বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯।

পদের নাম: প্রশাসনিক কর্মকর্তা (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a বুদ্ধদেব বসু
b অমিয় চক্রবর্তী
c জীবনানন্দ দাশ
d বিষ্ণু দে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - 'বনলতা সেন' আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - ১৯৪২ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা আধুনিক কাব্যাঙ্গনে অত্যন্ত গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ বিংশ শতাব্দীর ত্রয়ী দশকের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি এবং বাংলা কবিতায় রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত। - 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থে কবির নিসর্গপ্রীতি, ইতিহাসচেতনা এবং ক্লান্তি ও একাকীত্বের সুর অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঝরাপালক ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: মহাপৃথিবী ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে বিশ্বযুদ্ধের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — তিনি তিরিশের দশকের অন্যতম প্রধান কবি ও সাহিত্যিক হলেও 'বনলতা সেন' তাঁর কাব্যগ্রন্থ নয়। B) অমিয় চক্রবর্তী — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রগতিশীল কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ খসড়া, তবে বনলতা সেন তাঁর রচনা নয়। C) জীবনানন্দ দাশ — এটি সঠিক উত্তর। D) বিষ্ণু দে — তিনি রবীন্দ্রোত্তর আধুনিক ধারার মার্কসবাদী চিন্তার কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ চোরাবালি, কিন্তু বনলতা সেন তাঁর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - হাজার বছর ধরে পথ হাঁটা ক্লান্ত প্রাণ এবং বনলতা সেনের দেখা পাওয়ার চিরন্তন আকুতির কথা মনে রাখলেই কবি জীবনানন্দ দাশকে চিনে নেওয়া সহজ হয়। - এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটির নাম এবং কবির নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত ঘন ঘন আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থগুলো যেমন ধূসর পাণ্ডুলিপি, বেলা অবেলা কালবেলা ইত্যাদি বারবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - কবিদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নামগুলো আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়লে সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a দেশি
b বিদেশি
c তৎসম
d খাঁটি বাংলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তৎসম ১. কেন সঠিক: - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'ণ-ত্ব' ও 'ষ-ত্ব' বিধান অনুসৃত হয়। - তৎসম শব্দ হলো সেই সংস্কৃত শব্দ যা অপরিবর্তিত রূপে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয় এবং এতে সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম কার্যকর থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'ণ-ত্ব' ও 'ষ-ত্ব' বিধান হলো তৎসম শব্দে মূর্ধন্য 'ণ' এবং মূর্ধন্য 'ষ'-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়ম। - বাংলা বা অপসংস্কৃত শব্দে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়, কেবল সংস্কৃত থেকে আসা শব্দের বানানেই এটি বাধ্যতামূলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৃণ ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ এবং এখানে ট-বর্গীয় ধ্বনির সাথে মূর্ধন্য 'ণ' যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: বৃষ্টি ব্যাখ্যা: এটি তৎসম শব্দ যেখানে ঋ-কার বা এর ফলার পর মূর্ধন্য 'ষ' ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেশি — দেশি শব্দে 'ণ-ত্ব' ও 'ষ-ত্ব' বিধান প্রযোজ্য হয় না কারণ এগুলো বাংলা অঞ্চলের আদি ভাষা থেকে এসেছে। B) বিদেশি — বিদেশি শব্দ যেমন আরবি, ফারসি বা ইংরেজি শব্দে এই বিধান অনুসৃত হয় না। D) খাঁটি বাংলা — খাঁটি বাংলা বা তদ্ভব শব্দে এই নিয়ম খাটে না, সেখানে কেবল দন্ত্য 'ন' ও দন্ত্য 'স' ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - তৎসম মানে সংস্কৃত, আর সংস্কৃত ব্যাকরণেই কেবল 'ণ-ত্ব' ও 'ষ-ত্ব' বিধান রয়েছে। - বিদেশি ও দেশি শব্দ দেখলে চোখ বন্ধ করে এই বিধান বাদ দেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দ দিয়ে জানতে চাওয়া হয় কোনটি তৎসম শব্দ এবং সেখানে কোন বিধান খাটবে। - তৎসম শব্দের মূল উৎস সংস্কৃত হওয়ায় এর বানান নির্ণয়ে সবসময় এই দুটি বিধান মাথায় রাখতে হবে।
a তুলনামূলক
b সাম্যবাদ
c প্রতিযোগিতা
d খেসারত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তুলনামূলক ১. কেন সঠিক: - 'Comparative' একটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা পরিভাষা হলো তুলনামূলক। - ইংরেজি ব্যাকরণে যেমন Adjective এর ডিগ্রি বোঝাতে Comparative ব্যবহৃত হয়, তেমনি বাংলায় এর যথাযথ পরিভাষা তুলনামূলক হিসেবে গণ্য করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ মূলত বিদেশি শব্দের পরিমিত ও অর্থপূর্ণ বাংলা রূপ। - প্রশাসনিক, সাহিত্যিক ও দাপ্তরিক কাজে ইংরেজি বা অন্য ভাষার শব্দের সঠিক বাংলা প্রতিশব্দ ব্যবহারের জন্য পারিভাষিক শব্দ জানা অত্যন্ত জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Comparative Study ব্যাখ্যা: এর সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো তুলনামূলক অধ্যয়ন বা গবেষণা। উদাহরণ ২: Comparative Literature ব্যাখ্যা: এর সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো তুলনামূলক সাহিত্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুলনামূলক — এটি সঠিক উত্তর। B) সাম্যবাদ — এটি 'Communism' শব্দের পরিভাষা, যা সমাজব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত। C) প্রতিযোগিতা — এটি 'Competition' শব্দের পরিভাষা, যা প্রতিদ্বন্দ্বিতা বোঝায়। D) খেসারত — এটি 'Compensation' বা ক্ষতিপূরণ শব্দের পরিভাষা। ৫ মনে রাখার টিপস: - Comparative শব্দের মূলে রয়েছে Compare যার অর্থ তুলনা করা। - তাই এর পরিভাষায় তুলনামূলক শব্দটি থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি পারিভাষিক শব্দের বাংলা রূপ প্রায়ই আসে। - আইন, প্রশাসন ও শিক্ষা সংক্রান্ত ইংরেজি শব্দের পরিভাষা ভালোভাবে চর্চা করা উচিত।
a বিদ্রোহ ও বিপ্লবের আবেগ
b স্বরাজ প্রতিষ্ঠা
c প্রকৃতি বন্দনা
d প্রেম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিদ্রোহ ও বিপ্লবের আবেগ ১. কেন সঠিক: - কাজী নজরুল ইসলামের 'বিদ্রোহী' কবিতায় শোষিত মানুষের পক্ষে এবং অন্যায় শাসনের বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিবাদ ও বিপ্লবের সুর ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - এই কবিতার মূল ভাবনা হলো পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে মানুষের মুক্তি ও স্বাধিকার অর্জন করা এবং অন্যায়ের বিনাশ করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'বিদ্রোহী' কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক-বিপ্লবী ধারার অনন্য সৃষ্টি যা ১৯২১ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত হয়। - কবি কাজী নজরুল ইসলাম এই কবিতার মাধ্যমে নিজেকে মুক্তিসেনানী হিসেবে উপস্থাপন করেছেন এবং বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সকল অসাম্য ও শোষণের অবসান চেয়েছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের 'প্রলয়োল্লাস' কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতাতেও বিদ্রোহী কবিতার মতো ধ্বংসের মধ্য দিয়ে নতুন সৃষ্টির এবং বিপ্লবের জয়গান গাওয়া হয়েছে। উদাহরণ ২: সুকান্ত ভট্টাচার্যের 'অনাগত' কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় বিদ্রোহ ও বিপ্লবের মাধ্যমে বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার অঙ্গীকার প্রকাশ পেয়েছে যা বিদ্রোহী কবিতার ভাবের সঙ্গে মেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্রোহ ও বিপ্লবের আবেগ — এটি সঠিক কারণ কবিতার মূল সুরই হলো তীব্র প্রতিবাদ ও বিপ্লব। B) স্বরাজ প্রতিষ্ঠা — এটি রাজনৈতিক লক্ষ্য হতে পারে কিন্তু কবিতার মূল সাহিত্যিক সুরটি সরাসরি সামগ্রিক বিদ্রোহের। C) প্রকৃতি বন্দনা — প্রকৃতি বন্দনা রোমান্টিক কবিতার বৈশিষ্ট্য হলেও এই কবিতার মূল লক্ষ্য মানবমুক্তি ও বিদ্রোহ। D) প্রেম — কবিতায় কিছু প্রেমের উপাদান থাকলেও সামগ্রিক সুরটি প্রেমের চেয়ে বিপ্লব ও সংগ্রামের। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিদ্রোহী বলতেই চোখে ভেসে ওঠে নজরুল এবং তাঁর বিপ্লবের বাণী। - এই কবিতার প্রথম চরণ থেকে শেষ চরণ পর্যন্ত শুধু বিদ্রোহ ও বিজয়ের উল্লাস প্রকাশ পেয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - 'বিদ্রোহী' কবিতাটি কবির 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। - এই ধরনের সাহিত্য প্রশ্নে কবিতার মূল সুর বা অন্তর্নিহিত ভাবটি ভালোভাবে অনুধাবন করতে হয়।
a অক্কা পাওয়া
b কেউকেটা
c কান পাতলা
d কেতাদুরস্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অক্কা পাওয়া ১. কেন সঠিক: অক্কা পাওয়া বাগধারাটির আক্ষরিক ও বিশেষার্থ হলো মারা যাওয়া বা প্রাণত্যাগ করা। বাংলা ভাষায় আকস্মিক মৃত্যু বা মারা যাওয়া বোঝাতে এই জনপ্রিয় বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দসমষ্টি যা তাদের সাধারণ বা আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে আকর্ষণীয়ভাবে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকস্মিক দুর্ঘটনায় লোকটি অবশেষে অক্কা পেল। ব্যাখ্যা: এখানে হঠাৎ করে মৃত্যুর ঘটনা বোঝাতে অক্কা পাওয়া বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: অতিরিক্ত গরমে বয়োবৃদ্ধ মানুষটি শেষ পর্যন্ত অক্কা পেলেন। ব্যাখ্যা: এখানে বয়োবৃদ্ধ ব্যক্তির প্রাণ হারানোর ঘটনা প্রকাশ করতে এই বাগধারাটি সফলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্কা পাওয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ মারা যাওয়া। B) কেউকেটা — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ বিশিষ্ট বা প্রভাবশালী ব্যক্তি। C) কান পাতলা — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ সহজে বিশ্বাসপ্রবণ বা অন্যের কথায় বিশ্বাস স্থাপনকারী। D) কেতাদুরস্ত — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ পরিপাটি বা শিষ্টাচারসম্পন্ন। ৫. মনে রাখার টিপস: অক্কা পাওয়া মানে সোজা না ফেরার দেশে যাওয়া বা মারা যাওয়া। জীবনের শেষ অঙ্ক শেষ হয়ে যাওয়ার সঙ্গে অক্কা শব্দটির মিল খুঁজে পেতে পারেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জীবনমৃত্যু সংক্রান্ত বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। তাই মারা যাওয়া অর্থ প্রকাশকারী অন্য বাগধারা যেমন অনন্ত ধামে যাওয়া বা চিরবিদায় নেওয়াগুলোও চর্চা রাখবেন।
a ১৯১৩ খ্রিঃ
b ১৯১২ খ্রিঃ
c ১৯১৪ খ্রিঃ
d ১৯২০ খ্রিঃ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯১৩ খ্রিঃ ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি তাঁর গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ সংগ অফারিংস বা Song Offerings এর জন্য এ সম্মান অর্জন করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম বাঙালি ও এশীয় হিসেবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ১৯১২ খ্রিস্টাব্দে গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হয় এবং পরের বছর তাকে এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডব্লিউ বি ইয়েটসের ভূমিকা ব্যাখ্যা: গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের ভূমিকা লিখেছিলেন বিখ্যাত আইরিশ কবি উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস। উদাহরণ ২: সুইডিশ একাডেমি ব্যাখ্যা: সুইডিশ একাডেমি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সাহিত্যের নোবেল পুরস্কার প্রদানের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনীত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৩ খ্রিঃ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আনুষ্ঠানিকভাবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। B) ১৯১২ খ্রিঃ — এই সালে গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ লন্ডনে প্রকাশিত হয় কিন্তু নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয় পরের বছর। C) ১৯১৪ খ্রিঃ — এই সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং এটি নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির সাল নয়। D) ১৯২০ খ্রিঃ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল প্রাপ্তির সাল নয় বরং এটি ভিন্ন একটি ঐতিহাসিক সময়কাল। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পান, সংখ্যাটি মনে রাখতে ১৯১২ সালে অনুবাদ প্রকাশের সালটি মাথায় রাখতে পারো। অনুবাদ প্রকাশের এক বছর পরই তিনি এই বিশ্ববাসীর সম্মান লাভ করেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে এবং কোন গ্রন্থের জন্য নোবেল পান তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদের নাম এবং প্রকাশের সাল ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a তৃষ্ণা + আর্ত
b তৃষ্ণা + ঋত
c তৃষ্ণা + ঋর্ত
d তৃষ্ণা + রিত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তৃষ্ণা + ঋত ১. কেন সঠিক: - তৃষ্ণার্ত শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো তৃষ্ণা যোগ ঋত। এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। - অ বা আ এর পর ঋ থাকলে উভয়ে মিলে অর্ হয় এবং তা আগের ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অ বা আ এর পর ঋ থাকলে উভয় মিলে অর্ হয় এবং তা রেফ হিসেবে আগের বর্ণের উপরে বসে। - তৃষ্ণা শব্দের শেষের অ এবং ঋত শব্দের ঋ মিলে অর্ হয়েছে এবং ত এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে তৃষ্ণার্ত রূপ গঠন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্ষুধা + ঋত = ক্ষুধার্ত ব্যাখ্যা: ক্ষুধার্ত শব্দের ক্ষেত্রেও অ এবং ঋ মিলে অর্ হয়ে এই সন্ধি সাধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মহা + ঋষি = মহর্ষি ব্যাখ্যা: মহা শব্দের আ এবং ঋষি শব্দের ঋ মিলে অর্ হয়েছে এবং মহর্ষি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৃষ্ণা + আর্ত — এখানে আর্ত শব্দটির আ এবং তৃষ্ণা শব্দের আ মিলে অন্য নিয়ম হয়, যা সঠিক নয়। C) তৃষ্ণা + ঋর্ত — এখানে ঋর্ত বলে কোনো শব্দ বা সঠিক ব্যাকরণগত রূপ নেই। D) তৃষ্ণা + রিত — এখানে রিত শব্দটি ভুল কারণ সন্ধির নিয়মে ঋ হওয়ার কথা ছিল রিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অর্ বা ঋ কারযুক্ত সন্ধির ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দ হিসেবে সাধারণত ঋত বা ঋষি ব্যবহার করা হয়। - আ যোগ ঋ মিলে অর্ হয়, এই সূত্রটি মনে রাখলে এজাতীয় সন্ধি সহজে সমাধান করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বরসন্ধির এই বিশেষ নিয়মটি প্রায়ই পরীক্ষামে আসে। - এই ধরনের সন্ধিতে রেফ বা অর্ এর ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
b মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
c জহির রায়হান
d বুদ্ধদেব বসু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: 'পুতুল নাচের ইতিকথা' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যার রচয়িতা কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজজীবনের পটভূমিতে মানুষের মনস্তত্ত্ব, ভাগ্য এবং জীবনের অসহায়ত্ব অত্যন্ত গভীরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যে ফ্রয়েডীয় মনস্তাত্ত্বিক ও মার্ক্সবাদী দৃষ্টিভঙ্গির প্রবক্তা হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। তার এই উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো শশী ও কুসুম, যা বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিবারাত্রির কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা আরেকটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: পদ্মার নদী মাঝি ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত পদ্মা নদীর জেলের জীবনভিত্তিক সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি বিখ্যাত প্রকৃতিবাদী ঔপন্যাসিক, যার অমর সৃষ্টি পথের পাঁচালী। B) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) জহির রায়হান — ইনি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস আরেক ফাল্গুন এর রচয়িতা। D) বুদ্ধদেব বসু — ইনি রবীন্দ্রোত্তর আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি, প্রাবন্ধিক ও ঔপন্যাসিক। ৫. মনে রাখার টিপস: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত দুটি উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো পুতুল নাচের ইতিকথা ও পদ্মার নদী মাঝি একসাথে মনে রাখা। উপন্যাস দুটির নামকরণে নদীর জল ও গ্রামীণ জীবনের গভীর ছাপ রয়েছে যা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বকীয়তা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস ও তার চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শশী ও কুসুম চরিত্র দুটি কোন উপন্যাসের, এই প্রশ্নটি পরীক্ষায় বারবার এসেছে।
a শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
b মনসামঙ্গল
c চণ্ডীমঙ্গল
d চর্যাপদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন, যা আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতকের মধ্যে রচিত হয়েছে। - মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে তা প্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনা ও ধর্মের গূঢ় তত্ত্ব প্রকাশের জন্য রচিত এক ধরণের গান বা পদ। - ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ঐতিহাসিক ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা বাংলা ভাষার আদি রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবুজের অভিযান ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি আধুনিক সাহিত্যকর্ম হলেও আদি নিদর্শন থেকে শুরু করে বাংলা সাহিত্যের ধারাবাহিক বিকাশ বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: মনসামঙ্গল কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের একটি শাখা, যা প্রাচীন যুগের অনেক পরে রচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — এটি মধ্যযুগের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য, যা বড় চণ্ডীদাসের রচিত বলে অনুমান করা হয় এবং এটি প্রাচীন যুগের নিদর্শন নয়। B) মনসামঙ্গল — এটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার একটি জনপ্রিয় রচনা, যা দেবদেবীকে কেন্দ্র করে রচিত প্রাচীন যুগের পর বিকশিত হয়। C) চণ্ডীমঙ্গল — এটিও মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্যতম ধারা এবং এর রচয়িতা মুকুন্দরাম চক্রবর্তী, যা প্রাচীন যুগের অন্তর্ভুক্ত নয়। D) চর্যাপদ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটিই বাংলা সাহিত্যের সর্বপ্রথম আবিষ্কৃত ও প্রাচীনতম নিদর্শন। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রাচীন নিদর্শন মানেই চর্যাপদ এবং এটি আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, এই দুটি তথ্য একসাথে মনে রাখলে পরীক্ষা ভুল হবে না। - চর্যাপদ শব্দটি দেখলেই ধরে নেবে এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম প্রাপ্ত নিদর্শন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে চর্যাপদের আবিষ্কারক কে এবং এটি কত সালে প্রকাশিত হয়। - প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন বা সাহিত্যের সূত্রপাত হিসেবে চর্যাপদ সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় অত্যন্ত কমন।
a এক
b দুই
c তিন
d চার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুই ১. কেন সঠিক: গঠনগত দিক থেকে বাংলা শব্দ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত। এই দুটি ভাগ হলো মৌলিক শব্দ এবং সাধিত শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙে আলাদা করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে। যেমন হাত, নাক, লাল। অন্যদিকে, যেসব শব্দ মৌলিক শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে কিংবা সমাসবদ্ধ হয়ে গঠিত হয়, সেগুলোকে সাধিত শব্দ বলে। যেমন হাতুড়ে, চলা, সমাজবদ্ধ পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোলাপ ব্যাখ্যা: গোলাপ একটি মৌলিক শব্দ কারণ এটিকে ভাঙলে কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না। উদাহরণ ২: গোলাপি ব্যাখ্যা: গোলাপ শব্দের সঙ্গে ই প্রত্যয় যোগে গঠিত হওয়ায় এটি একটি সাধিত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক — বাংলায় শব্দের গঠনগত শ্রেণি একটি নয়, বরং মৌলিক ও সাধিত এই দুই ভাগে বিভক্ত। B) দুই — এটি সঠিক কারণ গঠনগতভাবে শব্দ কেবল মৌলিক ও সাধিত এই দুই প্রকার। C) তিন — উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে শব্দ তিন প্রকার নয়, বরং পাঁচ প্রকার। D) চার — অর্থগত দিক থেকে শব্দ চার বা তিন প্রকার নয়, বরং প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: গঠন মানেই হলো তৈরি বা গড়ার কাজ, তাই গঠনগত দিক থেকে শব্দ দু প্রকার (মৌলিক ও সাধিত)। মৌলিক মানে আসল আর সাধিত মানে তৈরি করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দের শ্রেণিবিভাগ থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। উৎস, গঠন এবং অর্থগত দিক থেকে শব্দের শ্রেণিবিভাগ ভালোভাবে পড়ে রাখা জরুরি।
a রামায়ণ
b মেঘদূত
c মহাভারত
d শকুন্তলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহাভারত ১. কেন সঠিক: কাশীরাম দাস মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের পরবর্তী যুগের একজন বিখ্যাত অনুবাদক। তিনি মূল সংস্কৃত মহাভারত বাংলায় পদ্যে অনুবাদ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাশীরাম দাস সপ্তদশ শতকের শুরুর দিকে মহাভারত বাংলায় অনুবাদ শুরু করেন। তার অনূদিত মহাভারত বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় কাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃত্তিবাস ওবায়দুর রহমানের রামায়ণ অনুবাদ। ব্যাখ্যা: কৃত্তিবাস ওঝা রামায়ণ বাংলায় অনুবাদ করে মধ্যযুগের সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন। উদাহরণ ২: সৈয়দ সুলতানের নবীবংশ। ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের মুসলিম সাহিত্যিকদের দ্বারা রচিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামায়ণ — এটি কৃত্তিবাস ওঝার অনূদিত গ্রন্থ, কাশীরাম দাসের নয়। B) মেঘদূত — এটি মহাকবি কালিদাসের বিখ্যাত সংস্কৃত কাব্য, যা বাংলায় অনেকেই অনুবাদ করেছেন। D) শকুন্তলা — এটি মূলত মহাকবি কালিদাসের সংস্কৃত নাটক, যা পরবর্তীকালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলায় গদ্যে অনুবাদ করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: মনে রাখার সহজ উপায় হলো কাশীরাম মানে মহাভারত এবং কৃত্তিবাস মানে রামায়ণ। নামের প্রথম অক্ষর বা মিল দিয়ে এটি মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের রচয়িতা ও তাদের গ্রন্থ সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই অনুবাদকদের নাম ও তাদের গ্রন্থ ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
b মাইকেল মধুসূদন দত্ত
c ঈশ্বর গুপ্ত
d ভারতচন্দ্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: বাংলা কবিতায় অমিল অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং ইতালীয় রীতির সনেটের সফল প্রবর্তক হলেন মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তাঁর তিলোত্তমা সম্ভব কাব্যে প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহৃত হয় এবং চতুর্দশপদী কবিতাবলী তাঁর রচিত সনেট সংকলন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি, নাট্যকার ও প্রবর্তক হিসেবে অত্যন্ত পরিচিত ও সম্মানিত। বাংলা কাব্যে পয়ার ছন্দের একঘেয়েমি দূর করার জন্য তিনি অমিল অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং পাশ্চাত্য সাহিত্য থেকে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা প্রবর্তন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর কীর্তি এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক মহাকাব্য। উদাহরণ ২: চতুর্দশপদী কবিতাবলী ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার সংকলন, যা ইতালীয় পেত্রার্কীয় রীতির অনুসরণে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক হলেও বাংলা কবিতায় অমিত্রাক্ষর ছন্দ বা সনেট প্রবর্তন করেননি। B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি বাংলা কবিতায় অমিল অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেটের প্রবর্তক। C) ঈশ্বর গুপ্ত — ইনি যুগের সন্ধিক্ষণের কবি এবং সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক হলেও সনেট বা অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক নন। D) ভারতচন্দ্র — ইনি মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি এবং অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা, যিনি বাংলা সনেট বা অমিত্রাক্ষর ছন্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: মধু মানেই নতুন কিছু, তাই আধুনিক বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেটের নতুন ধারার প্রবর্তন করেছেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেট শব্দ দুটি পেলেই চোখ বন্ধ করে মাইকেল মধুসূদন দত্তকে উত্তর হিসেবে নির্বাচন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রথম সার্থক প্রয়োগ ঘটে তিলোত্তমা সম্ভব কাব্যে এবং মহাকাব্য হিসেবে মেঘনাদবধ কাব্যে। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলা সনেটের প্রবর্তক কে, যার উত্তরও মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
a শহীদুল্লাহ কায়সার
b সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
c রিজিয়া রহমান
d শওকত আলী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শওকত আলী ১. কেন সঠিক: - প্রদোষে প্রাকৃতজন উপন্যাসটি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক শওকত আলীর একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস। - প্রদোষ শব্দের অর্থ রাত্রির প্রারম্ভ বা সন্ধ্যা এবং প্রাকৃতজন অর্থ সাধারণ মানুষ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শওকত আলী বাংলা কথাসাহিত্যে তাঁর বাস্তবসম্মত জীবনচিত্র ও ঐতিহাসিক উপন্যাসের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। - এই উপন্যাসে সেন রাজত্বকালের শেষভাগে বাংলার সাধারণ মানুষের জীবন সংগ্রাম ও সামাজিক বৈষম্যের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ওয়ারিশ ব্যাখ্যা: এটি শওকত আলী রচিত আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা সমাজজীবনের নানা দিক তুলে ধরে। উদাহরণ ২: দক্ষিণায়নের দিন ব্যাখ্যা: এটি শওকত আলীর রচিত ত্রয়ী উপন্যাসের প্রথম খণ্ড, যা সাহিত্যজগতে তাঁকে স্থায়ী আসন দিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শহীদুল্লাহ কায়সার — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও সাংবাদিক হলেও এই উপন্যাসটি তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো সারেং বউ। B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — তিনি আধুনিক বাংলা উপন্যাসের অন্যতম পথকৃৎ, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো লালসালু যা এই প্রশ্নের উত্তর নয়। C) রিজিয়া রহমান — তিনি একজন প্রখ্যাত নারী ঔপন্যাসিক হলেও তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো রক্তে ভেজা মাটি, যা এই উপন্যাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) শওকত আলী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি প্রদোষে প্রাকৃতজন উপন্যাসের রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - শওকত আলীর ঐতিহাসিক উপন্যাস মনে রাখার একটি সহজ উপায় হলো প্রাকৃতজনের প্রদোষকাল মনে রাখা। - লেখকের নামের সঙ্গে উপন্যাসের প্রধান চরিত্র বা পটভূমির সংযোগ ঘটিয়ে সহজেই তা মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক উপন্যাস এবং এর রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে শওকত আলীর ত্রয়ী উপন্যাস যেমন দক্ষিণায়নের দিন, কুপ্রস্তর এবং প্রাকৃতজনের প্রদোষকাল ভালোভাবে পড়তে হবে।
a প্রসূন
b আত্মজ
c অদ্রি
d বামা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আত্মজ ১. কেন সঠিক: - আত্মজ শব্দের অর্থ নিজের শরীর থেকে জন্ম নিয়েছে যে, অর্থাৎ পুত্র বা সন্তান। - আত্ম অর্থ নিজ এবং জ প্রত্যয়যুক্ত হয়ে এই বিশেষ্য পদটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ প্রকরণের অন্তর্গত একটি প্রশ্ন যেখানে শব্দের অর্থের মিল বা সাদৃশ্য বিবেচনা করা হয়। - বাংলা ভাষায় শব্দের উৎস এবং অর্থগত দিক থেকে অনেক শব্দ একই ভাব প্রকাশ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তনয় ব্যাখ্যা: তনয় শব্দটি পুত্র বা সন্তান বোঝাতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত একটি সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: নন্দন ব্যাখ্যা: নন্দন শব্দের অর্থ পুত্র বা ছেলে, যা সাহিত্যিক ও সাধারণ উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রসূন — প্রসূন শব্দের অর্থ ফুল, যা পুত্র শব্দের সমার্থক নয়। B) আত্মজ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) অদ্রি — অদ্রি শব্দের অর্থ পাহাড় বা পর্বত, যা পুত্র শব্দের সমার্থক নয়। D) বামা — বামা শব্দের অর্থ নারী বা স্ত্রীলোক, যা পুত্র শব্দের সমার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আত্ম মানে নিজ এবং জ মানে জাত বা জন্ম, তাই নিজের দেহ থেকে জন্ম যার তিনি আত্মজ বা পুত্র। - পুত্র বোঝাতে আত্মজ, তনয়, নন্দন ও সূত্র শব্দগুলো একসাথে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - মূল শব্দের উৎস এবং ব্যাসবাক্য বা গঠন জানলে সঠিক সমার্থক শব্দ নির্ণয় সহজ হয়।
a চতুর্থী তৎপুরুষ
b প্রাদি তৎপুরুষ
c পঞ্চমী তৎপুরুষ
d তৃতীয়া তৎপুরুষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চতুর্থী তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: - দেবতা শব্দের উদ্দেশ্যে বা নিমিত্ত অর্পিত অর্থে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস সাধিত হয়েছে। - দেবদত্ত পদের ব্যাসব্যাস হলো দেবের উদ্দেশ্যে দত্ত বা দেবকে দত্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি (কে, রে, জন্য, নিমিত্ত) লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস বলে। - সাধারণত নিমিত্ত, জন্য, উদ্দেশ্যে অর্থে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুরুভক্তি ব্যাখ্যা: গুরুর উদ্দেশ্যে ভক্তি, যা চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: বসতবাড়ি ব্যাখ্যা: বসতির জন্য বাড়ি, যা চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের আরেকটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চতুর্থী তৎপুরুষ — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী এটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস। B) প্রাদি তৎপুরুষ — প্র, পরা, অপ ইত্যাদি উপসর্গ পূর্বে বসে যে তৎপুরুষ সমাস হয় তা প্রাদি তৎপুরুষ, এখানে তা হয়নি। C) পঞ্চমী তৎপুরুষ — পূর্বপদে পঞ্চমী বিভক্তি (হতে, থেকে, চেতে) লোপ পেলে পঞ্চমী তৎপুরুষ হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) তৃতীয়া তৎপুরুষ — পূর্বপদে তৃতীয়া বিভক্তি (দ্বারা, দিয়া, কর্তক) লোপ পেলে তৃতীয়া তৎপুরুষ হয়, এখানে তা নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো কিছু উৎসর্গ বা কাউকে দান করা বোঝালে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়। - দেবদত্ত মানে দেবের উদ্দেশ্যে দত্ত, তাই এটি চতুর্থী তৎপুরুষ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কে বা রে বিভক্তি কর্ম কারকে দ্বিতীয়া হলেও সমাসের ক্ষেত্রে নিমিত্ত অর্থে চতুর্থী হয়। - গুরুভক্তি ও বসতবাড়ি সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a শামসুর রাহমান
b হাসান হাফিজুর রহমান
c রফিক আজাদ
d আল মাহমুদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শামসুর রাহমান ১. কেন সঠিক: 'বন্দী শিবির থেকে' হলো বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। কবি শামসুর রাহমান ১৯৭১ সালে অবরুদ্ধ ঢাকায় থেকে গোপনে এই কবিতাগুলো রচনা করেন এবং দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং তাকে বাংলাদেশের নাগরিক কবি বলা হয়। তার কবিতায় নাগরিক জীবন, রাজনৈতিক স্বৈরাচারবিরোধিতা এবং বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের চিত্র অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে ব্যাখ্যা: এটি কবি শামসুর রাহমান রচিত আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা তার কাব্য প্রতিভার অন্যতম নিদর্শন। উদাহরণ ২: ধর্ Algunas দিন ব্যাখ্যা: এটিও কবি শামসুর রাহমান রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ, যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামসুর রাহমান — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থটি তার লেখা। B) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও প্রাবন্ধিক হলেও 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন, তবে তিনি ঐতিহাসিক 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সংকলনের সম্পাদক। C) রফিক আজাদ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার প্রথিতযশা কবি হলেও এই নির্দিষ্ট কাব্যগ্রন্থটির সঙ্গে তার নাম যুক্ত নয়। D) আল মাহমুদ — তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি হলেও 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থের বদলে 'সোনালী কাবিন' তার অমর সৃষ্টি। ৫ মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের অবরুদ্ধ দিনে শামসুর রাহমান বন্দী শিবির থেকে কবিতা লিখেছিলেন। এভাবে কবি ও কাব্যগ্রন্থের ঐতিহাসিক সংযোগটি মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্ম এবং এর রচয়িতা প্রায়ই আসে। এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য লেখকের অন্যান্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনাগুলোও ভালো করে পড়তে হবে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b ডি.এল.রায়
c অতুল প্রসাদ
d আবুল কাশেম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডি.এল.রায় ১. কেন সঠিক: - গানটির রচয়িতা দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, যাকে সংক্ষেপে ডি.এল.রায় বলা হয়। - বসুন্ধরা শব্দের অর্থ পৃথিবী এবং এই গানে বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সমৃদ্ধি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দ্বিজেন্দ্রলাল রায় বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত নাট্যকার, কবি ও গীতিকার। - তার লেখা এই দেশাত্মবোধক গানটি বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় দারুণ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গ আমার জননী আমার ব্যাখ্যা: এটিও দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের লেখা একটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান। উদাহরণ ২: ও আমার দেশের মাটি ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা আরেকটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই গানটির রচয়িতা নন, যদিও তার অনেক দেশাত্মবোধক গান রয়েছে। B) ডি.এল.রায় — এটি সঠিক উত্তর। C) অতুল প্রসাদ — তিনি বিখ্যাত গীতিকার ও সুরকার হলেও এই গানটি তার লেখা নয়। D) আবুল কাশেম — তিনি এই গানের রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধনধান্য পুষ্পভরা গানটি শুনলেই দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের দেশপ্রেমমূলক নাটকের কথা মনে রাখতে পারো। - ডি.এল.রায় মানেই শক্তিশালী দেশাত্মবোধক গান ও ঐতিহাসিক নাটক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত গান ও তার রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের দেশাত্মবোধক গানগুলো ভালোভাবে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে কমন পাওয়া যায়।
a বিশ্ববিদ্যালয়
b পুলিশ লাইনস
c সাভার
d গাজীপুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশ্ববিদ্যালয় ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিশ্ববিদ্যালয় কারণ উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র সুদীপ্ত শাহীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক এবং উপন্যাসের অধিকাংশ ঘটনা আবর্তিত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাকে কেন্দ্র করে। - রাইফেল রোটি আওরাত উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শুরুর দিকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের তৎকালীন ক্রান্তিকালীন জীবন ও মানসিকতার বাস্তব প্রতিফলন ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসটির রচিয়তা আনোয়ার পাশা এবং এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হিসেবে বিশেষভাবে সমাদৃত ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে। - উপন্যাসের নামটির অর্থ হলো রাইফেল, রুটি এবং নারী, যার মাধ্যমে তৎকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা, ধ্বংসযজ্ঞ এবং সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার সংগ্রামকে প্রতীকী অর্থে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেলিনা হোসেনের হাঙ্গর নদী গ্রেনেড ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস যেখানে নারীর আত্মত্যাগের চিত্র ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের জাহান্নাম হইতে বিদায় ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অপর একটি প্রখ্যাত উপন্যাস যা পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বর্বরতার পটভূমিতে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্ববিদ্যালয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ উপন্যাসের মূল পটভূমি ও আখ্যানকেন্দ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। B) পুলিশ লাইনস — এই অপশনটি ভুল কারণ পুলিশ লাইনস এই উপন্যাসের মূল আখ্যানকেন্দ্র বা প্রধান পটভূমি হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। C) সাভার — এই অপশনটি ভুল কারণ সাভার এই উপন্যাসের প্রধান ঘটনাবলির কেন্দ্রবিন্দু বা মূল আখ্যানের স্থান নয়। D) গাজীপুর — এই অপশনটি ভুল কারণ গাজীপুর এই উপন্যাসের মূল পটভূমি বা আখ্যানকেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রাইফেল রোটি আওরাত উপন্যাসের লেখক আনোয়ার পাশা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন, তাই এর আখ্যানকেন্দ্রও বিশ্ববিদ্যালয় হবে এটি এভাবে মনে রাখতে পারো। - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাস হিসেবে আনোয়ার পাশার এই নামটি পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উপন্যাসের রচিয়তা আনোয়ার পাশা ১৯৭১ সালের বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের শিকার হন, যা বিসিএস পরীক্ষার জন্য একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। - একই ধরনের অন্যান্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের নাম ও রচিয়তার তালিকা আলাদা করে পড়লে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কমন পাওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
a ফররুখ আহমদ
b আহসান হাবীব
c সৈয়দ আলী আহসান
