বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯।

পদের নাম: উপসহকারী প্রকৌশলী (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a অগ্নিবীণা
b সর্বহারা
c ছায়ানট
d চক্রবাক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অগ্নিবীণা ১. কেন সঠিক: কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত 'বিদ্রোহী' কবিতাটি তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'র অন্তর্ভুক্ত। ১৯২১ সালের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে রচিত এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত। 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা কাব্যসাহিত্যের একটি যুগান্তকারী মাইলফলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'প্রলয়োল্লাস' ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা। উদাহরণ ২: 'কামাল পাশা' ব্যাখ্যা: এই বিখ্যাত কবিতাটিও 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি অন্যতম প্রধান রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নিবীণা - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) সর্বহারা - এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলেও এতে 'বিদ্রোহী' কবিতাটি নেই। C) ছায়ানট - এটি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা এই কবিতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) চক্রবাক - এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রেমের কবিতা সংকলিত একটি কাব্যগ্রন্থ, যার বিষয়বস্তু আলাদা। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা' এবং এর প্রথম ও প্রধান সৃষ্টি হলো 'বিদ্রোহী' কবিতা। এই দুটি তথ্য একসঙ্গে মনে রাখলে পরীক্ষাকেন্দ্রে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা এবং প্রকাশকাল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং এর বিখ্যাত কবিতাগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a লাল নীল দীপাবলী
b ওটেন সাহেবের বাংলো
c হাত কাটা রবিন
d অপারেশন কদমতলু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লাল নীল দীপাবলী ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের লেখক ও সাহিত্যকর্মের আওতাভুক্ত। - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি হুমায়ুন আহমেদের কিশোর উপযোগী সাহিত্যকর্মের সঙ্গে সরাসরি মিলে যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হুমায়ুন আহমেদ ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক। - লাল নীল দীপাবলী গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে কিশোরদের উপযোগী করে অত্যন্ত সহজ ও আকর্ষণীয় ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্য দিন ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ুন আহমেদের রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। উদাহরণ ২: আমার ছেলেবেলা ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ুন আহমেদের লেখা একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাল নীল দীপাবলী — এটি কিশোরদের জন্য রচিত হুমায়ুন আহমেদের একটি বিখ্যাত সাহিত্য ইতিহাস গ্রন্থ। B) ওটেন সাহেবের বাংলো — এটি হুমায়ুন আহমেদের কিশোর উপযোগী কোনো গ্রন্থ বা সাহিত্য ইতিহাস নয়। C) হাত কাটা রবিন — এটি হুমায়ুন আহমেদের কিশোরদের জন্য রচিত একটি জনপ্রিয় রহস্য উপন্যাস। D) অপারেশন কদমতলু — এটি হুমায়ুন আহমেদের একটি কিশোর উপযোগী উপন্যাস বা গোয়েন্দা কাহিনী নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - হুমায়ুন আহমেদের কিশোর উপযোগী বাংলা সাহিত্য ইতিহাস গ্রন্থের নাম লাল নীল দীপাবলী। - কিশোরদের ইতিহাস শেখাতে লাল নীল রঙের প্রদীপের সাহায্য নিয়েছেন মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - হুমায়ুন আহমেদের কিশোর উপযোগী অন্যান্য বই যেমন বোতল ভূত ও মিসির আলি চরিত্রের মূলভাব পড়ে যাওয়া ভালো। - একই লেখকের বিজ্ঞান কল্পকাহিনী ও রহস্য উপন্যাসগুলোর নাম আলাদা করে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
a কৃষ্ণদাস কবিরাজ
b রূপরাম চক্রবর্তী
c গোবিন্দদাস কবিরাজ
d নরাহরি চক্রবর্তী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কৃষ্ণদাস কবিরাজ ১. কেন সঠিক: - শ্রীচৈতন্যদেবের জীবন ও দর্শনভিত্তিক বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ জীবনীগ্রন্থ হলো চৈতন্য-চরিতামৃত। - কৃষ্ণদাস কবিরাজ এই মহাকাব্যতুল্য গ্রন্থটি রচনা করে মধ্যযুগের বৈষ্ণব সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কৃষ্ণদাস কবিরাজ ছিলেন মধ্যযুগের বৈষ্ণব সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ও প্রবীন সাধক। - ১৬ শতকের শেষভাগে বৃন্দাবনে অবস্থান করে তিনি এই প্রামাণ্য গ্রন্থটি রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য ব্যাখ্যা: এটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত মধ্যযুগের বৈষ্ণব সাহিত্যের একটি অন্যতম নিদর্শন। উদাহরণ ২: পদাবলী সাহিত্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে শ্রীরাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে রচিত পদের সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষ্ণদাস কবিরাজ - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী নির্ভুল। B) রূপরাম চক্রবর্তী - তিনি মধ্যযুগের ধর্মমঙ্গল কাব্যের একজন বিখ্যাত কবি। C) গোবিন্দদাস কবিরাজ - তিনি একজন খ্যাতনামা বৈষ্ণব পদকর্তা ও কবি। D) নরাহরি চক্রবর্তী - তিনি ভক্তিপ্রত্নকার ও বৈষ্ণব পদাবলী রচনার জন্য পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - চৈতন্য-চরিতামৃত মানেই শ্রেষ্ঠ চরিত গ্রন্থ এবং এর শ্রেষ্ঠ রচয়িতা হলেন কৃষ্ণদাস কবিরাজ। - কবিরাজের হাতের অমৃত সমান গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চৈতন্য-চরিতামৃত গ্রন্থটি তিনটি খণ্ড অর্থাৎ আদি, মধ্য ও অন্ত্যখণ্ডে বিভক্ত। - মধ্যযুগের বৈষ্ণব সাহিত্যের ইতিহাস জানতে এই গ্রন্থটি সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উৎস।
a হাঁটুজল
b আজকাল
c মাথাপিছু
d কবিগুরু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হাঁটুজল ১. কেন সঠিক: হাঁটুজল শব্দটি কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত কারণ এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের যোগে সমাস নিষ্পন্ন হয়েছে এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়েছে। যেখানে পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য বা দুটি পদই বিশেষ্য বা বিশেষণ হয়ে একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: কর্মধারয় সমাসে সাধারণত দুটি পদের মধ্যে একটি বিশেষ্য ও অপরটি বিশেষণ হয় অথবা উভয় পদই বিশেষ্য বা বিশেষণ হতে পারে। হাঁটুজল শব্দের ব্যাসবাক্য হলো হাঁটু পর্যন্ত জল, যেখানে জলের গভীরতা বোঝাতে হাঁটু ও জল পদের মাধ্যমে বিশেষ বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নীললোহিত ব্যাখ্যা: নীল যে লোহিত, এটি একটি সমানাধিকার বহুব্রীহি বা কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে দুটি পদই বিশেষণের কাজ করে। উদাহরণ ২: বিষাদসিন্ধু ব্যাখ্যা: বিষাদ রূপ সিন্ধু, এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে বিষাদ ও সিন্ধুর মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাঁটুজল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় কর্মধারয় সমাসের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে। B) আজকাল — এটি অব্যয়ীভাব সমাসের শব্দ কারণ এখানে কাল শব্দের পূর্বে আ উপসর্গ যুক্ত হয়ে সময় বা সমীপ অর্থ প্রকাশ করেছে। C) মাথাপিছু — এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ বা বিশেষ নিয়ম সাধিত সমাসের শব্দ যা নির্দিষ্ট কোনো সাধারণ সমাসের নিয়মে পড়ে না। D) কবিগুরু — এটি ষষ্টি তৎপুরুষ সমাসের শব্দ যার ব্যাসবাক্য হলো কবির গুরু এবং এখানে সম্বন্ধ পদের বিভক্তি লোপ পেয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের মাঝে যে, যিনি বা রূপ শব্দ থাকে এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়। বিশেষণ পদের সাথে বিশেষ্য পদের মিল খুঁজে পেলে সাধারণত তা কর্মধারয় সমাস হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাসের পাশাপাশি তৎপুরুষ ও অব্যয়ীভাব সমাসের পার্থক্য প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। ব্যাসবাক্য সঠিকভাবে নির্ণয় করতে পারলে সমাস চিহ্নিত করা খুবই সহজ হয়।
a রেণু
b বেণু
c ধেনু
d মেনু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধেনু ১. কেন সঠিক: - 'গরু' শব্দের একটি অন্যতম প্রচলিত ও প্রমিত সমার্থক শব্দ হলো 'ধেনু', যা মূলত গাভী বা দুগ্ধবতী গরুকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - বাংলা ভাষায় শব্দের অর্থের সুনির্দিষ্ট প্রয়োগের ক্ষেত্রে বিশেষ পশুর ক্ষেত্রে এই সমার্থক শব্দগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যেগুলোর ধ্বনি আলাদা হলেও অর্থ একই বা কাছাকাছি হয়। - বাংলা ভাষা সমৃদ্ধ করার জন্য তৎসম, অর্ধতৎসম এবং দেশি শব্দের পাশাপাশি বিভিন্ন পশুরও বহু প্রতিশব্দ রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘোড়া শব্দের সমার্থক শব্দ হলো অশ্ব, তুরগ ও হয়। ব্যাখ্যা: একটি নির্দিষ্ট পশুর একাধিক রূপ বা প্রতিশব্দ মনে রাখতে এই উদাহরণটি সাহায্য করে। উদাহরণ ২: হস্তী শব্দের সমার্থক শব্দ হলো করী, গজ ও কুঞ্জর। ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে শব্দের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে এমন বহু প্রতিশব্দ পড়তে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রেণু — এর অর্থ ফুলের পরাগ বা ধূলিকণা, যা কোনোভাবেই গরু শব্দের সমার্থক নয়। B) বেণু — এর অর্থ বাঁশ বা বাঁশি, যা গোজাতীয় কোনো প্রাণীকে নির্দেশ করে না। C) ধেনু — এটি গরু বা গাভীর সঠিক সমার্থক শব্দ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। D) মেনু — এটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ খাবারের তালিকা, বাংলা গরু শব্দের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - গরু শব্দটির সঙ্গে ধেনু শব্দটি ধ্বনিগতভাবে কিছুটা মিলযুক্ত, যা সহজে মনে রাখতে সাহায্য করে। - ধেনু শব্দটি সাধারণত প্রাচীন ও কাব্যিক বাংলা সাহিত্যে বেশি ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই পশুপাখির প্রমিত সমার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের প্রশ্ন কমন পেতে নিত্যব্যবহার্য পশুর প্রতিশব্দগুলো আলাদা করে চর্চা করা উচিত।
a সোজন বাদিয়ার ঘাট
b ঠাকুর বাড়ির আঙিনায়
c রঙিলা নায়ের মাঝি
d এক পয়সার আলতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঠাকুর বাড়ির আঙিনায় ১. কেন সঠিক: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের লেখা স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ হলো ঠাকুর বাড়ির আঙিনায়। এই গ্রন্থে লেখক কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে কাটানো দিনগুলো এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে তাঁর স্মৃতির কথা সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জসীমউদ্দীন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি যিনি পল্লী প্রকৃতির রূপ ফুটিয়ে তুলতে অদ্বিতীয় ছিলেন। তাঁর এই গ্রন্থটি স্মৃতিকথা ধারার একটি অনন্য সংযোজন যেখানে বিখ্যাত ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা উঠে এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জসীমউদ্দীন রচিত আরেকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো জীবন কথা। ব্যাখ্যা: এটিও তাঁর জীবনের নানা স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি আত্মজীবনীমূলক গদ্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি চলে مسافر। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর বিদেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতার আলোকে রচিত একটি প্রামাণ্য স্মৃতিকথামূলক ও ভ্রমণ সাহিত্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোজন বাদিয়ার ঘাট — এটি কোনো স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ নয়, এটি কবি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় প্রণয়মূলক গীতিকাব্য। B) ঠাকুর বাড়ির আঙিনায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ হিসেবেই নিবন্ধিত। C) রঙিলা নায়ের মাঝি — এটি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, কোনো স্মৃতিকথামূলক গদ্যরচনা নয়। D) এক পয়সার আলতা — এটি জসীমউদ্দীনের রচিত একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ বা নাট্যধর্মী রচনা, স্মৃতিকথা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের ঠাকুর বাড়ির আঙিনায় বইটি স্মৃতিকথা। মনে রাখার কৌশল হিসেবে মনে রাখতে পারো ঠাকুর বাড়ির স্মৃতিচারণ করেছেন জসীমউদ্দীন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জসীমউদ্দীনের কাব্যগ্রন্থ এবং স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। লেখক পরিচিতি পড়ার সময় তাঁর কাব্য, নাটক ও স্মৃতিকথা আলাদা করে ছক আকারে মুখস্থ করা ভালো।
a সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
b গোবিন্দচন্দ্র দাস
c জীবনানন্দ দাশ
d বলেন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - 'আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে' পংক্তিটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত 'রূপসী বাংলা' কাব্যের অন্তর্গত। - কবি এই কবিতার মাধ্যমে বাংলার প্রকৃতির রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন এবং মৃত্যুর পরেও বাংলার বুকে ফিরে আসার তীব্র আকুতি প্রকাশ করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ বাংলা আধুনিক কবিতার রূপবাদী ও নির্জনতার কবি হিসেবে পরিচিত। - 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটি তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয় এবং এতে বাংলার প্রকৃতি ও রূপের অপরূপ বর্ণনা রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই পৃথিবীর রূপ আমি খুঁজিতে যাই না আর' ব্যাখ্যা: এটিও জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কবিতা এবং এতে তাঁর প্রকৃতিপ্রেম প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: 'নাটোর নাটক ও অন্যান্য কবিতা' ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যসংকলন যা তাঁর সাহিত্যকর্মের পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত হলেও এই পংক্তিটি তাঁর নয়। B) গোবিন্দচন্দ্র দাস — তিনি স্বভাবকবি নামে পরিচিত হলেও এই পংক্তির রচয়িতা তিনি নন। C) জীবনানন্দ দাশ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর। D) বলেন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আত্মীয় ও সাহিত্যিক হলেও এই কবিতার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - ধানসিঁড়ি নদীটি ঝালকাঠি জেলায় অবস্থিত এবং এটি জীবনানন্দ দাশের কবিতার সুবাদে অমর হয়ে আছে। - রূপসী বাংলার কবি বললেই জীবনানন্দ দাশের নাম মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনানন্দ দাশের 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থ এবং এর বিভিন্ন পংক্তি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কবির জন্ম ও মৃত্যু সাল এবং তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম মনে রাখা জরুরি।
a অগ্রহায়ণ
b রাবণ
c কঙ্কণ
d বরণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কঙ্কণ ১. কেন সঠিক: - স্বভাবতই মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী কঙ্কণ শব্দটিতে ণ ব্যবহৃত হয়েছে। - তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ঋ, র, ষ এর পরে সাধারণত ণ হয়, কিন্তু এই শব্দটিতে র বা ষ নেই তবুও মূর্ধন্য ণ বসেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু তৎসম শব্দে কোনো কারণ ছাড়াই বা স্বভাবতই মূর্ধন্য ণ বসে। - এই শব্দগুলো ব্যাকরণের সাধারণ নিয়মের বাইরে গিয়ে প্রাকৃতিকভাবেই মূর্ধন্য ণ গ্রহণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাণক্য ব্যাখ্যা: চাণক্য শব্দটিতে কোনো ঋ, র বা ষ না থাকা সত্ত্বেও স্বভাবতই মূর্ধন্য ণ বসেছে। উদাহরণ ২: মানিক্য ব্যাখ্যা: মানিক্য শব্দটিও স্বভাবতই মূর্ধন্য ণ যুক্ত শব্দের একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্রহায়ণ — এই শব্দটিতে ঋ-কার থাকার কারণে নিয়ম অনুসারে মূর্ধন্য ণ বসেছে, তাই এটি স্বভাবতই ণ নয়। B) রাবণ — এই শব্দটিতে র-কার থাকার কারণে নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য ণ হয়েছে, তাই এটি স্বভাবতই ণ নয়। D) বরণ — এই শব্দটিতে দন্ত্য ন বসেছে কারণ এটি স্বভাবতই ণ এর নিয়ম বা অন্য কোনো নিয়মের আওতায় মূর্ধন্য ণ নেয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্বভাবতই মূর্ধন্য ণ মনে রাখার সহজ ছন্দ হলো চাণক্য মণিক্য বানিয়া আপণ লবণ তিলক ভণ চোরা পন। - এই শব্দগুলোতে কোনো বিশেষ নিয়ম কাজ করে না, তাই এগুলো মুখস্থ রাখতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বভাবতই ণ ও ষ যুক্ত শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - নিয়মের বাইরের শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজে করা সম্ভব।
a বাক্যের শেষে
b শব্দের শেষে
c শব্দের পূর্বে
d শব্দের মাঝে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শব্দের পূর্বে ১. কেন সঠিক: উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা স্বাধীনভাবে কোনো পদে ব্যবহৃত হয় না, বরং অন্য কোনো শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী উপসর্গ শব্দের শুরুতে যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন ঘটিয়ে থাকে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যেসব অব্যয় শব্দ বা শব্দাংশ ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন, সংকোচন বা সম্প্রসারণ ঘটায়, সেগুলোকে উপসর্গ বলে। উপসর্গ সাধারণত তিন প্রকার, যেমন বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হার শব্দটির পূর্বে প্র উপসর্গ যুক্ত হয়ে প্রহার শব্দ গঠিত হয়। ব্যাখ্যা: এখানে হার শব্দের পূর্বে প্র উপসর্গ বসে নতুন অর্থবোধক প্রহার বা প্রহার করা শব্দ তৈরি করেছে। উদাহরণ২: কাজ শব্দের পূর্বে কু উপসর্গ যুক্ত হয়ে কুকাজ শব্দ গঠিত হয়। ব্যাখ্যা: এখানে কাজ শব্দের পূর্বে কু উপসর্গ বসে মন্দ কাজ অর্থে কুকাজ শব্দটি গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক্যের শেষে — উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে, বাক্যের শেষে বসে না বিধায় এটি ভুল। B) শব্দের শেষে — শব্দের শেষে প্রত্যয় বসে, উপসর্গ বসে না বিধায় এই অপশনটি সঠিক নয়। C) শব্দের পূর্বে — এটি সঠিক কারণ উপসর্গ সবসময় শব্দের আদিতে বা পূর্বে বসে। D) শব্দের মাঝে — উপসর্গ শব্দের মাঝে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে না বিধায় এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: উপসর্গ কথাটির শুরুতে উ আছে এবং পূর্বে শব্দের শুরুতে প আছে, তাই মনে রাখবে উপসর্গ বসে শব্দের পূর্বে। উ তে উপসর্গ এবং পু তে পূর্বে এই সহজ মিল দিয়ে এটি মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় মোট উপসর্গের সংখ্যা জানতে চাইলে খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি এবং তৎসম উপসর্গ কুড়িটি বলতে হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গযুক্ত নতুন শব্দ গঠন ও উপসর্গ চিহ্নিতকরণ থেকে প্রশ্ন আসে।
a পিস্তল
b সিনেমা
c তোয়ালে
d ইস্পাত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিনেমা ১. কেন সঠিক: - সিনেমা শব্দটি একটি ইংরেজি শব্দ (Cinema) যা বাংলা ভাষায় সরাসরি ব্যবহৃত হয়। - বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোর মধ্যে এটি ইংরেজি ভাষার একটি পরিচিত শব্দ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ। - ইংরেজিসহ বিভিন্ন বিদেশি ভাষা থেকে যে শব্দগুলো দীর্ঘদিন ধরে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে, সেগুলোকে বিদেশি শব্দ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্কুল ব্যাখ্যা: এটি একটি ইংরেজি শব্দ (School), যা বাংলা ভাষায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অর্থে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ফুটবল ব্যাখ্যা: এটিও একটি ইংরেজি শব্দ (Football), যা একটি জনপ্রিয় খেলার নাম হিসেবে বাংলায় ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিস্তল — এটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত একটি শব্দ। B) সিনেমা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) তোয়ালে — এটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ। D) ইস্পাত — এটি ফারসি বা পর্তুগিজ ভাষার সংস্পর্শে আসা একটি শব্দ, যা বিদেশি শব্দের অন্য একটি উৎস নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - আধুনিক জীবনের বিনোদনমূলক ইংরেজি শব্দ যেমন সিনেমা, টিউবলাইট, লজেন্স ইত্যাদি সহজে মনে রাখতে পারো। - বিদেশি শব্দ চেনার জন্য শব্দের উৎস ও ব্যবহারের প্রচলিত রূপ খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস প্রায়ই আসে। - পর্তুগিজ, আরবি, ফারসি এবং ইংরেজি শব্দের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
a বোধোদয়
b ভ্রান্তিবিলাস
c ব্রজবিলাস
