বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী প্রকৌশলী (পুর) পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯।

পদের নাম: সহকারী প্রকৌশলী (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a ভাষা আন্দোলন
b অসহযোগ আন্দোলন
c তেভাগা আন্দোলন
d মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভাষা আন্দোলন ১. কেন সঠিক: - মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকটি ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের রক্তাক্ত প্রেক্ষাপটে রচিত একটি যুগান্তকারী একাঙ্ক নাটক। - জেলখানায় বন্দি থাকা অবস্থায় ভাষা শহীদদের স্মরণে এবং তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে তিনি এই নাটকটি রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী ছিলেন একাধারে নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক এবং ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সক্রিয় কর্মী। - ১৯৫২ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় তিনি কবর নাটকটি রচনা করেন এবং কারাগারেই বন্দিরা এর প্রথম অভিনয় করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জহির রায়হানের আরেক ফাগুন ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনাকে ধারণ করে। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের আর্তনাদ ব্যাখ্যা: এটিও ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত একটি বিশিষ্ট উপন্যাস, যা তৎকালীন রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থাকে ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষা আন্দোলন — এটি এই নাটকের মূল প্রেক্ষাপট। B) অসহযোগ আন্দোলন — অসহযোগ আন্দোলন ব্রিটিশবিরোধী বা সত্তরের দশকের রাজনৈতিক পটভূমির সাথে যুক্ত, যা কবর নাটকের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) তেভাগা আন্দোলন — তেভাগা আন্দোলন ১৯৪৭ সালের বাংলার কৃষকদের ঐতিহাসিক দাবি আদায়ের সংগ্রাম, যা এই নাটকের বিষয়বস্তু নয়। D) মুক্তিযুদ্ধ — মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১ সালের সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রাম, যা কবর নাটক রচনার প্রায় দুই দশক পরে সংঘটিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুনীর চৌধুরী ভাষা আন্দোলনের সময় জেলে বসেই কবর নাটক লিখেছিলেন। - কারাগারে বসে লেখা প্রথম ভাষাভিত্তিক নাটক হিসেবে এটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কবর নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে প্রথম ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সফল প্রতিবাদী নাটক হিসেবে বিশেষ পরিচিত। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে কবর নাটকটির রচয়িতা কে কিংবা এর প্রেক্ষাপট কী।
a নূরলদীনের সারাজীবন
b সুবচন নির্বাসনে
c রক্তাক্ত প্রান্তর
d পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ১. কেন সঠিক: - পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং গ্রামীণ জনপদে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতার পটভূমিতে রচিত। - নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক কাব্যনাট্যের মাধ্যমে একাত্তরের অবরুদ্ধ সময়ের ভয়াবহতা ও সাধারণ মানুষের সংগ্রামের চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাটকটির রচিয়তা বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যনাট্য যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চেতনায় সমৃদ্ধ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিঙ্করকুমার নাটকের একটি উল্লেখযোগ্য চরিত্র। ব্যাখ্যা: এই চরিত্রটি নাটকের মূল আবহ ও গ্রামীণ মানুষের মানসিকতা প্রকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। উদাহরণ ২: যুদ্ধদিনের পটভূমিতে রচিত সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য হলো নূরলদীনের সারাজীবন। ব্যাখ্যা: যদিও এটি সরাসরি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়, তবে এটি প্রতিবাদী চেতনার নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নূরলদীনের সারাজীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হকের ঐতিহাসিক নাটক, যা ব্রিটিশবিরোধী কৃষক বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত। B) সুবচন নির্বাসনে — এটি আবদুল্লাহ আল মামুনের একটি বিখ্যাত নাটক, যা রাজনৈতিক ও সামাজিক অবক্ষয়ের প্রেক্ষাপটে রচিত। C) রক্তাক্ত প্রান্তর — এটি মুনীর চৌধুরীর একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক, যা তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। D) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকটি সৈয়দ শামসুল হকের লেখা এবং এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক এবং ঐতিহাসিক নাটকের পার্থক্যগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে কারণ বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এগুলো প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
b মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
c বিজয়গুপ্ত
d ঘনরাম চক্রবর্তী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ১. কেন সঠিক: - মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান রচয়িতা। - চণ্ডীমঙ্গল কাব্যটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম একটি নিদর্শন যা দেবী চণ্ডীর মহিমা প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের ষোড়শ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট কবি যিনি সুলতানি বা মুঘল আমলের বাংলার সমাজচিত্র তাঁর কাব্যে ফুটিয়ে তুলেছেন। - চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের অপর নাম কালকেতু কথাকথা বা আখেটকণ্ডল এবং এই কাব্যে গ্রামীণ বাংলার নিখুঁত চিত্র পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অকালবোধন ব্যাখ্যা: এটি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ পৌরাণিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটযুক্ত অংশ। উদাহরণ ২: ফুল্লরার বারমাসী ব্যাখ্যা: চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আখেটকণ্ড অংশে দুঃখিনী ফুল্লরার বারমাসি বর্ণনা বাংলা সাহিত্যের বাস্তবধর্মী রচনার অনন্য উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর — তিনি অষ্টাদশ শতাব্দীর কবি এবং তাঁর বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম হলো অন্নদামঙ্গল কাব্য। B) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের রচয়িতা হিসেবে সর্বস্বীকৃত। C) বিজয়গুপ্ত — তিনি মধ্যযুগের মনসামঙ্গল কাব্যের অন্যতম বিখ্যাত রচয়িতা যার কাব্যের নাম পদ্মপুরাণ। D) ঘনরাম চক্রবর্তী — তিনি অষ্টাদশ শতাব্দীর ধর্মমঙ্গল কাব্যের একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় কবি। ৫ মনে রাখার টিপস: - চণ্ডীমঙ্গল কাব্য এবং মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মনে রাখতে মনে রাখবে মুকুন্দ মানে সুন্দর মুখ, আর সুন্দর মুখে চণ্ডীর গান মানায়। এভাবে কবির নামের সঙ্গে কাব্যের নাম মেলানো সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবি ও তাদের রচিত মঙ্গলকাব্য প্রায়ই আসে। - মঙ্গলকাব্যগুলোর রচয়িতা এবং তাদের উপাধি যেমন কবি কঙ্কন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a অকৃত্রিম
b মৌলিক
c স্বাভাবিক
d সরল
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্বাভাবিক ১. কেন সঠিক: - কৃত্রিম শব্দের অর্থ যা মানুষ তৈরি করেছে বা যা স্বাভাবিক নয়। - এর বিপরীত শব্দ হিসেবে প্রাকৃতিক বা স্বাভাবিক ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের উৎসের পাশাপাশি অর্থের সামঞ্জস্য দেখতে হয়। - বিশেষ্য বা বিশেষণ পদের বিপরীত শব্দ সাধারণত একই পদবিন্যাসে গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শুষ্ক শব্দের বিপরীত আর্দ্র। ব্যাখ্যা: শুষ্ক অর্থ যা শুকনা এবং আর্দ্র অর্থ ভেজা বা জলীয়। উদাহরণ ২: উন্নত শব্দের বিপরীত অবনত। ব্যাখ্যা: উন্নত অর্থ যা উঁচুতে অবস্থিত এবং অবনত অর্থ যা নিচু বা নিচুভাবাপন্ন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অকৃত্রিম — এটি কৃত্রিম শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, বিপরীত শব্দ নয়। B) মৌলিক — মৌলিক শব্দের বিপরীত ভেজাল বা যৌগিক, কৃত্রিম শব্দের সঠিক বিপরীত এটি নয়। D) সরল — সরল শব্দের বিপরীত জটিল বা কুটিল, কৃত্রিম শব্দের বিপরীত স্বাভাবিক বেশি উপযোগী। ৫. মনে রাখার টিপস: - কৃত্রিম মানে মানুষের তৈরি, তাই এর বিপরীত হবে প্রকৃতির তৈরি বা স্বাভাবিক। - বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার চেয়ে শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করা বেশি কার্যকর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীত শব্দ নির্বাচনে অর্থের গভীরতা ও ব্যাকরণগত মিল দেখতে হয়। - বিশেষ্য ও বিশেষণের রূপ মিল রেখে বিপরীত শব্দ নির্বাচন করা উচিত।
a বুদ্ধদেব বসু
b কাজী আবদুল ওদুদ
c সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
d হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও ১. কেন সঠিক: - হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে বাংলার নবজাগরণের এক অগ্রদূত ও চিন্তাবিদ। - তাঁর অনুসারী ও ছাত্ররা ইয়ং বেঙ্গল বা নব্যবঙ্গ নামে পরিচিত এবং তাঁরা রক্ষণশীল সমাজের বিরুদ্ধে মুক্তবুদ্ধি চর্চা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও ছিলেন হিন্দু কলেজের তরুণ শিক্ষক ও একজন প্রগতিশীল কবি। - তাঁর অনুসারী হিসেবে কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, রামতনু লাহিড়ী প্রমুখ মুক্তবুদ্ধি ও সমাজ সংস্কারের আন্দোলন গড়ে তোলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা গদ্য চর্চার প্রসারে ১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্রিটিশ আমলের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। উদাহরণ ২: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ব্যাখ্যা: ১৮৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলার আধুনিক শিক্ষা ও সাহিত্য চর্চার কেন্দ্রবিন্দু ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার ত্রিশের দশকের অন্যতম প্রধান কবি ও সাহিত্যিক, ইয়ং বেঙ্গল আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নন। B) কাজী আবদুল ওদুদ — ইনি বিশ শতকের বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক। C) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — ইনি বিংশ শতাব্দীর প্রখ্যাত আধুনিক বাংলা ঔপন্যাসিক ও কবি, যিনি এই আন্দোলনের বহু পরে আবির্ভূত হন। D) হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও — এই অপশনটি সঠিক এবং এর ঐতিহাসিক ভূমিকা প্রশ্নানুযায়ী নিখুঁতভাবে মিলে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইয়ং বেঙ্গল আন্দোলন বললেই হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও বা ডিরোশিয়ানদের কথা মনে রাখবে। - তরুণদের মধ্যে যুক্তিবাদী চিন্তা ছড়ানোর জন্য তাঁর নাম ইতিহাসে বিখ্যাত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলার নবজাগরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ডিরোজিওর ছাত্রদের ডিরোশিয়ান বলা হতো এবং তাঁরা এঙ্গো-ইন্ডিয়ান সমাজের প্রতিনিধি ছিলেন।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b সুকুমার সেন
c ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
d আহমদ শরীফ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ১. কেন সঠিক: - 'বাংলা সাহিত্যের কথা' গ্রন্থটির রচয়িতা ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক একটি অত্যন্ত প্রামাণিক ও জনপ্রিয় গ্রন্থ। - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এই গ্রন্থে প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ধারাবাহিক ইতিহাস ও তথ্য অত্যন্ত সুচারুভাবে তুলে ধরেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন বিশ শতকের অন্যতম প্রখ্যাত বাঙালি ভাষাবিদ, সাহিত্যিক ও গবেষক। তিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন। - এই গ্রন্থটি মূলত দুই খণ্ডে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যিক ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস' (প্রথম খণ্ড) - সুকুমার সেন ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের ওপর লেখা আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রামাণিক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: 'বাংলাদেশের সাহিত্য' - আহমদ শরীফ ব্যাখ্যা: প্রখ্যাত গবেষক আহমদ শরীফের লেখা এই গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্য পাঠে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও 'বাংলা সাহিত্যের কথা' গ্রন্থের রচয়িতা নন। B) সুকুমার সেন — তিনি 'বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস' গ্রন্থের রচয়িতা, যা আলোচ্য প্রশ্নটির সঠিক উত্তর নয়। C) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই অপশনটি সঠিক। D) আহমদ শরীফ — তিনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য নিয়ে অনেক গবেষণা ও সম্পাদনা করলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - শহীদুল্লাহর 'কথা' দিয়ে মনে রাখতে পারো ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ লিখেছেন 'বাংলা সাহিত্যের কথা'। - গবেষক শহীদুল্লাহ সাহিত্যের ইতিহাসকে সহজ কথায় পাঠকের কাছে তুলে ধরেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা সাহিত্য ইতিহাসের প্রণেতা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থ যেমন 'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' ভালোভাবে অধ্যয়ন করা উচিত।
a চ
b ঠ
c প
d ঝ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঝ ১. কেন সঠিক: - ঝ একটি মহাপ্রাণ ধ্বনি কারণ এই বর্ণটি উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে নির্গত বাতাসের পরিমাণ বা প্রাণবায়ুর প্রাচুর্য বেশি থাকে। - বাংলা বর্ণমালার বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণগুলোকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলা হয় এবং ঝ হলো চ বর্গীয় চতুর্থ বর্ণ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের বর্গীয় ধ্বনিগুলোকে উচ্চারণের সময় বাতাসের কমবেশি নির্গমনের ওপর ভিত্তি করে অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। - বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ ধ্বনি এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ ধ্বনি হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খ ব্যাখ্যা: খ হলো ক বর্গের দ্বিতীয় বর্ণ, তাই এটি একটি মহাপ্রাণ ধ্বনি। উদাহরণ ২: ঢ ব্যাখ্যা: ঢ হলো ট বর্গের চতুর্থ বর্ণ, যা উচ্চারণের সময় বেশি বাতাস নির্গত হয় বলে এটি মহাপ্রাণ ধ্বনি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চ - এটি চ বর্গের প্রথম বর্ণ, তাই এটি অল্পপ্রাণ ধ্বনি, মহাপ্রাণ ধ্বনি নয়। B) ঠ - এটি ট বর্গের দ্বিতীয় বর্ণ, তবে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ঝ সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি উত্তর হিসেবে বিবেচিত নয়। (প্রশাসনিক সংশোধনী: ঠ একটি মহাপ্রাণ ধ্বনি, কিন্তু প্রশ্নে ডি অপশন ঝ-কে সঠিক ধরা হয়েছে এবং একটি প্রশ্নে একটিই সঠিক উত্তর হয়।) C) প - এটি প বর্গের প্রথম বর্ণ, তাই এটি অল্পপ্রাণ ধ্বনি। D) ঝ - এটি চ বর্গের চতুর্থ বর্ণ এবং মহাপ্রাণ ধ্বনির সংজ্ঞার সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বর্গের জোড় সংখ্যাগুলো অর্থাৎ দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ হলো মহাপ্রাণ ধ্বনি। - বিজোড় সংখ্যাগুলো অর্থাৎ প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ হলো অল্পপ্রাণ ধ্বনি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ ধ্বনি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বর্গের ক্রম মনে রাখলে এই ধরনের ধ্বনি সহজে নির্ণয় করা সম্ভব।
a কলকাতা
b চব্বিশ পরগনা
c শান্তি নিকেতন
d কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কিশোরগঞ্জ ১. কেন সঠিক: - কবি চন্দ্রাবতীর জন্মস্থান কিশোরগঞ্জ জেলার পাটুলী গ্রামে। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নারী কবি হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। - প্রশ্নটিতে কবি চন্দ্রাবতীর জন্মস্থান জানতে চাওয়া হয়েছে এবং কিশোরগঞ্জ তার সঠিক জন্মস্থান হিসেবে প্রমাণিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চন্দ্রাবতীর জন্ম ষোড়শ শতাব্দীতে (আনুমানিক ১৫৫০ খ্রিস্টাব্দে) কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলার পাটুলী গ্রামে। তার পিতা ছিলেন মধ্যযুগের প্রখ্যাত কবি দ্বিজ বংশীদাস। - তিনি বাংলা সাহিত্যে রামায়ণ রচনার জন্য অমর হয়ে আছেন। তার রচিত রামায়ণ কাব্যটি চন্দ্রাবতীর রামায়ণ বা সীতায়ন নামে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দ্বিজ বংশীদাস ব্যাখ্যা: কবি চন্দ্রাবতীর সুযোগ্য পিতা যিনি মনসা মঙ্গল কাব্যের জন্য বিখ্যাত। উদাহরণ ২: মলহুয়া পালা ব্যাখ্যা: চন্দ্রাবতীর রচিত অন্যতম বিখ্যাত একটি ট্র্যাজেডিধর্মী পালাগান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কলকাতা — কলকাতা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী এবং বাংলার নবজাগরণের কেন্দ্র হলেও চন্দ্রাবতীর জন্মস্থান নয়। B) চব্বিশ পরগনা — চব্বিশ পরগনা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি ঐতিহাসিক জেলা যা চন্দ্রাবতীর জন্মস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) শান্তি নিকেতন — শান্তি নিকেতন পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় অবস্থিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে যুক্ত একটি স্থান, চন্দ্রাবতীর সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) কিশোরগঞ্জ — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবি চন্দ্রাবতীর জন্ম কিশোরগঞ্জ জেলার পাটুলী গ্রামে হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - চন্দ্রাবতী মানেই কিশোরগঞ্জ এবং প্রথম নারী কবি। এভাবে কবি ও জেলার নাম একসঙ্গে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের নারী কবিদের মধ্যে চন্দ্রাবতী সবচেয়ে অগ্রগণ্য। তার পিতা দ্বিজ বংশীদাস এবং জন্মস্থান কিশোরগঞ্জ, এই তথ্যগুলো বারবার পরীক্ষায় আসে।
a অনল
b পবন
c যবন
d কমল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অনল ১. কেন সঠিক: - 'অগ্নি' শব্দের অর্থ আগুন, পাবক বা হুতাশন। অনল শব্দটি অগ্নি বা আগুনের একটি সরাসরি ও বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের রূপ ভিন্ন হলেও অর্থের দিক থেকে মিল থাকে। বাংলা ভাষায় সংস্কৃত উৎসের কারণে অনেক শব্দের একাধিক প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ রয়েছে। - অগ্নি শব্দের সমার্থক শব্দগুলো মূলত আগুনের বিভিন্ন গুণ বা রূপকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বহ্নি ব্যাখ্যা: এটি অগ্নির অপর একটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: হুতাশন ব্যাখ্যা: হুতাশন শব্দের অর্থ যিনি হবন বা যজ্ঞের আগুন গ্রহণ করেন, যা অগ্নির সমার্থক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনল — এটি সঠিক উত্তর কারণ অনল মানে আগুন বা অগ্নি। B) পবন — পবন শব্দের অর্থ বাতাস বা বায়ু, যা আগুনের সমার্থক নয়। C) যবন — যবন শব্দটি প্রাচীনকালে বিদেশি বা ভিনদেশি বোঝাতে ব্যবহৃত হতো। D) কমল — কমল শব্দের অর্থ পদ্মফুল, যা অগ্নির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অগ্নি ও অনল উভয় শব্দই অ দিয়ে শুরু হয়, যা মনে রাখা সহজ করে। অনল, পাবক ও বহ্নি হলো অগ্নির সবচেয়ে পরিচিত তিনটি সমার্থক শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নি, বায়ু, জল এবং আকাশ শব্দের সমার্থক শব্দগুলো খুব বারবার আসে। তাই তৎসম শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a সমীচীন
b সমিচিন
c সমীচিন
d সমীচীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমীচীন ১. কেন সঠিক: বাংলা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী 'সমীচীন' শব্দের শুরুতে 'স' এর সঙ্গে যুক্ত ম-এ দীর্ঘ ঈ-কার এবং ছ-এর সঙ্গে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়। এই শব্দের সঠিক গঠন হলো দন্ত স + ম + দীর্ঘ ঈ-কার + ছ + দীর্ঘ ঈ-কার + দন্ত ন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানানরীতিতে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে যার মধ্যে বিদেশী বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বানান অনুসরণের কথা বলা হয়েছে। সমীচীন শব্দটি একটি তৎসম শব্দ এবং এর গঠনে শেষের দিকে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয় যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ভুল হিসেবে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিভীষণ ব্যাখ্যা: এই শব্দটির বানানেও দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয় এবং এটি বানarc শুদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি শব্দ। উদাহরণ ২: মণীষা ব্যাখ্যা: মণীষা বানানে মূর্ধন্য ণ এবং দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয় যা প্রমিত বাংলা বানানরীতির একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমীচীন — এই অপশনটিতে বানান সঠিক রয়েছে এবং এটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী গঠিত। B) সমিচিন — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে ম-এর সঙ্গে হ্রস্ব ই-কার এবং চ-এর সঙ্গে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। C) সমীচিন — এই অপশনটি ভুল কারণ এর প্রথম অংশ ঠিক থাকলেও শেষের চ-এর সঙ্গে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। D) সমীচীন — প্রদত্ত প্রশ্নে এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে থাকলেও এটি অপশন এ এর অনুরূপ এবং উভয়েই সঠিক বানান নির্দেশ করছে। ৫. মনে রাখার টিপস: সমীচীন শব্দটি মনে রাখার একটি সহজ কৌশল হলো দীর্ঘ ঈ-কার দুইবার ব্যবহার করা। অর্থাৎ সম-ই-ছ-ঈ-ন বা ম এবং ছ উভয়ের সঙ্গেই দীর্ঘ ঈ-কার হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে কারণ পরীক্ষার্থীরা প্রায়ই শেষের বর্ণে হ্রস্ব ই-কার দিয়ে ভুল করে। বানান শুদ্ধ করার সময় তৎসম শব্দের মূল রূপ এবং দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের নিয়মগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a অবিরাম কান্না
b বৃথা চেষ্টা
c নিষ্ফল আবেদন
d বারবার চেষ্টা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিষ্ফল আবেদন ১. কেন সঠিক: - 'অরণ্যে রোদন' একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা যার আক্ষরিক অর্থ বনে বসে কান্না করা। - বনে বসে রোদন করলে তা শোনার বা দেখার কেউ থাকে না, তাই এর অন্তর্নিহিত অর্থ দাঁড়ায় নিষ্ফল আবেদন বা এমন অনুরোধ যা কেউ শোনে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবগত অর্থ প্রকাশ করে। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরের কাছে ধর্মকথা বলা আর অরণ্যে রোদন করা একই কথা। ব্যাখ্যা: এখানে চোরের কাছে ধর্মকথা বলা সম্পূর্ণ অর্থহীন বা নিষ্ফল বোঝাতে এই তুলনা করা হয়েছে। উদাহরণ ২: দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে একা আন্দোলন করা মানে অরণ্যে রোদন করার শামিল। ব্যাখ্যা: এখানে একাই আবেদন নিবেদন করার ব্যর্থতা বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবিরাম কান্না — এটি কেবল কান্নার ধারাবাহিকতা বোঝায় কিন্তু বাগধারার অন্তর্নিহিত আবেদনহীনতার ভাব প্রকাশ করে না। B) বৃথা চেষ্টা — এটি কাজের ব্যর্থতা বোঝায়, কিন্তু 'অরণ্যে রোদন' বিশেষভাবে কোনো আবেদন বা কথা শোনার অনুপস্থিতিকে নির্দেশ করে। C) নিষ্ফল আবেদন — এটি সঠিক উত্তর কারণ অরণ্যে কান্নার মতো এটিও আবেদন করার পর সাড়া না পাওয়ার ব্যর্থতা বোঝায়। D) বারবার চেষ্টা — এটি চেষ্টার পুনরাবৃত্তি বোঝায়, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - অরণ্য অর্থ বন এবং রোদন অর্থ কান্না। বনে গিয়ে কাঁদলে কেউ শোনে না, তাই এর অর্থ নিষ্ফল আবেদন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি প্রায়ই আসে। বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থের চেয়ে ভাবগত অর্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
a ইয়াসির আরাফাত
b শামসুর রাহমান
c নাজিম হিকমত
d আল্লামা ইকবাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শামসুর রাহমান ১. কেন সঠিক: 'মজলুম আদিব' হলো বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত ও পরিচিত ছদ্মনাম। বাংলা সাহিত্যে অনেক কবি ও লেখক তাদের আসল নামের পাশাপাশি ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন, যার মধ্যে শামসুর রাহমানের 'মজলুম আদিব' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধে বিকশিত আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি। সাংবাদিক ও কলামিস্ট হিসেবে তিনি স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে কলম ধরেছিলেন এবং এই ছদ্মনামে বিভিন্ন প্রতিবাদী লেখালেখি করতেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম। উদাহরণ ২: বনফুল ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইয়াসির আরাফাত — এটি ফিলিস্তিনের প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা এবং রাষ্ট্রপতির আসল নাম, কোনো ছদ্মনাম নয়। B) শামসুর রাহমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) নাজিম হিকমত — এটি তুরস্কের বিখ্যাত বিশ্বখ্যাত কবি ও সাহিত্যিকের আসল নাম, যা এই ছদ্মনামের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) আল্লামা ইকবাল — এটি উপমহাদেশের প্রখ্যাত দার্শনিক ও কবি মোহাম্মাদ ইকবালের ঐতিহাসিক নাম। ৫ মনে রাখার টিপস: শামসুর রাহমান মানেই প্রতিবাদী কণ্ঠ, আর এই প্রতিবাদী কবিকেই মানুষ 'মজলুম আদিব' নামে চেনে। ছদ্মনাম মনে রাখার জন্য কবির লেখার মূল সুর এবং পরিচিতি খেয়াল রাখা সবচেয়ে ভালো উপায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, যেমন টেকচাঁদ ঠাকুর বা ভণিতা। সাহিত্যিকদের আসল নামের পাশাপাশি তাদের ব্যবহৃত ছদ্মনামগুলো আলাদা করে নোট করে রাখা উচিত।
a ব্যথার দান
b মৃত্যুক্ষুধা
c আগুনপাখি
d জননী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মৃত্যুক্ষুধা ১. কেন সঠিক: মৃত্যুক্ষুধা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। এই উপন্যাসে কলকাতার দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের জীবন সংগ্রাম এবং তাদের বেঁচে থাকার আকুতি বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও তিনি সফলভাবে কয়েকটি উপন্যাস ও ছোটগল্প রচনা করেছেন। তার রচিত উপন্যাসগুলোর মধ্যে মৃত্যুক্ষুধা, কুহেলিকা ও বাঁধন হারা অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঁধন হারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত পত্রোপন্যাস। উদাহরণ ২: কুহেলিকা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত রাজনৈতিক পটভূমির ওপর লেখা একটি উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যথার দান — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন, কোনো উপন্যাস নয়। B) মৃত্যুক্ষুধা — এটি সঠিক উত্তর। C) আগুনপাখি — এটি হাসান আজিজুল হক রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, কাজী নজরুল ইসলামের নয়। D) জননী — এটি শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, কাজী নজরুল ইসলামের নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের উপন্যাসের নাম মনে রাখতে মনে রাখবে তিনি মূলত ৩টি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস লিখেছেন যথা বাঁধন হারা, মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা। তার গল্পগ্রন্থের নামের সঙ্গে উপন্যাসের নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুল ইসলামের উপন্যাস এবং ছোটগল্পের পার্থক্য প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। লেখকদের সাহিত্যকর্মের ধরন যেমন উপন্যাস, নাটক বা কাব্যগ্রন্থ আলাদা করে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
a 1913
b 1915
c 1917
d 1920
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯১৫ ১. কেন সঠিক: ব্রিটিশ সরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্যতম প্রধান সম্মানজনক স্যার বা নাইটহুড উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার অর্জনের পর ব্রিটিশ সরকার তাকে এই রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদান করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। পরবর্তীতে ১৯১৯ সালের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি ব্রিটিশ সরকারের দেওয়া এই নাইটহুড উপাধি বর্জন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের নোবেল প্রাপ্তি। ব্যাখ্যা: এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির পরেই মূলত ব্রিটিশ সরকার তাকে স্যার উপাধিতে ভূষিত করেছিল। উদাহরণ ২: ১৯১৯ সালের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড ও প্রতিবাদ। ব্যাখ্যা: এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদস্বরূপ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রিটিশ সরকারের দেওয়া নাইটহুড উপাধি বর্জন করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৩ — এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, যা স্যার উপাধি প্রাপ্তির সাল নয়। B) ১৯১৫ — এই সালটি সঠিক কারণ এই বছরেই তাকে নাইটহুড উপাধি দেওয়া হয়েছিল। C) ১৯১৭ — এই সালটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনের অন্যান্য ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও নাইটহুড প্রাপ্তির সাল নয়। D) ১৯২০ — এই সালটি নাইটহুড প্রাপ্তির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়, এটি উপাধি বর্জনের পরের একটি বছর। ৫ মনে রাখার টিপস: নোবেল পাওয়ার দুই বছর পর অর্থাৎ ১৯১৩ যোগ ২ সমান ১৯১৫ সালে তিনি স্যার উপাধি পান এবং এর চার বছর পর ১৯১৯ সালে তা বর্জন করেন। সালগুলো ক্রমানুসারে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই কার্যকর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাইটহুড প্রাপ্তির সাল ১৯১৫ এবং বর্জনের সাল ১৯১৯ বিসিএসসহ বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার আসে। একই সঙ্গে তার নোবেল প্রাপ্তির সাল ১৯১৩ পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে।
a বেগম রোকেয়া
b মালেকা বেগম
c সুফিয়া কামাল
d নুরজাহান বেগম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নুরজাহান বেগম ১. কেন সঠিক: - 'বেগম' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন নুরজাহান বেগম। - ১৯৪৭ সালের ২০ জুলাই কলকাতার সাক্রাঘাট থেকে এই পত্রিকা প্রকাশিত হয় এবং এটি ছিল বাংলার প্রথম নারীদের সাপ্তাহিক পত্রিকা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নুরজাহান বেগম বিখ্যাত সাহিত্যিক ও সাংবাদিক সওগাত পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীনের কন্যা ছিলেন। - বাঙালি মুসলিম নারীদের লেখালেখি ও সাহিত্যচর্চাকে এগিয়ে নিতে বেগম পত্রিকা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত সুলতানার স্বপ্ন। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারীবাদী বিজ্ঞান কল্পকাহিনীমূলক উপন্যাস। উদাহরণ ২: সুফিয়া কামাল রচিত সাঁঝের মায়া। ব্যাখ্যা: এটি এই প্রথিতযশা কবির একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার জন্য তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেগম রোকেয়া — তিনি নারী জাগরণের অগ্রদূত হলেও বেগম পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না, তবে তিনি এই পত্রিকার উদ্বোধনী সংখ্যায় লেখালেখি করেছিলেন। B) মালেকা বেগম — তিনি একজন বিশিষ্ট নারী নেত্রী ও গবেষক হলেও বেগম পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা বা সম্পাদক ছিলেন না। C) সুফিয়া কামাল — তিনি বিখ্যাত কবি ও নারী অধিকার নেত্রী ছিলেন এবং বেগম পত্রিকার উপদেষ্টা ও সূচনালগ্নে নানাভাবে যুক্ত থাকলেও সম্পাদক ছিলেন নুরজাহান বেগম। (উল্লেখ্য, প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানে ভুল ছিল, সঠিক উত্তর হবে নুরজাহান বেগম)। D) নুরজাহান বেগম — তিনি দীর্ঘকাল বেগম পত্রিকার সফল সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বেগম পত্রিকা এবং এর সম্পাদক নুরজাহান বেগমকে মনে রাখতে নাম দুটি একসঙ্গে স্মরণ করতে পারো। - পত্রিকার নামের সঙ্গে সম্পাদক নুরজাহান বেগমের নামের শেষ অংশের মিল রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বেগম পত্রিকা ১৯৪৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি নারী সমাজের মুখপত্র হিসেবে পরিচিত ছিল। - এ ধরনের সাহিত্য ও পত্রিকার ইতিহাস বিষয়ক প্রশ্ন বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a কাজী নজরুল ইসলামের
b সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
d মোহিতলাল মজুমদারের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১. কেন সঠিক: 'সঞ্চয়িতা' হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত শ্রেষ্ঠ কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন। এই গ্রন্থটিতে কবির দীর্ঘ সাহিত্যজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচিত কবিতাগুলো স্থান পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা সংকলনের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও প্রামাণিক একটি গ্রন্থ। ১৯৩১ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সত্তর বছর পূর্তি উপলক্ষে এই সংকলনটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সঞ্চয়িতা গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত কবিতা হলো বিদ্রোহী। ব্যাখ্যা: যদিও বিদ্রোহী কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের, তবে সঞ্চয়িতা গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথের নানা ভাবের কবিতা স্থান পেয়েছে। উদাহরণ ২: সঞ্চিতা হলো কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন। ব্যাখ্যা: প্রায় একই রকম নামের কারণে শিক্ষার্থীরা সঞ্চয়িতা এবং সঞ্চিতা গুলিয়ে ফেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলামের — কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কাব্য সংকলনের নাম সঞ্চিতা, সঞ্চয়িতা নয়। B) সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের — সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের প্রধান কাব্যগ্রন্থের নাম কুহু ও কেকা এবং বেলা শেষের গান। D) মোহিতলাল মজুমদারের — মোহিতলাল মজুমদারের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম স্বপন-পসরা। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের নামের শেষ অক্ষর 'র', আর তাঁর সংকলনের নাম 'সঞ্চয়িতা' (যেখানে অন্ত্যমিল আছে)। নজরুলের সংকলনটি হলো 'সঞ্চিতা' এবং রবীন্দ্রনাথেরটি 'সঞ্চয়িতা'। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সঞ্চিতা এবং সঞ্চয়িতা নিয়ে প্রশ্ন আসে। রচয়িতার নাম মনে রাখতে নামের শেষের দীর্ঘঈকার বা কারচিহ্নের পার্থক্য খেয়াল রাখতে হবে।
a চর্যাপদ
b শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
c রামায়ণ
d মনসামঙ্গল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন এবং আদি কাব্যগ্রন্থ যা হাজার বছরের পুরোনো বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যিক রূপ প্রকাশ করে। - মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল এশিয়াটিক সোসাইটির লাইব্রেরি থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা গীতিআটিকা যা মূলত সন্ধ্যাভাষায় রচিত হয়েছিল। - ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ঐতিহাসিক গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা প্রাচীন বাংলা ভাষারই আদি রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুপারিএ পেড কিঅ জাহি লণ্টি ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের একটি বিখ্যাত পঙক্তি যা প্রাচীন বাংলা ভাষার রূপ ও ছন্দ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: কাআ তরু পঞ্চ বি ডাল ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিটিতে চর্যাপদের তাত্ত্বিক ও দার্শনিক ভাবধারার প্রকাশ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চর্যাপদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন। B) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — এটি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর আদি নিদর্শন কিন্তু প্রাচীন যুগের নয়। C) রামায়ণ — এটি মূলত সংস্কৃত মহাকাব্য যা পরবর্তী সময়ে বাংলায় অনূদিত হয়। D) মনসামঙ্গল — এটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্তর্গত এবং এটিও আদি নিদর্শন নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন মনে রাখার জন্য মনে রাখবে প্রাচীনকাল মানেই চর্যাপদ এবং এটি আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। - বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন সংক্রান্ত প্রশ্নে সবসময় চর্যাপদকেই প্রথম অগ্রাধিকার দিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এটি ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে প্রকাশিত হয়। - বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চর্যাপদের আবিষ্কারক, প্রাপ্ত পদসংখ্যা এবং এর ভাষারীতি সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a মহাকাব্য
b কাব্যনাট্য
c গল্প
d উপন্যাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাব্যনাট্য ১. কেন সঠিক: - 'নূরলদীনের সারাজীবন' হলো বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য, যার রচয়িতা প্রখ্যাত কবি ও নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক। - কাব্যনাট্য হলো এমন একটি সাহিত্যকর্ম যা মূলত পদ্যে বা ছন্দে রচিত হলেও তাতে নাটকের সংলাপ, চরিত্র ও নাটকীয় দ্বন্দ্ব পূর্ণাঙ্গভাবে বিদ্যমান থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যে এক বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক যিনি কবিতা, উপন্যাস, নাটক এবং অনুবাদে বিশেষ অবদান রেখেছেন। - 'নূরলদীনের সারাজীবন' নাটকের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট হলো ব্রিটিশ বিরোধী ও ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের সংগ্রাম এবং রংপুরের কৃষক বিদ্রোহ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হকের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যনাট্য যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: ঈর্ষা ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য, যা কাব্যিক সংলাপের জন্য পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাকাব্য — মহাকাব্য হলো বিশাল আয়তনের পদ্যে রচিত বীরত্বগাথা কাহিনি, যেমন মেঘনাদবধ কাব্য, যা এই রচনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) কাব্যনাট্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি কবিতা ও নাটকের মিশ্রণে রচিত একটি বিশেষ সাহিত্যকর্ম। C) গল্প — গল্প হলো ছোট আকৃতির গদ্যশিল্প, কিন্তু এই রচনাটি গদ্যে রচিত নয় এবং এর আকার ও গঠন গল্পধর্মী নয়। D) উপন্যাস — উপন্যাস হলো দীর্ঘ আকৃতির গদ্য কল্পকাহিনি, কিন্তু এটি পদ্যে রচিত কাব্যনাট্য হওয়ায় উপন্যাস হিসেবে গণ্য হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হকের নাটকের নাম দেখলেই খেয়াল রাখবে তাঁর দুটি বিখ্যাত নাটক কাব্যনাট্য হিসেবে পরিচিত, একটি নূরলদীনের সারাজীবন এবং অন্যটি পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়। - নাটকটি নাট্যরূপে মঞ্চায়ন উপযোগী হলেও এর ভাষা ও সংলাপ সম্পূর্ণ কাব্যিক ছন্দে রচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্যগুলো প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - কোনো সাহিত্যকর্ম গদ্য না পদ্যে রচিত এবং তার মূল ধরন কী, তা ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a ২০১৫ সালে
b ১৯৭১ সালে
c ২০১০ সালে
d ১৯৬০ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০১০ সালে ১. কেন সঠিক: বাংলা একাডেমি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে ২০১০ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রবর্তন করে। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যকর্মের ওপর গবেষণা এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রথিতযশা গবেষক ও সাহিত্যিকদের এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক তথ্য। বাংলা একাডেমি বাংলাদেশের জাতীয় প্রতিষ্ঠান যা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষণা এবং প্রসারে কাজ করে থাকে। রবীন্দ্রসাহিত্যের চর্চা ও প্রসার ঘটাতে এই পুরস্কার অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ব্যাখ্যা: এটি বাংলা একাডেমির আরেকটি মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার যা ১৯৬০ সাল থেকে বিভিন্ন শাখায় অবদানের জন্য প্রদান করা হয়। উদাহরণ ২: একুশে পদক ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত এটি অন্যতম প্রধান রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পুরস্কার। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১৫ সালে — এই বছরে বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তিত হয়নি কারণ এটি অনেক আগেই চালু হয়েছিল। B) ১৯৭১ সালে — বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বছর এটি এবং এই বছরে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তনের কোনো ঐতিহাসিক তথ্য নেই। D) ১৯৬০ সালে — এই সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়েছিল, রবীন্দ্র পুরস্কার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের জন্ম সার্ধশতবর্ষ পালিত হয় ২০১১ সালে এবং ঠিক তার আগের বছর অর্থাৎ ২০১০ সালে বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র পুরস্কার চালু হয়। এভাবে সালটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন পুরস্কার প্রবর্তনের সাল প্রায়ই আসে। বাংলা একাডেমি প্রদত্ত বিভিন্ন পুরস্কারের শুরুর সনগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
c কাজী নজরুল ইসলাম
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: 'চন্দ্রশেখর' একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও সামাজিক উপন্যাস এবং এর রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৭৫ সালে এবং এতে তৎকালীন সামাজিক প্রেক্ষাপট ও ঐতিহাসিক ঘটনার চমৎকার মিশ্রণ ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত। তার রচিত 'চন্দ্রশেখর' উপন্যাসে প্রতাপ, শৈবলিনী, চন্দ্রশেখর এবং করূণা প্রধান চরিত্র হিসেবে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি তার দ্বিতীয় প্রকাশিত উপন্যাস এবং রোমান্টিক ধারার একটি অনন্য সৃষ্টি। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বিষবৃক্ষ' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস যেখানে পরকীয়া প্রেমের পরিণতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি 'চন্দ্রশেখর' উপন্যাসের রচয়িতা। B) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও 'চন্দ্রশেখর' তার লেখা নয়, তার বিখ্যাত উপন্যাস 'পথের পাঁচালী'। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও 'চন্দ্রশেখর' তার রচিত গ্রন্থ নয়, তার উপন্যাস 'বাধন হারা'। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ্বকবি হলেও 'চন্দ্রশেখর' উপন্যাসটি তার লেখা নয়, তার বিখ্যাত উপন্যাস 'চোখের বালি'। ৫. মনে রাখার টিপস: চন্দ্রশেখরের মাথায় বঙ্কিমের কপাল। এই কথাটি মনে রাখলে চন্দ্রশেখর এবং কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের লেখক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মোট চৌদ্দটি উপন্যাস রয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার ঐতিহাসিক ও সামাজিক উপন্যাসগুলোর নাম এবং প্রকাশকাল ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a a noun
b an adjective
c a preposition
d an adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) an adverb কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'overnight' শব্দটি 'became' ভার্বকে মডিফাই করেছে এবং রাতারাতি ধনী হওয়া বোঝাতে সময়ের ধারণা দিচ্ছে। - কোনো শব্দ যদি ভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ বা অন্য কোনো অ্যাডভার্বকে মডিফাই করে সময় প্রকাশ করে, তবে তা অ্যাডভার্ব হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a noun — এটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম বোঝাচ্ছে না, তাই এটি নাউন নয়। B) an adjective — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে না, তাই এটি অ্যাডজেক্টিভ নয়। C) a preposition — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের পূর্বে বসে অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করছে না, তাই এটি প্রিপজিশন নয়। D) an adverb — এটি ভার্বকে মডিফাই করে সঠিক তথ্য দেওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: ভার্ব কখন বা কীভাবে সম্পন্ন হলো তা বোঝালে সাধারণত সেটি অ্যাডভার্ব হয়।
a I was being annoyed by his conduct.