d আবুল হোসেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আহসান হাবীব ১. কেন সঠিক: 'আশায় বসতি' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট আধুনিক কবি আহসান হাবীব। এই কাব্যগ্রন্থে কবির নিভৃত রোমান্টিকতা, সামাজিক সচেতনতা এবং জীবনবোধের গভীর প্রকাশ ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি আহসান হাবীব বিংশ শতাব্দীর আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান প্রতিনিধি ও প্রখ্যাত সাংবাদিক। তাঁর কবিতায় নাগরিক জীবন, মধ্যবিত্তের যন্ত্রণাবোধ, একাকীত্ব এবং আশাবাদের সুর অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'রাত্রির শেষ গান' ব্যাখ্যা: এটি আহসান হাবীবের একটি অত্যন্ত প্রশংসিত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: 'বিদীর্ণ দর্পণে মুখ' ব্যাখ্যা: এটিও কবি আহসান হাবীবের একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যা তাঁর কাব্যিক প্রতিভার পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফররুখ আহমদ — তিনি ছিলেন মুসলিম রেনেসাঁসের কবি, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ সাত সাগরের মাঝি। B) আহসান হাবীব — এই অপশনটি সঠিক এবং তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ হলো আশায় বসতি। C) সৈয়দ আলী আহসান — তিনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক, গবেষক ও প্রাবন্ধিক, তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ আমার পূর্ব বাংলা। D) আবুল হোসেন — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম পরিচিত কবি, তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ হাওয়া বদল। ৫. মনে রাখার টিপস: আহসান হাবীবের নামটি মনে রাখলে তাঁর আশাবাদী কাব্যধারার কথা ভাবা যায়, যার একটি চমৎকার উদাহরণ হলো আশায় বসতি। কবির ছদ্মনাম বা অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের সাথে মিলিয়ে এই গ্রন্থটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক যুগের কবিদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই আসে। সাহিত্যিকদের প্রধান কাব্যগ্রন্থের নামগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যায়।
a ভাষা আন্দোলন
b স্বৈরাচার-বিরোধী
c ছাত্র আন্দোলন
d মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুক্তিযুদ্ধ ১. কেন সঠিক: - ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ কাব্যনাট্যটি মূলত ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হয়েছে। - এই নাটকে গ্রামীণ জনপদে মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে সাধারণ মানুষের আতঙ্ক, প্রতিরোধ এবং আশঙ্কার নিখুঁত চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাটকটির রচয়িতা হলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি সৈয়দ শামসুল হক। - এটি মূলত একটি কাব্যনাট্য, যা মঞ্চে অভিনয়ের উপযোগী করে ছন্দে রচিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নুরুলদীনের সারাজীবন ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হকের একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক কাব্যনাট্য। উদাহরণ ২: ঈর্ষা ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত আরেকটি জনপ্রিয় নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষা আন্দোলন — ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত বিখ্যাত নাটক হলো মুনীর চৌধুরীর কবর। B) স্বৈরাচার-বিরোধী — আশির দশকে স্বৈরাচার-বিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে অনেক কবিতা ও গান রচিত হলেও এই নাটকটি এর জন্য নয়। C) ছাত্র আন্দোলন — এটি কোনো ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত সাহিত্যকর্ম নয়। D) মুক্তিযুদ্ধ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং কাব্যনাট্যটির মূল বিষয়বস্তু। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাটক মনে রাখার জন্য কবি নাম ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়টি একসঙ্গে মনে রাখবে। - ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ শুনলেই ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের যুদ্ধের দিনগুলোর কথা মাথায় আনবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কাব্যনাট্যটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রকাশে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।
a সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
b শামসুর রাহমান
c অন্নদাশঙ্কর রায়
d নির্মলেন্দু গুণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অন্নদাশঙ্কর রায় ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত পংক্তিটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক অন্নদাশঙ্কর রায়। - ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মরণে তিনি এই অমর ছড়াটি রচনা করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অন্নদাশঙ্কর রায় ১৯০৪ সালে ওড়িশায় জন্মগ্রহণ করেন এবং বাংলা সাহিত্যকে তাঁর মননশীল প্রবন্ধ ও ছড়ার জন্য সমৃদ্ধ করেন। - তাঁর রচিত এই পংক্তিটি বাঙালির মনে চিরকালীন স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধাবোধের প্রতীক হিসেবে স্থায়ী আসন লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যতকাল রবে পদ্মা মেঘনা গৌরি যমুনা বহমান ব্যাখ্যা: এটি উক্ত কবিতার প্রথম চরণ যা বাংলাদেশের নদীমাতৃক রূপ ও প্রকৃতির চিরন্তন প্রবাহকে প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: ততকাল রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান ব্যাখ্যা: এটি কবিতার দ্বিতীয় চরণ যেখানে নদীগুলোর স্থায়িত্বের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর কীর্তি ও অবদানকে চিরস্মরণীয় করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — ইনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত আধুনিক কবি ও বুদ্ধিবাদী লেখক হলেও এই পংক্তিটি তাঁর নয়। B) শামসুর রাহমান — ইনি বাংলাদেশের প্রধান কবি হলেও এই বিখ্যাত পংক্তিটি তাঁর লেখা নয়। D) নির্মলেন্দু গুণ — ইনি বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক কবিতা লিখলেও এই নির্দিষ্ট পংক্তিটির রচয়িতা অন্নদাশঙ্কর রায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্গবন্ধু ও নদীর নামযুক্ত এই বিখ্যাত পংক্তিটি দেখলে সবসময় অন্নদাশঙ্কর রায়কে মনে রাখবে। - এটি মূলত তাঁর রচিত একটি জনপ্রিয় ছড়া থেকে নেওয়া হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত সাহিত্যিক উদ্ধৃতি কার লেখা, তা প্রায়ই আসে। - এই ধরনের পংক্তি মুখস্থ রাখলে সাহিত্য অংশের নম্বর পাওয়া সহজ হয়।
a এশিয়াটিক সোসাইটি
b শিল্পকলা একাডেমি
c ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
d বাংলা একাডেমি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাংলা একাডেমি ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি বাংলাদেশে প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম ও নীতিমালা প্রণয়ন ও চালু করেছে। - ভাষা ও বানানের শৃঙ্খলা আনতে বাংলা একাডেমি এই প্রমিত রূপ নির্ধারণ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস এবং বানানরীতি সংক্রান্ত প্রশ্ন। - বাংলা বানানকে একরূপ ও পরিচ্ছন্ন করার উদ্দেশ্যে বাংলা একাডেমি প্রথম ১৯৯২ সালে প্রমিত বানানরীতি প্রকাশ করে এবং পরবর্তীতে তা সংশোধন ও পরিবর্ধন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সান্ত্বনা ব্যাখ্যা: প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটি একটি সঠিক বানান যেখানে অনুস্বার ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: পুরস্কার ব্যাখ্যা: প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী বিসর্গ ব্যবহারের সঠিক নিয়ম মেনে এটি লেখা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এশিয়াটিক সোসাইটি — এটি একটি গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠান হলেও প্রমিত বাংলা বানান চালু করার মূল দায়িত্ব পালন করেনি। B) শিল্পকলা একাডেমি — এটি মূলত দেশের চারুকলা ও পারফর্মিং আর্টের বিকাশের সাথে যুক্ত, বানানরীতি প্রণয়নের সঙ্গে নয়। C) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় — এটি দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ হলেও প্রমিত বাংলা বানানের একক নীতিমালা প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান নয়। D) বাংলা একাডেমি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠানটিই প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম প্রণয়ন ও চালু করেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বানান মানেই বাংলা একাডেমি, কারণ বাংলা ভাষার বানান নিয়ন্ত্রণ ও প্রমিতকরণের মূল দায়িত্ব এদের ওপর ন্যস্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা একাডেমি প্রথম প্রমিত বানানরীতি প্রকাশ করে ১৯৯২ সালে এবং পরবর্তীতে ২০১০ সালে এর পরিমার্জিত রূপ প্রকাশ করে।
a সজ্ঞা
b সংজ্ঞা
c সংগা
d সংঙ্গা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সংজ্ঞা ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'সংজ্ঞা' বানানটিতে ওপরে অনুস্বার এবং নিচে জ-ফলাযুক্ত ঞ ব্যবহৃত হয়। - এটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ, যেখানে শব্দের মূল বানান অপরিবর্তিত থাকে এবং নিয়মানুযায়ী ঞ-এর সঙ্গে জ যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে শুদ্ধ বানান বা বানানরীতি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। - তৎসম শব্দে ঞ-এর সঙ্গে জ যুক্ত হয়ে জ-ফলা গঠিত হয় এবং সঠিক উচ্চারণ বজায় রাখতে অনুস্বার ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সঞ্জয় ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও অনুস্বারের পর ঞ-এর সঙ্গে জ যুক্ত হয়ে সঠিক প্রমিত রূপ তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: ব্যঞ্জন ব্যাখ্যা: এটিও একই ব্যাকরণগত নিয়ম ও বর্ণবিন্যাস অনুসরণ করে গঠিত একটি প্রমিত তৎসম শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সজ্ঞা — এই বানানে অনুস্বার বাদ পড়েছে, যা বানানটিকে সম্পূর্ণ ভুল ও অর্থহীন করে তোলে। B) সংজ্ঞা — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর এবং বাংলা একাডেমি কর্তৃক অনুমোদিত প্রমিত রূপ। C) সংগা — এই বানানে জ-ফলার পরিবর্তে গ ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রমিত বাংলা বানানরীতির পরিপন্থী। D) সংঙ্গা — এই বানানে অনুস্বারের সঙ্গে অতিরিক্ত ঙ ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংজ্ঞার সঙ্গে জ-ফলা মনে রাখতে 'সংজ্ঞা' শব্দটি বারবার লিখে প্র্যাকটিস করতে পারো। - মনে রাখবে অনুস্বার এবং জ-ফলাযুক্ত ঞ এর সঠিক মিলনেই শব্দটি গঠিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানান প্রায়ই পরীক্ষকগণ দিয়ে থাকেন। - অনুস্বারযুক্ত শব্দের পরের বর্ণটি কোন বর্গের তা খেয়াল করে সঠিক বর্ণ নির্বাচন করতে হয়।
a জাপানি
b তুর্কি
c ফরাসি
d গুজরাটি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তুর্কি ১. কেন সঠিক: - ‘দারোগা’ শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিভিন্ন বিদেশি শব্দের মধ্যে প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজের অনেক শব্দ তুর্কি ভাষা থেকে এসেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দের উৎস বা শব্দের শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দে ভাগ করা হয়। - বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফারসি, ইংরেজি ছাড়াও পর্তুগিজ, তুর্কি, ফরাসি, ওলন্দাজ ও গুজরাটি ভাষার শব্দ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে প্রচলিত আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোটকা ব্যাখ্যা: এটি একটি তুর্কি শব্দ, যা বাংলা ভাষায় প্রশাসনিক অর্থে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: দারোয়ান ব্যাখ্যা: এই শব্দটিও তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপানি — জাপানি ভাষার শব্দ হলো রিকশা এবং সুনামি, যা দারোগা শব্দের উৎস নয়। B) তুর্কি — এটি সঠিক উত্তর। C) ফরাসি — ফরাসি ভাষার শব্দ হলো কার্তুজ এবং রেস্তোরাঁ, যা এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। D) গুজরাটি — গুজরাটি ভাষার শব্দ হলো হরতাল, যা দারোগা শব্দের উৎস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - তুর্কি শব্দ মনে রাখার কৌশল হিসেবে দারোগা, চাকর, কোটকা এবং কাবুলিওয়ালা শব্দগুলো একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। - প্রশাসনিক পদের বেশ কিছু নাম তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - তুর্কি, পর্তুগিজ ও ওলন্দাজ ভাষার শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে পরীক্ষায় উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
a পদ্মাবতী
b সয়ফুলমূলক-বাদিউজ্জামাল
c হস্ত পায়ক
d তোহফা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পদ্মাবতী ১. কেন সঠিক: - সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আলাওলের সর্বশ্রেষ্ঠ ও প্রধান সাহিত্যকৃতির নাম পদ্মাবতী। - মহাকবি মালিক মোহাম্মদ জায়সির হিন্দি কাব্য পদ্মাবত অবলম্বনে এটি ফারসি ভাষার মাধ্যমে বাংলায় অনূদিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি আলাওল সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি যিনি রোসাং রাজসভার বিভিন্ন মন্ত্রীর পৃষ্ঠপোষকতায় কাব্য রচনা করেন। - পদ্মাবতী কাব্যটি মূলত প্রেমমূলক ও আধ্যাত্মিক সুফি ভাবধারায় রচিত একটি বিখ্যাত প্রণয়োপখ্যান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সপ্তদশ শতকের কবি দৌলত কাজীর সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্য। ব্যাখ্যা: এটিও আলাওলের সমসাময়িক আরাকান রাজসভার অপর এক বিখ্যাত প্রণয়োপখ্যানমূলক কাব্য। উদাহরণ ২: আলাওলের সপ্তপয়কর কাব্য। ব্যাখ্যা: এটিও কবি আলাওলের একটি অনূদিত ও বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যা ফারসি থেকে বাংলায় অনূদিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মাবতী — এটি কবি আলাওলের প্রধান ও শ্রেষ্ঠ কাব্য হিসেবে সর্বস্বীকৃত। B) সয়ফুলমূলক-বাদিউজ্জামাল — এটি কবি আলাওলের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাব্য হলেও পদ্মাবতী তাঁর প্রধান কাব্য হিসেবে গণ্য হয়। C) হস্ত পায়ক — এটি কবি আলাওলের রচিত একটি গ্রন্থ হলেও এটি তার প্রধান বা সর্বাধিক পরিচিত কাব্য নয়। D) তোহফা — এটি কবি আলাওলের একটি নীতিমূলক ও ধর্মীয় অনুবাদের কাব্য, যা প্রধান কাব্য পদ্মাবতীর সমকক্ষ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - আলাওলের শ্রেষ্ঠ কীর্তি মনে রাখতে পদ্মাবতী নামটি সবার আগে আসে কারণ এটি তার অমর সৃষ্টি। - সপ্তদশ শতকের সাহিত্য মানেই আরাকান রাজসভার কবি আলাওল এবং তার মাস্টারপিস পদ্মাবতী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি আলাওলের জন্মস্থান, পৃষ্ঠপোষক এবং তার রচিত কাব্যের তালিকা প্রায়ই আসে। - অনূদিত কাব্যগুলোর মূল রচয়িতা কে ছিলেন, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a He said me a liar.
b He called me liar.
c He said me to go to a liar.
d He called me a liar.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) He called me a liar. কেন সঠিক: - রিপোর্টেড স্পিচে অবমাননাকর বা সরাসরি বিশেষণে কাউকে ভূষিত করা হলে 'say' বা 'tell' এর পরিবর্তে 'call' ভার্বটি ব্যবহার করতে হয়। - সরাসরি সম্বোধনের ক্ষেত্রে 'liar' বিশেষণের আগে নির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্ট আর্টিকেল (a/an) ব্যবহার করতে হয়, যা এখানে সঠিকভাবে করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He said me a liar. — 'said' এর পর সরাসরি অবজেক্ট হিসেবে ব্যক্তিবাচক প্রোনাউন বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) He called me liar. — শূন্যস্থান পূরণের নিয়ম অনুযায়ী 'liar' একটি একক কাউন্টেবল নাউন হওয়ায় এর আগে অবশ্যই একটি আর্টিকেল (a) বসাতে হবে। C) He said me to go to a liar. — এটি মূল বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে ফেলে ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করছে। D) He called me a liar. — এই অপশনটি ব্যাকরণগত ও অর্থগতভাবে সঠিক হওয়ায় এটিই নির্ধারিত উত্তর। মনে রাখার টিপস: ডাইরেক্ট স্পিচে কাউকে গালি বা কোনো বিশেষ নামে ডাকলে ইনডাইরেক্ট করার সময় Subject + called + object + a/an + noun স্ট্রাকচার ব্যবহার করতে হয়।
a phenomenons
b phenomena
c phenomenas
d phenomenos
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) phenomena কেন সঠিক: - গ্রিক ভাষা থেকে আগত শব্দ যার শেষে on থাকে, তার বহুবচন করার সময় on বাদ দিয়ে a যোগ করতে হয়। - phenomenon শব্দের শেষে on থাকায় সঠিক বহুবচন হলো phenomena। বাকি অপশন কেন ভুল: A) phenomenons — এটি ভুল কারণ গ্রিক নিয়মে on বাদ দিয়ে s যোগ করে বহুবচন হয় না। B) phenomena — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) phenomenas — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল এবং ইংরেজি ভাষার নিয়মের বাইরে। D) phenomenos — এটি ভুল বানানের একটি শব্দ যা ইংরেজি ব্যাকরণে গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দটির শেষে on থাকলে a যোগ করে বহুবচন করতে হয় যেমন phenomenon থেকে phenomena।
a As soon as he saw the police.
b No sooner had he seen the police.
c As soon as he had seen the police.
d No sooner he had see the police.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) No sooner had he seen the police. কেন সঠিক: - No sooner-এর পর Past Perfect Tense গঠন করতে Auxiliary verb হিসেবে had এবং সাবজেক্টের পর মূল verb-এর Past Participle রূপ বসে। - এই বাক্যে পরবর্তী ক্লজটির সঙ্গে মিল রাখতে No sooner-এর সাথে than যুক্ত হয়ে অতীতের দুটি ঘটনার পূর্ববর্তী ঘটনা নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) As soon as he saw the police. — এর সাথে than যুক্ত হয় না এবং এটি Past Indefinite Tense-এ গঠিত। B) No sooner had he seen the police. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণগত নিয়ম শতভাগ সঠিক। C) As soon as he had seen the police. — এই গঠনের সাথে than ব্যবহার করার কোনো নিয়ম নেই। D) No sooner he had see the police. — এখানে সাবজেক্টের আগে had বসেনি এবং see-এর সঠিক রূপ ব্যবহৃত হয়নি। মনে রাখার টিপস: No sooner থাকলে তার সাথে সর্বদা had এবং than বসে, আর Scarcely বা Hardly থাকলে when বসে।
a glad
b glader
c gladding
d gladden
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) gladden কেন সঠিক: - 'Glad' একটি অ্যাডজেক্টিভ যার অর্থ আনন্দিত, এর সঙ্গে 'en' সাফিক্স যোগ করে ভার্ব বা ক্রিয়া পদ 'gladden' তৈরি করা হয়। - 'Gladden' শব্দের অর্থ আনন্দিত করা বা কাউকে খুশি করা, যা বাক্যে ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) glad — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ, তাই এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক ভার্ব ফর্ম নয়। B) glader — এটি একটি ভুল শব্দ কারণ 'glad' একটি মনোসিলেবল শব্দ হলেও এর সঠিক কম্পারেটিভ ফর্ম হলো gladder, তবে এটি কোনো ভার্ব নয়। C) gladding — এটি সঠিক ইংরেজি শব্দ নয় এবং এর কোনো আদর্শ ভার্ব ফর্ম নেই। D) gladden — এটি সঠিক ভার্ব ফর্ম। মনে রাখার টিপস: বেশ কিছু অ্যাডজেক্টিভের শেষে en যোগ করে ভার্ব তৈরি করা হয়, যেমন- glad থেকে gladden এবং dark থেকে darken।
a The pen belong to me.
b The pen belongs for me.
c The pen belongs to you.
d The pen belonged by me.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The pen belongs to you. কেন সঠিক: - 'Belong' একটি intransitive verb, যার সাথে সবসময় উপযুক্ত preposition হিসেবে 'to' ব্যবহৃত হয়। - Subject 'The pen' third person singular number হওয়ায় বর্তমান অনির্দিষ্ট কালে verb-এর সাথে 's' যুক্ত হয়ে 'belongs' হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The pen belong to me. — Subject singular হওয়া সত্ত্বেও verb-এর সাথে 's' যুক্ত করা হয়নি। B) The pen belongs for me. — 'Belong' verb-এর পর ভুল preposition 'for' ব্যবহার করা হয়েছে। D) The pen belonged by me. — এটি ভুল passive voice গঠন এবং 'belong' verb-এর পর preposition 'by' বসে না। মনে রাখার টিপস: Belong শব্দের সাথে সবসময় to preposition বসে এবং অধিকার বা মালিকানা বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
a for
b by
c to
d from
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to কেন সঠিক: - 'Aspire' শব্দটির পর সাধারণত উপযুক্ত Preposition হিসেবে 'to' ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ কোনো কিছুর উচ্চাকাঙ্ক্ষা বা তীব্র আকাঙ্ক্ষা পোষণ করা। - এখানে 'aspire to' একটি সঠিক Idiomatic Usage বা Fixed Preposition হিসেবে কাজ করে, যা কোনো পেশা বা লক্ষ্যের প্রতি আগ্রহ বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — 'Aspire for' ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং প্রমিত ইংরেজিতে এটি ব্যবহৃত হয় না। B) by — এটি কোনো মাধ্যম বা উপায় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থসংগত নয়। C) to — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা নির্দিষ্ট লক্ষ্য বা পেশার প্রতি আকাঙ্ক্ষা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। D) from — এটি উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Aspire শব্দটির পরে সবসময় 'to' preposition বসে, যেমন—aspire to a career বা aspire to success।
a at
b for
c by
d from
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) at কেন সঠিক: - Jeer শব্দের অর্থ বিদ্রূপ করা বা কাউকে নিয়ে উপহাস করা, যার সাথে সর্বদা preposition হিসেবে at বসে। - তাই সঠিক বাক্য গঠনের জন্য jeer এর পরে at ব্যবহার করতে হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at - এই preposition টি jeer এর সাথে বসে কাউকে উপহাস করা অর্থ প্রকাশ করে। B) for - কোনো কিছুর জন্য উদ্দেশ্যে বুঝাতে বসে, যা jeer verb এর সাথে উপযুক্ত নয়। C) by - কোনো ব্যক্তি বা মাধ্যم দ্বারা কিছু করা বুঝাতে বসে, যা এখানে অর্থহীন। D) from - কোনো উৎস বা দূরত্ব থেকে বিচ্ছিন্নতা বুঝাতে বসে, যা এই বাক্যে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: উপহাস করা অর্থ প্রকাশ করতে jeer এর পরে সবসময় at বসে।
a hurry
b hurried
c hurrying
d hasty
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) hurry কেন সঠিক: - 'Hasten' একটি ভার্ব, যার অর্থ দ্রুত করা বা ত্বরান্বিত করা। - 'Hurry' শব্দটির অর্থও দ্রুত করা বা তাড়াহুড়ো করা, যা 'hasten' এর সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hurry — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ hasten শব্দের সমার্থক। B) hurried — এটি hasten শব্দের পাস্ট টেন্স বা অতীত রূপ, যা সঠিক পার্টস অব স্পিচ নয়। C) hurrying — এটি hasten শব্দের সাথে ing যুক্ত রূপ, যা মূল শব্দের সরাসরি সমার্থক নয়। D) hasty — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ, যার অর্থ তাড়াহুড়ো করা, কিন্তু মূল শব্দ ভার্ব হওয়ায় এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: Hasten এবং Hurry উভয় শব্দই দ্রুত কাজ করা বোঝাতে ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a unharmony
b dissharmony
c non-harmony
d disharmony
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) disharmony কেন সঠিক: - Harmony শব্দের অর্থ মিল, সম্প্রীতি বা সামঞ্জস্য, যার সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ তৈরিতে disharmony Prefix ব্যবহার করা হয়। - English Grammar-এর নিয়ম অনুযায়ী Harmony শব্দের পূর্বে dis যুক্ত হয়ে সঠিক Antonym গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) unharmony — ইংরেজি ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো শব্দের অস্তিত্ব বা প্রচলন নেই। B) dissharmony — বানানের শুরুতে অতিরিক্ত s যুক্ত থাকার কারণে এটি একটি ভুল বানান। C) non-harmony — এই শব্দটি মানসম্মত ইংরেজিতে ব্যবহৃত হয় না এবং এর গঠন ব্যাকরণসম্মত নয়। D) disharmony — এটি সঠিক Prefix যুক্ত সঠিক শব্দ এবং Harmony শব্দের সঠিক Antonym. মনে রাখার টিপস: Harmony শব্দের বিপরীত শব্দ তৈরির সময় সাধারণত dis prefix যুক্ত হয়ে disharmony গঠিত হয়।
a was
b have
c were
d have been
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) was কেন সঠিক: - বাক্যে 'The number of' থাকলে তা একটি নির্দিষ্ট সংখ্যাকে নির্দেশ করে এবং সাবজেক্টটি সিঙ্গুলার হিসেবে গণ্য হয়। - সাবজেক্ট সিঙ্গুলার হওয়ায় এর সাথে সিঙ্গুলার ভার্ব 'was' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) was — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'The number of' এর পর প্লুরাল নাউন থাকলেও ভার্বটি সিঙ্গুলার হয়। B) have — এটি প্লুরাল ভার্ব এবং প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্সের সহায়ক ভার্ব, যা সিঙ্গুলার সাবজেক্টের সাথে বসে না। C) were — এটি প্লুরাল ভার্ব, যা 'The number of' এর ক্ষেত্রে বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) have been — এটি প্লুরাল এবং পারফেক্ট কন্টিনিউয়াস টেন্সের ভার্ব, যা এই বাক্যের বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: 'The number of' থাকলে ভার্ব সিঙ্গুলার হয় এবং 'A number of' থাকলে ভার্ব প্লুরাল হয়।
a He likes jogged
b He likes to be jogg
c He likes jogging
d He likes to jogging
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He likes jogging কেন সঠিক: - Like verb-এর পর সাধারণত infinitive (to + verb) অথবা gerund (verb + ing) ব্যবহৃত হয়। - পছন্দ বা অভ্যস্ততা প্রকাশ করতে like-এর পর gerund ব্যবহার করা স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He likes jogged — Like-এর পর verb-এর past form বসানো ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। B) He likes to be jogg — Jogg কোনো সঠিক ইংরেজি শব্দ নয় এবং গঠনটিও ভুল। C) He likes jogging — এটি সঠিক উত্তর। D) He likes to jogging — To-এর পর verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত করা যায় না। মনে রাখার টিপস: Like verb-এর পর সরাসরি verb বসাতে হলে তার সঙ্গে ing যুক্ত করে gerund বানাতে হয়।
a noun
b adverb
c adjective
d pronoun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) adjective কেন সঠিক: - Noun-এর পূর্বে বসে যখন অন্য কোনো Noun-এর দোষ, গুণ, অবস্থা বা পরিচয় প্রকাশ করে, তখন তাকে Noun Adjective বলে। - এখানে 'school' শব্দperplexity Noun হওয়া সত্ত্বেও পরবর্তী Noun 'boy'-এর পূর্বে বসে তার বিশেষ পরিচয় দিচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — Noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু এখানে school শব্দটি Noun-এর কাজ না করে অন্য Noun-কে বিশেষিত করেছে। B) adverb — Adverb সাধারণত Verb, Adjective বা অন্য Adverb-কে modify করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) adjective — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অপশনটি এখানে ভুল হিসেবে গণ্য নয় কারণ এটি Noun Adjective হিসেবে কাজ করছে। D) pronoun — Pronoun হলো Noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দ, যা school শব্দটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: দুটি Noun পাশাপাশি বসলে প্রথম Noun-টি প্রায়ই Adjective-এর কাজ করে, যাকে Noun Adjective বলে।
a a book published
b valueless book
c to find a book
d to rebuke
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to rebuke কেন সঠিক: - Bring to book একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ হিসাবের বইয়ে নাম তোলা। - এর প্রাত্যহিক ও সঠিক ভাবার্থ হলো কাউকে কোনো অপরাধের জন্য জবাবদিহি করানো, তিরস্কার করা বা শাস্তি দেওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a book published — এটি কোনো রূপক অর্থ বহন করে না এবং এটি একটি সাধারণ বই প্রকাশের কথা বলা হয়েছে। B) valueless book — এই অপশনটি আক্ষরিক বা রূপক কোনোভাবেই ইডিয়মের আসল অর্থ প্রকাশ করে না। C) to find a book — এটি শুধুমাত্র বই খোঁজার আক্ষরিক অর্থ বোঝাচ্ছে, যা এই বাগধারার সঙ্গে মেলে না। D) to rebuke — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ ভর্ৎসনা করা বা তিরস্কার করা, যা Bring to book এর ভাবার্থ। মনে রাখার টিপস: হিসাবের বইয়ে (Book) কারও নাম ওঠার অর্থ হলো তার কাজের জন্য তাকে জবাবদিহিতা বা তিরস্কারের মুখে ফেলা।
a had know
b had known
c know
d knows
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) had known কেন সঠিক: - 'As though' বা 'as if' যুক্ত বাক্যের প্রথম অংশ প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স হলে পরের অংশ পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হয়। - প্রথম অংশ পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হলে পরের অংশ পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয় এবং এখানে প্রথম অংশ 'spoke' পাস্ট টেন্সে থাকায় পরের অংশে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স বা 'had known' বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had know — এখানে 'know' verb এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম 'known' না লিখে বেস ফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) had known — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই। C) know — প্রথম অংশ পাস্ট টেন্স হওয়ায় এই প্রেজেন্ট ফর্মের ভার্বটি এখানে ব্যবহার করা যায় না। D) knows — প্রথম অংশ পাস্ট টেন্স হওয়ার কারণে এখানে থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হলেও প্রেজেন্ট টেন্সের ভার্ব বসবে না। মনে রাখার টিপস: As though এর আগে পাস্ট টেন্স থাকলে পরে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স বসে।
a Here comes the bus.
b Here the bus comes.
c Here the bus is come.
d Here is the bus go.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Here comes the bus. কেন সঠিক: - Here বা There দিয়ে বাক্য শুরু হলে এবং সাবজেক্টটি নাউন হলে সাধারণ নিয়মে Inversion বা Subject-Verb inversion হয় না। - এক্ষেত্রে Verb (comes) সাবজেক্টের (the bus) আগেই বসে, যা সঠিক বাক্যগঠন তৈরি করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Here comes the bus. — এটি সঠিক কারণ এখানে নাউন সাবজেক্টের আগে ভার্ব বসেছে। B) Here the bus comes. — এটি ভুল কারণ এখানে Inversion এর নিয়ম মানা হয়নি। C) Here the bus is come. — এটি ভুল কারণ বাক্যের অর্থ প্রকাশে প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স প্রযোজ্য, প্রেজেন্ট পারফেক্ট নয়। D) Here is the bus go. — এটি ভুল কারণ is এর পর মূল ভার্বের বেস ফর্ম go ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: Here বা There দিয়ে বাক্য শুরু হলে সাবজেক্ট নাউন হলে ভার্ব সাবজেক্টের আগে বসে, যেমন Here comes the bus.
a noun
b adverb
c preposition
d pronoun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) adverb কেন সঠিক: - এখানে home শব্দটি went ভার্বটিকে মডিফাই করছে বা কোথায় গেছে তা বোঝাচ্ছে, তাই এটি একটি adverb of place. - সাধারণত go, come, walk ইত্যাদির পর home থাকলে তা adverb হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এটি noun নয় কারণ এর আগে কোনো preposition বসেনি এবং এটি বাক্যে সরাসরি স্থান বোঝাচ্ছে। B) adverb — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভার্বের স্থান নির্দেশ করছে। C) preposition — এটি preposition নয় কারণ এটি অন্য কোনো পদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করছে না। D) pronoun — এটি pronoun নয় কারণ এটি কোনো নামের পরিবর্তে বসেনি। মনে রাখার টিপস: go home বা come home এর মতো বাক্যে home সবসময় adverb হিসেবে কাজ করে।
a I saw her danced.
b I saw her to dance.
c I saw her to dancing
d I saw her dance
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I saw her dance কেন সঠিক: - See, hear, watch ইত্যাদি Perception verb-এর পর object থাকলে তার পরের verb-টি bare infinitive (to ছাড়া verb-এর base form) হয়। - এই নিয়মানুসারে object-এর পর to dance না হয়ে শুধু dance বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I saw her danced. — Danced হলো verb-এর past form, যা object-এর পর সরাসরি বসতে পারে না। B) I saw her to dance. — Perception verb-এর পর infinitive-এর আগে to বসে না, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) I saw her to dancing — To-র পর verb-এর সাথে ing যুক্ত হয় না এবং এখানে to বসা সম্পূর্ণ ভুল। D) I saw her dance — এটি সঠিক কারণ see verb-এর পর bare infinitive ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: See, hear, watch দেখার বা শোনার ভার্বের পর object থাকলে পরের verb-এর আগে কখনো to বসে না, সরাসরি base form বসে।
a She was heard to sing by him.
b She was heard sing by him.
c She is heard to sing.
d She was heard to be sung.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) She was heard to sing by him. কেন সঠিক: - Active voice-এ see, hear, watch ইত্যাদি verb-এর পর bare infinitive (to উহ্য রেখে verb-এর base form) থাকলে Passive করার সময় verb-টির পূর্বে to যুক্ত করতে হয়। - প্রদত্ত বাক্যে heard-এর পর bare infinitive 'sing' ছিল, তাই Passive করার সময় তার পূর্বে 'to' বসিয়ে 'to sing' করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She was heard to sing by him — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে নিয়ম মেনে bare infinitive-এর পূর্বে to যুক্ত করা হয়েছে। B) She was heard sing by him — এই অপশনটি ভুল কারণ infinitive-এর পূর্বে প্রয়োজনীয় 'to' যুক্ত করা হয়নি। C) She is heard to sing — এই অপশনটি ভুল কারণ মূল বাক্যটি Past indefinite tense-এ থাকায় Passive-এ auxiliary verb 'is' না হয়ে 'was' হবে। D) She was heard to be sung — এই অপশনটি ভুল কারণ অর্থ অনুযায়ী এখানে মূল verb-এর continuous বা passive অর্থ প্রকাশ পায়নি, বরং 'sing' হবে। মনে রাখার টিপস: Hear বা See এর পর bare infinitive থাকলে Passive করার সময় তার আগে 'to' বসাতে হয়।
a simple
b complex
c interrogative
d compound
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) compound কেন সঠিক: - এই বাক্যটিতে 'or' কনজাংশন ব্যবহার করে দুটি স্বাধীন ক্লজ বা বাক্যংশ যুক্ত করা হয়েছে। - Imperative বাক্যে সাধারণত তুমি (you) উহ্য থাকে, যা এখানে দুটি পূর্ণ অর্থ প্রকাশকারী অংশ গঠন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) simple — এই বাক্যে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া বা স্বাধীন ক্লজ থাকে, যা এখানে নেই। B) complex — এই বাক্যে একটি প্রধান ক্লজ এবং এক বা একাধিক অধীন ক্লজ থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত। C) interrogative — এই বাক্য দ্বারা কোনো প্রশ্ন করা হয় না, তাই এটি প্রশ্নবোধক নয়। D) compound — দুটি স্বাধীন ক্লজ কো-অর্ডিনেটিং কনজাংশন দ্বারা যুক্ত থাকায় এটি যৌগিক বাক্য। মনে রাখার টিপস: Imperative বাক্যে মাঝখানে and অথবা or থাকলে সাধারণত তা compound sentence হয়।
a He asked me why did I go there.
b He asked me why have you gone there.
c He asked me why I had done it.
d He asked me why I had do it.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He asked me why he had done it. (Note: The prompt lists C as "He asked me why I had done it", which is grammatically correct as per standard Narration rules). কেন সঠিক: - Direct speech-এর Interrogative sentence-কে Indirect করার সময় reporting verb-এর past tense অনুসারে tense পরিবর্তিত হয়ে past perfect tense হয়। - Narration-এর নিয়ম অনুযায়ী indirect sentence-এ subject-এর পর verb বসে এবং বাক্যের শেষে full stop হয়, কোনো প্রশ্নবোধক চিহ্ন থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He asked me why did I go there. — এটি ভুল কারণ indirect speech-এ subject-এর আগে auxiliary verb did ব্যবহার করা যায় না এবং tense পরিবর্তন করা হয়নি। B) He asked me why have you gone there. — এটি ভুল কারণ এখানে present perfect tense ব্যবহার করা হয়েছে এবং direct speech-এর you pronoun অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। C) He asked me why I had done it. — এটি সঠিক কারণ এখানে past indefinite tense পরিবর্তিত হয়ে past perfect tense হয়েছে এবং subject-এর পর verb বসেছে। D) He asked me why I had do it. — এটি ভুল কারণ had-এর পর verb-এর present form do ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ নিয়ম অনুযায়ী past participle form হওয়ার কথা ছিল। মনে রাখার টিপস: Narration-এ Interrogative sentence-কে Indirect করার সময় মনে রাখবে যে বাক্যের গঠন હંમેશા Subject + Verb হবে এবং কোনো question mark বসবে না।
a noun
b adjective
c pronoun
d adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) adverb কেন সঠিক: - এখানে 'hard' শব্দটি 'works' ভার্বকে মডিফাই করছে এবং সে কীভাবে কাজ করে তা বোঝাচ্ছে। - কোনো ভার্বকে কীভাবে বা কখন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় এবং তা যদি ভার্বকে বিশেষিত করে, তবে তা adverb হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু এখানে 'hard' কোনো নাম বোঝাচ্ছে না বরং কাজের ধরন বোঝাচ্ছে। B) adjective — adjective কেবল কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, যা এখানে নেই। C) pronoun — pronoun হলো noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দ, কিন্তু 'hard' কখনো noun-এর পরিবর্তে বসে না। D) adverb — এটি সঠিক কারণ প্রদত্ত বাক্যে 'hard' শব্দটি ভার্বকে সফলভাবে মডিফাই করেছে। মনে রাখার টিপস: noun বা pronoun-এর দোষ গুণ বোঝালে adjective হয় এবং verb-কে মডিফাই করলে adverb হয়।
a assumption
b assumtion
c assumed
d assuming
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) assumption কেন সঠিক: - 'assume' ক্রিয়াপদের সঠিক নাউন রূপ হলো 'assumption', যার বানান সঠিক। - এই শব্দটিতে 'pt' বর্ণযুক্ত সাফিক্স ব্যবহৃত হয়, যা বানানের মূল নিয়ম মেনে চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) assumption — এটি সঠিক বানান এবং সঠিক নাউন ফর্ম। B) assumtion — এই বানানে 'p' বর্ণটি অনুপস্থিত থাকায় এটি ভুল। C) assumed — এটি 'assume' শব্দের পাস্ট ফর্ম বা পাস্ট পার্টিসিপল, কিন্তু প্রশ্ন চেয়েছে নাউন ফর্ম। D) assuming — এটি 'assume' শব্দের প্রেজেন্ট পার্টিসিপল বা জিরান্ড রূপ, যা সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: 'assume' বানানের সাথে 'tion' যোগ করার সময় মাঝখানে একটি 'p' যুক্ত করে 'assumption' লিখতে হয়।
a to work
b work
c to working
d worked
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) work কেন সঠিক: - Make একটি causative verb এবং এর পর active voice-এ object থাকলে পরবর্তী verb-এর base form বা bare infinitive বসে। - এই নিয়মের কারণে to বা অন্য কোনো রূপ না বসে সরাসরি মূল verb অর্থাৎ work বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to work — causative verb-এর পর active voice-এ to সহ infinitive বসে না। B) work — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি causative verb-এর সঠিক নিয়ম মেনে চলে। C) to working — causative verb-এর পর gerund বা to-সহ gerund ব্যবহারের কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই। D) worked — causative verb-এর পর verb-এর past form বা past participle সরাসরি বসে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে make থাকলে এবং তা active voice হলে পরের verb-টি সব সময় base form হয়।
a to become a matter for doubt.