d জীবনচরিত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্রজবিলাস ১. কেন সঠিক: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয় মাইকেল মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্য প্রকাশের পর এর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনার জবাব দিতে বেনামে এই গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন। - ব্রজবিলাস গ্রন্থটিতে বিদ্যাসাগর মহাশয় তৎকালীন সমাজের কিছু ভণ্ড পন্ডিত ও সমালোচকদের ব্যঙ্গাত্মক ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন এবং নিজের পরিচয় গোপন রেখেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হলেন বাংলা গদ্যের জনক এবং উনিশ শতকের অন্যতম প্রধান সংস্কারক ও সাহিত্যিক যিনি বাংলা শিক্ষাবিস্তারে অসামান্য অবদান রেখেছিলেন। - ব্রজবিলাস গ্রন্থটি তাঁর ব্যঙ্গাত্মক রচনার একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ যেখানে তিনি সমাজের কুসংস্কার এবং সমালোচকদের সাহিত্যিক ভণ্ডামি অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রত্নপরীক্ষা ব্যাখ্যা: এটিও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত একটি বিখ্যাত গ্রন্থ যা তাঁর মননশীল ও সমাজসংস্কারমূলক চিন্তার পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: কথামালা ব্যাখ্যা: এটি বিদ্যাসাগর মহাশয়ের রচিত নীতিশিক্ষা মূলক একটি জনপ্রিয় অনুবাদ গ্রন্থ যা শিশুদের নৈতিক শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বোধোদয় — এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত একটি বিখ্যাত নীতিশিক্ষা ও বিজ্ঞানভিত্তিক পাঠ্যগ্রন্থ যা তিনি নিজের নামেই প্রকাশ করেছিলেন। B) ভ্রান্তিবিলাস — এটি শেক্সপিয়ারের কমেডি অফ এররস নাটকের অনুবাদ এবং বিদ্যাসাগর এটি নিজের নামেই প্রকাশ করেছিলেন। D) জীবনচরিত — এটি প্লাম্পটনের বায়োগ্রাফস অবলম্বনে রচিত বিদ্যাসাগরের একটি জীবনীমূলক গ্রন্থ যা তাঁর নিজের নামেই প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিদ্যাসাগরের বেশিরভাগ গ্রন্থ নিজের নামে প্রকাশিত হলেও ব্যঙ্গাত্মক বা সমালোচনামূলক গ্রন্থ ব্রজবিলাস তিনি বেনামে প্রকাশ করেছিলেন। - ব্রজবিলাস শব্দের নামের সঙ্গে ব্যঙ্গ বা বিদ্রূপের সম্পর্ক আছে এটি মনে রাখলে বেনামে রচিত গ্রন্থটি সহজেই চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন গ্রন্থটি বেনামে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এর সঠিক উত্তর সাধারণত ব্রজবিলাস হয়ে থাকে। - বিদ্যাসাগর মহাশয়ের মূল নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিদ্যাসাগর উপাধিটি তিনি সংস্কৃত কলেজ থেকে লাভ করেছিলেন।
a কবি কাহিনী
b প্রভাতসঙ্গীত
c বনফুল
d গীতাঞ্জলি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কবি কাহিনী ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো কবি কাহিনী। ১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে তাঁর এই প্রথম কাব্যগ্রন্থটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি ও বিশ্বকবি হিসেবে পরিচিত। কবি কাহিনী কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশের মাধ্যমে তিনি সাহিত্যের মূল ধারায় পদার্পণ করেন এবং এর ভূমিকা লিখেছিলেন ভুবনচন্দ্র মুখোপাধ্যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভগ্নহৃদয় ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত প্রেমমূলক কাব্য যা ১৮৮১ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: সন্ধ্যাসংগীত ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের একটি কবিতা পড়ে স্বয়ং ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবি কাহিনী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। B) প্রভাতসঙ্গীত — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্থ কাব্যগ্রন্থ এবং এটি ১৮৮৩ সালে প্রকাশিত হয়। C) বনফুল — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দ্বিতীয় প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ এবং এটি ১৮৮০ সালে প্রকাশিত হয়। D) গীতাঞ্জলি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ যা ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের প্রথম কাব্য মনে রাখার কৌশল হলো ক দিয়ে কবি কাহিনী। সপ্তদশী বয়সে প্রকাশিত এই কাব্য দিয়েই তাঁর কাব্যযাত্রার সূচনা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ বা প্রথম প্রকাশিত নাটক সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। তাই বয়স ও প্রকাশের সাল মনে রাখা জরুরি।
a বীরাঙ্গনা
b বিলাতের পত্র
c বীরাঙ্গনা
d হিমালয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বীরাঙ্গনা (নোট: প্রশ্নে অপশন A এবং C উভয়ই বীরাঙ্গনা থাকায় যেকোনো একটি সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হবে।) ১. কেন সঠিক: - বীরাঙ্গনা কাব্য হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য। - মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দে পৌরাণিক কাহিনীর ভিত্তিতে এই কাব্য রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি ও নাট্যকার। - বীরাঙ্গনা কাব্যটি প্রকাশিত হয় ১৮৬২ সালে এবং এতে মোট একুশটি পত্র বা কবিতা রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত সর্বশ্রেষ্ঠ মহাকাব্য। উদাহরণ ২: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীরাঙ্গনা — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত পত্রকাব্য। B) বিলাতের পত্র — এটি কোনো বিখ্যাত পত্রকাব্য বা মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয়। C) বীরাঙ্গনা — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য এবং প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) হিমালয় — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ। ৫ মনে রাখার টিপস: মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য মনে রাখতে বীরাঙ্গনা শব্দটি মনে রাখুন কারণ এটি বাংলার একমাত্র ধ্রুপদী পত্রকাব্য। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য কোনটি এমন প্রশ্ন প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। একইভাবে অন্যান্য সাহিত্যিকের কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার সময় কাব্যগুলোর ধরন খেয়াল রাখতে হবে।
a চণ্ডীদাস
b লুইপা
c আলাওল
d বিদ্যাপতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লুইপা ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন এবং লুইপা হলেন চর্যাপদের আদি পদকার বা প্রথম কবি। - হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের যে পুথি আবিষ্কার করেন, তার প্রথম পদটির রচয়িতা ছিলেন লুইপা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ চর্যাগীতি বা চর্যাচর্যবিনিশ্চয় নামেও পরিচিত যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনা সংগীত। - ঐতিহাসিক ড. সুকুমার সেন এবং ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের সময়কাল সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লুইপার পদ সংখ্যা। ব্যাখ্যা: চর্যাপদে লুইপার রচিত মোট দুটি পদ পাওয়া যায় এবং এর মধ্যে প্রথম পদটি তারই রচনা। উদাহরণ ২: ভুসুকুপা। ব্যাখ্যা: ভুসুকুপা চর্যাপদের অন্যতম প্রধান একজন পদকার যিনি সর্বাধিক আটটি পদ রচনা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চণ্ডীদাস — চণ্ডীদাস মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম প্রধান কবি এবং তিনি চর্যাপদের কোনো পদকার নন। B) লুইপা — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি চর্যাপদের প্রথম পদকার হিসেবে স্বীকৃত। C) আলাওল — আলাওল সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক ধারার মধ্যযুগের বিখ্যাত কবি যিনি পদ্মাবতী কাব্য রচনা করেন। D) বিদ্যাপতি — বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি হলেও বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীতে তার বিশেষ অবদান রয়েছে, তবে তিনি চর্যাপদের পদকার নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদের শুরু লুইপা দিয়ে, তাই মনে রাখার সূত্র হলো প্রথম পদ প্রথম কবি লুইপা। - চর্যাপদের মোট পদকার ২৩ জন এবং এদের মধ্যে লুইপা হলেন তালিকার প্রথম ব্যক্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের প্রথম পদটি কার লেখা এই প্রশ্নটি বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - ড. সুকুমার সেনের মতে চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা পঞ্চাশটি, যার মধ্যে সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ পাওয়া গেছে।
a শূন্যপুরাণে
b মঙ্গলকাব্যে
c লোকসাহিত্যে
d শ্রীকৃষ্ণকীর্তনে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শ্রীকৃষ্ণকীর্তনে ১. কেন সঠিক: - বড়ায়ি চরিত্রটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের একটি অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় চরিত্র। - এই কাব্যে বড়ায়ি হলো রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের মধ্যস্থতাকারী বা ঘটকালি করা এক প্রবীণা নারী চরিত্র। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শন এবং এটি একটি গীতকাব্য। - বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বৎবল্লভ ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের এক গোয়ালঘর থেকে এই পুথি আবিষ্কার ও প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের প্রধান চরিত্র রাধা, কৃষ্ণ ও বড়ায়ি। ব্যাখ্যা: এই তিন চরিত্রের কথোপকথন ও দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়েই পুরো কাব্যের কাহিনীর নাটকীয়তা গড়ে উঠেছে। উদাহরণ ২: বড়ায়ি চরিত্রটি রাধার নিকট বুড়ি বা মামী হিসেবে পরিচিত। ব্যাখ্যা: সমাজে প্রবীণা ও মুরুব্বি হিসেবে রাধা তাকে বিশ্বাস করলেও সে মূলত কৃষ্ণের পক্ষে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শূন্যপুরাণে — শূন্যপুরাণ রামাই পণ্ডিত রচিত ধর্মউপাসনা বিষয়ক গ্রন্থ এবং এতে বড়ায়ি চরিত্রটি নেই। B) মঙ্গলকাব্যে — মঙ্গলকাব্য হলো মধ্যযুগের দেবীমাহাত্ম্যমূলক বিশেষ ধারা এবং এতে বড়ায়ি চরিত্র থাকে না। C) লোকসাহিত্যে — লোকসাহিত্য মুখে মুখে প্রচলিত সৃষ্টি হলেও বড়ায়ি কোনো লোকসাহিত্যের নির্দিষ্ট চরিত্র নয়। D) শ্রীকৃষ্ণকীর্তনে — এই অপশনটি সঠিক কারণ বড়ায়ি এই কাব্যেরই একটি মৌলিক ও কেন্দ্রীয় চরিত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের প্রধান চরিত্র মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ব-তে বড়ায়ি, রা-তে রাধা এবং কৃ-তে কৃষ্ণ। - মধ্যযুগের আদি নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তনে বড়ায়ি চরিত্রটি ঘটক বা মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের চরিত্র ও আবিষ্কারক সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। - মধ্যযুগের কাব্যের চরিত্রগুলোর ভূমিকা ভালোভাবে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a বেঙ্গল গেজেট
b দিগদর্শন
c বঙ্গদূত
d সমাচার দর্পণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দিগদর্শন ১. কেন সঠিক: সাময়িকপত্র বলতে বোঝায় যা নির্দিষ্ট সময় পর পর অর্থাৎ সাপ্তাহিক, মাসিক বা ত্রৈমাসিক আকারে প্রকাশিত হয়। বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাময়িকপত্র হলো মাসিক পত্রিকা দিগদর্শন, যা ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: দিগদর্শন পত্রিকাটি ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত হয় এবং এর সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান। এটি মূলত কিশোর ও যুবকদের জ্ঞানার্জনের জন্য প্রকাশিত একটি শিক্ষামূলক মাসিক পত্রিকা ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাচার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা যা ১৮১৮ সালের ২৩ মে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বেঙ্গল গেজেট ব্যাখ্যা: এটি ভারতবর্ষ থেকে প্রকাশিত প্রথম ইংরেজি সংবাদপত্র যা ১৭৮০ সালে জেমস অগাস্টাস হিকি প্রকাশ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেঙ্গল গেজেট — এটি প্রথম বাংলা সাময়িকপত্র নয়, এটি একটি ইংরেজি সংবাদপত্র। B) দিগদর্শন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাংলা ভাষার প্রথম প্রকাশিত সাময়িকপত্র। C) বঙ্গদূত — এটি প্রথম বাংলা সাময়িকপত্র নয়, এটি পরবর্তীতে প্রকাশিত একটি বহুভাষিক পত্রিকা। D) সমাচার দর্পণ — এটি প্রথম সাময়িকপত্র নয়, বরং এটি বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রথম সাময়িকপত্র বা মাসিক পত্রিকা মনে রাখার জন্য দিগদর্শন শব্দটি মাথায় রাখবে এবং সালটি ১৮১৮ মনে রাখবে। সংবাদপত্র আর সাময়িকপত্রের পার্থক্য মনে রাখলে বিভ্রান্তি দূর হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রথম সাময়িকপত্র এবং প্রথম সংবাদপত্রের মধ্যে পার্থক্য প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। দিগদর্শন হলো প্রথম সাময়িকপত্র বা মাসিক পত্রিকা এবং সমাচার দর্পণ হলো প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র।
a খাঁচায়
b ওঙ্কার
c জলাঙ্গী
d চৌচির
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জলাঙ্গী ১. কেন সঠিক: - জলাঙ্গী হলো প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যার পটভূমি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। - জলাঙ্গী শব্দের আক্ষরিক অর্থ নদীর মতো স্রোতস্বিনী বা নদী, আর এই উপন্যাসে গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুক্তিযুদ্ধের লড়াই ও সংগ্রামের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শওকত ওসমান বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক, যার প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান। - তাঁর জন্ম পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবল সিংহপুর গ্রামে এবং তিনি মূলত তাঁর সমাজসচেতন উপন্যাস ও ছোটগল্পের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাহান্নাম হইতে বিদায় ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা প্রথম ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি উপন্যাস। উদাহরণ ২: দুই সৈনিক ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোটগল্প, যা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মমতা তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাঁচায় — এটি শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, তাই এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে প্রযোজ্য নয়। B) ওঙ্কার — এটি লেখক আহমেদ ছফা রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষার অধিকারের প্রেক্ষাপটে রচিত। D) চৌচির — এটি শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, বরং এটি অন্য ধারার একটি সামাজিক বা মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখার জন্য জল ও আগুন অর্থাৎ জলাঙ্গী এবং জাহান্নাম হইতে বিদায় এই নাম দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। - লেখকের নামের সঙ্গে তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলোর নাম মিলিয়ে পড়লে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যেমন জাহান্নাম হইতে বিদায় এবং জলাঙ্গী বারবার আসে। - লেখক পরিচিতি পড়ার সময় তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ও সাধারণ উপন্যাসের তালিকা আলাদা করে নোট করে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b মীর মশাররফ হোসেন
c মাইকেল মধুসূদন দত্ত
d বেগম রোকেয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মীর মশাররফ হোসেন ১. কেন সঠিক: - 'বিষাদসিন্ধু' বাংলা সাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক ও অমর উপন্যাস এবং এর রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেন। - এই গ্রন্থে কারবালার ঐতিহাসিক যুদ্ধ, বিষাদময় ঘটনা এবং মুসলিম ইতিহাসের একটি করুণ অধ্যায় অত্যন্ত আবেগঘন ভাষায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মীর মশাররফ হোসেন বাংলা গদ্যসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার যিনি ১৯ শতকে আবির্ভূত হন। - 'বিষাদসিন্ধু' উপন্যাসটি তিনটি খণ্ডে বিভক্ত যথা মহরম পর্ব, উদ্ধার পর্ব এবং এজিদ বধ পর্ব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জমিদার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত নাটক যা কৃষক বিদ্রোহ ও নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের পটভূমিতে লেখা। উদাহরণ ২: গাজী মিয়ার বস্তানী ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের একটি বিশিষ্ট সামাজিক ও আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস বা গদ্যরচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং 'বিষাদসিন্ধু' উপন্যাসের রচয়িতা নন, বরং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে দুর্গেশনন্দনী ও আনন্দমঠ অন্যতম। B) মীর মশাররফ হোসেন — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি 'বিষাদসিন্ধু' গ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে সর্বস্বীকৃত। C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার প্রথম মহাকবি এবং নাট্যকার, তবে তিনি বিষাদসিন্ধু রচনা করেননি। D) বেগম রোকেয়া — তিনি বাঙালি প্রাবন্ধিক, সাহিত্যিক ও সমাজসংস্কারক এবং তাঁর বিখ্যাত রচনা হলো সুলতানার স্বপ্ন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিষাদময় কারবালার যুদ্ধ নিয়ে লেখা সিন্ধুর মতো বিশাল উপন্যাস মীর মশাররফ হোসেনের অমর সৃষ্টি। - মীর মশাররফ হোসেন মানেই বিষাদসিন্ধু ও জমিদার দর্পণের মতো কালজয়ী সাহিত্যকর্ম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিষাদসিন্ধু উপন্যাসটি তিনটি খণ্ডে সমাপ্ত হয়েছে যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - মীর মশাররফ হোসেনকে মুসলিম সাহিত্যিকদের মধ্যে প্রথম আধুনিক ঔপন্যাসিক হিসেবে গণ্য করা হয়।
a ধৃষ্ট
b শিষ্ট
c ইষ্ট
d শিষ্ট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইষ্ট ১. কেন সঠিক: - 'অনিষ্ট' শব্দের অর্থ অমঙ্গল বা ক্ষতি। এর সরাসরি বিপরীত শব্দ হলো 'ইষ্ট', যার অর্থ মঙ্গল বা ভালো। - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ এবং উপসর্গজনিত পরিবর্তন খেয়াল রাখতে হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উপসর্গ যোগ করে বিপরীত শব্দ গঠন করা বাংলা ব্যাকরণের একটি প্রচলিত নিয়ম। 'অ' বা 'অন' উপসর্গ যুক্ত করে শব্দের বিপরীত রূপ তৈরি করা যায়। - ইষ্ট শব্দের পূর্বে 'অন্' উপসর্গ যুক্ত হয়ে অনিষ্ট শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা মূলত ইষ্ট শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃতজ্ঞ - অকৃতজ্ঞ ব্যাখ্যা: কৃতজ্ঞ শব্দের অর্থ উপাসনা মনে রাখা এবং এর বিপরীত অকৃতজ্ঞ শব্দের অর্থ উপকার স্বীকার না করা। উদাহরণ ২: লাভ - লোকসান ব্যাখ্যা: লাভ শব্দের অর্থ প্রাপ্তি এবং লোকসান শব্দের অর্থ ক্ষতি, যা একে অপরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধৃষ্ট — ধৃষ্ট শব্দের অর্থ উদ্ধত বা অহংকারী, যা অনিষ্ট শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) শিষ্ট — শিষ্ট শব্দের অর্থ ভদ্র বা নম্র, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে সরাসরি বিপরীতার্থক হিসেবে ইষ্ট শব্দের মতো উপযুক্ত নয়। C) ইষ্ট — এটি সঠিক উত্তর, যার অর্থ মঙ্গল বা ভালো। D) শিষ্ট — অপশনটিতে শিষ্ট শব্দ দুটি বার এসেছে, যা ভদ্র বা নম্র অর্থ প্রকাশ করে এবং অনিষ্ট শব্দের বিপরীত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইষ্ট মানে ভালো আর অনিষ্ট মানে খারাপ বা মন্দ। ভালো ও খারাপ যেমন পরস্পর বিপরীত, তেমনি ইষ্ট ও অনিষ্ট পরস্পর বিপরীত শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গযুক্ত শব্দের বিপরীত শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। - মূল শব্দের সঙ্গে মিল রেখে বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচন করতে হবে।
a জাহানারা ইমাম
b হাসান ইমাম
c মেজর রফিকুল ইসলাম
d হুমায়ুন আহমেদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেজর রফিকুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - 'লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে' গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী মেজর রফিকুল ইসলাম, বীর উত্তম। - এই গ্রন্থে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং তৎকালীন সেক্টরভিত্তিক নানা ঐতিহাসিক ঘটনার প্রামাণিক ও বাস্তব বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মেজর রফিকুল ইসলাম বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন বীর সেক্টর কমান্ডার ছিলেন যিনি ১ নম্বর সেক্টরের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণিক সাহিত্য হিসেবে এই গ্রন্থটি ঐতিহাসিক ও গবেষণামূলক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেজর রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম রচিত অপর একটি বিখ্যাত গ্রন্থ হলো 'লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে' এবং 'এ সেক্টর কমান্ডার্স মেমোরিজ'। ব্যাখ্যা: এই বইগুলো মুক্তিযুদ্ধ ও তার সঠিক ইতিহাস জানার জন্য প্রামাণিক দলিল হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্যান্য প্রামাণিক গ্রন্থ হলো মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহর 'বাংলাদেশ এ ওয়ার অব ইন্ডিপেন্ডেন্স'। ব্যাখ্যা: এটিও মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন সেক্টর কমান্ডারের লেখা ঐতিহাসিক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাহানারা ইমাম — ইনি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দিনলিপি 'একাত্তরের দিনগুলি' গ্রন্থের রচয়িতা, 'লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে' গ্রন্থের নয়। B) হাসান ইমাম — ইনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট অভিনেতা ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, উল্লিখিত গ্রন্থের লেখক নন। D) হুমায়ুন আহমেদ — ইনি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে 'আগুনের পরশমনি' ও 'জোছনা ও জননীর গল্প'। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুক্তিযোদ্ধাদের লেখা গ্রন্থ মনে রাখার জন্য লেখকের নামের সঙ্গে সেক্টর বা যুদ্ধের অভিজ্ঞতা যুক্ত করে পড়তে হবে। - মেজর রফিকুল ইসলাম যেহেতু ১ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন, তাই তার লেখা প্রামাণিক গ্রন্থটির নাম মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণিক গ্রন্থ ও লেখকের নাম প্রায়ই আসে। - সেক্টর কমান্ডারদের লেখা বইগুলোর নাম এবং তাদের সেক্টর নম্বর ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a সাত সাগরের মাঝি
