সঠিক উত্তর: B) স্পষ্টভাষী
১. কেন সঠিক:
- ঠোঁট কাটা বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ ঠোঁট কেটে যাওয়া হলেও বিশেষ অর্থে এর ভাবার্থ হলো অত্যন্ত বেপরোয়াভাবে সত্য কথা বলা বা কাউকে তোয়াজ না করে সোজাসাপ্টা কথা বলা।
- সমাজে যারা কোনো রকম রাখঢাক না রেখে মুখের ওপর সত্য কথা বলে দেন, তাদের বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও ঐতিহ্যগত ভাব প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় বহু বাগধারা দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা থেকে তৈরি হয়েছে, যেখানে বাহ্যিক রূপের চেয়ে তার রূপক অর্থ বা ভাবার্থই প্রধান হয়ে ওঠে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লোকটা বড় ঠোঁট কাটা, তাই সবার সামনে সত্য কথা বলতে ভয় পায় না।
ব্যাখ্যা: এখানে স্পষ্টভাষী বা মুখের ওপর সত্য কথা বলার অর্থ প্রকাশ করতে ঠোঁট কাটা বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: তার ঠোঁট কাটা স্বভাবের কারণে অনেকেই তার ওপর অসন্তুষ্ট হয়।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে রাখঢাক না রেখে কথা বলার প্রবৃত্তি বোঝাতে এই বাগধারাটি সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঠোঁট কাটা দাগ যার — এটি বাগধারার রূপক অর্থ প্রকাশ না করে আক্ষরিক বা বাহ্যিক শারীরিক অবস্থাকে বোঝাচ্ছে, যা ভুল।
B) স্পষ্টভাষী — এটি প্রশ্নের নির্দিষ্ট চাহিদার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায় এবং এর রূপক অর্থ বহন করে।
C) ঠোঁট কাটা বিঁধেছে যার — এটি একটি অর্থহীন ও বিভ্রান্তিকর বাক্য তৈরি করা হয়েছে যার কোনো প্রমিত ব্যবহার নেই।
D) ঠোঁট কেটে গেছে যার — এটি বাগধারার ভাবার্থ বাদ দিয়ে চিকিৎসাগত বা আক্ষরিক কাটাছেঁড়ার অর্থ প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ঠোঁট কাটা মানে যার কথাগুলো তীরের মতো ধারালো এবং মুখের ওপর সোজাসাপ্টা বেরিয়ে আসে, অর্থাৎ স্পষ্টভাষী।
- আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে মানুষের সাহসী ও খোলামেলা বাকভঙ্গি মনে রাখলেই এই বাগধারাটি সহজে আয়ত্ত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার আক্ষরিক অর্থ দাগানো থেকে সতর্ক থাকতে হবে, সবসময় রূপক বা ভাবার্থ নির্বাচন করতে হবে।
- একই রকম আরেকটি জনপ্রিয় বাগধারা হলো মুখের ওপর বলা বা বেহায়া, তবে স্পষ্টভাষী অর্থে ঠোঁট কাটা সবচেয়ে বেশি প্রচলিত।
সঠিক উত্তর: C) জোছনা ও জননীর গল্প
১. কেন সঠিক:
- জোছনা ও জননীর গল্প উপন্যাসটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি সর্বাঙ্গীন ও ঐতিহাসিক কথাসাহিত্য।
- উপন্যাসে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত বাঙালির সংগ্রামের প্রামাণ্য দলিল ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই উপন্যাসটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক হুমায়ূন আহমেদ।
- এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হিসেবে ব্যাপকভাবে সমাদৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের দিনগুলি
ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমাম রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ ও ডায়েরি সাহিত্য।
উদাহরণ ২: আগুনের পরশমণি
ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পানকৌড়ির রক্ত — এটি শহীদ বুদ্ধিজীবী ও কথাসাহিত্যিক শহীদুল জহিরের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন, উপন্যাস নয়।
B) নূরলদীনের সারা জীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি ঐতিহাসিক কাব্যনাট্য, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়।
C) জোছনা ও জননীর গল্প — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) বং থেকে বাংলা — এটি হুমায়ুন আজাদের একটি ভাষাতাত্ত্বিক ও গবেষণাগ্রন্থ, উপন্যাস নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হুমায়ূন আহমেদের বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখার জন্য জোছনা ও জননীর গল্প এবং আগুনের পরশমণি নাম দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো।
- নাটকের ক্ষেত্রে সৈয়দ শামসুল হকের নূরলদীনের সারা জীবন এবং ছোটগল্পের ক্ষেত্রে শহীদুল জহিরের পানকৌড়ির রক্ত আলাদা করে মনে রাখবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, নাটক এবং ছোটগল্পের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
- তাই রচনার ধরন বা জেনার যেমন উপন্যাস, নাটক বা ছোটগল্প ভালোভাবে লক্ষ্য করে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
- 'রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ' গানটি বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অমর সৃষ্টি।
- এটি বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং প্রখ্যাত ইসলামী গানগুলোর মধ্যে অন্যতম যা ঈদ উৎসবের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি প্রচুর ইসলামী গান, গজল ও শ্যামাসঙ্গীত রচনা করেছেন।
- তাঁর এই গানটি বাংলা ১৩৩৭ সনের জৈষ্ঠ্য মাসে প্রকাশিত 'রমজানের ঐ রোজার শেষে' শিরোনামে একটি রেকর্ড হিসেবে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ
ব্যাখ্যা: এটি গানটির মূল এবং জনপ্রিয় প্রথম পঙক্তি যা বাংলা গান ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ।
উদাহরণ ২: হে ইসলাম ধর্মের মহানায়ক
ব্যাখ্যা: এটিও কবি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত অপর একটি বিখ্যাত ইসলামিক সংগীত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইসমাইল হোসেন সিরাজী — তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও সমাজ সংস্কারক ছিলেন, এই গানটি তাঁর রচনা নয়।
B) আহসান হাবিব — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক, এই গানটি তাঁর লেখা নয়।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর।
D) শামসুর রহমান — তিনি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি, এই গানটির রচয়িতা তিনি নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ঈদের আনন্দ এবং নজরুলের গান ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তাই খুশির ঈদের গান বললেই কাজী নজরুল ইসলামের নাম মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি বলা হলেও তিনি ইসলামী সংগীত রচনার জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত।
- পরীক্ষায় প্রায়ই তাঁর বিখ্যাত গান ও কাব্যগ্রন্থের নাম থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) মিতব্যয়ী
১. কেন সঠিক:
- পরিমিত বা মেপে ব্যয় করা অর্থাৎ বুঝে শুনে ও প্রয়োজন অনুযায়ী খরচ করা বোঝাতে মিতব্যয়ী শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
- এটি মূলত আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার একটি ইতিবাচক গুণ নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য ও সংক্ষিপ্তা বৃদ্ধি পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যিনি অনেক কথা বলেন তাকে এককথায় বলা হয় বাচাল।
ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত কথা বলার স্বভাবকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার জন্য এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: যা সহজে জয় করা যায় না তাকে এককথায় বলা হয় দুর্জয়।
ব্যাখ্যা: জয়ের কঠিন অবস্থাকে একটিমাত্র শব্দের মাধ্যমে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিলাসী — বিলাসী বলতে বোঝায় যে ব্যক্তি অতিরিক্ত আরাম আয়েশ ও বিলাসিতায় জীবনযাপন করে।
B) মিতব্যয়ী — এটি সঠিক কারণ এটি পরিমিত ব্যয় করার অর্থ প্রকাশ করে।
C) অপব্যয়কারী — অপব্যয়কারী বলতে বোঝায় যে ব্যক্তি বিচারবুদ্ধিহীনভাবে বা প্রয়োজন ছাড়াই অতিরিক্ত অর্থ খরচ করে।
D) কৃপণ — কৃপণ বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যার ধনসম্পদ থাকা সত্ত্বেও সে প্রয়োজনের সময়ও টাকা খরচ করতে চায় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মিত শব্দের অর্থ কম বা পরিমিত এবং ব্যয় শব্দের অর্থ খরচ করা।
- এই দুটি অংশ মিলিয়ে সহজেই মনে রাখা যায় যে পরিমিত ব্যয়কারী হলো মিতব্যয়ী।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- এই ধরনের প্রশ্নে বিপরীতার্থক শব্দগুলোর অর্থ গুলিয়ে ফেলা যাবে না কারণ মিতব্যয়ী এবং কৃপণ শব্দ দুটি অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
সঠিক উত্তর: C) গো + এষণা
১. কেন সঠিক:
- 'গবেষণা' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো গো + এষণা। এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম বা গবাদি সন্ধির অন্তর্ভুক্ত।
- সন্ধির নিয়মানুসারে ও অথবা ঔ কারের পরে যদি ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকে, তবে ও এর স্থানে অব এবং ঔ এর স্থানে আব হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- সংস্করণের বা বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ও + এ = গবে হয়েছে, যেখানে ও ধ্বনি অব এ রূপান্তরিত হয়েছে।
- গব + এষণা যুক্ত হয়ে গবেষণা গঠিত হয়, যা শব্দের মূল অর্থ অন্বেষণ বা খোঁজা নির্দেশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পো + অন = পবন
ব্যাখ্যা: এখানে ও কারের পরে অ থাকায় ও স্থানে অব হয়ে পবন গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ভো + অন = ভবন
ব্যাখ্যা: ও কারের পরে অ থাকার কারণে ও স্থানে অব যুক্ত হয়ে ভবন শব্দ তৈরি হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গবা + এষণা — গবা কোনো সঠিক পূর্বপদ নয় এবং এই নিয়মে সন্ধি সাধিত হয় না।
B) গব + এষণা — গব সরাসরি ব্যবহৃত হয় না, এটি সন্ধির ফলশ্রুতি মাত্র।
D) গবে + এষণা — গবে কোনো মৌলিক পদ নয়, তাই এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ও কার বা ঔ কারের পর ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে অব বা আব হয়, এই সূত্রটি মনে রাখবে।
- গবেষণা শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদের সময় প্রথম পদে গো ব্যবহার করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যতিক্রমী সন্ধি প্রায়ই আসে।
- গবাক্ষ বা পবন শব্দের সন্ধিও একই নিয়মে সাধিত হয়, যা অনুশীলনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
- শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ও প্রথাবিরোধী উপন্যাস যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- নামের শেষে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং একটি গদ্য উপন্যাস।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক হলেও এটি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অমিত রায় ও লাবণ্য এবং এর মূল সুর রোমান্টিকতা ও প্রথা ভাঙার প্রত্যয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোখের পলক
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপর একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যার নামের সাথেও কবিতার কোনো সম্পর্ক নেই।
উদাহরণ ২: যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি সামাজিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা উপন্যাস ধারার অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কবিতা — এই অপশনটি ভুল কারণ নামের মধ্যে কবিতা শব্দটি থাকলেও এটি মূলত একটি গদ্যধর্মী উপন্যাস।
B) উপন্যাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিশিষ্ট গদ্য উপন্যাস।
C) নাটক — এই অপশনটি ভুল কারণ এর গঠন, প্লট এবং চরিত্রগুলো নাটকের বিন্যাসে রচিত নয়।
D) গল্প — এই অপশনটি ভুল কারণ এর কলেবর ও পরিধি একটি ছোটগল্পের চেয়ে অনেক বড় এবং এটি উপন্যাস হিসেবেই স্বীকৃত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নামের সাথে কবিতা থাকলেই কাব্যগ্রন্থ ভেবো না, শেষের কবিতা আসলে একটি চমৎকার উপন্যাস।
- রবীন্দ্রনাথের শেষের কবিতা একটি উপন্যাস, এটি মনে রাখার জন্য নামের প্রথম অংশ বাদ দিয়ে শেষের উপন্যাস ভাবলেই চলবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভ্রান্ত করার জন্য এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে যেখানে নামের সাথে পদের মিল থাকে না।
- সাহিত্যকর্মের নাম দেখে ধরন নির্ধারণ না করে লেখকের মূল গ্রন্থতালিকা ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
১. কেন সঠিক:
- 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' হলো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য নাটক।
- নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং গ্রামীণ সাধারণ মানুষের ওপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর নির্যাতন ও তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- নাটকটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত নাট্যকার ও কবি সৈয়দ শামসুল হক।
- এটি মূলত কাব্য নাটকের শৈলীতে রচিত হয়েছে যেখানে কবিতার ছন্দ ও নাটকের সংলাপের অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নুরুলদীনের সারাজীবন
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক কাব্য নাটক।
উদাহরণ ২: ঈর্ষা
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হকের একটি বিখ্যাত কাব্য নাটক ও সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন — এটি সেলিনা হোসেনের কোনো নাটক নয়, বরং এটি অমলেন্দু চক্রবর্তীর একটি জনপ্রিয় নাটক যা ভিন্ন সামাজিক প্রেক্ষাপটে রচিত।
B) স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা — এটি কোনো নাটক নয়, বরং এটি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কবিতা।
D) কবর — এটি মুনীর চৌধুরী রচিত একটি বিখ্যাত নাটক যা ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত, মুক্তিযুদ্ধের নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক মনে রাখতে সৈয়দ শামসুল হকের কাব্য নাটকের নামগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়তে পারো।
পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকের নামের সাথে মুক্তিযুদ্ধের পদাতিক বাহিনীর অভিযানের একটি কাব্যিক মিল রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাটক ও কাব্য নাটকের মধ্যে পার্থক্য প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
সৈয়দ শামসুল হক প্রধানত কাব্য নাটকের জন্য বাংলা সাহিত্যে বিশেষভাবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
- 'পোস্টমাস্টার' বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যার রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- এই গল্পটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'গল্পগুচ্ছ' সংকলনের প্রথম খণ্ডের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি বাংলা ছোটগল্পের আদি ও শ্রেষ্ঠ নিদর্শনগুলোর একটি।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক ছোটগল্প রচনা করেন।
- 'পোস্টমাস্টার' গল্পে গ্রামীণ বাংলার প্রকৃতি ও একাকী মানুষের মনস্তাত্ত্বিক রূপ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'জীবিত ও মৃত'
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত ছোটগল্প যা কাদম্বিনী চরিত্রের ওপর ভিত্তি করে রচিত এবং ছোটগল্পের সংকলনে স্থান পেয়েছে।
উদাহরণ ২: 'কাবুলিওয়ালা'
ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও হৃদয়স্পর্শী একটি ছোটগল্প যা পিতা ও কন্যার ভালোবাসার সম্পর্কের ওপর রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক হলেও 'পোস্টমাস্টার' গল্পের রচয়িতা নন।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে মিলে যায়।
C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং প্রথম সার্থক বাংলা উপন্যাসের রচয়িতা, ছোটগল্পকার নন।
D) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট গীতিকবি ও ভোরের পাখি নামে পরিচিত, ছোটগল্পকার নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ছোটগল্পের জনক বলা হয় এবং তাঁর রচিত সবচেয়ে বিখ্যাত গ্রামীণ পটভূমির গল্পগুলোর মধ্যে 'পোস্টমাস্টার' অন্যতম।
- গ্রামীণ বাংলার নিভৃত কোণের মানুষের সুখ-দুঃখের কথা মনে রাখলেই রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্পের কথা মনে আসবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গল্পগুচ্ছ' থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- কোনো গল্পের রচয়িতা হিসেবে রবীন্দ্রনাথের নাম থাকলে এবং সেটি যদি গ্রামীণ পটভূমির মনস্তাত্ত্বিক গল্প হয়, তবে তা সাধারণত 'গল্পগুচ্ছ' থেকে নেওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: A) ১০টি
১. কেন সঠিক:
বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।
এই ৫০টি বর্ণের মধ্যে কোনো মাত্রা বা রেখা থাকে না এমন বর্ণের সংখ্যা হলো ১০টি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালায় মাত্রা বা রেখার ওপরের অংশের উপস্থিতি অনুযায়ী বর্ণ তিন প্রকার।
পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাহীন বা অমাত্রিক বর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ
ব্যাখ্যা: স্বরবর্ণের মধ্যে 'অ' বর্ণটিতে কোনো মাত্রা থাকে না।
উদাহরণ ২: ঙ
ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনবর্ণের মধ্যে 'ঙ' বর্ণটিতে কোনো মাত্রা থাকে না।
৪. বাকি অপشن কেন ভুল:
A) ১০টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা বর্ণমালায় মোট ১০টি মাত্রাহীন বর্ণ আছে।
B) ৭টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ৭টি মাত্রাহীন বর্ণ বাংলা বর্ণমালায় নেই।
C) ৬টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ৬টি মাত্রাহীন বর্ণ বাংলা বর্ণমালায় নেই।
D) ৮টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ৮টি মাত্রাহীন বর্ণ বাংলা বর্ণমালায় নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
মাত্রাহীন বর্ণ মনে রাখার সহজ উপায় হলো মোট সংখ্যাটি ১০টি।
স্বরবর্ণে ৪টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণে ৬টি মাত্রাহীন বর্ণ রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি, অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি এবং মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি।
এই সংখ্যাগুলোর যোগফল সবসময় ৫০ হয় যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) রূপসী বাংলা
১. কেন সঠিক:
- রূপসী বাংলা হলো আধুনিক বাংলা কবিতার জীবনানন্দ দাশ রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
- এই কাব্যগ্রন্থে কবির স্বদেশপ্রেম এবং বাংলার প্রকৃতির রূপ অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জীবনানন্দ দাশ বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের একজন অন্যতম প্রধান কবি এবং রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৫৪ সালে জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহাপৃথিবী
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশ রচিত আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক কবিতার ইতিহাসে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
উদাহরণ ২: বেলা অবেলা কালবেলা
ব্যাখ্যা: এটিও জীবনানন্দ দাশের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ যা তার মৃত্যুর পরে প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রূপসী বাংলা — এটি সঠিক উত্তর।
B) অগ্নিবীণা — এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ, জীবনানন্দ দাশের নয়।
C) আরোগ্য — এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি ও লেখক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
D) বিমুখ প্রান্তর — এটি কোনো বিখ্যাত সাহিত্যিক কর্তৃক রচিত প্রধান ধারার আলোচিত কাব্যগ্রন্থ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জীবনানন্দ দাশকে বলা হয় প্রকৃতির কবি এবং রূপসী বাংলা তার বিখ্যাত প্রকৃতির কাব্য।
- এভাবে মনে রাখতে পারো যে বাংলার রূপ নিয়ে তিনি যে কাব্য লিখেছেন তার নাম রূপসী বাংলা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থের নাম এবং প্রকাশকাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- কবি পরিচিতি পড়ার সময় তার প্রথম ও মরণোত্তর প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর তালিকা আলাদা করে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) দিনমণি
১. কেন সঠিক:
'দিনমণি' শব্দটির অর্থ দিনের মণি বা রত্ন, যা মূলত আকাশমণ্ডলে আলো ও তাপ ছড়ানো সূর্যকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস, প্রচলিত ব্যবহার এবং কাব্যিক অর্থ জানা অত্যন্ত জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ বিষয়ক ব্যাকরণগত প্রশ্ন।
বাংলা ভাষায় একটি শব্দের একাধিক প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ থাকতে পারে যা ভাবের প্রকাশকে সমৃদ্ধ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভাস্কর
ব্যাখ্যা: ভাস্কর শব্দের অর্থ আলো দানকারী বা সূর্য, যা সূর্যের একটি অন্যতম বিখ্যাত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: তপন
ব্যাখ্যা: তপন শব্দের অর্থ যা তাপ দেয়, এটিও সূর্যের একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিনমান — দিনমান শব্দের অর্থ সারা দিন বা দিনের ব্যাপ্তিকাল, যা সরাসরি সূর্যকে বোঝায় না।
B) দিবস — দিবস শব্দের অর্থ দিন বা বার, এটি সূর্যের প্রতিশব্দ নয়।
C) দিনমণি — এটি সঠিক উত্তর।
D) আলো — আলো শব্দের অর্থ দীপ্তি বা প্রভা, যা সূর্যের প্রভাবে উৎপন্ন হয় কিন্তু সূর্য নিজে নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
যেসকল শব্দে মণি, কর, পতি বা রাজ যুক্ত থাকে যেমন দিনমণি বা দিবাকর, সেগুলো সাধারণত সূর্য বা চন্দ্রকে নির্দেশ করে।
প্রতিশব্দ পড়ার সময় কাব্যিক ও প্রচলিত শব্দগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সূর্যের সমার্থক শব্দ হিসেবে রবি, ভাস্কর, তপন, দিবাকর, দিনমণি, অংশুমান এবং মার্তণ্ড বহুল ব্যবহৃত হয়।
বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় এই শব্দগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) বিরাগ
১. কেন সঠিক:
- অনুরাগ শব্দের অর্থ গভীর ভালোবাসা, প্রীতি বা আসক্তি। এর বিপরীত বা উলটো অর্থ প্রকাশ করতে বিরাগ শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
- বিরাগ শব্দের অর্থ বিতৃষ্ণা, বিরূপতা বা অনাসক্তি যা অনুরাগের সম্পূর্ণ বিপরীত ধারণা নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের একটি ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বিপরীতার্থক শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে মূল শব্দের উৎস, ভাব ও প্রমিত রূপ বিবেচনা করতে হয়।
- বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে সাধারণত তৎসম শব্দই ব্যবহৃত হয় এবং উপসর্গ যোগেও অনেক ক্ষেত্রে বিপরীত শব্দ গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আশা শব্দের বিপরীত নিরাশ।
ব্যাখ্যা: আশা শব্দের অর্থ ভরসা এবং এর উলটো অর্থ প্রকাশ করতে নিরাশ বা নিরাশা ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: স্বর্গ শব্দের বিপরীত নরক।
ব্যাখ্যা: স্বর্গ বলতে সুখের স্থান বোঝায় এবং এর বিপরীত হিসেবে দুঃখের স্থান বা নরক ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অভিমান — অভিমান শব্দের অর্থ ক্ষোভ বা মনের দুঃখ, যা অনুরাগের বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
B) বিরাগ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি অনুরাগের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) অনুভব — অনুভব শব্দের অর্থ অনুভূতি বা উপলব্ধি, যা বিপরীত শব্দের জন্য প্রযোজ্য নয়।
D) বিবাদ — বিবাদ শব্দের অর্থ ঝগড়া বা বিরোধ, যা অনুরাগের বিপরীত শব্দ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অনুরাগ ও বিরাগ দুটি শব্দই অ বর্ণ দিয়ে শুরু তৎসম শব্দ। অনুরাগ মানে প্রেম আর বিরাগ মানে বিরূপতা বা অনীহা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে তৎসম শব্দ নির্বাচন করার নিয়মটি মনে রাখা জরুরি। অনুরাগের সমার্থক প্রীতি আর বিপরীত বিরাগ।
সঠিক উত্তর: D) দ্বন্দ্ব
১. কেন সঠিক:
- দ্বন্দ্ব শব্দটিতে ব-ফলার সঙ্গে যুক্ত ন এবং ধ বর্ণ দুটির সঠিক অবস্থান ব্যবহার করা হয়েছে।
- বাংলা একাডেমি আধুনিক বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে দুটি দ-এর সঙ্গে ব-ফলা এবং ন যুক্ত হয়ে দ্বন্দ হয়েছে না, বরং দ এর নিচে ব এবং ন যুক্ত হয়ে দ্বন্দ্ব গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী কিছু শব্দের ক্ষেত্রে যুক্তবর্ণের ব্যবহার বিশেষভাবে নির্ধারিত হয়।
- দ্বন্দ্ব শব্দের ক্ষেত্রে প্রথম দ-এ ব-ফলা এবং পরবর্তীতে ন ও ধ যুক্ত হয়ে সঠিক রূপ তৈরি করে, যা প্রমিত বাংলা বানানে অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বুদ্ধ
ব্যাখ্যা: এটি একই ধরনের যুক্তবর্ণের গঠনপ্রক্রিয়া অনুসরণ করে সঠিক বানান নিশ্চিত করে।
উদাহরণ ২: ঋদ্ধ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ব এবং ধ এর সঠিক যুক্তরূপ প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী প্রদর্শিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দন্দ — এই বানানে ন এবং ধ এর সঠিক যুক্তরূপ এবং ব-ফলার প্রয়োগ না থাকায় এটি ভুল।
B) দ্বন্দ — এই বানানে অন্তিম অংশে ধ বর্ণ এবং তার সঙ্গে প্রয়োজনীয় যুক্তবর্ণ অনুপস্থিত থাকায় এটি ভুল।
C) দন্দ্ব — এই বানানে অতিরিক্ত ব-ফলার ভুল প্রয়োগের কারণে বানানটি প্রমিত নয়।
D) দ্বন্দ্ব — এটি বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক রূপ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দ্বন্দ্ব শব্দটি লেখার সময় মনে রাখবে এর মধ্যে দ এর নিচে ব-ফলা এবং ন ও ধ একসঙ্গে যুক্ত থাকে।
- জোড়ায় জোড়ায় মনে রাখার জন্য দ-ব-ন-ধ এই ক্রমটি বারবার চর্চা করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই শব্দটি প্রায়ই বারবার আসে কারণ পরীক্ষার্থীরা প্রায়ই দন্দ বা দ্বন্দ লিখে ভুল করে।
- প্রমিত বানান শেখার জন্য বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানান নিয়ম বইটির বানান তালিকা নিয়মিত চর্চা করা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) পাহাড়ী
১. কেন সঠিক:
যে পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ বা মাত্রা প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণ পদ বলে।
পাহাড়ী শব্দটি দিয়ে পাহাড়ের বৈশিষ্ট্য বা পাহাড় সম্পর্কিত কোনো বিশেষ অবস্থা বা গুণ বোঝানো হয়েছে, যা কোনো বিশেষ্য পদের আগে বসে তার দোষ গুণ প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বিশেষণ পদ মূলত বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে।
পাহাড় বিশেষ্য পদের সাথে ই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত পাহাড়ী শব্দটি একটি গুণবাচক বা সম্বন্ধবাচক বিশেষণ হিসেবে কাজ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মেঘনা একটি নদী।
ব্যাখ্যা: নদী বিশেষ্য পদের আগে মেঘনা শব্দটি বিশেষণ হিসেবে বসে নদীর নাম প্রকাশ করেছে।
উদাহরণ ২: লাল গোলাপ দেখতে সুন্দর।
ব্যাখ্যা: লাল শব্দটি গোলাপ বিশেষ্যের রং বা গুণ প্রকাশ করায় এটি একটি বিশেষণ পদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাহাড়ী — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) অরণ্য — এটি একটি বিশেষ্য পদ কারণ এটি একটি বন বা জঙ্গল নামক স্থান বা বস্তুকে নির্দেশ করে।
C) রক্ত — এটি একটি বিশেষ্য পদ কারণ এটি শরীরের এক প্রকার তরল পদার্থ বা বস্তুর নাম বোঝায়।
D) পাহাড় — এটি একটি বিশেষ্য পদ কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট প্রকৃতির বস্তু বা ভূমিরূপের নাম বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে ই বা মায়িক জাতীয় প্রত্যয় যুক্ত থাকলে সাধারণত তা বিশেষণ পদ হয়।
বিশেষ্য পদের অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য বুঝতে পারলে সেটি বিশেষণ হিসেবে গণ্য হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশেষ্য ও বিশেষণের পার্থক্য নির্ণয় করতে পদের অর্থ ও তার ব্যবহার লক্ষ করতে হবে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের রূপান্তর ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) অগ্নিবীণা
১. কেন সঠিক:
'বিদ্রোহী' কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের সর্বমোট ১২টি কবিতার সমন্বয়ে প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'র অন্তর্ভুক্ত।
১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসে রচিত এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে এক অভূতপূর্ব সাড়া ফেলে এবং কবিকে বিদ্রোহী কবিরূপে চিরস্থায়ী আসন দান করে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা কাব্যাঙ্গনে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
এই কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা 'প্রলয়োল্লাস' এবং দ্বিতীয় কবিতা হলো বিখ্যাত 'বিদ্রোহী', যা প্রকাশের পর পরই এর প্রথম সংস্করণ নিঃশেষ হয়ে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'প্রলয়োল্লাস' কবিতা।
ব্যাখ্যা: এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা, যা ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত।
উদাহরণ ২: 'কামাল পাশা' কবিতা।
ব্যাখ্যা: এটিও 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও বিদ্রোহী চেতনার কবিতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিষের বাঁশি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ও রাজনৈতিক কবিতা সংকলন হলেও 'বিদ্রোহী' কবিতা এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
B) ছায়ানট — এটি নজরুলের একটি গীতিবৈচিত্র্যময় ও প্রেম-প্রকৃতির গান ও কবিতার কাব্যগ্রন্থ, যা 'অগ্নিবীণা'র পরে প্রকাশিত হয়।
C) অগ্নিবীণা — সঠিক উত্তর, কারণ 'বিদ্রোহী' কবিতাটি এই সংকলনের দ্বিতীয় কবিতা হিসেবে স্থান পেয়েছে।
D) সর্বহারা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের শ্রমিক ও বঞ্চিত মানুষের অধিকার নিয়ে রচিত একটি সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থ।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'র শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হলো 'বিদ্রোহী' কবিতা।
এভাবে মনে রাখতে পারো যে বিদ্রোহী আগুন জ্বালাতে প্রথম অস্ত্র লাগে অগ্নিবীণা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা এবং প্রকাশকাল বারবার আসে।
নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং এর প্রথম কবিতার নাম সবসময় আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) গুজরাটি
১. কেন সঠিক:
হরতাল একটি বিদেশি শব্দ যা বাংলা ভাষায় সরাসরি গুজরাটি ভাষা থেকে এসেছে।
বাংলা ব্যাকরণের শব্দতত্ত্ব অনুযায়ী এই ধরনের শব্দকে বিদেশিমুলক বা আগত শব্দ বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের যোগাযোগের কারণে বহু বিদেশি শব্দ প্রবেশ করেছে।
গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত শব্দগুলোর মধ্যে হরতাল শব্দটি অন্যতম এবং এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হরতাল
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল প্রচলিত গুজরাটি শব্দ যা বাংলা রাজনীতি ও দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: খদ্দর
ব্যাখ্যা: খদ্দর শব্দটিও গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে এবং এটি কাপড়ের নাম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফার্সি — ফার্সি ভাষা থেকে বাংলায় হাজারো শব্দ এসেছে যেমন কাগজ ও কলম, তবে হরতাল ফার্সি শব্দ নয়।
C) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় দারোগা ও চাকর শব্দ এসেছে, কিন্তু হরতাল তুর্কি শব্দ নয়।
D) পাঞ্জাবী — পাঞ্জাবী ভাষা থেকে শিখ ও চাহিদা শব্দ বাংলায় এসেছে, তবে হরতাল পাঞ্জাবী শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলায় আসা শব্দ মনে রাখার জন্য গু-তে গুজরাটি এবং হ-তে হরতাল এভাবে মিলিয়ে পড়তে পারো।
এটি একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের ভাষা থেকে আসা গুরুত্বপূর্ণ শব্দ যা বারবার চর্চা করলে সহজে মনে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বিভিন্ন ভাষার আগত শব্দ থেকে প্রশ্ন থাকে।
অন্যান্য ভাষার শব্দ যেমন পর্তুগিজ, আরবি ও ফার্সি শব্দগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ করলে পরীক্ষায় ভালো করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) সসীম
১. কেন সঠিক:
'অসীম' শব্দটির অর্থ যার কোনো সীমা বা শেষ নেই। এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'সসীম', যার অর্থ যার সীমা বা শেষ আছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের অন্তর্ভুক্ত। বিপরীত শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে প্রায়শই শব্দের পূর্বে বা পরে উপসর্গ কিংবা বিপরীতার্থক শব্দ যুক্ত করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দৃশ্য × অদৃশ্য
ব্যাখ্যা: দৃশ্য শব্দের অর্থ যা দেখা যায় এবং অদৃশ্য শব্দের অর্থ যা দেখা যায় না।
উদাহরণ ২: সক্রিয় × নিষ্ক্রিয়
ব্যাখ্যা: সক্রিয় শব্দের অর্থ যে কাজ করছে এবং নিষ্ক্রিয় শব্দের অর্থ যে কাজ করছে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সীমানা — এটি বিপরীত শব্দ নয়, বরং পরিধি বা এলাকার সীমাকে বোঝায়।
B) সসীম — এটি সঠিক বিপরীত শব্দ।
C) সীমাহীন — এটি অসীম শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়।
D) নিঃসীম — এটিও অসীম শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ যার সীমা নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
অ উপসর্গটি নেতিবাচক বা না বোধক অর্থ প্রকাশ করে। তাই অসীম শব্দের বিপরীত শব্দ নির্ণয় করতে স উপসর্গ যোগ করে সসীম তৈরি করা হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে মূল শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। সমার্থক শব্দকে কখনো বিপরীত শব্দ হিসেবে ভুল করা যাবে না।
সঠিক উত্তর: A) কপালকুণ্ডলা
১. কেন সঠিক:
- কপালকুণ্ডলা উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
- এটি তাঁর দ্বিতীয় প্রকাশিত উপন্যাস এবং ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত একটি জনপ্রিয় রোমান্টিক উপন্যাস।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের ক্ষেত্রে প্রথম সার্থক শিল্পরূপ ও ঐতিহাসিক ধারার প্রবর্তন করেন।
- তাঁর উপন্যাসে রোমান্টিকতা, ইতিহাস এবং সামাজিক বাস্তবতার সুন্দর সমন্বয় দেখতে পাওয়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: দুর্গেশনন্দিনী
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত ঐতিহাসিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কপালকুণ্ডলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বঙ্কিমচন্দ্রের রচিত উপন্যাস।
B) চরিত্রহীন — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত একটি উপন্যাস।
C) গৃহদাহ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত একটি জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস।
D) পরিনীতা — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসগুলো মনে রাখতে তাঁর প্রথম ও দ্বিতীয় উপন্যাস যথাক্রমে দুর্গেশনন্দিনী ও কপালকুণ্ডলা দিয়ে শুরু করতে পারো।
- শরৎচন্দ্রের উপন্যাসগুলোর সঙ্গে বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী এবং দ্বিতীয় উপন্যাস কপালকুণ্ডলা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খুব বেশি আসে।
- লেখকদের সাহিত্যকর্ম আলাদা করার সময় তাদের লেখার ধারা ও প্রকাশের সালগুলো খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মুনীর চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক 'কবর' নাটকের রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দि অবস্থায় এই একাঙ্ক নাটকটি রচনা করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মুনীর চৌধুরী ছিলেন একাধারে নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, গবেষক ও ভাষাবিজ্ঞানী। ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত প্রথম সার্থক নাটক হলো এই কবর।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন
ব্যাখ্যা: জহির রায়হান রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: আর্তনাদ
ব্যাখ্যা: শওকত ওসমান রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুনীর চৌধুরী — ইনি ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক 'কবর' নাটকের সফল রচয়িতা এবং ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকাকালীন এটি লেখেন।