b I was annoyed by his conduct.
c I was annoyed at his conduct.
d I had been annoyed on his conduct.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I was annoyed at his conduct. কেন সঠিক: - Active বাক্যের Subject (His conduct) Passive করার সময় Object হয় এবং তার পূর্বে by এর পরিবর্তে at বসে। - Annoyed শব্দের পর সাধারণত ব্যক্তির ক্ষেত্রে with এবং বস্তুর বা আচরণের ক্ষেত্রে at preposition বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I was being annoyed by his conduct. — এটি Past Continuous Tense এর passive গঠন, কিন্তু প্রদত্ত sentence টি Past Indefinite Tense এর। B) I was annoyed by his conduct. — এখানে conduct বস্তুবচক বা আচরণ বোঝানোয় by না বসে at বসা উচিত। C) I was annoyed at his conduct. — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী সব শর্ত পূরণ করে। D) I had been annoyed on his conduct. — এটি Past Perfect Tense এর গঠন এবং on preposition ভুল ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: কোনো ব্যক্তির আচরণ বা বস্তুর ওপর বিরক্ত হওয়া বোঝালে annoyed এর পরে at বসে, কিন্তু ব্যক্তির ওপর বিরক্ত হলে with বসে।
a noun phrase
b adjective phrase
c preposition phrase
d adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) noun phrase কেন সঠিক: - 'to go home' পদগুচ্ছটি বাক্যের মূল Verb 'wants'-এর অবজেক্ট হিসেবে কাজ করেছে এবং 'কী চায়' প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে। - Verb-এর অবজেক্ট বা কর্ম সাধারণত Noun-এর কাজ করে, তাই ইনফিনিটিভ ফ্রেজটি এখানে Noun phrase হিসেবে গণ্য হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun phrase — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফ্রেজটি বাক্যে Noun-এর কাজ করেছে। B) adjective phrase — এটি ভুল কারণ ফ্রেজটি কোনো Noun বা Pronoun-কে বিশেষিত বা modify করছে না। C) preposition phrase — এটি ভুল কারণ ফ্রেজটি preposition দিয়ে শুরু হয়নি এবং prepositional phrase-এর কাজ করছে না। D) adverb — এটি ভুল কারণ এটি একক কোনো শব্দ নয়, বরং একটি শব্দসমষ্টি বা ফ্রেজ। মনে রাখার টিপস: Verb-কে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় এবং তা যদি একগুচ্ছ শব্দ হয়, তবে সেটি সাধারণত Noun phrase হয়।
a is
b are
c has
d have
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) are কেন সঠিক: - উইলিয়াম শেক্সপিয়রের অ্যাজ ইউ লাইক ইট নাটকের বিখ্যাত উদ্ধৃতিতে uses শব্দটি বহুবচন হওয়ায় verb হিসেবে are বসেছে। - এখানে subject 'the uses' plural হওয়ায় singular verb না হয়ে plural verb ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — Subject plural হওয়ার কারণে এখানে singular verb ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) are — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর subject 'the uses' বহুবচন। C) has — এই বাক্যে অধিকার বা সমাপ্তি বোঝানো হয়নি, তাই auxiliary verb হিসেবে has বসবে না। D) have — এই বাক্যে মূল verb হিসেবে have বসালে বাক্যের অর্থ ও গঠন সঠিক হয় না। মনে রাখার টিপস: উদ্ধৃতিমূলক বাক্যে subject যদি plural হয়, তবে verb ও সবসময় plural (are) হবে।
a datum
b media
c analysis
d radius
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) media কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দটি লাতিন শব্দ medium এর বহুবচন রূপ, যার একবচন medium এবং বহুবচন media। - এটি ইংরেজি ব্যাকরণের বচন বা Number অধ্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রমী নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) datum — এটি একবচন শব্দ, এর বহুবচন হলো data। B) media — এটি নিজে বহুবচন রূপ, তাই এটিই সঠিক উত্তর। C) analysis — এটি একবচন শব্দ, এর শেষ অক্ষর is এবং বহুবচন হলো analyses। D) radius — এটি একবচন শব্দ, এর শেষ অক্ষর us এবং বহুবচন হলো radii। মনে রাখার টিপস: um যুক্ত লাতিন শব্দের শেষে a যোগ করে বহুবচন করতে হয়, যেমন medium থেকে media এবং datum থেকে data হয়।
a for
b on
c at
d of
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) on কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী Success শব্দের পরে সাধারণত Preposition হিসেবে on বসে। - কোনো কৃতিত্ব বা সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানাতে Congratulate শব্দের পরে on preposition ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — এটি কারণ বা উদ্দেশ্য বোঝাতে বসে, তবে Congratulate শব্দের সঙ্গে সঠিক Preposition হিসেবে মানানসই নয়। B) on — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) at — এটি সাধারণত ছোট স্থান বা নির্দিষ্ট কোনো ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) of — এটি অধিকার বা উৎস বোঝাতে বসে, যা সাফল্যের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: সফলতার জন্য অভিনন্দন বোঝাতে Congratulate এর পরে সবসময় on ব্যবহার করতে হয়।
a are
b have
c were
d is
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) is কেন সঠিক: - বাক্যের শুরুতে Each থাকায় এটি Singular Subject হিসেবে গণ্য হয়। - Subject Singular হওয়ায় এর পরবর্তী Verb ও Singular হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — এটি Plural Verb, যা Singular Subject-এর সাথে বসে না। B) have — এটি Plural Subject-এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং অর্থের দিক থেকেও এখানে বেমানান। C) ছিলেন — এটি Plural Verb, তাই Singular Subject-এর জন্য ভুল। D) is — এটি Singular Subject-এর সাথে বসে এবং ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। মনে রাখার টিপস: Each, Every, Everyone ইত্যাদি শব্দের পর Subject দেখতে Plural মনে হলেও Verb সবসময় Singular হয়।
a an
b a
c the
d no article
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a কেন সঠিক: - unique শব্দটি দেখতে vowel দিয়ে শুরু হলেও এর উচ্চারণ বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ উ (y) এর মতো। - vowel থাকা সত্ত্বেও উচ্চারণের শুরুতে consonant sound থাকায় এর পূর্বে an এর পরিবর্তে a বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an — unique শব্দের উচ্চারণ vowel sound দিয়ে শুরু না হয়ে consonant sound দিয়ে শুরু হওয়ায় এটি ভুল। B) a — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিয়ম অনুযায়ী consonant sound এর পূর্বে a বসে। C) the — নির্দিষ্ট করে কোনো কিছু বোঝাতে এটি বসে, কিন্তু এখানে unique opportunity সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। D) no article — singular countable noun এর পূর্বে অবশ্যই article বসাতে হয়, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: ইউ (You) বা ওয়াপ্রেমী শব্দের মতো vowel এর উচ্চারণ যদি ইউ বা ওয়া এর মতো হয়, তবে তার আগে an না বসিয়ে a বসাবে।
a Superstition
b Superstitition
c Superstision
d Superstistion
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: A) Superstition কেন সঠিক: - প্রদত্ত বানানটি ইংরেজি বানান নিয়মের সাথে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ এবং এর অর্থ কুসংস্কার। - সঠিক বানানের গঠনটি হলো Super + stition। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Superstition — এটি সঠিক বানান। B) Superstitition — অতিরিক্ত 'ti' যুক্ত থাকায় এটি একটি ভুল বানান। C) Superstision — বানানে 'ti'-এর পরিবর্তে 'si' ব্যবহার করায় এটি ভুল। D) Superstistion — অতিরিক্ত 'ti' যুক্ত থাকার কারণে এই বানানটিও ভুল। মনে রাখার টিপস: Super বানানোর পর station শব্দের শেষের stition অংশটি যোগ করে superstition বানানটি মনে রাখতে হবে।
a collective
b abstract
c countable
d uncountable
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) uncountable কেন সঠিক: - যে নাউনকে গণনা করা যায় না এবং একক বা সংখ্যা হিসেবে পরিমাপ করা যায় না, তা Uncountable Noun. - মানি বা টাকা একটি ধারণাগত বা পরিমাপযোগ্য শব্দ, যা সরাসরি একটি, দুটি এভাবে গণনা করা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) collective — Collective Noun হলো সমজাতীয় ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টি, কিন্তু money কোনো সমষ্টিবাচক বিশেষ্য নয়। B) abstract — Abstract Noun হলো গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম যা ছোঁয়া যায় না, কিন্তু money একটি পদার্থবাচক বা পরিমাপযোগ্য বস্তুগত রূপ বহন করে। C) countable — Countable Noun হলো যা গণনা করা যায়, কিন্তু money শব্দটি এককভাবে গণনা করা সম্ভব নয়। D) uncountable — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক কারণ money শব্দটিকে সরাসরি সংখ্যা দিয়ে গণনা করা যায় না। মনে রাখার টিপস: টাকা বা money মাপা যায় বা গোনা যায় না, কিন্তু টাকার নোট বা কয়েন (taka, dollar) গোনা যায়।
a bee
b hind
c ewe
d lass
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) bee কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে 'drone' শব্দের অর্থ হলো পুরুষ মৌমাছি। - এর স্ত্রীবাচক বা feminine gender হলো 'bee' বা রানী মৌমাছি (queen bee)। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bee — এটি সঠিক কারণ 'drone' (পুরুষ মৌমাছি)-এর স্ত্রীবাচক শব্দ হলো মৌমাছি বা 'bee'। B) hind — এটি ভুল অপশন কারণ 'hind' হলো 'stag' (পুরুষ হরিণ)-এর স্ত্রীবাচক শব্দ। C) ewe — এটি ভুল অপশন কারণ 'ewe' হলো 'ram' (ভেড়া)-র স্ত্রীবাচক শব্দ। D) lass — এটি ভুল অপশন কারণ 'lass' হলো 'lad' (বালক)-এর স্ত্রীবাচক শব্দ। মনে রাখার টিপস: মৌমাছির ক্ষেত্রে পুরুষবাচক 'drone' হলে স্ত্রীবাচক হিসেবে 'bee' ব্যবহার করা হয়।
a wasn't it
b didn't it
c did it
d isn't it
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) didn't it কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি Past Indefinite Tense-এ আছে এবং এর মূল verb হলো rained। - Past Indefinite Tense-এর affirmative বাক্যকে tag question করতে auxiliary verb হিসেবে didn't ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) wasn't it — মূল বাক্যে কোনো be verb (was/were) নেই, তাই wasn't ব্যবহার করা ভুল। B) didn't it — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) did it — প্রদত্ত বাক্যটি affirmative হওয়ায় tag question-টি negative (didn't) হবে, কেবল did নয়। D) isn't it — বাক্যটি present tense-এ নয় এবং এতে কোনো be verb নেই, তাই isn't ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে মূল verb পাস্ট টেন্সে (v2) থাকলে সাহায্যকারী ভাব হিসেবে didn't আনতে হয়।
a less
b few
c lesser
d fewer
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) fewer কেন সঠিক: - guests শব্দটি একটি Countable Noun বা গননাযোগ্য বিশেষ্য এবং এটি বহুবচন রূপ। - Countable Noun এর সংখ্যা বোঝাতে less এর পরিবর্তে fewer ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) less — এটি শুধুমাত্র Uncountable Noun বা অগণনাযোগ্য বিশেষ্যের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা guests শব্দের জন্য প্রযোজ্য নয়। B) few — এখানে than এর উপস্থিতি থাকার কারণে তুলনামূলক রূপের প্রয়োজন, তাই শুধু few বসবে না। C) lesser — এটি সাধারণত গুরুত্ব বা মাত্রা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং তুলনামূলক রূপ হলেও Countable Noun এর সংখ্যা হ্রাসে বসে না। D) fewer — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা গননাযোগ্য বিশেষ্যের স্বল্পতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: যাকে গোনা যায় তার সাথে fewer এবং যাকে মাপা যায় বা গোনা যায় না তার সাথে less ব্যবহার করবে।
a Aluminus
b Alumnous
c Alumnus
d Aluminise
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Alumnus কেন সঠিক: - ল্যাটিন ভাষার নিয়ম অনুযায়ী 'us' দিয়ে সমাপ্ত পুংলিঙ্গবাচক একবচন শব্দের বহুবচন সাধারণত 'i' যোগ করে গঠন করা হয়। - Alumnus শব্দের শেষে 'us' থাকায় এর বহুবচন রূপটি Alumni হয়, যার অর্থ প্রাক্তন ছাত্রবৃন্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Aluminus — এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং ল্যাটিন ভাষা অনুযায়ী এটি কোনো সঠিক শব্দ নয়। B) Alumnous — এই বানানটি ভুল কারণ Alumnus শব্দের মূল গঠনে 'ous' প্রত্যয় ব্যবহার করা হয় না। C) Alumnus — এটি নিজেই একবচন রূপ, তাই এটি নিজের বহুবচন হতে পারে না। D) Aluminise — এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল এবং এটি কোনো ইংরেজি বা ল্যাটিন শব্দের বহুবচন রূপ নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ব্যাকরণে ল্যাটিন শব্দের ক্ষেত্রে Alumnus এর মতো 'us' যুক্ত একবচন শব্দের শেষে 'i' যোগ করে Alumni বহুবচন তৈরি করতে হয়।
a High
b The higher
c The highest
d Highest
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The higher কেন সঠিক: - এটি একটি সমান্তরাল তুলনামূলক বাক্য (Double Comparative), যার গঠন হলো The + comparative + subject + verb এবং পরের অংশেও The + comparative + subject + verb। - চাহিদা বাড়লে দামও বাড়ে—এই নিয়ম অনুসারে দুটি ক্লজেই তুলনামূলক ডিগ্রির আগে দ্য বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) High — এটি সাধারণ পজিটিভ ডিগ্রি, যা এই বিশেষ的双 তুলনামূলক বাক্যের গঠনের সঙ্গে মেলে না। B) The higher — এটি সঠিক কারণ এটি নিয়ম অনুযায়ী ডাবল কম্পারেটিভের দ্বিতীয় অংশ গঠন করেছে। C) The highest — এটি সুপার্লেটিভ ডিগ্রি, যা দুটি বিষয়ের তুলনামূলক আনুপাতিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বসে না। D) Highest — এর আগে দ্য নেই এবং এটি সুপার্লেটিভ ডিগ্রি হওয়ায় বাক্যের কাঠামোর সঙ্গে সংগত নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে দ্য প্লাস কম্পারেটিভ ডিগ্রি থাকলে, কমার পরের অংশেও দ্য প্লাস কম্পারেটিভ ডিগ্রি হবে।
a noun
b adjective
c verb
d adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) noun কেন সঠিক: - বাক্যে 'round' শব্দটি নির্দিষ্ট আর্টিকেল 'the' এবং প্রিপজিশন 'in'-এর মাঝে বসেছে, যা একে সম্পূর্ণভাবে নাউনে রূপান্তর করেছে। - ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী কোনো শব্দের পূর্বে আর্টিকেল (a, an, the) থাকলে তা নাউন হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে 'round' শব্দটি আর্টিকেল ও প্রিপজিশনের মাঝে বসে নাউনের কাজ করেছে। B) adjective — শব্দটি এখানে কোনো নাউন বা প্রোনাউনের দোষ, গুণ বা অবস্থা বোঝাচ্ছে না, তাই এটি অ্যাডজেক্টিভ নয়। C) verb — এই বাক্যে 'round' কোনো কাজের নাম বা সমাপিকা ক্রিয়া প্রকাশ করছে না, তাই এটি ভার্ব নয়। D) adverb — এটি কোনো ভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ বা অন্য কোনো অ্যাডভার্বকে মডিফাই করছে না, তাই এটি অ্যাডভার্ব হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: আর্টিকেল (the) এবং প্রিপজিশনের মাঝে বসা যেকোনো শব্দই সাধারণত নাউন হিসেবে কাজ করে।
a stopped
b stop
c has stopped
d had stopped
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) had stopped কেন সঠিক: - অতীতের দুটি ঘটনার মধ্যে তুলনামূলকভাবে আগের ঘটনাটি Past Perfect Tense (had + V3) হয়। - এখানে বৃষ্টি বন্ধ হওয়ার কাজটি বাড়ি পৌঁছানোর আগের ঘটনা, তাই সঠিক উত্তর had stopped। বাকি অপশন কেন ভুল: A) stopped — এটি Simple Past Tense, যা অতীতকালের দুটি ঘটনার একটির আগে অন্যটি ঘটার ধারাবাহিকতা প্রকাশ করে না। B) stop — এটি Verb-এর Present form, যা Past Tense-এর বাক্যে প্রযোজ্য নয়। C) has stopped — এটি Present Perfect Tense, যা অতীতের ঘটনার ক্ষেত্রে বর্তমানের প্রভাব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে সঠিক নয়। D) had stopped — এটি সঠিক Past Perfect Tense, যা অতীতের দুটি ঘটনার মধ্যে তুলনামূলক আগের কাজটি নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: অতীতের দুটি ঘটনার মধ্যে যেটি আগে ঘটে, সেখানে had + V3 ব্যবহার করতে হয়।
a will
b take
c much
d time
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) much কেন সঠিক: - 'much' শব্দটি এখানে 'time' নাউনের পরিমাণ নির্দেশ করছে এবং নাউনের পূর্বে বসে তাকে নির্দিষ্ট করেছে, যা ডিটারমিনারের কাজ। - uncountable noun-এর পূর্বে পরিমাণ বোঝাতে much একটি সঠিক quantifier বা determiner হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will — এটি একটি সাহায্যকারী ভার্ব বা auxiliary verb, যা ভবিষ্যৎ কাল নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। B) take — এটি বাক্যের মূল ভার্ব বা principal verb, যার অর্থ কোনো কিছু গ্রহণ করা বা সময় নেওয়া। C) much — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি noun-এর পূর্বে বসে determiner বা quantifier হিসেবে কাজ করেছে। D) time — এটি একটি noun বা বিশেষ্য, যা ডিটারমিনার নয় বরং যার পূর্বে বসে much শব্দ quantité নির্দেশ করেছে। মনে রাখার টিপস: noun-এর ঠিক আগে বসে তার পরিমাণ বা সংখ্যা বোঝালে সেই শব্দটিকে determiner বলা হয়।
a verbal noun
b gerund
c participle
d adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) participle কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'singing' শব্দটি noun (bird)-এর পূর্বে বসে adjective-এর কাজ করেছে এবং একই সাথে verb-এর অর্থ প্রকাশ করেছে। - verb যখন একই সাথে verb ও adjective-এর কাজ করে, তখন তাকে participle বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) verbal noun — verbal noun বাক্যে noun-এর কাজ করে এবং সাধারণত এর পূর্বে the ও পরে of থাকে, যা এখানে নেই। B) gerund — gerund বাক্যে noun-এর কাজ করে এবং verb ও noun উভয় গুণের অধিকারী হয়, কিন্তু এখানে শব্দটি noun-কে modify করছে। C) participle — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দটি verb ও adjective উভয়ের কাজ সম্পন্ন করছে। D) adverb — adverb সাধারণত verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে modify করে, কিন্তু এখানে 'singing' সরাসরি noun-কে বিশেষিত করেছে। মনে রাখার টিপস: noun-এর ঠিক আগে বসে যদি কোনো ing যুক্ত verb ঐ noun-এর দোষ বা গুণ প্রকাশ করে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে participle দাগাবে।
a adjective
b preposition
c conjunction
d adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) preposition কেন সঠিক: - 'except' শব্দটি এখানে noun phrase 'Friday'-এর পূর্বে বসে বাকين অন্য অংশের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেছে। - preposition-এর কাজ হলো noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সঙ্গে তার সম্পর্ক দেখানো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adjective — adjective কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে, কিন্তু 'except' তা করছে না। B) preposition — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি এখানে relation বা সম্পর্ক প্রকাশ করেছে। C) conjunction — conjunction দুটি clause বা সমজাতীয় শব্দ যুক্ত করে, কিন্তু 'except' এখানে কোনো clause যুক্ত করেনি। D) adverb — adverb সাধারণত verb, adjective বা অন্য adverb-কেmodify করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে কোনো শব্দ যদি noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে বাদ দেওয়া বা ব্যতিরেখ অর্থ প্রকাশ করে এবং relation বোঝায়, তবে তা preposition হয়।
a 1821
b 1757
c 1800
d 1921
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 1800 কেন সঠিক: - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১৮০০ সালের ১০ জুলাই কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে প্রতিষ্ঠিত হয়। - তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলি ব্রিটিশ সিভিল সার্ভিসের তরুণ কর্মকর্তাদের ভারতীয় ভাষা ও সংস্কৃতি শেখানোর জন্য এটি প্রতিষ্ঠা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1821 — এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। B) 1757 — এই সালে পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। C) 1800 — এই অপশনটি সঠিক এবং এই সালেই কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। D) 1921 — এই সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার অনেক পরের ঘটনা। মনে রাখার টিপস: ১৮ শতকের ঠিক শেষ প্রান্তে এবং ১৯ শতকের শুরুতে অর্থাৎ ১৮০০ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।
a সোনালী ব্যাংক
b বাংলাদেশ ব্যাংক
c ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ
d অর্থ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাংলাদেশ ব্যাংক কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারের ব্যাংক হিসেবে দেশের মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ করে এবং সরকারি ঋণের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে। - সরকারের স্বল্পমেneeds মেটানোর জন্য ট্রেজারি বিল ও বন্ড ইস্যু করার একমাত্র এখতিয়ার বাংলাদেশ ব্যাংকের। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনালী ব্যাংক — এটি একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং সরকারের প্রধান আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করলেও ট্রেজারি বিল ইস্যু করার এখতিয়ার এর নেই। B) বাংলাদেশ ব্যাংক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ — এটি পুঁজিবাজার উন্নয়নে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান, ট্রেজারি বিল ইস্যু এর কাজ নয়। D) অর্থ মন্ত্রণালয় — মন্ত্রণালয় নীতি নির্ধারণ করে, কিন্তু ট্রেজারি বিল বা সরকারি সিকিউরিটিজ সরাসরি ইস্যু করার কাজটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক সম্পন্ন করে। মনে রাখার টিপস: সরকারি সিকিউরিটিজ বা ট্রেজারি বিল সংক্রান্ত যেকোনো ঋণপত্র ইস্যু করার দায়িত্ব দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তথা বাংলাদেশ ব্যাংকের।
a কার্বন ডাই-অক্সাইড
b কার্বন মনোক্সাইড
c ওজোন
d মিথেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কার্বন ডাই-অক্সাইড কেন সঠিক: - জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো এবং শিল্পায়নের ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে। - গ্রিনহাউস গ্যাসগুলোর মধ্যে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে কার্বন ডাই-অক্সাইডের অবদান প্রায় ষাট শতাংশেরও বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্বন ডাই-অক্সাইড — এটি বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস। B) কার্বন মনোক্সাইড — এটি অত্যন্ত বিষাক্ত গ্যাস হলেও গ্রিনহাউস প্রভাবে এর সরাসরি অবদান তুলনামূলকভাবে খুবই কম। C) ওজোন — এটি গ্রিনহাউস গ্যাস হলেও বায়ুমণ্ডলের উঁচুতে এর স্তর ক্ষয় প্রধান সমস্যা, উষ্ণতা বৃদ্ধির প্রধান কারণ নয়। D) মিথেন — এটি শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস হলেও কার্বন ডাই-অক্সাইডের তুলনায় এর সামগ্রিক পরিমাণ ও প্রভাব কম। মনে রাখার টিপস: গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের মূল হোতা কার্বন ডাই-অক্সাইড, যা কয়েন বা তেল পোড়ানোর ফলে সবচেয়ে বেশি বাতাসে মেশে।
a মাদ্রিদ (স্পেন)
b কাটোয়াইস (পোল্যান্ড)
c রোম (ইতালি)
d ভিয়েনা (অস্ট্রিয়া)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাটোয়াইস (পোল্যান্ড) কেন সঠিক: - ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন বা COP-২৪ পোল্যান্ডের কাটোয়াইস শহরে আয়োজিত হয়েছিল। - এই সম্মেলনে প্যারিস জলবায়ু চুক্তির বাস্তবায়নবিধি বা রুলবুক চূড়ান্ত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাদ্রিদ (স্পেন) — এই শহরটি ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত COP-২৫ সম্মেলনের আয়োজক শহর ছিল। B) কাটোয়াইস (পোল্যান্ড) — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) রোম (ইতালি) — এটি জলবায়ু সম্মেলনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়, এটি মূলত খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রধান কার্যালয়। D) ভিয়েনা (অস্ট্রিয়া) — এটি আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার সদর দপ্তর, তবে প্রধান জলবায়ু সম্মেলন এখানে হয়নি। মনে রাখার টিপস: পোল্যান্ডের কাটা দিয়ে জলবায়ু রক্ষা হলো, মনে রাখুন কাটোয়াইস COP-২৪।
a বীরপ্রতীক
b বীর শ্রেষ্ঠ
c বীর উত্তম
d বীর বিক্রম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বীর শ্রেষ্ঠ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য যে চারটি সামরিক খেতাব প্রদান করা হয়, তার মধ্যে বীর শ্রেষ্ঠ হলো সর্বোচ্চ খেতাব। - মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহস ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ মাত্র ৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে এই খেতাবে ভূষিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীরপ্রতীক — এটি মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক চতুর্থ ও সর্বশেষ খেতাব, তাই এটি সর্বোচ্চ খেতাব নয়। B) বীর শ্রেষ্ঠ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব। C) বীর উত্তম — এটি মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব, তাই এটি প্রথম বা সর্বোচ্চ খেতাব নয়। D) বীর বিক্রম — এটি মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব, তাই এটি সর্বোচ্চ খেতাব হিসেবে গণ্য হয় না। মনে রাখার টিপস: খেতাবগুলোর ক্রম মনে রাখার সহজ শব্দ গুচ্ছ হলো শ্রে-উ-বি-প্র, যার অর্থ বীরশ্রেষ্ঠ, বীরউত্তম, বীরবিক্রম ও বীরপ্রতীক।
a অনুচ্ছেদ ২২
b অনুচ্ছেদ ২১
c অনুচ্ছেদ ২০
d অনুচ্ছেদ ২৩
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অনুচ্ছেদ ২১ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদে সব সময় জনগণের সেবা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্তব্য বলে ঘোষণা করা হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদে নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের সাধারণ কর্তব্য এবং সব সময়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টার কথা বলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুচ্ছেদ ২২ — এই অনুচ্ছেদে নির্বাহী অঙ্গ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে, যা নাগরিক ও কর্মচারীর কর্তব্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) অনুচ্ছেদ ২১ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এতেই নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্যের কথা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। C) অনুচ্ছেদ ২০ — এই অনুচ্ছেদে অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির মাধ্যমে কাজের জন্য পারিশ্রমিকের কথা বলা হয়েছে। D) অনুচ্ছেদ ২৩ — এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও অবশেষ সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: নিয়ম বা কর্তব্যের কথা মাথায় রাখতে 'একুশ' (২১) সংখ্যাটিকে সংবিধানের কর্তব্যের অনুচ্ছেদ হিসেবে মনে রাখতে পারো।
a যাদুকাটা নদী
b কর্ণফুলী নদী
c গোমতী নদী
d none
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) none (প্রকৃত সঠিক উত্তর: হালদা নদী বা সাঙ্গু নদী, যা বাংলাদেশে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে শেষ হয়েছে) কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক নদী না থাকায় সঠিক উত্তর হবে ডি বা কোনটিই নয়। - বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের ভেতর দিয়েই প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে বা অন্য নদীতে পতিত হয়েছে এমন নদী হলো হালদা বা সাঙ্গু নদী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যাদুকাটা নদী — এটি ভারতের খাসিয়া জৈন্তা পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে তাই এটি সঠিক নয়। B) কর্ণফুলী নদী — এটি ভারতের মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবাহিত হয়েছে। C) গোমতী নদী — এটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। D) none — প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক উত্তর না থাকায় এই অপশনটিই সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের ভেতরে উৎপন্ন ও শেষ হওয়া প্রধান নদী হলো হালদা ও সাঙ্গু।
a জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ
b আজাদ কাশ্মীর
c গিলগিট ও বালটিস্থান
d কাশ্মীর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ কেন সঠিক: - ২০১৯ সালের আগস্ট মাসে ভারতের সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মাধ্যমে জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যটিকে ভেঙে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করা হয়। - এই দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হলো জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখ, যা বর্তমানে সম্পূর্ণভাবে ভারতের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ — এটি সঠিক কারণ এই দুটি অঞ্চল বর্তমানে ভারতের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে থাকা ভূখণ্ড। B) আজাদ কাশ্মীর — এটি পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণে থাকা একটি স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল, ভারতের নিয়ন্ত্রিত অংশ নয়। C) গিলগিট ও বালটিস্থান — এটি পাকিস্তানের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে থাকা উত্তরাঞ্চলীয় ভূখণ্ড, যা ভারত নিয়ন্ত্রিত নয়। D) কাশ্মীর — এটি একটি সামগ্রিক ভূখণ্ডের নাম এবং অনেক বড় একটি অঞ্চল বোঝায়, যা নির্দিষ্টভাবে শুধু ভারত নিয়ন্ত্রিত অংশ নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: ভারতের নিয়ন্ত্রণে থাকা কাশ্মীর বোঝাতে জম্মু-কাশ্মীরের সঙ্গে লাদাখ নাম দুটি মনে রাখতে হবে।
a মালদ্বীপ
b ভারত
c শ্রীলংকা
d মিয়ানমার
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারত কেন সঠিক: - আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ভারতের একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং এটি বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। - ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপর ভারতের সার্বভৌমত্ব রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালদ্বীপ — এটি ভারত মহাসাগরের একটি স্বাধীন দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এর সঙ্গে নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের কোনো সম্পর্ক নেই। B) ভারত — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ভারতের ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত। C) শ্রীলংকা — এটি ভারত মহাসাগরের একটি স্বাধীন দ্বীপ রাষ্ট্র যা ভারত থেকে পক প্রণালী দ্বারা পৃথক। D) মিয়ানমার — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ এবং এর নিকটবর্তী দ্বীপ কোকো দ্বীপপুঞ্জ, নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ নয়। মনে রাখার টিপস: আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ বললেই মনে রাখবে এটি ভারতের বঙ্গোপসাগরের অংশ।
a চলন বিল
b হাকালুকি হাওর
c সুন্দরবন
d লাউয়া ছড়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুন্দরবন কেন সঠিক: - সুন্দরবন প্রচুর অক্সিজেন উৎপাদন করে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করে। - মানবদেহের ফুসফুস যেমন শ্বাসকষ্ট দূর করে শরীরকে বাঁচায়, তেমনি সুন্দরবন দেশের পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চলন বিল — এটি বাংলাদেশের একটি বৃহৎ জলাভূমি বা প্লাবনভূমি, যা মাছের জন্য বিখ্যাত হলেও দেশের ফুসফুস নয়। B) হাকালুকি হাওর — এটি দেশের বৃহত্তম হাওর এবং গুরুত্বপূর্ণ মৎস্য ও পাখির অভয়ারণ্য, তবে এটি ফুসফুস নামে পরিচিত নয়। D) লাউয়া ছড়া — এটি একটি সংরক্ষিত বুনোঞ্চল ও জাতীয় উদ্যান, যা চা বাগান ও জীববৈচিত্র্যের জন্য পরিচিত কিন্তু ফুসফুস নয়। মনে রাখার টিপস: ফুসফুস যেমন আমাদের শ্বাস নিতে সাহায্য করে, তেমনি অক্সিজেনের প্রধান উৎস সুন্দরবনকে দেশের ফুসফুস বলা হয়।
a সিরাম
b প্লাজমা
c লোহিত কণিকা
d অনুচক্রিকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্লাজমা কেন সঠিক: - রক্তের মোট আয়তনের প্রায় ৫৫ ভাগ হলো তরল অংশ, যাকে প্লাজমা বা রক্তরস বলা হয়। - প্লাজমার প্রধান উপাদান হলো জল এবং এর মধ্যে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান, প্রোটিন ও হরমোন দ্রবীভূত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিরাম — রক্ত জমাট বাঁধার পর রক্তরস থেকে ফাইব্রিনোজেন দূর করলে যে হালকা হলুদ রঙের তরল পাওয়া যায় তাকে সিরাম বলে, এটি রক্তের মূল তরল অংশ নয়। B) প্লাজমা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ রক্তের সম্পূর্ণ তরল অংশকে প্লাজমা বলা হয়। C) লোহিত কণিকা — এটি রক্তে ভাসমান এক ধরনের কঠিন বা কোষীয় উপাদান, কোনো তরল অংশ নয়। D) অনুচক্রিকা — এটি রক্তের কণিকাভিত্তিক কঠিন উপাদান যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে, তরল অংশ নয়। মনে রাখার টিপস: রক্তের কঠিন অংশ হলো কণিকা আর তরল অংশ হলো প্লাজমা।
a তুরস্ক
b ইতালি
c ইংল্যান্ড
