সঠিক উত্তর: A) অনিল
১. কেন সঠিক:
- 'অনিল' শব্দের অর্থ বাতাস বা বায়ু, যা আগুন বা বহ্নির সমার্থক শব্দ নয়।
- প্রশ্নটিতে কোনটি আগুনের সমার্থক শব্দ নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যেগুলোর অর্থ একই বা প্রায় একই রকম হয়।
- আগুন শব্দের অনেকগুলো সংস্কৃত বা তৎসম সমার্থক শব্দ রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বায়ু
ব্যাখ্যা: বায়ু হলো অনিলের সমার্থক শব্দ, আগুনের নয়।
উদাহরণ ২: বাতাস
ব্যাখ্যা: বাতাস হলো অনিলের অপর নাম, যা আগুন থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনিল — এটি বাতাসের সমার্থক শব্দ, আগুনের নয়।
B) পাবক — এটি আগুনের একটি পরিচিত সমার্থক শব্দ।
C) হুতাশন — এটিও আগুনের একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
D) কৃশানু — এটি আগুনের আরেকটি সমার্থক শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অনিল মানে বাতাস আর অনল মানে আগুন। এই দুটি শব্দের সামান্য পার্থক্যের কারণে প্রায়ই পরীক্ষার্থীরা ভুল করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় শব্দের বানান ও সূক্ষ্ম অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
- অনিল (বাতাস) এবং অনল (আগুন) - এই জোড়া শব্দগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) অক্কা পাওয়া
১. কেন সঠিক:
- 'অক্কা পাওয়া' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার আক্ষরিক ও বিশেষ অর্থ হলো মারা যাওয়া বা প্রাণত্যাগ করা।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত এই বাগধারাটি মৃত্যুর সমার্থক হিসেবে কথ্য ও লেখ্য উভয়েই বহুল ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণে বাগধারা বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাবকে আরও সমৃদ্ধ ও আকর্ষণীয় করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অতিরিক্ত গরমে বয়স্ক লোকটি হঠাৎ অক্কা পেলেন।
ব্যাখ্যা: এখানে 'অক্কা পেলেন' বাগধারাটি ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: অবহেলায় পড়ে থাকা গাড়িটির ইঞ্জিন অবশেষে অক্কা দিল।
ব্যাখ্যা: এখানে কোনো যন্ত্র বা বস্তুর স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যাওয়া বা অকার্যকর হওয়া বোঝাতে রূপক অর্থে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্কা পাওয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ মারা যাওয়া এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
B) কেউকেটা — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ বিশিষ্ট বা গণ্যমান্য ব্যক্তি, যা মৃত্যুর সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) কান পাতলা — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ সহজে বিশ্বাসপ্রবণ বা অন্যের কথায় বিশ্বাস স্থাপনকারী ব্যক্তি।
D) কেতাদুরস্ত — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ পরিপাটি বা ফ্যাশনদুরস্ত এবং শিষ্টাচারসম্পন্ন ব্যক্তি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অক্কা পাওয়া মানে ওপারে চলে যাওয়া বা মারা যাওয়া, এভাবে মিল রেখে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জীবন ও মৃত্যুর ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত বাগধারাগুলো যেমন অক্কা পাওয়া, চিরবিদায় নেওয়া, পঞ্চত্ব প্রাপ্ত হওয়া ইত্যাদি প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
- সমার্থক বাগধারাগুলোর আলাদা অর্থ ও সূক্ষ্ম পার্থক্য ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) দুল্ + না
১. কেন সঠিক:
'দোলনা' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো দুল্ যোগ না। এখানে 'দুল্' হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূল এবং '-না' হলো তদ্ধিত বা কৃৎ প্রত্যয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
এটি একটি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ, যেখানে ক্রিয়ামূলের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষ্য পদ গঠিত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে 'না' প্রত্যয় যুক্ত করে সাধারণত যন্ত্র বা ভাববাচক বিশেষ্য পদ তৈরি করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাঁদ্ + না = কান্না
ব্যাখ্যা: ক্রিয়ামূল 'কাঁদ্'-এর সঙ্গে 'না' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভাববাচক বিশেষ্য 'কান্না' শব্দটি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ঢাক্ + না = ঢাকনা
ব্যাখ্যা: ক্রিয়ামূল 'ঢাক্'-এর সঙ্গে 'না' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যন্ত্রবাচক বিশেষ্য 'ঢাকনা' শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দোল্ + আ — এই প্রক্রিয়ায় 'দোল্' ধাতুর সঙ্গে 'আ' প্রত্যয় যুক্ত হলে 'দোলা' শব্দ গঠিত হয়, যা 'দোলনা' শব্দের সঙ্গে মেলে না।
B) দোল্ + না — এই অপশনে ধাতু হিসেবে 'দোল্' ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ সঠিক ধাতু হলো 'দুল্'।
C) দোল্ + অনা — এখানে প্রত্যয় হিসেবে 'অনা' ব্যবহার করা হয়েছে এবং ধাতু ভুলভাবে 'দোল্' দেওয়া হয়েছে।
D) দুল্ + না — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্দেশ করে যা প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক।
৫ মনে রাখার টিপস:
'দোলনা' শব্দের মূল ক্রিয়াটি হলো দুলানো বা দুল, তাই এর মূল ধাতু 'দুল্' হবে। ক্রিয়াভিত্তিক বিশেষ্য শব্দ চেনার জন্য শব্দের শেষের প্রত্যয় আলাদা করার সময় মূল ধাতুটি খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় মূল ক্রিয়ামূল বা ধাতু সঠিকভাবে চিহ্নিত করা অত্যন্ত জরুরি। একই নিয়মে 'ঝুল্ + না = ঝুলনা' বা 'বাঁধ্ + না = বাঁধনা' শব্দগুলোর প্রত্যয় নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) রূপক কর্মধারয়
১. কেন সঠিক:
- উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভেদ বা মিল কল্পনা করা হলে রূপক কর্মধারয় সমাস হয়।
- মন এবং মাঝির মধ্যে অভেদ কল্পনা করে মনরূপ মাঝি সমান মনমাঝি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে কর্মধারয় সমাসে উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য বা ভিন্নতা নেই বলে কল্পনা করা হয়, তাকে রূপক কর্মধারয় বলে।
- এ সমাসে সাধারণত সমস্যমান পদে রূপ বা অবিকল শব্দ ব্যবহৃত হয় এবং ব্যাসবাক্যে রূপ ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাদসিন্ধু
ব্যাখ্যা: বিষাদরূপ সিন্ধু সমান বিষাদসিন্ধু, এখানে বিষাদের সঙ্গে সিন্ধুর অভেদ কল্পনা করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: ক্রোদঅনল
ব্যাখ্যা: ক্রোড্রূপ অনল সমান ক্রোদঅনল, এখানে ক্রোধকে অনলের সঙ্গে অভিন্ন বলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বিগু — সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে সমাসবদ্ধ পদের মিল থাকলে দ্বিগু সমাস হয়, যা এখানে নেই।
B) বহুব্রীহি — সমাসবদ্ধ পদে অন্য পদের অর্থ প্রাধান্য পেলে বহুব্রীহি সমাস হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) রূপক কর্মধারয় — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে মন ও মাঝির রূপক অর্থে সমাস হয়েছে।
D) নিত্যসমাস — যে সমাসের কোনো ব্যাসবাক্য হয় না বা অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্যসমাস বলে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রূপক কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের মাঝে রূপ শব্দ থাকা এবং উপমান ও উপমেয়ের অভেদ বোঝানো।
- মনমাঝি, বিষাদসিন্ধু, ক্রোদঅনল শব্দগুলোতে অভেদ কল্পনা করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ প্রায়ই আসে।
- মনমাঝি, বিষাদসিন্ধু এবং ক্রোদঅনল শব্দগুলোর ব্যাসবাক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) চন্দ্রকুমার দে
১. কেন সঠিক:
ময়মনসিংহ অঞ্চলের গ্রামীণ লোকসাহিত্য ও লোকসংগীত সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে চন্দ্রকুমার দে সরাসরি মাঠপর্যায়ে কাজ করেছেন।
দীনেশচন্দ্র সেনের অনুপ্রেরণায় তিনি নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ অঞ্চলের গ্রাম ঘুরে এসব অমূল্য পালাগান সংগ্রহ করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
চন্দ্রকুমার দে ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ লোকসাহিত্য সংগ্রাহক যিনি সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ফেরা গাথাগুলো সংগ্রহ করেছিলেন।
দীনেশচন্দ্র সেন এই সংগৃহীত পালাগুলো সম্পাদনা করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ময়মনসিংহ গীতিকা নামে প্রকাশ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহুয়ার পালা
ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্ভুক্ত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ধ্রুপদী প্রেমের পালাগান।
উদাহরণ ২: মলুয়ার পালা
ব্যাখ্যা: চন্দ্রকুমার দের সংগৃহীত ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও ট্র্যাজিক প্রেমের গাথা এটি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আশুতোষ ভট্টাচার্য — তিনি বাংলার লোকসাহিত্য নিয়ে গবেষণা ও গ্রন্থ রচনা করলেও ময়মনসিংহ গীতিকা সংগ্রহ করেননি।
B) দীনেশচন্দ্র সেন — তিনি ময়মনসিংহ গীতিকা সংগ্রহ করেননি, বরং সংগৃহীত পালাগুলো সম্পাদনা ও প্রকাশ করেছিলেন।
C) দক্ষিণারঞ্জন মিত্র — তিনি বাংলার রূপকথার বিখ্যাত সংকলন ঠাকুরমার ঝুলি রচনা ও সংগ্রহ করেছেন।
D) চন্দ্রকুমার দে — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজে মাঠে ঘুরে ময়মনসিংহ গীতিকার পালাগুলো সংগ্রহ করেছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
সংগ্রহ করেছেন চন্দ্রকুমার দে এবং সম্পাদনা করেছেন দীনেশচন্দ্র সেন এই পার্থক্যটি মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি।
ময়মনসিংহ গীতিকার মূল প্রাণপুরুষ হলেন মাঠের গবেষক চন্দ্রকুমার দে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ময়মনসিংহ গীতিকা ইংরেজিতে অনুবাদ করেন ড্রিম অব ইন্ডিয়ান মেডো ল্যান্ড খ্যাত জেসন ডেভিস বা দীনেশচন্দ্র সেনের মাধ্যমে প্রকাশ পায়।
লোকসাহিত্য সম্পর্কিত যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক প্রশ্নে সংগ্রাহক ও সম্পাদকের নাম আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কঙ্কাবতী
১. কেন সঠিক:
- কঙ্কাবতী কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক কিশোর উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের রচয়িতা প্রখ্যাত সাহিত্যিক ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায় এবং এটি ১৮৯২ সালে প্রকাশিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি বাংলা কাব্যজগতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেন।
- কঙ্কাবতী উপন্যাসটি তার কোনো সাহিত্যকর্ম নয়, তাই এটি কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য নয় হিসেবে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: সঞ্চিতা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের বিভিন্ন কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন গ্রন্থ যা কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাম্যবাদী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও প্রগতিশীল কাব্যগ্রন্থ যেখানে মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ ভুলে সাম্যের গান গাওয়া হয়েছে।
B) বিষের বাঁশি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিদ্রোহী ও সাম্যবাদী চেতনাভিত্তিক নিষিদ্ধ কাব্যগ্রন্থ যা ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক।
C) কঙ্কাবতী — এটি ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা কোনোভাবেই কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য নয়।
D) চক্রবাক — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ গীতিকাব্য ও প্রেমের কবিতার সংকলন হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের কাব্য মনে রাখতে সাম্যবাদী, বিষের বাঁশি ও চক্রবাক নামগুলো মনে রাখবে এবং ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়ের কঙ্কাবতী যে উপন্যাস তা আলাদা করে মনে রাখবে।
উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থের পার্থক্য বুঝতে লেখকের অন্যান্য সাহিত্যকর্মের তালিকা পড়ার অভ্যাস করলে এমন প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোনো লেখকের কাব্য বা উপন্যাসের নাম দিয়ে কোনটি নয় তা জানতে চাওয়া হয়।
তাই নির্দিষ্ট লেখকের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ এবং উপন্যাসগুলো আলাদা করে ছক আকারে পড়ে যাওয়া পরীক্ষার জন্য খুবই কার্যকরী।
সঠিক উত্তর: C) কবি কঙ্কন
১. কেন সঠিক:
চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের বিখ্যাত কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর উপাধি ছিল কবি কঙ্কন।
মহামহোপাধ্যায় রঘুনাথ শিরোমণির শিষ্য বাঁকুড়ার মল্লরাজ রঘুনাথ সিংহ তাকে এই উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি।
তার রচিত চণ্ডীমঙ্গল কাব্যটি মধ্যযুগের সমাজচিত্র ও সাধারণ মানুষের জীবনের নিখুঁত প্রতিচ্ছবি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চণ্ডীমঙ্গল কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর অমর সৃষ্টি যা আখেটিক মঙ্গল ও কালকেতু উপাখ্যানের জন্য বিখ্যাত।
উদাহরণ ২: কবিকঙ্কন চণ্ডী
ব্যাখ্যা: মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর রচিত চণ্ডীমঙ্গল কাব্যটি কবিকঙ্কন চণ্ডী নামেও পরিচিত ও সমাদৃত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কবিরাজ — এই উপাধিটি মূলত প্রাচীন ভারতের আয়ুর্বেদ চিকিৎসক বা বৈদ্যদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হতো।
B) কবিগুরু — এটি বাংলা সাহিত্যের অনন্য প্রতিভাধর লেখক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশ্বস্বীকৃত উপাধি।
D) কবি কণ্ঠহার — এটি মধ্যযুগের অন্য কোনো সাহিত্যিক বা পন্ডিত ব্যক্তির উপাধি হতে পারে কিন্তু মুকুন্দরামের নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
মুকুন্দরামের নামের সাথে কঙ্কন শব্দটি মনে রাখতে ম এর সাথে ক যুক্ত করে কবিকঙ্কন মনে রাখা যায়।
চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের ক থেকে কবি কঙ্কন এই কৌশলটিও বেশ কার্যকর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের কবিদের উপাধি এবং তাদের উপাধি দাতাদের নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
এই ধরনের প্রশ্ন ভালোভাবে আয়ত্ত করতে কবি ও তাদের উপাধির একটি তালিকা তৈরি করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) চাবি
১. কেন সঠিক:
- চাবি শব্দটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত একটি পর্তুগীজ শব্দ। পর্তুগীজ বণিক ও ধর্ম প্রচারকদের মাধ্যমে এই শব্দগুলো বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
- বাংলা ভাষায় বিভিন্ন বিদেশি ভাষার শব্দ মিশে আছে এবং শব্দের উৎস চেনার জন্য বিদেশি শব্দগুলোর তালিকা মনে রাখা জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিদেশি শব্দ হলো সেই শব্দ যা অন্য ভাষা থেকে সরাসরি বা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে।
- পর্তুগীজ ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোর মধ্যে মূলত ধর্ম, প্রশাসন, বাণিজ্য এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের বস্তু বেশি দেখা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আনারস
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত পর্তুগীজ শব্দ যা খাদ্য বা ফল বোঝাতে বাংলায় ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: কামিজ
ব্যাখ্যা: এটি পোশাক পরিচ্ছদ সম্পর্কিত একটি পর্তুগীজ শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চাবি — এটি পর্তুগীজ শব্দ হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে।
B) কুপন — এটি একটি ফরাসি শব্দ, তাই এটি পর্তুগীজ শব্দ নয়।
C) তুরুপ — এটি একটি ওলন্দাজ শব্দ, যা তাস খেলার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
D) ডিপো — এটি একটি ফরাসি শব্দ, যা গুদাম বা স্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পর্তুগীজ শব্দ মনে রাখার একটি সহজ ছন্দ হলো, যাজক ও পাদ্রীরা গির্জায় বসে আনারস, পেয়ারা আর পাউরুটি খেলেন এবং আলমারিতে চাবি রাখেন।
- শব্দের উৎস নির্ণয়ের জন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই শব্দগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিদেশি শব্দের উৎস থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন হয়ে থাকে।
- পর্তুগীজ, ফরাসি, ওলন্দাজ এবং ফারসি শব্দের তালিকা আলাদা করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) জাহানারা ইমাম
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি জাহানারা ইমাম কারণ তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর রচিত বিখ্যাত স্মৃতিকথা বা দিনলিপি গ্রন্থ একাত্তরের দিনগুলি রচনা করেছেন।
- এই গ্রন্থটিতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং তার কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ মুক্তিযোদ্ধা শাফি ইমাম রুমির আত্মত্যাগের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সংশ্লিষ্ট লেখক জাহানারা ইমাম একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির অন্যতম প্রধান সংগঠক ছিলেন যিনি শহীদ জননী হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত।
- রচনা বা সাহিত্যকর্মের পরিচিতি হিসেবে একাত্তরের দিনগুলি একটি ঐতিহাসিক স্মৃতিকথা যা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৯২ সালে এবং এটি বাংলাদেশের মুক্তিযিষুদ্ধের দলিল হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জোছনা ও জননীর গল্প
ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস যার রচয়িতা কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ।
উদাহরণ ২: রণাঙ্গন
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ যার রচয়িতা মেজর রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেজোর রফিকুল ইসলাম — এই লেখক একাত্তরের দিনগুলি গ্রন্থটি লেখেননি তবে তিনি মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য রণাঙ্গন নামক বিখ্যাত গ্রন্থ রচনা করেছেন।
B) জাহানারা ইমাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি একাত্তরের দিনগুলি নামক প্রখ্যাত মুক্তিযুদ্ধের দিনলিপির রচয়িতা।
C) হুমায়ুন আহমেদ — এই লেখক একাত্তরের দিনগুলি লেখেননি তবে তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আগুনের পরশমণি ও জোছনা ও জননীর গল্প উপন্যাস লিখেছেন।
D) হাসান ইমাম — এই ব্যক্তি একাত্তরের দিনগুলি গ্রন্থের লেখক নন বরং তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত অভিনেতা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও নাট্যনির্দেশক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- একাত্তরের দিনগুলি গ্রন্থটি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লেখা যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের দিনলিপিভিত্তিক একটি অনন্য ঐতিহাসিক দলিল।
- মুক্তিযুদ্ধের দিনলিপি মানেই জাহানারা ইমাম এবং তার বীর পুত্র রুমির অবদানের কথা মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতিকথা ও উপন্যাসের লেখকের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- একই ধরনের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থের মধ্যে শহীদ জননীর একাত্তরের দিনগুলি এবং মেজর রফিকুল ইসলামের রণাঙ্গন ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনি
১. কেন সঠিক:
- ভাষার মূল উপাদান ধ্বনি কারণ যেকোনো ভাষার মৌখিক রূপের ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি এবং এর মাধ্যমেই ভাষার সৃষ্টি হয়।
- ধ্বনি উচ্চারিত হয়ে কানের মাধ্যমে গ্রথিত হয়ে মানুষের মনের ভাব প্রকাশ করে এবং লেখার সময় এর রূপ হয় বর্ণ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- ধ্বনি হলো মানুষের বাকযন্ত্রের সাহায্যে উচ্চারিত আওয়াজ বা শব্দ যা অর্থপূর্ণভাবে ভাষা গঠন করে।
- বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত, যথা স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ, আ, ক, খ
ব্যাখ্যা: এগুলো হলো বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনি বা বর্ণ যা দিয়ে শব্দ গঠিত হয়।
উদাহরণ ২: মা, বাবা
ব্যাখ্যা: ধ্বনিগুলো একত্রিত হয়ে অর্থপূর্ণ শব্দ তৈরি করে ভাষার মূল কাঠামো দাঁড় করায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শব্দ — একাধিক ধ্বনি বা বর্ণ পাশাপাশি বসে অর্থ প্রকাশ করলে তাকে শব্দ বলে, যা ভাষার মূল উপাদান নয় বরং ধ্বনির পরবর্তী ধাপ।
B) পদ — বাক্য ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতুকে পদ বলে, যা ভাষার প্রাথমিক উপাদান নয় বরং বাক্যের উপাদান।
C) অক্ষর — উচ্চারণের একক হলো অক্ষর বা সিলেবল, যা ধ্বনির চেয়ে বড় এবং ভাষার মূল উপাদান হিসেবে গণ্য হয় না।
D) ধ্বনি — এটি ভাষার মূল উপাদান হিসেবে সর্বস্বীকৃত কারণ ধ্বনি থেকেই শব্দ, পদ এবং বাক্য তৈরি হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ভাষা মানেই কথা, আর কথা আসে মুখ থেকে উচ্চারিত ধ্বনি থেকে।
- তাই ভাষার মূল উপাদান বা ভিত্তি হলো ধ্বনি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ভাষার মূল উপাদান কী, যার উত্তর সবসময় ধ্বনি হবে।
- যদি প্রশ্ন আসে ভাষার মৌলিক উপাদান কয়টি বা কী, তবে ধ্বনি ও অর্থ উভয়ই বিবেচনা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) গড্ডালিকা
১. কেন সঠিক:
- গড্ডালিকা শব্দটি শুদ্ধ কারণ বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এখানে ল এর সঙ্গে ই-কার ব্যবহৃত হয়েছে।
- গড্ডালিকা শব্দের অর্থ হলো ভেড়ার পাল এবং এর সঙ্গে ধারা যুক্ত হয়ে গড্ডলিকাপ্রবাহ বাগধারাটি গঠিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শুদ্ধ বানান বা বানানশুদ্ধি হলো বাংলা ব্যাকরণের এমন একটি অংশ যেখানে শব্দের সঠিক রূপ নির্ধারণ করা হয়।
- বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী তৎসম ও অতৎসম শব্দের বানান নির্ভুলভাবে লিখতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সান্ত্বনা
ব্যাখ্যা: এই বানানটিতে দন্ত্য ন এর পূর্বে ত বর্গীয় ধ্বনি যুক্ত হয়েছে যা সঠিক বানানরীতির অন্তর্ভুক্ত।
উদাহরণ ২: বুদ্ধিজীবী
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে উভয় ই কার দীর্ঘ ই কার হিসেবে ব্যবহৃত হয় যা বানানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গড্ডালিকা - এটি সঠিক উত্তর এবং বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল রূপ।
B) গড্ডালিকা - প্রদত্ত অপশনে একই বানান পুনরাবৃত্ত হয়েছে তবে এটিও মূল নিয়মের বিচারে সঠিক রূপ।
C) গড্ডালীকা - এই বানানে ল এর সঙ্গে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) গড্ডলীকা - এই বানানে ড এর নিচে ফলা এবং ল এর সঙ্গে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের ফলে বানানটি ভুল হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- গড্ডালিকা বানানটি মনে রাখার জন্য ল এ সবসময় হ্রস্ব ই-কার দিতে হয় তা মাথায় রাখতে হবে।
- ভেড়া বা গড্ডল শব্দ থেকে গড্ডালিকা এসেছে এবং এর শেষের ই-কার সবসময় ছোট হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বানান প্রায়ই আসে তাই হ্রস্ব ই-কার ও দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের নিয়মগুলো ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
- একই রকম দেখতে কিন্তু ভিন্ন বানানযুক্ত শব্দগুলো চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
সঠিক উত্তর: B) বর্ণচোরা
১. কেন সঠিক:
- 'যে আপনার রং লুকায়' এই বাক্যের এককথায় প্রকাশ হলো বর্ণচোরা।
- বাংলা ভাষায় এই বাগধারা বা এককথায় প্রকাশটি এমন একজন মানুষকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যে বাইরে থেকে সরল বা ভালো মানুষ সেজে থাকে কিন্তু ভেতরে ভেতরে শঠ বা প্রতারক স্বভাবের হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- কোনো বড় ভাব, বাক্য বা বাক্যাংশকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই এককথায় প্রকাশ গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমড়া কাঠের ঢেঁকি
ব্যাখ্যা: এটি দিয়ে অপদার্থ বোঝানো হয়, যা বর্ণচোরা শব্দের মতো মানুষের বিশেষ চরিত্র প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: দুধের মাছি
ব্যাখ্যা: সুসময়ের বন্ধু বোঝাতে এই এককথায় প্রকাশ বা বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অদৃশ্য — এর অর্থ যা চোখে দেখা যায় না, তাই এটি সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না।
B) বর্ণচোরা — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ যা নিজের রং বা চরিত্র লুকিয়ে রাখে।
C) ভূতপূর্ব — এর অর্থ যা পূর্বে ছিল কিন্তু এখন নেই, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ফুলেল — এর অর্থ ফুল দিয়ে প্রস্তুত বা শোভিত, তাই এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বর্ণ মানে চরিত্র বা রূপ এবং চোরা মানে লুকিয়ে রাখা।
- মানুষের রূপ বা চরিত্র লুকিয়ে রাখাকে বর্ণচোরা মনে রাখতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বভাব ও চরিত্র বোঝাতে এই ধরনের এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে।
- শব্দের মূল অর্থ এবং ব্যবহারের ক্ষেত্র ভালোভাবে বুঝে পড়লে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর সহজে দেওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) চর্যাপদ
১. কেন সঠিক:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন এবং ঐতিহাসিক দলিল।
- ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেષণে প্রমাণিত হয়েছে যে চর্যাপদের ভাষা বাংলা ভাষার আদি রূপ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা পদ সংকলন।
- ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে এটি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদের পদকর্তা কাহ্নপা।
ব্যাখ্যা: কাহ্নপা চর্যাপদে সর্বাধিক সংখ্যক অর্থাৎ তেরোটি পদ রচনা করেছেন।
উদাহরণ ২: চর্যাপদের প্রথম পদটির রচমতা লুইপা।
ব্যাখ্যা: লুইপা হলেন চর্যাপদের আদি কবি এবং তাঁর পদ দিয়েই চর্যাপদ গ্রন্থটি শুরু হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রামায়ণ — এটি বাল্মীকি রচিত সংস্কৃত মহাকাব্য এবং প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের নিদর্শন নয়।
B) মহাভারত — এটি বেদব্যাস রচিত সংস্কৃত মহাকাব্য যা পরে বাংলায় অনূদিত হয় কিন্তু প্রাচীনতম নিদর্শন নয়।
C) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — এটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত মধ্যযুগের একটি কাব্য এবং চর্যাপদের অনেক পরের রচনা।
D) চর্যাপদ — এটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হওয়ায় সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন মনে রাখতে চর্যাপদ শব্দটি মাথায় রাখবে।
- চর্যাপদ আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং সালটি হলো উনিশশো সাত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের আবিষ্কারক এবং পদকর্তাদের নিয়ে প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন মত থাকলেও সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ বর্তমানে প্রামাণ্য হিসেবে ধরা হয়।
সঠিক উত্তর: C) ১৯১৩ সালে
১. কেন সঠিক:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি তাঁর গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ সংগ অফারিংস এর জন্য এ সম্মান অর্জন করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি ও ঔপন্যাসিক। তিনি ১৯১৩ সালে প্রথম এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করে বিশ্বদরবারে বাংলাকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গীতাঞ্জলি
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান।
উদাহরণ ২: সোনালী কাবিন
ব্যাখ্যা: এটি আল মাহমুদের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা আধুনিক বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯১৪ সালে — এটি সঠিক নয় কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর আগেই নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন।
B) ১৯১৫ সালে — এই সালে তিনি নোবেল পুরস্কার পাননি বরং ১৯১৩ সালে লাভ করেছিলেন।
C) ১৯১৩ সালে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ঐতিহাসিক সত্য।
D) ১৯১৪ সালে — এই অপশনটি পুনরাবৃত্ত হয়েছে এবং এটি সঠিক উত্তরের সাল নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল প্রাপ্তির সাল মনে রাখতে সংখ্যাগুলো এভাবে মনে রাখতে পারো যে তেরো সংখ্যাটি তাঁর জন্য সৌভাগ্য বয়ে এনেছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে রবীন্দ্রনাথ কত সালে নোবেল পান এবং কোন গ্রন্থের জন্য পান। সালটি হলো ১৯১৩ এবং গ্রন্থটি হলো গীতাঞ্জলি।
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- 'বীরবল' হলো প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত ছদ্মনাম। তিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষার প্রবর্তক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক প্রবন্ধ রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখক ও তাদের ছদ্মনাম সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, যা মনে রাখা জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমথ চৌধুরী আধুনিক বাংলা সাহিত্যে প্রথম গুরুগম্ভীর সাধু রীতির পরিবর্তে হালকা, চটুল অথচ গভীর ভাবপূর্ণ চলিত ভাষার প্রবর্তন করেন।
- তিনি 'সবুজ পত্র' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং বাংলা সাহিত্যে বীরবলী ধারার প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ
ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী তার বিখ্যাত প্রবন্ধগুলো 'বীরবল' ছদ্মনামে সবুজ পত্রিকায় লিখতেন।
উদাহরণ ২: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম বনফুল
ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যে লেখকরা তাদের আসল নামের পরিবর্তে অনেক সময় ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দীনেশচন্দ্র সেন — ইনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা এবং গবেষক, যার কোনো বিখ্যাত ছদ্মনাম নেই।
B) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর।
C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক, তবে তার কোনো পরিচিত ছদ্মনাম নেই।
D) বিষ্ণু দে — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার কল্লোল যুগের একজন প্রখ্যাত কবি, তবে 'বীরবল' তার ছদ্মনাম নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রমথ চৌধুরীর জন্ম ১৮৬৮ সালে এবং তিনি বীরবল ছদ্মনামে লিখতেন, মনে রাখার জন্য প্রমথ ও বীরবল একসাথে স্মরণ করা যায়।
- সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম মনে রাখার জন্য একটি ছোট তালিকা তৈরি করে প্রতিদিন একবার চোখ বুলানো কার্যকর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম থেকে প্রতি বছরই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় এক বা দুটি প্রশ্ন থাকে।
- বনফুল, ভনিতা, টেকচাঁদ ঠাকুর এবং প্যারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনামগুলোও একইভাবে পড়ে রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ শামসুল হক
১. কেন সঠিক:
- 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত কাব্য নাটক।
- বিশিষ্ট সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হক ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে কাব্য নাটকটি রচনা করেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ শামসুল হক বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার।
- 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' কাব্য নাটকে মূলত ১৯৭১ সালের ঘাতক বাহিনীর বর্বরতা ও গ্রামীণ মানুষের মনস্তাত্ত্বিক রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নূরলদীনের সারা জীবন
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি ঐতিহাসিক ও জনপ্রিয় কাব্য নাটক।
উদাহরণ ২: ঈর্ষা
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হক রচিত অত্যন্ত প্রখ্যাত একটি কাব্য নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবদুল্লাহ আল মামুন — তিনি প্রখ্যাত নাট্যকার হলেও আলোচ্য কাব্য নাটকের রচয়িতা নন।
B) সৈয়দ শামসুল হক — এটি সঠিক উত্তর।
C) মমতাজ উদ্দীন আহমেদ — তিনি 'কিংশুক তবুও' বা 'স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা' নাটকের জন্য পরিচিত হলেও এই নাটকের রচয়িতা নন।
D) মামুনুর রশীদ — তিনি বিশিষ্ট নাট্যকার ও নির্দেশক হলেও এই কাব্য নাটকটি তাঁর লেখা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পায়ের আওয়াজ শুনলেই মনে রাখবে এটি সৈয়দ শামসুল হকের যুদ্ধের পটভূমিতে লেখা কাব্য নাটক।
- তাঁর নাটকের নামের শুরুতে প্রায়ই কাব্যিক ও গভীর ভাব প্রকাশ পায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- কাব্য নাটক চেনার জন্য নাটকের লেখকের নাম এবং রচনার ধরন ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) রোসাঙ্গ
১. কেন সঠিক:
কবি আলাওল সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং তিনি আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে পরিচিত ছিলেন, যা সে সময়ে রোসাঙ্গ রাজসভা নামে খ্যাত ছিল।
রোসাঙ্গ রাজসভার অমাত্য বা মন্ত্রীদের পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য পদ্মাবতীসহ বিভিন্ন কাব্য রচনা করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি আলাওল মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার রোসাঙ্গ রাজদরবারে রাজকীয় পৃষ্ঠপোষণ লাভ করেছিলেন এবং তৎকালীন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে বাংলা ভাষার চর্চা করেছিলেন।
তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা পদ্মাবতী ছাড়াও সতী ময়না লোরচন্দ্রানী, সপ্তপয়কর, সিবুলনামা এবং দফতর উল্লেখযোগ্য কাব্যকর্ম যা রোসাঙ্গ রাজসভার নির্দেশেই রচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দৌলত কাজী
ব্যাখ্যা: কবি আলাওলের পূর্বে রোসাঙ্গ রাজসভার আরেক প্রখ্যাত বাঙালি কবি দৌলত কাজী লোরচন্দ্রানী কাব্য রচনা শুরু করেছিলেন।
উদাহরণ ২: মীর বরকতুল্লাহ
ব্যাখ্যা: রোসাঙ্গ রাজসভার আরেক বাঙালি কবি ও মন্ত্রী মীর বরকতুল্লাহর অনুরোধে কবি আলাওল সপ্তপয়কর কাব্যটি বাংলায় অনুবাদ করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিথিলা — মিথিলা প্রাচীন ও মধ্যযুগের মৈথিলি ভাষার সাহিত্যচর্চার কেন্দ্র ছিল, যেখানে বিদ্যাপতি ও উমাপতি ধরের মতো কবিরা সাহিত্য সাধনা করেছিলেন।
B) কৃষ্ণনগর — কৃষ্ণনগর নবদ্বীপ অঞ্চলের অংশ যেখানে পরবর্তী সময়ে রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভায় ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর রাজকবি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
D) ত্রিপুরা — ত্রিপুরা রাজসভায় কৃত্তিবাস ও শ্রীধর কথকসহ অন্যান্য কবিরা আশ্রয় পেলেও কবি আলাওল সেখানে ছিলেন না।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগের রোসাঙ্গ বা আরাকান রাজসভা বললেই কবি আলাওলের নাম সবার আগে মনে রাখতে হবে কারণ তাঁর সাহিত্যকর্মের মূল ভিত্তি ছিল এই রাজসভা।
আলাওলের সাহিত্যিক জীবনের প্রায় পুরো সময়টাই কেটেছে রোসাঙ্গ রাজসভার মন্ত্রী ও আমাত্যদের সান্নিধ্যে ও পৃষ্ঠপোষকতায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবিদের অবদান এবং আরাকান রাজসভার কবিদের তালিকা থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
একইভাবে দৌলত কাজী ও কোরেশী মাগন ঠাকুরের সাহিত্যকর্মের সঙ্গে রোসাঙ্গ রাজসভার সম্পর্ক ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) আগুনের পরশমনি
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করা হয়েছে কারণ আগুনের পরশমনি একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোর বাস্তবচিত্র ও সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই উপন্যাসের রচয়িতা কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার হুমায়ূন আহমেদ।
- এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যেখানে অবরুদ্ধ ঢাকার মধ্যবিত্ত পরিবারের একটি বিশেষ অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জোছনা ও জননীর গল্প
ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: একাত্তরের দিনগুলি
ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমাম রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চোখের বালি - এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে লেখা।
B) আনোয়ারা - এটি মৌলভী মোহাম্মদ নজিবুল্লাহ সাহিত্যরত্ন রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
D) পথের পাঁচালী - এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি গ্রামীণ জীবনভিত্তিক ও প্রকৃতিচেতন মূলক উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখার জন্য আগুনের পরশমনি ও জোছনা ও জননীর গল্প নাম দুটি বারবার চর্চা করতে পারো।
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট মাথায় রাখলে উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু সহজেই মনে রাখা সম্ভব।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ও রচয়িতার নাম জানতে চাওয়া হয়।
- তাই প্রখ্যাত লেখকদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে আলাদাভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) জহির রায়হান
১. কেন সঠিক:
- বরফ গলা নদী উপন্যাসটির রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান।
- ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে মধ্যবিত্ত সমাজের জীবনযাত্রা এবং মনস্তাত্ত্বিক সংকটের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জহির রায়হান আধুনিক বাংলা উপন্যাসের ধারায় এক অবিস্মরণীয় নাম যিনি ভাষা আন্দোলনের সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন।
- তার এই উপন্যাসে তৎকালীন সামাজিক প্রেক্ষাপট এবং মানুষের ভেতরের আবেগ ও সংগ্রামের রূপ খুব সুন্দরভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শেষের কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা বাংলা সাহিত্য জগতে অত্যন্ত সমাদৃত।
উদাহরণ ২: লালসালু
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি প্রখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, যা গ্রামীণ সমাজের কুসংস্কার নিয়ে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি বরফ গলা নদী উপন্যাসের লেখক নন, তবে তিনি ক্রীতদাসের হাসি ও প্রাচ্য উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত।
B) আব্দুল ফজল — তিনি এই উপন্যাসের রচয়িতা নন, তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে চৌচির বিশেষভাবে পরিচিত।
C) শওকত আলী — তিনি বরফ গলা নদী লেখেননি, তবে তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো ওয়ারী ও প্রদোষে প্রাকৃতজন।
D) জহির রায়হান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই এই উপন্যাসটি লিখেছেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জহির রায়হানের বরফ গলা নদী এবং হাজার বছর ধরে উপন্যাস দুটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- লেখকের নামের সঙ্গে উপন্যাসের নাম জোড়া লাগিয়ে মনে রাখার কৌশল অনুশীলন করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঔপন্যাসিক ও তাদের প্রথম বা বিখ্যাত উপন্যাস প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি জহির রায়হানের সাহিত্যিক প্রতিভার অন্যতম সেরা নিদর্শন।
সঠিক উত্তর: B) মুখরা রমণী বশীকরণ
১. কেন সঠিক:
- মুনীর চৌধুরী উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের দ্য টেমিং অব দ্য শ্রু নাটকের বাংলা অনুবাদ করেন মুখরা রমণী বশীকরণ নামে।
- অনুবাদ সাহিত্য বলতে অন্য ভাষার সাহিত্যকে সৃজনশীলভাবে নিজের ভাষায় রূপান্তর করা বোঝায়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মুনীর চৌধুরী বাংলাদেশের প্রখ্যাত নাট্যকার, শিক্ষাবিদ এবং শহীদ বুদ্ধিজীবী।
- ১৯৬০ সালে বাংলা একাডেমির উদ্যোগে শেক্সপিয়ারের এই নাটকটি বাংলায় অনূদিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কিষাণ কায়কোবাদ
ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরীর আরেকটি অনূদিত নাটক যা বার্নার্ড শ এর প্লে অব ক্যান্ডিডার ছায়া অবলম্বনে রচিত।
উদাহরণ ২: মুখরা রমণী বশীকরণ
ব্যাখ্যা: এটি ইংরেজি সাহিত্যের ক্ল্যাসিক কমেডির সফল বাংলা রূপান্তর যা নাট্যসাহিত্যে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কবর — এটি মুনীর চৌধুরীর নিজস্ব মৌলিক নাটক যা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত।
B) মুখরা রমণী বশীকরণ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) রক্তান্ত প্রান্তর — এটি মুনীর চৌধুরীর মৌলিক ঐতিহাসিক নাটক যা পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত।
D) চিঠি — এটি মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক নয় বরং এটি অন্য কোনো লেখকের সাহিত্যকর্ম।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মুনীর চৌধুরীর অনুবাদ নাটক মনে রাখার সহজ উপায় হলো শেক্সপিয়ারের রমণী বশ করা নাটকটি তিনি বাংলায় রূপান্তর করেছিলেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুনীর চৌধুরীর মৌলিক ও অনুদিত নাটক আলাদা করতে বলা হয়।
- কবর নাটকটি ভাষাভিত্তিক নাটকের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নাম।
সঠিক উত্তর: C) It is ten o' clock in my watch
কেন সঠিক:
- ঘড়ির ক্ষেত্রে সময়ের ব্যবস্থার জন্য ইন প্রিপজিশন ব্যবহার না করে বাই প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
- সঠিক নিয়ম অনুযায়ী ঘড়িতে সময় বোঝাতে ইন মাই ওয়াচ এর পরিবর্তে বাই মাই ওয়াচ লিখতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I reached home the day before yesterday — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বাক্য কারণ এখানে অতীতকালের নির্দিষ্ট দিন বোঝাতে দ্য ডে বিফোর ইয়েস্টারডে সঠিকভাবেই ব্যবহৃত হয়েছে।
B) The ship is bound for Thailand — এটি সঠিক বাক্য কারণ কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে যাত্রার ক্ষেত্রে বাউন্ড ফর ফ্রেজটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়।
C) It is ten o' clock in my watch — এটি ভুল বাক্য কারণ ঘড়ির সময়ের ক্ষেত্রে ইন এর পরিবর্তে বাই প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
D) I prefer drawing to singing — এটি সঠিক বাক্য কারণ প্রিফার এর পর দুটি জিরান্ডের তুলনার ক্ষেত্রে দেন এর পরিবর্তে টু প্রিপজিশন বসে।
মনে রাখার টিপস:
ঘড়ির ভেতরে সময় দেখা যায় না, তাই ঘড়ি দ্বারা সময় মাপা হয় অর্থে ইন না বসিয়ে সর্বদা বাই মাই ওয়াচ ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) The boy should not be scolded by you.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটির modal auxiliary verb (should) যুক্ত Active Voice-কে Passive করার নিয়ম হলো অবজেক্ট সাবজেক্ট হবে + should not এর পর be বসবে + মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম (scolded) বসবে।
- Active Voice-এর সাবজেক্ট (You) প্যাসিভ করার সময় by এর পরে অবজেক্ট হিসেবে বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The boy should not be scold by you. — এখানে মূল verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল (scolded) ব্যবহার না করে বেস ফর্ম (scold) ব্যবহার করা হয়েছে।
B) The boy should not have been scold by you. — এখানে ভুল auxiliary verb (should have been) ব্যবহারের পাশাপাশি মূল verb-এর বেস ফর্ম রাখা হয়েছে।
C) The boy should not be scolded by you. — এটি সঠিক অপশন এবং সব grammatical নিয়ম নির্ভুলভাবে মেনে চলেছে।
D) The boy should not have been scolded by you. — এখানে অতিরিক্ত have been ব্যবহারের কারণে বাক্যটির টেন্স পরিবর্তিত হয়ে গেছে।
মনে রাখার টিপস:
Modal auxiliary (shall, should, can, could ইত্যাদি) যুক্ত active voice-কে passive করার সময় auxiliary-র সাথে একটি be যোগ করে মূল verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) a
কেন সঠিক:
- কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুর নামের আগে গুণবাচক তুলনা বোঝাতে Proper Noun-এর পূর্বে Indefinite Article বসে।
- এখানে মেসি বলতে ফুটবল খেলোয়াড় লিওনেল মেসিকে নির্দিষ্ট না করে তার মতো প্রতিভাবান কাউকে বোঝানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a — Proper Noun-এর পূর্বে তার মতো গুণসম্পন্ন কেউ বোঝাতে এই অপশনটি সঠিক।
B) an — Messi শব্দটির শুরু Consonant দিয়ে হওয়ায় এখানে an বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) the — নির্দিষ্ট করে কাউকে বোঝাতে the বসে, কিন্তু এখানে তুলনা করা হয়েছে বিধये এটি প্রযোজ্য নয়।
D) no article — তুলনা বোঝাতে Article ছাড়া বাক্য গঠন করলে তা অসম্পূর্ণ ও ভুল বলে গণ্য হয়।
মনে রাখার টিপস:
বিখ্যাত ব্যক্তির নাম যখন সাধারণ গুণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তখন তার পূর্বে a বা an বসে।
সঠিক উত্তর: C) তুলনামূলক
কেন সঠিক:
- ইংরেজি শব্দ Comparative-এর বাংলা পরিভাষা হলো তুলনামূলক, যা সাধারণত কোনো দুটির মধ্যে তুলনা বোঝাতে ব্যাকরণে বা সাধারণ অর্থে ব্যবহার করা হয়।
- এটি ইংরেজি Adjective-এর একটি ডিগ্রি, যা দুটি ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে তুলনা প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাম্যবাদ — এটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক একটি মতবাদ, যার ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Communism এবং এর সাথে তুলনার কোনো সম্পর্ক নেই।
B) খেসারত — এই শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Compensation বা Damages, যা কোনো ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
C) তুলনামূলক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য এবং এটি Comparative শব্দের সঠিক বাংলা অর্থ।
D) প্রতিযোগিতা — এই শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Competition বা Contest, যা তুলনার সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Compare অর্থ তুলনা করা, আর সেখান থেকেই এসেছে Comparative যার অর্থ তুলনামূলক।
সঠিক উত্তর: B) arraign
কেন সঠিক:
- 'arraign' একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ আদালতে কাউকে অভিযুক্ত করা বা দোষী সাব্যস্ত করা।
- বানানটিতে শব্দের শেষে 'g' বর্ণটি নীরব থাকে কিন্তু গঠনের নিয়ম অনুযায়ী তা যুক্ত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) arrain — এই বানানটি ভুল কারণ এর শেষে 'g' বর্ণটি বাদ দেওয়া হয়েছে।
B) arraign — এটি সঠিক বানান যার অর্থ আদালতে অভিযুক্ত করা।
C) arrein — এই বানানটি ভুল কারণ এতে ভুল স্বরবর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে।
D) arrign — এই বানানটি ভুল কারণ এতে মাঝখানের 'a' বর্ণটি অনুপস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটির শেষে ai এবং gn আছে, অর্থাৎ ar-raig-n এভাবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) at
কেন সঠিক:
- কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য বা প্রাণীর দিকে আক্রমণাত্মকভাবে ছুটে যাওয়া বোঝাতে run-এর পর at preposition ব্যবহৃত হয়।
- কুকুরটি শেয়ালটির দিকে তেড়ে যাচ্ছে বা আক্রমণ করতে ছুটছে, এমন অর্থ প্রকাশ করায় at সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) at — এটি সঠিক কারণ এটি কোনো কিছুর দিকে আক্রমণ বা নির্দিষ্ট লক্ষ্য বোঝায়।
B) for — এই preposition বসালে অর্থ দাঁড়ায় শেয়ালটির জন্য দৌড়াচ্ছে, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
C) to — run to অর্থ কোনো নির্দিষ্ট স্থানে দৌড়ে যাওয়া, এখানে শেয়াল কোনো স্থান নয়।
D) off — run off অর্থ পালিয়ে যাওয়া, যা বাক্যের বাকি অংশের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
আক্রমণ করার উদ্দেশ্যে বা তেড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে run-এর পরে at বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) adverb
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে 'earlier' শব্দটি 'have returned' ভার্বটিকে মডিফাই বা বিশেষিত করছে।
- ভার্বকে কীভাবে, কখন বা কোথায় প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা অ্যাডভার্ব হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) noun — এটি কোনো নাম বা বিশেষ্য নয়, কারণ এটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম বোঝাচ্ছে না।
B) adverb — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক, কারণ এটি ভার্বের কাজের সময় বা অবস্থা নির্দেশ করছে।
C) adjective — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না।
D) preposition — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের পূর্বে বসে অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করছে না।
মনে রাখার টিপস:
ভার্ব বা ক্রিয়াকে কখন (when) প্রশ্ন করে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত অ্যাডভার্ব অব টাইম হয়।
সঠিক উত্তর: D) noun
কেন সঠিক:
- বাক্যে Flying শব্দটি Gerund হিসেবে বসেছে, যা মূলত Verb এবং Noun এর কাজ একসাথে করে।
- এটি বাক্যের Subject হিসেবে কাজ করছে এবং একটি কাজের নাম বোঝাচ্ছে, তাই এটি Noun।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) verb — এটি কেবল কাজ করা বোঝায় না, বরং বাক্যের Subject হিসেবে অবস্থান করছে তাই এটি Verb নয়।
B) adverb — এটি কোনো স্থান, কাল বা কাজের ধরন বোঝাচ্ছে না, তাই এটি Adverb হতে পারে না।
C) adjective — এটি কোনো Noun বা Pronoun এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না, তাই এটি Adjective নয়।
D) noun — প্রদত্ত উত্তর সঠিক, কারণ এটি বাক্যের Subject এবং একটি জেরাডিয়াল Noun হিসেবে কাজ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি বাক্যে Subject বা Object এর কাজ করে এবং Noun এর ন্যায় অর্থ দেয়, তবে তাকে Noun বা Gerund বলে।
সঠিক উত্তর: C) Dermatology
কেন সঠিক:
- 'Dermatology' হলো চিকিৎসা বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা ত্বক, চুল এবং নখের রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা নিয়ে কাজ করে।
- গ্রিক শব্দ ডার্মা যার অর্থ ত্বক এবং লজিয়া যার অর্থ অধ্যয়ন, এই দুটি শব্দ মিলে চিকিৎসা বিজ্ঞানের এই শাখার নামকরণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Darmitology — এটি একটি বানানগত ভুল শব্দ এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের কোনো সঠিক পরিভাষা নয়।
B) Dermitology — এটিও ডার্মাটোলজি শব্দের একটি ভুল বানান, তাই এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না।
C) Dermatology — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি চর্মরোগ সংক্রান্ত চিকিৎসার সঠিক ইংরেজি পরিভাষা।
D) Dormatologyans — এটি অর্থহীন একটি শব্দ এবং এটি কোনো চিকিৎসা বিজ্ঞানের শাখা বা রোগ নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
ডার্মা শব্দের অর্থ ত্বক, তাই ত্বক সম্পর্কিত চিকিৎসা বিজ্ঞান হলো ডার্মাটোলজি।
সঠিক উত্তর: D) Stay
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত প্রশ্নটি ভাষা ও ব্যাকরণ বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত। এখানে প্রদত্ত উত্তরটি ভুল কারণ 'Stay' কোনো জেন্ডার নির্দেশক শব্দ নয়।
- এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হবে 'Stag', যার অর্থ পুরুষ হরিণ এবং এটি একটি Masculine gender.
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Spinster — এটি একটি Feminine gender, যার অর্থ অবিবাহিত নারী।
B) Ewe — এটি একটি Feminine gender, যার অর্থ ভেড়ী বা স্ত্রী ভেড়া।
C) Sow — এটি একটি Feminine gender, যার অর্থ শূকরী বা স্ত্রী শূকর।
D) Stay — এটি মূলত একটি Verb যার অর্থ থাকা, তাই এটি কোনো জেন্ডার নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
বানানের সামান্য পরিবর্তনে ভুল উত্তর দাগানো থেকে সাবধান থাকতে হবে। Stag হলো পুরুষ হরিণ বা Masculine gender.