B) জসীম উদ্দীন — ইনি বিখ্যাত পল্লীকবি হলেও 'কবর' নাটকটি তাঁর লেখা নয়, এটি তাঁর বিখ্যাত একটি কবিতার নাম।
C) শওকত ওসমান — ইনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও আলোচ্য 'কবর' নাটকের রচয়িতা নন।
D) আহমদ ছফা — ইনি একজন বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ও লেখক হলেও এই নাটকের সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভাষা আন্দোলনের সময় কারাগারে বসে নাটক লেখা কঠিন কাজ ছিল, আর এই সাহসী কাজটি মুনীর চৌধুরী করেছিলেন। মনে রাখতে পারো জেলখানায় বসে লেখা প্রথম ভাষাভিত্তিক নাটক হলো কবর।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক, উপন্যাস ও কবিতা থেকে বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই রচয়িতা ও রচনার নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) father or mother
কেন সঠিক:
- Parent শব্দটি এককভাবে শুধু মা বা বাবা নয়, বরং মা অথবা বাবা উভয়কেই বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- ইংরেজি ব্যাকরণ ও অভিধানের সংজ্ঞা অনুযায়ী Parent হলো এমন একজন ব্যক্তি যিনি জন্মদাতা পিতা বা মাতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) mother — এটি শুধু মায়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, বাবার ক্ষেত্রে নয় তাই এটি আংশিক সঠিক।
B) father — এটি শুধু বাবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, মায়ের ক্ষেত্রে নয় তাই এটি আংশিক সঠিক।
C) father or mother — এটি সঠিক কারণ Parent বলতে পিতা বা মাতা উভয়কেই বোঝায়।
D) brother — এটি ভাইয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা অভিভাবক বা জনক-জননীর সঙ্গে সম্পর্কহীন।
মনে রাখার টিপস:
মাদার এবং ফাদার এই দুজনকে একত্রে পাওয়ার জন্য 'Parent' শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যার অর্থ মাতা বা পিতা।
সঠিক উত্তর: D) traitor
কেন সঠিক:
- Patriot শব্দের অর্থ দেশপ্রেমিক এবং Traitor শব্দের অর্থ দেশদ্রোহী, যা এর সরাসরি বিপরীত বা অ্যান্টনিম।
- একজন দেশপ্রেমিক দেশের পক্ষে কাজ করে এবং দেশদ্রোহী দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) accused — অভিযুক্ত ব্যক্তি, যা দেশপ্রেমিকের বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
B) tout — দালাল বা প্রতারক, যা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
সি) criminal — অপরাধী, যা আইনভঙ্গকারী বোঝায় কিন্তু দেশদ্রোহী বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।
D) traitor — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় দেশদ্রোহী অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Patriot মানে ভালো মানুষ বা দেশপ্রেমিক আর Traitor মানে দেশের সাথে বিশ্বাসঘাতক বা শত্রু।
সঠিক উত্তর: A) read or write
কেন সঠিক:
- 'Illiterate' শব্দটির অর্থ নিরক্ষর বা অশিক্ষিত, যার সাধারণ সংজ্ঞা হলো পড়তে ও লিখতে না জানা ব্যক্তি।
- ইংরেজি অভিধান ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দটির ক্ষেত্রে পড়া এবং লেখা উভয় দক্ষতাবিহীন অবস্থাকে নির্দেশ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) read or write — এটি সঠিক কারণ নিরক্ষরতার মূল অর্থ পড়া এবং লেখার উভয় যোগ্যতার অনুপস্থিতি বোঝায়।
B) read — শুধু পড়তে না জানাকে 'illiterate' বলা হয় না, কারণ লেখার অযোগ্যতাও এর অন্তর্ভুক্ত।
C) write — শুধু লিখতে না জানাকে একপেশে অর্থ প্রকাশ করে, যা সম্পূর্ণ সংজ্ঞা নয়।
D) speak — কথা বলতে না পারাকে 'dumb' বা ভাষা না জানাকে বোঝায়, নিরক্ষরতা এর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
'Illiterate' শব্দের শুরুতেই 'Il' বা না বোধক অর্থ রয়েছে, তাই মনে রাখবেন যে ব্যক্তি পড়তে (Read) এবং লিখতে (Write) কিছুই পারে না।
সঠিক উত্তর: C) of
কেন সঠিক:
- 'Deprive' verb-টির পর সাধারণত নির্দিষ্ট preposition হিসেবে 'of' ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ হলো কোনো কিছু থেকে বঞ্চিত করা।
- বাক্যে 'paternal property' বা পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার অর্থ প্রকাশ করায় সঠিক preposition হিসেবে 'of' বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) at — এটি সাধারণত নির্দিষ্ট স্থান বা সময়ের পূর্বে বসে, তাই এখানে উপযুক্ত নয়।
B) for — এটি সাধারণত উদ্দেশ্য বা অনির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে বসে, তাই এখানে সঠিক নয়।
C) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) on — এটি সাধারণত কোনো কিছুর ওপর বা দিবসের পূর্বে বসে, তাই এখানে মানানসই নয়।
মনে রাখার টিপস:
বঞ্চিত করা অর্থে 'deprive' শব্দের পরে সবসময় 'of' বসে।
সঠিক উত্তর: D) much
কেন সঠিক:
- 'money' একটি অগণনযোগ্য বা আনকাউন্টেবল নাউন, যার পরিমাণ গণনা করা যায় না কিন্তু পরিমাপ করা যায়।
- অগণনযোগ্য নাউনের পরিমাণ জানতে 'much' ব্যবহৃত হয় এবং প্রশ্নবোধক বাক্যে এটি বহুল ব্যবহৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a few — এটি ভুল কারণ 'a few' কেবল সংখ্যায় গণনা করা যায় এমন প্লুরাল বা কাউন্টেবল নাউনের পূর্বে বসে।
B) many — এটি ভুল কারণ 'many' শুধুমাত্র কাউন্টেবল বা গণনযোগ্য নাউনের সংখ্যা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) for — এটি একটি প্রিপজিশন, যা এখানে অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই মানানসই বা grammatically সঠিক নয়।
D) much — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ অগণনযোগ্য নাউন 'money'-র পরিমাপ বোঝাতে এটি বসে।
মনে রাখার টিপস:
টাকা বা মানি (money) গোনা যায় না, তাই এর আগে much বসে; কিন্তু কয়েন বা নোট (coins/notes) গোনা যায়, তাই সেগুলোর আগে many বসে।
সঠিক উত্তর: B) had started
কেন সঠিক:
- অতীতের দুটি কাজের মধ্যে যে কাজটি আগে ঘটেছিল, তার পাস্ট পারফেক্ট টেন্স (had + V3) হয় এবং পরের কাজটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হয়।
- এখানে আমার পৌঁছানোর (reached) আগে পরীক্ষা শুরু হওয়ার কাজটি সম্পন্ন হয়েছিল, তাই প্রথম অংশে had started বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) has started — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা অতীতকালের দুটি ঘটনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) had started — এটি সঠিক উত্তর, কারণ পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের নিয়ম অনুযায়ী এখানে এটি বসেছে।
C) had been started — এটি প্যাসিভ গঠন, কিন্তু এখানে পরীক্ষা নিজেই শুরু হওয়ার কাজটি সম্পন্ন করেছে বিধায় অ্যাক্টিভ গঠন হবে।
D) did start — এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স, যা অতীতের দুটি ঘটনার আগের ঘটনা বোঝাতে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
अতীতের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটে, তার সাথে had এবং যেটি পরে ঘটে, তার সাথে ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসে।
সঠিক উত্তর: D) Millionaire
কেন সঠিক:
- ইংরেজি বানানের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দটিতে দুটি 'l' এবং দুটি 'n' ব্যবহৃত হয়।
- শব্দের শেষে 'aire' সাফিক্স যুক্ত হয়ে সঠিক বানানটি গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Milionire — বানানটিতে একটি 'l' এবং একটি 'n' কম রয়েছে এবং শেষে সঠিক সাফিক্স নেই।
B) Milionir — বানানটিতে ডাবল 'l' ও ডাবল 'n' অনুপস্থিত এবং শেষের অংশ ভুল।
C) Milionair — বানানটিতে সঠিক সাফিক্স 'aire'-এর পরিবর্তে 'air' ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Millionaire — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর বানান সম্পূর্ণ নির্ভুল।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটি মনে রাখতে মিল (Mill) শব্দের সাথে আয়ার (aire) যোগ করে Millionaire বানানটি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) Affectionate
কেন সঠিক:
- Mother শব্দের সাথে সবসময় স্নেহের সম্পর্ক বোঝাতে affectionate শব্দটি উপযুক্ত এবং এটি সাধারণত to preposition গ্রহণ করে।
- মায়ের স্বভাবগত বৈশিষ্ট্য হলো সন্তানের প্রতি স্নেহশীল বা ভালোবাসাপূর্ণ হওয়া, যা এই বাক্যের ভাবার্থের সাথে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) indolent — এর অর্থ অলস। মায়ের স্বভাব অলস হতে পারে না এবং এটি বাক্যের অর্থ প্রকাশে ব্যর্থ।
B) Affectionate — প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
C) harmful — এর অর্থ ক্ষতিকর। মায়ের ভূমিকা কখনোই সন্তানের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে না।
D) cruel — এর অর্থ নিষ্ঠুর। মা তার সন্তানের প্রতি নিষ্ঠুর হতে পারেন না, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
মা মানেই স্নেহ, তাই Mother দেখলেই affectionate to কথাটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) The
কেন সঠিক:
- কোনো নির্দিষ্ট জাতির মানুষকে সামগ্রিকভাবে বোঝাতে দেশের নামের আগে নির্দিষ্ট আর্টিকেল দ্য বসে।
- এখানে বাংলাদেশের মানুষদের বোঝানো হয়েছে বলে সঠিক উত্তর দ্য হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A — এটি অনির্দিষ্ট একক countable noun এর পূর্বে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) An — vowel sound এর পূর্বে অনির্দিষ্ট অর্থে বসে, যা এখানে বসে না।
C) The — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক এবং নির্দিষ্ট জাতির ক্ষেত্রে এটি বসে।
D) This — এটি demonstrative pronoun বা adjective, যা এখানে বাক্যের ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
জাতির নামের আগে সবসময় দ্য বসে, যেমন দ্য বাংলাদেশিস বা দ্য ব্রিটিশ।
সঠিক উত্তর: D) be disheartened
কেন সঠিক:
- 'Lose heart' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আভিধানিক অর্থ সাহস হারিয়ে ফেলা।
- এর বাস্তব অর্থ হলো আশাহত হওয়া বা নিরাশ হওয়া, যা 'be disheartened' এর সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) one type of heart disease — এটি কোনো রোগ বা চিকিৎসাবিজ্ঞানের টার্ম নয়, তাই প্রাসঙ্গিক নয়।
B) heart attack — এটি হৃদরোগ সংক্রান্ত একটি ডাক্তারি অবস্থা, যা ইডিয়ামের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
C) heart failure — এটিও হৃৎপিণ্ডের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার চিকিৎসাগত টার্ম, যা রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয় না।
D) be disheartened — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সাহস বা উৎসাহ হারিয়ে ফেলা।
মনে রাখার টিপস:
হৃদয় বা মন (heart) হারিয়ে ফেলা মানেই হলো সাহস ও উৎসাহ হারিয়ে ফেলা বা নিরাশ হওয়া।
সঠিক উত্তর: B) rational
কেন সঠিক:
- মানুষ অন্যান্য প্রাণীর মতো কেবল প্রবৃত্তি দ্বারা চালিত হয় না, বরং তার বিচারবুদ্ধি বা চিন্তাশক্তি রয়েছে।
- গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটলের বিখ্যাত উক্তি অনুযায়ী মানুষ হলো বুদ্ধিবৃত্তিক বা চিন্তাশীল প্রাণী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) natural — প্রাকৃতিক বলতে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট বোঝায়, যা মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক বৈশিষ্ট্যকে নির্দিষ্ট করে না।
B) rational — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ বুদ্ধিবৃত্তিক বা বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন, যা মানুষের মৌলিক বৈশিষ্ট্য।
C) unsocial — অসামাজিক বলতে সমাজের নিয়ম না মানাকে বোঝায়, যা মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) wild — হিংস্র বা বন্য বলতে পশুপাখিকে বোঝায়, যা সভ্য মানুষের বেলায় প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
মানুষ মাত্রই বুদ্ধিমান, তাই পরীক্ষায় প্রাণী সম্পর্কিত এই শূন্যস্থানে সবসময় rational বা বুদ্ধিবৃত্তিক শব্দটি নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) Past continuous tense
কেন সঠিক:
- বাক্যের কর্তা They এর পর Past tense-এর সাহায্যকারী verb হিসেবে were এবং মূল verb এর সাথে ing যুক্ত থাকা এটি নির্দেশ করে।
- অতীতে কোনো নির্দিষ্ট সময় ধরে কাজটি চলছিল বোঝাতে Subject-এর পর was অথবা were এবং মূল verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Present continuous tense — এটি বর্তমান কালের ধারাবাহিক কাজ বোঝায়, কিন্তু প্রদত্ত বাক্যে were থাকায় এটি Past tense নির্দেশ করে।
B) Past perfect tense — এই Tense-এ had এবং verb-এর past participle রূপ থাকে, যা এই বাক্যে নেই।
C) Past continuous tense — এটি প্রদত্ত বাক্যের সঠিক উত্তর।
D) Past indefinite tense — এই Tense-এ কোনো সাহায্যকারী verb বা verb-এর সাথে ing থাকে না, শুধু verb-এর past form বসে।
মনে রাখার টিপস:
Subject-এর পরে was বা were দেখলে Past continuous tense এবং am, is বা are দেখলে Present continuous tense মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) Exclamatory sentence
কেন সঠিক:
- এই বাক্যের মাধ্যমে মনের গভীর আবেগ, বিস্ময় বা উল্লাস প্রকাশ করা হয়েছে।
- বাক্যের শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) এবং শুরুতে how বা what ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Assertive sentence — এটি সাধারণ বিবৃতিমূলক বাক্য নয়, কারণ এটি কোনো সাধারণ তথ্য বা বিবৃতি প্রকাশ করে না।
B) Interrogative sentence — এটি প্রশ্নবোধক বাক্য নয়, কারণ এর মাধ্যমে কোনো কিছু জানতে চাওয়া হয়নি এবং শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন নেই।
C) Optative sentence — এটি ইচ্ছাসূচক বা প্রার্থনা সূচক বাক্য নয়, কারণ এর মাধ্যমে কোনো ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ করা হয়নি।
D) Exclamatory sentence — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক, কারণ এটি আবেগ প্রকাশকারী বাক্য।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) দেখলে এবং মনের তীব্র আবেগ প্রকাশ পেলে সেটি সাধারণত Exclamatory sentence হয়।
সঠিক উত্তর: A) injurious
কেন সঠিক:
- 'Injurious' শব্দের অর্থ ক্ষতিকর এবং এর পরে সবসময় নির্দিষ্ট প্রিপজিশন হিসেবে 'to' বসে।
- ধূমপান স্বাস্থ্যর জন্য ক্ষতিকর, তাই ব্যাকরণগত ও অর্থগত দিক থেকে এই শূন্যস্থানে 'injurious' শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) injurious — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ধূমপানের ক্ষতিকর দিক প্রকাশ করে এবং এর সাথে 'to' প্রিপজিশন ব্যবহার সঠিক।
B) beneficial — এর অর্থ উপকারী, যা ধূমপানের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং বাস্তবের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ।
C) advantageous — এর অর্থ সুবিধাজনক, যা স্বাস্থ্যের জন্য ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাবের সাথে কোনোভাবেই মিলে না।
D) useful — এর অর্থ দরকারী, যা স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে এমন একটি বদঅভ্যাসের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা ভুল।
মনে রাখার টিপস:
স্বাস্থ্য বা শরীরের ক্ষতি বোঝাতে 'injurious to' ফ্রেজটি বহুল ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: D) passive voice
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে মূল verb-এর past participle রূপের পূর্বে to be verb (is) ব্যবহৃত হয়েছে এবং subject নিষ্ক্রিয় অবস্থায় আছে।
- Voice পরিবর্তনের নিয়মানুযায়ী Active বাক্যের object এখানে subject হয়েছে এবং by-এর পরিবর্তে to preposition ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) compound sentence — এটি কোনো যৌগিক বাক্য নয় কারণ এতে কোনো coordinating conjunction দ্বারা যুক্ত দুটি স্বাধীন clause নেই।
B) complex sentence — এটি কোনো জটিল বাক্য নয় কারণ এতে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়াযুক্ত clause রয়েছে।
C) active voice — এটি active voice নয় কারণ এখানে subject নিজে কাজটি করছে না বরং object-এর ওপর কাজ করা বোঝাচ্ছে।
D) passive voice — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ বাক্যটি passive voice-এর গঠন অনুসরণ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের subject যদি নিজে কাজ না করে অন্য কারো দ্বারা প্রভাবিত হয় এবং verb-এর past participle-এর আগে be verb থাকে, তবে তা passive voice।
সঠিক উত্তর: C) staple
কেন সঠিক:
- Staple food অর্থ প্রধান খাদ্য বা নিত্যদিনের খাদ্য।
- বাঙালিদের প্রধান খাদ্য ভাত হওয়ায় শূন্যস্থানে staple শব্দটি বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) secondary — secondary অর্থ গৌণ বা দ্বিতীয় পর্যায়ের, যা প্রধান খাদ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) national — national অর্থ জাতীয়, যদিও ভাত আমাদের সংস্কৃতির অংশ কিন্তু খাদ্যের ক্ষেত্রে staple শব্দটি নির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয়।
C) staple — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অপশনটি সঠিক।
D) optional — optional অর্থ ঐচ্ছিক, যা খাদ্য হিসেবে মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় ও প্রধান চাহিদার বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
প্রধান খাদ্য বোঝাতে ইংরেজি সাহিত্যে staple food ফ্রেজটি নিয়মিত ব্যবহৃত হয়।
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: A) Open page 50.
কেন সঠিক:
- নির্দেশমূলক বাক্যে (Imperative Sentence) কোনো বই বা খাতার নির্দিষ্ট পাতার ক্ষেত্রে 'Open at page' বলতে হয়, শুধু 'Open page' বলা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
- তাই এই অপশনটি ভুল এবং প্রশ্নানুযায়ী এটিই সঠিক উত্তর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Open page 50. — এটি ভুল কারণ সঠিক নিয়ম অনুযায়ী পেজ নির্দেশের আগে 'at' preposition ব্যবহার করতে হয়।
B) I feel unwell — এটি grammatically সঠিক বাক্য, যার অর্থ আমার শারীরিক অবস্থা ভালো নেই।
C) I wish I could fly — এটি subjunctive mood-এর সঠিক ব্যবহার, যার অর্থ আমি যদি উড়তে পারতাম।
D) I have a headache — এটি সঠিক বাক্য, যার অর্থ আমার মাথা ব্যথা করছে।
মনে রাখার টিপস:
বইয়ের পৃষ্ঠা খুলতে বলতে সর্বদা 'Open at page' ব্যবহার করবে, শুধু 'Open page' লিখবে না।
সঠিক উত্তর: D) মেঘনা
কেন সঠিক:
- ভৈরব নদীবন্দরটি কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলায় মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত।
- নদীপথে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এই নদীবন্দরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যমুনা — যমুনা নদী এই নদীবন্দরের ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) পদ্মা — পদ্মা নদী বাংলাদেশের অন্য অঞ্চলে অবস্থিত এবং এর সঙ্গে ভৈরব নদীবন্দরের সম্পৃক্ততা নেই।
C) কুশিয়ারা — কুশিয়ারা নদী সিলেট অঞ্চলে প্রবাহিত হলেও ভৈরব নদীবন্দরটি এই নদীর তীরে অবস্থিত নয়।
D) মেঘনা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নদীবন্দরটি মেঘনা নদীর তীরেই গড়ে উঠেছে।
মনে রাখার টিপস:
মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হলো ভৈরব।
সঠিক উত্তর: C) আরিচা
কেন সঠিক:
- পদ্মা নদী গোয়ালন্দ ঘাটের কাছে যমুনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে এবং এই মিলিত ধারাটি পরবর্তীতে মেঘনার সাথে মিলিত হওয়ার পূর্বে পদ্মার নামেই পরিচিত থাকে।
- আরিচা ঘাট এলাকাটি মানিকগঞ্জ জেলায় অবস্থিত এবং যমুনা নদীর তীরবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ অববাহিকা যেখানে নদী দুটির গতিপথের সংগমস্থল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চাঁদপুর — এটি এমন একটি স্থান যেখানে পদ্মা ও মেঘনা নদী একত্রিত হয়েছে, যমুনার সাথে নয়।
B) বরিশাল — এটি কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত একটি জেলা এবং এটি পদ্মা ও যমুনার মিলনের স্থান নয়।
C) আরিচা — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত, তবে ভৌগোলিক দিক থেকে সঠিক মিলনের স্থানটি গোয়ালন্দ হলেও আরিচা সংগমস্থলের কাছাকাছি অবস্থিত প্রধান নদীবন্দর।
D) ভোলা — এটি মেঘনা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত এবং নদীটি এখানেই সাগরে পতিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা ও যমুনা নদীর মিলনস্থল গোয়ালন্দের কাছাকাছি আরিচা অঞ্চলে অবস্থিত বলে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান
কেন সঠিক:
- ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকারের পতনের দাবিতে আন্দোলনরত অবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আমানউল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (শহীদ আসাদ) পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
- তাঁর স্মরণে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনের গেটের নাম রাখা হয় আসাদগেট এবং এই ঐতিহাসিক শহিদ হওয়ার ঘটনাটি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন — এই আন্দোলনের সাথে ২১ ফেব্রুয়ারি এবং বরকত, সালাম, জব্বারের আত্মত্যাগের ইতিহাস যুক্ত রয়েছে, আসাদগেটের ঘটনার সাথে নয়।
B) ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন — এটি ছিল বাঙালির স্বাধিকারের সনদ উপস্থাপনের রাজনৈতিক আন্দোলন, যার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণা।
D) ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ — এটি সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জনের চূড়ান্ত অধ্যায়, যা ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রায় দুই বছর পর সংঘটিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
শহীদ আসাদের নামানুসারে আসাদগেট নামকরণ করা হয়, যিনি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান শহীদ।
সঠিক উত্তর: D) ১১ মে ২০১৮
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী ২০১৮ সালের ১১ মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়।
- এটি ছিল বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ স্যাটেলাইট এবং এর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট ক্লাবের সদস্যপদ লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ মার্চ ২০১৮ — এই তারিখে কোনো স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়নি, এটি ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি তারিখ।
B) ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ — এটি ভুল তারিখ, কারণ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট এর অনেক আগেই মহাকাশে সফলভাবে পাঠানো হয়েছিল।
C) ১১ মে ২০১৮ — এটি সঠিক উত্তর, তবে প্রশ্নপত্রে একই অপশন দুইবার থাকায় এটিও সঠিক হিসেবে গণ্য হবে।
D) ১১ মে ২০১৮ — এটি সঠিক উত্তর এবং ফ্যালকন-৯ রকেটের মাধ্যমে স্যাটেলাইটটি সফলভাবে কলোরাডো স্যাটেলাইট নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যুক্ত হয়।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠানো হয় ২০১৮ সালের মে মাসের ১১ তারিখে, যা বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত অগ্রগতির একটি বড় মাইলফলক।
সঠিক উত্তর: D) পশ্চিম ইউরোপ
কেন সঠিক:
- আল্পস পর্বতমালা ইউরোপ মহাদেশের দক্ষিণ-মধ্য অংশে অবস্থিত একটি প্রধান পর্বতমালা।
- ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক অবস্থান বিবেচনায় এটি মূলত পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর (যেমন সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, ইতালি) মধ্যে বিস্তৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দক্ষিণ আমেরিকা — দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত প্রধান পর্বতমালা হলো অ্যান্ডিজ, আল্পস নয়।
B) আফ্রিকা — আফ্রিকায় অবস্থিত প্রধান পর্বতমালা হলো অ্যাটলাস ও ড্রাকেনসবার্গ, আল্পস নয়।
C) পূর্ব ইউরোপে — পূর্ব ইউরোপে আল্পস পর্বতমালা অবস্থিত নয়, এর ভৌগোলিক অবস্থান পশ্চিম ও মধ্য ইউরোপে।
D) পশ্চিম ইউরোপ — এটি আল্পস পর্বতমালার সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
ইউরোপের পশ্চিম অংশে ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডের দিকে তাকালেই বিখ্যাত আল্পস পর্বতমালার কথা মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) ৩য়
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ বা মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।
- নদী, খাল-বিল এবং প্লাবনভূমিতে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক অনুকূল পরিবেশ এবং সফল মৎস্য ব্যবস্থাপনা এই অর্জনে ভূমিকা রেখেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২য় — বিশ্বে উৎপাদিত ইলিশ উৎপাদনে বাংলাদেশ প্রথম এবং বদ্ধ জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে দ্বিতীয় হলেও সামগ্রিক মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে এটি সঠিক নয়।
B) ৩য় — এটি সঠিক উত্তর, কারণ সাম্প্রতিক মৎস্য প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশ এই স্থানটি ধরে রেখেছে।
C) ৪থ — এটি সঠিক নয়, কারণ বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশের মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় অবস্থান চতুর্থ থেকে উন্নতি লাভ করেছে।
D) ৮মা — এটি সঠিক নয়, কারণ উন্মুক্ত জলাশয় থেকে মাছ আহরণে বাংলাদেশ বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছে এবং অনেক দেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে প্রথম চীন এবং দ্বিতীয় ভারত, আর ঠিক পরেই অর্থাৎ তৃতীয় স্থানে রয়েছে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ।
সঠিক উত্তর: C) বড়পুকুরিয়া
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ কয়লাখনি যেখান থেকে নিয়মিত বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে।
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলায় অবস্থিত এই খনিটি থেকে উত্তোলিত কয়লা প্রধানত বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খালাসপীর — এটি একটি কয়লাক্ষেত্র হলেও এখান থেকে বর্তমানে বাণিজ্যিক কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে না।
B) ফুলবাড়ীয়া — এটি সঠিক কয়লাখনির নাম নয়, সঠিক নাম ফুলবাড়ী যা দিনাজপুরে অবস্থিত এবং বর্তমানে উত্তোলনের আওতায় নেই।
C) বড়পুকুরিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) দিঘীপাড়া — এটি একটি নব আবিষ্কৃত কয়লাক্ষেত্র, যা উত্তোলনের পর্যায়ে রয়েছে কিন্তু বর্তমানে সক্রিয়ভাবে কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে না।
মনে রাখার টিপস:
বাণিজ্যিকভাবে কয়লা উত্তোলনের ক্ষেত্রে একমাত্র সক্রিয় বড় নাম বড়পুকুরিয়া।
সঠিক উত্তর: C) ২০১৮ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও গ্যাসের বর্ধিত চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ২০১৮ সালে প্রথম তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানি শুরু করে।
- ২০১৮ সালের আগস্ট মাসে প্রথম এলএনজিবাহী জাহাজ মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালে এসে পৌঁছায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১২ সালে — এই সময়ে বাংলাদেশে এলএনজি আমদানির কোনো কার্যক্রম বা অবকাঠামো তৈরি হয়নি।
B) ২০১৬ সালে — এই বছরে এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা চূড়ান্ত হলেও তা বাস্তবে রূপ নেয়নি।
D) ২০১৯ সালে — এই বছর এলএনজি আমদানি অব্যাহত থাকলেও এটি প্রথম আমদানির সাল নয়।
মনে রাখার টিপস:
এলএনজি আমদানির সাল মনে রাখতে আটের সাথে আটের মিল অর্থাৎ ২০১৮ সাল মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) eleven
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে মোট ১১ টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল।
- কৌশলগত সুবিধা এবং সামরিক অভিযਾਨ পরিচালনার সুবিধার্থে এই সেক্টরগুলো গঠন করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ten — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য ১০ টি সেক্টর গঠন করা হয়নি, সঠিক সংখ্যাটি ১১।
B) eleven — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে সমগ্র দেশকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
C) seven — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ৭ টি সেক্টর মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত হয়নি, সেক্টরের সংখ্যা ছিল ১১।
D) ১২ (twelve) — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ১২ টি সেক্টর ছিল না, সমগ্র দেশকে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন একাত্তর সালে দেশ স্বাধীন করতে ১১ টি সেক্টর গঠন করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) 1950
কেন সঠিক:
- পূর্ববঙ্গ আইন পরিষদে ১৯৫০ সালের ১৬ এপ্রিল পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাসত্ব আইন পাস হয়।
- এই আইনের মাধ্যমে তৎকালীন জমিদারদের মধ্যস্বত্ব বাতিল করে সরাসরি সরকারের অধীনে প্রজাসত্ব ব্যবস্থা চালু করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1947 — এই সালে ভারত ও পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভ করে এবং ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে, কিন্তু জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ হয়নি।
B) 1948 — এই সালে জমিদারি প্রথা বিলোপের প্রথম উদ্যোগ হিসেবে আইন প্রণয়নের কাজ শুরু হলেও তা কার্যকর হয়নি।
D) 1953 — এই সাল জমিদারি প্রথা উচ্ছেদের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, বরং এর তিন বছর আগেই ১৯৫০ সালে এই প্রথা আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীন হলো এবং তার ঠিক তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৫০ সালে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ করা হলো।
সঠিক উত্তর: B) ২৩০
কেন সঠিক:
- কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বর্তমান মোট উৎপাদন ক্ষমতা বা ধারণক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট।
- কর্ণফুলী নদীর ওপর নির্মিত এই কেন্দ্রটিতে মোট পাঁচটি ইউনিটের মাধ্যমে এই পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 280 — এটি কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সঠিক উৎপাদন ক্ষমতা নয় এবং এটি একটি অতিরিক্ত আনুমানিক সংখ্যা।
B) 230 — এটি কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সঠিক ও হালনাগাদ উৎপাদন ক্ষমতা নির্দেশ করে।
C) 400 — এই পরিমাণ উৎপাদন ক্ষমতা কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য সঠিক বা বাস্তবসম্মত নয়।
D) 500 — এটি কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকৃত ক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি এবং বিভ্রান্তিকর একটি সংখ্যা।
মনে রাখার টিপস:
কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদনের পরিমাণ মনে রাখতে সংখ্যাটিকে এভাবে মনে রাখুন: দুই শত ত্রিশ মেগাওয়াট (২৩০ মেগাওয়াট)।
সঠিক উত্তর: B) এ্যান্টোনিও গুতেরেস
কেন সঠিক:
- তিনি পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং জাতিসংঘের নবম ও বর্তমান মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- ২০১৭ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে তিনি এই পদে দায়িত্ব গ্রহণ করে আসছেন এবং বর্তমানেও বহাল আছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লি কিং — ইনি জাতিসংঘের মহাসচিব নন, বরং চীনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন।
B) এ্যান্টোনিও গুতেরেস — এটিই সঠিক উত্তর, কারণ তিনি বর্তমানে জাতিসংঘের মহাসচিব পদে দায়িত্ব পালন করছেন।
C) বান কি মুন — ইনি জাতিসংঘের অষ্টম মহাসচিব ছিলেন, বর্তমান মহাসচিব নন।
D) এ্যান্টোনিও মার্কেস — এই নামে জাতিসংঘের কোনো মহাসচিব নেই, এটি একটি কাল্পনিক বা অসংগত নাম।
মনে রাখার টিপস:
বর্তমান মহাসচিবের নামের শেষে গুতেরেস আছে, যা মনে রাখলে সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) নরওয়ে
কেন সঠিক:
- নরওয়ে দেশটি উত্তর মেরুর কাছাকাছি আর্কটিক সার্কেলের মধ্যে অবস্থিত হওয়ায় ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সেখানে ঋতুভেদে দিনের দৈর্ঘ্যে চরম তারতম্য ঘটে।
- গ্রীষ্মকালে এখানে দীর্ঘদিন একটানা সূর্য দৃশ্যমান থাকে যাকে নিশীথ সূর্যের দেশ বলা হয় এবং শীতকালে দীর্ঘ সময় সূর্য অনুপস্থিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাপান — এটি এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এখানে ঋতুভেদে দিনের দৈর্ঘ্যের স্বাভাবিক তারতম্য থাকলেও নরওয়ের মতো চরম বৈচিত্র্য দেখা যায় না।
B) সুইজারল্যান্ড — এটি ইউরোপের একটি মধ্যবর্তী স্থলবেষ্টিত দেশ যেখানে নরওয়ের মতো মেরু অঞ্চলের প্রভাব না থাকায় সারা বছর দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য প্রায় কাছাকাছি থাকে।
C) চীন — এটি একটি বিশাল আয়তনের এশীয় দেশ যেখানে বিভিন্ন জলবায়ু অঞ্চল থাকলেও এটি আর্কটিক অঞ্চলের বাইরে অবস্থিত হওয়ায় দীর্ঘ সময় সূর্য দৃশ্যমান থাকার এই বিশেষ ভৌগোলিক ঘটনা ঘটে না।
D) নরওয়ে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এখানে ভিন্ন ঋতুতে দীর্ঘ ও স্বল্প সময়ের জন্য সূর্য দৃশ্যমান হয়।
মনে রাখার টিপস:
নরওয়েকে নিশীথ সূর্যের দেশ বলা হয়, কারণ এর মেরুদেশীয় অবস্থানের কারণে সেখানে ঋতুভেদে সূর্যের আলো পাওয়ার সময়ে চরম পার্থক্য দেখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) প্রায় ৯৪ ভাগ
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান বিদ্যুৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের প্রায় ৯৪ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে।
- নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং গ্রিড লাইনের সম্প্রসারণের মাধ্যমে এই বিশাল জনগোষ্ঠীর কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রায় ৮০ ভাগ — এটি বিগত কয়েক বছর আগের পুরোনো পরিসংখ্যান, যা বর্তমান অগ্রগতির তুলনায় কম।
B) প্রায় ৬০ ভাগ — এটি আরও আগের সময়ের তথ্য এবং বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে একেবারেই মেলে না।
সি) প্রায় ৯৮ ভাগ — সরকারি আনুষ্ঠানিক হিসাব অনুযায়ী শতভাগ অর্জনের পথে এটি সামান্য বেশি এবং বর্তমানে সঠিক নয়।
ডি) প্রায় ৯৪ ভাগ — এটিই বর্তমান হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী সঠিক পরিসংখ্যান।
মনে রাখার টিপস:
বিদ্যুৎ সুবিধার বর্তমান চিত্র মনে রাখতে ৯৪ সংখ্যাটি মাথায় রাখুন, যা শতভাগের খুব কাছাকাছি।
সঠিক উত্তর: C) দি হেগ
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক আদালত জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ এবং এটি নেদারল্যান্ডসের দি হেগ শহরে অবস্থিত।
- এই আদালত পিস প্যালেস বা শান্তি প্রাসাদে কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর সদর দপ্তর অবস্থিত, আন্তর্জাতিক আদালত এখানে নয়।
B) কোপেন হেগেন — এটি ডেনমার্কের রাজধানী এবং এটি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর হলেও আন্তর্জাতিক আদালত এখানে নেই।
C) দি হেগ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং আন্তর্জাতিক আদালত এখানে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
আন্তর্জাতিক আদালত সংক্রান্ত বিচারিক কাজ নেদারল্যান্ডসের দি হেগ শহরে সম্পাদিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) ১৫৩টি
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৫৩টি — এটি বাংলাদেশের সংবিধানের মূল মোট অনুচ্ছেদের সঠিক সংখ্যা।
B) ১৩৪টি — এটি ভুল সংখ্যা, বাংলাদেশের সংবিধানে এত কম অনুচ্ছেদ নেই।
C) ১২২টি — এটি একটি ভুল সংখ্যা এবং সংবিধানের কাঠামোর সঙ্গে মেলে না।
D) ১৯০টি — এটি একটি অতিরিক্ত সংখ্যা, বাংলাদেশের সংবিধানে এত বেশি অনুচ্ছেদ নেই।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ সংবিধানের শেষ অনুচ্ছেদের নম্বর হলো ১৫৩, যা মোট অনুচ্ছেদ নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: B) মধ্যপাড়া কঠিন শিলা
