিসের জন্য বা কার জন্য বোঝায় এবং ব্যাসবাক্যে পদের পরিবর্তন ঘটে, তবে তা তৎপুরুষ সমাস হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
- সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে ব্যাসবাক্য সঠিকভাবে নির্ধারণ করে পদের সম্পর্ক দেখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের সামাজিক ও ঐতিহাসিক শব্দ দিয়ে সমাস জানতে চাওয়া হয়।
- বিসিএস পরীক্ষায় তৎপুরুষ সমাসের বিভিন্ন প্রকারভেদ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই বিভক্তির লোপ ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) গণনাবাচক
১. কেন সঠিক:
সংখ্যাবাচক শব্দকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয় যার মধ্যে একটি হলো গণনাবাচক শব্দ।
কোনো বস্তু বা ব্যক্তির সংখ্যা গণনা করতে যে শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়, তাকে গণনাবাচক শব্দ বলে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
সংখ্যাবাচক শব্দের অপর নাম হলো সংখ্যাবাচক বিশেষণ বা সাংখ্যিক বিশেষণ।
বাংলা ব্যাকরণে সংখ্যাবাচক শব্দ চার প্রকার যেমন অংকবাচক বা অঙ্কবাচক, ক্রমবাচক, পূরকবাচক এবং গণনাবাচক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিন
ব্যাখ্যা: এটি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ বা সংখ্যা বোঝাতে গণনাবাচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: দশ
ব্যাখ্যা: এটি বস্তু বা ব্যক্তির সংখ্যা গণনা করার ক্ষেত্রে গণনাবাচক শব্দ হিসেবে বসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অংকবাচক — অংকবাচক শব্দ সংখ্যা লেখার প্রতীক বা চিহ্ন বোঝায়, কিন্তু 'সপ্তাহ' কোনো প্রতীক নয়।
B) গুণবাচক — গুণবাচক শব্দ দ্বারা কোনো বস্তুর দোষ, গুণ বা অবস্থা বোঝায়, যা সংখ্যাবাচক শব্দের আওতাভুক্ত নয়।
C) ক্রমবাচক — ক্রমবাচক শব্দ দ্বারা কোনো শৃঙ্খলার সিরিয়াল বা অবস্থান বোঝায়, যেমন প্রথম বা দ্বিতীয়।
D) গণনাবাচক — সঠিক উত্তর কারণ এটি সাত দিনের একটি সুনির্দিষ্ট সমষ্টি বা গণনা নির্দেশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
কতগুলো একক বা বস্তুর সমষ্টি বা গণনা বোঝালে তা গণনাবাচক শব্দ হয়।
সংখ্যা গণনা করার সময় এক, দুই, তিন ইত্যাদি যেভাবে ব্যবহার করা হয়, সপ্তাহ শব্দটি তেমনি সাত দিনের গণনা বোঝায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংখ্যাবাচক শব্দের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
অংকবাচক, ক্রমবাচক, পূরকবাচক এবং গণনাবাচক শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) একুশ
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে খাঁটি বাংলা বা তদ্ভব উপসর্গের নির্দিষ্ট সংখ্যা রয়েছে একুশটি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যেসব অব্যয় শব্দ ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে তাদের উপসর্গ বলে। বাংলা ভাষায় উপসর্গ মোট একুশটি খাঁটি বাংলা শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনা + বৃষ্টি = অনাবৃষ্টি
ব্যাখ্যা: এখানে 'অনা' একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা 'বৃষ্টি' শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: পাতি + হাঁস = পাতিহাঁস
ব্যাখ্যা: এখানে 'পাতি' একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা বিশেষ পদের পূর্বে বসে ক্ষুদ্র বা সাধারণ অর্থ প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উনিশ — উনিশ সংখ্যাটি বাংলা উপসর্গ বা অন্য কোনো ব্যাকরণগত উপসর্গের সঠিক সংখ্যা নির্দেশ করে না।
B) কুড়ি — কুড়ি একটি সংখ্যাবাচক শব্দ, যা খাঁটি বাংলা উপসর্গের সঠিক সংখ্যা নয়।
D) বাইশ — বাইশ হলো বাংলা বর্ণমালার ব্যঞ্জনবর্ণের মোট সংখ্যা, উপসর্গের সংখ্যা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি মনে রাখার জন্য বিখ্যাত ছড়াটি মনে রাখতে পারো: অজ, অঘা, অনা, পাতি, রাম, সারে, সাকা ইত্যাদি ২১টি শব্দ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা প্রায়ই আসে। এর সাথে তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ কুড়িটি এবং বিদেশি উপসর্গগুলোর সংখ্যাও ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ৪১
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষায় মৌলিক ধ্বনিগুলোকে মূলত স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী বাংলা ভাষায় মোট মৌলিক ধ্বনি বা বর্ণমূলের সংখ্যা একচল্লিশটি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ সংক্রান্ত এই প্রশ্নে বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনিগুলোর হিসাব বিবেচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি এবং মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি চৌত্রিশটি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ, আ, ই, উ - এগুলো হলো মৌলিক স্বরধ্বনির কয়েকটি পরিচিত রূপ।
ব্যাখ্যা: এই স্বরধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য নেয় না এবং স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হয়।
উদাহরণ ২: ক, চ, ট, ত - এগুলো হলো ব্যঞ্জনধ্বনির প্রাথমিক উদাহরণ।
ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনধ্বনিগুলো সাধারণত স্বরধ্বনির সাহায্য ছাড়া স্পষ্টভাবে উচ্চারিত হতে পারে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩৯ - এই সংখ্যাটি বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনির সঠিক সংখ্যা নির্দেশ করে না। এটি একটি ভুল বা বিভ্রান্তিকর অপশন।
C) ৪২ - প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়মানুযায়ী মৌলিক ধ্বনির সংখ্যা বাহাত্তর বা বিয়াল্লিশটি নয়। তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
D) ৪৩ - এই সংখ্যাটি বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনি বা বর্ণের প্রমিত হিসাবের সাথে মেলে না। তাই এটি ভুল উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনি একচল্লিশটি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে সাতটি স্বরধ্বনি এবং চৌত্রিশটি ব্যঞ্জনধ্বনি যোগ করলে মোট সংখ্যা একচল্লিশ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধ্বনি ও বর্ণ সংখ্যা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। তাই মৌলিক স্বরধ্বনি এবং মোট বর্ণ বা ধ্বনির সংখ্যা সবসময় আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) বিজলী
১. কেন সঠিক:
কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত 'বিদ্রোহী' কবিতাটি প্রথম 'বিজলী' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি সাপ্তাহিক 'বিজলী' পত্রিকায় কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হলে তা সাহিত্যজগতে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর 'অগ্নিবীণা' কাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবিতা এটি।
১৯২১ সালের ডিসেম্বরের শেষের দিকে কলকাতার ৪৩ নম্বর মির্জাপুর স্ট্রিটের বাসভবনে বসে কবি এই কবিতাটি রচনা করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে।
ব্যাখ্যা: 'বিদ্রোহী' কবিতাটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের প্রথম সংকলিত কবিতা এবং এটি প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা কাব্যের ধারা বদলে যায়।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের 'ধূমকেতু' পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে।
ব্যাখ্যা: 'ধূমকেতু' পত্রিকার সঙ্গে নজরুলের নাম গভীরভাবে জড়িত থাকলেও 'বিদ্রোহী' কবিতাটি এই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়নি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাঙল — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি সাময়িকী যা পরে প্রকাশিত হয় এবং এর সঙ্গে বিদ্রোহী প্রকাশের সম্পর্ক নেই।
B) নবযুগ — এটি একটি সন্ধ্যাসাল কাগজ যেখানে নজরুল ও মওলানা আকরম খাঁ যুক্ত ছিলেন, তবে বিদ্রোহী এখানে প্রথম প্রকাশিত হয়নি।
C) ধূমকেতু — এটি নজরুলের নিজস্ব অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা হলেও 'বিদ্রোহী' কবিতাটি এই পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়নি।
D) বিজলী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটিই সেই পত্রিকা যেখানে কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিজলী চমকালে যেমন আলো ছড়ায়, তেমনি বিদ্রোহী কবিতা প্রকাশিত হয়ে পুরো সাহিত্যজগতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।
বিজলী শব্দের প্রথম অক্ষর ব এবং বিদ্রোহী শব্দের প্রথম অক্ষর ব দিয়ে এই তথ্যটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিদ্রোহী কবিতাটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা হলেও এটি বইটির সূচনাতেই বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদ্রোহী কবিতার প্রকাশকাল, পত্রিকা ও কাব্যগ্রন্থের নাম জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: A) করণে সপ্তমী
১. কেন সঠিক:
বাক্যে যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকে করণ কারক বলে।
এখানে 'অণুতে' পদটি দ্বারা হিমাচল বা হিমালয় গঠিত হওয়ার মাধ্যম বা উপায় বোঝাচ্ছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
করণ কারকে সাধারণত তৃতীয় ও সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়।
শব্দের শেষে এ বা তে বিভক্তি থাকলে তা সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলমে লেখা যায়।
ব্যাখ্যা: লেখার মাধ্যম কলম হওয়ায় এটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: মা ব্লেড দিয়ে ফল কাটছেন।
ব্যাখ্যা: ফল কাটার যন্ত্র বা মাধ্যম ব্লেড হওয়ায় এটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) করণে সপ্তমী — এটি সঠিক কারণ এটি হিমাচল গঠনের মাধ্যম বোঝাচ্ছে এবং এতে সপ্তমী বিভক্তি আছে।
B) অধিকরণে সপ্তমী — স্থান বা কাল না বোঝালে অধিকরণ কারক হয় না, তাই এটি ভুল।
C) অপাদানে শূন্য — কিছু বিচ্যুত বা উৎপন্ন হওয়া বোঝালেও এখানে মাধ্যম মুখ্য হওয়ায় এটি অপাদান নয়।
D) কর্তায় সপ্তমী — ক্রিয়া সম্পাদনকারী সরাসরি কর্তা না হওয়ায় এটি কর্তৃকারক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাক্যের ক্রিয়াপদকে কী দ্বারা বা কিসের সাহায্যে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা করণ কারক।
শব্দের শেষে এ বা তে থাকলে এবং তা মাধ্যম বোঝালে সপ্তমী বিভক্তি হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের সময় মাধ্যম বা উপায় খুঁজে বের করতে হবে।
মাধ্যম বুঝলেই তা সাধারণত করণ কারক হয়।
সঠিক উত্তর: C) মীর মশাররফ হোসেন
১. কেন সঠিক:
- মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক হিসেবে সর্বস্বীকৃত।
- তাঁর রচিত রত্নাবতী উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কোনো মুসলিম লেখকের লেখা প্রথম পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মীর মশাররফ হোসেন বাংলা গদ্যসাহিত্যের অন্যতম প্রধান স্থপতি এবং উনিশ শতকের বাঙালি মুসলিম সাহিত্যিকদের অগ্রদূত।
- তাঁর বিখ্যাত বিষাদ সিন্ধু মহাকাব্যিক ট্র্যাজেডিধর্মী উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে তাঁকে অমর করে রেখেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সবচেয়ে বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও ট্র্যাজেডিধর্মী উপন্যাস।
উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ
ব্যাখ্যা: এটি নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রচিত তাঁর একটি প্রতিবাদী ও সমাজসচেতন নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী মোতাহের হোসেন — তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক, বিজ্ঞানী ও দাবাড়ু হলেও প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক নন।
B) ইসমাইল হোসেন সিরাজী — তিনি বিশ শতকের একজন বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক ও সমাজসংস্কারক হলেও প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক নন।
C) মীর মশাররফ হোসেন — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি রত্নাবতী উপন্যাসের মাধ্যমে প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিকের স্বীকৃতি বহন করে।
D) ফররুখ আহমদ — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুসলিম কবি হলেও কোনো ঔপন্যাসিক নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক মানেই মীর মশাররফ হোসেন এবং তাঁর প্রথম উপন্যাস রত্নাবতী।
- বিষাদ সিন্ধু রচয়িতা হিসেবে তাঁকে মনে রাখা আরও সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রত্নাবতী উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৮৬৯ সালে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক বা নাট্যকার সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) বিদ্যাপতি
১. কেন সঠিক:
বাংলা পদাবলি সাহিত্যের প্রথম কবি হিসেবে বিদ্যাপতিকেই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। যদিও তিনি মূলত মৈথিলি ভাষার কবি ছিলেন, তবুও বাংলা পদাবলি সাহিত্যে তাঁর প্রভাব ও অবদান অপরিসীম।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিদ্যাপতি মিথিলার দরবারের কবি ছিলেন এবং তিনি মূলত মৈথিলি ভাষায় রাধা কৃষ্ণের প্রেমলীলা বিষয়ক পদ রচনা করেছিলেন। তাঁর পদগুলো এতই জনপ্রিয়তা লাভ করে যে পরবর্তীতে বাঙালি কবিরা ব্রজবুলি ভাষায় পদ রচনা করতে শুরু করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পদাবলি সাহিত্য।
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান শাখা যা মূলত রাধা কৃষ্ণের প্রেম ও ভক্তির ওপর রচিত।
উদাহরণ ২: ব্রজবুলি ভাষা।
ব্যাখ্যা: এটি কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের কথ্য ভাষা নয়, বরং মৈথিলি ও বাংলা ভাষার মিশ্রণে তৈরি একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রীচৈতন্য — তিনি পদাবলির কোনো কবি নন, বরং বৈষ্ণব ধর্মের প্রচারক ও যার জীবনের ওপর ভিত্তি করে বৈষ্ণব পদাবলি পুষ্ট হয়েছে।
C) চণ্ডীদাস — তিনি বাংলা সাহিত্যের আদি পদকর্তা হিসেবে পরিচিত হলেও পদাবলির সামগ্রিক ধারায় বিদ্যাপতিকে প্রথম কবি ধরা হয়।
D) জ্ঞানদাস — তিনি বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাসের দ্বারা প্রভাবিত পরবর্তী যুগের একজন বিশিষ্ট বৈষ্ণব পদকর্তা মাত্র।
৫ মনে রাখার টিপস:
পদাবলির প্রথম কবি বিদ্যাপতি এটি মনে রাখতে বিদ্যাপতি নামের প্রথম বর্ণ ব এবং ব্রজবুলি ভাষার ব মিলিয়ে পড়তে পারো। এভাবে মনে রাখলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা পদাবলি সাহিত্যের উৎস এবং বিভিন্ন কবির অবদান সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। বিদ্যাপতিকে মৈথিলি কোকিল বলা হয় এবং তিনি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের এক অবিসংবাদিত নাম।
সঠিক উত্তর: C) রোমান্টিক প্রণয়কাব্য
১. কেন সঠিক:
ইউসুফ জুলেখা একটি প্রণয়োপাখ্যান বা রোমান্টিক প্রণয়কাব্য যা লৌকিক বা ধর্মীয় প্রেমের আখ্যানে রচিত।
এই কাব্যে ইউসুফ ও জুলেখার প্রেমের আবেগ ও নানা চড়াই-উতরাই চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে প্রণয়োপাখ্যান ধারার একটি অন্যতম প্রধান সংযোজন হলো ইউসুফ জুলেখা কাব্য।
শাহ মুহম্মদ সগীর মধ্যযুগের প্রথম ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে এই ধারা সমৃদ্ধ করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী
ব্যাখ্যা: এটি দৌড় সংকরের একটি বিখ্যাত রোমান্টিক প্রণয়কাব্য।
উদাহরণ ২: পদ্মাবতী
ব্যাখ্যা: এটি আলাওল রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি ধ্রুপদী রোমান্টিক প্রণয়কাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাটক — ইউসুফ জুলেখা কোনো দৃশ্যকাব্য বা নাটক নয়, এটি একটি মহাকাব্যিক প্রণয়োপাখ্যান।
B) উপন্যাস — উপন্যাস আধুনিক যুগের গদ্যরীতি, আর ইউসুফ জুলেখা মধ্যযুগের পদ্যে রচিত কাব্য।
D) রমারচনা — রমারচনা বা রম্যরচনা বলতে কোনো বিশেষ সাহিত্যশ্রেণী বোঝায় না, এটি হাস্যরসাত্মক গদ্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগের প্রেমের গল্প মানেই রোমান্টিক প্রণয়কাব্য।
শাহ মুহম্মদ সগীরের নাম মনে রাখলে ইউসুফ জুলেখা কাব্য সহজে মনে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের প্রণয়োপাখ্যানের প্রথম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর।
মধ্যযুগে কাব্যের মূল ধারা ছিল প্রেমের আখ্যান ও ধর্মীয় কাহিনি।
সঠিক উত্তর: D) শ
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর D) শ ব্যাকরণগত দিক থেকে সঠিক নয়, কারণ এখানে একটি মুদ্রণপ্রমাদ বা অসঙ্গতি রয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'ট' বর্গীয় ধ্বনির আগে সাধারণত মূর্ধন্য 'ণ' ব্যবহৃত হয়, কিন্তু প্রদত্ত উত্তরে 'শ' দেওয়া হয়েছে যা ব্যাকরণসম্মত নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নত্ব বিধান অনুযায়ী ট, ঠ, ড, ঢ, ণ বর্ণগুলোর আগে সর্বদা মূর্ধন্য 'ণ' যুক্ত হয়।
- এই নিয়মের মূল কারণ হলো উচ্চারণ স্থানগত সামঞ্জস্য, যেখানে মূর্ধন্য ধ্বনিগুলোর পূর্বে মূর্ধন্য 'ণ' উচ্চারিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাণ্ড
ব্যাখ্যা: এখানে ড বর্ণের আগে মূর্ধন্য 'ণ' যুক্ত হয়ে সঠিক শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: লুণ্ঠন
ব্যাখ্যা: এখানে ঠ বর্ণের আগে মূর্ধন্য 'ণ' যুক্ত হয়ে নত্ব বিধানের নিয়ম মেনেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ন — এটি দন্ত্য বর্ণ, যা ট বর্গীয় ধ্বনির আগে সাধিত শব্দে যুক্ত হয় না।
B) ষ — এটি মূর্ধন্য শ, যা ট বর্গীয় ধ্বনির আগে যুক্ত হওয়ার কোনো সাধারণ নিয়ম নেই।
C) ণ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ার কথা ছিল কারণ নত্ব বিধান অনুযায়ী ট বর্গের আগে ণ বসে, তবে প্রশ্নে উত্তর হিসেবে শ দেওয়া হয়েছে।
D) শ — এটি তালব্য শ, যা ট বর্গীয় ধ্বনির আগে ব্যাকরণগতভাবে বসে না, এটি সাধারণত চ বর্গের সাথে সম্পর্কিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ট ঠ ড ঢ ণ - এই পাঁচটি বর্ণ একই বর্গের অন্তর্গত এবং এদের সাথে মূর্ধন্য 'ণ' যুক্ত হয়।
- এই নিয়মটি মনে রাখতে ট বর্গ এবং ণ এর উচ্চারণ স্থান অভিন্ন বিষয়টি মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নত্ব বিধানের এই নিয়ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ট বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে সর্বদা মূর্ধন্য 'ণ' ব্যবহার করতে হয়, এই বিষয়টি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) প্র + ঊঢ়
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুযায়ী অ বা আ-এর পরে ঋ বা ঊ থাকলে উভয় মিলে আর্ বা ঊর্ হয় এবং তা পরবর্তী বর্ণের ওপর রেফ রূপে যুক্ত হয়।
প্র শব্দের অন্তস্থিত অ কার এবং ঊঢ় শব্দের আদি ঊ মিলে প্রৌঢ় শব্দ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি মূলত প্রাদি উপসর্গের বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধি বা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণিক প্রয়োগ।
বাংলা ব্যাকরণের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ-এর পরে উ বা ঊ থাকলে তা ও কার হয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুল + অটা = কুলাটা
ব্যাখ্যা: এটিও অ বা আ-এর পরে স্বরবর্ণ যুক্ত হওয়ার একটি বিশেষ নিয়ম বা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ।
উদাহরণ ২: অক্ষ + ঊহিণী = অক্ষৌহিণী
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও অ-কারের পর ঊকার যুক্ত হয়ে ঔকার গঠিত হয়েছে, যা প্রৌঢ় শব্দের মতো একই সূত্র অনুসরণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্র + ঢ় — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে ঊঢ় শব্দের পরিবর্তে ঢ় ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক বানান ও নিয়ম সমর্থন করে না।
B) প্র + ঊঢ় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি প্রমিত নিয়ম অনুসারে সাধিত।
C) প্র + উঢ় — এই অপশনটি ভুল কারণ উ-কার ব্যবহার করলে সঠিক দীর্ঘস্বর ঊঢ়-এর নিয়ম লঙ্ঘিত হয়।
D) প্রৌ + ঢ় — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রৌ কোনো মূল শব্দ বা উপসর্গ নয় এবং ঢ় বর্ণটি সন্ধির এই নিয়মের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রৌঢ় শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় সবসময় মনে রাখবে এর উত্তর হবে প্র যোগ ঊঢ়।
দীর্ঘ ঊ-কার যুক্ত শব্দ দিয়ে গঠিত হওয়ায় এখানে উ-কার ব্যবহার করা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যতিক্রমী সন্ধি প্রায়ই আসে তাই প্রৌঢ় ও অক্ষৌহিণী শব্দ দুটি ভালোভাবে মনে রাখবে।
নিপাতনে সিদ্ধ বা বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধিগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
সঠিক উত্তর: D) অব্যয়
১. কেন সঠিক:
উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা স্বাধীনভাবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না। এরা অন্য শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন, সম্প্রসারণ বা সংকোচন ঘটায়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ হলো শব্দাংশ বা অব্যয় যা শব্দের আদিতে বসে। স্বাধীন পদের মর্যাদা না থাকলেও এদের নিজস্ব অর্থবাচকতা না থাকলেও অর্থদ্যোতকতা রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার
ব্যাখ্যা: এখানে প্র একটি অব্যয়সূচক উপসর্গ এবং হার শব্দের পূর্বে বসে সম্পূর্ণ নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে।
উদাহরণ ২: পরি + পূর্ণ = পরিপূর্ণ
ব্যাখ্যা: পরি উপসর্গটি পূর্ণ শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থকে জোরদার বা পূর্ণতা দান করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষ্য — বিশেষ্য হলো কোনো কিছুর নাম পদ, যা উপসর্গ হতে পারে না।
B) সর্বনাম — সর্বনাম বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি উপসর্গ নয়।
C) বিশেষণ — বিশেষণ দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, যা উপসর্গের ব্যাকরণগত রূপ নয়।
D) অব্যয় — উপসর্গ হলো এক প্রকার অব্যয় যা শব্দের পূর্বে বসে।
৫ মনে রাখার টিপস:
উপসর্গ মানেই অব্যয় যা শব্দের আগে বসে। মনে রাখতে পারো উপসর্গ হলো অব্যয়জাতীয় শব্দাংশ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ভাষায় খাটি বাংলা উপসর্গ একবিংশটি এবং তৎসম উপসর্গ বিশটি। উপসর্গ সবসময় শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে।
সঠিক উত্তর: C) অক্ষরবৃত্ত
১. কেন সঠিক:
'হে দারিদ্র, তুমি মোরে করেছ মহান' চরণটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত 'দারিদ্র্য' কবিতার অংশ এবং এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত।
অক্ষরবৃত্ত ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এতে ১০, ১২ বা ১৪ মাত্রার পর্ব থাকে এবং প্রতি চরণে পর্ববিন্যাস ও যতিচিঠির নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই চরণটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের 'দারিদ্র্য' কবিতার অন্তর্গত যা তাঁর বিখ্যাত 'সঞ্চিতা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
অক্ষরবৃত্ত ছন্দকে পয়ার ছন্দ, মিশ্রবৃত্ত ছন্দ বা সিলেবলভিত্তিক ছন্দও বলা হয় যেখানে মুক্তদল ১ মাত্রা এবং রুদ্ধদল ২ মাত্রা হিসেবে গণনা করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মোর নাম উভয় কুলে, চলেছি থরে বিথরে।
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্যের অংশ যা অক্ষরবৃত্ত ছন্দের চৌদ্দ মাত্রার প্রমিত নিয়মে রচিত।
উদাহরণ ২: বসি বিজনে কেন একা মন কাদে।
ব্যাখ্যা: এই চরণেও অক্ষরবৃত্ত ছন্দের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনির সুষম বিন্যাস এবং পর্বভিত্তিক যতিপাত ঘটেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বরবৃত্ত — স্বরবৃত্ত ছন্দ মূলত চার মাত্রার পর্বভিত্তিক ও দ্রুত লয়ের ছড়া বা গানধর্মী ছন্দ যা এই পংক্তির গাম্ভীর্যের সঙ্গে মেলে না।
B) মাত্রাবৃত্ত — মাত্রাবৃত্ত ছন্দ হলো কলাবৃত্ত বা পর্বপ্রধান ছন্দ যা একটু ধীর গতির এবং এই কবিতার অক্ষরবিন্যাসের সঙ্গে এর অমিল রয়েছে।
C) অক্ষরবৃত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ আলোচ্য পংক্তিটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দের নিয়ম ও মাত্রা বিন্যাস নিখুঁতভাবে মেনে তৈরি হয়েছে।
D) অমিত্রাক্ষর — অমিত্রাক্ষর ছন্দ হলো মূলত প্রবহমান অক্ষরবৃত্ত ছন্দ যার প্রতি চরণে অন্ত্যমিল থাকে না কিন্তু এই কবিতার চরণে অন্ত্যমিল রয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
নজরুলের বিদ্রোহী ও গম্ভীর ভাবালয়যুক্ত বিখ্যাত কবিতাগুলো যেমন দারিদ্র্য বা বিদ্রোহী সাধারণত অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত হয়।
অক্ষরবৃত্ত ছন্দকে মনে রাখার সহজ উপায় হলো একে গুরুগম্ভীর পয়ার বা মিশ্রবৃত্ত ছন্দ হিসেবে চিনে নেওয়া।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কবিতার ছন্দ ও কবির নাম জানতে চাওয়া হয়।
কোনো কবিতার ছন্দ নির্ণয় করতে হলে প্রথমে তার দল বা সিলেবল বিশ্লেষণ করে মাত্রা গণনা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) বাংলা
১. কেন সঠিক:
- 'সিরাজাম মুনীরা' কাব্যগ্রন্থটির ভাষা বাংলা এবং এটি বাংলা সাহিত্যে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুসলিম ঐতিহ্যচেতনায় সমৃদ্ধ রচনা।
- প্রশ্নটিতে ভাষা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই গ্রন্থটির রচিয়তা ও বিষয়বস্তু বিবেচনা করে এর মূল ভাষা বাংলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'সিরাজাম মুনীরা' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি ফররুখ আহমেদ।
- এটি মূলত ইসলামী ভাবধারা এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফররুখ আহমেদের 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এটিও কবি ফররুখ আহমেদের বাংলা ভাষায় রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ধ্রুপদী কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: কবি আলাওলের 'পদ্মাবতী' মহাকাব্য।
ব্যাখ্যা: এটিও মূল ফারসি বা হিন্দি ভাষার আখ্যান অবলম্বনে বাংলায় রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি অমূল্য সম্পদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ গ্রন্থটি বাংলা ভাষায় রচিত।
B) ফারসি — ফারসি ভাষা মনে হতে পারে কারণ আরবি বা ফারসি শব্দের প্রাবল্য আছে, কিন্তু গ্রন্থটির মূল ভাষা বাংলা।
C) আরবি — 'সিরাজাম মুনীরা' নামটি আরবি হলেও পুরো গ্রন্থটি আরবি ভাষায় রচিত নয়।
D) উর্দু — এই কাব্যগ্রন্থ রচনার ক্ষেত্রে উর্দু ভাষার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ফররুখ আহমেদের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সিরাজাম মুনীরা' এর নাম আরবি হলেও এর ভাষা বাংলা।
- নাম দেখে ভাষা ভুল করা যাবে না, এটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফররুখ আহমেদের রচনা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লেখকের নাম ও গ্রন্থের ভাষার পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বক্তব্য
১. কেন সঠিক:
- 'যা বলা হবে' বাক্যটির সংক্ষিপ্ত ও নির্ভুল রূপ হলো বক্তব্য।
- ভবিষ্যৎ বা আসন্ন কোনো বিষয়ে বলার উপযোগী বিষয়কে এক কথায় বক্তব্য বলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্যসংক্ষেপ হলো বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা বড় একটি ভাবকে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করে।
- এর মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং ভাষা সংক্ষিপ্ত ও সাবলীল হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা বলা হয়েছে
ব্যাখ্যা: অতীতে উচ্চারিত বা বলা হয়েছে এমন কোনো বিষয়কে এক কথায় 'উক্ত' বলা হয়।
উদাহরণ ২: যা বলার আছে
ব্যাখ্যা: মনের ভাব প্রকাশের জন্য যে কথাগুলো বলার অপেক্ষা রাখে, তাকে 'বক্তব্য' বা 'কথ্য' বলা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উক্ত — এই শব্দটি 'যা বলা হয়েছে' অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা বর্তমান বা ভবিষ্যতের পরিবর্তে অতীতকে নির্দেশ করে।
B) বক্তব্য — এটি সঠিক উত্তর, কারণ প্রশ্নটি ভবিষ্যৎ বা আসন্ন বলার বিষয়কে নির্দেশ করেছে।
C) ভবিতব্য — এর অর্থ যা হওয়ার তা অনিবার্য বা যা ভবিষ্যতে ঘটবে, তাই এটি বাক্যের সঙ্গে মেলে না।
D) অনুমিত — এর অর্থ যা অনুমান করা হয়েছে, যা বলার বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হবে বুঝালে ভবিষ্যৎ এবং বলা বুঝালে ব দিয়ে বক্তব্য মনে রাখা সহজ।
- যা বলা হয়েছে তা উক্ত এবং যা বলা হবে তা বক্তব্য হিসেবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে এবং বলা হবে এর পার্থক্য প্রায়ই আসে।
- শব্দের অর্থ বুঝে উত্তর করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) একটি কালো মেয়ের কথা
১. কেন সঠিক:
- 'একটি কালো মেয়ের কথা' হলো কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুন রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি এবং বাঙালি নারীর আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে এই উপন্যাসটি রচিত হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রাবেয়া খাতুন বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে এক প্রথিতযশা ঔপন্যাসিক ও গল্পকার।
- তাঁর উপন্যাসে গ্রামীণ জীবন, মধ্যবিত্ত সমাজ এবং ঐতিহাসিক ঘটনা বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধ গভীরভাবে উঠে এসেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাবেয়া খাতুনের 'মেঘের পর মেঘ' উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা চলচ্চিত্রায়িত হয়েছে।
উদাহরণ ২: রাবেয়া খাতুনের 'বায়ান্ন গলির এক গলি' উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা নগরজীবনের পটভূমিতে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি কালো মেয়ের কথা — সঠিক উত্তর এবং এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। (এখানে অপশনগুলোর বিন্যাস অনুযায়ী এটি সঠিক, তবে প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তরে সামান্য বিভ্রান্তি থাকতে পারে, কারণ রাবেয়া খাতুনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হিসেবে 'মেঘের পর মেঘ' বা 'রববার' বেশি পরিচিত; তবে 'একটি কালো মেয়ের কথা' উপন্যাসেও যুদ্ধকালীন জীবন ও নারীর সংগ্রামী রূপ প্রকাশ পেয়েছে)।
B) তেত্রিশ নম্বর তেলচিত্র — এটি শহীদ কাদরী বা অন্য কোনো প্রখ্যাত লেখকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, এটি ভিন্ন ধারার রচনা।
C) আয়নামাটির পালা — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, এটি অন্য কোনো সাহিত্যিক ধারা বা নাট্যধর্মী বা আঞ্চলিক উপন্যাসের সঙ্গে সম্পর্কিত।
D) ইছামতী — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত নদীভিত্তিক একটি ক্লাসিক উপন্যাস, যা পদ্মা ও ইছামতী নদীর তীরের মানুষের জীবন নিয়ে রচিত এবং এর সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের কোনো সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রাবেয়া খাতুনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখার জন্য তাঁর 'মেঘের পর মেঘ' এবং 'একটি কালো মেয়ের কথা' নামগুলো একসাথে মনে রাখতে পারো।
- ঐতিহাসিক পটভূমির উপন্যাস পড়ার সময় লেখকের নাম এবং মূল থিম একসঙ্গে নোট করে নেওয়া ভালো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রশ্ন আসে।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'ইছামতী' একটি নদীভিত্তিক উপন্যাস, তাই এটিকে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: A) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ
১. কেন সঠিক:
ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস এবং ভাষাতত্ত্ব নিয়ে প্রভূত গবেষণা করেছেন। 'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' বা 'বাংলা ভাষার ইতিহাস' শীর্ষক গবেষণামূলক কাজের জন্য তাঁর নাম বিশেষভাবে স্মরণীয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন বিশ শতকের প্রথমারভাগের অন্যতম প্রধান বাঙালি ভাষাবিদ, গবেষক ও পন্ডিত। তিনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা ভাষা এবং এর উৎপত্তির ইতিহাস নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত প্রাচীন যুগের নিদর্শন চর্যাপদের ভাষা নিয়ে গবেষণা গ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার আদি রূপ উন্মোচনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
উদাহরণ ২: তাঁর রচিত 'বাঙ্গালা ব্যাকরণ' গ্রন্থটি বাংলা ভাষার ব্যাকরণ চর্চায় একটি অনন্য সংযোজন।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিতে বাংলা ভাষার ব্যাকরণগত রূপ বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্লেষিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বাংলা ভাষা ও এর ইতিহাস নিয়ে মৌলিক গবেষণা করেছেন।
B) মোহাম্মদ আবদুল হাই — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাবিদ হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির রচয়িতা হিসেবে পরিচিত নন।
C) মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী — তিনি বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও সাহিত্য সমালোচক ছিলেন, তবে এই গ্রন্থটি তাঁর নয়।
D) মুনীর চৌধুরী — তিনি প্রখ্যাত নাট্যকার ও শিক্ষাবিদ ছিলেন, ভাষা ইতিহাসের এই গ্রন্থের সঙ্গে তাঁর নাম যুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভাষা ও তত্ত্ব সংক্রান্ত ইতিহাসের ক্ষেত্রে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর নাম সবার আগে আসে। ভাষা সম্পর্কিত গবেষণা মানেই ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য গবেষক ও পন্ডিতদের মৌলিক গ্রন্থগুলোর নাম মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) চর্যাপد
১. কেন সঠিক:
চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য তথা প্রথম কবিতা সংকলন, যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা পদ সংকলন।
ডক্টর হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে ১৯০৭ সালে এর পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রথম প্রকাশ করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক নিদর্শন যার আনুমানিক রচনা কাল হলো ৯৫০ থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দ।
এর পদকর্তা মোট ২৪ জন বা কারো মতে ২৩ জন, এবং এর প্রধান কবি হলেন কাহ্নপা যিনি সর্বাধিক ১৩টি পদ রচনা করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সবুজে সবুজে ঢেকে গেছে মাঠ
ব্যাখ্যা: এটি একটি আধুনিক কাব্যের উদাহরণ যা চর্যাপদের প্রাচীন ভাষা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রমিত বাংলা ভাষায় রচিত।
উদাহরণ ২: মীনলপাদ বা তিলৌপাদ রচিত পদসমূহ
ব্যাখ্যা: এই পদগুলো চর্যাপদের অন্তর্ভুক্ত যেখানে সন্ধ্যাভাষায় তাত্ত্বিক ও আধ্যাত্মিক সাধনার কথা বলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চর্যাপদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কবিতার সংকলন।
B) বৈষ্ণব পদাবলি — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত কাব্য ধারা যার প্রধান কবি চণ্ডীদাস ও বিদ্যাপতি।
C) ঐতরেয় আরণ্যক — এটি বৈদিক সাহিত্যের প্রাচীন অংশ যার সঙ্গে বাংলা কবিতার সূচনার কোনো সম্পর্ক নেই।
D) দোহাকোষ — এটি অপভ্রংশ ভাষায় রচিত বৌদ্ধ সাধকদের দোহা বা পদের সংকলন যা চর্যাপদের সমসাময়িক হলেও বাংলা ভাষার প্রথম কবিতা সংকলন নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন এবং প্রথম কবিতা সংকলন মনে রাখতে চ দিয়ে চর্যাপদ এবং চ দিয়ে প্রাচীন যুগ এভাবে মনে রাখবে।
১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে তা প্রকাশ করেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের আবিষ্কারক, প্রকাশকাল এবং আবিষ্কারের স্থান প্রায়ই আসে।
চর্যাপদের ভাষা হলো সন্ধ্যভাষা বা আলোআঁধারি ভাষা যা বাংলা, ওড়িয়া ও মৈথিলি ভাষার কাছাকাছি।
সঠিক উত্তর: C) মোড়ক
১. কেন সঠিক:
- মোড়ক শব্দটিতে মূল ধাতু মোড় এর সঙ্গে বাংলা কৃৎ প্রত্যয় অক যুক্ত হয়েছে।
- ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলা হয়।
- বাংলা কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ চেনার সহজ উপায় হলো এর মূল বা প্রকৃতি একটি ক্রিয়া বা ধাতু হবে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মোড়ক
ব্যাখ্যা: মোড় ধাতু যোগ অক প্রত্যয় মিলে মোড়ক শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা একটি বাংলা কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ।
উদাহরণ ২: খেলনা
ব্যাখ্যা: খেল ধাতু যোগ না প্রত্যয় মিলে খেলনা শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা কৃৎ প্রত্যয়ের আরেকটি সুন্দর উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চামার — চামার একটি তদ্ভব শব্দ এবং এটি পদের দিক থেকে বিশেষ্য, এখানে কোনো কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয়নি।
B) ধারালো — ধারালো শব্দটিতে তদ্ধিত প্রত্যয় আলো যুক্ত হয়েছে, যা কৃৎ প্রত্যয় নয়।
C) মোড়ক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) পোস্টার — পোস্টার একটি বিদেশি শব্দ, যা বাংলা কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কৃৎ প্রত্যয় চেনার জন্য শব্দের মূল অংশটি কোনো কাজ বা ক্রিয়া বোঝায় কি না তা দেখতে হবে।
- ধাতু থেকে উৎপন্ন হলে তা কৃৎ প্রত্যয় এবং শব্দ বা প্রাতিপদিক থেকে উৎপন্ন হলে তা তদ্ধিত প্রত্যয় হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃৎ ও তদ্ধিত প্রত্যয় আলাদা করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- ক্রিয়ামূল চিহ্নিত করতে পারলে কৃৎ প্রত্যয় নির্ণয় করা খুব সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) সমাচার দর্পণ
১. কেন সঠিক:
- সমাচার দর্পণ হলো বাংলা ভাষার প্রথম প্রকাশিত সংবাদপত্র।
- এটি ১৮১৮ সালের ২৩ মে শ্রীরামপুর বাপ্তিস্ম মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত হয় এবং এর সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উনিশ শতকের শুরুতে বাংলা গদ্যের বিকাশ এবং সংবাদচর্চার ইতিহাসে সমাচার দর্পণ একটি মাইলফলক।
- এটি মূলত সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হতো এবং এতে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষা ব্যবহার করা হতো।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দিগদর্শন
ব্যাখ্যা: এটি ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে প্রকাশিত প্রথম মাসিক পত্রিকা, তবে সংবাদপত্র নয়।
উদাহরণ ২: বেঙ্গল গেজেট
ব্যাখ্যা: এটি ১৭৮০ সালে প্রকাশিত ভারতের প্রথম ইংরেজি সংবাদপত্র, বাংলা সংবাদপত্র নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আজাদ — এটি বাংলাদেশের একটি আধুনিক দৈনিক পত্রিকা, বাংলা ভাষার প্রথম সংবাদপত্র নয়।
B) সমাচার দর্পণ — এটি সঠিক উত্তর এবং বাংলা ভাষার প্রথম সংবাদপত্র।
C) বঙ্গদর্শন — এটি ১৮৭২ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত একটি মাসিক সাহিত্য পত্রিকা, সংবাদপত্র নয়।
D) বেঙ্গল গেজেট — এটি জেমস অগাস্টাস হিকি কর্তৃক প্রকাশিত প্রথম ইংরেজি সংবাদপত্র, বাংলা ভাষার নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সমাচার দর্পণ মানে দর্পণের মতো সংবাদ দেখানো, যা বাংলা ভাষার প্রথম সংবাদপত্র হিসেবে ১৮১৮ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
- প্রথম সংবাদপত্র মনে রাখতে শ্রীরামপুর মিশন ও মার্শম্যানের নাম মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম সংবাদপত্র ও প্রথম মাসিক পত্রিকার মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
- প্রথম সংবাদপত্র সমাচার দর্পণ এবং প্রথম মাসিক পত্রিকা দিগদর্শন, দুটিই ১৮১৮ সালে প্রকাশিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) সূর্য + উদয়
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি স্বরসন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে।
- এখানে পূর্বপদের অন্তস্থিত অ এবং পরপদের আদি উ মিলে ও-কার হয়েছে।
- সূর্য শব্দের অন্তে অ এবং উদয় শব্দের আদিতে উ আছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- অ-কার বা আ-কারের পর উ-কার বা ঊ-কার থাকলে উভয় মিলে ও-কার হয় এবং তা পূর্ববর্ণে যুক্ত হয়।
- এই নিয়মে অ + উ মিলে ও-কার গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য + উদয় = সূর্যোদয়
ব্যাখ্যা: অ + উ মিলে ও-কার হওয়ার এটি একটি চমৎকার উদাহরণ।
উদাহরণ ২: হিত + উপদেশ = হিতোপদেশ
ব্যাখ্যা: অ-কারের পর উ-কার যুক্ত হয়ে ও-কার হওয়ার আরেকটি প্রমিত উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সূর্য + দয় — এটি সঠিক নয় কারণ দয় কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ নয়।
B) সূর্য + উদয় — এটি সঠিক কারণ এর উভয় অংশই অর্থপূর্ণ এবং সন্ধির নিয়ম মেনেছে।
C) সূর্যো + দয় — এটি সঠিক নয় কারণ সূর্যো কোনো প্রমিত শব্দ বা পূর্বপদ নয়।
D) কোনোটিই নয় — এটি ভুল কারণ অপশন বি সঠিক উত্তর হিসেবে বিদ্যমান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শব্দের মাঝে ও-কার থাকলে এবং তা ভাঙলে যদি অ এবং উ পাওয়া যায়, তবে তা স্বরসন্ধির এই নিয়মে পড়ে।
- অ বা আ এর পর উ বা ঊ থাকলেই তা ও-কার হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই ধরনের সন্ধি বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে শব্দের অর্থ ঠিক রাখা অত্যন্ত জরুরি।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই নিয়মের শব্দগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) প্রণিপাত
১. কেন সঠিক:
প্রণিপাত শব্দের অর্থ প্রণাম বা ভক্তিভরে নিবেদন। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী মূর্ধন্য ণ এবং প-এর যুক্তবর্ণে এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বানানে ণত্ববিধানের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত ট বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) পূর্বে মূর্ধন্য ণ বসে। প্রণিপাত শব্দটিতে প্র উপসর্গের পর নিপাত মূল শব্দ যুক্ত হওয়ার সময় এই নিয়মটি কার্যকর হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রণতি
ব্যাখ্যা: প্রণিপাত শব্দের মতোই প্র উপসর্গের প্রভাবে এখানেও মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: প্রণব
ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্র উপসর্গযুক্ত শব্দ যেখানে মূর্ধন্য ণ-এর সঠিক ব্যবহার হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রণিপাত — এটি নির্দেশিত সঠিক উত্তর।
B) নির্মান — ভুল বানান, এর শুদ্ধ রূপ নির্মাণ কারণ ম-এর পূর্বে মূর্ধন্য ণ হয়।
C) কৃপান — ভুল বানান, এর শুদ্ধ রূপ কৃপাণ কারণ ঋ কারের পর মূর্ধন্য ণ বসে।
D) রূপায়ন — ভুল বানান, এর শুদ্ধ রূপ রূপায়ণ কারণ অন্তস্থ য-এর পূর্বে মূর্ধন্য ণ হয় না, দন্ত্য ন হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সংস্কৃত উৎসের অনেক শব্দে প্র উপসর্গের পর ন স্থানে ণ হয়। তাই প্র-এর সাথে নিপাত যুক্ত হলে প্রণিপাত বানানটি সর্বদা মূর্ধন্য ণ দিয়ে লিখতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ণত্ববিধান সংক্রান্ত বানান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ঋ কার, র এবং ষ-এর পরে সাধারণত মূর্ধন্য ণ হয়, এই নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) to
কেন সঠিক:
- ব্যাংকিং লেনদেনের ক্ষেত্রে কারো অ্যাকাউন্টে টাকা জমা বা ক্রেডিট করার সময় উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে সাধারণত to ব্যবহৃত হয়।
- এই বাক্যে Credit Tk. ৫,০০০ to my account বলতে আমার অ্যাকাউন্টে পাঁচ হাজার টাকা জমা করা হয়েছে বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — অ্যাকাউন্টে ভেতরে অর্থ বোঝাতে in বসে না, কারণ এটি নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা পাত্র নয়।
B) with — অ্যাকাউন্টের সাথে বা দ্বারা অর্থ প্রকাশ করতে with বসে না, এটি সাধারণত কোনো যন্ত্র বা ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
C) against — বিরুদ্ধ বা বিপক্ষে অর্থ প্রকাশ করতে against বসে, যা এই আর্থিক লেনদেনের অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
D) to — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্রেডিট করার ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্টের দিকে বা অ্যাকাউন্টে জমা করা অর্থে to প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
টাকা জমা বা ক্রেডিট (Credit) করা হলে প্রাপক বা অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে সর্বদা to প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) He insisted on seeing her
কেন সঠিক:
- Insist verb-এর পরে সাধারণত preposition হিসেবে on ব্যবহৃত হয় এবং এর পরের verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়।
- প্রদত্ত বাক্যটি এই নির্দিষ্ট grammatical rule বা নিয়মটি সঠিকভাবে অনুসরণ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He insisted on seeing her — এটি সঠিক কারণ insist-এর পরে অনিয়মিতভাবে on ব্যবহৃত হয়।
B) He insisted for seeing her — insist-এর পরে প্রিপজিশন for ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) He insisted in seeing her — এখানে insist-এর পরে in প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়েছে, যা নিয়মবহির্ভূত।
D) He insisted to be seeing her — এখানে infinitive এবং continuous tense-এর ভুল প্রয়োগ ঘটেছে।
মনে রাখার টিপস:
Insist শব্দের সাথে সবসময় প্রিপজিশন on এবং তার পরের verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়, যেমন Insist on doing.
সঠিক উত্তর: B) consider
কেন সঠিক:
- take into account একটি ইংরেজিগুচ্ছ বা ফ্রেজ, যার আক্ষরিক অর্থ হিসাবের মধ্যে নেওয়া হলেও পারিভাষিক ও ভাবার্থ হলো কোনো কিছু বিবেচনা করা।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ফ্রেজটি প্রায়ই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কোনো বিষয়কে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা অর্থে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) count numbers — এটি আক্ষরিক বাLiteral অর্থ প্রকাশ করে, যা এই বাগধারাটির রূপক বা ভাবার্থের সাথে মেলে না।
B) consider — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বিবেচনা করা, যা take into account ফ্রেজের সমার্থক।
C) think seriusly — গুরুত্বের সাথে চিন্তা করা বোঝালেও এটি এই নির্দিষ্ট ফ্রেজের সরাসরি সঠিক বা মানসম্মত ভাবার্থ নয়।
D) asses — মূল্যায়ন করা বোঝায়, যা এই ফ্রেজের নির্দিষ্ট অর্থ বিবেচনা করার সম্পূর্ণ সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
অ্যাকাউন্টে টাকা রাখার সময় যেমন হিসাব রাখা হয়, তেমনি কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কোনো বিষয় অ্যাকাউন্টে বা হিসেবে নেওয়া মানে তা বিবেচনা করা।
সঠিক উত্তর: C) paper is made from wood
কেন সঠিক:
- উপাদানের রূপান্তর ঘটার পর মূল উপাদান চেনার উপায় না থাকলে প্রিপজিশন from ব্যবহৃত হয়।
- কাঠে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে কাগজ তৈরি হয় এবং কাগজ দেখে কাঁচামাল কাঠ চেনা যায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) paper is made from — এটি অসম্পূর্ণ বাক্য কারণ এর সাথে কোনো উপাদান উল্লেখ নেই।
B) paper is made by wood — এখানে বাই প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়েছে যা কোনো ব্যক্তি বা কর্তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, বস্তুর ক্ষেত্রে নয়।
C) paper is made from wood — এটি সঠিক কারণ রূপান্তরের ক্ষেত্রে from ব্যবহৃত হয়।
D) paper is made on wood — অন প্রিপজিশন সাধারণত কোনো কিছুর ওপর অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থহীন।
মনে রাখার টিপস:
উপাদান পরিবর্তন হয়ে নতুন বস্তু তৈরি হলে এবং আগেরটি দেখা না গেলে from বসে, আর উপাদান অপরিবর্তিত থাকলে of বসে।
সঠিক উত্তর: A) on my going
কেন সঠিক:
- Insist verb-এর পরে সাধারণত preposition হিসেবে on বসে।
- Preposition-এর পরে gerund বসে এবং তার আগে possessive form ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on my going — এটি সঠিক কারণ insist-এর পরে on এবং gerund-এর আগে possessive form বসেছে।
B) is to go — এটি grammatically অসংগত কারণ বাক্যের মূল verb-এর পরে infinitive সরাসরি বসে না।
C) over going — এটি ভুল কারণ insist-এর সঙ্গে over preposition ব্যবহৃত হয় না।
D) to go — এটি ভুল কারণ insist-এর পরে সঠিক preposition on ব্যবহার করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
Insist verb-এর পরে ہمیشہ on বসে এবং তার পরের verb-এর সঙ্গে ing যোগ করার আগে possessive pronoun ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Yesterday, he went home.
কেন সঠিক:
- বাক্যে 'Yesterday' শব্দটি অতীত নির্দেশক হওয়ায় মূল verb-এর Past Form ব্যবহার করতে হয়।
- Past Indefinite Tense-এর নিয়ম অনুযায়ী Subject-এর পর সরাসরি verb-এর পাস্ট ফর্ম বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Yesterday, he has gone home. — বাক্যে 'Yesterday' থাকা সত্ত্বেও Present Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) Yesterday, he did gone home. — 'did' এর পর verb-এর Present Form বসে, কিন্তু এখানে Past Form ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত।
C) Yesterday, he had gone home. — অতীতে ঘটে যাওয়া দুটি কাজের পূর্ববর্তী বোঝাতে Past Perfect Tense হয়, যা এই সাধারণ অতীতের বাক্যে প্রযোজ্য নয়।
D) Yesterday, he went home. — এটি সঠিক কারণ অতীত নির্দেশক শব্দ থাকায় এখানে সঠিক Past Indefinite Tense ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে Yesterday, Ago, Once ইত্যাদি অতীত নির্দেশক শব্দ থাকলে সাধারণত Verb-এর Past Indefinite Tense (Verb-এর ২য় রূপ) হয়।
সঠিক উত্তর: B) timely action
কেন সঠিক:
- এই প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো সময়ে সেলাই করলে তা পরবর্তীতে নয়টি সেলাই বাঁচায়, যা সঠিক সময়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার গুরুত্ব বোঝায়।
- অর্থাৎ কোনো সমস্যা ছোট থাকা অবস্থায় সময়মতো ব্যবস্থা নিলে বড় ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) saving lives — এটি সরাসরি জীবন বাঁচানোর কথা বলে, যা এই প্রবচনের রূপক বা সাধারণ অর্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
B) timely action — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রবচনটি সময়মতো পদক্ষেপ নেওয়ার গুরুত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) time tailoring — এটি মূলত সেলাই বা দর্জির কাজের সঙ্গে আক্ষরিক মিল রেখে বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা একটি ভুল অপশন।
D) saving time — এটি কেবল সময় বাঁচানোর কথা বলে, কিন্তু প্রবচনটি মূলত সময়মতো কাজ করার গুরুত্বকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
প্রবচনে সেলাইয়ের উদাহরণের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে সময়মতো কাজ করলে বড় বিপদ এড়ানো যায়।
সঠিক উত্তর: C) To come to nothing
কেন সঠিক:
- 'To end in smoke' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়াম, যার আক্ষরিক অর্থ ধোঁয়ায় শেষ হওয়া এবং ভাবার্থ হলো ব্যর্থতায় পর্যবসিত হওয়া।
- কোনো দীর্ঘ প্রচেষ্টা বা পরিকল্পনা যখন কোনো ইতিবাচক ফলাফল ছাড়াই শেষ হয়ে যায়, তখন এই ইডিয়ামটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) To create fire — এটি আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করলেও ইডিয়ামের আসল ভাবার্থ অর্থাৎ ব্যর্থতাকে নির্দেশ করে না।
B) To go through suffering — এর অর্থ কষ্ট ভোগ করা, যা আলোচ্য ইডিয়ামটির নির্দিষ্ট অর্থ বা ফলাফলের সঙ্গে মিলে না।
C) To come to nothing — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ কোনো ফলাফল না পাওয়া বা ব্যর্থ হওয়া।
D) To see fire — এটি আক্ষরিক অর্থে আগুন দেখা বোঝায়, যা এই বাগধারাটির প্রাবন্ধিক বা রূপক অর্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ।
মনে রাখার টিপস:
আগুন জ্বললে ধোঁয়া ওড়ে কিন্তু কাজের কাজ ছাই ছাড়া কিছু থাকে না, এভাবে মনে রাখতে পারেন ধোঁয়ায় শেষ হওয়া মানেই সব ভেস্তে যাওয়া বা ব্যর্থ হওয়া।
সঠিক উত্তর: B) tolerate
কেন সঠিক:
- 'Put up with' একটি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি ফ্রেজ বা ইডিওম, যার অর্থ হলো কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা ব্যক্তিকে ধৈর্য ধরে সহ্য করা।
- প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই ইডিওমের নির্ধারিত আভিধানিক অর্থের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Stay together — এই অপশনটির অর্থ একসাথে থাকা বা একসাথে বসবাস করা, যা আলোচ্য ইডিওমের অর্থ সহ্য করার সঙ্গে মিলে না।
B) Tolerate — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ কোনো কিছু সহ্য করা বা বরদাস্ত করা।
C) Keep trust — এই অপশনটির অর্থ বিশ্বাস রক্ষা করা বা ভরসা রাখা, যা প্রশ্নোক্ত ইডিওমের অর্থের সম্পূর্ণ বিপরীত।
D) Protect — এই অপশনটির অর্থ রক্ষা করা বা সুরক্ষা দেওয়া, যা সহ্য করার সমার্থক শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বিরক্তিকর পরিস্থিতি ওপর (up) তুলে ধরে (put) সহ্য করা বা মেনে নেওয়া বোঝাতে 'put up with' অর্থাৎ 'tolerate' ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) eating all types of food
কেন সঠিক:
- ল্যাটিন শব্দ 'omnis' যার অর্থ সব এবং 'vorare' যার অর্থ খাওয়া, এই দুটি মিলে 'omnivorous' শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- এর অর্থ হলো এমন প্রাণী বা জীব যা উদ্ভিদ এবং মাংস উভয় প্রকার খাবারই খায় বা সব ধরনের খাবার গ্রহণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) eating all types of food — এটি সঠিক কারণ এটি সর্বভুক বা সব ধরনের খাবার খায় এমন জীবকে নির্দেশ করে।
B) eating only fruits — এটি ভুল কারণ শুধু ফলমূল খাওয়া প্রাণীদের ফ্রুটোভোরাস বা ফলাহারী বলা হয়।
C) eating only meat — এটি ভুল কারণ শুধু মাংস খাওয়া প্রাণীদের কার্নিভোরস বা মাংসাশী বলা হয়।
D) eating grass and plants only — এটি ভুল কারণ শুধু ঘাস ও উদ্ভিদ খাওয়া প্রাণীদের হার্বিভোরস বা তৃণভোজী বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
'Omni' শব্দের অর্থ সব এবং 'vor' অর্থ খাওয়া, তাই omnivorous মানে সব ধরনের খাবার খায় যে।
সঠিক উত্তর: B) freezes
কেন সঠিক:
- এটি একটি চিরন্তন সত্য বা সাধারণ বৈজ্ঞানিক ঘটনা, তাই এর মূল অংশে Present Indefinite Tense ব্যবহৃত হয়।
- বাক্যের প্রথম অংশ When water যুক্ত clause-টি Present Indefinite এ থাকায় অপর অংশটিও Present Indefinite Tense হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) will freeze — এটি Future Indefinite Tense, যা চিরন্তন সত্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) freezes — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাবজেক্ট water singular হওয়ায় verb-এর সাথে s যুক্ত হয়েছে।
C) would freeze — এটি Second Conditional-এর নিয়ম, যা এই বাস্তব সত্য বাক্যের সাথে মেলে না।
D) froze — এটি Past Indefinite Tense, যা বর্তমানের বৈজ্ঞানিক সত্য প্রকাশ করতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
চিরন্তন সত্য বা বৈজ্ঞানিক নিয়ম বোঝাতে both clauses-এ Present Indefinite Tense হয়।
সঠিক উত্তর: খ) কড়চা
কেন সঠিক:
- 'Biography' শব্দের বাংলা পরিভাষা হিসেবে 'জীবনী' বহুল ব্যবহৃত হলেও প্রমিত সাহিত্যিক অর্থে একে 'কড়চা' বা জীবনবৃত্তান্ত বলা হয়।
- এটি কোনো ব্যক্তির জীবন বা ইতিহাসভিত্তিক রচনাকে নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) গ্রন্থনির্দেশিকা — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হলো Bibliography, যা কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের বইয়ের তালিকা নির্দেশ করে।
খ) কড়চা — এটি Biography শব্দের সঠিক আভিধানিক অর্থ বা পরিভাষা হিসেবে প্রযোজ্য।
গ) বিবরণ — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা সাধারণত Description বা Account, যা কোনো ঘটনার বর্ণনা বোঝায়।
ঘ) আলোচনা — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা Discussion বা Analysis, যা কোনো বিষয়ের ওপর মতামত বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
Biography মানে জীবন বা বায়ো, আর এর কড়চা বা জীবনকাহিনি হলো মানুষের জীবনী।
সঠিক উত্তর: D) The authorities took him to task
কেন সঠিক:
- 'tiraskar kora' ba 'bhartsana kora' bujhate 'take to task' idiomatic phrase-ti byabohar kora hoy।
- Ekhane authority ba kartripakkha take dosh er karone tiraskar koreche, jar English rup 'took him to task'।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The authorities criticized him — Criticized shabdatir sathe 'to' ba onnanno preposition-er byabohar sothik noy ebong eta diye idiomatic vabe tiraskar bujhay na।
B) The authorities took him to book — 'Take to book' kono idiomatic phrase noy, sothik phrase-ti holo 'take to task'।
C) The authorities gave reins to him — 'Give reins to' phrase-er ortho rokkhonshilota komanor poriborte niyontron shithil kora ba chere dewa।
D) The authorities took him to task — Etai sothik idiomatic translation ja 'tiraskar korlo' bujhaye thake।
মনে রাখার টিপস:
'Tiraskar kora' ba 'shasti dewa' bujhate task-er sathe take shabda-jora bebohar kore 'take to task' idiom-ti mone rakhbe।
সঠিক উত্তর: D) Friendly
কেন সঠিক:
- Amicable শব্দের বাংলা অর্থ হলো বন্ধুত্বপূর্ণ বা সৌহার্দ্যপূর্ণ।
- Friendly শব্দের অর্থও বন্ধুত্বপূর্ণ, যা প্রদত্ত শব্দের সঙ্গে সরাসরি মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Interesting — এর অর্থ আকর্ষণীয়, যা amicable শব্দের সমার্থক নয়।
B) Loving — এর অর্থ স্নেহময় বা ভালোবাসাপূর্ণ, যা অমায়িক বা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক পুরোপুরি বোঝায় না।
C) Affectionate — এর অর্থ অনুরাগী বা স্নেহশীল, যা পারিবারিক বা ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
D) Friendly — এর অর্থ বন্ধুত্বপূর্ণ, যা সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Amicable শব্দের শুরুতে Ami আছে যার অর্থ বন্ধু, তাই এটি Friendly শব্দের সঙ্গে মিলে যায়।
বিষয় ও ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Degrees of Comparison)
সঠিক উত্তর: B) We were as surprised as Rahman
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটিতে no more... than গঠনটি ব্যবহার করা হয়েছে, যা মূলত দুটি পক্ষের মধ্যে সমান মাত্রার তুলনা বোঝায়।
- এর অর্থ হলো রহমান যতটুকু অবাক হয়েছিল, আমরাও ঠিক ততটুকুই অবাক হয়েছিলাম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) We were less surprised than Rahman — এই অপশনটি কম অবাক হওয়ার তুলনা বোঝাচ্ছে, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
B) We were as surprised as Rahman — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মূল বাক্যের সমান অবাক হওয়ার অর্থ প্রকাশ করে।
C) Rahman was less surprised than us — এই অপশনে রহমান কম অবাক হয়েছিল বলা হয়েছে, যা মূল বাক্যের ভাবার্থ পরিবর্তন করে দেয়।
D) We were all surprised — এই অপশনটিতে তুলনামূলক রূপটি অনুপস্থিত এবং এটি কেবল সবাইকে অবাক হওয়ার কথা বলছে।
মনে রাখার টিপস:
no more... than দেখলে সমতার তুলনা (as... as) বুঝতে হবে এবং উভয়পক্ষ সমানভাবে প্রভাবিত হয়েছে তা ধরে নিতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) Betterment
কেন সঠিক:
- Improvement শব্দের অর্থ উন্নতি বা উৎকর্ষ সাধন এবং Betterment শব্দটির অর্থও একই রকম ভালো অবস্থার দিকে পরিবর্তন।
- সমার্থক শব্দ হিসেবে এই দুটি শব্দের অর্থ প্রায় শতভাগ মিল রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Promotion — এর অর্থ পদোন্নতি বা প্রমোশন, যা চাকরির ক্ষেত্রে স্তরের উন্নতির সঙ্গে যুক্ত কিন্তু সাধারণ অর্থে সব উন্নতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) Advancement — এর অর্থ অগ্রগতি, যা সাধারণত বিজ্ঞান বা প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এগিয়ে যাওয়া বোঝায় এবং এটি Improvement-এর চেয়ে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ব্যবহৃত হয়।
C) Betterment — এটি সঠিক উত্তর।
D) Preference — এর অর্থ পছন্দ বা অগ্রাধিকার, যা উন্নতির সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Improvement এবং Betterment উভয় শব্দের শুরুতেই ভালো বা উন্নত অবস্থার ইঙ্গিত রয়েছে, তাই সমার্থক শব্দ হিসেবে এদের মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: B) Enact
কেন সঠিক:
- REPEAL শব্দের অর্থ হলো কোনো আইন বা আদেশ বাতিল করা বা রহিত করা।
- Enact শব্দের অর্থ হলো কোনো আইন প্রণয়ন করা বা পাস করা, যা REPEAL শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Abolish — এর অর্থ বাতিল করা, যা REPEAL শব্দের সমার্থক এবং বিপরীত অর্থ নয়।
B) Enact — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ নতুন আইন চালু করা বা পাস করা।
C) Annul — এর অর্থ বাতিল বা অবৈধ ঘোষণা করা, যা REPEAL শব্দের সমার্থক।
D) Nullify — এর অর্থ গুরুত্বহীন বা বাতিল করা, যা REPEAL শব্দের সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
আইন বাতিল করা বোঝাতে REPEAL ব্যবহার হয় এবং আইন পাস করা বোঝাতে Enact ব্যবহার হয়।
সঠিক উত্তর: A) a
কেন সঠিক:
- উচ্চারণ নিয়ম অনুযায়ী 'one' শব্দটি শুরু হওয়ার সময় 'ওয়' এর মতো উচ্চারিত হয়।
- vowel থাকা সত্ত্বেও 'one' এর উচ্চারণ consonant এর মতো হওয়ায় এর পূর্বে 'a' বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a — এটি সঠিক উত্তর কারণ vowel থাকা সত্ত্বেও word টি 'ওয়' দিয়ে উচ্চারিত হয়।
B) an — এটি ভুল কারণ 'an' সাধারণত vowel sound বিশিষ্ট শব্দের পূর্বে বসে।
C) the — এটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট কোনো একচোখা ব্যক্তিকে বোঝাতে নির্দিষ্ট आर्टिकल ব্যবহৃত হয়নি।
D) no — এটি ভুল কারণ শূন্যস্থানে Article বসানো বাধ্যতামূলক।
মনে রাখার টিপস:
O দিয়ে শুরু কোনো শব্দের উচ্চারণ যদি 'ওয়া' এর মতো হয়, তবে তার পূর্বে an না বসে always a বসে।
সঠিক উত্তর: A) moves
কেন সঠিক:
- চিরন্তন সত্য বা Universal Truth প্রকাশ করতে চিরকাল Present Indefinite Tense ব্যবহৃত হয়।
- পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে এটি একটি বৈজ্ঞানিক সত্য, তাই এখানে moves সঠিক রূপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) moves — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি চিরন্তন সত্যের ক্ষেত্রে Present Indefinite Tense নির্দেশ করে।
B) will be moving — এটি Future Continuous Tense, যা চিরন্তন সত্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) has moved — এটি Present Perfect Tense, যা অতীতের ঘটনার ফল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) moved — এটি Past Indefinite Tense, যা অতীতকালের নির্দিষ্ট কাজ বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে চিরন্তন সত্য থাকলে চোখ বন্ধ করে Present Indefinite Tense বা verb এর সাথে s বা es যুক্ত রূপ নির্বাচন করবে।
সঠিক উত্তর: D) Are they known to you?