সঠিক উত্তর: B) Phenomenon
কেন সঠিক:
- Phenomenon শব্দটির শেষে on আছে যা গ্রিক বা ল্যাটিন একবচন শব্দের গঠন নির্দেশ করে।
- এর বহুবচন হলো Phenomena, যা একে একটি নিশ্চিত singular noun বা একবচন হিসেবে প্রমাণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Scissors — এটি সর্বদা plural noun হিসেবে ব্যবহৃত হয় কারণ এটি দুটি সমান অংশ নিয়ে গঠিত।
B) Phenomenon — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর বহুবচন রূপ হলো phenomena।
C) Spectacles — এটি একটি plural noun কারণ চশমার দুটি কাঁচ বা ফ্রেমের দুটি অংশ থাকে।
D) Measles — শব্দের শেষে s থাকলেও এটি একটি রোগ বোঝায় এবং এটি singular noun।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দের শেষে on থাকে যেমন phenomenon বা datum, সাধারণত সেগুলোর শেষে a যোগ করে বহুবচন করা হয় এবং এরা একবচন হয়।
সঠিক উত্তর: A) William Blake
কেন সঠিক:
- উইলিয়াম ব্লেক প্রধানত একজন বিখ্যাত রোমান্টিক কবি ও চিত্রশিল্পী ছিলেন, কোনো ঔপন্যাসিক ছিলেন না।
- তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে সংস অব ইনোসেন্স এবং সংস অব এক্সপেরিয়েন্স অন্যতম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) William Blake — তিনি ঔপন্যাসিক নন, বরং ইংরেজি সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কবি ও চিত্রশিল্পী ছিলেন।
B) Thomas Hardy — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিশ্বখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন, যার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে টেস অব দ্য ডি'উবারভিলস অন্যতম।
C) Charles Dickens — তিনি উনিশ শতকের ব্রিটিশ সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক ছিলেন, যিনি ডেভিড কপারফিল্ড এবং এ টেল অব টু সিটিজ রচনা করেছেন।
D) Emile Bronte — তিনি বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন, যিনি অমর সৃষ্টি ওয়েদারিং হাইটস উপন্যাসের জন্য চিরস্মরণীয়।
মনে রাখার টিপস:
উইলিয়াম ব্লেক হলেন কবিতার জগতের মানুষ, তাকে উপন্যাসের ভিড়ে খুঁজলে ভুল হবে।
সঠিক উত্তর: B) Travel
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রশ্নটিতে প্রদত্ত সঠিক উত্তর (D) Migrate সঠিক নয়। Sojourn অর্থ সাময়িক অবস্থান বা ভ্রমণ, যার সবচেয়ে কাছাকাছি সঠিক সমার্থক শব্দ হলো Travel।
কেন সঠিক:
- Sojourn শব্দের অর্থ হলো কোনো স্থানে সাময়িকভাবে অবস্থান করা বা ভ্রমণ করা।
- Travel শব্দের অর্থ ভ্রমণ করা, যা Sojourn শব্দের ভাবার্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Embrace — এর অর্থ আলিঙ্গন করা বা কোনো মতবাদ গ্রহণ করা, যা Sojourn এর সমার্থক নয়।
B) Travel — এর অর্থ ভ্রমণ করা, যা Sojourn শব্দের সাময়িক অবস্থান বা ভ্রমণের সমার্থক হিসেবে সঠিক।
C) Abandon — এর অর্থ পরিত্যাগ করা বা বর্জন করা, যা Sojourn এর বিপরীতার্থক।
D) Migrate — এর অর্থ স্থায়ীভাবে বা দীর্ঘমেয়াদের জন্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলে যাওয়া, যা সাময়িক অবস্থান বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস: Sojourn মানে ভ্রমণের সময় কোথাও কিছুদিনের জন্য থামা, তাই এর সাথে Travel বা ভ্রমণের মিল রয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) Expedite
কেন সঠিক:
- 'Procrastinate' শব্দের বাংলা অর্থ হলো দীর্ঘসূত্রিতা করা, কালক্ষেপণ করা বা কোনো কাজ অকারণে দেরিতে করা।
- 'Expedite' শব্দের অর্থ হলো ত্বরান্বিত করা বা দ্রুত সম্পন্ন করা, যা প্র্রক্রাস্টিনেট শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীতার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Delay — এর অর্থ দেরি করা, যা প্র্রক্রাস্টিনেট শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
B) Expedite — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ দ্রুত সম্পন্ন করা এবং এটি প্র্রক্রাস্টিনেট শব্দের বিপরীত।
C) Carry — এর অর্থ বহন করা, যা এই শব্দের বিপরীত অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
D) Move — এর অর্থ নড়াচড়া করা বা স্থানান্তরিত করা, যা কালক্ষেপণ শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে উপযুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্র্রক্রাস্টিনেট মানে কাজ ফেলে রাখা আর এক্সপেডাইট মানে কাজ দ্রুত শেষ করা।
সঠিক উত্তর: C) G.B. Shaw
কেন সঠিক:
- জর্জ বার্নার্ড শ ঊনিশ ও বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার এবং সাহিত্যিক।
- 'ম্যান অ্যান্ড সুপারম্যান' তাঁর একটি অন্যতম সেরা ও বিখ্যাত দার্শনিক নাটক, যা ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) William Shakespeare — তিনি এলিজাবেথান যুগের নাটক ও ট্র্যাজেডি রচনার জন্য বিখ্যাত, এই নাটকের রচয়িতা নন।
B) Ben Jonson — তিনি মূলত বেন জনসন কমেডি অব হিউমারস রচনার জন্য পরিচিত, এই নাটকের সঙ্গে তার সম্পর্ক নেই।
C) G.B. Shaw — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
D) John Dryden — তিনি রেস্টোরেশন যুগের বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি, এই নাটকটি তার লেখা নয়।
মনে রাখার টিপস:
শ এর সুপারম্যান নাটকটি মনে রাখতে Shaw এবং Superman শব্দের এস বর্ণ দুটি মাথায় রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) I saw him on the way all of a sudden.
কেন সঠিক:
- হঠাৎ দেখা হওয়া অর্থে 'see' বা 'meet' এর সাথে 'on the way' এবং 'all of a sudden' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে 'হঠাৎ' বোঝাতে 'all of a sudden' সঠিক ফ্রেজ এবং পথ বোঝাতে 'on the way' সঠিক প্রিপজিশনাল ফ্রেজ ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I saw him on the way all off a sudden. — এখানে 'off' শব্দের বানান ভুল আছে, সঠিক ফ্রেজে 'of' ব্যবহৃত হয়।
B) I met him on the way all for a sudden. — এখানে 'all for a sudden' ভুল ফ্রেজ, সঠিক রূপ হলো 'all of a sudden'।
C) I saw him on the way all of a sudden. — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক এবং নির্ভুল অপশন।
D) I met him in the way all by a sudden. — এখানে 'in the way' ভুল ব্যবহার এবং 'all by a sudden' ভুল ফ্রেজ।
মনে রাখার টিপস:
হঠাৎ বোঝাতে সব সময় 'all of a sudden' ফ্রেজটি ব্যবহার করবে এবং রাস্তায় বোঝাতে 'on the way' ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) yolk
কেন সঠিক:
- 'Yolk' শব্দের অর্থ ডিমের কুসুম, যা অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং প্রোটিন ও চর্বিতে সমৃদ্ধ।
- শূন্যস্থানে ডিমের কুসুম বোঝাতে সঠিক বানান ও অর্থের দিক থেকে 'yolk' শব্দটি যথাযথ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) yoxe — এটি কোনো সঠিক ইংরেজি শব্দ নয় এবং এর কোনো অর্থ নেই।
B) yolk — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ডিমের কুসুম।
C) yocn — এটি কোনো ইংরেজি অভিধানভুক্ত শব্দ নয়।
D) yoke — এর অর্থ জোঁয়াল বা কাটার, যা গবাদি পশুর কাঁধে ব্যবহার করা হয় এবং এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ডিমের কুসুম বা 'yolk' বানানে এল (l) অক্ষরটি থাকে, যা জোঁয়াল বা 'yoke' শব্দ থেকে আলাদা করতে সাহায্য করে।
সঠিক উত্তর: C) One in a blue moon
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ইডিয়ামের সঠিক রূপ হলো Once in a blue moon যার অর্থ কদাচিৎ বা খুব বিরল ঘটনা।
- প্রদত্ত অপশনে One ব্যবহার করায় এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল ফ্রেজ বা ইডিয়ামে পরিণত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) In a nutshell — এটি একটি সঠিক ফ্রেজ যার অর্থ সংক্ষেপে বা অল্প কথায়।
B) A forgone conclusion — এটি একটি সঠিক ফ্রেজ যার অর্থ পূর্বনির্ধারিত বা অবশ্যম্ভাবী ফলাফল।
C) One in a blue moon — এটি ভুল ফ্রেজ কারণ সঠিক ইডিয়ামটি হবে Once in a blue moon।
D) By leaps and bounds — এটি একটি সঠিক ফ্রেজ যার অর্থ দ্রুত গতিতে বা দিন দিন।
মনে রাখার টিপস:
ব্লু মুম ইডিয়ামের ক্ষেত্রে One না লিখে Always Once ব্যবহার করতে হয় কারণ এটি সময় বোঝায়।
সঠিক উত্তর: D) Discuss the matter in detail.
কেন সঠিক:
- ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী বিস্তারিত অর্থে in detail সঠিক ফ্রেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- কোনো বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা বোঝাতে Discuss the matter in detail বাক্যটি সম্পূর্ণ নির্ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Someone is knocking in the door. — দরজায় কড়া নাড়ার ক্ষেত্রে knocking ইন এর পরিবর্তে at the door হয়।
B) They have gone for walk. — হাঁটার জন্য যাওয়ার ক্ষেত্রে for walk এর আগে একটি আর্টিকেল a বসে।
C) My son does not like the vegetable. — নির্দিষ্ট কোনো সবজির বদলে সামগ্রিক অর্থে vegetables বহুবচন ব্যবহৃত হয়।
D) Discuss the matter in detail. — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত ইংরেজি বাক্য।
মনে রাখার টিপস:
ডিটেইলস বোঝাতে ইন ডিটেইল ফ্রেজটি মনে রাখবে এবং দরজায় টোকা দেওয়ার ক্ষেত্রে নক অ্যাট দ্য ডোর ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) worse
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণে কিছু অ্যাডজেক্টিভ সম্পূর্ণ অনিয়মিতভাবে পরিবর্তিত হয় এবং ডিগ্রি পরিবর্তনের সময় তাদের রূপ পুরোপুরি বদলে যায়।
- 'bad' শব্দটির পজিটিভ রূপের ক্ষেত্রে তুলনামূলক ডিগ্রি বোঝাতে কোনো সাফিক্স যুক্ত না হয়ে সরাসরি 'worse' ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) badder — ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'bad' শব্দের সাথে 'er' যুক্ত করে কম্পারেটিভ ডিগ্রি গঠন করা যায় না কারণ এটি অনিয়মিত রূপ।
B) baddest — এটি ভুল কারণ সুপারলেটিভ ডিগ্রির ক্ষেত্রে 'bad'-এর সঠিক রূপটি 'worst' হয়, 'baddest' কোনো প্রমিত শব্দ নয়।
C) worse — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা পজিটিভ শব্দ 'bad'-এর সঠিক কম্পারেটিভ ডিগ্রি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) worser — এটি একটি অপ্রচলিত এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল রূপ, যা আধুনিক ইংরেজিতে গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
অনিয়মিত রূপের ক্ষেত্রে মনে রাখুন: bad এর কম্পারেটিভ worse এবং সুপারলেটিভ worst হয়।
সঠিক উত্তর: C) over
কেন সঠিক:
- Run over একটি উপযুক্ত ফ্রেজ, যার অর্থ গাড়ি বা অন্য কোনো বাহন দ্বারা কাউকে বা কোনো কিছুকে চাপা দেওয়া।
- বাক্যে ছাগলটিকে একটি গাড়ি চাপা দিয়েছিল বোঝাতে run over ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) off — Run off অর্থ পালিয়ে যাওয়া বা কোনো তরল পেছলিয়ে পড়া, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
B) of — Run of বলতে সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট সময় বা স্থানের ধারাবাহিকতা বোঝায়, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) over — এটি সঠিক উত্তর, কারণ run over অর্থ গাড়ি দিয়ে চাপা দেওয়া।
D) Up — Run up অর্থ ঋণ বা খরচ বৃদ্ধি করা কিংবা কোনো কিছুর দিকে দৌড়ে যাওয়া, যা এই বাক্যের জন্য সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
গাড়ি বা কোনো যানবাহন কাউকে চাপা দিলে ইংরেজিতে run over ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) ৩৮
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের ই-পাসপোর্টে আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে সর্বমোট ৩৮ ধরনের আধুনিক নিরাপত্তা ফিচার বা সুরক্ষা বৈশিষ্ট্য সংযুক্ত করা হয়েছে।
- এর মধ্যে দৃশ্যমান ও অদৃশ্য নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যের সমন্বয়ে এটি তৈরি করা হয়েছে যা জাল করা অসম্ভব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪০ — এটি একটি ভুল সংখ্যা কারণ ই-পাসপোর্টের নিরাপত্তা ফিচারের সংখ্যা ৪০ নয়।
B) ৩৫ — এটিও ভুল সংখ্যা কারণ পাসপোর্টে ৩৫টি ফিচার থাকার তথ্যটি সঠিক নয়।
C) ৩৮ — এটি সঠিক অপشن এবং পাসপোর্টের নির্ধারিত নিরাপত্তা ফিচারের সঠিক সংখ্যা।
D) ৪১ — এটি ভুল সংখ্যা কারণ ই-পাসপোর্টের ফিচারের ক্ষেত্রে ৪১ সংখ্যাটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
পাসপোর্টের নিরাপত্তা ফিচার মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ৩৮।
সঠিক উত্তর: C) মৌলভীবাজার জেলায়
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের মোট চা বাগানের সিংহভাগ এই জেলায় অবস্থিত এবং শ্রীমঙ্গলকে চায়ের রাজধানী বলা হয়।
- দেশের বৃহত্তম চা বাগানগুলো মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত হওয়ায় এটি চা উৎপাদনে শীর্ষস্থানে রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পঞ্চগড় জেলায় — এটি দেশের উত্তর অঞ্চলে নতুন চা চাষের জন্য পরিচিত হলেও এখানে মৌলভীবাজারের চেয়ে কম চা বাগান রয়েছে।
B) কক্সবাজার জেলায় — এটি পর্যটন নগরী হিসেবে বিখ্যাত এবং এখানে উল্লেখযোগ্য কোনো চা বাগান নেই।
C) মৌলভীবাজার জেলায় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে সঠিক অপশন হিসেবে এর বিবরণ প্রযোজ্য।
D) সিলেট জেলায় — এখানে কিছু বিখ্যাত চা বাগান থাকলেও মৌলভীবাজারের তুলনায় বাগানের সংখ্যা কম।
মনে রাখার টিপস:
মৌলভীবাজারে মৌমাছির মতো প্রচুর চা বাগান ছড়িয়ে আছে, তাই চা উৎপাদনে এটি সবার আগে।
সঠিক উত্তর: D) কুমিল্লা
কেন সঠিক:
- শালবন বিহার বাংলাদেশের প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার একটি অন্যতম প্রধান নিদর্শন যা কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত।
- অষ্টম শতাব্দীতে দেববংশের রাজা শ্রীভবদেব এটি নির্মাণ করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিনাজপুর — এটি কান্তজীর মন্দির বা ঐতিহাসিক কান্তনগর মন্দিরের জন্য পরিচিত, শালবন বিহার এখানে অবস্থিত নয়।
B) বগুড়া — এটি প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগরী এবং মহাস্থানগড়ের জন্য বিখ্যাত, শালবন বিহারের অবস্থান এখানে নয়।
সি) বাগেরহাট — এটি ষাট গম্বুজ মসজিদ এবং ঐতিহাসিক খান জাহান আলীর স্মृतিবিজড়িত অঞ্চলের জন্য পরিচিত।
D) কুমিল্লা — এটি সঠিক উত্তর কারণ শালবন বিহার কুমিল্লার ময়নামতি পাহাড়ে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
কুমিল্লার ক দিয়ে শালবন বিহারের ইতিহাস এবং ময়নামতি পাহাড়ের অবস্থান মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) ০.৬ অংশ (বা ৬০%)
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ও মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মানুষের দৈনন্দিন আমিষ চাহিদার প্রায় ষাট ভাগ বা শতকরা ৬০ ভাগ পূরণ হয় মাছ থেকে।
- পুষ্টিবিজ্ঞান ও অর্থনৈতিক পরিসংখ্যানের বিচারে প্রাণিজ আমিষের প্রধান ও সবচেয়ে সহজলভ্য উৎস হিসেবে মাছ বাংলাদেশের মানুষের খাদ্যতালিকায় শীর্ষস্থানে রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ০.৫ — এই মানটি ৫০% নির্দেশ করে, যা মাছ থেকে প্রাপ্ত আমিষের প্রকৃত ও হালনাগাদ পরিসংখ্যানের চেয়ে কম।
B) ০.৬ — এটি সঠিক মান যা শতকরা ৬০ ভাগ আমিষের জোগান নির্দেশ করে।
C) ০.৭৫ — এই মানটি ৭৫% নির্দেশ করে, যা অতিরিক্ত বেশি এবং বর্তমান মৎস্য পরিসংখ্যানের সঙ্গে সংগত নয়।
D) ০.৭২ — এই মানটি ৭২% নির্দেশ করে, যা মাছ থেকে প্রাপ্ত আমিষের সঠিক অনুপাতের চেয়ে বেশি।
মনে রাখার টিপস:
মাছ মানেই আমাদের আমিষের প্রধান উৎস, যা মনে রাখতে সংখ্যাটি ০.৬ বা ৬০% হিসেবে হিসাব করবে।
সঠিক উত্তর: A) ক্ষমতা ভাগাভাগি
কেন সঠিক:
- ২০১৯ সালে সুদানে দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসক ওমর আল-বশিরের পতনের পর রাজনৈতিক সংকটের সৃষ্টি হয়।
- এই সংকট নিরসনে আন্দোলনকারী ও সামরিক বাহিনী একটি যৌথ সার্বভৌম পরিষদ গঠনে ক্ষমতা ভাগাভাগির চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্ষমতা ভাগাভাগি — এটি সঠিক কারণ চুক্তিটি দেশ পরিচালনার জন্য সামরিক ও বেসামরিক নেতৃত্বের যৌথ অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করেছিল।
B) সংবিধান প্রণয়ন — নতুন সংবিধান প্রণয়ন রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার একটি দীর্ঘমেয়াদী অংশ ছিল, যা এই চুক্তির তাৎক্ষণিক বিষয় ছিল না।
C) নির্বাচন পদ্ধতি — গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পর নির্বাচন আয়োজনের কথা থাকলেও তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ ও সেনাবাহিনীর মধ্যে ক্ষমতার বণ্টনই প্রধান চুক্তি ছিল।
D) বিদ্রোহ দমন — এটি মূলত আইনশৃঙ্খলা ও সামরিক কার্যক্রমের বিষয়, যা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে রাজনৈতিক চুক্তির মূল বিষয়বস্তু ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
সুদানে গণআন্দোলনের পর সেনাবাহিনীর সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগির মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: D) চলনবিল
কেন সঠিক:
- পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী সংকটাপন্ন এলাকা বা ইসিএ হিসেবে সরকার বিশেষ প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য রক্ষায় নির্দিষ্ট স্থান ঘোষণা করে।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে হাকালুকি হাওর, সুন্দরবন এবং সোনাদিয়া দ্বীপ সরকারিভাবে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা হলেও চলনবিল এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাকালুকি — এটি বাংলাদেশের একটি অন্যতম বৃহত্তম হাওর এবং এর জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য সরকার একে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করেছে।
B) সুন্দরবন — এটি বিশ্ব ঐতিহ্য এবং দেশের প্রধান ম্যানগ্রোভ বন হওয়ায় এর পরিবেশ সুরক্ষায় একে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
C) সোনাদিয়া দ্বীপ — এর সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশগত গুরুত্বের কারণে সরকার এটিকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছে।
D) চলনবিল — এটি দেশের একটি বৃহৎ প্লাবনভূমি হলেও বর্তমান আইন অনুযায়ী এটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
সুন্দরবন, হাকালুকি ও সোনাদিয়া পরিবেশগত সংকটাপন্ন হলেও চলনবিল এই বিশেষ তালিকার বাইরে রয়েছে।
সঠিক উত্তর: D) ১৯৪৮
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৯৪৮ সালের ১০ই ডিসেম্বর সার্বজনীন মানবাধিকার সনদ অনুমোদন ও ঘোষণা করে।
- এই সনদের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী মানুষের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতার স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮৭৯ — এই সালে বিশ্ব মানবাধিকার সনদ ঘোষিত হয়নি, এটি এই প্রশ্নের সঠিক সময় নয়।
B) ১৯৫৭ — এই সালে বিশ্ব মানবাধিকার সনদ ঘোষিত হয়নি, এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার বছর।
C) ১৯৪৫ — এই সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, কিন্তু মানবাধিকার সনদ ঘোষিত হয়নি।
D) ১৯৪৮ — এটি সঠিক বছর, কারণ এই সালেই বিশ্ব মানবাধিকার সনদ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৪৮ সালে মানবাধিকার সনদ ঘোষিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) ভারত
কেন সঠিক:
- ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট চন্দ্রযান-৩ এর সফল অবতরণের মাধ্যমে ভারত চাঁদে সফল সফট ল্যান্ডিং করা চতুর্থ দেশ হিসেবে ইতিহাস গড়ে।
- এর আগে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীন এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — চীন চাঁদে সফল সফট ল্যান্ডিং করা তৃতীয় দেশ, চতুর্থ দেশ নয়।
B) ভারত — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ভারত চাঁদে সফলভাবে মহাকাশযান অবতরণকারী চতুর্থ দেশ।
সি) রাশিয়া — রাশিয়া এই তালিকার অন্যতম অগ্রগামী দেশ এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন হিসেবে তারা প্রথম দিকেই চাঁদে অভিযান পরিচালনা করে।
ডি) ইসরাইল — ইসরাইল চাঁদে অবতরণের চেষ্টা করলেও তাদের মহাকাশযান সফলভাবে অবতরণ করতে পারেনি।
মনে রাখার টিপস:
চাঁদে সফল দেশের ক্রমানুসারে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন এবং চতুর্থ দেশ হিসেবে ভারতের নাম মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) পটুয়াখালী
কেন সঠিক:
- পায়রা সমুদ্র বন্দরটি বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি রাবনাবাদ চ্যানেলের তীরে অবস্থিত বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভোলা — ভোলা একটি দ্বীপ জেলা এবং এটি মেঘনা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত, যেখানে কোনো সমুদ্র বন্দর নেই।
B) বরিশাল — বরিশাল বিভাগীয় শহর হলেও এটি কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত এবং এখানে কোনো সমুদ্র বন্দর নেই।
C) পটুয়াখালী — এই অপশনটি সঠিক কারণ পায়রা সমুদ্র বন্দরটি এই জেলাতেই অবস্থিত।
D) খুলনা — খুলনা জেলায় মংলা সমুদ্র বন্দর অবস্থিত, পায়রা বন্দর নয়।
মনে রাখার টিপস:
পায়রা বন্দর পটুয়াখালীতে অবস্থিত, এভাবে মনে রাখুন প দিয়ে পায়রা এবং প দিয়ে পটুয়াখালী।
সঠিক উত্তর: C) প্যারিস
কেন সঠিক:
- ইউনেস্কো বা জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থার মূল কার্যালয় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত।
- এই সংস্থা বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান ঘোষণা এবং শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রসারে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হেগ — এটি নেদারল্যান্ডসের আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের সদর দপ্তর, ইউনেস্কোর নয়।
B) স্টকহোম — এটি সুইডেনের রাজধানী এবং নোবেল পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান ও পরিবেশ বিষয়ক নানা সূচকের জন্য পরিচিত।
C) প্যারিস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ইউনেস্কোর সদর দপ্তর।
D) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং ওপেকের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর।
মনে রাখার টিপস:
ইউনেস্কো সংস্কৃতির শহর প্যারিসে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) দ্বিতীয়ভাগে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে (অনুচ্ছেদ ৮ থেকে ২৫) রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণিত আছে।
- এই মূলনীতিগুলো আইন প্রণয়নের সময় রাষ্ট্র অনুসরণ করবে, তবে এগুলো আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রথম ভাগে — এই ভাগে প্রজাতন্ত্র, রাষ্ট্রীয় সীমানা, রাষ্ট্রধর্ম এবং জাতির পিতার প্রতিকৃতিসহ সংবিধানের প্রাথমিক ও মৌলিক বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়েছে।
B) দ্বিতীয়ভাগে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানেই রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
C) তৃতীয়ভাগে — এই ভাগে নাগরিকদের জন্য সংরক্ষিত মৌলিক অধিকারসমূহ এবং সেগুলো বলবৎ করার বিধানগুলো বর্ণিত আছে।
D) পঞ্চমভাগে — এই ভাগে বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ, অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ এবং রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানগুলো আলোচনা করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের প্রথম ভাগে রাষ্ট্রের পরিচয় এবং দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বা চলার পথ নির্দেশ করা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) ২ নম্বর সেক্টর
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং ঢাকা শহর ছিল ২ নম্বর সেক্টরের অধীন।
- এই সেক্টরের প্রথম কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরবর্তী সময়ে মেজর এ টি এম হায়দার এর দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ নম্বর সেক্টর — এটি চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং ফেনী নদী পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল।
B) ২ নম্বর সেক্টর — এটি ঢাকা, কুমিল্লা, নোয়াখালী এবং ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল এবং এটিই সঠিক উত্তর।
C) ৪ নম্বর সেক্টর — এটি সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল এবং খোয়াই শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন বাদে উত্তরপূর্বাঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল।
D) ৫ নম্বর সেক্টর — এটি সিলেট জেলার উত্তরাঞ্চল এবং ডauকি রোড পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা আমাদের রাজধানী এবং রাজধানী জয় করতে দুটি হাত বা দ্বিতীয় সেক্টরের শক্তি প্রয়োজন হয়, এভাবে মনে রাখতে পারেন ঢাকা শহর ২ নম্বর সেক্টরের অধীন ছিল।
সঠিক উত্তর: A) সার্বিক উন্নয়ন
কেন সঠিক:
- জাইকা (JICA) হলো জাপানের সরকারি উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা, যা বাংলাদেশের অবকাঠামো, যোগাযোগ ও সামাজিক খাতের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে।
- এই সংস্থাটি মূলত ঋণ ও অনুদান সহায়তার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও দারিদ্র্য বিমোচনে বহুমুখী প্রকল্প বাস্তবায়ন করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সার্বিক উন্নয়ন — এটি সঠিক কারণ জাইকা বাংলাদেশের অবকাঠামো, কৃষি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতের সার্বিক উন্নয়নে সহায়তা করে।
B) ধর্ম প্রচার — জাইকা কোনো ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে গঠিত কোনো সংস্থা নয়, এটি একটি অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান।
C) জনসংখ্যা — জাইকা সরাসরি শুধু জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করে না, এটি সামগ্রিক উন্নয়নের অংশ হিসেবে অন্যান্য খাতের সঙ্গে এটিও দেখে।
D) শিশু শিক্ষা — শিশু শিক্ষা জাইকার কাজের একটি ছোট অংশ হতে পারে, কিন্তু এটি সামগ্রিকভাবে শুধু শিশু শিক্ষার জন্য নির্দিষ্ট নয়।
মনে রাখার টিপস:
জাপানি সংস্থা জাইকা মানেই দেশের বড় বড় মেগা প্রজেক্ট এবং সার্বিক উন্নয়নের বন্ধু।
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম প্রবাসী সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়।
- তাঁর অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি প্রথম সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন, প্রথম রাষ্ট্রপতি নন।
B) তাজউদ্দীন আহমেদ — তিনি বাংলাদেশের প্রথম সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
C) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
D) এম. মনসুর আলী — তিনি পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারে বঙ্গবন্ধু ছিলেন রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমেদ ছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৮৫ সনে
কেন সঠিক:
- দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বা সার্ক ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে এই আঞ্চলিক সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৮৫ সনে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সালেই প্রথম শীর্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে সার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
B) ১৯৮৬ সনে — এই অপশনটি ভুল কারণ সার্ক গঠিত হওয়ার পর প্রথম শীর্ষ সম্মেলন সফলভাবে শেষ হয়।
C) ১৯৮৭ সনে — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি সার্ক গঠনের সাল নয়, এর কার্যক্রম সম্প্রসারণের সময়কাল।
D) ১৯৮৪ সনে — এই অপশনটি ভুল কারণ এই সালে সার্ক গঠনের প্রস্তুতিমূলক বৈঠক হলেও সংস্থাটি গঠিত হয় পরের বছর।
মনে রাখার টিপস:
সার্ক গঠিত হয় ১৯৮৫ সালে এবং এর প্রথম সচিবালয় প্রতিষ্ঠিত হয় নেপালের কাঠমান্ডুতে।
সঠিক উত্তর: B) পলাশীর যুদ্ধ
কেন সঠিক:
- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলা এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মধ্যে পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধের পরাজয়ের মাধ্যমেই মূলত ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের ভিত্তি স্থাপিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিপাহী বিপ্লব — এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছিল ১৮৫৭ সালে, ১৭৫৭ সালে নয়।
B) পলাশীর যুদ্ধ — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এই ঐতিহাসিক যুদ্ধটি ১৭৫৭ সালে সংঘটিত হয়েছিল।
C) পানিপথের যুদ্ধ — ভারতের ইতিহাসে পানিপথের যুদ্ধগুলো সংঘটিত হয়েছিল ১৫২৬, ১৫৫৬ এবং ১৭৬১ সালে।
D) জালিয়ান ওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড — এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডটি ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল সংঘটিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
১৭৫৭ সালের সঙ্গে বাংলার স্বাধীনতা হারানোর স্মৃতি জড়িত, যা পলাশীর যুদ্ধ নামে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: C) শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
কেন সঠিক:
- ১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে তিনি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
- তার এই সাহসী দাবির মাধ্যমেই পূর্ব বাংলায় ভাষা আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক সূত্রপাত ঘটেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক — তিনি তৎকালীন বাংলার একজন শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ হলেও গণপরিষদে প্রথম ভাষা প্রস্তাব উত্থাপন করেননি।
B) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — তিনি পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন, তবে গণপরিষদে এই নির্দিষ্ট প্রস্তাবটি তিনি উত্থাপন করেননি।
C) শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই।
D) মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী — তিনি ভাষা আন্দোলন ও রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও গণপরিষদের এই প্রস্তাবের উত্থাপক ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
দ দিয়ে দত্ত এবং দাবি মনে রাখবেন, কারণ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তই প্রথম গণপরিষদে বাংলার দাবি তুলেছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) জাপান
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের মোট স্থায়ী সদস্য সংখ্যা পাঁচটি এবং জাপান এর স্থায়ী সদস্য নয়।
- নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রান্স — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র।
B) যুক্তরাজ্য — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র।
C) জাপান — এটি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়, তবে যুদ্ধোত্তর বিশ্ব রাজনীতিতে এর অর্থনৈতিক প্রভাব রয়েছে।
D) চীন — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র।
মনে রাখার টিপস:
স্থায়ী সদস্য দেশগুলো মনে রাখার সহজ শব্দ হলো ফরাসিরা যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে চীন ও রাশিয়াকে চা খাওয়াল (ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, রাশিয়া)।
সঠিক উত্তর: C) Cache
১. কেন সঠিক:
- ক্যাশ মেমোরি হলো প্রসেসরের সবচেয়ে কাছের এবং দ্রুতগতির মেমোরি যা সিপিইউ-এর কাজের গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
- এটি প্রধান মেমোরি বা র্যাম থেকে বারবার ব্যবহৃত ডেটা ও নির্দেশাবলী নিজের মধ্যে সাময়িকভাবে জমা করে রাখে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ক্যাশ মেমোরি হলো অতিদ্রুত গতির একটি ক্ষুদ্র মেমোরি যা প্রসেসর ও প্রধান মেমোরির মধ্যকার গতির ব্যবধান কমায়।
- কার্যপদ্ধতি: সিপিইউ কোনো ডেটা চাইলে প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে, না পেলে র্যাম থেকে এনে দ্রুত সরবরাহ করে।
- বৈশিষ্ট্য: এর ধারণক্ষমতা কম হলেও ডেটা অ্যাক্সেস টাইম অত্যন্ত কম এবং এটি সরাসরি প্রসেসরের সাথে যুক্ত থাকে।
- ব্যবহার: কম্পিউটার, স্মার্টফোন এবং আধুনিক প্রসেসরের ভেতরে লেভেল ওয়ান, লেভেল টু ও লেভেল থ্রি ক্যাশ হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়।
- পার্থক্য: র্যামের চেয়ে ক্যাশ মেমোরি অনেক বেশি দ্রুত কাজ করে কারণ এটি সিলিকন চিপের ওপর প্রসেসরের ঠিক পাশেই অবস্থিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রান্নার সময় রান্নার মশলা হাতের কাছে রাখা।
ব্যাখ্যা: প্রসেসরের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ডেটাগুলো হাতের কাছে ক্যাশ মেমোরিতে সাজানো থাকে যাতে খুঁজতে সময় নষ্ট না হয়।
উদাহরণ ২: কম্পিউটারের ব্রাউজারে ওয়েব পেজ ক্যাশ জমা হওয়া।
ব্যাখ্যা: বারবার ভিজিট করা ওয়েবসাইটগুলো ব্রাউজার ক্যাশ মেমোরিতে সেভ করে রাখে যাতে পরের বার দ্রুত ওপেন হতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) RAM — র্যাম প্রধান মেমোরি হলেও ক্যাশ মেমোরির তুলনায় এর গতি বেশ কম এবং এটি প্রসেসর থেকে দূরে অবস্থান করে।
B) Hard Disk — হার্ড ডিস্ক হলো স্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইস যার গতি র্যাম বা ক্যাশ মেমোরির চেয়ে অনেক ধীরগতির।
D) Keyboard — কিবোর্ড একটি ইনপুট ডিভাইস, যা ডেটা প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এর সাথে মেমোরির গতির কোনো তুলনা চলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কম্পিউটারের মেমোরির গতি মনে রাখার শর্টকাট হলো প্রসেসরের যত কাছে থাকবে, তার গতি তত বেশি হবে।
- ক্যাশ মেমোরি হলো কম্পিউটারের সবচেয়ে দ্রুতগতির মেমোরি যা সিপিইউ-এর ভেতরে বা ঠিক ওপরে অবস্থান করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মেমোরির গতির ক্রম বা হায়ারার্কি জানতে চাওয়া হয়।
- গতির দিক থেকে ক্যাশ মেমোরি সবার ওপরে এবং এরপরে ক্রমানুসারে রেজিস্টার, র্যাম ও হার্ড ডিস্কের অবস্থান।
সঠিক উত্তর: B) Sum
১. কেন সঠিক:
- Aggregate ফাংশন হলো এমন ফাংশন যা ডেটাবেজের একাধিক সারির মান নিয়ে একটি একক মান প্রদান করে।
- Sum ফাংশনটি একটি নির্দিষ্ট কলামের সব সংখ্যাসূচক মানের সমষ্টি বা যোগফল নির্ণয় করতে ডেটাবেজ কুয়েরিতে ব্যবহৃত হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: Aggregate ফাংশন হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে একাধিক রেকর্ড বা সারির ওপর গণনা চালিয়ে একটি ফলাফল বের করার পদ্ধতি।
- কার্যপদ্ধতি: এটি টেবিলের কলাম বরাবর কাজ করে এবং সব ডেটা প্রক্রিয়া করে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি সাধারণত SQL কুয়েরির ক্ষেত্রে SELECT ক্লজের সাথে এবং গ্রুপ করার জন্য GROUP BY ক্লজের সাথে ব্যবহৃত হয়।
- ব্যবহার: আর্থিক হিসাবে মোট বিক্রয় বা শিক্ষার্থীদের প্রাপ্ত নম্বরের সমষ্টি বের করতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি অনলাইন দোকানের অর্ডারের তালিকায় পণ্যের মোট দাম বের করা।
ব্যাখ্যা: SELECT SUM(Price) FROM Orders কুয়েরিটি ব্যবহার করে সব অর্ডারের মোট মূল্য একসাথে হিসাব করা যায়।
উদাহরণ ২: একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের মোট মাসিক বেতন হিসাব করা।
ব্যাখ্যা: Payroll ডেটাবেজ থেকে সমস্ত এমপ্লয়ির বেতনের কলাম যোগ করতে Sum ফাংশন ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Where — এটি ডেটা ফিল্টার বা শর্ত আরোপ করার জন্য ব্যবহৃত একটি ক্লজ, কোনো ডেটার ওপর গাণিতিক হিসাব বা এগ্রিগেশন করে না।
B) Sum — এটি সঠিক কারণ এটি কলামের মান যোগ করতে ব্যবহৃত একটি এগ্রিগেশন ফাংশন।
C) Select — এটি ডেটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট ডেটা প্রদর্শন বা রিট্রিভ করার জন্য ব্যবহৃত একটি কমান্ড, কোনো গাণিতিক সমষ্টি বের করে না।
D) From — এটি কুয়েরিতে নির্দিষ্ট টেবিল বা ডেটাসোর্স নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত একটি ক্লজ, ডেটার হিসাব নিকাশ করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রধান ডেটাবেজ এগ্রিগেশন ফাংশনগুলো হলো Sum, Avg, Count, Max এবংMinValue।
- মনে রাখার কৌশল হলো গণিত বা পরিসংখ্যানে যে কাজগুলো সমষ্টি বা গড় বের করতে লাগে, ডেটাবেজে সেগুলোকে Aggregate ফাংশন বলে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- SQL এগ্রিগেশন ফাংশনগুলো সবসময় কলামের ওপর কাজ করে এবং নাল বা ফাঁকা মান বাদ দিয়ে হিসাব করে।
- ডেটাবেজ সম্পর্কিত পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন ক্লজ এবং ফাংশনের কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) SMTP
১. কেন সঠিক:
- SMTP-এর পূর্ণরূপ Simple Mail Transfer Protocol, যা ইন্টারনেটে ই-মেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত মূল প্রোটোকল।
- এটি মূলত ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে অথবা সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে ই-মেইল স্থানান্তরের কাজটি নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ইমেইল প্রটোকল হলো এমন কিছু নিয়ম বা নির্দেশিকা, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ই-মেইল আদান-প্রদান নিশ্চিত করে।
- কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী ই-মেইল সেন্ড করার পর SMTP প্রোটোকল বার্তাটিকে প্রাপকের মেইল সার্ভারে পৌঁছে দিতে সাহায্য করে।
- ব্যবহার: জিমেইল বা ইয়াহুর মতো ই-মেইল সেবাগুলো এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে চিঠি পাঠানোর সময় এই প্রোটোকল ব্যবহার করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আপনি যখন আপনার ল্যাপটপ থেকে বন্ধুকে একটি ই-মেইল পাঠান।
ব্যাখ্যা: এই মেইলটি পাঠানোর সময় আপনার আউটগোয়িং সার্ভার SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
উদাহরণ ২: একটি কোম্পানির ই-মেইল সিস্টেম থেকে ক্লায়েন্টদের কাছে অফার লেটার পাঠানো।
ব্যাখ্যা: বাল্ক বা একক ই-মেইল প্রেরণের সময় মূল ট্রান্সফার প্রোটোকল হিসেবে SMTP কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) SMTP — এটি একটি ইমেইল প্রটোকল হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
B) IOT — এর পূর্ণরূপ Internet of Things, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন ডিভাইসের সংযোগ ও নিয়ন্ত্রণ বোঝায়।
C) USB — এর পূর্ণরূপ Universal Serial Bus, যা কম্পিউটার ও পেরিফেরাল ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের ক্যাবল বা পোর্ট।
D) OTG — এর পূর্ণরূপ On-The-Go, যা মোবাইল বা ট্যাবলেটে সরাসরি পেনড্রাইভ বা মাউস যুক্ত করার প্রযুক্তি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রটোকল মানে যোগাযোগের নিয়ম এবং ইমেইল পাঠানোর মেইন প্রটোকল হলো SMTP।
- Simple Mail Transfer Protocol নামের সাথে Mail শব্দ থাকার কারণে এটি সহজেই মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ই-মেইল গ্রহণের জন্য সাধারণত POP3 বা IMAP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
- পরীক্ষার জন্য প্রোটোকলের পূর্ণরূপ এবং তাদের সুনির্দিষ্ট কাজগুলো খুব ভালোভাবে পড়ে রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: C) star
১. কেন সঠিক:
Keyword হলো কিছু সংরক্ষিত শব্দ যেগুলোর পূর্বনির্ধারিত অর্থ কম্পাইলরের কাছে সংরক্ষিত থাকে।
star নামের কোনো সংরক্ষিত শব্দ বা keyword সি ভাষায় নেই, তাই এটি সঠিক উত্তর।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: Keyword হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দ যার অর্থ সি ভাষা প্রস্তুতকারকরা আগে থেকেই নির্ধারণ করে দিয়েছেন।
ব্যবহার: এগুলো ভেরিয়েবল বা ফাংশনের নাম হিসেবে ব্যবহার করা যায় না কারণ এদের নির্দিষ্ট কাজ রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: int x;
ব্যাখ্যা: এখানে int হলো একটি keyword যা পূর্ণসংখ্যা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: struct Student s;
ব্যাখ্যা: এখানে struct হলো একটি keyword যা কাস্টম ডেটা টাইপ তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) struct — এটি সি ভাষার একটি বহুল ব্যবহৃত keyword যা ডেটা স্ট্রাকচার বা ইউজার ডিফাইন্ড ডেটা টাইপ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
B) int — এটি সি ভাষার একটি অপরিহার্য keyword যা ইন্টিজার বা পূর্ণসংখ্যা ডেটা টাইপ ঘোষণা করতে ব্যবহৃত হয়।
C) star — এটি সি ভাষার কোনো keyword নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
D) float — এটি সি ভাষার একটি মৌলিক keyword যা ভগ্নাংশ বা ফ্লোটিং পয়েন্ট ডেটা টাইপ ঘোষণা করতে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সি ভাষায় মোট বত্রিশটি keyword রয়েছে এবং কোনো বিশেষ আকৃতি বা গাণিতিক নাম যেমন star বা circle এর মতো শব্দ সি ভাষার keyword নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সি ভাষার ৩২টি keyword ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে কারণ বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোনটি keyword নয় তা জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: B) Security Point
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটি সাইবার সিকিউরিটি ও ম্যালওয়্যার সম্পর্কিত।
Security Point কোনো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়, এটি একটি ক্ষতিকর সফটওয়্যার বা রোগাক্রান্ত সফটওয়্যার যা ভুয়া অ্যান্টিভাইরাস হিসেবে পরিচিত।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: অ্যান্টিভাইরাস হলো এমন এক ধরনের ইউটিলিটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটার সিস্টেম থেকে ভাইরাস ও অন্যান্য ম্যালওয়্যার শনাক্ত এবং অপসারণ করতে ব্যবহৃত হয়।
কার্যপদ্ধতি: অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার কম্পিউটার সিস্টেমের ফাইল স্ক্যান করে এবং পরিচিত ম্যালওয়ার্থের সিগনেচারের সঙ্গে তুলনা করে হুমকি দূর করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নর্টন অ্যান্টিভাইরাস ফাইল স্ক্যান করে ক্ষতিকর কোড মুছে ফেলে।
ব্যাখ্যা: এটি কম্পিউটারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাকগ্রাউন্ডে নিয়মিত কাজ করে।
উদাহরণ ২: ম্যাকঅ্যাফি ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করা ফাইল পরীক্ষা করে।
ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহারকারীকে ম্যালওয়্যার আক্রমণ থেকে সুরক্ষা প্রদান করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Norton — এটি বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় এবং নির্ভরযোগ্য একটি বাণিজ্যিক অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
B) Security Point — এটি অ্যান্টিভাইরাস নয়, বরং একটি ক্ষতিকর রোগাক্রান্ত সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীকে ভুয়া নিরাপত্তার ভয় দেখায়।
C) Dr. Soloman toolkit — এটি কম্পিউটারের প্রাথমিক দিকের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং ঐতিহাসিক অ্যান্টিভাইরাস টুল।
D) McAfee — এটি বিশ্বখ্যাত সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান যা কম্পিউটার সুরক্ষার জন্য বিশ্বজুড়ে অ্যান্টিভাইরাস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভুয়া অ্যান্টিভাইরাস বা রোগাক্রান্ত সফটওয়্যারগুলো প্রায়ই আসল সুরক্ষার নামে পপ-আপ বার্তা দেখায়।
Norton, McAfee এবং Dr. Soloman হলো পরীক্ষিত অ্যান্টিভাইরাস ব্র্যান্ড।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার সুরক্ষার জন্য ম্যালওয়্যার ও অ্যান্টিভাইরাস সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
নামের সাথে মিল থাকলেই কোনো সফটওয়্যারকে অ্যান্টিভাইরাস হিসেবে ধরে নেওয়া যাবে না।
সঠিক উত্তর: C) Root
১. কেন সঠিক:
- Max-Heap হলো একটি বিশেষ ধরনের বাইনারি ট্রি ডেটা স্ট্রাকচার যেখানে প্রতিটি প্যারেন্ট নোডের মান তার চাইল্ড নোডগুলোর মানের সমান বা বড় হয়।
- এই নিয়মের কারণে ট্রি-এর একদম ওপরের বা প্রধান নোডটিতে সর্বদা সবচেয়ে বড় ডেটা বা মান সংরক্ষিত থাকে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: Max-Heap হলো এমন একটি কমপ্লিট বাইনারি ট্রি যেখানে সর্বোচ্চ মানের উপাদানটি রুট নোডে অবস্থান করে।
- কার্যপদ্ধতি: নতুন কোনো ডেটা ইনসার্ট করার পর হিপ প্রপার্টি বজায় রাখার জন্য সেটিকে ওপরের দিকে সাজানো হয় যাকে আপ-হিপ বা পারকুলেট আপ বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মেধাতালিকা।
ব্যাখ্যা: যেখানে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত পরীক্ষার্থীকে তালিকার সবার ওপরে বা প্রথমে রাখা হয়, যা ম্যাক্স-হিপের রুট ধারণার অনুরূপ।
উদাহরণ ২: প্রায়োরিটি কিউ বা অগ্রাধিকার সারি।
ব্যাখ্যা: যেখানে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার সম্পন্ন টাস্ক বা প্রসেসকে সবার আগে নির্বাহ করার জন্য প্রসেসর রুট থেকে ডেটা গ্রহণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Leaf — লিফ নোড বা পাতার শাখাগুলোতে ট্রি-এর সবচেয়ে ছোট মানগুলো সাধারণত অবস্থান করে।
B) Internal node — ইন্টারনাল নোডগুলোতে মধ্যবর্তী বা তুলনামূলক ছোট মানগুলো থাকে, যা রুট অপেক্ষা কম।
D) Outside — ডেটা স্ট্রাকচারের বাইরে কোনো মান থাকার সুযোগ নেই কারণ সব ডেটা ট্রি-এর ভেতরেই সংরক্ষিত থাকে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ম্যাক্স মানে সর্বোচ্চ এবং হিপ মানে স্তূপ। স্তূপের সবচেয়ে উঁচুতে বা মস্তকে সর্বোচ্চ মান অর্থাৎ রুট থাকে।
- মিনিমাম হিপ হলে রুট হতো সবচেয়ে ছোট মান।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ম্যাক্স-হিপের সময় জটিলতা বা টাইম কমপ্লেক্সিটি হলো ও লগ এন এবং এটি হিপ সর্ট অ্যালগরিদমে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: B) OSPF
১. কেন সঠিক:
- OSPF প্রোটোকলে ডাইকস্ট্রা অ্যালগরিদম ব্যবহার করা হয় কারণ এটি সবচেয়ে কম খরচের পথ বা শর্টেস্ট পাথ নির্বাচন করে।
- এই অ্যালগরিদম নেটওয়ার্কের একটি সম্পূর্ণ গ্রাফ তৈরি করে এবং রাউটার থেকে গন্তব্যে পৌঁছানোর দ্রুততম পথ নির্ধারণ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: OSPF হলো ওপেন শর্টেস্ট পাথ ফার্স্ট এবং এটি একটি লিংক স্টেট রাউটিং প্রোটোকল যা আইপি নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হয়।
- কার্যপদ্ধতি: এটি নেটওয়ার্কের সমস্ত রাউটারের কাছে রাউটিং তথ্য প্রচার করে এবং ডাইকস্ট্রা অ্যালগরিদম প্রয়োগ করে সেরা রুট হিসাব করে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি ক্লাসহলেস রাউটিং সমর্থন করে এবং বৃহত আকারের এন্টারপ্রাইজ নেটওয়ার্কে অত্যন্ত দ্রুত কনভার্জেন্স প্রদান করে।
- ব্যবহার: বড় করপোরেট নেটওয়ার্ক এবং আইএসপি রাউটিং ব্যাকবোনে রাউটারগুলোর মধ্যে সেরা পথ খুঁজে পেতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জিপিএস নেভিগেশন সিস্টেম
ব্যাখ্যা: জিপিএস মানচিত্রে যেভাবে আপনার গন্তব্যে পৌঁছানোর সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ও দ্রুততম পথ খুঁজে বের করে, ওএসপিএফ প্রোটোকল রাউটার নেটওয়ার্কে ঠিক একইভাবে ডাইকস্ট্রা অ্যালগরিদম ব্যবহার করে ডেটা পাঠানোর পথ ঠিক করে।
উদাহরণ ২: করপোরেট ডাটা সেন্টার
ব্যাখ্যা: একটি বহুজাতিক কোম্পানির বিভিন্ন শাখার মধ্যে প্রচুর কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে, যেখানে ওএসপিএফ প্রোটোকল নিশ্চিত করে যেন ডেটা সবচেয়ে কম সময়ে ও কম ট্রাফিকে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ARP — এটি হলো অ্যাড্রেস রেজোলিউশন প্রোটোকল যা আইপি ঠিকঠাক করে ম্যাক ঠিকানার সাথে মিল করতে কাজ করে এবং এর সাথে ডাইকস্ট্রা অ্যালগরিদমের কোনো সম্পর্ক নেই।