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ কঠিন শিলা খনি যা বাণিজ্যিকভিত্তিতে খনিজ উত্তোলনে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- এটি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার মধ্যপাড়ায় অবস্থিত এবং এখান থেকে গ্রানাইট জাতীয় কঠিন শিলা উত্তোলন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিছানাকান্দি পাথর মহাল — এটি কোনো খনি নয়, বরং এটি সিলেট জেলার একটি পাহাড়ি পাথরের উৎস বা মহাল যেখান থেকে নদীপথে পাথর সংগ্রহ করা হয়।
B) মধ্যপাড়া কঠিন শিলা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) তাহিরপুর এর চুনাপাথর খনি — এটি সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত এবং এখান থেকে চুনাপাথর উত্তোলনের কথা থাকলেও এটি কঠিন শিলা খনি নয়।
D) জয়পুরহাট এর চুনাপাথর খনি — এটি জয়পুরহাটে অবস্থিত একটি চুনাপাথর ও খনিজ সম্পদ সমৃদ্ধ এলাকা যা কঠিন শিলা উত্তোলনের খনি হিসেবে পরিচিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
দিনাজপুরের মধ্যপাড়া হলো বাংলাদেশের একমাত্র কঠিন শিলা বা গ্রানাইট খনির নাম।
সঠিক উত্তর: C) বেগম রোকেয়া
কেন সঠিক:
- বেগম রোকেয়া বিশ শতকের শুরুতে বাঙালি মুসলিম নারীদের শিক্ষা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন শুরু করেছিলেন।
- তিনি ১৯০৯ সালে রংপুরের পায়রাবন্দে এবং ১৯১১ সালে কলকাতায় সখাওয়াৎ মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি, সাহিত্যিক ও নারী আন্দোলনের নেত্রী হলেও নারী শিক্ষার সূচনার অগ্রদূত নন।
B) নীলিমা ইব্রাহিম — তিনি একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী ছিলেন, যিনি পরবর্তী প্রজন্মের নারী শিক্ষায় অবদান রাখেন।
C) বেগম রোকেয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) নবাব ফয়জুন্নেসা — তিনি নারী শিক্ষায় অবদান রাখলেও বাংলার নারী জাগরণ ও শিক্ষার মূল অগ্রদূত হিসেবে বেগম রোকেয়া সর্বস্বীকৃত।
মনে রাখার টিপস:
নারী শিক্ষার অগ্রদূত বললেই মনে রাখতে হবে বেগম রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেনের নাম।
সঠিক উত্তর: A) পুরুষের শুক্রাণুর Chromosome এর উপর
১. কেন সঠিক:
- মানবদেহে লিঙ্গ নির্ধারণ সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে পুরুষের শুক্রাণুতে থাকা সেক্স ক্রোমোজোমের প্রকৃতির ওপর।
- নারী ডিম্বাণুতে শুধুমাত্র এক্স ক্রোমোজোম থাকে, তাই লিঙ্গ নির্ধারণের ক্ষেত্রে পুরুষের শুক্রাণুই মূল ভূমিকা পালন করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: মানুষের কোষে তের জোড়া বা ছেচল্লিশটি ক্রোমোজোম থাকে, যার মধ্যে এক জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোম।
- কার্যপ্রণালি: পুরুষের সেক্স ক্রোমোজোম ওয়াই এবং এক্স এবং নারীর সেক্স ক্রোমোজোম দুটিই এক্স হয়ে থাকে।
- কারণ ও ফলাফল: পুরুষ থেকে ওয়াই ক্রোমোজোমযুক্ত শুক্রাণু ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করলে পুত্র সন্তান জন্ম নেয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: জিনের গঠন এবং ক্রোমোজোমের এই সূত্র মেনেই পৃথিবীতে নারী ও পুরুষের জন্ম নির্ধারিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পিতার ওয়াই ক্রোমোজোমবাহী শুক্রাণু যখন মাতার এক্স ক্রোমোজোমবাহী ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে।
ব্যাখ্যা: এর ফলে ভ্রূণের সেক্স ক্রোমোজোম ওয়াই এবং এক্স হয়, যা একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেয়।
উদাহরণ ২: পিতার এক্স ক্রোমোজোমবাহী শুক্রাণু যখন মাতার এক্স ক্রোমোজোমবাহী ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে।
ব্যাখ্যা: এর ফলে ভ্রূণের সেক্স ক্রোমোজোম দুটি এক্স হয়, যা একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুরুষের শুক্রাণুর Chromosome এর উপর — এটি সঠিক কারণ পুরুষের শুক্রাণুতে এক্স বা ওয়াই ক্রোমোজোম থাকার ওপরই সন্তানের লিঙ্গ নির্ভর করে।
B) নারীদের ডিম্বাণুর Chromosome এর উপর — এটি ভুল কারণ নারীর সব ডিম্বাণুতেই কেবল এক্স ক্রোমোজোম থাকে, তাই ডিম্বাণু লিঙ্গ নির্ধারণ করে না।
C) উভয়ের Chromosome এর উপর — এটি ভুল কারণ নারী কেবল এক্স ক্রোমোজোম সরবরাহ করতে পারে, তাই লিঙ্গ নির্ধারণে নারীর ক্রোমোজোমের ভূমিকা সমান নয়।
D) কোনটিই নয় — এটি ভুল কারণ প্রথম অপশনটি বৈজ্ঞানিকভাবে সম্পূর্ণ সঠিক ও প্রমাণিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে নারী মানে এক্স এক্স এবং পুরুষ মানে এক্স ওয়াই ক্রোমোজোম।
- পুরুষের ওয়াই ক্রোমোজোম থাকলেই কেবল পুত্র সন্তান হতে পারে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মানুষের কোষে সেক্স ক্রোমোজোমের সংখ্যা এক জোড়া বা দুটি।
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই এই কোষ ও বংশগতি অধ্যায় থেকে লিঙ্গ নির্ধারণ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
প্রশ্নের ধরন: অম্ল, ক্ষার ও লবণ / রসায়ন
সঠিক উত্তর: B) হাইড্রোজেন
১. কেন সঠিক:
পিএইচ এর পূর্ণরূপ হলো পটেনশিয়াল অব হাইড্রোজেন বা হাইড্রোজেনের ক্ষমতা।
এটি দ্বারা মূলত দ্রবণে মুক্ত হাইড্রোজেন আয়নের সক্রিয়তা বা ঘনত্ব পরিমাপ করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: পিএইচ স্কেল হলো শূন্য থেকে চোদ্দ পর্যন্ত একটি লগারিদমীয় স্কেল যা কোনো জলীয় দ্রবণের অম্লীয় বা ক্ষারীয় প্রকৃতি নির্দেশ করে।
কার্যপ্রণালি: দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের পরিমাণ বেশি হলে পিএইচ এর মান কমে এবং অম্লত্ব বৃদ্ধি পায়।
বাস্তব প্রয়োগ: কৃষিকাজে মাটির উর্বরতা রক্ষা এবং মানবদেহের রক্তের পিএইচ সাত দশমিক চার এ স্থির রাখতে এই ধারণা ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিশুদ্ধ পানির পিএইচ সাত যা নিরপেক্ষ হিসেবে গণ্য করা হয়।
ব্যাখ্যা: এতে হাইড্রোজেন আয়ন এবং হাইড্রোক্সাইড আয়নের মাত্রা সমান থাকে।
উদাহরণ ২: পাতিলেবুর রসের পিএইচ প্রায় দুই যা অত্যন্ত অম্লীয়।
ব্যাখ্যা: এতে উচ্চমাত্রায় মুক্ত হাইড্রোজেন আয়ন বিদ্যমান থাকে যা একে অম্লীয় করে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পটাশিয়াম — এটি একটি সক্রিয় ধাতু এবং উদ্ভিদের পুষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান যা পিএইচ স্কেলের মাধ্যমে পরিমাপ করা হয় না।
B) হাইড্রোজেন — সঠিক উত্তর কারণ পিএইচ মূলত জলীয় দ্রবণে উপস্থিত হাইড্রোজেন আয়নের ঋণাত্মক লগারিদম প্রকাশ করে।
C) ম্যাগনেসিয়াম — এটি একটি ক্ষারীয় মৃত্তিকা ধাতু যা অ্যানাসিড ঔষধে ব্যবহৃত হয় কিন্তু পিএইচ এর পরিমাপের মূল একক নয়।
D) ফসফরাস — এটি উদ্ভিদের বৃদ্ধি সহায়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ অধাতু এবং সার উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় তবে পিএইচ এর সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
পিএইচ শব্দের প্রথম অংশ পি মানে পাওয়ার বা ক্ষমতা এবং এইচ মানে হাইড্রোজেন।
অর্থাৎ হাইড্রোজেন আয়নের ক্ষমতা মাপার যন্ত্র বা পরিমাপই হলো পিএইচ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পিএইচ স্কেলের মান সাত হলে তা নিরপেক্ষ, সাতের কম হলে অম্লীয় এবং সাতের বেশি হলে ক্ষারীয় হয়।
বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য বা রক্তের পিএইচ এর মান থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) আধনম গেব্রেয়েসিউল
১. কেন সঠিক:
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে।
বর্তমান মহাপরিচালক হিসেবে ড. টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসিউল বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্য খাতের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জনস্বাস্থ্য নীতি নির্ধারণ, মহামারি প্রতিরোধ এবং বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সংকটে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
কার্যপ্রণালি: সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী বা মহাপরিচালক বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনে প্রধান ভূমিকা পালন করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কোভিডের মতো বৈশ্বিক মহামারির সময় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গাইডলাইন প্রদান করে।
ব্যাখ্যা: এই গাইডলাইন অনুসরণের মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলো রোগ বিস্তার রোধ করতে সক্ষম হয়।
উদাহরণ ২: পোলিও নির্মূল কর্মসূচিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেয়।
ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ ও স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আধনম গেব্রেয়েসিউল — বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বর্তমান মহাপরিচালক হিসেবে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
B) হেলমুট কোহল — তিনি জার্মানির সাবেক চ্যান্সেলর ছিলেন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
C) মিশেল বাসলেট — তিনি চিলির সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং জাতিসংঘের মানবাধিকারের সাবেক হাইকমিশনার ছিলেন।
D) ডেভিড নাভোরো — তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একজন কর্মকর্তা হলেও এর শীর্ষ প্রধান নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধানের নাম মনে রাখতে টেড্রোস আধানম নামটি বারবার চর্চা করতে পারো।
আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের নাম মনে রাখার জন্য নিয়মিত সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞান পড়তে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল এবং এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
এই ধরনের প্রশ্ন থেকে সাধারণত আন্তর্জাতিক সংস্থা, প্রতিষ্ঠাতা বা বর্তমান প্রধান সম্পর্কিত এমসিকিউ পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) Vitamin C
১. কেন সঠিক:
ভিটামিন সি এর অভাবে মানবদেহে স্কার্ভি রোগ দেখা দেয়।
এটি শরীরের কোলাজেন প্রোটিন তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করে, যার ফলে ত্বক, রক্তনালী ও মাড়ির টিস্যু দুর্বল হয়ে পড়ে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক অ্যাসিড একটি পানি-দ্রবণীয় ভিটামিন যা মানবদেহের বিভিন্ন টিস্যু গঠনে এবং রোগ প্রতিরোধে কাজ করে।
কারণ ও ফলাফল: এর দীর্ঘস্থায়ী অভাবে মাড়ি ফুলে যাওয়া, মাড়ি থেকে রক্তপাত হওয়া এবং ত্বকে ক্ষত সৃষ্টি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লেবু, কমলা ও পেয়ারা জাতীয় ফলে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে।
ব্যাখ্যা: এসব ফল নিয়মিত খেলে শরীরে ভিটামিন সি এর চাহিদা পূরণ হয় এবং স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।
উদাহরণ ২: নাবিকদের মধ্যে একসময় এই রোগ বেশি দেখা যেত কারণ তারা দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রায় টাটকা ফল ও শাকসবজি পেতেন না।
ব্যাখ্যা: খাদ্যতালিকায় টাটকা ফল ও সবজির অনুপস্থিতি কীভাবে স্কার্ভি রোগের সৃষ্টি করে তা এই ঐতিহাসিক উদাহরণ থেকে স্পষ্ট হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Vitamin A — এর অভাবে মানবদেহে রাতকানা রোগ এবং চোখের কর্নিয়ার সমস্যা দেখা দেয়।
B) Vitamin D — এর অভাবে শিশুদের রিকেটস এবং প্রাপ্তবয়স্কদের অস্টিওম্যালেসিয়া রোগ হয়।
C) Vitamin C — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়।
D) Vitamin K — এর অভাবে রক্তের তঞ্চন বা জমাট বাঁধার ক্ষমতা কমে যায় এবং অতিরিক্ত রক্তপাত ঘটে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি হয় তা মনে রাখতে সি এবং স্কার্ভি শব্দ দুটি একসঙ্গে মাথায় রাখতে পারো।
টক জাতীয় ফলে ভিটামিন সি পাওয়া যায় যা স্কার্ভি প্রতিরোধ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভিটামিন ও তাদের অভাবজনিত রোগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
ভিটামিন সি এর রাসায়নিক নাম অ্যাসকরবিক অ্যাসিড এবং এটি মাড়ি ও দাঁতের সুরক্ষায় অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) যকৃত
১. কেন সঠিক:
- মানবদেহের সর্ববৃহৎ ও ভারী অভ্যন্তরীণ গ্রন্থি হলো যকৃত।
- এটি দেহের বিপাকীয় কার্যক্রমে প্রধান ভূমিকা পালন করে এবং পিত্তরস তৈরি করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: যকৃত হলো মানবদেহের সবচেয়ে বড় কঠিন অঙ্গ এবং সর্ববৃহৎ গ্রন্থি।
- কার্যপ্রণালি: এটি রক্ত থেকে ক্ষতিকারক পদার্থ ফিল্টার করে এবং খাদ্য হজমে সহায়তা করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার হজমে যকৃতের তৈরি পিত্তরস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাক্ত পদার্থ নিষ্কাশন
ব্যাখ্যা: আমরা ওষুধ বা অ্যালকোহল গ্রহণ করলে যকৃত তা ভেঙে শরীর থেকে নিরাপদভাবে বের করে দেয়।
উদাহরণ ২: গ্লাইকোজেন সঞ্চয়
ব্যাখ্যা: শরীরের অতিরিক্ত গ্লুকোজ যকৃতে গ্লাইকোজেন হিসেবে জমা থাকে এবং প্রয়োজনে শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থাইরয়েড — এটি গলায় অবস্থিত একটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি যা বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু এটি যকৃতের মতো সর্ববৃহৎ নয়।
B) বৃক্ক — বৃক্ক বা কিডনি একটি রেচন অঙ্গ, এটি কোনো গ্রন্থি নয়।
C) যকৃত — এটি মানবদেহের সর্ববৃহৎ গ্রন্থি এবং সঠিক উত্তর।
D) পিটুইটারি — এটি মস্তিষ্কের নিচে অবস্থিত ক্ষুদ্রতম অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি, যা প্রভু গ্রন্থি নামে পরিচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থির নাম মনে রাখতে জ অক্ষরটি মনে রাখুন।
- যকৃত এবং বৃহত্তম উভয় শব্দের সাথেই বড় বা প্রধান ধারণার মিল রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- যকৃতকে মানবদেহের জৈব রসায়নাগার বলা হয়।
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই মানবদেহের বড় অঙ্গ বা গ্রন্থি সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) ৩৭ সপ্তাহের পূর্বে জন্মগ্রহণ করলে
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী গর্ভকাল ৩৭ সপ্তাহ পূর্ণ হওয়ার আগেই কোনো শিশু জন্মগ্রহণ করলে তাকে প্রিটর্ম বেবি বা অপরিপক্ব শিশু বলা হয়।
- এই সময়ে জন্ম নেওয়া শিশুদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও শারীরিক বৃদ্ধি সম্পূর্ণরূপে সম্পন্ন হয় না বলে বিশেষ যত্নের প্রয়োজন হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩৮-৪০ সপ্তাহের ভিতর জন্মগ্রহণ করলে — এটি পূর্ণ মেয়াদী বা ফুল টার্ম শিশুর স্বাভাবিক জন্মকাল, তাই এটি প্রিটর্ম নয়।
B) ৩৭-৩৮ সপ্তাহের ভিতর জন্মগ্রহণ করলে — ৩৭ সপ্তাহ পূর্ণ হলে তাকে প্রিটর্ম বলা হয় না, এটি আর্লি টার্ম বা এর কাছাকাছি সময়।
C) ৩৭ সপ্তাহের পূর্বে জন্মগ্রহণ করলে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রিটর্ম বেবির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
D) ৪২ সপ্তাহ পূর্ণ হলে — এটি পোস্ট টার্ম বা অতিরিক্ত সময় পার হওয়া শিশুকে নির্দেশ করে, যা প্রিটর্মের বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
৩৭ সংখ্যার কম মানেই সময় পূর্ণ হওয়ার আগে জন্ম, তাই এটি প্রি-টার্ম বা অপরিপক্ব শিশু।
সঠিক উত্তর: C) X-ray
কেন সঠিক:
- এক্স-রে বা আয়নাইজিং রেডিয়েশন গর্ভের ভ্রূণের কোষ বিভাজনে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
- এর প্রভাবে শিশুর জন্মগত ত্রুটি বা শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধকতার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বাভাবিক হাঁটা চলা — এটি গর্ভকালীন শারীরিক ফিটনেস ঠিক রাখতে এবং স্বাভাবিক প্রসবে সাহায্য করে, যা কোনো ক্ষতিকর বিষয় নয়।
B) রান্না করা — এটি দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজের অংশ এবং পরিমিতভাবে করলে গর্ভাবস্থায় কোনো ক্ষতি হয় না।
C) X-ray — এটি আয়নাইজিং বিকিরণ ছড়ায় যা গর্ভের ভ্রূণের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও ক্ষতিকর।
D) আয়রন বড়ি খাওয়া — গর্ভাবস্থায় রক্তস্বল্পতা রোধ করার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে আয়রন বড়ি খাওয়া অত্যন্ত জরুরি ও উপকারী।
মনে রাখার টিপস:
গর্ভকালীন সময়ে আয়নাইজিং বিকিরণ যেমন এক্স-রে শিশুর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর, তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এটি বর্জনীয়।
সঠিক উত্তর: B) Spinal Anesthesia
কেন সঠিক:
- প্লাসেন্টা ম্যানুয়ালি অপসারণ করার সময় জরায়ুতে হাত প্রবেশ করাতে হয়, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং এর জন্য প্রসূতির তলপেট থেকে নিচের অংশ সম্পূর্ণ অবশ করা প্রয়োজন।
- স্পাইনাল অ্যানেস্থেসিয়া প্রয়োগ করলে প্রসূতির কোনো ব্যথা অনুভূত হয় না এবং জরায়ুর পেশী শিথিল থাকে, যা চিকিৎসককে সহজে প্লাসেন্টা বের করতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Control cord traction — এটি প্লাসেন্টা প্রাকৃতিকভাবে বের করার তৃতীয় পর্যায়ের একটি পদ্ধতি, কিন্তু জরায়ু থেকে হাত দিয়ে প্লাসেন্টা অপসারণের (Manual Removal) মূল পদ্ধতি নয়।
B) Spinal Anesthesia — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এটি জরায়ুতে হাত প্রবেশ করিয়ে প্লাসেন্টা অপসারণের সময় ব্যথা নিবারণ ও পেশী শিথিল করতে ব্যবহৃত হয়।
C) Catheterization — এটি মূত্রথলি খালি করার জন্য করা হয়, যা সার্জিক্যাল প্রক্রিয়ার একটি অংশ হলেও প্লাসেন্টা অপসারণের জন্য সরাসরি অ্যানেস্থেসিয়া হিসেবে কাজ করে না।
D) Local Anesthesia — এটি শরীরের খুব ছোট অংশে প্রয়োগ করা হয়, যা জরায়ুর ভেতর হাত প্রবেশ করানোর মতো বড় এবং গভীর অপারেশনের ব্যথার জন্য যথেষ্ট নয়।
মনে রাখার টিপস:
জরায়ুর ভেতর হাত ঢুকিয়ে প্লাসেন্টা বের করতে হলে পুরো নিচের অংশ অবশ করতে হয়, তাই স্পাইনাল অ্যানেস্থেসিয়া লাগবে।
সঠিক উত্তর: B) বেশি করে পানি খাওয়ানো
কেন সঠিক:
- নবজাতকের জন্ডিস চিকিৎসায় বেশি করে পানি খাওয়ানোর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই, কারণ সাধারণ ক্ষেত্রে জন্ডিস মায়ের দুধ বা বুকের দুধের মাধ্যমেই প্রাকৃতিক উপায়ে নিরাময় হয়।
- অতিরিক্ত পানি খাওয়ালে শিশুর বুকের দুধের চাহিদা কমে যেতে পারে এবং পুষ্টিতে ব্যাঘাত ঘটে, তাই চিকিৎসকরা এটি অপ্রয়োজনীয় ও অনুচিত বলে গণ্য করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Phototherapy — এটি নবজাতকের জন্ডিস চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত ও অত্যন্ত কার্যকর একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, যা অতিরিক্ত বিলিরুবিন ভেঙে ফেলতে সাহায্য করে।
B) বেশি করে পানি খাওয়ানো — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি জন্ডিস চিকিৎসায় অপ্রয়োজনীয় এবং চিকিৎসাগতভাবে এটি নির্দেশিত নয়।
C) Pharmacologic therapy — কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে জন্ডিসের চিকিৎসায় ওষুধ বা ফার্মাকোলজিক্যাল থেরাপি ব্যবহার করা হয়, তাই এটি সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় নয়।
D) Exchange transfusion — বিলিরুবিনের মাত্রা বিপদজনকভাবে বেশি হলে রক্ত পরিবর্তন বা এক্সচেঞ্জ ট্রান্সফিউশন চিকিৎসায় জরুরিভাবে ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
নবজাতকের জন্ডিসে পানি নয়, শুধু পর্যাপ্ত মায়ের দুধ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ফটোথেরাপি প্রয়োজন।
সঠিক উত্তর: A) পরিষ্কার প্রসব স্থান
কেন সঠিক:
- জীবাণুমুক্ত বা নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করার জন্য প্রসব স্থান পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত হওয়া অত্যন্ত জরুরি।
- পরিষ্কার প্রসব স্থান মা ও নবজাতককে ধনুষ্টংকার বা টিটানাস এবং বিভিন্ন মারাত্মক সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরিষ্কার প্রসব স্থান — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সংক্রমণ রোধের মূল শর্ত।
B) মাকে পরিষ্কার কাপড় পড়ানো — এটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও প্রসবের সময় সংক্রমণ রোধে স্থান পরিষ্কার রাখা সবার আগে প্রয়োজন।
C) নিবিড়ভাবে শিশুকে পর্যবেক্ষণ — এটি প্রসব-পরবর্তী পরিচর্যার অংশ, যা জীবাণুমুক্ত প্রসব নিশ্চিত করার প্রাথমিক শর্ত নয়।
D) পরিবার পরিকল্পনা সেবা — এটি প্রসবের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, বরং এটি জন্মনিয়ন্ত্রণ ও জনস্বাস্থ্য সম্পর্কিত সেবা।
মনে রাখার টিপস:
সংক্রমণ মুক্ত নিরাপদ প্রসবের প্রথম ও প্রধান শর্ত হলো প্রসব স্থান পরিষ্কার রাখা।
সঠিক উত্তর: C) ৬ মাস
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ইউনিসেফের নির্দেশিকা অনুযায়ী শিশুর জন্ম থেকে প্রথম ছয় মাস পর্যন্ত শুধু মায়ের দুধই আদর্শ ও একমাত্র খাদ্য।
- এই সময়ে শিশুর শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য অন্য কোনো খাবার বা পানিও প্রয়োজন হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪ মাস — এই বয়সে শিশুর পুষ্টির চাহিদা মেটানোর জন্য শুধুমাত্র মায়ের দুধ অপর্যাপ্ত হতে পারে, তবে আধুনিক স্বাস্থ্য নীতিমালায় এই সময় অন্য খাবার নিষিদ্ধ।
B) ৫ মাস — এই সময়কাল এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিংয়ের আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে মিলে না, কারণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ছয় মাস পর্যন্ত তা নির্ধারণ করেছে।
C) ৬ মাস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়।
D) ১২ মাস — ছয় মাসের পর মায়ের দুধের পাশাপাশি শিশুর পুষ্টির জন্য পরিপূরক বা বাড়তি খাবারের প্রয়োজন হয়, তাই শুধু মায়ের দুধ ১২ মাস পর্যন্ত যথেষ্ট নয়।
মনে রাখার টিপস:
শিশুর জন্মের পর থেকে ছয় মাস বয়স পর্যন্ত শুধু মায়ের দুধ, এই সংখ্যাটি মনে রাখতে প্রথম খাবার শুরুর বয়স ছয় মাস হিসেবে হিসাব করুন।
সঠিক উত্তর: A) Progesterone
কেন সঠিক:
- মিনিপিল জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়িগুলোতে মূলত প্রোজেস্টেরন হরমোন থাকে যা ডিম্বাণু নির্গমন প্রতিরোধ করে।
- এটি জরায়ুর মুখের শ্লেষ্মাকে ঘন করে, যার ফলে শুক্রাণু জরায়ুতে প্রবেশ করতে পারে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Progesterone — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই হরমোনটিই মিনিপিলের প্রধান উপাদান।
B) MgSO4 — এটি ম্যাগনেশিয়াম সালফেট, যা সাধারণত একলামসিয়া বা খিঁচুনি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
C) Oestrogen — ইস্ট্রোজেন হরমোন কম্বাইন্ড ওরাল পিল বা জন্মনিয়ন্ত্রণ মিশ্র বড়িতে থাকে, একক মিনিপিলে থাকে না।
D) Oxtocoin — অক্সিটোসিন হলো প্রসব বেদনা ওঠাতে এবং জরায়ুর সংকোচন বাড়াতে সাহায্যকারী হরমোন।
মনে রাখার টিপস:
মিনিপিল মানেই প্রোজেস্টেরন হরমোনের একক শক্তি, যা জরায়ুকে রাখে সুরক্ষিত।
সঠিক উত্তর: D) Nerve
কেন সঠিক:
- নিউরোলজি হলো চিকিৎসা বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা, যেখানে মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্র বা নার্ভ নিয়ে গবেষণা ও চিকিৎসা করা হয়।
- স্নায়ুতন্ত্র সম্পর্কিত বিভিন্ন রোগ যেমন স্ট্রোক, মৃগী রোগ এবং পার্কিনসন রোগ এই শাখার অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Heart — হৃদপিণ্ড বা কার্ডিওলজি সংক্রান্ত পড়াশোনা ও চিকিৎসাকে বলা হয় কার্ডিওলজি।
B) blood — রক্ত বা রক্ত সংক্রান্ত চিকিৎসাবিজ্ঞানের শাখাকে বলা হয় হেমাটোলজি।
C) Hormone — হরমোন ও অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি সংক্রান্ত চিকিৎসাবিজ্ঞানের শাখাকে বলা হয় এন্ডোক্রিনোলজি।
D) Nerve — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিউরোলজি শব্দের মূল অর্থ স্নায়ু বা নার্ভ।
মনে রাখার টিপস:
নিউরন হলো স্নায়ুতন্ত্রের একক, তাই নিউরন শব্দ থেকে নিউরোলজি মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: A) Puerperal sepsis
কেন সঠিক:
- প্রসবের পর জরায়ু বা প্রজননতন্ত্রে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হওয়াকে পিউপারাল সেপসিস বলে।
- এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে প্রসব পরবর্তী অন্যতম প্রধান একটি মারাত্মক জটিলতা হিসেবে স্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Puerperal sepsis — এটি একটি মারাত্মক প্রসব পরবর্তী জটিলতা যা সঠিক উত্তর হিসেবে প্রযোজ্য।
B) অজ্ঞান হয়ে যাওয়া — এটি প্রসব পরবর্তী সাধারণ জটিলতা বা কারণ নয়, বরং এটি রক্তাল্পতা বা অন্য কোনো রোগের লক্ষণ হতে পারে।
C) মায়ের অপুষ্টি — এটি দীর্ঘমেয়াদী পুষ্টিহীনতা বা স্বাস্থ্যহীনতার সমস্যা, সরাসরি প্রসব পরবর্তী নির্দিষ্ট তাৎক্ষণিক জটিলতা নয়।
D) চোখে ঝাপসা দেখা — এটি উচ্চ রক্তচাপ বা অন্য কোনো শারীরিক সমস্যার লক্ষণ, প্রসব পরবর্তী সরাসরি নির্দিষ্ট জটিলতা নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রসব পরবর্তী সংক্রমণের জটিলতাকে পিউপারাল সেপসিস বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) রক্ত শূন্যতা
কেন সঠিক:
- গর্ভকালীন সময়ে তীব্র রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া মা ও শিশুর জীবনের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে।
- এটি প্রসবকালীন অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ এবং গর্ভস্থ শিশুর কম ওজন বা মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রক্ত শূন্যতা — এটি গর্ভকালীন সময়ের একটি প্রধান বিপদচিহ্ন যা মা ও শিশুর স্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলে।
B) জার্মান মিসেলস — এটি গর্ভধারণের প্রথম দিকে শিশুর জন্মগত ত্রুটি ঘটাতে পারে তবে এটি সরাসরি প্রসবকালীন তাৎক্ষণিক বিপদচিহ্ন নয়।
C) গায়ে পানি জমা — এটি গর্ভাবস্থার শেষ দিকে সামান্য হতে পারে এবং এটি সবসময় তীব্র বিপদচিহ্ন হিসেবে গণ্য হয় না।
D) ডায়রিয়া — এটি একটি সাধারণ অসুস্থতা এবং সঠিক চিকিৎসা করলে এটি গর্ভকালীন বিশেষ বিপদচিহ্নের মধ্যে পড়ে না।
মনে রাখার টিপস:
গর্ভে রক্তের টান মানেই বিপদ, রক্তশূন্যতা হলো সেই মারাত্মক সংকেত।
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / চিকিৎসা বিজ্ঞান
সঠিক উত্তর: প্রদাত্ত উত্তরটি সঠিক নয়। সঠিক উত্তর হবে রক্তক্ষরণ (B)। প্রসূতি বিদ্যায় বা অবস্টেট্রিক্সে হঠাৎ রক্তক্ষরণ বা পোস্টপার্টাম হেমোরেজ একটি প্রধান অবস্টেট্রিক ইমার্জেন্সি।
কেন সঠিক:
- প্রসবের সময় বা পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ মায়ের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ যা তাৎক্ষণিক চিকিৎসা না করলে মারাত্মক হতে পারে।
- এটিকে প্রসূতি বিজ্ঞানে అత్యవশ্যকীয় বা অবস্টেট্রিক ইমার্জেন্সি হিসেবে গণ্য করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জরায়ু সংকোচন — এটি প্রসবের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বা লেবার পেইন এর অংশ, একে সরাসরি ইমার্জেন্সি বলা যায় না।
B) রক্তক্ষরণ — এটি সঠিক অবস্টেট্রিক ইমার্জেন্সি, যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণ না করলে জীবন সংশয় হতে পারে।
C) জরায়ু প্রদাহ — এটি সাধারণত প্রসব পরবর্তী সময়ে ইনফেকশনজনিত জটিলতা, যা দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা সাপেক্ষ কিন্তু তাৎক্ষণিক ইমার্জেন্সি নয়।
D) Uterine prolapse — জরায়ু নিচে নেমে যাওয়ার এই সমস্যাটি দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক জটিলতা, যা প্রসবকালীন জরুরি পরিস্থিতি নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রসূতি বা অবস্টেট্রিক ইমার্জেন্সি বললেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা হেমোরেজকে প্রধান জরুরি পরিস্থিতি হিসেবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) Perinium ছিঁড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে
কেন সঠিক:
- স্বাভাবিক প্রসবের সময় যোনিপথের মুখ বড় করার জন্য পেরিনিয়ামে ছোট অস্ত্রোপচার করা হয়।
- এর ফলে টিস্যু অনিয়ন্ত্রিতভাবে ছিঁড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমে এবং সহজে নিরাময় হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Perinium ছিঁড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে — এটি সঠিক কারণ, প্রসবের সময় পেরিনিয়ামের অনিয়ন্ত্রিত ছেঁদন রোধ করতে এটি করা হয়।
B) Catheter করা সুবিধা — ক্যাথেটার করার জন্য এপিটমি করা হয় না, এটি মূত্রথলি খালি রাখার একটি আলাদা প্রক্রিয়া।
C) Placenta দ্রুত আলাদা হবে — প্লাসেন্টা আলাদা হওয়ার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হরমোন ও জিমার সংকোচন নির্ভর, এর সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
D) রক্তক্ষরণ দ্রুত বন্ধ হয় — এটি ভুল কারণ এই প্রক্রিয়াটি নিজে রক্তক্ষরণ কমায় না, বরং কাটার ফলে সাময়িক রক্তপাত হতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
এপিটমি মানেই হলো পেরিনিয়াম রক্ষা করা যাতে অনিয়ন্ত্রিত টিস্যু ফাটা রোধ করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) উচ্চ রক্তচাপ
কেন সঠিক:
- গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ বা প্রি-একলাম্পসিয়া মাতৃমৃত্যু ও জঠরস্থ শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝূঁকির সৃষ্টি করে।
- এটি খিঁচুনি, প্রসবকালীন জটিলতা এবং অঙ্গহানির বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্বাসকষ্ট — এটি গর্ভাবস্থায় ফুসফুসের ওপর অতিরিক্ত চাপের কারণে হতে পারে, তবে সরাসরি ঝুঁকিপূর্ণ মা হিসেবে চিহ্নিতকরণের মূল প্রাথমিক লক্ষণ এটি নয়।
B) উচ্চ রক্তচাপ — এটি গর্ভাবস্থায় ঝুঁকিপূর্ণ মা হিসেবে সনাক্তকরণের প্রধান ও চূড়ান্ত চিহ্ন।
C) ডায়রিয়া — এটি একটি সাধারণ পানিবাহিত বা সংক্রামক রোগ, যা সঠিক চিকিৎসায় দ্রুত নিরাময়যোগ্য এবং গর্ভাবস্থার নির্দিষ্ট জটিলতা নয়।
D) সর্দি কাশি — এটি সাধারণ ঠাণ্ডাজনিত সংক্রমণ মাত্র, যা গর্ভাবস্থার বিশেষ কোনো ঝুঁকিপূর্ণ মার লক্ষণ হিসেবে গণ্য হয় না।
মনে রাখার টিপস:
গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ মানেই বিপদের সংকেত, তাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণই হলো ঝুঁকিপূর্ণ মা সনাক্তকরণের প্রধান মাপকাঠি।
বিষয়ের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: C) Anaemia
কেন সঠিক:
- রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া মাতৃমৃত্যুর একটি অন্যতম প্রধান ও প্রত্যক্ষ কারণ।
- গর্ভকালীন সময়ে শরীরে রক্তের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Eclampsia — এটি গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপজনিত খিঁচুনি হলেও এটি একটি পরোক্ষ বা বিশেষ জটিলতা হিসেবে গণ্য হয়।
B) জ্বর — জ্বর বিভিন্ন সংক্রমণের লক্ষণ মাত্র, যা মাতৃমৃত্যুর প্রত্যক্ষ কারণের সরাসরি তালিকায় পড়ে না।
D) জরায়ু সংকোচন — এটি প্রসবের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, তবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে তা অন্য কারণে ঘটে।
মনে রাখার টিপস:
গর্ভাবস্থায় রক্তের অভাব বা রক্তস্বল্পতা (Anaemia) মাতৃমৃত্যুর প্রধান প্রত্যক্ষ কারণগুলোর একটি।
সঠিক উত্তর: D) ২৫০০ গ্রাম এর নিচে
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে জন্মের সময় কোনো শিশুর ওজন আড়াই হাজার গ্রামের কম হলে তাকে স্বল্প ওজনের শিশু বলা হয়।
- মায়ের পুষ্টিহীনতা, শারীরিক অসুস্থতা এবং গর্ভকালীন জটিলতার কারণে সাধারণত কম ওজনের শিশুর জন্ম হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪০০০-৫০০০ গ্রাম — এটি অত্যন্ত বেশি ওজন যা স্বাভাবিক বা আদর্শ ওজনের চেয়ে অনেক বেশি এবং একে অতিরিক্ত ওজনের শিশু বলা হয়।
B) ২৫০০-৩৫০০ গ্রাম — এটি একটি নবজাতকের আদর্শ ও স্বাভাবিক জন্ম ওজন, যা কম ওজনের সীমার মধ্যে পড়ে না।
C) ৩৫০০-৪০০০ গ্রাম — এটিও একটি সুস্থ ও স্বাভাবিক নবজাতকের তুলনামূলকভাবে কিছুটা বেশি ওজন, যা স্বল্প ওজনের সংজ্ঞা অনুযায়ী সঠিক নয়।
D) ২৫০০ গ্রাম এর নিচে — এটি কম ওজনের শিশুর সঠিক মানদণ্ড হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
আড়াই হাজার গ্রাম বা আড়াই কেজি হলো আদর্শ সীমার রেখা, এর নিচে নামলেই সেটি কম ওজন।
সঠিক উত্তর: B) ৪
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা অনুযায়ী গর্ভবতী মায়েদের প্রসব পূর্বকালীন বা এন্টিনেটাল কেয়ার অন্তত চারবার নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- গর্ভকালীন স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো এবং সুস্থ ও স্বাভাবিক প্রসব নিশ্চিত করার জন্য এই চারটি নির্দিষ্ট ভিজিট অত্যন্ত জরুরি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 3 — বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী ৩টি ভিজিটের কথা বলা হলেও আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান ও নতুন নির্দেশিকায় একে ৪টি করা হয়েছে।
B) 4 — এটি বর্তমান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা অনুযায়ী সঠিক উত্তর এবং বর্তমানে অন্তত ৪ বার প্রসব পূর্বকালীন সেবা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
C) 5 — সাধারণ ও স্বাভাবিক গর্ভকালীন অবস্থার জন্য ৫টি ভিজিটের সুনির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক প্রটোকল নেই, তবে ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হতে পারে।
D) 14 — বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাম্প্রতিক নির্দেশিকায় প্রসব পূর্বকালীন সেবার সংখ্যা বাড়িয়ে ৮ বার করার কথা বলা হলেও ১৪ বার বলে কোনো নির্দিষ্ট মানদণ্ড নেই।
মনে রাখার টিপস:
গর্ভকালীন সেবা মনে রাখতে 'চার' সংখ্যাটি মাথায় রাখুন, যার অর্থ অন্তত চারবার ডাক্তার বা স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ নিতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ৪০ দিন
কেন সঠিক:
- প্রসবের পর মায়ের শরীরের প্রজনন অঙ্গসমূহ পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসতে যে সময় লাগে তাকে পুয়েরপেরিয়াম বা সূতিকাল বা প্রসবোত্তর সময়কাল বলে।
- চিকিৎসাবিজ্ঞান ও নার্সিং সেক্টরের স্ট্যান্ডার্ড গাইডলাইন অনুযায়ী এই সময়কাল সাধারণত প্রসবের পর থেকে প্রথম ছয় সপ্তাহ বা প্রায় চল্লিশ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৫ দিন — এই স্বল্প সময়ে প্রসবোত্তর মায়ের শরীরের হরমোন ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে না।
B) ৩০ দিন — এটি এক মাস হলেও চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রসবোত্তর বা পুয়েরপেরিয়াম সময়ের আদর্শ ব্যাপ্তির চেয়ে কম।
D) ৫০ দিন — এই সময়কাল চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুমোদিত পুয়েরপেরিয়াম বা প্রসবোত্তর সময়ের সীমার চেয়ে বেশি।
মনে রাখার টিপস:
পুয়েরপেরিয়াম বা সূতিকাল মনে রাখতে চল্লিশ দিনের এই সময়কালকে প্রচলিত সুতিকা কাল বা চল্লিশা হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) Syphilis
কেন সঠিক:
- সিফিলিস একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত যৌনবাহিত রোগ যা মূলত শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে ছড়ায়।
- এটি ট্রেপোনেমা প্যালিডাম নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণে মানবদেহে সৃষ্টি হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Diphtheria — এটি একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত বায়ুবাহিত বা শ্বাসতন্ত্রের রোগ, যা মূলত গলা ও ফুসফুসকে আক্রমণ করে।
B) Syphilis — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং একটি পরিচিত যৌনবাহিত রোগ।
C) Cancer — এটি কোষের অস্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধির কারণে হয়, যা কোনো যৌনরোগ নয়।
D) Diabetes — এটি ইনসুলিনের ঘাটতি বা কার্যকারিতার সমস্যার কারণে সৃষ্ট হরমোনজনিত বিপাকীয় রোগ।
মনে রাখার টিপস:
সিফিলিস, গনোরিয়া এবং এইডস হলো প্রধান পরিচিত যৌনবাহিত রোগ।
সঠিক উত্তর: A) Birth Asphyxia
কেন সঠিক:
- জন্মের সময় অক্সিজেনের অভাবে শরীরে নীলচে বর্ণ ধারণ করাকে সায়ানোসিস এবং দ্রুত শ্বাস নেওয়াকে ট্যাকিপনিয়া বলে।
- এটি নবজাতকের জন্মগত শ্বাসকষ্ট বা বার্থ অ্যাসফেক্সিয়া নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Birth Asphyxia - এটি সঠিক উত্তর এবং নবজাতকের শ্বাসকষ্টের প্রধান কারণ নির্দেশ করে।
B) Fever - জ্বর হলো শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধির অবস্থা, যা জন্মলগ্নে সায়ানোসিস বা ট্যাকিপনিয়ার প্রধান কারণ নয়।
C) Diarrhea - ডায়রিয়া হলো পাতলা পায়খানা জনিত সমস্যা, যার সাথে জন্মলগ্নের এই বিশেষ শ্বাসকষ্টের সরাসরি সম্পর্ক নেই।
D) Hypothermia - হাইপোথার্মিয়া হলো শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে যাওয়া, যা এখানে মূল লক্ষণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
