প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮

পদের নাম: সহকারী শিক্ষক (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

a বিষাদ
b প্রচ্ছন্ন
c নিন্দিত
d বিষণ্ণ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিন্দিত ১. কেন সঠিক: - নন্দিত শব্দের অর্থ প্রশংসিত, আদৃত বা আনন্দিত। এর সরাসরি বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে নিন্দিত শব্দ যার অর্থ সমালোচিত বা ধিকৃত। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের মূল ভাব এবং উৎসের দিকে খেয়াল রাখতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়। - নন্দিত একটি সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ যার বিপরীত শব্দ হিসেবে নিন্দিত শব্দটি ব্যাকরণগত ও আর্থিকভাবে সবচেয়ে উপযোগী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উন্নত - অবনত ব্যাখ্যা: উন্নত শব্দের অর্থ উচু এবং অবনত শব্দের অর্থ নিচু যা একে অপরের বিপরীত। উদাহরণ ২: প্রকাশ - গোপন ব্যাখ্যা: প্রকাশ শব্দের অর্থ যা সবার সামনে দৃশ্যমান এবং গোপন শব্দের অর্থ যা লুকিয়ে রাখা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষাদ — বিষাদ শব্দের অর্থ দুঃখ বা বেদনা, যা নন্দিত শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) প্রচ্ছন্ন — প্রচ্ছন্ন শব্দের অর্থ লুক্কায়িত বা গুপ্ত, যা নন্দিত শব্দের বিপরীতার্থক নয়। C) নিন্দিত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) বিষণ্ণ — বিষণ্ণ শব্দের অর্থ মন খারাপ বা মলিন, এটি নন্দিত শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নন্দিত মানে প্রশংসিত আর নিন্দিত মানে সমালোচিত, এভাবে পজিটিভ ও নেগেটিভ অর্থ দিয়ে মনে রাখা সহজ। - পরীক্ষার হলে শব্দের উৎস এবং অর্থের তীব্রতা মিলিয়ে বিপরীত শব্দ নির্ধারণ করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ খুব বেশি আসে। - নন্দিত ও নিন্দিত জোড়টি প্রায়ই পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে নির্বাচিত হয়।
a দ্বন্দ্ব
b বহুব্রীহি
c অব্যয়ীভাব
d তৎপুরুষ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অব্যয়ীভাব ১. কেন সঠিক: - ব্যাসবাক্যে অব্যয়ের অর্থ প্রাধান্য পেলে এবং পূর্বপদের সঙ্গে পরপদের সমাস হলে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। - শৃঙ্খলাকে অতিক্রান্ত এখানে অতিক্রান্ত অর্থে উৎ উপসর্গ যোগে উচ্ছৃঙ্খল শব্দটি গঠিত হয়েছে যা অব্যয়ীভাব সমাসের নিয়ম নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বসে এবং সেই অব্যয়ের অর্থই প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। - এই সমাসে সাধারণত সমাসবদ্ধ পদটি অব্যয় পদে পরিণত হয় এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে নপুংসকলিঙ্গ একবচন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেলা অতিক্রান্ত = উদ্বেল ব্যাখ্যা: এখানে অতিক্রান্ত অর্থে উৎ উপসর্গযোগে অব্যয়ীভাব সমাস সাধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: কণ্ঠকে অতিক্রান্ত = উৎকণ্ঠ ব্যাখ্যা: এখানেও অতিক্রান্ত বাতিক্রম অর্থে উৎ উপসর্গযুক্ত হয়ে অব্যয়ীভাব সমাস গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে, কিন্তু এখানে তা নেই। B) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ বোঝায় না, অন্য পদ বোঝায়। D) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে বিভক্তির লোপ পায়, কিন্তু এটি উপসর্গ যোগে গঠিত অব্যয়ীভাব সমাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - অতিক্রান্ত অর্থে উৎ উপসর্গযুক্ত শব্দ দেখলে সাধারণত অব্যয়ীভাব সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। - উপসর্গের অর্থ প্রধান থাকলে চোখ বন্ধ করে অব্যয়ীভাব সমাস দাগাতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উৎ উপসর্গযুক্ত অব্যয়ীভাব সমাস প্রায়ই আসে। - ব্যাসবাক্যে অতিক্রান্ত বা অতিক্রম থাকলে তা সাধারণত অব্যয়ীভাব সমাস হয়।
a কর্তায় শূন্য
b কর্মে শূন্য
c কর্মে ষষ্ঠী
d সম্প্রদানে ষষ্ঠী
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সম্প্রদানে ষষ্ঠী ১. কেন সঠিক: - সত্য ত্যাগ করে বা কোনো প্রতিদান বা স্বত্ব ত্যাগ করে কাউকে কিছু দান বা প্রদান করা বোঝালে সম্প্রদান কারক হয়। - এখানে দেশের জন্য সেবা করার মধ্যে স্বার্থহীনভাবে নিজেকে উৎসর্গ করার ভাব প্রকাশ পেয়েছে, যা সম্প্রদান কারকের মূল নিয়ম সমর্থন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে দান বা সাহায্য করা হয়, তাকে ব্যাকরণের ভাষায় সম্প্রদান কারক বলা হয়। - 'দেশ' শব্দের সঙ্গে ষষ্ঠী বিভক্তির চিহ্ন 'র' যুক্ত হয়ে 'দেশের' পদটি গঠিত হয়েছে এবং এটি সম্প্রদান কারকে ষষ্ঠী বিভক্তি নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দরিদ্রকে অন্ন দাও। ব্যাখ্যা: এখানে দরিদ্রকে নিঃস্বার্থভাবে সাহায্য করা বোঝানো হয়েছে, তাই এটি সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তি। উদাহরণ ২: ভিখারিকে ভিক্ষা দাও। ব্যাখ্যা: এটিও স্বত্ব ত্যাগ করে দান করার উদাহরণ, যা সম্প্রদান কারকের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তায় শূন্য — বাক্যটিতে ক্রিয়ার সম্পাদনকারী বা কর্তা বোঝানো হয়নি, বরং দেশের জন্য সেবা করার নিমিত্ত বা উদ্দেশ্য প্রকাশ পেয়েছে। B) কর্মে শূন্য — কর্ম কারক হতে হলে ক্রিয়াকে কী বা কাগকে প্রশ্ন করে উত্তর পেতে হয় এবং সেখানে স্বত্ব ত্যাগের ব্যাপার থাকে না। C) কর্মে ষষ্ঠী — এখানে সেবা করার কাজটি কর্ম নয় এবং এটি নিমিত্ত বা সম্প্রদান ভাবের সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক নয়। D) সম্প্রদানে ষষ্ঠী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে স্বত্ব ত্যাগ করে দেশের সেবা করার অর্থ প্রকাশিত হয়েছে এবং ষষ্ঠী বিভক্তি যুক্ত রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিঃস্বার্থভাবে দান, সেবা বা সাহায্য করা বোঝালে সম্প্রদান কারক হয়। - বাক্যে 'জন্য' বা 'নিমিত্ত' অর্থ প্রকাশ পেলে এবং তা স্বত্ব ত্যাগ করলে সম্প্রদান কারক নির্ধারণ করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সম্প্রদান কারকে সাধারণত চতুর্থী বা ষষ্ঠী বিভক্তি যুক্ত হয়। - পরীক্ষা কারক নির্ণয়ের সময় কাজের ধরন এবং স্বার্থের বিষয়টি ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a অনির্বচনীয়
b নির্বচনীয়
c অবর্ণনীয়
d বর্ণনাতীত
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অবর্ণনীয় ১. কেন সঠিক: কথায় বা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না এমন কোনো বিষয় বা বস্তুকে এককথায় অবর্ণনীয় বলা হয়। এখানে বরণ বা বর্ণন ধাতু থেকে আগত শব্দের মাধ্যমে ভাষায় প্রকাশ করার অক্ষমতা প্রকাশ পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে সংক্ষিপ্ত করে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই বাক্য সংকোচন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দরবনের সৌন্দর্য ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়, এটি অবর্ণনীয়। ব্যাখ্যা: সুন্দরবনের রূপ এত বেশি মুগ্ধকর যে তা মুখের কথায় বা বর্ণনায় ফুটিয়ে তোলা যায় না বোঝাতে অবর্ণনীয় শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: যুদ্ধের ভয়াবহতা এতটাই মর্মান্তিক ছিল যে তার দৃশ্য অবর্ণনীয়। ব্যাখ্যা: যুদ্ধের চরম নিষ্ঠুরতা ও কষ্টের চিত্র এতটাই বিশাল যে তা বর্ণনার অতীত বা অবর্ণনীয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনির্বচনীয় — যা ভাষায় বা বাক্যে প্রকাশ করা যায় না, কিন্তু এর মূল অর্থ যা নির্দেশ করা যায় না বা যা ভাষায় অতীন্দ্রিয়। B) নির্বচনীয় — যার নির্বাচন করা হয়েছে বা যা নির্বাচন করার যোগ্য, তাই এটি কথার সঙ্গে মেলে না। D) বর্ণনাতীত — যা বর্ণনা করা অতীত বা বর্ণনার অতীত, তবে 'কথায় বর্ণনা করা যায় না' অর্থে সরাসরি অবর্ণনীয় শব্দটি প্রমিত ও বেশি উপযোগী। ৫. মনে রাখার টিপস: কথায় বর্ণনা করা যায় না মানেই অবর্ণনীয়, যেখানে বর্ণনা শব্দটির সঙ্গে সরাসরি মিল রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য সংকোচন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই মূল শব্দের সঙ্গে মিল রেখে সঠিক বিকল্পটি বেছে নিতে হবে।
a মাথার দিব্যি
b মাথা ব্যথা
c মাথা খাওয়া
d মাথা ধরা
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাথার দিব্যি ১. কেন সঠিক: - এখানে 'মাথা খাও' বাগধারাটি আক্ষরিক অর্থে মাথা খাওয়া বোঝায় না, বরং এর রূপক অর্থ হলো মাথার দিব্যি বা কসম দেওয়া। - বিশেষ কোনো কাজের গুরুত্ব বোঝাতে বা কাউকে কোনো কথা দৃঢ়ভাবে মনে করিয়ে দিতে অনুরোধের ক্ষেত্রে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বাগধারা বা প্রবাদ-প্রবচন, যা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা শব্দের সাধারণ বা আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার মাথা খাও, কাজটি আজই শেষ করো। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে কাজটি দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য জোরালো অনুরোধ বোঝাতে মাথা খাও বা মাথার দিব্যি দেওয়ার ভাব প্রকাশ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: বাবা বললেন, আমার মাথা খাও, মিথ্যে কথা বলো না। ব্যাখ্যা: এখানে সত্য কথা বলানোর জন্য এবং জোরালো তাগিদ দিতে মাথা খাও বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাথার দিব্যি — এটি সঠিক কারণ 'মাথা খাও' বাগধারাটির মূল ভাব বা অর্থ হলো কাউকে মাথার দিব্যি বা কসম দেওয়া। B) মাথা ব্যথা — এটি শারীরিক অসুস্থতা বা কোনো সমস্যার কারণে মাথায় বেদনার অনুভূতি বোঝায়, যা বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) মাথা খাওয়া — এটি প্রশ্নের উদ্ধৃতি নিজেই, তবে এর আক্ষরিক অর্থ বা ভুল অপশন হিসেবে এর রূপক অর্থ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। D) মাথা ধরা — এটি সাধারণত শরীরে ক্লান্তি বা সর্দি-কাশির কারণে মাথা ভারী হওয়া বা ব্যথার প্রাথমিক অবস্থাকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো অনুরোধে যখন মাথার কসম বা দিব্যি দেওয়া বোঝায়, তখন সেটি 'মাথা খাও' বাগধারা হিসেবে চিহ্নিত করতে হয়। - আক্ষরিক অর্থ না ধরে বাগধারার প্রচলিত ভাবার্থ মনে রাখলে পরীক্ষায় উত্তর করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পরিচিত বাগধারার বিশেষ অর্থ বা রূপক অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন অনুশীলনের সময় বাগধারার আক্ষরিক অর্থের পরিবর্তে তার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ ভালোভাবে বুঝে পড়তে হবে।
a অপদার্থ
b সাদাসিধা লোক
c সৌখিন ব্যক্তি
d নিরীহ ব্যক্তি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অপদার্থ ১. কেন সঠিক: - 'কচুবনের কাঁলাচাদ' একটি প্রখ্যাত বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থের চেয়ে প্রতীকী অর্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। - কচুবন বা জোপঝাড়ে কোনো মূল্যবান কিছু জন্মায় না, তাই এই বাগধারাটি সম্পূর্ণ অکار্যকর বা নিষ্ক্রিয় ব্যক্তিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং অল্প কথায় মনের ভাব গভীরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অক্কা পাওয়া ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ মারা যাওয়া, যা সাধারণ অর্থ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা একটি ভাব প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: ঢাকের বাঁয়া ব্যাখ্যা: এর অর্থ অতিরিক্ত বা গুরুত্বহীন ব্যক্তি, যা কচুবনের কাঁলাচাদের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপদার্থ — এই অপশনটি সঠিক কারণ কচুবনের কাঁলাচাদ বাগধারাটি সম্পূর্ণ অکار্যকর বা নিষ্ক্রিয় ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। B) সাদাসিধা লোক — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো সরল প্রকৃতির মানুষকে বোঝায় না, বরং অযোগ্য ব্যক্তিকে বোঝায়। C) সৌখিন ব্যক্তি — এই অপশনটি ভুল কারণ সৌখিন মানে বিলাসী বা শৌখিন রুচির মানুষ, যা এর অর্থের বিপরীত। D) নিরীহ ব্যক্তি — এই অপশনটি ভুল কারণ নিরীহ মানে শান্ত বা ক্ষতিকর নয় এমন কেউ, যা এই বাগধারার সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - কচুবনে কাঁলাচাদ বা ভালো মানুষ খুঁজলে যেমন কিছু পাওয়া যায় না, তেমনি অপদার্থ ব্যক্তি থেকেও কোনো কাজের আশা করা যায় না। - কচুবন শব্দটির সাথে অপদার্থ বা গুরুত্বহীন শব্দ মিলিয়ে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অপ্রয়োজনীয় বা অکار্যকর ব্যক্তি বোঝাতে এমন বঙ্কিম বাগধারাগুলো আসে। - এ ধরনের বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে প্রবহমান ভাবার্থটি মনে রাখতে হবে।
a নতুন
b বর্তমান
c অর্বাচীন
d কোনোটিই নয়
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অর্বাচীন ১. কেন সঠিক: প্রাচীন শব্দের অর্থ পুরনো, কাল প্রাচীন বা বহুদিন আগের। এর সঠিক বিপরীতার্থক বা প্রতিশব্দ হলো অর্বাচীন, যার অর্থ আধুনিক, নতুন বা অপরিপক্ক। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীত শব্দ হিসেবে প্রাচীন শব্দের বিপরীতে অর্বাচীন বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ গঠনে উৎসের মিল থাকা জরুরি। তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ ব্যবহার করতে হয়। প্রাচীন ও অর্বাচীন দুটিই তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ, তাই এদের ব্যাকরণগত মিল নির্ভুল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রাচীন কালের মানুষ গুহায় বাস করত। ব্যাখ্যা: এখানে প্রাচীন শব্দটি অতীত কাল বা বহুপূর্বের সময়কে নির্দেশ করেছে। উদাহরণ ২: অর্বাচীন তরুণদের দেশ গঠনে এগিয়ে আসতে হবে। ব্যাখ্যা: এখানে অর্বাচীন শব্দটি নবীন বা আধুনিক প্রজন্মের তরুণদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নতুন — নতুন শব্দটি মূলত আধুনিক বা সাম্প্রতিক অর্থে ব্যবহৃত হয়, তবে প্রাচীন শব্দের প্রকৃত তৎসম বিপরীত শব্দ হলো অর্বাচীন। B) বর্তমান — বর্তমান বলতে সমসাময়িক কালকে বোঝায়, যা প্রাচীন শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ব্যাকরণসম্মত নয়। C) অর্বাচীন — এটি সঠিক উত্তর। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন সি তে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রপ্রাচীন শব্দের শুরুতে প্র এবং অর্বাচীন শব্দের শুরুতে অর্বা মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। প্রাচীন মানে পুরনো এবং অর্বাচীন মানে নতুন বা আধুনিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে প্রাচীন ও অর্বাচীন জুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমার্থক বা বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের উৎস বা তৎসম রূপের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।
a গ্রামীণ অশিক্ষিত ও অখ্যাত লোকের সৃষ্ট রচনাকে
b গ্রামীন নরমনারীর প্রণয় সংবলিত উপাখ্যানকে
c লোক সাধারণের কল্যাণে দেবতার শ্রুতিমূলক রচনাকে
d লোকের মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনি, গান, ছড়া, ইত্যাদিকে
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ਲੋকের মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনি, গান, ছড়া, ইত্যাদিকে ১. কেন সঠিক: লোকসাহিত্য হলো এমন সাহিত্য যা কোনো একক লেখকের লিখিত সৃষ্টি নয়, বরং সমাজে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত ও অভিযোজিত হয়ে আসছে। এটি গ্রামীণ জনপদের মানুষের আশা, আকাঙ্ক্ষা, সুখ ও দুঃখের মৌখিক অভিব্যক্তি যার কোনো নির্দিষ্ট রচয়িতা বা মুদ্রণের ইতিহাস থাকে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: লোকসাহিত্য বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত প্রাচীন ও সমৃদ্ধ ধারা যা মূলত লোকসংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এবং জসীমউদ্দীনের মতো গবেষকগণ বাংলা লোকসাহিত্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৈমনসিংহ গীতিকা ব্যাখ্যা: এটি বাংলার লোকসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন যা সাধারণ মানুষের মুখে মুখে বেঁচে ছিল এবং পরে সংকলিত হয়েছে। উদাহরণ ২: খনার বচন ব্যাখ্যা: কৃষিসमाज ও দৈনন্দিন জীবনের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা লোকসাহিত্যের একটি চমৎকার মৌখিক রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রামীণ অশিক্ষিত ও অখ্যাত লোকের সৃষ্ট রচনাকে — লোকসাহিত্য কেবল অশিক্ষিত মানুষের সৃষ্টি নয়, বরং সমাজের সামষ্টিক মানস এর পেছনে কাজ করে। B) গ্রামীন নরমনারীর প্রণয় সংবলিত উপাখ্যানকে — এটি লোকসাহিত্যের একটি নির্দিষ্ট অংশ হতে পারে, কিন্তু সমগ্র লোকসাহিত্যের সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ সংজ্ঞা নয়। C) লোক সাধারণের কল্যাণে দেবতার শ্রুতিমূলক রচনাকে — এটি লোকসাহিত্যের সংজ্ঞা নয়, বরং এটি সাধারণত বেদ বা ধর্মীয় শ্রুতিসাহিত্যের সঙ্গে তুলনীয়। D) লোকসাহিত্যের সংজ্ঞার সঙ্গে এই অপশনটি নিখুঁতভাবে মিলে যায় কারণ মৌখিক ঐতিহ্যই এর মূল বৈশিষ্ট্য। ৫. মনে রাখার টিপস: লোকসাহিত্য মানেই মনে রাখতে হবে মৌখিক ঐতিহ্য বা মুখে মুখে প্রচলিত সাহিত্য। এর সঙ্গে লিখিত সাহিত্য বা একক লেখকের কোনো সম্পর্ক থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লোকসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত বিষয় যেমন ছড়া, প্রবাদ, ধাঁধা ও লোকসংগীত থেকে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। মৌখিক ঐতিহ্য এবং লেখকের অনুপস্থিতি লোকসাহিত্যের প্রধান দুটি শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য।
a আট প্রকার
b ছয় প্রকার।
c দশ প্রকার
d তিন প্রকার
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আট প্রকার ১. কেন সঠিক: বহুব্রীহি সমাস মূলত আট প্রকার। যে সমাসে সমসমান পদের কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বহুব্রীহি সমাসের প্রধান আটটি প্রকারভেদ হলো সমানাধিকরণ, ব্যাধিকরণ, ব্যতিহার, মধ্যপদলোপী, প্রতিপদ বা প্রাদি, নিপাতনে সিদ্ধ, নয় এবং ব্যাহারিক বহুব্রীহি। বাংলা ব্যাকরণে সমাসের শ্রেণিবিভাগে বহুব্রীহি সমাসের এই আটটি রূপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিনা জপ করে যে জপ = বিনা জপী। এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের একটি সুপরিচিত উদাহরণ। ব্যাখ্যা: একই বিশেষ্য পদের পারস্পরিক ক্রিয়ায় যে সমাস হয়, তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি বলে। উদাহরণ ২: আশে বা গলায় ইক্ষু যার = আশিকুষু। এটি নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাসের একটি উদাহরণ। ব্যাখ্যা: যে বহুব্রীহি সমাস কোনো নির্দিষ্ট ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে না, তাকে নিপাতনে সিদ্ধ বলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আট প্রকার — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা ব্যাকরণের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী বহুব্রীহি সমাস আট প্রকার। B) ছয় প্রকার — এই অপশনটি ভুল কারণ সমাসের প্রধান প্রকারভেদ ছয়টি হলেও বহুব্রীহি সমাস ছয় প্রকার নয়। C) দশ প্রকার — এই সংখ্যাটি বহুব্রীহি সমাসের প্রকারসংখ্যার সঙ্গে মেলে না এবং এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। D) তিন প্রকার — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলা ব্যাকরণে এমন কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই যা বহুব্রীহি সমাসকে তিন প্রকার বলে। ৫ মনে রাখার টিপস: বহুব্রীহি সমাসের প্রকার মনে রাখার জন্য আট সংখ্যাটি মনে রাখবে। বহুব্রীহি শব্দের বানানে যেমন আটটি অক্ষর বা বর্ণভিত্তিক হিসাব রাখা যায়, তেমনি এর প্রকারও আটটি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমাসের প্রকারভেদ থেকে প্রশ্ন আসে। বহুব্রীহি সমাসের আটটি প্রকারের নাম ও উদাহরণ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে যেকোনো পরীক্ষায় সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a আদ্যক্ষর
b আদ্যখর
c আদ্যাক্ষর
d আদ্যোক্ষর
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আদ্যাক্ষর ১. কেন সঠিক: - আদ্যাক্ষর শব্দটির সঠিক গঠন হলো আদি যোগ অক্ষর, যেখানে সন্ধির নিয়মে আদ্য যুক্ত অক্ষর মিলে আদ্যাক্ষর গঠিত হয়েছে। - এখানে প্রথম বা শুরুর অক্ষর অর্থ বোঝাতে শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যা বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শুদ্ধ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি সন্ধি এবং বানান সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন, যেখানে স্বরসন্ধির নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে। - আদি শব্দের সাথে অক্ষর শব্দ যুক্ত হয়ে দীর্ঘ স্বরের প্রভাবে আদ্যাক্ষর রূপ লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বর্ণমালার আদ্যাক্ষর কোনটি তা বলো। ব্যাখ্যা: এখানে আদ্যাক্ষর বলতে প্রথম বর্ণকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: তার নামের আদ্যাক্ষর দিয়ে খাতাটি চিহ্নিত করো। ব্যাখ্যা: নামের প্রথম অক্ষর বোঝাতে এখানে শব্দটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আদ্যক্ষর — এই বানানটিতে মাঝের অক্ষর অংশে আ-কার বা দীর্ঘ রূপ বাদ পড়েছে, তাই এটি ভুল। B) আদ্যখর — এই বানানটিতে যুক্তাক্ষরের পরিবর্তে খ ব্যবহার করা হয়েছে, যা বানানরীতির পরিপন্থী। C) আদ্যাক্ষর — এটি সঠিক এবং প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী গঠিত শব্দ। D) আদ্যোক্ষর — এই বানানটিতে ও-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা শব্দের মূল গঠনের সাথে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - আদি এবং অক্ষর একসাথে লিখলে আদ্যাক্ষর হয়, মাঝখানে কোনো ও-কার বা খর হয় না। - পরীক্ষার হলে বানান মনে রাখতে আদি শব্দের শেষ আকার এবং অক্ষর শব্দের শুরু মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সন্ধিযুক্ত বা প্রত্যয়যুক্ত শব্দের শুদ্ধ বানান আসে। - মূল শব্দ এবং তার সাথে যুক্ত হওয়া অংশটি ভালোভাবে ভাঙতে পারলে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a বরনীয়
b বরেণ্য
c বীরপুরুষ
d বীর
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বরেণ্য ১. কেন সঠিক: - 'বরনের যোগ্য যিনি' বাক্যটির প্রমিত এককথায় প্রকাশ হলো বরেণ্য। - বরেণ্য শব্দটির মূল অর্থ হলো যিনি সম্মান বা শ্রদ্ধা পাওয়ার সম্পূর্ণ উপযুক্ত। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্যসংক্ষেপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - সমাসবদ্ধ বা প্রত্যয়গত দিক থেকে বরণ যোগ য প্রত্যয় যোগ করে এই বিশেষণ পদটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পূজার যোগ্য যিনি = পূজনীয় ব্যাখ্যা: এটিও এককথায় প্রকাশের আরেকটি রূপ যা শ্রদ্ধা জ্ঞাপন বোঝায়। উদাহরণ ২: দেখার যোগ্য যিনি = দর্শনীয় ব্যাখ্যা: এটিও বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ যা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বরনীয় — এটি বানানগতভাবে অশুভ বা ভুল রূপ, কারণ সঠিক বানান বরেণ্য। C) বীরপুরুষ — এই শব্দের অর্থ সাহসী পুরুষ, যা বরনের যোগ্য যিনি বাক্যের সঙ্গে মেলে না। D) বীর — এই শব্দের অর্থ যুদ্ধজয়ী বা সাহসী ব্যক্তি, যা প্রদত্ত বাক্যের ভাব প্রকাশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বরণের যোগ্য হলে বরেণ্য হয়, যেখানে মধ্যণ ব্যবহারের বিষয়টি মনে রাখতে হবে। - পরীক্ষার হলে বানানের দিকে বিশেষ নজর দিলে এই প্রশ্ন সহজে সঠিক করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - সম্মান বা যোগ্যতাসূচক এককথায় প্রকাশগুলো বারবার অনুশীলন করা উচিত।
a সঙ্গদোষে নষ্ট
b সৎসঙ্গে স্বর্গবাস
c সঙ্গ দেখে লোক চেনা যায়
d মানিকে মানিক চেনে
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মানিকে মানিক চেনে ১. কেন সঠিক: ইংরেজি প্রবাদ বাক্য Diamond cuts Diamonds-এর ভাবানুবাদ হলো মানিকে মানিক চেনে। এর অর্থ হলো গুণী ব্যক্তিই অন্য গুণী ব্যক্তির প্রকৃত মূল্যায়ন করতে পারেন এবং সমকক্ষরাই একে অপরকে ভালোভাবে বোঝেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি একটি জনপ্রিয় প্রবাদ-প্রবচন বা লোকজ অভিব্যক্তি। প্রবাদ-প্রবচন হলো দীর্ঘদিনের জনশ্রুতি ও অভিজ্ঞতার ফল যা সংক্ষিপ্ত বাক্যে গভীর অর্থ প্রকাশ করে এবং ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে ব্যাখ্যা: কোনো বিপদ ঘটার পর তা থেকে বাঁচার বা প্রতিকার করার কথা মনে হওয়া অর্থে এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা ব্যাখ্যা: নিজের অদক্ষতা বা ব্যর্থতা ঢাকতে অন্য কোনো অজুহাত দেখানোর ক্ষেত্রে এই প্রবাদটি প্রযোজ্য হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঙ্গদোষে নষ্ট — এই প্রবাদটি কুসংসর্গ বা খারাপ মানুষের সঙ্গে মিশে চরিত্র নষ্ট হওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা মূল ইংরেজি প্রবাদের অর্থের সঙ্গে মিলে না। B) সৎসঙ্গে স্বর্গবাস — এই প্রবাদটির অর্থ ভালো মানুষের সঙ্গে মিশলে জীবন সুন্দর বা কল্যাণকর হয়, যা প্রদত্ত প্রবাদের ভাবার্থ নয়। C) সঙ্গ দেখে লোক চেনা যায় — এই প্রবাদটির অর্থ মানুষের আচরণ বা চরিত্র তার বন্ধুবান্ধব দেখে অনুমান করা যায়, যা এই প্রশ্নের সঠিক অনুবাদ নয়। D) মানিকে মানিক চেনে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Diamond cuts Diamonds প্রবাদটির উপযুক্ত এবং প্রমিত বাংলা ভাবানুবাদ। ৫. মনে রাখার টিপস: ইংরেজি Diamond শব্দের অর্থ হীরা বা মানিক এবং cut শব্দের সঙ্গে মিল রেখে সমকক্ষ চেনার ক্ষেত্রে মানিকে মানিক চেনে প্রবাদটি মনে রাখতে পারো। ইংরেজি প্রবাদের ভাবানুবাদ মুখস্থ করার সময় আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে অর্থের গভীরতা খেয়াল রাখা উচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ ও প্রবচনের সঠিক বাংলা রূপ জানতে চাওয়া হয়। প্রবাদ-প্রবচনগুলোর ভাবার্থ বুঝে পড়লে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