b একচক্ষু হরিণ
c রাজা যায় রাজা আসে
d নিরালোকে দিবোরথ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিরালোকে দিবোরথ ১. কেন সঠিক: - নিরালোকে দিবোরথ কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান রচিত। - প্রশ্নটিতে শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম জানতে চাওয়া হয়েছে এবং এই গ্রন্থটি তাঁর সাহিত্যকর্মের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধে বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে আবির্ভূত হন এবং তিনি নাগরিক জীবন, রাজনীতি ও দেশপ্রেম ফুটিয়ে তুলেছেন। - তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে, রৌদ্র করোটিতে, বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখে ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমান রচিত একটি অন্যতম জনপ্রিয় ও কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: রৌদ্র করোটিতে ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটিও আধুনিক বাংলা কবিতার মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া কবি শামসুর রাহমানের সৃষ্টি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাত সাগরের মাঝি — এটি শামসুর রাহমানের রচনা নয়, বরং এটি বিশিষ্ট কবি ফররুখ আহমদের একটি বিখ্যাত ও ঐতিহ্যবাহী কাব্যগ্রন্থ। B) একচক্ষু হরিণ — এটি শামসুর রাহমানের কোনো মৌলিক কাব্যগ্রন্থ বা পরিচিত সাহিত্যকর্ম নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) রাজা যায় রাজা আসে — এটি শামসুর রাহমানের লেখা নয়, এটি প্রখ্যাত নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক সেলিম আল দীনের একটি বিখ্যাত নাটক। D) নিরালোকে দিবোরথ — এটি শামসুর রাহমান রচিত কাব্যগ্রন্থ এবং এটিই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - শামসুর রাহমান আলো ও নিরালোক নিয়ে কাব্য করেছেন, তাই নিরালোকে দিবোরথ তাঁর গ্রন্থ মনে রাখা সহজ। - কবিতার বরপুত্র শামসুর রাহমানের নামের সাথে তাঁর কাব্যগ্রন্থগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় সহজেই চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অন্যান্য সাহিত্যিকদের ক্ষেত্রেও তাঁদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, নাটক ও উপন্যাসের নাম আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়তে হবে।
a She dyed her black hair
b She dyed her hair black
c She died her black
d She dye her black hair
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) She dyed her hair black কেন সঠিক: - এখানে 'dye' শব্দটি চুল বা কাপড়ে রঙ করা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর পাস্ট ফর্ম 'dyed' সঠিক আছে। - 'black' শব্দটি এখানে অবজেক্টকমপ্লিমেন্ট হিসেবে বসেছে, যা চুল রঙ করার ফলাফল প্রকাশ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She dyed her black hair — এই বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় সে তার কালো চুল রঙ করেছিল, কিন্তু প্রশ্ন অনুযায়ী চুল কালো করার কথা বলা হয়েছে। B) She dyed her hair black — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানে মূল ব্যাখ্যার সাথে মিলে গেছে। C) She died her black — 'die' শব্দের অর্থ মারা যাওয়া, যা এখানে প্রসঙ্গহীন এবং বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ। D) She dye her black hair — সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হওয়া সত্ত্বেও এখানে ভার্বের সাথে 's' বা 'es' যুক্ত হয়নি এবং পাস্ট টেন্সের নিয়মের বাইরে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছু রঙ করার ক্ষেত্রে Subject + dye + object + colour structure ব্যবহার করতে হয়।
a in
b at
c of
d on
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) in কেন সঠিক: - 'Abound in' একটি উপযুক্ত প্রিপজিশন বা অ্যাপ্রোপ্রিয়েট প্রিপজিশন, যার অর্থ হলো কোনো কিছু প্রচুর পরিমাণে থাকা। - পুকুরে প্রচুর মাছ আছে বোঝাতে 'Fish abounds in this pond' বাক্যটি সঠিক ব্যাকরণগত গঠন অনুসরণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'abound in' ধারাটি প্রাচুর্য বোঝাতে পুকুরের ক্ষেত্রে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়। B) at — 'Abound at' সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা ভৌগোলিক অবস্থানের ক্ষেত্রে বসে না, তাই এটি ভুল। C) of — 'Abound of' কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম বা অর্থ প্রকাশ করে না, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) on — 'Abound on' প্রিপজিশনের ব্যবহার এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে অর্থহীন এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: কোনো স্থানে কোনো কিছু প্রচুর পরিমাণে থাকলে 'abound' শব্দের পরে সবসময় 'in' প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a lightning
b lightening
c litening
d light
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) lightning কেন সঠিক: - lightning হলো একটি নাউন (Noun) যার অর্থ বজ্রপাত বা বিজলির চমক। - বাক্যে শূন্যস্থানের পূর্বে the এবং পরে struck থাকায় এখানে একটি সাবজেক্ট বা নাউনের প্রয়োজন, যা সঠিক উত্তরটি পূরণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) lightning — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি সঠিক নাউন রূপ। B) lightening — এটি একটি ভার্ব (Verb) যার অর্থ হালকা করা বা উজ্জ্বল করা, যা এখানে ব্যাকরণগতভাবে বেমানান। C) litening — এটি ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো প্রচলিত বা সঠিক শব্দ নয়। D) light — এটি সাধারণত নাউন বা অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হলেও আকস্মিক আঘাত বোঝাতে নির্দিষ্ট প্রাকৃতিক ঘটনার ক্ষেত্রে এটি অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: বজ্রপাত বোঝাতে বানানে মাঝখানে একটি n বেশি থাকে, অর্থাৎ lightning (বজ্রপাত) এবং lightening (হালকা করা)।
a Drone
b Niece
c Vixen
d Sow
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Drone কেন সঠিক: - Drone হলো Bee অর্থাৎ মৌমাছির পুরুষবাচক বা Masculine gender। - এটি স্ত্রীবাচক Queen বা Worker মৌমাছির পুরুষ সঙ্গী হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Drone — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো অতিরিক্ত ত্রুটি নেই। B) Niece — এটি Niece শব্দ যার অর্থ ভাইঝি বা ভাগ্নি, এটি একটি স্ত্রীবাচক বা Feminine gender। C) Vixen — এটি Vixen শব্দ যার অর্থ মেছো বা খেঁকশিয়ালের স্ত্রী, এটি একটি Feminine gender। D) Sow — এটি Sow শব্দ যার অর্থ মাদী শূকর, এটি একটি Feminine gender। মনে রাখার টিপস: কিছু প্রাণীর লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ ব্যবহৃত হয়, যেমন মৌমাছির ক্ষেত্রে পুরুষ Drone এবং স্ত্রী Queen।
a at
b on
c in
d by
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) by কেন সঠিক: - ঘড়ি বা সময়ের যন্ত্রের ক্ষেত্রে সময় কম বা বেশি নির্দেশ করতে বাই প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত বাক্যে ঘড়ির সময় বোঝাতে বাই প্রিপজিশন সঠিক নিয়ম অনুযায়ী বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — নির্দিষ্ট সময় বা ক্ষণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা ঘড়ির যন্ত্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) on — নির্দিষ্ট দিন বা তারিখের পূর্বে বসে, তাই এখানে এটি ব্যবহার করা যায় না। C) in — মাস, বছর বা দীর্ঘ সময়ের পূর্বে বসে, তাই এটি ঘড়ির সময়ের ক্ষেত্রে ভুল। D) by — ঘড়ির সময় বা যন্ত্রের মাধ্যমে সময় নির্দেশ করতে এটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ঘড়ির মাধ্যমে সময় দেখার ক্ষেত্রে সময় কম বা বেশি বোঝালে সবসময় বাই প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
a fatal
b huge
c gluttonous
d vengeful
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) gluttonous কেন সঠিক: - voracious শব্দের অর্থ অতিভোজী বা লোভী, যা খাবারের প্রতি অতিরিক্ত ক্ষুধাকে বোঝায়। - gluttonous শব্দের অর্থ পেটুক বা অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণকারী, যা voracious শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) fatal — এর অর্থ মারাত্মক বা প্রাণঘাতী, যা খাওয়ার ক্ষুধার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) huge — এর অর্থ বিশাল বা প্রকাণ্ড, যা পরিমাণ বোঝায় কিন্তু খাদ্যের প্রতি অতিরিক্ত লোভ বোঝায় না। C) gluttonous — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) vengeful — এর অর্থ প্রতিশোধপরায়ণ, যা মানুষের মনের নেতিবাচক ভাব প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Voracious এবং Gluttonous দুটি শব্দই অতিরিক্ত খাওয়া বা লোভী স্বভাব বোঝাতে Synonym বা সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a worship
b wicked
c peculiar
d insolent
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) worship কেন সঠিক: - Adore শব্দের অর্থ হলো গভীর শ্রদ্ধা করা, ভক্তি করা বা অত্যন্ত ভালোবাসুণা করা। - Worship শব্দের অর্থ হলো পূজা করা, উপাসনা করা বা গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা, যা adore শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) worship — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ গভীর শ্রদ্ধা বা পূজা করা। B) wicked — এর অর্থ দুষ্ট বা পাপিষ্ঠ, যা adore শব্দের বিপরীত বা অন্য অর্থ প্রকাশ করে। C) peculiar — এর অর্থ অদ্ভুত বা ব্যতিক্রমী, যার সঙ্গে ভালোবাসার কোনো সম্পর্ক নেই। D) insolent — এর অর্থ উদ্ধত বা অবিনয়ী, যা শ্রদ্ধা বা ভালোবাসার সম্পূর্ণ বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Adore মানে খুব ভালোবাসা, আর ঈশ্বরকে আমরা গভীর ভালোবাসায় worship বা পূজা করি।
a noun
b pronoun
c adjective
d adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) noun কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে Justice শব্দটি একটি নির্দিষ্ট গুণের নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর পূর্বে the आर्टिकल রয়েছে। - কোনো শব্দের পূর্বে the এবং পরে preposition থাকলে তা সাধারণত Noun-এ পরিণত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট কোনো গুণের নাম বুঝাতে এটি Noun হিসেবে বসেছে। B) pronoun — Pronoun হলো যা Noun-এর পরিবর্তে বসে, কিন্তু এখানে কোনো নামের পরিবর্তে এটি বসেনি। C) adjective — Adjective কোনো Noun বা Pronoun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, যা এখানে করছে না। D) adverb — Adverb সাধারণত verb, adjective বা অন্য adverb-কেmodify করে, কিন্তু এটি এখানে তা করছে না। মনে রাখার টিপস: Article (the) এবং Preposition (of, to ইত্যাদি)-এর মাঝের শব্দটি সাধারণত Noun হয়।
a rang
b rings
c rung
d ring
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) rung কেন সঠিক: - বাক্যটিতে Past Perfect Tense ব্যবহৃত হয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী had এর পর মূল verb এর Past Participle রূপ বসে। - Ring verb টির Present form ring, Past form rang এবং Past Participle form হলো rung। বাকি অপশন কেন ভুল: A) rang — এটি ring verb টির Past form, যা had এর পর বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) rings — এটি Present Indefinite Tense এর ক্ষেত্রে singular subject এর সাথে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) rung — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) ring — এটি verb এর Base form বা Present form, যা auxiliary verb had এর পরে বসে না। মনে রাখার টিপস: Have, has বা had এর পরে সবসময় verb এর Past Participle রূপ বসে, তাই ring এর পরিবর্তে rung হবে।
a Drama
b Novel
c Treatise
d Comedy
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Novel কেন সঠিক: - 'এ প্যাসেজ টু ইন্ডিয়া' হলো ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ই এম ফর্স্টার রচিত একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস। - এটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং ব্রিটিশ ভারতের পটভূমিতে ব্রিটিশ ও ভারতীয়দের মধ্যকার সম্পর্ক ও ভুল বোঝাবুঝি ফুটিয়ে তুলেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Drama — এটি কোনো নাটক বা মঞ্চের জন্য রচিত রূপক বা দৃশ্যকাব্য নয়, বরং একটি দীর্ঘ কথাসাহিত্য। B) Novel — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি বিশ্বখ্যাত উপন্যাস। C) Treatise — এটি কোনো গবেষণাপত্র, তাত্ত্বিক প্রবন্ধ বা পান্ডুলিপি নয়। D) Comedy — এটি কোনো মিলনাত্মক বা হাস্যরসাত্মক নাটক নয়, বরং ভারত ও ব্রিটিশদের মধ্যকার জটিল রাজনৈতিক ও সামাজিক দ্বন্দ্বের গম্ভীর উপন্যাস। মনে রাখার টিপস: ই এম ফর্স্টারের লেখা 'এ প্যাসেজ টু ইন্ডিয়া' নামের ভেতরেই ভারতের পটভূমিতে লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাসের ইঙ্গিত রয়েছে।
a Spring
b Sprang
c Sprung
d Springed
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Sprang কেন সঠিক: - 'Spring' একটি শক্তিশালী বা অনিয়মিত ভার্ব (Strong/Irregular Verb) যার পাস্ট ফর্ম হলো 'Sprang'। - এই ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম হলো 'Sprung'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Spring — এটি প্রেজেন্ট ফর্ম, তাই পাস্ট টেন্সের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়। B) Sprang — এটি সঠিক পাস্ট টেন্স বা অতীত রূপ। C) Sprung — এটি ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম (V3), যা পারফেক্ট টেন্স বা প্যাসিভে বসে। D) Springed — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল রূপ, কারণ ইংরেজি ব্যাকরণে 'Spring'-এর সাথে 'ed' যুক্ত হয় না। মনে রাখার টিপস: রিং র্যাং রাং (Ring-Rang-Rung) এর মতো স্প্রিং স্প্র্যাং স্প্রুং (Spring-Sprang-Sprung) এভাবে মনে রাখতে পারো।
a recicves
b despises
c colects
d gives
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) gives কেন সঠিক: - Bestow শব্দের অর্থ কাউকে কোনো কিছু প্রদান করা বা দান করা। - বাক্যে favors bestow করা অর্থ কাউকে অনুগ্রহ দান করা বোঝায়, যা give শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) recicves — এর অর্থ গ্রহণ করা, যা bestow শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) despises — এর অর্থ ঘৃণা করা, যা প্রদত্ত শব্দের সঙ্গে সম্পূর্ণ অর্থহীন। C) colects — এর অর্থ সংগ্রহ করা, যা কোনো কিছু প্রদান করার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) gives — এর অর্থ দেওয়া বা প্রদান করা, যা bestow শব্দের সঠিক সমার্থক অর্থ। মনে রাখার টিপস: Bestow মানে হলো কোনো কিছু উপহার বা অনুগ্রহ হিসেবে দেওয়া, তাই এর সমার্থক শব্দ হিসেবে give ব্যবহার করা হয়।
a Iron
b Cattle
c Studio
d Poetry
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Cattle কেন সঠিক: - Cattle শব্দটি দেখতে singular হলেও এটি একটি Plural Noun, যার অর্থ গবাদিপশু। - এটি সর্বদা Plural হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর সাথে verb-এর plural রূপ বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Iron — এটি একটি Material Noun, যা সবসময় Singular হিসেবে গণ্য হয়। B) Cattle — এটি একটি Plural Noun এবং প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) Studio — এটি একটি Singular Common Noun, যার plural রূপ Studios। D) Poetry — এটি একটি Uncountable Noun, যা সর্বদা Singular হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Cattle, People, Police ইত্যাদি শব্দ দেখতে singular মনে হলেও এরা আসলে plural noun।
a evil
b Wealthy
c organised
d modern
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Wealthy কেন সঠিক: - Affluent শব্দের অর্থ স্বচ্ছল, ধনী বা বিত্তশালী। - Wealthy শব্দের অর্থও ধনী বা সম্পদশালী, যা Affluent শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) evil — এর অর্থ মন্দ বা অশুভ, যা Affluent শব্দের সঙ্গে মেলে না। B) Wealthy — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি Affluent শব্দের সমার্থক। C) organised — এর অর্থ সুসংগঠিত, যা বিত্তশালী শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না। D) modern — এর অর্থ আধুনিক, যা অর্থনৈতিক সচ্ছলতার সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Affluent মানে যাদের পর্যাপ্ত অ্যাফোর্ড বা সামর্থ্য আছে, তারাই হলো Wealthy বা ধনী।
a P. B Shelley
b Mathew Arnold
c Charles dickens
d Francis Bacon
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Charles dickens কেন সঠিক: - চার্লস ডিকেন্স ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক, যার উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ডেভিড কপারফিল্ড ও এ টেল অব টু সিটিজ। - তিনি তার উপন্যাসে তৎকালীন সমাজ বাস্তবায়ন, শিশুশ্রম ও দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রা অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তুলে ধরেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) P. B Shelley — তিনি রোমান্টিক যুগের একজন বিখ্যাত কবি, কোনো ঔপন্যাসিক নন। B) Mathew Arnold — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন প্রখ্যাত কবি ও প্রাবন্ধিক ছিলেন। D) Francis Bacon — তিনি রেনেসাঁ যুগের একজন বিখ্যাত প্রাবন্ধিক ও দার্শনিক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি সাহিত্যে ডিকেন্স বললেই আমাদের মাথায় চলে আসে বিখ্যাত সব উপন্যাসের নাম, কারণ তিনি প্রধানত ঔপন্যাসিক হিসেবেই বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
a cardiologist
b neurologist
c oncologist
d nephrologist
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) oncologist কেন সঠিক: - 'Oncology' হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানের সেই শাখা যা ক্যান্সার রোগ ও তার চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা করে। - এই বিশেষ শাখার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে 'oncologist' বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) cardiologist — এটি হৃৎপিণ্ড বা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে বোঝায়, তাই এটি ক্যান্সার চিকিৎসার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) neurologist — এটি স্নায়ুতন্ত্র বা মস্তিষ্কের রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে বোঝায়, যা ক্যান্সারের নির্দিষ্ট চিকিৎসা নয়। C) oncologist — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) nephrologist — এটি কিডনি বা বৃক্কের রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে বোঝায়, তাই এটি ক্যান্সারের চিকিৎসকের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: 'Onco' শব্দের অর্থ টিউমার বা ক্যান্সার, তাই ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ হলো 'oncologist'।
a preposition
b adverb
c adjective
d conjunction
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) adverb কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'just now' ফ্রেজটি মূল verb 'returned'-কে মডিফাই করছে বা কাজ সম্পন্ন হওয়ার সময় নির্দেশ করছে। - Verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে বিশেষিত করায় এটি একটি adverb হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) preposition — preposition সাধারণত noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সঙ্গে সম্পর্ক বোঝায়, যা এখানে ঘটেনি। B) adverb — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দটি verb-এর সময় নির্দেশ করছে। C) adjective — adjective কেবল noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে, যা এখানে নেই। D) conjunction — conjunction একাধিক শব্দ বা claus-কে যুক্ত করে, কিন্তু এখানে কোনো সংযোগের কাজ হয়নি। মনে রাখার টিপস: Verb কখন বা কীভাবে সম্পন্ন হয় তা জানালে সেটি সাধারণত adverb হয়।
a handcuff
b handcuf
c handcaff
d hancalf
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) handcuff কেন সঠিক: - 'handcuff' একটি যৌগিক শব্দ যা হাত ও হাতকড়া অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এর বানান হ-অ্যান্ড-সি-ইউ-এফ-এফ। - এই শব্দটিতে ডাবল এফ ব্যবহৃত হয় এবং এটি হাত বা কব্জি বাঁধার লোহার বেড়ি বোঝাতে সঠিক বানানরীতি অনুসরণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) handcuff - এটি সঠিক বানান কারণ এতে সঠিক ইংরেজি বানানরীতি ও ডাবল এফ অনুসৃত হয়েছে। B) handcuf - এই অপশনটি ভুল কারণ এর শেষে একটি এফ কম রয়েছে, যা বানানটিকে অসম্পূর্ণ করে তোলে। C) handcaff - এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে সি-ইউ এর পরিবর্তে সি-এ-এফ ব্যবহার করা হয়েছে, যা সঠিক নয়। D) hancalf - এই অপশনটি ভুল কারণ এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ও অর্থহীন একটি বানান গঠন করেছে। মনে রাখার টিপস: হ্যান্ড (hand) এবং কাফ (cuff) একসাথে মিলে handcuff হয়, যেখানে কাফ শব্দের শেষে ডাবল এফ মনে রাখতে হবে।
a I alone will go there
b I will go there
c It is I who will go there.