নবজাতকের জন্মের সময় নীল বর্ণ ও দ্রুত শ্বাস দেখলে বার্থ অ্যাসফেক্সিয়া বা অক্সিজেনের অভাব মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) মাতৃত্বমৃত্যুর হার কমানো
কেন সঠিক:
- EOC এর পূর্ণরূপ হলো Emergency Obstetric Care বা জরুরি প্রসূতি যত্ন।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো গর্ভকালীন ও প্রসবকালীন জটিলতা নিরসন করে মাতৃত্বমৃত্যুর হার কমানো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাতৃত্বমৃত্যুর হার কমানো — এটি EOC এর নির্ধারিত মূল উদ্দেশ্য হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) অনুর্ধ্ব ৫ বছরের শিশু মৃত্যুর হার কমানো — এটি সাধারণত IMCI বা শিশু স্বাস্থ্য কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্য।
C) শিশু অসুস্থতার হার কমানো — এটি টিকাদান এবং পুষ্টি সম্পর্কিত বিভিন্ন স্বাস্থ্য কর্মসূচির লক্ষ্য।
D) পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণ — এটি মূলত জন্মনিয়ন্ত্রণ ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সম্পর্কিত কার্যক্রম।
মনে রাখার টিপস:
EOC শব্দটির মধ্যে প্রসূতি বা মাতৃত্বকালীন সেবার বিষয়টি জড়িত, তাই এটি মাতৃত্বমৃত্যুর হার কমানোর সঙ্গে সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: C) eyes
কেন সঠিক:
- কন্টাক্ট লেন্স হলো চোখের দৃষ্টি ত্রুটি সংশোধনের জন্য বা প্রসাধন উদ্দেশ্যে চোখের কর্নিয়ার ওপর সরাসরি পরিধান করা এক ধরনের পাতলা লেন্স।
- এটি কেবল চোখেই ব্যবহার করা হয়, যা আলো প্রতিসরণ করে দৃষ্টিশক্তি স্পষ্ট করতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) cameras — ক্যামেরার ভেতরে লেন্স থাকে ঠিকই, কিন্তু পরিধানযোগ্য কন্টাক্ট লেন্স ক্যামেরায় পরা হয় না।
B) clothes — পোশাক হলো পরিধানের বস্ত্র, যার সাথে চোখের দৃষ্টি সংশোধনের কন্টাক্ট লেন্সের কোনো সম্পর্ক নেই।
C) eyes — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
D) shoes — জুতো পায়ে পরা হয়, যা দৃষ্টি সংক্রান্ত কোনো উপকরণের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
কন্টাক্ট লেন্স শব্দটি দেখলেই মনে রাখবে এটি চোখে ব্যবহারের জন্য তৈরি এক ধরনের কৃত্রিম দৃষ্টি সহায়ক লেন্স।
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (চিকিৎসা বিজ্ঞান)
সঠিক উত্তর: C) Small sudden gush of blood
কেন সঠিক:
- প্লাসেন্টা বা অমরা জরায়ুর দেওয়াল থেকে আলাদা হওয়ার সময় রক্তনালী ছিঁড়ে গিয়ে হঠাৎ সামান্য রক্তপাত ঘটে।
- প্রসবের তৃতীয় পর্যায়ে এটি প্লাসেন্টা সেপারেশন বা অমরা ছুটে যাওয়ার একটি প্রধান ও দৃশ্যমান ক্লিনিক্যাল সাইন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বমি বমি ভাব — এটি হরমোনের পরিবর্তন বা প্রসবের প্রথম দিকের সাধারণ লক্ষণ, প্লাসেন্টা ছুটে যাওয়ার নির্দিষ্ট সাইন নয়।
B) Shortening of the cord — এটি অমরা পৃথক হওয়ার আরেকটি লক্ষণ হলেও এখানে প্রদত্ত সঠিক উত্তর সি হওয়ায় এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রধান বা একমাত্র মূল উত্তর নয়।
D) Uterus সরু হওয়া — প্লাসেন্টা আলাদা হওয়ার সময় জরায়ু গোল ও উঁচুতে ওঠে, সরু হয় না।
মনে রাখার টিপস:
প্লাসেন্টা ছুটে যাওয়ার তিনটি প্রধান লক্ষণ হলো কর্ড লম্বা হওয়া, জরায়ু গোলাকার হওয়া এবং হঠাৎ সামান্য রক্তপাত (Gush of blood) দেখা দেওয়া।
সঠিক উত্তর: A) ১৮ বছরের কম বয়সে
কেন সঠিক:
- চিকিৎসাবিজ্ঞান ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ১৮ বছরের কম বয়সে মেয়ের শারীরিক ও প্রজননতন্ত্র পূর্ণাঙ্গভাবে বিকশিত হয় না।
- এই বয়সে গর্ভধারণ করলে মা ও নবজাতক উভয়েরই মৃত্যুঝুঁকি এবং প্রসবকালীন জটিলতা বহুগুণ বেড়ে যায়।
(বিঃদ্রঃ প্রদত্ত সঠিক উত্তর সি ৩০ বছরের বেশি ভুল। চিকিৎসা বিজ্ঞানের মানদণ্ডে কম বয়সে (বিশেষ করে ১৮ বছরের নিচে) মা হওয়াকেই সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ধরা হয়।)
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮ বছরের কম বয়সে — এই বয়সে শারীরিক ও মানসিক অপরিণতির কারণে মাতৃত্ব চরম স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
B) বয়স কোন ব্যাপার না — মাতৃত্বের ক্ষেত্রে বয়স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জৈবিক ও স্বাস্থ্যগত বিষয়।
C) ৩০ বছরের বেশি — আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে ৩০ বা ৩৫ বছরের পর কিছু ঝুঁকি বাড়লেও ১৮ বছরের কম বয়সের মতো এটি প্রধান বা একক চরম ঝুঁকি নয়।
D) ২৫ বছর বয়সে — ২৫ বছর বয়স হলো সন্তান জন্মদানের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ ও শারীরিকভাবে উপযুক্ত সময়।
মনে রাখার টিপস:
মাতৃত্বের নিরাপদ বয়স কুড়ি থেকে ত্রিশ, এর কম বা বেশি হলে ঝুঁকি বাড়ে।
সঠিক উত্তর: D) Hand Prolapse
কেন সঠিক:
- প্রসবকালীন জটিলতা হলো এমন একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি যা স্বাভাবিক প্রসবের ক্ষেত্রে মা ও শিশুর জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে।
- Hand Prolapse বলতে বোঝায় প্রসবের সময় বাচ্চার মাথা বা শরীরের অন্য অংশের আগে হাত বেরিয়ে আসা, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি জটিলতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তলপেটে ব্যথা হওয়া — এটি গর্ভাবস্থার একটি সাধারণ ও স্বাভাবিক লক্ষণ হতে পারে, যা সরাসরি প্রসবকালীন জটিলতা নয়।
B) মাথা ব্যথা — এটি গর্ভাবস্থায় সাধারণ হরমোন পরিবর্তন বা রক্তচাপের কারণে হতে পারে, যা প্রসবকালীন নির্দিষ্ট জটিলতা নির্দেশ করে না।
C) বমি বমি ভাব — এটি সাধারণত গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে মর্নিং সিকনেস হিসেবে দেখা যায়, যা প্রসবকালীন জটিলতা নয়।
D) Hand Prolapse — এটি প্রসবের সময় ঘটা একটি সরাসরি এবং গুরুতর অস্বাভাবিক জটিলতা।
মনে রাখার টিপস:
প্রসবকালীন জটিলতা মানেই শিশুর অস্বাভাবিক অবস্থান বা অঙ্গের বেরিয়ে আসা, যেমন Hand Prolapse।
সঠিক উত্তর: B) দুইটি
কেন সঠিক:
- গর্ভবতী নারীদের ধনুষ্টংকার বা টিটানাস রোগ প্রতিরোধ করার জন্য সাধারণত দুই ডোজ টিটি টিকা দেওয়া হয়।
- প্রথম ডোজ নেওয়ার নির্দিষ্ট সময় পর দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করলে গর্ভকালীন ও প্রসবকালীন সময়ে মা ও নবজাতক সুরক্ষিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি — শুধুমাত্র একটি ডোজ নিলে গর্ভকালীন পর্যাপ্ত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয় না, তাই এটি অপর্যাপ্ত।
B) দুইটি — এটি সঠিক উত্তর কারণ গর্ভবতী মায়ের পূর্ণ সুরক্ষার জন্য নির্ধারিত নিয়মে দুটি ডোজ নিশ্চিত করা হয়।
সি) চারটি — বাংলাদেশ সরকারের টিকাদান কর্মসূচি অনুযায়ী গর্ভকালীন সুরক্ষার জন্য চারটি ডোজের প্রয়োজন হয় না।
ডি) পাঁচটি — পাঁচটি ডোজ সাধারণত জীবনব্যাপী পূর্ণ সুরক্ষার জন্য দেওয়া হয়, যা গর্ভকালীন নির্দিষ্ট রুটিনের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
গর্ভাবস্থায় মায়ের সুরক্ষার কথা মনে রাখলেই মাথায় আসবে নিরাপদ থাকার জন্য দরকার দুটি ডোজ।
সঠিক উত্তর: C) যাদের কোন সন্তান নেই
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং পরিবার পরিকল্পনা নীতির সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
- বাস্তবে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি হিসেবে IUCD (Intrauterine Contraceptive Device) সাধারণত তাদের দেওয়া হয় যাদের অন্তত একটি সন্তান রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যাদের জরায়ুতে Infection আছে। — জরায়ুতে ইনফেকশন বা সংক্রমণ থাকলে আইইউসিডি ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষেধ কারণ এতে সংক্রমণ আরও বেড়ে যেতে পারে।
B) যাদের মাসিক স্বাভাবিক ও নিয়মিত — মাসিক স্বাভাবিক থাকলেও যাদের সন্তান নেই তাদের ক্ষেত্রে প্রথম পছন্দ হিসেবে সাধারণত আইইউসিডি ব্যবহার করা হয় না।
C) যাদের কোন সন্তান নেই — প্রদত্ত্ব উত্তরটি ভুল, কারণ আইইউসিডি সাধারণত তাদেরই দেওয়া হয় যাদের অন্তত একটি সন্তান রয়েছে এবং জরায়ুর আকৃতি স্বাভাবিক থাকে।
D) যাদের Cancer আছে। — জরায়ু বা প্রজননতন্ত্রে ক্যানসার থাকলে আইইউসিডি ব্যবহার করা নিরাপদ নয়।
মনে রাখার টিপস:
আইইউসিডি বা কপার টি পরিবার পরিকল্পনার একটি দীর্ঘমেয়াদী পদ্ধতি, যা সাধারণত সন্তান জন্মদানের পরেই ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) খিঁচুনী
কেন সঠিক:
- একট্লাম্পসিয়া হলো গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপজনিত জটিলতা প্রি-এক্লাম্পসিয়ার একটি গুরুতর পর্যায়, যার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো খিঁচুনি বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।
- এটি সাধারণত গর্ভবতী মায়ের মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ এবং রক্তচাপে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটার কারণে ঘটে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খিঁচুনী — এটি একট্লাম্পসিয়ার প্রধান ও নিশ্চিত লক্ষণ, যার মাধ্যমে প্রি-এক্লাম্পসিয়া একট্লাম্পসিয়ায় রূপান্তর হয়।
B) Epigastric pain — এটি প্রি-এক্লাম্পসিয়ার অন্যতম লক্ষণ হলেও, শুধুমাত্র এটি একট্লাম্পসিয়ার মূল সংজ্ঞায়িত উপসর্গ নয়।
C) জন্ডিস — এটি মূলত লিভার বা পিত্তনালীর বিভিন্ন সমস্যার কারণে হয়, যা সরাসরি একট্লাম্পসিয়ার প্রধান লক্ষণ নয়।
D) রক্তক্ষরণ — এটি গর্ভাবস্থায় প্লাসেন্টাল অ্যাব্রাপশন বা অন্য কোনো জটিলতার লক্ষণ, একট্লাম্পসিয়ার প্রাথমিক বৈশিষ্ট্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রি-এক্লাম্পসিয়ার লক্ষণগুলোর সঙ্গে যখন খিঁচুনি যুক্ত হয়, তখন তাকে একট্লাম্পসিয়া বলে।
সঠিক উত্তর: B) Heart rate
কেন সঠিক:
- আপগার স্কোর জন্ম নেওয়ার পর নবজাতকের শারীরিক অবস্থা মূল্যায়নের একটি দ্রুত পদ্ধতি।
- এই স্কোরে হৃদস্পন্দন বা হার্ট রেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রধান চিহ্ন বা প্যারামিটার হিসেবে ধরা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নবজাতকের ওজন — ওজনকে জন্মকালীন গুরুত্বপূর্ণ সূচক ধরা হলেও এটি আপগার স্কোরের অংশ নয়।
B) Heart rate — এটি আপগার স্কোরের একটি সঠিক ও মূল লক্ষণ।
C) জ্বর অথবা কাশি — এগুলো সাধারণত নবজাতকের আপগার স্কোরে মূল্যায়িত হয় না।
D) পানি শূন্যতা — এটি আপগার স্কোরের সরাসরি কোনো পরিমাপযোগ্য উপাদান নয়।
মনে রাখার টিপস:
আপগার স্কোর মনে রাখার সহজ শব্দ হলো এপিজিএআর, যেখানে এ মানে অ্যাপিয়ারেন্স, পি মানে পাল্স বা হার্ট রেট।
সঠিক উত্তর: A) ৯ - ১০
কেন সঠিক:
- এপগার স্কোর হলো জন্মের পর নবজাতকের শারীরিক অবস্থা মূল্যায়নের একটি দ্রুত পদ্ধতি।
- ৭ থেকে ১০ স্কোর নির্দেশ করে নবজাতক সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছে এবং তার কোনো বিশেষ চিকিৎসা সহায়তার প্রয়োজন নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯ - ১০ — এটি আদর্শ ও স্বাভাবিক স্কোর যা নবজাতকের সুস্থতা প্রমাণ করে।
B) ৩ - ৪ — এটি কম স্কোর যা নবজাতকের মাঝারি ধরনের শ্বাসকষ্ট বা জটিলতা নির্দেশ করে।
C) ০ - ৩ — এটি অত্যন্ত সংকটজনক স্কোর যা নবজাতকের মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি ও জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন নির্দেশ করে।
D) ৪ - ৭ — এটি মধ্যম মানের স্কোর যা নবজাতকের নিবিড় পর্যবেক্ষণ বা সামান্য সহায়তার প্রয়োজন নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
সুস্থ নবজাতকের জন্য স্কোর সবসময় দশের কাছাকাছি অর্থাৎ ৯ থেকে ১০ হয়ে থাকে।
সঠিক উত্তর: C) রক্তের HB%
কেন সঠিক:
- গর্ভাবস্থায় রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বা HB% পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি কারণ এসময়ে মায়েদের সাধারণত রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
- গর্ভের সন্তানের সঠিক বৃদ্ধি ও প্রসবকালীন জটিলতা এড়াতে মায়ের শরীরে পর্যাপ্ত রক্ত ও হিমোগ্লোবিন থাকা আবশ্যক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) X-ray Chest — এটি বুকের ভেতরের অবস্থা দেখার জন্য করা হয় এবং গর্ভাবস্থায় ক্ষতিকর তেজস্ক্রিয়ার কারণে সাধারণত এটি এড়িয়ে চলা হয়।
B) রক্তের Creatinine — এটি কিডনির কার্যক্ষমতা যাচাইয়ের পরীক্ষা, যা গর্ভাবস্থার রুটিন পরীক্ষা নয় বরং বিশেষ ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয়।
C) রক্তের HB% — এটি সঠিক উত্তর, কারণ গর্ভাবস্থায় রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হয়।
D) থুতু পরীক্ষা — এটি সাধারণত যক্ষ্মা বা ফুসফুসের অন্যান্য রোগ নির্ণয়ের জন্য করা হয়, গর্ভাবস্থার রুটিন পরীক্ষা নয়।
মনে রাখার টিপস:
গর্ভবতী মায়ের সুস্থতা এবং শিশুর বৃদ্ধির জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রক্তে পর্যাপ্ত হিমোগ্লোবিন, তাই HB% পরীক্ষা বাধ্যতামূলক।
সঠিক উত্তর: C) Foetus এর Heart rate
কেন সঠিক:
- পার্টোগ্রাফ হলো প্রসবকালীন সময়ে মায়ের ও গর্ভস্থ শিশুর স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করার একটি পরিমাপক ছক।
- এই ছকের মাধ্যমে গর্ভস্থ শিশুর হৃৎস্পন্দনের গতি বা ফিটাসের হার নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রক্তক্ষরণ পরিমাপ — পার্টোগ্রাফ মূলত প্রসবের গতিপ্রকৃতি দেখে, সরাসরি রক্তক্ষরণ পরিমাপ এর মূল অংশ নয়।
B) প্রসবের স্থান নির্ধারণ করা — পার্টোগ্রাফ প্রসবের স্থান নির্ধারণ করে না, এটি হাসপাতালে বা সেন্টারে প্রসবকালীন মনিটরিং টুল।
ডি) মায়ের পুষ্টি দেখা — মায়ের পুষ্টি মূল্যায়ন পার্টোগ্রাফের প্রাথমিক বা প্রধান কাজ নয়।
মনে রাখার টিপস:
পার্টোগ্রাফ মানেই প্রসবের সময় শিশু ও মায়ের দশটি প্রধান তথ্য ছকে তোলা, যার মধ্যে শিশুর হৃৎস্পন্দন বা হার্ট রেট অন্যতম।
সঠিক উত্তর: C) মাতৃমঙ্গল কেন্দ্রের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত চেক-আপ করা উচিৎ
কেন সঠিক:
- গর্ভাবস্থায় মা ও অনাগত সন্তানের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে চিকিৎসকের নিয়মিত পরামর্শ ও চেক-আপ অত্যন্ত জরুরি।
- মাতৃমঙ্গল কেন্দ্র বা সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গর্ভকালীন যত্ন ও নিরাপদ চিকিৎসার নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঘন ঘন X-ray করা উচিৎ — এক্স-রে থেকে নির্গত তেজস্ক্রিয় রশ্মি গর্ভস্থ ভ্রূণের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।
B) স্থানীয় দাই বা গ্রামের মুরব্বিদের পরামর্শ অনুযায়ী চলা উচিৎ — তাদের চিকিৎসা বিজ্ঞানসম্মত ও নিরাপদ নয়, যা মা ও শিশুর ঝুকি বাড়াতে পারে।
C) মাতৃমঙ্গল কেন্দ্রের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত চেক-আপ করা উচিৎ — এটি সঠিক কারণ এখানে স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ পরামর্শ পাওয়া যায়।
D) বড় হাসপাতালে গিয়ে সিজারিয়ান করানো উচিৎ — জটিলতা ছাড়া স্বাভাবিক প্রসবের সুযোগ থাকলে অপ্রয়োজনীয় সিজার করা মা ও শিশুর জন্য ক্ষতিকর।
মনে রাখার টিপস:
গর্ভকালীন সুরক্ষায় হাত বাড়াতে হবে হাসপাতালের দিকে, কুসংস্কার বা অপ্রয়োজনীয় সিজারের দিকে নয়।
সঠিক উত্তর: B) Antenatal check up
কেন সঠিক:
- নিরাপদ মাতৃত্বের প্রধান ও প্রথম স্তম্ভ হলো গর্ভকালীন সেবা বা অ্যান্টিনেটাল চেকআপ, যা প্রসবের আগে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজ করে।
- এই সেবার মাধ্যমে গর্ভাবস্থার সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিত করা হয় এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা বা পরামর্শ প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গর্ভকালীন সেবা — এটি বাংলা অর্থ হলেও আন্তর্জাতিকভাবে নিরাপদ মাতৃত্বের স্তম্ভের নির্দিষ্ট পরিভাষা হিসেবে Antenatal check up ব্যবহৃত হয়।
B) Antenatal check up — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি নিরাপদ মাতৃত্বের মূল ভিত্তি হিসেবে স্বীকৃত।
C) নবজাতকের যত্ন — এটি জন্মপরবর্তী বা পোস্টন্যাটাল কেয়ারের অংশ, যা নিরাপদ মাতৃত্বের পরবর্তী ধাপ।
D) যৌন সংক্রমণ প্রতিরোধ — এটি প্রজনন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার অংশ, যা সরাসরি মাতৃত্বের স্তম্ভ নয়।
মনে রাখার টিপস:
নিরাপদ মাতৃত্বের প্রথম ও প্রধান স্তম্ভ হলো গর্ভাবস্থার নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা Antenatal check up.
সঠিক উত্তর: B) শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে
কেন সঠিক:
- মাতৃদুগ্ধে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিবডি এবং ইমিউনোগ্লোবুলিন থাকে যা শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
- এটি শিশুর শরীরে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা বলয় তৈরি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিশু সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হবে? — সুস্বাস্থ্য সামগ্রিক পরিচর্যার ফল, যা মাতৃদুগ্ধ পানের একটি ফলাফল হলেও সরাসরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি এই প্রশ্নের মূল বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব বহন করে।
B) শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং মাতৃদুগ্ধ পানের অন্যতম প্রধান বৈজ্ঞানিক ও জৈবিক উপকারিতা।
C) শিশু দেখতে সুন্দর হবে — শিশুর শারীরিক গঠন বা সৌন্দর্য জিনগত বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে, মাতৃদুগ্ধ পানের সঙ্গে এর কোনো প্রত্যক্ষ বৈজ্ঞানিক সম্পর্ক নেই।
D) মায়ের রক্তক্ষরণ বন্ধ হবে — প্রসবের পর স্তন্যপান করালে অক্সিটোসিন হরমোনের প্রভাবে জরায়ু সংকুচিত হয় এবং মায়ের রক্তক্ষরণ কমে, কিন্তু এটি শিশুর সরাসরি উপকারিতা নয় বরং মায়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
মায়ের দুধে থাকা অ্যান্টিবডিই হলো শিশুর প্রথম প্রাকৃতিক ঢাল বা রোগ প্রতিরোধক।
সঠিক উত্তর: D) Cervia সম্পূর্ণ dilate হলে
**বিশেষ দ্রষ্টব্য:** প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি মূলত চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুযায়ী ভুল। প্রসূতিবিদ্যায় (Obstetrics) First Stage of labour বা প্রসবের প্রথম পর্যায় শুরু হয় **প্রকৃত প্রসব বেদনা বা Regular uterine contraction শুরু হওয়া থেকে** এবং তা **Cervix সম্পূর্ণ dilation (১০ সেন্টিমিটার)** হওয়া পর্যন্ত স্থায়ী হয়। প্রদত্ত অপশন ডি (Cervix সম্পূর্ণ dilate হলে) হলো এই প্রথম পর্যায়ের শেষ সীমা বা সমাপ্তি, সূচনা নয়। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রেক্ষাপটে প্রসবের পর্যায়গুলোর মূল ঘটনা হিসেবে জরায়ু মুখের প্রসারণকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
কেন সঠিক:
- চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুযায়ী প্রসবের প্রথম পর্যায় জরায়ু মুখ বা Cervix-এর সম্পূর্ণ প্রসারণের (১০ সেন্টিমিটার) মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।
- এই পর্যায়ে জরায়ু মুখ প্রসারিত হতে শুরু করে এবং বাচ্চার জন্ম নেওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাচ্চার মাথা delivery হলে — এটি প্রসবের দ্বিতীয় (Second Stage of labour) পর্যায়ের শেষ বা চূড়ান্ত ঘটনা, প্রথম পর্যায় নয়।
B) বাচ্চার শরীর delivery হলে — এটিও প্রসবের দ্বিতীয় (Second Stage of labour) পর্যায়ের সম্পূর্ণ সমাপ্তি নির্দেশ করে।
C) রক্তক্ষরণ শুরু হলে — এটি প্রসবের পর প্লাসেন্টা বা ফুল নির্গমনের সময় (Third Stage of labour) বা অন্য কোনো জটিলতার কারণে ঘটে।
D) Cervia সম্পূর্ণ dilate হলে — এটি প্রথম পর্যায়ের সমাপ্তি হলেও পরীক্ষার উত্তরপত্র অনুযায়ী এটিকে সঠিক ধরা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
প্রসবের প্রথম পর্যায় শুরু হয় ব্যথার মাধ্যমে আর শেষ হয় জরায়ু মুখ বা Cervix সম্পূর্ণ খোলার মাধ্যমে।
সঠিক উত্তর: C) Breast feeding এ উৎসাহিত করা
কেন সঠিক:
- প্রসবের পর মা ও নবজাতককে একই বিছানায় বা কক্ষে একত্রে রাখার ব্যবস্থাকে রুমিন ইন বলা হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো মায়ের সান্নিধ্যে নবজাতকের অবস্থান নিশ্চিত করা এবং জন্মের পরপরই শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে উৎসাহিত করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরিবার পরিকল্পনা — এটি জন্ম নিয়ন্ত্রণ ও পরিবারের আকার সীমিত রাখার পদ্ধতি, যা রুমিন ইন ধারণার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়।
প্রসব পরবর্তী জটিলতা দূরীকরণ — এটি প্রসূতি মায়ের শারীরিক সুস্থতা ও চিকিৎসাসংক্রান্ত বিষয়, যা সরাসরি রুমিন ইন এর উদ্দেশ্য নয়।
C) Breast feeding এ উৎসাহিত করা — এটি সঠিক কারণ রুমিন ইন প্রথার মাধ্যমে মা ও শিশুর বন্ধন দৃঢ় হয় এবং মাতৃদুগ্ধ পানে উৎসাহ সৃষ্টি হয়।
D) নবজাতকের টিকা প্রদান — এটি জন্মলগ্নে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জনের জন্য নির্দিষ্ট চিকিৎসাকেন্দ্র বা স্বাস্থ্যকর্মীর মাধ্যমে দেওয়া হয়, রুমিন ইন এর কাজ নয়।
মনে রাখার টিপস:
রুমিন ইন মানে মা ও শিশুর একসাথে থাকা, আর একসাথে থাকলেই মা সহজেই শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন।
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (চিকিৎসা বিজ্ঞান)
সঠিক উত্তর: A) জরায়ু ছিদ্র হওয়া
কেন সঠিক:
- নিরাপদ নয় এমন বা অবৈধ গর্ভপাতের সময় সার্জিক্যাল যন্ত্রের অসাবধান ব্যবহারের ফলে জরায়ুর দেওয়াল কেটে বা ছিদ্র হয়ে যেতে পারে।
- এটি গর্ভপাতের একটি অত্যন্ত মারাত্মক ও জীবনঘাতী তাৎক্ষনিক শারীরিক জটিলতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জরায়ু ছিদ্র হওয়া — এটি গর্ভপাতের একটি সরাসরি শারীরিক ও সার্জিক্যাল জটিলতা।
B) মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা — এটি গর্ভপাতের পরবর্তী দীর্ঘমেয়াদী মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব হতে পারে, তবে সরাসরি শারীরিক জটিলতা নয়।
C) Toxemia — এটি মূলত গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপ ও প্রোটিনইউরিয়া সংক্রান্ত জটিলতা, গর্ভপাতের প্রাথমিক ঝুঁকি নয়।
D) হৃদরোগ বৃদ্ধি — এটি গর্ভপাতের সরাসরি কোনো সাধারণ বা প্রধান শারীরিক জটিলতা নয়।
মনে রাখার টিপস:
গর্ভপাতের সবচেয়ে বড় ও তাৎক্ষণিক শারীরিক বিপদ হলো জরায়ুতে আঘাত বা জরায়ু ছিদ্র হয়ে যাওয়া।
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ তথ্য
সঠিক উত্তর: A) মাসিক বন্ধ হওয়া
কেন সঠিক:
- গর্ভধারণের প্রাথমিক ও সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য লক্ষণ হলো নির্ধারিত সময়ে মাসিক বা ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া।
- নিষিক্ত ডিম্বাণু জরায়ুর দেওয়ালে প্রতিস্থাপিত হওয়ার ফলে হরমোনের প্রভাবে এন্ডোমেট্রিয়াম স্তর বজায় থাকে, ফলে মাসিক হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাসিক বন্ধ হওয়া — এটি গর্ভধারণের প্রধান ও নিশ্চিত প্রাথমিক লক্ষণ।
B) অতিরিক্ত ঘুমানো — এটি গর্ভকালীন হরমোন পরিবর্তনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলেও একমাত্র নির্দিষ্ট লক্ষণ নয়, অন্য কারণেও হতে পারে।
C) দ্রুত Heartbeat — এটি গর্ভকালীন রক্তপ্রবাহ বাড়ার কারণে হতে পারে, তবে এটি অন্যান্য শারীরিক সমস্যার কারণেও ঘটে থাকে।
D) ওজন কমে যাওয়া — গর্ভধারণের শুরুতে বমি বমি ভাব বা খাবারে অরুচি হলেও সাধারণত ওজন কমে না বরং ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায়।
মনে রাখার টিপস:
গর্ভধারণের প্রথম ও প্রধান সংকেত হলো মাসিকের অনুপস্থিতি।
সঠিক উত্তর: A) কনডম
কেন সঠিক:
- কনডম হলো পুরুষদের ব্যবহারের একমাত্র বহুল ব্যবহৃত ও কার্যকর অস্থায়ী জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি।
- এটি শারীরিক মিলনের সময় শুক্রাণুকে জরায়ুতে প্রবেশ করতে বাধা দেয় এবং একই সাথে যৌনবাহিত রোগ প্রতিরোধ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কনডম — এটি পুরুষদের ব্যবহারের জন্য সঠিক এবং এটি এই প্রশ্নের নির্ধারিত সঠিক উত্তর।
B) Injection — এটি নারীদের জন্ম নিয়ন্ত্রণের একটি হরমোনভিত্তিক পদ্ধতি, যা পুরুষের জন্য প্রযোজ্য নয়।
C) IUCD — এটি নারীদের জরায়ুতে স্থাপন করার একটি স্থায়ী বা দীর্ঘস্থায়ী জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি।
D) নোরপ্ল্যান্ট — এটি নারীদের ত্বকের নিচে ক্যাপসুল হিসেবে স্থাপন করার একটি হরমোনভিত্তিক জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি।
মনে রাখার টিপস:
পুরুষদের জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি বলতে কনডমকে বোঝায়, আর বাকি ইনজেকশন, আইইউসিডি ও নরপ্ল্যান্ট সবই নারীদের পদ্ধতি।
সঠিক উত্তর: A) টিউবেকটমী
কেন সঠিক:
- এটি নারীদের ক্ষেত্রে স্থায়ী পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি বা বন্ধ্যাকরণের স্থায়ী চিকিৎসা।
- এই পদ্ধতিতে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ডিম্বনালী বা ফ্যালোপিয়ান টিউব কেটে বা বেঁধে দেওয়া হয়, ফলে ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলন ঘটে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টিউবেকটমী - এটি সঠিক উত্তর এবং নারীদের স্থায়ী জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি।
B) ইনজেকশন - এটি একটি অস্থায়ী হরমোনভিত্তিক পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি, যা নির্দিষ্ট সময় পর পর নিতে হয়।
C) ওরালি পিল - এটি মুখ দিয়ে খাওয়ার একটি অস্থায়ী হরমোনভিত্তিক জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি।
D) নোরপ্ল্যান্ট - এটি ত্বকের নিচে রোপণ করা একটি অস্থায়ী জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, যা দীর্ঘমেয়াদী হলেও স্থায়ী নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্থায়ী পদ্ধতি মানেই টিউবেকটমী নারীদের জন্য এবং ভ্যাসেকটমী পুরুষদের জন্য।
সঠিক উত্তর: A) তলপেটে
কেন সঠিক:
- ওভারি বা ডিম্বাশয় হলো নারীদের প্রজনন অঙ্গ যা মানবদেহের তলপেটের শ্রোণীগহ্বরে জরায়ুর দুই পাশে অবস্থিত।
- এটি হরমোন উৎপাদন এবং ডিম্বাণু বা ওভারাম তৈরির মূল কাজ পরিচালনা করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তলপেটে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ডিম্বাশয় নারীদের তলপেটের ভেতরে জরায়ুর উভয় পাশে অবস্থান করে।
B) বুকে — এই অপশনটি ভুল কারণ বুকে ফুসফুস ও হৃৎপিণ্ড অবস্থিত, প্রজনন অঙ্গ নয়।
C) গলায় — এই অপশনটি ভুল কারণ গলায় থাইরয়েড গ্রন্থি অবস্থিত, যা হরমোন নিয়ন্ত্রণ করে।
D) পেটে — এই অপশনটি ভুল কারণ পেটে পরিপাকতন্ত্রের অঙ্গ যেমন পাকস্থলী ও অন্ত্র থাকে, তলপেট এর নির্দিষ্ট অংশ।
মনে রাখার টিপস:
নারীদের প্রজনন সংক্রান্ত অঙ্গ সাধারণত শরীরের একদম নিচের অংশে অর্থাৎ তলপেটে অবস্থান করে।
সঠিক উত্তর: A) মুনীর চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক 'কবর' নাটকের রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দि অবস্থায় এই একাঙ্ক নাটকটি রচনা করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মুনীর চৌধুরী ছিলেন একাধারে নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, গবেষক ও ভাষাবিজ্ঞানী। ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত প্রথম সার্থক নাটক হলো এই কবর।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন
ব্যাখ্যা: জহির রায়হান রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: আর্তনাদ
ব্যাখ্যা: শওকত ওসমান রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুনীর চৌধুরী — ইনি ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক 'কবর' নাটকের সফল রচয়িতা এবং ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকাকালীন এটি লেখেন।
B) জসীম উদ্দীন — ইনি বিখ্যাত পল্লীকবি হলেও 'কবর' নাটকটি তাঁর লেখা নয়, এটি তাঁর বিখ্যাত একটি কবিতার নাম।
C) শওকত ওসমান — ইনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও আলোচ্য 'কবর' নাটকের রচয়িতা নন।
D) আহমদ ছফা — ইনি একজন বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ও লেখক হলেও এই নাটকের সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভাষা আন্দোলনের সময় কারাগারে বসে নাটক লেখা কঠিন কাজ ছিল, আর এই সাহসী কাজটি মুনীর চৌধুরী করেছিলেন। মনে রাখতে পারো জেলখানায় বসে লেখা প্রথম ভাষাভিত্তিক নাটক হলো কবর।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক, উপন্যাস ও কবিতা থেকে বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই রচয়িতা ও রচনার নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
- 'রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ' গানটি বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অমর সৃষ্টি।
- এটি বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং প্রখ্যাত ইসলামী গানগুলোর মধ্যে অন্যতম যা ঈদ উৎসবের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি প্রচুর ইসলামী গান, গজল ও শ্যামাসঙ্গীত রচনা করেছেন।
- তাঁর এই গানটি বাংলা ১৩৩৭ সনের জৈষ্ঠ্য মাসে প্রকাশিত 'রমজানের ঐ রোজার শেষে' শিরোনামে একটি রেকর্ড হিসেবে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ
ব্যাখ্যা: এটি গানটির মূল এবং জনপ্রিয় প্রথম পঙক্তি যা বাংলা গান ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ।
উদাহরণ ২: হে ইসলাম ধর্মের মহানায়ক
ব্যাখ্যা: এটিও কবি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত অপর একটি বিখ্যাত ইসলামিক সংগীত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইসমাইল হোসেন সিরাজী — তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও সমাজ সংস্কারক ছিলেন, এই গানটি তাঁর রচনা নয়।
B) আহসান হাবিব — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক, এই গানটি তাঁর লেখা নয়।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর।
D) শামসুর রহমান — তিনি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি, এই গানটির রচয়িতা তিনি নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ঈদের আনন্দ এবং নজরুলের গান ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তাই খুশির ঈদের গান বললেই কাজী নজরুল ইসলামের নাম মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি বলা হলেও তিনি ইসলামী সংগীত রচনার জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত।
- পরীক্ষায় প্রায়ই তাঁর বিখ্যাত গান ও কাব্যগ্রন্থের নাম থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) মিতব্যয়ী
১. কেন সঠিক:
- পরিমিত বা মেপে ব্যয় করা অর্থাৎ বুঝে শুনে ও প্রয়োজন অনুযায়ী খরচ করা বোঝাতে মিতব্যয়ী শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
- এটি মূলত আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার একটি ইতিবাচক গুণ নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য ও সংক্ষিপ্তা বৃদ্ধি পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যিনি অনেক কথা বলেন তাকে এককথায় বলা হয় বাচাল।
ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত কথা বলার স্বভাবকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার জন্য এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: যা সহজে জয় করা যায় না তাকে এককথায় বলা হয় দুর্জয়।
ব্যাখ্যা: জয়ের কঠিন অবস্থাকে একটিমাত্র শব্দের মাধ্যমে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিলাসী — বিলাসী বলতে বোঝায় যে ব্যক্তি অতিরিক্ত আরাম আয়েশ ও বিলাসিতায় জীবনযাপন করে।
B) মিতব্যয়ী — এটি সঠিক কারণ এটি পরিমিত ব্যয় করার অর্থ প্রকাশ করে।
C) অপব্যয়কারী — অপব্যয়কারী বলতে বোঝায় যে ব্যক্তি বিচারবুদ্ধিহীনভাবে বা প্রয়োজন ছাড়াই অতিরিক্ত অর্থ খরচ করে।
D) কৃপণ — কৃপণ বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যার ধনসম্পদ থাকা সত্ত্বেও সে প্রয়োজনের সময়ও টাকা খরচ করতে চায় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মিত শব্দের অর্থ কম বা পরিমিত এবং ব্যয় শব্দের অর্থ খরচ করা।
- এই দুটি অংশ মিলিয়ে সহজেই মনে রাখা যায় যে পরিমিত ব্যয়কারী হলো মিতব্যয়ী।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- এই ধরনের প্রশ্নে বিপরীতার্থক শব্দগুলোর অর্থ গুলিয়ে ফেলা যাবে না কারণ মিতব্যয়ী এবং কৃপণ শব্দ দুটি অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
সঠিক উত্তর: C) গো + এষণা
১. কেন সঠিক:
- 'গবেষণা' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো গো + এষণা। এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম বা গবাদি সন্ধির অন্তর্ভুক্ত।
- সন্ধির নিয়মানুসারে ও অথবা ঔ কারের পরে যদি ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকে, তবে ও এর স্থানে অব এবং ঔ এর স্থানে আব হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- সংস্করণের বা বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ও + এ = গবে হয়েছে, যেখানে ও ধ্বনি অব এ রূপান্তরিত হয়েছে।
- গব + এষণা যুক্ত হয়ে গবেষণা গঠিত হয়, যা শব্দের মূল অর্থ অন্বেষণ বা খোঁজা নির্দেশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পো + অন = পবন
ব্যাখ্যা: এখানে ও কারের পরে অ থাকায় ও স্থানে অব হয়ে পবন গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ভো + অন = ভবন
ব্যাখ্যা: ও কারের পরে অ থাকার কারণে ও স্থানে অব যুক্ত হয়ে ভবন শব্দ তৈরি হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গবা + এষণা — গবা কোনো সঠিক পূর্বপদ নয় এবং এই নিয়মে সন্ধি সাধিত হয় না।
B) গব + এষণা — গব সরাসরি ব্যবহৃত হয় না, এটি সন্ধির ফলশ্রুতি মাত্র।
D) গবে + এষণা — গবে কোনো মৌলিক পদ নয়, তাই এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ও কার বা ঔ কারের পর ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে অব বা আব হয়, এই সূত্রটি মনে রাখবে।
- গবেষণা শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদের সময় প্রথম পদে গো ব্যবহার করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যতিক্রমী সন্ধি প্রায়ই আসে।
- গবাক্ষ বা পবন শব্দের সন্ধিও একই নিয়মে সাধিত হয়, যা অনুশীলনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
- শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ও প্রথাবিরোধী উপন্যাস যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- নামের শেষে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং একটি গদ্য উপন্যাস।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক হলেও এটি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অমিত রায় ও লাবণ্য এবং এর মূল সুর রোমান্টিকতা ও প্রথা ভাঙার প্রত্যয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোখের পলক
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপর একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যার নামের সাথেও কবিতার কোনো সম্পর্ক নেই।
উদাহরণ ২: যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি সামাজিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা উপন্যাস ধারার অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কবিতা — এই অপশনটি ভুল কারণ নামের মধ্যে কবিতা শব্দটি থাকলেও এটি মূলত একটি গদ্যধর্মী উপন্যাস।
B) উপন্যাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিশিষ্ট গদ্য উপন্যাস।
C) নাটক — এই অপশনটি ভুল কারণ এর গঠন, প্লট এবং চরিত্রগুলো নাটকের বিন্যাসে রচিত নয়।
D) গল্প — এই অপশনটি ভুল কারণ এর কলেবর ও পরিধি একটি ছোটগল্পের চেয়ে অনেক বড় এবং এটি উপন্যাস হিসেবেই স্বীকৃত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নামের সাথে কবিতা থাকলেই কাব্যগ্রন্থ ভেবো না, শেষের কবিতা আসলে একটি চমৎকার উপন্যাস।
- রবীন্দ্রনাথের শেষের কবিতা একটি উপন্যাস, এটি মনে রাখার জন্য নামের প্রথম অংশ বাদ দিয়ে শেষের উপন্যাস ভাবলেই চলবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভ্রান্ত করার জন্য এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে যেখানে নামের সাথে পদের মিল থাকে না।
- সাহিত্যকর্মের নাম দেখে ধরন নির্ধারণ না করে লেখকের মূল গ্রন্থতালিকা ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
১. কেন সঠিক:
- 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' হলো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য নাটক।
- নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং গ্রামীণ সাধারণ মানুষের ওপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর নির্যাতন ও তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- নাটকটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত নাট্যকার ও কবি সৈয়দ শামসুল হক।
- এটি মূলত কাব্য নাটকের শৈলীতে রচিত হয়েছে যেখানে কবিতার ছন্দ ও নাটকের সংলাপের অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নুরুলদীনের সারাজীবন
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক কাব্য নাটক।
উদাহরণ ২: ঈর্ষা
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হকের একটি বিখ্যাত কাব্য নাটক ও সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন — এটি সেলিনা হোসেনের কোনো নাটক নয়, বরং এটি অমলেন্দু চক্রবর্তীর একটি জনপ্রিয় নাটক যা ভিন্ন সামাজিক প্রেক্ষাপটে রচিত।
B) স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা — এটি কোনো নাটক নয়, বরং এটি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কবিতা।
D) কবর — এটি মুনীর চৌধুরী রচিত একটি বিখ্যাত নাটক যা ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত, মুক্তিযুদ্ধের নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক মনে রাখতে সৈয়দ শামসুল হকের কাব্য নাটকের নামগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়তে পারো।
পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকের নামের সাথে মুক্তিযুদ্ধের পদাতিক বাহিনীর অভিযানের একটি কাব্যিক মিল রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাটক ও কাব্য নাটকের মধ্যে পার্থক্য প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
সৈয়দ শামসুল হক প্রধানত কাব্য নাটকের জন্য বাংলা সাহিত্যে বিশেষভাবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
- 'পোস্টমাস্টার' বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যার রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- এই গল্পটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'গল্পগুচ্ছ' সংকলনের প্রথম খণ্ডের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি বাংলা ছোটগল্পের আদি ও শ্রেষ্ঠ নিদর্শনগুলোর একটি।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক ছোটগল্প রচনা করেন।
- 'পোস্টমাস্টার' গল্পে গ্রামীণ বাংলার প্রকৃতি ও একাকী মানুষের মনস্তাত্ত্বিক রূপ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'জীবিত ও মৃত'
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত ছোটগল্প যা কাদম্বিনী চরিত্রের ওপর ভিত্তি করে রচিত এবং ছোটগল্পের সংকলনে স্থান পেয়েছে।
উদাহরণ ২: 'কাবুলিওয়ালা'
ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও হৃদয়স্পর্শী একটি ছোটগল্প যা পিতা ও কন্যার ভালোবাসার সম্পর্কের ওপর রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক হলেও 'পোস্টমাস্টার' গল্পের রচয়িতা নন।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে মিলে যায়।
C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং প্রথম সার্থক বাংলা উপন্যাসের রচয়িতা, ছোটগল্পকার নন।
D) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট গীতিকবি ও ভোরের পাখি নামে পরিচিত, ছোটগল্পকার নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ছোটগল্পের জনক বলা হয় এবং তাঁর রচিত সবচেয়ে বিখ্যাত গ্রামীণ পটভূমির গল্পগুলোর মধ্যে 'পোস্টমাস্টার' অন্যতম।
- গ্রামীণ বাংলার নিভৃত কোণের মানুষের সুখ-দুঃখের কথা মনে রাখলেই রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্পের কথা মনে আসবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গল্পগুচ্ছ' থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- কোনো গল্পের রচয়িতা হিসেবে রবীন্দ্রনাথের নাম থাকলে এবং সেটি যদি গ্রামীণ পটভূমির মনস্তাত্ত্বিক গল্প হয়, তবে তা সাধারণত 'গল্পগুচ্ছ' থেকে নেওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: A) ১০টি
১. কেন সঠিক:
বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।
এই ৫০টি বর্ণের মধ্যে কোনো মাত্রা বা রেখা থাকে না এমন বর্ণের সংখ্যা হলো ১০টি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালায় মাত্রা বা রেখার ওপরের অংশের উপস্থিতি অনুযায়ী বর্ণ তিন প্রকার।
পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাহীন বা অমাত্রিক বর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ
ব্যাখ্যা: স্বরবর্ণের মধ্যে 'অ' বর্ণটিতে কোনো মাত্রা থাকে না।
উদাহরণ ২: ঙ
ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনবর্ণের মধ্যে 'ঙ' বর্ণটিতে কোনো মাত্রা থাকে না।
৪. বাকি অপشن কেন ভুল:
A) ১০টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা বর্ণমালায় মোট ১০টি মাত্রাহীন বর্ণ আছে।
B) ৭টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ৭টি মাত্রাহীন বর্ণ বাংলা বর্ণমালায় নেই।
C) ৬টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ৬টি মাত্রাহীন বর্ণ বাংলা বর্ণমালায় নেই।
D) ৮টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ৮টি মাত্রাহীন বর্ণ বাংলা বর্ণমালায় নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
মাত্রাহীন বর্ণ মনে রাখার সহজ উপায় হলো মোট সংখ্যাটি ১০টি।
স্বরবর্ণে ৪টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণে ৬টি মাত্রাহীন বর্ণ রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি, অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি এবং মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি।
এই সংখ্যাগুলোর যোগফল সবসময় ৫০ হয় যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) রূপসী বাংলা
১. কেন সঠিক:
- রূপসী বাংলা হলো আধুনিক বাংলা কবিতার জীবনানন্দ দাশ রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
- এই কাব্যগ্রন্থে কবির স্বদেশপ্রেম এবং বাংলার প্রকৃতির রূপ অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জীবনানন্দ দাশ বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের একজন অন্যতম প্রধান কবি এবং রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৫৪ সালে জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহাপৃথিবী
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশ রচিত আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক কবিতার ইতিহাসে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
উদাহরণ ২: বেলা অবেলা কালবেলা
ব্যাখ্যা: এটিও জীবনানন্দ দাশের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ যা তার মৃত্যুর পরে প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রূপসী বাংলা — এটি সঠিক উত্তর।
B) অগ্নিবীণা — এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ, জীবনানন্দ দাশের নয়।
C) আরোগ্য — এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি ও লেখক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
D) বিমুখ প্রান্তর — এটি কোনো বিখ্যাত সাহিত্যিক কর্তৃক রচিত প্রধান ধারার আলোচিত কাব্যগ্রন্থ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জীবনানন্দ দাশকে বলা হয় প্রকৃতির কবি এবং রূপসী বাংলা তার বিখ্যাত প্রকৃতির কাব্য।
- এভাবে মনে রাখতে পারো যে বাংলার রূপ নিয়ে তিনি যে কাব্য লিখেছেন তার নাম রূপসী বাংলা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থের নাম এবং প্রকাশকাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- কবি পরিচিতি পড়ার সময় তার প্রথম ও মরণোত্তর প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর তালিকা আলাদা করে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) দিনমণি
১. কেন সঠিক:
'দিনমণি' শব্দটির অর্থ দিনের মণি বা রত্ন, যা মূলত আকাশমণ্ডলে আলো ও তাপ ছড়ানো সূর্যকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস, প্রচলিত ব্যবহার এবং কাব্যিক অর্থ জানা অত্যন্ত জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ বিষয়ক ব্যাকরণগত প্রশ্ন।
বাংলা ভাষায় একটি শব্দের একাধিক প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ থাকতে পারে যা ভাবের প্রকাশকে সমৃদ্ধ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভাস্কর
ব্যাখ্যা: ভাস্কর শব্দের অর্থ আলো দানকারী বা সূর্য, যা সূর্যের একটি অন্যতম বিখ্যাত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: তপন
ব্যাখ্যা: তপন শব্দের অর্থ যা তাপ দেয়, এটিও সূর্যের একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিনমান — দিনমান শব্দের অর্থ সারা দিন বা দিনের ব্যাপ্তিকাল, যা সরাসরি সূর্যকে বোঝায় না।
B) দিবস — দিবস শব্দের অর্থ দিন বা বার, এটি সূর্যের প্রতিশব্দ নয়।
C) দিনমণি — এটি সঠিক উত্তর।
D) আলো — আলো শব্দের অর্থ দীপ্তি বা প্রভা, যা সূর্যের প্রভাবে উৎপন্ন হয় কিন্তু সূর্য নিজে নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
যেসকল শব্দে মণি, কর, পতি বা রাজ যুক্ত থাকে যেমন দিনমণি বা দিবাকর, সেগুলো সাধারণত সূর্য বা চন্দ্রকে নির্দেশ করে।
প্রতিশব্দ পড়ার সময় কাব্যিক ও প্রচলিত শব্দগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সূর্যের সমার্থক শব্দ হিসেবে রবি, ভাস্কর, তপন, দিবাকর, দিনমণি, অংশুমান এবং মার্তণ্ড বহুল ব্যবহৃত হয়।
বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় এই শব্দগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) জোছনা ও জননীর গল্প
১. কেন সঠিক:
- জোছনা ও জননীর গল্প উপন্যাসটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি সর্বাঙ্গীন ও ঐতিহাসিক কথাসাহিত্য।
- উপন্যাসে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত বাঙালির সংগ্রামের প্রামাণ্য দলিল ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই উপন্যাসটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক হুমায়ূন আহমেদ।
- এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হিসেবে ব্যাপকভাবে সমাদৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের দিনগুলি
ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমাম রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ ও ডায়েরি সাহিত্য।
উদাহরণ ২: আগুনের পরশমণি
ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পানকৌড়ির রক্ত — এটি শহীদ বুদ্ধিজীবী ও কথাসাহিত্যিক শহীদুল জহিরের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন, উপন্যাস নয়।
B) নূরলদীনের সারা জীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি ঐতিহাসিক কাব্যনাট্য, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়।
C) জোছনা ও জননীর গল্প — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) বং থেকে বাংলা — এটি হুমায়ুন আজাদের একটি ভাষাতাত্ত্বিক ও গবেষণাগ্রন্থ, উপন্যাস নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হুমায়ূন আহমেদের বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখার জন্য জোছনা ও জননীর গল্প এবং আগুনের পরশমণি নাম দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো।
- নাটকের ক্ষেত্রে সৈয়দ শামসুল হকের নূরলদীনের সারা জীবন এবং ছোটগল্পের ক্ষেত্রে শহীদুল জহিরের পানকৌড়ির রক্ত আলাদা করে মনে রাখবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, নাটক এবং ছোটগল্পের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
- তাই রচনার ধরন বা জেনার যেমন উপন্যাস, নাটক বা ছোটগল্প ভালোভাবে লক্ষ্য করে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) কপালকুণ্ডলা
১. কেন সঠিক:
- কপালকুণ্ডলা উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
- এটি তাঁর দ্বিতীয় প্রকাশিত উপন্যাস এবং ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত একটি জনপ্রিয় রোমান্টিক উপন্যাস।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের ক্ষেত্রে প্রথম সার্থক শিল্পরূপ ও ঐতিহাসিক ধারার প্রবর্তন করেন।
- তাঁর উপন্যাসে রোমান্টিকতা, ইতিহাস এবং সামাজিক বাস্তবতার সুন্দর সমন্বয় দেখতে পাওয়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: দুর্গেশনন্দিনী
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত ঐতিহাসিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কপালকুণ্ডলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বঙ্কিমচন্দ্রের রচিত উপন্যাস।
B) চরিত্রহীন — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত একটি উপন্যাস।
C) গৃহদাহ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত একটি জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস।
D) পরিনীতা — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসগুলো মনে রাখতে তাঁর প্রথম ও দ্বিতীয় উপন্যাস যথাক্রমে দুর্গেশনন্দিনী ও কপালকুণ্ডলা দিয়ে শুরু করতে পারো।
- শরৎচন্দ্রের উপন্যাসগুলোর সঙ্গে বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী এবং দ্বিতীয় উপন্যাস কপালকুণ্ডলা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খুব বেশি আসে।
- লেখকদের সাহিত্যকর্ম আলাদা করার সময় তাদের লেখার ধারা ও প্রকাশের সালগুলো খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সসীম
১. কেন সঠিক:
'অসীম' শব্দটির অর্থ যার কোনো সীমা বা শেষ নেই। এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'সসীম', যার অর্থ যার সীমা বা শেষ আছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের অন্তর্ভুক্ত। বিপরীত শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে প্রায়শই শব্দের পূর্বে বা পরে উপসর্গ কিংবা বিপরীতার্থক শব্দ যুক্ত করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দৃশ্য × অদৃশ্য
ব্যাখ্যা: দৃশ্য শব্দের অর্থ যা দেখা যায় এবং অদৃশ্য শব্দের অর্থ যা দেখা যায় না।
উদাহরণ ২: সক্রিয় × নিষ্ক্রিয়
ব্যাখ্যা: সক্রিয় শব্দের অর্থ যে কাজ করছে এবং নিষ্ক্রিয় শব্দের অর্থ যে কাজ করছে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সীমানা — এটি বিপরীত শব্দ নয়, বরং পরিধি বা এলাকার সীমাকে বোঝায়।
B) সসীম — এটি সঠিক বিপরীত শব্দ।
C) সীমাহীন — এটি অসীম শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়।
D) নিঃসীম — এটিও অসীম শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ যার সীমা নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
অ উপসর্গটি নেতিবাচক বা না বোধক অর্থ প্রকাশ করে। তাই অসীম শব্দের বিপরীত শব্দ নির্ণয় করতে স উপসর্গ যোগ করে সসীম তৈরি করা হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে মূল শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। সমার্থক শব্দকে কখনো বিপরীত শব্দ হিসেবে ভুল করা যাবে না।
সঠিক উত্তর: B) গুজরাটি
১. কেন সঠিক:
হরতাল একটি বিদেশি শব্দ যা বাংলা ভাষায় সরাসরি গুজরাটি ভাষা থেকে এসেছে।
বাংলা ব্যাকরণের শব্দতত্ত্ব অনুযায়ী এই ধরনের শব্দকে বিদেশিমুলক বা আগত শব্দ বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের যোগাযোগের কারণে বহু বিদেশি শব্দ প্রবেশ করেছে।
গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত শব্দগুলোর মধ্যে হরতাল শব্দটি অন্যতম এবং এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হরতাল
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল প্রচলিত গুজরাটি শব্দ যা বাংলা রাজনীতি ও দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: খদ্দর
ব্যাখ্যা: খদ্দর শব্দটিও গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে এবং এটি কাপড়ের নাম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফার্সি — ফার্সি ভাষা থেকে বাংলায় হাজারো শব্দ এসেছে যেমন কাগজ ও কলম, তবে হরতাল ফার্সি শব্দ নয়।
C) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় দারোগা ও চাকর শব্দ এসেছে, কিন্তু হরতাল তুর্কি শব্দ নয়।
D) পাঞ্জাবী — পাঞ্জাবী ভাষা থেকে শিখ ও চাহিদা শব্দ বাংলায় এসেছে, তবে হরতাল পাঞ্জাবী শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলায় আসা শব্দ মনে রাখার জন্য গু-তে গুজরাটি এবং হ-তে হরতাল এভাবে মিলিয়ে পড়তে পারো।
এটি একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের ভাষা থেকে আসা গুরুত্বপূর্ণ শব্দ যা বারবার চর্চা করলে সহজে মনে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বিভিন্ন ভাষার আগত শব্দ থেকে প্রশ্ন থাকে।
অন্যান্য ভাষার শব্দ যেমন পর্তুগিজ, আরবি ও ফার্সি শব্দগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ করলে পরীক্ষায় ভালো করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) অগ্নিবীণা
১. কেন সঠিক:
'বিদ্রোহী' কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের সর্বমোট ১২টি কবিতার সমন্বয়ে প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'র অন্তর্ভুক্ত।
১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসে রচিত এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে এক অভূতপূর্ব সাড়া ফেলে এবং কবিকে বিদ্রোহী কবিরূপে চিরস্থায়ী আসন দান করে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা কাব্যাঙ্গনে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
এই কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা 'প্রলয়োল্লাস' এবং দ্বিতীয় কবিতা হলো বিখ্যাত 'বিদ্রোহী', যা প্রকাশের পর পরই এর প্রথম সংস্করণ নিঃশেষ হয়ে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'প্রলয়োল্লাস' কবিতা।
ব্যাখ্যা: এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা, যা ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত।
উদাহরণ ২: 'কামাল পাশা' কবিতা।
ব্যাখ্যা: এটিও 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও বিদ্রোহী চেতনার কবিতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিষের বাঁশি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ও রাজনৈতিক কবিতা সংকলন হলেও 'বিদ্রোহী' কবিতা এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
B) ছায়ানট — এটি নজরুলের একটি গীতিবৈচিত্র্যময় ও প্রেম-প্রকৃতির গান ও কবিতার কাব্যগ্রন্থ, যা 'অগ্নিবীণা'র পরে প্রকাশিত হয়।
C) অগ্নিবীণা — সঠিক উত্তর, কারণ 'বিদ্রোহী' কবিতাটি এই সংকলনের দ্বিতীয় কবিতা হিসেবে স্থান পেয়েছে।
D) সর্বহারা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের শ্রমিক ও বঞ্চিত মানুষের অধিকার নিয়ে রচিত একটি সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থ।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'র শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হলো 'বিদ্রোহী' কবিতা।
এভাবে মনে রাখতে পারো যে বিদ্রোহী আগুন জ্বালাতে প্রথম অস্ত্র লাগে অগ্নিবীণা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা এবং প্রকাশকাল বারবার আসে।
নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং এর প্রথম কবিতার নাম সবসময় আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) পাহাড়ী
১. কেন সঠিক:
যে পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ বা মাত্রা প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণ পদ বলে।
পাহাড়ী শব্দটি দিয়ে পাহাড়ের বৈশিষ্ট্য বা পাহাড় সম্পর্কিত কোনো বিশেষ অবস্থা বা গুণ বোঝানো হয়েছে, যা কোনো বিশেষ্য পদের আগে বসে তার দোষ গুণ প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বিশেষণ পদ মূলত বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে।
পাহাড় বিশেষ্য পদের সাথে ই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত পাহাড়ী শব্দটি একটি গুণবাচক বা সম্বন্ধবাচক বিশেষণ হিসেবে কাজ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মেঘনা একটি নদী।
ব্যাখ্যা: নদী বিশেষ্য পদের আগে মেঘনা শব্দটি বিশেষণ হিসেবে বসে নদীর নাম প্রকাশ করেছে।
উদাহরণ ২: লাল গোলাপ দেখতে সুন্দর।
ব্যাখ্যা: লাল শব্দটি গোলাপ বিশেষ্যের রং বা গুণ প্রকাশ করায় এটি একটি বিশেষণ পদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাহাড়ী — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) অরণ্য — এটি একটি বিশেষ্য পদ কারণ এটি একটি বন বা জঙ্গল নামক স্থান বা বস্তুকে নির্দেশ করে।
C) রক্ত — এটি একটি বিশেষ্য পদ কারণ এটি শরীরের এক প্রকার তরল পদার্থ বা বস্তুর নাম বোঝায়।
D) পাহাড় — এটি একটি বিশেষ্য পদ কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট প্রকৃতির বস্তু বা ভূমিরূপের নাম বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে ই বা মায়িক জাতীয় প্রত্যয় যুক্ত থাকলে সাধারণত তা বিশেষণ পদ হয়।
বিশেষ্য পদের অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য বুঝতে পারলে সেটি বিশেষণ হিসেবে গণ্য হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশেষ্য ও বিশেষণের পার্থক্য নির্ণয় করতে পদের অর্থ ও তার ব্যবহার লক্ষ করতে হবে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের রূপান্তর ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) দ্বন্দ্ব
১. কেন সঠিক:
- দ্বন্দ্ব শব্দটিতে ব-ফলার সঙ্গে যুক্ত ন এবং ধ বর্ণ দুটির সঠিক অবস্থান ব্যবহার করা হয়েছে।
- বাংলা একাডেমি আধুনিক বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে দুটি দ-এর সঙ্গে ব-ফলা এবং ন যুক্ত হয়ে দ্বন্দ হয়েছে না, বরং দ এর নিচে ব এবং ন যুক্ত হয়ে দ্বন্দ্ব গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী কিছু শব্দের ক্ষেত্রে যুক্তবর্ণের ব্যবহার বিশেষভাবে নির্ধারিত হয়।
- দ্বন্দ্ব শব্দের ক্ষেত্রে প্রথম দ-এ ব-ফলা এবং পরবর্তীতে ন ও ধ যুক্ত হয়ে সঠিক রূপ তৈরি করে, যা প্রমিত বাংলা বানানে অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বুদ্ধ
ব্যাখ্যা: এটি একই ধরনের যুক্তবর্ণের গঠনপ্রক্রিয়া অনুসরণ করে সঠিক বানান নিশ্চিত করে।
উদাহরণ ২: ঋদ্ধ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ব এবং ধ এর সঠিক যুক্তরূপ প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী প্রদর্শিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দন্দ — এই বানানে ন এবং ধ এর সঠিক যুক্তরূপ এবং ব-ফলার প্রয়োগ না থাকায় এটি ভুল।
B) দ্বন্দ — এই বানানে অন্তিম অংশে ধ বর্ণ এবং তার সঙ্গে প্রয়োজনীয় যুক্তবর্ণ অনুপস্থিত থাকায় এটি ভুল।
C) দন্দ্ব — এই বানানে অতিরিক্ত ব-ফলার ভুল প্রয়োগের কারণে বানানটি প্রমিত নয়।
D) দ্বন্দ্ব — এটি বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক রূপ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দ্বন্দ্ব শব্দটি লেখার সময় মনে রাখবে এর মধ্যে দ এর নিচে ব-ফলা এবং ন ও ধ একসঙ্গে যুক্ত থাকে।
- জোড়ায় জোড়ায় মনে রাখার জন্য দ-ব-ন-ধ এই ক্রমটি বারবার চর্চা করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই শব্দটি প্রায়ই বারবার আসে কারণ পরীক্ষার্থীরা প্রায়ই দন্দ বা দ্বন্দ লিখে ভুল করে।
- প্রমিত বানান শেখার জন্য বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানান নিয়ম বইটির বানান তালিকা নিয়মিত চর্চা করা উচিত।
সঠিক উত্তর: B) বিরাগ
১. কেন সঠিক:
- অনুরাগ শব্দের অর্থ গভীর ভালোবাসা, প্রীতি বা আসক্তি। এর বিপরীত বা উলটো অর্থ প্রকাশ করতে বিরাগ শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
- বিরাগ শব্দের অর্থ বিতৃষ্ণা, বিরূপতা বা অনাসক্তি যা অনুরাগের সম্পূর্ণ বিপরীত ধারণা নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের একটি ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বিপরীতার্থক শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে মূল শব্দের উৎস, ভাব ও প্রমিত রূপ বিবেচনা করতে হয়।
- বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে সাধারণত তৎসম শব্দই ব্যবহৃত হয় এবং উপসর্গ যোগেও অনেক ক্ষেত্রে বিপরীত শব্দ গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আশা শব্দের বিপরীত নিরাশ।
ব্যাখ্যা: আশা শব্দের অর্থ ভরসা এবং এর উলটো অর্থ প্রকাশ করতে নিরাশ বা নিরাশা ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: স্বর্গ শব্দের বিপরীত নরক।
ব্যাখ্যা: স্বর্গ বলতে সুখের স্থান বোঝায় এবং এর বিপরীত হিসেবে দুঃখের স্থান বা নরক ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অভিমান — অভিমান শব্দের অর্থ ক্ষোভ বা মনের দুঃখ, যা অনুরাগের বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
B) বিরাগ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি অনুরাগের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) অনুভব — অনুভব শব্দের অর্থ অনুভূতি বা উপলব্ধি, যা বিপরীত শব্দের জন্য প্রযোজ্য নয়।
D) বিবাদ — বিবাদ শব্দের অর্থ ঝগড়া বা বিরোধ, যা অনুরাগের বিপরীত শব্দ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অনুরাগ ও বিরাগ দুটি শব্দই অ বর্ণ দিয়ে শুরু তৎসম শব্দ। অনুরাগ মানে প্রেম আর বিরাগ মানে বিরূপতা বা অনীহা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে তৎসম শব্দ নির্বাচন করার নিয়মটি মনে রাখা জরুরি। অনুরাগের সমার্থক প্রীতি আর বিপরীত বিরাগ।
সঠিক উত্তর: B) স্পষ্টভাষী
১. কেন সঠিক:
- ঠোঁট কাটা বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ ঠোঁট কেটে যাওয়া হলেও বিশেষ অর্থে এর ভাবার্থ হলো অত্যন্ত বেপরোয়াভাবে সত্য কথা বলা বা কাউকে তোয়াজ না করে সোজাসাপ্টা কথা বলা।
- সমাজে যারা কোনো রকম রাখঢাক না রেখে মুখের ওপর সত্য কথা বলে দেন, তাদের বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও ঐতিহ্যগত ভাব প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় বহু বাগধারা দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা থেকে তৈরি হয়েছে, যেখানে বাহ্যিক রূপের চেয়ে তার রূপক অর্থ বা ভাবার্থই প্রধান হয়ে ওঠে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লোকটা বড় ঠোঁট কাটা, তাই সবার সামনে সত্য কথা বলতে ভয় পায় না।
ব্যাখ্যা: এখানে স্পষ্টভাষী বা মুখের ওপর সত্য কথা বলার অর্থ প্রকাশ করতে ঠোঁট কাটা বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: তার ঠোঁট কাটা স্বভাবের কারণে অনেকেই তার ওপর অসন্তুষ্ট হয়।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে রাখঢাক না রেখে কথা বলার প্রবৃত্তি বোঝাতে এই বাগধারাটি সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঠোঁট কাটা দাগ যার — এটি বাগধারার রূপক অর্থ প্রকাশ না করে আক্ষরিক বা বাহ্যিক শারীরিক অবস্থাকে বোঝাচ্ছে, যা ভুল।
B) স্পষ্টভাষী — এটি প্রশ্নের নির্দিষ্ট চাহিদার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায় এবং এর রূপক অর্থ বহন করে।
C) ঠোঁট কাটা বিঁধেছে যার — এটি একটি অর্থহীন ও বিভ্রান্তিকর বাক্য তৈরি করা হয়েছে যার কোনো প্রমিত ব্যবহার নেই।
D) ঠোঁট কেটে গেছে যার — এটি বাগধারার ভাবার্থ বাদ দিয়ে চিকিৎসাগত বা আক্ষরিক কাটাছেঁড়ার অর্থ প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ঠোঁট কাটা মানে যার কথাগুলো তীরের মতো ধারালো এবং মুখের ওপর সোজাসাপ্টা বেরিয়ে আসে, অর্থাৎ স্পষ্টভাষী।
- আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে মানুষের সাহসী ও খোলামেলা বাকভঙ্গি মনে রাখলেই এই বাগধারাটি সহজে আয়ত্ত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার আক্ষরিক অর্থ দাগানো থেকে সতর্ক থাকতে হবে, সবসময় রূপক বা ভাবার্থ নির্বাচন করতে হবে।
- একই রকম আরেকটি জনপ্রিয় বাগধারা হলো মুখের ওপর বলা বা বেহায়া, তবে স্পষ্টভাষী অর্থে ঠোঁট কাটা সবচেয়ে বেশি প্রচলিত।
সঠিক উত্তর: D) be disheartened
কেন সঠিক:
- 'Lose heart' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আভিধানিক অর্থ সাহস হারিয়ে ফেলা।
- এর বাস্তব অর্থ হলো আশাহত হওয়া বা নিরাশ হওয়া, যা 'be disheartened' এর সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) one type of heart disease — এটি কোনো রোগ বা চিকিৎসাবিজ্ঞানের টার্ম নয়, তাই প্রাসঙ্গিক নয়।
B) heart attack — এটি হৃদরোগ সংক্রান্ত একটি ডাক্তারি অবস্থা, যা ইডিয়ামের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
C) heart failure — এটিও হৃৎপিণ্ডের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার চিকিৎসাগত টার্ম, যা রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয় না।
D) be disheartened — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সাহস বা উৎসাহ হারিয়ে ফেলা।
মনে রাখার টিপস:
হৃদয় বা মন (heart) হারিয়ে ফেলা মানেই হলো সাহস ও উৎসাহ হারিয়ে ফেলা বা নিরাশ হওয়া।
সঠিক উত্তর: D) traitor
কেন সঠিক:
- Patriot শব্দের অর্থ দেশপ্রেমিক এবং Traitor শব্দের অর্থ দেশদ্রোহী, যা এর সরাসরি বিপরীত বা অ্যান্টনিম।
- একজন দেশপ্রেমিক দেশের পক্ষে কাজ করে এবং দেশদ্রোহী দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) accused — অভিযুক্ত ব্যক্তি, যা দেশপ্রেমিকের বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
B) tout — দালাল বা প্রতারক, যা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
সি) criminal — অপরাধী, যা আইনভঙ্গকারী বোঝায় কিন্তু দেশদ্রোহী বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।
D) traitor — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় দেশদ্রোহী অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Patriot মানে ভালো মানুষ বা দেশপ্রেমিক আর Traitor মানে দেশের সাথে বিশ্বাসঘাতক বা শত্রু।
সঠিক উত্তর: A) read or write
কেন সঠিক:
- 'Illiterate' শব্দটির অর্থ নিরক্ষর বা অশিক্ষিত, যার সাধারণ সংজ্ঞা হলো পড়তে ও লিখতে না জানা ব্যক্তি।
- ইংরেজি অভিধান ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দটির ক্ষেত্রে পড়া এবং লেখা উভয় দক্ষতাবিহীন অবস্থাকে নির্দেশ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) read or write — এটি সঠিক কারণ নিরক্ষরতার মূল অর্থ পড়া এবং লেখার উভয় যোগ্যতার অনুপস্থিতি বোঝায়।
B) read — শুধু পড়তে না জানাকে 'illiterate' বলা হয় না, কারণ লেখার অযোগ্যতাও এর অন্তর্ভুক্ত।
C) write — শুধু লিখতে না জানাকে একপেশে অর্থ প্রকাশ করে, যা সম্পূর্ণ সংজ্ঞা নয়।
D) speak — কথা বলতে না পারাকে 'dumb' বা ভাষা না জানাকে বোঝায়, নিরক্ষরতা এর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
'Illiterate' শব্দের শুরুতেই 'Il' বা না বোধক অর্থ রয়েছে, তাই মনে রাখবেন যে ব্যক্তি পড়তে (Read) এবং লিখতে (Write) কিছুই পারে না।
সঠিক উত্তর: C) of
কেন সঠিক:
- 'Deprive' verb-টির পর সাধারণত নির্দিষ্ট preposition হিসেবে 'of' ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ হলো কোনো কিছু থেকে বঞ্চিত করা।
- বাক্যে 'paternal property' বা পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার অর্থ প্রকাশ করায় সঠিক preposition হিসেবে 'of' বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) at — এটি সাধারণত নির্দিষ্ট স্থান বা সময়ের পূর্বে বসে, তাই এখানে উপযুক্ত নয়।
B) for — এটি সাধারণত উদ্দেশ্য বা অনির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে বসে, তাই এখানে সঠিক নয়।
C) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) on — এটি সাধারণত কোনো কিছুর ওপর বা দিবসের পূর্বে বসে, তাই এখানে মানানসই নয়।
মনে রাখার টিপস:
বঞ্চিত করা অর্থে 'deprive' শব্দের পরে সবসময় 'of' বসে।
সঠিক উত্তর: D) much
কেন সঠিক:
- 'money' একটি অগণনযোগ্য বা আনকাউন্টেবল নাউন, যার পরিমাণ গণনা করা যায় না কিন্তু পরিমাপ করা যায়।
- অগণনযোগ্য নাউনের পরিমাণ জানতে 'much' ব্যবহৃত হয় এবং প্রশ্নবোধক বাক্যে এটি বহুল ব্যবহৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a few — এটি ভুল কারণ 'a few' কেবল সংখ্যায় গণনা করা যায় এমন প্লুরাল বা কাউন্টেবল নাউনের পূর্বে বসে।
B) many — এটি ভুল কারণ 'many' শুধুমাত্র কাউন্টেবল বা গণনযোগ্য নাউনের সংখ্যা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) for — এটি একটি প্রিপজিশন, যা এখানে অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই মানানসই বা grammatically সঠিক নয়।
D) much — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ অগণনযোগ্য নাউন 'money'-র পরিমাপ বোঝাতে এটি বসে।
মনে রাখার টিপস:
টাকা বা মানি (money) গোনা যায় না, তাই এর আগে much বসে; কিন্তু কয়েন বা নোট (coins/notes) গোনা যায়, তাই সেগুলোর আগে many বসে।
সঠিক উত্তর: B) had started
কেন সঠিক:
- অতীতের দুটি কাজের মধ্যে যে কাজটি আগে ঘটেছিল, তার পাস্ট পারফেক্ট টেন্স (had + V3) হয় এবং পরের কাজটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হয়।
- এখানে আমার পৌঁছানোর (reached) আগে পরীক্ষা শুরু হওয়ার কাজটি সম্পন্ন হয়েছিল, তাই প্রথম অংশে had started বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) has started — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা অতীতকালের দুটি ঘটনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) had started — এটি সঠিক উত্তর, কারণ পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের নিয়ম অনুযায়ী এখানে এটি বসেছে।
C) had been started — এটি প্যাসিভ গঠন, কিন্তু এখানে পরীক্ষা নিজেই শুরু হওয়ার কাজটি সম্পন্ন করেছে বিধায় অ্যাক্টিভ গঠন হবে।
D) did start — এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স, যা অতীতের দুটি ঘটনার আগের ঘটনা বোঝাতে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
अতীতের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটে, তার সাথে had এবং যেটি পরে ঘটে, তার সাথে ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসে।
সঠিক উত্তর: D) Millionaire
কেন সঠিক:
- ইংরেজি বানানের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দটিতে দুটি 'l' এবং দুটি 'n' ব্যবহৃত হয়।
- শব্দের শেষে 'aire' সাফিক্স যুক্ত হয়ে সঠিক বানানটি গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Milionire — বানানটিতে একটি 'l' এবং একটি 'n' কম রয়েছে এবং শেষে সঠিক সাফিক্স নেই।
B) Milionir — বানানটিতে ডাবল 'l' ও ডাবল 'n' অনুপস্থিত এবং শেষের অংশ ভুল।
C) Milionair — বানানটিতে সঠিক সাফিক্স 'aire'-এর পরিবর্তে 'air' ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Millionaire — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর বানান সম্পূর্ণ নির্ভুল।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটি মনে রাখতে মিল (Mill) শব্দের সাথে আয়ার (aire) যোগ করে Millionaire বানানটি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) Affectionate
কেন সঠিক:
- Mother শব্দের সাথে সবসময় স্নেহের সম্পর্ক বোঝাতে affectionate শব্দটি উপযুক্ত এবং এটি সাধারণত to preposition গ্রহণ করে।
- মায়ের স্বভাবগত বৈশিষ্ট্য হলো সন্তানের প্রতি স্নেহশীল বা ভালোবাসাপূর্ণ হওয়া, যা এই বাক্যের ভাবার্থের সাথে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) indolent — এর অর্থ অলস। মায়ের স্বভাব অলস হতে পারে না এবং এটি বাক্যের অর্থ প্রকাশে ব্যর্থ।
B) Affectionate — প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
C) harmful — এর অর্থ ক্ষতিকর। মায়ের ভূমিকা কখনোই সন্তানের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে না।
D) cruel — এর অর্থ নিষ্ঠুর। মা তার সন্তানের প্রতি নিষ্ঠুর হতে পারেন না, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
মা মানেই স্নেহ, তাই Mother দেখলেই affectionate to কথাটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) The
কেন সঠিক:
- কোনো নির্দিষ্ট জাতির মানুষকে সামগ্রিকভাবে বোঝাতে দেশের নামের আগে নির্দিষ্ট আর্টিকেল দ্য বসে।
- এখানে বাংলাদেশের মানুষদের বোঝানো হয়েছে বলে সঠিক উত্তর দ্য হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A — এটি অনির্দিষ্ট একক countable noun এর পূর্বে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) An — vowel sound এর পূর্বে অনির্দিষ্ট অর্থে বসে, যা এখানে বসে না।
C) The — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক এবং নির্দিষ্ট জাতির ক্ষেত্রে এটি বসে।
D) This — এটি demonstrative pronoun বা adjective, যা এখানে বাক্যের ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
জাতির নামের আগে সবসময় দ্য বসে, যেমন দ্য বাংলাদেশিস বা দ্য ব্রিটিশ।
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: A) Open page 50.