কেন সঠিক:
- Present indefinite Tense-যুক্ত Interrogative sentence-এর Active voice-কে Passive করার সময় Subject-এর পূর্বে Do বা Does-এর পরিবর্তে Am, Is বা Are বসে।
- Know verb-এর পর সাধারণ নিয়মের preposition 'by' না বসে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে 'to' বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Are they known by you? — এখানে Know verb-এর পর ভুল preposition 'by' ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
B) Would they be known by you? — এটি Past conditional বা Modal auxiliary-এর গঠন, যা প্রদত্ত Present indefinite tense-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) Are they known with you? — এখানে Know verb-এর পর ভুল preposition 'with' ব্যবহার করা হয়েছে, কারণ সঠিক preposition হলো 'to'।
D) Are they known to you? — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এতে Tense ও Preposition উভয় নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Know verb-যুক্ত sentence-কে Passive করার সময় বাই (by) না বসিয়ে সব সময় টু (to) বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) By whom am I being called?
কেন সঠিক:
- Interrogative Pronoun যুক্ত Active Voice-এর 'Who' কে Passive করার সময় প্রথমে By whom বসে।
- Present Continuous Tense-এর গঠন অনুযায়ী object-এর পর am/is/are being এবং verb-এর Past Participle বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) By whom am I called? — এটি Present Indefinite Tense-এর Passive রূপ, কিন্তু প্রশ্নটি Present Continuous Tense-এ ছিল।
B) By whom I am called? — এখানে সাহায্যকারী verb 'am' সাবজেক্টের পরে বসেছে, যা Interrogative বাক্যের নিয়মের পরিপন্থী।
C) By whom am I being called? — এটি সঠিক উত্তর।
D) Whom am I called by? — নিয়ম অনুযায়ী বাক্যের শুরুতে By বসে। তাই শুধু Whom ব্যবহার করা সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Who যুক্ত Continuous Tense-কে Passive করার সময় By whom এর পর Tense অনুযায়ী am/is/are being ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) a brother or sister
কেন সঠিক:
- 'Sibling' একটি জেন্ডার-নিউট্রাল বা উভলিঙ্গ শব্দ যা ভাই বা বোন উভয়কেই বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- পিতা-মাতা অভিন্ন এমন যেকোনো সহোদর ভাই বা বোনকে ইংরেজিতে কালেক্টিভলি সাইবলিং বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a brother — এটি শুধুমাত্র পুরুষ সহোদরকে বোঝায়, তাই এটি আংশিক এবং ভুল উত্তর।
B) a sister — এটি শুধুমাত্র নারী সহোদরকে নির্দেশ করে, তাই এটিও অসম্পূর্ণ উত্তর।
C) a brother or sister — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে ভাই বা বোন উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
D) an infant — এর অর্থ শিশু বা নবজাতক, যা sibling শব্দের অর্থের সঙ্গে সম্পর্কহীন।
মনে রাখার টিপস:
Sibling শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি একই পিতা-মাতার সন্তান ভাই এবং বোন উভয়কেই একসাথে নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: B) lice
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু Singular Noun-এর ভেールの ভেতরের ভাওয়েল পরিবর্তন করে Plural করতে হয়।
- Louse শব্দের ভেতরের ou অক্ষর পরিবর্তন হয়ে i হয়ে lice গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) louses — এটি ব্যাকরণসম্মত নয় কারণ louse শব্দের প্লুরাল গঠনে সাধারণ নিয়ম প্রযোজ্য হয় না।
B) lice — এটি সঠিক উত্তর যা louse শব্দের ভেতরের ভাওয়েল পরিবর্তন করে গঠিত হয়েছে।
C) lices — এমন কোনো ইংরেজি শব্দ ব্যাকরণে অনুমোদিত নয়।
D) licess — এটি একটি সম্পূর্ণ ভুল ও অপ্রচলিত গঠন।
মনে রাখার টিপস:
Mouse শব্দের প্লুরাল যেমন mice হয়, ঠিক তেমনই Louse শব্দের প্লুরাল lice হয়।
সঠিক উত্তর: D) a little
কেন সঠিক:
- 'Money' একটি uncountable noun বা গণনাহীন বিশেষ্য, যার আগে পরিমাণ বোঝাতে 'a little' ব্যবহৃত হয়।
- 'I still have a little money' বাক্যটির অর্থ হলো আমার কাছে এখনও সামান্য কিছু টাকা আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a few — এটি countable noun বা গণনযোগ্য বিশেষ্যের পূর্বে বসে, তাই uncountable noun 'money'-র ক্ষেত্রে ভুল।
B) quite a few — এটিও countable noun-এর পূর্বে বসে এবং অনেক সংখ্যা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) many — এটি শুধু plural countable noun-এর পূর্বে বসে, তাই uncountable noun 'money'-র ক্ষেত্রে ভুল।
D) a little — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি uncountable noun-এর পূর্বে সামান্য পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
Money uncountable তাই a little আর books countable তাই a few বসে।
সঠিক উত্তর: B) প্রাণবন্ত
কেন সঠিক:
- Vivid শব্দটির মূল অর্থ হলো অত্যন্ত স্পষ্ট, উজ্জ্বল বা যা মনে সজীব প্রতিকৃতি আঁকে।
- এর বাংলা পরিভাষা হিসেবে প্রাণবন্ত বা জীবন্ত শব্দটি নিখুঁতভাবে প্রযোজ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিবিধ — এই শব্দের ইংরেজি অর্থ ভেরিয়াস বা ভ্যারিয়েড, যা বিভিন্ন বা নানা প্রকার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) প্রাণবন্ত — এটি সঠিক উত্তর, কারণ Vivid এবং প্রাণবন্ত উভয়ই সজীবতা বা উজ্জ্বল প্রকাশ বোঝায়।
সি) বিস্তৃত — এই শব্দের ইংরেজি অর্থ এক্সটেন্ডেড বা ব্রড, যা কোনো কিছুর পরিধি বা ক্ষেত্র বোঝায়।
D) ব্যাপ্ত — এই শব্দের ইংরেজি অর্থ পারভেডেড বা স্প্রেড, যা কোনো কিছু ছড়িয়ে থাকা বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
Vivid মানে ভিডিওর মতো স্পষ্ট ও প্রাণবন্ত।
সঠিক উত্তর: D) উপভাষা
কেন সঠিক:
- কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের কথ্য ভাষাকে উপভাষা বা Dialect বলা হয়, যেখানে উচ্চারণ ও শব্দ ব্যবহারে ভিন্নতা থাকে।
- এটি মূল ভাষারই একটি আঞ্চলিক রূপ, যা ভাষাবিজ্ঞানের পরিভাষায় প্রমিত ভাষার পাশাপাশি প্রচলিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দোভাষী — এই পরিভাষাটি Interpreter বা Translator শব্দের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, কোনো ভাষার আঞ্চলিক রূপের জন্য নয়।
B) স্থানীয় ভাষা — এটি সাধারণ অর্থে Local Language বোঝায়, যা কোনো নির্দিষ্ট এলাকার সার্বিক ভাষাকে নির্দেশ করে কিন্তু ভাষাবিজ্ঞানসম্মত পরিভাষা হিসেবে উপভাষা নির্দিষ্ট।
C) গ্রাম্য ভাষা — এটি মূলত অপ্রমিত বা কথ্য ভাষার অনানুষ্ঠানিক রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা Dialect-এর সঠিক পরিভাষা নয়।
D) উপভাষা — এটি সঠিক পরিভাষা কারণ Dialect বলতে ভাষা বিজ্ঞানে নির্দিষ্ট অঞ্চলের ভাষাগত বৈচিত্র্যকে বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দ Dialect এর বাংলা পরিভাষা হলো উপভাষা, যেখানে 'Di' অংশটি আঞ্চলিক বা পৃথক রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: C) He is poor but honest
কেন সঠিক:
- 'Though' যুক্ত Complex sentence-কে Compound করার সময় মাঝখানে 'but' বসাতে হয় এবং উভয় অংশের Subject এক হলে প্রথম অংশ ছোট করে লেখা যায়।
- এখানে পরস্পরবিরোধী দুটি ভাব দরিদ্রতা এবং সততা প্রকাশ করতে but অব্যয়টি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He is poor and honest — 'And' একই ধরনের ভাবযুক্ত বাক্যকে যুক্ত করে, কিন্তু দরিদ্র হওয়া এবং সৎ হওয়া পরস্পরবিরোধী ধারণা।
B) As he is poor, he is honest — এটি একটি Complex sentence, যা কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি Compound structure নয়।
C) He is poor but honest — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা Compound sentence-এর গঠন শতভাগ পূরণ করেছে।
D) Since he is poor, he is honest — এটিও একটি Complex sentence, যা কারণ প্রকাশ করে এবং Compound structure নয়।
মনে রাখার টিপস:
Though যুক্ত Complex বাক্যকে Compound করতে হলে মাঝখানে but বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Material noun
কেন সঠিক:
- যে নাউন দ্বারা কোনো উপাদান বা পদার্থের নাম বোঝায় যা গণনা করা যায় না কিন্তু ওজন বা পরিমাপ করা যায়, তাকে Material noun বলে।
- Mutton হলো ছাগল বা ভেড়ার মাংসের নাম, যা একটি নির্দিষ্ট উপাদান বা বস্তুবাচক পদার্থ নির্দেশ করে এবং এটি ওজন করে পরিমাপ করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Common noun — Common noun হলো একই জাতীয় ব্যক্তি বা বস্তুর সাধারণ নাম, কিন্তু Mutton কোনো স্বতন্ত্র পৃথক প্রাণী নয় বরং একটি পদার্থের নাম।
B) Abstract noun — Abstract noun দ্বারা গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম বোঝায় যা ছোঁয়া বা দেখা যায় না, কিন্তু Mutton একটি দৃশ্যমান ও স্পর্শনীয় পদার্থ।
D) Proper noun — Proper noun নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, স্থান বা গ্রন্থের নাম নির্দেশ করে, কিন্তু Mutton কোনো নির্দিষ্ট একক নাম বা Proper noun নয়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব খাদ্যবস্তু বা উপাদান গণনা করা যায় না বরং ওজন করতে হয়, যেমন মাংস, চাল, পানি ইত্যাদি, সেগুলো সাধারণত Material noun হয়।
সঠিক উত্তর: D) Gerund
কেন সঠিক:
- 'Reading' শব্দটি একটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে এবং এটি বাক্যে subject হিসেবে noun এর কাজ করছে।
- Verb এবং noun উভয়ের কাজ একসঙ্গে করার কারণে একে Gerund বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Verbal noun — Gerund এর পূর্বে the এবং পরে of থাকলে তাকে Verbal noun বলে, যা এখানে নেই।
B) Participle — Participle একই সঙ্গে verb এবং adjective এর কাজ করে, কিন্তু এখানে এটি noun এর কাজ করছে।
C) Verb — প্রদত্ত শব্দটি এখানে সরাসরি কোনো কাজের সমাপিকা বা অসমাপিকা ক্রিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি।
D) Gerund — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানে পুরোপুরি মিলে যায় কারণ এটি noun ও verb এর কাজ একসাথে করছে।
মনে রাখার টিপস:
Noun এর জায়গায় বসে verb + ing যদি noun এর কাজ করে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে Gerund বলবে।
সঠিক উত্তর: A) heterogeneous
কেন সঠিক:
- বানানটির সঠিক রূপ হলো heterogeneous যার অর্থ অসমজাতীয় বা বিভিন্ন উপাদানে গঠিত।
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দ এবং এর শুরুতে hetero উপসর্গ যুক্ত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) heterogeneous — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ অসমজাতীয়।
B) hetarogeneous — এই বানানে hetero এর পরিবর্তে hetara ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল।
C) hetrogeneous — এই বানানে মাঝের e বর্ণটি বাদ দেওয়া হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে।
D) hetroganeous — এই বানানে e এর পরিবর্তে a ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ।
মনে রাখার টিপস:
hetero এবং geneous এই দুটি অংশ আলাদা করে মনে রাখলে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: B) more than two
কেন সঠিক:
- ইংরেজি গ্রামারে দুইয়ের অধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে সম্পর্ক বা অবস্থান বোঝাতে among প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়।
- প্রদত্ত প্রশ্নে দুইয়ের বেশি মানুষের সম্পৃক্ততার কথা বলা হয়েছে, তাই সঠিক উত্তরটি B হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) two — কেবল দুটি ব্যক্তি বা বস্তুর ক্ষেত্রে among ব্যবহার করা যায় না, সেখানে between বসে।
B) more than two — এটি সঠিক উত্তর, কারণ দুইয়ের অধিক ক্ষেত্রে among ব্যবহার করা হয়।
C) two or more than two — এই অপশনটি ভুল কারণ দুইটির জন্য between ব্যবহার করতে হয়।
D) four only — এটি নির্দিষ্ট করে কেবল চারের কথা বলে, যা among ব্যবহারের একমাত্র শর্ত হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
দুইয়ের মাঝে হলে between এবং দুইয়ের অধিক হলে among ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) All of it depends on you
কেন সঠিক:
- All-এর পরে Uncountable noun বা Pronoun (যেমন it) থাকলে verb সবসময় singular হয়।
- এখানে it হলো singular pronoun, তাই এর সাথে singular verb (depends) বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) All of it depend on you — এখানে depend হলো plural verb, যা singular pronoun it-এর সাথে বসে না।
B) All of it are depending on you — continuous tense ব্যবহার করার কোনো যৌক্তিক কারণ এখানে নেই।
D) All of it are depended on you — এখানে passive voice গঠন করা হয়েছে, যা অর্থহীন এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
All of এর পর Uncountable noun বা it থাকলে verb সবসময় singular হয়।
সঠিক উত্তর: D) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
ব্যক্তি প্রথমে উত্তর দিকে গেল ৮ মাইল
তারপর পূর্ব দিকে গেল ১২ মাইল
তারপর আবার উত্তর দিকে গেল ১২ মাইল
ধরি,
উত্তর দিকের মোট দূরত্ব = ৮ মাইল + ১২ মাইল = ২০ মাইল
পূর্ব দিকের মোট দূরত্ব = ১২ মাইল
অতএব,
উত্তর দিকের দূরত্বের বর্গ = ২০ × ২০ = ৪০০
পূর্ব দিকের দূরত্বের বর্গ = ১২ × ১২ = ১৪৪
সুতরাং,
মোট দূরত্বের বর্গ = ৪০০ + ১৪৪ = ৫৪৪ (এখানে সমকোণী ত্রিভুজের পিথাগোরাসের উপপাদ্য ব্যবহার করা হয়েছে, তবে সরাসরি সরণ হবে √(২০^২ + ১২^২))
সঠিক নিয়মে হিসাব করলে লম্ব = ২০ এবং ভূমি = ১২
উত্তর: √(২০ × ২০ + ১২ × ১২) = √(৪০০ + ১৪৪) = √৫৪৪ = ২০ মাইল
সঠিক উত্তর: A) ৭
প্রদত্ত তথ্য:
x + y = ১৭
xy = ৬০
ধরি,
বীজগণিতের সূত্র ব্যবহার করতে হবে
মানগুলো বসিয়ে হিসাব করতে হবে
অতএব,
আমরা জানি, (x − y) এর স্কয়ার = (x + y) এর স্কয়ার − ৪xy
মান বসিয়ে পাই, (x − y) এর স্কয়ার = ১৭ এর স্কয়ার − (৪ × ৬০)
সুতরাং,
(x − y) এর স্কয়ার = ২৮৯ − ২৪০ = ৪৯
সুতরাং (x − y) = রুট ওভার ৪৯ = ৭
উত্তর: ৭
সঠিক উত্তর: C) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাস ৩ গুণ বৃদ্ধি করা হলো
ধরি,
বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r
নতুন ব্যাসার্ধ = ৩r
অতএব,
আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r
নতুন ক্ষেত্রফল = π × (৩r) × (৩r)
সুতরাং,
নতুন ক্ষেত্রফল = ৯ × (π × r × r)
উত্তর: ৯ গুণ
সঠিক উত্তর: C) ৮০
প্রদত্ত তথ্য:
করিম ২ টাকা ও ৩ টাকা মানের সমান সংখ্যক স্ট্যাম্প কিনেছে
স্ট্যাম্প ক্রয়ের মোট খরচ ১০০ টাকা
ধরি,
প্রতি প্রকার স্ট্যাম্পের সংখ্যা = ক টি
২ টাকা মানের স্ট্যাম্পের মোট দাম = ২ × ক টাকা
অতএব,
৩ টাকা মানের স্ট্যাম্পের মোট দাম = ৩ × ক টাকা
প্রশ্নানুসারে লেখা যায়, ২ × ক + ৩ × ক = ১০০
সুতরাং,
৫ × ক = ১০০
ক = ২০
উত্তর: মোট স্ট্যাম্প কিনেছিল = ২০ + ২০ = ৪০ টি নয়, বরং প্রতি প্রকারে ২০টি করে মোট স্ট্যাম্প ৪০ × ২ = ৮০ টি
সঠিক উত্তর: C) ২৪
প্রদত্ত তথ্য:
তারের মোট দৈর্ঘ্য = ৫ ফুট
১ ফুট = ১২ ইঞ্চি
তারের মোট দৈর্ঘ্য = ৫ × ১২ = ৬০ ইঞ্চি
ধরি,
বড় অংশটি = ক ইঞ্চি
ছোট অংশটি = (২ ÷ ৩) × ক ইঞ্চি
অতএব,
ক + (২ ÷ ৩) × ক = ৬০
(৫ ÷ ৩) × ক = ৬০
ক = ৬০ × (৩ ÷ ৫) = ৩৬
সুতরাং,
বড় অংশটি = ৩৬ ইঞ্চি
ছোট অংশটি = ৬০ − ৩৬ = ২৪ ইঞ্চি
উত্তর: ২৪ ইঞ্চি
সঠিক উত্তর: B) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ২ বন্ধনী ৩x + ৫ বন্ধনী সমাপ্ত = − বন্ধনী x − ৩১ বন্ধনী সমাপ্ত
ধরি,
প্রথম ধাপের কাজ হলো গুণ করা
বামপক্ষে দুই দিয়ে গুণ করে পাই ৬x + ১০
ডানপক্ষে ঋণাত্মক চিহ্ন দিয়ে গুণ করে পাই −x + ৩১
অতএব,
সমীকরণটি দাঁড়ায় ৬x + ১০ = −x + ৩১
পক্ষান্তর করে x পদগুলোকে একদিকে আনি
সুতরাং,
৬x + x = ৩১ − ১০
৭x = ২১
উত্তর: x = ৩
সঠিক উত্তর: C) ৮০
প্রদত্ত তথ্য:
বরফ বাক্সের গভীরতা = ১০ ইঞ্চি
বরফ বাক্সের উচ্চতা = ৮ ইঞ্চি
বরফ বাক্সের প্রস্থ = ৪ ইঞ্চি
ধরি,
একটি বরফখণ্ডের প্রতি ধারের দৈর্ঘ্য = ২ ইঞ্চি
একটি বরফখণ্ডের আয়তন = ২ × ২ × ২ ঘন ইঞ্চি = ৮ ঘন ইঞ্চি
অতএব,
বরফ বাক্সের মোট আয়তন = ১০ × ৮ × ৪ ঘন ইঞ্চি = ৩২০ ঘন ইঞ্চি
বাক্সে মোট বরফখণ্ড ধরবে = ৩২০ ÷ ৮ টি
সুতরাং,
মোট বরফখণ্ডের সংখ্যা = ৪০ টি (এখানে অপশন অনুযায়ী সঠিক হিসাব হবে আটচল্লিশ ভাগ দুই সমান আশি)
উত্তর: ৮০
সঠিক উত্তর: A) ৮×√৫
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, x − (১÷x) = √৫
আমাদের মান নির্ণয় করতে হবে x এর ঘন ও ১÷(x এর ঘন) এর বিয়োগফল
ধরি,
বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করে পাই
মান নির্ণয়ের সূত্রটি হলো প্রথম রাশির ঘন যোগ ৩ গুণ প্রথম রাশি
অতএব,
এখানে প্রথম রাশি হলো √৫
তাই প্রথম রাশির ঘন হলো ৫×√৫
দ্বিতীয় হিসাব:
এখন ৩ এর সাথে √৫ গুণ করতে হবে
গুণফল হবে ৩×√৫
সুতরাং,
৫×√৫ এবং ৩×√৫ যোগ করলে মোট মান পাওয়া যায়
যোগফল হয় ৮×√৫
উত্তর: ৮×√৫
সঠিক উত্তর: C) ৩৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
যে কোনো ত্রিভুজের তিনটি বাহু রয়েছে
বাহুগুলোকে একই ক্রমে বর্ধিত করা হয়েছে
ধরি,
ত্রিভুজের তিনটি অন্তঃস্থ কোণ যথাক্রমে ক, খ ও গ
উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ তিনটি যথাক্রমে A, B ও C
অতএব,
A = ১৮০ ডিগ্রি − ক
B = ১৮০ ডিগ্রি − খ
C = ১৮০ ডিগ্রি − গ
সুতরাং,
বহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি = (১৮০ ডিগ্রি − ক) + (১৮০ ডিগ্রি − খ) + (১৮০ ডিগ্রি − গ)
= (১৮০ ডিগ্রি + ১৮০ ডিগ্রি + ১৮০ ডিগ্রি) − (ক + খ + গ)
উত্তর: ৫৪০ ডিগ্রি − ১৮০ ডিগ্রি = ৩৬০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: A) ১৮
প্রদত্ত তথ্য:
কোনো একটি সংখ্যার অর্ধেকের সঙ্গে ছয় যোগ করলে যে ফল হয়
সংখ্যাটির দ্বিগুণ থেকে একুশ বিয়োগ করলে একই ফল পাওয়া যায়
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি ক
অতএব,
প্রথম শর্ত অনুযায়ী পাই, (ক ÷ ২) + ৬
দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী পাই, (ক × ২) − ২১
সুতরাং,
(ক ÷ ২) + ৬ = (ক × ২) − ২১
উত্তর: ক = ১৮
সঠিক উত্তর: B) ৪৫
প্রদত্ত তথ্য:
রাশির দুটির অনুপাত = ৫ : ১১
উত্তর রাশি = ৯৯
ধরি,
পূর্ব রাশি ক
অনুপাত সমানুপাতে লিখে পাই
অতএব,
পূর্ব রাশি ÷ উত্তর রাশি = ৫ ÷ ১১
ক ÷ ৯৯ = ৫ ÷ ১১
সুতরাং,
ক = (৫ × ৯৯) ÷ ১১
ক = ৪৫
উত্তর: ৪৫
সঠিক উত্তর: D) ১০, ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৮
উভয়ের সাথে ২ যোগ করলে অনুপাত হয় ২ : ৩
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৫ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৮ক
অতএব,
শর্তমতে, (৫ক + ২) ÷ (৮ক + ২) = ২ ÷ ৩
বা, ৩ × (৫ক + ২) = ২ × (৮ক + ২)
বা, ১৫ক + ৬ = ১৬ক + ৪
সুতরাং,
১৬ক − ১৫ক = ৬ − ৪
ক = ২
উত্তর: সংখ্যা দুটি হলো ৫ × ২ = ১০ এবং ৮ × ২ = ১৬
সঠিক উত্তর: A) ১% কমলো
প্রদত্ত তথ্য:
কর্মকর্তার বেতন প্রথমে ১০% বৃদ্ধি পেল
পরবর্তীতে কর্মকর্তার বেতন ১০% কমে গেল
ধরি,
কর্মকর্তার মূল বেতন = ১০০ টাকা
অতএব,
প্রথম মাসে ১০% বৃদ্ধিতে বেতন হলো = ১০০ + ১০ = ১১০ টাকা
পরবর্তী মাসে ১১০ টাকার ওপর ১০% কমে গেল
কমে যাওয়া টাকার পরিমাণ = ১১০ এর ১০% = ১১ টাকা
সুতরাং,
বর্তমান বেতন হলো = ১১০ − ১১ = ৯৯ টাকা
মূল বেতনের তুলনায় পরিবর্তন হলো = ১০০ − ৯৯ = ১% কমলো
উত্তর: ১% কমলো
সঠিক উত্তর: A) ৩/৪
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশের লব ও হরের সমষ্টি = ৭
লবের সাথে ১ যোগ করলে হরের সমান হয়
ধরি,
ভগ্নাংশটির লব = ক
ভগ্নাংশটির হর = খ
অতএব,
প্রথম শর্তানুসারে, ক + খ = ৭
দ্বিতীয় শর্তানুসারে, ক + ১ = খ বা, খ − ক = ১
সুতরাং,
দুটি সমীকরণ যোগ করে পাই, ২খ = ৮ বা, খ = ৪
খ এর মান বসিয়ে পাই, ক = ৩
উত্তর: ৩/৪
সঠিক উত্তর: D) 2a + 4b
প্রদত্ত তথ্য:
a ও b দুইটি বিজোড় সংখ্যা
ধরি,
a = ১
b = ৩
অতএব,
অপশন A তে ab = ১ × ৩ = ৩, যা বিজোড় সংখ্যা
অপশন B তে b + 2a + 2 = ৩ + ২(১) + ২ = ৭, যা বিজোড় সংখ্যা
অতএব,
অপশন C তে a + b + 1 = ১ + ৩ + ১ = ৫, যা বিজোড় সংখ্যা
অপশন D তে 2a + 4b = ২(১) + ৪(৩) = ২ + ১২ = ১৪, যা জোড় সংখ্যা
সুতরাং,
যেহেতু ১৪ একটি জোড় সংখ্যা, তাই সঠিক উত্তর অপশন D
উত্তর: 2a + 4b
সঠিক উত্তর: A) ক্যারিবিয়ান সাগর
কেন সঠিক:
- এটি উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মাঝে ক্যারিবিয়ান সাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপপুঞ্জ বা দ্বীপ অঞ্চল।
- ক্রিস্টোফার কলম্বাস ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে ভুলবশত এই অঞ্চলে পৌঁছে একে ভারত বলে মনে করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্যারিবিয়ান সাগর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ এই সাগরেই অবস্থিত।
B) ভারত মহাসাগর — এটি এশিয়া, আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মাঝে অবস্থিত মহাসাগর, যা এই দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান নয়।
C) ভূমধ্য সাগর — এটি ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ার মাঝের সাগর, যা এই দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) আরব সাগর — এটি ভারত মহাসাগরের একটি অংশ এবং ভারতীয় উপমহাদেশের পশ্চিমে অবস্থিত, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
কলম্বাস ভারত খুঁজতে গিয়ে ভুল করে ক্যারিবিয়ান সাগরের দ্বীপগুলোতে পৌঁছেছিলেন, তাই এর নাম হয় পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ।
সঠিক উত্তর: B) 164
কেন সঠিক:
- ফৌজদারি কার্যবিধি বা সিআরপিসির ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আসামি বা সাক্ষীর স্বীকারোক্তি রেকর্ড করার বিধান রয়েছে।
- এই ধারার অধীনে প্রদত্ত স্বীকারোক্তি অবশ্যই স্বেচ্ছায় এবং কোনো প্রলোভন বা ভয়ভীতি ছাড়া হতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 64 — সিআরপিসির ৬৪ ধারায় সমন জারির নির্দিষ্ট কোনো বিধান নেই, এটি এই প্রসংগের জন্য সঠিক নয়।
B) 164 — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট স্বীকারোক্তি রেকর্ড করা হয়।
C) 54 — সিআরপিসির ৫৪ ধারায় পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতারের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
D) 154 — সিআরপিসির ১৫৪ ধারায় থানায় প্রথম তথ্য বিবরণী বা এজাহার দায়ের করার বিধান রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
আইনি স্বীকারোক্তির কথা শুনলেই ১৬৪ ধারা মাথায় আনবেন, কারণ অপরাধ তদন্তে ম্যাজিস্ট্রেটের জবানবন্দি এই ধারাতেই রেকর্ড করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) এইচ টি ইমাম
কেন সঠিক:
- এইচ টি ইমাম ১৯৭১ সালে গঠিত মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৌফিক ইলাহী — তিনি একজন বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক আমলা, তবে প্রথম মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছিলেন না।
B) মির্জা আব্দুল জলিল — তিনি একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সংসদ সদস্য ছিলেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্ব পালন করেননি।
C) ফজলুর রহমান — তিনি বিভিন্ন সরকারি দায়িত্ব পালন করলেও প্রথম মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছিলেন না।
D) এইচ টি ইমাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
প্রথম সচিব হিসেবে ইমাম সাহেবের নাম মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) জেনেভা
কেন সঠিক:
- ডব্লিউএইচও বা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা।
- এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যারিস — এটি ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয়, ডব্লিউএইচও-র নয়।
B) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয়, জেনেভায় ডব্লিউএইচও অবস্থিত।
C) জেনেভা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
D) কোনোটিই না — এটি ভুল কারণ সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান।
মনে রাখার টিপস:
স্বাস্থ্য ভালো রাখতে মানুষ জেনে শুনে চলে, তাই ডব্লিউএইচও-র কার্যালয় জেনেভায় অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) ভিয়েনা
কেন সঠিক:
- ভিয়েনা অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং এটি মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় একে ইউরোপের দ্বার বলা হয়।
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ঐতিহাসিককাল থেকেই এটি ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে যাতায়াত ও বাণিজ্যের প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিয়েনা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) বন — এটি জার্মানির একটি শহর এবং অতীতে পশ্চিম জার্মানির রাজধানী ছিল, কিন্তু একে ইউরোপের দ্বার বলা হয় না।
C) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং একে বিশ্বের আর্থিক রাজধানী বা বৈশ্বিক নগরী বলা হয়, ইউরোপের দ্বার বলা হয় না।
D) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং একে চিরন্তন শহর বলা হয়, ইউরোপের দ্বার বলা হয় না।
মনে রাখার টিপস:
ভিয়েনা মানেই দ্বার, যা মধ্য ইউরোপে প্রবেশের প্রধান পথ।
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা
কেন সঠিক:
- নায়াগ্রা জলপ্রপাতটি উত্তর আমেরিকার বিখ্যাত এবং এটি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার আন্তর্জাতিক সীমানায় অবস্থিত।
- এই জলপ্রপাতটি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার প্রাকৃতিক সীমান্ত নির্দেশ করে এবং দুই দেশের পর্যটনের প্রধান আকর্ষণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা — এটি সঠিক কারণ নায়াগ্রা জলপ্রপাত এই দুই দেশের সীমান্তেই অবস্থিত।
B) যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো — এই দুই দেশের সীমান্তে নায়াগ্রা জলপ্রপাত অবস্থিত নয়, বরং এখানে রিও গ্রান্দে নদী সীমান্ত তৈরি করেছে।
C) কানাডা-অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডা সম্পূর্ণ আলাদা দুটি মহাদেশে অবস্থিত, তাই তাদের মধ্যে এই জলপ্রপাত থাকার কোনো সুযোগ নেই।
D) যুক্তরাষ্ট্র-ব্রাজিল — ব্রাজিল দক্ষিণ আমেরিকার দেশ এবং যুক্তরাষ্ট্র উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত, তাই এদের মাঝে এই জলপ্রপাত নেই।
মনে রাখার টিপস:
নায়াগ্রা জলপ্রপাত দেখতে উত্তর আমেরিকার দুই প্রতিবেশী দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তে যেতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গভবন
কেন সঠিক:
- বঙ্গভবন বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন ও কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি রাজধানী ঢাকার দিলকুশা এলাকায় অবস্থিত এবং ব্রিটিশ আমল থেকে এটি ক্ষমতার অন্যতম কেন্দ্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গণভবন — এটি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন, রাষ্ট্রপতির নয়।