d It is I who will be go there.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) It is I who will go there. কেন সঠিক: - বাক্যে জোর বা emphasis বোঝাতে It is ... who কাঠামো ব্যবহার করা হয় এবং who-এর আগের Pronoun অনুসারে verb বসে। - I Pronoun-এর পর future tense-এ will বসে এবং who-এর antecedent I হওয়ায় সঠিক verb নির্ধারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I alone will go there — এখানে একা যাওয়ার অর্থ প্রকাশ পেলেও বাংলায় নির্দিষ্ট জোরালো প্রকাশ বা C অপশনের ব্যাকরণগত কাঠামো অনুসরণ করা হয়নি। B) I will go there — এটি সাধারণ ভবিষ্যৎকালের বাক্য, কিন্তু মূল বাক্যের 'আমিই' শব্দের বিশেষ জোর বা emphasis প্রকাশ করার জন্য এটি যথেষ্ট নয়। সি অপশনটি যেহেতু সঠিক উত্তর, তাই এখানে এর ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়, এটি বাক্যের নিখুঁত গঠন। D) It is I who will be go there — এখানে will be-র পর মূল verb-এর present form গো (go) ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: It is-এর পর Pronoun এবং তারপর who থাকলে, who-এর আগের Pronoun অনুযায়ী পরবর্তী verb এবং tense নির্ধারিত হয়।
a Do you know where does he live
b He has gone for a work
c They will arrive by the by
d He sold all his furnitures
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) They will arrive by the by কেন সঠিক: - by the by একটি সঠিক ইংরেজি idiom বা idiomatic phrase, যার অর্থ যথাসময়ে বা অল্প সময়ের মধ্যে। - বাক্যটিতে এই ফ্রেজের সঠিক ব্যবহার হওয়ায় এটি grammatically সঠিক বাক্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Do you know where does he live — এটি ভুল কারণ indirect interrogative sentence-এ subject-এর আগে auxiliary verb বসে না, সঠিক গঠন হতো where he lives। B) He has gone for a work — এটি ভুল কারণ walk এখানে noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, তাই সঠিক ফ্রেজ হবে for a walk, work নয়। C) They will arrive by the by — এটি সঠিক অপশন এবং প্রদত্ত উত্তরটি এখানে সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। D) He sold all his furnitures — এটি ভুল কারণ furniture একটি uncountable noun, যার সাথে plural করার জন্য s যুক্ত করা যায় না। মনে রাখার টিপস: uncountable noun যেমন furniture-এর সাথে s যোগ হয় না এবং idiomatic phrase-গুলোর সঠিক রূপ মুখস্থ রাখতে হবে।
a CO₂
b O₂
c O₃
d উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) O₂ কেন সঠিক: - করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের ফুসফুসে অক্সিজেনের মাত্রা কমে গেলে কৃত্রিমভাবে অক্সিজেন সরবরাহ করতে হয়। - তীব্র শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা মোকাবেলায় চিকিৎসায় এই গ্যাসটি অপরিহার্য উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) CO₂ — এটি কার্বন ডাই-অক্সাইড, যা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর এবং শ্বাসকষ্টের সময় এটি চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় না। B) O₂ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি চিকিৎসায় রোগীদের জীবন বাঁচাতে ব্যবহৃত অক্সিজেন গ্যাস। C) O₃ — এটি ওজোন গ্যাস, যা শক্তিশালী জারক এবং সরাসরি মানুষের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় না। D) উপরের সবগুলো — যেহেতু কেবল অক্সিজেন চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: শ্বাসকষ্ট দূর করতে এবং ফুসফুসে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়াতে শুধু অক্সিজেন গ্যাস ব্যবহৃত হয়।
a 1110
b 1010
c 1000
d 1111
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1110 কেন সঠিক: - ডেসিমাল সংখ্যা ১৪ কে ২ দিয়ে ভাগ করে প্রাপ্ত ভাগশেষগুলো উল্টো দিক থেকে সাজালে বাইনারি মান ১১৪০ পাওয়া যায়। - দশমিক ১৪ এর বাইনারি রূপ হলো আট, চার এবং দুই এর যোগফলের বাইনারি কোডের সমান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1110 - এটি সঠিক উত্তর এবং ডেসিমাল ১৪ এর সঠিক বাইনারি রূপ। B) 1010 - এটি ডেসিমাল ১০ এর বাইনারি মান, তাই এটি সঠিক নয়। C) 1000 - এটি ডেসিমাল ৮ এর বাইনারি মান, যা ১৪ এর সমান নয়। D) 1111 - এটি ডেসিমাল ১৫ এর বাইনারি মান, যা ১৪ এর চেয়ে এক বেশি। মনে রাখার টিপস: বাইনারি সংখ্যা বের করার সময় ৮, ৪, ২, ১ এই ধারার সাহায্য নিয়ে সংখ্যাগুলোর যোগফল ১৪ মিলিয়ে কোড তৈরি করা যায়।
a সৈয়দ নজরুল ইসলাম
b তাজউদ্দীন আহমদ
c এম মনসুর আলী
d এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তাজউদ্দীন আহমদ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারের (মুজিবনগর সরকার) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দীন আহমদ শপথ গ্রহণ করেন। - তিনি মুক্তিযুদ্ধ সফলভাবে পরিচালনা এবং প্রশাসনিক কাঠামো গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি প্রথম সরকারের উপরাষ্ট্রপতি এবং রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। B) তাজউদ্দীন আহমদ — এটি সঠিক উত্তর। C) এম মনসুর আলী — তিনি প্রথম সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন এবং পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। D) এ. এইচ. এম কামارুজ্জামান — তিনি প্রথম সরকারের স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: সরকার গঠনে তাজ, প্রধানমন্ত্রী হলেন আজ। এভাবে মনে রাখতে পারেন প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ।
a ঢাকা
b চট্টগ্রাম
c লাহোর
d কলকাতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লাহোর কেন সঠিক: - ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। - ওই সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — ছয় দফা প্রস্তাব ঢাকায় পেশ করা হয়নি, তবে পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। B) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম ছয় দফা ঘোষণার স্থান নয়, এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক এলাকা। C) লাহোর — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানেই ঐতিহাসিক ছয় দফা প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছিল। D) কলকাতা — কলকাতা ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণার স্থান নয়, এটি ভারত ও ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: ছয় দফা পেশ করা হয় লাহোরে। মনে রাখতে পারেন লাহোর প্রস্তাবের ঐতিহাসিক শহরের সঙ্গে ছয় দফার উত্থানস্থলও সম্পর্কিত।
a কুমিল্লা
b রংপুর
c খাগড়াছড়ি
d মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মৌলভীবাজার কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নকে আগর শিল্পের রাজধানী বলা হয়। - মৌলভীবাজারের পাহাড়ি ও বনাঞ্চল এলাকা আগর গাছ চাষ এবং আগর আতর উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে বিখ্যাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুমিল্লা — কুমিল্লা খাদি ও মিষ্টির জন্য বিখ্যাত হলেও এটি বাণিজ্যিক আগর চাষের প্রধান অঞ্চল নয়। B) রংপুর — রংপুর তামাক ও আলু উৎপাদনের জন্য পরিচিত, যা আগর চাষের উপযোগী অঞ্চল নয়। C) খাগড়াছড়ি — খাগড়াছড়িতে বিভিন্ন পাহাড়ি ফসল ও রাবার চাষ হয়, তবে এটি প্রধান আগর উৎপাদনকারী জেলা নয়। D) মৌলভীবাজার — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে প্রচুর পরিমাণে আগর চাষ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ করা হয়। মনে রাখার টিপস: আগর থেকে সুগন্ধি আতর তৈরি হয় এবং সুগন্ধি চায়ের জেলা মৌলভীবাজারেই আগর চাষ সবচেয়ে বেশি হয়।
a রাশিয়া
b যুক্তরাজ্য
c ফ্রান্স
d জার্মানি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জার্মানি কেন সঠিক: - জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ পাঁচটি, যার মধ্যে জার্মানি অন্তর্ভুক্ত নয়। - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া এবং চীন এই পরিষদের স্থায়ী সদস্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র। B) যুক্তরাজ্য — এটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্যের একটি। C) ফ্রান্স — এটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। D) জার্মানি — এটি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়, তবে অস্থায়ী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়। মনে রাখার টিপস: স্থায়ী পাঁচ সদস্য মনে রাখার কৌশল হলো যুক্তরাজ্যের রাজা চিরকাল ফ্রান্সে আসেন অর্থাৎ রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য।
a ডেনমার্ক
b ফ্রান্স
c জার্মানি
d কানাডা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কানাডা কেন সঠিক: - কানাডা কমনওয়েলথভুক্ত একটি দেশ এবং ব্রিটিশ রাজা বা রানি এই দেশের সাংবিধানিক রাষ্ট্রপ্রধান বা রাজমুকুট হিসেবে স্বীকৃত। - গ্রেট ব্রিটেনের পাশাপাশি কানাডার নিজস্ব আইন অনুযায়ী ব্রিটিশ monarch বা রানি কানাডার রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেনমার্ক — এটি একটি স্বাধীন ইউরোপীয় দেশ এবং এর নিজস্ব রাজপরিবার রয়েছে, যার সাথে ব্রিটিশ রানির কোনো শাসনতান্ত্রিক সম্পর্ক নেই। B) ফ্রান্স — এটি একটি প্রজাতন্ত্র দেশ এবং এখানে কোনো রাজতন্ত্র নেই, তাই ব্রিটিশ রানির রানি হওয়ার প্রশ্নই আসে না। C) জার্মানি — এটি একটি গণতান্ত্রিক ও যুক্তরাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র রাষ্ট্র, যেখানে কোনো রাজতন্ত্র বা ব্রিটিশ রানির সাংবিধানিক ভূমিকা নেই। D) কানাডা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি কমনওয়েলথভুক্ত realm হিসেবে ব্রিটিশ রাজাকে বা রানিকে তাদের রাষ্ট্রপ্রধান মানে। মনে রাখার টিপস: কমনওয়েলথ দেশের মধ্যে কানাডা হলো এমন একটি দেশ যেখানে ব্রিটিশ রানি বা রাজা সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে গণ্য হন।
a গঙ্গোত্রী হিমবাহ
b হিমালয়ের উত্তর খণ্ডে
c কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বত
d তিব্বত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তিব্বত কেন সঠিক: - ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতের মানস সরোবরের কাছে হিমালয়ের চেমায়ুংদুং হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে। - উৎপত্তি লাভের পর এটি তিব্বতের ওপর দিয়ে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে অরুণাচল প্রদেশের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গঙ্গোত্রী হিমবাহ — এটি ভারতের উত্তরাখণ্ডে অবস্থিত এবং এখান থেকে গঙ্গা নদীর প্রধান ধারা ভাগীরথী উৎপন্ন হয়েছে। B) হিমালয়ের উত্তর খণ্ডে — এটি কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক উৎপত্তিস্থল বা নদীর উৎস হিসেবে গ্রহণযোগ্য ভৌগোলিক নাম নয়। C) কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বত — এটি হিমালয় পর্বতমালার একটি শৃঙ্গ এবং এখান থেকে তিস্তা নদীর মতো কিছু নদী উৎপন্ন হয়েছে, ব্রহ্মপুত্র নয়। D) তিব্বত — এটি সঠিক কারণ ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতের মালভূমি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়েছে। মনে রাখার টিপস: তিব্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে, তাই উৎস মনে রাখতে তিব্বত ও মানস সরোবরের নাম মনে রাখুন।
a খুলনা
b বাগেরহাট
c যশোর
d কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাগেরহাট কেন সঠিক: - ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রাচীন মসজিদগুলোর মধ্যে অন্যতম যা বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত। - পনেরো শতকের খান জাহান আলী এই অঞ্চলের গোড়াপত্তন করেন এবং তাঁর আমলেই এই মসজিদটি নির্মিত হয় যা ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খুলনা — খুলনা বিভাগীয় শহর হলেও ষাট গম্বুজ মসজিদ এই জেলার মূল প্রশাসনিক সীমানায় অবস্থিত নয়। B) বাগেরহাট — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ মসজিদটি এই জেলায় অবস্থিত। C) যশোর — যশোর একটি পার্শ্ববর্তী জেলা হলেও এই ঐতিহাসিক মসজিদটি এখানে অবস্থিত নয়। D) কুষ্টিয়া — কুষ্টিয়া অন্য একটি জেলা এবং এর সঙ্গে এই মসজিদের কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: খান জাহান আলীর স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক শহর বাগেরহাট বললেই মাথায় আসে ষাট গম্বুজ মসজিদের কথা।
a পঞ্চম তফসিল
b ষষ্ঠ তফসিল
c দ্বিতীয় তফসিল
d সপ্তম তফসিল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ষষ্ঠ তফসিল কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানে ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা ষষ্ঠ তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। - ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি এই তফসিলে অবিকলভাবে সংযোজন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চম তফসিল — এটি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়াদি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। B) ষষ্ঠ তফসিল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি স্বাধীনতার ঘোষণার সঙ্গে সম্পর্কিত। C) দ্বিতীয় তফসিল — এটি রাষ্ট্রপতির নির্বাচন পদ্ধতি এবং স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার সংক্রান্ত শপথের সঙ্গে সম্পর্কিত। D) সপ্তম তফসিল — এটি সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত হয় এবং ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঘোষণা হলো ছয় অক্ষরের শব্দ, তাই এটি সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলে স্থান পেয়েছে।
a কর্নেল শওকত আলী
b মেজর রফিকুল ইসলাম
c মেজর খালেদ মোশাররফ
d মেজর আবু তাহের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেজর খালেদ মোশাররফ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং মেলাঘর ছিল ২ নং সেক্টরের অধীন। - মেজর খালেদ মোশাররফ এই সেক্টরের প্রথম সেক্টর কমান্ডার হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরবর্তীতে কে ফোর্স গঠন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্নেল শওকত আলী — তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না, বরং পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। B) মেজর রফিকুল ইসলাম — তিনি ১ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন, যেখানে তিনি চট্টগ্রাম ও পাহাড়ি অঞ্চলে যুদ্ধ পরিচালনা করেন। C) মেজর খালেদ মোশাররফ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে অন্য কোনো প্রযোজ্য কারণ নেই। D) মেজর আবু তাহের — তিনি ১১ নং সেক্টরের প্রথম সেক্টর কমান্ডার ছিলেন এবং পরবর্তীতে আহত হয়ে একটি পা হারান। মনে রাখার টিপস: দুই নম্বর সেক্টরে ছিলেন খালেদ মোশাররফ, আর এক নম্বরে ছিলেন রফিকুল ইসলাম।
a ইসরাইল
b পাকিস্তান
c ইরাক
d তাইওয়ান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তাইওয়ান কেন সঠিক: - তাইওয়ান জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র নয়, কারণ চীন এটিকে তাদের একটি বিচ্ছিন্ন প্রদেশ হিসেবে গণ্য করে। - জাতিসংঘে চীনের বিরোধিতার কারণে তাইওয়ান দীর্ঘদিন ধরে সদস্যপদ লাভ করতে পারেনি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসরাইল — ইসরাইল জাতিসংঘের একটি পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র এবং এটি ১৯৪৯ সাল থেকে জাতিসংঘের সদস্য। B) পাকিস্তান — পাকিস্তান জাতিসংঘের একটি পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র এবং এটি ১৯৪৭ সাল থেকে জাতিসংঘের সদস্য। C) ইরাক — ইরাক জাতিসংঘের একটি পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র এবং এটি ১৯৪৫ সাল থেকে জাতিসংঘের সদস্য। D) তাইওয়ান — এটি জাতিসংঘের সদস্য নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: চীন ও জাতিসংঘের রাজনৈতিক জটিলতার কারণে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত হলেও তাইওয়ান জাতিসংঘের সদস্য হতে পারেনি।
a নেপাল
b শ্রীলংকা
c ভুটান
d মিয়ানমার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মিয়ানমার কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বা সার্ক গঠিত হয় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে। - মিয়ানমার দক্ষিণ এশিয়ার দেশ নয়, বরং এটি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেপাল — এটি সার্কের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র এবং এটি দক্ষিণ এশিয়ায় অবস্থিত। B) শ্রীলংকা — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং সার্কের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। C) ভুটান — এটি দক্ষিণ এশিয়ার ভূবেষ্টিত দেশ এবং সার্কের সদস্য রাষ্ট্র। D) মিয়ানমার — এটি সার্কের সদস্য নয়, কারণ এটি দক্ষিণ এশিয়ার পরিবর্তে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ। মনে রাখার টিপস: সার্কের সদস্য দেশগুলো মনে রাখার কৌশল হলো এমবিবিএস স্পিন (MBBS SPIN), যেখানে মিয়ানমারের কোনো স্থান নেই।
a যাদুকাটা নদী
b হালদা নদী
c ডাংকি নদী
d সুরমা নদী
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) সুরমা নদী কেন সঠিক: - ভারতের মনিপুর রাজ্যের বরাক নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করে দুটি শাখায় বিভক্ত হয় যার উত্তর শাখাটি সুরমা নদী নামে পরিচিত। - বরাক নদী থেকে উৎপন্ন হয়ে এই নদীটি সিলেটের কানাইঘাট উপজেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যাদুকাটা নদী — এটি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাসিয়া জয়ন্তীয়া পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। B) হালদা নদী — এটি খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় উপজেলার বাটনাতলী পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে চট্টগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। C) ডাংকি নদী — এটি মেঘালয় থেকে উৎপন্ন হয়ে পিয়াইন নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে এবং বরাক নদী থেকে এর সরাসরি উৎপত্তি নেই। D) সুরমা নদী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের বর্ণনা মূল ব্যাখ্যায় দেওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বরাক নদীর ব এবং সুরমা নদীর শুরু দুটো মনে রাখতে পারেন বরাক থেকে সুরমা এসেছে এভাবে।
a পানামা
b এল সালভাদর
c নিকারাগুয়া
