সঠিক উত্তর: B) ৬ প্রকার
১. কেন সঠিক:
বাক্যের অন্তর্গত ক্রিয়াপদের সঙ্গে নামপদের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে। বাংলা ব্যাকরণে এই সম্পর্ক বা কারক প্রধানত ছয় ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্যে ক্রিয়ার সঙ্গে অন্যান্য পদের সম্পর্কের ভিত্তিতে কারক নির্ধারিত হয়। এই ছয়টি প্রকারভেদ হলো কর্তৃকারক, কর্মকারক, করণকারক, সম্প্রদান কারক, অপাদান কারক ও অধিকরণ কারক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছে ফুল ফুটেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে কোথায় ফুটেছে প্রশ্নের উত্তরে অধিকরণ কারক বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: বাবাকে ভয় পাও কেন।
ব্যাখ্যা: এখানে ভয় পাওয়ার উৎস বা ভীতি বোঝাতে অপাদান কারক ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ প্রকার — বাংলায় কারক ৫ প্রকার নয়, কারণ সংস্কৃতে কারক ৬ প্রকার হলেও বাংলায় সম্প্রদান কারক নিয়ে কিছুটা মতভেদ আছে, তবুও প্রমিত ব্যাকরণে কারক ৬ প্রকারই ধরা হয়।
B) ৬ প্রকার — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী কারক সর্বমোট ছয় প্রকার।
C) ৩ প্রকার — কারকের সংখ্যা ৩ প্রকার নয়, এটি একটি ভুল তথ্য।
D) ৭ প্রকার — ৭ হলো বিভক্তির সংখ্যা, কারকের সংখ্যা নয়। বিভক্তি সাত প্রকার হলেও কারক ছয় প্রকার।
৫ মনে রাখার টিপস:
কারক ও বিভক্তি মনে রাখার একটি সহজ ছন্দ হলো বাক্যে ক্রিয়ার সঙ্গে কারক ছয় প্রকার আর শব্দের সঙ্গে বিভক্তি সাত প্রকার। এভাবে কারক ও বিভক্তির সংখ্যা গুলিয়ে ফেলবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক কয় প্রকার এবং বিভক্তি কয় প্রকার—এই দুটি প্রশ্ন প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের কনফিউজ করে। মনে রাখবে কারক ৬ প্রকার আর বিভক্তি ৭ প্রকার।
সঠিক উত্তর: A) অগ্নিবীণা
১. কেন সঠিক:
অগ্নিবীণা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালে এবং মৃত্যু ১৯৪১ সালে, পক্ষান্তরে কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ১৮৯৯ সালে এবং মৃত্যু ১৯৭৬ সালে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী চেতনার এক অনন্য প্রকাশ যা বাংলা সাহিত্যে যুগান্তর সৃষ্টি করেছিল।
এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হয় এবং এতে মোট বারোটি বিখ্যাত কবিতা স্থান পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্রোহী কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতা যা প্রকাশ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সারা দেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।
উদাহরণ ২: প্রলয়োল্লাস কবিতা
ব্যাখ্যা: এটিও অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি সাড়া জাগানো কবিতা যা অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অগ্নিবীণা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
B) সোনার তরী — এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয়।
C) চিত্রা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে বৈষ্ণব পদাবলীর প্রভাব রয়েছে।
D) বলাকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর মূল ভাবনা গতিশীলতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথের কাব্য মনে রাখতে সোনার তরী ও চিত্রার মতো প্রকৃতির রূপময়তা মনে রাখবে এবং অগ্নিবীণা দেখলে নজরুলের বিদ্রোহী রূপ মনে রাখবে।
অগ্নিবীণা মানেই বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম, আর বাকি তিনটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবিদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ বা বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম জানতে চাওয়া হয়।
তাই রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের প্রধান কাব্যগুলোর নাম এবং প্রকাশকাল ভালোভাবে মুখস্থ রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: D) ২১টি
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে খাঁটি বাংলা উপসর্গ হলো ২১টি।
- উপসর্গগুলো শব্দের আগে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে এবং শব্দের অর্থের সংকোচন, প্রসারণ বা পরিবর্তন ঘটায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ হলো এক ধরনের অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা অন্য শব্দের আদিতে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। বাংলা ভাষায় মোট ২১টি খাঁটি বাংলা উপসর্গ রয়েছে।
- এই উপসর্গগুলো তদ্ভব বা খাঁটি বাংলা শব্দ গঠনে বেশি ব্যবহৃত হয় এবং এদের নিজস্ব কোনো স্বাধীন অর্থ নেই।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনাপৃষ্টি
ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ বৃষ্টির আগে অনা উপসর্গ যুক্ত হয়ে বৃষ্টির অভাব বা অনাবৃষ্টি অর্থ প্রকাশ করেছে।
উদাহরণ ২: ইতিউতি
ব্যাখ্যা: এখানে ইতি উপসর্গটি যুক্ত হয়ে এদিক-ওদিক বা ইতস্তত ভাব বোঝাতে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮টি — এটি সংস্কৃতি বা তৎসম উপসর্গের সংখ্যা, খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা নয়।
B) ১৯টি — এটি কোনো স্বীকৃত উপসর্গ সংখ্যা নয়, তাই এটি ভুল।
C) ২০টি — এটিও ভুল কারণ বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী খাঁটি বাংলা উপসর্গ বিশটি নয়।
D) ২১টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা একাডেমি ও প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- খাঁটি বাংলা উপসর্গ মনে রাখার একটি জনপ্রিয় ছন্দ হলো: অঘা অজ অনা, আ ଆ আর আন, ইতি উ কদ কু, নি পাতি স সু সতে।
- এই ছন্দের শব্দগুলো মনে রাখলে একুশটি উপসর্গ সহজে আয়ত্ত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই খাঁটি বাংলা ও তৎসম উপসর্গের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন আসে।
- মনে রাখবে খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি এবং তৎসম উপসর্গ কুড়িটি।
সঠিক উত্তর: C) মারা যাওয়া
১. কেন সঠিক:
- পটল তোলা একটি অত্যন্ত পরিচিত বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ পটল সবজি তোলা হলেও এর ভাবার্থ মৃত্যু হওয়া বা মারা যাওয়া।
- বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ বা শব্দগুচ্ছ তাদের আসল অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো গূঢ় বা লক্ষণার্থ প্রকাশ করে, যা বাগধারা নামে পরিচিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দসমষ্টি যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে এবং ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
- এই ধরনের শব্দগুচ্ছ বা পদগুচ্ছ মুখস্থ রাখতে হয় এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের রূপ ও ভাবার্থ বুঝে সঠিক উত্তর নির্বাচন করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অকালকুষ্মাণ্ড
ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ অপদার্থ বা অকেজো ব্যক্তি, যা মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: ডুমুরের ফুল
ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ দুর্লভ বস্তু, অর্থাৎ যা সহজে দেখতে পাওয়া যায় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পটল গাছ থেকে পটল তোলা — এটি বাগধারার আক্ষরিক বা প্রাথমিক অর্থ, কিন্তু প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবসময় ভাবার্থ বা অন্তর্নিহিত অর্থটি বেছে নিতে হয়।
B) পটল খাওয়া — এটি কোনো প্রতিষ্ঠিত বাগধারা নয় এবং পটল তোলার সঙ্গে এর কোনো ব্যাকরণগত বা প্রচলিত সম্পর্ক নেই।
C) মারা যাওয়া — এটি সঠিক উত্তর।
D) ফেল করা — এই অর্থে অন্য বাগধারা ব্যবহার করা হয়, যেমন গোল্লায় যাওয়া বা ফেল করা বোঝাতে পটল তোলা ব্যবহার করা হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পটল সবজি খেত থেকে তুলে ফেললে যেমন গাছটি মারা যায় বা নষ্ট হয়ে যায়, তেমনি মানুষ মারা গেলে তাকে রূপক অর্থে পটল তোলা বলা হয়।
- প্রতিদিন নিয়ম করে নির্দিষ্ট কিছু বাগধারা পড়লে পরীক্ষার হলে সহজে সঠিক উত্তরটি মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য সরকারি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের শরীর বা সবণ সংক্রান্ত জনপ্রিয় বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে।
- বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থের চেয়ে তার ঐতিহাসিক ও প্রচলিত ভাবার্থের ওপর বেশি জোর দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ওষধি
১. কেন সঠিক:
যে উদ্ভিদ একবার ফল দিয়ে বা ফুল দিয়ে মারা যায়, তাকে এককথায় ওষধি বলা হয়।
বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রমিত নিয়ম।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো একটি বড় ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম।
ব্যাকরণ অনুযায়ী যে সকল গাছ বা লতা একবার ফল বা ফুল দিয়ে মারা যায়, সেগুলোর সাধারণ ও প্রমিত পরিচয় হলো ওষধি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যে গাছের ফল পাকলে গাছ মারা যায় তা হলো ওষধি।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যটি এককথায় প্রকাশের সংজ্ঞাকে সরাসরি পূর্ণ করে।
উদাহরণ ২: ধান ও গম একবর্ষজীবী ওষধি উদ্ভিদের অন্তর্ভুক্ত।
ব্যাখ্যা: এই উদ্ভিদগুলো একবার ফল দেওয়ার পর মারা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওষধি — এটি সঠিক উত্তরের বানান রূপ হলেও অপশন বিন্যাসের কারণে পুনরায় এসেছে।
C) বনস্পতি — যে গাছের ফল ধরে না কিন্তু ফুল ফোটে, তাকে বনস্পতি বলা হয়।
D) নিসর্গ — নিসর্গ শব্দের অর্থ প্রকৃতি বা পরিবেশ, যা উদ্ভিদের জীবনচক্রকে বোঝায় না।
B) ওষধি — এই অপশনটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
ওষধি শব্দটির সাথে ওষুধ বা চিকিৎসাপত্রের সম্পর্ক না ভেবে ফল পাকলে মরে যাওয়া উদ্ভিদ হিসেবে মনে রাখবে।
একবার ফল দিয়ে জীবন শেষ করে যে উদ্ভিদ, সেটিই ওষধি।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উদ্ভিদ সংক্রান্ত বাক্য সংকোচন প্রায়ই আসে।
ওষধি এবং বনস্পতির পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সামাজিক প্রহসন
১. কেন সঠিক:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'একেই কি বলে সভ্যতা' একটি সামাজিক প্রহসন কারণ এতে তৎকালীন সমাজের বাবু সমাজের যুবকদের মদ্যপান ও নৈতিক অবক্ষয় অত্যন্ত ব্যঙ্গাত্মকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। প্রহসন হলো নাটকের এমন একটি রূপ যেখানে সমাজের ত্রুটি ও কুসংস্কার হাস্যরসের মাধ্যমে তীব্রভাবে সমালোচনা করা হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মহাকবি ও নাট্যকার মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা নাট্যসাহিত্যের আধুনিক ধারার প্রবক্তা এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। তিনি উনিশ শতকের বাংলা নাটকে ট্রাজেডি ও প্রহসনের ধারা সফলভাবে প্রবর্তন করে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত আরেকটি বিখ্যাত সামাজিক প্রহসন যা গ্রামীণ সমাজের মোড়লদের নৈতিক চরিত্রের ভণ্ডামি উন্মোচন করে।
উদাহরণ ২: সদবার একাদশী
ব্যাখ্যা: এটি দীনবন্ধু মিত্র রচিত একটি জনপ্রিয় সামাজিক প্রহসন যা সমসাময়িক সমাজের যুবসমাজের নৈতিক পতন ও মদ্যপানের কুফল তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কমেডি — কমেডি হলো এমন একটি নাটক যার মূল উদ্দেশ্য নিছক বিনোদন ও হাস্যরস সৃষ্টি করা, কিন্তু এই নাটকের উদ্দেশ্য নিছক বিনোদন নয় বরং সমাজ সংস্কার।
B) সামাজিক প্রহসন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নাটকের বিষয়বস্তুর সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
C) ট্রাজেডি — ট্রাজেডি নাটকের পরিণতি অত্যন্ত দুঃখজনক ও মর্মান্তিক হয়, কিন্তু এটি কোনো ট্রাজেডি নাটক নয়।
D) মেলোড্রামা — মেলোড্রামায় অতিরিক্ত আবেগ ও অতি নাটকীয়তা থাকে, যা এই প্রহসনের বাস্তবধর্মী ব্যঙ্গের সঙ্গে মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের দুটি বিখ্যাত প্রহসন মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বুড়ো সালিক ও একা সভ্যতা, যেখানে বুড়ো সালিক মানে বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ এবং একা সভ্যতা মানে একেই কি বলে সভ্যতা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটক ও প্রহসনের নাম আলাদা করতে বলা হয়। তার প্রহসন দুটি হলো একেই কি বলে সভ্যতা এবং বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ।
সঠিক উত্তর: C) পাঁচ
১. কেন সঠিক:
উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়।
এই পাঁচটি ভাগ হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোর ঐতিহাসিক উৎস বা বিকাশের গতিপথ বিবেচনা করে এদের এই শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়।
তৎসম শব্দ সরাসরি সংস্কৃত থেকে আসে এবং তদ্ভব শব্দ প্রাকৃতের মাধ্যমে বিবর্তিত হয়ে বাংলা রূপ লাভ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দ্র
ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যা সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
উদাহরণ ২: হাত
ব্যাখ্যা: এটি একটি তদ্ভব শব্দ যা সংস্কৃত হস্ত থেকে প্রাকৃত হয়ে আজকের রূপ নিয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তিন — উৎস অনুসারে শব্দের শ্রেণিবিভাগ তিনটি নয়, কারণ দেশি ও বিদেশি শব্দ বাদ পড়লে এই সংখ্যা সঠিক হয় না।
B) দুই — উৎস অনুসারে শব্দের শ্রেণিবিভাগ দুটি বললে তা ব্যাকরণের সার্বিক নিয়ম ও প্রমিত সংজ্ঞা অনুযায়ী অসম্পূর্ণ ও ভুল হয়।
C) পাঁচ — এই অপশনটি সঠিক কারণ উৎস বা উৎপত্তির বিচারে বাংলা শব্দভান্ডারকে পাঁচটি নির্দিষ্ট ভাগে ভাগ করা হয়।
D) চার — উৎস অনুসারে শব্দের শ্রেণিবিভাগ চারটি নয়, কারণ তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি মিল মোট পাঁচটি ভাগ রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
উৎস অনুসারে শব্দের প্রকার মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ত-অ-ত-দে-বি সূত্রটি মনে রাখা।
এখানে ত তে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব এবং দে তে দেশি ও বি তে বিদেশি শব্দ বোঝায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দতত্ত্ব থেকে প্রশ্ন আসে।
তদ্ভব শব্দ কোনটি এবং তৎসম শব্দের রূপান্তর কীভাবে ঘটে, তা ভালোভাবে চর্চা করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) গুজরাটি
১. কেন সঠিক:
- হরতাল শব্দটি গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে এবং এটি বাংলা ভাষার একটি পরিচিত বিদেশি শব্দ।
- গুজরাটি সংস্কৃতি ও ভাষা থেকে বাংলায় আগত শব্দগুলোর মধ্যে হরতাল অন্যতম যা মূলত রাজনৈতিক বা সামাজিক কর্মবিরতি অর্থে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয় যার মধ্যে বিদেশি শব্দ একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- বিদেশি শব্দ বলতে সেই শব্দগুলোকে বোঝায় যা বিভিন্ন দেশের ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে এবং প্রমিত রূপ লাভ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খদ্দর
ব্যাখ্যা: খদ্দর শব্দটি একটি গুজরাটি শব্দ যা হস্তশিল্পে উৎপাদিত এক ধরনের মোটা কাপড় বোঝাতে বাংলায় ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: তিলক
ব্যাখ্যা: তিলক শব্দটি গুজরাটি ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ যা ধর্মীয় আচার বা কপালে ধারণ করার চিহ্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা — বাংলা হলো আমাদের মাতৃভাষা এবং উৎসগতভাবে হরতাল কোনো দেশীয় বা আদি বাংলা শব্দ নয়।
B) আসামী — আসামী ভাষা থেকে বাংলায় বেশ কিছু শব্দ এলেও হরতাল শব্দটি আসামী ভাষার শব্দ নয়।
D) জাপানি — জাপানি ভাষা থেকে বাংলায় রিকশা ও সুনামি শব্দ এসেছে তবে হরতাল জাপানি শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গুজরাটি শব্দের উৎস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো মনে রাখা যে গান্ধীজির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত শব্দ যেমন হরতাল ও খদ্দর মূলত গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই আরবি ফার্সি ও পর্তুগিজ শব্দের পাশাপাশি গুজরাটি শব্দগুলো আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) নকশী কাঁথার মাঠ
১. কেন সঠিক:
- 'নকশী কাঁথার মাঠ' হলো পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের লেখা একটি অমর প্রেমের পত্যাত্মক বা গাথা কবিতা।
- এই কাহিনীর কেন্দ্রীয় পুরুষ চরিত্র হলো রূপাই, যে একজন গ্রাম্য যুবক ও দক্ষ লাঠিয়াল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পল্লীকবি জসীম উদ্দীন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের গ্রামীণ জীবন ও লোকসংস্কৃতির সবচেয়ে বড় রূপকার।
- ১৯২৯ সালে প্রকাশিত 'নকশী কাঁথার মাঠ' কাব্যগ্রন্থটি তাঁর শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাজু
ব্যাখ্যা: সাজু হলো 'নকশী কাঁথার মাঠ' কাব্যের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র এবং রূপাইয়ের পরম প্রীতির স্ত্রী।
উদাহরণ ২: হাসু
ব্যাখ্যা: হাসু হলো একই কাব্যের আরেকটি গ্রামীণ চরিত্র, যা কাহিনীর পটভূমিকে আরও জীবন্ত করে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোজন বাদিয়ার ঘাট — এই কাব্যগ্রন্থের প্রধান পুরুষ চরিত্র সোজন, রূপাই নয়।
B) নকশী কাঁথার মাঠ — এটি সঠিক উত্তর।
C) রাখালী — এটি জসীম উদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যার বিষয়বস্তু ও চরিত্র ভিন্ন।
D) বালুচর — এটিও জসীম উদ্দীনের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যেখানে এই চরিত্রটি নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জসীম উদ্দীনের শ্রেষ্ঠ কাব্য 'নকশী কাঁথার মাঠ'-এর প্রধান দুটি চরিত্র হলো রূপাই ও সাজু।
- পল্লীকবির প্রেমের কাব্য মনে রাখতে রূপাই ও সাজুর নাম মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জসীম উদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'রাখালী' এবং শ্রেষ্ঠ কাব্য 'নকশী কাঁথার মাঠ'।
- এই ধরনের চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
- বলাকা কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের বরিত কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা।
- এই কাব্যের মূল ভাব হলো গতির জয়গান এবং পরিবর্তনশীল পৃথিবীর রূপায়ণ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা এবং নোবেল বিজয়ী কবি।
- বলাকা কাব্যগ্রন্থটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর বিখ্যাত কবিতা হলো বলাকা ও শাহজাদপুর।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানসী
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: সোনালী কাবین
ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক কবি আল মাহমুদের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বলাকা কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা।
B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও বলাকা তার লেখা নয়।
C) জীবনানন্দ দাশ — তিনি রূপসী বাংলার কবি এবং তার বিখ্যাত কাব্য ঝরাপল্লব।
D) মীর মশাররফ হোসেন — তিনি বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথের গতিশীল কাব্যের নাম বলাকা মনে রাখতে বলাকা মানে উড়ে চলা পাখি বা গতি বোঝায়।
- কবি গতির কবি হিসেবে রবীন্দ্রনাথকে চেনা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- প্রকাশকাল মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- বীরবল হলো প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম।
- বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে লেখকরা তাদের আসল নাম লুকিয়ে অন্য নাম ব্যবহার করেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষারীতি প্রবর্তনের অন্যতম প্রধান পুরোধা ব্যক্তি।
- তিনি সবুজ পত্র পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং তার সাহিত্যিক রূপ বীরবল নামে পরিচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বনফুল
ব্যাখ্যা: এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম।
উদাহরণ ২: টেকচাঁদ ঠাকুর
ব্যাখ্যা: এটি ঔপন্যাসিক প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — এটি সঠিক নয় কারণ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম সনাতন পাঠক।
B) অন্নদাশংকর রায় — এটি সঠিক নয় কারণ অন্নদাশংকর রায়ের ছদ্মনাম লীলামময় রায়।
C) শামসুর রহমান — এটি সঠিক নয় কারণ শামসুর রহমানের ছদ্মনাম মظহর উদ্দিন বা মোহিত সেন নয়, তিনি নিজ নামেই লিখেছেন।
D) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক কারণ বীরবল তার নির্ধারিত ছদ্মনাম।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রমথ চৌধুরীর বীরের মতো তেজদীপ্ত লেখা ছিল তাই তার ছদ্মনাম বীরবল মনে রাখা সহজ।
- সবুজ পত্র পত্রিকার সাথে বীরবল নামটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম এবং তার সম্পাদিত পত্রিকা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: D) আবগারি শুল্ক
১. কেন সঠিক:
- 'Excise duty' একটি পারিভাষিক শব্দ যার অর্থ নির্দিষ্ট দেশীয় পণ্যের উৎপাদন ও বিক্রির ওপর ধার্য কর।
- বাংলা ভাষায় প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এই ইংরেজি পরিভাষার নির্দিষ্ট বাংলা রূপ হিসেবে আবগারি শুল্ক ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পারিভাষিক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্র যেমন প্রশাসন, আইন বা বাণিজ্যে নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- বিদেশি প্রশাসনিক বা দাপ্তরিক শব্দের সহজ ও সঠিক বাংলা রূপ তৈরি করার জন্যই পারিভাষিক শব্দের ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Income Tax
ব্যাখ্যা: এর সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো আয়কর।
উদাহরণ ২: Custom Duty
ব্যাখ্যা: এর সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো শুল্ক বা কাস্টম শুল্ক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অতিক্রম কর — এটি সরাসরি ইংরেজি Excise duty শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না এবং এটি কোনো স্বীকৃত পারিভাষিক শব্দ নয়।
B) অর্পিত দায়িত্ব — এই পরিভাষাটি Assigned duty বা Delegated responsibility এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
C) অতিরিক্ত কাজ — এই শব্দগুচ্ছটি Extra work বা Additional work এর সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) আবগারি শুল্ক — এটি Excise duty এর সঠিক এবং বাংলা একাডেমি স্বীকৃত পরিভাষা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- Excise শব্দটি দেখলে শুল্ক বা কর সম্পর্কিত বিষয় মাথায় রাখতে হবে।
- উৎপাদন শুল্ক বা আবগারি বোঝাতে সব সময় আবগারি শুল্ক পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- বাংলা একাডেমি প্রণীত পারিভাষিক শব্দাবলি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) আব্দুল গাফফার চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী' গানটির রচয়িতা সাংবাদিক ও কলামিস্ট আব্দুল গাফফার চৌধুরী।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই গানটি বাঙালি জাতির আত্মত্যাগ ও প্রতিবাদের অন্যতম প্রধান প্রতীক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক গান ও ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ঢাকা কলেজের ছাত্রদের উদ্যোগে ও অন্যান্যদের অংশগ্রহণে প্রভাতফেরি বের করার সময় এই গানটি প্রথম গাওয়া হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'ও আমার দেশের মাটি তোমার পরে ঠেকাই মাথা'
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান যা মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসার প্রকাশ ঘটায়।
উদাহরণ ২: 'ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা'
ব্যাখ্যা: এটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের লেখা একটি জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান যা বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই গানটির রচয়িতা নন।
B) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান — তিনি বিশিষ্ট গীতিকার হলেও এই ঐতিহাসিক গানটি তিনি রচনা করেননি।
C) আব্দুল গাফফার চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে।
D) আবদুল লতিফ — তিনি এই গানটির প্রথম সুরকার হলেও এর রচয়িতা নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গাফফার চৌধুরীর চৌধুরী নামের সাথে একুশের গান রচনার বিষয়টি এভাবে মনে রাখতে পারো যে, চেতনার ধারক হিসেবে তিনি গানটি লিখেছেন।
- ভাষা আন্দোলনের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই গানটির গীতিকার আব্দুল গাফফার চৌধুরী এবং প্রথম সুরকার আবদুল লতিফ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই গানের গীতিকার ও সুরকার নিয়ে প্যাচ লাগানো হয়, তাই রচয়িতা আব্দুল গাফফার চৌধুরী এবং সুরকার আবদুল লতিফ বিষয়টি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
- এই গানটির বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ, যা ১৯৫৪ সালে নতুন করে সুরারোপ করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: D) কর্মধারয়
১. কেন সঠিক:
যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং পূর্বপদ ও পরপদের মধ্যে বিশেষ্য ও বিশেষণ কিংবা দুটিই বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ মিলে অভেদ বা একত্ব বোঝায়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
জজ সাহেব সমস্তপদটিতে জজ এবং সাহেব দুটি বিশেষ্য পদ একই ব্যক্তিকে বোঝাচ্ছে, যেখানে সাহেব হলো প্রধান পদ এবং জজ তার উপাধি বা বিশেষত্ব নির্দেশ করছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
কর্মধারয় সমাসের সাধারণ নিয়ম হলো এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন পদ গঠিত হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান থাকে।
জজ সাহেব শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো জজ যে সাহেব, যা মধ্যপদলপী কর্মধারয় বা সাধারণ কর্মধারয় সমাসের নিয়মের অধীনে বিশেষ বিশেষ্যবাচক কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জজ সাহেব
ব্যাখ্যা: জজ যে সাহেব। এখানে জজ ও সাহেব একই ব্যক্তি হওয়ায় এটি কর্মধারয় সমাস হয়েছে।
উদাহরণ ২: পলান বাবু
ব্যাখ্যা: পলান যে বাবু। এখানেও দুটি পদ মিলে একই ব্যক্তিকে বোঝাচ্ছে বলে এটি কর্মধারয় সমাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় এবং পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক হয়, যা এখানে নেই।
B) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, কিন্তু এখানে পরপদের অর্থ প্রধান।
C) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পূর্ব বা পরপদ কোনোটিরই অর্থ বোঝায় না, সম্পূর্ণ নতুন কোনো তৃতীয় পদকে বোঝায়।
D) কর্মধারয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের অভেদ সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
যিনি জজ তিনিই সাহেব অর্থাৎ যিনি এবং সেটাই বোঝাতে যে সমাস হয় এবং ব্যাসবাক্যে যে বা যিনি থাকে, তা সাধারণত কর্মধারয় সমাস হয়।
বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে গঠিত পদের ক্ষেত্রে কর্মধারয় সমাস চেনা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝাতে দুটি বিশেষ্য পদের মিলনে কর্মধারয় সমাস হয়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বিশেষ্যবাচক কর্মধারয় সমাস প্রায়ই আসে, তাই ব্যাসবাক্য করার সময় যিনি বা যে ব্যবহার করা যায় কি না তা দেখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) প্রাতিপদিক
১. কেন সঠিক:
- বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলা হয়। সহজ কথায়, শব্দের যে মূল রূপের সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত থাকে না, তাকে প্রাতিপদিক বলে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- প্রাতিপদিক হলো শব্দের মূল রূপ যার সাথে কোনো কারক বা বিভক্তি যুক্ত হয়নি। একে শব্দের মূল বা কৃদন্তহীন নামশব্দ বলা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলম
ব্যাখ্যা: এটি একটি নাম শব্দ এবং এর সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই, তাই এটি প্রাতিপদিক।