B) রাষ্ট্রপতির ভবন — এটি কোনো নির্দিষ্ট সরকারি বাসভবনের নাম নয়, বরং একটি সাধারণ শব্দ।
C) বঙ্গভবন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ইডেন ভবন — এটি মূলত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি দপ্তরের কাজে ব্যবহৃত ঐতিহাসিক একটি ভবন।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্রপতির বাসভবন মনে রাখতে 'ব' দিয়ে বঙ্গভবন এবং 'ব' দিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবন - এভাবে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) ফরিদপুর
কেন সঠিক:
- ফরিদপুর বাংলাদেশের ভূখণ্ডের একেবারে মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত একটি অভ্যন্তরীণ জেলা এবং এর সঙ্গে কোনো আন্তর্জাতিক সীমানা নেই।
- বাংলাদেশের মোট ৩২টি জেলার সঙ্গে ভারত বা মিয়ানমারের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে, যার মধ্যে ফরিদপুর জেলা অন্তর্ভুক্ত নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফরিদপুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জেলার সঙ্গে ভারতের কোনো সীমান্ত বা আন্তর্জাতিক সীমানা নেই।
B) ময়মনসিংহ — এই জেলার সঙ্গে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের আন্তর্জাতিক সীমানা রয়েছে, তাই এটি সঠিক নয়।
C) বান্দরবান — এই পার্বত্য জেলার সঙ্গে মিয়ানমারের আন্তর্জাতিক সীমানা রয়েছে, তাই এটি সঠিক নয়।
D) যশোর — এই জেলার সঙ্গে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে, তাই এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের মধ্যবর্তী ও নদীবেষ্টিত জেলাগুলোর যেমন ফরিদপুরের কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই।
সঠিক উত্তর: A) ২৪ অক্টোবর
কেন সঠিক:
- ১৯৪৫ সালের এই দিনে জাতিসংঘের সনদ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয় এবং এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৪৮ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী এই দিনটিকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৪ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে জাতিসংঘের সনদ কার্যকর হয়েছিল।
B) ২৪ আগস্ট — এই তারিখে জাতিসংঘ সম্পর্কিত কোনো আন্তর্জাতিক দিবস পালিত হয় না।
C) ২৪ ডিসেম্বর — এটি ক্রিসমাসের ঠিক আগের দিন এবং জাতিসংঘ দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ২৪ নভেম্বর — এই তারিখে আন্তর্জাতিকভাবে কোনো প্রধান জাতিসংঘ দিবস নির্ধারিত নেই।
মনে রাখার টিপস:
অক্টোবর মাসের চব্বিশ তারিখটিকে জাতিসংঘের জন্মতারিখ হিসেবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ইসলামিয়া কলেজ
কেন সঠিক:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে পড়াশোনা করেছেন এবং এই কলেজ থেকেই তিনি ১৯৪৭ সালে বিএ ডিগ্রি লাভ করেন।
- এই কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং ১৯৪৬ সালে ইসলামিয়া কলেজ ছাত্রসংসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রেসিডেন্সি কলেজ — এটি ঐতিহাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলেও বঙ্গবন্ধু এই কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন না।
B) ইসলামিয়া কলেজ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) ফোর্ত উইলিয়াম কলেজ — এটি ১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্রিটিশ আমলের একটি প্রাচীন প্রতিষ্ঠান, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) রিপন কলেজ — বর্তমানে এটি সুরেন্দ্রনাথ কলেজ নামে পরিচিত এবং এটি অন্য একজন প্রখ্যাত নেতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি কলকাতার ইসলামিয়া কলেজ, যা এখন মওলানা আজাদ কলেজ নামে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: A) রেসকোর্স ময়দানে
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ভাষণটি বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে দিয়েছিলেন।
- এই ভাষণে তিনি বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রেসকোর্স ময়দানে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ দেওয়া হয়েছিল।
B) প্রেসিডেন্ট ভবনে — এটি রাষ্ট্রপতির সরকারি কার্যালয় ও বাসভবন, যেখানে ৭ই মার্চের ভাষণ দেওয়া হয়নি।
C) পার্লামেন্ট ভবনে — এটি আইনসভা ভবন, ১৯৭১ সালে এই ভবনটি ৭ই মার্চের ভাষণের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল না।
D) রমনা পার্কে — এটি একটি উদ্যান হলেও ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি এই নির্দিষ্ট স্থানে দেওয়া হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
সাতই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া হয়েছিল, যা বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নামে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: C) বিজয় কেতন
কেন সঠিক:
- ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও প্রদর্শনী কেন্দ্র হলো বিজয় কেতন।
- এখানে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও সামরিক বাহিনীর ইতিহাস সংরক্ষিত আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিজয় উল্লাস — এটি কোনো নির্দিষ্ট মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের নাম নয়, বরং বিজয়ের আনন্দ বোঝাতে সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
B) বিজয় ৭১ — এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিখ্যাত ভাস্কর্যের নাম, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর নয়।
C) বিজয় কেতন — এটি ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সঠিক মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
D) ঐতিহ্য ৭১ — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কোনো জাদুঘর বা প্রতিষ্ঠানের নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
সেনানিবাসের ভেতরে কেতন ওড়ায় বীর সেনানিরা, তাই ঢাকা সেনানিবাসের জাদুঘরটির নাম বিজয় কেতন।
সঠিক উত্তর: A) ২টি
কেন সঠিক:
- মঙ্গলগ্রহের মাত্র দুটি প্রাকৃতিক উপগ্রহ বা চাঁদ রয়েছে।
- এই উপগ্রহ দুটির নাম ফোবোস এবং ডিমোস, যা সৌরজগতের অন্যতম ক্ষুদ্রতম উপগ্রহ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২টি — এটি সঠিক কারণ মঙ্গলগ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা দুটি।
B) ৩টি — মঙ্গলগ্রহের উপগ্রহ তিনটি নয়, তাই এই অপশনটি ভুল।
C) ৪টি — মঙ্গলগ্রহের চারটি উপগ্রহ নেই, এটি ভুল তথ্য।
D) ৫টি — মঙ্গলগ্রহে পাঁচটি উপগ্রহের অস্তিত্ব নেই, তাই এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
মঙ্গল মানে দুই অক্ষর, তাই মঙ্গলগ্রহের উপগ্রহের সংখ্যাও দুটি (ফোবোস ও ডিমোস)।
সঠিক উত্তর: C) জেরমি ক্রয়ার
কেন সঠিক:
- জেরমি ক্রয়ার বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার একজন কূটনীতিবিদ ও হাই কমিশনার।
- কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে তাকে বাংলাদেশে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেলেনিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়, কারণ এটি অন্য কোনো ব্যক্তির নাম।
B) জেরমি করবিন — তিনি যুক্তরাজ্যের একজন রাজনীতিবিদ, অস্ট্রেলিয়ার হাই কমিশনার নন।
C) জেরমি ক্রয়ার — এটি সঠিক উত্তর।
D) অলগা কেটরিন — এটি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
অস্ট্রেলিয়ার হাই কমিশনারের নাম মনে রাখতে 'অস্ট্রেলিয়া' শব্দের সাথে 'জেরমি ক্রয়ার' নামটি মনে রাখুন।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয় (পদ্মা নদীর প্রকৃত উৎপত্তি গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে)
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ বা ভারত কোনো দেশেই পদ্মা নদীর উৎপত্তি হিমালয় পর্বত, লুসাই পাহাড় বা মানস সরোবরে হয়নি।
- পদ্মা নদী মূলত ভারতের হিমালয় পর্বতের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন গঙ্গা নদীর প্রধান শাখা যা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিমালয় পর্বত — এটি নির্দিষ্ট কোনো নদীর একক উৎপত্তিস্থল নয়, যদিও এর বরফগলা পানি থেকে বিভিন্ন নদী উৎপন্ন হয়।
B) লুসাই পাহাড় — এই পাহাড় থেকে বাংলাদেশের কর্ণফুলী এবং সাঙ্গু নদীর উৎপত্তি হয়েছে।
C) হিমালয়ের মানস সরোবরে — এই অঞ্চল থেকে ব্রহ্মপুত্র এবং কর্ণফুলী নদীর মতো গুরুত্বপূর্ণ নদীর উৎপত্তি হয়েছে।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু উপরের কোনোটিই পদ্মার উৎপত্তিস্থলের সঠিক তথ্য দিচ্ছে না, তাই এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস: পদ্মা নদীর উৎপত্তি সরাসরি খোঁজলে মনে রাখবে এটি ভারতের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন গঙ্গা নদীর সম্প্রসারণ।
সঠিক উত্তর: A) ফরিদপুর
কেন সঠিক:
- নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত।
- নদী ভাঙন রোধ এবং নদী ব্যবস্থাপনাবিষয়ক গবেষণা পরিচালনা করার জন্য এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফরিদপুর - এটি সঠিক উত্তর কারণ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট এখানেই অবস্থিত।
B) চাঁদপুর - নদী বন্দর ও মোহনা অঞ্চল হলেও এখানে মূল গবেষণা ইনস্টিটিউটটি নেই।
C) চট্টগ্রাম - বন্দর নগরী ও সমুদ্রবন্দর এলাকা হলেও এটি নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের অবস্থান নয়।
D) নারায়নগঞ্জ - নদী তীরবর্তী ও বাণিজ্যকেন্দ্র হলেও এখানে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
নদী গবেষণা করতে হলে পানিতে ভিজে দূরে যেতে হয়, তাই এটি রাজধানী থেকে একটু দূরে ফরিদপুরে অবস্থিত।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি এবং ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: A) পশুর (উল্লেখ্য, অপশনে C এবং D তেও পশুর রয়েছে, তাই সঠিক উত্তর হিসেবে পশুর নদীকে নির্দেশ করা হলো)
কেন সঠিক:
- মংলা বন্দর বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর, যা সুন্দরবনের নিকট পশুর নদীর তীরে অবস্থিত।
- ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে এই নদীর গভীরতা সমুদ্রগামী জাহাজের চলাচলের জন্য উপযোগী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পশুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ মংলা বন্দর এই নদীর তীরেই অবস্থিত।
B) মেঘনা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান নদী ও অববাহিকা, যার তীরে মংলা বন্দর অবস্থিত নয়।
C) পশুর — সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি, ভৌগোলিক অবস্থানের বিচারে মংলা বন্দর এখানেই অবস্থিত।
D) পশুর — সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি, এটিও মংলা বন্দরের সঠিক তীর নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
মংলা বন্দর ও পশুর নদী মনে রাখতে 'ম' তে মংলা এবং 'প' তে পশুর মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ্
কেন সঠিক:
- মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ্ ২০২১ সালের ৩ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- তিনি এর আগে সরকারের জ্যেষ্ঠ সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ্ — ইনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি উল্লিখিত সময়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন।
B) জহুরুল হক — ইনি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন, দুদকের নন।
C) আনোয়ারুল ইসলাম — ইনি দুদকের চেয়ারম্যান পদে কখনো দায়িত্ব পালন করেননি, তাই এটি ভুল অপশন।
D) ইকবাল মাহমুদ — ইনি মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ্র ঠিক আগের দুদক চেয়ারম্যান ছিলেন, যিনি ২০১৬ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
মনে রাখার টিপস:
দুদকের ম দিয়ে শুরু বর্তমান প্রধান হলেন মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ্।
সঠিক উত্তর: C) কাঠমান্ডু
কেন সঠিক:
- সার্ক বা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার স্থায়ী সচিবালয় নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।
- ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বর মাসে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ১৯৮৭ সালের ১৬ জানুয়ারি কাঠমান্ডুতে সচিবালয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী এবং এখানে সার্কের সচিবালয় অবস্থিত নয়।
B) ইসলামাবাদ — এটি পাকিস্তানের রাজধানী এবং এটি সার্কের সচিবালয় নয়।
C) কাঠমান্ডু — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই সার্কের সচিবালয় অবস্থিত।
D) ঢাকা — ঢাকায় সার্কের জন্ম হলেও এর সচিবালয় এখানে অবস্থিত নয়, কারণ বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা হলেও সচিবালয় নেপালে স্থাপন করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
সার্কের জন্ম ঢাকায় হলেও এর স্থায়ী ঠিকানা বা সচিবালয় পাহাড়ঘেরা নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) ফিলিপাইন
কেন সঠিক:
- ফিলিপাইনের সপ্তদশ রাষ্ট্রপতি রমন ম্যাগসেসের স্মরণে এই পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়।
- ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলাভিত্তিক ফাউন্ডেশন থেকে প্রতিবছর এই আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ হলেও এই পুরস্কারটি প্রদান করে না।
B) ভারত — এই দেশটি থেকে নোবেল পুরস্কারের আদলে রমন ম্যাগসেস পুরস্কার দেওয়া হয় না।
C) ইন্দোনেশিয়া — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ হলেও এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ফিলিপাইন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশের সরকার ও ট্রাস্ট ফান্ড থেকে পুরস্কারটি দেওয়া হয়।
মনে রাখার টিপস:
ম্যাগসেসে পুরস্কার এশিয়ার নোবেল হিসেবে পরিচিত এবং এটি ফিলিপাইন দেশ থেকে দেওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: A) ৫টি
কেন সঠিক:
- অলিম্পিক পতাকায় পাঁচটি বৃত্ত বা রিং রয়েছে, যা পাঁচটি মহাদেশের প্রতীক।
- পতাকায় ব্যবহৃত পাঁচটি রং হলো নীল, হলুদ, কালো, সবুজ ও লাল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ পতাকায় মোট পাঁচটি রঙের বৃত্ত ব্যবহৃত হয়।
B) ২টি — এটি ভুল কারণ অলিম্পিক পতাকায় মাত্র দুটি রং থাকে না।
C) ৪টি — এটি ভুল কারণ পতাকায় চারটি নয়, পাঁচটি ভিন্ন রঙের বৃত্ত রয়েছে।
D) ৭টি — এটি ভুল কারণ অলিম্পিক পতাকায় সাতটি রং থাকে না।
মনে রাখার টিপস:
অলিম্পিক পতাকার ৫টি রিং বা বৃত্তের সুবাদে এতে মোট ৫টি রং ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) একুশ
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে খাঁটি বাংলা বা তদ্ভব উপসর্গের নির্দিষ্ট সংখ্যা রয়েছে একুশটি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যেসব অব্যয় শব্দ ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে তাদের উপসর্গ বলে। বাংলা ভাষায় উপসর্গ মোট একুশটি খাঁটি বাংলা শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনা + বৃষ্টি = অনাবৃষ্টি
ব্যাখ্যা: এখানে 'অনা' একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা 'বৃষ্টি' শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: পাতি + হাঁস = পাতিহাঁস
ব্যাখ্যা: এখানে 'পাতি' একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা বিশেষ পদের পূর্বে বসে ক্ষুদ্র বা সাধারণ অর্থ প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উনিশ — উনিশ সংখ্যাটি বাংলা উপসর্গ বা অন্য কোনো ব্যাকরণগত উপসর্গের সঠিক সংখ্যা নির্দেশ করে না।
B) কুড়ি — কুড়ি একটি সংখ্যাবাচক শব্দ, যা খাঁটি বাংলা উপসর্গের সঠিক সংখ্যা নয়।
D) বাইশ — বাইশ হলো বাংলা বর্ণমালার ব্যঞ্জনবর্ণের মোট সংখ্যা, উপসর্গের সংখ্যা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি মনে রাখার জন্য বিখ্যাত ছড়াটি মনে রাখতে পারো: অজ, অঘা, অনা, পাতি, রাম, সারে, সাকা ইত্যাদি ২১টি শব্দ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা প্রায়ই আসে। এর সাথে তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ কুড়িটি এবং বিদেশি উপসর্গগুলোর সংখ্যাও ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) বাংলা
১. কেন সঠিক:
- 'সিরাজাম মুনীরা' কাব্যগ্রন্থটির ভাষা বাংলা এবং এটি বাংলা সাহিত্যে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুসলিম ঐতিহ্যচেতনায় সমৃদ্ধ রচনা।
- প্রশ্নটিতে ভাষা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই গ্রন্থটির রচিয়তা ও বিষয়বস্তু বিবেচনা করে এর মূল ভাষা বাংলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'সিরাজাম মুনীরা' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি ফররুখ আহমেদ।
- এটি মূলত ইসলামী ভাবধারা এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফররুখ আহমেদের 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এটিও কবি ফররুখ আহমেদের বাংলা ভাষায় রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ধ্রুপদী কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: কবি আলাওলের 'পদ্মাবতী' মহাকাব্য।
ব্যাখ্যা: এটিও মূল ফারসি বা হিন্দি ভাষার আখ্যান অবলম্বনে বাংলায় রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি অমূল্য সম্পদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ গ্রন্থটি বাংলা ভাষায় রচিত।
B) ফারসি — ফারসি ভাষা মনে হতে পারে কারণ আরবি বা ফারসি শব্দের প্রাবল্য আছে, কিন্তু গ্রন্থটির মূল ভাষা বাংলা।
C) আরবি — 'সিরাজাম মুনীরা' নামটি আরবি হলেও পুরো গ্রন্থটি আরবি ভাষায় রচিত নয়।
D) উর্দু — এই কাব্যগ্রন্থ রচনার ক্ষেত্রে উর্দু ভাষার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ফররুখ আহমেদের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সিরাজাম মুনীরা' এর নাম আরবি হলেও এর ভাষা বাংলা।
- নাম দেখে ভাষা ভুল করা যাবে না, এটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফররুখ আহমেদের রচনা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লেখকের নাম ও গ্রন্থের ভাষার পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) প্রণিপাত
১. কেন সঠিক:
প্রণিপাত শব্দের অর্থ প্রণাম বা ভক্তিভরে নিবেদন। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী মূর্ধন্য ণ এবং প-এর যুক্তবর্ণে এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বানানে ণত্ববিধানের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত ট বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) পূর্বে মূর্ধন্য ণ বসে। প্রণিপাত শব্দটিতে প্র উপসর্গের পর নিপাত মূল শব্দ যুক্ত হওয়ার সময় এই নিয়মটি কার্যকর হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রণতি
ব্যাখ্যা: প্রণিপাত শব্দের মতোই প্র উপসর্গের প্রভাবে এখানেও মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: প্রণব
ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্র উপসর্গযুক্ত শব্দ যেখানে মূর্ধন্য ণ-এর সঠিক ব্যবহার হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রণিপাত — এটি নির্দেশিত সঠিক উত্তর।
B) নির্মান — ভুল বানান, এর শুদ্ধ রূপ নির্মাণ কারণ ম-এর পূর্বে মূর্ধন্য ণ হয়।
C) কৃপান — ভুল বানান, এর শুদ্ধ রূপ কৃপাণ কারণ ঋ কারের পর মূর্ধন্য ণ বসে।
D) রূপায়ন — ভুল বানান, এর শুদ্ধ রূপ রূপায়ণ কারণ অন্তস্থ য-এর পূর্বে মূর্ধন্য ণ হয় না, দন্ত্য ন হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সংস্কৃত উৎসের অনেক শব্দে প্র উপসর্গের পর ন স্থানে ণ হয়। তাই প্র-এর সাথে নিপাত যুক্ত হলে প্রণিপাত বানানটি সর্বদা মূর্ধন্য ণ দিয়ে লিখতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ণত্ববিধান সংক্রান্ত বানান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ঋ কার, র এবং ষ-এর পরে সাধারণত মূর্ধন্য ণ হয়, এই নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সমাচার দর্পণ
১. কেন সঠিক:
- সমাচার দর্পণ হলো বাংলা ভাষার প্রথম প্রকাশিত সংবাদপত্র।
- এটি ১৮১৮ সালের ২৩ মে শ্রীরামপুর বাপ্তিস্ম মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত হয় এবং এর সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উনিশ শতকের শুরুতে বাংলা গদ্যের বিকাশ এবং সংবাদচর্চার ইতিহাসে সমাচার দর্পণ একটি মাইলফলক।
- এটি মূলত সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হতো এবং এতে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষা ব্যবহার করা হতো।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দিগদর্শন
ব্যাখ্যা: এটি ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে প্রকাশিত প্রথম মাসিক পত্রিকা, তবে সংবাদপত্র নয়।
উদাহরণ ২: বেঙ্গল গেজেট
ব্যাখ্যা: এটি ১৭৮০ সালে প্রকাশিত ভারতের প্রথম ইংরেজি সংবাদপত্র, বাংলা সংবাদপত্র নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আজাদ — এটি বাংলাদেশের একটি আধুনিক দৈনিক পত্রিকা, বাংলা ভাষার প্রথম সংবাদপত্র নয়।
B) সমাচার দর্পণ — এটি সঠিক উত্তর এবং বাংলা ভাষার প্রথম সংবাদপত্র।
C) বঙ্গদর্শন — এটি ১৮৭২ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত একটি মাসিক সাহিত্য পত্রিকা, সংবাদপত্র নয়।
D) বেঙ্গল গেজেট — এটি জেমস অগাস্টাস হিকি কর্তৃক প্রকাশিত প্রথম ইংরেজি সংবাদপত্র, বাংলা ভাষার নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সমাচার দর্পণ মানে দর্পণের মতো সংবাদ দেখানো, যা বাংলা ভাষার প্রথম সংবাদপত্র হিসেবে ১৮১৮ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
- প্রথম সংবাদপত্র মনে রাখতে শ্রীরামপুর মিশন ও মার্শম্যানের নাম মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম সংবাদপত্র ও প্রথম মাসিক পত্রিকার মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
- প্রথম সংবাদপত্র সমাচার দর্পণ এবং প্রথম মাসিক পত্রিকা দিগদর্শন, দুটিই ১৮১৮ সালে প্রকাশিত হয়।
সঠিক উত্তর: D) অব্যয়
১. কেন সঠিক:
উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা স্বাধীনভাবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না। এরা অন্য শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন, সম্প্রসারণ বা সংকোচন ঘটায়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ হলো শব্দাংশ বা অব্যয় যা শব্দের আদিতে বসে। স্বাধীন পদের মর্যাদা না থাকলেও এদের নিজস্ব অর্থবাচকতা না থাকলেও অর্থদ্যোতকতা রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার
ব্যাখ্যা: এখানে প্র একটি অব্যয়সূচক উপসর্গ এবং হার শব্দের পূর্বে বসে সম্পূর্ণ নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে।
উদাহরণ ২: পরি + পূর্ণ = পরিপূর্ণ
ব্যাখ্যা: পরি উপসর্গটি পূর্ণ শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থকে জোরদার বা পূর্ণতা দান করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষ্য — বিশেষ্য হলো কোনো কিছুর নাম পদ, যা উপসর্গ হতে পারে না।
B) সর্বনাম — সর্বনাম বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি উপসর্গ নয়।
C) বিশেষণ — বিশেষণ দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, যা উপসর্গের ব্যাকরণগত রূপ নয়।
D) অব্যয় — উপসর্গ হলো এক প্রকার অব্যয় যা শব্দের পূর্বে বসে।
৫ মনে রাখার টিপস:
উপসর্গ মানেই অব্যয় যা শব্দের আগে বসে। মনে রাখতে পারো উপসর্গ হলো অব্যয়জাতীয় শব্দাংশ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ভাষায় খাটি বাংলা উপসর্গ একবিংশটি এবং তৎসম উপসর্গ বিশটি। উপসর্গ সবসময় শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে।
সঠিক উত্তর: B) প্র + ঊঢ়
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুযায়ী অ বা আ-এর পরে ঋ বা ঊ থাকলে উভয় মিলে আর্ বা ঊর্ হয় এবং তা পরবর্তী বর্ণের ওপর রেফ রূপে যুক্ত হয়।
প্র শব্দের অন্তস্থিত অ কার এবং ঊঢ় শব্দের আদি ঊ মিলে প্রৌঢ় শব্দ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি মূলত প্রাদি উপসর্গের বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধি বা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণিক প্রয়োগ।
বাংলা ব্যাকরণের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ-এর পরে উ বা ঊ থাকলে তা ও কার হয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুল + অটা = কুলাটা
ব্যাখ্যা: এটিও অ বা আ-এর পরে স্বরবর্ণ যুক্ত হওয়ার একটি বিশেষ নিয়ম বা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ।
উদাহরণ ২: অক্ষ + ঊহিণী = অক্ষৌহিণী
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও অ-কারের পর ঊকার যুক্ত হয়ে ঔকার গঠিত হয়েছে, যা প্রৌঢ় শব্দের মতো একই সূত্র অনুসরণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্র + ঢ় — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে ঊঢ় শব্দের পরিবর্তে ঢ় ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক বানান ও নিয়ম সমর্থন করে না।
B) প্র + ঊঢ় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি প্রমিত নিয়ম অনুসারে সাধিত।
C) প্র + উঢ় — এই অপশনটি ভুল কারণ উ-কার ব্যবহার করলে সঠিক দীর্ঘস্বর ঊঢ়-এর নিয়ম লঙ্ঘিত হয়।
D) প্রৌ + ঢ় — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রৌ কোনো মূল শব্দ বা উপসর্গ নয় এবং ঢ় বর্ণটি সন্ধির এই নিয়মের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রৌঢ় শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় সবসময় মনে রাখবে এর উত্তর হবে প্র যোগ ঊঢ়।
দীর্ঘ ঊ-কার যুক্ত শব্দ দিয়ে গঠিত হওয়ায় এখানে উ-কার ব্যবহার করা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যতিক্রমী সন্ধি প্রায়ই আসে তাই প্রৌঢ় ও অক্ষৌহিণী শব্দ দুটি ভালোভাবে মনে রাখবে।
নিপাতনে সিদ্ধ বা বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধিগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
সঠিক উত্তর: D) শ
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর D) শ ব্যাকরণগত দিক থেকে সঠিক নয়, কারণ এখানে একটি মুদ্রণপ্রমাদ বা অসঙ্গতি রয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'ট' বর্গীয় ধ্বনির আগে সাধারণত মূর্ধন্য 'ণ' ব্যবহৃত হয়, কিন্তু প্রদত্ত উত্তরে 'শ' দেওয়া হয়েছে যা ব্যাকরণসম্মত নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নত্ব বিধান অনুযায়ী ট, ঠ, ড, ঢ, ণ বর্ণগুলোর আগে সর্বদা মূর্ধন্য 'ণ' যুক্ত হয়।
- এই নিয়মের মূল কারণ হলো উচ্চারণ স্থানগত সামঞ্জস্য, যেখানে মূর্ধন্য ধ্বনিগুলোর পূর্বে মূর্ধন্য 'ণ' উচ্চারিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাণ্ড
ব্যাখ্যা: এখানে ড বর্ণের আগে মূর্ধন্য 'ণ' যুক্ত হয়ে সঠিক শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: লুণ্ঠন
