বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র স্টাফ নার্স পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯।

পদের নাম: সিনিয়র স্টাফ নার্স (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a রামনারায়ণ তর্করত্ন
b বিহারীলাল চক্রবর্তী
c কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
d মদনমোহন তর্কালঙ্কার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মদনমোহন তর্কালঙ্কার ১. কেন সঠিক: - 'পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল' চরণটি মদনমোহন তর্কালঙ্কারের লেখা 'প্রভাতী' কবিতার বিখ্যাত অংশ। - এই চরণে ভোরবেলার স্নিগ্ধ প্রকৃতি ও পাখির কলকাকলির মাধ্যমে নতুন দিনের সূচনার সুন্দর চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মদনমোহন তর্কালঙ্কার ছিলেন উনিশ শতকের গোড়ার দিকের একজন প্রখ্যাত বাঙালি শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক। - তাঁর রচিত 'শিশুশিক্ষা' (প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগ) বাংলা শিক্ষা বিস্তারে এবং শিশুদের প্রাথমিক পাঠদানে ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'প্রভাতী' কবিতা ব্যাখ্যা: মদনমোহন তর্কালঙ্কারের এই কবিতাটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যপুস্তকে বহু প্রজন্ম ধরে অন্তর্ভুক্ত হয়ে আসছে। উদাহরণ ২: 'পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল / কাননে কুসুম কলি সকল ফুটিল' ব্যাখ্যা: এটি উক্ত কবিতার পরবর্তী চরণ, যা সকালের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আরও ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামনারায়ণ তর্করত্ন — ইনি উনিশ শতকের একজন বিশিষ্ট নাট্যকার হলেও এই পঙ্‌ক্তির রচয়িতা নন। B) বিহারীলাল চক্রবর্তী — ইনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত হলেও এই বিখ্যাত কবিতার রচয়িতা নন। C) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — ইনি নীতিমূলক কাব্যের জন্য পরিচিত হলেও এই পঙ্‌ক্তির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। D) মদনমোহন তর্কালঙ্কার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভোরবেলার পাখি ও প্রভাতী কবিতার কথা মনে আসলেই মদনমোহন তর্কালঙ্কারের নাম স্মরণ করবে। - শিশুদের উপযোগী প্রথম পাঠ্যবই রচয়িতা হিসেবেও তাঁকে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শিশুতোষ পঙ্‌ক্তি ও প্রাচীন লেখকদের নাম প্রায়ই আসে। - বাংলা সাহিত্যের প্রথম যুগের নির্মাতাদের সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
a ব্যাকরণ লেখক
b ব্যাকরণবিদ
c বেয়াকরণ
d ব্যাকরণ সংকলক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেয়াকরণ ১. কেন সঠিক: - যিনি ব্যাকরণ রচনা করেন বা ব্যাকরণ শাস্ত্রে সুপণ্ডিত, তাকে এককথায় বেয়াকরণ বলা হয়। - এটি মূলত এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন সংক্রান্ত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত প্রশ্ন। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংক্ষেপণের ক্ষেত্রে পদের রূপগত পরিবর্তনের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। - ব্যাকরণ রচয়িতা বা পন্ডিত বোঝাতে সাধারণ অর্থে ব্যাকরণবিদ বলা হলেও প্রমিত ও পরীক্ষাকেন্দ্রিক বাংলা ব্যাকরণে বেয়াকরণ শব্দটি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যিনি ব্যাকরণ জানেন বা রচনা করেন ব্যাখ্যা: তাকে এককথায় বেয়াকরণ বলা হয়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। উদাহরণ ২: ইতিহাস রচনা করেন যিনি ব্যাখ্যা: তাকে ঐতিহাসিক বলা হয়, যা এককথায় প্রকাশের আরেকটি প্রচলিত নিয়ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাকরণ লেখক — এই শব্দটির চেয়ে প্রমিত এককথায় প্রকাশ হিসেবে 'বেয়াকরণ' শব্দটি বেশি গ্রহণযোগ্য। B) ব্যাকরণবিদ — ব্যাকরণ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ বোঝাতে শব্দটি ব্যবহৃত হলেও মূল প্রশ্নের নির্দিষ্ট এককথায় প্রকাশ এটি নয়। D) ব্যাকরণ সংকলক — যিনি ব্যাকরণ সংগ্রহ বা সংকলন করেন, তাকে বোঝায় কিন্তু রচয়িতা বোঝাতে এটি সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রশ্নটিতে রচয়িতা বা পন্ডিত বোঝালে উত্তর সবসময় বেয়াকরণ হবে। - এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে বানান ও শব্দের প্রচলিত রূপটি মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - মূল শব্দ ও প্রমিত রূপের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ষড় + আনন
b ষট্ + আনন
c ষড় + আননা
d ষটা + আনন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ষট্ + আনন ১. কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে বর্গের প্রথম বর্ণের পর স্বরধ্বনি থাকলে প্রথম বর্ণটি তারই বর্গের তৃতীয় বর্ণে রূপান্তরিত হয়। - এখানে 'ষট্' শব্দের ট বর্গের প্রথম বর্ণ এবং 'আনন' শব্দের আদি ধ্বনি আ স্বরধ্বনি হওয়ায় ট পরিবর্তিত হয়ে ড হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক চ ট ত প এই পাঁচটি বর্ণকে ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে বর্গের প্রথম বর্ণ বলা হয়। - প্রথম বর্ণের পর স্বরধ্বনি বা ঘোষ ব্যঞ্জনধ্বনি থাকলে প্রথম বর্ণটি স্ব স্ব বর্গের তৃতীয় বর্ণে পরিণত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাচ + দান = বাগদান ব্যাখ্যা: ক বর্গের প্রথম বর্ণ ক এর পর ঘোষ ধ্বনি দ থাকায় ক পরিবর্তিত হয়ে গ হয়েছে। উদাহরণ ২: সুপ + অন্ত = সুবন্ত ব্যাখ্যা: প বর্গের প্রথম বর্ণ প এর পর স্বরধ্বনি অ থাকায় প পরিবর্তিত হয়ে ব হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষড় + আনন — এটি ভুল কারণ প্রথম শব্দে ষড় লেখা হয়েছে, যেখানে মূল প্রাতিপদিক শব্দ ষট্ ব্যবহার করতে হয়। B) ষট্ + আনন — এটি সঠিক এবং নিয়ম অনুযায়ী ব্যঞ্জনসন্ধির সঠিক বিশ্লেষণ প্রকাশ করে। C) ষড় + আননা — এটি ভুল কারণ এখানে আননা শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে এবং বানানেও ত্রুটি রয়েছে। D) ষটা + আনন — এটি ভুল কারণ ষটা বলে কোনো সঠিক ব্যাকরণসম্মত মূল শব্দ বা উপসর্গ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - সন্ধির সময় প্রথম শব্দে হসন্তযুক্ত ট বা অন্য বর্গীয় প্রথম বর্ণ থাকলে তা সহজে তৃতীয় বর্ণে পরিবর্তিত হয়। - ষড়ানন শব্দের অর্থ যার ছয়টি আনন বা মুখ আছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি খুবই ঘন ঘন আসে। - বর্গের প্রথম বর্ণের সাথে স্বরধ্বনির মিলনের এই সূত্রটি আয়ত্ত রাখলে অনুরূপ অনেক প্রশ্নের উত্তর সহজেই করা সম্ভব।
a সরল বাক্য
b জটিল বাক্য
c যৌগিক বাক্য
d মিশ্র বাক্য
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যৌগিক বাক্য ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বা প্রধান খণ্ডবাক্য কোনো সংযোজক অব্যয় যেমন এবং, ও, কিন্তু, অথবা, কিংবা, অতএব, তাই দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে। এখানে 'তার দর্শন পেলাম' এবং 'তারপর আমরা প্রস্থান করলাম' দুটি স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য 'তারপর' সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: গঠন অনুসারে বাক্য মূলত তিন প্রকার: সরল বাক্য, জটিল বাক্য এবং যৌগিক বাক্য। যৌগিক বাক্যের খণ্ডবাক্যগুলো একে অপরের ওপর নির্ভরশীল নয়, প্রত্যেকেই স্বাধীন অর্থ প্রকাশ করতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘ কেটে গেল এবং সূর্য উঠল। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য 'মেঘ কেটে গেল' ও 'সূর্য উঠল' 'এবং' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে। উদাহরণ ২: সে অনেক পড়াশোনা করল, কিন্তু পরীক্ষায় পাস করতে পারল না। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য 'সে অনেক পড়াশোনা করল' এবং 'পরীক্ষায় পাস করতে পারল না' 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল বাক্য — এই অপশন ভুল কারণ সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে এবং এখানে একাধিক খণ্ডবাক্য রয়েছে। B) জটিল বাক্য — এই অপশন ভুল কারণ জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে, যা এখানে নেই। C) যৌগিক বাক্য — এটি সঠিক অপশন কারণ এতে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত আছে। D) মিশ্র বাক্য — এই অপশন ভুল কারণ ব্যাকরণের প্রমিত শ্রেণিবিভাগে মিশ্র বাক্য মূলত জটিল বাক্যেরই আরেকটি নাম, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: যৌগিক বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো বাক্যের মাঝখানে এবং, ও, কিন্তু, কিংবা, অথবা, অতএব, তাই, তদুপরি এর মতো অব্যয় খুঁজে দেখা। স্বাধীন খণ্ডবাক্যগুলো এই অব্যয়গুলো দ্বারা যুক্ত থাকলে চোখ বন্ধ করে তাকে যৌগিক বাক্য চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বাক্যের মাঝখানের সংযোজক অব্যয়গুলোর দিকে নজর রাখলে খুব সহজেই সরল, জটিল ও যৌগিক বাক্যের পার্থক্য নির্ণয় করা যায়।
a হ + ণ
b হ + গ
c ন + হ
d হ + ন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হ + ন ১. কেন সঠিক: - 'হ্ন' একটি যুক্তবর্ণ যা হ এবং ন বর্ণ দুটির মিলনে গঠিত হয়। - বাংলা বর্ণমালায় হ এর সাথে ন যুক্ত হলে তা পরিবর্তিত রূপ ধারণ করে নিচে অবস্থান করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ অংশের অন্তর্ভুক্ত এই প্রশ্নে যুক্তবর্ণের গঠন বিশ্লেষণ করা হয়েছে। - হ এবং ন মিলে গঠিত এই যুক্তবর্ণটি বিভিন্ন প্রমিত বাংলা শব্দে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপরাহ্ন ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'হ্ন' যুক্তবর্ণটি ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর সঠিক উচ্চারণ ও গঠন হ যোগ ন নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: মধ্যাহ্ন ব্যাখ্যা: এই শব্দের বানানেও হ এবং ন যুক্ত হয়ে 'হ্ন' বর্ণগুচ্ছ তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হ + ণ — এটি ভুল কারণ এখানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে যা হ এর সাথে যুক্ত হয়ে ভিন্ন রূপ নেয় না। B) হ + গ — এটি ভুল কারণ হ এর সাথে গ যুক্ত হলে ভিন্ন যুক্তবর্ণ গঠিত হয়। C) ন + হ — এটি ভুল কারণ ন এর সাথে হ যুক্ত হলে অন্য রূপ তৈরি হয়, যেমন ন্হ। D) হ + ন — এটি সঠিক কারণ হ এর সাথে প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী ন যুক্ত হয়ে হ্ন গঠিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অপরাহ্ন বা মধ্যাহ্ন শব্দ দুটি মনে রাখলে হ্ন যুক্তবর্ণের গঠন সহজে মনে রাখা যায়। - হ এর সাথে সবসময় ন যুক্ত হলে এই নির্দিষ্ট রূপটি আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যুক্তবর্ণের সঠিক ভাঙা রূপ জানতে চাওয়া হয়। - প্রমিত বানানের ক্ষেত্রে এই যুক্তবর্ণগুলোর সঠিক গঠন মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
a কবিতার পংক্তিতে
b গল্পের সংলাপে
c গানের কলিতে
d নাটকের সংলাপে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাটকের সংলাপে ১. কেন সঠিক: সাধুভাষা সাধারণত নাটকের সংলাপে অনুপযোগী কারণ এটি কৃত্রিম ও গম্ভীর স্বভাবের কারণে মুখের জীবন্ত ভাষার সঙ্গে মানানসই হয় না। নাটক যেহেতু মানুষের স্বাভাবিক কথোপকথন ও জীবনযাত্রার বাস্তব রূপ ফুটিয়ে তোলে, তাই সেখানে চলিত ভাষার ব্যবহারই একমাত্র উপযোগী। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা লেখার ভাষা প্রধানত দুই রূপ লাভ করেছে, যার একটি সাধু এবং অন্যটি চলিত রীতি। সাধুভাষা ব্যাকরণের সুনিয়ম মেনে চলে এবং এর ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ কিছুটা দীর্ঘ ও গুরুগম্ভীর প্রকৃতির হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নাটকের সংলাপ লেখার সময় চরিত্রগুলোর মুখের স্বাভাবিক ভাষা ফুটিয়ে তুলতে চলিত রীতি ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: বাস্তব জীবনের কথ্যরূপ নাটকে জীবন্ত হয়ে ওঠে চলিত ভাষার মাধ্যমে। উদাহরণ ২: ছোটগল্পের চরিত্রগুলোর সংলাপের ক্ষেত্রেও সাধুভাষা ব্যবহার করা হয় না। ব্যাখ্যা: সংলাপকে জীবন্ত ও বিশ্বাসযোগ্য করার জন্য চলিত ভাষার বিকল্প নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবিতার পংক্তিতে — প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবিতায় সাধুভাষার প্রচুর ব্যবহার দেখা যায় এবং আধুনিক কালেও কবিতার ছন্দে সাধুভাষা উপযোগী হতে পারে। B) গল্পের সংলাপে — গল্পের বর্ণনায় সাধুভাষা চললেও আধুনিক ছোটগল্প বা উপন্যাসের সংলাপে এটি কম ব্যবহৃত হয়, তবে প্রশ্নানুসারে নাটকের সংলাপ অধিকতর অনুপযোগী। C) গানের কলিতে — বাংলা গানে, বিশেষ করে ধ্রুপদী বা ঐতিহ্যবাহী গানে সাধুভাষার ব্যবহার বেশ জনপ্রিয় ও মানানসই। D) নাটকের সংলাপে — এটি সঠিক উত্তর কারণ নাটকে চরিত্রের জীবন্ত মুখের ভাষা প্রকাশের জন্য সাধুভাষা সম্পূর্ণ অনুপযোগী। ৫. মনে রাখার টিপস: নাটক মানেই অভিনয় এবং মানুষের মুখের স্বাভাবিক কথপোকথন। মুখের ভাষায় কখনো গুরুগম্ভীর সাধুভাষা চলে না, তাই নাটক ও উপন্যাসের সংলাপের জন্য চলিত ভাষা উপযুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সাধুভাষা গাম্ভীর্যপূর্ণ এবং এটি পুথিগত হওয়ায় নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার জন্য অনুপযুক্ত বিবেচিত হয়। পরীক্ষায় সাধু ও চলিতরীতির বৈশিষ্ট্য সংক্রান্ত প্রশ্ন আসলে এই বিষয়টি মনে রাখতে হবে।
a কাব্য
b ভ্রমণকাহিনী
c উপন্যাস
d রম্যরচনা
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রম্যরচনা ১. কেন সঠিক: - 'টুনি মেম' একটি বিখ্যাত বাংলা রম্যরচনা, যেখানে হাস্যরস ও ব্যঙ্গাত্মক উপায়ে সমাজের নানা দিক ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - এটি মূলত সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত একটি জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম যা রম্যসাহিত্যের অনন্য নিদর্শন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ মুজতবা আলী বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রম্যলেখক, ভ্রমণকাহিনীকার ও প্রাবন্ধিক। - তার লেখায় গভীর পন্ডিত্যের সঙ্গে হালকা চালের হাস্যরস ও বহুভাষার সুন্দর মিশ্রণ দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঞ্চতন্ত্র ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা একটি বিখ্যাত রম্যরচনা সংকলন। উদাহরণ ২: ময়ূরকণ্ঠী ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ মুজতবা আলীর রচিত অন্যতম জনপ্রিয় একটি রম্যরচনা গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্য — টুনি মেম কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি গদ্যে রচিত একটি সাহিত্যকর্ম। B) ভ্রমণকাহিনী — যদিও লেখকের ভ্রমণকাহিনী বিখ্যাত, টুনি মেম ভ্রমণভিত্তিক কোনো রচনা নয়। C) উপন্যাস — এটি কোনো কাল্পনিক বা দীর্ঘ আখ্যানধর্মী উপন্যাস নয়, বরং রম্যধর্মী ছোট রচনা। D) রম্যরচনা — এটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এই রচনাটিতে রম্য বা হাস্যরসের গভীর প্রকাশ ঘটেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ মুজতবা আলীর নাম শুনলেই মাথায় রাখতে হবে রম্যরচনা ও ভ্রমণকাহিনীর কথা। - টুনি মেম নামটি শুনলেই মনে রাখবে এটি একটি হালকা মেজাজের রম্যরচনা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ মুজতবা আলীর রম্যরচনাগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থ যেমন দেশে বিদেশে এবং জলে ডাঙায় সম্পর্কেও ধারণা রাখতে হবে।
a ফকির মজনু শাহ
b লালন শাহ
c কাঙাল হরিনাথ
d হাছন রাজা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লালন শাহ ১. কেন সঠিক: প্রশ্নোক্ত 'খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়' গানটি বাংলার বাউল সম্রাট লালন শাহের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও বিখ্যাত একটি আধ্যাত্মিক গান। এই গানে খাঁচা বলতে মানবদেহ এবং অচিন পাখি বলতে মানবদেহে বাস করা অজানা পরমাত্মা বা মনকে বুঝানো হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: লালন শাহ হলেন বাংলা বাউল গানের অবিসংবাদিত পুরুষ, সাধক ও গীতিকার যিনি অসংখ্য মরমী গান রচনা করেছেন। তার গানে মানবতাবাদ, দেহতত্ত্ব, গুরুবাদ এবং পরমাত্মার সঙ্গে মিলনের আকুলতা খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে ব্যাখ্যা: এটিও লালন শাহের লেখা একটি বিখ্যাত মানবতাবাদী ও জাতিভেদ বিরোধী গান। উদাহরণ ২: খাচায় বন্দि পাখি মোরে কাঁদায় রে ব্যাখ্যা: এটিও মরমী ধারার একটি বিখ্যাত গান যা মানবাত্মার বন্দিদশাকে ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফকির মজনু শাহ — ইনি ফকির বিদ্রোহের একজন বিখ্যাত নেতা ও সংগ্রামী ব্যক্তিত্ব ছিলেন, কোনো প্রখ্যাত বাউল গান রচয়িতা নন। B) লালন শাহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বিখ্যাত মরমী গানটির রচয়িতা একমাত্র লালন শাহ। C) কাঙাল হরিনাথ — ইনি একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক, বাউল সাধक এবং গ্রামবার্তা প্রকাশিকা পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, তবে এই গানটির রচয়িতা নন। D) হাছন রাজা — ইনি সিলেটের প্রখ্যাত মরমী কবি ও জমিদার হলেও এই নির্দিষ্ট গানটির রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: অচিন পাখি বা মনের মানুষের সন্ধান পেলেই বুঝে নেবে সেটি বাউল সম্রাট লালন শাহের কোনো আধ্যাত্মিক গান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লালন শাহের গান ও মরমী সাহিত্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। লালন শাহের গানগুলোকে প্রধানত দেহতত্ত্ব ও মরমী তত্ত্বের গান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
a কালিকা মঙ্গল
b অন্নদামঙ্গল
c মনসা মঙ্গল
d চণ্ডীমঙ্গল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অন্নদামঙ্গল ১. কেন সঠিক: - 'নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?' এটি মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের একটি বিখ্যাত প্রবাদতুল্য পক্তি। - এর অর্থ হলো বড় কোনো বিপদ বা দুর্যোগ আসলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিশেষ বা প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও রক্ষা পায় না। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই পুক্তির রচয়িতা হলেন অষ্টাদশ শতকের বিশিষ্ট কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর যিনি নদিয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজকবি ছিলেন। - 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটি মূলত তিনটি খণ্ডে বিভক্ত যার মধ্যে অন্নদা মহিমা বিদ্যাসুন্দর ও মানসিংহ পর্ব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যত গর্জে তত বর্ষে না। ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রবাদ বাক্য যা অন্নদামঙ্গল কাব্যের মতো সমাজের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে তৈরি হয়েছে এবং বেশি কথার মানুষের কাজের পটুতা কম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা। ব্যাখ্যা: এটিও একটি জনপ্রিয় প্রবাদ যা নিজের অপারগতা বা অক্ষমতা ঢাকতে অন্যের ওপর দোষ চাপানোর প্রথা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কালিকা মঙ্গল — এটি অন্য কোনো মঙ্গলকাব্যের অংশ নয় কারণ কালিকা মঙ্গল ধারার প্রধান কবি বলরাম বা দ্বিজ প্রদোষ হলেও এই বিখ্যাত পক্তিটি সেখানে পাওয়া যায় না। C) মনসা মঙ্গল — এটি দেবী মনসার পূজাপ্রচার সম্পর্কিত মঙ্গলকাব্যের ধারা যার সঙ্গে এই পুক্তির কোনো ঐতিহাসিক বা সাহিত্যিক মিল নেই। D) চণ্ডীমঙ্গল — এটি দ্বিজ মাধব বা মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর লেখা চণ্ডীদেবীর মহিমা প্রচারক কাব্য যেখানে এই পক্তিটি অনুপস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের অন্নদামঙ্গল কাব্যের বিখ্যাত বাণী ও প্রবাদগুলো মনে রাখার জন্য চরিত্র ও ঘটনাগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে পড়তে পারো। - দেবালয় বা নগর পুড়ে যাওয়ার মতো রূপকধর্মী ও প্রবাদতুল্য পক্তিগুলো সাধারণত অন্নদামঙ্গল কাব্যের সঙ্গেই বেশি পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মঙ্গলকাব্যের বিখ্যাত উদ্ধৃতি বা প্রবাদমূলক লাইন প্রায়ই আসে। - মধ্যযুগের কবিদের রচনা এবং তাদের বিখ্যাত পক্তিগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a ড. নীলিমা ইব্রাহিম
b বেগম সুফিয়া কামাল
c বেগম জোবেদা খানম
d পান্না কায়সার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ড. নীলিমা ইব্রাহিম ১. কেন সঠিক: - 'আমি বীরাঙ্গনা বলছি' গ্রন্থটির রচয়িতা ড. নীলিমা ইব্রাহিম। - এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের দ্বারা নির্যাতিত নারীদের বাস্তব জীবনের করুণ কাহিনী নিয়ে রচিত একটি প্রামাণিক গ্রন্থ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. নীলিমা ইব্রাহিম ছিলেন একাধারে শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও নারী অধিকার আন্দোলনের অন্যতম অগ্রপথিক। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত এই গ্রন্থে বীরাঙ্গনাদের আত্মত্যাগ ও সামাজিক বঞ্চনার চিত্র অত্যন্ত মর্মান্তিক ও বাস্তবসম্মতভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত 'সুলতানার স্বপ্ন' ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম বিখ্যাত নারীবাদী ইউটোপিয়ান বা নারীবাদী কল্পবিজ্ঞান রচনা। উদাহরণ ২: জাহানারা ইমাম রচিত 'একাত্তরের দিনগুলি' ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণিক ও ঐতিহাসিক দিনলিপি বা স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. নীলিমা ইব্রাহিম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রন্থটি তিনিই রচনা করেছেন। B) বেগম সুফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি, সাহিত্যিক ও নারীনেত্রী হলেও এই গ্রন্থটি তার রচিত নয়। C) বেগম জোবেদা খানম — তিনি প্রখ্যাত সাহিত্যিক নন এবং এই ঐতিহাসিক গ্রন্থটির রচয়িতাও তিনি নন। D) পান্না কায়সার — তিনি একজন লেখিকা ও গবেষক হলেও 'আমি বীরাঙ্গনা বলছি' গ্রন্থের লেখক ড. নীলিমা ইব্রাহিম। ৫. মনে রাখার টিপস: - বীরাঙ্গনাদের আত্মত্যাগের সত্য ঘটনা জানতে নীলিমা ইব্রাহিমের সাহায্য নিতে হয়, এভাবে মনে রাখতে পারো। - নীলিমা ইব্রাহিম মানেই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণিক গ্রন্থ 'আমি বীরাঙ্গনা বলছি'। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণিক গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখকদের বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক বা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়তে হবে।
a ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c শেখ ফজলুল করিম
d স্বামী বিবেকানন্দ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত উদ্ধৃতিটির মূল বক্তব্য হলো বাঙালি সংস্কৃতির সার্বজনীনতা এবং ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে জাতিগত পরিচয় ও সম্প্রীতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা। - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ তার বিভিন্ন লেখনী ও বক্তৃতায় বাঙালি হিসেবে আত্মপরিচয়কে সবচেয়ে বড় সত্য বলে উল্লেখ করেছেন যা আজও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন একাধারে ভাষাবিজ্ঞানী, বহুভাষাবিদ, গবেষক ও সাহিত্যিক যিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে অনেক কাজ করেছেন। - ১৯৫° সালে পূর্ব পাকিস্তান সাহিত্য সম্মেলনে সভাপতির ভাষণে তিনি এই ঐতিহাসিক ও প্রমূর্ত ভাবনার কথা প্রকাশ করেছিলেন যা বাঙালি জাতীয়তাবাদ গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোতাহের হোসেন চৌধুরী রচিত সংস্কৃতির কথা প্রবন্ধ ব্যাখ্যা: এই প্রবন্ধে লেখক বাঙালি সংস্কৃতির উদারতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার কথা বলেছেন যা শহীদুল্লাহর এই চিন্তার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতা ব্যাখ্যা: এই কবিতায় মানুষের সার্বজনীন পরিচয় এবং সকল সংকীর্ণতা থেকে মুক্তির কথা বলা হয়েছে যা বাঙালি পরিচয়ের মূল সুরের সাথে মেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই অসাম্প্রদায়িক ও বাঙালি চেতনার কথা তিনিই প্রথম জোরালোভাবে উচ্চারণ করেছিলেন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলার মাটি বাংলার জলের মতো অনেক দেশাত্মবোধক গান ও কবিতা লিখলেও নির্দিষ্ট এই উদ্ধৃতিটি তার নয়। C) শেখ ফজলুল করিম — তিনি একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সাংবাদিক হলেও তার কোনো রচনা থেকে এই বিশেষ উদ্ধৃতিটি নেওয়া হয়নি। D) স্বামী বিবেকানন্দ — তিনি বাংলার আধ্যাত্মিক ও সামাজিক সংস্কারক হলেও তার দর্শনে সার্বজনীন মানবতাবাদের কথা থাকলেও এই উক্তিটি তার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাঙালি পরিচয়কে সবচেয়ে বড় সত্য বলেছেন ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। - ভাষা ও জাতির বড় গবেষক হওয়ায় তিনি বাঙালি সত্তাকে সবার ওপরে স্থান দিয়েছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই উদ্ধৃতিটি প্রায়ই আসে তাই মুখস্থ রাখা ভালো। - অসাম্প্রদায়িক চেতনার এই ধরনের প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে সাধারণত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম বেশি থাকে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c মদনমোহন তর্কালঙ্কার
d অসীম সাহা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: বিহারীলাল চক্রবর্তীর কবিতায় প্রথম আধুনিক গীতিকাব্যের সুর ও আত্মমগ্নতা প্রকাশ পায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর এই কাব্যিক অবদানের মুগ্ধতা প্রকাশ করে তাঁকে ভোরের পাখি উপাধিতে ভূষিত করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা গীতি কবিতার ভোরের পাখি হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। তাঁর রচিত সারদামঙ্গল ও সাধুসঙ্গ কাব্য বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সোনালী কাবিন বা অন্য কোনো সাহিত্যকর্ম নয়, বরং তিনি বিহারীলালকে এই বিশেষ উপাধি দেন। ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিহারীলালকে তাঁর কাব্যের প্রথাবিরোধী ও অনন্য সুরের জন্য ভোরের পাখি বলে স্বীকৃতি দেন। উদাহরণ ২: কবি কাজী নজরুল ইসলামকে বিদ্রোহী কবি বলা হয়। ব্যাখ্যা: এটি অন্য একজন কবিকে প্রদত্ত একটি ভিন্ন উপাধির উদাহরণ যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বিহারীলাল চক্রবর্তীকে ভোরের পাখি উপাধি প্রদান করেছিলেন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং এই উপাধির সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) মদনমোহন তর্কালঙ্কার — ইনি বাংলা শিশুসাহিত্যের প্রবক্তা ও শিক্ষামূলক রচনার জন্য পরিচিত। D) অসীম সাহা — ইনি আধুনিক যুগের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক, যিনি এই উপাধি দেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: বিহারীলাল চক্রবর্তীর নামের সঙ্গে ভোরের পাখি শব্দটি মনে রাখতে পাখি এবং পাখি সংক্রান্ত প্রভাতের চিত্রকল্প মনে রাখতে পারো। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে গুরু বলে মানতেন এবং ভোরের পাখি উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ও লেখকদের উপাধি থেকে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বিহারীলাল চক্রবর্তীকে ভোরের পাখি বলা হয় এবং মদনমোহন তর্কালঙ্কার শিশুদের প্রথম পাঠ্যপুস্তক রচয়িতা হিসেবে পরিচিত।
a ধূমকেতু
b গণবাণী
c মুক্তিববার্তা
d গণজাগরণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধূমকেতু ১. কেন সঠিক: - 'ধূমকেতু' পত্রিকার মূল পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক ছিলেন কবি কাজী নজরুল ইসলাম। - ১৯২২ সালের আগস্ট মাসে এই পত্রিকা প্রকাশিত হয় এবং এর পেছনে নজরুলের প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি। - 'ধূমকেতু' পত্রিকার প্রথম পাতার লেখা ছিল মহাকবি গোয়েতের বাণী, যা নজরুলের বিপ্লবী চেতনার প্রতীক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাঙল পত্রিকা ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত আরেকটি বিখ্যাত সাময়িকী হলো 'লাঙল', যা শ্রমিক ও কৃষকদের অধিকার নিয়ে প্রকাশিত হতো। উদাহরণ ২: দেহতত্ত্ব ও সাম্যবাদী কবিতা ব্যাখ্যা: নজরুলের সাহিত্যকর্মে সাম্যবাদ ও দ্রোহের প্রকাশ ঘটেছে, যা তার সম্পাদিত পত্রিকার আদর্শের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধূমকেতু — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি কাজী নজরুল ইসলামের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত পত্রিকা। B) গণবাণী — এটি কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র হলেও নজরুল এর সাথে সরাসরি প্রধান সম্পাদক হিসেবে যুক্ত ছিলেন না। C) মুক্তিববার্তা — এটি কোনো পরিচিত ঐতিহাসিক পত্রিকা নয় যা নজরুলের সাথে সম্পর্কিত। D) গণজাগরণ — এটি বর্তমান সময়ের একটি সাধারণ শব্দ, নজরুলের সম্পাদিত কোনো পত্রিকার নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের পত্রিকার নাম মনে রাখতে ধূমকেতু শব্দের সাথে তার বিদ্রোহী রূপের তুলনা করতে পারো। - ধূমকেতুর মতো তার পত্রিকাও সমাজে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই নজরুল সম্পাদিত পত্রিকার নাম জানতে চাওয়া হয়। - ধূমকেতু এবং লাঙল পত্রিকার নাম ভালোভাবে মনে রাখবে।
a মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান
b আসাদ চৌধুরী
c আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
d সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৈয়দ শামসুল হক ১. কেন সঠিক: 'তোমাকে অভিবাদন, বাংলাদেশ' একটি বিখ্যাত কবিতা এবং এর রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হক। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং দেশপ্রেমের আবহ ফুটিয়ে তুলতে এই কবিতাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের এক জননন্দিত কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবোধিক। তিনি বিংশ শতাব্দীর ষাটের দশকের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি হিসেবে বাংলা সাহিত্যে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি বিখ্যাতক কাব্যনাট্য যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: নূরলদীনের সারাজীবন ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক পটভূমিতে রচিত জনপ্রিয় নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান — এই সাহিত্যিক ষাটের দশকের কবি হলেও 'তোমাকে অভিবাদন, বাংলাদেশ' কবিতাটি তাঁর রচিত নয়। B) আসাদ চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত আধুনিক কবি ও ছড়াকার হলেও এই বিশেষ রচনার রচয়িতা নন। C) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ — তিনি বিখ্যাত 'কোন এক শহুরে প্রবাসে' ও 'মা গো ভাবনায় তুমি' কবিতার রচয়িতা, এই কবিতার নন। D) সৈয়দ শামসুল হক — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই এই কবিতার সম্মানিত রচয়িতা। ৫. মনে রাখার টিপস: সৈয়দ শামসুল হকের দেশপ্রেমমূলক বিখ্যাত রচনা মনে রাখতে 'তোমাকে অভিবাদন, বাংলাদেশ' এবং 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' একসঙ্গে পড়তে পারো। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্য পড়ার সময় লেখকের নাম ছক আকারে লিখে রাখলে সহজে মনে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত কবিতা ও নাটকের রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। সৈয়দ শামসুল হকের সাহিত্যকর্মগুলোর ধরন এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্যান্য লেখকের কাজগুলো ভালোভাবে অধ্যয়ন করা উচিত।
a ধ্বনিতত্ত্ব
b বাক্যতত্ত্ব
c রূপতত্ত্ব
d শব্দতত্ত্ব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনিতত্ত্ব ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি ও বর্ণ সংক্রান্ত সমস্ত আলোচনা ধ্বনিতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধানের মূল উদ্দেশ্য হলো তৎসম শব্দে মূর্ধন্য ণ এবং ষ এর সঠিক ব্যবহার নির্ধারণ করা, যা মূলত বর্ণ বা ধ্বনি প্রকরণের অংশ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনিতত্ত্বে ধ্বনি, বর্ণ, ন-ত্ব ও ণ-ত্ব বিধান, ষ-ত্ব বিধান, সন্ধি, উচ্চারণ ইত্যাদি আলোচিত হয়। ণ-ত্ব বিধান হলো তৎসম শব্দে মূর্ধন্য ণ লেখার নিয়ম এবং ষ-ত্ব বিধান হলো তৎসম শব্দে মূর্ধন্য ষ লেখার নিয়ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রণয় ব্যাখ্যা: ঋ বা র এর পরে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়ে গঠিত একটি তৎসম শব্দ, যা ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম মেনে চলে। উদাহরণ ২: কষ্ট ব্যাখ্যা: ট এবং ঠ এর পূর্বে মূর্ধন্য ষ যুক্ত হয়ে গঠিত একটি শব্দ, যা ষ-ত্ব বিধানের নিয়ম নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনিতত্ত্ব — সঠিক উত্তর কারণ বর্ণ ও ধ্বনির শুদ্ধ প্রয়োগ এই অংশে আলোচিত হয়। B) বাক্যতত্ত্ব — বাক্য ও বাক্যের বিভিন্ন অংশ নিয়ে আলোচনা করে, তাই এটি ভুল। C) রূপতত্ত্ব — শব্দ গঠন, পদ প্রকরণ, বচন ও লিঙ্গ নিয়ে আলোচনা করায় এটি ভুল। D) শব্দতত্ত্ব — রূপতত্ত্বের অপর নাম শব্দতত্ত্ব, যা পদের গঠন ও রূপ নিয়ে কাজ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: ন-ত্ব, ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান সরাসরি বর্ণ ও ধ্বনির সাথে জড়িত। বর্ণ বা ধ্বনি সম্পর্কিত যেকোনো বিধান বা নিয়ম সর্বদা ধ্বনিতত্ত্বে স্থান পায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বানান শুদ্ধি এবং ধ্বনিতত্ত্বের মূল আলোচ্য বিষয়গুলো জানতে চাওয়া হয়। ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান শুধুমাত্র তৎসম শব্দের বানানের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, দেশি বা বিদেশি শব্দে নয়।
a ফুলশর
b রঞ্জন
c অলি
d পত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রঞ্জন ১. কেন সঠিক: - 'রঞ্জন' শব্দের একটি প্রচলিত অর্থ হলো ফুল। বাংলা শব্দকোষ ও অভিধান অনুযায়ী এটি ফুলের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনেক সময় শব্দের প্রচলিত অর্থের বাইরে কাব্যিক বা অভিধানভিত্তিক বিশেষ অর্থগুলো থেকে প্রশ্ন করা হয়, যা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যার অর্থ প্রায় একই রকম হয়। বাংলা ভাষায় একটি বস্তুর বা ভাবের প্রকাশের জন্য বহু শব্দ রয়েছে। - ব্যুৎপত্তিগত ও অভিধানিক বিচারে কিছু দুর্লভ বা কম পরিচিত শব্দ সমার্থক হিসেবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর শব্দভান্ডার যাচাইয়ের জন্য আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুসুম ব্যাখ্যা: এটি 'ফুল' শব্দের অত্যন্ত পরিচিত ও বহুল ব্যবহৃত একটি সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: প্রসুন ব্যাখ্যা: এটিও 'ফুল' শব্দের একটি চমৎকার কাব্যিক সমার্থক শব্দ যা প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফুলশর — এটি কামদেব বা মনমথ দেবতার অস্ত্রের নাম, যার অর্থ ফুলের তৈরি তীর। B) রঞ্জন — এটি সঠিক উত্তর এবং অভিধান অনুযায়ী ফুল শব্দের সমার্থক। C) অলি — এই শব্দটির অর্থ হলো ভ্রমর বা মৌমাছি, যা ফুলের ওপর বসে। D) পত্র — এই শব্দটির অর্থ হলো পাতা বা চিঠি, ফুলের সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অপ্রচলিত সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখতে অভিধান পড়ার অভ্যাস করতে হবে। - ফুলের পরিচিত সমার্থকগুলোর পাশাপাশি রঞ্জন ও প্রসূন শব্দ দুটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের গভীর অর্থ জানার জন্য প্রমিত বাংলা অভিধানের সাহায্য নেওয়া উচিত। - সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় শব্দের মূল উৎস ও প্রচলিত অর্থ ভালোভাবে মিলিয়ে দেখতে হবে।
a দুই প্রকার
b তিন প্রকার
c চার প্রকার
d পাঁচ প্রকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তিন প্রকার ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষায় উপসর্গ মূলত তিন প্রকার যথা বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। - উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা উপসর্গ মোট একবিংশটি যা খাঁটি বাংলা শব্দ গঠনে ব্যবহৃত হয়। - তৎসম উপসর্গ কুড়িটি যা সংস্কৃত থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং বিদেশি উপসর্গগুলো আরবি, ফার্সি ও ইংরেজি ভাষা থেকে গৃহীত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনাদর ব্যাখ্যা: এখানে 'অনা' হলো একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা 'দর' শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করেছে। উদাহরণ ২: প্রবচন ব্যাখ্যা: এখানে 'প্র' হলো একটি তৎসম উপসর্গ যা 'বচন' শব্দের পূর্বে বসে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুই প্রকার — উপসর্গ সাধারণত দুই প্রকার নয়, কারণ দেশি ও বিদেশি ছাড়াও তৎসম উপসর্গও রয়েছে। B) তিন প্রকার — এটি সঠিক কারণ উপসর্গ বাংলা, তৎসম ও বিদেশি এই তিন ভাগে বিভক্ত। C) চার প্রকার — উপসর্গ চার প্রকার নয়, কারণ এর কোনো প্রমিত শ্রেণিববিভাগ চার ভাগে করা হয় না। D) পাঁচ প্রকার — উপসর্গ পাঁচ প্রকার নয়, এটি একটি ভুল সংখ্যা যা ব্যাকরণের নিয়মের সাথে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার উপায় হলো বা-ত-বি অর্থাৎ বাংলা, তৎসম ও বিদেশি এই তিন প্রকার উপসর্গ। - উপসর্গ সবসময় শব্দের প্রথমে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন ভাষায় কতটি উপসর্গ আছে তা জানতে চাওয়া হয়। - উপসর্গগুলোর সংখ্যা ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a এখন ও ক্রীতদাস
b সুবচন নির্বাসনে
c কোকিলারা
d এখন দুঃসময়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুবচন নির্বাসনে ১. কেন সঠিক: - সুবচন নির্বাসনে নাটকটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি কালজয়ী প্রতিবাদী নাটক। - এই নাটকের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের যুদ্ধকালীন সামাজিক অবক্ষয়, সুবিধাবাদিতা এবং নৈতিক স্খলন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুবচন নির্বাসনে নাটকটির রচয়িতা বিশিষ্ট নাট্যকার ও অভিনেতা আবদুল্লাহ আল মামুন। - ১৯৭৪ সালে মঞ্চে আসা এই নাটকটি যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশের সমাজ বাস্তবতার এক নির্মম ও শৈল্পিক দর্পণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ব্যাখ্যা: সৈয়দ শামসুল হক রচিত এটিও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত পদাতিক কাব্যনাটক। উদাহরণ ২: ইবলিশ ব্যাখ্যা: এটিও মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত নাট্যকার আবদুল্লাহ আল মামুনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এখন ও ক্রীতদাস - এটি আবদুল্লাহ আল মামুনের একটি নাটক হলেও এর মূল প্রেক্ষাপট মুক্তিযুদ্ধ নয়। B) সুবচন নির্বাসনে - এটি মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) কোকিলারা - এটি সেলিনা হোসেন রচিত একটি উপন্যাস, কোনো নাটক নয়। D) এখন দুঃসময় - এটি বুদ্ধদেব বসুর লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, মুক্তিযুদ্ধের নাটক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আবদুল্লাহ আল মামুনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক মনে রাখতে সুবচন নির্বাসনে এবং ইবলিশ দুটি নাম একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। - নাটকের নাম দেখেই বুঝতে হবে এটি নাট্যসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত কোনো রচনা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - আবদুল্লাহ আল মামুন বাংলা নাট্যজগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, তাই তাঁর নাটক ও উপন্যাসগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
a চাকর
b চাকু
c হরতন
d দারোগা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হরতন ১. কেন সঠিক: - হরতন শব্দটি তুর্কি শব্দ নয়, এটি ওলন্দাজ শব্দ। তাসের খেলার বিভিন্ন নামের মধ্যে হরতন, ইস্কাপন, রুইতন ইত্যাদি ওলন্দাজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোর মধ্যে তুর্কি শব্দগুলো অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। তুর্কি মূলত মোঙ্গলীয় বা উরাল-আলতায়ীয় ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত হলেও বাংলা ব্যাকরণে এটি স্বতন্ত্র একটি উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্ক, কাবু ব্যাখ্যা: এগুলো তুর্কি শব্দের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: কোরমালী, ইজারা ব্যাখ্যা: এগুলো বিভিন্ন বিদেশি উৎস থেকে বাংলায় আগত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাকর — এটি একটি তুর্কি শব্দ। চাকর বলতে সাধারণত গৃহভৃত্যকে বোঝানো হয় যা তুর্কি উৎস থেকে বাংলায় এসেছে। B) চাকু — এটিও একটি তুর্কি শব্দ। ছোট অস্ত্র বা কাটার হাতিয়ার হিসেবে চাকু শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। C) হরতন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ওলন্দাজ শব্দ, তুর্কি শব্দ নয়। D) দারোগা — এটি একটি তুর্কি শব্দ। পুলিশ বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ হিসেবে দারোগা শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় গৃহিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - তুর্কি শব্দ মনে রাখার একটি সহজ ছন্দ হলো, দারোগা ও চাকর মিলে চাকু দিয়ে বাবুর্চিকে খুন করল এবং তোপ দাগল। এখানে দারোগা, চাকর, চাকু, বাবুর্চি ও তোপ সবই তুর্কি শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ (বিশেষ করে তুর্কি, পর্তুগিজ ও ওলন্দাজ শব্দ) থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাসের নামগুলো সাধারণত ওলন্দাজ শব্দ হয়, যেমন হরতন, ইস্কাপন।
a অন্ত্যস্বরাগম
b অপিনিহিতি
c স্বরসঙ্গতি
d অসমীকরণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অসমীকরণ ১. কেন সঠিক: - একই শব্দের পুনরাবৃত্তি হয়ে মাঝখানে স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে অসমীকরণ বলে। - টপ ও টপ দুটি অভিন্ন শব্দের মাঝে আ স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে টপাটপ গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - পাশাপাশি দুটি একই শব্দের উচ্চারণে একটু ভিন্নতা আনতে বা জোর প্রকাশ করতে মাঝখানে স্বরধ্বনি যুক্ত হয়। - এই প্রক্রিয়ায় মূলত শব্দের পুনরাবৃত্তি জনিত জড়তা দূর করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধপ + ধপ = ধপাধপ ব্যাখ্যা: দুটি ধপ শব্দের মাঝে আ স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে ধপাধপ হয়েছে। উদাহরণ ২: ঝম + ঝম = ঝমঝম বা ঝমাঝম ব্যাখ্যা: ঝম শব্দের মাঝে আ স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে অসমীকরণের মাধ্যমে ঝমাঝম রূপ নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্ত্যস্বরাগম — এটি শব্দের শেষে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি আসার প্রক্রিয়া, যা এখানে ঘটেনি। B) অপিনিহিতি — এটি পরবর্তী স্বরধ্বনি আগে উচ্চারিত হওয়ার নিয়ম, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) স্বরসঙ্গতি — এটি একটি স্বরধ্বنیর প্রভাবে অন্য স্বরধ্বনির পরিবর্তনের প্রক্রিয়া, এখানে তা হয়নি। D) অসমীকরণ — সঠিক কারণ এখানে দুটি অভিন্ন শব্দের মাঝে স্বরধ্বনি যুক্ত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - একই শব্দ পরপর দুবার বসে মাঝখানে আ ধ্বনি আসলে বুঝবে এটি অসমীকরণ। - মাঝখানে স্বর এনে শব্দের অসম বা আলাদা রূপ দেওয়া হয় বলেই এর নাম অসমীকরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধপাধপ, টপাটপ, ঝমাঝম শব্দগুলো প্রায়ই অসমীকরণের উদাহরণ হিসেবে আসে। - যুগপৎ বা পুনরাবৃত্ত শব্দ দেখলে আগে দেখবে মাঝখানে কোনো অতিরিক্ত স্বরধ্বনি এসেছে কি না।
a আবুল হোসেন
b আবু লোহানী
c কাজী নজরুল ইসলাম
d বুদ্ধদেব বসু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - 'দৈনিক নবযুগ' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। - ১৯২০ সালের জুলাই মাসে পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এর সাথে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্ত ছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি আধুনিক বাংলা গানের অন্যতম স্রষ্টা। - সাংবাদিকতা ও সম্পাদনার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যার মধ্যে 'দৈনিক নবযুগ', 'ধূমকেতু' ও 'লাঙল' পত্রিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'ধূমকেতু' পত্রিকা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত একটি বিখ্যাত অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা। উদাহরণ ২: 'লাঙল' পত্রিকা ব্যাখ্যা: এটি কৃষক ও শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে প্রকাশিত কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত একটি মুখপত্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল হোসেন — ইনি এই পত্রিকার সাথে সম্পাদক হিসেবে যুক্ত ছিলেন না। B) আবু লোহানী — ইনি 'দৈনিক নবযুগ' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক নন। D) বুদ্ধদেব বসু — ইনি ত্রিশের দশকের আধুনিক কবি ও সাহিত্যিক, নবযুগ পত্রিকার সম্পাদক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - নবযুগ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম, এটি মনে রাখতে নবযুগ ও নজরুল শব্দের প্রথম অক্ষর ন দিয়ে মিলিয়ে নিতে পারো। - নজরুলের সাংবাদিক জীবন শুরু হয়েছিল 'নবযুগ' পত্রিকার মাধ্যমে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত পত্রিকা ও তাদের সম্পাদকদের নাম জানতে চাওয়া হয়। - কবি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদিত পত্রিকাগুলোর নাম এবং প্রকাশের সন ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
a হুমায়ূন আহমেদ
b সেলিনা হোসেন
c শওকত ওসমান
d শওকত আলী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শওকত ওসমান ১. কেন সঠিক: 'ক্রীতদাসের হাসি' উপন্যাসের রচয়িতা শওকত ওসমান। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত প্রতীকী উপন্যাস যা আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের রূপক হিসেবে রচিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শওকত ওসমান বাংলা উপন্যাসে সামাজিক বাস্তববাদ ও রাজনৈতিক চেতনার এক অনন্য প্রবক্তা। তার এই উপন্যাসে মানুষের বাকস্বাধীনতা হরণ এবং একনায়কতন্ত্রের নিষ্ঠুর রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাহান্নাম হইতে বিদায় ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমানের আরেকটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: সমাগম ব্যাখ্যা: এটিও শওকত ওসমান রচিত একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুমায়ূন আহমেদ — তিনি আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন। B) সেলিনা হোসেন — তিনি বিশিষ্ট নারী ঔপন্যাসিক হলেও 'ক্রীতদাসের হাসি' তার রচনা নয়। C) শওকত ওসমান — এটি সঠিক উত্তর। D) শওকত আলী — তিনি ভিন্ন ধারার শক্তিশালী ঔপন্যাসিক হলেও এই উপন্যাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: শওকত ওসমান মানেই প্রতিবাদী ও প্রতীকী উপন্যাস। তার 'ক্রীতদাসের হাসি' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র তাতার দেশের রাজা আজিম শাহ ও মৎসজীবী সান্ত্বনা দাস। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রাজনৈতিক ও প্রতীকী উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শওকত ওসমানের 'ক্রীতদাসের হাসি' উপন্যাসের রচয়িতা ও বিষয়বস্তু ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a at
b in
c of
d after
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) at কেন সঠিক: - কোনো বিষয়ে দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে গুড শব্দের পর এপ্রোপ্রিয়েট প্রিপজিশন হিসেবে অ্যাট বসে। - হি ইজ গুড অ্যাট ইংলিশ বাক্যটিতে ইংরেজিতে তার দক্ষতার কথা প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — এটি সঠিক উত্তর কারণ দক্ষতার ক্ষেত্রে অ্যাট প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। B) in — ইন সাধারণত কোনো ক্ষেত্র বা বিষয়ের ভেতর অবস্থান বোঝাতে বসে, দক্ষতার ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়। C) of — অফ সাধারণত সম্বন্ধ বা উৎস বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে প্রাসঙ্গিক নয়। D) after — আফটার পরে বা কোনো কিছুর পিছু নেওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে গুড শব্দের পরে সবসময় অ্যাট প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
a noun
b adverb
c adjective
d preposition
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) adverb কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে early শব্দটি home (noun) বা returned (verb) এর মধ্যে returned ক্রিয়াকে নির্দেশ করে কখন তারা ফিরেছে তা বোঝাচ্ছে। - কোনো verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে যখন কোনো শব্দ সময়, স্থান, মাত্রা বা পদ্ধতি প্রকাশ করে বিশেষিত করে, তখন সেটি adverb হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — noun কোনো ব্যক্তির, বস্তুর বা ধারণার নাম বোঝায়, যা এখানে নেই। B) adverb — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি verb কে বিশেষিত করেছে। C) adjective — adjective শুধুমাত্র কোনো noun বা pronoun এর দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে। D) preposition — preposition সাধারণত noun বা pronoun এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে। মনে রাখার টিপস: verb-কে কখন (when), কোথায় (where) বা কীভাবে (how) প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত adverb হয়।
a verb
b adjective
c adverb
d noun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) adjective কেন সঠিক: - এখানে underlined শব্দটি হলো renowned যা man নাউনটির পূর্বে বসে তার দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে। - বাক্যে যে শব্দ কোনো noun-এর দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে তাকে adjective বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) verb — verb হলো কোনো কিছু করা বা হওয়া বোঝায়, কিন্তু renowned কোনো কাজের নাম নয়। B) adjective — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি noun-এর দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে। C) adverb — adverb সাধারণত verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে modify করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) noun — noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু renowned কোনো নাম বোঝাচ্ছে না। মনে রাখার টিপস: noun বা pronoun-এর ঠিক আগে বসে তার সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিলে সেই শব্দটি সবসময় adjective হয়।
a Strong
b weak
c bulky
d fat
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) weak কেন সঠিক: - Slender শব্দের বাংলা অর্থ হলো ক্ষীণ, রোগা বা দুর্বল। - Weak শব্দের অর্থ দুর্বল, যা Slender শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Strong — এর অর্থ শক্তিশালী, যা Slender বা দুর্বল শব্দের বিপরীতার্থক। B) weak — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ দুর্বল এবং এটি Slender শব্দের সমার্থক। C) bulky — এর অর্থ আয়তনিক বা স্থূল, যা ক্ষীণ বা রোগা শব্দের বিপরীত। D) fat — এর অর্থ মোটা, যা Slender বা সরু আকৃতির বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Slender মানুষের শরীর সাধারণত চিকন বা দুর্বল (weak) হয়, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a Since a stone is rolling, it gathers no moss
b Though a stone rolls, it gathers no moss
c A stone what rolls gathers no moss
d A stone that rolls gathers no moss.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A stone that rolls gathers no moss. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি Simple sentence-এ আছে, যেখানে 'rolling' হলো Participle এবং Adjective-এর কাজ করছে। - Complex sentence-এ রূপান্তর করতে হলে Participle-যুক্ত অংশকে Adjective clause-এ পরিণত করতে হয় এবং Relative pronoun হিসেবে 'that' ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Since a stone is rolling, it gathers no moss — এটি একটি Complex sentence হলেও 'Since' ব্যবহারের কারণে এর অর্থ কারণ নির্দেশক হয়ে যায়, যা মূল প্রবাদের অর্থের সাথে মেলে না। B) Though a stone rolls, it gathers no moss — 'Though' ব্যবহার করায় বাক্যটি বিপরীতার্থক বা concession প্রকাশ করে, যা মূল Simple sentence-এর ভাবার্থ পরিবর্তন করে ফেলে। C) A stone what rolls gathers no moss — এখানে Relative pronoun হিসেবে 'what' ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) A stone that rolls gathers no moss — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা সঠিক Relative pronoun 'that' ব্যবহার করে সঠিক Complex sentence গঠন করেছে। মনে রাখার টিপস: Simple sentence-এর Participle-কে Complex করার সময় Relative pronoun হিসেবে ব্যক্তির ক্ষেত্রে 'who' এবং বস্তুর ক্ষেত্রে 'that' বা 'which' ব্যবহার করতে হয়।
a a noun clause
b an adverbial clause
c an adjective clause
d none of these
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) an adjective clause কেন সঠিক: - এখানে 'I lost' ক্লজটি ঠিক আগের antecedent বা noun 'the book'-কে মডিফাই করছে এবং তার সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে। - এটি বাক্যে একটি adjective বা adjectival phrase-এর মতো কাজ করায় একে adjective clause বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a noun clause — কারণ এটি কোনো noun-এর কাজ করছে না এবং বাক্যের subject বা object হিসেবে বসেনি। B) an adverbial clause — কারণ এটি সময়, স্থান, কারণ বা শর্তের মতো কোনো adverb-এর কাজ করছে না। C) an adjective clause — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি নিজেই সঠিক অপশন। D) none of these — কারণ সঠিক উত্তরটি অপশন সি তে ইতিমধ্যে বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: noun-এর ঠিক পরে বসে যে subordinate clause সেই noun-কে মডিফাই করে, তাকেই adjective clause বলে।
a on my going
b is to go
c over going
d to go
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) on my going কেন সঠিক: - Insist verb-এর পরে সাধারণত preposition হিসেবে on বসে এবং তারপরে gerund ব্যবহৃত হয়। - Gerund-এর পূর্বে subject-কে possessive form (যেমন my) করতে হয়, তাই on my going সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on my going — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিয়ম অনুযায়ী insist-এর পরে on এবং gerund-এর পূর্বে possessive form বসেছে। B) is to go — এটি একটি verb phrase এবং বাক্যের শূন্যস্থানের গঠনের সাথে ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ। C) over going — Insist verb-এর পরে over preposition ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল ও নিয়মবহির্ভূত। D) to go — Insist-এর পরে সরাসরি infinitive (to go) বসে না, সঠিক নিয়ম রক্ষার্থে on prep-সহ gerund প্রয়োজন। মনে রাখার টিপস: Insist শব্দটির পর সর্বদা on বসে এবং তারপরে possessive pronoun-এর সাথে gerund যুক্ত হয়।
a William Wordsworth
b Charles Dickens
c Shakespeare
d Napoleon
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) William Wordsworth কেন সঠিক: - উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ তাঁর কবিতায় গ্রামীণ জীবন, ফুল, নদী ও পাহাড়ের সৌন্দর্য গভীরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। - প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের আত্মিক সম্পর্কের কথা জোরালোভাবে তুলে ধরার কারণে তাঁকে প্রকৃতির কবি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Wordsworth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Charles Dickens — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক, কোনো প্রকৃতিবাদী কবি নন। C) Shakespeare — তিনি ইংরেজি সাহিত্যের সর্বকালের সেরা নাট্যকার ও কবি, প্রকৃতির কবি হিসেবে পরিচিত নন। D) Napoleon — তিনি ফ্রান্সের একজন ঐতিহাসিক সামরিক ও রাজনৈতিক নেতা, কোনো সাহিত্যিক নন। মনে রাখার টিপস: ওয়ার্ডসওয়ার্থ মানেই ওয়ার্ড অব নেচার বা প্রকৃতির শব্দ, যা মনে রাখতে সাহায্য করবে।
a Charles Dickens
b P.B. Shelley
c Alfred Tennyson
d Jane Austen
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Charles Dickens কেন সঠিক: - ডেভিড কপারফিল্ড উপন্যাসটি বিখ্যাত ভিক্টোরীয় ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্সের একটি অসামান্য আত্মজীবনীমূলক সৃষ্টি। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে লেখক তার শৈশবের কঠিন বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সংগ্রামের চিত্র অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Charles Dickens — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য এবং এটি লেখকের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সাহিত্যকর্ম। B) P.B. Shelley — তিনি মূলত রোমান্টিক যুগের একজন প্রখ্যাত কবি ছিলেন, কোনো ঔপন্যাসিক নন। C) Alfred Tennyson — তিনি ভিক্টোরীয় যুগের একজন বিখ্যাত কবি ছিলেন, কোনো উপন্যাস রচনার জন্য পরিচিত নন। D) Jane Austen — তিনি রিজেন্সি যুগের একজন বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক হলেও এই বিখ্যাত উপন্যাসের রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: চার্লস ডিকেন্সের নামের প্রথম অক্ষর সি এবং কপারফিল্ড নামের প্রথম অক্ষর সি মিলিয়ে সি সি অর্থাৎ চার্লস কপারফিল্ড মনে রাখতে পারো।
a had
b have
c might
d would
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) had কেন সঠিক: - এটি থার্ড কন্ডিশনালের একটি বাক্য, যার গঠন হলো পাস্ট পারফেক্ট টেন্স এবং পরবর্তীতে would have বা could have যুক্ত ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল। - মূল ক্লজটিতে could have worked থাকায় প্রথম অংশে had এবং মূল verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল বসে বাক্যটিকে সম্পূর্ণ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had — এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স গঠন করে বাক্যটিকে সঠিক করে। B) have — এটি প্রেজেন্ট টেন্স নির্দেশ করে, যা বাক্যের আগের অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) might — এটি মডাল ভার্ব, যার পরে সরাসরি been বসলে ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। D) would — এটি মডাল ভার্ব, যা এখানে বসালে সঠিক টেন্সের গঠন বা অর্থ প্রকাশ পায় না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের এক অংশে could have থাকলে অন্য অংশে সাধারণত had এবং পাস্ট পার্টিসিপল ব্যবহার করতে হয়।
a Morphology
b Etymology
c Syntax
d Semantics
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Syntax কেন সঠিক: - Syntax হলো ব্যাকরণের সেই শাখা যা বাক্যের গঠন এবং শব্দগুলোর পারস্পরিক বিন্যাস নিয়ে আলোচনা করে। - এটি একটি বাক্যে শব্দগুলো কীভাবে সাজালে অর্থপূর্ণ তথ্য প্রকাশ পায় তা নির্ধারণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Morphology — এটি শব্দের গঠন এবং রূপমূল বা প্রত্যয়-উপসর্গ নিয়ে আলোচনা করে, বাক্যের গঠন নিয়ে নয়। B) Etymology — এটি শব্দের উৎস এবং ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করে, বাক্যের তথ্য বা বিন্যাস নিয়ে নয়। C) Syntax — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Semantics — এটি শব্দ ও বাক্যের অর্থ বা অর্থত্বত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করে, বাক্যের কাঠামোগগত বিন্যাস নিয়ে নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের গঠন ও বিন্যাস বুঝতে Syntex বা Syntax মনে রাখবে।
a eating all types of food
b eating only fruits
c eating only meat
d eating grass and plants
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) eating all types of food কেন সঠিক: - 'Omnivorous' শব্দটির অর্থ সর্বভুক বা সব ধরনের খাবার খায় যে প্রাণী। - লাতিন শব্দ 'omnis' যার অর্থ সব এবং 'vorare' যার অর্থ খাওয়া থেকে শব্দটি এসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) eating all types of food — এটি সঠিক কারণ সর্বভুক প্রাণী সব ধরনের খাবার গ্রহণ করে। B) eating only fruits — এটি ভুল কারণ শুধু ফলমূল খেকারী প্রাণীকে ফ্রুজিভোর বা ফলভোজী বলা হয়। C) eating only meat — এটি ভুল কারণ শুধু মাংস খেকারী প্রাণীকে কার্নিভোর বা মাংসাশী বলা হয়। D) eating grass and plants — এটি ভুল কারণ শুধু ঘাস ও উদ্ভিদ খেকারী প্রাণীকে হারবিভোর বা তৃণভোজী বলা হয়। মনে রাখার টিপস: 'Omni' অর্থ সব এবং 'vor' অর্থ খাওয়া, তাই omnivorous মানে যে সবকিছু খায়।
a Indolence
b Enterprise
c Activity
d Apathy
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Indolence কেন সঠিক: - Initiative শব্দের বাংলা অর্থ হলো উদ্যোগ, উদ্যম বা সক্রিয়তা। - Indolence শব্দের অর্থ হলো অলসতা বা কর্মবিমুখতা, যা উদ্যোগের বিপরীতার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Indolence - অলসতা প্রকাশ করে, যা ইনিশিয়েটিভ বা উদ্যোগের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। B) Enterprise - উদ্যোগ বা সাহসিকতা বোঝায়, যা Initiative শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। C) Activity - কর্মতৎপরতা বা সক্রিয়তা বোঝায়, যা Initiative শব্দের সমার্থক শব্দ। D) Apathy - ঔদাসিন্য বা আগ্রহহীনতা বোঝালেও ইন্ডোলেন্স শব্দটি সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশে বেশি উপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: ইনিশিয়েটিভ মানে কাজ শুরু করার উদ্যম, আর ইন্ডোলেন্স মানে অলস হয়ে বসে থাকা।
a All of it depend on you.