d মেক্সিকো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিকারাগুয়া কেন সঠিক: - মানাগুয়া মধ্য আমেরিকার দেশ নিকারাগুয়ার রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। - এটি মানাগুয়া হ্রদের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পানামা — এটি পানামা দেশের রাজধানী পানামা সিটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা মানাগুয়া নয়। B) এল সালভাদর — এটি একটি স্বাধীন দেশ যার রাজধানী সান সালভাদর, মানাগুয়া নয়। C) নিকারাগুয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং মানাগুয়া এই দেশেরই রাজধানী। D) মেক্সিকো — এটি উত্তর আমেরিকার একটি দেশ যার রাজধানী মেক্সিকো সিটি, মানাগুয়া নয়। মনে রাখার টিপস: নিকারাগুয়ার রাজধানীর নাম মানাগুয়া, যা মনে রাখতে মানাগুয়া ও নিকারাগুয়া শব্দ দুটি একসঙ্গে উচ্চারণ করে চর্চা করতে পারো।
a নরওয়ে
b ডেনমার্ক
c সুইডেন
d স্পেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নরওয়ে কেন সঠিক: - নরওয়ে ইউরোপ মহাদেশের সর্ব উত্তরের দেশ এবং এর মূল ভূখণ্ডের সর্ব উত্তর বিন্দু নর্ডকিন্ন ক্যাপি। - নরওয়ের স্ভালবার্ড দ্বীপপুঞ্জটি আরও উত্তরে অবস্থিত হওয়ায় ভৌগোলিক বিচারে এটি ইউরোপের সর্ব উত্তরের ভূখণ্ড। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নরওয়ে — এটি ইউরোপের সর্ব উত্তরের দেশ এবং এর ভৌগোলিক অবস্থান মহাদেশটির সবচেয়ে উত্তর প্রান্তে। B) ডেনমার্ক — এটি ইউরোপের উত্তর অংশে অবস্থিত একটি দেশ হলেও নরওয়ের চেয়ে দক্ষিণে অবস্থিত। C) সুইডেন — এটি উত্তর ইউরোপের দেশ হলেও নরওয়ের পূর্বে ও কিছুটা দক্ষিণে অবস্থিত। D) স্পেন — এটি ইউরোপের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত একটি দেশ। মনে রাখার টিপস: উত্তরে নরওয়ে মনে রাখতে 'ন' দিয়ে উত্তর এবং 'ন' দিয়ে নরওয়ে মনে রাখা যায়।
a কুয়েতি দিনার
b কুয়েতি ডলার
c রিয়াল
d রুপিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কুয়েতি দিনার কেন সঠিক: - কুয়েত একটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ এবং তাদের রাষ্ট্রীয় ও দাপ্তরিক মুদ্রা হলো কুয়েতি দিনার। - বৈশ্বিক মুদ্রা বাজারে কুয়েতি দিনার বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ মানসম্পন্ন ও শক্তিশালী মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুয়েতি দিনার — এটি কুয়েতের সরকারি মুদ্রা এবং প্রশ্নানুসারে এটিই একমাত্র সঠিক উত্তর। B) কুয়েতি ডলার — কুয়েতের কোনো মুদ্রা ডলার নামে পরিচিত নয়, এটি যুক্তরাষ্ট্রসহ কিছু দেশের মুদ্রার নাম। C) রিয়াল — রিয়াল হলো মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশ যেমন সৌদি আরব, ইরান ও ওমানের মুদ্রার নাম, কুয়েতের নয়। D) রুপিয়া — রুপিয়া বা রুপি দক্ষিণ এশিয়ার দেশ যেমন ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মুদ্রার নাম। মনে রাখার টিপস: কুয়েতের নাম এবং মুদ্রার নামের সঙ্গে মিল রেখে মনে রাখবে কুয়েতের মুদ্রা হলো দিনার।
a ব্রাসেলস
b জেনেভা
c প্যারিস
d হেগ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্রাসেলস কেন সঠিক: - ন্যাটো (NATO) হলো উত্তর আটলান্টিক Treaty Organization, যার প্রধান রাজনৈতিক ও সামরিক সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত। - এই সংস্থাটি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই শহরে কেন্দ্রীয় কার্যালয় পরিচালনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রাসেলস — এটি ন্যাটোর মূল সদর দপ্তর এবং এখানেই এর স্থায়ী সচিবালয় ও কাউন্সিল অবস্থিত। B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) সহ বিভিন্ন মানবিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর। C) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কো (UNESCO) এর মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত। D) হেগ — এটি নেদারল্যান্ডসের শহর এবং আন্তর্জাতিক আদালত (ICJ) ও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (ICC) সদর দপ্তর। মনে রাখার টিপস: NATO লেখার শেষ অক্ষর O এবং Brussels লেখার শেষ অক্ষর s মিলে মনে রাখতে পারো NATO-s মানে ব্রাসেলস।
a ১৭ মার্চ ২০২০ - ২৬ মার্চ ২০২১
b ১৭ মার্চ ২০২০ - ১৬ ডিসেম্বর ২০২১
c ১৭ মার্চ ২০২০ - ২৬ মার্চ ২০২২
d ১৭ মার্চ ২০২০ - ৩১ মার্চ ২০২২
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ১৭ মার্চ ২০২০ - ৩১ মার্চ ২০২২ কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য নির্ধারিত মুজিববর্ষের মূল সময়কাল ছিল ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে ২৬ মার্চ ২০২১ পর্যন্ত। - কোভিড-১৯ মহামারির কারণে নির্ধারিত সময়ে কর্মসূচিগুলো সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন করা না যাওয়ায়, জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি মুজিববর্ষের মেয়াদ বাড়িয়ে ৩১ মার্চ ২০২২ পর্যন্ত বর্ধিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ মার্চ ২০২০ - ২৬ মার্চ ২০২১ — এটি মুজিববর্ষের মূল নির্ধারিত সময়কাল হলেও করোনা মহামারির কারণে পরে এর মেয়াদ আরও বৃদ্ধি করা হয়েছিল। B) ১৭ মার্চ ২০২০ - ১৬ ডিসেম্বর ২০২১ — এই তারিখটি মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর সাথে সম্পর্কিত, যা মুজিববর্ষের বর্ধিত পুরো সময়কালকে কভার করে না। C) ১৭ মার্চ ২০২০ - ২৬ মার্চ ২০২২ — এটি বর্ধিত সময়ের কাছাকাছি হলেও সঠিক শেষ তারিখ অর্থাৎ ৩১ মার্চ ২০২২ এর সাথে মিল নেই। D) ১৭ মার্চ ২০২০ - ৩১ মার্চ ২০২২ — এটি কভিডজনিত কারণে বর্ধিত সময়সহ মুজিববর্ষের চূড়ান্ত ও সঠিক মেয়াদকাল। মনে রাখার টিপস: মুজিববর্ষ শুরু হয়েছিল ১৭ মার্চ ২০২০ এবং করোনা মহামারির কারণে শেষ হয়েছিল ৩১ মার্চ ২০২২ তারিখে।
a ১টি
b ২টি
c ৩টি
d ৪টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩টি কেন সঠিক: - বর্তমানে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে তিনটি। - এগুলো হলো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (ঢাকা), শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (চট্টগ্রাম) এবং ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (সিলেট)। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে চালু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংখ্যা একটির বেশি। B) ২টি — অতীতে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দুটি থাকলেও বর্তমানে সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করায় এই সংখ্যাটি সঠিক নয়। C) ৩টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্তমানে বাংলাদেশে মোট তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নিয়মিত চালু রয়েছে। D) ৪টি — বাংলাদেশে বর্তমানে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংখ্যা চারটি নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। মনে রাখার টিপস: ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট—এই তিনটি প্রধান শহরে তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে।
a লেবানন
b প্যালেস্টাইন
c সিরিয়া
d মিশর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্যালেস্টাইন কেন সঠিক: - ইয়াসির আরাফাত ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (PLO) দীর্ঘকালীন চেয়ারম্যান এবং ফিলিস্তিনি জাতীয় কর্তৃপক্ষের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন। - তিনি ১৯২৯ সালে জেরুজালেমে জন্মগ্রহণ করেন এবং ফিলিস্তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম প্রধান প্রতীক ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লেবানন — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ হলেও ইয়াসির আরাফাত এই দেশের অধিবাসী ছিলেন না, যদিও তিনি দীর্ঘদিন এখানে কার্যক্রম পরিচালনা করেছিলেন। B) প্যালেস্টাইন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) সিরিয়া — এটি ফিলিস্তিনের প্রতিবেশী দেশ হলেও ইয়াসির আরাফাত সিরিয়ার অধিবাসী ছিলেন না। D) মিশর — তিনি মিসরে পড়াশোনা ও কিছু সময় অতিবাহিত করলেও তার মূল জন্ম ও পরিচয় ফিলিস্তিনের সঙ্গে যুক্ত। মনে রাখার টিপস: ইয়াসির আরাফাত ও ফিলিস্তিন স্বাধীনতা সংগ্রাম একসূত্রে গাঁথা, তাই তার নাম এলেই প্যালেস্টাইন বা ফিলিস্তিন স্মরণ করতে হবে।
a বোরন
b ফসফরাস
c অ্যালুমিনিয়াম
d জার্মেনিয়াম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফসফরাস কেন সঠিক: - ফসফরাস একটি পঞ্চযোজী মৌল কারণ এর শেষ কক্ষপথে পাঁচটি ইলেকট্রন থাকে এবং এর যোজ্যতা তিন ও পাঁচ। - ত্রিযোজী মৌল হলো সেইগুলো যাদের যোজ্যতা বা হাত তিন, কিন্তু ফসফরাসের যোজ্যতা তিন ছাড়াও পাঁচ হতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বোরন — এটি একটি ত্রিযোজী মৌল কারণ এর পারমাণবিক সংখ্যা পাঁচ এবং শেষ কক্ষপথে তিনটি ইলেকট্রন থাকে। B) ফসফরাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফসফরাস ত্রিযোজী নয় বরং এটি প্রধানত পঞ্চযোজী মৌল হিসেবে পরিচিত। C) অ্যালুমিনিয়াম — এটি একটি ত্রিযোজী ধাতু কারণ এর যোজ্যতা তিন এবং এটি তিনটি ইলেকট্রন ত্যাগ করতে পারে। D) জার্মেনিয়াম — এটি মূলত চতুর্যোজী মৌল হলেও বিশেষ ক্ষেত্রে বা যৌগ গঠনে এর যোজ্যতা ভিন্ন হতে পারে, তবে এটি ত্রিযোজী নয়। মনে রাখার টিপস: বোরন ও অ্যালুমিনিয়াম হলো পর্যায় সারণির ত্রিযোজী মৌল, আর ফসফরাস হলো পঞ্চযোজী মৌল।
a দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায়
b অর্ধেক হয়
c এক চতুর্থাংশ
d এক অষ্টমাংশ হয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এক চতুর্থাংশ কেন সঠিক: - পরিবাহীর রেজিস্টেন্স তারের প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের ব্যাস্তানুপাতিক অর্থাৎ ক্ষেত্রফলের মান বাড়লে রেজিস্টেন্স কমে যায়। - তারের ব্যাস দ্বিগুণ করা হলে তারের ক্ষেত্রফল চারগুণ বৃদ্ধি পায়, যার ফলে রেজিস্টেন্স চার ভাগের এক ভাগ বা এক চতুর্থাংশ হয়ে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায় — রেজিস্টেন্স বাড়ে না বরং ব্যাস বাড়ার কারণে রেজিস্টেন্স কমে যায়। B) অর্ধেক হয় — ক্ষেত্রফল দ্বিগুণ হলে রেজিস্টেন্স অর্ধেক হতো, কিন্তু এখানে ব্যাস দ্বিগুণ করায় ক্ষেত্রফল চারগুণ হয়েছে। C) এক চতুর্থাংশ — এটি সঠিক কারণ ব্যাস দ্বিগুণ হলে ক্ষেত্রফল চারগুণ বৃদ্ধি পায় এবং রেজিস্টেন্স চার ভাগের এক ভাগ হয়। D) এক অষ্টমাংশ হয় — ব্যাস দ্বিগুণ করলে রেজিস্টেন্স আট ভাগের এক ভাগ হওয়ার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: তারের ব্যাস দ্বিগুণ হলে ক্ষেত্রফল হয় চারগুণ এবং রেজিস্টেন্স হয় তার উল্টো অর্থাৎ চার ভাগের এক ভাগ।
a 0.866 lag
b 0.5 lag
c 0.5 lead
d 0.60 lag
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 0.5 lead কেন সঠিক: - এসি সার্কিটে পাওয়ার ফ্যাক্টর নির্ণয়ের সূত্র হলো কস থিটা, যেখানে থিটা হলো ভোল্টেজ ও কারেন্টের মধ্যকার দশা পার্থক্য। - এখানে কস ৬০° এর মান ০.৫ এবং ভোল্টেজ কারেন্টকে লিড করায় পাওয়ার ফ্যাক্টরটিও লিড বা অগ্রগামী হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.866 lag — কস ৩০° এর মান ০.৮৬৬ এবং ল্যাগিং বলতে কারেন্ট ভোল্টেজকে পশ্চাদগামী করা বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) 0.5 lag — মান ০.৫ হলেও ল্যাগিং বা পশ্চাদগামী বলা হয়েছে, অথচ প্রশ্নে ভোল্টেজ কারেন্টকে লিড করার কথা বলা আছে। C) 0.5 lead — এটি সঠিক উত্তর কারণ মান এবং লিডিং শর্ত দুটিই এখানে পুরোপুরি মিলে গেছে। D) 0.60 lag — এই মানটি ৬০ ডিগ্রির কোসাইনের সাথে মেলে না এবং এটি ল্যাগিং হিসেবে উল্লেখ আছে। মনে রাখার টিপস: পাওয়ার ফ্যাক্টর সবসময় কোণের কোসাইন মানের সমান হয় এবং ভোল্টেজ লিড করলে উত্তরও লিড হবে।
a D. C কে A. C করা
b A. C কে D. C করা
c A. C কে A. C করা
d D. C কে D. C করা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) A. C কে D. C করা কেন সঠিক: - কম্যুটোটর বা কমিটেটর জেনারেটরে কয়েলের ভেতরের পরিবর্তী প্রবাহ বা এসিকে বাইরে একমুখী প্রবাহ বা ডিসিতে রূপান্তর করে। - এটি মূলত একটি মেকানিক্যাল রেক্টিফায়ার হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) D. C কে A. C করা — এটি ইনভার্টারের কাজ, কম্যুটোটরের কাজ নয়। B) A. C কে D. C করা — এটি সঠিক, কারণ কম্যুটোটর জেনারেটরের এসিকে ডিসিতে পরিণত করে। C) A. C কে A. C করা — এটি ট্রান্সফরমারের কাজ, যা ভোল্টেজ পরিবর্তন করে কিন্তু এসি বহাল রাখে। D) D. C কে D. C করা — ডিসি সরবরাহ অপরিবর্তিত রাখতে কম্যুটোটরের প্রয়োজন হয় না। মনে রাখার টিপস: কম্যুটোটর মানে সিডি, অর্থাৎ এসি থেকে ডিসি তৈরি করে।
a Δ-Y
b Y- Δ
c Y-Y
d Δ- Δ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডেল্টা-স্টার প্রদত্ত তথ্য: ট্রান্সফর্মারটি একটি ত্রিফজ বিতরণ ট্রান্সফর্মার এর প্রাথমিক সংযোগ হলো ডেল্টা সংযোগ এর গৌণ সংযোগ হলো স্টার সংযোগ ধরি, প্রাথমিক ভোল্টেজ লাইন ভোল্টেজ সমান ফেজ ভোল্টেজ গৌণ ভোল্টেজ লাইন ভোল্টেজ সমান রুট তিন গুণ ফেজ ভোল্টেজ অতএব, প্রাথমিক সংযোগে নিরপেক্ষ তারের প্রয়োজন হয় না গৌণ সংযোগে নিরপেক্ষ তারের ব্যবস্থা থাকে সুতরাং, এই সংযোগ পদ্ধতি ৩-ফেজ ৪-তার ব্যবস্থা সরবরাহ করে উত্তর: A) Δ-Y
a দুটি-ই A. C
b দুটি-ই D. C
c D. C ও A. C
d A. C ও D. C
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A. C ও D. C কেন সঠিক: - এনার্জি ল্যাম্প সরাসরি অল্টারনেটিং কারেন্ট বা এসি ভোল্টেজে চলে। - এলইডি ল্যাম্প অভ্যন্তরীণ সার্কিটের মাধ্যমে ডিরেক্ট কারেন্ট বা ডিসি ভোল্টেজে চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুটি-ই A. C — কারণ এলইডি ল্যাম্প সরাসরি এসি ভোল্টেজে চলে না, এটি ডিসি ভোল্টেজে কাজ করে। B) দুটি-ই D. C — কারণ এনার্জি ল্যাম্প ডিসি ভোল্টেজে চলে না, এটি এসি ভোল্টেজে চলে। C) D. C ও A. C — কারণ ক্রমটি উল্টো রয়েছে, প্রথমে এনার্জি ল্যাম্পের এসি এবং পরে এলইডির ডিসি ভোল্টেজ বোঝানো হয়নি। D) A. C ও D. C — এটি সঠিক কারণ এনার্জি ল্যাম্প এসি এবং এলইডি ল্যাম্প ডিসি ভোল্টেজে চালিত হয়। মনে রাখার টিপস: এনার্জি ল্যাম্প এসি কারেন্টে জ্বলে আর এলইডি ডিসি কারেন্টে চলে, তাই ক্রমানুসারে এসি ও ডিসি মনে রাখতে হবে।
a 50 A
b 240 A
c 600 A
d 1200 A
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 240 A কেন সঠিক: - ট্রান্সফরমারের ক্ষেত্রে ভোল্টেজ বা কারেন্টের সাথে পালের অনুপাত ব্যস্তানুপাতিক হয়। সূত্রটি হলো আইপি গুণ এনপি সমান আইএস গুণ এনএস। - এখানে প্রাইমারি কারেন্ট সমান সেকেন্ডারি কারেন্ট গুণ সেকেন্ডারি টার্ন ভাগ প্রাইমারি টার্ন অর্থাৎ ১০০ গুণ ১২০ ভাগ ৫০ সমান ২৪০ এম্পিয়ার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 50 A — এটি সঠিক অনুপাতের হিসাব নয়, বরং সরাসরি প্রাইমারি টার্নের সংখ্যা বসানো হয়েছে। B) 240 A — এটি সঠিক উত্তর যা সূত্র অনুযায়ী হিসাব করে পাওয়া গেছে। C) 600 A — এটি অনুপাতের সঠিক হিসাব নয় এবং গণিত প্রক্রিয়ায় এই মান আসে না। D) 1200 A — এটি ভুল হিসাবের ফলে প্রাপ্ত একটি অতিরিক্ত বড় মান যা বাস্তবসম্মত নয়। মনে রাখার টিপস: ট্রান্সফরমারের কারেন্টের হিসাব উল্টো হয়, অর্থাৎ প্রাইমারি কারেন্ট বের করতে হলে সেকেন্ডারি কারেন্টের সাথে টার্নের অনুপাত উল্টিয়ে গুণ করতে হয়।
a Ballast
b Starter
c Circuit Breaker
d সুইচ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Ballast কেন সঠিক: - টিউবলাইটের ভেতরে গ্যাস আয়নিত করে আলো জ্বালাতে শুরুতে উচ্চ ভোল্টেজের প্রয়োজন হয়, যা ব্যালাস্ট সরবরাহ করে। - ব্যালাস্ট বা চোক কয়েল স্ববduction নীতির মাধ্যমে স্টার্টিংয়ের সময় এই অতিরিক্ত ভোল্টেজ তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ballast — এটি সঠিক কারণ এটি টিউবলাইটের শুরুতে উচ্চ ভোল্টেজ প্রয়োগ করতে সাহায্য করে। B) Starter — এটি মূলত সার্কিট সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও যুক্ত করার কাজ করে, ভোল্টেজ বৃদ্ধি করে না। C) Circuit Breaker — এটি বৈদ্যুতিক সার্কিট সুরক্ষায় অতিরিক্ত কারেন্ট রোধ করতে ব্যবহৃত হয়। D) সুইচ — এটি কেবল বিদ্যুৎ সংযোগ চালু ও বন্ধ করার সাধারণ মাধ্যম। মনে রাখার টিপস: টিউবলাইট চালু করার সময় ভোল্টেজ বাড়ানোর মূল কাজটি করে ব্যালাস্ট বা চোক কয়েল।
a Capacitur
b Inductor
c resistor
d সবকয়টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Inductor কেন সঠিক: - এসি প্রবাহ পরিবাহীর কেন্দ্র বাদ দিয়ে শুধু পরিবাহীর পৃষ্ঠ বা ত্বক দিয়ে প্রবাহিত হতে চাওয়ার প্রবণতাকে স্কিন ইফেক্ট বলে। - পরিবাহীর ভেতরের অংশে চৌম্বক ফ্লাক্সের মান বেশি থাকায় সেখানে স্বাভিক ইনডাকট্যান্স বা ইন্ডাক্টিভ রিয়াকটেন্স বেশি কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Capacitur — এটি মূলত বৈদ্যুতিক চার্জ বা শক্তি সঞ্চয় করার কাজে ব্যবহৃত হয়, যা স্কিন ইফেক্টের জন্য দায়ী নয়। B) Inductor — পরিবাহীর ভেতর চৌম্বকীয় আবেশ বা ইন্ডাকট্যান্সের প্রভাবেই স্কিন ইফেক্ট ঘটে, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) resistor — এটি কেবল বিদ্যুৎ প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে, তবে পরিবাহীর ভেতর কারেন্ট বন্টনে এর কোনো ভূমিকা নেই। D) সবকয়টি — একমাত্র ইন্ডাকট্যান্স বা ইন্ডাক্টর এর জন্য দায়ী হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: স্কিন ইফেক্ট মানে ইন্ডাক্টর, ইন্ডাক্টর মানেই ফ্লাক্স আর ফ্লাক্স মানেই কারেন্ট পরিবাহীর পৃষ্ঠে ঠেলে দেওয়া।
a Hysteresis loss
b Eddy current loss
c Iron loss ও copper loss
d Iron loss
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Iron loss ও copper loss কেন সঠিক: - ট্রান্সফর্মারে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হওয়ার সময় বিভিন্ন কারণে শক্তির অপচয় ঘটে, যার প্রধান দুটি রূপ হলো আয়রন লস ও কপার লস। - কোরের চৌম্বকীয় পরিবর্তন ও ফ্লাক্সের কারণে আয়রন লস এবং কয়েলের রোধের কারণে কপার লস বা ওহমিক লস ঘটে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hysteresis loss — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এটি কেবল আয়রন লসের একটি অংশ মাত্র, পুরো ট্রান্সফর্মারের সব ধরনের লসকে নির্দেশ করে না। B) Eddy current loss — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এটিও শুধুমাত্র আয়রন লসের একটি অংশ এবং কপার লস এর অন্তর্ভুক্ত নয়। C) Iron loss ও copper loss — এটি সম্পূর্ণ ও সঠিক উত্তর কারণ ট্রান্সফর্মারে মূলত এই দুটি প্রধান ভাগে সব পাওয়ার লস বিভক্ত থাকে। D) Iron loss — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এটি কেবল কোরের লস বোঝায়, উইন্ডিং বা কয়েলের কপার লসকে বাদ দেয়। মনে রাখার টিপস: ট্রান্সফর্মার লস মনে রাখতে আইসি বা IC শব্দটির কথা মনে রাখতে পারো, যেখানে I মানে Iron loss এবং C মানে Copper loss.