উদাহরণ ২: হাত
ব্যাখ্যা: এই শব্দটির সাথে কোনো বিভক্তি নেই, তাই এটি প্রাতিপদিক হিসেবে গণ্য হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাতিপদিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিভক্তিহীন নাম শব্দকে নির্দেশ করে।
B) সাধিত শব্দ — উপসর্গ বা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কিংবা সমাসবদ্ধ হয়ে যে শব্দ গঠিত হয় তাকে সাধিত শব্দ বলে।
C) প্রকৃতি — শব্দ বা ধাতুর মূল অংশকে প্রকৃতি বলে, যা প্রাতিপদিকের চেয়েও ব্যাপক অর্থে ব্যবহৃত হয়।
D) প্রত্যয় — শব্দের বা ধাতুর পরে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রাতিপদিক মানে প্রতীক বা মূল রূপ, যার সাথে কোনো বিভক্তি থাকে না। নাম শব্দের মূল রূপই হলো প্রাতিপদিক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাতিপদিক ও প্রকৃতির পার্থক্য প্রায়ই আসে। বিভক্তিযুক্ত হওয়ার আগের নাম শব্দই হলো প্রাতিপদিক।
সঠিক উত্তর: D) কবর
১. কেন সঠিক:
- কবর নাটকটি ভাষাভিত্তিক প্রেক্ষাপটে রচিত প্রথম মৌলিক নাটক।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে এই নাটকটি রচিত ও প্রথম মঞ্চস্থ হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- নাটকটির রচিয়তা হলেন শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী।
- তিনি কারাগারে বন্দि থাকা অবস্থায় ১৯৫৩ সালে এই নাটকটি রচনা করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন
ব্যাখ্যা: জহির রায়হান রচিত ভাষাভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: বরেণ্য পুরুষ
ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নূরলদীনের সারাজীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক নাটক, ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নয়।
B) ক্রীতদাসের হাসি — এটি শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত প্রতীকী উপন্যাস, যা আইয়ুব খানের স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রচিত।
C) ওর কদম আলী — এটি মামুনুর রশীদ রচিত একটি প্রতিবাদী সামাজিক নাটক।
D) কবর — এটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক হওয়ায় সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম নাটক মুনীর চৌধুরীর কবর।
- কারাগারে বসে লেখা হয়েছিল এই বিখ্যাত নাটকটি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত প্রথম নাটক মুনীর চৌধুরীর কবর।
- নাটকটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং জেলে বসে রচিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) রূপসী বাংলা
১. কেন সঠিক:
- রূপসী বাংলা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত ও অনন্য কাব্যগ্রন্থ।
- ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৫ সালের মধ্যে রচিত এই কাব্যগ্রন্থে বাংলার প্রকৃতি, রূপ, রস ও গন্ধ পরম মমতায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জীবনানন্দ দাশ বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতাবাদী কবি হলেও তার কবিতায় বাংলার গ্রামীণ প্রকৃতি ও রূপ সবচেয়ে গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
- তার এই কাব্যগ্রন্থে মোট ৬১টি সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা রয়েছে, যা কবির মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঝরাপালক
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: বেলা অবেলা কালবেলা
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর পর প্রকাশিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চিত্রাবাক — এটি জীবনানন্দ দাশের কোনো সাহিত্যকর্ম নয়, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন।
B) এক পয়সার বাঁশি — এটি কবি দিনেশ দাসের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও পরিচিত কাব্যগ্রন্থ।
D) কঙ্কাবতী — এটি ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত কিশোর উপন্যাস ও লোককাহিনিভিত্তিক রচনা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রূপসী বাংলা মানেই বাংলার রূপ, আর বাংলার রূপমুগ্ধ কবি হলেন জীবনানন্দ দাশ।
- মৃত্যুর পর প্রকাশিত হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তার প্রকৃতির প্রতি প্রেমের সেরা নিদর্শন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জীবনানন্দ দাশকে প্রকৃতির কবি ও নির্জনতার কবি বলা হয়।
- বনলতা সেন ও মহাপৃথিবী তার অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
সঠিক উত্তর: C) চন্দ্রকুমার দে
১. কেন সঠিক:
'ময়মনসিংহ গীতিকা' বাংলা লোকসাহিত্য ও সংস্কৃতির এক অমূল্য রিকর্ড। এই বিখ্যাত পালাগানগুলো সরাসরি সংগ্রহ করেছিলেন চন্দ্রকুমার দে, যিনি দীনেশচন্দ্র সেনের সহকর্মী ও গবেষক ছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'ময়মনসিংহ গীতিকা' গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এটি বাংলার লোকসাহিত্য এবং ময়মনসিংহের চারণকবিদের রচিত গীতিনাট্য ও পালার একটি প্রামাণ্য সংকলন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহুয়া পালা
ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম বিখ্যাত একটি প্রেমমূলক পালা, যা লোকসাহিত্যের চমৎকার নিদর্শন।
উদাহরণ ২: মলুয়া পালা
ব্যাখ্যা: ময়মনসিংহ গীতিকার আরও একটি জনপ্রিয় দুঃখগাথা ও নারীর বিদ্রোহের গল্পভিত্তিক পালা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আশুতোষ ভট্টাচার্য — তিনি একজন প্রখ্যাত লোকসাহিত্য গবেষক হলেও ময়মনসিংহ গীতিকার সংগ্রাহক নন, তিনি বাংলার লোকসাহিত্য নিয়ে গবেষণা করেছেন।
B) দীনেশচন্দ্র সেন — তিনি ময়মনসিংহ গীতিকা সংগ্রহ করেননি, বরং চন্দ্রকুমার দে ও অন্যান্যদের সংগৃহীত পালাগুলো সম্পাদনা করে প্রকাশ করেছিলেন।
D) দক্ষিণারঞ্জন মিত্র — তিনি রূপকথার সংগ্রাহক হিসেবে বিখ্যাত এবং তার প্রধান সংকলন 'ঠাকুরমার ঝুলি'।
৫ মনে রাখার টিপস:
ময়মনসিংহ গীতিকার সংগ্রহ করেছেন চন্দ্রকুমার, আর প্রকাশ বা সম্পাদনা করেছেন দীনেশচন্দ্র। সংগ্রাহক হিসেবে চন্দ্রকুমার দে নামটি এভাবে মনে রাখা যায় যে, তিনি মাঠপর্যায়ে ঘুরে গানগুলো সংগ্রহ করেছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সংগ্রাহক এবং সম্পাদকের নাম নিয়ে কনফিউশন তৈরি করা হয়। সংগ্রাহক বললে চন্দ্রকুমার দে এবং সম্পাদক বললে ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন দাগাতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সূর্য
১. কেন সঠিক:
- ‘ভানু’ একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ সূর্য। বাংলা ভাষায় এটি প্রায়ই দিনমণি বা দিবাকর অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- প্রাচীন ও আধুনিক বাংলা কাব্যে সূর্যের সমার্থক শব্দ হিসেবে ভানু শব্দটি বহুল ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ সংক্রান্ত একটি সাধারণ শব্দার্থের প্রশ্ন। বাংলা ব্যাকরণে তৎসম শব্দের উৎস এবং অর্থ জানা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- বাংলা সাহিত্যে এই শব্দের একটি বিখ্যাত প্রয়োগ হলো ভানুসিংহ ঠাকুর, যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পবনিক ছদ্মনাম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভানুমতীর খেল
ব্যাখ্যা: এটি একটি পরিচিত বাগধারা, যার অর্থ অসম্ভব বা অবাস্তব কাণ্ড কিংবা ভেলকিবাজি।
উদাহরণ ২: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি পদসংকলন, যেখানে ভানু শব্দের সঙ্গে কবি নিজের নাম যুক্ত করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধোঁকা — ধোঁকা শব্দের অর্থ প্রতারণা বা প্রবঞ্চনা, যা ভানু শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) নক্ষত্র — নক্ষত্র হলো রাতের আকাশে মিটমিট করা জ্যোতিষ্ক, যা সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়।
C) সূর্য — এটি সঠিক উত্তর এবং ভানু শব্দের সমার্থক হিসেবে সরাসরি গ্রহণযোগ্য।
D) চন্দ্র — চন্দ্র হলো রাতের শীতল চাঁদ, যা সূর্যের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি জ্যোতিষ্ক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম ছিল ভানুসিংহ এবং ভানু মানে সূর্য, যিনি আলোর উৎস। এই মিল মনে রাখলে সূর্য অর্থটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সূর্য শব্দের অন্যান্য সমার্থক যেমন দিবাকর, রবি, তপন, ভাস্কর ও অর্ক ভালোভাবে আয়ত্ত রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: D) ৩৯টি
১. কেন সঠিক:
বাংলা বর্ণমালায় মোট মৌলিক ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা ৩৯টি।
ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখের ভেতরে কোথাও বাধা পায় এবং অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়া স্পষ্টরূপে উচ্চারিত হতে পারে না, তাদের ব্যঞ্জনবর্ণ বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালা হলো মোট ৫০টি বর্ণের সমষ্টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।
ব্যঞ্জনবর্ণগুলো ক থেকে চন্দ্রবিন্দু পর্যন্ত বিস্তৃত এবং এদের সঠিক উচ্চারণ ও শ্রেণিবিভাগ ব্যাকরণের ধ্বনিতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক
ব্যাখ্যা: এটি একটি স্পর্শ ব্যঞ্জনবর্ণ যা কণ্ঠ্যধ্বনি হিসেবে উচ্চারিত হয়।
উদাহরণ ২: ম
ব্যাখ্যা: এটি একটি নাসিক্য ব্যঞ্জনবর্ণ যা উচ্চারণের সময় নাক ও মুখের সাহায্য নেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৩টি — এটি ভুল কারণ ১৩টি বাংলা বর্ণমালায় কোনো নির্দিষ্ট বর্ণের সংখ্যা নয়।
B) ১১টি — এটি ভুল কারণ ১১টি হলো বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংখ্যা, ব্যঞ্জনবর্ণের নয়।
C) ৪৯টি — এটি ভুল কারণ ৪৯টি কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নয়, মোট বর্ণ হলো ৫০টি।
D) ৩৯টি — এটি সঠিক কারণ বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণের নির্দিষ্ট সংখ্যা হলো ৩৯টি।
৫ মনে রাখার টিপস:
মোট বর্ণ ৫০টি মনে রাখলে স্বরবর্ণ ১১টি বিয়োগ করলে সহজেই ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ পাওয়া যায়।
বাংলা বর্ণমালা গণনার সময় স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণ আলাদা করে মুখস্থ করা নিরাপদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্বরবর্ণ এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক প্রশ্ন আসে।
বর্ণমালা সম্পর্কিত প্রশ্নে মোট বর্ণ, স্বরবর্ণ এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা আলাদাভাবে মনে রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: B) in
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণে 'take interest' বা 'have interest' বাক্যাংশের পর নির্দিষ্ট প্রিপোজিশন হিসেবে সবসময় 'in' ব্যবহৃত হয়।
- কোনো বিষয়ে কারো আগ্রহ বা অনুরাগ প্রকাশ করতে 'interest in' নিয়মসিদ্ধ উপযুক্ত প্রিপোজিশন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for — এটি উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা 'interest' শব্দের সাথে বসে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
B) in — এটি সঠিক উত্তর কারণ আগ্রহ বোঝাতে 'interest in' প্রিপোজিশন জোড়টি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
C) at — এটি সাধারণত ছোট স্থান বা নির্দিষ্ট বিন্দুর অবস্থান বোঝাতে বসে, এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) with — এটি সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা উপকরণের সাথে সংযোগ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বিষয়ে আগ্রহ থাকা বোঝাতে সবসময় 'interest in' মুখস্থ রাখবে, যেমন আগ্রহ মানেই 'in'।
সঠিক উত্তর: B) Jonathan Swift
কেন সঠিক:
- 'Gulliver’s Travels' একটি বিখ্যাত ইংরেজি সাহিত্যকর্ম, যার রচয়িতা অ্যাংলো-আয়ারল্যান্ডীয় লেখক জোনাথন সুইফট।
- এটি ১৭২৬ সালে প্রকাশিত একটি ক্লাসিক উপন্যাস, যা মানুষের স্বভাব ও তৎকালীন রাজনীতির ওপর এক তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গাত্মক রচনা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Ernest Hemingway — তিনি একজন আমেরিকান ঔপন্যাসিক ও সাংবাদিক ছিলেন, যার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে 'The Old Man and the Sea' অন্যতম।
B) Jonathan Swift — ইনিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ 'Gulliver’s Travels' তাঁরই অমর সৃষ্টি।
C) Bernard Shaw — তিনি একজন প্রখ্যাত আইরিশ নাট্যকার ছিলেন, যার বিখ্যাত নাটক 'Man and Superman'।
D) Charles Dickens — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ছিলেন, যিনি 'A Tale of Two Cities' রচনা করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
সুইফট পাখির মতো দ্রুত উড়ে যায় গালিভারের কাল্পনিক দ্বীপগুলোতে, তাই 'Gulliver's Travels' উপন্যাসের লেখক জোনাথন সুইফট।
সঠিক উত্তর: B) top
কেন সঠিক:
- Apex শব্দের অর্থ হলো কোনো বস্তুর সর্বউচ্চ চূড়া বা শীর্ষবিন্দু।
- ত্রিভুজের ক্ষেত্রে এর সবচেয়ে ওপরের কৌণিক বিন্দু বা শীর্ষ বোঝাতে top শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) angles — Angles অর্থ কোণ, যা ত্রিভুজের শীর্ষ বোঝায় না বরং ত্রিভুজের তিনটি কোণকে নির্দেশ করে।
B) top — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এটি ত্রিভুজের শীর্ষ বা চূড়াকে নির্দেশ করে।
C) sides — Sides অর্থ বাহু, যা ত্রিভুজের পরিধি বা রেখাংশ বোঝায়, কোনো শীর্ষবিন্দু নয়।
D) perimeter — Perimeter অর্থ পরিসীমা, যা ত্রিভুজের তিনটি বাহুর মোট দৈর্ঘ্যকে বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
Apex শব্দের সাথে Top শব্দটির অর্থ মিলে যায় কারণ দুটোর অর্থই চূড়া বা শীর্ষবিন্দু।
সঠিক উত্তর: A) much
কেন সঠিক:
- much হলো Positive Degree এর একটি রূপ, যা কোনো তুলনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।
- এর Comparative রূপ হলো more এবং Superlative রূপ হলো most।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) much — এটি Positive Degree, তাই এটি comparative degree নয় এবং প্রশ্নানুযায়ী এটিই সঠিক উত্তর।
B) less — এটি little এর Comparative form, যা তুলনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
C) more — এটি much বা many এর Comparative form, যা তুলনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
D) worse — এটি bad এর Comparative form, যা তুলনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ডিগ্রি পরিবর্তনের সময় মনে রাখবে much হলো মূল শব্দ বা Positive form, যার তুলনামূলক রূপ হলো more।
সঠিক উত্তর: D) with
কেন সঠিক:
- কোনো ব্যক্তির সাথে মতের অমিল বা দ্বিমত পোষণ করা বোঝাতে differ এর পর with preposition বসে।
- এই বাক্যে কোনো বিষয়ে কারো সাথে দ্বিমত বোঝানো হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর with হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) over — কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বা বিষয়ের ওপর মতবিরোধ বোঝাতে differ over ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এখানে ব্যক্তির উল্লেখ থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
B) to — differ শব্দের সাথে സാധാരണভাবেই to preposition বসে না, তাই এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) from — ভিন্নতা বা অমিল বোঝাতে differ from ব্যবহৃত হয়, যা সাধারণত বস্তু বা অবস্থার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, ব্যক্তির সাথে মতবিরোধ বোঝাতে নয়।
D) with — এটি সঠিক অপশন কারণ ব্যক্তির সাথে দ্বিমত বোঝাতে differ with ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
ব্যক্তির সাথে মতের অমিল হলে differ এর পরে with বসে এবং বিষয়ের ক্ষেত্রে over বসে।
সঠিক উত্তর: A) all types of food
কেন সঠিক:
- Omnivore শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ omnis যার অর্থ সব এবং vorare যার অর্থ খাওয়া থেকে।
- এই প্রাণীরা উদ্ভিদ ও মাংস উভয় প্রকার খাবারই খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) all types of food — এটি সঠিক কারণ সর্বভুক প্রাণীরা উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয় উৎস থেকেই খাবার গ্রহণ করে।
B) শুধু উদ্ভিদ গ্রহণকারী প্রাণীদের হার্বিভোর বা তৃণভোজী বলা হয়, সর্বভুক বলা হয় না।
সি) শুধু পোকামাকড় খাওয়া প্রাণীদের ইনসেক্টিভোর বা কীটভোজী বলা হয়।
ডি) শুধু মাংস বা অন্য প্রাণী ভক্ষণকারী প্রাণীদের কার্নিভোর বা মাংসাশী বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
Omni অর্থ সব এবং vore অর্থ খাওয়া, তাই omnivore মানে যে প্রাণী সব ধরনের খাবার খায়।
সঠিক উত্তর: D) radius
কেন সঠিক:
- radius শব্দটির শেষে us আছে, যা ইংরেজি ব্যাকরণে ল্যাটিন একবচন বা singular noun নির্দেশ করে।
- এই শব্দটির বহুবচন বা plural রূপ হলো radii।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) formulae — এটি formula শব্দের বহুবচন রূপ, তাই এটি singular নয়।
B) agenda — এটি agendum শব্দের বহুবচন রূপ, তবে আধুনিক ইংরেজিতে এটি একবচন হিসেবেও ব্যবহৃত হয়, তবে মূল ল্যাটিন নিয়মে এটি plural।
C) oases — এটি oasis শব্দের বহুবচন রূপ, যার শেষে es রয়েছে।
D) radius — এটি নিজেই একটি একবচন শব্দ এবং এর বহুবচন হলো radii।
মনে রাখার টিপস:
ল্যাটিন শব্দে us থাকলে তা সাধারণত singular হয় এবং তার plural করতে us বদলে i হয়।
সঠিক উত্তর: D) die
কেন সঠিক:
- 'Pass away' একটি ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব, যার আক্ষরিক অর্থ দূরে সরে যাওয়া হলেও এটি নির্দিষ্টভাবে মারা যাওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- ব্যাকরণগত ও প্রসঙ্গগত দিক থেকে এটি সরাসরি 'die' বা মৃত্যুবরণ করার সমার্থক হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) disappear — এর অর্থ হারিয়ে যাওয়া বা অদৃশ্য হওয়া, যা কোনো ব্যক্তির মৃত্যুকে সরাসরি বোঝায় না।
B) erase — এর অর্থ মুছে ফেলা বা বিলোপ করা, যা সাধারণত লেখা বা তথ্য মুছে ফেলার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
C) fall — এর অর্থ নিচে পড়ে যাওয়া, যা শারীরিক পতন বোঝায় কিন্তু সরাসরি মৃত্যুর সমার্থক নয়।
D) die — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো ভুল বা ভিন্ন অর্থ নেই।
মনে রাখার টিপস:
কোনো ব্যক্তি পৃথিবী থেকে চিরতরে দূরে (away) চলে যাওয়া মানেই হলো তার জীবন প্রদীপ নিভে যাওয়া বা মারা যাওয়া (die)।
সঠিক উত্তর: A) worst
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী adjectives এর degree পরিবর্তনের সময় কিছু অনিমিয়মিত রূপ বা irregular forms ব্যবহৃত হয়।
- bad শব্দটি একটি irregular adjective এবং এর comparative form হলো worse এবং superlative form হলো worst।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) worst — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি bad শব্দের superlative form।
B) least — এটি little শব্দের superlative form, যা পরিমাণের ক্ষুদ্রতম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) worse — এটি bad শব্দের comparative form, যা দুটি বস্তুর মধ্যে তুলনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
D) best — এটি good শব্দের superlative form, যা ভালো বা উত্তম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
bad, worse, worst এভাবে শব্দের রূপগুলো মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্নে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: D) beauty
কেন সঠিক:
- 'Beautiful' হলো একটি Adjective (বিশেষণ) শব্দ যার noun রূপ হলো Abstract Noun 'beauty'।
- suffixes বা প্রত্যয় যুক্ত করে Parts of Speech পরিবর্তনের সাধারণ ব্যাকরণগত নিয়মে শব্দের শেষে ty যুক্ত করে Noun গঠন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) beautify — এটি একটি Verb (ক্রিয়া), যার অর্থ সুন্দর করা।
B) beauteous — এটি একটি Adjective (বিশেষণ), যার অর্থ সুন্দর।
C) beautifully — এটি একটি Adverb (ক্রিয়া বিশেষণ), যা সুন্দরভাবে বোঝায়।
D) beauty — এটি একটি Noun (বিশেষ্য), যার অর্থ সৌন্দর্য এবং এটিই সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
ফুল শব্দের শেষে ful থাকলে তা সাধারণ Adjective হয় এবং ty যোগ করে তাকে Noun এ রূপান্তর করা যায় যেমন beautiful থেকে beauty।
সঠিক উত্তর: B) her
কেন সঠিক:
- বাক্যের শুরুতে Each থাকায় এটি Singular Pronoun হিসেবে গণ্য হয় এবং ladies শব্দটি স্ত্রীবাচক হওয়ায় possessive pronoun হিসেবে her ব্যবহৃত হয়েছে।
- Each, Every ইত্যাদির পরে possessive হিসেবে সাধারণত singular pronoun বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) its — এটি বস্তুর ক্ষেত্রে possessive হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) her — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং স্ত্রীবাচক Singular Noun-এর ক্ষেত্রে possessive হিসেবে বসে।
C) their — এটি Plural Pronoun, যা Each শব্দের Singular ব্যবহারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) hers — এটি Possessive Pronoun, যার পরে কোনো Noun বসে না, কিন্তু এখানে story noun-টি উপস্থিত রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Each যুক্ত বাক্যে Singular Subject থাকলে তার possessive সবসময় singular হয় (যেমন: he এর জন্য his এবং she এর জন্য her)।
সঠিক উত্তর: C) rung
কেন সঠিক:
- বাক্যটিতে had থাকায় এটি Past Perfect Tense এবং শূন্যস্থানে verb-এর Past Participle রূপ বসবে।
- Ring verb-এর Present, Past এবং Past Participle রূপ হলো যথাক্রমে ring, rang, rung।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) rang — এটি ring verb-এর Past form, যা had-এর পরে সরাসরি বসতে পারে না।
B) ranged — এটি Range verb-এর Past form, যার অর্থ সাজানো এবং এটি এই বাক্যের জন্য উপযুক্ত নয়।
C) rung — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Ring verb-এর Past Participle রূপ।
D) ringed — এটি Ring verb-এর Past form, যার অর্থ ঘিরে ফেলা এবং এটি এখানে অর্থহীন।
মনে রাখার টিপস:
Have, has বা had-এর পরে সবসময় verb-এর Past Participle রূপ বসে, তাই ring-এর ক্ষেত্রে rung ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) questionnaire
কেন সঠিক:
- বানানটিতে দুটি n এবং শেষে দুটি e রয়েছে যা সঠিক ইংরেজি বানানের নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
- এটি ফরাসি ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ যার প্রমিত ইংরেজি বানান questionnaire হিসেবে গৃহীত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) questionnaire — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে বানানটি সম্পূর্ণ নির্ভুল রয়েছে।
B) questionaire — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে একটি n কম রয়েছে।
C) questionnare — এই অপশনটি ভুল কারণ এর মাঝখানে i বর্ণটি অনুপস্থিত রয়েছে।
D) questioneire — এই অপশনটি ভুল কারণ এর শেষের অংশে ভুল বানানের বর্ণ যুক্ত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটির মাঝে இரண்டு n এবং শেষে দুটি e আছে—এই নিয়মটি মনে রাখলে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: A) after
কেন সঠিক:
- কারো নামে নামকরণ করা বা কারও নামানুসারে নাম রাখার ক্ষেত্রে উপযুক্ত উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে 'named after' ব্যবহৃত হয়।
- এখানে মেয়েটির নাম তার দাদীর নামানুসারে রাখা হয়েছে বোঝাতে 'named after' সঠিক গঠন হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) after — এটি সঠিক উত্তর কারণ নামানুসারে বোঝাতে এই প্রিপজিশনটি ব্যবহার করা হয়।
B) to — এটি এখানে অর্থসংগত নয় এবং নামকরণ বোঝাতে এই প্রিপজিশন বসে না।
C) about — এটি কোনও বিষয়ে বা সম্পর্কে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের জন্য অপ্রাসঙ্গিক।
D) according — এটি সাধারণত নিয়মানুযায়ী বা অনুসারে বোঝাতে 'according to' হিসেবে বসে, একা বসে না।
মনে রাখার টিপস:
কারও নামানুসারে নামকরণ করা বোঝালে हमेशा 'name after' ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) or
কেন সঠিক:
- 'or' একটি কনজাংশন বা সংযোজক অব্যয়, যা সাধারণত দুটি শব্দ বা বাক্যংশকে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে বিকল্প বা পছন্দ প্রকাশ করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) up — এটি সাধারণত প্রিপজিশন বা অ্যাডভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কোনো কনজাংশন নয়।
B) or — এটি সঠিক উত্তর এবং একটি কনজাংশন।
C) very — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা পরিবর্ধক শব্দ, যা সাধারণত অন্য কোনো অ্যাডভার্ব বা adjectives-এর মাত্রা প্রকাশ করে।
D) for — এটি অনেক সময় কনজাংশন হিসেবে কাজ করলেও, এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী 'or' হলো সবচেয়ে নিখুঁত এবং সর্বজনস্বীকৃত কনজাংশন অপশন।
মনে রাখার টিপস:
কনজাংশন চেনার জন্য and, but, or, so শব্দগুলো মনে রাখবে, যা দুটি ভিন্ন শব্দ বা বাক্যকে সংযুক্ত করে।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: B) different
কেন সঠিক:
- প্রশ্নটিতে জানতে চাওয়া হয়েছে কোনটি 'old' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
- 'Old' শব্দের অর্থ প্রাচীন বা পুরানো, যার বিপরীত অর্থ হিসেবে young, new এবং recent শব্দগুলো ব্যবহৃত হলেও different শব্দের অর্থ ভিন্ন, যা বিপরীতার্থক নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) young — এটি 'old' (বয়স্ক) শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) different — এটি ভিন্নতা বোঝায় এবং এটি 'old' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
C) new — এটি 'old' (পুরাতন) শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
D) recent — এটি সাম্প্রতিক বা নতুন বোঝায় এবং 'old' শব্দের বিপরীত হিসেবে কাজ করে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
'Old' শব্দের বিপরীত শব্দগুলো হলো তরুণ বা নতুন, কিন্তু 'different' হলো ভিন্নতা যা বিপরীতার্থক বোঝায় না।
সঠিক উত্তর: B) By whom can it be done?
কেন সঠিক:
- Interrogative pronoun 'Who' যুক্ত Active voice-কে Passive করার সময় বাক্যের শুরুতে 'By whom' বসে।
- Modals (can) যুক্ত Interrogative বাক্যে 'By whom' এর পর সাহায্যকারী verb (can) এবং Object-কে Subject বানানোর পর 'be + past participle' বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) By whom it can be done? — এখানে Subject (it) এর আগে সাহায্যকারী verb (can) না বসে সরাসরি বসার কারণে বাক্যটি প্রশ্নবোধক গঠন হারিয়েছে।
B) By whom can it be done? — এটি সঠিক নিয়ম অনুসরণ করায় এই বাক্যের গঠন সঠিক হয়েছে।
C) Who can it be done? — এখানে 'Who' এর পরিবর্তে সঠিক preposition সহ 'By whom' ব্যবহার করা হয়নি।
D) Whom can be done by it? — এখানে passive করার গঠন এবং preposition এর ব্যবহার ভুল রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Who যুক্ত Active voice-কে Passive করার সময় প্রথমে By whom বসিয়ে তারপর Auxiliary verb + Subject + be + V৩ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) collect
কেন সঠিক:
- ফ্রেজাল ভার্ব "Pick up"-এর একটি অন্যতম প্রধান অর্থ হলো কোনো কিছু মাটি থেকে তোলা বা সংগ্রহ করা।
- প্রদত্ত বাক্যের প্রেক্ষাপটে এটি কোনো কিছু কুড়িয়ে নেওয়া বা সংগ্রহ করা (collect) অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) display — এই শব্দটির অর্থ প্রদর্শন করা, যা "Pick up" বা সংগ্রহ করার সমার্থক নয়।
B) collect — এই শব্দটির অর্থ সংগ্রহ করা, যা "Pick up" ফ্রেইজটির সঠিক অর্থ নির্দেশ করে।
সি) suspend — এই শব্দটির অর্থ স্থগিত করা, যার সাথে উত্তরের কোনো মিল নেই।
D) tolerate — এই শব্দটির অর্থ সহ্য করা, যা ভিন্ন একটি প্রেক্ষাপটে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
মাটি থেকে কোনো বস্তু হাত দিয়ে তুলে নিজের কাছে জমা করা বা সংগ্রহ করাই হলো "Pick up"।
সঠিক উত্তর: B) Tell me what your name is.