B) OSPF — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি লিংক স্টেট ভিত্তিক রাউটিং প্রোটোকল যা ডাইকস্ট্রা অ্যালগরিদম ব্যবহার করে শর্টেস্ট পাথ বের করে।
C) RIP — এটি হলো রাউটিং ইনফরমেশন প্রোটোকল যা ডিস্টেন্স ভেক্টর অ্যালগরিদম ব্যবহার করে এবং হপ কাউন্ট গণনা করে পথ ঠিক করে।
D) IGRP — এটি সিসকো প্রোপ্রিটারি ডেটা প্রোটোকল যা ডিস্টেন্স ভেক্টর অ্যালগরিদম ব্যবহার করে এবং এর সাথে ডাইকস্ট্রা অ্যালগরিদমের সরাসরি ব্যবহার নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ওএসপিএফ এর পূর্ণরূপ হলো ওপেন শর্টেস্ট পাথ ফার্স্ট।
- লিংক স্টেট প্রোটোকল মানেই হলো ডাইকস্ট্রা অ্যালগরিদমের ব্যবহার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ওএসপিএফ হলো একটি লিংক স্টেট রাউটিং প্রোটোকল।
- ডাইকস্ট্রা অ্যালগরিদম কম্পিউটার নেটওয়ার্কে শর্টেস্ট পাথ বা সংক্ষিপ্ততম পথ নির্ণয়ের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয়।
সঠিক উত্তর: B) TCP
১. কেন সঠিক:
FTP প্রোটোকল ফাইল স্থানান্তরের সময় ডেটার নিখুঁত ও নির্ভরযোগ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করতে TCP ব্যবহার করে।
TCP সংযোগ স্থাপন করে ডেটা পাঠায় এবং কোনো প্যাকেট হারিয়ে গেলে তা পুনরায় প্রেরণের ব্যবস্থা করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: FTP হলো ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ফাইল আদান-প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়।
কার্যপদ্ধতি: এটি ক্লায়েন্ট ও সার্ভারের মধ্যে দুটি সংযোগ তৈরি করে, যার একটি নিয়ন্ত্রণের জন্য এবং অন্যটি ডেটা স্থানান্তরের জন্য কাজ করে।
ব্যবহার: ওয়েব হো্স্টিং সাইটে ফাইল আপলোড বা ডাউনলোড করার কাজে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কোনো ডেভেলপার তার কম্পিউটারের লোকাল ফাইল একটি রিমোট ওয়েব সার্ভারে আপলোড করছেন।
ব্যাখ্যা: এই ফাইল স্থানান্তরের পুরো প্রক্রিয়াটি FTP প্রোটোকল এবং TCP এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
উদাহরণ ২: ব্যাংক তার একটি শাখা থেকে অন্য শাখায় বড় ডেটা ফাইল বা রিপোর্ট পাঠাচ্ছে।
ব্যাখ্যা: এখানে ডেটার শতভাগ নিখুঁত হওয়া জরুরি বিধায় TCP ভিত্তিক FTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) IP — এটি নেটওয়ার্কে ডিভাইসের ঠিকানা নির্ধারণ ও রাউটিং এর কাজ করে, সরাসরি ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল নিয়ন্ত্রণ করে না।
B) TCP — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নির্ভরযোগ্য সংযোগ নিশ্চিত করে।
C) UDP — এটি দ্রুত ডেটা পাঠায় কিন্তু ডেটা হারানোর ঝুঁকি থাকে, যা ফাইল স্থানান্তরের জন্য নিরাপদ নয়।
D) SMTP — এটি শুধুমাত্র ই-মেইল পাঠানোর কাজে ব্যবহৃত প্রোটোকল, ফাইল স্থানান্তরের জন্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ফাইল স্থানান্তরের সময় একটিও বিট নষ্ট হওয়া যাবে না, তাই নির্ভরযোগ্য প্রোটোকল TCP ব্যবহার করা হয়।
FTP এর পূর্ণরূপ File Transfer Protocol এবং TCP এর পূর্ণরূপ Transmission Control Protocol।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে নির্ভরযোগ্য যোগাযোগের জন্য TCP এবং দ্রুত যোগাযোগের জন্য UDP ব্যবহার করা হয়।
FTP প্রোটোকল সাধারণত পোর্ট নম্বর ২০ এবং ২১ ব্যবহার করে থাকে।
সঠিক উত্তর: C) Processing Unit
১. কেন সঠিক:
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান প্রসেসিং ইউনিট বা ডেটা পাথ অংশে গাণিতিক ও যৌক্তিক অপারেশন সম্পন্ন করার মূল মডিউল হিসেবে অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট বা ALU অবস্থিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের ভেতর আসা নির্দেশনার ওপর ভিত্তি করে যাবতীয় হিসাব-নিকাশ ও তুলনামূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার মূল কাজটি এই নির্দিষ্ট ইউনিটের মাধ্যমেই সম্পন্ন করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট বা ALU হলো মাইক্রোপ্রসেসরের এমন একটি মূল ডিজিটাল সার্কিট যা সব ধরনের গাণিতিক ও যৌক্তিক অপারেশন পরিচালনা করে।
- কার্যপদ্ধতি: কন্ট্রোল ইউনিট থেকে নির্দেশনা পেয়ে এটি মেমোরি বা রেজিস্টার থেকে ডেটা এনে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং সত্য বা মিথ্যা যাচাইয়ের কাজ সম্পন্ন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাইক্রোপ্রসেসরে দুই লাখের সাথে তিন লাখ যোগ করার নির্দেশ দিলে প্রসেসিং ইউনিটে থাকা ALU সেই গাণিতিক হিসাবটি পলকে সম্পন্ন করে।
ব্যাখ্যা: যোগের এই গাণিতিক কাজটি করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের ভেতরে নির্দিষ্ট অ্যারিথমেটিক ইউনিট সরাসরি সক্রিয় হয়।
উদাহরণ ২: দুটি সংখ্যার মধ্যে কোনটি বড় তা তুলনা করার জন্য প্রসেসিং ইউনিটের লজিক অংশ কাজ করে।
ব্যাখ্যা: দুটি মানের তুলনা করার মাধ্যমে শর্ত যাচাইয়ের কাজটি লজিক ইউনিটের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Fetch Unit — এটি প্রসেসরের এমন একটি অংশ যা মূল মেমোরি থেকে পরবর্তী নির্দেশনা সংগ্রহ বা ফেচ করে আনে, এর মধ্যে গাণিতিক বা যৌক্তিক হিসাবের ALU থাকে না।
B) Control Unit — এটি প্রসেসরের নির্দেশিকা নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়কারী অংশ হিসেবে কাজ করে, যা অন্য ইউনিটগুলোকে কাজের আদেশ দেয় কিন্তু নিজে ALU ধারণ করে না।
C) Processing Unit — সঠিক উত্তর কারণ প্রসেসিং ইউনিটের ভেতরেই মূলত ALU এবং কন্ট্রোল ইউনিট গঠিত হয় এবং এটি সার্বিক প্রসেসিংয়ের মূল কেন্দ্র।
D) Flags Unit — এটি প্রসেসরের একটি ছোট রেজিস্টার অংশ যা গাণিতিক অপারেশনের ফলাফল বা বর্তমান অবস্থা নির্দেশ করে, এটি সার্বিক ALU ধারণকারী বড় কোনো একক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রসেসরের ভেতরে সব ধরনের হিসাব-নিকাশের কাজ সম্পন্ন হয় প্রসেসিং ইউনিটের ভেতরে থাকা ALU এর মাধ্যমে।
- মনে রাখতে পারেন পি-ইউ বা প্রসেসিং ইউনিট মানেই কাজের মূল জায়গা, আর সেখানেই বসে থাকে হিসাব করার প্রধান যন্ত্র ALU।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান তিনটি অংশ হলো কন্ট্রোল ইউনিট, অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট বা ALU এবং রেজিস্টার অ্যারে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে প্রসেসরের কোন অংশে গাণিতিক কাজ হয়, যার উত্তর হলো ALU।
সঠিক উত্তর: D) ANY
১. কেন সঠিক:
- SQL কোয়েরিতে সাবকুয়েরির সাথে তুলনা করার জন্য ANY অপারেটর ব্যবহার করা হয়।
- এটি সাবকুয়েরি থেকে প্রাপ্ত তালিকার যেকোনো একটি মানের সাথে প্রধান শর্তের তুলনা করে সত্য বা মিথ্যা নির্ধারণ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: SQL-এ ANY হলো এমন একটি তুলনা অপারেটর যা সাবকুয়েরি থেকে আসা একাধিক মানের যেকোনো একটির সাথে শর্ত মেলানোর কাজ করে।
- কার্যপদ্ধতি: সাবকুয়েরি চালানোর পর প্রাপ্ত মানগুলোর সাথে মূল টেবিলের মানগুলোর তুলনা করে এবং একটি মান মিলে গেলেই সত্য ফলাফল দেয়।
- ব্যবহার: বড় ডেটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট শর্তের চেয়ে বড় বা ছোট একাধিক মানের সাপেক্ষে ডেটা ফিল্টার করতে এটি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: SELECT * FROM Products যেখানে Price > ANY (SELECT Price FROM Suppliers WHERE Category = Electronics)
ব্যাখ্যা: এই কোয়েরিটি এমন পণ্যগুলো খুঁজে বের করবে যেগুলোর দাম ইলেকট্রনিক্স ক্যাটাগরির যেকোনো একটি পণ্যের দামের চেয়ে বেশি।
উদাহরণ ২: SELECT Name FROM Employees যেখানে Salary > ANY (SELECT Salary FROM Employees যেখানে Department = HR)
ব্যাখ্যা: এটি এমন কর্মীদের নাম দেখাবে যাদের বেতন এইচআর বিভাগের যেকোনো কর্মীর বেতনের চেয়ে বেশি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) BETWEEN — এটি একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে মান খোঁজার জন্য ব্যবহৃত হয়, কোনো তুলনা অপারেটর নয়।
B) COMPARE — SQL-এ সরাসরি তুলনা করার জন্য কোনো নিজস্ব অপারেটর বা কমান্ড COMPARE নামে নেই।
C) IN — এটি নির্দিষ্ট একটি তালিকার অন্তর্ভুক্ত মানগুলো খোঁজার জন্য ব্যবহৃত হয়, তুলনামূলক অপারেটর নয়।
D) ANY — এটি সাবকুয়েরির ডেটার সাথে তুলনা করার সঠিক অপারেটর বিধায় এটি সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ANY মানে যেকোনো একটির সাথে তুলনা করা।
- সাবকুয়েরির সাথে তুলনা করার জন্য ANY এবং ALL বহুল ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এসকিউএল সাবকুয়েরি এবং তুলনা অপারেটর সম্পর্কিত প্রশ্ন ব্যাংক ও বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- ANY অপারেটর সবসময় গুচ্ছবদ্ধ বা একাধিক মানের সাথে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: B) Stack
১. কেন সঠিক:
Stack হলো এমন একটি ডেটা স্ট্রাকচার যেখানে সব ধরনের সংযোজন এবং অপসারণ কেবল একটি নির্দিষ্ট প্রান্ত থেকেই সম্পন্ন হয়।
এই কাঠামোর ক্ষেত্রে সবার শেষে প্রবেশকারী উপাদানটি সবার আগে বের হয়ে আসে, যাকে Last-In-First-Out বা LIFO নীতি বলা হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: LIFO হলো ডেটা প্রসেসিংয়ের এমন একটি পদ্ধতি যেখানে সর্বশেষ সংরক্ষিত ডেটা সবার আগে বাইরে আসে।
কার্যপদ্ধতি: এতে প্রধানত দুটি অপারেশন থাকে, যার একটি হলো পুশ যার মাধ্যমে ডেটা ঢোকানো হয় এবং অন্যটি হলো পপ যার মাধ্যমে ডেটা বের করা হয়।
ব্যবহার: প্রোগ্রামিংয়ের ফাংশন কল পরিচালনা, ব্রাউজারের হিস্ট্রি বা পেছনের পাতায় ফিরে যাওয়া এবং টেক্সট এডিটরের আন্ডু ফিচারে এটি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডেস্কে রাখা থালার স্তূপ
ব্যাখ্যা: একটির ওপর একটি থালা রাখলে সবার ওপরে যে থালাটি রাখা হয়, সেটিই সবার আগে তুলে নেওয়া যায়।
উদাহরণ ২: ব্রাউজারের পেছনের পাতা
ব্যাখ্যা: একের পর এক ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলে ব্যাক বাটনে চাপ দিলে সর্বশেষ দেখা পাতাটি সবার আগে ফিরে আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Queue — এটি First-In-First-Out বা FIFO নীতিতে কাজ করে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) File — এটি স্থায়ী মেমরিতে ডেটা সংরক্ষণের মাধ্যম, কোনো ডেটা স্ট্রাকচার নির্দেশ করে না।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
LIFO মানে হলো লিফটো বা শেষ পাতাটি সবার আগে কাটা হয়।
স্ট্যাক শব্দের অর্থ স্তূপ, আর স্তূপের ওপর থেকে জিনিস তোলা বা নামানোই এর মূল নিয়ম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডেটা স্ট্রাকচারের ধরন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
স্ট্যাকের বিপরীত নীতি হলো কিউ বা FIFO, যা প্রিনട്ടারের কাজের ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: B) 98
১. কেন সঠিক:
ASCII-এর পূর্ণরূপ American Standard Code for Information Interchange. এটি এমন একটি কোড যেখানে প্রতিটি ইংরেজি বর্ণ, অঙ্ক ও চিহ্নের জন্য একটি নির্দিষ্ট দশমিক মান নির্ধারিত থাকে।
ইংরেজি বর্ণমালার ছোট হাতের অক্ষর বা lowercase letter 'b'-এর জন্য নির্ধারিত আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড দশমিক বা Decimal মান হলো ৯৮।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ASCII হলো কম্পিউটারে অক্ষর সংরক্ষণের একটি বহুল প্রচলিত কোডিং সিস্টেম। এর মাধ্যমে অক্ষরগুলোকে বাইনারি বা সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
বৈশিষ্ট্য: এই ব্যবস্থায় বড় হাতের অক্ষর ও ছোট হাতের অক্ষরের জন্য আলাদা কোড নির্ধারিত থাকে। কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রতিটি অক্ষর ৮ বিট বা ১ বাইট জায়গা দখল করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইংরেজি বর্ণমালার ছোট হাতের অক্ষর 'a'-এর ASCII মান হলো ৯৭।
ব্যাখ্যা: ক্রমানুসারে 'a'-এর মান ৯৭ হলে পরবর্তী অক্ষর 'b'-এর মান হবে এক ঘর বেশি অর্থাৎ ৯৮।
উদাহরণ ২: ইংরেজি বর্ণমালার বড় হাতের অক্ষর 'A'-এর ASCII মান হলো ৬৫।
ব্যাখ্যা: বড় ও ছোট হাতের অক্ষরের মান আলাদা হয়, যেখানে ছোট হাতের অক্ষরের মান সাধারণত বড় হাতের অক্ষরের চেয়ে বেশি থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 66 — এটি ইংরেজি বড় হাতের অক্ষর 'B'-এর ASCII মান। প্রশ্ন ছোট হাতের 'b'-এর মান জানতে চাওয়ায় এটি ভুল।
B) 98 — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্ট্যান্ডার্ড ASCII চার্ট অনুযায়ী ছোট হাতের 'b'-এর মান ৯৮ নির্ধারিত আছে।
C) 3000 — এই ধরনের মান কোনো সাধারণ অক্ষরের জন্য ASCII কোডে ব্যবহৃত হয় না। এটি একটি অতিরিক্ত বড় সংখ্যা।
D) 1 — এটি বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির মৌলিক অঙ্ক অথবা ASCII কোডে কোনো বিশেষ নিয়ন্ত্রণ চরিত্রের মান নির্দেশ করতে পারে, যা 'b' নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বড় হাতের 'A'-এর মান ৬৫ এবং ছোট হাতের 'a'-এর মান ৯৭ মনে রাখলে বর্ণমালার বাকি অক্ষরগুলোর মান ক্রমানুসারে হিসাব করে বের করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই 'A', 'a', '0' বা বিশেষ চিহ্নের ASCII মান জানতে চাওয়া হয়। তাই বড় ও ছোট হাতের অক্ষরের শুরুর মানগুলো মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) Polymorphism
১. কেন সঠিক:
Object Oriented Programming বা OOP-এর চারটি মূল স্তম্ভের মধ্যে Polymorphism বা বহুরূপতা অন্যতম।
এটি একটি প্রোগ্রামিং বৈশিষ্ট্য যার মাধ্যমে একই নাম বা ফাংশন বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে ভিন্ন ভিন্ন আচরণ করতে পারে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: Polymorphism হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে একই ফাংশন বা অপারেটর বিভিন্ন ডেটা টাইপ বা ক্লাসের জন্য আলাদাভাবে কাজ করে।
কার্যপদ্ধতি: এটি কম্পাইল টাইম বা রান টাইমে নির্ধারিত হয় ফাংশন ওভারলোডিং বা ওভাররাইডিংয়ের মাধ্যমে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্লাস (+) চিহ্ন।
ব্যাখ্যা: প্রোগ্রামিংয়ে প্লাস চিহ্নটি সংখ্যা যোগ করতে এবং দুটি স্ট্রিং যুক্ত করতে ভিন্নভাবে কাজ করে।
উদাহরণ ২: সাউন্ড ফাংশন।
ব্যাখ্যা: বিভিন্ন প্রাণীর জন্য সাউন্ড ফাংশন কল করলে কুকুর ঘেউ ঘেউ এবং বিড়াল মিয়াও শব্দ তৈরি করতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Polymorphism - এটি সঠিক কারণ এটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য।
B) Friend Funtion - এটি সি প্লাস প্লাস প্রোগ্রামিং ভাষার একটি বিশেষ ফাংশন যা প্রাইভেট ডেটা এক্সেস করতে পারে, কিন্তু এটি OOP-এর মূল বৈশিষ্ট্য নয়।
C) Structure - এটি ব্যবহারকারী-সংজ্ঞায়িত ডেটা টাইপ যা প্রসিডিউরাল প্রোগ্রামিংয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়, অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের মূল বৈশিষ্ট্য ক্লাস ও অবজেক্ট।
D) Loop - এটি যেকোনো প্রোগ্রামিং ভাষায় কোড বারবার চালানোর জন্য ব্যবহৃত একটি কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট, অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের বৈশিষ্ট্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
OOP-এর মূল বৈশিষ্ট্য মনে রাখার শর্টকাট হলো A-I-E-P যার অর্থ Abstraction, Inheritance, Encapsulation এবং Polymorphism।
Polymorphism শব্দের অর্থ বহু রূপ, যা থেকে এর বহুমুখী কাজের ধারণা সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার বিজ্ঞান ও বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
ইনহেরিটেন্স এবং পলিমরফিজম প্রায়ই একসাথে গুলিয়ে ফেলা হয়, তাই এদের সংজ্ঞা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ARPANET
১. কেন সঠিক:
- ARPANET হলো বিশ্বের প্রথম সফল প্যাকেট সুইচিং নেটওয়ার্ক যা আধুনিক ইন্টারনেটের ভিত্তি স্থাপন করেছিল।
- ১৯৬৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের ডিফেন্স অ্যাডভান্সড রিসার্চ প্রজেক্টস এজেন্সি বা ডারপা এই নেটওয়ার্ক চালু করেছিল।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো অ্যাডভান্সড রিসার্চ প্রজেক্টস এজেন্সি নেটওয়ার্ক যা প্রথম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা।
- কার্যপদ্ধতি: এটি ডেটাকে ছোট ছোট প্যাকেটে বিভক্ত করে বিভিন্ন নোডের মাধ্যমে গন্তব্যে প্রেরণ করত।
- ব্যবহার: মূলত মার্কিন সামরিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে তথ্য আদান প্রদানের জন্য এটি ব্যবহার করা হতো।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাব
ব্যাখ্যা: প্রথম দিকে লস অ্যাঞ্জেলেসের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মধ্যে সফলভাবে ডেটা যোগাযোগের মাধ্যমে এই নেটওয়ার্কের পথচলা শুরু হয়।
উদাহরণ ২: প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা: একটি বড় ফাইলকে ছোট টুকরো বা প্যাকেটে ভাগ করে ভিন্ন পথ দিয়ে পাঠিয়ে গন্তব্যে পুনরায় একত্রিত করার পদ্ধতি এই নেটওয়ার্কে প্রথম সফলভাবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) CNNET — এটি কোনো ঐতিহাসিক প্রথম নেটওয়ার্ক নয় বরং এটি পরবর্তীতে তৈরি হওয়া একটি আঞ্চলিক বা বিশেষ নেটওয়ার্ক।
B) NSFNET — এটি ১৯৮৫ সালে ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি নেটওয়ার্ক যা এআরপানেটের অনেক পরে তৈরি হয়েছিল।
C) ASPANET — এটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কের ইতিহাসে কোনো প্রামাণিক বা সঠিক নেটওয়ার্কের নাম নয়।
D) ARPANET — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটিই বিশ্বের প্রথম সফল কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- এআরপানেট নামের ভেতরেই এর পূর্ণরূপের মূল শব্দগুলো রয়েছে যা ১৯৬৯ সালের ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে মনে রাখা সহজ।
- প্রথম নেটওয়ার্ক মানেই এআরপানেট এবং এর সঙ্গে ডারপা বা প্রতিরক্ষা গবেষণা বিষয়টি জড়িয়ে আছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এআরপানেট চালুর সাল হলো ১৯৬৯ এবং এটি টিসিপি আইপি প্রটোকল ব্যবহারের মাধ্যমে আধুনিক ইন্টারনেটের রূপ নেয়।
- এই ধরনের প্রশ্নে প্রায়শই বিভ্রান্ত করার জন্য বিভ্রান্তিকর অপশন দেওয়া হয়, তাই সাল ও সংস্থার নাম মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) RAM
১. কেন সঠিক:
- RAM হলো Random Access Memory, যা কম্পিউটারের প্রধান বা মেইন মেমরি হিসেবে কাজ করে।
- প্রসেসর সরাসরি এই মেমরি থেকে ডেটা নিয়ে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে পারে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: RAM হলো কম্পিউটারের এমন একটি অস্থায়ী মেমরি, যেখানে চলমান প্রোগ্রাম ও ডেটা সাময়িকভাবে জমা থাকে।
- কার্যপদ্ধতি: বিদ্যুৎ থাকা পর্যন্ত এটি ডেটা সংরক্ষণ করে এবং বিদ্যুৎ বন্ধ হলে এর সব ডেটা মুছে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোনো নতুন ফাইল লিখে সেভ করার আগে বিদ্যুৎ চলে গেলে ডেটা হারিয়ে যাওয়া।
ব্যাখ্যা: কারণ সেভ করার আগ পর্যন্ত সমস্ত কাজ কম্পিউটারের প্রধান মেমরি বা RAM-এ জমা থাকে।
উদাহরণ ২: স্মার্টফোনে একসাথে অনেকগুলো অ্যাপ ওপেন রাখলে দ্রুত কাজ করা।
ব্যাখ্যা: অ্যাপগুলো RAM-এ সক্রিয় থাকে বলে প্রসেসর দ্রুত তাদের মধ্যে সুইচ করতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) RAM — এটি সঠিক কারণ এটি কম্পিউটারের প্রধান মেমরি এবং প্রসেসরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে।
B) ROM — এটি Read Only Memory, যা স্থায়ী মেমরি কিন্তু প্রসেসর একে সরাসরি মেইন মেমরি হিসেবে ব্যবহার করে না।
C) HDD — এটি Hard Disk Drive, যা সেকেন্ডারি বা সহায়ক মেমরি হিসেবে কাজ করে।
D) Floppy — এটি Floppy Disk, যা অত্যন্ত কম ধারণক্ষমতার একটি প্রাচীন সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
৫. মনে রাখার টিপস:
- RAM-এর পূর্ণরূপ Random Access Memory এবং এটি উদ্বায়ী বা Volatile মেমরি।
- মেইন মেমরি বললেই সাধারণত RAM কে বোঝানো হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- RAM হলো Volatile Memory এবং ROM হলো Non-Volatile Memory।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মেইন মেমরি বা প্রাইমারি মেমরি হিসেবে RAM বা ROM এর নাম জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: A) একই ধরণের অনেকগুলো Data
১. কেন সঠিক:
অ্যারে (Array) হলো একটি ডেটা স্ট্রাকচার যেখানে একই ডেটা টাইপের একাধিক ডেটা বা উপাদান পরপর মেমোরিতে সাজানো থাকে।
এই কাঠামোর প্রধান শর্ত হলো এর সবগুলো উপাদানের ডেটা টাইপ একই হতে হবে, যেমন সব পূর্ণসংখ্যা বা সব ক্যারেক্টার।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: অ্যারে হলো এমন একটি কন্টেইনার যা সমজাতীয় ডেটা সংরক্ষণ করে এবং ইনডেক্স নম্বরের মাধ্যমে প্রতিটি উপাদানকে পৃথকভাবে শনাক্ত করা যায়।
বৈশিষ্ট্য: এর আকার সাধারণত নির্দিষ্ট থাকে এবং এর উপাদানগুলো মেমোরিতে ধারাবাহিক বা কন্টিনুয়াস লোকেশনে সংরক্ষিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি ক্লাসের দশজন শিক্ষার্থীর রোল নম্বর সংরক্ষণ করার জন্য একটি ইনটিজার অ্যারে ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: দশটি রোল নম্বরই পূর্ণসংখ্যা হওয়ায় তা একটিমাত্র অ্যারের মধ্যে খুব সহজে রাখা সম্ভব।
উদাহরণ ২: বছরের বারোটি মাসের নাম সংরক্ষণের জন্য একটি ক্যারেক্টার বা স্ট্রিং অ্যারে ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: প্রতিটি মাসের নাম টেক্সট ডেটা হওয়ায় এগুলোকে একটি অ্যারে কাঠামোর অধীনে সুশৃঙ্খলভাবে রাখা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একই ধরণের অনেকগুলো Data — এটি সঠিক কারণ অ্যারের মূল কাজই হলো সমজাতীয় ডেটা একসাথে সংরক্ষণ করা।
B) বিভিন্ন ধরণের Data — এটি ভুল কারণ অ্যারেতে ভিন্ন ভিন্ন ডেটা টাইপ যেমন পূর্ণসংখ্যা ও দশমিক সংখ্যা একসাথে রাখা যায় না, ভিন্ন ডেটার জন্য স্ট্রাকচার ব্যবহার করা হয়।
C) শুধু Printer ধরণের Data — এটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক কারণ প্রিন্টার একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস এবং অ্যারে হলো মেমোরি ডেটা স্ট্রাকচার।
D) ক্লাস এর Data — এটি ভুল কারণ ক্লাস হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের অংশ, যেখানে বিভিন্ন ডেটা টাইপ থাকতে পারে, যা অ্যারের মৌলিক নিয়মের সাথে মিলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
অ্যারে মানে একই রকম ডেটার সারি বা সমাবেশ।
সি প্রোগ্রামিংয়ে অ্যারে ডিক্লেয়ার করার সময় ইনটিজার বা ফ্লোট লিখে নির্দিষ্ট ডেটা টাইপ আগে থেকেই ঠিক করে দিতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রোগ্রামিং পরীক্ষায় ডেটা স্ট্রাকচারের মৌলিক ধারণা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
অ্যারের ইনডেক্স সাধারণত শূন্য থেকে শুরু হয়, যা বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত একটি তথ্য।
সঠিক উত্তর: D) Program Counter
১. কেন সঠিক:
Sequence Control Register মূলত প্রসেসরের একটি বিশেষ রেজিস্টার যা পরবর্তী নির্দেশনার মেমোরি ঠিকানা সংরক্ষণ করে।
এটি সাধারণত Program Counter বা PC নামে পরিচিত এবং কম্পিউটারের কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: Program Counter হলো CPU এর ভেতরের এমন একটি রেজিস্টার যা পরবর্তী এক্সিকিউট হতে যাওয়া নির্দেশের ঠিকানা ধারণ করে।
কার্যপদ্ধতি: একটি নির্দেশ সম্পন্ন হওয়ার পর এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী নির্দেশনার ঠিকানায় আপডেট হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রান্নার রেসিপির বইয়ের বুকমার্ক।
ব্যাখ্যা: বুকমার্ক যেমন মনে করিয়ে দেয় পরের পৃষ্ঠা কোনটি পড়তে হবে, তেমনি Program Counter মনে করিয়ে দেয় পরের নির্দেশনা কোথায় আছে।
উদাহরণ ২: সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর ডাকা।
ব্যাখ্যা: শিক্ষক যেভাবে এক রোল শেষ করে পরের রোল ডাকেন, প্রোগ্রাম কাউন্টার তেমনি মেমোরির এক ঠিকানা শেষ করে পরবর্তী ঠিকানা নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Controlling Register — এমন কোনো স্ট্যান্ডার্ড রেজিস্টার নাম সাধারণত প্রসেসর আর্কিটেকচারে ব্যবহৃত হয় না।
B) Instruction Counter — এটি শুনতে সঠিক মনে হলেও কম্পিউটার বিজ্ঞানে এই নামে কোনো রেজিস্টার পরিচিত নয়।
C) Sequence Register — এটি পরিভাষা হিসেবে কাছাকাছি হলেও সিকোয়েন্স কন্ট্রোল রেজিস্টারের প্রচলিত নাম এটি নয়।
D) Program Counter — এটিই Sequence Control Register এর সঠিক ও বহুল ব্যবহৃত নাম।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রোগ্রাম চলার সময় কম্পিউটার কাউন্ট বা হিসাব করে পরবর্তী নির্দেশনা কোনটি হবে।
তাই Sequence Control Register কে সর্বদা Program Counter বা PC হিসেবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার আর্কিটেকচারে Program Counter হলো একটি 16-বিট বা 32-বিট রেজিস্টার।
বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই রেজিস্টার এবং প্রসেসরের কাজ সম্পর্কিত অংশে আসে।
সঠিক উত্তর: B) 128 bits
১. কেন সঠিক:
আইপি অ্যাড্রেস বা ইন্টারনেট প্রটোকল অ্যাড্রেস হলো ইন্টারনেটে সংযুক্ত প্রতিটি ডিভাইসের একটি অনন্য ঠিকানা।
আইপিভি সিক্স বা ইন্টারনেট প্রটোকল ভার্সন সিক্স এর দৈর্ঘ্য ১২৮ বিট, যা হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় প্রকাশ করা হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: আইপিভি সিক্স হলো সর্বাধুনিক ইন্টারনেট প্রটোকল যা ডিভাইসের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় পুরনো সংস্করণের সীমাবদ্ধতা দূর করতে তৈরি হয়েছে।
কার্যপদ্ধতি: এটি ১২৮ বিটের ঠিকানা ব্যবহার করে প্রায় অফুরন্ত বা অসীম সংখ্যক ইউনিক ডিভাইস ইন্টারনেটে সংযুক্ত করতে পারে।
বৈশিষ্ট্য: এটি কোলন দ্বারা বিভক্ত আটটি ব্লকে হেক্সাডেসিমেল মানে লেখা হয় এবং অটো কনফিগারেশন সমর্থন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আধুনিক স্মার্টফোন ও রাউটার।
ব্যাখ্যা: বর্তমানের আধুনিক স্মার্টফোন ও ওয়াইফাই রাউটারগুলো বিশ্বব্যাপী নিখুঁতভাবে যোগাযোগের জন্য আইপিভি সিক্স ঠিকানা ব্যবহার করে।
উদাহরণ ২: আইওটি বা ইন্টারনেট অব থিংস ডিভাইস।
ব্যাখ্যা: স্মার্ট হোম বা সেন্সরভিত্তিক আইওটি নেটওয়ার্কে কোটি কোটি ডিভাইসের জন্য পৃথক আইপি ঠিকানার প্রয়োজন হয়, যা আইপিভি সিক্স নিশ্চিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 32 bits — এটি পুরনো ইন্টারনেট প্রটোকল সংস্করণ বা আইপিভি ফোরের দৈর্ঘ্য, যা আধুনিক নেটওয়ার্কের জন্য অপর্যাপ্ত।
B) 128 bits — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং আইপিভি সিক্স এর দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করে।
C) 64 bits — এটি সাধারণত নেটওয়ার্কে সাবনেট মাস্কের একটি অংশ বা নির্দিষ্ট কিছু আর্কিটেকচারের মাপ, কিন্তু আইপিভি সিক্স এর দৈর্ঘ্য নয়।
D) 256 bits — এটি অত্যন্ত শক্তিশালী এনক্রিপশন অ্যালগরিদম যেমন এসএইচএ টু ফাইভ সিক্স এর দৈর্ঘ্য, আইপিভি সিক্স এর নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
আইপিভি ফোর হলো ৩২ বিট এবং আইপিভি সিক্স হলো ১২৮ বিট।
৩২ কে চার দিয়ে গুণ করলে ১২৮ হয়, এভাবে সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
আইপিভি ফোরের অপর্যাপ্ততা দূর করতেই আইপিভি সিক্স উদ্ভাবন করা হয়েছে।
পরীক্ষায় প্রায়ই আইপিভি ফোর এবং আইপিভি সিক্স এর বিটের দৈর্ঘ্য সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) 2^(n+1) − ১
১. কেন সঠিক:
একটি কমপ্লিট বাইনারি ট্রি-এর উচ্চতা বা হাইট যদি n হয়, তবে লেভেলের সংখ্যা হবে শূন্য থেকে শুরু করে n পর্যন্ত।
মোট নোডের সংখ্যা নির্ণয়ের জন্য জ্যামিতিক ধারার যোগফলের সূত্র ব্যবহার করা হয়, যেখানে প্রতিটি লেভেলে নোডের সংখ্যা দ্বিগুণ হতে থাকে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: কমপ্লিট বাইনারি ট্রি হলো এমন একটি বিশেষ ধরনের বাইনারি ট্রি যার শেষ লেভেল বা স্তর ছাড়া বাকি সব স্তর সম্পূর্ণভাবে নোড দ্বারা পূর্ণ থাকে এবং নোডগুলো বাম দিক থেকে সাজানো হয়।
কার্যপদ্ধতি: এই ট্রির প্রতিটি প্যারেন্ট নোডের সর্বাধিক দুটি করে চাইল্ড বা শিশু নোড থাকতে পারে এবং রুট নোড থেকে শুরু করে নিচের স্তরে নোডের সংখ্যা দুই গুণ হারে বৃদ্ধি পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাইট যদি ০ হয়, তবে ট্রিটিতে কেবল একটি রুট নোড থাকে।
ব্যাখ্যা: সূত্রের হিসাব অনুযায়ী, ২^(০+১) − ১ সমান ২^১ − ১ সমান ১, যা সঠিক।
উদাহরণ ২: হাইট যদি ১ হয়, তবে রুট নোডের নিচে দুটি চাইল্ড নোড থাকে এবং মোট নোড হয় তিনটি।
ব্যাখ্যা: সূত্রের হিসাব অনুযায়ী, ২^(১+১) − ১ সমান ২^২ − ১ সমান ৪ − ১ সমান ৩, যা সঠিক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) n — এটি ভুল কারণ উচ্চতার মান যত বাড়ে, বাইনারি ট্রির নোডের সংখ্যা রৈখিকভাবে বৃদ্ধি পায় না, বরং ঘাত বা সূচক আকারে দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
B) 2^n — এটি ভুল কারণ এই সূত্রটি কেবল একটি নির্দিষ্ট লেভেলের নোড সংখ্যা বা ভুলভাবে পূর্ণ বাইনারি ট্রির একটি অংশ নির্দেশ করে, সমস্ত স্তরের যোগফল নয়।
C) 2^(n-1) — এটি ভুল কারণ এই সূত্রটি হিসাব করলে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে প্রকৃত নোডের সংখ্যার চেয়ে কম ফলাফল পাওয়া যায়।
D) 2^(n+1) − ১ — এটি সঠিক কারণ জ্যামিতিক ধারার সমষ্টির নিয়ম অনুযায়ী এটি শূন্য থেকে n লেভেলের সব নোডের সঠিক মোট সংখ্যা প্রদান করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
কমপ্লিট বাইনারি ট্রির মোট নোড বের করার সহজ কৌশল হলো সর্বোচ্চ লেভেলের নোডের দ্বিগুণ থেকে এক বিয়োগ করা।
হাইট n হলে মোট নোড হবে দুই এর পাওয়ার n প্লাস এক, তারপর তার থেকে এক কম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কমপ্লিট বাইনারি ট্রি ডেটা স্ট্রাকচারে হিপ সোর্ট এবং প্রায়োরিটি কিউ তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাইনারির উচ্চতা থেকে মোট নোড অথবা মোট নোড থেকে উচ্চতা নির্ণয়ের অংক আসে।
সঠিক উত্তর: D) All of these
১. কেন সঠিক:
ইন্টারনেট সংযোগের জন্য ফিজিক্যাল মিডিয়াম বা মাধ্যমের পাশাপাশি ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
এখানে প্রদত্ত অপশনগুলোর প্রতিটিই কোনো না কোনো মাধ্যমে কম্পিউটারকে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করতে সক্ষম।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: মডেম হলো এমন একটি ডিভাইস যা ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে এবং অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করে।
কার্যপদ্ধতি: এটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের কাছ থেকে সিগন্যাল গ্রহণ করে কম্পিউটারে বোধগম্য উপাত্তে রূপান্তর করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পাওয়ার জন্য ডিএসএল ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি প্রচলিত কপার তারের মাধ্যমে উচ্চগতির ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
উদাহরণ ২: টেলিভিশন ক্যাবল লাইন ব্যবহার করে ইন্টারনেট সংযোগের জন্য ক্যাবল মডেম ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি একই সাথে টিভি সম্প্রচার এবং ইন্টারনেটের ডেটা পরিবহন করতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Phase-line-modem — এটি টেলিফোন লাইনের সাথে যুক্ত হয়ে ইন্টারনেটে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
B) DSL — যার পূর্ণরূপ ডিজিটাল সাবস্ক্রাইবার লাইন, এটি টেলিফোন লাইন দিয়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট দেয়।
C) Cable modem — এটি কোঅ্যাক্সিয়াল ক্যাবল ব্যবহার করে ইন্টারনেটের সাথে কম্পিউটার যুক্ত করে।
D) All of these — উপরের সবগুলো অপশনই কম্পিউটারকে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করার কার্যকর মাধ্যম।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যম হিসেবে মডেম, ডিএসএল এবং ক্যাবল মডেম সবই পরীক্ষণে বহুল ব্যবহৃত শব্দ।
এগুলো সবই ফিক্সড লাইন ইন্টারনেট সংযোগের জন্য অপরিহার্য প্রযুক্তি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে এনালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করাকে ডিপ্রমডেমুলেশন বলা হয়।
ডিএসএল প্রযুক্তিতে ভয়েস কল এবং ইন্টারনেট একই লাইন দিয়ে একসাথে চলতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) Standard and Extended
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করার কারণ হলো নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি বা রাউটার কনফিগারেশনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত অ্যাক্সেস কন্ট্রোল লিস্ট বা সংক্ষেপে এসিএল প্রধানত দুই প্রকারের হয়ে থাকে।
- এই দুই প্রকার হলো স্ট্যান্ডার্ড এসিএল এবং এক্সটেন্ডেড এসিএল যা নেটওয়ার্ক ট্রাফিক ফিল্টার করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ড পদ্ধতি।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: এসিএল বা এক্সেস কন্ট্রোল লিস্ট হলো রাউটার বা ফায়ারওয়ালের নিয়মসমূহের একটি তালিকা যা নেটওয়ার্কে ট্রাফিক অনুমতি বা নিষিদ্ধ করতে ব্যবহৃত হয়।
- কার্যপদ্ধতি: এটি সোর্স আইপি অ্যাড্রেস, ডেসটিনেশন আইপি অ্যাড্রেস এবং পোর্ট নম্বরের ওপর ভিত্তি করে ডেটা প্যাকেট পরীক্ষা করে পাস বা ব্লক করে।
- বৈশিষ্ট্য: স্ট্যান্ডার্ড এসিএল শুধুমাত্র সোর্স আইপি অ্যাড্রেস চেক করে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
- ব্যবহার: এন্টারপ্রাইজ নেটওয়ার্কে অপ্রয়োজনীয় ট্রাফিক রোধ করা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজে এটি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অফিসের লোকাল নেটওয়ার্ক থেকে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটি কম্পিউটারের ইন্টারনেট ব্রাউজিং বন্ধ করা।
ব্যাখ্যা: স্ট্যান্ডার্ড এসিএল ব্যবহার করে নির্দিষ্ট ওই কম্পিউটারের আইপি অ্যাড্রেস ব্লক করে এই কাজটি খুব সহজেই করা সম্ভব।
উদাহরণ ২: কোম্পানির সার্ভারে কেবল নির্দিষ্ট পোর্ট বা সার্ভিস যেমন ওয়েবসাইটের জন্য পোর্ট আশি ব্যবহার করতে দেওয়া।
ব্যাখ্যা: এক্সটেন্ডেড এসিএল সোর্স আইপির পাশাপাশি পোর্ট নম্বর যাচাই করতে পারে বিধ W এই ধরনের সুনির্দিষ্ট কাজে এটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Standard and Extended — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এসিএলের প্রধান দুটি ধরণ এটিই।
B) Standard and Specialized — স্পেশালাইজড নামে এসিএলের কোনো আনুষ্ঠানিক বা প্রধান ধরণ নেটওয়ার্কিংয়ে নেই।
C) Standard and Specializerd — এটি একটি ভুল বানানযুক্ত অপশন এবং নেটওয়ার্কিংয়ে এই নামের কোনো এসিএল নেই।
D) Extended and IEEE — আইইইই হলো একটি প্রমিত সংস্থা যারা নেটওয়ার্ক ও ইলেকট্রনিক্সের নানা স্ট্যান্ডার্ড তৈরি করে, এসিএলের ধরণ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- এসিএলের প্রকারভেদ মনে রাখার জন্য এস অক্ষর দিয়ে শুরু শব্দ বা স্ট্যান্ডার্ড ও এক্সটেন্ডেড এই জোড়াটি মনে রাখা সবচেয়ে সহজ উপায়।
- স্ট্যান্ডার্ড মানে শুধু সোর্স দেখা আর এক্সটেন্ডেড মানে সোর্স, ডেসটিনেশন ও পোর্ট সব দেখা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এসিএল বা এক্সেস কন্ট্রোল লিস্ট মূলত রাউটারের সিকিউরিটি পলিসি বাস্তবায়ন করার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় কোন এসিএল শুধু সোর্স অ্যাড্রেস চেক করে, যার উত্তর স্ট্যান্ডার্ড এসিএল।
সঠিক উত্তর: A) Firmware
১. কেন সঠিক:
- BIOS হলো ফার্মওয়্যার কারণ এটি এমন একটি সফটওয়্যার যা স্থায়ীভাবে মাদারবোর্ডের রম চিপে সংরক্ষিত থাকে।
- এটি কম্পিউটার চালুর সাথে সাথে হার্ডওয়্যার উপাদানগুলোকে সক্রিয় করে এবং অপারেটিং সিস্টেমকে মেমোরিতে লোড করতে সাহায্য করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: BIOS-এর পূর্ণরূপ হলো Basic Input Output System। এটি একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা হার্ডওয়্যারে এম্বেড করা থাকে।
- কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার অন করার পর BIOS প্রথমে পোস্ট অর্থাৎ Power-On Self-Test পরিচালনা করে হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে এবং বুট ডিভাইস খুঁজে বের করে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি মাদারবোর্ডের ফ্ল্যাশ মেমোরি বা রম চিপে সংরক্ষিত থাকে এবং অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার আগেই কাজ শুরু করে।
- ব্যবহার: পিসি চালু করা, হার্ডওয়্যার ডিভাইস শনাক্ত করা এবং অপারেটিং সিস্টেমের সাথে কম খরচে যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য এটি অপরিহার্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কম্পিউটারের পাওয়ার সুইচ চাপার পর স্ক্রিনে মাদারবোর্ডের লোগো আসা এবং হার্ডডিস্ক খুঁজে পাওয়া।
ব্যাখ্যা: এই প্রাথমিক ধাপটি BIOS সম্পন্ন করে থাকে যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যকার প্রথম সেতুবন্ধন।
উদাহরণ ২: মাদারবোর্ডের ঘড়ির সময় বা বুট অর্ডার পরিবর্তন করতে বায়োস সেটআপ মেনুতে প্রবেশ করা।
ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী ফার্মওয়্যারের নিজস্ব ইন্টারফেসে প্রবেশ করে সিস্টেমের মৌলিক হার্ডওয়্যার সেটিংস পরিবর্তন করতে পারেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Firmware — এটি সঠিক কারণ BIOS হার্ডওয়্যারের সাথে স্থায়ীভাবে যুক্ত সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যার হিসেবে কাজ করে।
B) Software — এটি ভুল কারণ সাধারণ সফটওয়্যার হার্ডডিস্কে থাকে এবং ব্যবহারকারী পরিবর্তন করতে পারে, কিন্তু BIOS হার্ডওয়্যারের সাথে স্থায়ীভাবে থাকে।
C) Combination of hardware and software — এটি ভুল কারণ BIOS মূলত একটি সফটওয়্যার কোড, এটি কোনো হার্ডওয়্যার যন্ত্রাংশ নয় যদিও এটি রম চিপে থাকে।
D) Hardware — এটি ভুল কারণ BIOS কোনো ধরা ছোঁয়া যায় এমন ভৌত যন্ত্রাংশ বা হার্ডওয়্যার নয়, এটি সফটওয়্যার বা কোডের নির্দেশমালা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- BIOS-এর পূর্ণরূপ হলো Basic Input Output System এবং এটি এক ধরনের ফার্মওয়্যার।
- রম এবং ফার্মওয়্যার একে অপরের পরিপূরক, তাই বায়োস সবসময় রমে থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- BIOS হলো সিস্টেমের প্রথম বুটলোডার যা কম্পিউটার অন করার সাথে সাথে কাজ শুরু করে।
- আধুনিক কম্পিউটারে বায়োসের পরিবর্তে ইউইএফআই বা Unified Extensible Firmware Interface ব্যবহৃত হচ্ছে।
সঠিক উত্তর: A) Black-box testing
১. কেন সঠিক:
ইনপুট এবং আউটপুট ঠিক আছে কি না তা যাচাই করার জন্য ব্ল্যাক-বক্স টেস্ট ব্যবহার করা হয়।
এই পদ্ধতিতে সফটওয়্যারের ভেতরের কোড বা লজিক না দেখে কেবল ইনপুট দিয়ে কাঙ্ক্ষিত আউটপুট পাওয়া যাচ্ছে কি না তা পরীক্ষা করা হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ব্ল্যাক-বক্স টেস্ট এমন এক ধরনের সফটওয়্যার পরীক্ষা যেখানে পরীক্ষক কোডের অভ্যন্তরীণ গঠন না জেনে শুধু বাহ্যিক আচরণ ও ফলাফল যাচাই করেন।
কার্যপদ্ধতি: সিস্টেমে নির্দিষ্ট ইনপুট প্রদান করা হয় এবং প্রাপ্ত আউটপুটটি পূর্বনির্ধারিত প্রত্যাশার সাথে মিলিয়ে দেখা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্যালকুলেটর অ্যাপে দুই যোগ দুই ইনপুট দিয়ে চার আউটপুট পাওয়া যাচ্ছে কি না দেখা।
ব্যাখ্যা: এখানে ভেତরে কীভাবে যোগ হচ্ছে তা দেখার প্রয়োজন নেই, শুধু ইনপুটের বিপরীতে সঠিক আউটপুট আসছে কি না সেটাই ব্ল্যাক-বক্স টেস্টের কাজ।
উদাহরণ ২: একটি লগইন পেজে সঠিক ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশ করা যাচ্ছে কি না পরীক্ষা করা।
ব্যাখ্যা: ডেটাবেজে কীভাবে পাসওয়ার্ড যাচাই হচ্ছে তা না দেখে কেবল লগইন সফল হচ্ছে কি না তা পরীক্ষা করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Black-box testing - এটি সঠিক কারণ এটি ইনপুট ও আউটপুট যাচাই করে।
B) Integration testing - এটি আলাদা আলাদা মডিউল বা অংশগুলো একত্রিত করার পর সঠিকভাবে কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করে।
C) White-box testing - এটি সফটওয়্যারের অভ্যন্তরীণ কোড, লজিক ও গঠন পরীক্ষা করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
D) Load testing - এটি উচ্চ ট্রাফিক বা কাজের চাপে সিস্টেমের সহ্যক্ষমতা ও কর্মক্ষমতা পরিমাপ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ব্ল্যাক-বক্স মানে কালো বাক্স যার ভেতরটা দেখা যায় না, তাই ভেতরের কোড বাদ দিয়ে শুধু বাইরের ইনপুট ও আউটপুট দেখা হয়।
সফটওয়্যার পরীক্ষার ক্ষেত্রে ব্ল্যাক-বক্স টেস্টকে ফাংশনাল টেস্ট বা আচরণগত টেস্টও বলা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফটওয়্যার টেস্টিং থেকে প্রায়ই ব্ল্যাক-বক্স ও হোয়াইট-বক্স পরীক্ষার পার্থক্য সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
কোড জানা না থাকলেও এই টেস্ট করা সম্ভব বিধায় সাধারণ ব্যবহারকারী বা কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স টেস্টাররা এটি বেশি ব্যবহার করেন।
সঠিক উত্তর: B) No#of-students
১. কেন সঠিক:
- প্রোগ্রামিং ভাষার নিয়ম অনুযায়ী চলক বা ভ্যারিয়েবল নামকরণে কোনো বিশেষ চিহ্ন যেমন হ্যাশ, হাইফেন বা স্পেস ব্যবহার করা যায় না।
- প্রদত্ত অপশনে থাকা No#of-students নামকরণে হ্যাশ এবং হাইফেন চিহ্ন ব্যবহার করায় এটি একটি অবৈধ ভ্যারিয়েবল নাম।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: প্রোগ্রামিংয়ে চলক বা ভ্যারিয়েবল হলো এমন একটি মেমোরি লোকেশন যার মান প্রোগ্রাম চলার সময় পরিবর্তিত হতে পারে।
- নিয়ম: চলকের নামকরণে ইংরেজি বর্ণমালা, সংখ্যা এবং আন্ডারস্কোর ব্যবহার করা যায় কিন্তু এটি সংখ্যা দিয়ে শুরু হতে পারে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: int average_score;
ব্যাখ্যা: এটি একটি বৈধ ভ্যারিয়েবল কারণ এতে শুধু বর্ণ এবং আন্ডারস্কোর ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: float 2nd_price;
ব্যাখ্যা: এটি একটি অবৈধ ভ্যারিয়েবল কারণ এটি সংখ্যা দিয়ে শুরু হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Average — এটি একটি বৈধ ভ্যারিয়েবল কারণ এটি শুধুমাত্র ইংরেজি বর্ণমালা দিয়ে গঠিত এবং কোনো বিশেষ নিয়ম ভঙ্গ করেনি।
B) No#of-students — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে হ্যাশ এবং হাইফেনের মতো অবৈধ বিশেষ চরিত্র রয়েছে।
C) xyz — এটি একটি বৈধ ভ্যারিয়েবল কারণ এটি প্রমিত ইংরেজি বর্ণমালা ব্যবহার করে গঠিত হয়েছে।
D) y23z — এটি একটি বৈধ ভ্যারিয়েবল কারণ এর নামকরণে বর্ণ ও সংখ্যা যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এটি সংখ্যা দিয়ে শুরু হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ভ্যারিয়েবল নামকরণে স্পেস এবং বিশেষ চিহ্ন যেমন হ্যাশ, ডলার বা হাইফেন কখনো ব্যবহার করবে না।
- চলক বা ভ্যারিয়েবল সর্বদা বর্ণ বা আন্ডারস্কোর দিয়ে শুরু করতে হয়, সংখ্যা দিয়ে নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রোগ্রামিং ভাষা যেমন সি বা পাইথনে সিনট্যাক্স ত্রুটি নির্ণয়ের জন্য এই ধরনের প্রশ্ন বারবার পরীক্ষায় আসে।
- কী-ওয়ার্ড যেমন int, float ইত্যাদি কখনো ভ্যারিয়েবল হিসেবে ব্যবহার করা যায় না।
সঠিক উত্তর: D) SMTP
১. কেন সঠিক:
SMTP-এর পূর্ণরূপ Simple Mail Transfer Protocol এবং এটি মূলত ই-মেইল আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত প্রধান ইন্টারনেট প্রোটোকল।
ইন্টারনেটে এক সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে বা ক্লায়েন্ট থেকে মেইল সার্ভারে ই-মেইল পাঠানোর কাজটি এই প্রোটোকলের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: SMTP হলো এমন একটি অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার প্রোটোকল যা ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কে ই-মেইল প্রেরণের কাজ পরিচালনা করে।
কার্যপদ্ধতি: এটি সাধারণত টিসিপি বা আইপি নেটওয়ার্কে পোর্ট পঁচিশ ব্যবহার করে মেইল প্রেরকের কাছ থেকে মেইল রিসিভার সার্ভারে পৌঁছে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জিমেইল থেকে আউটলুকে ই-মেইল পাঠানো।
ব্যাখ্যা: জিমেইল অ্যাকাউন্ট থেকে যখন কোনো মেইল আউটলুক ঠিকানায় পাঠানো হয়, তখন সার্ভার পর্যায়ে SMTP প্রোটোকল সেই মেইলটি গন্তব্যে পৌঁছে দিতে কাজ করে।
উদাহরণ ২: মোবাইল ফোন থেকে অফিসিয়াল ই-মেইল সেন্ড করা।
ব্যাখ্যা: মোবাইল ডিভাইসের মেইল অ্যাপ থেকে সেন্ড বাটনে চাপ দেওয়ার পর SMTP প্রোটোকল সক্রিয় হয়ে মেইলটিকে ইন্টারনেট সার্ভারে আপলোড করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Telnet — এটি একটি রিমোট লগইন প্রোটোকল যার মাধ্যমে দূরবর্তী কম্পিউটারে যুক্ত হয়ে কাজ করা যায়, এটি ই-মেইলের সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) SSH — এর পূর্ণরূপ Secure Shell এবং এটি নেটওয়ার্কে নিরাপদ উপায়ে দূরবর্তী কম্পিউটারে প্রবেশ ও কমান্ড পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
C) DHCP — এর পূর্ণরূপ Dynamic Host Configuration Protocol যা নেটওয়ার্কের ডিভাইসগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইপি অ্যাড্রেস প্রদান করে।
D) SMTP — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ই-মেইল সার্ভিস বা আদান-প্রদানের সাথে সরাসরি সংপৃক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
ই-মেইল পাঠানোর সময় S দিয়ে শুরু SMTP প্রোটোকল মনে রাখবে, যেখানে S মানে Simple এবং Mail Transfer তো বলাই আছে।
রিসিভ করার ক্ষেত্রে পপ থ্রি বা আইম্যাপ প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়, যা প্রেরণের SMTP থেকে আলাদা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ই-মেইল সেন্ডিং প্রোটোকল হিসেবে SMTP এবং রিসিভিং প্রোটোকল হিসেবে POP3 বা IMAP সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
প্রোটোকলের পূর্ণরূপ এবং তাদের সুনির্দিষ্ট পোর্ট নম্বরগুলো মুখস্থ রাখা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) 20 bit
১. কেন সঠিক:
Intel 8086 মাইক্রোপ্রসেসরটি ১৯৭৮ সালে বাজারে আসে এবং এটি একটি ১৬-বিট মাইক্রোপ্রসেসর।
এর অ্যাড্রেস বাস ২০ বিট হওয়ার কারণে এটি মোট ২ এর শক্তি ২০ বা ১ মেগাবাইট পর্যন্ত প্রধান মেমোরি সরাসরি অ্যাড্রেস বা চিহ্নিত করতে পারে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: অ্যাড্রেস বাস হলো প্রসেসর ও মেমোরির মধ্যকার একগুচ্ছ পরিবাহী লাইন যা মেমোরির নির্দিষ্ট লোকেশন নির্দেশ করে।
কার্যপদ্ধতি: প্রসেসর যখন মেমোরি থেকে ডেটা পড়তে বা লিখতে চায়, তখন সে অ্যাড্রেস বাসের মাধ্যমে সেই মেমোরি ঘরের ঠিকানা পাঠিয়ে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি ডাকঘরের ঠিকানা ব্যবস্থা।
ব্যাখ্যা: যত বেশি ঘরের ঠিকানা ব্যবহারের সুযোগ থাকবে, ডাকপিয়ন তত বেশি বাড়িতে চিঠি পৌঁছে দিতে পারবে ঠিক তেমনি ২০ বিট বাস বেশি মেমোরি ঘরে প্রবেশাধিকার দেয়।
উদাহরণ ২: বিশাল একটি বইয়ের ইনডেক্স বা সূচিপত্র।
ব্যাখ্যা: সূচিপত্র যত বড় হবে, বইয়ের ভেতরের যেকোনো পাতা বা তথ্য তত দ্রুত খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 8 bit — এটি অত্যন্ত ছোট মাপের অ্যাড্রেস বাস যা শুধু ২৫৬ বাইট মেমোরি সমর্থন করে, যা Intel 8086 এর জন্য অপর্যাপ্ত।
B) 16 bit — Intel 8086 এর ডেটা বাস ১৬ বিট হলেও এর অ্যাড্রেস বাস ১৬ বিট নয়, কারণ ১৬ বিট বাস মাত্র ৬৪ কিলোবাইট মেমোরি অ্যাড্রেস করতে পারে।
D) 32 bit — ৩২ বিট অ্যাড্রেস বাস অনেক পরবর্তী প্রজন্মের প্রসেসরে ব্যবহৃত হয়, যা Intel 8086 এর যুগে প্রযুক্তিগতভাবে তৈরি করা হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
Intel 8086 প্রসেসরের ক্ষেত্রে সংখ্যাটি মনে রাখতে পারেন এভাবে যে এটি ১৬ বিটের প্রসেসর কিন্তু এর অ্যাড্রেস বাস ৪ বিট বেশি অর্থাৎ ২০ বিট।