b All of it are depending on you.
c All of it depends on you.
d All of it are depended on you.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) All of it depends on you. কেন সঠিক: - All-এর পরে Uncountable noun (it) থাকলে Verb singular হয়। - প্রদত্ত বাক্যে it হলো Singular pronoun, তাই এর সঙ্গে singular verb depends ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) All of it depend on you. — এখানে depend হলো plural verb, কিন্তু Uncountable noun-এর জন্য singular verb প্রয়োজন। B) All of it are depending on you. — All of it-এর সঙ্গে are depending ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) All of it are depended on you. — are depended গঠনটি Passive voice-এর ভুল প্রয়োগ এবং অর্থসংগত নয়। মনে রাখার টিপস: All-এর পরে Uncountable noun বা Singular pronoun থাকলে verb সবসময় Singular হয়।
a cock
b witch
c bull
d bachelor
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) witch কেন সঠিক: - witch শব্দটি একটি নির্দিষ্ট নারীবাচক বা feminine gender, যার পুরুষবাচক বা masculine রূপ হলো wizard। - এটি জাদুকরী ক্ষমতার অধিকারী কোনো নারীকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি জেন্ডার পরিবর্তনের একটি প্রচলিত ব্যাকরণগত উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) cock — এটি একটি পুরুষবাচক বা masculine gender, যার স্ত্রীবাচক রূপ হলো hen। B) witch — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি একটি feminine gender। C) bull — এটি একটি পুরুষবাচক বা masculine gender, যার স্ত্রীবাচক রূপ হলো cow। D) bachelor — এটি একটি পুরুষবাচক বা masculine gender, যার অর্থ অবিবাহিত পুরুষ এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ হলো spinster। মনে রাখার টিপস: wizard হলো জাদুকর পুরুষ (masculine) এবং witch হলো জাদুকরী নারী (feminine)।
a Assent
b accent
c Acsent
d ascent
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Assent কেন সঠিক: - 'Assent' শব্দের অর্থ সম্মতি বা অনুমোদন প্রদান করা। - রাষ্ট্রপতি কোনো বিলে বা বিলে স্বাক্ষর করে তাতে আইনগত সম্মতি দেন, তাই এখানে Assent শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Assent — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সম্মতি বা অনুমোদন। B) accent — এর অর্থ উচ্চারণ বা ঝোঁক, যা বাক্যটির অর্থের সাথে সম্পূর্ণ অবাসুঞ্জস্যপূর্ণ। C) Acsent — এটি একটি বানান ভুল শব্দ, ইংরেজি অভিধানে এর কোনো অস্তিত্ব নেই। D) ascent — এর অর্থ ওপরের দিকে ওঠা বা উজান যাত্রা, যা বিলের অনুমোদনের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: বিলে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন বা সম্মতি বোঝাতে Assent (সম্মতি) শব্দটি বসে, আর ওপরের দিকে ওঠাকে ascent (আরোহণ) বলা হয়।
a Calf
b phenomena
c spectators
d mice
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Calf কেন সঠিক: - Calf শব্দটি একটি একবচন বা singular noun, যার অর্থ বাছুর। - এর বহুবচন বা plural রূপ হলো Calves, যা f বা fe থাকলে ves যুক্ত হয়ে গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Calf — এটি প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর কারণ এটি singular noun। B) phenomena — এটি plural noun, যার singular রূপ হলো phenomenon। C) spectators — এটি plural noun, যার singular রূপ হলো spectator। D) mice — এটি plural noun, যার singular রূপ হলো mouse। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে f বা fe থাকলে তা তুলে দিয়ে ves যুক্ত করে plural করতে হয়, যেমন Calf থেকে Calves।
a saving lives
b timely action
c saving time
d time tailoring
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) timely action কেন সঠিক: - এই প্রবাদটির আক্ষরিক অর্থ হলো সঠিক সময়ে একটি সেলাই পরবর্তীকালে নয়টি সেলাই বাঁচায়। - এর ভাবার্থ হলো অসময় বা সংকটের শুরুতে সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ নিলে বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো সম্ভব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) saving lives — জীবন বাঁচানো প্রবাদের আক্ষরিক অর্থ নয় এবং এটি সরাসরি সময়োচিত কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) timely action — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রবাদের মূল ভাব সময়মতো যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়াকে নির্দেশ করে। সি) saving time — সময় বাঁচানো বলতে কেবল সময় অপচয় রোধ করা বোঝায়, যা এই প্রবাদের মূল বার্তা নয়। D) time tailoring — এটি একটি অর্থহীন ও বিভ্রান্তিকর শব্দগুচ্ছ যা মূল প্রবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: সেলাইয়ের ক্ষেত্রে সময়মতো একটি সেলাই দিলে যেমন বড় ছেঁড়া রোধ করা যায়, তেমনি যেকোনো সমস্যায় সময়মতো (timely) ব্যবস্থা নিলে বড় বিপদ এড়ানো যায়।
a W. B. Yeats
b T. S. Eliot
c Robert Browning
d Mathew Arnold
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) T. S. Eliot কেন সঠিক: - 'The Waste Land' বিশ শতকের আধুনিকতাবাদী কবিতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। - এই বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতাটির রচয়িতা হলেন নোবেলজয়ী কবি ও প্রাবন্ধিক টি এস এলিয়ট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) W. B. Yeats — উইলিয়াম বাটলার ইয়েট্স একজন বিখ্যাত আইরিশ কবি ও নাট্যকার হলেও এই কবিতার রচয়িতা নন। B) T. S. Eliot — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) Robert Browning — রবার্ট ব্রাউনিং ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত কবি ও নাট্যকার, যিনি ড্রামাটিক মনোলোগের জন্য পরিচিত হলেও এই কবিতার লেখক নন। D) Mathew Arnold — ম্যাথু আর্নল্ড উনিশ শতকের বিশিষ্ট ইংরেজ কবি ও সংস্কৃতি সমালোচক, কিন্তু 'The Waste Land' তার লেখা নয়। মনে রাখার টিপস: এলিয়টের বর্জ্য বা আবর্জনা অর্থাৎ 'Waste Land' কবিতার কথা মনে রাখতে এলিয়ট নামের সাথে 'Waste' শব্দটি মনে রাখুন।
a Noun
b Adverb
c Adjective
d None of these
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Adverb কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'vigilantly' শব্দটি 'sat' ভার্বকে মডিফাই করেছে এবং কীভাবে বসেছে তা প্রকাশ করছে। - সাধারণত যেসব শব্দের শেষে 'ly' থাকে এবং তারা ভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ বা অন্য অ্যাডকে মডিফাই করে, সেগুলো অ্যাডভার্ব হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Noun — এটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু, স্থান বা গুণের নাম বোঝাচ্ছে না, তাই এটি নাউন নয়। B) Adverb — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভার্বকে নির্দেশ করছে। C) Adjective — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের দোষ, গুণ বা অবস্থা বোঝাচ্ছে না, তাই এটি অ্যাডজেক্টিভ নয়। D) None of these — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দ ভার্ব সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিলে বা কাজটি কীভাবে সম্পন্ন হচ্ছে তা বোঝালে সাধারণত তা অ্যাডভার্ব হয়।
a মস্কো
b স্টালিনগ্রাদ
c সেন্ট পিটার্সবার্গ
d কিয়েভ
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: C) সেন্ট পিটার্সবার্গ কেন সঠিক: - ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের নেতা ভ্লাদিমির লেনিনের মৃত্যুর পর শহরটির নাম পরিবর্তন করে লেনিনগ্রাদ রাখা হয়েছিল। - পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর গণভোটের মাধ্যমে শহরটির ঐতিহাসিক নাম সেন্ট পিটার্সবার্গ ফিরিয়ে আনা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মস্কো — এটি রাশিয়ার বর্তমান রাজধানী এবং ঐতিহাসিক প্রধান শহর, যা লেনিনগ্রাদ শহরের পরিবর্তিত নাম নয়। B) স্টালিনগ্রাদ — এটি বর্তমান ভলগোগ্রাদ শহরের পূর্বনাম, যা সাবেক সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্টালিনের নামানুসারে রাখা হয়েছিল। D) কিএভ — এটি ইউক্রেনের বর্তমান রাজধানী, যা রাশিয়ার কোনো শহরের পূর্বনাম নয়। মনে রাখার টিপস: সোভিয়েত আমলের লেনিন নাম বাদ দিয়ে শহরের পুরনো রাজকীয় নাম সেন্ট পিটার্সবার্গ ফিরিয়ে আনা হয়।
a ১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট
b ৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট
c ১০ ট্রিলিয়ন ঘনফুট
d ৮ ট্রিলিয়ন ঘনফুট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট কেন সঠিক: - বাংলাদেশের বর্তমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে প্রতি বছর প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলিত ও ব্যবহৃত হচ্ছে। - দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও শিল্পায়নের কারণে গ্যাসের এই ব্যবহার ক্রমাগত অব্যাহত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট — এটি বাংলাদেশের বার্ষিক প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারের সঠিক পরিমাণ। B) ৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট — এটি বাংলাদেশের বার্ষিক ব্যবহারের তুলনায় অনেক বেশি এবং বর্তমান উত্তোলনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। C) ১০ ট্রিলিয়ন ঘনফুট — এটি একটি কাল্পনিক বা অতিরিক্ত বড় সংখ্যা, যা দেশের মোট মজুদের একটি বড় অংশের কাছাকাছি হলেও বার্ষিক ব্যবহার নয়। D) ৮ ট্রিলিয়ন ঘনফুট — এটি বার্ষিক ব্যবহারের পরিমাণ নয়, বরং এটি দেশের প্রাক্কলিত অবশিষ্ট recoverable গ্যাসের মজুদের পরিমাণের সাথে তুলনীয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ প্রতি বছর গ্যাস পোড়ায় ঠিক এক অঙ্কের ঘরে, অর্থাৎ ১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
a UK
b USA
c জাপান
d চীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) USA কেন সঠিক: - ইরান তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করার অভিযোগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি উন্নত গোয়েন্দা ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছিল। - এটি মূলত দুই দেশের মধ্যে চলা দীর্ঘদিনের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার একটি সামরিক ঘটনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) UK — যুক্তরাজ্য এই নির্দিষ্ট ড্রোন ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল না। B) USA — যুক্তরাষ্ট্র এই নির্দিষ্ট ড্রোন ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত এবং এটি সঠিক উত্তর। C) জাপান — জাপান এই ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় এবং এটি মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতির বাইরের দেশ। D) চীন — চীন এই ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত কোনো পক্ষ ছিল না। মনে রাখার টিপস: মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের সামরিক উত্তেজনার প্রতীক হিসেবে মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত হওয়ার ঘটনাটি মনে রাখতে হবে।
a সুরমা
b পদ্মা
c শীতলক্ষ্যা
d বুড়িগঙ্গা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বুড়িগঙ্গা কেন সঠিক: - বাকল্যান্ড বাঁধ তৎকালীন ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৬৪ সালে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে নির্মাণ করা হয়। - নদী ভাঙন থেকে ঢাকা শহরকে রক্ষা এবং নদীবন্দর হিসেবে এর গুরুত্ব বৃদ্ধির জন্য এই বাঁধ দেওয়া হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুরমা — এটি সিলেটের প্রধান নদী, যেখানে কোনো ঐতিহাসিক বাকল্যান্ড বাঁধ নির্মিত হয়নি। B) পদ্মা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান নদী, যার তীরে কুষ্টিয়ার হার্ডিঞ্জ ব্রিজ অবস্থিত কিন্তু বাকল্যান্ড বাঁধ নয়। C) শীতলক্ষ্যা — এটি নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি নদী, যা তাত ও বাণিজ্যের জন্য বিখ্যাত হলেও বাকল্যান্ড বাঁধের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) বুড়িগঙ্গা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নদীর তীরেই ঐতিহাসিক বাকল্যান্ড বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: বুড়িগঙ্গার তীরে ঢাকা শহর এবং বুড়িগঙ্গার তীরেই ঐতিহাসিক বাকল্যান্ড বাঁধ অবস্থিত।
a ১২ হাজার মে. ওয়াট
b ২১ হাজার মে. ওয়াট
c ৩০ হাজার মে. ওয়াট
d *Update check
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) হালনাগাদ তথ্য দেখতে হবে (Update check) কেন সঠিক: - বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা একটি পরিবর্তনশীল ও চলমান বিষয় যা জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের নতুন প্রকল্পের ওপর নির্ভর করে নিয়মিত পরিবর্তিত হয়। - প্রদত্ত অপশনের নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা বর্তমান বিদ্যুৎ খাতের সঠিক ও চূড়ান্ত চিত্র বহন করে না, তাই নির্দিষ্ট কোনো অপশন সঠিক নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ হাজার মে. ওয়াট — এই পরিমাণ উৎপাদন ক্ষমতা বর্তমান বাস্তবতার তুলনায় অনেক কম এবং এটি অতীতের কোনো এক সময়ের পরিসংখ্যান। B) ২১ হাজার মে. ওয়াট — এই সংখ্যাটি বিগত কয়েক বছর আগের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার সঙ্গে মিলে গেলেও বর্তমানে তা বৃদ্ধি পেয়েছে। C) ৩০ হাজার মে. ওয়াট — বর্তমান ইনস্টলড ক্যাপাসিটি এই পরিমাণের কাছাকাছি হলেও এটি পরীক্ষার জন্য নিয়মিত হালনাগাদ তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন। D) Update check — যেহেতু এই তথ্যটি পরিবর্তনশীল, তাই পরীক্ষার আগে বিদ্যুৎ বিভাগের সাম্প্রতিক প্রকাশনা থেকে সঠিক সংখ্যা জেনে নিতে হবে। মনে রাখার টিপস: বিদ্যুৎ ও অর্থনীতির যেকোনো সংখ্যাবাচক তথ্য পড়ার সময় অবশ্যই সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সমীক্ষা বা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ প্রতিবেদন দেখে নেবে।
a বাংলাদেশ
b মিয়ানমার
c পাকিস্তান
d ভারত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভারত কেন সঠিক: - নেপাল একটি ভূবেষ্টিত রাষ্ট্র যার উত্তরে চীন এবং অন্য তিন দিকে ভারত অবস্থিত। - ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে ভারত নেপালের সরাসরি প্রতিবেশী দেশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ নেপালের প্রতিবেশী রাষ্ট্র নয়, কারণ নেপাল ও বাংলাদেশের মাঝখানে ভারতের শিলিগুড়ি করিডোর অবস্থিত। B) মিয়ানমার — মায়ানমার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র এবং এটি নেপালের প্রতিবেশী নয়। C) পাকিস্তান — পাকিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্র হলেও এর সাথে নেপালের কোনো সরাসরি সীমান্ত নেই। D) ভারত — ভারত নেপালের একমাত্র প্রতিবেশী রাষ্ট্র যা এর তিন দিক ঘিরে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: নেপালকে ঘিরে রেখেছে কেবল দুই বিশাল প্রতিবেশী, উত্তরে চীন আর বাকি তিন দিকে ভারত।
a আরিচা
b ভৈরব
c ভোলা
d চাঁদপুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চাঁদপুর কেন সঠিক: - পদ্মা নদী ও মেঘনা নদী চাঁদপুরে এসে একে অপরের সাথে মিলিত হয়েছে। - এই দুই প্রধান নদীর মিলনস্থলের পর নদীটি শুধু মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরিচা — এটি মানিকগঞ্জে অবস্থিত যমুনা নদীর একটি বিখ্যাত ঘাট, যা পদ্মা ও মেঘনার মিলনস্থল নয়। B) ভৈরব — এটি কিশোরগঞ্জ জেলায় অবস্থিত মেঘনা নদীর তীরবর্তী একটি জনপদ, যেখানে পদ্মা মিলিত হয় না। C) ভোলা — এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা এবং মেঘনার মোহনায় অবস্থিত, যা নদী দুটির মিলনস্থল নয়। D) চাঁদপুর — এটি পদ্মা ও মেঘনা নদীর নির্ধারিত মিলনস্থল হিসেবে ভৌগোলিকভাবে স্বীকৃত। মনে রাখার টিপস: পদ্মা ও মেঘনা মিলল যেখানে, নাম তার চাঁদপুর চেনে সবাই সেখানে।
a হংকং
b জাকার্তা
c ম্যানিলা
d সিংগাপুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ম্যানিলা কেন সঠিক: - এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের বা এডিবি এর সদর দপ্তর ফিলিপাইনের ম্যানিলা শহরের মান্দালুয়ংকে অবস্থিত। - ১৯৬৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর এশীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সহযোগিতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হংকং — এটি একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল এবং এশিয়ার আর্থিক কেন্দ্র হলেও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সদর দপ্তর এখানে নয়। B) জাকার্তা — এটি ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী এবং আসিয়ানের সদর দপ্তর, তবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সদর দপ্তর নয়। C) ম্যানিলা — এটি ফিলিপাইনের রাজধানী এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় এখানেই অবস্থিত। D) সিংগাপুর — এটি একটি স্বাধীন দ্বীপ রাষ্ট্র ও গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী, কিন্তু এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবির সদর দপ্তর মনে রাখতে ফিলিপাইনের ম্যানিলা শহরের নাম মনে রাখতে হবে।
a বাংলাদেশ
b ভুটান
c ভারত
d চীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চীন কেন সঠিক: - সার্ক বা SAARC একটি আঞ্চলিক সংস্থা যার সদস্য দেশ আটটি এবং এর মধ্যে চীন অন্তর্ভুক্ত নয়। - এটি মূলত দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জোট, আর চীন দক্ষিণ এশিয়ার বাইরে পূর্ব এশিয়ার দেশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ — এটি সার্কের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং এর জন্মভূমি ঢাকায়। B) ভুটান — এটি সার্কের অন্যতম সদস্য দেশ এবং দক্ষিণ এশিয়ায় অবস্থিত। C) ভারত — এটিও সার্কের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র। D) চীন — এটি সার্কের সদস্য নয়, তবে সংস্থাটির অন্যতম পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: দক্ষিণ এশিয়ার বাইরের দেশ চীন কখনো সার্কের সদস্য হতে পারে না।
a পর্তুগাল ও মরক্কো
b মৌরিতানিয়া ও স্পেন
c ভারত ও শ্রীলংকা
d মরক্কো ও স্পেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভারত ও শ্রীলংকা কেন সঠিক: - পক প্রণালি ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্য এবং শ্রীলংকার উত্তর প্রদেশের মধ্যে অবস্থিত একটি সামুদ্রিক প্রণালি। - এটি পক উপসাগরকে বঙ্গোপসাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে এবং দুটি দেশকে পৃথক করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগাল ও মরক্কো — জিব্রাল্টার প্রণালি দ্বারা পৃথক, পক প্রণালি দ্বারা নয়। B) মৌরিতানিয়া ও স্পেন — এরা সাহারা অঞ্চল এবং আটলান্টিক মহাসাগর দ্বারা সম্পর্কিত, পক প্রণালির সাথে এদের কোনো সম্পর্ক নেই। C) ভারত ও শ্রীলংকা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় দুটি দেশকে সফলভাবে পৃথক করেছে। D) মরক্কো ও স্পেন — জিব্রাল্টার প্রণালি এই দুটি দেশকে পৃথক করেছে, পক প্রণালি নয়। মনে রাখার টিপস: শ্রীলংকা ও ভারতের মাঝে পক প্রণালি অবস্থিত, যা মনে রাখতে শ্রীলংকার লংকা শব্দটির সাথে পক যুক্ত করে পক-লংকা বা পক প্রণালি মনে রাখতে পারেন।
a কৃষি
b ব্যবসা
c শিল্প
d রাজনীতি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কৃষি কেন সঠিক: - খনার বচন মূলত আবহাওয়া, কৃষি এবং ফসল উৎপাদনের নানা দিকনির্দেশনা নিয়ে গঠিত প্রবাদ। - প্রাচীনকাল থেকেই বাংলার কৃষকরা চাষাবাদ ও বীজ বপনের সঠিক সময় জানতে খনার বচনের ওপর নির্ভর করতেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষি — এটি সঠিক উত্তর কারণ খনার বচন কৃষিকাজের নিয়ম ও পরামর্শের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। B) ব্যবসা — খনার বচনে ব্যবসা বা বাণিজ্যের কোনো নিয়ম বা উপদেশ থাকে না। C) শিল্প — এই বচনগুলোর সঙ্গে শিল্পকলা বা কারুশিল্পের কোনো সম্পর্ক নেই। D) রাজনীতি — খনার বচন রাজনৈতিক নীতি বা শাসনের বিষয়ে কোনো তথ্য দেয় না। মনে রাখার টিপস: খনার বচন মানেই কৃষকের প্রবাদ, তাই কৃষিকাজ মনে রাখলেই উত্তরটি সহজ হয়ে যাবে।
a নদীর তলদেশ জমাট
b ভূমিকম্পের কারণ
c নদীর গতিপথে বাধা
d নদীতে বাঁধ দেওয়ার ফল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নদীর তলদেশ জমাট কেন সঠিক: - পলি জমে ব্রহ্মপুত্র নদের তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ায় এর নাব্যতা ও পানি ধারণক্ষমতা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। - তলদেশ উঁচু হয়ে যাওয়ায় নদটি তার স্বাভাবিক গতি হারিয়ে মৃতপ্রায় দশায় উপনীত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নদীর তলদেশ জমাট — অতিরিক্ত পলি জমার কারণে নদীর গভীরতা কমে গিয়ে মৃতপ্রায় অবস্থার সৃষ্টি হয়, যা এই প্রশ্নের সঠিক কারণ। B) ভূমিকম্পের কারণ — ভূমিকম্প নদীর গতি পরিবর্তনে ভূমিকা রাখলেও ব্রহ্মপুত্রের মৃতপ্রায় হওয়ার প্রধান কারণ এটি নয়। C) নদীর গতিপথে বাধা — কৃত্রিম বা প্রাকৃতিক বাধের চেয়ে তলদেশে পলি জমাট বাঁধা এই নদের বর্তমান দশার মূল কারণ। D) নদীতে বাঁধ দেওয়ার ফল — ব্রহ্মপুত্রের প্রবাহ হ্রাসে বাঁধের প্রভাব থাকলেও মূল কারণ এর অতিরিক্ত পলি ও তলদেশ ভরাট হওয়া। মনে রাখার টিপস: নদের মৃত্যু মানেই তলদেশে পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়া।
a ৮-১২ লক্ষ মে. টন
b ২০- ২৫ লক্ষ মে. টন
c ২৫-৩০ লক্ষ মে. টন
d ৩০-৩৫ লক্ষ মে. টন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮-১২ লক্ষ মে. টন কেন সঠিক: - বাংলাদেশের একমাত্র চালু কয়লা খনি বড়পুকুরিয়া থেকে বর্তমানে বছরে প্রায় আট থেকে বারো লক্ষ মেট্রিক টন কয়লা উৎপাদিত হয়। - দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এই উৎপাদিত কয়লা প্রধানত বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮-১২ লক্ষ মে. টন — এটি বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতার সঠিক পরিসীমা নির্দেশ করে। B) ২০- ২৫ লক্ষ মে. টন — এটি বাংলাদেশের বর্তমান বার্ষিক কয়লা উৎপাদনের পরিমাণের তুলনায় অনেক বেশি। C) ২৫-৩০ লক্ষ মে. টন — এটি বাস্তবসম্মত উৎপাদন পরিমাণের সাথে মিলছে না এবং অতিরিক্ত বেশি। D) ৩০-৩৫ লক্ষ মে. টন — বর্তমানে আমাদের খনিগুলোর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা এই পর্যন্ত পৌঁছায়নি। মনে রাখার টিপস: বড়পুকুরিয়া কয়লার পরিমাণ মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন আট থেকে বারো লক্ষ টন।
a Acetic Acid
b Hydrochloric acid
c Sulphuric acid
d Formic acid
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Hydrochloric acid ১. কেন সঠিক: পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি থেকে হাইড্রোক্লোরিক এসিড বা এইচসিএল নিঃসৃত হয়। এই এসিড পাকস্থলীতে প্রবেশ করা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে এবং খাদ্য হজমে সহায়তা করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পাকস্থলীতে থাকা হাইড্রোক্লোরিক এসিড খাবার পরিপাক করার জন্য একটি অম্লীয় পরিবেশ তৈরি করে। কার্যপ্রণালি: এই এসিড পেপসিনোজেন এনজাইমকে সক্রিয় পেপসিনে রূপান্তর করে যা আমিষ জাতীয় খাদ্য ভাঙতে সাহায্য করে। বাস্তব প্রয়োগ: অতিরিক্ত বা কম এসিড ক্ষরণ হলে অম্লতা বা বুকজ্বালার মতো সমস্যা দেখা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাংস বা শক্ত আমিষ জাতীয় খাবার খাওয়ার পর পাকস্থলী অধিক পরিমাণে হাইড্রোক্লোরিক এসিড ক্ষরণ করে। ব্যাখ্যা: আমিষ জাতীয় খাবার সহজে হজম করার জন্য এই এসিডের অম্লীয় পরিবেশ অত্যন্ত জরুরি। উদাহরণ ২: ফল বা খাবারের সাথে পেটে প্রবেশ করা জীবাণু এসিডের কারণে মারা যায়। ব্যাখ্যা: হাইড্রোক্লোরিক এসিড একটি শক্তিশালী জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে শরীরকে সুরক্ষা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Acetic Acid — এটি ভিনেগারের মূল উপাদান এবং এটি খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) Hydrochloric acid — এটি পাকস্থলীতে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত হয় এবং খাবার হজমে সাহায্য করে। C) Sulphuric acid — এটি শিল্প কারখানায় ব্যবহৃত একটি শক্তিশালী এসিড এবং একে এসিডের রাজা বলা হয়। D) Formic acid — এটি পিঁপড়ের কামড় বা বিশল্যকরণী পাতায় থাকে এবং এটি এক ধরনের জৈব এসিড। ৫ মনে রাখার টিপস: পেটে যে এসিড থাকে তা দিয়ে মেটাল বা লোহা পরিষ্কার করা যায় না, তবে এটি খাবার হজম করে। মনে রাখতে হবে যে পাকস্থলীর এসিডের রাসায়নিক নাম হাইড্রোক্লোরিক এসিড এবং এর সংকেত এইচসিএল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পাকস্থলীর হাইড্রোক্লোরিক এসিড পিএইচ এর মান ১.৫ থেকে ৩.৫ এর মধ্যে বজায় রাখে। এই ধরনের প্রশ্ন BCS এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় মানবদেহ ও পরিপাকতন্ত্র অধ্যায় থেকে প্রায়ই আসে।
a Falciparum
b Nipa Virus
c Staphylococcus
d Ricketx
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Falciparum ১. কেন সঠিক: ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টির জন্য দায়ী জীবাণু হলো প্লাজমোডিয়াম নামক এক প্রকার এককোষী প্রোটোজোয়া বা আদিপ্রাণী। এই প্লাজমোডিয়াম প্রজাতির মধ্যে প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম মানবদেহে সবচেয়ে মারাত্মক ও প্রাণঘাতী ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম হলো ম্যালেরিয়া সৃষ্টিকারী চারটি প্রধান প্রোটোজোয়া প্রজাতির মধ্যে একটি যা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর। কার্যপ্রণালি: স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার কামড়ের মাধ্যমে এই জীবাণু মানুষের রক্তে প্রবেশ করে এবং যকৃত ও লোহিত রক্তকণিকাকে আক্রমণ করে ধ্বংস করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্রান্তীয় অঞ্চলে প্রবল জ্বর ও কাঁপুনি নিয়ে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হওয়া। ব্যাখ্যা: এটি ফ্যালসিপেরাম প্রজাতির সংক্রমণের কারণে লোহিত রক্তকণিকায় ব্যাঘাত ঘটার ফলে ঘটে। উদাহরণ ২: মস্তিষ্কে ম্যালেরিয়ার জীবাণু ছড়ানো বা সেেরেব্রাল ম্যালেরিয়া। ব্যাখ্যা: প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরামের কারণে রক্তনালী ব্লক হয়ে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Falciparum — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ম্যালেরিয়ার জীবাণুর প্রজাতি। B) Nipa Virus — এটি একটি মারাত্মক ভাইরাস যা বাদুড় থেকে ছড়ায় এবং মস্তিষ্কে প্রদাহ সৃষ্টি করে। C) Staphylococcus — এটি এক প্রকার ব্যাকটেরিয়া যা ত্বকের সংক্রমণ এবং পুঁজ সৃষ্টির জন্য দায়ী। D) Ricketx — এটি রিক্কেটসিয়া ব্যাকটেরিয়ার ভুল বানান, যা সাধারণত উ উকুন বা টিকের মাধ্যমে ছড়ায় এবং টাইফাসের মতো রোগ সৃষ্টি করে। ৫ মনে রাখার টিপস: ম্যালেরিয়ার সবচেয়ে মারাত্মক জীবাণু ফ্যালসিপেরামের প্রথম অক্ষর এফ দিয়ে ফিউনারেল বা মৃত্যু ভাবা যেতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ম্যালেরিয়া জীবাণুর আবিষ্কারক রোনাল্ড রস এবং এর বাহক হলো স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা। পরীক্ষায় প্রায়ই ম্যালেরিয়ার জীবাণুর নাম বা এর বাহক সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a ভিটামিন এ
b ফলিক এসিড
c বমির ঔষধ
d কৃমির ঔষধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফলিক এসিড ১. কেন সঠিক: - গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে ভ্রূণের স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক বিকাশের জন্য ফলিক এসিড বা ভিটামিন বি ৯ অত্যন্ত জরুরি। এটি ভ্রূণের মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের জন্মগত ত্রুটি রোধ করতে সরাসরি সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ফলিক এসিড হলো পানির দ্রবণীয় ভিটামিন বি ৯, যা কোষ বিভাজন এবং নতুন টিস্যু গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - কার্যপ্রণালি: গর্ভধারণের প্রথম চার সপ্তাহের মধ্যে শিশুর নিউরাল টিউব গঠিত হয়, যা পরবর্তীতে মস্তিষ্ক ও মেরুদূপে রূপ নেয় এবং ফলিক এসিড এই গঠনে সহায়তা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গর্ভাবস্থার শুরুতে চিকিৎসকরা মায়েদের ফলিক এসিড ট্যাবলেট খাওয়ার পরামর্শ দেন। ব্যাখ্যা: এটি ভ্রূণের স্পাইনা বিফিডা বা মেরুদণ্ডের জন্মগত ত্রুটির ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়। উদাহরণ ২: পালং শাক, ব্রকলি এবং ডাল জাতীয় খাবারে প্রচুর ফলিক এসিড থাকে। ব্যাখ্যা: প্রাকৃতিক উৎস থেকে গর্ভবতী মায়েদের দেহে এই পুষ্টির চাহিদা কিছুটা পূরণ হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন এ — অতিরিক্ত ভিটামিন এ গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের ক্ষতি করতে পারে, যদিও এটি সাধারণ দৃষ্টিশক্তির জন্য জরুরি। B) ফলিক এসিড — এটি সঠিক উত্তর। C) বমির ঔষধ — এটি কেবল উপসর্গ নিরাময়ে সাময়িকভাবে ব্যবহার করা হয়, কোনো আবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান নয়। D) কৃমির ঔষধ — গর্ভাবস্থার প্রথম ত্রৈমাসিকে কৃমির ঔষধ সাধারণত সেবন করা নিষিদ্ধ বা এড়িয়ে চলা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - গর্ভে শিশুর স্নায়ু গঠনে ফ দিয়ে ফলিক এসিড মনে রাখা সহজ। প্রথম তিন মাস এটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভিটামিন বি ৯ এর রাসায়নিক নাম বা অভাবজনিত রোগ সম্পর্কে প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a ১০৬টি
b ২০৬টি
c ৬০টি
d ৫২টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০৬টি ১. কেন সঠিক: - মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্র জন্মলগ্নে প্রায় তিনশ'টিরও বেশি অস্থি নিয়ে গঠিত হলেও পূর্ণাঙ্গ বয়সে তা একত্রিত হয়ে মোট ২০৬টিতে রূপ নেয়। - এই অস্থিগুলো মানবদেহকে সুনির্দিষ্ট আকৃতি প্রদান করে এবং এর ভেতরের কোমল অঙ্গগুলোকে রক্ষা করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্র মূলত অক্ষীয় কঙ্কাল এবং উপাঙ্গীয় কঙ্কাল এই দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পুরো শরীরকে দৃঢ়তা দেয়। - কার্যপ্রণালি: মানবদেহের অস্থিগুলো লিগামেন্টের মাধ্যমে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত থাকে এবং পেশির টেন্ডনের টানের ফলে সঞ্চালন ঘটে। - বাস্তব প্রয়োগ: মাথার খুলি মস্তিস্ককে রক্ষা করে এবং দীর্ঘাস্থিগুলো হাঁটাচলার সময় লিভার বা খটকা হিসেবে কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাথার খুলি বা ক্রেনিয়াম ব্যাখ্যা: এটি আটটি হাড়ের সমন্বয়ে গঠিত একটি শক্ত বাক্সের মতো যা আমাদের শরীরের সবচেয়ে সংবেদনশীল অঙ্গ মস্তিষ্ককে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে। উদাহরণ ২: মানুষের মেরুদণ্ড ব্যাখ্যা: এটি ৩৩টি ছোট হাড় বা কশেরুকা নিয়ে গঠিত হলেও পূর্ণাঙ্গ বয়সে তা একত্রিত হয়ে ২৬টি অস্থিতে পরিণত হয় এবং দেহকে সোজা রাখতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০৬টি — এই সংখ্যাটি মানবদেহের কোনো নির্দিষ্ট অঙ্গ বা বয়স্ক কঙ্কালের মোট হাড়ের সংখ্যা প্রকাশ করে না। B) ২০৬টি — এটি পূর্ণাঙ্গ মানবদেহের স্বাভাবিক হাড়ের সঠিক সংখ্যা যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। C) ৬০টি — মানবদেহের একটি নির্দিষ্ট হাত বা পায়ে ৩০টি করে মোট ৬০টি হাড় থাকে, যা পুরো শরীরের মোট সংখ্যা নয়। D) ৫২টি — এই সংখ্যাটি মানবদেহের হাড়ের মোট সংখ্যার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মানবদেহের হাড়ের সংখ্যা মনে রাখতে দুই শত ছয় সংখ্যাটি মনে রাখুন। - শিশুকালে হাড়ের সংখ্যা বেশি থাকে এবং বড় হওয়ার সাথে সাথে তা জোড়া লেগে কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নবজাতক শিশুর শরীরে হাড়ের সংখ্যা প্রায় তিনশ'টি থাকে যা বয়স বাড়ার সাথে সাথে কমে ২০৬টিতে নামে। - মানবদেহের সবচেয়ে বড় হাড় হলো ফিমার যা উরুতে থাকে এবং সবচেয়ে ছোট হাড় হলো স্টেপিস যা কানে থাকে।
a Thyroid জনিত সমস্যা
b রক্তের জন্মগত ত্রুটি
c Osteoporosis
d হৃদরোগ
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: রোগ, জীবাণু ও রোগ প্রতিরোধ / মানবদেহ ও শারীরবৃত্ত সঠিক উত্তর: B) রক্তের জন্মগত ত্রুটি ১. কেন সঠিক: থ্যালসেমিয়া হলো একটি জন্মগত বা বংশগত রক্তের রোগ, যা পিতামাতার কাছ থেকে জিনের মাধ্যমে সন্তানের মধ্যে ছড়ায়। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের রক্তে পর্যাপ্ত হিমোগ্লোবিন তৈরি হতে পারে না, ফলে লোহিত রক্তকণিকা দ্রুত ভেঙে যায় এবং তীব্র রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: থ্যালসেমিয়া হলো একটি অটোজোমাল রিসেসিভ জিনগত ব্যাধি, যার ফলে রক্তের হিমোগ্লোবিন প্রোটিনের উৎপাদনে ত্রুটি দেখা দেয়। কার্যপ্রণালি: মানবদেহের হিমোগ্লোবিনে আলফা ও বিটা নামক দুটি গ্লোবিন চেইন থাকে, যার মধ্যে কোনো একটির উৎপাদনে জিনগত ত্রুটি থাকলে ত্রুটিপূর্ণ লোহিত কণিকা গঠিত হয়। কারণ ও ফলাফল: ত্রুটিপূর্ণ লোহিত কণিকাগুলো স্প্লিন বা প্লীহায় দ্রুত ধ্বংস হয়ে যায়, যার ফলে শরীরে রক্তের মারাত্মক ঘাটতি ও আয়রন জমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাবা ও মা উভয়েই যদি থ্যালসেমিয়া ক্যারিয়ার বা বাহক হন, তবে তাদের সন্তানের এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা চব্বিশ শতাংশ থাকে। ব্যাখ্যা: এটি মেন্ডেলের বংশগতি সূত্রের জিনগত বিন্যাসের মাধ্যমে বংশপরম্পরায় সঞ্চালিত হওয়ার একটি বাস্তব উদাহরণ। উদাহরণ ২: থ্যালসেমিয়ায় আক্রান্ত শিশুর অতিরিক্ত রক্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়, যার ফলে শরীরে অতিরিক্ত লোহা বা আয়রন জমে যায়। ব্যাখ্যা: এটি জন্মগত ত্রুটির কারণে মানবদেহের শারীরবৃত্তীয় ভারসাম্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Thyroid জনিত সমস্যা — থাইরয়েড হলো শরীরের একটি গ্রন্থি যা হরমোন তৈরি করে, এটি জন্মগত রক্তের ত্রুটি নয়। B) রক্তের জন্মগত ত্রুটি — এটি সঠিক উত্তর কারণ থ্যালসেমিয়া বংশপরম্পরায় জিনগত ত্রুটির মাধ্যমে রক্তের হিমোগ্লোবিনকে আক্রমণ করে। C) Osteoporosis — এটি একটি অস্থি সংক্রান্ত রোগ যেখানে হাড়ের ঘনত্ব ও শক্তি কমে যায়, এটি রক্তের জিনগত ত্রুটি নয়। D) হৃদরোগ — হৃদরোগ সাধারণত রক্তনালীর ব্লকেজ বা হৃৎপিণ্ডের পেশির দুর্বলতার কারণে হয়, যা থ্যালসেমিয়ার সরাসরি সংজ্ঞা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: থ্যালসেমিয়া শব্দটি মনে রাখতে থ দিয়ে থাইরয়েড নয় বরং থ দিয়ে থলের মতো লোহিত কণিকা ভেঙে যাওয়া বা থমকে যাওয়া রক্তের রোগ এভাবে মনে রাখতে পারেন। বংশগত রক্ত রোগ বললেই থ্যালসেমিয়া নামটিকে সবার আগে মাথায় আনবেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে, তাই হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবিকতা ও জিনগত রোগ হিসেবে থ্যালসেমিয়া খুব ভালো করে পড়তে হবে। অন্যান্য পরীক্ষায় থ্যালসেমিয়া কোন ধরনের রোগ বা এর বাহক সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে।
a Vitamin A
b Vitamin B
c Vitamin C
d Vitamin K
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Vitamin K ১. কেন সঠিক: মানবদেহে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় বা রক্ত তঞ্চনে ভিটামিন কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি যকৃতে প্রোথ্রম্বিন নামক প্রোটিন উৎপাদনে সাহায্য করে যা পরবর্তীতে রক্তপাত বন্ধ করতে কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: রক্ত তঞ্চন বা ব্লাড ক্লটিং হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কেটে যাওয়া স্থান থেকে রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়। কার্যপ্রণালি: ভিটামিন কে এর উপস্থিতিতে যকৃতে প্রোথ্রম্বিন ও অন্যান্য তঞ্চন ফ্যাক্টর তৈরি হয় যা ফাইব্রিন জালিকা গঠনে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রান্নার সময় আঙুল কেটে গেলে কিছুক্ষণ চেপে ধরলে রক্ত জমাট বেঁধে রক্তপাত বন্ধ হয়ে যায়। ব্যাখ্যা: এটি ভিটামিন কে এর কারণে রক্তে তঞ্চন প্রক্রিয়া চালুর ফলেই সম্ভব হয়। উদাহরণ ২: অস্ত্রোপচারের আগে রোগীদের ভিটামিন কে সাপ্লিমেন্ট দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: এটি নিশ্চিত করে যে অপারেশনকালে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হবে না এবং রক্ত দ্রুত জমাট বাঁধবে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vitamin A — এটি চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে এবং ত্বক সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। B) Vitamin B — এটি শরীরের শক্তি উৎপাদনে এবং স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যকারিতায় সহায়তা করে। C) Vitamin C — এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং কোলাজেন উৎপাদনে সাহায্য করে। D) Vitamin K — এটি রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করার জন্য সঠিক উত্তর হিসেবে প্রমাণিত। ৫ মনে রাখার টিপস: কে মানে কোয়াগুলেশন বা জমাট বাঁধা, তাই রক্ত জমাট বাঁধার কথা আসলেই ভিটামিন কে মনে রাখবে। ভিটামিন কে এর অভাবে রক্তক্ষরণ সহজে বন্ধ হয় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভিটামিন কে একটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা সবুজ শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই ভিটামিনের অভাবজনিত রোগ এবং উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a নিদ্রাহীনতাজনিত রোগ
b জেনেটিক্যাল রোগ
c চোখের রোগ
d স্নায়ুরোগ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিদ্রাহীনতাজনিত রোগ ১. কেন সঠিক: ইনসোমানিয়া হলো এমন একটি চিকিৎসাশাস্ত্রীয় অবস্থা যেখানে আক্রান্ত ব্যক্তির নিয়মিত ঘুমাতে যাওয়া বা একটানা গভীর ঘুমে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ে। এটি মানুষের শারীরিক ও মানসিক বিশ্রামের স্বাভাবিক ছন্দকে নষ্ট করে দেয় এবং কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ইনসোমানিয়া হলো ঘুম সংক্রান্ত একটি সাধারণ ব্যাধি যা তীব্র মানসিক চাপ, উদ্বেগের কারণে উদ্ভূত হয়। কার্যপ্রণালি: মস্তিষ্কের যে অংশগুলো ঘুম এবং জাগরণ নিয়ন্ত্রণ করে, সেগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটলে এই সমস্যা দেখা দেয়। কারণ ও ফলাফল: হরমোনের ভারসাম্যহীনতা এবং অনিয়মিত জীবনযাপনের ফলে এই রোগ ঘটে এবং এর ফলে দিনভর ক্লান্তি ও অবসাদ তৈরি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাজের চাপের কারণে রাতে বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়া এবং সারারাত জেগে থাকা। ব্যাখ্যা: এটি মানসিক চাপের প্রভাবে স্নায়ুতন্ত্রের অতিরিক্ত উদ্দীপনার ফল যা ইনসোমানিয়ার লক্ষণ। উদাহরণ ২: নাইট শিফটে নিয়মিত ডিউটি করার ফলে শরীরের জৈবিক ঘড়ি বা সার্কাডিয়ান রিদম নষ্ট হয়ে যাওয়া। ব্যাখ্যা: এটি বাহ্যিক পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে স্বাভাবিক ঘুমের চক্র ব্যাহত হওয়ার একটি বাস্তব উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিদ্রাহীনতাজনিত রোগ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইনসোমানিয়া সরাসরি ঘুমের ঘাটতি ও অনিদ্রার সঙ্গে সম্পর্কিত। B) জেনেটিক্যাল রোগ — এটি জন্মগত জিনগত ত্রুটির কারণে ঘটে না, তাই এই অপশনটি ভুল। C) চোখের রোগ — এটি দৃষ্টিশক্তি বা চোখের পেশির কোনো সমস্যা নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। D) স্নায়ুরোগ — এটি সরাসরি কোনো প্রধান স্নায়ুতন্ত্রের মারাত্মক রোগ বা ড্যামেজ নয়, তাই এটি সঠিক অপশন নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দ ইনসোমানিয়া মনে রাখার সহজ উপায় হলো এর অংশগুলো ভেঙে পড়া। সোমন শব্দের অর্থ ঘুম, আর তার আগে ইন যুক্ত হয়ে না ঘুমানোর অবস্থাকে বোঝায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইনসোমানিয়া মূলত ঘুমের হরমোন মেলাটোনিনের অনিয়মিত ক্ষরণের সঙ্গে জড়িত। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় মানবদেহ ও স্বাস্থ্য অধ্যায় থেকে আসে।
a Glucagon
b Thyroxin
c Insulin
d Prolactin
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Insulin ১. কেন সঠিক: - অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বিটা কোষ থেকে উৎপাদিত ইনসুলিন হরমোনের ঘাটতি বা কার্যকারিতার অভাব ঘটলে ডায়াবেটিস রোগ হয়। - ইনসুলিন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষে গ্লুকোজ প্রবেশে সহায়তা করে, যার অভাবে রক্তে শর্করার পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ডায়াবেটিস মেলিটাস এমন একটি বিপাকীয় রোগ যেখানে শরীর পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না অথবা উৎপাদিত ইনসুলিন সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে না। - কার্যপ্রণালি: আমরা খাবার খাওয়ার পর শর্করা ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত হয় এবং রক্তে মিশে যায়, তখন ইনসুলিন হরমোন সেই গ্লুকোজকে দেহের কোষে শক্ত উৎপাদনের জন্য প্রবেশ করায়। - কারণ ও ফলাফল: ইনসুলিনের অভাবে গ্লুকোজ কোষে প্রবেশ করতে না পেরে রক্তে জমা হয়, ফলে বহুমূত্র বা ডায়াবেটিস দেখা দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদে কিডনি, চোখ ও স্নায়ুর ক্ষতি হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: ডায়াবেটিস রোগীদের নিয়মিত রক্তের শর্করা পরীক্ষা করতে হয় এবং প্রয়োজনে কৃত্রিম ইনসুলিন গ্রহণ বা খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে মিষ্টি খাওয়ার পর অগ্ন্যাশয় থেকে দ্রুত ইনসুলিন নিঃসৃত হয়ে রক্তের গ্লুকোজ স্বাভাবিক মাত্রায় বজায় রাখে। ব্যাখ্যা: এটি দেখায় কীভাবে হরমোনের ভারসাম্য শরীরকে সুস্থ রাখে। উদাহরণ ২: ডায়াবেটিস রোগীর রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় অতিরিক্ত শর্করা মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। ব্যাখ্যা: এটি ইনসুলিনের অনুপস্থিতিতে দেহের বিপাকীয় ত্রুটির ফলাফল প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Glucagon — এটি অগ্ন্যাশয়ের আলফা কোষ থেকে উৎপাদিত হরমোন যা রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা বাড়াতে কাজ করে, সরাসরি ডায়াবেটিসের জন্য দায়ী নয়। B) Thyroxin — এটি থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন যা দেহের বিপাক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, এর ঘাটতিতে গয়টার বা হাইপোথাইরয়েডিজম হয়। C) Insulin — এটি সঠিক উত্তর যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং এর ঘাটতিতে ডায়াবেটিস হয়। D) Prolactin — এটি পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে উৎপাদিত হরমোন যা স্তন্যদানকালে দুগ্ধ উৎপাদনে সহায়তা করে, গ্লুকোজ বিপাকের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইনসুলিন ও ডায়াবেটিস মনে রাখতে অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষের কথা মনে রাখবে। - মিষ্টি জাতীয় খাবারের সঙ্গে ইনসুলিনের সম্পর্ক এবং এর ঘাটতি মানেই ডায়াবেটিস, এভাবে বিষয়টি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবদেহের কোন গ্রন্থি ইনসুলিন তৈরি করে এবং এর উৎস কোষ কোনটি, তা BCS পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - ইনসুলিন আবিষ্কার করেন ফ্রেডেরিক বেন্টিং ও চার্লস বেস্ট, যা সাধারণ জ্ঞানের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
a 96°F
b 97.4°F
c 98.4°F
d 94.4°F
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯৮.৪°F ১. কেন সঠিক: সুস্থ মানুষের শরীরের অভ্যন্তরীণ স্বাভাবিক তাপমাত্রা হলো ৯৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শারীরবৃত্তীয় কাজ সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য আমাদের শরীরের মেটাবলিজম বা বিপাকক্রিয়া একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মানবদেহের হোমোজিনিয়াস থার্মোরেগুলেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা সর্বদা স্বাভাবিক রাখা হয়। কার্যপ্রণালি: মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস অংশ থার্মোস্টেট হিসেবে কাজ করে এবং শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্য রক্ষা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুস্থ মানুষের শরীরে হাত দিলে স্বাভাবিক উষ্ণতা অনুভূত হয় যা এই ৯৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রার নির্দেশক। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে মানবদেহ তার নিজস্ব তাপ উৎপাদনের মাধ্যমে পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখছে। উদাহরণ ২: জ্বর হলে শরীরের তাপমাত্রা ৯৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়িয়ে যায়। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে বোঝা যায় যে রোগজীবাণু বা ইনফেকশনের কারণে শরীরের স্বাভাবিক থার্মোস্টেট সেটিং পরিবর্তিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯৬°F — এটি মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে বেশ কম এবং সাধারণত হাইপোথার্মিয়া অবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত। B) ৯৭.৪°F — এটি সামান্য কম তাপমাত্রা যা কিছু মানুষের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক হলেও এটি স্ট্যান্ডার্ড বা সার্বজনীন গ্রহণযোগ্য মান নয়। C) ৯৮.৪°F — এটি মানবদেহের জন্য পরীক্ষিত ও চিকিৎসাবিজ্ঞান স্বীকৃত আদর্শ স্বাভাবিক তাপমাত্রা। D) ৯৪.৪°F — এটি মারাত্মকভাবে কম তাপমাত্রা যা মানুষের জীবনে বিপজ্জনক হাইপোথার্মিয়া বা মৃত্যুর ঝুঁকির লক্ষণ। ৫ মনে রাখার টিপস: ফারেনহাইট স্কেলে ৯৮.৪ এবং সেলসিয়াস স্কেলে ৩৭ ডিগ্রি হলো সুস্থ মানুষের শরীরের ম্যাজিক নম্বর। সেলসিয়াস মানকে নয় দিয়ে গুণ করে পাঁচ দিয়ে ভাগ করে বত্রিশ যোগ করলে ফারেনহাইট মান পাওয়া যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মানবদেহের তাপমাত্রা মাপার জন্য ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার ব্যবহার করা হয় যাতে সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট উভয় স্কেল থাকে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে সেলসিয়াস স্কেলে মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা কত।
a সোডিয়াম
b জিংক
c ম্যাগনেসিয়াম
d আয়রন
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: মানবদেহ ও শারীরবৃত্ত এবং খাদ্য ও পুষ্টি সঠিক উত্তর: A) সোডিয়াম ১. কেন সঠিক: - বমি হলে মানব শরীর থেকে সোডিয়াম এবং ক্লোরাইডের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রোলাইট বা খনিজ পদার্থ বর্জিত হয়। - পাকস্থলীতে থাকা গ্যাস্ট্রিক জুস বা এসিডে সোডিয়াম ও ক্লোরাইডের পরিমাণ বেশি থাকায় বমির মাধ্যমে এসব খনিজের মারাত্মক ঘাটতি ঘটে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মানবদেহের কোষের বাইরে তরল বা এক্সট্রাসেলুলার ফ্লুইডের প্রধান খনিজ উপাদান হলো সোডিয়াম। - কার্যপ্রণালি: বারবার বমি হলে শরীরের জলীয় অংশের সঙ্গে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইলেক্ট্রোলাইট দ্রুত বেরিয়ে যায়। - কারণ ও ফলাফল: এর ফলে রক্তের পিত্তরস ও লবণের ভারসাম্য নষ্ট হয়, যা পেশির দুর্বলতা এবং মাথা ঘোরার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতিরিক্ত বমি বা ডায়রিয়ার পর রোগীদের স্যালাইন খাওয়ানো হয়। ব্যাখ্যা: স্যালাইনের মাধ্যমে শরীর হারানো সোডিয়াম ও গ্লুকোজ দ্রুত পুনরুদ্ধার করে। উদাহরণ ২: দীর্ঘক্ষণ রোদে ঘামলে শরীর থেকে লবণ বা সোডিয়াম বের হয়ে যায়। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত ঘাম এবং বমি উভয় প্রক্রিয়াই শরীরকে ইলেকট্রোলাইট শূন্য করে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোডিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ বমির মাধ্যমে পাকস্থলীর রস থেকে সোডিয়াম দ্রুত অপসারিত হয়। B) জিংক — এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং এনজাইমের কার্যকারিতায় সাহায্য করে, বমিতে এর তাৎক্ষণিক ঘাটতি হয় না। C) ম্যাগনেসিয়াম — এটি পেশি ও স্নায়ুর কার্যকারিতায় ভূমিকা রাখে, যা বমির ফলে সরাসরি প্রভাবিত হয় না। D) আয়রন — এটি রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরিতে কাজ করে এবং বমির মাধ্যমে এর বড় ধরনের কোনো ঘাটতি তৈরি হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - বমি বা ডায়রিয়া মানেই সোডিয়াম এবং পানির অপচয়। - পাকস্থলীর এসিড সোডিয়াম সমৃদ্ধ হওয়ায় বমিতে সোডিয়ামের ঘাটতি ঘটে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবদেহের রক্তরসে সোডিয়াম সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা খনিজ উপাদান। - বারবার বমির ফলে শরীরে যে হাইপোনেট্রেমিয়া বা সোডিয়ামের অভাবজনিত অবস্থা তৈরি হয়, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a জলপ্রপাত
b রোগ
c ঔষধ