a ছড়ার শব্দ
b শব্দের দ্বিরুক্তি
c ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি
d পদের দ্বিরুক্তি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পদের দ্বিরুক্তি কেন সঠিক: - 'টাপুর টুপুর' শব্দটিতে একই পদ পরপর দুইবার ব্যবহৃত হয়েছে। - বাংলা ব্যাকরণ অনুসারে দুটি পদ পাশাপাশি বসে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করলে তাকে পদের দ্বিরুক্তি বলে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য, বিশেষণ বা অব্যয় পদ পরপর দুইবার ব্যবহার করে পদের দ্বিরুক্তি গঠন করা হয়। - বাংলা কবিতায় ও গানে বৃষ্টির শব্দ বোঝাতে এই বিশেষ পদের দ্বিরুক্তি ব্যবহার করা হয়। - যেমন বাক্যে ব্যবহারের সময় এটি একটি সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ছড়ার শব্দ — এটি ছড়ার অংশ হলেও ব্যাকরণের পরিভাষায় এটি সঠিক পদ গঠন নির্দেশ করে না। - B) শব্দের দ্বিরুক্তি — শব্দের চেয়ে এটি নির্দিষ্ট পদের পুনরাবৃত্তি হিসেবে বেশি উপযোগী। - C) ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি — এটি কোনো ধ্বনির অনুকরণে তৈরি সাধারণ ধ্বন্যাত্মক শব্দ নয়, বরং পদের অন্তর্ভুক্ত। - D) পদের দ্বিরুক্তি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে পদ দুবার বসেছে। মনে রাখার টিপস: - বাক্যে একই পদ দুইবার বসলে তাকে পদের দ্বিরুক্তি বলা হয়।
a সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
b রাজ শেখর বসু
c সমর সেন
d সমরেশ মজুমদার
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'নীল লোহিত' হলো বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় সাহিত্যিক ছদ্মনাম। - তিনি এই ছদ্মনামে মূলত তাঁর কিশোর ও তরুণ উপযোগী এবং জীবনের নানা অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা গল্প ও উপন্যাস প্রকাশ করতেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ঔপন্যাসিক, কবি ও প্রাবন্ধিক। - তাঁর সৃষ্ট 'নীল লোহিত' চরিত্রটি এবং এই ছদ্মনামে লেখা বইগুলো বাংলা পাঠকসমাজে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম 'নীল লোহিত'। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর বহুল ব্যবহৃত একটি সাহিত্যিক নাম যা দিয়ে তিনি লেখালেখি করতেন। উদাহরণ ২: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের আরেকটি ছদ্মনাম 'সনাতন পাঠক'। ব্যাখ্যা: তিনি একাধিক ছদ্মনামে বিভিন্ন ঘরানার লেখা প্রকাশ করতেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ নীল লোহিত তাঁরই ছদ্মনাম। B) রাজ শেখর বসু — এটি ভুল কারণ তাঁর ছদ্মনাম 'পরশুরাম'। C) সমর সেন — এটি ভুল কারণ তিনি মূলত আধুনিক বাংলা কবিতার কবি এবং তাঁর কোনো জনপ্রিয় ছদ্মনাম নেই। D) সমরেশ মজুমদার — এটি ভুল কারণ তাঁর জনপ্রিয় ছদ্মনাম 'সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়' বা অন্য কোনোটি নয়, তিনি নিজের নামেই লিখতেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুনীল মানে নীল আকাশ, তাই তাঁর ছদ্মনামেও 'নীল' শব্দযুক্ত 'নীল লোহিত' রয়েছে। - ছদ্মনাম মনে রাখার জন্য লেখকের মূল নামের সঙ্গে মিল খুঁজে দেখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকদের ছদ্মনাম থেকে প্রশ্ন আসে। - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নীল লোহিত এবং রাজশেখর বসুর পরশুরাম নাম দুটি বারবার বিভিন্ন পরীক্ষায় আসে।
a কোমল
b সুস্থির
c নিরীহ
d সুবিনীত
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিরীহ ১. কেন সঠিক: - দুর্দান্ত শব্দের অর্থ অত্যন্ত শক্তিশালী, উগ্র, অদম্য বা ভয়ংকর স্বভাবের ব্যক্তি। - এর বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে নিরীহ সবচেয়ে উপযুক্ত, যার অর্থ শান্ত, সরল বা ক্ষতিকর নয় এমন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের মূল ভাব বা তীব্রতার বিপরীত দিকটি বিবেচনা করতে হয়। - এখানে দুর্দান্ত শব্দটির মধ্যে যে উগ্রতা বা তীব্রতার প্রকাশ রয়েছে, নিরীহ শব্দটির মাধ্যমে তার সম্পূর্ণ শান্ত ও হিতকর রূপ প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুর্দান্ত গতি ব্যাখ্যা: এই বাক্যে দুর্দান্ত শব্দটি গতির তীব্রতা বা অদম্য বেগ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: নিরীহ প্রাণী ব্যাখ্যা: এই বাক্যে নিরীহ শব্দটি প্রাণীর শান্ত ও ক্ষতি না করার স্বভাব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোমল — কোমল শব্দের অর্থ নরম। এটি মূলত কঠিন বা শক্ত শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে বেশি মানানসই। B) সুস্থির — সুস্থির শব্দের অর্থ স্থির বা শান্ত। এটি মূলত অস্থির শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) নিরীহ — এটি সঠিক উত্তর। দুর্দান্ত শব্দের বিপরীত হিসেবে এটি শান্ত ও উগ্রতাহীন ভাব প্রকাশ করে। D) সুবিনীত — সুবিনীত শব্দের অর্থ অত্যন্ত বিনীত বা নম্র। এটি উদ্ধত বা অহিম্বাদী শব্দের বিপরীতার্থক। ৫. মনে রাখার টিপস: - দুর্দান্ত মানে যে খুব তেজ দেখায়, আর নিরীহ মানে যে কোনো কারো ক্ষতি করে না। - পরীক্ষার হলে শব্দের তীব্রতা ও স্বভাব মিলিয়ে বিপরীত শব্দ নির্ধারণ করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের ভাবার্থ বা তীব্রতা খেয়াল রাখতে হয়। - একই নিয়মে উগ্র শব্দের বিপরীত শান্ত বা নিরীহ হতে পারে।
a অনু + এষণ
b অনু + এষন
c অন + এষণ
d অন্ত + এষণ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অনু + এষণ ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়ম অনুসারে ই-কার বা ঈ-কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ই-কার বা ঈ-কারের জায়গায় য-ফলা হয়। এখানে 'অনু' শব্দের শেষ উ-কার এবং 'এষণ' শব্দের শুরুর 'এ' মিলে য-ফলা যুক্ত হয়েছে এবং শব্দটি অন্বেষণ হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম বা ই-সন্ধির সূত্র হিসেবে পরিচিত। এখানে উ-কার কিংবা ঊ-কারের পর স্বরধ্বনি থাকলে উ-কার বা ঊ-কারের জায়গায় ব-ফলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সু + আগত = স্বাগত ব্যাখ্যা: উ-কারের পর স্বরধ্বনি অ থাকলে উ-কার স্থানে ব-ফলা হয়ে স্বাগত গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: অনু + ইতিক = অন্বিতিক ব্যাখ্যা: উ-কারের পর স্বরধ্বনি ই থাকলে উ-কার স্থানে ব-ফলা হয়ে অন্বিতিক গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনু + এষণ — এটি সঠিক কারণ এতে সন্ধির সঠিক নিয়ম মেনে 'অন্বেষণ' গঠিত হয়েছে। B) অনু + এষন — এখানে বানানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। C) অন + এষণ — এখানে প্রথম অংশ সঠিক নয় কারণ সন্ধির জন্য মূল উপসর্গ 'অনু' হওয়া প্রয়োজন। D) অন্ত + এষণ — এখানে প্রথম অংশ 'অন্ত' ভুল কারণ এটি খণ্ডিত রূপ এবং সঠিক মূল শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সন্ধি বিচ্ছেদের সময় শব্দের উৎস মূল খুঁজে বের করতে হবে। উ-কারযুক্ত উপসর্গ যেমন অনু এর সাথে স্বরবর্ণ যুক্ত হলে ব-ফলা হয় এই নিয়মটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই জাতীয় ই-সন্ধি বা উ-সন্ধির নিয়ম প্রায়ই আসে। নিয়মগুলো চর্চা করলে খুব সহজেই এক নম্বর নিশ্চিত করা সম্ভব।
a প্রতি + ঊষ
b প্রত্যু + উষ
c প্রতি + উষ
d প্রত্যু + উষ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রতি + ঊষ ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুযায়ী ই-কার বা ঈ-কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ই-কার বা ঈ-কারের স্থানে য-ফলা হয়। এখানে প্রতি শব্দের শেষে ই-কার এবং ঊষ শব্দের শুরুতে দীর্ঘ উ-কার রয়েছে, যা যুক্ত হয়ে য-ফলা এবং উ-কার গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি স্বরসন্ধি তথা ই-সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যেখানে ই বা ঈ এর পরে ভিন্ন স্বর থাকলে তা য হয়। শব্দের প্রথম অংশের অন্তিম ধ্বনি এবং দ্বিতীয় অংশের আদি ধ্বনির মিলনে এই পরিবর্তন সাধিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতি + অন্ত = অত্যন্ত ব্যাখ্যা: এখানে প্রতি শব্দের মতো অতি শব্দের ই-কারের সঙ্গে অন্ত শব্দের অ যুক্ত হয়ে য-ফলা তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: যদি + অপি = যদ্যপি ব্যাখ্যা: ই-কারের পর অ-কার থাকার কারণে ই-কার য-ফলায় রূপান্তরিত হয়ে এই সন্ধি গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতি + ঊষ — এটি সঠিক কারণ নিয়ম অনুযায়ী প্রতি এর ই এবং ঊষ এর ঊ মিলে প্রত্যুষ গঠিত হয়। B) প্রত্যু + উষ — এটি ভুল কারণ প্রত্যু বলে কোনো অর্থপূর্ণ সংস্কৃত উপসর্গ বা শব্দ বাংলায় নেই। C) প্রতি + উষ — এটি ভুল কারণ উষ শব্দের দীর্ঘ ঊ-কার থাকা আবশ্যক, হ্রস্ব উ-কার দিলে বানান ভুল হয়। D) প্রত্যু + উষ — এটি ভুল কারণ প্রথম অংশে প্রত্যু এবং দ্বিতীয় অংশে উষ ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রতি এবং ঊষ শব্দ দুটি আলাদা করে মনে রাখতে হবে যেখানে ঊষ শব্দে সবসময় দীর্ঘ ঊ ব্যবহৃত হয়। সন্ধি বিচ্ছেদের সময় ই-কার যুক্ত উপসর্গ চেনার মাধ্যমে সহজেই এই নিয়ম আয়ত্ত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতি উপসর্গযুক্ত শব্দ যেমন প্রত্যুষ, প্রত্যয় এবং প্রতিপত্তি পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একই নিয়মে গঠিত শব্দগুলোর ক্ষেত্রে দীর্ঘ স্বরধ্বনির ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a উপচার্য
b উপাধ্যক্ষ
c উপাদান
d উপার্জন
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উপচার্য ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটি শুদ্ধ বানান ও বাক্যশুদ্ধি বিষয়ক। এখানে উপচার্য বানানটি অশুদ্ধ কারণ এর শুদ্ধ রূপ উপাচার্য। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সংস্কৃত তৎসম শব্দে চ ছ জ ঝ ই-এর পূর্বে ই-কার বা ঈ-কার এবং চ বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে শ, ষ, স-এর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম প্রযোজ্য হয়। এখানে উপাচার্য শব্দের মূল সংস্কৃত রূপ অনুযায়ী চ-এর পূর্বে ছ যুক্ত হয় না, বরং চ-এর সাথে যুক্ত হয়ে চ্চ গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উৎ + চারণ = উচ্চারণ ব্যাখ্যা: সন্ধির নিয়মে ত বা দ এর পরে চ বা ছ থাকলে ত বা দ স্থানে চ হয়। উদাহরণ ২: সৎ + চরিত্র = চরিত্র ব্যাখ্যা: সন্ধির এই নিয়মের কারণে বানানে চ-এর ব্যবহার নির্দিষ্ট থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপচার্য - এটি ভুল বানান কারণ এখানে চ এর সাথে ছ যুক্ত হয়েছে, যার শুদ্ধ রূপ উপাচার্য। B) উপাধ্যক্ষ - এটি একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বানান এবং এর অর্থ প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা সহকারী প্রধান। সি) উপাদান - এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ কোনো বস্তু তৈরির কাঁচামাল বা উপকরণ। ডি) উপার্জন - এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ আয় করা বা রোজগার করা। ৫ মনে রাখার টিপস: বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান পদকে উপাচার্য বলা হয় এবং বানানটিতে ছ বর্জন করে চ যুক্ত করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দাপ্তরিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পদবি যেমন উপাচার্য, সচিব, মহাপরিচালক বানানগুলো বারবার আসে। নিয়ম মেনে সন্ধি ও প্রত্যয়ভিত্তিক শব্দগুলোর মূল রূপ চর্চা করলে শুদ্ধ বানান সহজেই নির্ণয় করা যায়।
a খড়ের ঘর
b বাগান
c খেলার মাঠ
d পাখির বাসা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) বাগান কেন সঠিক: - 'নিকুঞ্জ' একটি তৎসম শব্দ যার প্রচলিত অর্থ হলো বাগান বা উদ্যান। - বাংলা কাব্যে ও সাহিত্যে সুন্দর সাজানো ফুলবাগান বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে এমন একটি বিশেষ্য পদ। - মধ্যযুগের এবং আধুনিক বাংলা কবিতায় প্রকৃতির সৌন্দর্য বর্ণনা করতে এই শব্দের বহুল ব্যবহার দেখা যায়। - যেমন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনেক গানে কুঞ্জ বা নিকুঞ্জ শব্দের মাধ্যমে ফুলের বাগানের রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) খড়ের ঘর — খড়ের তৈরি বাসস্থানকে কুটিজ বা কুঁড়েঘর বলা হয়, নিকুঞ্জ নয়। - খ) বাগান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। - গ) খেলার মাঠ — খেলাধুলার জন্য নির্ধারিত উন্মুক্ত স্থানকে প্রাঙ্গণ বা খেলার মাঠ বলা হয়। - ঘ) পাখির বাসা — পাখির বসবাসের স্থানকে নিড় বা বাসা বলা হয়, নিকুঞ্জ নয়। মনে রাখার টিপস: - কুঞ্জ বা নিকুঞ্জ দেখলে মনে রাখবে এটি ফুল বা গাছের সমারোহ অর্থাৎ বাগান বোঝায়।
a shines
b is shining
c has been shining
d had been shining
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) is shining কেন সঠিক: - বাক্যের শুরুতে It is ১১ am now উল্লেখ থাকায় এটি বর্তমান মুহূর্তের চলমান কাজ বোঝাচ্ছে। - এই ধরনের বর্তমানের চলমান ঘটনা বোঝাতে Present Continuous Tense অর্থাৎ subject-এর পরে am, is, are এবং মূল verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) shines — এটি Present Indefinite Tense, যা চিরন্তন সত্য বা অভ্যাসের ক্ষেত্রে বসে, নির্দিষ্ট এই মুহূর্তের চলমান কাজের জন্য নয়। B) is shining — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা বর্তমান মুহূর্তের চলমান কাজ সঠিকভাবে প্রকাশ করে। C) has been shining — এটি Present Perfect Continuous Tense, যা অতীতের কোনো নির্দিষ্ট সময় থেকে শুরু হয়ে বর্তমানেও চলছে এমন কাজের ক্ষেত্রে বসে। D) had been shining — এটি Past Perfect Continuous Tense, যা অতীতের একটি নির্দিষ্ট সময়ের আগে থেকে চলছিল এমন কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে now বা বর্তমান সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি চলমান বোঝালে সবসময় Present Continuous Tense অর্থাৎ is বা are এর সাথে ing যুক্ত verb বসবে।
a two
b two or more than two
c more than two
d Four only
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) more than two কেন সঠিক: - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী দুইয়ের অধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে সম্পর্ক বা বণ্টন বোঝাতে among ব্যবহৃত হয়। - প্রশ্নে মানুষের দল বা সংখ্যা দুইয়ের অধিক বোঝানো হয়েছে, তাই among সঠিক পছন্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) two — দুইয়ের অধিক ব্যক্তির ক্ষেত্রে among বসে না, তাই এটি ভুল। B) two or more than two — দুই বা ততোধিক ক্ষেত্রে between এবং among দুটোই বিভ্রান্তিকর হতে পারে, তবে নির্দিষ্ট ব্যাকরণে among শুধু দুইয়ের অধিকের জন্য প্রযোজ্য। C) more than two — এটি সঠিক কারণ এটি দুইয়ের অধিক সংখ্যাকে নির্দেশ করে। D) Four only — এটি কেবল চারজন ব্যক্তির নির্দিষ্ট সীমা বোঝায়, যা among ব্যবহারের সাধারণ নিয়মকে সীমাবদ্ধ করে দেয়। মনে রাখার টিপস: Between বসে কেবল দুজনের মধ্যে, আর Among বসে দুইয়ের অধিক সবার মাঝে।
a Accelerate
b Accelerrate
c Accilarate
d Accilerate
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Accelerate কেন সঠিক: ১. শব্দটির শুরুতে দুটি c এবং l এর পরে একটি মাত্র e ব্যবহার করা হয়েছে। ২. শেষের অংশটি erate হয়, ate নয়। ৩. বানানটি ইংরেজি নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Accelerate — এটি সঠিক বানান। B) Accelerrate — এখানে অতিরিক্ত একটি r ব্যবহার করা হয়েছে। C) Accilarate — এখানে c এর পরে i এবং l এর পরে a ভুলভাবে দেওয়া হয়েছে। D) Accilerate — এখানে সঠিক স্বরবর্ণের পরিবর্তে ভুল বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে ac-cel-er-ate এভাবে ভেঙে উচ্চারণ করে শিখতে পারো।
a A little learning is a dangerous thing
b Pride goes before destruction
c Haste makes waste
d Barking dog seldom bites
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Barking dog seldom bites কেন সঠিক: খালি কলসি বাজে বেশি প্রবাদটি মূলত যে মানুষগুলোর জ্ঞান কম তারা বেশি কথা বলে বোঝায়। ঠিক একইভাবে গর্জন করে যে কুকুর সে সাধারণত কামড়ায় না এবং বেশি কথা বলা মানুষেরা কাজের বেলায় পিছিয়ে থাকে। এই দুইটি প্রবাদের ভাবার্থ একই প্রকাশ করে। এ কারণে অপশন ডি সঠিক উত্তর হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A little learning is a dangerous thing — এই প্রবাদটি অল্প বিদ্যার ভয়ংকর পরিণতির কথা বলে যা মূল প্রবাদের সাথে মিলে না। B) Pride goes before destruction — এই প্রবাদটি অহংকারের পতনের কথা শিক্ষা দেয় যার সাথে খালি কলসির মিল নেই। C) Haste makes waste — এই প্রবাদটি দ্রুত কাজ করলে যে ক্ষতি হয় তা বোঝায় যা সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। D) Barking dog seldom bites — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: যেসব মানুষ মুখে খুব বেশি আওয়াজ বা আস্ফালন করে, বাস্তবে তাদের কাজের ক্ষমতা বা কার্যকারিতা সবচেয়ে কম থাকে।
a fire, flane
b bag, sack
c round, around
d preserve, prevent
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) fire, flane কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটিতে এমন একটি জোড়া শব্দ বের করতে বলা হয়েছে যাদের অর্থ এক নয় বা যারা সমার্থক নয়। এখানে অপশন এ তে থাকা ফায়ার এবং ফ্লেম শব্দের বানান ভুল থাকার পাশাপাশি অর্থ ভিন্ন নির্দেশ করছে। ফায়ার অর্থ আগুন এবং ফ্লেম অর্থ শিখা। তাই এটি একটি অসদৃশ জোড়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) fire, flane — এখানে বানান ভুল আছে এবং ফায়ার ও ফ্লেম শব্দের মধ্যে অর্থের মিল নেই। B) bag, sack — ব্যাগ এবং স্যাক উভয় শব্দের অর্থ থলে বা বস্তা যা সমার্থক শব্দ। C) round, around — রাউন্ড এবং এরাউন্ড শব্দ দুটি একে অপরের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত ও সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) preserve, prevent — প্রিজার্ভ এবং প্রিভেন্ট শব্দ দুটি সুরক্ষা বা প্রতিরোধের অর্থে প্রায় একই রকম ভাব প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: সমার্থক বা সদৃশ শব্দগুলো চেনার জন্য প্রতিটি শব্দের সঠিক অর্থ এবং বানান ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a She aksed me if I was happy in my new job
b She asked me if I have been happy in my new job
c She asked me whether I am happy in my new job
d She asked me if had been in my new job
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) She asked me if I have been happy in my new job কেন সঠিক: রিপোর্টিং ভার্বটি past tense এ থাকায় direct speech এর present indefinite tense টি indirect speech এ এসে past indefinite tense এ রূপান্তরিত হয়েছে। interrogative sentence কে indirect করার সময় if বা whether বসে এবং sentence টি assertive এ রূপ নেয়। subject এর পর verb এর সঠিক past form বসানোর নিয়ম এখানে সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She aksed me if I was happy in my new job — বানান ভুল থাকায় অপশনটি বাতিল হবে। B) She asked me if I have been happy in my new job — এটি সঠিক উত্তর। C) She asked me whether I am happy in my new job — present tense অপরিবর্তিত থাকায় নিয়ম অনুযায়ী এটি ভুল হয়েছে। D) She asked me if had been in my new job — subject না থাকায় বাক্যটির গঠন অসম্পূর্ণ ও ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Direct speech এ প্রশ্নবোধক বাক্য থাকলে indirect করার সময় if বা whether বসবে এবং tense পরিবর্তন করে past tense করতে হবে।
a had rung
b rang
c rung
d ringing
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) rang কেন সঠিক: - While বা when দ্বারা যুক্ত বাক্যের একটি অংশ Past Continuous Tense হলে অপর অংশটি Past Indefinite Tense হয়। - এখানে প্রথম অংশ We were watching the news (Past Continuous) হওয়ায় পরের অংশে Past Indefinite Tense (rang) ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had rung — এটি Past Perfect Tense, যা এই বিশেষ গঠনের বাক্যের নিয়মের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) rang — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) rung — এটি Verb এর Past Participle রূপ, যা একা একা Past Indefinite Tense হিসেবে বসতে পারে না। D) ringing — এটি Verb এর সাথে ing যুক্ত রূপ, যার পূর্বে auxiliary verb না থাকায় এটি এখানে বসবে না। মনে রাখার টিপস: While বা when যুক্ত বাক্যে Past Continuous Tense-এর সাথে সাধারণত Past Indefinite Tense বসে।
a the
b a
c an
d none
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a কেন সঠিক: - European শব্দের শুরুতে ই (E) থাকলেও এর উচ্চারণ ইউ (You) এর মতো অর্থাৎ ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনি দিয়ে শুরু হয়েছে। - consonant sound বা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ থাকার কারণে এর পূর্বে a বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the — নির্দিষ্ট করে কোনো বিশেষ ইউরোপীয় দেশ বোঝানো হয়নি বিধায় definite article the বসবে না। B) a — ইউরোপীয় দেশের নামের সাধারণ উচচারণগত বৈশিষ্ট্যের কারণে এখানে সঠিক আর্টিকেল হিসেবে a ব্যবহৃত হয়েছে। C) an — vowel থাকা সত্ত্বেও European শব্দের উচ্চারণ ইউ (You) হওয়ায় এখানে an ব্যবহার করা যাবে না। D) none — শূন্যস্থানে একটি সঠিক আর্টিকেল প্রয়োজন থাকায় এই অপশনটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দে vowel থাকলেও উচ্চারণ যদি ইউ (You) বা ওয়ু (Wa) এর মতো হয়, তবে তার পূর্বে an না বসে a বসে।
a a case of reference
b event that never happened
c tenure of the President
d a matter to deal with
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a case of reference কেন সঠিক: Precedence শব্দের অর্থ হলো অগ্রাধিকার, পূর্ববর্তী ঘটনা বা এমন কোনো বিষয় যা পূর্বে ঘটে গেছে এবং দৃষ্টান্ত হিসেবে ধরা হয়। অপশন এ তে থাকা 'a case of reference' কথাটির অর্থ এমন একটি বিষয় বা দৃষ্টান্ত যা রেফারেন্স বা উদাহরণের জন্য ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a case of reference — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ উদাহরণের জন্য পূর্ববর্তী কোনো ঘটনা বা মামলা। B) event that never happened — এর অর্থ এমন ঘটনা যা কখনো ঘটেনি, যা প্রিসিডেন্স শব্দের অর্থের সাথে মিলে না। C) tenure of the President — এর অর্থ রাষ্ট্রপতির কার্যকাল, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি রাজনৈতিক পরিভাষা। D) a matter to deal with — এর অর্থ মোকাবিলার বিষয়, যা এই শব্দের নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Precedence শব্দটির সাথে 'pre' যুক্ত আছে যার অর্থ পূর্বে, তাই আগের কোনো দৃষ্টান্ত বা রেফারেন্স মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে করা যাবে।
a before
b immediately
c after
d during the period of
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) before কেন সঠিক: - 'Prior to' একটি গ্রুপ প্রিপজিশন, যার অর্থ পূর্বে বা কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার আগের সময়কে বোঝায়। - 'Before' শব্দের অর্থও পূর্বে বা আগে, যা 'Prior to' এর সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) before — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ পূর্বে বা আগে। B) immediately — এর অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে বা অবিলম্বে, যা 'Prior to' এর সঙ্গে মেলে না। C) after — এর অর্থ পরে, যা 'Prior to' এর বিপরীতার্থক অর্থ প্রকাশ করে। D) during the period of — এর অর্থ কোনো সময়কালের মধ্যে বা دوران, যা 'Prior to' এর অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: 'Prior' শব্দের অর্থ আগের, তাই 'Prior to' দেখলে অপশন থেকে সরাসরি 'before' নির্বাচন করবে।
a It has to be done by me.
b Let it be done by me.
c It is to be done by me
d It has to be done to me.