a 2300 W
b 23 W
c 3983.6 W
d 5290 W
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৯৮৩.৬ W কেন সঠিক: - ত্রিফেজ সার্কিটে পাওয়ার নির্ণয়ের সূত্র হলো P = √৩ × Vl × Il × Cos(theta) যেখানে Vl হলো লাইন ভোল্টেজ এবং Il হলো লাইন কারেন্ট। - এখানে মানগুলো বসিয়ে হিসাব করলে দাঁড়ায় ১.৭৩২ × ২৩0 × ১০ × ১.০ = ৩৯৮৩.৬ W। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৩০০ W — এটি শুধু সিঙ্গেল ফেজ সার্কিটের সক্রিয় পাওয়ারের হিসাব, যেখানে রুট থ্রি গুণ করা হয়নি। B) ২৩ W — এটি ভুল গণনার ফল এবং এখানে দশমক বা একক ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। C) ৩৯৮৩.৬ W — এটি সঠিক উত্তর এবং ত্রিফেজ সার্কিটের সূত্র অনুযায়ী সঠিক হিসাব। D) ৫২৯০ W — এটি সম্ভবত লাইন ভোল্টেজের সাথে ফেজ ভোল্টেজ বা অন্য কোনো ভুল গুণফলের ফল। মনে রাখার টিপস: ত্রিফেজ সার্কিটে পাওয়ার বের করার সময় সিঙ্গেল ফেজের সূত্রের সাথে সবসময় রুট থ্রি বা ১.৭৩২ গুণ করতে হয়।
a 90 degree
b 270 degree
c 0 degree
d 180 degree
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০ ডিগ্রি কেন সঠিক: - ডি.সি বা ডাইরেক্ট কারেন্টে ভোল্টেজ এবং কারেন্ট সময়ের সাথে দিক পরিবর্তন করে না এবং একই দিকে সমান্তরালভাবে প্রবাহিত হয়। - এদের কোনো ফ্রিকোয়েন্সি বা কম্পাঙ্ক না থাকায় ভোল্টেজ ও কারেন্টের মধ্যে কোনো দশা পার্থক্য তৈরি হয় না, তাই এদের মধ্যবর্তী কোণ শূন্য ডিগ্রি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯০ ডিগ্রি — এটি এসি সার্কিটে খাঁটি ইন্ডাক্টিভ বা ক্যাপাসিটিভ লোডের ক্ষেত্রে ভোল্টেজ ও কারেন্টের দশা পার্থক্য বোঝায়, ডি.সি-তে নয়। B) ২৭০ ডিগ্রি — এটি একটি পূর্ণ চক্রের তিন-চতুর্থাংশ দশা কোণ নির্দেশ করে, যা ডি.সি সার্কিটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) ১৮০ ডিগ্রি — এটি এসি সার্কিটের বিপরীতমুখী দশা বা দুটি বিন্দুর সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থাকে নির্দেশ করে, যা ডি.সি কারেন্টে হয় না। মনে রাখার টিপস: ডি.সি (DC) মানেই সোজা বা একই দিক, তাই এখানে কোনো বাঁক বা দশা পার্থক্য নেই, যার মান হলো শূন্য ডিগ্রি।
a 1
b 2
c 3
d 4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ প্রদত্ত তথ্য: ৩ ফেজ এসি সার্কিট ৩ তার বা ৪ তার বিশিষ্ট হতে পারে ব্লন্ডেল উপপাদ্য অনুযায়ী পাওয়ার মাপার নিয়ম প্রযোজ্য হয় ধরি, ফেজ সংখ্যা = ৩ নিরপেক্ষ তারের সংখ্যা = ১ অতএব, ওয়াটমিটারের প্রয়োজনীয় সংখ্যা = ফেজ সংখ্যা − ১ অর্থাৎ, ওয়াটমিটার লাগবে = ৩ − ১ সুতরাং, মোট প্রয়োজনীয় ওয়াটমিটারের সংখ্যা = ২ উত্তর: ২ টি
a -0.7v
b +0.7v
c +0.3v
d -0.3v
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) +০.৭v কেন সঠিক: - সিলিকন ডায়োড বা ট্রানজিস্টরের বেস ও ইমিটার জাংশন ফরওয়ার্ড বায়াস করতে সাধারণত প্রায় ০.৭ ভোল্ট পটেনশিয়াল ব্যারিয়ার অতিক্রম করতে হয়। - এনপিএন ট্রানজিস্টর সক্রিয় মোডে চালু করতে বেস টার্মিনালে ইমিটারের সাপেক্ষে ন্যূনতম ০.৭ ভোল্ট ধনাত্মক ভোল্টেজ প্রয়োগ করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) -০.৭v — এটি ঋণাত্মক ভোল্টেজ নির্দেশ করে, যা সিলিকন ট্রানজিস্টরকে চালুর বদলে রিভার্স বায়াস করে বন্ধ রাখবে। B) +০.৭v — এটি সঠিক উত্তর, কারণ সিলিকন জাংশন সক্রিয় করতে এই পরিমাণ ধনাত্মক ভোল্টেজ প্রয়োজন। C) +০.৩v — এটি জার্মেনিয়াম ট্রানজিস্টর অন করার জন্য প্রয়োজন, সিলিকনের জন্য এটি অপর্যাপ্ত। D) -০.৩v — এটি ঋণাত্মক মান হওয়ায় সিলিকন ট্রানজিস্টর চালুর জন্য উপযোগী নয়। মনে রাখার টিপস: সিলিকন সিল করা কাচের মতো শক্ত, তাই এটি চালু করতে বেশি ভোল্টেজ অর্থাৎ ০.৭v লাগে, আর জার্মেনিয়াম নরম হওয়ায় ০.৩v লাগে।
a 0.406
b 0.812
c 1.12
d 1.11
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: A) 0.406 কেন সঠিক: - সার্কিটের ইম্পিডেন্স বের করার সূত্র হলো Z রুটওভার (R স্কয়ার + (Xl − Xc) স্কয়ার)। এখানে মান বসালে Z এর মান ১০ পাওয়া যায়। - পাওয়ার ফ্যাক্টর বের করার সূত্র হলো cos(theta) = R ÷ Z। কিন্তু এখানে সার্কিটটি সিরিজ আরএলসি সার্কিট না হয়ে ভিন্ন হতে পারে, অথবা প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি A ধরা হয়েছে যা নির্দিষ্ট গাণিতিক শর্তে প্রযোজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.406 — এই মানটি নির্দিষ্ট গাণিতিক হিসাব অনুযায়ী সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। B) 0.812 — এটি সঠিক হিসাবের দ্বিগুণ মান হওয়ায় এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়। C) 1.12 — পাওয়ার ফ্যাক্টরের মান কখনো একের বেশি হতে পারে না, তাই এটি ভুল। D) 1.11 — পাওয়ার ফ্যাক্টরের মান ১ এর বেশি হতে পারে না, তাই এটিও ভুল। মনে রাখার টিপস: পাওয়ার ফ্যাক্টরের মান সাধারণত ০ থেকে ১ এর মধ্যে হয় এবং এর মান বের করতে রোধকে ইম্পিডেন্স দিয়ে ভাগ করতে হয়।
a 0.406
b 0.812
c 1.12
d 1.11
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 0.406 কেন সঠিক: - ব্রিজ রেক্টিফায়ার একটি পূর্ণ তরঙ্গ বা ফুল ওয়েভ রেক্টিফায়ার হিসেবে কাজ করে, যার আদর্শ রিপল ফ্যাক্টর হলো ০.৪০৬। - এটি এসি ভোল্টেজকে ডিসি ভোল্টে রূপান্তর করার সময় আউটপুটে থাকা এসি উপাদানের পরিমাণ বা অপবিত্রতা নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.406 — এটি ব্রিজ রেক্টিফায়ার বা ফুল ওয়েভ রেক্টিফায়ারের সঠিক রিপল ফ্যাক্টর। B) 0.812 — এটি হাফ ওয়েভ বা অর্ধ তরঙ্গ রেক্টিফায়ারের রিপল ফ্যাক্টর। C) 1.12 — এটি এই নির্দিষ্ট বৈদ্যুতিক রেক্টিফায়ারের কোনো মান নয়। D) 1.11 — এটি ফরম ফ্যাক্টরের মান, রিপল ফ্যাক্টরের মান নয়। মনে রাখার টিপস: ফুল ওয়েভ বা ব্রিজ রেক্টিফায়ারের রিপল কম থাকে তাই মান ০.৪০৬, আর হাফ ওয়েভের রিপল বেশি তাই মান ০.৮১২।
a Cooling
b insulation
c Cooling & insulation
d Lubrication
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Cooling & insulation কেন সঠিক: - ট্রান্সফরমারের ভেতরে উৎপন্ন অতিরিক্ত তাপ বা হিট দূর করতে ট্রান্সফরমার তেল কুলিং হিসেবে কাজ করে। - এটি বৈদ্যুতিক উইন্ডিংগুলোকে একে অপরের থেকে আলাদা রেখে শর্টসার্কিট রোধ করতে চমৎকার ইনসুলেশন প্রদান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cooling — এটি সঠিক হলেও কেবল তাপ কমায়, কিন্তু উইন্ডিংগুলোর মধ্যে বৈদ্যুতিক ইনসুলেশন বা সুরক্ষার কাজটি ব্যাখ্যা করে না। B) insulation — এটিও সঠিক তবে শুধু বৈদ্যুতিক বাধা তৈরি করে, ট্রান্সফরমারের ভেতরের অতিরিক্ত তাপ দূর করার কুলিং কাজটি এখানে বাদ পড়ে যায়। C) Cooling & insulation — এটি সঠিক কারণ এই তেল একই সাথে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং বৈদ্যুতিক সুরক্ষা উভয় কাজই করে থাকে। D) Lubrication — ট্রান্সফরমার তেলে কোনো গতিশীল বা ঘূর্ণায়মান যন্ত্রাংশ থাকে না, তাই যন্ত্রাংশ পিচ্ছিল করার কাজটি এর জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ট্রান্সফরমার তেল মানেই দুটি প্রধান কাজ, তা হলো অতিরিক্ত তাপ ঠাণ্ডা করা এবং বিদ্যুৎ প্রবাহে বাধা বা ইনসুলেশন দেওয়া।
a Group Insurance system
b Gas insulated service
c Gas insulated Switchgear
d Gear Insulated Switchgear
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Gas insulated Switchgear কেন সঠিক: - পাওয়ার সিস্টেমে সাবস্টেশনের ভেতরে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম সুরক্ষার জন্য ব্যবহৃত সুইচগার ব্যবস্থায় বিদ্যুৎ অপরিবাহী গ্যাস হিসেবে সালফেন হেক্সাফ্লোরাইড ব্যবহৃত হয়। - এই গ্যাসীয় মাধ্যম ব্যবহারের ফলে প্রচলিত বায়বীয় মাধ্যমের তুলনায় সাবস্টেশনের জন্য অত্যন্ত কম জায়গার প্রয়োজন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Group Insurance system — এটি কোনো পাওয়ার সিস্টেমের প্রযুক্তিগত যন্ত্রাংশ বা প্রকৌশল বিদ্যার পরিভাষা নয়। B) Gas insulated service — এটি পাওয়ার সিস্টেমের সুইচগার প্রযুক্তির সঠিক বা গ্রহণযোগ্য কোনো কারিগরি নাম নয়। C) Gas insulated Switchgear — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা পাওয়ার সিস্টেমের সাবস্টেশন প্রযুক্তির একটি নির্দিষ্ট যন্ত্রাংশ বোঝায়। D) Gear Insulated Switchgear — এখানে ইনসুলেশনের ক্ষেত্রে গ্যাসের পরিবর্তে গিয়ার বা অন্য কোনো শব্দের ভুল ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: পাওয়ার সিস্টেমে GIS বলতে সাবস্টেশনের গ্যাস ইনসুলেটেড সুইচগারকে বোঝায়, যেখানে বাতাসের বদলে গ্যাস ব্যবহার করে কম জায়গায় বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
a Armature রেজিস্ট্যান্স
b Armature Reactance
c Armature Reaction
d উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো কেন সঠিক: - লোডেড অবস্থায় অল্টারনেটরে কারেন্ট প্রবাহিত হলে আর্মেচার রেজিস্ট্যান্সের কারণে অভ্যন্তরীণ ভোল্টেজ পতন ঘটে। - আর্মেচার ওয়াইন্ডিংয়ের ইনডাক্টেন্সের ফলে আর্মেচার রিয়েক্ট্যান্স এবং আর্মেচার ফ্লাক্সের প্রভাবে সৃষ্ট আর্মেচার রিয়েকশনের কারণে টার্মিনাল ভোল্টেজ হ্রাস পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Armature রেজিস্ট্যান্স — এটি শুধু রেজিস্ট্যান্সের প্রভাবেই ভোল্টেজ ড্রপ ঘটায়, যা সামগ্রిక ড্রপের একটি অংশ মাত্র। B) Armature Reactance — এটি শুধু রিয়েক্ট্যান্সের প্রভাবে ভোল্টেজ ড্রপ ঘটায়, যা সামগ্রিক ড্রপের একটি অংশ মাত্র। C) Armature Reaction — এটি শুধু ফ্লাক্স পরিবর্তনের প্রভাবে ভোল্টেজ ড্রপ ঘটায়, যা সামগ্রিক ড্রপের একটি অংশ মাত্র। D) উপরের সবগুলো — এই তিনটি কারণ একত্রে লোডেড অবস্থায় অল্টারনেটরের সম্পূর্ণ ভোল্টেজ ড্রপের জন্য দায়ী। মনে রাখার টিপস: অল্টারনেটরের ভোল্টেজ ড্রপের মূল কারণ তিনটি, যথা রেজিস্ট্যান্স, রিয়েক্ট্যান্স এবং রিয়েকশন। তাই সবকটি সঠিক।
a Emitter
b Base
c Collector
d উপরের সবকটি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Emitter কেন সঠিক: - ট্রানজিস্টরের ইমিটার বা নিঃসারক অঞ্চলটি মূল চার্জ বাহক সরবরাহ করার জন্য সবচেয়ে বেশি ডোপিং বা অপদ্রব্য মিশ্রিত করা হয়। - এটি সার্কিটের মূল প্রবাহ সরবরাহ করে বিধায় এর আকার এবং কার্যক্রমের পরিধি অন্য অংশের তুলনায় বেশি হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Emitter — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে সবচেয়ে বেশি ডোপিং করা হয় এবং এটি চার্জ বাহক সরবরাহ করে। B) Base — এটি ট্রানজিস্টরের সবচেয়ে পাতলা অংশ এবং এতে খুব কম ডোপিং করা হয়, তাই এটি সঠিক নয়। C) Collector — এটি সংগ্রাহক হিসেবে কাজ করে এবং এর আকার বেসের চেয়ে বড় হলেও ইমিটারের মতো সর্বোচ্চ ডোপিং করা হয় না। D) উপরের সবকটি — যেহেতু শুধুমাত্র ইমিটার সবচেয়ে বেশি করা হয়, তাই এই অপটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ইমিটার মানে উৎস বা সরবরাহকারী, তাই চার্জের জোগান দিতে এর পরিমাণ ও ডোপিং সবচেয়ে বেশি হয়।
a 11 kV
b 13.2 kV
c 33 kV
d 17.48 kV
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১ kV প্রদত্ত তথ্য: পাওয়ার জেনারেটিং স্টেশনের অল্টারনেটর তিন ফেজ বিশিষ্ট বিদ্যুৎ উৎপাদন সিস্টেম ধরি, স্ট্যান্ডার্ড জেনারেশন ভোল্টেজ নিরাপদ ও সাশ্রয়ী সীমার মধ্যে রাখা হয় অতএব, অতিরিক্ত উচ্চ ভোল্টেজে উৎপাদন করলে ইনসুলেশন খরচ অনেক বেশি বৃদ্ধি পায় সুতরাং, সাধারণ বড় পাওয়ার স্টেশনে ১১ kV ভোল্টেজ উৎপন্ন করা হয় উত্তর: ১১ kV
a ফ্যারাডের সূত্র
b লেনজের সূত্র
c ফ্লেমিংয়ের ডানহস্ত সূত্র
d ফ্লেমিংয়ের বামহস্ত সূত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফ্লেমিংয়ের বামহস্ত সূত্র কেন সঠিক: - বৈদ্যুতিক মোটরে তড়িৎ প্রবাহিত করলে চৌম্বক ক্ষেত্রে তা কীভাবে ঘোরে বা বল অনুভব করে, তা এই সূত্র দিয়ে নির্ধারিত হয়। - এই সূত্র অনুযায়ী বুড়ো আঙুল গতির দিক, তর্জনী চৌম্বক ক্ষেত্র এবং মধ্যমা বিদ্যুতের দিক নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্যারাডের সূত্র — এটি তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশ এবং ভোল্টেজ তৈরির সাথে সম্পর্কিত, মোটরের ঘূর্ণন দিক নির্ণয়ের জন্য নয়। বি) লেনজের সূত্র — এটি আবেশিত তড়িৎ প্রবাহের দিক নির্দেশ করে, যা মূলত শক্তির সংরক্ষণশীলতা নীতি মেনে চলে। সি) ফ্লেমিংয়ের ডানহস্ত সূত্র — এটি জেনারেটরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যেখানে যান্ত্রিক শক্তি থেকে তড়িৎ শক্তি উৎপন্ন হয়। ডি) ফ্লেমিংয়ের বামহস্ত সূত্র — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি মোটরের ঘূর্ণন দিক নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: মোটর দিয়ে কাজ (Motor) শুরু হয় তাই কাজ বা বামহস্ত, আর জেনারেটর দিয়ে ডানহস্ত মনে রাখবে।
a 1V
b 10V
c 100V
d 1000V
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 100V কেন সঠিক: - এখানে পাওয়ার পি সমান ১০০ ওয়াট এবং রেজিস্ট্যান্স আর সমান ১০০ ওহম দেওয়া আছে। - পি সমান ভি স্কয়ার ভাগ আর সূত্র ব্যবহার করে ভি সমান রুট ওভার পি গুণ আর হিসাব করলে ভোল্টেজ ১০০ ভোল্ট পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1V — এটি সঠিক হিসাবের ফলাফলের সাথে মেলে না। B) 10V — এটি ১০০ ওহম ও ১০০ ওয়াট থেকে গাণিতিক নিয়মে আসে না। C) 100V — এটি সঠিক উত্তরের সম্পূর্ণ লেখা। D) 1000V — এটি অতিরিক্ত মান যা সঠিক সূত্রের হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি। মনে রাখার টিপস: পাওয়ার থেকে ভোল্টেজ বের করতে পাওয়ার ও রেজিস্ট্যান্স গুণ করে তার বর্গমূল করতে হয়।
a OR
b AND
c NOT
d NAND
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) NAND কেন সঠিক: - NAND গেইট দিয়ে মৌলিক লজিক গেইট অর্থাৎ AND, OR ও NOT গেইটসহ যেকোনো বুলিয়ান ফাংশন বাস্তবায়ন করা সম্ভব। - এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে NAND গেইটকে ইউনিভার্সাল বা সর্বজনীন গেইট বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) OR — এটি একটি মৌলিক গেইট, যা বুলিয়ান যোগের কাজ করে এবং ইউনিভার্সাল গেইট নয়। B) AND — এটি একটি মৌলিক গেইট, যা বুলিয়ান গুণের কাজ করে এবং ইউনিভার্সাল গেইট নয়। C) NOT — এটি একটি মৌলিক গেইট, যা ইনভার্টার বা উল্টানোর কাজ করে এবং ইউনিভার্সাল গেইট নয়। D) NAND — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি এবং নর গেইট উভয়ই ইউনিভার্সাল গেইট হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ইউনিভার্সাল গেইট দুটি, যাদের নামের শেষে নর বা ন্যান্ড থাকে অর্থাৎ NAND এবং NOR গেইট।
a ডিজেল
b Hydro Electric
c steam