কেন সঠিক:
- মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এর সাথে একটি Noun Clause যুক্ত হয়ে Complex Sentence গঠন করেছে।
- Subordinate Clause-টি Interrogative হওয়া সত্ত্বেও বাক্যের শুরুতে যুক্ত হওয়ায় তা Assertive Sentence-এর গঠন (Subject + Verb) অনুসরণ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Tell me what is your name? — এখানে বাক্যের শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে এবং Subordinate Clause-এর গঠন সঠিক নয়।
B) Tell me what your name is. — এটি সঠিক অপশন কারণ এতে সঠিক গঠন এবং যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়েছে।
C) Tell me what is your name. — এখানে বাক্যের শেষে ফুলস্টপ থাকলেও Subordinate Clause-এর ভেতর Verb আগে এবং Subject পরে বসেছে।
D) Tell me what your name is? — এখানে Clause-এর গঠন সঠিক হলেও বাক্যের শেষে ভুলভাবে প্রশ্নবোধক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Imperative বাক্যের পর WH-word থাকলে পরের অংশে প্রথমে Subject এবং পরে Verb বসে এবং শেষে ফুলস্টপ হয়।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস
সঠিক উত্তর: C) ২১ ফেব্রুয়ারি
কেন সঠিক:
- ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষার জন্য বাংলার তরুণেরা জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।
- ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ০৮ মার্চ — এটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালিত হয়।
B) ১৬ ডিসেম্বর — এটি বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস হিসেবে পালিত হয়।
C) ২১ ফেব্রুয়ারি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়।
D) ২১ আগস্ট — এটি বাংলাদেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার স্মারক দিন।
মনে রাখার টিপস: বায়ান্ন সালের ভাষা আন্দোলনের একুশে ফেব্রুয়ারি তারিখটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) পুরাতন ব্রহ্মপুত্র
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক ব্রহ্মপুত্র নদ গতিপথ পরিবর্তন করে যমুনা নদী হিসেবে মূল প্রবাহে রূপ নেওয়ার পর এর আগের শাখাটি পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত হয়।
- এই পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদটি ময়মনসিংহ শহরের পাশ দিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে মেঘনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুরাতন ব্রহ্মপুত্র — এটি ময়মনসিংহ শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত সঠিক নদী।
B) সুরমা — এটি মূলত সিলেট ও সুনামগঞ্জ অঞ্চলের প্রধান নদী এবং ময়মনসিংহ শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত নয়।
C) তিস্তা — এটি রংপুর ও কুড়িগ্রাম অঞ্চলের নদী এবং ময়মনসিংহ শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয় না।
D) যমুনা — ব্রহ্মপুত্রের বর্তমান প্রধান প্রবাহ যমুনা নদী ময়মনসিংহ শহরের বেশ কিছুটা পশ্চিম দিক দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ময়মনসিংহ শহর মানেই পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী জনপদ।
সঠিক উত্তর: D) ২৪ অক্টোবর
কেন সঠিক:
- ১৯৪৫ সালের এই দিনে জাতিসংঘের সনদ কার্যকর হওয়ার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সংস্থাটির যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৪৮ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্বে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ দিবস পালিত হয়ে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৪ আগস্ট — এই তারিখে জাতিসংঘ দিবসের কোনো ঐতিহাসিক সংশ্লিষ্টতা নেই।
B) ২৪ নভেম্বর — এই তারিখে আন্তর্জাতিক কোনো সংস্থা প্রতিষ্ঠার সরকারি বা প্রধান দিবস পালিত হয় না।
C) ২৪ ডিসেম্বর — এই তারিখে বড়দিন বা ক্রিসমাস ইভ উদযাপিত হয়, জাতিসংঘ দিবস নয়।
D) ২৪ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অক্টোবর মাসের চব্বিশ তারিখে পালিত হয়, এটি মনে রাখতে মাস ও তারিখের ক্রমটি মনে রাখুন।
প্রশ্নের ধরন: অর্থনীতি ও বাণিজ্যবিষয়ক ধারণা (বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য)
সঠিক উত্তর: D) চীন
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সর্বাধিক পণ্য আমদানি করে চীন থেকে, কিন্তু রপ্তানি তুলনামূলক অনেক কম হওয়ায় বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি তৈরি হয়।
- বৈদেশিক বাণিজ্যে আমদানি ও রপ্তানির এই বিশাল পার্থক্যের কারণেই চীনের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি সবচাইতে বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত — ভারতের সাথেও বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে, তবে তা চীনের তুলনায় কম।
B) জাপান — জাপানের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যের পরিমাণ কম হওয়ায় বাণিজ্য ঘাটতিও এর মধ্যে সর্বাধিক নয়।
C) রাশিয়া — রাশিয়ার সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য তুলনামূলক অনেক সীমিত, তাই বাণিজ্য ঘাটতিও কম।
D) চীন — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি মূল্যের পণ্য চীন থেকে আমদানি করে।
মনে রাখার টিপস:
আমদানিতে সবার ওপরে চীন, তাই বাণিজ্য ঘাটতিতেও চীনই প্রথম।
সঠিক উত্তর: A) দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
কেন সঠিক:
- ফা-হিয়েন ছিলেন প্রথম চীনা পর্যটক যিনি গুপ্ত সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালে ভারতে ভ্রমণ করেন।
- তিনি বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ৩৯৯ থেকে ৪১৪ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ভারত সফর করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তাঁর রাজত্বকালেই ফা-হিয়েন ভারতে এসেছিলেন।
B) আলাউদ্দিন হোসেন শাহ — তিনি ছিলেন মধ্যযুগের স্বাধীন সুলতান, যার সময়কালে ফা-হিয়েন আসেননি।
C) প্রথম চন্দ্রগুপ্ত — তিনি গুপ্ত সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা হলেও ফা-হিয়েনের সময়কালে তিনি ক্ষমতায় ছিলেন না।
D) হর্ষবর্ধন — তিনি সপ্তম শতকের রাজা, অথচ ফা-হিয়েন এসেছিলেন পঞ্চম শতকের শুরুতে।
মনে রাখার টিপস:
চীনা পর্যটক ফা-হিয়েন আসেন গুপ্ত যুগে, আর সম্রাট ছিলেন দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৭২
কেন সঠিক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে ১৯৭২ সালের ২৪ মে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ভারত থেকে সসম্মানে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়।
- বাংলাদেশে এনে তাঁকে জাতীয় কবির মর্যাদায় ভূষিত করা হয় এবং কবির বাকি জীবন এখানেই কাটে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭২ — এই সালে কবিকে কলকাতা থেকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) ১৯৭৩ — এই সালে কবিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডি. লিট উপাধি প্রদান করা হয়, বাংলাদেশে আনার সাল এটি নয়।
C) ১৯৭৪ — এই সালে কবি অসুস্থ অবস্থায় তৎকালীন পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং বাংলা একাডেমি তাঁকে ফেলোশিপ প্রদান করে।
D) ১৯৭৫ — এই সালে কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১২ আগস্ট ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদের পাশে সমাহিত করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পরপরই ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু আমাদের জাতীয় কবিকে দেশে নিয়ে আসেন। সালটি মনে রাখতে ১৯৭২ সালের কথা মাথায় রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) সাতক্ষীরা
কেন সঠিক:
- সাতক্ষীরা জেলায় বর্তমানে কোনো রেললাইন বা ট্রেন যোগাযোগের ব্যবস্থা নেই।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এই জেলায় রেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হয়নি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নোয়াখালী — এই জেলায় রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা বিদ্যমান রয়েছে এবং ট্রেন চলাচল করে।
B) টাঙ্গাইল — বঙ্গবন্ধু সেতু পার হয়ে এই জেলায় রেল যোগাযোগ চালু রয়েছে।
C) সাতক্ষীরা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো প্রযোজ্য কারণ নেই।
D) হবিগঞ্জ — এই জেলায় শায়েস্তাগঞ্জসহ গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশন ও স্টেশন রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সুন্দরবনের নিকটবর্তী দক্ষিণ দিককার সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরায় নেই কোনো ট্রেন বা রেললাইন।
সঠিক উত্তর: D) ৭৩.৮ বছর
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএস এর সাম্প্রতিক জনশুমারি ও গৃহগণনা এবং নমুনা বিদ্যাস তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশের মহিলাদের গড় আয়ু ৭৩.৮ বছর।
- চিকিৎসা সেবার প্রসার, পুষ্টির মান উন্নয়ন এবং মাতৃমৃত্যু হার হ্রাসের ফলে নারীদের গড় আয়ু ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮০.৬ বছর — এটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের মহিলাদের গড় আয়ুর চেয়ে অনেক বেশি এবং অবাস্তব একটি পরিসংখ্যান।
B) ৫৭.৫ বছর — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঠিক পরের সময়ের বা বহু আগের একটি ঐতিহাসিক গড় আয়ুর তথ্য।
C) ৬৪.৪ বছর — এটি বিগত দুই দশক আগের বাংলাদেশের মানুষের বা মহিলাদের গড় আয়ুর কাছাকাছি একটি পুরনো পরিসংখ্যান।
D) ৭৩.৮ বছর — এটি বর্তমান তথ্যানুযায়ী সঠিক এবং এটিই মহিলাদের গড় আয়ু নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
মহিলাদের গড় আয়ু মনে রাখতে ৭৩.৮ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যেখানে পুরুষের গড় আয়ু এর থেকে কিছুটা কম অর্থাৎ প্রায় ৭০.৬ বছর।
সঠিক উত্তর: C) ব্রাসেলস
কেন সঠিক:
- ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থার প্রধান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- সামরিক জোট হিসেবে ন্যাটোর প্রধান কার্যালয়টি ইউরোপের এই অন্যতম প্রধান শহরে দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বার্ন — এটি সুইজারল্যান্ডের রাজধানী হলেও ন্যাটোর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়।
B) লিশ — এটি ন্যাটোর সদর দপ্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক শহর বা রাজধানী নয়।
C) ব্রাসেলস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই ন্যাটোর মূল সদর দপ্তর অবস্থিত।
D) হামবুর্গ — এটি জার্মানির একটি প্রধান বন্দর ও শহর হলেও ন্যাটোর সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ন্যাটোর সদর দপ্তর মনে রাখতে মনে রাখুন যে বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি সামরিক জোট ন্যাটোর হেডকোয়ার্টারও অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামের আমবাগানে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে।
- এই সরকারের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩০ মার্চ ১৯৭১ — এই তারিখে বাংলাদেশের স্বাধীনতা বা অস্থায়ী সরকার গঠনের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি।
B) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ — এই তারিখে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়, কিন্তু শপথ গ্রহণ করা হয়নি।
C) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক।
D) ৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এই তারিখে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠনের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
গঠন ১০ এপ্রিল আর শপথ ১৭ এপ্রিল, এই সাত দিনের ব্যবধানটি মনে রাখলেই ভুল এড়ানো সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
কেন সঠিক:
- ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ১৮৫৪ সালে ক্রিমিয়ার যুদ্ধে আহত ব্রিটিশ সৈনিকদের সেবা করার জন্য যুদ্ধক্ষেত্রে যান এবং আধুনিক নার্সিংয়ের ভিত্তি স্থাপন করেন।
- এই যুদ্ধে রাতে লণ্ঠন হাতে আহত সৈনিকদের সেবা করার জন্য তিনি লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প বা দীপ্তময়ী নারী হিসেবে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি লাভ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওয়াটার লুর যুদ্ধ — এটি ১৮১৫ সালে সংঘটিত হয় এবং এর সাথে ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের কোনো ঐতিহাসিক সম্পৃক্ততা নেই।
B) আমেরিকার গৃহযুদ্ধ — এটি ১৮৬১ থেকে ১৮৬৫ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সংঘটিত হয়, যেখানে তার সরাসরি কোনো ভূমিকা ছিল না।
C) ফরাসি বিপ্লব — এটি ১৭৮৯ সালে ফ্রান্সে সংঘটিত রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তন ছিল, যা তার জন্মের বহু আগের ঘটনা।
D) ক্রিমিয়ার যুদ্ধ — এই অপশনটি সঠিক এবং এর সাথে ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের নার্সিং সেবার ইতিহাস সরাসরি যুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল মানেই ক্রিমিয়ার যুদ্ধ এবং লণ্ঠন হাতে সেবা করা লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প।
সঠিক উত্তর: A) তাম্র
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
কেন সঠিক:
- সিন্ধু সভ্যতা মূলত ব্রোঞ্জ যুগের বা তাম্র যুগের প্রাচীন সভ্যতা হিসেবে পরিচিত।
- এই সভ্যতার মানুষেরা তামা ও টিন মিশিয়ে ব্রোঞ্জ বা তামা জাতীয় ধাতুর ব্যবহার জানত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তাম্র - এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সভ্যতায় তামার ব্যাপক ব্যবহার ছিল।
B) আর্য - আর্যরা সিন্ধু সভ্যতার পতনের পর ভারতে আসে, এটি কোনো সভ্যতার কাল বা যুগ নয়।
C) সুমেরীয় - সুমেরীয় সভ্যতা মেসোপটেমিয়ার একটি প্রাচীন সভ্যতা, সিন্ধু সভ্যতার নিজস্ব স্বতন্ত্র যুগ রয়েছে।
D) শহরভিত্তিক - শহরভিত্তিক সিন্ধু সভ্যতার একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলেও এটি কোনো ঐতিহাসিক যুগ নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
সিন্ধু সভ্যতাকে ব্রোঞ্জ যুগ বা তাম্র যুগ বলা হয় কারণ এ সময়ে তামা ও ব্রোঞ্জের ব্যবহার শুরু হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) বেইজিং
কেন সঠিক:
- তিয়েনমেন স্কয়ার চীনের রাজধানী বেইজিং শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম উন্মুক্ত চত্বর।
- এটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান, যার নিকটে নিষিদ্ধ নগরী অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেইজিং — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিয়েনমেন স্কয়ার চীনের রাজধানীতে অবস্থিত।
B) সাংহাই — সাংহাই চীনের প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র হলেও এটি এই ঐতিহাসিক স্কয়ারটির অবস্থান নয়।
C) হংকং — হংকং চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল, যা বেইজিং থেকে অনেক দূরে অবস্থিত।
D) ক্যাপটন — ক্যাপটন বা কেপ টাউন দক্ষিণ আফ্রিকার একটি শহর, যা চীন বা তিয়েনমেন স্কয়ারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
চীন দেশের নাম শুনলেই রাজধানী বেইজিং এবং তার বিখ্যাত তিয়েনমেন স্কয়ারের কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) ঢাকা
কেন সঠিক:
- সির্দাপ (CIRDAP) হলো এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের গ্রামীণ উন্নয়ন বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- এই আঞ্চলিক সংস্থার সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্যাংকক — এটি থাইল্যান্ডের রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের বিভিন্ন আঞ্চলিক সংস্থার দপ্তর থাকলেও সির্দাপের সদর দপ্তর এখানে নয়।
B) দিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী এবং সার্কের কোনো কোনো সংস্থার দপ্তর থাকলেও এটি সির্দাপের সদর দপ্তর নয়।
C) ইসলামাবাদ — এটি পাকিস্তানের রাজধানী এবং এটি সির্দাপের সদর দপ্তর হিসেবে নির্ধারিত নয়।
D) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সংস্থটির সদর দপ্তর ঢাকার চামেলীবাগে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
সির্দাপ (CIRDAP) প্রতিষ্ঠার সময় বাংলাদেশ স্বাগতিক দেশ হওয়ায় এর সদর দপ্তর ঢাকায় স্থাপন করা হয়।
প্রশ্নের ধরন: সাহিত্য, লেখক ও সাহিত্যকর্ম
সঠিক উত্তর: A) ভারতের চুরুলিয়া (প্রদত্ত উত্তরটি ভুল, সংশোধন করা হলো। সঠিক উত্তর হলো: D) ঢাকা)
কেন সঠিক:
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্ত্রী প্রমীলা দেবীর সমাধি ভারতের চুরুলিয়ায় নয়, বরং বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- ১৯৭২ সালে কবি পত্নী প্রমীলা দেবীকে কলকাতা থেকে ঢাকায় এনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে সমাহিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারতের চুরুলিয়া — এটি কবির জন্মস্থান হলেও প্রমীলার সমাধি এখানে নয়।
B) কুমিল্লা — প্রমীলা দেবীর সাথে কবির জীবনের গভীর সম্পর্ক এবং বিবাহ এই জেলায় হলেও তাঁর সমাধি এখানে অবস্থিত নয়।
C) মানিকগঞ্জ — এই জেলার সঙ্গে প্রমীলা দেবীর সমাধির কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
D) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রমীলা দেবীকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে সমাহিত করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
নজরুলের বিদ্রোহী জীবনের সঙ্গী প্রমীলার শেষ ঠিকানা হলো ঢাকার কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণ।
সঠিক উত্তর: C) যশোর
কেন সঠিক:
- যশোর জেলাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালের ছাব্বিশে জুলাই এই জেলায় ডিজিটাল কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — এটি দেশের রাজধানী এবং প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র হলেও প্রথম ডিজিটাল জেলা নয়।
B) বগুড়া — এটি উত্তরবঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা হলেও এই খেতাব অর্জন করেনি।
C) যশোর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়।
D) টাঙ্গাইল — এটি দেশের একটি জনবহুল জেলা হলেও প্রথম ডিজিটাল জেলার স্বীকৃতি পায়নি।
মনে রাখার টিপস:
ডিজিটাল বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছিল দক্ষিণাঞ্চলের জেলা যশোর থেকে।
সঠিক উত্তর: B) হেরোডোটাস
কেন সঠিক:
- তিনি প্রথম ইতিহাসকে রূপকথার গল্প থেকে আলাদা করে তথ্য ও ঘটনার লিখিত রূপ দেন।
- তার বিখ্যাত গ্রন্থ হিস্ট্রিজ বা ইতিহাসের গবেষণা ইতিহাসের জনক হিসেবে তাকে স্বীকৃতি দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থুসিডাই জিস — তিনি প্রাচীন গ্রিসের একজন ঐতিহাসিক হলেও তাকে ইতিহাসের জনক বলা হয় না, তিনি বৈজ্ঞানিক ইতিহাসের জনক।
B) হেরোডোটাস — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
C) এরিস্টটল — তিনি ইতিহাসের জনক নন, তাকে জীববিজ্ঞান ও রাজনীতির জনক বলা হয়।
D) ডারউইন — তিনি ইতিহাসের জনক নন, তাকে বিবর্তনবাদের জনক বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইতিহাসের হ দিয়ে শুরু, তাই ইতিহাসের জনক হেরোডোটাসের নামও হ দিয়ে শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: A) রাশিয়া
কেন সঠিক:
- রাশিয়ার মোট আয়তন প্রায় ১ কোটি ৭০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার, যা পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় এগারো শতাংশ।
- এটি এশিয়া ও ইউরোপ দুটি মহাদেশজুড়ে বিস্তৃত বিশ্বের বৃহত্তম রাষ্ট্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাশিয়া — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি আয়তনের দিক দিয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দেশ।
B) কানাডা — এর আয়তন প্রায় ১ কোটি বর্গকিলোমিটার এবং এটি আয়তনের দিক দিয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ।
C) অস্ট্রেলিয়া — এটি বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম দেশ এবং ওশেনিয়া অঞ্চলের বৃহত্তম রাষ্ট্র, যার আয়তন রাশিয়ার চেয়ে অনেক কম।
D) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — এটি আয়তনের দিক দিয়ে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দেশ এবং এর আয়তন রাশিয়ার প্রায় অর্ধেক।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের বড় দেশগুলো মনে রাখার সহজ শব্দ হলো রুকাকাব্বা (রাশিয়া, কানাডা, চীন, আমেরিকা, ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া, ভারত)।
সঠিক উত্তর: B) ২৭/০১/২০২১
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকার ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে পরীক্ষামূলকভাবে কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৫/০১/২০২১ — এটি ভুল তারিখ কারণ এই দিনে কোনো টিকাদান কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়নি।
B) ২৭/০১/২০২১ — এটি সঠিক উত্তর, এই দিনেই বাংলাদেশে প্রথম কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।
C) ২১/০১/২০২১ — এই তারিখে ভারত সরকারের উপহার হিসেবে পাঠানো কোভিশিল্ড টিকার প্রথম চালান বাংলাদেশে এসে পৌঁছায়, টিকাদান উদ্বোধন হয়নি।
D) ২২/০১/২০২১ — এটি ভুল তারিখ, এই দিনে টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধনের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি।
মনে রাখার টিপস:
টিকা আসার চার দিন পর অর্থাৎ ২৭ জানুয়ারি টিকাদান শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: A) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগের অনুচ্ছেদ ১ অনুযায়ী দেশের আনুষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক নাম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে প্রণীত সংবিধানে রাষ্ট্রীয় নাম হিসেবে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ — এটি দেশের সঠিক সাংবিধানিক নাম এবং সংবিধানে স্পষ্টভাবে নির্ধারিত।
B) বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্র — এটি দেশের সঠিক সাংবিধানিক নাম নয়, কারণ সংবিধানে প্রজাতন্ত্রের নাম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ বলা হয়েছে।
C) গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ — এটি কোনো দাপ্তরিক বা সাংবিধানিক নাম নয়, এটি কেবল একটি সাধারণ বিবরণী শব্দ।
D) প্রজাতান্ত্রিক বাংলাদেশ — এই শব্দগুচ্ছ সংবিধানের কোথাও দেশের আনুষ্ঠানিক নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের প্রথম অনুচ্ছেদ মনে রাখলেই দেশের পূর্ণাঙ্গ সাংবিধানিক নাম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সহজেই মনে রাখা যায়।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) স্বাধীনতা পদক
কেন সঠিক:
- স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য প্রদত্ত সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পদক প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার — এটি কোনো সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক নয়, বরং বিভিন্ন খাতের বিশেষ অর্জনের জন্য ভিন্ন উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়।
B) স্বাধীনতা পদক — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পদক।
C) বাংলা একাডেমি পদক — এটি সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য প্রদান করা হয়, যা দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক নয়।
D) একুশে পদক — এটি দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পদক, সর্বোচ্চ পদক নয়।
মনে রাখার টিপস:
সর্বোচ্চ অর্জনের ক্ষেত্রে 'স্বাধীনতা' সবার উপরে থাকে, তাই রাষ্ট্রীয় পদকগুলোর মধ্যে স্বাধীনতা পদকই দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক।
সঠিক উত্তর: C) ড. মাকসুদুল আলম
১. কেন সঠিক:
- ড. মাকসুদুল আলম ২০১০ সালে বাংলাদেশের জাতীয় ফল পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা জীবনরহস্য আবিষ্কার করেন।
- এটি ছিল বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের একটি ঐতিহাসিক অর্জন যার মাধ্যমে পাটের উন্নত জাত উদ্ভাবনের পথ উন্মুক্ত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: জিনোম সিকোয়েন্স হলো কোনো জীবের ডিএনএ-তে থাকা নিউক্লিয়ার বেসের সম্পূর্ণ বিন্যাস যার মাধ্যমে জীবের শারীরিক বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রিত হয়।
- কার্যপ্রণালি: উন্নত বায়োইনফরমেটিক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাটের জিনোমের প্রায় তিন হাজার কোটি বেস পেয়ার সফলভাবে বিন্যস্ত করা হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: এই আবিষ্কারের ফলে পাট পাতার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো এবং অধিক আঁশযুক্ত জাত তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
- উদাহরণ ১: মানব জিনোম প্রজেক্ট।
- ব্যাখ্যা: মানুষের সমস্ত জিনের বিন্যাস উন্মোচন করার এই বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে মানবদেহের রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় বিপ্লব এসেছে।
- উদাহরণ ২: ধান গাছের জিনোম আবিষ্কার।
- ব্যাখ্যা: ব্রি ধান সহ বিভিন্ন ধানের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করে ক্ষরা ও লবণাক্তি সহনশীল ধানের জাত উদ্ভাবন করা হচ্ছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জগদীশ চন্দ্র বসু — ইনি উদ্ভিদের প্রাণ ও সংবেদনশীলতা আবিষ্কারের জন্য বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী যিনি ক্রেসকোগ্রাফ যন্ত্র উদ্ভাবন করেন।
B) ড. মেঘনাথ সাহা — ইনি তাপীয় আয়নীয়করণ তত্ত্বের জন্য বিখ্যাত একজন স্বনামধন্য পদার্থবিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী।
C) ড. মাকসুদুল আলম — ইনি বাংলাদেশের সফল বিজ্ঞানী যিনি পাটের পাশাপাশি পেঁপের জিনোম সিকোয়েন্সও আবিষ্কার করেছিলেন।
D) কুদরত-এ-খুদা — ইনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত রসায়নবিদ যিনি ডেস্টিলেশন বা পাতন প্রক্রিয়া এবং ভেষজ উদ্ভিদের ওপর ব্যাপক গবেষণা করেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পাট আমাদের সোনালী আঁশ আর এর জীবনরহস্য উন্মোচন করেন আমাদেরই সোনালী মনের বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম।
- নাম মনে রাখার কৌশল হিসেবে পাটের মা এবং মাকসুদুল আলমের মা যুক্ত করে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ড. মাকসুদুল আলম ২০১০ সালের ১৬ জুন পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কারের ঘোষণা দেন।
- এই একই বিজ্ঞানী ২০১৩ সালে ছত্রাকনাশক পেঁপের জিনোম সিকোয়েন্সও সফলভাবে আবিষ্কার করেন।
সঠিক উত্তর: A) হেপাটাইটিস - A
কেন সঠিক:
- হেপাটাইটিস এ মূলত এন্টারোভাইরাস পরিবারের একটি ভাইরাস যা দূষিত পানি ও খাদ্যের মাধ্যমে ছড়ায়।
- এটি রক্ত বা শারীরিক তরলের মাধ্যমে সংক্রামিত হয় না, বরং এটি ফেকাল ও ওরাল রুটের মাধ্যমে ছড়ায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হেপাটাইটিস - A — এটি রক্ত বা শারীরিক তরলের মাধ্যমে ছড়ায় না, বরং এটি দূষিত পানি ও খাদ্যের মাধ্যমে ছড়ায়।
B) হেপাটাইটিস - B — এটি সংক্রমিত রক্ত, সিরিঞ্জ এবং শারীরিক তরলের মাধ্যমে ছড়ায়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) হেপাটাইটিস - C — এটি মূলত রক্ত সঞ্চালন এবং সংক্রমিত সুইয়ের মাধ্যমে ছড়ায়, তাই এটি রক্তবাহিত রোগ।
D) ম্যালেরিয়া — এটি অ্যানোফিলিস মশার কামড়ের মাধ্যমে রক্তে প্রবেশ করে ছড়ায়, তাই এটি রক্ত সম্পর্কিত রোগ।
মনে রাখার টিপস:
হেপাটাইটিস এ ছড়ায় খাবার ও পানির মাধ্যমে, আর বি ও সি ছড়ায় রক্তের মাধ্যমে।
সঠিক উত্তর: C) ইথাইল অ্যালকোহল
কেন সঠিক:
- ইথাইল অ্যালকোহল মূলত অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা জীবন্ত টিস্যুতে জীবাণু দমনের জন্য উপযোগী।
- এটি জড় বস্তুর পৃষ্ঠতলের জন্য কার্যকর জীবাণুনাশক বা ডিসইনফেকট্যান্ট হিসেবে সম্পূর্ণ উপযুক্ত নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্যাভলন — এটি একটি বহুল ব্যবহৃত অ্যান্টিসেপ্টিক ও ডিসইনফেকট্যান্ট যা বিভিন্ন জীবাণু ধ্বংস করতে কার্যকর।
B) লাইজল — এটি একটি শক্তিশালী বাণিজ্যিক ডিসইনফেকট্যান্ট যা ঘরবাড়ি ও শৌচাগার পরিষ্কারে ব্যবহৃত হয়।
C) ইথাইল অ্যালকোহল — এটি অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবে কাজ করলেও শক্তিশালী ডিসইনফেকট্যান্ট হিসেবে বিবেচিত হয় না।
D) ফেনল — এটি একটি আদর্শ ও ঐতিহ্যবাহী ডিসইনফেকট্যান্ট যা জড় বস্তুর জীবাণু ধ্বংসে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
অ্যান্টিসেপ্টিক ব্যবহার হয় ত্বকে, আর ডিসইনফেকট্যান্ট ব্যবহার হয় জড় বস্তুতে।
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: C) এ্যাপেন্ডিক্স
কেন সঠিক:
- মানবদেহের পরিপাকতন্ত্র মূলত দুটি প্রধান ভাগে বিভক্ত, যথা পৌষ্টিকনালী ও পৌষ্টিক গ্রন্থি।
- ক্ষুদ্রান্ত্রের পরে এবং মলাশয়ের আগে অবস্থিত বৃহদান্ত্রের প্রধান অংশগুলো হলো সিকাম, কোলন ও মলাশয় এবং এর সিকাম অংশের সাথে এ্যাপেন্ডিক্স যুক্ত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডিওডেনাম — এটি ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রথম এবং প্রধান অংশ, বৃহদান্ত্রের অংশ নয়।
B) জেজুনাম — এটি ক্ষুদ্রান্ত্রের ডিওডেনাম ও ইলিয়ামের মধ্যবর্তী অংশ।
D) ইলিয়াম — এটি ক্ষুদ্রান্ত্রের শেষ এবং দীর্ঘতম অংশ, যা বৃহদান্ত্রের সাথে যুক্ত থাকে।
মনে রাখার টিপস:
ক্ষুদ্রান্ত্রের অংশ হলো ডিওডেনাম, জেজুনাম ও ইলিয়াম আর এ্যাপেন্ডিক্স বৃহদান্ত্রের সিকাম অংশের সাথে যুক্ত থাকে।
সঠিক উত্তর: C) মিডিয়াল কিউবিটাল ভেইন
কেন সঠিক:
- মানবদেহের কনুইয়ের সামনের অংশে অবস্থিত এই শিরাটি বেশ বড় ও ত্বকের কাছাকাছি থাকে।
- ইনজেকশন দেওয়া বা স্যালাইন পুস করার জন্য এই শিরাটি সবচেয়ে নিরাপদ ও সুবিধাজনক স্থান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ল্যাটারাল কিউটেনিয়াস ভেইন — এটি হাতের পার্শ্বীয় অংশের একটি ছোট স্নায়ু ও রক্তনালীর বিন্যাস যা স্যালাইনের জন্য উপযুক্ত নয়।
B) মিডিয়াল কিউটেনিয়াস ভেইন — এটি ত্বকের উপরিভাগের স্নায়ুর সাথে সম্পর্কিত এবং প্রধানত সংবেদনশীল কাজের জন্য পরিচিত।
C) মিডিয়াল কিউবিটাল ভেইন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) সবগুলো — সব অপশন সঠিক নয় কারণ শুধুমাত্র মিডিয়াল কিউবিটাল ভেইনই স্যালাইন পুস করার আদর্শ স্থান।
মনে রাখার টিপস:
কনুইয়ের কাছে স্যালাইন দিতে হয়, তাই কনুই বা কিউবিটাস সম্পর্কিত মিডিয়াল কিউবিটাল ভেইন মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) গর্ভবতী মায়ের
কেন সঠিক:
- প্রি-একলামসিয়া বা উচ্চ রক্তচাপজনিত গর্ভকালীন জটিলতা মারাত্মক রূপ ধারণ করলে তাকে একলামসিয়া বলে, যা শুধুমাত্র গর্ভবতী মায়ের ক্ষেত্রে দেখা যায়।
- এই রোগে আক্রান্ত গর্ভবতী মায়ের খিঁচুনি হয় এবং তা মা ও অনাগত সন্তানের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিশুকন্যা — এটি কোনো শিশুর রোগ নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) বৃদ্ধ পুরুষ — পুরুষদের ক্ষেত্রে এই রোগ হওয়ার কোনো শারীরিক ভিত্তি নেই, তাই এটি ভুল।
C) গর্ভবতী মায়ের — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং গর্ভকালীন বিশেষ জটিলতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
D) সববয়সী মায়ের — সব বয়সের মায়ের এই রোগ হয় না, এটি বিশেষভাবে গর্ভকালীন জটিলতার সঙ্গে যুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
একলামসিয়া শব্দটি শুনলেই মাথায় রাখবে এটি গর্ভবতী মায়ের উচ্চ রক্তচাপ ও খিঁচুনি সংক্রান্ত একটি বিশেষ শারীরিক জটিলতা।
সঠিক উত্তর: D) জারক রস বিতরণ করা
কেন সঠিক:
- রক্ত মানবদেহে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান, অক্সিজেন, হরমোন এবং বর্জ্য পদার্থ পরিবহন করে।
- জারক রস বা এনজাইম পরিপাকতন্ত্রের গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয় এবং নালীর মাধ্যমে সরাসরি পরিপাক নালীতে যায়, রক্তের মাধ্যমে নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সিজেন বিতরণ করা — রক্তে উপস্থিত হিমোগ্লোবিন ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে শরীরের প্রতিটি কোষে সরবরাহ করে, তাই এটি রক্তের একটি কাজ।
B) হরমোন বিতরণ করা — অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন সরাসরি রক্তে মিশে শরীরের বিভিন্ন লক্ষ্য অঙ্গে পৌঁছায়, তাই এটি রক্তের কাজ।
C) কার্বন ডাই অক্সাইড পরিবহন করা — কোষের বিপাক ক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন কার্বন ডাই অক্সাইড রক্ত দ্বারা বাহিত হয়ে ফুসফুসে আসে এবং শরীর থেকে বের হয়।
D) জারক রস বিতরণ করা — জারক রস রক্ত পরিবহন করে না, এটি পরিপাকতন্ত্রের নিজস্ব গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়ে খাদ্য পরিপাকে অংশ নেয়।
মনে রাখার টিপস:
রক্ত পরিবহন করে গ্যাস, পুষ্টি ও হরমোন; আর পরিপাক করে দেয় জারক রস ও এনজাইম।
সঠিক উত্তর: B) ইনসুলিন
কেন সঠিক:
- ইনসুলিন হরমোনের অভাবে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং ডায়াবেটিস মেলিটাস রোগ হয়।
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অফ ল্যাঙ্গারহান্সের বিটা কোষ থেকে ইনসুলিন হরমোন উৎপাদিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্লুকাগন — এটি রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি করে, যার অভাবে ডায়াবেটিস হয় না।
B) ইনসুলিন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) কর্টিসল — এটি একটি স্টেরয়েড হরমোন যা বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে এবং এর অভাবে ডায়াবেটিস হয় না।
D) ইস্ট্রেজেন — এটি নারী দেহের প্রজনন হরমোন, যার সাথে এই রোগের সরাসরি সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
ইনসুলিন হরমোন কমে গেলে ডায়াবেটিস বেড়ে যায়।
সঠিক উত্তর: D) লিম্ফোসাইট
কেন সঠিক:
- লিম্ফোসাইট হলো এক প্রকার শ্বেত রক্তকণিকা যা মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রধান অংশ হিসেবে কাজ করে।
- এটি অ্যান্টিবডি তৈরি করে যা দেহকে বিভিন্ন রোগজীবাণু, ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউট্রোফিল — এটি ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় রোগজীবাণু বা ব্যাকটেরিয়া ভক্ষণ করে ধ্বংস করে, কিন্তু অ্যান্টিবডি তৈরি করে না।
B) বেসোফিল — এটি হেপারিন ও হিস্টামিন নিঃসরণ করে যা অ্যালার্জিজনিত প্রদাহ রোধে সাহায্য করে, অ্যান্টিবডি তৈরি এর কাজ নয়।
C) ইওসিনোফিল — এটি প্রধানত পরজীবী সংক্রমণ ও অ্যালার্জির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে, অ্যান্টিবডি উৎপাদন এর কাজ নয়।
D) লিম্ফোসাইট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শ্বেত রক্তকণিকাটিই সুনির্দিষ্টভাবে অ্যান্টিবডি তৈরি করে।
মনে রাখার টিপস:
লিম্ফোসাইট হলো লিম্ফ বা লসিকা তন্ত্রের কোষ, যা সৈনিকের মতো অ্যান্টিবডি তৈরি করে দেহকে পাহারা দেয়।
সঠিক উত্তর: A) ধমনীর ভিতর
কেন সঠিক:
- হৃদপিণ্ড থেকে বিশুদ্ধ রক্ত সারা শরীরে বহনকারী রক্তনালী হলো ধমনী, যেখানে হৃদস্পন্দনের ধাক্কা স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়।
- ধমনীর প্রাচীর পুরু ও স্থিতিস্থাপক হওয়ায় রক্তের চাপ সরাসরি নাড়ীর স্পন্দন হিসেবে অনুভূত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধমনীর ভিতর — এটি সঠিক উত্তর কারণ হৃদপিণ্ডের পাম্প করার ফলে এই নালীতে রক্ত তরঙ্গের সৃষ্টি হয়।
B) নাসিকা নালীর ভিতর — এটি শ্বাসনালীর অংশ, যা দিয়ে বাতাস চলাচল করে এবং এর সাথে রক্তপ্রবাহ বা নাড়ীর স্পন্দনের কোনো সম্পর্ক নেই।
C) স্নায়ুর ভিতর — স্নায়ু দিয়ে মূলত মস্তিষ্কের সংকেত বা বার্তা চলাচল করে, কোনো রক্ত বা নাড়ীর স্পন্দন প্রবাহিত হয় না।
D) শিরার ভিতর — শিরা রক্তকে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে হৃদপিণ্ডে ফিরিয়ে আনে, কিন্তু এর রক্তপ্রবাহে স্পন্দন অনুভূত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