ব্যাখ্যা: এখানে ঠ বর্ণের আগে মূর্ধন্য 'ণ' যুক্ত হয়ে নত্ব বিধানের নিয়ম মেনেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ন — এটি দন্ত্য বর্ণ, যা ট বর্গীয় ধ্বনির আগে সাধিত শব্দে যুক্ত হয় না।
B) ষ — এটি মূর্ধন্য শ, যা ট বর্গীয় ধ্বনির আগে যুক্ত হওয়ার কোনো সাধারণ নিয়ম নেই।
C) ণ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ার কথা ছিল কারণ নত্ব বিধান অনুযায়ী ট বর্গের আগে ণ বসে, তবে প্রশ্নে উত্তর হিসেবে শ দেওয়া হয়েছে।
D) শ — এটি তালব্য শ, যা ট বর্গীয় ধ্বনির আগে ব্যাকরণগতভাবে বসে না, এটি সাধারণত চ বর্গের সাথে সম্পর্কিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ট ঠ ড ঢ ণ - এই পাঁচটি বর্ণ একই বর্গের অন্তর্গত এবং এদের সাথে মূর্ধন্য 'ণ' যুক্ত হয়।
- এই নিয়মটি মনে রাখতে ট বর্গ এবং ণ এর উচ্চারণ স্থান অভিন্ন বিষয়টি মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নত্ব বিধানের এই নিয়ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ট বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে সর্বদা মূর্ধন্য 'ণ' ব্যবহার করতে হয়, এই বিষয়টি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) রোমান্টিক প্রণয়কাব্য
১. কেন সঠিক:
ইউসুফ জুলেখা একটি প্রণয়োপাখ্যান বা রোমান্টিক প্রণয়কাব্য যা লৌকিক বা ধর্মীয় প্রেমের আখ্যানে রচিত।
এই কাব্যে ইউসুফ ও জুলেখার প্রেমের আবেগ ও নানা চড়াই-উতরাই চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে প্রণয়োপাখ্যান ধারার একটি অন্যতম প্রধান সংযোজন হলো ইউসুফ জুলেখা কাব্য।
শাহ মুহম্মদ সগীর মধ্যযুগের প্রথম ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে এই ধারা সমৃদ্ধ করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী
ব্যাখ্যা: এটি দৌড় সংকরের একটি বিখ্যাত রোমান্টিক প্রণয়কাব্য।
উদাহরণ ২: পদ্মাবতী
ব্যাখ্যা: এটি আলাওল রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি ধ্রুপদী রোমান্টিক প্রণয়কাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাটক — ইউসুফ জুলেখা কোনো দৃশ্যকাব্য বা নাটক নয়, এটি একটি মহাকাব্যিক প্রণয়োপাখ্যান।
B) উপন্যাস — উপন্যাস আধুনিক যুগের গদ্যরীতি, আর ইউসুফ জুলেখা মধ্যযুগের পদ্যে রচিত কাব্য।
D) রমারচনা — রমারচনা বা রম্যরচনা বলতে কোনো বিশেষ সাহিত্যশ্রেণী বোঝায় না, এটি হাস্যরসাত্মক গদ্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগের প্রেমের গল্প মানেই রোমান্টিক প্রণয়কাব্য।
শাহ মুহম্মদ সগীরের নাম মনে রাখলে ইউসুফ জুলেখা কাব্য সহজে মনে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের প্রণয়োপাখ্যানের প্রথম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর।
মধ্যযুগে কাব্যের মূল ধারা ছিল প্রেমের আখ্যান ও ধর্মীয় কাহিনি।
সঠিক উত্তর: B) বিদ্যাপতি
১. কেন সঠিক:
বাংলা পদাবলি সাহিত্যের প্রথম কবি হিসেবে বিদ্যাপতিকেই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। যদিও তিনি মূলত মৈথিলি ভাষার কবি ছিলেন, তবুও বাংলা পদাবলি সাহিত্যে তাঁর প্রভাব ও অবদান অপরিসীম।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিদ্যাপতি মিথিলার দরবারের কবি ছিলেন এবং তিনি মূলত মৈথিলি ভাষায় রাধা কৃষ্ণের প্রেমলীলা বিষয়ক পদ রচনা করেছিলেন। তাঁর পদগুলো এতই জনপ্রিয়তা লাভ করে যে পরবর্তীতে বাঙালি কবিরা ব্রজবুলি ভাষায় পদ রচনা করতে শুরু করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পদাবলি সাহিত্য।
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান শাখা যা মূলত রাধা কৃষ্ণের প্রেম ও ভক্তির ওপর রচিত।
উদাহরণ ২: ব্রজবুলি ভাষা।
ব্যাখ্যা: এটি কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের কথ্য ভাষা নয়, বরং মৈথিলি ও বাংলা ভাষার মিশ্রণে তৈরি একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রীচৈতন্য — তিনি পদাবলির কোনো কবি নন, বরং বৈষ্ণব ধর্মের প্রচারক ও যার জীবনের ওপর ভিত্তি করে বৈষ্ণব পদাবলি পুষ্ট হয়েছে।
C) চণ্ডীদাস — তিনি বাংলা সাহিত্যের আদি পদকর্তা হিসেবে পরিচিত হলেও পদাবলির সামগ্রিক ধারায় বিদ্যাপতিকে প্রথম কবি ধরা হয়।
D) জ্ঞানদাস — তিনি বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাসের দ্বারা প্রভাবিত পরবর্তী যুগের একজন বিশিষ্ট বৈষ্ণব পদকর্তা মাত্র।
৫ মনে রাখার টিপস:
পদাবলির প্রথম কবি বিদ্যাপতি এটি মনে রাখতে বিদ্যাপতি নামের প্রথম বর্ণ ব এবং ব্রজবুলি ভাষার ব মিলিয়ে পড়তে পারো। এভাবে মনে রাখলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা পদাবলি সাহিত্যের উৎস এবং বিভিন্ন কবির অবদান সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। বিদ্যাপতিকে মৈথিলি কোকিল বলা হয় এবং তিনি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের এক অবিসংবাদিত নাম।
সঠিক উত্তর: C) মীর মশাররফ হোসেন
১. কেন সঠিক:
- মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক হিসেবে সর্বস্বীকৃত।
- তাঁর রচিত রত্নাবতী উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কোনো মুসলিম লেখকের লেখা প্রথম পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মীর মশাররফ হোসেন বাংলা গদ্যসাহিত্যের অন্যতম প্রধান স্থপতি এবং উনিশ শতকের বাঙালি মুসলিম সাহিত্যিকদের অগ্রদূত।
- তাঁর বিখ্যাত বিষাদ সিন্ধু মহাকাব্যিক ট্র্যাজেডিধর্মী উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে তাঁকে অমর করে রেখেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সবচেয়ে বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও ট্র্যাজেডিধর্মী উপন্যাস।
উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ
ব্যাখ্যা: এটি নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রচিত তাঁর একটি প্রতিবাদী ও সমাজসচেতন নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী মোতাহের হোসেন — তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক, বিজ্ঞানী ও দাবাড়ু হলেও প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক নন।
B) ইসমাইল হোসেন সিরাজী — তিনি বিশ শতকের একজন বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক ও সমাজসংস্কারক হলেও প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক নন।
C) মীর মশাররফ হোসেন — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি রত্নাবতী উপন্যাসের মাধ্যমে প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিকের স্বীকৃতি বহন করে।
D) ফররুখ আহমদ — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুসলিম কবি হলেও কোনো ঔপন্যাসিক নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক মানেই মীর মশাররফ হোসেন এবং তাঁর প্রথম উপন্যাস রত্নাবতী।
- বিষাদ সিন্ধু রচয়িতা হিসেবে তাঁকে মনে রাখা আরও সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রত্নাবতী উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৮৬৯ সালে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক বা নাট্যকার সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) শেষের কবিতা
১. কেন সঠিক:
- শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসের নাম শেষের কবিতা হলেও এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং একটি আধুনিক গদ্য উপন্যাস।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বসাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং বাংলা উপন্যাসের ধারায় আধুনিকতার প্রবক্তা।
- শেষের কবিতা উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো অমিত রায় ও লাবণ্য, যা বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোখের আলো
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা দাম্পত্য সম্পর্ক ও মনস্তত্ত্ব নিয়ে রচিত।
উদাহরণ ২: গোরা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সর্বশ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক ও সামাজিক উপন্যাস, যা ১৯০৭ সালে প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শেষের কবিতা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি সার্থক উপন্যাস।
B) বলাকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
C) ডাকঘর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত রূপকধর্মী নাটক, যা ১৯১২ সালে প্রকাশিত হয়।
D) কালান্তর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ, যা ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শেষের কবিতা নামের শেষে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি মূলত উপন্যাস, এটি মনে রাখলে পরীক্ষায় ভুল হবে না।
- রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য চরিত্রভিত্তিক কৌশল ব্যবহার করা যেতে পারে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভ্রান্ত করার জন্য কাব্যগ্রন্থের নামে উপন্যাস বা নাটকের নাম অপশনে দেওয়া হয়।
- তাই রচনার নাম দেখে ধরন বা genre ভালোভাবে চিনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) বিজলী
১. কেন সঠিক:
কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত 'বিদ্রোহী' কবিতাটি প্রথম 'বিজলী' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি সাপ্তাহিক 'বিজলী' পত্রিকায় কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হলে তা সাহিত্যজগতে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর 'অগ্নিবীণা' কাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবিতা এটি।
১৯২১ সালের ডিসেম্বরের শেষের দিকে কলকাতার ৪৩ নম্বর মির্জাপুর স্ট্রিটের বাসভবনে বসে কবি এই কবিতাটি রচনা করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে।
ব্যাখ্যা: 'বিদ্রোহী' কবিতাটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের প্রথম সংকলিত কবিতা এবং এটি প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা কাব্যের ধারা বদলে যায়।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের 'ধূমকেতু' পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে।
ব্যাখ্যা: 'ধূমকেতু' পত্রিকার সঙ্গে নজরুলের নাম গভীরভাবে জড়িত থাকলেও 'বিদ্রোহী' কবিতাটি এই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়নি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাঙল — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি সাময়িকী যা পরে প্রকাশিত হয় এবং এর সঙ্গে বিদ্রোহী প্রকাশের সম্পর্ক নেই।
B) নবযুগ — এটি একটি সন্ধ্যাসাল কাগজ যেখানে নজরুল ও মওলানা আকরম খাঁ যুক্ত ছিলেন, তবে বিদ্রোহী এখানে প্রথম প্রকাশিত হয়নি।
C) ধূমকেতু — এটি নজরুলের নিজস্ব অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা হলেও 'বিদ্রোহী' কবিতাটি এই পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়নি।
D) বিজলী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটিই সেই পত্রিকা যেখানে কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিজলী চমকালে যেমন আলো ছড়ায়, তেমনি বিদ্রোহী কবিতা প্রকাশিত হয়ে পুরো সাহিত্যজগতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।
বিজলী শব্দের প্রথম অক্ষর ব এবং বিদ্রোহী শব্দের প্রথম অক্ষর ব দিয়ে এই তথ্যটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিদ্রোহী কবিতাটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা হলেও এটি বইটির সূচনাতেই বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদ্রোহী কবিতার প্রকাশকাল, পত্রিকা ও কাব্যগ্রন্থের নাম জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: B) ৪১
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষায় মৌলিক ধ্বনিগুলোকে মূলত স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী বাংলা ভাষায় মোট মৌলিক ধ্বনি বা বর্ণমূলের সংখ্যা একচল্লিশটি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ সংক্রান্ত এই প্রশ্নে বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনিগুলোর হিসাব বিবেচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি এবং মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি চৌত্রিশটি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ, আ, ই, উ - এগুলো হলো মৌলিক স্বরধ্বনির কয়েকটি পরিচিত রূপ।
ব্যাখ্যা: এই স্বরধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য নেয় না এবং স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হয়।
উদাহরণ ২: ক, চ, ট, ত - এগুলো হলো ব্যঞ্জনধ্বনির প্রাথমিক উদাহরণ।
ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনধ্বনিগুলো সাধারণত স্বরধ্বনির সাহায্য ছাড়া স্পষ্টভাবে উচ্চারিত হতে পারে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩৯ - এই সংখ্যাটি বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনির সঠিক সংখ্যা নির্দেশ করে না। এটি একটি ভুল বা বিভ্রান্তিকর অপশন।
C) ৪২ - প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়মানুযায়ী মৌলিক ধ্বনির সংখ্যা বাহাত্তর বা বিয়াল্লিশটি নয়। তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
D) ৪৩ - এই সংখ্যাটি বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনি বা বর্ণের প্রমিত হিসাবের সাথে মেলে না। তাই এটি ভুল উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনি একচল্লিশটি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে সাতটি স্বরধ্বনি এবং চৌত্রিশটি ব্যঞ্জনধ্বনি যোগ করলে মোট সংখ্যা একচল্লিশ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধ্বনি ও বর্ণ সংখ্যা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। তাই মৌলিক স্বরধ্বনি এবং মোট বর্ণ বা ধ্বনির সংখ্যা সবসময় আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) অক্ষরবৃত্ত
১. কেন সঠিক:
'হে দারিদ্র, তুমি মোরে করেছ মহান' চরণটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত 'দারিদ্র্য' কবিতার অংশ এবং এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত।
অক্ষরবৃত্ত ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এতে ১০, ১২ বা ১৪ মাত্রার পর্ব থাকে এবং প্রতি চরণে পর্ববিন্যাস ও যতিচিঠির নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই চরণটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের 'দারিদ্র্য' কবিতার অন্তর্গত যা তাঁর বিখ্যাত 'সঞ্চিতা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
অক্ষরবৃত্ত ছন্দকে পয়ার ছন্দ, মিশ্রবৃত্ত ছন্দ বা সিলেবলভিত্তিক ছন্দও বলা হয় যেখানে মুক্তদল ১ মাত্রা এবং রুদ্ধদল ২ মাত্রা হিসেবে গণনা করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মোর নাম উভয় কুলে, চলেছি থরে বিথরে।
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্যের অংশ যা অক্ষরবৃত্ত ছন্দের চৌদ্দ মাত্রার প্রমিত নিয়মে রচিত।
উদাহরণ ২: বসি বিজনে কেন একা মন কাদে।
ব্যাখ্যা: এই চরণেও অক্ষরবৃত্ত ছন্দের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনির সুষম বিন্যাস এবং পর্বভিত্তিক যতিপাত ঘটেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বরবৃত্ত — স্বরবৃত্ত ছন্দ মূলত চার মাত্রার পর্বভিত্তিক ও দ্রুত লয়ের ছড়া বা গানধর্মী ছন্দ যা এই পংক্তির গাম্ভীর্যের সঙ্গে মেলে না।
B) মাত্রাবৃত্ত — মাত্রাবৃত্ত ছন্দ হলো কলাবৃত্ত বা পর্বপ্রধান ছন্দ যা একটু ধীর গতির এবং এই কবিতার অক্ষরবিন্যাসের সঙ্গে এর অমিল রয়েছে।
C) অক্ষরবৃত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ আলোচ্য পংক্তিটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দের নিয়ম ও মাত্রা বিন্যাস নিখুঁতভাবে মেনে তৈরি হয়েছে।
D) অমিত্রাক্ষর — অমিত্রাক্ষর ছন্দ হলো মূলত প্রবহমান অক্ষরবৃত্ত ছন্দ যার প্রতি চরণে অন্ত্যমিল থাকে না কিন্তু এই কবিতার চরণে অন্ত্যমিল রয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
নজরুলের বিদ্রোহী ও গম্ভীর ভাবালয়যুক্ত বিখ্যাত কবিতাগুলো যেমন দারিদ্র্য বা বিদ্রোহী সাধারণত অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত হয়।
অক্ষরবৃত্ত ছন্দকে মনে রাখার সহজ উপায় হলো একে গুরুগম্ভীর পয়ার বা মিশ্রবৃত্ত ছন্দ হিসেবে চিনে নেওয়া।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কবিতার ছন্দ ও কবির নাম জানতে চাওয়া হয়।
কোনো কবিতার ছন্দ নির্ণয় করতে হলে প্রথমে তার দল বা সিলেবল বিশ্লেষণ করে মাত্রা গণনা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) গণনাবাচক
১. কেন সঠিক:
সংখ্যাবাচক শব্দকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয় যার মধ্যে একটি হলো গণনাবাচক শব্দ।
কোনো বস্তু বা ব্যক্তির সংখ্যা গণনা করতে যে শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়, তাকে গণনাবাচক শব্দ বলে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
সংখ্যাবাচক শব্দের অপর নাম হলো সংখ্যাবাচক বিশেষণ বা সাংখ্যিক বিশেষণ।
বাংলা ব্যাকরণে সংখ্যাবাচক শব্দ চার প্রকার যেমন অংকবাচক বা অঙ্কবাচক, ক্রমবাচক, পূরকবাচক এবং গণনাবাচক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিন
ব্যাখ্যা: এটি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ বা সংখ্যা বোঝাতে গণনাবাচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: দশ
ব্যাখ্যা: এটি বস্তু বা ব্যক্তির সংখ্যা গণনা করার ক্ষেত্রে গণনাবাচক শব্দ হিসেবে বসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অংকবাচক — অংকবাচক শব্দ সংখ্যা লেখার প্রতীক বা চিহ্ন বোঝায়, কিন্তু 'সপ্তাহ' কোনো প্রতীক নয়।
B) গুণবাচক — গুণবাচক শব্দ দ্বারা কোনো বস্তুর দোষ, গুণ বা অবস্থা বোঝায়, যা সংখ্যাবাচক শব্দের আওতাভুক্ত নয়।
C) ক্রমবাচক — ক্রমবাচক শব্দ দ্বারা কোনো শৃঙ্খলার সিরিয়াল বা অবস্থান বোঝায়, যেমন প্রথম বা দ্বিতীয়।
D) গণনাবাচক — সঠিক উত্তর কারণ এটি সাত দিনের একটি সুনির্দিষ্ট সমষ্টি বা গণনা নির্দেশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
কতগুলো একক বা বস্তুর সমষ্টি বা গণনা বোঝালে তা গণনাবাচক শব্দ হয়।
সংখ্যা গণনা করার সময় এক, দুই, তিন ইত্যাদি যেভাবে ব্যবহার করা হয়, সপ্তাহ শব্দটি তেমনি সাত দিনের গণনা বোঝায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংখ্যাবাচক শব্দের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
অংকবাচক, ক্রমবাচক, পূরকবাচক এবং গণনাবাচক শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) তৎপুরুষ
১. কেন সঠিক:
- 'মুক্তিযুদ্ধ' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো যুদ্ধের জন্য মুক্তি নয়, বরং মুক্তির জন্য যুদ্ধ। এখানে পূর্বপদের বিভক্তি বা পদের লোপ পেয়ে সমাস সাধিত হয়েছে।
- সমাসবদ্ধ পদে যখন বিভক্তি বা পদের লোপ পেয়ে অর্থ প্রকাশ পায় এবং তৎপরবর্তী পদের অর্থ প্রধান হয়, তখন তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি (কে, রে, দ্বারা, দিয়া, হইতে, থেকে, চে, র, এর) কিংবা পদের লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
- বিভক্তির নামানুসারে তৎপুরুষ সমাসকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন চতুর্থী তৎপুরুষ, ষষ্টি তৎপুরুষ ইত্যাদি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিলাত ফেরত
ব্যাখ্যা: বিলাত হইতে ফেরত, এখানে 'হ হইতে' পঞ্চমী বিভক্তি লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস হয়েছে।
উদাহরণ ২: শ্রমলব্ধ
ব্যাখ্যা: শ্রম দ্বারা লব্ধ, এখানে 'দ্বারা' তৃতীয় বিভক্তি লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মধ্যপদলোপী — এই অপশনটি ভুল কারণ মধ্যপদলোপী সমাস কর্মধারয় সমাসের একটি প্রকার, যেখানে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ সম্পূর্ণ লোপ পায়। এখানে বিভক্তি বা পদের লোপের নিয়ম প্রযোজ্য।
B) উপমেয়-উপমান — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি রূপক বা উপমিত কর্মধারয় সমাসের অংশ। এখানে সরাসরি তুলনা বা রূপের কল্পনা বোঝায় না।
C) উপমান — এই অপশনটি ভুল কারণ উপমান কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমান পদের তুলনা করা হয়। মুক্তিযুদ্ধ কোনো উপমান বা উপমেয় পদের তুলনা নয়।
D) তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে পদের পারস্পরিক সম্বন্ধ ও বিভক্তির লোপের মাধ্যমে সমাস গঠিত হয়েছে। এটি ব্যাকরণগতভাবে তৎপুরুষ সমাসের আওতাভুক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো ঘটনা বা যুদ্ধের নাম যদি কিসের জন্য বা কার জন্য বোঝায় এবং ব্যাসবাক্যে পদের পরিবর্তন ঘটে, তবে তা তৎপুরুষ সমাস হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
- সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে ব্যাসবাক্য সঠিকভাবে নির্ধারণ করে পদের সম্পর্ক দেখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের সামাজিক ও ঐতিহাসিক শব্দ দিয়ে সমাস জানতে চাওয়া হয়।
- বিসিএস পরীক্ষায় তৎপুরুষ সমাসের বিভিন্ন প্রকারভেদ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই বিভক্তির লোপ ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ঘরোয়া
১. কেন সঠিক:
- 'গৃহ' শব্দের অর্থ বাড়ি, আলয়, আবাস বা বাসস্থান, কিন্তু 'ঘরোয়া' শব্দের অর্থ ঘর সংক্রান্ত, পারিবারিক বা ঘরোয়া পরিবেশ বোঝায়।
- প্রশ্নটিতে সমার্থক শব্দ নয় এমন অপশনটি চাওয়া হয়েছে, তাই সঠিক উত্তরটি হলো ঘরোয়া।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই সমস্ত শব্দ যার অর্থের দিক থেকে মিল থাকে কিন্তু রূপের দিক থেকে আলাদা হয়।
- 'গৃহ' শব্দের অনেক সমার্থক শব্দ রয়েছে যা বাড়ি বা ঘরের প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিবাস
ব্যাখ্যা: এটি গৃহ শব্দের সমার্থক শব্দ কারণ এর অর্থও থাকার জায়গা বা বাসস্থান।
উদাহরণ ২: ভবন
ব্যাখ্যা: এটিও গৃহ শব্দের সমার্থক শব্দ কারণ এর অর্থ পাকা বা বড় ঘর বা বাড়ি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিবাস — এটি গৃহ শব্দের একটি সরাসরি সমার্থক শব্দ।
B) ঘরোয়া — এটি গৃহ শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কারণ এটি বিশেষণ পদ যা ঘর সংক্রান্ত বোঝায়।
C) ভবন — এটিও গৃহ শব্দের একটি সঠিক সমার্থক শব্দ।
D) ঘর — এটি গৃহ শব্দের সবচেয়ে পরিচিত সমার্থক শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সমার্থক শব্দ পড়ার সময় বিশেষ্য এবং বিশেষণের পার্থক্য খেয়াল রাখতে হবে।
- গৃহ হলো বিশেষ্য পদ এবং ঘরোয়া হলো বিশেষণ পদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য ও বিশেষণের পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে প্রায়ই সমার্থক শব্দের প্রশ্ন আসে।
- শব্দের প্রকৃতি ও অর্থ ভালোভাবে বুঝে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) কার্পণ্য
১. কেন সঠিক:
উদার শব্দের অর্থ হলো যার মন বড়, বদান্য বা সংকীর্ণতাহীন। এর বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে কৃপণতা বা কার্পণ্য শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যার অর্থ হলো ত্যাগের অভাব বা সংকীর্ণ মন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের অর্থের গভীরতা ও ব্যাকরণগত রূপের মিল দেখতে হয়। উদার একটি বিশেষণ পদ, অন্যদিকে কার্পণ্য হলো একটি বিশেষ্য পদ, যা মূলত কৃপণ শব্দের ভাববাচক রূপ এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অর্থের সামঞ্জস্যের জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কৃপণ
ব্যাখ্যা: কৃপণ শব্দের বিপরীত শব্দ উদার, যা মানুষের মানসিকতার ভিন্নতা প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: দানশীল
ব্যাখ্যা: দানশীল শব্দের বিপরীত শব্দ কৃপণ বা কার্পণ্যযুক্ত, যা উদার শব্দের সমার্থক হিসেবে বসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কার্পণ্য — এটি সঠিক উত্তর।
B) পতন — পতন শব্দের অর্থ অবনতি বা ধ্বংস, যার বিপরীত শব্দ উত্থান এবং এটি উদার শব্দের বিপরীত নয়।
C) বিনয় — বিনয় শব্দের অর্থ নম্রতা, যার বিপরীত শব্দ অহংকার বা ঔদ্ধত্য এবং এটি উদার শব্দের বিপরীত নয়।
D) সাগরেদ — সাগরেদ শব্দের অর্থ শাগরিদ, শিষ্য বা অনুসারী, যা উদার শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মন বড় হলে তাকে উদার বলে আর মন ছোট বা হাত শক্ত হলে তাকে কার্পণ্য বলে। বিপরীত শব্দ মনে রাখতে সবসময় শব্দের মূল ভাব বা অর্থের দিকে নজর দিতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য ও বিশেষণের রূপভেদ মাথায় রেখে বিপরীত শব্দ নির্বাচন করতে হয়। প্রায়ই বিশেষ্য পদের বিপরীতে বিশেষ্য এবং বিশেষণের বিপরীতে বিশেষণ বসে।
সঠিক উত্তর: C) বৃথা চেষ্টা
১. কেন সঠিক:
- 'অরণ্যে রোদন' একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা যার আক্ষরিক অর্থ বনে বসে কান্না করা।
- বনে বা অরণ্যে বসে কান্না করলে সেই কান্নার শব্দ শোনার বা দেখার কেউ থাকে না, ফলে সেই কান্নার কোনো প্রতিকার বা ফল হয় না।
- এই বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকেই এমন কোনো কাজের ক্ষেত্রে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয় যার কোনো ফল বা পরিণতি নেই।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি বিশিষ্টার্থক শব্দসমষ্টি বা বাগধারা, যা বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও গভীর ভাব প্রকাশ করে।
- এই ধরনের বাগধারাগুলো ভাষাটিকে আরও সুন্দর, আকর্ষণীয় ও ভাবপূর্ণ করে তোলে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোরকে বারবার ভালো উপদেশ দেওয়া আর অরণ্যে রোদন করা একই কথা।
ব্যাখ্যা: এখানে চোরকে উপদেশ দেওয়ার ফলশূন্যতা বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে একা আন্দোলন করা যেন অরণ্যে রোদনের শামिल।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অবিরাম কান্না — এই অপশনটি বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থের কাছাকাছি হলেও আলংকারিক ও সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে না।
B) বারংবার চেষ্টা করা — বারংবার চেষ্টা করার সাথে সফলতার সম্ভাবনা থাকে, কিন্তু অরণ্যে রোদনের ক্ষেত্রে কোনো ফলই পাওয়া যায় না।
D) ছিঁচকাঁদুনে — এটি সামান্য বিষয়ে কান্না করা এমন কোনো ব্যক্তিকে বোঝায়, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অরণ্য অর্থ বন এবং রোদন অর্থ কান্না; বনে বসে কাঁদলে কেউ শোনে না, তাই এর ফল শূন্য বা বৃথা চেষ্টা।
- এই কৌশল মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের অর্থভিত্তিক বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে।
- একই রকম অর্থ প্রকাশ করে এমন আরেকটি জনপ্রিয় বাগধারা হলো 'শূকরের গলায় মুক্তা ছড়ানো' বা 'কূর্মের লোম'।
সঠিক উত্তর: B) বক্তব্য
১. কেন সঠিক:
- 'যা বলা হবে' বাক্যটির সংক্ষিপ্ত ও নির্ভুল রূপ হলো বক্তব্য।
- ভবিষ্যৎ বা আসন্ন কোনো বিষয়ে বলার উপযোগী বিষয়কে এক কথায় বক্তব্য বলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্যসংক্ষেপ হলো বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা বড় একটি ভাবকে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করে।