২০ বিট অ্যাড্রেস বাস মানে হলো ২ এর শক্তি ২০ বা ১ মেগাবাইট মেমোরি ক্ষমতা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই Intel 8086 এর ডেটা বাস ও অ্যাড্রেস বাস সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
মনে রাখবেন Intel 8086 এর ডেটা বাস ১৬ বিট এবং অ্যাড্রেস বাস ২০ বিট।
সঠিক উত্তর: C) High level language
১. কেন সঠিক:
C প্রোগ্রামিং ভাষাকে উচ্চ স্তরের ভাষা বলা হয় কারণ এটি মানুষের ভাষার সাথে মিলে চলে এবং এতে ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করা হয়।
এটি হার্ডওয়্যার সম্পর্কে বিস্তারিত না জেই সফটওয়্যার তৈরি করতে সাহায্য করে এবং এটি যেকোনো কম্পিউটারে চালানো যায়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: C হলো একটি প্রসিডিউরাল প্রোগ্রামিং ভাষা যা ১৯৭২ সালে ডেনিস রিচি তৈরি করেছিলেন।
কার্যপদ্ধতি: এই ভাষায় লেখা সোর্স কোড কম্পাইলারের মাধ্যমে মেশিন কোডে রূপান্তরিত হয়ে কম্পিউটারে রান করে।
বৈশিষ্ট্য: এতে ফাংশন ব্যবহার করে কোড ছোট করা যায় এবং সরাসরি মেমোরি নিয়ে কাজ করার সুবিধা আছে।
ব্যবহার: অপারেটিং সিস্টেম তৈরি এবং সিস্টেম সফটওয়্যার বানানোর জন্য এই ভাষা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রিন্ট ফাংশন ব্যবহার করে স্ক্রিনে লেখা প্রিন্ট করা।
ব্যাখ্যা: সি ভাষায় printf কমান্ড ব্যবহার করে খুব সহজেই কম্পিউটারের পর্দায় তথ্য দেখানো যায়।
উদাহরণ ২: গাণিতিক হিসাব করার জন্য চলক বা ভেরিয়েবল ঘোষণা করা।
ব্যাখ্যা: ইন্টিজার টাইপের ডেটা নিয়ে সহজেই যোগ বা বিয়োগের মতো কাজ করা যায় এই ভাষায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Low level language — কারণ এটি অ্যাসেম্বলি বা মেশিন ভাষার মতো সরাসরি হার্ডওয়্যার নিয়ে কাজ করে না।
B) Mid level language — কারণ সি ভাষাকে তাত্ত্বিকভাবে উচ্চ স্তরের ভাষা হিসেবেই গণ্য করা হয়।
D) None of these — কারণ সঠিক উত্তরটি সি অপশনে আগেই দেওয়া আছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
সি ভাষা মানুষের ভাষার কাছাকাছি হওয়ায় একে হাই লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজ বা উচ্চ স্তরের ভাষা বলা হয়।
কম্পিউটার সরাসরি মেশিন ভাষা বোঝে, তাই সি কোডকে কম্পাইলারের মাধ্যমে অনুবাদ করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সি ভাষার জনক ডেনিস রিচি এবং এটি বেল ল্যাবসে তৈরি হয়েছিল।
ভবিষ্যতে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ভাষার সৃষ্টি সাল বা এর ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) Local Maxima
১. কেন সঠিক:
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সার্চ অ্যালগরিদমে হিল ক্লাইম্বিং হলো একটি লোকাল অপটিমাইজেশন কৌশল।
- এটি কেবল বর্তমান অবস্থার নিকটবর্তী ভালো অবস্থা বা চূড়া খুঁজে পায় এবং বৈশ্বিক সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: হিল ক্লাইম্বিং সার্চ হলো এমন একটি গ্রিডি অ্যালগরিদম যা প্রতিটি ধাপে কেবল উন্নতির দিকে এগিয়ে যায়।
- কার্যপদ্ধতি: এটি বর্তমান অবস্থা থেকে সেরা পার্শ্ববর্তী অবস্থার দিকে সরে যায় এবং কোনো উন্নত প্রতিবেশী না পেলে থেমে যায়।
- বৈশিষ্ট্য: এটি কম মেমোরি ব্যবহার করে কিন্তু সম্পূর্ণ সমাধান দিতে ব্যর্থ হতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাহাড়ে অন্ধের মতো ওঠার চেষ্টা।
ব্যাখ্যা: কুয়াশায় ঘেরা পাহাড়ে অন্ধ ব্যক্তি শুধু ওপরের দিকে পা ফেলে, ফলে সে ছোট টিলার চূড়ায় আটকা পড়তে পারে এবং মূল চূড়ায় যেতে পারে না।
উদাহরণ ২: ব্যবসা বা প্রজেক্টের লাভ বাড়ানো।
ব্যাখ্যা: খরচ কমাতে কমাতে এমন এক বিন্দুতে পৌঁছানো যায় যেখানে সামান্য পরিবর্তন লাভ কমায়, কিন্তু সার্বিক সর্বোচ্চ লাভ অর্জিত হয় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Local Maxima — এটি হিল ক্লাইম্বিং অ্যালগরিদমের প্রধান সীমাবদ্ধতা কারণ এখানে এসে সার্চ আটকে যায় এবং সর্বোচ্চ মানের সন্ধান বন্ধ হয়ে যায়।
B) Infinite loop — এটি হিল ক্লাইম্বিংয়ের প্রধান সমস্যা নয়, এটি মূলত ভুল সার্চ স্পেস বা সাইকেলের কারণে ঘটে থাকে।
C) No Solution — এটি কোনো নির্দিষ্ট সমস্যার সাধারণ ব্যর্থতা, হিল ক্লাইম্বিংয়ের কাঠামোগত প্রধান ত্রুটি হলো অপূর্ণাঙ্গ অপ্টিমাইজেশন।
D) Slowness — হিল ক্লাইম্বিং ধীরগতির নয় বরং এটি তুলনামূলক দ্রুত কাজ করে, তবে সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছাতে প্রায়ই ব্যর্থ হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- হিল মানে পাহাড় আর ক্লাইম্বিং মানে ওপরে ওঠা। পাহাড়ে ওঠার সময় লোকাল বা ছোট চূড়ায় আটকে যাওয়া এর সবচেয়ে বড় বিপদ।
- মনে রাখবে, এটি দ্রুত কাজ করলেও সবসময় সেরা ফলাফল দিতে পারে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিভিন্ন সার্চ অ্যালগরিদম যেমন ব্রেডথ ফার্স্ট সার্চ এবং ডেপথ ফার্স্ট সার্চের সীমাবদ্ধতাগুলো দেখে রাখা ভালো।
- হিল ক্লাইম্বিংয়ের বিকল্প হিসেবে সিম্যুলড অ্যানিলিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) Primary key
১. কেন সঠিক:
ডেটাবেজ টেবিলে প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্য বা অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত করতে প্রাইমারি কি ব্যবহার করা হয়। এটি নিশ্চিত করে যেন কোনো টেবিলে একই ডেটা বা রেকর্ড বারবার না থাকে এবং প্রতিটি সারির একটি সুনির্দিষ্ট পরিচয় থাকে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: প্রাইমারি কি হলো ডেটাবেজের এমন একটি ফিল্ড বা অ্যাট্রিবিউট যা টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করে।
কার্যপদ্ধতি: এটি ডেটাবেজে কোনো ডুপ্লিকেট মান এবং নাল মান থাকতে দেয় না।
ব্যবহার: শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর, কর্মচারীদের আইডি কার্ড বা নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর হিসেবে এটি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্টুডেন্ট টেবিলে স্টুডেন্ট আইডি।
ব্যাখ্যা: স্টুডেন্ট আইডি কখনো দুটি আলাদা শিক্ষার্থীর জন্য এক হতে পারে না, তাই এটি প্রাইমারি কি হিসেবে কাজ করে।
উদাহরণ ২: ব্যাংকের কাস্টমার টেবিলে অ্যাকাউন্ট নম্বর।
ব্যাখ্যা: প্রতিটি গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট নম্বর ভিন্ন হয়, যা ডেটাবেজে তার অদ্বিতীয়তা নিশ্চিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Relation — এটি দুটি টেবিলের মধ্যকার সম্পর্ক বোঝায়, যা ডেটাবেজের অদ্বিতীয়তা নিশ্চিত করে না।
B) Entity — এটি বাস্তব জগতের কোনো বস্তু বা ধারণা বোঝায়, যা নিজে কোনো নির্দিষ্ট ফিল্ডের সীমাবদ্ধতা আরোপ করে না।
D) Foreign key — এটি অন্য টেবিলের প্রাইমারি কি এর সাথে সম্পর্ক তৈরি করে, তবে একক টেবিলে নিজস্ব অদ্বিতীয়তা নিশ্চিত করার কাজ এর নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইউনিক বা অদ্বিতীয় ডেটা নিশ্চিত করার জন্য সবসময় প্রাইমারি কি ব্যবহার করা হয়।
প্রাইমারি কি কখনো ফাঁকা বা নাল থাকতে পারে না এবং এর মান বারবার পরিবর্তন করা যায় না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডেটাবেজের অদ্বিতীয়তা সংক্রান্ত প্রশ্নে প্রাইমারি কি সবচেয়ে বেশি আসে।
ফরেইন কি এবং প্রাইমারি কি এর পার্থক্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) CSMA/CD
১. কেন সঠিক:
- উত্তরটি সঠিক হওয়ার মূল কারণ হলো CSMA/CD প্রোটোকল ইথারনেট নেটওয়ার্কে একাধিক ডিভাইসের ডেটা প্রেরণের সময় সংঘাত বা কলিশন রোধ করতে কাজ করে।
- প্রাসঙ্গিক প্রযুক্তিগত ধারণা বা নিয়ম হলো যখন দুটি ডিভাইস একসঙ্গে ডেটা পাঠায়, তখন সংঘাত ঘটে এবং এই পদ্ধতিটি তা শনাক্ত করে পুনরায় ডেটা পাঠায়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: CSMA/CD-এর পূর্ণরূপ হলো Carrier Sense Multiple Access with Collision Detection, যা তারযুক্ত নেটওয়ার্কে মিডিয়া এক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কার্যপদ্ধতি: ডিভাইস ডেটা পাঠানোর আগে চ্যানেল খালি আছে কি না পরীক্ষা করে এবং পাঠানোর সময় সংঘাত ঘটলে তা শনাক্ত করে সিগন্যাল বন্ধ করে দেয়।
- বৈশিষ্ট্য: এটি অর্ধ-ডুপ্লেক্স মোডে কাজ করে এবং মূলত পুরনো ল্যান বা ইথারনেট নেটওয়ার্কে ডেটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করে।
- ব্যবহার: তারযুক্ত লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ল্যানে একাধিক কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা সংঘাত এড়াতে এটি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি বড় অফিসে অনেকগুলো কম্পিউটার একই প্রিন্টার বা নেটওয়ার্ক কেবল ব্যবহার করছে।
ব্যাখ্যা: CSMA/CD নিশ্চিত করে যেন দুটি কম্পিউটার একসঙ্গে তারে ডেটা না পাঠায়, ফলে ডেটা নষ্ট হয় না।
উদাহরণ ২: ওয়াকিটকি যোগাযোগের নিয়ম।
ব্যাখ্যা: সবাই একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করলেও একজন কথা বলার সময় অন্যজন চুপ থাকে, যা চ্যানেল এক্সেস নিয়ন্ত্রণের অনুরূপ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Demand Priority — এটি একটি ভিন্ন নেটওয়ার্ক এক্সেস পদ্ধতি যা সাধারণত হিউলেট প্যাকার্ডের ১০০ ভিজি ল্যান প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়, বর্তমান প্রশ্নের জন্য নয়।
B) CSMA/CD — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা তারযুক্ত নেটওয়ার্কে ডেটা সংঘর্ষ শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
C) Polling — এটি এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক একে একে টার্মিনালগুলোর ডেটা প্রেরণের অনুমতি দেয়, যা সিএসএমএ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
D) CSMACa — এটি CSMA/CA বোঝায় যার পূর্ণরূপ Carrier Sense Multiple Access with Collision Avoidance এবং এটি মূলত ওয়্যারলেস বা ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- তারযুক্ত বা ওয়্যারড নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে সংঘর্ষ শনাক্ত করতে CD বা Collision Detection মনে রাখবে।
- ওয়্যারলেস বা ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে সংঘর্ষ এড়াতে CA বা Collision Avoidance মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রশ্ন থেকে শেখার মতো তথ্য হলো তারযুক্ত ল্যানের মিডিয়া এক্সেস কন্ট্রোল বা ম্যাক প্রোটোকল হলো CSMA/CD।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই CSMA/CD এবং CSMA/CA-এর পার্থক্য বা তাদের পূর্ণরূপ জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: B) Accumulator
১. কেন সঠিক:
কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট বা সিপিইউ-এর ভেতরে গাণিতিক ও যুক্তিমূলক অপারেশন সম্পন্ন হওয়ার পর তাৎক্ষণিক ফলাফল জমা রাখার জন্য যে বিশেষ রেজিস্টার ব্যবহার করা হয় তাকে অ্যাকিউমুলেটর বলে।
এটি কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণ গতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে অত্যন্ত দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে এবং মূল মেমোরিতে যাওয়ার আগে ফলাফল সংরক্ষণ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: অ্যাকিউমুলেটর হলো সিপিইউ-এর ভেতরে অবস্থিত একটি অস্থায়ী স্টোরেজ লোকেশন যা গাণিতিক ও লজিক ইউনিটের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে থাকে।
কার্যপদ্ধতি: অ্যাকিউমুলেটর মূলত গাণিতিক বা যুক্তিমূলক কাজের সময় ইনপুট ডেটা গ্রহণ করে এবং অপারেশন শেষে প্রাপ্ত ফলাফল নিজের মধ্যে জমা রাখে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্যালকুলেটরে পাঁচ যোগ তিন দিলে তা পর্দায় দেখানোর আগে সাময়িকভাবে জমা থাকে।
ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় ফলাফলটি দৃশ্যমান হওয়ার পূর্বে অ্যাকিউমুলেটরের ভেতরে সংরক্ষিত হয়।
উদাহরণ ২: কম্পিউটারে বড় কোনো হিসাব করার সময় ছোট ছোট অংশের যোগফল মেমোরিতে বারবার না পাঠিয়ে অ্যাকিউমুলেটরে রাখা হয়।
ব্যাখ্যা: এতে প্রসেসরের গতি বৃদ্ধি পায় এবং সময় অপচয় রোধ হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Arithmetic register — এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রমিত রেজিস্টার নয়, যদিও গাণিতিক কাজের জন্য বিভিন্ন রেজিস্টার থাকে কিন্তু অপারেশনের ফলাফল সংরক্ষণের নির্দিষ্ট নাম অ্যাকিউমুলেটর।
B) Accumulator — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Logical register — লজিক্যাল কাজের জন্য আলাদা কোনো নির্দিষ্ট রেজিস্টার নেই, বরং সাধারণ রেজিস্টার বা ফ্ল্যাগ রেজিস্টার লজিক্যাল অপারেশন হ্যান্ডেল করে।
D) Controller — এটি প্রসেসরের অংশ যা নির্দেশাবলী নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু ডেটা বা ফলাফল সরাসরি ধরে রাখে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
অ্যাকিউমুলেটর শব্দটি এসেছে একিউমুলেট থেকে যার অর্থ জমা করা।
গাণিতিক হিসাবের ফলাফল জমা রাখার কাজটি অ্যাকিউমুলেটর করে বলে একে ফলাফল জমা রাখার প্রধান ঘর বলা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার আর্কিটেকচারে অ্যাকিউমুলেটর হলো প্রসেসরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টারগুলোর একটি।
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই সিপিইউ এবং রেজিস্টার সম্পর্কিত এমন প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) -128
১. কেন সঠিক:
- কম্পিউটারে ঋণাত্মক সংখ্যা সংরক্ষণের জন্য দুই এর পরিপূরক বা টু কমপ্লিমেন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- ৮ বিট রেজিস্টারে ১০০০০০০০ বাইনারি সংখ্যাটির প্রথম বিট ১ হওয়ায় এটি একটি ঋণাত্মক সংখ্যা নির্দেশ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: টু কমপ্লিমেন্ট হলো কম্পিউটারে ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশের এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোনো বাইনারি সংখ্যার ১ এর পরিপূরকের সাথে ১ যোগ করা হয়।
- কার্যপদ্ধতি: প্রদত্ত সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক বের করে তার সাথে ১ যোগ করলে প্রকৃত মান পাওয়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ধনাত্মক ১২৮
ব্যাখ্যা: সাধারণ বাইনারি কোডে ১২৮ হলো ১ এর ডানপাশে সাতটি শূন্য।
উদাহরণ ২: ঋণাত্মক ১২৮
ব্যাখ্যা: টু কমপ্লিমেন্ট পদ্ধতিতে এটি ১ এর ডানপাশে সাতটি শূন্য এবং সামনে সাইন বিট হিসেবে ১ নিয়ে গঠিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 0 — এটি শূন্যের বাইনারি মান নির্দেশ করে।
B) 128 — এটি ধনাত্মক মানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কিন্তু প্রথম বিট ১ থাকায় এটি ঋণাত্মক।
D) 256 — এটি আট বিটের ধারণক্ষমতার বাইরে চলে যায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আট বিট রেজিস্টারে সবচেয়ে ছোট ঋণাত্মক সংখ্যা হলো মাইনাস ১২৮।
- এর বাইনারি রূপ সবসময় ১ এর ডানপাশে সাতটি শূন্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সাইন বিট ১ হলে সংখ্যাটি ঋণাত্মক এবং ০ হলে ধনাত্মক হয়।
- বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় টু কমপ্লিমেন্ট থেকে প্রায়ই এই ধরনের মান নির্ণয় করতে দেয়।
সঠিক উত্তর: C) switch
১. কেন সঠিক:
সি (C) প্রোগ্রামিং ভাষায় একাধিক শর্ত বা ডিসিশন মেকিংয়ের ক্ষেত্রে অনেকগুলো ইফ এলস (if-else) স্টেটমেন্ট ব্যবহার করার পরিবর্তে সুইচ (switch) স্টেটমেন্ট ব্যবহার করা হয়।
এটি কোডের পঠনযোগ্যতা বৃদ্ধি করে এবং প্রোগ্রামকে সহজে পরিচালনা করতে সাহায্য করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: সুইচ হলো সি এবং অন্যান্য প্রোগ্রামিং ভাষায় ব্যবহৃত একটি মাল্টিওয়ে ব্রাঞ্চিং স্টেটমেন্ট, যা কোনো চলকের মানের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ব্লকের কোড চালায়।
কার্যপদ্ধতি: এটি চলকের (variable) মান পরীক্ষা করে এবং সংশ্লিষ্ট কেস (case) মিলে গেলে সেই কোড ব্লক এক্সিকিউট করে, যা ইফ এলস লেডার এর বিকল্প হিসেবে কাজ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মেনু ড্রাইভেন প্রোগ্রাম।
ব্যাখ্যা: রেস্টুরেন্টের বিলিং সফটওয়্যারে ১ চাপলে চা, ২ চাপলে কফি অর্ডার নেওয়ার জন্য সুইচ ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: গ্রেডিং সিস্টেম।
ব্যাখ্যা: শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বরের ওপর ভিত্তি করে এ (A), বি (B) বা সি (C) গ্রেড নির্ধারণ করতে সুইচ স্টেটমেন্ট ব্যবহার করা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for loop — এটি নির্দিষ্ট সংখ্যক বার কোনো কাজ বারবার করার জন্য বা লুপ চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, শর্ত যাচাই বা প্রতিস্থাপনের জন্য নয়।
B) structure — এটি ব্যবহারকারীর তৈরি ডেটা টাইপ, যা বিভিন্ন ধরনের ডেটা একত্রে রাখতে ব্যবহৃত হয়, কোনো শর্ত যাচাইয়ের জন্য নয়।
C) switch — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ইফ (if) এর বিকল্প হিসেবে একাধিক শর্ত পরীক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
D) return — এটি ফাংশন থেকে মান ফিরিয়ে দেওয়ার এবং ফাংশন বন্ধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বহুবিধ শর্ত বা অপশন বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বারবার ইফ ব্যবহার না করে সুইচ ব্যবহার করলে কোড সুন্দর হয়।
মনে রাখবে, সুইচ মানেই বিকল্প পথ বা কেস ধরে কাজ করা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রোগ্রামিংয়ের এই প্রশ্নটি বিসিএস (BCS) এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
ইফ এলস এবং সুইচের মৌলিক পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) Pointer
১. কেন সঠিক:
পয়েন্টার এমন একটি ভ্যারিয়েবল যা সরাসরি অন্য কোনো ভ্যারিয়েবলের মেমোরি ঠিকানা বা অ্যাড্রেস ধারণ করে।
অন্য সাধারণ ভ্যারিয়েবল যেমন ডেটা সংরক্ষণ করে, পয়েন্টার তেমনি মেমোরির নির্দিষ্ট লোকেশন নির্দেশ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: পয়েন্টার হলো এমন একটি বিশেষ চলক যা অন্য কোনো চলকের মেমোরি অ্যাড্রেস বা ঠিকানা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
কার্যপদ্ধতি: মেমোরি অ্যাড্রেস অপারেটর ব্যবহার করে কোনো ভ্যারিয়েবলের ঠিকানা সংগ্রহ করে পয়েন্টার ভ্যারিয়েবলে রাখা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইনটজার টাইপের একটি ভ্যারিয়েবলের অ্যাড্রেস পয়েন্টারে রাখা।
ব্যাখ্যা: int x = ১০; int *p = &x; এখানে p পয়েন্টারটি x চলকের মেমোরি ঠিকানা ধারণ করে।
উদাহরণ ২: ডাইনামিক মেমোরি এলোকেশন।
ব্যাখ্যা: পয়েন্টার ব্যবহার করে রানটাইমে মেমোরি বরাদ্দ ও নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Break — ব্রেক হলো লুপ বা সুইচ কেস থেকে বের হয়ে আসার একটি কি-ওয়ার্ড, যা অ্যাড্রেস সংরক্ষণ করে না।
B) Int — ইনট বা ইন্টিজার হলো পূর্ণসংখ্যা ডেটা টাইপ, যা শুধুমাত্র সংখ্যা ধারণ করে, কোনো মেমোরি ঠিকানা নয়।
D) Float — ফ্লোট হলো দশমিক সংখ্যা ডেটা টাইপ, যা ভগ্নাংশ মান সংরক্ষণ করে কিন্তু মেমোরি অ্যাড্রেস ধরে রাখতে পারে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
পয়েন্টার মানেই হলো তীরের মতো নির্দেশ করা, যা মেমোরির নির্দিষ্ট ঠিকানাকে নির্দেশ করে।
অ্যাড্রেস রাখার জন্য সি প্রোগ্রামিংয়ে অস্টারিস্ক বা স্টার চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার বিজ্ঞানে মেমোরি অ্যাড্রেস ব্যবস্থাপনার জন্য পয়েন্টার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধারণা।
সি বা সি প্লাস প্লাস প্রোগ্রামিং ভাষায় পয়েন্টার থেকে প্রায়ই চাকরির ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) Pointer to node
১. কেন সঠিক:
- লিংড লিস্ট বা সংযুক্ত তালিকা হলো ডেটা স্ট্রাকচারের একটি রৈখিক রূপ, যেখানে ডেটাগুলো মেমরিতে পর্যায়ক্রমে সংরক্ষিত থাকে না বরং পয়েন্টারের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে।
- প্রতিটি একক উপাদানকে নোড বলা হয় এবং একটি সাধারণ নোডে ন্যূনতম দুটি অংশ বা ফিল্ড থাকে, যার একটিতে মূল ডেটা এবং অন্যটিতে পরবর্তী নোডের মেমরি ঠিকানা বা পয়েন্টার থাকে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: লিংড লিস্ট হলো এমন একটি ডেটা স্ট্রাকচার যা নোডের সমষ্টি নিয়ে গঠিত এবং প্রতিটি নোড ডেটা ও নেক্সট পয়েন্টার ধারণ করে।
- কার্যপদ্ধতি: প্রথম নোডের পয়েন্টার ফিল্ড দ্বিতীয় নোডের ঠিকানা ধারণ করে এবং এভাবে একটি নোড থেকে অন্য নোডে যাতায়াত করা যায়।
- বৈশিষ্ট্য: এর সাইজ পরিবর্তনশীল এবং মেমরিতে ডেটা রাখার জন্য নির্দিষ্ট আকারের ধারাবাহিক জায়গার প্রয়োজন হয় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ট্রেনের কামরাগুলো একে অপরের সাথে হুকের মাধ্যমে যুক্ত থাকে।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রতিটি কামরা হলো একটি নোড, কামরার ভেতরের যাত্রী বা মালপত্র হলো ডেটা ফিল্ড এবং সংযোগকারী হুক হলো পয়েন্টার ফিল্ড।
উদাহরণ ২: গুপ্তধনের সন্ধান পাওয়ার খেলা।
ব্যাখ্যা: একটি চিরকুটে বর্তমান জায়গার তথ্য বা ডেটা থাকে এবং পরবর্তী জায়গায় যাওয়ার নির্দেশনা বা পয়েন্টার থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Pointer to char — এটি শুধুমাত্র একটি ক্যারেক্টার ডেটার ঠিকানা নির্দেশ করে, যা পুরো নোডের ঠিকানা রাখার জন্য যথেষ্ট বা উপযুক্ত নয়।
B) Node — নোড হলো সম্পূর্ণ উপাদানটির নাম, যার ভেতর ডেটা ফিল্ড এবং পয়েন্টার ফিল্ড দুটি অংশই একসাথে অবস্থান করে।
D) NULL — নাল হলো একটি বিশেষ মান যা কোনো মেমরি ঠিকানার অনুপস্থিতি বা তালিকার শেষ বোঝাতে পয়েন্টার ফিল্ডে ব্যবহৃত হয়, ন্যূনতম দুটি ফিল্ডের একটি হিসেবে নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- লিংড লিস্ট মানেই হলো ডেটা এবং পরবর্তী নোডের ঠিকানার সমাহার।
- মনে রাখবে, লিস্ট মানেই সংযোগ, তাই ডেটার সাথে অবশ্যই একটি সংযোগ বা পয়েন্টার থাকতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- লিংড লিস্টের শেষ নোডের পয়েন্টার ফিল্ডে সাধারণত নাল মান থাকে।
- অ্যারে এবং লিংড লিস্টের প্রধান পার্থক্য হলো অ্যারের সাইজ নির্দিষ্ট কিন্তু লিংড লিস্টের সাইজ গতিশীল।
সঠিক উত্তর: B) Abstraction
১. কেন সঠিক:
প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি প্রযুক্তিগতভাবে ভুল। Encapsulation এর মাধ্যমে মূলত Data Hiding বা তথ্য গোপনীয়তা নিশ্চিত হয়, Abstraction সরাসরি নিশ্চিত হয় না। Abstraction হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের এমন একটি বৈশিষ্ট্য যার মাধ্যমে জটিল কোডের ভেতরের বিশদ বিবরণ লুকিয়ে রেখে শুধু প্রয়োজনীয় ইন্টারফেস বা ব্যবহার্য অংশ প্রদর্শন করা হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: Encapsulation বা এনক্যাপসুলেশন হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ে ডেটা এবং সেই ডেটা নিয়ে কাজ করার ফাংশনগুলোকে একটি একক ইউনিটের মধ্যে আবদ্ধ করার প্রক্রিয়া।
কার্যপদ্ধতি: এটি ক্লাসের ভেତরের ডেটাকে প্রাইভেট করে দেয় এবং বাইরে থেকে সরাসরি অ্যাক্সেস করতে বাধা দেয়, যা শুধুমাত্র নির্দিষ্ট মেথডের মাধ্যমে পরিবর্তন করা যায়।
বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ডেটা সুরক্ষা বা ডেটা হাইডিং প্রদান করা, যাতে কোনো অননুমোদিত কোড বা ফাংশন পরিবর্তন না করে ফেলতে পারে।
ব্যবহার: ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ব্যালেন্স সরাসরি পরিবর্তন না করে ডিপোজিট বা উইথড্র মেথডের মাধ্যমে নিরাপদ লেনদেন করতে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্যাপসুল ওষুধ
ব্যাখ্যা: ক্যাপসুলের ভেতরে যেমন বিভিন্ন উপাদান একত্রে ঢাকা থাকে, তেমনি প্রোগ্রামিংয়ে ডেটা ও মেথড একটি ক্লাসের মধ্যে আবদ্ধ থাকে।
উদাহরণ ২: ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স
ব্যাখ্যা: অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স প্রাইভেট রেখে শুধুমাত্র পিন বা পাসওয়ার্ড দিয়ে নির্দিষ্ট নিয়মে টাকা তোলার ব্যবস্থা করা হলো এনক্যাপসুলেশন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Inheritance — এটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের এমন একটি বৈশিষ্ট্য যার মাধ্যমে একটি ক্লাস অন্য ক্লাসের প্রপার্টি বা বৈশিষ্ট্য উত্তরাধিকার সূত্রে লাভ করতে পারে।
B) Abstraction — এটি মূলত ডেটা হাইডিং এবং জটিলতা দূর করার প্রক্রিয়া, যা এনক্যাপসুলেশনের ওপর ভিত্তি করে গঠিত হলেও সরাসরি এক নয়।
C) Polymorphism — এটি একই নামের মেথড বা ফাংশনকে ভিন্ন ভিন্ন পরিস্থিতিতে ভিন্ন আচরণ করার ক্ষমতা প্রদান করে।
D) Overloading — এটি পলিমরফিজমের একটি প্রকার যেখানে একই নামের একাধিক মেথড ভিন্ন প্যারামিটার নিয়ে কাজ করতে পারে।
৫. মনে রাখার টিপস:
এনক্যাপসুলেশন মানে হলো ডেটাকে একটি বাক্সে বন্দী বা সুরক্ষিত করা।
অ্যাবস্ট্রাকশন মানে হলো ব্যবহারকারীকে শুধু কাজের জিনিস দেখানো এবং ভেতরের জটিলতা লুকিয়ে রাখা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের প্রধান চারটি স্তম্ভ হলো ইনহেরিটেন্স, পলিমরফিজম, এনক্যাপসুলেশন এবং অ্যাবস্ট্রাকশন।
ডেটা হাইডিং বা সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য প্রধানত এনক্যাপসুলেশন ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) ARP
১. কেন সঠিক:
- ARP এর পূর্ণরূপ হলো Address Resolution Protocol এবং এর কাজ হলো ইন্টারপ্রোটোকল অ্যাড্রেস বা আইপি অ্যাড্রেস থেকে ফিজিক্যাল অ্যাড্রেস বা ম্যাক অ্যাড্রেস বের করা।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে একটি ডিভাইস যখন অন্য কোনো ডিভাইসের আইপি অ্যাড্রেস জানে কিন্তু ম্যাক অ্যাড্রেস জানে না, তখন এই প্রোটোকল স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: এআরপি হলো এমন একটি যোগাযোগ প্রোটোকল যা নেটওয়ার্ক লেয়ারের আইপি অ্যাড্রেসকে ডেটা লিংক লেয়ারের ম্যাক অ্যাড্রেসে রূপান্তর করে।
- কার্যপদ্ধতি: কোনো ডিভাইস ব্রডকাস্ট মেসেজ পাঠিয়ে নির্দিষ্ট আইপি ঠিকানার অধিকারীর কাছ থেকে তার ম্যাক অ্যাড্রেস চেয়ে নেয় এবং রেসপন্স পেলে তা ক্যাশ মেমোরিতে সংরক্ষণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লোকাল প্রিন্টার
ব্যাখ্যা: আপনার কম্পিউটার প্রিন্টারের আইপি অ্যাড্রেস জানলেও প্রিন্ট করার জন্য প্রিন্টারের নির্দিষ্ট ম্যাক অ্যাড্রেস জানার প্রয়োজন হয়, যা এআরপি খুঁজে দেয়।
উদাহরণ ২: সুইচ বোর্ড যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: একটি সুইচ তার সঙ্গে যুক্ত নির্দিষ্ট কম্পিউটারের আইপি চেনার জন্য এআরপি ব্রডকাস্ট ব্যবহার করে সঠিক পোর্টে ডেটা পাঠায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) RIP — RIP এর পূর্ণরূপ Routing Information Protocol, যা রাউটিং টেবিলে সেরা পাথ বা পথ নির্ধারণের কাজে ব্যবহৃত হয়।
B) BGP — BGP এর পূর্ণরূপ Border Gateway Protocol, যা ইন্টারনেটের বিভিন্ন অটোনোমাস সিস্টেমের মধ্যে রাউটিং তথ্য আদানপ্রদান করে।
D) TCP — TCP এর পূর্ণরূপ Transmission Control Protocol, যা ডেটা প্যাকেটগুলোর নির্ভরযোগ্য ও ত্রুটিমুক্ত ডেলিভারি নিশ্চিত করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- এভাবে মনে রাখতে পারেন, এআরপি বা ARP মানে অ্যাড্রেস রিজলভ করা, অর্থাৎ আইপি থেকে ম্যাক ঠিকানası খুঁজে বের করা।
- আইপি হলো লজিক্যাল ঠিকানা এবং ম্যাক হলো ফিজিক্যাল ঠিকানা, এদের মেলবন্ধন ঘটায় এআরপি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এআরপি প্রোটোকলের কাজ প্রায়ই আসে।
- আইপি অ্যাড্রেস থেকে ম্যাক অ্যাড্রেস বের করার প্রোটোকল হলো এআরপি এবং এর বিপরীত কাজ অর্থাৎ ম্যাক থেকে আইপি বের করার প্রোটোকল হলো রিভার্স এআরপি বা RARP।
সঠিক উত্তর: B) abc * + de - +
১. কেন সঠিক:
- পোস্টফিক্স এক্সপ্রেশনে অপারেটরগুলো সংশ্লিষ্ট অপারেন্ডগুলোর পরে বসে এবং এতে কোনো ব্র্যাকেটের প্রয়োজন হয় না।
- প্রদত্ত বিকল্পে স্টক অপারেশন নিয়ম নিখুঁতভাবে মেনে এক্সপ্রেশনটি গঠিত হয়েছে যা কম্পিউটার সহজেই মূল্যায়ন করতে পারে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: পোস্টফিক্স নোটেশন বা রিভার্স পোলিশ নোটেশন হলো এমন একটি অভিব্যক্তি যেখানে অপারেটর তার অপারেন্ড দুটির পরে অবস্থান করে।
- কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার স্ট্যাক ডাটা স্ট্রাকচার ব্যবহার করে এই এক্সপ্রেশনের মান বের করে যেখানে অপারেন্ড পেলে পুশ করা হয় এবং অপারেটর পেলে পপ করে হিসাব করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইনফিক্স এক্সপ্রেশন এ প্লাস বি কে পোস্টফিক্স এ লেখা হয় এ বি প্লাস।
ব্যাখ্যা: এখানে অপারেটর প্লাস দুটি অপারেন্ড এ এবং বি এর পরে বসেছে।
উদাহরণ ২: ইনফিক্স এক্সপ্রেশন এ ইনটু বি প্লাস সি কে পোস্টফিক্স এ লেখা হয় এ বি ইনটু সি প্লাস।
ব্যাখ্যা: গুণের কাজ আগে সম্পন্ন করতে অপারেটরগুলো তাদের সঠিক প্রিসিডেন্স বা অগ্রাধিকার অনুযায়ী বিন্যস্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a*b(c + d) — এটি একটি ইনফিক্স এক্সপ্রেশন কারণ এতে অপারেটর মাঝখানে রয়েছে এবং ব্র্যাকেট ব্যবহার করা হয়েছে।
B) abc * + de - + — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ত্রুটি নেই।
C) c) + ab — এটি একটি অসম্পূর্ণ এবং ভুল বিন্যাসের এক্সপ্রেশন যেখানে ব্র্যাকেটের সঠিক ব্যবহার নেই।
D) a + b - c — এটি ইনফিক্স নোটেশনে লেখা হয়েছে যেখানে অপারেটরগুলো অপারেন্ডের মাঝে বসেছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইনফিক্স মানে অপারেটর মাঝখানে, প্রিফিক্স মানে সামনে এবং পোস্টফিক্স মানে পেছনে বসে।
- পোস্টফিক্স এক্সপ্রেশন মূল্যায়নের জন্য স্ট্যাক মেমোরি ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রোগ্রামিংয়ে গাণিতিক অভিব্যক্তি মূলه করার জন্য পোস্টফিক্স নোটেশন বহুল ব্যবহৃত হয়।
- কম্পাইলার ডিজাইন এবং ডাটা স্ট্রাকচার কোর্সে এই সংক্রান্ত রূপান্তর প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: D) 172.16.5.3
১. কেন সঠিক:
আইপি ঠিকানার মধ্যে প্রাইভেট আইপি অ্যাড্রেস বা ব্যক্তিগত নেটওয়ার্কের জন্য নির্দিষ্ট কিছু রেঞ্জ নির্ধারিত আছে।
ইন্টারনেটে সরাসরি দৃশ্যমান না হয়ে শুধুমাত্র লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে ব্যবহারের জন্য এই ঠিকানাগুলো বরাদ্দ করা হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: যে আইপি অ্যাড্রেসগুলো কেবল হোম নেটওয়ার্ক বা অফিসের ল্যান এর ভেতরে ডিভাইসগুলোকে শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, তাকে প্রাইভেট আইপি বলে।
কার্যপদ্ধতি: রাউটার নেটওয়ার্ক অ্যাড্রেস ট্রান্সলেশন প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রাইভেট আইপিকে পাবলিক আইপিতে রূপান্তর করে ইন্টারনেটে ডেটা পাঠায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাসার ওয়াইফাই রাউটার থেকে মোবাইল বা ল্যাপটপে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যে আইপি প্রদান করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি ঘরের ভেতরের ডিভাইসের নিজস্ব ঠিকানা যা বাইরে থেকে সরাসরি ব্যবহার করা যায় না।
উদাহরণ ২: অফিসের লোকাল প্রিন্টারে ফাইল পাঠানোর সময় ব্যবহৃত আইপি অ্যাড্রেস।
ব্যাখ্যা: এই আইপি কেবল অফিসের ভেতরের কম্পিউটারগুলোর সাথে প্রিন্টারের যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 192.169.10.10 — এই আইপি অ্যাড্রেসটি প্রাইভেট আইপির নির্দিষ্ট সীমার বাইরে অবস্থিত।
B) 11.5.10.10 — এটি একটি পাবলিক আইপি অ্যাড্রেস যা বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটে রাউট করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
C) 1.1.1.1 — এটি ক্লাউডফ্লেয়ারের পাবলিক ডিএনএস সার্ভারের পরিচিত আইপি অ্যাড্রেস।
D) 172.16.5.3 — এটি প্রাইভেট আইপির ক্লাসের অন্তর্ভুক্ত এবং সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রাইভেট আইপির তিনটি নির্দিষ্ট রেঞ্জ মনে রাখতে হবে।
শ্রেণী এ তে দশ থেকে শুরু, শ্রেণী বি তে একাত্তর দশমিক ষোল থেকে একত্রিশ, এবং শ্রেণী সি তে উনিশ শো পঁচানব্বই দশমিক ষোলো থেকে শুরু হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং পরীক্ষায় প্রায়ই পাবলিক এবং প্রাইভেট আইপির পার্থক্য বা নির্দিষ্ট রেঞ্জ থেকে প্রশ্ন আসে।
আইভি ভার্সন ফোর প্রোটোকলে এই নিয়মগুলো অনুসরণ করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) Bitwise OR
১. কেন সঠিক:
- কম্পিউটার প্রসেসর বা CPU-র অ্যারথমেটিক লজিক ইউনিট বা ALU-তে বিটওয়াইজ অপারেশনগুলো সরাসরি প্রসেসরের হার্ডওয়্যার স্তরে সম্পন্ন হয়।
- বিটওয়াইজ অপারেশনগুলোতে কোনো ক্যারি জেনারেট বা অতিরিক্ত জটিল লজিক সার্কিটের প্রয়োজন হয় না বলে এগুলো এক ক্লক সাইকেলেই সম্পন্ন হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: বিটওয়াইজ অপারেশন হলো কম্পিউটারের মেমোরিতে থাকা বাইনারি সংখ্যাগুলোর প্রতিটিক বিটের ওপর সরাসরি পরিচালিত লজিক্যাল বা বিটভিত্তিক প্রক্রিয়া।
- কার্যপদ্ধতি: এটি ডেটার ভেতরের শূন্য ও এক বা বাইনারি মানগুলোকে পাশাপাশি সাজিয়ে লজিক গেটের নিয়মে অত্যন্ত দ্রুত হিসাব সম্পন্ন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাইক্রোপ্রসেসরের ফ্ল্যাগ রেজিস্টার পরিষ্কার বা সেট করার কাজে বিটওয়াইজ অপারেশন ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি পুরো বাইট বা ওয়ার্ডের মান পরিবর্তন না করে নির্দিষ্ট শুধু একটি বিটকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
উদাহরণ ২: গ্রাফিক্স প্রোগ্রামিংয়ে পিক্সেলের রঙ বা কালার মাস্কিংয়ের কাজে বিটওয়াইজ অপারেশন ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে একাধিক কালার চ্যানেল খুব দ্রুত একত্রিত বা আলাদা করা সম্ভব হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Multiplication — গুণের কাজ করতে প্রসেসরের ভেতর একাধিক যোগ ও শিফটিং অপারেশন বা জটিল অ্যালগরিদমের প্রয়োজন হয় বলে এটি সময় সাপেক্ষ।
B) Bitwise OR — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রসেসরের হার্ডওয়্যার লেভেলে সবচেয়ে দ্রুত এবং এক ক্লক সাইকেলে সম্পন্ন হওয়া অপারেশনগুলোর একটি।
C) Addition — যোগের ক্ষেত্রে বিটগুলোর মধ্যে ক্যারি বা হাতে থাকা সংখ্যা যোগ হওয়ার কারণে বিটওয়াইজ লজিকের চেয়ে কিছুটা বেশি সময় নেয়।
D) Division — ভাগের কাজ হলো বারবার বিয়োগ বা জটিল শিফটিং প্রক্রিয়ার সমষ্টি, যা প্রসেসরের জন্য সবচেয়ে ধীরগতির অপারেশন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রসেসরের কাজের গতির ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে হার্ডওয়্যার লজিক যত সরল, তার সম্পন্ন হওয়ার গতি তত বেশি হয়।
- বিটওয়াইজ অপারেশনগুলো সরাসরি লজিক গেটের মাধ্যমে এক ধাপে সম্পন্ন হয় বলে এগুলো পাটিগণিতীয় ভাগের চেয়ে অনেক দ্রুত কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কম্পিউটার আর্কিটেকচারে পাটিগণিতীয় নির্দেশনার চেয়ে লজিক্যাল নির্দেশনার এক্সিকিউশন টাইম সাধারণত কম হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রসেসরের গতির ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন অপারেশনের জটিলতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) Quick sort
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটিতে যে উত্তরটি প্রদ্ত্ত ছিল (C) Insertion sort) তা প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক নয়। প্রদত্ত প্রশ্ন অনুযায়ী সবচেয়ে দ্রুততম বা সর্বাধিক কার্যকরী সাধারণ সর্টিং অ্যালগরিদম হলো Quick sort।
এর গড় বা গড়ের সাপেক্ষে সেরা কার্যক্ষমতার জটিলতা হলো n log n, যা তুলনামূলকভাবে বড় ডেটাসেটের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম সময় নেয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: Quick sort হলো একটি অত্যন্ত দক্ষ এবং তুলনামূলকভাবে দ্রুত গতির সর্টিং অ্যালগরিদম যা ডিভাইড এন্ড কনকার বা ভাগ করো এবং শাসন করো নীতিতে কাজ করে।
কার্যপদ্ধতি: এটি একটি পাইভট উপাদান নির্বাচন করে, তার চেয়ে ছোট উপাদানগুলোকে বামে এবং বড়গুলোকে ডানে রেখে তালিকাটিকে দুটি ছোট উপতালিকায় বিভক্ত করে এবং একইভাবে পুনরাবৃত্তি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি বড় টেলিফোন ডিরেক্টরি থেকে নামগুলো খুব দ্রুত বর্ণানুক্রমে সাজানো।
ব্যাখ্যা: Quick sort বড় ডেটাসেটকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করে বলে বড় ডিরেক্টরি সাজাতে এটি সেরা।
উদাহরণ ২: একটি অনলাইন শপিং সাইটে হাজার হাজার পণ্যের দাম কম থেকে বেশি ক্রমানুসারে সাজানো।
ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারীকে দ্রুত ফলাফল দেওয়ার জন্য এই অ্যালগরিদম কম সময়ে ডেটা সর্ট করতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Bubble sort — এটি সবচেয়ে ধীর গতির সর্টিং অ্যালগরিদমগুলোর একটি কারণ বারবার তুলনা করে পাশাপাশি উপাদান বদলায়।
B) Selection sort — এটিও অত্যন্ত ধীর গতির কারণ প্রতিটি ধাপে ক্ষুদ্রতম উপাদান খুঁজে বের করতে পুরো তালিকা স্ক্যান করতে হয়।
C) Insertion sort — এটি ছোট আকারের ডেটার জন্য কিছুটা দ্রুত কাজ করলেও বড় ডেটাসেটের ক্ষেত্রে এর গতি খুবই ধীর হয়ে যায়।
D) Quick sort — বড় ডেটাসেট সাজানোর জন্য এটি সবচেয়ে দ্রুততম এবং সর্বাধিক ব্যবহৃত আদর্শ সর্টিং অ্যালগরিদম।
৫. মনে রাখার টিপস:
দ্রুততম সর্টিংয়ের জন্য মনে রাখবে কুইক বা দ্রুত মানেই হলো Quick sort, যা ডিভাইড এন্ড কনকার নীতি অনুসরণ করে।
এর গড় টাইম কমপ্লেক্সিটি এন লগ এন হওয়ায় এটি অন্য সাধারণ অ্যালগরিদমগুলোর চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার বিজ্ঞানে টাইম কমপ্লেক্সিটি বা সময়ের জটিলতা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
কোন অ্যালগরিদম কোন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে ভালো কাজ করে তা ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: D) চর্যাপদ
১. কেন সঠিক:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন এবং ঐতিহাসিক দলিল।
- ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেષণে প্রমাণিত হয়েছে যে চর্যাপদের ভাষা বাংলা ভাষার আদি রূপ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা পদ সংকলন।
- ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে এটি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদের পদকর্তা কাহ্নপা।
ব্যাখ্যা: কাহ্নপা চর্যাপদে সর্বাধিক সংখ্যক অর্থাৎ তেরোটি পদ রচনা করেছেন।
উদাহরণ ২: চর্যাপদের প্রথম পদটির রচমতা লুইপা।
ব্যাখ্যা: লুইপা হলেন চর্যাপদের আদি কবি এবং তাঁর পদ দিয়েই চর্যাপদ গ্রন্থটি শুরু হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রামায়ণ — এটি বাল্মীকি রচিত সংস্কৃত মহাকাব্য এবং প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের নিদর্শন নয়।
B) মহাভারত — এটি বেদব্যাস রচিত সংস্কৃত মহাকাব্য যা পরে বাংলায় অনূদিত হয় কিন্তু প্রাচীনতম নিদর্শন নয়।
C) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — এটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত মধ্যযুগের একটি কাব্য এবং চর্যাপদের অনেক পরের রচনা।
D) চর্যাপদ — এটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হওয়ায় সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন মনে রাখতে চর্যাপদ শব্দটি মাথায় রাখবে।
- চর্যাপদ আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং সালটি হলো উনিশশো সাত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের আবিষ্কারক এবং পদকর্তাদের নিয়ে প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন মত থাকলেও সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ বর্তমানে প্রামাণ্য হিসেবে ধরা হয়।
সঠিক উত্তর: A) অনিল
১. কেন সঠিক:
- 'অনিল' শব্দের অর্থ বাতাস বা বায়ু, যা আগুন বা বহ্নির সমার্থক শব্দ নয়।
- প্রশ্নটিতে কোনটি আগুনের সমার্থক শব্দ নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যেগুলোর অর্থ একই বা প্রায় একই রকম হয়।
- আগুন শব্দের অনেকগুলো সংস্কৃত বা তৎসম সমার্থক শব্দ রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বায়ু
ব্যাখ্যা: বায়ু হলো অনিলের সমার্থক শব্দ, আগুনের নয়।
উদাহরণ ২: বাতাস
ব্যাখ্যা: বাতাস হলো অনিলের অপর নাম, যা আগুন থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনিল — এটি বাতাসের সমার্থক শব্দ, আগুনের নয়।
B) পাবক — এটি আগুনের একটি পরিচিত সমার্থক শব্দ।
C) হুতাশন — এটিও আগুনের একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
D) কৃশানু — এটি আগুনের আরেকটি সমার্থক শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অনিল মানে বাতাস আর অনল মানে আগুন। এই দুটি শব্দের সামান্য পার্থক্যের কারণে প্রায়ই পরীক্ষার্থীরা ভুল করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় শব্দের বানান ও সূক্ষ্ম অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
- অনিল (বাতাস) এবং অনল (আগুন) - এই জোড়া শব্দগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) অক্কা পাওয়া
১. কেন সঠিক:
- 'অক্কা পাওয়া' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার আক্ষরিক ও বিশেষ অর্থ হলো মারা যাওয়া বা প্রাণত্যাগ করা।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত এই বাগধারাটি মৃত্যুর সমার্থক হিসেবে কথ্য ও লেখ্য উভয়েই বহুল ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণে বাগধারা বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাবকে আরও সমৃদ্ধ ও আকর্ষণীয় করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অতিরিক্ত গরমে বয়স্ক লোকটি হঠাৎ অক্কা পেলেন।
ব্যাখ্যা: এখানে 'অক্কা পেলেন' বাগধারাটি ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: অবহেলায় পড়ে থাকা গাড়িটির ইঞ্জিন অবশেষে অক্কা দিল।
ব্যাখ্যা: এখানে কোনো যন্ত্র বা বস্তুর স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যাওয়া বা অকার্যকর হওয়া বোঝাতে রূপক অর্থে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্কা পাওয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ মারা যাওয়া এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
B) কেউকেটা — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ বিশিষ্ট বা গণ্যমান্য ব্যক্তি, যা মৃত্যুর সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) কান পাতলা — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ সহজে বিশ্বাসপ্রবণ বা অন্যের কথায় বিশ্বাস স্থাপনকারী ব্যক্তি।
D) কেতাদুরস্ত — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ পরিপাটি বা ফ্যাশনদুরস্ত এবং শিষ্টাচারসম্পন্ন ব্যক্তি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অক্কা পাওয়া মানে ওপারে চলে যাওয়া বা মারা যাওয়া, এভাবে মিল রেখে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জীবন ও মৃত্যুর ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত বাগধারাগুলো যেমন অক্কা পাওয়া, চিরবিদায় নেওয়া, পঞ্চত্ব প্রাপ্ত হওয়া ইত্যাদি প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
- সমার্থক বাগধারাগুলোর আলাদা অর্থ ও সূক্ষ্ম পার্থক্য ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) রূপক কর্মধারয়
১. কেন সঠিক:
- উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভেদ বা মিল কল্পনা করা হলে রূপক কর্মধারয় সমাস হয়।
- মন এবং মাঝির মধ্যে অভেদ কল্পনা করে মনরূপ মাঝি সমান মনমাঝি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে কর্মধারয় সমাসে উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য বা ভিন্নতা নেই বলে কল্পনা করা হয়, তাকে রূপক কর্মধারয় বলে।
- এ সমাসে সাধারণত সমস্যমান পদে রূপ বা অবিকল শব্দ ব্যবহৃত হয় এবং ব্যাসবাক্যে রূপ ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাদসিন্ধু
ব্যাখ্যা: বিষাদরূপ সিন্ধু সমান বিষাদসিন্ধু, এখানে বিষাদের সঙ্গে সিন্ধুর অভেদ কল্পনা করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: ক্রোদঅনল
ব্যাখ্যা: ক্রোড্রূপ অনল সমান ক্রোদঅনল, এখানে ক্রোধকে অনলের সঙ্গে অভিন্ন বলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বিগু — সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে সমাসবদ্ধ পদের মিল থাকলে দ্বিগু সমাস হয়, যা এখানে নেই।
B) বহুব্রীহি — সমাসবদ্ধ পদে অন্য পদের অর্থ প্রাধান্য পেলে বহুব্রীহি সমাস হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) রূপক কর্মধারয় — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে মন ও মাঝির রূপক অর্থে সমাস হয়েছে।
D) নিত্যসমাস — যে সমাসের কোনো ব্যাসবাক্য হয় না বা অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্যসমাস বলে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রূপক কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের মাঝে রূপ শব্দ থাকা এবং উপমান ও উপমেয়ের অভেদ বোঝানো।
- মনমাঝি, বিষাদসিন্ধু, ক্রোদঅনল শব্দগুলোতে অভেদ কল্পনা করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ প্রায়ই আসে।
- মনমাঝি, বিষাদসিন্ধু এবং ক্রোদঅনল শব্দগুলোর ব্যাসবাক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কঙ্কাবতী
১. কেন সঠিক:
- কঙ্কাবতী কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক কিশোর উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের রচয়িতা প্রখ্যাত সাহিত্যিক ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায় এবং এটি ১৮৯২ সালে প্রকাশিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি বাংলা কাব্যজগতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেন।
- কঙ্কাবতী উপন্যাসটি তার কোনো সাহিত্যকর্ম নয়, তাই এটি কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য নয় হিসেবে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: সঞ্চিতা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের বিভিন্ন কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন গ্রন্থ যা কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাম্যবাদী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও প্রগতিশীল কাব্যগ্রন্থ যেখানে মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ ভুলে সাম্যের গান গাওয়া হয়েছে।
B) বিষের বাঁশি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিদ্রোহী ও সাম্যবাদী চেতনাভিত্তিক নিষিদ্ধ কাব্যগ্রন্থ যা ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক।
C) কঙ্কাবতী — এটি ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা কোনোভাবেই কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য নয়।
D) চক্রবাক — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ গীতিকাব্য ও প্রেমের কবিতার সংকলন হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের কাব্য মনে রাখতে সাম্যবাদী, বিষের বাঁশি ও চক্রবাক নামগুলো মনে রাখবে এবং ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়ের কঙ্কাবতী যে উপন্যাস তা আলাদা করে মনে রাখবে।
উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থের পার্থক্য বুঝতে লেখকের অন্যান্য সাহিত্যকর্মের তালিকা পড়ার অভ্যাস করলে এমন প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোনো লেখকের কাব্য বা উপন্যাসের নাম দিয়ে কোনটি নয় তা জানতে চাওয়া হয়।
তাই নির্দিষ্ট লেখকের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ এবং উপন্যাসগুলো আলাদা করে ছক আকারে পড়ে যাওয়া পরীক্ষার জন্য খুবই কার্যকরী।
সঠিক উত্তর: D) চন্দ্রকুমার দে
১. কেন সঠিক:
ময়মনসিংহ অঞ্চলের গ্রামীণ লোকসাহিত্য ও লোকসংগীত সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে চন্দ্রকুমার দে সরাসরি মাঠপর্যায়ে কাজ করেছেন।