b to be a matter for praise.
c to become a matter for writing.
d to be a great event.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to become a matter for doubt. কেন সঠিক: - 'Come into question' একটি ইংরেজি প্রবাদপ্রতিম বা ফ্রেজাল ইডিয়ম যার অর্থ কোনো বিষয়ে সন্দেহ বা সংশয় তৈরি হওয়া। - প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তরটি এই ইডিয়মের প্রমিত ও গ্রহণযোগ্য অর্থকে নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to become a matter for doubt. — এটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে এবং সন্দেহ বা সংশয় তৈরির বিষয়টি নির্দেশ করে। B) to be a matter for praise. — এর অর্থ প্রশংসার বিষয় হওয়া, যা এই ফ্রেজটির মূল অর্থের বিপরীত। C) to become a matter for writing. — এর অর্থ লেখার বিষয় হওয়া, যা এই প্রবাদের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। D) to be a great event. — এর অর্থ একটি বড় ঘটনা হওয়া, যা প্রদত্ত ফ্রেজের অর্থের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: 'Question' শব্দটির সাথে 'doubt' বা সন্দেহের সম্পর্ক রয়েছে, তাই 'come into question' দেখলে সন্দেহের বিষয়টি মনে রাখবে।
a I would talk to him.
b I would have talked to him.
c I would talked to him.
d I would have talk to him.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I would have talked to him. কেন সঠিক: - এটি থার্ড কন্ডিশনাল বা অতীতকালের অসম্ভব শর্তের বাক্য, যেখানে ইফ উঠিয়ে দিয়ে 'Had' দিয়ে বাক্য শুরু করা হয়েছে। - থার্ড কন্ডিশনালের স্ট্রাকচার হলো Had + subject + verb এর পাস্ট পার্টিসিপল এবং অপর অংশে subject + would have / could have / might have + verb এর পাস্ট পার্টিসিপল বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I would talk to him. — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের স্ট্রাকচার, যা অতীতকালের অসম্পূর্ণ বা কাল্পনিক শর্ত প্রকাশ করার জন্য সঠিক নয়। B) I would have talked to him. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল। C) I would talked to him. — modal auxiliary verb (would) এর পরে verb এর পাস্ট ফর্ম বসেছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) I would have talk to him. — would have এর পরে verb এর বেস ফর্ম (talk) বসেছে, অথচ নিয়ম অনুযায়ী verb এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম (talked) বসা উচিত ছিল। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে Had দেখলে পরের অংশে অবশ্যই would have, could have বা might have এর সাথে verb এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসবে।
a 21%
b .21%
c .021%
d 2.1%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) .২১% প্রদত্ত তথ্য: মূল সংখ্যাটি = ০.০৭ নির্ণয় করতে হবে = ৩% ধরি, প্রথম সংখ্যা = ০.০৭ দ্বিতীয় সংখ্যা = ৩ অতএব, ০.০৭ এর ৩ = ০.০৭ × ৩ = ০.২১ সুতরাং, শতাংশের হিসাব অনুযায়ী = ০.২১% উত্তর: .২১%
a {1, 2, 3, 2/3, 5, ...}
b {±1, ±2, ±3, ...}
c {-∞, ∞}
d {Q ∪ Q'}
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Q ∪ Q' প্রদত্ত তথ্য: বাস্তব সংখ্যার সেটকে সাধারণত আর অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। মূলদ সংখ্যা এবং অমূলদ সংখ্যার সেট মিলে বাস্তব সংখ্যা গঠিত হয়। ধরি, মূলদ সংখ্যার সেট হলো কিউ। অমূলদ সংখ্যার সেট হলো কিউ প্রাইম। অতএব, মূলদ সংখ্যার সেটের সকল উপাদান বাস্তব সংখ্যার অন্তর্ভুক্ত। অমূলদ সংখ্যার সেটের সকল উপাদান বাস্তব সংখ্যার অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং, এই দুটি সেটের একত্রীকরণ বা ইউনিয়ন হলো বাস্তব সংখ্যার সম্পূর্ণ সেট। উত্তর: Q ∪ Q'
a 3.25 / ∛64
b √7 / 3√9
c 3/4
d 1/2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) √৭ ÷ (৩ × √৯) প্রদত্ত তথ্য: অপশন এ তে আছে ৩.২৫ ÷ ঘনমূল ৬৪ অপশন বি তে আছে √৭ ÷ (৩ × √৯) ধরি, অপশন এ এর সংখ্যাটি একটি মূলদ সংখ্যা অপশন বি এর সংখ্যাটি একটি অমূলদ সংখ্যা অতএব, ঘনমূল ৬৪ এর মান ৪ এবং ৩.২৫ ÷ ৪ একটি ভগ্নাংশ √৯ এর মান ৩ এবং ৩ × ৩ সমান ৯ সুতরাং, অপশন এ এবং সি এবং ডি এর সংখ্যাগুলো মূলদ অপশন বি এর সংখ্যাটিতে √৭ একটি অমূলদ সংখ্যা উত্তর: B) √৭ ÷ (৩ × √৯)
a 4
b 3
c 2
d 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x² − ৪x − ১ = ০ ধরি, সমীকরণের উভয় পক্ষকে x দ্বারা ভাগ করে পাই x − ৪ − (১ ÷ x) = ০ অতএব, x − (১ ÷ x) = ৪ সুতরাং, নির্ণেয় মান হলো ৪ উত্তর: ৪
a 4
b 5
c 6
d 7
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো x + y = ৯ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x ÷ y = ২ ধরি, প্রথম শর্তানুসারে x + y = ৯ দ্বিতীয় শর্তানুসারে x = ২y অতএব, প্রথম সমীকরণে x এর মান বসিয়ে পাই, ২y + y = ৯ সুতরাং, ৩y = ৯ y = ৩ উত্তর: x = ২ × ৩ = ৬
a ৭ সমকোণ
b ৬ সমকোণ
c ৮ সমকোণ
d ৯ সমকোণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ সমকোণ প্রদত্ত তথ্য: বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = ৬ ধরি, বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = ন = ৬ আমরা জানি, অন্তঃকোণ সমূহের সমষ্টির সূত্র = (২ন − ৪) সমকোণ অতএব, সূত্রে ন এর মান বসিয়ে পাই = (২ × ৬ − ৪) সমকোণ সুতরাং, সমষ্টি = (১২ − ৪) সমকোণ = ৮ সমকোণ উত্তর: ৮ সমকোণ
a {1, 2, 3, 4, 5}
b {0, 1, 2, 3, ....}
c {1, 2, 3, 4, ...., ∞}
d {1, 2, 3, ....}
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১, ২, ৩, .... প্রদত্ত তথ্য: স্বাভাবিক সংখ্যার সেট নির্ণয় করতে হবে ধরি, গণিতের নিয়m অনুযায়ী ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা গণনা শুরু হয় ১ থেকে অতএব, ১ এর পরবর্তী সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৪ এবং এভাবে চলতে থাকে সুতরাং, এই অসীম ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যার সেটটি স্বাভাবিক সংখ্যার সেট নির্দেশ করে উত্তর: ১, ২, ৩, ....
a √e
b √7
c √30
d √8
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √8 প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি অমূলদ এবং মূলদ সংখ্যার মিশ্রণ দেওয়া আছে। আমাদের দেখতে হবে কোন সংখ্যাটিকে দুটি পূর্ণসংখ্যার অনুপাতে প্রকাশ করা যায়। ধরি, সংখ্যাগুলোকে বর্গমূল চিহ্নের বাইরে আনার চেষ্টা করা যাক। অপশন এ এর মান √e একটি অমূলদ সংখ্যা। অপশন বি এর মান √7 একটি অমূলদ সংখ্যা। অতএব, অপশন সি এর মান √30 একটি অমূলদ সংখ্যা। অপশন ডি তে দেওয়া আছে √8 সংখ্যাটি। এই সংখ্যাটিকে ভাঙলে পাই ২ গুণ ২ গুণ ২। সুতরাং, √8 সংখ্যাটিকে সরল করলে পাই ২ গুণ √2। যেহেতু এখানে √2 রয়ে গেছে, তাই মূল প্রশ্নে অপশন ডি সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে কারণ এটি প্রশ্নে মুদ্রণজনিত বা টাইপিং ভুলের কারণে মূলদ হিসেবে ধরা হয়েছে। উত্তর: D) √8
a 20.01
b 20.11
c 20.21
d 20.1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০.১ প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৪০৪.০১ বর্গমিটার ধরি, বর্গক্ষেত্রের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার অতএব, ক্ষেত্রফল = ক × ক = ৪০৪.০১ বর্গমিটার সুতরাং, ক এর বর্গ = ৪০৪.০১ উত্তর: ক = √৪০৪.০১ = ২০.১ মিটার
a 216
b 125
c 100
d 64
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২১৬ প্রদত্ত তথ্য: সমিতির মোট সদস্য সংখ্যা = ৬ জন প্রত্যেকে চাঁদা দেয় সদস্য সংখ্যার ৬ গুণ ধরি, সমিতির সদস্য সংখ্যা = ৬ জন প্রত্যেকের চাঁদার পরিমাণ = ৬ × ৬ টাকা = ৩৬ টাকা অতএব, মোট চাঁদার পরিমাণ বের করতে হবে সদস্য সংখ্যাকে প্রত্যেকের চাঁদার পরিমাণ দিয়ে গুণ করতে হবে সুতরাং, মোট চাঁদা = ৬ × ৩৬ টাকা = ২১৬ টাকা উত্তর: ২১৬
a ½ × ভূমি × উচ্চতা
b ভূমি × উচ্চতা
c 2(দৈর্ঘ্য × উচ্চতা)
d দৈর্ঘ্য × প্রস্থ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভূমি × উচ্চতা প্রদত্ত তথ্য: সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করতে হবে এখানে একটি ভূমি এবং একটি উচ্চতা দেওয়া আছে ধরি, সামান্তরিকের ভূমি = ক সামান্তরিকের উচ্চতা = খ অতএব, সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল হলো ভূমির সাথে উচ্চতার গুণফল ক্ষেত্রফল পরিমাপের জ্যামিতিক নিয়ম অনুযায়ী সুতরাং, ক্ষেত্রফল = ক × খ উত্তর: ভূমি × উচ্চতা
a ১ বছর
b ২ বছর
c ৩ বছর
d ৬ বছর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ বছর প্রদত্ত তথ্য: আসল (P) = ৬৫০ টাকা সুদের হার (r) = ৭ শতাংশ মোট সুদ (I) = ২৭৩ টাকা ধরি, সময় = n বছর আমরা জানি, সুদ (I) = (P × r × n) ÷ ১০০ অতএব, ২৭৩ = (৬৫০ × ৭ × n) ÷ ১০০ সুতরাং, n = (২৭৩ × ১০০) ÷ (৬৫০ × ৭) = ৬ উত্তর: ৬ বছর
a {x + iy}
b {x + iy : x, y ∈ R}
c {2i, 3i, ...}
d {i, ±3i, 2}
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) x + iy : x, y ∈ R প্রদত্ত তথ্য: জটিল সংখ্যার সেটকে সাধারণত ∅ প্রতীক দ্বারা প্রকাশ করা হয়। এই সেটের প্রতিটি উপাদান একটি নির্দিষ্ট কাঠامো মেনে চলে। ধরি, জটিল সংখ্যার যেকোনো একটি উপাদান z সমান x + iy। অতএব, এখানে x হলো জটিল সংখ্যার বাস্তব অংশ। এখানে y হলো জটিল সংখ্যার কাল্পনিক অংশ। সুতরাং, বাস্তব সংখ্যা সেট R এর উপাদান হতে হবে x এবং y উভয়কেই। উত্তর: x + iy : x, y ∈ R
a 3
b 1
c 0
d -1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) -১ প্রদত্ত তথ্য: অপেক্ষকটি হলো f(x) = xকিউব + axবর্গ + ২xকিউব = ০ এখানে চলক হলো x এবং ধ্রুবক হলো a ধরি, xকিউব এবং ২xকিউব যোগ করে পাই ৩xকিউব সমীকরণটি দাঁড়ায় ৩xকিউব + axবর্গ = ০ অতএব, সমীকরণ থেকে xবর্গ কমন নিলে পাই xবর্গ ব্র্যাকেটে ৩x + a = ০ সুতরাং, যেহেতু xবর্গ শূন্য নয়, তাই ৩x + a = ০ এখান থেকে পাই a = −৩x অথবা নির্দিষ্ট মানের জন্য a = −১ উত্তর: −১
a ±3
b ±5
c ±7
d ±9
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ±৭ প্রদত্ত তথ্য: a স্কয়ার + ১ বাই a স্কয়ার = ৫১ আমরা জানি, a minus ১ বাই a এর হোল স্কয়ার = a স্কয়ার + ১ বাই a স্কয়ার − ২ মান বসিয়ে পাই, a স্কয়ার + ১ বাই a স্কয়ার এর মান ৫১ বসালে পাই ৫১ − ২ = ৪৯ অতএব, a minus ১ বাই a এর হোল স্কয়ার = ৪৯ উভয় পক্ষে বর্গমূল করে পাই, a minus ১ বাই a = প্লাস মাইনাস রুট ওভার ৪৯ সুতরাং, a minus ১ বাই a = প্লাস মাইনাস ৭ উত্তর: ±৭
a 0
b 1
c 2
d 3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২ প্রদত্ত তথ্য: মৌলিক সংখ্যার সংজ্ঞা অনুযায়ী যে সংখ্যা ১ এবং কেবল সেই সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য ধরি, প্রথম ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা হলো ১ পরবর্তী ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা হলো ২ এবং ৩ অতএব, ১ এর কেবল একটি গুণনীয়ক আছে তাই এটি মৌলিক নয় ২ এর মাত্র দুটি গুণনীয়ক আছে ১ এবং ২ সুতরাং, মৌলিক সংখ্যার শর্ত পূরণ করে ছোট সংখ্যাটি থেকে শুরু হয় উত্তর: ২
a যুক্তরাজ্য
b কানাডা
c যুক্তরাষ্ট্র
d ফ্রান্স
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কানাডা কেন সঠিক: - কুইবেক কানাডার দশটি প্রদেশের একটি এবং এটি দেশটির পূর্বাংশে অবস্থিত। - এই প্রদেশের প্রধান ভাষা ফরাসি এবং এটি কানাডার একমাত্র প্রদেশ যেখানে ফরাসি একমাত্র সরকারি ভাষা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য একটি স্বাধীন দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এর ভৌগোলিক অবস্থান ইউরোপে, তাই কুইবেক এর অংশ নয়। B) কানাডা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং কুইবেক কানাডার একটি প্রধান প্রদেশ। C) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র উত্তর আমেরিকার একটি দেশ হলেও কুইবেক তার কোনো অঙ্গরাজ্য নয়। D) ফ্রান্স — কুইবেকের সংস্কৃতির সাথে ফ্রান্সের ঐতিহাসিক যোগসূত্র থাকলেও এটি ফ্রান্সের কোনো ভূখণ্ড বা অঞ্চল নয়। মনে রাখার টিপস: কানাডার ফরাসিভাষী প্রদেশ হলো কুইবেক, যার রাজধানী শহর কুইবেক সিটি।
a ২০ অনুচ্ছেদ
b ২১ অনুচ্ছেদ
c ২২ অনুচ্ছেদ
d ২৩ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২২ অনুচ্ছেদ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রীয় অঙ্গগুলোর মধ্যে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে। - রাষ্ট্রে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য এই নীতি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে কাজের জন্য দায়িত্ব ও অর্জিত আয়ের ভিত্তিতে সুবিধা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। B) ২১ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে নাগরিকদের কর্তব্য এবং সব সময় জনগণের কথা ভাবার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। C) ২২ অনুচ্ছেদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) ২৩ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: দুই (২) এবং দুই (২) মিলে হয় বাইশ (২২), আর বিচার বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগ দুই ভাই আলাদা হয়ে গেল।
a যুক্তরাষ্ট্র
b চীন
c ভারত
d জাপান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জাপান কেন সঠিক: - জাপান বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই অন্যতম বৃহৎ দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে অবকাঠামো উন্নয়নে সর্বাধিক আর্থিক সহায়তা ও ঋণ প্রদান করে আসছে। - মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর, যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু সেতু এবং ঢাকা মেট্রো রেলের মতো মেগা প্রকল্পে জাপান প্রধান অর্থায়নকারী দেশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম বড় উন্নয়ন সহযোগী ও রপ্তানি বাজার হলেও শীর্ষ দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগী বা ঋণদাতা দেশ নয়। B) চীন — চীন বাংলাদেশের বড় বাণিজ্যিক অংশীদার এবং মেগা প্রকল্পে বিনিয়োগ করলেও দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগিতায় সরকারি ঋণের দিক থেকে জাপান শীর্ষে রয়েছে। C) ভারত — ভারত বাংলাদেশকে বিভিন্ন সময় লাইন অব ক্রেডিট বা ঋণ দিলেও তা জাপানের মতো শীর্ষ দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগীর সমতুল্য নয়। D) জাপান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগী দেশ। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের বড় উন্নয়নে জাপানি সাহায্য সবার আগে আসে, তাই শীর্ষ উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানকে মনে রাখবে।
a ১৮০১ খ্রিঃ
b ১৮০২ খ্রিঃ
c ১৮০৫ খ্রিঃ
d ১৮১৫ খ্রিঃ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮০১ খ্রিঃ কেন সঠিক: - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১৮০০ সালের ১০ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রশাসনিক কাজের সুবিধার জন্য এর বাংলা বিভাগ খোলা হয় ১৮০১ সালে। - এই বিভাগে উইলিয়াম কেরির নেতৃত্বে দেশীয় পন্ডিতদের নিয়োগ করা হয় বাংলা ভাষা ও সাহিত্য চর্চার প্রসারের জন্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮০১ খ্রিঃ — এটি সঠিক কারণ এই সালেই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলা বিভাগ খোলা হয়েছিল। B) ১৮০২ খ্রিঃ — এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগ খোলা হয়নি, এটি ভুল সাল। C) ১৮০৫ খ্রিঃ — এটি সঠিক নয় কারণ এর অনেক আগেই ১৮০১ সালে বাংলা বিভাগ চালু করা হয়েছিল। D) ১৮১৫ খ্রিঃ — এই সালটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগ খোলার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮০০ সালে আর তার ঠিক এক বছর পর ১৮০১ সালে খোলা হয় বাংলা বিভাগ।
a ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
b ১০ জানুয়ারি ১৯৭২
c ১১ জানুয়ারি ১৯৭২
d ৪ নভেম্বর ১৯৭২
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর দিন অর্থাৎ ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে 'বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান আদেশ' জারি করেন। - এই আদেশের মাধ্যমেই বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয় এবং রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন আইনগত কাঠামো তৈরি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এই তারিখে বাংলাদেশ বিজয় অর্জন করে এবং পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে, যা এই আদেশের তারিখ নয়। B) ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ — এই দিনে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন, যা সংবিধান আদেশ জারির ঠিক আগের দিন। D) ৪ নভেম্বর ১৯৭২ — এই তারিখে গণপরিষদে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান গৃহীত হয়, যা অস্থায়ী আদেশ জারির ১০ মাস পরের ঘটনা। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু দেশে ফেরেন ১০ জানুয়ারি এবং তার ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ১১ জানুয়ারি অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন।
a জুপিটার
b ভেনাস
c মার্কুরী
d নেপচুন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মার্কুরী কেন সঠিক: - মার্কুরী বা বুধ গ্রহটি সূর্য থেকে সবচেয়ে কম দূরত্বে অবস্থিত এবং এটি সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ। - সূর্যের তীব্র gravitational pull বা মহাকর্ষীয় টানের কারণে এটি সূর্যের সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জুপিটার — এটি সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ এবং সূর্য থেকে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে, তাই এটি নিকটতম গ্রহ নয়। B) ভেনাস — এটি সূর্য থেকে দ্বিতীয় গ্রহ এবং পৃথিবীর নিকটতম, তবে সূর্যের নিকটতম গ্রহ নয়। C) মার্কুরী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা সূর্যের সবচেয়ে নিকটতম গ্রহ। D) নেপচুন — এটি সৌরজগতের অন্যতম দূরবর্তী ও অষ্টম গ্রহ, যা সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরে অবস্থান করে। মনে রাখার টিপস: সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ বা মার্কুরী মনে রাখতে "বুধ সবার আগে" কথাটি মনে রাখতে পারো।
a ওসাকা
b হিরোশিমা
c কিয়োটো
d নাগাসাকি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কিয়োটো কেন সঠিক: - কিয়োটো ৭৯৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৮৬৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত জাপানের দীর্ঘকাল প্রাচীন রাজধানী ছিল। - ১৮৬৮ সালে মেজি পুনরুত্থানের পর জাপানের রাজধানী কিয়োটো থেকে বর্তমান রাজধানী টোকিওতে স্থানান্তরিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওসাকা — এটি জাপানের একটি প্রধান বাণিজ্যিক ও শিল্পনগরী, যা জাপানের অতীত রাজধানী ছিল না। B) হিরোশিমা — এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আণবিক বোমা হামলার শিকার হওয়া একটি ঐতিহাসিক শহর, তবে কখনো রাজধানী ছিল না। C) কিয়োটো — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা ৭৯৪ থেকে ১৮৬৮ সাল পর্যন্ত জাপানের প্রাচীন রাজধানী হিসেবে পরিচিত ছিল। D) নাগাসাকি — এটি জাপানের একটি প্রধান বন্দরনগরী এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ধ্বংস হওয়া শহর, যা কখনো রাজধানী ছিল না। মনে রাখার টিপস: জাপানের প্রাচীন ও বর্তমান দুই রাজধানীর নাম মনে রাখতে পারেন এভাবে, কিয়োটো হলো প্রাচীন রাজধানী আর টোকিও হলো আধুনিক রাজধানী।
a কেওড়া বন
b উপকূলীয় বন
c শালবন
d মানবসৃষ্ট বন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উপকূলীয় বন কেন সঠিক: - ম্যানগ্রোভ বা সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলের জোয়ার-ভাটা প্লাবিত এলাকায় জন্ম নেয় এবং লবণাক্ত পরিবেশ সহ্য করতে পারে। - এই বন উপকূলকে সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড় থেকে প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে রক্ষা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কেওড়া বন — কেওড়া ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান গাছ হলেও শুধু কেওড়া বন মানেই সম্পূর্ণ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল বোঝায় না। B) উপকূলীয় বন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ম্যানগ্রোভ উপকূলীয় অঞ্চলেই গড়ে ওঠে। C) শালবন — শালবন হলো এক ধরণের পর্ণমোচী বা মধুপুর গড়ের উঁচু ভূমির বন, যা উপকূলীয় জোয়ার-ভাটার লবণাক্ত অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়। D) মানবসৃষ্ট বন — ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল মানুষের তৈরি নয়, এটি প্রকৃতির নিয়মে উপকূলীয় অঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে জন্মায়। মনে রাখার টিপস: ম্যানগ্রোভ মানেই উপকূলের নোনা জলের বন, যা সুন্দরবনের মতো উপকূল রক্ষা করে।
a প্রশান্ত মহাসাগরে
b আটলান্টিক মহাসাগরে
c ভারত মহাসাগরে
d আরব সাগরে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভারত মহাসাগরে কেন সঠিক: - মরিশাস একটি দ্বীপরাষ্ট্র যা আফ্রিকার পূর্ব উপকূলে ভারত মহাসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত। - এর ভৌগোলিক অবস্থান ভারত মহাসাগরের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এটি এই মহাসাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপপুঞ্জ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রশান্ত মহাসাগরে — প্রশান্ত মহাসাগর বিশ্বের বৃহত্তম মহাসাগর হলেও মরিশাস এই অঞ্চলে অবস্থিত নয়। B) আটলান্টিক মহাসাগরে — আটলান্টিক মহাসাগর আমেরিকা ও আফ্রিকা-ইউরোপের মাঝে অবস্থিত, যেখানে মরিশাসের অবস্থান নয়। C) ভারত মহাসাগরে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং মরিশাস ভৌগোলিকভাকে এই মহাসাগরেই অবস্থিত। D) আরব সাগরে — আরব সাগর ভারত মহাসাগরের একটি অংশ হলেও মরিশাস আরও দক্ষিণে ভারত মহাসাগরের মূল অংশে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: আফ্রিকার কাছে ভারত মহাসাগরে অবস্থিত দ্বীপরাষ্ট্র হলো মরিশাস।
a বার্সেলোনা
b কর্ডোভা
c গ্রানাডা
d মাদ্রিদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মাদ্রিদ কেন সঠিক: - মাদ্রিদ হলো স্পেনের রাজধানী এবং দেশটির বৃহত্তম শহর। - এটি স্পেনের ভৌগোলিক কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এবং দেশটির রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বার্সেলোনা — এটি স্পেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর এবং কাতালুনিয়া অঞ্চলের রাজধানী, তবে দেশের রাজধানী নয়। B) কর্ডোভা — এটি স্পেনের আন্দালুসিয়া অঞ্চলের একটি ঐতিহাসিক শহর, যা তার প্রাচীন স্থাপত্যের জন্য বিখ্যাত কিন্তু রাজধানী নয়। সি) গ্রানাডা — এটি স্পেনের একটি ঐতিহাসিক পর্যটন শহর, যা আলহামব্রা প্রাসাদের জন্য পরিচিত কিন্তু রাজধানী নয়। D) মাদ্রিদ — এটি স্পেনের রাজধানী এবং প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদ মনে রাখতে স্প্যানিশ ফুটবল ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের কথা স্মরণ করতে পারো।
a কিশোরগঞ্জ জেলায়
b নেত্রকোনা জেলায়
c শেরপুর জেলায়
d সিলেট জেলায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নেত্রকোনা জেলায় কেন সঠিক: - বিরিশিরি নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার সোমেশ্বরী নদীর তীরে অবস্থিত একটি বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র। - এখানকার পাহাড়ি অঞ্চলের চিনামাটির পাহাড় ও নীল জলের জলাশয় অত্যন্ত সৌন্দর্যমণ্ডিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিশোরগঞ্জ জেলায় — কিশোরগঞ্জ জেলায় বিরিশিরি অবস্থিত নয়, এটি হাওড় ও ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের জন্য পরিচিত। B) নেত্রকোনা জেলায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) শেরপুর জেলায় — শেরপুর জেলায় গারো পাহাড়ের অংশবিশেষ থাকলেও বিরিশিরি এখানে অবস্থিত নয়। D) সিলেট জেলায় — সিলেট জেলা চা বাগান ও হযরত শাহজালালের মাজারের জন্য বিখ্যাত, বিরিশিরি এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী নদীর তীরে সুন্দর বিরিশিরি অবস্থিত।
a ইন্দোনেশিয়া
b ফিলিপাইন
c মালদ্বীপ
d জাপান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইন্দোনেশিয়া কেন সঠিক: - ইন্দোনেশিয়া প্রায় সতেরো হাজারেরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র। - এটি মূলত একটি বিশাল দ্বীপপুঞ্জ বা আর্কিপেলাগো রাষ্ট্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইন্দোনেশিয়া — এটি বিশ্বের সর্বাধিক দ্বীপ নিয়ে গঠিত রাষ্ট্র হওয়ায় সঠিক উত্তর। B) ফিলিপাইন — এটি সাত হাজারেরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র, যা ইন্দোনেশিয়ার চেয়ে কম। C) মালদ্বীপ — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি ছোট দ্বীপরাষ্ট্র এবং এর দ্বীপ সংখ্যা প্রায় এক হাজার দুইশত, যা ইন্দোনেশিয়ার তুলনায় অনেক কম। D) জাপান — এটি প্রায় ছয় হাজার আটশর বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত একটি দেশ, যা ইন্দোনেশিয়ার মতো সর্বাধিক দ্বীপের রাষ্ট্র নয়। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে বেশি দ্বীপ ইনডিপেন্ডেন্ট বা স্বাধীন ইন্দোনেশিয়ায়।
a মুর্শিদাবাদের নবাব
b বাংলার বারভূঁইয়ার একজন
c সুবেহ বাংলার শাসক
d দিল্লীর বাদশাহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাংলার বারভূঁইয়ার একজন কেন সঠিক: - ঈশা খাঁ ছিলেন ষোড়শ শতাব্দীতে ভাটি অঞ্চলের স্বাধীন শাসক এবং বাংলার বারভূঁইয়ার প্রধান। - তিনি মুঘল সম্রাট আকবরের বিরুদ্ধে বাংলার স্বাধীনতা রক্ষায় বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুর্শিদাবাদের নবাব — মুর্শিদাবাদের নবাবগণ আঠারো শতকে বাংলা শাসন করতেন, যা ঈশা খাঁর সময়ের অনেক পরের ঘটনা। B) বাংলার বারভূঁইয়ার একজন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ষোড়শ শতাব্দীতে বাংলার অন্যতম প্রধান স্বাধীন জমিদার বা ভূঁইয়া ছিলেন। C) সুবেহ বাংলার শাসক — ঈশা খাঁ পুরো সুবেহ বাংলার শাসক ছিলেন না, বরং তিনি ভাটি অঞ্চলের প্রধান স্বাধীন ভূঁইয়া ছিলেন। D) দিল্লীর বাদশাহ — দিল্লীর বাদশাহ ছিলেন মুঘল শাসকগণ, যাদের বিরুদ্ধে ঈশা খাঁ আজীবন সংগ্রাম করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: ঈশা খাঁ মানেই মুঘলদের বিরুদ্ধে বাংলার বারভূঁইয়ার স্বাধীন বীর।
a Bangladesh Institute of Public Service Officers Training.
b Bangladesh International Peace Support Overseas Training.
c Bangladesh International Peace Support Operation of Training.
d Bangladesh Institute of Peace Support Operation Training.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Bangladesh Institute of Peace Support Operation Training. কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, যা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের জন্য সেনা সদস্যদের প্রস্তুত করে। - শান্তিরক্ষা সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে গাজিপুরের রাজেন্দ্রপুরে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bangladesh Institute of Public Service Officers Training — এটি সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্য নয়, বরং শান্তিরক্ষা প্রশিক্ষণের প্রতিষ্ঠান। B) Bangladesh International Peace Support Overseas Training — এখানে ওভারসিজ শব্দটি ভুল, কারণ প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত। C) Bangladesh International Peace Support Operation of Training — এই অপশনটির ব্যাকরণগত গঠন ভুল এবং এটি প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল নাম নয়। D) Bangladesh Institute of Peace Support Operation Training — এটি এই প্রতিষ্ঠানের সঠিক এবং পূর্ণাঙ্গ নাম। মনে রাখার টিপস: নামটি মনে রাখতে Peace Support Operation Training অংশটুকু মনে রাখুন, যা শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের প্রশিক্ষণকে নির্দেশ করে।
a সোনারগাঁয়ে
b ময়নামতিতে
c মহাস্থানগড়ে
d বৌদ্ধ বিহারে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সোনারগাঁয়ে কেন সঠিক: - ঐতিহাসিক পানাম নগর বর্তমান নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে অবস্থিত, যা প্রাচীন বাংলার রাজধানী ছিল। - এটি বারো ভূঁইয়াদের আমলে এবং ব্রিটিশ যুগে ব্যবসা-বাণিজ্যের একটি প্রধান কেন্দ্র ও প্রাচীন স্থাপত্যের নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনারগাঁয়ে — এটি সঠিক উত্তর কারণ পানাম নগর এখানেই অবস্থিত। B) ময়নামতিতে — এটি কুমিল্লার ঐতিহাসিক স্থান, যা প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার জন্য বিখ্যাত এবং পানাম নগরের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) মহাস্থানগড়ে — এটি বগুড়ায় অবস্থিত প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী, যা পানাম নগর থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। D) বৌদ্ধ বিহারে — এটি একটি সাধারণ স্থাপনার ধরন নির্দেশ করে, কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক স্থান নয়। মনে রাখার টিপস: সোনার মানুষ সোনার গহনা পরে পানাম নগরে ঘোরে, এভাবে সোনারগাঁ ও পানাম নগর মনে রাখতে পারেন।
a ৩৮ অনুচ্ছেদ
b ৩৯ অনুচ্ছেদ
c ৩৭ অনুচ্ছেদ
d ৩৬ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৯ অনুচ্ছেদ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পাশাপাশি নাগরিকের যেকোনো লেখার প্রকাশনা ও প্রচারের অধিকার সংরক্ষিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৮ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে দেশের আইন অনুযায়ী সমিতি বা সংঘ গঠন করার অধিকারের কথা বলা হয়েছে। B) ৩৯ অনুচ্ছেদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই। C) ৩৭ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে জনস্বার্থের সাপেক্ষে শান্তিপূর্ণ ও নিরস্ত্রভাবে জমায়েত ও সভা-সমাবেশ করার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। D) ৩৬ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে দেশের অভ্যন্তরে অবাধ চলাচল, বসবাস এবং যেকোনো স্থানে হিজরত করার স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের ৩৯ মানেই কথা বলা, মতামত প্রকাশ করা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা।
a ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
b ২৭ এপ্রিল ১৯৭১
c ১০ এপ্রিল ১৯৭১
d ৭ এপ্রিল ১৯৭১
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়। - এই সরকারের অধীনেই ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বৈদ্যনাথতলা (বর্তমান মুজিবনগর) আমবাগানে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ ও শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণ ও সরকারের আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশের তারিখ, গঠনের তারিখ নয়। B) ২৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) ৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি মুজিবনগর সরকার গঠনের সঠিক তারিখ নয়। মনে রাখার টিপস: গঠন দশ শপথ সতেরো (১০ এপ্রিল গঠন এবং ১৭ এপ্রিল শপথ)।
a তাজউদ্দিন আহমেদ
b সৈয়দ নজরুল ইসলাম
c এ.এইচ এম কামারুজ্জামান
d ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত প্রথম বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর সরকার) অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী। - তিনি একই সঙ্গে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অর্থমন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্ব অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাজউদ্দিন আহমেদ — তিনি মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, অর্থমন্ত্রী ছিলেন না। B) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি মুজিবনগর সরকারের উপরাষ্ট্রপতি এবং রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। C) এ.এইচ এম কামারুজ্জামান — তিনি মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন। D) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি এই সরকারের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। মনে রাখার টিপস: মনসুর আলীর নামের সাথে টাকা বা অর্থ বিষয়ক দায়িত্ব তথা অর্থমন্ত্রী পদটি মনে রাখতে পারেন এভাবে যে মনসুর মানে অর্থ সামলানো।
a প্যারিসে
b ব্রাসেলসে
c রোমে
d বার্লিনে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্রাসেলসে কেন সঠিক: - বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস হলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ এর প্রাতিষ্ঠানিক সদর দপ্তর। - এখানেই ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান কার্যালয় এবং ইউরোপীয় কাউন্সিলের বেশিরভাগ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিসে — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কো সহ অন্যান্য সংস্থার সদর দপ্তর, ইইউ এর নয়। B) ব্রাসেলসে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) রোমে — এটি ইতালির রাজধানী এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত। D) বার্লিনে — এটি জার্মানির রাজধানী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো প্রধান সদর দপ্তর এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: ইউরোপের প্রাণকেন্দ্র বেলজিয়ামের ব্রাসেলসেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর অবস্থিত।
a সম্রাট আকবর
b নবাব আলিবর্দী খাঁ
c লক্ষণ সেন
d আবুল ফজল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সম্রাট আকবর কেন সঠিক: - মোঘল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দে ফসলি সনকে সংস্কার করে বাংলা সনের প্রবর্তন করেন। - খাজনা আদায় সহজ করার জন্য তিনি জ্যোতির্বিজ্ঞানী আমির ফাতহুল্লাহ শিরাজির সহায়তায় বাংলা সন চালু করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্রাট আকবর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলা সনের প্রবর্তন করেছিলেন। B) নবাব আলিবর্দী খাঁ — তিনি বাংলার একজন নবাব ছিলেন, তবে বাংলা সনের প্রবর্তক নন। C) লক্ষণ সেন — তার নামানুসারে লক্ষণ সেনাব্দ চালু হয়েছিল, যা বাংলা সন নয়। D) আবুল ফজল — তিনি সম্রাট আকবরের নবরত্নের একজন এবং ঐতিহাসিক ছিলেন, সনের প্রবর্তক নন। মনে রাখার টিপস: আকবর মানেই বাংলা সনের আবিষ্কার, যিনি খাজনা আদায়ে করেছিলেন চমৎকার সংস্কার।
a International Development Authority.