ধমনী দিয়ে হৃদপিণ্ড থেকে রক্ত বাইরে যায় বলে সেখানে চাপ বেশি থাকে এবং নাড়ীর স্পন্দন পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: D) এইডস
কেন সঠিক:
- এইডস (AIDS) একটি সংক্রামক ব্যাধি যা হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস (HIV) নামক ভাইরাসের মাধ্যমে একজন থেকে অন্যজনে ছড়ায়।
- এটি মূলত রক্ত, বীর্য এবং অন্যান্য শারীরিক তরলের মাধ্যমে সংক্রামিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রেনাল ফেইলিউর — এটি কিডনির কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাওয়ার একটি অসংক্রামক জটিল রোগ, যা সাধারণত ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের কারণে হয়।
B) উচ্চ রক্তচাপ — এটি জীবনযাত্রার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি অসংক্রামক ব্যাধি, যা ছোঁয়াচে বা সংক্রামক নয়।
C) ডায়াবেটিস — এটি হরমোনের অসামঞ্জস্যতা ও বিপাকীয় ত্রুটির কারণে সৃষ্ট অসংক্রামক রোগ, যা একজনের শরীর থেকে অন্যজনের শরীরে ছড়ায় না।
D) এইডস — এটি একটি সংক্রামক ব্যাধি এবং প্রদত্ত প্রশ্ন অনুযায়ী এটিই সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
সংক্রামক রোগ জীবাণু দ্বারা ছড়ায়, তাই এইচআইভি ভাইরাসবাহিত এইডস একটি সংক্রামক ব্যাধি।
সঠিক উত্তর: C) ৬
কেন সঠিক:
- সুষম খাদ্যে শরীরের পুষ্টি চাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় ছয়টি মৌলিক উপাদান একসঙ্গে থাকে।
- এই ছয়টি উপাদান হলো শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ এবং পানি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪ — মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয় সুষম খাদ্যের প্রধান উপাদান ছয়টি, তাই এই সংখ্যাটি সঠিক নয়।
B) ৫ — খাদ্যের প্রয়োজনীয় উপাদান পাঁচটি নয়, এর সঙ্গে পানি যোগ হয়ে মোট উপাদান ছয়টি হয়।
C) ৬ — এই অপশনটি সঠিক কারণ সুষম খাদ্যের উপাদান নির্দিষ্টভাবে ছয়টি।
D) ৭ — সুষম খাদ্যের স্বীকৃত ও মৌলিক উপাদানের সংখ্যা ছয়টি, সাতটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
শামীম আমি স্নিগ্ধা ভিটামিন ও খনিজ লবণ দিয়ে পানি খোল - এই বাক্যের প্রথম অংশগুলো দিয়ে শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি এই ছয়টি উপাদান মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) ভিটামিন-কে
কেন সঠিক:
- ভিটামিন-কে মানবদেহের রক্ত জমাট বাঁধতে বা ক্ষত থেকে রক্তপাত বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় প্রোটিন তৈরি করে।
- এই ভিটামিনের অভাবে রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা কমে যায়, ফলে সামান্য আঘাতেই রক্তক্ষরণ বন্ধ হতে দেরি হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন-সি — এটি কোলাজেন তৈরি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে, যার অভাবে স্কার্ভি রোগ হয় এবং মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে কিন্তু সরাসরি রক্ত জমাট বাঁধায় অংশ নেয় না।
B) ভিটামিন-বি — এটি মূলত স্নায়ুর কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা এবং শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে, রক্ত জমাট বাঁধার সাথে এর সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
C) ভিটামিন-ডি — এটি ক্যালসিয়াম শোষণ ও হাড়ের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, ক্ষত নিরাময় বা রক্ত জমাট বাঁধার সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) ভিটামিন-কে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি যকৃতে প্রথম্ৰম্বিন নামক প্রোটিন তৈরি করে রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
মনে রাখার টিপস:
রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে কোগুলেশন, আর এই কোগুলেশন শব্দটির প্রথম অক্ষর থেকেই ভিটামিন-কে এর কথা মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) শিশু
কেন সঠিক:
- পেডিয়াট্রিক শব্দটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি শাখা নির্দেশ করে যা শিশুদের রোগ ও চিকিৎসা সংক্রান্ত।
- এটি মূলত জন্ম থেকে শৈশবকাল পর্যন্ত মানব শরীরের বিকাশ ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুরুষ — পুরুষদের চিকিৎসা সম্পর্কিত বিশেষায়িত শাখাকে অ্যান্ড্রোলজি বলা হয়, পেডিয়াট্রিক পুরুষদের জন্য নয়।
B) মহিলা — নারীদের স্বাস্থ্য ও রোগ সংক্রান্ত চিকিৎসা বিজ্ঞানকে গাইনিকোলজি বা প্রসূতিবিদ্যা বলা হয়।
C) শিশু — এটি সঠিক উত্তর কারণ পেডিয়াট্রিক শিশু চিকিৎসাবিদ্যার সাথে সম্পর্কযুক্ত।
D) বৃদ্ধ — বয়স্কদের চিকিৎসাবিদ্যা বা বার্ধক্যজনিত রোগ সংক্রান্ত শাখাকে জেরিয়াট্রিক্স বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
পেডিয়াট্রিক শব্দটিকে শিশু পার্ক বা পেডি শব্দের সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো, যেখানে পেডি মানে শিশু।
সঠিক উত্তর: C) DNA-তে
কেন সঠিক:
- মানবদেহের জিনগত বৈশিষ্ট্য ও বংশগতির মূল উপাদান হলো ডিএনএ বা ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড।
- মানব কোষের নিউক্লিয়াসে থাকা ক্রোমোজোমে জিনগুলো ডিএনএ-র অংশ হিসেবে অবস্থান করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) RNA-তে — আরএনএ মূলত প্রোটিন সংশ্লেষণে কাজ করে, এটি মানবদেহের প্রধান জিন ধারণকারী উপাদান নয়।
B) RBC-তে — পূর্ণাঙ্গ লোহিত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস ও ডিএনএ থাকে না, তাই এতে জিন থাকে না।
C) DNA-তে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় এর কার্যকারিতা ও উপস্থিতি বর্ণনা করা হয়েছে।
D) সাইটোপ্লাজমে — সাইটোপ্লাজম কোষের অংশ হলেও প্রধান জিন সাধারণত নিউক্লিয়াসের ডিএনএ-তেই সংরক্ষিত থাকে।
মনে রাখার টিপস:
বংশগতির ধারা রক্ষাকারী জিন মানেই ডিএনএ।
সঠিক উত্তর: B) ক্রোমোজোম
কেন সঠিক:
- ক্রোমোজোম হলো কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত বংশগতীয় উপাদানের মূল বাহক যা ডিএনএ এবং প্রোটিন দ্বারা গঠিত।
- এটি পিতা-মাতার শারীরিক ও মানসিক বৈশিষ্ট্য পরবর্তী প্রজন্মে নিখুঁতভাবে স্থানান্তর করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাইটোপ্লাজম — এটি কোষের নিউক্লিয়াসের বাইরের জেলী সদৃশ অংশ যা বিভিন্ন অঙ্গাণু ধারণ করে, বংশগতির মূল বৈশিষ্ট্য বহন করে না।
B) ক্রোমোজোম — এটি বংশগতির বৈশিষ্ট্য বহন করে, তাই এটি সঠিক উত্তর।
C) নিউক্লিয়াস — এটি কোষের মস্তিষ্ক এবং ক্রোমোজোম এর ভেতরে থাকে, কিন্তু সরাসরি বংশগতির একক হিসেবে ক্রোমোজোম কাজ করে।
D) নিউক্লিওলাস — এটি নিউক্লিয়াসের ভেতরে থাকা ঘন গোল্লাকার বস্তু যা মূলত রাইবোজোম তৈরিতে সহায়তা করে।
মনে রাখার টিপস:
বংশগতির মূল বাহক হলো ক্রোমোজোম, যা ডিএনএ ধারণ করে জিনগত বৈশিষ্ট্য পরবর্তী প্রজন্মে পৌঁছে দেয়।
সঠিক উত্তর: B) নেফ্রন
কেন সঠিক:
- নেফ্রন হলো মানবদেহের রেচনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ বৃক্ক বা কিডনির গঠনগত ও কার্যগত একক।
- এটি রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ ছেঁকে মূত্র তৈরি করতে সরাসরি কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউরন — এটি মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্রের গঠনগত ও কার্যগত একক, বৃক্কের নয়।
B) নেফ্রন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) পেসমেকার — এটি হৃদপিণ্ডের সংকোচন নিয়ন্ত্রণকারী বিশেষ পেশি বা যন্ত্র, বৃক্কের একক নয়।
D) হেপাটোসাইট — এটি যকৃতের প্রধান কোষ, বৃক্কের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
বৃক্ক বা কিডনির সাথে নেফ্রন শব্দটি যুক্ত থাকে, আর স্নায়ুর সাথে যুক্ত থাকে নিউরন।
সঠিক উত্তর: D) প্যাথজেনিক
কেন সঠিক:
- যে সব অণুজীব যেমন ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাক মানবদেহে রোগ সৃষ্টি করে তাদেরকে রোগ সৃষ্টিকারী বা প্যাথজেন বলা হয়।
- প্যাথজেনিক শব্দটি প্যাথজেন থেকে এসেছে যার অর্থ রোগ সৃষ্টিকারী গুণসম্পন্ন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইনফেকশন — এটি কোনো অণুজীবের নাম নয়, বরং এটি হলো দেহে জীবাণু বা প্যাথজেনের সংক্রমণের ফলাফল বা অবস্থা।
B) ফ্লোরা — এটি দেহে স্বাভাবিকভাবে বসবাসকারী উপকারী অণুজীব বোঝায় যা সাধারণত রোগ সৃষ্টি করে না।
সি) টক্সিন — এটি কোনো অণুজীব নয়, এটি হলো কিছু জীব কর্তৃক উৎপাদিত বিষাক্ত পদার্থ।
D) প্যাথজেনিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব বা অবস্থাকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
প্যাথ (Path) শব্দের অর্থ রোগ এবং প্যাথজেনিক মানে হলো যা রোগ ছড়ায়।
সঠিক উত্তর: C) যকৃত
কেন সঠিক:
- পৌষ্টিকনালি এবং প্লীহা থেকে পুষ্টি উপাদানসমৃদ্ধ রক্ত হেপাটিক পোর্টাল সিরার মাধ্যমে সরাসরি যকৃতে প্রবেশ করে।
- যকৃত এই রক্ত থেকে পুষ্টি উপাদান ছেঁকে নেয় এবং ক্ষতিকর পদার্থ দূর করে শরীরকে সুরক্ষা প্রদান করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চোখ — এটি শরীরের দেখার অঙ্গ এবং এর সাথে দর্শন স্নায়ু যুক্ত থাকে, পোর্টাল শিরা নয়।
B) মস্তিষ্ক — এটি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অংশ এবং রক্ত সরবরাহের জন্য এখানে ক্যারোটিড ধমনী ও যুগুলাম শিরা কাজ করে।
C) যকৃত — এটি সঠিক উত্তর, কারণ হেপাটিক পোর্টাল সিস্টেম এই অঙ্গের সাথেই সরাসরি যুক্ত থাকে।
D) কিডনী — এটি রেচনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ এবং এখানে রেনাল ধমনী ও রেনাল শিরা রক্ত সরবরাহ করে।
মনে রাখার টিপস:
পোর্টাল শিরা মানেই যকৃত বা হেপাটিক সিস্টেম, যা পরিপাকতন্ত্র থেকে রক্ত সরাসরি যকৃতে নিয়ে যায়।
সঠিক উত্তর: C) ভিটামিন - B
কেন সঠিক:
- মানবদেহের ভিটামিনগুলোকে দ্রবণীয়তার ওপর ভিত্তি করে দুটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়, যার একটি হলো পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন।
- ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এবং ভিটামিন সি হলো পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন, যা অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রহণ করলে মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন - A — এটি ফ্যাট বা চর্বিযুক্ত দ্রবণীয় ভিটামিন, পানিতে দ্রবণীয় নয়।
B) ভিটামিন - E — এটি ফ্যাট বা চর্বিযুক্ত দ্রবণীয় ভিটামিন, পানিতে দ্রবণীয় নয়।
C) ভিটামিন - B — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো ভুল প্রয়োগ নেই।
D) ভিটামিন - D — এটি ফ্যাট বা চর্বিযুক্ত দ্রবণীয় ভিটামিন, পানিতে দ্রবণীয় নয়।
মনে রাখার টিপস:
পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন মনে রাখার সহজ সূত্র হলো বিসি (BC), অর্থাৎ ভিটামিন বি এবং ভিটামিন সি পানিতে দ্রবণীয়।
সঠিক উত্তর: C) পিটুইটারী
কেন সঠিক:
- পিটুইটারী গ্রন্থি মানবদেহের অন্যান্য অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে, তাই একে গ্রন্থির রাজা বা মাস্টার গ্ল্যান্ড বলা হয়।
- এটি মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসের নিচে অবস্থিত এবং শরীরের বৃদ্ধি ও বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এড্রেনাল — এটি বৃক্কের ওপরে অবস্থিত এবং জরুরী অবস্থা মোকাবেলায় হরমোন তৈরি করে, যা গ্রন্থির রাজা নয়।
B) থাইরয়েড — এটি গলায় অবস্থিত এবং বিপাক নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন তৈরি করে, তবে এটি অন্য গ্রন্থি নিয়ন্ত্রণ করে না।
C) পিটুইটারী — এটি নিজে সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়।
D) থাইমাস — এটি বুকের খাঁচায় অবস্থিত এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় অংশ নেয়, যা অন্য গ্রন্থি নিয়ন্ত্রণ করে না।
মনে রাখার টিপস:
পিটুইটারী গ্রন্থি সব গ্রন্থির রাজা কারণ এটি রাজামশাইয়ের মতো বাকি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে।
সঠিক উত্তর: D) ট্রিপসিন
কেন সঠিক:
- ট্রিপসিন হলো একটি প্রোটিয়েলাইটিক বা প্রোটিন পরিপাককারী এনজাইম যা অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হয়।
- এটি আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্যকে ভেঙে পেপটাইড ও অ্যামিনো এসিডে পরিণত করতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টায়ালিন — এটি লালারস বা সেলাইভায় থাকে এবং শর্করা জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে।
B) লাইপেজ — এটি ফ্যাট বা স্নেহ জাতীয় খাদ্য হজমে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
C) অ্যামাইলেজ — এটি শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে।
D) ট্রিপসিন — এটি আমিষ জাতীয় খাদ্য হজমে সহায়তা করে এবং এটিই সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
আমিষ ভাঙতে ট্রিপসিন লাগে, শর্করায় টায়ালিন আর চর্বিতে লাইপেজ কাজ করে।
সঠিক উত্তর: A) ফিমার
কেন সঠিক:
- ফিমার হলো মানব শরীরের উরুতে অবস্থিত দীর্ঘতম এবং সবচেয়ে শক্তিশালী অস্থি।
- এটি শরীরের সম্পূর্ণ ওজন বহন করে এবং হাঁটাচলা ও দৌড়ানোর সময় ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফিমার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মানবদেহের দীর্ঘতম অস্থি।
B) টিবিয়া — এটি পায়ের নিচের অংশে অবস্থিত একটি বড় অস্থি হলেও ফিমারের চেয়ে ছোট।
C) স্টেপস — এটি মানবদেহের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম অস্থি যা কানের মধ্যপ্রান্তে অবস্থিত।
D) রেডিয়াস — এটি হাতের কবজি ও কনুইয়ের মাঝখানে অবস্থিত একটি মাঝারি আকারের অস্থি।
মনে রাখার টিপস:
শরীরের সবচেয়ে বড় ও লম্বা হাড্ডি হলো উরুর ফিমার।
সঠিক উত্তর: A) RNA Virus
কেন সঠিক:
- COVID-19 বা করোনভাইরাস একটি সিঙ্গেল স্ট্র্যান্ডেড আরএনএ ভাইরাস, যা তার জিনোম সংরক্ষণের জন্য ডিএনএর বদলে আরএনএ ব্যবহার করে।
- এই ভাইরাসের নিউক্লিওক্যাপসিডের ভেতরে আরএনএ বস্তু থাকে যা পোষক দেহে প্রবেশ করে দ্রুত বংশবৃদ্ধি করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) RNA Virus — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ভাইরাসের মূল জিনগত উপাদান হলো রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড বা আরএনএ।
B) DNA Virus — এটি ভুল কারণ ডিএনএ ভাইরাসগুলোর জিনোম ডাবল স্ট্র্যান্ডেড ডিএনএ দ্বারা গঠিত, যা কোভিড-১৯ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) ব্যাকটেরিয়া — এটি ভুল কারণ ব্যাকটেরিয়া হলো এককোষী অণুজীব, আর ভাইরাস হলো অকোষীয় এবং পরজীবী সত্তা।
D) ছত্রাক — এটি ভুল কারণ ছত্রাক হলো সুকেন্দ্রিক বা ইউক্যারিওটিক জীব, যা ভাইরাস থেকে সম্পূর্ণ আলাদা একটি শ্রেণী।
মনে রাখার টিপস:
করোনা মানেই আরএনএ ভাইরাস, যা দ্রুত মিউটেশন বা রূপ বদলাতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) ১৩০-১৪৫ mmol/L
কেন সঠিক:
- মানবদেহের রক্তরসে সোডিয়াম আয়নের স্বাভাবিক মাত্রা সাধারণত ১৩০ থেকে ১৪৫ মিলি মোল প্রতি লিটার হয়ে থাকে।
- এটি শরীরের তরল ভারসাম্য রক্ষা এবং স্নায়ু ও পেশির স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২০-১৩০ mmol/L — এই মাত্রাটি স্বাভাবিকের চেয়ে কম, যা হাইপোনাট্রেমিয়া বা রক্তে সোডিয়ামের স্বল্পতা নির্দেশ করে।
B) ১৩৫-১৫৫ mmol/L — এই পরিধিটি রক্তে সোডিয়ামের স্বাভাবিক মানের চেয়ে কিছুটা বেশি, যা পরীক্ষাগারের কিছু নির্দিষ্ট মানদণ্ডে ভিন্ন হতে পারে তবে আদর্শ মান ১৩০-১৪৫ এর মধ্যে ধরা হয়।
সি) ১৬০-১৭০ mmol/L — এই মাত্রাটি অতিরিক্ত বেশি, যা হাইপারনাট্রেমিয়া বা রক্তে সোডিয়ামের বিপজ্জনক আধিক্য নির্দেশ করে।
D) ১৩০-১৪৫ mmol/L — এটি মানবদেহের রক্তে সোডিয়াম আয়নের সঠিক ও আদর্শ স্বাভাবিক মান।
মনে রাখার টিপস:
রক্তে সোডিয়ামের স্বাভাবিক মান মনে রাখতে ১৩ থেকে ১৪.৫ এর হিসাবটি মাথায় রাখতে পারেন, যার সাথে দশ গুণ করলে ১৩০ থেকে ১৪৫ হয়।
সঠিক উত্তর: A) মেলানিন
কেন সঠিক:
- মেলানিন হলো মানবদেহের ত্বক, চুল ও চোখের রঙ নির্ধারণকারী প্রাকৃতিক রঞ্জক পদার্থ বা পিগমেন্ট।
- ত্বকে মেলানিনের পরিমাণ বেশি হলে মানুষের গায়ের রঙ কালো বা শ্যামলা হয় এবং কম হলে ফর্সা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেলানিন — এটি ত্বকের রঙ নির্ধারণকারী প্রধান পিগমেন্ট হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
B) থায়ামিন — এটি ভিটামিন বি-ওয়ান এর রাসায়নিক নাম, যা বিপাক ক্রিয়ায় কাজ করে এবং গায়ের রঙের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
C) ক্যারোটিন — এটি মূলত গাজর ও উদ্ভিদে থাকা কমলা রঙের রঞ্জক, যা মানবদেহের ত্বকে সামান্য হলুদাভ ভাব আনতে পারে কিন্তু মূল রঙের জন্য দায়ী নয়।
D) হিমোগ্লোবিন — এটি রক্তের লাল রক্তকণিকায় থাকা প্রোটিন, যা মূলত রক্তকে লাল করে এবং ত্বককে কিছুটা গোলাপি বা লালচে আভা দেয়।
মনে রাখার টিপস:
মানুষের মেলানিন বেশি তো ত্বক কালো, মেলানিন কম তো ত্বক ফর্সা।
সঠিক উত্তর: B) এডিস
কেন সঠিক:
- এডিস মশার (বিশেষ করে এডিস ইজিপ্টি) কামড়েই ডেঙ্গু ভাইরাসের জীবাণু মানবদেহে সংক্রমিত হয়।
- এই মশা সাধারণত পরিষ্কার জমে থাকা পানিতে ডিম পাড়ে এবং দিনের বেলায় কামড়ায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সব ধরণের মশা — সব মশা ডেঙ্গু ছড়ায় না, একমাত্র এডিস মশাই এর বাহক।
B) এডিস — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই মশার মাধ্যমেই ডেঙ্গু ভাইরাস ছড়ায়।
C) অ্যানাফিলিস — এটি ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু বহন করে, ডেঙ্গু নয়।
D) কিউলেক্স — এটি ফাইলেরিয়া বা হাতিশুঁড় রোগ এবং এনসেফালাইটিস ছড়ায়।
মনে রাখার টিপস:
দিনের বেলা কামড়ানো পরিষ্কার পানির এডিস মশা হলো ডেঙ্গুর বাহক।
সঠিক উত্তর: B) কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি
কেন সঠিক:
- মানবদেহের কোষগুলো একটি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রিত চক্রের মাধ্যমে বিভাজিত হয় এবং নতুন কোষ তৈরি করে।
- যখন এই স্বাভাবিক কোষ বিভাজনের প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অদম্য ও দ্রুতগতিতে বাড়তে থাকে, তখন তাকে ক্যান্সার বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কোষের অস্বাভাবিক মৃত্যু — কোষের স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রিত মৃত্যুকে অ্যাপোপটোসিস বলে, যা ক্যান্সার সৃষ্টির কারণ নয়।
B) কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি — এটিই ক্যান্সারের মূল কারণ, কারণ এতে কোষগুলো শরীরের নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই টিউমার বা পিণ্ড তৈরি করে।
C) কোষের অস্বাভাবিক জমাট বাধা — এটি রক্ত জমাট বাঁধার ত্রুটি বা থ্রম্বোসিস সম্পর্কিত বিষয়, ক্যান্সারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়।
D) সবগুলো — যেহেতু প্রথম ও তৃতীয় অপশনটি ক্যান্সারের কারণ নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ক্যান্সার মানেই কোষের অতিরিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি।
সঠিক উত্তর: A) রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা
কেন সঠিক:
- ভ্যাক্সিনে মৃত বা দুর্বল জীবাণু অথবা তাদের অংশবিশেষ থাকে যা দেহে প্রবেশ করলে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়।
- এটি ভবিষ্যতে ওই নির্দিষ্ট রোগের আক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করার জন্য অ্যান্টিবডি তৈরি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা — এটি ভ্যাক্সিনের মূল কাজ কারণ এটি দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে।
B) রোগ নিরাময় করা — ভ্যাক্সিন রোগাক্রান্ত হওয়ার পর নিরাময় করে না, বরং রোগ প্রতিরোধের জন্য আগেই প্রয়োগ করা হয়।
C) রোগ বৃদ্ধি করা — ভ্যাক্সিন রোগ বৃদ্ধি করে না, বরং রোগ থেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা করে।
D) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেওয়া — ভ্যাক্সিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমায় না, বরং এটিকে শক্তিশালী ও প্রশিক্ষিত করে তোলে।
মনে রাখার টিপস:
ভ্যাক্সিন হলো শরীরের জন্য প্রতিরক্ষা ঢাল, যা রোগ আক্রমণ করার আগেই প্রস্তুতি নেয়।
সঠিক উত্তর: C) ১৮ - ৫৭ বছর
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং জাতীয় রক্তদান নির্দেশিকা অনুযায়ী নিরাপদ রক্তদানের জন্য সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর এবং সর্বোচ্চ বয়স ৫৭ বছর নির্ধারিত।
- এই বয়সের মধ্যে একজন সুস্থ মানুষের শারীরিক সক্ষমতা ও রক্তের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা রক্তদানের উপযোগী থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৫ - ৪৫ বছর — ১৫ বছর বয়স রক্তদানের জন্য অত্যন্ত কম এবং ৪৫ বছর বয়স সর্বোচ্চ সীমার চেয়ে কম।
B) ১০ - ৬০ বছর — ১০ বছর বয়স শিশুতোষ এবং রক্তদানের উপযোগী সর্বনিম্ন বয়সের অনেক নিচে।
D) ১৮ - ৭০ বছর — ১৮ বছর সঠিক হলেও ৭০ বছর বয়স সাধারণত নিরাপদ রক্তদানের সর্বোচ্চ সীমার চেয়ে বেশি।
মনে রাখার টিপস:
রক্তদানের বয়স মনে রাখতে আটে (১৮) শুরু আর সাতান্নতে (৫৭) শেষ এই নিয়ম মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) ১২ জোড়া
কেন সঠিক:
- মানুষের মস্তিষ্কের উৎপত্তিস্থল থেকে ১২ জোড়া করোটিক স্নায়ু বা ক্র্যানিয়াল নার্ভ উৎপন্ন হয়।
- এই স্নায়ুগুলো মানবদেহের মাথা, ঘাড় এবং মুখের বিভিন্ন সংবেদনশীল ও মোটর কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ জোড়া — এটি মানুষের করোটিক স্নায়ুর সঠিক সংখ্যা নয়, এটি ভুল তথ্য।
B) ১২ জোড়া — এটি মানুষের করোটিক স্নায়ুর সঠিক সংখ্যা এবং পরীক্ষামিতভাবে প্রমাণিত।
C) ১৫ জোড়া — এটি করোটিক স্নায়ুর অতিরিক্ত সংখ্যা যা মানবদেহের সাথে মিলে না।
D) ৮ জোড়া — এটি সারভাইকাল স্পাইনাল স্নায়ুর সংখ্যা, করোটিক স্নায়ুর সংখ্যা নয়।
মনে রাখার টিপস:
মস্তিষ্কের স্নায়ু মনে রাখতে মনে রাখুন মানুষের বারোটি মাস, তাই করোটিক স্নায়ুও হলো বারো জোড়া।
সঠিক উত্তর: C) প্লাজমা
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত উত্তরটি ভুল এবং অসংগত। কোষের প্রধান তিনটি অংশ হলো সেলমেমব্রেন বা কোষপর্দা, সাইটোপ্লাজম এবং নিউক্লিয়াস।
- প্লাজমা হলো রক্তরস যা কোষের অংশ নয়, বরং রক্তের তরল উপাদান। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে প্লাজমা কোষের অংশ নয় বলে গণ্য হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেলমেমব্রেন — এটি কোষের বাইরের আবরণ বা কোষপর্দা, যা জীবকোষের একটি অপরিহার্য অংশ।
B) সাইটোপ্লাজম — এটি কোষের ভেতরে জেলি সদৃশ তরল পদার্থ যা কোষের একটি প্রধান অংশ।
C) প্লাজমা — এটি রক্তের তরল অংশ, যা কোষের অংশ নয় বরং রক্তকণিকার মাধ্যম।
D) নিউক্লিয়াস — এটি কোষের প্রাণকেন্দ্র এবং কোষের অন্যতম প্রধান অংশ।
মনে রাখার টিপস:
কোষের মূল উপাদান তিনটি অর্থাৎ পর্দা, সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস; অন্যদিকে প্লাজমা হলো রক্তের উপাদান।
সঠিক উত্তর: C) কার্বন মনোক্সাইড
কেন সঠিক:
- কার্বন মনোক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কার্বক্সিহিমোগ্লোবিন নামক স্থায়ী যৌগ গঠন করে।
- এর ফলে রক্তে অক্সিজেন বহন করার ক্ষমতা মারাত্মকভাবে হ্রাস পায় এবং কোষে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রিক অক্সাইড — এটি শরীরের রক্তনালী প্রসারণে সহায়তা করে, সরাসরি অক্সিজেনের ক্ষমতা খর্ব করে না।
B) সালফার ডাইঅক্সাইড — এটি প্রধানত শ্বাসনালীতে জ্বালাপোড়া ও ফুসফুসের রোগ সৃষ্টি করে।
D) কার্বন ডাই অক্সাইড — এটি রক্তের মাধ্যমে ফুসফুসে বাহিত হয় এবং স্বাভাবিক গ্যাস বিনিময়ে অংশ নেয়।
মনে রাখার টিপস:
কার্বন মনোক্সাইডের প্রতি হিমোগ্লোবিনের আকর্ষণ অক্সিজেনের চেয়ে প্রায় ২০০ গুণ বেশি থাকে, তাই এটি দ্রুত অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা নষ্ট করে।
সঠিক উত্তর: B) cardiologist
কেন সঠিক:
- হৃদরোগ ও হৃদযন্ত্রের চিকিৎসাবিদ্যাকে কার্ডিওলজি বলা হয় এবং এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কার্ডিওলজিস্ট বলা হয়।
- প্রদত্ত উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের এই শাখার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) nephrologist — এটি ভুল উত্তর কারণ নেফ্রোলোজিস্ট হলেন কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ।
B) cardiologist — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই চিকিৎসক হৃদরোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ।
C) neurologist — এটি ভুল উত্তর কারণ নিউরোলজিস্ট হলেন স্নায়ু রোগ বিশেষজ্ঞ।
D) pathologist — এটি ভুল উত্তর কারণ প্যাথলজিস্ট হলেন রোগ নির্ণয়কারী পরীক্ষাগার বিশেষজ্ঞ।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি কার্ডিয়া শব্দটির অর্থ হৃদপিণ্ড, তাই হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ মনে রাখতে কার্ডিওলজিস্ট শব্দটি মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: C) ৯০
কেন সঠিক:
- সুস্থ মানুষের স্বাভাবিক হৃদস্পন্দন প্রতি মিনিটে ৬০ থেকে ১০০ বার। হৃদস্পন্দন প্রতি মিনিটে ৯০ বা তার বেশি হলে তাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে ট্যাকিকার্ডিয়া বলা হয়।
- বিশ্রামের সময় হৃদস্পন্দন স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত চললে তাকে ট্যাকিকার্ডিয়া হিসেবে গণ্য করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪০ — ৪০ হৃদস্পন্দন ব্র্যাডিকার্ডিয়া নির্দেশ করে, যা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম হৃদস্পন্দন।
B) ৬০ — ৬০ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের স্বাভাবিক হৃদস্পন্দন সীমার মধ্যে সর্বনিম্ন মান।
C) ৯০ — ৯০ বা তার বেশি হলে তাকে ট্যাকিকার্ডিয়া বলা হয়।
D) ৭২ — ৭২ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের হৃদস্পন্দনের আদর্শ বা গড় স্বাভাবিক মান।
মনে রাখার টিপস:
ট্যাকিকার্ডিয়া মানে দ্রুত স্পন্দন, যা মিনিটে ৯০ এর বেশি হলে শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: B) এসপিরিন
কেন সঠিক:
- এসপিরিন হলো একটি অ্যান্টিপ্লেটলেট ওষুধ, যা রক্তে অণুচক্রিকার জমাট বাঁধা রোধ করে রক্তকে পাতলা রাখতে সাহায্য করে।
- এটি সাধারণত হৃদরোগ বা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে চিকিৎসকরা প্রেসক্রাইব করে থাকেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডাইক্লোফেনাক — এটি একটি নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ড্রাগ বা ব্যথা ও প্রদাহ কমানোর ওষুধ, রক্ত পাতলা করার জন্য এটি ব্যবহৃত হয় না।
B) এসপিরিন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় রক্ত পাতলা রাখতে সাহায্য করে।
C) প্যারাসিটামল — এটি মূলত জ্বর ও সাধারণ ব্যথা কমানোর ওষুধ, এর রক্ত পাতলা করার কোনো কার্যকারিতা নেই।
D) প্যাথিডিন — এটি একটি শক্তিশালী নারকোটিক ব্যথানাশক ওষুধ, যা তীব্র ব্যথার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
রক্ত জমাট বাঁধা রোধ করতে এসপিরিন কাজ করে, তাই মনে রাখুন এসপিরিন মানেই রক্ত পাতলা রাখার ওষুধ।
সঠিক উত্তর: C) ২৩ জোড়া
কেন সঠিক:
- সুস্থ মানুষের কোষে মোট ৪৬টি বা ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে।
- এর মধ্যে ২২ জোড়া অটোসোম এবং ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০ জোড়া — এটি মানুষের স্বাভাবিক ক্রোমোজোম সংখ্যা নয়, এটি ভুল তথ্য।
B) ২২ জোড়া — এটি শুধুমাত্র অটোসোমের সংখ্যা, এর সঙ্গে সেক্স ক্রোমোজোম যুক্ত হয়ে মোট ২৩ জোড়া হয়।
C) ২৩ জোড়া — এটি মানুষের কোষের সঠিক ক্রোমোজোম সংখ্যার জোড়া নির্দেশ করে।
D) ২৪ জোড়া — এটি মানুষের সঠিক ক্রোমোজোম সংখ্যা নয়, এটি ভুল তথ্য।
মনে রাখার টিপস:
মানুষের মোট ক্রোমোজোম সংখ্যা ছিয়ানব্বইয়ের অর্ধেক অর্থাৎ ছেচল্লিশটি বা তেইশ জোড়া।
সঠিক উত্তর: B) ২
কেন সঠিক:
- মানবদেহ নিজের প্রয়োজনীয় সব ফ্যাটি অ্যাসিড তৈরি করতে পারে না, তাই খাদ্য থেকে কিছু নির্দিষ্ট ফ্যাটি অ্যাসিড গ্রহণ করতে হয়।
- লিনোলিক অ্যাসিড এবং আলফা-লিনোলেনিক অ্যাসিড এই দুটি অপরিহার্য ফ্যাটি অ্যাসিড মানবদেহে সংশ্লেষিত হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২ — এই সংখ্যাটি মানবদেহে অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি অ্যাসিডের সঠিক পরিমাণ নির্দেশ করে না, এটি ভুল তথ্য।
B) ২ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ মানবদেহের জন্য দুটি অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি অ্যাসিড বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত।
C) ৮ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয়, এটি অন্য কোনো পুষ্টি উপাদান বা অ্যামিনো এসিডের সংখ্যার সাথে বিভ্রান্তিকর হতে পারে।
D) ১০ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয়, এটি মানবদেহের অপরিহার্য অ্যামিনো এসিডের সংখ্যার সাথে মিলে যেতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
হাতে দুটি হাত থাকে, আর মানবদেহে অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি অ্যাসিডও ঠিক দুটি।
সঠিক উত্তর: B) ৪০০০ এর নিচে
কেন সঠিক:
- প্রশ্নে শ্বেত রক্ত কণিকার কথা বলা হলেও মূলত রক্তে অণুচক্রিকা বা প্লাটিলেটের স্বাভাবিক মাত্রা কমে যাওয়াকে থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া বলে।
- তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার এই নির্দিষ্ট প্রশ্নে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ডব্লিউবিসি বা লিউকোসাইটের পরিমাণ ৪০০০ এর নিচে নেমে যাওয়াকে নির্দেশ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮০০০ এর নিচে — এটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের রক্তে শ্বেত রক্ত কণিকার স্বাভাবিক সর্বনিম্ন সীমার কাছাকাছি, তাই এটি থ্রম্বোসাইটোপেনিয়ার মাপকাঠি নয়।
B) ৪০০০ এর নিচে — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত কারণ পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তরপত্র অনুযায়ী এটিই সঠিক।
C) ১০০০০ এর নিচে — এটি শ্বেত রক্ত কণিকার স্বাভাবিক সীমার মধ্যে রয়েছে, তাই এটি রোগাক্রান্ত অবস্থা নির্দেশ করে না।
D) ৫০০০ এর নিচে — এটি লিউকোপেনিয়া বা শ্বেত রক্ত কণিকা কমে যাওয়ার একটি ভিন্ন মান হতে পারে, যা এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
শ্বেত রক্ত কণিকার পরিমাণ চার হাজারের নিচে নেমে গেলেই তাকে নির্দিষ্ট পরিমাপের বাইরে ধরা হয়।
সঠিক উত্তর: C) মুখগহ্বরে
কেন সঠিক:
- পরিপাকতন্ত্রে খাদ্য হজম প্রক্রিয়া মূলত মুখগহ্বর থেকেই শুরু হয়।
- লালারস বা সেলাইভার মধ্যে থাকা টায়ালিন এনজাইম শর্করা জাতীয় খাবার পরিপাক করতে শুরু করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাকস্থলীতে — এটি মুখগহ্বরের পরের ধাপ, যেখানে আমিষ জাতীয় খাদ্যের পরিপাক শুরু হয়।
B) ক্ষুদ্রান্ত্রে — এটি খাদ্যের প্রধান পরিপাক ও শোষণ কেন্দ্র, কিন্তু হজম প্রক্রিয়া এখানে শুরু হয় না।
D) বৃহদান্ত্রে — এখানে মূলত পানি শোষিত হয় এবং অপাচ্য মল গঠিত হয়, কোনো হজম প্রক্রিয়া শুরু হয় না।
মনে রাখার টিপস:
খাবার মুখে দিয়েই চিবানো ও লালা মেশানোর মাধ্যমে হজমের কাজ প্রথম শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: C) রূপসী বাংলা
১. কেন সঠিক:
- রূপসী বাংলা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত ও অনন্য কাব্যগ্রন্থ।
- ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৫ সালের মধ্যে রচিত এই কাব্যগ্রন্থে বাংলার প্রকৃতি, রূপ, রস ও গন্ধ পরম মমতায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জীবনানন্দ দাশ বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতাবাদী কবি হলেও তার কবিতায় বাংলার গ্রামীণ প্রকৃতি ও রূপ সবচেয়ে গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
- তার এই কাব্যগ্রন্থে মোট ৬১টি সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা রয়েছে, যা কবির মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঝরাপালক
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: বেলা অবেলা কালবেলা
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর পর প্রকাশিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চিত্রাবাক — এটি জীবনানন্দ দাশের কোনো সাহিত্যকর্ম নয়, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন।
B) এক পয়সার বাঁশি — এটি কবি দিনেশ দাসের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও পরিচিত কাব্যগ্রন্থ।
D) কঙ্কাবতী — এটি ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত কিশোর উপন্যাস ও লোককাহিনিভিত্তিক রচনা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রূপসী বাংলা মানেই বাংলার রূপ, আর বাংলার রূপমুগ্ধ কবি হলেন জীবনানন্দ দাশ।
- মৃত্যুর পর প্রকাশিত হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তার প্রকৃতির প্রতি প্রেমের সেরা নিদর্শন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জীবনানন্দ দাশকে প্রকৃতির কবি ও নির্জনতার কবি বলা হয়।
- বনলতা সেন ও মহাপৃথিবী তার অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
- বলাকা কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের বরিত কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা।
- এই কাব্যের মূল ভাব হলো গতির জয়গান এবং পরিবর্তনশীল পৃথিবীর রূপায়ণ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা এবং নোবেল বিজয়ী কবি।
- বলাকা কাব্যগ্রন্থটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর বিখ্যাত কবিতা হলো বলাকা ও শাহজাদপুর।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানসী
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: সোনালী কাবین
ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক কবি আল মাহমুদের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বলাকা কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা।
B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও বলাকা তার লেখা নয়।
C) জীবনানন্দ দাশ — তিনি রূপসী বাংলার কবি এবং তার বিখ্যাত কাব্য ঝরাপল্লব।
D) মীর মশাররফ হোসেন — তিনি বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথের গতিশীল কাব্যের নাম বলাকা মনে রাখতে বলাকা মানে উড়ে চলা পাখি বা গতি বোঝায়।
- কবি গতির কবি হিসেবে রবীন্দ্রনাথকে চেনা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- প্রকাশকাল মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) সূর্য
১. কেন সঠিক:
- ‘ভানু’ একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ সূর্য। বাংলা ভাষায় এটি প্রায়ই দিনমণি বা দিবাকর অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- প্রাচীন ও আধুনিক বাংলা কাব্যে সূর্যের সমার্থক শব্দ হিসেবে ভানু শব্দটি বহুল ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ সংক্রান্ত একটি সাধারণ শব্দার্থের প্রশ্ন। বাংলা ব্যাকরণে তৎসম শব্দের উৎস এবং অর্থ জানা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- বাংলা সাহিত্যে এই শব্দের একটি বিখ্যাত প্রয়োগ হলো ভানুসিংহ ঠাকুর, যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পবনিক ছদ্মনাম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভানুমতীর খেল
ব্যাখ্যা: এটি একটি পরিচিত বাগধারা, যার অর্থ অসম্ভব বা অবাস্তব কাণ্ড কিংবা ভেলকিবাজি।
উদাহরণ ২: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি পদসংকলন, যেখানে ভানু শব্দের সঙ্গে কবি নিজের নাম যুক্ত করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধোঁকা — ধোঁকা শব্দের অর্থ প্রতারণা বা প্রবঞ্চনা, যা ভানু শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) নক্ষত্র — নক্ষত্র হলো রাতের আকাশে মিটমিট করা জ্যোতিষ্ক, যা সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়।
C) সূর্য — এটি সঠিক উত্তর এবং ভানু শব্দের সমার্থক হিসেবে সরাসরি গ্রহণযোগ্য।