দীনেশচন্দ্র সেনের অনুপ্রেরণায় তিনি নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ অঞ্চলের গ্রাম ঘুরে এসব অমূল্য পালাগান সংগ্রহ করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
চন্দ্রকুমার দে ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ লোকসাহিত্য সংগ্রাহক যিনি সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ফেরা গাথাগুলো সংগ্রহ করেছিলেন।
দীনেশচন্দ্র সেন এই সংগৃহীত পালাগুলো সম্পাদনা করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ময়মনসিংহ গীতিকা নামে প্রকাশ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহুয়ার পালা
ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্ভুক্ত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ধ্রুপদী প্রেমের পালাগান।
উদাহরণ ২: মলুয়ার পালা
ব্যাখ্যা: চন্দ্রকুমার দের সংগৃহীত ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও ট্র্যাজিক প্রেমের গাথা এটি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আশুতোষ ভট্টাচার্য — তিনি বাংলার লোকসাহিত্য নিয়ে গবেষণা ও গ্রন্থ রচনা করলেও ময়মনসিংহ গীতিকা সংগ্রহ করেননি।
B) দীনেশচন্দ্র সেন — তিনি ময়মনসিংহ গীতিকা সংগ্রহ করেননি, বরং সংগৃহীত পালাগুলো সম্পাদনা ও প্রকাশ করেছিলেন।
C) দক্ষিণারঞ্জন মিত্র — তিনি বাংলার রূপকথার বিখ্যাত সংকলন ঠাকুরমার ঝুলি রচনা ও সংগ্রহ করেছেন।
D) চন্দ্রকুমার দে — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজে মাঠে ঘুরে ময়মনসিংহ গীতিকার পালাগুলো সংগ্রহ করেছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
সংগ্রহ করেছেন চন্দ্রকুমার দে এবং সম্পাদনা করেছেন দীনেশচন্দ্র সেন এই পার্থক্যটি মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি।
ময়মনসিংহ গীতিকার মূল প্রাণপুরুষ হলেন মাঠের গবেষক চন্দ্রকুমার দে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ময়মনসিংহ গীতিকা ইংরেজিতে অনুবাদ করেন ড্রিম অব ইন্ডিয়ান মেডো ল্যান্ড খ্যাত জেসন ডেভিস বা দীনেশচন্দ্র সেনের মাধ্যমে প্রকাশ পায়।
লোকসাহিত্য সম্পর্কিত যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক প্রশ্নে সংগ্রাহক ও সম্পাদকের নাম আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) দুল্ + না
১. কেন সঠিক:
'দোলনা' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো দুল্ যোগ না। এখানে 'দুল্' হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূল এবং '-না' হলো তদ্ধিত বা কৃৎ প্রত্যয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
এটি একটি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ, যেখানে ক্রিয়ামূলের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষ্য পদ গঠিত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে 'না' প্রত্যয় যুক্ত করে সাধারণত যন্ত্র বা ভাববাচক বিশেষ্য পদ তৈরি করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাঁদ্ + না = কান্না
ব্যাখ্যা: ক্রিয়ামূল 'কাঁদ্'-এর সঙ্গে 'না' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভাববাচক বিশেষ্য 'কান্না' শব্দটি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ঢাক্ + না = ঢাকনা
ব্যাখ্যা: ক্রিয়ামূল 'ঢাক্'-এর সঙ্গে 'না' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যন্ত্রবাচক বিশেষ্য 'ঢাকনা' শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দোল্ + আ — এই প্রক্রিয়ায় 'দোল্' ধাতুর সঙ্গে 'আ' প্রত্যয় যুক্ত হলে 'দোলা' শব্দ গঠিত হয়, যা 'দোলনা' শব্দের সঙ্গে মেলে না।
B) দোল্ + না — এই অপশনে ধাতু হিসেবে 'দোল্' ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ সঠিক ধাতু হলো 'দুল্'।
C) দোল্ + অনা — এখানে প্রত্যয় হিসেবে 'অনা' ব্যবহার করা হয়েছে এবং ধাতু ভুলভাবে 'দোল্' দেওয়া হয়েছে।
D) দুল্ + না — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্দেশ করে যা প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক।
৫ মনে রাখার টিপস:
'দোলনা' শব্দের মূল ক্রিয়াটি হলো দুলানো বা দুল, তাই এর মূল ধাতু 'দুল্' হবে। ক্রিয়াভিত্তিক বিশেষ্য শব্দ চেনার জন্য শব্দের শেষের প্রত্যয় আলাদা করার সময় মূল ধাতুটি খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় মূল ক্রিয়ামূল বা ধাতু সঠিকভাবে চিহ্নিত করা অত্যন্ত জরুরি। একই নিয়মে 'ঝুল্ + না = ঝুলনা' বা 'বাঁধ্ + না = বাঁধনা' শব্দগুলোর প্রত্যয় নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) কবি কঙ্কন
১. কেন সঠিক:
চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের বিখ্যাত কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর উপাধি ছিল কবি কঙ্কন।
মহামহোপাধ্যায় রঘুনাথ শিরোমণির শিষ্য বাঁকুড়ার মল্লরাজ রঘুনাথ সিংহ তাকে এই উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি।
তার রচিত চণ্ডীমঙ্গল কাব্যটি মধ্যযুগের সমাজচিত্র ও সাধারণ মানুষের জীবনের নিখুঁত প্রতিচ্ছবি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চণ্ডীমঙ্গল কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর অমর সৃষ্টি যা আখেটিক মঙ্গল ও কালকেতু উপাখ্যানের জন্য বিখ্যাত।
উদাহরণ ২: কবিকঙ্কন চণ্ডী
ব্যাখ্যা: মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর রচিত চণ্ডীমঙ্গল কাব্যটি কবিকঙ্কন চণ্ডী নামেও পরিচিত ও সমাদৃত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কবিরাজ — এই উপাধিটি মূলত প্রাচীন ভারতের আয়ুর্বেদ চিকিৎসক বা বৈদ্যদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হতো।
B) কবিগুরু — এটি বাংলা সাহিত্যের অনন্য প্রতিভাধর লেখক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশ্বস্বীকৃত উপাধি।
D) কবি কণ্ঠহার — এটি মধ্যযুগের অন্য কোনো সাহিত্যিক বা পন্ডিত ব্যক্তির উপাধি হতে পারে কিন্তু মুকুন্দরামের নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
মুকুন্দরামের নামের সাথে কঙ্কন শব্দটি মনে রাখতে ম এর সাথে ক যুক্ত করে কবিকঙ্কন মনে রাখা যায়।
চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের ক থেকে কবি কঙ্কন এই কৌশলটিও বেশ কার্যকর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের কবিদের উপাধি এবং তাদের উপাধি দাতাদের নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
এই ধরনের প্রশ্ন ভালোভাবে আয়ত্ত করতে কবি ও তাদের উপাধির একটি তালিকা তৈরি করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) চাবি
১. কেন সঠিক:
- চাবি শব্দটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত একটি পর্তুগীজ শব্দ। পর্তুগীজ বণিক ও ধর্ম প্রচারকদের মাধ্যমে এই শব্দগুলো বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
- বাংলা ভাষায় বিভিন্ন বিদেশি ভাষার শব্দ মিশে আছে এবং শব্দের উৎস চেনার জন্য বিদেশি শব্দগুলোর তালিকা মনে রাখা জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিদেশি শব্দ হলো সেই শব্দ যা অন্য ভাষা থেকে সরাসরি বা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে।
- পর্তুগীজ ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোর মধ্যে মূলত ধর্ম, প্রশাসন, বাণিজ্য এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের বস্তু বেশি দেখা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আনারস
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত পর্তুগীজ শব্দ যা খাদ্য বা ফল বোঝাতে বাংলায় ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: কামিজ
ব্যাখ্যা: এটি পোশাক পরিচ্ছদ সম্পর্কিত একটি পর্তুগীজ শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চাবি — এটি পর্তুগীজ শব্দ হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে।
B) কুপন — এটি একটি ফরাসি শব্দ, তাই এটি পর্তুগীজ শব্দ নয়।
C) তুরুপ — এটি একটি ওলন্দাজ শব্দ, যা তাস খেলার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
D) ডিপো — এটি একটি ফরাসি শব্দ, যা গুদাম বা স্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পর্তুগীজ শব্দ মনে রাখার একটি সহজ ছন্দ হলো, যাজক ও পাদ্রীরা গির্জায় বসে আনারস, পেয়ারা আর পাউরুটি খেলেন এবং আলমারিতে চাবি রাখেন।
- শব্দের উৎস নির্ণয়ের জন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই শব্দগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিদেশি শব্দের উৎস থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন হয়ে থাকে।
- পর্তুগীজ, ফরাসি, ওলন্দাজ এবং ফারসি শব্দের তালিকা আলাদা করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) গড্ডালিকা
১. কেন সঠিক:
- গড্ডালিকা শব্দটি শুদ্ধ কারণ বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এখানে ল এর সঙ্গে ই-কার ব্যবহৃত হয়েছে।
- গড্ডালিকা শব্দের অর্থ হলো ভেড়ার পাল এবং এর সঙ্গে ধারা যুক্ত হয়ে গড্ডলিকাপ্রবাহ বাগধারাটি গঠিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শুদ্ধ বানান বা বানানশুদ্ধি হলো বাংলা ব্যাকরণের এমন একটি অংশ যেখানে শব্দের সঠিক রূপ নির্ধারণ করা হয়।
- বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী তৎসম ও অতৎসম শব্দের বানান নির্ভুলভাবে লিখতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সান্ত্বনা
ব্যাখ্যা: এই বানানটিতে দন্ত্য ন এর পূর্বে ত বর্গীয় ধ্বনি যুক্ত হয়েছে যা সঠিক বানানরীতির অন্তর্ভুক্ত।
উদাহরণ ২: বুদ্ধিজীবী
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে উভয় ই কার দীর্ঘ ই কার হিসেবে ব্যবহৃত হয় যা বানানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গড্ডালিকা - এটি সঠিক উত্তর এবং বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল রূপ।
B) গড্ডালিকা - প্রদত্ত অপশনে একই বানান পুনরাবৃত্ত হয়েছে তবে এটিও মূল নিয়মের বিচারে সঠিক রূপ।
C) গড্ডালীকা - এই বানানে ল এর সঙ্গে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) গড্ডলীকা - এই বানানে ড এর নিচে ফলা এবং ল এর সঙ্গে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের ফলে বানানটি ভুল হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- গড্ডালিকা বানানটি মনে রাখার জন্য ল এ সবসময় হ্রস্ব ই-কার দিতে হয় তা মাথায় রাখতে হবে।
- ভেড়া বা গড্ডল শব্দ থেকে গড্ডালিকা এসেছে এবং এর শেষের ই-কার সবসময় ছোট হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বানান প্রায়ই আসে তাই হ্রস্ব ই-কার ও দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের নিয়মগুলো ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
- একই রকম দেখতে কিন্তু ভিন্ন বানানযুক্ত শব্দগুলো চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
সঠিক উত্তর: B) জাহানারা ইমাম
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি জাহানারা ইমাম কারণ তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর রচিত বিখ্যাত স্মৃতিকথা বা দিনলিপি গ্রন্থ একাত্তরের দিনগুলি রচনা করেছেন।
- এই গ্রন্থটিতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং তার কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ মুক্তিযোদ্ধা শাফি ইমাম রুমির আত্মত্যাগের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সংশ্লিষ্ট লেখক জাহানারা ইমাম একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির অন্যতম প্রধান সংগঠক ছিলেন যিনি শহীদ জননী হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত।
- রচনা বা সাহিত্যকর্মের পরিচিতি হিসেবে একাত্তরের দিনগুলি একটি ঐতিহাসিক স্মৃতিকথা যা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৯২ সালে এবং এটি বাংলাদেশের মুক্তিযিষুদ্ধের দলিল হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জোছনা ও জননীর গল্প
ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস যার রচয়িতা কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ।
উদাহরণ ২: রণাঙ্গন
ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ যার রচয়িতা মেজর রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেজোর রফিকুল ইসলাম — এই লেখক একাত্তরের দিনগুলি গ্রন্থটি লেখেননি তবে তিনি মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য রণাঙ্গন নামক বিখ্যাত গ্রন্থ রচনা করেছেন।
B) জাহানারা ইমাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি একাত্তরের দিনগুলি নামক প্রখ্যাত মুক্তিযুদ্ধের দিনলিপির রচয়িতা।
C) হুমায়ুন আহমেদ — এই লেখক একাত্তরের দিনগুলি লেখেননি তবে তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আগুনের পরশমণি ও জোছনা ও জননীর গল্প উপন্যাস লিখেছেন।
D) হাসান ইমাম — এই ব্যক্তি একাত্তরের দিনগুলি গ্রন্থের লেখক নন বরং তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত অভিনেতা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও নাট্যনির্দেশক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- একাত্তরের দিনগুলি গ্রন্থটি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লেখা যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের দিনলিপিভিত্তিক একটি অনন্য ঐতিহাসিক দলিল।
- মুক্তিযুদ্ধের দিনলিপি মানেই জাহানারা ইমাম এবং তার বীর পুত্র রুমির অবদানের কথা মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতিকথা ও উপন্যাসের লেখকের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- একই ধরনের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থের মধ্যে শহীদ জননীর একাত্তরের দিনগুলি এবং মেজর রফিকুল ইসলামের রণাঙ্গন ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) রোসাঙ্গ
১. কেন সঠিক:
কবি আলাওল সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং তিনি আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে পরিচিত ছিলেন, যা সে সময়ে রোসাঙ্গ রাজসভা নামে খ্যাত ছিল।
রোসাঙ্গ রাজসভার অমাত্য বা মন্ত্রীদের পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য পদ্মাবতীসহ বিভিন্ন কাব্য রচনা করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি আলাওল মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার রোসাঙ্গ রাজদরবারে রাজকীয় পৃষ্ঠপোষণ লাভ করেছিলেন এবং তৎকালীন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে বাংলা ভাষার চর্চা করেছিলেন।
তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা পদ্মাবতী ছাড়াও সতী ময়না লোরচন্দ্রানী, সপ্তপয়কর, সিবুলনামা এবং দফতর উল্লেখযোগ্য কাব্যকর্ম যা রোসাঙ্গ রাজসভার নির্দেশেই রচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দৌলত কাজী
ব্যাখ্যা: কবি আলাওলের পূর্বে রোসাঙ্গ রাজসভার আরেক প্রখ্যাত বাঙালি কবি দৌলত কাজী লোরচন্দ্রানী কাব্য রচনা শুরু করেছিলেন।
উদাহরণ ২: মীর বরকতুল্লাহ
ব্যাখ্যা: রোসাঙ্গ রাজসভার আরেক বাঙালি কবি ও মন্ত্রী মীর বরকতুল্লাহর অনুরোধে কবি আলাওল সপ্তপয়কর কাব্যটি বাংলায় অনুবাদ করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিথিলা — মিথিলা প্রাচীন ও মধ্যযুগের মৈথিলি ভাষার সাহিত্যচর্চার কেন্দ্র ছিল, যেখানে বিদ্যাপতি ও উমাপতি ধরের মতো কবিরা সাহিত্য সাধনা করেছিলেন।
B) কৃষ্ণনগর — কৃষ্ণনগর নবদ্বীপ অঞ্চলের অংশ যেখানে পরবর্তী সময়ে রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভায় ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর রাজকবি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
D) ত্রিপুরা — ত্রিপুরা রাজসভায় কৃত্তিবাস ও শ্রীধর কথকসহ অন্যান্য কবিরা আশ্রয় পেলেও কবি আলাওল সেখানে ছিলেন না।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগের রোসাঙ্গ বা আরাকান রাজসভা বললেই কবি আলাওলের নাম সবার আগে মনে রাখতে হবে কারণ তাঁর সাহিত্যকর্মের মূল ভিত্তি ছিল এই রাজসভা।
আলাওলের সাহিত্যিক জীবনের প্রায় পুরো সময়টাই কেটেছে রোসাঙ্গ রাজসভার মন্ত্রী ও আমাত্যদের সান্নিধ্যে ও পৃষ্ঠপোষকতায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবিদের অবদান এবং আরাকান রাজসভার কবিদের তালিকা থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
একইভাবে দৌলত কাজী ও কোরেশী মাগন ঠাকুরের সাহিত্যকর্মের সঙ্গে রোসাঙ্গ রাজসভার সম্পর্ক ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) আগুনের পরশমনি
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করা হয়েছে কারণ আগুনের পরশমনি একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোর বাস্তবচিত্র ও সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই উপন্যাসের রচয়িতা কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার হুমায়ূন আহমেদ।
- এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যেখানে অবরুদ্ধ ঢাকার মধ্যবিত্ত পরিবারের একটি বিশেষ অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জোছনা ও জননীর গল্প
ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: একাত্তরের দিনগুলি
ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমাম রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চোখের বালি - এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে লেখা।
B) আনোয়ারা - এটি মৌলভী মোহাম্মদ নজিবুল্লাহ সাহিত্যরত্ন রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
D) পথের পাঁচালী - এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি গ্রামীণ জীবনভিত্তিক ও প্রকৃতিচেতন মূলক উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখার জন্য আগুনের পরশমনি ও জোছনা ও জননীর গল্প নাম দুটি বারবার চর্চা করতে পারো।
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট মাথায় রাখলে উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু সহজেই মনে রাখা সম্ভব।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ও রচয়িতার নাম জানতে চাওয়া হয়।
- তাই প্রখ্যাত লেখকদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে আলাদাভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) মুখরা রমণী বশীকরণ
১. কেন সঠিক:
- মুনীর চৌধুরী উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের দ্য টেমিং অব দ্য শ্রু নাটকের বাংলা অনুবাদ করেন মুখরা রমণী বশীকরণ নামে।
- অনুবাদ সাহিত্য বলতে অন্য ভাষার সাহিত্যকে সৃজনশীলভাবে নিজের ভাষায় রূপান্তর করা বোঝায়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মুনীর চৌধুরী বাংলাদেশের প্রখ্যাত নাট্যকার, শিক্ষাবিদ এবং শহীদ বুদ্ধিজীবী।
- ১৯৬০ সালে বাংলা একাডেমির উদ্যোগে শেক্সপিয়ারের এই নাটকটি বাংলায় অনূদিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কিষাণ কায়কোবাদ
ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরীর আরেকটি অনূদিত নাটক যা বার্নার্ড শ এর প্লে অব ক্যান্ডিডার ছায়া অবলম্বনে রচিত।
উদাহরণ ২: মুখরা রমণী বশীকরণ
ব্যাখ্যা: এটি ইংরেজি সাহিত্যের ক্ল্যাসিক কমেডির সফল বাংলা রূপান্তর যা নাট্যসাহিত্যে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কবর — এটি মুনীর চৌধুরীর নিজস্ব মৌলিক নাটক যা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত।
B) মুখরা রমণী বশীকরণ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) রক্তান্ত প্রান্তর — এটি মুনীর চৌধুরীর মৌলিক ঐতিহাসিক নাটক যা পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত।
D) চিঠি — এটি মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক নয় বরং এটি অন্য কোনো লেখকের সাহিত্যকর্ম।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মুনীর চৌধুরীর অনুবাদ নাটক মনে রাখার সহজ উপায় হলো শেক্সপিয়ারের রমণী বশ করা নাটকটি তিনি বাংলায় রূপান্তর করেছিলেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুনীর চৌধুরীর মৌলিক ও অনুদিত নাটক আলাদা করতে বলা হয়।
- কবর নাটকটি ভাষাভিত্তিক নাটকের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নাম।
সঠিক উত্তর: D) জহির রায়হান
১. কেন সঠিক:
- বরফ গলা নদী উপন্যাসটির রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান।
- ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে মধ্যবিত্ত সমাজের জীবনযাত্রা এবং মনস্তাত্ত্বিক সংকটের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জহির রায়হান আধুনিক বাংলা উপন্যাসের ধারায় এক অবিস্মরণীয় নাম যিনি ভাষা আন্দোলনের সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন।
- তার এই উপন্যাসে তৎকালীন সামাজিক প্রেক্ষাপট এবং মানুষের ভেতরের আবেগ ও সংগ্রামের রূপ খুব সুন্দরভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শেষের কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা বাংলা সাহিত্য জগতে অত্যন্ত সমাদৃত।
উদাহরণ ২: লালসালু
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি প্রখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, যা গ্রামীণ সমাজের কুসংস্কার নিয়ে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি বরফ গলা নদী উপন্যাসের লেখক নন, তবে তিনি ক্রীতদাসের হাসি ও প্রাচ্য উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত।
B) আব্দুল ফজল — তিনি এই উপন্যাসের রচয়িতা নন, তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে চৌচির বিশেষভাবে পরিচিত।
C) শওকত আলী — তিনি বরফ গলা নদী লেখেননি, তবে তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো ওয়ারী ও প্রদোষে প্রাকৃতজন।
D) জহির রায়হান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই এই উপন্যাসটি লিখেছেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জহির রায়হানের বরফ গলা নদী এবং হাজার বছর ধরে উপন্যাস দুটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- লেখকের নামের সঙ্গে উপন্যাসের নাম জোড়া লাগিয়ে মনে রাখার কৌশল অনুশীলন করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঔপন্যাসিক ও তাদের প্রথম বা বিখ্যাত উপন্যাস প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি জহির রায়হানের সাহিত্যিক প্রতিভার অন্যতম সেরা নিদর্শন।
সঠিক উত্তর: C) ১৯১৩ সালে
১. কেন সঠিক:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি তাঁর গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ সংগ অফারিংস এর জন্য এ সম্মান অর্জন করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি ও ঔপন্যাসিক। তিনি ১৯১৩ সালে প্রথম এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করে বিশ্বদরবারে বাংলাকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গীতাঞ্জলি
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান।
উদাহরণ ২: সোনালী কাবিন
ব্যাখ্যা: এটি আল মাহমুদের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা আধুনিক বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯১৪ সালে — এটি সঠিক নয় কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর আগেই নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন।
B) ১৯১৫ সালে — এই সালে তিনি নোবেল পুরস্কার পাননি বরং ১৯১৩ সালে লাভ করেছিলেন।
C) ১৯১৩ সালে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ঐতিহাসিক সত্য।
D) ১৯১৪ সালে — এই অপশনটি পুনরাবৃত্ত হয়েছে এবং এটি সঠিক উত্তরের সাল নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল প্রাপ্তির সাল মনে রাখতে সংখ্যাগুলো এভাবে মনে রাখতে পারো যে তেরো সংখ্যাটি তাঁর জন্য সৌভাগ্য বয়ে এনেছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে রবীন্দ্রনাথ কত সালে নোবেল পান এবং কোন গ্রন্থের জন্য পান। সালটি হলো ১৯১৩ এবং গ্রন্থটি হলো গীতাঞ্জলি।
সঠিক উত্তর: B) বর্ণচোরা
১. কেন সঠিক:
- 'যে আপনার রং লুকায়' এই বাক্যের এককথায় প্রকাশ হলো বর্ণচোরা।
- বাংলা ভাষায় এই বাগধারা বা এককথায় প্রকাশটি এমন একজন মানুষকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যে বাইরে থেকে সরল বা ভালো মানুষ সেজে থাকে কিন্তু ভেতরে ভেতরে শঠ বা প্রতারক স্বভাবের হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- কোনো বড় ভাব, বাক্য বা বাক্যাংশকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই এককথায় প্রকাশ গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমড়া কাঠের ঢেঁকি
ব্যাখ্যা: এটি দিয়ে অপদার্থ বোঝানো হয়, যা বর্ণচোরা শব্দের মতো মানুষের বিশেষ চরিত্র প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: দুধের মাছি
ব্যাখ্যা: সুসময়ের বন্ধু বোঝাতে এই এককথায় প্রকাশ বা বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অদৃশ্য — এর অর্থ যা চোখে দেখা যায় না, তাই এটি সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না।
B) বর্ণচোরা — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ যা নিজের রং বা চরিত্র লুকিয়ে রাখে।
C) ভূতপূর্ব — এর অর্থ যা পূর্বে ছিল কিন্তু এখন নেই, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ফুলেল — এর অর্থ ফুল দিয়ে প্রস্তুত বা শোভিত, তাই এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বর্ণ মানে চরিত্র বা রূপ এবং চোরা মানে লুকিয়ে রাখা।
- মানুষের রূপ বা চরিত্র লুকিয়ে রাখাকে বর্ণচোরা মনে রাখতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বভাব ও চরিত্র বোঝাতে এই ধরনের এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে।
- শব্দের মূল অর্থ এবং ব্যবহারের ক্ষেত্র ভালোভাবে বুঝে পড়লে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর সহজে দেওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- 'বীরবল' হলো প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত ছদ্মনাম। তিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষার প্রবর্তক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক প্রবন্ধ রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখক ও তাদের ছদ্মনাম সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, যা মনে রাখা জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমথ চৌধুরী আধুনিক বাংলা সাহিত্যে প্রথম গুরুগম্ভীর সাধু রীতির পরিবর্তে হালকা, চটুল অথচ গভীর ভাবপূর্ণ চলিত ভাষার প্রবর্তন করেন।
- তিনি 'সবুজ পত্র' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং বাংলা সাহিত্যে বীরবলী ধারার প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ
ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী তার বিখ্যাত প্রবন্ধগুলো 'বীরবল' ছদ্মনামে সবুজ পত্রিকায় লিখতেন।
উদাহরণ ২: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম বনফুল
ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যে লেখকরা তাদের আসল নামের পরিবর্তে অনেক সময় ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দীনেশচন্দ্র সেন — ইনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা এবং গবেষক, যার কোনো বিখ্যাত ছদ্মনাম নেই।
B) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর।
C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক, তবে তার কোনো পরিচিত ছদ্মনাম নেই।
D) বিষ্ণু দে — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার কল্লোল যুগের একজন প্রখ্যাত কবি, তবে 'বীরবল' তার ছদ্মনাম নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রমথ চৌধুরীর জন্ম ১৮৬৮ সালে এবং তিনি বীরবল ছদ্মনামে লিখতেন, মনে রাখার জন্য প্রমথ ও বীরবল একসাথে স্মরণ করা যায়।
- সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম মনে রাখার জন্য একটি ছোট তালিকা তৈরি করে প্রতিদিন একবার চোখ বুলানো কার্যকর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম থেকে প্রতি বছরই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় এক বা দুটি প্রশ্ন থাকে।
- বনফুল, ভনিতা, টেকচাঁদ ঠাকুর এবং প্যারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনামগুলোও একইভাবে পড়ে রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ শামসুল হক
১. কেন সঠিক:
- 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত কাব্য নাটক।
- বিশিষ্ট সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হক ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে কাব্য নাটকটি রচনা করেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ শামসুল হক বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার।
- 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' কাব্য নাটকে মূলত ১৯৭১ সালের ঘাতক বাহিনীর বর্বরতা ও গ্রামীণ মানুষের মনস্তাত্ত্বিক রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নূরলদীনের সারা জীবন
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি ঐতিহাসিক ও জনপ্রিয় কাব্য নাটক।
উদাহরণ ২: ঈর্ষা
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হক রচিত অত্যন্ত প্রখ্যাত একটি কাব্য নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবদুল্লাহ আল মামুন — তিনি প্রখ্যাত নাট্যকার হলেও আলোচ্য কাব্য নাটকের রচয়িতা নন।
B) সৈয়দ শামসুল হক — এটি সঠিক উত্তর।
C) মমতাজ উদ্দীন আহমেদ — তিনি 'কিংশুক তবুও' বা 'স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা' নাটকের জন্য পরিচিত হলেও এই নাটকের রচয়িতা নন।
D) মামুনুর রশীদ — তিনি বিশিষ্ট নাট্যকার ও নির্দেশক হলেও এই কাব্য নাটকটি তাঁর লেখা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পায়ের আওয়াজ শুনলেই মনে রাখবে এটি সৈয়দ শামসুল হকের যুদ্ধের পটভূমিতে লেখা কাব্য নাটক।
- তাঁর নাটকের নামের শুরুতে প্রায়ই কাব্যিক ও গভীর ভাব প্রকাশ পায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- কাব্য নাটক চেনার জন্য নাটকের লেখকের নাম এবং রচনার ধরন ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনি
১. কেন সঠিক:
- ভাষার মূল উপাদান ধ্বনি কারণ যেকোনো ভাষার মৌখিক রূপের ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি এবং এর মাধ্যমেই ভাষার সৃষ্টি হয়।
- ধ্বনি উচ্চারিত হয়ে কানের মাধ্যমে গ্রথিত হয়ে মানুষের মনের ভাব প্রকাশ করে এবং লেখার সময় এর রূপ হয় বর্ণ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- ধ্বনি হলো মানুষের বাকযন্ত্রের সাহায্যে উচ্চারিত আওয়াজ বা শব্দ যা অর্থপূর্ণভাবে ভাষা গঠন করে।
- বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত, যথা স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ, আ, ক, খ
ব্যাখ্যা: এগুলো হলো বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনি বা বর্ণ যা দিয়ে শব্দ গঠিত হয়।
উদাহরণ ২: মা, বাবা
ব্যাখ্যা: ধ্বনিগুলো একত্রিত হয়ে অর্থপূর্ণ শব্দ তৈরি করে ভাষার মূল কাঠামো দাঁড় করায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শব্দ — একাধিক ধ্বনি বা বর্ণ পাশাপাশি বসে অর্থ প্রকাশ করলে তাকে শব্দ বলে, যা ভাষার মূল উপাদান নয় বরং ধ্বনির পরবর্তী ধাপ।
B) পদ — বাক্য ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতুকে পদ বলে, যা ভাষার প্রাথমিক উপাদান নয় বরং বাক্যের উপাদান।
C) অক্ষর — উচ্চারণের একক হলো অক্ষর বা সিলেবল, যা ধ্বনির চেয়ে বড় এবং ভাষার মূল উপাদান হিসেবে গণ্য হয় না।
D) ধ্বনি — এটি ভাষার মূল উপাদান হিসেবে সর্বস্বীকৃত কারণ ধ্বনি থেকেই শব্দ, পদ এবং বাক্য তৈরি হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ভাষা মানেই কথা, আর কথা আসে মুখ থেকে উচ্চারিত ধ্বনি থেকে।
- তাই ভাষার মূল উপাদান বা ভিত্তি হলো ধ্বনি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ভাষার মূল উপাদান কী, যার উত্তর সবসময় ধ্বনি হবে।
- যদি প্রশ্ন আসে ভাষার মৌলিক উপাদান কয়টি বা কী, তবে ধ্বনি ও অর্থ উভয়ই বিবেচনা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) arraign
কেন সঠিক:
- 'arraign' একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ আদালতে কাউকে অভিযুক্ত করা বা দোষী সাব্যস্ত করা।
- বানানটিতে শব্দের শেষে 'g' বর্ণটি নীরব থাকে কিন্তু গঠনের নিয়ম অনুযায়ী তা যুক্ত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) arrain — এই বানানটি ভুল কারণ এর শেষে 'g' বর্ণটি বাদ দেওয়া হয়েছে।
B) arraign — এটি সঠিক বানান যার অর্থ আদালতে অভিযুক্ত করা।
C) arrein — এই বানানটি ভুল কারণ এতে ভুল স্বরবর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে।
D) arrign — এই বানানটি ভুল কারণ এতে মাঝখানের 'a' বর্ণটি অনুপস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটির শেষে ai এবং gn আছে, অর্থাৎ ar-raig-n এভাবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) One in a blue moon
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ইডিয়ামের সঠিক রূপ হলো Once in a blue moon যার অর্থ কদাচিৎ বা খুব বিরল ঘটনা।
- প্রদত্ত অপশনে One ব্যবহার করায় এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল ফ্রেজ বা ইডিয়ামে পরিণত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) In a nutshell — এটি একটি সঠিক ফ্রেজ যার অর্থ সংক্ষেপে বা অল্প কথায়।
B) A forgone conclusion — এটি একটি সঠিক ফ্রেজ যার অর্থ পূর্বনির্ধারিত বা অবশ্যম্ভাবী ফলাফল।
C) One in a blue moon — এটি ভুল ফ্রেজ কারণ সঠিক ইডিয়ামটি হবে Once in a blue moon।
D) By leaps and bounds — এটি একটি সঠিক ফ্রেজ যার অর্থ দ্রুত গতিতে বা দিন দিন।
মনে রাখার টিপস:
ব্লু মুম ইডিয়ামের ক্ষেত্রে One না লিখে Always Once ব্যবহার করতে হয় কারণ এটি সময় বোঝায়।
সঠিক উত্তর: D) Discuss the matter in detail.
কেন সঠিক:
- ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী বিস্তারিত অর্থে in detail সঠিক ফ্রেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- কোনো বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা বোঝাতে Discuss the matter in detail বাক্যটি সম্পূর্ণ নির্ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Someone is knocking in the door. — দরজায় কড়া নাড়ার ক্ষেত্রে knocking ইন এর পরিবর্তে at the door হয়।
B) They have gone for walk. — হাঁটার জন্য যাওয়ার ক্ষেত্রে for walk এর আগে একটি আর্টিকেল a বসে।
C) My son does not like the vegetable. — নির্দিষ্ট কোনো সবজির বদলে সামগ্রিক অর্থে vegetables বহুবচন ব্যবহৃত হয়।
D) Discuss the matter in detail. — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত ইংরেজি বাক্য।
মনে রাখার টিপস:
ডিটেইলস বোঝাতে ইন ডিটেইল ফ্রেজটি মনে রাখবে এবং দরজায় টোকা দেওয়ার ক্ষেত্রে নক অ্যাট দ্য ডোর ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) worse
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণে কিছু অ্যাডজেক্টিভ সম্পূর্ণ অনিয়মিতভাবে পরিবর্তিত হয় এবং ডিগ্রি পরিবর্তনের সময় তাদের রূপ পুরোপুরি বদলে যায়।
- 'bad' শব্দটির পজিটিভ রূপের ক্ষেত্রে তুলনামূলক ডিগ্রি বোঝাতে কোনো সাফিক্স যুক্ত না হয়ে সরাসরি 'worse' ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) badder — ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'bad' শব্দের সাথে 'er' যুক্ত করে কম্পারেটিভ ডিগ্রি গঠন করা যায় না কারণ এটি অনিয়মিত রূপ।
B) baddest — এটি ভুল কারণ সুপারলেটিভ ডিগ্রির ক্ষেত্রে 'bad'-এর সঠিক রূপটি 'worst' হয়, 'baddest' কোনো প্রমিত শব্দ নয়।
C) worse — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা পজিটিভ শব্দ 'bad'-এর সঠিক কম্পারেটিভ ডিগ্রি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) worser — এটি একটি অপ্রচলিত এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল রূপ, যা আধুনিক ইংরেজিতে গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
অনিয়মিত রূপের ক্ষেত্রে মনে রাখুন: bad এর কম্পারেটিভ worse এবং সুপারলেটিভ worst হয়।
সঠিক উত্তর: C) over
কেন সঠিক:
- Run over একটি উপযুক্ত ফ্রেজ, যার অর্থ গাড়ি বা অন্য কোনো বাহন দ্বারা কাউকে বা কোনো কিছুকে চাপা দেওয়া।
- বাক্যে ছাগলটিকে একটি গাড়ি চাপা দিয়েছিল বোঝাতে run over ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) off — Run off অর্থ পালিয়ে যাওয়া বা কোনো তরল পেছলিয়ে পড়া, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
B) of — Run of বলতে সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট সময় বা স্থানের ধারাবাহিকতা বোঝায়, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) over — এটি সঠিক উত্তর, কারণ run over অর্থ গাড়ি দিয়ে চাপা দেওয়া।
D) Up — Run up অর্থ ঋণ বা খরচ বৃদ্ধি করা কিংবা কোনো কিছুর দিকে দৌড়ে যাওয়া, যা এই বাক্যের জন্য সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
গাড়ি বা কোনো যানবাহন কাউকে চাপা দিলে ইংরেজিতে run over ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) yolk
কেন সঠিক:
- 'Yolk' শব্দের অর্থ ডিমের কুসুম, যা অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং প্রোটিন ও চর্বিতে সমৃদ্ধ।
- শূন্যস্থানে ডিমের কুসুম বোঝাতে সঠিক বানান ও অর্থের দিক থেকে 'yolk' শব্দটি যথাযথ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) yoxe — এটি কোনো সঠিক ইংরেজি শব্দ নয় এবং এর কোনো অর্থ নেই।
B) yolk — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ডিমের কুসুম।
C) yocn — এটি কোনো ইংরেজি অভিধানভুক্ত শব্দ নয়।
D) yoke — এর অর্থ জোঁয়াল বা কাটার, যা গবাদি পশুর কাঁধে ব্যবহার করা হয় এবং এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ডিমের কুসুম বা 'yolk' বানানে এল (l) অক্ষরটি থাকে, যা জোঁয়াল বা 'yoke' শব্দ থেকে আলাদা করতে সাহায্য করে।
সঠিক উত্তর: C) I saw him on the way all of a sudden.
কেন সঠিক:
- হঠাৎ দেখা হওয়া অর্থে 'see' বা 'meet' এর সাথে 'on the way' এবং 'all of a sudden' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে 'হঠাৎ' বোঝাতে 'all of a sudden' সঠিক ফ্রেজ এবং পথ বোঝাতে 'on the way' সঠিক প্রিপজিশনাল ফ্রেজ ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I saw him on the way all off a sudden. — এখানে 'off' শব্দের বানান ভুল আছে, সঠিক ফ্রেজে 'of' ব্যবহৃত হয়।
B) I met him on the way all for a sudden. — এখানে 'all for a sudden' ভুল ফ্রেজ, সঠিক রূপ হলো 'all of a sudden'।
C) I saw him on the way all of a sudden. — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক এবং নির্ভুল অপশন।
D) I met him in the way all by a sudden. — এখানে 'in the way' ভুল ব্যবহার এবং 'all by a sudden' ভুল ফ্রেজ।
মনে রাখার টিপস:
হঠাৎ বোঝাতে সব সময় 'all of a sudden' ফ্রেজটি ব্যবহার করবে এবং রাস্তায় বোঝাতে 'on the way' ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) Dermatology
কেন সঠিক:
- 'Dermatology' হলো চিকিৎসা বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা ত্বক, চুল এবং নখের রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা নিয়ে কাজ করে।
- গ্রিক শব্দ ডার্মা যার অর্থ ত্বক এবং লজিয়া যার অর্থ অধ্যয়ন, এই দুটি শব্দ মিলে চিকিৎসা বিজ্ঞানের এই শাখার নামকরণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Darmitology — এটি একটি বানানগত ভুল শব্দ এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের কোনো সঠিক পরিভাষা নয়।
B) Dermitology — এটিও ডার্মাটোলজি শব্দের একটি ভুল বানান, তাই এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না।
C) Dermatology — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি চর্মরোগ সংক্রান্ত চিকিৎসার সঠিক ইংরেজি পরিভাষা।
D) Dormatologyans — এটি অর্থহীন একটি শব্দ এবং এটি কোনো চিকিৎসা বিজ্ঞানের শাখা বা রোগ নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
ডার্মা শব্দের অর্থ ত্বক, তাই ত্বক সম্পর্কিত চিকিৎসা বিজ্ঞান হলো ডার্মাটোলজি।
সঠিক উত্তর: D) noun
কেন সঠিক:
- বাক্যে Flying শব্দটি Gerund হিসেবে বসেছে, যা মূলত Verb এবং Noun এর কাজ একসাথে করে।
- এটি বাক্যের Subject হিসেবে কাজ করছে এবং একটি কাজের নাম বোঝাচ্ছে, তাই এটি Noun।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) verb — এটি কেবল কাজ করা বোঝায় না, বরং বাক্যের Subject হিসেবে অবস্থান করছে তাই এটি Verb নয়।
B) adverb — এটি কোনো স্থান, কাল বা কাজের ধরন বোঝাচ্ছে না, তাই এটি Adverb হতে পারে না।
C) adjective — এটি কোনো Noun বা Pronoun এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না, তাই এটি Adjective নয়।
D) noun — প্রদত্ত উত্তর সঠিক, কারণ এটি বাক্যের Subject এবং একটি জেরাডিয়াল Noun হিসেবে কাজ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি বাক্যে Subject বা Object এর কাজ করে এবং Noun এর ন্যায় অর্থ দেয়, তবে তাকে Noun বা Gerund বলে।
সঠিক উত্তর: B) adverb
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে 'earlier' শব্দটি 'have returned' ভার্বটিকে মডিফাই বা বিশেষিত করছে।
- ভার্বকে কীভাবে, কখন বা কোথায় প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা অ্যাডভার্ব হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) noun — এটি কোনো নাম বা বিশেষ্য নয়, কারণ এটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম বোঝাচ্ছে না।
B) adverb — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক, কারণ এটি ভার্বের কাজের সময় বা অবস্থা নির্দেশ করছে।
C) adjective — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না।
D) preposition — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের পূর্বে বসে অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করছে না।
মনে রাখার টিপস:
ভার্ব বা ক্রিয়াকে কখন (when) প্রশ্ন করে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত অ্যাডভার্ব অব টাইম হয়।
সঠিক উত্তর: A) at
কেন সঠিক:
- কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য বা প্রাণীর দিকে আক্রমণাত্মকভাবে ছুটে যাওয়া বোঝাতে run-এর পর at preposition ব্যবহৃত হয়।
- কুকুরটি শেয়ালটির দিকে তেড়ে যাচ্ছে বা আক্রমণ করতে ছুটছে, এমন অর্থ প্রকাশ করায় at সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) at — এটি সঠিক কারণ এটি কোনো কিছুর দিকে আক্রমণ বা নির্দিষ্ট লক্ষ্য বোঝায়।
B) for — এই preposition বসালে অর্থ দাঁড়ায় শেয়ালটির জন্য দৌড়াচ্ছে, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
C) to — run to অর্থ কোনো নির্দিষ্ট স্থানে দৌড়ে যাওয়া, এখানে শেয়াল কোনো স্থান নয়।
D) off — run off অর্থ পালিয়ে যাওয়া, যা বাক্যের বাকি অংশের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
আক্রমণ করার উদ্দেশ্যে বা তেড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে run-এর পরে at বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Phenomenon
কেন সঠিক:
- Phenomenon শব্দটির শেষে on আছে যা গ্রিক বা ল্যাটিন একবচন শব্দের গঠন নির্দেশ করে।
- এর বহুবচন হলো Phenomena, যা একে একটি নিশ্চিত singular noun বা একবচন হিসেবে প্রমাণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Scissors — এটি সর্বদা plural noun হিসেবে ব্যবহৃত হয় কারণ এটি দুটি সমান অংশ নিয়ে গঠিত।
B) Phenomenon — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর বহুবচন রূপ হলো phenomena।
C) Spectacles — এটি একটি plural noun কারণ চশমার দুটি কাঁচ বা ফ্রেমের দুটি অংশ থাকে।
D) Measles — শব্দের শেষে s থাকলেও এটি একটি রোগ বোঝায় এবং এটি singular noun।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দের শেষে on থাকে যেমন phenomenon বা datum, সাধারণত সেগুলোর শেষে a যোগ করে বহুবচন করা হয় এবং এরা একবচন হয়।
সঠিক উত্তর: C) তুলনামূলক
কেন সঠিক:
- ইংরেজি শব্দ Comparative-এর বাংলা পরিভাষা হলো তুলনামূলক, যা সাধারণত কোনো দুটির মধ্যে তুলনা বোঝাতে ব্যাকরণে বা সাধারণ অর্থে ব্যবহার করা হয়।
- এটি ইংরেজি Adjective-এর একটি ডিগ্রি, যা দুটি ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে তুলনা প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাম্যবাদ — এটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক একটি মতবাদ, যার ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Communism এবং এর সাথে তুলনার কোনো সম্পর্ক নেই।
B) খেসারত — এই শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Compensation বা Damages, যা কোনো ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
C) তুলনামূলক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য এবং এটি Comparative শব্দের সঠিক বাংলা অর্থ।
D) প্রতিযোগিতা — এই শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Competition বা Contest, যা তুলনার সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Compare অর্থ তুলনা করা, আর সেখান থেকেই এসেছে Comparative যার অর্থ তুলনামূলক।
সঠিক উত্তর: A) a
কেন সঠিক:
- কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুর নামের আগে গুণবাচক তুলনা বোঝাতে Proper Noun-এর পূর্বে Indefinite Article বসে।
- এখানে মেসি বলতে ফুটবল খেলোয়াড় লিওনেল মেসিকে নির্দিষ্ট না করে তার মতো প্রতিভাবান কাউকে বোঝানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a — Proper Noun-এর পূর্বে তার মতো গুণসম্পন্ন কেউ বোঝাতে এই অপশনটি সঠিক।
B) an — Messi শব্দটির শুরু Consonant দিয়ে হওয়ায় এখানে an বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) the — নির্দিষ্ট করে কাউকে বোঝাতে the বসে, কিন্তু এখানে তুলনা করা হয়েছে বিধये এটি প্রযোজ্য নয়।
D) no article — তুলনা বোঝাতে Article ছাড়া বাক্য গঠন করলে তা অসম্পূর্ণ ও ভুল বলে গণ্য হয়।
মনে রাখার টিপস:
বিখ্যাত ব্যক্তির নাম যখন সাধারণ গুণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তখন তার পূর্বে a বা an বসে।
সঠিক উত্তর: C) It is ten o' clock in my watch
কেন সঠিক:
- ঘড়ির ক্ষেত্রে সময়ের ব্যবস্থার জন্য ইন প্রিপজিশন ব্যবহার না করে বাই প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
- সঠিক নিয়ম অনুযায়ী ঘড়িতে সময় বোঝাতে ইন মাই ওয়াচ এর পরিবর্তে বাই মাই ওয়াচ লিখতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I reached home the day before yesterday — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বাক্য কারণ এখানে অতীতকালের নির্দিষ্ট দিন বোঝাতে দ্য ডে বিফোর ইয়েস্টারডে সঠিকভাবেই ব্যবহৃত হয়েছে।
B) The ship is bound for Thailand — এটি সঠিক বাক্য কারণ কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে যাত্রার ক্ষেত্রে বাউন্ড ফর ফ্রেজটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়।
C) It is ten o' clock in my watch — এটি ভুল বাক্য কারণ ঘড়ির সময়ের ক্ষেত্রে ইন এর পরিবর্তে বাই প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
D) I prefer drawing to singing — এটি সঠিক বাক্য কারণ প্রিফার এর পর দুটি জিরান্ডের তুলনার ক্ষেত্রে দেন এর পরিবর্তে টু প্রিপজিশন বসে।
মনে রাখার টিপস:
ঘড়ির ভেতরে সময় দেখা যায় না, তাই ঘড়ি দ্বারা সময় মাপা হয় অর্থে ইন না বসিয়ে সর্বদা বাই মাই ওয়াচ ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Stay
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত প্রশ্নটি ভাষা ও ব্যাকরণ বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত। এখানে প্রদত্ত উত্তরটি ভুল কারণ 'Stay' কোনো জেন্ডার নির্দেশক শব্দ নয়।
- এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হবে 'Stag', যার অর্থ পুরুষ হরিণ এবং এটি একটি Masculine gender.