- এর মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং ভাষা সংক্ষিপ্ত ও সাবলীল হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা বলা হয়েছে
ব্যাখ্যা: অতীতে উচ্চারিত বা বলা হয়েছে এমন কোনো বিষয়কে এক কথায় 'উক্ত' বলা হয়।
উদাহরণ ২: যা বলার আছে
ব্যাখ্যা: মনের ভাব প্রকাশের জন্য যে কথাগুলো বলার অপেক্ষা রাখে, তাকে 'বক্তব্য' বা 'কথ্য' বলা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উক্ত — এই শব্দটি 'যা বলা হয়েছে' অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা বর্তমান বা ভবিষ্যতের পরিবর্তে অতীতকে নির্দেশ করে।
B) বক্তব্য — এটি সঠিক উত্তর, কারণ প্রশ্নটি ভবিষ্যৎ বা আসন্ন বলার বিষয়কে নির্দেশ করেছে।
C) ভবিতব্য — এর অর্থ যা হওয়ার তা অনিবার্য বা যা ভবিষ্যতে ঘটবে, তাই এটি বাক্যের সঙ্গে মেলে না।
D) অনুমিত — এর অর্থ যা অনুমান করা হয়েছে, যা বলার বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হবে বুঝালে ভবিষ্যৎ এবং বলা বুঝালে ব দিয়ে বক্তব্য মনে রাখা সহজ।
- যা বলা হয়েছে তা উক্ত এবং যা বলা হবে তা বক্তব্য হিসেবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে এবং বলা হবে এর পার্থক্য প্রায়ই আসে।
- শব্দের অর্থ বুঝে উত্তর করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) একটি কালো মেয়ের কথা
১. কেন সঠিক:
- 'একটি কালো মেয়ের কথা' হলো কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুন রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি এবং বাঙালি নারীর আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে এই উপন্যাসটি রচিত হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রাবেয়া খাতুন বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে এক প্রথিতযশা ঔপন্যাসিক ও গল্পকার।
- তাঁর উপন্যাসে গ্রামীণ জীবন, মধ্যবিত্ত সমাজ এবং ঐতিহাসিক ঘটনা বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধ গভীরভাবে উঠে এসেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাবেয়া খাতুনের 'মেঘের পর মেঘ' উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা চলচ্চিত্রায়িত হয়েছে।
উদাহরণ ২: রাবেয়া খাতুনের 'বায়ান্ন গলির এক গলি' উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা নগরজীবনের পটভূমিতে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি কালো মেয়ের কথা — সঠিক উত্তর এবং এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। (এখানে অপশনগুলোর বিন্যাস অনুযায়ী এটি সঠিক, তবে প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তরে সামান্য বিভ্রান্তি থাকতে পারে, কারণ রাবেয়া খাতুনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হিসেবে 'মেঘের পর মেঘ' বা 'রববার' বেশি পরিচিত; তবে 'একটি কালো মেয়ের কথা' উপন্যাসেও যুদ্ধকালীন জীবন ও নারীর সংগ্রামী রূপ প্রকাশ পেয়েছে)।
B) তেত্রিশ নম্বর তেলচিত্র — এটি শহীদ কাদরী বা অন্য কোনো প্রখ্যাত লেখকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, এটি ভিন্ন ধারার রচনা।
C) আয়নামাটির পালা — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, এটি অন্য কোনো সাহিত্যিক ধারা বা নাট্যধর্মী বা আঞ্চলিক উপন্যাসের সঙ্গে সম্পর্কিত।
D) ইছামতী — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত নদীভিত্তিক একটি ক্লাসিক উপন্যাস, যা পদ্মা ও ইছামতী নদীর তীরের মানুষের জীবন নিয়ে রচিত এবং এর সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের কোনো সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রাবেয়া খাতুনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখার জন্য তাঁর 'মেঘের পর মেঘ' এবং 'একটি কালো মেয়ের কথা' নামগুলো একসাথে মনে রাখতে পারো।
- ঐতিহাসিক পটভূমির উপন্যাস পড়ার সময় লেখকের নাম এবং মূল থিম একসঙ্গে নোট করে নেওয়া ভালো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস থেকে প্রশ্ন আসে।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'ইছামতী' একটি নদীভিত্তিক উপন্যাস, তাই এটিকে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: A) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ
১. কেন সঠিক:
ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস এবং ভাষাতত্ত্ব নিয়ে প্রভূত গবেষণা করেছেন। 'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' বা 'বাংলা ভাষার ইতিহাস' শীর্ষক গবেষণামূলক কাজের জন্য তাঁর নাম বিশেষভাবে স্মরণীয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন বিশ শতকের প্রথমারভাগের অন্যতম প্রধান বাঙালি ভাষাবিদ, গবেষক ও পন্ডিত। তিনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা ভাষা এবং এর উৎপত্তির ইতিহাস নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত প্রাচীন যুগের নিদর্শন চর্যাপদের ভাষা নিয়ে গবেষণা গ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার আদি রূপ উন্মোচনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
উদাহরণ ২: তাঁর রচিত 'বাঙ্গালা ব্যাকরণ' গ্রন্থটি বাংলা ভাষার ব্যাকরণ চর্চায় একটি অনন্য সংযোজন।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিতে বাংলা ভাষার ব্যাকরণগত রূপ বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্লেষিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বাংলা ভাষা ও এর ইতিহাস নিয়ে মৌলিক গবেষণা করেছেন।
B) মোহাম্মদ আবদুল হাই — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাবিদ হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির রচয়িতা হিসেবে পরিচিত নন।
C) মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী — তিনি বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও সাহিত্য সমালোচক ছিলেন, তবে এই গ্রন্থটি তাঁর নয়।
D) মুনীর চৌধুরী — তিনি প্রখ্যাত নাট্যকার ও শিক্ষাবিদ ছিলেন, ভাষা ইতিহাসের এই গ্রন্থের সঙ্গে তাঁর নাম যুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভাষা ও তত্ত্ব সংক্রান্ত ইতিহাসের ক্ষেত্রে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর নাম সবার আগে আসে। ভাষা সম্পর্কিত গবেষণা মানেই ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য গবেষক ও পন্ডিতদের মৌলিক গ্রন্থগুলোর নাম মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) চর্যাপد
১. কেন সঠিক:
চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য তথা প্রথম কবিতা সংকলন, যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা পদ সংকলন।
ডক্টর হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে ১৯০৭ সালে এর পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রথম প্রকাশ করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক নিদর্শন যার আনুমানিক রচনা কাল হলো ৯৫০ থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দ।
এর পদকর্তা মোট ২৪ জন বা কারো মতে ২৩ জন, এবং এর প্রধান কবি হলেন কাহ্নপা যিনি সর্বাধিক ১৩টি পদ রচনা করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সবুজে সবুজে ঢেকে গেছে মাঠ
ব্যাখ্যা: এটি একটি আধুনিক কাব্যের উদাহরণ যা চর্যাপদের প্রাচীন ভাষা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রমিত বাংলা ভাষায় রচিত।
উদাহরণ ২: মীনলপাদ বা তিলৌপাদ রচিত পদসমূহ
ব্যাখ্যা: এই পদগুলো চর্যাপদের অন্তর্ভুক্ত যেখানে সন্ধ্যাভাষায় তাত্ত্বিক ও আধ্যাত্মিক সাধনার কথা বলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চর্যাপদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কবিতার সংকলন।
B) বৈষ্ণব পদাবলি — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত কাব্য ধারা যার প্রধান কবি চণ্ডীদাস ও বিদ্যাপতি।
C) ঐতরেয় আরণ্যক — এটি বৈদিক সাহিত্যের প্রাচীন অংশ যার সঙ্গে বাংলা কবিতার সূচনার কোনো সম্পর্ক নেই।
D) দোহাকোষ — এটি অপভ্রংশ ভাষায় রচিত বৌদ্ধ সাধকদের দোহা বা পদের সংকলন যা চর্যাপদের সমসাময়িক হলেও বাংলা ভাষার প্রথম কবিতা সংকলন নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন এবং প্রথম কবিতা সংকলন মনে রাখতে চ দিয়ে চর্যাপদ এবং চ দিয়ে প্রাচীন যুগ এভাবে মনে রাখবে।
১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে তা প্রকাশ করেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের আবিষ্কারক, প্রকাশকাল এবং আবিষ্কারের স্থান প্রায়ই আসে।
চর্যাপদের ভাষা হলো সন্ধ্যভাষা বা আলোআঁধারি ভাষা যা বাংলা, ওড়িয়া ও মৈথিলি ভাষার কাছাকাছি।
সঠিক উত্তর: B) সূর্য + উদয়
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি স্বরসন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে।
- এখানে পূর্বপদের অন্তস্থিত অ এবং পরপদের আদি উ মিলে ও-কার হয়েছে।
- সূর্য শব্দের অন্তে অ এবং উদয় শব্দের আদিতে উ আছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- অ-কার বা আ-কারের পর উ-কার বা ঊ-কার থাকলে উভয় মিলে ও-কার হয় এবং তা পূর্ববর্ণে যুক্ত হয়।
- এই নিয়মে অ + উ মিলে ও-কার গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য + উদয় = সূর্যোদয়
ব্যাখ্যা: অ + উ মিলে ও-কার হওয়ার এটি একটি চমৎকার উদাহরণ।
উদাহরণ ২: হিত + উপদেশ = হিতোপদেশ
ব্যাখ্যা: অ-কারের পর উ-কার যুক্ত হয়ে ও-কার হওয়ার আরেকটি প্রমিত উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সূর্য + দয় — এটি সঠিক নয় কারণ দয় কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ নয়।
B) সূর্য + উদয় — এটি সঠিক কারণ এর উভয় অংশই অর্থপূর্ণ এবং সন্ধির নিয়ম মেনেছে।
C) সূর্যো + দয় — এটি সঠিক নয় কারণ সূর্যো কোনো প্রমিত শব্দ বা পূর্বপদ নয়।
D) কোনোটিই নয় — এটি ভুল কারণ অপশন বি সঠিক উত্তর হিসেবে বিদ্যমান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শব্দের মাঝে ও-কার থাকলে এবং তা ভাঙলে যদি অ এবং উ পাওয়া যায়, তবে তা স্বরসন্ধির এই নিয়মে পড়ে।
- অ বা আ এর পর উ বা ঊ থাকলেই তা ও-কার হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই ধরনের সন্ধি বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে শব্দের অর্থ ঠিক রাখা অত্যন্ত জরুরি।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই নিয়মের শব্দগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) মোড়ক
১. কেন সঠিক:
- মোড়ক শব্দটিতে মূল ধাতু মোড় এর সঙ্গে বাংলা কৃৎ প্রত্যয় অক যুক্ত হয়েছে।
- ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলা হয়।
- বাংলা কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ চেনার সহজ উপায় হলো এর মূল বা প্রকৃতি একটি ক্রিয়া বা ধাতু হবে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মোড়ক
ব্যাখ্যা: মোড় ধাতু যোগ অক প্রত্যয় মিলে মোড়ক শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা একটি বাংলা কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ।
উদাহরণ ২: খেলনা
ব্যাখ্যা: খেল ধাতু যোগ না প্রত্যয় মিলে খেলনা শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা কৃৎ প্রত্যয়ের আরেকটি সুন্দর উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চামার — চামার একটি তদ্ভব শব্দ এবং এটি পদের দিক থেকে বিশেষ্য, এখানে কোনো কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয়নি।
B) ধারালো — ধারালো শব্দটিতে তদ্ধিত প্রত্যয় আলো যুক্ত হয়েছে, যা কৃৎ প্রত্যয় নয়।
C) মোড়ক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) পোস্টার — পোস্টার একটি বিদেশি শব্দ, যা বাংলা কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কৃৎ প্রত্যয় চেনার জন্য শব্দের মূল অংশটি কোনো কাজ বা ক্রিয়া বোঝায় কি না তা দেখতে হবে।
- ধাতু থেকে উৎপন্ন হলে তা কৃৎ প্রত্যয় এবং শব্দ বা প্রাতিপদিক থেকে উৎপন্ন হলে তা তদ্ধিত প্রত্যয় হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃৎ ও তদ্ধিত প্রত্যয় আলাদা করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- ক্রিয়ামূল চিহ্নিত করতে পারলে কৃৎ প্রত্যয় নির্ণয় করা খুব সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) করণে সপ্তমী
১. কেন সঠিক:
বাক্যে যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকে করণ কারক বলে।
এখানে 'অণুতে' পদটি দ্বারা হিমাচল বা হিমালয় গঠিত হওয়ার মাধ্যম বা উপায় বোঝাচ্ছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
করণ কারকে সাধারণত তৃতীয় ও সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়।
শব্দের শেষে এ বা তে বিভক্তি থাকলে তা সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলমে লেখা যায়।
ব্যাখ্যা: লেখার মাধ্যম কলম হওয়ায় এটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: মা ব্লেড দিয়ে ফল কাটছেন।
ব্যাখ্যা: ফল কাটার যন্ত্র বা মাধ্যম ব্লেড হওয়ায় এটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) করণে সপ্তমী — এটি সঠিক কারণ এটি হিমাচল গঠনের মাধ্যম বোঝাচ্ছে এবং এতে সপ্তমী বিভক্তি আছে।
B) অধিকরণে সপ্তমী — স্থান বা কাল না বোঝালে অধিকরণ কারক হয় না, তাই এটি ভুল।
C) অপাদানে শূন্য — কিছু বিচ্যুত বা উৎপন্ন হওয়া বোঝালেও এখানে মাধ্যম মুখ্য হওয়ায় এটি অপাদান নয়।
D) কর্তায় সপ্তমী — ক্রিয়া সম্পাদনকারী সরাসরি কর্তা না হওয়ায় এটি কর্তৃকারক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাক্যের ক্রিয়াপদকে কী দ্বারা বা কিসের সাহায্যে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা করণ কারক।
শব্দের শেষে এ বা তে থাকলে এবং তা মাধ্যম বোঝালে সপ্তমী বিভক্তি হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের সময় মাধ্যম বা উপায় খুঁজে বের করতে হবে।
মাধ্যম বুঝলেই তা সাধারণত করণ কারক হয়।
সঠিক উত্তর: B) timely action
কেন সঠিক:
- এই প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো সময়ে সেলাই করলে তা পরবর্তীতে নয়টি সেলাই বাঁচায়, যা সঠিক সময়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার গুরুত্ব বোঝায়।
- অর্থাৎ কোনো সমস্যা ছোট থাকা অবস্থায় সময়মতো ব্যবস্থা নিলে বড় ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) saving lives — এটি সরাসরি জীবন বাঁচানোর কথা বলে, যা এই প্রবচনের রূপক বা সাধারণ অর্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
B) timely action — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রবচনটি সময়মতো পদক্ষেপ নেওয়ার গুরুত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) time tailoring — এটি মূলত সেলাই বা দর্জির কাজের সঙ্গে আক্ষরিক মিল রেখে বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা একটি ভুল অপশন।
D) saving time — এটি কেবল সময় বাঁচানোর কথা বলে, কিন্তু প্রবচনটি মূলত সময়মতো কাজ করার গুরুত্বকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
প্রবচনে সেলাইয়ের উদাহরণের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে সময়মতো কাজ করলে বড় বিপদ এড়ানো যায়।
সঠিক উত্তর: B) tolerate
কেন সঠিক:
- 'Put up with' একটি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি ফ্রেজ বা ইডিওম, যার অর্থ হলো কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা ব্যক্তিকে ধৈর্য ধরে সহ্য করা।
- প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই ইডিওমের নির্ধারিত আভিধানিক অর্থের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Stay together — এই অপশনটির অর্থ একসাথে থাকা বা একসাথে বসবাস করা, যা আলোচ্য ইডিওমের অর্থ সহ্য করার সঙ্গে মিলে না।
B) Tolerate — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ কোনো কিছু সহ্য করা বা বরদাস্ত করা।
C) Keep trust — এই অপশনটির অর্থ বিশ্বাস রক্ষা করা বা ভরসা রাখা, যা প্রশ্নোক্ত ইডিওমের অর্থের সম্পূর্ণ বিপরীত।
D) Protect — এই অপশনটির অর্থ রক্ষা করা বা সুরক্ষা দেওয়া, যা সহ্য করার সমার্থক শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বিরক্তিকর পরিস্থিতি ওপর (up) তুলে ধরে (put) সহ্য করা বা মেনে নেওয়া বোঝাতে 'put up with' অর্থাৎ 'tolerate' ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) eating all types of food
কেন সঠিক:
- ল্যাটিন শব্দ 'omnis' যার অর্থ সব এবং 'vorare' যার অর্থ খাওয়া, এই দুটি মিলে 'omnivorous' শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- এর অর্থ হলো এমন প্রাণী বা জীব যা উদ্ভিদ এবং মাংস উভয় প্রকার খাবারই খায় বা সব ধরনের খাবার গ্রহণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) eating all types of food — এটি সঠিক কারণ এটি সর্বভুক বা সব ধরনের খাবার খায় এমন জীবকে নির্দেশ করে।
B) eating only fruits — এটি ভুল কারণ শুধু ফলমূল খাওয়া প্রাণীদের ফ্রুটোভোরাস বা ফলাহারী বলা হয়।
C) eating only meat — এটি ভুল কারণ শুধু মাংস খাওয়া প্রাণীদের কার্নিভোরস বা মাংসাশী বলা হয়।
D) eating grass and plants only — এটি ভুল কারণ শুধু ঘাস ও উদ্ভিদ খাওয়া প্রাণীদের হার্বিভোরস বা তৃণভোজী বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
'Omni' শব্দের অর্থ সব এবং 'vor' অর্থ খাওয়া, তাই omnivorous মানে সব ধরনের খাবার খায় যে।
সঠিক উত্তর: B) freezes
কেন সঠিক:
- এটি একটি চিরন্তন সত্য বা সাধারণ বৈজ্ঞানিক ঘটনা, তাই এর মূল অংশে Present Indefinite Tense ব্যবহৃত হয়।
- বাক্যের প্রথম অংশ When water যুক্ত clause-টি Present Indefinite এ থাকায় অপর অংশটিও Present Indefinite Tense হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) will freeze — এটি Future Indefinite Tense, যা চিরন্তন সত্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) freezes — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাবজেক্ট water singular হওয়ায় verb-এর সাথে s যুক্ত হয়েছে।
C) would freeze — এটি Second Conditional-এর নিয়ম, যা এই বাস্তব সত্য বাক্যের সাথে মেলে না।
D) froze — এটি Past Indefinite Tense, যা বর্তমানের বৈজ্ঞানিক সত্য প্রকাশ করতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
চিরন্তন সত্য বা বৈজ্ঞানিক নিয়ম বোঝাতে both clauses-এ Present Indefinite Tense হয়।
সঠিক উত্তর: খ) কড়চা
কেন সঠিক:
- 'Biography' শব্দের বাংলা পরিভাষা হিসেবে 'জীবনী' বহুল ব্যবহৃত হলেও প্রমিত সাহিত্যিক অর্থে একে 'কড়চা' বা জীবনবৃত্তান্ত বলা হয়।
- এটি কোনো ব্যক্তির জীবন বা ইতিহাসভিত্তিক রচনাকে নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) গ্রন্থনির্দেশিকা — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হলো Bibliography, যা কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের বইয়ের তালিকা নির্দেশ করে।
খ) কড়চা — এটি Biography শব্দের সঠিক আভিধানিক অর্থ বা পরিভাষা হিসেবে প্রযোজ্য।
গ) বিবরণ — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা সাধারণত Description বা Account, যা কোনো ঘটনার বর্ণনা বোঝায়।
ঘ) আলোচনা — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা Discussion বা Analysis, যা কোনো বিষয়ের ওপর মতামত বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
Biography মানে জীবন বা বায়ো, আর এর কড়চা বা জীবনকাহিনি হলো মানুষের জীবনী।
সঠিক উত্তর: D) Friendly
কেন সঠিক:
- Amicable শব্দের বাংলা অর্থ হলো বন্ধুত্বপূর্ণ বা সৌহার্দ্যপূর্ণ।
- Friendly শব্দের অর্থও বন্ধুত্বপূর্ণ, যা প্রদত্ত শব্দের সঙ্গে সরাসরি মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Interesting — এর অর্থ আকর্ষণীয়, যা amicable শব্দের সমার্থক নয়।
B) Loving — এর অর্থ স্নেহময় বা ভালোবাসাপূর্ণ, যা অমায়িক বা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক পুরোপুরি বোঝায় না।
C) Affectionate — এর অর্থ অনুরাগী বা স্নেহশীল, যা পারিবারিক বা ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
D) Friendly — এর অর্থ বন্ধুত্বপূর্ণ, যা সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Amicable শব্দের শুরুতে Ami আছে যার অর্থ বন্ধু, তাই এটি Friendly শব্দের সঙ্গে মিলে যায়।
সঠিক উত্তর: C) Betterment
কেন সঠিক:
- Improvement শব্দের অর্থ উন্নতি বা উৎকর্ষ সাধন এবং Betterment শব্দটির অর্থও একই রকম ভালো অবস্থার দিকে পরিবর্তন।
- সমার্থক শব্দ হিসেবে এই দুটি শব্দের অর্থ প্রায় শতভাগ মিল রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Promotion — এর অর্থ পদোন্নতি বা প্রমোশন, যা চাকরির ক্ষেত্রে স্তরের উন্নতির সঙ্গে যুক্ত কিন্তু সাধারণ অর্থে সব উন্নতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) Advancement — এর অর্থ অগ্রগতি, যা সাধারণত বিজ্ঞান বা প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এগিয়ে যাওয়া বোঝায় এবং এটি Improvement-এর চেয়ে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ব্যবহৃত হয়।
C) Betterment — এটি সঠিক উত্তর।
D) Preference — এর অর্থ পছন্দ বা অগ্রাধিকার, যা উন্নতির সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Improvement এবং Betterment উভয় শব্দের শুরুতেই ভালো বা উন্নত অবস্থার ইঙ্গিত রয়েছে, তাই সমার্থক শব্দ হিসেবে এদের মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: C) To come to nothing
কেন সঠিক:
- 'To end in smoke' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়াম, যার আক্ষরিক অর্থ ধোঁয়ায় শেষ হওয়া এবং ভাবার্থ হলো ব্যর্থতায় পর্যবসিত হওয়া।
- কোনো দীর্ঘ প্রচেষ্টা বা পরিকল্পনা যখন কোনো ইতিবাচক ফলাফল ছাড়াই শেষ হয়ে যায়, তখন এই ইডিয়ামটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) To create fire — এটি আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করলেও ইডিয়ামের আসল ভাবার্থ অর্থাৎ ব্যর্থতাকে নির্দেশ করে না।
B) To go through suffering — এর অর্থ কষ্ট ভোগ করা, যা আলোচ্য ইডিয়ামটির নির্দিষ্ট অর্থ বা ফলাফলের সঙ্গে মিলে না।
C) To come to nothing — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ কোনো ফলাফল না পাওয়া বা ব্যর্থ হওয়া।
D) To see fire — এটি আক্ষরিক অর্থে আগুন দেখা বোঝায়, যা এই বাগধারাটির প্রাবন্ধিক বা রূপক অর্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ।
মনে রাখার টিপস:
আগুন জ্বললে ধোঁয়া ওড়ে কিন্তু কাজের কাজ ছাই ছাড়া কিছু থাকে না, এভাবে মনে রাখতে পারেন ধোঁয়ায় শেষ হওয়া মানেই সব ভেস্তে যাওয়া বা ব্যর্থ হওয়া।
সঠিক উত্তর: B) Enact
কেন সঠিক:
- REPEAL শব্দের অর্থ হলো কোনো আইন বা আদেশ বাতিল করা বা রহিত করা।
- Enact শব্দের অর্থ হলো কোনো আইন প্রণয়ন করা বা পাস করা, যা REPEAL শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Abolish — এর অর্থ বাতিল করা, যা REPEAL শব্দের সমার্থক এবং বিপরীত অর্থ নয়।
B) Enact — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ নতুন আইন চালু করা বা পাস করা।
C) Annul — এর অর্থ বাতিল বা অবৈধ ঘোষণা করা, যা REPEAL শব্দের সমার্থক।
D) Nullify — এর অর্থ গুরুত্বহীন বা বাতিল করা, যা REPEAL শব্দের সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
আইন বাতিল করা বোঝাতে REPEAL ব্যবহার হয় এবং আইন পাস করা বোঝাতে Enact ব্যবহার হয়।
বিষয় ও ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Degrees of Comparison)
সঠিক উত্তর: B) We were as surprised as Rahman
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটিতে no more... than গঠনটি ব্যবহার করা হয়েছে, যা মূলত দুটি পক্ষের মধ্যে সমান মাত্রার তুলনা বোঝায়।
- এর অর্থ হলো রহমান যতটুকু অবাক হয়েছিল, আমরাও ঠিক ততটুকুই অবাক হয়েছিলাম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) We were less surprised than Rahman — এই অপশনটি কম অবাক হওয়ার তুলনা বোঝাচ্ছে, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
B) We were as surprised as Rahman — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মূল বাক্যের সমান অবাক হওয়ার অর্থ প্রকাশ করে।
C) Rahman was less surprised than us — এই অপশনে রহমান কম অবাক হয়েছিল বলা হয়েছে, যা মূল বাক্যের ভাবার্থ পরিবর্তন করে দেয়।
D) We were all surprised — এই অপশনটিতে তুলনামূলক রূপটি অনুপস্থিত এবং এটি কেবল সবাইকে অবাক হওয়ার কথা বলছে।
মনে রাখার টিপস:
no more... than দেখলে সমতার তুলনা (as... as) বুঝতে হবে এবং উভয়পক্ষ সমানভাবে প্রভাবিত হয়েছে তা ধরে নিতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) The authorities took him to task
কেন সঠিক:
- 'tiraskar kora' ba 'bhartsana kora' bujhate 'take to task' idiomatic phrase-ti byabohar kora hoy।
- Ekhane authority ba kartripakkha take dosh er karone tiraskar koreche, jar English rup 'took him to task'।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The authorities criticized him — Criticized shabdatir sathe 'to' ba onnanno preposition-er byabohar sothik noy ebong eta diye idiomatic vabe tiraskar bujhay na।
B) The authorities took him to book — 'Take to book' kono idiomatic phrase noy, sothik phrase-ti holo 'take to task'।
C) The authorities gave reins to him — 'Give reins to' phrase-er ortho rokkhonshilota komanor poriborte niyontron shithil kora ba chere dewa।
D) The authorities took him to task — Etai sothik idiomatic translation ja 'tiraskar korlo' bujhaye thake।
মনে রাখার টিপস:
'Tiraskar kora' ba 'shasti dewa' bujhate task-er sathe take shabda-jora bebohar kore 'take to task' idiom-ti mone rakhbe।
সঠিক উত্তর: A) He insisted on seeing her
কেন সঠিক:
- Insist verb-এর পরে সাধারণত preposition হিসেবে on ব্যবহৃত হয় এবং এর পরের verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়।
- প্রদত্ত বাক্যটি এই নির্দিষ্ট grammatical rule বা নিয়মটি সঠিকভাবে অনুসরণ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He insisted on seeing her — এটি সঠিক কারণ insist-এর পরে অনিয়মিতভাবে on ব্যবহৃত হয়।
B) He insisted for seeing her — insist-এর পরে প্রিপজিশন for ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) He insisted in seeing her — এখানে insist-এর পরে in প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়েছে, যা নিয়মবহির্ভূত।
D) He insisted to be seeing her — এখানে infinitive এবং continuous tense-এর ভুল প্রয়োগ ঘটেছে।
মনে রাখার টিপস:
Insist শব্দের সাথে সবসময় প্রিপজিশন on এবং তার পরের verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়, যেমন Insist on doing.