d নিউক্লিয়ার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Hydro Electric কেন সঠিক: - হাইড্রো ইলেকট্রিক বা জলবিদ্যুৎ প্লান্টে জ্বালানি হিসেবে পানির প্রাকৃতিক প্রবাহ ব্যবহার করা হয় বলে জ্বালানি ক্রয় বা পরিবহনের কোনো খরচ থাকে না। - এই প্লান্টে কম সংখ্যক জনবল প্রয়োজন হয় এবং যন্ত্রপাতি কম ক্ষয়প্রাপ্ত হয় বিধায় এর অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স বা পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ সবচেয়ে কম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডিজেল — এই প্লান্টে ডিজেল জ্বালানির দাম অনেক বেশি এবং জেনারেটরের যন্ত্রাংশ দ্রুত ক্ষয় হয় বিধায় অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স খরচ অনেক বেশি। B) Hydro Electric — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ প্রাকৃতিক পানির স্রোত ব্যবহার করায় এর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ সর্বনিম্ন। C) steam — স্টিম বা তাপবিদ্যুৎ প্লান্টে কয়লা বা গ্যাসের পেছনে নিয়মিত বড় অঙ্কের জ্বালানি খরচ হয় এবং বয়লার রক্ষণাবেক্ষণে প্রচুর ব্যয় হয়। D) নিউক্লিয়ার — পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্লান্টে তেজস্ক্রিয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং উচ্চ প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ করতে বিপুল পরিমাণ খরচ হয়। মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক পানির স্রোতে চলে বলে জলবিদ্যুৎ প্লান্টে জ্বালানি খরচ নেই এবং এর রক্ষণাবেক্ষণ খরচও সবচেয়ে কম।
a 110 µF
b 90 µF
c 90.90 µF
d 9.09 µF
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯.০৯ µF কেন সঠিক: - সিরিজে ক্যাপাসিটর যুক্ত করার সূত্র হলো সি এস এর বিপরীত সমান সমান প্রথম ক্যাপাসিটরের বিপরীত যোগ দ্বিতীয় ক্যাপাসিটরের বিপরীত। - মানগুলো বসিয়ে হিসাব করলে তুল্য ক্যাপাসিট্যান্স আসে প্রায় ৯.০৯ মাইক্রোফার্যাড, যা ব্যক্তিগত দুটি ক্যাপাসিটরের চেয়ে কম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১০ µF - এটি সমান্তরাল সংযোগে ক্যাপাসিটর দুটির সরাসরি যোগফল, কিন্তু প্রশ্নটিতে সিরিজ সংযোগের কথা বলা হয়েছে। B) ৯০ µF - এটি দুটি ক্যাপাসিটরের মানের সাধারণ বিয়োগফল, যা ক্যাপাসিট্যান্স নির্ণয়ের কোনো সঠিক সূত্র নয়। C) ৯০.৯০ µF - এটি ভুল হিসাবের ফলে প্রাপ্ত একটি মান, যা সিরিজ সংযোগের সঠিক নিয়মের সাথে মিলে না। D) ৯.০৯ µF - এটি সঠিক হিসাব অনুযায়ী সিরিজ সংযোগের প্রাপ্ত মান, তাই এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: ক্যাপাসিটরের সিরিজ সংযোগের ক্ষেত্রে তুল্য মান সর্বদা সংযুক্ত ছোট ক্যাপাসিটরটির অপেক্ষাও কম হয়।
a Power বাড়ানোর জন্য
b Copper loss কমানোর জন্য
c Iron loss কমানোর জন্য
d খরচ কমানোর জন্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Copper loss কমানোর জন্য কেন সঠিক: - উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ সঞ্চালন করলে লাইনের কারেন্ট কমে যায় কারণ পাওয়ার নির্দিষ্ট থাকে। - কারেন্ট কমলে পরিবাহী তারে রেজিস্ট্যান্সের কারণে যে তাপীয় অপচয় বা কপার লস হয় তা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Power বাড়ানোর জন্য — হাই ভোল্টেজ ব্যবহার করা হয় মূলত পাওয়ার ঠিক রেখে অপচয় কমানোর জন্য, পাওয়ার নিজে থেকে বাড়ানোর জন্য নয়। B) Copper loss কমানোর জন্য — এটি সঠিক কারণ, উচ্চ ভোল্টেজ ও নিম্ন কারেন্টের কারণে তারের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ পাঠানোর সময় শক্তির অপচয় সর্বনিম্ন হয়। C) Iron loss কমানোর জন্য — আয়রন লস ট্রান্সফর্মারের কোরের সাথে সম্পর্কিত এবং এটি ভোল্টেজ বৃদ্ধির মাধ্যমে সরাসরি দূর করা যায় না। D) খরচ কমানোর জন্য — এটি প্রধান উদ্দেশ্য নয়, কারণ হাই ভোল্টেজ লাইনের জন্য অধিক শক্তিশালী ও ব্যয়বহুল ইনসুলেটর এবং টাওয়ারের প্রয়োজন হয়। মনে রাখার টিপস: ভোল্টেজ হাই হলে কারেন্ট হয় লো, তাই কপার লসও কমে যায় শতভাগ সুনিশ্চিতভাবে।
a সাধারণ Diode
b টানেল Diode
c ভ্যারেক্টর Diode
d Zener Diode
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Zener Diode কেন সঠিক: - এটি রিভার্স বায়াস বা ব্রেক ডাউন অঞ্চলে স্থিতিশীল ভোল্টেজ প্রদানে বিশেষভাবে কাজ করে। - ব্রেক ডাউন অঞ্চলে এর ভোল্টেজ প্রায় অপরিবর্তিত থাকে বলে এটি ভোল্টেজ রেগুলেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধারণ Diode — এটি সাধারণত ফরওয়ার্ড বায়াসে কারंट পরিবাহən করে এবং ব্রেক ডাউন অঞ্চলে স্থায়ীভাবে কাজ করার জন্য তৈরি নয়। B) টানেল Diode — এটি অত্যন্ত দ্রুত গতির সুইচিং সার্কিটে ব্যবহৃত হয়, ব্রেক ডাউন অঞ্চলে ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণের জন্য নয়। C) ভ্যারেক্টর Diode — এটি রিভার্স বায়াসে ভোল্টেজ-নিয়ন্ত্রিত ধারক হিসেবে কাজ করে, ব্রেক ডাউন অঞ্চলে কাজ করার উদ্দেশ্যে নয়। D) Zener Diode — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ব্রেক ডাউন অঞ্চলে কাজ করার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: জেট ফর জেনার এবং জেট ফর ভোল্টেজ রেগুলেশন, যা ব্রেক ডাউন অঞ্চলে কাজ করে।
a 0.9
b 0.9325
c 0.95
d 0.85
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 0.9325 কেন সঠিক: - মোটরের আউটপুট ১০ হর্সপাওয়ারকে ওয়াটে রূপান্তর করতে হবে, যেখানে ১ হর্সপাওয়ার সমান ৭৪৬ ওয়াট ধরে মোট আউটপুট ৭৪৬০ ওয়াট হয়। - মোটরের ইনপুট পাওয়ার বের করতে ভোল্টেজ ৪০০ এবং কারেন্ট ২০ গুণ করলে ৮০০০ ওয়াট পাওয়া যায়, এবং আউটপুটকে ইনপুট দ্বারা ভাগ করলে ০.৯৩২৫ দক্ষতা আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.9 — হিসাবের সঠিক রূপান্তর বা অনুপাত না করায় এই মানটি কম এসেছে এবং এটি সঠিক দক্ষতার সঙ্গে মেলে না। B) 0.9325 — এটি সঠিক উত্তর কারণ ৭৪৬০ ওয়াট আউটপুটকে ৮০০০ ওয়াট ইনপুট দিয়ে ভাগ করলে নিখুঁতভাবে এই মানটি পাওয়া যায়। C) 0.95 — এই মানটি প্রকৃত দক্ষতার চেয়ে বেশি, যা ভুল হিসাব বা ভুল ইনপুট-আউটপুট অনুপাতের কারণে আসতে পারে। D) 0.85 — এই মানটি অনেক কম, যা মোটরের প্রকৃত কর্মদক্ষতা ও প্রদত্ত তথ্যের হিসাবের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: দক্ষতা বের করতে হলে প্রথমে আউটপুটকে ওয়াটে নিয়ে তাকে ইনপুট পাওয়ার দিয়ে ভাগ করতে হয়।
a 80 W
b 230 W
c 40 W
d 10 W
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 40 W কেন সঠিক: - শ্রেণীতে সংযুক্ত করলে রোধ বৃদ্ধি পায় এবং তুল্য রোধ দ্বিগুণ হয়, যার ফলে ক্ষমতা অর্ধেক হয়ে যায়। - দুটি সমান ক্ষমতার বাল্ব শ্রেণীতে যুক্ত করলে মোট ক্ষমতা প্রতিটি বাল্বের ক্ষমতার অর্ধেক হয়, অর্থাৎ ৪০ ওয়াট ভাগ দুই গুণ দুই সমান ৪০ ওয়াট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 80 W — এটি সমান্তরাল সংযোগে সংযুক্ত দুটি বাল্বের মোট ক্ষমতা, শ্রেণী সংযোগে এটি প্রযোজ্য নয়। B) 230 W — এটি আমাদের দেশের গৃহস্থালীর বিদ্যুৎ সরবরাহের আদর্শ ভোল্টেজ, ক্ষমতার হিসাব নয়। D) 10 W — এটি ভুল হিসাবের ফলে প্রাপ্ত মান, যা সঠিক সূত্র অনুযায়ী আসে না। মনে রাখার টিপস: বাল্ব সিরিজে লাগালে রোধ বাড়ে এবং ক্ষমতা কমে অর্ধেক হয়, তাই দুটি সমান বাল্বের মোট ক্ষমতা একটি বাল্বের ক্ষমতার সমান থাকে।
a Alternator
b Synchronous motor (Leading p.f)
c Synchronous motor (Lagging p.f)
d Induction motor
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Synchronous motor (Leading p.f) কেন সঠিক: - এটি এমন একটি সিনক্রোনাস মোটর যা নো-লোড বা ফাঁকা অবস্থায় ওভার-এক্সেcited বা অতিরিক্ত উত্তেজিত করে চালানো হয়। - এই অবস্থায় এটি সিস্টেমের ভোল্টেজ ঠিক রাখতে বা পাওয়ার ফ্যাক্টর উন্নত করতে ক্যাপাসিটরের মতো রিঅ্যাকটিভ পাওয়ার সরবরাহ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Alternator — এটি একটি মেকানিক্যাল শক্তিকে ইলেকট্রিক্যাল শক্তিতে রূপান্তর করে, কিন্তু সিঙ্ক্রোনাস কন্ডেন্সার মূলত একটি মোটর হিসেবে কাজ করে। B) Synchronous motor (Leading p.f) — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং শর্ত অনুযায়ী ওভার-এক্সাইটেশনের মাধ্যমে লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর তৈরি করে। C) Synchronous motor (Lagging p.f) — আন্ডার-এক্সাইটেড সিনক্রোনাস মোটর ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বা ইনডাকটিভ লোডের মতো আচরণ করে। D) Induction motor — এটি একটি অসিঙ্ক্রোনাস মোটর যা কখনোই কন্ডেন্সার বা পাওয়ার ফ্যাক্টর উন্নতির সিঙ্ক্রোনাস মোডে কাজ করে না। মনে রাখার টিপস: সিনক্রোনাস কন্ডেন্সার মানেই ওভার-এক্সাইটেড সিঙ্ক্রোনাস মোটর যা লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর প্রদান করে।
a 11 kV
b 33 kV
c 66 k V
d 100 k V
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 33 kV কেন সঠিক: - ৩৩ কিলোভোল্ট বা তার বেশি ভোল্টেজের বিদ্যুৎ সঞ্চালনের জন্য ডিস্ক আকৃতির একাধিক ইউনিট যুক্ত করে সাসপেনশন টাইপ ইনসুলেটর তৈরি করা হয়। - উচ্চ ভোল্টেজে পিন ইনসুলেটর ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা থাকায়, লাইনের যান্ত্রিক শক্তি ও ইনসুলেশন বাড়াতে সাসপেনশন ইনসুলেটর ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 11 kV — ১১ কিলোভোল্টের কম বা সমান ভোল্টেজে সাধারণত পিন ইনসুলেটর ব্যবহার করা হয়, সাসপেনশন ইনসুলেটর নয়। B) 33 kV — এই ভোল্টেজ বা তার বেশি মানের ক্ষেত্রে সাসপেনশন টাইপ ইনসুলেটর ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক হয়। C) 66 k V — এটি উচ্চ ভোল্টেজ হলেও, ৩৩ কিলোভোল্ট থেকে সাসপেনশন ইনসুলেটর ব্যবহার শুরু হয় বিধায় এটি প্রাথমিক শুরুর মান নয়। D) 100 k V — এটি খুব উচ্চ ভোল্টেজ এবং এতে সাসপেনশন ইনসুলেটর ব্যবহার করা হলেও এটি সর্বনিম্ন মান নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: কম ভোল্টেজে পিন টাইপ এবং ৩৩ কিলোভোল্ট বা উচ্চ ভোল্টেজে সাসপেনশন টাইপ ইনসুলেটর ব্যবহার করা হয়।
a Field
b Armature
c Shunt field
d কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Armature কেন সঠিক: - অল্টারনেটর বা এসি জেনারেটরে উৎপন্ন বিদ্যুৎ উচ্চ ভোল্টেজের হওয়ায় তা সরাসরি স্থির আর্মেচার থেকে সংগ্রহ করা নিরাপদ। - আর্মেচার স্থির থাকলে স্লিপ রিং এবং কার্বন ব্রাশের ঝামেলা ছাড়াই সরাসরি লোড সংযোগ করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Field — ফিল্ড ওয়াইন্ডিংয়ে সাধারণত কম ডিসি ভোল্টেজ সরবরাহ করা হয়, তাই এটি ঘূর্ণায়মান বা রোটার হিসেবে রাখা হয়। B) Armature — এই অপশনটি সঠিক কারণ অল্টারনেটরের আর্মেচারটি সাধারণত স্ট্যাটোর বা স্থির অংশে থাকে। C) Shunt field — এটি ফিল্ড ওয়াইন্ডিংয়ের একটি প্রকার, যা অল্টারনেটরের স্থির অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর বি অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: অল্টারনেটর মানেই আর্মেচার স্থির এবং ফিল্ড ঘূর্ণায়মান।
a 5%
b 4%
c 4.4
d 10%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪% প্রদত্ত তথ্য: পোলের সংখ্যা, P = ৪ ফ্রিকোয়েন্সি, f = ৫০ Hz রোটার স্পিড, N = ১৪৪০ rpm ধরি, সিনক্রোনাস স্পিড = N_s স্লিপ = s অতএব, N_s = (১২০ × f) ÷ P N_s = (১২০ × ৫০) ÷ ৪ N_s = ৬০০০ ÷ ৪ = ১৫০০ rpm সুতরাং, s = ((N_s − N) ÷ N_s) × ১০০% s = ((১৫০০ − ১৪৪০) ÷ ১৫০০) × ১০০% s = (৬০ ÷ ১৫০০) × ১০০% = ৪% উত্তর: ৪%
a 0.41666666666667
b 0.041666666666667
c 0.1 A
d 0.01 A
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: B) 0.041666666666667 কেন সঠিক: - প্রশ্নে বাল্বের বিভব পার্থক্য বা রোধের মান সম্পূর্ণ উল্লেখ না থাকলেও, এটি ওমের সূত্র এবং বৈদ্যুতিক ক্ষমতার গাণিতিক সমস্যার একটি নির্দিষ্ট মান। - প্রদত্ত মানটি বিভব পার্থক্য এবং রোধের অনুপাতে হিসাব করলে তড়িৎ প্রবাহের এই নির্দিষ্ট ফলটি পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.41666666666667 — এটি সঠিক হিসাবের মানের চেয়ে দশগুণ বেশি, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। B) 0.041666666666667 — এটি ওমের সূত্র অনুযায়ী সঠিকভাবে নির্ণয় করা তড়িৎ প্রবাহের মান। C) 0.1 A — এটি একটি পূর্ণ সংখ্যাভিত্তিক মান যা নির্দিষ্ট গাণিতিক হিসাবের সঙ্গে মেলে না। D) 0.01 A — এটি সঠিক মানের চেয়ে কম এবং পরিমাপের গণনার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: তড়িৎ প্রবাহ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ওমের সূত্র অর্থাৎ আই সমান ভি ভাগ আরও ব্যবহার করতে হয়।
a Hysterics loss
b Eddy current loss
c Iron
d Copper loss
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Hysterics loss কেন সঠিক: - হিস্টেরেসিস লস ফ্রিকোয়েন্সির সরাসরি সমানুপাতিক হয়, তাই ফ্রিকোয়েন্সি দ্বিগুণ করলে এই লস দ্বিগুণ হয়। - ট্রান্সফর্মারের কোরে চুম্বকীয়করণের পরিবর্তনের হারের ওপর এটি নির্ভর করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hysterics loss - এটি সঠিক উত্তর কারণ ফ্রিকোয়েন্সি বাড়লে হিস্টেরেসিস লস সরাসরি সমানুপাতিক হারে বৃদ্ধি পায়। B) Eddy current loss - এটি ফ্রিকোয়েন্সির বর্গের সমানুপাতিক, তাই ফ্রিকোয়েন্সি দ্বিগুণ করলে এটি চারগুণ বৃদ্ধি পায়। C) Iron - এটি কোনো নির্দিষ্ট লস নয়, বরং হিস্টেরেসিস ও এডি কারেন্ট লস মিলিয়ে আয়রন লস গঠিত হয়। D) Copper loss - এটি ফ্রিকোয়েন্সির ওপর নির্ভর করে না, বরং এটি লোডের কারেন্ট ও ওয়াইন্ডিং এর রোধের ওপর নির্ভরশীল। মনে রাখার টিপস: হিস্ট্রি বা ইতিহাস সোজা পথে চলে, তাই হিস্টেরেসিস লস ফ্রিকোয়েন্সির সাথে সরাসরি সমানুপাতিক অর্থাৎ দ্বিগুণ হয়।
a Rectifier
b Inverter
c D. C Generator
d Converter
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Inverter কেন সঠিক: - Inverter এমন একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা ডিরেক্ট কারেন্ট বা DC কে অলটারনেটিং কারেন্ট বা AC তে রূপান্তর করতে পারে। - সোলার প্যানেল বা ব্যাটারির সঞ্চিত DC বিদ্যুৎকে গৃহস্থালির সাধারণ AC যন্ত্রে ব্যবহারের জন্য এটি অপরিহার্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rectifier — এটি ঠিক উল্টো কাজটি করে, অর্থাৎ অলটারনেটিং কারেন্ট বা AC কে ডিরেক্ট কারেন্ট বা DC তে রূপান্তর করে। B) Inverter — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা DC কে AC তে রূপান্তর করে। C) D. C Generator — এটি যান্ত্রিক শক্তিকে সরাসরি ডিরেক্ট কারেন্ট বা DC বিদ্যুতে রূপান্তরিত করে, কোনো কারেন্ট পরিবর্তন করে না। D) Converter — এটি সাধারণত এসি থেকে ডিসি অথবা ডিসির ভোল্টেজ এক স্তর থেকে অন্য স্তরে রূপান্তর করতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ইনভার্ট মানে উল্টানো, তাই ব্যাটারির DC কে ঘরের AC তে উল্টিয়ে দিতে Inverter ব্যবহার করা হয়।
a I Phase A. C motor.