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Spinster — এটি একটি Feminine gender, যার অর্থ অবিবাহিত নারী।
B) Ewe — এটি একটি Feminine gender, যার অর্থ ভেড়ী বা স্ত্রী ভেড়া।
C) Sow — এটি একটি Feminine gender, যার অর্থ শূকরী বা স্ত্রী শূকর।
D) Stay — এটি মূলত একটি Verb যার অর্থ থাকা, তাই এটি কোনো জেন্ডার নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
বানানের সামান্য পরিবর্তনে ভুল উত্তর দাগানো থেকে সাবধান থাকতে হবে। Stag হলো পুরুষ হরিণ বা Masculine gender.
সঠিক উত্তর: C) G.B. Shaw
কেন সঠিক:
- জর্জ বার্নার্ড শ ঊনিশ ও বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার এবং সাহিত্যিক।
- 'ম্যান অ্যান্ড সুপারম্যান' তাঁর একটি অন্যতম সেরা ও বিখ্যাত দার্শনিক নাটক, যা ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) William Shakespeare — তিনি এলিজাবেথান যুগের নাটক ও ট্র্যাজেডি রচনার জন্য বিখ্যাত, এই নাটকের রচয়িতা নন।
B) Ben Jonson — তিনি মূলত বেন জনসন কমেডি অব হিউমারস রচনার জন্য পরিচিত, এই নাটকের সঙ্গে তার সম্পর্ক নেই।
C) G.B. Shaw — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
D) John Dryden — তিনি রেস্টোরেশন যুগের বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি, এই নাটকটি তার লেখা নয়।
মনে রাখার টিপস:
শ এর সুপারম্যান নাটকটি মনে রাখতে Shaw এবং Superman শব্দের এস বর্ণ দুটি মাথায় রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) Expedite
কেন সঠিক:
- 'Procrastinate' শব্দের বাংলা অর্থ হলো দীর্ঘসূত্রিতা করা, কালক্ষেপণ করা বা কোনো কাজ অকারণে দেরিতে করা।
- 'Expedite' শব্দের অর্থ হলো ত্বরান্বিত করা বা দ্রুত সম্পন্ন করা, যা প্র্রক্রাস্টিনেট শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীতার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Delay — এর অর্থ দেরি করা, যা প্র্রক্রাস্টিনেট শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
B) Expedite — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ দ্রুত সম্পন্ন করা এবং এটি প্র্রক্রাস্টিনেট শব্দের বিপরীত।
C) Carry — এর অর্থ বহন করা, যা এই শব্দের বিপরীত অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
D) Move — এর অর্থ নড়াচড়া করা বা স্থানান্তরিত করা, যা কালক্ষেপণ শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে উপযুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্র্রক্রাস্টিনেট মানে কাজ ফেলে রাখা আর এক্সপেডাইট মানে কাজ দ্রুত শেষ করা।
সঠিক উত্তর: B) Travel
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রশ্নটিতে প্রদত্ত সঠিক উত্তর (D) Migrate সঠিক নয়। Sojourn অর্থ সাময়িক অবস্থান বা ভ্রমণ, যার সবচেয়ে কাছাকাছি সঠিক সমার্থক শব্দ হলো Travel।
কেন সঠিক:
- Sojourn শব্দের অর্থ হলো কোনো স্থানে সাময়িকভাবে অবস্থান করা বা ভ্রমণ করা।
- Travel শব্দের অর্থ ভ্রমণ করা, যা Sojourn শব্দের ভাবার্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Embrace — এর অর্থ আলিঙ্গন করা বা কোনো মতবাদ গ্রহণ করা, যা Sojourn এর সমার্থক নয়।
B) Travel — এর অর্থ ভ্রমণ করা, যা Sojourn শব্দের সাময়িক অবস্থান বা ভ্রমণের সমার্থক হিসেবে সঠিক।
C) Abandon — এর অর্থ পরিত্যাগ করা বা বর্জন করা, যা Sojourn এর বিপরীতার্থক।
D) Migrate — এর অর্থ স্থায়ীভাবে বা দীর্ঘমেয়াদের জন্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলে যাওয়া, যা সাময়িক অবস্থান বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস: Sojourn মানে ভ্রমণের সময় কোথাও কিছুদিনের জন্য থামা, তাই এর সাথে Travel বা ভ্রমণের মিল রয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) William Blake
কেন সঠিক:
- উইলিয়াম ব্লেক প্রধানত একজন বিখ্যাত রোমান্টিক কবি ও চিত্রশিল্পী ছিলেন, কোনো ঔপন্যাসিক ছিলেন না।
- তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে সংস অব ইনোসেন্স এবং সংস অব এক্সপেরিয়েন্স অন্যতম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) William Blake — তিনি ঔপন্যাসিক নন, বরং ইংরেজি সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কবি ও চিত্রশিল্পী ছিলেন।
B) Thomas Hardy — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিশ্বখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন, যার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে টেস অব দ্য ডি'উবারভিলস অন্যতম।
C) Charles Dickens — তিনি উনিশ শতকের ব্রিটিশ সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক ছিলেন, যিনি ডেভিড কপারফিল্ড এবং এ টেল অব টু সিটিজ রচনা করেছেন।
D) Emile Bronte — তিনি বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন, যিনি অমর সৃষ্টি ওয়েদারিং হাইটস উপন্যাসের জন্য চিরস্মরণীয়।
মনে রাখার টিপস:
উইলিয়াম ব্লেক হলেন কবিতার জগতের মানুষ, তাকে উপন্যাসের ভিড়ে খুঁজলে ভুল হবে।
সঠিক উত্তর: C) The boy should not be scolded by you.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটির modal auxiliary verb (should) যুক্ত Active Voice-কে Passive করার নিয়ম হলো অবজেক্ট সাবজেক্ট হবে + should not এর পর be বসবে + মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম (scolded) বসবে।
- Active Voice-এর সাবজেক্ট (You) প্যাসিভ করার সময় by এর পরে অবজেক্ট হিসেবে বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The boy should not be scold by you. — এখানে মূল verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল (scolded) ব্যবহার না করে বেস ফর্ম (scold) ব্যবহার করা হয়েছে।
B) The boy should not have been scold by you. — এখানে ভুল auxiliary verb (should have been) ব্যবহারের পাশাপাশি মূল verb-এর বেস ফর্ম রাখা হয়েছে।
C) The boy should not be scolded by you. — এটি সঠিক অপশন এবং সব grammatical নিয়ম নির্ভুলভাবে মেনে চলেছে।
D) The boy should not have been scolded by you. — এখানে অতিরিক্ত have been ব্যবহারের কারণে বাক্যটির টেন্স পরিবর্তিত হয়ে গেছে।
মনে রাখার টিপস:
Modal auxiliary (shall, should, can, could ইত্যাদি) যুক্ত active voice-কে passive করার সময় auxiliary-র সাথে একটি be যোগ করে মূল verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) ভারত
কেন সঠিক:
- ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট চন্দ্রযান-৩ এর সফল অবতরণের মাধ্যমে ভারত চাঁদে সফল সফট ল্যান্ডিং করা চতুর্থ দেশ হিসেবে ইতিহাস গড়ে।
- এর আগে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীন এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — চীন চাঁদে সফল সফট ল্যান্ডিং করা তৃতীয় দেশ, চতুর্থ দেশ নয়।
B) ভারত — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ভারত চাঁদে সফলভাবে মহাকাশযান অবতরণকারী চতুর্থ দেশ।
সি) রাশিয়া — রাশিয়া এই তালিকার অন্যতম অগ্রগামী দেশ এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন হিসেবে তারা প্রথম দিকেই চাঁদে অভিযান পরিচালনা করে।
ডি) ইসরাইল — ইসরাইল চাঁদে অবতরণের চেষ্টা করলেও তাদের মহাকাশযান সফলভাবে অবতরণ করতে পারেনি।
মনে রাখার টিপস:
চাঁদে সফল দেশের ক্রমানুসারে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন এবং চতুর্থ দেশ হিসেবে ভারতের নাম মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ৩৮
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের ই-পাসপোর্টে আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে সর্বমোট ৩৮ ধরনের আধুনিক নিরাপত্তা ফিচার বা সুরক্ষা বৈশিষ্ট্য সংযুক্ত করা হয়েছে।
- এর মধ্যে দৃশ্যমান ও অদৃশ্য নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যের সমন্বয়ে এটি তৈরি করা হয়েছে যা জাল করা অসম্ভব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪০ — এটি একটি ভুল সংখ্যা কারণ ই-পাসপোর্টের নিরাপত্তা ফিচারের সংখ্যা ৪০ নয়।
B) ৩৫ — এটিও ভুল সংখ্যা কারণ পাসপোর্টে ৩৫টি ফিচার থাকার তথ্যটি সঠিক নয়।
C) ৩৮ — এটি সঠিক অপشن এবং পাসপোর্টের নির্ধারিত নিরাপত্তা ফিচারের সঠিক সংখ্যা।
D) ৪১ — এটি ভুল সংখ্যা কারণ ই-পাসপোর্টের ফিচারের ক্ষেত্রে ৪১ সংখ্যাটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
পাসপোর্টের নিরাপত্তা ফিচার মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ৩৮।
সঠিক উত্তর: C) মৌলভীবাজার জেলায়
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের মোট চা বাগানের সিংহভাগ এই জেলায় অবস্থিত এবং শ্রীমঙ্গলকে চায়ের রাজধানী বলা হয়।
- দেশের বৃহত্তম চা বাগানগুলো মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত হওয়ায় এটি চা উৎপাদনে শীর্ষস্থানে রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পঞ্চগড় জেলায় — এটি দেশের উত্তর অঞ্চলে নতুন চা চাষের জন্য পরিচিত হলেও এখানে মৌলভীবাজারের চেয়ে কম চা বাগান রয়েছে।
B) কক্সবাজার জেলায় — এটি পর্যটন নগরী হিসেবে বিখ্যাত এবং এখানে উল্লেখযোগ্য কোনো চা বাগান নেই।
C) মৌলভীবাজার জেলায় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে সঠিক অপশন হিসেবে এর বিবরণ প্রযোজ্য।
D) সিলেট জেলায় — এখানে কিছু বিখ্যাত চা বাগান থাকলেও মৌলভীবাজারের তুলনায় বাগানের সংখ্যা কম।
মনে রাখার টিপস:
মৌলভীবাজারে মৌমাছির মতো প্রচুর চা বাগান ছড়িয়ে আছে, তাই চা উৎপাদনে এটি সবার আগে।
সঠিক উত্তর: D) কুমিল্লা
কেন সঠিক:
- শালবন বিহার বাংলাদেশের প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার একটি অন্যতম প্রধান নিদর্শন যা কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত।
- অষ্টম শতাব্দীতে দেববংশের রাজা শ্রীভবদেব এটি নির্মাণ করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিনাজপুর — এটি কান্তজীর মন্দির বা ঐতিহাসিক কান্তনগর মন্দিরের জন্য পরিচিত, শালবন বিহার এখানে অবস্থিত নয়।
B) বগুড়া — এটি প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগরী এবং মহাস্থানগড়ের জন্য বিখ্যাত, শালবন বিহারের অবস্থান এখানে নয়।
সি) বাগেরহাট — এটি ষাট গম্বুজ মসজিদ এবং ঐতিহাসিক খান জাহান আলীর স্মृतিবিজড়িত অঞ্চলের জন্য পরিচিত।
D) কুমিল্লা — এটি সঠিক উত্তর কারণ শালবন বিহার কুমিল্লার ময়নামতি পাহাড়ে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
কুমিল্লার ক দিয়ে শালবন বিহারের ইতিহাস এবং ময়নামতি পাহাড়ের অবস্থান মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) ০.৬ অংশ (বা ৬০%)
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ও মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মানুষের দৈনন্দিন আমিষ চাহিদার প্রায় ষাট ভাগ বা শতকরা ৬০ ভাগ পূরণ হয় মাছ থেকে।
- পুষ্টিবিজ্ঞান ও অর্থনৈতিক পরিসংখ্যানের বিচারে প্রাণিজ আমিষের প্রধান ও সবচেয়ে সহজলভ্য উৎস হিসেবে মাছ বাংলাদেশের মানুষের খাদ্যতালিকায় শীর্ষস্থানে রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ০.৫ — এই মানটি ৫০% নির্দেশ করে, যা মাছ থেকে প্রাপ্ত আমিষের প্রকৃত ও হালনাগাদ পরিসংখ্যানের চেয়ে কম।
B) ০.৬ — এটি সঠিক মান যা শতকরা ৬০ ভাগ আমিষের জোগান নির্দেশ করে।
C) ০.৭৫ — এই মানটি ৭৫% নির্দেশ করে, যা অতিরিক্ত বেশি এবং বর্তমান মৎস্য পরিসংখ্যানের সঙ্গে সংগত নয়।
D) ০.৭২ — এই মানটি ৭২% নির্দেশ করে, যা মাছ থেকে প্রাপ্ত আমিষের সঠিক অনুপাতের চেয়ে বেশি।
মনে রাখার টিপস:
মাছ মানেই আমাদের আমিষের প্রধান উৎস, যা মনে রাখতে সংখ্যাটি ০.৬ বা ৬০% হিসেবে হিসাব করবে।
সঠিক উত্তর: B) ২ নম্বর সেক্টর
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং ঢাকা শহর ছিল ২ নম্বর সেক্টরের অধীন।
- এই সেক্টরের প্রথম কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরবর্তী সময়ে মেজর এ টি এম হায়দার এর দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ নম্বর সেক্টর — এটি চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং ফেনী নদী পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল।
B) ২ নম্বর সেক্টর — এটি ঢাকা, কুমিল্লা, নোয়াখালী এবং ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল এবং এটিই সঠিক উত্তর।
C) ৪ নম্বর সেক্টর — এটি সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল এবং খোয়াই শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন বাদে উত্তরপূর্বাঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল।
D) ৫ নম্বর সেক্টর — এটি সিলেট জেলার উত্তরাঞ্চল এবং ডauকি রোড পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা আমাদের রাজধানী এবং রাজধানী জয় করতে দুটি হাত বা দ্বিতীয় সেক্টরের শক্তি প্রয়োজন হয়, এভাবে মনে রাখতে পারেন ঢাকা শহর ২ নম্বর সেক্টরের অধীন ছিল।
সঠিক উত্তর: B) দ্বিতীয়ভাগে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে (অনুচ্ছেদ ৮ থেকে ২৫) রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণিত আছে।
- এই মূলনীতিগুলো আইন প্রণয়নের সময় রাষ্ট্র অনুসরণ করবে, তবে এগুলো আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রথম ভাগে — এই ভাগে প্রজাতন্ত্র, রাষ্ট্রীয় সীমানা, রাষ্ট্রধর্ম এবং জাতির পিতার প্রতিকৃতিসহ সংবিধানের প্রাথমিক ও মৌলিক বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়েছে।
B) দ্বিতীয়ভাগে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানেই রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
C) তৃতীয়ভাগে — এই ভাগে নাগরিকদের জন্য সংরক্ষিত মৌলিক অধিকারসমূহ এবং সেগুলো বলবৎ করার বিধানগুলো বর্ণিত আছে।
D) পঞ্চমভাগে — এই ভাগে বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ, অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ এবং রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানগুলো আলোচনা করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের প্রথম ভাগে রাষ্ট্রের পরিচয় এবং দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বা চলার পথ নির্দেশ করা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) ক্ষমতা ভাগাভাগি
কেন সঠিক:
- ২০১৯ সালে সুদানে দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসক ওমর আল-বশিরের পতনের পর রাজনৈতিক সংকটের সৃষ্টি হয়।
- এই সংকট নিরসনে আন্দোলনকারী ও সামরিক বাহিনী একটি যৌথ সার্বভৌম পরিষদ গঠনে ক্ষমতা ভাগাভাগির চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্ষমতা ভাগাভাগি — এটি সঠিক কারণ চুক্তিটি দেশ পরিচালনার জন্য সামরিক ও বেসামরিক নেতৃত্বের যৌথ অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করেছিল।
B) সংবিধান প্রণয়ন — নতুন সংবিধান প্রণয়ন রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার একটি দীর্ঘমেয়াদী অংশ ছিল, যা এই চুক্তির তাৎক্ষণিক বিষয় ছিল না।
C) নির্বাচন পদ্ধতি — গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পর নির্বাচন আয়োজনের কথা থাকলেও তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ ও সেনাবাহিনীর মধ্যে ক্ষমতার বণ্টনই প্রধান চুক্তি ছিল।
D) বিদ্রোহ দমন — এটি মূলত আইনশৃঙ্খলা ও সামরিক কার্যক্রমের বিষয়, যা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে রাজনৈতিক চুক্তির মূল বিষয়বস্তু ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
সুদানে গণআন্দোলনের পর সেনাবাহিনীর সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগির মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: D) ১৯৪৮
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৯৪৮ সালের ১০ই ডিসেম্বর সার্বজনীন মানবাধিকার সনদ অনুমোদন ও ঘোষণা করে।
- এই সনদের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী মানুষের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতার স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮৭৯ — এই সালে বিশ্ব মানবাধিকার সনদ ঘোষিত হয়নি, এটি এই প্রশ্নের সঠিক সময় নয়।
B) ১৯৫৭ — এই সালে বিশ্ব মানবাধিকার সনদ ঘোষিত হয়নি, এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার বছর।
C) ১৯৪৫ — এই সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, কিন্তু মানবাধিকার সনদ ঘোষিত হয়নি।
D) ১৯৪৮ — এটি সঠিক বছর, কারণ এই সালেই বিশ্ব মানবাধিকার সনদ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৪৮ সালে মানবাধিকার সনদ ঘোষিত হয়।
সঠিক উত্তর: D) চলনবিল
কেন সঠিক:
- পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী সংকটাপন্ন এলাকা বা ইসিএ হিসেবে সরকার বিশেষ প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য রক্ষায় নির্দিষ্ট স্থান ঘোষণা করে।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে হাকালুকি হাওর, সুন্দরবন এবং সোনাদিয়া দ্বীপ সরকারিভাবে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা হলেও চলনবিল এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাকালুকি — এটি বাংলাদেশের একটি অন্যতম বৃহত্তম হাওর এবং এর জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য সরকার একে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করেছে।
B) সুন্দরবন — এটি বিশ্ব ঐতিহ্য এবং দেশের প্রধান ম্যানগ্রোভ বন হওয়ায় এর পরিবেশ সুরক্ষায় একে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
C) সোনাদিয়া দ্বীপ — এর সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশগত গুরুত্বের কারণে সরকার এটিকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছে।
D) চলনবিল — এটি দেশের একটি বৃহৎ প্লাবনভূমি হলেও বর্তমান আইন অনুযায়ী এটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
সুন্দরবন, হাকালুকি ও সোনাদিয়া পরিবেশগত সংকটাপন্ন হলেও চলনবিল এই বিশেষ তালিকার বাইরে রয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) পটুয়াখালী
কেন সঠিক:
- পায়রা সমুদ্র বন্দরটি বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি রাবনাবাদ চ্যানেলের তীরে অবস্থিত বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভোলা — ভোলা একটি দ্বীপ জেলা এবং এটি মেঘনা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত, যেখানে কোনো সমুদ্র বন্দর নেই।
B) বরিশাল — বরিশাল বিভাগীয় শহর হলেও এটি কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত এবং এখানে কোনো সমুদ্র বন্দর নেই।
C) পটুয়াখালী — এই অপশনটি সঠিক কারণ পায়রা সমুদ্র বন্দরটি এই জেলাতেই অবস্থিত।
D) খুলনা — খুলনা জেলায় মংলা সমুদ্র বন্দর অবস্থিত, পায়রা বন্দর নয়।
মনে রাখার টিপস:
পায়রা বন্দর পটুয়াখালীতে অবস্থিত, এভাবে মনে রাখুন প দিয়ে পায়রা এবং প দিয়ে পটুয়াখালী।
সঠিক উত্তর: C) প্যারিস
কেন সঠিক:
- ইউনেস্কো বা জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থার মূল কার্যালয় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত।
- এই সংস্থা বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান ঘোষণা এবং শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রসারে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হেগ — এটি নেদারল্যান্ডসের আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের সদর দপ্তর, ইউনেস্কোর নয়।
B) স্টকহোম — এটি সুইডেনের রাজধানী এবং নোবেল পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান ও পরিবেশ বিষয়ক নানা সূচকের জন্য পরিচিত।
C) প্যারিস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ইউনেস্কোর সদর দপ্তর।
D) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং ওপেকের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর।
মনে রাখার টিপস:
ইউনেস্কো সংস্কৃতির শহর প্যারিসে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) পলাশীর যুদ্ধ
কেন সঠিক:
- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলা এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মধ্যে পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধের পরাজয়ের মাধ্যমেই মূলত ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের ভিত্তি স্থাপিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিপাহী বিপ্লব — এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছিল ১৮৫৭ সালে, ১৭৫৭ সালে নয়।
B) পলাশীর যুদ্ধ — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এই ঐতিহাসিক যুদ্ধটি ১৭৫৭ সালে সংঘটিত হয়েছিল।
C) পানিপথের যুদ্ধ — ভারতের ইতিহাসে পানিপথের যুদ্ধগুলো সংঘটিত হয়েছিল ১৫২৬, ১৫৫৬ এবং ১৭৬১ সালে।
D) জালিয়ান ওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড — এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডটি ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল সংঘটিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
১৭৫৭ সালের সঙ্গে বাংলার স্বাধীনতা হারানোর স্মৃতি জড়িত, যা পলাশীর যুদ্ধ নামে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: A) সার্বিক উন্নয়ন
কেন সঠিক:
- জাইকা (JICA) হলো জাপানের সরকারি উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা, যা বাংলাদেশের অবকাঠামো, যোগাযোগ ও সামাজিক খাতের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে।
- এই সংস্থাটি মূলত ঋণ ও অনুদান সহায়তার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও দারিদ্র্য বিমোচনে বহুমুখী প্রকল্প বাস্তবায়ন করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সার্বিক উন্নয়ন — এটি সঠিক কারণ জাইকা বাংলাদেশের অবকাঠামো, কৃষি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতের সার্বিক উন্নয়নে সহায়তা করে।
B) ধর্ম প্রচার — জাইকা কোনো ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে গঠিত কোনো সংস্থা নয়, এটি একটি অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান।
C) জনসংখ্যা — জাইকা সরাসরি শুধু জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করে না, এটি সামগ্রিক উন্নয়নের অংশ হিসেবে অন্যান্য খাতের সঙ্গে এটিও দেখে।
D) শিশু শিক্ষা — শিশু শিক্ষা জাইকার কাজের একটি ছোট অংশ হতে পারে, কিন্তু এটি সামগ্রিকভাবে শুধু শিশু শিক্ষার জন্য নির্দিষ্ট নয়।
মনে রাখার টিপস:
জাপানি সংস্থা জাইকা মানেই দেশের বড় বড় মেগা প্রজেক্ট এবং সার্বিক উন্নয়নের বন্ধু।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৮৫ সনে
কেন সঠিক:
- দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বা সার্ক ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে এই আঞ্চলিক সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৮৫ সনে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সালেই প্রথম শীর্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে সার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
B) ১৯৮৬ সনে — এই অপশনটি ভুল কারণ সার্ক গঠিত হওয়ার পর প্রথম শীর্ষ সম্মেলন সফলভাবে শেষ হয়।
C) ১৯৮৭ সনে — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি সার্ক গঠনের সাল নয়, এর কার্যক্রম সম্প্রসারণের সময়কাল।
D) ১৯৮৪ সনে — এই অপশনটি ভুল কারণ এই সালে সার্ক গঠনের প্রস্তুতিমূলক বৈঠক হলেও সংস্থাটি গঠিত হয় পরের বছর।
মনে রাখার টিপস:
সার্ক গঠিত হয় ১৯৮৫ সালে এবং এর প্রথম সচিবালয় প্রতিষ্ঠিত হয় নেপালের কাঠমান্ডুতে।
সঠিক উত্তর: C) শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
কেন সঠিক:
- ১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে তিনি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
- তার এই সাহসী দাবির মাধ্যমেই পূর্ব বাংলায় ভাষা আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক সূত্রপাত ঘটেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক — তিনি তৎকালীন বাংলার একজন শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ হলেও গণপরিষদে প্রথম ভাষা প্রস্তাব উত্থাপন করেননি।
B) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — তিনি পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন, তবে গণপরিষদে এই নির্দিষ্ট প্রস্তাবটি তিনি উত্থাপন করেননি।
C) শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই।
D) মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী — তিনি ভাষা আন্দোলন ও রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও গণপরিষদের এই প্রস্তাবের উত্থাপক ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
দ দিয়ে দত্ত এবং দাবি মনে রাখবেন, কারণ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তই প্রথম গণপরিষদে বাংলার দাবি তুলেছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) জাপান
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের মোট স্থায়ী সদস্য সংখ্যা পাঁচটি এবং জাপান এর স্থায়ী সদস্য নয়।
- নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রান্স — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র।
B) যুক্তরাজ্য — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র।
C) জাপান — এটি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়, তবে যুদ্ধোত্তর বিশ্ব রাজনীতিতে এর অর্থনৈতিক প্রভাব রয়েছে।
D) চীন — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র।
মনে রাখার টিপস:
স্থায়ী সদস্য দেশগুলো মনে রাখার সহজ শব্দ হলো ফরাসিরা যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে চীন ও রাশিয়াকে চা খাওয়াল (ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, রাশিয়া)।
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম প্রবাসী সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়।
- তাঁর অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি প্রথম সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন, প্রথম রাষ্ট্রপতি নন।
B) তাজউদ্দীন আহমেদ — তিনি বাংলাদেশের প্রথম সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
C) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
D) এম. মনসুর আলী — তিনি পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারে বঙ্গবন্ধু ছিলেন রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমেদ ছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
সঠিক উত্তর: C) Pointer
১. কেন সঠিক:
পয়েন্টার এমন একটি ভ্যারিয়েবল যা সরাসরি অন্য কোনো ভ্যারিয়েবলের মেমোরি ঠিকানা বা অ্যাড্রেস ধারণ করে।
অন্য সাধারণ ভ্যারিয়েবল যেমন ডেটা সংরক্ষণ করে, পয়েন্টার তেমনি মেমোরির নির্দিষ্ট লোকেশন নির্দেশ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: পয়েন্টার হলো এমন একটি বিশেষ চলক যা অন্য কোনো চলকের মেমোরি অ্যাড্রেস বা ঠিকানা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
কার্যপদ্ধতি: মেমোরি অ্যাড্রেস অপারেটর ব্যবহার করে কোনো ভ্যারিয়েবলের ঠিকানা সংগ্রহ করে পয়েন্টার ভ্যারিয়েবলে রাখা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইনটজার টাইপের একটি ভ্যারিয়েবলের অ্যাড্রেস পয়েন্টারে রাখা।
ব্যাখ্যা: int x = ১০; int *p = &x; এখানে p পয়েন্টারটি x চলকের মেমোরি ঠিকানা ধারণ করে।
উদাহরণ ২: ডাইনামিক মেমোরি এলোকেশন।
ব্যাখ্যা: পয়েন্টার ব্যবহার করে রানটাইমে মেমোরি বরাদ্দ ও নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Break — ব্রেক হলো লুপ বা সুইচ কেস থেকে বের হয়ে আসার একটি কি-ওয়ার্ড, যা অ্যাড্রেস সংরক্ষণ করে না।
B) Int — ইনট বা ইন্টিজার হলো পূর্ণসংখ্যা ডেটা টাইপ, যা শুধুমাত্র সংখ্যা ধারণ করে, কোনো মেমোরি ঠিকানা নয়।
D) Float — ফ্লোট হলো দশমিক সংখ্যা ডেটা টাইপ, যা ভগ্নাংশ মান সংরক্ষণ করে কিন্তু মেমোরি অ্যাড্রেস ধরে রাখতে পারে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
পয়েন্টার মানেই হলো তীরের মতো নির্দেশ করা, যা মেমোরির নির্দিষ্ট ঠিকানাকে নির্দেশ করে।
অ্যাড্রেস রাখার জন্য সি প্রোগ্রামিংয়ে অস্টারিস্ক বা স্টার চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার বিজ্ঞানে মেমোরি অ্যাড্রেস ব্যবস্থাপনার জন্য পয়েন্টার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধারণা।
সি বা সি প্লাস প্লাস প্রোগ্রামিং ভাষায় পয়েন্টার থেকে প্রায়ই চাকরির ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) star
১. কেন সঠিক:
Keyword হলো কিছু সংরক্ষিত শব্দ যেগুলোর পূর্বনির্ধারিত অর্থ কম্পাইলরের কাছে সংরক্ষিত থাকে।
star নামের কোনো সংরক্ষিত শব্দ বা keyword সি ভাষায় নেই, তাই এটি সঠিক উত্তর।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: Keyword হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দ যার অর্থ সি ভাষা প্রস্তুতকারকরা আগে থেকেই নির্ধারণ করে দিয়েছেন।
ব্যবহার: এগুলো ভেরিয়েবল বা ফাংশনের নাম হিসেবে ব্যবহার করা যায় না কারণ এদের নির্দিষ্ট কাজ রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: int x;
ব্যাখ্যা: এখানে int হলো একটি keyword যা পূর্ণসংখ্যা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: struct Student s;
ব্যাখ্যা: এখানে struct হলো একটি keyword যা কাস্টম ডেটা টাইপ তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) struct — এটি সি ভাষার একটি বহুল ব্যবহৃত keyword যা ডেটা স্ট্রাকচার বা ইউজার ডিফাইন্ড ডেটা টাইপ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
B) int — এটি সি ভাষার একটি অপরিহার্য keyword যা ইন্টিজার বা পূর্ণসংখ্যা ডেটা টাইপ ঘোষণা করতে ব্যবহৃত হয়।
C) star — এটি সি ভাষার কোনো keyword নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
D) float — এটি সি ভাষার একটি মৌলিক keyword যা ভগ্নাংশ বা ফ্লোটিং পয়েন্ট ডেটা টাইপ ঘোষণা করতে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সি ভাষায় মোট বত্রিশটি keyword রয়েছে এবং কোনো বিশেষ আকৃতি বা গাণিতিক নাম যেমন star বা circle এর মতো শব্দ সি ভাষার keyword নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সি ভাষার ৩২টি keyword ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে কারণ বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোনটি keyword নয় তা জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: B) Security Point
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটি সাইবার সিকিউরিটি ও ম্যালওয়্যার সম্পর্কিত।
Security Point কোনো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়, এটি একটি ক্ষতিকর সফটওয়্যার বা রোগাক্রান্ত সফটওয়্যার যা ভুয়া অ্যান্টিভাইরাস হিসেবে পরিচিত।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: অ্যান্টিভাইরাস হলো এমন এক ধরনের ইউটিলিটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটার সিস্টেম থেকে ভাইরাস ও অন্যান্য ম্যালওয়্যার শনাক্ত এবং অপসারণ করতে ব্যবহৃত হয়।
কার্যপদ্ধতি: অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার কম্পিউটার সিস্টেমের ফাইল স্ক্যান করে এবং পরিচিত ম্যালওয়ার্থের সিগনেচারের সঙ্গে তুলনা করে হুমকি দূর করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নর্টন অ্যান্টিভাইরাস ফাইল স্ক্যান করে ক্ষতিকর কোড মুছে ফেলে।
ব্যাখ্যা: এটি কম্পিউটারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাকগ্রাউন্ডে নিয়মিত কাজ করে।
উদাহরণ ২: ম্যাকঅ্যাফি ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করা ফাইল পরীক্ষা করে।
ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহারকারীকে ম্যালওয়্যার আক্রমণ থেকে সুরক্ষা প্রদান করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Norton — এটি বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় এবং নির্ভরযোগ্য একটি বাণিজ্যিক অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
B) Security Point — এটি অ্যান্টিভাইরাস নয়, বরং একটি ক্ষতিকর রোগাক্রান্ত সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীকে ভুয়া নিরাপত্তার ভয় দেখায়।
C) Dr. Soloman toolkit — এটি কম্পিউটারের প্রাথমিক দিকের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং ঐতিহাসিক অ্যান্টিভাইরাস টুল।
D) McAfee — এটি বিশ্বখ্যাত সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান যা কম্পিউটার সুরক্ষার জন্য বিশ্বজুড়ে অ্যান্টিভাইরাস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভুয়া অ্যান্টিভাইরাস বা রোগাক্রান্ত সফটওয়্যারগুলো প্রায়ই আসল সুরক্ষার নামে পপ-আপ বার্তা দেখায়।
Norton, McAfee এবং Dr. Soloman হলো পরীক্ষিত অ্যান্টিভাইরাস ব্র্যান্ড।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার সুরক্ষার জন্য ম্যালওয়্যার ও অ্যান্টিভাইরাস সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
নামের সাথে মিল থাকলেই কোনো সফটওয়্যারকে অ্যান্টিভাইরাস হিসেবে ধরে নেওয়া যাবে না।
সঠিক উত্তর: B) OSPF
১. কেন সঠিক:
- OSPF প্রোটোকলে ডাইকস্ট্রা অ্যালগরিদম ব্যবহার করা হয় কারণ এটি সবচেয়ে কম খরচের পথ বা শর্টেস্ট পাথ নির্বাচন করে।
- এই অ্যালগরিদম নেটওয়ার্কের একটি সম্পূর্ণ গ্রাফ তৈরি করে এবং রাউটার থেকে গন্তব্যে পৌঁছানোর দ্রুততম পথ নির্ধারণ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: OSPF হলো ওপেন শর্টেস্ট পাথ ফার্স্ট এবং এটি একটি লিংক স্টেট রাউটিং প্রোটোকল যা আইপি নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হয়।
- কার্যপদ্ধতি: এটি নেটওয়ার্কের সমস্ত রাউটারের কাছে রাউটিং তথ্য প্রচার করে এবং ডাইকস্ট্রা অ্যালগরিদম প্রয়োগ করে সেরা রুট হিসাব করে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি ক্লাসহলেস রাউটিং সমর্থন করে এবং বৃহত আকারের এন্টারপ্রাইজ নেটওয়ার্কে অত্যন্ত দ্রুত কনভার্জেন্স প্রদান করে।
- ব্যবহার: বড় করপোরেট নেটওয়ার্ক এবং আইএসপি রাউটিং ব্যাকবোনে রাউটারগুলোর মধ্যে সেরা পথ খুঁজে পেতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জিপিএস নেভিগেশন সিস্টেম
ব্যাখ্যা: জিপিএস মানচিত্রে যেভাবে আপনার গন্তব্যে পৌঁছানোর সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ও দ্রুততম পথ খুঁজে বের করে, ওএসপিএফ প্রোটোকল রাউটার নেটওয়ার্কে ঠিক একইভাবে ডাইকস্ট্রা অ্যালগরিদম ব্যবহার করে ডেটা পাঠানোর পথ ঠিক করে।
উদাহরণ ২: করপোরেট ডাটা সেন্টার
ব্যাখ্যা: একটি বহুজাতিক কোম্পানির বিভিন্ন শাখার মধ্যে প্রচুর কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে, যেখানে ওএসপিএফ প্রোটোকল নিশ্চিত করে যেন ডেটা সবচেয়ে কম সময়ে ও কম ট্রাফিকে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ARP — এটি হলো অ্যাড্রেস রেজোলিউশন প্রোটোকল যা আইপি ঠিকঠাক করে ম্যাক ঠিকানার সাথে মিল করতে কাজ করে এবং এর সাথে ডাইকস্ট্রা অ্যালগরিদমের কোনো সম্পর্ক নেই।
B) OSPF — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি লিংক স্টেট ভিত্তিক রাউটিং প্রোটোকল যা ডাইকস্ট্রা অ্যালগরিদম ব্যবহার করে শর্টেস্ট পাথ বের করে।
C) RIP — এটি হলো রাউটিং ইনফরমেশন প্রোটোকল যা ডিস্টেন্স ভেক্টর অ্যালগরিদম ব্যবহার করে এবং হপ কাউন্ট গণনা করে পথ ঠিক করে।
D) IGRP — এটি সিসকো প্রোপ্রিটারি ডেটা প্রোটোকল যা ডিস্টেন্স ভেক্টর অ্যালগরিদম ব্যবহার করে এবং এর সাথে ডাইকস্ট্রা অ্যালগরিদমের সরাসরি ব্যবহার নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ওএসপিএফ এর পূর্ণরূপ হলো ওপেন শর্টেস্ট পাথ ফার্স্ট।
- লিংক স্টেট প্রোটোকল মানেই হলো ডাইকস্ট্রা অ্যালগরিদমের ব্যবহার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ওএসপিএফ হলো একটি লিংক স্টেট রাউটিং প্রোটোকল।
- ডাইকস্ট্রা অ্যালগরিদম কম্পিউটার নেটওয়ার্কে শর্টেস্ট পাথ বা সংক্ষিপ্ততম পথ নির্ণয়ের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয়।
সঠিক উত্তর: C) Processing Unit
১. কেন সঠিক:
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান প্রসেসিং ইউনিট বা ডেটা পাথ অংশে গাণিতিক ও যৌক্তিক অপারেশন সম্পন্ন করার মূল মডিউল হিসেবে অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট বা ALU অবস্থিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের ভেতর আসা নির্দেশনার ওপর ভিত্তি করে যাবতীয় হিসাব-নিকাশ ও তুলনামূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার মূল কাজটি এই নির্দিষ্ট ইউনিটের মাধ্যমেই সম্পন্ন করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট বা ALU হলো মাইক্রোপ্রসেসরের এমন একটি মূল ডিজিটাল সার্কিট যা সব ধরনের গাণিতিক ও যৌক্তিক অপারেশন পরিচালনা করে।
- কার্যপদ্ধতি: কন্ট্রোল ইউনিট থেকে নির্দেশনা পেয়ে এটি মেমোরি বা রেজিস্টার থেকে ডেটা এনে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং সত্য বা মিথ্যা যাচাইয়ের কাজ সম্পন্ন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাইক্রোপ্রসেসরে দুই লাখের সাথে তিন লাখ যোগ করার নির্দেশ দিলে প্রসেসিং ইউনিটে থাকা ALU সেই গাণিতিক হিসাবটি পলকে সম্পন্ন করে।
ব্যাখ্যা: যোগের এই গাণিতিক কাজটি করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের ভেতরে নির্দিষ্ট অ্যারিথমেটিক ইউনিট সরাসরি সক্রিয় হয়।
উদাহরণ ২: দুটি সংখ্যার মধ্যে কোনটি বড় তা তুলনা করার জন্য প্রসেসিং ইউনিটের লজিক অংশ কাজ করে।
ব্যাখ্যা: দুটি মানের তুলনা করার মাধ্যমে শর্ত যাচাইয়ের কাজটি লজিক ইউনিটের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Fetch Unit — এটি প্রসেসরের এমন একটি অংশ যা মূল মেমোরি থেকে পরবর্তী নির্দেশনা সংগ্রহ বা ফেচ করে আনে, এর মধ্যে গাণিতিক বা যৌক্তিক হিসাবের ALU থাকে না।
B) Control Unit — এটি প্রসেসরের নির্দেশিকা নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়কারী অংশ হিসেবে কাজ করে, যা অন্য ইউনিটগুলোকে কাজের আদেশ দেয় কিন্তু নিজে ALU ধারণ করে না।
C) Processing Unit — সঠিক উত্তর কারণ প্রসেসিং ইউনিটের ভেতরেই মূলত ALU এবং কন্ট্রোল ইউনিট গঠিত হয় এবং এটি সার্বিক প্রসেসিংয়ের মূল কেন্দ্র।
D) Flags Unit — এটি প্রসেসরের একটি ছোট রেজিস্টার অংশ যা গাণিতিক অপারেশনের ফলাফল বা বর্তমান অবস্থা নির্দেশ করে, এটি সার্বিক ALU ধারণকারী বড় কোনো একক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রসেসরের ভেতরে সব ধরনের হিসাব-নিকাশের কাজ সম্পন্ন হয় প্রসেসিং ইউনিটের ভেতরে থাকা ALU এর মাধ্যমে।
- মনে রাখতে পারেন পি-ইউ বা প্রসেসিং ইউনিট মানেই কাজের মূল জায়গা, আর সেখানেই বসে থাকে হিসাব করার প্রধান যন্ত্র ALU।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান তিনটি অংশ হলো কন্ট্রোল ইউনিট, অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট বা ALU এবং রেজিস্টার অ্যারে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে প্রসেসরের কোন অংশে গাণিতিক কাজ হয়, যার উত্তর হলো ALU।
সঠিক উত্তর: B) Stack
১. কেন সঠিক:
Stack হলো এমন একটি ডেটা স্ট্রাকচার যেখানে সব ধরনের সংযোজন এবং অপসারণ কেবল একটি নির্দিষ্ট প্রান্ত থেকেই সম্পন্ন হয়।
এই কাঠামোর ক্ষেত্রে সবার শেষে প্রবেশকারী উপাদানটি সবার আগে বের হয়ে আসে, যাকে Last-In-First-Out বা LIFO নীতি বলা হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: LIFO হলো ডেটা প্রসেসিংয়ের এমন একটি পদ্ধতি যেখানে সর্বশেষ সংরক্ষিত ডেটা সবার আগে বাইরে আসে।
কার্যপদ্ধতি: এতে প্রধানত দুটি অপারেশন থাকে, যার একটি হলো পুশ যার মাধ্যমে ডেটা ঢোকানো হয় এবং অন্যটি হলো পপ যার মাধ্যমে ডেটা বের করা হয়।
ব্যবহার: প্রোগ্রামিংয়ের ফাংশন কল পরিচালনা, ব্রাউজারের হিস্ট্রি বা পেছনের পাতায় ফিরে যাওয়া এবং টেক্সট এডিটরের আন্ডু ফিচারে এটি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডেস্কে রাখা থালার স্তূপ
ব্যাখ্যা: একটির ওপর একটি থালা রাখলে সবার ওপরে যে থালাটি রাখা হয়, সেটিই সবার আগে তুলে নেওয়া যায়।
উদাহরণ ২: ব্রাউজারের পেছনের পাতা
ব্যাখ্যা: একের পর এক ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলে ব্যাক বাটনে চাপ দিলে সর্বশেষ দেখা পাতাটি সবার আগে ফিরে আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Queue — এটি First-In-First-Out বা FIFO নীতিতে কাজ করে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) File — এটি স্থায়ী মেমরিতে ডেটা সংরক্ষণের মাধ্যম, কোনো ডেটা স্ট্রাকচার নির্দেশ করে না।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
LIFO মানে হলো লিফটো বা শেষ পাতাটি সবার আগে কাটা হয়।
স্ট্যাক শব্দের অর্থ স্তূপ, আর স্তূপের ওপর থেকে জিনিস তোলা বা নামানোই এর মূল নিয়ম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডেটা স্ট্রাকচারের ধরন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
স্ট্যাকের বিপরীত নীতি হলো কিউ বা FIFO, যা প্রিনട്ടারের কাজের ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: D) ANY
১. কেন সঠিক:
- SQL কোয়েরিতে সাবকুয়েরির সাথে তুলনা করার জন্য ANY অপারেটর ব্যবহার করা হয়।
- এটি সাবকুয়েরি থেকে প্রাপ্ত তালিকার যেকোনো একটি মানের সাথে প্রধান শর্তের তুলনা করে সত্য বা মিথ্যা নির্ধারণ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: SQL-এ ANY হলো এমন একটি তুলনা অপারেটর যা সাবকুয়েরি থেকে আসা একাধিক মানের যেকোনো একটির সাথে শর্ত মেলানোর কাজ করে।
- কার্যপদ্ধতি: সাবকুয়েরি চালানোর পর প্রাপ্ত মানগুলোর সাথে মূল টেবিলের মানগুলোর তুলনা করে এবং একটি মান মিলে গেলেই সত্য ফলাফল দেয়।
- ব্যবহার: বড় ডেটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট শর্তের চেয়ে বড় বা ছোট একাধিক মানের সাপেক্ষে ডেটা ফিল্টার করতে এটি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: SELECT * FROM Products যেখানে Price > ANY (SELECT Price FROM Suppliers WHERE Category = Electronics)
ব্যাখ্যা: এই কোয়েরিটি এমন পণ্যগুলো খুঁজে বের করবে যেগুলোর দাম ইলেকট্রনিক্স ক্যাটাগরির যেকোনো একটি পণ্যের দামের চেয়ে বেশি।
উদাহরণ ২: SELECT Name FROM Employees যেখানে Salary > ANY (SELECT Salary FROM Employees যেখানে Department = HR)
ব্যাখ্যা: এটি এমন কর্মীদের নাম দেখাবে যাদের বেতন এইচআর বিভাগের যেকোনো কর্মীর বেতনের চেয়ে বেশি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) BETWEEN — এটি একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে মান খোঁজার জন্য ব্যবহৃত হয়, কোনো তুলনা অপারেটর নয়।
B) COMPARE — SQL-এ সরাসরি তুলনা করার জন্য কোনো নিজস্ব অপারেটর বা কমান্ড COMPARE নামে নেই।
C) IN — এটি নির্দিষ্ট একটি তালিকার অন্তর্ভুক্ত মানগুলো খোঁজার জন্য ব্যবহৃত হয়, তুলনামূলক অপারেটর নয়।