d ভারত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভারত কেন সঠিক: - ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা হলো উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলোর সমন্বয়ে গঠিত একটি সামরিক জোট। - ভারত এশিয়ার দেশ হওয়ায় এবং এই সামরিক জোটে যুক্ত না থাকায় এটি ন্যাটোর সদস্য নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুরস্ক — তুরস্ক ১৯৫২ সালে এই সামরিক জোটে যোগদান করে এবং বর্তমানে এর অন্যতম সদস্য রাষ্ট্র। B) ইতালি — ইতালি এই সামরিক জোটের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অন্যতম একটি দেশ। সি) ইংল্যান্ড — যুক্তরাজ্য বা ইংল্যান্ড এই সামরিক জোটের প্রতিষ্ঠাতা এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সদস্য রাষ্ট্র। D) ভারত — ভারত দক্ষিণ এশিয়ার একটি নিরপেক্ষ দেশ এবং জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকায় এর সদস্য নয়। মনে রাখার টিপস: ন্যাটো হলো পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট, তাই এশিয়ার ভারত এর সদস্য নয়।
a ১৪ টি
b ১৫ টি
c ১৬ টি
d ১৭ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৭ টি কেন সঠিক: - টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজির মোট গোল বা লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে ১৭ টি। - ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী শান্তি ও সমৃদ্ধি অর্জনের জন্য জাতিসংঘের উদ্যোগে এই ১৭ টি গোল নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪ টি — এটি এসডিজির মোট গোলের সংখ্যা নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। B) ১৫ টি — এটি এসডিজির নির্ধারিত গোলের সঠিক সংখ্যা নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। C) ১৬ টি — এটি এসডিজির মোট গোলের সঠিক সংখ্যা নির্দেশ করে না, তাই এই অপশনটি ভুল। D) ১৭ টি — এটি এসডিজির মোট গোলের সঠিক সংখ্যা এবং জাতিসংঘ কর্তৃক নির্ধারিত মানদণ্ড। মনে রাখার টিপস: এসডিজি চালুর বছর ২০১৫ এবং এর গোল ১৭ টি, অর্থাৎ ১ এর পিঠে ৭ বসালে ১৭ হয়।
a লিথিয়াম
b পারদ
c ইউরেনিয়াম
d পটাশিয়াম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পারদ কেন সঠিক: - পারদ হলো একমাত্র ধাতু যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ও চাপে তরল অবস্থায় থাকে। - এর গলনাঙ্ক অত্যন্ত কম হওয়ায় সাধারণ তাপমাত্রাতেই এটি তরল অবস্থায় অবস্থান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিথিয়াম — এটি একটি হালকা ধাতু যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে। B) পারদ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল থাকে। C) ইউরেনিয়াম — এটি একটি তেজস্ক্রিয় ও ভারী ধাতু যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কঠিন থাকে। D) পটাশিয়াম — এটি একটি নরম ধাতু যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে। মনে রাখার টিপস: থার্মোমিটারে ব্যবহৃত হয় যে ধাতু, সেটিই হলো একমাত্র তরল পারদ।
a একটি খরস্রোতা পাহাড়ি নদী
b একটি পর্যটন এলাকা
c একটি প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র
d প্রকৃতিগত সংকটপন্ন এলাকা
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) একটি প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র কেন সঠিক: - হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র, যেখান থেকে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশ মাছের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। - এ নদী থেকে সংগৃহীত নিষিক্ত ডিম থেকে হ্যাচারিতে রেনু পোনা উৎপাদন করা হয়, যা দেশের মাছের চাহিদা পূরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি খরস্রোতা পাহাড়ি নদী — হালদা নদীর উৎপত্তি পাহাড়ে হলেও এটি মূলত এর অনন্য মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্রের পরিচয়ের জন্যই সর্বাধিক পরিচিত ও বিখ্যাত। B) একটি পর্যটন এলাকা — হালদা নদী কোনো উল্লেখযোগ্য পর্যটন কেন্দ্র বা এলাকা হিসেবে দেশব্যাপী পরিচিত নয়। D) প্রকৃতিগত সংকটপন্ন এলাকা — হালদা নদী সাময়িকভাবে বিভিন্ন সংকটের মুখে পড়লেও এর মূল খ্যাতি বা বৈশিষ্ট্য হলো এটি দেশের প্রধান প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র। মনে রাখার টিপস: হালদা নদী মানেই মা মাছের ডিম ছাড়ার নিরাপদ স্থান বা প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র।
a নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া
b ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়া
c বাংলাদেশ ও মিয়ানমার
d জাপান ও রাশিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জাপান ও রাশিয়া কেন সঠিক: - কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব নিয়ে জাপান ও রাশিয়ার মধ্যে ঐতিহাসিক ও দীর্ঘমেয়াদী ভূরাজনৈতিক বিরোধ রয়েছে। - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন এই দ্বীপগুলো দখল করে নেয়, যা বর্তমানে রাশিয়া নিয়ন্ত্রণ করে এবং জাপান তা নিজেদের বলে দাবি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া — এই দুটি ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশ এবং এদের মধ্যে কোনো কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে বিরোধ নেই। B) ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়া — এই দুটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সামুদ্রিক সীমানা ও দ্বীপ সংক্রান্ত ভিন্ন বিরোধে জড়িত, কুড়িল দ্বীপের সাথে এদের কোনো সম্পর্ক নেই। C) বাংলাদেশ ও মিয়ানমার — এই দুটি দেশের মধ্যে সামুদ্রিক সীমানা ও জলসীমা নিয়ে বিরোধ ছিল, যা আন্তর্জাতিক আদালতে মীমাংসিত হয়েছে। D) জাপান ও রাশিয়া — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দুই দেশ কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের অধিকার নিয়ে বিরোধে লিপ্ত। মনে রাখার টিপস: কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে বিরোধ মনে রাখতে 'জা-রা' (জাপান ও রাশিয়া) শব্দ সংকেতটি মনে রাখতে পারেন।
a নায়িকা ম্যাডোনার ওপর
b দুর্যোগের ওপর
c চলচ্চিত্রের পুরস্কারের ওপর
d দুর্ভিক্ষের ওপর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দুর্ভিক্ষের ওপর কেন সঠিক: - চিত্রকর্মটি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী জয়নুল আবেদিনের ১৯৪৩ সালের বাংলার ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে আঁকা স্কেচ ও চিত্রকর্ম সিরিজের অংশ। - এটি দুর্ভিক্ষের নির্মমতা, অনাহার ও মানুষের দুর্দশাকে মূর্ত করে তুলেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নায়িকা ম্যাডোনার ওপর — এটি কোনো পপ তারকা বা চলচ্চিত্রের কোনো নায়িকা ম্যাডোনার ওপর অঙ্কিত চিত্রকর্ম নয়। B) দুর্যোগের ওপর — এটি সাধারণ কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা জলোচ্ছ্বাসের ওপর আঁকা নয়, সুনির্দিষ্টভাবে দুর্ভিক্ষের ওপর আঁকা। C) চলচ্চিত্রের পুরস্কারের ওপর — চলচ্চিত্রের কোনো পুরস্কার বা উৎসবের সঙ্গে এই চিত্রকর্মের কোনো সম্পর্ক নেই। D) দুর্ভিক্ষের ওপর — এটি সঠিক উত্তর কারণ চিত্রকর্মটি ১৯৪৩ সালের মানবসৃষ্ট দুর্ভিক্ষের ভয়াবহ রূপ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: মেডোনা-৪৩ নামের সাথে সাল ৪৩ যুক্ত আছে, যা ১৯৪৩ সালের ঐতিহাসিক ও মর্মান্তিক মন্বন্তর বা দুর্ভিক্ষকে নির্দেশ করে।
a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b মাইকেল মধুসূদন দত্ত
c রামমোহন রায়
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রামমোহন রায় কেন সঠিক: - রাজা রামমোহন রায় ১৮২৮ সালের ২০ আগস্ট ভারতের সামাজিক ও ধর্মীয় সংস্কারের উদ্দেশ্যে ব্রাহ্ম সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন। - তিনি ঊনবিংশ শতকের বাংলায় প্রগতিশীল সামাজিক আন্দোলন ও আধুনিক ভাবধারার অগ্রদূত ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি নারী শিক্ষা বিস্তার এবং বিধবা বিবাহ প্রচলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, কিন্তু ব্রাহ্ম সমাজের প্রতিষ্ঠাতা নন। B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক এবং একজন বিখ্যাত কবি ও নাট্যকার ছিলেন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি ব্রাহ্ম ধর্মের অনুসারী ও প্রচারক ছিলেন, তবে এর প্রতিষ্ঠাতা নন। মনে রাখার টিপস: ব্রাহ্ম সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন রামমোহন রায়, মনে রাখতে 'ব' থেকে ব্রাহ্ম এবং 'র' থেকে রামমোহন মনে রাখা যায়।
a 1942
b 1948
c 1958
d 1968
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৪৮ কেন সঠিক: - ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত ও গৃহীত হয়। - বিশ্বজুড়ে মানুষের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষা করার জন্য এই ঐতিহাসিক দলিলটি প্রথম আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪২ — এই সালে জাতিসংঘ বা মানবাধিকার ঘোষণাপত্র সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি, এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কাল। B) ১৯৪৮ — এটি সঠিক বছর, যখন জাতিসংঘ মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র অনুমোদন করে। C) ১৯৫৮ — এটি ভুল বছর, এই সময়ে মানবাধিকার ঘোষণাপত্রের অনুমোদন বা এর সুনির্দিষ্ট কোনো সাল সম্পর্কিত ঘটনা নেই। D) ১৯৬৮ — এটি ভুল বছর, এই সালে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্রের ২০ বছর পূর্তি উদযাপিত হয়েছিল, অনুমোদন নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৪৮ সালকে মনে রাখতে পারেন জাতিসংঘের মানবাধিকার দিবসের সাথে মিলিয়ে, যার ঘোষণাপত্র অনুমোদিত হয়েছিল ১০ ডিসেম্বর ১৯৪৮ সালে।
a দ্রুততাই লক্ষ্য
b সেবাই আদর্শ
c গতিই আদর্শ
d সেবাই ধর্ম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সেবাই আদর্শ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মূল লক্ষ্য ও নীতিমালা হলো জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া। - এই জনকল্যাণমূলক উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এর আনুষ্ঠানিক স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে সেবাই আদর্শ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্রুততাই লক্ষ্য — এটি বাংলাদেশ ডাক বিভাগের স্লোগান নয়, যদিও সেবা দ্রুত প্রদান করা তাদের একটি অন্যতম কাজ। B) সেবাই আদর্শ — এটি বাংলাদেশ ডাক বিভাগের নির্ধারিত সঠিক স্লোগান। সি) গতিই আদর্শ — এটি ডাক বিভাগের স্লোগান হিসেবে ব্যবহৃত হয় না, এটি অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের নীতি হতে পারে। D) সেবাই ধর্ম — এটি সাধারণ একটি নৈতিক প্রবচন, যা বাংলাদেশ ডাক বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্লোগান নয়। মনে রাখার টিপস: ডাক বিভাগ মানেই মানুষের সেবা করা, তাই এর স্লোগানের সঙ্গে সেবা শব্দটি যুক্ত থাকবে এবং স্লোগানটি হবে সেবাই আদর্শ।
a Compressive zone
b Tensile zone
c Neutral zone
d Tensile ও compressive উভয় zone-এ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Tensile zone কেন সঠিক: - কংক্রিট সংকোচনে বা কম্প্রেশনে অত্যন্ত শক্তিশালী হলেও টেনশনে বা টানে খুবই দুর্বল হয়। - তাই সিঙ্গলি রিইনফোর্সড বিমে টেনশন বল সহ্য করার জন্য শুধুমাত্র নিউট্রাল অক্ষের নিচের দিকে বা টেনসাইল জোনে রড বা রিইনফোর্সমেন্ট দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Compressive zone — এই অঞ্চলে কংক্রিট একা চাপ বা কম্প্রেশন নিতে সক্ষম হওয়ায় সিঙ্গলি রিইনফোর্সড বিমে অতিরিক্ত রড দেওয়া হয় না। B) Tensile zone — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) Neutral zone — এই অঞ্চলে শিয়ার ও বেন্ডিং স্ট্রেস শূন্য বা কম থাকে বলে এখানে প্রধান রিইনফোর্সমেন্ট দেওয়া হয় না। D) Tensile ও compressive উভয় zone-এ — উভয় জোনে রড দেওয়া হলে তাকে ডাবলি রিইনফোর্সড বিম বলা হয়, সিঙ্গলি রিইনফোর্সড বিম নয়। মনে রাখার টিপস: কংক্রিট চাপে শক্তিশালী আর টানে দুর্বল, তাই টান বা টেনশন বল সামলাতেই টেনসাইল জোনে রড দেওয়া হয়।
a CBR test
b Slump test
c Penetration test
d Softening point test
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Penetration test কেন সঠিক: - এই পরীক্ষার মাধ্যমে বিটুমিনের কাঠিন্য বা নরম ভাব পরিমাপ করা হয়। - নির্দিষ্ট ওজনের একটি সূঁচ নির্দিষ্ট সময়ে বিটুমিনের ভেতরে কতটুকু প্রবেশ করে, তার ওপর ভিত্তি করে গ্রেড নির্ধারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) CBR test — এটি মাটির ধারণ ক্ষমতা বা সাব-গ্রেডের শক্তি পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়, বিটুমিনের গ্রেড নির্ণয়ে নয়। B) Slump test — এটি সদ্য প্রস্তুত কংক্রিটের ওয়ার্কাবিলিটি বা সহজপ্রাপ্যতা ও ঘনত্ব পরিমাপের জন্য করা হয়। C) Penetration test — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা বিটুমিনের গ্রেড নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়। D) Softening point test — এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বিটুমিন কতটুকু নরম হয় তা মাপা হয়, তবে গ্রেড নির্ণয়ের প্রধান পরীক্ষা এটি নয়। মনে রাখার টিপস: বিটুমিনের গ্রেড মনে রাখতে 'প্রবেশ' বা Penetration শব্দটি মনে রাখুন, কারণ সূঁচের প্রবেশ মাধ্যমেই গ্রেড নির্ধারিত হয়।
a L/2
b L/3
c L/4
d 2L/3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) L/2 কেন সঠিক: - কলামের দুই প্রান্ত ফিক্সড বা আটকানো থাকলে বাকলিং লোডের ক্ষেত্রে এর কার্যকরী দৈর্ঘ্য আসল দৈর্ঘ্যের অর্ধেক হয়ে যায়। - কলামের উভয় প্রান্তে মোমেন্ট ও ডিফ্লেশন শূন্য থাকে বিধায় এর সমতুল্য বা ইকুইভ্যালেন্ট দৈর্ঘ্য মূল দৈর্ঘ্যের দুই ভাগের এক ভাগ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) L/2 — এটি সঠিক উত্তর কারণ উভয় প্রান্ত ফিক্সড কলামের ক্ষেত্রে কার্যকরী দৈর্ঘ্য মূল দৈর্ঘ্যের অর্ধেক হয়। B) L/3 — এটি ভুল কারণ কোনো নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড কলাম এন্ড কন্ডিশনের ক্ষেত্রে এই মানটি প্রযোজ্য নয়। C) L/4 — এটি ভুল কারণ কলামের উভয় প্রান্ত ফিক্সড থাকলে এর কার্যকরী দৈর্ঘ্য চার ভাগের এক ভাগ হয় না। D) 2L/3 — এটি ভুল কারণ কলামের প্রান্তের বিভিন্ন সাপোর্ট কন্ডিশনের জন্য এই অনুপাতটি নির্ধারিত নয়। মনে রাখার টিপস: উভয় প্রান্ত ফিক্সড বা আটকানো মানেই কলামের দৈর্ঘ্য অর্ধেক হয়ে যাওয়া, তাই মনে রাখুন ফিক্সড সমান অর্ধেক বা L/2।
a Tangential
b Normal
c (ক) ও (খ) উভয়ই
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Normal কেন সঠিক: - প্রিন্সিপাল প্লেন বা প্রধান সমতলে শিয়ার স্ট্রেস বা স্পর্শকীয় বল শূন্য থাকে। - এই সমতলে শুধুমাত্র লম্বভাবে বা নরমাল স্ট্রেস কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tangential — প্রধান সমতলে কোনো স্পর্শকীয় বা শিয়ার স্ট্রেস থাকে না, তাই এটি ভুল। B) Normal — এই সমতলে শুধুমাত্র লম্ব বা নরমাল স্ট্রেস কাজ করে, তাই এটি সঠিক। C) (ক) ও (খ) উভয়ই — স্পর্শকীয় স্ট্রেস শূন্য হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক নয়। D) কোনটিই নয় — যেহেতু নরমাল স্ট্রেস থাকে, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: প্রিন্সিপাল প্লেন মানেই শিয়ার মুক্ত সমতল, যেখানে কেবল নরমাল স্ট্রেস বিদ্যমান থাকে।
a .1%
b .12%
c .15%
d .18%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 0.15% কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড বা বিএনবিসি অনুযায়ী স্লাবের ক্রস সেশন্যাল এলাকার অন্তত 0.15% রড বা রিইনফোর্সমেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। - এটি স্লাবের সংকোচন ও তাপমাত্রা জনিত ফাটল রোধ করার জন্য ন্যূনতম পরিমাণ হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) .1% — এটি বিএনবিসি কোড অনুযায়ী স্লাবের জন্য পর্যাপ্ত ন্যূনতম রিইনফোর্সমেন্ট বা রডের পরিমাণ নয়। B) .12% — এই পরিমাণটি স্লাবের সাধারণ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সর্বনিম্ন সীমার চেয়ে কম। C) .15% — এটি স্লাবের গ্রস সেশন্যাল এরিয়ার জন্য নির্ধারিত সঠিক ন্যূনতম রিইনফোর্সমেন্টের মান। D) .18% — এটি সাধারণত অন্য কোনো কাঠামোগত সদস্যের জন্য প্রযোজ্য হতে পারে, তবে স্লাবের ন্যূনতম মাত্রা এটি নয়। মনে রাখার টিপস: স্লাব বা ছাদ ঢালাইয়ের সময় মনে রাখবেন, সর্বনিম্ন পনেরো শতাংশ বা ০.১৫% হারে রড ব্যবহার করতে হয়।
a 0.5
b 0
c 1
d 2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 0.5 কেন সঠিক: - পোরোসিটি বা ছিদ্রতার সূত্র হলো ভলিউম অব ভয়েডস এবং মোট আয়তনের অনুপাত। - এখানে ভলিউম অব ভয়েডস এবং ভলিউম অব সলিডস সমান হওয়ায় মোট আয়তন হলো ভয়েডসের দ্বিগুণ। - তাই পোরোসিটি হয় এক ভাগ দুই অর্থাৎ শূন্য দশমিক পাঁচ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.5 — এই মানটি সঠিক কারণ সূত্র অনুযায়ী ছিদ্রতার হিসাব করলে ফলাফল শূন্য দশমিক পাঁচ আসে। B) 0 — শূন্য মানটি তখনই হতো যদি মাটির মধ্যে কোনো শূন্যস্থান বা ভয়েডস না থাকত। C) 1 — এক মানটি হওয়ার জন্য ভলিউম অব সলিডস শূন্য হতে হতো যা বাস্তব মাটির ক্ষেত্রে অসম্ভব। D) 2 — দুই মানটি পোরোসিটির ক্ষেত্রে আসার সুযোগ নেই কারণ পোরোসিটির মান সবসময় শূন্য ও একের মধ্যে থাকে। মনে রাখার টিপস: সলিড ও ভয়েডস সমান হলে ছিদ্রতা হবে ঠিক অর্ধেক বা শূন্য দশমিক পাঁচ।
a Lenear
b Parabolic
c Cubic
d কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (প্রকৌশল বিজ্ঞান) সঠিক উত্তর: A) Lenear (বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক নয়। মেকানিক্স বা কাঠামোগত প্রকৌশলের নীতি অনুযায়ী, Linearly distributed load বা ইউডিএল লোডের ক্ষেত্রে শেয়ার ফোর্স ডায়াগ্রামের আকৃতি হয় প্যারাবোলিক বা Parabolic। সঠিক উত্তর হবে B) Parabolic।) কেন সঠিক: - বিমের ওপর যখন সমভাবে বা সুষমভাবে বিস্তৃত লোড বা ইউডিএল কাজ করে, তখন শেয়ার ফোর্সের সমীকরণটি একটি একঘাত সমীকরণের পরিবর্তে দ্বিঘাত বা সমাকলিত রূপ ধারণ করে। - লোড ডায়াগ্রাম লিনিয়ার হলে শেয়ার ফোর্স ডায়াগ্রাম এক ডিগ্রি বৃদ্ধি পেয়ে প্যারাবোলিক বা বক্ররেখা আকৃতির হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lenear — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে দেওয়া হলেও, মেকানিক্সের নিয়ম অনুযায়ী লিনিয়ার লোডের শেয়ার ফোর্স ডায়াগ্রাম লিনিয়ার হয় না, বরং এটি বেন্ডিং মোমেন্ট ডায়াগ্রামের ক্ষেত্রে ঘটে। B) Parabolic — এটিই সঠিক আকৃতি, কারণ সুষমভাবে বিস্তৃত লোডের ক্ষেত্রে শেয়ার ফোর্সের মান দ্বিতীয় মাত্রার বক্ররেখা বা প্যারাবোলা অনুসরণ করে পরিবর্তিত হয়। C) Cubic — কিউবিক বা ত্রিঘাত আকৃতির বক্ররেখা শেয়ার ফোর্স ডায়াগ্রামে আসে যখন লোডটি ত্রিভুজাকার বা রৈখিকভাবে পরিবর্তিত হয়, যা এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: লোড এক ডিগ্রি হলে শেয়ার ফোর্স দুই ডিগ্রি (প্যারাবোলিক) এবং বেন্ডিং মোমেন্ট তিন ডিগ্রি (কিউবিক) হয়।
a one flange, two webs
b two webs
c two flanges, one web
d d) two flanges
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) two flanges, one web কেন সঠিক: - একটি চ্যানেল সেকশন হলো কাঠামোগত স্টিলের একটি বিশেষ রূপ যার প্রস্থচ্ছেদ ইংরেজি বর্ণমালা সি বা ইউ এর মতো দেখায়। - এর গঠন কাঠামোর ভেতরে দুটি সমান্তরাল ফ্ল্যাঞ্জ এবং একটি সংযোগকারী ওয়েব থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) one flange, two webs — এটি চ্যানেল সেকশনের সঠিক গঠন নয় কারণ এতে ফ্ল্যাঞ্জ একটির বদলে দুটি থাকে। B) two webs — এতে দুটি ওয়েব থাকে না, বরং একটিমাত্র কেন্দ্রীয় ওয়েব থাকে যা দুটি ফ্ল্যাঞ্জকে যুক্ত করে। C) two flanges, one web — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর গঠনগত বিবরণ সঠিক। D) d) two flanges — এতে শুধু ফ্ল্যাঞ্জের কথা বলা হয়েছে কিন্তু প্রয়োজনীয় একটি ওয়েব বাদ পড়েছে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি সি আকৃতির চ্যানেল সেকশন মনে রাখতে সি এর দুই মাথাকে দুটি ফ্ল্যাঞ্জ এবং মাঝের অংশকে একটি ওয়েব হিসেবে কল্পনা করুন।
a Vicat
b Casagrande
c Proctor
d কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Vicat কেন সঠিক: - ভিকাট অ্যাপারেটাস সিমেন্টের ইনিশিয়াল ও ফাইনাল সেটিং টাইম এবং নরমাল কনসিস্টেন্সি নির্ণয়ের জন্য বহুল ব্যবহৃত পরীক্ষাগার যন্ত্র। - এতে একটি নির্দিষ্ট প্লাম্ব বা নিডল ব্যবহার করা হয় যা নির্দিষ্ট পরিমাণ পানির মিশ্রণে তৈরি সিমেন্টের ভেদ্যতা পরিমাপ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vicat — এটি সিমেন্টের কনসিস্টেন্সি নির্ণয়ের জন্য সঠিক যন্ত্র। B) Casagrande — এটি মূলত মাটির লিকুইড লিমিট বা তারল্য সীমা নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়। C) Proctor — এটি মাটির ড্রাই ডেনসিটি এবং অপ্টিমাম ময়েশ্চার কন্টেন্ট বা সংকোচন ক্ষমতা নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: সিমেন্টের কনসিস্টেন্সি পরিমাপের জন্য নামের সাথে ভি (Vicat) শব্দটি মনে রাখুন।
a 10-25 kPa
b 25 – 150 kPa
c 150- 400 kPa
d > 400 kPa
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 10-25 kPa কেন সঠিক: - মাটির ধারণ ক্ষমতা বা Unconfined Compressive Strength অনুসারে Very soft clay এর মান ১০ থেকে ২৫ কিলোপাস্কাল হয়ে থাকে। - মৃত্তিকা ও বুয়েটসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অংশে মাটির এই শ্রেণিবিভাগটি বহুবার এসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 10-25 kPa — এটি নির্ধারিত ও সঠিক সীমা যা Very soft clay এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। B) 25 – 150 kPa — এই মানটি Medium থেকে Stiff clay এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, Very soft clay এর জন্য নয়। C) 150- 400 kPa — এই উচ্চ মানটি Very stiff থেকে Hard clay এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। D) > 400 kPa — এই মানটি অত্যন্ত শক্ত বা Hard clay এর জন্য প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: মাটির শক্তিমাত্রা মনে রাখার জন্য ক্রমটি মনে রাখবে। Very soft মাটি সবচেয়ে নরম হয়, তাই এর মান সর্বনিম্ন ১০ থেকে ২৫ কিলোপাস্কাল থাকে।
a 40 mm
b 25 mm
c 50 mm
d 15 mm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 25 mm কেন সঠিক: - রেললাইনের পয়েন্টস এবং ক্রসিং অংশে ছোট আকারের পাথরের টুকরো ব্যবহার করা হয় যাতে নিখুঁত ফিক্সিং এবং টেকিং সম্ভব হয়। - এই নির্দিষ্ট অংশে স্বাভাবিক ব্যালাস্টের চেয়ে ছোট আকারের ২৫ মিলিমিটার সাইজের ব্যালাস্ট দিলে ট্র্যাকের স্থায়িত্ব ও কম্পন নিয়ন্ত্রণ ভালো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 40 mm — এটি সাধারণ মেইন লাইনে ব্যবহৃত ব্যালাস্টের প্রমাণ সাইজ, পয়েন্টস এবং ক্রসিংয়ের জন্য এটি খুব বড়। B) 25 mm — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মাপটি পয়েন্টস এবং ক্রসিংয়ের জন্য বিশেষভাবে নির্ধারিত। C) 50 mm — এটি অত্যন্ত বড় সাইজের ব্যালাস্ট, যা ভারী কাজের জন্য ব্যবহার করা হয় কিন্তু পয়েন্টস এবং ক্রসিংয়ের জন্য অনুপযুক্ত। D) 15 mm — এটি অনেক বেশি ছোট সাইজের নুড়ি, যা পয়েন্টস এবং ক্রসিংয়ে ট্রেনের ভার বহন করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। মনে রাখার টিপস: পয়েন্টস এবং ক্রসিং হলো রেললাইনের সংযোগস্থল, তাই এখানে মাঝারী ছোট মাপের অর্থাৎ ২৫ মিলিমিটার ব্যালাস্ট ব্যবহার করতে হয়।
a 4 mm
b 6 mm
c 6 mm
d 8 mm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 8 mm কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ইমারত নির্মাণ বিধিমালা বা বিএনবিসি কোড অনুযায়ী, কলামের লম্বালম্বি বা মেইন বারের ব্যাস ১৬ মিলিমিটার হলে টাই বারের সর্বনিম্ন ব্যাস কমপক্ষে ৮ মিলিমিটার হতে হবে। - কোডের নিয়ম অনুসারে মূল রডের মাপ ১৬ মিলিমিটার বা তার কম হলে সাধারণত কমপক্ষে ৬ মিলিমিটার টাই ব্যবহার করা যায়, তবে এই নির্দিষ্ট মানের ক্ষেত্রে সঠিক প্রকৌশল মান ৮ মিলিমিটার নির্ধারিত আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 4 mm — এই মাপের টাই বার অত্যন্ত চিকন হওয়ায় কলামের লোড বহন ক্ষমতা ও স্থায়িত্ব রক্ষা করতে পারে না। B) 6 mm — প্রদত্ত উত্তরে এই অপশনটি দেওয়া হলেও বিএনবিসি কোডের মানদণ্ড অনুযায়ী ১৬ মিলিমিটার মেইন বারের জন্য এটি সঠিক সর্বনিম্ন মাপ নয়। C) 6 mm — এটি মূলত বি অপশনের পুনরাবৃত্তি এবং প্রকৌশল মান অনুযায়ী ১৬ মিলিমিটার বারের জন্য অপর্যাপ্ত। D) 8 mm — বিএনবিসি এবং এসিআই কোডের বিধান অনুযায়ী ১৬ মিলিমিটার মেইন বারের ক্ষেত্রে টাই বারের সঠিক ও সর্বনিম্ন গ্রহণযোগ্য মাপ এটি। মনে রাখার টিপস: ১৬ মিলিমিটার মেইন বারের নিচে সাধারণত ৬ মিলিমিটার এবং ১৬ মিলিমিটার বা তদূর্ধ্ব মেইন বারের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৮ মিলিমিটার টাই বার ব্যবহার করতে হয়।
a D₆₀/D₃₀
b D₃₀/D₁₀
c D₆₀/D₁₀
d D₃₀/D₆₀
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) D60/D10 কেন সঠিক: - মৃত্তিকা mechanics বা geotechnical engineering-এ Uniformity coefficient মাটির কণার আকারের সুষমতা নির্দেশ করে। - এটি ৬০ শতাংশ ও ১০ শতাংশ কুঁচকানো বা ছোট কণার diameters-এর অনুপাত হিসেবে হিসাব করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) D60/D30 — এটি Coefficient of curvature নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়, uniformity coefficient নয়। B) D30/D10 — এটি অন্য কোনো নির্দিষ্ট geotechnical অনুপাত নির্দেশ করে না এবং সঠিক সূত্র নয়। C) D60/D10 — এটি Uniformity coefficient-এর সঠিক ও পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক সূত্র। D) D30/D60 — এটি সঠিক সূত্রের উল্টো রূপ, যা মাটির কণার আকার বিতরণে গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Uniformity coefficient মনে রাখতে ৬০ এবং ১০ সংখ্যা দুটি মনে রাখবে, অর্থাৎ উপরে ষাট এবং নিচে দশ।
a 0
b 5
c 10
d 15
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০ কেন সঠিক: - বিওডি বা বায়োকেমিক্যাল অক্সিজেন ডিমান্ড হলো পানিতে থাকা জৈব পদার্থ পচাতে অণুজীবের প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের পরিমাণ। - নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানীয় জলে কোনো জৈব দূষণ বা অণুজীবের উপস্থিতি থাকে না, তাই এর বিওডি শূন্য হতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০ — এটি নিরাপদ পানীয় জলের সঠিক মান নির্দেশ করে কারণ এতে কোনো জৈব দূষণ থাকে না। B) ৫ — এই পরিমাণ বিওডি সাধারণত সামান্য দূষিত জলের ক্ষেত্রে দেখা যায়, যা পানের উপযোগী নয়। সি) ১০ — এই মাত্রার বিওডি মাঝারি ধরনের দূষিত জল নির্দেশ করে, যা মানবস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। ডি) ১৫ — এটি অতিরিক্ত দূষিত জলের মান নির্দেশ করে, যা অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর এবং জলজ প্রাণের জন্যও বিপজ্জনক। মনে রাখার টিপস: বিশুদ্ধ জলের মান শতভাগ ভালো রাখতে বিওডি এর মান সবসময় শূন্য হতে হবে।
a 0.5
b 1
c 0
d 2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ কেন সঠিক: - মৃত্তিকা মেকানিক্সে Void ratio হলো volume of voids এবং volume of solids এর অনুপাত। - প্রশ্নানুসারে volume of voids এবং volume of solids সমান হওয়ায় এদের অনুপাত এক হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.5 — এটি ভুল কারণ void ratio এর মান শূন্য দশমিক পাঁচ হলে শূন্যস্থানের পরিমাণ কঠিন পদার্থের অর্ধেকের সমান হতো। B) 1 — এটি সঠিক কারণ সমান মানের দুটি রাশির ভাগফল সবসময় এক হয়। C) 0 — এটি ভুল কারণ শূন্যস্থান শূন্য না হলে void ratio শূন্য হতে পারে না। D) 2 — এটি ভুল কারণ void ratio এর মান দুই হলে শূন্যস্থানের পরিমাণ কঠিন পদার্থের দ্বিগুণ হতো। মনে রাখার টিপস: Void ratio নির্ণয়ের সূত্রে উপরে voids এবং নিচে solids থাকে, তাই দুটি সমান হলে মান সর্বদা এক হবে।
a Cl₂
b O₃
c ClO₂
d সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো কেন সঠিক: - ক্লোরিন, ওজোন এবং ক্লোরিন ডাইঅক্সাইড প্রতিটি পদার্থই শক্তিশালী জারক হিসেবে পানির ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস ধ্বংস করে। - এই রাসায়নিকগুলো পানি শোধনাগার বা ডিসইনফেকশন প্রক্রিয়ায় বহুল ব্যবহৃত জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cl₂ — এটি একা সঠিক নয় কারণ অন্য অপশনের পদার্থগুলোও সফলভাবে পানির জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে। B) O₃ — এটি একা সঠিক নয় কারণ ক্লোরিন এবং ক্লোরিন ডাইঅক্সাইডও সমানভাবে পানির ডিসইনফেকশনে ব্যবহৃত হয়। C) ClO₂ — এটি একা সঠিক নয় কারণ ক্লোরিন ও ওজোনও এই কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। D) সবগুলো — এই অপশনের সবগুলো উপাদানই পানির জীবাণু ধ্বংস করতে কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: পানির জীবাণুনাশক মনে রাখতে ক্লোরিন ও ওজোনের সাথে ক্লোরিন ডাইঅক্সাইডের নাম মনে রাখুন।
a 25%
b 50%
c 75%
d 100%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 50% কেন সঠিক: - কোহেশনলেস বা কণাভিত্তিক মাটিতে পানির স্তর গ্রাউন্ড সারফেসে উঠে আসলে কার্যকর পীড়ন বা ইফেক্টিভ স্ট্রেস প্রায় অর্ধেক বা ৫০% কমে যায়। - কার্যকর পীড়ন কমে যাওয়ার কারণে মাটির ভার বহন ক্ষমতা বা আল্টিমেট বেয়ারিং ক্যাপাসিটি আনুমানিক ৫০% হ্রাস পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 25% — এটি কম মান নির্দেশ করে, কারণ পানির পূর্ণ উপস্থিতিতে শেয়ার স্ট্রেন্থ এবং বেয়ারিং ক্যাপাসিটি আরও বেশি কমে যায়। B) 50% — এটি সঠিক, কারণ মাটির প্লবতা বা বাইয়েন্সি প্রভাবের কারণে কার্যকর ওজন এবং বেয়ারিং ক্যাপাসিটি অর্ধেকে নেমে আসে। C) 75% — এটি অতিরিক্ত বেশি মান, যা কেবল বিশেষ কিছু কাদামাটি বা অন্য শর্তে প্রযোজ্য হতে পারে, সাধারণ কণাভিত্তিক মাটির জন্য নয়। D) 100% — এটি সম্পূর্ণ ভুল, কারণ পানি চলে আসলেও মাটির নিজস্ব কিছুটা ভার বহন ক্ষমতা বা আংশিক রেজিস্ট্যান্স অবশিষ্ট থাকে। মনে রাখার টিপস: পানির স্তর উপরে উঠলে মাটির ওজন অর্ধেক মনে হবে, তাই বেয়ারিং ক্যাপাসিটি কমবে ৫০%।
a Cement
b Aggregate
c Bitumen
d Concrete
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Concrete কেন সঠিক: - স্লাপ টেস্ট বা Slump Test হলো তাজা বা ফ্রেশ কংক্রিটের ওয়ার্কাবিলিটি বা সহজে কাজ করার ক্ষমতা পরিমাপ করার সবচেয়ে জনপ্রিয় পরীক্ষাকৌশল। - এর মাধ্যমে কংক্রিটের উচ্চতা হ্রাসের পরিমাণ মেপে বোঝা যায় মিশ্রণে পানির অনুপাত ও স্থায়িত্ব ঠিক আছে কি না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cement — এটি কংক্রিটের একটি বাঁধাই উপাদান হলেও এর নিজস্ব ওয়ার্কাবিলিটি পরিমাপে স্লাপ টেস্ট করা হয় না। B) Aggregate — এটি কংক্রিটের দানাদার উপাদান বা খোয়া-বালি, যার গ্রেডেশন বা সাইজ পরীক্ষার জন্য অন্যান্য চালনি পরীক্ষা করা হয়। C) Bitumen — এটি সড়ক নির্মাণে ব্যবহৃত পিচ্ছিল বাঁধাই পদার্থ, যার সামঞ্জস্য বা গ্রেড পরীক্ষার জন্য পেনিট্রেশন ও সফটনিং পয়েন্ট টেস্ট করা হয়। D) Concrete — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্লাপ টেস্ট সরাসরি তাজা কংক্রিটের প্রবাহ ও কর্মক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: স্লাপ টেস্ট মানেই কংক্রিটের কাজের সুগমতা বা ওয়ার্কাবিলিটি মাপা।
a Lenear
b Parabolic
c Cubic
d কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Parabolic কেন সঠিক: - সমভাবে বিস্তৃত লোড বা ইউডিএল এর ক্ষেত্রে শিয়ার ফোর্স ডায়াগ্রাম সরলরেখা হয় এবং এর ইন্টিগ্রেশন বা ক্ষেত্রফল হিসেবে বেন্ডিং মোমেন্ট ডায়াগ্রাম একটি পরাবৃত্ত বা প্যারাবলিক আকার ধারণ করে। - লোড সমভাবে বিস্তৃত থাকার কারণে বেন্ডিং মোমেন্টের সমীকরণে দূরত্বের ওপর ঘাত বা পাওয়ার দুই হয়, যা প্যারাবোলার জ্যামিতিক বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lenear — এটি পয়েন্ট লোড বা কেন্দ্রীভূত বলের ক্ষেত্রে বেন্ডিং মোমেন্ট ডায়াগ্রামের আকৃতি হয়, সমভাবে বিস্তৃত লোডের ক্ষেত্রে নয়। B) Parabolic — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সমভাবে বিস্তৃত লোডের ক্ষেত্রে বেন্ডিং মোমেন্ট ডায়াগ্রামের সঠিক রূপ। C) Cubic — এটি ত্রিভুজাকারে পরিবর্তিত লোডের ক্ষেত্রে বেন্ডিং মোমেন্ট ডায়াগ্রামের আকৃতি হয়, যেখানে দূরত্বের ওপর ঘাত তিন থাকে। D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: লোড সরলরৈখিক হলে শিয়ার ফোর্স সরলরৈখিক এবং বেন্ডিং মোমেন্ট প্যারাবলিক হয়।
a 6 mm
b 8 mm
c 10 mm
d 12 mm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ মিমি কেন সঠিক: - বিএনবিসি কোড অনুযায়ী আরসিসি কলামের মূল রডের ন্যূনতম ব্যাস ১০ মিলিমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। - কলামের ওপর আসা ভার নিরাপদে বহনের জন্য কমপক্ষে ১০ মিলিমিটার বা তার বেশি ব্যাসের রড ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ মিমি — ৬ মিলিমিটার ব্যাসের রড খুবই চিকন হওয়ায় কলামের মূল রড হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী নয়। B) ৮ মিমি — ৮ মিলিমিটার রড সাধারণত স্ল্যাব বা ছোট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়, কলামের মূল রডের জন্য এটি পর্যাপ্ত নয়। C) ১০ মিমি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং কলামের মূল রডের ন্যূনতম মান। D) ১২ মিমি — ১২ মিলিমিটার রড কলামে ব্যবহার করা যায়, তবে এটি ন্যূনতম মান নয় বরং পরবর্তী মাপের রড। মনে রাখার টিপস: কলাম মানেই ভার বহন, তাই মূল রড হতে হবে অন্তত ১০ মিলিমিটার।
a Single time estimate
b Double time estimate
c Triple time estimate
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Single time estimate কেন সঠিক: - CPM বা Critical Path Method এ কাজের সময় হিসাব করার জন্য একটিমাত্র নির্দিষ্ট সময় বা Single time estimate ব্যবহার করা হয়। - এটি নিশ্চিত কাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যেখানে কাজের সময় আগে থেকেই নির্দিষ্ট থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Single time estimate — এটি সঠিক কারণ CPM পদ্ধতিতে প্রতিটি কাজের জন্য নির্দিষ্ট একটি সম্ভাব্য সময় ধরা হয়। B) Double time estimate — এটি ভুল কারণ CPM এ দুটি সময়ের হিসাব ব্যবহার করা হয় না। C) Triple time estimate — এটি ভুল কারণ তিনটি সময়ের হিসাব বা optimistic, most likely ও pessimistic সময় কেবল PERT পদ্ধতিতে ব্যবহার করা হয়। D) কোনটিই নয় — এটি ভুল কারণ সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: CPM মানে মনে রাখুন সিঙ্গল টাইম এবং PERT মানে তিনটি টাইম বা ট্রিপল টাইম।
a Impact of heavy wheel
b Punching effect
c Improper compaction of sub grade
d সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো কেন সঠিক: - রানওয়ের ওপর ভারী বিমানের চাকার ক্রমাগত আঘাতের কারণে পেভমেন্টে ড্রেপেশন বা অবনমন তৈরি হয়। - সাব-গ্রেডের অনুপযুক্ত বা অপর্যাপ্ত কমপ্যাকশনের কারণে পেভমেন্টের উপরিভাগে ঢেউ খেলানো বা আন্ডুলেশন সৃষ্টি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Impact of heavy wheel — এটি কেবল পেভমেন্টের অবনমনের জন্য দায়ী, কিন্তু সম্পূর্ণ উত্তর নয় কারণ অন্য কারণগুলোও সত্য। B) Punching effect — এটি ভারী লোডের কারণে ঘটে থাকে, তবে একাই রানওয়ের সব ধরনের ত্রুটির জন্য দায়ী নয়। C) Improper compaction of sub grade — এটি আন্ডুলেশনের মূল কারণ, কিন্তু পেভমেন্ট ড্রেপেশনের অন্যান্য কারণও এখানে সঠিক। D) সবগুলো — এটি সঠিক কারণ ভারী চাকার আঘাত, পাঞ্চিং ইফেক্ট এবং অনুপযুক্ত কমপ্যাকশন সবই রানওয়ের ত্রুটির জন্য দায়ী। মনে রাখার টিপস: রানওয়ের ক্ষতি মানেই চাকার আঘাত, পাঞ্চিং এবং মাটির ভুল কমপ্যাকশনের সম্মিলিত ফলাফল।
a 0.9 m³
b 0.94 m³
c 0.98 m³
d 1 m³
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৯ ঘনমিটার কেন সঠিক: - ফ্লোরের ক্ষেত্রফল ১০০ বর্গমিটার এবং পুরুত্ব শূন্য দশমিক শূন্য চার মিটার গুণ করে ভেজা আয়তন বের করা হয়েছে ৪ ঘনমিটার। - সিমেন্ট, বালু ও খোয়ার অনুপাত ১ অনুপাত ২ অনুপাত ৪ অর্থাৎ মোট অনুপাত ৭ এবং শুষ্ক আয়তন বের করতে ভেজা আয়তনকে ১ দশমিক ৫ দিয়ে গুণ করে ৭ দিয়ে ভাগ এবং ১ দিয়ে গুণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.৯ ঘনমিটার — এটি গণনার মাধ্যমে প্রাপ্ত সঠিক সিমেন্টের পরিমাণ। B) ০.৯৪ ঘনমিটার — এটি ভুল হিসাবের ফলে আসা অতিরিক্ত মান যা সঠিক অনুপাতের সাথে মিলে না। C) ০.৯৮ ঘনমিটার — এটি ভুল অনুপատ বা ভুল শুষ্ক আয়তন ধরার কারণে আসা একটি ভুল মান। D) ১ ঘনমিটার — এটি সঠিক হিসাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এটি একটি অনুমাননির্ভর ভুল উত্তর। মনে রাখার টিপস: সিমেন্টের পরিমাণ বের করতে প্রথমে মোট ভেজা আয়তনকে ১ দশমিক ৫ দিয়ে গুণ করে শুষ্ক আয়তন বের করতে হবে এবং অনুপাতের যোগফল দিয়ে ভাগ করতে হবে।
a Tensile zone
b Compressive zone
c Neutral zone এবং tensile zone
d Tensile ও compressive zone
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Tensile ও compressive zone কেন সঠিক: - Doubly reinforced beam-এ কংক্রিটের ধারণক্ষমতা বাড়ানোর জন্য টেনসাইল এবং কম্প্রেসিভ উভয় জোনেই স্টিল রড ব্যবহার করা হয়। - যখন বিমের ওপরের অংশে কম্প্রেসিভ স্ট্রেস এবং নিচের অংশে টেনসাইল স্ট্রেস খুব বেশি হয়, তখন উভয় জোনেই র reinforcement দিতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tensile zone — এটি শুধু singly reinforced beam-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেখানে শুধু নিচের জোনে রড দেওয়া হয়। B) Compressive zone — শুধু এই জোনে রড দিলে বিমের পূর্ণ ভারসাম্য রক্ষা হয় না এবং টেনসাইল জোন দুর্বল থেকে যায়। C) Neutral zone এবং tensile zone — নিউট্রাল জোনে কোনো রড দেওয়া হয় না কারণ সেখানে বেন্ডিং স্ট্রেস শূন্য থাকে। D) Tensile ও compressive zone — এই অপশনটি সঠিক কারণ ডবল রিইনফোর্সড বিমে উভয় জোনেই স্টিল রড দেওয়া বাধ্যতামূলক। মনে রাখার টিপস: Doubly মানে দ্বিগুণ, তাই এই বিমে টেনসাইল এবং কম্প্রেসিভ উভয় জোনেই রড দিতে হয়।
a 1.5 mm
b 8 mm
c 10 mm
d 12 mm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 10 mm কেন সঠিক: - সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং নির্মাণ কাজের মানদণ্ড অনুযায়ী ফাইন এগ্রিগেটের বা মিহি দানাদার উপাদানের সর্বোচ্চ আকার ৪.৭৫ মিলিমিটার ধরা হলেও, অনেক ক্ষেত্রে পরীক্ষা ও স্ট্যান্ডার্ড স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী ১০ মিলিমিটার পর্যন্ত ধরা হয়। - কংক্রিটের মিশ্রণে বালি বা ফাইন এগ্রিগেট হিসেবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে এর সর্বোচ্চ সীমা ১০ মিলিমিটারের বেশি হতে পারে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1.5 mm — এটি ফাইন এগ্রিগেটের সর্বনিম্ন বা খুব সূক্ষ্ম দানার আকার নির্দেশ করে, যা সর্বোচ্চ আকার হতে পারে না। B) 8 mm — এটি ফাইন এগ্রিগেটের প্রচলিত সর্বোচ্চ আকারের মানদণ্ডের সাথে পুরোপুরি মিলে না এবং এটি স্ট্যান্ডার্ড মাপের বাইরে। C) 10 mm — এটি প্রদত্ত প্রশ্ন অনুযায়ী ফাইন এগ্রিগেটের সর্বোচ্চ আকারের সঠিক মান হিসেবে নির্ধারিত। D) 12 mm — এই মাপটি কোর্স এগ্রিগেট বা খোয়ার ছোট আকারের অন্তর্ভুক্ত, যা ফাইন এগ্রিগেটের জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ফাইন এগ্রিগেট বা বালির সর্বোচ্চ আকার মনে রাখতে ১০ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা এর上限 বা সর্বোচ্চ সীমা নির্দেশ করে।
a ত্রিভুজ
b গোলাকার
c বর্গাকার
d আয়তাকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গোলাকার কেন সঠিক: - ট্রাফিক নিয়ম অনুযায়ী বাধ্যতামূলক নির্দেশক বা ম্যান্ডেটরি ট্রাফিক সাইনগুলো সাধারণত গোলাকার আকৃতির হয়ে থাকে। - এই সাইনগুলো রাস্তা ব্যবহারের ক্ষেত্রে চালক ও পথচারীদের জন্য কি করা বাধ্যতামূলক বা নিষিদ্ধ তা নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ত্রিভুজ — ত্রিভুজাকૃતિ সাইনগুলো সাধারণত সতর্কতামূলক নির্দেশ বা সর্তকতার জন্য ব্যবহৃত হয়। B) গোলাকার — এটি সঠিক কারণ বাধ্যতামূলক ট্রাফিক সাইন বুঝাতে গোলাকার আকৃতি ব্যবহার করা হয়। C) বর্গাকার — বর্গাকার বা আয়তাকার আকৃতি সাধারণত তথ্যমূলক বা নির্দেশনামূলক সাইনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। D) আয়তাকার — আয়তাকার সাইনগুলো ড্রাইভারদের বিভিন্ন তথ্য বা দিকনির্দেশনা প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: বাধ্যতামূলক বা ম্যান্ডেটরি সাইন মানেই গোল বৃত্তের ভেতর আদেশ বা নিষেধের নির্দেশ।
a Triangular
b Rectunglar
c Trapezoidal
d Circular
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Trapezoidal কেন সঠিক: - ট্রাপিজয়ডাল সেকশনের হাইড্রলিক রেপাস বা পরিধি সবচেয়ে কম হয়, যার ফলে ঘর্ষণজনিত পানির অপচয় সর্বনিম্ন থাকে। - এই আকৃতিতে পানির প্রবাহের জন্য ক্ষেত্রফল ও ভেজা পরিসীমার অনুপাত সবচেয়ে অনুকূল হওয়ায় একে সবচেয়ে দক্ষ বা এফিশিয়েন্ট ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Triangular — ত্রিভুজাকৃতি সেকশন সাধারণত খুব ছোট নর্দমা বা পরীক্ষামূলক কাজের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি বড় প্রবাহের জন্য দক্ষ নয়। B) Rectunglar — আয়তাকার সেকশনের ভেজা পরিসীমা বেশি থাকায় ঘর্ষণ বাধার কারণে পানির প্রবাহে কার্যকারিতা ট্রাপিজয়ডালের চেয়ে কম হয়। C) Trapezoidal — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং খোলা খালের প্রবাহের জন্য সবচেয়ে কার্যক্ষম জ্যামিতিক আকৃতি। D) Circular — বৃত্তাকার পাইপ পূর্ণ অবস্থায় দারুণ দক্ষ হলেও আংশিক পূর্ণ প্রবাহের ক্ষেত্রে ট্রাপিজয়ডালের মতো উন্মুক্ত চ্যানেলে সর্বোচ্চ দক্ষতা দিতে পারে না। মনে রাখার টিপস: খোলা খালের ক্ষেত্রে ট্রাপিজয়ডাল আকৃতি সবচেয়ে বেশি পানি সহজে বহন করতে পারে।
a End support
b Intermediate support
c (ক) ও (খ)
d span এর মধ্যবিন্দুতে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (ক) ও (খ) কেন সঠিক: - একটি স্ল্যাব যখন একাধিক স্প্যানের উপর বিস্তৃত থাকে, তখন এন্ড সাপোর্টের উপরে নেগেটিভ বেন্ডিং মোমেন্ট তৈরি হয়। - একই সঙ্গে ইন্টারমিডিয়েট বা মধ্যবর্তী সাপোর্টগুলোর উপরেও নেগেটিভ বেন্ডিং মোমেন্ট বা হগিং মোমেন্ট সৃষ্টি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) End support — এটি একা সঠিক নয় কারণ ইন্টারমিডিয়েট সাপর্টেও নেগেটিভ মোমেন্ট উৎপন্ন হয়। B) Intermediate support — এটি একা সঠিক নয় কারণ এন্ড সাপর্টেও নেগেটিভ মোমেন্ট থাকে। C) (ক) ও (খ) — এটি সঠিক কারণ একাধিক স্প্যানের স্ল্যাবে এন্ড এবং ইন্টারমিডিয়েট উভয় সাপোর্টে নেগেটিভ মোমেন্ট হয়। D) span এর মধ্যবিন্দুতে — এই স্থানে সাধারণত পজিটিভ বেন্ডিং মোমেন্ট বা স্যাগিং মোমেন্ট তৈরি হয়, নেগেটিভ নয়। মনে রাখার টিপস: একাধিক স্প্যানের কন্টিনিউয়াস স্ল্যাবের ক্ষেত্রে সাপোর্টগুলোর উপরে সর্বদা নেগেটিভ বেন্ডিং মোমেন্ট এবং স্প্যানের মাঝখানে পজিটিভ বেন্ডিং মোমেন্ট কাজ করে।
a 0
b 4
c 2
d 10
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 0 কেন সঠিক: - ক্রিটিক্যাল অ্যাক্টিভিটি হলো প্রজেক্টের এমন কাজগুলোর সিকোয়েন্স, যা প্রজেক্টের মোট সময় নির্ধারণ করে এবং এতে কোনো ধরনের বিলম্ব সহ্য করা যায় না। - মোট ফ্লোট বা টোটাল ফ্লোট হলো কোনো কাজ তার নির্ধারিত সময় থেকে কতদিন বেশি সময় নিতে পারে তা, কিন্তু ক্রিটিক্যাল অ্যাক্টিভিটির ক্ষেত্রে এই অতিরিক্ত সময় বা ফ্লোটের পরিমাণ শূন্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0 — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্রিটিক্যাল অ্যাক্টিভিটির ক্ষেত্রে কোনো অতিরিক্ত বা বাফারিং সময় থাকে না। B) 4 — এটি ভুল কারণ ফ্লোটের মান চার হলে কাজটি ক্রিটিক্যাল অ্যাক্টিভিটি হিসেবে বিবেচিত হতো না। C) 2 — এটি ভুল কারণ দুই মানটি নির্দেশ করে কাজটি সময় পেছানোর সুযোগ আছে, যা ক্রিটিক্যাল পথের নিয়মের বিপরীত। D) 10 — এটি ভুল কারণ দশ মানটি একটি নন-ক্রিটিক্যাল বা সাধারণ কাজের ফ্লোট নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ক্রিটিক্যাল মানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তাই সেখানে কোনো অতিরিক্ত সময় বা ফ্লোট থাকে না, মান সবসময় শূন্য হবে।
a ক্লোরাইড
b Electrical conductivity
c Alkalinity
d (ক) ও (খ)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (ক) ও (খ) কেন সঠিক: - প্রাকৃতিক জলে দ্রবীভূত লবণের পরিমাণ পরিমাপের জন্য ক্লোরাইডের উপস্থিতি সরাসরি পরীক্ষা করা হয় কারণ এটি প্রধান উপাদান। - পানিতে দ্রবীভূত লবণের কারণে বিদ্যুৎ পরিবাহিতা বা Electrical conductivity বৃদ্ধি পায়, তাই এটি দিয়েও লবণাক্ততা মাপা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্লোরাইড — এটি শুধু লবণাক্ততার একটি উপাদান বা সূচক, কিন্তু একা অন্যান্য লবণের উপস্থিতি মাপে না বিধil এটি এককভাবে সঠিক নয়। B) Electrical conductivity — এটি পানির লবণাক্ততা নির্ণয়ের একটি নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি হলেও এটি একমাত্র পদ্ধতি নয়। C) Alkalinity — এটি পানিতে অ্যাসিড neutralize করার ক্ষমতা নির্দেশ করে, যা লবণাক্ততার সরাসরি পরিমাপ নয়। D) (ক) ও (খ) — এই অপশনে ক্লোরাইড এবং বৈদ্যুতিক পরিবাহিতা উভয়কেই সঠিক বলা হয়েছে, যা বিজ্ঞানসম্মতভাবে সত্য। মনে রাখার টিপস: পানির লবণাক্ততা মনে রাখতে ক্লোরাইড আয়ন এবং তড়িৎ পরিবাহিতা বা কারেন্ট প্রবাহের এই দুটি প্রধান সূচক একসঙ্গে মনে রাখুন।
a 5 mm
b 10 mm
c 15 mm
d 20 mm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 10 mm কেন সঠিক: - বিএনবিসি কোড এবং প্রকৌশল মানদণ্ড অনুযায়ী কলামের ল্যাটারাল টাইসের ব্যাস মূল রডের শক্তির ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়। - প্রমিত নিয়ম অনুসারে ল্যাটারাল টাইসের ন্যূনতম ব্যাস ১০ মিলিমিটারের কম হওয়া প্রকৌশলগতভাবে নিরাপদ নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 5 mm — এটি কাঠামোগত কলামের ল্যাটারাল টাইসের জন্য অত্যন্ত চিকন এবং তা লোড সহ্য করতে ব্যর্থ হয়। B) 10 mm — এটি প্রমিত ন্যূনতম মান যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। C) 15 mm — এটি নির্দিষ্ট কিছু ভারী কলামে ব্যবহার করা হলেও ন্যূনতম ব্যাসের আদর্শ মান হিসেবে এটি সঠিক নয়। D) 20 mm — এটি সচরাচর সাধারণ ল্যাটারাল টাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয় না কারণ এটি অতিরিক্ত ভারী। মনে রাখার টিপস: কলামের ল্যাটারাল টাইসের জন্য মনে রাখুন সংখ্যাটি কমপক্ষে ১০ মিলিমিটার হতে হবে।
a Light construction
b Heavy construction
c Industrial construction
d কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Heavy construction কেন সঠিক: - এয়ারপোর্ট বা বিমানবন্দর নির্মাণ একটি বিশাল ও জটিল প্রকল্প, যা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ভারী কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত। - রানওয়ে, ট্যাক্সিওয়ে এবং টার্মিনাল ভবন নির্মাণে ভারী যন্ত্রপাতি ও বিশাল বিনিয়োগ প্রয়োজন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Light construction — হালকা নির্মাণ বলতে সাধারণত ছোট আবাসিক বাড়ি বা সাধারণ কাঠামোগত কাজকে বোঝায়, বিমানবন্দর এর আওতাভুক্ত নয়। B) Heavy construction — বিমানবন্দর নির্মাণ এই ক্যাটাগরির জন্যই সঠিক কারণ এটি বড় আকারের অবকাঠামোগত প্রকল্প। C) Industrial construction — এটি মূলত কারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র বা ভারী উৎপাদনশীল শিল্প স্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত, বিমানবন্দর এর অংশ নয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বিশাল আকৃতির রানওয়ে ও টার্মিনাল দেখে মনে রাখবে বিমানবন্দর নির্মাণ হলো হেভি বা ভারী কনস্ট্রাকশন।
a ১.৫ মিটার
b ২.৫ মিটার
c ২ মিটার
d ৩ মিটার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১.৫ মিটার কেন সঠিক: - নির্মাণ ও প্রকৌশল বিধিমালা অনুযায়ী কর্মীর নিরাপত্তার জন্য ১.৫ মিটার বা তার বেশি উচ্চতায় কাজের ক্ষেত্রে স্ক্যাফোল্ডিং ব্যবহার বাধ্যতামূলক। - এর কম উচ্চতায় সাধারণত মই বা সাধারণ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হলেও, দেড় মিটার বা তার বেশি উচ্চতায় পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে বলে স্ক্যাফোল্ডিং তৈরি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১.৫ মিটার — এটি নিরাপদ কাজের উচ্চতার মানদণ্ড এবং এই উচ্চতা থেকেই স্ক্যাফোল্ডিং নির্মাণ বাধ্যতামূলক করা হয়। B) ২.৫ মিটার — এই উচ্চতা অনেক বেশি এবং দেড় মিটার উচ্চতাতেই যেখানে স্ক্যাফোল্ডিং লাগে, সেখানে আড়াই মিটার উত্তর হিসেবে সঠিক নয়। C) ২ মিটার — দুই মিটার উচ্চতায় অবশ্যই স্ক্যাফোল্ডিং লাগে, তবে নিয়ম অনুযায়ী এর সর্বনিম্ন মানদণ্ড শুরু হয় ১.৫ মিটার থেকে। D) ৩ মিটার — তিন মিটার উচ্চতা অনেক বেশি এবং এই মানদণ্ডটি প্রশ্নোক্ত নির্মাণ নিরাপত্তার প্রাথমিক সীমার সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: দেড় মিটার বা ১.৫ মিটার উচ্চতা হলো নিরাপত্তার প্রাথমিক মাপকাঠি, যার উপরে উঠলেই স্ক্যাফোল্ডিং লাগবে।
a depression
b Hillock
c plan surface
d জলাধার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Hillock কেন সঠিক: - ভূগোল ও মানচিত্রবিদ্যায় ক্লোজড কনটুর বা আবদ্ধ সমোন্নতি রেখায় কেন্দ্রের দিকে মান বৃদ্ধি পেলে তা উঁচু পাহাড়ি ভূত্বক বা হিলক নির্দেশ করে। - এটি ভূমিরূপের এমন একটি ঢালকে বোঝায় যা চারপাশের নিচু ভূমি থেকে ক্রমান্বয়ে ওপরের দিকে উঁচু হয়ে চূড়া বা টিলার রূপ নেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) depression — ক্লোজড কনটুরে যদি ভেতরের দিকে মান কমতে থাকে, তবে তা অবনমিত ভূমি বা ডিপ্রেশন নির্দেশ করে। B) Hillock — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) plan surface — সমতল ভূমিতে কনটুর রেখাগুলোর মান সমান থাকে এবং নির্দিষ্ট ব্যবধানে সমান্তরালভাবে বিস্তৃত হয়। D) জলাধার — জলাধারের ক্ষেত্রে সাধারণত ভেতরের দিকে মান কমে যায় কারণ এটি চারপাশ থেকে নিচু স্থান হয়। মনে রাখার টিপস: কনটুর রেখায় কেন্দ্রে মান বাড়লে পাহাড় বা হিলক আর কেন্দ্রে মান কমলে খাদ বা ডিপ্রেশন হয়।
a 1.15
b 1.25
c 1.5
d 1.75
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 1.5 কেন সঠিক: - আয়তাকার বা Rectangular বিমের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শিয়ার স্ট্রেস এবং গড় শিয়ার স্ট্রেসের অনুপাত সবসময় ১.৫ বা ৩÷২ হয়। - বিমের নিরপেক্ষ অক্ষ বরাবর শিয়ার স্ট্রেসের মান সবচেয়ে বেশি হয় এবং এটি গড় শিয়ার স্ট্রেসের দেড় গুণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1.15 — এই মানটি বিমের শিয়ার স্ট্রেসের সাথে সম্পর্কিত নয় এবং এটি একটি ভুল উত্তর। B) 1.25 — এই মানটি বৃত্তাকার বা Circular বিমের সর্বোচ্চ ও গড় শিয়ার স্ট্রেসের অনুপাত ৪÷৩ এর কাছাকাছি, আয়তাকার বিমের জন্য নয়। C) 1.5 — এটি সঠিক উত্তর কারণ আয়তাকার বিমের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ও গড় শিয়ার স্ট্রেসের অনুপাত ১.৫। D) 1.75 — এই মানটি অন্য কোনো বিশেষ জ্যামিতিক আকৃতির বিমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে, আয়তাকার বিমের জন্য নয়। মনে রাখার টিপস: আয়তাকার বিমের ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে সর্বোচ্চ শিয়ার স্ট্রেস গড় স্ট্রেসের দেড় গুণ বা ১.৫ গুণ হয়।
a column head
b panel
c Drop
d Capital
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Drop কেন সঠিক: - ফ্ল্যাট স্ল্যাবে কলামের ওপরের অংশে শিয়ার স্ট্রেস বা পাঞ্চিং শেয়ার প্রতিরোধ করার জন্য স্ল্যাবের পুরুত্ব বৃদ্ধি করা হয়, যা ড্রপ প্যানেল বা সংক্ষেপে ড্রপ নামে পরিচিত। - এটি স্ল্যাবের ডেড লোড ও লাইভ লোডের চাপ কলামে নিরাপদে স্থানান্তর করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) column head — এটি কলামের ওপরের বর্ধিত অংশ, যা ড্রপ বা ক্যাপিটালের সাথে যুক্ত থাকে কিন্তু স্ল্যাবের পুরু অংশ নির্দেশ করে না। B) panel — এটি কলামগুলোর মধ্যবর্তী পুরো স্ল্যাব প্যানেলকে বোঝায়, কলামের চারপাশের নির্দিষ্ট পুরু অংশকে নির্দেশ করে না। C) Drop — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি কলামের চারপাশে স্ল্যাবের পুরু অংশকে নির্দেশ করে। D) Capital — এটি কলামের মাথা বা ওপরের অংশ যা চওড়া হয়, স্ল্যাবের ভেতরের পুরু অংশ নয়। মনে রাখার টিপস: স্ল্যাবের যে অংশটি ড্রপ বা নিচে ঝুলে থাকে এবং কলামের চারপাশে মোটা হয়, তাকে ড্রপ বলা হয়।
a HCO
b OH
c CO₂
d সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো কেন সঠিক: - পানিতে মূলত বাইকার্বোনেট, কার্বোনেট এবং হাইড্রোক্সাইড আয়ন থাকার কারণে ক্ষারত্ব বা অ্যালক্যালিনিটি তৈরি হয়। - পানিতে থাকা কার্বন ডাই অক্সাইড দ্রবীভূত হয়ে কার্বনেট ও বাইকার্বোনেট আয়ন উৎপন্ন করে ক্ষারত্বের সৃষ্টি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) HCO - এটি বাইকার্বোনেট আয়ন নির্দেশ করে, যা পানির ক্ষারত্বের একটি প্রধান উৎস হওয়ায় একা সম্পূর্ণ সঠিক উত্তর নয়। B) OH - এটি হাইড্রোক্সাইড আয়ন নির্দেশ করে, যা পানির ক্ষারত্বের আরেকটি উৎস হওয়ায় একা সম্পূর্ণ সঠিক উত্তর নয়। C) CO₂ - এটি কার্বন ডাই অক্সাইড নির্দেশ করে, যা পানিতে ক্ষারত্ব সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখায় একা সম্পূর্ণ সঠিক উত্তর নয়। D) সবগুলো - এই অপশনে উল্লেখিত সবকটি উপাদানই পানির ক্ষারত্বের জন্য দায়ী বিধায় এটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: পানির ক্ষারত্ব মনে রাখতে বাইকার্বোনেট, হাইড্রোক্সাইড এবং কার্বন ডাই অক্সাইডের উপস্থিতি একসঙ্গে মনে রাখতে হবে।
a Flash and fire point
b Penetration
c Setting time
d Los Angeles Abrasion
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Los Angeles Abrasion কেন সঠিক: - এটি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা যার মাধ্যমে সড়ক নির্মাণে ব্যবহৃত খোয়া বা এগ্রিগেটের ঘর্ষণ প্রতিরোধ ক্ষমতা মাপা হয়। - এই পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায় এগ্রিগেট ট্রাফিকের চাপে কত দ্রুত ভেঙে গুঁড়ো হয়ে যাবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Flash and fire point — এটি বিটুমিন বা তেলের তাপমাত্রা নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়, এগ্রিগেটের জন্য নয়। B) Penetration — এটি বিটুমিনের গ্রেড বা কঠিনতার মাত্রা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়, এগ্রিগেটের জন্য নয়। C) Setting time — এটি মূলত সিমেন্টের জমার বাঁধার সময় নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়, এগ্রিগেটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) Los Angeles Abrasion — এটি এগ্রিগেটের ঘর্ষণ ও ক্ষয় সাধনের হার মাপার সঠিক পরীক্ষা। মনে রাখার টিপস: এগ্রিগেট বা খোয়া পরীক্ষার নাম এলেই লস অ্যাঞ্জেলেস অ্যাব্রেশন পরীক্ষাটি মাথায় রাখবে।
a Climate
b Cost of water
c মানুষের দৈহিক গঠন
d সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো কেন সঠিক: - জলবায়ু এবং পানির মূল্য মানুষের দৈনিক পানির চাহিদাকে সরাসরি প্রভাবিত করে, কারণ গরম অঞ্চলে পানি বেশি লাগে এবং দাম বাড়লে ব্যবহার কমে। - মানুষের দৈহিক গঠন এবং জীবনযাত্রার ওপর ভিত্তি করেও পানির চাহিদা পরিবর্তিত হয়, যা পুরোটাই চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Climate — শুধু জলবায়ু পানির চাহিদাকে প্রভাবিত করে না, পানির মূল্য এবং মানুষের দৈহিক গঠনও এর সঙ্গে সমানভাবে জড়িত। B) Cost of water — শুধু পানির খরচ একা পানির চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করে না, এর সঙ্গে জলবায়ু ও অন্যান্য কারণও যুক্ত থাকে। C) মানুষের দৈহিক গঠন — শুধু দৈহিক গঠন নয়, বরং ভৌগোলিক জলবায়ু এবং পানির দামও পানির চাহিদার পরিমাপ নির্ধারণ করে। D) সবগুলো — এই অপশনটি সঠিক কারণ উল্লিখিত প্রতিটি উপাদানই মাথাপিছু পানির চাহিদাকে প্রভাবিত করে। মনে রাখার টিপস: পানির চাহিদার পরিবর্তন বুঝতে আবহাওয়া, পানির দাম এবং মানুষের অভ্যাস বা গঠন এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে মনে রাখতে হবে।
a s > 0
b s > 0
c 0 < s < 100
d 0 ≤ s ≤ 100
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 0 ≤ s ≤ 100 কেন সঠিক: - মাটির ভেতরের শূন্যস্থান বা রন্ধ্রে পানির উপস্থিতির শতকরা হারকে ডিগ্রি অব স্যাচুরেশন বলে। - মাটি সম্পূর্ণ শুষ্ক হলে এর মান শূন্য এবং সম্পূর্ণ পানিতে পূর্ণ থাকলে এর মান একশ শতাংশ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) s > 0 — এটি ভুল কারণ মাটি সম্পূর্ণ শুষ্ক হলে এই মান শূন্য হতে পারে যা এই সীমার বাইরে। B) s > 0 — প্রশ্নপত্রে দুটি একই অপশন রয়েছে এবং এটি শূন্যের সমান হওয়া সম্ভাবনাকে বাদ দেয় যা ভুল। C) 0 < s < 100 — এটি ভুল কারণ মাটি সম্পূর্ণ শুষ্ক বা সম্পূর্ণ সম্পৃক্ত হতে পারে, যার জন্য সমান চিহ্ন জরুরি। D) 0 ≤ s ≤ 100 — এটি সঠিক কারণ এর মান শূন্য থেকে শুরু করে একশ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। মনে রাখার টিপস: মাটি সম্পূর্ণ শুষ্ক হলে মান শূন্য এবং সম্পূর্ণ ভেজা থাকলে একশ শতাংশ হয়।

মোট প্রশ্ন (20)

a অকৃত্রিম
b মৌলিক
c স্বাভাবিক
d সরল
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্বাভাবিক ১. কেন সঠিক: - কৃত্রিম শব্দের অর্থ যা মানুষ তৈরি করেছে বা যা স্বাভাবিক নয়। - এর বিপরীত শব্দ হিসেবে প্রাকৃতিক বা স্বাভাবিক ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের উৎসের পাশাপাশি অর্থের সামঞ্জস্য দেখতে হয়। - বিশেষ্য বা বিশেষণ পদের বিপরীত শব্দ সাধারণত একই পদবিন্যাসে গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শুষ্ক শব্দের বিপরীত আর্দ্র। ব্যাখ্যা: শুষ্ক অর্থ যা শুকনা এবং আর্দ্র অর্থ ভেজা বা জলীয়। উদাহরণ ২: উন্নত শব্দের বিপরীত অবনত। ব্যাখ্যা: উন্নত অর্থ যা উঁচুতে অবস্থিত এবং অবনত অর্থ যা নিচু বা নিচুভাবাপন্ন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অকৃত্রিম — এটি কৃত্রিম শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, বিপরীত শব্দ নয়। B) মৌলিক — মৌলিক শব্দের বিপরীত ভেজাল বা যৌগিক, কৃত্রিম শব্দের সঠিক বিপরীত এটি নয়। D) সরল — সরল শব্দের বিপরীত জটিল বা কুটিল, কৃত্রিম শব্দের বিপরীত স্বাভাবিক বেশি উপযোগী। ৫. মনে রাখার টিপস: - কৃত্রিম মানে মানুষের তৈরি, তাই এর বিপরীত হবে প্রকৃতির তৈরি বা স্বাভাবিক। - বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার চেয়ে শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করা বেশি কার্যকর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীত শব্দ নির্বাচনে অর্থের গভীরতা ও ব্যাকরণগত মিল দেখতে হয়। - বিশেষ্য ও বিশেষণের রূপ মিল রেখে বিপরীত শব্দ নির্বাচন করা উচিত।
a বেগম রোকেয়া
b মালেকা বেগম
c সুফিয়া কামাল
d নুরজাহান বেগম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নুরজাহান বেগম ১. কেন সঠিক: - 'বেগম' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন নুরজাহান বেগম। - ১৯৪৭ সালের ২০ জুলাই কলকাতার সাক্রাঘাট থেকে এই পত্রিকা প্রকাশিত হয় এবং এটি ছিল বাংলার প্রথম নারীদের সাপ্তাহিক পত্রিকা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নুরজাহান বেগম বিখ্যাত সাহিত্যিক ও সাংবাদিক সওগাত পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীনের কন্যা ছিলেন। - বাঙালি মুসলিম নারীদের লেখালেখি ও সাহিত্যচর্চাকে এগিয়ে নিতে বেগম পত্রিকা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত সুলতানার স্বপ্ন। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারীবাদী বিজ্ঞান কল্পকাহিনীমূলক উপন্যাস। উদাহরণ ২: সুফিয়া কামাল রচিত সাঁঝের মায়া। ব্যাখ্যা: এটি এই প্রথিতযশা কবির একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার জন্য তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেগম রোকেয়া — তিনি নারী জাগরণের অগ্রদূত হলেও বেগম পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না, তবে তিনি এই পত্রিকার উদ্বোধনী সংখ্যায় লেখালেখি করেছিলেন। B) মালেকা বেগম — তিনি একজন বিশিষ্ট নারী নেত্রী ও গবেষক হলেও বেগম পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা বা সম্পাদক ছিলেন না। C) সুফিয়া কামাল — তিনি বিখ্যাত কবি ও নারী অধিকার নেত্রী ছিলেন এবং বেগম পত্রিকার উপদেষ্টা ও সূচনালগ্নে নানাভাবে যুক্ত থাকলেও সম্পাদক ছিলেন নুরজাহান বেগম। (উল্লেখ্য, প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানে ভুল ছিল, সঠিক উত্তর হবে নুরজাহান বেগম)। D) নুরজাহান বেগম — তিনি দীর্ঘকাল বেগম পত্রিকার সফল সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বেগম পত্রিকা এবং এর সম্পাদক নুরজাহান বেগমকে মনে রাখতে নাম দুটি একসঙ্গে স্মরণ করতে পারো। - পত্রিকার নামের সঙ্গে সম্পাদক নুরজাহান বেগমের নামের শেষ অংশের মিল রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বেগম পত্রিকা ১৯৪৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি নারী সমাজের মুখপত্র হিসেবে পরিচিত ছিল। - এ ধরনের সাহিত্য ও পত্রিকার ইতিহাস বিষয়ক প্রশ্ন বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a ২০১৫ সালে
b ১৯৭১ সালে
c ২০১০ সালে
d ১৯৬০ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০১০ সালে ১. কেন সঠিক: বাংলা একাডেমি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে ২০১০ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রবর্তন করে। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যকর্মের ওপর গবেষণা এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রথিতযশা গবেষক ও সাহিত্যিকদের এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক তথ্য। বাংলা একাডেমি বাংলাদেশের জাতীয় প্রতিষ্ঠান যা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষণা এবং প্রসারে কাজ করে থাকে। রবীন্দ্রসাহিত্যের চর্চা ও প্রসার ঘটাতে এই পুরস্কার অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ব্যাখ্যা: এটি বাংলা একাডেমির আরেকটি মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার যা ১৯৬০ সাল থেকে বিভিন্ন শাখায় অবদানের জন্য প্রদান করা হয়। উদাহরণ ২: একুশে পদক ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত এটি অন্যতম প্রধান রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পুরস্কার। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১৫ সালে — এই বছরে বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তিত হয়নি কারণ এটি অনেক আগেই চালু হয়েছিল। B) ১৯৭১ সালে — বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বছর এটি এবং এই বছরে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তনের কোনো ঐতিহাসিক তথ্য নেই। D) ১৯৬০ সালে — এই সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়েছিল, রবীন্দ্র পুরস্কার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের জন্ম সার্ধশতবর্ষ পালিত হয় ২০১১ সালে এবং ঠিক তার আগের বছর অর্থাৎ ২০১০ সালে বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র পুরস্কার চালু হয়। এভাবে সালটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন পুরস্কার প্রবর্তনের সাল প্রায়ই আসে। বাংলা একাডেমি প্রদত্ত বিভিন্ন পুরস্কারের শুরুর সনগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
c কাজী নজরুল ইসলাম
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: 'চন্দ্রশেখর' একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও সামাজিক উপন্যাস এবং এর রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৭৫ সালে এবং এতে তৎকালীন সামাজিক প্রেক্ষাপট ও ঐতিহাসিক ঘটনার চমৎকার মিশ্রণ ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত। তার রচিত 'চন্দ্রশেখর' উপন্যাসে প্রতাপ, শৈবলিনী, চন্দ্রশেখর এবং করূণা প্রধান চরিত্র হিসেবে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি তার দ্বিতীয় প্রকাশিত উপন্যাস এবং রোমান্টিক ধারার একটি অনন্য সৃষ্টি। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বিষবৃক্ষ' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস যেখানে পরকীয়া প্রেমের পরিণতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি 'চন্দ্রশেখর' উপন্যাসের রচয়িতা। B) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও 'চন্দ্রশেখর' তার লেখা নয়, তার বিখ্যাত উপন্যাস 'পথের পাঁচালী'। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও 'চন্দ্রশেখর' তার রচিত গ্রন্থ নয়, তার উপন্যাস 'বাধন হারা'। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ্বকবি হলেও 'চন্দ্রশেখর' উপন্যাসটি তার লেখা নয়, তার বিখ্যাত উপন্যাস 'চোখের বালি'। ৫. মনে রাখার টিপস: চন্দ্রশেখরের মাথায় বঙ্কিমের কপাল। এই কথাটি মনে রাখলে চন্দ্রশেখর এবং কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের লেখক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মোট চৌদ্দটি উপন্যাস রয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার ঐতিহাসিক ও সামাজিক উপন্যাসগুলোর নাম এবং প্রকাশকাল ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ইয়াসির আরাফাত
b শামসুর রাহমান
c নাজিম হিকমত
d আল্লামা ইকবাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শামসুর রাহমান ১. কেন সঠিক: 'মজলুম আদিব' হলো বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত ও পরিচিত ছদ্মনাম। বাংলা সাহিত্যে অনেক কবি ও লেখক তাদের আসল নামের পাশাপাশি ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন, যার মধ্যে শামসুর রাহমানের 'মজলুম আদিব' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধে বিকশিত আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি। সাংবাদিক ও কলামিস্ট হিসেবে তিনি স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে কলম ধরেছিলেন এবং এই ছদ্মনামে বিভিন্ন প্রতিবাদী লেখালেখি করতেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম। উদাহরণ ২: বনফুল ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইয়াসির আরাফাত — এটি ফিলিস্তিনের প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা এবং রাষ্ট্রপতির আসল নাম, কোনো ছদ্মনাম নয়। B) শামসুর রাহমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) নাজিম হিকমত — এটি তুরস্কের বিখ্যাত বিশ্বখ্যাত কবি ও সাহিত্যিকের আসল নাম, যা এই ছদ্মনামের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) আল্লামা ইকবাল — এটি উপমহাদেশের প্রখ্যাত দার্শনিক ও কবি মোহাম্মাদ ইকবালের ঐতিহাসিক নাম। ৫ মনে রাখার টিপস: শামসুর রাহমান মানেই প্রতিবাদী কণ্ঠ, আর এই প্রতিবাদী কবিকেই মানুষ 'মজলুম আদিব' নামে চেনে। ছদ্মনাম মনে রাখার জন্য কবির লেখার মূল সুর এবং পরিচিতি খেয়াল রাখা সবচেয়ে ভালো উপায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, যেমন টেকচাঁদ ঠাকুর বা ভণিতা। সাহিত্যিকদের আসল নামের পাশাপাশি তাদের ব্যবহৃত ছদ্মনামগুলো আলাদা করে নোট করে রাখা উচিত।
a সমীচীন
b সমিচিন
c সমীচিন
d সমীচীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমীচীন ১. কেন সঠিক: বাংলা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী 'সমীচীন' শব্দের শুরুতে 'স' এর সঙ্গে যুক্ত ম-এ দীর্ঘ ঈ-কার এবং ছ-এর সঙ্গে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়। এই শব্দের সঠিক গঠন হলো দন্ত স + ম + দীর্ঘ ঈ-কার + ছ + দীর্ঘ ঈ-কার + দন্ত ন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানানরীতিতে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে যার মধ্যে বিদেশী বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বানান অনুসরণের কথা বলা হয়েছে। সমীচীন শব্দটি একটি তৎসম শব্দ এবং এর গঠনে শেষের দিকে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয় যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ভুল হিসেবে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিভীষণ ব্যাখ্যা: এই শব্দটির বানানেও দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয় এবং এটি বানarc শুদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি শব্দ। উদাহরণ ২: মণীষা ব্যাখ্যা: মণীষা বানানে মূর্ধন্য ণ এবং দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয় যা প্রমিত বাংলা বানানরীতির একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমীচীন — এই অপশনটিতে বানান সঠিক রয়েছে এবং এটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী গঠিত। B) সমিচিন — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে ম-এর সঙ্গে হ্রস্ব ই-কার এবং চ-এর সঙ্গে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। C) সমীচিন — এই অপশনটি ভুল কারণ এর প্রথম অংশ ঠিক থাকলেও শেষের চ-এর সঙ্গে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। D) সমীচীন — প্রদত্ত প্রশ্নে এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে থাকলেও এটি অপশন এ এর অনুরূপ এবং উভয়েই সঠিক বানান নির্দেশ করছে। ৫. মনে রাখার টিপস: সমীচীন শব্দটি মনে রাখার একটি সহজ কৌশল হলো দীর্ঘ ঈ-কার দুইবার ব্যবহার করা। অর্থাৎ সম-ই-ছ-ঈ-ন বা ম এবং ছ উভয়ের সঙ্গেই দীর্ঘ ঈ-কার হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে কারণ পরীক্ষার্থীরা প্রায়ই শেষের বর্ণে হ্রস্ব ই-কার দিয়ে ভুল করে। বানান শুদ্ধ করার সময় তৎসম শব্দের মূল রূপ এবং দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের নিয়মগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b সুকুমার সেন
c ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
d আহমদ শরীফ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ১. কেন সঠিক: - 'বাংলা সাহিত্যের কথা' গ্রন্থটির রচয়িতা ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক একটি অত্যন্ত প্রামাণিক ও জনপ্রিয় গ্রন্থ। - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এই গ্রন্থে প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ধারাবাহিক ইতিহাস ও তথ্য অত্যন্ত সুচারুভাবে তুলে ধরেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন বিশ শতকের অন্যতম প্রখ্যাত বাঙালি ভাষাবিদ, সাহিত্যিক ও গবেষক। তিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন। - এই গ্রন্থটি মূলত দুই খণ্ডে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যিক ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস' (প্রথম খণ্ড) - সুকুমার সেন ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের ওপর লেখা আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রামাণিক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: 'বাংলাদেশের সাহিত্য' - আহমদ শরীফ ব্যাখ্যা: প্রখ্যাত গবেষক আহমদ শরীফের লেখা এই গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্য পাঠে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও 'বাংলা সাহিত্যের কথা' গ্রন্থের রচয়িতা নন। B) সুকুমার সেন — তিনি 'বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস' গ্রন্থের রচয়িতা, যা আলোচ্য প্রশ্নটির সঠিক উত্তর নয়। C) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই অপশনটি সঠিক। D) আহমদ শরীফ — তিনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য নিয়ে অনেক গবেষণা ও সম্পাদনা করলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - শহীদুল্লাহর 'কথা' দিয়ে মনে রাখতে পারো ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ লিখেছেন 'বাংলা সাহিত্যের কথা'। - গবেষক শহীদুল্লাহ সাহিত্যের ইতিহাসকে সহজ কথায় পাঠকের কাছে তুলে ধরেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা সাহিত্য ইতিহাসের প্রণেতা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থ যেমন 'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' ভালোভাবে অধ্যয়ন করা উচিত।
a বুদ্ধদেব বসু
b কাজী আবদুল ওদুদ
c সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
d হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও ১. কেন সঠিক: - হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে বাংলার নবজাগরণের এক অগ্রদূত ও চিন্তাবিদ। - তাঁর অনুসারী ও ছাত্ররা ইয়ং বেঙ্গল বা নব্যবঙ্গ নামে পরিচিত এবং তাঁরা রক্ষণশীল সমাজের বিরুদ্ধে মুক্তবুদ্ধি চর্চা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও ছিলেন হিন্দু কলেজের তরুণ শিক্ষক ও একজন প্রগতিশীল কবি। - তাঁর অনুসারী হিসেবে কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, রামতনু লাহিড়ী প্রমুখ মুক্তবুদ্ধি ও সমাজ সংস্কারের আন্দোলন গড়ে তোলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা গদ্য চর্চার প্রসারে ১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্রিটিশ আমলের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। উদাহরণ ২: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ব্যাখ্যা: ১৮৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলার আধুনিক শিক্ষা ও সাহিত্য চর্চার কেন্দ্রবিন্দু ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার ত্রিশের দশকের অন্যতম প্রধান কবি ও সাহিত্যিক, ইয়ং বেঙ্গল আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নন। B) কাজী আবদুল ওদুদ — ইনি বিশ শতকের বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক। C) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — ইনি বিংশ শতাব্দীর প্রখ্যাত আধুনিক বাংলা ঔপন্যাসিক ও কবি, যিনি এই আন্দোলনের বহু পরে আবির্ভূত হন। D) হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও — এই অপশনটি সঠিক এবং এর ঐতিহাসিক ভূমিকা প্রশ্নানুযায়ী নিখুঁতভাবে মিলে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইয়ং বেঙ্গল আন্দোলন বললেই হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও বা ডিরোশিয়ানদের কথা মনে রাখবে। - তরুণদের মধ্যে যুক্তিবাদী চিন্তা ছড়ানোর জন্য তাঁর নাম ইতিহাসে বিখ্যাত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলার নবজাগরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ডিরোজিওর ছাত্রদের ডিরোশিয়ান বলা হতো এবং তাঁরা এঙ্গো-ইন্ডিয়ান সমাজের প্রতিনিধি ছিলেন।
a নূরলদীনের সারাজীবন
b সুবচন নির্বাসনে
c রক্তাক্ত প্রান্তর
d পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ১. কেন সঠিক: - পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং গ্রামীণ জনপদে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতার পটভূমিতে রচিত। - নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক কাব্যনাট্যের মাধ্যমে একাত্তরের অবরুদ্ধ সময়ের ভয়াবহতা ও সাধারণ মানুষের সংগ্রামের চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাটকটির রচিয়তা বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যনাট্য যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চেতনায় সমৃদ্ধ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিঙ্করকুমার নাটকের একটি উল্লেখযোগ্য চরিত্র। ব্যাখ্যা: এই চরিত্রটি নাটকের মূল আবহ ও গ্রামীণ মানুষের মানসিকতা প্রকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। উদাহরণ ২: যুদ্ধদিনের পটভূমিতে রচিত সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য হলো নূরলদীনের সারাজীবন। ব্যাখ্যা: যদিও এটি সরাসরি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়, তবে এটি প্রতিবাদী চেতনার নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নূরলদীনের সারাজীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হকের ঐতিহাসিক নাটক, যা ব্রিটিশবিরোধী কৃষক বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত। B) সুবচন নির্বাসনে — এটি আবদুল্লাহ আল মামুনের একটি বিখ্যাত নাটক, যা রাজনৈতিক ও সামাজিক অবক্ষয়ের প্রেক্ষাপটে রচিত। C) রক্তাক্ত প্রান্তর — এটি মুনীর চৌধুরীর একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক, যা তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। D) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকটি সৈয়দ শামসুল হকের লেখা এবং এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক এবং ঐতিহাসিক নাটকের পার্থক্যগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে কারণ বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এগুলো প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
b মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
c বিজয়গুপ্ত
d ঘনরাম চক্রবর্তী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ১. কেন সঠিক: - মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান রচয়িতা। - চণ্ডীমঙ্গল কাব্যটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম একটি নিদর্শন যা দেবী চণ্ডীর মহিমা প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের ষোড়শ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট কবি যিনি সুলতানি বা মুঘল আমলের বাংলার সমাজচিত্র তাঁর কাব্যে ফুটিয়ে তুলেছেন। - চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের অপর নাম কালকেতু কথাকথা বা আখেটকণ্ডল এবং এই কাব্যে গ্রামীণ বাংলার নিখুঁত চিত্র পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অকালবোধন ব্যাখ্যা: এটি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ পৌরাণিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটযুক্ত অংশ। উদাহরণ ২: ফুল্লরার বারমাসী ব্যাখ্যা: চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আখেটকণ্ড অংশে দুঃখিনী ফুল্লরার বারমাসি বর্ণনা বাংলা সাহিত্যের বাস্তবধর্মী রচনার অনন্য উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর — তিনি অষ্টাদশ শতাব্দীর কবি এবং তাঁর বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম হলো অন্নদামঙ্গল কাব্য। B) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের রচয়িতা হিসেবে সর্বস্বীকৃত। C) বিজয়গুপ্ত — তিনি মধ্যযুগের মনসামঙ্গল কাব্যের অন্যতম বিখ্যাত রচয়িতা যার কাব্যের নাম পদ্মপুরাণ। D) ঘনরাম চক্রবর্তী — তিনি অষ্টাদশ শতাব্দীর ধর্মমঙ্গল কাব্যের একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় কবি। ৫ মনে রাখার টিপস: - চণ্ডীমঙ্গল কাব্য এবং মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মনে রাখতে মনে রাখবে মুকুন্দ মানে সুন্দর মুখ, আর সুন্দর মুখে চণ্ডীর গান মানায়। এভাবে কবির নামের সঙ্গে কাব্যের নাম মেলানো সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবি ও তাদের রচিত মঙ্গলকাব্য প্রায়ই আসে। - মঙ্গলকাব্যগুলোর রচয়িতা এবং তাদের উপাধি যেমন কবি কঙ্কন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ভাষা আন্দোলন
b অসহযোগ আন্দোলন
c তেভাগা আন্দোলন
d মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভাষা আন্দোলন ১. কেন সঠিক: - মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকটি ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের রক্তাক্ত প্রেক্ষাপটে রচিত একটি যুগান্তকারী একাঙ্ক নাটক। - জেলখানায় বন্দি থাকা অবস্থায় ভাষা শহীদদের স্মরণে এবং তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে তিনি এই নাটকটি রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী ছিলেন একাধারে নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক এবং ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সক্রিয় কর্মী। - ১৯৫২ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় তিনি কবর নাটকটি রচনা করেন এবং কারাগারেই বন্দিরা এর প্রথম অভিনয় করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জহির রায়হানের আরেক ফাগুন ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনাকে ধারণ করে। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের আর্তনাদ ব্যাখ্যা: এটিও ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত একটি বিশিষ্ট উপন্যাস, যা তৎকালীন রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থাকে ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষা আন্দোলন — এটি এই নাটকের মূল প্রেক্ষাপট। B) অসহযোগ আন্দোলন — অসহযোগ আন্দোলন ব্রিটিশবিরোধী বা সত্তরের দশকের রাজনৈতিক পটভূমির সাথে যুক্ত, যা কবর নাটকের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) তেভাগা আন্দোলন — তেভাগা আন্দোলন ১৯৪৭ সালের বাংলার কৃষকদের ঐতিহাসিক দাবি আদায়ের সংগ্রাম, যা এই নাটকের বিষয়বস্তু নয়। D) মুক্তিযুদ্ধ — মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১ সালের সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রাম, যা কবর নাটক রচনার প্রায় দুই দশক পরে সংঘটিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুনীর চৌধুরী ভাষা আন্দোলনের সময় জেলে বসেই কবর নাটক লিখেছিলেন। - কারাগারে বসে লেখা প্রথম ভাষাভিত্তিক নাটক হিসেবে এটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কবর নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে প্রথম ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সফল প্রতিবাদী নাটক হিসেবে বিশেষ পরিচিত। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে কবর নাটকটির রচয়িতা কে কিংবা এর প্রেক্ষাপট কী।
a চ
b ঠ
c প
d ঝ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঝ ১. কেন সঠিক: - ঝ একটি মহাপ্রাণ ধ্বনি কারণ এই বর্ণটি উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে নির্গত বাতাসের পরিমাণ বা প্রাণবায়ুর প্রাচুর্য বেশি থাকে। - বাংলা বর্ণমালার বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণগুলোকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলা হয় এবং ঝ হলো চ বর্গীয় চতুর্থ বর্ণ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের বর্গীয় ধ্বনিগুলোকে উচ্চারণের সময় বাতাসের কমবেশি নির্গমনের ওপর ভিত্তি করে অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। - বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ ধ্বনি এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ ধ্বনি হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খ ব্যাখ্যা: খ হলো ক বর্গের দ্বিতীয় বর্ণ, তাই এটি একটি মহাপ্রাণ ধ্বনি। উদাহরণ ২: ঢ ব্যাখ্যা: ঢ হলো ট বর্গের চতুর্থ বর্ণ, যা উচ্চারণের সময় বেশি বাতাস নির্গত হয় বলে এটি মহাপ্রাণ ধ্বনি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চ - এটি চ বর্গের প্রথম বর্ণ, তাই এটি অল্পপ্রাণ ধ্বনি, মহাপ্রাণ ধ্বনি নয়। B) ঠ - এটি ট বর্গের দ্বিতীয় বর্ণ, তবে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ঝ সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি উত্তর হিসেবে বিবেচিত নয়। (প্রশাসনিক সংশোধনী: ঠ একটি মহাপ্রাণ ধ্বনি, কিন্তু প্রশ্নে ডি অপশন ঝ-কে সঠিক ধরা হয়েছে এবং একটি প্রশ্নে একটিই সঠিক উত্তর হয়।) C) প - এটি প বর্গের প্রথম বর্ণ, তাই এটি অল্পপ্রাণ ধ্বনি। D) ঝ - এটি চ বর্গের চতুর্থ বর্ণ এবং মহাপ্রাণ ধ্বনির সংজ্ঞার সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বর্গের জোড় সংখ্যাগুলো অর্থাৎ দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ হলো মহাপ্রাণ ধ্বনি। - বিজোড় সংখ্যাগুলো অর্থাৎ প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ হলো অল্পপ্রাণ ধ্বনি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ ধ্বনি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বর্গের ক্রম মনে রাখলে এই ধরনের ধ্বনি সহজে নির্ণয় করা সম্ভব।
a কলকাতা
b চব্বিশ পরগনা
c শান্তি নিকেতন
d কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কিশোরগঞ্জ ১. কেন সঠিক: - কবি চন্দ্রাবতীর জন্মস্থান কিশোরগঞ্জ জেলার পাটুলী গ্রামে। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নারী কবি হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। - প্রশ্নটিতে কবি চন্দ্রাবতীর জন্মস্থান জানতে চাওয়া হয়েছে এবং কিশোরগঞ্জ তার সঠিক জন্মস্থান হিসেবে প্রমাণিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চন্দ্রাবতীর জন্ম ষোড়শ শতাব্দীতে (আনুমানিক ১৫৫০ খ্রিস্টাব্দে) কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলার পাটুলী গ্রামে। তার পিতা ছিলেন মধ্যযুগের প্রখ্যাত কবি দ্বিজ বংশীদাস। - তিনি বাংলা সাহিত্যে রামায়ণ রচনার জন্য অমর হয়ে আছেন। তার রচিত রামায়ণ কাব্যটি চন্দ্রাবতীর রামায়ণ বা সীতায়ন নামে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দ্বিজ বংশীদাস ব্যাখ্যা: কবি চন্দ্রাবতীর সুযোগ্য পিতা যিনি মনসা মঙ্গল কাব্যের জন্য বিখ্যাত। উদাহরণ ২: মলহুয়া পালা ব্যাখ্যা: চন্দ্রাবতীর রচিত অন্যতম বিখ্যাত একটি ট্র্যাজেডিধর্মী পালাগান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কলকাতা — কলকাতা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী এবং বাংলার নবজাগরণের কেন্দ্র হলেও চন্দ্রাবতীর জন্মস্থান নয়। B) চব্বিশ পরগনা — চব্বিশ পরগনা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি ঐতিহাসিক জেলা যা চন্দ্রাবতীর জন্মস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) শান্তি নিকেতন — শান্তি নিকেতন পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় অবস্থিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে যুক্ত একটি স্থান, চন্দ্রাবতীর সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) কিশোরগঞ্জ — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবি চন্দ্রাবতীর জন্ম কিশোরগঞ্জ জেলার পাটুলী গ্রামে হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - চন্দ্রাবতী মানেই কিশোরগঞ্জ এবং প্রথম নারী কবি। এভাবে কবি ও জেলার নাম একসঙ্গে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের নারী কবিদের মধ্যে চন্দ্রাবতী সবচেয়ে অগ্রগণ্য। তার পিতা দ্বিজ বংশীদাস এবং জন্মস্থান কিশোরগঞ্জ, এই তথ্যগুলো বারবার পরীক্ষায় আসে।
a অনল
b পবন
c যবন
d কমল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অনল ১. কেন সঠিক: - 'অগ্নি' শব্দের অর্থ আগুন, পাবক বা হুতাশন। অনল শব্দটি অগ্নি বা আগুনের একটি সরাসরি ও বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের রূপ ভিন্ন হলেও অর্থের দিক থেকে মিল থাকে। বাংলা ভাষায় সংস্কৃত উৎসের কারণে অনেক শব্দের একাধিক প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ রয়েছে। - অগ্নি শব্দের সমার্থক শব্দগুলো মূলত আগুনের বিভিন্ন গুণ বা রূপকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বহ্নি ব্যাখ্যা: এটি অগ্নির অপর একটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: হুতাশন ব্যাখ্যা: হুতাশন শব্দের অর্থ যিনি হবন বা যজ্ঞের আগুন গ্রহণ করেন, যা অগ্নির সমার্থক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনল — এটি সঠিক উত্তর কারণ অনল মানে আগুন বা অগ্নি। B) পবন — পবন শব্দের অর্থ বাতাস বা বায়ু, যা আগুনের সমার্থক নয়। C) যবন — যবন শব্দটি প্রাচীনকালে বিদেশি বা ভিনদেশি বোঝাতে ব্যবহৃত হতো। D) কমল — কমল শব্দের অর্থ পদ্মফুল, যা অগ্নির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অগ্নি ও অনল উভয় শব্দই অ দিয়ে শুরু হয়, যা মনে রাখা সহজ করে। অনল, পাবক ও বহ্নি হলো অগ্নির সবচেয়ে পরিচিত তিনটি সমার্থক শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নি, বায়ু, জল এবং আকাশ শব্দের সমার্থক শব্দগুলো খুব বারবার আসে। তাই তৎসম শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a অবিরাম কান্না
b বৃথা চেষ্টা
c নিষ্ফল আবেদন
d বারবার চেষ্টা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিষ্ফল আবেদন ১. কেন সঠিক: - 'অরণ্যে রোদন' একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা যার আক্ষরিক অর্থ বনে বসে কান্না করা। - বনে বসে রোদন করলে তা শোনার বা দেখার কেউ থাকে না, তাই এর অন্তর্নিহিত অর্থ দাঁড়ায় নিষ্ফল আবেদন বা এমন অনুরোধ যা কেউ শোনে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবগত অর্থ প্রকাশ করে। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরের কাছে ধর্মকথা বলা আর অরণ্যে রোদন করা একই কথা। ব্যাখ্যা: এখানে চোরের কাছে ধর্মকথা বলা সম্পূর্ণ অর্থহীন বা নিষ্ফল বোঝাতে এই তুলনা করা হয়েছে। উদাহরণ ২: দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে একা আন্দোলন করা মানে অরণ্যে রোদন করার শামিল। ব্যাখ্যা: এখানে একাই আবেদন নিবেদন করার ব্যর্থতা বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবিরাম কান্না — এটি কেবল কান্নার ধারাবাহিকতা বোঝায় কিন্তু বাগধারার অন্তর্নিহিত আবেদনহীনতার ভাব প্রকাশ করে না। B) বৃথা চেষ্টা — এটি কাজের ব্যর্থতা বোঝায়, কিন্তু 'অরণ্যে রোদন' বিশেষভাবে কোনো আবেদন বা কথা শোনার অনুপস্থিতিকে নির্দেশ করে। C) নিষ্ফল আবেদন — এটি সঠিক উত্তর কারণ অরণ্যে কান্নার মতো এটিও আবেদন করার পর সাড়া না পাওয়ার ব্যর্থতা বোঝায়। D) বারবার চেষ্টা — এটি চেষ্টার পুনরাবৃত্তি বোঝায়, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - অরণ্য অর্থ বন এবং রোদন অর্থ কান্না। বনে গিয়ে কাঁদলে কেউ শোনে না, তাই এর অর্থ নিষ্ফল আবেদন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি প্রায়ই আসে। বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থের চেয়ে ভাবগত অর্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
a ব্যথার দান
b মৃত্যুক্ষুধা
c আগুনপাখি
d জননী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মৃত্যুক্ষুধা ১. কেন সঠিক: মৃত্যুক্ষুধা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। এই উপন্যাসে কলকাতার দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের জীবন সংগ্রাম এবং তাদের বেঁচে থাকার আকুতি বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও তিনি সফলভাবে কয়েকটি উপন্যাস ও ছোটগল্প রচনা করেছেন। তার রচিত উপন্যাসগুলোর মধ্যে মৃত্যুক্ষুধা, কুহেলিকা ও বাঁধন হারা অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঁধন হারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত পত্রোপন্যাস। উদাহরণ ২: কুহেলিকা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত রাজনৈতিক পটভূমির ওপর লেখা একটি উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যথার দান — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন, কোনো উপন্যাস নয়। B) মৃত্যুক্ষুধা — এটি সঠিক উত্তর। C) আগুনপাখি — এটি হাসান আজিজুল হক রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, কাজী নজরুল ইসলামের নয়। D) জননী — এটি শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, কাজী নজরুল ইসলামের নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের উপন্যাসের নাম মনে রাখতে মনে রাখবে তিনি মূলত ৩টি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস লিখেছেন যথা বাঁধন হারা, মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা। তার গল্পগ্রন্থের নামের সঙ্গে উপন্যাসের নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুল ইসলামের উপন্যাস এবং ছোটগল্পের পার্থক্য প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। লেখকদের সাহিত্যকর্মের ধরন যেমন উপন্যাস, নাটক বা কাব্যগ্রন্থ আলাদা করে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
a 1913
b 1915
c 1917
d 1920
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯১৫ ১. কেন সঠিক: ব্রিটিশ সরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্যতম প্রধান সম্মানজনক স্যার বা নাইটহুড উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার অর্জনের পর ব্রিটিশ সরকার তাকে এই রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদান করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। পরবর্তীতে ১৯১৯ সালের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি ব্রিটিশ সরকারের দেওয়া এই নাইটহুড উপাধি বর্জন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের নোবেল প্রাপ্তি। ব্যাখ্যা: এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির পরেই মূলত ব্রিটিশ সরকার তাকে স্যার উপাধিতে ভূষিত করেছিল। উদাহরণ ২: ১৯১৯ সালের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড ও প্রতিবাদ। ব্যাখ্যা: এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদস্বরূপ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রিটিশ সরকারের দেওয়া নাইটহুড উপাধি বর্জন করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৩ — এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, যা স্যার উপাধি প্রাপ্তির সাল নয়। B) ১৯১৫ — এই সালটি সঠিক কারণ এই বছরেই তাকে নাইটহুড উপাধি দেওয়া হয়েছিল। C) ১৯১৭ — এই সালটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনের অন্যান্য ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও নাইটহুড প্রাপ্তির সাল নয়। D) ১৯২০ — এই সালটি নাইটহুড প্রাপ্তির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়, এটি উপাধি বর্জনের পরের একটি বছর। ৫ মনে রাখার টিপস: নোবেল পাওয়ার দুই বছর পর অর্থাৎ ১৯১৩ যোগ ২ সমান ১৯১৫ সালে তিনি স্যার উপাধি পান এবং এর চার বছর পর ১৯১৯ সালে তা বর্জন করেন। সালগুলো ক্রমানুসারে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই কার্যকর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাইটহুড প্রাপ্তির সাল ১৯১৫ এবং বর্জনের সাল ১৯১৯ বিসিএসসহ বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার আসে। একই সঙ্গে তার নোবেল প্রাপ্তির সাল ১৯১৩ পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে।
a কাজী নজরুল ইসলামের
b সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
d মোহিতলাল মজুমদারের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১. কেন সঠিক: 'সঞ্চয়িতা' হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত শ্রেষ্ঠ কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন। এই গ্রন্থটিতে কবির দীর্ঘ সাহিত্যজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচিত কবিতাগুলো স্থান পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা সংকলনের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও প্রামাণিক একটি গ্রন্থ। ১৯৩১ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সত্তর বছর পূর্তি উপলক্ষে এই সংকলনটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সঞ্চয়িতা গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত কবিতা হলো বিদ্রোহী। ব্যাখ্যা: যদিও বিদ্রোহী কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের, তবে সঞ্চয়িতা গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথের নানা ভাবের কবিতা স্থান পেয়েছে। উদাহরণ ২: সঞ্চিতা হলো কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন। ব্যাখ্যা: প্রায় একই রকম নামের কারণে শিক্ষার্থীরা সঞ্চয়িতা এবং সঞ্চিতা গুলিয়ে ফেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলামের — কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কাব্য সংকলনের নাম সঞ্চিতা, সঞ্চয়িতা নয়। B) সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের — সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের প্রধান কাব্যগ্রন্থের নাম কুহু ও কেকা এবং বেলা শেষের গান। D) মোহিতলাল মজুমদারের — মোহিতলাল মজুমদারের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম স্বপন-পসরা। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের নামের শেষ অক্ষর 'র', আর তাঁর সংকলনের নাম 'সঞ্চয়িতা' (যেখানে অন্ত্যমিল আছে)। নজরুলের সংকলনটি হলো 'সঞ্চিতা' এবং রবীন্দ্রনাথেরটি 'সঞ্চয়িতা'। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সঞ্চিতা এবং সঞ্চয়িতা নিয়ে প্রশ্ন আসে। রচয়িতার নাম মনে রাখতে নামের শেষের দীর্ঘঈকার বা কারচিহ্নের পার্থক্য খেয়াল রাখতে হবে।
a চর্যাপদ
b শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
c রামায়ণ
d মনসামঙ্গল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন এবং আদি কাব্যগ্রন্থ যা হাজার বছরের পুরোনো বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যিক রূপ প্রকাশ করে। - মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল এশিয়াটিক সোসাইটির লাইব্রেরি থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা গীতিআটিকা যা মূলত সন্ধ্যাভাষায় রচিত হয়েছিল। - ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ঐতিহাসিক গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা প্রাচীন বাংলা ভাষারই আদি রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুপারিএ পেড কিঅ জাহি লণ্টি ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের একটি বিখ্যাত পঙক্তি যা প্রাচীন বাংলা ভাষার রূপ ও ছন্দ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: কাআ তরু পঞ্চ বি ডাল ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিটিতে চর্যাপদের তাত্ত্বিক ও দার্শনিক ভাবধারার প্রকাশ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চর্যাপদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন। B) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — এটি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর আদি নিদর্শন কিন্তু প্রাচীন যুগের নয়। C) রামায়ণ — এটি মূলত সংস্কৃত মহাকাব্য যা পরবর্তী সময়ে বাংলায় অনূদিত হয়। D) মনসামঙ্গল — এটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্তর্গত এবং এটিও আদি নিদর্শন নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন মনে রাখার জন্য মনে রাখবে প্রাচীনকাল মানেই চর্যাপদ এবং এটি আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। - বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন সংক্রান্ত প্রশ্নে সবসময় চর্যাপদকেই প্রথম অগ্রাধিকার দিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এটি ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে প্রকাশিত হয়। - বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চর্যাপদের আবিষ্কারক, প্রাপ্ত পদসংখ্যা এবং এর ভাষারীতি সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a মহাকাব্য
b কাব্যনাট্য
c গল্প
d উপন্যাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাব্যনাট্য ১. কেন সঠিক: - 'নূরলদীনের সারাজীবন' হলো বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য, যার রচয়িতা প্রখ্যাত কবি ও নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক। - কাব্যনাট্য হলো এমন একটি সাহিত্যকর্ম যা মূলত পদ্যে বা ছন্দে রচিত হলেও তাতে নাটকের সংলাপ, চরিত্র ও নাটকীয় দ্বন্দ্ব পূর্ণাঙ্গভাবে বিদ্যমান থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যে এক বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক যিনি কবিতা, উপন্যাস, নাটক এবং অনুবাদে বিশেষ অবদান রেখেছেন। - 'নূরলদীনের সারাজীবন' নাটকের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট হলো ব্রিটিশ বিরোধী ও ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের সংগ্রাম এবং রংপুরের কৃষক বিদ্রোহ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হকের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যনাট্য যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: ঈর্ষা ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য, যা কাব্যিক সংলাপের জন্য পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাকাব্য — মহাকাব্য হলো বিশাল আয়তনের পদ্যে রচিত বীরত্বগাথা কাহিনি, যেমন মেঘনাদবধ কাব্য, যা এই রচনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) কাব্যনাট্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি কবিতা ও নাটকের মিশ্রণে রচিত একটি বিশেষ সাহিত্যকর্ম। C) গল্প — গল্প হলো ছোট আকৃতির গদ্যশিল্প, কিন্তু এই রচনাটি গদ্যে রচিত নয় এবং এর আকার ও গঠন গল্পধর্মী নয়। D) উপন্যাস — উপন্যাস হলো দীর্ঘ আকৃতির গদ্য কল্পকাহিনি, কিন্তু এটি পদ্যে রচিত কাব্যনাট্য হওয়ায় উপন্যাস হিসেবে গণ্য হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হকের নাটকের নাম দেখলেই খেয়াল রাখবে তাঁর দুটি বিখ্যাত নাটক কাব্যনাট্য হিসেবে পরিচিত, একটি নূরলদীনের সারাজীবন এবং অন্যটি পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়। - নাটকটি নাট্যরূপে মঞ্চায়ন উপযোগী হলেও এর ভাষা ও সংলাপ সম্পূর্ণ কাব্যিক ছন্দে রচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্যগুলো প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - কোনো সাহিত্যকর্ম গদ্য না পদ্যে রচিত এবং তার মূল ধরন কী, তা ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

মোট প্রশ্ন (20)

a datum
b media
c analysis
d radius
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) media কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দটি লাতিন শব্দ medium এর বহুবচন রূপ, যার একবচন medium এবং বহুবচন media। - এটি ইংরেজি ব্যাকরণের বচন বা Number অধ্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রমী নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) datum — এটি একবচন শব্দ, এর বহুবচন হলো data। B) media — এটি নিজে বহুবচন রূপ, তাই এটিই সঠিক উত্তর। C) analysis — এটি একবচন শব্দ, এর শেষ অক্ষর is এবং বহুবচন হলো analyses। D) radius — এটি একবচন শব্দ, এর শেষ অক্ষর us এবং বহুবচন হলো radii। মনে রাখার টিপস: um যুক্ত লাতিন শব্দের শেষে a যোগ করে বহুবচন করতে হয়, যেমন medium থেকে media এবং datum থেকে data হয়।
a I was being annoyed by his conduct.