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) It has to be done by me. কেন সঠিক: - বাক্যে have to থাকলে প্যাসিভ করার সময় have to এর সাথে be যোগ করতে হয় এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসে। - সাবজেক্ট ও অবজেক্ট স্থান পরিবর্তন করে এবং অবজেক্টের পূর্বে by বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It has to be done by me. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়মানুযায়ী গঠিত হয়েছে। B) Let it be done by me. — এটি Imperative sentence এর প্যাসিভ ফর্ম, কিন্তু প্রদত্ত প্রশ্নটি Assertive sentence। C) It is to be done by me — এখানে মূল বাক্যের have to এর পরিবর্তে শুধু is to ব্যবহার করা হয়েছে, যা অর্থের পরিবর্তন ঘটায়। D) It has to be done to me. — এখানে সঠিক প্রিপজিশন by এর বদলে to ব্যবহার করা হয়েছে, যা গ্রামাটিকভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: Active বাক্যে have to বা has to থাকলে Passive করার সময় have to be বা has to be ব্যবহার করতে হয়।
a then Sylhet's
b than Sylhet
c then those of Sylhet
d than those of Sylhet
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) than those of Sylhet কেন সঠিক: এখানে ঢাকার রাস্তার সাথে সিলেটের রাস্তার তুলনা করা হয়েছে। একই noun এর পুনরাবৃত্তি এড়াতে plural noun এর পরিবর্তে those of ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) then Sylhet's — তুলনার ক্ষেত্রে then এর বদলে than বসে এবং apostrophe এর ব্যবহার এখানে ভুল হয়েছে। B) than Sylhet — ঢাকার রাস্তার সাথে সরাসরি সিলেটের তুলনা করা হয়েছে, যা অর্থহীন কারণ রাস্তার সাথে শহরের তুলনা হয় না। C) then those of Sylhet — তুলনার ক্ষেত্রে সঠিক conjunction হিসেবে then এর পরিবর্তে than বসাতে হয়। D) than those of Sylhet — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে তুলনার নিয়ম ও those of এর সঠিক প্রয়োগ হয়েছে। মনে রাখার টিপস: তুলনা করার সময় একপাশের Noun এর পরিবর্তে অন্যপাশে those of (Plural হলে) অথবা that of (Singular হলে) ব্যবহার করতে হয়।
a Leafe
b Leaf
c Leav
d Leave
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Leaf কেন সঠিক: ১. 'Leaves' শব্দটি হলো 'Leaf' শব্দের বহুবচন রূপ। ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণ শব্দের শেষে f থাকলে তা উঠে গিয়ে ves যুক্ত হয়। ২. গাছপালার পাতার একবচন রূপ বোঝাতে 'Leaf' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ৩. বহুবচন থেকে একবচন করার সঠিক রূপ এটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Leafe — এটি একটি বানান ভুল শব্দ কারণ মূল শব্দের শেষে সরাসরি e যুক্ত হয় না। B) Leaf — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এটি ভুল নয়। C) Leav — এটি একটি অসম্পূর্ণ ও অর্থহীন শব্দ যার কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। D) Leave — এর অর্থ ছুটি বা প্রস্থান করা যা পাতার একবচন রূপ নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দের শেষে f বা fe থাকলে বহুবচনে f বা fe এর পরিবর্তে ves বসে এবং একবচনে আবার f বা fe ফিরে আসে।
a from
b for
c to
d than
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to কেন সঠিক: prefer শব্দের পর তুলনামূলক বোঝাতে সাধারণত to preposition ব্যবহার করতে হয়। এখানে দুটি পছন্দের মধ্যে চা পানের প্রতি ঝোঁক বেশি বোঝাতে to সঠিক। ল্যাটিন তুলনামূলক শব্দের পর than এর পরিবর্তে to বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from — from সাধারণত দূরত্ব বা উৎস বোঝাতে বসে, পছন্দের তুলনায় বসে না। B) for — for সাধারণত উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) than — സാധാരണ তুলনার ক্ষেত্রে than বসলেও prefer শব্দের সাথে এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: prefer দেখলেই মনে রাখবে এর সাথে সবসময় to বসে, than বা অন্য কিছু বসে না।
a He had been hung for murder.
b He was hung for murder.
c He was hanged for murder
d He was hunged for murder .
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He was hanged for murder কেন সঠিক: কোনো মানুষকে ফাঁসি দেওয়ার ক্ষেত্রে Hang verb এর past participle রূপ হিসেবে hanged ব্যবহার করা হয়। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ক্ষেত্রে এই নিয়মটি ব্যাকরণগতভাবে শতভাগ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He had been hung for murder — মানুষকে ফাঁসি দেওয়ার ক্ষেত্রে hung ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং এখানে tense এর ব্যবহারও সঠিক নয়। B) He was hung for murder — বস্তু ঝোলানোর ক্ষেত্রে hung ব্যবহার করা হয়, কিন্তু মানুষকে ফাঁসি দেওয়ার ক্ষেত্রে hanged লিখতে হয়। C) He was hanged for murder — এটি সঠিক অপشن হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) He was hunged for murder — ইংরেজি ব্যাকরণে hunged বলে কোনো শব্দ বা verb এর রূপ নেই। মনে রাখার টিপস: মানুষের ফাঁসি হলে hanged এবং পোশাক বা ছবি ঝোলালে hung হয়।
a willingly
b intentional
c known
d familiar
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) intentional কেন সঠিক: Deliberate শব্দের বাংলা অর্থ হলো সুচিন্তিত বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, যার সাথে intentional বা ইচ্ছাকৃত শব্দটির মিল রয়েছে। কোনো কাজ যখন বুঝে শুনে বা পরিকল্পনা করে করা হয়, তখন তাকে deliberate বা intentional বলা হয়। এই দুটি শব্দের ভাবার্থ সম্পূর্ণ একই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) willingly — এর অর্থ স্বেচ্ছায়, যা deliberate শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ নয়। B) intentional — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) known — এর অর্থ পরিচিত বা জ্ঞাত, যা deliberate এর সাথে মেলে না। D) familiar — এর অর্থ চেনাজানা, যা এই শব্দের অর্থের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: Deliberate এবং intentional উভয় শব্দই কোনো পরিকল্পনা বা ইচ্ছাকৃত কাজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
a You, he and I am present
b He, You and I am present
c I, you and he are present
d You, he and I are present
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) You, he and I are present কেন সঠিক: একাধিক ভিন্ন পুরুষের Pronoun একসঙ্গে থাকলে সাধারণ বাক্যে তাদের ক্রম নিয়ম অনুযায়ী দ্বিতীয় পুরুষ, তৃতীয় পুরুষ এবং প্রথম পুরুষ হিসেবে সাজাতে হয়। এই নিয়মে You, he and I ক্রমটি সঠিকভাবে বসেছে এবং বহুবচন হওয়ায় Verb হিসেবে are ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) You, he and I am present — Pronoun এর ক্রম সঠিক হলেও Subject বহুবচন হওয়ায় singular verb am ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। B) He, You and I am present — এখানে Pronoun গুলোর ক্রম নিয়ম অনুযায়ী সাজানো হয়নি এবং am verb টিও ভুল। C) I, you and he are present — সাধারণ বাক্যে প্রথম পুরুষ প্রথমে না বসে নিয়ম অনুযায়ী সবার শেষে বসার কথা ছিল। D) You, he and I are present — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং সকল ব্যাকরণগত নিয়ম নির্ভুলভাবে মেনে চলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সাধারণ বাক্যে Pronoun সাজানোর নিয়ম হলো দুই, তিন, এক (২য়, ৩য় ও ১ম পুরুষ) এবং verb সবসময় বহুবচন হবে।
a Common
b Abstract
c Material
d Collective
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Abstract কেন সঠিক: infancy শব্দটির অর্থ শৈশব, যা মানুষের জীবনের একটি বিশেষ পর্যায় বা অবস্থা বোঝায়। এটি কেবল অনুভব করা যায় কিন্তু ধরা বা ছোঁয়া যায় না, তাই এটি অ্যাবস্ট্রাক্ট নাউন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Common — এটি কোনো সাধারণ ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীর নাম বোঝায় না, তাই এটি কমন নাউন নয়। B) Abstract — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Material — এটি কোনো উপাদান বা বস্তুগত পদার্থ বোঝায় না, তাই এটি ম্যাটেরিয়াল নাউন নয়। D) Collective — এটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিগত দল বোঝায় না, তাই এটি কালেক্টিভ নাউন নয়। মনে রাখার টিপস: যে নাউনগুলোর কোনো শারীরিক রূপ বা আকৃতি থাকে না, কেবল গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম বোঝায়, সেগুলোই অ্যাবস্ট্রাক্ট নাউন।
a an adjective
b a pronoun
c an adverb
d a noun
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a pronoun কেন সঠিক: এটি কোনো নির্দিষ্ট নাম বা বস্তুকে না বুঝিয়ে বরং যেকোনো বা সমস্ত জিনিসকে একত্রে নির্দেশ করে। তাই এটি একটি অনির্দেশক সর্বনাম হিসেবে কাজ করে। এটি বাক্যে সরাসরি বিশেষ্য বা নাউনের পরিবর্তে বসে। এটি বাক্যের সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে একা বসতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an adjective — এটি কোনো নাউনের দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে না, তাই এটি বিশেষণ হতে পারে না। B) a pronoun — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। C) an adverb — এটি কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো অব্যয়ের সময়, স্থান বা কাজের ধরণ প্রকাশ করে না। D) a noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু বা জায়গার নাম নয়, বরং নাউনের পরিবর্তে বসা শব্দ। মনে রাখার টিপস: যেকোনো শব্দের শেষে thing থাকলে এবং তা যদি কোনো নাম না বুঝিয়ে সবকিছুর সমষ্টি বোঝায়, তবে তা সাধারণত প্রোনাউন হয়।
a ১৫ দিন
b ২৫ দিন
c ২০ দিন
d ২৮ দিন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০ দিন প্রদত্ত তথ্য: ছাত্রাবাসে মোট ছাত্র = ৪০ জন মোট খাবারের দিন = ৩০ দিন ধরি, ৫ দিন পর অবশিষ্ট ছাত্র = ৪০ + ১০ = ৫০ জন ৫ দিন পর অবশিষ্ট দিন = ৩০ − ৫ = ২৫ দিন অতএব, ৪০ জন ছাত্রের অবশিষ্ট খাবার চলে ২৫ দিন ১ জন ছাত্রের অবশিষ্ট খাবার চলে ৪০ × ২৫ দিন সুতরাং, ৫০ জন ছাত্রের অবশিষ্ট খাবার চলবে (৪০ × ২৫) ÷ ৫০ দিন = ২০ দিন উত্তর: ২০ দিন
a ৭৭৭ টাকা
b ৮৮৮ টাকা
c ৩৩৩ টাকা
d ৫৫৫ টাকা
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭৭৭ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ক, খ ও গ-এর বেতনের অনুপাত ৭:৫:৩ খ, গ অপেক্ষা ২২২ টাকা বেশি পায় ধরি, ক-এর বেতন = ৭ক খ-এর বেতন = ৫ক গ-এর বেতন = ৩ক অতএব, খ ও গ-এর বেতনের পার্থক্য = ৫ক − ৩ক = ২ক প্রশ্নমতে, ২ক = ২২২ সুতরাং, ক এর মান = ১১১ ক-এর বেতন = ৭ × ১১১ = ৭৭৭ টাকা উত্তর: ৭৭৭ টাকা
a 150
b 360
c 180
d 270
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৬০ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের যেকোনো বাহু বর্ধিত করলে একটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয় ত্রিভুজের মোট তিনটি বাহু রয়েছে এবং তিনটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয় ধরি, ত্রিভুজের তিনটি অভ্যন্তরীণ কোণ যথাক্রমে ক, খ এবং গ ত্রিভুজের তিনটি বহিঃস্থ কোণ যথাক্রমে (১৮০ − ক), (১৮০ − খ) এবং (১৮০ − গ) অতএব, তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = (১৮০ − ক) + (১৮০ − খ) + (১৮০ − গ) সমষ্টি = (১৮০ + ১৮০ + ১৮০) − (ক + খ + গ) সুতরাং, আমরা জানি ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০ সুতরাং সমষ্টি = ৫৪০ − ১৮০ = ৩৬০ উত্তর: ৩৬০°
a (2x²+2x+1) (2x²-2x-1)
b (2x²+2x-1) (2x²-2x+1)
c (2x²+2x+1)(2x²-2x+1)
d (2x²+2x-1) (2x²-2x-1)
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (2x²+2x+1)(2x²-2x+1) প্রদত্ত তথ্য: উৎপাদকের বিশ্লেষণ করতে হবে 4x^4 + 1 রাশির এটি একটি বীজগণিতীয় বহুপদী রাশি ধরি, রাশিটিকে সাজিয়ে লিখতে হবে পূর্ণবর্গ করার জন্য 4x^4 + 1 কে (2x^2)^2 + (1)^2 আকারে লেখা যায় অতএব, মধ্যপোদ বা মাঝের পদ হিসেবে যোগ ও বিয়োগ করতে হবে 2 × (2x^2) × 1 অর্থাৎ 4x^2 তাহলে রাশিটি দাঁড়াবে (2x^2 + 1)^2 − (2x)^2 সুতরাং, এখন এটিকে a^2 − b^2 সূত্রের সাহায্যে উৎপাদকে ভাঙতে হবে সূত্র প্রয়োগ করে পাই (2x^2 + 2x + 1)(2x^2 − 2x + 1) উত্তর: C) (2x²+2x+1)(2x²-2x+1)
a 42000
b কোনোটিই নয়
c 25000
d 37500
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৭৫০০ প্রদত্ত তথ্য: বিজয়ী প্রার্থী ভোট পেয়েছেন ৬০% অপর প্রার্থী ভোট পেয়েছেন (১০০% − ৬০%) = ৪০% ধরি, মোট উপস্থিত ভোটারের সংখ্যা = ক জন অতএব, বিজয়ী প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট = ক এর ৬০% অপর প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট = ক এর ৪০% সুতরাং, ভোটের পার্থক্য = ক এর (৬০% − ৪০%) = ক এর ২০% প্রশ্নমতে, ক এর ২০% = ৭৫০০ অতএব, ক এর (২০ ÷ ১০০) = ৭৫০০ ক এর (১ ÷ ৫) = ৭৫০০ সুতরাং, ক = ৭৫০০ × ৫ = ৩৭৫০০ উত্তর: ৩৭৫০০ জন
a 7
b 14
c 15
d 6
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৪ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = (৫x ÷ ৬) + ৩ দ্বিতীয় রাশি = (x ÷ ৩) + ১০ ধরি, রাশি দুটি পরস্পর সমান অতএব, (৫x ÷ ৬) + ৩ = (x ÷ ৩) + ১০ সুতরাং, (৫x ÷ ৬) − (x ÷ ৩) = ১০ − ৩ অতএব, (৫x − ২x) ÷ ৬ = ৭ সুতরাং, ৩x ÷ ৬ = ৭ অতএব, x ÷ ২ = ৭ সুতরাং, x = ৭ × ২ উত্তর: ১৪
a 90
b 95
c 98
d 96
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯৫ প্রদত্ত তথ্য: ১০ ইনিংসের রানের গড় = ৪৫.৫ ১১ ইনিংসের রানের গড় = ৫০ ধরি, ১০ ইনিংসের মোট রান = ১০ × ৪৫.৫ = ৪৫৫ ১১ ইনিংসের মোট রান = ১১ × ৫০ = ৫৫০ অতএব, ১১তম ইনিংসে করতে হবে = ১১ ইনিংসের মোট রান − ১০ ইনিংসের মোট রান ১১তম ইনিংসে করতে হবে = ৫৫০ − ৪৫৫ = ৯৫ সুতরাং, ১১তম ইনিংসে ৯৫ রান করে আউট হতে হবে উত্তর: ৯৫
a 90
b 30
c 45
d 60
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: মোট চকলেটের সংখ্যা = ২৭০০ প্রত্যেকে চকলেট পেল মোট শিক্ষার্থীর তিনগুণ ধরি, ক্লাসে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ক অতএব, প্রত্যেক শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত চকলেটের সংখ্যা = ৩ × ক মোট চকলেটের পরিমাণ = ক × (৩ × ক) = ২৭০০ সুতরাং, ৩ × (ক এর উপর স্কয়ার) = ২৭০০ ক এর উপর স্কয়ার = ২৭০০ ÷ ৩ = ৯০০ উত্তর: ক = ৩০
a 9/1000
b 0.0099
c 0.1
d 9/100
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.১ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি ভিন্ন সংখ্যা দেওয়া আছে সংখ্যাগুলোকে তুলনা করে সবচেয়ে বড় সংখ্যাটি বের করতে হবে ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৯ ÷ ১০০০ = ০.০০৯ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ০.০০৯৯ তৃতীয় সংখ্যাটি = ০.১ অতএব, চতুর্থ সংখ্যাটি = ৯ ÷ ১০০ = ০.০৯ সুতরাং, সংখ্যাগুলো হলো যথাক্রমে ০.০০৯, ০.০০৯৯, ০.১ এবং ০.০৯ উত্তর: ০.১
a ১ টাকা
b ২ টাকা
c ৩ টাকা
d ৪ টাকা
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মূলধন = ১০০ টাকা সময় = ৩ বছর সুদের হার যথাক্রমে ২% এবং ৩% ধরি, প্রথম ক্ষেত্রে সুদের হার = ২% দ্বিতীয় ক্ষেত্রে সুদের হার = ৩% অতএব, প্রথম ক্ষেত্রে ৩ বছরের সুদ = (১০০ × ২ × ৩) ÷ ১০০ = ৬ টাকা দ্বিতীয় ক্ষেত্রে ৩ বছরের সুদ = (১০০ × ৩ × ৩) ÷ ১০০ = ৯ টাকা সুতরাং, সুদের পার্থক্য = ৯ টাকা − ৬ টাকা = ৩ টাকা উত্তর: ৩ টাকা
a 75
b 70
c 85
d 64
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭৫ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার চলচল ৪০% এর সাথে ৪৫ যোগ করলে যোগফল সংখ্যাটি নিজেই হয় ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক অতএব, ক এর ৪০% + ৪৫ = ক ক × (৪০ ÷ ১০০) + ৪৫ = ক ০.৪০ × ক + ৪৫ = ক সুতরাং, ৪৫ = ক − ০.৪০ × ক ৪৫ = ০.৬০ × ক ক = ৪৫ ÷ ০.৬০ উত্তর: ৭৫
a সন্নিহিত কোণ
b পূরক কোণ
c সম্পূরক কোণ
d বিপ্রতীপ কোণ
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিপ্রতীপ কোণ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সরল রেখা পরস্পর ছেদ করেছে ছেদ বিন্দুতে মোট চারটি কোণ উৎপন্ন হয়েছে ধরি, একটি কোণ ক তার বিপরীত কোণ খ অতএব, সরল রেখার সংজ্ঞানুযায়ী বিপরীত কোণ দুটি সমান হয় তাদের একটি অপরটির বিপ্রতীপ কোণ হিসেবে পরিচিত সুতরাং, ছেদ বিন্দুতে উৎপন্ন কোণগুলোর জোড়ায় জোড়ায় সম্পর্ক থাকে উত্তর: বিপ্রতীপ কোণ
a ৪৯ টাকা
b ৫০ টাকা
c ৪৬ টাকা
d কোনোটিই নয়
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৬ টাকা প্রদত্ত তথ্য: একটি কলম ও একটি বইয়ের মূল্য একত্রে ৯৫ টাকা কলমটির মূল্য ১৫ টাকা বেশি ও বইটির মূল্য ১৪ টাকা কম হলে কলমটির মূল্য বইটির দ্বিগুণ হতো ধরি, বইটির মূল্য = ক টাকা তাহলে কলমটির মূল্য = ৯৫ − ক টাকা অতএব, নতুন বইটির মূল্য = ক − ১৪ টাকা নতুন কলমটির মূল্য = ৯৫ − ক + ১৫ টাকা = ১১০ − ক টাকা শর্তমতে, ১১০০ − ক = ২ × (ক − ১৪) ১১০০ − ক = ২ক − ২৮ সুতরাং, ৩ক = ১৩৮ ক = ৪৬ উত্তর: বইটির মূল্য ৪৬ টাকা
a 6
b 10
c 4
d 8
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮ প্রদত্ত তথ্য: বাঁশের মোট দৈর্ঘ্য = ২০ ফুট ছোট অংশ বড় অংশের দুই তৃতীয়াংশ ধরি, বড় অংশটি = ক ফুট ছোট অংশটি = (২ ÷ ৩) × ক ফুট অতএব, প্রশ্নমতে, ক + (২ ÷ ৩) × ক = ২০ (৫ ÷ ৩) × ক = ২০ ক = ২০ × (৩ ÷ ৫) = ১২ সুতরাং, বড় অংশটি = ১২ ফুট ছোট অংশটি = ২০ − ১২ = ৮ ফুট উত্তর: ৮ ফুট
a 16
b 14
c 12
d 10
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলো হলো ২৭, ৪০ ও ৬৫ ভাগশেষ যথাক্রমে ৩, ৪ ও ৫ ধরি, প্রথম সংখ্যার ক্ষেত্রে নির্ণেয় সংখ্যাটি হবে ২৭ − ৩ = ২৪ দ্বিতীয় সংখ্যার ক্ষেত্রে নির্ণেয় সংখ্যাটি হবে ৪০ − ৪ = ৩৬ অতএব, তৃতীয় সংখ্যার ক্ষেত্রে নির্ণেয় সংখ্যাটি হবে ৬৫ − ৫ = ৬০ প্রাপ্ত নতুন সংখ্যা তিনটি হলো ২৪, ৩৬ ও ৬০ সুতরাং, ২৪, ৩৬ ও ৬০ এর গসাগু নির্ণয় করলেই বৃহত্তম সংখ্যাটি পাওয়া যাবে উত্তর: ১২
a ৮ সে.মি.
b ৫ সে. মি.
c ৪ সে. মি.
d ৭ সে. মি.
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ সে. মি. প্রদত্ত তথ্য: সমকোণী ত্রিভুজের ভূমি = ৩ সে. মি. সমকোণী ত্রিভুজের লম্ব = ৪ সে. মি. ধরি, অতিভুজের দৈর্ঘ্য = ক সে. মি. পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী, অতিভুজ স্কয়ার = ভূমি স্কয়ার + লম্ব স্কয়ার অতএব, ক স্কয়ার = (৩ × ৩) + (৪ × ৪) ক স্কয়ার = ৯ + ১৬ ক স্কয়ার = ২৫ সুতরাং, ক = √২৫ ক = ৫ উত্তর: ৫ সে. মি.