কেন সঠিক:
- নির্দেশমূলক বাক্যে (Imperative Sentence) কোনো বই বা খাতার নির্দিষ্ট পাতার ক্ষেত্রে 'Open at page' বলতে হয়, শুধু 'Open page' বলা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
- তাই এই অপশনটি ভুল এবং প্রশ্নানুযায়ী এটিই সঠিক উত্তর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Open page 50. — এটি ভুল কারণ সঠিক নিয়ম অনুযায়ী পেজ নির্দেশের আগে 'at' preposition ব্যবহার করতে হয়।
B) I feel unwell — এটি grammatically সঠিক বাক্য, যার অর্থ আমার শারীরিক অবস্থা ভালো নেই।
C) I wish I could fly — এটি subjunctive mood-এর সঠিক ব্যবহার, যার অর্থ আমি যদি উড়তে পারতাম।
D) I have a headache — এটি সঠিক বাক্য, যার অর্থ আমার মাথা ব্যথা করছে।
মনে রাখার টিপস:
বইয়ের পৃষ্ঠা খুলতে বলতে সর্বদা 'Open at page' ব্যবহার করবে, শুধু 'Open page' লিখবে না।
সঠিক উত্তর: B) rational
কেন সঠিক:
- মানুষ অন্যান্য প্রাণীর মতো কেবল প্রবৃত্তি দ্বারা চালিত হয় না, বরং তার বিচারবুদ্ধি বা চিন্তাশক্তি রয়েছে।
- গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটলের বিখ্যাত উক্তি অনুযায়ী মানুষ হলো বুদ্ধিবৃত্তিক বা চিন্তাশীল প্রাণী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) natural — প্রাকৃতিক বলতে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট বোঝায়, যা মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক বৈশিষ্ট্যকে নির্দিষ্ট করে না।
B) rational — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ বুদ্ধিবৃত্তিক বা বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন, যা মানুষের মৌলিক বৈশিষ্ট্য।
C) unsocial — অসামাজিক বলতে সমাজের নিয়ম না মানাকে বোঝায়, যা মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) wild — হিংস্র বা বন্য বলতে পশুপাখিকে বোঝায়, যা সভ্য মানুষের বেলায় প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
মানুষ মাত্রই বুদ্ধিমান, তাই পরীক্ষায় প্রাণী সম্পর্কিত এই শূন্যস্থানে সবসময় rational বা বুদ্ধিবৃত্তিক শব্দটি নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) Past continuous tense
কেন সঠিক:
- বাক্যের কর্তা They এর পর Past tense-এর সাহায্যকারী verb হিসেবে were এবং মূল verb এর সাথে ing যুক্ত থাকা এটি নির্দেশ করে।
- অতীতে কোনো নির্দিষ্ট সময় ধরে কাজটি চলছিল বোঝাতে Subject-এর পর was অথবা were এবং মূল verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Present continuous tense — এটি বর্তমান কালের ধারাবাহিক কাজ বোঝায়, কিন্তু প্রদত্ত বাক্যে were থাকায় এটি Past tense নির্দেশ করে।
B) Past perfect tense — এই Tense-এ had এবং verb-এর past participle রূপ থাকে, যা এই বাক্যে নেই।
C) Past continuous tense — এটি প্রদত্ত বাক্যের সঠিক উত্তর।
D) Past indefinite tense — এই Tense-এ কোনো সাহায্যকারী verb বা verb-এর সাথে ing থাকে না, শুধু verb-এর past form বসে।
মনে রাখার টিপস:
Subject-এর পরে was বা were দেখলে Past continuous tense এবং am, is বা are দেখলে Present continuous tense মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) father or mother
কেন সঠিক:
- Parent শব্দটি এককভাবে শুধু মা বা বাবা নয়, বরং মা অথবা বাবা উভয়কেই বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- ইংরেজি ব্যাকরণ ও অভিধানের সংজ্ঞা অনুযায়ী Parent হলো এমন একজন ব্যক্তি যিনি জন্মদাতা পিতা বা মাতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) mother — এটি শুধু মায়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, বাবার ক্ষেত্রে নয় তাই এটি আংশিক সঠিক।
B) father — এটি শুধু বাবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, মায়ের ক্ষেত্রে নয় তাই এটি আংশিক সঠিক।
C) father or mother — এটি সঠিক কারণ Parent বলতে পিতা বা মাতা উভয়কেই বোঝায়।
D) brother — এটি ভাইয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা অভিভাবক বা জনক-জননীর সঙ্গে সম্পর্কহীন।
মনে রাখার টিপস:
মাদার এবং ফাদার এই দুজনকে একত্রে পাওয়ার জন্য 'Parent' শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যার অর্থ মাতা বা পিতা।
সঠিক উত্তর: D) Exclamatory sentence
কেন সঠিক:
- এই বাক্যের মাধ্যমে মনের গভীর আবেগ, বিস্ময় বা উল্লাস প্রকাশ করা হয়েছে।
- বাক্যের শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) এবং শুরুতে how বা what ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Assertive sentence — এটি সাধারণ বিবৃতিমূলক বাক্য নয়, কারণ এটি কোনো সাধারণ তথ্য বা বিবৃতি প্রকাশ করে না।
B) Interrogative sentence — এটি প্রশ্নবোধক বাক্য নয়, কারণ এর মাধ্যমে কোনো কিছু জানতে চাওয়া হয়নি এবং শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন নেই।
C) Optative sentence — এটি ইচ্ছাসূচক বা প্রার্থনা সূচক বাক্য নয়, কারণ এর মাধ্যমে কোনো ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ করা হয়নি।
D) Exclamatory sentence — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক, কারণ এটি আবেগ প্রকাশকারী বাক্য।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) দেখলে এবং মনের তীব্র আবেগ প্রকাশ পেলে সেটি সাধারণত Exclamatory sentence হয়।
সঠিক উত্তর: A) injurious
কেন সঠিক:
- 'Injurious' শব্দের অর্থ ক্ষতিকর এবং এর পরে সবসময় নির্দিষ্ট প্রিপজিশন হিসেবে 'to' বসে।
- ধূমপান স্বাস্থ্যর জন্য ক্ষতিকর, তাই ব্যাকরণগত ও অর্থগত দিক থেকে এই শূন্যস্থানে 'injurious' শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) injurious — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ধূমপানের ক্ষতিকর দিক প্রকাশ করে এবং এর সাথে 'to' প্রিপজিশন ব্যবহার সঠিক।
B) beneficial — এর অর্থ উপকারী, যা ধূমপানের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং বাস্তবের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ।
C) advantageous — এর অর্থ সুবিধাজনক, যা স্বাস্থ্যের জন্য ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাবের সাথে কোনোভাবেই মিলে না।
D) useful — এর অর্থ দরকারী, যা স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে এমন একটি বদঅভ্যাসের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা ভুল।
মনে রাখার টিপস:
স্বাস্থ্য বা শরীরের ক্ষতি বোঝাতে 'injurious to' ফ্রেজটি বহুল ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: D) passive voice
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে মূল verb-এর past participle রূপের পূর্বে to be verb (is) ব্যবহৃত হয়েছে এবং subject নিষ্ক্রিয় অবস্থায় আছে।
- Voice পরিবর্তনের নিয়মানুযায়ী Active বাক্যের object এখানে subject হয়েছে এবং by-এর পরিবর্তে to preposition ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) compound sentence — এটি কোনো যৌগিক বাক্য নয় কারণ এতে কোনো coordinating conjunction দ্বারা যুক্ত দুটি স্বাধীন clause নেই।
B) complex sentence — এটি কোনো জটিল বাক্য নয় কারণ এতে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়াযুক্ত clause রয়েছে।
C) active voice — এটি active voice নয় কারণ এখানে subject নিজে কাজটি করছে না বরং object-এর ওপর কাজ করা বোঝাচ্ছে।
D) passive voice — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ বাক্যটি passive voice-এর গঠন অনুসরণ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের subject যদি নিজে কাজ না করে অন্য কারো দ্বারা প্রভাবিত হয় এবং verb-এর past participle-এর আগে be verb থাকে, তবে তা passive voice।
সঠিক উত্তর: C) staple
কেন সঠিক:
- Staple food অর্থ প্রধান খাদ্য বা নিত্যদিনের খাদ্য।
- বাঙালিদের প্রধান খাদ্য ভাত হওয়ায় শূন্যস্থানে staple শব্দটি বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) secondary — secondary অর্থ গৌণ বা দ্বিতীয় পর্যায়ের, যা প্রধান খাদ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) national — national অর্থ জাতীয়, যদিও ভাত আমাদের সংস্কৃতির অংশ কিন্তু খাদ্যের ক্ষেত্রে staple শব্দটি নির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয়।
C) staple — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অপশনটি সঠিক।
D) optional — optional অর্থ ঐচ্ছিক, যা খাদ্য হিসেবে মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় ও প্রধান চাহিদার বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
প্রধান খাদ্য বোঝাতে ইংরেজি সাহিত্যে staple food ফ্রেজটি নিয়মিত ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: D) মেঘনা
কেন সঠিক:
- ভৈরব নদীবন্দরটি কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলায় মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত।
- নদীপথে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এই নদীবন্দরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যমুনা — যমুনা নদী এই নদীবন্দরের ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) পদ্মা — পদ্মা নদী বাংলাদেশের অন্য অঞ্চলে অবস্থিত এবং এর সঙ্গে ভৈরব নদীবন্দরের সম্পৃক্ততা নেই।
C) কুশিয়ারা — কুশিয়ারা নদী সিলেট অঞ্চলে প্রবাহিত হলেও ভৈরব নদীবন্দরটি এই নদীর তীরে অবস্থিত নয়।
D) মেঘনা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নদীবন্দরটি মেঘনা নদীর তীরেই গড়ে উঠেছে।
মনে রাখার টিপস:
মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হলো ভৈরব।
সঠিক উত্তর: B) eleven
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে মোট ১১ টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল।
- কৌশলগত সুবিধা এবং সামরিক অভিযਾਨ পরিচালনার সুবিধার্থে এই সেক্টরগুলো গঠন করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ten — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য ১০ টি সেক্টর গঠন করা হয়নি, সঠিক সংখ্যাটি ১১।
B) eleven — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে সমগ্র দেশকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
C) seven — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ৭ টি সেক্টর মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত হয়নি, সেক্টরের সংখ্যা ছিল ১১।
D) ১২ (twelve) — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ১২ টি সেক্টর ছিল না, সমগ্র দেশকে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন একাত্তর সালে দেশ স্বাধীন করতে ১১ টি সেক্টর গঠন করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) ২০১৮ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও গ্যাসের বর্ধিত চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ২০১৮ সালে প্রথম তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানি শুরু করে।
- ২০১৮ সালের আগস্ট মাসে প্রথম এলএনজিবাহী জাহাজ মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালে এসে পৌঁছায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১২ সালে — এই সময়ে বাংলাদেশে এলএনজি আমদানির কোনো কার্যক্রম বা অবকাঠামো তৈরি হয়নি।
B) ২০১৬ সালে — এই বছরে এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা চূড়ান্ত হলেও তা বাস্তবে রূপ নেয়নি।
D) ২০১৯ সালে — এই বছর এলএনজি আমদানি অব্যাহত থাকলেও এটি প্রথম আমদানির সাল নয়।
মনে রাখার টিপস:
এলএনজি আমদানির সাল মনে রাখতে আটের সাথে আটের মিল অর্থাৎ ২০১৮ সাল মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) বড়পুকুরিয়া
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ কয়লাখনি যেখান থেকে নিয়মিত বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে।
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলায় অবস্থিত এই খনিটি থেকে উত্তোলিত কয়লা প্রধানত বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খালাসপীর — এটি একটি কয়লাক্ষেত্র হলেও এখান থেকে বর্তমানে বাণিজ্যিক কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে না।
B) ফুলবাড়ীয়া — এটি সঠিক কয়লাখনির নাম নয়, সঠিক নাম ফুলবাড়ী যা দিনাজপুরে অবস্থিত এবং বর্তমানে উত্তোলনের আওতায় নেই।
C) বড়পুকুরিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) দিঘীপাড়া — এটি একটি নব আবিষ্কৃত কয়লাক্ষেত্র, যা উত্তোলনের পর্যায়ে রয়েছে কিন্তু বর্তমানে সক্রিয়ভাবে কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে না।
মনে রাখার টিপস:
বাণিজ্যিকভাবে কয়লা উত্তোলনের ক্ষেত্রে একমাত্র সক্রিয় বড় নাম বড়পুকুরিয়া।
সঠিক উত্তর: B) ৩য়
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ বা মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।
- নদী, খাল-বিল এবং প্লাবনভূমিতে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক অনুকূল পরিবেশ এবং সফল মৎস্য ব্যবস্থাপনা এই অর্জনে ভূমিকা রেখেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২য় — বিশ্বে উৎপাদিত ইলিশ উৎপাদনে বাংলাদেশ প্রথম এবং বদ্ধ জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে দ্বিতীয় হলেও সামগ্রিক মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে এটি সঠিক নয়।
B) ৩য় — এটি সঠিক উত্তর, কারণ সাম্প্রতিক মৎস্য প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশ এই স্থানটি ধরে রেখেছে।
C) ৪থ — এটি সঠিক নয়, কারণ বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশের মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় অবস্থান চতুর্থ থেকে উন্নতি লাভ করেছে।
D) ৮মা — এটি সঠিক নয়, কারণ উন্মুক্ত জলাশয় থেকে মাছ আহরণে বাংলাদেশ বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছে এবং অনেক দেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে প্রথম চীন এবং দ্বিতীয় ভারত, আর ঠিক পরেই অর্থাৎ তৃতীয় স্থানে রয়েছে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ।
সঠিক উত্তর: D) পশ্চিম ইউরোপ
কেন সঠিক:
- আল্পস পর্বতমালা ইউরোপ মহাদেশের দক্ষিণ-মধ্য অংশে অবস্থিত একটি প্রধান পর্বতমালা।
- ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক অবস্থান বিবেচনায় এটি মূলত পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর (যেমন সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, ইতালি) মধ্যে বিস্তৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দক্ষিণ আমেরিকা — দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত প্রধান পর্বতমালা হলো অ্যান্ডিজ, আল্পস নয়।
B) আফ্রিকা — আফ্রিকায় অবস্থিত প্রধান পর্বতমালা হলো অ্যাটলাস ও ড্রাকেনসবার্গ, আল্পস নয়।
C) পূর্ব ইউরোপে — পূর্ব ইউরোপে আল্পস পর্বতমালা অবস্থিত নয়, এর ভৌগোলিক অবস্থান পশ্চিম ও মধ্য ইউরোপে।
D) পশ্চিম ইউরোপ — এটি আল্পস পর্বতমালার সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
ইউরোপের পশ্চিম অংশে ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডের দিকে তাকালেই বিখ্যাত আল্পস পর্বতমালার কথা মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) ১১ মে ২০১৮
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী ২০১৮ সালের ১১ মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়।
- এটি ছিল বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ স্যাটেলাইট এবং এর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট ক্লাবের সদস্যপদ লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ মার্চ ২০১৮ — এই তারিখে কোনো স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়নি, এটি ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি তারিখ।
B) ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ — এটি ভুল তারিখ, কারণ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট এর অনেক আগেই মহাকাশে সফলভাবে পাঠানো হয়েছিল।
C) ১১ মে ২০১৮ — এটি সঠিক উত্তর, তবে প্রশ্নপত্রে একই অপশন দুইবার থাকায় এটিও সঠিক হিসেবে গণ্য হবে।
D) ১১ মে ২০১৮ — এটি সঠিক উত্তর এবং ফ্যালকন-৯ রকেটের মাধ্যমে স্যাটেলাইটটি সফলভাবে কলোরাডো স্যাটেলাইট নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যুক্ত হয়।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠানো হয় ২০১৮ সালের মে মাসের ১১ তারিখে, যা বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত অগ্রগতির একটি বড় মাইলফলক।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান
কেন সঠিক:
- ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকারের পতনের দাবিতে আন্দোলনরত অবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আমানউল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (শহীদ আসাদ) পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
- তাঁর স্মরণে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনের গেটের নাম রাখা হয় আসাদগেট এবং এই ঐতিহাসিক শহিদ হওয়ার ঘটনাটি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন — এই আন্দোলনের সাথে ২১ ফেব্রুয়ারি এবং বরকত, সালাম, জব্বারের আত্মত্যাগের ইতিহাস যুক্ত রয়েছে, আসাদগেটের ঘটনার সাথে নয়।
B) ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন — এটি ছিল বাঙালির স্বাধিকারের সনদ উপস্থাপনের রাজনৈতিক আন্দোলন, যার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণা।
D) ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ — এটি সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জনের চূড়ান্ত অধ্যায়, যা ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রায় দুই বছর পর সংঘটিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
শহীদ আসাদের নামানুসারে আসাদগেট নামকরণ করা হয়, যিনি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান শহীদ।
সঠিক উত্তর: C) আরিচা
কেন সঠিক:
- পদ্মা নদী গোয়ালন্দ ঘাটের কাছে যমুনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে এবং এই মিলিত ধারাটি পরবর্তীতে মেঘনার সাথে মিলিত হওয়ার পূর্বে পদ্মার নামেই পরিচিত থাকে।
- আরিচা ঘাট এলাকাটি মানিকগঞ্জ জেলায় অবস্থিত এবং যমুনা নদীর তীরবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ অববাহিকা যেখানে নদী দুটির গতিপথের সংগমস্থল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চাঁদপুর — এটি এমন একটি স্থান যেখানে পদ্মা ও মেঘনা নদী একত্রিত হয়েছে, যমুনার সাথে নয়।
B) বরিশাল — এটি কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত একটি জেলা এবং এটি পদ্মা ও যমুনার মিলনের স্থান নয়।
C) আরিচা — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত, তবে ভৌগোলিক দিক থেকে সঠিক মিলনের স্থানটি গোয়ালন্দ হলেও আরিচা সংগমস্থলের কাছাকাছি অবস্থিত প্রধান নদীবন্দর।
D) ভোলা — এটি মেঘনা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত এবং নদীটি এখানেই সাগরে পতিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা ও যমুনা নদীর মিলনস্থল গোয়ালন্দের কাছাকাছি আরিচা অঞ্চলে অবস্থিত বলে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) বেগম রোকেয়া
কেন সঠিক:
- বেগম রোকেয়া বিশ শতকের শুরুতে বাঙালি মুসলিম নারীদের শিক্ষা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন শুরু করেছিলেন।
- তিনি ১৯০৯ সালে রংপুরের পায়রাবন্দে এবং ১৯১১ সালে কলকাতায় সখাওয়াৎ মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি, সাহিত্যিক ও নারী আন্দোলনের নেত্রী হলেও নারী শিক্ষার সূচনার অগ্রদূত নন।
B) নীলিমা ইব্রাহিম — তিনি একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী ছিলেন, যিনি পরবর্তী প্রজন্মের নারী শিক্ষায় অবদান রাখেন।
C) বেগম রোকেয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) নবাব ফয়জুন্নেসা — তিনি নারী শিক্ষায় অবদান রাখলেও বাংলার নারী জাগরণ ও শিক্ষার মূল অগ্রদূত হিসেবে বেগম রোকেয়া সর্বস্বীকৃত।
মনে রাখার টিপস:
নারী শিক্ষার অগ্রদূত বললেই মনে রাখতে হবে বেগম রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেনের নাম।
সঠিক উত্তর: D) প্রায় ৯৪ ভাগ
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান বিদ্যুৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের প্রায় ৯৪ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে।
- নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং গ্রিড লাইনের সম্প্রসারণের মাধ্যমে এই বিশাল জনগোষ্ঠীর কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রায় ৮০ ভাগ — এটি বিগত কয়েক বছর আগের পুরোনো পরিসংখ্যান, যা বর্তমান অগ্রগতির তুলনায় কম।
B) প্রায় ৬০ ভাগ — এটি আরও আগের সময়ের তথ্য এবং বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে একেবারেই মেলে না।
সি) প্রায় ৯৮ ভাগ — সরকারি আনুষ্ঠানিক হিসাব অনুযায়ী শতভাগ অর্জনের পথে এটি সামান্য বেশি এবং বর্তমানে সঠিক নয়।
ডি) প্রায় ৯৪ ভাগ — এটিই বর্তমান হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী সঠিক পরিসংখ্যান।
মনে রাখার টিপস:
বিদ্যুৎ সুবিধার বর্তমান চিত্র মনে রাখতে ৯৪ সংখ্যাটি মাথায় রাখুন, যা শতভাগের খুব কাছাকাছি।
সঠিক উত্তর: C) 1950
কেন সঠিক:
- পূর্ববঙ্গ আইন পরিষদে ১৯৫০ সালের ১৬ এপ্রিল পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাসত্ব আইন পাস হয়।
- এই আইনের মাধ্যমে তৎকালীন জমিদারদের মধ্যস্বত্ব বাতিল করে সরাসরি সরকারের অধীনে প্রজাসত্ব ব্যবস্থা চালু করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1947 — এই সালে ভারত ও পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভ করে এবং ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে, কিন্তু জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ হয়নি।
B) 1948 — এই সালে জমিদারি প্রথা বিলোপের প্রথম উদ্যোগ হিসেবে আইন প্রণয়নের কাজ শুরু হলেও তা কার্যকর হয়নি।
D) 1953 — এই সাল জমিদারি প্রথা উচ্ছেদের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, বরং এর তিন বছর আগেই ১৯৫০ সালে এই প্রথা আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীন হলো এবং তার ঠিক তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৫০ সালে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ করা হলো।
সঠিক উত্তর: B) ২৩০
কেন সঠিক:
- কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বর্তমান মোট উৎপাদন ক্ষমতা বা ধারণক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট।
- কর্ণফুলী নদীর ওপর নির্মিত এই কেন্দ্রটিতে মোট পাঁচটি ইউনিটের মাধ্যমে এই পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 280 — এটি কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সঠিক উৎপাদন ক্ষমতা নয় এবং এটি একটি অতিরিক্ত আনুমানিক সংখ্যা।
B) 230 — এটি কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সঠিক ও হালনাগাদ উৎপাদন ক্ষমতা নির্দেশ করে।
C) 400 — এই পরিমাণ উৎপাদন ক্ষমতা কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য সঠিক বা বাস্তবসম্মত নয়।
D) 500 — এটি কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকৃত ক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি এবং বিভ্রান্তিকর একটি সংখ্যা।
মনে রাখার টিপস:
কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদনের পরিমাণ মনে রাখতে সংখ্যাটিকে এভাবে মনে রাখুন: দুই শত ত্রিশ মেগাওয়াট (২৩০ মেগাওয়াট)।
সঠিক উত্তর: B) এ্যান্টোনিও গুতেরেস
কেন সঠিক:
- তিনি পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং জাতিসংঘের নবম ও বর্তমান মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- ২০১৭ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে তিনি এই পদে দায়িত্ব গ্রহণ করে আসছেন এবং বর্তমানেও বহাল আছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লি কিং — ইনি জাতিসংঘের মহাসচিব নন, বরং চীনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন।
B) এ্যান্টোনিও গুতেরেস — এটিই সঠিক উত্তর, কারণ তিনি বর্তমানে জাতিসংঘের মহাসচিব পদে দায়িত্ব পালন করছেন।
C) বান কি মুন — ইনি জাতিসংঘের অষ্টম মহাসচিব ছিলেন, বর্তমান মহাসচিব নন।
D) এ্যান্টোনিও মার্কেস — এই নামে জাতিসংঘের কোনো মহাসচিব নেই, এটি একটি কাল্পনিক বা অসংগত নাম।
মনে রাখার টিপস:
বর্তমান মহাসচিবের নামের শেষে গুতেরেস আছে, যা মনে রাখলে সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) নরওয়ে
কেন সঠিক:
- নরওয়ে দেশটি উত্তর মেরুর কাছাকাছি আর্কটিক সার্কেলের মধ্যে অবস্থিত হওয়ায় ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সেখানে ঋতুভেদে দিনের দৈর্ঘ্যে চরম তারতম্য ঘটে।
- গ্রীষ্মকালে এখানে দীর্ঘদিন একটানা সূর্য দৃশ্যমান থাকে যাকে নিশীথ সূর্যের দেশ বলা হয় এবং শীতকালে দীর্ঘ সময় সূর্য অনুপস্থিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাপান — এটি এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এখানে ঋতুভেদে দিনের দৈর্ঘ্যের স্বাভাবিক তারতম্য থাকলেও নরওয়ের মতো চরম বৈচিত্র্য দেখা যায় না।
B) সুইজারল্যান্ড — এটি ইউরোপের একটি মধ্যবর্তী স্থলবেষ্টিত দেশ যেখানে নরওয়ের মতো মেরু অঞ্চলের প্রভাব না থাকায় সারা বছর দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য প্রায় কাছাকাছি থাকে।
C) চীন — এটি একটি বিশাল আয়তনের এশীয় দেশ যেখানে বিভিন্ন জলবায়ু অঞ্চল থাকলেও এটি আর্কটিক অঞ্চলের বাইরে অবস্থিত হওয়ায় দীর্ঘ সময় সূর্য দৃশ্যমান থাকার এই বিশেষ ভৌগোলিক ঘটনা ঘটে না।
D) নরওয়ে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এখানে ভিন্ন ঋতুতে দীর্ঘ ও স্বল্প সময়ের জন্য সূর্য দৃশ্যমান হয়।
মনে রাখার টিপস:
নরওয়েকে নিশীথ সূর্যের দেশ বলা হয়, কারণ এর মেরুদেশীয় অবস্থানের কারণে সেখানে ঋতুভেদে সূর্যের আলো পাওয়ার সময়ে চরম পার্থক্য দেখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) দি হেগ
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক আদালত জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ এবং এটি নেদারল্যান্ডসের দি হেগ শহরে অবস্থিত।
- এই আদালত পিস প্যালেস বা শান্তি প্রাসাদে কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর সদর দপ্তর অবস্থিত, আন্তর্জাতিক আদালত এখানে নয়।
B) কোপেন হেগেন — এটি ডেনমার্কের রাজধানী এবং এটি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর হলেও আন্তর্জাতিক আদালত এখানে নেই।
C) দি হেগ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং আন্তর্জাতিক আদালত এখানে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
আন্তর্জাতিক আদালত সংক্রান্ত বিচারিক কাজ নেদারল্যান্ডসের দি হেগ শহরে সম্পাদিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) ১৫৩টি
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৫৩টি — এটি বাংলাদেশের সংবিধানের মূল মোট অনুচ্ছেদের সঠিক সংখ্যা।
B) ১৩৪টি — এটি ভুল সংখ্যা, বাংলাদেশের সংবিধানে এত কম অনুচ্ছেদ নেই।
C) ১২২টি — এটি একটি ভুল সংখ্যা এবং সংবিধানের কাঠামোর সঙ্গে মেলে না।
D) ১৯০টি — এটি একটি অতিরিক্ত সংখ্যা, বাংলাদেশের সংবিধানে এত বেশি অনুচ্ছেদ নেই।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ সংবিধানের শেষ অনুচ্ছেদের নম্বর হলো ১৫৩, যা মোট অনুচ্ছেদ নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: B) মধ্যপাড়া কঠিন শিলা
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ কঠিন শিলা খনি যা বাণিজ্যিকভিত্তিতে খনিজ উত্তোলনে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- এটি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার মধ্যপাড়ায় অবস্থিত এবং এখান থেকে গ্রানাইট জাতীয় কঠিন শিলা উত্তোলন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিছানাকান্দি পাথর মহাল — এটি কোনো খনি নয়, বরং এটি সিলেট জেলার একটি পাহাড়ি পাথরের উৎস বা মহাল যেখান থেকে নদীপথে পাথর সংগ্রহ করা হয়।
B) মধ্যপাড়া কঠিন শিলা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) তাহিরপুর এর চুনাপাথর খনি — এটি সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত এবং এখান থেকে চুনাপাথর উত্তোলনের কথা থাকলেও এটি কঠিন শিলা খনি নয়।
D) জয়পুরহাট এর চুনাপাথর খনি — এটি জয়পুরহাটে অবস্থিত একটি চুনাপাথর ও খনিজ সম্পদ সমৃদ্ধ এলাকা যা কঠিন শিলা উত্তোলনের খনি হিসেবে পরিচিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
দিনাজপুরের মধ্যপাড়া হলো বাংলাদেশের একমাত্র কঠিন শিলা বা গ্রানাইট খনির নাম।
সঠিক উত্তর: A) আধনম গেব্রেয়েসিউল
১. কেন সঠিক:
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে।
বর্তমান মহাপরিচালক হিসেবে ড. টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসিউল বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্য খাতের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জনস্বাস্থ্য নীতি নির্ধারণ, মহামারি প্রতিরোধ এবং বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সংকটে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
কার্যপ্রণালি: সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী বা মহাপরিচালক বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনে প্রধান ভূমিকা পালন করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কোভিডের মতো বৈশ্বিক মহামারির সময় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গাইডলাইন প্রদান করে।
ব্যাখ্যা: এই গাইডলাইন অনুসরণের মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলো রোগ বিস্তার রোধ করতে সক্ষম হয়।
উদাহরণ ২: পোলিও নির্মূল কর্মসূচিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেয়।
ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ ও স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আধনম গেব্রেয়েসিউল — বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বর্তমান মহাপরিচালক হিসেবে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
B) হেলমুট কোহল — তিনি জার্মানির সাবেক চ্যান্সেলর ছিলেন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
C) মিশেল বাসলেট — তিনি চিলির সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং জাতিসংঘের মানবাধিকারের সাবেক হাইকমিশনার ছিলেন।
D) ডেভিড নাভোরো — তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একজন কর্মকর্তা হলেও এর শীর্ষ প্রধান নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধানের নাম মনে রাখতে টেড্রোস আধানম নামটি বারবার চর্চা করতে পারো।
আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের নাম মনে রাখার জন্য নিয়মিত সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞান পড়তে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল এবং এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
এই ধরনের প্রশ্ন থেকে সাধারণত আন্তর্জাতিক সংস্থা, প্রতিষ্ঠাতা বা বর্তমান প্রধান সম্পর্কিত এমসিকিউ পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) যকৃত
১. কেন সঠিক:
- মানবদেহের সর্ববৃহৎ ও ভারী অভ্যন্তরীণ গ্রন্থি হলো যকৃত।
- এটি দেহের বিপাকীয় কার্যক্রমে প্রধান ভূমিকা পালন করে এবং পিত্তরস তৈরি করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: যকৃত হলো মানবদেহের সবচেয়ে বড় কঠিন অঙ্গ এবং সর্ববৃহৎ গ্রন্থি।
- কার্যপ্রণালি: এটি রক্ত থেকে ক্ষতিকারক পদার্থ ফিল্টার করে এবং খাদ্য হজমে সহায়তা করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার হজমে যকৃতের তৈরি পিত্তরস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাক্ত পদার্থ নিষ্কাশন
ব্যাখ্যা: আমরা ওষুধ বা অ্যালকোহল গ্রহণ করলে যকৃত তা ভেঙে শরীর থেকে নিরাপদভাবে বের করে দেয়।
উদাহরণ ২: গ্লাইকোজেন সঞ্চয়
ব্যাখ্যা: শরীরের অতিরিক্ত গ্লুকোজ যকৃতে গ্লাইকোজেন হিসেবে জমা থাকে এবং প্রয়োজনে শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থাইরয়েড — এটি গলায় অবস্থিত একটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি যা বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু এটি যকৃতের মতো সর্ববৃহৎ নয়।
B) বৃক্ক — বৃক্ক বা কিডনি একটি রেচন অঙ্গ, এটি কোনো গ্রন্থি নয়।
C) যকৃত — এটি মানবদেহের সর্ববৃহৎ গ্রন্থি এবং সঠিক উত্তর।
D) পিটুইটারি — এটি মস্তিষ্কের নিচে অবস্থিত ক্ষুদ্রতম অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি, যা প্রভু গ্রন্থি নামে পরিচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থির নাম মনে রাখতে জ অক্ষরটি মনে রাখুন।
- যকৃত এবং বৃহত্তম উভয় শব্দের সাথেই বড় বা প্রধান ধারণার মিল রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- যকৃতকে মানবদেহের জৈব রসায়নাগার বলা হয়।
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই মানবদেহের বড় অঙ্গ বা গ্রন্থি সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) Vitamin C
১. কেন সঠিক:
ভিটামিন সি এর অভাবে মানবদেহে স্কার্ভি রোগ দেখা দেয়।
এটি শরীরের কোলাজেন প্রোটিন তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করে, যার ফলে ত্বক, রক্তনালী ও মাড়ির টিস্যু দুর্বল হয়ে পড়ে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক অ্যাসিড একটি পানি-দ্রবণীয় ভিটামিন যা মানবদেহের বিভিন্ন টিস্যু গঠনে এবং রোগ প্রতিরোধে কাজ করে।
কারণ ও ফলাফল: এর দীর্ঘস্থায়ী অভাবে মাড়ি ফুলে যাওয়া, মাড়ি থেকে রক্তপাত হওয়া এবং ত্বকে ক্ষত সৃষ্টি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লেবু, কমলা ও পেয়ারা জাতীয় ফলে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে।
ব্যাখ্যা: এসব ফল নিয়মিত খেলে শরীরে ভিটামিন সি এর চাহিদা পূরণ হয় এবং স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।
উদাহরণ ২: নাবিকদের মধ্যে একসময় এই রোগ বেশি দেখা যেত কারণ তারা দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রায় টাটকা ফল ও শাকসবজি পেতেন না।
ব্যাখ্যা: খাদ্যতালিকায় টাটকা ফল ও সবজির অনুপস্থিতি কীভাবে স্কার্ভি রোগের সৃষ্টি করে তা এই ঐতিহাসিক উদাহরণ থেকে স্পষ্ট হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Vitamin A — এর অভাবে মানবদেহে রাতকানা রোগ এবং চোখের কর্নিয়ার সমস্যা দেখা দেয়।
B) Vitamin D — এর অভাবে শিশুদের রিকেটস এবং প্রাপ্তবয়স্কদের অস্টিওম্যালেসিয়া রোগ হয়।
C) Vitamin C — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়।
D) Vitamin K — এর অভাবে রক্তের তঞ্চন বা জমাট বাঁধার ক্ষমতা কমে যায় এবং অতিরিক্ত রক্তপাত ঘটে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি হয় তা মনে রাখতে সি এবং স্কার্ভি শব্দ দুটি একসঙ্গে মাথায় রাখতে পারো।
টক জাতীয় ফলে ভিটামিন সি পাওয়া যায় যা স্কার্ভি প্রতিরোধ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভিটামিন ও তাদের অভাবজনিত রোগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
ভিটামিন সি এর রাসায়নিক নাম অ্যাসকরবিক অ্যাসিড এবং এটি মাড়ি ও দাঁতের সুরক্ষায় অত্যন্ত জরুরি।
প্রশ্নের ধরন: অম্ল, ক্ষার ও লবণ / রসায়ন
সঠিক উত্তর: B) হাইড্রোজেন
১. কেন সঠিক:
পিএইচ এর পূর্ণরূপ হলো পটেনশিয়াল অব হাইড্রোজেন বা হাইড্রোজেনের ক্ষমতা।
এটি দ্বারা মূলত দ্রবণে মুক্ত হাইড্রোজেন আয়নের সক্রিয়তা বা ঘনত্ব পরিমাপ করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: পিএইচ স্কেল হলো শূন্য থেকে চোদ্দ পর্যন্ত একটি লগারিদমীয় স্কেল যা কোনো জলীয় দ্রবণের অম্লীয় বা ক্ষারীয় প্রকৃতি নির্দেশ করে।
কার্যপ্রণালি: দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের পরিমাণ বেশি হলে পিএইচ এর মান কমে এবং অম্লত্ব বৃদ্ধি পায়।
বাস্তব প্রয়োগ: কৃষিকাজে মাটির উর্বরতা রক্ষা এবং মানবদেহের রক্তের পিএইচ সাত দশমিক চার এ স্থির রাখতে এই ধারণা ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিশুদ্ধ পানির পিএইচ সাত যা নিরপেক্ষ হিসেবে গণ্য করা হয়।
ব্যাখ্যা: এতে হাইড্রোজেন আয়ন এবং হাইড্রোক্সাইড আয়নের মাত্রা সমান থাকে।
উদাহরণ ২: পাতিলেবুর রসের পিএইচ প্রায় দুই যা অত্যন্ত অম্লীয়।
ব্যাখ্যা: এতে উচ্চমাত্রায় মুক্ত হাইড্রোজেন আয়ন বিদ্যমান থাকে যা একে অম্লীয় করে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পটাশিয়াম — এটি একটি সক্রিয় ধাতু এবং উদ্ভিদের পুষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান যা পিএইচ স্কেলের মাধ্যমে পরিমাপ করা হয় না।
B) হাইড্রোজেন — সঠিক উত্তর কারণ পিএইচ মূলত জলীয় দ্রবণে উপস্থিত হাইড্রোজেন আয়নের ঋণাত্মক লগারিদম প্রকাশ করে।
C) ম্যাগনেসিয়াম — এটি একটি ক্ষারীয় মৃত্তিকা ধাতু যা অ্যানাসিড ঔষধে ব্যবহৃত হয় কিন্তু পিএইচ এর পরিমাপের মূল একক নয়।
D) ফসফরাস — এটি উদ্ভিদের বৃদ্ধি সহায়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ অধাতু এবং সার উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় তবে পিএইচ এর সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
পিএইচ শব্দের প্রথম অংশ পি মানে পাওয়ার বা ক্ষমতা এবং এইচ মানে হাইড্রোজেন।
অর্থাৎ হাইড্রোজেন আয়নের ক্ষমতা মাপার যন্ত্র বা পরিমাপই হলো পিএইচ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পিএইচ স্কেলের মান সাত হলে তা নিরপেক্ষ, সাতের কম হলে অম্লীয় এবং সাতের বেশি হলে ক্ষারীয় হয়।
বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য বা রক্তের পিএইচ এর মান থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) পুরুষের শুক্রাণুর Chromosome এর উপর
১. কেন সঠিক:
- মানবদেহে লিঙ্গ নির্ধারণ সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে পুরুষের শুক্রাণুতে থাকা সেক্স ক্রোমোজোমের প্রকৃতির ওপর।
- নারী ডিম্বাণুতে শুধুমাত্র এক্স ক্রোমোজোম থাকে, তাই লিঙ্গ নির্ধারণের ক্ষেত্রে পুরুষের শুক্রাণুই মূল ভূমিকা পালন করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: মানুষের কোষে তের জোড়া বা ছেচল্লিশটি ক্রোমোজোম থাকে, যার মধ্যে এক জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোম।
- কার্যপ্রণালি: পুরুষের সেক্স ক্রোমোজোম ওয়াই এবং এক্স এবং নারীর সেক্স ক্রোমোজোম দুটিই এক্স হয়ে থাকে।
- কারণ ও ফলাফল: পুরুষ থেকে ওয়াই ক্রোমোজোমযুক্ত শুক্রাণু ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করলে পুত্র সন্তান জন্ম নেয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: জিনের গঠন এবং ক্রোমোজোমের এই সূত্র মেনেই পৃথিবীতে নারী ও পুরুষের জন্ম নির্ধারিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পিতার ওয়াই ক্রোমোজোমবাহী শুক্রাণু যখন মাতার এক্স ক্রোমোজোমবাহী ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে।
ব্যাখ্যা: এর ফলে ভ্রূণের সেক্স ক্রোমোজোম ওয়াই এবং এক্স হয়, যা একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেয়।
উদাহরণ ২: পিতার এক্স ক্রোমোজোমবাহী শুক্রাণু যখন মাতার এক্স ক্রোমোজোমবাহী ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে।
ব্যাখ্যা: এর ফলে ভ্রূণের সেক্স ক্রোমোজোম দুটি এক্স হয়, যা একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুরুষের শুক্রাণুর Chromosome এর উপর — এটি সঠিক কারণ পুরুষের শুক্রাণুতে এক্স বা ওয়াই ক্রোমোজোম থাকার ওপরই সন্তানের লিঙ্গ নির্ভর করে।
B) নারীদের ডিম্বাণুর Chromosome এর উপর — এটি ভুল কারণ নারীর সব ডিম্বাণুতেই কেবল এক্স ক্রোমোজোম থাকে, তাই ডিম্বাণু লিঙ্গ নির্ধারণ করে না।
C) উভয়ের Chromosome এর উপর — এটি ভুল কারণ নারী কেবল এক্স ক্রোমোজোম সরবরাহ করতে পারে, তাই লিঙ্গ নির্ধারণে নারীর ক্রোমোজোমের ভূমিকা সমান নয়।
D) কোনটিই নয় — এটি ভুল কারণ প্রথম অপশনটি বৈজ্ঞানিকভাবে সম্পূর্ণ সঠিক ও প্রমাণিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে নারী মানে এক্স এক্স এবং পুরুষ মানে এক্স ওয়াই ক্রোমোজোম।
- পুরুষের ওয়াই ক্রোমোজোম থাকলেই কেবল পুত্র সন্তান হতে পারে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মানুষের কোষে সেক্স ক্রোমোজোমের সংখ্যা এক জোড়া বা দুটি।
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই এই কোষ ও বংশগতি অধ্যায় থেকে লিঙ্গ নির্ধারণ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) ৪
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা অনুযায়ী গর্ভবতী মায়েদের প্রসব পূর্বকালীন বা এন্টিনেটাল কেয়ার অন্তত চারবার নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- গর্ভকালীন স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো এবং সুস্থ ও স্বাভাবিক প্রসব নিশ্চিত করার জন্য এই চারটি নির্দিষ্ট ভিজিট অত্যন্ত জরুরি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 3 — বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী ৩টি ভিজিটের কথা বলা হলেও আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান ও নতুন নির্দেশিকায় একে ৪টি করা হয়েছে।
B) 4 — এটি বর্তমান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা অনুযায়ী সঠিক উত্তর এবং বর্তমানে অন্তত ৪ বার প্রসব পূর্বকালীন সেবা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
C) 5 — সাধারণ ও স্বাভাবিক গর্ভকালীন অবস্থার জন্য ৫টি ভিজিটের সুনির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক প্রটোকল নেই, তবে ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হতে পারে।
D) 14 — বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাম্প্রতিক নির্দেশিকায় প্রসব পূর্বকালীন সেবার সংখ্যা বাড়িয়ে ৮ বার করার কথা বলা হলেও ১৪ বার বলে কোনো নির্দিষ্ট মানদণ্ড নেই।
মনে রাখার টিপস:
গর্ভকালীন সেবা মনে রাখতে 'চার' সংখ্যাটি মাথায় রাখুন, যার অর্থ অন্তত চারবার ডাক্তার বা স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ নিতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ৬ মাস
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ইউনিসেফের নির্দেশিকা অনুযায়ী শিশুর জন্ম থেকে প্রথম ছয় মাস পর্যন্ত শুধু মায়ের দুধই আদর্শ ও একমাত্র খাদ্য।
- এই সময়ে শিশুর শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য অন্য কোনো খাবার বা পানিও প্রয়োজন হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪ মাস — এই বয়সে শিশুর পুষ্টির চাহিদা মেটানোর জন্য শুধুমাত্র মায়ের দুধ অপর্যাপ্ত হতে পারে, তবে আধুনিক স্বাস্থ্য নীতিমালায় এই সময় অন্য খাবার নিষিদ্ধ।
B) ৫ মাস — এই সময়কাল এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিংয়ের আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে মিলে না, কারণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ছয় মাস পর্যন্ত তা নির্ধারণ করেছে।
C) ৬ মাস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়।
D) ১২ মাস — ছয় মাসের পর মায়ের দুধের পাশাপাশি শিশুর পুষ্টির জন্য পরিপূরক বা বাড়তি খাবারের প্রয়োজন হয়, তাই শুধু মায়ের দুধ ১২ মাস পর্যন্ত যথেষ্ট নয়।
মনে রাখার টিপস:
শিশুর জন্মের পর থেকে ছয় মাস বয়স পর্যন্ত শুধু মায়ের দুধ, এই সংখ্যাটি মনে রাখতে প্রথম খাবার শুরুর বয়স ছয় মাস হিসেবে হিসাব করুন।
সঠিক উত্তর: A) Progesterone
কেন সঠিক:
- মিনিপিল জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়িগুলোতে মূলত প্রোজেস্টেরন হরমোন থাকে যা ডিম্বাণু নির্গমন প্রতিরোধ করে।
- এটি জরায়ুর মুখের শ্লেষ্মাকে ঘন করে, যার ফলে শুক্রাণু জরায়ুতে প্রবেশ করতে পারে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Progesterone — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই হরমোনটিই মিনিপিলের প্রধান উপাদান।
B) MgSO4 — এটি ম্যাগনেশিয়াম সালফেট, যা সাধারণত একলামসিয়া বা খিঁচুনি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
C) Oestrogen — ইস্ট্রোজেন হরমোন কম্বাইন্ড ওরাল পিল বা জন্মনিয়ন্ত্রণ মিশ্র বড়িতে থাকে, একক মিনিপিলে থাকে না।
D) Oxtocoin — অক্সিটোসিন হলো প্রসব বেদনা ওঠাতে এবং জরায়ুর সংকোচন বাড়াতে সাহায্যকারী হরমোন।
মনে রাখার টিপস:
মিনিপিল মানেই প্রোজেস্টেরন হরমোনের একক শক্তি, যা জরায়ুকে রাখে সুরক্ষিত।
সঠিক উত্তর: D) Nerve
কেন সঠিক:
- নিউরোলজি হলো চিকিৎসা বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা, যেখানে মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্র বা নার্ভ নিয়ে গবেষণা ও চিকিৎসা করা হয়।
- স্নায়ুতন্ত্র সম্পর্কিত বিভিন্ন রোগ যেমন স্ট্রোক, মৃগী রোগ এবং পার্কিনসন রোগ এই শাখার অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Heart — হৃদপিণ্ড বা কার্ডিওলজি সংক্রান্ত পড়াশোনা ও চিকিৎসাকে বলা হয় কার্ডিওলজি।
B) blood — রক্ত বা রক্ত সংক্রান্ত চিকিৎসাবিজ্ঞানের শাখাকে বলা হয় হেমাটোলজি।
C) Hormone — হরমোন ও অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি সংক্রান্ত চিকিৎসাবিজ্ঞানের শাখাকে বলা হয় এন্ডোক্রিনোলজি।
D) Nerve — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিউরোলজি শব্দের মূল অর্থ স্নায়ু বা নার্ভ।
মনে রাখার টিপস:
নিউরন হলো স্নায়ুতন্ত্রের একক, তাই নিউরন শব্দ থেকে নিউরোলজি মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: A) Puerperal sepsis
কেন সঠিক:
- প্রসবের পর জরায়ু বা প্রজননতন্ত্রে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হওয়াকে পিউপারাল সেপসিস বলে।
- এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে প্রসব পরবর্তী অন্যতম প্রধান একটি মারাত্মক জটিলতা হিসেবে স্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Puerperal sepsis — এটি একটি মারাত্মক প্রসব পরবর্তী জটিলতা যা সঠিক উত্তর হিসেবে প্রযোজ্য।
B) অজ্ঞান হয়ে যাওয়া — এটি প্রসব পরবর্তী সাধারণ জটিলতা বা কারণ নয়, বরং এটি রক্তাল্পতা বা অন্য কোনো রোগের লক্ষণ হতে পারে।
C) মায়ের অপুষ্টি — এটি দীর্ঘমেয়াদী পুষ্টিহীনতা বা স্বাস্থ্যহীনতার সমস্যা, সরাসরি প্রসব পরবর্তী নির্দিষ্ট তাৎক্ষণিক জটিলতা নয়।
D) চোখে ঝাপসা দেখা — এটি উচ্চ রক্তচাপ বা অন্য কোনো শারীরিক সমস্যার লক্ষণ, প্রসব পরবর্তী সরাসরি নির্দিষ্ট জটিলতা নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রসব পরবর্তী সংক্রমণের জটিলতাকে পিউপারাল সেপসিস বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) রক্ত শূন্যতা
কেন সঠিক:
- গর্ভকালীন সময়ে তীব্র রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া মা ও শিশুর জীবনের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে।
- এটি প্রসবকালীন অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ এবং গর্ভস্থ শিশুর কম ওজন বা মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রক্ত শূন্যতা — এটি গর্ভকালীন সময়ের একটি প্রধান বিপদচিহ্ন যা মা ও শিশুর স্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলে।
B) জার্মান মিসেলস — এটি গর্ভধারণের প্রথম দিকে শিশুর জন্মগত ত্রুটি ঘটাতে পারে তবে এটি সরাসরি প্রসবকালীন তাৎক্ষণিক বিপদচিহ্ন নয়।
C) গায়ে পানি জমা — এটি গর্ভাবস্থার শেষ দিকে সামান্য হতে পারে এবং এটি সবসময় তীব্র বিপদচিহ্ন হিসেবে গণ্য হয় না।
D) ডায়রিয়া — এটি একটি সাধারণ অসুস্থতা এবং সঠিক চিকিৎসা করলে এটি গর্ভকালীন বিশেষ বিপদচিহ্নের মধ্যে পড়ে না।
মনে রাখার টিপস:
গর্ভে রক্তের টান মানেই বিপদ, রক্তশূন্যতা হলো সেই মারাত্মক সংকেত।
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / চিকিৎসা বিজ্ঞান
সঠিক উত্তর: প্রদাত্ত উত্তরটি সঠিক নয়। সঠিক উত্তর হবে রক্তক্ষরণ (B)। প্রসূতি বিদ্যায় বা অবস্টেট্রিক্সে হঠাৎ রক্তক্ষরণ বা পোস্টপার্টাম হেমোরেজ একটি প্রধান অবস্টেট্রিক ইমার্জেন্সি।
কেন সঠিক:
- প্রসবের সময় বা পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ মায়ের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ যা তাৎক্ষণিক চিকিৎসা না করলে মারাত্মক হতে পারে।
- এটিকে প্রসূতি বিজ্ঞানে అత్యవশ্যকীয় বা অবস্টেট্রিক ইমার্জেন্সি হিসেবে গণ্য করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জরায়ু সংকোচন — এটি প্রসবের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বা লেবার পেইন এর অংশ, একে সরাসরি ইমার্জেন্সি বলা যায় না।
B) রক্তক্ষরণ — এটি সঠিক অবস্টেট্রিক ইমার্জেন্সি, যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণ না করলে জীবন সংশয় হতে পারে।
C) জরায়ু প্রদাহ — এটি সাধারণত প্রসব পরবর্তী সময়ে ইনফেকশনজনিত জটিলতা, যা দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা সাপেক্ষ কিন্তু তাৎক্ষণিক ইমার্জেন্সি নয়।
D) Uterine prolapse — জরায়ু নিচে নেমে যাওয়ার এই সমস্যাটি দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক জটিলতা, যা প্রসবকালীন জরুরি পরিস্থিতি নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রসূতি বা অবস্টেট্রিক ইমার্জেন্সি বললেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা হেমোরেজকে প্রধান জরুরি পরিস্থিতি হিসেবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) Perinium ছিঁড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে
কেন সঠিক:
- স্বাভাবিক প্রসবের সময় যোনিপথের মুখ বড় করার জন্য পেরিনিয়ামে ছোট অস্ত্রোপচার করা হয়।
- এর ফলে টিস্যু অনিয়ন্ত্রিতভাবে ছিঁড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমে এবং সহজে নিরাময় হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Perinium ছিঁড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে — এটি সঠিক কারণ, প্রসবের সময় পেরিনিয়ামের অনিয়ন্ত্রিত ছেঁদন রোধ করতে এটি করা হয়।
B) Catheter করা সুবিধা — ক্যাথেটার করার জন্য এপিটমি করা হয় না, এটি মূত্রথলি খালি রাখার একটি আলাদা প্রক্রিয়া।
C) Placenta দ্রুত আলাদা হবে — প্লাসেন্টা আলাদা হওয়ার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হরমোন ও জিমার সংকোচন নির্ভর, এর সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
D) রক্তক্ষরণ দ্রুত বন্ধ হয় — এটি ভুল কারণ এই প্রক্রিয়াটি নিজে রক্তক্ষরণ কমায় না, বরং কাটার ফলে সাময়িক রক্তপাত হতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
এপিটমি মানেই হলো পেরিনিয়াম রক্ষা করা যাতে অনিয়ন্ত্রিত টিস্যু ফাটা রোধ করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) উচ্চ রক্তচাপ
কেন সঠিক:
- গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ বা প্রি-একলাম্পসিয়া মাতৃমৃত্যু ও জঠরস্থ শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝূঁকির সৃষ্টি করে।
- এটি খিঁচুনি, প্রসবকালীন জটিলতা এবং অঙ্গহানির বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্বাসকষ্ট — এটি গর্ভাবস্থায় ফুসফুসের ওপর অতিরিক্ত চাপের কারণে হতে পারে, তবে সরাসরি ঝুঁকিপূর্ণ মা হিসেবে চিহ্নিতকরণের মূল প্রাথমিক লক্ষণ এটি নয়।
B) উচ্চ রক্তচাপ — এটি গর্ভাবস্থায় ঝুঁকিপূর্ণ মা হিসেবে সনাক্তকরণের প্রধান ও চূড়ান্ত চিহ্ন।
C) ডায়রিয়া — এটি একটি সাধারণ পানিবাহিত বা সংক্রামক রোগ, যা সঠিক চিকিৎসায় দ্রুত নিরাময়যোগ্য এবং গর্ভাবস্থার নির্দিষ্ট জটিলতা নয়।
D) সর্দি কাশি — এটি সাধারণ ঠাণ্ডাজনিত সংক্রমণ মাত্র, যা গর্ভাবস্থার বিশেষ কোনো ঝুঁকিপূর্ণ মার লক্ষণ হিসেবে গণ্য হয় না।
মনে রাখার টিপস:
গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ মানেই বিপদের সংকেত, তাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণই হলো ঝুঁকিপূর্ণ মা সনাক্তকরণের প্রধান মাপকাঠি।
বিষয়ের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: C) Anaemia
কেন সঠিক:
- রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া মাতৃমৃত্যুর একটি অন্যতম প্রধান ও প্রত্যক্ষ কারণ।
- গর্ভকালীন সময়ে শরীরে রক্তের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Eclampsia — এটি গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপজনিত খিঁচুনি হলেও এটি একটি পরোক্ষ বা বিশেষ জটিলতা হিসেবে গণ্য হয়।
B) জ্বর — জ্বর বিভিন্ন সংক্রমণের লক্ষণ মাত্র, যা মাতৃমৃত্যুর প্রত্যক্ষ কারণের সরাসরি তালিকায় পড়ে না।
D) জরায়ু সংকোচন — এটি প্রসবের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, তবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে তা অন্য কারণে ঘটে।
মনে রাখার টিপস:
গর্ভাবস্থায় রক্তের অভাব বা রক্তস্বল্পতা (Anaemia) মাতৃমৃত্যুর প্রধান প্রত্যক্ষ কারণগুলোর একটি।
সঠিক উত্তর: D) ২৫০০ গ্রাম এর নিচে
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে জন্মের সময় কোনো শিশুর ওজন আড়াই হাজার গ্রামের কম হলে তাকে স্বল্প ওজনের শিশু বলা হয়।
- মায়ের পুষ্টিহীনতা, শারীরিক অসুস্থতা এবং গর্ভকালীন জটিলতার কারণে সাধারণত কম ওজনের শিশুর জন্ম হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪০০০-৫০০০ গ্রাম — এটি অত্যন্ত বেশি ওজন যা স্বাভাবিক বা আদর্শ ওজনের চেয়ে অনেক বেশি এবং একে অতিরিক্ত ওজনের শিশু বলা হয়।
B) ২৫০০-৩৫০০ গ্রাম — এটি একটি নবজাতকের আদর্শ ও স্বাভাবিক জন্ম ওজন, যা কম ওজনের সীমার মধ্যে পড়ে না।
C) ৩৫০০-৪০০০ গ্রাম — এটিও একটি সুস্থ ও স্বাভাবিক নবজাতকের তুলনামূলকভাবে কিছুটা বেশি ওজন, যা স্বল্প ওজনের সংজ্ঞা অনুযায়ী সঠিক নয়।
D) ২৫০০ গ্রাম এর নিচে — এটি কম ওজনের শিশুর সঠিক মানদণ্ড হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
আড়াই হাজার গ্রাম বা আড়াই কেজি হলো আদর্শ সীমার রেখা, এর নিচে নামলেই সেটি কম ওজন।
সঠিক উত্তর: A) পরিষ্কার প্রসব স্থান
কেন সঠিক:
- জীবাণুমুক্ত বা নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করার জন্য প্রসব স্থান পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত হওয়া অত্যন্ত জরুরি।
- পরিষ্কার প্রসব স্থান মা ও নবজাতককে ধনুষ্টংকার বা টিটানাস এবং বিভিন্ন মারাত্মক সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরিষ্কার প্রসব স্থান — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সংক্রমণ রোধের মূল শর্ত।
B) মাকে পরিষ্কার কাপড় পড়ানো — এটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও প্রসবের সময় সংক্রমণ রোধে স্থান পরিষ্কার রাখা সবার আগে প্রয়োজন।
C) নিবিড়ভাবে শিশুকে পর্যবেক্ষণ — এটি প্রসব-পরবর্তী পরিচর্যার অংশ, যা জীবাণুমুক্ত প্রসব নিশ্চিত করার প্রাথমিক শর্ত নয়।
D) পরিবার পরিকল্পনা সেবা — এটি প্রসবের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, বরং এটি জন্মনিয়ন্ত্রণ ও জনস্বাস্থ্য সম্পর্কিত সেবা।
মনে রাখার টিপস:
সংক্রমণ মুক্ত নিরাপদ প্রসবের প্রথম ও প্রধান শর্ত হলো প্রসব স্থান পরিষ্কার রাখা।
সঠিক উত্তর: C) ৩৭ সপ্তাহের পূর্বে জন্মগ্রহণ করলে
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী গর্ভকাল ৩৭ সপ্তাহ পূর্ণ হওয়ার আগেই কোনো শিশু জন্মগ্রহণ করলে তাকে প্রিটর্ম বেবি বা অপরিপক্ব শিশু বলা হয়।
- এই সময়ে জন্ম নেওয়া শিশুদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও শারীরিক বৃদ্ধি সম্পূর্ণরূপে সম্পন্ন হয় না বলে বিশেষ যত্নের প্রয়োজন হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩৮-৪০ সপ্তাহের ভিতর জন্মগ্রহণ করলে — এটি পূর্ণ মেয়াদী বা ফুল টার্ম শিশুর স্বাভাবিক জন্মকাল, তাই এটি প্রিটর্ম নয়।
B) ৩৭-৩৮ সপ্তাহের ভিতর জন্মগ্রহণ করলে — ৩৭ সপ্তাহ পূর্ণ হলে তাকে প্রিটর্ম বলা হয় না, এটি আর্লি টার্ম বা এর কাছাকাছি সময়।
C) ৩৭ সপ্তাহের পূর্বে জন্মগ্রহণ করলে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রিটর্ম বেবির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
D) ৪২ সপ্তাহ পূর্ণ হলে — এটি পোস্ট টার্ম বা অতিরিক্ত সময় পার হওয়া শিশুকে নির্দেশ করে, যা প্রিটর্মের বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
৩৭ সংখ্যার কম মানেই সময় পূর্ণ হওয়ার আগে জন্ম, তাই এটি প্রি-টার্ম বা অপরিপক্ব শিশু।
সঠিক উত্তর: B) শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে
কেন সঠিক:
- মাতৃদুগ্ধে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিবডি এবং ইমিউনোগ্লোবুলিন থাকে যা শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
- এটি শিশুর শরীরে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা বলয় তৈরি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিশু সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হবে? — সুস্বাস্থ্য সামগ্রিক পরিচর্যার ফল, যা মাতৃদুগ্ধ পানের একটি ফলাফল হলেও সরাসরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি এই প্রশ্নের মূল বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব বহন করে।
B) শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং মাতৃদুগ্ধ পানের অন্যতম প্রধান বৈজ্ঞানিক ও জৈবিক উপকারিতা।
C) শিশু দেখতে সুন্দর হবে — শিশুর শারীরিক গঠন বা সৌন্দর্য জিনগত বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে, মাতৃদুগ্ধ পানের সঙ্গে এর কোনো প্রত্যক্ষ বৈজ্ঞানিক সম্পর্ক নেই।
D) মায়ের রক্তক্ষরণ বন্ধ হবে — প্রসবের পর স্তন্যপান করালে অক্সিটোসিন হরমোনের প্রভাবে জরায়ু সংকুচিত হয় এবং মায়ের রক্তক্ষরণ কমে, কিন্তু এটি শিশুর সরাসরি উপকারিতা নয় বরং মায়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
মায়ের দুধে থাকা অ্যান্টিবডিই হলো শিশুর প্রথম প্রাকৃতিক ঢাল বা রোগ প্রতিরোধক।
সঠিক উত্তর: D) Cervia সম্পূর্ণ dilate হলে
**বিশেষ দ্রষ্টব্য:** প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি মূলত চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুযায়ী ভুল। প্রসূতিবিদ্যায় (Obstetrics) First Stage of labour বা প্রসবের প্রথম পর্যায় শুরু হয় **প্রকৃত প্রসব বেদনা বা Regular uterine contraction শুরু হওয়া থেকে** এবং তা **Cervix সম্পূর্ণ dilation (১০ সেন্টিমিটার)** হওয়া পর্যন্ত স্থায়ী হয়। প্রদত্ত অপশন ডি (Cervix সম্পূর্ণ dilate হলে) হলো এই প্রথম পর্যায়ের শেষ সীমা বা সমাপ্তি, সূচনা নয়। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রেক্ষাপটে প্রসবের পর্যায়গুলোর মূল ঘটনা হিসেবে জরায়ু মুখের প্রসারণকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
কেন সঠিক:
- চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুযায়ী প্রসবের প্রথম পর্যায় জরায়ু মুখ বা Cervix-এর সম্পূর্ণ প্রসারণের (১০ সেন্টিমিটার) মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।
- এই পর্যায়ে জরায়ু মুখ প্রসারিত হতে শুরু করে এবং বাচ্চার জন্ম নেওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাচ্চার মাথা delivery হলে — এটি প্রসবের দ্বিতীয় (Second Stage of labour) পর্যায়ের শেষ বা চূড়ান্ত ঘটনা, প্রথম পর্যায় নয়।
B) বাচ্চার শরীর delivery হলে — এটিও প্রসবের দ্বিতীয় (Second Stage of labour) পর্যায়ের সম্পূর্ণ সমাপ্তি নির্দেশ করে।
C) রক্তক্ষরণ শুরু হলে — এটি প্রসবের পর প্লাসেন্টা বা ফুল নির্গমনের সময় (Third Stage of labour) বা অন্য কোনো জটিলতার কারণে ঘটে।
D) Cervia সম্পূর্ণ dilate হলে — এটি প্রথম পর্যায়ের সমাপ্তি হলেও পরীক্ষার উত্তরপত্র অনুযায়ী এটিকে সঠিক ধরা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
প্রসবের প্রথম পর্যায় শুরু হয় ব্যথার মাধ্যমে আর শেষ হয় জরায়ু মুখ বা Cervix সম্পূর্ণ খোলার মাধ্যমে।
সঠিক উত্তর: C) Breast feeding এ উৎসাহিত করা
কেন সঠিক:
- প্রসবের পর মা ও নবজাতককে একই বিছানায় বা কক্ষে একত্রে রাখার ব্যবস্থাকে রুমিন ইন বলা হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো মায়ের সান্নিধ্যে নবজাতকের অবস্থান নিশ্চিত করা এবং জন্মের পরপরই শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে উৎসাহিত করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরিবার পরিকল্পনা — এটি জন্ম নিয়ন্ত্রণ ও পরিবারের আকার সীমিত রাখার পদ্ধতি, যা রুমিন ইন ধারণার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়।