D) ANY — এটি সাবকুয়েরির ডেটার সাথে তুলনা করার সঠিক অপারেটর বিধায় এটি সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ANY মানে যেকোনো একটির সাথে তুলনা করা।
- সাবকুয়েরির সাথে তুলনা করার জন্য ANY এবং ALL বহুল ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এসকিউএল সাবকুয়েরি এবং তুলনা অপারেটর সম্পর্কিত প্রশ্ন ব্যাংক ও বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- ANY অপারেটর সবসময় গুচ্ছবদ্ধ বা একাধিক মানের সাথে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: D) Quick sort
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটিতে যে উত্তরটি প্রদ্ত্ত ছিল (C) Insertion sort) তা প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক নয়। প্রদত্ত প্রশ্ন অনুযায়ী সবচেয়ে দ্রুততম বা সর্বাধিক কার্যকরী সাধারণ সর্টিং অ্যালগরিদম হলো Quick sort।
এর গড় বা গড়ের সাপেক্ষে সেরা কার্যক্ষমতার জটিলতা হলো n log n, যা তুলনামূলকভাবে বড় ডেটাসেটের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম সময় নেয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: Quick sort হলো একটি অত্যন্ত দক্ষ এবং তুলনামূলকভাবে দ্রুত গতির সর্টিং অ্যালগরিদম যা ডিভাইড এন্ড কনকার বা ভাগ করো এবং শাসন করো নীতিতে কাজ করে।
কার্যপদ্ধতি: এটি একটি পাইভট উপাদান নির্বাচন করে, তার চেয়ে ছোট উপাদানগুলোকে বামে এবং বড়গুলোকে ডানে রেখে তালিকাটিকে দুটি ছোট উপতালিকায় বিভক্ত করে এবং একইভাবে পুনরাবৃত্তি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি বড় টেলিফোন ডিরেক্টরি থেকে নামগুলো খুব দ্রুত বর্ণানুক্রমে সাজানো।
ব্যাখ্যা: Quick sort বড় ডেটাসেটকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করে বলে বড় ডিরেক্টরি সাজাতে এটি সেরা।
উদাহরণ ২: একটি অনলাইন শপিং সাইটে হাজার হাজার পণ্যের দাম কম থেকে বেশি ক্রমানুসারে সাজানো।
ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারীকে দ্রুত ফলাফল দেওয়ার জন্য এই অ্যালগরিদম কম সময়ে ডেটা সর্ট করতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Bubble sort — এটি সবচেয়ে ধীর গতির সর্টিং অ্যালগরিদমগুলোর একটি কারণ বারবার তুলনা করে পাশাপাশি উপাদান বদলায়।
B) Selection sort — এটিও অত্যন্ত ধীর গতির কারণ প্রতিটি ধাপে ক্ষুদ্রতম উপাদান খুঁজে বের করতে পুরো তালিকা স্ক্যান করতে হয়।
C) Insertion sort — এটি ছোট আকারের ডেটার জন্য কিছুটা দ্রুত কাজ করলেও বড় ডেটাসেটের ক্ষেত্রে এর গতি খুবই ধীর হয়ে যায়।
D) Quick sort — বড় ডেটাসেট সাজানোর জন্য এটি সবচেয়ে দ্রুততম এবং সর্বাধিক ব্যবহৃত আদর্শ সর্টিং অ্যালগরিদম।
৫. মনে রাখার টিপস:
দ্রুততম সর্টিংয়ের জন্য মনে রাখবে কুইক বা দ্রুত মানেই হলো Quick sort, যা ডিভাইড এন্ড কনকার নীতি অনুসরণ করে।
এর গড় টাইম কমপ্লেক্সিটি এন লগ এন হওয়ায় এটি অন্য সাধারণ অ্যালগরিদমগুলোর চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার বিজ্ঞানে টাইম কমপ্লেক্সিটি বা সময়ের জটিলতা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
কোন অ্যালগরিদম কোন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে ভালো কাজ করে তা ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: B) Bitwise OR
১. কেন সঠিক:
- কম্পিউটার প্রসেসর বা CPU-র অ্যারথমেটিক লজিক ইউনিট বা ALU-তে বিটওয়াইজ অপারেশনগুলো সরাসরি প্রসেসরের হার্ডওয়্যার স্তরে সম্পন্ন হয়।
- বিটওয়াইজ অপারেশনগুলোতে কোনো ক্যারি জেনারেট বা অতিরিক্ত জটিল লজিক সার্কিটের প্রয়োজন হয় না বলে এগুলো এক ক্লক সাইকেলেই সম্পন্ন হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: বিটওয়াইজ অপারেশন হলো কম্পিউটারের মেমোরিতে থাকা বাইনারি সংখ্যাগুলোর প্রতিটিক বিটের ওপর সরাসরি পরিচালিত লজিক্যাল বা বিটভিত্তিক প্রক্রিয়া।
- কার্যপদ্ধতি: এটি ডেটার ভেতরের শূন্য ও এক বা বাইনারি মানগুলোকে পাশাপাশি সাজিয়ে লজিক গেটের নিয়মে অত্যন্ত দ্রুত হিসাব সম্পন্ন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাইক্রোপ্রসেসরের ফ্ল্যাগ রেজিস্টার পরিষ্কার বা সেট করার কাজে বিটওয়াইজ অপারেশন ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি পুরো বাইট বা ওয়ার্ডের মান পরিবর্তন না করে নির্দিষ্ট শুধু একটি বিটকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
উদাহরণ ২: গ্রাফিক্স প্রোগ্রামিংয়ে পিক্সেলের রঙ বা কালার মাস্কিংয়ের কাজে বিটওয়াইজ অপারেশন ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে একাধিক কালার চ্যানেল খুব দ্রুত একত্রিত বা আলাদা করা সম্ভব হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Multiplication — গুণের কাজ করতে প্রসেসরের ভেতর একাধিক যোগ ও শিফটিং অপারেশন বা জটিল অ্যালগরিদমের প্রয়োজন হয় বলে এটি সময় সাপেক্ষ।
B) Bitwise OR — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রসেসরের হার্ডওয়্যার লেভেলে সবচেয়ে দ্রুত এবং এক ক্লক সাইকেলে সম্পন্ন হওয়া অপারেশনগুলোর একটি।
C) Addition — যোগের ক্ষেত্রে বিটগুলোর মধ্যে ক্যারি বা হাতে থাকা সংখ্যা যোগ হওয়ার কারণে বিটওয়াইজ লজিকের চেয়ে কিছুটা বেশি সময় নেয়।
D) Division — ভাগের কাজ হলো বারবার বিয়োগ বা জটিল শিফটিং প্রক্রিয়ার সমষ্টি, যা প্রসেসরের জন্য সবচেয়ে ধীরগতির অপারেশন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রসেসরের কাজের গতির ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে হার্ডওয়্যার লজিক যত সরল, তার সম্পন্ন হওয়ার গতি তত বেশি হয়।
- বিটওয়াইজ অপারেশনগুলো সরাসরি লজিক গেটের মাধ্যমে এক ধাপে সম্পন্ন হয় বলে এগুলো পাটিগণিতীয় ভাগের চেয়ে অনেক দ্রুত কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কম্পিউটার আর্কিটেকচারে পাটিগণিতীয় নির্দেশনার চেয়ে লজিক্যাল নির্দেশনার এক্সিকিউশন টাইম সাধারণত কম হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রসেসরের গতির ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন অপারেশনের জটিলতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) 172.16.5.3
১. কেন সঠিক:
আইপি ঠিকানার মধ্যে প্রাইভেট আইপি অ্যাড্রেস বা ব্যক্তিগত নেটওয়ার্কের জন্য নির্দিষ্ট কিছু রেঞ্জ নির্ধারিত আছে।
ইন্টারনেটে সরাসরি দৃশ্যমান না হয়ে শুধুমাত্র লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে ব্যবহারের জন্য এই ঠিকানাগুলো বরাদ্দ করা হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: যে আইপি অ্যাড্রেসগুলো কেবল হোম নেটওয়ার্ক বা অফিসের ল্যান এর ভেতরে ডিভাইসগুলোকে শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, তাকে প্রাইভেট আইপি বলে।
কার্যপদ্ধতি: রাউটার নেটওয়ার্ক অ্যাড্রেস ট্রান্সলেশন প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রাইভেট আইপিকে পাবলিক আইপিতে রূপান্তর করে ইন্টারনেটে ডেটা পাঠায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাসার ওয়াইফাই রাউটার থেকে মোবাইল বা ল্যাপটপে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যে আইপি প্রদান করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি ঘরের ভেতরের ডিভাইসের নিজস্ব ঠিকানা যা বাইরে থেকে সরাসরি ব্যবহার করা যায় না।
উদাহরণ ২: অফিসের লোকাল প্রিন্টারে ফাইল পাঠানোর সময় ব্যবহৃত আইপি অ্যাড্রেস।
ব্যাখ্যা: এই আইপি কেবল অফিসের ভেতরের কম্পিউটারগুলোর সাথে প্রিন্টারের যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 192.169.10.10 — এই আইপি অ্যাড্রেসটি প্রাইভেট আইপির নির্দিষ্ট সীমার বাইরে অবস্থিত।
B) 11.5.10.10 — এটি একটি পাবলিক আইপি অ্যাড্রেস যা বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটে রাউট করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
C) 1.1.1.1 — এটি ক্লাউডফ্লেয়ারের পাবলিক ডিএনএস সার্ভারের পরিচিত আইপি অ্যাড্রেস।
D) 172.16.5.3 — এটি প্রাইভেট আইপির ক্লাসের অন্তর্ভুক্ত এবং সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রাইভেট আইপির তিনটি নির্দিষ্ট রেঞ্জ মনে রাখতে হবে।
শ্রেণী এ তে দশ থেকে শুরু, শ্রেণী বি তে একাত্তর দশমিক ষোল থেকে একত্রিশ, এবং শ্রেণী সি তে উনিশ শো পঁচানব্বই দশমিক ষোলো থেকে শুরু হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং পরীক্ষায় প্রায়ই পাবলিক এবং প্রাইভেট আইপির পার্থক্য বা নির্দিষ্ট রেঞ্জ থেকে প্রশ্ন আসে।
আইভি ভার্সন ফোর প্রোটোকলে এই নিয়মগুলো অনুসরণ করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) Pointer to node
১. কেন সঠিক:
- লিংড লিস্ট বা সংযুক্ত তালিকা হলো ডেটা স্ট্রাকচারের একটি রৈখিক রূপ, যেখানে ডেটাগুলো মেমরিতে পর্যায়ক্রমে সংরক্ষিত থাকে না বরং পয়েন্টারের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে।
- প্রতিটি একক উপাদানকে নোড বলা হয় এবং একটি সাধারণ নোডে ন্যূনতম দুটি অংশ বা ফিল্ড থাকে, যার একটিতে মূল ডেটা এবং অন্যটিতে পরবর্তী নোডের মেমরি ঠিকানা বা পয়েন্টার থাকে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: লিংড লিস্ট হলো এমন একটি ডেটা স্ট্রাকচার যা নোডের সমষ্টি নিয়ে গঠিত এবং প্রতিটি নোড ডেটা ও নেক্সট পয়েন্টার ধারণ করে।
- কার্যপদ্ধতি: প্রথম নোডের পয়েন্টার ফিল্ড দ্বিতীয় নোডের ঠিকানা ধারণ করে এবং এভাবে একটি নোড থেকে অন্য নোডে যাতায়াত করা যায়।
- বৈশিষ্ট্য: এর সাইজ পরিবর্তনশীল এবং মেমরিতে ডেটা রাখার জন্য নির্দিষ্ট আকারের ধারাবাহিক জায়গার প্রয়োজন হয় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ট্রেনের কামরাগুলো একে অপরের সাথে হুকের মাধ্যমে যুক্ত থাকে।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রতিটি কামরা হলো একটি নোড, কামরার ভেতরের যাত্রী বা মালপত্র হলো ডেটা ফিল্ড এবং সংযোগকারী হুক হলো পয়েন্টার ফিল্ড।
উদাহরণ ২: গুপ্তধনের সন্ধান পাওয়ার খেলা।
ব্যাখ্যা: একটি চিরকুটে বর্তমান জায়গার তথ্য বা ডেটা থাকে এবং পরবর্তী জায়গায় যাওয়ার নির্দেশনা বা পয়েন্টার থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Pointer to char — এটি শুধুমাত্র একটি ক্যারেক্টার ডেটার ঠিকানা নির্দেশ করে, যা পুরো নোডের ঠিকানা রাখার জন্য যথেষ্ট বা উপযুক্ত নয়।
B) Node — নোড হলো সম্পূর্ণ উপাদানটির নাম, যার ভেতর ডেটা ফিল্ড এবং পয়েন্টার ফিল্ড দুটি অংশই একসাথে অবস্থান করে।
D) NULL — নাল হলো একটি বিশেষ মান যা কোনো মেমরি ঠিকানার অনুপস্থিতি বা তালিকার শেষ বোঝাতে পয়েন্টার ফিল্ডে ব্যবহৃত হয়, ন্যূনতম দুটি ফিল্ডের একটি হিসেবে নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- লিংড লিস্ট মানেই হলো ডেটা এবং পরবর্তী নোডের ঠিকানার সমাহার।
- মনে রাখবে, লিস্ট মানেই সংযোগ, তাই ডেটার সাথে অবশ্যই একটি সংযোগ বা পয়েন্টার থাকতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- লিংড লিস্টের শেষ নোডের পয়েন্টার ফিল্ডে সাধারণত নাল মান থাকে।
- অ্যারে এবং লিংড লিস্টের প্রধান পার্থক্য হলো অ্যারের সাইজ নির্দিষ্ট কিন্তু লিংড লিস্টের সাইজ গতিশীল।
সঠিক উত্তর: D) ARPANET
১. কেন সঠিক:
- ARPANET হলো বিশ্বের প্রথম সফল প্যাকেট সুইচিং নেটওয়ার্ক যা আধুনিক ইন্টারনেটের ভিত্তি স্থাপন করেছিল।
- ১৯৬৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের ডিফেন্স অ্যাডভান্সড রিসার্চ প্রজেক্টস এজেন্সি বা ডারপা এই নেটওয়ার্ক চালু করেছিল।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো অ্যাডভান্সড রিসার্চ প্রজেক্টস এজেন্সি নেটওয়ার্ক যা প্রথম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা।
- কার্যপদ্ধতি: এটি ডেটাকে ছোট ছোট প্যাকেটে বিভক্ত করে বিভিন্ন নোডের মাধ্যমে গন্তব্যে প্রেরণ করত।
- ব্যবহার: মূলত মার্কিন সামরিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে তথ্য আদান প্রদানের জন্য এটি ব্যবহার করা হতো।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাব
ব্যাখ্যা: প্রথম দিকে লস অ্যাঞ্জেলেসের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মধ্যে সফলভাবে ডেটা যোগাযোগের মাধ্যমে এই নেটওয়ার্কের পথচলা শুরু হয়।
উদাহরণ ২: প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা: একটি বড় ফাইলকে ছোট টুকরো বা প্যাকেটে ভাগ করে ভিন্ন পথ দিয়ে পাঠিয়ে গন্তব্যে পুনরায় একত্রিত করার পদ্ধতি এই নেটওয়ার্কে প্রথম সফলভাবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) CNNET — এটি কোনো ঐতিহাসিক প্রথম নেটওয়ার্ক নয় বরং এটি পরবর্তীতে তৈরি হওয়া একটি আঞ্চলিক বা বিশেষ নেটওয়ার্ক।
B) NSFNET — এটি ১৯৮৫ সালে ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি নেটওয়ার্ক যা এআরপানেটের অনেক পরে তৈরি হয়েছিল।
C) ASPANET — এটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কের ইতিহাসে কোনো প্রামাণিক বা সঠিক নেটওয়ার্কের নাম নয়।
D) ARPANET — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটিই বিশ্বের প্রথম সফল কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- এআরপানেট নামের ভেতরেই এর পূর্ণরূপের মূল শব্দগুলো রয়েছে যা ১৯৬৯ সালের ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে মনে রাখা সহজ।
- প্রথম নেটওয়ার্ক মানেই এআরপানেট এবং এর সঙ্গে ডারপা বা প্রতিরক্ষা গবেষণা বিষয়টি জড়িয়ে আছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এআরপানেট চালুর সাল হলো ১৯৬৯ এবং এটি টিসিপি আইপি প্রটোকল ব্যবহারের মাধ্যমে আধুনিক ইন্টারনেটের রূপ নেয়।
- এই ধরনের প্রশ্নে প্রায়শই বিভ্রান্ত করার জন্য বিভ্রান্তিকর অপশন দেওয়া হয়, তাই সাল ও সংস্থার নাম মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) switch
১. কেন সঠিক:
সি (C) প্রোগ্রামিং ভাষায় একাধিক শর্ত বা ডিসিশন মেকিংয়ের ক্ষেত্রে অনেকগুলো ইফ এলস (if-else) স্টেটমেন্ট ব্যবহার করার পরিবর্তে সুইচ (switch) স্টেটমেন্ট ব্যবহার করা হয়।
এটি কোডের পঠনযোগ্যতা বৃদ্ধি করে এবং প্রোগ্রামকে সহজে পরিচালনা করতে সাহায্য করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: সুইচ হলো সি এবং অন্যান্য প্রোগ্রামিং ভাষায় ব্যবহৃত একটি মাল্টিওয়ে ব্রাঞ্চিং স্টেটমেন্ট, যা কোনো চলকের মানের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ব্লকের কোড চালায়।
কার্যপদ্ধতি: এটি চলকের (variable) মান পরীক্ষা করে এবং সংশ্লিষ্ট কেস (case) মিলে গেলে সেই কোড ব্লক এক্সিকিউট করে, যা ইফ এলস লেডার এর বিকল্প হিসেবে কাজ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মেনু ড্রাইভেন প্রোগ্রাম।
ব্যাখ্যা: রেস্টুরেন্টের বিলিং সফটওয়্যারে ১ চাপলে চা, ২ চাপলে কফি অর্ডার নেওয়ার জন্য সুইচ ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: গ্রেডিং সিস্টেম।
ব্যাখ্যা: শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বরের ওপর ভিত্তি করে এ (A), বি (B) বা সি (C) গ্রেড নির্ধারণ করতে সুইচ স্টেটমেন্ট ব্যবহার করা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for loop — এটি নির্দিষ্ট সংখ্যক বার কোনো কাজ বারবার করার জন্য বা লুপ চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, শর্ত যাচাই বা প্রতিস্থাপনের জন্য নয়।
B) structure — এটি ব্যবহারকারীর তৈরি ডেটা টাইপ, যা বিভিন্ন ধরনের ডেটা একত্রে রাখতে ব্যবহৃত হয়, কোনো শর্ত যাচাইয়ের জন্য নয়।
C) switch — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ইফ (if) এর বিকল্প হিসেবে একাধিক শর্ত পরীক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
D) return — এটি ফাংশন থেকে মান ফিরিয়ে দেওয়ার এবং ফাংশন বন্ধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বহুবিধ শর্ত বা অপশন বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বারবার ইফ ব্যবহার না করে সুইচ ব্যবহার করলে কোড সুন্দর হয়।
মনে রাখবে, সুইচ মানেই বিকল্প পথ বা কেস ধরে কাজ করা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রোগ্রামিংয়ের এই প্রশ্নটি বিসিএস (BCS) এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
ইফ এলস এবং সুইচের মৌলিক পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) Accumulator
১. কেন সঠিক:
কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট বা সিপিইউ-এর ভেতরে গাণিতিক ও যুক্তিমূলক অপারেশন সম্পন্ন হওয়ার পর তাৎক্ষণিক ফলাফল জমা রাখার জন্য যে বিশেষ রেজিস্টার ব্যবহার করা হয় তাকে অ্যাকিউমুলেটর বলে।
এটি কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণ গতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে অত্যন্ত দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে এবং মূল মেমোরিতে যাওয়ার আগে ফলাফল সংরক্ষণ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: অ্যাকিউমুলেটর হলো সিপিইউ-এর ভেতরে অবস্থিত একটি অস্থায়ী স্টোরেজ লোকেশন যা গাণিতিক ও লজিক ইউনিটের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে থাকে।
কার্যপদ্ধতি: অ্যাকিউমুলেটর মূলত গাণিতিক বা যুক্তিমূলক কাজের সময় ইনপুট ডেটা গ্রহণ করে এবং অপারেশন শেষে প্রাপ্ত ফলাফল নিজের মধ্যে জমা রাখে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্যালকুলেটরে পাঁচ যোগ তিন দিলে তা পর্দায় দেখানোর আগে সাময়িকভাবে জমা থাকে।
ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় ফলাফলটি দৃশ্যমান হওয়ার পূর্বে অ্যাকিউমুলেটরের ভেতরে সংরক্ষিত হয়।
উদাহরণ ২: কম্পিউটারে বড় কোনো হিসাব করার সময় ছোট ছোট অংশের যোগফল মেমোরিতে বারবার না পাঠিয়ে অ্যাকিউমুলেটরে রাখা হয়।
ব্যাখ্যা: এতে প্রসেসরের গতি বৃদ্ধি পায় এবং সময় অপচয় রোধ হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Arithmetic register — এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রমিত রেজিস্টার নয়, যদিও গাণিতিক কাজের জন্য বিভিন্ন রেজিস্টার থাকে কিন্তু অপারেশনের ফলাফল সংরক্ষণের নির্দিষ্ট নাম অ্যাকিউমুলেটর।
B) Accumulator — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Logical register — লজিক্যাল কাজের জন্য আলাদা কোনো নির্দিষ্ট রেজিস্টার নেই, বরং সাধারণ রেজিস্টার বা ফ্ল্যাগ রেজিস্টার লজিক্যাল অপারেশন হ্যান্ডেল করে।
D) Controller — এটি প্রসেসরের অংশ যা নির্দেশাবলী নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু ডেটা বা ফলাফল সরাসরি ধরে রাখে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
অ্যাকিউমুলেটর শব্দটি এসেছে একিউমুলেট থেকে যার অর্থ জমা করা।
গাণিতিক হিসাবের ফলাফল জমা রাখার কাজটি অ্যাকিউমুলেটর করে বলে একে ফলাফল জমা রাখার প্রধান ঘর বলা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার আর্কিটেকচারে অ্যাকিউমুলেটর হলো প্রসেসরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টারগুলোর একটি।
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই সিপিইউ এবং রেজিস্টার সম্পর্কিত এমন প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) CSMA/CD
১. কেন সঠিক:
- উত্তরটি সঠিক হওয়ার মূল কারণ হলো CSMA/CD প্রোটোকল ইথারনেট নেটওয়ার্কে একাধিক ডিভাইসের ডেটা প্রেরণের সময় সংঘাত বা কলিশন রোধ করতে কাজ করে।
- প্রাসঙ্গিক প্রযুক্তিগত ধারণা বা নিয়ম হলো যখন দুটি ডিভাইস একসঙ্গে ডেটা পাঠায়, তখন সংঘাত ঘটে এবং এই পদ্ধতিটি তা শনাক্ত করে পুনরায় ডেটা পাঠায়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: CSMA/CD-এর পূর্ণরূপ হলো Carrier Sense Multiple Access with Collision Detection, যা তারযুক্ত নেটওয়ার্কে মিডিয়া এক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কার্যপদ্ধতি: ডিভাইস ডেটা পাঠানোর আগে চ্যানেল খালি আছে কি না পরীক্ষা করে এবং পাঠানোর সময় সংঘাত ঘটলে তা শনাক্ত করে সিগন্যাল বন্ধ করে দেয়।
- বৈশিষ্ট্য: এটি অর্ধ-ডুপ্লেক্স মোডে কাজ করে এবং মূলত পুরনো ল্যান বা ইথারনেট নেটওয়ার্কে ডেটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করে।
- ব্যবহার: তারযুক্ত লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ল্যানে একাধিক কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা সংঘাত এড়াতে এটি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি বড় অফিসে অনেকগুলো কম্পিউটার একই প্রিন্টার বা নেটওয়ার্ক কেবল ব্যবহার করছে।
ব্যাখ্যা: CSMA/CD নিশ্চিত করে যেন দুটি কম্পিউটার একসঙ্গে তারে ডেটা না পাঠায়, ফলে ডেটা নষ্ট হয় না।
উদাহরণ ২: ওয়াকিটকি যোগাযোগের নিয়ম।
ব্যাখ্যা: সবাই একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করলেও একজন কথা বলার সময় অন্যজন চুপ থাকে, যা চ্যানেল এক্সেস নিয়ন্ত্রণের অনুরূপ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Demand Priority — এটি একটি ভিন্ন নেটওয়ার্ক এক্সেস পদ্ধতি যা সাধারণত হিউলেট প্যাকার্ডের ১০০ ভিজি ল্যান প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়, বর্তমান প্রশ্নের জন্য নয়।
B) CSMA/CD — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা তারযুক্ত নেটওয়ার্কে ডেটা সংঘর্ষ শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
C) Polling — এটি এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক একে একে টার্মিনালগুলোর ডেটা প্রেরণের অনুমতি দেয়, যা সিএসএমএ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
D) CSMACa — এটি CSMA/CA বোঝায় যার পূর্ণরূপ Carrier Sense Multiple Access with Collision Avoidance এবং এটি মূলত ওয়্যারলেস বা ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- তারযুক্ত বা ওয়্যারড নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে সংঘর্ষ শনাক্ত করতে CD বা Collision Detection মনে রাখবে।
- ওয়্যারলেস বা ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে সংঘর্ষ এড়াতে CA বা Collision Avoidance মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রশ্ন থেকে শেখার মতো তথ্য হলো তারযুক্ত ল্যানের মিডিয়া এক্সেস কন্ট্রোল বা ম্যাক প্রোটোকল হলো CSMA/CD।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই CSMA/CD এবং CSMA/CA-এর পার্থক্য বা তাদের পূর্ণরূপ জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: A) Local Maxima
১. কেন সঠিক:
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সার্চ অ্যালগরিদমে হিল ক্লাইম্বিং হলো একটি লোকাল অপটিমাইজেশন কৌশল।
- এটি কেবল বর্তমান অবস্থার নিকটবর্তী ভালো অবস্থা বা চূড়া খুঁজে পায় এবং বৈশ্বিক সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: হিল ক্লাইম্বিং সার্চ হলো এমন একটি গ্রিডি অ্যালগরিদম যা প্রতিটি ধাপে কেবল উন্নতির দিকে এগিয়ে যায়।
- কার্যপদ্ধতি: এটি বর্তমান অবস্থা থেকে সেরা পার্শ্ববর্তী অবস্থার দিকে সরে যায় এবং কোনো উন্নত প্রতিবেশী না পেলে থেমে যায়।
- বৈশিষ্ট্য: এটি কম মেমোরি ব্যবহার করে কিন্তু সম্পূর্ণ সমাধান দিতে ব্যর্থ হতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাহাড়ে অন্ধের মতো ওঠার চেষ্টা।
ব্যাখ্যা: কুয়াশায় ঘেরা পাহাড়ে অন্ধ ব্যক্তি শুধু ওপরের দিকে পা ফেলে, ফলে সে ছোট টিলার চূড়ায় আটকা পড়তে পারে এবং মূল চূড়ায় যেতে পারে না।
উদাহরণ ২: ব্যবসা বা প্রজেক্টের লাভ বাড়ানো।
ব্যাখ্যা: খরচ কমাতে কমাতে এমন এক বিন্দুতে পৌঁছানো যায় যেখানে সামান্য পরিবর্তন লাভ কমায়, কিন্তু সার্বিক সর্বোচ্চ লাভ অর্জিত হয় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Local Maxima — এটি হিল ক্লাইম্বিং অ্যালগরিদমের প্রধান সীমাবদ্ধতা কারণ এখানে এসে সার্চ আটকে যায় এবং সর্বোচ্চ মানের সন্ধান বন্ধ হয়ে যায়।
B) Infinite loop — এটি হিল ক্লাইম্বিংয়ের প্রধান সমস্যা নয়, এটি মূলত ভুল সার্চ স্পেস বা সাইকেলের কারণে ঘটে থাকে।
C) No Solution — এটি কোনো নির্দিষ্ট সমস্যার সাধারণ ব্যর্থতা, হিল ক্লাইম্বিংয়ের কাঠামোগত প্রধান ত্রুটি হলো অপূর্ণাঙ্গ অপ্টিমাইজেশন।
D) Slowness — হিল ক্লাইম্বিং ধীরগতির নয় বরং এটি তুলনামূলক দ্রুত কাজ করে, তবে সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছাতে প্রায়ই ব্যর্থ হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- হিল মানে পাহাড় আর ক্লাইম্বিং মানে ওপরে ওঠা। পাহাড়ে ওঠার সময় লোকাল বা ছোট চূড়ায় আটকে যাওয়া এর সবচেয়ে বড় বিপদ।
- মনে রাখবে, এটি দ্রুত কাজ করলেও সবসময় সেরা ফলাফল দিতে পারে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিভিন্ন সার্চ অ্যালগরিদম যেমন ব্রেডথ ফার্স্ট সার্চ এবং ডেপথ ফার্স্ট সার্চের সীমাবদ্ধতাগুলো দেখে রাখা ভালো।
- হিল ক্লাইম্বিংয়ের বিকল্প হিসেবে সিম্যুলড অ্যানিলিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) Primary key
১. কেন সঠিক:
ডেটাবেজ টেবিলে প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্য বা অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত করতে প্রাইমারি কি ব্যবহার করা হয়। এটি নিশ্চিত করে যেন কোনো টেবিলে একই ডেটা বা রেকর্ড বারবার না থাকে এবং প্রতিটি সারির একটি সুনির্দিষ্ট পরিচয় থাকে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: প্রাইমারি কি হলো ডেটাবেজের এমন একটি ফিল্ড বা অ্যাট্রিবিউট যা টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করে।
কার্যপদ্ধতি: এটি ডেটাবেজে কোনো ডুপ্লিকেট মান এবং নাল মান থাকতে দেয় না।
ব্যবহার: শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর, কর্মচারীদের আইডি কার্ড বা নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর হিসেবে এটি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্টুডেন্ট টেবিলে স্টুডেন্ট আইডি।
ব্যাখ্যা: স্টুডেন্ট আইডি কখনো দুটি আলাদা শিক্ষার্থীর জন্য এক হতে পারে না, তাই এটি প্রাইমারি কি হিসেবে কাজ করে।
উদাহরণ ২: ব্যাংকের কাস্টমার টেবিলে অ্যাকাউন্ট নম্বর।
ব্যাখ্যা: প্রতিটি গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট নম্বর ভিন্ন হয়, যা ডেটাবেজে তার অদ্বিতীয়তা নিশ্চিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Relation — এটি দুটি টেবিলের মধ্যকার সম্পর্ক বোঝায়, যা ডেটাবেজের অদ্বিতীয়তা নিশ্চিত করে না।
B) Entity — এটি বাস্তব জগতের কোনো বস্তু বা ধারণা বোঝায়, যা নিজে কোনো নির্দিষ্ট ফিল্ডের সীমাবদ্ধতা আরোপ করে না।
D) Foreign key — এটি অন্য টেবিলের প্রাইমারি কি এর সাথে সম্পর্ক তৈরি করে, তবে একক টেবিলে নিজস্ব অদ্বিতীয়তা নিশ্চিত করার কাজ এর নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইউনিক বা অদ্বিতীয় ডেটা নিশ্চিত করার জন্য সবসময় প্রাইমারি কি ব্যবহার করা হয়।
প্রাইমারি কি কখনো ফাঁকা বা নাল থাকতে পারে না এবং এর মান বারবার পরিবর্তন করা যায় না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডেটাবেজের অদ্বিতীয়তা সংক্রান্ত প্রশ্নে প্রাইমারি কি সবচেয়ে বেশি আসে।
ফরেইন কি এবং প্রাইমারি কি এর পার্থক্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) -128
১. কেন সঠিক:
- কম্পিউটারে ঋণাত্মক সংখ্যা সংরক্ষণের জন্য দুই এর পরিপূরক বা টু কমপ্লিমেন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- ৮ বিট রেজিস্টারে ১০০০০০০০ বাইনারি সংখ্যাটির প্রথম বিট ১ হওয়ায় এটি একটি ঋণাত্মক সংখ্যা নির্দেশ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: টু কমপ্লিমেন্ট হলো কম্পিউটারে ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশের এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোনো বাইনারি সংখ্যার ১ এর পরিপূরকের সাথে ১ যোগ করা হয়।
- কার্যপদ্ধতি: প্রদত্ত সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক বের করে তার সাথে ১ যোগ করলে প্রকৃত মান পাওয়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ধনাত্মক ১২৮
ব্যাখ্যা: সাধারণ বাইনারি কোডে ১২৮ হলো ১ এর ডানপাশে সাতটি শূন্য।
উদাহরণ ২: ঋণাত্মক ১২৮
ব্যাখ্যা: টু কমপ্লিমেন্ট পদ্ধতিতে এটি ১ এর ডানপাশে সাতটি শূন্য এবং সামনে সাইন বিট হিসেবে ১ নিয়ে গঠিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 0 — এটি শূন্যের বাইনারি মান নির্দেশ করে।
B) 128 — এটি ধনাত্মক মানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কিন্তু প্রথম বিট ১ থাকায় এটি ঋণাত্মক।
D) 256 — এটি আট বিটের ধারণক্ষমতার বাইরে চলে যায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আট বিট রেজিস্টারে সবচেয়ে ছোট ঋণাত্মক সংখ্যা হলো মাইনাস ১২৮।
- এর বাইনারি রূপ সবসময় ১ এর ডানপাশে সাতটি শূন্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সাইন বিট ১ হলে সংখ্যাটি ঋণাত্মক এবং ০ হলে ধনাত্মক হয়।
- বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় টু কমপ্লিমেন্ট থেকে প্রায়ই এই ধরনের মান নির্ণয় করতে দেয়।
সঠিক উত্তর: B) Abstraction
১. কেন সঠিক:
প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি প্রযুক্তিগতভাবে ভুল। Encapsulation এর মাধ্যমে মূলত Data Hiding বা তথ্য গোপনীয়তা নিশ্চিত হয়, Abstraction সরাসরি নিশ্চিত হয় না। Abstraction হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের এমন একটি বৈশিষ্ট্য যার মাধ্যমে জটিল কোডের ভেতরের বিশদ বিবরণ লুকিয়ে রেখে শুধু প্রয়োজনীয় ইন্টারফেস বা ব্যবহার্য অংশ প্রদর্শন করা হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: Encapsulation বা এনক্যাপসুলেশন হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ে ডেটা এবং সেই ডেটা নিয়ে কাজ করার ফাংশনগুলোকে একটি একক ইউনিটের মধ্যে আবদ্ধ করার প্রক্রিয়া।
কার্যপদ্ধতি: এটি ক্লাসের ভেତরের ডেটাকে প্রাইভেট করে দেয় এবং বাইরে থেকে সরাসরি অ্যাক্সেস করতে বাধা দেয়, যা শুধুমাত্র নির্দিষ্ট মেথডের মাধ্যমে পরিবর্তন করা যায়।
বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ডেটা সুরক্ষা বা ডেটা হাইডিং প্রদান করা, যাতে কোনো অননুমোদিত কোড বা ফাংশন পরিবর্তন না করে ফেলতে পারে।
ব্যবহার: ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ব্যালেন্স সরাসরি পরিবর্তন না করে ডিপোজিট বা উইথড্র মেথডের মাধ্যমে নিরাপদ লেনদেন করতে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্যাপসুল ওষুধ
ব্যাখ্যা: ক্যাপসুলের ভেতরে যেমন বিভিন্ন উপাদান একত্রে ঢাকা থাকে, তেমনি প্রোগ্রামিংয়ে ডেটা ও মেথড একটি ক্লাসের মধ্যে আবদ্ধ থাকে।
উদাহরণ ২: ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স
ব্যাখ্যা: অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স প্রাইভেট রেখে শুধুমাত্র পিন বা পাসওয়ার্ড দিয়ে নির্দিষ্ট নিয়মে টাকা তোলার ব্যবস্থা করা হলো এনক্যাপসুলেশন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Inheritance — এটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের এমন একটি বৈশিষ্ট্য যার মাধ্যমে একটি ক্লাস অন্য ক্লাসের প্রপার্টি বা বৈশিষ্ট্য উত্তরাধিকার সূত্রে লাভ করতে পারে।
B) Abstraction — এটি মূলত ডেটা হাইডিং এবং জটিলতা দূর করার প্রক্রিয়া, যা এনক্যাপসুলেশনের ওপর ভিত্তি করে গঠিত হলেও সরাসরি এক নয়।
C) Polymorphism — এটি একই নামের মেথড বা ফাংশনকে ভিন্ন ভিন্ন পরিস্থিতিতে ভিন্ন আচরণ করার ক্ষমতা প্রদান করে।
D) Overloading — এটি পলিমরফিজমের একটি প্রকার যেখানে একই নামের একাধিক মেথড ভিন্ন প্যারামিটার নিয়ে কাজ করতে পারে।
৫. মনে রাখার টিপস:
এনক্যাপসুলেশন মানে হলো ডেটাকে একটি বাক্সে বন্দী বা সুরক্ষিত করা।
অ্যাবস্ট্রাকশন মানে হলো ব্যবহারকারীকে শুধু কাজের জিনিস দেখানো এবং ভেতরের জটিলতা লুকিয়ে রাখা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের প্রধান চারটি স্তম্ভ হলো ইনহেরিটেন্স, পলিমরফিজম, এনক্যাপসুলেশন এবং অ্যাবস্ট্রাকশন।
ডেটা হাইডিং বা সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য প্রধানত এনক্যাপসুলেশন ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) ARP
১. কেন সঠিক:
- ARP এর পূর্ণরূপ হলো Address Resolution Protocol এবং এর কাজ হলো ইন্টারপ্রোটোকল অ্যাড্রেস বা আইপি অ্যাড্রেস থেকে ফিজিক্যাল অ্যাড্রেস বা ম্যাক অ্যাড্রেস বের করা।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে একটি ডিভাইস যখন অন্য কোনো ডিভাইসের আইপি অ্যাড্রেস জানে কিন্তু ম্যাক অ্যাড্রেস জানে না, তখন এই প্রোটোকল স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: এআরপি হলো এমন একটি যোগাযোগ প্রোটোকল যা নেটওয়ার্ক লেয়ারের আইপি অ্যাড্রেসকে ডেটা লিংক লেয়ারের ম্যাক অ্যাড্রেসে রূপান্তর করে।
- কার্যপদ্ধতি: কোনো ডিভাইস ব্রডকাস্ট মেসেজ পাঠিয়ে নির্দিষ্ট আইপি ঠিকানার অধিকারীর কাছ থেকে তার ম্যাক অ্যাড্রেস চেয়ে নেয় এবং রেসপন্স পেলে তা ক্যাশ মেমোরিতে সংরক্ষণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লোকাল প্রিন্টার
ব্যাখ্যা: আপনার কম্পিউটার প্রিন্টারের আইপি অ্যাড্রেস জানলেও প্রিন্ট করার জন্য প্রিন্টারের নির্দিষ্ট ম্যাক অ্যাড্রেস জানার প্রয়োজন হয়, যা এআরপি খুঁজে দেয়।
উদাহরণ ২: সুইচ বোর্ড যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: একটি সুইচ তার সঙ্গে যুক্ত নির্দিষ্ট কম্পিউটারের আইপি চেনার জন্য এআরপি ব্রডকাস্ট ব্যবহার করে সঠিক পোর্টে ডেটা পাঠায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) RIP — RIP এর পূর্ণরূপ Routing Information Protocol, যা রাউটিং টেবিলে সেরা পাথ বা পথ নির্ধারণের কাজে ব্যবহৃত হয়।
B) BGP — BGP এর পূর্ণরূপ Border Gateway Protocol, যা ইন্টারনেটের বিভিন্ন অটোনোমাস সিস্টেমের মধ্যে রাউটিং তথ্য আদানপ্রদান করে।
D) TCP — TCP এর পূর্ণরূপ Transmission Control Protocol, যা ডেটা প্যাকেটগুলোর নির্ভরযোগ্য ও ত্রুটিমুক্ত ডেলিভারি নিশ্চিত করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- এভাবে মনে রাখতে পারেন, এআরপি বা ARP মানে অ্যাড্রেস রিজলভ করা, অর্থাৎ আইপি থেকে ম্যাক ঠিকানası খুঁজে বের করা।
- আইপি হলো লজিক্যাল ঠিকানা এবং ম্যাক হলো ফিজিক্যাল ঠিকানা, এদের মেলবন্ধন ঘটায় এআরপি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এআরপি প্রোটোকলের কাজ প্রায়ই আসে।
- আইপি অ্যাড্রেস থেকে ম্যাক অ্যাড্রেস বের করার প্রোটোকল হলো এআরপি এবং এর বিপরীত কাজ অর্থাৎ ম্যাক থেকে আইপি বের করার প্রোটোকল হলো রিভার্স এআরপি বা RARP।
সঠিক উত্তর: B) abc * + de - +
১. কেন সঠিক:
- পোস্টফিক্স এক্সপ্রেশনে অপারেটরগুলো সংশ্লিষ্ট অপারেন্ডগুলোর পরে বসে এবং এতে কোনো ব্র্যাকেটের প্রয়োজন হয় না।
- প্রদত্ত বিকল্পে স্টক অপারেশন নিয়ম নিখুঁতভাবে মেনে এক্সপ্রেশনটি গঠিত হয়েছে যা কম্পিউটার সহজেই মূল্যায়ন করতে পারে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: পোস্টফিক্স নোটেশন বা রিভার্স পোলিশ নোটেশন হলো এমন একটি অভিব্যক্তি যেখানে অপারেটর তার অপারেন্ড দুটির পরে অবস্থান করে।
- কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার স্ট্যাক ডাটা স্ট্রাকচার ব্যবহার করে এই এক্সপ্রেশনের মান বের করে যেখানে অপারেন্ড পেলে পুশ করা হয় এবং অপারেটর পেলে পপ করে হিসাব করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইনফিক্স এক্সপ্রেশন এ প্লাস বি কে পোস্টফিক্স এ লেখা হয় এ বি প্লাস।
ব্যাখ্যা: এখানে অপারেটর প্লাস দুটি অপারেন্ড এ এবং বি এর পরে বসেছে।
উদাহরণ ২: ইনফিক্স এক্সপ্রেশন এ ইনটু বি প্লাস সি কে পোস্টফিক্স এ লেখা হয় এ বি ইনটু সি প্লাস।
ব্যাখ্যা: গুণের কাজ আগে সম্পন্ন করতে অপারেটরগুলো তাদের সঠিক প্রিসিডেন্স বা অগ্রাধিকার অনুযায়ী বিন্যস্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a*b(c + d) — এটি একটি ইনফিক্স এক্সপ্রেশন কারণ এতে অপারেটর মাঝখানে রয়েছে এবং ব্র্যাকেট ব্যবহার করা হয়েছে।
B) abc * + de - + — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ত্রুটি নেই।
C) c) + ab — এটি একটি অসম্পূর্ণ এবং ভুল বিন্যাসের এক্সপ্রেশন যেখানে ব্র্যাকেটের সঠিক ব্যবহার নেই।
D) a + b - c — এটি ইনফিক্স নোটেশনে লেখা হয়েছে যেখানে অপারেটরগুলো অপারেন্ডের মাঝে বসেছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইনফিক্স মানে অপারেটর মাঝখানে, প্রিফিক্স মানে সামনে এবং পোস্টফিক্স মানে পেছনে বসে।
- পোস্টফিক্স এক্সপ্রেশন মূল্যায়নের জন্য স্ট্যাক মেমোরি ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রোগ্রামিংয়ে গাণিতিক অভিব্যক্তি মূলه করার জন্য পোস্টফিক্স নোটেশন বহুল ব্যবহৃত হয়।
- কম্পাইলার ডিজাইন এবং ডাটা স্ট্রাকচার কোর্সে এই সংক্রান্ত রূপান্তর প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) Cache
১. কেন সঠিক:
- ক্যাশ মেমোরি হলো প্রসেসরের সবচেয়ে কাছের এবং দ্রুতগতির মেমোরি যা সিপিইউ-এর কাজের গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
- এটি প্রধান মেমোরি বা র্যাম থেকে বারবার ব্যবহৃত ডেটা ও নির্দেশাবলী নিজের মধ্যে সাময়িকভাবে জমা করে রাখে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ক্যাশ মেমোরি হলো অতিদ্রুত গতির একটি ক্ষুদ্র মেমোরি যা প্রসেসর ও প্রধান মেমোরির মধ্যকার গতির ব্যবধান কমায়।
- কার্যপদ্ধতি: সিপিইউ কোনো ডেটা চাইলে প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে, না পেলে র্যাম থেকে এনে দ্রুত সরবরাহ করে।
- বৈশিষ্ট্য: এর ধারণক্ষমতা কম হলেও ডেটা অ্যাক্সেস টাইম অত্যন্ত কম এবং এটি সরাসরি প্রসেসরের সাথে যুক্ত থাকে।
- ব্যবহার: কম্পিউটার, স্মার্টফোন এবং আধুনিক প্রসেসরের ভেতরে লেভেল ওয়ান, লেভেল টু ও লেভেল থ্রি ক্যাশ হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়।
- পার্থক্য: র্যামের চেয়ে ক্যাশ মেমোরি অনেক বেশি দ্রুত কাজ করে কারণ এটি সিলিকন চিপের ওপর প্রসেসরের ঠিক পাশেই অবস্থিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রান্নার সময় রান্নার মশলা হাতের কাছে রাখা।
ব্যাখ্যা: প্রসেসরের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ডেটাগুলো হাতের কাছে ক্যাশ মেমোরিতে সাজানো থাকে যাতে খুঁজতে সময় নষ্ট না হয়।
উদাহরণ ২: কম্পিউটারের ব্রাউজারে ওয়েব পেজ ক্যাশ জমা হওয়া।
ব্যাখ্যা: বারবার ভিজিট করা ওয়েবসাইটগুলো ব্রাউজার ক্যাশ মেমোরিতে সেভ করে রাখে যাতে পরের বার দ্রুত ওপেন হতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) RAM — র্যাম প্রধান মেমোরি হলেও ক্যাশ মেমোরির তুলনায় এর গতি বেশ কম এবং এটি প্রসেসর থেকে দূরে অবস্থান করে।
B) Hard Disk — হার্ড ডিস্ক হলো স্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইস যার গতি র্যাম বা ক্যাশ মেমোরির চেয়ে অনেক ধীরগতির।
D) Keyboard — কিবোর্ড একটি ইনপুট ডিভাইস, যা ডেটা প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এর সাথে মেমোরির গতির কোনো তুলনা চলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কম্পিউটারের মেমোরির গতি মনে রাখার শর্টকাট হলো প্রসেসরের যত কাছে থাকবে, তার গতি তত বেশি হবে।
- ক্যাশ মেমোরি হলো কম্পিউটারের সবচেয়ে দ্রুতগতির মেমোরি যা সিপিইউ-এর ভেতরে বা ঠিক ওপরে অবস্থান করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মেমোরির গতির ক্রম বা হায়ারার্কি জানতে চাওয়া হয়।
- গতির দিক থেকে ক্যাশ মেমোরি সবার ওপরে এবং এরপরে ক্রমানুসারে রেজিস্টার, র্যাম ও হার্ড ডিস্কের অবস্থান।
সঠিক উত্তর: C) Root
১. কেন সঠিক:
- Max-Heap হলো একটি বিশেষ ধরনের বাইনারি ট্রি ডেটা স্ট্রাকচার যেখানে প্রতিটি প্যারেন্ট নোডের মান তার চাইল্ড নোডগুলোর মানের সমান বা বড় হয়।
- এই নিয়মের কারণে ট্রি-এর একদম ওপরের বা প্রধান নোডটিতে সর্বদা সবচেয়ে বড় ডেটা বা মান সংরক্ষিত থাকে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: Max-Heap হলো এমন একটি কমপ্লিট বাইনারি ট্রি যেখানে সর্বোচ্চ মানের উপাদানটি রুট নোডে অবস্থান করে।
- কার্যপদ্ধতি: নতুন কোনো ডেটা ইনসার্ট করার পর হিপ প্রপার্টি বজায় রাখার জন্য সেটিকে ওপরের দিকে সাজানো হয় যাকে আপ-হিপ বা পারকুলেট আপ বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মেধাতালিকা।
ব্যাখ্যা: যেখানে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত পরীক্ষার্থীকে তালিকার সবার ওপরে বা প্রথমে রাখা হয়, যা ম্যাক্স-হিপের রুট ধারণার অনুরূপ।
উদাহরণ ২: প্রায়োরিটি কিউ বা অগ্রাধিকার সারি।
ব্যাখ্যা: যেখানে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার সম্পন্ন টাস্ক বা প্রসেসকে সবার আগে নির্বাহ করার জন্য প্রসেসর রুট থেকে ডেটা গ্রহণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Leaf — লিফ নোড বা পাতার শাখাগুলোতে ট্রি-এর সবচেয়ে ছোট মানগুলো সাধারণত অবস্থান করে।
B) Internal node — ইন্টারনাল নোডগুলোতে মধ্যবর্তী বা তুলনামূলক ছোট মানগুলো থাকে, যা রুট অপেক্ষা কম।
D) Outside — ডেটা স্ট্রাকচারের বাইরে কোনো মান থাকার সুযোগ নেই কারণ সব ডেটা ট্রি-এর ভেতরেই সংরক্ষিত থাকে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ম্যাক্স মানে সর্বোচ্চ এবং হিপ মানে স্তূপ। স্তূপের সবচেয়ে উঁচুতে বা মস্তকে সর্বোচ্চ মান অর্থাৎ রুট থাকে।
- মিনিমাম হিপ হলে রুট হতো সবচেয়ে ছোট মান।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ম্যাক্স-হিপের সময় জটিলতা বা টাইম কমপ্লেক্সিটি হলো ও লগ এন এবং এটি হিপ সর্ট অ্যালগরিদমে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) SMTP
১. কেন সঠিক:
- SMTP-এর পূর্ণরূপ Simple Mail Transfer Protocol, যা ইন্টারনেটে ই-মেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত মূল প্রোটোকল।
- এটি মূলত ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে অথবা সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে ই-মেইল স্থানান্তরের কাজটি নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ইমেইল প্রটোকল হলো এমন কিছু নিয়ম বা নির্দেশিকা, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ই-মেইল আদান-প্রদান নিশ্চিত করে।
- কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী ই-মেইল সেন্ড করার পর SMTP প্রোটোকল বার্তাটিকে প্রাপকের মেইল সার্ভারে পৌঁছে দিতে সাহায্য করে।
- ব্যবহার: জিমেইল বা ইয়াহুর মতো ই-মেইল সেবাগুলো এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে চিঠি পাঠানোর সময় এই প্রোটোকল ব্যবহার করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আপনি যখন আপনার ল্যাপটপ থেকে বন্ধুকে একটি ই-মেইল পাঠান।
ব্যাখ্যা: এই মেইলটি পাঠানোর সময় আপনার আউটগোয়িং সার্ভার SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
উদাহরণ ২: একটি কোম্পানির ই-মেইল সিস্টেম থেকে ক্লায়েন্টদের কাছে অফার লেটার পাঠানো।
ব্যাখ্যা: বাল্ক বা একক ই-মেইল প্রেরণের সময় মূল ট্রান্সফার প্রোটোকল হিসেবে SMTP কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) SMTP — এটি একটি ইমেইল প্রটোকল হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
B) IOT — এর পূর্ণরূপ Internet of Things, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন ডিভাইসের সংযোগ ও নিয়ন্ত্রণ বোঝায়।
C) USB — এর পূর্ণরূপ Universal Serial Bus, যা কম্পিউটার ও পেরিফেরাল ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের ক্যাবল বা পোর্ট।