a 1
b 3
c √3
d 0
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০ প্রদত্ত তথ্য: x = √৩ − (১ ÷ x) ধরি, x + (১ ÷ x) = √৩ অতএব, (x + (১ ÷ x))³ = (√৩)³ x³ + (১ ÷ x³) + ৩ × x × (১ ÷ x) × (x + (১ ÷ x)) = ৩√৩ x³ + (১ ÷ x³) + ৩√৩ = ৩√৩ সুতরাং, x³ + (১ ÷ x³) = ৩√৩ − ৩√৩ উত্তর: ০
a 15
b 13
c 14
d 12
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: উপাত্তগুলো হলো ১২, ৯, ১৫, ৫, ২০, ৮, ২৫, ১৭, ২১, ২৩, ১১ উপাত্তের মোট সংখ্যা ১১ ধরি, উপাত্তগুলোকে ছোট থেকে বড় ক্রমে সাজিয়ে পাই ৫, ৮, ৯, ১১, ১২, ১৫, ১৭, ২০, ২১, ২৩, ২৫ অতএব, এখানে মোট উপাত্তের সংখ্যা ১১ যা একটি বিজড় সংখ্যা মধ্যক নির্ণয়ের সূত্র হলো তম পদ তম পদ হলো ষষ্ঠ পদ সুতরাং, সাজানো উপাত্তের ষষ্ঠ পদটি হলো ১৫ উত্তর: ১৫
a 110
b 90
c 100
d 105
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০৫ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ ABC এর কোণ A = ৪৫ ডিগ্রি কোণ B = ৩০ ডিগ্রি ধরি, ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি অতএব, কোণ A + কোণ B + কোণ C = ১৮০ ডিগ্রি ৪৫ ডিগ্রি + ৩০ ডিগ্রি + কোণ C = ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, ৭৫ ডিগ্রি + কোণ C = ১৮০ ডিগ্রি কোণ C = ১৮০ ডিগ্রি − ৭৫ ডিগ্রি = ১০৫ ডিগ্রি উত্তর: ১০৫ ডিগ্রি
a 0.027
b ০.০০০২৭
c ০.০০০০২৭
d 0.00027
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.০০০০২৭ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ০.৩০ দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০৩০ তৃতীয় সংখ্যা = ০.০০৩ ধরি, সংখ্যা তিনটির দশমিক বাদ দিয়ে সাধারণ গুণ্য = ৩ × ৩ × ৩ পূর্ণ সংখ্যার গুণফল = ২৭ অতএব, প্রথম সংখ্যায় দশমিকের পর অংক আছে দুই ঘর দ্বিতীয় সংখ্যায় দশমিকের পর অংক আছে তিন ঘর তৃতীয় সংখ্যায় দশমিকের পর অংক আছে তিন ঘর মোট দশমিক ঘরের সংখ্যা = ২ + ৩ + ৩ = ছয় ঘর সুতরাং, ২৭ এর আগে পাঁচটি শূন্য বসিয়ে দশমিক দিতে হবে নির্ণেয় গুণফল হবে ০.০০০০২৭ উত্তর: ০.০০০০২৭
a মুন্সী আব্দুর রহিম
b নূর মোহাম্মদ শেখ
c হামিদুর রহমান
d মোস্তফা কামাল
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুন্সী আব্দুর রহিম কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য খেতাবপ্রাপ্ত বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবধারীর সংখ্যা সাতজন। - মুন্সী আব্দুর রহিম বাংলাদেশের সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের অন্তর্ভুক্ত নন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুন্সী আব্দুর রহিম — তিনি মুক্তিযুদ্ধের কোনো বীরশ্রেষ্ঠ নন, তাই এটি সঠিক উত্তর। B) নূর মোহাম্মদ শেখ — তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য সাহসিকতার জন্য বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত হন। C) হামিদুর রহমান — তিনি ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করে শহিদ হন এবং সর্বকনিষ্ঠ বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব লাভ করেন। D) মোস্তফা কামাল — তিনি ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুদ্ধ করে শহিদ হন এবং বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব পান। মনে রাখার টিপস: সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের নাম মনে রাখার ছন্দ বা সূত্র মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a রাজা শশাঙ্ক
b গিয়াস উদ্দীন আজম শাহ
c ফকরুদ্দীন মোবারক শাহ
d লক্ষণ সেন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাজা শশাঙ্ক কেন সঠিক: - শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে গৌড় রাজ্যের রাজা হন এবং তিনিই প্রথম সমগ্র বাংলার সার্বভৌম ও স্বাধীন নরপতি হিসেবে পরিচিত লাভ করেন। - এর আগে বাংলা ছোট ছোট স্বাধীন অঞ্চলে বিভক্ত ছিল এবং শশাঙ্কই প্রথম বাংলাকে একটি কেন্দ্রীয় শাসনের আওতায় এনেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজা শশাঙ্ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম নরপতি ছিলেন। B) গিয়াস উদ্দীন আজম শাহ — তিনি ছিলেন মধ্যযুগের বাংলার একজন সুলতান, প্রাচীনকালের রাজা নন। C) ফকরুদ্দীন মোবারক শাহ — তিনি ছিলেন বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান, প্রাচীন আমলের রাজা নন। D) লক্ষণ সেন — তিনি ছিলেন সেন রাজবংশের শেষ রাজা এবং বাংলার স্বাধীন রাজা নন। মনে রাখার টিপস: স্বাধীন বাংলার প্রথম রাজা শশাঙ্ক, আর প্রথম স্বাধীন সুলতান ফকরুদ্দীন মোবারক শাহ।
a ৩৫০ নটিকেল মাইল
b ৪০০ নটিকেল মাইল
c ২০০ নটিকেল মাইল
d ৩০০ নটিকেল মাইল
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০ নটিকেল মাইল কেন সঠিক: - ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী উপকূলীয় রেখা বা ভিত্তি রেখা থেকে মহীসোপানের সীমা নির্ধারিত হয়। - এই আইন অনুযায়ী যেকোনো উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের আদর্শ বা ন্যূনতম সীমা ভিত্তি রেখা থেকে ২০০ নটিকেল মাইল পর্যন্ত নির্ধারিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৫০ নটিকেল মাইল — এটি প্রাকৃতিক মহীসোপানের প্রান্তসীমা প্রসারিত হলে তার সর্বোচ্চ সীমা হতে পারে, তবে স্বাভাবিক বা সাধারণ সীমা এটি নয়। B) ৪০০ নটিকেল মাইল — এটি সমুদ্র আইন কনভেনশনে মহীসোপানের সীমার জন্য নির্ধারিত কোনো মান নয়। C) ২০০ নটিকেল মাইল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের মূল আইনগত সীমা। D) ৩০০ নটিকেল মাইল — এটিও সমুদ্র আইনের নিয়ম অনুযায়ী মহীসোপানের কোনো নির্ধারিত বা স্বীকৃত মান নয়। মনে রাখার টিপস: সমুদ্র আইনের ক্ষেত্রে উপকূলীয় রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং মহীসোপানের সাধারণ সীমা মনে রাখতে সংখ্যাটি সবসময় ২০০ নটিকেল মাইল হবে।
a একুশের প্রভাত ফেরী
b মঙ্গল শোভাযাত্রা
c রথযাত্রা
d একুশের বই মেলা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মঙ্গল শোভাযাত্রা কেন সঠিক: - ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর ইথিওপিয়ার রাজধানী আডিস আবাবায় অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর দাপ্তরিক সভায় বাংলাদেশের মঙ্গল শোভাযাত্রাকে মানবতার অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। - পহেলা বৈশাখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিটিউটের উদ্যোগে বের হওয়া এই শোভাযাত্রাটি বাঙালি সংস্কৃতির অসাম্প্রদায়িক ও সার্বজনীন রূপের প্রতীক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একুশের প্রভাত ফেরী — এটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের সঙ্গে যুক্ত হলেও ইউনেস্কোর অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পায়নি। B) মঙ্গল শোভাযাত্রা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) রথযাত্রা — এটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় উৎসব হলেও প্রশ্নে উল্লেখিত আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ঐতিহ্য নয়। D) একুশের বই মেলা — এটি বাংলাদেশের অন্যতম বড় সাহিত্য উৎসব হলেও ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: মঙ্গল শোভাযাত্রা ২০১৬ সালে ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পায়, যার সূচনা করেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিটিউট।
a রোম
b লন্ডন
c টোকিও
d নিউইয়র্ক
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত থাকার কারণে একে বিশ্বের রাজধানী বলা হয়। - বিশ্ব রাজনীতি, অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে এই শহরটি বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের কেন্দ্রস্থল, তবে এটিকে বিশ্ব রাজধানী বলা হয় না। B) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং একটি প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র হলেও এটি বিশ্বের রাজধানী হিসেবে পরিচিত নয়। C) টোকিও — এটি জাপানের রাজধানী এবং বিশ্বের অন্যতম জনবহুল মেগাসিটি, কিন্তু এই উপাধির জন্য এটি নির্দিষ্ট নয়। D) নিউইয়র্ক — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি জাতিসংঘ সদর দপ্তরের অবস্থানের কারণে এই প্রশ্নের জন্য সঠিক। মনে রাখার টিপস: যে শহরে জাতিসংঘ আছে, সেখানেই পৃথিবীর সকল দেশের মিলন ঘটে, তাই জাতিসংঘ সদর দপ্তরযুক্ত নিউইয়র্ক হলো বিশ্বের রাজধানী।
a তৃষ্ণা
b নিষ্কৃতি
c কয়েকটি মৃত্যু
d শেষ বিকেলের মেয়ে
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিষ্কৃতি কেন সঠিক: - নিষ্কৃতি হলো বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প ও নাটক। - জহির রায়হান রচিত উপন্যাসগুলোর মধ্যে তৃষ্ণা, কয়েকটি মৃত্যু এবং শেষ বিকেলের মেয়ে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৃষ্ণা — এটি প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা জহির রায়হান রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। B) নিষ্কৃতি — এটি জহির রায়হানের রচনা নয়, বরং শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত সৃষ্টি। C) কয়েকটি মৃত্যু — এটি জহির রায়হান রচিত একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস। D) শেষ বিকেলের মেয়ে — এটিও জহির রায়হানের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রশংসিত একটি উপন্যাস। মনে রাখার টিপস: শরৎচন্দ্রের 'নিষ্কৃতি' আর জহির রায়হানের 'তৃষ্ণা', 'কয়েকটি মৃত্যু' ও 'শেষ বিকেলের মেয়ে' উপন্যাসগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
a সবগুলোই ঠিক
b চোখে দেখে
c ঘ্রাণ শক্তির মাধ্যমে
d আলট্রাসনিক শব্দের মাধ্যমে
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আলট্রাসনিক শব্দের মাধ্যমে কেন সঠিক: - বাদুড় অন্ধকারে চলাচলের সময় মুখ বা নাক থেকে উচ্চ কম্পাঙ্কের আলট্রাসনিক শব্দ বা প্রতিধ্বনি তৈরি করে। - এই শব্দ সামনে থাকা কোনো বস্তুতে বাধা পেয়ে ফিরে এলে বাদুড় তার দূরত্ব ও অবস্থান নির্ণয় করে নিরাপদে চলাচল করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সবগুলোই ঠিক — এখানে কেবল একটি অপশন সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি ভুল। B) চোখে দেখে — বাদুড়ের চোখ থাকলেও রাতের অন্ধকারে তারা দৃষ্টির চেয়ে শব্দের প্রতিধ্বনির ওপর বেশি নির্ভর করে। C) ঘ্রাণ শক্তির মাধ্যমে — ঘ্রাণ শক্তি খাবার বা পরিবেশ চিনতে সাহায্য করলেও দিক নির্ণয়ে মূল ভূমিকা রাখে না। D) আলট্রাসনিক শব্দের মাধ্যমে — প্রতিধ্বনি তৈরির এই বিশেষ ক্ষমতার মাধ্যমে বাদুড় অন্ধকারে দিক নির্ণয় করে, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: বাদুড়ের প্রতিধ্বনি বা আলট্রাসনিক শব্দ মনে রাখতে 'শব্দই দৃষ্টি' এই সূত্রটি মনে রাখতে পারো।
a নীলিমা ইব্রাহিম
b সেতারা বেগম
c বেগম সুফিয়া কামাল
d জাহানারা বেগম
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সেতারা বেগম কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতা ও অবদানের জন্য মাত্র দুইজন নারী বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন, যাদের মধ্যে সেতারা বেগম অন্যতম। - তিনি সেক্টর দুই এর অধীনে ফিল্ড হাসপাতালে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীলিমা ইব্রাহিম — তিনি একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও গবেষক ছিলেন, কোনো বীরত্বসূচক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা নন। B) সেতারা বেগম — তিনি মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদানের জন্য বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত একজন নারী মুক্তিযোদ্ধা। C) বেগম সুফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি, লেখক ও নারী অধিকার নেত্রী ছিলেন, কোনো বীরত্বসূচক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা নন। D) জাহানারা বেগম — তিনি এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে কোনো খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা নন। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধে নারী বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মাত্র দুইজন, তারা হলেন ডা: সেতারা বেগম ও তারামন বিবি।
a নিশাত মজুমদার
b রাবেয়া ভূঁইয়া
c নাজিয়া সুলতানা
d ওয়াসফিয়া নাজনীন।
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিশাত মজুমদার কেন সঠিক: - নিশাত মজুমদার ১৯শে মে ২০১২ সালে প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন। - পেশাগতভাবে তিনি একজন গ্রাফিক ডিজাইনার এবং তিনি প্রথম সাফারি দলের অংশ হিসেবে এই পর্বত জয় করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিশাত মজুমদার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেছেন। B) রাবেয়া ভূঁইয়া — তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী ব্যারিস্টার এবং সংবিধানের অন্যতম অনুবাদক, পর্বতারোহণের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) নাজিয়া সুলতানা — তিনি এভারেস্ট জয়ী কোনো পর্বтарোহী নন, তাই এই প্রশ্নের উত্তর হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) ওয়াসফিয়া নাজনীন — তিনি দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১২ সালের ২৬শে মে এভারেস্ট জয় করেন, প্রথম নন। মনে রাখার টিপস: নিশাত মজুমদার মানে প্রথম নারী জয়ী এবং এর ঠিক কয়েকদিন পর ওয়াসফিয়া নাজনীন দ্বিতীয় নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন।
a নেলী
b শেলী
c ডলি'
d মলি
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ডলি কেন সঠিক: - যুক্তরাজ্যের রস্লাইন ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা ১৯৯৬ সালে পূর্ণবয়স্ক ভেড়ার কোষ থেকে ক্লোনিং প্রক্রিয়ায় এই ভেড়াটির জন্ম দেন। - ক্লোন করা প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী হিসেবে এর নামকরণ করা হয়েছিল ডলি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেলী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ এটি ক্লোন ভেড়ার নাম নয়। B) শেলী — এটি ডলির মতো কোনো বিখ্যাত ক্লোন ভেড়ার নাম নয়। C) ডলি — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি ক্লোন ভেড়ার আসল নাম। D) মলি — এটি প্রথম সফল ক্লোন ভেড়ার নাম নয়। মনে রাখার টিপস: ক্লোন ভেড়ার নাম মনে রাখতে ডলি শব্দটি याद রাখতে পারো যা বিজ্ঞানের ইতিহাসে প্রথম সফল ক্লোনিংয়ের প্রতীক।
a সম্রাট জাহাঙ্গীর
b শায়েস্তা খাঁন
c ইসলাম খাঁ
d সম্রাট আকবর
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইসলাম খাঁ কেন সঠিক: - ১৬১০ সালে সুবাদার ইসলাম খাঁ মুঘল রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং এর নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর। - তার প্রশাসনিক ও সামরিক কৌশলের অংশ হিসেবে ঢাকাকে প্রথম বাংলার রাজধানী করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্রাট জাহাঙ্গীর — তিনি মুঘল সম্রাট ছিলেন, তবে সরাসরি ঢাকায় রাজধানী স্থাপন করেননি বরং তার নামানুসারে ঢাকার নাম জাহাঙ্গীরনগর রাখা হয়েছিল। B) শায়েস্তা খাঁন — তিনি বাংলার বিখ্যাত সুবাদার ছিলেন, যিনি পরবর্তীতে ঢাকায় শাসন করেছিলেন কিন্তু প্রথম রাজধানী স্থাপনকারী নন। C) ইসলাম খাঁ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। D) সম্রাট আকবর — তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের বিস্তার ঘটিয়েছিলেন, তবে তার আমলেও ঢাকার সঙ্গে বাংলার রাজধানীর কোনো প্রশাসনিক সংযোগ ছিল না। মনে রাখার টিপস: ইসলাম ধর্ম প্রচারের জন্য যেমন নির্দিষ্ট স্থান লাগে, তেমনি মুঘল আমলে ঢাকায় প্রথম রাজধানী স্থাপন করেছিলেন ইসলাম খাঁ।
a ১৫ জুন, ২০০৯
b ১৮ এপ্রিল, ২০১২
c ১৪ মার্চ, ২০১২
d ২০ মে, ২০১০
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪ মার্চ, ২০১২ কেন সঠিক: - জার্মানির হামবুর্গ শহরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন ট্রাইব্যুনাল (ITLOS) এই রায় প্রদান করে। - এই রায়ের মাধ্যমে মিয়ানমারের সাথে বঙ্গোপসাগরের ১,১১,০০ বর্গকিলোমিটার সমুদ্র এলাকায় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ জুন, ২০০৯ — এই তারিখে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত মামলার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল। B) ১৮ এপ্রিল, ২০১২ — এটি এই মামলার সাথে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক বা আইনি তারিখ নয়। D) ২০ মে, ২০১০ — এই তারিখে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: মিয়ানমার সমুদ্রসীমা মামলার রায় হয় ২০১২ সালের মার্চ মাসে এবং ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা মামলার রায় হয় ২০১৪ সালের জুলাই মাসে।
a বিশ্ব খাদ্য সংস্থা
b আন্তর্জাতিক আদালত
c বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা
d আন্তর্জাতিক রেডক্রস্
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আন্তর্জাতিক আদালত প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও সাধারণ জ্ঞান কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক আদালত জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ হলেও এটি জাতিসংঘের কোনো সরাসরি অঙ্গসংস্থা বা বিশেষায়িত সংস্থা নয়। - এটি নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত স্বাধীন একটি বিচারালয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্ব খাদ্য সংস্থা — এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি নিয়ে কাজ করে। B) আন্তর্জাতিক আদালত — এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ হলেও এটি স্বাধীনভাবে পরিচালিত একটি আদালত, তাই সঠিক উত্তর। C) বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা — এটি জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য বিষয়ক একটি বিশেষায়িত অঙ্গসংস্থা। D) আন্তর্জাতিক রেডক্রস — এটি একটি স্বতন্ত্র ও নিরপেক্ষ মানবিক সংস্থা, যা জেনেভা কনভেনশনের মাধ্যমে পরিচালিত হয় এবং জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা নয়। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গ ছয়টি, যার মধ্যে বিচারিক অঙ্গ হলো আন্তর্জাতিক আদালত। রেডক্রস কোনো জাতিসংঘের সংস্থা নয়, এটি একটি স্বাধীন মানবিক সাহায্যকারী সংস্থা।
a মেঘনা
b পদ্মা
c কর্ণফুলী
d যমুনা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্ণফুলী কেন সঠিক: - কর্ণফুলী নদী পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে তীব্র বেগে প্রবাহিত হওয়ায় এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে খরস্রোতা নদী। - এই নদীর তলদেশ অসমান এবং এর গতিপথে বাঁক ও উচ্চতার তারতম্য বেশি থাকায় স্রোতের বেগ অনেক বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘনা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রশস্ত ও দীর্ঘ নদী হলেও এর স্রোত কর্ণফুলীর মতো তীব্র বা খরস্রোতা নয়। B) পদ্মা — এটি অত্যন্ত গভীর ও বিশাল প্রমত্তা নদী হলেও এর জলস্রোত কর্ণফুলীর মতো পাহাড়ি ঢালভিত্তিক খরস্রোতা নয়। C) কর্ণফুলী — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ পাহাড়ি অঞ্চলের কারণে এটি দেশের সবচেয়ে খরস্রোতা নদী। D) যমুনা — এটি একটি প্রশস্ত ও বহমান নদ হলেও এর গতিপ্রকৃতি সমতল অঞ্চলের হওয়ায় এটি খরস্রোতা হিসেবে পরিচিত নয়। মনে রাখার টিপস: পাহাড়ের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় বলে কর্ণফুলী নদীর স্রোত সবার চেয়ে বেশি তীব্র বা খরস্রোতা হয়।
a বিপদে পড়া
b সৌভাগ্যের বিষয়
c দিনের প্রথম ভাগ
d আনন্দের বিষয়
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৌভাগ্যের বিষয় কেন সঠিক: - বৃহস্পতি গ্রহ জ্যোতিষশাস্ত্রে সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির প্রতীক বলে বিবেচিত হয়। - একাদশে বৃহস্পতি অবস্থান করার অর্থ হলো অত্যন্ত সৌভাগ্যবান হওয়া বা সুদিন আসা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিপদে পড়া — এই অর্থের জন্য 'কূলহারা হওয়া' বা 'আকাশ ভেঙে পড়া' বাগধারা ব্যবহৃত হয়। C) দিনের প্রথম ভাগ — এটি কোনো নির্দিষ্ট বাগধারার অর্থ নয়, বরং সাধারণ সময়ের নির্দেশ। D) আনন্দের বিষয় — এই অর্থের জন্য 'নথ উলটা' বা 'মন মজে যাওয়া' বাগধারা বেশি উপযোগী। মনে রাখার টিপস: বৃহস্পতি গ্রহ হলো সৌভাগ্যের প্রতীক, তাই একাদশে বৃহস্পতি মানেই জীবনে সৌভাগ্যের আগমন।
a গৌড়
b রাঢ়
c পুণ্ড্র
d মৌর্য
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মৌর্য কেন সঠিক: - মৌর্য হলো প্রাচীন ভারতের একটি সুবিশাল সাম্রাজ্য, কোনো নির্দিষ্ট প্রাচীন বাংলার জনপদ নয়। - মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য, যা বাংলার বাইরে মগধ কেন্দ্রিক ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গৌড় — এটি বর্তমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও এর আশেপাশের এলাকা নিয়ে গঠিত একটি প্রাচীন বাংলার জনপদ। B) রাঢ় — এটি বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ ও ভাগীরথী নদীর পশ্চিম তীরের অংশ নিয়ে গঠিত প্রাচীন বাংলার একটি জনপদ। C) পুণ্ড্র — এটি প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ ছিল, যার কেন্দ্র ছিল বর্তমান মহাস্থানগড়। D) মৌর্য — এটি কোনো জনপদ নয়, বরং ভারতের প্রাচীন রাজবংশ বা সাম্রাজ্য। মনে রাখার টিপস: গৌড়, রাঢ়, পুণ্ড্র, বঙ্গ ও সমতট হলো প্রাচীন বাংলার প্রধান জনপদ, কিন্তু মৌর্য ও গুপ্ত হলো প্রাচীন ভারতীয় সাম্রাজ্য।
a ভুটান
b চীন
c মিয়ানমার
d নেপাল
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মিয়ানমার কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী দেশ মাত্র দুটি, যার একটি ভারত এবং অন্যটি মিয়ানমার। - মিয়ানমার বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত একটি প্রতিবেশী রাষ্ট্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভুটান — ভুটান বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী কোনো দেশ নয়, এটি ভারতের উত্তর দিকে অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত দেশ। B) চীন — চীন বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী দেশ নয়, তবে এটি বাংলাদেশের নিকটবর্তী একটি এশীয় দেশ। C) মিয়ানমার — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী দেশ হিসেবে সঠিক। D) নেপাল — নেপাল বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী দেশ নয়, এটি ভারত ও চীনের মাঝে অবস্থিত একটি দেশ। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের সীমানা রয়েছে মাত্র দুটি দেশের সাথে, তা হলো ভারত ও মিয়ানমার।
a ১ নং সেক্টর
b ১০ নং সেক্টর
c ৯ নং সেক্টর
d ১১ নং সেক্টর
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ নং সেক্টর কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন গঠিত ১০ নং সেক্টরটি কেবল নৌ কমান্ডো বা সাবমেরিনারদের দ্বারা গঠিত হয়েছিল। - এই সেক্টরের কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা ছিল না, সমগ্র জলপথ ও সমুদ্রবন্দর এর আওতাধীন ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ নং সেক্টর — এটি চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী জেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত নিয়মিত সেক্টর ছিল, নৌ কমান্ডো সেক্টর নয়। B) ১০ নং সেক্টর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। ৯ নং সেক্টর — এটি খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী এবং সাতক্ষীরা অঞ্চলের স্থলভাগ ও নদীপথ নিয়ে গঠিত নিয়মিত সেক্টর ছিল। D) ১১ নং সেক্টর — এটি টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ অঞ্চল নিয়ে গঠিত একটি নিয়মিত সেক্টর ছিল। মনে রাখার টিপস: নৌবাহিনী বা পানির সঙ্গে শূন্যের মিল আছে, তাই ১০ নং সেক্টর হলো একমাত্র নৌ কমান্ডো সেক্টর।
a বাতাস।
b পিতল
c লোহা
d জল
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লোহা ১. কেন সঠিক: - লোহা একটিমাত্র উপাদান বা পরমাণু দিয়ে গঠিত, তাই এটি একটি মৌলিক পদার্থ। - প্রকৃতিতে যে পদার্থগুলোকে ভাঙলে বা রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করলে সেই উপাদান ছাড়া অন্য কোনো নতুন পদার্থ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক পদার্থ বলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে পদার্থ কেবল এক ধরণের পরমাণু দ্বারা গঠিত এবং যাকে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় ভেঙে অন্য কোনো সরল পদার্থে পরিণত করা যায় না, তাকে মৌলিক পদার্থ বলে। - রাসায়নিক গঠন: লোহার রাসায়নিক প্রতীক Fe এবং এর পারমাণবিক সংখ্যা ২৬, যা নির্দেশ করে এতে কেবল লোহার পরমাণুই বিদ্যমান। - বাস্তব প্রয়োগ: শিল্পকারখানা, সেতু নির্মাণ এবং ঘরবাড়ি তৈরিতে মৌলিক পদার্থ হিসেবে লোহার ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্বর্ণ বা সোনা ব্যাখ্যা: সোনা একটি মৌলিক পদার্থ কারণ এটি শুধু সোনা বা Au পরমাণু দিয়েই তৈরি। উদাহরণ ২: অক্সিজেন গ্যাস ব্যাখ্যা: বাতাসে থাকা অক্সিজেন একটি মৌলিক পদার্থ যা দুটি অক্সিজেন পরমাণুর সমন্বয়ে গঠিত অণু হলেও উপাদান হিসেবে এটি মৌলিক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাতাস — বাতাস একটি মিশ্রণ, যাতে অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন ডাইঅক্সাইডসহ নানা গ্যাস মিশে থাকে। B) পিতল — পিতল একটি সংকর ধাতু, যা তামা ও দস্তার সমন্বয়ে তৈরি হয়। C) লোহা — এটি সঠিক উত্তর কারণ লোহা একটি মৌলিক পদার্থ। D) জল — জল বা পানি একটি যৌগিক পদার্থ, যা হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন রাসায়নিকভাবে যুক্ত হয়ে গঠিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রকৃতিতে পাওয়া একক উপাদানগুলো হলো মৌলিক পদার্থ আর একাধিক উপাদান মিলে তৈরি হলে তা যৌগিক বা মিশ্রণ। - লোহা, তামা, সোনা এগুলো হলো মৌলিক পদার্থের ভালো উদাহরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পর্যায় সারণিতে এ পর্যন্ত ১১৮টি মৌলিক পদার্থ আবিষ্কৃত হয়েছে। - পরীক্ষাসমূহে প্রায়ই সোনা, লোহা, পানি ও বাতাসের মধ্যে কোনটি মৌলিক বা যৌগিক তা নির্ণয় করতে বলা হয়।
a নিকেল
b পিতল
c লৌহ,
d ইস্পাত
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পিতল ১. কেন সঠিক: পিতল চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় না কারণ এটি একটি অ-চৌম্বকীয় ধাতু সংকর। চৌম্বক ক্ষেত্র পিতলের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে না বা এর পরমাণুগুলো চুম্বক দ্বারা প্রভাবিত হয় না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: যেসব পদার্থ চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় তাদেরকে চৌম্বক পদার্থ বলে। কার্যপ্রণালি: চৌম্বক পদার্থের অণুতে থাকা ডোমেইনগুলো চৌম্বক ক্ষেত্রে আসার পর শৃঙ্খলিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফ্রিজের দরজায় চুম্বক লাগিয়ে রাখা। ব্যাখ্যা: ফ্রিজের দরজা লোহা বা ইস্পাত দিয়ে তৈরি হওয়ায় চুম্বক সেটিকে আকর্ষণ করে ধরে রাখে। উদাহরণ ২: পিতলের তৈরি তৈজসপত্র। ব্যাখ্যা: পিতলের চামচ বা থালার কাছে চুম্বক ধরলে তা কোনো আকর্ষণ অনুভব করে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিকেল — এটি একটি শক্তিশালী চৌম্বক পদার্থ এবং চুম্বক দ্বারা জোরালোভাবে আকৃষ্ট হয়। B) পিতল — এটি তামা ও দস্তার একটি সংকর ধাতু এবং চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় না। C) লৌহ — এটি প্রাকৃতিক চৌম্বক পদার্থ এবং চুম্বক একে খুব সহজেই আকর্ষণ করে। D) ইস্পাত — এটি লোহার সংকর এবং স্থায়ী চুম্বক তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: লৌহ, নিকেল ও কোবাল্ট এই তিনটি প্রধান চৌম্বক ধাতু সহজে মনে রাখবে। সংকর ধাতু যেমন পিতল বা ব্রোঞ্জ চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তামা, দস্তা, অ্যালুমিনিয়াম এবং সোনা হলো অ-চৌম্বক পদার্থের সাধারণ উদাহরণ। একই ধারণা থেকে পরীক্ষায় আসতে পারে কোনটি চৌম্বক পদার্থ নয়।
a সুতনী
b রূপসা
c বিজয়
d সুলেখা
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিজয় ১. কেন সঠিক: বিজয় হলো কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইসে বাংলা লেখার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সফটওয়্যার বা লেআউট। এটি ডাইনামিক কিবোর্ড লেআউট এবং ইউনিকোড ও এএনএসআই এনকোডিং সমর্থন করার মাধ্যমে কম্পিউটারে বাংলা লেখার পথ সুগম করেছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: বিজয় হলো মোস্তফা জব্বার কর্তৃক ১৯৯৩ সালে উদ্ভাবিত একটি বাংলা কিবোর্ড লেআউট এবং লেখার সফটওয়্যার। কার্যপদ্ধতি: এটি কিবোর্ডের নির্দিষ্ট বোতাম চাপার মাধ্যমে ইউনিকোড বা এএনএসআই ফন্ট ব্যবহার করে মনিটরে বাংলা বর্ণ প্রদর্শন করে। ব্যবহার: বাংলাদেশের সরকারি-বেসরকারি অফিস, প্রকাশনা শিল্প এবং সাধারণ ডেক্সটপ রাইটিংয়ে বাংলা লেখার কাজে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারে বই বা পত্রিকা ছাপানোর কাজ। ব্যাখ্যা: প্রিণ্ট মিডিয়া বা প্রকাশনা শিল্পে নিখুঁতভাবে বাংলা লেখার জন্য বিজয় সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: জাতীয় পরিচয়পত্র বা সরকারি ফরম পূরণ। ব্যাখ্যা: বিভিন্ন দাপ্তরিক নথিপত্র এবং বাংলা ডেটা এন্ট্রি করার সময় বিজয় কিবোর্ড লেআউটের সাহায্য নেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুতনী — এটি কোনো সফটওয়্যার নয়, বরং এটি একটি জনপ্রিয় বাংলা ফন্টের নাম (যেমন: সুতনীএমজে)। B) রূপসা — এটি বাংলা লেখার কোনো স্ট্যান্ডার্ড সফটওয়্যার বা কিবোর্ড লেআউট নয়। D) সুলেখা — এটি বাংলা লেখার সফটওয়্যার বা কিবোর্ড লেআউট হিসেবে পরিচিত নয়, এটি মূলত একটি সাধারণ নাম। ৫. মনে রাখার টিপস: বিজয়ের প্রথম অক্ষর ব এবং বাংলাদেশের জনপ্রিয় বাংলা লেখার সফটওয়্যারও বিজয়, যা মোস্তফা জব্বার তৈরি করেছেন। পরীক্ষায় বাংলা লেখার সফটওয়্যার বা কিবোর্ড আসলে সাধারণত বিজয় বা অভ্র নাম দুটি বেশি আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিজয় কিবোর্ডের জনক বা প্রবর্তক হলেন মোস্তফা জব্বার এবং এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৯৩ সালে। অন্য একটি জনপ্রিয় বাংলা লেখার সফটওয়্যার হলো অবুঝ বা অভ্র, যা ২০০৩ সালে তৈরি হয়েছিল।