D) চন্দ্র — চন্দ্র হলো রাতের শীতল চাঁদ, যা সূর্যের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি জ্যোতিষ্ক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম ছিল ভানুসিংহ এবং ভানু মানে সূর্য, যিনি আলোর উৎস। এই মিল মনে রাখলে সূর্য অর্থটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সূর্য শব্দের অন্যান্য সমার্থক যেমন দিবাকর, রবি, তপন, ভাস্কর ও অর্ক ভালোভাবে আয়ত্ত রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: C) পাঁচ
১. কেন সঠিক:
উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়।
এই পাঁচটি ভাগ হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোর ঐতিহাসিক উৎস বা বিকাশের গতিপথ বিবেচনা করে এদের এই শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়।
তৎসম শব্দ সরাসরি সংস্কৃত থেকে আসে এবং তদ্ভব শব্দ প্রাকৃতের মাধ্যমে বিবর্তিত হয়ে বাংলা রূপ লাভ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দ্র
ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যা সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
উদাহরণ ২: হাত
ব্যাখ্যা: এটি একটি তদ্ভব শব্দ যা সংস্কৃত হস্ত থেকে প্রাকৃত হয়ে আজকের রূপ নিয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তিন — উৎস অনুসারে শব্দের শ্রেণিবিভাগ তিনটি নয়, কারণ দেশি ও বিদেশি শব্দ বাদ পড়লে এই সংখ্যা সঠিক হয় না।
B) দুই — উৎস অনুসারে শব্দের শ্রেণিবিভাগ দুটি বললে তা ব্যাকরণের সার্বিক নিয়ম ও প্রমিত সংজ্ঞা অনুযায়ী অসম্পূর্ণ ও ভুল হয়।
C) পাঁচ — এই অপশনটি সঠিক কারণ উৎস বা উৎপত্তির বিচারে বাংলা শব্দভান্ডারকে পাঁচটি নির্দিষ্ট ভাগে ভাগ করা হয়।
D) চার — উৎস অনুসারে শব্দের শ্রেণিবিভাগ চারটি নয়, কারণ তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি মিল মোট পাঁচটি ভাগ রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
উৎস অনুসারে শব্দের প্রকার মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ত-অ-ত-দে-বি সূত্রটি মনে রাখা।
এখানে ত তে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব এবং দে তে দেশি ও বি তে বিদেশি শব্দ বোঝায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দতত্ত্ব থেকে প্রশ্ন আসে।
তদ্ভব শব্দ কোনটি এবং তৎসম শব্দের রূপান্তর কীভাবে ঘটে, তা ভালোভাবে চর্চা করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) নকশী কাঁথার মাঠ
১. কেন সঠিক:
- 'নকশী কাঁথার মাঠ' হলো পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের লেখা একটি অমর প্রেমের পত্যাত্মক বা গাথা কবিতা।
- এই কাহিনীর কেন্দ্রীয় পুরুষ চরিত্র হলো রূপাই, যে একজন গ্রাম্য যুবক ও দক্ষ লাঠিয়াল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পল্লীকবি জসীম উদ্দীন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের গ্রামীণ জীবন ও লোকসংস্কৃতির সবচেয়ে বড় রূপকার।
- ১৯২৯ সালে প্রকাশিত 'নকশী কাঁথার মাঠ' কাব্যগ্রন্থটি তাঁর শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাজু
ব্যাখ্যা: সাজু হলো 'নকশী কাঁথার মাঠ' কাব্যের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র এবং রূপাইয়ের পরম প্রীতির স্ত্রী।
উদাহরণ ২: হাসু
ব্যাখ্যা: হাসু হলো একই কাব্যের আরেকটি গ্রামীণ চরিত্র, যা কাহিনীর পটভূমিকে আরও জীবন্ত করে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোজন বাদিয়ার ঘাট — এই কাব্যগ্রন্থের প্রধান পুরুষ চরিত্র সোজন, রূপাই নয়।
B) নকশী কাঁথার মাঠ — এটি সঠিক উত্তর।
C) রাখালী — এটি জসীম উদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যার বিষয়বস্তু ও চরিত্র ভিন্ন।
D) বালুচর — এটিও জসীম উদ্দীনের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যেখানে এই চরিত্রটি নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জসীম উদ্দীনের শ্রেষ্ঠ কাব্য 'নকশী কাঁথার মাঠ'-এর প্রধান দুটি চরিত্র হলো রূপাই ও সাজু।
- পল্লীকবির প্রেমের কাব্য মনে রাখতে রূপাই ও সাজুর নাম মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জসীম উদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'রাখালী' এবং শ্রেষ্ঠ কাব্য 'নকশী কাঁথার মাঠ'।
- এই ধরনের চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) ৬ প্রকার
১. কেন সঠিক:
বাক্যের অন্তর্গত ক্রিয়াপদের সঙ্গে নামপদের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে। বাংলা ব্যাকরণে এই সম্পর্ক বা কারক প্রধানত ছয় ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্যে ক্রিয়ার সঙ্গে অন্যান্য পদের সম্পর্কের ভিত্তিতে কারক নির্ধারিত হয়। এই ছয়টি প্রকারভেদ হলো কর্তৃকারক, কর্মকারক, করণকারক, সম্প্রদান কারক, অপাদান কারক ও অধিকরণ কারক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছে ফুল ফুটেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে কোথায় ফুটেছে প্রশ্নের উত্তরে অধিকরণ কারক বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: বাবাকে ভয় পাও কেন।
ব্যাখ্যা: এখানে ভয় পাওয়ার উৎস বা ভীতি বোঝাতে অপাদান কারক ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ প্রকার — বাংলায় কারক ৫ প্রকার নয়, কারণ সংস্কৃতে কারক ৬ প্রকার হলেও বাংলায় সম্প্রদান কারক নিয়ে কিছুটা মতভেদ আছে, তবুও প্রমিত ব্যাকরণে কারক ৬ প্রকারই ধরা হয়।
B) ৬ প্রকার — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী কারক সর্বমোট ছয় প্রকার।
C) ৩ প্রকার — কারকের সংখ্যা ৩ প্রকার নয়, এটি একটি ভুল তথ্য।
D) ৭ প্রকার — ৭ হলো বিভক্তির সংখ্যা, কারকের সংখ্যা নয়। বিভক্তি সাত প্রকার হলেও কারক ছয় প্রকার।
৫ মনে রাখার টিপস:
কারক ও বিভক্তি মনে রাখার একটি সহজ ছন্দ হলো বাক্যে ক্রিয়ার সঙ্গে কারক ছয় প্রকার আর শব্দের সঙ্গে বিভক্তি সাত প্রকার। এভাবে কারক ও বিভক্তির সংখ্যা গুলিয়ে ফেলবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক কয় প্রকার এবং বিভক্তি কয় প্রকার—এই দুটি প্রশ্ন প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের কনফিউজ করে। মনে রাখবে কারক ৬ প্রকার আর বিভক্তি ৭ প্রকার।
সঠিক উত্তর: D) কর্মধারয়
১. কেন সঠিক:
যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং পূর্বপদ ও পরপদের মধ্যে বিশেষ্য ও বিশেষণ কিংবা দুটিই বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ মিলে অভেদ বা একত্ব বোঝায়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
জজ সাহেব সমস্তপদটিতে জজ এবং সাহেব দুটি বিশেষ্য পদ একই ব্যক্তিকে বোঝাচ্ছে, যেখানে সাহেব হলো প্রধান পদ এবং জজ তার উপাধি বা বিশেষত্ব নির্দেশ করছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
কর্মধারয় সমাসের সাধারণ নিয়ম হলো এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন পদ গঠিত হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান থাকে।
জজ সাহেব শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো জজ যে সাহেব, যা মধ্যপদলপী কর্মধারয় বা সাধারণ কর্মধারয় সমাসের নিয়মের অধীনে বিশেষ বিশেষ্যবাচক কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জজ সাহেব
ব্যাখ্যা: জজ যে সাহেব। এখানে জজ ও সাহেব একই ব্যক্তি হওয়ায় এটি কর্মধারয় সমাস হয়েছে।
উদাহরণ ২: পলান বাবু
ব্যাখ্যা: পলান যে বাবু। এখানেও দুটি পদ মিলে একই ব্যক্তিকে বোঝাচ্ছে বলে এটি কর্মধারয় সমাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় এবং পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক হয়, যা এখানে নেই।
B) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, কিন্তু এখানে পরপদের অর্থ প্রধান।
C) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পূর্ব বা পরপদ কোনোটিরই অর্থ বোঝায় না, সম্পূর্ণ নতুন কোনো তৃতীয় পদকে বোঝায়।
D) কর্মধারয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের অভেদ সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
যিনি জজ তিনিই সাহেব অর্থাৎ যিনি এবং সেটাই বোঝাতে যে সমাস হয় এবং ব্যাসবাক্যে যে বা যিনি থাকে, তা সাধারণত কর্মধারয় সমাস হয়।
বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে গঠিত পদের ক্ষেত্রে কর্মধারয় সমাস চেনা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝাতে দুটি বিশেষ্য পদের মিলনে কর্মধারয় সমাস হয়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বিশেষ্যবাচক কর্মধারয় সমাস প্রায়ই আসে, তাই ব্যাসবাক্য করার সময় যিনি বা যে ব্যবহার করা যায় কি না তা দেখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) প্রাতিপদিক
১. কেন সঠিক:
- বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলা হয়। সহজ কথায়, শব্দের যে মূল রূপের সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত থাকে না, তাকে প্রাতিপদিক বলে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- প্রাতিপদিক হলো শব্দের মূল রূপ যার সাথে কোনো কারক বা বিভক্তি যুক্ত হয়নি। একে শব্দের মূল বা কৃদন্তহীন নামশব্দ বলা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলম
ব্যাখ্যা: এটি একটি নাম শব্দ এবং এর সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই, তাই এটি প্রাতিপদিক।
উদাহরণ ২: হাত
ব্যাখ্যা: এই শব্দটির সাথে কোনো বিভক্তি নেই, তাই এটি প্রাতিপদিক হিসেবে গণ্য হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাতিপদিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিভক্তিহীন নাম শব্দকে নির্দেশ করে।
B) সাধিত শব্দ — উপসর্গ বা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কিংবা সমাসবদ্ধ হয়ে যে শব্দ গঠিত হয় তাকে সাধিত শব্দ বলে।
C) প্রকৃতি — শব্দ বা ধাতুর মূল অংশকে প্রকৃতি বলে, যা প্রাতিপদিকের চেয়েও ব্যাপক অর্থে ব্যবহৃত হয়।
D) প্রত্যয় — শব্দের বা ধাতুর পরে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রাতিপদিক মানে প্রতীক বা মূল রূপ, যার সাথে কোনো বিভক্তি থাকে না। নাম শব্দের মূল রূপই হলো প্রাতিপদিক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাতিপদিক ও প্রকৃতির পার্থক্য প্রায়ই আসে। বিভক্তিযুক্ত হওয়ার আগের নাম শব্দই হলো প্রাতিপদিক।
সঠিক উত্তর: D) কবর
১. কেন সঠিক:
- কবর নাটকটি ভাষাভিত্তিক প্রেক্ষাপটে রচিত প্রথম মৌলিক নাটক।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে এই নাটকটি রচিত ও প্রথম মঞ্চস্থ হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- নাটকটির রচিয়তা হলেন শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী।
- তিনি কারাগারে বন্দि থাকা অবস্থায় ১৯৫৩ সালে এই নাটকটি রচনা করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন
ব্যাখ্যা: জহির রায়হান রচিত ভাষাভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: বরেণ্য পুরুষ
ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নূরলদীনের সারাজীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক নাটক, ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নয়।
B) ক্রীতদাসের হাসি — এটি শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত প্রতীকী উপন্যাস, যা আইয়ুব খানের স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রচিত।
C) ওর কদম আলী — এটি মামুনুর রশীদ রচিত একটি প্রতিবাদী সামাজিক নাটক।
D) কবর — এটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক হওয়ায় সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম নাটক মুনীর চৌধুরীর কবর।
- কারাগারে বসে লেখা হয়েছিল এই বিখ্যাত নাটকটি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত প্রথম নাটক মুনীর চৌধুরীর কবর।
- নাটকটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং জেলে বসে রচিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) চন্দ্রকুমার দে
১. কেন সঠিক:
'ময়মনসিংহ গীতিকা' বাংলা লোকসাহিত্য ও সংস্কৃতির এক অমূল্য রিকর্ড। এই বিখ্যাত পালাগানগুলো সরাসরি সংগ্রহ করেছিলেন চন্দ্রকুমার দে, যিনি দীনেশচন্দ্র সেনের সহকর্মী ও গবেষক ছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'ময়মনসিংহ গীতিকা' গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এটি বাংলার লোকসাহিত্য এবং ময়মনসিংহের চারণকবিদের রচিত গীতিনাট্য ও পালার একটি প্রামাণ্য সংকলন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহুয়া পালা
ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম বিখ্যাত একটি প্রেমমূলক পালা, যা লোকসাহিত্যের চমৎকার নিদর্শন।
উদাহরণ ২: মলুয়া পালা
ব্যাখ্যা: ময়মনসিংহ গীতিকার আরও একটি জনপ্রিয় দুঃখগাথা ও নারীর বিদ্রোহের গল্পভিত্তিক পালা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আশুতোষ ভট্টাচার্য — তিনি একজন প্রখ্যাত লোকসাহিত্য গবেষক হলেও ময়মনসিংহ গীতিকার সংগ্রাহক নন, তিনি বাংলার লোকসাহিত্য নিয়ে গবেষণা করেছেন।
B) দীনেশচন্দ্র সেন — তিনি ময়মনসিংহ গীতিকা সংগ্রহ করেননি, বরং চন্দ্রকুমার দে ও অন্যান্যদের সংগৃহীত পালাগুলো সম্পাদনা করে প্রকাশ করেছিলেন।
D) দক্ষিণারঞ্জন মিত্র — তিনি রূপকথার সংগ্রাহক হিসেবে বিখ্যাত এবং তার প্রধান সংকলন 'ঠাকুরমার ঝুলি'।
৫ মনে রাখার টিপস:
ময়মনসিংহ গীতিকার সংগ্রহ করেছেন চন্দ্রকুমার, আর প্রকাশ বা সম্পাদনা করেছেন দীনেশচন্দ্র। সংগ্রাহক হিসেবে চন্দ্রকুমার দে নামটি এভাবে মনে রাখা যায় যে, তিনি মাঠপর্যায়ে ঘুরে গানগুলো সংগ্রহ করেছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সংগ্রাহক এবং সম্পাদকের নাম নিয়ে কনফিউশন তৈরি করা হয়। সংগ্রাহক বললে চন্দ্রকুমার দে এবং সম্পাদক বললে ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন দাগাতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) আবগারি শুল্ক
১. কেন সঠিক:
- 'Excise duty' একটি পারিভাষিক শব্দ যার অর্থ নির্দিষ্ট দেশীয় পণ্যের উৎপাদন ও বিক্রির ওপর ধার্য কর।
- বাংলা ভাষায় প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এই ইংরেজি পরিভাষার নির্দিষ্ট বাংলা রূপ হিসেবে আবগারি শুল্ক ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পারিভাষিক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্র যেমন প্রশাসন, আইন বা বাণিজ্যে নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- বিদেশি প্রশাসনিক বা দাপ্তরিক শব্দের সহজ ও সঠিক বাংলা রূপ তৈরি করার জন্যই পারিভাষিক শব্দের ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Income Tax
ব্যাখ্যা: এর সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো আয়কর।
উদাহরণ ২: Custom Duty
ব্যাখ্যা: এর সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো শুল্ক বা কাস্টম শুল্ক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অতিক্রম কর — এটি সরাসরি ইংরেজি Excise duty শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না এবং এটি কোনো স্বীকৃত পারিভাষিক শব্দ নয়।
B) অর্পিত দায়িত্ব — এই পরিভাষাটি Assigned duty বা Delegated responsibility এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
C) অতিরিক্ত কাজ — এই শব্দগুচ্ছটি Extra work বা Additional work এর সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) আবগারি শুল্ক — এটি Excise duty এর সঠিক এবং বাংলা একাডেমি স্বীকৃত পরিভাষা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- Excise শব্দটি দেখলে শুল্ক বা কর সম্পর্কিত বিষয় মাথায় রাখতে হবে।
- উৎপাদন শুল্ক বা আবগারি বোঝাতে সব সময় আবগারি শুল্ক পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- বাংলা একাডেমি প্রণীত পারিভাষিক শব্দাবলি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) আব্দুল গাফফার চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী' গানটির রচয়িতা সাংবাদিক ও কলামিস্ট আব্দুল গাফফার চৌধুরী।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই গানটি বাঙালি জাতির আত্মত্যাগ ও প্রতিবাদের অন্যতম প্রধান প্রতীক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক গান ও ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ঢাকা কলেজের ছাত্রদের উদ্যোগে ও অন্যান্যদের অংশগ্রহণে প্রভাতফেরি বের করার সময় এই গানটি প্রথম গাওয়া হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'ও আমার দেশের মাটি তোমার পরে ঠেকাই মাথা'
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান যা মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসার প্রকাশ ঘটায়।
উদাহরণ ২: 'ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা'
ব্যাখ্যা: এটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের লেখা একটি জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান যা বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই গানটির রচয়িতা নন।
B) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান — তিনি বিশিষ্ট গীতিকার হলেও এই ঐতিহাসিক গানটি তিনি রচনা করেননি।
C) আব্দুল গাফফার চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে।
D) আবদুল লতিফ — তিনি এই গানটির প্রথম সুরকার হলেও এর রচয়িতা নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গাফফার চৌধুরীর চৌধুরী নামের সাথে একুশের গান রচনার বিষয়টি এভাবে মনে রাখতে পারো যে, চেতনার ধারক হিসেবে তিনি গানটি লিখেছেন।
- ভাষা আন্দোলনের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই গানটির গীতিকার আব্দুল গাফফার চৌধুরী এবং প্রথম সুরকার আবদুল লতিফ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই গানের গীতিকার ও সুরকার নিয়ে প্যাচ লাগানো হয়, তাই রচয়িতা আব্দুল গাফফার চৌধুরী এবং সুরকার আবদুল লতিফ বিষয়টি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
- এই গানটির বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ, যা ১৯৫৪ সালে নতুন করে সুরারোপ করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- বীরবল হলো প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম।
- বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে লেখকরা তাদের আসল নাম লুকিয়ে অন্য নাম ব্যবহার করেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষারীতি প্রবর্তনের অন্যতম প্রধান পুরোধা ব্যক্তি।
- তিনি সবুজ পত্র পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং তার সাহিত্যিক রূপ বীরবল নামে পরিচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বনফুল
ব্যাখ্যা: এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম।
উদাহরণ ২: টেকচাঁদ ঠাকুর
ব্যাখ্যা: এটি ঔপন্যাসিক প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — এটি সঠিক নয় কারণ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম সনাতন পাঠক।
B) অন্নদাশংকর রায় — এটি সঠিক নয় কারণ অন্নদাশংকর রায়ের ছদ্মনাম লীলামময় রায়।
C) শামসুর রহমান — এটি সঠিক নয় কারণ শামসুর রহমানের ছদ্মনাম মظহর উদ্দিন বা মোহিত সেন নয়, তিনি নিজ নামেই লিখেছেন।
D) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক কারণ বীরবল তার নির্ধারিত ছদ্মনাম।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রমথ চৌধুরীর বীরের মতো তেজদীপ্ত লেখা ছিল তাই তার ছদ্মনাম বীরবল মনে রাখা সহজ।
- সবুজ পত্র পত্রিকার সাথে বীরবল নামটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম এবং তার সম্পাদিত পত্রিকা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: C) গুজরাটি
১. কেন সঠিক:
- হরতাল শব্দটি গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে এবং এটি বাংলা ভাষার একটি পরিচিত বিদেশি শব্দ।
- গুজরাটি সংস্কৃতি ও ভাষা থেকে বাংলায় আগত শব্দগুলোর মধ্যে হরতাল অন্যতম যা মূলত রাজনৈতিক বা সামাজিক কর্মবিরতি অর্থে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয় যার মধ্যে বিদেশি শব্দ একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- বিদেশি শব্দ বলতে সেই শব্দগুলোকে বোঝায় যা বিভিন্ন দেশের ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে এবং প্রমিত রূপ লাভ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খদ্দর
ব্যাখ্যা: খদ্দর শব্দটি একটি গুজরাটি শব্দ যা হস্তশিল্পে উৎপাদিত এক ধরনের মোটা কাপড় বোঝাতে বাংলায় ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: তিলক
ব্যাখ্যা: তিলক শব্দটি গুজরাটি ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ যা ধর্মীয় আচার বা কপালে ধারণ করার চিহ্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা — বাংলা হলো আমাদের মাতৃভাষা এবং উৎসগতভাবে হরতাল কোনো দেশীয় বা আদি বাংলা শব্দ নয়।
B) আসামী — আসামী ভাষা থেকে বাংলায় বেশ কিছু শব্দ এলেও হরতাল শব্দটি আসামী ভাষার শব্দ নয়।
D) জাপানি — জাপানি ভাষা থেকে বাংলায় রিকশা ও সুনামি শব্দ এসেছে তবে হরতাল জাপানি শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গুজরাটি শব্দের উৎস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো মনে রাখা যে গান্ধীজির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত শব্দ যেমন হরতাল ও খদ্দর মূলত গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই আরবি ফার্সি ও পর্তুগিজ শব্দের পাশাপাশি গুজরাটি শব্দগুলো আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) সামাজিক প্রহসন
১. কেন সঠিক:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'একেই কি বলে সভ্যতা' একটি সামাজিক প্রহসন কারণ এতে তৎকালীন সমাজের বাবু সমাজের যুবকদের মদ্যপান ও নৈতিক অবক্ষয় অত্যন্ত ব্যঙ্গাত্মকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। প্রহসন হলো নাটকের এমন একটি রূপ যেখানে সমাজের ত্রুটি ও কুসংস্কার হাস্যরসের মাধ্যমে তীব্রভাবে সমালোচনা করা হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মহাকবি ও নাট্যকার মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা নাট্যসাহিত্যের আধুনিক ধারার প্রবক্তা এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। তিনি উনিশ শতকের বাংলা নাটকে ট্রাজেডি ও প্রহসনের ধারা সফলভাবে প্রবর্তন করে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত আরেকটি বিখ্যাত সামাজিক প্রহসন যা গ্রামীণ সমাজের মোড়লদের নৈতিক চরিত্রের ভণ্ডামি উন্মোচন করে।
উদাহরণ ২: সদবার একাদশী
ব্যাখ্যা: এটি দীনবন্ধু মিত্র রচিত একটি জনপ্রিয় সামাজিক প্রহসন যা সমসাময়িক সমাজের যুবসমাজের নৈতিক পতন ও মদ্যপানের কুফল তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কমেডি — কমেডি হলো এমন একটি নাটক যার মূল উদ্দেশ্য নিছক বিনোদন ও হাস্যরস সৃষ্টি করা, কিন্তু এই নাটকের উদ্দেশ্য নিছক বিনোদন নয় বরং সমাজ সংস্কার।
B) সামাজিক প্রহসন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নাটকের বিষয়বস্তুর সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
C) ট্রাজেডি — ট্রাজেডি নাটকের পরিণতি অত্যন্ত দুঃখজনক ও মর্মান্তিক হয়, কিন্তু এটি কোনো ট্রাজেডি নাটক নয়।
D) মেলোড্রামা — মেলোড্রামায় অতিরিক্ত আবেগ ও অতি নাটকীয়তা থাকে, যা এই প্রহসনের বাস্তবধর্মী ব্যঙ্গের সঙ্গে মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের দুটি বিখ্যাত প্রহসন মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বুড়ো সালিক ও একা সভ্যতা, যেখানে বুড়ো সালিক মানে বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ এবং একা সভ্যতা মানে একেই কি বলে সভ্যতা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটক ও প্রহসনের নাম আলাদা করতে বলা হয়। তার প্রহসন দুটি হলো একেই কি বলে সভ্যতা এবং বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ।
সঠিক উত্তর: B) ওষধি
১. কেন সঠিক:
যে উদ্ভিদ একবার ফল দিয়ে বা ফুল দিয়ে মারা যায়, তাকে এককথায় ওষধি বলা হয়।
বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রমিত নিয়ম।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো একটি বড় ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম।
ব্যাকরণ অনুযায়ী যে সকল গাছ বা লতা একবার ফল বা ফুল দিয়ে মারা যায়, সেগুলোর সাধারণ ও প্রমিত পরিচয় হলো ওষধি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যে গাছের ফল পাকলে গাছ মারা যায় তা হলো ওষধি।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যটি এককথায় প্রকাশের সংজ্ঞাকে সরাসরি পূর্ণ করে।
উদাহরণ ২: ধান ও গম একবর্ষজীবী ওষধি উদ্ভিদের অন্তর্ভুক্ত।
ব্যাখ্যা: এই উদ্ভিদগুলো একবার ফল দেওয়ার পর মারা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওষধি — এটি সঠিক উত্তরের বানান রূপ হলেও অপশন বিন্যাসের কারণে পুনরায় এসেছে।
C) বনস্পতি — যে গাছের ফল ধরে না কিন্তু ফুল ফোটে, তাকে বনস্পতি বলা হয়।
D) নিসর্গ — নিসর্গ শব্দের অর্থ প্রকৃতি বা পরিবেশ, যা উদ্ভিদের জীবনচক্রকে বোঝায় না।
B) ওষধি — এই অপশনটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
ওষধি শব্দটির সাথে ওষুধ বা চিকিৎসাপত্রের সম্পর্ক না ভেবে ফল পাকলে মরে যাওয়া উদ্ভিদ হিসেবে মনে রাখবে।
একবার ফল দিয়ে জীবন শেষ করে যে উদ্ভিদ, সেটিই ওষধি।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উদ্ভিদ সংক্রান্ত বাক্য সংকোচন প্রায়ই আসে।
ওষধি এবং বনস্পতির পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) মারা যাওয়া
১. কেন সঠিক:
- পটল তোলা একটি অত্যন্ত পরিচিত বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ পটল সবজি তোলা হলেও এর ভাবার্থ মৃত্যু হওয়া বা মারা যাওয়া।
- বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ বা শব্দগুচ্ছ তাদের আসল অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো গূঢ় বা লক্ষণার্থ প্রকাশ করে, যা বাগধারা নামে পরিচিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দসমষ্টি যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে এবং ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
- এই ধরনের শব্দগুচ্ছ বা পদগুচ্ছ মুখস্থ রাখতে হয় এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের রূপ ও ভাবার্থ বুঝে সঠিক উত্তর নির্বাচন করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অকালকুষ্মাণ্ড
ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ অপদার্থ বা অকেজো ব্যক্তি, যা মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: ডুমুরের ফুল
ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ দুর্লভ বস্তু, অর্থাৎ যা সহজে দেখতে পাওয়া যায় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পটল গাছ থেকে পটল তোলা — এটি বাগধারার আক্ষরিক বা প্রাথমিক অর্থ, কিন্তু প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবসময় ভাবার্থ বা অন্তর্নিহিত অর্থটি বেছে নিতে হয়।
B) পটল খাওয়া — এটি কোনো প্রতিষ্ঠিত বাগধারা নয় এবং পটল তোলার সঙ্গে এর কোনো ব্যাকরণগত বা প্রচলিত সম্পর্ক নেই।
C) মারা যাওয়া — এটি সঠিক উত্তর।
D) ফেল করা — এই অর্থে অন্য বাগধারা ব্যবহার করা হয়, যেমন গোল্লায় যাওয়া বা ফেল করা বোঝাতে পটল তোলা ব্যবহার করা হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পটল সবজি খেত থেকে তুলে ফেললে যেমন গাছটি মারা যায় বা নষ্ট হয়ে যায়, তেমনি মানুষ মারা গেলে তাকে রূপক অর্থে পটল তোলা বলা হয়।
- প্রতিদিন নিয়ম করে নির্দিষ্ট কিছু বাগধারা পড়লে পরীক্ষার হলে সহজে সঠিক উত্তরটি মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য সরকারি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের শরীর বা সবণ সংক্রান্ত জনপ্রিয় বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে।
- বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থের চেয়ে তার ঐতিহাসিক ও প্রচলিত ভাবার্থের ওপর বেশি জোর দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ২১টি
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে খাঁটি বাংলা উপসর্গ হলো ২১টি।
- উপসর্গগুলো শব্দের আগে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে এবং শব্দের অর্থের সংকোচন, প্রসারণ বা পরিবর্তন ঘটায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ হলো এক ধরনের অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা অন্য শব্দের আদিতে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। বাংলা ভাষায় মোট ২১টি খাঁটি বাংলা উপসর্গ রয়েছে।
- এই উপসর্গগুলো তদ্ভব বা খাঁটি বাংলা শব্দ গঠনে বেশি ব্যবহৃত হয় এবং এদের নিজস্ব কোনো স্বাধীন অর্থ নেই।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনাপৃষ্টি
ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ বৃষ্টির আগে অনা উপসর্গ যুক্ত হয়ে বৃষ্টির অভাব বা অনাবৃষ্টি অর্থ প্রকাশ করেছে।
উদাহরণ ২: ইতিউতি
ব্যাখ্যা: এখানে ইতি উপসর্গটি যুক্ত হয়ে এদিক-ওদিক বা ইতস্তত ভাব বোঝাতে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮টি — এটি সংস্কৃতি বা তৎসম উপসর্গের সংখ্যা, খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা নয়।
B) ১৯টি — এটি কোনো স্বীকৃত উপসর্গ সংখ্যা নয়, তাই এটি ভুল।
C) ২০টি — এটিও ভুল কারণ বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী খাঁটি বাংলা উপসর্গ বিশটি নয়।
D) ২১টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা একাডেমি ও প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- খাঁটি বাংলা উপসর্গ মনে রাখার একটি জনপ্রিয় ছন্দ হলো: অঘা অজ অনা, আ ଆ আর আন, ইতি উ কদ কু, নি পাতি স সু সতে।
- এই ছন্দের শব্দগুলো মনে রাখলে একুশটি উপসর্গ সহজে আয়ত্ত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই খাঁটি বাংলা ও তৎসম উপসর্গের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন আসে।
- মনে রাখবে খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি এবং তৎসম উপসর্গ কুড়িটি।
সঠিক উত্তর: A) অগ্নিবীণা
১. কেন সঠিক:
অগ্নিবীণা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালে এবং মৃত্যু ১৯৪১ সালে, পক্ষান্তরে কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ১৮৯৯ সালে এবং মৃত্যু ১৯৭৬ সালে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী চেতনার এক অনন্য প্রকাশ যা বাংলা সাহিত্যে যুগান্তর সৃষ্টি করেছিল।
এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হয় এবং এতে মোট বারোটি বিখ্যাত কবিতা স্থান পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্রোহী কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতা যা প্রকাশ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সারা দেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।
উদাহরণ ২: প্রলয়োল্লাস কবিতা
ব্যাখ্যা: এটিও অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি সাড়া জাগানো কবিতা যা অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অগ্নিবীণা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
B) সোনার তরী — এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয়।
C) চিত্রা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে বৈষ্ণব পদাবলীর প্রভাব রয়েছে।
D) বলাকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর মূল ভাবনা গতিশীলতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথের কাব্য মনে রাখতে সোনার তরী ও চিত্রার মতো প্রকৃতির রূপময়তা মনে রাখবে এবং অগ্নিবীণা দেখলে নজরুলের বিদ্রোহী রূপ মনে রাখবে।
অগ্নিবীণা মানেই বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম, আর বাকি তিনটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবিদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ বা বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম জানতে চাওয়া হয়।
তাই রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের প্রধান কাব্যগুলোর নাম এবং প্রকাশকাল ভালোভাবে মুখস্থ রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: D) ৩৯টি
১. কেন সঠিক:
বাংলা বর্ণমালায় মোট মৌলিক ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা ৩৯টি।
ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখের ভেতরে কোথাও বাধা পায় এবং অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়া স্পষ্টরূপে উচ্চারিত হতে পারে না, তাদের ব্যঞ্জনবর্ণ বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালা হলো মোট ৫০টি বর্ণের সমষ্টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।
ব্যঞ্জনবর্ণগুলো ক থেকে চন্দ্রবিন্দু পর্যন্ত বিস্তৃত এবং এদের সঠিক উচ্চারণ ও শ্রেণিবিভাগ ব্যাকরণের ধ্বনিতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক
ব্যাখ্যা: এটি একটি স্পর্শ ব্যঞ্জনবর্ণ যা কণ্ঠ্যধ্বনি হিসেবে উচ্চারিত হয়।
উদাহরণ ২: ম
ব্যাখ্যা: এটি একটি নাসিক্য ব্যঞ্জনবর্ণ যা উচ্চারণের সময় নাক ও মুখের সাহায্য নেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৩টি — এটি ভুল কারণ ১৩টি বাংলা বর্ণমালায় কোনো নির্দিষ্ট বর্ণের সংখ্যা নয়।
B) ১১টি — এটি ভুল কারণ ১১টি হলো বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংখ্যা, ব্যঞ্জনবর্ণের নয়।
C) ৪৯টি — এটি ভুল কারণ ৪৯টি কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নয়, মোট বর্ণ হলো ৫০টি।
D) ৩৯টি — এটি সঠিক কারণ বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণের নির্দিষ্ট সংখ্যা হলো ৩৯টি।
৫ মনে রাখার টিপস:
মোট বর্ণ ৫০টি মনে রাখলে স্বরবর্ণ ১১টি বিয়োগ করলে সহজেই ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ পাওয়া যায়।
বাংলা বর্ণমালা গণনার সময় স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণ আলাদা করে মুখস্থ করা নিরাপদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্বরবর্ণ এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক প্রশ্ন আসে।
বর্ণমালা সম্পর্কিত প্রশ্নে মোট বর্ণ, স্বরবর্ণ এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা আলাদাভাবে মনে রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: D) beauty
কেন সঠিক:
- 'Beautiful' হলো একটি Adjective (বিশেষণ) শব্দ যার noun রূপ হলো Abstract Noun 'beauty'।
- suffixes বা প্রত্যয় যুক্ত করে Parts of Speech পরিবর্তনের সাধারণ ব্যাকরণগত নিয়মে শব্দের শেষে ty যুক্ত করে Noun গঠন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) beautify — এটি একটি Verb (ক্রিয়া), যার অর্থ সুন্দর করা।
B) beauteous — এটি একটি Adjective (বিশেষণ), যার অর্থ সুন্দর।
C) beautifully — এটি একটি Adverb (ক্রিয়া বিশেষণ), যা সুন্দরভাবে বোঝায়।
D) beauty — এটি একটি Noun (বিশেষ্য), যার অর্থ সৌন্দর্য এবং এটিই সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
ফুল শব্দের শেষে ful থাকলে তা সাধারণ Adjective হয় এবং ty যোগ করে তাকে Noun এ রূপান্তর করা যায় যেমন beautiful থেকে beauty।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: B) different
কেন সঠিক:
- প্রশ্নটিতে জানতে চাওয়া হয়েছে কোনটি 'old' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
- 'Old' শব্দের অর্থ প্রাচীন বা পুরানো, যার বিপরীত অর্থ হিসেবে young, new এবং recent শব্দগুলো ব্যবহৃত হলেও different শব্দের অর্থ ভিন্ন, যা বিপরীতার্থক নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) young — এটি 'old' (বয়স্ক) শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) different — এটি ভিন্নতা বোঝায় এবং এটি 'old' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
C) new — এটি 'old' (পুরাতন) শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
D) recent — এটি সাম্প্রতিক বা নতুন বোঝায় এবং 'old' শব্দের বিপরীত হিসেবে কাজ করে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
'Old' শব্দের বিপরীত শব্দগুলো হলো তরুণ বা নতুন, কিন্তু 'different' হলো ভিন্নতা যা বিপরীতার্থক বোঝায় না।
সঠিক উত্তর: B) By whom can it be done?