d যন্ত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঔষধ ১. কেন সঠিক: - ভায়াগ্রা হলো ফাইজার কোম্পানি কর্তৃক বাজারজাতকৃত একটি আধুনিক প্রেসক্রিপশন ঔষধ যার মূল রাসায়নিক নাম সিলডেনাফিল সাইট্রেট। - এটি মানবদেহের নির্দিষ্ট এনজাইমকে বাধা দিয়ে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি করে এবং বিশেষ শারীরবৃত্তীয় চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ভায়াগ্রা হলো ফসফোডাইস্টারেজ ফাইভ ইনহিবিটর শ্রেণির একটি সিন্থেটিক বা কৃত্রিম রাসায়নিক ঔষধ। - কার্যপ্রণালি: এটি রক্তনালীর পেশী শিথিল করে বিশেষ অঙ্গে রক্ত সঞ্চালন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। - বাস্তব প্রয়োগ: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ইরেকটাইল ডিসফাংশন বা পুরুষত্বহীনতা এবং পালমোনারি হাইপারটেনশন চিকিৎসায় এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিলডেনাফিল সাইট্রেট ব্যাখ্যা: এটি ভায়াগ্রা ঔষধের মূল সক্রিয় রাসায়নিক উপাদান যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে নির্দিষ্ট শারীরবৃত্তীয় সমস্যার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: উচ্চ রক্তচাপের ঔষধ ব্যাখ্যা: মানবদেহের রক্তনালী প্রসারিত করে রক্তপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য বিভিন্ন ধরনের ঔষধ বিজ্ঞানসম্মত উপ2ারে তৈরি করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জলপ্রপাত — এটি নদী থেকে পানির তীব্র বেগে নিচে পড়ার প্রাকৃতিক ভৌগোলিক রূপ, কোনো কৃত্রিম বস্তু বা ঔষধ নয়। B) রোগ — রোগ হলো দেহের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতার অস্বাভাবিকতা বা ব্যাধি, যা কোনো নিরাময়কারী ঔষধ হতে পারে না। C) ঔষধ — এটি সঠিক কারণ ভায়াগ্রা একটি পরীক্ষিত ও অনুমোদিত রাসায়নিক ভিত্তিক নিরাময়কারী উপাদান। D) যন্ত্র — যন্ত্র বলতে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরি মেকানিক্যাল বা ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম বোঝায়, এটি জৈবরাসায়নিক ঔষধ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভায়াগ্রা একটি জীবন রক্ষাকারী বা নিরাময়মূলক চিকিৎসা সংক্রান্ত উপাদান হওয়ায় এটি সর্বদা ঔষধ হিসেবে চিহ্নিত হয়। - এর মূল রাসায়নিক নাম সিলডেনাফিল সাইট্রেট যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি মানবদেহ ও শারীরবৃত্ত এবং আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান অংশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - পরীক্ষার জন্য ভায়াগ্রার মূল রাসায়নিক নাম এবং এর চিকিৎসাগত ব্যবহার সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক।
a Genetic disorder
b রক্তের সমস্যা
c Thyroid জনিত সমস্যা
d কিডনির সমস্যা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Genetic disorder ১. কেন সঠিক: - ডাউন সিন্ড্রোম মানুষের জিনগত ত্রুটি বা ক্রোমোজোমের অস্বাভাবিকতার কারণে সৃষ্ট একটি রোগ। - কোষ বিভাজনের সময় ত্রুটির ফলে একুশ নম্বর ক্রোমোজোম জোড়ায় একটি অতিরিক্ত ক্রোমোজোম যুক্ত হওয়ার কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: স্বাভাবিক মানুষের কোষে তেতাল্লিশটি ক্রোমোজোম থাকে, কিন্তু ডাউন সিন্ড্রোমে আক্রান্ত ব্যক্তির কোষে সাতচল্লিশটি ক্রোমোজোম থাকে। - কার্যপ্রণালি: মিয়োসিস কোষ বিভাজনের সময় ক্রোমোজোমগুলোর সঠিক পৃথকীকরণ না হওয়ার ফলে এই জিনগত বৈচিত্র্য দেখা দেয়। - কারণ ও ফলাফল: অতিরিক্ত ক্রোমোজোমের উপস্থিতির কারণে শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয় এবং বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ধীরগতির হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাউন সিন্ড্রোমে আক্রান্ত শিশুর শারীরিক গঠন। ব্যাখ্যা: এদের মুখমণ্ডল কিছুটা চ্যাপটা হয়, চোখ কিছুটা তির্যক থাকে এবং পেশির দৃঢ়তা কম থাকে। উদাহরণ ২: ট্রাইসোমি একুশ বা একুশ নম্বর ক্রোমোজোমের অনুলিপন। ব্যাখ্যা: এটি জিনগত ত্রুটির কারণে মানবদেহে ঘটা সবচেয়ে পরিচিত ক্রোমোজোমাল অস্বাভাবিকতার একটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Genetic disorder — এটি সঠিক কারণ রোগটি ক্রোমোজোমাল ত্রুটি বা জিনের পরিবর্তনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। B) রক্তের সমস্যা — এটি ভুল কারণ রক্তাল্পতা বা হিমোফিলিয়া রক্তের রোগ, যা ডাউন সিন্ড্রোমের মূল কারণ নয়। C) Thyroid জনিত সমস্যা — এটি ভুল কারণ থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি বা আধিক্য থাইরয়েড গ্রন্থির কাজ, জিনগত ত্রুটির ফল নয়। D) কিডনির সমস্যা — এটি ভুল কারণ কিডনি মানবদেহের রেচন অঙ্গ, যার কাজ রক্ত পরিস্রাবণ করা এবং এর সঙ্গে জিনগত সিন্ড্রোমের সরাসরি সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডাউন সিন্ড্রোম মানেই ক্রোমোজোম একুশের অতিরিক্ত সংযুক্তি। - সংখ্যা মনে রাখতে হবে তেতাল্লিশের জায়গায় সাতচল্লিশ এবং জিনগত ত্রুটি মানেই জেনেটিক ডিসঅর্ডার। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানুষের কোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা কত এবং ডাউন সিন্ড্রোমে কতটি হয়, তা বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - ক্রোমোজোমাল অস্বাভাবিকতা থেকে অন্যান্য রোগ যেমন টার্নার সিন্ড্রোম বা ক্লাইনফেল্টার সিন্ড্রোম সম্পর্কেও প্রশ্ন আসতে পারে।
a বৃক্ক
b যকৃৎ
c থাইরয়েড
d পিটুইটারী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যকৃৎ ১. কেন সঠিক: পিত্তরস মানবদেহের যকৃতে তৈরি হয় এবং পিত্তথলিতে জমা থাকে। এটি ফ্যাট জাতীয় খাবার হজম করতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: যকৃৎ মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি এবং প্রধান বিপাকীয় অঙ্গ। কার্যপ্রণালি: যকৃৎ কোষ থেকে পিত্তরস তৈরি হয়ে নালীর মাধ্যমে পিত্তথলিতে এসে জমা হয় এবং প্রয়োজনে ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রবেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া। ব্যাখ্যা: মাংস বা মাখন খাওয়ার পর পিত্তরস নিঃসৃত হয়ে চর্বিকে ক্ষুদ্র কণায় ভেঙে হজম সহজ করে। উদাহরণ ২: জন্ডিস রোগ। ব্যাখ্যা: যকৃতে সমস্যা হলে পিত্তরসের রঞ্জক পদার্থ রক্তে মিশে ত্বক ও চোখ হলুদ করে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৃক্ক — বৃক্ক মানবদেহের রেচন অঙ্গ যা রক্ত ছেঁকে মূত্র তৈরি করে। B) যকৃৎ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই পিত্তরস উৎপাদিত হয়। C) থাইরয়েড — এটি একটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি যা থাইরক্সিন হরমোন তৈরি করে। D) পিটুইটারী — এটি মস্তিষ্কে অবস্থিত প্রধান গ্রন্থি যা অন্যান্য হরমোন নিয়ন্ত্রণ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: পিত্তরস মানেই যকৃৎ, আর জমা থাকে পিত্তথলিতে। এটি মনে রাখতে যকৃৎ শব্দটির সাথে পিত্ত যুক্ত করে ভাবুন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পিত্তরসে কোনো এনজাইম থাকে না, তবুও এটি চর্বি জাতীয় খাদ্য পরিপাকে প্রধান ভূমিকা রাখে। পিত্তরসের প্রধান উপাদান হলো পিত্ত লবণ ও পিত্ত রঞ্জক।
a Chloride
b Sodium
c Calcium
d Magnesium
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Chloride ১. কেন সঠিক: - ক্লোরাইড (Chloride) হলো একটি ঋণাত্মক চার্জযুক্ত আয়ন বা অ্যানায়ন, যার রাসায়নিক সংকেত সিএল মাইনাস। - পরমাণু তার বাইরের কক্ষপথে ইলেকট্রন গ্রহণ করলে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত হয় এবং ক্লোরিন পরমাণু একটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে ক্লোরাইড আয়নে পরিণত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পরমাণুর বাইরের কক্ষপথে আটটি ইলেকট্রন পূর্ণ করার বা স্থিতিশীল হওয়ার প্রবণতাকে অষ্টক নিয়ম বলে। - কার্যপ্রণালি: ক্লোরিন পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সতেরো এবং এর ইলেকট্রন বিন্যাস দুই, আট, সাত। - কারণ ও ফলাফল: স্থিতিশীলতা অর্জনের জন্য ক্লোরিন পরমাণু বাইরে থেকে একটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে এবং ইলেকট্রন সংখ্যা প্রোটন সংখ্যার চেয়ে বেশি হওয়ায় এটি ঋণাত্মক চার্জযুক্ত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের দৈনন্দিন জীবনের খাবারে ব্যবহৃত লবণের সোডিয়াম ক্লোরাইডে ক্লোরাইড ঋণাত্মক আয়ন হিসেবে বিদ্যমান থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোডিয়াম ক্লোরাইড বা সাধারণ লবণ জলে দ্রবীভূত হলে সোডিয়াম ধনাত্মক এবং ক্লোরাইড ঋণাত্মক আয়নে বিভক্ত হয়। ব্যাখ্যা: এটি দেখায় কীভাবে যৌগ গঠিত হয় এবং জলে দ্রবীভূত হয়ে আয়ন উৎপন্ন করে। উদাহরণ ২: আমাদের পেটের মধ্যে থাকা গ্যাস্ট্রিক রসে হাইড্রোক্লোরিক এসিড থাকে যা খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে। ব্যাখ্যা: এই এসিডে ক্লোরাইড আয়ন একটি অপরিহার্য উপাদান হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Chloride — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্লোরিন পরমাণু ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ক্লোরাইড অ্যানায়ন তৈরি করে। B) Sodium — সোডিয়াম একটি ধাতু যা ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধনাত্মক চার্জযুক্ত ক্যাটায়ন বা পজিটিভ চার্জে পরিণত হয়। C) Calcium — ক্যালসিয়াম একটি ক্ষারীয় মৃত্তিকা ধাতু যা দুটি ইলেকট্রন বর্জন করে দ্বিগুণ ধনাত্মক চার্জযুক্ত ক্যাটায়ন তৈরি করে। D) Magnesium — ম্যাগনেসিয়াম পরমাণু বাইরের কক্ষপথ থেকে দুটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধনাত্মক চার্জযুক্ত আয়নে রূপান্তর লাভ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধাতুগুলো সাধারণত ইলেকট্রন ত্যাগ করে পজিটিভ চার্জ বা ক্যাটায়ন হয় এবং অধাতুগুলো ইলেকট্রন গ্রহণ করে নেগেটিভ চার্জ বা অ্যানায়ন হয়। - ক্লোরিন একটি অধাতু তাই এটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্মক ক্লোরাইড আয়ন গঠন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরীক্ষায় প্রায়ই ক্যাটায়ন ও অ্যানায়নের উদাহরণ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই ধাতু ও অধাতুর ইলেকট্রন আদান-প্রদান ভালোভাবে মনে রাখবে। - সোডিয়াম পজিটিভ আয়ন এবং ক্লোরাইড নেগেটিভ আয়ন কেন হয়, তা ইলেকট্রন বিন্যাসের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করতে পারা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
a Sphygmomanometer
b Stethoscope
c Cardiograph
d Echograph
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Sphygmomanometer ১. কেন সঠিক: - স্ফিগমোম্যানোমিটার হলো সেই চিকিৎসা যন্ত্র যা মানুষের রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার নির্ভুলভাবে পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। - এটি ধমনীর ভেতরে রক্তের চাপ নির্ণয় করতে পারদের স্তম্ভ বা ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহার করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রক্তচাপ হলো হৃৎপিণ্ডের সংকোচনের মাধ্যমে ধমনীর গায়ে রক্তের যে চাপ সৃষ্টি হয় তার পরিমাপ। - কার্যপ্রণালি: বাহুতে কাফ পেঁচিয়ে তাতে বাতাস ভরে ধমনীর রক্তপ্রবাহ সাময়িক বন্ধ করা হয় এবং বাতাস কমানোর সময় প্রথম ও শেষ শব্দ শুনে সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক চাপ মাপা হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: চিকিৎসালয়ে বা ঘরে বসে উচ্চ রক্তচাপ বা নিম্ন রক্তচাপ শনাক্ত করতে এটি নিয়মিত ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সুস্থ মানুষের আদর্শ রক্তচাপ সাধারণত ১২০ এবং ৮০ মিলিমিটার পারদ ধরা হয়। ব্যাখ্যা: স্ফিগমোম্যানোমিটারের মাধ্যমে এই মান পরিমাপ করেই চিকিৎসকরা রোগীর হৃদরোগের ঝুঁকি নির্ণয় করেন। উদাহরণ ২: দৌড়ানোর পর মানুষের হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ সাময়িকভাবে বৃদ্ধি পায়। ব্যাখ্যা: শারীরিক পরিশ্রমের সময় পেশিতে বেশি অক্সিজেন সরবরাহের জন্য হৃৎপিণ্ড দ্রুত পাম্প করে যা এই যন্ত্র দিয়ে মাপা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sphygmomanometer — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রক্তচাপ মাপার জন্য বিশেষভাবে তৈরি যন্ত্র। B) Stethoscope — এটি রক্তচাপ মাপার সময় শব্দ শোনার কাজে ব্যবহৃত হলেও একা রক্তচাপ নির্ণয় করতে পারে না। C) Cardiograph — এটি হৃৎপিণ্ডের বৈদ্যুতিক কার্যক্রম বা ইসিজি রেকর্ড করার যন্ত্র, রক্তচাপ মাপে না। D) Echograph — এটি আল্ট্রাসাউন্ড তরঙ্গের মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডের গঠন ও ত্রুটি দেখার ইকোকার্ডিওগ্রাফি যন্ত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্ফিগমো শব্দটি এসেছে গ্রিক ভাষা থেকে যার অর্থ নাড়ির স্পন্দন এবং ম্যানোমিটার মানে চাপ মাপার যন্ত্র। - এভাবে স্পন্দনের চাপ মাপার যন্ত্র হিসেবে নামটির সঙ্গে পরিচিত হলে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চিকিৎসা বিজ্ঞান সম্পর্কিত যন্ত্রপাতির নাম প্রায়ই আসে। - রক্তচাপের উপরের সংখ্যাটিকে সিস্টোলিক এবং নিচের সংখ্যাটিকে ডায়াস্টোলিক চাপ বলা হয়।
a কর্নিয়া
b ল্যাক্রিমাল গ্র্যান্ড
c পিউপিল
d ফোবিয়া সেন্ট্রালিস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ল্যাক্রিমাল গ্র্যান্ড ১. কেন সঠিক: - চোখের পানি উৎপাদনের প্রধান উৎস হলো ল্যাক্রিমাল গ্র্যান্ড বা অশ্রুগ্রন্থি। - এটি চোখের উপরিভাগের ঠিক বাইরে অবস্থিত এবং ক্রমাগত তরল নিঃসরণ করে চোখ সতেজ রাখে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ল্যাক্রিমাল গ্র্যান্ড হলো মানবদেহের এক ধরনের এক্সোক্রাইন গ্রন্থি যা চোখের পাতা আর্দ্র রাখতে অশ্রু তৈরি করে। - কার্যপ্রণালি: এই গ্রন্থি থেকে নিসৃত তরল চোখের পৃষ্ঠদেশ পরিষ্কার রাখে এবং জীবাণু থেকে চোখকে রক্ষা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পেঁয়াজ কাটার সময় চোখ দিয়ে পানি পড়া। ব্যাখ্যা: পেঁয়াজ কাটলে এক ধরনের গ্যাস নির্গত হয় যা ল্যাক্রিমাল গ্র্যান্ডকে উদ্দীপিত করে অতিরিক্ত অশ্রু তৈরি করায়। উদাহরণ ২: চোখে কোনো ধুলাবালি পড়লে পানি আসা। ব্যাখ্যা: বহিরাগত কণা অপসারণের জন্য ল্যাক্রিমাল গ্র্যান্ড দ্রুত সক্রিয় হয়ে অতিরিক্ত পানি নিঃসরণ করে চোখ পরিষ্কার করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্নিয়া — এটি চোখের সবচেয়ে বাইরের স্বচ্ছ অংশ যা আলো প্রবেশে সহায়তা করে কিন্তু পানি তৈরি করে না। B) ল্যাক্রিমাল গ্র্যান্ড — এটিই চোখের পানি তৈরির মূল গ্রন্থি যা সঠিক উত্তর। C) পিউপিল — এটি চোখের মণির কেন্দ্র যেখানে আলো প্রবেশ করার ছিদ্র থাকে এবং এর পানি উৎপাদনের কোনো কাজ নেই। D) ফোবিয়া সেন্ট্রালিস — এটি রেটিনার একটি বিশেষ অংশ যা স্পষ্ট ও রঙিন দৃষ্টির জন্য দায়ী এবং এর সঙ্গে অশ্রুর সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: ল্যাক্রিমাল শব্দটির অর্থ অশ্রু সম্পর্কিত। তাই পানি উৎপাদনের কথা থাকলে ল্যাক্রিমাল গ্র্যান্ড বা অশ্রুগ্রন্থি উত্তর হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ল্যাক্রিমাল গ্রন্থি থেকে প্রতিদিন প্রায় এক থেকে তিন মিলিলিটার অশ্রু উৎপাদিত হয়। বিসিএস পরীক্ষায় মানবদেহের বিভিন্ন গ্রন্থি ও তাদের কাজ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a ডায়াবেটিস
b উচ্চ রক্তচাপ
c রিকেট
d রক্তশূন্যতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রক্তশূন্যতা ১. কেন সঠিক: ভিটামিন বি বারো বা কোবালামিন মানবদেহে লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদনে এবং স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ভিটামিনের দীর্ঘস্থায়ী ঘাটতি দেখা দিলে অস্থিমজ্জা থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে সুস্থ লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদিত হতে পারে না, যার ফলে পার্নিসিয়াস অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভিটামিন বি বারো একটি পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা প্রাণীজ আমিষ থেকে মূলত মানবদেহে প্রবেশ করে এবং অন্ত্রের ইনট্রিনসিক ফ্যাক্টরের সহায়তায় শোষিত হয়। কার্যপ্রণালি: এই ভিটামিনের অভাবে ডিএনএ সংশ্লেষণ ব্যাহত হয় এবং অস্থিমজ্জায় মেগালোব্লাস্ট নামক অস্বাভাবিক বড় আকারের লোহিত রক্তকণিকা তৈরি হয় যা দ্রুত ভেঙে যায়। কারণ ও ফলাফল: লোহিত রক্তকণিকার স্বল্পতার কারণে দেহে অক্সিজেনের সরবরাহ কমে যায়, যার ফলে চরম ক্লান্তি, দুর্বলতা এবং রক্তশূন্যতার উপসর্গ প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিরামিষাশী ব্যক্তিরা যারা দীর্ঘদিন কোনো ধরনের আমিষ বা দুগ্ধজাত খাবার খান না, তাদের দেহে ভিটামিন বি বারো এর মারাত্মক ঘাটতি হতে পারে। ব্যাখ্যা: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে এই ভিটামিন প্রাকৃতিকভাবে থাকে না বলে তাদের রক্তশূন্যতা হওয়ার ঝুঁকি সাধারণ মানুষের তুলনায় অনেক বেশি থাকে। উদাহরণ ২: পাকস্থলীর অপারেশন বা গ্যাস্ট্রেক্টমি করা রোগীদের ক্ষেত্রে ইনট্রিনসিক ফ্যাক্টরের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। ব্যাখ্যা: এর ফলে খাদ্যনালী থেকে ভিটামিন বি বারো শোষিত হতে পারে না এবং রোগীর শরীরে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডায়াবেটিস — এটি মূলত ইনসুলিনের অপ্রতুলতা বা কার্যকারিতার অভাবে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধিজনিত একটি হরমোন ও বিপাকীয় রোগ। এটি ভিটামিন বি বারো এর ঘাটতির কারণে সরাসরি ঘটে না, যদিও দীর্ঘমেয়াদী স্নায়ুর সমস্যায় এটি ভিন্নভাবে সম্পর্কিত হতে পারে। B) উচ্চ রক্তচাপ — এটি ধমনীর ভেতরে রক্তের উচ্চ চাপের একটি হৃৎপিণ্ড ও রক্তনালী সংক্রান্ত সমস্যা যা অতিরিক্ত লবণ খাওয়া বা মানসিক চাপের কারণে ঘটে। ভিটামিন বি বারো এর ঘাটতির সঙ্গে উচ্চ রক্তচাপের সরাসরি কোনো বৈজ্ঞানিক সংযোগ নেই। C) রিকেট — এটি প্রধানত ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়ামের অভাবে শিশুদের হাড় নরম ও দুর্বল হয়ে যাওয়ার একটি রোগ। ভিটামিন বি বারো হাড়ের গঠনে নয় বরং রক্ত ও স্নায়ু গঠনে কাজ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: ভিটামিন বি বারো এর রাসায়নিক নামে কোবাল্ট থাকে এবং এটি রক্তের জন্য অত্যন্ত জরুরি। মনে রাখবে, বি বারো মানেই রক্তের বন্ধু এবং এর অভাবে শরীরে রক্তের স্বল্পতা বা রক্তশূন্যতা হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই ভিটামিনের শোষণের জন্য পাকস্থলী থেকে নির্গত ইনট্রিনসিক ফ্যাক্টর অপরিহার্য যা বিসিএস পরীক্ষার জন্য একটি জনপ্রিয় প্রশ্ন। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন ভিটামিনটি স্নায়ুতন্ত্রের সুস্থতা ও লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে একসঙ্গে কাজ করে।
a Pleurae
b Peritoneum
c Pericardium
d Mucosa
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Pericardium ১. কেন সঠিক: মানবদেহের পাম্পিং অঙ্গ হলো হৃৎপিণ্ড বা হার্ট যা একটি দ্বিস্তরবিশিষ্ট শক্তিশালী পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে। এই সুরক্ষামূলক জঝিল্লির নাম পেরিকার্ডিয়াম যা হার্টকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে এবং ঘর্ষণ কমায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পেরিকার্ডিয়াম হলো একটি ফাইব্রোসারাস ঝিল্লি যা মানব হৃৎপিণ্ডের সবচেয়ে বাইরের আবরণ হিসেবে কাজ করে। কার্যপ্রণালি: এই আবরণের দুটি স্তর থাকে এবং এদের মাঝখানে তরল পদার্থ থাকে যা হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণের সময় ঘর্ষণজনিত ক্ষয় রোধ করে। বাস্তব প্রয়োগ: মানবদেহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই অঙ্গটিকে নিরাপদ রাখতে এবং অতিরিক্ত প্রসারণ রোধ করতে পেরিকার্ডিয়াম একটি প্রাকৃতিক কুশনের মতো কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুক বা বুকের মাঝখানে কোনো শক্তিশালী আঘাত লাগলে হার্ট সরাসরি জখম হয় না। ব্যাখ্যা: পেরিকার্ডিয়াম ঝিল্লি এবং এর ভেতরের তরল শক্ অবজর্ভার বা ঘাতসহ হিসেবে কাজ করে আঘাতের তীব্রতা কমিয়ে দেয়। উদাহরণ ২: দৌড়ানোর সময় হৃৎপিণ্ডের গতি ও স্পন্দন অনেক বেড়ে যায়। ব্যাখ্যা: পেরিকার্ডিয়ামের ভেতরের ফ্লুইড বা তরল থাকার কারণে দ্রুত সংকোচন ও প্রসারণের সময় হৃৎপিণ্ড তার আশেপাশের দেওয়ালের সাথে ঘষা খায় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pleurae — এটি ফুসফুসের বাইরের সুরক্ষামূলক দ্বিসুরে গঠিত ঝিল্লি। তাই এটি হার্টের আবরণ নয়। B) Peritoneum — এটি পেটের ভেতরের গহ্বর এবং উদরীয় অঙ্গগুলোকে ঢেকে রাখে। এটি পরিপাকতন্ত্রের অঙ্গের সাথে সম্পর্কিত। C) Pericardium — এটি হৃৎপিণ্ডের বাইরের আবরণ বা ঝিল্লি। এটিই এই প্রশ্নের সঠিক এবং নির্দিষ্ট উত্তর। D) Mucosa — এটি পরিপাকনালী, শ্বাসনালীসহ শরীরের বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ গহ্বরের শ্লেষ্মাঝিল্লি। এটি কোনো নির্দিষ্ট অঙ্গের বাইরের থলে বা আবরণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ইংরেজি পেরি শব্দের অর্থ চারপাশে এবং কার্ডিয়ামের সাথে হার্টের সম্পর্ক আছে। তাই হার্টের চারপাশে থাকা আবরণকে পেরিকার্ডিয়াম মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফুসফুসের আবরণ প্লুরা এবং কিডনির বাইরের অংশ বা আবরণ সম্পর্কেও প্রশ্ন আসে। অঙ্গ এবং তাদের নিজ নিজ সুরক্ষামূলক আবরণের নামগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a চাঁদে বাতাস নেই
b মধ্যাকর্ষণজনিত কারনে
c আলোজনিত সমস্যার কারনে
d চাঁদ অমসৃণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চাঁদে বাতাস নেই ১. কেন সঠিক: - চাঁদে বায়ুমণ্ডল বা বাতাস না থাকায় উড়োজাহাজ ওড়ার জন্য প্রয়োজনীয় লিফট বা ঊর্ধ্বমুখী বল পাওয়া যায় না। - উড়োজাহাজ ওড়ার জন্য বাতাসের চাপ এবং বায়ুর গতিশীলতার প্রয়োজন হয় যা শূন্যতায় অসম্ভব। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: উড়োজাহাজ উড়ার জন্য বার্নউলির নীতি অনুসারে ডানার উপরে ও নিচের বায়ুর চাপের পার্থক্যের মাধ্যমে ঊর্ধ্বমুখী বল বা লিফট তৈরি হয়। - কার্যপ্রণালি: ইঞ্জিনের সাহায্যে প্রপেলার বা জেট ইঞ্জিন বায়ুকে পেছনে ঠেলে সামনের দিকে গতি সৃষ্টি করে এবং ডানার ওপর দিয়ে বাতাস প্রবাহিত হয়ে উড়োজাহাজকে ওপরে ধরে রাখে। - কারণ ও ফলাফল: চাঁদে কোনো বায়ুস্তর না থাকায় প্রপেলার বা জেট ইঞ্জিন বাতাস টানেও না এবং ধাক্কাও তৈরি করতে পারে না, ফলে উড়োজাহাজ ওড়ার প্রশ্নই আসে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাশূন্যে রকেটের চলাচল ব্যাখ্যা: রকেট মহাশূন্যে বাতাস ছাড়াই চলে কারণ রকেট তার নিজস্ব জ্বালানি ও অক্সিজেনের মাধ্যমে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্রের সাহায্যে সামনে এগিয়ে যায়, যা উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। উদাহরণ ২: পৃথিবীতে ঘুড়ি ওড়ানো ব্যাখ্যা: পৃথিবীতে বাতাসের প্রবাহের কারণে সুতা ধরে টানলে ঘুড়ি আকাশে ওড়ে, কিন্তু বাতাসহীন ঘরে বা শূন্য মাধ্যমে ঘুড়ি কখনো ওড়ানো সম্ভব হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁদে বাতাস নেই — এটি সঠিক কারণ বায়ুমণ্ডলের অনুপস্থিতি উড়োজাহাজ চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ প্রতিকূল। B) মধ্যাকর্ষণজনিত কারনে — চাঁদের অভিকর্ষ বল পৃথিবীর ছয় ভাগের এক ভাগ, যা উড়োজাহাজ না ওড়ার মূল কারণ নয় বরং কম অভিকর্ষের কারণে ওড়া আরও সহজ হওয়ার কথা ছিল। C) আলোজনিত সমস্যার কারনে — চাঁদে আলো থাকে এবং সৌরজগতের নিয়মে দিন ও রাত্রি হয়, তাই আলো না থাকার কারণে উড়োজাহাজ না ওড়ার তথ্যটি সঠিক নয়। D) চাঁদ অমসৃণ — চাঁদের পৃষ্ঠ অমসৃণ ও গর্তময় হলেও এটি মূলত ল্যান্ডিং বা ট্যাক্সি করার সমস্যা তৈরি করতে পারে, আকাশে ওড়ার অক্ষমতার মূল কারণ এটি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - উড়োজাহাজ মানেই বাতাসের খেলা, যেখানে বাতাস নেই সেখানে উড়োজাহাজ অচল। - মনে রাখবে, রকেট চলে নিজে অক্সিজেন বহন করে আর উড়োজাহাজ চলে চারপাশের বাতাস ব্যবহার করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বার্নউলির নীতি এবং তরল বা বায়বীয় পদার্থের গতিশীলতা সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - মহাশূন্যে শব্দ কেন শোনা যায় না বা কেন উড়োজাহাজ চলে না, এই একই ধারণার ওপর ভিত্তি করে অন্য প্রশ্ন হতে পারে।
a Dysmenorrhea
b Oligomenorrhea
c Menorrhagia
d Amenorrhea
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Menorrhagia ১. কেন সঠিক: - মাসিকের সময় স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা দীর্ঘস্থায়ী রক্তপাত হওয়াকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় মেনোরেজিয়া বলা হয়। - এটি নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ জটিলতা যা দৈনন্দিন কার্যক্ষমতাকে ব্যাহত করতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মেনোরেজিয়া এমন একটি ঋতুস্রাবজনিত সমস্যা যেখানে রক্তপাতের পরিমাণ আশি মিলিলিটারের বেশি হয় অথবা সময় সাত দিনের বেশি স্থায়ী হয়। - কারণ ও ফলাফল: জরায়ুতে ফাইব্রয়েড টিউবাইল, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা অথবা জন্ম নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতির কারণে এই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে পারে এবং এর ফলে শরীরে রক্তাল্পতা দেখা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো নারীর মাসিকের সময় প্রতি এক বা দুই ঘণ্টা পর পর স্যানিটারি প্যাড পরিবর্তন করতে বাধ্য হওয়া। ব্যাখ্যা: এটি মেনোরেজিয়ার তীব্রতার একটি স্পষ্ট লক্ষণ যা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে শরীর দুর্বল হয়ে যাওয়া এবং মাথা ঘোরানো। ব্যাখ্যা: এটি রক্তাল্পতার লক্ষণ যা দীর্ঘস্থায়ী মেনোরেজিয়ার সরাসরি পরিণতি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dysmenorrhea — এটি মাসিকের সময় তীব্র পেটে ব্যথা বা ক্র্যাম্প হওয়ার অবস্থাকে বোঝায়, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ নয়। B) Oligomenorrhea — এটি অনিয়মিত বা খুব কম মাত্রায় মাসিক হওয়াকে নির্দেশ করে, যা মেনোরেজিয়ার ঠিক বিপরীত। C) Menorrhagia — এটি অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের সঠিক চিকিৎসাগত পরিভাষা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। D) Amenorrhea — এটি মাসিক সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়া বা দীর্ঘদিন বন্ধ থাকাকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মেনোরেজিয়া শব্দটিতে বড় বা অতিরিক্ত বোঝাতে এমন একটি মূল রয়েছে যা ভারী রক্তপাতকে মনে করিয়ে দেয়। - আমেনোরিয়া শব্দের শুরুতে এ যুক্ত হয়ে মাসিক না হওয়া বা বন্ধ অবস্থাকে বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই ধরনের চিকিৎসাবিজ্ঞান সংক্রান্ত পরিভাষা থেকে বিসিএস এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - বিভিন্ন ঋতুস্রাবজনিত সমস্যার বৈজ্ঞানিক নামগুলো আলাদা করে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি।
a Glycogen
b Starch
c Glucose
d Lactose
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Lactose ১. কেন সঠিক: দুধে যে প্রাকৃতিক শর্করা বা কার্বহাইড্রেট থাকে তাকে ল্যাকটোজ বলা হয়। এটি একটি ডাইস্যাকারাইড যা গ্যালাকটোজ এবং গ্লুকোজের সমন্বয়ে গঠিত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ল্যাকটোজ হলো এক ধরণের শর্করা যা স্তন্যপায়ী প্রাণীর দুধে পাওয়া যায় এবং এটি পরিপাকের জন্য ল্যাকটেজ এনজাইমের প্রয়োজন হয়। কার্যপ্রণালি: মানবদেহে অন্ত্রের ভেতরে ল্যাকটেজ এনজাইম ল্যাকটোজকে ভেঙে সরল শর্করা গ্লুকোজ ও গ্যালাকটোসে পরিণত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গরুর দুধ পান করার পর অনেকের পেটে গ্যাস বা সমস্যা হয়। ব্যাখ্যা: একে ল্যাকটোজ ইন্টলারেন্স বলে, কারণ তাদের দেহে ল্যাকটোজ ভাঙার জন্য পর্যাপ্ত ল্যাকটেজ এনজাইম থাকে না। উদাহরণ ২: দই বা ছানা তৈরির সময় ল্যাকটোজ ল্যাকটিক এসিডে পরিণত হয়। ব্যাখ্যা: ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবে ল্যাকটোজের গাঁজন প্রক্রিয়ায় এই পরিবর্তন ঘটে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Glycogen — এটি প্রাণিজ শর্করা বা পলিস্যাকচরাইড, যা মানবদেহের যকৃৎ ও পেশীতে সঞ্চিত থাকে। B) Starch — এটি উদ্ভিজ্জ শর্করা বা স্টার্চ, যা আলু ও চালে প্রধানত পাওয়া যায়। C) Glucose — এটি মনোস্যাকারাইড বা সরল শর্করা, যা রক্তের শর্করা নামে পরিচিত। D) Lactose — এটি সঠিক উত্তর এবং দুধে উপস্থিত প্রধান শর্করা। ৫ মনে রাখার টিপস: দুধের ইংরেজি প্রতিশব্দ ল্যাকটেম থেকে ল্যাকটোজ শব্দটি এসেছে, তাই দুধ মানেই ল্যাকটোজ। এটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সহজেই সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা সম্ভব হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্তন্যপায়ী প্রাণীর দুধে শর্করার শতকরা পরিমাণ প্রায় চার থেকে পাঁচ শতাংশ হয়ে থাকে। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় খাদ্য ও পুষ্টি অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a এইচআইভি
b কালাজ্বর
c যক্ষ্মা
d হাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এইচআইভি ১. কেন সঠিক: - এইচআইভি ভাইরাস মানবদেহে প্রবেশ করে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি বা টি লিম্ফোসাইট কোষগুলোকে ধ্বংস করে ফেলে। - এর ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ক্রমান্বয়ে ভেঙে পড়ে এবং বিভিন্ন সংক্রামক রোগ সহজেই বাসা বাঁধতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: এইচআইভি হলো এক ধরনের রেট্রোভাইরাস যা মূলত সিডি ফোর পজিটিভ টি কোষ আক্রমণ করে সংখ্যাবৃদ্ধি করে। - কার্যপ্রণালি: ভাইরাসটি মানবদেহের শ্বেত রক্তকণিকায় প্রবেশ করে নিজের জেনেটিক উপাদান কোষের ডিএনএর সঙ্গে মিশিয়ে দিয়ে কোষগুলো ধ্বংস করে দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এইডস রোগীর সাধারণ সর্দি-কাশি থেকেও নিউমোনিয়া হতে পারে। ব্যাখ্যা: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পূর্ণ নষ্ট থাকায় সাধারণ জীবাণুও শরীরকে মারাত্মকভাবে আক্রমণ করে। উদাহরণ ২: আক্রান্ত মায়ের দুধ বা রক্তের মাধ্যমে সন্তানের দেহে এটি ছড়াতে পারে। ব্যাখ্যা: ভাইরাসটি মূলত সংক্রামিত রক্ত, বীর্য এবং মায়ের দুধের মতো শারীরিক তরলের মাধ্যমে ছড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এইচআইভি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সেই ভাইরাস যা নির্দিষ্ট এইডস রোগ সৃষ্টি করে এবং মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করে। B) কালাজ্বর — এটি লিশম্যানিয়া নামক প্রোটোজোয়া বা পরজীবীর কারণে হয়, যা স্যান্ডফ্লাই বা বেলেমাছির কামড়ে ছড়ায়। C) যক্ষ্মা — এটি মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে ফুসফুসে হওয়া রোগ। D) হাম — এটি প্যারামিক্সোভাইরাস নামক ভিন্ন একটি ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়ায় যা প্রধানত শিশুদের ত্বকে র‍্যাশ তৈরি করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - এইচআইভি ভাইরাসের পূর্ণরূপ হলো হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস। - মনে রাখবে এটি ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক নয়, এটি একটি বিশেষ ধরনের রেট্রোভাইরাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে এইচআইভি কোন ধরনের কোষকে আক্রমণ করে। - এই রোগ নির্ণয়ের জন্য এলিজা পরীক্ষা করা হয় এবং এটি মূলত শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে লক্ষ্য করে।
a সংক্রমণ প্রতিরোধ
b pH রক্তে নির্ধারণ করা
c রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা d) O₂ পরিবহন
d কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা ১. কেন সঠিক: - রক্তের অণুচক্রিকা বা প্লাটিলেটের প্রধান কাজ হলো কাটা স্থানে রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা। - এটি রক্তপাতের হাত থেকে দেহকে রক্ষা করতে থ্রম্বোপ্লাস্টিন নামক পদার্থ তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: প্লাটিলেট হলো রক্তরসের মধ্যে ভাসমান ক্ষুদ্র নিউক্লিয়াসহীন কোষখণ্ড। - কার্যপ্রণালি: রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হলে প্লাটিলেট ভেঙে ফাইব্রিন জালিকা তৈরি করে রক্ত জমাট বাঁধায়। - বাস্তব প্রয়োগ: হাত কেটে গেলে রক্ত জমাট বেঁধে রক্তক্ষরণ বন্ধ করা প্লাটিলেটের কাজ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রান্না করার সময় আঙুল কেটে গেলে কিছুক্ষণ চেপে ধরলে রক্ত বন্ধ হয়। ব্যাখ্যা: প্লাটিলেট সক্রিয় হয়ে ওই স্থানে রক্ত জমাট বাঁধায়। উদাহরণ ২: অস্ত্রোপচারের পর রোগীর ক্ষতস্থান শুকানো। ব্যাখ্যা: প্লাটিলেটের উপস্থিতির কারণে অতিরিক্ত রক্তপাত রোধ হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংক্রমণ প্রতিরোধ — এটি মূলত শ্বেত রক্তকণিকার প্রধান কাজ। B) pH রক্তে নির্ধারণ করা — রক্তের pH মূলত বাফার সিস্টেম ও বৃক্ক নিয়ন্ত্রণ করে। D) O₂ পরিবহন — অক্সিজেন পরিবহন করা লোহিত রক্তকণিকার কাজ। D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: প্লাটিলেট মানেই পিতে পাতলা রক্ত জমাট বাঁধার পাহারাদার। এভাবে মনে রাখা যায় যে রক্ত জমাট বাঁধতে এটি সাহায্য করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্লাটিলেটের অপর নাম থ্রম্বোসাইট এবং এর প্রধান কাজ রক্ত জমাট বাঁধা। একই ধারণা থেকে প্লাটিলেটের আয়ুষ্কাল বা কমলে কী রোগ হয় সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
a < 11gm/ dl
b < 11.5 gm/ dl
c < 12 gm/ dl
d < 12.5 gm/ dl
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) < 11gm/ dl ১. কেন সঠিক: গর্ভবতী মহিলাদের রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ১১ গ্রাম প্রতি ডেসিলাইটারের নিচে নেমে গেলে তাকে রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া বলা হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী গর্ভাবস্থায় এই নির্দিষ্ট মাত্রাটি স্বাস্থ্যঝুঁকি নির্ধারণের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: হিমোগ্লোবিন হলো লোহিত রক্তকণিকায় অবস্থিত একটি লৌহঘটিত প্রোটিন যা ফুসফুস থেকে শরীরের সব কোষে অক্সিজেন পরিবহন করে। কার্যপ্রণালি: গর্ভাবস্থায় নারীর শরীরে প্লাজমার পরিমাণ প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পায় কিন্তু লোহিত রক্তকণিকার পরিমাণ সে তুলনায় কম বাড়ে। কারণ ও ফলাফল: রক্তে তরল অংশের পরিমাণ বেশি হওয়ায় হিমোগ্লোবিনের ঘনত্ব সাময়িকভাবে কমে যায় এবং এর মাত্রা ১১ এর নিচে গেলে টিস্যুতে অক্সিজেন সরবরাহ ব্যাহত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত ক্লান্তিবোধ করা এবং সামান্য পরিশ্রমে হাঁপিয়ে ওঠা। ব্যাখ্যা: হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ১১ গ্রামের নিচে নামলে পর্যাপ্ত অক্সিজেন কোষে পৌঁছাতে পারে না ফলে শরীর শক্তি উৎপাদন করতে ব্যর্থ হয়। উদাহরণ ২: গর্ভাবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শে আয়রন বা ফলিক অ্যাসিডের সুনির্দিষ্ট মাত্রার সম্পূরক গ্রহণ করা। ব্যাখ্যা: এটি রক্তে হিমোগ্লোবিনের উৎপাদন বাড়াতে এবং অ্যানিমিয়ার ঝুঁকি কমাতে সরাসরি সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) < 11gm/ dl — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী গর্ভাবস্থায় অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতার চিকিৎসাগতভাবে স্বীকৃত সঠিক সীমানা। B) < 11.5 gm/ dl — এই মানটি সাধারণত গর্ভাবস্থার প্রথম বা তৃতীয় ত্রৈমাসিকের সাধারণ মান থেকে ভিন্ন এবং এটি এই ক্ষেত্রে সঠিক সূচক নয়। C) < 12 gm/ dl — এটি সাধারণ সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক অ-গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে অ্যানিমিয়া নির্ণয়ের আদর্শ মান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) < 12.5 gm/ dl — এই মানটি গর্ভাবস্থার জন্য প্রযোজ্য নয় বরং এটি সাধারণত প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষদের রক্তাল্পতার সর্বনিম্ন স্বাভাবিক সীমা নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: গর্ভবতী মায়ের নাম মনে রাখতে পারেন ইংরেজি জি অক্ষর দিয়ে এবং সাধারণ নারীর ক্ষেত্রে সংখ্যাটি ১২ আর গর্ভবতী হলে এক পয়েন্ট কমে ১১ হয়। গর্ভবতী মানেই শরীর একটু ভারী এবং রক্তের পরিমাপ ভিন্ন তাই কাটতি সংখ্যাটি ১১ গ্রাম প্রতি ডেসিলাইটার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে হিমোগ্লোবিনের সাধারণ মান নারীদের ক্ষেত্রে ১২ থেকে ১৫ গ্রাম প্রতি ডেসিলাইটার। একই প্রশ্ন ভিন্নভাবে আসতে পারে যেখানে সাধারণ প্রাপ্তবয়স্ক নারীর অ্যানিমিয়া বা পুরুষের অ্যানিমিয়ার মাত্রা জিজ্ঞেস করা হতে পারে।
a Neurogenic shock
b Hypovolemic shock
c Cardiogenic shock
d কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Hypovolemic shock ১. কেন সঠিক: - মানবদেহে অতিরিক্ত রক্তপাত বা তরল পদার্থের মারাত্মক ঘাটতি হলে হাইপোভলেমিস শক দেখা দেয়। - রক্তচাপ হঠাৎ কমে গিয়ে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে রক্ত ও অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: হাইপোভলেমিস শক হলো এমন এক অবস্থা যখন রক্তনালীতে পর্যাপ্ত পরিমাণ রক্ত বা তরল থাকে না। - কার্যপ্রণালি: রক্তক্ষরণের ফলে হৃদপিণ্ডে রক্তের পরিমাণ কমে যায়, ফলে কার্ডিয়াক আউটপুট হ্রাস পায় এবং কোষগুলো অক্সিজেন পায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সড়ক দুর্ঘটনায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে রক্তচাপ দ্রুত কমে গিয়ে হাইপোভলেমিস শক সৃষ্টি হয়। উদাহরণ ২: মারাত্মক ডায়রিয়া বা বমির ফলে পানিশূন্যতা। ব্যাখ্যা: শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় অংশ বের হয়ে গেলেও এই ধরনের শক হতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Neurogenic shock — স্নায়ুতন্ত্রের আঘাত বা সুষ্প্নাকাণ্ডের ক্ষতির কারণে এটি ঘটে, রক্তক্ষরণের কারণে নয়। B) Hypovolemic shock — এটি অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা তরল হ্রাসের ফলে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত। C) Cardiogenic shock — হৃদপিণ্ডের পাম্প করার ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণে এই শকের সৃষ্টি হয়। D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - হাইপো শব্দের অর্থ কম এবং ভলিউম শব্দের অর্থ পরিমাণ, অর্থাৎ রক্ত বা তরলের পরিমাণ কমে যাওয়া। - রক্তক্ষরণ বা তরল কমলে যে শক হয়, তাকে হাইপোভলেমিস শক বলে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ট্রমা বা দুর্ঘটনার রোগীদের ক্ষেত্রে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ এই হাইপোভলেমিস শক। - এই ধরনের প্রশ্নে শকের প্রকারভেদ ও তার কারণগুলো ভালোভাবে পড়ে যাওয়া উচিত।
a Polio vaccine
b MMR vaccine
c BCG vaccine
d DPT vaccine
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) BCG vaccine ১. কেন সঠিক: BCG টিকা নবজাতককে জন্মগ্রহণের পরপরই বা যতো দ্রুত সম্ভব প্রদান করা হয়। এটি মূলত যক্ষ্মা বা টিবি রোগ প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর প্রথম টিকা হিসেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সুপারিশ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: টিকাকরণ হলো মৃত বা দুর্বল জীবাণু শরীরে প্রবেশ করিয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করার একটি বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া। কার্যপ্রণালি: BCG টিকার মূল উপাদান হলো ব্যাসিলাস ক্যালমেট গুয়েরিন যা যক্ষ্মার জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়তে মানবদেহের শ্বেত রক্তকণিকাকে সক্রিয় করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নবজাতক হাসপাতালে জন্ম নেওয়ার পর পরই তার বাম কাঁধে BCG টিকা দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: এটি শিশুটির শরীরে জন্ম থেকেই যক্ষ্মার বিরুদ্ধে সুরক্ষা বলয় তৈরি করে। উদাহরণ ২: যক্ষ্মা রোগীর সংস্পর্শে আসা সুস্থ শিশুদেরও অনেক সময় পুনরায় এই টিকা দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: এটি রোগজীবাণুর আক্রমণ প্রতিহত করতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Polio vaccine — এটি পোলিও রোগ প্রতিরোধের জন্য খাওয়াতে হয় এবং এটি জন্মের সময় বা নির্ধারিত শিডিউল অনুযায়ী দেওয়া হয়। B) MMR vaccine — এটি হাম, গালপাদুয়া এবং রুবেলা প্রতিরোধের টিকা যা সাধারণত শিশুর নয় মাস বা তার বেশি বয়সে দেওয়া হয়। C) BCG vaccine — এটি সঠিক উত্তর এবং শিশুদের টিকাদান কর্মসূচির একদম শুরুতে এটি প্রদান করা হয়। D) DPT vaccine — এটি ডিপথেরিয়া, পার্টুসিস বা হুপিং কাশি এবং টিটানাস প্রতিরোধের টিকা যা জন্মের দেড় মাস পর থেকে শুরু হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: শিশুর জন্মের পর সবার আগে যে টিকা কাঁধে ফোঁটা ফেলে দাগ তৈরি করে তা হলো বিজিসি বা BCG। এটি মনে রাখার জন্য শিশুর জন্ম এবং বিজিসি অক্ষর দুটি একসাথে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: BCG টিকার পূর্ণরূপ হলো ব্যাসিলাস ক্যালমেট গুয়েরিন এবং এটি যক্ষ্মা রোগ প্রতিরোধের জন্য ব্যবহৃত হয়। বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই নবজাতকের প্রথম টিকা কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়।
a > 15
b > 30
c > 24
d > 20
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) > 30 ১. কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী শরীরের ওজন এবং উচ্চতার অনুপাতে স্থূলতা বা ওবেসিটি নির্ধারণের মাপকাঠি হলো বিএমআই। - কোনো ব্যক্তির বিএমআই সূচক ত্রিশের বেশি হলে তাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় স্থূল বা ওবেস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বিএমআই বা বডি মাস ইনডেক্স হলো মানুষের দেহের ভর এবং উচ্চতার একটি অনুপাত যা শরীর অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত কি না তা নির্দেশ করে। - সূত্র বা তত্ত্ব: বিএমআই নির্ণয়ের সূত্রটি হলো ব্যক্তির ওজন কেজিতে ভাগ উচ্চতা মিটারে স্কয়ার। - কার্যপ্রণালি: ওজনকে উচ্চতার বর্গ দিয়ে ভাগ করার পর যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তা নির্দিষ্ট সীমার সাথে তুলনা করে শরীরের গঠন মাপা হয়। - কারণ ও ফলাফল: শরীরের চর্বি মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি পেলে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো মারাত্মক রোগের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন ব্যক্তির ওজন ৯০ কেজি এবং উচ্চতা ১.৭ মিটার হলে তার বিএমআই ত্রিশের বেশি হয় যা স্থূলতার লক্ষণ। ব্যাখ্যা: এই উচ্চতার সাপেক্ষে অতিরিক্ত ওজন তার শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমার উপস্থিতি প্রমাণ করে। উদাহরণ ২: স্বাভাবিক ওজনের একজন মানুষের উচ্চতা ১.৬ মিটার এবং ওজন ৬০ কেজি হলে তার বিএমআই চব্বিশের কাছাকাছি থাকে। ব্যাখ্যা: এই মানটি সুস্থ শরীরের স্বাভাবিক ওজনের সীমার মধ্যে অবস্থান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) > 15 — পনেরোর কম বিএমআই অত্যন্ত অপুষ্টি বা ক্ষুধামন্দার লক্ষণ নির্দেশ করে এবং এটি স্থূলতার মাপকাঠি নয়। B) > 30 — এই মানটি স্থূলতা বা ওবেসিটি নির্দেশ করার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং সঠিক উত্তর। C) > 24 — চব্বিশের বেশি মান অতিরিক্ত ওজন বা ওভারওয়েট নির্দেশ করে কিন্তু তা ওবেসিটি বা স্থূলতা নয়। D) > 20 — কুড়ির বেশি মান সাধারণত স্বাভাবিক ওজনের সুস্থ সীমার মধ্যে গণ্য করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিএমআই স্কেলে আঠারো থেকে চব্বিশ হলো স্বাভাবিক, পঁচিশ থেকে উনত্রিশ হলো অতিরিক্ত ওজন এবং ত্রিশের বেশি হলো স্থূলতা। - এই ক্রমানুসারে সংখ্যাগুলো মনে রাখলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিএমআই নির্ণয়ের সঠিক সূত্রটি অনেক সময় সরাসরি নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন হিসেবে আসে। - স্থূলতা পরিমাপের এই বৈজ্ঞানিক সূচকটি স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও পুষ্টিবিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট প্রশ্নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a Tetracteline
b Ampicillin
c Gentamycine
d Ciprofloxacin
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Ampicillin ১. কেন সঠিক: - অ্যামপিসিলিন হলো পেনিসিলিন পরিবারের একটি অ্যান্টিবায়োটিক যা গর্ভকালীন সময়ে ব্যবহারের জন্য নিরাপদ হিসেবে অনুমোদিত। - এটি গর্ভস্থ ভ্রূণের ওপর কোনো ক্ষতিকর বা তেরাটোজেনিক প্রভাব ফেলে না বলে চিকিৎসাবিজ্ঞানে স্বীকৃত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: গর্ভাবস্থায় ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধগুলোর ভ্রূণের ওপর নিরাপত্তার মাত্রা বিবেচনা করা হয়। - কার্যপ্রণালি: অ্যামপিসিলিন ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীর সংশ্লেষণ বাধাগ্রস্ত করে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে এবং প্লাসেন্টা পার হলেও ভ্রূণের ক্ষতির ঝুঁকি থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গর্ভাবস্থায় মূত্রনালীর সংক্রমণ বা ইউটিআই চিকিৎসায় অ্যামপিসিলিন নিরাপদে ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি মায়ের সংক্রমণ দূর করে কিন্তু গর্ভস্থ সন্তানের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে বাধা দেয় না। উদাহরণ ২: শ্বাসতন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াজনিত প্রদাহ সারাতেও চিকিৎসকরা এই অ্যান্টিবায়োটিক বেছে নেন। ব্যাখ্যা: এটি নিরাপদ হওয়ায় মা ও শিশু উভয়েই সুরক্ষিত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tetracteline — এটি টেট্রাসাইক্লিন গোত্রভুক্ত এবং গর্ভকালে এটি ব্যবহার করলে শিশুর দাঁতের স্থায়ী ক্ষতি ও হাড়ের বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে। B) Ampicillin — এটি গর্ভাবস্থায় সম্পূর্ণ নিরাপদ অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক অনুমোদিত। C) Gentamycine — এটি আমিনোগ্লাইকোসাইড গোত্রের এবং অধিকমাত্রায় ব্যবহারে গর্ভস্থ শিশুর শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। D) Ciprofloxacin — এটি ফ্লুরোকুইনোলন গোত্রের অ্যান্টিবায়োটিক যা গর্ভকালে তরুণাস্থির বৃদ্ধিতে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। ৫ মনে রাখার টিপস: - গর্ভে মায়ের সাথে সন্তানের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পেনিসিলিন বা অ্যামপিসিলিন জাতীয় নিরাপদ অ্যান্টিবায়োটিক মনে রাখা সহজ। - টেট্রাসাইক্লিন ও সিপ্রোফ্লক্সাসিন গর্ভকালে বর্জনীয়, এই দুটি নাম সবসময় এড়িয়ে চলতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা মেডিকেল পরীক্ষার জন্য নিরাপদ ও গর্ভকালে নিষিদ্ধ অ্যান্টিবায়োটিকের তালিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই প্রশ্নটি থেকে গর্ভকালীন ফার্মাকোলজি এবং ভ্রূণের ওপর ওষুধের প্রভাব সম্পর্কিত অন্য এমসিকিউ কমন পাওয়া যায়।
a Ilium
b Cramium
c Sternum
d Vertebra
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Sternum ১. কেন সঠিক: - বুকের মাঝখানের বা বক্ষঃপিঞ্জরের সামনের মধ্যবর্তী লম্বা ও ফ্ল্যাট অস্থিটির নাম স্টার্নাম। - এটি আমাদের ফুসফুস ও হৃদপিণ্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ কোমল অঙ্গগুলোকে রক্ষা করে এবং পঞ্জরাস্থির সাথে যুক্ত থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: স্টার্নাম হলো মানবদেহের বক্ষদেশের অগ্রভাগের মধ্যবর্তী একটি চ্যাপ্টা অস্থি, যা বাংলায় বক্ষাস্থি নামে পরিচিত। - কার্যপ্রণালি: এটি পাজরের প্রথম সাত জোড়া অস্থির সাথে তরুণাস্থির মাধ্যমে যুক্ত থেকে একটি শক্তিশালী বক্ষপিঞ্জর বা কেজ তৈরি করে। - বাস্তব প্রয়োগ: কোনো কারণে বুকে আঘাত লাগলে স্টার্নাম সেই আঘাত থেকে সরাসরি ফুসফুস ও হৃদপিণ্ডকে রক্ষা করতে ঢাল হিসেবে কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হঠাৎ বুকে কোনো ভারী জিনিস পড়লে বা আঘাত পেলে স্টার্নাম অস্থি সেই ধাক্কা শোষণ করে। ব্যাখ্যা: এর শক্ত ও চ্যাপ্টা কাঠামোর কারণে ভেতরের সংবেদনশীল অঙ্গগুলো সুরক্ষিত থাকে। উদাহরণ ২: সিপিআর বা হৃদযন্ত্র সচল করার প্রাথমিক চিকিৎসায় চিকিৎসকরা বুকের মাঝখানে চাপ দেন। ব্যাখ্যা: এই চাপের কেন্দ্রবিন্দু হলো স্টার্নাম অস্থি, যা বুকের ভেতরে থাকা হৃদপিণ্ডে চাপ প্রয়োগ করে রক্ত চলাচল সচল রাখতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ilium — এটি শ্রোণীচক্র বা পেলভিক গার্ডেলের অংশ বিশেষ, যা নিতম্বের গঠনে সাহায্য করে এবং বুকের মাঝখানের অস্থি নয়। B) Cramium — এটি বানান ভুলযুক্ত অপশন, মূল শব্দ ক্রেনিয়াম বা কপাল ও মাথার খুলির অস্থি বোঝায় যা মস্তিষ্কের সুরক্ষা দেয়। C) Sternum — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বুকের মাঝখানের নির্দিষ্ট ও একমাত্র অস্থি। D) Vertebra — এটি মেরুদণ্ডের একটি একক কশেরুকাকে বোঝায়, যা পিঠের পেছন দিকে থাকে এবং বুকের সামনে নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বুকের সামনে থাকে স্টার্নাম, এস দিয়ে শুরু শব্দটিকে স্টার্ট বা সামনে হিসেবে মনে রাখতে পারো। - মেরুদণ্ডের হাড় হলো ভার্টিব্রা এবং মাথার খুলি হলো ক্রেনিয়াম, যা বুক থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবদেহের বক্ষপিঞ্জরে পাজরের সংখ্যা বারো জোড়া এবং স্টার্নামের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে প্রথম সাত জোড়া। - এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্র বা অস্থি সংক্রান্ত অধ্যায় থেকে বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a Planned incision of the perineum at posterior vaginal wall