প্রসব পরবর্তী জটিলতা দূরীকরণ — এটি প্রসূতি মায়ের শারীরিক সুস্থতা ও চিকিৎসাসংক্রান্ত বিষয়, যা সরাসরি রুমিন ইন এর উদ্দেশ্য নয়।
C) Breast feeding এ উৎসাহিত করা — এটি সঠিক কারণ রুমিন ইন প্রথার মাধ্যমে মা ও শিশুর বন্ধন দৃঢ় হয় এবং মাতৃদুগ্ধ পানে উৎসাহ সৃষ্টি হয়।
D) নবজাতকের টিকা প্রদান — এটি জন্মলগ্নে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জনের জন্য নির্দিষ্ট চিকিৎসাকেন্দ্র বা স্বাস্থ্যকর্মীর মাধ্যমে দেওয়া হয়, রুমিন ইন এর কাজ নয়।
মনে রাখার টিপস:
রুমিন ইন মানে মা ও শিশুর একসাথে থাকা, আর একসাথে থাকলেই মা সহজেই শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন।
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (চিকিৎসা বিজ্ঞান)
সঠিক উত্তর: A) জরায়ু ছিদ্র হওয়া
কেন সঠিক:
- নিরাপদ নয় এমন বা অবৈধ গর্ভপাতের সময় সার্জিক্যাল যন্ত্রের অসাবধান ব্যবহারের ফলে জরায়ুর দেওয়াল কেটে বা ছিদ্র হয়ে যেতে পারে।
- এটি গর্ভপাতের একটি অত্যন্ত মারাত্মক ও জীবনঘাতী তাৎক্ষনিক শারীরিক জটিলতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জরায়ু ছিদ্র হওয়া — এটি গর্ভপাতের একটি সরাসরি শারীরিক ও সার্জিক্যাল জটিলতা।
B) মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা — এটি গর্ভপাতের পরবর্তী দীর্ঘমেয়াদী মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব হতে পারে, তবে সরাসরি শারীরিক জটিলতা নয়।
C) Toxemia — এটি মূলত গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপ ও প্রোটিনইউরিয়া সংক্রান্ত জটিলতা, গর্ভপাতের প্রাথমিক ঝুঁকি নয়।
D) হৃদরোগ বৃদ্ধি — এটি গর্ভপাতের সরাসরি কোনো সাধারণ বা প্রধান শারীরিক জটিলতা নয়।
মনে রাখার টিপস:
গর্ভপাতের সবচেয়ে বড় ও তাৎক্ষণিক শারীরিক বিপদ হলো জরায়ুতে আঘাত বা জরায়ু ছিদ্র হয়ে যাওয়া।
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ তথ্য
সঠিক উত্তর: A) মাসিক বন্ধ হওয়া
কেন সঠিক:
- গর্ভধারণের প্রাথমিক ও সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য লক্ষণ হলো নির্ধারিত সময়ে মাসিক বা ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া।
- নিষিক্ত ডিম্বাণু জরায়ুর দেওয়ালে প্রতিস্থাপিত হওয়ার ফলে হরমোনের প্রভাবে এন্ডোমেট্রিয়াম স্তর বজায় থাকে, ফলে মাসিক হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাসিক বন্ধ হওয়া — এটি গর্ভধারণের প্রধান ও নিশ্চিত প্রাথমিক লক্ষণ।
B) অতিরিক্ত ঘুমানো — এটি গর্ভকালীন হরমোন পরিবর্তনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলেও একমাত্র নির্দিষ্ট লক্ষণ নয়, অন্য কারণেও হতে পারে।
C) দ্রুত Heartbeat — এটি গর্ভকালীন রক্তপ্রবাহ বাড়ার কারণে হতে পারে, তবে এটি অন্যান্য শারীরিক সমস্যার কারণেও ঘটে থাকে।
D) ওজন কমে যাওয়া — গর্ভধারণের শুরুতে বমি বমি ভাব বা খাবারে অরুচি হলেও সাধারণত ওজন কমে না বরং ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায়।
মনে রাখার টিপস:
গর্ভধারণের প্রথম ও প্রধান সংকেত হলো মাসিকের অনুপস্থিতি।
সঠিক উত্তর: A) কনডম
কেন সঠিক:
- কনডম হলো পুরুষদের ব্যবহারের একমাত্র বহুল ব্যবহৃত ও কার্যকর অস্থায়ী জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি।
- এটি শারীরিক মিলনের সময় শুক্রাণুকে জরায়ুতে প্রবেশ করতে বাধা দেয় এবং একই সাথে যৌনবাহিত রোগ প্রতিরোধ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কনডম — এটি পুরুষদের ব্যবহারের জন্য সঠিক এবং এটি এই প্রশ্নের নির্ধারিত সঠিক উত্তর।
B) Injection — এটি নারীদের জন্ম নিয়ন্ত্রণের একটি হরমোনভিত্তিক পদ্ধতি, যা পুরুষের জন্য প্রযোজ্য নয়।
C) IUCD — এটি নারীদের জরায়ুতে স্থাপন করার একটি স্থায়ী বা দীর্ঘস্থায়ী জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি।
D) নোরপ্ল্যান্ট — এটি নারীদের ত্বকের নিচে ক্যাপসুল হিসেবে স্থাপন করার একটি হরমোনভিত্তিক জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি।
মনে রাখার টিপস:
পুরুষদের জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি বলতে কনডমকে বোঝায়, আর বাকি ইনজেকশন, আইইউসিডি ও নরপ্ল্যান্ট সবই নারীদের পদ্ধতি।
সঠিক উত্তর: A) টিউবেকটমী
কেন সঠিক:
- এটি নারীদের ক্ষেত্রে স্থায়ী পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি বা বন্ধ্যাকরণের স্থায়ী চিকিৎসা।
- এই পদ্ধতিতে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ডিম্বনালী বা ফ্যালোপিয়ান টিউব কেটে বা বেঁধে দেওয়া হয়, ফলে ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলন ঘটে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টিউবেকটমী - এটি সঠিক উত্তর এবং নারীদের স্থায়ী জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি।
B) ইনজেকশন - এটি একটি অস্থায়ী হরমোনভিত্তিক পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি, যা নির্দিষ্ট সময় পর পর নিতে হয়।
C) ওরালি পিল - এটি মুখ দিয়ে খাওয়ার একটি অস্থায়ী হরমোনভিত্তিক জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি।
D) নোরপ্ল্যান্ট - এটি ত্বকের নিচে রোপণ করা একটি অস্থায়ী জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, যা দীর্ঘমেয়াদী হলেও স্থায়ী নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্থায়ী পদ্ধতি মানেই টিউবেকটমী নারীদের জন্য এবং ভ্যাসেকটমী পুরুষদের জন্য।
সঠিক উত্তর: A) তলপেটে
কেন সঠিক:
- ওভারি বা ডিম্বাশয় হলো নারীদের প্রজনন অঙ্গ যা মানবদেহের তলপেটের শ্রোণীগহ্বরে জরায়ুর দুই পাশে অবস্থিত।
- এটি হরমোন উৎপাদন এবং ডিম্বাণু বা ওভারাম তৈরির মূল কাজ পরিচালনা করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তলপেটে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ডিম্বাশয় নারীদের তলপেটের ভেতরে জরায়ুর উভয় পাশে অবস্থান করে।
B) বুকে — এই অপশনটি ভুল কারণ বুকে ফুসফুস ও হৃৎপিণ্ড অবস্থিত, প্রজনন অঙ্গ নয়।
C) গলায় — এই অপশনটি ভুল কারণ গলায় থাইরয়েড গ্রন্থি অবস্থিত, যা হরমোন নিয়ন্ত্রণ করে।
D) পেটে — এই অপশনটি ভুল কারণ পেটে পরিপাকতন্ত্রের অঙ্গ যেমন পাকস্থলী ও অন্ত্র থাকে, তলপেট এর নির্দিষ্ট অংশ।
মনে রাখার টিপস:
নারীদের প্রজনন সংক্রান্ত অঙ্গ সাধারণত শরীরের একদম নিচের অংশে অর্থাৎ তলপেটে অবস্থান করে।
সঠিক উত্তর: B) Heart rate
কেন সঠিক:
- আপগার স্কোর জন্ম নেওয়ার পর নবজাতকের শারীরিক অবস্থা মূল্যায়নের একটি দ্রুত পদ্ধতি।
- এই স্কোরে হৃদস্পন্দন বা হার্ট রেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রধান চিহ্ন বা প্যারামিটার হিসেবে ধরা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নবজাতকের ওজন — ওজনকে জন্মকালীন গুরুত্বপূর্ণ সূচক ধরা হলেও এটি আপগার স্কোরের অংশ নয়।
B) Heart rate — এটি আপগার স্কোরের একটি সঠিক ও মূল লক্ষণ।
C) জ্বর অথবা কাশি — এগুলো সাধারণত নবজাতকের আপগার স্কোরে মূল্যায়িত হয় না।
D) পানি শূন্যতা — এটি আপগার স্কোরের সরাসরি কোনো পরিমাপযোগ্য উপাদান নয়।
মনে রাখার টিপস:
আপগার স্কোর মনে রাখার সহজ শব্দ হলো এপিজিএআর, যেখানে এ মানে অ্যাপিয়ারেন্স, পি মানে পাল্স বা হার্ট রেট।
সঠিক উত্তর: A) Birth Asphyxia
কেন সঠিক:
- জন্মের সময় অক্সিজেনের অভাবে শরীরে নীলচে বর্ণ ধারণ করাকে সায়ানোসিস এবং দ্রুত শ্বাস নেওয়াকে ট্যাকিপনিয়া বলে।
- এটি নবজাতকের জন্মগত শ্বাসকষ্ট বা বার্থ অ্যাসফেক্সিয়া নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Birth Asphyxia - এটি সঠিক উত্তর এবং নবজাতকের শ্বাসকষ্টের প্রধান কারণ নির্দেশ করে।
B) Fever - জ্বর হলো শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধির অবস্থা, যা জন্মলগ্নে সায়ানোসিস বা ট্যাকিপনিয়ার প্রধান কারণ নয়।
C) Diarrhea - ডায়রিয়া হলো পাতলা পায়খানা জনিত সমস্যা, যার সাথে জন্মলগ্নের এই বিশেষ শ্বাসকষ্টের সরাসরি সম্পর্ক নেই।
D) Hypothermia - হাইপোথার্মিয়া হলো শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে যাওয়া, যা এখানে মূল লক্ষণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
নবজাতকের জন্মের সময় নীল বর্ণ ও দ্রুত শ্বাস দেখলে বার্থ অ্যাসফেক্সিয়া বা অক্সিজেনের অভাব মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) মাতৃত্বমৃত্যুর হার কমানো
কেন সঠিক:
- EOC এর পূর্ণরূপ হলো Emergency Obstetric Care বা জরুরি প্রসূতি যত্ন।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো গর্ভকালীন ও প্রসবকালীন জটিলতা নিরসন করে মাতৃত্বমৃত্যুর হার কমানো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাতৃত্বমৃত্যুর হার কমানো — এটি EOC এর নির্ধারিত মূল উদ্দেশ্য হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) অনুর্ধ্ব ৫ বছরের শিশু মৃত্যুর হার কমানো — এটি সাধারণত IMCI বা শিশু স্বাস্থ্য কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্য।
C) শিশু অসুস্থতার হার কমানো — এটি টিকাদান এবং পুষ্টি সম্পর্কিত বিভিন্ন স্বাস্থ্য কর্মসূচির লক্ষ্য।
D) পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণ — এটি মূলত জন্মনিয়ন্ত্রণ ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সম্পর্কিত কার্যক্রম।
মনে রাখার টিপস:
EOC শব্দটির মধ্যে প্রসূতি বা মাতৃত্বকালীন সেবার বিষয়টি জড়িত, তাই এটি মাতৃত্বমৃত্যুর হার কমানোর সঙ্গে সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: C) eyes
কেন সঠিক:
- কন্টাক্ট লেন্স হলো চোখের দৃষ্টি ত্রুটি সংশোধনের জন্য বা প্রসাধন উদ্দেশ্যে চোখের কর্নিয়ার ওপর সরাসরি পরিধান করা এক ধরনের পাতলা লেন্স।
- এটি কেবল চোখেই ব্যবহার করা হয়, যা আলো প্রতিসরণ করে দৃষ্টিশক্তি স্পষ্ট করতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) cameras — ক্যামেরার ভেতরে লেন্স থাকে ঠিকই, কিন্তু পরিধানযোগ্য কন্টাক্ট লেন্স ক্যামেরায় পরা হয় না।
B) clothes — পোশাক হলো পরিধানের বস্ত্র, যার সাথে চোখের দৃষ্টি সংশোধনের কন্টাক্ট লেন্সের কোনো সম্পর্ক নেই।
C) eyes — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
D) shoes — জুতো পায়ে পরা হয়, যা দৃষ্টি সংক্রান্ত কোনো উপকরণের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
কন্টাক্ট লেন্স শব্দটি দেখলেই মনে রাখবে এটি চোখে ব্যবহারের জন্য তৈরি এক ধরনের কৃত্রিম দৃষ্টি সহায়ক লেন্স।
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (চিকিৎসা বিজ্ঞান)
সঠিক উত্তর: C) Small sudden gush of blood
কেন সঠিক:
- প্লাসেন্টা বা অমরা জরায়ুর দেওয়াল থেকে আলাদা হওয়ার সময় রক্তনালী ছিঁড়ে গিয়ে হঠাৎ সামান্য রক্তপাত ঘটে।
- প্রসবের তৃতীয় পর্যায়ে এটি প্লাসেন্টা সেপারেশন বা অমরা ছুটে যাওয়ার একটি প্রধান ও দৃশ্যমান ক্লিনিক্যাল সাইন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বমি বমি ভাব — এটি হরমোনের পরিবর্তন বা প্রসবের প্রথম দিকের সাধারণ লক্ষণ, প্লাসেন্টা ছুটে যাওয়ার নির্দিষ্ট সাইন নয়।
B) Shortening of the cord — এটি অমরা পৃথক হওয়ার আরেকটি লক্ষণ হলেও এখানে প্রদত্ত সঠিক উত্তর সি হওয়ায় এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রধান বা একমাত্র মূল উত্তর নয়।
D) Uterus সরু হওয়া — প্লাসেন্টা আলাদা হওয়ার সময় জরায়ু গোল ও উঁচুতে ওঠে, সরু হয় না।
মনে রাখার টিপস:
প্লাসেন্টা ছুটে যাওয়ার তিনটি প্রধান লক্ষণ হলো কর্ড লম্বা হওয়া, জরায়ু গোলাকার হওয়া এবং হঠাৎ সামান্য রক্তপাত (Gush of blood) দেখা দেওয়া।
সঠিক উত্তর: A) ১৮ বছরের কম বয়সে
কেন সঠিক:
- চিকিৎসাবিজ্ঞান ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ১৮ বছরের কম বয়সে মেয়ের শারীরিক ও প্রজননতন্ত্র পূর্ণাঙ্গভাবে বিকশিত হয় না।
- এই বয়সে গর্ভধারণ করলে মা ও নবজাতক উভয়েরই মৃত্যুঝুঁকি এবং প্রসবকালীন জটিলতা বহুগুণ বেড়ে যায়।
(বিঃদ্রঃ প্রদত্ত সঠিক উত্তর সি ৩০ বছরের বেশি ভুল। চিকিৎসা বিজ্ঞানের মানদণ্ডে কম বয়সে (বিশেষ করে ১৮ বছরের নিচে) মা হওয়াকেই সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ধরা হয়।)
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮ বছরের কম বয়সে — এই বয়সে শারীরিক ও মানসিক অপরিণতির কারণে মাতৃত্ব চরম স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
B) বয়স কোন ব্যাপার না — মাতৃত্বের ক্ষেত্রে বয়স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জৈবিক ও স্বাস্থ্যগত বিষয়।
C) ৩০ বছরের বেশি — আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে ৩০ বা ৩৫ বছরের পর কিছু ঝুঁকি বাড়লেও ১৮ বছরের কম বয়সের মতো এটি প্রধান বা একক চরম ঝুঁকি নয়।
D) ২৫ বছর বয়সে — ২৫ বছর বয়স হলো সন্তান জন্মদানের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ ও শারীরিকভাবে উপযুক্ত সময়।
মনে রাখার টিপস:
মাতৃত্বের নিরাপদ বয়স কুড়ি থেকে ত্রিশ, এর কম বা বেশি হলে ঝুঁকি বাড়ে।
সঠিক উত্তর: D) Hand Prolapse
কেন সঠিক:
- প্রসবকালীন জটিলতা হলো এমন একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি যা স্বাভাবিক প্রসবের ক্ষেত্রে মা ও শিশুর জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে।
- Hand Prolapse বলতে বোঝায় প্রসবের সময় বাচ্চার মাথা বা শরীরের অন্য অংশের আগে হাত বেরিয়ে আসা, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি জটিলতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তলপেটে ব্যথা হওয়া — এটি গর্ভাবস্থার একটি সাধারণ ও স্বাভাবিক লক্ষণ হতে পারে, যা সরাসরি প্রসবকালীন জটিলতা নয়।
B) মাথা ব্যথা — এটি গর্ভাবস্থায় সাধারণ হরমোন পরিবর্তন বা রক্তচাপের কারণে হতে পারে, যা প্রসবকালীন নির্দিষ্ট জটিলতা নির্দেশ করে না।
C) বমি বমি ভাব — এটি সাধারণত গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে মর্নিং সিকনেস হিসেবে দেখা যায়, যা প্রসবকালীন জটিলতা নয়।
D) Hand Prolapse — এটি প্রসবের সময় ঘটা একটি সরাসরি এবং গুরুতর অস্বাভাবিক জটিলতা।
মনে রাখার টিপস:
প্রসবকালীন জটিলতা মানেই শিশুর অস্বাভাবিক অবস্থান বা অঙ্গের বেরিয়ে আসা, যেমন Hand Prolapse।
সঠিক উত্তর: B) দুইটি
কেন সঠিক:
- গর্ভবতী নারীদের ধনুষ্টংকার বা টিটানাস রোগ প্রতিরোধ করার জন্য সাধারণত দুই ডোজ টিটি টিকা দেওয়া হয়।
- প্রথম ডোজ নেওয়ার নির্দিষ্ট সময় পর দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করলে গর্ভকালীন ও প্রসবকালীন সময়ে মা ও নবজাতক সুরক্ষিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি — শুধুমাত্র একটি ডোজ নিলে গর্ভকালীন পর্যাপ্ত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয় না, তাই এটি অপর্যাপ্ত।
B) দুইটি — এটি সঠিক উত্তর কারণ গর্ভবতী মায়ের পূর্ণ সুরক্ষার জন্য নির্ধারিত নিয়মে দুটি ডোজ নিশ্চিত করা হয়।
সি) চারটি — বাংলাদেশ সরকারের টিকাদান কর্মসূচি অনুযায়ী গর্ভকালীন সুরক্ষার জন্য চারটি ডোজের প্রয়োজন হয় না।
ডি) পাঁচটি — পাঁচটি ডোজ সাধারণত জীবনব্যাপী পূর্ণ সুরক্ষার জন্য দেওয়া হয়, যা গর্ভকালীন নির্দিষ্ট রুটিনের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
গর্ভাবস্থায় মায়ের সুরক্ষার কথা মনে রাখলেই মাথায় আসবে নিরাপদ থাকার জন্য দরকার দুটি ডোজ।
সঠিক উত্তর: C) ৪০ দিন
কেন সঠিক:
- প্রসবের পর মায়ের শরীরের প্রজনন অঙ্গসমূহ পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসতে যে সময় লাগে তাকে পুয়েরপেরিয়াম বা সূতিকাল বা প্রসবোত্তর সময়কাল বলে।
- চিকিৎসাবিজ্ঞান ও নার্সিং সেক্টরের স্ট্যান্ডার্ড গাইডলাইন অনুযায়ী এই সময়কাল সাধারণত প্রসবের পর থেকে প্রথম ছয় সপ্তাহ বা প্রায় চল্লিশ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৫ দিন — এই স্বল্প সময়ে প্রসবোত্তর মায়ের শরীরের হরমোন ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে না।
B) ৩০ দিন — এটি এক মাস হলেও চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রসবোত্তর বা পুয়েরপেরিয়াম সময়ের আদর্শ ব্যাপ্তির চেয়ে কম।
D) ৫০ দিন — এই সময়কাল চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুমোদিত পুয়েরপেরিয়াম বা প্রসবোত্তর সময়ের সীমার চেয়ে বেশি।
মনে রাখার টিপস:
পুয়েরপেরিয়াম বা সূতিকাল মনে রাখতে চল্লিশ দিনের এই সময়কালকে প্রচলিত সুতিকা কাল বা চল্লিশা হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) খিঁচুনী
কেন সঠিক:
- একট্লাম্পসিয়া হলো গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপজনিত জটিলতা প্রি-এক্লাম্পসিয়ার একটি গুরুতর পর্যায়, যার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো খিঁচুনি বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।
- এটি সাধারণত গর্ভবতী মায়ের মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ এবং রক্তচাপে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটার কারণে ঘটে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খিঁচুনী — এটি একট্লাম্পসিয়ার প্রধান ও নিশ্চিত লক্ষণ, যার মাধ্যমে প্রি-এক্লাম্পসিয়া একট্লাম্পসিয়ায় রূপান্তর হয়।
B) Epigastric pain — এটি প্রি-এক্লাম্পসিয়ার অন্যতম লক্ষণ হলেও, শুধুমাত্র এটি একট্লাম্পসিয়ার মূল সংজ্ঞায়িত উপসর্গ নয়।
C) জন্ডিস — এটি মূলত লিভার বা পিত্তনালীর বিভিন্ন সমস্যার কারণে হয়, যা সরাসরি একট্লাম্পসিয়ার প্রধান লক্ষণ নয়।
D) রক্তক্ষরণ — এটি গর্ভাবস্থায় প্লাসেন্টাল অ্যাব্রাপশন বা অন্য কোনো জটিলতার লক্ষণ, একট্লাম্পসিয়ার প্রাথমিক বৈশিষ্ট্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রি-এক্লাম্পসিয়ার লক্ষণগুলোর সঙ্গে যখন খিঁচুনি যুক্ত হয়, তখন তাকে একট্লাম্পসিয়া বলে।
সঠিক উত্তর: B) Syphilis
কেন সঠিক:
- সিফিলিস একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত যৌনবাহিত রোগ যা মূলত শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে ছড়ায়।
- এটি ট্রেপোনেমা প্যালিডাম নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণে মানবদেহে সৃষ্টি হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Diphtheria — এটি একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত বায়ুবাহিত বা শ্বাসতন্ত্রের রোগ, যা মূলত গলা ও ফুসফুসকে আক্রমণ করে।
B) Syphilis — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং একটি পরিচিত যৌনবাহিত রোগ।
C) Cancer — এটি কোষের অস্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধির কারণে হয়, যা কোনো যৌনরোগ নয়।
D) Diabetes — এটি ইনসুলিনের ঘাটতি বা কার্যকারিতার সমস্যার কারণে সৃষ্ট হরমোনজনিত বিপাকীয় রোগ।
মনে রাখার টিপস:
সিফিলিস, গনোরিয়া এবং এইডস হলো প্রধান পরিচিত যৌনবাহিত রোগ।
সঠিক উত্তর: A) ৯ - ১০
কেন সঠিক:
- এপগার স্কোর হলো জন্মের পর নবজাতকের শারীরিক অবস্থা মূল্যায়নের একটি দ্রুত পদ্ধতি।
- ৭ থেকে ১০ স্কোর নির্দেশ করে নবজাতক সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছে এবং তার কোনো বিশেষ চিকিৎসা সহায়তার প্রয়োজন নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯ - ১০ — এটি আদর্শ ও স্বাভাবিক স্কোর যা নবজাতকের সুস্থতা প্রমাণ করে।
B) ৩ - ৪ — এটি কম স্কোর যা নবজাতকের মাঝারি ধরনের শ্বাসকষ্ট বা জটিলতা নির্দেশ করে।
C) ০ - ৩ — এটি অত্যন্ত সংকটজনক স্কোর যা নবজাতকের মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি ও জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন নির্দেশ করে।
D) ৪ - ৭ — এটি মধ্যম মানের স্কোর যা নবজাতকের নিবিড় পর্যবেক্ষণ বা সামান্য সহায়তার প্রয়োজন নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
সুস্থ নবজাতকের জন্য স্কোর সবসময় দশের কাছাকাছি অর্থাৎ ৯ থেকে ১০ হয়ে থাকে।
সঠিক উত্তর: C) রক্তের HB%
কেন সঠিক:
- গর্ভাবস্থায় রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বা HB% পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি কারণ এসময়ে মায়েদের সাধারণত রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
- গর্ভের সন্তানের সঠিক বৃদ্ধি ও প্রসবকালীন জটিলতা এড়াতে মায়ের শরীরে পর্যাপ্ত রক্ত ও হিমোগ্লোবিন থাকা আবশ্যক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) X-ray Chest — এটি বুকের ভেতরের অবস্থা দেখার জন্য করা হয় এবং গর্ভাবস্থায় ক্ষতিকর তেজস্ক্রিয়ার কারণে সাধারণত এটি এড়িয়ে চলা হয়।
B) রক্তের Creatinine — এটি কিডনির কার্যক্ষমতা যাচাইয়ের পরীক্ষা, যা গর্ভাবস্থার রুটিন পরীক্ষা নয় বরং বিশেষ ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয়।
C) রক্তের HB% — এটি সঠিক উত্তর, কারণ গর্ভাবস্থায় রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হয়।
D) থুতু পরীক্ষা — এটি সাধারণত যক্ষ্মা বা ফুসফুসের অন্যান্য রোগ নির্ণয়ের জন্য করা হয়, গর্ভাবস্থার রুটিন পরীক্ষা নয়।
মনে রাখার টিপস:
গর্ভবতী মায়ের সুস্থতা এবং শিশুর বৃদ্ধির জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রক্তে পর্যাপ্ত হিমোগ্লোবিন, তাই HB% পরীক্ষা বাধ্যতামূলক।
সঠিক উত্তর: C) Foetus এর Heart rate
কেন সঠিক:
- পার্টোগ্রাফ হলো প্রসবকালীন সময়ে মায়ের ও গর্ভস্থ শিশুর স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করার একটি পরিমাপক ছক।
- এই ছকের মাধ্যমে গর্ভস্থ শিশুর হৃৎস্পন্দনের গতি বা ফিটাসের হার নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রক্তক্ষরণ পরিমাপ — পার্টোগ্রাফ মূলত প্রসবের গতিপ্রকৃতি দেখে, সরাসরি রক্তক্ষরণ পরিমাপ এর মূল অংশ নয়।
B) প্রসবের স্থান নির্ধারণ করা — পার্টোগ্রাফ প্রসবের স্থান নির্ধারণ করে না, এটি হাসপাতালে বা সেন্টারে প্রসবকালীন মনিটরিং টুল।
ডি) মায়ের পুষ্টি দেখা — মায়ের পুষ্টি মূল্যায়ন পার্টোগ্রাফের প্রাথমিক বা প্রধান কাজ নয়।
মনে রাখার টিপস:
পার্টোগ্রাফ মানেই প্রসবের সময় শিশু ও মায়ের দশটি প্রধান তথ্য ছকে তোলা, যার মধ্যে শিশুর হৃৎস্পন্দন বা হার্ট রেট অন্যতম।
সঠিক উত্তর: C) মাতৃমঙ্গল কেন্দ্রের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত চেক-আপ করা উচিৎ
কেন সঠিক:
- গর্ভাবস্থায় মা ও অনাগত সন্তানের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে চিকিৎসকের নিয়মিত পরামর্শ ও চেক-আপ অত্যন্ত জরুরি।
- মাতৃমঙ্গল কেন্দ্র বা সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গর্ভকালীন যত্ন ও নিরাপদ চিকিৎসার নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঘন ঘন X-ray করা উচিৎ — এক্স-রে থেকে নির্গত তেজস্ক্রিয় রশ্মি গর্ভস্থ ভ্রূণের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।
B) স্থানীয় দাই বা গ্রামের মুরব্বিদের পরামর্শ অনুযায়ী চলা উচিৎ — তাদের চিকিৎসা বিজ্ঞানসম্মত ও নিরাপদ নয়, যা মা ও শিশুর ঝুকি বাড়াতে পারে।
C) মাতৃমঙ্গল কেন্দ্রের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত চেক-আপ করা উচিৎ — এটি সঠিক কারণ এখানে স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ পরামর্শ পাওয়া যায়।
D) বড় হাসপাতালে গিয়ে সিজারিয়ান করানো উচিৎ — জটিলতা ছাড়া স্বাভাবিক প্রসবের সুযোগ থাকলে অপ্রয়োজনীয় সিজার করা মা ও শিশুর জন্য ক্ষতিকর।
মনে রাখার টিপস:
গর্ভকালীন সুরক্ষায় হাত বাড়াতে হবে হাসপাতালের দিকে, কুসংস্কার বা অপ্রয়োজনীয় সিজারের দিকে নয়।
সঠিক উত্তর: B) Antenatal check up
কেন সঠিক:
- নিরাপদ মাতৃত্বের প্রধান ও প্রথম স্তম্ভ হলো গর্ভকালীন সেবা বা অ্যান্টিনেটাল চেকআপ, যা প্রসবের আগে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজ করে।
- এই সেবার মাধ্যমে গর্ভাবস্থার সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিত করা হয় এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা বা পরামর্শ প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গর্ভকালীন সেবা — এটি বাংলা অর্থ হলেও আন্তর্জাতিকভাবে নিরাপদ মাতৃত্বের স্তম্ভের নির্দিষ্ট পরিভাষা হিসেবে Antenatal check up ব্যবহৃত হয়।
B) Antenatal check up — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি নিরাপদ মাতৃত্বের মূল ভিত্তি হিসেবে স্বীকৃত।
C) নবজাতকের যত্ন — এটি জন্মপরবর্তী বা পোস্টন্যাটাল কেয়ারের অংশ, যা নিরাপদ মাতৃত্বের পরবর্তী ধাপ।
D) যৌন সংক্রমণ প্রতিরোধ — এটি প্রজনন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার অংশ, যা সরাসরি মাতৃত্বের স্তম্ভ নয়।
মনে রাখার টিপস:
নিরাপদ মাতৃত্বের প্রথম ও প্রধান স্তম্ভ হলো গর্ভাবস্থার নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা Antenatal check up.
সঠিক উত্তর: C) যাদের কোন সন্তান নেই
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং পরিবার পরিকল্পনা নীতির সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
- বাস্তবে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি হিসেবে IUCD (Intrauterine Contraceptive Device) সাধারণত তাদের দেওয়া হয় যাদের অন্তত একটি সন্তান রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যাদের জরায়ুতে Infection আছে। — জরায়ুতে ইনফেকশন বা সংক্রমণ থাকলে আইইউসিডি ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষেধ কারণ এতে সংক্রমণ আরও বেড়ে যেতে পারে।
B) যাদের মাসিক স্বাভাবিক ও নিয়মিত — মাসিক স্বাভাবিক থাকলেও যাদের সন্তান নেই তাদের ক্ষেত্রে প্রথম পছন্দ হিসেবে সাধারণত আইইউসিডি ব্যবহার করা হয় না।
C) যাদের কোন সন্তান নেই — প্রদত্ত্ব উত্তরটি ভুল, কারণ আইইউসিডি সাধারণত তাদেরই দেওয়া হয় যাদের অন্তত একটি সন্তান রয়েছে এবং জরায়ুর আকৃতি স্বাভাবিক থাকে।
D) যাদের Cancer আছে। — জরায়ু বা প্রজননতন্ত্রে ক্যানসার থাকলে আইইউসিডি ব্যবহার করা নিরাপদ নয়।
মনে রাখার টিপস:
আইইউসিডি বা কপার টি পরিবার পরিকল্পনার একটি দীর্ঘমেয়াদী পদ্ধতি, যা সাধারণত সন্তান জন্মদানের পরেই ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) X-ray
কেন সঠিক:
- এক্স-রে বা আয়নাইজিং রেডিয়েশন গর্ভের ভ্রূণের কোষ বিভাজনে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
- এর প্রভাবে শিশুর জন্মগত ত্রুটি বা শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধকতার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বাভাবিক হাঁটা চলা — এটি গর্ভকালীন শারীরিক ফিটনেস ঠিক রাখতে এবং স্বাভাবিক প্রসবে সাহায্য করে, যা কোনো ক্ষতিকর বিষয় নয়।
B) রান্না করা — এটি দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজের অংশ এবং পরিমিতভাবে করলে গর্ভাবস্থায় কোনো ক্ষতি হয় না।
C) X-ray — এটি আয়নাইজিং বিকিরণ ছড়ায় যা গর্ভের ভ্রূণের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও ক্ষতিকর।
D) আয়রন বড়ি খাওয়া — গর্ভাবস্থায় রক্তস্বল্পতা রোধ করার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে আয়রন বড়ি খাওয়া অত্যন্ত জরুরি ও উপকারী।
মনে রাখার টিপস:
গর্ভকালীন সময়ে আয়নাইজিং বিকিরণ যেমন এক্স-রে শিশুর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর, তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এটি বর্জনীয়।
সঠিক উত্তর: B) Spinal Anesthesia
কেন সঠিক:
- প্লাসেন্টা ম্যানুয়ালি অপসারণ করার সময় জরায়ুতে হাত প্রবেশ করাতে হয়, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং এর জন্য প্রসূতির তলপেট থেকে নিচের অংশ সম্পূর্ণ অবশ করা প্রয়োজন।
- স্পাইনাল অ্যানেস্থেসিয়া প্রয়োগ করলে প্রসূতির কোনো ব্যথা অনুভূত হয় না এবং জরায়ুর পেশী শিথিল থাকে, যা চিকিৎসককে সহজে প্লাসেন্টা বের করতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Control cord traction — এটি প্লাসেন্টা প্রাকৃতিকভাবে বের করার তৃতীয় পর্যায়ের একটি পদ্ধতি, কিন্তু জরায়ু থেকে হাত দিয়ে প্লাসেন্টা অপসারণের (Manual Removal) মূল পদ্ধতি নয়।
B) Spinal Anesthesia — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এটি জরায়ুতে হাত প্রবেশ করিয়ে প্লাসেন্টা অপসারণের সময় ব্যথা নিবারণ ও পেশী শিথিল করতে ব্যবহৃত হয়।
C) Catheterization — এটি মূত্রথলি খালি করার জন্য করা হয়, যা সার্জিক্যাল প্রক্রিয়ার একটি অংশ হলেও প্লাসেন্টা অপসারণের জন্য সরাসরি অ্যানেস্থেসিয়া হিসেবে কাজ করে না।
D) Local Anesthesia — এটি শরীরের খুব ছোট অংশে প্রয়োগ করা হয়, যা জরায়ুর ভেতর হাত প্রবেশ করানোর মতো বড় এবং গভীর অপারেশনের ব্যথার জন্য যথেষ্ট নয়।
মনে রাখার টিপস:
জরায়ুর ভেতর হাত ঢুকিয়ে প্লাসেন্টা বের করতে হলে পুরো নিচের অংশ অবশ করতে হয়, তাই স্পাইনাল অ্যানেস্থেসিয়া লাগবে।
সঠিক উত্তর: B) বেশি করে পানি খাওয়ানো
কেন সঠিক:
- নবজাতকের জন্ডিস চিকিৎসায় বেশি করে পানি খাওয়ানোর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই, কারণ সাধারণ ক্ষেত্রে জন্ডিস মায়ের দুধ বা বুকের দুধের মাধ্যমেই প্রাকৃতিক উপায়ে নিরাময় হয়।
- অতিরিক্ত পানি খাওয়ালে শিশুর বুকের দুধের চাহিদা কমে যেতে পারে এবং পুষ্টিতে ব্যাঘাত ঘটে, তাই চিকিৎসকরা এটি অপ্রয়োজনীয় ও অনুচিত বলে গণ্য করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Phototherapy — এটি নবজাতকের জন্ডিস চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত ও অত্যন্ত কার্যকর একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, যা অতিরিক্ত বিলিরুবিন ভেঙে ফেলতে সাহায্য করে।
B) বেশি করে পানি খাওয়ানো — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি জন্ডিস চিকিৎসায় অপ্রয়োজনীয় এবং চিকিৎসাগতভাবে এটি নির্দেশিত নয়।
C) Pharmacologic therapy — কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে জন্ডিসের চিকিৎসায় ওষুধ বা ফার্মাকোলজিক্যাল থেরাপি ব্যবহার করা হয়, তাই এটি সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় নয়।
D) Exchange transfusion — বিলিরুবিনের মাত্রা বিপদজনকভাবে বেশি হলে রক্ত পরিবর্তন বা এক্সচেঞ্জ ট্রান্সফিউশন চিকিৎসায় জরুরিভাবে ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
নবজাতকের জন্ডিসে পানি নয়, শুধু পর্যাপ্ত মায়ের দুধ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ফটোথেরাপি প্রয়োজন।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)