D) OTG — এর পূর্ণরূপ On-The-Go, যা মোবাইল বা ট্যাবলেটে সরাসরি পেনড্রাইভ বা মাউস যুক্ত করার প্রযুক্তি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রটোকল মানে যোগাযোগের নিয়ম এবং ইমেইল পাঠানোর মেইন প্রটোকল হলো SMTP।
- Simple Mail Transfer Protocol নামের সাথে Mail শব্দ থাকার কারণে এটি সহজেই মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ই-মেইল গ্রহণের জন্য সাধারণত POP3 বা IMAP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
- পরীক্ষার জন্য প্রোটোকলের পূর্ণরূপ এবং তাদের সুনির্দিষ্ট কাজগুলো খুব ভালোভাবে পড়ে রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) Polymorphism
১. কেন সঠিক:
Object Oriented Programming বা OOP-এর চারটি মূল স্তম্ভের মধ্যে Polymorphism বা বহুরূপতা অন্যতম।
এটি একটি প্রোগ্রামিং বৈশিষ্ট্য যার মাধ্যমে একই নাম বা ফাংশন বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে ভিন্ন ভিন্ন আচরণ করতে পারে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: Polymorphism হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে একই ফাংশন বা অপারেটর বিভিন্ন ডেটা টাইপ বা ক্লাসের জন্য আলাদাভাবে কাজ করে।
কার্যপদ্ধতি: এটি কম্পাইল টাইম বা রান টাইমে নির্ধারিত হয় ফাংশন ওভারলোডিং বা ওভাররাইডিংয়ের মাধ্যমে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্লাস (+) চিহ্ন।
ব্যাখ্যা: প্রোগ্রামিংয়ে প্লাস চিহ্নটি সংখ্যা যোগ করতে এবং দুটি স্ট্রিং যুক্ত করতে ভিন্নভাবে কাজ করে।
উদাহরণ ২: সাউন্ড ফাংশন।
ব্যাখ্যা: বিভিন্ন প্রাণীর জন্য সাউন্ড ফাংশন কল করলে কুকুর ঘেউ ঘেউ এবং বিড়াল মিয়াও শব্দ তৈরি করতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Polymorphism - এটি সঠিক কারণ এটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য।
B) Friend Funtion - এটি সি প্লাস প্লাস প্রোগ্রামিং ভাষার একটি বিশেষ ফাংশন যা প্রাইভেট ডেটা এক্সেস করতে পারে, কিন্তু এটি OOP-এর মূল বৈশিষ্ট্য নয়।
C) Structure - এটি ব্যবহারকারী-সংজ্ঞায়িত ডেটা টাইপ যা প্রসিডিউরাল প্রোগ্রামিংয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়, অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের মূল বৈশিষ্ট্য ক্লাস ও অবজেক্ট।
D) Loop - এটি যেকোনো প্রোগ্রামিং ভাষায় কোড বারবার চালানোর জন্য ব্যবহৃত একটি কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট, অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের বৈশিষ্ট্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
OOP-এর মূল বৈশিষ্ট্য মনে রাখার শর্টকাট হলো A-I-E-P যার অর্থ Abstraction, Inheritance, Encapsulation এবং Polymorphism।
Polymorphism শব্দের অর্থ বহু রূপ, যা থেকে এর বহুমুখী কাজের ধারণা সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার বিজ্ঞান ও বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
ইনহেরিটেন্স এবং পলিমরফিজম প্রায়ই একসাথে গুলিয়ে ফেলা হয়, তাই এদের সংজ্ঞা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) RAM
১. কেন সঠিক:
- RAM হলো Random Access Memory, যা কম্পিউটারের প্রধান বা মেইন মেমরি হিসেবে কাজ করে।
- প্রসেসর সরাসরি এই মেমরি থেকে ডেটা নিয়ে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে পারে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: RAM হলো কম্পিউটারের এমন একটি অস্থায়ী মেমরি, যেখানে চলমান প্রোগ্রাম ও ডেটা সাময়িকভাবে জমা থাকে।
- কার্যপদ্ধতি: বিদ্যুৎ থাকা পর্যন্ত এটি ডেটা সংরক্ষণ করে এবং বিদ্যুৎ বন্ধ হলে এর সব ডেটা মুছে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোনো নতুন ফাইল লিখে সেভ করার আগে বিদ্যুৎ চলে গেলে ডেটা হারিয়ে যাওয়া।
ব্যাখ্যা: কারণ সেভ করার আগ পর্যন্ত সমস্ত কাজ কম্পিউটারের প্রধান মেমরি বা RAM-এ জমা থাকে।
উদাহরণ ২: স্মার্টফোনে একসাথে অনেকগুলো অ্যাপ ওপেন রাখলে দ্রুত কাজ করা।
ব্যাখ্যা: অ্যাপগুলো RAM-এ সক্রিয় থাকে বলে প্রসেসর দ্রুত তাদের মধ্যে সুইচ করতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) RAM — এটি সঠিক কারণ এটি কম্পিউটারের প্রধান মেমরি এবং প্রসেসরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে।
B) ROM — এটি Read Only Memory, যা স্থায়ী মেমরি কিন্তু প্রসেসর একে সরাসরি মেইন মেমরি হিসেবে ব্যবহার করে না।
C) HDD — এটি Hard Disk Drive, যা সেকেন্ডারি বা সহায়ক মেমরি হিসেবে কাজ করে।
D) Floppy — এটি Floppy Disk, যা অত্যন্ত কম ধারণক্ষমতার একটি প্রাচীন সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
৫. মনে রাখার টিপস:
- RAM-এর পূর্ণরূপ Random Access Memory এবং এটি উদ্বায়ী বা Volatile মেমরি।
- মেইন মেমরি বললেই সাধারণত RAM কে বোঝানো হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- RAM হলো Volatile Memory এবং ROM হলো Non-Volatile Memory।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মেইন মেমরি বা প্রাইমারি মেমরি হিসেবে RAM বা ROM এর নাম জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: D) Program Counter
১. কেন সঠিক:
Sequence Control Register মূলত প্রসেসরের একটি বিশেষ রেজিস্টার যা পরবর্তী নির্দেশনার মেমোরি ঠিকানা সংরক্ষণ করে।
এটি সাধারণত Program Counter বা PC নামে পরিচিত এবং কম্পিউটারের কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: Program Counter হলো CPU এর ভেতরের এমন একটি রেজিস্টার যা পরবর্তী এক্সিকিউট হতে যাওয়া নির্দেশের ঠিকানা ধারণ করে।
কার্যপদ্ধতি: একটি নির্দেশ সম্পন্ন হওয়ার পর এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী নির্দেশনার ঠিকানায় আপডেট হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রান্নার রেসিপির বইয়ের বুকমার্ক।
ব্যাখ্যা: বুকমার্ক যেমন মনে করিয়ে দেয় পরের পৃষ্ঠা কোনটি পড়তে হবে, তেমনি Program Counter মনে করিয়ে দেয় পরের নির্দেশনা কোথায় আছে।
উদাহরণ ২: সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর ডাকা।
ব্যাখ্যা: শিক্ষক যেভাবে এক রোল শেষ করে পরের রোল ডাকেন, প্রোগ্রাম কাউন্টার তেমনি মেমোরির এক ঠিকানা শেষ করে পরবর্তী ঠিকানা নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Controlling Register — এমন কোনো স্ট্যান্ডার্ড রেজিস্টার নাম সাধারণত প্রসেসর আর্কিটেকচারে ব্যবহৃত হয় না।
B) Instruction Counter — এটি শুনতে সঠিক মনে হলেও কম্পিউটার বিজ্ঞানে এই নামে কোনো রেজিস্টার পরিচিত নয়।
C) Sequence Register — এটি পরিভাষা হিসেবে কাছাকাছি হলেও সিকোয়েন্স কন্ট্রোল রেজিস্টারের প্রচলিত নাম এটি নয়।
D) Program Counter — এটিই Sequence Control Register এর সঠিক ও বহুল ব্যবহৃত নাম।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রোগ্রাম চলার সময় কম্পিউটার কাউন্ট বা হিসাব করে পরবর্তী নির্দেশনা কোনটি হবে।
তাই Sequence Control Register কে সর্বদা Program Counter বা PC হিসেবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার আর্কিটেকচারে Program Counter হলো একটি 16-বিট বা 32-বিট রেজিস্টার।
বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই রেজিস্টার এবং প্রসেসরের কাজ সম্পর্কিত অংশে আসে।
সঠিক উত্তর: B) 128 bits
১. কেন সঠিক:
আইপি অ্যাড্রেস বা ইন্টারনেট প্রটোকল অ্যাড্রেস হলো ইন্টারনেটে সংযুক্ত প্রতিটি ডিভাইসের একটি অনন্য ঠিকানা।
আইপিভি সিক্স বা ইন্টারনেট প্রটোকল ভার্সন সিক্স এর দৈর্ঘ্য ১২৮ বিট, যা হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় প্রকাশ করা হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: আইপিভি সিক্স হলো সর্বাধুনিক ইন্টারনেট প্রটোকল যা ডিভাইসের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় পুরনো সংস্করণের সীমাবদ্ধতা দূর করতে তৈরি হয়েছে।
কার্যপদ্ধতি: এটি ১২৮ বিটের ঠিকানা ব্যবহার করে প্রায় অফুরন্ত বা অসীম সংখ্যক ইউনিক ডিভাইস ইন্টারনেটে সংযুক্ত করতে পারে।
বৈশিষ্ট্য: এটি কোলন দ্বারা বিভক্ত আটটি ব্লকে হেক্সাডেসিমেল মানে লেখা হয় এবং অটো কনফিগারেশন সমর্থন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আধুনিক স্মার্টফোন ও রাউটার।
ব্যাখ্যা: বর্তমানের আধুনিক স্মার্টফোন ও ওয়াইফাই রাউটারগুলো বিশ্বব্যাপী নিখুঁতভাবে যোগাযোগের জন্য আইপিভি সিক্স ঠিকানা ব্যবহার করে।
উদাহরণ ২: আইওটি বা ইন্টারনেট অব থিংস ডিভাইস।
ব্যাখ্যা: স্মার্ট হোম বা সেন্সরভিত্তিক আইওটি নেটওয়ার্কে কোটি কোটি ডিভাইসের জন্য পৃথক আইপি ঠিকানার প্রয়োজন হয়, যা আইপিভি সিক্স নিশ্চিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 32 bits — এটি পুরনো ইন্টারনেট প্রটোকল সংস্করণ বা আইপিভি ফোরের দৈর্ঘ্য, যা আধুনিক নেটওয়ার্কের জন্য অপর্যাপ্ত।
B) 128 bits — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং আইপিভি সিক্স এর দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করে।
C) 64 bits — এটি সাধারণত নেটওয়ার্কে সাবনেট মাস্কের একটি অংশ বা নির্দিষ্ট কিছু আর্কিটেকচারের মাপ, কিন্তু আইপিভি সিক্স এর দৈর্ঘ্য নয়।
D) 256 bits — এটি অত্যন্ত শক্তিশালী এনক্রিপশন অ্যালগরিদম যেমন এসএইচএ টু ফাইভ সিক্স এর দৈর্ঘ্য, আইপিভি সিক্স এর নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
আইপিভি ফোর হলো ৩২ বিট এবং আইপিভি সিক্স হলো ১২৮ বিট।
৩২ কে চার দিয়ে গুণ করলে ১২৮ হয়, এভাবে সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
আইপিভি ফোরের অপর্যাপ্ততা দূর করতেই আইপিভি সিক্স উদ্ভাবন করা হয়েছে।
পরীক্ষায় প্রায়ই আইপিভি ফোর এবং আইপিভি সিক্স এর বিটের দৈর্ঘ্য সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) No#of-students
১. কেন সঠিক:
- প্রোগ্রামিং ভাষার নিয়ম অনুযায়ী চলক বা ভ্যারিয়েবল নামকরণে কোনো বিশেষ চিহ্ন যেমন হ্যাশ, হাইফেন বা স্পেস ব্যবহার করা যায় না।
- প্রদত্ত অপশনে থাকা No#of-students নামকরণে হ্যাশ এবং হাইফেন চিহ্ন ব্যবহার করায় এটি একটি অবৈধ ভ্যারিয়েবল নাম।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: প্রোগ্রামিংয়ে চলক বা ভ্যারিয়েবল হলো এমন একটি মেমোরি লোকেশন যার মান প্রোগ্রাম চলার সময় পরিবর্তিত হতে পারে।
- নিয়ম: চলকের নামকরণে ইংরেজি বর্ণমালা, সংখ্যা এবং আন্ডারস্কোর ব্যবহার করা যায় কিন্তু এটি সংখ্যা দিয়ে শুরু হতে পারে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: int average_score;
ব্যাখ্যা: এটি একটি বৈধ ভ্যারিয়েবল কারণ এতে শুধু বর্ণ এবং আন্ডারস্কোর ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: float 2nd_price;
ব্যাখ্যা: এটি একটি অবৈধ ভ্যারিয়েবল কারণ এটি সংখ্যা দিয়ে শুরু হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Average — এটি একটি বৈধ ভ্যারিয়েবল কারণ এটি শুধুমাত্র ইংরেজি বর্ণমালা দিয়ে গঠিত এবং কোনো বিশেষ নিয়ম ভঙ্গ করেনি।
B) No#of-students — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে হ্যাশ এবং হাইফেনের মতো অবৈধ বিশেষ চরিত্র রয়েছে।
C) xyz — এটি একটি বৈধ ভ্যারিয়েবল কারণ এটি প্রমিত ইংরেজি বর্ণমালা ব্যবহার করে গঠিত হয়েছে।
D) y23z — এটি একটি বৈধ ভ্যারিয়েবল কারণ এর নামকরণে বর্ণ ও সংখ্যা যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এটি সংখ্যা দিয়ে শুরু হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ভ্যারিয়েবল নামকরণে স্পেস এবং বিশেষ চিহ্ন যেমন হ্যাশ, ডলার বা হাইফেন কখনো ব্যবহার করবে না।
- চলক বা ভ্যারিয়েবল সর্বদা বর্ণ বা আন্ডারস্কোর দিয়ে শুরু করতে হয়, সংখ্যা দিয়ে নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রোগ্রামিং ভাষা যেমন সি বা পাইথনে সিনট্যাক্স ত্রুটি নির্ণয়ের জন্য এই ধরনের প্রশ্ন বারবার পরীক্ষায় আসে।
- কী-ওয়ার্ড যেমন int, float ইত্যাদি কখনো ভ্যারিয়েবল হিসেবে ব্যবহার করা যায় না।
সঠিক উত্তর: C) 20 bit
১. কেন সঠিক:
Intel 8086 মাইক্রোপ্রসেসরটি ১৯৭৮ সালে বাজারে আসে এবং এটি একটি ১৬-বিট মাইক্রোপ্রসেসর।
এর অ্যাড্রেস বাস ২০ বিট হওয়ার কারণে এটি মোট ২ এর শক্তি ২০ বা ১ মেগাবাইট পর্যন্ত প্রধান মেমোরি সরাসরি অ্যাড্রেস বা চিহ্নিত করতে পারে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: অ্যাড্রেস বাস হলো প্রসেসর ও মেমোরির মধ্যকার একগুচ্ছ পরিবাহী লাইন যা মেমোরির নির্দিষ্ট লোকেশন নির্দেশ করে।
কার্যপদ্ধতি: প্রসেসর যখন মেমোরি থেকে ডেটা পড়তে বা লিখতে চায়, তখন সে অ্যাড্রেস বাসের মাধ্যমে সেই মেমোরি ঘরের ঠিকানা পাঠিয়ে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি ডাকঘরের ঠিকানা ব্যবস্থা।
ব্যাখ্যা: যত বেশি ঘরের ঠিকানা ব্যবহারের সুযোগ থাকবে, ডাকপিয়ন তত বেশি বাড়িতে চিঠি পৌঁছে দিতে পারবে ঠিক তেমনি ২০ বিট বাস বেশি মেমোরি ঘরে প্রবেশাধিকার দেয়।
উদাহরণ ২: বিশাল একটি বইয়ের ইনডেক্স বা সূচিপত্র।
ব্যাখ্যা: সূচিপত্র যত বড় হবে, বইয়ের ভেতরের যেকোনো পাতা বা তথ্য তত দ্রুত খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 8 bit — এটি অত্যন্ত ছোট মাপের অ্যাড্রেস বাস যা শুধু ২৫৬ বাইট মেমোরি সমর্থন করে, যা Intel 8086 এর জন্য অপর্যাপ্ত।
B) 16 bit — Intel 8086 এর ডেটা বাস ১৬ বিট হলেও এর অ্যাড্রেস বাস ১৬ বিট নয়, কারণ ১৬ বিট বাস মাত্র ৬৪ কিলোবাইট মেমোরি অ্যাড্রেস করতে পারে।
D) 32 bit — ৩২ বিট অ্যাড্রেস বাস অনেক পরবর্তী প্রজন্মের প্রসেসরে ব্যবহৃত হয়, যা Intel 8086 এর যুগে প্রযুক্তিগতভাবে তৈরি করা হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
Intel 8086 প্রসেসরের ক্ষেত্রে সংখ্যাটি মনে রাখতে পারেন এভাবে যে এটি ১৬ বিটের প্রসেসর কিন্তু এর অ্যাড্রেস বাস ৪ বিট বেশি অর্থাৎ ২০ বিট।
২০ বিট অ্যাড্রেস বাস মানে হলো ২ এর শক্তি ২০ বা ১ মেগাবাইট মেমোরি ক্ষমতা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই Intel 8086 এর ডেটা বাস ও অ্যাড্রেস বাস সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
মনে রাখবেন Intel 8086 এর ডেটা বাস ১৬ বিট এবং অ্যাড্রেস বাস ২০ বিট।
সঠিক উত্তর: B) Sum
১. কেন সঠিক:
- Aggregate ফাংশন হলো এমন ফাংশন যা ডেটাবেজের একাধিক সারির মান নিয়ে একটি একক মান প্রদান করে।
- Sum ফাংশনটি একটি নির্দিষ্ট কলামের সব সংখ্যাসূচক মানের সমষ্টি বা যোগফল নির্ণয় করতে ডেটাবেজ কুয়েরিতে ব্যবহৃত হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: Aggregate ফাংশন হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে একাধিক রেকর্ড বা সারির ওপর গণনা চালিয়ে একটি ফলাফল বের করার পদ্ধতি।
- কার্যপদ্ধতি: এটি টেবিলের কলাম বরাবর কাজ করে এবং সব ডেটা প্রক্রিয়া করে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি সাধারণত SQL কুয়েরির ক্ষেত্রে SELECT ক্লজের সাথে এবং গ্রুপ করার জন্য GROUP BY ক্লজের সাথে ব্যবহৃত হয়।
- ব্যবহার: আর্থিক হিসাবে মোট বিক্রয় বা শিক্ষার্থীদের প্রাপ্ত নম্বরের সমষ্টি বের করতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি অনলাইন দোকানের অর্ডারের তালিকায় পণ্যের মোট দাম বের করা।
ব্যাখ্যা: SELECT SUM(Price) FROM Orders কুয়েরিটি ব্যবহার করে সব অর্ডারের মোট মূল্য একসাথে হিসাব করা যায়।
উদাহরণ ২: একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের মোট মাসিক বেতন হিসাব করা।
ব্যাখ্যা: Payroll ডেটাবেজ থেকে সমস্ত এমপ্লয়ির বেতনের কলাম যোগ করতে Sum ফাংশন ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Where — এটি ডেটা ফিল্টার বা শর্ত আরোপ করার জন্য ব্যবহৃত একটি ক্লজ, কোনো ডেটার ওপর গাণিতিক হিসাব বা এগ্রিগেশন করে না।
B) Sum — এটি সঠিক কারণ এটি কলামের মান যোগ করতে ব্যবহৃত একটি এগ্রিগেশন ফাংশন।
C) Select — এটি ডেটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট ডেটা প্রদর্শন বা রিট্রিভ করার জন্য ব্যবহৃত একটি কমান্ড, কোনো গাণিতিক সমষ্টি বের করে না।
D) From — এটি কুয়েরিতে নির্দিষ্ট টেবিল বা ডেটাসোর্স নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত একটি ক্লজ, ডেটার হিসাব নিকাশ করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রধান ডেটাবেজ এগ্রিগেশন ফাংশনগুলো হলো Sum, Avg, Count, Max এবংMinValue।
- মনে রাখার কৌশল হলো গণিত বা পরিসংখ্যানে যে কাজগুলো সমষ্টি বা গড় বের করতে লাগে, ডেটাবেজে সেগুলোকে Aggregate ফাংশন বলে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- SQL এগ্রিগেশন ফাংশনগুলো সবসময় কলামের ওপর কাজ করে এবং নাল বা ফাঁকা মান বাদ দিয়ে হিসাব করে।
- ডেটাবেজ সম্পর্কিত পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন ক্লজ এবং ফাংশনের কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) 98
১. কেন সঠিক:
ASCII-এর পূর্ণরূপ American Standard Code for Information Interchange. এটি এমন একটি কোড যেখানে প্রতিটি ইংরেজি বর্ণ, অঙ্ক ও চিহ্নের জন্য একটি নির্দিষ্ট দশমিক মান নির্ধারিত থাকে।
ইংরেজি বর্ণমালার ছোট হাতের অক্ষর বা lowercase letter 'b'-এর জন্য নির্ধারিত আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড দশমিক বা Decimal মান হলো ৯৮।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ASCII হলো কম্পিউটারে অক্ষর সংরক্ষণের একটি বহুল প্রচলিত কোডিং সিস্টেম। এর মাধ্যমে অক্ষরগুলোকে বাইনারি বা সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
বৈশিষ্ট্য: এই ব্যবস্থায় বড় হাতের অক্ষর ও ছোট হাতের অক্ষরের জন্য আলাদা কোড নির্ধারিত থাকে। কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রতিটি অক্ষর ৮ বিট বা ১ বাইট জায়গা দখল করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইংরেজি বর্ণমালার ছোট হাতের অক্ষর 'a'-এর ASCII মান হলো ৯৭।
ব্যাখ্যা: ক্রমানুসারে 'a'-এর মান ৯৭ হলে পরবর্তী অক্ষর 'b'-এর মান হবে এক ঘর বেশি অর্থাৎ ৯৮।
উদাহরণ ২: ইংরেজি বর্ণমালার বড় হাতের অক্ষর 'A'-এর ASCII মান হলো ৬৫।
ব্যাখ্যা: বড় ও ছোট হাতের অক্ষরের মান আলাদা হয়, যেখানে ছোট হাতের অক্ষরের মান সাধারণত বড় হাতের অক্ষরের চেয়ে বেশি থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 66 — এটি ইংরেজি বড় হাতের অক্ষর 'B'-এর ASCII মান। প্রশ্ন ছোট হাতের 'b'-এর মান জানতে চাওয়ায় এটি ভুল।
B) 98 — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্ট্যান্ডার্ড ASCII চার্ট অনুযায়ী ছোট হাতের 'b'-এর মান ৯৮ নির্ধারিত আছে।
C) 3000 — এই ধরনের মান কোনো সাধারণ অক্ষরের জন্য ASCII কোডে ব্যবহৃত হয় না। এটি একটি অতিরিক্ত বড় সংখ্যা।
D) 1 — এটি বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির মৌলিক অঙ্ক অথবা ASCII কোডে কোনো বিশেষ নিয়ন্ত্রণ চরিত্রের মান নির্দেশ করতে পারে, যা 'b' নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বড় হাতের 'A'-এর মান ৬৫ এবং ছোট হাতের 'a'-এর মান ৯৭ মনে রাখলে বর্ণমালার বাকি অক্ষরগুলোর মান ক্রমানুসারে হিসাব করে বের করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই 'A', 'a', '0' বা বিশেষ চিহ্নের ASCII মান জানতে চাওয়া হয়। তাই বড় ও ছোট হাতের অক্ষরের শুরুর মানগুলো মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) Standard and Extended
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করার কারণ হলো নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি বা রাউটার কনফিগারেশনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত অ্যাক্সেস কন্ট্রোল লিস্ট বা সংক্ষেপে এসিএল প্রধানত দুই প্রকারের হয়ে থাকে।
- এই দুই প্রকার হলো স্ট্যান্ডার্ড এসিএল এবং এক্সটেন্ডেড এসিএল যা নেটওয়ার্ক ট্রাফিক ফিল্টার করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ড পদ্ধতি।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: এসিএল বা এক্সেস কন্ট্রোল লিস্ট হলো রাউটার বা ফায়ারওয়ালের নিয়মসমূহের একটি তালিকা যা নেটওয়ার্কে ট্রাফিক অনুমতি বা নিষিদ্ধ করতে ব্যবহৃত হয়।
- কার্যপদ্ধতি: এটি সোর্স আইপি অ্যাড্রেস, ডেসটিনেশন আইপি অ্যাড্রেস এবং পোর্ট নম্বরের ওপর ভিত্তি করে ডেটা প্যাকেট পরীক্ষা করে পাস বা ব্লক করে।
- বৈশিষ্ট্য: স্ট্যান্ডার্ড এসিএল শুধুমাত্র সোর্স আইপি অ্যাড্রেস চেক করে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
- ব্যবহার: এন্টারপ্রাইজ নেটওয়ার্কে অপ্রয়োজনীয় ট্রাফিক রোধ করা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজে এটি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অফিসের লোকাল নেটওয়ার্ক থেকে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটি কম্পিউটারের ইন্টারনেট ব্রাউজিং বন্ধ করা।
ব্যাখ্যা: স্ট্যান্ডার্ড এসিএল ব্যবহার করে নির্দিষ্ট ওই কম্পিউটারের আইপি অ্যাড্রেস ব্লক করে এই কাজটি খুব সহজেই করা সম্ভব।
উদাহরণ ২: কোম্পানির সার্ভারে কেবল নির্দিষ্ট পোর্ট বা সার্ভিস যেমন ওয়েবসাইটের জন্য পোর্ট আশি ব্যবহার করতে দেওয়া।
ব্যাখ্যা: এক্সটেন্ডেড এসিএল সোর্স আইপির পাশাপাশি পোর্ট নম্বর যাচাই করতে পারে বিধ W এই ধরনের সুনির্দিষ্ট কাজে এটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Standard and Extended — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এসিএলের প্রধান দুটি ধরণ এটিই।
B) Standard and Specialized — স্পেশালাইজড নামে এসিএলের কোনো আনুষ্ঠানিক বা প্রধান ধরণ নেটওয়ার্কিংয়ে নেই।
C) Standard and Specializerd — এটি একটি ভুল বানানযুক্ত অপশন এবং নেটওয়ার্কিংয়ে এই নামের কোনো এসিএল নেই।
D) Extended and IEEE — আইইইই হলো একটি প্রমিত সংস্থা যারা নেটওয়ার্ক ও ইলেকট্রনিক্সের নানা স্ট্যান্ডার্ড তৈরি করে, এসিএলের ধরণ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- এসিএলের প্রকারভেদ মনে রাখার জন্য এস অক্ষর দিয়ে শুরু শব্দ বা স্ট্যান্ডার্ড ও এক্সটেন্ডেড এই জোড়াটি মনে রাখা সবচেয়ে সহজ উপায়।
- স্ট্যান্ডার্ড মানে শুধু সোর্স দেখা আর এক্সটেন্ডেড মানে সোর্স, ডেসটিনেশন ও পোর্ট সব দেখা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এসিএল বা এক্সেস কন্ট্রোল লিস্ট মূলত রাউটারের সিকিউরিটি পলিসি বাস্তবায়ন করার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় কোন এসিএল শুধু সোর্স অ্যাড্রেস চেক করে, যার উত্তর স্ট্যান্ডার্ড এসিএল।
সঠিক উত্তর: B) TCP
১. কেন সঠিক:
FTP প্রোটোকল ফাইল স্থানান্তরের সময় ডেটার নিখুঁত ও নির্ভরযোগ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করতে TCP ব্যবহার করে।
TCP সংযোগ স্থাপন করে ডেটা পাঠায় এবং কোনো প্যাকেট হারিয়ে গেলে তা পুনরায় প্রেরণের ব্যবস্থা করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: FTP হলো ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ফাইল আদান-প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়।
কার্যপদ্ধতি: এটি ক্লায়েন্ট ও সার্ভারের মধ্যে দুটি সংযোগ তৈরি করে, যার একটি নিয়ন্ত্রণের জন্য এবং অন্যটি ডেটা স্থানান্তরের জন্য কাজ করে।
ব্যবহার: ওয়েব হো্স্টিং সাইটে ফাইল আপলোড বা ডাউনলোড করার কাজে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কোনো ডেভেলপার তার কম্পিউটারের লোকাল ফাইল একটি রিমোট ওয়েব সার্ভারে আপলোড করছেন।
ব্যাখ্যা: এই ফাইল স্থানান্তরের পুরো প্রক্রিয়াটি FTP প্রোটোকল এবং TCP এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
উদাহরণ ২: ব্যাংক তার একটি শাখা থেকে অন্য শাখায় বড় ডেটা ফাইল বা রিপোর্ট পাঠাচ্ছে।
ব্যাখ্যা: এখানে ডেটার শতভাগ নিখুঁত হওয়া জরুরি বিধায় TCP ভিত্তিক FTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) IP — এটি নেটওয়ার্কে ডিভাইসের ঠিকানা নির্ধারণ ও রাউটিং এর কাজ করে, সরাসরি ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল নিয়ন্ত্রণ করে না।
B) TCP — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নির্ভরযোগ্য সংযোগ নিশ্চিত করে।
C) UDP — এটি দ্রুত ডেটা পাঠায় কিন্তু ডেটা হারানোর ঝুঁকি থাকে, যা ফাইল স্থানান্তরের জন্য নিরাপদ নয়।
D) SMTP — এটি শুধুমাত্র ই-মেইল পাঠানোর কাজে ব্যবহৃত প্রোটোকল, ফাইল স্থানান্তরের জন্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ফাইল স্থানান্তরের সময় একটিও বিট নষ্ট হওয়া যাবে না, তাই নির্ভরযোগ্য প্রোটোকল TCP ব্যবহার করা হয়।
FTP এর পূর্ণরূপ File Transfer Protocol এবং TCP এর পূর্ণরূপ Transmission Control Protocol।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে নির্ভরযোগ্য যোগাযোগের জন্য TCP এবং দ্রুত যোগাযোগের জন্য UDP ব্যবহার করা হয়।
FTP প্রোটোকল সাধারণত পোর্ট নম্বর ২০ এবং ২১ ব্যবহার করে থাকে।
সঠিক উত্তর: C) High level language
১. কেন সঠিক:
C প্রোগ্রামিং ভাষাকে উচ্চ স্তরের ভাষা বলা হয় কারণ এটি মানুষের ভাষার সাথে মিলে চলে এবং এতে ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করা হয়।
এটি হার্ডওয়্যার সম্পর্কে বিস্তারিত না জেই সফটওয়্যার তৈরি করতে সাহায্য করে এবং এটি যেকোনো কম্পিউটারে চালানো যায়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: C হলো একটি প্রসিডিউরাল প্রোগ্রামিং ভাষা যা ১৯৭২ সালে ডেনিস রিচি তৈরি করেছিলেন।
কার্যপদ্ধতি: এই ভাষায় লেখা সোর্স কোড কম্পাইলারের মাধ্যমে মেশিন কোডে রূপান্তরিত হয়ে কম্পিউটারে রান করে।
বৈশিষ্ট্য: এতে ফাংশন ব্যবহার করে কোড ছোট করা যায় এবং সরাসরি মেমোরি নিয়ে কাজ করার সুবিধা আছে।
ব্যবহার: অপারেটিং সিস্টেম তৈরি এবং সিস্টেম সফটওয়্যার বানানোর জন্য এই ভাষা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রিন্ট ফাংশন ব্যবহার করে স্ক্রিনে লেখা প্রিন্ট করা।
ব্যাখ্যা: সি ভাষায় printf কমান্ড ব্যবহার করে খুব সহজেই কম্পিউটারের পর্দায় তথ্য দেখানো যায়।
উদাহরণ ২: গাণিতিক হিসাব করার জন্য চলক বা ভেরিয়েবল ঘোষণা করা।
ব্যাখ্যা: ইন্টিজার টাইপের ডেটা নিয়ে সহজেই যোগ বা বিয়োগের মতো কাজ করা যায় এই ভাষায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Low level language — কারণ এটি অ্যাসেম্বলি বা মেশিন ভাষার মতো সরাসরি হার্ডওয়্যার নিয়ে কাজ করে না।
B) Mid level language — কারণ সি ভাষাকে তাত্ত্বিকভাবে উচ্চ স্তরের ভাষা হিসেবেই গণ্য করা হয়।
D) None of these — কারণ সঠিক উত্তরটি সি অপশনে আগেই দেওয়া আছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
সি ভাষা মানুষের ভাষার কাছাকাছি হওয়ায় একে হাই লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজ বা উচ্চ স্তরের ভাষা বলা হয়।
কম্পিউটার সরাসরি মেশিন ভাষা বোঝে, তাই সি কোডকে কম্পাইলারের মাধ্যমে অনুবাদ করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সি ভাষার জনক ডেনিস রিচি এবং এটি বেল ল্যাবসে তৈরি হয়েছিল।
ভবিষ্যতে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ভাষার সৃষ্টি সাল বা এর ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) SMTP
১. কেন সঠিক:
SMTP-এর পূর্ণরূপ Simple Mail Transfer Protocol এবং এটি মূলত ই-মেইল আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত প্রধান ইন্টারনেট প্রোটোকল।
ইন্টারনেটে এক সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে বা ক্লায়েন্ট থেকে মেইল সার্ভারে ই-মেইল পাঠানোর কাজটি এই প্রোটোকলের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: SMTP হলো এমন একটি অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার প্রোটোকল যা ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কে ই-মেইল প্রেরণের কাজ পরিচালনা করে।
কার্যপদ্ধতি: এটি সাধারণত টিসিপি বা আইপি নেটওয়ার্কে পোর্ট পঁচিশ ব্যবহার করে মেইল প্রেরকের কাছ থেকে মেইল রিসিভার সার্ভারে পৌঁছে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জিমেইল থেকে আউটলুকে ই-মেইল পাঠানো।
ব্যাখ্যা: জিমেইল অ্যাকাউন্ট থেকে যখন কোনো মেইল আউটলুক ঠিকানায় পাঠানো হয়, তখন সার্ভার পর্যায়ে SMTP প্রোটোকল সেই মেইলটি গন্তব্যে পৌঁছে দিতে কাজ করে।
উদাহরণ ২: মোবাইল ফোন থেকে অফিসিয়াল ই-মেইল সেন্ড করা।
ব্যাখ্যা: মোবাইল ডিভাইসের মেইল অ্যাপ থেকে সেন্ড বাটনে চাপ দেওয়ার পর SMTP প্রোটোকল সক্রিয় হয়ে মেইলটিকে ইন্টারনেট সার্ভারে আপলোড করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Telnet — এটি একটি রিমোট লগইন প্রোটোকল যার মাধ্যমে দূরবর্তী কম্পিউটারে যুক্ত হয়ে কাজ করা যায়, এটি ই-মেইলের সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) SSH — এর পূর্ণরূপ Secure Shell এবং এটি নেটওয়ার্কে নিরাপদ উপায়ে দূরবর্তী কম্পিউটারে প্রবেশ ও কমান্ড পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
C) DHCP — এর পূর্ণরূপ Dynamic Host Configuration Protocol যা নেটওয়ার্কের ডিভাইসগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইপি অ্যাড্রেস প্রদান করে।
D) SMTP — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ই-মেইল সার্ভিস বা আদান-প্রদানের সাথে সরাসরি সংপৃক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
ই-মেইল পাঠানোর সময় S দিয়ে শুরু SMTP প্রোটোকল মনে রাখবে, যেখানে S মানে Simple এবং Mail Transfer তো বলাই আছে।
রিসিভ করার ক্ষেত্রে পপ থ্রি বা আইম্যাপ প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়, যা প্রেরণের SMTP থেকে আলাদা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ই-মেইল সেন্ডিং প্রোটোকল হিসেবে SMTP এবং রিসিভিং প্রোটোকল হিসেবে POP3 বা IMAP সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
প্রোটোকলের পূর্ণরূপ এবং তাদের সুনির্দিষ্ট পোর্ট নম্বরগুলো মুখস্থ রাখা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) Black-box testing
১. কেন সঠিক:
ইনপুট এবং আউটপুট ঠিক আছে কি না তা যাচাই করার জন্য ব্ল্যাক-বক্স টেস্ট ব্যবহার করা হয়।
এই পদ্ধতিতে সফটওয়্যারের ভেতরের কোড বা লজিক না দেখে কেবল ইনপুট দিয়ে কাঙ্ক্ষিত আউটপুট পাওয়া যাচ্ছে কি না তা পরীক্ষা করা হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ব্ল্যাক-বক্স টেস্ট এমন এক ধরনের সফটওয়্যার পরীক্ষা যেখানে পরীক্ষক কোডের অভ্যন্তরীণ গঠন না জেনে শুধু বাহ্যিক আচরণ ও ফলাফল যাচাই করেন।
কার্যপদ্ধতি: সিস্টেমে নির্দিষ্ট ইনপুট প্রদান করা হয় এবং প্রাপ্ত আউটপুটটি পূর্বনির্ধারিত প্রত্যাশার সাথে মিলিয়ে দেখা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্যালকুলেটর অ্যাপে দুই যোগ দুই ইনপুট দিয়ে চার আউটপুট পাওয়া যাচ্ছে কি না দেখা।
ব্যাখ্যা: এখানে ভেତরে কীভাবে যোগ হচ্ছে তা দেখার প্রয়োজন নেই, শুধু ইনপুটের বিপরীতে সঠিক আউটপুট আসছে কি না সেটাই ব্ল্যাক-বক্স টেস্টের কাজ।
উদাহরণ ২: একটি লগইন পেজে সঠিক ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশ করা যাচ্ছে কি না পরীক্ষা করা।
ব্যাখ্যা: ডেটাবেজে কীভাবে পাসওয়ার্ড যাচাই হচ্ছে তা না দেখে কেবল লগইন সফল হচ্ছে কি না তা পরীক্ষা করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Black-box testing - এটি সঠিক কারণ এটি ইনপুট ও আউটপুট যাচাই করে।
B) Integration testing - এটি আলাদা আলাদা মডিউল বা অংশগুলো একত্রিত করার পর সঠিকভাবে কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করে।
C) White-box testing - এটি সফটওয়্যারের অভ্যন্তরীণ কোড, লজিক ও গঠন পরীক্ষা করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
D) Load testing - এটি উচ্চ ট্রাফিক বা কাজের চাপে সিস্টেমের সহ্যক্ষমতা ও কর্মক্ষমতা পরিমাপ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ব্ল্যাক-বক্স মানে কালো বাক্স যার ভেতরটা দেখা যায় না, তাই ভেতরের কোড বাদ দিয়ে শুধু বাইরের ইনপুট ও আউটপুট দেখা হয়।
সফটওয়্যার পরীক্ষার ক্ষেত্রে ব্ল্যাক-বক্স টেস্টকে ফাংশনাল টেস্ট বা আচরণগত টেস্টও বলা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফটওয়্যার টেস্টিং থেকে প্রায়ই ব্ল্যাক-বক্স ও হোয়াইট-বক্স পরীক্ষার পার্থক্য সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
কোড জানা না থাকলেও এই টেস্ট করা সম্ভব বিধায় সাধারণ ব্যবহারকারী বা কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স টেস্টাররা এটি বেশি ব্যবহার করেন।
সঠিক উত্তর: A) Firmware
১. কেন সঠিক:
- BIOS হলো ফার্মওয়্যার কারণ এটি এমন একটি সফটওয়্যার যা স্থায়ীভাবে মাদারবোর্ডের রম চিপে সংরক্ষিত থাকে।
- এটি কম্পিউটার চালুর সাথে সাথে হার্ডওয়্যার উপাদানগুলোকে সক্রিয় করে এবং অপারেটিং সিস্টেমকে মেমোরিতে লোড করতে সাহায্য করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: BIOS-এর পূর্ণরূপ হলো Basic Input Output System। এটি একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা হার্ডওয়্যারে এম্বেড করা থাকে।
- কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার অন করার পর BIOS প্রথমে পোস্ট অর্থাৎ Power-On Self-Test পরিচালনা করে হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে এবং বুট ডিভাইস খুঁজে বের করে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি মাদারবোর্ডের ফ্ল্যাশ মেমোরি বা রম চিপে সংরক্ষিত থাকে এবং অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার আগেই কাজ শুরু করে।
- ব্যবহার: পিসি চালু করা, হার্ডওয়্যার ডিভাইস শনাক্ত করা এবং অপারেটিং সিস্টেমের সাথে কম খরচে যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য এটি অপরিহার্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কম্পিউটারের পাওয়ার সুইচ চাপার পর স্ক্রিনে মাদারবোর্ডের লোগো আসা এবং হার্ডডিস্ক খুঁজে পাওয়া।
ব্যাখ্যা: এই প্রাথমিক ধাপটি BIOS সম্পন্ন করে থাকে যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যকার প্রথম সেতুবন্ধন।
উদাহরণ ২: মাদারবোর্ডের ঘড়ির সময় বা বুট অর্ডার পরিবর্তন করতে বায়োস সেটআপ মেনুতে প্রবেশ করা।
ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী ফার্মওয়্যারের নিজস্ব ইন্টারফেসে প্রবেশ করে সিস্টেমের মৌলিক হার্ডওয়্যার সেটিংস পরিবর্তন করতে পারেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Firmware — এটি সঠিক কারণ BIOS হার্ডওয়্যারের সাথে স্থায়ীভাবে যুক্ত সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যার হিসেবে কাজ করে।
B) Software — এটি ভুল কারণ সাধারণ সফটওয়্যার হার্ডডিস্কে থাকে এবং ব্যবহারকারী পরিবর্তন করতে পারে, কিন্তু BIOS হার্ডওয়্যারের সাথে স্থায়ীভাবে থাকে।
C) Combination of hardware and software — এটি ভুল কারণ BIOS মূলত একটি সফটওয়্যার কোড, এটি কোনো হার্ডওয়্যার যন্ত্রাংশ নয় যদিও এটি রম চিপে থাকে।
D) Hardware — এটি ভুল কারণ BIOS কোনো ধরা ছোঁয়া যায় এমন ভৌত যন্ত্রাংশ বা হার্ডওয়্যার নয়, এটি সফটওয়্যার বা কোডের নির্দেশমালা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- BIOS-এর পূর্ণরূপ হলো Basic Input Output System এবং এটি এক ধরনের ফার্মওয়্যার।
- রম এবং ফার্মওয়্যার একে অপরের পরিপূরক, তাই বায়োস সবসময় রমে থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- BIOS হলো সিস্টেমের প্রথম বুটলোডার যা কম্পিউটার অন করার সাথে সাথে কাজ শুরু করে।
- আধুনিক কম্পিউটারে বায়োসের পরিবর্তে ইউইএফআই বা Unified Extensible Firmware Interface ব্যবহৃত হচ্ছে।
সঠিক উত্তর: D) All of these
১. কেন সঠিক:
ইন্টারনেট সংযোগের জন্য ফিজিক্যাল মিডিয়াম বা মাধ্যমের পাশাপাশি ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
এখানে প্রদত্ত অপশনগুলোর প্রতিটিই কোনো না কোনো মাধ্যমে কম্পিউটারকে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করতে সক্ষম।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: মডেম হলো এমন একটি ডিভাইস যা ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে এবং অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করে।
কার্যপদ্ধতি: এটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের কাছ থেকে সিগন্যাল গ্রহণ করে কম্পিউটারে বোধগম্য উপাত্তে রূপান্তর করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পাওয়ার জন্য ডিএসএল ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি প্রচলিত কপার তারের মাধ্যমে উচ্চগতির ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
উদাহরণ ২: টেলিভিশন ক্যাবল লাইন ব্যবহার করে ইন্টারনেট সংযোগের জন্য ক্যাবল মডেম ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি একই সাথে টিভি সম্প্রচার এবং ইন্টারনেটের ডেটা পরিবহন করতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Phase-line-modem — এটি টেলিফোন লাইনের সাথে যুক্ত হয়ে ইন্টারনেটে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
B) DSL — যার পূর্ণরূপ ডিজিটাল সাবস্ক্রাইবার লাইন, এটি টেলিফোন লাইন দিয়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট দেয়।
C) Cable modem — এটি কোঅ্যাক্সিয়াল ক্যাবল ব্যবহার করে ইন্টারনেটের সাথে কম্পিউটার যুক্ত করে।
D) All of these — উপরের সবগুলো অপশনই কম্পিউটারকে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করার কার্যকর মাধ্যম।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যম হিসেবে মডেম, ডিএসএল এবং ক্যাবল মডেম সবই পরীক্ষণে বহুল ব্যবহৃত শব্দ।
এগুলো সবই ফিক্সড লাইন ইন্টারনেট সংযোগের জন্য অপরিহার্য প্রযুক্তি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে এনালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করাকে ডিপ্রমডেমুলেশন বলা হয়।
ডিএসএল প্রযুক্তিতে ভয়েস কল এবং ইন্টারনেট একই লাইন দিয়ে একসাথে চলতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) 2^(n+1) − ১
১. কেন সঠিক:
একটি কমপ্লিট বাইনারি ট্রি-এর উচ্চতা বা হাইট যদি n হয়, তবে লেভেলের সংখ্যা হবে শূন্য থেকে শুরু করে n পর্যন্ত।
মোট নোডের সংখ্যা নির্ণয়ের জন্য জ্যামিতিক ধারার যোগফলের সূত্র ব্যবহার করা হয়, যেখানে প্রতিটি লেভেলে নোডের সংখ্যা দ্বিগুণ হতে থাকে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: কমপ্লিট বাইনারি ট্রি হলো এমন একটি বিশেষ ধরনের বাইনারি ট্রি যার শেষ লেভেল বা স্তর ছাড়া বাকি সব স্তর সম্পূর্ণভাবে নোড দ্বারা পূর্ণ থাকে এবং নোডগুলো বাম দিক থেকে সাজানো হয়।
কার্যপদ্ধতি: এই ট্রির প্রতিটি প্যারেন্ট নোডের সর্বাধিক দুটি করে চাইল্ড বা শিশু নোড থাকতে পারে এবং রুট নোড থেকে শুরু করে নিচের স্তরে নোডের সংখ্যা দুই গুণ হারে বৃদ্ধি পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাইট যদি ০ হয়, তবে ট্রিটিতে কেবল একটি রুট নোড থাকে।
ব্যাখ্যা: সূত্রের হিসাব অনুযায়ী, ২^(০+১) − ১ সমান ২^১ − ১ সমান ১, যা সঠিক।
উদাহরণ ২: হাইট যদি ১ হয়, তবে রুট নোডের নিচে দুটি চাইল্ড নোড থাকে এবং মোট নোড হয় তিনটি।
ব্যাখ্যা: সূত্রের হিসাব অনুযায়ী, ২^(১+১) − ১ সমান ২^২ − ১ সমান ৪ − ১ সমান ৩, যা সঠিক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) n — এটি ভুল কারণ উচ্চতার মান যত বাড়ে, বাইনারি ট্রির নোডের সংখ্যা রৈখিকভাবে বৃদ্ধি পায় না, বরং ঘাত বা সূচক আকারে দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
B) 2^n — এটি ভুল কারণ এই সূত্রটি কেবল একটি নির্দিষ্ট লেভেলের নোড সংখ্যা বা ভুলভাবে পূর্ণ বাইনারি ট্রির একটি অংশ নির্দেশ করে, সমস্ত স্তরের যোগফল নয়।
C) 2^(n-1) — এটি ভুল কারণ এই সূত্রটি হিসাব করলে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে প্রকৃত নোডের সংখ্যার চেয়ে কম ফলাফল পাওয়া যায়।
D) 2^(n+1) − ১ — এটি সঠিক কারণ জ্যামিতিক ধারার সমষ্টির নিয়ম অনুযায়ী এটি শূন্য থেকে n লেভেলের সব নোডের সঠিক মোট সংখ্যা প্রদান করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
কমপ্লিট বাইনারি ট্রির মোট নোড বের করার সহজ কৌশল হলো সর্বোচ্চ লেভেলের নোডের দ্বিগুণ থেকে এক বিয়োগ করা।
হাইট n হলে মোট নোড হবে দুই এর পাওয়ার n প্লাস এক, তারপর তার থেকে এক কম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কমপ্লিট বাইনারি ট্রি ডেটা স্ট্রাকচারে হিপ সোর্ট এবং প্রায়োরিটি কিউ তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাইনারির উচ্চতা থেকে মোট নোড অথবা মোট নোড থেকে উচ্চতা নির্ণয়ের অংক আসে।
সঠিক উত্তর: A) একই ধরণের অনেকগুলো Data
১. কেন সঠিক:
অ্যারে (Array) হলো একটি ডেটা স্ট্রাকচার যেখানে একই ডেটা টাইপের একাধিক ডেটা বা উপাদান পরপর মেমোরিতে সাজানো থাকে।
এই কাঠামোর প্রধান শর্ত হলো এর সবগুলো উপাদানের ডেটা টাইপ একই হতে হবে, যেমন সব পূর্ণসংখ্যা বা সব ক্যারেক্টার।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: অ্যারে হলো এমন একটি কন্টেইনার যা সমজাতীয় ডেটা সংরক্ষণ করে এবং ইনডেক্স নম্বরের মাধ্যমে প্রতিটি উপাদানকে পৃথকভাবে শনাক্ত করা যায়।
বৈশিষ্ট্য: এর আকার সাধারণত নির্দিষ্ট থাকে এবং এর উপাদানগুলো মেমোরিতে ধারাবাহিক বা কন্টিনুয়াস লোকেশনে সংরক্ষিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি ক্লাসের দশজন শিক্ষার্থীর রোল নম্বর সংরক্ষণ করার জন্য একটি ইনটিজার অ্যারে ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: দশটি রোল নম্বরই পূর্ণসংখ্যা হওয়ায় তা একটিমাত্র অ্যারের মধ্যে খুব সহজে রাখা সম্ভব।
উদাহরণ ২: বছরের বারোটি মাসের নাম সংরক্ষণের জন্য একটি ক্যারেক্টার বা স্ট্রিং অ্যারে ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: প্রতিটি মাসের নাম টেক্সট ডেটা হওয়ায় এগুলোকে একটি অ্যারে কাঠামোর অধীনে সুশৃঙ্খলভাবে রাখা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একই ধরণের অনেকগুলো Data — এটি সঠিক কারণ অ্যারের মূল কাজই হলো সমজাতীয় ডেটা একসাথে সংরক্ষণ করা।
B) বিভিন্ন ধরণের Data — এটি ভুল কারণ অ্যারেতে ভিন্ন ভিন্ন ডেটা টাইপ যেমন পূর্ণসংখ্যা ও দশমিক সংখ্যা একসাথে রাখা যায় না, ভিন্ন ডেটার জন্য স্ট্রাকচার ব্যবহার করা হয়।
C) শুধু Printer ধরণের Data — এটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক কারণ প্রিন্টার একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস এবং অ্যারে হলো মেমোরি ডেটা স্ট্রাকচার।
D) ক্লাস এর Data — এটি ভুল কারণ ক্লাস হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের অংশ, যেখানে বিভিন্ন ডেটা টাইপ থাকতে পারে, যা অ্যারের মৌলিক নিয়মের সাথে মিলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
অ্যারে মানে একই রকম ডেটার সারি বা সমাবেশ।
সি প্রোগ্রামিংয়ে অ্যারে ডিক্লেয়ার করার সময় ইনটিজার বা ফ্লোট লিখে নির্দিষ্ট ডেটা টাইপ আগে থেকেই ঠিক করে দিতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রোগ্রামিং পরীক্ষায় ডেটা স্ট্রাকচারের মৌলিক ধারণা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
অ্যারের ইনডেক্স সাধারণত শূন্য থেকে শুরু হয়, যা বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত একটি তথ্য।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)