b Planned incision of uterus
c Unplanned incision of uterus
d Planned incision of rectum
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Planned incision of the perineum at posterior vaginal wall ১. কেন সঠিক: - প্রসবের সময় জরায়ুর মুখ দিয়ে শিশু সহজে বের হওয়ার জন্য যোনির পেছনের দেওয়ালের পেরিনিয়ামে এই সার্জিক্যাল কাট বা ক্ষত তৈরি করা হয়। - প্রসবের সময় টিস্যু অতিরিক্ত প্রসারিত হয়ে ছিঁড়ে যাওয়া রোধ করতে এবং চিকিৎসকের কাজের সুবিধা করতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পেরিনিয়ামের যে অংশে কাট করা হয় তাকে পেরিনিয়টমি বলা হয়, যা নরম টিস্যুর ছিঁড়ে যাওয়া রোধ করে। - কার্যপ্রণালি: প্রসবের শেষ পর্যায়ে বা এক্সপলসিভ স্টেজে স্থানীয় অ্যানেস্থেসিয়া দিয়ে এই ছোট অস্ত্রোপচার করা হয়। - কারণ ও ফলাফল: এর ফলে প্রসব পথ প্রশস্ত হয় এবং শিশুর মাথা বা শরীর সহজে ও নিরাপদে বেরিয়ে আসতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম সন্তান প্রসবের সময় যোনির পথ সংকীর্ণ থাকলে চিকিৎসকরা এই পদ্ধতি বেছে নেন। ব্যাখ্যা: এটি টিস্যুর অনিয়ন্ত্রিত ছিঁড়ে যাওয়া রোধ করে এবং দ্রুত সেলাই করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: শিশুর মাথা আকারে বড় হলে বা প্রসব দ্রুত করার প্রয়োজন হলে এটি করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি প্রসবজনিত জটিলতা ও শিশুর অক্সিজেন স্বল্পতার ঝুঁকি কমায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Planned incision of the perineum at posterior vaginal wall — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রসবের সময় পেরিনিয়ামে কাটার সঠিক চিকিৎসাগত সংজ্ঞা। B) Planned incision of uterus — জরায়ুতে সার্জিক্যাল কাট করার পদ্ধতিকে সিস্টারোটমি বা সিজারিয়ান সেকশন বলা হয়, পেরিনিয়টমি নয়। C) Unplanned incision of uterus — জরায়ুতে কোনো অনিয়ন্ত্রিত বা দুর্ঘটনাজনিত কাটা প্রসবের স্বাভাবিক চিকিৎসাপদ্ধতি নয়। D) Planned incision of rectum — মলাশয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো অস্ত্রোপচার প্রসবের সময় করা হয় না, এটি সম্পূর্ণ আলাদা চিকিৎসা ক্ষেত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: - এপিজিয়োটমি শব্দটির ভেতরে পেরিনিয়ামের সাথে যুক্ত যোনির পেছনের অংশ কাটার বিষয়টি মনে রাখতে হবে। - সিজারের সাথে এটিকে গুলিয়ে ফেলা যাবে না কারণ সিজার জরায়ুর সাথে সম্পর্কিত আর এটি যোনিপথের সাথে সম্পর্কিত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই পদ্ধতি প্রসবকালীন জটিলতা কমাতে বিশ্বব্যাপী বহুল ব্যবহৃত একটি সার্জিক্যাল ইন্টারভেনশন। - প্রসবের পর এই ক্ষত সাধারণত স্বাভাবিক উপায়ে বা শোষিত সুতা দিয়ে সেলাই করে দ্রুত মিলিয়ে দেওয়া হয়।
a Anuria
b Acidosis
c Alkalosis
d Anasarca
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Anasarca ১. কেন সঠিক: - সারা শরীরে অতিরিক্ত তরল বা পানি জমে ফুলে যাওয়াকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় অ্যানাসারকা বলা হয়। - এটি মানবদেহের টিস্যু এবং কোষে অতিরিক্ত ফ্লুইড জমার একটি চরম প্রকাশ, যা সাধারণত গুরুতর রোগের লক্ষণ হিসেবে দেখা দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মানবদেহের রক্তনালী থেকে তরল পদার্থ লিম্ফ্যাটিক সিস্টেম বা টিস্যুর ফাঁকা স্থানে চলে গেলে এবং শরীর তা স্বাভাবিকভাবে নিষ্কাশন করতে না পারলে ইডিমা বা অ্যানাসারকা ঘটে। - কারণ ও ফলাফল: কিডনির রোগ, যকৃতের সিরোসিস বা হৃদরোগের কারণে শরীরের প্রোটিন কমে যায় এবং রক্তনালীর চাপ ভারসাম্যহীন হয়ে এই তরল জমা হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: অতিরিক্ত লবণ খাওয়া বা নির্দিষ্ট ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াতেও সাময়িক তরল জমে যাওয়ার সমস্যা হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নেফ্রোটিক সিনড্রোম রোগে আক্রান্ত রোগীর মুখমণ্ডলসহ পুরো শরীর পানি জমে ফুলে যায়। ব্যাখ্যা: কিডনি অতিরিক্ত প্রোটিন প্রস্রাবের সাথে বের করে দেওয়ায় রক্তের অভিস্রবণ চাপ কমে যায় এবং পুরো শরীরে পানি জমে। উদাহরণ ২: যকৃতের সিরোসিস রোগীর পেটে ও সারা শরীরে পানি জমা যাকে অ্যাসাইটিস ও অ্যানাসারকা বলে। ব্যাখ্যা: যকৃত প্রয়োজনীয় প্রোটিন বা অ্যালবুমিন তৈরি করতে ব্যর্থ হলে রক্তনালী থেকে পানি বেরিয়ে টিস্যুতে জমা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Anuria — এটি এমন একটি চিকিৎসাগত অবস্থা যেখানে কিডনি দিনে ১০০ মিলিলিটারের কম প্রস্রাব তৈরি করে বা প্রস্রাব উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। B) Acidosis — এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে রক্ত এবং অন্যান্য শরীরের তরলে অ্যাসিডের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে এবং পিএইচ কমে যায়। C) Alkalosis — এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে শরীরের তরলে ক্ষারের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং রক্তে পিএইচ মান স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়। D) Anasarca — এটি সারা শরীরে চরমভাবে পানি বা তরল জমে ফুলে যাওয়ার সঠিক বৈজ্ঞানিক পরিভাষা। ৫ মনে রাখার টিপস: - অ্যানাসারকা শব্দটি মনে রাখতে আনসার বা পুরো শরীরকে ঢেকে ফেলার ধারণার সাথে মেলাতে পারেন, যা সার্বিক ফোলা বোঝায়। - চিকিৎসা বিজ্ঞানে 'সার্কা' শব্দটি শরীরের সামগ্রিক পরিধি বা বৃত্তাকার অংশকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষার জন্য ইডিমা এবং অ্যানাসারকার মধ্যে পার্থক্য জেনে রাখা জরুরি, কারণ অ্যানাসারকা হলো সর্বাঙ্গীন ইডিমা। - একই ধারণা থেকে কিডনি ফেইলিওর বা অ্যালবুমিনের ঘাটতি সংক্রান্ত প্রশ্নও পরীক্ষায় আসতে পারে।
a Leprosy
b Tuberculosis
c Food poisoning
d Tetanus
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Tuberculosis ১. কেন সঠিক: AFB পরীক্ষার পূর্ণরূপ হলো অ্যাসিড ফাস্ট ব্যাসিলাই টেস্ট যা মূলত যক্ষ্মা বা টিউবারকুলোসিস রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। এই পরীক্ষায় কফ বা শরীরের অন্যান্য নমুনার মধ্যে যক্ষ্মার জীবাণু উপস্থিত কি না তা অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে শনাক্ত করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: যক্ষ্মা একটি সংক্রামক রোগ যা মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে ফুসফুস ও অন্যান্য অঙ্গে আক্রমণ করে। কার্যপ্রণালি: রোগীর কফ বিশেষ রঞ্জক দিয়ে প্রস্তুত করে অ্যাসিডের সাহায্যে ধোয়া হয় এবং ব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া রঙের পরিবর্তন ধরে রাখতে পারলে তাকে অ্যাসিড ফাস্ট বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফুসফুসের যক্ষ্মা সন্দেহভাজন রোগীর কফ পরীক্ষা করে এই পরীক্ষার মাধ্যমে খুব দ্রুত ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি চিকিৎসকদের সঠিক সময়ে সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক বা যক্ষ্মা প্রতিরোধী ওষুধ নির্বাচন করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: শরীরের ফুসফুস ছাড়াও লিম্ফ নোড বা হাড়ের যক্ষ্মা নির্ণয়েও এই পরীক্ষার কার্যকারিতা প্রমাণিত। ব্যাখ্যা: এটি অণুজীববিজ্ঞানের একটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ডায়াগনস্টিক পদ্ধতি যা সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Leprosy — কুষ্ঠ রোগ নির্ণয়ের জন্য ত্বক বা স্নায়ুর টিস্যু বায়োপসি এবং স্লিট স্কিন স্মিয়ার পরীক্ষা করা হয়। B) Tuberculosis — এই অপশনটি সঠিক কারণ AFB পরীক্ষার মাধ্যমে প্রধানত যক্ষ্মার জীবাণু শনাক্ত করা হয়। C) Food poisoning — খাদ্যে বিষক্রিয়া নির্ণয়ে সাধারণত মলের নমুনা বা খাদ্যের অবশিষ্টাংশ কালচার করা হয়। D) Tetanus — ধনুষ্টংকার বা টিটানাস মূলত ক্লিনিক্যাল লক্ষণ দেখে নির্ণয় করা হয় এবং এর জন্য কোনো নির্দিষ্ট রুটিন স্মিয়ার পরীক্ষা নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: AFB শব্দের সাথে টিউবারকুলোসিস বা যক্ষ্মার সম্পর্ক মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে যে যক্ষ্মার জীবাণু অ্যাসিড প্রতিরোধী হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যক্ষ্মা রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার নাম প্রায়ই আসে, তাই মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস নামটি মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রোগ নির্ণয়ের বিভিন্ন পরীক্ষা যেমন উইডাল টেস্ট বা ওয়াসারম্যান টেস্ট সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। এই প্রশ্নটি থেকে যক্ষ্মার জীবাণুর নাম এবং রোগ নির্ণয়ের মাধ্যম সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা লাভ করা যায়।
a ইউরিক এসিড
b হিমোগ্লোবিন
c লিউকোসাইট
d হেপারিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হেপারিন ১. কেন সঠিক: - হেপারিন হলো একধরনের প্রাকৃতিক অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট বা রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দানকারী পদার্থ। - এটি মানবদেহের রক্তনালীর ভেতরে স্বাভাবিক অবস্থায় রক্তকে তরল রাখতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রক্তনালীর ভেতরে রক্ত জমাট না বেঁধে অবিরাম প্রবাহিত হওয়ার জন্য হেপারিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - কার্যপ্রণালি: হেপারিন রক্তে উপস্থিত প্রথ্রম্বিনকে থ্রম্বিনে রূপান্তরিত হতে বাধা দেয়, যা রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়াটিকে আটকে রাখে। - কারণ ও ফলাফল: যদি হেপারিনের উপস্থিতি না থাকত, তবে রক্তনালীর ভেতরেই রক্ত জমাট বেঁধে থ্রম্বোসিস নামক মারাত্মক রোগের সৃষ্টি হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রক্ত দান করার সময় বা পরীক্ষাগারে রক্ত সংরক্ষণের জন্য যে কাচ বা প্লাস্টিকের নল ব্যবহার করা হয়, সেখানে কৃত্রিমভাবে হেপারিন মেশানো থাকে। ব্যাখ্যা: এটি টেস্টটিউবে রক্তকে জমাট বাঁধতে দেয় না এবং রক্ত পরীক্ষা নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: মানুষের হৃদপিণ্ডের ওপেন হার্ট সার্জারির সময় শরীরের বাইরে কৃত্রিম যন্ত্রের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালন করা হয়। ব্যাখ্যা: এ সময় রক্ত যেন জমাট না বাঁধে, সেজন্য রোগীকে অতিরিক্ত হেপারিন ইনজেকশন দেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউরিক এসিড — এটি আমিব জাতীয় আমিষ ভাঙার ফলে তৈরি বর্জ্য পদার্থ, যা মূত্রের মাধ্যমে দেহ থেকে বের হয় এবং এর সঙ্গে রক্ত জমাট বাঁধার কোনো সম্পর্ক নেই। B) হিমোগ্লোবিন — এটি রক্তে উপস্থিত একধরনের রঞ্জক পদার্থ যা ফুসফুস থেকে শরীরের সব কোষে অক্সিজেন পরিবহন করে। C) লিউকোসাইট — এটি শ্বেত রক্তকণিকার বৈজ্ঞানিক নাম, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে এবং জীবাণু ধ্বংস করতে কাজ করে। D) হেপারিন — এটি রক্তনালীর ভেতরে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - হ দিয়ে হেপারিন এবং হ দিয়ে হৃদপিণ্ডের রক্তনালী মনে রাখতে পারো। - রক্তনালীর ভেতরে রক্ত চলাচল সচল রাখতে হেপারিন পাহারা দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - হেপারিন মূলত যকৃতে তৈরি হয় এবং এটি একপ্রকার মিউকোপলিস্যাকারাইড। - একই ধারণা থেকে পরীক্ষায় আসতে পারে যে রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে কোন ভিটামিন, যার উত্তর হবে ভিটামিন কে।
a Cretinine
b Glucose
c Amino acid
d Cholesterol
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Cretinine ১. কেন সঠিক: কিডনি মানবদেহের প্রধান ফিল্টার হিসেবে কাজ করে এবং রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ ছেঁকে মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেয়। কিডনি বিকল হলে এই পরিস্রাবণ প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়, ফলে রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ক্রিয়েটিনিন হলো পেশির স্বাভাবিক বিপাক ক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন একটি বর্জ্য পদার্থ যা কিডনির মাধ্যমে শরীর থেকে নিষ্কাশিত হয়। কার্যপ্রণালি: সুস্থ কিডনি প্রতিদিন গ্লোমেরুলার ফিল্ট্রেশন রেট বা জিএফআর প্রক্রিয়ায় রক্ত ছেঁকে ক্রিয়েটিনিন পরিষ্কার করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রক্ত পরীক্ষায় সিরাম ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা দুই মিলিগ্রাম প্রতি ডেসিলিটারের বেশি পাওয়া গেলে কিডনি রোগের আশঙ্কা করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি নির্দেশ করে কিডনি তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারাচ্ছে এবং বর্জ্য পদার্থ জমছে। উদাহরণ ২: ডায়ালিসিস চিকিৎসা। ব্যাখ্যা: কিডনি পুরোপুরি বিকল হলে কৃত্রিম উপায়ে রক্ত পরিষ্কার করতে হয় যাতে ক্রিয়েটিনিনের মতো বর্জ্য জমতে না পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cretinine — এটি সঠিক কারণ কিডনি অকার্যকর হলে এই নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থ রক্তে জমা হতে থাকে। B) Glucose — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ গ্লুকোজ হলো শক্তির উৎস এবং এটি কিডনি বিকল হওয়ার কারণে রক্তে বাড়ে না, বরং ডায়াবেটিসে বাড়ে। C) Amino acid — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ অ্যামিনো এসিড হলো প্রোটিনের একক এবং এটি রক্তে সরাসরি বর্জ্য হিসেবে জমে না। D) Cholesterol — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ কোলেস্টেরল একধরনের লিপিড যা চর্বি জাতীয় খাদ্যের সাথে সম্পর্কিত এবং হৃদরোগের ঝূঁকি বাড়ায়। ৫ মনে রাখার টিপস: কিডনি নষ্ট ক্রিয়েটিনিন স্পষ্ট। রক্তে বর্জ্য বাড়লে ক্রিয়েটিনিনের নাম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তে ক্রিয়েটিনিনের পরিমাণ পরিমাপ করে কিডনির কার্যকারিতা নিশ্চিত করা হয়। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে ইউরিয়া বা ইউরিক এসিডের মাত্রা কিডনি বিকল হলে বাড়ে কি না।
a Vitamin B1
b Vitamin B6
c Vitamin B12
d Vitamin E
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Vitamin E ১. কেন সঠিক: ভিটামিন ই হলো ফ্যাট সলিউবল বা চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। এটি মানবদেহের যকৃতে এবং চর্বিযুক্ত টিস্যুতে জমা থাকে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: দ্রবণীয়তার ওপর ভিত্তি করে ভিটামিন প্রধানত দুই প্রকার যেমন চর্বিতে দ্রবণীয় এবং পানিতে দ্রবণীয়। ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে হলো চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা জলীয় মাধ্যমে দ্রবীভূত হয় না। কার্যপ্রণালি: এই ভিটামিনগুলো অন্ত্র থেকে চর্বির সঙ্গে শোষিত হয় এবং লিপিড প্রোটিনের মাধ্যমে রক্তে পরিবাহিত হয়। শরীরে অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত ভিটামিন সঞ্চিত থাকতে পারে বিধায় এদের অতিমাত্রায় গ্রহণ বিষাক্ততা তৈরি করতে পারে। বাস্তব প্রয়োগ: ভিটামিন ই একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে যা কোষের ঝিল্লি রক্ষা করে এবং ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যমুখী তেল এবং বাদাম ব্যাখ্যা: উদ্ভিদভিত্তিক তেল ও বাদামে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই থাকে যা চর্বির মাধ্যমে শরীরে শোষিত হয়। উদাহরণ ২: ডিমের কুসুম এবং মাখন ব্যাখ্যা: প্রাণিজ চর্বিতে ভিটামিন ই এবং অন্যান্য ফ্যাট সলিউবল ভিটামিন সঞ্চিত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vitamin B1 — এটি থায়ামিন এবং পানিয় বা পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিনের অন্তর্ভুক্ত। B) Vitamin B6 — এটি পাইরিডক্সিন এবং পানিয় বা পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিনের অন্তর্ভুক্ত। C) Vitamin B12 — এটি সায়ানোকোবালামিন এবং পানিয় বা পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিনের অন্তর্ভুক্ত। D) Vitamin E — এটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলো মনে রাখার সহজ শব্দ হলো কিকাডা বা ইংরেজিতে কেডিইএ, অর্থাৎ ভিটামিন কে, ভিটামিন ই, ভিটামিন ডি এবং ভিটামিন এ হলো ফ্যাট সলিউবল। বাকি সব ভিটামিন বিশেষ করে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এবং ভিটামিন সি হলো পানিতে দ্রবণীয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ফ্যাট সলিউবল এবং ওয়াটার সলিউবল ভিটামিন আলাদা করতে বলা হয়। ভিটামিন সি এবং বি কমপ্লেক্স পানিতে দ্রবীভূত হয় বলে মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়, তাই এদের প্রতিদিন গ্রহণ করতে হয়।
a Rifampici
b Etambutol
c INH
d Ceftriaxone
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Ceftriaxone ১. কেন সঠিক: - সেফট্রিয়াক্সন হলো একটি ব্রড স্পেকট্রাম সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিক যা যক্ষ্মা বা টিবি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় না। - এটি মূলত নিউমোনিয়া, মেনিনজাইটিস ও গনোরিয়ার মতো ব্যাকটেরিয়াঘটিত সাধারণ সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - রোগ জীবাণু ও রোগ প্রতিরোধ: যক্ষ্মা একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ যা মাইকব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস নামক ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে হয়। - কার্যপ্রণালি: যক্ষ্মার চিকিৎসায় দীর্ঘমেয়াদি বিশেষ অ্যান্টিবায়োটিক কোর্স বা ডটস পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় যাতে একাধিক ওষুধের সমন্বয় থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফুসফুসের যক্ষ্মা ব্যাখ্যা: এটি মাইকব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস দ্বারা আক্রান্ত হয় এবং সাধারণ অ্যান্টিবায়োটিক এর ওপর কাজ করে না। উদাহরণ ২: সাধারণ ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন ব্যাখ্যা: সেফট্রিয়াক্সন টাইফয়েড বা নিউমোনিয়ার মতো সাধারণ জীবাণু ধ্বংস করতে অত্যন্ত কার্যকরী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rifampicin — এটি যক্ষ্মার চিকিৎসায় ব্যবহৃত প্রথম সারির একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং গুরুত্বপূর্ণ মূল ওষুধ। B) Etambutol — এটিও যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত অন্যতম প্রধান এবং নির্দিষ্ট অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ। C) INH — এটি আইসোনিয়াজিদ নামে পরিচিত এবং যক্ষ্মার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত অত্যন্ত কার্যকর প্রধান ওষুধ। D) Ceftriaxone — এটি সেফালোস্পোরিন গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিক যা যক্ষ্মার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - যক্ষ্মার প্রধান ওষুধগুলো মনে রাখতে রাইফেপ আইসোনিয়াজিদ ও ইথামবুটল নামটি মাথায় রাখতে পারো। - সেফট্রিয়াক্সন নামের অ্যান্টিবায়োটিক যক্ষ্মায় নয় বরং সেফালোস্পোরিন হিসেবে অন্য রোগে বেশি ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যক্ষ্মার ওষুধ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - যক্ষ্মা কোন ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয় এবং ডটস পদ্ধতি কী, তা ভালোভাবে জেনে রাখা জরুরি।
a ভিটামিন
b ইনসুলিন
c ব্লাড গ্লুকোজ
d ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্লাড গ্লুকোজ ১. কেন সঠিক: - রক্তে শর্করার বা গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে গেলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া হয়। - মানবদেহে কোষের শক্তি উৎপাদনের প্রধান উৎস হলো এই গ্লুকোজ। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রক্তে গ্লুকোজের স্বাভাবিক মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে ৭০ থেকে ১০০ মিলিগ্রামের নিচে নেমে যাওয়াকে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলে। - কার্যপ্রণালি: শরীরে অতিরিক্ত ইনসুলিন তৈরি হলে বা দীর্ঘ সময় খাবার না খেলে কোষগুলো রক্তের সব গ্লুকোজ শোষণ করে নেয়। - কারণ ও ফলাফল: মস্তিষ্কের কোষগুলোর কাজ করার জন্য অবিরাম গ্লুকোজ প্রয়োজন, যা না পেলে মাথা ঘোরানো, দুর্বলতা ও অজ্ঞান হওয়ার মতো ঘটনা ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দীর্ঘ সময় না খেয়ে কঠোর ব্যায়াম করলে হঠাৎ শরীর কেঁপে ওঠা এবং ঠান্ডা ঘাম হওয়া। ব্যাখ্যা: এটি রক্তের গ্লুকোজ কমে যাওয়ার সরাসরি লক্ষণ। উদাহরণ ২: ডায়াবেটিসের রোগীরা অতিরিক্ত ইনসুলিন বা ওষুধ নেওয়ার পর খাবার না খেলে மய্য হওয়া। ব্যাখ্যা: ওষুধ বা ইনসুলিনের প্রভাবে রক্তের গ্লুকোজ দ্রুত কমে এই অবস্থার সৃষ্টি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন — ভিটামিনের অভাবে স্কার্ভি বা রিকের্টসের মতো রোগ হয় কিন্তু হাইপোগ্লাইসেমিয়া হয় না। B) ইনসুলিন — ইনসুলিনের অতিমাত্রার কারণে হাইপোগ্লাইসেমিয়া হতে পারে, তবে এটি ইনসুলিনের অভাব নয় বরং আধিক্যের ফল। C) ব্লাড গ্লুকোজ — এটি সঠিক কারণ রক্তে গ্লুকোজের অভাবেই এই শারীরিক অবস্থার সৃষ্টি হয়। D) ক্যালসিয়াম — ক্যালসিয়ামের অভাবে হাড়ের দুর্বলতা বা টিটানি রোগ হয়, গ্লুকোজের অভাব হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: হাইপো শব্দের অর্থ কম এবং গ্লাইসেমিয়া শব্দের অর্থ রক্তে শর্করা, তাই হাইপোগ্লাইসেমিয়া মানে রক্তে গ্লুকোজের স্বল্পতা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যাওয়াকে হাইপারগ্লাইসেমিয়া বলে যা ডায়াবেটিসের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
a 9 months 7 days
b 10 months 10 days
c 9 months
d 9 months 10 days
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 9 months 10 days ১. কেন সঠিক: - মানবদেহে গর্ভধারণের পূর্ণ সময়কাল বা ফুল টার্ম প্রেগন্যান্সি সাধারণত ৩৮ থেকে ৪০ সপ্তাহ বা প্রায় ২৮০ দিন ধরা হয়। - চিকিৎসাবিজ্ঞানের হিসাব অনুযায়ী ৯ মাস এবং অতিরিক্ত ১০ দিন যোগ করে এই গর্ভকালের গড় সময় নির্ধারণ করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: শেষ মাসিকের প্রথম দিন থেকে এই সময় গণনা শুরু হয় এবং একে গেসটেশনাল এজ বলা হয়। - কার্যপ্রণালি: ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলনের পর ভ্রূণ জরায়ুতে পূর্ণতা লাভ করতে প্রায় নয় মাস দশ দিন সময় নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন গর্ভবতী নারীর শেষ মাসিকের তারিখ জানা থাকলে নেগেলস রুল ব্যবহার করে এই নয় মাস দশ দিন যোগ করে সম্ভাব্য প্রসবের তারিখ বের করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি চিকিৎসকদের ভ্রূণের বয়স এবং প্রসবের সঠিক সময় অনুমান করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: মানুষের মতো স্তন্যপায়ী প্রাণীদের ক্ষেত্রেও প্রতিটি প্রজাতির গর্ভধারণের একটি নির্দিষ্ট ও স্থায়ী সময়কাল থাকে। ব্যাখ্যা: এটি প্রজাতিভেদে জিনগতভাবে নির্ধারিত এবং ভ্রূণের পূর্ণাঙ্গ বিকাশের জন্য অত্যন্ত জরুরি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 9 months 7 days — এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের স্ট্যান্ডার্ড গর্ভকালের পূর্ণ সময় নয় এবং এতে দিন গণনায় সামান্য কমতি থাকে। B) 10 months 10 days — এই সময়কালটি মানুষের স্বাভাবিক গর্ভকালের চেয়ে বেশি এবং একে প্রলম্বিত গর্ভকাল বলা যেতে পারে। C) 9 months — শুধু নয় মাস বললে অতিরিক্ত দশ দিন বাদ পড়ে যায়, যা চিকিৎসাগতভাবে পূর্ণ গর্ভকালের হিসাবের জন্য সঠিক নয়। D) 9 months 10 days — এই অপশনটি চিকিৎসাবিজ্ঞানসম্মতভাবে মানবদেহের গর্ভধারণের সঠিক পূর্ণ সময় নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মানুষের গর্ভকাল মনে রাখার সহজ সূত্র হলো ৯ মাস এবং সাথে আরও ১০ দিন যোগ করতে হবে। - সপ্তাহ হিসেবে হিসাব করলে এটি প্রায় ৪০ সপ্তাহ বা ২৮০ দিন হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানুষের গর্ভকাল কত দিন বা কত মাস তা প্রায়ই আসে। - এই প্রশ্ন থেকে গর্ভকালের বৈজ্ঞানিক পরিমাপ এবং সপ্তাহের হিসাব সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হয়।
a Eosinophil
b Neutrophil
c Red blood cell
d Platelet
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Neutrophil ১. কেন সঠিক: নিউট্রোফিল হলো মানবদেহের শ্বেত রক্তকণিকার একটি ধরন যা ফাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রোগজীবাণু ভক্ষণ করে ধ্বংস করে। এটি শরীরের প্রথম সারির প্রতিরক্ষাব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে এবং ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে আত্তীকৃত করে নষ্ট করে ফেলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ফাগোসাইটোসিস হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোষ নিজের প্লাজমা ঝিল্লি ব্যবহার করে কঠিন কণা বা জীবাণুকে পরিবেষ্টন করে ভেতরে ঢুকিয়ে ফেলে এবং এনজাইমের সাহায্যে হজম করে। কার্যপ্রণালি: নিউট্রোফিল রক্তনালী থেকে বেরিয়ে সংক্রামিত টিস্যুতে প্রবেশ করে এবং অ্যামিবার মতো সিউডোপোডিয়া বা ক্ষণপদ তৈরি করে জীবাণুকে ঘিরে ধরে ফাগোজোম গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শরীরে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ ঘটলে পুঁজ তৈরি হওয়া। ব্যাখ্যা: পুঁজ মূলত মৃত নিউট্রোফিল এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত ব্যাকটেরিয়ার অবশিষ্টাংশ যা ফাগোসাইটোসিস যুদ্ধের ফল। উদাহরণ ২: কাঁটা ফুটলে ত্বকের নিচে প্রদাহ বা ফোলাভাব দেখা দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি নিউট্রোফিলের সক্রিয়করণের মাধ্যমে রোগজীবাণু ধ্বংস করার স্বাভাবিক শারীরিক প্রতিক্রিয়া। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Eosinophil — এটি এক প্রকার শ্বেত রক্তকণিকা যা মূলত পরজীবী কৃমি ধ্বংস করতে এবং অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে কাজ করে। B) Neutrophil — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রধান ফাগোসাইটিক শ্বেত রক্তকণিকা হিসেবে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। C) Red blood cell — এটি লোহিত রক্তকণিকা যার কাজ অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড পরিবহন করা, ফাগোসাইটোসিস করা নয়। D) Platelet — এটি অনুচক্রিকা যা রক্ত তঞ্চন বা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে এবং রক্তপাত বন্ধ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: নিউট্রোফিল নামের শুরুতে নি আছে যা দিয়ে নিউমোনিয়া বা ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ প্রতিরোধের কথা মনে রাখা যায়। শ্বেত রক্তকণিকার মধ্যে নিউট্রোফিল সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি এবং এরা সৈনিকের মতো কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সবচেয়ে বেশি ফাগোসাইটিক কোষ হলো ম্যাক্রোফেজ এবং নিউট্রোফিল। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন রক্তকণিকা রোগ প্রতিরোধ করে বা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়।
a Low sodium
b Low bicarbonate
c Low potassium
d Low oxygen
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Low potassium ১. কেন সঠিক: মানবদেহের রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে যাওয়াকে হাইপোক্যালেমিয়া বলা হয়। পটাশিয়াম কোষের ভেতরের তরল এবং স্নায়ু ও পেশির স্বাভাবিক কাজের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় 'হাইপো' শব্দের অর্থ কম এবং 'ক্যালিয়াম' শব্দটি এসেছে ল্যাটিন কালিয়াম থেকে যার অর্থ পটাশিয়াম। কার্যপ্রণালি: রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা সাধারণত ৩.৫ থেকে ৫.০ মিলিগ্রাম প্রতি লিটার হওয়া উচিত, এর নিচে নামলে হৃদপিণ্ডের ছন্দপতন হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতিরিক্ত ঘাম বা ডায়রিয়ার কারণে শরীর থেকে প্রয়োজনীয় পটাশিয়াম ও লবণ বের হয়ে যাওয়া। ব্যাখ্যা: এর ফলে পেশিতে দুর্বলতা বা মারাত্মক ক্লান্তি অনুভূত হয়। উদাহরণ ২: দীর্ঘদিন ডাইউরেটিক বা মূত্রবর্ধক ওষুধ সেবন করা। ব্যাখ্যা: এই ওষুধগুলো শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি ও পটাশিয়াম বের করে দেয়, যা হাইপোক্যালেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Low sodium — রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা কমে যাওয়াকে হাইপোনাট্রেমিয়া বলা হয়, পটাশিয়াম নয়। B) Low bicarbonate — রক্তে বাইকার্বোনেটের মাত্রা কমে যাওয়াকে মেটাবলিক অ্যাসিডোসিস বা কম বাইকার্বোনেট বলা হয়। C) Low potassium — এটি সঠিক উত্তর কারণ চিকিৎসা বিজ্ঞানে পটাশিয়ামের স্বল্পতাকে হাইপোক্যালেমিয়া বলা হয়। D) Low oxygen — রক্তে বা টিস্যুতে অক্সিজেনের ঘাটতিকে হাইপোক্সিয়া বলা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: হাইপো মানে কম এবং ক্যালিয়াম বা পটাসিয়াম মিলে হয় হাইপোক্যালেমিয়া। ইংরেজি পটাশিয়ামের প্রতীক K এবং এর ল্যাটিন নাম কালিয়াম থেকেই ক্যালেমিয়া শব্দটি এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়াকে হাইপারক্যালেমিয়া বলা হয়। বিসিএস এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় চিকিৎসা বিজ্ঞান সংক্রান্ত এই পরিভাষাগুলো প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a ৩৬টি
b ৩২টি
c ৩৯টি
d ৩৩টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৩টি ১. কেন সঠিক: মানবদেহের মেরুদণ্ড বা ভার্টিব্রাল কলাম ছোট ছোট ৩৩টি অস্থি বা কশেরুকা নিয়ে গঠিত। এই কশেরুকাগুলো আমাদের শরীরকে সোজা রাখতে এবং সুষ্মাকান্ডকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মানবদেহের কশেরুকা পাঁচটি অঞ্চলে বিভক্ত। কার্যপ্রণালি: শৈশবে কশেরুকার সংখ্যা ৩৩টি থাকলেও প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর নিচের দিকের কিছু অস্থি একত্রিত হয়ে ২৬টিতে পরিণত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘাড়ের অংশ বা সারভিক্যাল কশেরুকা। ব্যাখ্যা: মানবদেহের ঘাড়ে ৭টি সারভিক্যাল কশেরুকা থাকে যা মাথা ডানে ও বামে ঘোরাতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: কোমরের অংশ বা লাম্বার কশেরুকা। ব্যাখ্যা: পিঠের নিচের অংশে ৫টি লাম্বার কশেরুকা থাকে যা ভারী বস্তু উত্তোলনের সময় শরীরকে ভারসাম্য দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৬টি — মানবদেহের কশেরুকার প্রকৃত সংখ্যা ৩৬টি নয়, এটি ভুল সংখ্যা। B) ৩২টি — এটি কশেরুকার সংখ্যা নয়, মানবদেহের স্থায়ী দাঁতের সংখ্যার কাছাকাছি একটি ভুল তথ্য। C) ৩৯টি — এই সংখ্যাটি মানবদেহের কশেরুকার কাঠামোর সঙ্গে মেলে না। D) ৩৩টি — এটি মানবদেহের জন্মগত বা শৈশবের কশেরুকার সঠিক সংখ্যা। ৫ মনে রাখার টিপস: মানবদেহের কশেরুকা মনে রাখার সহজ উপায় হলো অঞ্চলের নাম মনে রাখা। সারভিক্যাল ৭, থোরাসিক ১২, লাম্বার ৫, স্যাক্রাল ৫ এবং ককসিজিয়াল ৪, এই সংখ্যাগুলো যোগ করলে ৩৩ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রাপ্তবয়স্ক মানবদেহে কশেরুকার সংখ্যা ২৬টি হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জন্মগত বা মোট সংখ্যা ৩৩টি হিসেবেই উত্তর দিতে হয়। একই বৈজ্ঞানিক ধারণা থেকে প্রাপ্তবয়স্কদের কশেরুকার সংখ্যা কত বা সারভিক্যাল কশেরুকার সংখ্যা কত—এমন প্রশ্ন আসতে পারে।
a দুইবেলা খাওয়ার পর
b খালি পেটে
c তিন বেলা খাওয়ার পর
d দুই বেলা খাওয়ার পর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তিন বেলা খাওয়ার পর ১. কেন সঠিক: - প্রেসক্রিপশনে ব্যবহৃত সংক্ষেপটি মূলত লাতিন শব্দের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা ওষুধের মাত্রা ও সেবনবিধি নির্দেশ করে। - টিডিসি বা টিডিপিএসি বলতে সাধারণত দিনে তিনবার খাবার গ্রহণের পর ওষুধ সেবন করার নির্দেশনা বোঝানো হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: চিকিৎসাবিজ্ঞানে প্রেসক্রিপশনের সংক্ষিপ্ত রূপগুলো সাধারণত লাতিন শব্দগুচ্ছ থেকে এসেছে। - কার্যপ্রণালি: খাবার খাওয়ার পর ওষুধ সেবন করলে পাকস্থলীর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়া যায় এবং ওষুধের শোষণ প্রক্রিয়া সঠিক থাকে। - বাস্তব প্রয়োগ: গ্যাস্ট্রিক বা ব্যথানাশক ওষুধগুলো খালি পেটে খেলে আলসার বা এসিডিটি হতে পারে, তাই এগুলো খাওয়ার পর সেবন করতে বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ বা অ্যান্টাসিড জাতীয় সিরাপ। ব্যাখ্যা: এগুলোর কার্যকারিতা এবং পাকস্থলীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকরা সাধারণত খাবার গ্রহণের নির্দিষ্ট সময় পর খাওয়ার পরামর্শ দেন। উদাহরণ ২: ব্যথানাশক বা এনএসএআইডি জাতীয় ওষুধ। ব্যাখ্যা: এই ওষুধগুলো খালি পেটে খেলে গ্যাস্ট্রিকের তীব্র সমস্যা হতে পারে, তাই খাবার খাওয়ার পর সেবনের নিয়ম থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুইবেলা খাওয়ার পর — এই নির্দেশনাটি ভিন্ন লাতিন সংক্ষিপ্ত রূপ দ্বারা নির্দেশিত হয় এবং এখানে ভুল সময় উল্লেখ করা হয়েছে। B) খালি পেটে — খালি পেটে খাওয়ার জন্য চিকিৎসায় সাধারণত এসি বা বিসি জাতীয় সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করা হয়। C) তিন বেলা খাওয়ার পর — এটি সঠিক নির্দেশনা যা প্রশ্নানুসারে নির্ধারিত। D) দুই বেলা খাওয়ার পর — এটি সিঙ্গল বা ভিন্ন মাত্রার নির্দেশক হওয়ায় সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - লাতিন শব্দ বা প্রেসক্রিপশনের শর্টকাট মনে রাখতে মূল অক্ষরের সংখ্যা এবং চিকিৎসকের সাধারণ নিয়মগুলো বারবার চর্চা করতে হবে। - খাবারের পরের নির্দেশনার জন্য পিএসি শব্দটি মনে রাখলে বিভ্রান্তি দূর হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রেসক্রিপশনের সংক্ষিপ্ত রূপ যেমন বিডি, টিডিএস, ওডি ইত্যাদি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - লাতিন শব্দের উৎস এবং আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে এগুলোর ব্যবহার সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
a Deoxyribonuclease acid
b Deoxyribonucleic acid
c Deocyribonucleik acid
d None of these
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Deoxyribonucleic acid ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড, যা জীবের বংশগতি ও বৈশিষ্ট্যের মূল ধারক হিসেবে কাজ করে। - এটি নিউক্লিক অ্যাসিডের একটি প্রকার যা কোষের নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজোমের ভেতরে অবস্থান করে এবং সমস্ত জৈবিক তথ্য সংরক্ষণ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড হলো একটি জটিল জৈব অণু যা ডাবল হেলিক্স বা দ্বি-সূত্রক কাঠামোগতভাবে গঠিত। - কার্যপ্রণালি: এটি নাইট্রোজেন ঘটিত ক্ষারক, পেন্টোজ শর্করা এবং ফসফেট গ্রুপের সমন্বয়ে গঠিত হয়ে বংশগতির বার্তা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: অপরাধ বিজ্ঞান বা ফরেনসিক পরীক্ষায় অপরাধী শনাক্তকরণ এবং পিতৃত্ব নির্ণয়ে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের আঙুলের ছাপ বা ডিএনএ প্রোফাইলিং। ব্যাখ্যা: প্রতিটি মানুষের ডিএনএ এর বিন্যাস ভিন্ন হওয়ার কারণে এটি অপরাধী শনাক্তে শতভাগ নিখুঁত প্রমাণ হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: বাবা-মায়ের শারীরিক বৈশিষ্ট্য সন্তানের মধ্যে প্রকাশ পাওয়া। ব্যাখ্যা: জিনের মাধ্যমে পিতা-মাতা থেকে সন্তানের কোষে ডিএনএ স্থানান্তরিত হওয়ার কারণে চুল, চোখ বা ত্বকের রং মিল পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Deoxyribonuclease acid — এটি ভুল কারণ ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিয়েজ হলো একটি উৎসেচক বা এনজাইম যা ডিএনএ ভাঙতে সাহায্য করে, কোনো অ্যাসিড বা বংশগত উপাদান নয়। B) Deoxyribonucleic acid — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড হলো সেই জাঁকজমকপূর্ণ জৈব অণু যা জীবের সমস্ত জেনেটিক তথ্য সংরক্ষণ করে। C) Deocyribonucleik acid — এটি ভুল বানান বা টার্ম কারণ এখানে ডিঅক্সি এবং নিউক্লিক শব্দের বানান ভুলভাবে লেখা হয়েছে। D) None of these — এটি ভুল কারণ সঠিক অপশনটি তালিকায় বিদ্যমান রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডিএনএ কথাটি ভাঙলে পাওয়া যায় ডিঅক্সি (একটি অক্সিজেন কম শর্করা), রাইবো (রাইবোজ শর্করা) এবং নিউক্লিক অ্যাসিড (নিউক্লিয়াসে থাকা অম্লীয় পদার্থ)। - এই তিনটি অংশ মিলিয়েই এর পূর্ণাঙ্গ নাম ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড মনে রাখা সহজ হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ডিএনএ এবং আরএনএ এর পূর্ণরূপ বা কাজের পার্থক্য সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। - এখান থেকে জেমস ওয়াটসন ও ফ্রান্সিস ক্রিক আবিষ্কৃত ডিএনএর ডাবল হেলিক্স মডেল সম্পর্কিত প্রশ্নও খুব গুরুত্বপূর্ণ।
a মা
b বাবা
c উভয়ই
d কেউ না
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাবা ১. কেন সঠিক: - মানবদেহের সেক্স ক্রোমোজোমের বিন্যাসের ওপর সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারিত হয়। - বাবার ক্রোমোজোম এক্স বা ওয়াই হতে পারে যা লিঙ্গ নির্ধারণ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মানুষের কোষে মোট তেইশ জোড়া বা ছেচল্লিশটি ক্রোমোজোম থাকে। - কার্যপ্রণালি: মায়ের ডিম্বাণুতে শুধুমাত্র এক্স ক্রোমোজোম থাকে এবং বাবার শুক্রাণুতে এক্স বা ওয়াই ক্রোমোজোম থাকে। - কারণ ও ফলাফল: শুক্রাণুর এক্স ক্রোমোজোম ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করলে কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। - বাস্তব প্রয়োগ: বংশগতি ও জিনগত চিকিৎসায় এই ক্রোমোজোম তত্ত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এক্স শুক্রাণুর নিষেক ব্যাখ্যা: বাবার এক্স ক্রোমোজোমবাহী শুক্রাণু মায়ের এক্স ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হলে এক্স এক্স বা কন্যাসন্তান হয়। উদাহরণ ২: ওয়াই শুক্রাণুর নিষেক ব্যাখ্যা: বাবার ওয়াই ক্রোমোজোমবাহী শুক্রাণু মায়ের এক্স ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হলে এক্স ওয়াই বা পুত্রসন্তান হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মা — মায়ের কোষে কেবল এক্স ক্রোমোজোম থাকায় তিনি লিঙ্গ নির্ধারণে ভূমিকা রাখেন না। B) বাবা — বাবা এক্স বা ওয়াই ক্রোমোজোম সরবরাহ করায় তিনিই মূলত সন্তান পুত্র বা কন্যা হওয়ার জন্য দায়ী। C) উভয়ই — কেবল মায়ের ক্রোমোজোম সব সময় এক্স হওয়ায় উভয়ের ভূমিকা সমান নয়। D) কেউ না — এটি ভুল কারণ বাবার ক্রোমোজোমের ওপরই সন্তানের লিঙ্গ নির্ভর করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মায়ের থাকে শুধু এক্স এক্স এবং বাবার থাকে এক্স ওয়াই ক্রোমোজোম। - ওয়াই ক্রোমোজোম আসার ওপর নির্ভর করে সন্তান পুত্র হবে কি না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানুষের সেক্স ক্রোমোজোমকে অ্যালোসোম বলা হয়। - পিতা বা মাতার মধ্যে কে লিঙ্গ নির্ধারণ করে এমন প্রশ্ন বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে।
a ভিটামিন এ
b ভিটামিন সি
c ভিটামিন বি
d ভিটামিন ডি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভিটামিন সি ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটিতে বলা হয়েছে ঠোঁটে ও জিহ্বায় ঘা হওয়ার কারণ সম্পর্কে। তবে এখানে প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত্ব উত্তর ভিটামিন সি বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়, কারণ ঠোঁট ও জিহ্বায় ঘা মূলত ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, বিশেষ করে ভিটামিন বি২ বা রাইবোফ্লাভিন এবং ভিটামিন বি১২ এর অভাবে হয়ে থাকে। ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়, যার প্রধান লক্ষণ মাড়ি ফোলা ও রক্তপাত হওয়া। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মাঝে মাঝে এমন অসঙ্গতিপূর্ণ উত্তর দেখা যায়, তাই সঠিক বৈজ্ঞানিক তথ্য জানা আবশ্যক। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভিটামিন বি মানবদেহের কোষের বিপাক ক্রিয়ায় সহায়তা করে এবং ত্বক, মুখগহ্বর ও স্নায়ুতন্ত্র সুস্থ রাখে। ভিটামিন বি এর অভাবে মুখের কোণে ঘা, ঠোঁটে ও জিহ্বায় প্রদাহ বা স্টোমাটাইটিস দেখা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুখে বারবার ঘা বা এথাস্টিল আলসার হওয়া। ব্যাখ্যা: এটি সাধারণত ভিটামিন বি কমপ্লেক্স বা ফলিক এসিডের অভাবের কারণে ঘটে থাকে। উদাহরণ ২: দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত পড়া। ব্যাখ্যা: এটি ভিটামিন সি এর অভাবে হয়ে থাকে যা স্কার্ভি রোগ নামে পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন এ — এটি চোখের দৃষ্টিশক্তি ও ত্বক সুরক্ষায় কাজ করে, এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। B) ভিটামিন সি — এটি মাড়ি ও ত্বকের সুরক্ষায় কাজ করে, এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়। C) ভিটামিন বি — এটি মুখ, ঠোঁট, জিহ্বা ও স্নায়ুতন্ত্র সুস্থ রাখে এবং এর অভাবেই ঠোঁট ও জিহ্বায় ঘা হয়। D) ভিটামিন ডি — এটি ক্যালসিয়াম শোষণ করে হাড় শক্ত রাখে, এর অভাবে রিকেটস রোগ হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মুখের ভেতরের অংশ, ঠোঁট, জিহ্বা ও ত্বকের সুরক্ষার সঙ্গে ভিটামিন বি সরাসরি যুক্ত। বি দিয়ে বি-কমপ্লেক্স এবং বি দিয়ে মুখ বা বাকের স্বাস্থ্য মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভিটামিন বি২ এর রাসায়নিক নাম রাইবোফ্লাভিন এবং এর অভাবে স্টোমাটাইটিস রোগ হয়। একই ধারণা থেকে ভিটামিন সি এর অভাবজনিত রোগ স্কার্ভি সম্পর্কেও প্রশ্ন আসে।

মোট প্রশ্ন (22)

a রামনারায়ণ তর্করত্ন
b বিহারীলাল চক্রবর্তী
c কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
d মদনমোহন তর্কালঙ্কার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মদনমোহন তর্কালঙ্কার ১. কেন সঠিক: - 'পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল' চরণটি মদনমোহন তর্কালঙ্কারের লেখা 'প্রভাতী' কবিতার বিখ্যাত অংশ। - এই চরণে ভোরবেলার স্নিগ্ধ প্রকৃতি ও পাখির কলকাকলির মাধ্যমে নতুন দিনের সূচনার সুন্দর চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মদনমোহন তর্কালঙ্কার ছিলেন উনিশ শতকের গোড়ার দিকের একজন প্রখ্যাত বাঙালি শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক। - তাঁর রচিত 'শিশুশিক্ষা' (প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগ) বাংলা শিক্ষা বিস্তারে এবং শিশুদের প্রাথমিক পাঠদানে ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'প্রভাতী' কবিতা ব্যাখ্যা: মদনমোহন তর্কালঙ্কারের এই কবিতাটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যপুস্তকে বহু প্রজন্ম ধরে অন্তর্ভুক্ত হয়ে আসছে। উদাহরণ ২: 'পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল / কাননে কুসুম কলি সকল ফুটিল' ব্যাখ্যা: এটি উক্ত কবিতার পরবর্তী চরণ, যা সকালের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আরও ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামনারায়ণ তর্করত্ন — ইনি উনিশ শতকের একজন বিশিষ্ট নাট্যকার হলেও এই পঙ্‌ক্তির রচয়িতা নন। B) বিহারীলাল চক্রবর্তী — ইনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত হলেও এই বিখ্যাত কবিতার রচয়িতা নন। C) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — ইনি নীতিমূলক কাব্যের জন্য পরিচিত হলেও এই পঙ্‌ক্তির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। D) মদনমোহন তর্কালঙ্কার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভোরবেলার পাখি ও প্রভাতী কবিতার কথা মনে আসলেই মদনমোহন তর্কালঙ্কারের নাম স্মরণ করবে। - শিশুদের উপযোগী প্রথম পাঠ্যবই রচয়িতা হিসেবেও তাঁকে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শিশুতোষ পঙ্‌ক্তি ও প্রাচীন লেখকদের নাম প্রায়ই আসে। - বাংলা সাহিত্যের প্রথম যুগের নির্মাতাদের সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
a হুমায়ূন আহমেদ
b সেলিনা হোসেন
c শওকত ওসমান
d শওকত আলী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শওকত ওসমান ১. কেন সঠিক: 'ক্রীতদাসের হাসি' উপন্যাসের রচয়িতা শওকত ওসমান। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত প্রতীকী উপন্যাস যা আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের রূপক হিসেবে রচিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শওকত ওসমান বাংলা উপন্যাসে সামাজিক বাস্তববাদ ও রাজনৈতিক চেতনার এক অনন্য প্রবক্তা। তার এই উপন্যাসে মানুষের বাকস্বাধীনতা হরণ এবং একনায়কতন্ত্রের নিষ্ঠুর রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাহান্নাম হইতে বিদায় ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমানের আরেকটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: সমাগম ব্যাখ্যা: এটিও শওকত ওসমান রচিত একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুমায়ূন আহমেদ — তিনি আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন। B) সেলিনা হোসেন — তিনি বিশিষ্ট নারী ঔপন্যাসিক হলেও 'ক্রীতদাসের হাসি' তার রচনা নয়। C) শওকত ওসমান — এটি সঠিক উত্তর। D) শওকত আলী — তিনি ভিন্ন ধারার শক্তিশালী ঔপন্যাসিক হলেও এই উপন্যাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: শওকত ওসমান মানেই প্রতিবাদী ও প্রতীকী উপন্যাস। তার 'ক্রীতদাসের হাসি' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র তাতার দেশের রাজা আজিম শাহ ও মৎসজীবী সান্ত্বনা দাস। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রাজনৈতিক ও প্রতীকী উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শওকত ওসমানের 'ক্রীতদাসের হাসি' উপন্যাসের রচয়িতা ও বিষয়বস্তু ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a আবুল হোসেন
b আবু লোহানী
c কাজী নজরুল ইসলাম
d বুদ্ধদেব বসু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - 'দৈনিক নবযুগ' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। - ১৯২০ সালের জুলাই মাসে পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এর সাথে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্ত ছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি আধুনিক বাংলা গানের অন্যতম স্রষ্টা। - সাংবাদিকতা ও সম্পাদনার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যার মধ্যে 'দৈনিক নবযুগ', 'ধূমকেতু' ও 'লাঙল' পত্রিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'ধূমকেতু' পত্রিকা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত একটি বিখ্যাত অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা। উদাহরণ ২: 'লাঙল' পত্রিকা ব্যাখ্যা: এটি কৃষক ও শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে প্রকাশিত কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত একটি মুখপত্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল হোসেন — ইনি এই পত্রিকার সাথে সম্পাদক হিসেবে যুক্ত ছিলেন না। B) আবু লোহানী — ইনি 'দৈনিক নবযুগ' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক নন। D) বুদ্ধদেব বসু — ইনি ত্রিশের দশকের আধুনিক কবি ও সাহিত্যিক, নবযুগ পত্রিকার সম্পাদক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - নবযুগ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম, এটি মনে রাখতে নবযুগ ও নজরুল শব্দের প্রথম অক্ষর ন দিয়ে মিলিয়ে নিতে পারো। - নজরুলের সাংবাদিক জীবন শুরু হয়েছিল 'নবযুগ' পত্রিকার মাধ্যমে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত পত্রিকা ও তাদের সম্পাদকদের নাম জানতে চাওয়া হয়। - কবি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদিত পত্রিকাগুলোর নাম এবং প্রকাশের সন ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
a অন্ত্যস্বরাগম
b অপিনিহিতি
c স্বরসঙ্গতি
d অসমীকরণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অসমীকরণ ১. কেন সঠিক: - একই শব্দের পুনরাবৃত্তি হয়ে মাঝখানে স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে অসমীকরণ বলে। - টপ ও টপ দুটি অভিন্ন শব্দের মাঝে আ স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে টপাটপ গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - পাশাপাশি দুটি একই শব্দের উচ্চারণে একটু ভিন্নতা আনতে বা জোর প্রকাশ করতে মাঝখানে স্বরধ্বনি যুক্ত হয়। - এই প্রক্রিয়ায় মূলত শব্দের পুনরাবৃত্তি জনিত জড়তা দূর করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধপ + ধপ = ধপাধপ ব্যাখ্যা: দুটি ধপ শব্দের মাঝে আ স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে ধপাধপ হয়েছে। উদাহরণ ২: ঝম + ঝম = ঝমঝম বা ঝমাঝম ব্যাখ্যা: ঝম শব্দের মাঝে আ স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে অসমীকরণের মাধ্যমে ঝমাঝম রূপ নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্ত্যস্বরাগম — এটি শব্দের শেষে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি আসার প্রক্রিয়া, যা এখানে ঘটেনি। B) অপিনিহিতি — এটি পরবর্তী স্বরধ্বনি আগে উচ্চারিত হওয়ার নিয়ম, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) স্বরসঙ্গতি — এটি একটি স্বরধ্বنیর প্রভাবে অন্য স্বরধ্বনির পরিবর্তনের প্রক্রিয়া, এখানে তা হয়নি। D) অসমীকরণ — সঠিক কারণ এখানে দুটি অভিন্ন শব্দের মাঝে স্বরধ্বনি যুক্ত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - একই শব্দ পরপর দুবার বসে মাঝখানে আ ধ্বনি আসলে বুঝবে এটি অসমীকরণ। - মাঝখানে স্বর এনে শব্দের অসম বা আলাদা রূপ দেওয়া হয় বলেই এর নাম অসমীকরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধপাধপ, টপাটপ, ঝমাঝম শব্দগুলো প্রায়ই অসমীকরণের উদাহরণ হিসেবে আসে। - যুগপৎ বা পুনরাবৃত্ত শব্দ দেখলে আগে দেখবে মাঝখানে কোনো অতিরিক্ত স্বরধ্বনি এসেছে কি না।
a চাকর
b চাকু
c হরতন
d দারোগা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হরতন ১. কেন সঠিক: - হরতন শব্দটি তুর্কি শব্দ নয়, এটি ওলন্দাজ শব্দ। তাসের খেলার বিভিন্ন নামের মধ্যে হরতন, ইস্কাপন, রুইতন ইত্যাদি ওলন্দাজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোর মধ্যে তুর্কি শব্দগুলো অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। তুর্কি মূলত মোঙ্গলীয় বা উরাল-আলতায়ীয় ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত হলেও বাংলা ব্যাকরণে এটি স্বতন্ত্র একটি উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্ক, কাবু ব্যাখ্যা: এগুলো তুর্কি শব্দের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: কোরমালী, ইজারা ব্যাখ্যা: এগুলো বিভিন্ন বিদেশি উৎস থেকে বাংলায় আগত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাকর — এটি একটি তুর্কি শব্দ। চাকর বলতে সাধারণত গৃহভৃত্যকে বোঝানো হয় যা তুর্কি উৎস থেকে বাংলায় এসেছে। B) চাকু — এটিও একটি তুর্কি শব্দ। ছোট অস্ত্র বা কাটার হাতিয়ার হিসেবে চাকু শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। C) হরতন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ওলন্দাজ শব্দ, তুর্কি শব্দ নয়। D) দারোগা — এটি একটি তুর্কি শব্দ। পুলিশ বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ হিসেবে দারোগা শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় গৃহিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - তুর্কি শব্দ মনে রাখার একটি সহজ ছন্দ হলো, দারোগা ও চাকর মিলে চাকু দিয়ে বাবুর্চিকে খুন করল এবং তোপ দাগল। এখানে দারোগা, চাকর, চাকু, বাবুর্চি ও তোপ সবই তুর্কি শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ (বিশেষ করে তুর্কি, পর্তুগিজ ও ওলন্দাজ শব্দ) থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাসের নামগুলো সাধারণত ওলন্দাজ শব্দ হয়, যেমন হরতন, ইস্কাপন।
a এখন ও ক্রীতদাস
b সুবচন নির্বাসনে
c কোকিলারা
d এখন দুঃসময়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুবচন নির্বাসনে ১. কেন সঠিক: - সুবচন নির্বাসনে নাটকটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি কালজয়ী প্রতিবাদী নাটক। - এই নাটকের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের যুদ্ধকালীন সামাজিক অবক্ষয়, সুবিধাবাদিতা এবং নৈতিক স্খলন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুবচন নির্বাসনে নাটকটির রচয়িতা বিশিষ্ট নাট্যকার ও অভিনেতা আবদুল্লাহ আল মামুন। - ১৯৭৪ সালে মঞ্চে আসা এই নাটকটি যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশের সমাজ বাস্তবতার এক নির্মম ও শৈল্পিক দর্পণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ব্যাখ্যা: সৈয়দ শামসুল হক রচিত এটিও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত পদাতিক কাব্যনাটক। উদাহরণ ২: ইবলিশ ব্যাখ্যা: এটিও মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত নাট্যকার আবদুল্লাহ আল মামুনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এখন ও ক্রীতদাস - এটি আবদুল্লাহ আল মামুনের একটি নাটক হলেও এর মূল প্রেক্ষাপট মুক্তিযুদ্ধ নয়। B) সুবচন নির্বাসনে - এটি মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) কোকিলারা - এটি সেলিনা হোসেন রচিত একটি উপন্যাস, কোনো নাটক নয়। D) এখন দুঃসময় - এটি বুদ্ধদেব বসুর লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, মুক্তিযুদ্ধের নাটক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আবদুল্লাহ আল মামুনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক মনে রাখতে সুবচন নির্বাসনে এবং ইবলিশ দুটি নাম একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। - নাটকের নাম দেখেই বুঝতে হবে এটি নাট্যসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত কোনো রচনা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - আবদুল্লাহ আল মামুন বাংলা নাট্যজগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, তাই তাঁর নাটক ও উপন্যাসগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
a দুই প্রকার
b তিন প্রকার
c চার প্রকার
d পাঁচ প্রকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তিন প্রকার ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষায় উপসর্গ মূলত তিন প্রকার যথা বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। - উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা উপসর্গ মোট একবিংশটি যা খাঁটি বাংলা শব্দ গঠনে ব্যবহৃত হয়। - তৎসম উপসর্গ কুড়িটি যা সংস্কৃত থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং বিদেশি উপসর্গগুলো আরবি, ফার্সি ও ইংরেজি ভাষা থেকে গৃহীত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনাদর ব্যাখ্যা: এখানে 'অনা' হলো একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা 'দর' শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করেছে। উদাহরণ ২: প্রবচন ব্যাখ্যা: এখানে 'প্র' হলো একটি তৎসম উপসর্গ যা 'বচন' শব্দের পূর্বে বসে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুই প্রকার — উপসর্গ সাধারণত দুই প্রকার নয়, কারণ দেশি ও বিদেশি ছাড়াও তৎসম উপসর্গও রয়েছে। B) তিন প্রকার — এটি সঠিক কারণ উপসর্গ বাংলা, তৎসম ও বিদেশি এই তিন ভাগে বিভক্ত। C) চার প্রকার — উপসর্গ চার প্রকার নয়, কারণ এর কোনো প্রমিত শ্রেণিববিভাগ চার ভাগে করা হয় না। D) পাঁচ প্রকার — উপসর্গ পাঁচ প্রকার নয়, এটি একটি ভুল সংখ্যা যা ব্যাকরণের নিয়মের সাথে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার উপায় হলো বা-ত-বি অর্থাৎ বাংলা, তৎসম ও বিদেশি এই তিন প্রকার উপসর্গ। - উপসর্গ সবসময় শব্দের প্রথমে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন ভাষায় কতটি উপসর্গ আছে তা জানতে চাওয়া হয়। - উপসর্গগুলোর সংখ্যা ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a ফুলশর
b রঞ্জন
c অলি
d পত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রঞ্জন ১. কেন সঠিক: - 'রঞ্জন' শব্দের একটি প্রচলিত অর্থ হলো ফুল। বাংলা শব্দকোষ ও অভিধান অনুযায়ী এটি ফুলের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনেক সময় শব্দের প্রচলিত অর্থের বাইরে কাব্যিক বা অভিধানভিত্তিক বিশেষ অর্থগুলো থেকে প্রশ্ন করা হয়, যা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যার অর্থ প্রায় একই রকম হয়। বাংলা ভাষায় একটি বস্তুর বা ভাবের প্রকাশের জন্য বহু শব্দ রয়েছে। - ব্যুৎপত্তিগত ও অভিধানিক বিচারে কিছু দুর্লভ বা কম পরিচিত শব্দ সমার্থক হিসেবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর শব্দভান্ডার যাচাইয়ের জন্য আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুসুম ব্যাখ্যা: এটি 'ফুল' শব্দের অত্যন্ত পরিচিত ও বহুল ব্যবহৃত একটি সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: প্রসুন ব্যাখ্যা: এটিও 'ফুল' শব্দের একটি চমৎকার কাব্যিক সমার্থক শব্দ যা প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফুলশর — এটি কামদেব বা মনমথ দেবতার অস্ত্রের নাম, যার অর্থ ফুলের তৈরি তীর। B) রঞ্জন — এটি সঠিক উত্তর এবং অভিধান অনুযায়ী ফুল শব্দের সমার্থক। C) অলি — এই শব্দটির অর্থ হলো ভ্রমর বা মৌমাছি, যা ফুলের ওপর বসে। D) পত্র — এই শব্দটির অর্থ হলো পাতা বা চিঠি, ফুলের সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অপ্রচলিত সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখতে অভিধান পড়ার অভ্যাস করতে হবে। - ফুলের পরিচিত সমার্থকগুলোর পাশাপাশি রঞ্জন ও প্রসূন শব্দ দুটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের গভীর অর্থ জানার জন্য প্রমিত বাংলা অভিধানের সাহায্য নেওয়া উচিত। - সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় শব্দের মূল উৎস ও প্রচলিত অর্থ ভালোভাবে মিলিয়ে দেখতে হবে।
a ধ্বনিতত্ত্ব
b বাক্যতত্ত্ব
c রূপতত্ত্ব
d শব্দতত্ত্ব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনিতত্ত্ব ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি ও বর্ণ সংক্রান্ত সমস্ত আলোচনা ধ্বনিতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধানের মূল উদ্দেশ্য হলো তৎসম শব্দে মূর্ধন্য ণ এবং ষ এর সঠিক ব্যবহার নির্ধারণ করা, যা মূলত বর্ণ বা ধ্বনি প্রকরণের অংশ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনিতত্ত্বে ধ্বনি, বর্ণ, ন-ত্ব ও ণ-ত্ব বিধান, ষ-ত্ব বিধান, সন্ধি, উচ্চারণ ইত্যাদি আলোচিত হয়। ণ-ত্ব বিধান হলো তৎসম শব্দে মূর্ধন্য ণ লেখার নিয়ম এবং ষ-ত্ব বিধান হলো তৎসম শব্দে মূর্ধন্য ষ লেখার নিয়ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রণয় ব্যাখ্যা: ঋ বা র এর পরে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়ে গঠিত একটি তৎসম শব্দ, যা ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম মেনে চলে। উদাহরণ ২: কষ্ট ব্যাখ্যা: ট এবং ঠ এর পূর্বে মূর্ধন্য ষ যুক্ত হয়ে গঠিত একটি শব্দ, যা ষ-ত্ব বিধানের নিয়ম নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনিতত্ত্ব — সঠিক উত্তর কারণ বর্ণ ও ধ্বনির শুদ্ধ প্রয়োগ এই অংশে আলোচিত হয়। B) বাক্যতত্ত্ব — বাক্য ও বাক্যের বিভিন্ন অংশ নিয়ে আলোচনা করে, তাই এটি ভুল। C) রূপতত্ত্ব — শব্দ গঠন, পদ প্রকরণ, বচন ও লিঙ্গ নিয়ে আলোচনা করায় এটি ভুল। D) শব্দতত্ত্ব — রূপতত্ত্বের অপর নাম শব্দতত্ত্ব, যা পদের গঠন ও রূপ নিয়ে কাজ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: ন-ত্ব, ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান সরাসরি বর্ণ ও ধ্বনির সাথে জড়িত। বর্ণ বা ধ্বনি সম্পর্কিত যেকোনো বিধান বা নিয়ম সর্বদা ধ্বনিতত্ত্বে স্থান পায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বানান শুদ্ধি এবং ধ্বনিতত্ত্বের মূল আলোচ্য বিষয়গুলো জানতে চাওয়া হয়। ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান শুধুমাত্র তৎসম শব্দের বানানের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, দেশি বা বিদেশি শব্দে নয়।
a মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান
b আসাদ চৌধুরী
c আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
d সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৈয়দ শামসুল হক ১. কেন সঠিক: 'তোমাকে অভিবাদন, বাংলাদেশ' একটি বিখ্যাত কবিতা এবং এর রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হক। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং দেশপ্রেমের আবহ ফুটিয়ে তুলতে এই কবিতাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের এক জননন্দিত কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবোধিক। তিনি বিংশ শতাব্দীর ষাটের দশকের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি হিসেবে বাংলা সাহিত্যে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি বিখ্যাতক কাব্যনাট্য যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: নূরলদীনের সারাজীবন ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক পটভূমিতে রচিত জনপ্রিয় নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান — এই সাহিত্যিক ষাটের দশকের কবি হলেও 'তোমাকে অভিবাদন, বাংলাদেশ' কবিতাটি তাঁর রচিত নয়। B) আসাদ চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত আধুনিক কবি ও ছড়াকার হলেও এই বিশেষ রচনার রচয়িতা নন। C) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ — তিনি বিখ্যাত 'কোন এক শহুরে প্রবাসে' ও 'মা গো ভাবনায় তুমি' কবিতার রচয়িতা, এই কবিতার নন। D) সৈয়দ শামসুল হক — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই এই কবিতার সম্মানিত রচয়িতা। ৫. মনে রাখার টিপস: সৈয়দ শামসুল হকের দেশপ্রেমমূলক বিখ্যাত রচনা মনে রাখতে 'তোমাকে অভিবাদন, বাংলাদেশ' এবং 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' একসঙ্গে পড়তে পারো। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্য পড়ার সময় লেখকের নাম ছক আকারে লিখে রাখলে সহজে মনে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত কবিতা ও নাটকের রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। সৈয়দ শামসুল হকের সাহিত্যকর্মগুলোর ধরন এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্যান্য লেখকের কাজগুলো ভালোভাবে অধ্যয়ন করা উচিত।
a ধূমকেতু
b গণবাণী
c মুক্তিববার্তা
d গণজাগরণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধূমকেতু ১. কেন সঠিক: - 'ধূমকেতু' পত্রিকার মূল পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক ছিলেন কবি কাজী নজরুল ইসলাম। - ১৯২২ সালের আগস্ট মাসে এই পত্রিকা প্রকাশিত হয় এবং এর পেছনে নজরুলের প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি। - 'ধূমকেতু' পত্রিকার প্রথম পাতার লেখা ছিল মহাকবি গোয়েতের বাণী, যা নজরুলের বিপ্লবী চেতনার প্রতীক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাঙল পত্রিকা ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত আরেকটি বিখ্যাত সাময়িকী হলো 'লাঙল', যা শ্রমিক ও কৃষকদের অধিকার নিয়ে প্রকাশিত হতো। উদাহরণ ২: দেহতত্ত্ব ও সাম্যবাদী কবিতা ব্যাখ্যা: নজরুলের সাহিত্যকর্মে সাম্যবাদ ও দ্রোহের প্রকাশ ঘটেছে, যা তার সম্পাদিত পত্রিকার আদর্শের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধূমকেতু — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি কাজী নজরুল ইসলামের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত পত্রিকা। B) গণবাণী — এটি কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র হলেও নজরুল এর সাথে সরাসরি প্রধান সম্পাদক হিসেবে যুক্ত ছিলেন না। C) মুক্তিববার্তা — এটি কোনো পরিচিত ঐতিহাসিক পত্রিকা নয় যা নজরুলের সাথে সম্পর্কিত। D) গণজাগরণ — এটি বর্তমান সময়ের একটি সাধারণ শব্দ, নজরুলের সম্পাদিত কোনো পত্রিকার নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের পত্রিকার নাম মনে রাখতে ধূমকেতু শব্দের সাথে তার বিদ্রোহী রূপের তুলনা করতে পারো। - ধূমকেতুর মতো তার পত্রিকাও সমাজে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই নজরুল সম্পাদিত পত্রিকার নাম জানতে চাওয়া হয়। - ধূমকেতু এবং লাঙল পত্রিকার নাম ভালোভাবে মনে রাখবে।
a হ + ণ
b হ + গ
c ন + হ
d হ + ন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হ + ন ১. কেন সঠিক: - 'হ্ন' একটি যুক্তবর্ণ যা হ এবং ন বর্ণ দুটির মিলনে গঠিত হয়। - বাংলা বর্ণমালায় হ এর সাথে ন যুক্ত হলে তা পরিবর্তিত রূপ ধারণ করে নিচে অবস্থান করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ অংশের অন্তর্ভুক্ত এই প্রশ্নে যুক্তবর্ণের গঠন বিশ্লেষণ করা হয়েছে। - হ এবং ন মিলে গঠিত এই যুক্তবর্ণটি বিভিন্ন প্রমিত বাংলা শব্দে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপরাহ্ন ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'হ্ন' যুক্তবর্ণটি ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর সঠিক উচ্চারণ ও গঠন হ যোগ ন নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: মধ্যাহ্ন ব্যাখ্যা: এই শব্দের বানানেও হ এবং ন যুক্ত হয়ে 'হ্ন' বর্ণগুচ্ছ তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হ + ণ — এটি ভুল কারণ এখানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে যা হ এর সাথে যুক্ত হয়ে ভিন্ন রূপ নেয় না। B) হ + গ — এটি ভুল কারণ হ এর সাথে গ যুক্ত হলে ভিন্ন যুক্তবর্ণ গঠিত হয়। C) ন + হ — এটি ভুল কারণ ন এর সাথে হ যুক্ত হলে অন্য রূপ তৈরি হয়, যেমন ন্হ। D) হ + ন — এটি সঠিক কারণ হ এর সাথে প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী ন যুক্ত হয়ে হ্ন গঠিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অপরাহ্ন বা মধ্যাহ্ন শব্দ দুটি মনে রাখলে হ্ন যুক্তবর্ণের গঠন সহজে মনে রাখা যায়। - হ এর সাথে সবসময় ন যুক্ত হলে এই নির্দিষ্ট রূপটি আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যুক্তবর্ণের সঠিক ভাঙা রূপ জানতে চাওয়া হয়। - প্রমিত বানানের ক্ষেত্রে এই যুক্তবর্ণগুলোর সঠিক গঠন মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c মদনমোহন তর্কালঙ্কার
d অসীম সাহা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: বিহারীলাল চক্রবর্তীর কবিতায় প্রথম আধুনিক গীতিকাব্যের সুর ও আত্মমগ্নতা প্রকাশ পায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর এই কাব্যিক অবদানের মুগ্ধতা প্রকাশ করে তাঁকে ভোরের পাখি উপাধিতে ভূষিত করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা গীতি কবিতার ভোরের পাখি হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। তাঁর রচিত সারদামঙ্গল ও সাধুসঙ্গ কাব্য বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সোনালী কাবিন বা অন্য কোনো সাহিত্যকর্ম নয়, বরং তিনি বিহারীলালকে এই বিশেষ উপাধি দেন। ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিহারীলালকে তাঁর কাব্যের প্রথাবিরোধী ও অনন্য সুরের জন্য ভোরের পাখি বলে স্বীকৃতি দেন। উদাহরণ ২: কবি কাজী নজরুল ইসলামকে বিদ্রোহী কবি বলা হয়। ব্যাখ্যা: এটি অন্য একজন কবিকে প্রদত্ত একটি ভিন্ন উপাধির উদাহরণ যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বিহারীলাল চক্রবর্তীকে ভোরের পাখি উপাধি প্রদান করেছিলেন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং এই উপাধির সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) মদনমোহন তর্কালঙ্কার — ইনি বাংলা শিশুসাহিত্যের প্রবক্তা ও শিক্ষামূলক রচনার জন্য পরিচিত। D) অসীম সাহা — ইনি আধুনিক যুগের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক, যিনি এই উপাধি দেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: বিহারীলাল চক্রবর্তীর নামের সঙ্গে ভোরের পাখি শব্দটি মনে রাখতে পাখি এবং পাখি সংক্রান্ত প্রভাতের চিত্রকল্প মনে রাখতে পারো। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে গুরু বলে মানতেন এবং ভোরের পাখি উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ও লেখকদের উপাধি থেকে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বিহারীলাল চক্রবর্তীকে ভোরের পাখি বলা হয় এবং মদনমোহন তর্কালঙ্কার শিশুদের প্রথম পাঠ্যপুস্তক রচয়িতা হিসেবে পরিচিত।
a ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c শেখ ফজলুল করিম
d স্বামী বিবেকানন্দ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত উদ্ধৃতিটির মূল বক্তব্য হলো বাঙালি সংস্কৃতির সার্বজনীনতা এবং ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে জাতিগত পরিচয় ও সম্প্রীতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা। - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ তার বিভিন্ন লেখনী ও বক্তৃতায় বাঙালি হিসেবে আত্মপরিচয়কে সবচেয়ে বড় সত্য বলে উল্লেখ করেছেন যা আজও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন একাধারে ভাষাবিজ্ঞানী, বহুভাষাবিদ, গবেষক ও সাহিত্যিক যিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে অনেক কাজ করেছেন। - ১৯৫° সালে পূর্ব পাকিস্তান সাহিত্য সম্মেলনে সভাপতির ভাষণে তিনি এই ঐতিহাসিক ও প্রমূর্ত ভাবনার কথা প্রকাশ করেছিলেন যা বাঙালি জাতীয়তাবাদ গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোতাহের হোসেন চৌধুরী রচিত সংস্কৃতির কথা প্রবন্ধ ব্যাখ্যা: এই প্রবন্ধে লেখক বাঙালি সংস্কৃতির উদারতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার কথা বলেছেন যা শহীদুল্লাহর এই চিন্তার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতা ব্যাখ্যা: এই কবিতায় মানুষের সার্বজনীন পরিচয় এবং সকল সংকীর্ণতা থেকে মুক্তির কথা বলা হয়েছে যা বাঙালি পরিচয়ের মূল সুরের সাথে মেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই অসাম্প্রদায়িক ও বাঙালি চেতনার কথা তিনিই প্রথম জোরালোভাবে উচ্চারণ করেছিলেন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলার মাটি বাংলার জলের মতো অনেক দেশাত্মবোধক গান ও কবিতা লিখলেও নির্দিষ্ট এই উদ্ধৃতিটি তার নয়। C) শেখ ফজলুল করিম — তিনি একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সাংবাদিক হলেও তার কোনো রচনা থেকে এই বিশেষ উদ্ধৃতিটি নেওয়া হয়নি। D) স্বামী বিবেকানন্দ — তিনি বাংলার আধ্যাত্মিক ও সামাজিক সংস্কারক হলেও তার দর্শনে সার্বজনীন মানবতাবাদের কথা থাকলেও এই উক্তিটি তার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাঙালি পরিচয়কে সবচেয়ে বড় সত্য বলেছেন ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। - ভাষা ও জাতির বড় গবেষক হওয়ায় তিনি বাঙালি সত্তাকে সবার ওপরে স্থান দিয়েছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই উদ্ধৃতিটি প্রায়ই আসে তাই মুখস্থ রাখা ভালো। - অসাম্প্রদায়িক চেতনার এই ধরনের প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে সাধারণত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম বেশি থাকে।
a ড. নীলিমা ইব্রাহিম
b বেগম সুফিয়া কামাল
c বেগম জোবেদা খানম
d পান্না কায়সার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ড. নীলিমা ইব্রাহিম ১. কেন সঠিক: - 'আমি বীরাঙ্গনা বলছি' গ্রন্থটির রচয়িতা ড. নীলিমা ইব্রাহিম। - এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের দ্বারা নির্যাতিত নারীদের বাস্তব জীবনের করুণ কাহিনী নিয়ে রচিত একটি প্রামাণিক গ্রন্থ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. নীলিমা ইব্রাহিম ছিলেন একাধারে শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও নারী অধিকার আন্দোলনের অন্যতম অগ্রপথিক। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত এই গ্রন্থে বীরাঙ্গনাদের আত্মত্যাগ ও সামাজিক বঞ্চনার চিত্র অত্যন্ত মর্মান্তিক ও বাস্তবসম্মতভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত 'সুলতানার স্বপ্ন' ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম বিখ্যাত নারীবাদী ইউটোপিয়ান বা নারীবাদী কল্পবিজ্ঞান রচনা। উদাহরণ ২: জাহানারা ইমাম রচিত 'একাত্তরের দিনগুলি' ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণিক ও ঐতিহাসিক দিনলিপি বা স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. নীলিমা ইব্রাহিম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রন্থটি তিনিই রচনা করেছেন। B) বেগম সুফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি, সাহিত্যিক ও নারীনেত্রী হলেও এই গ্রন্থটি তার রচিত নয়। C) বেগম জোবেদা খানম — তিনি প্রখ্যাত সাহিত্যিক নন এবং এই ঐতিহাসিক গ্রন্থটির রচয়িতাও তিনি নন। D) পান্না কায়সার — তিনি একজন লেখিকা ও গবেষক হলেও 'আমি বীরাঙ্গনা বলছি' গ্রন্থের লেখক ড. নীলিমা ইব্রাহিম। ৫. মনে রাখার টিপস: - বীরাঙ্গনাদের আত্মত্যাগের সত্য ঘটনা জানতে নীলিমা ইব্রাহিমের সাহায্য নিতে হয়, এভাবে মনে রাখতে পারো। - নীলিমা ইব্রাহিম মানেই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণিক গ্রন্থ 'আমি বীরাঙ্গনা বলছি'। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণিক গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখকদের বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক বা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়তে হবে।
a কালিকা মঙ্গল
b অন্নদামঙ্গল
c মনসা মঙ্গল
d চণ্ডীমঙ্গল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অন্নদামঙ্গল ১. কেন সঠিক: - 'নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?' এটি মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের একটি বিখ্যাত প্রবাদতুল্য পক্তি। - এর অর্থ হলো বড় কোনো বিপদ বা দুর্যোগ আসলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিশেষ বা প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও রক্ষা পায় না। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই পুক্তির রচয়িতা হলেন অষ্টাদশ শতকের বিশিষ্ট কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর যিনি নদিয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজকবি ছিলেন। - 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটি মূলত তিনটি খণ্ডে বিভক্ত যার মধ্যে অন্নদা মহিমা বিদ্যাসুন্দর ও মানসিংহ পর্ব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যত গর্জে তত বর্ষে না। ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রবাদ বাক্য যা অন্নদামঙ্গল কাব্যের মতো সমাজের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে তৈরি হয়েছে এবং বেশি কথার মানুষের কাজের পটুতা কম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা। ব্যাখ্যা: এটিও একটি জনপ্রিয় প্রবাদ যা নিজের অপারগতা বা অক্ষমতা ঢাকতে অন্যের ওপর দোষ চাপানোর প্রথা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কালিকা মঙ্গল — এটি অন্য কোনো মঙ্গলকাব্যের অংশ নয় কারণ কালিকা মঙ্গল ধারার প্রধান কবি বলরাম বা দ্বিজ প্রদোষ হলেও এই বিখ্যাত পক্তিটি সেখানে পাওয়া যায় না। C) মনসা মঙ্গল — এটি দেবী মনসার পূজাপ্রচার সম্পর্কিত মঙ্গলকাব্যের ধারা যার সঙ্গে এই পুক্তির কোনো ঐতিহাসিক বা সাহিত্যিক মিল নেই। D) চণ্ডীমঙ্গল — এটি দ্বিজ মাধব বা মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর লেখা চণ্ডীদেবীর মহিমা প্রচারক কাব্য যেখানে এই পক্তিটি অনুপস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের অন্নদামঙ্গল কাব্যের বিখ্যাত বাণী ও প্রবাদগুলো মনে রাখার জন্য চরিত্র ও ঘটনাগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে পড়তে পারো। - দেবালয় বা নগর পুড়ে যাওয়ার মতো রূপকধর্মী ও প্রবাদতুল্য পক্তিগুলো সাধারণত অন্নদামঙ্গল কাব্যের সঙ্গেই বেশি পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মঙ্গলকাব্যের বিখ্যাত উদ্ধৃতি বা প্রবাদমূলক লাইন প্রায়ই আসে। - মধ্যযুগের কবিদের রচনা এবং তাদের বিখ্যাত পক্তিগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a ফকির মজনু শাহ
b লালন শাহ
c কাঙাল হরিনাথ
d হাছন রাজা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লালন শাহ ১. কেন সঠিক: প্রশ্নোক্ত 'খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়' গানটি বাংলার বাউল সম্রাট লালন শাহের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও বিখ্যাত একটি আধ্যাত্মিক গান। এই গানে খাঁচা বলতে মানবদেহ এবং অচিন পাখি বলতে মানবদেহে বাস করা অজানা পরমাত্মা বা মনকে বুঝানো হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: লালন শাহ হলেন বাংলা বাউল গানের অবিসংবাদিত পুরুষ, সাধক ও গীতিকার যিনি অসংখ্য মরমী গান রচনা করেছেন। তার গানে মানবতাবাদ, দেহতত্ত্ব, গুরুবাদ এবং পরমাত্মার সঙ্গে মিলনের আকুলতা খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে ব্যাখ্যা: এটিও লালন শাহের লেখা একটি বিখ্যাত মানবতাবাদী ও জাতিভেদ বিরোধী গান। উদাহরণ ২: খাচায় বন্দि পাখি মোরে কাঁদায় রে ব্যাখ্যা: এটিও মরমী ধারার একটি বিখ্যাত গান যা মানবাত্মার বন্দিদশাকে ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফকির মজনু শাহ — ইনি ফকির বিদ্রোহের একজন বিখ্যাত নেতা ও সংগ্রামী ব্যক্তিত্ব ছিলেন, কোনো প্রখ্যাত বাউল গান রচয়িতা নন। B) লালন শাহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বিখ্যাত মরমী গানটির রচয়িতা একমাত্র লালন শাহ। C) কাঙাল হরিনাথ — ইনি একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক, বাউল সাধक এবং গ্রামবার্তা প্রকাশিকা পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, তবে এই গানটির রচয়িতা নন। D) হাছন রাজা — ইনি সিলেটের প্রখ্যাত মরমী কবি ও জমিদার হলেও এই নির্দিষ্ট গানটির রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: অচিন পাখি বা মনের মানুষের সন্ধান পেলেই বুঝে নেবে সেটি বাউল সম্রাট লালন শাহের কোনো আধ্যাত্মিক গান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লালন শাহের গান ও মরমী সাহিত্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। লালন শাহের গানগুলোকে প্রধানত দেহতত্ত্ব ও মরমী তত্ত্বের গান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
a কাব্য
b ভ্রমণকাহিনী
c উপন্যাস
d রম্যরচনা
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রম্যরচনা ১. কেন সঠিক: - 'টুনি মেম' একটি বিখ্যাত বাংলা রম্যরচনা, যেখানে হাস্যরস ও ব্যঙ্গাত্মক উপায়ে সমাজের নানা দিক ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - এটি মূলত সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত একটি জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম যা রম্যসাহিত্যের অনন্য নিদর্শন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ মুজতবা আলী বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রম্যলেখক, ভ্রমণকাহিনীকার ও প্রাবন্ধিক। - তার লেখায় গভীর পন্ডিত্যের সঙ্গে হালকা চালের হাস্যরস ও বহুভাষার সুন্দর মিশ্রণ দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঞ্চতন্ত্র ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা একটি বিখ্যাত রম্যরচনা সংকলন। উদাহরণ ২: ময়ূরকণ্ঠী ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ মুজতবা আলীর রচিত অন্যতম জনপ্রিয় একটি রম্যরচনা গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্য — টুনি মেম কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি গদ্যে রচিত একটি সাহিত্যকর্ম। B) ভ্রমণকাহিনী — যদিও লেখকের ভ্রমণকাহিনী বিখ্যাত, টুনি মেম ভ্রমণভিত্তিক কোনো রচনা নয়। C) উপন্যাস — এটি কোনো কাল্পনিক বা দীর্ঘ আখ্যানধর্মী উপন্যাস নয়, বরং রম্যধর্মী ছোট রচনা। D) রম্যরচনা — এটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এই রচনাটিতে রম্য বা হাস্যরসের গভীর প্রকাশ ঘটেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ মুজতবা আলীর নাম শুনলেই মাথায় রাখতে হবে রম্যরচনা ও ভ্রমণকাহিনীর কথা। - টুনি মেম নামটি শুনলেই মনে রাখবে এটি একটি হালকা মেজাজের রম্যরচনা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ মুজতবা আলীর রম্যরচনাগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থ যেমন দেশে বিদেশে এবং জলে ডাঙায় সম্পর্কেও ধারণা রাখতে হবে।
a কবিতার পংক্তিতে
b গল্পের সংলাপে
c গানের কলিতে
d নাটকের সংলাপে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাটকের সংলাপে ১. কেন সঠিক: সাধুভাষা সাধারণত নাটকের সংলাপে অনুপযোগী কারণ এটি কৃত্রিম ও গম্ভীর স্বভাবের কারণে মুখের জীবন্ত ভাষার সঙ্গে মানানসই হয় না। নাটক যেহেতু মানুষের স্বাভাবিক কথোপকথন ও জীবনযাত্রার বাস্তব রূপ ফুটিয়ে তোলে, তাই সেখানে চলিত ভাষার ব্যবহারই একমাত্র উপযোগী। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা লেখার ভাষা প্রধানত দুই রূপ লাভ করেছে, যার একটি সাধু এবং অন্যটি চলিত রীতি। সাধুভাষা ব্যাকরণের সুনিয়ম মেনে চলে এবং এর ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ কিছুটা দীর্ঘ ও গুরুগম্ভীর প্রকৃতির হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নাটকের সংলাপ লেখার সময় চরিত্রগুলোর মুখের স্বাভাবিক ভাষা ফুটিয়ে তুলতে চলিত রীতি ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: বাস্তব জীবনের কথ্যরূপ নাটকে জীবন্ত হয়ে ওঠে চলিত ভাষার মাধ্যমে। উদাহরণ ২: ছোটগল্পের চরিত্রগুলোর সংলাপের ক্ষেত্রেও সাধুভাষা ব্যবহার করা হয় না। ব্যাখ্যা: সংলাপকে জীবন্ত ও বিশ্বাসযোগ্য করার জন্য চলিত ভাষার বিকল্প নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবিতার পংক্তিতে — প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবিতায় সাধুভাষার প্রচুর ব্যবহার দেখা যায় এবং আধুনিক কালেও কবিতার ছন্দে সাধুভাষা উপযোগী হতে পারে। B) গল্পের সংলাপে — গল্পের বর্ণনায় সাধুভাষা চললেও আধুনিক ছোটগল্প বা উপন্যাসের সংলাপে এটি কম ব্যবহৃত হয়, তবে প্রশ্নানুসারে নাটকের সংলাপ অধিকতর অনুপযোগী। C) গানের কলিতে — বাংলা গানে, বিশেষ করে ধ্রুপদী বা ঐতিহ্যবাহী গানে সাধুভাষার ব্যবহার বেশ জনপ্রিয় ও মানানসই। D) নাটকের সংলাপে — এটি সঠিক উত্তর কারণ নাটকে চরিত্রের জীবন্ত মুখের ভাষা প্রকাশের জন্য সাধুভাষা সম্পূর্ণ অনুপযোগী। ৫. মনে রাখার টিপস: নাটক মানেই অভিনয় এবং মানুষের মুখের স্বাভাবিক কথপোকথন। মুখের ভাষায় কখনো গুরুগম্ভীর সাধুভাষা চলে না, তাই নাটক ও উপন্যাসের সংলাপের জন্য চলিত ভাষা উপযুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সাধুভাষা গাম্ভীর্যপূর্ণ এবং এটি পুথিগত হওয়ায় নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার জন্য অনুপযুক্ত বিবেচিত হয়। পরীক্ষায় সাধু ও চলিতরীতির বৈশিষ্ট্য সংক্রান্ত প্রশ্ন আসলে এই বিষয়টি মনে রাখতে হবে।
a ব্যাকরণ লেখক
b ব্যাকরণবিদ
c বেয়াকরণ
d ব্যাকরণ সংকলক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেয়াকরণ ১. কেন সঠিক: - যিনি ব্যাকরণ রচনা করেন বা ব্যাকরণ শাস্ত্রে সুপণ্ডিত, তাকে এককথায় বেয়াকরণ বলা হয়। - এটি মূলত এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন সংক্রান্ত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত প্রশ্ন। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংক্ষেপণের ক্ষেত্রে পদের রূপগত পরিবর্তনের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। - ব্যাকরণ রচয়িতা বা পন্ডিত বোঝাতে সাধারণ অর্থে ব্যাকরণবিদ বলা হলেও প্রমিত ও পরীক্ষাকেন্দ্রিক বাংলা ব্যাকরণে বেয়াকরণ শব্দটি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যিনি ব্যাকরণ জানেন বা রচনা করেন ব্যাখ্যা: তাকে এককথায় বেয়াকরণ বলা হয়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। উদাহরণ ২: ইতিহাস রচনা করেন যিনি ব্যাখ্যা: তাকে ঐতিহাসিক বলা হয়, যা এককথায় প্রকাশের আরেকটি প্রচলিত নিয়ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাকরণ লেখক — এই শব্দটির চেয়ে প্রমিত এককথায় প্রকাশ হিসেবে 'বেয়াকরণ' শব্দটি বেশি গ্রহণযোগ্য। B) ব্যাকরণবিদ — ব্যাকরণ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ বোঝাতে শব্দটি ব্যবহৃত হলেও মূল প্রশ্নের নির্দিষ্ট এককথায় প্রকাশ এটি নয়। D) ব্যাকরণ সংকলক — যিনি ব্যাকরণ সংগ্রহ বা সংকলন করেন, তাকে বোঝায় কিন্তু রচয়িতা বোঝাতে এটি সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রশ্নটিতে রচয়িতা বা পন্ডিত বোঝালে উত্তর সবসময় বেয়াকরণ হবে। - এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে বানান ও শব্দের প্রচলিত রূপটি মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - মূল শব্দ ও প্রমিত রূপের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ষড় + আনন
b ষট্ + আনন
c ষড় + আননা
d ষটা + আনন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ষট্ + আনন ১. কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে বর্গের প্রথম বর্ণের পর স্বরধ্বনি থাকলে প্রথম বর্ণটি তারই বর্গের তৃতীয় বর্ণে রূপান্তরিত হয়। - এখানে 'ষট্' শব্দের ট বর্গের প্রথম বর্ণ এবং 'আনন' শব্দের আদি ধ্বনি আ স্বরধ্বনি হওয়ায় ট পরিবর্তিত হয়ে ড হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক চ ট ত প এই পাঁচটি বর্ণকে ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে বর্গের প্রথম বর্ণ বলা হয়। - প্রথম বর্ণের পর স্বরধ্বনি বা ঘোষ ব্যঞ্জনধ্বনি থাকলে প্রথম বর্ণটি স্ব স্ব বর্গের তৃতীয় বর্ণে পরিণত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাচ + দান = বাগদান ব্যাখ্যা: ক বর্গের প্রথম বর্ণ ক এর পর ঘোষ ধ্বনি দ থাকায় ক পরিবর্তিত হয়ে গ হয়েছে। উদাহরণ ২: সুপ + অন্ত = সুবন্ত ব্যাখ্যা: প বর্গের প্রথম বর্ণ প এর পর স্বরধ্বনি অ থাকায় প পরিবর্তিত হয়ে ব হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষড় + আনন — এটি ভুল কারণ প্রথম শব্দে ষড় লেখা হয়েছে, যেখানে মূল প্রাতিপদিক শব্দ ষট্ ব্যবহার করতে হয়। B) ষট্ + আনন — এটি সঠিক এবং নিয়ম অনুযায়ী ব্যঞ্জনসন্ধির সঠিক বিশ্লেষণ প্রকাশ করে। C) ষড় + আননা — এটি ভুল কারণ এখানে আননা শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে এবং বানানেও ত্রুটি রয়েছে। D) ষটা + আনন — এটি ভুল কারণ ষটা বলে কোনো সঠিক ব্যাকরণসম্মত মূল শব্দ বা উপসর্গ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - সন্ধির সময় প্রথম শব্দে হসন্তযুক্ত ট বা অন্য বর্গীয় প্রথম বর্ণ থাকলে তা সহজে তৃতীয় বর্ণে পরিবর্তিত হয়। - ষড়ানন শব্দের অর্থ যার ছয়টি আনন বা মুখ আছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি খুবই ঘন ঘন আসে। - বর্গের প্রথম বর্ণের সাথে স্বরধ্বনির মিলনের এই সূত্রটি আয়ত্ত রাখলে অনুরূপ অনেক প্রশ্নের উত্তর সহজেই করা সম্ভব।
a সরল বাক্য
b জটিল বাক্য
c যৌগিক বাক্য
d মিশ্র বাক্য
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যৌগিক বাক্য ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বা প্রধান খণ্ডবাক্য কোনো সংযোজক অব্যয় যেমন এবং, ও, কিন্তু, অথবা, কিংবা, অতএব, তাই দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে। এখানে 'তার দর্শন পেলাম' এবং 'তারপর আমরা প্রস্থান করলাম' দুটি স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য 'তারপর' সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: গঠন অনুসারে বাক্য মূলত তিন প্রকার: সরল বাক্য, জটিল বাক্য এবং যৌগিক বাক্য। যৌগিক বাক্যের খণ্ডবাক্যগুলো একে অপরের ওপর নির্ভরশীল নয়, প্রত্যেকেই স্বাধীন অর্থ প্রকাশ করতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘ কেটে গেল এবং সূর্য উঠল। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য 'মেঘ কেটে গেল' ও 'সূর্য উঠল' 'এবং' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে। উদাহরণ ২: সে অনেক পড়াশোনা করল, কিন্তু পরীক্ষায় পাস করতে পারল না। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য 'সে অনেক পড়াশোনা করল' এবং 'পরীক্ষায় পাস করতে পারল না' 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল বাক্য — এই অপশন ভুল কারণ সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে এবং এখানে একাধিক খণ্ডবাক্য রয়েছে। B) জটিল বাক্য — এই অপশন ভুল কারণ জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে, যা এখানে নেই। C) যৌগিক বাক্য — এটি সঠিক অপশন কারণ এতে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত আছে। D) মিশ্র বাক্য — এই অপশন ভুল কারণ ব্যাকরণের প্রমিত শ্রেণিবিভাগে মিশ্র বাক্য মূলত জটিল বাক্যেরই আরেকটি নাম, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: যৌগিক বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো বাক্যের মাঝখানে এবং, ও, কিন্তু, কিংবা, অথবা, অতএব, তাই, তদুপরি এর মতো অব্যয় খুঁজে দেখা। স্বাধীন খণ্ডবাক্যগুলো এই অব্যয়গুলো দ্বারা যুক্ত থাকলে চোখ বন্ধ করে তাকে যৌগিক বাক্য চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বাক্যের মাঝখানের সংযোজক অব্যয়গুলোর দিকে নজর রাখলে খুব সহজেই সরল, জটিল ও যৌগিক বাক্যের পার্থক্য নির্ণয় করা যায়।

মোট প্রশ্ন (20)

a eating all types of food
b eating only fruits
c eating only meat
d eating grass and plants
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) eating all types of food কেন সঠিক: - 'Omnivorous' শব্দটির অর্থ সর্বভুক বা সব ধরনের খাবার খায় যে প্রাণী। - লাতিন শব্দ 'omnis' যার অর্থ সব এবং 'vorare' যার অর্থ খাওয়া থেকে শব্দটি এসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) eating all types of food — এটি সঠিক কারণ সর্বভুক প্রাণী সব ধরনের খাবার গ্রহণ করে। B) eating only fruits — এটি ভুল কারণ শুধু ফলমূল খেকারী প্রাণীকে ফ্রুজিভোর বা ফলভোজী বলা হয়। C) eating only meat — এটি ভুল কারণ শুধু মাংস খেকারী প্রাণীকে কার্নিভোর বা মাংসাশী বলা হয়। D) eating grass and plants — এটি ভুল কারণ শুধু ঘাস ও উদ্ভিদ খেকারী প্রাণীকে হারবিভোর বা তৃণভোজী বলা হয়। মনে রাখার টিপস: 'Omni' অর্থ সব এবং 'vor' অর্থ খাওয়া, তাই omnivorous মানে যে সবকিছু খায়।
a Noun
b Adverb
c Adjective
d None of these
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Adverb কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'vigilantly' শব্দটি 'sat' ভার্বকে মডিফাই করেছে এবং কীভাবে বসেছে তা প্রকাশ করছে। - সাধারণত যেসব শব্দের শেষে 'ly' থাকে এবং তারা ভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ বা অন্য অ্যাডকে মডিফাই করে, সেগুলো অ্যাডভার্ব হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Noun — এটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু, স্থান বা গুণের নাম বোঝাচ্ছে না, তাই এটি নাউন নয়। B) Adverb — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভার্বকে নির্দেশ করছে। C) Adjective — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের দোষ, গুণ বা অবস্থা বোঝাচ্ছে না, তাই এটি অ্যাডজেক্টিভ নয়। D) None of these — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দ ভার্ব সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিলে বা কাজটি কীভাবে সম্পন্ন হচ্ছে তা বোঝালে সাধারণত তা অ্যাডভার্ব হয়।
a verb
b adjective
c adverb
d noun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) adjective কেন সঠিক: - এখানে underlined শব্দটি হলো renowned যা man নাউনটির পূর্বে বসে তার দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে। - বাক্যে যে শব্দ কোনো noun-এর দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে তাকে adjective বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) verb — verb হলো কোনো কিছু করা বা হওয়া বোঝায়, কিন্তু renowned কোনো কাজের নাম নয়। B) adjective — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি noun-এর দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে। C) adverb — adverb সাধারণত verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে modify করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) noun — noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু renowned কোনো নাম বোঝাচ্ছে না। মনে রাখার টিপস: noun বা pronoun-এর ঠিক আগে বসে তার সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিলে সেই শব্দটি সবসময় adjective হয়।
a W. B. Yeats
b T. S. Eliot
c Robert Browning
d Mathew Arnold
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) T. S. Eliot কেন সঠিক: - 'The Waste Land' বিশ শতকের আধুনিকতাবাদী কবিতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। - এই বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতাটির রচয়িতা হলেন নোবেলজয়ী কবি ও প্রাবন্ধিক টি এস এলিয়ট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) W. B. Yeats — উইলিয়াম বাটলার ইয়েট্স একজন বিখ্যাত আইরিশ কবি ও নাট্যকার হলেও এই কবিতার রচয়িতা নন। B) T. S. Eliot — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) Robert Browning — রবার্ট ব্রাউনিং ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত কবি ও নাট্যকার, যিনি ড্রামাটিক মনোলোগের জন্য পরিচিত হলেও এই কবিতার লেখক নন। D) Mathew Arnold — ম্যাথু আর্নল্ড উনিশ শতকের বিশিষ্ট ইংরেজ কবি ও সংস্কৃতি সমালোচক, কিন্তু 'The Waste Land' তার লেখা নয়। মনে রাখার টিপস: এলিয়টের বর্জ্য বা আবর্জনা অর্থাৎ 'Waste Land' কবিতার কথা মনে রাখতে এলিয়ট নামের সাথে 'Waste' শব্দটি মনে রাখুন।
a saving lives
b timely action
c saving time
d time tailoring
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) timely action কেন সঠিক: - এই প্রবাদটির আক্ষরিক অর্থ হলো সঠিক সময়ে একটি সেলাই পরবর্তীকালে নয়টি সেলাই বাঁচায়। - এর ভাবার্থ হলো অসময় বা সংকটের শুরুতে সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ নিলে বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো সম্ভব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) saving lives — জীবন বাঁচানো প্রবাদের আক্ষরিক অর্থ নয় এবং এটি সরাসরি সময়োচিত কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) timely action — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রবাদের মূল ভাব সময়মতো যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়াকে নির্দেশ করে। সি) saving time — সময় বাঁচানো বলতে কেবল সময় অপচয় রোধ করা বোঝায়, যা এই প্রবাদের মূল বার্তা নয়। D) time tailoring — এটি একটি অর্থহীন ও বিভ্রান্তিকর শব্দগুচ্ছ যা মূল প্রবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: সেলাইয়ের ক্ষেত্রে সময়মতো একটি সেলাই দিলে যেমন বড় ছেঁড়া রোধ করা যায়, তেমনি যেকোনো সমস্যায় সময়মতো (timely) ব্যবস্থা নিলে বড় বিপদ এড়ানো যায়।
a Calf
b phenomena
c spectators
d mice
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Calf কেন সঠিক: - Calf শব্দটি একটি একবচন বা singular noun, যার অর্থ বাছুর। - এর বহুবচন বা plural রূপ হলো Calves, যা f বা fe থাকলে ves যুক্ত হয়ে গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Calf — এটি প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর কারণ এটি singular noun। B) phenomena — এটি plural noun, যার singular রূপ হলো phenomenon। C) spectators — এটি plural noun, যার singular রূপ হলো spectator। D) mice — এটি plural noun, যার singular রূপ হলো mouse। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে f বা fe থাকলে তা তুলে দিয়ে ves যুক্ত করে plural করতে হয়, যেমন Calf থেকে Calves।
a Assent
b accent
c Acsent
d ascent
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Assent কেন সঠিক: - 'Assent' শব্দের অর্থ সম্মতি বা অনুমোদন প্রদান করা। - রাষ্ট্রপতি কোনো বিলে বা বিলে স্বাক্ষর করে তাতে আইনগত সম্মতি দেন, তাই এখানে Assent শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Assent — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সম্মতি বা অনুমোদন। B) accent — এর অর্থ উচ্চারণ বা ঝোঁক, যা বাক্যটির অর্থের সাথে সম্পূর্ণ অবাসুঞ্জস্যপূর্ণ। C) Acsent — এটি একটি বানান ভুল শব্দ, ইংরেজি অভিধানে এর কোনো অস্তিত্ব নেই। D) ascent — এর অর্থ ওপরের দিকে ওঠা বা উজান যাত্রা, যা বিলের অনুমোদনের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: বিলে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন বা সম্মতি বোঝাতে Assent (সম্মতি) শব্দটি বসে, আর ওপরের দিকে ওঠাকে ascent (আরোহণ) বলা হয়।
a cock
b witch
c bull
d bachelor
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) witch কেন সঠিক: - witch শব্দটি একটি নির্দিষ্ট নারীবাচক বা feminine gender, যার পুরুষবাচক বা masculine রূপ হলো wizard। - এটি জাদুকরী ক্ষমতার অধিকারী কোনো নারীকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি জেন্ডার পরিবর্তনের একটি প্রচলিত ব্যাকরণগত উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) cock — এটি একটি পুরুষবাচক বা masculine gender, যার স্ত্রীবাচক রূপ হলো hen। B) witch — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি একটি feminine gender। C) bull — এটি একটি পুরুষবাচক বা masculine gender, যার স্ত্রীবাচক রূপ হলো cow। D) bachelor — এটি একটি পুরুষবাচক বা masculine gender, যার অর্থ অবিবাহিত পুরুষ এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ হলো spinster। মনে রাখার টিপস: wizard হলো জাদুকর পুরুষ (masculine) এবং witch হলো জাদুকরী নারী (feminine)।
a All of it depend on you.