b I was annoyed by his conduct.
c I was annoyed at his conduct.
d I had been annoyed on his conduct.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I was annoyed at his conduct. কেন সঠিক: - Active বাক্যের Subject (His conduct) Passive করার সময় Object হয় এবং তার পূর্বে by এর পরিবর্তে at বসে। - Annoyed শব্দের পর সাধারণত ব্যক্তির ক্ষেত্রে with এবং বস্তুর বা আচরণের ক্ষেত্রে at preposition বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I was being annoyed by his conduct. — এটি Past Continuous Tense এর passive গঠন, কিন্তু প্রদত্ত sentence টি Past Indefinite Tense এর। B) I was annoyed by his conduct. — এখানে conduct বস্তুবচক বা আচরণ বোঝানোয় by না বসে at বসা উচিত। C) I was annoyed at his conduct. — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী সব শর্ত পূরণ করে। D) I had been annoyed on his conduct. — এটি Past Perfect Tense এর গঠন এবং on preposition ভুল ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: কোনো ব্যক্তির আচরণ বা বস্তুর ওপর বিরক্ত হওয়া বোঝালে annoyed এর পরে at বসে, কিন্তু ব্যক্তির ওপর বিরক্ত হলে with বসে।
a noun phrase
b adjective phrase
c preposition phrase
d adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) noun phrase কেন সঠিক: - 'to go home' পদগুচ্ছটি বাক্যের মূল Verb 'wants'-এর অবজেক্ট হিসেবে কাজ করেছে এবং 'কী চায়' প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে। - Verb-এর অবজেক্ট বা কর্ম সাধারণত Noun-এর কাজ করে, তাই ইনফিনিটিভ ফ্রেজটি এখানে Noun phrase হিসেবে গণ্য হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun phrase — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফ্রেজটি বাক্যে Noun-এর কাজ করেছে। B) adjective phrase — এটি ভুল কারণ ফ্রেজটি কোনো Noun বা Pronoun-কে বিশেষিত বা modify করছে না। C) preposition phrase — এটি ভুল কারণ ফ্রেজটি preposition দিয়ে শুরু হয়নি এবং prepositional phrase-এর কাজ করছে না। D) adverb — এটি ভুল কারণ এটি একক কোনো শব্দ নয়, বরং একটি শব্দসমষ্টি বা ফ্রেজ। মনে রাখার টিপস: Verb-কে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় এবং তা যদি একগুচ্ছ শব্দ হয়, তবে সেটি সাধারণত Noun phrase হয়।
a are
b have
c were
d is
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) is কেন সঠিক: - বাক্যের শুরুতে Each থাকায় এটি Singular Subject হিসেবে গণ্য হয়। - Subject Singular হওয়ায় এর পরবর্তী Verb ও Singular হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — এটি Plural Verb, যা Singular Subject-এর সাথে বসে না। B) have — এটি Plural Subject-এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং অর্থের দিক থেকেও এখানে বেমানান। C) ছিলেন — এটি Plural Verb, তাই Singular Subject-এর জন্য ভুল। D) is — এটি Singular Subject-এর সাথে বসে এবং ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। মনে রাখার টিপস: Each, Every, Everyone ইত্যাদি শব্দের পর Subject দেখতে Plural মনে হলেও Verb সবসময় Singular হয়।
a Superstition
b Superstitition
c Superstision
d Superstistion
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: A) Superstition কেন সঠিক: - প্রদত্ত বানানটি ইংরেজি বানান নিয়মের সাথে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ এবং এর অর্থ কুসংস্কার। - সঠিক বানানের গঠনটি হলো Super + stition। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Superstition — এটি সঠিক বানান। B) Superstitition — অতিরিক্ত 'ti' যুক্ত থাকায় এটি একটি ভুল বানান। C) Superstision — বানানে 'ti'-এর পরিবর্তে 'si' ব্যবহার করায় এটি ভুল। D) Superstistion — অতিরিক্ত 'ti' যুক্ত থাকার কারণে এই বানানটিও ভুল। মনে রাখার টিপস: Super বানানোর পর station শব্দের শেষের stition অংশটি যোগ করে superstition বানানটি মনে রাখতে হবে।
a wasn't it
b didn't it
c did it
d isn't it
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) didn't it কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি Past Indefinite Tense-এ আছে এবং এর মূল verb হলো rained। - Past Indefinite Tense-এর affirmative বাক্যকে tag question করতে auxiliary verb হিসেবে didn't ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) wasn't it — মূল বাক্যে কোনো be verb (was/were) নেই, তাই wasn't ব্যবহার করা ভুল। B) didn't it — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) did it — প্রদত্ত বাক্যটি affirmative হওয়ায় tag question-টি negative (didn't) হবে, কেবল did নয়। D) isn't it — বাক্যটি present tense-এ নয় এবং এতে কোনো be verb নেই, তাই isn't ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে মূল verb পাস্ট টেন্সে (v2) থাকলে সাহায্যকারী ভাব হিসেবে didn't আনতে হয়।
a bee
b hind
c ewe
d lass
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) bee কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে 'drone' শব্দের অর্থ হলো পুরুষ মৌমাছি। - এর স্ত্রীবাচক বা feminine gender হলো 'bee' বা রানী মৌমাছি (queen bee)। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bee — এটি সঠিক কারণ 'drone' (পুরুষ মৌমাছি)-এর স্ত্রীবাচক শব্দ হলো মৌমাছি বা 'bee'। B) hind — এটি ভুল অপশন কারণ 'hind' হলো 'stag' (পুরুষ হরিণ)-এর স্ত্রীবাচক শব্দ। C) ewe — এটি ভুল অপশন কারণ 'ewe' হলো 'ram' (ভেড়া)-র স্ত্রীবাচক শব্দ। D) lass — এটি ভুল অপশন কারণ 'lass' হলো 'lad' (বালক)-এর স্ত্রীবাচক শব্দ। মনে রাখার টিপস: মৌমাছির ক্ষেত্রে পুরুষবাচক 'drone' হলে স্ত্রীবাচক হিসেবে 'bee' ব্যবহার করা হয়।
a collective
b abstract
c countable
d uncountable
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) uncountable কেন সঠিক: - যে নাউনকে গণনা করা যায় না এবং একক বা সংখ্যা হিসেবে পরিমাপ করা যায় না, তা Uncountable Noun. - মানি বা টাকা একটি ধারণাগত বা পরিমাপযোগ্য শব্দ, যা সরাসরি একটি, দুটি এভাবে গণনা করা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) collective — Collective Noun হলো সমজাতীয় ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টি, কিন্তু money কোনো সমষ্টিবাচক বিশেষ্য নয়। B) abstract — Abstract Noun হলো গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম যা ছোঁয়া যায় না, কিন্তু money একটি পদার্থবাচক বা পরিমাপযোগ্য বস্তুগত রূপ বহন করে। C) countable — Countable Noun হলো যা গণনা করা যায়, কিন্তু money শব্দটি এককভাবে গণনা করা সম্ভব নয়। D) uncountable — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক কারণ money শব্দটিকে সরাসরি সংখ্যা দিয়ে গণনা করা যায় না। মনে রাখার টিপস: টাকা বা money মাপা যায় বা গোনা যায় না, কিন্তু টাকার নোট বা কয়েন (taka, dollar) গোনা যায়।
a an
b a
c the
d no article
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a কেন সঠিক: - unique শব্দটি দেখতে vowel দিয়ে শুরু হলেও এর উচ্চারণ বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ উ (y) এর মতো। - vowel থাকা সত্ত্বেও উচ্চারণের শুরুতে consonant sound থাকায় এর পূর্বে an এর পরিবর্তে a বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an — unique শব্দের উচ্চারণ vowel sound দিয়ে শুরু না হয়ে consonant sound দিয়ে শুরু হওয়ায় এটি ভুল। B) a — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিয়ম অনুযায়ী consonant sound এর পূর্বে a বসে। C) the — নির্দিষ্ট করে কোনো কিছু বোঝাতে এটি বসে, কিন্তু এখানে unique opportunity সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। D) no article — singular countable noun এর পূর্বে অবশ্যই article বসাতে হয়, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: ইউ (You) বা ওয়াপ্রেমী শব্দের মতো vowel এর উচ্চারণ যদি ইউ বা ওয়া এর মতো হয়, তবে তার আগে an না বসিয়ে a বসাবে।
a for
b on
c at
d of
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) on কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী Success শব্দের পরে সাধারণত Preposition হিসেবে on বসে। - কোনো কৃতিত্ব বা সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানাতে Congratulate শব্দের পরে on preposition ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — এটি কারণ বা উদ্দেশ্য বোঝাতে বসে, তবে Congratulate শব্দের সঙ্গে সঠিক Preposition হিসেবে মানানসই নয়। B) on — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) at — এটি সাধারণত ছোট স্থান বা নির্দিষ্ট কোনো ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) of — এটি অধিকার বা উৎস বোঝাতে বসে, যা সাফল্যের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: সফলতার জন্য অভিনন্দন বোঝাতে Congratulate এর পরে সবসময় on ব্যবহার করতে হয়।
a a noun
b an adjective
c a preposition
d an adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) an adverb কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'overnight' শব্দটি 'became' ভার্বকে মডিফাই করেছে এবং রাতারাতি ধনী হওয়া বোঝাতে সময়ের ধারণা দিচ্ছে। - কোনো শব্দ যদি ভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ বা অন্য কোনো অ্যাডভার্বকে মডিফাই করে সময় প্রকাশ করে, তবে তা অ্যাডভার্ব হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a noun — এটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম বোঝাচ্ছে না, তাই এটি নাউন নয়। B) an adjective — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে না, তাই এটি অ্যাডজেক্টিভ নয়। C) a preposition — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের পূর্বে বসে অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করছে না, তাই এটি প্রিপজিশন নয়। D) an adverb — এটি ভার্বকে মডিফাই করে সঠিক তথ্য দেওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: ভার্ব কখন বা কীভাবে সম্পন্ন হলো তা বোঝালে সাধারণত সেটি অ্যাডভার্ব হয়।
a is
b are
c has
d have
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) are কেন সঠিক: - উইলিয়াম শেক্সপিয়রের অ্যাজ ইউ লাইক ইট নাটকের বিখ্যাত উদ্ধৃতিতে uses শব্দটি বহুবচন হওয়ায় verb হিসেবে are বসেছে। - এখানে subject 'the uses' plural হওয়ায় singular verb না হয়ে plural verb ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — Subject plural হওয়ার কারণে এখানে singular verb ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) are — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর subject 'the uses' বহুবচন। C) has — এই বাক্যে অধিকার বা সমাপ্তি বোঝানো হয়নি, তাই auxiliary verb হিসেবে has বসবে না। D) have — এই বাক্যে মূল verb হিসেবে have বসালে বাক্যের অর্থ ও গঠন সঠিক হয় না। মনে রাখার টিপস: উদ্ধৃতিমূলক বাক্যে subject যদি plural হয়, তবে verb ও সবসময় plural (are) হবে।
a less
b few
c lesser
d fewer
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) fewer কেন সঠিক: - guests শব্দটি একটি Countable Noun বা গননাযোগ্য বিশেষ্য এবং এটি বহুবচন রূপ। - Countable Noun এর সংখ্যা বোঝাতে less এর পরিবর্তে fewer ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) less — এটি শুধুমাত্র Uncountable Noun বা অগণনাযোগ্য বিশেষ্যের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা guests শব্দের জন্য প্রযোজ্য নয়। B) few — এখানে than এর উপস্থিতি থাকার কারণে তুলনামূলক রূপের প্রয়োজন, তাই শুধু few বসবে না। C) lesser — এটি সাধারণত গুরুত্ব বা মাত্রা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং তুলনামূলক রূপ হলেও Countable Noun এর সংখ্যা হ্রাসে বসে না। D) fewer — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা গননাযোগ্য বিশেষ্যের স্বল্পতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: যাকে গোনা যায় তার সাথে fewer এবং যাকে মাপা যায় বা গোনা যায় না তার সাথে less ব্যবহার করবে।
a adjective
b preposition
c conjunction
d adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) preposition কেন সঠিক: - 'except' শব্দটি এখানে noun phrase 'Friday'-এর পূর্বে বসে বাকين অন্য অংশের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেছে। - preposition-এর কাজ হলো noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সঙ্গে তার সম্পর্ক দেখানো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adjective — adjective কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে, কিন্তু 'except' তা করছে না। B) preposition — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি এখানে relation বা সম্পর্ক প্রকাশ করেছে। C) conjunction — conjunction দুটি clause বা সমজাতীয় শব্দ যুক্ত করে, কিন্তু 'except' এখানে কোনো clause যুক্ত করেনি। D) adverb — adverb সাধারণত verb, adjective বা অন্য adverb-কেmodify করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে কোনো শব্দ যদি noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে বাদ দেওয়া বা ব্যতিরেখ অর্থ প্রকাশ করে এবং relation বোঝায়, তবে তা preposition হয়।
a will
b take
c much
d time
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) much কেন সঠিক: - 'much' শব্দটি এখানে 'time' নাউনের পরিমাণ নির্দেশ করছে এবং নাউনের পূর্বে বসে তাকে নির্দিষ্ট করেছে, যা ডিটারমিনারের কাজ। - uncountable noun-এর পূর্বে পরিমাণ বোঝাতে much একটি সঠিক quantifier বা determiner হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will — এটি একটি সাহায্যকারী ভার্ব বা auxiliary verb, যা ভবিষ্যৎ কাল নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। B) take — এটি বাক্যের মূল ভার্ব বা principal verb, যার অর্থ কোনো কিছু গ্রহণ করা বা সময় নেওয়া। C) much — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি noun-এর পূর্বে বসে determiner বা quantifier হিসেবে কাজ করেছে। D) time — এটি একটি noun বা বিশেষ্য, যা ডিটারমিনার নয় বরং যার পূর্বে বসে much শব্দ quantité নির্দেশ করেছে। মনে রাখার টিপস: noun-এর ঠিক আগে বসে তার পরিমাণ বা সংখ্যা বোঝালে সেই শব্দটিকে determiner বলা হয়।
a High
b The higher
c The highest
d Highest
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The higher কেন সঠিক: - এটি একটি সমান্তরাল তুলনামূলক বাক্য (Double Comparative), যার গঠন হলো The + comparative + subject + verb এবং পরের অংশেও The + comparative + subject + verb। - চাহিদা বাড়লে দামও বাড়ে—এই নিয়ম অনুসারে দুটি ক্লজেই তুলনামূলক ডিগ্রির আগে দ্য বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) High — এটি সাধারণ পজিটিভ ডিগ্রি, যা এই বিশেষ的双 তুলনামূলক বাক্যের গঠনের সঙ্গে মেলে না। B) The higher — এটি সঠিক কারণ এটি নিয়ম অনুযায়ী ডাবল কম্পারেটিভের দ্বিতীয় অংশ গঠন করেছে। C) The highest — এটি সুপার্লেটিভ ডিগ্রি, যা দুটি বিষয়ের তুলনামূলক আনুপাতিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বসে না। D) Highest — এর আগে দ্য নেই এবং এটি সুপার্লেটিভ ডিগ্রি হওয়ায় বাক্যের কাঠামোর সঙ্গে সংগত নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে দ্য প্লাস কম্পারেটিভ ডিগ্রি থাকলে, কমার পরের অংশেও দ্য প্লাস কম্পারেটিভ ডিগ্রি হবে।
a Aluminus
b Alumnous
c Alumnus
d Aluminise
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Alumnus কেন সঠিক: - ল্যাটিন ভাষার নিয়ম অনুযায়ী 'us' দিয়ে সমাপ্ত পুংলিঙ্গবাচক একবচন শব্দের বহুবচন সাধারণত 'i' যোগ করে গঠন করা হয়। - Alumnus শব্দের শেষে 'us' থাকায় এর বহুবচন রূপটি Alumni হয়, যার অর্থ প্রাক্তন ছাত্রবৃন্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Aluminus — এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং ল্যাটিন ভাষা অনুযায়ী এটি কোনো সঠিক শব্দ নয়। B) Alumnous — এই বানানটি ভুল কারণ Alumnus শব্দের মূল গঠনে 'ous' প্রত্যয় ব্যবহার করা হয় না। C) Alumnus — এটি নিজেই একবচন রূপ, তাই এটি নিজের বহুবচন হতে পারে না। D) Aluminise — এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল এবং এটি কোনো ইংরেজি বা ল্যাটিন শব্দের বহুবচন রূপ নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ব্যাকরণে ল্যাটিন শব্দের ক্ষেত্রে Alumnus এর মতো 'us' যুক্ত একবচন শব্দের শেষে 'i' যোগ করে Alumni বহুবচন তৈরি করতে হয়।
a noun
b adjective
c verb
d adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) noun কেন সঠিক: - বাক্যে 'round' শব্দটি নির্দিষ্ট আর্টিকেল 'the' এবং প্রিপজিশন 'in'-এর মাঝে বসেছে, যা একে সম্পূর্ণভাবে নাউনে রূপান্তর করেছে। - ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী কোনো শব্দের পূর্বে আর্টিকেল (a, an, the) থাকলে তা নাউন হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে 'round' শব্দটি আর্টিকেল ও প্রিপজিশনের মাঝে বসে নাউনের কাজ করেছে। B) adjective — শব্দটি এখানে কোনো নাউন বা প্রোনাউনের দোষ, গুণ বা অবস্থা বোঝাচ্ছে না, তাই এটি অ্যাডজেক্টিভ নয়। C) verb — এই বাক্যে 'round' কোনো কাজের নাম বা সমাপিকা ক্রিয়া প্রকাশ করছে না, তাই এটি ভার্ব নয়। D) adverb — এটি কোনো ভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ বা অন্য কোনো অ্যাডভার্বকে মডিফাই করছে না, তাই এটি অ্যাডভার্ব হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: আর্টিকেল (the) এবং প্রিপজিশনের মাঝে বসা যেকোনো শব্দই সাধারণত নাউন হিসেবে কাজ করে।
a stopped
b stop
c has stopped
d had stopped
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) had stopped কেন সঠিক: - অতীতের দুটি ঘটনার মধ্যে তুলনামূলকভাবে আগের ঘটনাটি Past Perfect Tense (had + V3) হয়। - এখানে বৃষ্টি বন্ধ হওয়ার কাজটি বাড়ি পৌঁছানোর আগের ঘটনা, তাই সঠিক উত্তর had stopped। বাকি অপশন কেন ভুল: A) stopped — এটি Simple Past Tense, যা অতীতকালের দুটি ঘটনার একটির আগে অন্যটি ঘটার ধারাবাহিকতা প্রকাশ করে না। B) stop — এটি Verb-এর Present form, যা Past Tense-এর বাক্যে প্রযোজ্য নয়। C) has stopped — এটি Present Perfect Tense, যা অতীতের ঘটনার ক্ষেত্রে বর্তমানের প্রভাব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে সঠিক নয়। D) had stopped — এটি সঠিক Past Perfect Tense, যা অতীতের দুটি ঘটনার মধ্যে তুলনামূলক আগের কাজটি নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: অতীতের দুটি ঘটনার মধ্যে যেটি আগে ঘটে, সেখানে had + V3 ব্যবহার করতে হয়।
a verbal noun
b gerund
c participle
d adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) participle কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'singing' শব্দটি noun (bird)-এর পূর্বে বসে adjective-এর কাজ করেছে এবং একই সাথে verb-এর অর্থ প্রকাশ করেছে। - verb যখন একই সাথে verb ও adjective-এর কাজ করে, তখন তাকে participle বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) verbal noun — verbal noun বাক্যে noun-এর কাজ করে এবং সাধারণত এর পূর্বে the ও পরে of থাকে, যা এখানে নেই। B) gerund — gerund বাক্যে noun-এর কাজ করে এবং verb ও noun উভয় গুণের অধিকারী হয়, কিন্তু এখানে শব্দটি noun-কে modify করছে। C) participle — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দটি verb ও adjective উভয়ের কাজ সম্পন্ন করছে। D) adverb — adverb সাধারণত verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে modify করে, কিন্তু এখানে 'singing' সরাসরি noun-কে বিশেষিত করেছে। মনে রাখার টিপস: noun-এর ঠিক আগে বসে যদি কোনো ing যুক্ত verb ঐ noun-এর দোষ বা গুণ প্রকাশ করে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে participle দাগাবে।

মোট প্রশ্ন (20)

a লিথিয়াম
b পারদ
c ইউরেনিয়াম
d পটাশিয়াম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পারদ কেন সঠিক: - পারদ হলো একমাত্র ধাতু যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ও চাপে তরল অবস্থায় থাকে। - এর গলনাঙ্ক অত্যন্ত কম হওয়ায় সাধারণ তাপমাত্রাতেই এটি তরল অবস্থায় অবস্থান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিথিয়াম — এটি একটি হালকা ধাতু যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে। B) পারদ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল থাকে। C) ইউরেনিয়াম — এটি একটি তেজস্ক্রিয় ও ভারী ধাতু যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কঠিন থাকে। D) পটাশিয়াম — এটি একটি নরম ধাতু যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে। মনে রাখার টিপস: থার্মোমিটারে ব্যবহৃত হয় যে ধাতু, সেটিই হলো একমাত্র তরল পারদ।
a মাদ্রিদ (স্পেন)
b কাটোয়াইস (পোল্যান্ড)
c রোম (ইতালি)
d ভিয়েনা (অস্ট্রিয়া)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাটোয়াইস (পোল্যান্ড) কেন সঠিক: - ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন বা COP-২৪ পোল্যান্ডের কাটোয়াইস শহরে আয়োজিত হয়েছিল। - এই সম্মেলনে প্যারিস জলবায়ু চুক্তির বাস্তবায়নবিধি বা রুলবুক চূড়ান্ত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাদ্রিদ (স্পেন) — এই শহরটি ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত COP-২৫ সম্মেলনের আয়োজক শহর ছিল। B) কাটোয়াইস (পোল্যান্ড) — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) রোম (ইতালি) — এটি জলবায়ু সম্মেলনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়, এটি মূলত খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রধান কার্যালয়। D) ভিয়েনা (অস্ট্রিয়া) — এটি আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার সদর দপ্তর, তবে প্রধান জলবায়ু সম্মেলন এখানে হয়নি। মনে রাখার টিপস: পোল্যান্ডের কাটা দিয়ে জলবায়ু রক্ষা হলো, মনে রাখুন কাটোয়াইস COP-২৪।
a 1821
b 1757
c 1800
d 1921
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 1800 কেন সঠিক: - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১৮০০ সালের ১০ জুলাই কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে প্রতিষ্ঠিত হয়। - তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলি ব্রিটিশ সিভিল সার্ভিসের তরুণ কর্মকর্তাদের ভারতীয় ভাষা ও সংস্কৃতি শেখানোর জন্য এটি প্রতিষ্ঠা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1821 — এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। B) 1757 — এই সালে পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। C) 1800 — এই অপশনটি সঠিক এবং এই সালেই কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। D) 1921 — এই সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার অনেক পরের ঘটনা। মনে রাখার টিপস: ১৮ শতকের ঠিক শেষ প্রান্তে এবং ১৯ শতকের শুরুতে অর্থাৎ ১৮০০ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।
a সোনালী ব্যাংক
b বাংলাদেশ ব্যাংক
c ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ
d অর্থ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাংলাদেশ ব্যাংক কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারের ব্যাংক হিসেবে দেশের মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ করে এবং সরকারি ঋণের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে। - সরকারের স্বল্পমেneeds মেটানোর জন্য ট্রেজারি বিল ও বন্ড ইস্যু করার একমাত্র এখতিয়ার বাংলাদেশ ব্যাংকের। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনালী ব্যাংক — এটি একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং সরকারের প্রধান আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করলেও ট্রেজারি বিল ইস্যু করার এখতিয়ার এর নেই। B) বাংলাদেশ ব্যাংক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ — এটি পুঁজিবাজার উন্নয়নে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান, ট্রেজারি বিল ইস্যু এর কাজ নয়। D) অর্থ মন্ত্রণালয় — মন্ত্রণালয় নীতি নির্ধারণ করে, কিন্তু ট্রেজারি বিল বা সরকারি সিকিউরিটিজ সরাসরি ইস্যু করার কাজটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক সম্পন্ন করে। মনে রাখার টিপস: সরকারি সিকিউরিটিজ বা ট্রেজারি বিল সংক্রান্ত যেকোনো ঋণপত্র ইস্যু করার দায়িত্ব দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তথা বাংলাদেশ ব্যাংকের।
a কার্বন ডাই-অক্সাইড
b কার্বন মনোক্সাইড
c ওজোন
d মিথেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কার্বন ডাই-অক্সাইড কেন সঠিক: - জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো এবং শিল্পায়নের ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে। - গ্রিনহাউস গ্যাসগুলোর মধ্যে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে কার্বন ডাই-অক্সাইডের অবদান প্রায় ষাট শতাংশেরও বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্বন ডাই-অক্সাইড — এটি বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস। B) কার্বন মনোক্সাইড — এটি অত্যন্ত বিষাক্ত গ্যাস হলেও গ্রিনহাউস প্রভাবে এর সরাসরি অবদান তুলনামূলকভাবে খুবই কম। C) ওজোন — এটি গ্রিনহাউস গ্যাস হলেও বায়ুমণ্ডলের উঁচুতে এর স্তর ক্ষয় প্রধান সমস্যা, উষ্ণতা বৃদ্ধির প্রধান কারণ নয়। D) মিথেন — এটি শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস হলেও কার্বন ডাই-অক্সাইডের তুলনায় এর সামগ্রিক পরিমাণ ও প্রভাব কম। মনে রাখার টিপস: গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের মূল হোতা কার্বন ডাই-অক্সাইড, যা কয়েন বা তেল পোড়ানোর ফলে সবচেয়ে বেশি বাতাসে মেশে।
a বীরপ্রতীক
b বীর শ্রেষ্ঠ
c বীর উত্তম
d বীর বিক্রম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বীর শ্রেষ্ঠ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য যে চারটি সামরিক খেতাব প্রদান করা হয়, তার মধ্যে বীর শ্রেষ্ঠ হলো সর্বোচ্চ খেতাব। - মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহস ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ মাত্র ৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে এই খেতাবে ভূষিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীরপ্রতীক — এটি মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক চতুর্থ ও সর্বশেষ খেতাব, তাই এটি সর্বোচ্চ খেতাব নয়। B) বীর শ্রেষ্ঠ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব। C) বীর উত্তম — এটি মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব, তাই এটি প্রথম বা সর্বোচ্চ খেতাব নয়। D) বীর বিক্রম — এটি মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব, তাই এটি সর্বোচ্চ খেতাব হিসেবে গণ্য হয় না। মনে রাখার টিপস: খেতাবগুলোর ক্রম মনে রাখার সহজ শব্দ গুচ্ছ হলো শ্রে-উ-বি-প্র, যার অর্থ বীরশ্রেষ্ঠ, বীরউত্তম, বীরবিক্রম ও বীরপ্রতীক।
a অনুচ্ছেদ ২২
b অনুচ্ছেদ ২১
c অনুচ্ছেদ ২০
d অনুচ্ছেদ ২৩
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অনুচ্ছেদ ২১ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদে সব সময় জনগণের সেবা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্তব্য বলে ঘোষণা করা হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদে নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের সাধারণ কর্তব্য এবং সব সময়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টার কথা বলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুচ্ছেদ ২২ — এই অনুচ্ছেদে নির্বাহী অঙ্গ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে, যা নাগরিক ও কর্মচারীর কর্তব্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) অনুচ্ছেদ ২১ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এতেই নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্যের কথা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। C) অনুচ্ছেদ ২০ — এই অনুচ্ছেদে অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির মাধ্যমে কাজের জন্য পারিশ্রমিকের কথা বলা হয়েছে। D) অনুচ্ছেদ ২৩ — এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও অবশেষ সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: নিয়ম বা কর্তব্যের কথা মাথায় রাখতে 'একুশ' (২১) সংখ্যাটিকে সংবিধানের কর্তব্যের অনুচ্ছেদ হিসেবে মনে রাখতে পারো।
a সিরাম
b প্লাজমা
c লোহিত কণিকা
d অনুচক্রিকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্লাজমা কেন সঠিক: - রক্তের মোট আয়তনের প্রায় ৫৫ ভাগ হলো তরল অংশ, যাকে প্লাজমা বা রক্তরস বলা হয়। - প্লাজমার প্রধান উপাদান হলো জল এবং এর মধ্যে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান, প্রোটিন ও হরমোন দ্রবীভূত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিরাম — রক্ত জমাট বাঁধার পর রক্তরস থেকে ফাইব্রিনোজেন দূর করলে যে হালকা হলুদ রঙের তরল পাওয়া যায় তাকে সিরাম বলে, এটি রক্তের মূল তরল অংশ নয়। B) প্লাজমা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ রক্তের সম্পূর্ণ তরল অংশকে প্লাজমা বলা হয়। C) লোহিত কণিকা — এটি রক্তে ভাসমান এক ধরনের কঠিন বা কোষীয় উপাদান, কোনো তরল অংশ নয়। D) অনুচক্রিকা — এটি রক্তের কণিকাভিত্তিক কঠিন উপাদান যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে, তরল অংশ নয়। মনে রাখার টিপস: রক্তের কঠিন অংশ হলো কণিকা আর তরল অংশ হলো প্লাজমা।
a নায়িকা ম্যাডোনার ওপর
b দুর্যোগের ওপর
c চলচ্চিত্রের পুরস্কারের ওপর