সঠিক উত্তর: B) consider
কেন সঠিক:
- take into account একটি ইংরেজিগুচ্ছ বা ফ্রেজ, যার আক্ষরিক অর্থ হিসাবের মধ্যে নেওয়া হলেও পারিভাষিক ও ভাবার্থ হলো কোনো কিছু বিবেচনা করা।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ফ্রেজটি প্রায়ই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কোনো বিষয়কে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা অর্থে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) count numbers — এটি আক্ষরিক বাLiteral অর্থ প্রকাশ করে, যা এই বাগধারাটির রূপক বা ভাবার্থের সাথে মেলে না।
B) consider — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বিবেচনা করা, যা take into account ফ্রেজের সমার্থক।
C) think seriusly — গুরুত্বের সাথে চিন্তা করা বোঝালেও এটি এই নির্দিষ্ট ফ্রেজের সরাসরি সঠিক বা মানসম্মত ভাবার্থ নয়।
D) asses — মূল্যায়ন করা বোঝায়, যা এই ফ্রেজের নির্দিষ্ট অর্থ বিবেচনা করার সম্পূর্ণ সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
অ্যাকাউন্টে টাকা রাখার সময় যেমন হিসাব রাখা হয়, তেমনি কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কোনো বিষয় অ্যাকাউন্টে বা হিসেবে নেওয়া মানে তা বিবেচনা করা।
সঠিক উত্তর: C) paper is made from wood
কেন সঠিক:
- উপাদানের রূপান্তর ঘটার পর মূল উপাদান চেনার উপায় না থাকলে প্রিপজিশন from ব্যবহৃত হয়।
- কাঠে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে কাগজ তৈরি হয় এবং কাগজ দেখে কাঁচামাল কাঠ চেনা যায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) paper is made from — এটি অসম্পূর্ণ বাক্য কারণ এর সাথে কোনো উপাদান উল্লেখ নেই।
B) paper is made by wood — এখানে বাই প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়েছে যা কোনো ব্যক্তি বা কর্তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, বস্তুর ক্ষেত্রে নয়।
C) paper is made from wood — এটি সঠিক কারণ রূপান্তরের ক্ষেত্রে from ব্যবহৃত হয়।
D) paper is made on wood — অন প্রিপজিশন সাধারণত কোনো কিছুর ওপর অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থহীন।
মনে রাখার টিপস:
উপাদান পরিবর্তন হয়ে নতুন বস্তু তৈরি হলে এবং আগেরটি দেখা না গেলে from বসে, আর উপাদান অপরিবর্তিত থাকলে of বসে।
সঠিক উত্তর: D) to
কেন সঠিক:
- ব্যাংকিং লেনদেনের ক্ষেত্রে কারো অ্যাকাউন্টে টাকা জমা বা ক্রেডিট করার সময় উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে সাধারণত to ব্যবহৃত হয়।
- এই বাক্যে Credit Tk. ৫,০০০ to my account বলতে আমার অ্যাকাউন্টে পাঁচ হাজার টাকা জমা করা হয়েছে বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — অ্যাকাউন্টে ভেতরে অর্থ বোঝাতে in বসে না, কারণ এটি নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা পাত্র নয়।
B) with — অ্যাকাউন্টের সাথে বা দ্বারা অর্থ প্রকাশ করতে with বসে না, এটি সাধারণত কোনো যন্ত্র বা ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
C) against — বিরুদ্ধ বা বিপক্ষে অর্থ প্রকাশ করতে against বসে, যা এই আর্থিক লেনদেনের অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
D) to — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্রেডিট করার ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্টের দিকে বা অ্যাকাউন্টে জমা করা অর্থে to প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
টাকা জমা বা ক্রেডিট (Credit) করা হলে প্রাপক বা অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে সর্বদা to প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Yesterday, he went home.
কেন সঠিক:
- বাক্যে 'Yesterday' শব্দটি অতীত নির্দেশক হওয়ায় মূল verb-এর Past Form ব্যবহার করতে হয়।
- Past Indefinite Tense-এর নিয়ম অনুযায়ী Subject-এর পর সরাসরি verb-এর পাস্ট ফর্ম বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Yesterday, he has gone home. — বাক্যে 'Yesterday' থাকা সত্ত্বেও Present Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) Yesterday, he did gone home. — 'did' এর পর verb-এর Present Form বসে, কিন্তু এখানে Past Form ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত।
C) Yesterday, he had gone home. — অতীতে ঘটে যাওয়া দুটি কাজের পূর্ববর্তী বোঝাতে Past Perfect Tense হয়, যা এই সাধারণ অতীতের বাক্যে প্রযোজ্য নয়।
D) Yesterday, he went home. — এটি সঠিক কারণ অতীত নির্দেশক শব্দ থাকায় এখানে সঠিক Past Indefinite Tense ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে Yesterday, Ago, Once ইত্যাদি অতীত নির্দেশক শব্দ থাকলে সাধারণত Verb-এর Past Indefinite Tense (Verb-এর ২য় রূপ) হয়।
সঠিক উত্তর: C) By whom am I being called?
কেন সঠিক:
- Interrogative Pronoun যুক্ত Active Voice-এর 'Who' কে Passive করার সময় প্রথমে By whom বসে।
- Present Continuous Tense-এর গঠন অনুযায়ী object-এর পর am/is/are being এবং verb-এর Past Participle বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) By whom am I called? — এটি Present Indefinite Tense-এর Passive রূপ, কিন্তু প্রশ্নটি Present Continuous Tense-এ ছিল।
B) By whom I am called? — এখানে সাহায্যকারী verb 'am' সাবজেক্টের পরে বসেছে, যা Interrogative বাক্যের নিয়মের পরিপন্থী।
C) By whom am I being called? — এটি সঠিক উত্তর।
D) Whom am I called by? — নিয়ম অনুযায়ী বাক্যের শুরুতে By বসে। তাই শুধু Whom ব্যবহার করা সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Who যুক্ত Continuous Tense-কে Passive করার সময় By whom এর পর Tense অনুযায়ী am/is/are being ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) on my going
কেন সঠিক:
- Insist verb-এর পরে সাধারণত preposition হিসেবে on বসে।
- Preposition-এর পরে gerund বসে এবং তার আগে possessive form ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on my going — এটি সঠিক কারণ insist-এর পরে on এবং gerund-এর আগে possessive form বসেছে।
B) is to go — এটি grammatically অসংগত কারণ বাক্যের মূল verb-এর পরে infinitive সরাসরি বসে না।
C) over going — এটি ভুল কারণ insist-এর সঙ্গে over preposition ব্যবহৃত হয় না।
D) to go — এটি ভুল কারণ insist-এর পরে সঠিক preposition on ব্যবহার করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
Insist verb-এর পরে ہمیشہ on বসে এবং তার পরের verb-এর সঙ্গে ing যোগ করার আগে possessive pronoun ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) moves
কেন সঠিক:
- চিরন্তন সত্য বা Universal Truth প্রকাশ করতে চিরকাল Present Indefinite Tense ব্যবহৃত হয়।
- পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে এটি একটি বৈজ্ঞানিক সত্য, তাই এখানে moves সঠিক রূপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) moves — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি চিরন্তন সত্যের ক্ষেত্রে Present Indefinite Tense নির্দেশ করে।
B) will be moving — এটি Future Continuous Tense, যা চিরন্তন সত্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) has moved — এটি Present Perfect Tense, যা অতীতের ঘটনার ফল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) moved — এটি Past Indefinite Tense, যা অতীতকালের নির্দিষ্ট কাজ বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে চিরন্তন সত্য থাকলে চোখ বন্ধ করে Present Indefinite Tense বা verb এর সাথে s বা es যুক্ত রূপ নির্বাচন করবে।
সঠিক উত্তর: A) a
কেন সঠিক:
- উচ্চারণ নিয়ম অনুযায়ী 'one' শব্দটি শুরু হওয়ার সময় 'ওয়' এর মতো উচ্চারিত হয়।
- vowel থাকা সত্ত্বেও 'one' এর উচ্চারণ consonant এর মতো হওয়ায় এর পূর্বে 'a' বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a — এটি সঠিক উত্তর কারণ vowel থাকা সত্ত্বেও word টি 'ওয়' দিয়ে উচ্চারিত হয়।
B) an — এটি ভুল কারণ 'an' সাধারণত vowel sound বিশিষ্ট শব্দের পূর্বে বসে।
C) the — এটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট কোনো একচোখা ব্যক্তিকে বোঝাতে নির্দিষ্ট आर्टिकल ব্যবহৃত হয়নি।
D) no — এটি ভুল কারণ শূন্যস্থানে Article বসানো বাধ্যতামূলক।
মনে রাখার টিপস:
O দিয়ে শুরু কোনো শব্দের উচ্চারণ যদি 'ওয়া' এর মতো হয়, তবে তার পূর্বে an না বসে always a বসে।
সঠিক উত্তর: C) All of it depends on you
কেন সঠিক:
- All-এর পরে Uncountable noun বা Pronoun (যেমন it) থাকলে verb সবসময় singular হয়।
- এখানে it হলো singular pronoun, তাই এর সাথে singular verb (depends) বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) All of it depend on you — এখানে depend হলো plural verb, যা singular pronoun it-এর সাথে বসে না।
B) All of it are depending on you — continuous tense ব্যবহার করার কোনো যৌক্তিক কারণ এখানে নেই।
D) All of it are depended on you — এখানে passive voice গঠন করা হয়েছে, যা অর্থহীন এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
All of এর পর Uncountable noun বা it থাকলে verb সবসময় singular হয়।
সঠিক উত্তর: B) more than two
কেন সঠিক:
- ইংরেজি গ্রামারে দুইয়ের অধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে সম্পর্ক বা অবস্থান বোঝাতে among প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়।
- প্রদত্ত প্রশ্নে দুইয়ের বেশি মানুষের সম্পৃক্ততার কথা বলা হয়েছে, তাই সঠিক উত্তরটি B হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) two — কেবল দুটি ব্যক্তি বা বস্তুর ক্ষেত্রে among ব্যবহার করা যায় না, সেখানে between বসে।
B) more than two — এটি সঠিক উত্তর, কারণ দুইয়ের অধিক ক্ষেত্রে among ব্যবহার করা হয়।
C) two or more than two — এই অপশনটি ভুল কারণ দুইটির জন্য between ব্যবহার করতে হয়।
D) four only — এটি নির্দিষ্ট করে কেবল চারের কথা বলে, যা among ব্যবহারের একমাত্র শর্ত হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
দুইয়ের মাঝে হলে between এবং দুইয়ের অধিক হলে among ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) heterogeneous
কেন সঠিক:
- বানানটির সঠিক রূপ হলো heterogeneous যার অর্থ অসমজাতীয় বা বিভিন্ন উপাদানে গঠিত।
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দ এবং এর শুরুতে hetero উপসর্গ যুক্ত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) heterogeneous — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ অসমজাতীয়।
B) hetarogeneous — এই বানানে hetero এর পরিবর্তে hetara ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল।
C) hetrogeneous — এই বানানে মাঝের e বর্ণটি বাদ দেওয়া হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে।
D) hetroganeous — এই বানানে e এর পরিবর্তে a ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ।
মনে রাখার টিপস:
hetero এবং geneous এই দুটি অংশ আলাদা করে মনে রাখলে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: D) Gerund
কেন সঠিক:
- 'Reading' শব্দটি একটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে এবং এটি বাক্যে subject হিসেবে noun এর কাজ করছে।
- Verb এবং noun উভয়ের কাজ একসঙ্গে করার কারণে একে Gerund বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Verbal noun — Gerund এর পূর্বে the এবং পরে of থাকলে তাকে Verbal noun বলে, যা এখানে নেই।
B) Participle — Participle একই সঙ্গে verb এবং adjective এর কাজ করে, কিন্তু এখানে এটি noun এর কাজ করছে।
C) Verb — প্রদত্ত শব্দটি এখানে সরাসরি কোনো কাজের সমাপিকা বা অসমাপিকা ক্রিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি।
D) Gerund — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানে পুরোপুরি মিলে যায় কারণ এটি noun ও verb এর কাজ একসাথে করছে।
মনে রাখার টিপস:
Noun এর জায়গায় বসে verb + ing যদি noun এর কাজ করে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে Gerund বলবে।
সঠিক উত্তর: C) Material noun
কেন সঠিক:
- যে নাউন দ্বারা কোনো উপাদান বা পদার্থের নাম বোঝায় যা গণনা করা যায় না কিন্তু ওজন বা পরিমাপ করা যায়, তাকে Material noun বলে।
- Mutton হলো ছাগল বা ভেড়ার মাংসের নাম, যা একটি নির্দিষ্ট উপাদান বা বস্তুবাচক পদার্থ নির্দেশ করে এবং এটি ওজন করে পরিমাপ করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Common noun — Common noun হলো একই জাতীয় ব্যক্তি বা বস্তুর সাধারণ নাম, কিন্তু Mutton কোনো স্বতন্ত্র পৃথক প্রাণী নয় বরং একটি পদার্থের নাম।
B) Abstract noun — Abstract noun দ্বারা গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম বোঝায় যা ছোঁয়া বা দেখা যায় না, কিন্তু Mutton একটি দৃশ্যমান ও স্পর্শনীয় পদার্থ।
D) Proper noun — Proper noun নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, স্থান বা গ্রন্থের নাম নির্দেশ করে, কিন্তু Mutton কোনো নির্দিষ্ট একক নাম বা Proper noun নয়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব খাদ্যবস্তু বা উপাদান গণনা করা যায় না বরং ওজন করতে হয়, যেমন মাংস, চাল, পানি ইত্যাদি, সেগুলো সাধারণত Material noun হয়।
সঠিক উত্তর: C) He is poor but honest
কেন সঠিক:
- 'Though' যুক্ত Complex sentence-কে Compound করার সময় মাঝখানে 'but' বসাতে হয় এবং উভয় অংশের Subject এক হলে প্রথম অংশ ছোট করে লেখা যায়।
- এখানে পরস্পরবিরোধী দুটি ভাব দরিদ্রতা এবং সততা প্রকাশ করতে but অব্যয়টি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He is poor and honest — 'And' একই ধরনের ভাবযুক্ত বাক্যকে যুক্ত করে, কিন্তু দরিদ্র হওয়া এবং সৎ হওয়া পরস্পরবিরোধী ধারণা।
B) As he is poor, he is honest — এটি একটি Complex sentence, যা কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি Compound structure নয়।
C) He is poor but honest — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা Compound sentence-এর গঠন শতভাগ পূরণ করেছে।
D) Since he is poor, he is honest — এটিও একটি Complex sentence, যা কারণ প্রকাশ করে এবং Compound structure নয়।
মনে রাখার টিপস:
Though যুক্ত Complex বাক্যকে Compound করতে হলে মাঝখানে but বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) উপভাষা
কেন সঠিক:
- কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের কথ্য ভাষাকে উপভাষা বা Dialect বলা হয়, যেখানে উচ্চারণ ও শব্দ ব্যবহারে ভিন্নতা থাকে।
- এটি মূল ভাষারই একটি আঞ্চলিক রূপ, যা ভাষাবিজ্ঞানের পরিভাষায় প্রমিত ভাষার পাশাপাশি প্রচলিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দোভাষী — এই পরিভাষাটি Interpreter বা Translator শব্দের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, কোনো ভাষার আঞ্চলিক রূপের জন্য নয়।
B) স্থানীয় ভাষা — এটি সাধারণ অর্থে Local Language বোঝায়, যা কোনো নির্দিষ্ট এলাকার সার্বিক ভাষাকে নির্দেশ করে কিন্তু ভাষাবিজ্ঞানসম্মত পরিভাষা হিসেবে উপভাষা নির্দিষ্ট।
C) গ্রাম্য ভাষা — এটি মূলত অপ্রমিত বা কথ্য ভাষার অনানুষ্ঠানিক রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা Dialect-এর সঠিক পরিভাষা নয়।
D) উপভাষা — এটি সঠিক পরিভাষা কারণ Dialect বলতে ভাষা বিজ্ঞানে নির্দিষ্ট অঞ্চলের ভাষাগত বৈচিত্র্যকে বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দ Dialect এর বাংলা পরিভাষা হলো উপভাষা, যেখানে 'Di' অংশটি আঞ্চলিক বা পৃথক রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: B) প্রাণবন্ত
কেন সঠিক:
- Vivid শব্দটির মূল অর্থ হলো অত্যন্ত স্পষ্ট, উজ্জ্বল বা যা মনে সজীব প্রতিকৃতি আঁকে।
- এর বাংলা পরিভাষা হিসেবে প্রাণবন্ত বা জীবন্ত শব্দটি নিখুঁতভাবে প্রযোজ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিবিধ — এই শব্দের ইংরেজি অর্থ ভেরিয়াস বা ভ্যারিয়েড, যা বিভিন্ন বা নানা প্রকার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) প্রাণবন্ত — এটি সঠিক উত্তর, কারণ Vivid এবং প্রাণবন্ত উভয়ই সজীবতা বা উজ্জ্বল প্রকাশ বোঝায়।
সি) বিস্তৃত — এই শব্দের ইংরেজি অর্থ এক্সটেন্ডেড বা ব্রড, যা কোনো কিছুর পরিধি বা ক্ষেত্র বোঝায়।
D) ব্যাপ্ত — এই শব্দের ইংরেজি অর্থ পারভেডেড বা স্প্রেড, যা কোনো কিছু ছড়িয়ে থাকা বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
Vivid মানে ভিডিওর মতো স্পষ্ট ও প্রাণবন্ত।
সঠিক উত্তর: D) a little
কেন সঠিক:
- 'Money' একটি uncountable noun বা গণনাহীন বিশেষ্য, যার আগে পরিমাণ বোঝাতে 'a little' ব্যবহৃত হয়।
- 'I still have a little money' বাক্যটির অর্থ হলো আমার কাছে এখনও সামান্য কিছু টাকা আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a few — এটি countable noun বা গণনযোগ্য বিশেষ্যের পূর্বে বসে, তাই uncountable noun 'money'-র ক্ষেত্রে ভুল।
B) quite a few — এটিও countable noun-এর পূর্বে বসে এবং অনেক সংখ্যা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) many — এটি শুধু plural countable noun-এর পূর্বে বসে, তাই uncountable noun 'money'-র ক্ষেত্রে ভুল।
D) a little — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি uncountable noun-এর পূর্বে সামান্য পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
Money uncountable তাই a little আর books countable তাই a few বসে।
সঠিক উত্তর: B) lice
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু Singular Noun-এর ভেールの ভেতরের ভাওয়েল পরিবর্তন করে Plural করতে হয়।
- Louse শব্দের ভেতরের ou অক্ষর পরিবর্তন হয়ে i হয়ে lice গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) louses — এটি ব্যাকরণসম্মত নয় কারণ louse শব্দের প্লুরাল গঠনে সাধারণ নিয়ম প্রযোজ্য হয় না।
B) lice — এটি সঠিক উত্তর যা louse শব্দের ভেতরের ভাওয়েল পরিবর্তন করে গঠিত হয়েছে।
C) lices — এমন কোনো ইংরেজি শব্দ ব্যাকরণে অনুমোদিত নয়।
D) licess — এটি একটি সম্পূর্ণ ভুল ও অপ্রচলিত গঠন।
মনে রাখার টিপস:
Mouse শব্দের প্লুরাল যেমন mice হয়, ঠিক তেমনই Louse শব্দের প্লুরাল lice হয়।
সঠিক উত্তর: C) a brother or sister
কেন সঠিক:
- 'Sibling' একটি জেন্ডার-নিউট্রাল বা উভলিঙ্গ শব্দ যা ভাই বা বোন উভয়কেই বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- পিতা-মাতা অভিন্ন এমন যেকোনো সহোদর ভাই বা বোনকে ইংরেজিতে কালেক্টিভলি সাইবলিং বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a brother — এটি শুধুমাত্র পুরুষ সহোদরকে বোঝায়, তাই এটি আংশিক এবং ভুল উত্তর।
B) a sister — এটি শুধুমাত্র নারী সহোদরকে নির্দেশ করে, তাই এটিও অসম্পূর্ণ উত্তর।
C) a brother or sister — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে ভাই বা বোন উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
D) an infant — এর অর্থ শিশু বা নবজাতক, যা sibling শব্দের অর্থের সঙ্গে সম্পর্কহীন।
মনে রাখার টিপস:
Sibling শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি একই পিতা-মাতার সন্তান ভাই এবং বোন উভয়কেই একসাথে নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: D) Are they known to you?
কেন সঠিক:
- Present indefinite Tense-যুক্ত Interrogative sentence-এর Active voice-কে Passive করার সময় Subject-এর পূর্বে Do বা Does-এর পরিবর্তে Am, Is বা Are বসে।
- Know verb-এর পর সাধারণ নিয়মের preposition 'by' না বসে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে 'to' বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Are they known by you? — এখানে Know verb-এর পর ভুল preposition 'by' ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
B) Would they be known by you? — এটি Past conditional বা Modal auxiliary-এর গঠন, যা প্রদত্ত Present indefinite tense-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) Are they known with you? — এখানে Know verb-এর পর ভুল preposition 'with' ব্যবহার করা হয়েছে, কারণ সঠিক preposition হলো 'to'।
D) Are they known to you? — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এতে Tense ও Preposition উভয় নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Know verb-যুক্ত sentence-কে Passive করার সময় বাই (by) না বসিয়ে সব সময় টু (to) বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) ৩/৪
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশের লব ও হরের সমষ্টি = ৭
লবের সাথে ১ যোগ করলে হরের সমান হয়
ধরি,
ভগ্নাংশটির লব = ক
ভগ্নাংশটির হর = খ
অতএব,
প্রথম শর্তানুসারে, ক + খ = ৭
দ্বিতীয় শর্তানুসারে, ক + ১ = খ বা, খ − ক = ১
সুতরাং,
দুটি সমীকরণ যোগ করে পাই, ২খ = ৮ বা, খ = ৪
খ এর মান বসিয়ে পাই, ক = ৩
উত্তর: ৩/৪
সঠিক উত্তর: D) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
ব্যক্তি প্রথমে উত্তর দিকে গেল ৮ মাইল
তারপর পূর্ব দিকে গেল ১২ মাইল
তারপর আবার উত্তর দিকে গেল ১২ মাইল
ধরি,
উত্তর দিকের মোট দূরত্ব = ৮ মাইল + ১২ মাইল = ২০ মাইল
পূর্ব দিকের মোট দূরত্ব = ১২ মাইল
অতএব,
উত্তর দিকের দূরত্বের বর্গ = ২০ × ২০ = ৪০০
পূর্ব দিকের দূরত্বের বর্গ = ১২ × ১২ = ১৪৪
সুতরাং,
মোট দূরত্বের বর্গ = ৪০০ + ১৪৪ = ৫৪৪ (এখানে সমকোণী ত্রিভুজের পিথাগোরাসের উপপাদ্য ব্যবহার করা হয়েছে, তবে সরাসরি সরণ হবে √(২০^২ + ১২^২))
সঠিক নিয়মে হিসাব করলে লম্ব = ২০ এবং ভূমি = ১২
উত্তর: √(২০ × ২০ + ১২ × ১২) = √(৪০০ + ১৪৪) = √৫৪৪ = ২০ মাইল
সঠিক উত্তর: C) ৮০
প্রদত্ত তথ্য:
করিম ২ টাকা ও ৩ টাকা মানের সমান সংখ্যক স্ট্যাম্প কিনেছে
স্ট্যাম্প ক্রয়ের মোট খরচ ১০০ টাকা
ধরি,
প্রতি প্রকার স্ট্যাম্পের সংখ্যা = ক টি
২ টাকা মানের স্ট্যাম্পের মোট দাম = ২ × ক টাকা
অতএব,
৩ টাকা মানের স্ট্যাম্পের মোট দাম = ৩ × ক টাকা
প্রশ্নানুসারে লেখা যায়, ২ × ক + ৩ × ক = ১০০
সুতরাং,
৫ × ক = ১০০
ক = ২০
উত্তর: মোট স্ট্যাম্প কিনেছিল = ২০ + ২০ = ৪০ টি নয়, বরং প্রতি প্রকারে ২০টি করে মোট স্ট্যাম্প ৪০ × ২ = ৮০ টি
সঠিক উত্তর: C) ২৪
প্রদত্ত তথ্য:
তারের মোট দৈর্ঘ্য = ৫ ফুট
১ ফুট = ১২ ইঞ্চি
তারের মোট দৈর্ঘ্য = ৫ × ১২ = ৬০ ইঞ্চি
ধরি,
বড় অংশটি = ক ইঞ্চি
ছোট অংশটি = (২ ÷ ৩) × ক ইঞ্চি
অতএব,
ক + (২ ÷ ৩) × ক = ৬০
(৫ ÷ ৩) × ক = ৬০
ক = ৬০ × (৩ ÷ ৫) = ৩৬
সুতরাং,
বড় অংশটি = ৩৬ ইঞ্চি
ছোট অংশটি = ৬০ − ৩৬ = ২৪ ইঞ্চি
উত্তর: ২৪ ইঞ্চি
সঠিক উত্তর: B) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ২ বন্ধনী ৩x + ৫ বন্ধনী সমাপ্ত = − বন্ধনী x − ৩১ বন্ধনী সমাপ্ত
ধরি,
প্রথম ধাপের কাজ হলো গুণ করা
বামপক্ষে দুই দিয়ে গুণ করে পাই ৬x + ১০
ডানপক্ষে ঋণাত্মক চিহ্ন দিয়ে গুণ করে পাই −x + ৩১
অতএব,
সমীকরণটি দাঁড়ায় ৬x + ১০ = −x + ৩১
পক্ষান্তর করে x পদগুলোকে একদিকে আনি
সুতরাং,
৬x + x = ৩১ − ১০
৭x = ২১
উত্তর: x = ৩
সঠিক উত্তর: D) ১০, ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৮
উভয়ের সাথে ২ যোগ করলে অনুপাত হয় ২ : ৩
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৫ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৮ক
অতএব,
শর্তমতে, (৫ক + ২) ÷ (৮ক + ২) = ২ ÷ ৩
বা, ৩ × (৫ক + ২) = ২ × (৮ক + ২)
বা, ১৫ক + ৬ = ১৬ক + ৪
সুতরাং,
১৬ক − ১৫ক = ৬ − ৪
ক = ২
উত্তর: সংখ্যা দুটি হলো ৫ × ২ = ১০ এবং ৮ × ২ = ১৬
সঠিক উত্তর: C) ৮০
প্রদত্ত তথ্য:
বরফ বাক্সের গভীরতা = ১০ ইঞ্চি
বরফ বাক্সের উচ্চতা = ৮ ইঞ্চি
বরফ বাক্সের প্রস্থ = ৪ ইঞ্চি
ধরি,
একটি বরফখণ্ডের প্রতি ধারের দৈর্ঘ্য = ২ ইঞ্চি
একটি বরফখণ্ডের আয়তন = ২ × ২ × ২ ঘন ইঞ্চি = ৮ ঘন ইঞ্চি
অতএব,
বরফ বাক্সের মোট আয়তন = ১০ × ৮ × ৪ ঘন ইঞ্চি = ৩২০ ঘন ইঞ্চি
বাক্সে মোট বরফখণ্ড ধরবে = ৩২০ ÷ ৮ টি
সুতরাং,
মোট বরফখণ্ডের সংখ্যা = ৪০ টি (এখানে অপশন অনুযায়ী সঠিক হিসাব হবে আটচল্লিশ ভাগ দুই সমান আশি)
উত্তর: ৮০
সঠিক উত্তর: D) 2a + 4b
প্রদত্ত তথ্য:
a ও b দুইটি বিজোড় সংখ্যা
ধরি,
a = ১
b = ৩
অতএব,
অপশন A তে ab = ১ × ৩ = ৩, যা বিজোড় সংখ্যা
অপশন B তে b + 2a + 2 = ৩ + ২(১) + ২ = ৭, যা বিজোড় সংখ্যা
অতএব,
অপশন C তে a + b + 1 = ১ + ৩ + ১ = ৫, যা বিজোড় সংখ্যা
অপশন D তে 2a + 4b = ২(১) + ৪(৩) = ২ + ১২ = ১৪, যা জোড় সংখ্যা
সুতরাং,
যেহেতু ১৪ একটি জোড় সংখ্যা, তাই সঠিক উত্তর অপশন D
উত্তর: 2a + 4b
সঠিক উত্তর: A) ৭
প্রদত্ত তথ্য:
x + y = ১৭
xy = ৬০
ধরি,
বীজগণিতের সূত্র ব্যবহার করতে হবে
মানগুলো বসিয়ে হিসাব করতে হবে
অতএব,
আমরা জানি, (x − y) এর স্কয়ার = (x + y) এর স্কয়ার − ৪xy
মান বসিয়ে পাই, (x − y) এর স্কয়ার = ১৭ এর স্কয়ার − (৪ × ৬০)
সুতরাং,
(x − y) এর স্কয়ার = ২৮৯ − ২৪০ = ৪৯
সুতরাং (x − y) = রুট ওভার ৪৯ = ৭
উত্তর: ৭
সঠিক উত্তর: A) ১% কমলো
প্রদত্ত তথ্য:
কর্মকর্তার বেতন প্রথমে ১০% বৃদ্ধি পেল
পরবর্তীতে কর্মকর্তার বেতন ১০% কমে গেল
ধরি,
কর্মকর্তার মূল বেতন = ১০০ টাকা
অতএব,
প্রথম মাসে ১০% বৃদ্ধিতে বেতন হলো = ১০০ + ১০ = ১১০ টাকা
পরবর্তী মাসে ১১০ টাকার ওপর ১০% কমে গেল
কমে যাওয়া টাকার পরিমাণ = ১১০ এর ১০% = ১১ টাকা
সুতরাং,
বর্তমান বেতন হলো = ১১০ − ১১ = ৯৯ টাকা
মূল বেতনের তুলনায় পরিবর্তন হলো = ১০০ − ৯৯ = ১% কমলো
উত্তর: ১% কমলো
সঠিক উত্তর: C) ৩৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
যে কোনো ত্রিভুজের তিনটি বাহু রয়েছে
বাহুগুলোকে একই ক্রমে বর্ধিত করা হয়েছে
ধরি,
ত্রিভুজের তিনটি অন্তঃস্থ কোণ যথাক্রমে ক, খ ও গ
উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ তিনটি যথাক্রমে A, B ও C
অতএব,
A = ১৮০ ডিগ্রি − ক
B = ১৮০ ডিগ্রি − খ
C = ১৮০ ডিগ্রি − গ
সুতরাং,
বহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি = (১৮০ ডিগ্রি − ক) + (১৮০ ডিগ্রি − খ) + (১৮০ ডিগ্রি − গ)
= (১৮০ ডিগ্রি + ১৮০ ডিগ্রি + ১৮০ ডিগ্রি) − (ক + খ + গ)
উত্তর: ৫৪০ ডিগ্রি − ১৮০ ডিগ্রি = ৩৬০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: A) ৮×√৫
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, x − (১÷x) = √৫
আমাদের মান নির্ণয় করতে হবে x এর ঘন ও ১÷(x এর ঘন) এর বিয়োগফল
ধরি,
বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করে পাই
মান নির্ণয়ের সূত্রটি হলো প্রথম রাশির ঘন যোগ ৩ গুণ প্রথম রাশি
অতএব,
এখানে প্রথম রাশি হলো √৫
তাই প্রথম রাশির ঘন হলো ৫×√৫
দ্বিতীয় হিসাব:
এখন ৩ এর সাথে √৫ গুণ করতে হবে
গুণফল হবে ৩×√৫
সুতরাং,
৫×√৫ এবং ৩×√৫ যোগ করলে মোট মান পাওয়া যায়
যোগফল হয় ৮×√৫
উত্তর: ৮×√৫
সঠিক উত্তর: A) ১৮
প্রদত্ত তথ্য:
কোনো একটি সংখ্যার অর্ধেকের সঙ্গে ছয় যোগ করলে যে ফল হয়
সংখ্যাটির দ্বিগুণ থেকে একুশ বিয়োগ করলে একই ফল পাওয়া যায়
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি ক
অতএব,
প্রথম শর্ত অনুযায়ী পাই, (ক ÷ ২) + ৬
দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী পাই, (ক × ২) − ২১
সুতরাং,
(ক ÷ ২) + ৬ = (ক × ২) − ২১
উত্তর: ক = ১৮
সঠিক উত্তর: B) ৪৫
প্রদত্ত তথ্য:
রাশির দুটির অনুপাত = ৫ : ১১
উত্তর রাশি = ৯৯
ধরি,
পূর্ব রাশি ক
অনুপাত সমানুপাতে লিখে পাই
অতএব,
পূর্ব রাশি ÷ উত্তর রাশি = ৫ ÷ ১১
ক ÷ ৯৯ = ৫ ÷ ১১
সুতরাং,
ক = (৫ × ৯৯) ÷ ১১
ক = ৪৫
উত্তর: ৪৫
সঠিক উত্তর: C) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাস ৩ গুণ বৃদ্ধি করা হলো
ধরি,
বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r
নতুন ব্যাসার্ধ = ৩r
অতএব,
আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r
নতুন ক্ষেত্রফল = π × (৩r) × (৩r)
সুতরাং,
নতুন ক্ষেত্রফল = ৯ × (π × r × r)
উত্তর: ৯ গুণ
সঠিক উত্তর: C) জেরমি ক্রয়ার
কেন সঠিক:
- জেরমি ক্রয়ার বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার একজন কূটনীতিবিদ ও হাই কমিশনার।
- কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে তাকে বাংলাদেশে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেলেনিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়, কারণ এটি অন্য কোনো ব্যক্তির নাম।
B) জেরমি করবিন — তিনি যুক্তরাজ্যের একজন রাজনীতিবিদ, অস্ট্রেলিয়ার হাই কমিশনার নন।
C) জেরমি ক্রয়ার — এটি সঠিক উত্তর।
D) অলগা কেটরিন — এটি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
অস্ট্রেলিয়ার হাই কমিশনারের নাম মনে রাখতে 'অস্ট্রেলিয়া' শব্দের সাথে 'জেরমি ক্রয়ার' নামটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) ২৪ অক্টোবর
কেন সঠিক:
- ১৯৪৫ সালের এই দিনে জাতিসংঘের সনদ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয় এবং এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৪৮ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী এই দিনটিকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৪ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে জাতিসংঘের সনদ কার্যকর হয়েছিল।
B) ২৪ আগস্ট — এই তারিখে জাতিসংঘ সম্পর্কিত কোনো আন্তর্জাতিক দিবস পালিত হয় না।
C) ২৪ ডিসেম্বর — এটি ক্রিসমাসের ঠিক আগের দিন এবং জাতিসংঘ দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ২৪ নভেম্বর — এই তারিখে আন্তর্জাতিকভাবে কোনো প্রধান জাতিসংঘ দিবস নির্ধারিত নেই।
মনে রাখার টিপস:
অক্টোবর মাসের চব্বিশ তারিখটিকে জাতিসংঘের জন্মতারিখ হিসেবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা
কেন সঠিক:
- নায়াগ্রা জলপ্রপাতটি উত্তর আমেরিকার বিখ্যাত এবং এটি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার আন্তর্জাতিক সীমানায় অবস্থিত।
- এই জলপ্রপাতটি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার প্রাকৃতিক সীমান্ত নির্দেশ করে এবং দুই দেশের পর্যটনের প্রধান আকর্ষণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা — এটি সঠিক কারণ নায়াগ্রা জলপ্রপাত এই দুই দেশের সীমান্তেই অবস্থিত।
B) যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো — এই দুই দেশের সীমান্তে নায়াগ্রা জলপ্রপাত অবস্থিত নয়, বরং এখানে রিও গ্রান্দে নদী সীমান্ত তৈরি করেছে।
C) কানাডা-অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডা সম্পূর্ণ আলাদা দুটি মহাদেশে অবস্থিত, তাই তাদের মধ্যে এই জলপ্রপাত থাকার কোনো সুযোগ নেই।
D) যুক্তরাষ্ট্র-ব্রাজিল — ব্রাজিল দক্ষিণ আমেরিকার দেশ এবং যুক্তরাষ্ট্র উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত, তাই এদের মাঝে এই জলপ্রপাত নেই।
মনে রাখার টিপস:
নায়াগ্রা জলপ্রপাত দেখতে উত্তর আমেরিকার দুই প্রতিবেশী দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তে যেতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) ভিয়েনা
কেন সঠিক:
- ভিয়েনা অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং এটি মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় একে ইউরোপের দ্বার বলা হয়।
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ঐতিহাসিককাল থেকেই এটি ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে যাতায়াত ও বাণিজ্যের প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিয়েনা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) বন — এটি জার্মানির একটি শহর এবং অতীতে পশ্চিম জার্মানির রাজধানী ছিল, কিন্তু একে ইউরোপের দ্বার বলা হয় না।
C) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং একে বিশ্বের আর্থিক রাজধানী বা বৈশ্বিক নগরী বলা হয়, ইউরোপের দ্বার বলা হয় না।
D) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং একে চিরন্তন শহর বলা হয়, ইউরোপের দ্বার বলা হয় না।
মনে রাখার টিপস:
ভিয়েনা মানেই দ্বার, যা মধ্য ইউরোপে প্রবেশের প্রধান পথ।
সঠিক উত্তর: A) ক্যারিবিয়ান সাগর
কেন সঠিক:
- এটি উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মাঝে ক্যারিবিয়ান সাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপপুঞ্জ বা দ্বীপ অঞ্চল।
- ক্রিস্টোফার কলম্বাস ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে ভুলবশত এই অঞ্চলে পৌঁছে একে ভারত বলে মনে করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্যারিবিয়ান সাগর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ এই সাগরেই অবস্থিত।
B) ভারত মহাসাগর — এটি এশিয়া, আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মাঝে অবস্থিত মহাসাগর, যা এই দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান নয়।
C) ভূমধ্য সাগর — এটি ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ার মাঝের সাগর, যা এই দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) আরব সাগর — এটি ভারত মহাসাগরের একটি অংশ এবং ভারতীয় উপমহাদেশের পশ্চিমে অবস্থিত, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
কলম্বাস ভারত খুঁজতে গিয়ে ভুল করে ক্যারিবিয়ান সাগরের দ্বীপগুলোতে পৌঁছেছিলেন, তাই এর নাম হয় পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ।
সঠিক উত্তর: D) এইচ টি ইমাম
কেন সঠিক:
- এইচ টি ইমাম ১৯৭১ সালে গঠিত মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৌফিক ইলাহী — তিনি একজন বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক আমলা, তবে প্রথম মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছিলেন না।
B) মির্জা আব্দুল জলিল — তিনি একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সংসদ সদস্য ছিলেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্ব পালন করেননি।
C) ফজলুর রহমান — তিনি বিভিন্ন সরকারি দায়িত্ব পালন করলেও প্রথম মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছিলেন না।
D) এইচ টি ইমাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
প্রথম সচিব হিসেবে ইমাম সাহেবের নাম মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) জেনেভা
কেন সঠিক:
- ডব্লিউএইচও বা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা।
- এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যারিস — এটি ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয়, ডব্লিউএইচও-র নয়।
B) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয়, জেনেভায় ডব্লিউএইচও অবস্থিত।
C) জেনেভা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
D) কোনোটিই না — এটি ভুল কারণ সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান।
মনে রাখার টিপস:
স্বাস্থ্য ভালো রাখতে মানুষ জেনে শুনে চলে, তাই ডব্লিউএইচও-র কার্যালয় জেনেভায় অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) ইসলামিয়া কলেজ
কেন সঠিক:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে পড়াশোনা করেছেন এবং এই কলেজ থেকেই তিনি ১৯৪৭ সালে বিএ ডিগ্রি লাভ করেন।
- এই কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং ১৯৪৬ সালে ইসলামিয়া কলেজ ছাত্রসংসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রেসিডেন্সি কলেজ — এটি ঐতিহাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলেও বঙ্গবন্ধু এই কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন না।
B) ইসলামিয়া কলেজ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) ফোর্ত উইলিয়াম কলেজ — এটি ১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্রিটিশ আমলের একটি প্রাচীন প্রতিষ্ঠান, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) রিপন কলেজ — বর্তমানে এটি সুরেন্দ্রনাথ কলেজ নামে পরিচিত এবং এটি অন্য একজন প্রখ্যাত নেতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি কলকাতার ইসলামিয়া কলেজ, যা এখন মওলানা আজাদ কলেজ নামে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: A) রেসকোর্স ময়দানে
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ভাষণটি বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে দিয়েছিলেন।
- এই ভাষণে তিনি বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রেসকোর্স ময়দানে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ দেওয়া হয়েছিল।
B) প্রেসিডেন্ট ভবনে — এটি রাষ্ট্রপতির সরকারি কার্যালয় ও বাসভবন, যেখানে ৭ই মার্চের ভাষণ দেওয়া হয়নি।
C) পার্লামেন্ট ভবনে — এটি আইনসভা ভবন, ১৯৭১ সালে এই ভবনটি ৭ই মার্চের ভাষণের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল না।
D) রমনা পার্কে — এটি একটি উদ্যান হলেও ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি এই নির্দিষ্ট স্থানে দেওয়া হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
সাতই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া হয়েছিল, যা বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নামে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: C) বিজয় কেতন
কেন সঠিক:
- ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও প্রদর্শনী কেন্দ্র হলো বিজয় কেতন।
- এখানে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও সামরিক বাহিনীর ইতিহাস সংরক্ষিত আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিজয় উল্লাস — এটি কোনো নির্দিষ্ট মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের নাম নয়, বরং বিজয়ের আনন্দ বোঝাতে সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
B) বিজয় ৭১ — এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিখ্যাত ভাস্কর্যের নাম, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর নয়।
C) বিজয় কেতন — এটি ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সঠিক মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
D) ঐতিহ্য ৭১ — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কোনো জাদুঘর বা প্রতিষ্ঠানের নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
সেনানিবাসের ভেতরে কেতন ওড়ায় বীর সেনানিরা, তাই ঢাকা সেনানিবাসের জাদুঘরটির নাম বিজয় কেতন।
সঠিক উত্তর: A) ২টি
কেন সঠিক:
- মঙ্গলগ্রহের মাত্র দুটি প্রাকৃতিক উপগ্রহ বা চাঁদ রয়েছে।
- এই উপগ্রহ দুটির নাম ফোবোস এবং ডিমোস, যা সৌরজগতের অন্যতম ক্ষুদ্রতম উপগ্রহ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২টি — এটি সঠিক কারণ মঙ্গলগ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা দুটি।
B) ৩টি — মঙ্গলগ্রহের উপগ্রহ তিনটি নয়, তাই এই অপশনটি ভুল।
C) ৪টি — মঙ্গলগ্রহের চারটি উপগ্রহ নেই, এটি ভুল তথ্য।
D) ৫টি — মঙ্গলগ্রহে পাঁচটি উপগ্রহের অস্তিত্ব নেই, তাই এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
মঙ্গল মানে দুই অক্ষর, তাই মঙ্গলগ্রহের উপগ্রহের সংখ্যাও দুটি (ফোবোস ও ডিমোস)।
সঠিক উত্তর: B) 164
কেন সঠিক:
- ফৌজদারি কার্যবিধি বা সিআরপিসির ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আসামি বা সাক্ষীর স্বীকারোক্তি রেকর্ড করার বিধান রয়েছে।
- এই ধারার অধীনে প্রদত্ত স্বীকারোক্তি অবশ্যই স্বেচ্ছায় এবং কোনো প্রলোভন বা ভয়ভীতি ছাড়া হতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 64 — সিআরপিসির ৬৪ ধারায় সমন জারির নির্দিষ্ট কোনো বিধান নেই, এটি এই প্রসংগের জন্য সঠিক নয়।
B) 164 — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট স্বীকারোক্তি রেকর্ড করা হয়।
C) 54 — সিআরপিসির ৫৪ ধারায় পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতারের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
D) 154 — সিআরপিসির ১৫৪ ধারায় থানায় প্রথম তথ্য বিবরণী বা এজাহার দায়ের করার বিধান রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
আইনি স্বীকারোক্তির কথা শুনলেই ১৬৪ ধারা মাথায় আনবেন, কারণ অপরাধ তদন্তে ম্যাজিস্ট্রেটের জবানবন্দি এই ধারাতেই রেকর্ড করা হয়।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয় (পদ্মা নদীর প্রকৃত উৎপত্তি গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে)
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ বা ভারত কোনো দেশেই পদ্মা নদীর উৎপত্তি হিমালয় পর্বত, লুসাই পাহাড় বা মানস সরোবরে হয়নি।
- পদ্মা নদী মূলত ভারতের হিমালয় পর্বতের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন গঙ্গা নদীর প্রধান শাখা যা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিমালয় পর্বত — এটি নির্দিষ্ট কোনো নদীর একক উৎপত্তিস্থল নয়, যদিও এর বরফগলা পানি থেকে বিভিন্ন নদী উৎপন্ন হয়।
B) লুসাই পাহাড় — এই পাহাড় থেকে বাংলাদেশের কর্ণফুলী এবং সাঙ্গু নদীর উৎপত্তি হয়েছে।
C) হিমালয়ের মানস সরোবরে — এই অঞ্চল থেকে ব্রহ্মপুত্র এবং কর্ণফুলী নদীর মতো গুরুত্বপূর্ণ নদীর উৎপত্তি হয়েছে।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু উপরের কোনোটিই পদ্মার উৎপত্তিস্থলের সঠিক তথ্য দিচ্ছে না, তাই এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস: পদ্মা নদীর উৎপত্তি সরাসরি খোঁজলে মনে রাখবে এটি ভারতের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন গঙ্গা নদীর সম্প্রসারণ।
সঠিক উত্তর: A) ফরিদপুর
কেন সঠিক:
- নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত।
- নদী ভাঙন রোধ এবং নদী ব্যবস্থাপনাবিষয়ক গবেষণা পরিচালনা করার জন্য এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফরিদপুর - এটি সঠিক উত্তর কারণ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট এখানেই অবস্থিত।
B) চাঁদপুর - নদী বন্দর ও মোহনা অঞ্চল হলেও এখানে মূল গবেষণা ইনস্টিটিউটটি নেই।
C) চট্টগ্রাম - বন্দর নগরী ও সমুদ্রবন্দর এলাকা হলেও এটি নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের অবস্থান নয়।
D) নারায়নগঞ্জ - নদী তীরবর্তী ও বাণিজ্যকেন্দ্র হলেও এখানে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
নদী গবেষণা করতে হলে পানিতে ভিজে দূরে যেতে হয়, তাই এটি রাজধানী থেকে একটু দূরে ফরিদপুরে অবস্থিত।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি এবং ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: A) পশুর (উল্লেখ্য, অপশনে C এবং D তেও পশুর রয়েছে, তাই সঠিক উত্তর হিসেবে পশুর নদীকে নির্দেশ করা হলো)
কেন সঠিক:
- মংলা বন্দর বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর, যা সুন্দরবনের নিকট পশুর নদীর তীরে অবস্থিত।
- ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে এই নদীর গভীরতা সমুদ্রগামী জাহাজের চলাচলের জন্য উপযোগী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পশুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ মংলা বন্দর এই নদীর তীরেই অবস্থিত।
B) মেঘনা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান নদী ও অববাহিকা, যার তীরে মংলা বন্দর অবস্থিত নয়।
C) পশুর — সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি, ভৌগোলিক অবস্থানের বিচারে মংলা বন্দর এখানেই অবস্থিত।
D) পশুর — সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি, এটিও মংলা বন্দরের সঠিক তীর নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
মংলা বন্দর ও পশুর নদী মনে রাখতে 'ম' তে মংলা এবং 'প' তে পশুর মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ্
কেন সঠিক:
- মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ্ ২০২১ সালের ৩ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- তিনি এর আগে সরকারের জ্যেষ্ঠ সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ্ — ইনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি উল্লিখিত সময়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন।
B) জহুরুল হক — ইনি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন, দুদকের নন।
C) আনোয়ারুল ইসলাম — ইনি দুদকের চেয়ারম্যান পদে কখনো দায়িত্ব পালন করেননি, তাই এটি ভুল অপশন।
D) ইকবাল মাহমুদ — ইনি মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ্র ঠিক আগের দুদক চেয়ারম্যান ছিলেন, যিনি ২০১৬ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
মনে রাখার টিপস:
দুদকের ম দিয়ে শুরু বর্তমান প্রধান হলেন মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ্।
সঠিক উত্তর: C) কাঠমান্ডু
কেন সঠিক:
- সার্ক বা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার স্থায়ী সচিবালয় নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।
- ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বর মাসে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ১৯৮৭ সালের ১৬ জানুয়ারি কাঠমান্ডুতে সচিবালয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী এবং এখানে সার্কের সচিবালয় অবস্থিত নয়।
B) ইসলামাবাদ — এটি পাকিস্তানের রাজধানী এবং এটি সার্কের সচিবালয় নয়।
C) কাঠমান্ডু — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই সার্কের সচিবালয় অবস্থিত।
D) ঢাকা — ঢাকায় সার্কের জন্ম হলেও এর সচিবালয় এখানে অবস্থিত নয়, কারণ বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা হলেও সচিবালয় নেপালে স্থাপন করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
সার্কের জন্ম ঢাকায় হলেও এর স্থায়ী ঠিকানা বা সচিবালয় পাহাড়ঘেরা নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) ফিলিপাইন
কেন সঠিক:
- ফিলিপাইনের সপ্তদশ রাষ্ট্রপতি রমন ম্যাগসেসের স্মরণে এই পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়।
- ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলাভিত্তিক ফাউন্ডেশন থেকে প্রতিবছর এই আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ হলেও এই পুরস্কারটি প্রদান করে না।
B) ভারত — এই দেশটি থেকে নোবেল পুরস্কারের আদলে রমন ম্যাগসেস পুরস্কার দেওয়া হয় না।
C) ইন্দোনেশিয়া — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ হলেও এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ফিলিপাইন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশের সরকার ও ট্রাস্ট ফান্ড থেকে পুরস্কারটি দেওয়া হয়।
মনে রাখার টিপস:
ম্যাগসেসে পুরস্কার এশিয়ার নোবেল হিসেবে পরিচিত এবং এটি ফিলিপাইন দেশ থেকে দেওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: A) ৫টি
কেন সঠিক:
- অলিম্পিক পতাকায় পাঁচটি বৃত্ত বা রিং রয়েছে, যা পাঁচটি মহাদেশের প্রতীক।
- পতাকায় ব্যবহৃত পাঁচটি রং হলো নীল, হলুদ, কালো, সবুজ ও লাল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ পতাকায় মোট পাঁচটি রঙের বৃত্ত ব্যবহৃত হয়।
B) ২টি — এটি ভুল কারণ অলিম্পিক পতাকায় মাত্র দুটি রং থাকে না।
C) ৪টি — এটি ভুল কারণ পতাকায় চারটি নয়, পাঁচটি ভিন্ন রঙের বৃত্ত রয়েছে।
D) ৭টি — এটি ভুল কারণ অলিম্পিক পতাকায় সাতটি রং থাকে না।
মনে রাখার টিপস:
অলিম্পিক পতাকার ৫টি রিং বা বৃত্তের সুবাদে এতে মোট ৫টি রং ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) ফরিদপুর
কেন সঠিক:
- ফরিদপুর বাংলাদেশের ভূখণ্ডের একেবারে মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত একটি অভ্যন্তরীণ জেলা এবং এর সঙ্গে কোনো আন্তর্জাতিক সীমানা নেই।
- বাংলাদেশের মোট ৩২টি জেলার সঙ্গে ভারত বা মিয়ানমারের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে, যার মধ্যে ফরিদপুর জেলা অন্তর্ভুক্ত নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফরিদপুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জেলার সঙ্গে ভারতের কোনো সীমান্ত বা আন্তর্জাতিক সীমানা নেই।
B) ময়মনসিংহ — এই জেলার সঙ্গে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের আন্তর্জাতিক সীমানা রয়েছে, তাই এটি সঠিক নয়।
C) বান্দরবান — এই পার্বত্য জেলার সঙ্গে মিয়ানমারের আন্তর্জাতিক সীমানা রয়েছে, তাই এটি সঠিক নয়।
D) যশোর — এই জেলার সঙ্গে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে, তাই এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের মধ্যবর্তী ও নদীবেষ্টিত জেলাগুলোর যেমন ফরিদপুরের কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই।
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গভবন
কেন সঠিক:
- বঙ্গভবন বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন ও কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি রাজধানী ঢাকার দিলকুশা এলাকায় অবস্থিত এবং ব্রিটিশ আমল থেকে এটি ক্ষমতার অন্যতম কেন্দ্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গণভবন — এটি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন, রাষ্ট্রপতির নয়।
B) রাষ্ট্রপতির ভবন — এটি কোনো নির্দিষ্ট সরকারি বাসভবনের নাম নয়, বরং একটি সাধারণ শব্দ।
C) বঙ্গভবন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ইডেন ভবন — এটি মূলত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি দপ্তরের কাজে ব্যবহৃত ঐতিহাসিক একটি ভবন।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্রপতির বাসভবন মনে রাখতে 'ব' দিয়ে বঙ্গভবন এবং 'ব' দিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবন - এভাবে মনে রাখা যায়।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)