b All of it are depending on you.
c All of it depends on you.
d All of it are depended on you.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) All of it depends on you. কেন সঠিক: - All-এর পরে Uncountable noun (it) থাকলে Verb singular হয়। - প্রদত্ত বাক্যে it হলো Singular pronoun, তাই এর সঙ্গে singular verb depends ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) All of it depend on you. — এখানে depend হলো plural verb, কিন্তু Uncountable noun-এর জন্য singular verb প্রয়োজন। B) All of it are depending on you. — All of it-এর সঙ্গে are depending ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) All of it are depended on you. — are depended গঠনটি Passive voice-এর ভুল প্রয়োগ এবং অর্থসংগত নয়। মনে রাখার টিপস: All-এর পরে Uncountable noun বা Singular pronoun থাকলে verb সবসময় Singular হয়।
a Indolence
b Enterprise
c Activity
d Apathy
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Indolence কেন সঠিক: - Initiative শব্দের বাংলা অর্থ হলো উদ্যোগ, উদ্যম বা সক্রিয়তা। - Indolence শব্দের অর্থ হলো অলসতা বা কর্মবিমুখতা, যা উদ্যোগের বিপরীতার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Indolence - অলসতা প্রকাশ করে, যা ইনিশিয়েটিভ বা উদ্যোগের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। B) Enterprise - উদ্যোগ বা সাহসিকতা বোঝায়, যা Initiative শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। C) Activity - কর্মতৎপরতা বা সক্রিয়তা বোঝায়, যা Initiative শব্দের সমার্থক শব্দ। D) Apathy - ঔদাসিন্য বা আগ্রহহীনতা বোঝালেও ইন্ডোলেন্স শব্দটি সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশে বেশি উপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: ইনিশিয়েটিভ মানে কাজ শুরু করার উদ্যম, আর ইন্ডোলেন্স মানে অলস হয়ে বসে থাকা।
a Strong
b weak
c bulky
d fat
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) weak কেন সঠিক: - Slender শব্দের বাংলা অর্থ হলো ক্ষীণ, রোগা বা দুর্বল। - Weak শব্দের অর্থ দুর্বল, যা Slender শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Strong — এর অর্থ শক্তিশালী, যা Slender বা দুর্বল শব্দের বিপরীতার্থক। B) weak — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ দুর্বল এবং এটি Slender শব্দের সমার্থক। C) bulky — এর অর্থ আয়তনিক বা স্থূল, যা ক্ষীণ বা রোগা শব্দের বিপরীত। D) fat — এর অর্থ মোটা, যা Slender বা সরু আকৃতির বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Slender মানুষের শরীর সাধারণত চিকন বা দুর্বল (weak) হয়, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a Morphology
b Etymology
c Syntax
d Semantics
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Syntax কেন সঠিক: - Syntax হলো ব্যাকরণের সেই শাখা যা বাক্যের গঠন এবং শব্দগুলোর পারস্পরিক বিন্যাস নিয়ে আলোচনা করে। - এটি একটি বাক্যে শব্দগুলো কীভাবে সাজালে অর্থপূর্ণ তথ্য প্রকাশ পায় তা নির্ধারণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Morphology — এটি শব্দের গঠন এবং রূপমূল বা প্রত্যয়-উপসর্গ নিয়ে আলোচনা করে, বাক্যের গঠন নিয়ে নয়। B) Etymology — এটি শব্দের উৎস এবং ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করে, বাক্যের তথ্য বা বিন্যাস নিয়ে নয়। C) Syntax — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Semantics — এটি শব্দ ও বাক্যের অর্থ বা অর্থত্বত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করে, বাক্যের কাঠামোগগত বিন্যাস নিয়ে নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের গঠন ও বিন্যাস বুঝতে Syntex বা Syntax মনে রাখবে।
a had
b have
c might
d would
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) had কেন সঠিক: - এটি থার্ড কন্ডিশনালের একটি বাক্য, যার গঠন হলো পাস্ট পারফেক্ট টেন্স এবং পরবর্তীতে would have বা could have যুক্ত ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল। - মূল ক্লজটিতে could have worked থাকায় প্রথম অংশে had এবং মূল verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল বসে বাক্যটিকে সম্পূর্ণ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had — এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স গঠন করে বাক্যটিকে সঠিক করে। B) have — এটি প্রেজেন্ট টেন্স নির্দেশ করে, যা বাক্যের আগের অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) might — এটি মডাল ভার্ব, যার পরে সরাসরি been বসলে ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। D) would — এটি মডাল ভার্ব, যা এখানে বসালে সঠিক টেন্সের গঠন বা অর্থ প্রকাশ পায় না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের এক অংশে could have থাকলে অন্য অংশে সাধারণত had এবং পাস্ট পার্টিসিপল ব্যবহার করতে হয়।
a Charles Dickens
b P.B. Shelley
c Alfred Tennyson
d Jane Austen
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Charles Dickens কেন সঠিক: - ডেভিড কপারফিল্ড উপন্যাসটি বিখ্যাত ভিক্টোরীয় ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্সের একটি অসামান্য আত্মজীবনীমূলক সৃষ্টি। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে লেখক তার শৈশবের কঠিন বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সংগ্রামের চিত্র অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Charles Dickens — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য এবং এটি লেখকের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সাহিত্যকর্ম। B) P.B. Shelley — তিনি মূলত রোমান্টিক যুগের একজন প্রখ্যাত কবি ছিলেন, কোনো ঔপন্যাসিক নন। C) Alfred Tennyson — তিনি ভিক্টোরীয় যুগের একজন বিখ্যাত কবি ছিলেন, কোনো উপন্যাস রচনার জন্য পরিচিত নন। D) Jane Austen — তিনি রিজেন্সি যুগের একজন বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক হলেও এই বিখ্যাত উপন্যাসের রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: চার্লস ডিকেন্সের নামের প্রথম অক্ষর সি এবং কপারফিল্ড নামের প্রথম অক্ষর সি মিলিয়ে সি সি অর্থাৎ চার্লস কপারফিল্ড মনে রাখতে পারো।
a noun
b adverb
c adjective
d preposition
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) adverb কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে early শব্দটি home (noun) বা returned (verb) এর মধ্যে returned ক্রিয়াকে নির্দেশ করে কখন তারা ফিরেছে তা বোঝাচ্ছে। - কোনো verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে যখন কোনো শব্দ সময়, স্থান, মাত্রা বা পদ্ধতি প্রকাশ করে বিশেষিত করে, তখন সেটি adverb হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — noun কোনো ব্যক্তির, বস্তুর বা ধারণার নাম বোঝায়, যা এখানে নেই। B) adverb — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি verb কে বিশেষিত করেছে। C) adjective — adjective শুধুমাত্র কোনো noun বা pronoun এর দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে। D) preposition — preposition সাধারণত noun বা pronoun এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে। মনে রাখার টিপস: verb-কে কখন (when), কোথায় (where) বা কীভাবে (how) প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত adverb হয়।
a William Wordsworth
b Charles Dickens
c Shakespeare
d Napoleon
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) William Wordsworth কেন সঠিক: - উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ তাঁর কবিতায় গ্রামীণ জীবন, ফুল, নদী ও পাহাড়ের সৌন্দর্য গভীরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। - প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের আত্মিক সম্পর্কের কথা জোরালোভাবে তুলে ধরার কারণে তাঁকে প্রকৃতির কবি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Wordsworth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Charles Dickens — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক, কোনো প্রকৃতিবাদী কবি নন। C) Shakespeare — তিনি ইংরেজি সাহিত্যের সর্বকালের সেরা নাট্যকার ও কবি, প্রকৃতির কবি হিসেবে পরিচিত নন। D) Napoleon — তিনি ফ্রান্সের একজন ঐতিহাসিক সামরিক ও রাজনৈতিক নেতা, কোনো সাহিত্যিক নন। মনে রাখার টিপস: ওয়ার্ডসওয়ার্থ মানেই ওয়ার্ড অব নেচার বা প্রকৃতির শব্দ, যা মনে রাখতে সাহায্য করবে।
a on my going
b is to go
c over going
d to go
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) on my going কেন সঠিক: - Insist verb-এর পরে সাধারণত preposition হিসেবে on বসে এবং তারপরে gerund ব্যবহৃত হয়। - Gerund-এর পূর্বে subject-কে possessive form (যেমন my) করতে হয়, তাই on my going সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on my going — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিয়ম অনুযায়ী insist-এর পরে on এবং gerund-এর পূর্বে possessive form বসেছে। B) is to go — এটি একটি verb phrase এবং বাক্যের শূন্যস্থানের গঠনের সাথে ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ। C) over going — Insist verb-এর পরে over preposition ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল ও নিয়মবহির্ভূত। D) to go — Insist-এর পরে সরাসরি infinitive (to go) বসে না, সঠিক নিয়ম রক্ষার্থে on prep-সহ gerund প্রয়োজন। মনে রাখার টিপস: Insist শব্দটির পর সর্বদা on বসে এবং তারপরে possessive pronoun-এর সাথে gerund যুক্ত হয়।
a a noun clause
b an adverbial clause
c an adjective clause
d none of these
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) an adjective clause কেন সঠিক: - এখানে 'I lost' ক্লজটি ঠিক আগের antecedent বা noun 'the book'-কে মডিফাই করছে এবং তার সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে। - এটি বাক্যে একটি adjective বা adjectival phrase-এর মতো কাজ করায় একে adjective clause বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a noun clause — কারণ এটি কোনো noun-এর কাজ করছে না এবং বাক্যের subject বা object হিসেবে বসেনি। B) an adverbial clause — কারণ এটি সময়, স্থান, কারণ বা শর্তের মতো কোনো adverb-এর কাজ করছে না। C) an adjective clause — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি নিজেই সঠিক অপশন। D) none of these — কারণ সঠিক উত্তরটি অপশন সি তে ইতিমধ্যে বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: noun-এর ঠিক পরে বসে যে subordinate clause সেই noun-কে মডিফাই করে, তাকেই adjective clause বলে।
a Since a stone is rolling, it gathers no moss
b Though a stone rolls, it gathers no moss
c A stone what rolls gathers no moss
d A stone that rolls gathers no moss.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A stone that rolls gathers no moss. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি Simple sentence-এ আছে, যেখানে 'rolling' হলো Participle এবং Adjective-এর কাজ করছে। - Complex sentence-এ রূপান্তর করতে হলে Participle-যুক্ত অংশকে Adjective clause-এ পরিণত করতে হয় এবং Relative pronoun হিসেবে 'that' ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Since a stone is rolling, it gathers no moss — এটি একটি Complex sentence হলেও 'Since' ব্যবহারের কারণে এর অর্থ কারণ নির্দেশক হয়ে যায়, যা মূল প্রবাদের অর্থের সাথে মেলে না। B) Though a stone rolls, it gathers no moss — 'Though' ব্যবহার করায় বাক্যটি বিপরীতার্থক বা concession প্রকাশ করে, যা মূল Simple sentence-এর ভাবার্থ পরিবর্তন করে ফেলে। C) A stone what rolls gathers no moss — এখানে Relative pronoun হিসেবে 'what' ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) A stone that rolls gathers no moss — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা সঠিক Relative pronoun 'that' ব্যবহার করে সঠিক Complex sentence গঠন করেছে। মনে রাখার টিপস: Simple sentence-এর Participle-কে Complex করার সময় Relative pronoun হিসেবে ব্যক্তির ক্ষেত্রে 'who' এবং বস্তুর ক্ষেত্রে 'that' বা 'which' ব্যবহার করতে হয়।
a at
b in
c of
d after
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) at কেন সঠিক: - কোনো বিষয়ে দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে গুড শব্দের পর এপ্রোপ্রিয়েট প্রিপজিশন হিসেবে অ্যাট বসে। - হি ইজ গুড অ্যাট ইংলিশ বাক্যটিতে ইংরেজিতে তার দক্ষতার কথা প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — এটি সঠিক উত্তর কারণ দক্ষতার ক্ষেত্রে অ্যাট প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। B) in — ইন সাধারণত কোনো ক্ষেত্র বা বিষয়ের ভেতর অবস্থান বোঝাতে বসে, দক্ষতার ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়। C) of — অফ সাধারণত সম্বন্ধ বা উৎস বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে প্রাসঙ্গিক নয়। D) after — আফটার পরে বা কোনো কিছুর পিছু নেওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে গুড শব্দের পরে সবসময় অ্যাট প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।

মোট প্রশ্ন (13)

a ৮-১২ লক্ষ মে. টন
b ২০- ২৫ লক্ষ মে. টন
c ২৫-৩০ লক্ষ মে. টন
d ৩০-৩৫ লক্ষ মে. টন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮-১২ লক্ষ মে. টন কেন সঠিক: - বাংলাদেশের একমাত্র চালু কয়লা খনি বড়পুকুরিয়া থেকে বর্তমানে বছরে প্রায় আট থেকে বারো লক্ষ মেট্রিক টন কয়লা উৎপাদিত হয়। - দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এই উৎপাদিত কয়লা প্রধানত বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮-১২ লক্ষ মে. টন — এটি বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতার সঠিক পরিসীমা নির্দেশ করে। B) ২০- ২৫ লক্ষ মে. টন — এটি বাংলাদেশের বর্তমান বার্ষিক কয়লা উৎপাদনের পরিমাণের তুলনায় অনেক বেশি। C) ২৫-৩০ লক্ষ মে. টন — এটি বাস্তবসম্মত উৎপাদন পরিমাণের সাথে মিলছে না এবং অতিরিক্ত বেশি। D) ৩০-৩৫ লক্ষ মে. টন — বর্তমানে আমাদের খনিগুলোর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা এই পর্যন্ত পৌঁছায়নি। মনে রাখার টিপস: বড়পুকুরিয়া কয়লার পরিমাণ মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন আট থেকে বারো লক্ষ টন।
a নদীর তলদেশ জমাট
b ভূমিকম্পের কারণ
c নদীর গতিপথে বাধা
d নদীতে বাঁধ দেওয়ার ফল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নদীর তলদেশ জমাট কেন সঠিক: - পলি জমে ব্রহ্মপুত্র নদের তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ায় এর নাব্যতা ও পানি ধারণক্ষমতা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। - তলদেশ উঁচু হয়ে যাওয়ায় নদটি তার স্বাভাবিক গতি হারিয়ে মৃতপ্রায় দশায় উপনীত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নদীর তলদেশ জমাট — অতিরিক্ত পলি জমার কারণে নদীর গভীরতা কমে গিয়ে মৃতপ্রায় অবস্থার সৃষ্টি হয়, যা এই প্রশ্নের সঠিক কারণ। B) ভূমিকম্পের কারণ — ভূমিকম্প নদীর গতি পরিবর্তনে ভূমিকা রাখলেও ব্রহ্মপুত্রের মৃতপ্রায় হওয়ার প্রধান কারণ এটি নয়। C) নদীর গতিপথে বাধা — কৃত্রিম বা প্রাকৃতিক বাধের চেয়ে তলদেশে পলি জমাট বাঁধা এই নদের বর্তমান দশার মূল কারণ। D) নদীতে বাঁধ দেওয়ার ফল — ব্রহ্মপুত্রের প্রবাহ হ্রাসে বাঁধের প্রভাব থাকলেও মূল কারণ এর অতিরিক্ত পলি ও তলদেশ ভরাট হওয়া। মনে রাখার টিপস: নদের মৃত্যু মানেই তলদেশে পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়া।
a কৃষি
b ব্যবসা
c শিল্প
d রাজনীতি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কৃষি কেন সঠিক: - খনার বচন মূলত আবহাওয়া, কৃষি এবং ফসল উৎপাদনের নানা দিকনির্দেশনা নিয়ে গঠিত প্রবাদ। - প্রাচীনকাল থেকেই বাংলার কৃষকরা চাষাবাদ ও বীজ বপনের সঠিক সময় জানতে খনার বচনের ওপর নির্ভর করতেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষি — এটি সঠিক উত্তর কারণ খনার বচন কৃষিকাজের নিয়ম ও পরামর্শের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। B) ব্যবসা — খনার বচনে ব্যবসা বা বাণিজ্যের কোনো নিয়ম বা উপদেশ থাকে না। C) শিল্প — এই বচনগুলোর সঙ্গে শিল্পকলা বা কারুশিল্পের কোনো সম্পর্ক নেই। D) রাজনীতি — খনার বচন রাজনৈতিক নীতি বা শাসনের বিষয়ে কোনো তথ্য দেয় না। মনে রাখার টিপস: খনার বচন মানেই কৃষকের প্রবাদ, তাই কৃষিকাজ মনে রাখলেই উত্তরটি সহজ হয়ে যাবে।
a পর্তুগাল ও মরক্কো
b মৌরিতানিয়া ও স্পেন
c ভারত ও শ্রীলংকা
d মরক্কো ও স্পেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভারত ও শ্রীলংকা কেন সঠিক: - পক প্রণালি ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্য এবং শ্রীলংকার উত্তর প্রদেশের মধ্যে অবস্থিত একটি সামুদ্রিক প্রণালি। - এটি পক উপসাগরকে বঙ্গোপসাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে এবং দুটি দেশকে পৃথক করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগাল ও মরক্কো — জিব্রাল্টার প্রণালি দ্বারা পৃথক, পক প্রণালি দ্বারা নয়। B) মৌরিতানিয়া ও স্পেন — এরা সাহারা অঞ্চল এবং আটলান্টিক মহাসাগর দ্বারা সম্পর্কিত, পক প্রণালির সাথে এদের কোনো সম্পর্ক নেই। C) ভারত ও শ্রীলংকা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় দুটি দেশকে সফলভাবে পৃথক করেছে। D) মরক্কো ও স্পেন — জিব্রাল্টার প্রণালি এই দুটি দেশকে পৃথক করেছে, পক প্রণালি নয়। মনে রাখার টিপস: শ্রীলংকা ও ভারতের মাঝে পক প্রণালি অবস্থিত, যা মনে রাখতে শ্রীলংকার লংকা শব্দটির সাথে পক যুক্ত করে পক-লংকা বা পক প্রণালি মনে রাখতে পারেন।
a হংকং
b জাকার্তা
c ম্যানিলা
d সিংগাপুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ম্যানিলা কেন সঠিক: - এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের বা এডিবি এর সদর দপ্তর ফিলিপাইনের ম্যানিলা শহরের মান্দালুয়ংকে অবস্থিত। - ১৯৬৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর এশীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সহযোগিতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হংকং — এটি একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল এবং এশিয়ার আর্থিক কেন্দ্র হলেও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সদর দপ্তর এখানে নয়। B) জাকার্তা — এটি ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী এবং আসিয়ানের সদর দপ্তর, তবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সদর দপ্তর নয়। C) ম্যানিলা — এটি ফিলিপাইনের রাজধানী এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় এখানেই অবস্থিত। D) সিংগাপুর — এটি একটি স্বাধীন দ্বীপ রাষ্ট্র ও গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী, কিন্তু এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবির সদর দপ্তর মনে রাখতে ফিলিপাইনের ম্যানিলা শহরের নাম মনে রাখতে হবে।
a বাংলাদেশ
b ভুটান
c ভারত
d চীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চীন কেন সঠিক: - সার্ক বা SAARC একটি আঞ্চলিক সংস্থা যার সদস্য দেশ আটটি এবং এর মধ্যে চীন অন্তর্ভুক্ত নয়। - এটি মূলত দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জোট, আর চীন দক্ষিণ এশিয়ার বাইরে পূর্ব এশিয়ার দেশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ — এটি সার্কের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং এর জন্মভূমি ঢাকায়। B) ভুটান — এটি সার্কের অন্যতম সদস্য দেশ এবং দক্ষিণ এশিয়ায় অবস্থিত। C) ভারত — এটিও সার্কের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র। D) চীন — এটি সার্কের সদস্য নয়, তবে সংস্থাটির অন্যতম পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: দক্ষিণ এশিয়ার বাইরের দেশ চীন কখনো সার্কের সদস্য হতে পারে না।
a মস্কো
b স্টালিনগ্রাদ
c সেন্ট পিটার্সবার্গ
d কিয়েভ
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: C) সেন্ট পিটার্সবার্গ কেন সঠিক: - ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের নেতা ভ্লাদিমির লেনিনের মৃত্যুর পর শহরটির নাম পরিবর্তন করে লেনিনগ্রাদ রাখা হয়েছিল। - পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর গণভোটের মাধ্যমে শহরটির ঐতিহাসিক নাম সেন্ট পিটার্সবার্গ ফিরিয়ে আনা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মস্কো — এটি রাশিয়ার বর্তমান রাজধানী এবং ঐতিহাসিক প্রধান শহর, যা লেনিনগ্রাদ শহরের পরিবর্তিত নাম নয়। B) স্টালিনগ্রাদ — এটি বর্তমান ভলগোগ্রাদ শহরের পূর্বনাম, যা সাবেক সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্টালিনের নামানুসারে রাখা হয়েছিল। D) কিএভ — এটি ইউক্রেনের বর্তমান রাজধানী, যা রাশিয়ার কোনো শহরের পূর্বনাম নয়। মনে রাখার টিপস: সোভিয়েত আমলের লেনিন নাম বাদ দিয়ে শহরের পুরনো রাজকীয় নাম সেন্ট পিটার্সবার্গ ফিরিয়ে আনা হয়।
a আরিচা
b ভৈরব
c ভোলা
d চাঁদপুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চাঁদপুর কেন সঠিক: - পদ্মা নদী ও মেঘনা নদী চাঁদপুরে এসে একে অপরের সাথে মিলিত হয়েছে। - এই দুই প্রধান নদীর মিলনস্থলের পর নদীটি শুধু মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরিচা — এটি মানিকগঞ্জে অবস্থিত যমুনা নদীর একটি বিখ্যাত ঘাট, যা পদ্মা ও মেঘনার মিলনস্থল নয়। B) ভৈরব — এটি কিশোরগঞ্জ জেলায় অবস্থিত মেঘনা নদীর তীরবর্তী একটি জনপদ, যেখানে পদ্মা মিলিত হয় না। C) ভোলা — এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা এবং মেঘনার মোহনায় অবস্থিত, যা নদী দুটির মিলনস্থল নয়। D) চাঁদপুর — এটি পদ্মা ও মেঘনা নদীর নির্ধারিত মিলনস্থল হিসেবে ভৌগোলিকভাবে স্বীকৃত। মনে রাখার টিপস: পদ্মা ও মেঘনা মিলল যেখানে, নাম তার চাঁদপুর চেনে সবাই সেখানে।
a বাংলাদেশ
b মিয়ানমার
c পাকিস্তান
d ভারত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভারত কেন সঠিক: - নেপাল একটি ভূবেষ্টিত রাষ্ট্র যার উত্তরে চীন এবং অন্য তিন দিকে ভারত অবস্থিত। - ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে ভারত নেপালের সরাসরি প্রতিবেশী দেশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ নেপালের প্রতিবেশী রাষ্ট্র নয়, কারণ নেপাল ও বাংলাদেশের মাঝখানে ভারতের শিলিগুড়ি করিডোর অবস্থিত। B) মিয়ানমার — মায়ানমার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র এবং এটি নেপালের প্রতিবেশী নয়। C) পাকিস্তান — পাকিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্র হলেও এর সাথে নেপালের কোনো সরাসরি সীমান্ত নেই। D) ভারত — ভারত নেপালের একমাত্র প্রতিবেশী রাষ্ট্র যা এর তিন দিক ঘিরে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: নেপালকে ঘিরে রেখেছে কেবল দুই বিশাল প্রতিবেশী, উত্তরে চীন আর বাকি তিন দিকে ভারত।
a ১২ হাজার মে. ওয়াট
b ২১ হাজার মে. ওয়াট
c ৩০ হাজার মে. ওয়াট
d *Update check
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) হালনাগাদ তথ্য দেখতে হবে (Update check) কেন সঠিক: - বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা একটি পরিবর্তনশীল ও চলমান বিষয় যা জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের নতুন প্রকল্পের ওপর নির্ভর করে নিয়মিত পরিবর্তিত হয়। - প্রদত্ত অপশনের নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা বর্তমান বিদ্যুৎ খাতের সঠিক ও চূড়ান্ত চিত্র বহন করে না, তাই নির্দিষ্ট কোনো অপশন সঠিক নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ হাজার মে. ওয়াট — এই পরিমাণ উৎপাদন ক্ষমতা বর্তমান বাস্তবতার তুলনায় অনেক কম এবং এটি অতীতের কোনো এক সময়ের পরিসংখ্যান। B) ২১ হাজার মে. ওয়াট — এই সংখ্যাটি বিগত কয়েক বছর আগের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার সঙ্গে মিলে গেলেও বর্তমানে তা বৃদ্ধি পেয়েছে। C) ৩০ হাজার মে. ওয়াট — বর্তমান ইনস্টলড ক্যাপাসিটি এই পরিমাণের কাছাকাছি হলেও এটি পরীক্ষার জন্য নিয়মিত হালনাগাদ তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন। D) Update check — যেহেতু এই তথ্যটি পরিবর্তনশীল, তাই পরীক্ষার আগে বিদ্যুৎ বিভাগের সাম্প্রতিক প্রকাশনা থেকে সঠিক সংখ্যা জেনে নিতে হবে। মনে রাখার টিপস: বিদ্যুৎ ও অর্থনীতির যেকোনো সংখ্যাবাচক তথ্য পড়ার সময় অবশ্যই সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সমীক্ষা বা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ প্রতিবেদন দেখে নেবে।
a সুরমা
b পদ্মা
c শীতলক্ষ্যা
d বুড়িগঙ্গা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বুড়িগঙ্গা কেন সঠিক: - বাকল্যান্ড বাঁধ তৎকালীন ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৬৪ সালে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে নির্মাণ করা হয়। - নদী ভাঙন থেকে ঢাকা শহরকে রক্ষা এবং নদীবন্দর হিসেবে এর গুরুত্ব বৃদ্ধির জন্য এই বাঁধ দেওয়া হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুরমা — এটি সিলেটের প্রধান নদী, যেখানে কোনো ঐতিহাসিক বাকল্যান্ড বাঁধ নির্মিত হয়নি। B) পদ্মা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান নদী, যার তীরে কুষ্টিয়ার হার্ডিঞ্জ ব্রিজ অবস্থিত কিন্তু বাকল্যান্ড বাঁধ নয়। C) শীতলক্ষ্যা — এটি নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি নদী, যা তাত ও বাণিজ্যের জন্য বিখ্যাত হলেও বাকল্যান্ড বাঁধের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) বুড়িগঙ্গা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নদীর তীরেই ঐতিহাসিক বাকল্যান্ড বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: বুড়িগঙ্গার তীরে ঢাকা শহর এবং বুড়িগঙ্গার তীরেই ঐতিহাসিক বাকল্যান্ড বাঁধ অবস্থিত।
a UK
b USA
c জাপান
d চীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) USA কেন সঠিক: - ইরান তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করার অভিযোগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি উন্নত গোয়েন্দা ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছিল। - এটি মূলত দুই দেশের মধ্যে চলা দীর্ঘদিনের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার একটি সামরিক ঘটনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) UK — যুক্তরাজ্য এই নির্দিষ্ট ড্রোন ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল না। B) USA — যুক্তরাষ্ট্র এই নির্দিষ্ট ড্রোন ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত এবং এটি সঠিক উত্তর। C) জাপান — জাপান এই ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় এবং এটি মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতির বাইরের দেশ। D) চীন — চীন এই ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত কোনো পক্ষ ছিল না। মনে রাখার টিপস: মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের সামরিক উত্তেজনার প্রতীক হিসেবে মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত হওয়ার ঘটনাটি মনে রাখতে হবে।
a ১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট
b ৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট
c ১০ ট্রিলিয়ন ঘনফুট
d ৮ ট্রিলিয়ন ঘনফুট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট কেন সঠিক: - বাংলাদেশের বর্তমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে প্রতি বছর প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলিত ও ব্যবহৃত হচ্ছে। - দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও শিল্পায়নের কারণে গ্যাসের এই ব্যবহার ক্রমাগত অব্যাহত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট — এটি বাংলাদেশের বার্ষিক প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারের সঠিক পরিমাণ। B) ৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট — এটি বাংলাদেশের বার্ষিক ব্যবহারের তুলনায় অনেক বেশি এবং বর্তমান উত্তোলনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। C) ১০ ট্রিলিয়ন ঘনফুট — এটি একটি কাল্পনিক বা অতিরিক্ত বড় সংখ্যা, যা দেশের মোট মজুদের একটি বড় অংশের কাছাকাছি হলেও বার্ষিক ব্যবহার নয়। D) ৮ ট্রিলিয়ন ঘনফুট — এটি বার্ষিক ব্যবহারের পরিমাণ নয়, বরং এটি দেশের প্রাক্কলিত অবশিষ্ট recoverable গ্যাসের মজুদের পরিমাণের সাথে তুলনীয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ প্রতি বছর গ্যাস পোড়ায় ঠিক এক অঙ্কের ঘরে, অর্থাৎ ১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।

মোট প্রশ্ন (45)

a Anuria
b Acidosis
c Alkalosis
d Anasarca
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Anasarca ১. কেন সঠিক: - সারা শরীরে অতিরিক্ত তরল বা পানি জমে ফুলে যাওয়াকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় অ্যানাসারকা বলা হয়। - এটি মানবদেহের টিস্যু এবং কোষে অতিরিক্ত ফ্লুইড জমার একটি চরম প্রকাশ, যা সাধারণত গুরুতর রোগের লক্ষণ হিসেবে দেখা দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মানবদেহের রক্তনালী থেকে তরল পদার্থ লিম্ফ্যাটিক সিস্টেম বা টিস্যুর ফাঁকা স্থানে চলে গেলে এবং শরীর তা স্বাভাবিকভাবে নিষ্কাশন করতে না পারলে ইডিমা বা অ্যানাসারকা ঘটে। - কারণ ও ফলাফল: কিডনির রোগ, যকৃতের সিরোসিস বা হৃদরোগের কারণে শরীরের প্রোটিন কমে যায় এবং রক্তনালীর চাপ ভারসাম্যহীন হয়ে এই তরল জমা হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: অতিরিক্ত লবণ খাওয়া বা নির্দিষ্ট ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াতেও সাময়িক তরল জমে যাওয়ার সমস্যা হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নেফ্রোটিক সিনড্রোম রোগে আক্রান্ত রোগীর মুখমণ্ডলসহ পুরো শরীর পানি জমে ফুলে যায়। ব্যাখ্যা: কিডনি অতিরিক্ত প্রোটিন প্রস্রাবের সাথে বের করে দেওয়ায় রক্তের অভিস্রবণ চাপ কমে যায় এবং পুরো শরীরে পানি জমে। উদাহরণ ২: যকৃতের সিরোসিস রোগীর পেটে ও সারা শরীরে পানি জমা যাকে অ্যাসাইটিস ও অ্যানাসারকা বলে। ব্যাখ্যা: যকৃত প্রয়োজনীয় প্রোটিন বা অ্যালবুমিন তৈরি করতে ব্যর্থ হলে রক্তনালী থেকে পানি বেরিয়ে টিস্যুতে জমা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Anuria — এটি এমন একটি চিকিৎসাগত অবস্থা যেখানে কিডনি দিনে ১০০ মিলিলিটারের কম প্রস্রাব তৈরি করে বা প্রস্রাব উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। B) Acidosis — এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে রক্ত এবং অন্যান্য শরীরের তরলে অ্যাসিডের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে এবং পিএইচ কমে যায়। C) Alkalosis — এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে শরীরের তরলে ক্ষারের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং রক্তে পিএইচ মান স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়। D) Anasarca — এটি সারা শরীরে চরমভাবে পানি বা তরল জমে ফুলে যাওয়ার সঠিক বৈজ্ঞানিক পরিভাষা। ৫ মনে রাখার টিপস: - অ্যানাসারকা শব্দটি মনে রাখতে আনসার বা পুরো শরীরকে ঢেকে ফেলার ধারণার সাথে মেলাতে পারেন, যা সার্বিক ফোলা বোঝায়। - চিকিৎসা বিজ্ঞানে 'সার্কা' শব্দটি শরীরের সামগ্রিক পরিধি বা বৃত্তাকার অংশকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষার জন্য ইডিমা এবং অ্যানাসারকার মধ্যে পার্থক্য জেনে রাখা জরুরি, কারণ অ্যানাসারকা হলো সর্বাঙ্গীন ইডিমা। - একই ধারণা থেকে কিডনি ফেইলিওর বা অ্যালবুমিনের ঘাটতি সংক্রান্ত প্রশ্নও পরীক্ষায় আসতে পারে।
a দুইবেলা খাওয়ার পর
b খালি পেটে
c তিন বেলা খাওয়ার পর
d দুই বেলা খাওয়ার পর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তিন বেলা খাওয়ার পর ১. কেন সঠিক: - প্রেসক্রিপশনে ব্যবহৃত সংক্ষেপটি মূলত লাতিন শব্দের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা ওষুধের মাত্রা ও সেবনবিধি নির্দেশ করে। - টিডিসি বা টিডিপিএসি বলতে সাধারণত দিনে তিনবার খাবার গ্রহণের পর ওষুধ সেবন করার নির্দেশনা বোঝানো হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: চিকিৎসাবিজ্ঞানে প্রেসক্রিপশনের সংক্ষিপ্ত রূপগুলো সাধারণত লাতিন শব্দগুচ্ছ থেকে এসেছে। - কার্যপ্রণালি: খাবার খাওয়ার পর ওষুধ সেবন করলে পাকস্থলীর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়া যায় এবং ওষুধের শোষণ প্রক্রিয়া সঠিক থাকে। - বাস্তব প্রয়োগ: গ্যাস্ট্রিক বা ব্যথানাশক ওষুধগুলো খালি পেটে খেলে আলসার বা এসিডিটি হতে পারে, তাই এগুলো খাওয়ার পর সেবন করতে বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ বা অ্যান্টাসিড জাতীয় সিরাপ। ব্যাখ্যা: এগুলোর কার্যকারিতা এবং পাকস্থলীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকরা সাধারণত খাবার গ্রহণের নির্দিষ্ট সময় পর খাওয়ার পরামর্শ দেন। উদাহরণ ২: ব্যথানাশক বা এনএসএআইডি জাতীয় ওষুধ। ব্যাখ্যা: এই ওষুধগুলো খালি পেটে খেলে গ্যাস্ট্রিকের তীব্র সমস্যা হতে পারে, তাই খাবার খাওয়ার পর সেবনের নিয়ম থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুইবেলা খাওয়ার পর — এই নির্দেশনাটি ভিন্ন লাতিন সংক্ষিপ্ত রূপ দ্বারা নির্দেশিত হয় এবং এখানে ভুল সময় উল্লেখ করা হয়েছে। B) খালি পেটে — খালি পেটে খাওয়ার জন্য চিকিৎসায় সাধারণত এসি বা বিসি জাতীয় সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করা হয়। C) তিন বেলা খাওয়ার পর — এটি সঠিক নির্দেশনা যা প্রশ্নানুসারে নির্ধারিত। D) দুই বেলা খাওয়ার পর — এটি সিঙ্গল বা ভিন্ন মাত্রার নির্দেশক হওয়ায় সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - লাতিন শব্দ বা প্রেসক্রিপশনের শর্টকাট মনে রাখতে মূল অক্ষরের সংখ্যা এবং চিকিৎসকের সাধারণ নিয়মগুলো বারবার চর্চা করতে হবে। - খাবারের পরের নির্দেশনার জন্য পিএসি শব্দটি মনে রাখলে বিভ্রান্তি দূর হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রেসক্রিপশনের সংক্ষিপ্ত রূপ যেমন বিডি, টিডিএস, ওডি ইত্যাদি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - লাতিন শব্দের উৎস এবং আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে এগুলোর ব্যবহার সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
a ৩৬টি
b ৩২টি
c ৩৯টি
d ৩৩টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৩টি ১. কেন সঠিক: মানবদেহের মেরুদণ্ড বা ভার্টিব্রাল কলাম ছোট ছোট ৩৩টি অস্থি বা কশেরুকা নিয়ে গঠিত। এই কশেরুকাগুলো আমাদের শরীরকে সোজা রাখতে এবং সুষ্মাকান্ডকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মানবদেহের কশেরুকা পাঁচটি অঞ্চলে বিভক্ত। কার্যপ্রণালি: শৈশবে কশেরুকার সংখ্যা ৩৩টি থাকলেও প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর নিচের দিকের কিছু অস্থি একত্রিত হয়ে ২৬টিতে পরিণত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘাড়ের অংশ বা সারভিক্যাল কশেরুকা। ব্যাখ্যা: মানবদেহের ঘাড়ে ৭টি সারভিক্যাল কশেরুকা থাকে যা মাথা ডানে ও বামে ঘোরাতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: কোমরের অংশ বা লাম্বার কশেরুকা। ব্যাখ্যা: পিঠের নিচের অংশে ৫টি লাম্বার কশেরুকা থাকে যা ভারী বস্তু উত্তোলনের সময় শরীরকে ভারসাম্য দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৬টি — মানবদেহের কশেরুকার প্রকৃত সংখ্যা ৩৬টি নয়, এটি ভুল সংখ্যা। B) ৩২টি — এটি কশেরুকার সংখ্যা নয়, মানবদেহের স্থায়ী দাঁতের সংখ্যার কাছাকাছি একটি ভুল তথ্য। C) ৩৯টি — এই সংখ্যাটি মানবদেহের কশেরুকার কাঠামোর সঙ্গে মেলে না। D) ৩৩টি — এটি মানবদেহের জন্মগত বা শৈশবের কশেরুকার সঠিক সংখ্যা। ৫ মনে রাখার টিপস: মানবদেহের কশেরুকা মনে রাখার সহজ উপায় হলো অঞ্চলের নাম মনে রাখা। সারভিক্যাল ৭, থোরাসিক ১২, লাম্বার ৫, স্যাক্রাল ৫ এবং ককসিজিয়াল ৪, এই সংখ্যাগুলো যোগ করলে ৩৩ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রাপ্তবয়স্ক মানবদেহে কশেরুকার সংখ্যা ২৬টি হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জন্মগত বা মোট সংখ্যা ৩৩টি হিসেবেই উত্তর দিতে হয়। একই বৈজ্ঞানিক ধারণা থেকে প্রাপ্তবয়স্কদের কশেরুকার সংখ্যা কত বা সারভিক্যাল কশেরুকার সংখ্যা কত—এমন প্রশ্ন আসতে পারে।
a Low sodium
b Low bicarbonate
c Low potassium
d Low oxygen
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Low potassium ১. কেন সঠিক: মানবদেহের রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে যাওয়াকে হাইপোক্যালেমিয়া বলা হয়। পটাশিয়াম কোষের ভেতরের তরল এবং স্নায়ু ও পেশির স্বাভাবিক কাজের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় 'হাইপো' শব্দের অর্থ কম এবং 'ক্যালিয়াম' শব্দটি এসেছে ল্যাটিন কালিয়াম থেকে যার অর্থ পটাশিয়াম। কার্যপ্রণালি: রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা সাধারণত ৩.৫ থেকে ৫.০ মিলিগ্রাম প্রতি লিটার হওয়া উচিত, এর নিচে নামলে হৃদপিণ্ডের ছন্দপতন হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতিরিক্ত ঘাম বা ডায়রিয়ার কারণে শরীর থেকে প্রয়োজনীয় পটাশিয়াম ও লবণ বের হয়ে যাওয়া। ব্যাখ্যা: এর ফলে পেশিতে দুর্বলতা বা মারাত্মক ক্লান্তি অনুভূত হয়। উদাহরণ ২: দীর্ঘদিন ডাইউরেটিক বা মূত্রবর্ধক ওষুধ সেবন করা। ব্যাখ্যা: এই ওষুধগুলো শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি ও পটাশিয়াম বের করে দেয়, যা হাইপোক্যালেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Low sodium — রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা কমে যাওয়াকে হাইপোনাট্রেমিয়া বলা হয়, পটাশিয়াম নয়। B) Low bicarbonate — রক্তে বাইকার্বোনেটের মাত্রা কমে যাওয়াকে মেটাবলিক অ্যাসিডোসিস বা কম বাইকার্বোনেট বলা হয়। C) Low potassium — এটি সঠিক উত্তর কারণ চিকিৎসা বিজ্ঞানে পটাশিয়ামের স্বল্পতাকে হাইপোক্যালেমিয়া বলা হয়। D) Low oxygen — রক্তে বা টিস্যুতে অক্সিজেনের ঘাটতিকে হাইপোক্সিয়া বলা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: হাইপো মানে কম এবং ক্যালিয়াম বা পটাসিয়াম মিলে হয় হাইপোক্যালেমিয়া। ইংরেজি পটাশিয়ামের প্রতীক K এবং এর ল্যাটিন নাম কালিয়াম থেকেই ক্যালেমিয়া শব্দটি এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়াকে হাইপারক্যালেমিয়া বলা হয়। বিসিএস এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় চিকিৎসা বিজ্ঞান সংক্রান্ত এই পরিভাষাগুলো প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a Eosinophil
b Neutrophil
c Red blood cell
d Platelet
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Neutrophil ১. কেন সঠিক: নিউট্রোফিল হলো মানবদেহের শ্বেত রক্তকণিকার একটি ধরন যা ফাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রোগজীবাণু ভক্ষণ করে ধ্বংস করে। এটি শরীরের প্রথম সারির প্রতিরক্ষাব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে এবং ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে আত্তীকৃত করে নষ্ট করে ফেলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ফাগোসাইটোসিস হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোষ নিজের প্লাজমা ঝিল্লি ব্যবহার করে কঠিন কণা বা জীবাণুকে পরিবেষ্টন করে ভেতরে ঢুকিয়ে ফেলে এবং এনজাইমের সাহায্যে হজম করে। কার্যপ্রণালি: নিউট্রোফিল রক্তনালী থেকে বেরিয়ে সংক্রামিত টিস্যুতে প্রবেশ করে এবং অ্যামিবার মতো সিউডোপোডিয়া বা ক্ষণপদ তৈরি করে জীবাণুকে ঘিরে ধরে ফাগোজোম গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শরীরে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ ঘটলে পুঁজ তৈরি হওয়া। ব্যাখ্যা: পুঁজ মূলত মৃত নিউট্রোফিল এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত ব্যাকটেরিয়ার অবশিষ্টাংশ যা ফাগোসাইটোসিস যুদ্ধের ফল। উদাহরণ ২: কাঁটা ফুটলে ত্বকের নিচে প্রদাহ বা ফোলাভাব দেখা দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি নিউট্রোফিলের সক্রিয়করণের মাধ্যমে রোগজীবাণু ধ্বংস করার স্বাভাবিক শারীরিক প্রতিক্রিয়া। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Eosinophil — এটি এক প্রকার শ্বেত রক্তকণিকা যা মূলত পরজীবী কৃমি ধ্বংস করতে এবং অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে কাজ করে। B) Neutrophil — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রধান ফাগোসাইটিক শ্বেত রক্তকণিকা হিসেবে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। C) Red blood cell — এটি লোহিত রক্তকণিকা যার কাজ অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড পরিবহন করা, ফাগোসাইটোসিস করা নয়। D) Platelet — এটি অনুচক্রিকা যা রক্ত তঞ্চন বা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে এবং রক্তপাত বন্ধ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: নিউট্রোফিল নামের শুরুতে নি আছে যা দিয়ে নিউমোনিয়া বা ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ প্রতিরোধের কথা মনে রাখা যায়। শ্বেত রক্তকণিকার মধ্যে নিউট্রোফিল সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি এবং এরা সৈনিকের মতো কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সবচেয়ে বেশি ফাগোসাইটিক কোষ হলো ম্যাক্রোফেজ এবং নিউট্রোফিল। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন রক্তকণিকা রোগ প্রতিরোধ করে বা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়।
a 9 months 7 days
b 10 months 10 days
c 9 months
d 9 months 10 days
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 9 months 10 days ১. কেন সঠিক: - মানবদেহে গর্ভধারণের পূর্ণ সময়কাল বা ফুল টার্ম প্রেগন্যান্সি সাধারণত ৩৮ থেকে ৪০ সপ্তাহ বা প্রায় ২৮০ দিন ধরা হয়। - চিকিৎসাবিজ্ঞানের হিসাব অনুযায়ী ৯ মাস এবং অতিরিক্ত ১০ দিন যোগ করে এই গর্ভকালের গড় সময় নির্ধারণ করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: শেষ মাসিকের প্রথম দিন থেকে এই সময় গণনা শুরু হয় এবং একে গেসটেশনাল এজ বলা হয়। - কার্যপ্রণালি: ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলনের পর ভ্রূণ জরায়ুতে পূর্ণতা লাভ করতে প্রায় নয় মাস দশ দিন সময় নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন গর্ভবতী নারীর শেষ মাসিকের তারিখ জানা থাকলে নেগেলস রুল ব্যবহার করে এই নয় মাস দশ দিন যোগ করে সম্ভাব্য প্রসবের তারিখ বের করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি চিকিৎসকদের ভ্রূণের বয়স এবং প্রসবের সঠিক সময় অনুমান করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: মানুষের মতো স্তন্যপায়ী প্রাণীদের ক্ষেত্রেও প্রতিটি প্রজাতির গর্ভধারণের একটি নির্দিষ্ট ও স্থায়ী সময়কাল থাকে। ব্যাখ্যা: এটি প্রজাতিভেদে জিনগতভাবে নির্ধারিত এবং ভ্রূণের পূর্ণাঙ্গ বিকাশের জন্য অত্যন্ত জরুরি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 9 months 7 days — এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের স্ট্যান্ডার্ড গর্ভকালের পূর্ণ সময় নয় এবং এতে দিন গণনায় সামান্য কমতি থাকে। B) 10 months 10 days — এই সময়কালটি মানুষের স্বাভাবিক গর্ভকালের চেয়ে বেশি এবং একে প্রলম্বিত গর্ভকাল বলা যেতে পারে। C) 9 months — শুধু নয় মাস বললে অতিরিক্ত দশ দিন বাদ পড়ে যায়, যা চিকিৎসাগতভাবে পূর্ণ গর্ভকালের হিসাবের জন্য সঠিক নয়। D) 9 months 10 days — এই অপশনটি চিকিৎসাবিজ্ঞানসম্মতভাবে মানবদেহের গর্ভধারণের সঠিক পূর্ণ সময় নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মানুষের গর্ভকাল মনে রাখার সহজ সূত্র হলো ৯ মাস এবং সাথে আরও ১০ দিন যোগ করতে হবে। - সপ্তাহ হিসেবে হিসাব করলে এটি প্রায় ৪০ সপ্তাহ বা ২৮০ দিন হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানুষের গর্ভকাল কত দিন বা কত মাস তা প্রায়ই আসে। - এই প্রশ্ন থেকে গর্ভকালের বৈজ্ঞানিক পরিমাপ এবং সপ্তাহের হিসাব সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হয়।
a ভিটামিন
b ইনসুলিন
c ব্লাড গ্লুকোজ
d ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্লাড গ্লুকোজ ১. কেন সঠিক: - রক্তে শর্করার বা গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে গেলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া হয়। - মানবদেহে কোষের শক্তি উৎপাদনের প্রধান উৎস হলো এই গ্লুকোজ। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রক্তে গ্লুকোজের স্বাভাবিক মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে ৭০ থেকে ১০০ মিলিগ্রামের নিচে নেমে যাওয়াকে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলে। - কার্যপ্রণালি: শরীরে অতিরিক্ত ইনসুলিন তৈরি হলে বা দীর্ঘ সময় খাবার না খেলে কোষগুলো রক্তের সব গ্লুকোজ শোষণ করে নেয়। - কারণ ও ফলাফল: মস্তিষ্কের কোষগুলোর কাজ করার জন্য অবিরাম গ্লুকোজ প্রয়োজন, যা না পেলে মাথা ঘোরানো, দুর্বলতা ও অজ্ঞান হওয়ার মতো ঘটনা ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দীর্ঘ সময় না খেয়ে কঠোর ব্যায়াম করলে হঠাৎ শরীর কেঁপে ওঠা এবং ঠান্ডা ঘাম হওয়া। ব্যাখ্যা: এটি রক্তের গ্লুকোজ কমে যাওয়ার সরাসরি লক্ষণ। উদাহরণ ২: ডায়াবেটিসের রোগীরা অতিরিক্ত ইনসুলিন বা ওষুধ নেওয়ার পর খাবার না খেলে மய্য হওয়া। ব্যাখ্যা: ওষুধ বা ইনসুলিনের প্রভাবে রক্তের গ্লুকোজ দ্রুত কমে এই অবস্থার সৃষ্টি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন — ভিটামিনের অভাবে স্কার্ভি বা রিকের্টসের মতো রোগ হয় কিন্তু হাইপোগ্লাইসেমিয়া হয় না। B) ইনসুলিন — ইনসুলিনের অতিমাত্রার কারণে হাইপোগ্লাইসেমিয়া হতে পারে, তবে এটি ইনসুলিনের অভাব নয় বরং আধিক্যের ফল। C) ব্লাড গ্লুকোজ — এটি সঠিক কারণ রক্তে গ্লুকোজের অভাবেই এই শারীরিক অবস্থার সৃষ্টি হয়। D) ক্যালসিয়াম — ক্যালসিয়ামের অভাবে হাড়ের দুর্বলতা বা টিটানি রোগ হয়, গ্লুকোজের অভাব হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: হাইপো শব্দের অর্থ কম এবং গ্লাইসেমিয়া শব্দের অর্থ রক্তে শর্করা, তাই হাইপোগ্লাইসেমিয়া মানে রক্তে গ্লুকোজের স্বল্পতা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যাওয়াকে হাইপারগ্লাইসেমিয়া বলে যা ডায়াবেটিসের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
a Rifampici
b Etambutol
c INH
d Ceftriaxone
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Ceftriaxone ১. কেন সঠিক: - সেফট্রিয়াক্সন হলো একটি ব্রড স্পেকট্রাম সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিক যা যক্ষ্মা বা টিবি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় না। - এটি মূলত নিউমোনিয়া, মেনিনজাইটিস ও গনোরিয়ার মতো ব্যাকটেরিয়াঘটিত সাধারণ সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - রোগ জীবাণু ও রোগ প্রতিরোধ: যক্ষ্মা একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ যা মাইকব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস নামক ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে হয়। - কার্যপ্রণালি: যক্ষ্মার চিকিৎসায় দীর্ঘমেয়াদি বিশেষ অ্যান্টিবায়োটিক কোর্স বা ডটস পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় যাতে একাধিক ওষুধের সমন্বয় থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফুসফুসের যক্ষ্মা ব্যাখ্যা: এটি মাইকব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস দ্বারা আক্রান্ত হয় এবং সাধারণ অ্যান্টিবায়োটিক এর ওপর কাজ করে না। উদাহরণ ২: সাধারণ ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন ব্যাখ্যা: সেফট্রিয়াক্সন টাইফয়েড বা নিউমোনিয়ার মতো সাধারণ জীবাণু ধ্বংস করতে অত্যন্ত কার্যকরী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rifampicin — এটি যক্ষ্মার চিকিৎসায় ব্যবহৃত প্রথম সারির একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং গুরুত্বপূর্ণ মূল ওষুধ। B) Etambutol — এটিও যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত অন্যতম প্রধান এবং নির্দিষ্ট অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ। C) INH — এটি আইসোনিয়াজিদ নামে পরিচিত এবং যক্ষ্মার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত অত্যন্ত কার্যকর প্রধান ওষুধ। D) Ceftriaxone — এটি সেফালোস্পোরিন গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিক যা যক্ষ্মার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - যক্ষ্মার প্রধান ওষুধগুলো মনে রাখতে রাইফেপ আইসোনিয়াজিদ ও ইথামবুটল নামটি মাথায় রাখতে পারো। - সেফট্রিয়াক্সন নামের অ্যান্টিবায়োটিক যক্ষ্মায় নয় বরং সেফালোস্পোরিন হিসেবে অন্য রোগে বেশি ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যক্ষ্মার ওষুধ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - যক্ষ্মা কোন ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয় এবং ডটস পদ্ধতি কী, তা ভালোভাবে জেনে রাখা জরুরি।