d দুর্ভিক্ষের ওপর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দুর্ভিক্ষের ওপর কেন সঠিক: - চিত্রকর্মটি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী জয়নুল আবেদিনের ১৯৪৩ সালের বাংলার ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে আঁকা স্কেচ ও চিত্রকর্ম সিরিজের অংশ। - এটি দুর্ভিক্ষের নির্মমতা, অনাহার ও মানুষের দুর্দশাকে মূর্ত করে তুলেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নায়িকা ম্যাডোনার ওপর — এটি কোনো পপ তারকা বা চলচ্চিত্রের কোনো নায়িকা ম্যাডোনার ওপর অঙ্কিত চিত্রকর্ম নয়। B) দুর্যোগের ওপর — এটি সাধারণ কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা জলোচ্ছ্বাসের ওপর আঁকা নয়, সুনির্দিষ্টভাবে দুর্ভিক্ষের ওপর আঁকা। C) চলচ্চিত্রের পুরস্কারের ওপর — চলচ্চিত্রের কোনো পুরস্কার বা উৎসবের সঙ্গে এই চিত্রকর্মের কোনো সম্পর্ক নেই। D) দুর্ভিক্ষের ওপর — এটি সঠিক উত্তর কারণ চিত্রকর্মটি ১৯৪৩ সালের মানবসৃষ্ট দুর্ভিক্ষের ভয়াবহ রূপ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: মেডোনা-৪৩ নামের সাথে সাল ৪৩ যুক্ত আছে, যা ১৯৪৩ সালের ঐতিহাসিক ও মর্মান্তিক মন্বন্তর বা দুর্ভিক্ষকে নির্দেশ করে।
a একটি খরস্রোতা পাহাড়ি নদী
b একটি পর্যটন এলাকা
c একটি প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র
d প্রকৃতিগত সংকটপন্ন এলাকা
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) একটি প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র কেন সঠিক: - হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র, যেখান থেকে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশ মাছের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। - এ নদী থেকে সংগৃহীত নিষিক্ত ডিম থেকে হ্যাচারিতে রেনু পোনা উৎপাদন করা হয়, যা দেশের মাছের চাহিদা পূরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি খরস্রোতা পাহাড়ি নদী — হালদা নদীর উৎপত্তি পাহাড়ে হলেও এটি মূলত এর অনন্য মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্রের পরিচয়ের জন্যই সর্বাধিক পরিচিত ও বিখ্যাত। B) একটি পর্যটন এলাকা — হালদা নদী কোনো উল্লেখযোগ্য পর্যটন কেন্দ্র বা এলাকা হিসেবে দেশব্যাপী পরিচিত নয়। D) প্রকৃতিগত সংকটপন্ন এলাকা — হালদা নদী সাময়িকভাবে বিভিন্ন সংকটের মুখে পড়লেও এর মূল খ্যাতি বা বৈশিষ্ট্য হলো এটি দেশের প্রধান প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র। মনে রাখার টিপস: হালদা নদী মানেই মা মাছের ডিম ছাড়ার নিরাপদ স্থান বা প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র।
a জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ
b আজাদ কাশ্মীর
c গিলগিট ও বালটিস্থান
d কাশ্মীর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ কেন সঠিক: - ২০১৯ সালের আগস্ট মাসে ভারতের সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মাধ্যমে জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যটিকে ভেঙে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করা হয়। - এই দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হলো জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখ, যা বর্তমানে সম্পূর্ণভাবে ভারতের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ — এটি সঠিক কারণ এই দুটি অঞ্চল বর্তমানে ভারতের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে থাকা ভূখণ্ড। B) আজাদ কাশ্মীর — এটি পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণে থাকা একটি স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল, ভারতের নিয়ন্ত্রিত অংশ নয়। C) গিলগিট ও বালটিস্থান — এটি পাকিস্তানের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে থাকা উত্তরাঞ্চলীয় ভূখণ্ড, যা ভারত নিয়ন্ত্রিত নয়। D) কাশ্মীর — এটি একটি সামগ্রিক ভূখণ্ডের নাম এবং অনেক বড় একটি অঞ্চল বোঝায়, যা নির্দিষ্টভাবে শুধু ভারত নিয়ন্ত্রিত অংশ নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: ভারতের নিয়ন্ত্রণে থাকা কাশ্মীর বোঝাতে জম্মু-কাশ্মীরের সঙ্গে লাদাখ নাম দুটি মনে রাখতে হবে।
a যাদুকাটা নদী
b কর্ণফুলী নদী
c গোমতী নদী
d none
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) none (প্রকৃত সঠিক উত্তর: হালদা নদী বা সাঙ্গু নদী, যা বাংলাদেশে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে শেষ হয়েছে) কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক নদী না থাকায় সঠিক উত্তর হবে ডি বা কোনটিই নয়। - বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের ভেতর দিয়েই প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে বা অন্য নদীতে পতিত হয়েছে এমন নদী হলো হালদা বা সাঙ্গু নদী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যাদুকাটা নদী — এটি ভারতের খাসিয়া জৈন্তা পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে তাই এটি সঠিক নয়। B) কর্ণফুলী নদী — এটি ভারতের মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবাহিত হয়েছে। C) গোমতী নদী — এটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। D) none — প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক উত্তর না থাকায় এই অপশনটিই সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের ভেতরে উৎপন্ন ও শেষ হওয়া প্রধান নদী হলো হালদা ও সাঙ্গু।
a তুরস্ক
b ইতালি
c ইংল্যান্ড
d ভারত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভারত কেন সঠিক: - ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা হলো উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলোর সমন্বয়ে গঠিত একটি সামরিক জোট। - ভারত এশিয়ার দেশ হওয়ায় এবং এই সামরিক জোটে যুক্ত না থাকায় এটি ন্যাটোর সদস্য নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুরস্ক — তুরস্ক ১৯৫২ সালে এই সামরিক জোটে যোগদান করে এবং বর্তমানে এর অন্যতম সদস্য রাষ্ট্র। B) ইতালি — ইতালি এই সামরিক জোটের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অন্যতম একটি দেশ। সি) ইংল্যান্ড — যুক্তরাজ্য বা ইংল্যান্ড এই সামরিক জোটের প্রতিষ্ঠাতা এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সদস্য রাষ্ট্র। D) ভারত — ভারত দক্ষিণ এশিয়ার একটি নিরপেক্ষ দেশ এবং জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকায় এর সদস্য নয়। মনে রাখার টিপস: ন্যাটো হলো পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট, তাই এশিয়ার ভারত এর সদস্য নয়।
a ১৪ টি
b ১৫ টি
c ১৬ টি
d ১৭ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৭ টি কেন সঠিক: - টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজির মোট গোল বা লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে ১৭ টি। - ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী শান্তি ও সমৃদ্ধি অর্জনের জন্য জাতিসংঘের উদ্যোগে এই ১৭ টি গোল নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪ টি — এটি এসডিজির মোট গোলের সংখ্যা নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। B) ১৫ টি — এটি এসডিজির নির্ধারিত গোলের সঠিক সংখ্যা নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। C) ১৬ টি — এটি এসডিজির মোট গোলের সঠিক সংখ্যা নির্দেশ করে না, তাই এই অপশনটি ভুল। D) ১৭ টি — এটি এসডিজির মোট গোলের সঠিক সংখ্যা এবং জাতিসংঘ কর্তৃক নির্ধারিত মানদণ্ড। মনে রাখার টিপস: এসডিজি চালুর বছর ২০১৫ এবং এর গোল ১৭ টি, অর্থাৎ ১ এর পিঠে ৭ বসালে ১৭ হয়।
a নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া
b ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়া
c বাংলাদেশ ও মিয়ানমার
d জাপান ও রাশিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জাপান ও রাশিয়া কেন সঠিক: - কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব নিয়ে জাপান ও রাশিয়ার মধ্যে ঐতিহাসিক ও দীর্ঘমেয়াদী ভূরাজনৈতিক বিরোধ রয়েছে। - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন এই দ্বীপগুলো দখল করে নেয়, যা বর্তমানে রাশিয়া নিয়ন্ত্রণ করে এবং জাপান তা নিজেদের বলে দাবি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া — এই দুটি ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশ এবং এদের মধ্যে কোনো কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে বিরোধ নেই। B) ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়া — এই দুটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সামুদ্রিক সীমানা ও দ্বীপ সংক্রান্ত ভিন্ন বিরোধে জড়িত, কুড়িল দ্বীপের সাথে এদের কোনো সম্পর্ক নেই। C) বাংলাদেশ ও মিয়ানমার — এই দুটি দেশের মধ্যে সামুদ্রিক সীমানা ও জলসীমা নিয়ে বিরোধ ছিল, যা আন্তর্জাতিক আদালতে মীমাংসিত হয়েছে। D) জাপান ও রাশিয়া — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দুই দেশ কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের অধিকার নিয়ে বিরোধে লিপ্ত। মনে রাখার টিপস: কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে বিরোধ মনে রাখতে 'জা-রা' (জাপান ও রাশিয়া) শব্দ সংকেতটি মনে রাখতে পারেন।
a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b মাইকেল মধুসূদন দত্ত
c রামমোহন রায়
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রামমোহন রায় কেন সঠিক: - রাজা রামমোহন রায় ১৮২৮ সালের ২০ আগস্ট ভারতের সামাজিক ও ধর্মীয় সংস্কারের উদ্দেশ্যে ব্রাহ্ম সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন। - তিনি ঊনবিংশ শতকের বাংলায় প্রগতিশীল সামাজিক আন্দোলন ও আধুনিক ভাবধারার অগ্রদূত ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি নারী শিক্ষা বিস্তার এবং বিধবা বিবাহ প্রচলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, কিন্তু ব্রাহ্ম সমাজের প্রতিষ্ঠাতা নন। B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক এবং একজন বিখ্যাত কবি ও নাট্যকার ছিলেন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি ব্রাহ্ম ধর্মের অনুসারী ও প্রচারক ছিলেন, তবে এর প্রতিষ্ঠাতা নন। মনে রাখার টিপস: ব্রাহ্ম সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন রামমোহন রায়, মনে রাখতে 'ব' থেকে ব্রাহ্ম এবং 'র' থেকে রামমোহন মনে রাখা যায়।
a 1942
b 1948
c 1958
d 1968
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৪৮ কেন সঠিক: - ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত ও গৃহীত হয়। - বিশ্বজুড়ে মানুষের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষা করার জন্য এই ঐতিহাসিক দলিলটি প্রথম আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪২ — এই সালে জাতিসংঘ বা মানবাধিকার ঘোষণাপত্র সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি, এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কাল। B) ১৯৪৮ — এটি সঠিক বছর, যখন জাতিসংঘ মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র অনুমোদন করে। C) ১৯৫৮ — এটি ভুল বছর, এই সময়ে মানবাধিকার ঘোষণাপত্রের অনুমোদন বা এর সুনির্দিষ্ট কোনো সাল সম্পর্কিত ঘটনা নেই। D) ১৯৬৮ — এটি ভুল বছর, এই সালে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্রের ২০ বছর পূর্তি উদযাপিত হয়েছিল, অনুমোদন নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৪৮ সালকে মনে রাখতে পারেন জাতিসংঘের মানবাধিকার দিবসের সাথে মিলিয়ে, যার ঘোষণাপত্র অনুমোদিত হয়েছিল ১০ ডিসেম্বর ১৯৪৮ সালে।
a দ্রুততাই লক্ষ্য
b সেবাই আদর্শ
c গতিই আদর্শ
d সেবাই ধর্ম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সেবাই আদর্শ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মূল লক্ষ্য ও নীতিমালা হলো জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া। - এই জনকল্যাণমূলক উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এর আনুষ্ঠানিক স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে সেবাই আদর্শ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্রুততাই লক্ষ্য — এটি বাংলাদেশ ডাক বিভাগের স্লোগান নয়, যদিও সেবা দ্রুত প্রদান করা তাদের একটি অন্যতম কাজ। B) সেবাই আদর্শ — এটি বাংলাদেশ ডাক বিভাগের নির্ধারিত সঠিক স্লোগান। সি) গতিই আদর্শ — এটি ডাক বিভাগের স্লোগান হিসেবে ব্যবহৃত হয় না, এটি অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের নীতি হতে পারে। D) সেবাই ধর্ম — এটি সাধারণ একটি নৈতিক প্রবচন, যা বাংলাদেশ ডাক বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্লোগান নয়। মনে রাখার টিপস: ডাক বিভাগ মানেই মানুষের সেবা করা, তাই এর স্লোগানের সঙ্গে সেবা শব্দটি যুক্ত থাকবে এবং স্লোগানটি হবে সেবাই আদর্শ।
a চলন বিল
b হাকালুকি হাওর
c সুন্দরবন
d লাউয়া ছড়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুন্দরবন কেন সঠিক: - সুন্দরবন প্রচুর অক্সিজেন উৎপাদন করে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করে। - মানবদেহের ফুসফুস যেমন শ্বাসকষ্ট দূর করে শরীরকে বাঁচায়, তেমনি সুন্দরবন দেশের পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চলন বিল — এটি বাংলাদেশের একটি বৃহৎ জলাভূমি বা প্লাবনভূমি, যা মাছের জন্য বিখ্যাত হলেও দেশের ফুসফুস নয়। B) হাকালুকি হাওর — এটি দেশের বৃহত্তম হাওর এবং গুরুত্বপূর্ণ মৎস্য ও পাখির অভয়ারণ্য, তবে এটি ফুসফুস নামে পরিচিত নয়। D) লাউয়া ছড়া — এটি একটি সংরক্ষিত বুনোঞ্চল ও জাতীয় উদ্যান, যা চা বাগান ও জীববৈচিত্র্যের জন্য পরিচিত কিন্তু ফুসফুস নয়। মনে রাখার টিপস: ফুসফুস যেমন আমাদের শ্বাস নিতে সাহায্য করে, তেমনি অক্সিজেনের প্রধান উৎস সুন্দরবনকে দেশের ফুসফুস বলা হয়।
a মালদ্বীপ
b ভারত
c শ্রীলংকা
d মিয়ানমার
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারত কেন সঠিক: - আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ভারতের একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং এটি বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। - ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপর ভারতের সার্বভৌমত্ব রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালদ্বীপ — এটি ভারত মহাসাগরের একটি স্বাধীন দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এর সঙ্গে নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের কোনো সম্পর্ক নেই। B) ভারত — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ভারতের ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত। C) শ্রীলংকা — এটি ভারত মহাসাগরের একটি স্বাধীন দ্বীপ রাষ্ট্র যা ভারত থেকে পক প্রণালী দ্বারা পৃথক। D) মিয়ানমার — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ এবং এর নিকটবর্তী দ্বীপ কোকো দ্বীপপুঞ্জ, নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ নয়। মনে রাখার টিপস: আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ বললেই মনে রাখবে এটি ভারতের বঙ্গোপসাগরের অংশ।

মোট প্রশ্ন (40)

a 4 mm
b 6 mm
c 6 mm
d 8 mm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 8 mm কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ইমারত নির্মাণ বিধিমালা বা বিএনবিসি কোড অনুযায়ী, কলামের লম্বালম্বি বা মেইন বারের ব্যাস ১৬ মিলিমিটার হলে টাই বারের সর্বনিম্ন ব্যাস কমপক্ষে ৮ মিলিমিটার হতে হবে। - কোডের নিয়ম অনুসারে মূল রডের মাপ ১৬ মিলিমিটার বা তার কম হলে সাধারণত কমপক্ষে ৬ মিলিমিটার টাই ব্যবহার করা যায়, তবে এই নির্দিষ্ট মানের ক্ষেত্রে সঠিক প্রকৌশল মান ৮ মিলিমিটার নির্ধারিত আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 4 mm — এই মাপের টাই বার অত্যন্ত চিকন হওয়ায় কলামের লোড বহন ক্ষমতা ও স্থায়িত্ব রক্ষা করতে পারে না। B) 6 mm — প্রদত্ত উত্তরে এই অপশনটি দেওয়া হলেও বিএনবিসি কোডের মানদণ্ড অনুযায়ী ১৬ মিলিমিটার মেইন বারের জন্য এটি সঠিক সর্বনিম্ন মাপ নয়। C) 6 mm — এটি মূলত বি অপশনের পুনরাবৃত্তি এবং প্রকৌশল মান অনুযায়ী ১৬ মিলিমিটার বারের জন্য অপর্যাপ্ত। D) 8 mm — বিএনবিসি এবং এসিআই কোডের বিধান অনুযায়ী ১৬ মিলিমিটার মেইন বারের ক্ষেত্রে টাই বারের সঠিক ও সর্বনিম্ন গ্রহণযোগ্য মাপ এটি। মনে রাখার টিপস: ১৬ মিলিমিটার মেইন বারের নিচে সাধারণত ৬ মিলিমিটার এবং ১৬ মিলিমিটার বা তদূর্ধ্ব মেইন বারের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৮ মিলিমিটার টাই বার ব্যবহার করতে হয়।
a L/2
b L/3
c L/4
d 2L/3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) L/2 কেন সঠিক: - কলামের দুই প্রান্ত ফিক্সড বা আটকানো থাকলে বাকলিং লোডের ক্ষেত্রে এর কার্যকরী দৈর্ঘ্য আসল দৈর্ঘ্যের অর্ধেক হয়ে যায়। - কলামের উভয় প্রান্তে মোমেন্ট ও ডিফ্লেশন শূন্য থাকে বিধায় এর সমতুল্য বা ইকুইভ্যালেন্ট দৈর্ঘ্য মূল দৈর্ঘ্যের দুই ভাগের এক ভাগ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) L/2 — এটি সঠিক উত্তর কারণ উভয় প্রান্ত ফিক্সড কলামের ক্ষেত্রে কার্যকরী দৈর্ঘ্য মূল দৈর্ঘ্যের অর্ধেক হয়। B) L/3 — এটি ভুল কারণ কোনো নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড কলাম এন্ড কন্ডিশনের ক্ষেত্রে এই মানটি প্রযোজ্য নয়। C) L/4 — এটি ভুল কারণ কলামের উভয় প্রান্ত ফিক্সড থাকলে এর কার্যকরী দৈর্ঘ্য চার ভাগের এক ভাগ হয় না। D) 2L/3 — এটি ভুল কারণ কলামের প্রান্তের বিভিন্ন সাপোর্ট কন্ডিশনের জন্য এই অনুপাতটি নির্ধারিত নয়। মনে রাখার টিপস: উভয় প্রান্ত ফিক্সড বা আটকানো মানেই কলামের দৈর্ঘ্য অর্ধেক হয়ে যাওয়া, তাই মনে রাখুন ফিক্সড সমান অর্ধেক বা L/2।
a Tangential
b Normal
c (ক) ও (খ) উভয়ই
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Normal কেন সঠিক: - প্রিন্সিপাল প্লেন বা প্রধান সমতলে শিয়ার স্ট্রেস বা স্পর্শকীয় বল শূন্য থাকে। - এই সমতলে শুধুমাত্র লম্বভাবে বা নরমাল স্ট্রেস কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tangential — প্রধান সমতলে কোনো স্পর্শকীয় বা শিয়ার স্ট্রেস থাকে না, তাই এটি ভুল। B) Normal — এই সমতলে শুধুমাত্র লম্ব বা নরমাল স্ট্রেস কাজ করে, তাই এটি সঠিক। C) (ক) ও (খ) উভয়ই — স্পর্শকীয় স্ট্রেস শূন্য হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক নয়। D) কোনটিই নয় — যেহেতু নরমাল স্ট্রেস থাকে, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: প্রিন্সিপাল প্লেন মানেই শিয়ার মুক্ত সমতল, যেখানে কেবল নরমাল স্ট্রেস বিদ্যমান থাকে।
a .1%
b .12%
c .15%
d .18%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 0.15% কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড বা বিএনবিসি অনুযায়ী স্লাবের ক্রস সেশন্যাল এলাকার অন্তত 0.15% রড বা রিইনফোর্সমেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। - এটি স্লাবের সংকোচন ও তাপমাত্রা জনিত ফাটল রোধ করার জন্য ন্যূনতম পরিমাণ হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) .1% — এটি বিএনবিসি কোড অনুযায়ী স্লাবের জন্য পর্যাপ্ত ন্যূনতম রিইনফোর্সমেন্ট বা রডের পরিমাণ নয়। B) .12% — এই পরিমাণটি স্লাবের সাধারণ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সর্বনিম্ন সীমার চেয়ে কম। C) .15% — এটি স্লাবের গ্রস সেশন্যাল এরিয়ার জন্য নির্ধারিত সঠিক ন্যূনতম রিইনফোর্সমেন্টের মান। D) .18% — এটি সাধারণত অন্য কোনো কাঠামোগত সদস্যের জন্য প্রযোজ্য হতে পারে, তবে স্লাবের ন্যূনতম মাত্রা এটি নয়। মনে রাখার টিপস: স্লাব বা ছাদ ঢালাইয়ের সময় মনে রাখবেন, সর্বনিম্ন পনেরো শতাংশ বা ০.১৫% হারে রড ব্যবহার করতে হয়।
a 0.5
b 0
c 1
d 2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 0.5 কেন সঠিক: - পোরোসিটি বা ছিদ্রতার সূত্র হলো ভলিউম অব ভয়েডস এবং মোট আয়তনের অনুপাত। - এখানে ভলিউম অব ভয়েডস এবং ভলিউম অব সলিডস সমান হওয়ায় মোট আয়তন হলো ভয়েডসের দ্বিগুণ। - তাই পোরোসিটি হয় এক ভাগ দুই অর্থাৎ শূন্য দশমিক পাঁচ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.5 — এই মানটি সঠিক কারণ সূত্র অনুযায়ী ছিদ্রতার হিসাব করলে ফলাফল শূন্য দশমিক পাঁচ আসে। B) 0 — শূন্য মানটি তখনই হতো যদি মাটির মধ্যে কোনো শূন্যস্থান বা ভয়েডস না থাকত। C) 1 — এক মানটি হওয়ার জন্য ভলিউম অব সলিডস শূন্য হতে হতো যা বাস্তব মাটির ক্ষেত্রে অসম্ভব। D) 2 — দুই মানটি পোরোসিটির ক্ষেত্রে আসার সুযোগ নেই কারণ পোরোসিটির মান সবসময় শূন্য ও একের মধ্যে থাকে। মনে রাখার টিপস: সলিড ও ভয়েডস সমান হলে ছিদ্রতা হবে ঠিক অর্ধেক বা শূন্য দশমিক পাঁচ।
a Lenear
b Parabolic
c Cubic
d কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (প্রকৌশল বিজ্ঞান) সঠিক উত্তর: A) Lenear (বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক নয়। মেকানিক্স বা কাঠামোগত প্রকৌশলের নীতি অনুযায়ী, Linearly distributed load বা ইউডিএল লোডের ক্ষেত্রে শেয়ার ফোর্স ডায়াগ্রামের আকৃতি হয় প্যারাবোলিক বা Parabolic। সঠিক উত্তর হবে B) Parabolic।) কেন সঠিক: - বিমের ওপর যখন সমভাবে বা সুষমভাবে বিস্তৃত লোড বা ইউডিএল কাজ করে, তখন শেয়ার ফোর্সের সমীকরণটি একটি একঘাত সমীকরণের পরিবর্তে দ্বিঘাত বা সমাকলিত রূপ ধারণ করে। - লোড ডায়াগ্রাম লিনিয়ার হলে শেয়ার ফোর্স ডায়াগ্রাম এক ডিগ্রি বৃদ্ধি পেয়ে প্যারাবোলিক বা বক্ররেখা আকৃতির হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lenear — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে দেওয়া হলেও, মেকানিক্সের নিয়ম অনুযায়ী লিনিয়ার লোডের শেয়ার ফোর্স ডায়াগ্রাম লিনিয়ার হয় না, বরং এটি বেন্ডিং মোমেন্ট ডায়াগ্রামের ক্ষেত্রে ঘটে। B) Parabolic — এটিই সঠিক আকৃতি, কারণ সুষমভাবে বিস্তৃত লোডের ক্ষেত্রে শেয়ার ফোর্সের মান দ্বিতীয় মাত্রার বক্ররেখা বা প্যারাবোলা অনুসরণ করে পরিবর্তিত হয়। C) Cubic — কিউবিক বা ত্রিঘাত আকৃতির বক্ররেখা শেয়ার ফোর্স ডায়াগ্রামে আসে যখন লোডটি ত্রিভুজাকার বা রৈখিকভাবে পরিবর্তিত হয়, যা এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: লোড এক ডিগ্রি হলে শেয়ার ফোর্স দুই ডিগ্রি (প্যারাবোলিক) এবং বেন্ডিং মোমেন্ট তিন ডিগ্রি (কিউবিক) হয়।
a one flange, two webs
b two webs
c two flanges, one web
d d) two flanges
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) two flanges, one web কেন সঠিক: - একটি চ্যানেল সেকশন হলো কাঠামোগত স্টিলের একটি বিশেষ রূপ যার প্রস্থচ্ছেদ ইংরেজি বর্ণমালা সি বা ইউ এর মতো দেখায়। - এর গঠন কাঠামোর ভেতরে দুটি সমান্তরাল ফ্ল্যাঞ্জ এবং একটি সংযোগকারী ওয়েব থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) one flange, two webs — এটি চ্যানেল সেকশনের সঠিক গঠন নয় কারণ এতে ফ্ল্যাঞ্জ একটির বদলে দুটি থাকে। B) two webs — এতে দুটি ওয়েব থাকে না, বরং একটিমাত্র কেন্দ্রীয় ওয়েব থাকে যা দুটি ফ্ল্যাঞ্জকে যুক্ত করে। C) two flanges, one web — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর গঠনগত বিবরণ সঠিক। D) d) two flanges — এতে শুধু ফ্ল্যাঞ্জের কথা বলা হয়েছে কিন্তু প্রয়োজনীয় একটি ওয়েব বাদ পড়েছে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি সি আকৃতির চ্যানেল সেকশন মনে রাখতে সি এর দুই মাথাকে দুটি ফ্ল্যাঞ্জ এবং মাঝের অংশকে একটি ওয়েব হিসেবে কল্পনা করুন।
a Vicat
b Casagrande
c Proctor
d কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Vicat কেন সঠিক: - ভিকাট অ্যাপারেটাস সিমেন্টের ইনিশিয়াল ও ফাইনাল সেটিং টাইম এবং নরমাল কনসিস্টেন্সি নির্ণয়ের জন্য বহুল ব্যবহৃত পরীক্ষাগার যন্ত্র। - এতে একটি নির্দিষ্ট প্লাম্ব বা নিডল ব্যবহার করা হয় যা নির্দিষ্ট পরিমাণ পানির মিশ্রণে তৈরি সিমেন্টের ভেদ্যতা পরিমাপ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vicat — এটি সিমেন্টের কনসিস্টেন্সি নির্ণয়ের জন্য সঠিক যন্ত্র। B) Casagrande — এটি মূলত মাটির লিকুইড লিমিট বা তারল্য সীমা নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়। C) Proctor — এটি মাটির ড্রাই ডেনসিটি এবং অপ্টিমাম ময়েশ্চার কন্টেন্ট বা সংকোচন ক্ষমতা নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: সিমেন্টের কনসিস্টেন্সি পরিমাপের জন্য নামের সাথে ভি (Vicat) শব্দটি মনে রাখুন।
a 10-25 kPa
b 25 – 150 kPa
c 150- 400 kPa
d > 400 kPa
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 10-25 kPa কেন সঠিক: - মাটির ধারণ ক্ষমতা বা Unconfined Compressive Strength অনুসারে Very soft clay এর মান ১০ থেকে ২৫ কিলোপাস্কাল হয়ে থাকে। - মৃত্তিকা ও বুয়েটসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অংশে মাটির এই শ্রেণিবিভাগটি বহুবার এসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 10-25 kPa — এটি নির্ধারিত ও সঠিক সীমা যা Very soft clay এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। B) 25 – 150 kPa — এই মানটি Medium থেকে Stiff clay এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, Very soft clay এর জন্য নয়। C) 150- 400 kPa — এই উচ্চ মানটি Very stiff থেকে Hard clay এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। D) > 400 kPa — এই মানটি অত্যন্ত শক্ত বা Hard clay এর জন্য প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: মাটির শক্তিমাত্রা মনে রাখার জন্য ক্রমটি মনে রাখবে। Very soft মাটি সবচেয়ে নরম হয়, তাই এর মান সর্বনিম্ন ১০ থেকে ২৫ কিলোপাস্কাল থাকে।
a 40 mm
b 25 mm
c 50 mm
d 15 mm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 25 mm কেন সঠিক: - রেললাইনের পয়েন্টস এবং ক্রসিং অংশে ছোট আকারের পাথরের টুকরো ব্যবহার করা হয় যাতে নিখুঁত ফিক্সিং এবং টেকিং সম্ভব হয়। - এই নির্দিষ্ট অংশে স্বাভাবিক ব্যালাস্টের চেয়ে ছোট আকারের ২৫ মিলিমিটার সাইজের ব্যালাস্ট দিলে ট্র্যাকের স্থায়িত্ব ও কম্পন নিয়ন্ত্রণ ভালো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 40 mm — এটি সাধারণ মেইন লাইনে ব্যবহৃত ব্যালাস্টের প্রমাণ সাইজ, পয়েন্টস এবং ক্রসিংয়ের জন্য এটি খুব বড়। B) 25 mm — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মাপটি পয়েন্টস এবং ক্রসিংয়ের জন্য বিশেষভাবে নির্ধারিত। C) 50 mm — এটি অত্যন্ত বড় সাইজের ব্যালাস্ট, যা ভারী কাজের জন্য ব্যবহার করা হয় কিন্তু পয়েন্টস এবং ক্রসিংয়ের জন্য অনুপযুক্ত। D) 15 mm — এটি অনেক বেশি ছোট সাইজের নুড়ি, যা পয়েন্টস এবং ক্রসিংয়ে ট্রেনের ভার বহন করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। মনে রাখার টিপস: পয়েন্টস এবং ক্রসিং হলো রেললাইনের সংযোগস্থল, তাই এখানে মাঝারী ছোট মাপের অর্থাৎ ২৫ মিলিমিটার ব্যালাস্ট ব্যবহার করতে হয়।
a CBR test
b Slump test
c Penetration test
d Softening point test
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Penetration test কেন সঠিক: - এই পরীক্ষার মাধ্যমে বিটুমিনের কাঠিন্য বা নরম ভাব পরিমাপ করা হয়। - নির্দিষ্ট ওজনের একটি সূঁচ নির্দিষ্ট সময়ে বিটুমিনের ভেতরে কতটুকু প্রবেশ করে, তার ওপর ভিত্তি করে গ্রেড নির্ধারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) CBR test — এটি মাটির ধারণ ক্ষমতা বা সাব-গ্রেডের শক্তি পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়, বিটুমিনের গ্রেড নির্ণয়ে নয়। B) Slump test — এটি সদ্য প্রস্তুত কংক্রিটের ওয়ার্কাবিলিটি বা সহজপ্রাপ্যতা ও ঘনত্ব পরিমাপের জন্য করা হয়। C) Penetration test — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা বিটুমিনের গ্রেড নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়। D) Softening point test — এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বিটুমিন কতটুকু নরম হয় তা মাপা হয়, তবে গ্রেড নির্ণয়ের প্রধান পরীক্ষা এটি নয়। মনে রাখার টিপস: বিটুমিনের গ্রেড মনে রাখতে 'প্রবেশ' বা Penetration শব্দটি মনে রাখুন, কারণ সূঁচের প্রবেশ মাধ্যমেই গ্রেড নির্ধারিত হয়।
a D₆₀/D₃₀
b D₃₀/D₁₀
c D₆₀/D₁₀
d D₃₀/D₆₀
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) D60/D10 কেন সঠিক: - মৃত্তিকা mechanics বা geotechnical engineering-এ Uniformity coefficient মাটির কণার আকারের সুষমতা নির্দেশ করে। - এটি ৬০ শতাংশ ও ১০ শতাংশ কুঁচকানো বা ছোট কণার diameters-এর অনুপাত হিসেবে হিসাব করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) D60/D30 — এটি Coefficient of curvature নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়, uniformity coefficient নয়। B) D30/D10 — এটি অন্য কোনো নির্দিষ্ট geotechnical অনুপাত নির্দেশ করে না এবং সঠিক সূত্র নয়। C) D60/D10 — এটি Uniformity coefficient-এর সঠিক ও পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক সূত্র। D) D30/D60 — এটি সঠিক সূত্রের উল্টো রূপ, যা মাটির কণার আকার বিতরণে গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Uniformity coefficient মনে রাখতে ৬০ এবং ১০ সংখ্যা দুটি মনে রাখবে, অর্থাৎ উপরে ষাট এবং নিচে দশ।
a 0
b 5
c 10
d 15
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০ কেন সঠিক: - বিওডি বা বায়োকেমিক্যাল অক্সিজেন ডিমান্ড হলো পানিতে থাকা জৈব পদার্থ পচাতে অণুজীবের প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের পরিমাণ। - নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানীয় জলে কোনো জৈব দূষণ বা অণুজীবের উপস্থিতি থাকে না, তাই এর বিওডি শূন্য হতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০ — এটি নিরাপদ পানীয় জলের সঠিক মান নির্দেশ করে কারণ এতে কোনো জৈব দূষণ থাকে না। B) ৫ — এই পরিমাণ বিওডি সাধারণত সামান্য দূষিত জলের ক্ষেত্রে দেখা যায়, যা পানের উপযোগী নয়। সি) ১০ — এই মাত্রার বিওডি মাঝারি ধরনের দূষিত জল নির্দেশ করে, যা মানবস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। ডি) ১৫ — এটি অতিরিক্ত দূষিত জলের মান নির্দেশ করে, যা অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর এবং জলজ প্রাণের জন্যও বিপজ্জনক। মনে রাখার টিপস: বিশুদ্ধ জলের মান শতভাগ ভালো রাখতে বিওডি এর মান সবসময় শূন্য হতে হবে।
a 0.5
b 1
c 0
d 2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ কেন সঠিক: - মৃত্তিকা মেকানিক্সে Void ratio হলো volume of voids এবং volume of solids এর অনুপাত। - প্রশ্নানুসারে volume of voids এবং volume of solids সমান হওয়ায় এদের অনুপাত এক হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.5 — এটি ভুল কারণ void ratio এর মান শূন্য দশমিক পাঁচ হলে শূন্যস্থানের পরিমাণ কঠিন পদার্থের অর্ধেকের সমান হতো। B) 1 — এটি সঠিক কারণ সমান মানের দুটি রাশির ভাগফল সবসময় এক হয়। C) 0 — এটি ভুল কারণ শূন্যস্থান শূন্য না হলে void ratio শূন্য হতে পারে না। D) 2 — এটি ভুল কারণ void ratio এর মান দুই হলে শূন্যস্থানের পরিমাণ কঠিন পদার্থের দ্বিগুণ হতো। মনে রাখার টিপস: Void ratio নির্ণয়ের সূত্রে উপরে voids এবং নিচে solids থাকে, তাই দুটি সমান হলে মান সর্বদা এক হবে।
a Cl₂
b O₃
c ClO₂
d সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো কেন সঠিক: - ক্লোরিন, ওজোন এবং ক্লোরিন ডাইঅক্সাইড প্রতিটি পদার্থই শক্তিশালী জারক হিসেবে পানির ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস ধ্বংস করে। - এই রাসায়নিকগুলো পানি শোধনাগার বা ডিসইনফেকশন প্রক্রিয়ায় বহুল ব্যবহৃত জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cl₂ — এটি একা সঠিক নয় কারণ অন্য অপশনের পদার্থগুলোও সফলভাবে পানির জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে। B) O₃ — এটি একা সঠিক নয় কারণ ক্লোরিন এবং ক্লোরিন ডাইঅক্সাইডও সমানভাবে পানির ডিসইনফেকশনে ব্যবহৃত হয়। C) ClO₂ — এটি একা সঠিক নয় কারণ ক্লোরিন ও ওজোনও এই কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। D) সবগুলো — এই অপশনের সবগুলো উপাদানই পানির জীবাণু ধ্বংস করতে কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: পানির জীবাণুনাশক মনে রাখতে ক্লোরিন ও ওজোনের সাথে ক্লোরিন ডাইঅক্সাইডের নাম মনে রাখুন।
a 25%
b 50%
c 75%
d 100%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 50% কেন সঠিক: - কোহেশনলেস বা কণাভিত্তিক মাটিতে পানির স্তর গ্রাউন্ড সারফেসে উঠে আসলে কার্যকর পীড়ন বা ইফেক্টিভ স্ট্রেস প্রায় অর্ধেক বা ৫০% কমে যায়। - কার্যকর পীড়ন কমে যাওয়ার কারণে মাটির ভার বহন ক্ষমতা বা আল্টিমেট বেয়ারিং ক্যাপাসিটি আনুমানিক ৫০% হ্রাস পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 25% — এটি কম মান নির্দেশ করে, কারণ পানির পূর্ণ উপস্থিতিতে শেয়ার স্ট্রেন্থ এবং বেয়ারিং ক্যাপাসিটি আরও বেশি কমে যায়। B) 50% — এটি সঠিক, কারণ মাটির প্লবতা বা বাইয়েন্সি প্রভাবের কারণে কার্যকর ওজন এবং বেয়ারিং ক্যাপাসিটি অর্ধেকে নেমে আসে। C) 75% — এটি অতিরিক্ত বেশি মান, যা কেবল বিশেষ কিছু কাদামাটি বা অন্য শর্তে প্রযোজ্য হতে পারে, সাধারণ কণাভিত্তিক মাটির জন্য নয়। D) 100% — এটি সম্পূর্ণ ভুল, কারণ পানি চলে আসলেও মাটির নিজস্ব কিছুটা ভার বহন ক্ষমতা বা আংশিক রেজিস্ট্যান্স অবশিষ্ট থাকে। মনে রাখার টিপস: পানির স্তর উপরে উঠলে মাটির ওজন অর্ধেক মনে হবে, তাই বেয়ারিং ক্যাপাসিটি কমবে ৫০%।
a Cement
b Aggregate
c Bitumen
d Concrete
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Concrete কেন সঠিক: - স্লাপ টেস্ট বা Slump Test হলো তাজা বা ফ্রেশ কংক্রিটের ওয়ার্কাবিলিটি বা সহজে কাজ করার ক্ষমতা পরিমাপ করার সবচেয়ে জনপ্রিয় পরীক্ষাকৌশল। - এর মাধ্যমে কংক্রিটের উচ্চতা হ্রাসের পরিমাণ মেপে বোঝা যায় মিশ্রণে পানির অনুপাত ও স্থায়িত্ব ঠিক আছে কি না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cement — এটি কংক্রিটের একটি বাঁধাই উপাদান হলেও এর নিজস্ব ওয়ার্কাবিলিটি পরিমাপে স্লাপ টেস্ট করা হয় না। B) Aggregate — এটি কংক্রিটের দানাদার উপাদান বা খোয়া-বালি, যার গ্রেডেশন বা সাইজ পরীক্ষার জন্য অন্যান্য চালনি পরীক্ষা করা হয়। C) Bitumen — এটি সড়ক নির্মাণে ব্যবহৃত পিচ্ছিল বাঁধাই পদার্থ, যার সামঞ্জস্য বা গ্রেড পরীক্ষার জন্য পেনিট্রেশন ও সফটনিং পয়েন্ট টেস্ট করা হয়। D) Concrete — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্লাপ টেস্ট সরাসরি তাজা কংক্রিটের প্রবাহ ও কর্মক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: স্লাপ টেস্ট মানেই কংক্রিটের কাজের সুগমতা বা ওয়ার্কাবিলিটি মাপা।
a Lenear
b Parabolic
c Cubic
d কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Parabolic কেন সঠিক: - সমভাবে বিস্তৃত লোড বা ইউডিএল এর ক্ষেত্রে শিয়ার ফোর্স ডায়াগ্রাম সরলরেখা হয় এবং এর ইন্টিগ্রেশন বা ক্ষেত্রফল হিসেবে বেন্ডিং মোমেন্ট ডায়াগ্রাম একটি পরাবৃত্ত বা প্যারাবলিক আকার ধারণ করে। - লোড সমভাবে বিস্তৃত থাকার কারণে বেন্ডিং মোমেন্টের সমীকরণে দূরত্বের ওপর ঘাত বা পাওয়ার দুই হয়, যা প্যারাবোলার জ্যামিতিক বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lenear — এটি পয়েন্ট লোড বা কেন্দ্রীভূত বলের ক্ষেত্রে বেন্ডিং মোমেন্ট ডায়াগ্রামের আকৃতি হয়, সমভাবে বিস্তৃত লোডের ক্ষেত্রে নয়। B) Parabolic — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সমভাবে বিস্তৃত লোডের ক্ষেত্রে বেন্ডিং মোমেন্ট ডায়াগ্রামের সঠিক রূপ। C) Cubic — এটি ত্রিভুজাকারে পরিবর্তিত লোডের ক্ষেত্রে বেন্ডিং মোমেন্ট ডায়াগ্রামের আকৃতি হয়, যেখানে দূরত্বের ওপর ঘাত তিন থাকে। D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: লোড সরলরৈখিক হলে শিয়ার ফোর্স সরলরৈখিক এবং বেন্ডিং মোমেন্ট প্যারাবলিক হয়।
a Climate
b Cost of water
c মানুষের দৈহিক গঠন
d সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো কেন সঠিক: - জলবায়ু এবং পানির মূল্য মানুষের দৈনিক পানির চাহিদাকে সরাসরি প্রভাবিত করে, কারণ গরম অঞ্চলে পানি বেশি লাগে এবং দাম বাড়লে ব্যবহার কমে। - মানুষের দৈহিক গঠন এবং জীবনযাত্রার ওপর ভিত্তি করেও পানির চাহিদা পরিবর্তিত হয়, যা পুরোটাই চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Climate — শুধু জলবায়ু পানির চাহিদাকে প্রভাবিত করে না, পানির মূল্য এবং মানুষের দৈহিক গঠনও এর সঙ্গে সমানভাবে জড়িত। B) Cost of water — শুধু পানির খরচ একা পানির চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করে না, এর সঙ্গে জলবায়ু ও অন্যান্য কারণও যুক্ত থাকে। C) মানুষের দৈহিক গঠন — শুধু দৈহিক গঠন নয়, বরং ভৌগোলিক জলবায়ু এবং পানির দামও পানির চাহিদার পরিমাপ নির্ধারণ করে। D) সবগুলো — এই অপশনটি সঠিক কারণ উল্লিখিত প্রতিটি উপাদানই মাথাপিছু পানির চাহিদাকে প্রভাবিত করে। মনে রাখার টিপস: পানির চাহিদার পরিবর্তন বুঝতে আবহাওয়া, পানির দাম এবং মানুষের অভ্যাস বা গঠন এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে মনে রাখতে হবে।
a s > 0
b s > 0
c 0 < s < 100
d 0 ≤ s ≤ 100
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 0 ≤ s ≤ 100 কেন সঠিক: - মাটির ভেতরের শূন্যস্থান বা রন্ধ্রে পানির উপস্থিতির শতকরা হারকে ডিগ্রি অব স্যাচুরেশন বলে। - মাটি সম্পূর্ণ শুষ্ক হলে এর মান শূন্য এবং সম্পূর্ণ পানিতে পূর্ণ থাকলে এর মান একশ শতাংশ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) s > 0 — এটি ভুল কারণ মাটি সম্পূর্ণ শুষ্ক হলে এই মান শূন্য হতে পারে যা এই সীমার বাইরে। B) s > 0 — প্রশ্নপত্রে দুটি একই অপশন রয়েছে এবং এটি শূন্যের সমান হওয়া সম্ভাবনাকে বাদ দেয় যা ভুল। C) 0 < s < 100 — এটি ভুল কারণ মাটি সম্পূর্ণ শুষ্ক বা সম্পূর্ণ সম্পৃক্ত হতে পারে, যার জন্য সমান চিহ্ন জরুরি। D) 0 ≤ s ≤ 100 — এটি সঠিক কারণ এর মান শূন্য থেকে শুরু করে একশ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। মনে রাখার টিপস: মাটি সম্পূর্ণ শুষ্ক হলে মান শূন্য এবং সম্পূর্ণ ভেজা থাকলে একশ শতাংশ হয়।
a 5 mm
b 10 mm
c 15 mm
d 20 mm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 10 mm কেন সঠিক: - বিএনবিসি কোড এবং প্রকৌশল মানদণ্ড অনুযায়ী কলামের ল্যাটারাল টাইসের ব্যাস মূল রডের শক্তির ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়। - প্রমিত নিয়ম অনুসারে ল্যাটারাল টাইসের ন্যূনতম ব্যাস ১০ মিলিমিটারের কম হওয়া প্রকৌশলগতভাবে নিরাপদ নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 5 mm — এটি কাঠামোগত কলামের ল্যাটারাল টাইসের জন্য অত্যন্ত চিকন এবং তা লোড সহ্য করতে ব্যর্থ হয়। B) 10 mm — এটি প্রমিত ন্যূনতম মান যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। C) 15 mm — এটি নির্দিষ্ট কিছু ভারী কলামে ব্যবহার করা হলেও ন্যূনতম ব্যাসের আদর্শ মান হিসেবে এটি সঠিক নয়। D) 20 mm — এটি সচরাচর সাধারণ ল্যাটারাল টাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয় না কারণ এটি অতিরিক্ত ভারী। মনে রাখার টিপস: কলামের ল্যাটারাল টাইসের জন্য মনে রাখুন সংখ্যাটি কমপক্ষে ১০ মিলিমিটার হতে হবে।
a Impact of heavy wheel
b Punching effect
c Improper compaction of sub grade
d সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো কেন সঠিক: - রানওয়ের ওপর ভারী বিমানের চাকার ক্রমাগত আঘাতের কারণে পেভমেন্টে ড্রেপেশন বা অবনমন তৈরি হয়। - সাব-গ্রেডের অনুপযুক্ত বা অপর্যাপ্ত কমপ্যাকশনের কারণে পেভমেন্টের উপরিভাগে ঢেউ খেলানো বা আন্ডুলেশন সৃষ্টি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Impact of heavy wheel — এটি কেবল পেভমেন্টের অবনমনের জন্য দায়ী, কিন্তু সম্পূর্ণ উত্তর নয় কারণ অন্য কারণগুলোও সত্য। B) Punching effect — এটি ভারী লোডের কারণে ঘটে থাকে, তবে একাই রানওয়ের সব ধরনের ত্রুটির জন্য দায়ী নয়। C) Improper compaction of sub grade — এটি আন্ডুলেশনের মূল কারণ, কিন্তু পেভমেন্ট ড্রেপেশনের অন্যান্য কারণও এখানে সঠিক। D) সবগুলো — এটি সঠিক কারণ ভারী চাকার আঘাত, পাঞ্চিং ইফেক্ট এবং অনুপযুক্ত কমপ্যাকশন সবই রানওয়ের ত্রুটির জন্য দায়ী। মনে রাখার টিপস: রানওয়ের ক্ষতি মানেই চাকার আঘাত, পাঞ্চিং এবং মাটির ভুল কমপ্যাকশনের সম্মিলিত ফলাফল।
a 0.9 m³
b 0.94 m³
c 0.98 m³
d 1 m³
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৯ ঘনমিটার কেন সঠিক: - ফ্লোরের ক্ষেত্রফল ১০০ বর্গমিটার এবং পুরুত্ব শূন্য দশমিক শূন্য চার মিটার গুণ করে ভেজা আয়তন বের করা হয়েছে ৪ ঘনমিটার। - সিমেন্ট, বালু ও খোয়ার অনুপাত ১ অনুপাত ২ অনুপাত ৪ অর্থাৎ মোট অনুপাত ৭ এবং শুষ্ক আয়তন বের করতে ভেজা আয়তনকে ১ দশমিক ৫ দিয়ে গুণ করে ৭ দিয়ে ভাগ এবং ১ দিয়ে গুণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.৯ ঘনমিটার — এটি গণনার মাধ্যমে প্রাপ্ত সঠিক সিমেন্টের পরিমাণ। B) ০.৯৪ ঘনমিটার — এটি ভুল হিসাবের ফলে আসা অতিরিক্ত মান যা সঠিক অনুপাতের সাথে মিলে না। C) ০.৯৮ ঘনমিটার — এটি ভুল অনুপատ বা ভুল শুষ্ক আয়তন ধরার কারণে আসা একটি ভুল মান। D) ১ ঘনমিটার — এটি সঠিক হিসাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এটি একটি অনুমাননির্ভর ভুল উত্তর। মনে রাখার টিপস: সিমেন্টের পরিমাণ বের করতে প্রথমে মোট ভেজা আয়তনকে ১ দশমিক ৫ দিয়ে গুণ করে শুষ্ক আয়তন বের করতে হবে এবং অনুপাতের যোগফল দিয়ে ভাগ করতে হবে।
a Tensile zone
b Compressive zone
c Neutral zone এবং tensile zone
d Tensile ও compressive zone
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Tensile ও compressive zone কেন সঠিক: - Doubly reinforced beam-এ কংক্রিটের ধারণক্ষমতা বাড়ানোর জন্য টেনসাইল এবং কম্প্রেসিভ উভয় জোনেই স্টিল রড ব্যবহার করা হয়। - যখন বিমের ওপরের অংশে কম্প্রেসিভ স্ট্রেস এবং নিচের অংশে টেনসাইল স্ট্রেস খুব বেশি হয়, তখন উভয় জোনেই র reinforcement দিতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tensile zone — এটি শুধু singly reinforced beam-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেখানে শুধু নিচের জোনে রড দেওয়া হয়। B) Compressive zone — শুধু এই জোনে রড দিলে বিমের পূর্ণ ভারসাম্য রক্ষা হয় না এবং টেনসাইল জোন দুর্বল থেকে যায়। C) Neutral zone এবং tensile zone — নিউট্রাল জোনে কোনো রড দেওয়া হয় না কারণ সেখানে বেন্ডিং স্ট্রেস শূন্য থাকে। D) Tensile ও compressive zone — এই অপশনটি সঠিক কারণ ডবল রিইনফোর্সড বিমে উভয় জোনেই স্টিল রড দেওয়া বাধ্যতামূলক। মনে রাখার টিপস: Doubly মানে দ্বিগুণ, তাই এই বিমে টেনসাইল এবং কম্প্রেসিভ উভয় জোনেই রড দিতে হয়।
a 1.5 mm
b 8 mm
c 10 mm
d 12 mm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 10 mm কেন সঠিক: - সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং নির্মাণ কাজের মানদণ্ড অনুযায়ী ফাইন এগ্রিগেটের বা মিহি দানাদার উপাদানের সর্বোচ্চ আকার ৪.৭৫ মিলিমিটার ধরা হলেও, অনেক ক্ষেত্রে পরীক্ষা ও স্ট্যান্ডার্ড স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী ১০ মিলিমিটার পর্যন্ত ধরা হয়। - কংক্রিটের মিশ্রণে বালি বা ফাইন এগ্রিগেট হিসেবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে এর সর্বোচ্চ সীমা ১০ মিলিমিটারের বেশি হতে পারে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1.5 mm — এটি ফাইন এগ্রিগেটের সর্বনিম্ন বা খুব সূক্ষ্ম দানার আকার নির্দেশ করে, যা সর্বোচ্চ আকার হতে পারে না। B) 8 mm — এটি ফাইন এগ্রিগেটের প্রচলিত সর্বোচ্চ আকারের মানদণ্ডের সাথে পুরোপুরি মিলে না এবং এটি স্ট্যান্ডার্ড মাপের বাইরে। C) 10 mm — এটি প্রদত্ত প্রশ্ন অনুযায়ী ফাইন এগ্রিগেটের সর্বোচ্চ আকারের সঠিক মান হিসেবে নির্ধারিত। D) 12 mm — এই মাপটি কোর্স এগ্রিগেট বা খোয়ার ছোট আকারের অন্তর্ভুক্ত, যা ফাইন এগ্রিগেটের জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ফাইন এগ্রিগেট বা বালির সর্বোচ্চ আকার মনে রাখতে ১০ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা এর上限 বা সর্বোচ্চ সীমা নির্দেশ করে।
a ত্রিভুজ
b গোলাকার
c বর্গাকার
d আয়তাকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গোলাকার কেন সঠিক: - ট্রাফিক নিয়ম অনুযায়ী বাধ্যতামূলক নির্দেশক বা ম্যান্ডেটরি ট্রাফিক সাইনগুলো সাধারণত গোলাকার আকৃতির হয়ে থাকে। - এই সাইনগুলো রাস্তা ব্যবহারের ক্ষেত্রে চালক ও পথচারীদের জন্য কি করা বাধ্যতামূলক বা নিষিদ্ধ তা নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ত্রিভুজ — ত্রিভুজাকૃતિ সাইনগুলো সাধারণত সতর্কতামূলক নির্দেশ বা সর্তকতার জন্য ব্যবহৃত হয়। B) গোলাকার — এটি সঠিক কারণ বাধ্যতামূলক ট্রাফিক সাইন বুঝাতে গোলাকার আকৃতি ব্যবহার করা হয়। C) বর্গাকার — বর্গাকার বা আয়তাকার আকৃতি সাধারণত তথ্যমূলক বা নির্দেশনামূলক সাইনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। D) আয়তাকার — আয়তাকার সাইনগুলো ড্রাইভারদের বিভিন্ন তথ্য বা দিকনির্দেশনা প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: বাধ্যতামূলক বা ম্যান্ডেটরি সাইন মানেই গোল বৃত্তের ভেতর আদেশ বা নিষেধের নির্দেশ।
a Triangular
b Rectunglar
c Trapezoidal
d Circular
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Trapezoidal কেন সঠিক: - ট্রাপিজয়ডাল সেকশনের হাইড্রলিক রেপাস বা পরিধি সবচেয়ে কম হয়, যার ফলে ঘর্ষণজনিত পানির অপচয় সর্বনিম্ন থাকে। - এই আকৃতিতে পানির প্রবাহের জন্য ক্ষেত্রফল ও ভেজা পরিসীমার অনুপাত সবচেয়ে অনুকূল হওয়ায় একে সবচেয়ে দক্ষ বা এফিশিয়েন্ট ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Triangular — ত্রিভুজাকৃতি সেকশন সাধারণত খুব ছোট নর্দমা বা পরীক্ষামূলক কাজের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি বড় প্রবাহের জন্য দক্ষ নয়। B) Rectunglar — আয়তাকার সেকশনের ভেজা পরিসীমা বেশি থাকায় ঘর্ষণ বাধার কারণে পানির প্রবাহে কার্যকারিতা ট্রাপিজয়ডালের চেয়ে কম হয়। C) Trapezoidal — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং খোলা খালের প্রবাহের জন্য সবচেয়ে কার্যক্ষম জ্যামিতিক আকৃতি। D) Circular — বৃত্তাকার পাইপ পূর্ণ অবস্থায় দারুণ দক্ষ হলেও আংশিক পূর্ণ প্রবাহের ক্ষেত্রে ট্রাপিজয়ডালের মতো উন্মুক্ত চ্যানেলে সর্বোচ্চ দক্ষতা দিতে পারে না। মনে রাখার টিপস: খোলা খালের ক্ষেত্রে ট্রাপিজয়ডাল আকৃতি সবচেয়ে বেশি পানি সহজে বহন করতে পারে।
a End support
b Intermediate support
c (ক) ও (খ)
d span এর মধ্যবিন্দুতে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (ক) ও (খ) কেন সঠিক: - একটি স্ল্যাব যখন একাধিক স্প্যানের উপর বিস্তৃত থাকে, তখন এন্ড সাপোর্টের উপরে নেগেটিভ বেন্ডিং মোমেন্ট তৈরি হয়। - একই সঙ্গে ইন্টারমিডিয়েট বা মধ্যবর্তী সাপোর্টগুলোর উপরেও নেগেটিভ বেন্ডিং মোমেন্ট বা হগিং মোমেন্ট সৃষ্টি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) End support — এটি একা সঠিক নয় কারণ ইন্টারমিডিয়েট সাপর্টেও নেগেটিভ মোমেন্ট উৎপন্ন হয়। B) Intermediate support — এটি একা সঠিক নয় কারণ এন্ড সাপর্টেও নেগেটিভ মোমেন্ট থাকে। C) (ক) ও (খ) — এটি সঠিক কারণ একাধিক স্প্যানের স্ল্যাবে এন্ড এবং ইন্টারমিডিয়েট উভয় সাপোর্টে নেগেটিভ মোমেন্ট হয়। D) span এর মধ্যবিন্দুতে — এই স্থানে সাধারণত পজিটিভ বেন্ডিং মোমেন্ট বা স্যাগিং মোমেন্ট তৈরি হয়, নেগেটিভ নয়। মনে রাখার টিপস: একাধিক স্প্যানের কন্টিনিউয়াস স্ল্যাবের ক্ষেত্রে সাপোর্টগুলোর উপরে সর্বদা নেগেটিভ বেন্ডিং মোমেন্ট এবং স্প্যানের মাঝখানে পজিটিভ বেন্ডিং মোমেন্ট কাজ করে।
a 0
b 4
c 2
d 10
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 0 কেন সঠিক: - ক্রিটিক্যাল অ্যাক্টিভিটি হলো প্রজেক্টের এমন কাজগুলোর সিকোয়েন্স, যা প্রজেক্টের মোট সময় নির্ধারণ করে এবং এতে কোনো ধরনের বিলম্ব সহ্য করা যায় না। - মোট ফ্লোট বা টোটাল ফ্লোট হলো কোনো কাজ তার নির্ধারিত সময় থেকে কতদিন বেশি সময় নিতে পারে তা, কিন্তু ক্রিটিক্যাল অ্যাক্টিভিটির ক্ষেত্রে এই অতিরিক্ত সময় বা ফ্লোটের পরিমাণ শূন্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0 — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্রিটিক্যাল অ্যাক্টিভিটির ক্ষেত্রে কোনো অতিরিক্ত বা বাফারিং সময় থাকে না। B) 4 — এটি ভুল কারণ ফ্লোটের মান চার হলে কাজটি ক্রিটিক্যাল অ্যাক্টিভিটি হিসেবে বিবেচিত হতো না। C) 2 — এটি ভুল কারণ দুই মানটি নির্দেশ করে কাজটি সময় পেছানোর সুযোগ আছে, যা ক্রিটিক্যাল পথের নিয়মের বিপরীত। D) 10 — এটি ভুল কারণ দশ মানটি একটি নন-ক্রিটিক্যাল বা সাধারণ কাজের ফ্লোট নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ক্রিটিক্যাল মানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তাই সেখানে কোনো অতিরিক্ত সময় বা ফ্লোট থাকে না, মান সবসময় শূন্য হবে।
a 6 mm
b 8 mm
c 10 mm
d 12 mm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ মিমি কেন সঠিক: - বিএনবিসি কোড অনুযায়ী আরসিসি কলামের মূল রডের ন্যূনতম ব্যাস ১০ মিলিমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। - কলামের ওপর আসা ভার নিরাপদে বহনের জন্য কমপক্ষে ১০ মিলিমিটার বা তার বেশি ব্যাসের রড ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ মিমি — ৬ মিলিমিটার ব্যাসের রড খুবই চিকন হওয়ায় কলামের মূল রড হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী নয়। B) ৮ মিমি — ৮ মিলিমিটার রড সাধারণত স্ল্যাব বা ছোট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়, কলামের মূল রডের জন্য এটি পর্যাপ্ত নয়। C) ১০ মিমি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং কলামের মূল রডের ন্যূনতম মান। D) ১২ মিমি — ১২ মিলিমিটার রড কলামে ব্যবহার করা যায়, তবে এটি ন্যূনতম মান নয় বরং পরবর্তী মাপের রড। মনে রাখার টিপস: কলাম মানেই ভার বহন, তাই মূল রড হতে হবে অন্তত ১০ মিলিমিটার।
a Single time estimate
b Double time estimate
c Triple time estimate
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Single time estimate কেন সঠিক: - CPM বা Critical Path Method এ কাজের সময় হিসাব করার জন্য একটিমাত্র নির্দিষ্ট সময় বা Single time estimate ব্যবহার করা হয়। - এটি নিশ্চিত কাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যেখানে কাজের সময় আগে থেকেই নির্দিষ্ট থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Single time estimate — এটি সঠিক কারণ CPM পদ্ধতিতে প্রতিটি কাজের জন্য নির্দিষ্ট একটি সম্ভাব্য সময় ধরা হয়। B) Double time estimate — এটি ভুল কারণ CPM এ দুটি সময়ের হিসাব ব্যবহার করা হয় না। C) Triple time estimate — এটি ভুল কারণ তিনটি সময়ের হিসাব বা optimistic, most likely ও pessimistic সময় কেবল PERT পদ্ধতিতে ব্যবহার করা হয়। D) কোনটিই নয় — এটি ভুল কারণ সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: CPM মানে মনে রাখুন সিঙ্গল টাইম এবং PERT মানে তিনটি টাইম বা ট্রিপল টাইম।
a Light construction
b Heavy construction
c Industrial construction
d কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Heavy construction কেন সঠিক: - এয়ারপোর্ট বা বিমানবন্দর নির্মাণ একটি বিশাল ও জটিল প্রকল্প, যা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ভারী কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত। - রানওয়ে, ট্যাক্সিওয়ে এবং টার্মিনাল ভবন নির্মাণে ভারী যন্ত্রপাতি ও বিশাল বিনিয়োগ প্রয়োজন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Light construction — হালকা নির্মাণ বলতে সাধারণত ছোট আবাসিক বাড়ি বা সাধারণ কাঠামোগত কাজকে বোঝায়, বিমানবন্দর এর আওতাভুক্ত নয়। B) Heavy construction — বিমানবন্দর নির্মাণ এই ক্যাটাগরির জন্যই সঠিক কারণ এটি বড় আকারের অবকাঠামোগত প্রকল্প। C) Industrial construction — এটি মূলত কারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র বা ভারী উৎপাদনশীল শিল্প স্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত, বিমানবন্দর এর অংশ নয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বিশাল আকৃতির রানওয়ে ও টার্মিনাল দেখে মনে রাখবে বিমানবন্দর নির্মাণ হলো হেভি বা ভারী কনস্ট্রাকশন।
a ১.৫ মিটার
b ২.৫ মিটার
c ২ মিটার
d ৩ মিটার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১.৫ মিটার কেন সঠিক: - নির্মাণ ও প্রকৌশল বিধিমালা অনুযায়ী কর্মীর নিরাপত্তার জন্য ১.৫ মিটার বা তার বেশি উচ্চতায় কাজের ক্ষেত্রে স্ক্যাফোল্ডিং ব্যবহার বাধ্যতামূলক। - এর কম উচ্চতায় সাধারণত মই বা সাধারণ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হলেও, দেড় মিটার বা তার বেশি উচ্চতায় পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে বলে স্ক্যাফোল্ডিং তৈরি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১.৫ মিটার — এটি নিরাপদ কাজের উচ্চতার মানদণ্ড এবং এই উচ্চতা থেকেই স্ক্যাফোল্ডিং নির্মাণ বাধ্যতামূলক করা হয়। B) ২.৫ মিটার — এই উচ্চতা অনেক বেশি এবং দেড় মিটার উচ্চতাতেই যেখানে স্ক্যাফোল্ডিং লাগে, সেখানে আড়াই মিটার উত্তর হিসেবে সঠিক নয়। C) ২ মিটার — দুই মিটার উচ্চতায় অবশ্যই স্ক্যাফোল্ডিং লাগে, তবে নিয়ম অনুযায়ী এর সর্বনিম্ন মানদণ্ড শুরু হয় ১.৫ মিটার থেকে। D) ৩ মিটার — তিন মিটার উচ্চতা অনেক বেশি এবং এই মানদণ্ডটি প্রশ্নোক্ত নির্মাণ নিরাপত্তার প্রাথমিক সীমার সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: দেড় মিটার বা ১.৫ মিটার উচ্চতা হলো নিরাপত্তার প্রাথমিক মাপকাঠি, যার উপরে উঠলেই স্ক্যাফোল্ডিং লাগবে।
a depression
b Hillock
c plan surface
d জলাধার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Hillock কেন সঠিক: - ভূগোল ও মানচিত্রবিদ্যায় ক্লোজড কনটুর বা আবদ্ধ সমোন্নতি রেখায় কেন্দ্রের দিকে মান বৃদ্ধি পেলে তা উঁচু পাহাড়ি ভূত্বক বা হিলক নির্দেশ করে। - এটি ভূমিরূপের এমন একটি ঢালকে বোঝায় যা চারপাশের নিচু ভূমি থেকে ক্রমান্বয়ে ওপরের দিকে উঁচু হয়ে চূড়া বা টিলার রূপ নেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) depression — ক্লোজড কনটুরে যদি ভেতরের দিকে মান কমতে থাকে, তবে তা অবনমিত ভূমি বা ডিপ্রেশন নির্দেশ করে। B) Hillock — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) plan surface — সমতল ভূমিতে কনটুর রেখাগুলোর মান সমান থাকে এবং নির্দিষ্ট ব্যবধানে সমান্তরালভাবে বিস্তৃত হয়। D) জলাধার — জলাধারের ক্ষেত্রে সাধারণত ভেতরের দিকে মান কমে যায় কারণ এটি চারপাশ থেকে নিচু স্থান হয়। মনে রাখার টিপস: কনটুর রেখায় কেন্দ্রে মান বাড়লে পাহাড় বা হিলক আর কেন্দ্রে মান কমলে খাদ বা ডিপ্রেশন হয়।
a 1.15
b 1.25
c 1.5
d 1.75
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 1.5 কেন সঠিক: - আয়তাকার বা Rectangular বিমের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শিয়ার স্ট্রেস এবং গড় শিয়ার স্ট্রেসের অনুপাত সবসময় ১.৫ বা ৩÷২ হয়। - বিমের নিরপেক্ষ অক্ষ বরাবর শিয়ার স্ট্রেসের মান সবচেয়ে বেশি হয় এবং এটি গড় শিয়ার স্ট্রেসের দেড় গুণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1.15 — এই মানটি বিমের শিয়ার স্ট্রেসের সাথে সম্পর্কিত নয় এবং এটি একটি ভুল উত্তর। B) 1.25 — এই মানটি বৃত্তাকার বা Circular বিমের সর্বোচ্চ ও গড় শিয়ার স্ট্রেসের অনুপাত ৪÷৩ এর কাছাকাছি, আয়তাকার বিমের জন্য নয়। C) 1.5 — এটি সঠিক উত্তর কারণ আয়তাকার বিমের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ও গড় শিয়ার স্ট্রেসের অনুপাত ১.৫। D) 1.75 — এই মানটি অন্য কোনো বিশেষ জ্যামিতিক আকৃতির বিমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে, আয়তাকার বিমের জন্য নয়। মনে রাখার টিপস: আয়তাকার বিমের ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে সর্বোচ্চ শিয়ার স্ট্রেস গড় স্ট্রেসের দেড় গুণ বা ১.৫ গুণ হয়।
a column head
b panel
c Drop
d Capital
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Drop কেন সঠিক: - ফ্ল্যাট স্ল্যাবে কলামের ওপরের অংশে শিয়ার স্ট্রেস বা পাঞ্চিং শেয়ার প্রতিরোধ করার জন্য স্ল্যাবের পুরুত্ব বৃদ্ধি করা হয়, যা ড্রপ প্যানেল বা সংক্ষেপে ড্রপ নামে পরিচিত। - এটি স্ল্যাবের ডেড লোড ও লাইভ লোডের চাপ কলামে নিরাপদে স্থানান্তর করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) column head — এটি কলামের ওপরের বর্ধিত অংশ, যা ড্রপ বা ক্যাপিটালের সাথে যুক্ত থাকে কিন্তু স্ল্যাবের পুরু অংশ নির্দেশ করে না। B) panel — এটি কলামগুলোর মধ্যবর্তী পুরো স্ল্যাব প্যানেলকে বোঝায়, কলামের চারপাশের নির্দিষ্ট পুরু অংশকে নির্দেশ করে না। C) Drop — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি কলামের চারপাশে স্ল্যাবের পুরু অংশকে নির্দেশ করে। D) Capital — এটি কলামের মাথা বা ওপরের অংশ যা চওড়া হয়, স্ল্যাবের ভেতরের পুরু অংশ নয়। মনে রাখার টিপস: স্ল্যাবের যে অংশটি ড্রপ বা নিচে ঝুলে থাকে এবং কলামের চারপাশে মোটা হয়, তাকে ড্রপ বলা হয়।
a HCO
b OH
c CO₂
d সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো কেন সঠিক: - পানিতে মূলত বাইকার্বোনেট, কার্বোনেট এবং হাইড্রোক্সাইড আয়ন থাকার কারণে ক্ষারত্ব বা অ্যালক্যালিনিটি তৈরি হয়। - পানিতে থাকা কার্বন ডাই অক্সাইড দ্রবীভূত হয়ে কার্বনেট ও বাইকার্বোনেট আয়ন উৎপন্ন করে ক্ষারত্বের সৃষ্টি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) HCO - এটি বাইকার্বোনেট আয়ন নির্দেশ করে, যা পানির ক্ষারত্বের একটি প্রধান উৎস হওয়ায় একা সম্পূর্ণ সঠিক উত্তর নয়। B) OH - এটি হাইড্রোক্সাইড আয়ন নির্দেশ করে, যা পানির ক্ষারত্বের আরেকটি উৎস হওয়ায় একা সম্পূর্ণ সঠিক উত্তর নয়। C) CO₂ - এটি কার্বন ডাই অক্সাইড নির্দেশ করে, যা পানিতে ক্ষারত্ব সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখায় একা সম্পূর্ণ সঠিক উত্তর নয়। D) সবগুলো - এই অপশনে উল্লেখিত সবকটি উপাদানই পানির ক্ষারত্বের জন্য দায়ী বিধায় এটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: পানির ক্ষারত্ব মনে রাখতে বাইকার্বোনেট, হাইড্রোক্সাইড এবং কার্বন ডাই অক্সাইডের উপস্থিতি একসঙ্গে মনে রাখতে হবে।
a Flash and fire point
b Penetration
c Setting time
d Los Angeles Abrasion
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Los Angeles Abrasion কেন সঠিক: - এটি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা যার মাধ্যমে সড়ক নির্মাণে ব্যবহৃত খোয়া বা এগ্রিগেটের ঘর্ষণ প্রতিরোধ ক্ষমতা মাপা হয়। - এই পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায় এগ্রিগেট ট্রাফিকের চাপে কত দ্রুত ভেঙে গুঁড়ো হয়ে যাবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Flash and fire point — এটি বিটুমিন বা তেলের তাপমাত্রা নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়, এগ্রিগেটের জন্য নয়। B) Penetration — এটি বিটুমিনের গ্রেড বা কঠিনতার মাত্রা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়, এগ্রিগেটের জন্য নয়। C) Setting time — এটি মূলত সিমেন্টের জমার বাঁধার সময় নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়, এগ্রিগেটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) Los Angeles Abrasion — এটি এগ্রিগেটের ঘর্ষণ ও ক্ষয় সাধনের হার মাপার সঠিক পরীক্ষা। মনে রাখার টিপস: এগ্রিগেট বা খোয়া পরীক্ষার নাম এলেই লস অ্যাঞ্জেলেস অ্যাব্রেশন পরীক্ষাটি মাথায় রাখবে।
a ক্লোরাইড
b Electrical conductivity
c Alkalinity
d (ক) ও (খ)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (ক) ও (খ) কেন সঠিক: - প্রাকৃতিক জলে দ্রবীভূত লবণের পরিমাণ পরিমাপের জন্য ক্লোরাইডের উপস্থিতি সরাসরি পরীক্ষা করা হয় কারণ এটি প্রধান উপাদান। - পানিতে দ্রবীভূত লবণের কারণে বিদ্যুৎ পরিবাহিতা বা Electrical conductivity বৃদ্ধি পায়, তাই এটি দিয়েও লবণাক্ততা মাপা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্লোরাইড — এটি শুধু লবণাক্ততার একটি উপাদান বা সূচক, কিন্তু একা অন্যান্য লবণের উপস্থিতি মাপে না বিধil এটি এককভাবে সঠিক নয়। B) Electrical conductivity — এটি পানির লবণাক্ততা নির্ণয়ের একটি নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি হলেও এটি একমাত্র পদ্ধতি নয়। C) Alkalinity — এটি পানিতে অ্যাসিড neutralize করার ক্ষমতা নির্দেশ করে, যা লবণাক্ততার সরাসরি পরিমাপ নয়। D) (ক) ও (খ) — এই অপশনে ক্লোরাইড এবং বৈদ্যুতিক পরিবাহিতা উভয়কেই সঠিক বলা হয়েছে, যা বিজ্ঞানসম্মতভাবে সত্য। মনে রাখার টিপস: পানির লবণাক্ততা মনে রাখতে ক্লোরাইড আয়ন এবং তড়িৎ পরিবাহিতা বা কারেন্ট প্রবাহের এই দুটি প্রধান সূচক একসঙ্গে মনে রাখুন।
a Compressive zone
b Tensile zone
c Neutral zone
d Tensile ও compressive উভয় zone-এ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Tensile zone কেন সঠিক: - কংক্রিট সংকোচনে বা কম্প্রেশনে অত্যন্ত শক্তিশালী হলেও টেনশনে বা টানে খুবই দুর্বল হয়। - তাই সিঙ্গলি রিইনফোর্সড বিমে টেনশন বল সহ্য করার জন্য শুধুমাত্র নিউট্রাল অক্ষের নিচের দিকে বা টেনসাইল জোনে রড বা রিইনফোর্সমেন্ট দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Compressive zone — এই অঞ্চলে কংক্রিট একা চাপ বা কম্প্রেশন নিতে সক্ষম হওয়ায় সিঙ্গলি রিইনফোর্সড বিমে অতিরিক্ত রড দেওয়া হয় না। B) Tensile zone — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) Neutral zone — এই অঞ্চলে শিয়ার ও বেন্ডিং স্ট্রেস শূন্য বা কম থাকে বলে এখানে প্রধান রিইনফোর্সমেন্ট দেওয়া হয় না। D) Tensile ও compressive উভয় zone-এ — উভয় জোনে রড দেওয়া হলে তাকে ডাবলি রিইনফোর্সড বিম বলা হয়, সিঙ্গলি রিইনফোর্সড বিম নয়। মনে রাখার টিপস: কংক্রিট চাপে শক্তিশালী আর টানে দুর্বল, তাই টান বা টেনশন বল সামলাতেই টেনসাইল জোনে রড দেওয়া হয়।