b Industrial Development Authority.
c International Development Association.
d Inland Development Authority.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) International Development Association. কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অন্যতম এই প্রতিষ্ঠানটি দরিদ্রতম উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহজ শর্তে ঋণ ও অনুদান প্রদান করে থাকে। - এটি সাধারণত সফট লোন উইন্ডো বা সহজ শর্তের ঋণদাতা হিসেবে বিশ্বব্যাপী পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) International Development Authority — এই নামে বিশ্বব্যাংক বা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কোনো প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠান নেই। B) Industrial Development Authority — এটি কোনো নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থার সঠিক নাম নয়, যদিও বিভিন্ন দেশের অভ্যন্তরীণ শিল্প সংস্থার ক্ষেত্রে এমন নাম থাকতে পারে। C) International Development Association — এটি সঠিক, কারণ এটি বিশ্বব্যাংকের একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান। D) Inland Development Authority — এটি দেশের অভ্যন্তরীণ ভূখণ্ড বা অঞ্চলের উন্নয়নের সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হয়, আন্তর্জাতিক সংস্থার নাম নয়। মনে রাখার টিপস: IDA নামের শেষ শব্দ Association মনে রাখলেই বিশ্বব্যাংকের এই সহজ শর্তের ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানটিকে সহজে চেনা যায়।
a দিনাজপুর জেলায়
b রংপুর জেলায়
c রাজশাহী জেলায়
d বগুড়া জেলায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দিনাজপুর জেলায় কেন সঠিক: - কান্তজীর মন্দির বা কান্তনগর মন্দির উত্তরবঙ্গের দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলায় ঢেপা নদীর তীরে অবস্থিত। - এটি অষ্টাদশ শতাব্দীতে নির্মিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও টেরাকোটা অলংকরণে সমৃদ্ধ প্রাচীন স্থাপত্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিনাজপুর জেলায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ মন্দিরটি এই জেলার কাহারোল উপজেলায় অবস্থিত। B) রংপুর জেলায় — এটি ভুল কারণ রংপুর বিভাগে মন্দিরটি অবস্থিত হলেও সুনির্দিষ্টভাবে এটি রংপুর জেলার অংশ নয়। C) রাজশাহী জেলায় — এটি ভুল কারণ রাজশাহী জেলা থেকে এই মন্দিরটি ভৌগোলিকভাবে অনেক দূরে অবস্থিত। D) বগুড়া জেলায় — এটি ভুল কারণ বগুড়া জেলায় মহাস্থানগড়সহ অন্যান্য প্রাচীন নিদর্শন থাকলেও কান্তজীর মন্দির এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: কান্তজীর মন্দির দেখতে দিনাজপুরের দিকে কান্তনগর যেতে হয়।
a ভিটামিন সি
b অ্যালবুমিন
c লিনোলিক এসিড
d গ্লুকোজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অ্যালবুমিন ১. কেন সঠিক: - ডিমের সাদা অংশে প্রায় নব্বই শতাংশ জল এবং দশ শতাংশ প্রোটিন থাকে, যার মূল উপাদান হলো অ্যালবুমিন। - এটি এক ধরনের সরল প্রোটিন যা জলে দ্রবণীয় এবং মানবদেহের পেশি গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অ্যালবুমিন হলো পানির সাথে দ্রবণীয় এক প্রকার গ্লোবুলার প্রোটিন যা মানুষের রক্তরসেও পাওয়া যায়। - কার্যপ্রণালি: তাজা ডিম রান্নার সময় তাপমাত্রার প্রভাবে অ্যালবুমিন প্রোটিনের পেপটাইড বন্ধন ভেঙে যায় এবং ত্রিমাত্রিক গঠন পরিবর্তিত হয়ে জমাট বাঁধে। - বাস্তব প্রয়োগ: মানবদেহে রক্তে তরলের মাত্রা ঠিক রাখতে এবং বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান পরিবহনে অ্যালবুমিন প্রোটিন অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জ্বরের রোগীকে ডাক্তার অনেক সময় ডিমের সাদা অংশ খাওয়ার পরামর্শ দেন। ব্যাখ্যা: এটি সহজে হজমযোগ্য প্রোটিন সরবরাহ করে রোগীর দ্রুত শারীরিক শক্তি পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: জিম করার পর অনেকে শুধু ডিমের সাদা অংশ খান। ব্যাখ্যা: এটি ফ্যাটমুক্ত হওয়ায় পেশি গঠনে এবং শারীরিক ক্ষত পূরণে সরাসরি কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন সি — এটি টক জাতীয় ফল ও সবজিতে থাকে, যা ডিমের মধ্যে প্রাকৃতিকভাবে উপস্থিত থাকে না। B) অ্যালবুমিন — এটি ডিমের সাদা অংশে থাকা প্রধান প্রোটিন এবং সঠিক উত্তর। C) লিনোলিক এসিড — এটি এক ধরনের প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিড, যা ডিমের কুসুম বা উদ্ভিজ্জ তেলে পাওয়া যায়। D) গ্লুকোজ — এটি শর্করা জাতীয় উপাদান, যা রক্তের প্রধান জ্বালানি হলেও ডিমের সাদা অংশে থাকে না। ৫. মনে রাখার টিপস: ডিমের সাদা অংশ দেখতে স্বচ্ছ ও তরল হলেও সিদ্ধ করলে সাদা ও শক্ত হয়, কারণ এতে অ্যালবুমিন প্রোটিন থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ডিমের কুসুমে ফ্যাট ও খনিজ উপাদান বেশি থাকে এবং সাদা অংশে শুধু প্রোটিন থাকে। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a বিলিরুবিন
b মেলানিন
c ইনসুলিন
d হিমোগ্লোবিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইনসুলিন ১. কেন সঠিক: - মানবদেহের অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বিটা কোষ থেকে ইনসুলিন হরমোন উৎপাদিত হয়। - ইনসুলিন রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষে গ্লুকোজ প্রবেশে সহায়তা করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ইনসুলিন হলো একটি পেপটাইড হরমোন যা রক্তের শর্করা বা গ্লুকোজের পরিমাণ স্বাভাবিক রাখে। - কার্যপ্রণালি: অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা এর কার্যকারিতা কমে গেলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। - কারণ ও ফলাফল: ইনসুলিনের অপর্যাপ্ততার কারণে ডায়াবেটিস মেলিটাস নামক বিপাকীয় রোগ হয়, যার ফলে রক্তে শর্করার আধিক্য দেখা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মিষ্টি খাবার খাওয়ার পর স্বাভাবিক মানুষের দেহে বেশি ইনসুলিন নিঃসৃত হয়ে রক্তের শর্করা কমিয়ে দেয়। ব্যাখ্যা: এটি দেখায় কীভাবে ইনসুলিন আমাদের শরীরে শর্করার ভারসাম্য রক্ষা করে। উদাহরণ ২: ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষেত্রে ইনসুলিন ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি কৃত্রিম উপায়ে শরীরের ইনসুলিনের ঘাটতি পূরণ করে রক্তে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিলিরুবিন — এটি রক্তে উপস্থিত হিমোগ্লোবিন ভাঙার ফলে তৈরি হওয়া একটি পিত্তরঞ্জক যা জন্ডিস রোগের সাথে সম্পর্কিত। B) মেলানিন — এটি আমাদের ত্বক, চুল ও চোখের রঙ নির্ধারণকারী রঞ্জক পদার্থ যা সূর্যের আলো থেকে সুরক্ষা দেয়। C) ইনসুলিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর ঘাটতি বা অকার্যকারিতায় ডায়াবেটিস রোগ হয়। D) হিমোগ্লোবিন — এটি রক্তের লোহিত রক্তকণিকায় অবস্থিত প্রোটিন যা ফুসফুস থেকে সারা দেহে অক্সিজেন পরিবহন করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - অগ্ন্যাশয় ইনসুলিন তৈরি করে আর ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস হয়, তাই মনে রাখুন চিনি নিয়ন্ত্রণের চাবিকাঠি হলো ইনসুলিন। - ইনসুলিনের সাথে অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষের সম্পর্ক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ডায়াবেটিস রোগ নির্ণয়ের জন্য সাধারণত রক্তের গ্লুকোজ পরীক্ষা এবং এইচবিএওয়ানসি পরীক্ষা করা হয়। - একই ধারণা থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে ইনসুলিন কোন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়।
a আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
b হিপোক্রেটস
c ইবনে সিনা
d ইউক্লিড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১. কেন সঠিক: স্কটিশ বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৮ সালে দুর্ঘটনাবশত পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন। এটি বিশ্বের প্রথম কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিক যা ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ নিরাময়ে বিপ্লব ঘটিয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অ্যান্টিবায়োটিক হলো এমন রাসায়নিক পদার্থ যা অণুজীব থেকে উৎপন্ন হয়ে অন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস বা বৃদ্ধি রোধ করে। কার্যপ্রণালি: ফ্লেমিং লক্ষ্য করেন স্টেপিলোকক্কাস ব্যাকটেরিয়ার কালচার প্লেটে পেনিসিলিয়াম নোটাটাম ছত্রাক জন্ম নেওয়ার কারণে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে গেছে। বাস্তব প্রয়োগ: নিউমোনিয়া, ডিপথেরিয়া ও সিফিলিসের মতো মারাত্মক ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ চিকিৎসায় এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাটা-ছেঁড়া স্থানে অ্যান্টিবায়োটিক মলম ব্যবহার। ব্যাখ্যা: এটি ত্বকের ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ রোধ করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: গলা ব্যথা বা টনসিলের চিকিৎসায় চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন। ব্যাখ্যা: এটি শরীরের ভেতরে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে রোগ সারাতে সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং — সঠিক উত্তর কারণ তিনি পেনিসিলিন আবিষ্কার করেছিলেন। B) হিপোক্রেটস — তিনি প্রাচীন গ্রিসের চিকিৎসক যাকে আধুনিক চিকিৎসার জনক বলা হয়, পেনিসিলিনের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) ইবনে সিনা — তিনি মধ্যযুগের প্রখ্যাত মুসলিম দার্শনিক ও চিকিৎসক যিনি কানুন ফিত তিব্ব গ্রন্থ রচনা করেছিলেন। D) ইউক্লিড — তিনি প্রাচীন গ্রিসের প্রখ্যাত গণিতবিদ যাকে জ্যামিতির জনক বলা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ফ্লেমিং শব্দটি মনে রাখুন ফ্লেম বা শিখার সঙ্গে মিলিয়ে, যিনি চিকিৎসা বিজ্ঞানে আশার শিখা জ্বেলেছিলেন। পেনিসিলিন শব্দটি এসেছে পেনিসিলিয়াম ছত্রাক থেকে, যা আবিষ্কারের ইতিহাস একটি চমৎকার ঘটনা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পেনিসিলিন আবিষ্কারের জন্য আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯৪৫ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। এই প্রশ্নটি থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আবিষ্কারক বা প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
a ন্যানোমিটার
b ল্যাকটোমিটার
c ফ্যাডোমিটার
d অলটিমিটার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ল্যাকটোমিটার ১. কেন সঠিক: ল্যাকটোমিটার হলো এমন একটি বিশেষ বৈজ্ঞানিক যন্ত্র যা দুধের আপেক্ষিক গুরুত্ব বা ঘনত্ব পরিমাপ করে। এর সাহায্যে খুব সহজে বোঝা যায় যে দুধে অতিরিক্ত পানি মেশানো হয়েছে কি না বা দুধের মান ঠিক আছে কি না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: আর্কিমিডিসের প্লবতা সূত্রের ওপর ভিত্তি করে ল্যাকটোমিটার কাজ করে এবং এটি তরলের ঘনত্ব পরিমাপ করে। কার্যপ্রণালি: খাঁটি দুধের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকে, কিন্তু পানি মেশালে ঘনত্ব কমে যায় এবং ল্যাকটোমিটারের নিমজ্জিত হওয়ার মাত্রা পরিবর্তিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুগ্ধ খামারে বা সংগ্রহ কেন্দ্রে কাঁচা দুধ কেনার সময় ল্যাকটোমিটার ব্যবহার করে গুণগত মান যাচাই করা হয়। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে ধরা পড়ে দুধের সঙ্গে জলীয় অংশ বা ভেজাল মেশানো হয়েছে কি না। উদাহরণ ২: ল্যাবরেটরিতে দুগ্ধজাত পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণের সময় এই যন্ত্রের সাহায্যে দুধের বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি মানসম্মত খাদ্যপণ্য উৎপাদনে এবং ভেজাল প্রতিরোধে সরাসরি সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ন্যানোমিটার — ন্যানোমিটার হলো অত্যন্ত ক্ষুদ্র দৈর্ঘ্য বা দূরত্ব পরিমাপের একক, যা আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য মাপতে ব্যবহৃত হয়। B) ল্যাকটোমিটার — ল্যাকটোমিটার হলো দুধের বিশুদ্ধতা ও ঘনত্ব পরিমাপের সঠিক যন্ত্র। C) ফ্যাডোমিটার — ফ্যাডোমিটার হলো সমুদ্রের গভীরতা মাপার একটি বিশেষ যন্ত্র। D) অলটিমিটার — অলটিমিটার হলো বিমান বা কোনো বস্তুর উচ্চতা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র। ৫. মনে রাখার টিপস: ল্যাকটোজ শব্দটি দুধের শর্করার সঙ্গে সম্পর্কিত, তাই দুধ মাপা যন্ত্রটির নাম ল্যাকটোমিটার। মিটার শব্দটি পরিমাপের সঙ্গে যুক্ত, সুতরাং ল্যাকটোমিটার মানেই দুধের পরিমাপক যন্ত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশুদ্ধ দুধের আপেক্ষিক গুরুত্ব সাধারণত ১.০২৬ থেকে ১.০৩২ এর মধ্যে থাকে। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় পরিমাপক যন্ত্রের নাম হিসেবে আসে।
a ভিটামিন E ও D
b ভিটামিন C ও D
c ভিটামিন A ও D
d ভিটামিন B ও D
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভিটামিন A ও D ১. কেন সঠিক: হাঙরসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছের যকৃতে প্রচুর পরিমাণে চর্বি বা তেল থাকে, যেখানে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন ডি উচ্চমাত্রায় জমা হয়। এই ভিটামিনগুলো ফ্যাট সলুবল বা চর্বিতে দ্রবণীয় হওয়ার কারণে মাছের তেলের সাথে সহজেই মিশে থাকে এবং মানবদেহের পুষ্টির চাহিদা মেটায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভিটামিন এ এবং ডি উভয়ই ফ্যাট সলুবল ভিটামিন, যা মানবদেহের দৃষ্টিশক্তি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং অস্থি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কার্যপ্রণালি: হাঙর মাছের যকৃতে সংগৃহীত তেল প্রক্রিয়াজাত করে কর্ড লিভার অয়েল বা মাছের তেল তৈরি করা হয়, যা ভিটামিন এ ও ডির প্রধান প্রাকৃতিক উৎস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিশুদের অন্ধত্ব দূরীকরণে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন এ ক্যাপসুল ব্যবহার করা হয়, যা মূলত সামুদ্রিক মাছের তেল থেকেই আহরণ করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি মানবদেহের পুষ্টি ঘাটতি পূরণে সামুদ্রিক মাছের তেলের কার্যকারিতা প্রমাণ করে। উদাহরণ ২: প্রাপ্তবয়স্কদের হাড়ের ক্ষয়রোধ বা অস্ট্রিয়োম্যালেসিয়া রোগ প্রতিরোধে চিকিৎসকরা অনেক সময় মাছের তেল খাওয়ার পরামর্শ দেন। ব্যাখ্যা: এই তেলে থাকা ভিটামিন ডি অন্ত্র থেকে ক্যালসিয়াম শোষণ বাড়িয়ে হাড় শক্ত রাখতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন E ও ড ভিটামিন ই প্রজননতন্ত্রের জন্য প্রয়োজনীয় হলেও হাঙর মাছের তেলে প্রধান পুষ্টি উপাদান হিসেবে ভিটামিন এ ও ডি থাকে। B) ভিটামিন C ও D ভিটামিন সি পানিতে দ্রবণীয় এবং এটি সাধারণত টক জাতীয় ফল ও শাকসবজিতে পাওয়া যায়, সামুদ্রিক মাছের তেলে নয়। D) ভিটামিন B ও D ভিটামিন বি কমপ্লেক্স পানিতে দ্রবণীয় এবং এটি শস্যদানা ও মাংসে বেশি থাকে, হাঙর মাছের তেলের প্রধান উপাদান এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সামুদ্রিক মাছের তেল মানেই এ এবং ডি এর সমাহার। মনে রাখার জন্য হাঙর মাছের তেল খাওয়ার দুটি প্রধান কারণ হলো চোখ ভালো রাখা (ভিটামিন এ) এবং হাড় শক্ত করা (ভিটামিন ডি)। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ফ্যাট সলুবল ভিটামিনগুলোর নাম জানতে চাওয়া হয়। ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে হলো চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন, যা এই প্রশ্নের মাধ্যমে সহজে মনে রাখা সম্ভব।
a চুনাপাথর
b খনিজ তেল
c অ্যামোনিয়া
d মিথেন গ্যাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যামোনিয়া ১. কেন সঠিক: ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান এবং সরাসরি কাঁচামাল হলো অ্যামোনিয়া এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড। প্রাকৃতিক গ্যাস বা মিথেন থেকে প্রথমে হাইড্রোজেন ও পরবর্তীতে নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে অ্যামোনিয়া তৈরি করা হয়, যা ইউরিয়া সারের মূল উপাদান। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ইউরিয়া একটি জৈব যৌগ যার রাসায়নিক সংকেত সিওএনএইচটু হোল টু। কার্যপ্রণালি: প্রথমে মিথেন গ্যাসের সঙ্গে জলীয় বাষ্প বিক্রিয়া করিয়ে হাইড্রোজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করা হয়। পরবর্তীতে বাতাসের নাইট্রোজেনের সঙ্গে হাইড্রোজেন যুক্ত করে হেবার বস পদ্ধতি অনুসারে অ্যামোনিয়া উৎপাদন করা হয়। রাসায়নিক বিক্রিয়া: উচ্চচাপ ও তাপমাত্রায় কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং অ্যামোনিয়া বিক্রিয়া করে ইউরিয়া ও পানি উৎপন্ন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সার কারখানার উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা: দেশের বিভিন্ন ইউরিয়া কারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে প্রাপ্ত মিথেন ব্যবহার করে প্রথমে অ্যামোনিয়া তৈরি করা হয় এবং তা থেকেই ইউরিয়া প্রস্তুত হয়। উদাহরণ ২: পরীক্ষাগারে ইউরিয়া সংশ্লেষণ ব্যাখ্যা: বিজ্ঞানীরা অজৈব যৌগ অ্যামোনিয়াম সায়ানেট উত্তপ্ত করে প্রথম ইউরিয়া প্রস্তুত করেছিলেন, যা রসায়নে ভাইটাল ফোর্স থিওরি ভুল প্রমাণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চুনাপাথর — চুনাপাথর হলো ক্যালসিয়াম কার্বনেট, যা সিমেন্ট শিল্প এবং কাচ তৈরিতে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় কিন্তু ইউরিয়া উৎপাদনে এর সরাসরি ব্যবহার নেই। B) খনিজ তেল — খনিজ তেল থেকে পেট্রোল, ডিজেল ও কেরোসিন উৎপাদিত হয়, যা সার শিল্পে সরাসরি ব্যবহৃত হয় না। C) অ্যামোনিয়া — এটি ইউরিয়া তৈরির সরাসরি প্রধান কাঁচামাল এবং কার্বন ডাই-অক্সাইডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ইউরিয়া উৎপন্ন করে। D) মিথেন গ্যাস — মিথেন গ্যাস থেকে পরোক্ষভাবে অ্যামোনিয়া তৈরি করা হলেও ইউরিয়া উৎপাদনের প্রত্যক্ষ প্রধান কাঁচামাল হিসেবে অ্যামোনিয়া ও কার্বন ডাই-অক্সাইডকেই মূল উপাদান ধরা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ইউরিয়া সার তৈরির মূল চাবিকাঠি হলো অ্যামোনিয়া গ্যাস। মনে রাখুন, মাটিতে নাইট্রোজেন সরবরাহের জন্য ইউরিয়া ব্যবহার করা হয় আর অ্যামোনিয়া হলো নাইট্রোজেনের প্রধান উৎস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ শতকরা প্রায় ছেচল্লিশ ভাগ। একই বৈজ্ঞানিক ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে হেবার বস পদ্ধতিতে কোন গ্যাস উৎপাদিত হয়।
a TSP
b MP
c SSP
d Urea
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Urea ১. কেন সঠিক: - ইউরিয়া সারে প্রচুর পরিমাণে নাইট্রোজেন থাকে যা গাছের শারীরিক বৃদ্ধি, ডালপালা বিস্তার এবং সবুজ পাতা উৎপাদনে সরাসরি সাহায্য করে। - নাইট্রোজেনের প্রভাবে উদ্ভিদের কোষে প্রোটিন ও ক্লোরোফিল তৈরি দ্রুত হয়, যার ফলে গাছের সার্বিক বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: উদ্ভিদ তার পুষ্টির জন্য প্রধানত নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও পটাশিয়াম ব্যবহার করে যার মধ্যে নাইট্রোজেন উদ্ভিদের অঙ্গজ বৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা রাখে। - কার্যপ্রণালি: ইউরিয়া সার মাটিতে প্রয়োগ করার পর এটি এনজাইমের প্রভাবে ভেঙে অ্যামোনিয়া ও পরে নাইট্রেটে পরিণত হয় যা উদ্ভিদ শিকড়ের মাধ্যমে শোষণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধান চাষের সময় ইউরিয়া সার প্রয়োগ করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি ধান গাছের কুশি ও ডালপালা দ্রুত বাড়াতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: শাকসবজির ক্ষেতে ইউরিয়া ছিটানো হয়। ব্যাখ্যা: এর ফলে পাতাগুলো দ্রুত সবুজ ও পুষ্ট হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) TSP — এটি ট্রিপল সুপার ফসফেট সার, যা মূলত গাছের শিকড় গঠন ও ফুল-ফল ধরতে সাহায্য করে, শারীরিক বৃদ্ধিতে নয়। B) MP — এটি মিউরেট অব পটাশ সার, যা গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ফল ও দানা শক্ত করতে সাহায্য করে। C) SSP — এটি সিঙ্গেল সুপার ফসফেট, যা ফসফরাসের উৎস হিসেবে কাজ করে এবং উদ্ভিদের শিকড়ের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। D) Urea — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে প্রায় ছেচল্লিশ শতাংশ নাইট্রোজেন থাকে যা গাছের শারীরিক বৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইউরিয়া মানেই নাইট্রোজেন আর নাইট্রোজেন মানেই গাছের সবুজ পাতার ও শারীরিক বৃদ্ধি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদানের প্রধান উৎস হলো এন, পি ও কে অর্থাৎ নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও পটাশিয়াম। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে।
a ক্লোরিন
b টাইটেনিয়াম
c গ্রাফাইট
d গ্যালিয়াম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গ্রাফাইট ১. কেন সঠিক: সাধারণত অধাতু বিদ্যুৎ অপরিবাহী হলেও কার্বনের একটি রূপভেদ গ্রাফাইট এর ব্যতিক্রম। গ্রাফাইটের স্তরীভূত গঠনে মুক্ত ইলেকট্রন থাকার কারণে এটি সহজে বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: কার্বনের একটি বহুরূপ হলো গ্রাফাইট যেখানে প্রতিটি কার্বন পরমাণু অন্য তিনটি পরমাণুর সঙ্গে সমযোজী বন্ধনে যুক্ত থাকে। কার্যপ্রণালি: একটি ইলেকট্রন মুক্ত থাকায় গ্রাফাইটের স্তরগুলোর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পেন্সিলের সিস ব্যাখ্যা: পেন্সিলের সিস গ্রাফাইট দিয়ে তৈরি হওয়ায় এটি বিদ্যুৎ পরিবাহী হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: শুষ্ক কোষের ক্যাথোড দণ্ড ব্যাখ্যা: ব্যাটারির ভেতরে তড়িৎদ্বার হিসেবে গ্রাফাইট ব্যবহার করে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্লোরিন — ক্লোরিন একটি গ্যাসীয় অধাতু এবং এর কোনো মুক্ত ইলেকট্রন না থাকায় এটি বিদ্যুৎ পরিবহন করে না। B) টাইটেনিয়াম — টাইটেনিয়াম কোনো অধাতু নয়, এটি একটি শক্তিশালী এবং ভারী ধাতু যা বিদ্যুৎ ও তাপ পরিবাহী। C) গ্রাফাইট — এটি একটি অধাতু হওয়া সত্ত্বেও এর কাঠামোগত বৈশিষ্ট্যের কারণে বিদ্যুৎ পরিবাহী হিসেবে কাজ করে এবং এটি সঠিক উত্তর। D) গ্যালিয়াম — গ্যালিয়াম একটি ধাতু যা অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় তরলে পরিণত হয় এবং এটি বিদ্যুৎ পরিবাহী। ৫ মনে রাখার টিপস: অধাতু বিদ্যুৎ পরিবহন করে না জানলেও, ব্যতিক্রম মনে রাখতে হবে পেন্সিলের সিস বা গ্রাফাইট বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: গ্রাফাইট কার্বনের একটি রূপভেদ যা বিদ্যুৎ পরিবাহী একমাত্র অধাতু হিসেবে পরিচিত। বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a বেকিং পাউডার
b ফিটকিরি
c কস্টিক সোডা
d চুন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফিটকিরি ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়। প্রদত্ত প্রশ্নে অ্যালুমিনিয়াম ফসফেটকে ফিটকিরি বলা হয়েছে, যা একটি রাসায়নিক ভ্রান্তি। - প্রকৃতপক্ষে সাধারণ ফিটকিরি হলো পটাশ এলাম, যার রাসায়নিক সংকেত পটাশিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেট ডেকাহাইড্রেট। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নে অনেক সময় এই ধরনের তথ্যগত ভুল থাকে, যা সতর্কতার সঙ্গে সংশোধন করা প্রয়োজন। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ফিটকিরি হলো এক প্রকার দ্বি-লবণ, যা জলে দ্রবীভূত হয়ে অ্যালুমিনিয়াম আয়ন সরবরাহ করে এবং ঘোলা জল পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। - রাসায়নিক গঠন: পটাশ ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত হলো পটাশিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেট ডেকাহাইড্রেট, যেখানে অ্যালুমিনিয়াম ফসফেট একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন যৌগ। - কার্যপ্রণালি: জলে ফিটকিরি মেশালে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড অধঃক্ষেপ তৈরি হয়, যা জলের ভাসমান ধূলিকণা ও ময়লা আটকে নিচে ফেলে দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘোলা জল পরিষ্কার করার কাজে ফিটকিরির ব্যবহার। ব্যাখ্যা: পুকুরের বা নদীর ঘোলা জলে ফিটকিরি যোগ করলে এটি কলয়েড কণাগুলোকে থিতিয়ে পড়তে সাহায্য করে এবং জল স্বচ্ছ হয়। উদাহরণ ২: শেভ করার পর ত্বকের কাটাছেঁড়ায় ফিটকিরি ব্যবহার। ব্যাখ্যা: এটি রক্তপাত বন্ধ করতে এবং অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে ত্বকের জীবাণু ধ্বংস করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেকিং পাউডার — এটি সোডিয়াম বাইকার্বনেট ও মৃদু জৈব এসিডের মিশ্রণ, যার কাজ কেক বা রুটি ফোলাতে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস তৈরি করা। B) ফিটকিরি — প্রদত্ত উত্তরে এটিকে সঠিক বলা হলেও এটি মূলত পটাশিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেট, অ্যালুমিনিয়াম ফসফেট নয়। C) কস্টিক সোডা — এটি সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড, যা অত্যন্ত ক্ষারীয় এবং সাবান তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। D) চুন — এটি ক্যালসিয়াম অক্সাইড, যা মাটি বা জলের অম্লত্ব দূর করতে এবং নির্মাণকাজে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফিটকিরি বললেই পটাশ এলাম বা পটাশিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেটের কথা মাথায় রাখতে হবে। - মনে রাখতে হবে ফিটকিরি একটি দ্বিগুণ লবণ যা জল পরিশোধনে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত এবং এর অণুতে থাকা জলের অণুর সংখ্যা পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - এই প্রশ্ন থেকে পরীক্ষার্থীরা শিখতে পারে যে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনেক সময় ভুল উত্তরও সঠিক হিসেবে থাকতে পারে, তাই মূল রাসায়নিক সত্য জানা জরুরি।
a আয়রন চিপ
b কপার চিপ
c অর্ক চিপ
d সিলিকন চিপ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিলিকন চিপ ১. কেন সঠিক: ক্যালকুলেটর বা যেকোনো আধুনিক ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ডায়াল বা মূল প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটে সিলিকন চিপ ব্যবহৃত হয়। সিলিকন একটি অত্যন্ত দক্ষ অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর উপাদান যা বৈদ্যুতিক সংকেত নিয়ন্ত্রণে এবং গণনার কাজ নির্ভুলভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: সিলিকন চিপ হলো মূলত একটি ক্ষুদ্র ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা আইসি যা সিলিকন দিয়ে তৈরি এবং হাজার হাজার ট্রানজিস্টর ধারণ করে। কার্যপদ্ধতি: এটি বৈদ্যুতিক প্রবাহকে প্রয়োজন অনুযায়ী চালিত করে এবং লজিক্যাল অপারেশন সম্পন্ন করে ক্যালকুলেটরের পর্দায় ফলাফল ফুটিয়ে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক ডিজিটাল ক্যালকুলেটর। ব্যাখ্যা: পকেটে বহনযোগ্য সাধারণ ক্যালকুলেটর থেকে শুরু করে বৈজ্ঞানিক ক্যালকুলেটর পর্যন্ত সবটিতেই সিলিকন চিপ থাকে। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনের প্রসেসর। ব্যাখ্যা: মোবাইলের ভেতর থাকা স্ন্যাপড্রাগন বা অ্যাপল সিলিকন চিপ একই প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়রন চিপ — লোহা বা আয়রন ভালো বিদ্যুৎ পরিবাহী হলেও এটি সেমিকন্ডাক্টর নয় এবং চিপ তৈরির উপযোগী নয়। B) কপার চিপ — তামা বা কপার বৈদ্যুতিক তার তৈরিতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু প্রসেসর বা চিপ তৈরিতে সিলিকনের বিকল্প হিসেবে এটি কার্যকর নয়। C) অর্ক চিপ — এটি কোনো বাস্তবসম্মত প্রযুক্তিগত উপাদান বা অর্ধপরিবাহী নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সব ধরনের কম্পিউটার, ক্যালকুলেটর এবং প্রসেসরের প্রধান উপাদান হলো অর্ধপরিবাহী বা সিলিকন। সিলিকন হলো পৃথিবীর দ্বিতীয় সর্বাধিক প্রাপ্ত মৌল যা চিপ শিল্পে বিপ্লব ঘটিয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার ও আইসি তৈরির প্রধান কাঁচামাল হলো সিলিকন। সিলিকন ভ্যালি বলা হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ফ্রান্সি斯科 বে এলাকাকে।
a IBM 360
b IBM 1024
c IBM 1620
d IBM 2048
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) IBM 1620 ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার হিসেবে ১৯৬৪ সালে পরমাণু শক্তি কমিশনে IBM 1620 মডেলের মেইনফ্রেম কম্পিউটার স্থাপন করা হয়েছিল। এটি ছিল দ্বিতীয় প্রজন্মের ট্রানজিস্টরভিত্তিক কম্পিউটার যা বৈজ্ঞানিক ও গবেষণামূলক কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: IBM 1620 হলো ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস কর্পোরেশন কর্তৃক উৎপাদিত একটি জনপ্রিয় সায়েন্টিফিক কম্পিউটার মডেল। কার্যপদ্ধতি: এটি পাঞ্চ কার্ডের সাহায্যে ডেটা ইনপুট গ্রহণ করত এবং অভ্যন্তরীণ প্রসেসিং শেষে আউটপুট প্রদান করত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরমাণু শক্তি কমিশন। ব্যাখ্যা: ১৯৬৪ সালে বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার হিসেবে এই প্রতিষ্ঠানেই IBM 1620 ইন্সটল করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: বৈজ্ঞানিক গবেষণা। ব্যাখ্যা: সেই সময়ে জটিল গণিত ও গবেষণার হিসাব দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য এই কম্পিউটার ব্যবহার করা হতো। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) IBM 360 — এটি আইবিএম কোম্পানির একটি বিখ্যাত মেইনফ্রেম কম্পিউটার সিরিজ হলেও এটি বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার নয়। B) IBM 1024 — এটি কম্পিউটারের কোনো প্রচলিত বা ঐতিহাসিক মডেল নয় বরং এটি একটি কাল্পনিক সংখ্যা। D) IBM 2048 — এটিও আইবিএমের কোনো ঐতিহাসিক মডেলের নাম নয় এবং বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে প্রথম কম্পিউটার আসে এবং এর মডেল ছিল আইবিএম ১৬২০। ১৬২০ সংখ্যাটি মনে রাখলে বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটারের মডেল সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার স্থাপন করা হয় ১৯৬৪ সালে এবং এর ব্র্যান্ড ছিল IBM। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম কম্পিউটার ও স্থাপনের সাল সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a ম্যাগনেটিক
b রেডিও তরঙ্গ
c অপটিক্যাল
d লেজার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রেডিও তরঙ্গ ১. কেন সঠিক: ব্লুটুথ একটি তারহীন বা ওয়্যারলেস যোগাযোগ প্রযুক্তি যা স্বল্প দূরত্বের মধ্যে ডেটা আদানপ্রদানের জন্য রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে। এটি আইইইই ৮০২.১৫.১ স্ট্যান্ডার্ডের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং নির্ধারিত রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করে দুটি ডিভাইসের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের তারহীন যোগাযোগের একটি প্রযুক্তি যা রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা বা তথ্য আদানপ্রদান করে। কার্যপদ্ধতি: এটি ২.৪ গিগাহার্জ থেকে ২.৪৮০ গিগাহার্জ পর্যন্ত আইএসএম ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করে কাজ করে এবং ফ্রিকোয়েন্সি হপিং স্প্রেড স্পেকট্রাম প্রযুক্তির মাধ্যমে সিগন্যাল আদানপ্রদান করে। বৈশিষ্ট্য: এর কভারেজ এরিয়া সাধারণত ১০ মিটার বা ৩০ ফুটের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে এবং এটি কম বিদ্যুৎ খরচ করে কাজ করতে পারে। ব্যবহার: মোবাইল ফোন থেকে কম্পিউটারে ফাইল পাঠানো, ওয়্যারলেস হেডফোন বা ইয়ারবাড যুক্ত করা এবং মাউস বা কীবোর্ড কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করতে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনের সাথে ওয়্যারলেস হেডফোন যুক্ত করা। ব্যাখ্যা: ওয়্যারলেস হেডফোন এবং স্মার্টফোনের মধ্যে কোনো ক্যাবল বা তার ছাড়াই ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে অডিও ডেটা আদানপ্রদান করা হয়। উদাহরণ ২: ল্যাপটপের সাথে ব্লুটুথ মাউস সংযুক্ত করা। ব্যাখ্যা: ল্যাপটপের সাথে ক্যাবল ছাড়াই ব্লুটুথ প্রযুক্তির সাহায্যে রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে মাউসের কার্সার মুভমেন্টের নির্দেশনা পাঠানো হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যাগনেটিক — ম্যাগনেটিক বা চৌম্বকীয় প্রযুক্তি হার্ড ডিস্ক বা ম্যাগনেটিক টেপে ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, তারহীন যোগাযোগের জন্য নয়। B) রেডিও তরঙ্গ — এই অপশনটি সঠিক কারণ ব্লুটুথ ডিভাইসগুলো ডেটা প্রেরণের জন্য নির্দিষ্ট রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে। C) অপটিক্যাল — অপটিক্যাল প্রযুক্তি সিডি, ডিভিডি বা ফাইবার অপটিক ক্যাবলে আলোর মাধ্যমে ডেটা স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা ব্লুটুথে ব্যবহৃত হয় না। D) লেজার — লেজার প্রযুক্তি বারকোড রিডার বা অপটিক্যাল মাউসে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ব্লুটুথ তারহীন যোগাযোগের জন্য লেজার রশ্মি ব্যবহার করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: ব্লুটুথ নামটির উৎপত্তি দশম শতকের ডেনমার্কের রাজা হ্যারল্ড ব্লুটুথের নামানুসারে, যিনি বিভিন্ন উপজাতিকে একত্রিত করেছিলেন। ঠিক তেমনি ব্লুটুথ প্রযুক্তি বিভিন্ন ডিভাইসকে তারহীনভাবে একত্রিত বা যুক্ত করে। মনে রাখতে হবে, যেকোনো তারহীন স্বল্প দূরত্বের ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক বা প্যান ডিভাইসের যোগাযোগের মূল ভিত্তি হলো রেডিও তরঙ্গ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ব্লুটুথ প্রযুক্তি প্যান অর্থাৎ পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্কের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম। এর আবিষ্কারক হিসেবে এরিকসন কোম্পানির নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং এটি সাধারণত আইইইই ৮০২.১৫ স্ট্যান্ডার্ডের অধীনে পরিচালিত হয়।

মোট প্রশ্ন (25)

a দেশি
b বিদেশি
c তৎসম
d খাঁটি বাংলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তৎসম ১. কেন সঠিক: - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'ণ-ত্ব' ও 'ষ-ত্ব' বিধান অনুসৃত হয়। - তৎসম শব্দ হলো সেই সংস্কৃত শব্দ যা অপরিবর্তিত রূপে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয় এবং এতে সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম কার্যকর থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'ণ-ত্ব' ও 'ষ-ত্ব' বিধান হলো তৎসম শব্দে মূর্ধন্য 'ণ' এবং মূর্ধন্য 'ষ'-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়ম। - বাংলা বা অপসংস্কৃত শব্দে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়, কেবল সংস্কৃত থেকে আসা শব্দের বানানেই এটি বাধ্যতামূলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৃণ ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ এবং এখানে ট-বর্গীয় ধ্বনির সাথে মূর্ধন্য 'ণ' যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: বৃষ্টি ব্যাখ্যা: এটি তৎসম শব্দ যেখানে ঋ-কার বা এর ফলার পর মূর্ধন্য 'ষ' ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেশি — দেশি শব্দে 'ণ-ত্ব' ও 'ষ-ত্ব' বিধান প্রযোজ্য হয় না কারণ এগুলো বাংলা অঞ্চলের আদি ভাষা থেকে এসেছে। B) বিদেশি — বিদেশি শব্দ যেমন আরবি, ফারসি বা ইংরেজি শব্দে এই বিধান অনুসৃত হয় না। D) খাঁটি বাংলা — খাঁটি বাংলা বা তদ্ভব শব্দে এই নিয়ম খাটে না, সেখানে কেবল দন্ত্য 'ন' ও দন্ত্য 'স' ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - তৎসম মানে সংস্কৃত, আর সংস্কৃত ব্যাকরণেই কেবল 'ণ-ত্ব' ও 'ষ-ত্ব' বিধান রয়েছে। - বিদেশি ও দেশি শব্দ দেখলে চোখ বন্ধ করে এই বিধান বাদ দেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দ দিয়ে জানতে চাওয়া হয় কোনটি তৎসম শব্দ এবং সেখানে কোন বিধান খাটবে। - তৎসম শব্দের মূল উৎস সংস্কৃত হওয়ায় এর বানান নির্ণয়ে সবসময় এই দুটি বিধান মাথায় রাখতে হবে।
a বুদ্ধদেব বসু
b অমিয় চক্রবর্তী
c জীবনানন্দ দাশ
d বিষ্ণু দে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - 'বনলতা সেন' আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - ১৯৪২ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা আধুনিক কাব্যাঙ্গনে অত্যন্ত গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ বিংশ শতাব্দীর ত্রয়ী দশকের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি এবং বাংলা কবিতায় রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত। - 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থে কবির নিসর্গপ্রীতি, ইতিহাসচেতনা এবং ক্লান্তি ও একাকীত্বের সুর অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঝরাপালক ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: মহাপৃথিবী ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে বিশ্বযুদ্ধের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — তিনি তিরিশের দশকের অন্যতম প্রধান কবি ও সাহিত্যিক হলেও 'বনলতা সেন' তাঁর কাব্যগ্রন্থ নয়। B) অমিয় চক্রবর্তী — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রগতিশীল কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ খসড়া, তবে বনলতা সেন তাঁর রচনা নয়। C) জীবনানন্দ দাশ — এটি সঠিক উত্তর। D) বিষ্ণু দে — তিনি রবীন্দ্রোত্তর আধুনিক ধারার মার্কসবাদী চিন্তার কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ চোরাবালি, কিন্তু বনলতা সেন তাঁর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - হাজার বছর ধরে পথ হাঁটা ক্লান্ত প্রাণ এবং বনলতা সেনের দেখা পাওয়ার চিরন্তন আকুতির কথা মনে রাখলেই কবি জীবনানন্দ দাশকে চিনে নেওয়া সহজ হয়। - এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটির নাম এবং কবির নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত ঘন ঘন আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থগুলো যেমন ধূসর পাণ্ডুলিপি, বেলা অবেলা কালবেলা ইত্যাদি বারবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - কবিদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নামগুলো আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়লে সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a বিশ্ববিদ্যালয়
b পুলিশ লাইনস
c সাভার
d গাজীপুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশ্ববিদ্যালয় ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিশ্ববিদ্যালয় কারণ উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র সুদীপ্ত শাহীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক এবং উপন্যাসের অধিকাংশ ঘটনা আবর্তিত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাকে কেন্দ্র করে। - রাইফেল রোটি আওরাত উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শুরুর দিকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের তৎকালীন ক্রান্তিকালীন জীবন ও মানসিকতার বাস্তব প্রতিফলন ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসটির রচিয়তা আনোয়ার পাশা এবং এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হিসেবে বিশেষভাবে সমাদৃত ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে। - উপন্যাসের নামটির অর্থ হলো রাইফেল, রুটি এবং নারী, যার মাধ্যমে তৎকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা, ধ্বংসযজ্ঞ এবং সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার সংগ্রামকে প্রতীকী অর্থে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেলিনা হোসেনের হাঙ্গর নদী গ্রেনেড ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস যেখানে নারীর আত্মত্যাগের চিত্র ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের জাহান্নাম হইতে বিদায় ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অপর একটি প্রখ্যাত উপন্যাস যা পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বর্বরতার পটভূমিতে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্ববিদ্যালয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ উপন্যাসের মূল পটভূমি ও আখ্যানকেন্দ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। B) পুলিশ লাইনস — এই অপশনটি ভুল কারণ পুলিশ লাইনস এই উপন্যাসের মূল আখ্যানকেন্দ্র বা প্রধান পটভূমি হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। C) সাভার — এই অপশনটি ভুল কারণ সাভার এই উপন্যাসের প্রধান ঘটনাবলির কেন্দ্রবিন্দু বা মূল আখ্যানের স্থান নয়। D) গাজীপুর — এই অপশনটি ভুল কারণ গাজীপুর এই উপন্যাসের মূল পটভূমি বা আখ্যানকেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রাইফেল রোটি আওরাত উপন্যাসের লেখক আনোয়ার পাশা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন, তাই এর আখ্যানকেন্দ্রও বিশ্ববিদ্যালয় হবে এটি এভাবে মনে রাখতে পারো। - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাস হিসেবে আনোয়ার পাশার এই নামটি পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উপন্যাসের রচিয়তা আনোয়ার পাশা ১৯৭১ সালের বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের শিকার হন, যা বিসিএস পরীক্ষার জন্য একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। - একই ধরনের অন্যান্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের নাম ও রচিয়তার তালিকা আলাদা করে পড়লে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কমন পাওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
a বিদ্রোহ ও বিপ্লবের আবেগ
b স্বরাজ প্রতিষ্ঠা
c প্রকৃতি বন্দনা
d প্রেম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিদ্রোহ ও বিপ্লবের আবেগ ১. কেন সঠিক: - কাজী নজরুল ইসলামের 'বিদ্রোহী' কবিতায় শোষিত মানুষের পক্ষে এবং অন্যায় শাসনের বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিবাদ ও বিপ্লবের সুর ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - এই কবিতার মূল ভাবনা হলো পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে মানুষের মুক্তি ও স্বাধিকার অর্জন করা এবং অন্যায়ের বিনাশ করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'বিদ্রোহী' কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক-বিপ্লবী ধারার অনন্য সৃষ্টি যা ১৯২১ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত হয়। - কবি কাজী নজরুল ইসলাম এই কবিতার মাধ্যমে নিজেকে মুক্তিসেনানী হিসেবে উপস্থাপন করেছেন এবং বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সকল অসাম্য ও শোষণের অবসান চেয়েছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের 'প্রলয়োল্লাস' কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতাতেও বিদ্রোহী কবিতার মতো ধ্বংসের মধ্য দিয়ে নতুন সৃষ্টির এবং বিপ্লবের জয়গান গাওয়া হয়েছে। উদাহরণ ২: সুকান্ত ভট্টাচার্যের 'অনাগত' কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় বিদ্রোহ ও বিপ্লবের মাধ্যমে বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার অঙ্গীকার প্রকাশ পেয়েছে যা বিদ্রোহী কবিতার ভাবের সঙ্গে মেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্রোহ ও বিপ্লবের আবেগ — এটি সঠিক কারণ কবিতার মূল সুরই হলো তীব্র প্রতিবাদ ও বিপ্লব। B) স্বরাজ প্রতিষ্ঠা — এটি রাজনৈতিক লক্ষ্য হতে পারে কিন্তু কবিতার মূল সাহিত্যিক সুরটি সরাসরি সামগ্রিক বিদ্রোহের। C) প্রকৃতি বন্দনা — প্রকৃতি বন্দনা রোমান্টিক কবিতার বৈশিষ্ট্য হলেও এই কবিতার মূল লক্ষ্য মানবমুক্তি ও বিদ্রোহ। D) প্রেম — কবিতায় কিছু প্রেমের উপাদান থাকলেও সামগ্রিক সুরটি প্রেমের চেয়ে বিপ্লব ও সংগ্রামের। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিদ্রোহী বলতেই চোখে ভেসে ওঠে নজরুল এবং তাঁর বিপ্লবের বাণী। - এই কবিতার প্রথম চরণ থেকে শেষ চরণ পর্যন্ত শুধু বিদ্রোহ ও বিজয়ের উল্লাস প্রকাশ পেয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - 'বিদ্রোহী' কবিতাটি কবির 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। - এই ধরনের সাহিত্য প্রশ্নে কবিতার মূল সুর বা অন্তর্নিহিত ভাবটি ভালোভাবে অনুধাবন করতে হয়।
a রামায়ণ
b মেঘদূত
c মহাভারত
d শকুন্তলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহাভারত ১. কেন সঠিক: কাশীরাম দাস মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের পরবর্তী যুগের একজন বিখ্যাত অনুবাদক। তিনি মূল সংস্কৃত মহাভারত বাংলায় পদ্যে অনুবাদ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাশীরাম দাস সপ্তদশ শতকের শুরুর দিকে মহাভারত বাংলায় অনুবাদ শুরু করেন। তার অনূদিত মহাভারত বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় কাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃত্তিবাস ওবায়দুর রহমানের রামায়ণ অনুবাদ। ব্যাখ্যা: কৃত্তিবাস ওঝা রামায়ণ বাংলায় অনুবাদ করে মধ্যযুগের সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন। উদাহরণ ২: সৈয়দ সুলতানের নবীবংশ। ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের মুসলিম সাহিত্যিকদের দ্বারা রচিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামায়ণ — এটি কৃত্তিবাস ওঝার অনূদিত গ্রন্থ, কাশীরাম দাসের নয়। B) মেঘদূত — এটি মহাকবি কালিদাসের বিখ্যাত সংস্কৃত কাব্য, যা বাংলায় অনেকেই অনুবাদ করেছেন। D) শকুন্তলা — এটি মূলত মহাকবি কালিদাসের সংস্কৃত নাটক, যা পরবর্তীকালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলায় গদ্যে অনুবাদ করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: মনে রাখার সহজ উপায় হলো কাশীরাম মানে মহাভারত এবং কৃত্তিবাস মানে রামায়ণ। নামের প্রথম অক্ষর বা মিল দিয়ে এটি মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের রচয়িতা ও তাদের গ্রন্থ সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই অনুবাদকদের নাম ও তাদের গ্রন্থ ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a এক
b দুই
c তিন
d চার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুই ১. কেন সঠিক: গঠনগত দিক থেকে বাংলা শব্দ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত। এই দুটি ভাগ হলো মৌলিক শব্দ এবং সাধিত শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙে আলাদা করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে। যেমন হাত, নাক, লাল। অন্যদিকে, যেসব শব্দ মৌলিক শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে কিংবা সমাসবদ্ধ হয়ে গঠিত হয়, সেগুলোকে সাধিত শব্দ বলে। যেমন হাতুড়ে, চলা, সমাজবদ্ধ পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোলাপ ব্যাখ্যা: গোলাপ একটি মৌলিক শব্দ কারণ এটিকে ভাঙলে কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না। উদাহরণ ২: গোলাপি ব্যাখ্যা: গোলাপ শব্দের সঙ্গে ই প্রত্যয় যোগে গঠিত হওয়ায় এটি একটি সাধিত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক — বাংলায় শব্দের গঠনগত শ্রেণি একটি নয়, বরং মৌলিক ও সাধিত এই দুই ভাগে বিভক্ত। B) দুই — এটি সঠিক কারণ গঠনগতভাবে শব্দ কেবল মৌলিক ও সাধিত এই দুই প্রকার। C) তিন — উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে শব্দ তিন প্রকার নয়, বরং পাঁচ প্রকার। D) চার — অর্থগত দিক থেকে শব্দ চার বা তিন প্রকার নয়, বরং প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: গঠন মানেই হলো তৈরি বা গড়ার কাজ, তাই গঠনগত দিক থেকে শব্দ দু প্রকার (মৌলিক ও সাধিত)। মৌলিক মানে আসল আর সাধিত মানে তৈরি করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দের শ্রেণিবিভাগ থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। উৎস, গঠন এবং অর্থগত দিক থেকে শব্দের শ্রেণিবিভাগ ভালোভাবে পড়ে রাখা জরুরি।
a ফররুখ আহমদ
b আহসান হাবীব
c সৈয়দ আলী আহসান
d আবুল হোসেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আহসান হাবীব ১. কেন সঠিক: 'আশায় বসতি' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট আধুনিক কবি আহসান হাবীব। এই কাব্যগ্রন্থে কবির নিভৃত রোমান্টিকতা, সামাজিক সচেতনতা এবং জীবনবোধের গভীর প্রকাশ ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি আহসান হাবীব বিংশ শতাব্দীর আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান প্রতিনিধি ও প্রখ্যাত সাংবাদিক। তাঁর কবিতায় নাগরিক জীবন, মধ্যবিত্তের যন্ত্রণাবোধ, একাকীত্ব এবং আশাবাদের সুর অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'রাত্রির শেষ গান' ব্যাখ্যা: এটি আহসান হাবীবের একটি অত্যন্ত প্রশংসিত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: 'বিদীর্ণ দর্পণে মুখ' ব্যাখ্যা: এটিও কবি আহসান হাবীবের একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যা তাঁর কাব্যিক প্রতিভার পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফররুখ আহমদ — তিনি ছিলেন মুসলিম রেনেসাঁসের কবি, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ সাত সাগরের মাঝি। B) আহসান হাবীব — এই অপশনটি সঠিক এবং তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ হলো আশায় বসতি। C) সৈয়দ আলী আহসান — তিনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক, গবেষক ও প্রাবন্ধিক, তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ আমার পূর্ব বাংলা। D) আবুল হোসেন — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম পরিচিত কবি, তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ হাওয়া বদল। ৫. মনে রাখার টিপস: আহসান হাবীবের নামটি মনে রাখলে তাঁর আশাবাদী কাব্যধারার কথা ভাবা যায়, যার একটি চমৎকার উদাহরণ হলো আশায় বসতি। কবির ছদ্মনাম বা অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের সাথে মিলিয়ে এই গ্রন্থটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক যুগের কবিদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই আসে। সাহিত্যিকদের প্রধান কাব্যগ্রন্থের নামগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যায়।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b ডি.এল.রায়
c অতুল প্রসাদ
d আবুল কাশেম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডি.এল.রায় ১. কেন সঠিক: - গানটির রচয়িতা দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, যাকে সংক্ষেপে ডি.এল.রায় বলা হয়। - বসুন্ধরা শব্দের অর্থ পৃথিবী এবং এই গানে বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সমৃদ্ধি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দ্বিজেন্দ্রলাল রায় বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত নাট্যকার, কবি ও গীতিকার। - তার লেখা এই দেশাত্মবোধক গানটি বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় দারুণ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গ আমার জননী আমার ব্যাখ্যা: এটিও দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের লেখা একটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান। উদাহরণ ২: ও আমার দেশের মাটি ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা আরেকটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই গানটির রচয়িতা নন, যদিও তার অনেক দেশাত্মবোধক গান রয়েছে। B) ডি.এল.রায় — এটি সঠিক উত্তর। C) অতুল প্রসাদ — তিনি বিখ্যাত গীতিকার ও সুরকার হলেও এই গানটি তার লেখা নয়। D) আবুল কাশেম — তিনি এই গানের রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধনধান্য পুষ্পভরা গানটি শুনলেই দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের দেশপ্রেমমূলক নাটকের কথা মনে রাখতে পারো। - ডি.এল.রায় মানেই শক্তিশালী দেশাত্মবোধক গান ও ঐতিহাসিক নাটক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত গান ও তার রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের দেশাত্মবোধক গানগুলো ভালোভাবে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে কমন পাওয়া যায়।
a শামসুর রাহমান
b হাসান হাফিজুর রহমান
c রফিক আজাদ
d আল মাহমুদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শামসুর রাহমান ১. কেন সঠিক: 'বন্দী শিবির থেকে' হলো বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। কবি শামসুর রাহমান ১৯৭১ সালে অবরুদ্ধ ঢাকায় থেকে গোপনে এই কবিতাগুলো রচনা করেন এবং দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং তাকে বাংলাদেশের নাগরিক কবি বলা হয়। তার কবিতায় নাগরিক জীবন, রাজনৈতিক স্বৈরাচারবিরোধিতা এবং বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের চিত্র অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে ব্যাখ্যা: এটি কবি শামসুর রাহমান রচিত আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা তার কাব্য প্রতিভার অন্যতম নিদর্শন। উদাহরণ ২: ধর্ Algunas দিন ব্যাখ্যা: এটিও কবি শামসুর রাহমান রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ, যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামসুর রাহমান — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থটি তার লেখা। B) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও প্রাবন্ধিক হলেও 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন, তবে তিনি ঐতিহাসিক 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সংকলনের সম্পাদক। C) রফিক আজাদ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার প্রথিতযশা কবি হলেও এই নির্দিষ্ট কাব্যগ্রন্থটির সঙ্গে তার নাম যুক্ত নয়। D) আল মাহমুদ — তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি হলেও 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থের বদলে 'সোনালী কাবিন' তার অমর সৃষ্টি। ৫ মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের অবরুদ্ধ দিনে শামসুর রাহমান বন্দী শিবির থেকে কবিতা লিখেছিলেন। এভাবে কবি ও কাব্যগ্রন্থের ঐতিহাসিক সংযোগটি মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্ম এবং এর রচয়িতা প্রায়ই আসে। এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য লেখকের অন্যান্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনাগুলোও ভালো করে পড়তে হবে।
a চতুর্থী তৎপুরুষ
b প্রাদি তৎপুরুষ
c পঞ্চমী তৎপুরুষ
d তৃতীয়া তৎপুরুষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চতুর্থী তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: - দেবতা শব্দের উদ্দেশ্যে বা নিমিত্ত অর্পিত অর্থে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস সাধিত হয়েছে। - দেবদত্ত পদের ব্যাসব্যাস হলো দেবের উদ্দেশ্যে দত্ত বা দেবকে দত্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি (কে, রে, জন্য, নিমিত্ত) লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস বলে। - সাধারণত নিমিত্ত, জন্য, উদ্দেশ্যে অর্থে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুরুভক্তি ব্যাখ্যা: গুরুর উদ্দেশ্যে ভক্তি, যা চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: বসতবাড়ি ব্যাখ্যা: বসতির জন্য বাড়ি, যা চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের আরেকটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চতুর্থী তৎপুরুষ — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী এটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস। B) প্রাদি তৎপুরুষ — প্র, পরা, অপ ইত্যাদি উপসর্গ পূর্বে বসে যে তৎপুরুষ সমাস হয় তা প্রাদি তৎপুরুষ, এখানে তা হয়নি। C) পঞ্চমী তৎপুরুষ — পূর্বপদে পঞ্চমী বিভক্তি (হতে, থেকে, চেতে) লোপ পেলে পঞ্চমী তৎপুরুষ হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) তৃতীয়া তৎপুরুষ — পূর্বপদে তৃতীয়া বিভক্তি (দ্বারা, দিয়া, কর্তক) লোপ পেলে তৃতীয়া তৎপুরুষ হয়, এখানে তা নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো কিছু উৎসর্গ বা কাউকে দান করা বোঝালে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়। - দেবদত্ত মানে দেবের উদ্দেশ্যে দত্ত, তাই এটি চতুর্থী তৎপুরুষ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কে বা রে বিভক্তি কর্ম কারকে দ্বিতীয়া হলেও সমাসের ক্ষেত্রে নিমিত্ত অর্থে চতুর্থী হয়। - গুরুভক্তি ও বসতবাড়ি সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a প্রসূন
b আত্মজ
c অদ্রি
d বামা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আত্মজ ১. কেন সঠিক: - আত্মজ শব্দের অর্থ নিজের শরীর থেকে জন্ম নিয়েছে যে, অর্থাৎ পুত্র বা সন্তান। - আত্ম অর্থ নিজ এবং জ প্রত্যয়যুক্ত হয়ে এই বিশেষ্য পদটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ প্রকরণের অন্তর্গত একটি প্রশ্ন যেখানে শব্দের অর্থের মিল বা সাদৃশ্য বিবেচনা করা হয়। - বাংলা ভাষায় শব্দের উৎস এবং অর্থগত দিক থেকে অনেক শব্দ একই ভাব প্রকাশ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তনয় ব্যাখ্যা: তনয় শব্দটি পুত্র বা সন্তান বোঝাতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত একটি সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: নন্দন ব্যাখ্যা: নন্দন শব্দের অর্থ পুত্র বা ছেলে, যা সাহিত্যিক ও সাধারণ উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রসূন — প্রসূন শব্দের অর্থ ফুল, যা পুত্র শব্দের সমার্থক নয়। B) আত্মজ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) অদ্রি — অদ্রি শব্দের অর্থ পাহাড় বা পর্বত, যা পুত্র শব্দের সমার্থক নয়। D) বামা — বামা শব্দের অর্থ নারী বা স্ত্রীলোক, যা পুত্র শব্দের সমার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আত্ম মানে নিজ এবং জ মানে জাত বা জন্ম, তাই নিজের দেহ থেকে জন্ম যার তিনি আত্মজ বা পুত্র। - পুত্র বোঝাতে আত্মজ, তনয়, নন্দন ও সূত্র শব্দগুলো একসাথে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - মূল শব্দের উৎস এবং ব্যাসবাক্য বা গঠন জানলে সঠিক সমার্থক শব্দ নির্ণয় সহজ হয়।
a শহীদুল্লাহ কায়সার
b সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
c রিজিয়া রহমান
d শওকত আলী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শওকত আলী ১. কেন সঠিক: - প্রদোষে প্রাকৃতজন উপন্যাসটি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক শওকত আলীর একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস। - প্রদোষ শব্দের অর্থ রাত্রির প্রারম্ভ বা সন্ধ্যা এবং প্রাকৃতজন অর্থ সাধারণ মানুষ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শওকত আলী বাংলা কথাসাহিত্যে তাঁর বাস্তবসম্মত জীবনচিত্র ও ঐতিহাসিক উপন্যাসের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। - এই উপন্যাসে সেন রাজত্বকালের শেষভাগে বাংলার সাধারণ মানুষের জীবন সংগ্রাম ও সামাজিক বৈষম্যের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ওয়ারিশ ব্যাখ্যা: এটি শওকত আলী রচিত আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা সমাজজীবনের নানা দিক তুলে ধরে। উদাহরণ ২: দক্ষিণায়নের দিন ব্যাখ্যা: এটি শওকত আলীর রচিত ত্রয়ী উপন্যাসের প্রথম খণ্ড, যা সাহিত্যজগতে তাঁকে স্থায়ী আসন দিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শহীদুল্লাহ কায়সার — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও সাংবাদিক হলেও এই উপন্যাসটি তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো সারেং বউ। B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — তিনি আধুনিক বাংলা উপন্যাসের অন্যতম পথকৃৎ, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো লালসালু যা এই প্রশ্নের উত্তর নয়। C) রিজিয়া রহমান — তিনি একজন প্রখ্যাত নারী ঔপন্যাসিক হলেও তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো রক্তে ভেজা মাটি, যা এই উপন্যাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) শওকত আলী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি প্রদোষে প্রাকৃতজন উপন্যাসের রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - শওকত আলীর ঐতিহাসিক উপন্যাস মনে রাখার একটি সহজ উপায় হলো প্রাকৃতজনের প্রদোষকাল মনে রাখা। - লেখকের নামের সঙ্গে উপন্যাসের প্রধান চরিত্র বা পটভূমির সংযোগ ঘটিয়ে সহজেই তা মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক উপন্যাস এবং এর রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে শওকত আলীর ত্রয়ী উপন্যাস যেমন দক্ষিণায়নের দিন, কুপ্রস্তর এবং প্রাকৃতজনের প্রদোষকাল ভালোভাবে পড়তে হবে।
a রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
b মাইকেল মধুসূদন দত্ত
c ঈশ্বর গুপ্ত
d ভারতচন্দ্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: বাংলা কবিতায় অমিল অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং ইতালীয় রীতির সনেটের সফল প্রবর্তক হলেন মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তাঁর তিলোত্তমা সম্ভব কাব্যে প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহৃত হয় এবং চতুর্দশপদী কবিতাবলী তাঁর রচিত সনেট সংকলন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি, নাট্যকার ও প্রবর্তক হিসেবে অত্যন্ত পরিচিত ও সম্মানিত। বাংলা কাব্যে পয়ার ছন্দের একঘেয়েমি দূর করার জন্য তিনি অমিল অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং পাশ্চাত্য সাহিত্য থেকে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা প্রবর্তন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর কীর্তি এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক মহাকাব্য। উদাহরণ ২: চতুর্দশপদী কবিতাবলী ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার সংকলন, যা ইতালীয় পেত্রার্কীয় রীতির অনুসরণে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক হলেও বাংলা কবিতায় অমিত্রাক্ষর ছন্দ বা সনেট প্রবর্তন করেননি। B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি বাংলা কবিতায় অমিল অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেটের প্রবর্তক। C) ঈশ্বর গুপ্ত — ইনি যুগের সন্ধিক্ষণের কবি এবং সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক হলেও সনেট বা অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক নন। D) ভারতচন্দ্র — ইনি মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি এবং অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা, যিনি বাংলা সনেট বা অমিত্রাক্ষর ছন্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: মধু মানেই নতুন কিছু, তাই আধুনিক বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেটের নতুন ধারার প্রবর্তন করেছেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেট শব্দ দুটি পেলেই চোখ বন্ধ করে মাইকেল মধুসূদন দত্তকে উত্তর হিসেবে নির্বাচন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রথম সার্থক প্রয়োগ ঘটে তিলোত্তমা সম্ভব কাব্যে এবং মহাকাব্য হিসেবে মেঘনাদবধ কাব্যে। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলা সনেটের প্রবর্তক কে, যার উত্তরও মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
a পদ্মাবতী
b সয়ফুলমূলক-বাদিউজ্জামাল
c হস্ত পায়ক
d তোহফা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পদ্মাবতী ১. কেন সঠিক: - সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আলাওলের সর্বশ্রেষ্ঠ ও প্রধান সাহিত্যকৃতির নাম পদ্মাবতী। - মহাকবি মালিক মোহাম্মদ জায়সির হিন্দি কাব্য পদ্মাবত অবলম্বনে এটি ফারসি ভাষার মাধ্যমে বাংলায় অনূদিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি আলাওল সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি যিনি রোসাং রাজসভার বিভিন্ন মন্ত্রীর পৃষ্ঠপোষকতায় কাব্য রচনা করেন। - পদ্মাবতী কাব্যটি মূলত প্রেমমূলক ও আধ্যাত্মিক সুফি ভাবধারায় রচিত একটি বিখ্যাত প্রণয়োপখ্যান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সপ্তদশ শতকের কবি দৌলত কাজীর সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্য। ব্যাখ্যা: এটিও আলাওলের সমসাময়িক আরাকান রাজসভার অপর এক বিখ্যাত প্রণয়োপখ্যানমূলক কাব্য। উদাহরণ ২: আলাওলের সপ্তপয়কর কাব্য। ব্যাখ্যা: এটিও কবি আলাওলের একটি অনূদিত ও বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যা ফারসি থেকে বাংলায় অনূদিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মাবতী — এটি কবি আলাওলের প্রধান ও শ্রেষ্ঠ কাব্য হিসেবে সর্বস্বীকৃত। B) সয়ফুলমূলক-বাদিউজ্জামাল — এটি কবি আলাওলের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাব্য হলেও পদ্মাবতী তাঁর প্রধান কাব্য হিসেবে গণ্য হয়। C) হস্ত পায়ক — এটি কবি আলাওলের রচিত একটি গ্রন্থ হলেও এটি তার প্রধান বা সর্বাধিক পরিচিত কাব্য নয়। D) তোহফা — এটি কবি আলাওলের একটি নীতিমূলক ও ধর্মীয় অনুবাদের কাব্য, যা প্রধান কাব্য পদ্মাবতীর সমকক্ষ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - আলাওলের শ্রেষ্ঠ কীর্তি মনে রাখতে পদ্মাবতী নামটি সবার আগে আসে কারণ এটি তার অমর সৃষ্টি। - সপ্তদশ শতকের সাহিত্য মানেই আরাকান রাজসভার কবি আলাওল এবং তার মাস্টারপিস পদ্মাবতী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি আলাওলের জন্মস্থান, পৃষ্ঠপোষক এবং তার রচিত কাব্যের তালিকা প্রায়ই আসে। - অনূদিত কাব্যগুলোর মূল রচয়িতা কে ছিলেন, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
b মনসামঙ্গল
c চণ্ডীমঙ্গল
d চর্যাপদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন, যা আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতকের মধ্যে রচিত হয়েছে। - মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে তা প্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনা ও ধর্মের গূঢ় তত্ত্ব প্রকাশের জন্য রচিত এক ধরণের গান বা পদ। - ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ঐতিহাসিক ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা বাংলা ভাষার আদি রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবুজের অভিযান ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি আধুনিক সাহিত্যকর্ম হলেও আদি নিদর্শন থেকে শুরু করে বাংলা সাহিত্যের ধারাবাহিক বিকাশ বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: মনসামঙ্গল কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের একটি শাখা, যা প্রাচীন যুগের অনেক পরে রচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — এটি মধ্যযুগের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য, যা বড় চণ্ডীদাসের রচিত বলে অনুমান করা হয় এবং এটি প্রাচীন যুগের নিদর্শন নয়। B) মনসামঙ্গল — এটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার একটি জনপ্রিয় রচনা, যা দেবদেবীকে কেন্দ্র করে রচিত প্রাচীন যুগের পর বিকশিত হয়। C) চণ্ডীমঙ্গল — এটিও মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্যতম ধারা এবং এর রচয়িতা মুকুন্দরাম চক্রবর্তী, যা প্রাচীন যুগের অন্তর্ভুক্ত নয়। D) চর্যাপদ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটিই বাংলা সাহিত্যের সর্বপ্রথম আবিষ্কৃত ও প্রাচীনতম নিদর্শন। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রাচীন নিদর্শন মানেই চর্যাপদ এবং এটি আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, এই দুটি তথ্য একসাথে মনে রাখলে পরীক্ষা ভুল হবে না। - চর্যাপদ শব্দটি দেখলেই ধরে নেবে এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম প্রাপ্ত নিদর্শন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে চর্যাপদের আবিষ্কারক কে এবং এটি কত সালে প্রকাশিত হয়। - প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন বা সাহিত্যের সূত্রপাত হিসেবে চর্যাপদ সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় অত্যন্ত কমন।
a বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
b মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
c জহির রায়হান
d বুদ্ধদেব বসু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: 'পুতুল নাচের ইতিকথা' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যার রচয়িতা কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজজীবনের পটভূমিতে মানুষের মনস্তত্ত্ব, ভাগ্য এবং জীবনের অসহায়ত্ব অত্যন্ত গভীরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যে ফ্রয়েডীয় মনস্তাত্ত্বিক ও মার্ক্সবাদী দৃষ্টিভঙ্গির প্রবক্তা হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। তার এই উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো শশী ও কুসুম, যা বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিবারাত্রির কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা আরেকটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: পদ্মার নদী মাঝি ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত পদ্মা নদীর জেলের জীবনভিত্তিক সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি বিখ্যাত প্রকৃতিবাদী ঔপন্যাসিক, যার অমর সৃষ্টি পথের পাঁচালী। B) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) জহির রায়হান — ইনি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস আরেক ফাল্গুন এর রচয়িতা। D) বুদ্ধদেব বসু — ইনি রবীন্দ্রোত্তর আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি, প্রাবন্ধিক ও ঔপন্যাসিক। ৫. মনে রাখার টিপস: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত দুটি উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো পুতুল নাচের ইতিকথা ও পদ্মার নদী মাঝি একসাথে মনে রাখা। উপন্যাস দুটির নামকরণে নদীর জল ও গ্রামীণ জীবনের গভীর ছাপ রয়েছে যা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বকীয়তা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস ও তার চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শশী ও কুসুম চরিত্র দুটি কোন উপন্যাসের, এই প্রশ্নটি পরীক্ষায় বারবার এসেছে।
a তৃষ্ণা + আর্ত
b তৃষ্ণা + ঋত
c তৃষ্ণা + ঋর্ত
d তৃষ্ণা + রিত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তৃষ্ণা + ঋত ১. কেন সঠিক: - তৃষ্ণার্ত শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো তৃষ্ণা যোগ ঋত। এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। - অ বা আ এর পর ঋ থাকলে উভয়ে মিলে অর্ হয় এবং তা আগের ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অ বা আ এর পর ঋ থাকলে উভয় মিলে অর্ হয় এবং তা রেফ হিসেবে আগের বর্ণের উপরে বসে। - তৃষ্ণা শব্দের শেষের অ এবং ঋত শব্দের ঋ মিলে অর্ হয়েছে এবং ত এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে তৃষ্ণার্ত রূপ গঠন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্ষুধা + ঋত = ক্ষুধার্ত ব্যাখ্যা: ক্ষুধার্ত শব্দের ক্ষেত্রেও অ এবং ঋ মিলে অর্ হয়ে এই সন্ধি সাধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মহা + ঋষি = মহর্ষি ব্যাখ্যা: মহা শব্দের আ এবং ঋষি শব্দের ঋ মিলে অর্ হয়েছে এবং মহর্ষি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৃষ্ণা + আর্ত — এখানে আর্ত শব্দটির আ এবং তৃষ্ণা শব্দের আ মিলে অন্য নিয়ম হয়, যা সঠিক নয়। C) তৃষ্ণা + ঋর্ত — এখানে ঋর্ত বলে কোনো শব্দ বা সঠিক ব্যাকরণগত রূপ নেই। D) তৃষ্ণা + রিত — এখানে রিত শব্দটি ভুল কারণ সন্ধির নিয়মে ঋ হওয়ার কথা ছিল রিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অর্ বা ঋ কারযুক্ত সন্ধির ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দ হিসেবে সাধারণত ঋত বা ঋষি ব্যবহার করা হয়। - আ যোগ ঋ মিলে অর্ হয়, এই সূত্রটি মনে রাখলে এজাতীয় সন্ধি সহজে সমাধান করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বরসন্ধির এই বিশেষ নিয়মটি প্রায়ই পরীক্ষামে আসে। - এই ধরনের সন্ধিতে রেফ বা অর্ এর ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a ১৯১৩ খ্রিঃ
b ১৯১২ খ্রিঃ
c ১৯১৪ খ্রিঃ
d ১৯২০ খ্রিঃ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯১৩ খ্রিঃ ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি তাঁর গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ সংগ অফারিংস বা Song Offerings এর জন্য এ সম্মান অর্জন করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম বাঙালি ও এশীয় হিসেবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ১৯১২ খ্রিস্টাব্দে গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হয় এবং পরের বছর তাকে এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডব্লিউ বি ইয়েটসের ভূমিকা ব্যাখ্যা: গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের ভূমিকা লিখেছিলেন বিখ্যাত আইরিশ কবি উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস। উদাহরণ ২: সুইডিশ একাডেমি ব্যাখ্যা: সুইডিশ একাডেমি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সাহিত্যের নোবেল পুরস্কার প্রদানের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনীত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৩ খ্রিঃ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আনুষ্ঠানিকভাবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। B) ১৯১২ খ্রিঃ — এই সালে গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ লন্ডনে প্রকাশিত হয় কিন্তু নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয় পরের বছর। C) ১৯১৪ খ্রিঃ — এই সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং এটি নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির সাল নয়। D) ১৯২০ খ্রিঃ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল প্রাপ্তির সাল নয় বরং এটি ভিন্ন একটি ঐতিহাসিক সময়কাল। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পান, সংখ্যাটি মনে রাখতে ১৯১২ সালে অনুবাদ প্রকাশের সালটি মাথায় রাখতে পারো। অনুবাদ প্রকাশের এক বছর পরই তিনি এই বিশ্ববাসীর সম্মান লাভ করেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে এবং কোন গ্রন্থের জন্য নোবেল পান তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদের নাম এবং প্রকাশের সাল ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a অক্কা পাওয়া
b কেউকেটা
c কান পাতলা
d কেতাদুরস্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অক্কা পাওয়া ১. কেন সঠিক: অক্কা পাওয়া বাগধারাটির আক্ষরিক ও বিশেষার্থ হলো মারা যাওয়া বা প্রাণত্যাগ করা। বাংলা ভাষায় আকস্মিক মৃত্যু বা মারা যাওয়া বোঝাতে এই জনপ্রিয় বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দসমষ্টি যা তাদের সাধারণ বা আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে আকর্ষণীয়ভাবে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকস্মিক দুর্ঘটনায় লোকটি অবশেষে অক্কা পেল। ব্যাখ্যা: এখানে হঠাৎ করে মৃত্যুর ঘটনা বোঝাতে অক্কা পাওয়া বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: অতিরিক্ত গরমে বয়োবৃদ্ধ মানুষটি শেষ পর্যন্ত অক্কা পেলেন। ব্যাখ্যা: এখানে বয়োবৃদ্ধ ব্যক্তির প্রাণ হারানোর ঘটনা প্রকাশ করতে এই বাগধারাটি সফলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্কা পাওয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ মারা যাওয়া। B) কেউকেটা — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ বিশিষ্ট বা প্রভাবশালী ব্যক্তি। C) কান পাতলা — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ সহজে বিশ্বাসপ্রবণ বা অন্যের কথায় বিশ্বাস স্থাপনকারী। D) কেতাদুরস্ত — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ পরিপাটি বা শিষ্টাচারসম্পন্ন। ৫. মনে রাখার টিপস: অক্কা পাওয়া মানে সোজা না ফেরার দেশে যাওয়া বা মারা যাওয়া। জীবনের শেষ অঙ্ক শেষ হয়ে যাওয়ার সঙ্গে অক্কা শব্দটির মিল খুঁজে পেতে পারেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জীবনমৃত্যু সংক্রান্ত বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। তাই মারা যাওয়া অর্থ প্রকাশকারী অন্য বাগধারা যেমন অনন্ত ধামে যাওয়া বা চিরবিদায় নেওয়াগুলোও চর্চা রাখবেন।
a তুলনামূলক
b সাম্যবাদ
c প্রতিযোগিতা
d খেসারত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তুলনামূলক ১. কেন সঠিক: - 'Comparative' একটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা পরিভাষা হলো তুলনামূলক। - ইংরেজি ব্যাকরণে যেমন Adjective এর ডিগ্রি বোঝাতে Comparative ব্যবহৃত হয়, তেমনি বাংলায় এর যথাযথ পরিভাষা তুলনামূলক হিসেবে গণ্য করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ মূলত বিদেশি শব্দের পরিমিত ও অর্থপূর্ণ বাংলা রূপ। - প্রশাসনিক, সাহিত্যিক ও দাপ্তরিক কাজে ইংরেজি বা অন্য ভাষার শব্দের সঠিক বাংলা প্রতিশব্দ ব্যবহারের জন্য পারিভাষিক শব্দ জানা অত্যন্ত জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Comparative Study ব্যাখ্যা: এর সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো তুলনামূলক অধ্যয়ন বা গবেষণা। উদাহরণ ২: Comparative Literature ব্যাখ্যা: এর সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো তুলনামূলক সাহিত্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুলনামূলক — এটি সঠিক উত্তর। B) সাম্যবাদ — এটি 'Communism' শব্দের পরিভাষা, যা সমাজব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত। C) প্রতিযোগিতা — এটি 'Competition' শব্দের পরিভাষা, যা প্রতিদ্বন্দ্বিতা বোঝায়। D) খেসারত — এটি 'Compensation' বা ক্ষতিপূরণ শব্দের পরিভাষা। ৫ মনে রাখার টিপস: - Comparative শব্দের মূলে রয়েছে Compare যার অর্থ তুলনা করা। - তাই এর পরিভাষায় তুলনামূলক শব্দটি থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি পারিভাষিক শব্দের বাংলা রূপ প্রায়ই আসে। - আইন, প্রশাসন ও শিক্ষা সংক্রান্ত ইংরেজি শব্দের পরিভাষা ভালোভাবে চর্চা করা উচিত।
a ভাষা আন্দোলন
b স্বৈরাচার-বিরোধী
c ছাত্র আন্দোলন
d মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুক্তিযুদ্ধ ১. কেন সঠিক: - ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ কাব্যনাট্যটি মূলত ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হয়েছে। - এই নাটকে গ্রামীণ জনপদে মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে সাধারণ মানুষের আতঙ্ক, প্রতিরোধ এবং আশঙ্কার নিখুঁত চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাটকটির রচয়িতা হলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি সৈয়দ শামসুল হক। - এটি মূলত একটি কাব্যনাট্য, যা মঞ্চে অভিনয়ের উপযোগী করে ছন্দে রচিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নুরুলদীনের সারাজীবন ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হকের একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক কাব্যনাট্য। উদাহরণ ২: ঈর্ষা ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত আরেকটি জনপ্রিয় নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষা আন্দোলন — ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত বিখ্যাত নাটক হলো মুনীর চৌধুরীর কবর। B) স্বৈরাচার-বিরোধী — আশির দশকে স্বৈরাচার-বিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে অনেক কবিতা ও গান রচিত হলেও এই নাটকটি এর জন্য নয়। C) ছাত্র আন্দোলন — এটি কোনো ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত সাহিত্যকর্ম নয়। D) মুক্তিযুদ্ধ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং কাব্যনাট্যটির মূল বিষয়বস্তু। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাটক মনে রাখার জন্য কবি নাম ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়টি একসঙ্গে মনে রাখবে। - ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ শুনলেই ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের যুদ্ধের দিনগুলোর কথা মাথায় আনবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কাব্যনাট্যটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রকাশে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।
a জাপানি
b তুর্কি
c ফরাসি
d গুজরাটি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তুর্কি ১. কেন সঠিক: - ‘দারোগা’ শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিভিন্ন বিদেশি শব্দের মধ্যে প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজের অনেক শব্দ তুর্কি ভাষা থেকে এসেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দের উৎস বা শব্দের শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দে ভাগ করা হয়। - বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফারসি, ইংরেজি ছাড়াও পর্তুগিজ, তুর্কি, ফরাসি, ওলন্দাজ ও গুজরাটি ভাষার শব্দ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে প্রচলিত আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোটকা ব্যাখ্যা: এটি একটি তুর্কি শব্দ, যা বাংলা ভাষায় প্রশাসনিক অর্থে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: দারোয়ান ব্যাখ্যা: এই শব্দটিও তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপানি — জাপানি ভাষার শব্দ হলো রিকশা এবং সুনামি, যা দারোগা শব্দের উৎস নয়। B) তুর্কি — এটি সঠিক উত্তর। C) ফরাসি — ফরাসি ভাষার শব্দ হলো কার্তুজ এবং রেস্তোরাঁ, যা এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। D) গুজরাটি — গুজরাটি ভাষার শব্দ হলো হরতাল, যা দারোগা শব্দের উৎস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - তুর্কি শব্দ মনে রাখার কৌশল হিসেবে দারোগা, চাকর, কোটকা এবং কাবুলিওয়ালা শব্দগুলো একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। - প্রশাসনিক পদের বেশ কিছু নাম তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - তুর্কি, পর্তুগিজ ও ওলন্দাজ ভাষার শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে পরীক্ষায় উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
a এশিয়াটিক সোসাইটি
b শিল্পকলা একাডেমি
c ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
d বাংলা একাডেমি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাংলা একাডেমি ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি বাংলাদেশে প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম ও নীতিমালা প্রণয়ন ও চালু করেছে। - ভাষা ও বানানের শৃঙ্খলা আনতে বাংলা একাডেমি এই প্রমিত রূপ নির্ধারণ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস এবং বানানরীতি সংক্রান্ত প্রশ্ন। - বাংলা বানানকে একরূপ ও পরিচ্ছন্ন করার উদ্দেশ্যে বাংলা একাডেমি প্রথম ১৯৯২ সালে প্রমিত বানানরীতি প্রকাশ করে এবং পরবর্তীতে তা সংশোধন ও পরিবর্ধন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সান্ত্বনা ব্যাখ্যা: প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটি একটি সঠিক বানান যেখানে অনুস্বার ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: পুরস্কার ব্যাখ্যা: প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী বিসর্গ ব্যবহারের সঠিক নিয়ম মেনে এটি লেখা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এশিয়াটিক সোসাইটি — এটি একটি গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠান হলেও প্রমিত বাংলা বানান চালু করার মূল দায়িত্ব পালন করেনি। B) শিল্পকলা একাডেমি — এটি মূলত দেশের চারুকলা ও পারফর্মিং আর্টের বিকাশের সাথে যুক্ত, বানানরীতি প্রণয়নের সঙ্গে নয়। C) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় — এটি দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ হলেও প্রমিত বাংলা বানানের একক নীতিমালা প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান নয়। D) বাংলা একাডেমি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠানটিই প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম প্রণয়ন ও চালু করেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বানান মানেই বাংলা একাডেমি, কারণ বাংলা ভাষার বানান নিয়ন্ত্রণ ও প্রমিতকরণের মূল দায়িত্ব এদের ওপর ন্যস্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা একাডেমি প্রথম প্রমিত বানানরীতি প্রকাশ করে ১৯৯২ সালে এবং পরবর্তীতে ২০১০ সালে এর পরিমার্জিত রূপ প্রকাশ করে।
a সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
b শামসুর রাহমান
c অন্নদাশঙ্কর রায়
d নির্মলেন্দু গুণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অন্নদাশঙ্কর রায় ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত পংক্তিটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক অন্নদাশঙ্কর রায়। - ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মরণে তিনি এই অমর ছড়াটি রচনা করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অন্নদাশঙ্কর রায় ১৯০৪ সালে ওড়িশায় জন্মগ্রহণ করেন এবং বাংলা সাহিত্যকে তাঁর মননশীল প্রবন্ধ ও ছড়ার জন্য সমৃদ্ধ করেন। - তাঁর রচিত এই পংক্তিটি বাঙালির মনে চিরকালীন স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধাবোধের প্রতীক হিসেবে স্থায়ী আসন লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যতকাল রবে পদ্মা মেঘনা গৌরি যমুনা বহমান ব্যাখ্যা: এটি উক্ত কবিতার প্রথম চরণ যা বাংলাদেশের নদীমাতৃক রূপ ও প্রকৃতির চিরন্তন প্রবাহকে প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: ততকাল রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান ব্যাখ্যা: এটি কবিতার দ্বিতীয় চরণ যেখানে নদীগুলোর স্থায়িত্বের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর কীর্তি ও অবদানকে চিরস্মরণীয় করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — ইনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত আধুনিক কবি ও বুদ্ধিবাদী লেখক হলেও এই পংক্তিটি তাঁর নয়। B) শামসুর রাহমান — ইনি বাংলাদেশের প্রধান কবি হলেও এই বিখ্যাত পংক্তিটি তাঁর লেখা নয়। D) নির্মলেন্দু গুণ — ইনি বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক কবিতা লিখলেও এই নির্দিষ্ট পংক্তিটির রচয়িতা অন্নদাশঙ্কর রায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্গবন্ধু ও নদীর নামযুক্ত এই বিখ্যাত পংক্তিটি দেখলে সবসময় অন্নদাশঙ্কর রায়কে মনে রাখবে। - এটি মূলত তাঁর রচিত একটি জনপ্রিয় ছড়া থেকে নেওয়া হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত সাহিত্যিক উদ্ধৃতি কার লেখা, তা প্রায়ই আসে। - এই ধরনের পংক্তি মুখস্থ রাখলে সাহিত্য অংশের নম্বর পাওয়া সহজ হয়।
a সজ্ঞা
b সংজ্ঞা
c সংগা
d সংঙ্গা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সংজ্ঞা ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'সংজ্ঞা' বানানটিতে ওপরে অনুস্বার এবং নিচে জ-ফলাযুক্ত ঞ ব্যবহৃত হয়। - এটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ, যেখানে শব্দের মূল বানান অপরিবর্তিত থাকে এবং নিয়মানুযায়ী ঞ-এর সঙ্গে জ যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে শুদ্ধ বানান বা বানানরীতি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। - তৎসম শব্দে ঞ-এর সঙ্গে জ যুক্ত হয়ে জ-ফলা গঠিত হয় এবং সঠিক উচ্চারণ বজায় রাখতে অনুস্বার ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সঞ্জয় ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও অনুস্বারের পর ঞ-এর সঙ্গে জ যুক্ত হয়ে সঠিক প্রমিত রূপ তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: ব্যঞ্জন ব্যাখ্যা: এটিও একই ব্যাকরণগত নিয়ম ও বর্ণবিন্যাস অনুসরণ করে গঠিত একটি প্রমিত তৎসম শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সজ্ঞা — এই বানানে অনুস্বার বাদ পড়েছে, যা বানানটিকে সম্পূর্ণ ভুল ও অর্থহীন করে তোলে। B) সংজ্ঞা — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর এবং বাংলা একাডেমি কর্তৃক অনুমোদিত প্রমিত রূপ। C) সংগা — এই বানানে জ-ফলার পরিবর্তে গ ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রমিত বাংলা বানানরীতির পরিপন্থী। D) সংঙ্গা — এই বানানে অনুস্বারের সঙ্গে অতিরিক্ত ঙ ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংজ্ঞার সঙ্গে জ-ফলা মনে রাখতে 'সংজ্ঞা' শব্দটি বারবার লিখে প্র্যাকটিস করতে পারো। - মনে রাখবে অনুস্বার এবং জ-ফলাযুক্ত ঞ এর সঠিক মিলনেই শব্দটি গঠিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানান প্রায়ই পরীক্ষকগণ দিয়ে থাকেন। - অনুস্বারযুক্ত শব্দের পরের বর্ণটি কোন বর্গের তা খেয়াল করে সঠিক বর্ণ নির্বাচন করতে হয়।

মোট প্রশ্ন (25)

a for
b by
c to
d from
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to কেন সঠিক: - 'Aspire' শব্দটির পর সাধারণত উপযুক্ত Preposition হিসেবে 'to' ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ কোনো কিছুর উচ্চাকাঙ্ক্ষা বা তীব্র আকাঙ্ক্ষা পোষণ করা। - এখানে 'aspire to' একটি সঠিক Idiomatic Usage বা Fixed Preposition হিসেবে কাজ করে, যা কোনো পেশা বা লক্ষ্যের প্রতি আগ্রহ বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — 'Aspire for' ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং প্রমিত ইংরেজিতে এটি ব্যবহৃত হয় না। B) by — এটি কোনো মাধ্যম বা উপায় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থসংগত নয়। C) to — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা নির্দিষ্ট লক্ষ্য বা পেশার প্রতি আকাঙ্ক্ষা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। D) from — এটি উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Aspire শব্দটির পরে সবসময় 'to' preposition বসে, যেমন—aspire to a career বা aspire to success।
a I would talk to him.
b I would have talked to him.
c I would talked to him.
d I would have talk to him.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I would have talked to him. কেন সঠিক: - এটি থার্ড কন্ডিশনাল বা অতীতকালের অসম্ভব শর্তের বাক্য, যেখানে ইফ উঠিয়ে দিয়ে 'Had' দিয়ে বাক্য শুরু করা হয়েছে। - থার্ড কন্ডিশনালের স্ট্রাকচার হলো Had + subject + verb এর পাস্ট পার্টিসিপল এবং অপর অংশে subject + would have / could have / might have + verb এর পাস্ট পার্টিসিপল বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I would talk to him. — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের স্ট্রাকচার, যা অতীতকালের অসম্পূর্ণ বা কাল্পনিক শর্ত প্রকাশ করার জন্য সঠিক নয়। B) I would have talked to him. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল। C) I would talked to him. — modal auxiliary verb (would) এর পরে verb এর পাস্ট ফর্ম বসেছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) I would have talk to him. — would have এর পরে verb এর বেস ফর্ম (talk) বসেছে, অথচ নিয়ম অনুযায়ী verb এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম (talked) বসা উচিত ছিল। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে Had দেখলে পরের অংশে অবশ্যই would have, could have বা might have এর সাথে verb এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসবে।
a was
b have
c were
d have been
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) was কেন সঠিক: - বাক্যে 'The number of' থাকলে তা একটি নির্দিষ্ট সংখ্যাকে নির্দেশ করে এবং সাবজেক্টটি সিঙ্গুলার হিসেবে গণ্য হয়। - সাবজেক্ট সিঙ্গুলার হওয়ায় এর সাথে সিঙ্গুলার ভার্ব 'was' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) was — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'The number of' এর পর প্লুরাল নাউন থাকলেও ভার্বটি সিঙ্গুলার হয়। B) have — এটি প্লুরাল ভার্ব এবং প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্সের সহায়ক ভার্ব, যা সিঙ্গুলার সাবজেক্টের সাথে বসে না। C) were — এটি প্লুরাল ভার্ব, যা 'The number of' এর ক্ষেত্রে বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) have been — এটি প্লুরাল এবং পারফেক্ট কন্টিনিউয়াস টেন্সের ভার্ব, যা এই বাক্যের বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: 'The number of' থাকলে ভার্ব সিঙ্গুলার হয় এবং 'A number of' থাকলে ভার্ব প্লুরাল হয়।
a He said me a liar.
b He called me liar.
c He said me to go to a liar.
d He called me a liar.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) He called me a liar. কেন সঠিক: - রিপোর্টেড স্পিচে অবমাননাকর বা সরাসরি বিশেষণে কাউকে ভূষিত করা হলে 'say' বা 'tell' এর পরিবর্তে 'call' ভার্বটি ব্যবহার করতে হয়। - সরাসরি সম্বোধনের ক্ষেত্রে 'liar' বিশেষণের আগে নির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্ট আর্টিকেল (a/an) ব্যবহার করতে হয়, যা এখানে সঠিকভাবে করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He said me a liar. — 'said' এর পর সরাসরি অবজেক্ট হিসেবে ব্যক্তিবাচক প্রোনাউন বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) He called me liar. — শূন্যস্থান পূরণের নিয়ম অনুযায়ী 'liar' একটি একক কাউন্টেবল নাউন হওয়ায় এর আগে অবশ্যই একটি আর্টিকেল (a) বসাতে হবে। C) He said me to go to a liar. — এটি মূল বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে ফেলে ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করছে। D) He called me a liar. — এই অপশনটি ব্যাকরণগত ও অর্থগতভাবে সঠিক হওয়ায় এটিই নির্ধারিত উত্তর। মনে রাখার টিপস: ডাইরেক্ট স্পিচে কাউকে গালি বা কোনো বিশেষ নামে ডাকলে ইনডাইরেক্ট করার সময় Subject + called + object + a/an + noun স্ট্রাকচার ব্যবহার করতে হয়।
a glad
b glader
c gladding
d gladden
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) gladden কেন সঠিক: - 'Glad' একটি অ্যাডজেক্টিভ যার অর্থ আনন্দিত, এর সঙ্গে 'en' সাফিক্স যোগ করে ভার্ব বা ক্রিয়া পদ 'gladden' তৈরি করা হয়। - 'Gladden' শব্দের অর্থ আনন্দিত করা বা কাউকে খুশি করা, যা বাক্যে ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) glad — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ, তাই এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক ভার্ব ফর্ম নয়। B) glader — এটি একটি ভুল শব্দ কারণ 'glad' একটি মনোসিলেবল শব্দ হলেও এর সঠিক কম্পারেটিভ ফর্ম হলো gladder, তবে এটি কোনো ভার্ব নয়। C) gladding — এটি সঠিক ইংরেজি শব্দ নয় এবং এর কোনো আদর্শ ভার্ব ফর্ম নেই। D) gladden — এটি সঠিক ভার্ব ফর্ম। মনে রাখার টিপস: বেশ কিছু অ্যাডজেক্টিভের শেষে en যোগ করে ভার্ব তৈরি করা হয়, যেমন- glad থেকে gladden এবং dark থেকে darken।
a He asked me why did I go there.
b He asked me why have you gone there.
c He asked me why I had done it.
d He asked me why I had do it.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He asked me why he had done it. (Note: The prompt lists C as "He asked me why I had done it", which is grammatically correct as per standard Narration rules). কেন সঠিক: - Direct speech-এর Interrogative sentence-কে Indirect করার সময় reporting verb-এর past tense অনুসারে tense পরিবর্তিত হয়ে past perfect tense হয়। - Narration-এর নিয়ম অনুযায়ী indirect sentence-এ subject-এর পর verb বসে এবং বাক্যের শেষে full stop হয়, কোনো প্রশ্নবোধক চিহ্ন থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He asked me why did I go there. — এটি ভুল কারণ indirect speech-এ subject-এর আগে auxiliary verb did ব্যবহার করা যায় না এবং tense পরিবর্তন করা হয়নি। B) He asked me why have you gone there. — এটি ভুল কারণ এখানে present perfect tense ব্যবহার করা হয়েছে এবং direct speech-এর you pronoun অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। C) He asked me why I had done it. — এটি সঠিক কারণ এখানে past indefinite tense পরিবর্তিত হয়ে past perfect tense হয়েছে এবং subject-এর পর verb বসেছে। D) He asked me why I had do it. — এটি ভুল কারণ had-এর পর verb-এর present form do ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ নিয়ম অনুযায়ী past participle form হওয়ার কথা ছিল। মনে রাখার টিপস: Narration-এ Interrogative sentence-কে Indirect করার সময় মনে রাখবে যে বাক্যের গঠন હંમેશા Subject + Verb হবে এবং কোনো question mark বসবে না।
a to work
b work
c to working
d worked
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) work কেন সঠিক: - Make একটি causative verb এবং এর পর active voice-এ object থাকলে পরবর্তী verb-এর base form বা bare infinitive বসে। - এই নিয়মের কারণে to বা অন্য কোনো রূপ না বসে সরাসরি মূল verb অর্থাৎ work বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to work — causative verb-এর পর active voice-এ to সহ infinitive বসে না। B) work — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি causative verb-এর সঠিক নিয়ম মেনে চলে। C) to working — causative verb-এর পর gerund বা to-সহ gerund ব্যবহারের কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই। D) worked — causative verb-এর পর verb-এর past form বা past participle সরাসরি বসে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে make থাকলে এবং তা active voice হলে পরের verb-টি সব সময় base form হয়।
a noun
b adverb
c preposition
d pronoun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) adverb কেন সঠিক: - এখানে home শব্দটি went ভার্বটিকে মডিফাই করছে বা কোথায় গেছে তা বোঝাচ্ছে, তাই এটি একটি adverb of place. - সাধারণত go, come, walk ইত্যাদির পর home থাকলে তা adverb হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এটি noun নয় কারণ এর আগে কোনো preposition বসেনি এবং এটি বাক্যে সরাসরি স্থান বোঝাচ্ছে। B) adverb — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভার্বের স্থান নির্দেশ করছে। C) preposition — এটি preposition নয় কারণ এটি অন্য কোনো পদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করছে না। D) pronoun — এটি pronoun নয় কারণ এটি কোনো নামের পরিবর্তে বসেনি। মনে রাখার টিপস: go home বা come home এর মতো বাক্যে home সবসময় adverb হিসেবে কাজ করে।
a She was heard to sing by him.
b She was heard sing by him.
c She is heard to sing.
d She was heard to be sung.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) She was heard to sing by him. কেন সঠিক: - Active voice-এ see, hear, watch ইত্যাদি verb-এর পর bare infinitive (to উহ্য রেখে verb-এর base form) থাকলে Passive করার সময় verb-টির পূর্বে to যুক্ত করতে হয়। - প্রদত্ত বাক্যে heard-এর পর bare infinitive 'sing' ছিল, তাই Passive করার সময় তার পূর্বে 'to' বসিয়ে 'to sing' করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She was heard to sing by him — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে নিয়ম মেনে bare infinitive-এর পূর্বে to যুক্ত করা হয়েছে। B) She was heard sing by him — এই অপশনটি ভুল কারণ infinitive-এর পূর্বে প্রয়োজনীয় 'to' যুক্ত করা হয়নি। C) She is heard to sing — এই অপশনটি ভুল কারণ মূল বাক্যটি Past indefinite tense-এ থাকায় Passive-এ auxiliary verb 'is' না হয়ে 'was' হবে। D) She was heard to be sung — এই অপশনটি ভুল কারণ অর্থ অনুযায়ী এখানে মূল verb-এর continuous বা passive অর্থ প্রকাশ পায়নি, বরং 'sing' হবে। মনে রাখার টিপস: Hear বা See এর পর bare infinitive থাকলে Passive করার সময় তার আগে 'to' বসাতে হয়।
a noun
b adverb
c adjective
d pronoun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) adjective কেন সঠিক: - Noun-এর পূর্বে বসে যখন অন্য কোনো Noun-এর দোষ, গুণ, অবস্থা বা পরিচয় প্রকাশ করে, তখন তাকে Noun Adjective বলে। - এখানে 'school' শব্দperplexity Noun হওয়া সত্ত্বেও পরবর্তী Noun 'boy'-এর পূর্বে বসে তার বিশেষ পরিচয় দিচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — Noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু এখানে school শব্দটি Noun-এর কাজ না করে অন্য Noun-কে বিশেষিত করেছে। B) adverb — Adverb সাধারণত Verb, Adjective বা অন্য Adverb-কে modify করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) adjective — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অপশনটি এখানে ভুল হিসেবে গণ্য নয় কারণ এটি Noun Adjective হিসেবে কাজ করছে। D) pronoun — Pronoun হলো Noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দ, যা school শব্দটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: দুটি Noun পাশাপাশি বসলে প্রথম Noun-টি প্রায়ই Adjective-এর কাজ করে, যাকে Noun Adjective বলে।
a to become a matter for doubt.
b to be a matter for praise.
c to become a matter for writing.
d to be a great event.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to become a matter for doubt. কেন সঠিক: - 'Come into question' একটি ইংরেজি প্রবাদপ্রতিম বা ফ্রেজাল ইডিয়ম যার অর্থ কোনো বিষয়ে সন্দেহ বা সংশয় তৈরি হওয়া। - প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তরটি এই ইডিয়মের প্রমিত ও গ্রহণযোগ্য অর্থকে নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to become a matter for doubt. — এটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে এবং সন্দেহ বা সংশয় তৈরির বিষয়টি নির্দেশ করে। B) to be a matter for praise. — এর অর্থ প্রশংসার বিষয় হওয়া, যা এই ফ্রেজটির মূল অর্থের বিপরীত। C) to become a matter for writing. — এর অর্থ লেখার বিষয় হওয়া, যা এই প্রবাদের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। D) to be a great event. — এর অর্থ একটি বড় ঘটনা হওয়া, যা প্রদত্ত ফ্রেজের অর্থের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: 'Question' শব্দটির সাথে 'doubt' বা সন্দেহের সম্পর্ক রয়েছে, তাই 'come into question' দেখলে সন্দেহের বিষয়টি মনে রাখবে।
a phenomenons
b phenomena
c phenomenas
d phenomenos
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) phenomena কেন সঠিক: - গ্রিক ভাষা থেকে আগত শব্দ যার শেষে on থাকে, তার বহুবচন করার সময় on বাদ দিয়ে a যোগ করতে হয়। - phenomenon শব্দের শেষে on থাকায় সঠিক বহুবচন হলো phenomena। বাকি অপশন কেন ভুল: A) phenomenons — এটি ভুল কারণ গ্রিক নিয়মে on বাদ দিয়ে s যোগ করে বহুবচন হয় না। B) phenomena — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) phenomenas — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল এবং ইংরেজি ভাষার নিয়মের বাইরে। D) phenomenos — এটি ভুল বানানের একটি শব্দ যা ইংরেজি ব্যাকরণে গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দটির শেষে on থাকলে a যোগ করে বহুবচন করতে হয় যেমন phenomenon থেকে phenomena।
a hurry
b hurried
c hurrying
d hasty
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) hurry কেন সঠিক: - 'Hasten' একটি ভার্ব, যার অর্থ দ্রুত করা বা ত্বরান্বিত করা। - 'Hurry' শব্দটির অর্থও দ্রুত করা বা তাড়াহুড়ো করা, যা 'hasten' এর সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hurry — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ hasten শব্দের সমার্থক। B) hurried — এটি hasten শব্দের পাস্ট টেন্স বা অতীত রূপ, যা সঠিক পার্টস অব স্পিচ নয়। C) hurrying — এটি hasten শব্দের সাথে ing যুক্ত রূপ, যা মূল শব্দের সরাসরি সমার্থক নয়। D) hasty — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ, যার অর্থ তাড়াহুড়ো করা, কিন্তু মূল শব্দ ভার্ব হওয়ায় এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: Hasten এবং Hurry উভয় শব্দই দ্রুত কাজ করা বোঝাতে ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a unharmony
b dissharmony
c non-harmony
d disharmony
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) disharmony কেন সঠিক: - Harmony শব্দের অর্থ মিল, সম্প্রীতি বা সামঞ্জস্য, যার সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ তৈরিতে disharmony Prefix ব্যবহার করা হয়। - English Grammar-এর নিয়ম অনুযায়ী Harmony শব্দের পূর্বে dis যুক্ত হয়ে সঠিক Antonym গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) unharmony — ইংরেজি ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো শব্দের অস্তিত্ব বা প্রচলন নেই। B) dissharmony — বানানের শুরুতে অতিরিক্ত s যুক্ত থাকার কারণে এটি একটি ভুল বানান। C) non-harmony — এই শব্দটি মানসম্মত ইংরেজিতে ব্যবহৃত হয় না এবং এর গঠন ব্যাকরণসম্মত নয়। D) disharmony — এটি সঠিক Prefix যুক্ত সঠিক শব্দ এবং Harmony শব্দের সঠিক Antonym. মনে রাখার টিপস: Harmony শব্দের বিপরীত শব্দ তৈরির সময় সাধারণত dis prefix যুক্ত হয়ে disharmony গঠিত হয়।
a The pen belong to me.
b The pen belongs for me.
c The pen belongs to you.
d The pen belonged by me.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The pen belongs to you. কেন সঠিক: - 'Belong' একটি intransitive verb, যার সাথে সবসময় উপযুক্ত preposition হিসেবে 'to' ব্যবহৃত হয়। - Subject 'The pen' third person singular number হওয়ায় বর্তমান অনির্দিষ্ট কালে verb-এর সাথে 's' যুক্ত হয়ে 'belongs' হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The pen belong to me. — Subject singular হওয়া সত্ত্বেও verb-এর সাথে 's' যুক্ত করা হয়নি। B) The pen belongs for me. — 'Belong' verb-এর পর ভুল preposition 'for' ব্যবহার করা হয়েছে। D) The pen belonged by me. — এটি ভুল passive voice গঠন এবং 'belong' verb-এর পর preposition 'by' বসে না। মনে রাখার টিপস: Belong শব্দের সাথে সবসময় to preposition বসে এবং অধিকার বা মালিকানা বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
a As soon as he saw the police.
b No sooner had he seen the police.
c As soon as he had seen the police.
d No sooner he had see the police.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) No sooner had he seen the police. কেন সঠিক: - No sooner-এর পর Past Perfect Tense গঠন করতে Auxiliary verb হিসেবে had এবং সাবজেক্টের পর মূল verb-এর Past Participle রূপ বসে। - এই বাক্যে পরবর্তী ক্লজটির সঙ্গে মিল রাখতে No sooner-এর সাথে than যুক্ত হয়ে অতীতের দুটি ঘটনার পূর্ববর্তী ঘটনা নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) As soon as he saw the police. — এর সাথে than যুক্ত হয় না এবং এটি Past Indefinite Tense-এ গঠিত। B) No sooner had he seen the police. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণগত নিয়ম শতভাগ সঠিক। C) As soon as he had seen the police. — এই গঠনের সাথে than ব্যবহার করার কোনো নিয়ম নেই। D) No sooner he had see the police. — এখানে সাবজেক্টের আগে had বসেনি এবং see-এর সঠিক রূপ ব্যবহৃত হয়নি। মনে রাখার টিপস: No sooner থাকলে তার সাথে সর্বদা had এবং than বসে, আর Scarcely বা Hardly থাকলে when বসে।
a at
b for
c by
d from
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) at কেন সঠিক: - Jeer শব্দের অর্থ বিদ্রূপ করা বা কাউকে নিয়ে উপহাস করা, যার সাথে সর্বদা preposition হিসেবে at বসে। - তাই সঠিক বাক্য গঠনের জন্য jeer এর পরে at ব্যবহার করতে হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at - এই preposition টি jeer এর সাথে বসে কাউকে উপহাস করা অর্থ প্রকাশ করে। B) for - কোনো কিছুর জন্য উদ্দেশ্যে বুঝাতে বসে, যা jeer verb এর সাথে উপযুক্ত নয়। C) by - কোনো ব্যক্তি বা মাধ্যم দ্বারা কিছু করা বুঝাতে বসে, যা এখানে অর্থহীন। D) from - কোনো উৎস বা দূরত্ব থেকে বিচ্ছিন্নতা বুঝাতে বসে, যা এই বাক্যে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: উপহাস করা অর্থ প্রকাশ করতে jeer এর পরে সবসময় at বসে।
a He likes jogged
b He likes to be jogg
c He likes jogging
d He likes to jogging
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He likes jogging কেন সঠিক: - Like verb-এর পর সাধারণত infinitive (to + verb) অথবা gerund (verb + ing) ব্যবহৃত হয়। - পছন্দ বা অভ্যস্ততা প্রকাশ করতে like-এর পর gerund ব্যবহার করা স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He likes jogged — Like-এর পর verb-এর past form বসানো ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। B) He likes to be jogg — Jogg কোনো সঠিক ইংরেজি শব্দ নয় এবং গঠনটিও ভুল। C) He likes jogging — এটি সঠিক উত্তর। D) He likes to jogging — To-এর পর verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত করা যায় না। মনে রাখার টিপস: Like verb-এর পর সরাসরি verb বসাতে হলে তার সঙ্গে ing যুক্ত করে gerund বানাতে হয়।
a assumption
b assumtion
c assumed
d assuming
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) assumption কেন সঠিক: - 'assume' ক্রিয়াপদের সঠিক নাউন রূপ হলো 'assumption', যার বানান সঠিক। - এই শব্দটিতে 'pt' বর্ণযুক্ত সাফিক্স ব্যবহৃত হয়, যা বানানের মূল নিয়ম মেনে চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) assumption — এটি সঠিক বানান এবং সঠিক নাউন ফর্ম। B) assumtion — এই বানানে 'p' বর্ণটি অনুপস্থিত থাকায় এটি ভুল। C) assumed — এটি 'assume' শব্দের পাস্ট ফর্ম বা পাস্ট পার্টিসিপল, কিন্তু প্রশ্ন চেয়েছে নাউন ফর্ম। D) assuming — এটি 'assume' শব্দের প্রেজেন্ট পার্টিসিপল বা জিরান্ড রূপ, যা সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: 'assume' বানানের সাথে 'tion' যোগ করার সময় মাঝখানে একটি 'p' যুক্ত করে 'assumption' লিখতে হয়।
a noun
b adjective
c pronoun
d adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) adverb কেন সঠিক: - এখানে 'hard' শব্দটি 'works' ভার্বকে মডিফাই করছে এবং সে কীভাবে কাজ করে তা বোঝাচ্ছে। - কোনো ভার্বকে কীভাবে বা কখন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় এবং তা যদি ভার্বকে বিশেষিত করে, তবে তা adverb হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু এখানে 'hard' কোনো নাম বোঝাচ্ছে না বরং কাজের ধরন বোঝাচ্ছে। B) adjective — adjective কেবল কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, যা এখানে নেই। C) pronoun — pronoun হলো noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দ, কিন্তু 'hard' কখনো noun-এর পরিবর্তে বসে না। D) adverb — এটি সঠিক কারণ প্রদত্ত বাক্যে 'hard' শব্দটি ভার্বকে সফলভাবে মডিফাই করেছে। মনে রাখার টিপস: noun বা pronoun-এর দোষ গুণ বোঝালে adjective হয় এবং verb-কে মডিফাই করলে adverb হয়।
a I saw her danced.
b I saw her to dance.
c I saw her to dancing
d I saw her dance
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I saw her dance কেন সঠিক: - See, hear, watch ইত্যাদি Perception verb-এর পর object থাকলে তার পরের verb-টি bare infinitive (to ছাড়া verb-এর base form) হয়। - এই নিয়মানুসারে object-এর পর to dance না হয়ে শুধু dance বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I saw her danced. — Danced হলো verb-এর past form, যা object-এর পর সরাসরি বসতে পারে না। B) I saw her to dance. — Perception verb-এর পর infinitive-এর আগে to বসে না, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) I saw her to dancing — To-র পর verb-এর সাথে ing যুক্ত হয় না এবং এখানে to বসা সম্পূর্ণ ভুল। D) I saw her dance — এটি সঠিক কারণ see verb-এর পর bare infinitive ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: See, hear, watch দেখার বা শোনার ভার্বের পর object থাকলে পরের verb-এর আগে কখনো to বসে না, সরাসরি base form বসে।
a had know
b had known
c know
d knows
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) had known কেন সঠিক: - 'As though' বা 'as if' যুক্ত বাক্যের প্রথম অংশ প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স হলে পরের অংশ পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হয়। - প্রথম অংশ পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হলে পরের অংশ পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয় এবং এখানে প্রথম অংশ 'spoke' পাস্ট টেন্সে থাকায় পরের অংশে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স বা 'had known' বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had know — এখানে 'know' verb এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম 'known' না লিখে বেস ফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) had known — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই। C) know — প্রথম অংশ পাস্ট টেন্স হওয়ায় এই প্রেজেন্ট ফর্মের ভার্বটি এখানে ব্যবহার করা যায় না। D) knows — প্রথম অংশ পাস্ট টেন্স হওয়ার কারণে এখানে থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হলেও প্রেজেন্ট টেন্সের ভার্ব বসবে না। মনে রাখার টিপস: As though এর আগে পাস্ট টেন্স থাকলে পরে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স বসে।
a a book published
b valueless book
c to find a book
d to rebuke
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to rebuke কেন সঠিক: - Bring to book একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ হিসাবের বইয়ে নাম তোলা। - এর প্রাত্যহিক ও সঠিক ভাবার্থ হলো কাউকে কোনো অপরাধের জন্য জবাবদিহি করানো, তিরস্কার করা বা শাস্তি দেওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a book published — এটি কোনো রূপক অর্থ বহন করে না এবং এটি একটি সাধারণ বই প্রকাশের কথা বলা হয়েছে। B) valueless book — এই অপশনটি আক্ষরিক বা রূপক কোনোভাবেই ইডিয়মের আসল অর্থ প্রকাশ করে না। C) to find a book — এটি শুধুমাত্র বই খোঁজার আক্ষরিক অর্থ বোঝাচ্ছে, যা এই বাগধারার সঙ্গে মেলে না। D) to rebuke — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ ভর্ৎসনা করা বা তিরস্কার করা, যা Bring to book এর ভাবার্থ। মনে রাখার টিপস: হিসাবের বইয়ে (Book) কারও নাম ওঠার অর্থ হলো তার কাজের জন্য তাকে জবাবদিহিতা বা তিরস্কারের মুখে ফেলা।
a Here comes the bus.
b Here the bus comes.
c Here the bus is come.
d Here is the bus go.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Here comes the bus. কেন সঠিক: - Here বা There দিয়ে বাক্য শুরু হলে এবং সাবজেক্টটি নাউন হলে সাধারণ নিয়মে Inversion বা Subject-Verb inversion হয় না। - এক্ষেত্রে Verb (comes) সাবজেক্টের (the bus) আগেই বসে, যা সঠিক বাক্যগঠন তৈরি করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Here comes the bus. — এটি সঠিক কারণ এখানে নাউন সাবজেক্টের আগে ভার্ব বসেছে। B) Here the bus comes. — এটি ভুল কারণ এখানে Inversion এর নিয়ম মানা হয়নি। C) Here the bus is come. — এটি ভুল কারণ বাক্যের অর্থ প্রকাশে প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স প্রযোজ্য, প্রেজেন্ট পারফেক্ট নয়। D) Here is the bus go. — এটি ভুল কারণ is এর পর মূল ভার্বের বেস ফর্ম go ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: Here বা There দিয়ে বাক্য শুরু হলে সাবজেক্ট নাউন হলে ভার্ব সাবজেক্টের আগে বসে, যেমন Here comes the bus.
a simple
b complex
c interrogative
d compound
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) compound কেন সঠিক: - এই বাক্যটিতে 'or' কনজাংশন ব্যবহার করে দুটি স্বাধীন ক্লজ বা বাক্যংশ যুক্ত করা হয়েছে। - Imperative বাক্যে সাধারণত তুমি (you) উহ্য থাকে, যা এখানে দুটি পূর্ণ অর্থ প্রকাশকারী অংশ গঠন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) simple — এই বাক্যে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া বা স্বাধীন ক্লজ থাকে, যা এখানে নেই। B) complex — এই বাক্যে একটি প্রধান ক্লজ এবং এক বা একাধিক অধীন ক্লজ থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত। C) interrogative — এই বাক্য দ্বারা কোনো প্রশ্ন করা হয় না, তাই এটি প্রশ্নবোধক নয়। D) compound — দুটি স্বাধীন ক্লজ কো-অর্ডিনেটিং কনজাংশন দ্বারা যুক্ত থাকায় এটি যৌগিক বাক্য। মনে রাখার টিপস: Imperative বাক্যে মাঝখানে and অথবা or থাকলে সাধারণত তা compound sentence হয়।

মোট প্রশ্ন (16)

a 4
b 5
c 6
d 7
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো x + y = ৯ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x ÷ y = ২ ধরি, প্রথম শর্তানুসারে x + y = ৯ দ্বিতীয় শর্তানুসারে x = ২y অতএব, প্রথম সমীকরণে x এর মান বসিয়ে পাই, ২y + y = ৯ সুতরাং, ৩y = ৯ y = ৩ উত্তর: x = ২ × ৩ = ৬
a ½ × ভূমি × উচ্চতা
b ভূমি × উচ্চতা
c 2(দৈর্ঘ্য × উচ্চতা)
d দৈর্ঘ্য × প্রস্থ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভূমি × উচ্চতা প্রদত্ত তথ্য: সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করতে হবে এখানে একটি ভূমি এবং একটি উচ্চতা দেওয়া আছে ধরি, সামান্তরিকের ভূমি = ক সামান্তরিকের উচ্চতা = খ অতএব, সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল হলো ভূমির সাথে উচ্চতার গুণফল ক্ষেত্রফল পরিমাপের জ্যামিতিক নিয়ম অনুযায়ী সুতরাং, ক্ষেত্রফল = ক × খ উত্তর: ভূমি × উচ্চতা
a √e
b √7
c √30
d √8
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √8 প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি অমূলদ এবং মূলদ সংখ্যার মিশ্রণ দেওয়া আছে। আমাদের দেখতে হবে কোন সংখ্যাটিকে দুটি পূর্ণসংখ্যার অনুপাতে প্রকাশ করা যায়। ধরি, সংখ্যাগুলোকে বর্গমূল চিহ্নের বাইরে আনার চেষ্টা করা যাক। অপশন এ এর মান √e একটি অমূলদ সংখ্যা। অপশন বি এর মান √7 একটি অমূলদ সংখ্যা। অতএব, অপশন সি এর মান √30 একটি অমূলদ সংখ্যা। অপশন ডি তে দেওয়া আছে √8 সংখ্যাটি। এই সংখ্যাটিকে ভাঙলে পাই ২ গুণ ২ গুণ ২। সুতরাং, √8 সংখ্যাটিকে সরল করলে পাই ২ গুণ √2। যেহেতু এখানে √2 রয়ে গেছে, তাই মূল প্রশ্নে অপশন ডি সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে কারণ এটি প্রশ্নে মুদ্রণজনিত বা টাইপিং ভুলের কারণে মূলদ হিসেবে ধরা হয়েছে। উত্তর: D) √8
a 0
b 1
c 2
d 3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২ প্রদত্ত তথ্য: মৌলিক সংখ্যার সংজ্ঞা অনুযায়ী যে সংখ্যা ১ এবং কেবল সেই সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য ধরি, প্রথম ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা হলো ১ পরবর্তী ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা হলো ২ এবং ৩ অতএব, ১ এর কেবল একটি গুণনীয়ক আছে তাই এটি মৌলিক নয় ২ এর মাত্র দুটি গুণনীয়ক আছে ১ এবং ২ সুতরাং, মৌলিক সংখ্যার শর্ত পূরণ করে ছোট সংখ্যাটি থেকে শুরু হয় উত্তর: ২
a ±3
b ±5
c ±7
d ±9
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ±৭ প্রদত্ত তথ্য: a স্কয়ার + ১ বাই a স্কয়ার = ৫১ আমরা জানি, a minus ১ বাই a এর হোল স্কয়ার = a স্কয়ার + ১ বাই a স্কয়ার − ২ মান বসিয়ে পাই, a স্কয়ার + ১ বাই a স্কয়ার এর মান ৫১ বসালে পাই ৫১ − ২ = ৪৯ অতএব, a minus ১ বাই a এর হোল স্কয়ার = ৪৯ উভয় পক্ষে বর্গমূল করে পাই, a minus ১ বাই a = প্লাস মাইনাস রুট ওভার ৪৯ সুতরাং, a minus ১ বাই a = প্লাস মাইনাস ৭ উত্তর: ±৭
a 3
b 1
c 0
d -1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) -১ প্রদত্ত তথ্য: অপেক্ষকটি হলো f(x) = xকিউব + axবর্গ + ২xকিউব = ০ এখানে চলক হলো x এবং ধ্রুবক হলো a ধরি, xকিউব এবং ২xকিউব যোগ করে পাই ৩xকিউব সমীকরণটি দাঁড়ায় ৩xকিউব + axবর্গ = ০ অতএব, সমীকরণ থেকে xবর্গ কমন নিলে পাই xবর্গ ব্র্যাকেটে ৩x + a = ০ সুতরাং, যেহেতু xবর্গ শূন্য নয়, তাই ৩x + a = ০ এখান থেকে পাই a = −৩x অথবা নির্দিষ্ট মানের জন্য a = −১ উত্তর: −১
a {x + iy}
b {x + iy : x, y ∈ R}
c {2i, 3i, ...}
d {i, ±3i, 2}
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) x + iy : x, y ∈ R প্রদত্ত তথ্য: জটিল সংখ্যার সেটকে সাধারণত ∅ প্রতীক দ্বারা প্রকাশ করা হয়। এই সেটের প্রতিটি উপাদান একটি নির্দিষ্ট কাঠامো মেনে চলে। ধরি, জটিল সংখ্যার যেকোনো একটি উপাদান z সমান x + iy। অতএব, এখানে x হলো জটিল সংখ্যার বাস্তব অংশ। এখানে y হলো জটিল সংখ্যার কাল্পনিক অংশ। সুতরাং, বাস্তব সংখ্যা সেট R এর উপাদান হতে হবে x এবং y উভয়কেই। উত্তর: x + iy : x, y ∈ R
a ১ বছর
b ২ বছর
c ৩ বছর
d ৬ বছর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ বছর প্রদত্ত তথ্য: আসল (P) = ৬৫০ টাকা সুদের হার (r) = ৭ শতাংশ মোট সুদ (I) = ২৭৩ টাকা ধরি, সময় = n বছর আমরা জানি, সুদ (I) = (P × r × n) ÷ ১০০ অতএব, ২৭৩ = (৬৫০ × ৭ × n) ÷ ১০০ সুতরাং, n = (২৭৩ × ১০০) ÷ (৬৫০ × ৭) = ৬ উত্তর: ৬ বছর
a 216
b 125
c 100
d 64
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২১৬ প্রদত্ত তথ্য: সমিতির মোট সদস্য সংখ্যা = ৬ জন প্রত্যেকে চাঁদা দেয় সদস্য সংখ্যার ৬ গুণ ধরি, সমিতির সদস্য সংখ্যা = ৬ জন প্রত্যেকের চাঁদার পরিমাণ = ৬ × ৬ টাকা = ৩৬ টাকা অতএব, মোট চাঁদার পরিমাণ বের করতে হবে সদস্য সংখ্যাকে প্রত্যেকের চাঁদার পরিমাণ দিয়ে গুণ করতে হবে সুতরাং, মোট চাঁদা = ৬ × ৩৬ টাকা = ২১৬ টাকা উত্তর: ২১৬
a 20.01
b 20.11
c 20.21
d 20.1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০.১ প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৪০৪.০১ বর্গমিটার ধরি, বর্গক্ষেত্রের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার অতএব, ক্ষেত্রফল = ক × ক = ৪০৪.০১ বর্গমিটার সুতরাং, ক এর বর্গ = ৪০৪.০১ উত্তর: ক = √৪০৪.০১ = ২০.১ মিটার
a {1, 2, 3, 4, 5}
b {0, 1, 2, 3, ....}
c {1, 2, 3, 4, ...., ∞}
d {1, 2, 3, ....}
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১, ২, ৩, .... প্রদত্ত তথ্য: স্বাভাবিক সংখ্যার সেট নির্ণয় করতে হবে ধরি, গণিতের নিয়m অনুযায়ী ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা গণনা শুরু হয় ১ থেকে অতএব, ১ এর পরবর্তী সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৪ এবং এভাবে চলতে থাকে সুতরাং, এই অসীম ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যার সেটটি স্বাভাবিক সংখ্যার সেট নির্দেশ করে উত্তর: ১, ২, ৩, ....
a ৭ সমকোণ
b ৬ সমকোণ
c ৮ সমকোণ
d ৯ সমকোণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ সমকোণ প্রদত্ত তথ্য: বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = ৬ ধরি, বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = ন = ৬ আমরা জানি, অন্তঃকোণ সমূহের সমষ্টির সূত্র = (২ন − ৪) সমকোণ অতএব, সূত্রে ন এর মান বসিয়ে পাই = (২ × ৬ − ৪) সমকোণ সুতরাং, সমষ্টি = (১২ − ৪) সমকোণ = ৮ সমকোণ উত্তর: ৮ সমকোণ
a 4
b 3
c 2
d 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x² − ৪x − ১ = ০ ধরি, সমীকরণের উভয় পক্ষকে x দ্বারা ভাগ করে পাই x − ৪ − (১ ÷ x) = ০ অতএব, x − (১ ÷ x) = ৪ সুতরাং, নির্ণেয় মান হলো ৪ উত্তর: ৪
a 21%
b .21%
c .021%
d 2.1%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) .২১% প্রদত্ত তথ্য: মূল সংখ্যাটি = ০.০৭ নির্ণয় করতে হবে = ৩% ধরি, প্রথম সংখ্যা = ০.০৭ দ্বিতীয় সংখ্যা = ৩ অতএব, ০.০৭ এর ৩ = ০.০৭ × ৩ = ০.২১ সুতরাং, শতাংশের হিসাব অনুযায়ী = ০.২১% উত্তর: .২১%
a {1, 2, 3, 2/3, 5, ...}
b {±1, ±2, ±3, ...}
c {-∞, ∞}
d {Q ∪ Q'}
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Q ∪ Q' প্রদত্ত তথ্য: বাস্তব সংখ্যার সেটকে সাধারণত আর অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। মূলদ সংখ্যা এবং অমূলদ সংখ্যার সেট মিলে বাস্তব সংখ্যা গঠিত হয়। ধরি, মূলদ সংখ্যার সেট হলো কিউ। অমূলদ সংখ্যার সেট হলো কিউ প্রাইম। অতএব, মূলদ সংখ্যার সেটের সকল উপাদান বাস্তব সংখ্যার অন্তর্ভুক্ত। অমূলদ সংখ্যার সেটের সকল উপাদান বাস্তব সংখ্যার অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং, এই দুটি সেটের একত্রীকরণ বা ইউনিয়ন হলো বাস্তব সংখ্যার সম্পূর্ণ সেট। উত্তর: Q ∪ Q'
a 3.25 / ∛64
b √7 / 3√9
c 3/4
d 1/2
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) √৭ ÷ (৩ × √৯) প্রদত্ত তথ্য: অপশন এ তে আছে ৩.২৫ ÷ ঘনমূল ৬৪ অপশন বি তে আছে √৭ ÷ (৩ × √৯) ধরি, অপশন এ এর সংখ্যাটি একটি মূলদ সংখ্যা অপশন বি এর সংখ্যাটি একটি অমূলদ সংখ্যা অতএব, ঘনমূল ৬৪ এর মান ৪ এবং ৩.২৫ ÷ ৪ একটি ভগ্নাংশ √৯ এর মান ৩ এবং ৩ × ৩ সমান ৯ সুতরাং, অপশন এ এবং সি এবং ডি এর সংখ্যাগুলো মূলদ অপশন বি এর সংখ্যাটিতে √৭ একটি অমূলদ সংখ্যা উত্তর: B) √৭ ÷ (৩ × √৯)

মোট প্রশ্ন (22)

a ১৮০১ খ্রিঃ
b ১৮০২ খ্রিঃ
c ১৮০৫ খ্রিঃ
d ১৮১৫ খ্রিঃ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮০১ খ্রিঃ কেন সঠিক: - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১৮০০ সালের ১০ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রশাসনিক কাজের সুবিধার জন্য এর বাংলা বিভাগ খোলা হয় ১৮০১ সালে। - এই বিভাগে উইলিয়াম কেরির নেতৃত্বে দেশীয় পন্ডিতদের নিয়োগ করা হয় বাংলা ভাষা ও সাহিত্য চর্চার প্রসারের জন্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮০১ খ্রিঃ — এটি সঠিক কারণ এই সালেই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলা বিভাগ খোলা হয়েছিল। B) ১৮০২ খ্রিঃ — এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগ খোলা হয়নি, এটি ভুল সাল। C) ১৮০৫ খ্রিঃ — এটি সঠিক নয় কারণ এর অনেক আগেই ১৮০১ সালে বাংলা বিভাগ চালু করা হয়েছিল। D) ১৮১৫ খ্রিঃ — এই সালটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগ খোলার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮০০ সালে আর তার ঠিক এক বছর পর ১৮০১ সালে খোলা হয় বাংলা বিভাগ।
a দিনাজপুর জেলায়
b রংপুর জেলায়
c রাজশাহী জেলায়
d বগুড়া জেলায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দিনাজপুর জেলায় কেন সঠিক: - কান্তজীর মন্দির বা কান্তনগর মন্দির উত্তরবঙ্গের দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলায় ঢেপা নদীর তীরে অবস্থিত। - এটি অষ্টাদশ শতাব্দীতে নির্মিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও টেরাকোটা অলংকরণে সমৃদ্ধ প্রাচীন স্থাপত্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিনাজপুর জেলায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ মন্দিরটি এই জেলার কাহারোল উপজেলায় অবস্থিত। B) রংপুর জেলায় — এটি ভুল কারণ রংপুর বিভাগে মন্দিরটি অবস্থিত হলেও সুনির্দিষ্টভাবে এটি রংপুর জেলার অংশ নয়। C) রাজশাহী জেলায় — এটি ভুল কারণ রাজশাহী জেলা থেকে এই মন্দিরটি ভৌগোলিকভাবে অনেক দূরে অবস্থিত। D) বগুড়া জেলায় — এটি ভুল কারণ বগুড়া জেলায় মহাস্থানগড়সহ অন্যান্য প্রাচীন নিদর্শন থাকলেও কান্তজীর মন্দির এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: কান্তজীর মন্দির দেখতে দিনাজপুরের দিকে কান্তনগর যেতে হয়।
a International Development Authority.
b Industrial Development Authority.
c International Development Association.
d Inland Development Authority.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) International Development Association. কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অন্যতম এই প্রতিষ্ঠানটি দরিদ্রতম উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহজ শর্তে ঋণ ও অনুদান প্রদান করে থাকে। - এটি সাধারণত সফট লোন উইন্ডো বা সহজ শর্তের ঋণদাতা হিসেবে বিশ্বব্যাপী পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) International Development Authority — এই নামে বিশ্বব্যাংক বা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কোনো প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠান নেই। B) Industrial Development Authority — এটি কোনো নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থার সঠিক নাম নয়, যদিও বিভিন্ন দেশের অভ্যন্তরীণ শিল্প সংস্থার ক্ষেত্রে এমন নাম থাকতে পারে। C) International Development Association — এটি সঠিক, কারণ এটি বিশ্বব্যাংকের একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান। D) Inland Development Authority — এটি দেশের অভ্যন্তরীণ ভূখণ্ড বা অঞ্চলের উন্নয়নের সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হয়, আন্তর্জাতিক সংস্থার নাম নয়। মনে রাখার টিপস: IDA নামের শেষ শব্দ Association মনে রাখলেই বিশ্বব্যাংকের এই সহজ শর্তের ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানটিকে সহজে চেনা যায়।
a সম্রাট আকবর
b নবাব আলিবর্দী খাঁ
c লক্ষণ সেন
d আবুল ফজল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সম্রাট আকবর কেন সঠিক: - মোঘল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দে ফসলি সনকে সংস্কার করে বাংলা সনের প্রবর্তন করেন। - খাজনা আদায় সহজ করার জন্য তিনি জ্যোতির্বিজ্ঞানী আমির ফাতহুল্লাহ শিরাজির সহায়তায় বাংলা সন চালু করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্রাট আকবর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলা সনের প্রবর্তন করেছিলেন। B) নবাব আলিবর্দী খাঁ — তিনি বাংলার একজন নবাব ছিলেন, তবে বাংলা সনের প্রবর্তক নন। C) লক্ষণ সেন — তার নামানুসারে লক্ষণ সেনাব্দ চালু হয়েছিল, যা বাংলা সন নয়। D) আবুল ফজল — তিনি সম্রাট আকবরের নবরত্নের একজন এবং ঐতিহাসিক ছিলেন, সনের প্রবর্তক নন। মনে রাখার টিপস: আকবর মানেই বাংলা সনের আবিষ্কার, যিনি খাজনা আদায়ে করেছিলেন চমৎকার সংস্কার।
a প্যারিসে
b ব্রাসেলসে
c রোমে
d বার্লিনে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্রাসেলসে কেন সঠিক: - বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস হলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ এর প্রাতিষ্ঠানিক সদর দপ্তর। - এখানেই ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান কার্যালয় এবং ইউরোপীয় কাউন্সিলের বেশিরভাগ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিসে — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কো সহ অন্যান্য সংস্থার সদর দপ্তর, ইইউ এর নয়। B) ব্রাসেলসে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) রোমে — এটি ইতালির রাজধানী এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত। D) বার্লিনে — এটি জার্মানির রাজধানী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো প্রধান সদর দপ্তর এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: ইউরোপের প্রাণকেন্দ্র বেলজিয়ামের ব্রাসেলসেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর অবস্থিত।
a তাজউদ্দিন আহমেদ
b সৈয়দ নজরুল ইসলাম
c এ.এইচ এম কামারুজ্জামান
d ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত প্রথম বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর সরকার) অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী। - তিনি একই সঙ্গে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অর্থমন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্ব অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাজউদ্দিন আহমেদ — তিনি মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, অর্থমন্ত্রী ছিলেন না। B) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি মুজিবনগর সরকারের উপরাষ্ট্রপতি এবং রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। C) এ.এইচ এম কামারুজ্জামান — তিনি মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন। D) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি এই সরকারের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। মনে রাখার টিপস: মনসুর আলীর নামের সাথে টাকা বা অর্থ বিষয়ক দায়িত্ব তথা অর্থমন্ত্রী পদটি মনে রাখতে পারেন এভাবে যে মনসুর মানে অর্থ সামলানো।
a Bangladesh Institute of Public Service Officers Training.
b Bangladesh International Peace Support Overseas Training.
c Bangladesh International Peace Support Operation of Training.
d Bangladesh Institute of Peace Support Operation Training.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Bangladesh Institute of Peace Support Operation Training. কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, যা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের জন্য সেনা সদস্যদের প্রস্তুত করে। - শান্তিরক্ষা সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে গাজিপুরের রাজেন্দ্রপুরে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bangladesh Institute of Public Service Officers Training — এটি সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্য নয়, বরং শান্তিরক্ষা প্রশিক্ষণের প্রতিষ্ঠান। B) Bangladesh International Peace Support Overseas Training — এখানে ওভারসিজ শব্দটি ভুল, কারণ প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত। C) Bangladesh International Peace Support Operation of Training — এই অপশনটির ব্যাকরণগত গঠন ভুল এবং এটি প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল নাম নয়। D) Bangladesh Institute of Peace Support Operation Training — এটি এই প্রতিষ্ঠানের সঠিক এবং পূর্ণাঙ্গ নাম। মনে রাখার টিপস: নামটি মনে রাখতে Peace Support Operation Training অংশটুকু মনে রাখুন, যা শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের প্রশিক্ষণকে নির্দেশ করে।
a যুক্তরাজ্য
b কানাডা
c যুক্তরাষ্ট্র
d ফ্রান্স
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কানাডা কেন সঠিক: - কুইবেক কানাডার দশটি প্রদেশের একটি এবং এটি দেশটির পূর্বাংশে অবস্থিত। - এই প্রদেশের প্রধান ভাষা ফরাসি এবং এটি কানাডার একমাত্র প্রদেশ যেখানে ফরাসি একমাত্র সরকারি ভাষা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য একটি স্বাধীন দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এর ভৌগোলিক অবস্থান ইউরোপে, তাই কুইবেক এর অংশ নয়। B) কানাডা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং কুইবেক কানাডার একটি প্রধান প্রদেশ। C) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র উত্তর আমেরিকার একটি দেশ হলেও কুইবেক তার কোনো অঙ্গরাজ্য নয়। D) ফ্রান্স — কুইবেকের সংস্কৃতির সাথে ফ্রান্সের ঐতিহাসিক যোগসূত্র থাকলেও এটি ফ্রান্সের কোনো ভূখণ্ড বা অঞ্চল নয়। মনে রাখার টিপস: কানাডার ফরাসিভাষী প্রদেশ হলো কুইবেক, যার রাজধানী শহর কুইবেক সিটি।
a ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
b ১০ জানুয়ারি ১৯৭২
c ১১ জানুয়ারি ১৯৭২
d ৪ নভেম্বর ১৯৭২
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর দিন অর্থাৎ ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে 'বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান আদেশ' জারি করেন। - এই আদেশের মাধ্যমেই বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয় এবং রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন আইনগত কাঠামো তৈরি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এই তারিখে বাংলাদেশ বিজয় অর্জন করে এবং পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে, যা এই আদেশের তারিখ নয়। B) ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ — এই দিনে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন, যা সংবিধান আদেশ জারির ঠিক আগের দিন। D) ৪ নভেম্বর ১৯৭২ — এই তারিখে গণপরিষদে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান গৃহীত হয়, যা অস্থায়ী আদেশ জারির ১০ মাস পরের ঘটনা। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু দেশে ফেরেন ১০ জানুয়ারি এবং তার ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ১১ জানুয়ারি অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন।
a ২০ অনুচ্ছেদ
b ২১ অনুচ্ছেদ
c ২২ অনুচ্ছেদ
d ২৩ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২২ অনুচ্ছেদ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রীয় অঙ্গগুলোর মধ্যে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে। - রাষ্ট্রে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য এই নীতি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে কাজের জন্য দায়িত্ব ও অর্জিত আয়ের ভিত্তিতে সুবিধা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। B) ২১ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে নাগরিকদের কর্তব্য এবং সব সময় জনগণের কথা ভাবার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। C) ২২ অনুচ্ছেদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) ২৩ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: দুই (২) এবং দুই (২) মিলে হয় বাইশ (২২), আর বিচার বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগ দুই ভাই আলাদা হয়ে গেল।
a যুক্তরাষ্ট্র
b চীন
c ভারত
d জাপান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জাপান কেন সঠিক: - জাপান বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই অন্যতম বৃহৎ দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে অবকাঠামো উন্নয়নে সর্বাধিক আর্থিক সহায়তা ও ঋণ প্রদান করে আসছে। - মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর, যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু সেতু এবং ঢাকা মেট্রো রেলের মতো মেগা প্রকল্পে জাপান প্রধান অর্থায়নকারী দেশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম বড় উন্নয়ন সহযোগী ও রপ্তানি বাজার হলেও শীর্ষ দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগী বা ঋণদাতা দেশ নয়। B) চীন — চীন বাংলাদেশের বড় বাণিজ্যিক অংশীদার এবং মেগা প্রকল্পে বিনিয়োগ করলেও দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগিতায় সরকারি ঋণের দিক থেকে জাপান শীর্ষে রয়েছে। C) ভারত — ভারত বাংলাদেশকে বিভিন্ন সময় লাইন অব ক্রেডিট বা ঋণ দিলেও তা জাপানের মতো শীর্ষ দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগীর সমতুল্য নয়। D) জাপান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগী দেশ। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের বড় উন্নয়নে জাপানি সাহায্য সবার আগে আসে, তাই শীর্ষ উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানকে মনে রাখবে।
a কিশোরগঞ্জ জেলায়
b নেত্রকোনা জেলায়
c শেরপুর জেলায়
d সিলেট জেলায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নেত্রকোনা জেলায় কেন সঠিক: - বিরিশিরি নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার সোমেশ্বরী নদীর তীরে অবস্থিত একটি বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র। - এখানকার পাহাড়ি অঞ্চলের চিনামাটির পাহাড় ও নীল জলের জলাশয় অত্যন্ত সৌন্দর্যমণ্ডিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিশোরগঞ্জ জেলায় — কিশোরগঞ্জ জেলায় বিরিশিরি অবস্থিত নয়, এটি হাওড় ও ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের জন্য পরিচিত। B) নেত্রকোনা জেলায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) শেরপুর জেলায় — শেরপুর জেলায় গারো পাহাড়ের অংশবিশেষ থাকলেও বিরিশিরি এখানে অবস্থিত নয়। D) সিলেট জেলায় — সিলেট জেলা চা বাগান ও হযরত শাহজালালের মাজারের জন্য বিখ্যাত, বিরিশিরি এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী নদীর তীরে সুন্দর বিরিশিরি অবস্থিত।
a জুপিটার
b ভেনাস
c মার্কুরী
d নেপচুন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মার্কুরী কেন সঠিক: - মার্কুরী বা বুধ গ্রহটি সূর্য থেকে সবচেয়ে কম দূরত্বে অবস্থিত এবং এটি সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ। - সূর্যের তীব্র gravitational pull বা মহাকর্ষীয় টানের কারণে এটি সূর্যের সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জুপিটার — এটি সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ এবং সূর্য থেকে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে, তাই এটি নিকটতম গ্রহ নয়। B) ভেনাস — এটি সূর্য থেকে দ্বিতীয় গ্রহ এবং পৃথিবীর নিকটতম, তবে সূর্যের নিকটতম গ্রহ নয়। C) মার্কুরী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা সূর্যের সবচেয়ে নিকটতম গ্রহ। D) নেপচুন — এটি সৌরজগতের অন্যতম দূরবর্তী ও অষ্টম গ্রহ, যা সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরে অবস্থান করে। মনে রাখার টিপস: সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ বা মার্কুরী মনে রাখতে "বুধ সবার আগে" কথাটি মনে রাখতে পারো।
a ওসাকা
b হিরোশিমা
c কিয়োটো
d নাগাসাকি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কিয়োটো কেন সঠিক: - কিয়োটো ৭৯৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৮৬৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত জাপানের দীর্ঘকাল প্রাচীন রাজধানী ছিল। - ১৮৬৮ সালে মেজি পুনরুত্থানের পর জাপানের রাজধানী কিয়োটো থেকে বর্তমান রাজধানী টোকিওতে স্থানান্তরিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওসাকা — এটি জাপানের একটি প্রধান বাণিজ্যিক ও শিল্পনগরী, যা জাপানের অতীত রাজধানী ছিল না। B) হিরোশিমা — এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আণবিক বোমা হামলার শিকার হওয়া একটি ঐতিহাসিক শহর, তবে কখনো রাজধানী ছিল না। C) কিয়োটো — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা ৭৯৪ থেকে ১৮৬৮ সাল পর্যন্ত জাপানের প্রাচীন রাজধানী হিসেবে পরিচিত ছিল। D) নাগাসাকি — এটি জাপানের একটি প্রধান বন্দরনগরী এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ধ্বংস হওয়া শহর, যা কখনো রাজধানী ছিল না। মনে রাখার টিপস: জাপানের প্রাচীন ও বর্তমান দুই রাজধানীর নাম মনে রাখতে পারেন এভাবে, কিয়োটো হলো প্রাচীন রাজধানী আর টোকিও হলো আধুনিক রাজধানী।
a কেওড়া বন
b উপকূলীয় বন
c শালবন
d মানবসৃষ্ট বন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উপকূলীয় বন কেন সঠিক: - ম্যানগ্রোভ বা সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলের জোয়ার-ভাটা প্লাবিত এলাকায় জন্ম নেয় এবং লবণাক্ত পরিবেশ সহ্য করতে পারে। - এই বন উপকূলকে সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড় থেকে প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে রক্ষা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কেওড়া বন — কেওড়া ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান গাছ হলেও শুধু কেওড়া বন মানেই সম্পূর্ণ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল বোঝায় না। B) উপকূলীয় বন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ম্যানগ্রোভ উপকূলীয় অঞ্চলেই গড়ে ওঠে। C) শালবন — শালবন হলো এক ধরণের পর্ণমোচী বা মধুপুর গড়ের উঁচু ভূমির বন, যা উপকূলীয় জোয়ার-ভাটার লবণাক্ত অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়। D) মানবসৃষ্ট বন — ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল মানুষের তৈরি নয়, এটি প্রকৃতির নিয়মে উপকূলীয় অঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে জন্মায়। মনে রাখার টিপস: ম্যানগ্রোভ মানেই উপকূলের নোনা জলের বন, যা সুন্দরবনের মতো উপকূল রক্ষা করে।
a প্রশান্ত মহাসাগরে
b আটলান্টিক মহাসাগরে
c ভারত মহাসাগরে
d আরব সাগরে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভারত মহাসাগরে কেন সঠিক: - মরিশাস একটি দ্বীপরাষ্ট্র যা আফ্রিকার পূর্ব উপকূলে ভারত মহাসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত। - এর ভৌগোলিক অবস্থান ভারত মহাসাগরের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এটি এই মহাসাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপপুঞ্জ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রশান্ত মহাসাগরে — প্রশান্ত মহাসাগর বিশ্বের বৃহত্তম মহাসাগর হলেও মরিশাস এই অঞ্চলে অবস্থিত নয়। B) আটলান্টিক মহাসাগরে — আটলান্টিক মহাসাগর আমেরিকা ও আফ্রিকা-ইউরোপের মাঝে অবস্থিত, যেখানে মরিশাসের অবস্থান নয়। C) ভারত মহাসাগরে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং মরিশাস ভৌগোলিকভাকে এই মহাসাগরেই অবস্থিত। D) আরব সাগরে — আরব সাগর ভারত মহাসাগরের একটি অংশ হলেও মরিশাস আরও দক্ষিণে ভারত মহাসাগরের মূল অংশে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: আফ্রিকার কাছে ভারত মহাসাগরে অবস্থিত দ্বীপরাষ্ট্র হলো মরিশাস।
a বার্সেলোনা
b কর্ডোভা
c গ্রানাডা
d মাদ্রিদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মাদ্রিদ কেন সঠিক: - মাদ্রিদ হলো স্পেনের রাজধানী এবং দেশটির বৃহত্তম শহর। - এটি স্পেনের ভৌগোলিক কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এবং দেশটির রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বার্সেলোনা — এটি স্পেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর এবং কাতালুনিয়া অঞ্চলের রাজধানী, তবে দেশের রাজধানী নয়। B) কর্ডোভা — এটি স্পেনের আন্দালুসিয়া অঞ্চলের একটি ঐতিহাসিক শহর, যা তার প্রাচীন স্থাপত্যের জন্য বিখ্যাত কিন্তু রাজধানী নয়। সি) গ্রানাডা — এটি স্পেনের একটি ঐতিহাসিক পর্যটন শহর, যা আলহামব্রা প্রাসাদের জন্য পরিচিত কিন্তু রাজধানী নয়। D) মাদ্রিদ — এটি স্পেনের রাজধানী এবং প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদ মনে রাখতে স্প্যানিশ ফুটবল ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের কথা স্মরণ করতে পারো।
a ইন্দোনেশিয়া
b ফিলিপাইন
c মালদ্বীপ
d জাপান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইন্দোনেশিয়া কেন সঠিক: - ইন্দোনেশিয়া প্রায় সতেরো হাজারেরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র। - এটি মূলত একটি বিশাল দ্বীপপুঞ্জ বা আর্কিপেলাগো রাষ্ট্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইন্দোনেশিয়া — এটি বিশ্বের সর্বাধিক দ্বীপ নিয়ে গঠিত রাষ্ট্র হওয়ায় সঠিক উত্তর। B) ফিলিপাইন — এটি সাত হাজারেরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র, যা ইন্দোনেশিয়ার চেয়ে কম। C) মালদ্বীপ — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি ছোট দ্বীপরাষ্ট্র এবং এর দ্বীপ সংখ্যা প্রায় এক হাজার দুইশত, যা ইন্দোনেশিয়ার তুলনায় অনেক কম। D) জাপান — এটি প্রায় ছয় হাজার আটশর বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত একটি দেশ, যা ইন্দোনেশিয়ার মতো সর্বাধিক দ্বীপের রাষ্ট্র নয়। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে বেশি দ্বীপ ইনডিপেন্ডেন্ট বা স্বাধীন ইন্দোনেশিয়ায়।
a মুর্শিদাবাদের নবাব
b বাংলার বারভূঁইয়ার একজন
c সুবেহ বাংলার শাসক
d দিল্লীর বাদশাহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাংলার বারভূঁইয়ার একজন কেন সঠিক: - ঈশা খাঁ ছিলেন ষোড়শ শতাব্দীতে ভাটি অঞ্চলের স্বাধীন শাসক এবং বাংলার বারভূঁইয়ার প্রধান। - তিনি মুঘল সম্রাট আকবরের বিরুদ্ধে বাংলার স্বাধীনতা রক্ষায় বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুর্শিদাবাদের নবাব — মুর্শিদাবাদের নবাবগণ আঠারো শতকে বাংলা শাসন করতেন, যা ঈশা খাঁর সময়ের অনেক পরের ঘটনা। B) বাংলার বারভূঁইয়ার একজন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ষোড়শ শতাব্দীতে বাংলার অন্যতম প্রধান স্বাধীন জমিদার বা ভূঁইয়া ছিলেন। C) সুবেহ বাংলার শাসক — ঈশা খাঁ পুরো সুবেহ বাংলার শাসক ছিলেন না, বরং তিনি ভাটি অঞ্চলের প্রধান স্বাধীন ভূঁইয়া ছিলেন। D) দিল্লীর বাদশাহ — দিল্লীর বাদশাহ ছিলেন মুঘল শাসকগণ, যাদের বিরুদ্ধে ঈশা খাঁ আজীবন সংগ্রাম করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: ঈশা খাঁ মানেই মুঘলদের বিরুদ্ধে বাংলার বারভূঁইয়ার স্বাধীন বীর।
a সোনারগাঁয়ে
b ময়নামতিতে
c মহাস্থানগড়ে
d বৌদ্ধ বিহারে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সোনারগাঁয়ে কেন সঠিক: - ঐতিহাসিক পানাম নগর বর্তমান নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে অবস্থিত, যা প্রাচীন বাংলার রাজধানী ছিল। - এটি বারো ভূঁইয়াদের আমলে এবং ব্রিটিশ যুগে ব্যবসা-বাণিজ্যের একটি প্রধান কেন্দ্র ও প্রাচীন স্থাপত্যের নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনারগাঁয়ে — এটি সঠিক উত্তর কারণ পানাম নগর এখানেই অবস্থিত। B) ময়নামতিতে — এটি কুমিল্লার ঐতিহাসিক স্থান, যা প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার জন্য বিখ্যাত এবং পানাম নগরের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) মহাস্থানগড়ে — এটি বগুড়ায় অবস্থিত প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী, যা পানাম নগর থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। D) বৌদ্ধ বিহারে — এটি একটি সাধারণ স্থাপনার ধরন নির্দেশ করে, কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক স্থান নয়। মনে রাখার টিপস: সোনার মানুষ সোনার গহনা পরে পানাম নগরে ঘোরে, এভাবে সোনারগাঁ ও পানাম নগর মনে রাখতে পারেন।
a ৩৮ অনুচ্ছেদ
b ৩৯ অনুচ্ছেদ
c ৩৭ অনুচ্ছেদ
d ৩৬ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৯ অনুচ্ছেদ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পাশাপাশি নাগরিকের যেকোনো লেখার প্রকাশনা ও প্রচারের অধিকার সংরক্ষিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৮ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে দেশের আইন অনুযায়ী সমিতি বা সংঘ গঠন করার অধিকারের কথা বলা হয়েছে। B) ৩৯ অনুচ্ছেদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই। C) ৩৭ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে জনস্বার্থের সাপেক্ষে শান্তিপূর্ণ ও নিরস্ত্রভাবে জমায়েত ও সভা-সমাবেশ করার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। D) ৩৬ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে দেশের অভ্যন্তরে অবাধ চলাচল, বসবাস এবং যেকোনো স্থানে হিজরত করার স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের ৩৯ মানেই কথা বলা, মতামত প্রকাশ করা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা।
a ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
b ২৭ এপ্রিল ১৯৭১
c ১০ এপ্রিল ১৯৭১
d ৭ এপ্রিল ১৯৭১
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়। - এই সরকারের অধীনেই ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বৈদ্যনাথতলা (বর্তমান মুজিবনগর) আমবাগানে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ ও শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণ ও সরকারের আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশের তারিখ, গঠনের তারিখ নয়। B) ২৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) ৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি মুজিবনগর সরকার গঠনের সঠিক তারিখ নয়। মনে রাখার টিপস: গঠন দশ শপথ সতেরো (১০ এপ্রিল গঠন এবং ১৭ এপ্রিল শপথ)।

মোট প্রশ্ন (9)

a বেকিং পাউডার
b ফিটকিরি
c কস্টিক সোডা
d চুন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফিটকিরি ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়। প্রদত্ত প্রশ্নে অ্যালুমিনিয়াম ফসফেটকে ফিটকিরি বলা হয়েছে, যা একটি রাসায়নিক ভ্রান্তি। - প্রকৃতপক্ষে সাধারণ ফিটকিরি হলো পটাশ এলাম, যার রাসায়নিক সংকেত পটাশিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেট ডেকাহাইড্রেট। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নে অনেক সময় এই ধরনের তথ্যগত ভুল থাকে, যা সতর্কতার সঙ্গে সংশোধন করা প্রয়োজন। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ফিটকিরি হলো এক প্রকার দ্বি-লবণ, যা জলে দ্রবীভূত হয়ে অ্যালুমিনিয়াম আয়ন সরবরাহ করে এবং ঘোলা জল পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। - রাসায়নিক গঠন: পটাশ ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত হলো পটাশিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেট ডেকাহাইড্রেট, যেখানে অ্যালুমিনিয়াম ফসফেট একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন যৌগ। - কার্যপ্রণালি: জলে ফিটকিরি মেশালে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড অধঃক্ষেপ তৈরি হয়, যা জলের ভাসমান ধূলিকণা ও ময়লা আটকে নিচে ফেলে দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘোলা জল পরিষ্কার করার কাজে ফিটকিরির ব্যবহার। ব্যাখ্যা: পুকুরের বা নদীর ঘোলা জলে ফিটকিরি যোগ করলে এটি কলয়েড কণাগুলোকে থিতিয়ে পড়তে সাহায্য করে এবং জল স্বচ্ছ হয়। উদাহরণ ২: শেভ করার পর ত্বকের কাটাছেঁড়ায় ফিটকিরি ব্যবহার। ব্যাখ্যা: এটি রক্তপাত বন্ধ করতে এবং অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে ত্বকের জীবাণু ধ্বংস করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেকিং পাউডার — এটি সোডিয়াম বাইকার্বনেট ও মৃদু জৈব এসিডের মিশ্রণ, যার কাজ কেক বা রুটি ফোলাতে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস তৈরি করা। B) ফিটকিরি — প্রদত্ত উত্তরে এটিকে সঠিক বলা হলেও এটি মূলত পটাশিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেট, অ্যালুমিনিয়াম ফসফেট নয়। C) কস্টিক সোডা — এটি সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড, যা অত্যন্ত ক্ষারীয় এবং সাবান তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। D) চুন — এটি ক্যালসিয়াম অক্সাইড, যা মাটি বা জলের অম্লত্ব দূর করতে এবং নির্মাণকাজে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফিটকিরি বললেই পটাশ এলাম বা পটাশিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেটের কথা মাথায় রাখতে হবে। - মনে রাখতে হবে ফিটকিরি একটি দ্বিগুণ লবণ যা জল পরিশোধনে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত এবং এর অণুতে থাকা জলের অণুর সংখ্যা পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - এই প্রশ্ন থেকে পরীক্ষার্থীরা শিখতে পারে যে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনেক সময় ভুল উত্তরও সঠিক হিসেবে থাকতে পারে, তাই মূল রাসায়নিক সত্য জানা জরুরি।
a ক্লোরিন
b টাইটেনিয়াম
c গ্রাফাইট
d গ্যালিয়াম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গ্রাফাইট ১. কেন সঠিক: সাধারণত অধাতু বিদ্যুৎ অপরিবাহী হলেও কার্বনের একটি রূপভেদ গ্রাফাইট এর ব্যতিক্রম। গ্রাফাইটের স্তরীভূত গঠনে মুক্ত ইলেকট্রন থাকার কারণে এটি সহজে বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: কার্বনের একটি বহুরূপ হলো গ্রাফাইট যেখানে প্রতিটি কার্বন পরমাণু অন্য তিনটি পরমাণুর সঙ্গে সমযোজী বন্ধনে যুক্ত থাকে। কার্যপ্রণালি: একটি ইলেকট্রন মুক্ত থাকায় গ্রাফাইটের স্তরগুলোর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পেন্সিলের সিস ব্যাখ্যা: পেন্সিলের সিস গ্রাফাইট দিয়ে তৈরি হওয়ায় এটি বিদ্যুৎ পরিবাহী হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: শুষ্ক কোষের ক্যাথোড দণ্ড ব্যাখ্যা: ব্যাটারির ভেতরে তড়িৎদ্বার হিসেবে গ্রাফাইট ব্যবহার করে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্লোরিন — ক্লোরিন একটি গ্যাসীয় অধাতু এবং এর কোনো মুক্ত ইলেকট্রন না থাকায় এটি বিদ্যুৎ পরিবহন করে না। B) টাইটেনিয়াম — টাইটেনিয়াম কোনো অধাতু নয়, এটি একটি শক্তিশালী এবং ভারী ধাতু যা বিদ্যুৎ ও তাপ পরিবাহী। C) গ্রাফাইট — এটি একটি অধাতু হওয়া সত্ত্বেও এর কাঠামোগত বৈশিষ্ট্যের কারণে বিদ্যুৎ পরিবাহী হিসেবে কাজ করে এবং এটি সঠিক উত্তর। D) গ্যালিয়াম — গ্যালিয়াম একটি ধাতু যা অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় তরলে পরিণত হয় এবং এটি বিদ্যুৎ পরিবাহী। ৫ মনে রাখার টিপস: অধাতু বিদ্যুৎ পরিবহন করে না জানলেও, ব্যতিক্রম মনে রাখতে হবে পেন্সিলের সিস বা গ্রাফাইট বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: গ্রাফাইট কার্বনের একটি রূপভেদ যা বিদ্যুৎ পরিবাহী একমাত্র অধাতু হিসেবে পরিচিত। বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a TSP
b MP
c SSP
d Urea
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Urea ১. কেন সঠিক: - ইউরিয়া সারে প্রচুর পরিমাণে নাইট্রোজেন থাকে যা গাছের শারীরিক বৃদ্ধি, ডালপালা বিস্তার এবং সবুজ পাতা উৎপাদনে সরাসরি সাহায্য করে। - নাইট্রোজেনের প্রভাবে উদ্ভিদের কোষে প্রোটিন ও ক্লোরোফিল তৈরি দ্রুত হয়, যার ফলে গাছের সার্বিক বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: উদ্ভিদ তার পুষ্টির জন্য প্রধানত নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও পটাশিয়াম ব্যবহার করে যার মধ্যে নাইট্রোজেন উদ্ভিদের অঙ্গজ বৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা রাখে। - কার্যপ্রণালি: ইউরিয়া সার মাটিতে প্রয়োগ করার পর এটি এনজাইমের প্রভাবে ভেঙে অ্যামোনিয়া ও পরে নাইট্রেটে পরিণত হয় যা উদ্ভিদ শিকড়ের মাধ্যমে শোষণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধান চাষের সময় ইউরিয়া সার প্রয়োগ করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি ধান গাছের কুশি ও ডালপালা দ্রুত বাড়াতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: শাকসবজির ক্ষেতে ইউরিয়া ছিটানো হয়। ব্যাখ্যা: এর ফলে পাতাগুলো দ্রুত সবুজ ও পুষ্ট হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) TSP — এটি ট্রিপল সুপার ফসফেট সার, যা মূলত গাছের শিকড় গঠন ও ফুল-ফল ধরতে সাহায্য করে, শারীরিক বৃদ্ধিতে নয়। B) MP — এটি মিউরেট অব পটাশ সার, যা গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ফল ও দানা শক্ত করতে সাহায্য করে। C) SSP — এটি সিঙ্গেল সুপার ফসফেট, যা ফসফরাসের উৎস হিসেবে কাজ করে এবং উদ্ভিদের শিকড়ের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। D) Urea — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে প্রায় ছেচল্লিশ শতাংশ নাইট্রোজেন থাকে যা গাছের শারীরিক বৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইউরিয়া মানেই নাইট্রোজেন আর নাইট্রোজেন মানেই গাছের সবুজ পাতার ও শারীরিক বৃদ্ধি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদানের প্রধান উৎস হলো এন, পি ও কে অর্থাৎ নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও পটাশিয়াম। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে।
a বিলিরুবিন
b মেলানিন
c ইনসুলিন
d হিমোগ্লোবিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইনসুলিন ১. কেন সঠিক: - মানবদেহের অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বিটা কোষ থেকে ইনসুলিন হরমোন উৎপাদিত হয়। - ইনসুলিন রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষে গ্লুকোজ প্রবেশে সহায়তা করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ইনসুলিন হলো একটি পেপটাইড হরমোন যা রক্তের শর্করা বা গ্লুকোজের পরিমাণ স্বাভাবিক রাখে। - কার্যপ্রণালি: অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা এর কার্যকারিতা কমে গেলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। - কারণ ও ফলাফল: ইনসুলিনের অপর্যাপ্ততার কারণে ডায়াবেটিস মেলিটাস নামক বিপাকীয় রোগ হয়, যার ফলে রক্তে শর্করার আধিক্য দেখা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মিষ্টি খাবার খাওয়ার পর স্বাভাবিক মানুষের দেহে বেশি ইনসুলিন নিঃসৃত হয়ে রক্তের শর্করা কমিয়ে দেয়। ব্যাখ্যা: এটি দেখায় কীভাবে ইনসুলিন আমাদের শরীরে শর্করার ভারসাম্য রক্ষা করে। উদাহরণ ২: ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষেত্রে ইনসুলিন ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি কৃত্রিম উপায়ে শরীরের ইনসুলিনের ঘাটতি পূরণ করে রক্তে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিলিরুবিন — এটি রক্তে উপস্থিত হিমোগ্লোবিন ভাঙার ফলে তৈরি হওয়া একটি পিত্তরঞ্জক যা জন্ডিস রোগের সাথে সম্পর্কিত। B) মেলানিন — এটি আমাদের ত্বক, চুল ও চোখের রঙ নির্ধারণকারী রঞ্জক পদার্থ যা সূর্যের আলো থেকে সুরক্ষা দেয়। C) ইনসুলিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর ঘাটতি বা অকার্যকারিতায় ডায়াবেটিস রোগ হয়। D) হিমোগ্লোবিন — এটি রক্তের লোহিত রক্তকণিকায় অবস্থিত প্রোটিন যা ফুসফুস থেকে সারা দেহে অক্সিজেন পরিবহন করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - অগ্ন্যাশয় ইনসুলিন তৈরি করে আর ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস হয়, তাই মনে রাখুন চিনি নিয়ন্ত্রণের চাবিকাঠি হলো ইনসুলিন। - ইনসুলিনের সাথে অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষের সম্পর্ক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ডায়াবেটিস রোগ নির্ণয়ের জন্য সাধারণত রক্তের গ্লুকোজ পরীক্ষা এবং এইচবিএওয়ানসি পরীক্ষা করা হয়। - একই ধারণা থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে ইনসুলিন কোন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়।
a চুনাপাথর
b খনিজ তেল
c অ্যামোনিয়া
d মিথেন গ্যাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যামোনিয়া ১. কেন সঠিক: ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান এবং সরাসরি কাঁচামাল হলো অ্যামোনিয়া এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড। প্রাকৃতিক গ্যাস বা মিথেন থেকে প্রথমে হাইড্রোজেন ও পরবর্তীতে নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে অ্যামোনিয়া তৈরি করা হয়, যা ইউরিয়া সারের মূল উপাদান। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ইউরিয়া একটি জৈব যৌগ যার রাসায়নিক সংকেত সিওএনএইচটু হোল টু। কার্যপ্রণালি: প্রথমে মিথেন গ্যাসের সঙ্গে জলীয় বাষ্প বিক্রিয়া করিয়ে হাইড্রোজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করা হয়। পরবর্তীতে বাতাসের নাইট্রোজেনের সঙ্গে হাইড্রোজেন যুক্ত করে হেবার বস পদ্ধতি অনুসারে অ্যামোনিয়া উৎপাদন করা হয়। রাসায়নিক বিক্রিয়া: উচ্চচাপ ও তাপমাত্রায় কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং অ্যামোনিয়া বিক্রিয়া করে ইউরিয়া ও পানি উৎপন্ন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সার কারখানার উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা: দেশের বিভিন্ন ইউরিয়া কারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে প্রাপ্ত মিথেন ব্যবহার করে প্রথমে অ্যামোনিয়া তৈরি করা হয় এবং তা থেকেই ইউরিয়া প্রস্তুত হয়। উদাহরণ ২: পরীক্ষাগারে ইউরিয়া সংশ্লেষণ ব্যাখ্যা: বিজ্ঞানীরা অজৈব যৌগ অ্যামোনিয়াম সায়ানেট উত্তপ্ত করে প্রথম ইউরিয়া প্রস্তুত করেছিলেন, যা রসায়নে ভাইটাল ফোর্স থিওরি ভুল প্রমাণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চুনাপাথর — চুনাপাথর হলো ক্যালসিয়াম কার্বনেট, যা সিমেন্ট শিল্প এবং কাচ তৈরিতে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় কিন্তু ইউরিয়া উৎপাদনে এর সরাসরি ব্যবহার নেই। B) খনিজ তেল — খনিজ তেল থেকে পেট্রোল, ডিজেল ও কেরোসিন উৎপাদিত হয়, যা সার শিল্পে সরাসরি ব্যবহৃত হয় না। C) অ্যামোনিয়া — এটি ইউরিয়া তৈরির সরাসরি প্রধান কাঁচামাল এবং কার্বন ডাই-অক্সাইডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ইউরিয়া উৎপন্ন করে। D) মিথেন গ্যাস — মিথেন গ্যাস থেকে পরোক্ষভাবে অ্যামোনিয়া তৈরি করা হলেও ইউরিয়া উৎপাদনের প্রত্যক্ষ প্রধান কাঁচামাল হিসেবে অ্যামোনিয়া ও কার্বন ডাই-অক্সাইডকেই মূল উপাদান ধরা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ইউরিয়া সার তৈরির মূল চাবিকাঠি হলো অ্যামোনিয়া গ্যাস। মনে রাখুন, মাটিতে নাইট্রোজেন সরবরাহের জন্য ইউরিয়া ব্যবহার করা হয় আর অ্যামোনিয়া হলো নাইট্রোজেনের প্রধান উৎস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ শতকরা প্রায় ছেচল্লিশ ভাগ। একই বৈজ্ঞানিক ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে হেবার বস পদ্ধতিতে কোন গ্যাস উৎপাদিত হয়।
a ভিটামিন E ও D
b ভিটামিন C ও D
c ভিটামিন A ও D
d ভিটামিন B ও D
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভিটামিন A ও D ১. কেন সঠিক: হাঙরসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছের যকৃতে প্রচুর পরিমাণে চর্বি বা তেল থাকে, যেখানে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন ডি উচ্চমাত্রায় জমা হয়। এই ভিটামিনগুলো ফ্যাট সলুবল বা চর্বিতে দ্রবণীয় হওয়ার কারণে মাছের তেলের সাথে সহজেই মিশে থাকে এবং মানবদেহের পুষ্টির চাহিদা মেটায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভিটামিন এ এবং ডি উভয়ই ফ্যাট সলুবল ভিটামিন, যা মানবদেহের দৃষ্টিশক্তি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং অস্থি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কার্যপ্রণালি: হাঙর মাছের যকৃতে সংগৃহীত তেল প্রক্রিয়াজাত করে কর্ড লিভার অয়েল বা মাছের তেল তৈরি করা হয়, যা ভিটামিন এ ও ডির প্রধান প্রাকৃতিক উৎস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিশুদের অন্ধত্ব দূরীকরণে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন এ ক্যাপসুল ব্যবহার করা হয়, যা মূলত সামুদ্রিক মাছের তেল থেকেই আহরণ করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি মানবদেহের পুষ্টি ঘাটতি পূরণে সামুদ্রিক মাছের তেলের কার্যকারিতা প্রমাণ করে। উদাহরণ ২: প্রাপ্তবয়স্কদের হাড়ের ক্ষয়রোধ বা অস্ট্রিয়োম্যালেসিয়া রোগ প্রতিরোধে চিকিৎসকরা অনেক সময় মাছের তেল খাওয়ার পরামর্শ দেন। ব্যাখ্যা: এই তেলে থাকা ভিটামিন ডি অন্ত্র থেকে ক্যালসিয়াম শোষণ বাড়িয়ে হাড় শক্ত রাখতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন E ও ড ভিটামিন ই প্রজননতন্ত্রের জন্য প্রয়োজনীয় হলেও হাঙর মাছের তেলে প্রধান পুষ্টি উপাদান হিসেবে ভিটামিন এ ও ডি থাকে। B) ভিটামিন C ও D ভিটামিন সি পানিতে দ্রবণীয় এবং এটি সাধারণত টক জাতীয় ফল ও শাকসবজিতে পাওয়া যায়, সামুদ্রিক মাছের তেলে নয়। D) ভিটামিন B ও D ভিটামিন বি কমপ্লেক্স পানিতে দ্রবণীয় এবং এটি শস্যদানা ও মাংসে বেশি থাকে, হাঙর মাছের তেলের প্রধান উপাদান এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সামুদ্রিক মাছের তেল মানেই এ এবং ডি এর সমাহার। মনে রাখার জন্য হাঙর মাছের তেল খাওয়ার দুটি প্রধান কারণ হলো চোখ ভালো রাখা (ভিটামিন এ) এবং হাড় শক্ত করা (ভিটামিন ডি)। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ফ্যাট সলুবল ভিটামিনগুলোর নাম জানতে চাওয়া হয়। ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে হলো চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন, যা এই প্রশ্নের মাধ্যমে সহজে মনে রাখা সম্ভব।
a ন্যানোমিটার
b ল্যাকটোমিটার
c ফ্যাডোমিটার
d অলটিমিটার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ল্যাকটোমিটার ১. কেন সঠিক: ল্যাকটোমিটার হলো এমন একটি বিশেষ বৈজ্ঞানিক যন্ত্র যা দুধের আপেক্ষিক গুরুত্ব বা ঘনত্ব পরিমাপ করে। এর সাহায্যে খুব সহজে বোঝা যায় যে দুধে অতিরিক্ত পানি মেশানো হয়েছে কি না বা দুধের মান ঠিক আছে কি না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: আর্কিমিডিসের প্লবতা সূত্রের ওপর ভিত্তি করে ল্যাকটোমিটার কাজ করে এবং এটি তরলের ঘনত্ব পরিমাপ করে। কার্যপ্রণালি: খাঁটি দুধের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকে, কিন্তু পানি মেশালে ঘনত্ব কমে যায় এবং ল্যাকটোমিটারের নিমজ্জিত হওয়ার মাত্রা পরিবর্তিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুগ্ধ খামারে বা সংগ্রহ কেন্দ্রে কাঁচা দুধ কেনার সময় ল্যাকটোমিটার ব্যবহার করে গুণগত মান যাচাই করা হয়। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে ধরা পড়ে দুধের সঙ্গে জলীয় অংশ বা ভেজাল মেশানো হয়েছে কি না। উদাহরণ ২: ল্যাবরেটরিতে দুগ্ধজাত পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণের সময় এই যন্ত্রের সাহায্যে দুধের বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি মানসম্মত খাদ্যপণ্য উৎপাদনে এবং ভেজাল প্রতিরোধে সরাসরি সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ন্যানোমিটার — ন্যানোমিটার হলো অত্যন্ত ক্ষুদ্র দৈর্ঘ্য বা দূরত্ব পরিমাপের একক, যা আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য মাপতে ব্যবহৃত হয়। B) ল্যাকটোমিটার — ল্যাকটোমিটার হলো দুধের বিশুদ্ধতা ও ঘনত্ব পরিমাপের সঠিক যন্ত্র। C) ফ্যাডোমিটার — ফ্যাডোমিটার হলো সমুদ্রের গভীরতা মাপার একটি বিশেষ যন্ত্র। D) অলটিমিটার — অলটিমিটার হলো বিমান বা কোনো বস্তুর উচ্চতা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র। ৫. মনে রাখার টিপস: ল্যাকটোজ শব্দটি দুধের শর্করার সঙ্গে সম্পর্কিত, তাই দুধ মাপা যন্ত্রটির নাম ল্যাকটোমিটার। মিটার শব্দটি পরিমাপের সঙ্গে যুক্ত, সুতরাং ল্যাকটোমিটার মানেই দুধের পরিমাপক যন্ত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশুদ্ধ দুধের আপেক্ষিক গুরুত্ব সাধারণত ১.০২৬ থেকে ১.০৩২ এর মধ্যে থাকে। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় পরিমাপক যন্ত্রের নাম হিসেবে আসে।
a আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
b হিপোক্রেটস
c ইবনে সিনা
d ইউক্লিড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১. কেন সঠিক: স্কটিশ বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৮ সালে দুর্ঘটনাবশত পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন। এটি বিশ্বের প্রথম কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিক যা ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ নিরাময়ে বিপ্লব ঘটিয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অ্যান্টিবায়োটিক হলো এমন রাসায়নিক পদার্থ যা অণুজীব থেকে উৎপন্ন হয়ে অন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস বা বৃদ্ধি রোধ করে। কার্যপ্রণালি: ফ্লেমিং লক্ষ্য করেন স্টেপিলোকক্কাস ব্যাকটেরিয়ার কালচার প্লেটে পেনিসিলিয়াম নোটাটাম ছত্রাক জন্ম নেওয়ার কারণে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে গেছে। বাস্তব প্রয়োগ: নিউমোনিয়া, ডিপথেরিয়া ও সিফিলিসের মতো মারাত্মক ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ চিকিৎসায় এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাটা-ছেঁড়া স্থানে অ্যান্টিবায়োটিক মলম ব্যবহার। ব্যাখ্যা: এটি ত্বকের ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ রোধ করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: গলা ব্যথা বা টনসিলের চিকিৎসায় চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন। ব্যাখ্যা: এটি শরীরের ভেতরে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে রোগ সারাতে সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং — সঠিক উত্তর কারণ তিনি পেনিসিলিন আবিষ্কার করেছিলেন। B) হিপোক্রেটস — তিনি প্রাচীন গ্রিসের চিকিৎসক যাকে আধুনিক চিকিৎসার জনক বলা হয়, পেনিসিলিনের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) ইবনে সিনা — তিনি মধ্যযুগের প্রখ্যাত মুসলিম দার্শনিক ও চিকিৎসক যিনি কানুন ফিত তিব্ব গ্রন্থ রচনা করেছিলেন। D) ইউক্লিড — তিনি প্রাচীন গ্রিসের প্রখ্যাত গণিতবিদ যাকে জ্যামিতির জনক বলা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ফ্লেমিং শব্দটি মনে রাখুন ফ্লেম বা শিখার সঙ্গে মিলিয়ে, যিনি চিকিৎসা বিজ্ঞানে আশার শিখা জ্বেলেছিলেন। পেনিসিলিন শব্দটি এসেছে পেনিসিলিয়াম ছত্রাক থেকে, যা আবিষ্কারের ইতিহাস একটি চমৎকার ঘটনা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পেনিসিলিন আবিষ্কারের জন্য আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯৪৫ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। এই প্রশ্নটি থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আবিষ্কারক বা প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
a ভিটামিন সি
b অ্যালবুমিন
c লিনোলিক এসিড
d গ্লুকোজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অ্যালবুমিন ১. কেন সঠিক: - ডিমের সাদা অংশে প্রায় নব্বই শতাংশ জল এবং দশ শতাংশ প্রোটিন থাকে, যার মূল উপাদান হলো অ্যালবুমিন। - এটি এক ধরনের সরল প্রোটিন যা জলে দ্রবণীয় এবং মানবদেহের পেশি গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অ্যালবুমিন হলো পানির সাথে দ্রবণীয় এক প্রকার গ্লোবুলার প্রোটিন যা মানুষের রক্তরসেও পাওয়া যায়। - কার্যপ্রণালি: তাজা ডিম রান্নার সময় তাপমাত্রার প্রভাবে অ্যালবুমিন প্রোটিনের পেপটাইড বন্ধন ভেঙে যায় এবং ত্রিমাত্রিক গঠন পরিবর্তিত হয়ে জমাট বাঁধে। - বাস্তব প্রয়োগ: মানবদেহে রক্তে তরলের মাত্রা ঠিক রাখতে এবং বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান পরিবহনে অ্যালবুমিন প্রোটিন অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জ্বরের রোগীকে ডাক্তার অনেক সময় ডিমের সাদা অংশ খাওয়ার পরামর্শ দেন। ব্যাখ্যা: এটি সহজে হজমযোগ্য প্রোটিন সরবরাহ করে রোগীর দ্রুত শারীরিক শক্তি পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: জিম করার পর অনেকে শুধু ডিমের সাদা অংশ খান। ব্যাখ্যা: এটি ফ্যাটমুক্ত হওয়ায় পেশি গঠনে এবং শারীরিক ক্ষত পূরণে সরাসরি কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন সি — এটি টক জাতীয় ফল ও সবজিতে থাকে, যা ডিমের মধ্যে প্রাকৃতিকভাবে উপস্থিত থাকে না। B) অ্যালবুমিন — এটি ডিমের সাদা অংশে থাকা প্রধান প্রোটিন এবং সঠিক উত্তর। C) লিনোলিক এসিড — এটি এক ধরনের প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিড, যা ডিমের কুসুম বা উদ্ভিজ্জ তেলে পাওয়া যায়। D) গ্লুকোজ — এটি শর্করা জাতীয় উপাদান, যা রক্তের প্রধান জ্বালানি হলেও ডিমের সাদা অংশে থাকে না। ৫. মনে রাখার টিপস: ডিমের সাদা অংশ দেখতে স্বচ্ছ ও তরল হলেও সিদ্ধ করলে সাদা ও শক্ত হয়, কারণ এতে অ্যালবুমিন প্রোটিন থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ডিমের কুসুমে ফ্যাট ও খনিজ উপাদান বেশি থাকে এবং সাদা অংশে শুধু প্রোটিন থাকে। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।

মোট প্রশ্ন (3)

a ম্যাগনেটিক
b রেডিও তরঙ্গ
c অপটিক্যাল
d লেজার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রেডিও তরঙ্গ ১. কেন সঠিক: ব্লুটুথ একটি তারহীন বা ওয়্যারলেস যোগাযোগ প্রযুক্তি যা স্বল্প দূরত্বের মধ্যে ডেটা আদানপ্রদানের জন্য রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে। এটি আইইইই ৮০২.১৫.১ স্ট্যান্ডার্ডের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং নির্ধারিত রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করে দুটি ডিভাইসের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের তারহীন যোগাযোগের একটি প্রযুক্তি যা রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা বা তথ্য আদানপ্রদান করে। কার্যপদ্ধতি: এটি ২.৪ গিগাহার্জ থেকে ২.৪৮০ গিগাহার্জ পর্যন্ত আইএসএম ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করে কাজ করে এবং ফ্রিকোয়েন্সি হপিং স্প্রেড স্পেকট্রাম প্রযুক্তির মাধ্যমে সিগন্যাল আদানপ্রদান করে। বৈশিষ্ট্য: এর কভারেজ এরিয়া সাধারণত ১০ মিটার বা ৩০ ফুটের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে এবং এটি কম বিদ্যুৎ খরচ করে কাজ করতে পারে। ব্যবহার: মোবাইল ফোন থেকে কম্পিউটারে ফাইল পাঠানো, ওয়্যারলেস হেডফোন বা ইয়ারবাড যুক্ত করা এবং মাউস বা কীবোর্ড কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করতে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনের সাথে ওয়্যারলেস হেডফোন যুক্ত করা। ব্যাখ্যা: ওয়্যারলেস হেডফোন এবং স্মার্টফোনের মধ্যে কোনো ক্যাবল বা তার ছাড়াই ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে অডিও ডেটা আদানপ্রদান করা হয়। উদাহরণ ২: ল্যাপটপের সাথে ব্লুটুথ মাউস সংযুক্ত করা। ব্যাখ্যা: ল্যাপটপের সাথে ক্যাবল ছাড়াই ব্লুটুথ প্রযুক্তির সাহায্যে রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে মাউসের কার্সার মুভমেন্টের নির্দেশনা পাঠানো হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যাগনেটিক — ম্যাগনেটিক বা চৌম্বকীয় প্রযুক্তি হার্ড ডিস্ক বা ম্যাগনেটিক টেপে ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, তারহীন যোগাযোগের জন্য নয়। B) রেডিও তরঙ্গ — এই অপশনটি সঠিক কারণ ব্লুটুথ ডিভাইসগুলো ডেটা প্রেরণের জন্য নির্দিষ্ট রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে। C) অপটিক্যাল — অপটিক্যাল প্রযুক্তি সিডি, ডিভিডি বা ফাইবার অপটিক ক্যাবলে আলোর মাধ্যমে ডেটা স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা ব্লুটুথে ব্যবহৃত হয় না। D) লেজার — লেজার প্রযুক্তি বারকোড রিডার বা অপটিক্যাল মাউসে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ব্লুটুথ তারহীন যোগাযোগের জন্য লেজার রশ্মি ব্যবহার করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: ব্লুটুথ নামটির উৎপত্তি দশম শতকের ডেনমার্কের রাজা হ্যারল্ড ব্লুটুথের নামানুসারে, যিনি বিভিন্ন উপজাতিকে একত্রিত করেছিলেন। ঠিক তেমনি ব্লুটুথ প্রযুক্তি বিভিন্ন ডিভাইসকে তারহীনভাবে একত্রিত বা যুক্ত করে। মনে রাখতে হবে, যেকোনো তারহীন স্বল্প দূরত্বের ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক বা প্যান ডিভাইসের যোগাযোগের মূল ভিত্তি হলো রেডিও তরঙ্গ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ব্লুটুথ প্রযুক্তি প্যান অর্থাৎ পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্কের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম। এর আবিষ্কারক হিসেবে এরিকসন কোম্পানির নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং এটি সাধারণত আইইইই ৮০২.১৫ স্ট্যান্ডার্ডের অধীনে পরিচালিত হয়।
a IBM 360
b IBM 1024
c IBM 1620
d IBM 2048
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) IBM 1620 ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার হিসেবে ১৯৬৪ সালে পরমাণু শক্তি কমিশনে IBM 1620 মডেলের মেইনফ্রেম কম্পিউটার স্থাপন করা হয়েছিল। এটি ছিল দ্বিতীয় প্রজন্মের ট্রানজিস্টরভিত্তিক কম্পিউটার যা বৈজ্ঞানিক ও গবেষণামূলক কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: IBM 1620 হলো ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস কর্পোরেশন কর্তৃক উৎপাদিত একটি জনপ্রিয় সায়েন্টিফিক কম্পিউটার মডেল। কার্যপদ্ধতি: এটি পাঞ্চ কার্ডের সাহায্যে ডেটা ইনপুট গ্রহণ করত এবং অভ্যন্তরীণ প্রসেসিং শেষে আউটপুট প্রদান করত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরমাণু শক্তি কমিশন। ব্যাখ্যা: ১৯৬৪ সালে বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার হিসেবে এই প্রতিষ্ঠানেই IBM 1620 ইন্সটল করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: বৈজ্ঞানিক গবেষণা। ব্যাখ্যা: সেই সময়ে জটিল গণিত ও গবেষণার হিসাব দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য এই কম্পিউটার ব্যবহার করা হতো। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) IBM 360 — এটি আইবিএম কোম্পানির একটি বিখ্যাত মেইনফ্রেম কম্পিউটার সিরিজ হলেও এটি বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার নয়। B) IBM 1024 — এটি কম্পিউটারের কোনো প্রচলিত বা ঐতিহাসিক মডেল নয় বরং এটি একটি কাল্পনিক সংখ্যা। D) IBM 2048 — এটিও আইবিএমের কোনো ঐতিহাসিক মডেলের নাম নয় এবং বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে প্রথম কম্পিউটার আসে এবং এর মডেল ছিল আইবিএম ১৬২০। ১৬২০ সংখ্যাটি মনে রাখলে বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটারের মডেল সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার স্থাপন করা হয় ১৯৬৪ সালে এবং এর ব্র্যান্ড ছিল IBM। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম কম্পিউটার ও স্থাপনের সাল সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a আয়রন চিপ
b কপার চিপ
c অর্ক চিপ
d সিলিকন চিপ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিলিকন চিপ ১. কেন সঠিক: ক্যালকুলেটর বা যেকোনো আধুনিক ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ডায়াল বা মূল প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটে সিলিকন চিপ ব্যবহৃত হয়। সিলিকন একটি অত্যন্ত দক্ষ অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর উপাদান যা বৈদ্যুতিক সংকেত নিয়ন্ত্রণে এবং গণনার কাজ নির্ভুলভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: সিলিকন চিপ হলো মূলত একটি ক্ষুদ্র ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা আইসি যা সিলিকন দিয়ে তৈরি এবং হাজার হাজার ট্রানজিস্টর ধারণ করে। কার্যপদ্ধতি: এটি বৈদ্যুতিক প্রবাহকে প্রয়োজন অনুযায়ী চালিত করে এবং লজিক্যাল অপারেশন সম্পন্ন করে ক্যালকুলেটরের পর্দায় ফলাফল ফুটিয়ে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক ডিজিটাল ক্যালকুলেটর। ব্যাখ্যা: পকেটে বহনযোগ্য সাধারণ ক্যালকুলেটর থেকে শুরু করে বৈজ্ঞানিক ক্যালকুলেটর পর্যন্ত সবটিতেই সিলিকন চিপ থাকে। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনের প্রসেসর। ব্যাখ্যা: মোবাইলের ভেতর থাকা স্ন্যাপড্রাগন বা অ্যাপল সিলিকন চিপ একই প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়রন চিপ — লোহা বা আয়রন ভালো বিদ্যুৎ পরিবাহী হলেও এটি সেমিকন্ডাক্টর নয় এবং চিপ তৈরির উপযোগী নয়। B) কপার চিপ — তামা বা কপার বৈদ্যুতিক তার তৈরিতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু প্রসেসর বা চিপ তৈরিতে সিলিকনের বিকল্প হিসেবে এটি কার্যকর নয়। C) অর্ক চিপ — এটি কোনো বাস্তবসম্মত প্রযুক্তিগত উপাদান বা অর্ধপরিবাহী নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সব ধরনের কম্পিউটার, ক্যালকুলেটর এবং প্রসেসরের প্রধান উপাদান হলো অর্ধপরিবাহী বা সিলিকন। সিলিকন হলো পৃথিবীর দ্বিতীয় সর্বাধিক প্রাপ্ত মৌল যা চিপ শিল্পে বিপ্লব ঘটিয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার ও আইসি তৈরির প্রধান কাঁচামাল হলো সিলিকন। সিলিকন ভ্যালি বলা হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ফ্রান্সি斯科 বে এলাকাকে।