a Vitamin B1
b Vitamin B6
c Vitamin B12
d Vitamin E
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Vitamin E ১. কেন সঠিক: ভিটামিন ই হলো ফ্যাট সলিউবল বা চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। এটি মানবদেহের যকৃতে এবং চর্বিযুক্ত টিস্যুতে জমা থাকে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: দ্রবণীয়তার ওপর ভিত্তি করে ভিটামিন প্রধানত দুই প্রকার যেমন চর্বিতে দ্রবণীয় এবং পানিতে দ্রবণীয়। ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে হলো চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা জলীয় মাধ্যমে দ্রবীভূত হয় না। কার্যপ্রণালি: এই ভিটামিনগুলো অন্ত্র থেকে চর্বির সঙ্গে শোষিত হয় এবং লিপিড প্রোটিনের মাধ্যমে রক্তে পরিবাহিত হয়। শরীরে অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত ভিটামিন সঞ্চিত থাকতে পারে বিধায় এদের অতিমাত্রায় গ্রহণ বিষাক্ততা তৈরি করতে পারে। বাস্তব প্রয়োগ: ভিটামিন ই একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে যা কোষের ঝিল্লি রক্ষা করে এবং ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যমুখী তেল এবং বাদাম ব্যাখ্যা: উদ্ভিদভিত্তিক তেল ও বাদামে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই থাকে যা চর্বির মাধ্যমে শরীরে শোষিত হয়। উদাহরণ ২: ডিমের কুসুম এবং মাখন ব্যাখ্যা: প্রাণিজ চর্বিতে ভিটামিন ই এবং অন্যান্য ফ্যাট সলিউবল ভিটামিন সঞ্চিত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vitamin B1 — এটি থায়ামিন এবং পানিয় বা পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিনের অন্তর্ভুক্ত। B) Vitamin B6 — এটি পাইরিডক্সিন এবং পানিয় বা পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিনের অন্তর্ভুক্ত। C) Vitamin B12 — এটি সায়ানোকোবালামিন এবং পানিয় বা পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিনের অন্তর্ভুক্ত। D) Vitamin E — এটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলো মনে রাখার সহজ শব্দ হলো কিকাডা বা ইংরেজিতে কেডিইএ, অর্থাৎ ভিটামিন কে, ভিটামিন ই, ভিটামিন ডি এবং ভিটামিন এ হলো ফ্যাট সলিউবল। বাকি সব ভিটামিন বিশেষ করে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এবং ভিটামিন সি হলো পানিতে দ্রবণীয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ফ্যাট সলিউবল এবং ওয়াটার সলিউবল ভিটামিন আলাদা করতে বলা হয়। ভিটামিন সি এবং বি কমপ্লেক্স পানিতে দ্রবীভূত হয় বলে মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়, তাই এদের প্রতিদিন গ্রহণ করতে হয়।
a Cretinine
b Glucose
c Amino acid
d Cholesterol
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Cretinine ১. কেন সঠিক: কিডনি মানবদেহের প্রধান ফিল্টার হিসেবে কাজ করে এবং রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ ছেঁকে মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেয়। কিডনি বিকল হলে এই পরিস্রাবণ প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়, ফলে রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ক্রিয়েটিনিন হলো পেশির স্বাভাবিক বিপাক ক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন একটি বর্জ্য পদার্থ যা কিডনির মাধ্যমে শরীর থেকে নিষ্কাশিত হয়। কার্যপ্রণালি: সুস্থ কিডনি প্রতিদিন গ্লোমেরুলার ফিল্ট্রেশন রেট বা জিএফআর প্রক্রিয়ায় রক্ত ছেঁকে ক্রিয়েটিনিন পরিষ্কার করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রক্ত পরীক্ষায় সিরাম ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা দুই মিলিগ্রাম প্রতি ডেসিলিটারের বেশি পাওয়া গেলে কিডনি রোগের আশঙ্কা করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি নির্দেশ করে কিডনি তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারাচ্ছে এবং বর্জ্য পদার্থ জমছে। উদাহরণ ২: ডায়ালিসিস চিকিৎসা। ব্যাখ্যা: কিডনি পুরোপুরি বিকল হলে কৃত্রিম উপায়ে রক্ত পরিষ্কার করতে হয় যাতে ক্রিয়েটিনিনের মতো বর্জ্য জমতে না পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cretinine — এটি সঠিক কারণ কিডনি অকার্যকর হলে এই নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থ রক্তে জমা হতে থাকে। B) Glucose — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ গ্লুকোজ হলো শক্তির উৎস এবং এটি কিডনি বিকল হওয়ার কারণে রক্তে বাড়ে না, বরং ডায়াবেটিসে বাড়ে। C) Amino acid — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ অ্যামিনো এসিড হলো প্রোটিনের একক এবং এটি রক্তে সরাসরি বর্জ্য হিসেবে জমে না। D) Cholesterol — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ কোলেস্টেরল একধরনের লিপিড যা চর্বি জাতীয় খাদ্যের সাথে সম্পর্কিত এবং হৃদরোগের ঝূঁকি বাড়ায়। ৫ মনে রাখার টিপস: কিডনি নষ্ট ক্রিয়েটিনিন স্পষ্ট। রক্তে বর্জ্য বাড়লে ক্রিয়েটিনিনের নাম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তে ক্রিয়েটিনিনের পরিমাণ পরিমাপ করে কিডনির কার্যকারিতা নিশ্চিত করা হয়। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে ইউরিয়া বা ইউরিক এসিডের মাত্রা কিডনি বিকল হলে বাড়ে কি না।
a Dysmenorrhea
b Oligomenorrhea
c Menorrhagia
d Amenorrhea
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Menorrhagia ১. কেন সঠিক: - মাসিকের সময় স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা দীর্ঘস্থায়ী রক্তপাত হওয়াকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় মেনোরেজিয়া বলা হয়। - এটি নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ জটিলতা যা দৈনন্দিন কার্যক্ষমতাকে ব্যাহত করতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মেনোরেজিয়া এমন একটি ঋতুস্রাবজনিত সমস্যা যেখানে রক্তপাতের পরিমাণ আশি মিলিলিটারের বেশি হয় অথবা সময় সাত দিনের বেশি স্থায়ী হয়। - কারণ ও ফলাফল: জরায়ুতে ফাইব্রয়েড টিউবাইল, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা অথবা জন্ম নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতির কারণে এই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে পারে এবং এর ফলে শরীরে রক্তাল্পতা দেখা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো নারীর মাসিকের সময় প্রতি এক বা দুই ঘণ্টা পর পর স্যানিটারি প্যাড পরিবর্তন করতে বাধ্য হওয়া। ব্যাখ্যা: এটি মেনোরেজিয়ার তীব্রতার একটি স্পষ্ট লক্ষণ যা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে শরীর দুর্বল হয়ে যাওয়া এবং মাথা ঘোরানো। ব্যাখ্যা: এটি রক্তাল্পতার লক্ষণ যা দীর্ঘস্থায়ী মেনোরেজিয়ার সরাসরি পরিণতি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dysmenorrhea — এটি মাসিকের সময় তীব্র পেটে ব্যথা বা ক্র্যাম্প হওয়ার অবস্থাকে বোঝায়, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ নয়। B) Oligomenorrhea — এটি অনিয়মিত বা খুব কম মাত্রায় মাসিক হওয়াকে নির্দেশ করে, যা মেনোরেজিয়ার ঠিক বিপরীত। C) Menorrhagia — এটি অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের সঠিক চিকিৎসাগত পরিভাষা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। D) Amenorrhea — এটি মাসিক সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়া বা দীর্ঘদিন বন্ধ থাকাকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মেনোরেজিয়া শব্দটিতে বড় বা অতিরিক্ত বোঝাতে এমন একটি মূল রয়েছে যা ভারী রক্তপাতকে মনে করিয়ে দেয়। - আমেনোরিয়া শব্দের শুরুতে এ যুক্ত হয়ে মাসিক না হওয়া বা বন্ধ অবস্থাকে বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই ধরনের চিকিৎসাবিজ্ঞান সংক্রান্ত পরিভাষা থেকে বিসিএস এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - বিভিন্ন ঋতুস্রাবজনিত সমস্যার বৈজ্ঞানিক নামগুলো আলাদা করে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি।
a Leprosy
b Tuberculosis
c Food poisoning
d Tetanus
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Tuberculosis ১. কেন সঠিক: AFB পরীক্ষার পূর্ণরূপ হলো অ্যাসিড ফাস্ট ব্যাসিলাই টেস্ট যা মূলত যক্ষ্মা বা টিউবারকুলোসিস রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। এই পরীক্ষায় কফ বা শরীরের অন্যান্য নমুনার মধ্যে যক্ষ্মার জীবাণু উপস্থিত কি না তা অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে শনাক্ত করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: যক্ষ্মা একটি সংক্রামক রোগ যা মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে ফুসফুস ও অন্যান্য অঙ্গে আক্রমণ করে। কার্যপ্রণালি: রোগীর কফ বিশেষ রঞ্জক দিয়ে প্রস্তুত করে অ্যাসিডের সাহায্যে ধোয়া হয় এবং ব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া রঙের পরিবর্তন ধরে রাখতে পারলে তাকে অ্যাসিড ফাস্ট বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফুসফুসের যক্ষ্মা সন্দেহভাজন রোগীর কফ পরীক্ষা করে এই পরীক্ষার মাধ্যমে খুব দ্রুত ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি চিকিৎসকদের সঠিক সময়ে সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক বা যক্ষ্মা প্রতিরোধী ওষুধ নির্বাচন করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: শরীরের ফুসফুস ছাড়াও লিম্ফ নোড বা হাড়ের যক্ষ্মা নির্ণয়েও এই পরীক্ষার কার্যকারিতা প্রমাণিত। ব্যাখ্যা: এটি অণুজীববিজ্ঞানের একটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ডায়াগনস্টিক পদ্ধতি যা সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Leprosy — কুষ্ঠ রোগ নির্ণয়ের জন্য ত্বক বা স্নায়ুর টিস্যু বায়োপসি এবং স্লিট স্কিন স্মিয়ার পরীক্ষা করা হয়। B) Tuberculosis — এই অপশনটি সঠিক কারণ AFB পরীক্ষার মাধ্যমে প্রধানত যক্ষ্মার জীবাণু শনাক্ত করা হয়। C) Food poisoning — খাদ্যে বিষক্রিয়া নির্ণয়ে সাধারণত মলের নমুনা বা খাদ্যের অবশিষ্টাংশ কালচার করা হয়। D) Tetanus — ধনুষ্টংকার বা টিটানাস মূলত ক্লিনিক্যাল লক্ষণ দেখে নির্ণয় করা হয় এবং এর জন্য কোনো নির্দিষ্ট রুটিন স্মিয়ার পরীক্ষা নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: AFB শব্দের সাথে টিউবারকুলোসিস বা যক্ষ্মার সম্পর্ক মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে যে যক্ষ্মার জীবাণু অ্যাসিড প্রতিরোধী হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যক্ষ্মা রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার নাম প্রায়ই আসে, তাই মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস নামটি মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রোগ নির্ণয়ের বিভিন্ন পরীক্ষা যেমন উইডাল টেস্ট বা ওয়াসারম্যান টেস্ট সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। এই প্রশ্নটি থেকে যক্ষ্মার জীবাণুর নাম এবং রোগ নির্ণয়ের মাধ্যম সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা লাভ করা যায়।
a Deoxyribonuclease acid
b Deoxyribonucleic acid
c Deocyribonucleik acid
d None of these
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Deoxyribonucleic acid ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড, যা জীবের বংশগতি ও বৈশিষ্ট্যের মূল ধারক হিসেবে কাজ করে। - এটি নিউক্লিক অ্যাসিডের একটি প্রকার যা কোষের নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজোমের ভেতরে অবস্থান করে এবং সমস্ত জৈবিক তথ্য সংরক্ষণ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড হলো একটি জটিল জৈব অণু যা ডাবল হেলিক্স বা দ্বি-সূত্রক কাঠামোগতভাবে গঠিত। - কার্যপ্রণালি: এটি নাইট্রোজেন ঘটিত ক্ষারক, পেন্টোজ শর্করা এবং ফসফেট গ্রুপের সমন্বয়ে গঠিত হয়ে বংশগতির বার্তা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: অপরাধ বিজ্ঞান বা ফরেনসিক পরীক্ষায় অপরাধী শনাক্তকরণ এবং পিতৃত্ব নির্ণয়ে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের আঙুলের ছাপ বা ডিএনএ প্রোফাইলিং। ব্যাখ্যা: প্রতিটি মানুষের ডিএনএ এর বিন্যাস ভিন্ন হওয়ার কারণে এটি অপরাধী শনাক্তে শতভাগ নিখুঁত প্রমাণ হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: বাবা-মায়ের শারীরিক বৈশিষ্ট্য সন্তানের মধ্যে প্রকাশ পাওয়া। ব্যাখ্যা: জিনের মাধ্যমে পিতা-মাতা থেকে সন্তানের কোষে ডিএনএ স্থানান্তরিত হওয়ার কারণে চুল, চোখ বা ত্বকের রং মিল পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Deoxyribonuclease acid — এটি ভুল কারণ ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিয়েজ হলো একটি উৎসেচক বা এনজাইম যা ডিএনএ ভাঙতে সাহায্য করে, কোনো অ্যাসিড বা বংশগত উপাদান নয়। B) Deoxyribonucleic acid — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড হলো সেই জাঁকজমকপূর্ণ জৈব অণু যা জীবের সমস্ত জেনেটিক তথ্য সংরক্ষণ করে। C) Deocyribonucleik acid — এটি ভুল বানান বা টার্ম কারণ এখানে ডিঅক্সি এবং নিউক্লিক শব্দের বানান ভুলভাবে লেখা হয়েছে। D) None of these — এটি ভুল কারণ সঠিক অপশনটি তালিকায় বিদ্যমান রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডিএনএ কথাটি ভাঙলে পাওয়া যায় ডিঅক্সি (একটি অক্সিজেন কম শর্করা), রাইবো (রাইবোজ শর্করা) এবং নিউক্লিক অ্যাসিড (নিউক্লিয়াসে থাকা অম্লীয় পদার্থ)। - এই তিনটি অংশ মিলিয়েই এর পূর্ণাঙ্গ নাম ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড মনে রাখা সহজ হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ডিএনএ এবং আরএনএ এর পূর্ণরূপ বা কাজের পার্থক্য সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। - এখান থেকে জেমস ওয়াটসন ও ফ্রান্সিস ক্রিক আবিষ্কৃত ডিএনএর ডাবল হেলিক্স মডেল সম্পর্কিত প্রশ্নও খুব গুরুত্বপূর্ণ।
a Planned incision of the perineum at posterior vaginal wall
b Planned incision of uterus
c Unplanned incision of uterus
d Planned incision of rectum
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Planned incision of the perineum at posterior vaginal wall ১. কেন সঠিক: - প্রসবের সময় জরায়ুর মুখ দিয়ে শিশু সহজে বের হওয়ার জন্য যোনির পেছনের দেওয়ালের পেরিনিয়ামে এই সার্জিক্যাল কাট বা ক্ষত তৈরি করা হয়। - প্রসবের সময় টিস্যু অতিরিক্ত প্রসারিত হয়ে ছিঁড়ে যাওয়া রোধ করতে এবং চিকিৎসকের কাজের সুবিধা করতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পেরিনিয়ামের যে অংশে কাট করা হয় তাকে পেরিনিয়টমি বলা হয়, যা নরম টিস্যুর ছিঁড়ে যাওয়া রোধ করে। - কার্যপ্রণালি: প্রসবের শেষ পর্যায়ে বা এক্সপলসিভ স্টেজে স্থানীয় অ্যানেস্থেসিয়া দিয়ে এই ছোট অস্ত্রোপচার করা হয়। - কারণ ও ফলাফল: এর ফলে প্রসব পথ প্রশস্ত হয় এবং শিশুর মাথা বা শরীর সহজে ও নিরাপদে বেরিয়ে আসতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম সন্তান প্রসবের সময় যোনির পথ সংকীর্ণ থাকলে চিকিৎসকরা এই পদ্ধতি বেছে নেন। ব্যাখ্যা: এটি টিস্যুর অনিয়ন্ত্রিত ছিঁড়ে যাওয়া রোধ করে এবং দ্রুত সেলাই করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: শিশুর মাথা আকারে বড় হলে বা প্রসব দ্রুত করার প্রয়োজন হলে এটি করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি প্রসবজনিত জটিলতা ও শিশুর অক্সিজেন স্বল্পতার ঝুঁকি কমায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Planned incision of the perineum at posterior vaginal wall — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রসবের সময় পেরিনিয়ামে কাটার সঠিক চিকিৎসাগত সংজ্ঞা। B) Planned incision of uterus — জরায়ুতে সার্জিক্যাল কাট করার পদ্ধতিকে সিস্টারোটমি বা সিজারিয়ান সেকশন বলা হয়, পেরিনিয়টমি নয়। C) Unplanned incision of uterus — জরায়ুতে কোনো অনিয়ন্ত্রিত বা দুর্ঘটনাজনিত কাটা প্রসবের স্বাভাবিক চিকিৎসাপদ্ধতি নয়। D) Planned incision of rectum — মলাশয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো অস্ত্রোপচার প্রসবের সময় করা হয় না, এটি সম্পূর্ণ আলাদা চিকিৎসা ক্ষেত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: - এপিজিয়োটমি শব্দটির ভেতরে পেরিনিয়ামের সাথে যুক্ত যোনির পেছনের অংশ কাটার বিষয়টি মনে রাখতে হবে। - সিজারের সাথে এটিকে গুলিয়ে ফেলা যাবে না কারণ সিজার জরায়ুর সাথে সম্পর্কিত আর এটি যোনিপথের সাথে সম্পর্কিত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই পদ্ধতি প্রসবকালীন জটিলতা কমাতে বিশ্বব্যাপী বহুল ব্যবহৃত একটি সার্জিক্যাল ইন্টারভেনশন। - প্রসবের পর এই ক্ষত সাধারণত স্বাভাবিক উপায়ে বা শোষিত সুতা দিয়ে সেলাই করে দ্রুত মিলিয়ে দেওয়া হয়।
a Ilium
b Cramium
c Sternum
d Vertebra
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Sternum ১. কেন সঠিক: - বুকের মাঝখানের বা বক্ষঃপিঞ্জরের সামনের মধ্যবর্তী লম্বা ও ফ্ল্যাট অস্থিটির নাম স্টার্নাম। - এটি আমাদের ফুসফুস ও হৃদপিণ্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ কোমল অঙ্গগুলোকে রক্ষা করে এবং পঞ্জরাস্থির সাথে যুক্ত থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: স্টার্নাম হলো মানবদেহের বক্ষদেশের অগ্রভাগের মধ্যবর্তী একটি চ্যাপ্টা অস্থি, যা বাংলায় বক্ষাস্থি নামে পরিচিত। - কার্যপ্রণালি: এটি পাজরের প্রথম সাত জোড়া অস্থির সাথে তরুণাস্থির মাধ্যমে যুক্ত থেকে একটি শক্তিশালী বক্ষপিঞ্জর বা কেজ তৈরি করে। - বাস্তব প্রয়োগ: কোনো কারণে বুকে আঘাত লাগলে স্টার্নাম সেই আঘাত থেকে সরাসরি ফুসফুস ও হৃদপিণ্ডকে রক্ষা করতে ঢাল হিসেবে কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হঠাৎ বুকে কোনো ভারী জিনিস পড়লে বা আঘাত পেলে স্টার্নাম অস্থি সেই ধাক্কা শোষণ করে। ব্যাখ্যা: এর শক্ত ও চ্যাপ্টা কাঠামোর কারণে ভেতরের সংবেদনশীল অঙ্গগুলো সুরক্ষিত থাকে। উদাহরণ ২: সিপিআর বা হৃদযন্ত্র সচল করার প্রাথমিক চিকিৎসায় চিকিৎসকরা বুকের মাঝখানে চাপ দেন। ব্যাখ্যা: এই চাপের কেন্দ্রবিন্দু হলো স্টার্নাম অস্থি, যা বুকের ভেতরে থাকা হৃদপিণ্ডে চাপ প্রয়োগ করে রক্ত চলাচল সচল রাখতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ilium — এটি শ্রোণীচক্র বা পেলভিক গার্ডেলের অংশ বিশেষ, যা নিতম্বের গঠনে সাহায্য করে এবং বুকের মাঝখানের অস্থি নয়। B) Cramium — এটি বানান ভুলযুক্ত অপশন, মূল শব্দ ক্রেনিয়াম বা কপাল ও মাথার খুলির অস্থি বোঝায় যা মস্তিষ্কের সুরক্ষা দেয়। C) Sternum — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বুকের মাঝখানের নির্দিষ্ট ও একমাত্র অস্থি। D) Vertebra — এটি মেরুদণ্ডের একটি একক কশেরুকাকে বোঝায়, যা পিঠের পেছন দিকে থাকে এবং বুকের সামনে নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বুকের সামনে থাকে স্টার্নাম, এস দিয়ে শুরু শব্দটিকে স্টার্ট বা সামনে হিসেবে মনে রাখতে পারো। - মেরুদণ্ডের হাড় হলো ভার্টিব্রা এবং মাথার খুলি হলো ক্রেনিয়াম, যা বুক থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবদেহের বক্ষপিঞ্জরে পাজরের সংখ্যা বারো জোড়া এবং স্টার্নামের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে প্রথম সাত জোড়া। - এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্র বা অস্থি সংক্রান্ত অধ্যায় থেকে বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a Tetracteline
b Ampicillin
c Gentamycine
d Ciprofloxacin
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Ampicillin ১. কেন সঠিক: - অ্যামপিসিলিন হলো পেনিসিলিন পরিবারের একটি অ্যান্টিবায়োটিক যা গর্ভকালীন সময়ে ব্যবহারের জন্য নিরাপদ হিসেবে অনুমোদিত। - এটি গর্ভস্থ ভ্রূণের ওপর কোনো ক্ষতিকর বা তেরাটোজেনিক প্রভাব ফেলে না বলে চিকিৎসাবিজ্ঞানে স্বীকৃত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: গর্ভাবস্থায় ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধগুলোর ভ্রূণের ওপর নিরাপত্তার মাত্রা বিবেচনা করা হয়। - কার্যপ্রণালি: অ্যামপিসিলিন ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীর সংশ্লেষণ বাধাগ্রস্ত করে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে এবং প্লাসেন্টা পার হলেও ভ্রূণের ক্ষতির ঝুঁকি থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গর্ভাবস্থায় মূত্রনালীর সংক্রমণ বা ইউটিআই চিকিৎসায় অ্যামপিসিলিন নিরাপদে ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি মায়ের সংক্রমণ দূর করে কিন্তু গর্ভস্থ সন্তানের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে বাধা দেয় না। উদাহরণ ২: শ্বাসতন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াজনিত প্রদাহ সারাতেও চিকিৎসকরা এই অ্যান্টিবায়োটিক বেছে নেন। ব্যাখ্যা: এটি নিরাপদ হওয়ায় মা ও শিশু উভয়েই সুরক্ষিত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tetracteline — এটি টেট্রাসাইক্লিন গোত্রভুক্ত এবং গর্ভকালে এটি ব্যবহার করলে শিশুর দাঁতের স্থায়ী ক্ষতি ও হাড়ের বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে। B) Ampicillin — এটি গর্ভাবস্থায় সম্পূর্ণ নিরাপদ অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক অনুমোদিত। C) Gentamycine — এটি আমিনোগ্লাইকোসাইড গোত্রের এবং অধিকমাত্রায় ব্যবহারে গর্ভস্থ শিশুর শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। D) Ciprofloxacin — এটি ফ্লুরোকুইনোলন গোত্রের অ্যান্টিবায়োটিক যা গর্ভকালে তরুণাস্থির বৃদ্ধিতে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। ৫ মনে রাখার টিপস: - গর্ভে মায়ের সাথে সন্তানের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পেনিসিলিন বা অ্যামপিসিলিন জাতীয় নিরাপদ অ্যান্টিবায়োটিক মনে রাখা সহজ। - টেট্রাসাইক্লিন ও সিপ্রোফ্লক্সাসিন গর্ভকালে বর্জনীয়, এই দুটি নাম সবসময় এড়িয়ে চলতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা মেডিকেল পরীক্ষার জন্য নিরাপদ ও গর্ভকালে নিষিদ্ধ অ্যান্টিবায়োটিকের তালিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই প্রশ্নটি থেকে গর্ভকালীন ফার্মাকোলজি এবং ভ্রূণের ওপর ওষুধের প্রভাব সম্পর্কিত অন্য এমসিকিউ কমন পাওয়া যায়।
a > 15
b > 30
c > 24
d > 20
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) > 30 ১. কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী শরীরের ওজন এবং উচ্চতার অনুপাতে স্থূলতা বা ওবেসিটি নির্ধারণের মাপকাঠি হলো বিএমআই। - কোনো ব্যক্তির বিএমআই সূচক ত্রিশের বেশি হলে তাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় স্থূল বা ওবেস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বিএমআই বা বডি মাস ইনডেক্স হলো মানুষের দেহের ভর এবং উচ্চতার একটি অনুপাত যা শরীর অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত কি না তা নির্দেশ করে। - সূত্র বা তত্ত্ব: বিএমআই নির্ণয়ের সূত্রটি হলো ব্যক্তির ওজন কেজিতে ভাগ উচ্চতা মিটারে স্কয়ার। - কার্যপ্রণালি: ওজনকে উচ্চতার বর্গ দিয়ে ভাগ করার পর যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তা নির্দিষ্ট সীমার সাথে তুলনা করে শরীরের গঠন মাপা হয়। - কারণ ও ফলাফল: শরীরের চর্বি মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি পেলে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো মারাত্মক রোগের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন ব্যক্তির ওজন ৯০ কেজি এবং উচ্চতা ১.৭ মিটার হলে তার বিএমআই ত্রিশের বেশি হয় যা স্থূলতার লক্ষণ। ব্যাখ্যা: এই উচ্চতার সাপেক্ষে অতিরিক্ত ওজন তার শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমার উপস্থিতি প্রমাণ করে। উদাহরণ ২: স্বাভাবিক ওজনের একজন মানুষের উচ্চতা ১.৬ মিটার এবং ওজন ৬০ কেজি হলে তার বিএমআই চব্বিশের কাছাকাছি থাকে। ব্যাখ্যা: এই মানটি সুস্থ শরীরের স্বাভাবিক ওজনের সীমার মধ্যে অবস্থান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) > 15 — পনেরোর কম বিএমআই অত্যন্ত অপুষ্টি বা ক্ষুধামন্দার লক্ষণ নির্দেশ করে এবং এটি স্থূলতার মাপকাঠি নয়। B) > 30 — এই মানটি স্থূলতা বা ওবেসিটি নির্দেশ করার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং সঠিক উত্তর। C) > 24 — চব্বিশের বেশি মান অতিরিক্ত ওজন বা ওভারওয়েট নির্দেশ করে কিন্তু তা ওবেসিটি বা স্থূলতা নয়। D) > 20 — কুড়ির বেশি মান সাধারণত স্বাভাবিক ওজনের সুস্থ সীমার মধ্যে গণ্য করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিএমআই স্কেলে আঠারো থেকে চব্বিশ হলো স্বাভাবিক, পঁচিশ থেকে উনত্রিশ হলো অতিরিক্ত ওজন এবং ত্রিশের বেশি হলো স্থূলতা। - এই ক্রমানুসারে সংখ্যাগুলো মনে রাখলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিএমআই নির্ণয়ের সঠিক সূত্রটি অনেক সময় সরাসরি নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন হিসেবে আসে। - স্থূলতা পরিমাপের এই বৈজ্ঞানিক সূচকটি স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও পুষ্টিবিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট প্রশ্নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a Polio vaccine
b MMR vaccine
c BCG vaccine
d DPT vaccine
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) BCG vaccine ১. কেন সঠিক: BCG টিকা নবজাতককে জন্মগ্রহণের পরপরই বা যতো দ্রুত সম্ভব প্রদান করা হয়। এটি মূলত যক্ষ্মা বা টিবি রোগ প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর প্রথম টিকা হিসেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সুপারিশ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: টিকাকরণ হলো মৃত বা দুর্বল জীবাণু শরীরে প্রবেশ করিয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করার একটি বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া। কার্যপ্রণালি: BCG টিকার মূল উপাদান হলো ব্যাসিলাস ক্যালমেট গুয়েরিন যা যক্ষ্মার জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়তে মানবদেহের শ্বেত রক্তকণিকাকে সক্রিয় করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নবজাতক হাসপাতালে জন্ম নেওয়ার পর পরই তার বাম কাঁধে BCG টিকা দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: এটি শিশুটির শরীরে জন্ম থেকেই যক্ষ্মার বিরুদ্ধে সুরক্ষা বলয় তৈরি করে। উদাহরণ ২: যক্ষ্মা রোগীর সংস্পর্শে আসা সুস্থ শিশুদেরও অনেক সময় পুনরায় এই টিকা দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: এটি রোগজীবাণুর আক্রমণ প্রতিহত করতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Polio vaccine — এটি পোলিও রোগ প্রতিরোধের জন্য খাওয়াতে হয় এবং এটি জন্মের সময় বা নির্ধারিত শিডিউল অনুযায়ী দেওয়া হয়। B) MMR vaccine — এটি হাম, গালপাদুয়া এবং রুবেলা প্রতিরোধের টিকা যা সাধারণত শিশুর নয় মাস বা তার বেশি বয়সে দেওয়া হয়। C) BCG vaccine — এটি সঠিক উত্তর এবং শিশুদের টিকাদান কর্মসূচির একদম শুরুতে এটি প্রদান করা হয়। D) DPT vaccine — এটি ডিপথেরিয়া, পার্টুসিস বা হুপিং কাশি এবং টিটানাস প্রতিরোধের টিকা যা জন্মের দেড় মাস পর থেকে শুরু হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: শিশুর জন্মের পর সবার আগে যে টিকা কাঁধে ফোঁটা ফেলে দাগ তৈরি করে তা হলো বিজিসি বা BCG। এটি মনে রাখার জন্য শিশুর জন্ম এবং বিজিসি অক্ষর দুটি একসাথে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: BCG টিকার পূর্ণরূপ হলো ব্যাসিলাস ক্যালমেট গুয়েরিন এবং এটি যক্ষ্মা রোগ প্রতিরোধের জন্য ব্যবহৃত হয়। বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই নবজাতকের প্রথম টিকা কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়।
a Neurogenic shock
b Hypovolemic shock
c Cardiogenic shock
d কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Hypovolemic shock ১. কেন সঠিক: - মানবদেহে অতিরিক্ত রক্তপাত বা তরল পদার্থের মারাত্মক ঘাটতি হলে হাইপোভলেমিস শক দেখা দেয়। - রক্তচাপ হঠাৎ কমে গিয়ে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে রক্ত ও অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: হাইপোভলেমিস শক হলো এমন এক অবস্থা যখন রক্তনালীতে পর্যাপ্ত পরিমাণ রক্ত বা তরল থাকে না। - কার্যপ্রণালি: রক্তক্ষরণের ফলে হৃদপিণ্ডে রক্তের পরিমাণ কমে যায়, ফলে কার্ডিয়াক আউটপুট হ্রাস পায় এবং কোষগুলো অক্সিজেন পায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সড়ক দুর্ঘটনায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে রক্তচাপ দ্রুত কমে গিয়ে হাইপোভলেমিস শক সৃষ্টি হয়। উদাহরণ ২: মারাত্মক ডায়রিয়া বা বমির ফলে পানিশূন্যতা। ব্যাখ্যা: শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় অংশ বের হয়ে গেলেও এই ধরনের শক হতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Neurogenic shock — স্নায়ুতন্ত্রের আঘাত বা সুষ্প্নাকাণ্ডের ক্ষতির কারণে এটি ঘটে, রক্তক্ষরণের কারণে নয়। B) Hypovolemic shock — এটি অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা তরল হ্রাসের ফলে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত। C) Cardiogenic shock — হৃদপিণ্ডের পাম্প করার ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণে এই শকের সৃষ্টি হয়। D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - হাইপো শব্দের অর্থ কম এবং ভলিউম শব্দের অর্থ পরিমাণ, অর্থাৎ রক্ত বা তরলের পরিমাণ কমে যাওয়া। - রক্তক্ষরণ বা তরল কমলে যে শক হয়, তাকে হাইপোভলেমিস শক বলে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ট্রমা বা দুর্ঘটনার রোগীদের ক্ষেত্রে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ এই হাইপোভলেমিস শক। - এই ধরনের প্রশ্নে শকের প্রকারভেদ ও তার কারণগুলো ভালোভাবে পড়ে যাওয়া উচিত।
a < 11gm/ dl
b < 11.5 gm/ dl
c < 12 gm/ dl
d < 12.5 gm/ dl
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) < 11gm/ dl ১. কেন সঠিক: গর্ভবতী মহিলাদের রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ১১ গ্রাম প্রতি ডেসিলাইটারের নিচে নেমে গেলে তাকে রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া বলা হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী গর্ভাবস্থায় এই নির্দিষ্ট মাত্রাটি স্বাস্থ্যঝুঁকি নির্ধারণের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: হিমোগ্লোবিন হলো লোহিত রক্তকণিকায় অবস্থিত একটি লৌহঘটিত প্রোটিন যা ফুসফুস থেকে শরীরের সব কোষে অক্সিজেন পরিবহন করে। কার্যপ্রণালি: গর্ভাবস্থায় নারীর শরীরে প্লাজমার পরিমাণ প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পায় কিন্তু লোহিত রক্তকণিকার পরিমাণ সে তুলনায় কম বাড়ে। কারণ ও ফলাফল: রক্তে তরল অংশের পরিমাণ বেশি হওয়ায় হিমোগ্লোবিনের ঘনত্ব সাময়িকভাবে কমে যায় এবং এর মাত্রা ১১ এর নিচে গেলে টিস্যুতে অক্সিজেন সরবরাহ ব্যাহত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত ক্লান্তিবোধ করা এবং সামান্য পরিশ্রমে হাঁপিয়ে ওঠা। ব্যাখ্যা: হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ১১ গ্রামের নিচে নামলে পর্যাপ্ত অক্সিজেন কোষে পৌঁছাতে পারে না ফলে শরীর শক্তি উৎপাদন করতে ব্যর্থ হয়। উদাহরণ ২: গর্ভাবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শে আয়রন বা ফলিক অ্যাসিডের সুনির্দিষ্ট মাত্রার সম্পূরক গ্রহণ করা। ব্যাখ্যা: এটি রক্তে হিমোগ্লোবিনের উৎপাদন বাড়াতে এবং অ্যানিমিয়ার ঝুঁকি কমাতে সরাসরি সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) < 11gm/ dl — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী গর্ভাবস্থায় অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতার চিকিৎসাগতভাবে স্বীকৃত সঠিক সীমানা। B) < 11.5 gm/ dl — এই মানটি সাধারণত গর্ভাবস্থার প্রথম বা তৃতীয় ত্রৈমাসিকের সাধারণ মান থেকে ভিন্ন এবং এটি এই ক্ষেত্রে সঠিক সূচক নয়। C) < 12 gm/ dl — এটি সাধারণ সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক অ-গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে অ্যানিমিয়া নির্ণয়ের আদর্শ মান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) < 12.5 gm/ dl — এই মানটি গর্ভাবস্থার জন্য প্রযোজ্য নয় বরং এটি সাধারণত প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষদের রক্তাল্পতার সর্বনিম্ন স্বাভাবিক সীমা নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: গর্ভবতী মায়ের নাম মনে রাখতে পারেন ইংরেজি জি অক্ষর দিয়ে এবং সাধারণ নারীর ক্ষেত্রে সংখ্যাটি ১২ আর গর্ভবতী হলে এক পয়েন্ট কমে ১১ হয়। গর্ভবতী মানেই শরীর একটু ভারী এবং রক্তের পরিমাপ ভিন্ন তাই কাটতি সংখ্যাটি ১১ গ্রাম প্রতি ডেসিলাইটার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে হিমোগ্লোবিনের সাধারণ মান নারীদের ক্ষেত্রে ১২ থেকে ১৫ গ্রাম প্রতি ডেসিলাইটার। একই প্রশ্ন ভিন্নভাবে আসতে পারে যেখানে সাধারণ প্রাপ্তবয়স্ক নারীর অ্যানিমিয়া বা পুরুষের অ্যানিমিয়ার মাত্রা জিজ্ঞেস করা হতে পারে।
a সংক্রমণ প্রতিরোধ
b pH রক্তে নির্ধারণ করা
c রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা d) O₂ পরিবহন
d কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা ১. কেন সঠিক: - রক্তের অণুচক্রিকা বা প্লাটিলেটের প্রধান কাজ হলো কাটা স্থানে রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা। - এটি রক্তপাতের হাত থেকে দেহকে রক্ষা করতে থ্রম্বোপ্লাস্টিন নামক পদার্থ তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: প্লাটিলেট হলো রক্তরসের মধ্যে ভাসমান ক্ষুদ্র নিউক্লিয়াসহীন কোষখণ্ড। - কার্যপ্রণালি: রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হলে প্লাটিলেট ভেঙে ফাইব্রিন জালিকা তৈরি করে রক্ত জমাট বাঁধায়। - বাস্তব প্রয়োগ: হাত কেটে গেলে রক্ত জমাট বেঁধে রক্তক্ষরণ বন্ধ করা প্লাটিলেটের কাজ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রান্না করার সময় আঙুল কেটে গেলে কিছুক্ষণ চেপে ধরলে রক্ত বন্ধ হয়। ব্যাখ্যা: প্লাটিলেট সক্রিয় হয়ে ওই স্থানে রক্ত জমাট বাঁধায়। উদাহরণ ২: অস্ত্রোপচারের পর রোগীর ক্ষতস্থান শুকানো। ব্যাখ্যা: প্লাটিলেটের উপস্থিতির কারণে অতিরিক্ত রক্তপাত রোধ হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংক্রমণ প্রতিরোধ — এটি মূলত শ্বেত রক্তকণিকার প্রধান কাজ। B) pH রক্তে নির্ধারণ করা — রক্তের pH মূলত বাফার সিস্টেম ও বৃক্ক নিয়ন্ত্রণ করে। D) O₂ পরিবহন — অক্সিজেন পরিবহন করা লোহিত রক্তকণিকার কাজ। D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: প্লাটিলেট মানেই পিতে পাতলা রক্ত জমাট বাঁধার পাহারাদার। এভাবে মনে রাখা যায় যে রক্ত জমাট বাঁধতে এটি সাহায্য করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্লাটিলেটের অপর নাম থ্রম্বোসাইট এবং এর প্রধান কাজ রক্ত জমাট বাঁধা। একই ধারণা থেকে প্লাটিলেটের আয়ুষ্কাল বা কমলে কী রোগ হয় সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
a এইচআইভি
b কালাজ্বর
c যক্ষ্মা
d হাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এইচআইভি ১. কেন সঠিক: - এইচআইভি ভাইরাস মানবদেহে প্রবেশ করে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি বা টি লিম্ফোসাইট কোষগুলোকে ধ্বংস করে ফেলে। - এর ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ক্রমান্বয়ে ভেঙে পড়ে এবং বিভিন্ন সংক্রামক রোগ সহজেই বাসা বাঁধতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: এইচআইভি হলো এক ধরনের রেট্রোভাইরাস যা মূলত সিডি ফোর পজিটিভ টি কোষ আক্রমণ করে সংখ্যাবৃদ্ধি করে। - কার্যপ্রণালি: ভাইরাসটি মানবদেহের শ্বেত রক্তকণিকায় প্রবেশ করে নিজের জেনেটিক উপাদান কোষের ডিএনএর সঙ্গে মিশিয়ে দিয়ে কোষগুলো ধ্বংস করে দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এইডস রোগীর সাধারণ সর্দি-কাশি থেকেও নিউমোনিয়া হতে পারে। ব্যাখ্যা: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পূর্ণ নষ্ট থাকায় সাধারণ জীবাণুও শরীরকে মারাত্মকভাবে আক্রমণ করে। উদাহরণ ২: আক্রান্ত মায়ের দুধ বা রক্তের মাধ্যমে সন্তানের দেহে এটি ছড়াতে পারে। ব্যাখ্যা: ভাইরাসটি মূলত সংক্রামিত রক্ত, বীর্য এবং মায়ের দুধের মতো শারীরিক তরলের মাধ্যমে ছড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এইচআইভি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সেই ভাইরাস যা নির্দিষ্ট এইডস রোগ সৃষ্টি করে এবং মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করে। B) কালাজ্বর — এটি লিশম্যানিয়া নামক প্রোটোজোয়া বা পরজীবীর কারণে হয়, যা স্যান্ডফ্লাই বা বেলেমাছির কামড়ে ছড়ায়। C) যক্ষ্মা — এটি মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে ফুসফুসে হওয়া রোগ। D) হাম — এটি প্যারামিক্সোভাইরাস নামক ভিন্ন একটি ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়ায় যা প্রধানত শিশুদের ত্বকে র‍্যাশ তৈরি করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - এইচআইভি ভাইরাসের পূর্ণরূপ হলো হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস। - মনে রাখবে এটি ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক নয়, এটি একটি বিশেষ ধরনের রেট্রোভাইরাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে এইচআইভি কোন ধরনের কোষকে আক্রমণ করে। - এই রোগ নির্ণয়ের জন্য এলিজা পরীক্ষা করা হয় এবং এটি মূলত শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে লক্ষ্য করে।
a Glycogen
b Starch
c Glucose
d Lactose
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Lactose ১. কেন সঠিক: দুধে যে প্রাকৃতিক শর্করা বা কার্বহাইড্রেট থাকে তাকে ল্যাকটোজ বলা হয়। এটি একটি ডাইস্যাকারাইড যা গ্যালাকটোজ এবং গ্লুকোজের সমন্বয়ে গঠিত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ল্যাকটোজ হলো এক ধরণের শর্করা যা স্তন্যপায়ী প্রাণীর দুধে পাওয়া যায় এবং এটি পরিপাকের জন্য ল্যাকটেজ এনজাইমের প্রয়োজন হয়। কার্যপ্রণালি: মানবদেহে অন্ত্রের ভেতরে ল্যাকটেজ এনজাইম ল্যাকটোজকে ভেঙে সরল শর্করা গ্লুকোজ ও গ্যালাকটোসে পরিণত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গরুর দুধ পান করার পর অনেকের পেটে গ্যাস বা সমস্যা হয়। ব্যাখ্যা: একে ল্যাকটোজ ইন্টলারেন্স বলে, কারণ তাদের দেহে ল্যাকটোজ ভাঙার জন্য পর্যাপ্ত ল্যাকটেজ এনজাইম থাকে না। উদাহরণ ২: দই বা ছানা তৈরির সময় ল্যাকটোজ ল্যাকটিক এসিডে পরিণত হয়। ব্যাখ্যা: ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবে ল্যাকটোজের গাঁজন প্রক্রিয়ায় এই পরিবর্তন ঘটে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Glycogen — এটি প্রাণিজ শর্করা বা পলিস্যাকচরাইড, যা মানবদেহের যকৃৎ ও পেশীতে সঞ্চিত থাকে। B) Starch — এটি উদ্ভিজ্জ শর্করা বা স্টার্চ, যা আলু ও চালে প্রধানত পাওয়া যায়। C) Glucose — এটি মনোস্যাকারাইড বা সরল শর্করা, যা রক্তের শর্করা নামে পরিচিত। D) Lactose — এটি সঠিক উত্তর এবং দুধে উপস্থিত প্রধান শর্করা। ৫ মনে রাখার টিপস: দুধের ইংরেজি প্রতিশব্দ ল্যাকটেম থেকে ল্যাকটোজ শব্দটি এসেছে, তাই দুধ মানেই ল্যাকটোজ। এটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সহজেই সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা সম্ভব হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্তন্যপায়ী প্রাণীর দুধে শর্করার শতকরা পরিমাণ প্রায় চার থেকে পাঁচ শতাংশ হয়ে থাকে। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় খাদ্য ও পুষ্টি অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a Glucagon
b Thyroxin
c Insulin
d Prolactin
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Insulin ১. কেন সঠিক: - অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বিটা কোষ থেকে উৎপাদিত ইনসুলিন হরমোনের ঘাটতি বা কার্যকারিতার অভাব ঘটলে ডায়াবেটিস রোগ হয়। - ইনসুলিন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষে গ্লুকোজ প্রবেশে সহায়তা করে, যার অভাবে রক্তে শর্করার পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ডায়াবেটিস মেলিটাস এমন একটি বিপাকীয় রোগ যেখানে শরীর পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না অথবা উৎপাদিত ইনসুলিন সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে না। - কার্যপ্রণালি: আমরা খাবার খাওয়ার পর শর্করা ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত হয় এবং রক্তে মিশে যায়, তখন ইনসুলিন হরমোন সেই গ্লুকোজকে দেহের কোষে শক্ত উৎপাদনের জন্য প্রবেশ করায়। - কারণ ও ফলাফল: ইনসুলিনের অভাবে গ্লুকোজ কোষে প্রবেশ করতে না পেরে রক্তে জমা হয়, ফলে বহুমূত্র বা ডায়াবেটিস দেখা দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদে কিডনি, চোখ ও স্নায়ুর ক্ষতি হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: ডায়াবেটিস রোগীদের নিয়মিত রক্তের শর্করা পরীক্ষা করতে হয় এবং প্রয়োজনে কৃত্রিম ইনসুলিন গ্রহণ বা খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে মিষ্টি খাওয়ার পর অগ্ন্যাশয় থেকে দ্রুত ইনসুলিন নিঃসৃত হয়ে রক্তের গ্লুকোজ স্বাভাবিক মাত্রায় বজায় রাখে। ব্যাখ্যা: এটি দেখায় কীভাবে হরমোনের ভারসাম্য শরীরকে সুস্থ রাখে। উদাহরণ ২: ডায়াবেটিস রোগীর রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় অতিরিক্ত শর্করা মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। ব্যাখ্যা: এটি ইনসুলিনের অনুপস্থিতিতে দেহের বিপাকীয় ত্রুটির ফলাফল প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Glucagon — এটি অগ্ন্যাশয়ের আলফা কোষ থেকে উৎপাদিত হরমোন যা রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা বাড়াতে কাজ করে, সরাসরি ডায়াবেটিসের জন্য দায়ী নয়। B) Thyroxin — এটি থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন যা দেহের বিপাক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, এর ঘাটতিতে গয়টার বা হাইপোথাইরয়েডিজম হয়। C) Insulin — এটি সঠিক উত্তর যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং এর ঘাটতিতে ডায়াবেটিস হয়। D) Prolactin — এটি পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে উৎপাদিত হরমোন যা স্তন্যদানকালে দুগ্ধ উৎপাদনে সহায়তা করে, গ্লুকোজ বিপাকের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইনসুলিন ও ডায়াবেটিস মনে রাখতে অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষের কথা মনে রাখবে। - মিষ্টি জাতীয় খাবারের সঙ্গে ইনসুলিনের সম্পর্ক এবং এর ঘাটতি মানেই ডায়াবেটিস, এভাবে বিষয়টি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবদেহের কোন গ্রন্থি ইনসুলিন তৈরি করে এবং এর উৎস কোষ কোনটি, তা BCS পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - ইনসুলিন আবিষ্কার করেন ফ্রেডেরিক বেন্টিং ও চার্লস বেস্ট, যা সাধারণ জ্ঞানের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
a Pleurae
b Peritoneum
c Pericardium
d Mucosa
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Pericardium ১. কেন সঠিক: মানবদেহের পাম্পিং অঙ্গ হলো হৃৎপিণ্ড বা হার্ট যা একটি দ্বিস্তরবিশিষ্ট শক্তিশালী পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে। এই সুরক্ষামূলক জঝিল্লির নাম পেরিকার্ডিয়াম যা হার্টকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে এবং ঘর্ষণ কমায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পেরিকার্ডিয়াম হলো একটি ফাইব্রোসারাস ঝিল্লি যা মানব হৃৎপিণ্ডের সবচেয়ে বাইরের আবরণ হিসেবে কাজ করে। কার্যপ্রণালি: এই আবরণের দুটি স্তর থাকে এবং এদের মাঝখানে তরল পদার্থ থাকে যা হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণের সময় ঘর্ষণজনিত ক্ষয় রোধ করে। বাস্তব প্রয়োগ: মানবদেহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই অঙ্গটিকে নিরাপদ রাখতে এবং অতিরিক্ত প্রসারণ রোধ করতে পেরিকার্ডিয়াম একটি প্রাকৃতিক কুশনের মতো কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুক বা বুকের মাঝখানে কোনো শক্তিশালী আঘাত লাগলে হার্ট সরাসরি জখম হয় না। ব্যাখ্যা: পেরিকার্ডিয়াম ঝিল্লি এবং এর ভেতরের তরল শক্ অবজর্ভার বা ঘাতসহ হিসেবে কাজ করে আঘাতের তীব্রতা কমিয়ে দেয়। উদাহরণ ২: দৌড়ানোর সময় হৃৎপিণ্ডের গতি ও স্পন্দন অনেক বেড়ে যায়। ব্যাখ্যা: পেরিকার্ডিয়ামের ভেতরের ফ্লুইড বা তরল থাকার কারণে দ্রুত সংকোচন ও প্রসারণের সময় হৃৎপিণ্ড তার আশেপাশের দেওয়ালের সাথে ঘষা খায় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pleurae — এটি ফুসফুসের বাইরের সুরক্ষামূলক দ্বিসুরে গঠিত ঝিল্লি। তাই এটি হার্টের আবরণ নয়। B) Peritoneum — এটি পেটের ভেতরের গহ্বর এবং উদরীয় অঙ্গগুলোকে ঢেকে রাখে। এটি পরিপাকতন্ত্রের অঙ্গের সাথে সম্পর্কিত। C) Pericardium — এটি হৃৎপিণ্ডের বাইরের আবরণ বা ঝিল্লি। এটিই এই প্রশ্নের সঠিক এবং নির্দিষ্ট উত্তর। D) Mucosa — এটি পরিপাকনালী, শ্বাসনালীসহ শরীরের বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ গহ্বরের শ্লেষ্মাঝিল্লি। এটি কোনো নির্দিষ্ট অঙ্গের বাইরের থলে বা আবরণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ইংরেজি পেরি শব্দের অর্থ চারপাশে এবং কার্ডিয়ামের সাথে হার্টের সম্পর্ক আছে। তাই হার্টের চারপাশে থাকা আবরণকে পেরিকার্ডিয়াম মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফুসফুসের আবরণ প্লুরা এবং কিডনির বাইরের অংশ বা আবরণ সম্পর্কেও প্রশ্ন আসে। অঙ্গ এবং তাদের নিজ নিজ সুরক্ষামূলক আবরণের নামগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ডায়াবেটিস
b উচ্চ রক্তচাপ
c রিকেট
d রক্তশূন্যতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রক্তশূন্যতা ১. কেন সঠিক: ভিটামিন বি বারো বা কোবালামিন মানবদেহে লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদনে এবং স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ভিটামিনের দীর্ঘস্থায়ী ঘাটতি দেখা দিলে অস্থিমজ্জা থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে সুস্থ লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদিত হতে পারে না, যার ফলে পার্নিসিয়াস অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভিটামিন বি বারো একটি পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা প্রাণীজ আমিষ থেকে মূলত মানবদেহে প্রবেশ করে এবং অন্ত্রের ইনট্রিনসিক ফ্যাক্টরের সহায়তায় শোষিত হয়। কার্যপ্রণালি: এই ভিটামিনের অভাবে ডিএনএ সংশ্লেষণ ব্যাহত হয় এবং অস্থিমজ্জায় মেগালোব্লাস্ট নামক অস্বাভাবিক বড় আকারের লোহিত রক্তকণিকা তৈরি হয় যা দ্রুত ভেঙে যায়। কারণ ও ফলাফল: লোহিত রক্তকণিকার স্বল্পতার কারণে দেহে অক্সিজেনের সরবরাহ কমে যায়, যার ফলে চরম ক্লান্তি, দুর্বলতা এবং রক্তশূন্যতার উপসর্গ প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিরামিষাশী ব্যক্তিরা যারা দীর্ঘদিন কোনো ধরনের আমিষ বা দুগ্ধজাত খাবার খান না, তাদের দেহে ভিটামিন বি বারো এর মারাত্মক ঘাটতি হতে পারে। ব্যাখ্যা: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে এই ভিটামিন প্রাকৃতিকভাবে থাকে না বলে তাদের রক্তশূন্যতা হওয়ার ঝুঁকি সাধারণ মানুষের তুলনায় অনেক বেশি থাকে। উদাহরণ ২: পাকস্থলীর অপারেশন বা গ্যাস্ট্রেক্টমি করা রোগীদের ক্ষেত্রে ইনট্রিনসিক ফ্যাক্টরের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। ব্যাখ্যা: এর ফলে খাদ্যনালী থেকে ভিটামিন বি বারো শোষিত হতে পারে না এবং রোগীর শরীরে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডায়াবেটিস — এটি মূলত ইনসুলিনের অপ্রতুলতা বা কার্যকারিতার অভাবে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধিজনিত একটি হরমোন ও বিপাকীয় রোগ। এটি ভিটামিন বি বারো এর ঘাটতির কারণে সরাসরি ঘটে না, যদিও দীর্ঘমেয়াদী স্নায়ুর সমস্যায় এটি ভিন্নভাবে সম্পর্কিত হতে পারে। B) উচ্চ রক্তচাপ — এটি ধমনীর ভেতরে রক্তের উচ্চ চাপের একটি হৃৎপিণ্ড ও রক্তনালী সংক্রান্ত সমস্যা যা অতিরিক্ত লবণ খাওয়া বা মানসিক চাপের কারণে ঘটে। ভিটামিন বি বারো এর ঘাটতির সঙ্গে উচ্চ রক্তচাপের সরাসরি কোনো বৈজ্ঞানিক সংযোগ নেই। C) রিকেট — এটি প্রধানত ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়ামের অভাবে শিশুদের হাড় নরম ও দুর্বল হয়ে যাওয়ার একটি রোগ। ভিটামিন বি বারো হাড়ের গঠনে নয় বরং রক্ত ও স্নায়ু গঠনে কাজ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: ভিটামিন বি বারো এর রাসায়নিক নামে কোবাল্ট থাকে এবং এটি রক্তের জন্য অত্যন্ত জরুরি। মনে রাখবে, বি বারো মানেই রক্তের বন্ধু এবং এর অভাবে শরীরে রক্তের স্বল্পতা বা রক্তশূন্যতা হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই ভিটামিনের শোষণের জন্য পাকস্থলী থেকে নির্গত ইনট্রিনসিক ফ্যাক্টর অপরিহার্য যা বিসিএস পরীক্ষার জন্য একটি জনপ্রিয় প্রশ্ন। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন ভিটামিনটি স্নায়ুতন্ত্রের সুস্থতা ও লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে একসঙ্গে কাজ করে।