a মেগাবাইট
b কিলোবাইট
c গিগাবাইট
d টেরাবাইট
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) টেরাবাইট ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার প্রযুক্তিতে ডেটা পরিমাপের এককগুলোর মধ্যে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে টেরাবাইট হলো সবচেয়ে বড় একক। বিটের পর বাইট, কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট হয়ে টেরাবাইটের অবস্থান অনেক উর্ধ্বে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কম্পিউটার মেমোরি বা স্টোরেজ পরিমাপের একক হলো বাইট এবং তার বিভিন্ন গুণোত্তর রূপ। কার্যপদ্ধতি: প্রতি এক হাজার চব্বিশ বা দুই এর দশ ঘাত হিসেবে ডেটার এককগুলো ধাপে ধাপে বড় হতে থাকে। পার্থক্য: মেগাবাইটের চেয়ে গিগাবাইট বড় এবং গিগাবাইটের চেয়ে টেরাবাইট অনেক বড়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি স্মার্টফোনের সাধারণ অভ্যন্তরীণ মেমোরি সাধারণত ৬৪ বা ১২৮ গিগাবাইট হয়ে থাকে। ব্যাখ্যা: এটি বোঝায় ফোনটি কতখানি ডেটা সংরক্ষণ করতে পারবে। উদাহরণ ২: একটি আধুনিক এক্সটার্নাল হার্ডডিস্ক ড্রাইভের ধারণক্ষমতা সাধারণত ১ বা ২ টেরাবাইট হয়। ব্যাখ্যা: এটি গিগাবাইটের চেয়ে অনেক বেশি ছবি, ভিডিও বা ফাইল সংরক্ষণ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেগাবাইট — মেগাবাইট গিগাবাইট ও টেরাবাইটের চেয়ে ছোট একক তাই এটি সবচেয়ে বড় নয়। B) কিলোবাইট — কিলোবাইট মেগাবাইট, গিগাবাইট ও টেরাবাইটের চেয়ে অনেক ছোট একক তাই এটি সঠিক নয়। C) গিগাবাইট — গিগাবাইট টেরাবাইটের চেয়ে ছোট একক হওয়ায় এটি সবচেয়ে বড় নয়। D) টেরাবাইট — প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে বড় ডেটা পরিমাপের একক। ৫. মনে রাখার টিপস: ছোট থেকে বড় ক্রম মনে রাখার কৌশল হলো কিলো, মেগা, গিগা, টেরা। প্রতি ধাপে ডেটার পরিমাণ এক হাজার চব্বিশ গুণ বৃদ্ধি পায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ডেটার ছোট থেকে বড় বা বড় থেকে ছোট ক্রম সাজাতে বলা হয়। টেতারাবাইটের পরবর্তী বড় একক হলো পে্টাবাইট।

মোট প্রশ্ন (19)

a কর্তায় শূন্য
b কর্মে শূন্য
c কর্মে ষষ্ঠী
d সম্প্রদানে ষষ্ঠী
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সম্প্রদানে ষষ্ঠী ১. কেন সঠিক: - সত্য ত্যাগ করে বা কোনো প্রতিদান বা স্বত্ব ত্যাগ করে কাউকে কিছু দান বা প্রদান করা বোঝালে সম্প্রদান কারক হয়। - এখানে দেশের জন্য সেবা করার মধ্যে স্বার্থহীনভাবে নিজেকে উৎসর্গ করার ভাব প্রকাশ পেয়েছে, যা সম্প্রদান কারকের মূল নিয়ম সমর্থন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে দান বা সাহায্য করা হয়, তাকে ব্যাকরণের ভাষায় সম্প্রদান কারক বলা হয়। - 'দেশ' শব্দের সঙ্গে ষষ্ঠী বিভক্তির চিহ্ন 'র' যুক্ত হয়ে 'দেশের' পদটি গঠিত হয়েছে এবং এটি সম্প্রদান কারকে ষষ্ঠী বিভক্তি নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দরিদ্রকে অন্ন দাও। ব্যাখ্যা: এখানে দরিদ্রকে নিঃস্বার্থভাবে সাহায্য করা বোঝানো হয়েছে, তাই এটি সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তি। উদাহরণ ২: ভিখারিকে ভিক্ষা দাও। ব্যাখ্যা: এটিও স্বত্ব ত্যাগ করে দান করার উদাহরণ, যা সম্প্রদান কারকের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তায় শূন্য — বাক্যটিতে ক্রিয়ার সম্পাদনকারী বা কর্তা বোঝানো হয়নি, বরং দেশের জন্য সেবা করার নিমিত্ত বা উদ্দেশ্য প্রকাশ পেয়েছে। B) কর্মে শূন্য — কর্ম কারক হতে হলে ক্রিয়াকে কী বা কাগকে প্রশ্ন করে উত্তর পেতে হয় এবং সেখানে স্বত্ব ত্যাগের ব্যাপার থাকে না। C) কর্মে ষষ্ঠী — এখানে সেবা করার কাজটি কর্ম নয় এবং এটি নিমিত্ত বা সম্প্রদান ভাবের সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক নয়। D) সম্প্রদানে ষষ্ঠী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে স্বত্ব ত্যাগ করে দেশের সেবা করার অর্থ প্রকাশিত হয়েছে এবং ষষ্ঠী বিভক্তি যুক্ত রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিঃস্বার্থভাবে দান, সেবা বা সাহায্য করা বোঝালে সম্প্রদান কারক হয়। - বাক্যে 'জন্য' বা 'নিমিত্ত' অর্থ প্রকাশ পেলে এবং তা স্বত্ব ত্যাগ করলে সম্প্রদান কারক নির্ধারণ করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সম্প্রদান কারকে সাধারণত চতুর্থী বা ষষ্ঠী বিভক্তি যুক্ত হয়। - পরীক্ষা কারক নির্ণয়ের সময় কাজের ধরন এবং স্বার্থের বিষয়টি ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a কোমল
b সুস্থির
c নিরীহ
d সুবিনীত
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিরীহ ১. কেন সঠিক: - দুর্দান্ত শব্দের অর্থ অত্যন্ত শক্তিশালী, উগ্র, অদম্য বা ভয়ংকর স্বভাবের ব্যক্তি। - এর বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে নিরীহ সবচেয়ে উপযুক্ত, যার অর্থ শান্ত, সরল বা ক্ষতিকর নয় এমন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের মূল ভাব বা তীব্রতার বিপরীত দিকটি বিবেচনা করতে হয়। - এখানে দুর্দান্ত শব্দটির মধ্যে যে উগ্রতা বা তীব্রতার প্রকাশ রয়েছে, নিরীহ শব্দটির মাধ্যমে তার সম্পূর্ণ শান্ত ও হিতকর রূপ প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুর্দান্ত গতি ব্যাখ্যা: এই বাক্যে দুর্দান্ত শব্দটি গতির তীব্রতা বা অদম্য বেগ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: নিরীহ প্রাণী ব্যাখ্যা: এই বাক্যে নিরীহ শব্দটি প্রাণীর শান্ত ও ক্ষতি না করার স্বভাব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোমল — কোমল শব্দের অর্থ নরম। এটি মূলত কঠিন বা শক্ত শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে বেশি মানানসই। B) সুস্থির — সুস্থির শব্দের অর্থ স্থির বা শান্ত। এটি মূলত অস্থির শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) নিরীহ — এটি সঠিক উত্তর। দুর্দান্ত শব্দের বিপরীত হিসেবে এটি শান্ত ও উগ্রতাহীন ভাব প্রকাশ করে। D) সুবিনীত — সুবিনীত শব্দের অর্থ অত্যন্ত বিনীত বা নম্র। এটি উদ্ধত বা অহিম্বাদী শব্দের বিপরীতার্থক। ৫. মনে রাখার টিপস: - দুর্দান্ত মানে যে খুব তেজ দেখায়, আর নিরীহ মানে যে কোনো কারো ক্ষতি করে না। - পরীক্ষার হলে শব্দের তীব্রতা ও স্বভাব মিলিয়ে বিপরীত শব্দ নির্ধারণ করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের ভাবার্থ বা তীব্রতা খেয়াল রাখতে হয়। - একই নিয়মে উগ্র শব্দের বিপরীত শান্ত বা নিরীহ হতে পারে।
a অনির্বচনীয়
b নির্বচনীয়
c অবর্ণনীয়
d বর্ণনাতীত
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অবর্ণনীয় ১. কেন সঠিক: কথায় বা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না এমন কোনো বিষয় বা বস্তুকে এককথায় অবর্ণনীয় বলা হয়। এখানে বরণ বা বর্ণন ধাতু থেকে আগত শব্দের মাধ্যমে ভাষায় প্রকাশ করার অক্ষমতা প্রকাশ পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে সংক্ষিপ্ত করে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই বাক্য সংকোচন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দরবনের সৌন্দর্য ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়, এটি অবর্ণনীয়। ব্যাখ্যা: সুন্দরবনের রূপ এত বেশি মুগ্ধকর যে তা মুখের কথায় বা বর্ণনায় ফুটিয়ে তোলা যায় না বোঝাতে অবর্ণনীয় শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: যুদ্ধের ভয়াবহতা এতটাই মর্মান্তিক ছিল যে তার দৃশ্য অবর্ণনীয়। ব্যাখ্যা: যুদ্ধের চরম নিষ্ঠুরতা ও কষ্টের চিত্র এতটাই বিশাল যে তা বর্ণনার অতীত বা অবর্ণনীয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনির্বচনীয় — যা ভাষায় বা বাক্যে প্রকাশ করা যায় না, কিন্তু এর মূল অর্থ যা নির্দেশ করা যায় না বা যা ভাষায় অতীন্দ্রিয়। B) নির্বচনীয় — যার নির্বাচন করা হয়েছে বা যা নির্বাচন করার যোগ্য, তাই এটি কথার সঙ্গে মেলে না। D) বর্ণনাতীত — যা বর্ণনা করা অতীত বা বর্ণনার অতীত, তবে 'কথায় বর্ণনা করা যায় না' অর্থে সরাসরি অবর্ণনীয় শব্দটি প্রমিত ও বেশি উপযোগী। ৫. মনে রাখার টিপস: কথায় বর্ণনা করা যায় না মানেই অবর্ণনীয়, যেখানে বর্ণনা শব্দটির সঙ্গে সরাসরি মিল রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য সংকোচন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই মূল শব্দের সঙ্গে মিল রেখে সঠিক বিকল্পটি বেছে নিতে হবে।
a ছড়ার শব্দ
b শব্দের দ্বিরুক্তি
c ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি
d পদের দ্বিরুক্তি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পদের দ্বিরুক্তি কেন সঠিক: - 'টাপুর টুপুর' শব্দটিতে একই পদ পরপর দুইবার ব্যবহৃত হয়েছে। - বাংলা ব্যাকরণ অনুসারে দুটি পদ পাশাপাশি বসে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করলে তাকে পদের দ্বিরুক্তি বলে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য, বিশেষণ বা অব্যয় পদ পরপর দুইবার ব্যবহার করে পদের দ্বিরুক্তি গঠন করা হয়। - বাংলা কবিতায় ও গানে বৃষ্টির শব্দ বোঝাতে এই বিশেষ পদের দ্বিরুক্তি ব্যবহার করা হয়। - যেমন বাক্যে ব্যবহারের সময় এটি একটি সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ছড়ার শব্দ — এটি ছড়ার অংশ হলেও ব্যাকরণের পরিভাষায় এটি সঠিক পদ গঠন নির্দেশ করে না। - B) শব্দের দ্বিরুক্তি — শব্দের চেয়ে এটি নির্দিষ্ট পদের পুনরাবৃত্তি হিসেবে বেশি উপযোগী। - C) ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি — এটি কোনো ধ্বনির অনুকরণে তৈরি সাধারণ ধ্বন্যাত্মক শব্দ নয়, বরং পদের অন্তর্ভুক্ত। - D) পদের দ্বিরুক্তি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে পদ দুবার বসেছে। মনে রাখার টিপস: - বাক্যে একই পদ দুইবার বসলে তাকে পদের দ্বিরুক্তি বলা হয়।
a সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
b রাজ শেখর বসু
c সমর সেন
d সমরেশ মজুমদার
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'নীল লোহিত' হলো বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় সাহিত্যিক ছদ্মনাম। - তিনি এই ছদ্মনামে মূলত তাঁর কিশোর ও তরুণ উপযোগী এবং জীবনের নানা অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা গল্প ও উপন্যাস প্রকাশ করতেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ঔপন্যাসিক, কবি ও প্রাবন্ধিক। - তাঁর সৃষ্ট 'নীল লোহিত' চরিত্রটি এবং এই ছদ্মনামে লেখা বইগুলো বাংলা পাঠকসমাজে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম 'নীল লোহিত'। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর বহুল ব্যবহৃত একটি সাহিত্যিক নাম যা দিয়ে তিনি লেখালেখি করতেন। উদাহরণ ২: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের আরেকটি ছদ্মনাম 'সনাতন পাঠক'। ব্যাখ্যা: তিনি একাধিক ছদ্মনামে বিভিন্ন ঘরানার লেখা প্রকাশ করতেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ নীল লোহিত তাঁরই ছদ্মনাম। B) রাজ শেখর বসু — এটি ভুল কারণ তাঁর ছদ্মনাম 'পরশুরাম'। C) সমর সেন — এটি ভুল কারণ তিনি মূলত আধুনিক বাংলা কবিতার কবি এবং তাঁর কোনো জনপ্রিয় ছদ্মনাম নেই। D) সমরেশ মজুমদার — এটি ভুল কারণ তাঁর জনপ্রিয় ছদ্মনাম 'সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়' বা অন্য কোনোটি নয়, তিনি নিজের নামেই লিখতেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুনীল মানে নীল আকাশ, তাই তাঁর ছদ্মনামেও 'নীল' শব্দযুক্ত 'নীল লোহিত' রয়েছে। - ছদ্মনাম মনে রাখার জন্য লেখকের মূল নামের সঙ্গে মিল খুঁজে দেখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকদের ছদ্মনাম থেকে প্রশ্ন আসে। - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নীল লোহিত এবং রাজশেখর বসুর পরশুরাম নাম দুটি বারবার বিভিন্ন পরীক্ষায় আসে।
a অনু + এষণ
b অনু + এষন
c অন + এষণ
d অন্ত + এষণ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অনু + এষণ ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়ম অনুসারে ই-কার বা ঈ-কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ই-কার বা ঈ-কারের জায়গায় য-ফলা হয়। এখানে 'অনু' শব্দের শেষ উ-কার এবং 'এষণ' শব্দের শুরুর 'এ' মিলে য-ফলা যুক্ত হয়েছে এবং শব্দটি অন্বেষণ হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম বা ই-সন্ধির সূত্র হিসেবে পরিচিত। এখানে উ-কার কিংবা ঊ-কারের পর স্বরধ্বনি থাকলে উ-কার বা ঊ-কারের জায়গায় ব-ফলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সু + আগত = স্বাগত ব্যাখ্যা: উ-কারের পর স্বরধ্বনি অ থাকলে উ-কার স্থানে ব-ফলা হয়ে স্বাগত গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: অনু + ইতিক = অন্বিতিক ব্যাখ্যা: উ-কারের পর স্বরধ্বনি ই থাকলে উ-কার স্থানে ব-ফলা হয়ে অন্বিতিক গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনু + এষণ — এটি সঠিক কারণ এতে সন্ধির সঠিক নিয়ম মেনে 'অন্বেষণ' গঠিত হয়েছে। B) অনু + এষন — এখানে বানানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। C) অন + এষণ — এখানে প্রথম অংশ সঠিক নয় কারণ সন্ধির জন্য মূল উপসর্গ 'অনু' হওয়া প্রয়োজন। D) অন্ত + এষণ — এখানে প্রথম অংশ 'অন্ত' ভুল কারণ এটি খণ্ডিত রূপ এবং সঠিক মূল শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সন্ধি বিচ্ছেদের সময় শব্দের উৎস মূল খুঁজে বের করতে হবে। উ-কারযুক্ত উপসর্গ যেমন অনু এর সাথে স্বরবর্ণ যুক্ত হলে ব-ফলা হয় এই নিয়মটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই জাতীয় ই-সন্ধি বা উ-সন্ধির নিয়ম প্রায়ই আসে। নিয়মগুলো চর্চা করলে খুব সহজেই এক নম্বর নিশ্চিত করা সম্ভব।
a সঙ্গদোষে নষ্ট
b সৎসঙ্গে স্বর্গবাস
c সঙ্গ দেখে লোক চেনা যায়
d মানিকে মানিক চেনে
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মানিকে মানিক চেনে ১. কেন সঠিক: ইংরেজি প্রবাদ বাক্য Diamond cuts Diamonds-এর ভাবানুবাদ হলো মানিকে মানিক চেনে। এর অর্থ হলো গুণী ব্যক্তিই অন্য গুণী ব্যক্তির প্রকৃত মূল্যায়ন করতে পারেন এবং সমকক্ষরাই একে অপরকে ভালোভাবে বোঝেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি একটি জনপ্রিয় প্রবাদ-প্রবচন বা লোকজ অভিব্যক্তি। প্রবাদ-প্রবচন হলো দীর্ঘদিনের জনশ্রুতি ও অভিজ্ঞতার ফল যা সংক্ষিপ্ত বাক্যে গভীর অর্থ প্রকাশ করে এবং ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে ব্যাখ্যা: কোনো বিপদ ঘটার পর তা থেকে বাঁচার বা প্রতিকার করার কথা মনে হওয়া অর্থে এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা ব্যাখ্যা: নিজের অদক্ষতা বা ব্যর্থতা ঢাকতে অন্য কোনো অজুহাত দেখানোর ক্ষেত্রে এই প্রবাদটি প্রযোজ্য হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঙ্গদোষে নষ্ট — এই প্রবাদটি কুসংসর্গ বা খারাপ মানুষের সঙ্গে মিশে চরিত্র নষ্ট হওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা মূল ইংরেজি প্রবাদের অর্থের সঙ্গে মিলে না। B) সৎসঙ্গে স্বর্গবাস — এই প্রবাদটির অর্থ ভালো মানুষের সঙ্গে মিশলে জীবন সুন্দর বা কল্যাণকর হয়, যা প্রদত্ত প্রবাদের ভাবার্থ নয়। C) সঙ্গ দেখে লোক চেনা যায় — এই প্রবাদটির অর্থ মানুষের আচরণ বা চরিত্র তার বন্ধুবান্ধব দেখে অনুমান করা যায়, যা এই প্রশ্নের সঠিক অনুবাদ নয়। D) মানিকে মানিক চেনে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Diamond cuts Diamonds প্রবাদটির উপযুক্ত এবং প্রমিত বাংলা ভাবানুবাদ। ৫. মনে রাখার টিপস: ইংরেজি Diamond শব্দের অর্থ হীরা বা মানিক এবং cut শব্দের সঙ্গে মিল রেখে সমকক্ষ চেনার ক্ষেত্রে মানিকে মানিক চেনে প্রবাদটি মনে রাখতে পারো। ইংরেজি প্রবাদের ভাবানুবাদ মুখস্থ করার সময় আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে অর্থের গভীরতা খেয়াল রাখা উচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ ও প্রবচনের সঠিক বাংলা রূপ জানতে চাওয়া হয়। প্রবাদ-প্রবচনগুলোর ভাবার্থ বুঝে পড়লে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
a গ্রামীণ অশিক্ষিত ও অখ্যাত লোকের সৃষ্ট রচনাকে
b গ্রামীন নরমনারীর প্রণয় সংবলিত উপাখ্যানকে
c লোক সাধারণের কল্যাণে দেবতার শ্রুতিমূলক রচনাকে
d লোকের মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনি, গান, ছড়া, ইত্যাদিকে
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ਲੋকের মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনি, গান, ছড়া, ইত্যাদিকে ১. কেন সঠিক: লোকসাহিত্য হলো এমন সাহিত্য যা কোনো একক লেখকের লিখিত সৃষ্টি নয়, বরং সমাজে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত ও অভিযোজিত হয়ে আসছে। এটি গ্রামীণ জনপদের মানুষের আশা, আকাঙ্ক্ষা, সুখ ও দুঃখের মৌখিক অভিব্যক্তি যার কোনো নির্দিষ্ট রচয়িতা বা মুদ্রণের ইতিহাস থাকে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: লোকসাহিত্য বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত প্রাচীন ও সমৃদ্ধ ধারা যা মূলত লোকসংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এবং জসীমউদ্দীনের মতো গবেষকগণ বাংলা লোকসাহিত্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৈমনসিংহ গীতিকা ব্যাখ্যা: এটি বাংলার লোকসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন যা সাধারণ মানুষের মুখে মুখে বেঁচে ছিল এবং পরে সংকলিত হয়েছে। উদাহরণ ২: খনার বচন ব্যাখ্যা: কৃষিসमाज ও দৈনন্দিন জীবনের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা লোকসাহিত্যের একটি চমৎকার মৌখিক রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রামীণ অশিক্ষিত ও অখ্যাত লোকের সৃষ্ট রচনাকে — লোকসাহিত্য কেবল অশিক্ষিত মানুষের সৃষ্টি নয়, বরং সমাজের সামষ্টিক মানস এর পেছনে কাজ করে। B) গ্রামীন নরমনারীর প্রণয় সংবলিত উপাখ্যানকে — এটি লোকসাহিত্যের একটি নির্দিষ্ট অংশ হতে পারে, কিন্তু সমগ্র লোকসাহিত্যের সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ সংজ্ঞা নয়। C) লোক সাধারণের কল্যাণে দেবতার শ্রুতিমূলক রচনাকে — এটি লোকসাহিত্যের সংজ্ঞা নয়, বরং এটি সাধারণত বেদ বা ধর্মীয় শ্রুতিসাহিত্যের সঙ্গে তুলনীয়। D) লোকসাহিত্যের সংজ্ঞার সঙ্গে এই অপশনটি নিখুঁতভাবে মিলে যায় কারণ মৌখিক ঐতিহ্যই এর মূল বৈশিষ্ট্য। ৫. মনে রাখার টিপস: লোকসাহিত্য মানেই মনে রাখতে হবে মৌখিক ঐতিহ্য বা মুখে মুখে প্রচলিত সাহিত্য। এর সঙ্গে লিখিত সাহিত্য বা একক লেখকের কোনো সম্পর্ক থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লোকসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত বিষয় যেমন ছড়া, প্রবাদ, ধাঁধা ও লোকসংগীত থেকে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। মৌখিক ঐতিহ্য এবং লেখকের অনুপস্থিতি লোকসাহিত্যের প্রধান দুটি শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য।
a নতুন
b বর্তমান
c অর্বাচীন
d কোনোটিই নয়
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অর্বাচীন ১. কেন সঠিক: প্রাচীন শব্দের অর্থ পুরনো, কাল প্রাচীন বা বহুদিন আগের। এর সঠিক বিপরীতার্থক বা প্রতিশব্দ হলো অর্বাচীন, যার অর্থ আধুনিক, নতুন বা অপরিপক্ক। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীত শব্দ হিসেবে প্রাচীন শব্দের বিপরীতে অর্বাচীন বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ গঠনে উৎসের মিল থাকা জরুরি। তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ ব্যবহার করতে হয়। প্রাচীন ও অর্বাচীন দুটিই তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ, তাই এদের ব্যাকরণগত মিল নির্ভুল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রাচীন কালের মানুষ গুহায় বাস করত। ব্যাখ্যা: এখানে প্রাচীন শব্দটি অতীত কাল বা বহুপূর্বের সময়কে নির্দেশ করেছে। উদাহরণ ২: অর্বাচীন তরুণদের দেশ গঠনে এগিয়ে আসতে হবে। ব্যাখ্যা: এখানে অর্বাচীন শব্দটি নবীন বা আধুনিক প্রজন্মের তরুণদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নতুন — নতুন শব্দটি মূলত আধুনিক বা সাম্প্রতিক অর্থে ব্যবহৃত হয়, তবে প্রাচীন শব্দের প্রকৃত তৎসম বিপরীত শব্দ হলো অর্বাচীন। B) বর্তমান — বর্তমান বলতে সমসাময়িক কালকে বোঝায়, যা প্রাচীন শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ব্যাকরণসম্মত নয়। C) অর্বাচীন — এটি সঠিক উত্তর। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন সি তে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রপ্রাচীন শব্দের শুরুতে প্র এবং অর্বাচীন শব্দের শুরুতে অর্বা মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। প্রাচীন মানে পুরনো এবং অর্বাচীন মানে নতুন বা আধুনিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে প্রাচীন ও অর্বাচীন জুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমার্থক বা বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের উৎস বা তৎসম রূপের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।
a দ্বন্দ্ব
b বহুব্রীহি
c অব্যয়ীভাব
d তৎপুরুষ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অব্যয়ীভাব ১. কেন সঠিক: - ব্যাসবাক্যে অব্যয়ের অর্থ প্রাধান্য পেলে এবং পূর্বপদের সঙ্গে পরপদের সমাস হলে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। - শৃঙ্খলাকে অতিক্রান্ত এখানে অতিক্রান্ত অর্থে উৎ উপসর্গ যোগে উচ্ছৃঙ্খল শব্দটি গঠিত হয়েছে যা অব্যয়ীভাব সমাসের নিয়ম নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বসে এবং সেই অব্যয়ের অর্থই প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। - এই সমাসে সাধারণত সমাসবদ্ধ পদটি অব্যয় পদে পরিণত হয় এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে নপুংসকলিঙ্গ একবচন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেলা অতিক্রান্ত = উদ্বেল ব্যাখ্যা: এখানে অতিক্রান্ত অর্থে উৎ উপসর্গযোগে অব্যয়ীভাব সমাস সাধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: কণ্ঠকে অতিক্রান্ত = উৎকণ্ঠ ব্যাখ্যা: এখানেও অতিক্রান্ত বাতিক্রম অর্থে উৎ উপসর্গযুক্ত হয়ে অব্যয়ীভাব সমাস গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে, কিন্তু এখানে তা নেই। B) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ বোঝায় না, অন্য পদ বোঝায়। D) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে বিভক্তির লোপ পায়, কিন্তু এটি উপসর্গ যোগে গঠিত অব্যয়ীভাব সমাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - অতিক্রান্ত অর্থে উৎ উপসর্গযুক্ত শব্দ দেখলে সাধারণত অব্যয়ীভাব সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। - উপসর্গের অর্থ প্রধান থাকলে চোখ বন্ধ করে অব্যয়ীভাব সমাস দাগাতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উৎ উপসর্গযুক্ত অব্যয়ীভাব সমাস প্রায়ই আসে। - ব্যাসবাক্যে অতিক্রান্ত বা অতিক্রম থাকলে তা সাধারণত অব্যয়ীভাব সমাস হয়।
a প্রতি + ঊষ
b প্রত্যু + উষ
c প্রতি + উষ
d প্রত্যু + উষ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রতি + ঊষ ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুযায়ী ই-কার বা ঈ-কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ই-কার বা ঈ-কারের স্থানে য-ফলা হয়। এখানে প্রতি শব্দের শেষে ই-কার এবং ঊষ শব্দের শুরুতে দীর্ঘ উ-কার রয়েছে, যা যুক্ত হয়ে য-ফলা এবং উ-কার গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি স্বরসন্ধি তথা ই-সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যেখানে ই বা ঈ এর পরে ভিন্ন স্বর থাকলে তা য হয়। শব্দের প্রথম অংশের অন্তিম ধ্বনি এবং দ্বিতীয় অংশের আদি ধ্বনির মিলনে এই পরিবর্তন সাধিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতি + অন্ত = অত্যন্ত ব্যাখ্যা: এখানে প্রতি শব্দের মতো অতি শব্দের ই-কারের সঙ্গে অন্ত শব্দের অ যুক্ত হয়ে য-ফলা তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: যদি + অপি = যদ্যপি ব্যাখ্যা: ই-কারের পর অ-কার থাকার কারণে ই-কার য-ফলায় রূপান্তরিত হয়ে এই সন্ধি গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতি + ঊষ — এটি সঠিক কারণ নিয়ম অনুযায়ী প্রতি এর ই এবং ঊষ এর ঊ মিলে প্রত্যুষ গঠিত হয়। B) প্রত্যু + উষ — এটি ভুল কারণ প্রত্যু বলে কোনো অর্থপূর্ণ সংস্কৃত উপসর্গ বা শব্দ বাংলায় নেই। C) প্রতি + উষ — এটি ভুল কারণ উষ শব্দের দীর্ঘ ঊ-কার থাকা আবশ্যক, হ্রস্ব উ-কার দিলে বানান ভুল হয়। D) প্রত্যু + উষ — এটি ভুল কারণ প্রথম অংশে প্রত্যু এবং দ্বিতীয় অংশে উষ ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রতি এবং ঊষ শব্দ দুটি আলাদা করে মনে রাখতে হবে যেখানে ঊষ শব্দে সবসময় দীর্ঘ ঊ ব্যবহৃত হয়। সন্ধি বিচ্ছেদের সময় ই-কার যুক্ত উপসর্গ চেনার মাধ্যমে সহজেই এই নিয়ম আয়ত্ত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতি উপসর্গযুক্ত শব্দ যেমন প্রত্যুষ, প্রত্যয় এবং প্রতিপত্তি পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একই নিয়মে গঠিত শব্দগুলোর ক্ষেত্রে দীর্ঘ স্বরধ্বনির ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a মাথার দিব্যি
b মাথা ব্যথা
c মাথা খাওয়া
d মাথা ধরা
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাথার দিব্যি ১. কেন সঠিক: - এখানে 'মাথা খাও' বাগধারাটি আক্ষরিক অর্থে মাথা খাওয়া বোঝায় না, বরং এর রূপক অর্থ হলো মাথার দিব্যি বা কসম দেওয়া। - বিশেষ কোনো কাজের গুরুত্ব বোঝাতে বা কাউকে কোনো কথা দৃঢ়ভাবে মনে করিয়ে দিতে অনুরোধের ক্ষেত্রে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বাগধারা বা প্রবাদ-প্রবচন, যা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা শব্দের সাধারণ বা আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার মাথা খাও, কাজটি আজই শেষ করো। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে কাজটি দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য জোরালো অনুরোধ বোঝাতে মাথা খাও বা মাথার দিব্যি দেওয়ার ভাব প্রকাশ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: বাবা বললেন, আমার মাথা খাও, মিথ্যে কথা বলো না। ব্যাখ্যা: এখানে সত্য কথা বলানোর জন্য এবং জোরালো তাগিদ দিতে মাথা খাও বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাথার দিব্যি — এটি সঠিক কারণ 'মাথা খাও' বাগধারাটির মূল ভাব বা অর্থ হলো কাউকে মাথার দিব্যি বা কসম দেওয়া। B) মাথা ব্যথা — এটি শারীরিক অসুস্থতা বা কোনো সমস্যার কারণে মাথায় বেদনার অনুভূতি বোঝায়, যা বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) মাথা খাওয়া — এটি প্রশ্নের উদ্ধৃতি নিজেই, তবে এর আক্ষরিক অর্থ বা ভুল অপশন হিসেবে এর রূপক অর্থ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। D) মাথা ধরা — এটি সাধারণত শরীরে ক্লান্তি বা সর্দি-কাশির কারণে মাথা ভারী হওয়া বা ব্যথার প্রাথমিক অবস্থাকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো অনুরোধে যখন মাথার কসম বা দিব্যি দেওয়া বোঝায়, তখন সেটি 'মাথা খাও' বাগধারা হিসেবে চিহ্নিত করতে হয়। - আক্ষরিক অর্থ না ধরে বাগধারার প্রচলিত ভাবার্থ মনে রাখলে পরীক্ষায় উত্তর করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পরিচিত বাগধারার বিশেষ অর্থ বা রূপক অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন অনুশীলনের সময় বাগধারার আক্ষরিক অর্থের পরিবর্তে তার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ ভালোভাবে বুঝে পড়তে হবে।
a অপদার্থ
b সাদাসিধা লোক
c সৌখিন ব্যক্তি
d নিরীহ ব্যক্তি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অপদার্থ ১. কেন সঠিক: - 'কচুবনের কাঁলাচাদ' একটি প্রখ্যাত বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থের চেয়ে প্রতীকী অর্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। - কচুবন বা জোপঝাড়ে কোনো মূল্যবান কিছু জন্মায় না, তাই এই বাগধারাটি সম্পূর্ণ অکار্যকর বা নিষ্ক্রিয় ব্যক্তিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং অল্প কথায় মনের ভাব গভীরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অক্কা পাওয়া ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ মারা যাওয়া, যা সাধারণ অর্থ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা একটি ভাব প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: ঢাকের বাঁয়া ব্যাখ্যা: এর অর্থ অতিরিক্ত বা গুরুত্বহীন ব্যক্তি, যা কচুবনের কাঁলাচাদের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপদার্থ — এই অপশনটি সঠিক কারণ কচুবনের কাঁলাচাদ বাগধারাটি সম্পূর্ণ অکار্যকর বা নিষ্ক্রিয় ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। B) সাদাসিধা লোক — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো সরল প্রকৃতির মানুষকে বোঝায় না, বরং অযোগ্য ব্যক্তিকে বোঝায়। C) সৌখিন ব্যক্তি — এই অপশনটি ভুল কারণ সৌখিন মানে বিলাসী বা শৌখিন রুচির মানুষ, যা এর অর্থের বিপরীত। D) নিরীহ ব্যক্তি — এই অপশনটি ভুল কারণ নিরীহ মানে শান্ত বা ক্ষতিকর নয় এমন কেউ, যা এই বাগধারার সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - কচুবনে কাঁলাচাদ বা ভালো মানুষ খুঁজলে যেমন কিছু পাওয়া যায় না, তেমনি অপদার্থ ব্যক্তি থেকেও কোনো কাজের আশা করা যায় না। - কচুবন শব্দটির সাথে অপদার্থ বা গুরুত্বহীন শব্দ মিলিয়ে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অপ্রয়োজনীয় বা অکار্যকর ব্যক্তি বোঝাতে এমন বঙ্কিম বাগধারাগুলো আসে। - এ ধরনের বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে প্রবহমান ভাবার্থটি মনে রাখতে হবে।
a আট প্রকার
b ছয় প্রকার।
c দশ প্রকার
d তিন প্রকার
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আট প্রকার ১. কেন সঠিক: বহুব্রীহি সমাস মূলত আট প্রকার। যে সমাসে সমসমান পদের কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বহুব্রীহি সমাসের প্রধান আটটি প্রকারভেদ হলো সমানাধিকরণ, ব্যাধিকরণ, ব্যতিহার, মধ্যপদলোপী, প্রতিপদ বা প্রাদি, নিপাতনে সিদ্ধ, নয় এবং ব্যাহারিক বহুব্রীহি। বাংলা ব্যাকরণে সমাসের শ্রেণিবিভাগে বহুব্রীহি সমাসের এই আটটি রূপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিনা জপ করে যে জপ = বিনা জপী। এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের একটি সুপরিচিত উদাহরণ। ব্যাখ্যা: একই বিশেষ্য পদের পারস্পরিক ক্রিয়ায় যে সমাস হয়, তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি বলে। উদাহরণ ২: আশে বা গলায় ইক্ষু যার = আশিকুষু। এটি নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাসের একটি উদাহরণ। ব্যাখ্যা: যে বহুব্রীহি সমাস কোনো নির্দিষ্ট ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে না, তাকে নিপাতনে সিদ্ধ বলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আট প্রকার — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা ব্যাকরণের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী বহুব্রীহি সমাস আট প্রকার। B) ছয় প্রকার — এই অপশনটি ভুল কারণ সমাসের প্রধান প্রকারভেদ ছয়টি হলেও বহুব্রীহি সমাস ছয় প্রকার নয়। C) দশ প্রকার — এই সংখ্যাটি বহুব্রীহি সমাসের প্রকারসংখ্যার সঙ্গে মেলে না এবং এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। D) তিন প্রকার — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলা ব্যাকরণে এমন কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই যা বহুব্রীহি সমাসকে তিন প্রকার বলে। ৫ মনে রাখার টিপস: বহুব্রীহি সমাসের প্রকার মনে রাখার জন্য আট সংখ্যাটি মনে রাখবে। বহুব্রীহি শব্দের বানানে যেমন আটটি অক্ষর বা বর্ণভিত্তিক হিসাব রাখা যায়, তেমনি এর প্রকারও আটটি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমাসের প্রকারভেদ থেকে প্রশ্ন আসে। বহুব্রীহি সমাসের আটটি প্রকারের নাম ও উদাহরণ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে যেকোনো পরীক্ষায় সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a আদ্যক্ষর
b আদ্যখর
c আদ্যাক্ষর
d আদ্যোক্ষর
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আদ্যাক্ষর ১. কেন সঠিক: - আদ্যাক্ষর শব্দটির সঠিক গঠন হলো আদি যোগ অক্ষর, যেখানে সন্ধির নিয়মে আদ্য যুক্ত অক্ষর মিলে আদ্যাক্ষর গঠিত হয়েছে। - এখানে প্রথম বা শুরুর অক্ষর অর্থ বোঝাতে শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যা বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শুদ্ধ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি সন্ধি এবং বানান সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন, যেখানে স্বরসন্ধির নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে। - আদি শব্দের সাথে অক্ষর শব্দ যুক্ত হয়ে দীর্ঘ স্বরের প্রভাবে আদ্যাক্ষর রূপ লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বর্ণমালার আদ্যাক্ষর কোনটি তা বলো। ব্যাখ্যা: এখানে আদ্যাক্ষর বলতে প্রথম বর্ণকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: তার নামের আদ্যাক্ষর দিয়ে খাতাটি চিহ্নিত করো। ব্যাখ্যা: নামের প্রথম অক্ষর বোঝাতে এখানে শব্দটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আদ্যক্ষর — এই বানানটিতে মাঝের অক্ষর অংশে আ-কার বা দীর্ঘ রূপ বাদ পড়েছে, তাই এটি ভুল। B) আদ্যখর — এই বানানটিতে যুক্তাক্ষরের পরিবর্তে খ ব্যবহার করা হয়েছে, যা বানানরীতির পরিপন্থী। C) আদ্যাক্ষর — এটি সঠিক এবং প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী গঠিত শব্দ। D) আদ্যোক্ষর — এই বানানটিতে ও-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা শব্দের মূল গঠনের সাথে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - আদি এবং অক্ষর একসাথে লিখলে আদ্যাক্ষর হয়, মাঝখানে কোনো ও-কার বা খর হয় না। - পরীক্ষার হলে বানান মনে রাখতে আদি শব্দের শেষ আকার এবং অক্ষর শব্দের শুরু মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সন্ধিযুক্ত বা প্রত্যয়যুক্ত শব্দের শুদ্ধ বানান আসে। - মূল শব্দ এবং তার সাথে যুক্ত হওয়া অংশটি ভালোভাবে ভাঙতে পারলে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a বরনীয়
b বরেণ্য
c বীরপুরুষ
d বীর
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বরেণ্য ১. কেন সঠিক: - 'বরনের যোগ্য যিনি' বাক্যটির প্রমিত এককথায় প্রকাশ হলো বরেণ্য। - বরেণ্য শব্দটির মূল অর্থ হলো যিনি সম্মান বা শ্রদ্ধা পাওয়ার সম্পূর্ণ উপযুক্ত। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্যসংক্ষেপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - সমাসবদ্ধ বা প্রত্যয়গত দিক থেকে বরণ যোগ য প্রত্যয় যোগ করে এই বিশেষণ পদটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পূজার যোগ্য যিনি = পূজনীয় ব্যাখ্যা: এটিও এককথায় প্রকাশের আরেকটি রূপ যা শ্রদ্ধা জ্ঞাপন বোঝায়। উদাহরণ ২: দেখার যোগ্য যিনি = দর্শনীয় ব্যাখ্যা: এটিও বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ যা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বরনীয় — এটি বানানগতভাবে অশুভ বা ভুল রূপ, কারণ সঠিক বানান বরেণ্য। C) বীরপুরুষ — এই শব্দের অর্থ সাহসী পুরুষ, যা বরনের যোগ্য যিনি বাক্যের সঙ্গে মেলে না। D) বীর — এই শব্দের অর্থ যুদ্ধজয়ী বা সাহসী ব্যক্তি, যা প্রদত্ত বাক্যের ভাব প্রকাশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বরণের যোগ্য হলে বরেণ্য হয়, যেখানে মধ্যণ ব্যবহারের বিষয়টি মনে রাখতে হবে। - পরীক্ষার হলে বানানের দিকে বিশেষ নজর দিলে এই প্রশ্ন সহজে সঠিক করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - সম্মান বা যোগ্যতাসূচক এককথায় প্রকাশগুলো বারবার অনুশীলন করা উচিত।
a উপচার্য
b উপাধ্যক্ষ
c উপাদান
d উপার্জন
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উপচার্য ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটি শুদ্ধ বানান ও বাক্যশুদ্ধি বিষয়ক। এখানে উপচার্য বানানটি অশুদ্ধ কারণ এর শুদ্ধ রূপ উপাচার্য। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সংস্কৃত তৎসম শব্দে চ ছ জ ঝ ই-এর পূর্বে ই-কার বা ঈ-কার এবং চ বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে শ, ষ, স-এর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম প্রযোজ্য হয়। এখানে উপাচার্য শব্দের মূল সংস্কৃত রূপ অনুযায়ী চ-এর পূর্বে ছ যুক্ত হয় না, বরং চ-এর সাথে যুক্ত হয়ে চ্চ গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উৎ + চারণ = উচ্চারণ ব্যাখ্যা: সন্ধির নিয়মে ত বা দ এর পরে চ বা ছ থাকলে ত বা দ স্থানে চ হয়। উদাহরণ ২: সৎ + চরিত্র = চরিত্র ব্যাখ্যা: সন্ধির এই নিয়মের কারণে বানানে চ-এর ব্যবহার নির্দিষ্ট থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপচার্য - এটি ভুল বানান কারণ এখানে চ এর সাথে ছ যুক্ত হয়েছে, যার শুদ্ধ রূপ উপাচার্য। B) উপাধ্যক্ষ - এটি একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বানান এবং এর অর্থ প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা সহকারী প্রধান। সি) উপাদান - এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ কোনো বস্তু তৈরির কাঁচামাল বা উপকরণ। ডি) উপার্জন - এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ আয় করা বা রোজগার করা। ৫ মনে রাখার টিপস: বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান পদকে উপাচার্য বলা হয় এবং বানানটিতে ছ বর্জন করে চ যুক্ত করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দাপ্তরিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পদবি যেমন উপাচার্য, সচিব, মহাপরিচালক বানানগুলো বারবার আসে। নিয়ম মেনে সন্ধি ও প্রত্যয়ভিত্তিক শব্দগুলোর মূল রূপ চর্চা করলে শুদ্ধ বানান সহজেই নির্ণয় করা যায়।
a খড়ের ঘর
b বাগান
c খেলার মাঠ
d পাখির বাসা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) বাগান কেন সঠিক: - 'নিকুঞ্জ' একটি তৎসম শব্দ যার প্রচলিত অর্থ হলো বাগান বা উদ্যান। - বাংলা কাব্যে ও সাহিত্যে সুন্দর সাজানো ফুলবাগান বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে এমন একটি বিশেষ্য পদ। - মধ্যযুগের এবং আধুনিক বাংলা কবিতায় প্রকৃতির সৌন্দর্য বর্ণনা করতে এই শব্দের বহুল ব্যবহার দেখা যায়। - যেমন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনেক গানে কুঞ্জ বা নিকুঞ্জ শব্দের মাধ্যমে ফুলের বাগানের রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) খড়ের ঘর — খড়ের তৈরি বাসস্থানকে কুটিজ বা কুঁড়েঘর বলা হয়, নিকুঞ্জ নয়। - খ) বাগান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। - গ) খেলার মাঠ — খেলাধুলার জন্য নির্ধারিত উন্মুক্ত স্থানকে প্রাঙ্গণ বা খেলার মাঠ বলা হয়। - ঘ) পাখির বাসা — পাখির বসবাসের স্থানকে নিড় বা বাসা বলা হয়, নিকুঞ্জ নয়। মনে রাখার টিপস: - কুঞ্জ বা নিকুঞ্জ দেখলে মনে রাখবে এটি ফুল বা গাছের সমারোহ অর্থাৎ বাগান বোঝায়।
a বিষাদ
b প্রচ্ছন্ন
c নিন্দিত
d বিষণ্ণ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিন্দিত ১. কেন সঠিক: - নন্দিত শব্দের অর্থ প্রশংসিত, আদৃত বা আনন্দিত। এর সরাসরি বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে নিন্দিত শব্দ যার অর্থ সমালোচিত বা ধিকৃত। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের মূল ভাব এবং উৎসের দিকে খেয়াল রাখতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়। - নন্দিত একটি সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ যার বিপরীত শব্দ হিসেবে নিন্দিত শব্দটি ব্যাকরণগত ও আর্থিকভাবে সবচেয়ে উপযোগী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উন্নত - অবনত ব্যাখ্যা: উন্নত শব্দের অর্থ উচু এবং অবনত শব্দের অর্থ নিচু যা একে অপরের বিপরীত। উদাহরণ ২: প্রকাশ - গোপন ব্যাখ্যা: প্রকাশ শব্দের অর্থ যা সবার সামনে দৃশ্যমান এবং গোপন শব্দের অর্থ যা লুকিয়ে রাখা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষাদ — বিষাদ শব্দের অর্থ দুঃখ বা বেদনা, যা নন্দিত শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) প্রচ্ছন্ন — প্রচ্ছন্ন শব্দের অর্থ লুক্কায়িত বা গুপ্ত, যা নন্দিত শব্দের বিপরীতার্থক নয়। C) নিন্দিত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) বিষণ্ণ — বিষণ্ণ শব্দের অর্থ মন খারাপ বা মলিন, এটি নন্দিত শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নন্দিত মানে প্রশংসিত আর নিন্দিত মানে সমালোচিত, এভাবে পজিটিভ ও নেগেটিভ অর্থ দিয়ে মনে রাখা সহজ। - পরীক্ষার হলে শব্দের উৎস এবং অর্থের তীব্রতা মিলিয়ে বিপরীত শব্দ নির্ধারণ করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ খুব বেশি আসে। - নন্দিত ও নিন্দিত জোড়টি প্রায়ই পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে নির্বাচিত হয়।

মোট প্রশ্ন (19)

a shines
b is shining
c has been shining
d had been shining
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) is shining কেন সঠিক: - বাক্যের শুরুতে It is ১১ am now উল্লেখ থাকায় এটি বর্তমান মুহূর্তের চলমান কাজ বোঝাচ্ছে। - এই ধরনের বর্তমানের চলমান ঘটনা বোঝাতে Present Continuous Tense অর্থাৎ subject-এর পরে am, is, are এবং মূল verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) shines — এটি Present Indefinite Tense, যা চিরন্তন সত্য বা অভ্যাসের ক্ষেত্রে বসে, নির্দিষ্ট এই মুহূর্তের চলমান কাজের জন্য নয়। B) is shining — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা বর্তমান মুহূর্তের চলমান কাজ সঠিকভাবে প্রকাশ করে। C) has been shining — এটি Present Perfect Continuous Tense, যা অতীতের কোনো নির্দিষ্ট সময় থেকে শুরু হয়ে বর্তমানেও চলছে এমন কাজের ক্ষেত্রে বসে। D) had been shining — এটি Past Perfect Continuous Tense, যা অতীতের একটি নির্দিষ্ট সময়ের আগে থেকে চলছিল এমন কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে now বা বর্তমান সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি চলমান বোঝালে সবসময় Present Continuous Tense অর্থাৎ is বা are এর সাথে ing যুক্ত verb বসবে।
a then Sylhet's
b than Sylhet
c then those of Sylhet
d than those of Sylhet
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) than those of Sylhet কেন সঠিক: এখানে ঢাকার রাস্তার সাথে সিলেটের রাস্তার তুলনা করা হয়েছে। একই noun এর পুনরাবৃত্তি এড়াতে plural noun এর পরিবর্তে those of ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) then Sylhet's — তুলনার ক্ষেত্রে then এর বদলে than বসে এবং apostrophe এর ব্যবহার এখানে ভুল হয়েছে। B) than Sylhet — ঢাকার রাস্তার সাথে সরাসরি সিলেটের তুলনা করা হয়েছে, যা অর্থহীন কারণ রাস্তার সাথে শহরের তুলনা হয় না। C) then those of Sylhet — তুলনার ক্ষেত্রে সঠিক conjunction হিসেবে then এর পরিবর্তে than বসাতে হয়। D) than those of Sylhet — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে তুলনার নিয়ম ও those of এর সঠিক প্রয়োগ হয়েছে। মনে রাখার টিপস: তুলনা করার সময় একপাশের Noun এর পরিবর্তে অন্যপাশে those of (Plural হলে) অথবা that of (Singular হলে) ব্যবহার করতে হয়।
a Leafe
b Leaf
c Leav
d Leave
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Leaf কেন সঠিক: ১. 'Leaves' শব্দটি হলো 'Leaf' শব্দের বহুবচন রূপ। ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণ শব্দের শেষে f থাকলে তা উঠে গিয়ে ves যুক্ত হয়। ২. গাছপালার পাতার একবচন রূপ বোঝাতে 'Leaf' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ৩. বহুবচন থেকে একবচন করার সঠিক রূপ এটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Leafe — এটি একটি বানান ভুল শব্দ কারণ মূল শব্দের শেষে সরাসরি e যুক্ত হয় না। B) Leaf — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এটি ভুল নয়। C) Leav — এটি একটি অসম্পূর্ণ ও অর্থহীন শব্দ যার কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। D) Leave — এর অর্থ ছুটি বা প্রস্থান করা যা পাতার একবচন রূপ নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দের শেষে f বা fe থাকলে বহুবচনে f বা fe এর পরিবর্তে ves বসে এবং একবচনে আবার f বা fe ফিরে আসে।
a willingly
b intentional
c known
d familiar
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) intentional কেন সঠিক: Deliberate শব্দের বাংলা অর্থ হলো সুচিন্তিত বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, যার সাথে intentional বা ইচ্ছাকৃত শব্দটির মিল রয়েছে। কোনো কাজ যখন বুঝে শুনে বা পরিকল্পনা করে করা হয়, তখন তাকে deliberate বা intentional বলা হয়। এই দুটি শব্দের ভাবার্থ সম্পূর্ণ একই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) willingly — এর অর্থ স্বেচ্ছায়, যা deliberate শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ নয়। B) intentional — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) known — এর অর্থ পরিচিত বা জ্ঞাত, যা deliberate এর সাথে মেলে না। D) familiar — এর অর্থ চেনাজানা, যা এই শব্দের অর্থের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: Deliberate এবং intentional উভয় শব্দই কোনো পরিকল্পনা বা ইচ্ছাকৃত কাজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
a an adjective
b a pronoun
c an adverb
d a noun
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a pronoun কেন সঠিক: এটি কোনো নির্দিষ্ট নাম বা বস্তুকে না বুঝিয়ে বরং যেকোনো বা সমস্ত জিনিসকে একত্রে নির্দেশ করে। তাই এটি একটি অনির্দেশক সর্বনাম হিসেবে কাজ করে। এটি বাক্যে সরাসরি বিশেষ্য বা নাউনের পরিবর্তে বসে। এটি বাক্যের সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে একা বসতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an adjective — এটি কোনো নাউনের দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে না, তাই এটি বিশেষণ হতে পারে না। B) a pronoun — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। C) an adverb — এটি কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো অব্যয়ের সময়, স্থান বা কাজের ধরণ প্রকাশ করে না। D) a noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু বা জায়গার নাম নয়, বরং নাউনের পরিবর্তে বসা শব্দ। মনে রাখার টিপস: যেকোনো শব্দের শেষে thing থাকলে এবং তা যদি কোনো নাম না বুঝিয়ে সবকিছুর সমষ্টি বোঝায়, তবে তা সাধারণত প্রোনাউন হয়।
a Common
b Abstract
c Material
d Collective
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Abstract কেন সঠিক: infancy শব্দটির অর্থ শৈশব, যা মানুষের জীবনের একটি বিশেষ পর্যায় বা অবস্থা বোঝায়। এটি কেবল অনুভব করা যায় কিন্তু ধরা বা ছোঁয়া যায় না, তাই এটি অ্যাবস্ট্রাক্ট নাউন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Common — এটি কোনো সাধারণ ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীর নাম বোঝায় না, তাই এটি কমন নাউন নয়। B) Abstract — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Material — এটি কোনো উপাদান বা বস্তুগত পদার্থ বোঝায় না, তাই এটি ম্যাটেরিয়াল নাউন নয়। D) Collective — এটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিগত দল বোঝায় না, তাই এটি কালেক্টিভ নাউন নয়। মনে রাখার টিপস: যে নাউনগুলোর কোনো শারীরিক রূপ বা আকৃতি থাকে না, কেবল গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম বোঝায়, সেগুলোই অ্যাবস্ট্রাক্ট নাউন।
a He had been hung for murder.
b He was hung for murder.
c He was hanged for murder
d He was hunged for murder .
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He was hanged for murder কেন সঠিক: কোনো মানুষকে ফাঁসি দেওয়ার ক্ষেত্রে Hang verb এর past participle রূপ হিসেবে hanged ব্যবহার করা হয়। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ক্ষেত্রে এই নিয়মটি ব্যাকরণগতভাবে শতভাগ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He had been hung for murder — মানুষকে ফাঁসি দেওয়ার ক্ষেত্রে hung ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং এখানে tense এর ব্যবহারও সঠিক নয়। B) He was hung for murder — বস্তু ঝোলানোর ক্ষেত্রে hung ব্যবহার করা হয়, কিন্তু মানুষকে ফাঁসি দেওয়ার ক্ষেত্রে hanged লিখতে হয়। C) He was hanged for murder — এটি সঠিক অপشن হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) He was hunged for murder — ইংরেজি ব্যাকরণে hunged বলে কোনো শব্দ বা verb এর রূপ নেই। মনে রাখার টিপস: মানুষের ফাঁসি হলে hanged এবং পোশাক বা ছবি ঝোলালে hung হয়।
a fire, flane
b bag, sack
c round, around
d preserve, prevent
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) fire, flane কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটিতে এমন একটি জোড়া শব্দ বের করতে বলা হয়েছে যাদের অর্থ এক নয় বা যারা সমার্থক নয়। এখানে অপশন এ তে থাকা ফায়ার এবং ফ্লেম শব্দের বানান ভুল থাকার পাশাপাশি অর্থ ভিন্ন নির্দেশ করছে। ফায়ার অর্থ আগুন এবং ফ্লেম অর্থ শিখা। তাই এটি একটি অসদৃশ জোড়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) fire, flane — এখানে বানান ভুল আছে এবং ফায়ার ও ফ্লেম শব্দের মধ্যে অর্থের মিল নেই। B) bag, sack — ব্যাগ এবং স্যাক উভয় শব্দের অর্থ থলে বা বস্তা যা সমার্থক শব্দ। C) round, around — রাউন্ড এবং এরাউন্ড শব্দ দুটি একে অপরের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত ও সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) preserve, prevent — প্রিজার্ভ এবং প্রিভেন্ট শব্দ দুটি সুরক্ষা বা প্রতিরোধের অর্থে প্রায় একই রকম ভাব প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: সমার্থক বা সদৃশ শব্দগুলো চেনার জন্য প্রতিটি শব্দের সঠিক অর্থ এবং বানান ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a A little learning is a dangerous thing
b Pride goes before destruction
c Haste makes waste
d Barking dog seldom bites
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Barking dog seldom bites কেন সঠিক: খালি কলসি বাজে বেশি প্রবাদটি মূলত যে মানুষগুলোর জ্ঞান কম তারা বেশি কথা বলে বোঝায়। ঠিক একইভাবে গর্জন করে যে কুকুর সে সাধারণত কামড়ায় না এবং বেশি কথা বলা মানুষেরা কাজের বেলায় পিছিয়ে থাকে। এই দুইটি প্রবাদের ভাবার্থ একই প্রকাশ করে। এ কারণে অপশন ডি সঠিক উত্তর হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A little learning is a dangerous thing — এই প্রবাদটি অল্প বিদ্যার ভয়ংকর পরিণতির কথা বলে যা মূল প্রবাদের সাথে মিলে না। B) Pride goes before destruction — এই প্রবাদটি অহংকারের পতনের কথা শিক্ষা দেয় যার সাথে খালি কলসির মিল নেই। C) Haste makes waste — এই প্রবাদটি দ্রুত কাজ করলে যে ক্ষতি হয় তা বোঝায় যা সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। D) Barking dog seldom bites — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: যেসব মানুষ মুখে খুব বেশি আওয়াজ বা আস্ফালন করে, বাস্তবে তাদের কাজের ক্ষমতা বা কার্যকারিতা সবচেয়ে কম থাকে।
a She aksed me if I was happy in my new job
b She asked me if I have been happy in my new job
c She asked me whether I am happy in my new job
d She asked me if had been in my new job
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) She asked me if I have been happy in my new job কেন সঠিক: রিপোর্টিং ভার্বটি past tense এ থাকায় direct speech এর present indefinite tense টি indirect speech এ এসে past indefinite tense এ রূপান্তরিত হয়েছে। interrogative sentence কে indirect করার সময় if বা whether বসে এবং sentence টি assertive এ রূপ নেয়। subject এর পর verb এর সঠিক past form বসানোর নিয়ম এখানে সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She aksed me if I was happy in my new job — বানান ভুল থাকায় অপশনটি বাতিল হবে। B) She asked me if I have been happy in my new job — এটি সঠিক উত্তর। C) She asked me whether I am happy in my new job — present tense অপরিবর্তিত থাকায় নিয়ম অনুযায়ী এটি ভুল হয়েছে। D) She asked me if had been in my new job — subject না থাকায় বাক্যটির গঠন অসম্পূর্ণ ও ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Direct speech এ প্রশ্নবোধক বাক্য থাকলে indirect করার সময় if বা whether বসবে এবং tense পরিবর্তন করে past tense করতে হবে।
a You, he and I am present
b He, You and I am present
c I, you and he are present
d You, he and I are present
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) You, he and I are present কেন সঠিক: একাধিক ভিন্ন পুরুষের Pronoun একসঙ্গে থাকলে সাধারণ বাক্যে তাদের ক্রম নিয়ম অনুযায়ী দ্বিতীয় পুরুষ, তৃতীয় পুরুষ এবং প্রথম পুরুষ হিসেবে সাজাতে হয়। এই নিয়মে You, he and I ক্রমটি সঠিকভাবে বসেছে এবং বহুবচন হওয়ায় Verb হিসেবে are ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) You, he and I am present — Pronoun এর ক্রম সঠিক হলেও Subject বহুবচন হওয়ায় singular verb am ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। B) He, You and I am present — এখানে Pronoun গুলোর ক্রম নিয়ম অনুযায়ী সাজানো হয়নি এবং am verb টিও ভুল। C) I, you and he are present — সাধারণ বাক্যে প্রথম পুরুষ প্রথমে না বসে নিয়ম অনুযায়ী সবার শেষে বসার কথা ছিল। D) You, he and I are present — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং সকল ব্যাকরণগত নিয়ম নির্ভুলভাবে মেনে চলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সাধারণ বাক্যে Pronoun সাজানোর নিয়ম হলো দুই, তিন, এক (২য়, ৩য় ও ১ম পুরুষ) এবং verb সবসময় বহুবচন হবে।
a two
b two or more than two
c more than two
d Four only
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) more than two কেন সঠিক: - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী দুইয়ের অধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে সম্পর্ক বা বণ্টন বোঝাতে among ব্যবহৃত হয়। - প্রশ্নে মানুষের দল বা সংখ্যা দুইয়ের অধিক বোঝানো হয়েছে, তাই among সঠিক পছন্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) two — দুইয়ের অধিক ব্যক্তির ক্ষেত্রে among বসে না, তাই এটি ভুল। B) two or more than two — দুই বা ততোধিক ক্ষেত্রে between এবং among দুটোই বিভ্রান্তিকর হতে পারে, তবে নির্দিষ্ট ব্যাকরণে among শুধু দুইয়ের অধিকের জন্য প্রযোজ্য। C) more than two — এটি সঠিক কারণ এটি দুইয়ের অধিক সংখ্যাকে নির্দেশ করে। D) Four only — এটি কেবল চারজন ব্যক্তির নির্দিষ্ট সীমা বোঝায়, যা among ব্যবহারের সাধারণ নিয়মকে সীমাবদ্ধ করে দেয়। মনে রাখার টিপস: Between বসে কেবল দুজনের মধ্যে, আর Among বসে দুইয়ের অধিক সবার মাঝে।
a Accelerate
b Accelerrate
c Accilarate
d Accilerate
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Accelerate কেন সঠিক: ১. শব্দটির শুরুতে দুটি c এবং l এর পরে একটি মাত্র e ব্যবহার করা হয়েছে। ২. শেষের অংশটি erate হয়, ate নয়। ৩. বানানটি ইংরেজি নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Accelerate — এটি সঠিক বানান। B) Accelerrate — এখানে অতিরিক্ত একটি r ব্যবহার করা হয়েছে। C) Accilarate — এখানে c এর পরে i এবং l এর পরে a ভুলভাবে দেওয়া হয়েছে। D) Accilerate — এখানে সঠিক স্বরবর্ণের পরিবর্তে ভুল বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে ac-cel-er-ate এভাবে ভেঙে উচ্চারণ করে শিখতে পারো।
a had rung
b rang
c rung
d ringing
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) rang কেন সঠিক: - While বা when দ্বারা যুক্ত বাক্যের একটি অংশ Past Continuous Tense হলে অপর অংশটি Past Indefinite Tense হয়। - এখানে প্রথম অংশ We were watching the news (Past Continuous) হওয়ায় পরের অংশে Past Indefinite Tense (rang) ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had rung — এটি Past Perfect Tense, যা এই বিশেষ গঠনের বাক্যের নিয়মের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) rang — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) rung — এটি Verb এর Past Participle রূপ, যা একা একা Past Indefinite Tense হিসেবে বসতে পারে না। D) ringing — এটি Verb এর সাথে ing যুক্ত রূপ, যার পূর্বে auxiliary verb না থাকায় এটি এখানে বসবে না। মনে রাখার টিপস: While বা when যুক্ত বাক্যে Past Continuous Tense-এর সাথে সাধারণত Past Indefinite Tense বসে।
a a case of reference
b event that never happened
c tenure of the President
d a matter to deal with
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a case of reference কেন সঠিক: Precedence শব্দের অর্থ হলো অগ্রাধিকার, পূর্ববর্তী ঘটনা বা এমন কোনো বিষয় যা পূর্বে ঘটে গেছে এবং দৃষ্টান্ত হিসেবে ধরা হয়। অপশন এ তে থাকা 'a case of reference' কথাটির অর্থ এমন একটি বিষয় বা দৃষ্টান্ত যা রেফারেন্স বা উদাহরণের জন্য ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a case of reference — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ উদাহরণের জন্য পূর্ববর্তী কোনো ঘটনা বা মামলা। B) event that never happened — এর অর্থ এমন ঘটনা যা কখনো ঘটেনি, যা প্রিসিডেন্স শব্দের অর্থের সাথে মিলে না। C) tenure of the President — এর অর্থ রাষ্ট্রপতির কার্যকাল, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি রাজনৈতিক পরিভাষা। D) a matter to deal with — এর অর্থ মোকাবিলার বিষয়, যা এই শব্দের নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Precedence শব্দটির সাথে 'pre' যুক্ত আছে যার অর্থ পূর্বে, তাই আগের কোনো দৃষ্টান্ত বা রেফারেন্স মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে করা যাবে।
a the
b a
c an
d none
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a কেন সঠিক: - European শব্দের শুরুতে ই (E) থাকলেও এর উচ্চারণ ইউ (You) এর মতো অর্থাৎ ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনি দিয়ে শুরু হয়েছে। - consonant sound বা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ থাকার কারণে এর পূর্বে a বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the — নির্দিষ্ট করে কোনো বিশেষ ইউরোপীয় দেশ বোঝানো হয়নি বিধায় definite article the বসবে না। B) a — ইউরোপীয় দেশের নামের সাধারণ উচচারণগত বৈশিষ্ট্যের কারণে এখানে সঠিক আর্টিকেল হিসেবে a ব্যবহৃত হয়েছে। C) an — vowel থাকা সত্ত্বেও European শব্দের উচ্চারণ ইউ (You) হওয়ায় এখানে an ব্যবহার করা যাবে না। D) none — শূন্যস্থানে একটি সঠিক আর্টিকেল প্রয়োজন থাকায় এই অপশনটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দে vowel থাকলেও উচ্চারণ যদি ইউ (You) বা ওয়ু (Wa) এর মতো হয়, তবে তার পূর্বে an না বসে a বসে।
a before
b immediately
c after
d during the period of
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) before কেন সঠিক: - 'Prior to' একটি গ্রুপ প্রিপজিশন, যার অর্থ পূর্বে বা কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার আগের সময়কে বোঝায়। - 'Before' শব্দের অর্থও পূর্বে বা আগে, যা 'Prior to' এর সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) before — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ পূর্বে বা আগে। B) immediately — এর অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে বা অবিলম্বে, যা 'Prior to' এর সঙ্গে মেলে না। C) after — এর অর্থ পরে, যা 'Prior to' এর বিপরীতার্থক অর্থ প্রকাশ করে। D) during the period of — এর অর্থ কোনো সময়কালের মধ্যে বা دوران, যা 'Prior to' এর অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: 'Prior' শব্দের অর্থ আগের, তাই 'Prior to' দেখলে অপশন থেকে সরাসরি 'before' নির্বাচন করবে।
a It has to be done by me.
b Let it be done by me.
c It is to be done by me
d It has to be done to me.
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) It has to be done by me. কেন সঠিক: - বাক্যে have to থাকলে প্যাসিভ করার সময় have to এর সাথে be যোগ করতে হয় এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসে। - সাবজেক্ট ও অবজেক্ট স্থান পরিবর্তন করে এবং অবজেক্টের পূর্বে by বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It has to be done by me. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়মানুযায়ী গঠিত হয়েছে। B) Let it be done by me. — এটি Imperative sentence এর প্যাসিভ ফর্ম, কিন্তু প্রদত্ত প্রশ্নটি Assertive sentence। C) It is to be done by me — এখানে মূল বাক্যের have to এর পরিবর্তে শুধু is to ব্যবহার করা হয়েছে, যা অর্থের পরিবর্তন ঘটায়। D) It has to be done to me. — এখানে সঠিক প্রিপজিশন by এর বদলে to ব্যবহার করা হয়েছে, যা গ্রামাটিকভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: Active বাক্যে have to বা has to থাকলে Passive করার সময় have to be বা has to be ব্যবহার করতে হয়।
a from
b for
c to
d than
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to কেন সঠিক: prefer শব্দের পর তুলনামূলক বোঝাতে সাধারণত to preposition ব্যবহার করতে হয়। এখানে দুটি পছন্দের মধ্যে চা পানের প্রতি ঝোঁক বেশি বোঝাতে to সঠিক। ল্যাটিন তুলনামূলক শব্দের পর than এর পরিবর্তে to বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from — from সাধারণত দূরত্ব বা উৎস বোঝাতে বসে, পছন্দের তুলনায় বসে না। B) for — for সাধারণত উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) than — സാധാരണ তুলনার ক্ষেত্রে than বসলেও prefer শব্দের সাথে এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: prefer দেখলেই মনে রাখবে এর সাথে সবসময় to বসে, than বা অন্য কিছু বসে না।

মোট প্রশ্ন (20)

a 110
b 90
c 100
d 105
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০৫ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ ABC এর কোণ A = ৪৫ ডিগ্রি কোণ B = ৩০ ডিগ্রি ধরি, ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি অতএব, কোণ A + কোণ B + কোণ C = ১৮০ ডিগ্রি ৪৫ ডিগ্রি + ৩০ ডিগ্রি + কোণ C = ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, ৭৫ ডিগ্রি + কোণ C = ১৮০ ডিগ্রি কোণ C = ১৮০ ডিগ্রি − ৭৫ ডিগ্রি = ১০৫ ডিগ্রি উত্তর: ১০৫ ডিগ্রি
a ১৫ দিন
b ২৫ দিন
c ২০ দিন
d ২৮ দিন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০ দিন প্রদত্ত তথ্য: ছাত্রাবাসে মোট ছাত্র = ৪০ জন মোট খাবারের দিন = ৩০ দিন ধরি, ৫ দিন পর অবশিষ্ট ছাত্র = ৪০ + ১০ = ৫০ জন ৫ দিন পর অবশিষ্ট দিন = ৩০ − ৫ = ২৫ দিন অতএব, ৪০ জন ছাত্রের অবশিষ্ট খাবার চলে ২৫ দিন ১ জন ছাত্রের অবশিষ্ট খাবার চলে ৪০ × ২৫ দিন সুতরাং, ৫০ জন ছাত্রের অবশিষ্ট খাবার চলবে (৪০ × ২৫) ÷ ৫০ দিন = ২০ দিন উত্তর: ২০ দিন
a 7
b 14
c 15
d 6
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৪ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = (৫x ÷ ৬) + ৩ দ্বিতীয় রাশি = (x ÷ ৩) + ১০ ধরি, রাশি দুটি পরস্পর সমান অতএব, (৫x ÷ ৬) + ৩ = (x ÷ ৩) + ১০ সুতরাং, (৫x ÷ ৬) − (x ÷ ৩) = ১০ − ৩ অতএব, (৫x − ২x) ÷ ৬ = ৭ সুতরাং, ৩x ÷ ৬ = ৭ অতএব, x ÷ ২ = ৭ সুতরাং, x = ৭ × ২ উত্তর: ১৪
a 9/1000
b 0.0099
c 0.1
d 9/100
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.১ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি ভিন্ন সংখ্যা দেওয়া আছে সংখ্যাগুলোকে তুলনা করে সবচেয়ে বড় সংখ্যাটি বের করতে হবে ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৯ ÷ ১০০০ = ০.০০৯ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ০.০০৯৯ তৃতীয় সংখ্যাটি = ০.১ অতএব, চতুর্থ সংখ্যাটি = ৯ ÷ ১০০ = ০.০৯ সুতরাং, সংখ্যাগুলো হলো যথাক্রমে ০.০০৯, ০.০০৯৯, ০.১ এবং ০.০৯ উত্তর: ০.১
a 90
b 30
c 45
d 60
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: মোট চকলেটের সংখ্যা = ২৭০০ প্রত্যেকে চকলেট পেল মোট শিক্ষার্থীর তিনগুণ ধরি, ক্লাসে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ক অতএব, প্রত্যেক শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত চকলেটের সংখ্যা = ৩ × ক মোট চকলেটের পরিমাণ = ক × (৩ × ক) = ২৭০০ সুতরাং, ৩ × (ক এর উপর স্কয়ার) = ২৭০০ ক এর উপর স্কয়ার = ২৭০০ ÷ ৩ = ৯০০ উত্তর: ক = ৩০
a 90
b 95
c 98
d 96
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯৫ প্রদত্ত তথ্য: ১০ ইনিংসের রানের গড় = ৪৫.৫ ১১ ইনিংসের রানের গড় = ৫০ ধরি, ১০ ইনিংসের মোট রান = ১০ × ৪৫.৫ = ৪৫৫ ১১ ইনিংসের মোট রান = ১১ × ৫০ = ৫৫০ অতএব, ১১তম ইনিংসে করতে হবে = ১১ ইনিংসের মোট রান − ১০ ইনিংসের মোট রান ১১তম ইনিংসে করতে হবে = ৫৫০ − ৪৫৫ = ৯৫ সুতরাং, ১১তম ইনিংসে ৯৫ রান করে আউট হতে হবে উত্তর: ৯৫
a 42000
b কোনোটিই নয়
c 25000
d 37500
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৭৫০০ প্রদত্ত তথ্য: বিজয়ী প্রার্থী ভোট পেয়েছেন ৬০% অপর প্রার্থী ভোট পেয়েছেন (১০০% − ৬০%) = ৪০% ধরি, মোট উপস্থিত ভোটারের সংখ্যা = ক জন অতএব, বিজয়ী প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট = ক এর ৬০% অপর প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট = ক এর ৪০% সুতরাং, ভোটের পার্থক্য = ক এর (৬০% − ৪০%) = ক এর ২০% প্রশ্নমতে, ক এর ২০% = ৭৫০০ অতএব, ক এর (২০ ÷ ১০০) = ৭৫০০ ক এর (১ ÷ ৫) = ৭৫০০ সুতরাং, ক = ৭৫০০ × ৫ = ৩৭৫০০ উত্তর: ৩৭৫০০ জন
a (2x²+2x+1) (2x²-2x-1)
b (2x²+2x-1) (2x²-2x+1)
c (2x²+2x+1)(2x²-2x+1)
d (2x²+2x-1) (2x²-2x-1)
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (2x²+2x+1)(2x²-2x+1) প্রদত্ত তথ্য: উৎপাদকের বিশ্লেষণ করতে হবে 4x^4 + 1 রাশির এটি একটি বীজগণিতীয় বহুপদী রাশি ধরি, রাশিটিকে সাজিয়ে লিখতে হবে পূর্ণবর্গ করার জন্য 4x^4 + 1 কে (2x^2)^2 + (1)^2 আকারে লেখা যায় অতএব, মধ্যপোদ বা মাঝের পদ হিসেবে যোগ ও বিয়োগ করতে হবে 2 × (2x^2) × 1 অর্থাৎ 4x^2 তাহলে রাশিটি দাঁড়াবে (2x^2 + 1)^2 − (2x)^2 সুতরাং, এখন এটিকে a^2 − b^2 সূত্রের সাহায্যে উৎপাদকে ভাঙতে হবে সূত্র প্রয়োগ করে পাই (2x^2 + 2x + 1)(2x^2 − 2x + 1) উত্তর: C) (2x²+2x+1)(2x²-2x+1)
a 150
b 360
c 180
d 270
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৬০ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের যেকোনো বাহু বর্ধিত করলে একটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয় ত্রিভুজের মোট তিনটি বাহু রয়েছে এবং তিনটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয় ধরি, ত্রিভুজের তিনটি অভ্যন্তরীণ কোণ যথাক্রমে ক, খ এবং গ ত্রিভুজের তিনটি বহিঃস্থ কোণ যথাক্রমে (১৮০ − ক), (১৮০ − খ) এবং (১৮০ − গ) অতএব, তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = (১৮০ − ক) + (১৮০ − খ) + (১৮০ − গ) সমষ্টি = (১৮০ + ১৮০ + ১৮০) − (ক + খ + গ) সুতরাং, আমরা জানি ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০ সুতরাং সমষ্টি = ৫৪০ − ১৮০ = ৩৬০ উত্তর: ৩৬০°
a ৭৭৭ টাকা
b ৮৮৮ টাকা
c ৩৩৩ টাকা
d ৫৫৫ টাকা
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭৭৭ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ক, খ ও গ-এর বেতনের অনুপাত ৭:৫:৩ খ, গ অপেক্ষা ২২২ টাকা বেশি পায় ধরি, ক-এর বেতন = ৭ক খ-এর বেতন = ৫ক গ-এর বেতন = ৩ক অতএব, খ ও গ-এর বেতনের পার্থক্য = ৫ক − ৩ক = ২ক প্রশ্নমতে, ২ক = ২২২ সুতরাং, ক এর মান = ১১১ ক-এর বেতন = ৭ × ১১১ = ৭৭৭ টাকা উত্তর: ৭৭৭ টাকা
a 0.027
b ০.০০০২৭
c ০.০০০০২৭
d 0.00027
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.০০০০২৭ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ০.৩০ দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০৩০ তৃতীয় সংখ্যা = ০.০০৩ ধরি, সংখ্যা তিনটির দশমিক বাদ দিয়ে সাধারণ গুণ্য = ৩ × ৩ × ৩ পূর্ণ সংখ্যার গুণফল = ২৭ অতএব, প্রথম সংখ্যায় দশমিকের পর অংক আছে দুই ঘর দ্বিতীয় সংখ্যায় দশমিকের পর অংক আছে তিন ঘর তৃতীয় সংখ্যায় দশমিকের পর অংক আছে তিন ঘর মোট দশমিক ঘরের সংখ্যা = ২ + ৩ + ৩ = ছয় ঘর সুতরাং, ২৭ এর আগে পাঁচটি শূন্য বসিয়ে দশমিক দিতে হবে নির্ণেয় গুণফল হবে ০.০০০০২৭ উত্তর: ০.০০০০২৭
a 15
b 13
c 14
d 12
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: উপাত্তগুলো হলো ১২, ৯, ১৫, ৫, ২০, ৮, ২৫, ১৭, ২১, ২৩, ১১ উপাত্তের মোট সংখ্যা ১১ ধরি, উপাত্তগুলোকে ছোট থেকে বড় ক্রমে সাজিয়ে পাই ৫, ৮, ৯, ১১, ১২, ১৫, ১৭, ২০, ২১, ২৩, ২৫ অতএব, এখানে মোট উপাত্তের সংখ্যা ১১ যা একটি বিজড় সংখ্যা মধ্যক নির্ণয়ের সূত্র হলো তম পদ তম পদ হলো ষষ্ঠ পদ সুতরাং, সাজানো উপাত্তের ষষ্ঠ পদটি হলো ১৫ উত্তর: ১৫
a 1
b 3
c √3
d 0
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০ প্রদত্ত তথ্য: x = √৩ − (১ ÷ x) ধরি, x + (১ ÷ x) = √৩ অতএব, (x + (১ ÷ x))³ = (√৩)³ x³ + (১ ÷ x³) + ৩ × x × (১ ÷ x) × (x + (১ ÷ x)) = ৩√৩ x³ + (১ ÷ x³) + ৩√৩ = ৩√৩ সুতরাং, x³ + (১ ÷ x³) = ৩√৩ − ৩√৩ উত্তর: ০
a 16
b 14
c 12
d 10
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলো হলো ২৭, ৪০ ও ৬৫ ভাগশেষ যথাক্রমে ৩, ৪ ও ৫ ধরি, প্রথম সংখ্যার ক্ষেত্রে নির্ণেয় সংখ্যাটি হবে ২৭ − ৩ = ২৪ দ্বিতীয় সংখ্যার ক্ষেত্রে নির্ণেয় সংখ্যাটি হবে ৪০ − ৪ = ৩৬ অতএব, তৃতীয় সংখ্যার ক্ষেত্রে নির্ণেয় সংখ্যাটি হবে ৬৫ − ৫ = ৬০ প্রাপ্ত নতুন সংখ্যা তিনটি হলো ২৪, ৩৬ ও ৬০ সুতরাং, ২৪, ৩৬ ও ৬০ এর গসাগু নির্ণয় করলেই বৃহত্তম সংখ্যাটি পাওয়া যাবে উত্তর: ১২
a 75
b 70
c 85
d 64
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭৫ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার চলচল ৪০% এর সাথে ৪৫ যোগ করলে যোগফল সংখ্যাটি নিজেই হয় ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক অতএব, ক এর ৪০% + ৪৫ = ক ক × (৪০ ÷ ১০০) + ৪৫ = ক ০.৪০ × ক + ৪৫ = ক সুতরাং, ৪৫ = ক − ০.৪০ × ক ৪৫ = ০.৬০ × ক ক = ৪৫ ÷ ০.৬০ উত্তর: ৭৫
a সন্নিহিত কোণ
b পূরক কোণ
c সম্পূরক কোণ
d বিপ্রতীপ কোণ
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিপ্রতীপ কোণ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সরল রেখা পরস্পর ছেদ করেছে ছেদ বিন্দুতে মোট চারটি কোণ উৎপন্ন হয়েছে ধরি, একটি কোণ ক তার বিপরীত কোণ খ অতএব, সরল রেখার সংজ্ঞানুযায়ী বিপরীত কোণ দুটি সমান হয় তাদের একটি অপরটির বিপ্রতীপ কোণ হিসেবে পরিচিত সুতরাং, ছেদ বিন্দুতে উৎপন্ন কোণগুলোর জোড়ায় জোড়ায় সম্পর্ক থাকে উত্তর: বিপ্রতীপ কোণ
a ৪৯ টাকা
b ৫০ টাকা
c ৪৬ টাকা
d কোনোটিই নয়
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৬ টাকা প্রদত্ত তথ্য: একটি কলম ও একটি বইয়ের মূল্য একত্রে ৯৫ টাকা কলমটির মূল্য ১৫ টাকা বেশি ও বইটির মূল্য ১৪ টাকা কম হলে কলমটির মূল্য বইটির দ্বিগুণ হতো ধরি, বইটির মূল্য = ক টাকা তাহলে কলমটির মূল্য = ৯৫ − ক টাকা অতএব, নতুন বইটির মূল্য = ক − ১৪ টাকা নতুন কলমটির মূল্য = ৯৫ − ক + ১৫ টাকা = ১১০ − ক টাকা শর্তমতে, ১১০০ − ক = ২ × (ক − ১৪) ১১০০ − ক = ২ক − ২৮ সুতরাং, ৩ক = ১৩৮ ক = ৪৬ উত্তর: বইটির মূল্য ৪৬ টাকা
a 6
b 10
c 4
d 8
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮ প্রদত্ত তথ্য: বাঁশের মোট দৈর্ঘ্য = ২০ ফুট ছোট অংশ বড় অংশের দুই তৃতীয়াংশ ধরি, বড় অংশটি = ক ফুট ছোট অংশটি = (২ ÷ ৩) × ক ফুট অতএব, প্রশ্নমতে, ক + (২ ÷ ৩) × ক = ২০ (৫ ÷ ৩) × ক = ২০ ক = ২০ × (৩ ÷ ৫) = ১২ সুতরাং, বড় অংশটি = ১২ ফুট ছোট অংশটি = ২০ − ১২ = ৮ ফুট উত্তর: ৮ ফুট
a ১ টাকা
b ২ টাকা
c ৩ টাকা
d ৪ টাকা
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মূলধন = ১০০ টাকা সময় = ৩ বছর সুদের হার যথাক্রমে ২% এবং ৩% ধরি, প্রথম ক্ষেত্রে সুদের হার = ২% দ্বিতীয় ক্ষেত্রে সুদের হার = ৩% অতএব, প্রথম ক্ষেত্রে ৩ বছরের সুদ = (১০০ × ২ × ৩) ÷ ১০০ = ৬ টাকা দ্বিতীয় ক্ষেত্রে ৩ বছরের সুদ = (১০০ × ৩ × ৩) ÷ ১০০ = ৯ টাকা সুতরাং, সুদের পার্থক্য = ৯ টাকা − ৬ টাকা = ৩ টাকা উত্তর: ৩ টাকা
a ৮ সে.মি.
b ৫ সে. মি.
c ৪ সে. মি.
d ৭ সে. মি.
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ সে. মি. প্রদত্ত তথ্য: সমকোণী ত্রিভুজের ভূমি = ৩ সে. মি. সমকোণী ত্রিভুজের লম্ব = ৪ সে. মি. ধরি, অতিভুজের দৈর্ঘ্য = ক সে. মি. পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী, অতিভুজ স্কয়ার = ভূমি স্কয়ার + লম্ব স্কয়ার অতএব, ক স্কয়ার = (৩ × ৩) + (৪ × ৪) ক স্কয়ার = ৯ + ১৬ ক স্কয়ার = ২৫ সুতরাং, ক = √২৫ ক = ৫ উত্তর: ৫ সে. মি.

মোট প্রশ্ন (18)

a ভুটান
b চীন
c মিয়ানমার
d নেপাল
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মিয়ানমার কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী দেশ মাত্র দুটি, যার একটি ভারত এবং অন্যটি মিয়ানমার। - মিয়ানমার বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত একটি প্রতিবেশী রাষ্ট্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভুটান — ভুটান বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী কোনো দেশ নয়, এটি ভারতের উত্তর দিকে অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত দেশ। B) চীন — চীন বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী দেশ নয়, তবে এটি বাংলাদেশের নিকটবর্তী একটি এশীয় দেশ। C) মিয়ানমার — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী দেশ হিসেবে সঠিক। D) নেপাল — নেপাল বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী দেশ নয়, এটি ভারত ও চীনের মাঝে অবস্থিত একটি দেশ। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের সীমানা রয়েছে মাত্র দুটি দেশের সাথে, তা হলো ভারত ও মিয়ানমার।
a নীলিমা ইব্রাহিম
b সেতারা বেগম
c বেগম সুফিয়া কামাল
d জাহানারা বেগম
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সেতারা বেগম কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতা ও অবদানের জন্য মাত্র দুইজন নারী বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন, যাদের মধ্যে সেতারা বেগম অন্যতম। - তিনি সেক্টর দুই এর অধীনে ফিল্ড হাসপাতালে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীলিমা ইব্রাহিম — তিনি একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও গবেষক ছিলেন, কোনো বীরত্বসূচক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা নন। B) সেতারা বেগম — তিনি মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদানের জন্য বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত একজন নারী মুক্তিযোদ্ধা। C) বেগম সুফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি, লেখক ও নারী অধিকার নেত্রী ছিলেন, কোনো বীরত্বসূচক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা নন। D) জাহানারা বেগম — তিনি এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে কোনো খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা নন। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধে নারী বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মাত্র দুইজন, তারা হলেন ডা: সেতারা বেগম ও তারামন বিবি।
a একুশের প্রভাত ফেরী
b মঙ্গল শোভাযাত্রা
c রথযাত্রা
d একুশের বই মেলা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মঙ্গল শোভাযাত্রা কেন সঠিক: - ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর ইথিওপিয়ার রাজধানী আডিস আবাবায় অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর দাপ্তরিক সভায় বাংলাদেশের মঙ্গল শোভাযাত্রাকে মানবতার অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। - পহেলা বৈশাখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিটিউটের উদ্যোগে বের হওয়া এই শোভাযাত্রাটি বাঙালি সংস্কৃতির অসাম্প্রদায়িক ও সার্বজনীন রূপের প্রতীক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একুশের প্রভাত ফেরী — এটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের সঙ্গে যুক্ত হলেও ইউনেস্কোর অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পায়নি। B) মঙ্গল শোভাযাত্রা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) রথযাত্রা — এটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় উৎসব হলেও প্রশ্নে উল্লেখিত আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ঐতিহ্য নয়। D) একুশের বই মেলা — এটি বাংলাদেশের অন্যতম বড় সাহিত্য উৎসব হলেও ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: মঙ্গল শোভাযাত্রা ২০১৬ সালে ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পায়, যার সূচনা করেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিটিউট।
a রোম
b লন্ডন
c টোকিও
d নিউইয়র্ক
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত থাকার কারণে একে বিশ্বের রাজধানী বলা হয়। - বিশ্ব রাজনীতি, অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে এই শহরটি বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের কেন্দ্রস্থল, তবে এটিকে বিশ্ব রাজধানী বলা হয় না। B) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং একটি প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র হলেও এটি বিশ্বের রাজধানী হিসেবে পরিচিত নয়। C) টোকিও — এটি জাপানের রাজধানী এবং বিশ্বের অন্যতম জনবহুল মেগাসিটি, কিন্তু এই উপাধির জন্য এটি নির্দিষ্ট নয়। D) নিউইয়র্ক — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি জাতিসংঘ সদর দপ্তরের অবস্থানের কারণে এই প্রশ্নের জন্য সঠিক। মনে রাখার টিপস: যে শহরে জাতিসংঘ আছে, সেখানেই পৃথিবীর সকল দেশের মিলন ঘটে, তাই জাতিসংঘ সদর দপ্তরযুক্ত নিউইয়র্ক হলো বিশ্বের রাজধানী।
a তৃষ্ণা
b নিষ্কৃতি
c কয়েকটি মৃত্যু
d শেষ বিকেলের মেয়ে
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিষ্কৃতি কেন সঠিক: - নিষ্কৃতি হলো বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প ও নাটক। - জহির রায়হান রচিত উপন্যাসগুলোর মধ্যে তৃষ্ণা, কয়েকটি মৃত্যু এবং শেষ বিকেলের মেয়ে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৃষ্ণা — এটি প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা জহির রায়হান রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। B) নিষ্কৃতি — এটি জহির রায়হানের রচনা নয়, বরং শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত সৃষ্টি। C) কয়েকটি মৃত্যু — এটি জহির রায়হান রচিত একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস। D) শেষ বিকেলের মেয়ে — এটিও জহির রায়হানের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রশংসিত একটি উপন্যাস। মনে রাখার টিপস: শরৎচন্দ্রের 'নিষ্কৃতি' আর জহির রায়হানের 'তৃষ্ণা', 'কয়েকটি মৃত্যু' ও 'শেষ বিকেলের মেয়ে' উপন্যাসগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
a নিশাত মজুমদার
b রাবেয়া ভূঁইয়া
c নাজিয়া সুলতানা
d ওয়াসফিয়া নাজনীন।
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিশাত মজুমদার কেন সঠিক: - নিশাত মজুমদার ১৯শে মে ২০১২ সালে প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন। - পেশাগতভাবে তিনি একজন গ্রাফিক ডিজাইনার এবং তিনি প্রথম সাফারি দলের অংশ হিসেবে এই পর্বত জয় করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিশাত মজুমদার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেছেন। B) রাবেয়া ভূঁইয়া — তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী ব্যারিস্টার এবং সংবিধানের অন্যতম অনুবাদক, পর্বতারোহণের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) নাজিয়া সুলতানা — তিনি এভারেস্ট জয়ী কোনো পর্বтарোহী নন, তাই এই প্রশ্নের উত্তর হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) ওয়াসফিয়া নাজনীন — তিনি দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১২ সালের ২৬শে মে এভারেস্ট জয় করেন, প্রথম নন। মনে রাখার টিপস: নিশাত মজুমদার মানে প্রথম নারী জয়ী এবং এর ঠিক কয়েকদিন পর ওয়াসফিয়া নাজনীন দ্বিতীয় নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন।
a নেলী
b শেলী
c ডলি'
d মলি
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ডলি কেন সঠিক: - যুক্তরাজ্যের রস্লাইন ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা ১৯৯৬ সালে পূর্ণবয়স্ক ভেড়ার কোষ থেকে ক্লোনিং প্রক্রিয়ায় এই ভেড়াটির জন্ম দেন। - ক্লোন করা প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী হিসেবে এর নামকরণ করা হয়েছিল ডলি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেলী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ এটি ক্লোন ভেড়ার নাম নয়। B) শেলী — এটি ডলির মতো কোনো বিখ্যাত ক্লোন ভেড়ার নাম নয়। C) ডলি — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি ক্লোন ভেড়ার আসল নাম। D) মলি — এটি প্রথম সফল ক্লোন ভেড়ার নাম নয়। মনে রাখার টিপস: ক্লোন ভেড়ার নাম মনে রাখতে ডলি শব্দটি याद রাখতে পারো যা বিজ্ঞানের ইতিহাসে প্রথম সফল ক্লোনিংয়ের প্রতীক।
a বিপদে পড়া
b সৌভাগ্যের বিষয়
c দিনের প্রথম ভাগ
d আনন্দের বিষয়
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৌভাগ্যের বিষয় কেন সঠিক: - বৃহস্পতি গ্রহ জ্যোতিষশাস্ত্রে সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির প্রতীক বলে বিবেচিত হয়। - একাদশে বৃহস্পতি অবস্থান করার অর্থ হলো অত্যন্ত সৌভাগ্যবান হওয়া বা সুদিন আসা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিপদে পড়া — এই অর্থের জন্য 'কূলহারা হওয়া' বা 'আকাশ ভেঙে পড়া' বাগধারা ব্যবহৃত হয়। C) দিনের প্রথম ভাগ — এটি কোনো নির্দিষ্ট বাগধারার অর্থ নয়, বরং সাধারণ সময়ের নির্দেশ। D) আনন্দের বিষয় — এই অর্থের জন্য 'নথ উলটা' বা 'মন মজে যাওয়া' বাগধারা বেশি উপযোগী। মনে রাখার টিপস: বৃহস্পতি গ্রহ হলো সৌভাগ্যের প্রতীক, তাই একাদশে বৃহস্পতি মানেই জীবনে সৌভাগ্যের আগমন।
a গৌড়
b রাঢ়
c পুণ্ড্র
d মৌর্য
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মৌর্য কেন সঠিক: - মৌর্য হলো প্রাচীন ভারতের একটি সুবিশাল সাম্রাজ্য, কোনো নির্দিষ্ট প্রাচীন বাংলার জনপদ নয়। - মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য, যা বাংলার বাইরে মগধ কেন্দ্রিক ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গৌড় — এটি বর্তমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও এর আশেপাশের এলাকা নিয়ে গঠিত একটি প্রাচীন বাংলার জনপদ। B) রাঢ় — এটি বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ ও ভাগীরথী নদীর পশ্চিম তীরের অংশ নিয়ে গঠিত প্রাচীন বাংলার একটি জনপদ। C) পুণ্ড্র — এটি প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ ছিল, যার কেন্দ্র ছিল বর্তমান মহাস্থানগড়। D) মৌর্য — এটি কোনো জনপদ নয়, বরং ভারতের প্রাচীন রাজবংশ বা সাম্রাজ্য। মনে রাখার টিপস: গৌড়, রাঢ়, পুণ্ড্র, বঙ্গ ও সমতট হলো প্রাচীন বাংলার প্রধান জনপদ, কিন্তু মৌর্য ও গুপ্ত হলো প্রাচীন ভারতীয় সাম্রাজ্য।
a সবগুলোই ঠিক
b চোখে দেখে
c ঘ্রাণ শক্তির মাধ্যমে
d আলট্রাসনিক শব্দের মাধ্যমে
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আলট্রাসনিক শব্দের মাধ্যমে কেন সঠিক: - বাদুড় অন্ধকারে চলাচলের সময় মুখ বা নাক থেকে উচ্চ কম্পাঙ্কের আলট্রাসনিক শব্দ বা প্রতিধ্বনি তৈরি করে। - এই শব্দ সামনে থাকা কোনো বস্তুতে বাধা পেয়ে ফিরে এলে বাদুড় তার দূরত্ব ও অবস্থান নির্ণয় করে নিরাপদে চলাচল করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সবগুলোই ঠিক — এখানে কেবল একটি অপশন সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি ভুল। B) চোখে দেখে — বাদুড়ের চোখ থাকলেও রাতের অন্ধকারে তারা দৃষ্টির চেয়ে শব্দের প্রতিধ্বনির ওপর বেশি নির্ভর করে। C) ঘ্রাণ শক্তির মাধ্যমে — ঘ্রাণ শক্তি খাবার বা পরিবেশ চিনতে সাহায্য করলেও দিক নির্ণয়ে মূল ভূমিকা রাখে না। D) আলট্রাসনিক শব্দের মাধ্যমে — প্রতিধ্বনি তৈরির এই বিশেষ ক্ষমতার মাধ্যমে বাদুড় অন্ধকারে দিক নির্ণয় করে, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: বাদুড়ের প্রতিধ্বনি বা আলট্রাসনিক শব্দ মনে রাখতে 'শব্দই দৃষ্টি' এই সূত্রটি মনে রাখতে পারো।
a ১ নং সেক্টর
b ১০ নং সেক্টর
c ৯ নং সেক্টর
d ১১ নং সেক্টর
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ নং সেক্টর কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন গঠিত ১০ নং সেক্টরটি কেবল নৌ কমান্ডো বা সাবমেরিনারদের দ্বারা গঠিত হয়েছিল। - এই সেক্টরের কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা ছিল না, সমগ্র জলপথ ও সমুদ্রবন্দর এর আওতাধীন ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ নং সেক্টর — এটি চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী জেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত নিয়মিত সেক্টর ছিল, নৌ কমান্ডো সেক্টর নয়। B) ১০ নং সেক্টর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। ৯ নং সেক্টর — এটি খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী এবং সাতক্ষীরা অঞ্চলের স্থলভাগ ও নদীপথ নিয়ে গঠিত নিয়মিত সেক্টর ছিল। D) ১১ নং সেক্টর — এটি টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ অঞ্চল নিয়ে গঠিত একটি নিয়মিত সেক্টর ছিল। মনে রাখার টিপস: নৌবাহিনী বা পানির সঙ্গে শূন্যের মিল আছে, তাই ১০ নং সেক্টর হলো একমাত্র নৌ কমান্ডো সেক্টর।
a সম্রাট জাহাঙ্গীর
b শায়েস্তা খাঁন
c ইসলাম খাঁ
d সম্রাট আকবর
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইসলাম খাঁ কেন সঠিক: - ১৬১০ সালে সুবাদার ইসলাম খাঁ মুঘল রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং এর নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর। - তার প্রশাসনিক ও সামরিক কৌশলের অংশ হিসেবে ঢাকাকে প্রথম বাংলার রাজধানী করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্রাট জাহাঙ্গীর — তিনি মুঘল সম্রাট ছিলেন, তবে সরাসরি ঢাকায় রাজধানী স্থাপন করেননি বরং তার নামানুসারে ঢাকার নাম জাহাঙ্গীরনগর রাখা হয়েছিল। B) শায়েস্তা খাঁন — তিনি বাংলার বিখ্যাত সুবাদার ছিলেন, যিনি পরবর্তীতে ঢাকায় শাসন করেছিলেন কিন্তু প্রথম রাজধানী স্থাপনকারী নন। C) ইসলাম খাঁ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। D) সম্রাট আকবর — তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের বিস্তার ঘটিয়েছিলেন, তবে তার আমলেও ঢাকার সঙ্গে বাংলার রাজধানীর কোনো প্রশাসনিক সংযোগ ছিল না। মনে রাখার টিপস: ইসলাম ধর্ম প্রচারের জন্য যেমন নির্দিষ্ট স্থান লাগে, তেমনি মুঘল আমলে ঢাকায় প্রথম রাজধানী স্থাপন করেছিলেন ইসলাম খাঁ।
a মেঘনা
b পদ্মা
c কর্ণফুলী
d যমুনা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্ণফুলী কেন সঠিক: - কর্ণফুলী নদী পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে তীব্র বেগে প্রবাহিত হওয়ায় এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে খরস্রোতা নদী। - এই নদীর তলদেশ অসমান এবং এর গতিপথে বাঁক ও উচ্চতার তারতম্য বেশি থাকায় স্রোতের বেগ অনেক বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘনা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রশস্ত ও দীর্ঘ নদী হলেও এর স্রোত কর্ণফুলীর মতো তীব্র বা খরস্রোতা নয়। B) পদ্মা — এটি অত্যন্ত গভীর ও বিশাল প্রমত্তা নদী হলেও এর জলস্রোত কর্ণফুলীর মতো পাহাড়ি ঢালভিত্তিক খরস্রোতা নয়। C) কর্ণফুলী — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ পাহাড়ি অঞ্চলের কারণে এটি দেশের সবচেয়ে খরস্রোতা নদী। D) যমুনা — এটি একটি প্রশস্ত ও বহমান নদ হলেও এর গতিপ্রকৃতি সমতল অঞ্চলের হওয়ায় এটি খরস্রোতা হিসেবে পরিচিত নয়। মনে রাখার টিপস: পাহাড়ের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় বলে কর্ণফুলী নদীর স্রোত সবার চেয়ে বেশি তীব্র বা খরস্রোতা হয়।
a বিশ্ব খাদ্য সংস্থা
b আন্তর্জাতিক আদালত
c বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা
d আন্তর্জাতিক রেডক্রস্
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আন্তর্জাতিক আদালত প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও সাধারণ জ্ঞান কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক আদালত জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ হলেও এটি জাতিসংঘের কোনো সরাসরি অঙ্গসংস্থা বা বিশেষায়িত সংস্থা নয়। - এটি নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত স্বাধীন একটি বিচারালয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্ব খাদ্য সংস্থা — এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি নিয়ে কাজ করে। B) আন্তর্জাতিক আদালত — এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ হলেও এটি স্বাধীনভাবে পরিচালিত একটি আদালত, তাই সঠিক উত্তর। C) বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা — এটি জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য বিষয়ক একটি বিশেষায়িত অঙ্গসংস্থা। D) আন্তর্জাতিক রেডক্রস — এটি একটি স্বতন্ত্র ও নিরপেক্ষ মানবিক সংস্থা, যা জেনেভা কনভেনশনের মাধ্যমে পরিচালিত হয় এবং জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা নয়। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গ ছয়টি, যার মধ্যে বিচারিক অঙ্গ হলো আন্তর্জাতিক আদালত। রেডক্রস কোনো জাতিসংঘের সংস্থা নয়, এটি একটি স্বাধীন মানবিক সাহায্যকারী সংস্থা।
a ১৫ জুন, ২০০৯
b ১৮ এপ্রিল, ২০১২
c ১৪ মার্চ, ২০১২
d ২০ মে, ২০১০
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪ মার্চ, ২০১২ কেন সঠিক: - জার্মানির হামবুর্গ শহরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন ট্রাইব্যুনাল (ITLOS) এই রায় প্রদান করে। - এই রায়ের মাধ্যমে মিয়ানমারের সাথে বঙ্গোপসাগরের ১,১১,০০ বর্গকিলোমিটার সমুদ্র এলাকায় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ জুন, ২০০৯ — এই তারিখে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত মামলার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল। B) ১৮ এপ্রিল, ২০১২ — এটি এই মামলার সাথে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক বা আইনি তারিখ নয়। D) ২০ মে, ২০১০ — এই তারিখে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: মিয়ানমার সমুদ্রসীমা মামলার রায় হয় ২০১২ সালের মার্চ মাসে এবং ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা মামলার রায় হয় ২০১৪ সালের জুলাই মাসে।
a রাজা শশাঙ্ক
b গিয়াস উদ্দীন আজম শাহ
c ফকরুদ্দীন মোবারক শাহ
d লক্ষণ সেন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাজা শশাঙ্ক কেন সঠিক: - শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে গৌড় রাজ্যের রাজা হন এবং তিনিই প্রথম সমগ্র বাংলার সার্বভৌম ও স্বাধীন নরপতি হিসেবে পরিচিত লাভ করেন। - এর আগে বাংলা ছোট ছোট স্বাধীন অঞ্চলে বিভক্ত ছিল এবং শশাঙ্কই প্রথম বাংলাকে একটি কেন্দ্রীয় শাসনের আওতায় এনেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজা শশাঙ্ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম নরপতি ছিলেন। B) গিয়াস উদ্দীন আজম শাহ — তিনি ছিলেন মধ্যযুগের বাংলার একজন সুলতান, প্রাচীনকালের রাজা নন। C) ফকরুদ্দীন মোবারক শাহ — তিনি ছিলেন বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান, প্রাচীন আমলের রাজা নন। D) লক্ষণ সেন — তিনি ছিলেন সেন রাজবংশের শেষ রাজা এবং বাংলার স্বাধীন রাজা নন। মনে রাখার টিপস: স্বাধীন বাংলার প্রথম রাজা শশাঙ্ক, আর প্রথম স্বাধীন সুলতান ফকরুদ্দীন মোবারক শাহ।
a ৩৫০ নটিকেল মাইল
b ৪০০ নটিকেল মাইল
c ২০০ নটিকেল মাইল
d ৩০০ নটিকেল মাইল
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০ নটিকেল মাইল কেন সঠিক: - ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী উপকূলীয় রেখা বা ভিত্তি রেখা থেকে মহীসোপানের সীমা নির্ধারিত হয়। - এই আইন অনুযায়ী যেকোনো উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের আদর্শ বা ন্যূনতম সীমা ভিত্তি রেখা থেকে ২০০ নটিকেল মাইল পর্যন্ত নির্ধারিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৫০ নটিকেল মাইল — এটি প্রাকৃতিক মহীসোপানের প্রান্তসীমা প্রসারিত হলে তার সর্বোচ্চ সীমা হতে পারে, তবে স্বাভাবিক বা সাধারণ সীমা এটি নয়। B) ৪০০ নটিকেল মাইল — এটি সমুদ্র আইন কনভেনশনে মহীসোপানের সীমার জন্য নির্ধারিত কোনো মান নয়। C) ২০০ নটিকেল মাইল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের মূল আইনগত সীমা। D) ৩০০ নটিকেল মাইল — এটিও সমুদ্র আইনের নিয়ম অনুযায়ী মহীসোপানের কোনো নির্ধারিত বা স্বীকৃত মান নয়। মনে রাখার টিপস: সমুদ্র আইনের ক্ষেত্রে উপকূলীয় রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং মহীসোপানের সাধারণ সীমা মনে রাখতে সংখ্যাটি সবসময় ২০০ নটিকেল মাইল হবে।
a মুন্সী আব্দুর রহিম
b নূর মোহাম্মদ শেখ
c হামিদুর রহমান
d মোস্তফা কামাল
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুন্সী আব্দুর রহিম কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য খেতাবপ্রাপ্ত বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবধারীর সংখ্যা সাতজন। - মুন্সী আব্দুর রহিম বাংলাদেশের সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের অন্তর্ভুক্ত নন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুন্সী আব্দুর রহিম — তিনি মুক্তিযুদ্ধের কোনো বীরশ্রেষ্ঠ নন, তাই এটি সঠিক উত্তর। B) নূর মোহাম্মদ শেখ — তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য সাহসিকতার জন্য বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত হন। C) হামিদুর রহমান — তিনি ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করে শহিদ হন এবং সর্বকনিষ্ঠ বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব লাভ করেন। D) মোস্তফা কামাল — তিনি ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুদ্ধ করে শহিদ হন এবং বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব পান। মনে রাখার টিপস: সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের নাম মনে রাখার ছন্দ বা সূত্র মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।

মোট প্রশ্ন (2)

a নিকেল
b পিতল
c লৌহ,
d ইস্পাত
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পিতল ১. কেন সঠিক: পিতল চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় না কারণ এটি একটি অ-চৌম্বকীয় ধাতু সংকর। চৌম্বক ক্ষেত্র পিতলের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে না বা এর পরমাণুগুলো চুম্বক দ্বারা প্রভাবিত হয় না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: যেসব পদার্থ চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় তাদেরকে চৌম্বক পদার্থ বলে। কার্যপ্রণালি: চৌম্বক পদার্থের অণুতে থাকা ডোমেইনগুলো চৌম্বক ক্ষেত্রে আসার পর শৃঙ্খলিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফ্রিজের দরজায় চুম্বক লাগিয়ে রাখা। ব্যাখ্যা: ফ্রিজের দরজা লোহা বা ইস্পাত দিয়ে তৈরি হওয়ায় চুম্বক সেটিকে আকর্ষণ করে ধরে রাখে। উদাহরণ ২: পিতলের তৈরি তৈজসপত্র। ব্যাখ্যা: পিতলের চামচ বা থালার কাছে চুম্বক ধরলে তা কোনো আকর্ষণ অনুভব করে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিকেল — এটি একটি শক্তিশালী চৌম্বক পদার্থ এবং চুম্বক দ্বারা জোরালোভাবে আকৃষ্ট হয়। B) পিতল — এটি তামা ও দস্তার একটি সংকর ধাতু এবং চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় না। C) লৌহ — এটি প্রাকৃতিক চৌম্বক পদার্থ এবং চুম্বক একে খুব সহজেই আকর্ষণ করে। D) ইস্পাত — এটি লোহার সংকর এবং স্থায়ী চুম্বক তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: লৌহ, নিকেল ও কোবাল্ট এই তিনটি প্রধান চৌম্বক ধাতু সহজে মনে রাখবে। সংকর ধাতু যেমন পিতল বা ব্রোঞ্জ চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তামা, দস্তা, অ্যালুমিনিয়াম এবং সোনা হলো অ-চৌম্বক পদার্থের সাধারণ উদাহরণ। একই ধারণা থেকে পরীক্ষায় আসতে পারে কোনটি চৌম্বক পদার্থ নয়।
a বাতাস।
b পিতল
c লোহা
d জল
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লোহা ১. কেন সঠিক: - লোহা একটিমাত্র উপাদান বা পরমাণু দিয়ে গঠিত, তাই এটি একটি মৌলিক পদার্থ। - প্রকৃতিতে যে পদার্থগুলোকে ভাঙলে বা রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করলে সেই উপাদান ছাড়া অন্য কোনো নতুন পদার্থ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক পদার্থ বলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে পদার্থ কেবল এক ধরণের পরমাণু দ্বারা গঠিত এবং যাকে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় ভেঙে অন্য কোনো সরল পদার্থে পরিণত করা যায় না, তাকে মৌলিক পদার্থ বলে। - রাসায়নিক গঠন: লোহার রাসায়নিক প্রতীক Fe এবং এর পারমাণবিক সংখ্যা ২৬, যা নির্দেশ করে এতে কেবল লোহার পরমাণুই বিদ্যমান। - বাস্তব প্রয়োগ: শিল্পকারখানা, সেতু নির্মাণ এবং ঘরবাড়ি তৈরিতে মৌলিক পদার্থ হিসেবে লোহার ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্বর্ণ বা সোনা ব্যাখ্যা: সোনা একটি মৌলিক পদার্থ কারণ এটি শুধু সোনা বা Au পরমাণু দিয়েই তৈরি। উদাহরণ ২: অক্সিজেন গ্যাস ব্যাখ্যা: বাতাসে থাকা অক্সিজেন একটি মৌলিক পদার্থ যা দুটি অক্সিজেন পরমাণুর সমন্বয়ে গঠিত অণু হলেও উপাদান হিসেবে এটি মৌলিক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাতাস — বাতাস একটি মিশ্রণ, যাতে অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন ডাইঅক্সাইডসহ নানা গ্যাস মিশে থাকে। B) পিতল — পিতল একটি সংকর ধাতু, যা তামা ও দস্তার সমন্বয়ে তৈরি হয়। C) লোহা — এটি সঠিক উত্তর কারণ লোহা একটি মৌলিক পদার্থ। D) জল — জল বা পানি একটি যৌগিক পদার্থ, যা হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন রাসায়নিকভাবে যুক্ত হয়ে গঠিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রকৃতিতে পাওয়া একক উপাদানগুলো হলো মৌলিক পদার্থ আর একাধিক উপাদান মিলে তৈরি হলে তা যৌগিক বা মিশ্রণ। - লোহা, তামা, সোনা এগুলো হলো মৌলিক পদার্থের ভালো উদাহরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পর্যায় সারণিতে এ পর্যন্ত ১১৮টি মৌলিক পদার্থ আবিষ্কৃত হয়েছে। - পরীক্ষাসমূহে প্রায়ই সোনা, লোহা, পানি ও বাতাসের মধ্যে কোনটি মৌলিক বা যৌগিক তা নির্ণয় করতে বলা হয়।

মোট প্রশ্ন (2)

a মেগাবাইট
b কিলোবাইট
c গিগাবাইট
d টেরাবাইট
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) টেরাবাইট ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার প্রযুক্তিতে ডেটা পরিমাপের এককগুলোর মধ্যে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে টেরাবাইট হলো সবচেয়ে বড় একক। বিটের পর বাইট, কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট হয়ে টেরাবাইটের অবস্থান অনেক উর্ধ্বে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কম্পিউটার মেমোরি বা স্টোরেজ পরিমাপের একক হলো বাইট এবং তার বিভিন্ন গুণোত্তর রূপ। কার্যপদ্ধতি: প্রতি এক হাজার চব্বিশ বা দুই এর দশ ঘাত হিসেবে ডেটার এককগুলো ধাপে ধাপে বড় হতে থাকে। পার্থক্য: মেগাবাইটের চেয়ে গিগাবাইট বড় এবং গিগাবাইটের চেয়ে টেরাবাইট অনেক বড়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি স্মার্টফোনের সাধারণ অভ্যন্তরীণ মেমোরি সাধারণত ৬৪ বা ১২৮ গিগাবাইট হয়ে থাকে। ব্যাখ্যা: এটি বোঝায় ফোনটি কতখানি ডেটা সংরক্ষণ করতে পারবে। উদাহরণ ২: একটি আধুনিক এক্সটার্নাল হার্ডডিস্ক ড্রাইভের ধারণক্ষমতা সাধারণত ১ বা ২ টেরাবাইট হয়। ব্যাখ্যা: এটি গিগাবাইটের চেয়ে অনেক বেশি ছবি, ভিডিও বা ফাইল সংরক্ষণ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেগাবাইট — মেগাবাইট গিগাবাইট ও টেরাবাইটের চেয়ে ছোট একক তাই এটি সবচেয়ে বড় নয়। B) কিলোবাইট — কিলোবাইট মেগাবাইট, গিগাবাইট ও টেরাবাইটের চেয়ে অনেক ছোট একক তাই এটি সঠিক নয়। C) গিগাবাইট — গিগাবাইট টেরাবাইটের চেয়ে ছোট একক হওয়ায় এটি সবচেয়ে বড় নয়। D) টেরাবাইট — প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে বড় ডেটা পরিমাপের একক। ৫. মনে রাখার টিপস: ছোট থেকে বড় ক্রম মনে রাখার কৌশল হলো কিলো, মেগা, গিগা, টেরা। প্রতি ধাপে ডেটার পরিমাণ এক হাজার চব্বিশ গুণ বৃদ্ধি পায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ডেটার ছোট থেকে বড় বা বড় থেকে ছোট ক্রম সাজাতে বলা হয়। টেতারাবাইটের পরবর্তী বড় একক হলো পে্টাবাইট।
a সুতনী
b রূপসা
c বিজয়
d সুলেখা
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিজয় ১. কেন সঠিক: বিজয় হলো কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইসে বাংলা লেখার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সফটওয়্যার বা লেআউট। এটি ডাইনামিক কিবোর্ড লেআউট এবং ইউনিকোড ও এএনএসআই এনকোডিং সমর্থন করার মাধ্যমে কম্পিউটারে বাংলা লেখার পথ সুগম করেছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: বিজয় হলো মোস্তফা জব্বার কর্তৃক ১৯৯৩ সালে উদ্ভাবিত একটি বাংলা কিবোর্ড লেআউট এবং লেখার সফটওয়্যার। কার্যপদ্ধতি: এটি কিবোর্ডের নির্দিষ্ট বোতাম চাপার মাধ্যমে ইউনিকোড বা এএনএসআই ফন্ট ব্যবহার করে মনিটরে বাংলা বর্ণ প্রদর্শন করে। ব্যবহার: বাংলাদেশের সরকারি-বেসরকারি অফিস, প্রকাশনা শিল্প এবং সাধারণ ডেক্সটপ রাইটিংয়ে বাংলা লেখার কাজে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারে বই বা পত্রিকা ছাপানোর কাজ। ব্যাখ্যা: প্রিণ্ট মিডিয়া বা প্রকাশনা শিল্পে নিখুঁতভাবে বাংলা লেখার জন্য বিজয় সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: জাতীয় পরিচয়পত্র বা সরকারি ফরম পূরণ। ব্যাখ্যা: বিভিন্ন দাপ্তরিক নথিপত্র এবং বাংলা ডেটা এন্ট্রি করার সময় বিজয় কিবোর্ড লেআউটের সাহায্য নেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুতনী — এটি কোনো সফটওয়্যার নয়, বরং এটি একটি জনপ্রিয় বাংলা ফন্টের নাম (যেমন: সুতনীএমজে)। B) রূপসা — এটি বাংলা লেখার কোনো স্ট্যান্ডার্ড সফটওয়্যার বা কিবোর্ড লেআউট নয়। D) সুলেখা — এটি বাংলা লেখার সফটওয়্যার বা কিবোর্ড লেআউট হিসেবে পরিচিত নয়, এটি মূলত একটি সাধারণ নাম। ৫. মনে রাখার টিপস: বিজয়ের প্রথম অক্ষর ব এবং বাংলাদেশের জনপ্রিয় বাংলা লেখার সফটওয়্যারও বিজয়, যা মোস্তফা জব্বার তৈরি করেছেন। পরীক্ষায় বাংলা লেখার সফটওয়্যার বা কিবোর্ড আসলে সাধারণত বিজয় বা অভ্র নাম দুটি বেশি আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিজয় কিবোর্ডের জনক বা প্রবর্তক হলেন মোস্তফা জব্বার এবং এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৯৩ সালে। অন্য একটি জনপ্রিয় বাংলা লেখার সফটওয়্যার হলো অবুঝ বা অভ্র, যা ২০০৩ সালে তৈরি হয়েছিল।