কেন সঠিক:
- Interrogative pronoun 'Who' যুক্ত Active voice-কে Passive করার সময় বাক্যের শুরুতে 'By whom' বসে।
- Modals (can) যুক্ত Interrogative বাক্যে 'By whom' এর পর সাহায্যকারী verb (can) এবং Object-কে Subject বানানোর পর 'be + past participle' বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) By whom it can be done? — এখানে Subject (it) এর আগে সাহায্যকারী verb (can) না বসে সরাসরি বসার কারণে বাক্যটি প্রশ্নবোধক গঠন হারিয়েছে।
B) By whom can it be done? — এটি সঠিক নিয়ম অনুসরণ করায় এই বাক্যের গঠন সঠিক হয়েছে।
C) Who can it be done? — এখানে 'Who' এর পরিবর্তে সঠিক preposition সহ 'By whom' ব্যবহার করা হয়নি।
D) Whom can be done by it? — এখানে passive করার গঠন এবং preposition এর ব্যবহার ভুল রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Who যুক্ত Active voice-কে Passive করার সময় প্রথমে By whom বসিয়ে তারপর Auxiliary verb + Subject + be + V৩ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) or
কেন সঠিক:
- 'or' একটি কনজাংশন বা সংযোজক অব্যয়, যা সাধারণত দুটি শব্দ বা বাক্যংশকে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে বিকল্প বা পছন্দ প্রকাশ করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) up — এটি সাধারণত প্রিপজিশন বা অ্যাডভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কোনো কনজাংশন নয়।
B) or — এটি সঠিক উত্তর এবং একটি কনজাংশন।
C) very — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা পরিবর্ধক শব্দ, যা সাধারণত অন্য কোনো অ্যাডভার্ব বা adjectives-এর মাত্রা প্রকাশ করে।
D) for — এটি অনেক সময় কনজাংশন হিসেবে কাজ করলেও, এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী 'or' হলো সবচেয়ে নিখুঁত এবং সর্বজনস্বীকৃত কনজাংশন অপশন।
মনে রাখার টিপস:
কনজাংশন চেনার জন্য and, but, or, so শব্দগুলো মনে রাখবে, যা দুটি ভিন্ন শব্দ বা বাক্যকে সংযুক্ত করে।
সঠিক উত্তর: A) worst
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী adjectives এর degree পরিবর্তনের সময় কিছু অনিমিয়মিত রূপ বা irregular forms ব্যবহৃত হয়।
- bad শব্দটি একটি irregular adjective এবং এর comparative form হলো worse এবং superlative form হলো worst।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) worst — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি bad শব্দের superlative form।
B) least — এটি little শব্দের superlative form, যা পরিমাণের ক্ষুদ্রতম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) worse — এটি bad শব্দের comparative form, যা দুটি বস্তুর মধ্যে তুলনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
D) best — এটি good শব্দের superlative form, যা ভালো বা উত্তম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
bad, worse, worst এভাবে শব্দের রূপগুলো মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্নে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: D) die
কেন সঠিক:
- 'Pass away' একটি ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব, যার আক্ষরিক অর্থ দূরে সরে যাওয়া হলেও এটি নির্দিষ্টভাবে মারা যাওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- ব্যাকরণগত ও প্রসঙ্গগত দিক থেকে এটি সরাসরি 'die' বা মৃত্যুবরণ করার সমার্থক হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) disappear — এর অর্থ হারিয়ে যাওয়া বা অদৃশ্য হওয়া, যা কোনো ব্যক্তির মৃত্যুকে সরাসরি বোঝায় না।
B) erase — এর অর্থ মুছে ফেলা বা বিলোপ করা, যা সাধারণত লেখা বা তথ্য মুছে ফেলার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
C) fall — এর অর্থ নিচে পড়ে যাওয়া, যা শারীরিক পতন বোঝায় কিন্তু সরাসরি মৃত্যুর সমার্থক নয়।
D) die — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো ভুল বা ভিন্ন অর্থ নেই।
মনে রাখার টিপস:
কোনো ব্যক্তি পৃথিবী থেকে চিরতরে দূরে (away) চলে যাওয়া মানেই হলো তার জীবন প্রদীপ নিভে যাওয়া বা মারা যাওয়া (die)।
সঠিক উত্তর: A) all types of food
কেন সঠিক:
- Omnivore শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ omnis যার অর্থ সব এবং vorare যার অর্থ খাওয়া থেকে।
- এই প্রাণীরা উদ্ভিদ ও মাংস উভয় প্রকার খাবারই খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) all types of food — এটি সঠিক কারণ সর্বভুক প্রাণীরা উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয় উৎস থেকেই খাবার গ্রহণ করে।
B) শুধু উদ্ভিদ গ্রহণকারী প্রাণীদের হার্বিভোর বা তৃণভোজী বলা হয়, সর্বভুক বলা হয় না।
সি) শুধু পোকামাকড় খাওয়া প্রাণীদের ইনসেক্টিভোর বা কীটভোজী বলা হয়।
ডি) শুধু মাংস বা অন্য প্রাণী ভক্ষণকারী প্রাণীদের কার্নিভোর বা মাংসাশী বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
Omni অর্থ সব এবং vore অর্থ খাওয়া, তাই omnivore মানে যে প্রাণী সব ধরনের খাবার খায়।
সঠিক উত্তর: B) Jonathan Swift
কেন সঠিক:
- 'Gulliver’s Travels' একটি বিখ্যাত ইংরেজি সাহিত্যকর্ম, যার রচয়িতা অ্যাংলো-আয়ারল্যান্ডীয় লেখক জোনাথন সুইফট।
- এটি ১৭২৬ সালে প্রকাশিত একটি ক্লাসিক উপন্যাস, যা মানুষের স্বভাব ও তৎকালীন রাজনীতির ওপর এক তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গাত্মক রচনা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Ernest Hemingway — তিনি একজন আমেরিকান ঔপন্যাসিক ও সাংবাদিক ছিলেন, যার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে 'The Old Man and the Sea' অন্যতম।
B) Jonathan Swift — ইনিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ 'Gulliver’s Travels' তাঁরই অমর সৃষ্টি।
C) Bernard Shaw — তিনি একজন প্রখ্যাত আইরিশ নাট্যকার ছিলেন, যার বিখ্যাত নাটক 'Man and Superman'।
D) Charles Dickens — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ছিলেন, যিনি 'A Tale of Two Cities' রচনা করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
সুইফট পাখির মতো দ্রুত উড়ে যায় গালিভারের কাল্পনিক দ্বীপগুলোতে, তাই 'Gulliver's Travels' উপন্যাসের লেখক জোনাথন সুইফট।
সঠিক উত্তর: B) top
কেন সঠিক:
- Apex শব্দের অর্থ হলো কোনো বস্তুর সর্বউচ্চ চূড়া বা শীর্ষবিন্দু।
- ত্রিভুজের ক্ষেত্রে এর সবচেয়ে ওপরের কৌণিক বিন্দু বা শীর্ষ বোঝাতে top শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) angles — Angles অর্থ কোণ, যা ত্রিভুজের শীর্ষ বোঝায় না বরং ত্রিভুজের তিনটি কোণকে নির্দেশ করে।
B) top — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এটি ত্রিভুজের শীর্ষ বা চূড়াকে নির্দেশ করে।
C) sides — Sides অর্থ বাহু, যা ত্রিভুজের পরিধি বা রেখাংশ বোঝায়, কোনো শীর্ষবিন্দু নয়।
D) perimeter — Perimeter অর্থ পরিসীমা, যা ত্রিভুজের তিনটি বাহুর মোট দৈর্ঘ্যকে বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
Apex শব্দের সাথে Top শব্দটির অর্থ মিলে যায় কারণ দুটোর অর্থই চূড়া বা শীর্ষবিন্দু।
সঠিক উত্তর: A) much
কেন সঠিক:
- much হলো Positive Degree এর একটি রূপ, যা কোনো তুলনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।
- এর Comparative রূপ হলো more এবং Superlative রূপ হলো most।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) much — এটি Positive Degree, তাই এটি comparative degree নয় এবং প্রশ্নানুযায়ী এটিই সঠিক উত্তর।
B) less — এটি little এর Comparative form, যা তুলনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
C) more — এটি much বা many এর Comparative form, যা তুলনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
D) worse — এটি bad এর Comparative form, যা তুলনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ডিগ্রি পরিবর্তনের সময় মনে রাখবে much হলো মূল শব্দ বা Positive form, যার তুলনামূলক রূপ হলো more।
সঠিক উত্তর: A) after
কেন সঠিক:
- কারো নামে নামকরণ করা বা কারও নামানুসারে নাম রাখার ক্ষেত্রে উপযুক্ত উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে 'named after' ব্যবহৃত হয়।
- এখানে মেয়েটির নাম তার দাদীর নামানুসারে রাখা হয়েছে বোঝাতে 'named after' সঠিক গঠন হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) after — এটি সঠিক উত্তর কারণ নামানুসারে বোঝাতে এই প্রিপজিশনটি ব্যবহার করা হয়।
B) to — এটি এখানে অর্থসংগত নয় এবং নামকরণ বোঝাতে এই প্রিপজিশন বসে না।
C) about — এটি কোনও বিষয়ে বা সম্পর্কে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের জন্য অপ্রাসঙ্গিক।
D) according — এটি সাধারণত নিয়মানুযায়ী বা অনুসারে বোঝাতে 'according to' হিসেবে বসে, একা বসে না।
মনে রাখার টিপস:
কারও নামানুসারে নামকরণ করা বোঝালে हमेशा 'name after' ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) her
কেন সঠিক:
- বাক্যের শুরুতে Each থাকায় এটি Singular Pronoun হিসেবে গণ্য হয় এবং ladies শব্দটি স্ত্রীবাচক হওয়ায় possessive pronoun হিসেবে her ব্যবহৃত হয়েছে।
- Each, Every ইত্যাদির পরে possessive হিসেবে সাধারণত singular pronoun বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) its — এটি বস্তুর ক্ষেত্রে possessive হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) her — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং স্ত্রীবাচক Singular Noun-এর ক্ষেত্রে possessive হিসেবে বসে।
C) their — এটি Plural Pronoun, যা Each শব্দের Singular ব্যবহারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) hers — এটি Possessive Pronoun, যার পরে কোনো Noun বসে না, কিন্তু এখানে story noun-টি উপস্থিত রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Each যুক্ত বাক্যে Singular Subject থাকলে তার possessive সবসময় singular হয় (যেমন: he এর জন্য his এবং she এর জন্য her)।
সঠিক উত্তর: B) in
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণে 'take interest' বা 'have interest' বাক্যাংশের পর নির্দিষ্ট প্রিপোজিশন হিসেবে সবসময় 'in' ব্যবহৃত হয়।
- কোনো বিষয়ে কারো আগ্রহ বা অনুরাগ প্রকাশ করতে 'interest in' নিয়মসিদ্ধ উপযুক্ত প্রিপোজিশন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for — এটি উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা 'interest' শব্দের সাথে বসে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
B) in — এটি সঠিক উত্তর কারণ আগ্রহ বোঝাতে 'interest in' প্রিপোজিশন জোড়টি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
C) at — এটি সাধারণত ছোট স্থান বা নির্দিষ্ট বিন্দুর অবস্থান বোঝাতে বসে, এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) with — এটি সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা উপকরণের সাথে সংযোগ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বিষয়ে আগ্রহ থাকা বোঝাতে সবসময় 'interest in' মুখস্থ রাখবে, যেমন আগ্রহ মানেই 'in'।
সঠিক উত্তর: B) Tell me what your name is.
কেন সঠিক:
- মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এর সাথে একটি Noun Clause যুক্ত হয়ে Complex Sentence গঠন করেছে।
- Subordinate Clause-টি Interrogative হওয়া সত্ত্বেও বাক্যের শুরুতে যুক্ত হওয়ায় তা Assertive Sentence-এর গঠন (Subject + Verb) অনুসরণ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Tell me what is your name? — এখানে বাক্যের শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে এবং Subordinate Clause-এর গঠন সঠিক নয়।
B) Tell me what your name is. — এটি সঠিক অপশন কারণ এতে সঠিক গঠন এবং যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়েছে।
C) Tell me what is your name. — এখানে বাক্যের শেষে ফুলস্টপ থাকলেও Subordinate Clause-এর ভেতর Verb আগে এবং Subject পরে বসেছে।
D) Tell me what your name is? — এখানে Clause-এর গঠন সঠিক হলেও বাক্যের শেষে ভুলভাবে প্রশ্নবোধক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Imperative বাক্যের পর WH-word থাকলে পরের অংশে প্রথমে Subject এবং পরে Verb বসে এবং শেষে ফুলস্টপ হয়।
সঠিক উত্তর: C) rung
কেন সঠিক:
- বাক্যটিতে had থাকায় এটি Past Perfect Tense এবং শূন্যস্থানে verb-এর Past Participle রূপ বসবে।
- Ring verb-এর Present, Past এবং Past Participle রূপ হলো যথাক্রমে ring, rang, rung।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) rang — এটি ring verb-এর Past form, যা had-এর পরে সরাসরি বসতে পারে না।
B) ranged — এটি Range verb-এর Past form, যার অর্থ সাজানো এবং এটি এই বাক্যের জন্য উপযুক্ত নয়।
C) rung — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Ring verb-এর Past Participle রূপ।
D) ringed — এটি Ring verb-এর Past form, যার অর্থ ঘিরে ফেলা এবং এটি এখানে অর্থহীন।
মনে রাখার টিপস:
Have, has বা had-এর পরে সবসময় verb-এর Past Participle রূপ বসে, তাই ring-এর ক্ষেত্রে rung ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) questionnaire
কেন সঠিক:
- বানানটিতে দুটি n এবং শেষে দুটি e রয়েছে যা সঠিক ইংরেজি বানানের নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
- এটি ফরাসি ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ যার প্রমিত ইংরেজি বানান questionnaire হিসেবে গৃহীত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) questionnaire — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে বানানটি সম্পূর্ণ নির্ভুল রয়েছে।
B) questionaire — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে একটি n কম রয়েছে।
C) questionnare — এই অপশনটি ভুল কারণ এর মাঝখানে i বর্ণটি অনুপস্থিত রয়েছে।
D) questioneire — এই অপশনটি ভুল কারণ এর শেষের অংশে ভুল বানানের বর্ণ যুক্ত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটির মাঝে இரண்டு n এবং শেষে দুটি e আছে—এই নিয়মটি মনে রাখলে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: B) collect
কেন সঠিক:
- ফ্রেজাল ভার্ব "Pick up"-এর একটি অন্যতম প্রধান অর্থ হলো কোনো কিছু মাটি থেকে তোলা বা সংগ্রহ করা।
- প্রদত্ত বাক্যের প্রেক্ষাপটে এটি কোনো কিছু কুড়িয়ে নেওয়া বা সংগ্রহ করা (collect) অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) display — এই শব্দটির অর্থ প্রদর্শন করা, যা "Pick up" বা সংগ্রহ করার সমার্থক নয়।
B) collect — এই শব্দটির অর্থ সংগ্রহ করা, যা "Pick up" ফ্রেইজটির সঠিক অর্থ নির্দেশ করে।
সি) suspend — এই শব্দটির অর্থ স্থগিত করা, যার সাথে উত্তরের কোনো মিল নেই।
D) tolerate — এই শব্দটির অর্থ সহ্য করা, যা ভিন্ন একটি প্রেক্ষাপটে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
মাটি থেকে কোনো বস্তু হাত দিয়ে তুলে নিজের কাছে জমা করা বা সংগ্রহ করাই হলো "Pick up"।
সঠিক উত্তর: D) radius
কেন সঠিক:
- radius শব্দটির শেষে us আছে, যা ইংরেজি ব্যাকরণে ল্যাটিন একবচন বা singular noun নির্দেশ করে।
- এই শব্দটির বহুবচন বা plural রূপ হলো radii।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) formulae — এটি formula শব্দের বহুবচন রূপ, তাই এটি singular নয়।
B) agenda — এটি agendum শব্দের বহুবচন রূপ, তবে আধুনিক ইংরেজিতে এটি একবচন হিসেবেও ব্যবহৃত হয়, তবে মূল ল্যাটিন নিয়মে এটি plural।
C) oases — এটি oasis শব্দের বহুবচন রূপ, যার শেষে es রয়েছে।
D) radius — এটি নিজেই একটি একবচন শব্দ এবং এর বহুবচন হলো radii।
মনে রাখার টিপস:
ল্যাটিন শব্দে us থাকলে তা সাধারণত singular হয় এবং তার plural করতে us বদলে i হয়।
সঠিক উত্তর: D) with
কেন সঠিক:
- কোনো ব্যক্তির সাথে মতের অমিল বা দ্বিমত পোষণ করা বোঝাতে differ এর পর with preposition বসে।
- এই বাক্যে কোনো বিষয়ে কারো সাথে দ্বিমত বোঝানো হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর with হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) over — কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বা বিষয়ের ওপর মতবিরোধ বোঝাতে differ over ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এখানে ব্যক্তির উল্লেখ থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
B) to — differ শব্দের সাথে സാധാരണভাবেই to preposition বসে না, তাই এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) from — ভিন্নতা বা অমিল বোঝাতে differ from ব্যবহৃত হয়, যা সাধারণত বস্তু বা অবস্থার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, ব্যক্তির সাথে মতবিরোধ বোঝাতে নয়।
D) with — এটি সঠিক অপশন কারণ ব্যক্তির সাথে দ্বিমত বোঝাতে differ with ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
ব্যক্তির সাথে মতের অমিল হলে differ এর পরে with বসে এবং বিষয়ের ক্ষেত্রে over বসে।
সঠিক উত্তর: C) সাতক্ষীরা
কেন সঠিক:
- সাতক্ষীরা জেলায় বর্তমানে কোনো রেললাইন বা ট্রেন যোগাযোগের ব্যবস্থা নেই।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এই জেলায় রেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হয়নি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নোয়াখালী — এই জেলায় রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা বিদ্যমান রয়েছে এবং ট্রেন চলাচল করে।
B) টাঙ্গাইল — বঙ্গবন্ধু সেতু পার হয়ে এই জেলায় রেল যোগাযোগ চালু রয়েছে।
C) সাতক্ষীরা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো প্রযোজ্য কারণ নেই।
D) হবিগঞ্জ — এই জেলায় শায়েস্তাগঞ্জসহ গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশন ও স্টেশন রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সুন্দরবনের নিকটবর্তী দক্ষিণ দিককার সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরায় নেই কোনো ট্রেন বা রেললাইন।
প্রশ্নের ধরন: অর্থনীতি ও বাণিজ্যবিষয়ক ধারণা (বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য)
সঠিক উত্তর: D) চীন
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সর্বাধিক পণ্য আমদানি করে চীন থেকে, কিন্তু রপ্তানি তুলনামূলক অনেক কম হওয়ায় বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি তৈরি হয়।
- বৈদেশিক বাণিজ্যে আমদানি ও রপ্তানির এই বিশাল পার্থক্যের কারণেই চীনের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি সবচাইতে বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত — ভারতের সাথেও বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে, তবে তা চীনের তুলনায় কম।
B) জাপান — জাপানের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যের পরিমাণ কম হওয়ায় বাণিজ্য ঘাটতিও এর মধ্যে সর্বাধিক নয়।
C) রাশিয়া — রাশিয়ার সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য তুলনামূলক অনেক সীমিত, তাই বাণিজ্য ঘাটতিও কম।
D) চীন — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি মূল্যের পণ্য চীন থেকে আমদানি করে।
মনে রাখার টিপস:
আমদানিতে সবার ওপরে চীন, তাই বাণিজ্য ঘাটতিতেও চীনই প্রথম।
প্রশ্নের ধরন: সাহিত্য, লেখক ও সাহিত্যকর্ম
সঠিক উত্তর: A) ভারতের চুরুলিয়া (প্রদত্ত উত্তরটি ভুল, সংশোধন করা হলো। সঠিক উত্তর হলো: D) ঢাকা)
কেন সঠিক:
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্ত্রী প্রমীলা দেবীর সমাধি ভারতের চুরুলিয়ায় নয়, বরং বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- ১৯৭২ সালে কবি পত্নী প্রমীলা দেবীকে কলকাতা থেকে ঢাকায় এনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে সমাহিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারতের চুরুলিয়া — এটি কবির জন্মস্থান হলেও প্রমীলার সমাধি এখানে নয়।
B) কুমিল্লা — প্রমীলা দেবীর সাথে কবির জীবনের গভীর সম্পর্ক এবং বিবাহ এই জেলায় হলেও তাঁর সমাধি এখানে অবস্থিত নয়।
C) মানিকগঞ্জ — এই জেলার সঙ্গে প্রমীলা দেবীর সমাধির কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
D) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রমীলা দেবীকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে সমাহিত করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
নজরুলের বিদ্রোহী জীবনের সঙ্গী প্রমীলার শেষ ঠিকানা হলো ঢাকার কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণ।
সঠিক উত্তর: A) বেইজিং
কেন সঠিক:
- তিয়েনমেন স্কয়ার চীনের রাজধানী বেইজিং শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম উন্মুক্ত চত্বর।
- এটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান, যার নিকটে নিষিদ্ধ নগরী অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেইজিং — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিয়েনমেন স্কয়ার চীনের রাজধানীতে অবস্থিত।
B) সাংহাই — সাংহাই চীনের প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র হলেও এটি এই ঐতিহাসিক স্কয়ারটির অবস্থান নয়।
C) হংকং — হংকং চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল, যা বেইজিং থেকে অনেক দূরে অবস্থিত।
D) ক্যাপটন — ক্যাপটন বা কেপ টাউন দক্ষিণ আফ্রিকার একটি শহর, যা চীন বা তিয়েনমেন স্কয়ারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
চীন দেশের নাম শুনলেই রাজধানী বেইজিং এবং তার বিখ্যাত তিয়েনমেন স্কয়ারের কথা মনে রাখবে।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) স্বাধীনতা পদক
কেন সঠিক:
- স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য প্রদত্ত সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পদক প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার — এটি কোনো সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক নয়, বরং বিভিন্ন খাতের বিশেষ অর্জনের জন্য ভিন্ন উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়।
B) স্বাধীনতা পদক — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পদক।
C) বাংলা একাডেমি পদক — এটি সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য প্রদান করা হয়, যা দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক নয়।
D) একুশে পদক — এটি দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পদক, সর্বোচ্চ পদক নয়।
মনে রাখার টিপস:
সর্বোচ্চ অর্জনের ক্ষেত্রে 'স্বাধীনতা' সবার উপরে থাকে, তাই রাষ্ট্রীয় পদকগুলোর মধ্যে স্বাধীনতা পদকই দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক।
সঠিক উত্তর: B) ২৭/০১/২০২১
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকার ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে পরীক্ষামূলকভাবে কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৫/০১/২০২১ — এটি ভুল তারিখ কারণ এই দিনে কোনো টিকাদান কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়নি।
B) ২৭/০১/২০২১ — এটি সঠিক উত্তর, এই দিনেই বাংলাদেশে প্রথম কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।
C) ২১/০১/২০২১ — এই তারিখে ভারত সরকারের উপহার হিসেবে পাঠানো কোভিশিল্ড টিকার প্রথম চালান বাংলাদেশে এসে পৌঁছায়, টিকাদান উদ্বোধন হয়নি।
D) ২২/০১/২০২১ — এটি ভুল তারিখ, এই দিনে টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধনের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি।
মনে রাখার টিপস:
টিকা আসার চার দিন পর অর্থাৎ ২৭ জানুয়ারি টিকাদান শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: A) তাম্র
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
কেন সঠিক:
- সিন্ধু সভ্যতা মূলত ব্রোঞ্জ যুগের বা তাম্র যুগের প্রাচীন সভ্যতা হিসেবে পরিচিত।
- এই সভ্যতার মানুষেরা তামা ও টিন মিশিয়ে ব্রোঞ্জ বা তামা জাতীয় ধাতুর ব্যবহার জানত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তাম্র - এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সভ্যতায় তামার ব্যাপক ব্যবহার ছিল।
B) আর্য - আর্যরা সিন্ধু সভ্যতার পতনের পর ভারতে আসে, এটি কোনো সভ্যতার কাল বা যুগ নয়।
C) সুমেরীয় - সুমেরীয় সভ্যতা মেসোপটেমিয়ার একটি প্রাচীন সভ্যতা, সিন্ধু সভ্যতার নিজস্ব স্বতন্ত্র যুগ রয়েছে।
D) শহরভিত্তিক - শহরভিত্তিক সিন্ধু সভ্যতার একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলেও এটি কোনো ঐতিহাসিক যুগ নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
সিন্ধু সভ্যতাকে ব্রোঞ্জ যুগ বা তাম্র যুগ বলা হয় কারণ এ সময়ে তামা ও ব্রোঞ্জের ব্যবহার শুরু হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: D) ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
কেন সঠিক:
- ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ১৮৫৪ সালে ক্রিমিয়ার যুদ্ধে আহত ব্রিটিশ সৈনিকদের সেবা করার জন্য যুদ্ধক্ষেত্রে যান এবং আধুনিক নার্সিংয়ের ভিত্তি স্থাপন করেন।
- এই যুদ্ধে রাতে লণ্ঠন হাতে আহত সৈনিকদের সেবা করার জন্য তিনি লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প বা দীপ্তময়ী নারী হিসেবে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি লাভ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওয়াটার লুর যুদ্ধ — এটি ১৮১৫ সালে সংঘটিত হয় এবং এর সাথে ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের কোনো ঐতিহাসিক সম্পৃক্ততা নেই।
B) আমেরিকার গৃহযুদ্ধ — এটি ১৮৬১ থেকে ১৮৬৫ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সংঘটিত হয়, যেখানে তার সরাসরি কোনো ভূমিকা ছিল না।
C) ফরাসি বিপ্লব — এটি ১৭৮৯ সালে ফ্রান্সে সংঘটিত রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তন ছিল, যা তার জন্মের বহু আগের ঘটনা।
D) ক্রিমিয়ার যুদ্ধ — এই অপশনটি সঠিক এবং এর সাথে ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের নার্সিং সেবার ইতিহাস সরাসরি যুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল মানেই ক্রিমিয়ার যুদ্ধ এবং লণ্ঠন হাতে সেবা করা লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস
সঠিক উত্তর: C) ২১ ফেব্রুয়ারি
কেন সঠিক:
- ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষার জন্য বাংলার তরুণেরা জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।
- ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ০৮ মার্চ — এটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালিত হয়।
B) ১৬ ডিসেম্বর — এটি বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস হিসেবে পালিত হয়।
C) ২১ ফেব্রুয়ারি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়।
D) ২১ আগস্ট — এটি বাংলাদেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার স্মারক দিন।
মনে রাখার টিপস: বায়ান্ন সালের ভাষা আন্দোলনের একুশে ফেব্রুয়ারি তারিখটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামের আমবাগানে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে।
- এই সরকারের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩০ মার্চ ১৯৭১ — এই তারিখে বাংলাদেশের স্বাধীনতা বা অস্থায়ী সরকার গঠনের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি।
B) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ — এই তারিখে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়, কিন্তু শপথ গ্রহণ করা হয়নি।
C) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক।
D) ৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এই তারিখে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠনের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