a কর্নিয়া
b ল্যাক্রিমাল গ্র্যান্ড
c পিউপিল
d ফোবিয়া সেন্ট্রালিস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ল্যাক্রিমাল গ্র্যান্ড ১. কেন সঠিক: - চোখের পানি উৎপাদনের প্রধান উৎস হলো ল্যাক্রিমাল গ্র্যান্ড বা অশ্রুগ্রন্থি। - এটি চোখের উপরিভাগের ঠিক বাইরে অবস্থিত এবং ক্রমাগত তরল নিঃসরণ করে চোখ সতেজ রাখে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ল্যাক্রিমাল গ্র্যান্ড হলো মানবদেহের এক ধরনের এক্সোক্রাইন গ্রন্থি যা চোখের পাতা আর্দ্র রাখতে অশ্রু তৈরি করে। - কার্যপ্রণালি: এই গ্রন্থি থেকে নিসৃত তরল চোখের পৃষ্ঠদেশ পরিষ্কার রাখে এবং জীবাণু থেকে চোখকে রক্ষা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পেঁয়াজ কাটার সময় চোখ দিয়ে পানি পড়া। ব্যাখ্যা: পেঁয়াজ কাটলে এক ধরনের গ্যাস নির্গত হয় যা ল্যাক্রিমাল গ্র্যান্ডকে উদ্দীপিত করে অতিরিক্ত অশ্রু তৈরি করায়। উদাহরণ ২: চোখে কোনো ধুলাবালি পড়লে পানি আসা। ব্যাখ্যা: বহিরাগত কণা অপসারণের জন্য ল্যাক্রিমাল গ্র্যান্ড দ্রুত সক্রিয় হয়ে অতিরিক্ত পানি নিঃসরণ করে চোখ পরিষ্কার করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্নিয়া — এটি চোখের সবচেয়ে বাইরের স্বচ্ছ অংশ যা আলো প্রবেশে সহায়তা করে কিন্তু পানি তৈরি করে না। B) ল্যাক্রিমাল গ্র্যান্ড — এটিই চোখের পানি তৈরির মূল গ্রন্থি যা সঠিক উত্তর। C) পিউপিল — এটি চোখের মণির কেন্দ্র যেখানে আলো প্রবেশ করার ছিদ্র থাকে এবং এর পানি উৎপাদনের কোনো কাজ নেই। D) ফোবিয়া সেন্ট্রালিস — এটি রেটিনার একটি বিশেষ অংশ যা স্পষ্ট ও রঙিন দৃষ্টির জন্য দায়ী এবং এর সঙ্গে অশ্রুর সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: ল্যাক্রিমাল শব্দটির অর্থ অশ্রু সম্পর্কিত। তাই পানি উৎপাদনের কথা থাকলে ল্যাক্রিমাল গ্র্যান্ড বা অশ্রুগ্রন্থি উত্তর হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ল্যাক্রিমাল গ্রন্থি থেকে প্রতিদিন প্রায় এক থেকে তিন মিলিলিটার অশ্রু উৎপাদিত হয়। বিসিএস পরীক্ষায় মানবদেহের বিভিন্ন গ্রন্থি ও তাদের কাজ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a Sphygmomanometer
b Stethoscope
c Cardiograph
d Echograph
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Sphygmomanometer ১. কেন সঠিক: - স্ফিগমোম্যানোমিটার হলো সেই চিকিৎসা যন্ত্র যা মানুষের রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার নির্ভুলভাবে পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। - এটি ধমনীর ভেতরে রক্তের চাপ নির্ণয় করতে পারদের স্তম্ভ বা ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহার করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রক্তচাপ হলো হৃৎপিণ্ডের সংকোচনের মাধ্যমে ধমনীর গায়ে রক্তের যে চাপ সৃষ্টি হয় তার পরিমাপ। - কার্যপ্রণালি: বাহুতে কাফ পেঁচিয়ে তাতে বাতাস ভরে ধমনীর রক্তপ্রবাহ সাময়িক বন্ধ করা হয় এবং বাতাস কমানোর সময় প্রথম ও শেষ শব্দ শুনে সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক চাপ মাপা হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: চিকিৎসালয়ে বা ঘরে বসে উচ্চ রক্তচাপ বা নিম্ন রক্তচাপ শনাক্ত করতে এটি নিয়মিত ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সুস্থ মানুষের আদর্শ রক্তচাপ সাধারণত ১২০ এবং ৮০ মিলিমিটার পারদ ধরা হয়। ব্যাখ্যা: স্ফিগমোম্যানোমিটারের মাধ্যমে এই মান পরিমাপ করেই চিকিৎসকরা রোগীর হৃদরোগের ঝুঁকি নির্ণয় করেন। উদাহরণ ২: দৌড়ানোর পর মানুষের হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ সাময়িকভাবে বৃদ্ধি পায়। ব্যাখ্যা: শারীরিক পরিশ্রমের সময় পেশিতে বেশি অক্সিজেন সরবরাহের জন্য হৃৎপিণ্ড দ্রুত পাম্প করে যা এই যন্ত্র দিয়ে মাপা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sphygmomanometer — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রক্তচাপ মাপার জন্য বিশেষভাবে তৈরি যন্ত্র। B) Stethoscope — এটি রক্তচাপ মাপার সময় শব্দ শোনার কাজে ব্যবহৃত হলেও একা রক্তচাপ নির্ণয় করতে পারে না। C) Cardiograph — এটি হৃৎপিণ্ডের বৈদ্যুতিক কার্যক্রম বা ইসিজি রেকর্ড করার যন্ত্র, রক্তচাপ মাপে না। D) Echograph — এটি আল্ট্রাসাউন্ড তরঙ্গের মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডের গঠন ও ত্রুটি দেখার ইকোকার্ডিওগ্রাফি যন্ত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্ফিগমো শব্দটি এসেছে গ্রিক ভাষা থেকে যার অর্থ নাড়ির স্পন্দন এবং ম্যানোমিটার মানে চাপ মাপার যন্ত্র। - এভাবে স্পন্দনের চাপ মাপার যন্ত্র হিসেবে নামটির সঙ্গে পরিচিত হলে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চিকিৎসা বিজ্ঞান সম্পর্কিত যন্ত্রপাতির নাম প্রায়ই আসে। - রক্তচাপের উপরের সংখ্যাটিকে সিস্টোলিক এবং নিচের সংখ্যাটিকে ডায়াস্টোলিক চাপ বলা হয়।
a Chloride
b Sodium
c Calcium
d Magnesium
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Chloride ১. কেন সঠিক: - ক্লোরাইড (Chloride) হলো একটি ঋণাত্মক চার্জযুক্ত আয়ন বা অ্যানায়ন, যার রাসায়নিক সংকেত সিএল মাইনাস। - পরমাণু তার বাইরের কক্ষপথে ইলেকট্রন গ্রহণ করলে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত হয় এবং ক্লোরিন পরমাণু একটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে ক্লোরাইড আয়নে পরিণত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পরমাণুর বাইরের কক্ষপথে আটটি ইলেকট্রন পূর্ণ করার বা স্থিতিশীল হওয়ার প্রবণতাকে অষ্টক নিয়ম বলে। - কার্যপ্রণালি: ক্লোরিন পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সতেরো এবং এর ইলেকট্রন বিন্যাস দুই, আট, সাত। - কারণ ও ফলাফল: স্থিতিশীলতা অর্জনের জন্য ক্লোরিন পরমাণু বাইরে থেকে একটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে এবং ইলেকট্রন সংখ্যা প্রোটন সংখ্যার চেয়ে বেশি হওয়ায় এটি ঋণাত্মক চার্জযুক্ত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের দৈনন্দিন জীবনের খাবারে ব্যবহৃত লবণের সোডিয়াম ক্লোরাইডে ক্লোরাইড ঋণাত্মক আয়ন হিসেবে বিদ্যমান থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোডিয়াম ক্লোরাইড বা সাধারণ লবণ জলে দ্রবীভূত হলে সোডিয়াম ধনাত্মক এবং ক্লোরাইড ঋণাত্মক আয়নে বিভক্ত হয়। ব্যাখ্যা: এটি দেখায় কীভাবে যৌগ গঠিত হয় এবং জলে দ্রবীভূত হয়ে আয়ন উৎপন্ন করে। উদাহরণ ২: আমাদের পেটের মধ্যে থাকা গ্যাস্ট্রিক রসে হাইড্রোক্লোরিক এসিড থাকে যা খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে। ব্যাখ্যা: এই এসিডে ক্লোরাইড আয়ন একটি অপরিহার্য উপাদান হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Chloride — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্লোরিন পরমাণু ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ক্লোরাইড অ্যানায়ন তৈরি করে। B) Sodium — সোডিয়াম একটি ধাতু যা ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধনাত্মক চার্জযুক্ত ক্যাটায়ন বা পজিটিভ চার্জে পরিণত হয়। C) Calcium — ক্যালসিয়াম একটি ক্ষারীয় মৃত্তিকা ধাতু যা দুটি ইলেকট্রন বর্জন করে দ্বিগুণ ধনাত্মক চার্জযুক্ত ক্যাটায়ন তৈরি করে। D) Magnesium — ম্যাগনেসিয়াম পরমাণু বাইরের কক্ষপথ থেকে দুটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধনাত্মক চার্জযুক্ত আয়নে রূপান্তর লাভ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধাতুগুলো সাধারণত ইলেকট্রন ত্যাগ করে পজিটিভ চার্জ বা ক্যাটায়ন হয় এবং অধাতুগুলো ইলেকট্রন গ্রহণ করে নেগেটিভ চার্জ বা অ্যানায়ন হয়। - ক্লোরিন একটি অধাতু তাই এটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্মক ক্লোরাইড আয়ন গঠন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরীক্ষায় প্রায়ই ক্যাটায়ন ও অ্যানায়নের উদাহরণ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই ধাতু ও অধাতুর ইলেকট্রন আদান-প্রদান ভালোভাবে মনে রাখবে। - সোডিয়াম পজিটিভ আয়ন এবং ক্লোরাইড নেগেটিভ আয়ন কেন হয়, তা ইলেকট্রন বিন্যাসের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করতে পারা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
a বৃক্ক
b যকৃৎ
c থাইরয়েড
d পিটুইটারী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যকৃৎ ১. কেন সঠিক: পিত্তরস মানবদেহের যকৃতে তৈরি হয় এবং পিত্তথলিতে জমা থাকে। এটি ফ্যাট জাতীয় খাবার হজম করতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: যকৃৎ মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি এবং প্রধান বিপাকীয় অঙ্গ। কার্যপ্রণালি: যকৃৎ কোষ থেকে পিত্তরস তৈরি হয়ে নালীর মাধ্যমে পিত্তথলিতে এসে জমা হয় এবং প্রয়োজনে ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রবেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া। ব্যাখ্যা: মাংস বা মাখন খাওয়ার পর পিত্তরস নিঃসৃত হয়ে চর্বিকে ক্ষুদ্র কণায় ভেঙে হজম সহজ করে। উদাহরণ ২: জন্ডিস রোগ। ব্যাখ্যা: যকৃতে সমস্যা হলে পিত্তরসের রঞ্জক পদার্থ রক্তে মিশে ত্বক ও চোখ হলুদ করে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৃক্ক — বৃক্ক মানবদেহের রেচন অঙ্গ যা রক্ত ছেঁকে মূত্র তৈরি করে। B) যকৃৎ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই পিত্তরস উৎপাদিত হয়। C) থাইরয়েড — এটি একটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি যা থাইরক্সিন হরমোন তৈরি করে। D) পিটুইটারী — এটি মস্তিষ্কে অবস্থিত প্রধান গ্রন্থি যা অন্যান্য হরমোন নিয়ন্ত্রণ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: পিত্তরস মানেই যকৃৎ, আর জমা থাকে পিত্তথলিতে। এটি মনে রাখতে যকৃৎ শব্দটির সাথে পিত্ত যুক্ত করে ভাবুন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পিত্তরসে কোনো এনজাইম থাকে না, তবুও এটি চর্বি জাতীয় খাদ্য পরিপাকে প্রধান ভূমিকা রাখে। পিত্তরসের প্রধান উপাদান হলো পিত্ত লবণ ও পিত্ত রঞ্জক।
a Genetic disorder
b রক্তের সমস্যা
c Thyroid জনিত সমস্যা
d কিডনির সমস্যা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Genetic disorder ১. কেন সঠিক: - ডাউন সিন্ড্রোম মানুষের জিনগত ত্রুটি বা ক্রোমোজোমের অস্বাভাবিকতার কারণে সৃষ্ট একটি রোগ। - কোষ বিভাজনের সময় ত্রুটির ফলে একুশ নম্বর ক্রোমোজোম জোড়ায় একটি অতিরিক্ত ক্রোমোজোম যুক্ত হওয়ার কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: স্বাভাবিক মানুষের কোষে তেতাল্লিশটি ক্রোমোজোম থাকে, কিন্তু ডাউন সিন্ড্রোমে আক্রান্ত ব্যক্তির কোষে সাতচল্লিশটি ক্রোমোজোম থাকে। - কার্যপ্রণালি: মিয়োসিস কোষ বিভাজনের সময় ক্রোমোজোমগুলোর সঠিক পৃথকীকরণ না হওয়ার ফলে এই জিনগত বৈচিত্র্য দেখা দেয়। - কারণ ও ফলাফল: অতিরিক্ত ক্রোমোজোমের উপস্থিতির কারণে শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয় এবং বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ধীরগতির হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাউন সিন্ড্রোমে আক্রান্ত শিশুর শারীরিক গঠন। ব্যাখ্যা: এদের মুখমণ্ডল কিছুটা চ্যাপটা হয়, চোখ কিছুটা তির্যক থাকে এবং পেশির দৃঢ়তা কম থাকে। উদাহরণ ২: ট্রাইসোমি একুশ বা একুশ নম্বর ক্রোমোজোমের অনুলিপন। ব্যাখ্যা: এটি জিনগত ত্রুটির কারণে মানবদেহে ঘটা সবচেয়ে পরিচিত ক্রোমোজোমাল অস্বাভাবিকতার একটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Genetic disorder — এটি সঠিক কারণ রোগটি ক্রোমোজোমাল ত্রুটি বা জিনের পরিবর্তনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। B) রক্তের সমস্যা — এটি ভুল কারণ রক্তাল্পতা বা হিমোফিলিয়া রক্তের রোগ, যা ডাউন সিন্ড্রোমের মূল কারণ নয়। C) Thyroid জনিত সমস্যা — এটি ভুল কারণ থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি বা আধিক্য থাইরয়েড গ্রন্থির কাজ, জিনগত ত্রুটির ফল নয়। D) কিডনির সমস্যা — এটি ভুল কারণ কিডনি মানবদেহের রেচন অঙ্গ, যার কাজ রক্ত পরিস্রাবণ করা এবং এর সঙ্গে জিনগত সিন্ড্রোমের সরাসরি সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডাউন সিন্ড্রোম মানেই ক্রোমোজোম একুশের অতিরিক্ত সংযুক্তি। - সংখ্যা মনে রাখতে হবে তেতাল্লিশের জায়গায় সাতচল্লিশ এবং জিনগত ত্রুটি মানেই জেনেটিক ডিসঅর্ডার। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানুষের কোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা কত এবং ডাউন সিন্ড্রোমে কতটি হয়, তা বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - ক্রোমোজোমাল অস্বাভাবিকতা থেকে অন্যান্য রোগ যেমন টার্নার সিন্ড্রোম বা ক্লাইনফেল্টার সিন্ড্রোম সম্পর্কেও প্রশ্ন আসতে পারে।
a জলপ্রপাত
b রোগ
c ঔষধ
d যন্ত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঔষধ ১. কেন সঠিক: - ভায়াগ্রা হলো ফাইজার কোম্পানি কর্তৃক বাজারজাতকৃত একটি আধুনিক প্রেসক্রিপশন ঔষধ যার মূল রাসায়নিক নাম সিলডেনাফিল সাইট্রেট। - এটি মানবদেহের নির্দিষ্ট এনজাইমকে বাধা দিয়ে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি করে এবং বিশেষ শারীরবৃত্তীয় চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ভায়াগ্রা হলো ফসফোডাইস্টারেজ ফাইভ ইনহিবিটর শ্রেণির একটি সিন্থেটিক বা কৃত্রিম রাসায়নিক ঔষধ। - কার্যপ্রণালি: এটি রক্তনালীর পেশী শিথিল করে বিশেষ অঙ্গে রক্ত সঞ্চালন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। - বাস্তব প্রয়োগ: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ইরেকটাইল ডিসফাংশন বা পুরুষত্বহীনতা এবং পালমোনারি হাইপারটেনশন চিকিৎসায় এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিলডেনাফিল সাইট্রেট ব্যাখ্যা: এটি ভায়াগ্রা ঔষধের মূল সক্রিয় রাসায়নিক উপাদান যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে নির্দিষ্ট শারীরবৃত্তীয় সমস্যার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: উচ্চ রক্তচাপের ঔষধ ব্যাখ্যা: মানবদেহের রক্তনালী প্রসারিত করে রক্তপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য বিভিন্ন ধরনের ঔষধ বিজ্ঞানসম্মত উপ2ারে তৈরি করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জলপ্রপাত — এটি নদী থেকে পানির তীব্র বেগে নিচে পড়ার প্রাকৃতিক ভৌগোলিক রূপ, কোনো কৃত্রিম বস্তু বা ঔষধ নয়। B) রোগ — রোগ হলো দেহের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতার অস্বাভাবিকতা বা ব্যাধি, যা কোনো নিরাময়কারী ঔষধ হতে পারে না। C) ঔষধ — এটি সঠিক কারণ ভায়াগ্রা একটি পরীক্ষিত ও অনুমোদিত রাসায়নিক ভিত্তিক নিরাময়কারী উপাদান। D) যন্ত্র — যন্ত্র বলতে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরি মেকানিক্যাল বা ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম বোঝায়, এটি জৈবরাসায়নিক ঔষধ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভায়াগ্রা একটি জীবন রক্ষাকারী বা নিরাময়মূলক চিকিৎসা সংক্রান্ত উপাদান হওয়ায় এটি সর্বদা ঔষধ হিসেবে চিহ্নিত হয়। - এর মূল রাসায়নিক নাম সিলডেনাফিল সাইট্রেট যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি মানবদেহ ও শারীরবৃত্ত এবং আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান অংশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - পরীক্ষার জন্য ভায়াগ্রার মূল রাসায়নিক নাম এবং এর চিকিৎসাগত ব্যবহার সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক।
a সোডিয়াম
b জিংক
c ম্যাগনেসিয়াম
d আয়রন
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: মানবদেহ ও শারীরবৃত্ত এবং খাদ্য ও পুষ্টি সঠিক উত্তর: A) সোডিয়াম ১. কেন সঠিক: - বমি হলে মানব শরীর থেকে সোডিয়াম এবং ক্লোরাইডের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রোলাইট বা খনিজ পদার্থ বর্জিত হয়। - পাকস্থলীতে থাকা গ্যাস্ট্রিক জুস বা এসিডে সোডিয়াম ও ক্লোরাইডের পরিমাণ বেশি থাকায় বমির মাধ্যমে এসব খনিজের মারাত্মক ঘাটতি ঘটে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মানবদেহের কোষের বাইরে তরল বা এক্সট্রাসেলুলার ফ্লুইডের প্রধান খনিজ উপাদান হলো সোডিয়াম। - কার্যপ্রণালি: বারবার বমি হলে শরীরের জলীয় অংশের সঙ্গে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইলেক্ট্রোলাইট দ্রুত বেরিয়ে যায়। - কারণ ও ফলাফল: এর ফলে রক্তের পিত্তরস ও লবণের ভারসাম্য নষ্ট হয়, যা পেশির দুর্বলতা এবং মাথা ঘোরার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতিরিক্ত বমি বা ডায়রিয়ার পর রোগীদের স্যালাইন খাওয়ানো হয়। ব্যাখ্যা: স্যালাইনের মাধ্যমে শরীর হারানো সোডিয়াম ও গ্লুকোজ দ্রুত পুনরুদ্ধার করে। উদাহরণ ২: দীর্ঘক্ষণ রোদে ঘামলে শরীর থেকে লবণ বা সোডিয়াম বের হয়ে যায়। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত ঘাম এবং বমি উভয় প্রক্রিয়াই শরীরকে ইলেকট্রোলাইট শূন্য করে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোডিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ বমির মাধ্যমে পাকস্থলীর রস থেকে সোডিয়াম দ্রুত অপসারিত হয়। B) জিংক — এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং এনজাইমের কার্যকারিতায় সাহায্য করে, বমিতে এর তাৎক্ষণিক ঘাটতি হয় না। C) ম্যাগনেসিয়াম — এটি পেশি ও স্নায়ুর কার্যকারিতায় ভূমিকা রাখে, যা বমির ফলে সরাসরি প্রভাবিত হয় না। D) আয়রন — এটি রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরিতে কাজ করে এবং বমির মাধ্যমে এর বড় ধরনের কোনো ঘাটতি তৈরি হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - বমি বা ডায়রিয়া মানেই সোডিয়াম এবং পানির অপচয়। - পাকস্থলীর এসিড সোডিয়াম সমৃদ্ধ হওয়ায় বমিতে সোডিয়ামের ঘাটতি ঘটে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবদেহের রক্তরসে সোডিয়াম সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা খনিজ উপাদান। - বারবার বমির ফলে শরীরে যে হাইপোনেট্রেমিয়া বা সোডিয়ামের অভাবজনিত অবস্থা তৈরি হয়, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a 96°F
b 97.4°F
c 98.4°F
d 94.4°F
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯৮.৪°F ১. কেন সঠিক: সুস্থ মানুষের শরীরের অভ্যন্তরীণ স্বাভাবিক তাপমাত্রা হলো ৯৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শারীরবৃত্তীয় কাজ সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য আমাদের শরীরের মেটাবলিজম বা বিপাকক্রিয়া একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মানবদেহের হোমোজিনিয়াস থার্মোরেগুলেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা সর্বদা স্বাভাবিক রাখা হয়। কার্যপ্রণালি: মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস অংশ থার্মোস্টেট হিসেবে কাজ করে এবং শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্য রক্ষা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুস্থ মানুষের শরীরে হাত দিলে স্বাভাবিক উষ্ণতা অনুভূত হয় যা এই ৯৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রার নির্দেশক। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে মানবদেহ তার নিজস্ব তাপ উৎপাদনের মাধ্যমে পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখছে। উদাহরণ ২: জ্বর হলে শরীরের তাপমাত্রা ৯৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়িয়ে যায়। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে বোঝা যায় যে রোগজীবাণু বা ইনফেকশনের কারণে শরীরের স্বাভাবিক থার্মোস্টেট সেটিং পরিবর্তিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯৬°F — এটি মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে বেশ কম এবং সাধারণত হাইপোথার্মিয়া অবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত। B) ৯৭.৪°F — এটি সামান্য কম তাপমাত্রা যা কিছু মানুষের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক হলেও এটি স্ট্যান্ডার্ড বা সার্বজনীন গ্রহণযোগ্য মান নয়। C) ৯৮.৪°F — এটি মানবদেহের জন্য পরীক্ষিত ও চিকিৎসাবিজ্ঞান স্বীকৃত আদর্শ স্বাভাবিক তাপমাত্রা। D) ৯৪.৪°F — এটি মারাত্মকভাবে কম তাপমাত্রা যা মানুষের জীবনে বিপজ্জনক হাইপোথার্মিয়া বা মৃত্যুর ঝুঁকির লক্ষণ। ৫ মনে রাখার টিপস: ফারেনহাইট স্কেলে ৯৮.৪ এবং সেলসিয়াস স্কেলে ৩৭ ডিগ্রি হলো সুস্থ মানুষের শরীরের ম্যাজিক নম্বর। সেলসিয়াস মানকে নয় দিয়ে গুণ করে পাঁচ দিয়ে ভাগ করে বত্রিশ যোগ করলে ফারেনহাইট মান পাওয়া যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মানবদেহের তাপমাত্রা মাপার জন্য ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার ব্যবহার করা হয় যাতে সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট উভয় স্কেল থাকে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে সেলসিয়াস স্কেলে মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা কত।
a চাঁদে বাতাস নেই
b মধ্যাকর্ষণজনিত কারনে
c আলোজনিত সমস্যার কারনে
d চাঁদ অমসৃণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চাঁদে বাতাস নেই ১. কেন সঠিক: - চাঁদে বায়ুমণ্ডল বা বাতাস না থাকায় উড়োজাহাজ ওড়ার জন্য প্রয়োজনীয় লিফট বা ঊর্ধ্বমুখী বল পাওয়া যায় না। - উড়োজাহাজ ওড়ার জন্য বাতাসের চাপ এবং বায়ুর গতিশীলতার প্রয়োজন হয় যা শূন্যতায় অসম্ভব। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: উড়োজাহাজ উড়ার জন্য বার্নউলির নীতি অনুসারে ডানার উপরে ও নিচের বায়ুর চাপের পার্থক্যের মাধ্যমে ঊর্ধ্বমুখী বল বা লিফট তৈরি হয়। - কার্যপ্রণালি: ইঞ্জিনের সাহায্যে প্রপেলার বা জেট ইঞ্জিন বায়ুকে পেছনে ঠেলে সামনের দিকে গতি সৃষ্টি করে এবং ডানার ওপর দিয়ে বাতাস প্রবাহিত হয়ে উড়োজাহাজকে ওপরে ধরে রাখে। - কারণ ও ফলাফল: চাঁদে কোনো বায়ুস্তর না থাকায় প্রপেলার বা জেট ইঞ্জিন বাতাস টানেও না এবং ধাক্কাও তৈরি করতে পারে না, ফলে উড়োজাহাজ ওড়ার প্রশ্নই আসে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাশূন্যে রকেটের চলাচল ব্যাখ্যা: রকেট মহাশূন্যে বাতাস ছাড়াই চলে কারণ রকেট তার নিজস্ব জ্বালানি ও অক্সিজেনের মাধ্যমে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্রের সাহায্যে সামনে এগিয়ে যায়, যা উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। উদাহরণ ২: পৃথিবীতে ঘুড়ি ওড়ানো ব্যাখ্যা: পৃথিবীতে বাতাসের প্রবাহের কারণে সুতা ধরে টানলে ঘুড়ি আকাশে ওড়ে, কিন্তু বাতাসহীন ঘরে বা শূন্য মাধ্যমে ঘুড়ি কখনো ওড়ানো সম্ভব হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁদে বাতাস নেই — এটি সঠিক কারণ বায়ুমণ্ডলের অনুপস্থিতি উড়োজাহাজ চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ প্রতিকূল। B) মধ্যাকর্ষণজনিত কারনে — চাঁদের অভিকর্ষ বল পৃথিবীর ছয় ভাগের এক ভাগ, যা উড়োজাহাজ না ওড়ার মূল কারণ নয় বরং কম অভিকর্ষের কারণে ওড়া আরও সহজ হওয়ার কথা ছিল। C) আলোজনিত সমস্যার কারনে — চাঁদে আলো থাকে এবং সৌরজগতের নিয়মে দিন ও রাত্রি হয়, তাই আলো না থাকার কারণে উড়োজাহাজ না ওড়ার তথ্যটি সঠিক নয়। D) চাঁদ অমসৃণ — চাঁদের পৃষ্ঠ অমসৃণ ও গর্তময় হলেও এটি মূলত ল্যান্ডিং বা ট্যাক্সি করার সমস্যা তৈরি করতে পারে, আকাশে ওড়ার অক্ষমতার মূল কারণ এটি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - উড়োজাহাজ মানেই বাতাসের খেলা, যেখানে বাতাস নেই সেখানে উড়োজাহাজ অচল। - মনে রাখবে, রকেট চলে নিজে অক্সিজেন বহন করে আর উড়োজাহাজ চলে চারপাশের বাতাস ব্যবহার করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বার্নউলির নীতি এবং তরল বা বায়বীয় পদার্থের গতিশীলতা সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - মহাশূন্যে শব্দ কেন শোনা যায় না বা কেন উড়োজাহাজ চলে না, এই একই ধারণার ওপর ভিত্তি করে অন্য প্রশ্ন হতে পারে।
a নিদ্রাহীনতাজনিত রোগ
b জেনেটিক্যাল রোগ
c চোখের রোগ
d স্নায়ুরোগ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিদ্রাহীনতাজনিত রোগ ১. কেন সঠিক: ইনসোমানিয়া হলো এমন একটি চিকিৎসাশাস্ত্রীয় অবস্থা যেখানে আক্রান্ত ব্যক্তির নিয়মিত ঘুমাতে যাওয়া বা একটানা গভীর ঘুমে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ে। এটি মানুষের শারীরিক ও মানসিক বিশ্রামের স্বাভাবিক ছন্দকে নষ্ট করে দেয় এবং কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ইনসোমানিয়া হলো ঘুম সংক্রান্ত একটি সাধারণ ব্যাধি যা তীব্র মানসিক চাপ, উদ্বেগের কারণে উদ্ভূত হয়। কার্যপ্রণালি: মস্তিষ্কের যে অংশগুলো ঘুম এবং জাগরণ নিয়ন্ত্রণ করে, সেগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটলে এই সমস্যা দেখা দেয়। কারণ ও ফলাফল: হরমোনের ভারসাম্যহীনতা এবং অনিয়মিত জীবনযাপনের ফলে এই রোগ ঘটে এবং এর ফলে দিনভর ক্লান্তি ও অবসাদ তৈরি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাজের চাপের কারণে রাতে বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়া এবং সারারাত জেগে থাকা। ব্যাখ্যা: এটি মানসিক চাপের প্রভাবে স্নায়ুতন্ত্রের অতিরিক্ত উদ্দীপনার ফল যা ইনসোমানিয়ার লক্ষণ। উদাহরণ ২: নাইট শিফটে নিয়মিত ডিউটি করার ফলে শরীরের জৈবিক ঘড়ি বা সার্কাডিয়ান রিদম নষ্ট হয়ে যাওয়া। ব্যাখ্যা: এটি বাহ্যিক পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে স্বাভাবিক ঘুমের চক্র ব্যাহত হওয়ার একটি বাস্তব উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিদ্রাহীনতাজনিত রোগ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইনসোমানিয়া সরাসরি ঘুমের ঘাটতি ও অনিদ্রার সঙ্গে সম্পর্কিত। B) জেনেটিক্যাল রোগ — এটি জন্মগত জিনগত ত্রুটির কারণে ঘটে না, তাই এই অপশনটি ভুল। C) চোখের রোগ — এটি দৃষ্টিশক্তি বা চোখের পেশির কোনো সমস্যা নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। D) স্নায়ুরোগ — এটি সরাসরি কোনো প্রধান স্নায়ুতন্ত্রের মারাত্মক রোগ বা ড্যামেজ নয়, তাই এটি সঠিক অপশন নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দ ইনসোমানিয়া মনে রাখার সহজ উপায় হলো এর অংশগুলো ভেঙে পড়া। সোমন শব্দের অর্থ ঘুম, আর তার আগে ইন যুক্ত হয়ে না ঘুমানোর অবস্থাকে বোঝায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইনসোমানিয়া মূলত ঘুমের হরমোন মেলাটোনিনের অনিয়মিত ক্ষরণের সঙ্গে জড়িত। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় মানবদেহ ও স্বাস্থ্য অধ্যায় থেকে আসে।
a Vitamin A
b Vitamin B
c Vitamin C
d Vitamin K
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Vitamin K ১. কেন সঠিক: মানবদেহে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় বা রক্ত তঞ্চনে ভিটামিন কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি যকৃতে প্রোথ্রম্বিন নামক প্রোটিন উৎপাদনে সাহায্য করে যা পরবর্তীতে রক্তপাত বন্ধ করতে কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: রক্ত তঞ্চন বা ব্লাড ক্লটিং হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কেটে যাওয়া স্থান থেকে রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়। কার্যপ্রণালি: ভিটামিন কে এর উপস্থিতিতে যকৃতে প্রোথ্রম্বিন ও অন্যান্য তঞ্চন ফ্যাক্টর তৈরি হয় যা ফাইব্রিন জালিকা গঠনে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রান্নার সময় আঙুল কেটে গেলে কিছুক্ষণ চেপে ধরলে রক্ত জমাট বেঁধে রক্তপাত বন্ধ হয়ে যায়। ব্যাখ্যা: এটি ভিটামিন কে এর কারণে রক্তে তঞ্চন প্রক্রিয়া চালুর ফলেই সম্ভব হয়। উদাহরণ ২: অস্ত্রোপচারের আগে রোগীদের ভিটামিন কে সাপ্লিমেন্ট দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: এটি নিশ্চিত করে যে অপারেশনকালে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হবে না এবং রক্ত দ্রুত জমাট বাঁধবে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vitamin A — এটি চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে এবং ত্বক সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। B) Vitamin B — এটি শরীরের শক্তি উৎপাদনে এবং স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যকারিতায় সহায়তা করে। C) Vitamin C — এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং কোলাজেন উৎপাদনে সাহায্য করে। D) Vitamin K — এটি রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করার জন্য সঠিক উত্তর হিসেবে প্রমাণিত। ৫ মনে রাখার টিপস: কে মানে কোয়াগুলেশন বা জমাট বাঁধা, তাই রক্ত জমাট বাঁধার কথা আসলেই ভিটামিন কে মনে রাখবে। ভিটামিন কে এর অভাবে রক্তক্ষরণ সহজে বন্ধ হয় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভিটামিন কে একটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা সবুজ শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই ভিটামিনের অভাবজনিত রোগ এবং উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a Thyroid জনিত সমস্যা
b রক্তের জন্মগত ত্রুটি
c Osteoporosis
d হৃদরোগ
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: রোগ, জীবাণু ও রোগ প্রতিরোধ / মানবদেহ ও শারীরবৃত্ত সঠিক উত্তর: B) রক্তের জন্মগত ত্রুটি ১. কেন সঠিক: থ্যালসেমিয়া হলো একটি জন্মগত বা বংশগত রক্তের রোগ, যা পিতামাতার কাছ থেকে জিনের মাধ্যমে সন্তানের মধ্যে ছড়ায়। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের রক্তে পর্যাপ্ত হিমোগ্লোবিন তৈরি হতে পারে না, ফলে লোহিত রক্তকণিকা দ্রুত ভেঙে যায় এবং তীব্র রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: থ্যালসেমিয়া হলো একটি অটোজোমাল রিসেসিভ জিনগত ব্যাধি, যার ফলে রক্তের হিমোগ্লোবিন প্রোটিনের উৎপাদনে ত্রুটি দেখা দেয়। কার্যপ্রণালি: মানবদেহের হিমোগ্লোবিনে আলফা ও বিটা নামক দুটি গ্লোবিন চেইন থাকে, যার মধ্যে কোনো একটির উৎপাদনে জিনগত ত্রুটি থাকলে ত্রুটিপূর্ণ লোহিত কণিকা গঠিত হয়। কারণ ও ফলাফল: ত্রুটিপূর্ণ লোহিত কণিকাগুলো স্প্লিন বা প্লীহায় দ্রুত ধ্বংস হয়ে যায়, যার ফলে শরীরে রক্তের মারাত্মক ঘাটতি ও আয়রন জমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাবা ও মা উভয়েই যদি থ্যালসেমিয়া ক্যারিয়ার বা বাহক হন, তবে তাদের সন্তানের এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা চব্বিশ শতাংশ থাকে। ব্যাখ্যা: এটি মেন্ডেলের বংশগতি সূত্রের জিনগত বিন্যাসের মাধ্যমে বংশপরম্পরায় সঞ্চালিত হওয়ার একটি বাস্তব উদাহরণ। উদাহরণ ২: থ্যালসেমিয়ায় আক্রান্ত শিশুর অতিরিক্ত রক্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়, যার ফলে শরীরে অতিরিক্ত লোহা বা আয়রন জমে যায়। ব্যাখ্যা: এটি জন্মগত ত্রুটির কারণে মানবদেহের শারীরবৃত্তীয় ভারসাম্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Thyroid জনিত সমস্যা — থাইরয়েড হলো শরীরের একটি গ্রন্থি যা হরমোন তৈরি করে, এটি জন্মগত রক্তের ত্রুটি নয়। B) রক্তের জন্মগত ত্রুটি — এটি সঠিক উত্তর কারণ থ্যালসেমিয়া বংশপরম্পরায় জিনগত ত্রুটির মাধ্যমে রক্তের হিমোগ্লোবিনকে আক্রমণ করে। C) Osteoporosis — এটি একটি অস্থি সংক্রান্ত রোগ যেখানে হাড়ের ঘনত্ব ও শক্তি কমে যায়, এটি রক্তের জিনগত ত্রুটি নয়। D) হৃদরোগ — হৃদরোগ সাধারণত রক্তনালীর ব্লকেজ বা হৃৎপিণ্ডের পেশির দুর্বলতার কারণে হয়, যা থ্যালসেমিয়ার সরাসরি সংজ্ঞা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: থ্যালসেমিয়া শব্দটি মনে রাখতে থ দিয়ে থাইরয়েড নয় বরং থ দিয়ে থলের মতো লোহিত কণিকা ভেঙে যাওয়া বা থমকে যাওয়া রক্তের রোগ এভাবে মনে রাখতে পারেন। বংশগত রক্ত রোগ বললেই থ্যালসেমিয়া নামটিকে সবার আগে মাথায় আনবেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে, তাই হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবিকতা ও জিনগত রোগ হিসেবে থ্যালসেমিয়া খুব ভালো করে পড়তে হবে। অন্যান্য পরীক্ষায় থ্যালসেমিয়া কোন ধরনের রোগ বা এর বাহক সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে।
a ১০৬টি
b ২০৬টি
c ৬০টি
d ৫২টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০৬টি ১. কেন সঠিক: - মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্র জন্মলগ্নে প্রায় তিনশ'টিরও বেশি অস্থি নিয়ে গঠিত হলেও পূর্ণাঙ্গ বয়সে তা একত্রিত হয়ে মোট ২০৬টিতে রূপ নেয়। - এই অস্থিগুলো মানবদেহকে সুনির্দিষ্ট আকৃতি প্রদান করে এবং এর ভেতরের কোমল অঙ্গগুলোকে রক্ষা করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্র মূলত অক্ষীয় কঙ্কাল এবং উপাঙ্গীয় কঙ্কাল এই দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পুরো শরীরকে দৃঢ়তা দেয়। - কার্যপ্রণালি: মানবদেহের অস্থিগুলো লিগামেন্টের মাধ্যমে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত থাকে এবং পেশির টেন্ডনের টানের ফলে সঞ্চালন ঘটে। - বাস্তব প্রয়োগ: মাথার খুলি মস্তিস্ককে রক্ষা করে এবং দীর্ঘাস্থিগুলো হাঁটাচলার সময় লিভার বা খটকা হিসেবে কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাথার খুলি বা ক্রেনিয়াম ব্যাখ্যা: এটি আটটি হাড়ের সমন্বয়ে গঠিত একটি শক্ত বাক্সের মতো যা আমাদের শরীরের সবচেয়ে সংবেদনশীল অঙ্গ মস্তিষ্ককে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে। উদাহরণ ২: মানুষের মেরুদণ্ড ব্যাখ্যা: এটি ৩৩টি ছোট হাড় বা কশেরুকা নিয়ে গঠিত হলেও পূর্ণাঙ্গ বয়সে তা একত্রিত হয়ে ২৬টি অস্থিতে পরিণত হয় এবং দেহকে সোজা রাখতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০৬টি — এই সংখ্যাটি মানবদেহের কোনো নির্দিষ্ট অঙ্গ বা বয়স্ক কঙ্কালের মোট হাড়ের সংখ্যা প্রকাশ করে না। B) ২০৬টি — এটি পূর্ণাঙ্গ মানবদেহের স্বাভাবিক হাড়ের সঠিক সংখ্যা যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। C) ৬০টি — মানবদেহের একটি নির্দিষ্ট হাত বা পায়ে ৩০টি করে মোট ৬০টি হাড় থাকে, যা পুরো শরীরের মোট সংখ্যা নয়। D) ৫২টি — এই সংখ্যাটি মানবদেহের হাড়ের মোট সংখ্যার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মানবদেহের হাড়ের সংখ্যা মনে রাখতে দুই শত ছয় সংখ্যাটি মনে রাখুন। - শিশুকালে হাড়ের সংখ্যা বেশি থাকে এবং বড় হওয়ার সাথে সাথে তা জোড়া লেগে কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নবজাতক শিশুর শরীরে হাড়ের সংখ্যা প্রায় তিনশ'টি থাকে যা বয়স বাড়ার সাথে সাথে কমে ২০৬টিতে নামে। - মানবদেহের সবচেয়ে বড় হাড় হলো ফিমার যা উরুতে থাকে এবং সবচেয়ে ছোট হাড় হলো স্টেপিস যা কানে থাকে।
a ভিটামিন এ
b ফলিক এসিড
c বমির ঔষধ
d কৃমির ঔষধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফলিক এসিড ১. কেন সঠিক: - গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে ভ্রূণের স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক বিকাশের জন্য ফলিক এসিড বা ভিটামিন বি ৯ অত্যন্ত জরুরি। এটি ভ্রূণের মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের জন্মগত ত্রুটি রোধ করতে সরাসরি সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ফলিক এসিড হলো পানির দ্রবণীয় ভিটামিন বি ৯, যা কোষ বিভাজন এবং নতুন টিস্যু গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - কার্যপ্রণালি: গর্ভধারণের প্রথম চার সপ্তাহের মধ্যে শিশুর নিউরাল টিউব গঠিত হয়, যা পরবর্তীতে মস্তিষ্ক ও মেরুদূপে রূপ নেয় এবং ফলিক এসিড এই গঠনে সহায়তা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গর্ভাবস্থার শুরুতে চিকিৎসকরা মায়েদের ফলিক এসিড ট্যাবলেট খাওয়ার পরামর্শ দেন। ব্যাখ্যা: এটি ভ্রূণের স্পাইনা বিফিডা বা মেরুদণ্ডের জন্মগত ত্রুটির ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়। উদাহরণ ২: পালং শাক, ব্রকলি এবং ডাল জাতীয় খাবারে প্রচুর ফলিক এসিড থাকে। ব্যাখ্যা: প্রাকৃতিক উৎস থেকে গর্ভবতী মায়েদের দেহে এই পুষ্টির চাহিদা কিছুটা পূরণ হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন এ — অতিরিক্ত ভিটামিন এ গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের ক্ষতি করতে পারে, যদিও এটি সাধারণ দৃষ্টিশক্তির জন্য জরুরি। B) ফলিক এসিড — এটি সঠিক উত্তর। C) বমির ঔষধ — এটি কেবল উপসর্গ নিরাময়ে সাময়িকভাবে ব্যবহার করা হয়, কোনো আবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান নয়। D) কৃমির ঔষধ — গর্ভাবস্থার প্রথম ত্রৈমাসিকে কৃমির ঔষধ সাধারণত সেবন করা নিষিদ্ধ বা এড়িয়ে চলা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - গর্ভে শিশুর স্নায়ু গঠনে ফ দিয়ে ফলিক এসিড মনে রাখা সহজ। প্রথম তিন মাস এটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভিটামিন বি ৯ এর রাসায়নিক নাম বা অভাবজনিত রোগ সম্পর্কে প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a Falciparum
b Nipa Virus
c Staphylococcus
d Ricketx
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Falciparum ১. কেন সঠিক: ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টির জন্য দায়ী জীবাণু হলো প্লাজমোডিয়াম নামক এক প্রকার এককোষী প্রোটোজোয়া বা আদিপ্রাণী। এই প্লাজমোডিয়াম প্রজাতির মধ্যে প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম মানবদেহে সবচেয়ে মারাত্মক ও প্রাণঘাতী ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম হলো ম্যালেরিয়া সৃষ্টিকারী চারটি প্রধান প্রোটোজোয়া প্রজাতির মধ্যে একটি যা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর। কার্যপ্রণালি: স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার কামড়ের মাধ্যমে এই জীবাণু মানুষের রক্তে প্রবেশ করে এবং যকৃত ও লোহিত রক্তকণিকাকে আক্রমণ করে ধ্বংস করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্রান্তীয় অঞ্চলে প্রবল জ্বর ও কাঁপুনি নিয়ে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হওয়া। ব্যাখ্যা: এটি ফ্যালসিপেরাম প্রজাতির সংক্রমণের কারণে লোহিত রক্তকণিকায় ব্যাঘাত ঘটার ফলে ঘটে। উদাহরণ ২: মস্তিষ্কে ম্যালেরিয়ার জীবাণু ছড়ানো বা সেেরেব্রাল ম্যালেরিয়া। ব্যাখ্যা: প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরামের কারণে রক্তনালী ব্লক হয়ে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Falciparum — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ম্যালেরিয়ার জীবাণুর প্রজাতি। B) Nipa Virus — এটি একটি মারাত্মক ভাইরাস যা বাদুড় থেকে ছড়ায় এবং মস্তিষ্কে প্রদাহ সৃষ্টি করে। C) Staphylococcus — এটি এক প্রকার ব্যাকটেরিয়া যা ত্বকের সংক্রমণ এবং পুঁজ সৃষ্টির জন্য দায়ী। D) Ricketx — এটি রিক্কেটসিয়া ব্যাকটেরিয়ার ভুল বানান, যা সাধারণত উ উকুন বা টিকের মাধ্যমে ছড়ায় এবং টাইফাসের মতো রোগ সৃষ্টি করে। ৫ মনে রাখার টিপস: ম্যালেরিয়ার সবচেয়ে মারাত্মক জীবাণু ফ্যালসিপেরামের প্রথম অক্ষর এফ দিয়ে ফিউনারেল বা মৃত্যু ভাবা যেতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ম্যালেরিয়া জীবাণুর আবিষ্কারক রোনাল্ড রস এবং এর বাহক হলো স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা। পরীক্ষায় প্রায়ই ম্যালেরিয়ার জীবাণুর নাম বা এর বাহক সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a Acetic Acid
b Hydrochloric acid
c Sulphuric acid
d Formic acid
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Hydrochloric acid ১. কেন সঠিক: পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি থেকে হাইড্রোক্লোরিক এসিড বা এইচসিএল নিঃসৃত হয়। এই এসিড পাকস্থলীতে প্রবেশ করা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে এবং খাদ্য হজমে সহায়তা করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পাকস্থলীতে থাকা হাইড্রোক্লোরিক এসিড খাবার পরিপাক করার জন্য একটি অম্লীয় পরিবেশ তৈরি করে। কার্যপ্রণালি: এই এসিড পেপসিনোজেন এনজাইমকে সক্রিয় পেপসিনে রূপান্তর করে যা আমিষ জাতীয় খাদ্য ভাঙতে সাহায্য করে। বাস্তব প্রয়োগ: অতিরিক্ত বা কম এসিড ক্ষরণ হলে অম্লতা বা বুকজ্বালার মতো সমস্যা দেখা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাংস বা শক্ত আমিষ জাতীয় খাবার খাওয়ার পর পাকস্থলী অধিক পরিমাণে হাইড্রোক্লোরিক এসিড ক্ষরণ করে। ব্যাখ্যা: আমিষ জাতীয় খাবার সহজে হজম করার জন্য এই এসিডের অম্লীয় পরিবেশ অত্যন্ত জরুরি। উদাহরণ ২: ফল বা খাবারের সাথে পেটে প্রবেশ করা জীবাণু এসিডের কারণে মারা যায়। ব্যাখ্যা: হাইড্রোক্লোরিক এসিড একটি শক্তিশালী জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে শরীরকে সুরক্ষা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Acetic Acid — এটি ভিনেগারের মূল উপাদান এবং এটি খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) Hydrochloric acid — এটি পাকস্থলীতে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত হয় এবং খাবার হজমে সাহায্য করে। C) Sulphuric acid — এটি শিল্প কারখানায় ব্যবহৃত একটি শক্তিশালী এসিড এবং একে এসিডের রাজা বলা হয়। D) Formic acid — এটি পিঁপড়ের কামড় বা বিশল্যকরণী পাতায় থাকে এবং এটি এক ধরনের জৈব এসিড। ৫ মনে রাখার টিপস: পেটে যে এসিড থাকে তা দিয়ে মেটাল বা লোহা পরিষ্কার করা যায় না, তবে এটি খাবার হজম করে। মনে রাখতে হবে যে পাকস্থলীর এসিডের রাসায়নিক নাম হাইড্রোক্লোরিক এসিড এবং এর সংকেত এইচসিএল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পাকস্থলীর হাইড্রোক্লোরিক এসিড পিএইচ এর মান ১.৫ থেকে ৩.৫ এর মধ্যে বজায় রাখে। এই ধরনের প্রশ্ন BCS এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় মানবদেহ ও পরিপাকতন্ত্র অধ্যায় থেকে প্রায়ই আসে।
a ইউরিক এসিড
b হিমোগ্লোবিন
c লিউকোসাইট
d হেপারিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হেপারিন ১. কেন সঠিক: - হেপারিন হলো একধরনের প্রাকৃতিক অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট বা রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দানকারী পদার্থ। - এটি মানবদেহের রক্তনালীর ভেতরে স্বাভাবিক অবস্থায় রক্তকে তরল রাখতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রক্তনালীর ভেতরে রক্ত জমাট না বেঁধে অবিরাম প্রবাহিত হওয়ার জন্য হেপারিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - কার্যপ্রণালি: হেপারিন রক্তে উপস্থিত প্রথ্রম্বিনকে থ্রম্বিনে রূপান্তরিত হতে বাধা দেয়, যা রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়াটিকে আটকে রাখে। - কারণ ও ফলাফল: যদি হেপারিনের উপস্থিতি না থাকত, তবে রক্তনালীর ভেতরেই রক্ত জমাট বেঁধে থ্রম্বোসিস নামক মারাত্মক রোগের সৃষ্টি হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রক্ত দান করার সময় বা পরীক্ষাগারে রক্ত সংরক্ষণের জন্য যে কাচ বা প্লাস্টিকের নল ব্যবহার করা হয়, সেখানে কৃত্রিমভাবে হেপারিন মেশানো থাকে। ব্যাখ্যা: এটি টেস্টটিউবে রক্তকে জমাট বাঁধতে দেয় না এবং রক্ত পরীক্ষা নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: মানুষের হৃদপিণ্ডের ওপেন হার্ট সার্জারির সময় শরীরের বাইরে কৃত্রিম যন্ত্রের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালন করা হয়। ব্যাখ্যা: এ সময় রক্ত যেন জমাট না বাঁধে, সেজন্য রোগীকে অতিরিক্ত হেপারিন ইনজেকশন দেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউরিক এসিড — এটি আমিব জাতীয় আমিষ ভাঙার ফলে তৈরি বর্জ্য পদার্থ, যা মূত্রের মাধ্যমে দেহ থেকে বের হয় এবং এর সঙ্গে রক্ত জমাট বাঁধার কোনো সম্পর্ক নেই। B) হিমোগ্লোবিন — এটি রক্তে উপস্থিত একধরনের রঞ্জক পদার্থ যা ফুসফুস থেকে শরীরের সব কোষে অক্সিজেন পরিবহন করে। C) লিউকোসাইট — এটি শ্বেত রক্তকণিকার বৈজ্ঞানিক নাম, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে এবং জীবাণু ধ্বংস করতে কাজ করে। D) হেপারিন — এটি রক্তনালীর ভেতরে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - হ দিয়ে হেপারিন এবং হ দিয়ে হৃদপিণ্ডের রক্তনালী মনে রাখতে পারো। - রক্তনালীর ভেতরে রক্ত চলাচল সচল রাখতে হেপারিন পাহারা দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - হেপারিন মূলত যকৃতে তৈরি হয় এবং এটি একপ্রকার মিউকোপলিস্যাকারাইড। - একই ধারণা থেকে পরীক্ষায় আসতে পারে যে রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে কোন ভিটামিন, যার উত্তর হবে ভিটামিন কে।
a ভিটামিন এ
b ভিটামিন সি
c ভিটামিন বি
d ভিটামিন ডি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভিটামিন সি ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটিতে বলা হয়েছে ঠোঁটে ও জিহ্বায় ঘা হওয়ার কারণ সম্পর্কে। তবে এখানে প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত্ব উত্তর ভিটামিন সি বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়, কারণ ঠোঁট ও জিহ্বায় ঘা মূলত ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, বিশেষ করে ভিটামিন বি২ বা রাইবোফ্লাভিন এবং ভিটামিন বি১২ এর অভাবে হয়ে থাকে। ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়, যার প্রধান লক্ষণ মাড়ি ফোলা ও রক্তপাত হওয়া। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মাঝে মাঝে এমন অসঙ্গতিপূর্ণ উত্তর দেখা যায়, তাই সঠিক বৈজ্ঞানিক তথ্য জানা আবশ্যক। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভিটামিন বি মানবদেহের কোষের বিপাক ক্রিয়ায় সহায়তা করে এবং ত্বক, মুখগহ্বর ও স্নায়ুতন্ত্র সুস্থ রাখে। ভিটামিন বি এর অভাবে মুখের কোণে ঘা, ঠোঁটে ও জিহ্বায় প্রদাহ বা স্টোমাটাইটিস দেখা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুখে বারবার ঘা বা এথাস্টিল আলসার হওয়া। ব্যাখ্যা: এটি সাধারণত ভিটামিন বি কমপ্লেক্স বা ফলিক এসিডের অভাবের কারণে ঘটে থাকে। উদাহরণ ২: দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত পড়া। ব্যাখ্যা: এটি ভিটামিন সি এর অভাবে হয়ে থাকে যা স্কার্ভি রোগ নামে পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন এ — এটি চোখের দৃষ্টিশক্তি ও ত্বক সুরক্ষায় কাজ করে, এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। B) ভিটামিন সি — এটি মাড়ি ও ত্বকের সুরক্ষায় কাজ করে, এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়। C) ভিটামিন বি — এটি মুখ, ঠোঁট, জিহ্বা ও স্নায়ুতন্ত্র সুস্থ রাখে এবং এর অভাবেই ঠোঁট ও জিহ্বায় ঘা হয়। D) ভিটামিন ডি — এটি ক্যালসিয়াম শোষণ করে হাড় শক্ত রাখে, এর অভাবে রিকেটস রোগ হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মুখের ভেতরের অংশ, ঠোঁট, জিহ্বা ও ত্বকের সুরক্ষার সঙ্গে ভিটামিন বি সরাসরি যুক্ত। বি দিয়ে বি-কমপ্লেক্স এবং বি দিয়ে মুখ বা বাকের স্বাস্থ্য মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভিটামিন বি২ এর রাসায়নিক নাম রাইবোফ্লাভিন এবং এর অভাবে স্টোমাটাইটিস রোগ হয়। একই ধারণা থেকে ভিটামিন সি এর অভাবজনিত রোগ স্কার্ভি সম্পর্কেও প্রশ্ন আসে।
a মা
b বাবা
c উভয়ই
d কেউ না
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাবা ১. কেন সঠিক: - মানবদেহের সেক্স ক্রোমোজোমের বিন্যাসের ওপর সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারিত হয়। - বাবার ক্রোমোজোম এক্স বা ওয়াই হতে পারে যা লিঙ্গ নির্ধারণ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মানুষের কোষে মোট তেইশ জোড়া বা ছেচল্লিশটি ক্রোমোজোম থাকে। - কার্যপ্রণালি: মায়ের ডিম্বাণুতে শুধুমাত্র এক্স ক্রোমোজোম থাকে এবং বাবার শুক্রাণুতে এক্স বা ওয়াই ক্রোমোজোম থাকে। - কারণ ও ফলাফল: শুক্রাণুর এক্স ক্রোমোজোম ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করলে কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। - বাস্তব প্রয়োগ: বংশগতি ও জিনগত চিকিৎসায় এই ক্রোমোজোম তত্ত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এক্স শুক্রাণুর নিষেক ব্যাখ্যা: বাবার এক্স ক্রোমোজোমবাহী শুক্রাণু মায়ের এক্স ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হলে এক্স এক্স বা কন্যাসন্তান হয়। উদাহরণ ২: ওয়াই শুক্রাণুর নিষেক ব্যাখ্যা: বাবার ওয়াই ক্রোমোজোমবাহী শুক্রাণু মায়ের এক্স ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হলে এক্স ওয়াই বা পুত্রসন্তান হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মা — মায়ের কোষে কেবল এক্স ক্রোমোজোম থাকায় তিনি লিঙ্গ নির্ধারণে ভূমিকা রাখেন না। B) বাবা — বাবা এক্স বা ওয়াই ক্রোমোজোম সরবরাহ করায় তিনিই মূলত সন্তান পুত্র বা কন্যা হওয়ার জন্য দায়ী। C) উভয়ই — কেবল মায়ের ক্রোমোজোম সব সময় এক্স হওয়ায় উভয়ের ভূমিকা সমান নয়। D) কেউ না — এটি ভুল কারণ বাবার ক্রোমোজোমের ওপরই সন্তানের লিঙ্গ নির্ভর করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মায়ের থাকে শুধু এক্স এক্স এবং বাবার থাকে এক্স ওয়াই ক্রোমোজোম। - ওয়াই ক্রোমোজোম আসার ওপর নির্ভর করে সন্তান পুত্র হবে কি না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানুষের সেক্স ক্রোমোজোমকে অ্যালোসোম বলা হয়। - পিতা বা মাতার মধ্যে কে লিঙ্গ নির্ধারণ করে এমন প্রশ্ন বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে।