সঠিক উত্তর: A) লবণ
১. কেন সঠিক:
বাংলা বানানরীতির প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী যেসব তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে 'ণ' ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে, তা তৎসম শব্দের বিধান অনুসারে চলে। তবে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক তদ্ভব ও দেশি শব্দে স্বভাবতই 'ণ' না হয়ে 'ন' হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম শব্দে মূর্ধন্য ণ এর ব্যবহার থাকলেও তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দে সবসময় দন্ত্য ন ব্যবহৃত হয়। লবণ একটি তদ্ভব শব্দ, তাই এর বানানে দন্ত্য ন এর ব্যবহার সঠিক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভবন
ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ হওয়ায় এর বানানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: পবন
ব্যাখ্যা: এটিও একটি তৎসম শব্দ এবং এর সঠিক বানানে মূর্ধন্য ণ এর পরিবর্তে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লবণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তদ্ভব শব্দ হিসেবে এখানে দন্ত্য ন ব্যবহৃত হয়েছে।
B) পবণ — এটি ভুল বানান কারণ পবন শব্দে মূর্ধন্য ণ বা ভুল বর্ণ যুক্ত করা হয়েছে।
C) ভবণ — এটি ভুল বানান কারণ ভবন শব্দের সঠিক বানানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়।
D) মগণ — এটি একটি ভুল বানান এবং বাংলা ভাষায় এই রূপটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
তদ্ভব ও দেশি শব্দে সবসময় দন্ত্য ন হয় এবং লবণ শব্দটি তদ্ভব হওয়ায় এতে দন্ত্য ন বসে। তৎসম শব্দ চেনার মাধ্যমে এই ধরনের বানান সহজে মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ভব ও তৎসম শব্দের বানান প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে। শব্দের উৎস জানলে বানানের ভুল এড়ানো সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: D) জসীম উদ্দীন
১. কেন সঠিক:
'চলে মুসাফির' ভ্রমণমূলক গ্রন্থটির রচয়িতা পল্লিকবি জসীম উদ্দীন।
গ্রন্থটিতে লেখকের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা ও স্মৃতিকথা সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
জসীম উদ্দীন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক যিনি পল্লিপ্রকৃতি ও মানুষের জীবন ফুটিয়ে তুলেছেন।
তার এই ভ্রমণকাহিনিতে বাংলার গ্রামীণ সংস্কৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা অত্যন্ত সহজ ভাষায় চিত্রিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হলদে বরের ফুল
ব্যাখ্যা: এটি জসীম উদ্দীনের লেখা একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি যা তার ভ্রমণ সাহিত্যের অনন্য নিদর্শন।
উদাহরণ ২: যে দেশে মানুষ বড়
ব্যাখ্যা: এটিও জসীম উদ্দীনের রচিত একটি জনপ্রিয় ভ্রমণকাহিনিমূলক গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক এবং সবুজ পত্র পত্রিকার সম্পাদক, তবে এই ভ্রমণগ্রন্থটির রচয়িতা নন।
B) মুনীর চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও শিক্ষাবিদ যিনি রক্তকরবী ও কবর নাটকের জন্য পরিচিত, এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
C) সেলিনা হোসেন — তিনি একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক যিনি যাপিত জীবন উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত, এই বইটির লেখক নন।
D) জসীম উদ্দীন — প্রদত্ত সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই বিখ্যাত ভ্রমণমূলক গ্রন্থটির সফল রচয়িতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
পল্লিপ্রকৃতির কবি জসীম উদ্দীনের গ্রামীণ জীবনের পাশাপাশি ভ্রমণসাহিত্যেও বিশেষ অবদান রয়েছে।
চলে মুসাফির বইটি দেখলেই জসীম উদ্দীনের ভ্রমণপ্রীতির কথা মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকদের ভ্রমণকাহিনি বা আত্মজীবনী থেকে প্রশ্ন আসে।
জসীম উদ্দীনের অন্যান্য ভ্রমণকাহিনি যেমন জলের বাঁধন এবং চলে মুসাফির নামগুলো বারবার চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ওঙ্কার
১. কেন সঠিক:
- আহমদ ছফা রচিত ওঙ্কার উপন্যাসটি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং বাঙালির ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে পাকিস্তানি শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালির প্রতিবাদ এবং মানুষের ভেতরের শক্তি ও চেতনার প্রতীক হিসেবে ওঙ্কার বা প্রতিবাদের স্বরকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আহমদ ছফা বাংলাদেশের প্রগতিশীল সাহিত্য ধারার এক অন্যতম প্রধান কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক ও চিন্তাবিদ যিনি সমাজ ও রাজনীতির বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন।
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং তৎকালীন রাজনৈতিক পটভূমি এই উপন্যাসের মূল ভিত্তি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আলাউদ্দিন আল আজাদের ক্ষুধা ও আশা
ব্যাখ্যা: এটিও ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস।
উদাহরণ ২: শওকত ওমানের প্রদোশ প্রাকৃতজন
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটিতেও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের চমৎকার চিত্রায়ন রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওঙ্কার — এটি আহমদ ছফা রচিত গণঅভ্যুত্থান নির্ভর উপন্যাস এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে এটি পুরোপুরি মিলে যায়।
B) খাঁচায় — এটি হাসান আজিজুল হকের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প বা উপন্যাসিকা যার প্রেক্ষাপট ভিন্ন।
C) চৌচির — এটি রাহাত খান রচিত একটি উপন্যাস যা ভিন্ন সামাজিক ও পারিবারিক সংকটের ওপর ভিত্তি করে লেখা।
D) সময় — এটি সমরেশ বসু বা অন্য কোনো লেখকের ভিন্ন বিষয়ের উপন্যাস যা গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ছফার ওঙ্কার কথাটি মনে রাখলেই সহজে উত্তর করা যাবে কারণ ছফা মানেই প্রতিবাদী চেতনা এবং ওঙ্কার অর্থ প্রতিবাদের স্বর।
- গণঅভ্যুত্থান বললে ষাট দশকের শেষভাগের রাজনৈতিক আন্দোলন এবং আহমদ ছফার এই লব্ধপ্রতিষ্ঠ উপন্যাসটি মাথায় রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের উপন্যাস প্রায়ই আসে তাই লেখক ও পটভূমি একসঙ্গে পড়তে হবে।
- একই লেখকের অন্য বিখ্যাত রচনাগুলো যেমন সূর্য তুমি সাথি বা যদ্যপি আমার গুরু ভালোভাবে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
- খোকা বাবুর প্রত্যাবর্তন ছোটগল্পটির রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক ও প্রথম সার্থক ছোটগল্পকার হিসেবে পরিচিত।
- জমিদার পরিবার ও গ্রামীণ জীবনের পটভূমিতে রচিত এই গল্পে মানব মনের জটিল অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেনাপাওনা
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত ছোটগল্প যা সমাজ সংস্কার ও যৌতুক প্রথার বিরুদ্ধে রচিত।
উদাহরণ ২: সমাপ্তি
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মনস্তাত্ত্বিক ও নারী চরিত্রের মনস্তত্ত্বভিত্তিক একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ মুজতবা আলী — তিনি একজন প্রখ্যাত রম্যলেখক ও প্রাবন্ধিক হলেও এই ছোটগল্পটি তার লেখা নয়।
B) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি প্রগতিশীল ধারার কথাসাহিত্যিক হলেও এই গল্পের রচয়িতা তিনি নন।
C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর।
D) হাসান আজিজুল হক — তিনি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক এবং এই গল্পের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- খোকা বাবুর মতো বিখ্যাত সব ছোটগল্পের রাজপুত্র হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প মনে রাখতে ছোট প্রাণ ছোট ব্যথা ছোট ছোট দুঃখ কথা লাইনটি মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্পগুলো বারবার বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- লেখকের নাম ও গল্পের নাম জোড়ায় জোড়ায় মুখস্থ না করে গল্পের মূল থিম মনে রাখা পরীক্ষার জন্য বেশি সহায়ক।
সঠিক উত্তর: B) বড়ু চণ্ডীদাস
১. কেন সঠিক:
- বড়ু চণ্ডীদাস মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য'-এর রচয়িতা।
- 'বড়ু' হলো তার উপাধি বা নাম, যা রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বিষয়ক এই একমাত্র প্রামাণিক কাব্যটিতে পাওয়া যায়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্ব4বিনোদ ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের এক গোয়ালঘর থেকে এই পুঁথি আবিষ্কার করেন।
- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় কাব্যটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বৈষ্ণব পদাবলী
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা, যেখানে শ্রীকৃষ্ণের প্রেমের গান রচিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মনসামঙ্গল কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের একটি জনপ্রিয় ধারা, যা দেবতা মনসার পূজা প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনন্ত চণ্ডীদাস — ইনি মধ্যযুগের অন্য একজন কবি যার ভণিতায় কিছু পদ পাওয়া যায় কিন্তু তিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা নন।
B) বড়ু চণ্ডীদাস — এই অপশনটি সঠিক এবং এটিই প্রশ্নের উত্তর।
C) দ্বিজ চণ্ডীদাস — ইনি চণ্ডীদাস নামের অপর একজন কবি যিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য রচনা করেননি।
D) দীন চণ্ডীদাস — ইনিও চণ্ডীদাস নামক একজন ভিন্ন কবি যার রচনা শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের অন্তর্ভুক্ত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের শুরুতে বড়ু চণ্ডীদাসের নাম পাওয়া যায় বলে তাকেই এর রচয়িতা মনে রাখতে হবে।
- মধ্যযুগের আদি নিদর্শন মানেই বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের আবিষ্কারক ও প্রকাশকাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- মধ্যযুগের সাহিত্যের ক্ষেত্রে কবির নাম ও কাব্যের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) 'সদুক্তিকর্ণামৃত' এ
১. কেন সঠিক:
- 'সদুক্তিকর্ণামৃত' হলো সংস্কৃত ভাষায় রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য-সংকলন যেখানে বাঙালি কবিদের শ্লোক বা পদ সংকলিত হয়েছে।
- সেন রাজবংশের রাজত্বকালে সংকলিত এই গ্রন্থে প্রাচীন বাংলার বহু কবির পংক্তি স্থান পেয়েছে যা আমাদের প্রাচীন সাহিত্যিক ইতিহাসের এক অমূল্য দলিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শ্রীমধর দাস বা শ্রীমদাদাস কর্তৃক ১২০৫ খ্রিস্টাব্দে 'সদুক্তিকর্ণামৃত' সংকলনটি সংস্কৃত ভাষায় রচিত হয়।
- এই গ্রন্থে প্রায় চারশো জন কবির চার হাজারের বেশি শ্লোক বা মুক্তক কবিতা সংকলিত রয়েছে যা মধ্যযুগের প্রাক্কালে বাংলা অঞ্চলের সাহিত্যচর্চার প্রমাণ দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম নিদর্শন যা বৈষ্ণব পদাবলীর উৎস সন্ধানে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: চর্যপদ
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য-সংকলন যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের দ্বারা রচিত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 'গীতগোবিন্দ'-তে — এটি জয়দেব রচিত সংস্কৃত কাব্য হলেও এটি কোনো সংকলন গ্রন্থ নয়, বরং রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বিষয়ক একটি একক কাব্য।
B) 'প্রাকৃতপৈঙ্গল' এ — এটি প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষায় রচিত একটি ছন্দ বিষয়ক গ্রন্থ, যা বাংলা ভাষার আদি রূপের নির্দেশক হলেও এটি সংস্কৃত ভাষায় রচিত কাব্য-সংকলন নয়।
C) 'কবীন্দ্রবচন' এ — এটি সঠিক নাম নয় এবং এটি কোনো প্রসিদ্ধ সংস্কৃত কাব্য-সংকলন হিসেবে পরিচিতি লাভ করেনি।
D) 'সদুক্তিকর্ণামৃত' এ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সংস্কৃত ভাষায় রচিত এবং এতে বাঙালি কবিদের শ্লোক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সংস্কৃত ভাষায় রচিত হলেও বাঙালি কবিদের শ্লোক সমৃদ্ধ কাব্য-সংকলন মানেই 'সদুক্তিকর্ণামৃত'।
- সেন যুগের এই গ্রন্থটির নাম মনে রাখলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ সম্পর্কিত প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সেন রাজবংশের সময়কালে রচিত এবং শ্রীধর দাস সংকলিত গ্রন্থটির নাম প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্য-সংকলনগুলোর রচয়িতা এবং ভাষার নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) রাগের মাথায় কিছু করো না
১. কেন সঠিক:
- 'মাথা' শব্দের একটি বিশেষ অর্থ হলো সময় বা সুযোগ।
- বাক্যটিতে রাগের সময় বা ক্রোধের মুহূর্তে কিছু না করার উপদেশ দেওয়া হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় 'মাথা' শব্দটি অঙ্গবাচক হলেও বহু অর্থে প্রযুক্ত হয়।
- প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে শব্দের নানা অর্থে ব্যবহারের চমৎকার নিদর্শন এটি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাথা গরম কোরো না।
ব্যাখ্যা: এখানে 'মাথা' শব্দের অর্থ মেজাজ বা ধৈর্য।
উদাহরণ ২: মাথা থেকে কথাটা ফেলে দাও।
ব্যাখ্যা: এখানে 'মাথা' অর্থ স্মৃতি বা মন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাস্তার চৌমাথায় — এখানে 'মাথা' শব্দটি রাস্তার সংযোগস্থল বা প্রান্ত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
B) আমার খুব মাথা ব্যথা করছে — এখানে 'মাথা' শরীরের একটি অঙ্গ হিসেবে আক্ষরিক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
D) সকাল বেলায় গাছের মাথায় আলো — এখানে 'মাথা' বলতে গাছের ওপরের অংশ বা চূড়া বোঝানো হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আবেগের আতিশয্য বোঝাতে 'মাথা' যখন মুহূর্ত বা সময় নির্দেশ করে, তখন তা সময় অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- বাক্য পড়ার সময় শব্দটির অন্তর্নিহিত ভাব লক্ষ করলে সঠিক অর্থ সহজে বোঝা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুর্থক শব্দের প্রয়োগ খুব কমন একটি টপিক।
- একই শব্দ বিভিন্ন বাক্যে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, তাই বাক্যভেদে অর্থ চেনার অভ্যাস রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
১. কেন সঠিক:
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং গ্রামীণ জনপদে এর ভয়াবহ প্রভাব নিয়ে রচিত।
- কাব্যনাট্য হলো এমন একটি সাহিত্যকর্ম যা কবিতার ছন্দে রচিত হলেও তাতে নাটকের মতো চরিত্র, সংলাপ ও দ্বন্দ্ব থাকে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- নাটকটির রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত নাট্যকার ও কবি সৈয়দ শামসুল হক।
- এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত সফল এবং জনপ্রিয় কাব্যনাট্য হিসেবে ব্যাপকভাবে সমাদৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নুরুলদীনের সারাজীবন
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হকের লেখা একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক কাব্যনাট্য।
উদাহরণ ২: ইর্ষা
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি উল্লেখযোগ্য কাব্যনাট্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবার তোরা মানুষ হ — এটি খান আতাউর রহমান পরিচালিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র, কোনো কাব্যনাট্য নয়।
B) অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী — এটি আনিসুল হকের লেখা একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, কাব্যনাট্য নয়।
C) চরকাকঁড়ার ডকুমেন্টারি — এটি কোনো প্রমিত মুক্তিযুদ্ধনির্ভর কাব্যনাট্য হিসেবে বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত নয়।
D) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সৈয়দ শামসুল হক মানেই পায়ের শব্দ অর্থাৎ কাব্যনাট্য। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য বললে সবার আগে পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নামটি মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যে কাব্যনাট্যের ধারা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্যগুলো প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। নাটকের পাশাপাশি এর গদ্যরূপ ও কাব্যরূপের পার্থক্য সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) উদাসীন পথিকের মনের কথা
১. কেন সঠিক:
- মীর মশাররফ হোসেনের একটি বিখ্যাত আত্মজৈবনিক উপন্যাস হলো উদাসীন পথিকের মনের কথা।
- এই উপন্যাসে তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের নানা শোষণ, অবিচার ও বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের ত্রয়োদশ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার।
- তাঁর রচিত বিষাদ সিন্ধু মহাকাব্যিক উপন্যাস হিসেবে বাংলা সাহিত্যে সর্বাধিক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ
ব্যাখ্যা: এটি নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রচিত তাঁর একটি প্রতিবাদী নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উদাসীন পথিকের মনের কথা — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি মীর মশাররফ হোসেনের রচনা।
B) মুচিরাম গুড়ের আত্মকথা — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাসিকা।
C) হাঁসুলী বাকের উপকথা — এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত আঞ্চলিক উপন্যাস।
D) ইতিহাসের পরের কথা — এটি কোনো পরিচিত মানসম্মত সাহিত্যকর্ম বা লেখকের প্রধান গ্রন্থ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মীর মশাররফ হোসেনের আত্মজীবনমূলক উপন্যাস মনে রাখতে উদাসীন প্রতীক হিসেবে তাঁর নাম মনে রাখতে পারো।
- তাঁর নামের সঙ্গে বিষাদ সিন্ধু ও জমিদার দর্পণ রচনাগুলোও মনে রাখা জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঔপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেনের গ্রন্থ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- অন্যান্য লেখকের বিখ্যাত আত্মজীবনী বা উপন্যাসগুলোও আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) শাহ মুহম্মদ সগীর
১. কেন সঠিক:
- 'ইউসুফ-জোলেখা' বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম বা অন্যতম প্রাচীন প্রণয়োপাখ্যান এবং এর রচয়িতা শাহ মুহম্মদ সগীর।
- সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে তিনি এই বিখ্যাত কাব্যটি রচনা করেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শাহ মুহম্মদ সগীর মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সুলতানি আমলের (গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের শাসনকাল) শ্রেষ্ঠ কবিদের একজন।
- ফারসি কবি জামির 'ইউসুফ-জোলেখা' কাহিনীর অবলম্বনে তিনি বাংলায় এই আখ্যান কাব্যটি রচনা করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শাহ মুহম্মদ সগীর রচিত 'ইউসুফ-জোলেখা' কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের রচিত প্রথম ও জনপ্রিয় প্রণয়মূলক কাব্যগুলোর একটি।
উদাহরণ ২: মধ্যযুগের অপর প্রণয়োপাখ্যান সয়ফুল মুলুক বদিউজ্জামান।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যটি রচনা করেন আলাওল, যা মধ্যযুগের সাহিত্যধারার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দৌলত উজির বাহরাম খাঁ — তিনি ষোড়শ শতকের কবি এবং তার বিখ্যাত রচনা 'লায়লী-মজনু'।
B) পণ্ডিতকবি আলাওল — তিনি সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের শ্রেষ্ঠ কবি এবং তার বিখ্যাত সৃষ্টি 'পদ্মাবতী'।
D) সেনাপতি দৌলত কাজী — তিনি আরাকান রাজসভার কবি এবং তার বিখ্যাত কাব্য 'সতী ময়না ও লোর-চন্দ্রাবাণী'।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইউসুফ ও জোলেখা কাহিনীর প্রথম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর, এভাবে মনে রাখতে পারো যে সবচেয়ে প্রাচীন বা প্রথম কাজ করেছেন সগীর।
- মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের আদি নিদর্শন হিসেবে এই গ্রন্থটির নাম বিশেষভাবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের প্রথম কাব্য বা কবি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- কবি শাহ মুহম্মদ সগীর কোন আমলের কবি এবং তার পৃষ্ঠপোষক কে ছিলেন, তা ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) প্রকৃতি
১. কেন সঠিক:
শব্দ বা পদের মূল অংশকে ব্যাকরণের পরিভাষায় প্রকৃতি বলা হয়। এটি এমন একটি মৌলিক একক, যার সঙ্গে বিভক্তি বা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ বা পদ গঠিত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
প্রকৃতি মূলত দুই প্রকার, যেমন নাম প্রকৃতি বা প্রাতিপদিক এবং ক্রিয়া প্রকৃতি বা ধাতু। শব্দের মূল অংশকে ভেঙে বা বিশ্লেষণ করে এই মৌলিক রূপটি নির্ণয় করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চলন্ত শব্দের প্রকৃতি হলো চল ধাতু।
ব্যাখ্যা: এখানে চল হলো ক্রিয়া মূল বা প্রকৃতি, যার সঙ্গে অন্ট প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ঢাকা শব্দের প্রকৃতি হলো ঢাকা নাম প্রকৃতি।
ব্যাখ্যা: এটি একটি নির্দিষ্ট স্থানের নাম এবং এর কোনো ভাঙা রূপ নেই, তাই এটি নাম প্রকৃতি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিভক্তি — বিভক্তি শব্দের মূল নয়, বরং শব্দকে পদে পরিণত করার জন্য শব্দের সঙ্গে যা যুক্ত হয়।
B) প্রকৃতি — এটি সঠিক কারণ শব্দের মূল অংশকে প্রকৃতি বলা হয়।
C) প্রত্যয় — প্রত্যয় প্রকৃতির পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, এটি নিজে শব্দের মূল নয়।
D) অব্যয় — অব্যয় হলো পদের একটি শ্রেণি, যার কোনো পরিবর্তন হয় না এবং এটি শব্দের মূল নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
শব্দের মূল মানেই প্রকৃতি এবং ধাতুর মূল হলো ক্রিয়ার প্রকৃতি। প্রকৃতি মানেই মূল বা উৎস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দ বিশ্লেষণ থেকে প্রশ্ন আসে। প্রকৃতি ও প্রত্যয় ভালোভাবে বুঝতে পারলে ব্যাকরণের বহু প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) পঞ্চসঙ্গী
১. কেন সঠিক:
- শওকত ওসমান কিশোরদের উপযোগী করে বেশ কিছু গ্রন্থ রচনা করেছেন যার মধ্যে 'পঞ্চসঙ্গী' অন্যতম।
- প্রশ্নটিতে কিশোর সাহিত্যের একজন খ্যাতিমান লেখকের একটি নির্দিষ্ট কিশোর গ্রন্থ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শওকত ওসমান বাংলা সাহিত্যের একজন প্রথিতযশা কথাসাহিত্যিক যিনি মূলত উপন্যাস ও ছোটগল্পের জন্য পরিচিত।
- তিনি বড়দের সাহিত্য ছাড়াও ছোটদের জন্য কিশোর উপযোগী গল্প ও উপন্যাস রচনা করে বাংলা কিশোর সাহিত্যে বিশেষ অবদান রেখেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শওকত ওসমানের রচিত কিশোর উপন্যাস 'মশা ও অন্যান্য'।
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি বিখ্যাত কিশোর উপযোগী সাহিত্যকর্ম যা কিশোর পাঠকদের মধ্যে বেশ সমাদৃত।
উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের রচিত আরেকটি কিশোর গ্রন্থ 'আম ও জাম'।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিও কিশোরদের মনস্তত্ত্ব ও বিনোদনের কথা মাথায় রেখে রচিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিজিবিজি — এটি উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর একটি বিখ্যাত শিশুতোষ ও কিশোর উপযোগী রচনা, শওকত ওসমানের নয়।
B) পঞ্চসঙ্গী — এটি শওকত ওসমানের রচিত কিশোরদের জন্য গ্রন্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
C) চিঁচিংফাঁক — এটি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত কিশোর উপন্যাস, শওকত ওসমানের গ্রন্থ নয়।
D) কানামামা — এটি আহসান হাবীবের একটি জনপ্রিয় কিশোর সাহিত্যকর্ম, শওকত ওসমানের লেখা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শওকত ওসমানের বড়দের উপন্যাসের পাশাপাশি ছোটদের জন্য 'পঞ্চসঙ্গী' বইটি মনে রাখতে হবে।
- লেখকের নামের সাথে কিশোর গ্রন্থের নাম মেলানোর জন্য বারবার অনুশীলন করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের কিশোর সাহিত্য বা শিশুতোষ গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- মূল ধারার লেখকের ভিন্নধর্মী রচনাগুলো আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত।
সঠিক উত্তর: D) চৌচির
১. কেন সঠিক:
চৌচির শব্দটি কর্মধারয় সমাসঘটিত শব্দ। বিশেষণের সঙ্গে বিশেষ্যের বা বিশেষ্যের সঙ্গে বিশেষ্যের যে সমাস হয় এবং যেখানে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে বোঝায়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এখানে চৌ (চার) এবং চির (চির বা ফাটল) মিলে চারদিক বা সবদিক চচির বা চৌচির বোঝানো হয়েছে। এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত, যেখানে বিশৃঙ্খল বা পূর্ণ অবস্থাকে বোঝাতে বিশেষণের ব্যবহার হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নীলপদ্ম
ব্যাখ্যা: নীল যে পদ্ম, এটি একটি সাধারণ কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে পদ্ম বিশেষ্য এবং নীল বিশেষণ।
উদাহরণ ২: বিষাদসিন্ধু
ব্যাখ্যা: বিষাদ রূপ সিন্ধু, এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মৌচাক — এটি মৌ (মধু) আশ্রিত চাক, অর্থাৎ অধিকরণ তৎপুরুষ সমাস।
B) সেতার — এটি সে (তিন) তার আছে যার, অর্থাৎ বহুব্রীহি সমাস।
C) ধোঁয়াশা — এটি ধোঁয়া ও আচ্ছন্নতা বোঝায়, যা দ্বন্দ্বে বা অন্য সমাসে পড়ে।
D) চৌচির — এটি কর্মধারয় সমাসের সঠিক উদাহরণ।
৫. মনে রাখার টিপস:
কর্মধারয় সমাসে সাধারণত একটি পদ বিশেষণ এবং অপর পদ বিশেষ্য হয়। চৌচির শব্দটিতে অবস্থা বোঝাতে কর্মধারয় সমাস হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাস নির্ণয়ের জন্য শব্দের ব্যাসববাক্য ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয়।
সঠিক উত্তর: C) অঙ্গনা
১. কেন সঠিক:
- 'অঙ্গনা' শব্দের অর্থ নারী, অবলা বা স্ত্রীলোক। প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডারে এটি নারীবাচক বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের জন্য শব্দের মূল অর্থ ও প্রচলিত ব্যবহার জানা অত্যন্ত জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি, যেগুলো ভিন্ন বানান ও উচ্চারণের হলেও অর্থের দিক থেকে একই বা প্রায় একই ভাব প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম ও তদ্ভব শব্দে নারীর বিভিন্ন সমার্থক শব্দ পাওয়া যায়, যার মধ্যে অঙ্গনা একটি সুন্দর ও বহুল প্রচলিত তৎসম শব্দ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কামিনী
ব্যাখ্যা: এটি নারীর আরেকটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম সমার্থক শব্দ যা বিভিন্ন কাব্যে পাওয়া যায়।
উদাহরণ ২: ললনা
ব্যাখ্যা: ললনা শব্দের অর্থও নারী বা সুন্দরী স্ত্রীলোক, যা অঙ্গনা শব্দের সমার্থক হিসেবে কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অঙ্গনা — মূল প্রশ্নে অপশনে বারবার থাকার কারণে এটি সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে, তবে বর্ণ বিন্যাসে কিছুটা পুনরাবৃত্তি ঘটেছে।
B) কঙ্কণা — এই শব্দের অর্থ হাতের বালা বা চুড়ি, যা নারী বা মহিলা শব্দের সমার্থক নয়।
C) অঙ্গনা — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ নারী বা মহিলা।
D) বঙ্গনা — এই নামে বাংলায় কোনো প্রমিত বা অর্থপূর্ণ শব্দ বা সমার্থক শব্দ নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অঙ্গনা মানে অবয়ব বা অঙ্গযুক্ত নারী, এভাবে মনে রাখতে পারো যে অঙ্গনা শব্দটি নারীর রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- সমার্থক শব্দ পড়ার সময় তৎসম ও প্রাকৃত রূপগুলো আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়লে দ্রুত মনে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নারী, সূর্য, চাঁদ, পৃথিবী ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দগুলো বারবার আসে।
- প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম মেনে সমার্থক শব্দগুলোর বানান ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে যাতে পরীক্ষার হলে কনফিউশন তৈরি না হয়।
সঠিক উত্তর: B) উহ্য
১. কেন সঠিক:
- স্পষ্ট শব্দের অর্থ যা সহজে দৃশ্যমান, বোধগম্য বা ব্যক্ত করা হয়েছে।
- এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে এমন শব্দ প্রয়োজন যা অদৃশ্য, লুক্কায়িত বা অপ্রকাশিত বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য শব্দের ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
- স্পষ্ট শব্দের ক্ষেত্রে এর ভাবগত বিপরীত শব্দ হিসেবে উহ্য শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষয়টি সবার কাছে স্পষ্ট করা হলো।
ব্যাখ্যা: এখানে স্পষ্ট শব্দটি কোনো কিছু পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করার অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ব্যাকরণে কিছু পদ উহ্য থাকে।
ব্যাখ্যা: এখানে উহ্য শব্দটি যা দৃশ্যমান নয় বা প্রকাশ করা হয়নি এমন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রাহ্য — গ্রাহ্য শব্দের অর্থ যা গ্রহণ করার যোগ্য, এর বিপরীত অর্থ অগ্রাহ্য বা বর্জনীয়।
B) উহ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ যা প্রকাশ করা হয়নি বা অদৃশ্য।
C) সহ্য — সহ্য শব্দের অর্থ সহ্য করা বা বরদাস্ত করা, এর বিপরীত অর্থ অসহ্য।
D) গুহ্য — গুহ্য শব্দের অর্থ গোপন বা রহস্যময়, যা স্পষ্ট শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- স্পষ্ট মানে যা দেখা যায়, আর উহ্য মানে যা লুকিয়ে থাকে বা প্রকাশ করা হয় না।
- বিপরীতার্থক শব্দ মনে রাখতে শব্দের মূল ভাব বা অর্থের দিকে মনোযোগ দিতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করতে নিয়মিত বিপরীত শব্দ চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) নামহীন গোত্রহীন
১. কেন সঠিক:
- নামহীন গোত্রহীন হলো বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন।
- এই গ্রন্থে মুক্তিযুদ্ধকালীন সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগ, কষ্ট ও বীরত্বের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- নামহীন গোত্রহীন গল্পগ্রন্থটির রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের নির্মমতা এবং মানবজীবনের ওপর তার প্রভাব এই গ্রন্থের মূল বিষয়বস্তু।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জলাঙ্গি
ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা গ্রামীণ জীবনের ওপর রচিত।
উদাহরণ ২: জাহান্নাম হইতে বিদায়
ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রামাণ্য উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুধেভাতে উৎপাত — এটি সেলিনা হোসেনের লেখা একটি উপন্যাস হলেও সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের প্রভাবে রচিত গল্পগ্রন্থ নয়।
C) অরক্ষিত জনপদ — এটি শহীদ কাদরীর কাব্যগ্রন্থ, ছোটগল্প গ্রন্থ নয় এবং এর মূল সুর ভিন্ন।
D) অবিনাশী আয়োজন — এটি কোনো প্রসিদ্ধ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গল্পগ্রন্থ হিসেবে বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গল্প মানেই নামহীন গোত্রহীন।
- লেখকের নাম ও গ্রন্থের বিষয়বস্তু একত্রে মিলিয়ে পড়লে পরীক্ষা সহজে উত্তর করা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্ম থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- শওকত ওসমান মূলত তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ও গল্পের জন্য বাংলা সাহিত্যে বিশেষভাবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: B) লোকরহস্য
১. কেন সঠিক:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'লোকরহস্য' একটি বিখ্যাত কৌতুক রসাত্মক ও ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধ গ্রন্থ।
- এই গ্রন্থে সমাজজীবনের নানা অসঙ্গতি ও মানবস্বভাবের ত্রুটি হালকা চালে কিন্তু তীক্ষ্ণ উপহাসের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হলেও তিনি প্রাবন্ধিক হিসেবেও অত্যন্ত উর্বর ও প্রতিভাবান ছিলেন।
- তাঁর সাহিত্যকর্মগুলোকে মূলত উপন্যাস, প্রবন্ধ এবং ধর্ম ও সমাজ বিষয়ক রচনা হিসেবে ভাগ করা যায়, যার মধ্যে লোকরহস্য একটি বিশেষ ধারার সৃষ্টি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কমলাকান্তের দপ্তর
ব্যাখ্যা: এটিও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক ও রম্য রচনা, যেখানে নেশাগ্রস্ত কমলাকান্তের জবানীতে সমাজের নানা রূপ উন্মোচিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মুচিরাম গুড়ের জীবনচরিত
ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্রের এটি একটি চমৎকার কৌতুক ও ব্যঙ্গাত্মক রচনা, যা অযোগ্য ব্যক্তির পদোন্নতি ও সমাজজীবনের দুর্নীতির ওপর লেখা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরিব্রাজক — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচনা নয়, বরং এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনীমূলক প্রবন্ধ গ্রন্থ।
B) লোকরহস্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল কারণ ও ব্যাখ্যা পূর্বে দেওয়া হয়েছে।
C) নিভৃতচিন্তা — এটি কালীপ্রসন্ন ঘোষের একটি বিখ্যাত দার্শনিক ও চিন্তামূলক প্রবন্ধ গ্রন্থ, বঙ্কিমচন্দ্রের নয়।
D) রত্নরহস্য — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোনো মৌলিক রচনা বা কৌতুক রসের গ্রন্থ হিসেবে বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বঙ্কিমচন্দ্রের কৌতুক বা রম্য রচনার কথা মনে রাখতে লোকরহস্য এবং কমলাকান্তের দপ্তর নাম দুটি একসাথে মনে রাখতে পারো।
- বঙ্কিমচন্দ্র মানেই শুধু গম্ভীর উপন্যাস নয়, তাঁর লেখায় সমাজের কৌতুক রূপও প্রকাশ পেয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্রের প্রবন্ধ গ্রন্থগুলো উপন্যাসের মতো প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- লোকরহস্য এবং কমলাকান্তের দপ্তর হলো তাঁর প্রধান রম্য বা কৌতুক রসের গ্রন্থ, যা মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) বেতালপঞ্চবিংশতি
১. কেন সঠিক:
- বেতালপঞ্চবিংশতি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত একটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ যা ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি মূলত হিন্দি বেতাল পচ্চীসী অবলম্বনে রচিত এবং এর মূল উৎস সংস্কৃত বেদালপঞ্চবিংশতি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যসাহিত্যের প জনক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি গদ্যে যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার প্রবর্তন করেন।
- তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য মৌলিক ও অনূদিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে শকুনতলা সীমার বনবাস ও কথামালা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শকুন্তলা
ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত একটি অন্যতম বিখ্যাত পৌরাণিক গদ্যগ্রন্থ যা ১৮৫৪ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: সীতার বনবাস
ব্যাখ্যা: এটি বিদ্যাসাগর রচিত আরেকটি জনপ্রিয় অনূদিত গদ্যগ্রন্থ যা ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেতালপঞ্চবিংশতি - এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত গ্রন্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
B) ওরিয়েন্টাল - এটি বিদ্যাসাগর রচিত কোনো গ্রন্থ নয় এবং এটি পরীক্ষার জন্য অপ্রাসঙ্গিক একটি অপশন।
C) ইংরেজি বাংলা শব্দকোষ - এটি বিদ্যাসাগরের সাহিত্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত নয় বরং এটি একটি অভিধান সম্পর্কিত গ্রন্থ।
D) রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র - এটি রামরাম বসু রচিত একটি ঐতিহাসিক গদ্যগ্রন্থ যা ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিদ্যাসাগরের অনুবাদের ক্ষেত্রে মনে রাখতে পারো যে তাঁর প্রথম গদ্যগ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতি প্রকাশিত হয় ১৮৪৭ সালে।
- তাঁর রচিত গ্রন্থগুলো মূলত অনুবাদ হলেও সেগুলোর ভাষা ছিল অত্যন্ত মার্জিত ও প্রমিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্যাসাগরের প্রথম গ্রন্থ এবং তাঁর মৌলিক রচনার প্রকাশকাল প্রায়ই আসে।
- রামরাম বসুর রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র এবং বিদ্যাসাগরের বেতালপঞ্চবিংশতি গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: C) আপণ
১. কেন সঠিক:
স্বতঃসিদ্ধ বা স্বভাবতই 'ণ' ব্যবহারের মাধ্যমে 'আপণ' শব্দটি গঠিত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী স্বভাবতই কিছু শব্দের বানান মূর্ধন্য-ণ দ্বারা গঠিত হয়, যেখানে কোনো ষত্বত্ব বা ণত্ব বিধানের সাধারণ নিয়ম কাজ করে না।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দে স্বভাবতই বা স্বতঃসিদ্ধভাবে মূর্ধন্য-ণ বসে। এসব ক্ষেত্রে সাধারণত ঋ, র, ষ এর পরের নিয়ম বা ট-বর্গীয় ধ্বনির আগের নিয়ম কার্যকর হয় না, বরং শব্দগুলো জন্মগতভাবেই মূর্ধন্য-ণ যুক্ত হয়ে প্রচলিত আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাণক্য
ব্যাখ্যা: চাণক্য শব্দটি স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ যুক্ত একটি তৎসম শব্দ যেখানে কোনো নিয়মের অপেক্ষা রাখে না।
উদাহরণ ২: মানিক্য
ব্যাখ্যা: মানিক্য শব্দের মতো অনেক তৎসম শব্দে স্বভাবগত কারণেই মূর্ধন্য-ণ এর ব্যবহার দেখা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কারণ — এই শব্দটিতে ণত্ব বিধানের নিয়ম অনুসারে র-এর পরে মূর্ধন্য-ণ যুক্ত হয়েছে, তাই এটি স্বতঃসিদ্ধ নয়।
B) বারণ — এই শব্দটিতেও র-এর পরে নিয়ম মেনে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহৃত হয়েছে, স্বভাবসিদ্ধভাবে নয়।
C) আপণ — এটি সঠিক কারণ এই শব্দটিতে কোনো সাধারণ নিয়ম কাজ না করে স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ বসেছে।
D) রাবণ — এই শব্দটিতে র-এর পরে নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য-ণ যুক্ত হয়েছে, তাই এটি স্বতঃসিদ্ধ অপূণাঙ্গ নিয়ম নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ যুক্ত শব্দগুলো সহজে মনে রাখার জন্য চাণক্য, মানিক্য, অপণ, বিপণ এই শব্দগুলো বারবার চর্চা করতে পারো। নিয়ম না খুঁজে এই বিশেষ শব্দগুলো মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য নিরাপদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ এবং নিয়মসিদ্ধ মূর্ধন্য-ণ এর পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই কোন শব্দগুলো স্বভাবসিদ্ধ আর কোনগুলো নিয়মের অধীন তা আলাদা করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) কৃষ্ণকুমারী
১. কেন সঠিক:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত 'কৃষ্ণকুমারী' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক।
রাজস্থানের ইতিহাসের একটি করুণ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই নাটকটি রচিত হয়েছে বলে এটি ইতিহাস-আশ্রিত নাটক হিসেবে পরিচিত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা নাট্যসাহিত্যে আধুনিকতার প্রবক্তা এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
তার এই নাটকটি রাজস্থানের মেওয়ারের রাজকন্যা কৃষ্ণকুমারীর জীবনের ট্র্যাজিক পরিণতি নিয়ে রচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শর্মিষ্ঠা
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম নাটক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক নাটক।
উদাহরণ ২: পদ্মাবতী
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি পৌরাণিক নাটক যেখানে গ্রিক মিথের প্রভাব রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেণীসংহার — এটি মূলত ভট্টনারায়ণ রচিত একটি সংস্কৃত নাটক, মধুসূদন দত্তের নাটক নয়।
B) কীর্তিবিলাস — এটি যোগেশচন্দ্র গুপ্ত রচিত একটি নাটক, যা মধুসূদনের সাহিত্যকর্ম নয়।
C) মালতীমাধব — এটি ভবভূতি রচিত একটি বিখ্যাত সংস্কৃত নাটক, যা মধুসূদন দত্ত রচনা করেননি।
D) কৃষ্ণকুমারী — এটি মধুসূদন দত্ত রচিত ইতিহাস-আশ্রিত নাটক এবং সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধুসূদন দত্তের একমাত্র ট্র্যাজেডি নাটকের নাম মনে রাখতে 'কৃষ্ণকুমারী' শব্দটির ট্র্যাজিক পরিণতি মাথায় রাখতে পারো।
তার নাটকগুলো মনে রাখার কৌশল হলো শর্মিষ্ঠা দিয়ে শুরু করে পদ্মাবতী হয়ে কৃষ্ণকুমারীতে ট্র্যাজেডির সমাপ্তি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক কোনটি, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
ইতিহাস-আশ্রিত বা রাজস্থানের ইতিহাস নিয়ে রচিত নাটক বললে সবসময় 'কৃষ্ণকুমারী' উত্তর হিসেবে বেছে নিতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) Abstract
কেন সঠিক:
- 'infancy' শব্দটির অর্থ শৈশব, যা মানুষের জীবনের একটি সময় বা অবস্থার নাম।
- এটি ধরা, ছোঁয়া বা দেখা যায় না, কেবল অনুভব করা যায়, তাই এটি Abstract Noun.
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Common — Common Noun হলো এমন নাম যা একজাতীয় সবাইকে বোঝায়, কিন্তু 'infancy' কোনো বস্তু বা প্রাণীর নাম নয়।
B) Abstract — এই অপশনটি সঠিক কারণ শৈশব একটি অদৃশ্য অবস্থা বা গুণবাচক নাম।
C) Material — Material Noun হলো উপাদানবাচক বিশেষ্য, যা দিয়ে কোনো বস্তু তৈরি হয়, কিন্তু 'infancy' কোনো উপাদান নয়।
D) Collective — Collective Noun হলো সমষ্টিবাচক বিশেষ্য, যা একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টি বোঝায়, কিন্তু 'infancy' কোনো সমষ্টির নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব নাউন ধরা বা ছোঁয়া যায় না, শুধু অনুভব করা যায় এবং শেষে hood, ness, ship, cy ইত্যাদি থাকে, সেগুলো সাধারণত Abstract Noun হয়।
সঠিক উত্তর: A) the cheaper
কেন সঠিক:
- নির্দিষ্ট করে দুটির মধ্যে তুলনা বোঝালে কম্পারেটিভ ডিগ্রির পূর্বে আর্টিকেল দ্য বসে।
- এই নিয়মের কারণে এখানে সঠিক উত্তর হবে দ্য চিপার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the cheaper — এটি সঠিক উত্তর কারণ দুটির মধ্যে তুলনা বোঝাতে দ্য এবং কম্পারেটিভ ফর্ম বসে।
B) the cheapest — এটি ভুল কারণ সুপারলেটিভ ডিগ্রি সাধারণত দুইয়ের অধিক বিষয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
C) the cheap — এটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট করার জন্য দি থাকলেও এখানে কোনো তুলনামূলক রূপ বা ডিগ্রি ব্যবহার করা হয়নি।
D) cheap — এটি ভুল কারণ এর পূর্বে কোনো আর্টিকেল নেই এবং এটি পজিটিভ ফর্ম যা তুলনা বোঝাতে অনুপযুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
দুটির মধ্যে তুলনা করতে সবসময় কম্পারেটিভ ডিগ্রির আগে দ্য বসে।
সঠিক উত্তর: C) been
কেন সঠিক:
- কোনো স্থানে ভ্রমণ করে আবার ফিরে আসার অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে Present Perfect টেন্সে have বা has এর পরে go verb এর Past Participle হিসেবে been বসে।
- প্রশ্নটিতে কোথাও যাওয়ার অভিজ্ঞতা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই been সঠিক রূপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) went — এটি go verb এর Past Form, যা Present Perfect টেন্সে have এর পরে সরাসরি বসতে পারে না।
B) gone — কোনো স্থানে গিয়ে বর্তমানেও সেখানে অবস্থান করার ক্ষেত্রে gone বসে, কিন্তু এখানে ফিরে আসার অভিজ্ঞতা বোঝানো হয়েছে।
C) been — এটিই সঠিক উত্তর, কারণ এটি অতীতে কোথাও ঘুরে আসার অভিজ্ঞতা নির্দেশ করে।
D) go — এটি verb এর Base Form, যা have এর পরে বসে ব্যাকরণগতভাবে ভুল বাক্য গঠন করে।
মনে রাখার টিপস:
কোথাও ঘুরে এসেছ কি না বোঝাতে have এর পরে been বসে আর চিরতরে চলে যাওয়া বোঝাতে gone বসে।
সঠিক উত্তর: C) they
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণে 'it' হলো তৃতীয় পুরুষ বা থার্ড পারসন এবং একবচন বা সিঙ্গুলার প্রোনাউন।
- 'it' প্রোনাউনের বহুবচন বা প্লুরাল ফর্ম হলো 'they', যা প্রাণী, বস্তু বা অনেক ক্ষেত্রে ইতর প্রাণীর বহুবচনে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) its — এটি 'it' এর পসেসিভ বা অধিকারবাচক রূপ, কোনো বহুবচন রূপ নয়।
B) it's — এটি 'it is' বা 'it has' এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যা একটি সংকোচন।
C) they — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
D) those — এটি ডেমোনস্ট্রেটিভ প্রোনাউন বা অ্যাডজেক্টিভ, যা 'it' এর প্লুরাল ফর্ম নয়।
মনে রাখার টিপস:
'It' শব্দের বহুবচন সবসময় 'They' হয়, যেমন 'He' বা 'She' এর বহুবচনও 'They' হয়ে থাকে।
সঠিক উত্তর: A) despite
কেন সঠিক:
- Despite একটি Preposition, যার অর্থ সত্ত্বেও এবং এরপরে কোনো Preposition বা of বসে না।
- এখানে Despite-এর পর সরাসরি noun phrase 'cold weather' বসে বাক্যটিকে সঠিক গঠন দিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) despite — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর পরে সরাসরি Noun বসে এবং কোনো of প্রয়োজন হয় না।
B) in spite — এটি ভুল কারণ in spite-এর পর অবশ্যই of বসাতে হয়, যা এখানে অনুপস্থিত।
C) besides — এটি ভুল কারণ besides অর্থ অতিরিক্ত কিছু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে বিপরীত ভাব প্রকাশ করে না।
D) although — এটি ভুল কারণ although একটি Conjunction এবং এর পর একটি Subject ও Verb থাকতে হয়।
মনে রাখার টিপস:
Despite-এর সাথে কখনো of বসে না, কিন্তু in spite-এর সাথে অবশ্যই of বসে।
সঠিক উত্তর: C) has increased
কেন সঠিক:
- Subject-verb agreement-এর নিয়ম অনুযায়ী 'The number of' দ্বারা গঠিত Subject-টি singular হিসেবে গণ্য হয়।
- Subject singular হওয়ায় এর পরবর্তী verb-টি singular (has increased) হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) have increased — 'The number of' এর পর plural noun থাকলেও verb singular হয়, তাই এখানে have ব্যবহার করা ভুল।
B) have been increased — বাক্যটি passive অর্থ প্রকাশ করছে না এবং subject singular হওয়ায় have ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) has increased — এটি সঠিক উত্তর কারণ subject singular হওয়ায় singular verb বসেছে।
D) is increased — এটি passive form নির্দেশ করে, কিন্তু ছাত্ররা নিজেরা সংখ্যায় বৃদ্ধি পাচ্ছে না বরং সংখ্যাটি বৃদ্ধি পেয়েছে, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
The number of এর পর verb সবসময় singular হয়, কিন্তু A number of এর পর verb plural হয়।
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ
প্রদত্ত সঠিক উত্তর: C) The
(বিঃদ্রঃ প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। 'heir' শব্দটি countable noun এবং এর উচ্চারণ vowel sound দিয়ে শুরু হলেও এখানে নির্দিষ্ট কোনো উত্তরাধিকার বোঝাতে নির্দিষ্ট আর্টিকেল বসবে না, বরং possessive pronoun বা context অনুযায়ী অন্য আর্টিকেল বসতে পারে। তবে প্রথাগত বাক্যটিতে 'the king left his heir' বা নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ নিয়মে 'no article' বা নির্দিষ্ট অর্থে 'the' ব্যবহৃত হয় না। এখানে সঠিক উত্তর হবে D) No article অথবা possessive pronoun। তবে প্রচলিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রেক্ষাপটে বিশেষ নিয়মে 'The' ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাধারণত নির্দিষ্ট করে কোনো সিংহাসনের উত্তরাধিকার বোঝাতে 'the' সঠিক ধরা হয়।)
কেন সঠিক:
- 'Heir' শব্দের অর্থ উত্তরাধিকারী, যা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে নির্দেশ করার কারণে Definite Article গ্রহণ করতে পারে।
- বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করতে এবং রাজবংশের নির্দিষ্ট উত্তরাধিকারী বোঝাতে এই নির্দিষ্টতা প্রযোজ্য হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a — 'Heir' শব্দের শুরুতে vowel letter থাকায় এবং উচ্চারণ vowel sound-এর মতো হওয়ায় indefinite article 'a' বসবে না।
B) An — উচ্চারণ 'এয়ার' (air) হওয়ায় এর শুরুতে consonant sound উচ্চারিত হয়, তাই এখানে নিয়ম অনুযায়ী 'an' বসবে না।
C) The — প্রদত্ত উত্তর অনুযায়ী এটি সঠিক হলেও ব্যাকরণগতভাবে এটি সব সময় প্রযোজ্য নয়, নির্দিষ্ট বিশেষ প্রেক্ষাপটে এটি সঠিক হতে পারে।
D) No article — অনেক ব্যাকরণবিদের মতে এখানে possessive pronoun বসা উচিত, তবে আর্টিকেল না বসার নিয়মের দিক থেকেও এটি বিবেচনা করা যায়।
মনে রাখার টিপস:
'Heir' শব্দের উচ্চারণ 'এইচ' দিয়ে নয় বরং 'এয়ার' দিয়ে শুরু হয়, তাই এর পূর্বে 'an' না বসে উচ্চারণ ভেদে নিয়ম নির্ধারিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) uncountable noun
কেন সঠিক:
- 'Money' একটি ভরবাচক বিশেষ্য যা সরাসরি সংখ্যা দিয়ে গণনা করা যায় না, তাই এটি Uncountable noun।
- অর্থ প্রদানের মাধ্যম বা সম্পদ হিসেবে এটি পরিমাপযোগ্য হলেও একক সংখ্যা হিসেবে গোনা যায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) countable noun — টাকা গণনা করা যায় এই ধারণায় অনেকে ভুল করলেও ব্যাকরণে 'Money' একটি অগণনযোগ্য বিশেষ্য।
B) uncountable noun — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ একে একক সংখ্যা হিসেবে গণনা করা যায় না।
C) collective noun — এটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টি বোঝায় না, তাই এটি Collective noun নয়।
D) proper noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নাম বোঝায় না, তাই এটি Proper noun নয়।
মনে রাখার টিপস:
টাকার নোট বা কয়েন গোনা গেলেও ইংরেজি ব্যাকরণে 'Money' শব্দটিকে সবসময় Uncountable noun হিসেবে ধরা হয়।
সঠিক উত্তর: D) spouse
কেন সঠিক:
- Spouse শব্দটি স্বামী বা স্ত্রী উভয়কেই বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা একটি কমন জেন্ডার।
- এটি বিবাহিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে পুরুষ বা নারী নির্বিশেষে প্রয়োগ করা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) actor — এটি শুধুমাত্র পুরুষ শিল্পীকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এর ফেমিনাইন রূপ হলো actress।
B) gander — এটি রাজহাঁসের ক্ষেত্রে পুরুষবাচক বা মাসকুলিন শব্দ এবং এর ফেমিনাইন হলো goose।
C) spinster — এটি শুধুমাত্র অবিবাহিত নারীদের বোঝাতে ব্যবহৃত একটি ফেমিনাইন শব্দ।
D) spouse — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
যিনি জীবনসঙ্গী তিনি স্বামী বা স্ত্রী যে কেউ হতে পারেন, তাই spouse হলো কমন জেন্ডার।
সঠিক উত্তর: D) He thanked me
কেন সঠিক:
- সরাসরি উক্তির ভেতরের ধন্যবাদসূচক বাক্যটিকে পরোক্ষ উক্তিতে রূপান্তর করার সময় রিপোর্টিং ভারبটি সাবজেক্ট অনুযায়ী thanked হয়।
- রিপোর্টিং ভার্বের অবজেক্টটি (me) এখানে ইনডাইরেক্ট স্পিচে সাবজেক্টের ঠিক পরের মূল ভার্বের অবজেক্ট হিসেবে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Be thanks you — এখানে সাবজেক্ট He এর পরিবর্তে Be এবং টেন্স ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
B) He thanked you — রিপোর্টিং ভার্বের অবজেক্ট me কে পরিবর্তন করে you করায় অর্থ বদলে গেছে।
C) He thank you — এখানে thank ভার্বের রূপ ভুল এবং অবজেক্ট সঠিক নয়।
D) He thanked me — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তিত রূপ।
মনে রাখার টিপস:
Subject + thanked + reporting speech-এর object বসিয়ে Narration-এর এই নিয়মটি সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) was
কেন সঠিক:
- Neither, Either, Each ইত্যাদির পর plural noun বা pronoun থাকলেও verb সবসময় singular হয়।
- বাক্যটি অতীতকালের সাধারণ অবস্থা বোঝাচ্ছে এবং books plural হলেও neither থাকার কারণে verb singular হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) were — Subject singular হওয়ায় plural verb ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) are — Subject singular হওয়ার কারণে present tense-এর plural verb এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) had — Auxiliary verb হিসেবে had বসালে অর্থের সংগতি নষ্ট হয় এবং interesting adjective-এর সাথে তা মেলে না।
D) was — এটি সঠিক singular verb এবং নিয়মানুযায়ী বাক্যের সাথে পুরোপুরি মানানসই।
মনে রাখার টিপস:
Neither অবজেক্ট হিসেবে একা বসুক বা noun-এর আগে বসুক, তার সাথে সবসময় singular verb হয়।
সঠিক উত্তর: B) from
কেন সঠিক:
- কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বা সম্পর্কচ্ছেদ বোঝাতে 'part' শব্দের পরে 'from' বসে।
- স্ত্রী বা কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে 'part from' ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) with — কোনো বস্তু বা প্রিয় জিনিসের সঙ্গে বিচ্ছিন্নতা বোঝাতে 'part with' বসে, ব্যক্তির ক্ষেত্রে নয়।
B) from — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ব্যক্তির ক্ষেত্রে 'part from' ব্যবহৃত হয়।
C) to — 'part' শব্দের পরে উপযুক্ত অর্থ প্রকাশের জন্য সাধারণত 'to' preposition বসে না।
D) at — নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা বিষয়ের ক্ষেত্রে 'part at' ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বস্তুর ক্ষেত্রে with এবং ব্যক্তির ক্ষেত্রে from ব্যবহার করে part করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) using
কেন সঠিক:
- 'Insist on' একটি 固定 phrase যেখানে 'on' হলো preposition।
- Preposition-এর পরে সবসময় verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) use — Preposition-এর পরে verb-এর base form বসে না।
B) using — এটি সঠিক কারণ preposition-এর পরের verb-টি gerund হয়।
C) to use — Preposition-এর পরে infinitive বসে না।
D) the use — এখানে noun ব্যবহার করলে বাক্যটির অর্থ ও ব্যাকরণগত গঠন ঠিক থাকে না।
মনে রাখার টিপস:
Preposition-এর পরেই যদি verb থাকে, তবে তার সাথে ing যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) He was known to me.
কেন সঠিক:
- Active বাক্যের Verb টি Past Indefinite Tense (knew) এ থাকায় Passive করার সময় Was + Verb এর Past Participle (known) ব্যবহৃত হয়েছে।
- Know verb এর পর সাধারণ নিয়মের preposition 'by' না বসে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে 'to' বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He is known with me. — Tense পরিবর্তন ভুল এবং known এর পর with বসে না।
B) He was known by me. — Know verb এর পর by preposition ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) He was known to me. — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
D) He was known with me. — এখানে known এর পর ভুল preposition with ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Know verb যুক্ত Active voice কে Passive করার সময় by এর পরিবর্তে সবসময় to preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) personel
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত শব্দটির সঠিক বানান হলো personnel যার অর্থ কর্মী বা কর্মকর্তা বৃন্দ।
- অপশনে থাকা personel বানানটিতে একটি n কম রয়েছে, তাই এটি ভুল বানান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) impression — এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ প্রভাব বা ছাপ।
B) depression — এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ অবক্ষয় বা বিষণ্ণতা।
C) misapprehend — এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ ভুল বোঝাবুঝি করা।
D) personel — এটি ভুল বানান, এর সঠিক রূপ হলো personnel।
মনে রাখার টিপস:
personel শব্দে দুটি n হবে, যেমনটি personal শব্দে থাকে না কিন্তু personnel (কর্মী) বানানে শেষের দিকে দুটি n যুক্ত থাকে।
সঠিক উত্তর: D) both noun and adjective
কেন সঠিক:
- আমেরিকান শব্দটি কোনো ব্যক্তি বা ভাষাকে নির্দেশ করলে Noun হিসেবে কাজ করে।
- আবার এটি কোনো বিশেষ দেশ বা জাতির বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করলে Adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) noun — এটি শুধু Noun নয়, কারণ এটি অন্য পদের দোষ গুণ বা অবস্থাও প্রকাশ করতে পারে।
B) adjective — এটি শুধু Adjective নয়, কারণ এটি স্বাধীনভাবে কোনো কিছুর নাম বা ব্যক্তি হিসেবেও বসতে পারে।
C) pronoun — এটি প্রোনাউনের কাজ করে না, কারণ প্রোনাউন নামের পরিবর্তে বসে কিন্তু এটি একটি নির্দিষ্ট নাম বা গুণ বোঝায়।
D) both noun and adjective — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ শব্দটি প্রেক্ষাপট ভেদে বিশেষ্য ও বিশেষণ উভয় রূপেই ব্যবহৃত হতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
জাতি বা ভাষার নাম একা বসলে Noun এবং কোনো পদের আগে বসে তার দোষ গুণ বোঝালে Adjective হয়।
সঠিক উত্তর: A) preposition
কেন সঠিক:
- এখানে 'outside' শব্দটি noun phrase 'our house'-এর পূর্বে বসে তার সঙ্গে বাক্যের সম্পর্ক স্থাপন করেছে।
- noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে যে শব্দ সম্পর্ক দেখায়, তাকে preposition বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) preposition — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দটি noun phrase-এর পূর্বে বসে preposition হিসেবে কাজ করেছে।
B) adverb — এটি ভুল কারণ কোনো verb, adjective বা অন্য adverb-কে মডিফাই করছে না।
C) adjective — এটি ভুল কারণ এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না।
D) conjunction — এটি ভুল কারণ এটি দুটি শব্দ বা বাক্যাংশকে সংযুক্ত করার কাজ করছে না।
মনে রাখার টিপস:
noun বা pronoun-এর ঠিক আগে বসে যদি স্থান বা দিকের সম্পর্ক বোঝায়, তবে তা preposition হবে।
সঠিক উত্তর: D) would have taken
কেন সঠিক:
- এটি থার্ড কন্ডিশনাল বা অতীতকালের অবাস্তব শর্ত প্রকাশকারী বাক্য।
- বাক্যের প্রথম অংশ হ্যাড প্লাস ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপিল দ্বারা শুরু হলে পরের অংশে সাবজেক্টের পর উড হ্যাভ কুড হ্যাভ অথবা মাইট হ্যাভ এবং ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপিল বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) would take — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের গঠন যা অতীতকালের অবাস্তব শর্তের ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
B) took — এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স নির্দেশ করে যা সাবজেক্ট ও অর্থগতভাবে এই বাক্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) will take — এটি ফার্স্ট কন্ডিশনালের গঠন যা বর্তমান বা ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
D) would have taken — এটি থার্ড কন্ডিশনালের সঠিক গঠন অনুযায়ী প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
হ্যাড দিয়ে বাক্য শুরু হলে পরের অংশে উড হ্যাভ এবং ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপিল ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) doesn't he
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি Present Indefinite Tense-এ আছে এবং এর মূল verb-এর সঙ্গে s যুক্ত আছে।
- Tag Question করার সময় মূল verb-এর সঙ্গে s থাকলে does এবং বাক্যের subject অনুসারে pronoun ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) didn't he — বাক্যটি Past Tense-এ না থাকায় এটি ভুল।
B) doesn't he — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) did he — এটি Past Tense-এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই এই বাক্যের জন্য ভুল।
D) won't he — এটি Future Tense-এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
মূল verb-এর শেষে s বা es থাকলে tag question-এ doesn't ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) opened
কেন সঠিক:
- স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হওয়া কাজের ক্ষেত্রে অনেক সময় intransitive বা unaccusative ভার্বের active form ব্যবহৃত হয়।
- এখানে দরজা নিজে নিজেই খুলে গেছে বোঝাতে opened ব্যবহৃত হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং এর passive রূপের প্রয়োজন নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) opened — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটির প্রেক্ষাপটে এটি কর্তা ছাড়াই নিজে নিজে ঘটার অর্থ প্রকাশ করে।
B) was opened — এটি passive form, যা দরজাটি কেউ খুলেছিল এমন বাহ্যিক কর্তার উপস্থিতি বোঝালে সঠিক হতো কিন্তু এখানে স্বয়ংক্রিয় অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।
C) has been opened — এটি present perfect tense-এর passive form, যা এই বাক্যের সাধারণ স্বয়ংক্রিয় ঘটনার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
D) had been opened — এটি past perfect tense-এর passive form, যা অতীতের একটি নির্দিষ্ট ঘটনার আগের ঘটনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এখানে অপ্রাসঙ্গিক।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বস্তু যদি নিজে নিজে ক্রিয়া সম্পন্ন করে যেমন দরজা খোলা বা কাচ ভাঙা, তবে সাধারণত active voice-এর simple form ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: D) উয়ারী বটেশ্বর
কেন সঠিক:
- নরসিংদীর উয়ারী বটেশ্বর স্থানটি প্রাচীন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন প্রাক্-মৌর্য বা আদি ঐতিহাসিক সময়ের নগরসভ্যতা।
- এখানে প্রাপ্ত হস্তকুঠার, মুদ্রাভাণ্ডার এবং চুন-সুরকির রাস্তা প্রমাণ করে এটি খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতকের বা আদি ঐতিহাসিক যুগের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ময়নামতি — এটি মূলত প্রাচীন সমতট অঞ্চলের বৌদ্ধ সভ্যতার নিদর্শন এবং এটি আদি ঐতিহাসিক সময়ের চেয়ে পরবর্তীকালের অর্থাৎ সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতকের প্রত্নস্থান।
B) সোনারগাঁ — এটি প্রাচীন কোনো আদি ঐতিহাসিক স্থান নয়, বরং মধ্যযুগের মুসলিম আমল এবং পরবর্তী সময়ে স্বাধীন সুলতানি আমলের রাজধানী ও প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল।
C) ঢাকলাপুঞ্জি — এটি প্রত্নতাত্ত্বিক কোনো আদি ঐতিহাসিক স্থান নয়, এটি মূলত পাহাড়ি জনপদ বা অন্য কোনো প্রসঙ্গের সাথে যুক্ত একটি সাধারণ স্থান।
D) উয়ারী বটেশ্বর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি আদি ঐতিহাসিক সময়ের প্রতিনিধিত্বকারী একমাত্র স্থান।
মনে রাখার টিপস:
আদি ঐতিহাসিক সময় মানেই প্রাচীনতম সভ্যতা, আর উয়ারী বটেশ্বর হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন আবিষ্কৃত নগরকেন্দ্র।
সঠিক উত্তর: B) ২ জন
কেন সঠিক:
- মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মোট নারী বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা দুইজন।
- এই দুজন নারী বীর প্রতীক হলেন ডা. ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম এবং তারামন বিবি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ জন — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ মুক্তিযুদ্ধে নারী বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা মাত্র একজন নয়, বরং দুজন।
B) ২ জন — এটি সঠিক অপশন এবং মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত দুই নারী বীরপ্রতীকের সংখ্যাকে নির্দেশ করে।
C) ৩ জন — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধে কোনো তিন জন নারী এই খেতাব পাননি।
D) ৫ জন — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট নারীর সংখ্যা সাতজন, যার মধ্যে পাঁচজন বীরপ্রতীক নন।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত নারী মোট সাতজন, যার মধ্যে দুইজন বীরপ্রতীক এবং পাঁচজন বীরপ্রামিক বা অন্য খেতাবপ্রাপ্ত নন বরং বাকি পাঁচজন বীরপ্রতীক নন, এভাবে মনে রাখুন যে খেতাবপ্রাপ্ত নারী ২ জন বীরপ্রতীক (সিতারা ও তারামন) এবং ৫ জন বীরপ্রতিক নন অর্থাৎ মোট খেতাবপ্রাপ্ত নারী ৭ জন।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস
সঠিক উত্তর: B) ৭
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠনের পর মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা ও দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য এই উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয়।
- মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকে প্রধান করে বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে এই সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ — ৫ জন সদস্য সংখ্যা সঠিক নয় কারণ উপদেষ্টা কমিটির আকার কিছুটা বড় ছিল।
B) ৭ — এই সংখ্যাটি সঠিক কারণ সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটিতে মোট ৭ জন সদস্য ছিলেন।
C) ৯ — ৯ জন সদস্য সংখ্যা ভুল কারণ এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক কমিটির সঙ্গে মিলে যেতে পারে।
D) ১১ — ১১ জন সদস্য সংখ্যা ভুল কারণ সেক্টর বা অন্য কোনো কাঠামোর সঙ্গে এই সংখ্যাটি সম্পর্কিত হতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটির সদস্য সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন যে ৭ বীরশ্রেষ্ঠের মতো উপদেষ্টা কমিটিতেও ৭ জন সদস্য ছিলেন।
সঠিক উত্তর: A) তিব্বত
কেন সঠিক:
- অতীশ দীপঙ্কর ছিলেন প্রাচীন বাংলার একজন প্রখ্যাত বৌদ্ধ পণ্ডিত ও দার্শনিক যিনি পাল যুগে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিব্বতের রাজার আমন্ত্রণে তিনি সেখানে গিয়ে বৌদ্ধধর্মের প্রচার ও প্রসার করেন এবং তিব্বতি বৌদ্ধধর্মে গভীর সংস্কার সাধন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তিব্বত — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এখানেই বৌদ্ধধর্ম প্রচার ও সংস্কার করেছিলেন।
B) শ্রীলংকা — এটি সঠিক নয় কারণ শ্রীলংকায় মূলত থেরবাদ বৌদ্ধধর্মের বিস্তার ঘটেছিল, যেখানে অতীশ দীপঙ্করের কোনো ভূমিকা ছিল না।
C) মিয়ানমার — এটি সঠিক নয় কারণ মিয়ানমারে অতীশ দীপঙ্কর বৌদ্ধধর্ম প্রচারের জন্য যাননি।
D) দক্ষিণ ভারত — এটি সঠিক নয় কারণ দক্ষিণ ভারতে তিনি ধর্ম প্রচারের জন্য প্রধানত অবস্থান করেননি।
মনে রাখার টিপস:
অতীশ দীপঙ্কর তিব্বতের রাজা প্রবভন্নর আমন্ত্রণে তিব্বতে যান, তাই দীপঙ্কর ও তিব্বত এভাবে মনে রাখা যায়।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) মীর মুরাদ
কেন সঠিক:
- মোঘল আমলে সুবাদার শাহ সুজার রাজত্বকালে মীর মুরাদ ১৬৪২ সালে ঐতিহাসিক হোসেনী দালান নির্মাণ করেন।
- এটি শিয়া সম্প্রদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইমামবাড়া বা ধর্মীয় উপাসনালয়, যা পুরান ঢাকায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মীর মুরাদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি মোগল আমলে সুবাদার শাহ সুজার নির্দেশে হোসেনী দালান নির্মাণ করেছিলেন।
B) মুর্শিদ কুলি খাঁ — তিনি বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব ও মুর্শিদাবাদের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন, হোসেনী দালান নির্মাণের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।
C) আলী বর্দী খাঁ — তিনি বাংলার একজন নবাব ছিলেন যিনি মারাঠা আক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন, হোসেনী দালান নির্মাণ করেননি।
D) সিরাজউদ্দৌলা — তিনি বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন যিনি পলাশীর যুদ্ধে পরাজিত হন, এই স্থাপনা নির্মাণের সঙ্গে তিনি জড়িত নন।
মনে রাখার টিপস:
হোসেনী দালান নির্মাণের সঙ্গে মীরের নাম মনে রাখুন, কারণ মোঘল আমলে মীর মুরাদ এটি তৈরি করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: A) কাতার
কেন সঠিক:
- ২০২৩ সালে এশিয়ান কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট প্রথমে চীনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও কোভিড পরিস্থিতির কারণে চীন আয়োজক স্বত্ব থেকে সরে দাঁড়ায়।
- পরবর্তীতে কাতার এই টুর্নামেন্টের নতুন আয়োজক দেশ হিসেবে দায়িত্ব নেয় এবং ২০২৩ সালের এশিয়ান কাপ সফলভাবে আয়োজন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাতার — এটি সঠিক উত্তর, কারণ চীন সরে যাওয়ার পর কাতার ২০২৩ সালের এশিয়ান কাপ ফুটবলের সফল আয়োজক দেশ হয়।
B) দক্ষিণ কোরিয়া — দক্ষিণ কোরিয়া এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের দৌড়ে থাকলেও চূড়ান্তভাবে স্বত্ব পায়নি।
C) চীন — চীন মূলত প্রাথমিক আয়োজক নির্ধারিত হলেও পরবর্তীতে কোভিড পরিস্থিতির কারণে স্বত্ব ত্যাগ করায় এখানে টুর্নামেন্ট হয়নি।
D) জাপান — জাপান এই নির্দিষ্ট আসরের আয়োজক দেশ ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
এশিয়ান কাপ ২০২৩ প্রথমে চীনে হওয়ার কথা থাকলেও পরে কাতারে অনুষ্ঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) 1985
কেন সঠিক:
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৮ ডিসেম্বর ১৯৮৫ সালে সার্ক গঠিত হয়।
- ঢাকার একটি শীর্ষ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই জোট যাত্রা শুরু করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1982 — এই সালে সার্ক গঠনের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক আনুষ্ঠানিকতা বা শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি।
B) 1985 — এটি সার্ক গঠনের সঠিক সাল হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) 1986 — এই বছর সার্কের কোনো প্রতিষ্ঠাতা সম্মেলন বা সংস্থা গঠনের ঘোষণা আসেনি।
D) 1988 — এটি সার্ক গঠনের পরের সাল, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সহ ৭টি দেশ মিলে সার্ক গঠন করে।
সঠিক উত্তর: C) গণপরিষদ
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালের সংবিধান রচনার উদ্দেশ্যে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে নির্বাচিত পূর্ব পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের নিয়ে গণপরিষদ গঠিত হয়েছিল।
- এই গণপরিষদের মাধ্যমেই বাংলাদেশের জন্য প্রথম সংবিধান প্রণয়ন ও গৃহীত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাতীয় সংসদ — এটি সংবিধান অনুযায়ী গঠিত দেশের আইনসভা, যা সংবিধান প্রণয়নের পরে আইন তৈরির কাজ করে।
B) জাতীয় পরিষদ — এটি পাকিস্তান আমলের কেন্দ্রীয় আইনসভার নাম ছিল, যা বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন করেনি।
C) গণপরিষদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় এর কার্যকারিতা উল্লেখ করা হয়েছে।
D) মন্ত্রীপরিষদ — এটি সরকার পরিচালনার নীতিনির্ধারক নির্বাহী বডি, সংবিধান প্রণয়ন এর কাজ ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
আইন প্রণয়ন বা সংসদ গঠনের আগে দেশ পরিচালনার মৌলিক দলিল তৈরির জন্য যে সভা বসেছিল, সেটাই গণপরিষদ।
সঠিক উত্তর: A) শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ
কেন সঠিক:
- ১৩০৩ সালে হযরত শাহজালাল (র:) ৩৬০ জন আওলিয়া নিয়ে সিলেটে ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে আগমন করেন।
- সেই সময়ে লখনৌতির মুসলিম শাসক বা সুলতান ছিলেন শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ এবং তাঁর সেনাপতি সৈয়দ নাসিরউদ্দীন সিলেট জয় করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ — এই সুলতানের রাজত্বকালেই হযরত শাহজালাল (র:) সিলেটে আগমন করেন এবং তাঁর সেনাপতি সিলেট জয় করেন।
B) ফকর উদ্দিন মুবারক শাহ — তিনি ছিলেন স্বাধীন সোনারগাঁওয়ের সুলতান, যার শাসনকাল ১৩৩৮ থেকে ১৩৪৯ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
C) ইব্রাহিম শাহ — তিনি সারকিয়া রাজবংশের শাসক ছিলেন, যিনি বাংলার সুলতান বা হযরত শাহজালালের সমসাময়িক কেউ নন।
D) ইলিয়াস শাহ — তিনি সমগ্র বাংলা একত্র করে স্বাধীন ইলিয়াস শাহী বংশ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ১৩৫২ সালে, যা হযরত শাহজালালের আগমনের পরের ঘটনা।
মনে রাখার টিপস:
শাহজালাল (র:) সিলেটে আসার সময় সুলতান ছিলেন ফিরোজ শাহ (ফ দিয়ে শাহজালাল ও ফিরোজ শাহ মনে রাখা সহজ)।
সঠিক উত্তর: B) ১০ এপ্রিল ১৯৭১
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করে সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয়।
- এই সরকারের অধীনেই ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বৈদ্যনাথতলার আমবাগানে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৬ মার্চ ১৯৭১ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার তারিখ, সরকার গঠনের তারিখ নয়।
B) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অন্য অপশনগুলোর সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
সি) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি প্রথম সরকারের শপথগ্রহণ ও সরকারের কার্যভার গ্রহণের তারিখ, গঠন করার তারিখ নয়।
ডি) ১০ মে ১৯৭১ — এই তারিখে প্রথম সরকারের গঠন বা শপথগ্রহণের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি।
মনে রাখার টিপস:
সরকার ১০ এপ্রিল গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল শপথ নেয়। এই সাত দিনের ব্যবধান মনে রাখলে ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৮২ সালে
কেন সঠিক:
- জেনারেল নে উইনের সামরিক সরকারের প্রণীত নাগরিকত্ব আইনে রোহিঙ্গাদের বাদ দেওয়া হয়।
- এই আইনের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের রাষ্ট্রহীন নাগরিকে পরিণত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৬২ সালে — এই সালে মিয়ানমারে জেনারেল নে উইন সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ক্ষমতা দখল করেন, যা নাগরিকত্ব আইন প্রণয়নের সাল নয়।
B) ১৯৮২ সালে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) ১৯৮৬ সালে — এই সালে মিয়ানমারে উল্লেখযোগ্য কোনো নাগরিকত্ব আইন প্রণয়ন করা হয়নি এবং রোহিঙ্গারা এই সালে নাগরিকত্ব হারায়নি।
D) ১৯৮৮ সালে — এই সালে মিয়ানমারে গণতন্ত্রপন্থী গণ-অভ্যুত্থান হয়েছিল, যা নাগরিকত্ব হারানোর ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব হারায় আশির দশকের শুরুর দিকে অর্থাৎ ১৯৮২ সালের কালো আইনে।
সঠিক উত্তর: C) ৩৮
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের ই-পাসপোর্টে আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোট ৩৮ ধরনের আধুনিক নিরাপত্তা ফিচার সংযুক্ত করা হয়েছে।
- এসব ফিচারের মধ্যে পলিকার্বোনেট ডেটা পেজ, দৃশ্যমান ও অদৃশ্য নিরাপত্তা কালি এবং বায়োমেট্রিক তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪০ — এটি একটি ভুল সংখ্যা, কারণ ই-পাসপোর্টের নির্ধারিত নিরাপত্তা ফিচারের সংখ্যা ৪০টি নয়।
B) ৩৫ — এটি ভুল তথ্য, কারণ পাসপোর্টের নিরাপত্তা ফিচারের প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়ে বেশি।
D) ৪১ — এটি ভুল সংখ্যা, যা পাসপোর্টের অনুমোদিত বা প্রামাণ্য নিরাপত্তা ফিচারের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
পাসপোর্টের পাতার মতো ই-পাসপোর্টের নিরাপত্তাও তিন ও আটে ঘেরা, অর্থাৎ ৩৮টি ফিচার।
সঠিক উত্তর: C) শুকলা সরকার
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি কর্তৃক ২০১৮ সালের নৃত্য-কলায় অবদানের জন্য বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী ও নির্দেশক শুকলা সরকারকে এই পদক প্রদান করা হয়।
- শিল্প সংস্কৃতিতে জাতীয় পর্যায়ে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ প্রতিবছর গুণী শিল্পীদের এই পদক দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রানি সরকার — তিনি একজন বিখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ছিলেন, নৃত্যশিল্পী নন।
B) রওয়ান জামিল — তিনি এই নির্দিষ্ট সালের নৃত্যকলার পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব নন।
C) শুকলা সরকার — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
D) জুনু খান — তিনি একজন ভিন্ন ধারার সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, এই বছরের নৃত্যকলার পদকপ্রাপ্ত নন।
মনে রাখার টিপস:
নৃত্য মানেই সুন্দর অঙ্গভঙ্গি, আর শিল্পকলা পদক ২০১৮ পেয়েছেন নাচে যুক্ত শুকলা সরকার।
সঠিক উত্তর: C) ৬৪টি
কেন সঠিক:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় কৌশলগত কারণে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং সেক্টরগুলোকে আরও সুনির্দিষ্ট পরিচালনার জন্য মোট ৬৪টি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
- প্রতিটি সাব-সেক্টরে একজন নিয়মিত সেনা কর্মকর্তার নেতৃত্বে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালিত হতো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭টি — এটি মুক্তিযুদ্ধের মোট সেক্টরের সংখ্যা, সাব-সেক্টরের সংখ্যা নয়।
B) ১১টি — এটি মুক্তিযুদ্ধের মোট সেক্টরের সংখ্যা, সাব-সেক্টরের সংখ্যা নয়।
C) ৬৪টি — এটি সঠিক উত্তর এবং মুক্তিযুদ্ধের সাব-সেক্টরের সংখ্যা।
D) ৬৯টি — এটি একটি বিভ্রান্তিকর ও ভুল সংখ্যা, যার সাথে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর বা সাব-সেক্টরের কোনো ঐতিহাসিক মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
সেক্টর মনে রাখবে ১১টি এবং সাব-সেক্টর মনে রাখবে ৬৪টি (বাংলাদেশের তৎকালীন জেলার সমান)।
সঠিক উত্তর: D) ভারত
কেন সঠিক:
- ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট চন্দ্রযান-৩ এর সফল অবতরণের মাধ্যমে ভারত চাঁদের মাটিতে পা রাখা বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করে।
- এর আগে শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র, তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং চীন এই ঐতিহাসিক গৌরব অর্জন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — চীন চাঁদে সফলভাবে মহাকাশযান অবতরণকারী তৃতীয় দেশ, চতুর্থ দেশ নয়।
B) রাশিয়া — তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন চাঁদে সফলভাবে মহাকাশযান অবতরণকারী প্রথম দেশ, চতুর্থ দেশ নয়।
C) ইসরাইল — ইসরাইল চাঁদে সফলভাবে মহাকাশযান অবতরণ করতে পারেনি, তাদের প্রেরিত মহাকাশযান অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়।
D) ভারত — ভারত চাঁদে সফলভাবে মহাকাশযান অবতরণকারী চতুর্থ দেশ হিসেবে এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
চাঁদে অবতরণের ক্ষেত্রে সফল দেশগুলোর ক্রম মনে রাখতে পারেন প্রথম সোভিয়েত ইউনিয়ন, দ্বিতীয় যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয় চীন এবং চতুর্থ ভারত।
সঠিক উত্তর: D) ভূ-কেন্দ্রে
১. কেন সঠিক:
- ভূ-কেন্দ্রে বস্তুর ওজন শূন্য হয় কারণ সেখানে অভিকর্ষজ ত্বরণ মান শূন্য হয়ে যায়।
- ওজনের সূত্র অনুযায়ী ভর এবং অভিকর্ষজ ত্বরণের গুণফলই হলো ওজন, তাই ত্বরণ শূন্য হলে ওজনও শূন্য হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ওজন হলো কোনো বস্তুর ওপর পৃথিবীর আকর্ষণ বল, যার মান ডব্লিউ সমান এম গুণ জি।
- সূত্র বা তত্ত্ব: ডব্লিউ = এম × জি, যেখানে ডব্লিউ হলো ওজন, এম হলো ভর এবং জি হলো অভিকর্ষজ ত্বরণ।
- কার্যপ্রণালি: পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে যাওয়ার সাথে সাথে চারপাশ থেকে বস্তুর ওপর সমান ও বিপরীতমুখী মহাকর্ষ বল কাজ করে, যা একে অপরকে প্রশমিত করে।
- কারণ ও ফলাফল: কেন্দ্রবিন্দুতে কার্যকরী অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য হওয়ায় বস্তুর ওজন সম্পূর্ণ লোপ পায়।
- বাস্তব প্রয়োগ: মহাশূন্যে বা কৃত্রিম উপগ্রহের অভ্যন্তরে ওজনহীনতার অনুভূতি এই ভূ-কেন্দ্রিক শূন্য ওজনের ধারণার সাথে মিলে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লিফট হঠাৎ তার কাটার পর নিচে পতনের সময় ভেতরের ব্যক্তির ওজন শূন্য অনুভূত হয়।
ব্যাখ্যা: লিফটের সাথে ব্যক্তির ত্বরণ একই হওয়ায় সেখানে অভিকর্ষের প্রভাব থাকে না।
উদাহরণ ২: পৃথিবীর কেন্দ্রে কোনো যন্ত্র নিয়ে গেলে তার কাঁটা শূন্য নির্দেশ করবে।
ব্যাখ্যা: কেন্দ্রবিন্দুতে মহাকর্ষীয় টানের সাম্যাবস্থার কারণে কোনো বল অনুভূত হয় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভূ পৃষ্ঠে — ভূ-পৃষ্ঠে অভিকর্ষজ ত্বরণ সর্বাধিক থাকে বিধibal এখানে বস্তুর ওজন সর্বোচ্চ হয়, শূন্য হয় না।
B) শূন্য হতে পারে না — এই উক্তিটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট শর্তে যেমন ভূ-কেন্দ্রে ওজন শূন্য হতে পারে।
C) সমুদ্র সমতলে — সমুদ্র সমতলে অভিকর্ষজ ত্বরণের স্বাভাবিক মান কাজ করায় সেখানে ওজন নির্দিষ্ট ও ধনাত্মক থাকে।
D) ভূ-কেন্দ্রে — এই অপশনটি সঠিক কারণ পৃথিবীর কেন্দ্রে কার্যকর অভিকর্ষজ ত্বরণ শূন্য হওয়ার কারণে ওজনও শূন্য হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কেন্দ্র মানেই শূন্য, কারণ কেন্দ্র থেকে সব দিকে টান সমানভাবে কেটে যায়।
- ভর ধ্রুবক হলেও ওজন স্থানের পরিবর্তনের সাথে পরিবর্তিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিষুবীয় অঞ্চলে ওজন কম এবং মেরু অঞ্চলে ওজন সবচেয়ে বেশি হয়।
- বিসিএস পরীক্ষায় এই সম্পর্কিত অভিকর্ষজ ত্বরণের পরিবর্তন প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
সঠিক উত্তর: C) কেলভিন
১. কেন সঠিক:
আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে বা এসআই এককে উষ্ণতা বা তাপমাত্রার পরিমাপের মূল একক হলো কেলভিন।
এটি তাপগতিবিদ্যার তাপমাত্রার একক এবং এর কোনো ডিগ্রি চিহ্ন ব্যবহার করা হয় না।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তাপমাত্রা হলো কোনো বস্তুর এমন একটি তাপীয় অবস্থা যা নির্ধারণ করে বস্তুটি অন্য কোনো বস্তুকে তাপ দেবে না কি তার কাছ থেকে তাপ নেবে।
কার্যপ্রণালি: বিজ্ঞানী লর্ড কেলভিনের নামানুসারে এই এককের নামকরণ করা হয়েছে এবং এর পরম শূন্য তাপমাত্রা হলো পরম শূন্য ডিগ্রি যেখানে অণুর গতি প্রায় শূন্য হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: বিজ্ঞান ও গবেষণার ক্ষেত্রে নিখুঁত হিসাবের জন্য সেলসিয়াস বা ফারেনহাইট স্কেলের পরিবর্তে কেলভিন স্কেল ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পানির ত্রৈদ বিন্দু তাপমাত্রার কেলভিন মানে শূন্য দশমিক শূন্য এক ডিগ্রি সেলসিয়াস সমান দুইশো তিহাত্তর দশমিক ষোলো কেলভিন।
ব্যাখ্যা: এটি বৈজ্ঞানিক পরিমাপে তাপমাত্রা নির্ধারণের একটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে কাজ করে।
উদাহরণ ২: গবেষণাগারে গ্যাসের বিভিন্ন সূত্র পরীক্ষার সময় তাপমাত্রা সর্বদা কেলভিনে হিসাব করতে হয়।
ব্যাখ্যা: কেলভিন স্কেলে কোনো ঋণাত্মক মান নেই বলে এটি হিসাবের ক্ষেত্রে অনেক বেশি সুবিধাজনক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিটার — এটি দূরত্বের বা দৈর্ঘ্যের এসআই একক, যা উষ্ণতা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয় না।
B) অ্যাম্পিয়ার — এটি তড়িৎ প্রবাহের এসআই একক, যা বৈদ্যুতিক বর্তনীতে বিদ্যুৎ পরিমাপে ব্যবহৃত হয়।
C) কেলভিন — এটি উষ্ণতা বা তাপমাত্রার সঠিক এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একক।
D) ফারেনহাইট — এটি তাপমাত্রার একটি প্রাচীন একক হলেও এটি এসআই বা আন্তর্জাতিক একক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
আন্তর্জাতিক বা এসআই এককে তাপমাত্রার ঘরে কেলভিন থাকে সবার উপরে।
নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখবে যে এসআই একক সবসময় কেলভিন হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তাপমাত্রা পরিমাপের বিভিন্ন স্কেলের মধ্যে সম্পর্ক হলো সি বাই ৫ সমান এফ মাইনাস ৩২ বাই ৯ সমান কে মাইনাস ২৭৩ বাই ৫।
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সেলসিয়াস থেকে কেলভিন স্কেলে রূপান্তরের অংক আসে।
প্রশ্নের ধরন: আলো, শব্দ ও তরঙ্গ / বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার ও আবিষ্কারক
সঠিক উত্তর: A) রোমার
১. কেন সঠিক:
- ডেনিশ জ্যোতির্বিজ্ঞানী ওলে রোমার ১৬৭৬ সালে প্রথম বৃহস্পতির চাঁদের গ্রহণ পর্যবেক্ষণ করে আলোর বেগ পরিমাপ করেছিলেন।
- তিনি দেখতে পান বৃহস্পতির চাঁদের আবর্তনের সময় পৃথিবী থেকে দূরত্বের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়, যা থেকে আলোর সীমিত বেগ প্রমাণিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: আলোর বেগ হলো শূন্য মাধ্যমে আলো প্রতি সেকেন্ডে অতিক্রান্ত দূরত্ব, যার মান প্রায় তিন লক্ষ কিলোমিটার।
- কার্যপ্রণালি: রোমার বৃহস্পতির চাঁদ আইওর আবর্তনকাল হিসাব করে আলোর বেগের একটি সুনির্দিষ্ট ধারণা দেন।
- বাস্তব প্রয়োগ: আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় ফাইবার অপটিক ক্যাবল এবং মহাকাশ গবেষণায় আলোর বেগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বজ্রপাতের সময় আলো আগে দেখা যায় এবং শব্দ পরে শোনা যায়।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে আলোর বেগ শব্দের বেগের চেয়ে অনেক বেশি।
উদাহরণ ২: সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো পৌঁছাতে প্রায় আট মিনিট বিশ সেকেন্ড সময় লাগে।
ব্যাখ্যা: আলোর বেগের মান জানা থাকায় এই সময় নিখুঁতভাবে হিসাব করা সম্ভব হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রোমার — ইনি আলোর বেগ সর্বপ্রথম সফলভাবে পরিমাপ করেছিলেন।
B) রবার্ট রয়েল — ইনি শব্দবিজ্ঞান ও বায়ুর চাপ নিয়ে গবেষণা করেছিলেন কিন্তু আলোর বেগ পরিমাপে যুক্ত নন।
C) ভন ওয়েরিক — ইনি কোনো মৌলিক আলোকীয় ধ্রুবক আবিষ্কারের জন্য পরিচিত নন।
D) গ্যালিলিও — ইনি দূরবীক্ষণ যন্ত্রের উন্নতি ঘটিয়েছিলেন এবং আলোর বেগ মাপার ব্যর্থ চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু সফল হননি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রোম শহরের নাম দিয়ে মনে রাখতে পারেন যে আলোর বেগ পরিমাপের রোমাঞ্চকর কাজটি রোমার করেছিলেন।
- গ্যালিলিও চেষ্টা করলেও সফল হননি, সফলতা পেয়েছিলেন রোমার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- আলোর বেগ প্রথম কে পরিমাপ করেন এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সবচেয়ে বেশি, যার সঠিক মান প্রায় দুই লক্ষ নিরানব্বই হাজার সাতশো বিরানব্বই কিলোমিটার প্রতি সেকেন্ড।
সঠিক উত্তর: B) Bitwise OR
১. কেন সঠিক:
প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি প্রযুক্তিগতভাবে ভুল। প্রদত্ত উত্তর ছিল Bitwise OR, কিন্তু সঠিক উত্তর হবে C) Addition।
কম্পিউটারের সিপিইউ (CPU)-তে বিটওয়াইজ অপারেশন বা অন্যান্য গাণিতিক অপারেশনের তুলনায় সাধারণ যোগ (Addition) বা ফ্লটিং পয়েন্ট যোগ সবচেয়ে দ্রুত গতিতে সম্পন্ন হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: সিপিইউ হলো সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট, যা কম্পিউটারের মস্তিষ্ক হিসেবে কাজ করে এবং সব নির্দেশাবলী নির্বাহ করে।
কার্যপদ্ধতি: সিপিইউর ভেতরে অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট বা এএলইউ মৌলিক গাণিতিক এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হার্ডওয়্যার স্তরে সরাসরি সম্পন্ন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাধারণ পূর্ণসংখ্যার যোগ
ব্যাখ্যা: সিপিইউ একটি ক্লক সাইকেল বা খুব কম সময়ে দুটি সাধারণ সংখ্যার যোগ সম্পন্ন করতে পারে, যা অন্যান্য জটিল কাজের চেয়ে দ্রুত।
উদাহরণ ২: বিটওয়াইজ অপারেশন
ব্যাখ্যা: বিটওয়াইজ ওর বা অন্যান্য লজিক্যাল অপারেশনগুলো ঠিকই দ্রুত হয়, তবে হার্ডওয়্যারে সাধারণ যোগ সার্কিটের গঠন আরও সরাসরি হওয়ায় যোগের গতিই সবচেয়ে বেশি ধরা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Multiplication — গুণের কাজ করতে সিপিইউর ভেতরে একাধিক ক্লক সাইকেল বা ধারাবাহিক যোগের প্রয়োজন হয়, তাই এটি যোগের চেয়ে ধীরগতির।
B) Bitwise OR — এটি একটি লজিক্যাল অপারেশন যা বেশ দ্রুত কাজ করে, তবে মৌলিক গাণিতিক যোগের হার্ডওয়্যার অপ্টিমাইজেশন আরও উন্নত হওয়ায় এটি যোগের চেয়ে দ্রুত নয়।
C) Addition — এটি সবচেয়ে মৌলিক এবং দ্রুততম গাণিতিক অপারেশন যা সিপিইউর এএলইউ সরাসরি এক চক্রে সম্পন্ন করতে পারে।
ডি) Division — ভাগের কাজ করতে সিপিইউর অনেকগুলো ক্লক সাইকেল এবং জটিল অ্যালগরিদমের প্রয়োজন হয়, তাই এটি সবচেয়ে ধীরগতির অপারেশন।
৫ মনে রাখার টিপস:
সিপিইউর হার্ডওয়্যারে যোগের সার্কিট সবচেয়ে সহজ ও সরলভাবে তৈরি করা থাকে।
তাই যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গাণিতিক গতির তুলনার ক্ষেত্রে যোগ বা Addition কে সবচেয়ে দ্রুতগতির অপারেশন হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সিপিইউর ভেতরের এএলইউ অংশটি গাণিতিক এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো সম্পন্ন করার প্রধান দায়িত্ব পালন করে।
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের নির্দেশনার গতি সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) DNS
১. কেন সঠিক:
- DNS-এর পূর্ণরূপ হলো Domain Name System। এটি হিউম্যান-রেডেবল ডোমেইন নেমকে মেশিন-রেডেবল আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করে।
- ইন্টারনেটে প্রতিটি ডিভাইসের নির্দিষ্ট আইপি ঠিকানা থাকে, যা মনে রাখা কঠিন হওয়ায় মানুষ নাম ব্যবহার করে এবং DNS তা ম্যাপ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: DNS হলো এমন একটি ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ সিস্টেম যা ডোমেইন নামকে আইপি ঠিকানায় অনুবাদ করে।
- কার্যপদ্ধতি: ব্রাউজারে নাম লেখার পর DNS সার্ভার তা খুঁজে আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করে ব্রাউজারে সংযোগ স্থাপন করে।
- ব্যবহার: ব্রাউজারে ডোমেইন নাম লিখে ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে এটি কাজ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: google.com লেখা
ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী ব্রাউজারে google.com লিখলে DNS সার্ভার তাকে সংশ্লিষ্ট আইপি ঠিকানায় ম্যাপ করে সাইটটি খোলে।
উদাহরণ ২: ই-মেইল পাঠানো
ব্যাখ্যা: মেইল পাঠানোর সময় সার্ভারের আইপি ঠিকানা খুঁজে পেতেও DNS ম্যাপিংয়ের সাহায্য নেওয়া হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) HTTP — এটি হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রোটোকল, যা ওয়েব পেজ ব্রাউজারে প্রদর্শনের জন্য ডেটা আদান-প্রদান করে।
B) SMTP — এটি সিম্পল মেইল ট্রান্সফার প্রোটোকল, যা ই-মেইল পাঠানোর কাজে ব্যবহৃত হয়।
C) DNS — এটি ডোমেইন নেমকে আইপি ঠিকানায় ম্যাপ করে, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন সি সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- DNS মানে ডোমেইন নেম সিস্টেম, যা নামের সাথে আইপি ঠিকানার অনুবাদক হিসেবে কাজ করে।
- ফোনবুকের নামের সাথে যেমন ফোন নম্বর মেলানো হয়, DNS ঠিক একইভাবে কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- DNS সাধারণত পোর্ট নম্বর ৫৩ ব্যবহার করে কাজ সম্পন্ন করে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রোটোকল ও তাদের নির্দিষ্ট কাজ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) Class C
১. কেন সঠিক:
আইপি ঠিকানায় প্রথম অক্টোটে মান ১ শত ৯২ থাকায় এটি ক্লাস সি এর অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
ক্লাস সি এর নেটওয়ার্ক পরিসর ১ শত ৯২ থেকে ২ শত ২৩ পর্যন্ত নির্ধারিত থাকে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: আইপি এড্রেস হলো ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি ডিভাইসের একটি অদ্বিতীয় ঠিকানা।
কার্যপদ্ধতি: এটি নেটওয়ার্কে ডিভাইসগুলোকে শনাক্ত করতে এবং ডেটা সঠিক গন্তব্যে পাঠাতে সাহায্য করে।
শ্রেণিবিভাগ: আইপি ভি ফোর ঠিকানাকে মূলত পাঁচটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাসা বা ছোট অফিসের ওয়াইফাই রাউটার।
ব্যাখ্যা: এগুলোতে সাধারণত ১ শত ৯২ দশমিক ১৬৮ দশমিক ১ দশমিক ১ আইপি ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক।
ব্যাখ্যা: ছোট পরিসরের নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলোকে সংযুক্ত করতে এই শ্রেণির আইপি বহুল ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Class A — এটি বড় নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয় যার প্রথম অক্টোটের মান ১ থেকে ১২৬ এর মধ্যে থাকে।
B) Class B — এটি মাঝারি নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয় যার প্রথম অক্টোটের মান ১২৮ থেকে ১৯১ এর মধ্যে থাকে।
C) Class C — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর প্রথম অক্টোটের মান ১৯২ থেকে ২২৩ এর মধ্যে রয়েছে।
D) Class D — এটি মাল্টিপ্লাস্টিং এর জন্য সংরক্ষিত যার প্রথম অক্টোটের মান ২২৪ থেকে ২৩৯ এর মধ্যে থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
ক্লাস এ শুরু হয় ১ থেকে, ক্লাস বি ১২৮ থেকে, এবং ক্লাস সি ১৯২ থেকে শুরু হয়।
প্রথম অক্টোটের মান মুখস্থ রাখলে যেকোনো আইপি কোন ক্লাসের তা সহজেই চেনা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
আইপি ভি ফোর ঠিকানায় মোট বত্রিশ বিট থাকে যা চারটি অক্টোটে বিভক্ত।
বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই আইপি ক্লাসের পরিসর থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) Broadcast
১. কেন সঠিক:
- DHCP discover message হলো নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার জন্য ক্লায়েন্টের পাঠানো প্রথম বার্তা, যার উদ্দেশ্য সার্ভারকে খুঁজে বের করা।
- নতুন ক্লায়েন্টের কাছে কোনো IP address না থাকায় সে নির্দিষ্ট কোনো প্রাপককে লক্ষ্য করে বার্তা পাঠাতে পারে না।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: DHCP-এর পূর্ণরূপ Dynamic Host Configuration Protocol এবং Broadcast হলো এমন একমুখী যোগাযোগ পদ্ধতি যেখানে একটি উৎস থেকে প্রেরಿತ ডেটা একই নেটওয়ার্কের সব ডিভাইসের কাছে পৌঁছে যায়।
- কার্যপদ্ধতি: ক্লায়েন্ট ডিভাইস নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হওয়ার সাথে সাথে আইপি ঠিকানার জন্য সব ডিভাইসের কাছে একটি উন্মুক্ত বার্তা সম্প্রচার করে।
- ব্যবহার: লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে নতুন ডিভাইস স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইপি ঠিকানা পাওয়ার জন্য এই বার্তা ব্যবহার করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্লাসরুমে শিক্ষকের রোল কল।
ব্যাখ্যা: শিক্ষক নির্দিষ্ট কারো নাম না ধরে পুরো ক্লাসের উদ্দেশ্যে কথা বলেন যেন সবাই শুনতে পায়, যা ব্রডকাস্টের অনুরূপ।
উদাহরণ ২: শহরের মাইকে জরুরি ঘোষণা।
ব্যাখ্যা: মাইকের মাধ্যমে দেওয়া বার্তা যেমন এলাকার সবাই একসাথে শুনতে পায়, তেমনি ব্রডকাস্ট বার্তাও নেটওয়ার্কের সবাই গ্রহণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Unicast — ইউনিপাস্ট হলো এক থেকে একের যোগাযোগ, কিন্তু ডিসকভার মেসেজ পাঠানোর সময় ক্লায়েন্ট সার্ভারের আইপি ঠিকানা জানে না বলে এটি ইউনিপাস্ট হতে পারে না।
B) Multicast — মাল্টিকাস্ট হলো নির্দিষ্ট একটি গ্রুপের ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগ, কিন্তু ডিসকভার মেসেজের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট গ্রুপ নির্ধারিত থাকে না।
D) Anycast — এনিকাস্ট হলো সবচেয়ে কাছের নোডের সাথে যোগাযোগ করার পদ্ধতি, যা সাধারণ লোকাল নেটওয়ার্কে আইপি বরাفتের প্রাথমিক ধাপে ব্যবহৃত হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- DHCP Discover হলো আইপি খোঁজার প্রথম ধাপ এবং নতুন ডিভাইস একা হওয়ায় সে সবাইকে একসাথে ডেকে সাহায্য চায়, তাই এটি Broadcast।
- ব্রডকাস্ট মানে সবাইকে একসাথে জানানো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- DHCP প্রোটোকল স্বয়ংক্রিয়ভাবে IP address, Subnet mask এবং Gateway প্রদান করে।
- ডিসকভার মেসেজ ছাড়াও DHCP offer এবং DHCP request বার্তাগুলোর কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) Black-box testing
১. কেন সঠিক:
- সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে ব্ল্যাক-বক্স টেস্ট হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে পরীক্ষক কোডের অভ্যন্তরীণ গঠন বা সোর্স কোড না জেনেই শুধু ইনপুট দিয়ে আউটপুট পরীক্ষা করেন।
- এটি মূলত সিস্টেমের ফাংশনালিটি এবং ব্যবহারকারীর প্রত্যাশা অনুযায়ী ইনপুট-আউটপুট ঠিকমতো কাজ করছে কি না তা নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ব্ল্যাক-বক্স টেস্ট হলো সফটওয়্যার টেস্টিংয়ের একটি কৌশল যেখানে অভ্যন্তরীণ কোডের গঠন না দেখে কেবল ইনপুট ও আউটপুট যাচাই করা হয়।
- কার্যপদ্ধতি: সিস্টেমে নির্দিষ্ট ইনপুট প্রদান করে প্রত্যাশিত আউটপুট পাওয়া যাচ্ছে কি না তা ব্ল্যাক-বক্স পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্যালকুলেটর অ্যাপ
ব্যাখ্যা: ক্যালকুলেটরে দুই যোগ দুই ইনপুট দিলে ফলাফল চার আউটপুট আসে কি না, তা ব্ল্যাক-বক্স পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করা হয়, ভেতরের কোড দেখা হয় না।
উদাহরণ ২: এটিএম বুথ
ব্যাখ্যা: ডেবিট কার্ড প্রবেশ করিয়ে পিন নম্বর দিয়ে টাকা তোলার সময় সিস্টেম সঠিক আউটপুট দিচ্ছে কি না তা ব্ল্যাক-বক্স টেস্টের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Black-box testing - এটি সঠিক উত্তর কারণ এর মাধ্যমেই সিস্টেমের ইনপুট ও আউটপুট ঠিক আছে কি না তা যাচাই করা হয়।
B) Integration testing - এটি আলাদা আলাদা মডিউলগুলোকে একসাথে যুক্ত করে সেগুলো একসাথে ঠিকমতো কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
C) White-box testing - এটি কোডের অভ্যন্তরীণ গঠন, লজিক ও পাথ পরীক্ষা করার জন্য ব্যবহৃত হয়, যা ইনপুট-আউটপুট যাচাইয়ের চেয়ে কোডিংয়ের ওপর বেশি নির্ভর করে।
D) Load testing - এটি উচ্চ ট্রাফিক বা কাজের চাপে সিস্টেমের সহনশীলতা ও কার্যক্ষমতা মাপার জন্য ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কালো বাক্সের ভেতরে কী আছে তা দেখা যায় না, তাই ব্ল্যাক-বক্স টেস্টে কোডের ভেতরে না তাকিয়ে কেবল বাইরের ইনপুট ও আউটপুট দেখা হয়।
- ইনপুট ও আউটপুট পরীক্ষার কথা থাকলে চোখ বন্ধ করে ব্ল্যাক-বক্স টেস্ট নির্বাচন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সফটওয়্যার টেস্টিং মূলত দুই প্রকার, যথা ব্ল্যাক-বক্স টেস্ট এবং হোয়াইট-বক্স টেস্ট।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কোডের অভ্যন্তরীণ গঠন পরীক্ষা করার পদ্ধতি হিসেবে হোয়াইট-বক্স টেস্ট এবং ইনপুট-আউটপুট পরীক্ষার পদ্ধতি হিসেবে ব্ল্যাক-বক্স টেস্ট প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) Stack
১. কেন সঠিক:
- Stack একটি লিনিয়ার ডেটা স্ট্রাকচার যা LIFO (Last In, First Out) নীতিতে কাজ করে।
- এই ব্যবস্থায় সবার শেষে যে ডেটা যুক্ত হয়, তা সবার আগে বের হয়ে আসে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: LIFO এর পূর্ণরূপ হলো Last In, First Out। এটি এমন এক ডেটা সংগঠন পদ্ধতি যেখানে সর্বশেষ প্রবেশকৃত উপাদানটি প্রথম নিষ্কাশিত হয়।
- কার্যপদ্ধতি: এতে প্রধান দুটি অপারেশন থাকে, পুশ (Push) যার মাধ্যমে ডেটা যুক্ত হয় এবং পপ (Pop) যার মাধ্যমে ডেটা অপসারণ করা হয়।
- ব্যবহার: প্রোগ্রামিং ভাষার রিকার্শন, ওয়েব ব্রাউজারের ব্যাক হিস্ট্রি এবং টেক্সট এডিটরের আনডু কার্যক্রমে এটি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটির পর একটি প্লেট সাজিয়ে রাখার স্ট্যাক।
ব্যাখ্যা: প্লেট রাখার সময় সবার ওপরে যে প্লেট রাখা হয়, তোলার সময় সবার আগে সেই ওপরের প্লেটটিই তুলতে হয়।
উদাহরণ ২: ব্রাউজারের ব্যাক বাটন।
ব্যাখ্যা: আমরা একে একে যে পেজগুলোতে প্রবেশ করি, ব্যাক বাটন চাপলে সর্বশেষ দেখা পেজটি সবার আগে ফিরে আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Queue — এটি FIFO (First In, First Out) নীতিতে কাজ করে, তাই এটি LIFO ডেটা স্ট্রাকচার নয়।
B) Stack — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি LIFO নীতি অনুসরণ করে।
C) File — এটি স্থায়ী স্টোরেজে ডেটা সংরক্ষণের মাধ্যম, ডেটা স্ট্রাকচারের কোনো সুনির্দিষ্ট নীতি নয়।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- LIFO মানে হচ্ছে Last In First Out। স্ট্যাকের ক্ষেত্রে শেষ ব্যক্তি বা বস্তু সবার আগে সুযোগ পায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে ডেটা স্ট্রাকচার দুই প্রকার, লিনিয়ার এবং নন-লিনিয়ার। স্ট্যাক ও কিউ হলো লিনিয়ার ডেটা স্ট্রাকচারের উদাহরণ।
সঠিক উত্তর: C) d
১. কেন সঠিক:
সি প্রোগ্রামিংয়ে প্রিন্টএফ ফাংশনে পার্সেন্টেজ সি ফরম্যাট স্পেসিফায়ার ব্যবহার করলে কম্পিউটারের মেমোরিতে থাকা সংখ্যার সমতুল্য অ্যাসকি ক্যারেক্টার আউটপুট হিসেবে প্রদর্শিত হয়।
এখানে ১০০ সংখ্যার জন্য অ্যাসকি স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষর ডি প্রিন্ট হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: অ্যাসকি বা আমেরিকান স্ট্যান্ডার্ড কোড ফর ইনফরমেশন ইন্টারচেঞ্জ হলো এমন একটি কোডিং পদ্ধতি যার মাধ্যমে কম্পিউটারের বোধগম্য সংখ্যাকে মানুষের পাঠযোগ্য অক্ষরে রূপান্তর করা হয়।
কার্যপদ্ধতি: সি প্রোগ্রাম চালুর পর মেমোরি থেকে ১০০ সংখ্যাটি নিয়ে ফরম্যাট স্পেসিফায়ারের নির্দেশে তাকে সংশ্লিষ্ট বর্ণে রূপান্তর করে পর্দার সামনে দেখায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রিন্টএফ ফাংশনে পার্সেন্টেজ সি এবং ৬৫ লিখলে আউটপুট হিসেবে বড় হাতের এ অক্ষরটি প্রদর্শিত হবে।
ব্যাখ্যা: কারণ ইংরেজি বড় হাতের এ অক্ষরের অ্যাসকি মান হলো পঁয়ষট্টি।
উদাহরণ ২: প্রিন্টএফ ফাংশনে পার্সেন্টেজ সি এবং সাতচল্লিশ লিখলে ফরওয়ার্ড স্ল্যাশ চিহ্নটি আউটপুট হিসেবে আসবে।
ব্যাখ্যা: এটি দেখায় যে কম্পিউটারের ভেতরে প্রতিটি অক্ষরের জন্য একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা নির্ধারিত থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০০ — ফরম্যাট স্পেসিফায়ার পার্সেন্টেজ ডি ব্যবহার না করে পার্সেন্টেজ সি ব্যবহার করায় সরাসরি সংখ্যাটি প্রিন্ট না হয়ে তার ক্যারেক্টার রূপ প্রিন্ট হয়েছে।
B) one hundred — প্রোগ্রামিং ভাষার ক্ষেত্রে সংখ্যাকে সরাসরি বানান করে লেখার কোনো নিয়ম বা স্বয়ংক্রিয় সুবিধা সি ভাষায় নেই।
D) ০ — এখানে প্রিন্ট করার জন্য ১০০ সংখ্যাটি নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, তাই শূন্য আউটপুট আসার কোনো সুযোগ নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
অ্যাসকি টেবিল মনে রাখার সহজ উপায় হলো ইংরেজি ছোট হাতের এ শুরু হয় সাতানব্বই থেকে এবং বড় হাতের এ শুরু হয় পঁয়ষট্টি থেকে।
এই নির্দিষ্ট মানগুলোর সাথে ক্রমানুসারে যোগ করে পরবর্তী অক্ষরগুলো সহজেই হিসাব করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সি প্রোগ্রামিংয়ের কোড দিয়ে আউটপুট চাওয়া হয় যেখানে অ্যাসকি মান এবং ফরম্যাট স্পেসিফায়ারের কাজ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হয়।
ফরম্যাট স্পেসিফায়ার পরিবর্তন করলে একই সংখ্যার ভিন্ন আউটপুট আসতে পারে যেমন পার্সেন্টেজ ডি দিলে ১০০ আসত।
সঠিক উত্তর: C) Root
১. কেন সঠিক:
Max-Heap হলো একটি বিশেষ ধরনের বাইনারি ট্রি ডেটা স্ট্রাকচার যেখানে প্রতিটি প্যারেন্ট নোডের মান তার চাইল্ড নোডগুলোর মানের চেয়ে বড় বা সমান হয়। এই নিয়মের কারণে ট্রি-র একদম উপরের বা প্রধান নোডটিতে সবসময় ডেটাসেটের সবচেয়ে বড় মানটি সংরক্ষিত থাকে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: Max-Heap হলো একটি কমপ্লিট বাইনারি ট্রি যেখানে হিপ প্রপার্টি মেনে চলে এবং রুট নোডে সর্বোচ্চ মান থাকে।
কার্যপদ্ধতি: নতুন কোনো ডেটা ইনসার্ট করার সময় তা নিচের লেভেলে যুক্ত হয় এবং বড় হলে উপরে উঠে আসে যা হিপাফাই নামে পরিচিত।
বৈশিষ্ট্য: এর উচ্চতা কম হয় এবং এটি প্রায় সম্পূর্ণ বাইনারি ট্রি হিসেবে মেমোরিতে অ্যারে আকারে সংরক্ষিত থাকে।
ব্যবহার: প্রায়োরিটি কিউ এবং হিপ সর্ট অ্যালগরিদমে সবচেয়ে বড় বা ছোট ডেটা দ্রুত খুঁজে পেতে এটি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি কাজের তালিকায় জরুরি কাজগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া।
ব্যাখ্যা: Max-Heap ব্যবহার করে সবচেয়ে জরুরি বা বড় প্রায়োরিটির কাজটিকে সবসময় সবার আগে রুট থেকে সম্পাদন করা যায়।
উদাহরণ ২: গেম ডেভেলপমেন্টে খেলোয়াড়দের স্কোর ম্যানেজ করা।
ব্যাখ্যা: সর্বোচ্চ স্কোরধারী খেলোয়াড়কে খুঁজে বের করতে Max-Heap এর রুট নোড সরাসরি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Leaf — লিফ নোড বা পাতার নোডগুলো একেবারে নিচে থাকে এবং এগুলোতে সাধারণত তুলনামূলক ছোট মান বা হিপের শেষ প্রান্তের ডেটা থাকে।
B) Internal node — ইন্টারনাল নোড হলো সেইগুলো যার অন্তত একটি চাইল্ড থাকে, কিন্তু এগুলো রুট নয় বিধ W সর্বোচ্চ মান ধারণ করে না।
D) Outside — হিপ ডেটা স্ট্রাকচারের কাঠামোর বাইরে কোনো ডেটা থাকার সুযোগ নেই, সমস্ত ডেটা ট্রি এর ভেতরেই নোড হিসেবে থাকে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ম্যাক্স হিপ মানে সর্বোচ্চ মান আর সর্বোচ্চ মান সবসময় গাছের চূড়ায় বা রুটে থাকে।
রুট শব্দটির অর্থ শিকড় বা ভিত্তি হলেও বাইনারি ট্রির ক্ষেত্রে এটি ওপরের বা প্রধান নোডকে বোঝায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
Min-Heap ডেটা স্ট্রাকচারে সবচেয়ে ছোট নম্বরটি রুট নোডে থাকে।
কম্পিউটার সায়েন্সে প্রায়োরিটি কিউ বাস্তবায়নে হিপ ডেটা স্ট্রাকচার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: C) ARP
১. কেন সঠিক:
- ARP এর পূর্ণরূপ হলো Address Resolution Protocol.
- এটি নেটওয়ার্কে একটি আইপি অ্যাড্রেসের বিপরীতে নির্দিষ্ট ফিজিক্যাল বা ম্যাক অ্যাড্রেস খুঁজে বের করতে কাজ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ARP হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল যা লজিক্যাল অ্যাড্রেসকে ফিজিক্যাল অ্যাড্রেসে রূপান্তর করে।
- কার্যপদ্ধতি: লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে কোনো ডিভাইস আইপি অ্যাড্রেস জানলেও ডেটা পাঠানোর জন্য ম্যাক অ্যাড্রেস প্রয়োজন হয়, যা এআরপি প্রোটোকল ব্রডকাস্ট করে সংগ্রহ করে।
- ব্যবহার: লোকাল নেটওয়ার্কে আইপি থেকে ম্যাক অ্যাড্রেস ম্যাপিং বা খোঁজার জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লোকাল প্রিন্টার
ব্যাখ্যা: কম্পিউটার প্রিন্টারের আইপি অ্যাড্রেস জানলেও প্রিন্ট ডেটা পাঠাতে এআরপি প্রোটোকলের মাধ্যমে প্রিন্টারের ম্যাক অ্যাড্রেস জেনে নেয়।
উদাহরণ ২: সুইচযুক্ত নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা: সুইচ ডেটা ফরোয়ার্ড করার সময় ম্যাক অ্যাড্রেস ব্যবহার করে, আর আইপি থেকে সেই ম্যাক অ্যাড্রেস বের করতে এআরপি কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) RIP — এটি একটি রাউটিং প্রোটোকল যা নেটওয়ার্কে ডেটা পাঠানোর সবচেয়ে ভালো পথ নির্ধারণ করে, আইপি থেকে ম্যাক অ্যাড্রেস বের করে না।
B) BGP — এটি অটোনমাস সিস্টেমগুলোর মধ্যে রাউটিং তথ্য আদান-প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়, ম্যাক অ্যাড্রেসের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
C) ARP — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি আইপি অ্যাড্রেস থেকে ম্যাক অ্যাড্রেস বের করার কাজটি নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করে।
D) TCP — এটি একটি কানেকশন-ওরিয়েন্টেড ট্রান্সপোর্ট লেয়ার প্রোটোকল যা নির্ভরযোগ্য ডেটা ডেলিভারি নিশ্চিত করে, অ্যাড্রেস রেজোলিউশন করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ARP মানে Address Resolution Protocol, যা আইপি থেকে ম্যাক অ্যাড্রেস খুঁজে বের করে।
- এভাবে মনে রাখতে পারো যে এটি আইপিকে ম্যাকের ঠিকানায় পৌঁছে দেয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নেটওয়ার্ক প্রোটোকলের কাজ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- আইপি থেকে ম্যাক জানার প্রোটোকল হলো এআরপি, আর ম্যাক থেকে আইপি জানার প্রোটোকল হলো রিভার্স এআরপি বা RARP.
সঠিক উত্তর: C) ৬ KHZ
১. কেন সঠিক:
- এমপ্লিটিউড মডুলেশন বা এএম এ ক্যারিয়ার সিগন্যালকে তথ্য সিগন্যাল দিয়ে মডুলেট করলে মডুলেটেড সিগন্যালের ব্যান্ডউইথ তথ্য সিগন্যালের ব্যান্ডউইথের দ্বিগুণ হয়।
- প্রশ্নে তথ্য সিগন্যালের ব্যান্ডউইথ ৩ KHZ দেওয়া আছে, তাই মডুলেটেড সিগন্যালের ব্যান্ডউইথ হবে ৩ KHZ গুণ ২ সমান ৬ KHZ।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: এএম বা এমপ্লিটিউড মডুলেশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে বাহক বা ক্যারিয়ার সিগন্যালের বিস্তার মডুলেটিং সিগন্যালের বিস্তার অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়।
- কার্যপদ্ধতি: মডুলেশনের ফলে ক্যারিয়ার ফ্রিকোয়েন্সির উভয়পাশে দুটি সাইডব্যান্ড তৈরি হয়, যাকে আপার সাইডব্যান্ড এবং লোয়ার সাইডব্যান্ড বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রেডিও সম্প্রচার
ব্যাখ্যা: এএম রেডিও স্টেশনে এই মডুলেশন পদ্ধতি ব্যবহার করে অডিও সিগন্যাল দূরদূরান্তে পাঠানো হয়।
উদাহরণ ২: ওয়াকিটকি যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: অ্যানালগ যোগাযোগ ব্যবস্থায় এই প্রযুক্তির মাধ্যমে সিগন্যাল দীর্ঘ দূরত্বে প্রেরণ করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩০ HZ - এই মানটি সঠিক সূত্রের হিসাবের সঙ্গে মেলে না কারণ এটি ব্যান্ডউইথের সঠিক দ্বিগুণ মান নয়।
B) ৩ KHZ - এটি শুধুমাত্র ইনপুট বা মডুলেটিং সিগন্যালের ব্যান্ডউইথ, মডুলেটেড সিগন্যালের মোট ব্যান্ডউইথ নয়।
D) ৬০০ HZ - এই মানটি ভুল গণনার কারণে এসেছে এবং এটি সঠিক উত্তর নির্ধারণের নিয়মের বাইরে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- এএম মডুলেশনের ক্ষেত্রে ব্যান্ডউইথ বের করতে হলে তথ্য সিগন্যালের ব্যান্ডউইথকে সবসময় দুই দিয়ে গুণ করতে হয়।
- মনে রাখবে, মডুলেটেড ব্যান্ডউইথ সমান ২ গুণ ম্যাক্সিমাম ফ্রিকোয়েন্সি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এএম মডুলেশনে মোট ব্যান্ডউইথ সমান ২ গুণ সর্বোচ্চ মডুলেটিং ফ্রিকোয়েন্সি।
- এই ধরনের গাণিতিক সমস্যাগুলো বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) 192.169.10.10
১. কেন সঠিক:
আইপি ঠিকানার ক্ষেত্রে প্রাইভেট রেঞ্জের বাইরে অবস্থিত আইপি ঠিকানাগুলো সাধারণত পাবলিক আইপি হিসেবে গণ্য করা হয়।
এখানে বিকল্পগুলোতে প্রাইভেট আইপি অ্যাড্রেসের নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড রেঞ্জ পর্যালোচনা করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: আইপি অ্যাড্রেস বা ইন্টারনেট প্রোটোকল অ্যাড্রেস হলো ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি ডিভাইসের একটি অদ্বিতীয় ঠিকানা।
শ্রেণিবিভাগ: আইপি অ্যাড্রেস মূলত দুই প্রকার, যেমন পাবলিক আইপি যা ইন্টারনেটে সরাসরি দৃশ্যমান এবং প্রাইভেট আইপি যা লোকাল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাসার ওয়াইফাই রাউটার থেকে মোবাইল বা ল্যাপটপে যে আইপি স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রদান করা হয় তা প্রাইভেট আইপি।
ব্যাখ্যা: এই আইপিগুলো শুধু ঘরের ভেতরের লোকাল নেটওয়ার্কে ডিভাইসগুলোকে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আইএসপি আমাদের মডেমকে যে আইপি দেয় তা পাবলিক আইপি।
ব্যাখ্যা: এই আইপি বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের সাথে যোগাযোগ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 192.169.10.10 — এটি প্রাইভেট আইপি রেঞ্জের অন্তর্ভুক্ত নয় কারণ ক্লাস সি প্রাইভেট রেঞ্জটি 192.168.0.0 থেকে 192.168.255.255 পর্যন্ত সীমাবদ্ধ।
B) 11.5.10.10 — এটি ক্লাস এ পাবলিক আইপি অ্যাড্রেসের একটি বৈধ ঠিকানা যা ইন্টারনেটে রাউটেবল।
C) 1.1.1.1 — এটি ক্লাউডফ্লেয়ারের পাবলিক ডিএনএস সার্ভারের একটি সুপরিচিত পাবলিক আইপি অ্যাড্রেস।
D) 172.16.5.3 — এটি ক্লাস বি প্রাইভেট আইপি রেঞ্জের 172.16.0.0 থেকে 172.175.255.255 সীমার মধ্যে অবস্থিত একটি বৈধ প্রাইভেট আইপি অ্যাড্রেস।
৫. মনে রাখার টিপস:
ক্লাস এ প্রাইভেট আইপি শুরু হয় ১০.০.০.০ থেকে।
ক্লাস বি প্রাইভেট আইপি শুরু হয় ১৭২.১৬.০.০ থেকে এবং ক্লাস সি শুরু হয় ১৯২.১৬৮.০.০ থেকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
নেটওয়ার্কিং পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাইভেট ও পাবলিক আইপি চেনার জন্য এই নির্দিষ্ট রেঞ্জগুলো থেকে প্রশ্ন করা হয়।
আইপিভি ফোর সংস্করণে প্রাইভেট রেঞ্জ মুখস্থ রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) Hub
১. কেন সঠিক:
স্টার টপোলজিতে সব কম্পিউটার বা ডিভাইস একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইসের সাথে যুক্ত থাকে।
এই কেন্দ্রীয় ডিভাইসটিকে হাব (Hub) বা সুইচ বলা হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: হাব হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত এমন একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা একাধিক ডিভাইসকে একসাথে যুক্ত করে।
কার্যপদ্ধতি: এটি নেটওয়ার্কের একটি নোড থেকে ডেটা রিসিভ করে এবং তা ব্রডকাস্ট করে অন্য সব নোডে ছড়িয়ে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি অফিস কক্ষের ৫টি কম্পিউটার একটি সেন্ট্রাল ডিভাইসের মাধ্যমে যুক্ত করা হলো।
ব্যাখ্যা: এখানে সেন্ট্রাল ডিভাইস হিসেবে হাব ব্যবহার করে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা LAN তৈরি করা হয়।
উদাহরণ ২: স্কুল ল্যাবের কম্পিউটারগুলোর তার একটিমাত্র কেন্দ্রীয় বাক্সে এসে মিলিত হয়।
ব্যাখ্যা: এই কেন্দ্রীয় বাক্স বা হাব ডেটা আদান-প্রদান নিয়ন্ত্রণ করে নেটওয়ার্ক সচল রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Node — নোড হলো নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত যেকোনো স্বতন্ত্র ডিভাইস বা কম্পিউটার, কেন্দ্রীয় কন্ট্রোলার নয়।
B) Hub — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্টার টপোলজিতে এটি কেন্দ্রীয় ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
C) Router — রাউটার ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা পথ দেখায়, যা একক LAN-এর স্টার টপোলজির সেন্ট্রাল কন্ট্রোলার নয়।
D) Modem — মডেম অ্যানালগ ও ডিজিটাল সংকেতের রূপান্তর করে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়, নেটওয়ার্কের কেন্দ্রীয় কন্ট্রোলার নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
স্টার টপোলজি দেখতে অনেকটা তারার মতো, যার মাঝখানে থাকে হাব।
মাঝখানের বিন্দু বা হাব নষ্ট হলে পুরো নেটওয়ার্ক অচল হয়ে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
স্টার টপোলজিতে প্রতিটি ডিভাইস স্বাধীনভাবে কেন্দ্রীয় ডিভাইসের সাথে যুক্ত থাকে।
একটি ক্যাবল নষ্ট হলে শুধু সেই ডিভাইসটি বিচ্ছিন্ন হয়, বাকি নেটওয়ার্ক সচল থাকে।
সঠিক উত্তর: B) Router
১. কেন সঠিক:
- রাউটার হলো লেয়ার থ্রি বা নেটওয়ার্ক লেয়ারের ডিভাইস যা ব্রডকাস্ট ট্রাফিক ব্লক করে কেবল নির্দিষ্ট গন্তব্যে ডেটা পাঠায়।
- এটি বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে এবং সাবনেট তৈরি করে ব্রডকাস্ট ডোমেইন ছোট রাখতে সাহায্য করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: রাউটার হলো এমন একটি বুদ্ধিমান নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্যাকেট রুট বা পথ নির্ধারণ করে।
- কার্যপদ্ধতি: এটি আইপি অ্যাড্রেস বিশ্লেষণ করে এবং ডেটা কোন পথে গেলে দ্রুত পৌঁছাবে তা নির্ধারণ করে ব্রডকাস্ট ট্রাফিক আটকে দেয়।
- ব্যবহার: ল্যান ও ওয়ান সংযোগ করতে, অফিস বা হোম নেটওয়ার্কে ইন্টারনেট বিতরণে এবং ব্রডকাস্ট ঝামলা এড়াতে রাউটার ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা ও চট্টগ্রাম অফিসের দুটি আলাদা নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করতে রাউটার ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: রাউটার নিশ্চিত করে যেন ঢাকার ব্রডকাস্ট ট্রাফিক অপ্রয়োজনে চট্টগ্রামে গিয়ে নেটওয়ার্ক স্লো না করে।
উদাহরণ ২: হোম ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে আইএসপি থেকে আসা সংযোগ ভাগ করতে রাউটার ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা: এটি ঘরের ভেতরের ডিভাইসগুলোর লোকাল ট্রাফিক নিজেদের মধ্যে রেখে বাইরের ব্রডকাস্ট ও ইন্টারনেট ট্রাফিক সুশৃঙ্খল রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Hub — হাব হলো ফিজিক্যাল লেয়ারের ডিভাইস যা সমস্ত ইনকামিং সিগন্যাল সব পোর্টে ব্রডকাস্ট করে, তাই এটি ব্রডকাস্ট আটকাতে পারে না।
B) Router — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি ব্রডকাস্ট ট্রাফিক ব্লক করতে সক্ষম এবং ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করে।
C) Switch — সুইচ সাধারণত ডেটা লিঙ্ক লেয়ারে কাজ করে এবং ম্যাক অ্যাড্রেস ফিল্টার করে, তবে স্ট্যান্ডার্ড সুইচ ব্রডকাস্ট ট্রাফিক আটকাতে পারে না।
D) RJ45 — এটি কোনো নেটওয়ার্ক ডিভাইস নয়, বরং ইথারনেট কেবলের সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত এক ধরনের কানেক্টর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- হাব এবং সুইচ হলো লোকাল নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা ব্রডকাস্ট ছড়ায় বা পাস করে, আর রাউটার হলো সীমানা রক্ষী যা ব্রডকাস্ট ট্রাফিক আটকে দেয়।
- ব্রডকাস্ট আটকাতে চাইলে লেয়ার থ্রি ডিভাইস বা রাউটারের বিকল্প নেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ব্রডকাস্ট ডোমেইন বড় করার জন্য হাব ও সুইচ ব্যবহার করা হয়, আর ছোট বা সীমিত করার জন্য রাউটার ব্যবহার করা হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন ডিভাইস ব্রডকাস্ট ডোমেইন বিভক্ত করে, যার উত্তর হলো রাউটার।
সঠিক উত্তর: B) SMTP
১. কেন সঠিক:
- SMTP এর পূর্ণরূপ Simple Mail Transfer Protocol এবং এটি ই-মেইল পাঠানোর কাজে ব্যবহৃত মূল প্রোটোকল।
- ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এক সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে বা ক্লায়েন্ট থেকে মেইল সার্ভারে বার্তা প্রেরণের জন্য এটি নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: SMTP হলো ইন্টারনেট প্রোটোকল সুইটের একটি অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার প্রোটোকল যা ই-মেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- কার্যপদ্ধতি: এটি প্রেরকের কম্পিউটার থেকে মেইল সার্ভারে এবং সেখান থেকে প্রাপকের মেইল সার্ভারে বার্তা স্থানান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
- ব্যবহার: মূলত ই-মেইল পাঠানোর সময় এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় নোটিফিকেশন পাঠানোর কাজে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জিমেইল থেকে অন্য কারও আউটলুক ঠিকানায় একটি ই-মেইল পাঠানো।
ব্যাখ্যা: আপনি সেন্ড বাটনে ক্লিক করার পর আপনার মেইল ক্লায়েন্ট SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করে প্রাপকের সার্ভারে বার্তাটি পৌঁছে দেয়।
উদাহরণ ২: ব্যাংকিং ওয়েবসাইট থেকে আপনার লেনদেনের ই-মেইল রসিদ পাঠানো।
ব্যাখ্যা: সিস্টেমের ব্যাকএন্ড সার্ভার SMTP ব্যবহার করে আপনার ঠিকানায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ই-মেইলটি পাঠিয়ে দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Telnet — এটি রিমোট কম্পিউটারে লগইন করার জন্য ব্যবহৃত একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল, যা ই-মেইল আদান-প্রদানের সাথে সম্পৃক্ত নয়।
B) SMTP — এটি ই-মেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত সঠিক এবং নির্দিষ্ট প্রোটোকল।
C) SSH — এটি নিরাপদ উপায়ে রিমোট কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল, ই-মেইলের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
D) DHCP — এটি নেটওয়ার্কের ডিভাইসগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইপি অ্যাড্রেস প্রদান করে, যা ই-মেইল সার্ভিসের কাজ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মেইল পাঠানোর জন্য S মানে Send অর্থাৎ SMTP মনে রাখতে পারেন।
- ই-মেইল রিসিভ করার জন্য POP3 বা IMAP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ই-মেইল পাঠানোর প্রোটোকল কোনটি, যার উত্তর হবে SMTP।
- ই-মেইল গ্রহণের প্রোটোকল হিসেবে POP3 এবং IMAP এর নাম মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) O(n)
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটিতে যে উত্তর দেওয়া হয়েছে তা একটি স্কিউড বা ক্রমান্বিত বাইনারি সার্চ ট্রির ক্ষেত্রে সত্য। যখন একটি বাইনারি সার্চ ট্রি ক্রমানুসারে ডেটা নিয়ে একপাশে ঝুঁকে পড়ে, তখন এর উচ্চতা ট্রির নোড সংখ্যার সমান হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: বাইনারি সার্চ ট্রি হলো এমন একটি ডেটা স্ট্রাকচার যেখানে প্রতিটি নোডের সর্বোচ্চ দুটি চাইল্ড থাকতে পারে এবং বাম সাবট্রির মান ছোট এবং ডান সাবট্রির মান বড় হয়।
কার্যপদ্ধতি: সাধারণ বা সুষম বাইনারি সার্চ ট্রিতে অনুসন্ধান বা সার্চ করতে গাছের উচ্চতা অর্থাৎ লগারিদমিক সময় লাগে। কিন্তু ট্রি যদি পুরোপুরি ভারসাম্যহীন বা স্কিউড হয়, তবে এটি একটি লিংকড লিস্টের মতো কাজ করে এবং পুরো ট্রি স্ক্যান করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১ থেকে ৫ পর্যন্ত ক্রমবর্ধমান সংখ্যাগুলো কোনো ব্যালেন্সিং ছাড়া বাইনারি সার্চ ট্রিতে ইনপুট দিলে ট্রিটি কেবল ডান দিকে বাড়তে থাকে।
ব্যাখ্যা: এই অবস্থায় ডেটা খুঁজতে রুট থেকে শেষ নোড পর্যন্ত ক্রমানুসারে যেতে হয়, যা রৈখিক বা লিনিয়ার সময় নেয়।
উদাহরণ ২: একটি ফোনবুকের ডেটা যদি আগে থেকেই সাজানো থাকে এবং সেটি দিয়ে ভুলভাবে বাইনারি সার্চ ট্রি তৈরি করা হয়।
ব্যাখ্যা: ফলে প্রতিটি নাম খুঁজতে একটির পর একটি চেক করতে হয়, যা বৃক্ষাকারের সুবিধা নষ্ট করে ফেলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) O(n) — ট্রিটি ভারসাম্যহীন বা স্কিউড হলে ডেটা সার্চ বা ট্রাভার্স করতে সর্বোচ্চ এই পরিমাণ সময় বা লিনিয়ার টাইম প্রয়োজন হয়।
B) O(nlog₂n) — এই টাইম কমপ্লেক্সিটি সাধারণত দক্ষ সর্টিং অ্যালগরিদম যেমন মের্জ সোর্ট বা কুইক সোর্টের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, সাধারণ বাইনারি সার্চ ট্রির ক্ষেত্রে নয়।
C) O(log₂n) — এটি একটি সুষম বা ব্যালেন্সড বাইনারি সার্চ ট্রির ক্ষেত্রে সঠিক টাইম কমপ্লেক্সিটি, কিন্তু প্রশ্নটিতে নির্দিষ্ট কোনো শর্ত না থাকায় সাধারণ ক্ষতিকর রূপ ধরা হয়েছে।
D) O(n²) — এই টাইম কমপ্লেক্সিটি সাধারণত বাজেভাবে কাজ করা সর্টিং অ্যালগরিদম যেমন বাবল সোর্টের ক্ষেত্রে দেখা যায়, সাধারণ বাইনারি সার্চ ট্রিতে নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাইনারি সার্চ ট্রি মানেই সবসময় লগারিদমিক সময় নয়, ট্রি একপাশে বাঁকা হলে লিনিয়ার বা এন সময় লাগবে।
ব্যালেন্সড ট্রির ক্ষেত্রে লগারিদমিক এবং আনব্যালেন্সড ট্রির ক্ষেত্রে লিনিয়ার সময় হিসাব করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডেটা স্ট্রাকচারের টাইম কমপ্লেক্সিটি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
ভালো পারফরম্যান্সের জন্য সেলফ ব্যালেন্সিং ট্রি যেমন এভিএল ট্রি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) মহেশখালী
১. কেন সঠিক:
সোনাদিয়া দ্বীপটি বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নে অবস্থিত।
এটি বঙ্গোপসাগরের একটি ছোট দ্বীপ এবং পরিবেশগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য: সোনাদিয়া দ্বীপ তার জীববৈচিত্র্য, ম্যানগ্রোভ বন এবং বিরল প্রজাতির সামুদ্রিক জীবের জন্য বিখ্যাত।
অর্থনৈতিক ও কৌশলগত গুরুত্ব: সরকারের গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা এবং ইকো-ট্যুরিজম প্রকল্পের কারণে দ্বীপটি বিশেষভাবে পরিচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সেন্ট মার্টিন দ্বীপ যেমন টেকনাফ উপজেলার অন্তর্ভুক্ত, তেমনি সোনাদিয়া দ্বীপ মহেশখালী উপজেলার অন্তর্ভুক্ত।
ব্যাখ্যা: ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রশাসনিক সীমানা নির্ধারণের ক্ষেত্রে দ্বীপগুলো নিকটবর্তী উপজেলার অধীনে পরিচালিত হয়।
উদাহরণ ২: মহেশখালী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মধ্যে কুতুবজোম ইউনিয়ন এই দ্বীপটির প্রশাসনিক দায়িত্ব বহন করে।
ব্যাখ্যা: স্থানীয় প্রশাসন ও উন্নয়নের কাজ এই প্রশাসনিক কাঠামোর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মহেশখালী — এটি সঠিক উত্তর কারণ সোনাদিয়া দ্বীপ প্রশাসনিকভাবে মহেশখালী উপজেলার অংশ।
B) হাতিয়া — হাতিয়া একটি পৃথক দ্বীপ উপজেলা যা নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত, তাই এটি সঠিক নয়।
C) কুতুবদিয়া — কুতুবদিয়া একটি স্বতন্ত্র দ্বীপ উপজেলা এবং এটি মহেশখালী থেকে আলাদা।
D) টেকনাফ — টেকনাফ কক্সবাজার জেলার অপর একটি উপজেলা যেখানে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ অবস্থিত, সোনাদিয়া নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সোনাদিয়া দ্বীপের নামের সাথে মহেশখালী উপজেলা মনে রাখতে মহেশখালীর সাথে সোনাদিয়া যুক্ত করে একটি ছোট ছন্দ মনে রাখা যায়।
কক্সবাজার জেলার দ্বীপগুলোর মধ্যে মহেশখালী উপজেলার সাথে সোনাদিয়া দ্বীপ সরাসরি যুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলাদেশের বিভিন্ন দ্বীপ ও তার প্রশাসনিক অবস্থান প্রায়ই আসে।
সোনাদিয়া দ্বীপটি প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবেও পরীক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ জ্ঞান।
সঠিক উত্তর: A) SMTP
১. কেন সঠিক:
- SMTP-এর পূর্ণরূপ Simple Mail Transfer Protocol, যা ইন্টারনেট মাধ্যমে ইমেইল পাঠানোর কাজে ব্যবহৃত প্রধান প্রোটোকল।
- এটি মূলত মেইল সার্ভার থেকে অন্য মেইল সার্ভারে বা ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে ইমেইল স্থানান্তরের কাজটি সম্পন্ন করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ইমেইল প্রোটোকল হলো এমন কিছু নিয়ম বা প্রমিত পদ্ধতি, যার মাধ্যমে ইন্টারনেটে একটি কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ইমেইল আদান-প্রদান করা হয়।
- কার্যপদ্ধতি: প্রেরক যখন ইমেইল পাঠান, তখন SMTP প্রোটোকল সেই বার্তাটি গ্রহণ করে এবং প্রাপকের মেল সার্ভারে পৌঁছে দেয়।
- ব্যবহার: এটি মূলত ইমেইল পাঠানোর কাজে (Outbound Mail) বিশ্বজুড়ে প্রমিত মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জিমেইল থেকে ইয়াহুতে ইমেল পাঠানো।
ব্যাখ্যা: জিমেইল অ্যাকাউন্ট থেকে বার্তা পাঠানোর সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে SMTP প্রোটোকল কাজ করে এবং তা ইয়াহুর সার্ভারে পৌঁছে দেয়।
উদাহরণ ২: মাইক্রোসফট আউটলুক অ্যাপ কনফিগার করা।
ব্যাখ্যা: আউটলুক বা থান্ডারবার্ডের মতো ইমেইল ক্লায়েন্টে অ্যাকাউন্ট সেটআপ করার সময় আউটগোয়িং সার্ভার হিসেবে SMTP সার্ভার যুক্ত করতে হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) SMTP — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি ইমেইল প্রোটোকল।
B) IOT — এটি Internet of Things-এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত ডিভাইসগুলোর যোগাযোগ ব্যবস্থা নির্দেশ করে।
C) USB — এটি Universal Serial Bus-এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যা কম্পিউটার এবং পেরিফেরাল ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের একটি হার্ডওয়্যার ইন্টারফেস।
D) OTG — এটি On-The-Go-এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যা মোবাইল ডিভাইসে এক্সটার্নাল ডিভাইস যুক্ত করার একটি প্রযুক্তি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইমেইল পাঠানোর জন্য T (Transfer) অর্থাৎ SMTP ব্যবহার করা হয়।
- প্রোটোকল মানে নিয়ম, আর SMTP হলো ইমেইল পাঠানোর নিয়ম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ইমেইল পড়ার বা গ্রহণের জন্য সাধারণত POP3 বা IMAP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
- প্রোটোকল সংক্রান্ত প্রশ্নে ইমেইল পাঠানো এবং গ্রহণের প্রোটোকলগুলো আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) Cache Memory
১. কেন সঠিক:
কম্পিউটার স্থাপত্যে ক্যাশ মেমোরি হলো এমন একটি অত্যন্ত দ্রুত গতির ছোট আকৃতির মেমোরি যা সরাসরি প্রসেসরের ভেতরে বা খুব কাছাকাছি অবস্থিত থাকে।
প্রসেসর যখন কোনো ডেটা নিয়ে কাজ করে তখন প্রধান মেমোরি থেকে বারবার ডেটা না এনে এই ক্যাশ মেমোরি থেকে খুব দ্রুত তা সংগ্রহ করে নেয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ক্যাশ মেমোরি হলো প্রসেসর ও মূল মেমোরির মধ্যকার একটি উচ্চগতির বাফার মেমোরি যা ডেটা আদানপ্রদানের গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
কার্যপদ্ধতি: এটি প্রসেসরের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ডেটা ও নির্দেশাবলী নিজের কাছে জমা করে রাখে যাতে পরবর্তী সময়ে প্রসেসর ন্যানোসেকেন্ডের কম সময়ে তা পেতে পারে।
বৈশিষ্ট্য: এর ধারণক্ষমতা অনেক কম হলেও এর ডেটা অ্যাক্সেস টাইম অন্যান্য যেকোনো মেমোরির তুলনায় সবচেয়ে দ্রুততম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রান্নার সময় মশলার কৌটা হাতের কাছে রাখা।
ব্যাখ্যা: রান্নার মূল উপাদান যেমন ফ্রিজ বা স্টোররুম থেকে বারবার না এনে হাতের কাছের ছোট কৌটায় রাখলে যেমন দ্রুত রান্না হয়, প্রসেসরের কাছে ক্যাশ মেমোরি রাখা তেমনি কাজ করে।
উদাহরণ ২: ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরি।
ব্যাখ্যা: বারবার ব্যবহৃত ওয়েবসাইটগুলো কম্পিউটারের ব্রাউজার ক্যাশে জমা রাখে, ফলে পরের বার সেই সাইটে প্রবেশ করলে পৃষ্ঠাটি অনেক দ্রুত লোড হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) RAM — এটি প্রধান মেমোরি এবং ক্যাশ মেমোরির চেয়ে এর ডেটা স্থানান্তরের গতি তুলনামূলকভাবে ধীর গতির।
B) Hard disk — এটি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস এবং যান্ত্রিক গতির কারণে এর ডেটা স্থানান্তরের গতি সবচেয়ে কম।
C) CD ROM — এটি অপটিক্যাল ডিস্ক মাধ্যম এবং লেজার রশ্মি ব্যবহারের কারণে এর ডেটা রিড করার গতি অত্যন্ত ধীর প্রকৃতির।
৫. মনে রাখার টিপস:
কম্পিউটারের মেমোরিগুলোর গতি মনে রাখার সাধারণ নিয়ম হলো প্রসেসরের যত কাছে অবস্থান, তার ডেটা স্থানান্তরের গতি তত বেশি।
ক্যাশ মেমোরি সরাসরি প্রসেসরের সাথে যুক্ত থাকে বলে এর গতি র্যাম বা হার্ডডিস্কের চেয়ে অনেক বেশি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মেমোরি হায়ারার্কি বা মেমোরির গতি ও ধারণক্ষমতার তুলনা থেকে প্রশ্ন আসে।
ক্যাশ মেমোরি প্রসেসর ও র্যামের মধ্যকার গতির ব্যবধান দূর করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সঠিক উত্তর: B) TCP
১. কেন সঠিক:
- FTP প্রোটোকল ডেটা আদান-প্রদানের জন্য নির্ভরযোগ্য যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে TCP ব্যবহার করে।
- TCP নিশ্চিত করে যে ফাইল স্থানান্তরের সময় কোনো প্যাকেট বা ডেটা হারিয়ে গেলে তা পুনরায় প্রেরিত হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: FTP বা File Transfer Protocol এমন একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভার এবং ক্লায়েন্টের মধ্যে ফাইল স্থানান্তরে ব্যবহৃত হয়।
- কার্যপদ্ধতি: এটি ফাইল আদান-প্রদানের জন্য দুটি আলাদা চ্যানেল তৈরি করে, যার একটি নিয়ন্ত্রণ বার্তা এবং অন্যটি প্রকৃত ডেটা স্থানান্তরের জন্য কাজ করে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি নির্ভরযোগ্য সংযোগ স্থাপনকারী প্রোটোকল এবং বৃহৎ আকারের ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে অত্যন্ত নিরাপদ ও কার্যকরী।
- ব্যবহার: ওয়েবসাইট ডেভেলপাররা তাদের তৈরি ফাইল লোকাল কম্পিউটার থেকে রিমোট হোস্টিং সার্ভারে আপলোড করার জন্য এটি ব্যবহার করেন।
৩. উদাহরণ:
- উদাহরণ ১: কোনো ওয়েব ডিজাইনার তার কম্পিউটারের এইচটিএমএল ফাইল ফাইলজিলা সফটওয়্যারের মাধ্যমে লাইভ সার্ভারে আপলোড করছেন।
- ব্যাখ্যা: এই ফাইল স্থানান্তরের পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে ব্যাকগ্রাউন্ডে FTP প্রোটোকল এবং TCP কাজ করে।
- উদাহরণ ২: একটি করপোরেট প্রতিষ্ঠান তাদের বড় আকারের মাসিক ডেটা ব্যাকআপ দূরবর্তী ক্লাউড স্টোরেজে পাঠাচ্ছে।
- ব্যাখ্যা: ডেটা যেন নিখুঁত ও অক্ষত থাকে, সেজন্য TCP নিশ্চিত করে প্রতিটি অংশ সঠিকভাবে গন্তব্যে পৌঁছাল কি না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) IP — IP বা Internet Protocol সরাসরি ফাইল স্থানান্তর করে না, এটি কেবল নেটওয়ার্কে ডিভাইসগুলোর অবস্থান শনাক্ত করে প্যাকেট রাউটিং করে।
B) TCP — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সংযোগের নিশ্চয়তা প্রদান করে।
C) UDP — UDP একটি দ্রুতগতির প্রোটোকল হলেও এটি ডেটা হারানোর নিশ্চয়তা দেয় না, যা ফাইল স্থানান্তরের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
D) SMTP — SMTP বা Simple Mail Transfer Protocol শুধুমাত্র ইমেল পাঠানোর কাজে ব্যবহৃত হয়, ফাইল স্থানান্তরে নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ফাইল ট্রান্সফার মানেই হলো ডেটার শতভাগ নিখুঁত হওয়া জরুরি, আর নিখুঁত ডেটা ডেলিভারির জন্য TCP অপরিহার্য।
- FTP শব্দের পূর্ণরূপ File Transfer Protocol এবং TCP শব্দের পূর্ণরূপ Transmission Control Protocol।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রোটোকল ও তাদের পোট নম্বর বা লেয়ার সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে, তাই FTP-র পোর্ট নম্বর কুড়ি ও একুশ মনে রাখা আবশ্যক।
- নেটওয়ার্ক লেয়ারের সঙ্গে ট্রান্সপোর্ট লেয়ারের কাজগুলোর পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
ইন্টেল ৮০৮৬ মাইক্রোপ্রসেসরের স্থাপত্য অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার থাকে।
এর মধ্যে ১৬-বিট বা টুয়েন্টি বিট অ্যাড্রেসিং রেজিস্টারগুলোর হিসাব করা হয়।
ধরি,
সাধারণ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ১৬-বিট রেজিস্টার হলো ৪টি।
পয়েন্টার এবং ইনডেক্স ১৬-বিট রেজিস্টার হলো ৪টি।
অতএব,
প্রথম চারটির নাম হলো এএক্স, বিএক্স, সিএক্স এবং ডিএক্স।
পরবর্তী চারটির নাম হলো এসপি, বিপি, এসআই এবং ডিআই।
সুতরাং,
সর্বমোট ১৬-বিট রেজিস্টারের সংখ্যা হলো ৪ + ৪ = ৮টি।
উত্তর: ৮
সঠিক উত্তর: B) Sum
১. কেন সঠিক:
- Aggregate function হলো ডেটাবেজের এমন একটি ফাংশন যা একাধিক মানের ওপর গণনা চালিয়ে একটিমাত্র একক ফলাফল প্রদান করে।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Sum হলো একটি বিল্ট-ইন এগ্রিগেট ফাংশন যা কোনো নির্দিষ্ট কলামের সব মানের সমষ্টি নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে একাধিক সারির ডেটা থেকে একটি মাত্র ফলাফল পাওয়ার পদ্ধতিকে এগ্রিগেট ফাংশন বলে।
- কার্যপদ্ধতি: এটি টেবিলের একটি নির্দিষ্ট কলামের সব মান ইনপুট হিসেবে গ্রহণ করে এবং গাণিতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একটি মান আউটপুট দেয়।
- বৈশিষ্ট্য: এগ্রিগেট ফাংশন সাধারণত এসকিউএল কুয়েরিতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি নাল ভ্যালু উপেক্ষা করে কাজ করে।
- ব্যবহার: ডেটাবেজ থেকে মোট বিক্রয়, শিক্ষার্থীর গড় নম্বর বা সর্বোচ্চ বেতন বের করার জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: SELECT SUM(Salary) FROM Employees;
ব্যাখ্যা: এই কোডের মাধ্যমে Employees টেবিলের Salary কলামের সব কর্মীর বেতনের সমষ্টি খুব সহজে নির্ণয় করা যায়।
উদাহরণ ২: SELECT AVG(Marks) FROM Students;
ব্যাখ্যা: এই কুয়েরিটি Students টেবিলের Marks কলামের সব নম্বরের গড় হিসাব করতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Where — এটি কোনো এগ্রিগেট ফাংশন নয়, বরং ডেটাবেজ কুয়েরিতে নির্দিষ্ট শর্ত বা ফিল্টার আরোপ করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
B) Sum — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কলামের মান যোগ করার একটি বিল্ট-ইন এগ্রিগেট ফাংশন হিসেবে কাজ করে।
C) Select — এটি কোনো এগ্রিগেট ফাংশন নয়, ডেটাবেজ থেকে ডেটা দেখার বা কুয়েরি চালানোর জন্য এটি একটি মৌলিক কমান্ড।
D) from — এটি কোনো এগ্রিগেট ফাংশন নয়, বরং কোন টেবিল থেকে ডেটা আনা হবে তা নির্দেশ করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- এগ্রিগেট ফাংশন মনে রাখার সহজ উপায় হলো এসএসিএএম (SACAM)। এখানে এস দিয়ে SUM, এ দিয়ে AVG, সি দিয়ে COUNT, এ দিয়ে MAX এবং এম দিয়ে MIN বোঝায়।
- মনে রাখবে, এগ্রিগেট ফাংশন সবসময় অনেকগুলো সারিকে সংকুচিত করে একটি মাত্র সারিতে ফলাফল প্রকাশ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এসকিউএল এগ্রিগেট ফাংশনগুলোর মধ্যে সুপরিচিত হলো SUM, AVG, COUNT, MAX এবং MIN।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে নিচের কোনটি এগ্রিগেট ফাংশন নয়, যেখানে অপশন হিসেবে WHERE বা FROM দেওয়া থাকে।
সঠিক উত্তর: D) ফ্লিপ-ফ্লপ
প্রদত্ত তথ্য:
কম্পিউটার মেমোরির মূল একক ১-বিট ডাটা সংরক্ষণ করতে পারে এমন একটি ইলেকট্রনিক সার্কিট।
ধরি,
যে লজিক গেটের মাধ্যমে ১-বিট বাইনারি তথ্য (শূন্য বা এক) ধরে রাখা যায় তাকে মেমোরি সেল বলা হয়।
অতএব,
রেজিস্টর হলো ফ্লিপ-ফ্লপের সমাহার যা একাধিক বিট নিয়ে কাজ করে।
সুতরাং,
এককভাবে ১-বিট ডাটা সংরক্ষণের জন্য ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
উত্তর: D) ফ্লিপ-ফ্লপ
সঠিক উত্তর: B) No#of-students
১. কেন সঠিক:
সি প্রোগ্রামিং ভাষায় ভেরিয়েবল নামকরণের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে যেখানে স্পেস, হাইফেন বা বিশেষ চিহ্ন ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।
এখানে No#of-students নামকরণে হ্যাশ এবং হাইফেন ব্যবহার করায় এটি একটি ইনভ্যালিড ভেরিয়েবল নেম হিসেবে গণ্য হয়েছে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সি প্রোগ্রামিংয়ে ভেরিয়েবল হলো মেমোরির একটি নামকৃত স্থান যা ডেটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
ভেরিয়েবল নামকরণে শুধুমাত্র ইংরেজি বর্ণমালা, সংখ্যা এবং আন্ডারস্কোর ব্যবহার করা যায় এবং এটি সংখ্যা দিয়ে শুরু হতে পারে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: int average_score = ৮৫;
ব্যাখ্যা: এটি একটি বৈধ ভেরিয়েবল কারণ এতে শুধুমাত্র বর্ণমালা এবং আন্ডারস্কোর ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: int ২nd_val = ১০;
ব্যাখ্যা: এটি একটি ইনভ্যালিড ভেরিয়েবল কারণ এর নামের শুরুতে সংখ্যা ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Average — এটি একটি সম্পূর্ণ বৈধ ভেরিয়েবল নেম কারণ এটি শুধুমাত্র ইংরেজি বর্ণমালা দিয়ে গঠিত এবং এর মধ্যে কোনো অবৈধ চরিত্র নেই।
B) No#of-students — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর মধ্যে হ্যাশ এবং হাইফেনের মতো অবৈধ বিশেষ চরিত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
C) Xzy — এটি একটি বৈধ ভেরিয়েবল নেম কারণ সি প্রোগ্রামিংয়ের নামকরণের সব নিয়ম এটি সঠিকভাবে মেনে চলেছে।
D) y23z — এটি একটি বৈধ ভেরিয়েবল নেম কারণ এতে বর্ণমালার পাশাপাশি সংখ্যা মাঝখানে ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মসিদ্ধ।
৫ মনে রাখার টিপস:
সি প্রোগ্রামিংয়ে ভেরিয়েবল লেখার সময় মনে রাখবে এটি মাত্র তিনটি জিনিস অর্থাৎ অক্ষর, সংখ্যা এবং আন্ডারস্কোর দিয়ে তৈরি হতে পারে।
স্পেস, হাইফেন বা কোনো বিশেষ চিহ্ন ভেরিয়েবলের নামের মাঝে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষেধ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পরীক্ষায় প্রায়ই ভেরিয়েবল নামকরণের নিয়ম থেকে প্রশ্ন আসে যেমন কীওয়ার্ড যেমন int বা float কখনো ভেরিয়েবল হিসেবে ব্যবহার করা যায় না।
এছাড়া সি প্রোগ্রামিং কেস সেন্সিটিভ হওয়ায় নামের ছোট ও বড় হাতের অক্ষর আলাদা অর্থ বহন করে।
সঠিক উত্তর: D) Hard disk
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর A) Cache ভুল। সঠিক উত্তর হবে D) Hard disk। অপারেটিং সিস্টেমে যখন র্যাম বা Random Access Memory-এর জায়গা ফুরিয়ে যায়, তখন সেকেন্ডারি স্টোরেজ তথা হার্ডডিস্কের একটি নির্দিষ্ট অংশকে ভার্চুয়াল মেমোরি বা সোয়াপ স্পেস হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- র্যামের ধারণক্ষমতা সীমিত হওয়ায় বড় কোনো সফটওয়্যার বা একাধিক প্রোগ্রাম একসাথে চালু করলে অপারেটিং সিস্টেম হার্ডডিস্কের কিছু অংশকে অতিরিক্ত র্যাম হিসেবে কাজে লাগিয়ে মেমোরির ঘাটতি পূরণ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ভার্চুয়াল মেমোরি হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি কৌশল যা হার্ডডিস্কের ফাঁকা জায়গাকে প্রধান মেমোরি বা র্যাম হিসেবে ব্যবহার করে।
- কার্যপদ্ধতি: ফিজিক্যাল র্যামে যখন ডেটা রাখার জায়গা থাকে না, তখন অপারেটিং সিস্টেম কম ব্যবহৃত ডেটা সাময়িকভাবে হার্ডডিস্কে স্থানান্তরিত করে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি কম্পিউটারকে বড় আকারের প্রোগ্রাম চালাতে সাহায্য করে কিন্তু ফিজিক্যাল র্যামের চেয়ে এর গতি বেশ কম হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ৪ জিবি র্যামের একটি কম্পিউটারে ৮ জিবির একটি বড় গেম বা ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার চালু করা।
ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত ডেটা প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য অপারেটিং সিস্টেম হার্ডডিস্কের জায়গা ভার্চুয়াল মেমোরি হিসেবে ব্যবহার করে গেমটি সচল রাখে।
উদাহরণ ২: ব্রাউজারে একসঙ্গে অনেকগুলো ট্যাব খুলে রাখা এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে বড় ফাইল ডাউনলোড করা।
ব্যাখ্যা: র্যামের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ার কারণে অপারেটিং সিস্টেম নিষ্ক্রিয় ট্যাবগুলোর ডেটা ভার্চুয়াল মেমোরিতে জমা রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Cache — ক্যাশ মেমোরি হলো সিপিইউ এবং র্যামের মাঝখানে অবস্থিত অত্যন্ত দ্রুতগতির কিন্তু ছোট আকারের একটি মেমোরি। এটি ভার্চুয়াল মেমোরি হিসেবে কাজ করে না।
B) CPU Register — সিপিইউ রেজিস্টার হলো প্রসেসরের ভেতরে থাকা অত্যন্ত দ্রুতগতির অস্থায়ী মেমোরি যা ডেটা গণনার কাজে সরাসরি যুক্ত থাকে। এটি ভার্চুয়াল মেমোরি নয়।
C) CD-ROM — সিডি রম হলো একটি রিড অনলি অপটিক্যাল ডিস্ক যা সেকেন্ডারি স্টোরেজ হলেও এর পঠন ও লিখন গতি অত্যন্ত ধীর এবং এটি ভার্চুয়াল মেমোরি হিসেবে ব্যবহার অযোগ্য।
D) Hard disk — হার্ডডিস্ক হলো একটি অস্থিতিশীল নন-ভোলাটাইল সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস যার একটি অংশ ভার্চুয়াল মেমোরি বা পেজ ফাইল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- র্যামের জায়গা যখন শেষ হয়ে যায়, তখন হার্ডডিস্ক এসে তাকে বাঁচায় এবং ভার্চুয়াল মেমোরির ভূমিকা পালন করে।
- ক্যাশ মেমোরি প্রসেসরকে দ্রুত ডেটা দেয়, আর হার্ডডিস্ক জায়গা বাড়িয়ে বড় কাজ করতে সাহায্য করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভার্চুয়াল মেমোরির ধারণার কারণে কম্পিউটার ফিজিক্যাল র্যামের চেয়ে বড় আকারের প্রোগ্রাম বা ফাইল সহজে চালাতে পারে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে ভার্চুয়াল মেমোরি হিসেবে ফিজিক্যাল মেমোরির পরিপূরক হিসেবে কোন স্টোরেজ ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) switch
১. কেন সঠিক:
সি প্রোগ্রামিং ভাষায় একাধিক শর্ত পরীক্ষা করার ক্ষেত্রে একাধিক যদি বা ইফ স্টেটমেন্ট বা এসলস ইফ ল্যাডার ব্যবহারের পরিবর্তে সুইচ স্টেটমেন্ট ব্যবহার করা যায়।
একটিমাত্র চলকের বিভিন্ন মানের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করার জন্য সুইচ স্টেটমেন্ট ইফ স্টেটমেন্টের একটি চমৎকার বিকল্প বা সহজতর রূপ।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: সি প্রোগ্রামিং ভাষায় সুইচ হলো একটি বহুমুখী বা মাল্টিব্রাঞ্চ ডিসিশন মেকিং স্টেটমেন্ট।
কার্যপদ্ধতি: এটি একটি চলকের মান বিভিন্ন কেসের মানের সঙ্গে তুলনা করে এবং মিলে গেলে সেই নির্দিষ্ট ব্লকের কোড execute করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সপ্তাহের দিন নির্ধারণ।
ব্যাখ্যা: ১ থেকে ৭ পর্যন্ত সংখ্যার জন্য রবি থেকে শনি বার প্রিন্ট করতে ইফ এসলস না লিখে সুইচ কেস ব্যবহার করা সহজ ও পরিচ্ছন্ন হয়।
উদাহরণ ২: মেনু ড্রাইভেন প্রোগ্রাম।
ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারীর ইনপুটের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন অপশন যেমন যোগ, বিয়োগ বা গুণ সিলেক্ট করতে সুইচ স্টেটমেন্ট ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) switch — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ইফ স্টেটমেন্টের বিকল্প হিসেবে কাজ করে।
B) structure — এটি মূলত বিভিন্ন ডেটা টাইপ একত্রে রাখার একটি পদ্ধতি বা ইউজার ডিফাইন্ড ডেটা টাইপ, যা শর্ত নির্ধারণের জন্য ইফ এর বিকল্প নয়।
C) return — এটি ফাংশন থেকে মান ফেরত দিতে এবং ফাংশনের সমাপ্তি ঘটাতে ব্যবহৃত হয়, শর্ত পরীক্ষার জন্য ইফ এর বিকল্প নয়।
D) D) for — প্রশ্নে সঠিক উত্তর সুইচ হলেও অপশনে ডি হিসেবে ফর দেওয়া হয়েছে যা লুপ নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়, শর্তভিত্তিক শাখা তৈরির জন্য ইফ এর সরাসরি বিকল্প নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
শর্ত পরীক্ষার জন্য ইফ এবং সুইচ ব্যবহার করা হয়।
একাধিক মানের তুলনা করতে সুইচ হলো ইফ এর আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন বিকল্প।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সুইচ স্টেটমেন্টে সাধারণত ইনটিজার বা ক্যারেক্টার ডেটা টাইপ ব্যবহার করা হয়।
ফ্লোটিং পয়েন্ট ডেটা সুইচ কেসে সচরাচর সরাসরি ব্যবহার করা যায় না।
সঠিক উত্তর: B) 12C(16)
১. কেন সঠিক:
- ডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি থেকে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটিকে ১৬ দ্বারা ভাগ করতে হয়।
- ৩০১৭ কে ১৬ দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল ১৮ এবং ভাগশেষ ১২ পাওয়া যায়, যেখানে ১২ এর হেক্সাডেসিমাল মান সি।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: সংখ্যা পদ্ধতি হলো সংখ্যা প্রকাশ বা লেখার নির্দিষ্ট মাধ্যম, যেখানে হেক্সাডেসিমাল হলো ষো ভিত্তিক একটি সংখ্যা পদ্ধতি।
- কার্যপদ্ধতি: ডেসিমাল সংখ্যাকে কাঙ্ক্ষিত ভিত্তির ভাগশেষ বা গুণফলের নিয়মে রূপান্তর করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ২৫৫ ডেসিমাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমালে রূপান্তর করলে এফএফ পাওয়া যায়।
ব্যাখ্যা: ২৫৫ কে ১৬ দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল ১৫ এবং ভাগশেষ ১৫ হয়, যার হেক্সাডেসিমাল রূপ এফ।
উদাহরণ ২: ১০ ডেসিমাল সংখ্যা হেক্সাডেসিমালে এ এর সমান।
ব্যাখ্যা: হেক্সাডেসিমাল পদ্ধতিতে ৯ এর পরের সংখ্যাগুলোকে এ, বি, সি, ডি, ই এবং এফ দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) C3(16) — এটি ভুল কারণ ৩০ এর রূপান্তর সি এবং অবশিষ্ট ৩ এর হিসেব এখানে ভুলভাবে সাজানো হয়েছে।
B) 12C(16) — এটি সঠিক কারণ ৩০ কে ১৬ দিয়ে ভাগ করলে ভাগফল ১, ভাগশেষ ১৪ বা ই, এবং আগের ধাপের হিসাব মিলে এটিই সঠিক মান দেয়।
C) C2(16) — এটি ভুল কারণ শেষ অঙ্কের মান সি এবং দুইয়ের হিসাব এখানে সঠিক ফলাফল প্রদান করে না।
D) A2C(16) — এটি ভুল কারণ এই মানের ডেসিমাল রূপ অনেক বড় যা ৩০০ এর মানের চেয়ে অনেক বেশি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হেক্সাডেসিমাল পদ্ধতিতে ১০ থেকে ১৫ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোকে ক্রমানুসারে এ থেকে এফ পর্যন্ত অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- বড় ডেসিমাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমালে নিতে হলে বারবার ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষগুলো নিচ থেকে উপরে সাজাতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬ এবং এর অঙ্কগুলো হলো ০ থেকে ৯ এবং এ থেকে এফ পর্যন্ত।
- কম্পিউটার মেমোরি অ্যাড্রেসিং এবং রঙের কোডিংয়ের ক্ষেত্রে হেক্সাডেসিমাল পদ্ধতি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) 10111111
১. কেন সঠিক:
Bitwise OR অপারেশন করার জন্য দুটি বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পাশাপাশি তুলনা করতে হয়।
যে কোনো একটি বিট ১ হলে আউটপুট ১ হয় এবং উভয় বিট ০ হলে আউটপুট ০ হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: Bitwise OR হলো এমন একটি লজিক অপারেশন যা বাইনারি ডেটার প্রতিটি বিটের মধ্যে OR লজিক প্রয়োগ করে।
কার্যপদ্ধতি: বিটগুলোর মধ্যে তুলনা করে ১ যোগ ১ সমান ১, ১ যোগ ০ সমান ১ এবং ০ যোগ ০ সমান ০ নিয়ম অনুসরণ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুইচবোর্ডে সমান্তরাল সার্কিট।
ব্যাখ্যা: সমান্তরাল সংযোগে যে কোনো একটি সুইচ অন করলেই বাতি জ্বলে, যা Bitwise OR অপারেশনের মতো কাজ করে।
উদাহরণ ২: ডেটা মাস্কিং।
ব্যাখ্যা: কম্পিউটারে কোনো নির্দিষ্ট বিটকে জোর করে ১ করার জন্য Bitwise OR অপারেশন ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 10111111 — এটি সঠিক হিসাবের ফলাফল এবং প্রদত্ত উত্তরের সঙ্গে মেলে।
B) 100011 — এটি ভুল হিসাবের ফল এবং বিট সংখ্যাও এখানে কমে গেছে।
C) 1010101 — এটি ভুল বিট বিন্যাসের একটি ফলাফল যা সঠিক নিয়মে আসেনি।
D) 11111111 — এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি হিসাবের ফলাফল যা AND বা অন্য অপারেশনের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
৫. মনে রাখার টিপস:
Bitwise OR অপারেশনের ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে একজনের থাকলেই আউটপুট ১ হবে।
শূন্য যোগ শূন্য সমান শূন্য এবং বাকি সব ক্ষেত্রে এক হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার বিজ্ঞানে Bitwise অপারেশন মাইক্রোপ্রসেসরের ভেতরে দ্রুত গণনা করতে ব্যবহৃত হয়।
পরীক্ষায় Bitwise AND এবং Bitwise XOR থেকেও প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) pointer
১. কেন সঠিক:
সি প্রোগ্রামিং ভাষায় পয়েন্টার হলো এমন একটি বিশেষ ভেরিয়েবল যা অন্য কোনো ভেরিয়েবলের মেমোরি অ্যাড্রেস বা ঠিকানা সংরক্ষণ করে।
সাধারণ ভেরিয়েবল যেখানে সরাসরি মান ধারণ করে, সেখানে পয়েন্টার সেই মানের মেমোরি লোকেশন পয়েন্ট বা নির্দেশ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
পয়েন্টার হলো মেমোরি অ্যাড্রেস ধারণকারী চলক যা কম্পিউটার মেমোরির সুনির্দিষ্ট লোকেশনে সরাসরি প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করে।
এটি পয়েন্টার অপারেটর এবং রেফারেন্স অপারেটরের মাধ্যমে কাজ করে, যা মেমোরি ব্যবস্থাপনাকে অত্যন্ত দক্ষ করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: int x = ১০; int *p = &x;
ব্যাখ্যা: এখানে p ভেরিয়েবলটি x ভেরিয়েবলের মেমোরি অ্যাড্রেস ধারণ করে, যা পয়েন্টার ব্যবহারের সবচেয়ে সাধারণ উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ডাইনামিক মেমোরি অ্যালোকেশন (Dynamic Memory Allocation) যেমন মেলক (malloc) ফাংশন।
ব্যাখ্যা: মেলক ফাংশন মেমোরিতে জায়গা বরাদ্দ করে তার অ্যাড্রেস পয়েন্টারে রিটার্ন করে, যা পয়েন্টার ছাড়া ব্যবহার করা অসম্ভব।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) break — এটি লুপ বা সুইচ স্টেটমেন্টের স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ বা ব্রেক করতে ব্যবহৃত হয়, অ্যাড্রেস রাখতে নয়।
B) pointer — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মেমোরি অ্যাড্রেস সংরক্ষণ করার জন্যই সি প্রোগ্রামিংয়ে ব্যবহৃত হয়।
C) char — এটি একটি ডাটা টাইপ যা মেমোরিতে একটি ক্যারেক্টার বা অক্ষর সংরক্ষণ করে, অ্যাড্রেস নয়।
D) float — এটি একটি ডাটা টাইপ যা দশমিক সংখ্যা সংরক্ষণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়, মেমোরি অ্যাড্রেসের জন্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
পয়েন্টার মানেই হলো ঠিকানা বা অ্যাড্রেস।
যেহেতু পয়েন্টার শব্দের অর্থ নির্দেশক, তাই এটি মেমোরির ঠিকানা নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সি প্রোগ্রামিংয়ে অ্যান্ড এমপারস্যান্ড (&) অপারেটর দিয়ে কোনো ভেরিয়েবলের অ্যাড্রেস বের করা হয় এবং স্টার (*) অপারেটর দিয়ে পয়েন্টার ডিক্লেয়ার করা হয়।
এই অংশ থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) CSMA/CD
১. কেন সঠিক:
- ইথারনেট বা ব্রডকাস্ট নেটওয়ার্কে একাধিক কম্পিউটার একই ক্যাবল বা মিডিয়া ব্যবহার করে ডেটা প্রেরণ করে।
- ডেটা সংঘর্ষ বা ডেটা কোলাশন এড়াতে প্রেরক ডিভাইস মিডিয়া ফাঁকা আছে কি না তা আগে পরীক্ষা করে এবং সংঘর্ষ শনাক্ত করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: CSMA/CD এর পূর্ণরূপ হলো Carrier Sense Multiple Access with Collision Detection, যা তারযুক্ত ইথারনেট নেটওয়ার্কে ডেটা আদানপ্রদানের সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণ করে।
- কার্যপদ্ধতি: ডেটা পাঠানোর আগে ডিভাইসটি দেখে লাইন ব্যস্ত কি না, ব্যস্ত না থাকলে ডেটা পাঠায় এবং পাঠানোর সময় সংঘর্ষ হলে তা ধরে ফেলে কিছু সময় অপেক্ষা করে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি ল্যান বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে মাল্টিপল অ্যাক্সেস প্রোটোকল হিসেবে কাজ করে এবং হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে কার্যকর।
- ব্যবহার: ট্র্যাডিশনাল ইথারনেট বা তারযুক্ত লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে একাধিক কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা সংঘর্ষ এড়াতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- পার্থক্য: এটি কেবল তারযুক্ত নেটওয়ার্কে সংঘর্ষ শনাক্ত করে, অন্যদিকে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কে সংঘর্ষ প্রতিরোধের ভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ল্যান ক্যাবলের মাধ্যমে যুক্ত একাধিক কম্পিউটার।
ব্যাখ্যা: একটি প্রিন্টার ও কয়েকটি কম্পিউটার একই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকলে এই পদ্ধতি সংঘর্ষ রোধ করে।
উদাহরণ ২: অফিসের লোকাল সার্ভার নেটওয়ার্ক।
ব্যাখ্যা: একই সাথে একাধিক কর্মী সার্ভারে ফাইল আপলোড করার চেষ্টা করলে এই প্রোটোকল শৃঙ্খলা রক্ষা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) CSMA/CD — এটি তারযুক্ত ইথারনেট নেটওয়ার্কের জন্য সঠিক পদ্ধতি হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর।
B) CSMA/CA — এটি ওয়্যারলেস বা ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে সংঘর্ষ এড়াতে ব্যবহৃত হয়, ইথারনেটে নয়।
C) Demand Priority — এটি উচ্চ গতির টোকেন রিং নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত একটি মিডিয়া অ্যাক্সেস পদ্ধতি।
D) Polling — এটি সেন্ট্রাল কন্ট্রোলার দ্বারা পরিচালিত হয়, যেখানে কেন্দ্রীয় ডিভাইস অন্যান্য ডিভাইসকে পালাক্রমে জিজ্ঞাসা করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- CSMA/CD এর পূর্ণরূপ মনে রাখবেন, যেখানে CD মানে হলো কোলাশন ডিটেকশন বা সংঘর্ষ শনাক্তকরণ।
- তারযুক্ত ইথারনেট মানেই সিএসএমএ স্ল্যাশ সিডি এবং ওয়্যারলেস মানেই সিএসএমএ স্ল্যাশ সিএ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইথারনেট প্রোটোকল নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- তারযুক্ত ও ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের মিডিয়া অ্যাক্সেস পদ্ধতির পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করুন।
সঠিক উত্তর: D) একই ধরনের অনেকগুলো ডাটা
১. কেন সঠিক:
- অ্যারে হলো এমন একটি ডেটা স্ট্রাকচার যেখানে একই ডেটা টাইপের একাধিক মান পাশাপাশি মেমোরিতে সংরক্ষণ করা হয়।
- সি, সি প্লাস প্লাস বা জাভা ভাষার মতো প্রোগ্রামিং ভাষায় অ্যারের প্রতিটি উপাদানের ডেটা টাইপ একই হতে হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: অ্যারে হলো সমজাতীয় ডেটা আইটেমের একটি সংকলন যা মেমোরিতে ধারাবাহিক ঠিকানায় সংরক্ষিত থাকে।
- কার্যপদ্ধতি: অ্যারের ইনডেক্স বা সাবস্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে এর ভেতরের যেকোনো মান খুব সহজেই সরাসরি অ্যাক্সেস করা যায়।
- বৈশিষ্ট্য: অ্যারে একটি ফিক্সড সাইজ ডেটা স্ট্রাকচার, অর্থাৎ এর আকার তৈরির আগেই নির্ধারণ করে দিতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্লাসের দশজন শিক্ষার্থীর বয়স
ব্যাখ্যা: বয়সগুলো রাখতে একটি পূর্ণসংখ্যা বা ইন্টিজার টাইপের অ্যারে ব্যবহার করা যায় যেখানে সব ডেটা একই ধরনের হবে।
উদাহরণ ২: সপ্তাহের সাতদিনের নাম
ব্যাখ্যা: দিনের নামগুলো স্ট্রিং বা ক্যারেক্টার টাইপ ডেটা, যা একটি স্ট্রিং অ্যারেতে ধারাবাহিকভাবে রাখা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিন্ন ধরনের কতগুলো ডাটা — এটি অ্যারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, ভিন্ন ধরনের ডেটা রাখার জন্য স্ট্রাকচার বা অবজেক্ট ব্যবহার করা হয়।
B) শুধু Pointer ধরনের ডাটা — পয়েন্টার কেবল মেমোরি অ্যাড্রেস ধারণ করে, অ্যারেতে যেকোনো ডেটা টাইপ রাখা সম্ভব।
C) Class এর ডাটা — ক্লাস হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের ব্লুপ্রিন্ট, যা সরাসরি সাধারণ অ্যারে ডেটা স্ট্রাকচার নয়।
D) একই ধরনের অনেকগুলো ডাটা — এটি অ্যারের মূল সংজ্ঞার সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায় এবং এটি সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অ্যারে মানেই সমজাতীয় ডেটা বা একই টাইপের ডেটার সারি।
- ভিন্ন ডেটা টাইপের জন্য স্ট্রাকচার এবং একই ডেটা টাইপের জন্য অ্যারে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- অ্যারের প্রথম উপাদানের ইনডেক্স সাধারণত শূন্য বা জিরো থেকে শুরু হয়।
- ডেটা স্ট্রাকচার সম্পর্কিত প্রশ্নে অ্যারের মেমোরি অ্যালোকেশন প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) Full observable
১. কেন সঠিক:
চেস গেম বা দাবা খেলার এনভায়রনমেন্ট হলো ফুল অবজারেবল বা পূর্ণ পর্যবেক্ষণযোগ্য। কারণ খেলোয়াড় বোর্ডের বর্তমান অবস্থা, প্রতিপক্ষের সব গুটি এবং নিজের সব গুটির অবস্থান সম্পূর্ণ দেখতে ও জানতে পারে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে পরিবেশ বা এনভায়রনমেন্ট হলো এমন একটি জগৎ যেখানে কোনো এজেন্ট কাজ করে। ফুল অবজারেবল এনভায়রনমেন্টে এজেন্টের সেন্সর যেকোনো মুহূর্তে পরিবেশের সম্পূর্ণ তথ্য নিখুঁতভাবে সংগ্রহ করতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দাবা বা লুডু খেলা
ব্যাখ্যা: এই খেলাগুলোতে বোর্ডের প্রতিটি গুটির অবস্থান চোখের সামনে পরিষ্কার থাকে, তাই এখানে কোনো তথ্য লুকিয়ে থাকে না।
উদাহরণ ২: টিক ট্যাক টো খেলা
ব্যাখ্যা: এই খেলায় ঘরগুলো এবং সেখানে থাকা ক্রস বা সার্কেলগুলো পরিষ্কারভাবে দৃশ্যমান থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Stochastic — স্টোকাস্টিক এনভায়রনমেন্টে ভবিষ্যৎ অবস্থা অনিশ্চিত এবং ভাগ্যের ওপর নির্ভর করে, যা দাবা খেলায় প্রযোজ্য নয়।
B) Full observable — এটি সঠিক উত্তর কারণ দাবা খেলায় কোনো তথ্য গোপন থাকে না এবং সম্পূর্ণ বোর্ড দৃশ্যমান থাকে।
C) Partially observabled — পারশিয়ালি অবজারেবল এনভায়রনমেন্টে পরিবেশের সব তথ্য একসাথে জানা যায় না, যেমন তাসের খেলায় প্রতিপক্ষের পাতা অদৃশ্য থাকে।
D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
দাবার বোর্ডে সব গুটি সামনে খোলা থাকে, তাই চোখ বন্ধ না করে সম্পূর্ণ দেখা যায় বলে এটি ফুল অবজারেবল। কার্ড গেম বা তাস খেলায় তথ্য লুকিয়ে থাকে বলে তা পারশিয়ালি অবজারেবল হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরীক্ষায় এজেন্টের এনভায়রনমেন্টের প্রকারভেদ যেমন ফুল অবজারেবল বনাম পারশিয়ালি অবজারেবল থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) Mutation
১. কেন সঠিক:
- জেনেটিক অ্যালগরিদম বা Genetic Algorithm কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার একটি শাখা যেখানে প্রাকৃতিক নির্বাচনের প্রক্রিয়া অনুকরণ করা হয়।
- এর মূল অপারেটরগুলো হলো সিলেকশন বা Selection, ক্রসওভার বা Crossover এবং মিউটেশন বা Mutation।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: মিউটেশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে কোনো ক্রোমোজোমের জিনের মান আকস্মিক ও এলোমেলোভাবে পরিবর্তিত হয়।
- কার্যপদ্ধতি: এটি অ্যালগরিদমের নতুন সমাধান খুঁজতে সাহায্য করে এবং একই ধরনের সমাধানে আটকে যাওয়া রোধ করে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি বৈচিত্র্য বজায় রাখতে এবং স্থানীয় অপ্টিমাম থেকে বেরিয়ে আসতে কাজ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের ডিএনএ পরিবর্তন
ব্যাখ্যা: জীবদেহে ডিএনএ মিউটেশনের মাধ্যমে নতুন বৈশিষ্ট্য তৈরি হয়, যা জেনেটিক অ্যালগরিদমে অনুকরণ করা হয়।
উদাহরণ ২: কোডের পরিবর্তন
ব্যাখ্যা: বাইনারি স্ট্রিং বা কোডের ভেতরে একটি বিট শূন্য থেকে এক বা এক থেকে শূন্য হওয়া মিউটেশনের কাজ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mutation — এটি জেনেটিক অ্যালগরিদমের মূল অপারেটরগুলোর একটি, যা নতুন বৈচিত্র্য তৈরি করে।
B) Population — এটি কোনো একক অপারেটর নয়, বরং সম্ভাব্য সমাধানগুলোর একটি সম্পূর্ণ সেট বা সমষ্টি।
C) Gene — এটি ক্রোমোজোমের একটি মৌলিক একক বা অংশ, কোনো অপারেটর বা চালিকা প্রক্রিয়া নয়।
D) Individual — এটি জনসংখ্যার একটি একক সদস্য বা একক সমাধান, যা জিন বা ক্রোমোজোম ধারণ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জেনেটিক অ্যালগরিদমের তিনটি প্রধান অপারেটর মনে রাখার কৌশল হলো এস-সি-এম বা Selection, Crossover এবং Mutation।
- মিউটেশন মানে পরিবর্তন, তাই এটি অ্যালগরিদমে নতুনত্ব আনে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জেনেটিক অ্যালগরিদম জন হল্যান্ড দ্বারা উদ্ভাবিত হয়েছে।
- অপ্টিমাইজেশন সমস্যার সমাধানে এই অ্যালগরিদম ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: B) DNS
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর A) HTTP ভুল ছিল, কারণ সঠিক প্রোটোকলটি হলো DNS যা UDP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
- DNS (Domain Name System) খুব দ্রুত ডোমেইন নামের বিপরীতে আইপি অ্যাড্রেস খুঁজে বের করতে UDP (User Datagram Protocol) ব্যবহার করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: UDP হলো একটি সংযোগহীন (Connectionless) প্রোটোকল যা ডেটা আদান-প্রদানের আগে কোনো কানেকশন স্থাপন করে না।
- কার্যপদ্ধতি: এটি কোনো ডেডিকেটেড পাথ তৈরি না করেই দ্রুত ডেটা প্যাকেট পাঠিয়ে দেয়, তাই গতি বেশি পাওয়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনলাইন গেম খেলার সময় ডেটা আদান-প্রদান।
ব্যাখ্যা: গেমের ডেটা খুব দ্রুত পাঠাতে হয়, তাই এখানে UDP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয় যাতে সামান্য ডেটা হারালেও গেম আটকে না যায়।
উদাহরণ ২: ইন্টারনেটে ডোমেইন নাম খোঁজার জন্য DNS-এর কাজ।
ব্যাখ্যা: ব্রাউজারে কোনো ওয়েবসাইটের নাম লিখলে DNS সার্ভার দ্রুত আইপি অ্যাড্রেস খুঁজে দিতে UDP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) HTTP (Hypertext Transfer Protocol) — এটি TCP প্রোটোকল ব্যবহার করে কারণ ওয়েব পেজ লোড করার সময় সব ডেটা নির্ভুল ও সিকিউরভাবে পৌঁছানো জরুরি।
B) DNS (Domain Name System) — এটি দ্রুত রেসপন্স পাওয়ার জন্য UDP এবং বড় ডেটার জন্য TCP উভয়ই ব্যবহার করে, তবে মূল নাম রেজোলিউশনে UDP ব্যবহার করে।
C) SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) — এটি ইমেল পাঠানোর জন্য সম্পূর্ণ নির্ভরযোগ্য TCP প্রোটোকল ব্যবহার করে যাতে কোনো ইমেল হারিয়ে না যায়।
D) FTP (File Transfer Protocol) — এটি ফাইল ডাউনলোড ও আপলোডের সময় ফাইল নিখুঁত রাখতে TCP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যে সমস্ত সার্ভিসে গতির প্রয়োজন বেশি এবং সামান্য ডেটা হারালেও সমস্যা নেই, সেখানে UDP ব্যবহার করা হয়।
- DNS এবং লাইভ স্ট্রিমিং বা অনলাইন গেমের ক্ষেত্রে UDP প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন প্রোটোকল TCP এবং কোনটি UDP ব্যবহার করে তা জানতে চাওয়া হয়।
- HTTP, HTTPS, FTP এবং SMTP হলো TCP ভিত্তিক প্রোটোকল।
সঠিক উত্তর: A) Break
১. কেন সঠিক:
- সি প্রোগ্রামিং ভাষায় লুপ বা সুইচ স্টেটমেন্টের স্বাভাবিক প্রবাহ পরিবর্তন করে তাৎক্ষণিকভাবে তা থেকে বের হয়ে আসার জন্য ব্রেক স্টেটমেন্ট ব্যবহৃত হয়।
- শর্ত সাপেক্ষে লুপের বাকি পুনরাবৃত্তিগুলো এড়িয়ে প্রোগ্রামকে লুপের ঠিক পরের লাইনে নিয়ে যেতে এটি সাহায্য করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: প্রোগ্রামিং কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট যা কোনো লুপ যেমন ফর, হোয়াইল বা ডু-হোয়াইল অথবা সুইচ ব্লক থেকে তাৎক্ষণিকভাবে নিয়ন্ত্রণ বাইরে নিয়ে যায়।
- কার্যপদ্ধতি: লুপের ভেতরে ব্রেক স্টেটমেন্ট কার্যকর হলে প্রোগ্রাম আর পরবর্তী শর্ত যাচাই করে না এবং সরাসরি লুপের বাইরে চলে আসে।
- ব্যবহার: নির্দিষ্ট কোনো ডেটা খোঁজার পর সার্চ কার্যক্রম বন্ধ করতে কিংবা ত্রুটি দেখা দিলে লুপ থামিয়ে দিতে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১ থেকে ১০ পর্যন্ত সংখ্যা প্রিন্টিংয়ের সময় ৫ পেলেই লুপ থামিয়ে দেওয়া।
ব্যাখ্যা: ব্রেক স্টেটমেন্ট ব্যবহার করলে ৫ পাওয়ার পর প্রোগ্রাম আর ৬ থেকে ১০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো চেক করবে না।
উদাহরণ ২: ব্যবহারকারী সঠিক পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর লগইন লুপ থেকে বের হওয়া।
ব্যাখ্যা: সঠিক ইনপুট পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্রেক কাজ করে এবং পাসওয়ার্ড চাওয়ার পুনরাবৃত্তি বন্ধ করে দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Break — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি লুপ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে সম্পূর্ণ বের করে দেয়।
B) If — এটি একটি কন্ডিশনাল স্টেটমেন্ট যা শর্ত যাচাইয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়, সরাসরি লুপ থেকে বের হতে পারে না।
C) Switch — এটি একাধিক বিকল্পের মধ্যে একটি নির্বাচন করার জন্য ব্যবহৃত কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট, লুপ থেকে বের হওয়ার জন্য নয়।
D) Continue — এটি লুপ থেকে সম্পূর্ণ বের হয় না, বরং কেবল বর্তমান ইটারেহশন বা পুনরাবৃত্তি বাদ দিয়ে পরবর্তী পুনরাবৃত্তিতে চলে যায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- লুপ থামিয়ে দিতে চাইলে ব্রেক ব্যবহার করবে এবং বর্তমান চক্র বাদ দিয়ে পরের চক্রে যেতে চাইলে কন্টিনিউ ব্যবহার করবে।
- ব্রেক মানে বিরতি বা শেষ করা, যা লুপের জীবনকাল তাৎক্ষণিকভাবে শেষ করে দেয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লুপ নিয়ন্ত্রণকারী স্টেটমেন্ট হিসেবে ব্রেক ও কন্টিনিউ এর পার্থক্য প্রায়ই আসে।
- কোডের আউটপুট নির্ণয়ের প্রশ্নে ব্রেক স্টেটমেন্ট পেলে লুপের শেষ পর্যন্ত না গিয়ে থেমে যেতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) Key board
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটিতে ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এমন অপশনটি চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে।
কীবোর্ড হলো একটি হার্ডওয়্যার বা ইনপুট ডিভাইস, যা ক্লাউড কম্পিউটিং কাঠামোর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেট বা দূরবর্তী সার্ভারের মাধ্যমে ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা ও প্রক্রিয়াজাত করার প্রযুক্তি।
কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিজের ডিভাইসের পরিবর্তে রিমোট সার্ভার বা ডেটা সেন্টারে ডেটা সংরক্ষণ ও অ্যাপ্লিকেশনের সুবিধা গ্রহণ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গুগল ড্রাইভ।
ব্যাখ্যা: এটি ক্লাউড স্টোরেজের একটি উদাহরণ, যেখানে ইন্টারনেট ব্যবহার করে যেকোনো স্থান থেকে ফাইল সংরক্ষণ ও ব্রাউজ করা যায়।
উদাহরণ ২: মাইক্রোসফট আজুর।
ব্যাখ্যা: এটি একটি ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে রিমোট সার্ভারে সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার সেবা প্রদান করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Fog computing — এটি ক্লাউড কম্পিউটিং-এর একটি বর্ধিত রূপ, যা ডেটা প্রসেসিং প্রান্তসীমার কাছাকাছি সম্পন্ন করে।
B) PaaS — এর পূর্ণরূপ Platform as a Service, যা ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার একটি জনপ্রিয় মডেল।
C) Key board — এটি কম্পিউটার পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত একটি ফিজিক্যাল ইনপুট ডিভাইস, যার সঙ্গে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
D) SasS — অপশনটি মূলত SaaS (Software as a Service) বোঝায়, যা ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার একটি ধরন।
৫ মনে রাখার টিপস:
ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটভিত্তিক সফটওয়্যার বা সার্ভার সেবা যেমন PaaS ও SaaS।
কীবোর্ড হলো হাতের ছোঁয়ায় ডেটা ইনপুট দেওয়ার ফিজিক্যাল হার্ডওয়্যার ডিভাইস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার তিনটি প্রধান মডেল হলো IaaS, PaaS এবং SaaS।
ফগ কম্পিউটিং হলো ক্লাউড কম্পিউটিং-এর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি ও লেটেন্সি কমানোর জন্য ব্যবহৃত সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি।
সঠিক উত্তর: C) Opcode
১. কেন সঠিক:
Assembly language নির্দেশমালায় ব্যবহৃত নির্দেশকে প্রধানত দুটি অংশে ভাগ করা হয়, যার প্রথম অংশটি হলো Opcode বা Operation Code।
MOV নির্দেশটি প্রসেসরকে ডেটা স্থানান্তরের কাজ করতে নির্দেশ দেয়, যা এই নির্দেশের মূল অপারেশন বা কাজ নির্ধারণ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: Opcode হলো মেশিন বা এসেম্বলি ভাষার একটি অংশ যা প্রসেসরকে নির্দিষ্ট কোনো অপারেশন বা কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়।
কার্যপদ্ধতি: প্রসেসর যখন কোনো নির্দেশ পড়ে, তখন সে Opcode অংশ দেখে বুঝতে পারে তাকে কী ধরনের কাজ করতে হবে, যেমন যোগ করা, বিয়োগ করা বা ডেটা সরানো।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ADD AX, BX নির্দেশে ADD হলো Opcode যা যোগ করার কাজ বোঝায়।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রসেসর ADD দেখে বুঝতে পারে যে AX এবং BX রেজিস্টারের মান যোগ করতে হবে।
উদাহরণ ২: MOV CX, DX নির্দেশে MOV হলো Opcode যা ডেটা স্থানান্তরের কাজ বোঝায়।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রসেসর MOV দেখে DX রেজিস্টার থেকে CX রেজিস্টারে ডেটা কপি করার কাজ পরিচালনা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লেবেল — লেবেল হলো কোডের একটি নির্দিষ্ট মেমরি ঠিকানার নাম বা আইডেন্টিফায়ার, যা জাম্প করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
B) সোর্স — সোর্স হলো সেই অপারেন্ড যেখান থেকে ডেটা সংগ্রহ করা হয়, এখানে BX হলো সোর্স।
C) Opcode — সঠিক কারণ এটি প্রসেসরকে সম্পাদিতব্য কাজের নির্দেশ প্রদান করে।
D) ডেস্টিনেশন — ডেস্টিনেশন হলো সেই অপারেন্ড যেখানে ডেটা রাখা হয়, এখানে AX হলো ডেস্টিনেশন।
৫. মনে রাখার টিপস:
Assembly ভাষায় প্রথম শব্দটি সবসময় কাজের নাম বা Opcode হয় এবং পরের অংশগুলো অপারেন্ড বা ডেটার ঠিকানা হয়।
MOV মানে Move, যা একটি কাজের নাম বা Opcode হিসেবে পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
Assembly language হলো দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা বা মেশিন ভাষার কাছাকাছি একটি সাংকেতিক ভাষা।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই Assembly ভাষার নির্দেশের বিভিন্ন অংশ যেমন Opcode এবং Operand আলাদা করতে বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) OSPF
১. কেন সঠিক:
- OSPF প্রোটোকলে ডাইকস্ট্রা অ্যালগরিদম ব্যবহার করা হয় কারণ এটি সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ও দ্রুততম পথ নির্বাচন করতে পারে।
- এই অ্যালগরিদম নেটওয়ার্কের নোডগুলোর মধ্যে দূরত্ব বা খরচ হিসাব করে ডেটা প্রেরণের আদর্শ রুট নির্ধারণ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: OSPF (Open Shortest Path First) হলো একটি লিংক স্টেট রাউটিং প্রোটোকল যা আইপি নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হয়।
- কার্যপদ্ধতি: এটি নেটওয়ার্কের টপোলজি পরিবর্তন সাথে সাথে ডাইকস্ট্রা অ্যালগরিদম চালিয়ে নতুন রুট হিসাব করে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি আইজিবি প্রোটোকল হিসেবে কাজ করে এবং লার্জ স্কেল নেটওয়ার্কে খুব দ্রুত কনভার্জ করতে পারে।
- ব্যবহার: বড় আকারের এন্টারপ্রাইজ নেটওয়ার্ক ও আইএসপি ব্যাকবোনে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জিপিএস নেভিগেশন সিস্টেম
ব্যাখ্যা: মানচিত্রে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়ার সবচেয়ে কম দূরত্বের পথ খুঁজতে ডাইকস্ট্রা অ্যালগরিদম ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: কুরিয়ার ডেলিভারি রুট পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা: বিভিন্ন ঠিকানায় পণ্য পৌঁছে দেওয়ার জন্য সবচেয়ে কম খরচে ও দ্রুততম পথ নির্ধারণে এটি কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ARP (Address Resolution Protocol) — এটি আইপি ঠিকঠাক থেকে ম্যাক ঠিকানা বের করার জন্য কাজ করে, কোনো রাউটিং প্রোটোকল নয়।
B) OSPF — এটি সঠিক উত্তর।
C) RIP (Routing Information Protocol) — এটি হপ কাউন্ট ভিত্তিক ডিস্ট্রেন্স ভেক্টর প্রোটোকল, যেখানে ডাইকস্ট্রা অ্যালগরিদম ব্যবহৃত হয় না।
D) IGRP (Interior Gateway Routing Protocol) — এটি সিসকো প্রোপাইটরি ডিস্ট্রেন্স ভেক্টর প্রোটোকল যা ব্যান্ডউইথ ও ডিলে হিসাব করে, ডাইকস্ট্রা ব্যবহার করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- OSPF-এর পূর্ণরূপ হলো Open Shortest Path First এবং Shortest কথাটি থাকলেই ডাইকস্ট্রা অ্যালগরিদম মনে রাখবে।
- ডি থেকে ডাইকস্ট্রা এবং ডি থেকে ডিস্ট্রেন্স ভেক্টর নয় বরং লিংক স্টেট প্রোটোকল OSPF এটি মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- OSPF একটি লিংক স্টেট রাউটিং প্রোটোকল যা অটোনমাস সিস্টেমের ভেতরে ব্যবহৃত হয়।
- বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় রাউটিং প্রোটোকল এবং এর অ্যালগরিদম সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) Polymorphism
১. কেন সঠিক:
Object Oriented Programming বা অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর মূল চারটি স্তম্ভ বা বৈশিষ্ট্যের একটি হলো Polymorphism বা বহুপ্রাকৃতি বা বহুরূপিতা।
এর মাধ্যমে একই নামক ফাংশন বা অপারেটর বিভিন্ন পরিস্থিতিতে ভিন্ন ভিন্ন আচরণ করতে পারে, যা কোডের নমনীয়তা বৃদ্ধি করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: Polymorphism হলো এমন একটি প্রোগ্রামিং বৈশিষ্ট্য যার মাধ্যমে একই ইন্টারফেস ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন ডেটা টাইপ বা ক্লাসের অবজেক্ট নিয়ে কাজ করা যায়।
কার্যপদ্ধতি: এটি মূলত ফাংশন ওভারলোডিং, ফাংশন ওভাররাইডিং এবং ভার্চুয়াল ফাংশনের মাধ্যমে কাজ করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গণিতের প্লাস (+) চিহ্নটি পূর্ণসংখ্যার ক্ষেত্রে যোগ করতে পারে এবং স্ট্রিং বা অক্ষরের ক্ষেত্রে জোড়া লাগাতে পারে।
ব্যাখ্যা: এখানে একই অপারেটর বা ফাংশন ভিন্ন ডেটা টাইপের ওপর ভিত্তি করে ভিন্ন ভিন্ন ফলাফল প্রদান করছে, যা বহুরূপিতা বা পলিমারফিজমের বাস্তব প্রয়োগ।
উদাহরণ ২: একটি সাউন্ড নামের ফাংশন বিড়ালের ক্ষেত্রে মিউ এবং কুকুরের ক্ষেত্রে ঘেউ শব্দ তৈরি করতে পারে।
ব্যাখ্যা: একই নামের ফাংশন বিভিন্ন ক্লাসের অবজেক্টের ওপর কাজ করার সময় আলাদা আউটপুট প্রদান করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Polymorphism — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর একটি মূল বৈশিষ্ট্য।
B) Friend function — এটি সি প্লাস প্লাস প্রোগ্রামিং ভাষায় একটি বিশেষ ফাংশন যা কোনো ক্লাসের প্রাইভেট ডেটা এক্সেস করতে পারে, কিন্তু এটি ওওপির মৌলিক বৈশিষ্ট্য নয়।
C) Structure — এটি একটি ইউজার ڈیফাইন্ড ডেটা টাইপ যা বিভিন্ন ধরনের ডেটা একত্রে রাখতে সাহায্য করে, তবে এটি প্রসিডিউরাল প্রোগ্রামিং এর অংশ।
D) Loop — এটি যেকোনো প্রোগ্রামিং ভাষায় কোড বারবার চালানোর জন্য ব্যবহৃত একটি কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট, অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর বৈশিষ্ট্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর প্রধান চারটি বৈশিষ্ট্য মনে রাখার সহজ কৌশল হলো PIE।
এখানে P মানে Polymorphism, I মানে Inheritance, E মানে Encapsulation এবং আরেকটি A মানে Abstraction।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার বিজ্ঞান ও আইসিটি পরীক্ষায় প্রায়ই অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর বৈশিষ্ট্যসমূহ থেকে প্রশ্ন আসে।
ইনহেরিটেন্স, এনক্যাপসুলেশন, পলিমারফিজম এবং অ্যাবস্ট্রাকশন হলো ওওপির চারটি প্রধান ভিত্তি।
সঠিক উত্তর: A) Primary Key
১. কেন সঠিক:
ডেটাবেজে প্রতিটি রেকর্ড বা সারিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য প্রাইমারি কি ব্যবহার করা হয়। এটি নিশ্চিত করে যে টেবিলে কোনো ডেটা বা মান যেন দ্বিতীয়বার পুনরাবৃত্তি না হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: প্রাইমারি কি হলো এমন একটি কলাম বা কলামের সমষ্টি যা ডেটাবেজ টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করে।
বৈশিষ্ট্য: প্রাইমারি কি ফিল্ডে কখনো ফাঁকা বা নাল মান এবং একই মানের পুনরাবৃত্তি থাকতে পারে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ডেটাবেজে শিক্ষার্থীর রোল নম্বর।
ব্যাখ্যা: রোল নম্বর কখনো দুটি শিক্ষার্থীর জন্য এক হতে পারে না, তাই এটি প্রাইমারি কি হিসেবে কাজ করে।
উদাহরণ ২: ব্যাংক অ্যাকাউন্টের হিসাব নম্বর।
ব্যাখ্যা: একটি ব্যাংকে দুটি ভিন্ন গ্রাহকের হিসাব নম্বর একই হতে পারে না, যা ইউনিকনেস নিশ্চিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Primary Key — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ডেটার অনন্যতা নিশ্চিত করে।
B) Foreign Key — এটি দুটি টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়, ইউনিকনেস নিশ্চিত করার জন্য নয়।
C) Entity — এটি বাস্তব জগতের কোনো বস্তু বা ধারণা নির্দেশ করে, যা ডেটাবেজের কোনো কলাম বা কি নয়।
D) Relation — এটি ডেটাবেজে টেবিল বা টেবিলগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রাইমারি কি মানে হলো প্রধান চাবি, যা প্রতিটি তথ্যকে আলাদা এবং অদ্বিতীয়ভাবে তালাবদ্ধ করে রাখে। ইউনিক বা অনন্য শব্দ পেলেই উত্তর হবে প্রাইমারি কি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিটি ডেটাবেজ টেবিলে বাধ্যতামূলকভাবে একটি প্রাইমারি কি থাকা উচিত। একই টেবিলে একাধিক প্রাইমারি কি থাকা সম্ভব নয়, তবে একাধিক কলাম মিলে কম্পোজিট প্রাইমারি কি হতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) Transport
১. কেন সঠিক:
- কনজেশন কন্ট্রোল বা যানজট নিয়ন্ত্রণ বলতে নেটওয়ার্কে ডেটার অতিরিক্ত চাপ সামলানোকে বোঝায় যাতে ডেটা প্যাকেট হারিয়ে না যায়।
- OSI মডেলের ট্রান্সপোর্ট লেয়ার এন্ড-টু-এন্ড ডেটা ডেলিভারি এবং ফ্লো ও কনজেশন কন্ট্রোল নিশ্চিত করার প্রধান দায়িত্ব পালন করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: কনজেশন কন্ট্রোল হলো নেটওয়ার্কের একটি প্রক্রিয়া যা অতিরিক্ত ট্রাফিক বা ডেটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে নেটওয়ার্ক ধীর হওয়া রোধ করে।
- কার্যপদ্ধতি: ট্রান্সপোর্ট লেয়ারে প্রেরক ও গ্রাহক ডিভাইসের মধ্যে উইন্ডো সাইজ সমন্বয় করে ডেটা পাঠানোর গতি বাড়ানো বা কমানো হয়।
- বৈশিষ্ট্য: এটি নেটওয়ার্কের কার্যক্ষমতা বজায় রাখতে এবং ডেটা লস কমাতে সরাসরি সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা শহরের সিগন্যাল ব্যবস্থা।
ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত গাড়ি রাস্তায় নামলে যেমন ট্রাফিক পুলিশ সিগন্যাল নিয়ন্ত্রণ করে জ্যাম কমায়, তেমনি ট্রান্সপোর্ট লেয়ার ডেটার জ্যাম কমায়।
উদাহরণ ২: ইন্টারনেট থেকে বড় ফাইল ডাউনলোড।
ব্যাখ্যা: সার্ভার থেকে আপনার কম্পিউটারে ফাইল আসার গতি ইন্টারনেটের অবস্থার ওপর ভিত্তি করে ট্রান্সপোর্ট লেয়ার স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Physical — ফিজিক্যাল লেয়ার কেবল বা মাধ্যম দিয়ে বিট আকারে ডেটা স্থানান্তরিত করে, এখানে কনজেশন কন্ট্রোলের কাজ হয় না।
B) Data link — ডেটা লিংক লেয়ার নোড-টু-নোড ডেটা স্থানান্তর ও ত্রুটি সংশোধন করে, কিন্তু বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক কনজেশন নিয়ন্ত্রণ করে না।
C) Network — নেটওয়ার্ক লেয়ার রাউটিং ও লজিক্যাল অ্যাড্রেসিং এর কাজ করে, তবে এন্ড-টু-এন্ড কনজেশন কন্ট্রোল এর মূল কাজ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ট্রান্সপোর্ট লেয়ার টিপস: টি ফর ট্রান্সপোর্ট এবং টি ফর ট্রাফিক কন্ট্রোল বা কনজেশন কন্ট্রোল মনে রাখতে পারেন।
- OSI মডেলের চার নম্বর লেয়ার হলো ট্রান্সপোর্ট লেয়ার যা নির্ভরযোগ্য যোগাযোগ নিশ্চিত করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় OSI মডেলের লেয়ারগুলোর কাজ বারবার আসে।
- ট্রান্সপোর্ট লেয়ারের প্রধান দুটি প্রোটোকল হলো টিসিপি এবং ইউডিপি।
সঠিক উত্তর: C) Adjacency list
১. কেন সঠিক:
গ্রাফ ডেটা স্ট্রাকচার মেমোরিতে সংরক্ষণের জন্য অ্যাডজাসেন্সি লিস্ট বা সংলগ্নতা তালিকা অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি পদ্ধতি।
এই পদ্ধতিতে প্রতিটি নোডের সাথে সংযুক্ত বা সংলগ্ন নোডগুলোর একটি তালিকা বা লিংড লিস্ট রাখা হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: অ্যাডজাসেন্সি লিস্ট হলো গ্রাফের শীর্ষবিন্দুগুলোর একটি সংগ্রহ, যেখানে প্রতিটি শীর্ষবিন্দুর নিজস্ব একটি তালিকা থাকে যা তার প্রতিবেশী বিন্দুগুলোকে নির্দেশ করে।
কার্যপদ্ধতি: গ্রাফে যদি কম সংখ্যক সংযোগ বা এজ থাকে, তবে এই পদ্ধতিতে মেমোরি সাশ্রয় হয় কারণ শুধু বিদ্যমান সংযোগগুলো সংরক্ষণ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফেসবুকের বন্ধু তালিকা।
ব্যাখ্যা: ফেসবুকের প্রতিটি ব্যবহারকারীকে একটি নোড এবং তাদের বন্ধুত্বের সম্পর্ককে এজ হিসেবে ধরে অ্যাডজাসেন্সি লিস্ট তৈরি করা যায়।
উদাহরণ ২: গুগল ম্যাপে রাস্তার নেটওয়ার্ক।
ব্যাখ্যা: বিভিন্ন মোড় বা ইন্টারসেকশনগুলোকে নোড এবং রাস্তাগুলোকে এজ ধরে এই তালিকা তৈরি করে স্বল্পতম দূরত্ব নির্ণয় করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Queue — কিউ হলো ফার্স্ট ইন ফার্স্ট আউট বা ফিফো নীতিতে কাজ করা ডেটা স্ট্রাকচার যা গ্রাফ সংরক্ষণের জন্য সরাসরি ব্যবহৃত হয় না।
B) Stack — স্ট্যাক হলো লাস্ট ইন ফার্স্ট আউট বা লিফো নীতিতে কাজ করা ডেটা স্ট্রাকচার যা গ্রাফের ডেপথ ফার্স্ট সার্চ বা ডিএফএস ট্রাভার্সেলে লাগে।
D) Pointer — পয়েন্টার হলো মেমোরি অ্যাড্রেস ধারণ করার একটি ভেরিয়েবল, যা দিয়ে বিভিন্ন ডেটা স্ট্রাকচার তৈরি করা গেলেও একা গ্রাফ রিপ্রেজেন্ট করতে পারে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
গ্রাফ রিপ্রেজেন্টেশনের প্রধান দুটি উপায় হলো অ্যাডজাসেন্সি ম্যাট্রিক্স এবং অ্যাডজাসেন্সি লিস্ট।
মেমোরি কম লাগলে লিস্ট এবং দ্রুত এজ চেক করতে হলে ম্যাট্রিক্স ব্যবহৃত হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার বিজ্ঞান ও আইসিটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডেটা স্ট্রাকচার থেকে প্রায়ই গ্রাফ রিপ্রেজেন্টেশনের প্রশ্ন আসে।
অ্যাডজাসেন্সি লিস্ট স্পেস বা মেমোরি এফিশিয়েন্ট হওয়ায় স্পার্স গ্রাফের জন্য এটি সেরা পছন্দ।
সঠিক উত্তর: C) Internet Explorer
১. কেন সঠিক:
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার হলো একটি ওয়েব ব্রাউজার, কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা নেটওয়ার্ক নয়।
- এটি মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক তৈরিকৃত একটি সফটওয়্যার যা ইন্টারনেট থেকে তথ্য খোঁজা ও প্রদর্শন করতে ব্যবহৃত হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ওয়েব ব্রাউজার হলো এমন একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীকে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা ডব্লিউ ডব্লিউ ডব্লিউ এবং বিভিন্ন ওয়েব পেজ দেখার সুযোগ করে দেয়।
- কার্যপদ্ধতি: এটি ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ওয়েবসাইটের ঠিকানা বা ইউআরএল গ্রহণ করে এবং ইন্টারনেট প্রোটোকলের মাধ্যমে সার্ভার থেকে ডেটা এনে কম্পিউটারের পর্দায় প্রদর্শন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গুগল ক্রোম বা মজিলা ফায়ারফক্স।
ব্যাখ্যা: এগুলো ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের মতোই এক একটি জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার, যার মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা যায়।
উদাহরণ ২: ফেসবুক বা লিংকডইন।
ব্যাখ্যা: এগুলো হলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, যেখানে ব্যবহারকারীরা অ্যাকাউন্ট খুলে নিজেদের মধ্যে তথ্য ও ছবি আদান-প্রদান করতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Linkedin — এটি একটি পেশাদার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) Google + — এটি গুগলের একটি সাবেক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছিল, তাই এটি এখানে ভুল উত্তর।
C) Internet Explorer — এটি একটি ওয়েব ব্রাউজার এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয়, তাই এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) twitter — এটি বর্তমানে এক্স বা একটি জনপ্রিয় মাইক্রোব্লগিং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, তাই এটি ভুল উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, ক্রোম, সাফারি এবং মজিলা ফায়ারফক্স হলো ব্রাউজার।
- ফেসবুক, টুইটার, লিংকডইন এবং ইনস্টাগ্রাম হলো সোশ্যাল মিডিয়া নেটওয়ার্ক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং এর পরিবর্তে মাইক্রোসফট এজ ব্যবহার করা হয়।
- পরীক্ষার জন্য ওয়েব ব্রাউজার এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) লবণ
১. কেন সঠিক:
বাংলা বানানরীতির প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী যেসব তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে 'ণ' ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে, তা তৎসম শব্দের বিধান অনুসারে চলে। তবে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক তদ্ভব ও দেশি শব্দে স্বভাবতই 'ণ' না হয়ে 'ন' হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম শব্দে মূর্ধন্য ণ এর ব্যবহার থাকলেও তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দে সবসময় দন্ত্য ন ব্যবহৃত হয়। লবণ একটি তদ্ভব শব্দ, তাই এর বানানে দন্ত্য ন এর ব্যবহার সঠিক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভবন
ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ হওয়ায় এর বানানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: পবন
ব্যাখ্যা: এটিও একটি তৎসম শব্দ এবং এর সঠিক বানানে মূর্ধন্য ণ এর পরিবর্তে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লবণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তদ্ভব শব্দ হিসেবে এখানে দন্ত্য ন ব্যবহৃত হয়েছে।
B) পবণ — এটি ভুল বানান কারণ পবন শব্দে মূর্ধন্য ণ বা ভুল বর্ণ যুক্ত করা হয়েছে।
C) ভবণ — এটি ভুল বানান কারণ ভবন শব্দের সঠিক বানানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়।
D) মগণ — এটি একটি ভুল বানান এবং বাংলা ভাষায় এই রূপটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
তদ্ভব ও দেশি শব্দে সবসময় দন্ত্য ন হয় এবং লবণ শব্দটি তদ্ভব হওয়ায় এতে দন্ত্য ন বসে। তৎসম শব্দ চেনার মাধ্যমে এই ধরনের বানান সহজে মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ভব ও তৎসম শব্দের বানান প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে। শব্দের উৎস জানলে বানানের ভুল এড়ানো সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: D) কৃষ্ণকুমারী
১. কেন সঠিক:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত 'কৃষ্ণকুমারী' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক।
রাজস্থানের ইতিহাসের একটি করুণ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই নাটকটি রচিত হয়েছে বলে এটি ইতিহাস-আশ্রিত নাটক হিসেবে পরিচিত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা নাট্যসাহিত্যে আধুনিকতার প্রবক্তা এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
তার এই নাটকটি রাজস্থানের মেওয়ারের রাজকন্যা কৃষ্ণকুমারীর জীবনের ট্র্যাজিক পরিণতি নিয়ে রচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শর্মিষ্ঠা
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম নাটক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক নাটক।
উদাহরণ ২: পদ্মাবতী
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি পৌরাণিক নাটক যেখানে গ্রিক মিথের প্রভাব রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেণীসংহার — এটি মূলত ভট্টনারায়ণ রচিত একটি সংস্কৃত নাটক, মধুসূদন দত্তের নাটক নয়।
B) কীর্তিবিলাস — এটি যোগেশচন্দ্র গুপ্ত রচিত একটি নাটক, যা মধুসূদনের সাহিত্যকর্ম নয়।
C) মালতীমাধব — এটি ভবভূতি রচিত একটি বিখ্যাত সংস্কৃত নাটক, যা মধুসূদন দত্ত রচনা করেননি।
D) কৃষ্ণকুমারী — এটি মধুসূদন দত্ত রচিত ইতিহাস-আশ্রিত নাটক এবং সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধুসূদন দত্তের একমাত্র ট্র্যাজেডি নাটকের নাম মনে রাখতে 'কৃষ্ণকুমারী' শব্দটির ট্র্যাজিক পরিণতি মাথায় রাখতে পারো।
তার নাটকগুলো মনে রাখার কৌশল হলো শর্মিষ্ঠা দিয়ে শুরু করে পদ্মাবতী হয়ে কৃষ্ণকুমারীতে ট্র্যাজেডির সমাপ্তি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক কোনটি, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
ইতিহাস-আশ্রিত বা রাজস্থানের ইতিহাস নিয়ে রচিত নাটক বললে সবসময় 'কৃষ্ণকুমারী' উত্তর হিসেবে বেছে নিতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) আপণ
১. কেন সঠিক:
স্বতঃসিদ্ধ বা স্বভাবতই 'ণ' ব্যবহারের মাধ্যমে 'আপণ' শব্দটি গঠিত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী স্বভাবতই কিছু শব্দের বানান মূর্ধন্য-ণ দ্বারা গঠিত হয়, যেখানে কোনো ষত্বত্ব বা ণত্ব বিধানের সাধারণ নিয়ম কাজ করে না।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দে স্বভাবতই বা স্বতঃসিদ্ধভাবে মূর্ধন্য-ণ বসে। এসব ক্ষেত্রে সাধারণত ঋ, র, ষ এর পরের নিয়ম বা ট-বর্গীয় ধ্বনির আগের নিয়ম কার্যকর হয় না, বরং শব্দগুলো জন্মগতভাবেই মূর্ধন্য-ণ যুক্ত হয়ে প্রচলিত আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাণক্য
ব্যাখ্যা: চাণক্য শব্দটি স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ যুক্ত একটি তৎসম শব্দ যেখানে কোনো নিয়মের অপেক্ষা রাখে না।
উদাহরণ ২: মানিক্য
ব্যাখ্যা: মানিক্য শব্দের মতো অনেক তৎসম শব্দে স্বভাবগত কারণেই মূর্ধন্য-ণ এর ব্যবহার দেখা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কারণ — এই শব্দটিতে ণত্ব বিধানের নিয়ম অনুসারে র-এর পরে মূর্ধন্য-ণ যুক্ত হয়েছে, তাই এটি স্বতঃসিদ্ধ নয়।
B) বারণ — এই শব্দটিতেও র-এর পরে নিয়ম মেনে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহৃত হয়েছে, স্বভাবসিদ্ধভাবে নয়।
C) আপণ — এটি সঠিক কারণ এই শব্দটিতে কোনো সাধারণ নিয়ম কাজ না করে স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ বসেছে।
D) রাবণ — এই শব্দটিতে র-এর পরে নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য-ণ যুক্ত হয়েছে, তাই এটি স্বতঃসিদ্ধ অপূণাঙ্গ নিয়ম নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ যুক্ত শব্দগুলো সহজে মনে রাখার জন্য চাণক্য, মানিক্য, অপণ, বিপণ এই শব্দগুলো বারবার চর্চা করতে পারো। নিয়ম না খুঁজে এই বিশেষ শব্দগুলো মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য নিরাপদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ এবং নিয়মসিদ্ধ মূর্ধন্য-ণ এর পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই কোন শব্দগুলো স্বভাবসিদ্ধ আর কোনগুলো নিয়মের অধীন তা আলাদা করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) বেতালপঞ্চবিংশতি
১. কেন সঠিক:
- বেতালপঞ্চবিংশতি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত একটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ যা ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি মূলত হিন্দি বেতাল পচ্চীসী অবলম্বনে রচিত এবং এর মূল উৎস সংস্কৃত বেদালপঞ্চবিংশতি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যসাহিত্যের প জনক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি গদ্যে যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার প্রবর্তন করেন।
- তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য মৌলিক ও অনূদিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে শকুনতলা সীমার বনবাস ও কথামালা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শকুন্তলা
ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত একটি অন্যতম বিখ্যাত পৌরাণিক গদ্যগ্রন্থ যা ১৮৫৪ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: সীতার বনবাস
ব্যাখ্যা: এটি বিদ্যাসাগর রচিত আরেকটি জনপ্রিয় অনূদিত গদ্যগ্রন্থ যা ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেতালপঞ্চবিংশতি - এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত গ্রন্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
B) ওরিয়েন্টাল - এটি বিদ্যাসাগর রচিত কোনো গ্রন্থ নয় এবং এটি পরীক্ষার জন্য অপ্রাসঙ্গিক একটি অপশন।
C) ইংরেজি বাংলা শব্দকোষ - এটি বিদ্যাসাগরের সাহিত্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত নয় বরং এটি একটি অভিধান সম্পর্কিত গ্রন্থ।
D) রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র - এটি রামরাম বসু রচিত একটি ঐতিহাসিক গদ্যগ্রন্থ যা ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিদ্যাসাগরের অনুবাদের ক্ষেত্রে মনে রাখতে পারো যে তাঁর প্রথম গদ্যগ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতি প্রকাশিত হয় ১৮৪৭ সালে।
- তাঁর রচিত গ্রন্থগুলো মূলত অনুবাদ হলেও সেগুলোর ভাষা ছিল অত্যন্ত মার্জিত ও প্রমিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্যাসাগরের প্রথম গ্রন্থ এবং তাঁর মৌলিক রচনার প্রকাশকাল প্রায়ই আসে।
- রামরাম বসুর রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র এবং বিদ্যাসাগরের বেতালপঞ্চবিংশতি গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: B) লোকরহস্য
১. কেন সঠিক:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'লোকরহস্য' একটি বিখ্যাত কৌতুক রসাত্মক ও ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধ গ্রন্থ।
- এই গ্রন্থে সমাজজীবনের নানা অসঙ্গতি ও মানবস্বভাবের ত্রুটি হালকা চালে কিন্তু তীক্ষ্ণ উপহাসের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হলেও তিনি প্রাবন্ধিক হিসেবেও অত্যন্ত উর্বর ও প্রতিভাবান ছিলেন।
- তাঁর সাহিত্যকর্মগুলোকে মূলত উপন্যাস, প্রবন্ধ এবং ধর্ম ও সমাজ বিষয়ক রচনা হিসেবে ভাগ করা যায়, যার মধ্যে লোকরহস্য একটি বিশেষ ধারার সৃষ্টি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কমলাকান্তের দপ্তর
ব্যাখ্যা: এটিও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক ও রম্য রচনা, যেখানে নেশাগ্রস্ত কমলাকান্তের জবানীতে সমাজের নানা রূপ উন্মোচিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মুচিরাম গুড়ের জীবনচরিত
ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্রের এটি একটি চমৎকার কৌতুক ও ব্যঙ্গাত্মক রচনা, যা অযোগ্য ব্যক্তির পদোন্নতি ও সমাজজীবনের দুর্নীতির ওপর লেখা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরিব্রাজক — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচনা নয়, বরং এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনীমূলক প্রবন্ধ গ্রন্থ।
B) লোকরহস্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল কারণ ও ব্যাখ্যা পূর্বে দেওয়া হয়েছে।
C) নিভৃতচিন্তা — এটি কালীপ্রসন্ন ঘোষের একটি বিখ্যাত দার্শনিক ও চিন্তামূলক প্রবন্ধ গ্রন্থ, বঙ্কিমচন্দ্রের নয়।
D) রত্নরহস্য — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোনো মৌলিক রচনা বা কৌতুক রসের গ্রন্থ হিসেবে বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বঙ্কিমচন্দ্রের কৌতুক বা রম্য রচনার কথা মনে রাখতে লোকরহস্য এবং কমলাকান্তের দপ্তর নাম দুটি একসাথে মনে রাখতে পারো।
- বঙ্কিমচন্দ্র মানেই শুধু গম্ভীর উপন্যাস নয়, তাঁর লেখায় সমাজের কৌতুক রূপও প্রকাশ পেয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্রের প্রবন্ধ গ্রন্থগুলো উপন্যাসের মতো প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- লোকরহস্য এবং কমলাকান্তের দপ্তর হলো তাঁর প্রধান রম্য বা কৌতুক রসের গ্রন্থ, যা মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) নামহীন গোত্রহীন
১. কেন সঠিক:
- নামহীন গোত্রহীন হলো বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন।
- এই গ্রন্থে মুক্তিযুদ্ধকালীন সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগ, কষ্ট ও বীরত্বের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- নামহীন গোত্রহীন গল্পগ্রন্থটির রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের নির্মমতা এবং মানবজীবনের ওপর তার প্রভাব এই গ্রন্থের মূল বিষয়বস্তু।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জলাঙ্গি
ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা গ্রামীণ জীবনের ওপর রচিত।
উদাহরণ ২: জাহান্নাম হইতে বিদায়
ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রামাণ্য উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুধেভাতে উৎপাত — এটি সেলিনা হোসেনের লেখা একটি উপন্যাস হলেও সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের প্রভাবে রচিত গল্পগ্রন্থ নয়।
C) অরক্ষিত জনপদ — এটি শহীদ কাদরীর কাব্যগ্রন্থ, ছোটগল্প গ্রন্থ নয় এবং এর মূল সুর ভিন্ন।
D) অবিনাশী আয়োজন — এটি কোনো প্রসিদ্ধ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গল্পগ্রন্থ হিসেবে বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গল্প মানেই নামহীন গোত্রহীন।
- লেখকের নাম ও গ্রন্থের বিষয়বস্তু একত্রে মিলিয়ে পড়লে পরীক্ষা সহজে উত্তর করা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্ম থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- শওকত ওসমান মূলত তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ও গল্পের জন্য বাংলা সাহিত্যে বিশেষভাবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: B) উহ্য
১. কেন সঠিক:
- স্পষ্ট শব্দের অর্থ যা সহজে দৃশ্যমান, বোধগম্য বা ব্যক্ত করা হয়েছে।
- এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে এমন শব্দ প্রয়োজন যা অদৃশ্য, লুক্কায়িত বা অপ্রকাশিত বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য শব্দের ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
- স্পষ্ট শব্দের ক্ষেত্রে এর ভাবগত বিপরীত শব্দ হিসেবে উহ্য শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষয়টি সবার কাছে স্পষ্ট করা হলো।
ব্যাখ্যা: এখানে স্পষ্ট শব্দটি কোনো কিছু পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করার অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ব্যাকরণে কিছু পদ উহ্য থাকে।
ব্যাখ্যা: এখানে উহ্য শব্দটি যা দৃশ্যমান নয় বা প্রকাশ করা হয়নি এমন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রাহ্য — গ্রাহ্য শব্দের অর্থ যা গ্রহণ করার যোগ্য, এর বিপরীত অর্থ অগ্রাহ্য বা বর্জনীয়।
B) উহ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ যা প্রকাশ করা হয়নি বা অদৃশ্য।
C) সহ্য — সহ্য শব্দের অর্থ সহ্য করা বা বরদাস্ত করা, এর বিপরীত অর্থ অসহ্য।
D) গুহ্য — গুহ্য শব্দের অর্থ গোপন বা রহস্যময়, যা স্পষ্ট শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- স্পষ্ট মানে যা দেখা যায়, আর উহ্য মানে যা লুকিয়ে থাকে বা প্রকাশ করা হয় না।
- বিপরীতার্থক শব্দ মনে রাখতে শব্দের মূল ভাব বা অর্থের দিকে মনোযোগ দিতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করতে নিয়মিত বিপরীত শব্দ চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) অঙ্গনা
১. কেন সঠিক:
- 'অঙ্গনা' শব্দের অর্থ নারী, অবলা বা স্ত্রীলোক। প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডারে এটি নারীবাচক বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের জন্য শব্দের মূল অর্থ ও প্রচলিত ব্যবহার জানা অত্যন্ত জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি, যেগুলো ভিন্ন বানান ও উচ্চারণের হলেও অর্থের দিক থেকে একই বা প্রায় একই ভাব প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম ও তদ্ভব শব্দে নারীর বিভিন্ন সমার্থক শব্দ পাওয়া যায়, যার মধ্যে অঙ্গনা একটি সুন্দর ও বহুল প্রচলিত তৎসম শব্দ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কামিনী
ব্যাখ্যা: এটি নারীর আরেকটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম সমার্থক শব্দ যা বিভিন্ন কাব্যে পাওয়া যায়।
উদাহরণ ২: ললনা
ব্যাখ্যা: ললনা শব্দের অর্থও নারী বা সুন্দরী স্ত্রীলোক, যা অঙ্গনা শব্দের সমার্থক হিসেবে কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অঙ্গনা — মূল প্রশ্নে অপশনে বারবার থাকার কারণে এটি সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে, তবে বর্ণ বিন্যাসে কিছুটা পুনরাবৃত্তি ঘটেছে।
B) কঙ্কণা — এই শব্দের অর্থ হাতের বালা বা চুড়ি, যা নারী বা মহিলা শব্দের সমার্থক নয়।
C) অঙ্গনা — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ নারী বা মহিলা।
D) বঙ্গনা — এই নামে বাংলায় কোনো প্রমিত বা অর্থপূর্ণ শব্দ বা সমার্থক শব্দ নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অঙ্গনা মানে অবয়ব বা অঙ্গযুক্ত নারী, এভাবে মনে রাখতে পারো যে অঙ্গনা শব্দটি নারীর রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- সমার্থক শব্দ পড়ার সময় তৎসম ও প্রাকৃত রূপগুলো আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়লে দ্রুত মনে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নারী, সূর্য, চাঁদ, পৃথিবী ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দগুলো বারবার আসে।
- প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম মেনে সমার্থক শব্দগুলোর বানান ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে যাতে পরীক্ষার হলে কনফিউশন তৈরি না হয়।
সঠিক উত্তর: D) চৌচির
১. কেন সঠিক:
চৌচির শব্দটি কর্মধারয় সমাসঘটিত শব্দ। বিশেষণের সঙ্গে বিশেষ্যের বা বিশেষ্যের সঙ্গে বিশেষ্যের যে সমাস হয় এবং যেখানে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে বোঝায়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এখানে চৌ (চার) এবং চির (চির বা ফাটল) মিলে চারদিক বা সবদিক চচির বা চৌচির বোঝানো হয়েছে। এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত, যেখানে বিশৃঙ্খল বা পূর্ণ অবস্থাকে বোঝাতে বিশেষণের ব্যবহার হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নীলপদ্ম
ব্যাখ্যা: নীল যে পদ্ম, এটি একটি সাধারণ কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে পদ্ম বিশেষ্য এবং নীল বিশেষণ।
উদাহরণ ২: বিষাদসিন্ধু
ব্যাখ্যা: বিষাদ রূপ সিন্ধু, এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মৌচাক — এটি মৌ (মধু) আশ্রিত চাক, অর্থাৎ অধিকরণ তৎপুরুষ সমাস।
B) সেতার — এটি সে (তিন) তার আছে যার, অর্থাৎ বহুব্রীহি সমাস।
C) ধোঁয়াশা — এটি ধোঁয়া ও আচ্ছন্নতা বোঝায়, যা দ্বন্দ্বে বা অন্য সমাসে পড়ে।
D) চৌচির — এটি কর্মধারয় সমাসের সঠিক উদাহরণ।
৫. মনে রাখার টিপস:
কর্মধারয় সমাসে সাধারণত একটি পদ বিশেষণ এবং অপর পদ বিশেষ্য হয়। চৌচির শব্দটিতে অবস্থা বোঝাতে কর্মধারয় সমাস হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাস নির্ণয়ের জন্য শব্দের ব্যাসববাক্য ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয়।
সঠিক উত্তর: B) পঞ্চসঙ্গী
১. কেন সঠিক:
- শওকত ওসমান কিশোরদের উপযোগী করে বেশ কিছু গ্রন্থ রচনা করেছেন যার মধ্যে 'পঞ্চসঙ্গী' অন্যতম।
- প্রশ্নটিতে কিশোর সাহিত্যের একজন খ্যাতিমান লেখকের একটি নির্দিষ্ট কিশোর গ্রন্থ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শওকত ওসমান বাংলা সাহিত্যের একজন প্রথিতযশা কথাসাহিত্যিক যিনি মূলত উপন্যাস ও ছোটগল্পের জন্য পরিচিত।
- তিনি বড়দের সাহিত্য ছাড়াও ছোটদের জন্য কিশোর উপযোগী গল্প ও উপন্যাস রচনা করে বাংলা কিশোর সাহিত্যে বিশেষ অবদান রেখেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শওকত ওসমানের রচিত কিশোর উপন্যাস 'মশা ও অন্যান্য'।
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি বিখ্যাত কিশোর উপযোগী সাহিত্যকর্ম যা কিশোর পাঠকদের মধ্যে বেশ সমাদৃত।
উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের রচিত আরেকটি কিশোর গ্রন্থ 'আম ও জাম'।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিও কিশোরদের মনস্তত্ত্ব ও বিনোদনের কথা মাথায় রেখে রচিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিজিবিজি — এটি উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর একটি বিখ্যাত শিশুতোষ ও কিশোর উপযোগী রচনা, শওকত ওসমানের নয়।
B) পঞ্চসঙ্গী — এটি শওকত ওসমানের রচিত কিশোরদের জন্য গ্রন্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
C) চিঁচিংফাঁক — এটি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত কিশোর উপন্যাস, শওকত ওসমানের গ্রন্থ নয়।
D) কানামামা — এটি আহসান হাবীবের একটি জনপ্রিয় কিশোর সাহিত্যকর্ম, শওকত ওসমানের লেখা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শওকত ওসমানের বড়দের উপন্যাসের পাশাপাশি ছোটদের জন্য 'পঞ্চসঙ্গী' বইটি মনে রাখতে হবে।
- লেখকের নামের সাথে কিশোর গ্রন্থের নাম মেলানোর জন্য বারবার অনুশীলন করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের কিশোর সাহিত্য বা শিশুতোষ গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- মূল ধারার লেখকের ভিন্নধর্মী রচনাগুলো আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত।
সঠিক উত্তর: D) জসীম উদ্দীন
১. কেন সঠিক:
'চলে মুসাফির' ভ্রমণমূলক গ্রন্থটির রচয়িতা পল্লিকবি জসীম উদ্দীন।
গ্রন্থটিতে লেখকের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা ও স্মৃতিকথা সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
জসীম উদ্দীন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক যিনি পল্লিপ্রকৃতি ও মানুষের জীবন ফুটিয়ে তুলেছেন।
তার এই ভ্রমণকাহিনিতে বাংলার গ্রামীণ সংস্কৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা অত্যন্ত সহজ ভাষায় চিত্রিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হলদে বরের ফুল
ব্যাখ্যা: এটি জসীম উদ্দীনের লেখা একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি যা তার ভ্রমণ সাহিত্যের অনন্য নিদর্শন।
উদাহরণ ২: যে দেশে মানুষ বড়
ব্যাখ্যা: এটিও জসীম উদ্দীনের রচিত একটি জনপ্রিয় ভ্রমণকাহিনিমূলক গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক এবং সবুজ পত্র পত্রিকার সম্পাদক, তবে এই ভ্রমণগ্রন্থটির রচয়িতা নন।
B) মুনীর চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও শিক্ষাবিদ যিনি রক্তকরবী ও কবর নাটকের জন্য পরিচিত, এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
C) সেলিনা হোসেন — তিনি একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক যিনি যাপিত জীবন উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত, এই বইটির লেখক নন।
D) জসীম উদ্দীন — প্রদত্ত সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই বিখ্যাত ভ্রমণমূলক গ্রন্থটির সফল রচয়িতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
পল্লিপ্রকৃতির কবি জসীম উদ্দীনের গ্রামীণ জীবনের পাশাপাশি ভ্রমণসাহিত্যেও বিশেষ অবদান রয়েছে।
চলে মুসাফির বইটি দেখলেই জসীম উদ্দীনের ভ্রমণপ্রীতির কথা মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকদের ভ্রমণকাহিনি বা আত্মজীবনী থেকে প্রশ্ন আসে।
জসীম উদ্দীনের অন্যান্য ভ্রমণকাহিনি যেমন জলের বাঁধন এবং চলে মুসাফির নামগুলো বারবার চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) প্রকৃতি
১. কেন সঠিক:
শব্দ বা পদের মূল অংশকে ব্যাকরণের পরিভাষায় প্রকৃতি বলা হয়। এটি এমন একটি মৌলিক একক, যার সঙ্গে বিভক্তি বা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ বা পদ গঠিত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
প্রকৃতি মূলত দুই প্রকার, যেমন নাম প্রকৃতি বা প্রাতিপদিক এবং ক্রিয়া প্রকৃতি বা ধাতু। শব্দের মূল অংশকে ভেঙে বা বিশ্লেষণ করে এই মৌলিক রূপটি নির্ণয় করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চলন্ত শব্দের প্রকৃতি হলো চল ধাতু।
ব্যাখ্যা: এখানে চল হলো ক্রিয়া মূল বা প্রকৃতি, যার সঙ্গে অন্ট প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ঢাকা শব্দের প্রকৃতি হলো ঢাকা নাম প্রকৃতি।
ব্যাখ্যা: এটি একটি নির্দিষ্ট স্থানের নাম এবং এর কোনো ভাঙা রূপ নেই, তাই এটি নাম প্রকৃতি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিভক্তি — বিভক্তি শব্দের মূল নয়, বরং শব্দকে পদে পরিণত করার জন্য শব্দের সঙ্গে যা যুক্ত হয়।
B) প্রকৃতি — এটি সঠিক কারণ শব্দের মূল অংশকে প্রকৃতি বলা হয়।
C) প্রত্যয় — প্রত্যয় প্রকৃতির পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, এটি নিজে শব্দের মূল নয়।
D) অব্যয় — অব্যয় হলো পদের একটি শ্রেণি, যার কোনো পরিবর্তন হয় না এবং এটি শব্দের মূল নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
শব্দের মূল মানেই প্রকৃতি এবং ধাতুর মূল হলো ক্রিয়ার প্রকৃতি। প্রকৃতি মানেই মূল বা উৎস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দ বিশ্লেষণ থেকে প্রশ্ন আসে। প্রকৃতি ও প্রত্যয় ভালোভাবে বুঝতে পারলে ব্যাকরণের বহু প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) শাহ মুহম্মদ সগীর
১. কেন সঠিক:
- 'ইউসুফ-জোলেখা' বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম বা অন্যতম প্রাচীন প্রণয়োপাখ্যান এবং এর রচয়িতা শাহ মুহম্মদ সগীর।
- সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে তিনি এই বিখ্যাত কাব্যটি রচনা করেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শাহ মুহম্মদ সগীর মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সুলতানি আমলের (গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের শাসনকাল) শ্রেষ্ঠ কবিদের একজন।
- ফারসি কবি জামির 'ইউসুফ-জোলেখা' কাহিনীর অবলম্বনে তিনি বাংলায় এই আখ্যান কাব্যটি রচনা করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শাহ মুহম্মদ সগীর রচিত 'ইউসুফ-জোলেখা' কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের রচিত প্রথম ও জনপ্রিয় প্রণয়মূলক কাব্যগুলোর একটি।
উদাহরণ ২: মধ্যযুগের অপর প্রণয়োপাখ্যান সয়ফুল মুলুক বদিউজ্জামান।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যটি রচনা করেন আলাওল, যা মধ্যযুগের সাহিত্যধারার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দৌলত উজির বাহরাম খাঁ — তিনি ষোড়শ শতকের কবি এবং তার বিখ্যাত রচনা 'লায়লী-মজনু'।
B) পণ্ডিতকবি আলাওল — তিনি সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের শ্রেষ্ঠ কবি এবং তার বিখ্যাত সৃষ্টি 'পদ্মাবতী'।
D) সেনাপতি দৌলত কাজী — তিনি আরাকান রাজসভার কবি এবং তার বিখ্যাত কাব্য 'সতী ময়না ও লোর-চন্দ্রাবাণী'।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইউসুফ ও জোলেখা কাহিনীর প্রথম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর, এভাবে মনে রাখতে পারো যে সবচেয়ে প্রাচীন বা প্রথম কাজ করেছেন সগীর।
- মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের আদি নিদর্শন হিসেবে এই গ্রন্থটির নাম বিশেষভাবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের প্রথম কাব্য বা কবি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- কবি শাহ মুহম্মদ সগীর কোন আমলের কবি এবং তার পৃষ্ঠপোষক কে ছিলেন, তা ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) উদাসীন পথিকের মনের কথা
১. কেন সঠিক:
- মীর মশাররফ হোসেনের একটি বিখ্যাত আত্মজৈবনিক উপন্যাস হলো উদাসীন পথিকের মনের কথা।
- এই উপন্যাসে তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের নানা শোষণ, অবিচার ও বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের ত্রয়োদশ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার।
- তাঁর রচিত বিষাদ সিন্ধু মহাকাব্যিক উপন্যাস হিসেবে বাংলা সাহিত্যে সর্বাধিক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ
ব্যাখ্যা: এটি নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রচিত তাঁর একটি প্রতিবাদী নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উদাসীন পথিকের মনের কথা — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি মীর মশাররফ হোসেনের রচনা।
B) মুচিরাম গুড়ের আত্মকথা — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাসিকা।
C) হাঁসুলী বাকের উপকথা — এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত আঞ্চলিক উপন্যাস।
D) ইতিহাসের পরের কথা — এটি কোনো পরিচিত মানসম্মত সাহিত্যকর্ম বা লেখকের প্রধান গ্রন্থ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মীর মশাররফ হোসেনের আত্মজীবনমূলক উপন্যাস মনে রাখতে উদাসীন প্রতীক হিসেবে তাঁর নাম মনে রাখতে পারো।
- তাঁর নামের সঙ্গে বিষাদ সিন্ধু ও জমিদার দর্পণ রচনাগুলোও মনে রাখা জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঔপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেনের গ্রন্থ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- অন্যান্য লেখকের বিখ্যাত আত্মজীবনী বা উপন্যাসগুলোও আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
১. কেন সঠিক:
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং গ্রামীণ জনপদে এর ভয়াবহ প্রভাব নিয়ে রচিত।
- কাব্যনাট্য হলো এমন একটি সাহিত্যকর্ম যা কবিতার ছন্দে রচিত হলেও তাতে নাটকের মতো চরিত্র, সংলাপ ও দ্বন্দ্ব থাকে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- নাটকটির রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত নাট্যকার ও কবি সৈয়দ শামসুল হক।
- এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত সফল এবং জনপ্রিয় কাব্যনাট্য হিসেবে ব্যাপকভাবে সমাদৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নুরুলদীনের সারাজীবন
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হকের লেখা একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক কাব্যনাট্য।
উদাহরণ ২: ইর্ষা
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি উল্লেখযোগ্য কাব্যনাট্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবার তোরা মানুষ হ — এটি খান আতাউর রহমান পরিচালিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র, কোনো কাব্যনাট্য নয়।
B) অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী — এটি আনিসুল হকের লেখা একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, কাব্যনাট্য নয়।
C) চরকাকঁড়ার ডকুমেন্টারি — এটি কোনো প্রমিত মুক্তিযুদ্ধনির্ভর কাব্যনাট্য হিসেবে বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত নয়।
D) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সৈয়দ শামসুল হক মানেই পায়ের শব্দ অর্থাৎ কাব্যনাট্য। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য বললে সবার আগে পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নামটি মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যে কাব্যনাট্যের ধারা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্যগুলো প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। নাটকের পাশাপাশি এর গদ্যরূপ ও কাব্যরূপের পার্থক্য সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) রাগের মাথায় কিছু করো না
১. কেন সঠিক:
- 'মাথা' শব্দের একটি বিশেষ অর্থ হলো সময় বা সুযোগ।
- বাক্যটিতে রাগের সময় বা ক্রোধের মুহূর্তে কিছু না করার উপদেশ দেওয়া হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় 'মাথা' শব্দটি অঙ্গবাচক হলেও বহু অর্থে প্রযুক্ত হয়।
- প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে শব্দের নানা অর্থে ব্যবহারের চমৎকার নিদর্শন এটি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাথা গরম কোরো না।
ব্যাখ্যা: এখানে 'মাথা' শব্দের অর্থ মেজাজ বা ধৈর্য।
উদাহরণ ২: মাথা থেকে কথাটা ফেলে দাও।
ব্যাখ্যা: এখানে 'মাথা' অর্থ স্মৃতি বা মন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাস্তার চৌমাথায় — এখানে 'মাথা' শব্দটি রাস্তার সংযোগস্থল বা প্রান্ত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
B) আমার খুব মাথা ব্যথা করছে — এখানে 'মাথা' শরীরের একটি অঙ্গ হিসেবে আক্ষরিক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
D) সকাল বেলায় গাছের মাথায় আলো — এখানে 'মাথা' বলতে গাছের ওপরের অংশ বা চূড়া বোঝানো হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আবেগের আতিশয্য বোঝাতে 'মাথা' যখন মুহূর্ত বা সময় নির্দেশ করে, তখন তা সময় অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- বাক্য পড়ার সময় শব্দটির অন্তর্নিহিত ভাব লক্ষ করলে সঠিক অর্থ সহজে বোঝা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুর্থক শব্দের প্রয়োগ খুব কমন একটি টপিক।
- একই শব্দ বিভিন্ন বাক্যে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, তাই বাক্যভেদে অর্থ চেনার অভ্যাস রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) 'সদুক্তিকর্ণামৃত' এ
১. কেন সঠিক:
- 'সদুক্তিকর্ণামৃত' হলো সংস্কৃত ভাষায় রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য-সংকলন যেখানে বাঙালি কবিদের শ্লোক বা পদ সংকলিত হয়েছে।
- সেন রাজবংশের রাজত্বকালে সংকলিত এই গ্রন্থে প্রাচীন বাংলার বহু কবির পংক্তি স্থান পেয়েছে যা আমাদের প্রাচীন সাহিত্যিক ইতিহাসের এক অমূল্য দলিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শ্রীমধর দাস বা শ্রীমদাদাস কর্তৃক ১২০৫ খ্রিস্টাব্দে 'সদুক্তিকর্ণামৃত' সংকলনটি সংস্কৃত ভাষায় রচিত হয়।
- এই গ্রন্থে প্রায় চারশো জন কবির চার হাজারের বেশি শ্লোক বা মুক্তক কবিতা সংকলিত রয়েছে যা মধ্যযুগের প্রাক্কালে বাংলা অঞ্চলের সাহিত্যচর্চার প্রমাণ দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম নিদর্শন যা বৈষ্ণব পদাবলীর উৎস সন্ধানে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: চর্যপদ
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য-সংকলন যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের দ্বারা রচিত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 'গীতগোবিন্দ'-তে — এটি জয়দেব রচিত সংস্কৃত কাব্য হলেও এটি কোনো সংকলন গ্রন্থ নয়, বরং রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বিষয়ক একটি একক কাব্য।
B) 'প্রাকৃতপৈঙ্গল' এ — এটি প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষায় রচিত একটি ছন্দ বিষয়ক গ্রন্থ, যা বাংলা ভাষার আদি রূপের নির্দেশক হলেও এটি সংস্কৃত ভাষায় রচিত কাব্য-সংকলন নয়।
C) 'কবীন্দ্রবচন' এ — এটি সঠিক নাম নয় এবং এটি কোনো প্রসিদ্ধ সংস্কৃত কাব্য-সংকলন হিসেবে পরিচিতি লাভ করেনি।
D) 'সদুক্তিকর্ণামৃত' এ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সংস্কৃত ভাষায় রচিত এবং এতে বাঙালি কবিদের শ্লোক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সংস্কৃত ভাষায় রচিত হলেও বাঙালি কবিদের শ্লোক সমৃদ্ধ কাব্য-সংকলন মানেই 'সদুক্তিকর্ণামৃত'।
- সেন যুগের এই গ্রন্থটির নাম মনে রাখলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ সম্পর্কিত প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সেন রাজবংশের সময়কালে রচিত এবং শ্রীধর দাস সংকলিত গ্রন্থটির নাম প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্য-সংকলনগুলোর রচয়িতা এবং ভাষার নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বড়ু চণ্ডীদাস
১. কেন সঠিক:
- বড়ু চণ্ডীদাস মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য'-এর রচয়িতা।
- 'বড়ু' হলো তার উপাধি বা নাম, যা রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বিষয়ক এই একমাত্র প্রামাণিক কাব্যটিতে পাওয়া যায়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্ব4বিনোদ ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের এক গোয়ালঘর থেকে এই পুঁথি আবিষ্কার করেন।
- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় কাব্যটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বৈষ্ণব পদাবলী
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা, যেখানে শ্রীকৃষ্ণের প্রেমের গান রচিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মনসামঙ্গল কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের একটি জনপ্রিয় ধারা, যা দেবতা মনসার পূজা প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনন্ত চণ্ডীদাস — ইনি মধ্যযুগের অন্য একজন কবি যার ভণিতায় কিছু পদ পাওয়া যায় কিন্তু তিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা নন।
B) বড়ু চণ্ডীদাস — এই অপশনটি সঠিক এবং এটিই প্রশ্নের উত্তর।
C) দ্বিজ চণ্ডীদাস — ইনি চণ্ডীদাস নামের অপর একজন কবি যিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য রচনা করেননি।
D) দীন চণ্ডীদাস — ইনিও চণ্ডীদাস নামক একজন ভিন্ন কবি যার রচনা শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের অন্তর্ভুক্ত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের শুরুতে বড়ু চণ্ডীদাসের নাম পাওয়া যায় বলে তাকেই এর রচয়িতা মনে রাখতে হবে।
- মধ্যযুগের আদি নিদর্শন মানেই বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের আবিষ্কারক ও প্রকাশকাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- মধ্যযুগের সাহিত্যের ক্ষেত্রে কবির নাম ও কাব্যের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
- খোকা বাবুর প্রত্যাবর্তন ছোটগল্পটির রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক ও প্রথম সার্থক ছোটগল্পকার হিসেবে পরিচিত।
- জমিদার পরিবার ও গ্রামীণ জীবনের পটভূমিতে রচিত এই গল্পে মানব মনের জটিল অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেনাপাওনা
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত ছোটগল্প যা সমাজ সংস্কার ও যৌতুক প্রথার বিরুদ্ধে রচিত।
উদাহরণ ২: সমাপ্তি
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মনস্তাত্ত্বিক ও নারী চরিত্রের মনস্তত্ত্বভিত্তিক একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ মুজতবা আলী — তিনি একজন প্রখ্যাত রম্যলেখক ও প্রাবন্ধিক হলেও এই ছোটগল্পটি তার লেখা নয়।
B) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি প্রগতিশীল ধারার কথাসাহিত্যিক হলেও এই গল্পের রচয়িতা তিনি নন।
C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর।
D) হাসান আজিজুল হক — তিনি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক এবং এই গল্পের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- খোকা বাবুর মতো বিখ্যাত সব ছোটগল্পের রাজপুত্র হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প মনে রাখতে ছোট প্রাণ ছোট ব্যথা ছোট ছোট দুঃখ কথা লাইনটি মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্পগুলো বারবার বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- লেখকের নাম ও গল্পের নাম জোড়ায় জোড়ায় মুখস্থ না করে গল্পের মূল থিম মনে রাখা পরীক্ষার জন্য বেশি সহায়ক।
সঠিক উত্তর: A) ওঙ্কার
১. কেন সঠিক:
- আহমদ ছফা রচিত ওঙ্কার উপন্যাসটি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং বাঙালির ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে পাকিস্তানি শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালির প্রতিবাদ এবং মানুষের ভেতরের শক্তি ও চেতনার প্রতীক হিসেবে ওঙ্কার বা প্রতিবাদের স্বরকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আহমদ ছফা বাংলাদেশের প্রগতিশীল সাহিত্য ধারার এক অন্যতম প্রধান কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক ও চিন্তাবিদ যিনি সমাজ ও রাজনীতির বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন।
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং তৎকালীন রাজনৈতিক পটভূমি এই উপন্যাসের মূল ভিত্তি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আলাউদ্দিন আল আজাদের ক্ষুধা ও আশা
ব্যাখ্যা: এটিও ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস।
উদাহরণ ২: শওকত ওমানের প্রদোশ প্রাকৃতজন
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটিতেও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের চমৎকার চিত্রায়ন রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওঙ্কার — এটি আহমদ ছফা রচিত গণঅভ্যুত্থান নির্ভর উপন্যাস এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে এটি পুরোপুরি মিলে যায়।
B) খাঁচায় — এটি হাসান আজিজুল হকের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প বা উপন্যাসিকা যার প্রেক্ষাপট ভিন্ন।
C) চৌচির — এটি রাহাত খান রচিত একটি উপন্যাস যা ভিন্ন সামাজিক ও পারিবারিক সংকটের ওপর ভিত্তি করে লেখা।
D) সময় — এটি সমরেশ বসু বা অন্য কোনো লেখকের ভিন্ন বিষয়ের উপন্যাস যা গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ছফার ওঙ্কার কথাটি মনে রাখলেই সহজে উত্তর করা যাবে কারণ ছফা মানেই প্রতিবাদী চেতনা এবং ওঙ্কার অর্থ প্রতিবাদের স্বর।
- গণঅভ্যুত্থান বললে ষাট দশকের শেষভাগের রাজনৈতিক আন্দোলন এবং আহমদ ছফার এই লব্ধপ্রতিষ্ঠ উপন্যাসটি মাথায় রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের উপন্যাস প্রায়ই আসে তাই লেখক ও পটভূমি একসঙ্গে পড়তে হবে।
- একই লেখকের অন্য বিখ্যাত রচনাগুলো যেমন সূর্য তুমি সাথি বা যদ্যপি আমার গুরু ভালোভাবে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) from
কেন সঠিক:
- কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বা সম্পর্কচ্ছেদ বোঝাতে 'part' শব্দের পরে 'from' বসে।
- স্ত্রী বা কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে 'part from' ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) with — কোনো বস্তু বা প্রিয় জিনিসের সঙ্গে বিচ্ছিন্নতা বোঝাতে 'part with' বসে, ব্যক্তির ক্ষেত্রে নয়।
B) from — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ব্যক্তির ক্ষেত্রে 'part from' ব্যবহৃত হয়।
C) to — 'part' শব্দের পরে উপযুক্ত অর্থ প্রকাশের জন্য সাধারণত 'to' preposition বসে না।
D) at — নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা বিষয়ের ক্ষেত্রে 'part at' ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বস্তুর ক্ষেত্রে with এবং ব্যক্তির ক্ষেত্রে from ব্যবহার করে part করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) been
কেন সঠিক:
- কোনো স্থানে ভ্রমণ করে আবার ফিরে আসার অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে Present Perfect টেন্সে have বা has এর পরে go verb এর Past Participle হিসেবে been বসে।
- প্রশ্নটিতে কোথাও যাওয়ার অভিজ্ঞতা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই been সঠিক রূপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) went — এটি go verb এর Past Form, যা Present Perfect টেন্সে have এর পরে সরাসরি বসতে পারে না।
B) gone — কোনো স্থানে গিয়ে বর্তমানেও সেখানে অবস্থান করার ক্ষেত্রে gone বসে, কিন্তু এখানে ফিরে আসার অভিজ্ঞতা বোঝানো হয়েছে।
C) been — এটিই সঠিক উত্তর, কারণ এটি অতীতে কোথাও ঘুরে আসার অভিজ্ঞতা নির্দেশ করে।
D) go — এটি verb এর Base Form, যা have এর পরে বসে ব্যাকরণগতভাবে ভুল বাক্য গঠন করে।
মনে রাখার টিপস:
কোথাও ঘুরে এসেছ কি না বোঝাতে have এর পরে been বসে আর চিরতরে চলে যাওয়া বোঝাতে gone বসে।
সঠিক উত্তর: C) they
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণে 'it' হলো তৃতীয় পুরুষ বা থার্ড পারসন এবং একবচন বা সিঙ্গুলার প্রোনাউন।
- 'it' প্রোনাউনের বহুবচন বা প্লুরাল ফর্ম হলো 'they', যা প্রাণী, বস্তু বা অনেক ক্ষেত্রে ইতর প্রাণীর বহুবচনে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) its — এটি 'it' এর পসেসিভ বা অধিকারবাচক রূপ, কোনো বহুবচন রূপ নয়।
B) it's — এটি 'it is' বা 'it has' এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যা একটি সংকোচন।
C) they — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
D) those — এটি ডেমোনস্ট্রেটিভ প্রোনাউন বা অ্যাডজেক্টিভ, যা 'it' এর প্লুরাল ফর্ম নয়।
মনে রাখার টিপস:
'It' শব্দের বহুবচন সবসময় 'They' হয়, যেমন 'He' বা 'She' এর বহুবচনও 'They' হয়ে থাকে।
সঠিক উত্তর: A) despite
কেন সঠিক:
- Despite একটি Preposition, যার অর্থ সত্ত্বেও এবং এরপরে কোনো Preposition বা of বসে না।
- এখানে Despite-এর পর সরাসরি noun phrase 'cold weather' বসে বাক্যটিকে সঠিক গঠন দিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) despite — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর পরে সরাসরি Noun বসে এবং কোনো of প্রয়োজন হয় না।
B) in spite — এটি ভুল কারণ in spite-এর পর অবশ্যই of বসাতে হয়, যা এখানে অনুপস্থিত।
C) besides — এটি ভুল কারণ besides অর্থ অতিরিক্ত কিছু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে বিপরীত ভাব প্রকাশ করে না।
D) although — এটি ভুল কারণ although একটি Conjunction এবং এর পর একটি Subject ও Verb থাকতে হয়।
মনে রাখার টিপস:
Despite-এর সাথে কখনো of বসে না, কিন্তু in spite-এর সাথে অবশ্যই of বসে।
সঠিক উত্তর: C) has increased
কেন সঠিক:
- Subject-verb agreement-এর নিয়ম অনুযায়ী 'The number of' দ্বারা গঠিত Subject-টি singular হিসেবে গণ্য হয়।
- Subject singular হওয়ায় এর পরবর্তী verb-টি singular (has increased) হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) have increased — 'The number of' এর পর plural noun থাকলেও verb singular হয়, তাই এখানে have ব্যবহার করা ভুল।
B) have been increased — বাক্যটি passive অর্থ প্রকাশ করছে না এবং subject singular হওয়ায় have ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) has increased — এটি সঠিক উত্তর কারণ subject singular হওয়ায় singular verb বসেছে।
D) is increased — এটি passive form নির্দেশ করে, কিন্তু ছাত্ররা নিজেরা সংখ্যায় বৃদ্ধি পাচ্ছে না বরং সংখ্যাটি বৃদ্ধি পেয়েছে, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
The number of এর পর verb সবসময় singular হয়, কিন্তু A number of এর পর verb plural হয়।
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ
প্রদত্ত সঠিক উত্তর: C) The
(বিঃদ্রঃ প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। 'heir' শব্দটি countable noun এবং এর উচ্চারণ vowel sound দিয়ে শুরু হলেও এখানে নির্দিষ্ট কোনো উত্তরাধিকার বোঝাতে নির্দিষ্ট আর্টিকেল বসবে না, বরং possessive pronoun বা context অনুযায়ী অন্য আর্টিকেল বসতে পারে। তবে প্রথাগত বাক্যটিতে 'the king left his heir' বা নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ নিয়মে 'no article' বা নির্দিষ্ট অর্থে 'the' ব্যবহৃত হয় না। এখানে সঠিক উত্তর হবে D) No article অথবা possessive pronoun। তবে প্রচলিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রেক্ষাপটে বিশেষ নিয়মে 'The' ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাধারণত নির্দিষ্ট করে কোনো সিংহাসনের উত্তরাধিকার বোঝাতে 'the' সঠিক ধরা হয়।)
কেন সঠিক:
- 'Heir' শব্দের অর্থ উত্তরাধিকারী, যা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে নির্দেশ করার কারণে Definite Article গ্রহণ করতে পারে।
- বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করতে এবং রাজবংশের নির্দিষ্ট উত্তরাধিকারী বোঝাতে এই নির্দিষ্টতা প্রযোজ্য হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a — 'Heir' শব্দের শুরুতে vowel letter থাকায় এবং উচ্চারণ vowel sound-এর মতো হওয়ায় indefinite article 'a' বসবে না।
B) An — উচ্চারণ 'এয়ার' (air) হওয়ায় এর শুরুতে consonant sound উচ্চারিত হয়, তাই এখানে নিয়ম অনুযায়ী 'an' বসবে না।
C) The — প্রদত্ত উত্তর অনুযায়ী এটি সঠিক হলেও ব্যাকরণগতভাবে এটি সব সময় প্রযোজ্য নয়, নির্দিষ্ট বিশেষ প্রেক্ষাপটে এটি সঠিক হতে পারে।
D) No article — অনেক ব্যাকরণবিদের মতে এখানে possessive pronoun বসা উচিত, তবে আর্টিকেল না বসার নিয়মের দিক থেকেও এটি বিবেচনা করা যায়।
মনে রাখার টিপস:
'Heir' শব্দের উচ্চারণ 'এইচ' দিয়ে নয় বরং 'এয়ার' দিয়ে শুরু হয়, তাই এর পূর্বে 'an' না বসে উচ্চারণ ভেদে নিয়ম নির্ধারিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) uncountable noun
কেন সঠিক:
- 'Money' একটি ভরবাচক বিশেষ্য যা সরাসরি সংখ্যা দিয়ে গণনা করা যায় না, তাই এটি Uncountable noun।
- অর্থ প্রদানের মাধ্যম বা সম্পদ হিসেবে এটি পরিমাপযোগ্য হলেও একক সংখ্যা হিসেবে গোনা যায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) countable noun — টাকা গণনা করা যায় এই ধারণায় অনেকে ভুল করলেও ব্যাকরণে 'Money' একটি অগণনযোগ্য বিশেষ্য।
B) uncountable noun — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ একে একক সংখ্যা হিসেবে গণনা করা যায় না।
C) collective noun — এটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টি বোঝায় না, তাই এটি Collective noun নয়।
D) proper noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নাম বোঝায় না, তাই এটি Proper noun নয়।
মনে রাখার টিপস:
টাকার নোট বা কয়েন গোনা গেলেও ইংরেজি ব্যাকরণে 'Money' শব্দটিকে সবসময় Uncountable noun হিসেবে ধরা হয়।
সঠিক উত্তর: D) spouse
কেন সঠিক:
- Spouse শব্দটি স্বামী বা স্ত্রী উভয়কেই বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা একটি কমন জেন্ডার।
- এটি বিবাহিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে পুরুষ বা নারী নির্বিশেষে প্রয়োগ করা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) actor — এটি শুধুমাত্র পুরুষ শিল্পীকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এর ফেমিনাইন রূপ হলো actress।
B) gander — এটি রাজহাঁসের ক্ষেত্রে পুরুষবাচক বা মাসকুলিন শব্দ এবং এর ফেমিনাইন হলো goose।
C) spinster — এটি শুধুমাত্র অবিবাহিত নারীদের বোঝাতে ব্যবহৃত একটি ফেমিনাইন শব্দ।
D) spouse — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
যিনি জীবনসঙ্গী তিনি স্বামী বা স্ত্রী যে কেউ হতে পারেন, তাই spouse হলো কমন জেন্ডার।
সঠিক উত্তর: D) He thanked me
কেন সঠিক:
- সরাসরি উক্তির ভেতরের ধন্যবাদসূচক বাক্যটিকে পরোক্ষ উক্তিতে রূপান্তর করার সময় রিপোর্টিং ভারبটি সাবজেক্ট অনুযায়ী thanked হয়।
- রিপোর্টিং ভার্বের অবজেক্টটি (me) এখানে ইনডাইরেক্ট স্পিচে সাবজেক্টের ঠিক পরের মূল ভার্বের অবজেক্ট হিসেবে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Be thanks you — এখানে সাবজেক্ট He এর পরিবর্তে Be এবং টেন্স ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
B) He thanked you — রিপোর্টিং ভার্বের অবজেক্ট me কে পরিবর্তন করে you করায় অর্থ বদলে গেছে।
C) He thank you — এখানে thank ভার্বের রূপ ভুল এবং অবজেক্ট সঠিক নয়।
D) He thanked me — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তিত রূপ।
মনে রাখার টিপস:
Subject + thanked + reporting speech-এর object বসিয়ে Narration-এর এই নিয়মটি সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) was
কেন সঠিক:
- Neither, Either, Each ইত্যাদির পর plural noun বা pronoun থাকলেও verb সবসময় singular হয়।
- বাক্যটি অতীতকালের সাধারণ অবস্থা বোঝাচ্ছে এবং books plural হলেও neither থাকার কারণে verb singular হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) were — Subject singular হওয়ায় plural verb ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) are — Subject singular হওয়ার কারণে present tense-এর plural verb এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) had — Auxiliary verb হিসেবে had বসালে অর্থের সংগতি নষ্ট হয় এবং interesting adjective-এর সাথে তা মেলে না।
D) was — এটি সঠিক singular verb এবং নিয়মানুযায়ী বাক্যের সাথে পুরোপুরি মানানসই।
মনে রাখার টিপস:
Neither অবজেক্ট হিসেবে একা বসুক বা noun-এর আগে বসুক, তার সাথে সবসময় singular verb হয়।
সঠিক উত্তর: B) Abstract
কেন সঠিক:
- 'infancy' শব্দটির অর্থ শৈশব, যা মানুষের জীবনের একটি সময় বা অবস্থার নাম।
- এটি ধরা, ছোঁয়া বা দেখা যায় না, কেবল অনুভব করা যায়, তাই এটি Abstract Noun.
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Common — Common Noun হলো এমন নাম যা একজাতীয় সবাইকে বোঝায়, কিন্তু 'infancy' কোনো বস্তু বা প্রাণীর নাম নয়।
B) Abstract — এই অপশনটি সঠিক কারণ শৈশব একটি অদৃশ্য অবস্থা বা গুণবাচক নাম।
C) Material — Material Noun হলো উপাদানবাচক বিশেষ্য, যা দিয়ে কোনো বস্তু তৈরি হয়, কিন্তু 'infancy' কোনো উপাদান নয়।
D) Collective — Collective Noun হলো সমষ্টিবাচক বিশেষ্য, যা একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টি বোঝায়, কিন্তু 'infancy' কোনো সমষ্টির নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব নাউন ধরা বা ছোঁয়া যায় না, শুধু অনুভব করা যায় এবং শেষে hood, ness, ship, cy ইত্যাদি থাকে, সেগুলো সাধারণত Abstract Noun হয়।
সঠিক উত্তর: B) using
কেন সঠিক:
- 'Insist on' একটি 固定 phrase যেখানে 'on' হলো preposition।
- Preposition-এর পরে সবসময় verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) use — Preposition-এর পরে verb-এর base form বসে না।
B) using — এটি সঠিক কারণ preposition-এর পরের verb-টি gerund হয়।
C) to use — Preposition-এর পরে infinitive বসে না।
D) the use — এখানে noun ব্যবহার করলে বাক্যটির অর্থ ও ব্যাকরণগত গঠন ঠিক থাকে না।
মনে রাখার টিপস:
Preposition-এর পরেই যদি verb থাকে, তবে তার সাথে ing যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) He was known to me.
কেন সঠিক:
- Active বাক্যের Verb টি Past Indefinite Tense (knew) এ থাকায় Passive করার সময় Was + Verb এর Past Participle (known) ব্যবহৃত হয়েছে।
- Know verb এর পর সাধারণ নিয়মের preposition 'by' না বসে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে 'to' বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He is known with me. — Tense পরিবর্তন ভুল এবং known এর পর with বসে না।
B) He was known by me. — Know verb এর পর by preposition ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) He was known to me. — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
D) He was known with me. — এখানে known এর পর ভুল preposition with ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Know verb যুক্ত Active voice কে Passive করার সময় by এর পরিবর্তে সবসময় to preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) personel
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত শব্দটির সঠিক বানান হলো personnel যার অর্থ কর্মী বা কর্মকর্তা বৃন্দ।
- অপশনে থাকা personel বানানটিতে একটি n কম রয়েছে, তাই এটি ভুল বানান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) impression — এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ প্রভাব বা ছাপ।
B) depression — এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ অবক্ষয় বা বিষণ্ণতা।
C) misapprehend — এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ ভুল বোঝাবুঝি করা।
D) personel — এটি ভুল বানান, এর সঠিক রূপ হলো personnel।
মনে রাখার টিপস:
personel শব্দে দুটি n হবে, যেমনটি personal শব্দে থাকে না কিন্তু personnel (কর্মী) বানানে শেষের দিকে দুটি n যুক্ত থাকে।
সঠিক উত্তর: D) both noun and adjective
কেন সঠিক:
- আমেরিকান শব্দটি কোনো ব্যক্তি বা ভাষাকে নির্দেশ করলে Noun হিসেবে কাজ করে।
- আবার এটি কোনো বিশেষ দেশ বা জাতির বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করলে Adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) noun — এটি শুধু Noun নয়, কারণ এটি অন্য পদের দোষ গুণ বা অবস্থাও প্রকাশ করতে পারে।
B) adjective — এটি শুধু Adjective নয়, কারণ এটি স্বাধীনভাবে কোনো কিছুর নাম বা ব্যক্তি হিসেবেও বসতে পারে।
C) pronoun — এটি প্রোনাউনের কাজ করে না, কারণ প্রোনাউন নামের পরিবর্তে বসে কিন্তু এটি একটি নির্দিষ্ট নাম বা গুণ বোঝায়।
D) both noun and adjective — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ শব্দটি প্রেক্ষাপট ভেদে বিশেষ্য ও বিশেষণ উভয় রূপেই ব্যবহৃত হতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
জাতি বা ভাষার নাম একা বসলে Noun এবং কোনো পদের আগে বসে তার দোষ গুণ বোঝালে Adjective হয়।
সঠিক উত্তর: A) preposition
কেন সঠিক:
- এখানে 'outside' শব্দটি noun phrase 'our house'-এর পূর্বে বসে তার সঙ্গে বাক্যের সম্পর্ক স্থাপন করেছে।
- noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে যে শব্দ সম্পর্ক দেখায়, তাকে preposition বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) preposition — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দটি noun phrase-এর পূর্বে বসে preposition হিসেবে কাজ করেছে।
B) adverb — এটি ভুল কারণ কোনো verb, adjective বা অন্য adverb-কে মডিফাই করছে না।
C) adjective — এটি ভুল কারণ এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না।
D) conjunction — এটি ভুল কারণ এটি দুটি শব্দ বা বাক্যাংশকে সংযুক্ত করার কাজ করছে না।
মনে রাখার টিপস:
noun বা pronoun-এর ঠিক আগে বসে যদি স্থান বা দিকের সম্পর্ক বোঝায়, তবে তা preposition হবে।
সঠিক উত্তর: D) would have taken
কেন সঠিক:
- এটি থার্ড কন্ডিশনাল বা অতীতকালের অবাস্তব শর্ত প্রকাশকারী বাক্য।
- বাক্যের প্রথম অংশ হ্যাড প্লাস ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপিল দ্বারা শুরু হলে পরের অংশে সাবজেক্টের পর উড হ্যাভ কুড হ্যাভ অথবা মাইট হ্যাভ এবং ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপিল বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) would take — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের গঠন যা অতীতকালের অবাস্তব শর্তের ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
B) took — এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স নির্দেশ করে যা সাবজেক্ট ও অর্থগতভাবে এই বাক্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) will take — এটি ফার্স্ট কন্ডিশনালের গঠন যা বর্তমান বা ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
D) would have taken — এটি থার্ড কন্ডিশনালের সঠিক গঠন অনুযায়ী প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
হ্যাড দিয়ে বাক্য শুরু হলে পরের অংশে উড হ্যাভ এবং ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপিল ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) doesn't he
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি Present Indefinite Tense-এ আছে এবং এর মূল verb-এর সঙ্গে s যুক্ত আছে।
- Tag Question করার সময় মূল verb-এর সঙ্গে s থাকলে does এবং বাক্যের subject অনুসারে pronoun ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) didn't he — বাক্যটি Past Tense-এ না থাকায় এটি ভুল।
B) doesn't he — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) did he — এটি Past Tense-এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই এই বাক্যের জন্য ভুল।
D) won't he — এটি Future Tense-এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
মূল verb-এর শেষে s বা es থাকলে tag question-এ doesn't ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) the cheaper
কেন সঠিক:
- নির্দিষ্ট করে দুটির মধ্যে তুলনা বোঝালে কম্পারেটিভ ডিগ্রির পূর্বে আর্টিকেল দ্য বসে।
- এই নিয়মের কারণে এখানে সঠিক উত্তর হবে দ্য চিপার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the cheaper — এটি সঠিক উত্তর কারণ দুটির মধ্যে তুলনা বোঝাতে দ্য এবং কম্পারেটিভ ফর্ম বসে।
B) the cheapest — এটি ভুল কারণ সুপারলেটিভ ডিগ্রি সাধারণত দুইয়ের অধিক বিষয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
C) the cheap — এটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট করার জন্য দি থাকলেও এখানে কোনো তুলনামূলক রূপ বা ডিগ্রি ব্যবহার করা হয়নি।
D) cheap — এটি ভুল কারণ এর পূর্বে কোনো আর্টিকেল নেই এবং এটি পজিটিভ ফর্ম যা তুলনা বোঝাতে অনুপযুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
দুটির মধ্যে তুলনা করতে সবসময় কম্পারেটিভ ডিগ্রির আগে দ্য বসে।
সঠিক উত্তর: A) opened
কেন সঠিক:
- স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হওয়া কাজের ক্ষেত্রে অনেক সময় intransitive বা unaccusative ভার্বের active form ব্যবহৃত হয়।
- এখানে দরজা নিজে নিজেই খুলে গেছে বোঝাতে opened ব্যবহৃত হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং এর passive রূপের প্রয়োজন নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) opened — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটির প্রেক্ষাপটে এটি কর্তা ছাড়াই নিজে নিজে ঘটার অর্থ প্রকাশ করে।
B) was opened — এটি passive form, যা দরজাটি কেউ খুলেছিল এমন বাহ্যিক কর্তার উপস্থিতি বোঝালে সঠিক হতো কিন্তু এখানে স্বয়ংক্রিয় অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।
C) has been opened — এটি present perfect tense-এর passive form, যা এই বাক্যের সাধারণ স্বয়ংক্রিয় ঘটনার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
D) had been opened — এটি past perfect tense-এর passive form, যা অতীতের একটি নির্দিষ্ট ঘটনার আগের ঘটনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এখানে অপ্রাসঙ্গিক।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বস্তু যদি নিজে নিজে ক্রিয়া সম্পন্ন করে যেমন দরজা খোলা বা কাচ ভাঙা, তবে সাধারণত active voice-এর simple form ব্যবহৃত হয়।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস
সঠিক উত্তর: B) ৭
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠনের পর মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা ও দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য এই উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয়।
- মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকে প্রধান করে বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে এই সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ — ৫ জন সদস্য সংখ্যা সঠিক নয় কারণ উপদেষ্টা কমিটির আকার কিছুটা বড় ছিল।
B) ৭ — এই সংখ্যাটি সঠিক কারণ সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটিতে মোট ৭ জন সদস্য ছিলেন।
C) ৯ — ৯ জন সদস্য সংখ্যা ভুল কারণ এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক কমিটির সঙ্গে মিলে যেতে পারে।
D) ১১ — ১১ জন সদস্য সংখ্যা ভুল কারণ সেক্টর বা অন্য কোনো কাঠামোর সঙ্গে এই সংখ্যাটি সম্পর্কিত হতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটির সদস্য সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন যে ৭ বীরশ্রেষ্ঠের মতো উপদেষ্টা কমিটিতেও ৭ জন সদস্য ছিলেন।
সঠিক উত্তর: D) উয়ারী বটেশ্বর
কেন সঠিক:
- নরসিংদীর উয়ারী বটেশ্বর স্থানটি প্রাচীন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন প্রাক্-মৌর্য বা আদি ঐতিহাসিক সময়ের নগরসভ্যতা।
- এখানে প্রাপ্ত হস্তকুঠার, মুদ্রাভাণ্ডার এবং চুন-সুরকির রাস্তা প্রমাণ করে এটি খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতকের বা আদি ঐতিহাসিক যুগের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ময়নামতি — এটি মূলত প্রাচীন সমতট অঞ্চলের বৌদ্ধ সভ্যতার নিদর্শন এবং এটি আদি ঐতিহাসিক সময়ের চেয়ে পরবর্তীকালের অর্থাৎ সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতকের প্রত্নস্থান।
B) সোনারগাঁ — এটি প্রাচীন কোনো আদি ঐতিহাসিক স্থান নয়, বরং মধ্যযুগের মুসলিম আমল এবং পরবর্তী সময়ে স্বাধীন সুলতানি আমলের রাজধানী ও প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল।
C) ঢাকলাপুঞ্জি — এটি প্রত্নতাত্ত্বিক কোনো আদি ঐতিহাসিক স্থান নয়, এটি মূলত পাহাড়ি জনপদ বা অন্য কোনো প্রসঙ্গের সাথে যুক্ত একটি সাধারণ স্থান।
D) উয়ারী বটেশ্বর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি আদি ঐতিহাসিক সময়ের প্রতিনিধিত্বকারী একমাত্র স্থান।
মনে রাখার টিপস:
আদি ঐতিহাসিক সময় মানেই প্রাচীনতম সভ্যতা, আর উয়ারী বটেশ্বর হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন আবিষ্কৃত নগরকেন্দ্র।
সঠিক উত্তর: A) তিব্বত
কেন সঠিক:
- অতীশ দীপঙ্কর ছিলেন প্রাচীন বাংলার একজন প্রখ্যাত বৌদ্ধ পণ্ডিত ও দার্শনিক যিনি পাল যুগে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিব্বতের রাজার আমন্ত্রণে তিনি সেখানে গিয়ে বৌদ্ধধর্মের প্রচার ও প্রসার করেন এবং তিব্বতি বৌদ্ধধর্মে গভীর সংস্কার সাধন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তিব্বত — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এখানেই বৌদ্ধধর্ম প্রচার ও সংস্কার করেছিলেন।
B) শ্রীলংকা — এটি সঠিক নয় কারণ শ্রীলংকায় মূলত থেরবাদ বৌদ্ধধর্মের বিস্তার ঘটেছিল, যেখানে অতীশ দীপঙ্করের কোনো ভূমিকা ছিল না।
C) মিয়ানমার — এটি সঠিক নয় কারণ মিয়ানমারে অতীশ দীপঙ্কর বৌদ্ধধর্ম প্রচারের জন্য যাননি।
D) দক্ষিণ ভারত — এটি সঠিক নয় কারণ দক্ষিণ ভারতে তিনি ধর্ম প্রচারের জন্য প্রধানত অবস্থান করেননি।
মনে রাখার টিপস:
অতীশ দীপঙ্কর তিব্বতের রাজা প্রবভন্নর আমন্ত্রণে তিব্বতে যান, তাই দীপঙ্কর ও তিব্বত এভাবে মনে রাখা যায়।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) মীর মুরাদ
কেন সঠিক:
- মোঘল আমলে সুবাদার শাহ সুজার রাজত্বকালে মীর মুরাদ ১৬৪২ সালে ঐতিহাসিক হোসেনী দালান নির্মাণ করেন।
- এটি শিয়া সম্প্রদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইমামবাড়া বা ধর্মীয় উপাসনালয়, যা পুরান ঢাকায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মীর মুরাদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি মোগল আমলে সুবাদার শাহ সুজার নির্দেশে হোসেনী দালান নির্মাণ করেছিলেন।
B) মুর্শিদ কুলি খাঁ — তিনি বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব ও মুর্শিদাবাদের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন, হোসেনী দালান নির্মাণের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।
C) আলী বর্দী খাঁ — তিনি বাংলার একজন নবাব ছিলেন যিনি মারাঠা আক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন, হোসেনী দালান নির্মাণ করেননি।
D) সিরাজউদ্দৌলা — তিনি বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন যিনি পলাশীর যুদ্ধে পরাজিত হন, এই স্থাপনা নির্মাণের সঙ্গে তিনি জড়িত নন।
মনে রাখার টিপস:
হোসেনী দালান নির্মাণের সঙ্গে মীরের নাম মনে রাখুন, কারণ মোঘল আমলে মীর মুরাদ এটি তৈরি করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: A) কাতার
কেন সঠিক:
- ২০২৩ সালে এশিয়ান কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট প্রথমে চীনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও কোভিড পরিস্থিতির কারণে চীন আয়োজক স্বত্ব থেকে সরে দাঁড়ায়।
- পরবর্তীতে কাতার এই টুর্নামেন্টের নতুন আয়োজক দেশ হিসেবে দায়িত্ব নেয় এবং ২০২৩ সালের এশিয়ান কাপ সফলভাবে আয়োজন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাতার — এটি সঠিক উত্তর, কারণ চীন সরে যাওয়ার পর কাতার ২০২৩ সালের এশিয়ান কাপ ফুটবলের সফল আয়োজক দেশ হয়।
B) দক্ষিণ কোরিয়া — দক্ষিণ কোরিয়া এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের দৌড়ে থাকলেও চূড়ান্তভাবে স্বত্ব পায়নি।
C) চীন — চীন মূলত প্রাথমিক আয়োজক নির্ধারিত হলেও পরবর্তীতে কোভিড পরিস্থিতির কারণে স্বত্ব ত্যাগ করায় এখানে টুর্নামেন্ট হয়নি।
D) জাপান — জাপান এই নির্দিষ্ট আসরের আয়োজক দেশ ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
এশিয়ান কাপ ২০২৩ প্রথমে চীনে হওয়ার কথা থাকলেও পরে কাতারে অনুষ্ঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) 1985
কেন সঠিক:
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৮ ডিসেম্বর ১৯৮৫ সালে সার্ক গঠিত হয়।
- ঢাকার একটি শীর্ষ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই জোট যাত্রা শুরু করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1982 — এই সালে সার্ক গঠনের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক আনুষ্ঠানিকতা বা শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি।
B) 1985 — এটি সার্ক গঠনের সঠিক সাল হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) 1986 — এই বছর সার্কের কোনো প্রতিষ্ঠাতা সম্মেলন বা সংস্থা গঠনের ঘোষণা আসেনি।
D) 1988 — এটি সার্ক গঠনের পরের সাল, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সহ ৭টি দেশ মিলে সার্ক গঠন করে।
সঠিক উত্তর: C) গণপরিষদ
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালের সংবিধান রচনার উদ্দেশ্যে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে নির্বাচিত পূর্ব পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের নিয়ে গণপরিষদ গঠিত হয়েছিল।
- এই গণপরিষদের মাধ্যমেই বাংলাদেশের জন্য প্রথম সংবিধান প্রণয়ন ও গৃহীত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাতীয় সংসদ — এটি সংবিধান অনুযায়ী গঠিত দেশের আইনসভা, যা সংবিধান প্রণয়নের পরে আইন তৈরির কাজ করে।
B) জাতীয় পরিষদ — এটি পাকিস্তান আমলের কেন্দ্রীয় আইনসভার নাম ছিল, যা বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন করেনি।
C) গণপরিষদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় এর কার্যকারিতা উল্লেখ করা হয়েছে।
D) মন্ত্রীপরিষদ — এটি সরকার পরিচালনার নীতিনির্ধারক নির্বাহী বডি, সংবিধান প্রণয়ন এর কাজ ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
আইন প্রণয়ন বা সংসদ গঠনের আগে দেশ পরিচালনার মৌলিক দলিল তৈরির জন্য যে সভা বসেছিল, সেটাই গণপরিষদ।
সঠিক উত্তর: A) শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ
কেন সঠিক:
- ১৩০৩ সালে হযরত শাহজালাল (র:) ৩৬০ জন আওলিয়া নিয়ে সিলেটে ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে আগমন করেন।
- সেই সময়ে লখনৌতির মুসলিম শাসক বা সুলতান ছিলেন শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ এবং তাঁর সেনাপতি সৈয়দ নাসিরউদ্দীন সিলেট জয় করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ — এই সুলতানের রাজত্বকালেই হযরত শাহজালাল (র:) সিলেটে আগমন করেন এবং তাঁর সেনাপতি সিলেট জয় করেন।
B) ফকর উদ্দিন মুবারক শাহ — তিনি ছিলেন স্বাধীন সোনারগাঁওয়ের সুলতান, যার শাসনকাল ১৩৩৮ থেকে ১৩৪৯ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
C) ইব্রাহিম শাহ — তিনি সারকিয়া রাজবংশের শাসক ছিলেন, যিনি বাংলার সুলতান বা হযরত শাহজালালের সমসাময়িক কেউ নন।
D) ইলিয়াস শাহ — তিনি সমগ্র বাংলা একত্র করে স্বাধীন ইলিয়াস শাহী বংশ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ১৩৫২ সালে, যা হযরত শাহজালালের আগমনের পরের ঘটনা।
মনে রাখার টিপস:
শাহজালাল (র:) সিলেটে আসার সময় সুলতান ছিলেন ফিরোজ শাহ (ফ দিয়ে শাহজালাল ও ফিরোজ শাহ মনে রাখা সহজ)।
সঠিক উত্তর: C) ৩৮
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের ই-পাসপোর্টে আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোট ৩৮ ধরনের আধুনিক নিরাপত্তা ফিচার সংযুক্ত করা হয়েছে।
- এসব ফিচারের মধ্যে পলিকার্বোনেট ডেটা পেজ, দৃশ্যমান ও অদৃশ্য নিরাপত্তা কালি এবং বায়োমেট্রিক তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪০ — এটি একটি ভুল সংখ্যা, কারণ ই-পাসপোর্টের নির্ধারিত নিরাপত্তা ফিচারের সংখ্যা ৪০টি নয়।
B) ৩৫ — এটি ভুল তথ্য, কারণ পাসপোর্টের নিরাপত্তা ফিচারের প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়ে বেশি।
D) ৪১ — এটি ভুল সংখ্যা, যা পাসপোর্টের অনুমোদিত বা প্রামাণ্য নিরাপত্তা ফিচারের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
পাসপোর্টের পাতার মতো ই-পাসপোর্টের নিরাপত্তাও তিন ও আটে ঘেরা, অর্থাৎ ৩৮টি ফিচার।
সঠিক উত্তর: C) শুকলা সরকার
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি কর্তৃক ২০১৮ সালের নৃত্য-কলায় অবদানের জন্য বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী ও নির্দেশক শুকলা সরকারকে এই পদক প্রদান করা হয়।
- শিল্প সংস্কৃতিতে জাতীয় পর্যায়ে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ প্রতিবছর গুণী শিল্পীদের এই পদক দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রানি সরকার — তিনি একজন বিখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ছিলেন, নৃত্যশিল্পী নন।
B) রওয়ান জামিল — তিনি এই নির্দিষ্ট সালের নৃত্যকলার পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব নন।
C) শুকলা সরকার — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
D) জুনু খান — তিনি একজন ভিন্ন ধারার সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, এই বছরের নৃত্যকলার পদকপ্রাপ্ত নন।
মনে রাখার টিপস:
নৃত্য মানেই সুন্দর অঙ্গভঙ্গি, আর শিল্পকলা পদক ২০১৮ পেয়েছেন নাচে যুক্ত শুকলা সরকার।
সঠিক উত্তর: C) ৬৪টি
কেন সঠিক:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় কৌশলগত কারণে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং সেক্টরগুলোকে আরও সুনির্দিষ্ট পরিচালনার জন্য মোট ৬৪টি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
- প্রতিটি সাব-সেক্টরে একজন নিয়মিত সেনা কর্মকর্তার নেতৃত্বে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালিত হতো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭টি — এটি মুক্তিযুদ্ধের মোট সেক্টরের সংখ্যা, সাব-সেক্টরের সংখ্যা নয়।
B) ১১টি — এটি মুক্তিযুদ্ধের মোট সেক্টরের সংখ্যা, সাব-সেক্টরের সংখ্যা নয়।
C) ৬৪টি — এটি সঠিক উত্তর এবং মুক্তিযুদ্ধের সাব-সেক্টরের সংখ্যা।
D) ৬৯টি — এটি একটি বিভ্রান্তিকর ও ভুল সংখ্যা, যার সাথে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর বা সাব-সেক্টরের কোনো ঐতিহাসিক মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
সেক্টর মনে রাখবে ১১টি এবং সাব-সেক্টর মনে রাখবে ৬৪টি (বাংলাদেশের তৎকালীন জেলার সমান)।
সঠিক উত্তর: D) ভারত
কেন সঠিক:
- ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট চন্দ্রযান-৩ এর সফল অবতরণের মাধ্যমে ভারত চাঁদের মাটিতে পা রাখা বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করে।
- এর আগে শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র, তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং চীন এই ঐতিহাসিক গৌরব অর্জন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — চীন চাঁদে সফলভাবে মহাকাশযান অবতরণকারী তৃতীয় দেশ, চতুর্থ দেশ নয়।
B) রাশিয়া — তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন চাঁদে সফলভাবে মহাকাশযান অবতরণকারী প্রথম দেশ, চতুর্থ দেশ নয়।
C) ইসরাইল — ইসরাইল চাঁদে সফলভাবে মহাকাশযান অবতরণ করতে পারেনি, তাদের প্রেরিত মহাকাশযান অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়।
D) ভারত — ভারত চাঁদে সফলভাবে মহাকাশযান অবতরণকারী চতুর্থ দেশ হিসেবে এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
চাঁদে অবতরণের ক্ষেত্রে সফল দেশগুলোর ক্রম মনে রাখতে পারেন প্রথম সোভিয়েত ইউনিয়ন, দ্বিতীয় যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয় চীন এবং চতুর্থ ভারত।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৮২ সালে
কেন সঠিক:
- জেনারেল নে উইনের সামরিক সরকারের প্রণীত নাগরিকত্ব আইনে রোহিঙ্গাদের বাদ দেওয়া হয়।
- এই আইনের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের রাষ্ট্রহীন নাগরিকে পরিণত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৬২ সালে — এই সালে মিয়ানমারে জেনারেল নে উইন সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ক্ষমতা দখল করেন, যা নাগরিকত্ব আইন প্রণয়নের সাল নয়।
B) ১৯৮২ সালে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) ১৯৮৬ সালে — এই সালে মিয়ানমারে উল্লেখযোগ্য কোনো নাগরিকত্ব আইন প্রণয়ন করা হয়নি এবং রোহিঙ্গারা এই সালে নাগরিকত্ব হারায়নি।
D) ১৯৮৮ সালে — এই সালে মিয়ানমারে গণতন্ত্রপন্থী গণ-অভ্যুত্থান হয়েছিল, যা নাগরিকত্ব হারানোর ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব হারায় আশির দশকের শুরুর দিকে অর্থাৎ ১৯৮২ সালের কালো আইনে।
সঠিক উত্তর: B) ২ জন
কেন সঠিক:
- মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মোট নারী বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা দুইজন।
- এই দুজন নারী বীর প্রতীক হলেন ডা. ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম এবং তারামন বিবি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ জন — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ মুক্তিযুদ্ধে নারী বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা মাত্র একজন নয়, বরং দুজন।
B) ২ জন — এটি সঠিক অপশন এবং মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত দুই নারী বীরপ্রতীকের সংখ্যাকে নির্দেশ করে।
C) ৩ জন — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধে কোনো তিন জন নারী এই খেতাব পাননি।
D) ৫ জন — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট নারীর সংখ্যা সাতজন, যার মধ্যে পাঁচজন বীরপ্রতীক নন।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত নারী মোট সাতজন, যার মধ্যে দুইজন বীরপ্রতীক এবং পাঁচজন বীরপ্রামিক বা অন্য খেতাবপ্রাপ্ত নন বরং বাকি পাঁচজন বীরপ্রতীক নন, এভাবে মনে রাখুন যে খেতাবপ্রাপ্ত নারী ২ জন বীরপ্রতীক (সিতারা ও তারামন) এবং ৫ জন বীরপ্রতিক নন অর্থাৎ মোট খেতাবপ্রাপ্ত নারী ৭ জন।
সঠিক উত্তর: B) ১০ এপ্রিল ১৯৭১
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করে সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয়।
- এই সরকারের অধীনেই ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বৈদ্যনাথতলার আমবাগানে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৬ মার্চ ১৯৭১ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার তারিখ, সরকার গঠনের তারিখ নয়।
B) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অন্য অপশনগুলোর সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
সি) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি প্রথম সরকারের শপথগ্রহণ ও সরকারের কার্যভার গ্রহণের তারিখ, গঠন করার তারিখ নয়।
ডি) ১০ মে ১৯৭১ — এই তারিখে প্রথম সরকারের গঠন বা শপথগ্রহণের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি।
মনে রাখার টিপস:
সরকার ১০ এপ্রিল গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল শপথ নেয়। এই সাত দিনের ব্যবধান মনে রাখলে ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: C) কেলভিন
১. কেন সঠিক:
আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে বা এসআই এককে উষ্ণতা বা তাপমাত্রার পরিমাপের মূল একক হলো কেলভিন।
এটি তাপগতিবিদ্যার তাপমাত্রার একক এবং এর কোনো ডিগ্রি চিহ্ন ব্যবহার করা হয় না।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তাপমাত্রা হলো কোনো বস্তুর এমন একটি তাপীয় অবস্থা যা নির্ধারণ করে বস্তুটি অন্য কোনো বস্তুকে তাপ দেবে না কি তার কাছ থেকে তাপ নেবে।
কার্যপ্রণালি: বিজ্ঞানী লর্ড কেলভিনের নামানুসারে এই এককের নামকরণ করা হয়েছে এবং এর পরম শূন্য তাপমাত্রা হলো পরম শূন্য ডিগ্রি যেখানে অণুর গতি প্রায় শূন্য হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: বিজ্ঞান ও গবেষণার ক্ষেত্রে নিখুঁত হিসাবের জন্য সেলসিয়াস বা ফারেনহাইট স্কেলের পরিবর্তে কেলভিন স্কেল ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পানির ত্রৈদ বিন্দু তাপমাত্রার কেলভিন মানে শূন্য দশমিক শূন্য এক ডিগ্রি সেলসিয়াস সমান দুইশো তিহাত্তর দশমিক ষোলো কেলভিন।
ব্যাখ্যা: এটি বৈজ্ঞানিক পরিমাপে তাপমাত্রা নির্ধারণের একটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে কাজ করে।
উদাহরণ ২: গবেষণাগারে গ্যাসের বিভিন্ন সূত্র পরীক্ষার সময় তাপমাত্রা সর্বদা কেলভিনে হিসাব করতে হয়।
ব্যাখ্যা: কেলভিন স্কেলে কোনো ঋণাত্মক মান নেই বলে এটি হিসাবের ক্ষেত্রে অনেক বেশি সুবিধাজনক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিটার — এটি দূরত্বের বা দৈর্ঘ্যের এসআই একক, যা উষ্ণতা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয় না।
B) অ্যাম্পিয়ার — এটি তড়িৎ প্রবাহের এসআই একক, যা বৈদ্যুতিক বর্তনীতে বিদ্যুৎ পরিমাপে ব্যবহৃত হয়।
C) কেলভিন — এটি উষ্ণতা বা তাপমাত্রার সঠিক এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একক।
D) ফারেনহাইট — এটি তাপমাত্রার একটি প্রাচীন একক হলেও এটি এসআই বা আন্তর্জাতিক একক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
আন্তর্জাতিক বা এসআই এককে তাপমাত্রার ঘরে কেলভিন থাকে সবার উপরে।
নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখবে যে এসআই একক সবসময় কেলভিন হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তাপমাত্রা পরিমাপের বিভিন্ন স্কেলের মধ্যে সম্পর্ক হলো সি বাই ৫ সমান এফ মাইনাস ৩২ বাই ৯ সমান কে মাইনাস ২৭৩ বাই ৫।
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সেলসিয়াস থেকে কেলভিন স্কেলে রূপান্তরের অংক আসে।
প্রশ্নের ধরন: আলো, শব্দ ও তরঙ্গ / বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার ও আবিষ্কারক
সঠিক উত্তর: A) রোমার
১. কেন সঠিক:
- ডেনিশ জ্যোতির্বিজ্ঞানী ওলে রোমার ১৬৭৬ সালে প্রথম বৃহস্পতির চাঁদের গ্রহণ পর্যবেক্ষণ করে আলোর বেগ পরিমাপ করেছিলেন।
- তিনি দেখতে পান বৃহস্পতির চাঁদের আবর্তনের সময় পৃথিবী থেকে দূরত্বের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়, যা থেকে আলোর সীমিত বেগ প্রমাণিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: আলোর বেগ হলো শূন্য মাধ্যমে আলো প্রতি সেকেন্ডে অতিক্রান্ত দূরত্ব, যার মান প্রায় তিন লক্ষ কিলোমিটার।
- কার্যপ্রণালি: রোমার বৃহস্পতির চাঁদ আইওর আবর্তনকাল হিসাব করে আলোর বেগের একটি সুনির্দিষ্ট ধারণা দেন।
- বাস্তব প্রয়োগ: আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় ফাইবার অপটিক ক্যাবল এবং মহাকাশ গবেষণায় আলোর বেগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বজ্রপাতের সময় আলো আগে দেখা যায় এবং শব্দ পরে শোনা যায়।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে আলোর বেগ শব্দের বেগের চেয়ে অনেক বেশি।
উদাহরণ ২: সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো পৌঁছাতে প্রায় আট মিনিট বিশ সেকেন্ড সময় লাগে।
ব্যাখ্যা: আলোর বেগের মান জানা থাকায় এই সময় নিখুঁতভাবে হিসাব করা সম্ভব হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রোমার — ইনি আলোর বেগ সর্বপ্রথম সফলভাবে পরিমাপ করেছিলেন।
B) রবার্ট রয়েল — ইনি শব্দবিজ্ঞান ও বায়ুর চাপ নিয়ে গবেষণা করেছিলেন কিন্তু আলোর বেগ পরিমাপে যুক্ত নন।
C) ভন ওয়েরিক — ইনি কোনো মৌলিক আলোকীয় ধ্রুবক আবিষ্কারের জন্য পরিচিত নন।
D) গ্যালিলিও — ইনি দূরবীক্ষণ যন্ত্রের উন্নতি ঘটিয়েছিলেন এবং আলোর বেগ মাপার ব্যর্থ চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু সফল হননি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রোম শহরের নাম দিয়ে মনে রাখতে পারেন যে আলোর বেগ পরিমাপের রোমাঞ্চকর কাজটি রোমার করেছিলেন।
- গ্যালিলিও চেষ্টা করলেও সফল হননি, সফলতা পেয়েছিলেন রোমার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- আলোর বেগ প্রথম কে পরিমাপ করেন এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সবচেয়ে বেশি, যার সঠিক মান প্রায় দুই লক্ষ নিরানব্বই হাজার সাতশো বিরানব্বই কিলোমিটার প্রতি সেকেন্ড।
সঠিক উত্তর: D) ভূ-কেন্দ্রে
১. কেন সঠিক:
- ভূ-কেন্দ্রে বস্তুর ওজন শূন্য হয় কারণ সেখানে অভিকর্ষজ ত্বরণ মান শূন্য হয়ে যায়।
- ওজনের সূত্র অনুযায়ী ভর এবং অভিকর্ষজ ত্বরণের গুণফলই হলো ওজন, তাই ত্বরণ শূন্য হলে ওজনও শূন্য হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ওজন হলো কোনো বস্তুর ওপর পৃথিবীর আকর্ষণ বল, যার মান ডব্লিউ সমান এম গুণ জি।
- সূত্র বা তত্ত্ব: ডব্লিউ = এম × জি, যেখানে ডব্লিউ হলো ওজন, এম হলো ভর এবং জি হলো অভিকর্ষজ ত্বরণ।
- কার্যপ্রণালি: পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে যাওয়ার সাথে সাথে চারপাশ থেকে বস্তুর ওপর সমান ও বিপরীতমুখী মহাকর্ষ বল কাজ করে, যা একে অপরকে প্রশমিত করে।
- কারণ ও ফলাফল: কেন্দ্রবিন্দুতে কার্যকরী অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য হওয়ায় বস্তুর ওজন সম্পূর্ণ লোপ পায়।
- বাস্তব প্রয়োগ: মহাশূন্যে বা কৃত্রিম উপগ্রহের অভ্যন্তরে ওজনহীনতার অনুভূতি এই ভূ-কেন্দ্রিক শূন্য ওজনের ধারণার সাথে মিলে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লিফট হঠাৎ তার কাটার পর নিচে পতনের সময় ভেতরের ব্যক্তির ওজন শূন্য অনুভূত হয়।
ব্যাখ্যা: লিফটের সাথে ব্যক্তির ত্বরণ একই হওয়ায় সেখানে অভিকর্ষের প্রভাব থাকে না।
উদাহরণ ২: পৃথিবীর কেন্দ্রে কোনো যন্ত্র নিয়ে গেলে তার কাঁটা শূন্য নির্দেশ করবে।
ব্যাখ্যা: কেন্দ্রবিন্দুতে মহাকর্ষীয় টানের সাম্যাবস্থার কারণে কোনো বল অনুভূত হয় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভূ পৃষ্ঠে — ভূ-পৃষ্ঠে অভিকর্ষজ ত্বরণ সর্বাধিক থাকে বিধibal এখানে বস্তুর ওজন সর্বোচ্চ হয়, শূন্য হয় না।
B) শূন্য হতে পারে না — এই উক্তিটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট শর্তে যেমন ভূ-কেন্দ্রে ওজন শূন্য হতে পারে।
C) সমুদ্র সমতলে — সমুদ্র সমতলে অভিকর্ষজ ত্বরণের স্বাভাবিক মান কাজ করায় সেখানে ওজন নির্দিষ্ট ও ধনাত্মক থাকে।
D) ভূ-কেন্দ্রে — এই অপশনটি সঠিক কারণ পৃথিবীর কেন্দ্রে কার্যকর অভিকর্ষজ ত্বরণ শূন্য হওয়ার কারণে ওজনও শূন্য হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কেন্দ্র মানেই শূন্য, কারণ কেন্দ্র থেকে সব দিকে টান সমানভাবে কেটে যায়।
- ভর ধ্রুবক হলেও ওজন স্থানের পরিবর্তনের সাথে পরিবর্তিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিষুবীয় অঞ্চলে ওজন কম এবং মেরু অঞ্চলে ওজন সবচেয়ে বেশি হয়।
- বিসিএস পরীক্ষায় এই সম্পর্কিত অভিকর্ষজ ত্বরণের পরিবর্তন প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
সঠিক উত্তর: B) pointer
১. কেন সঠিক:
সি প্রোগ্রামিং ভাষায় পয়েন্টার হলো এমন একটি বিশেষ ভেরিয়েবল যা অন্য কোনো ভেরিয়েবলের মেমোরি অ্যাড্রেস বা ঠিকানা সংরক্ষণ করে।
সাধারণ ভেরিয়েবল যেখানে সরাসরি মান ধারণ করে, সেখানে পয়েন্টার সেই মানের মেমোরি লোকেশন পয়েন্ট বা নির্দেশ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
পয়েন্টার হলো মেমোরি অ্যাড্রেস ধারণকারী চলক যা কম্পিউটার মেমোরির সুনির্দিষ্ট লোকেশনে সরাসরি প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করে।
এটি পয়েন্টার অপারেটর এবং রেফারেন্স অপারেটরের মাধ্যমে কাজ করে, যা মেমোরি ব্যবস্থাপনাকে অত্যন্ত দক্ষ করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: int x = ১০; int *p = &x;
ব্যাখ্যা: এখানে p ভেরিয়েবলটি x ভেরিয়েবলের মেমোরি অ্যাড্রেস ধারণ করে, যা পয়েন্টার ব্যবহারের সবচেয়ে সাধারণ উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ডাইনামিক মেমোরি অ্যালোকেশন (Dynamic Memory Allocation) যেমন মেলক (malloc) ফাংশন।
ব্যাখ্যা: মেলক ফাংশন মেমোরিতে জায়গা বরাদ্দ করে তার অ্যাড্রেস পয়েন্টারে রিটার্ন করে, যা পয়েন্টার ছাড়া ব্যবহার করা অসম্ভব।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) break — এটি লুপ বা সুইচ স্টেটমেন্টের স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ বা ব্রেক করতে ব্যবহৃত হয়, অ্যাড্রেস রাখতে নয়।
B) pointer — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মেমোরি অ্যাড্রেস সংরক্ষণ করার জন্যই সি প্রোগ্রামিংয়ে ব্যবহৃত হয়।
C) char — এটি একটি ডাটা টাইপ যা মেমোরিতে একটি ক্যারেক্টার বা অক্ষর সংরক্ষণ করে, অ্যাড্রেস নয়।
D) float — এটি একটি ডাটা টাইপ যা দশমিক সংখ্যা সংরক্ষণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়, মেমোরি অ্যাড্রেসের জন্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
পয়েন্টার মানেই হলো ঠিকানা বা অ্যাড্রেস।
যেহেতু পয়েন্টার শব্দের অর্থ নির্দেশক, তাই এটি মেমোরির ঠিকানা নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সি প্রোগ্রামিংয়ে অ্যান্ড এমপারস্যান্ড (&) অপারেটর দিয়ে কোনো ভেরিয়েবলের অ্যাড্রেস বের করা হয় এবং স্টার (*) অপারেটর দিয়ে পয়েন্টার ডিক্লেয়ার করা হয়।
এই অংশ থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) Polymorphism
১. কেন সঠিক:
Object Oriented Programming বা অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর মূল চারটি স্তম্ভ বা বৈশিষ্ট্যের একটি হলো Polymorphism বা বহুপ্রাকৃতি বা বহুরূপিতা।
এর মাধ্যমে একই নামক ফাংশন বা অপারেটর বিভিন্ন পরিস্থিতিতে ভিন্ন ভিন্ন আচরণ করতে পারে, যা কোডের নমনীয়তা বৃদ্ধি করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: Polymorphism হলো এমন একটি প্রোগ্রামিং বৈশিষ্ট্য যার মাধ্যমে একই ইন্টারফেস ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন ডেটা টাইপ বা ক্লাসের অবজেক্ট নিয়ে কাজ করা যায়।
কার্যপদ্ধতি: এটি মূলত ফাংশন ওভারলোডিং, ফাংশন ওভাররাইডিং এবং ভার্চুয়াল ফাংশনের মাধ্যমে কাজ করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গণিতের প্লাস (+) চিহ্নটি পূর্ণসংখ্যার ক্ষেত্রে যোগ করতে পারে এবং স্ট্রিং বা অক্ষরের ক্ষেত্রে জোড়া লাগাতে পারে।
ব্যাখ্যা: এখানে একই অপারেটর বা ফাংশন ভিন্ন ডেটা টাইপের ওপর ভিত্তি করে ভিন্ন ভিন্ন ফলাফল প্রদান করছে, যা বহুরূপিতা বা পলিমারফিজমের বাস্তব প্রয়োগ।
উদাহরণ ২: একটি সাউন্ড নামের ফাংশন বিড়ালের ক্ষেত্রে মিউ এবং কুকুরের ক্ষেত্রে ঘেউ শব্দ তৈরি করতে পারে।
ব্যাখ্যা: একই নামের ফাংশন বিভিন্ন ক্লাসের অবজেক্টের ওপর কাজ করার সময় আলাদা আউটপুট প্রদান করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Polymorphism — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর একটি মূল বৈশিষ্ট্য।
B) Friend function — এটি সি প্লাস প্লাস প্রোগ্রামিং ভাষায় একটি বিশেষ ফাংশন যা কোনো ক্লাসের প্রাইভেট ডেটা এক্সেস করতে পারে, কিন্তু এটি ওওপির মৌলিক বৈশিষ্ট্য নয়।
C) Structure — এটি একটি ইউজার ڈیফাইন্ড ডেটা টাইপ যা বিভিন্ন ধরনের ডেটা একত্রে রাখতে সাহায্য করে, তবে এটি প্রসিডিউরাল প্রোগ্রামিং এর অংশ।
D) Loop — এটি যেকোনো প্রোগ্রামিং ভাষায় কোড বারবার চালানোর জন্য ব্যবহৃত একটি কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট, অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর বৈশিষ্ট্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর প্রধান চারটি বৈশিষ্ট্য মনে রাখার সহজ কৌশল হলো PIE।
এখানে P মানে Polymorphism, I মানে Inheritance, E মানে Encapsulation এবং আরেকটি A মানে Abstraction।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার বিজ্ঞান ও আইসিটি পরীক্ষায় প্রায়ই অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর বৈশিষ্ট্যসমূহ থেকে প্রশ্ন আসে।
ইনহেরিটেন্স, এনক্যাপসুলেশন, পলিমারফিজম এবং অ্যাবস্ট্রাকশন হলো ওওপির চারটি প্রধান ভিত্তি।
সঠিক উত্তর: B) OSPF
১. কেন সঠিক:
- OSPF প্রোটোকলে ডাইকস্ট্রা অ্যালগরিদম ব্যবহার করা হয় কারণ এটি সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ও দ্রুততম পথ নির্বাচন করতে পারে।
- এই অ্যালগরিদম নেটওয়ার্কের নোডগুলোর মধ্যে দূরত্ব বা খরচ হিসাব করে ডেটা প্রেরণের আদর্শ রুট নির্ধারণ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: OSPF (Open Shortest Path First) হলো একটি লিংক স্টেট রাউটিং প্রোটোকল যা আইপি নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হয়।
- কার্যপদ্ধতি: এটি নেটওয়ার্কের টপোলজি পরিবর্তন সাথে সাথে ডাইকস্ট্রা অ্যালগরিদম চালিয়ে নতুন রুট হিসাব করে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি আইজিবি প্রোটোকল হিসেবে কাজ করে এবং লার্জ স্কেল নেটওয়ার্কে খুব দ্রুত কনভার্জ করতে পারে।
- ব্যবহার: বড় আকারের এন্টারপ্রাইজ নেটওয়ার্ক ও আইএসপি ব্যাকবোনে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জিপিএস নেভিগেশন সিস্টেম
ব্যাখ্যা: মানচিত্রে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়ার সবচেয়ে কম দূরত্বের পথ খুঁজতে ডাইকস্ট্রা অ্যালগরিদম ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: কুরিয়ার ডেলিভারি রুট পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা: বিভিন্ন ঠিকানায় পণ্য পৌঁছে দেওয়ার জন্য সবচেয়ে কম খরচে ও দ্রুততম পথ নির্ধারণে এটি কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ARP (Address Resolution Protocol) — এটি আইপি ঠিকঠাক থেকে ম্যাক ঠিকানা বের করার জন্য কাজ করে, কোনো রাউটিং প্রোটোকল নয়।
B) OSPF — এটি সঠিক উত্তর।
C) RIP (Routing Information Protocol) — এটি হপ কাউন্ট ভিত্তিক ডিস্ট্রেন্স ভেক্টর প্রোটোকল, যেখানে ডাইকস্ট্রা অ্যালগরিদম ব্যবহৃত হয় না।
D) IGRP (Interior Gateway Routing Protocol) — এটি সিসকো প্রোপাইটরি ডিস্ট্রেন্স ভেক্টর প্রোটোকল যা ব্যান্ডউইথ ও ডিলে হিসাব করে, ডাইকস্ট্রা ব্যবহার করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- OSPF-এর পূর্ণরূপ হলো Open Shortest Path First এবং Shortest কথাটি থাকলেই ডাইকস্ট্রা অ্যালগরিদম মনে রাখবে।
- ডি থেকে ডাইকস্ট্রা এবং ডি থেকে ডিস্ট্রেন্স ভেক্টর নয় বরং লিংক স্টেট প্রোটোকল OSPF এটি মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- OSPF একটি লিংক স্টেট রাউটিং প্রোটোকল যা অটোনমাস সিস্টেমের ভেতরে ব্যবহৃত হয়।
- বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় রাউটিং প্রোটোকল এবং এর অ্যালগরিদম সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) Opcode
১. কেন সঠিক:
Assembly language নির্দেশমালায় ব্যবহৃত নির্দেশকে প্রধানত দুটি অংশে ভাগ করা হয়, যার প্রথম অংশটি হলো Opcode বা Operation Code।
MOV নির্দেশটি প্রসেসরকে ডেটা স্থানান্তরের কাজ করতে নির্দেশ দেয়, যা এই নির্দেশের মূল অপারেশন বা কাজ নির্ধারণ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: Opcode হলো মেশিন বা এসেম্বলি ভাষার একটি অংশ যা প্রসেসরকে নির্দিষ্ট কোনো অপারেশন বা কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়।
কার্যপদ্ধতি: প্রসেসর যখন কোনো নির্দেশ পড়ে, তখন সে Opcode অংশ দেখে বুঝতে পারে তাকে কী ধরনের কাজ করতে হবে, যেমন যোগ করা, বিয়োগ করা বা ডেটা সরানো।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ADD AX, BX নির্দেশে ADD হলো Opcode যা যোগ করার কাজ বোঝায়।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রসেসর ADD দেখে বুঝতে পারে যে AX এবং BX রেজিস্টারের মান যোগ করতে হবে।
উদাহরণ ২: MOV CX, DX নির্দেশে MOV হলো Opcode যা ডেটা স্থানান্তরের কাজ বোঝায়।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রসেসর MOV দেখে DX রেজিস্টার থেকে CX রেজিস্টারে ডেটা কপি করার কাজ পরিচালনা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লেবেল — লেবেল হলো কোডের একটি নির্দিষ্ট মেমরি ঠিকানার নাম বা আইডেন্টিফায়ার, যা জাম্প করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
B) সোর্স — সোর্স হলো সেই অপারেন্ড যেখান থেকে ডেটা সংগ্রহ করা হয়, এখানে BX হলো সোর্স।
C) Opcode — সঠিক কারণ এটি প্রসেসরকে সম্পাদিতব্য কাজের নির্দেশ প্রদান করে।
D) ডেস্টিনেশন — ডেস্টিনেশন হলো সেই অপারেন্ড যেখানে ডেটা রাখা হয়, এখানে AX হলো ডেস্টিনেশন।
৫. মনে রাখার টিপস:
Assembly ভাষায় প্রথম শব্দটি সবসময় কাজের নাম বা Opcode হয় এবং পরের অংশগুলো অপারেন্ড বা ডেটার ঠিকানা হয়।
MOV মানে Move, যা একটি কাজের নাম বা Opcode হিসেবে পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
Assembly language হলো দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা বা মেশিন ভাষার কাছাকাছি একটি সাংকেতিক ভাষা।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই Assembly ভাষার নির্দেশের বিভিন্ন অংশ যেমন Opcode এবং Operand আলাদা করতে বলা হয়।
সঠিক উত্তর: C) Key board
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটিতে ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এমন অপশনটি চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে।
কীবোর্ড হলো একটি হার্ডওয়্যার বা ইনপুট ডিভাইস, যা ক্লাউড কম্পিউটিং কাঠামোর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেট বা দূরবর্তী সার্ভারের মাধ্যমে ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা ও প্রক্রিয়াজাত করার প্রযুক্তি।
কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিজের ডিভাইসের পরিবর্তে রিমোট সার্ভার বা ডেটা সেন্টারে ডেটা সংরক্ষণ ও অ্যাপ্লিকেশনের সুবিধা গ্রহণ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গুগল ড্রাইভ।
ব্যাখ্যা: এটি ক্লাউড স্টোরেজের একটি উদাহরণ, যেখানে ইন্টারনেট ব্যবহার করে যেকোনো স্থান থেকে ফাইল সংরক্ষণ ও ব্রাউজ করা যায়।
উদাহরণ ২: মাইক্রোসফট আজুর।
ব্যাখ্যা: এটি একটি ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে রিমোট সার্ভারে সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার সেবা প্রদান করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Fog computing — এটি ক্লাউড কম্পিউটিং-এর একটি বর্ধিত রূপ, যা ডেটা প্রসেসিং প্রান্তসীমার কাছাকাছি সম্পন্ন করে।
B) PaaS — এর পূর্ণরূপ Platform as a Service, যা ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার একটি জনপ্রিয় মডেল।
C) Key board — এটি কম্পিউটার পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত একটি ফিজিক্যাল ইনপুট ডিভাইস, যার সঙ্গে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
D) SasS — অপশনটি মূলত SaaS (Software as a Service) বোঝায়, যা ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার একটি ধরন।
৫ মনে রাখার টিপস:
ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটভিত্তিক সফটওয়্যার বা সার্ভার সেবা যেমন PaaS ও SaaS।
কীবোর্ড হলো হাতের ছোঁয়ায় ডেটা ইনপুট দেওয়ার ফিজিক্যাল হার্ডওয়্যার ডিভাইস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার তিনটি প্রধান মডেল হলো IaaS, PaaS এবং SaaS।
ফগ কম্পিউটিং হলো ক্লাউড কম্পিউটিং-এর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি ও লেটেন্সি কমানোর জন্য ব্যবহৃত সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি।
সঠিক উত্তর: A) Break
১. কেন সঠিক:
- সি প্রোগ্রামিং ভাষায় লুপ বা সুইচ স্টেটমেন্টের স্বাভাবিক প্রবাহ পরিবর্তন করে তাৎক্ষণিকভাবে তা থেকে বের হয়ে আসার জন্য ব্রেক স্টেটমেন্ট ব্যবহৃত হয়।
- শর্ত সাপেক্ষে লুপের বাকি পুনরাবৃত্তিগুলো এড়িয়ে প্রোগ্রামকে লুপের ঠিক পরের লাইনে নিয়ে যেতে এটি সাহায্য করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: প্রোগ্রামিং কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট যা কোনো লুপ যেমন ফর, হোয়াইল বা ডু-হোয়াইল অথবা সুইচ ব্লক থেকে তাৎক্ষণিকভাবে নিয়ন্ত্রণ বাইরে নিয়ে যায়।
- কার্যপদ্ধতি: লুপের ভেতরে ব্রেক স্টেটমেন্ট কার্যকর হলে প্রোগ্রাম আর পরবর্তী শর্ত যাচাই করে না এবং সরাসরি লুপের বাইরে চলে আসে।
- ব্যবহার: নির্দিষ্ট কোনো ডেটা খোঁজার পর সার্চ কার্যক্রম বন্ধ করতে কিংবা ত্রুটি দেখা দিলে লুপ থামিয়ে দিতে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১ থেকে ১০ পর্যন্ত সংখ্যা প্রিন্টিংয়ের সময় ৫ পেলেই লুপ থামিয়ে দেওয়া।
ব্যাখ্যা: ব্রেক স্টেটমেন্ট ব্যবহার করলে ৫ পাওয়ার পর প্রোগ্রাম আর ৬ থেকে ১০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো চেক করবে না।
উদাহরণ ২: ব্যবহারকারী সঠিক পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর লগইন লুপ থেকে বের হওয়া।
ব্যাখ্যা: সঠিক ইনপুট পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্রেক কাজ করে এবং পাসওয়ার্ড চাওয়ার পুনরাবৃত্তি বন্ধ করে দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Break — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি লুপ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে সম্পূর্ণ বের করে দেয়।
B) If — এটি একটি কন্ডিশনাল স্টেটমেন্ট যা শর্ত যাচাইয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়, সরাসরি লুপ থেকে বের হতে পারে না।
C) Switch — এটি একাধিক বিকল্পের মধ্যে একটি নির্বাচন করার জন্য ব্যবহৃত কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট, লুপ থেকে বের হওয়ার জন্য নয়।
D) Continue — এটি লুপ থেকে সম্পূর্ণ বের হয় না, বরং কেবল বর্তমান ইটারেহশন বা পুনরাবৃত্তি বাদ দিয়ে পরবর্তী পুনরাবৃত্তিতে চলে যায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- লুপ থামিয়ে দিতে চাইলে ব্রেক ব্যবহার করবে এবং বর্তমান চক্র বাদ দিয়ে পরের চক্রে যেতে চাইলে কন্টিনিউ ব্যবহার করবে।
- ব্রেক মানে বিরতি বা শেষ করা, যা লুপের জীবনকাল তাৎক্ষণিকভাবে শেষ করে দেয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লুপ নিয়ন্ত্রণকারী স্টেটমেন্ট হিসেবে ব্রেক ও কন্টিনিউ এর পার্থক্য প্রায়ই আসে।
- কোডের আউটপুট নির্ণয়ের প্রশ্নে ব্রেক স্টেটমেন্ট পেলে লুপের শেষ পর্যন্ত না গিয়ে থেমে যেতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) DNS
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর A) HTTP ভুল ছিল, কারণ সঠিক প্রোটোকলটি হলো DNS যা UDP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
- DNS (Domain Name System) খুব দ্রুত ডোমেইন নামের বিপরীতে আইপি অ্যাড্রেস খুঁজে বের করতে UDP (User Datagram Protocol) ব্যবহার করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: UDP হলো একটি সংযোগহীন (Connectionless) প্রোটোকল যা ডেটা আদান-প্রদানের আগে কোনো কানেকশন স্থাপন করে না।
- কার্যপদ্ধতি: এটি কোনো ডেডিকেটেড পাথ তৈরি না করেই দ্রুত ডেটা প্যাকেট পাঠিয়ে দেয়, তাই গতি বেশি পাওয়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনলাইন গেম খেলার সময় ডেটা আদান-প্রদান।
ব্যাখ্যা: গেমের ডেটা খুব দ্রুত পাঠাতে হয়, তাই এখানে UDP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয় যাতে সামান্য ডেটা হারালেও গেম আটকে না যায়।
উদাহরণ ২: ইন্টারনেটে ডোমেইন নাম খোঁজার জন্য DNS-এর কাজ।
ব্যাখ্যা: ব্রাউজারে কোনো ওয়েবসাইটের নাম লিখলে DNS সার্ভার দ্রুত আইপি অ্যাড্রেস খুঁজে দিতে UDP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) HTTP (Hypertext Transfer Protocol) — এটি TCP প্রোটোকল ব্যবহার করে কারণ ওয়েব পেজ লোড করার সময় সব ডেটা নির্ভুল ও সিকিউরভাবে পৌঁছানো জরুরি।
B) DNS (Domain Name System) — এটি দ্রুত রেসপন্স পাওয়ার জন্য UDP এবং বড় ডেটার জন্য TCP উভয়ই ব্যবহার করে, তবে মূল নাম রেজোলিউশনে UDP ব্যবহার করে।
C) SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) — এটি ইমেল পাঠানোর জন্য সম্পূর্ণ নির্ভরযোগ্য TCP প্রোটোকল ব্যবহার করে যাতে কোনো ইমেল হারিয়ে না যায়।
D) FTP (File Transfer Protocol) — এটি ফাইল ডাউনলোড ও আপলোডের সময় ফাইল নিখুঁত রাখতে TCP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যে সমস্ত সার্ভিসে গতির প্রয়োজন বেশি এবং সামান্য ডেটা হারালেও সমস্যা নেই, সেখানে UDP ব্যবহার করা হয়।
- DNS এবং লাইভ স্ট্রিমিং বা অনলাইন গেমের ক্ষেত্রে UDP প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন প্রোটোকল TCP এবং কোনটি UDP ব্যবহার করে তা জানতে চাওয়া হয়।
- HTTP, HTTPS, FTP এবং SMTP হলো TCP ভিত্তিক প্রোটোকল।
সঠিক উত্তর: A) Mutation
১. কেন সঠিক:
- জেনেটিক অ্যালগরিদম বা Genetic Algorithm কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার একটি শাখা যেখানে প্রাকৃতিক নির্বাচনের প্রক্রিয়া অনুকরণ করা হয়।
- এর মূল অপারেটরগুলো হলো সিলেকশন বা Selection, ক্রসওভার বা Crossover এবং মিউটেশন বা Mutation।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: মিউটেশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে কোনো ক্রোমোজোমের জিনের মান আকস্মিক ও এলোমেলোভাবে পরিবর্তিত হয়।
- কার্যপদ্ধতি: এটি অ্যালগরিদমের নতুন সমাধান খুঁজতে সাহায্য করে এবং একই ধরনের সমাধানে আটকে যাওয়া রোধ করে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি বৈচিত্র্য বজায় রাখতে এবং স্থানীয় অপ্টিমাম থেকে বেরিয়ে আসতে কাজ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের ডিএনএ পরিবর্তন
ব্যাখ্যা: জীবদেহে ডিএনএ মিউটেশনের মাধ্যমে নতুন বৈশিষ্ট্য তৈরি হয়, যা জেনেটিক অ্যালগরিদমে অনুকরণ করা হয়।
উদাহরণ ২: কোডের পরিবর্তন
ব্যাখ্যা: বাইনারি স্ট্রিং বা কোডের ভেতরে একটি বিট শূন্য থেকে এক বা এক থেকে শূন্য হওয়া মিউটেশনের কাজ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mutation — এটি জেনেটিক অ্যালগরিদমের মূল অপারেটরগুলোর একটি, যা নতুন বৈচিত্র্য তৈরি করে।
B) Population — এটি কোনো একক অপারেটর নয়, বরং সম্ভাব্য সমাধানগুলোর একটি সম্পূর্ণ সেট বা সমষ্টি।
C) Gene — এটি ক্রোমোজোমের একটি মৌলিক একক বা অংশ, কোনো অপারেটর বা চালিকা প্রক্রিয়া নয়।
D) Individual — এটি জনসংখ্যার একটি একক সদস্য বা একক সমাধান, যা জিন বা ক্রোমোজোম ধারণ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জেনেটিক অ্যালগরিদমের তিনটি প্রধান অপারেটর মনে রাখার কৌশল হলো এস-সি-এম বা Selection, Crossover এবং Mutation।
- মিউটেশন মানে পরিবর্তন, তাই এটি অ্যালগরিদমে নতুনত্ব আনে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জেনেটিক অ্যালগরিদম জন হল্যান্ড দ্বারা উদ্ভাবিত হয়েছে।
- অপ্টিমাইজেশন সমস্যার সমাধানে এই অ্যালগরিদম ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: D) Cache Memory
১. কেন সঠিক:
কম্পিউটার স্থাপত্যে ক্যাশ মেমোরি হলো এমন একটি অত্যন্ত দ্রুত গতির ছোট আকৃতির মেমোরি যা সরাসরি প্রসেসরের ভেতরে বা খুব কাছাকাছি অবস্থিত থাকে।
প্রসেসর যখন কোনো ডেটা নিয়ে কাজ করে তখন প্রধান মেমোরি থেকে বারবার ডেটা না এনে এই ক্যাশ মেমোরি থেকে খুব দ্রুত তা সংগ্রহ করে নেয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ক্যাশ মেমোরি হলো প্রসেসর ও মূল মেমোরির মধ্যকার একটি উচ্চগতির বাফার মেমোরি যা ডেটা আদানপ্রদানের গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
কার্যপদ্ধতি: এটি প্রসেসরের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ডেটা ও নির্দেশাবলী নিজের কাছে জমা করে রাখে যাতে পরবর্তী সময়ে প্রসেসর ন্যানোসেকেন্ডের কম সময়ে তা পেতে পারে।
বৈশিষ্ট্য: এর ধারণক্ষমতা অনেক কম হলেও এর ডেটা অ্যাক্সেস টাইম অন্যান্য যেকোনো মেমোরির তুলনায় সবচেয়ে দ্রুততম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রান্নার সময় মশলার কৌটা হাতের কাছে রাখা।
ব্যাখ্যা: রান্নার মূল উপাদান যেমন ফ্রিজ বা স্টোররুম থেকে বারবার না এনে হাতের কাছের ছোট কৌটায় রাখলে যেমন দ্রুত রান্না হয়, প্রসেসরের কাছে ক্যাশ মেমোরি রাখা তেমনি কাজ করে।
উদাহরণ ২: ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরি।
ব্যাখ্যা: বারবার ব্যবহৃত ওয়েবসাইটগুলো কম্পিউটারের ব্রাউজার ক্যাশে জমা রাখে, ফলে পরের বার সেই সাইটে প্রবেশ করলে পৃষ্ঠাটি অনেক দ্রুত লোড হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) RAM — এটি প্রধান মেমোরি এবং ক্যাশ মেমোরির চেয়ে এর ডেটা স্থানান্তরের গতি তুলনামূলকভাবে ধীর গতির।
B) Hard disk — এটি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস এবং যান্ত্রিক গতির কারণে এর ডেটা স্থানান্তরের গতি সবচেয়ে কম।
C) CD ROM — এটি অপটিক্যাল ডিস্ক মাধ্যম এবং লেজার রশ্মি ব্যবহারের কারণে এর ডেটা রিড করার গতি অত্যন্ত ধীর প্রকৃতির।
৫. মনে রাখার টিপস:
কম্পিউটারের মেমোরিগুলোর গতি মনে রাখার সাধারণ নিয়ম হলো প্রসেসরের যত কাছে অবস্থান, তার ডেটা স্থানান্তরের গতি তত বেশি।
ক্যাশ মেমোরি সরাসরি প্রসেসরের সাথে যুক্ত থাকে বলে এর গতি র্যাম বা হার্ডডিস্কের চেয়ে অনেক বেশি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মেমোরি হায়ারার্কি বা মেমোরির গতি ও ধারণক্ষমতার তুলনা থেকে প্রশ্ন আসে।
ক্যাশ মেমোরি প্রসেসর ও র্যামের মধ্যকার গতির ব্যবধান দূর করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সঠিক উত্তর: D) একই ধরনের অনেকগুলো ডাটা
১. কেন সঠিক:
- অ্যারে হলো এমন একটি ডেটা স্ট্রাকচার যেখানে একই ডেটা টাইপের একাধিক মান পাশাপাশি মেমোরিতে সংরক্ষণ করা হয়।
- সি, সি প্লাস প্লাস বা জাভা ভাষার মতো প্রোগ্রামিং ভাষায় অ্যারের প্রতিটি উপাদানের ডেটা টাইপ একই হতে হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: অ্যারে হলো সমজাতীয় ডেটা আইটেমের একটি সংকলন যা মেমোরিতে ধারাবাহিক ঠিকানায় সংরক্ষিত থাকে।
- কার্যপদ্ধতি: অ্যারের ইনডেক্স বা সাবস্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে এর ভেতরের যেকোনো মান খুব সহজেই সরাসরি অ্যাক্সেস করা যায়।
- বৈশিষ্ট্য: অ্যারে একটি ফিক্সড সাইজ ডেটা স্ট্রাকচার, অর্থাৎ এর আকার তৈরির আগেই নির্ধারণ করে দিতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্লাসের দশজন শিক্ষার্থীর বয়স
ব্যাখ্যা: বয়সগুলো রাখতে একটি পূর্ণসংখ্যা বা ইন্টিজার টাইপের অ্যারে ব্যবহার করা যায় যেখানে সব ডেটা একই ধরনের হবে।
উদাহরণ ২: সপ্তাহের সাতদিনের নাম
ব্যাখ্যা: দিনের নামগুলো স্ট্রিং বা ক্যারেক্টার টাইপ ডেটা, যা একটি স্ট্রিং অ্যারেতে ধারাবাহিকভাবে রাখা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিন্ন ধরনের কতগুলো ডাটা — এটি অ্যারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, ভিন্ন ধরনের ডেটা রাখার জন্য স্ট্রাকচার বা অবজেক্ট ব্যবহার করা হয়।
B) শুধু Pointer ধরনের ডাটা — পয়েন্টার কেবল মেমোরি অ্যাড্রেস ধারণ করে, অ্যারেতে যেকোনো ডেটা টাইপ রাখা সম্ভব।
C) Class এর ডাটা — ক্লাস হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের ব্লুপ্রিন্ট, যা সরাসরি সাধারণ অ্যারে ডেটা স্ট্রাকচার নয়।
D) একই ধরনের অনেকগুলো ডাটা — এটি অ্যারের মূল সংজ্ঞার সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায় এবং এটি সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অ্যারে মানেই সমজাতীয় ডেটা বা একই টাইপের ডেটার সারি।
- ভিন্ন ডেটা টাইপের জন্য স্ট্রাকচার এবং একই ডেটা টাইপের জন্য অ্যারে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- অ্যারের প্রথম উপাদানের ইনডেক্স সাধারণত শূন্য বা জিরো থেকে শুরু হয়।
- ডেটা স্ট্রাকচার সম্পর্কিত প্রশ্নে অ্যারের মেমোরি অ্যালোকেশন প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: A) CSMA/CD
১. কেন সঠিক:
- ইথারনেট বা ব্রডকাস্ট নেটওয়ার্কে একাধিক কম্পিউটার একই ক্যাবল বা মিডিয়া ব্যবহার করে ডেটা প্রেরণ করে।
- ডেটা সংঘর্ষ বা ডেটা কোলাশন এড়াতে প্রেরক ডিভাইস মিডিয়া ফাঁকা আছে কি না তা আগে পরীক্ষা করে এবং সংঘর্ষ শনাক্ত করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: CSMA/CD এর পূর্ণরূপ হলো Carrier Sense Multiple Access with Collision Detection, যা তারযুক্ত ইথারনেট নেটওয়ার্কে ডেটা আদানপ্রদানের সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণ করে।
- কার্যপদ্ধতি: ডেটা পাঠানোর আগে ডিভাইসটি দেখে লাইন ব্যস্ত কি না, ব্যস্ত না থাকলে ডেটা পাঠায় এবং পাঠানোর সময় সংঘর্ষ হলে তা ধরে ফেলে কিছু সময় অপেক্ষা করে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি ল্যান বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে মাল্টিপল অ্যাক্সেস প্রোটোকল হিসেবে কাজ করে এবং হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে কার্যকর।
- ব্যবহার: ট্র্যাডিশনাল ইথারনেট বা তারযুক্ত লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে একাধিক কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা সংঘর্ষ এড়াতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- পার্থক্য: এটি কেবল তারযুক্ত নেটওয়ার্কে সংঘর্ষ শনাক্ত করে, অন্যদিকে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কে সংঘর্ষ প্রতিরোধের ভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ল্যান ক্যাবলের মাধ্যমে যুক্ত একাধিক কম্পিউটার।
ব্যাখ্যা: একটি প্রিন্টার ও কয়েকটি কম্পিউটার একই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকলে এই পদ্ধতি সংঘর্ষ রোধ করে।
উদাহরণ ২: অফিসের লোকাল সার্ভার নেটওয়ার্ক।
ব্যাখ্যা: একই সাথে একাধিক কর্মী সার্ভারে ফাইল আপলোড করার চেষ্টা করলে এই প্রোটোকল শৃঙ্খলা রক্ষা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) CSMA/CD — এটি তারযুক্ত ইথারনেট নেটওয়ার্কের জন্য সঠিক পদ্ধতি হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর।
B) CSMA/CA — এটি ওয়্যারলেস বা ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে সংঘর্ষ এড়াতে ব্যবহৃত হয়, ইথারনেটে নয়।
C) Demand Priority — এটি উচ্চ গতির টোকেন রিং নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত একটি মিডিয়া অ্যাক্সেস পদ্ধতি।
D) Polling — এটি সেন্ট্রাল কন্ট্রোলার দ্বারা পরিচালিত হয়, যেখানে কেন্দ্রীয় ডিভাইস অন্যান্য ডিভাইসকে পালাক্রমে জিজ্ঞাসা করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- CSMA/CD এর পূর্ণরূপ মনে রাখবেন, যেখানে CD মানে হলো কোলাশন ডিটেকশন বা সংঘর্ষ শনাক্তকরণ।
- তারযুক্ত ইথারনেট মানেই সিএসএমএ স্ল্যাশ সিডি এবং ওয়্যারলেস মানেই সিএসএমএ স্ল্যাশ সিএ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইথারনেট প্রোটোকল নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- তারযুক্ত ও ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের মিডিয়া অ্যাক্সেস পদ্ধতির পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করুন।
সঠিক উত্তর: A) Primary Key
১. কেন সঠিক:
ডেটাবেজে প্রতিটি রেকর্ড বা সারিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য প্রাইমারি কি ব্যবহার করা হয়। এটি নিশ্চিত করে যে টেবিলে কোনো ডেটা বা মান যেন দ্বিতীয়বার পুনরাবৃত্তি না হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: প্রাইমারি কি হলো এমন একটি কলাম বা কলামের সমষ্টি যা ডেটাবেজ টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করে।
বৈশিষ্ট্য: প্রাইমারি কি ফিল্ডে কখনো ফাঁকা বা নাল মান এবং একই মানের পুনরাবৃত্তি থাকতে পারে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ডেটাবেজে শিক্ষার্থীর রোল নম্বর।
ব্যাখ্যা: রোল নম্বর কখনো দুটি শিক্ষার্থীর জন্য এক হতে পারে না, তাই এটি প্রাইমারি কি হিসেবে কাজ করে।
উদাহরণ ২: ব্যাংক অ্যাকাউন্টের হিসাব নম্বর।
ব্যাখ্যা: একটি ব্যাংকে দুটি ভিন্ন গ্রাহকের হিসাব নম্বর একই হতে পারে না, যা ইউনিকনেস নিশ্চিত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Primary Key — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ডেটার অনন্যতা নিশ্চিত করে।
B) Foreign Key — এটি দুটি টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়, ইউনিকনেস নিশ্চিত করার জন্য নয়।
C) Entity — এটি বাস্তব জগতের কোনো বস্তু বা ধারণা নির্দেশ করে, যা ডেটাবেজের কোনো কলাম বা কি নয়।
D) Relation — এটি ডেটাবেজে টেবিল বা টেবিলগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রাইমারি কি মানে হলো প্রধান চাবি, যা প্রতিটি তথ্যকে আলাদা এবং অদ্বিতীয়ভাবে তালাবদ্ধ করে রাখে। ইউনিক বা অনন্য শব্দ পেলেই উত্তর হবে প্রাইমারি কি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিটি ডেটাবেজ টেবিলে বাধ্যতামূলকভাবে একটি প্রাইমারি কি থাকা উচিত। একই টেবিলে একাধিক প্রাইমারি কি থাকা সম্ভব নয়, তবে একাধিক কলাম মিলে কম্পোজিট প্রাইমারি কি হতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) 10111111
১. কেন সঠিক:
Bitwise OR অপারেশন করার জন্য দুটি বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পাশাপাশি তুলনা করতে হয়।
যে কোনো একটি বিট ১ হলে আউটপুট ১ হয় এবং উভয় বিট ০ হলে আউটপুট ০ হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: Bitwise OR হলো এমন একটি লজিক অপারেশন যা বাইনারি ডেটার প্রতিটি বিটের মধ্যে OR লজিক প্রয়োগ করে।
কার্যপদ্ধতি: বিটগুলোর মধ্যে তুলনা করে ১ যোগ ১ সমান ১, ১ যোগ ০ সমান ১ এবং ০ যোগ ০ সমান ০ নিয়ম অনুসরণ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুইচবোর্ডে সমান্তরাল সার্কিট।
ব্যাখ্যা: সমান্তরাল সংযোগে যে কোনো একটি সুইচ অন করলেই বাতি জ্বলে, যা Bitwise OR অপারেশনের মতো কাজ করে।
উদাহরণ ২: ডেটা মাস্কিং।
ব্যাখ্যা: কম্পিউটারে কোনো নির্দিষ্ট বিটকে জোর করে ১ করার জন্য Bitwise OR অপারেশন ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 10111111 — এটি সঠিক হিসাবের ফলাফল এবং প্রদত্ত উত্তরের সঙ্গে মেলে।
B) 100011 — এটি ভুল হিসাবের ফল এবং বিট সংখ্যাও এখানে কমে গেছে।
C) 1010101 — এটি ভুল বিট বিন্যাসের একটি ফলাফল যা সঠিক নিয়মে আসেনি।
D) 11111111 — এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি হিসাবের ফলাফল যা AND বা অন্য অপারেশনের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
৫. মনে রাখার টিপস:
Bitwise OR অপারেশনের ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে একজনের থাকলেই আউটপুট ১ হবে।
শূন্য যোগ শূন্য সমান শূন্য এবং বাকি সব ক্ষেত্রে এক হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার বিজ্ঞানে Bitwise অপারেশন মাইক্রোপ্রসেসরের ভেতরে দ্রুত গণনা করতে ব্যবহৃত হয়।
পরীক্ষায় Bitwise AND এবং Bitwise XOR থেকেও প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) 12C(16)
১. কেন সঠিক:
- ডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি থেকে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটিকে ১৬ দ্বারা ভাগ করতে হয়।
- ৩০১৭ কে ১৬ দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল ১৮ এবং ভাগশেষ ১২ পাওয়া যায়, যেখানে ১২ এর হেক্সাডেসিমাল মান সি।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: সংখ্যা পদ্ধতি হলো সংখ্যা প্রকাশ বা লেখার নির্দিষ্ট মাধ্যম, যেখানে হেক্সাডেসিমাল হলো ষো ভিত্তিক একটি সংখ্যা পদ্ধতি।
- কার্যপদ্ধতি: ডেসিমাল সংখ্যাকে কাঙ্ক্ষিত ভিত্তির ভাগশেষ বা গুণফলের নিয়মে রূপান্তর করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ২৫৫ ডেসিমাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমালে রূপান্তর করলে এফএফ পাওয়া যায়।
ব্যাখ্যা: ২৫৫ কে ১৬ দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল ১৫ এবং ভাগশেষ ১৫ হয়, যার হেক্সাডেসিমাল রূপ এফ।
উদাহরণ ২: ১০ ডেসিমাল সংখ্যা হেক্সাডেসিমালে এ এর সমান।
ব্যাখ্যা: হেক্সাডেসিমাল পদ্ধতিতে ৯ এর পরের সংখ্যাগুলোকে এ, বি, সি, ডি, ই এবং এফ দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) C3(16) — এটি ভুল কারণ ৩০ এর রূপান্তর সি এবং অবশিষ্ট ৩ এর হিসেব এখানে ভুলভাবে সাজানো হয়েছে।
B) 12C(16) — এটি সঠিক কারণ ৩০ কে ১৬ দিয়ে ভাগ করলে ভাগফল ১, ভাগশেষ ১৪ বা ই, এবং আগের ধাপের হিসাব মিলে এটিই সঠিক মান দেয়।
C) C2(16) — এটি ভুল কারণ শেষ অঙ্কের মান সি এবং দুইয়ের হিসাব এখানে সঠিক ফলাফল প্রদান করে না।
D) A2C(16) — এটি ভুল কারণ এই মানের ডেসিমাল রূপ অনেক বড় যা ৩০০ এর মানের চেয়ে অনেক বেশি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হেক্সাডেসিমাল পদ্ধতিতে ১০ থেকে ১৫ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোকে ক্রমানুসারে এ থেকে এফ পর্যন্ত অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- বড় ডেসিমাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমালে নিতে হলে বারবার ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষগুলো নিচ থেকে উপরে সাজাতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬ এবং এর অঙ্কগুলো হলো ০ থেকে ৯ এবং এ থেকে এফ পর্যন্ত।
- কম্পিউটার মেমোরি অ্যাড্রেসিং এবং রঙের কোডিংয়ের ক্ষেত্রে হেক্সাডেসিমাল পদ্ধতি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) switch
১. কেন সঠিক:
সি প্রোগ্রামিং ভাষায় একাধিক শর্ত পরীক্ষা করার ক্ষেত্রে একাধিক যদি বা ইফ স্টেটমেন্ট বা এসলস ইফ ল্যাডার ব্যবহারের পরিবর্তে সুইচ স্টেটমেন্ট ব্যবহার করা যায়।
একটিমাত্র চলকের বিভিন্ন মানের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করার জন্য সুইচ স্টেটমেন্ট ইফ স্টেটমেন্টের একটি চমৎকার বিকল্প বা সহজতর রূপ।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: সি প্রোগ্রামিং ভাষায় সুইচ হলো একটি বহুমুখী বা মাল্টিব্রাঞ্চ ডিসিশন মেকিং স্টেটমেন্ট।
কার্যপদ্ধতি: এটি একটি চলকের মান বিভিন্ন কেসের মানের সঙ্গে তুলনা করে এবং মিলে গেলে সেই নির্দিষ্ট ব্লকের কোড execute করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সপ্তাহের দিন নির্ধারণ।
ব্যাখ্যা: ১ থেকে ৭ পর্যন্ত সংখ্যার জন্য রবি থেকে শনি বার প্রিন্ট করতে ইফ এসলস না লিখে সুইচ কেস ব্যবহার করা সহজ ও পরিচ্ছন্ন হয়।
উদাহরণ ২: মেনু ড্রাইভেন প্রোগ্রাম।
ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারীর ইনপুটের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন অপশন যেমন যোগ, বিয়োগ বা গুণ সিলেক্ট করতে সুইচ স্টেটমেন্ট ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) switch — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ইফ স্টেটমেন্টের বিকল্প হিসেবে কাজ করে।
B) structure — এটি মূলত বিভিন্ন ডেটা টাইপ একত্রে রাখার একটি পদ্ধতি বা ইউজার ডিফাইন্ড ডেটা টাইপ, যা শর্ত নির্ধারণের জন্য ইফ এর বিকল্প নয়।
C) return — এটি ফাংশন থেকে মান ফেরত দিতে এবং ফাংশনের সমাপ্তি ঘটাতে ব্যবহৃত হয়, শর্ত পরীক্ষার জন্য ইফ এর বিকল্প নয়।
D) D) for — প্রশ্নে সঠিক উত্তর সুইচ হলেও অপশনে ডি হিসেবে ফর দেওয়া হয়েছে যা লুপ নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়, শর্তভিত্তিক শাখা তৈরির জন্য ইফ এর সরাসরি বিকল্প নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
শর্ত পরীক্ষার জন্য ইফ এবং সুইচ ব্যবহার করা হয়।
একাধিক মানের তুলনা করতে সুইচ হলো ইফ এর আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন বিকল্প।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সুইচ স্টেটমেন্টে সাধারণত ইনটিজার বা ক্যারেক্টার ডেটা টাইপ ব্যবহার করা হয়।
ফ্লোটিং পয়েন্ট ডেটা সুইচ কেসে সচরাচর সরাসরি ব্যবহার করা যায় না।
সঠিক উত্তর: D) Hard disk
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর A) Cache ভুল। সঠিক উত্তর হবে D) Hard disk। অপারেটিং সিস্টেমে যখন র্যাম বা Random Access Memory-এর জায়গা ফুরিয়ে যায়, তখন সেকেন্ডারি স্টোরেজ তথা হার্ডডিস্কের একটি নির্দিষ্ট অংশকে ভার্চুয়াল মেমোরি বা সোয়াপ স্পেস হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- র্যামের ধারণক্ষমতা সীমিত হওয়ায় বড় কোনো সফটওয়্যার বা একাধিক প্রোগ্রাম একসাথে চালু করলে অপারেটিং সিস্টেম হার্ডডিস্কের কিছু অংশকে অতিরিক্ত র্যাম হিসেবে কাজে লাগিয়ে মেমোরির ঘাটতি পূরণ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ভার্চুয়াল মেমোরি হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি কৌশল যা হার্ডডিস্কের ফাঁকা জায়গাকে প্রধান মেমোরি বা র্যাম হিসেবে ব্যবহার করে।
- কার্যপদ্ধতি: ফিজিক্যাল র্যামে যখন ডেটা রাখার জায়গা থাকে না, তখন অপারেটিং সিস্টেম কম ব্যবহৃত ডেটা সাময়িকভাবে হার্ডডিস্কে স্থানান্তরিত করে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি কম্পিউটারকে বড় আকারের প্রোগ্রাম চালাতে সাহায্য করে কিন্তু ফিজিক্যাল র্যামের চেয়ে এর গতি বেশ কম হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ৪ জিবি র্যামের একটি কম্পিউটারে ৮ জিবির একটি বড় গেম বা ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার চালু করা।
ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত ডেটা প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য অপারেটিং সিস্টেম হার্ডডিস্কের জায়গা ভার্চুয়াল মেমোরি হিসেবে ব্যবহার করে গেমটি সচল রাখে।
উদাহরণ ২: ব্রাউজারে একসঙ্গে অনেকগুলো ট্যাব খুলে রাখা এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে বড় ফাইল ডাউনলোড করা।
ব্যাখ্যা: র্যামের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ার কারণে অপারেটিং সিস্টেম নিষ্ক্রিয় ট্যাবগুলোর ডেটা ভার্চুয়াল মেমোরিতে জমা রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Cache — ক্যাশ মেমোরি হলো সিপিইউ এবং র্যামের মাঝখানে অবস্থিত অত্যন্ত দ্রুতগতির কিন্তু ছোট আকারের একটি মেমোরি। এটি ভার্চুয়াল মেমোরি হিসেবে কাজ করে না।
B) CPU Register — সিপিইউ রেজিস্টার হলো প্রসেসরের ভেতরে থাকা অত্যন্ত দ্রুতগতির অস্থায়ী মেমোরি যা ডেটা গণনার কাজে সরাসরি যুক্ত থাকে। এটি ভার্চুয়াল মেমোরি নয়।
C) CD-ROM — সিডি রম হলো একটি রিড অনলি অপটিক্যাল ডিস্ক যা সেকেন্ডারি স্টোরেজ হলেও এর পঠন ও লিখন গতি অত্যন্ত ধীর এবং এটি ভার্চুয়াল মেমোরি হিসেবে ব্যবহার অযোগ্য।
D) Hard disk — হার্ডডিস্ক হলো একটি অস্থিতিশীল নন-ভোলাটাইল সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস যার একটি অংশ ভার্চুয়াল মেমোরি বা পেজ ফাইল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- র্যামের জায়গা যখন শেষ হয়ে যায়, তখন হার্ডডিস্ক এসে তাকে বাঁচায় এবং ভার্চুয়াল মেমোরির ভূমিকা পালন করে।
- ক্যাশ মেমোরি প্রসেসরকে দ্রুত ডেটা দেয়, আর হার্ডডিস্ক জায়গা বাড়িয়ে বড় কাজ করতে সাহায্য করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভার্চুয়াল মেমোরির ধারণার কারণে কম্পিউটার ফিজিক্যাল র্যামের চেয়ে বড় আকারের প্রোগ্রাম বা ফাইল সহজে চালাতে পারে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে ভার্চুয়াল মেমোরি হিসেবে ফিজিক্যাল মেমোরির পরিপূরক হিসেবে কোন স্টোরেজ ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: B) No#of-students
১. কেন সঠিক:
সি প্রোগ্রামিং ভাষায় ভেরিয়েবল নামকরণের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে যেখানে স্পেস, হাইফেন বা বিশেষ চিহ্ন ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।
এখানে No#of-students নামকরণে হ্যাশ এবং হাইফেন ব্যবহার করায় এটি একটি ইনভ্যালিড ভেরিয়েবল নেম হিসেবে গণ্য হয়েছে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সি প্রোগ্রামিংয়ে ভেরিয়েবল হলো মেমোরির একটি নামকৃত স্থান যা ডেটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
ভেরিয়েবল নামকরণে শুধুমাত্র ইংরেজি বর্ণমালা, সংখ্যা এবং আন্ডারস্কোর ব্যবহার করা যায় এবং এটি সংখ্যা দিয়ে শুরু হতে পারে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: int average_score = ৮৫;
ব্যাখ্যা: এটি একটি বৈধ ভেরিয়েবল কারণ এতে শুধুমাত্র বর্ণমালা এবং আন্ডারস্কোর ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: int ২nd_val = ১০;
ব্যাখ্যা: এটি একটি ইনভ্যালিড ভেরিয়েবল কারণ এর নামের শুরুতে সংখ্যা ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Average — এটি একটি সম্পূর্ণ বৈধ ভেরিয়েবল নেম কারণ এটি শুধুমাত্র ইংরেজি বর্ণমালা দিয়ে গঠিত এবং এর মধ্যে কোনো অবৈধ চরিত্র নেই।
B) No#of-students — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর মধ্যে হ্যাশ এবং হাইফেনের মতো অবৈধ বিশেষ চরিত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
C) Xzy — এটি একটি বৈধ ভেরিয়েবল নেম কারণ সি প্রোগ্রামিংয়ের নামকরণের সব নিয়ম এটি সঠিকভাবে মেনে চলেছে।
D) y23z — এটি একটি বৈধ ভেরিয়েবল নেম কারণ এতে বর্ণমালার পাশাপাশি সংখ্যা মাঝখানে ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মসিদ্ধ।
৫ মনে রাখার টিপস:
সি প্রোগ্রামিংয়ে ভেরিয়েবল লেখার সময় মনে রাখবে এটি মাত্র তিনটি জিনিস অর্থাৎ অক্ষর, সংখ্যা এবং আন্ডারস্কোর দিয়ে তৈরি হতে পারে।
স্পেস, হাইফেন বা কোনো বিশেষ চিহ্ন ভেরিয়েবলের নামের মাঝে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষেধ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পরীক্ষায় প্রায়ই ভেরিয়েবল নামকরণের নিয়ম থেকে প্রশ্ন আসে যেমন কীওয়ার্ড যেমন int বা float কখনো ভেরিয়েবল হিসেবে ব্যবহার করা যায় না।
এছাড়া সি প্রোগ্রামিং কেস সেন্সিটিভ হওয়ায় নামের ছোট ও বড় হাতের অক্ষর আলাদা অর্থ বহন করে।
সঠিক উত্তর: D) ফ্লিপ-ফ্লপ
প্রদত্ত তথ্য:
কম্পিউটার মেমোরির মূল একক ১-বিট ডাটা সংরক্ষণ করতে পারে এমন একটি ইলেকট্রনিক সার্কিট।
ধরি,
যে লজিক গেটের মাধ্যমে ১-বিট বাইনারি তথ্য (শূন্য বা এক) ধরে রাখা যায় তাকে মেমোরি সেল বলা হয়।
অতএব,
রেজিস্টর হলো ফ্লিপ-ফ্লপের সমাহার যা একাধিক বিট নিয়ে কাজ করে।
সুতরাং,
এককভাবে ১-বিট ডাটা সংরক্ষণের জন্য ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
উত্তর: D) ফ্লিপ-ফ্লপ
সঠিক উত্তর: B) Sum
১. কেন সঠিক:
- Aggregate function হলো ডেটাবেজের এমন একটি ফাংশন যা একাধিক মানের ওপর গণনা চালিয়ে একটিমাত্র একক ফলাফল প্রদান করে।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Sum হলো একটি বিল্ট-ইন এগ্রিগেট ফাংশন যা কোনো নির্দিষ্ট কলামের সব মানের সমষ্টি নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে একাধিক সারির ডেটা থেকে একটি মাত্র ফলাফল পাওয়ার পদ্ধতিকে এগ্রিগেট ফাংশন বলে।
- কার্যপদ্ধতি: এটি টেবিলের একটি নির্দিষ্ট কলামের সব মান ইনপুট হিসেবে গ্রহণ করে এবং গাণিতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একটি মান আউটপুট দেয়।
- বৈশিষ্ট্য: এগ্রিগেট ফাংশন সাধারণত এসকিউএল কুয়েরিতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি নাল ভ্যালু উপেক্ষা করে কাজ করে।
- ব্যবহার: ডেটাবেজ থেকে মোট বিক্রয়, শিক্ষার্থীর গড় নম্বর বা সর্বোচ্চ বেতন বের করার জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: SELECT SUM(Salary) FROM Employees;
ব্যাখ্যা: এই কোডের মাধ্যমে Employees টেবিলের Salary কলামের সব কর্মীর বেতনের সমষ্টি খুব সহজে নির্ণয় করা যায়।
উদাহরণ ২: SELECT AVG(Marks) FROM Students;
ব্যাখ্যা: এই কুয়েরিটি Students টেবিলের Marks কলামের সব নম্বরের গড় হিসাব করতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Where — এটি কোনো এগ্রিগেট ফাংশন নয়, বরং ডেটাবেজ কুয়েরিতে নির্দিষ্ট শর্ত বা ফিল্টার আরোপ করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
B) Sum — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কলামের মান যোগ করার একটি বিল্ট-ইন এগ্রিগেট ফাংশন হিসেবে কাজ করে।
C) Select — এটি কোনো এগ্রিগেট ফাংশন নয়, ডেটাবেজ থেকে ডেটা দেখার বা কুয়েরি চালানোর জন্য এটি একটি মৌলিক কমান্ড।
D) from — এটি কোনো এগ্রিগেট ফাংশন নয়, বরং কোন টেবিল থেকে ডেটা আনা হবে তা নির্দেশ করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- এগ্রিগেট ফাংশন মনে রাখার সহজ উপায় হলো এসএসিএএম (SACAM)। এখানে এস দিয়ে SUM, এ দিয়ে AVG, সি দিয়ে COUNT, এ দিয়ে MAX এবং এম দিয়ে MIN বোঝায়।
- মনে রাখবে, এগ্রিগেট ফাংশন সবসময় অনেকগুলো সারিকে সংকুচিত করে একটি মাত্র সারিতে ফলাফল প্রকাশ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এসকিউএল এগ্রিগেট ফাংশনগুলোর মধ্যে সুপরিচিত হলো SUM, AVG, COUNT, MAX এবং MIN।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে নিচের কোনটি এগ্রিগেট ফাংশন নয়, যেখানে অপশন হিসেবে WHERE বা FROM দেওয়া থাকে।
সঠিক উত্তর: B) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
ইন্টেল ৮০৮৬ মাইক্রোপ্রসেসরের স্থাপত্য অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার থাকে।
এর মধ্যে ১৬-বিট বা টুয়েন্টি বিট অ্যাড্রেসিং রেজিস্টারগুলোর হিসাব করা হয়।
ধরি,
সাধারণ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ১৬-বিট রেজিস্টার হলো ৪টি।
পয়েন্টার এবং ইনডেক্স ১৬-বিট রেজিস্টার হলো ৪টি।
অতএব,
প্রথম চারটির নাম হলো এএক্স, বিএক্স, সিএক্স এবং ডিএক্স।
পরবর্তী চারটির নাম হলো এসপি, বিপি, এসআই এবং ডিআই।
সুতরাং,
সর্বমোট ১৬-বিট রেজিস্টারের সংখ্যা হলো ৪ + ৪ = ৮টি।
উত্তর: ৮
সঠিক উত্তর: B) TCP
১. কেন সঠিক:
- FTP প্রোটোকল ডেটা আদান-প্রদানের জন্য নির্ভরযোগ্য যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে TCP ব্যবহার করে।
- TCP নিশ্চিত করে যে ফাইল স্থানান্তরের সময় কোনো প্যাকেট বা ডেটা হারিয়ে গেলে তা পুনরায় প্রেরিত হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: FTP বা File Transfer Protocol এমন একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভার এবং ক্লায়েন্টের মধ্যে ফাইল স্থানান্তরে ব্যবহৃত হয়।
- কার্যপদ্ধতি: এটি ফাইল আদান-প্রদানের জন্য দুটি আলাদা চ্যানেল তৈরি করে, যার একটি নিয়ন্ত্রণ বার্তা এবং অন্যটি প্রকৃত ডেটা স্থানান্তরের জন্য কাজ করে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি নির্ভরযোগ্য সংযোগ স্থাপনকারী প্রোটোকল এবং বৃহৎ আকারের ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে অত্যন্ত নিরাপদ ও কার্যকরী।
- ব্যবহার: ওয়েবসাইট ডেভেলপাররা তাদের তৈরি ফাইল লোকাল কম্পিউটার থেকে রিমোট হোস্টিং সার্ভারে আপলোড করার জন্য এটি ব্যবহার করেন।
৩. উদাহরণ:
- উদাহরণ ১: কোনো ওয়েব ডিজাইনার তার কম্পিউটারের এইচটিএমএল ফাইল ফাইলজিলা সফটওয়্যারের মাধ্যমে লাইভ সার্ভারে আপলোড করছেন।
- ব্যাখ্যা: এই ফাইল স্থানান্তরের পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে ব্যাকগ্রাউন্ডে FTP প্রোটোকল এবং TCP কাজ করে।
- উদাহরণ ২: একটি করপোরেট প্রতিষ্ঠান তাদের বড় আকারের মাসিক ডেটা ব্যাকআপ দূরবর্তী ক্লাউড স্টোরেজে পাঠাচ্ছে।
- ব্যাখ্যা: ডেটা যেন নিখুঁত ও অক্ষত থাকে, সেজন্য TCP নিশ্চিত করে প্রতিটি অংশ সঠিকভাবে গন্তব্যে পৌঁছাল কি না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) IP — IP বা Internet Protocol সরাসরি ফাইল স্থানান্তর করে না, এটি কেবল নেটওয়ার্কে ডিভাইসগুলোর অবস্থান শনাক্ত করে প্যাকেট রাউটিং করে।
B) TCP — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সংযোগের নিশ্চয়তা প্রদান করে।
C) UDP — UDP একটি দ্রুতগতির প্রোটোকল হলেও এটি ডেটা হারানোর নিশ্চয়তা দেয় না, যা ফাইল স্থানান্তরের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
D) SMTP — SMTP বা Simple Mail Transfer Protocol শুধুমাত্র ইমেল পাঠানোর কাজে ব্যবহৃত হয়, ফাইল স্থানান্তরে নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ফাইল ট্রান্সফার মানেই হলো ডেটার শতভাগ নিখুঁত হওয়া জরুরি, আর নিখুঁত ডেটা ডেলিভারির জন্য TCP অপরিহার্য।
- FTP শব্দের পূর্ণরূপ File Transfer Protocol এবং TCP শব্দের পূর্ণরূপ Transmission Control Protocol।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রোটোকল ও তাদের পোট নম্বর বা লেয়ার সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে, তাই FTP-র পোর্ট নম্বর কুড়ি ও একুশ মনে রাখা আবশ্যক।
- নেটওয়ার্ক লেয়ারের সঙ্গে ট্রান্সপোর্ট লেয়ারের কাজগুলোর পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) Stack
১. কেন সঠিক:
- Stack একটি লিনিয়ার ডেটা স্ট্রাকচার যা LIFO (Last In, First Out) নীতিতে কাজ করে।
- এই ব্যবস্থায় সবার শেষে যে ডেটা যুক্ত হয়, তা সবার আগে বের হয়ে আসে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: LIFO এর পূর্ণরূপ হলো Last In, First Out। এটি এমন এক ডেটা সংগঠন পদ্ধতি যেখানে সর্বশেষ প্রবেশকৃত উপাদানটি প্রথম নিষ্কাশিত হয়।
- কার্যপদ্ধতি: এতে প্রধান দুটি অপারেশন থাকে, পুশ (Push) যার মাধ্যমে ডেটা যুক্ত হয় এবং পপ (Pop) যার মাধ্যমে ডেটা অপসারণ করা হয়।
- ব্যবহার: প্রোগ্রামিং ভাষার রিকার্শন, ওয়েব ব্রাউজারের ব্যাক হিস্ট্রি এবং টেক্সট এডিটরের আনডু কার্যক্রমে এটি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটির পর একটি প্লেট সাজিয়ে রাখার স্ট্যাক।
ব্যাখ্যা: প্লেট রাখার সময় সবার ওপরে যে প্লেট রাখা হয়, তোলার সময় সবার আগে সেই ওপরের প্লেটটিই তুলতে হয়।
উদাহরণ ২: ব্রাউজারের ব্যাক বাটন।
ব্যাখ্যা: আমরা একে একে যে পেজগুলোতে প্রবেশ করি, ব্যাক বাটন চাপলে সর্বশেষ দেখা পেজটি সবার আগে ফিরে আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Queue — এটি FIFO (First In, First Out) নীতিতে কাজ করে, তাই এটি LIFO ডেটা স্ট্রাকচার নয়।
B) Stack — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি LIFO নীতি অনুসরণ করে।
C) File — এটি স্থায়ী স্টোরেজে ডেটা সংরক্ষণের মাধ্যম, ডেটা স্ট্রাকচারের কোনো সুনির্দিষ্ট নীতি নয়।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- LIFO মানে হচ্ছে Last In First Out। স্ট্যাকের ক্ষেত্রে শেষ ব্যক্তি বা বস্তু সবার আগে সুযোগ পায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে ডেটা স্ট্রাকচার দুই প্রকার, লিনিয়ার এবং নন-লিনিয়ার। স্ট্যাক ও কিউ হলো লিনিয়ার ডেটা স্ট্রাকচারের উদাহরণ।
সঠিক উত্তর: A) SMTP
১. কেন সঠিক:
- SMTP-এর পূর্ণরূপ Simple Mail Transfer Protocol, যা ইন্টারনেট মাধ্যমে ইমেইল পাঠানোর কাজে ব্যবহৃত প্রধান প্রোটোকল।
- এটি মূলত মেইল সার্ভার থেকে অন্য মেইল সার্ভারে বা ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে ইমেইল স্থানান্তরের কাজটি সম্পন্ন করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ইমেইল প্রোটোকল হলো এমন কিছু নিয়ম বা প্রমিত পদ্ধতি, যার মাধ্যমে ইন্টারনেটে একটি কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ইমেইল আদান-প্রদান করা হয়।
- কার্যপদ্ধতি: প্রেরক যখন ইমেইল পাঠান, তখন SMTP প্রোটোকল সেই বার্তাটি গ্রহণ করে এবং প্রাপকের মেল সার্ভারে পৌঁছে দেয়।
- ব্যবহার: এটি মূলত ইমেইল পাঠানোর কাজে (Outbound Mail) বিশ্বজুড়ে প্রমিত মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জিমেইল থেকে ইয়াহুতে ইমেল পাঠানো।
ব্যাখ্যা: জিমেইল অ্যাকাউন্ট থেকে বার্তা পাঠানোর সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে SMTP প্রোটোকল কাজ করে এবং তা ইয়াহুর সার্ভারে পৌঁছে দেয়।
উদাহরণ ২: মাইক্রোসফট আউটলুক অ্যাপ কনফিগার করা।
ব্যাখ্যা: আউটলুক বা থান্ডারবার্ডের মতো ইমেইল ক্লায়েন্টে অ্যাকাউন্ট সেটআপ করার সময় আউটগোয়িং সার্ভার হিসেবে SMTP সার্ভার যুক্ত করতে হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) SMTP — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি ইমেইল প্রোটোকল।
B) IOT — এটি Internet of Things-এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত ডিভাইসগুলোর যোগাযোগ ব্যবস্থা নির্দেশ করে।
C) USB — এটি Universal Serial Bus-এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যা কম্পিউটার এবং পেরিফেরাল ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের একটি হার্ডওয়্যার ইন্টারফেস।
D) OTG — এটি On-The-Go-এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যা মোবাইল ডিভাইসে এক্সটার্নাল ডিভাইস যুক্ত করার একটি প্রযুক্তি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইমেইল পাঠানোর জন্য T (Transfer) অর্থাৎ SMTP ব্যবহার করা হয়।
- প্রোটোকল মানে নিয়ম, আর SMTP হলো ইমেইল পাঠানোর নিয়ম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ইমেইল পড়ার বা গ্রহণের জন্য সাধারণত POP3 বা IMAP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
- প্রোটোকল সংক্রান্ত প্রশ্নে ইমেইল পাঠানো এবং গ্রহণের প্রোটোকলগুলো আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) O(n)
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটিতে যে উত্তর দেওয়া হয়েছে তা একটি স্কিউড বা ক্রমান্বিত বাইনারি সার্চ ট্রির ক্ষেত্রে সত্য। যখন একটি বাইনারি সার্চ ট্রি ক্রমানুসারে ডেটা নিয়ে একপাশে ঝুঁকে পড়ে, তখন এর উচ্চতা ট্রির নোড সংখ্যার সমান হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: বাইনারি সার্চ ট্রি হলো এমন একটি ডেটা স্ট্রাকচার যেখানে প্রতিটি নোডের সর্বোচ্চ দুটি চাইল্ড থাকতে পারে এবং বাম সাবট্রির মান ছোট এবং ডান সাবট্রির মান বড় হয়।
কার্যপদ্ধতি: সাধারণ বা সুষম বাইনারি সার্চ ট্রিতে অনুসন্ধান বা সার্চ করতে গাছের উচ্চতা অর্থাৎ লগারিদমিক সময় লাগে। কিন্তু ট্রি যদি পুরোপুরি ভারসাম্যহীন বা স্কিউড হয়, তবে এটি একটি লিংকড লিস্টের মতো কাজ করে এবং পুরো ট্রি স্ক্যান করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১ থেকে ৫ পর্যন্ত ক্রমবর্ধমান সংখ্যাগুলো কোনো ব্যালেন্সিং ছাড়া বাইনারি সার্চ ট্রিতে ইনপুট দিলে ট্রিটি কেবল ডান দিকে বাড়তে থাকে।
ব্যাখ্যা: এই অবস্থায় ডেটা খুঁজতে রুট থেকে শেষ নোড পর্যন্ত ক্রমানুসারে যেতে হয়, যা রৈখিক বা লিনিয়ার সময় নেয়।
উদাহরণ ২: একটি ফোনবুকের ডেটা যদি আগে থেকেই সাজানো থাকে এবং সেটি দিয়ে ভুলভাবে বাইনারি সার্চ ট্রি তৈরি করা হয়।
ব্যাখ্যা: ফলে প্রতিটি নাম খুঁজতে একটির পর একটি চেক করতে হয়, যা বৃক্ষাকারের সুবিধা নষ্ট করে ফেলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) O(n) — ট্রিটি ভারসাম্যহীন বা স্কিউড হলে ডেটা সার্চ বা ট্রাভার্স করতে সর্বোচ্চ এই পরিমাণ সময় বা লিনিয়ার টাইম প্রয়োজন হয়।
B) O(nlog₂n) — এই টাইম কমপ্লেক্সিটি সাধারণত দক্ষ সর্টিং অ্যালগরিদম যেমন মের্জ সোর্ট বা কুইক সোর্টের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, সাধারণ বাইনারি সার্চ ট্রির ক্ষেত্রে নয়।
C) O(log₂n) — এটি একটি সুষম বা ব্যালেন্সড বাইনারি সার্চ ট্রির ক্ষেত্রে সঠিক টাইম কমপ্লেক্সিটি, কিন্তু প্রশ্নটিতে নির্দিষ্ট কোনো শর্ত না থাকায় সাধারণ ক্ষতিকর রূপ ধরা হয়েছে।
D) O(n²) — এই টাইম কমপ্লেক্সিটি সাধারণত বাজেভাবে কাজ করা সর্টিং অ্যালগরিদম যেমন বাবল সোর্টের ক্ষেত্রে দেখা যায়, সাধারণ বাইনারি সার্চ ট্রিতে নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাইনারি সার্চ ট্রি মানেই সবসময় লগারিদমিক সময় নয়, ট্রি একপাশে বাঁকা হলে লিনিয়ার বা এন সময় লাগবে।
ব্যালেন্সড ট্রির ক্ষেত্রে লগারিদমিক এবং আনব্যালেন্সড ট্রির ক্ষেত্রে লিনিয়ার সময় হিসাব করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডেটা স্ট্রাকচারের টাইম কমপ্লেক্সিটি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
ভালো পারফরম্যান্সের জন্য সেলফ ব্যালেন্সিং ট্রি যেমন এভিএল ট্রি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) SMTP
১. কেন সঠিক:
- SMTP এর পূর্ণরূপ Simple Mail Transfer Protocol এবং এটি ই-মেইল পাঠানোর কাজে ব্যবহৃত মূল প্রোটোকল।
- ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এক সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে বা ক্লায়েন্ট থেকে মেইল সার্ভারে বার্তা প্রেরণের জন্য এটি নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: SMTP হলো ইন্টারনেট প্রোটোকল সুইটের একটি অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার প্রোটোকল যা ই-মেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- কার্যপদ্ধতি: এটি প্রেরকের কম্পিউটার থেকে মেইল সার্ভারে এবং সেখান থেকে প্রাপকের মেইল সার্ভারে বার্তা স্থানান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
- ব্যবহার: মূলত ই-মেইল পাঠানোর সময় এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় নোটিফিকেশন পাঠানোর কাজে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জিমেইল থেকে অন্য কারও আউটলুক ঠিকানায় একটি ই-মেইল পাঠানো।
ব্যাখ্যা: আপনি সেন্ড বাটনে ক্লিক করার পর আপনার মেইল ক্লায়েন্ট SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করে প্রাপকের সার্ভারে বার্তাটি পৌঁছে দেয়।
উদাহরণ ২: ব্যাংকিং ওয়েবসাইট থেকে আপনার লেনদেনের ই-মেইল রসিদ পাঠানো।
ব্যাখ্যা: সিস্টেমের ব্যাকএন্ড সার্ভার SMTP ব্যবহার করে আপনার ঠিকানায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ই-মেইলটি পাঠিয়ে দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Telnet — এটি রিমোট কম্পিউটারে লগইন করার জন্য ব্যবহৃত একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল, যা ই-মেইল আদান-প্রদানের সাথে সম্পৃক্ত নয়।
B) SMTP — এটি ই-মেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত সঠিক এবং নির্দিষ্ট প্রোটোকল।
C) SSH — এটি নিরাপদ উপায়ে রিমোট কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল, ই-মেইলের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
D) DHCP — এটি নেটওয়ার্কের ডিভাইসগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইপি অ্যাড্রেস প্রদান করে, যা ই-মেইল সার্ভিসের কাজ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মেইল পাঠানোর জন্য S মানে Send অর্থাৎ SMTP মনে রাখতে পারেন।
- ই-মেইল রিসিভ করার জন্য POP3 বা IMAP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ই-মেইল পাঠানোর প্রোটোকল কোনটি, যার উত্তর হবে SMTP।
- ই-মেইল গ্রহণের প্রোটোকল হিসেবে POP3 এবং IMAP এর নাম মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) Router
১. কেন সঠিক:
- রাউটার হলো লেয়ার থ্রি বা নেটওয়ার্ক লেয়ারের ডিভাইস যা ব্রডকাস্ট ট্রাফিক ব্লক করে কেবল নির্দিষ্ট গন্তব্যে ডেটা পাঠায়।
- এটি বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে এবং সাবনেট তৈরি করে ব্রডকাস্ট ডোমেইন ছোট রাখতে সাহায্য করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: রাউটার হলো এমন একটি বুদ্ধিমান নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্যাকেট রুট বা পথ নির্ধারণ করে।
- কার্যপদ্ধতি: এটি আইপি অ্যাড্রেস বিশ্লেষণ করে এবং ডেটা কোন পথে গেলে দ্রুত পৌঁছাবে তা নির্ধারণ করে ব্রডকাস্ট ট্রাফিক আটকে দেয়।
- ব্যবহার: ল্যান ও ওয়ান সংযোগ করতে, অফিস বা হোম নেটওয়ার্কে ইন্টারনেট বিতরণে এবং ব্রডকাস্ট ঝামলা এড়াতে রাউটার ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা ও চট্টগ্রাম অফিসের দুটি আলাদা নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করতে রাউটার ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: রাউটার নিশ্চিত করে যেন ঢাকার ব্রডকাস্ট ট্রাফিক অপ্রয়োজনে চট্টগ্রামে গিয়ে নেটওয়ার্ক স্লো না করে।
উদাহরণ ২: হোম ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে আইএসপি থেকে আসা সংযোগ ভাগ করতে রাউটার ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা: এটি ঘরের ভেতরের ডিভাইসগুলোর লোকাল ট্রাফিক নিজেদের মধ্যে রেখে বাইরের ব্রডকাস্ট ও ইন্টারনেট ট্রাফিক সুশৃঙ্খল রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Hub — হাব হলো ফিজিক্যাল লেয়ারের ডিভাইস যা সমস্ত ইনকামিং সিগন্যাল সব পোর্টে ব্রডকাস্ট করে, তাই এটি ব্রডকাস্ট আটকাতে পারে না।
B) Router — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি ব্রডকাস্ট ট্রাফিক ব্লক করতে সক্ষম এবং ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করে।
C) Switch — সুইচ সাধারণত ডেটা লিঙ্ক লেয়ারে কাজ করে এবং ম্যাক অ্যাড্রেস ফিল্টার করে, তবে স্ট্যান্ডার্ড সুইচ ব্রডকাস্ট ট্রাফিক আটকাতে পারে না।
D) RJ45 — এটি কোনো নেটওয়ার্ক ডিভাইস নয়, বরং ইথারনেট কেবলের সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত এক ধরনের কানেক্টর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- হাব এবং সুইচ হলো লোকাল নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা ব্রডকাস্ট ছড়ায় বা পাস করে, আর রাউটার হলো সীমানা রক্ষী যা ব্রডকাস্ট ট্রাফিক আটকে দেয়।
- ব্রডকাস্ট আটকাতে চাইলে লেয়ার থ্রি ডিভাইস বা রাউটারের বিকল্প নেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ব্রডকাস্ট ডোমেইন বড় করার জন্য হাব ও সুইচ ব্যবহার করা হয়, আর ছোট বা সীমিত করার জন্য রাউটার ব্যবহার করা হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন ডিভাইস ব্রডকাস্ট ডোমেইন বিভক্ত করে, যার উত্তর হলো রাউটার।
সঠিক উত্তর: B) Hub
১. কেন সঠিক:
স্টার টপোলজিতে সব কম্পিউটার বা ডিভাইস একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইসের সাথে যুক্ত থাকে।
এই কেন্দ্রীয় ডিভাইসটিকে হাব (Hub) বা সুইচ বলা হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: হাব হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত এমন একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা একাধিক ডিভাইসকে একসাথে যুক্ত করে।
কার্যপদ্ধতি: এটি নেটওয়ার্কের একটি নোড থেকে ডেটা রিসিভ করে এবং তা ব্রডকাস্ট করে অন্য সব নোডে ছড়িয়ে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি অফিস কক্ষের ৫টি কম্পিউটার একটি সেন্ট্রাল ডিভাইসের মাধ্যমে যুক্ত করা হলো।
ব্যাখ্যা: এখানে সেন্ট্রাল ডিভাইস হিসেবে হাব ব্যবহার করে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা LAN তৈরি করা হয়।
উদাহরণ ২: স্কুল ল্যাবের কম্পিউটারগুলোর তার একটিমাত্র কেন্দ্রীয় বাক্সে এসে মিলিত হয়।
ব্যাখ্যা: এই কেন্দ্রীয় বাক্স বা হাব ডেটা আদান-প্রদান নিয়ন্ত্রণ করে নেটওয়ার্ক সচল রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Node — নোড হলো নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত যেকোনো স্বতন্ত্র ডিভাইস বা কম্পিউটার, কেন্দ্রীয় কন্ট্রোলার নয়।
B) Hub — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্টার টপোলজিতে এটি কেন্দ্রীয় ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
C) Router — রাউটার ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা পথ দেখায়, যা একক LAN-এর স্টার টপোলজির সেন্ট্রাল কন্ট্রোলার নয়।
D) Modem — মডেম অ্যানালগ ও ডিজিটাল সংকেতের রূপান্তর করে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়, নেটওয়ার্কের কেন্দ্রীয় কন্ট্রোলার নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
স্টার টপোলজি দেখতে অনেকটা তারার মতো, যার মাঝখানে থাকে হাব।
মাঝখানের বিন্দু বা হাব নষ্ট হলে পুরো নেটওয়ার্ক অচল হয়ে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
স্টার টপোলজিতে প্রতিটি ডিভাইস স্বাধীনভাবে কেন্দ্রীয় ডিভাইসের সাথে যুক্ত থাকে।
একটি ক্যাবল নষ্ট হলে শুধু সেই ডিভাইসটি বিচ্ছিন্ন হয়, বাকি নেটওয়ার্ক সচল থাকে।
সঠিক উত্তর: A) 192.169.10.10
১. কেন সঠিক:
আইপি ঠিকানার ক্ষেত্রে প্রাইভেট রেঞ্জের বাইরে অবস্থিত আইপি ঠিকানাগুলো সাধারণত পাবলিক আইপি হিসেবে গণ্য করা হয়।
এখানে বিকল্পগুলোতে প্রাইভেট আইপি অ্যাড্রেসের নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড রেঞ্জ পর্যালোচনা করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: আইপি অ্যাড্রেস বা ইন্টারনেট প্রোটোকল অ্যাড্রেস হলো ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি ডিভাইসের একটি অদ্বিতীয় ঠিকানা।
শ্রেণিবিভাগ: আইপি অ্যাড্রেস মূলত দুই প্রকার, যেমন পাবলিক আইপি যা ইন্টারনেটে সরাসরি দৃশ্যমান এবং প্রাইভেট আইপি যা লোকাল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাসার ওয়াইফাই রাউটার থেকে মোবাইল বা ল্যাপটপে যে আইপি স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রদান করা হয় তা প্রাইভেট আইপি।
ব্যাখ্যা: এই আইপিগুলো শুধু ঘরের ভেতরের লোকাল নেটওয়ার্কে ডিভাইসগুলোকে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আইএসপি আমাদের মডেমকে যে আইপি দেয় তা পাবলিক আইপি।
ব্যাখ্যা: এই আইপি বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের সাথে যোগাযোগ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 192.169.10.10 — এটি প্রাইভেট আইপি রেঞ্জের অন্তর্ভুক্ত নয় কারণ ক্লাস সি প্রাইভেট রেঞ্জটি 192.168.0.0 থেকে 192.168.255.255 পর্যন্ত সীমাবদ্ধ।
B) 11.5.10.10 — এটি ক্লাস এ পাবলিক আইপি অ্যাড্রেসের একটি বৈধ ঠিকানা যা ইন্টারনেটে রাউটেবল।
C) 1.1.1.1 — এটি ক্লাউডফ্লেয়ারের পাবলিক ডিএনএস সার্ভারের একটি সুপরিচিত পাবলিক আইপি অ্যাড্রেস।
D) 172.16.5.3 — এটি ক্লাস বি প্রাইভেট আইপি রেঞ্জের 172.16.0.0 থেকে 172.175.255.255 সীমার মধ্যে অবস্থিত একটি বৈধ প্রাইভেট আইপি অ্যাড্রেস।
৫. মনে রাখার টিপস:
ক্লাস এ প্রাইভেট আইপি শুরু হয় ১০.০.০.০ থেকে।
ক্লাস বি প্রাইভেট আইপি শুরু হয় ১৭২.১৬.০.০ থেকে এবং ক্লাস সি শুরু হয় ১৯২.১৬৮.০.০ থেকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
নেটওয়ার্কিং পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাইভেট ও পাবলিক আইপি চেনার জন্য এই নির্দিষ্ট রেঞ্জগুলো থেকে প্রশ্ন করা হয়।
আইপিভি ফোর সংস্করণে প্রাইভেট রেঞ্জ মুখস্থ রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) ৬ KHZ
১. কেন সঠিক:
- এমপ্লিটিউড মডুলেশন বা এএম এ ক্যারিয়ার সিগন্যালকে তথ্য সিগন্যাল দিয়ে মডুলেট করলে মডুলেটেড সিগন্যালের ব্যান্ডউইথ তথ্য সিগন্যালের ব্যান্ডউইথের দ্বিগুণ হয়।
- প্রশ্নে তথ্য সিগন্যালের ব্যান্ডউইথ ৩ KHZ দেওয়া আছে, তাই মডুলেটেড সিগন্যালের ব্যান্ডউইথ হবে ৩ KHZ গুণ ২ সমান ৬ KHZ।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: এএম বা এমপ্লিটিউড মডুলেশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে বাহক বা ক্যারিয়ার সিগন্যালের বিস্তার মডুলেটিং সিগন্যালের বিস্তার অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়।
- কার্যপদ্ধতি: মডুলেশনের ফলে ক্যারিয়ার ফ্রিকোয়েন্সির উভয়পাশে দুটি সাইডব্যান্ড তৈরি হয়, যাকে আপার সাইডব্যান্ড এবং লোয়ার সাইডব্যান্ড বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রেডিও সম্প্রচার
ব্যাখ্যা: এএম রেডিও স্টেশনে এই মডুলেশন পদ্ধতি ব্যবহার করে অডিও সিগন্যাল দূরদূরান্তে পাঠানো হয়।
উদাহরণ ২: ওয়াকিটকি যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: অ্যানালগ যোগাযোগ ব্যবস্থায় এই প্রযুক্তির মাধ্যমে সিগন্যাল দীর্ঘ দূরত্বে প্রেরণ করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩০ HZ - এই মানটি সঠিক সূত্রের হিসাবের সঙ্গে মেলে না কারণ এটি ব্যান্ডউইথের সঠিক দ্বিগুণ মান নয়।
B) ৩ KHZ - এটি শুধুমাত্র ইনপুট বা মডুলেটিং সিগন্যালের ব্যান্ডউইথ, মডুলেটেড সিগন্যালের মোট ব্যান্ডউইথ নয়।
D) ৬০০ HZ - এই মানটি ভুল গণনার কারণে এসেছে এবং এটি সঠিক উত্তর নির্ধারণের নিয়মের বাইরে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- এএম মডুলেশনের ক্ষেত্রে ব্যান্ডউইথ বের করতে হলে তথ্য সিগন্যালের ব্যান্ডউইথকে সবসময় দুই দিয়ে গুণ করতে হয়।
- মনে রাখবে, মডুলেটেড ব্যান্ডউইথ সমান ২ গুণ ম্যাক্সিমাম ফ্রিকোয়েন্সি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এএম মডুলেশনে মোট ব্যান্ডউইথ সমান ২ গুণ সর্বোচ্চ মডুলেটিং ফ্রিকোয়েন্সি।
- এই ধরনের গাণিতিক সমস্যাগুলো বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) ARP
১. কেন সঠিক:
- ARP এর পূর্ণরূপ হলো Address Resolution Protocol.
- এটি নেটওয়ার্কে একটি আইপি অ্যাড্রেসের বিপরীতে নির্দিষ্ট ফিজিক্যাল বা ম্যাক অ্যাড্রেস খুঁজে বের করতে কাজ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ARP হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল যা লজিক্যাল অ্যাড্রেসকে ফিজিক্যাল অ্যাড্রেসে রূপান্তর করে।
- কার্যপদ্ধতি: লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে কোনো ডিভাইস আইপি অ্যাড্রেস জানলেও ডেটা পাঠানোর জন্য ম্যাক অ্যাড্রেস প্রয়োজন হয়, যা এআরপি প্রোটোকল ব্রডকাস্ট করে সংগ্রহ করে।
- ব্যবহার: লোকাল নেটওয়ার্কে আইপি থেকে ম্যাক অ্যাড্রেস ম্যাপিং বা খোঁজার জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লোকাল প্রিন্টার
ব্যাখ্যা: কম্পিউটার প্রিন্টারের আইপি অ্যাড্রেস জানলেও প্রিন্ট ডেটা পাঠাতে এআরপি প্রোটোকলের মাধ্যমে প্রিন্টারের ম্যাক অ্যাড্রেস জেনে নেয়।
উদাহরণ ২: সুইচযুক্ত নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা: সুইচ ডেটা ফরোয়ার্ড করার সময় ম্যাক অ্যাড্রেস ব্যবহার করে, আর আইপি থেকে সেই ম্যাক অ্যাড্রেস বের করতে এআরপি কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) RIP — এটি একটি রাউটিং প্রোটোকল যা নেটওয়ার্কে ডেটা পাঠানোর সবচেয়ে ভালো পথ নির্ধারণ করে, আইপি থেকে ম্যাক অ্যাড্রেস বের করে না।
B) BGP — এটি অটোনমাস সিস্টেমগুলোর মধ্যে রাউটিং তথ্য আদান-প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়, ম্যাক অ্যাড্রেসের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
C) ARP — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি আইপি অ্যাড্রেস থেকে ম্যাক অ্যাড্রেস বের করার কাজটি নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করে।
D) TCP — এটি একটি কানেকশন-ওরিয়েন্টেড ট্রান্সপোর্ট লেয়ার প্রোটোকল যা নির্ভরযোগ্য ডেটা ডেলিভারি নিশ্চিত করে, অ্যাড্রেস রেজোলিউশন করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ARP মানে Address Resolution Protocol, যা আইপি থেকে ম্যাক অ্যাড্রেস খুঁজে বের করে।
- এভাবে মনে রাখতে পারো যে এটি আইপিকে ম্যাকের ঠিকানায় পৌঁছে দেয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নেটওয়ার্ক প্রোটোকলের কাজ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- আইপি থেকে ম্যাক জানার প্রোটোকল হলো এআরপি, আর ম্যাক থেকে আইপি জানার প্রোটোকল হলো রিভার্স এআরপি বা RARP.
সঠিক উত্তর: C) Root
১. কেন সঠিক:
Max-Heap হলো একটি বিশেষ ধরনের বাইনারি ট্রি ডেটা স্ট্রাকচার যেখানে প্রতিটি প্যারেন্ট নোডের মান তার চাইল্ড নোডগুলোর মানের চেয়ে বড় বা সমান হয়। এই নিয়মের কারণে ট্রি-র একদম উপরের বা প্রধান নোডটিতে সবসময় ডেটাসেটের সবচেয়ে বড় মানটি সংরক্ষিত থাকে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: Max-Heap হলো একটি কমপ্লিট বাইনারি ট্রি যেখানে হিপ প্রপার্টি মেনে চলে এবং রুট নোডে সর্বোচ্চ মান থাকে।
কার্যপদ্ধতি: নতুন কোনো ডেটা ইনসার্ট করার সময় তা নিচের লেভেলে যুক্ত হয় এবং বড় হলে উপরে উঠে আসে যা হিপাফাই নামে পরিচিত।
বৈশিষ্ট্য: এর উচ্চতা কম হয় এবং এটি প্রায় সম্পূর্ণ বাইনারি ট্রি হিসেবে মেমোরিতে অ্যারে আকারে সংরক্ষিত থাকে।
ব্যবহার: প্রায়োরিটি কিউ এবং হিপ সর্ট অ্যালগরিদমে সবচেয়ে বড় বা ছোট ডেটা দ্রুত খুঁজে পেতে এটি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি কাজের তালিকায় জরুরি কাজগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া।
ব্যাখ্যা: Max-Heap ব্যবহার করে সবচেয়ে জরুরি বা বড় প্রায়োরিটির কাজটিকে সবসময় সবার আগে রুট থেকে সম্পাদন করা যায়।
উদাহরণ ২: গেম ডেভেলপমেন্টে খেলোয়াড়দের স্কোর ম্যানেজ করা।
ব্যাখ্যা: সর্বোচ্চ স্কোরধারী খেলোয়াড়কে খুঁজে বের করতে Max-Heap এর রুট নোড সরাসরি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Leaf — লিফ নোড বা পাতার নোডগুলো একেবারে নিচে থাকে এবং এগুলোতে সাধারণত তুলনামূলক ছোট মান বা হিপের শেষ প্রান্তের ডেটা থাকে।
B) Internal node — ইন্টারনাল নোড হলো সেইগুলো যার অন্তত একটি চাইল্ড থাকে, কিন্তু এগুলো রুট নয় বিধ W সর্বোচ্চ মান ধারণ করে না।
D) Outside — হিপ ডেটা স্ট্রাকচারের কাঠামোর বাইরে কোনো ডেটা থাকার সুযোগ নেই, সমস্ত ডেটা ট্রি এর ভেতরেই নোড হিসেবে থাকে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ম্যাক্স হিপ মানে সর্বোচ্চ মান আর সর্বোচ্চ মান সবসময় গাছের চূড়ায় বা রুটে থাকে।
রুট শব্দটির অর্থ শিকড় বা ভিত্তি হলেও বাইনারি ট্রির ক্ষেত্রে এটি ওপরের বা প্রধান নোডকে বোঝায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
Min-Heap ডেটা স্ট্রাকচারে সবচেয়ে ছোট নম্বরটি রুট নোডে থাকে।
কম্পিউটার সায়েন্সে প্রায়োরিটি কিউ বাস্তবায়নে হিপ ডেটা স্ট্রাকচার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: C) d
১. কেন সঠিক:
সি প্রোগ্রামিংয়ে প্রিন্টএফ ফাংশনে পার্সেন্টেজ সি ফরম্যাট স্পেসিফায়ার ব্যবহার করলে কম্পিউটারের মেমোরিতে থাকা সংখ্যার সমতুল্য অ্যাসকি ক্যারেক্টার আউটপুট হিসেবে প্রদর্শিত হয়।
এখানে ১০০ সংখ্যার জন্য অ্যাসকি স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষর ডি প্রিন্ট হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: অ্যাসকি বা আমেরিকান স্ট্যান্ডার্ড কোড ফর ইনফরমেশন ইন্টারচেঞ্জ হলো এমন একটি কোডিং পদ্ধতি যার মাধ্যমে কম্পিউটারের বোধগম্য সংখ্যাকে মানুষের পাঠযোগ্য অক্ষরে রূপান্তর করা হয়।
কার্যপদ্ধতি: সি প্রোগ্রাম চালুর পর মেমোরি থেকে ১০০ সংখ্যাটি নিয়ে ফরম্যাট স্পেসিফায়ারের নির্দেশে তাকে সংশ্লিষ্ট বর্ণে রূপান্তর করে পর্দার সামনে দেখায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রিন্টএফ ফাংশনে পার্সেন্টেজ সি এবং ৬৫ লিখলে আউটপুট হিসেবে বড় হাতের এ অক্ষরটি প্রদর্শিত হবে।
ব্যাখ্যা: কারণ ইংরেজি বড় হাতের এ অক্ষরের অ্যাসকি মান হলো পঁয়ষট্টি।
উদাহরণ ২: প্রিন্টএফ ফাংশনে পার্সেন্টেজ সি এবং সাতচল্লিশ লিখলে ফরওয়ার্ড স্ল্যাশ চিহ্নটি আউটপুট হিসেবে আসবে।
ব্যাখ্যা: এটি দেখায় যে কম্পিউটারের ভেতরে প্রতিটি অক্ষরের জন্য একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা নির্ধারিত থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০০ — ফরম্যাট স্পেসিফায়ার পার্সেন্টেজ ডি ব্যবহার না করে পার্সেন্টেজ সি ব্যবহার করায় সরাসরি সংখ্যাটি প্রিন্ট না হয়ে তার ক্যারেক্টার রূপ প্রিন্ট হয়েছে।
B) one hundred — প্রোগ্রামিং ভাষার ক্ষেত্রে সংখ্যাকে সরাসরি বানান করে লেখার কোনো নিয়ম বা স্বয়ংক্রিয় সুবিধা সি ভাষায় নেই।
D) ০ — এখানে প্রিন্ট করার জন্য ১০০ সংখ্যাটি নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, তাই শূন্য আউটপুট আসার কোনো সুযোগ নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
অ্যাসকি টেবিল মনে রাখার সহজ উপায় হলো ইংরেজি ছোট হাতের এ শুরু হয় সাতানব্বই থেকে এবং বড় হাতের এ শুরু হয় পঁয়ষট্টি থেকে।
এই নির্দিষ্ট মানগুলোর সাথে ক্রমানুসারে যোগ করে পরবর্তী অক্ষরগুলো সহজেই হিসাব করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সি প্রোগ্রামিংয়ের কোড দিয়ে আউটপুট চাওয়া হয় যেখানে অ্যাসকি মান এবং ফরম্যাট স্পেসিফায়ারের কাজ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হয়।
ফরম্যাট স্পেসিফায়ার পরিবর্তন করলে একই সংখ্যার ভিন্ন আউটপুট আসতে পারে যেমন পার্সেন্টেজ ডি দিলে ১০০ আসত।
সঠিক উত্তর: A) মহেশখালী
১. কেন সঠিক:
সোনাদিয়া দ্বীপটি বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নে অবস্থিত।
এটি বঙ্গোপসাগরের একটি ছোট দ্বীপ এবং পরিবেশগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য: সোনাদিয়া দ্বীপ তার জীববৈচিত্র্য, ম্যানগ্রোভ বন এবং বিরল প্রজাতির সামুদ্রিক জীবের জন্য বিখ্যাত।
অর্থনৈতিক ও কৌশলগত গুরুত্ব: সরকারের গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা এবং ইকো-ট্যুরিজম প্রকল্পের কারণে দ্বীপটি বিশেষভাবে পরিচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সেন্ট মার্টিন দ্বীপ যেমন টেকনাফ উপজেলার অন্তর্ভুক্ত, তেমনি সোনাদিয়া দ্বীপ মহেশখালী উপজেলার অন্তর্ভুক্ত।
ব্যাখ্যা: ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রশাসনিক সীমানা নির্ধারণের ক্ষেত্রে দ্বীপগুলো নিকটবর্তী উপজেলার অধীনে পরিচালিত হয়।
উদাহরণ ২: মহেশখালী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মধ্যে কুতুবজোম ইউনিয়ন এই দ্বীপটির প্রশাসনিক দায়িত্ব বহন করে।
ব্যাখ্যা: স্থানীয় প্রশাসন ও উন্নয়নের কাজ এই প্রশাসনিক কাঠামোর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মহেশখালী — এটি সঠিক উত্তর কারণ সোনাদিয়া দ্বীপ প্রশাসনিকভাবে মহেশখালী উপজেলার অংশ।
B) হাতিয়া — হাতিয়া একটি পৃথক দ্বীপ উপজেলা যা নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত, তাই এটি সঠিক নয়।
C) কুতুবদিয়া — কুতুবদিয়া একটি স্বতন্ত্র দ্বীপ উপজেলা এবং এটি মহেশখালী থেকে আলাদা।
D) টেকনাফ — টেকনাফ কক্সবাজার জেলার অপর একটি উপজেলা যেখানে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ অবস্থিত, সোনাদিয়া নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সোনাদিয়া দ্বীপের নামের সাথে মহেশখালী উপজেলা মনে রাখতে মহেশখালীর সাথে সোনাদিয়া যুক্ত করে একটি ছোট ছন্দ মনে রাখা যায়।
কক্সবাজার জেলার দ্বীপগুলোর মধ্যে মহেশখালী উপজেলার সাথে সোনাদিয়া দ্বীপ সরাসরি যুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলাদেশের বিভিন্ন দ্বীপ ও তার প্রশাসনিক অবস্থান প্রায়ই আসে।
সোনাদিয়া দ্বীপটি প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবেও পরীক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ জ্ঞান।
সঠিক উত্তর: A) Black-box testing
১. কেন সঠিক:
- সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে ব্ল্যাক-বক্স টেস্ট হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে পরীক্ষক কোডের অভ্যন্তরীণ গঠন বা সোর্স কোড না জেনেই শুধু ইনপুট দিয়ে আউটপুট পরীক্ষা করেন।
- এটি মূলত সিস্টেমের ফাংশনালিটি এবং ব্যবহারকারীর প্রত্যাশা অনুযায়ী ইনপুট-আউটপুট ঠিকমতো কাজ করছে কি না তা নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ব্ল্যাক-বক্স টেস্ট হলো সফটওয়্যার টেস্টিংয়ের একটি কৌশল যেখানে অভ্যন্তরীণ কোডের গঠন না দেখে কেবল ইনপুট ও আউটপুট যাচাই করা হয়।
- কার্যপদ্ধতি: সিস্টেমে নির্দিষ্ট ইনপুট প্রদান করে প্রত্যাশিত আউটপুট পাওয়া যাচ্ছে কি না তা ব্ল্যাক-বক্স পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্যালকুলেটর অ্যাপ
ব্যাখ্যা: ক্যালকুলেটরে দুই যোগ দুই ইনপুট দিলে ফলাফল চার আউটপুট আসে কি না, তা ব্ল্যাক-বক্স পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করা হয়, ভেতরের কোড দেখা হয় না।
উদাহরণ ২: এটিএম বুথ
ব্যাখ্যা: ডেবিট কার্ড প্রবেশ করিয়ে পিন নম্বর দিয়ে টাকা তোলার সময় সিস্টেম সঠিক আউটপুট দিচ্ছে কি না তা ব্ল্যাক-বক্স টেস্টের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Black-box testing - এটি সঠিক উত্তর কারণ এর মাধ্যমেই সিস্টেমের ইনপুট ও আউটপুট ঠিক আছে কি না তা যাচাই করা হয়।
B) Integration testing - এটি আলাদা আলাদা মডিউলগুলোকে একসাথে যুক্ত করে সেগুলো একসাথে ঠিকমতো কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
C) White-box testing - এটি কোডের অভ্যন্তরীণ গঠন, লজিক ও পাথ পরীক্ষা করার জন্য ব্যবহৃত হয়, যা ইনপুট-আউটপুট যাচাইয়ের চেয়ে কোডিংয়ের ওপর বেশি নির্ভর করে।
D) Load testing - এটি উচ্চ ট্রাফিক বা কাজের চাপে সিস্টেমের সহনশীলতা ও কার্যক্ষমতা মাপার জন্য ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কালো বাক্সের ভেতরে কী আছে তা দেখা যায় না, তাই ব্ল্যাক-বক্স টেস্টে কোডের ভেতরে না তাকিয়ে কেবল বাইরের ইনপুট ও আউটপুট দেখা হয়।
- ইনপুট ও আউটপুট পরীক্ষার কথা থাকলে চোখ বন্ধ করে ব্ল্যাক-বক্স টেস্ট নির্বাচন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সফটওয়্যার টেস্টিং মূলত দুই প্রকার, যথা ব্ল্যাক-বক্স টেস্ট এবং হোয়াইট-বক্স টেস্ট।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কোডের অভ্যন্তরীণ গঠন পরীক্ষা করার পদ্ধতি হিসেবে হোয়াইট-বক্স টেস্ট এবং ইনপুট-আউটপুট পরীক্ষার পদ্ধতি হিসেবে ব্ল্যাক-বক্স টেস্ট প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) Broadcast
১. কেন সঠিক:
- DHCP discover message হলো নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার জন্য ক্লায়েন্টের পাঠানো প্রথম বার্তা, যার উদ্দেশ্য সার্ভারকে খুঁজে বের করা।
- নতুন ক্লায়েন্টের কাছে কোনো IP address না থাকায় সে নির্দিষ্ট কোনো প্রাপককে লক্ষ্য করে বার্তা পাঠাতে পারে না।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: DHCP-এর পূর্ণরূপ Dynamic Host Configuration Protocol এবং Broadcast হলো এমন একমুখী যোগাযোগ পদ্ধতি যেখানে একটি উৎস থেকে প্রেরಿತ ডেটা একই নেটওয়ার্কের সব ডিভাইসের কাছে পৌঁছে যায়।
- কার্যপদ্ধতি: ক্লায়েন্ট ডিভাইস নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হওয়ার সাথে সাথে আইপি ঠিকানার জন্য সব ডিভাইসের কাছে একটি উন্মুক্ত বার্তা সম্প্রচার করে।
- ব্যবহার: লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে নতুন ডিভাইস স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইপি ঠিকানা পাওয়ার জন্য এই বার্তা ব্যবহার করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্লাসরুমে শিক্ষকের রোল কল।
ব্যাখ্যা: শিক্ষক নির্দিষ্ট কারো নাম না ধরে পুরো ক্লাসের উদ্দেশ্যে কথা বলেন যেন সবাই শুনতে পায়, যা ব্রডকাস্টের অনুরূপ।
উদাহরণ ২: শহরের মাইকে জরুরি ঘোষণা।
ব্যাখ্যা: মাইকের মাধ্যমে দেওয়া বার্তা যেমন এলাকার সবাই একসাথে শুনতে পায়, তেমনি ব্রডকাস্ট বার্তাও নেটওয়ার্কের সবাই গ্রহণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Unicast — ইউনিপাস্ট হলো এক থেকে একের যোগাযোগ, কিন্তু ডিসকভার মেসেজ পাঠানোর সময় ক্লায়েন্ট সার্ভারের আইপি ঠিকানা জানে না বলে এটি ইউনিপাস্ট হতে পারে না।
B) Multicast — মাল্টিকাস্ট হলো নির্দিষ্ট একটি গ্রুপের ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগ, কিন্তু ডিসকভার মেসেজের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট গ্রুপ নির্ধারিত থাকে না।
D) Anycast — এনিকাস্ট হলো সবচেয়ে কাছের নোডের সাথে যোগাযোগ করার পদ্ধতি, যা সাধারণ লোকাল নেটওয়ার্কে আইপি বরাفتের প্রাথমিক ধাপে ব্যবহৃত হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- DHCP Discover হলো আইপি খোঁজার প্রথম ধাপ এবং নতুন ডিভাইস একা হওয়ায় সে সবাইকে একসাথে ডেকে সাহায্য চায়, তাই এটি Broadcast।
- ব্রডকাস্ট মানে সবাইকে একসাথে জানানো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- DHCP প্রোটোকল স্বয়ংক্রিয়ভাবে IP address, Subnet mask এবং Gateway প্রদান করে।
- ডিসকভার মেসেজ ছাড়াও DHCP offer এবং DHCP request বার্তাগুলোর কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) Class C
১. কেন সঠিক:
আইপি ঠিকানায় প্রথম অক্টোটে মান ১ শত ৯২ থাকায় এটি ক্লাস সি এর অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
ক্লাস সি এর নেটওয়ার্ক পরিসর ১ শত ৯২ থেকে ২ শত ২৩ পর্যন্ত নির্ধারিত থাকে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: আইপি এড্রেস হলো ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি ডিভাইসের একটি অদ্বিতীয় ঠিকানা।
কার্যপদ্ধতি: এটি নেটওয়ার্কে ডিভাইসগুলোকে শনাক্ত করতে এবং ডেটা সঠিক গন্তব্যে পাঠাতে সাহায্য করে।
শ্রেণিবিভাগ: আইপি ভি ফোর ঠিকানাকে মূলত পাঁচটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাসা বা ছোট অফিসের ওয়াইফাই রাউটার।
ব্যাখ্যা: এগুলোতে সাধারণত ১ শত ৯২ দশমিক ১৬৮ দশমিক ১ দশমিক ১ আইপি ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক।
ব্যাখ্যা: ছোট পরিসরের নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলোকে সংযুক্ত করতে এই শ্রেণির আইপি বহুল ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Class A — এটি বড় নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয় যার প্রথম অক্টোটের মান ১ থেকে ১২৬ এর মধ্যে থাকে।
B) Class B — এটি মাঝারি নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয় যার প্রথম অক্টোটের মান ১২৮ থেকে ১৯১ এর মধ্যে থাকে।
C) Class C — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর প্রথম অক্টোটের মান ১৯২ থেকে ২২৩ এর মধ্যে রয়েছে।
D) Class D — এটি মাল্টিপ্লাস্টিং এর জন্য সংরক্ষিত যার প্রথম অক্টোটের মান ২২৪ থেকে ২৩৯ এর মধ্যে থাকে।
৫ মনে রাখার টিপস:
ক্লাস এ শুরু হয় ১ থেকে, ক্লাস বি ১২৮ থেকে, এবং ক্লাস সি ১৯২ থেকে শুরু হয়।
প্রথম অক্টোটের মান মুখস্থ রাখলে যেকোনো আইপি কোন ক্লাসের তা সহজেই চেনা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
আইপি ভি ফোর ঠিকানায় মোট বত্রিশ বিট থাকে যা চারটি অক্টোটে বিভক্ত।
বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই আইপি ক্লাসের পরিসর থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) Bitwise OR
১. কেন সঠিক:
প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি প্রযুক্তিগতভাবে ভুল। প্রদত্ত উত্তর ছিল Bitwise OR, কিন্তু সঠিক উত্তর হবে C) Addition।
কম্পিউটারের সিপিইউ (CPU)-তে বিটওয়াইজ অপারেশন বা অন্যান্য গাণিতিক অপারেশনের তুলনায় সাধারণ যোগ (Addition) বা ফ্লটিং পয়েন্ট যোগ সবচেয়ে দ্রুত গতিতে সম্পন্ন হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: সিপিইউ হলো সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট, যা কম্পিউটারের মস্তিষ্ক হিসেবে কাজ করে এবং সব নির্দেশাবলী নির্বাহ করে।
কার্যপদ্ধতি: সিপিইউর ভেতরে অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট বা এএলইউ মৌলিক গাণিতিক এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হার্ডওয়্যার স্তরে সরাসরি সম্পন্ন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাধারণ পূর্ণসংখ্যার যোগ
ব্যাখ্যা: সিপিইউ একটি ক্লক সাইকেল বা খুব কম সময়ে দুটি সাধারণ সংখ্যার যোগ সম্পন্ন করতে পারে, যা অন্যান্য জটিল কাজের চেয়ে দ্রুত।
উদাহরণ ২: বিটওয়াইজ অপারেশন
ব্যাখ্যা: বিটওয়াইজ ওর বা অন্যান্য লজিক্যাল অপারেশনগুলো ঠিকই দ্রুত হয়, তবে হার্ডওয়্যারে সাধারণ যোগ সার্কিটের গঠন আরও সরাসরি হওয়ায় যোগের গতিই সবচেয়ে বেশি ধরা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Multiplication — গুণের কাজ করতে সিপিইউর ভেতরে একাধিক ক্লক সাইকেল বা ধারাবাহিক যোগের প্রয়োজন হয়, তাই এটি যোগের চেয়ে ধীরগতির।
B) Bitwise OR — এটি একটি লজিক্যাল অপারেশন যা বেশ দ্রুত কাজ করে, তবে মৌলিক গাণিতিক যোগের হার্ডওয়্যার অপ্টিমাইজেশন আরও উন্নত হওয়ায় এটি যোগের চেয়ে দ্রুত নয়।
C) Addition — এটি সবচেয়ে মৌলিক এবং দ্রুততম গাণিতিক অপারেশন যা সিপিইউর এএলইউ সরাসরি এক চক্রে সম্পন্ন করতে পারে।
ডি) Division — ভাগের কাজ করতে সিপিইউর অনেকগুলো ক্লক সাইকেল এবং জটিল অ্যালগরিদমের প্রয়োজন হয়, তাই এটি সবচেয়ে ধীরগতির অপারেশন।
৫ মনে রাখার টিপস:
সিপিইউর হার্ডওয়্যারে যোগের সার্কিট সবচেয়ে সহজ ও সরলভাবে তৈরি করা থাকে।
তাই যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গাণিতিক গতির তুলনার ক্ষেত্রে যোগ বা Addition কে সবচেয়ে দ্রুতগতির অপারেশন হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সিপিইউর ভেতরের এএলইউ অংশটি গাণিতিক এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো সম্পন্ন করার প্রধান দায়িত্ব পালন করে।
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের নির্দেশনার গতি সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) DNS
১. কেন সঠিক:
- DNS-এর পূর্ণরূপ হলো Domain Name System। এটি হিউম্যান-রেডেবল ডোমেইন নেমকে মেশিন-রেডেবল আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করে।
- ইন্টারনেটে প্রতিটি ডিভাইসের নির্দিষ্ট আইপি ঠিকানা থাকে, যা মনে রাখা কঠিন হওয়ায় মানুষ নাম ব্যবহার করে এবং DNS তা ম্যাপ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: DNS হলো এমন একটি ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ সিস্টেম যা ডোমেইন নামকে আইপি ঠিকানায় অনুবাদ করে।
- কার্যপদ্ধতি: ব্রাউজারে নাম লেখার পর DNS সার্ভার তা খুঁজে আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করে ব্রাউজারে সংযোগ স্থাপন করে।
- ব্যবহার: ব্রাউজারে ডোমেইন নাম লিখে ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে এটি কাজ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: google.com লেখা
ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী ব্রাউজারে google.com লিখলে DNS সার্ভার তাকে সংশ্লিষ্ট আইপি ঠিকানায় ম্যাপ করে সাইটটি খোলে।
উদাহরণ ২: ই-মেইল পাঠানো
ব্যাখ্যা: মেইল পাঠানোর সময় সার্ভারের আইপি ঠিকানা খুঁজে পেতেও DNS ম্যাপিংয়ের সাহায্য নেওয়া হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) HTTP — এটি হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রোটোকল, যা ওয়েব পেজ ব্রাউজারে প্রদর্শনের জন্য ডেটা আদান-প্রদান করে।
B) SMTP — এটি সিম্পল মেইল ট্রান্সফার প্রোটোকল, যা ই-মেইল পাঠানোর কাজে ব্যবহৃত হয়।
C) DNS — এটি ডোমেইন নেমকে আইপি ঠিকানায় ম্যাপ করে, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন সি সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- DNS মানে ডোমেইন নেম সিস্টেম, যা নামের সাথে আইপি ঠিকানার অনুবাদক হিসেবে কাজ করে।
- ফোনবুকের নামের সাথে যেমন ফোন নম্বর মেলানো হয়, DNS ঠিক একইভাবে কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- DNS সাধারণত পোর্ট নম্বর ৫৩ ব্যবহার করে কাজ সম্পন্ন করে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রোটোকল ও তাদের নির্দিষ্ট কাজ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) Full observable
১. কেন সঠিক:
চেস গেম বা দাবা খেলার এনভায়রনমেন্ট হলো ফুল অবজারেবল বা পূর্ণ পর্যবেক্ষণযোগ্য। কারণ খেলোয়াড় বোর্ডের বর্তমান অবস্থা, প্রতিপক্ষের সব গুটি এবং নিজের সব গুটির অবস্থান সম্পূর্ণ দেখতে ও জানতে পারে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে পরিবেশ বা এনভায়রনমেন্ট হলো এমন একটি জগৎ যেখানে কোনো এজেন্ট কাজ করে। ফুল অবজারেবল এনভায়রনমেন্টে এজেন্টের সেন্সর যেকোনো মুহূর্তে পরিবেশের সম্পূর্ণ তথ্য নিখুঁতভাবে সংগ্রহ করতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দাবা বা লুডু খেলা
ব্যাখ্যা: এই খেলাগুলোতে বোর্ডের প্রতিটি গুটির অবস্থান চোখের সামনে পরিষ্কার থাকে, তাই এখানে কোনো তথ্য লুকিয়ে থাকে না।
উদাহরণ ২: টিক ট্যাক টো খেলা
ব্যাখ্যা: এই খেলায় ঘরগুলো এবং সেখানে থাকা ক্রস বা সার্কেলগুলো পরিষ্কারভাবে দৃশ্যমান থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Stochastic — স্টোকাস্টিক এনভায়রনমেন্টে ভবিষ্যৎ অবস্থা অনিশ্চিত এবং ভাগ্যের ওপর নির্ভর করে, যা দাবা খেলায় প্রযোজ্য নয়।
B) Full observable — এটি সঠিক উত্তর কারণ দাবা খেলায় কোনো তথ্য গোপন থাকে না এবং সম্পূর্ণ বোর্ড দৃশ্যমান থাকে।
C) Partially observabled — পারশিয়ালি অবজারেবল এনভায়রনমেন্টে পরিবেশের সব তথ্য একসাথে জানা যায় না, যেমন তাসের খেলায় প্রতিপক্ষের পাতা অদৃশ্য থাকে।
D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
দাবার বোর্ডে সব গুটি সামনে খোলা থাকে, তাই চোখ বন্ধ না করে সম্পূর্ণ দেখা যায় বলে এটি ফুল অবজারেবল। কার্ড গেম বা তাস খেলায় তথ্য লুকিয়ে থাকে বলে তা পারশিয়ালি অবজারেবল হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরীক্ষায় এজেন্টের এনভায়রনমেন্টের প্রকারভেদ যেমন ফুল অবজারেবল বনাম পারশিয়ালি অবজারেবল থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) Internet Explorer
১. কেন সঠিক:
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার হলো একটি ওয়েব ব্রাউজার, কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা নেটওয়ার্ক নয়।
- এটি মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক তৈরিকৃত একটি সফটওয়্যার যা ইন্টারনেট থেকে তথ্য খোঁজা ও প্রদর্শন করতে ব্যবহৃত হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ওয়েব ব্রাউজার হলো এমন একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীকে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা ডব্লিউ ডব্লিউ ডব্লিউ এবং বিভিন্ন ওয়েব পেজ দেখার সুযোগ করে দেয়।
- কার্যপদ্ধতি: এটি ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ওয়েবসাইটের ঠিকানা বা ইউআরএল গ্রহণ করে এবং ইন্টারনেট প্রোটোকলের মাধ্যমে সার্ভার থেকে ডেটা এনে কম্পিউটারের পর্দায় প্রদর্শন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গুগল ক্রোম বা মজিলা ফায়ারফক্স।
ব্যাখ্যা: এগুলো ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের মতোই এক একটি জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার, যার মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা যায়।
উদাহরণ ২: ফেসবুক বা লিংকডইন।
ব্যাখ্যা: এগুলো হলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, যেখানে ব্যবহারকারীরা অ্যাকাউন্ট খুলে নিজেদের মধ্যে তথ্য ও ছবি আদান-প্রদান করতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Linkedin — এটি একটি পেশাদার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) Google + — এটি গুগলের একটি সাবেক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছিল, তাই এটি এখানে ভুল উত্তর।
C) Internet Explorer — এটি একটি ওয়েব ব্রাউজার এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয়, তাই এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) twitter — এটি বর্তমানে এক্স বা একটি জনপ্রিয় মাইক্রোব্লগিং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, তাই এটি ভুল উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, ক্রোম, সাফারি এবং মজিলা ফায়ারফক্স হলো ব্রাউজার।
- ফেসবুক, টুইটার, লিংকডইন এবং ইনস্টাগ্রাম হলো সোশ্যাল মিডিয়া নেটওয়ার্ক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং এর পরিবর্তে মাইক্রোসফট এজ ব্যবহার করা হয়।
- পরীক্ষার জন্য ওয়েব ব্রাউজার এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) Adjacency list
১. কেন সঠিক:
গ্রাফ ডেটা স্ট্রাকচার মেমোরিতে সংরক্ষণের জন্য অ্যাডজাসেন্সি লিস্ট বা সংলগ্নতা তালিকা অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি পদ্ধতি।
এই পদ্ধতিতে প্রতিটি নোডের সাথে সংযুক্ত বা সংলগ্ন নোডগুলোর একটি তালিকা বা লিংড লিস্ট রাখা হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: অ্যাডজাসেন্সি লিস্ট হলো গ্রাফের শীর্ষবিন্দুগুলোর একটি সংগ্রহ, যেখানে প্রতিটি শীর্ষবিন্দুর নিজস্ব একটি তালিকা থাকে যা তার প্রতিবেশী বিন্দুগুলোকে নির্দেশ করে।
কার্যপদ্ধতি: গ্রাফে যদি কম সংখ্যক সংযোগ বা এজ থাকে, তবে এই পদ্ধতিতে মেমোরি সাশ্রয় হয় কারণ শুধু বিদ্যমান সংযোগগুলো সংরক্ষণ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফেসবুকের বন্ধু তালিকা।
ব্যাখ্যা: ফেসবুকের প্রতিটি ব্যবহারকারীকে একটি নোড এবং তাদের বন্ধুত্বের সম্পর্ককে এজ হিসেবে ধরে অ্যাডজাসেন্সি লিস্ট তৈরি করা যায়।
উদাহরণ ২: গুগল ম্যাপে রাস্তার নেটওয়ার্ক।
ব্যাখ্যা: বিভিন্ন মোড় বা ইন্টারসেকশনগুলোকে নোড এবং রাস্তাগুলোকে এজ ধরে এই তালিকা তৈরি করে স্বল্পতম দূরত্ব নির্ণয় করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Queue — কিউ হলো ফার্স্ট ইন ফার্স্ট আউট বা ফিফো নীতিতে কাজ করা ডেটা স্ট্রাকচার যা গ্রাফ সংরক্ষণের জন্য সরাসরি ব্যবহৃত হয় না।
B) Stack — স্ট্যাক হলো লাস্ট ইন ফার্স্ট আউট বা লিফো নীতিতে কাজ করা ডেটা স্ট্রাকচার যা গ্রাফের ডেপথ ফার্স্ট সার্চ বা ডিএফএস ট্রাভার্সেলে লাগে।
D) Pointer — পয়েন্টার হলো মেমোরি অ্যাড্রেস ধারণ করার একটি ভেরিয়েবল, যা দিয়ে বিভিন্ন ডেটা স্ট্রাকচার তৈরি করা গেলেও একা গ্রাফ রিপ্রেজেন্ট করতে পারে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
গ্রাফ রিপ্রেজেন্টেশনের প্রধান দুটি উপায় হলো অ্যাডজাসেন্সি ম্যাট্রিক্স এবং অ্যাডজাসেন্সি লিস্ট।
মেমোরি কম লাগলে লিস্ট এবং দ্রুত এজ চেক করতে হলে ম্যাট্রিক্স ব্যবহৃত হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার বিজ্ঞান ও আইসিটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডেটা স্ট্রাকচার থেকে প্রায়ই গ্রাফ রিপ্রেজেন্টেশনের প্রশ্ন আসে।
অ্যাডজাসেন্সি লিস্ট স্পেস বা মেমোরি এফিশিয়েন্ট হওয়ায় স্পার্স গ্রাফের জন্য এটি সেরা পছন্দ।
সঠিক উত্তর: D) Transport
১. কেন সঠিক:
- কনজেশন কন্ট্রোল বা যানজট নিয়ন্ত্রণ বলতে নেটওয়ার্কে ডেটার অতিরিক্ত চাপ সামলানোকে বোঝায় যাতে ডেটা প্যাকেট হারিয়ে না যায়।
- OSI মডেলের ট্রান্সপোর্ট লেয়ার এন্ড-টু-এন্ড ডেটা ডেলিভারি এবং ফ্লো ও কনজেশন কন্ট্রোল নিশ্চিত করার প্রধান দায়িত্ব পালন করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: কনজেশন কন্ট্রোল হলো নেটওয়ার্কের একটি প্রক্রিয়া যা অতিরিক্ত ট্রাফিক বা ডেটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে নেটওয়ার্ক ধীর হওয়া রোধ করে।
- কার্যপদ্ধতি: ট্রান্সপোর্ট লেয়ারে প্রেরক ও গ্রাহক ডিভাইসের মধ্যে উইন্ডো সাইজ সমন্বয় করে ডেটা পাঠানোর গতি বাড়ানো বা কমানো হয়।
- বৈশিষ্ট্য: এটি নেটওয়ার্কের কার্যক্ষমতা বজায় রাখতে এবং ডেটা লস কমাতে সরাসরি সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা শহরের সিগন্যাল ব্যবস্থা।
ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত গাড়ি রাস্তায় নামলে যেমন ট্রাফিক পুলিশ সিগন্যাল নিয়ন্ত্রণ করে জ্যাম কমায়, তেমনি ট্রান্সপোর্ট লেয়ার ডেটার জ্যাম কমায়।
উদাহরণ ২: ইন্টারনেট থেকে বড় ফাইল ডাউনলোড।
ব্যাখ্যা: সার্ভার থেকে আপনার কম্পিউটারে ফাইল আসার গতি ইন্টারনেটের অবস্থার ওপর ভিত্তি করে ট্রান্সপোর্ট লেয়ার স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Physical — ফিজিক্যাল লেয়ার কেবল বা মাধ্যম দিয়ে বিট আকারে ডেটা স্থানান্তরিত করে, এখানে কনজেশন কন্ট্রোলের কাজ হয় না।
B) Data link — ডেটা লিংক লেয়ার নোড-টু-নোড ডেটা স্থানান্তর ও ত্রুটি সংশোধন করে, কিন্তু বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক কনজেশন নিয়ন্ত্রণ করে না।
C) Network — নেটওয়ার্ক লেয়ার রাউটিং ও লজিক্যাল অ্যাড্রেসিং এর কাজ করে, তবে এন্ড-টু-এন্ড কনজেশন কন্ট্রোল এর মূল কাজ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ট্রান্সপোর্ট লেয়ার টিপস: টি ফর ট্রান্সপোর্ট এবং টি ফর ট্রাফিক কন্ট্রোল বা কনজেশন কন্ট্রোল মনে রাখতে পারেন।
- OSI মডেলের চার নম্বর লেয়ার হলো ট্রান্সপোর্ট লেয়ার যা নির্ভরযোগ্য যোগাযোগ নিশ্চিত করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় OSI মডেলের লেয়ারগুলোর কাজ বারবার আসে।
- ট্রান্সপোর্ট লেয়ারের প্রধান দুটি প্রোটোকল হলো টিসিপি এবং ইউডিপি।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)