গঠন ১০ এপ্রিল আর শপথ ১৭ এপ্রিল, এই সাত দিনের ব্যবধানটি মনে রাখলেই ভুল এড়ানো সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) ৭৩.৮ বছর
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএস এর সাম্প্রতিক জনশুমারি ও গৃহগণনা এবং নমুনা বিদ্যাস তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশের মহিলাদের গড় আয়ু ৭৩.৮ বছর।
- চিকিৎসা সেবার প্রসার, পুষ্টির মান উন্নয়ন এবং মাতৃমৃত্যু হার হ্রাসের ফলে নারীদের গড় আয়ু ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮০.৬ বছর — এটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের মহিলাদের গড় আয়ুর চেয়ে অনেক বেশি এবং অবাস্তব একটি পরিসংখ্যান।
B) ৫৭.৫ বছর — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঠিক পরের সময়ের বা বহু আগের একটি ঐতিহাসিক গড় আয়ুর তথ্য।
C) ৬৪.৪ বছর — এটি বিগত দুই দশক আগের বাংলাদেশের মানুষের বা মহিলাদের গড় আয়ুর কাছাকাছি একটি পুরনো পরিসংখ্যান।
D) ৭৩.৮ বছর — এটি বর্তমান তথ্যানুযায়ী সঠিক এবং এটিই মহিলাদের গড় আয়ু নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
মহিলাদের গড় আয়ু মনে রাখতে ৭৩.৮ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যেখানে পুরুষের গড় আয়ু এর থেকে কিছুটা কম অর্থাৎ প্রায় ৭০.৬ বছর।
সঠিক উত্তর: A) দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
কেন সঠিক:
- ফা-হিয়েন ছিলেন প্রথম চীনা পর্যটক যিনি গুপ্ত সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালে ভারতে ভ্রমণ করেন।
- তিনি বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ৩৯৯ থেকে ৪১৪ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ভারত সফর করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তাঁর রাজত্বকালেই ফা-হিয়েন ভারতে এসেছিলেন।
B) আলাউদ্দিন হোসেন শাহ — তিনি ছিলেন মধ্যযুগের স্বাধীন সুলতান, যার সময়কালে ফা-হিয়েন আসেননি।
C) প্রথম চন্দ্রগুপ্ত — তিনি গুপ্ত সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা হলেও ফা-হিয়েনের সময়কালে তিনি ক্ষমতায় ছিলেন না।
D) হর্ষবর্ধন — তিনি সপ্তম শতকের রাজা, অথচ ফা-হিয়েন এসেছিলেন পঞ্চম শতকের শুরুতে।
মনে রাখার টিপস:
চীনা পর্যটক ফা-হিয়েন আসেন গুপ্ত যুগে, আর সম্রাট ছিলেন দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত।
সঠিক উত্তর: D) ২৪ অক্টোবর
কেন সঠিক:
- ১৯৪৫ সালের এই দিনে জাতিসংঘের সনদ কার্যকর হওয়ার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সংস্থাটির যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৪৮ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্বে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ দিবস পালিত হয়ে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৪ আগস্ট — এই তারিখে জাতিসংঘ দিবসের কোনো ঐতিহাসিক সংশ্লিষ্টতা নেই।
B) ২৪ নভেম্বর — এই তারিখে আন্তর্জাতিক কোনো সংস্থা প্রতিষ্ঠার সরকারি বা প্রধান দিবস পালিত হয় না।
C) ২৪ ডিসেম্বর — এই তারিখে বড়দিন বা ক্রিসমাস ইভ উদযাপিত হয়, জাতিসংঘ দিবস নয়।
D) ২৪ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অক্টোবর মাসের চব্বিশ তারিখে পালিত হয়, এটি মনে রাখতে মাস ও তারিখের ক্রমটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: D) ঢাকা
কেন সঠিক:
- সির্দাপ (CIRDAP) হলো এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের গ্রামীণ উন্নয়ন বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- এই আঞ্চলিক সংস্থার সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্যাংকক — এটি থাইল্যান্ডের রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের বিভিন্ন আঞ্চলিক সংস্থার দপ্তর থাকলেও সির্দাপের সদর দপ্তর এখানে নয়।
B) দিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী এবং সার্কের কোনো কোনো সংস্থার দপ্তর থাকলেও এটি সির্দাপের সদর দপ্তর নয়।
C) ইসলামাবাদ — এটি পাকিস্তানের রাজধানী এবং এটি সির্দাপের সদর দপ্তর হিসেবে নির্ধারিত নয়।
D) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সংস্থটির সদর দপ্তর ঢাকার চামেলীবাগে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
সির্দাপ (CIRDAP) প্রতিষ্ঠার সময় বাংলাদেশ স্বাগতিক দেশ হওয়ায় এর সদর দপ্তর ঢাকায় স্থাপন করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) যশোর
কেন সঠিক:
- যশোর জেলাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালের ছাব্বিশে জুলাই এই জেলায় ডিজিটাল কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — এটি দেশের রাজধানী এবং প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র হলেও প্রথম ডিজিটাল জেলা নয়।
B) বগুড়া — এটি উত্তরবঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা হলেও এই খেতাব অর্জন করেনি।
C) যশোর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়।
D) টাঙ্গাইল — এটি দেশের একটি জনবহুল জেলা হলেও প্রথম ডিজিটাল জেলার স্বীকৃতি পায়নি।
মনে রাখার টিপস:
ডিজিটাল বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছিল দক্ষিণাঞ্চলের জেলা যশোর থেকে।
সঠিক উত্তর: A) রাশিয়া
কেন সঠিক:
- রাশিয়ার মোট আয়তন প্রায় ১ কোটি ৭০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার, যা পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় এগারো শতাংশ।
- এটি এশিয়া ও ইউরোপ দুটি মহাদেশজুড়ে বিস্তৃত বিশ্বের বৃহত্তম রাষ্ট্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাশিয়া — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি আয়তনের দিক দিয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দেশ।
B) কানাডা — এর আয়তন প্রায় ১ কোটি বর্গকিলোমিটার এবং এটি আয়তনের দিক দিয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ।
C) অস্ট্রেলিয়া — এটি বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম দেশ এবং ওশেনিয়া অঞ্চলের বৃহত্তম রাষ্ট্র, যার আয়তন রাশিয়ার চেয়ে অনেক কম।
D) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — এটি আয়তনের দিক দিয়ে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দেশ এবং এর আয়তন রাশিয়ার প্রায় অর্ধেক।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের বড় দেশগুলো মনে রাখার সহজ শব্দ হলো রুকাকাব্বা (রাশিয়া, কানাডা, চীন, আমেরিকা, ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া, ভারত)।
সঠিক উত্তর: A) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগের অনুচ্ছেদ ১ অনুযায়ী দেশের আনুষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক নাম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে প্রণীত সংবিধানে রাষ্ট্রীয় নাম হিসেবে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ — এটি দেশের সঠিক সাংবিধানিক নাম এবং সংবিধানে স্পষ্টভাবে নির্ধারিত।
B) বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্র — এটি দেশের সঠিক সাংবিধানিক নাম নয়, কারণ সংবিধানে প্রজাতন্ত্রের নাম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ বলা হয়েছে।
C) গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ — এটি কোনো দাপ্তরিক বা সাংবিধানিক নাম নয়, এটি কেবল একটি সাধারণ বিবরণী শব্দ।
D) প্রজাতান্ত্রিক বাংলাদেশ — এই শব্দগুচ্ছ সংবিধানের কোথাও দেশের আনুষ্ঠানিক নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের প্রথম অনুচ্ছেদ মনে রাখলেই দেশের পূর্ণাঙ্গ সাংবিধানিক নাম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সহজেই মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) হেরোডোটাস
কেন সঠিক:
- তিনি প্রথম ইতিহাসকে রূপকথার গল্প থেকে আলাদা করে তথ্য ও ঘটনার লিখিত রূপ দেন।
- তার বিখ্যাত গ্রন্থ হিস্ট্রিজ বা ইতিহাসের গবেষণা ইতিহাসের জনক হিসেবে তাকে স্বীকৃতি দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থুসিডাই জিস — তিনি প্রাচীন গ্রিসের একজন ঐতিহাসিক হলেও তাকে ইতিহাসের জনক বলা হয় না, তিনি বৈজ্ঞানিক ইতিহাসের জনক।
B) হেরোডোটাস — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
C) এরিস্টটল — তিনি ইতিহাসের জনক নন, তাকে জীববিজ্ঞান ও রাজনীতির জনক বলা হয়।
D) ডারউইন — তিনি ইতিহাসের জনক নন, তাকে বিবর্তনবাদের জনক বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইতিহাসের হ দিয়ে শুরু, তাই ইতিহাসের জনক হেরোডোটাসের নামও হ দিয়ে শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: C) ব্রাসেলস
কেন সঠিক:
- ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থার প্রধান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- সামরিক জোট হিসেবে ন্যাটোর প্রধান কার্যালয়টি ইউরোপের এই অন্যতম প্রধান শহরে দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বার্ন — এটি সুইজারল্যান্ডের রাজধানী হলেও ন্যাটোর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়।
B) লিশ — এটি ন্যাটোর সদর দপ্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক শহর বা রাজধানী নয়।
C) ব্রাসেলস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই ন্যাটোর মূল সদর দপ্তর অবস্থিত।
D) হামবুর্গ — এটি জার্মানির একটি প্রধান বন্দর ও শহর হলেও ন্যাটোর সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ন্যাটোর সদর দপ্তর মনে রাখতে মনে রাখুন যে বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি সামরিক জোট ন্যাটোর হেডকোয়ার্টারও অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) পুরাতন ব্রহ্মপুত্র
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক ব্রহ্মপুত্র নদ গতিপথ পরিবর্তন করে যমুনা নদী হিসেবে মূল প্রবাহে রূপ নেওয়ার পর এর আগের শাখাটি পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত হয়।
- এই পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদটি ময়মনসিংহ শহরের পাশ দিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে মেঘনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুরাতন ব্রহ্মপুত্র — এটি ময়মনসিংহ শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত সঠিক নদী।
B) সুরমা — এটি মূলত সিলেট ও সুনামগঞ্জ অঞ্চলের প্রধান নদী এবং ময়মনসিংহ শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত নয়।
C) তিস্তা — এটি রংপুর ও কুড়িগ্রাম অঞ্চলের নদী এবং ময়মনসিংহ শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয় না।
D) যমুনা — ব্রহ্মপুত্রের বর্তমান প্রধান প্রবাহ যমুনা নদী ময়মনসিংহ শহরের বেশ কিছুটা পশ্চিম দিক দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ময়মনসিংহ শহর মানেই পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী জনপদ।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৭২
কেন সঠিক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে ১৯৭২ সালের ২৪ মে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ভারত থেকে সসম্মানে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়।
- বাংলাদেশে এনে তাঁকে জাতীয় কবির মর্যাদায় ভূষিত করা হয় এবং কবির বাকি জীবন এখানেই কাটে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭২ — এই সালে কবিকে কলকাতা থেকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) ১৯৭৩ — এই সালে কবিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডি. লিট উপাধি প্রদান করা হয়, বাংলাদেশে আনার সাল এটি নয়।
C) ১৯৭৪ — এই সালে কবি অসুস্থ অবস্থায় তৎকালীন পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং বাংলা একাডেমি তাঁকে ফেলোশিপ প্রদান করে।
D) ১৯৭৫ — এই সালে কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১২ আগস্ট ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদের পাশে সমাহিত করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পরপরই ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু আমাদের জাতীয় কবিকে দেশে নিয়ে আসেন। সালটি মনে রাখতে ১৯৭২ সালের কথা মাথায় রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) ড. মাকসুদুল আলম
১. কেন সঠিক:
- ড. মাকসুদুল আলম ২০১০ সালে বাংলাদেশের জাতীয় ফল পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা জীবনরহস্য আবিষ্কার করেন।
- এটি ছিল বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের একটি ঐতিহাসিক অর্জন যার মাধ্যমে পাটের উন্নত জাত উদ্ভাবনের পথ উন্মুক্ত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: জিনোম সিকোয়েন্স হলো কোনো জীবের ডিএনএ-তে থাকা নিউক্লিয়ার বেসের সম্পূর্ণ বিন্যাস যার মাধ্যমে জীবের শারীরিক বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রিত হয়।
- কার্যপ্রণালি: উন্নত বায়োইনফরমেটিক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাটের জিনোমের প্রায় তিন হাজার কোটি বেস পেয়ার সফলভাবে বিন্যস্ত করা হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: এই আবিষ্কারের ফলে পাট পাতার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো এবং অধিক আঁশযুক্ত জাত তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
- উদাহরণ ১: মানব জিনোম প্রজেক্ট।
- ব্যাখ্যা: মানুষের সমস্ত জিনের বিন্যাস উন্মোচন করার এই বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে মানবদেহের রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় বিপ্লব এসেছে।
- উদাহরণ ২: ধান গাছের জিনোম আবিষ্কার।
- ব্যাখ্যা: ব্রি ধান সহ বিভিন্ন ধানের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করে ক্ষরা ও লবণাক্তি সহনশীল ধানের জাত উদ্ভাবন করা হচ্ছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জগদীশ চন্দ্র বসু — ইনি উদ্ভিদের প্রাণ ও সংবেদনশীলতা আবিষ্কারের জন্য বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী যিনি ক্রেসকোগ্রাফ যন্ত্র উদ্ভাবন করেন।
B) ড. মেঘনাথ সাহা — ইনি তাপীয় আয়নীয়করণ তত্ত্বের জন্য বিখ্যাত একজন স্বনামধন্য পদার্থবিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী।
C) ড. মাকসুদুল আলম — ইনি বাংলাদেশের সফল বিজ্ঞানী যিনি পাটের পাশাপাশি পেঁপের জিনোম সিকোয়েন্সও আবিষ্কার করেছিলেন।
D) কুদরত-এ-খুদা — ইনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত রসায়নবিদ যিনি ডেস্টিলেশন বা পাতন প্রক্রিয়া এবং ভেষজ উদ্ভিদের ওপর ব্যাপক গবেষণা করেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পাট আমাদের সোনালী আঁশ আর এর জীবনরহস্য উন্মোচন করেন আমাদেরই সোনালী মনের বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম।
- নাম মনে রাখার কৌশল হিসেবে পাটের মা এবং মাকসুদুল আলমের মা যুক্ত করে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ড. মাকসুদুল আলম ২০১০ সালের ১৬ জুন পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কারের ঘোষণা দেন।
- এই একই বিজ্ঞানী ২০১৩ সালে ছত্রাকনাশক পেঁপের জিনোম সিকোয়েন্সও সফলভাবে আবিষ্কার করেন।
সঠিক উত্তর: B) এডিস
কেন সঠিক:
- এডিস মশার (বিশেষ করে এডিস ইজিপ্টি) কামড়েই ডেঙ্গু ভাইরাসের জীবাণু মানবদেহে সংক্রমিত হয়।
- এই মশা সাধারণত পরিষ্কার জমে থাকা পানিতে ডিম পাড়ে এবং দিনের বেলায় কামড়ায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সব ধরণের মশা — সব মশা ডেঙ্গু ছড়ায় না, একমাত্র এডিস মশাই এর বাহক।
B) এডিস — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই মশার মাধ্যমেই ডেঙ্গু ভাইরাস ছড়ায়।
C) অ্যানাফিলিস — এটি ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু বহন করে, ডেঙ্গু নয়।
D) কিউলেক্স — এটি ফাইলেরিয়া বা হাতিশুঁড় রোগ এবং এনসেফালাইটিস ছড়ায়।
মনে রাখার টিপস:
দিনের বেলা কামড়ানো পরিষ্কার পানির এডিস মশা হলো ডেঙ্গুর বাহক।
সঠিক উত্তর: C) প্লাজমা
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত উত্তরটি ভুল এবং অসংগত। কোষের প্রধান তিনটি অংশ হলো সেলমেমব্রেন বা কোষপর্দা, সাইটোপ্লাজম এবং নিউক্লিয়াস।
- প্লাজমা হলো রক্তরস যা কোষের অংশ নয়, বরং রক্তের তরল উপাদান। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে প্লাজমা কোষের অংশ নয় বলে গণ্য হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেলমেমব্রেন — এটি কোষের বাইরের আবরণ বা কোষপর্দা, যা জীবকোষের একটি অপরিহার্য অংশ।
B) সাইটোপ্লাজম — এটি কোষের ভেতরে জেলি সদৃশ তরল পদার্থ যা কোষের একটি প্রধান অংশ।
C) প্লাজমা — এটি রক্তের তরল অংশ, যা কোষের অংশ নয় বরং রক্তকণিকার মাধ্যম।
D) নিউক্লিয়াস — এটি কোষের প্রাণকেন্দ্র এবং কোষের অন্যতম প্রধান অংশ।
মনে রাখার টিপস:
কোষের মূল উপাদান তিনটি অর্থাৎ পর্দা, সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস; অন্যদিকে প্লাজমা হলো রক্তের উপাদান।
সঠিক উত্তর: C) কার্বন মনোক্সাইড
কেন সঠিক:
- কার্বন মনোক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কার্বক্সিহিমোগ্লোবিন নামক স্থায়ী যৌগ গঠন করে।
- এর ফলে রক্তে অক্সিজেন বহন করার ক্ষমতা মারাত্মকভাবে হ্রাস পায় এবং কোষে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রিক অক্সাইড — এটি শরীরের রক্তনালী প্রসারণে সহায়তা করে, সরাসরি অক্সিজেনের ক্ষমতা খর্ব করে না।
B) সালফার ডাইঅক্সাইড — এটি প্রধানত শ্বাসনালীতে জ্বালাপোড়া ও ফুসফুসের রোগ সৃষ্টি করে।
D) কার্বন ডাই অক্সাইড — এটি রক্তের মাধ্যমে ফুসফুসে বাহিত হয় এবং স্বাভাবিক গ্যাস বিনিময়ে অংশ নেয়।
মনে রাখার টিপস:
কার্বন মনোক্সাইডের প্রতি হিমোগ্লোবিনের আকর্ষণ অক্সিজেনের চেয়ে প্রায় ২০০ গুণ বেশি থাকে, তাই এটি দ্রুত অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা নষ্ট করে।
সঠিক উত্তর: B) cardiologist
কেন সঠিক:
- হৃদরোগ ও হৃদযন্ত্রের চিকিৎসাবিদ্যাকে কার্ডিওলজি বলা হয় এবং এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কার্ডিওলজিস্ট বলা হয়।
- প্রদত্ত উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের এই শাখার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) nephrologist — এটি ভুল উত্তর কারণ নেফ্রোলোজিস্ট হলেন কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ।
B) cardiologist — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই চিকিৎসক হৃদরোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ।
C) neurologist — এটি ভুল উত্তর কারণ নিউরোলজিস্ট হলেন স্নায়ু রোগ বিশেষজ্ঞ।
D) pathologist — এটি ভুল উত্তর কারণ প্যাথলজিস্ট হলেন রোগ নির্ণয়কারী পরীক্ষাগার বিশেষজ্ঞ।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি কার্ডিয়া শব্দটির অর্থ হৃদপিণ্ড, তাই হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ মনে রাখতে কার্ডিওলজিস্ট শব্দটি মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: C) ৯০
কেন সঠিক:
- সুস্থ মানুষের স্বাভাবিক হৃদস্পন্দন প্রতি মিনিটে ৬০ থেকে ১০০ বার। হৃদস্পন্দন প্রতি মিনিটে ৯০ বা তার বেশি হলে তাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে ট্যাকিকার্ডিয়া বলা হয়।
- বিশ্রামের সময় হৃদস্পন্দন স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত চললে তাকে ট্যাকিকার্ডিয়া হিসেবে গণ্য করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪০ — ৪০ হৃদস্পন্দন ব্র্যাডিকার্ডিয়া নির্দেশ করে, যা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম হৃদস্পন্দন।
B) ৬০ — ৬০ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের স্বাভাবিক হৃদস্পন্দন সীমার মধ্যে সর্বনিম্ন মান।
C) ৯০ — ৯০ বা তার বেশি হলে তাকে ট্যাকিকার্ডিয়া বলা হয়।
D) ৭২ — ৭২ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের হৃদস্পন্দনের আদর্শ বা গড় স্বাভাবিক মান।
মনে রাখার টিপস:
ট্যাকিকার্ডিয়া মানে দ্রুত স্পন্দন, যা মিনিটে ৯০ এর বেশি হলে শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: B) এসপিরিন
কেন সঠিক:
- এসপিরিন হলো একটি অ্যান্টিপ্লেটলেট ওষুধ, যা রক্তে অণুচক্রিকার জমাট বাঁধা রোধ করে রক্তকে পাতলা রাখতে সাহায্য করে।
- এটি সাধারণত হৃদরোগ বা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে চিকিৎসকরা প্রেসক্রাইব করে থাকেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডাইক্লোফেনাক — এটি একটি নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ড্রাগ বা ব্যথা ও প্রদাহ কমানোর ওষুধ, রক্ত পাতলা করার জন্য এটি ব্যবহৃত হয় না।
B) এসপিরিন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় রক্ত পাতলা রাখতে সাহায্য করে।
C) প্যারাসিটামল — এটি মূলত জ্বর ও সাধারণ ব্যথা কমানোর ওষুধ, এর রক্ত পাতলা করার কোনো কার্যকারিতা নেই।
D) প্যাথিডিন — এটি একটি শক্তিশালী নারকোটিক ব্যথানাশক ওষুধ, যা তীব্র ব্যথার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
রক্ত জমাট বাঁধা রোধ করতে এসপিরিন কাজ করে, তাই মনে রাখুন এসপিরিন মানেই রক্ত পাতলা রাখার ওষুধ।
সঠিক উত্তর: C) ২৩ জোড়া
কেন সঠিক:
- সুস্থ মানুষের কোষে মোট ৪৬টি বা ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে।
- এর মধ্যে ২২ জোড়া অটোসোম এবং ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০ জোড়া — এটি মানুষের স্বাভাবিক ক্রোমোজোম সংখ্যা নয়, এটি ভুল তথ্য।
B) ২২ জোড়া — এটি শুধুমাত্র অটোসোমের সংখ্যা, এর সঙ্গে সেক্স ক্রোমোজোম যুক্ত হয়ে মোট ২৩ জোড়া হয়।
C) ২৩ জোড়া — এটি মানুষের কোষের সঠিক ক্রোমোজোম সংখ্যার জোড়া নির্দেশ করে।
D) ২৪ জোড়া — এটি মানুষের সঠিক ক্রোমোজোম সংখ্যা নয়, এটি ভুল তথ্য।
মনে রাখার টিপস:
মানুষের মোট ক্রোমোজোম সংখ্যা ছিয়ানব্বইয়ের অর্ধেক অর্থাৎ ছেচল্লিশটি বা তেইশ জোড়া।
সঠিক উত্তর: B) ২
কেন সঠিক:
- মানবদেহ নিজের প্রয়োজনীয় সব ফ্যাটি অ্যাসিড তৈরি করতে পারে না, তাই খাদ্য থেকে কিছু নির্দিষ্ট ফ্যাটি অ্যাসিড গ্রহণ করতে হয়।
- লিনোলিক অ্যাসিড এবং আলফা-লিনোলেনিক অ্যাসিড এই দুটি অপরিহার্য ফ্যাটি অ্যাসিড মানবদেহে সংশ্লেষিত হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২ — এই সংখ্যাটি মানবদেহে অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি অ্যাসিডের সঠিক পরিমাণ নির্দেশ করে না, এটি ভুল তথ্য।
B) ২ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ মানবদেহের জন্য দুটি অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি অ্যাসিড বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত।
C) ৮ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয়, এটি অন্য কোনো পুষ্টি উপাদান বা অ্যামিনো এসিডের সংখ্যার সাথে বিভ্রান্তিকর হতে পারে।
D) ১০ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয়, এটি মানবদেহের অপরিহার্য অ্যামিনো এসিডের সংখ্যার সাথে মিলে যেতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
হাতে দুটি হাত থাকে, আর মানবদেহে অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি অ্যাসিডও ঠিক দুটি।
সঠিক উত্তর: B) ৪০০০ এর নিচে
কেন সঠিক:
- প্রশ্নে শ্বেত রক্ত কণিকার কথা বলা হলেও মূলত রক্তে অণুচক্রিকা বা প্লাটিলেটের স্বাভাবিক মাত্রা কমে যাওয়াকে থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া বলে।
- তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার এই নির্দিষ্ট প্রশ্নে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ডব্লিউবিসি বা লিউকোসাইটের পরিমাণ ৪০০০ এর নিচে নেমে যাওয়াকে নির্দেশ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮০০০ এর নিচে — এটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের রক্তে শ্বেত রক্ত কণিকার স্বাভাবিক সর্বনিম্ন সীমার কাছাকাছি, তাই এটি থ্রম্বোসাইটোপেনিয়ার মাপকাঠি নয়।
B) ৪০০০ এর নিচে — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত কারণ পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তরপত্র অনুযায়ী এটিই সঠিক।
C) ১০০০০ এর নিচে — এটি শ্বেত রক্ত কণিকার স্বাভাবিক সীমার মধ্যে রয়েছে, তাই এটি রোগাক্রান্ত অবস্থা নির্দেশ করে না।
D) ৫০০০ এর নিচে — এটি লিউকোপেনিয়া বা শ্বেত রক্ত কণিকা কমে যাওয়ার একটি ভিন্ন মান হতে পারে, যা এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
শ্বেত রক্ত কণিকার পরিমাণ চার হাজারের নিচে নেমে গেলেই তাকে নির্দিষ্ট পরিমাপের বাইরে ধরা হয়।
সঠিক উত্তর: C) মুখগহ্বরে
কেন সঠিক:
- পরিপাকতন্ত্রে খাদ্য হজম প্রক্রিয়া মূলত মুখগহ্বর থেকেই শুরু হয়।
- লালারস বা সেলাইভার মধ্যে থাকা টায়ালিন এনজাইম শর্করা জাতীয় খাবার পরিপাক করতে শুরু করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাকস্থলীতে — এটি মুখগহ্বরের পরের ধাপ, যেখানে আমিষ জাতীয় খাদ্যের পরিপাক শুরু হয়।
B) ক্ষুদ্রান্ত্রে — এটি খাদ্যের প্রধান পরিপাক ও শোষণ কেন্দ্র, কিন্তু হজম প্রক্রিয়া এখানে শুরু হয় না।
D) বৃহদান্ত্রে — এখানে মূলত পানি শোষিত হয় এবং অপাচ্য মল গঠিত হয়, কোনো হজম প্রক্রিয়া শুরু হয় না।
মনে রাখার টিপস:
খাবার মুখে দিয়েই চিবানো ও লালা মেশানোর মাধ্যমে হজমের কাজ প্রথম শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: A) হেপাটাইটিস - A
কেন সঠিক:
- হেপাটাইটিস এ মূলত এন্টারোভাইরাস পরিবারের একটি ভাইরাস যা দূষিত পানি ও খাদ্যের মাধ্যমে ছড়ায়।
- এটি রক্ত বা শারীরিক তরলের মাধ্যমে সংক্রামিত হয় না, বরং এটি ফেকাল ও ওরাল রুটের মাধ্যমে ছড়ায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হেপাটাইটিস - A — এটি রক্ত বা শারীরিক তরলের মাধ্যমে ছড়ায় না, বরং এটি দূষিত পানি ও খাদ্যের মাধ্যমে ছড়ায়।
B) হেপাটাইটিস - B — এটি সংক্রমিত রক্ত, সিরিঞ্জ এবং শারীরিক তরলের মাধ্যমে ছড়ায়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) হেপাটাইটিস - C — এটি মূলত রক্ত সঞ্চালন এবং সংক্রমিত সুইয়ের মাধ্যমে ছড়ায়, তাই এটি রক্তবাহিত রোগ।
D) ম্যালেরিয়া — এটি অ্যানোফিলিস মশার কামড়ের মাধ্যমে রক্তে প্রবেশ করে ছড়ায়, তাই এটি রক্ত সম্পর্কিত রোগ।
মনে রাখার টিপস:
হেপাটাইটিস এ ছড়ায় খাবার ও পানির মাধ্যমে, আর বি ও সি ছড়ায় রক্তের মাধ্যমে।
সঠিক উত্তর: C) গর্ভবতী মায়ের
কেন সঠিক:
- প্রি-একলামসিয়া বা উচ্চ রক্তচাপজনিত গর্ভকালীন জটিলতা মারাত্মক রূপ ধারণ করলে তাকে একলামসিয়া বলে, যা শুধুমাত্র গর্ভবতী মায়ের ক্ষেত্রে দেখা যায়।
- এই রোগে আক্রান্ত গর্ভবতী মায়ের খিঁচুনি হয় এবং তা মা ও অনাগত সন্তানের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিশুকন্যা — এটি কোনো শিশুর রোগ নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) বৃদ্ধ পুরুষ — পুরুষদের ক্ষেত্রে এই রোগ হওয়ার কোনো শারীরিক ভিত্তি নেই, তাই এটি ভুল।
C) গর্ভবতী মায়ের — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং গর্ভকালীন বিশেষ জটিলতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
D) সববয়সী মায়ের — সব বয়সের মায়ের এই রোগ হয় না, এটি বিশেষভাবে গর্ভকালীন জটিলতার সঙ্গে যুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
একলামসিয়া শব্দটি শুনলেই মাথায় রাখবে এটি গর্ভবতী মায়ের উচ্চ রক্তচাপ ও খিঁচুনি সংক্রান্ত একটি বিশেষ শারীরিক জটিলতা।
সঠিক উত্তর: D) জারক রস বিতরণ করা
কেন সঠিক:
- রক্ত মানবদেহে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান, অক্সিজেন, হরমোন এবং বর্জ্য পদার্থ পরিবহন করে।
- জারক রস বা এনজাইম পরিপাকতন্ত্রের গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয় এবং নালীর মাধ্যমে সরাসরি পরিপাক নালীতে যায়, রক্তের মাধ্যমে নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সিজেন বিতরণ করা — রক্তে উপস্থিত হিমোগ্লোবিন ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে শরীরের প্রতিটি কোষে সরবরাহ করে, তাই এটি রক্তের একটি কাজ।
B) হরমোন বিতরণ করা — অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন সরাসরি রক্তে মিশে শরীরের বিভিন্ন লক্ষ্য অঙ্গে পৌঁছায়, তাই এটি রক্তের কাজ।
C) কার্বন ডাই অক্সাইড পরিবহন করা — কোষের বিপাক ক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন কার্বন ডাই অক্সাইড রক্ত দ্বারা বাহিত হয়ে ফুসফুসে আসে এবং শরীর থেকে বের হয়।
D) জারক রস বিতরণ করা — জারক রস রক্ত পরিবহন করে না, এটি পরিপাকতন্ত্রের নিজস্ব গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়ে খাদ্য পরিপাকে অংশ নেয়।
মনে রাখার টিপস:
রক্ত পরিবহন করে গ্যাস, পুষ্টি ও হরমোন; আর পরিপাক করে দেয় জারক রস ও এনজাইম।
সঠিক উত্তর: B) ইনসুলিন
কেন সঠিক:
- ইনসুলিন হরমোনের অভাবে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং ডায়াবেটিস মেলিটাস রোগ হয়।
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অফ ল্যাঙ্গারহান্সের বিটা কোষ থেকে ইনসুলিন হরমোন উৎপাদিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্লুকাগন — এটি রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি করে, যার অভাবে ডায়াবেটিস হয় না।
B) ইনসুলিন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) কর্টিসল — এটি একটি স্টেরয়েড হরমোন যা বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে এবং এর অভাবে ডায়াবেটিস হয় না।
D) ইস্ট্রেজেন — এটি নারী দেহের প্রজনন হরমোন, যার সাথে এই রোগের সরাসরি সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
ইনসুলিন হরমোন কমে গেলে ডায়াবেটিস বেড়ে যায়।
সঠিক উত্তর: D) লিম্ফোসাইট
কেন সঠিক:
- লিম্ফোসাইট হলো এক প্রকার শ্বেত রক্তকণিকা যা মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রধান অংশ হিসেবে কাজ করে।
- এটি অ্যান্টিবডি তৈরি করে যা দেহকে বিভিন্ন রোগজীবাণু, ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউট্রোফিল — এটি ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় রোগজীবাণু বা ব্যাকটেরিয়া ভক্ষণ করে ধ্বংস করে, কিন্তু অ্যান্টিবডি তৈরি করে না।
B) বেসোফিল — এটি হেপারিন ও হিস্টামিন নিঃসরণ করে যা অ্যালার্জিজনিত প্রদাহ রোধে সাহায্য করে, অ্যান্টিবডি তৈরি এর কাজ নয়।
C) ইওসিনোফিল — এটি প্রধানত পরজীবী সংক্রমণ ও অ্যালার্জির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে, অ্যান্টিবডি উৎপাদন এর কাজ নয়।
D) লিম্ফোসাইট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শ্বেত রক্তকণিকাটিই সুনির্দিষ্টভাবে অ্যান্টিবডি তৈরি করে।
মনে রাখার টিপস:
লিম্ফোসাইট হলো লিম্ফ বা লসিকা তন্ত্রের কোষ, যা সৈনিকের মতো অ্যান্টিবডি তৈরি করে দেহকে পাহারা দেয়।
সঠিক উত্তর: D) এইডস
কেন সঠিক:
- এইডস (AIDS) একটি সংক্রামক ব্যাধি যা হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস (HIV) নামক ভাইরাসের মাধ্যমে একজন থেকে অন্যজনে ছড়ায়।
- এটি মূলত রক্ত, বীর্য এবং অন্যান্য শারীরিক তরলের মাধ্যমে সংক্রামিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রেনাল ফেইলিউর — এটি কিডনির কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাওয়ার একটি অসংক্রামক জটিল রোগ, যা সাধারণত ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের কারণে হয়।
B) উচ্চ রক্তচাপ — এটি জীবনযাত্রার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি অসংক্রামক ব্যাধি, যা ছোঁয়াচে বা সংক্রামক নয়।
C) ডায়াবেটিস — এটি হরমোনের অসামঞ্জস্যতা ও বিপাকীয় ত্রুটির কারণে সৃষ্ট অসংক্রামক রোগ, যা একজনের শরীর থেকে অন্যজনের শরীরে ছড়ায় না।
D) এইডস — এটি একটি সংক্রামক ব্যাধি এবং প্রদত্ত প্রশ্ন অনুযায়ী এটিই সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
সংক্রামক রোগ জীবাণু দ্বারা ছড়ায়, তাই এইচআইভি ভাইরাসবাহিত এইডস একটি সংক্রামক ব্যাধি।
সঠিক উত্তর: A) ধমনীর ভিতর
কেন সঠিক:
- হৃদপিণ্ড থেকে বিশুদ্ধ রক্ত সারা শরীরে বহনকারী রক্তনালী হলো ধমনী, যেখানে হৃদস্পন্দনের ধাক্কা স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়।
- ধমনীর প্রাচীর পুরু ও স্থিতিস্থাপক হওয়ায় রক্তের চাপ সরাসরি নাড়ীর স্পন্দন হিসেবে অনুভূত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধমনীর ভিতর — এটি সঠিক উত্তর কারণ হৃদপিণ্ডের পাম্প করার ফলে এই নালীতে রক্ত তরঙ্গের সৃষ্টি হয়।
B) নাসিকা নালীর ভিতর — এটি শ্বাসনালীর অংশ, যা দিয়ে বাতাস চলাচল করে এবং এর সাথে রক্তপ্রবাহ বা নাড়ীর স্পন্দনের কোনো সম্পর্ক নেই।
C) স্নায়ুর ভিতর — স্নায়ু দিয়ে মূলত মস্তিষ্কের সংকেত বা বার্তা চলাচল করে, কোনো রক্ত বা নাড়ীর স্পন্দন প্রবাহিত হয় না।
D) শিরার ভিতর — শিরা রক্তকে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে হৃদপিণ্ডে ফিরিয়ে আনে, কিন্তু এর রক্তপ্রবাহে স্পন্দন অনুভূত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
ধমনী দিয়ে হৃদপিণ্ড থেকে রক্ত বাইরে যায় বলে সেখানে চাপ বেশি থাকে এবং নাড়ীর স্পন্দন পাওয়া যায়।
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: C) এ্যাপেন্ডিক্স
কেন সঠিক:
- মানবদেহের পরিপাকতন্ত্র মূলত দুটি প্রধান ভাগে বিভক্ত, যথা পৌষ্টিকনালী ও পৌষ্টিক গ্রন্থি।
- ক্ষুদ্রান্ত্রের পরে এবং মলাশয়ের আগে অবস্থিত বৃহদান্ত্রের প্রধান অংশগুলো হলো সিকাম, কোলন ও মলাশয় এবং এর সিকাম অংশের সাথে এ্যাপেন্ডিক্স যুক্ত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডিওডেনাম — এটি ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রথম এবং প্রধান অংশ, বৃহদান্ত্রের অংশ নয়।
B) জেজুনাম — এটি ক্ষুদ্রান্ত্রের ডিওডেনাম ও ইলিয়ামের মধ্যবর্তী অংশ।
D) ইলিয়াম — এটি ক্ষুদ্রান্ত্রের শেষ এবং দীর্ঘতম অংশ, যা বৃহদান্ত্রের সাথে যুক্ত থাকে।
মনে রাখার টিপস:
ক্ষুদ্রান্ত্রের অংশ হলো ডিওডেনাম, জেজুনাম ও ইলিয়াম আর এ্যাপেন্ডিক্স বৃহদান্ত্রের সিকাম অংশের সাথে যুক্ত থাকে।
সঠিক উত্তর: C) ইথাইল অ্যালকোহল
কেন সঠিক:
- ইথাইল অ্যালকোহল মূলত অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা জীবন্ত টিস্যুতে জীবাণু দমনের জন্য উপযোগী।
- এটি জড় বস্তুর পৃষ্ঠতলের জন্য কার্যকর জীবাণুনাশক বা ডিসইনফেকট্যান্ট হিসেবে সম্পূর্ণ উপযুক্ত নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্যাভলন — এটি একটি বহুল ব্যবহৃত অ্যান্টিসেপ্টিক ও ডিসইনফেকট্যান্ট যা বিভিন্ন জীবাণু ধ্বংস করতে কার্যকর।
B) লাইজল — এটি একটি শক্তিশালী বাণিজ্যিক ডিসইনফেকট্যান্ট যা ঘরবাড়ি ও শৌচাগার পরিষ্কারে ব্যবহৃত হয়।
C) ইথাইল অ্যালকোহল — এটি অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবে কাজ করলেও শক্তিশালী ডিসইনফেকট্যান্ট হিসেবে বিবেচিত হয় না।
D) ফেনল — এটি একটি আদর্শ ও ঐতিহ্যবাহী ডিসইনফেকট্যান্ট যা জড় বস্তুর জীবাণু ধ্বংসে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
অ্যান্টিসেপ্টিক ব্যবহার হয় ত্বকে, আর ডিসইনফেকট্যান্ট ব্যবহার হয় জড় বস্তুতে।
সঠিক উত্তর: C) মিডিয়াল কিউবিটাল ভেইন
কেন সঠিক:
- মানবদেহের কনুইয়ের সামনের অংশে অবস্থিত এই শিরাটি বেশ বড় ও ত্বকের কাছাকাছি থাকে।
- ইনজেকশন দেওয়া বা স্যালাইন পুস করার জন্য এই শিরাটি সবচেয়ে নিরাপদ ও সুবিধাজনক স্থান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ল্যাটারাল কিউটেনিয়াস ভেইন — এটি হাতের পার্শ্বীয় অংশের একটি ছোট স্নায়ু ও রক্তনালীর বিন্যাস যা স্যালাইনের জন্য উপযুক্ত নয়।
B) মিডিয়াল কিউটেনিয়াস ভেইন — এটি ত্বকের উপরিভাগের স্নায়ুর সাথে সম্পর্কিত এবং প্রধানত সংবেদনশীল কাজের জন্য পরিচিত।
C) মিডিয়াল কিউবিটাল ভেইন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) সবগুলো — সব অপশন সঠিক নয় কারণ শুধুমাত্র মিডিয়াল কিউবিটাল ভেইনই স্যালাইন পুস করার আদর্শ স্থান।
মনে রাখার টিপস:
কনুইয়ের কাছে স্যালাইন দিতে হয়, তাই কনুই বা কিউবিটাস সম্পর্কিত মিডিয়াল কিউবিটাল ভেইন মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ফিমার
কেন সঠিক:
- ফিমার হলো মানব শরীরের উরুতে অবস্থিত দীর্ঘতম এবং সবচেয়ে শক্তিশালী অস্থি।
- এটি শরীরের সম্পূর্ণ ওজন বহন করে এবং হাঁটাচলা ও দৌড়ানোর সময় ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফিমার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মানবদেহের দীর্ঘতম অস্থি।
B) টিবিয়া — এটি পায়ের নিচের অংশে অবস্থিত একটি বড় অস্থি হলেও ফিমারের চেয়ে ছোট।
C) স্টেপস — এটি মানবদেহের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম অস্থি যা কানের মধ্যপ্রান্তে অবস্থিত।
D) রেডিয়াস — এটি হাতের কবজি ও কনুইয়ের মাঝখানে অবস্থিত একটি মাঝারি আকারের অস্থি।
মনে রাখার টিপস:
শরীরের সবচেয়ে বড় ও লম্বা হাড্ডি হলো উরুর ফিমার।
সঠিক উত্তর: C) শিশু
কেন সঠিক:
- পেডিয়াট্রিক শব্দটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি শাখা নির্দেশ করে যা শিশুদের রোগ ও চিকিৎসা সংক্রান্ত।
- এটি মূলত জন্ম থেকে শৈশবকাল পর্যন্ত মানব শরীরের বিকাশ ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুরুষ — পুরুষদের চিকিৎসা সম্পর্কিত বিশেষায়িত শাখাকে অ্যান্ড্রোলজি বলা হয়, পেডিয়াট্রিক পুরুষদের জন্য নয়।
B) মহিলা — নারীদের স্বাস্থ্য ও রোগ সংক্রান্ত চিকিৎসা বিজ্ঞানকে গাইনিকোলজি বা প্রসূতিবিদ্যা বলা হয়।
C) শিশু — এটি সঠিক উত্তর কারণ পেডিয়াট্রিক শিশু চিকিৎসাবিদ্যার সাথে সম্পর্কযুক্ত।
D) বৃদ্ধ — বয়স্কদের চিকিৎসাবিদ্যা বা বার্ধক্যজনিত রোগ সংক্রান্ত শাখাকে জেরিয়াট্রিক্স বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
পেডিয়াট্রিক শব্দটিকে শিশু পার্ক বা পেডি শব্দের সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো, যেখানে পেডি মানে শিশু।
সঠিক উত্তর: C) DNA-তে
কেন সঠিক:
- মানবদেহের জিনগত বৈশিষ্ট্য ও বংশগতির মূল উপাদান হলো ডিএনএ বা ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড।
- মানব কোষের নিউক্লিয়াসে থাকা ক্রোমোজোমে জিনগুলো ডিএনএ-র অংশ হিসেবে অবস্থান করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) RNA-তে — আরএনএ মূলত প্রোটিন সংশ্লেষণে কাজ করে, এটি মানবদেহের প্রধান জিন ধারণকারী উপাদান নয়।
B) RBC-তে — পূর্ণাঙ্গ লোহিত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস ও ডিএনএ থাকে না, তাই এতে জিন থাকে না।
C) DNA-তে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় এর কার্যকারিতা ও উপস্থিতি বর্ণনা করা হয়েছে।
D) সাইটোপ্লাজমে — সাইটোপ্লাজম কোষের অংশ হলেও প্রধান জিন সাধারণত নিউক্লিয়াসের ডিএনএ-তেই সংরক্ষিত থাকে।
মনে রাখার টিপস:
বংশগতির ধারা রক্ষাকারী জিন মানেই ডিএনএ।
সঠিক উত্তর: B) ক্রোমোজোম
কেন সঠিক:
- ক্রোমোজোম হলো কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত বংশগতীয় উপাদানের মূল বাহক যা ডিএনএ এবং প্রোটিন দ্বারা গঠিত।
- এটি পিতা-মাতার শারীরিক ও মানসিক বৈশিষ্ট্য পরবর্তী প্রজন্মে নিখুঁতভাবে স্থানান্তর করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাইটোপ্লাজম — এটি কোষের নিউক্লিয়াসের বাইরের জেলী সদৃশ অংশ যা বিভিন্ন অঙ্গাণু ধারণ করে, বংশগতির মূল বৈশিষ্ট্য বহন করে না।
B) ক্রোমোজোম — এটি বংশগতির বৈশিষ্ট্য বহন করে, তাই এটি সঠিক উত্তর।
C) নিউক্লিয়াস — এটি কোষের মস্তিষ্ক এবং ক্রোমোজোম এর ভেতরে থাকে, কিন্তু সরাসরি বংশগতির একক হিসেবে ক্রোমোজোম কাজ করে।
D) নিউক্লিওলাস — এটি নিউক্লিয়াসের ভেতরে থাকা ঘন গোল্লাকার বস্তু যা মূলত রাইবোজোম তৈরিতে সহায়তা করে।
মনে রাখার টিপস:
বংশগতির মূল বাহক হলো ক্রোমোজোম, যা ডিএনএ ধারণ করে জিনগত বৈশিষ্ট্য পরবর্তী প্রজন্মে পৌঁছে দেয়।
সঠিক উত্তর: B) নেফ্রন
কেন সঠিক:
- নেফ্রন হলো মানবদেহের রেচনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ বৃক্ক বা কিডনির গঠনগত ও কার্যগত একক।
- এটি রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ ছেঁকে মূত্র তৈরি করতে সরাসরি কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউরন — এটি মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্রের গঠনগত ও কার্যগত একক, বৃক্কের নয়।
B) নেফ্রন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) পেসমেকার — এটি হৃদপিণ্ডের সংকোচন নিয়ন্ত্রণকারী বিশেষ পেশি বা যন্ত্র, বৃক্কের একক নয়।
D) হেপাটোসাইট — এটি যকৃতের প্রধান কোষ, বৃক্কের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
বৃক্ক বা কিডনির সাথে নেফ্রন শব্দটি যুক্ত থাকে, আর স্নায়ুর সাথে যুক্ত থাকে নিউরন।
সঠিক উত্তর: D) প্যাথজেনিক
কেন সঠিক:
- যে সব অণুজীব যেমন ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাক মানবদেহে রোগ সৃষ্টি করে তাদেরকে রোগ সৃষ্টিকারী বা প্যাথজেন বলা হয়।
- প্যাথজেনিক শব্দটি প্যাথজেন থেকে এসেছে যার অর্থ রোগ সৃষ্টিকারী গুণসম্পন্ন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইনফেকশন — এটি কোনো অণুজীবের নাম নয়, বরং এটি হলো দেহে জীবাণু বা প্যাথজেনের সংক্রমণের ফলাফল বা অবস্থা।
B) ফ্লোরা — এটি দেহে স্বাভাবিকভাবে বসবাসকারী উপকারী অণুজীব বোঝায় যা সাধারণত রোগ সৃষ্টি করে না।
সি) টক্সিন — এটি কোনো অণুজীব নয়, এটি হলো কিছু জীব কর্তৃক উৎপাদিত বিষাক্ত পদার্থ।
D) প্যাথজেনিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব বা অবস্থাকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
প্যাথ (Path) শব্দের অর্থ রোগ এবং প্যাথজেনিক মানে হলো যা রোগ ছড়ায়।
সঠিক উত্তর: C) যকৃত
কেন সঠিক:
- পৌষ্টিকনালি এবং প্লীহা থেকে পুষ্টি উপাদানসমৃদ্ধ রক্ত হেপাটিক পোর্টাল সিরার মাধ্যমে সরাসরি যকৃতে প্রবেশ করে।
- যকৃত এই রক্ত থেকে পুষ্টি উপাদান ছেঁকে নেয় এবং ক্ষতিকর পদার্থ দূর করে শরীরকে সুরক্ষা প্রদান করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চোখ — এটি শরীরের দেখার অঙ্গ এবং এর সাথে দর্শন স্নায়ু যুক্ত থাকে, পোর্টাল শিরা নয়।
B) মস্তিষ্ক — এটি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অংশ এবং রক্ত সরবরাহের জন্য এখানে ক্যারোটিড ধমনী ও যুগুলাম শিরা কাজ করে।
C) যকৃত — এটি সঠিক উত্তর, কারণ হেপাটিক পোর্টাল সিস্টেম এই অঙ্গের সাথেই সরাসরি যুক্ত থাকে।
D) কিডনী — এটি রেচনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ এবং এখানে রেনাল ধমনী ও রেনাল শিরা রক্ত সরবরাহ করে।
মনে রাখার টিপস:
পোর্টাল শিরা মানেই যকৃত বা হেপাটিক সিস্টেম, যা পরিপাকতন্ত্র থেকে রক্ত সরাসরি যকৃতে নিয়ে যায়।
সঠিক উত্তর: C) ভিটামিন - B
কেন সঠিক:
- মানবদেহের ভিটামিনগুলোকে দ্রবণীয়তার ওপর ভিত্তি করে দুটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়, যার একটি হলো পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন।
- ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এবং ভিটামিন সি হলো পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন, যা অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রহণ করলে মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন - A — এটি ফ্যাট বা চর্বিযুক্ত দ্রবণীয় ভিটামিন, পানিতে দ্রবণীয় নয়।
B) ভিটামিন - E — এটি ফ্যাট বা চর্বিযুক্ত দ্রবণীয় ভিটামিন, পানিতে দ্রবণীয় নয়।
C) ভিটামিন - B — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো ভুল প্রয়োগ নেই।
D) ভিটামিন - D — এটি ফ্যাট বা চর্বিযুক্ত দ্রবণীয় ভিটামিন, পানিতে দ্রবণীয় নয়।
মনে রাখার টিপস:
পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন মনে রাখার সহজ সূত্র হলো বিসি (BC), অর্থাৎ ভিটামিন বি এবং ভিটামিন সি পানিতে দ্রবণীয়।
সঠিক উত্তর: C) পিটুইটারী
কেন সঠিক:
- পিটুইটারী গ্রন্থি মানবদেহের অন্যান্য অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে, তাই একে গ্রন্থির রাজা বা মাস্টার গ্ল্যান্ড বলা হয়।
- এটি মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসের নিচে অবস্থিত এবং শরীরের বৃদ্ধি ও বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এড্রেনাল — এটি বৃক্কের ওপরে অবস্থিত এবং জরুরী অবস্থা মোকাবেলায় হরমোন তৈরি করে, যা গ্রন্থির রাজা নয়।
B) থাইরয়েড — এটি গলায় অবস্থিত এবং বিপাক নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন তৈরি করে, তবে এটি অন্য গ্রন্থি নিয়ন্ত্রণ করে না।
C) পিটুইটারী — এটি নিজে সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়।
D) থাইমাস — এটি বুকের খাঁচায় অবস্থিত এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় অংশ নেয়, যা অন্য গ্রন্থি নিয়ন্ত্রণ করে না।
মনে রাখার টিপস:
পিটুইটারী গ্রন্থি সব গ্রন্থির রাজা কারণ এটি রাজামশাইয়ের মতো বাকি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে।
সঠিক উত্তর: D) ট্রিপসিন
কেন সঠিক:
- ট্রিপসিন হলো একটি প্রোটিয়েলাইটিক বা প্রোটিন পরিপাককারী এনজাইম যা অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হয়।
- এটি আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্যকে ভেঙে পেপটাইড ও অ্যামিনো এসিডে পরিণত করতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টায়ালিন — এটি লালারস বা সেলাইভায় থাকে এবং শর্করা জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে।
B) লাইপেজ — এটি ফ্যাট বা স্নেহ জাতীয় খাদ্য হজমে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
C) অ্যামাইলেজ — এটি শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে।
D) ট্রিপসিন — এটি আমিষ জাতীয় খাদ্য হজমে সহায়তা করে এবং এটিই সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
আমিষ ভাঙতে ট্রিপসিন লাগে, শর্করায় টায়ালিন আর চর্বিতে লাইপেজ কাজ করে।
সঠিক উত্তর: D) ভিটামিন-কে
কেন সঠিক:
- ভিটামিন-কে মানবদেহের রক্ত জমাট বাঁধতে বা ক্ষত থেকে রক্তপাত বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় প্রোটিন তৈরি করে।
- এই ভিটামিনের অভাবে রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা কমে যায়, ফলে সামান্য আঘাতেই রক্তক্ষরণ বন্ধ হতে দেরি হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন-সি — এটি কোলাজেন তৈরি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে, যার অভাবে স্কার্ভি রোগ হয় এবং মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে কিন্তু সরাসরি রক্ত জমাট বাঁধায় অংশ নেয় না।
B) ভিটামিন-বি — এটি মূলত স্নায়ুর কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা এবং শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে, রক্ত জমাট বাঁধার সাথে এর সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
C) ভিটামিন-ডি — এটি ক্যালসিয়াম শোষণ ও হাড়ের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, ক্ষত নিরাময় বা রক্ত জমাট বাঁধার সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) ভিটামিন-কে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি যকৃতে প্রথম্ৰম্বিন নামক প্রোটিন তৈরি করে রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
মনে রাখার টিপস:
রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে কোগুলেশন, আর এই কোগুলেশন শব্দটির প্রথম অক্ষর থেকেই ভিটামিন-কে এর কথা মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) RNA Virus
কেন সঠিক:
- COVID-19 বা করোনভাইরাস একটি সিঙ্গেল স্ট্র্যান্ডেড আরএনএ ভাইরাস, যা তার জিনোম সংরক্ষণের জন্য ডিএনএর বদলে আরএনএ ব্যবহার করে।
- এই ভাইরাসের নিউক্লিওক্যাপসিডের ভেতরে আরএনএ বস্তু থাকে যা পোষক দেহে প্রবেশ করে দ্রুত বংশবৃদ্ধি করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) RNA Virus — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ভাইরাসের মূল জিনগত উপাদান হলো রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড বা আরএনএ।
B) DNA Virus — এটি ভুল কারণ ডিএনএ ভাইরাসগুলোর জিনোম ডাবল স্ট্র্যান্ডেড ডিএনএ দ্বারা গঠিত, যা কোভিড-১৯ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) ব্যাকটেরিয়া — এটি ভুল কারণ ব্যাকটেরিয়া হলো এককোষী অণুজীব, আর ভাইরাস হলো অকোষীয় এবং পরজীবী সত্তা।
D) ছত্রাক — এটি ভুল কারণ ছত্রাক হলো সুকেন্দ্রিক বা ইউক্যারিওটিক জীব, যা ভাইরাস থেকে সম্পূর্ণ আলাদা একটি শ্রেণী।
মনে রাখার টিপস:
করোনা মানেই আরএনএ ভাইরাস, যা দ্রুত মিউটেশন বা রূপ বদলাতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) ১৩০-১৪৫ mmol/L
কেন সঠিক:
- মানবদেহের রক্তরসে সোডিয়াম আয়নের স্বাভাবিক মাত্রা সাধারণত ১৩০ থেকে ১৪৫ মিলি মোল প্রতি লিটার হয়ে থাকে।
- এটি শরীরের তরল ভারসাম্য রক্ষা এবং স্নায়ু ও পেশির স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২০-১৩০ mmol/L — এই মাত্রাটি স্বাভাবিকের চেয়ে কম, যা হাইপোনাট্রেমিয়া বা রক্তে সোডিয়ামের স্বল্পতা নির্দেশ করে।
B) ১৩৫-১৫৫ mmol/L — এই পরিধিটি রক্তে সোডিয়ামের স্বাভাবিক মানের চেয়ে কিছুটা বেশি, যা পরীক্ষাগারের কিছু নির্দিষ্ট মানদণ্ডে ভিন্ন হতে পারে তবে আদর্শ মান ১৩০-১৪৫ এর মধ্যে ধরা হয়।
সি) ১৬০-১৭০ mmol/L — এই মাত্রাটি অতিরিক্ত বেশি, যা হাইপারনাট্রেমিয়া বা রক্তে সোডিয়ামের বিপজ্জনক আধিক্য নির্দেশ করে।
D) ১৩০-১৪৫ mmol/L — এটি মানবদেহের রক্তে সোডিয়াম আয়নের সঠিক ও আদর্শ স্বাভাবিক মান।
মনে রাখার টিপস:
রক্তে সোডিয়ামের স্বাভাবিক মান মনে রাখতে ১৩ থেকে ১৪.৫ এর হিসাবটি মাথায় রাখতে পারেন, যার সাথে দশ গুণ করলে ১৩০ থেকে ১৪৫ হয়।
সঠিক উত্তর: A) মেলানিন
কেন সঠিক:
- মেলানিন হলো মানবদেহের ত্বক, চুল ও চোখের রঙ নির্ধারণকারী প্রাকৃতিক রঞ্জক পদার্থ বা পিগমেন্ট।
- ত্বকে মেলানিনের পরিমাণ বেশি হলে মানুষের গায়ের রঙ কালো বা শ্যামলা হয় এবং কম হলে ফর্সা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেলানিন — এটি ত্বকের রঙ নির্ধারণকারী প্রধান পিগমেন্ট হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
B) থায়ামিন — এটি ভিটামিন বি-ওয়ান এর রাসায়নিক নাম, যা বিপাক ক্রিয়ায় কাজ করে এবং গায়ের রঙের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
C) ক্যারোটিন — এটি মূলত গাজর ও উদ্ভিদে থাকা কমলা রঙের রঞ্জক, যা মানবদেহের ত্বকে সামান্য হলুদাভ ভাব আনতে পারে কিন্তু মূল রঙের জন্য দায়ী নয়।
D) হিমোগ্লোবিন — এটি রক্তের লাল রক্তকণিকায় থাকা প্রোটিন, যা মূলত রক্তকে লাল করে এবং ত্বককে কিছুটা গোলাপি বা লালচে আভা দেয়।
মনে রাখার টিপস:
মানুষের মেলানিন বেশি তো ত্বক কালো, মেলানিন কম তো ত্বক ফর্সা।
সঠিক উত্তর: C) ৬
কেন সঠিক:
- সুষম খাদ্যে শরীরের পুষ্টি চাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় ছয়টি মৌলিক উপাদান একসঙ্গে থাকে।
- এই ছয়টি উপাদান হলো শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ এবং পানি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪ — মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয় সুষম খাদ্যের প্রধান উপাদান ছয়টি, তাই এই সংখ্যাটি সঠিক নয়।
B) ৫ — খাদ্যের প্রয়োজনীয় উপাদান পাঁচটি নয়, এর সঙ্গে পানি যোগ হয়ে মোট উপাদান ছয়টি হয়।
C) ৬ — এই অপশনটি সঠিক কারণ সুষম খাদ্যের উপাদান নির্দিষ্টভাবে ছয়টি।
D) ৭ — সুষম খাদ্যের স্বীকৃত ও মৌলিক উপাদানের সংখ্যা ছয়টি, সাতটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
শামীম আমি স্নিগ্ধা ভিটামিন ও খনিজ লবণ দিয়ে পানি খোল - এই বাক্যের প্রথম অংশগুলো দিয়ে শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি এই ছয়টি উপাদান মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি
কেন সঠিক:
- মানবদেহের কোষগুলো একটি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রিত চক্রের মাধ্যমে বিভাজিত হয় এবং নতুন কোষ তৈরি করে।
- যখন এই স্বাভাবিক কোষ বিভাজনের প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অদম্য ও দ্রুতগতিতে বাড়তে থাকে, তখন তাকে ক্যান্সার বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কোষের অস্বাভাবিক মৃত্যু — কোষের স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রিত মৃত্যুকে অ্যাপোপটোসিস বলে, যা ক্যান্সার সৃষ্টির কারণ নয়।
B) কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি — এটিই ক্যান্সারের মূল কারণ, কারণ এতে কোষগুলো শরীরের নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই টিউমার বা পিণ্ড তৈরি করে।
C) কোষের অস্বাভাবিক জমাট বাধা — এটি রক্ত জমাট বাঁধার ত্রুটি বা থ্রম্বোসিস সম্পর্কিত বিষয়, ক্যান্সারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়।
D) সবগুলো — যেহেতু প্রথম ও তৃতীয় অপশনটি ক্যান্সারের কারণ নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ক্যান্সার মানেই কোষের অতিরিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি।
সঠিক উত্তর: A) রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা
কেন সঠিক:
- ভ্যাক্সিনে মৃত বা দুর্বল জীবাণু অথবা তাদের অংশবিশেষ থাকে যা দেহে প্রবেশ করলে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়।
- এটি ভবিষ্যতে ওই নির্দিষ্ট রোগের আক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করার জন্য অ্যান্টিবডি তৈরি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা — এটি ভ্যাক্সিনের মূল কাজ কারণ এটি দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে।
B) রোগ নিরাময় করা — ভ্যাক্সিন রোগাক্রান্ত হওয়ার পর নিরাময় করে না, বরং রোগ প্রতিরোধের জন্য আগেই প্রয়োগ করা হয়।
C) রোগ বৃদ্ধি করা — ভ্যাক্সিন রোগ বৃদ্ধি করে না, বরং রোগ থেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা করে।
D) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেওয়া — ভ্যাক্সিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমায় না, বরং এটিকে শক্তিশালী ও প্রশিক্ষিত করে তোলে।
মনে রাখার টিপস:
ভ্যাক্সিন হলো শরীরের জন্য প্রতিরক্ষা ঢাল, যা রোগ আক্রমণ করার আগেই প্রস্তুতি নেয়।
সঠিক উত্তর: C) ১৮ - ৫৭ বছর
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং জাতীয় রক্তদান নির্দেশিকা অনুযায়ী নিরাপদ রক্তদানের জন্য সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর এবং সর্বোচ্চ বয়স ৫৭ বছর নির্ধারিত।
- এই বয়সের মধ্যে একজন সুস্থ মানুষের শারীরিক সক্ষমতা ও রক্তের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা রক্তদানের উপযোগী থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৫ - ৪৫ বছর — ১৫ বছর বয়স রক্তদানের জন্য অত্যন্ত কম এবং ৪৫ বছর বয়স সর্বোচ্চ সীমার চেয়ে কম।
B) ১০ - ৬০ বছর — ১০ বছর বয়স শিশুতোষ এবং রক্তদানের উপযোগী সর্বনিম্ন বয়সের অনেক নিচে।
D) ১৮ - ৭০ বছর — ১৮ বছর সঠিক হলেও ৭০ বছর বয়স সাধারণত নিরাপদ রক্তদানের সর্বোচ্চ সীমার চেয়ে বেশি।
মনে রাখার টিপস:
রক্তদানের বয়স মনে রাখতে আটে (১৮) শুরু আর সাতান্নতে (৫৭) শেষ এই নিয়ম মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) ১২ জোড়া
কেন সঠিক:
- মানুষের মস্তিষ্কের উৎপত্তিস্থল থেকে ১২ জোড়া করোটিক স্নায়ু বা ক্র্যানিয়াল নার্ভ উৎপন্ন হয়।
- এই স্নায়ুগুলো মানবদেহের মাথা, ঘাড় এবং মুখের বিভিন্ন সংবেদনশীল ও মোটর কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ জোড়া — এটি মানুষের করোটিক স্নায়ুর সঠিক সংখ্যা নয়, এটি ভুল তথ্য।
B) ১২ জোড়া — এটি মানুষের করোটিক স্নায়ুর সঠিক সংখ্যা এবং পরীক্ষামিতভাবে প্রমাণিত।
C) ১৫ জোড়া — এটি করোটিক স্নায়ুর অতিরিক্ত সংখ্যা যা মানবদেহের সাথে মিলে না।
D) ৮ জোড়া — এটি সারভাইকাল স্পাইনাল স্নায়ুর সংখ্যা, করোটিক স্নায়ুর সংখ্যা নয়।
মনে রাখার টিপস:
মস্তিষ্কের স্নায়ু মনে রাখতে মনে রাখুন মানুষের বারোটি মাস, তাই করোটিক স্নায়ুও হলো বারো জোড়া।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)