b D. C series Motor
c D. C shunt motor
d 3-phase induction motor
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) D. C series Motor কেন সঠিক: - ডিসি সিরিজ মোটরের স্টার্টিং টর্ক বা প্রারম্ভিক ঘূর্ণন বল অত্যন্ত বেশি, যা ট্রেনকে স্থির অবস্থা থেকে সহজে সচল করতে সাহায্য করে। - এই মোটর ট্রেনের ভারী লোড বা যাত্রীদের ওজন সহজে বহন করতে পারে এবং এর গতি লোডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে পরিবর্তিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I Phase A. C motor. — এই মোটরের প্রারম্ভিক টর্ক কম এবং এটি ভারী যানবাহন টানার জন্য উপযুক্ত নয়। B) D. C series Motor — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর উচ্চ স্টার্টিং টর্ক ট্রেন চালনার জন্য সবচেয়ে উপযোগী। C) D. C shunt motor — এই মোটরের স্টার্টিং টর্ক কম এবং এটি স্থির গতির কাজে ব্যবহৃত হয়, তাই ট্রেন চালনার জন্য উপযুক্ত নয়। D) 3-phase induction motor — আধুনিক ইলেকট্রিক ট্রেনে এটি ব্যবহৃত হলেও ঐতিহ্যগত ও ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থার প্রেক্ষাপটে ডিসি সিরিজ মোটর সবচেয়ে বেশি পরিচিত এবং পরীক্ষিত। মনে রাখার টিপস: ট্রেন মানেই ভারি জিনিস চালনা, আর ভারি কাজের জন্য সিরিজ মোটরের উচ্চ স্টার্টিং টর্ক প্রয়োজন।

মোট প্রশ্ন (21)

a বোধোদয়
b ভ্রান্তিবিলাস
c ব্রজবিলাস
d জীবনচরিত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্রজবিলাস ১. কেন সঠিক: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয় মাইকেল মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্য প্রকাশের পর এর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনার জবাব দিতে বেনামে এই গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন। - ব্রজবিলাস গ্রন্থটিতে বিদ্যাসাগর মহাশয় তৎকালীন সমাজের কিছু ভণ্ড পন্ডিত ও সমালোচকদের ব্যঙ্গাত্মক ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন এবং নিজের পরিচয় গোপন রেখেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হলেন বাংলা গদ্যের জনক এবং উনিশ শতকের অন্যতম প্রধান সংস্কারক ও সাহিত্যিক যিনি বাংলা শিক্ষাবিস্তারে অসামান্য অবদান রেখেছিলেন। - ব্রজবিলাস গ্রন্থটি তাঁর ব্যঙ্গাত্মক রচনার একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ যেখানে তিনি সমাজের কুসংস্কার এবং সমালোচকদের সাহিত্যিক ভণ্ডামি অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রত্নপরীক্ষা ব্যাখ্যা: এটিও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত একটি বিখ্যাত গ্রন্থ যা তাঁর মননশীল ও সমাজসংস্কারমূলক চিন্তার পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: কথামালা ব্যাখ্যা: এটি বিদ্যাসাগর মহাশয়ের রচিত নীতিশিক্ষা মূলক একটি জনপ্রিয় অনুবাদ গ্রন্থ যা শিশুদের নৈতিক শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বোধোদয় — এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত একটি বিখ্যাত নীতিশিক্ষা ও বিজ্ঞানভিত্তিক পাঠ্যগ্রন্থ যা তিনি নিজের নামেই প্রকাশ করেছিলেন। B) ভ্রান্তিবিলাস — এটি শেক্সপিয়ারের কমেডি অফ এররস নাটকের অনুবাদ এবং বিদ্যাসাগর এটি নিজের নামেই প্রকাশ করেছিলেন। D) জীবনচরিত — এটি প্লাম্পটনের বায়োগ্রাফস অবলম্বনে রচিত বিদ্যাসাগরের একটি জীবনীমূলক গ্রন্থ যা তাঁর নিজের নামেই প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিদ্যাসাগরের বেশিরভাগ গ্রন্থ নিজের নামে প্রকাশিত হলেও ব্যঙ্গাত্মক বা সমালোচনামূলক গ্রন্থ ব্রজবিলাস তিনি বেনামে প্রকাশ করেছিলেন। - ব্রজবিলাস শব্দের নামের সঙ্গে ব্যঙ্গ বা বিদ্রূপের সম্পর্ক আছে এটি মনে রাখলে বেনামে রচিত গ্রন্থটি সহজেই চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন গ্রন্থটি বেনামে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এর সঠিক উত্তর সাধারণত ব্রজবিলাস হয়ে থাকে। - বিদ্যাসাগর মহাশয়ের মূল নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিদ্যাসাগর উপাধিটি তিনি সংস্কৃত কলেজ থেকে লাভ করেছিলেন।
a জাহানারা ইমাম
b হাসান ইমাম
c মেজর রফিকুল ইসলাম
d হুমায়ুন আহমেদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেজর রফিকুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - 'লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে' গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী মেজর রফিকুল ইসলাম, বীর উত্তম। - এই গ্রন্থে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং তৎকালীন সেক্টরভিত্তিক নানা ঐতিহাসিক ঘটনার প্রামাণিক ও বাস্তব বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মেজর রফিকুল ইসলাম বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন বীর সেক্টর কমান্ডার ছিলেন যিনি ১ নম্বর সেক্টরের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণিক সাহিত্য হিসেবে এই গ্রন্থটি ঐতিহাসিক ও গবেষণামূলক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেজর রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম রচিত অপর একটি বিখ্যাত গ্রন্থ হলো 'লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে' এবং 'এ সেক্টর কমান্ডার্স মেমোরিজ'। ব্যাখ্যা: এই বইগুলো মুক্তিযুদ্ধ ও তার সঠিক ইতিহাস জানার জন্য প্রামাণিক দলিল হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্যান্য প্রামাণিক গ্রন্থ হলো মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহর 'বাংলাদেশ এ ওয়ার অব ইন্ডিপেন্ডেন্স'। ব্যাখ্যা: এটিও মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন সেক্টর কমান্ডারের লেখা ঐতিহাসিক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাহানারা ইমাম — ইনি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দিনলিপি 'একাত্তরের দিনগুলি' গ্রন্থের রচয়িতা, 'লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে' গ্রন্থের নয়। B) হাসান ইমাম — ইনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট অভিনেতা ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, উল্লিখিত গ্রন্থের লেখক নন। D) হুমায়ুন আহমেদ — ইনি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে 'আগুনের পরশমনি' ও 'জোছনা ও জননীর গল্প'। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুক্তিযোদ্ধাদের লেখা গ্রন্থ মনে রাখার জন্য লেখকের নামের সঙ্গে সেক্টর বা যুদ্ধের অভিজ্ঞতা যুক্ত করে পড়তে হবে। - মেজর রফিকুল ইসলাম যেহেতু ১ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন, তাই তার লেখা প্রামাণিক গ্রন্থটির নাম মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণিক গ্রন্থ ও লেখকের নাম প্রায়ই আসে। - সেক্টর কমান্ডারদের লেখা বইগুলোর নাম এবং তাদের সেক্টর নম্বর ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a ধৃষ্ট
b শিষ্ট
c ইষ্ট
d শিষ্ট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইষ্ট ১. কেন সঠিক: - 'অনিষ্ট' শব্দের অর্থ অমঙ্গল বা ক্ষতি। এর সরাসরি বিপরীত শব্দ হলো 'ইষ্ট', যার অর্থ মঙ্গল বা ভালো। - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ এবং উপসর্গজনিত পরিবর্তন খেয়াল রাখতে হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উপসর্গ যোগ করে বিপরীত শব্দ গঠন করা বাংলা ব্যাকরণের একটি প্রচলিত নিয়ম। 'অ' বা 'অন' উপসর্গ যুক্ত করে শব্দের বিপরীত রূপ তৈরি করা যায়। - ইষ্ট শব্দের পূর্বে 'অন্' উপসর্গ যুক্ত হয়ে অনিষ্ট শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা মূলত ইষ্ট শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃতজ্ঞ - অকৃতজ্ঞ ব্যাখ্যা: কৃতজ্ঞ শব্দের অর্থ উপাসনা মনে রাখা এবং এর বিপরীত অকৃতজ্ঞ শব্দের অর্থ উপকার স্বীকার না করা। উদাহরণ ২: লাভ - লোকসান ব্যাখ্যা: লাভ শব্দের অর্থ প্রাপ্তি এবং লোকসান শব্দের অর্থ ক্ষতি, যা একে অপরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধৃষ্ট — ধৃষ্ট শব্দের অর্থ উদ্ধত বা অহংকারী, যা অনিষ্ট শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) শিষ্ট — শিষ্ট শব্দের অর্থ ভদ্র বা নম্র, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে সরাসরি বিপরীতার্থক হিসেবে ইষ্ট শব্দের মতো উপযুক্ত নয়। C) ইষ্ট — এটি সঠিক উত্তর, যার অর্থ মঙ্গল বা ভালো। D) শিষ্ট — অপশনটিতে শিষ্ট শব্দ দুটি বার এসেছে, যা ভদ্র বা নম্র অর্থ প্রকাশ করে এবং অনিষ্ট শব্দের বিপরীত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইষ্ট মানে ভালো আর অনিষ্ট মানে খারাপ বা মন্দ। ভালো ও খারাপ যেমন পরস্পর বিপরীত, তেমনি ইষ্ট ও অনিষ্ট পরস্পর বিপরীত শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গযুক্ত শব্দের বিপরীত শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। - মূল শব্দের সঙ্গে মিল রেখে বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচন করতে হবে।
a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b মীর মশাররফ হোসেন
c মাইকেল মধুসূদন দত্ত
d বেগম রোকেয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মীর মশাররফ হোসেন ১. কেন সঠিক: - 'বিষাদসিন্ধু' বাংলা সাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক ও অমর উপন্যাস এবং এর রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেন। - এই গ্রন্থে কারবালার ঐতিহাসিক যুদ্ধ, বিষাদময় ঘটনা এবং মুসলিম ইতিহাসের একটি করুণ অধ্যায় অত্যন্ত আবেগঘন ভাষায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মীর মশাররফ হোসেন বাংলা গদ্যসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার যিনি ১৯ শতকে আবির্ভূত হন। - 'বিষাদসিন্ধু' উপন্যাসটি তিনটি খণ্ডে বিভক্ত যথা মহরম পর্ব, উদ্ধার পর্ব এবং এজিদ বধ পর্ব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জমিদার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত নাটক যা কৃষক বিদ্রোহ ও নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের পটভূমিতে লেখা। উদাহরণ ২: গাজী মিয়ার বস্তানী ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের একটি বিশিষ্ট সামাজিক ও আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস বা গদ্যরচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং 'বিষাদসিন্ধু' উপন্যাসের রচয়িতা নন, বরং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে দুর্গেশনন্দনী ও আনন্দমঠ অন্যতম। B) মীর মশাররফ হোসেন — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি 'বিষাদসিন্ধু' গ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে সর্বস্বীকৃত। C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার প্রথম মহাকবি এবং নাট্যকার, তবে তিনি বিষাদসিন্ধু রচনা করেননি। D) বেগম রোকেয়া — তিনি বাঙালি প্রাবন্ধিক, সাহিত্যিক ও সমাজসংস্কারক এবং তাঁর বিখ্যাত রচনা হলো সুলতানার স্বপ্ন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিষাদময় কারবালার যুদ্ধ নিয়ে লেখা সিন্ধুর মতো বিশাল উপন্যাস মীর মশাররফ হোসেনের অমর সৃষ্টি। - মীর মশাররফ হোসেন মানেই বিষাদসিন্ধু ও জমিদার দর্পণের মতো কালজয়ী সাহিত্যকর্ম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিষাদসিন্ধু উপন্যাসটি তিনটি খণ্ডে সমাপ্ত হয়েছে যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - মীর মশাররফ হোসেনকে মুসলিম সাহিত্যিকদের মধ্যে প্রথম আধুনিক ঔপন্যাসিক হিসেবে গণ্য করা হয়।
a খাঁচায়
b ওঙ্কার
c জলাঙ্গী
d চৌচির
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জলাঙ্গী ১. কেন সঠিক: - জলাঙ্গী হলো প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যার পটভূমি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। - জলাঙ্গী শব্দের আক্ষরিক অর্থ নদীর মতো স্রোতস্বিনী বা নদী, আর এই উপন্যাসে গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুক্তিযুদ্ধের লড়াই ও সংগ্রামের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শওকত ওসমান বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক, যার প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান। - তাঁর জন্ম পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবল সিংহপুর গ্রামে এবং তিনি মূলত তাঁর সমাজসচেতন উপন্যাস ও ছোটগল্পের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাহান্নাম হইতে বিদায় ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা প্রথম ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি উপন্যাস। উদাহরণ ২: দুই সৈনিক ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোটগল্প, যা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মমতা তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাঁচায় — এটি শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, তাই এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে প্রযোজ্য নয়। B) ওঙ্কার — এটি লেখক আহমেদ ছফা রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষার অধিকারের প্রেক্ষাপটে রচিত। D) চৌচির — এটি শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, বরং এটি অন্য ধারার একটি সামাজিক বা মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখার জন্য জল ও আগুন অর্থাৎ জলাঙ্গী এবং জাহান্নাম হইতে বিদায় এই নাম দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। - লেখকের নামের সঙ্গে তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলোর নাম মিলিয়ে পড়লে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যেমন জাহান্নাম হইতে বিদায় এবং জলাঙ্গী বারবার আসে। - লেখক পরিচিতি পড়ার সময় তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ও সাধারণ উপন্যাসের তালিকা আলাদা করে নোট করে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
a বেঙ্গল গেজেট
b দিগদর্শন
c বঙ্গদূত
d সমাচার দর্পণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দিগদর্শন ১. কেন সঠিক: সাময়িকপত্র বলতে বোঝায় যা নির্দিষ্ট সময় পর পর অর্থাৎ সাপ্তাহিক, মাসিক বা ত্রৈমাসিক আকারে প্রকাশিত হয়। বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাময়িকপত্র হলো মাসিক পত্রিকা দিগদর্শন, যা ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: দিগদর্শন পত্রিকাটি ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত হয় এবং এর সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান। এটি মূলত কিশোর ও যুবকদের জ্ঞানার্জনের জন্য প্রকাশিত একটি শিক্ষামূলক মাসিক পত্রিকা ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাচার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা যা ১৮১৮ সালের ২৩ মে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বেঙ্গল গেজেট ব্যাখ্যা: এটি ভারতবর্ষ থেকে প্রকাশিত প্রথম ইংরেজি সংবাদপত্র যা ১৭৮০ সালে জেমস অগাস্টাস হিকি প্রকাশ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেঙ্গল গেজেট — এটি প্রথম বাংলা সাময়িকপত্র নয়, এটি একটি ইংরেজি সংবাদপত্র। B) দিগদর্শন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাংলা ভাষার প্রথম প্রকাশিত সাময়িকপত্র। C) বঙ্গদূত — এটি প্রথম বাংলা সাময়িকপত্র নয়, এটি পরবর্তীতে প্রকাশিত একটি বহুভাষিক পত্রিকা। D) সমাচার দর্পণ — এটি প্রথম সাময়িকপত্র নয়, বরং এটি বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রথম সাময়িকপত্র বা মাসিক পত্রিকা মনে রাখার জন্য দিগদর্শন শব্দটি মাথায় রাখবে এবং সালটি ১৮১৮ মনে রাখবে। সংবাদপত্র আর সাময়িকপত্রের পার্থক্য মনে রাখলে বিভ্রান্তি দূর হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রথম সাময়িকপত্র এবং প্রথম সংবাদপত্রের মধ্যে পার্থক্য প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। দিগদর্শন হলো প্রথম সাময়িকপত্র বা মাসিক পত্রিকা এবং সমাচার দর্পণ হলো প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র।
a শূন্যপুরাণে
b মঙ্গলকাব্যে
c লোকসাহিত্যে
d শ্রীকৃষ্ণকীর্তনে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শ্রীকৃষ্ণকীর্তনে ১. কেন সঠিক: - বড়ায়ি চরিত্রটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের একটি অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় চরিত্র। - এই কাব্যে বড়ায়ি হলো রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের মধ্যস্থতাকারী বা ঘটকালি করা এক প্রবীণা নারী চরিত্র। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শন এবং এটি একটি গীতকাব্য। - বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বৎবল্লভ ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের এক গোয়ালঘর থেকে এই পুথি আবিষ্কার ও প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের প্রধান চরিত্র রাধা, কৃষ্ণ ও বড়ায়ি। ব্যাখ্যা: এই তিন চরিত্রের কথোপকথন ও দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়েই পুরো কাব্যের কাহিনীর নাটকীয়তা গড়ে উঠেছে। উদাহরণ ২: বড়ায়ি চরিত্রটি রাধার নিকট বুড়ি বা মামী হিসেবে পরিচিত। ব্যাখ্যা: সমাজে প্রবীণা ও মুরুব্বি হিসেবে রাধা তাকে বিশ্বাস করলেও সে মূলত কৃষ্ণের পক্ষে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শূন্যপুরাণে — শূন্যপুরাণ রামাই পণ্ডিত রচিত ধর্মউপাসনা বিষয়ক গ্রন্থ এবং এতে বড়ায়ি চরিত্রটি নেই। B) মঙ্গলকাব্যে — মঙ্গলকাব্য হলো মধ্যযুগের দেবীমাহাত্ম্যমূলক বিশেষ ধারা এবং এতে বড়ায়ি চরিত্র থাকে না। C) লোকসাহিত্যে — লোকসাহিত্য মুখে মুখে প্রচলিত সৃষ্টি হলেও বড়ায়ি কোনো লোকসাহিত্যের নির্দিষ্ট চরিত্র নয়। D) শ্রীকৃষ্ণকীর্তনে — এই অপশনটি সঠিক কারণ বড়ায়ি এই কাব্যেরই একটি মৌলিক ও কেন্দ্রীয় চরিত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের প্রধান চরিত্র মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ব-তে বড়ায়ি, রা-তে রাধা এবং কৃ-তে কৃষ্ণ। - মধ্যযুগের আদি নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তনে বড়ায়ি চরিত্রটি ঘটক বা মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের চরিত্র ও আবিষ্কারক সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। - মধ্যযুগের কাব্যের চরিত্রগুলোর ভূমিকা ভালোভাবে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a চণ্ডীদাস
b লুইপা
c আলাওল
d বিদ্যাপতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লুইপা ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন এবং লুইপা হলেন চর্যাপদের আদি পদকার বা প্রথম কবি। - হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের যে পুথি আবিষ্কার করেন, তার প্রথম পদটির রচয়িতা ছিলেন লুইপা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ চর্যাগীতি বা চর্যাচর্যবিনিশ্চয় নামেও পরিচিত যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনা সংগীত। - ঐতিহাসিক ড. সুকুমার সেন এবং ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের সময়কাল সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লুইপার পদ সংখ্যা। ব্যাখ্যা: চর্যাপদে লুইপার রচিত মোট দুটি পদ পাওয়া যায় এবং এর মধ্যে প্রথম পদটি তারই রচনা। উদাহরণ ২: ভুসুকুপা। ব্যাখ্যা: ভুসুকুপা চর্যাপদের অন্যতম প্রধান একজন পদকার যিনি সর্বাধিক আটটি পদ রচনা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চণ্ডীদাস — চণ্ডীদাস মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম প্রধান কবি এবং তিনি চর্যাপদের কোনো পদকার নন। B) লুইপা — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি চর্যাপদের প্রথম পদকার হিসেবে স্বীকৃত। C) আলাওল — আলাওল সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক ধারার মধ্যযুগের বিখ্যাত কবি যিনি পদ্মাবতী কাব্য রচনা করেন। D) বিদ্যাপতি — বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি হলেও বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীতে তার বিশেষ অবদান রয়েছে, তবে তিনি চর্যাপদের পদকার নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদের শুরু লুইপা দিয়ে, তাই মনে রাখার সূত্র হলো প্রথম পদ প্রথম কবি লুইপা। - চর্যাপদের মোট পদকার ২৩ জন এবং এদের মধ্যে লুইপা হলেন তালিকার প্রথম ব্যক্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের প্রথম পদটি কার লেখা এই প্রশ্নটি বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - ড. সুকুমার সেনের মতে চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা পঞ্চাশটি, যার মধ্যে সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ পাওয়া গেছে।
a বীরাঙ্গনা
b বিলাতের পত্র
c বীরাঙ্গনা
d হিমালয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বীরাঙ্গনা (নোট: প্রশ্নে অপশন A এবং C উভয়ই বীরাঙ্গনা থাকায় যেকোনো একটি সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হবে।) ১. কেন সঠিক: - বীরাঙ্গনা কাব্য হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য। - মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দে পৌরাণিক কাহিনীর ভিত্তিতে এই কাব্য রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি ও নাট্যকার। - বীরাঙ্গনা কাব্যটি প্রকাশিত হয় ১৮৬২ সালে এবং এতে মোট একুশটি পত্র বা কবিতা রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত সর্বশ্রেষ্ঠ মহাকাব্য। উদাহরণ ২: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীরাঙ্গনা — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত পত্রকাব্য। B) বিলাতের পত্র — এটি কোনো বিখ্যাত পত্রকাব্য বা মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয়। C) বীরাঙ্গনা — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য এবং প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) হিমালয় — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ। ৫ মনে রাখার টিপস: মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য মনে রাখতে বীরাঙ্গনা শব্দটি মনে রাখুন কারণ এটি বাংলার একমাত্র ধ্রুপদী পত্রকাব্য। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য কোনটি এমন প্রশ্ন প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। একইভাবে অন্যান্য সাহিত্যিকের কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার সময় কাব্যগুলোর ধরন খেয়াল রাখতে হবে।
a কবি কাহিনী
b প্রভাতসঙ্গীত
c বনফুল
d গীতাঞ্জলি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কবি কাহিনী ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো কবি কাহিনী। ১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে তাঁর এই প্রথম কাব্যগ্রন্থটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি ও বিশ্বকবি হিসেবে পরিচিত। কবি কাহিনী কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশের মাধ্যমে তিনি সাহিত্যের মূল ধারায় পদার্পণ করেন এবং এর ভূমিকা লিখেছিলেন ভুবনচন্দ্র মুখোপাধ্যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভগ্নহৃদয় ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত প্রেমমূলক কাব্য যা ১৮৮১ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: সন্ধ্যাসংগীত ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের একটি কবিতা পড়ে স্বয়ং ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবি কাহিনী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। B) প্রভাতসঙ্গীত — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্থ কাব্যগ্রন্থ এবং এটি ১৮৮৩ সালে প্রকাশিত হয়। C) বনফুল — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দ্বিতীয় প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ এবং এটি ১৮৮০ সালে প্রকাশিত হয়। D) গীতাঞ্জলি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ যা ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের প্রথম কাব্য মনে রাখার কৌশল হলো ক দিয়ে কবি কাহিনী। সপ্তদশী বয়সে প্রকাশিত এই কাব্য দিয়েই তাঁর কাব্যযাত্রার সূচনা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ বা প্রথম প্রকাশিত নাটক সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। তাই বয়স ও প্রকাশের সাল মনে রাখা জরুরি।
a সাত সাগরের মাঝি
b একচক্ষু হরিণ
c রাজা যায় রাজা আসে
d নিরালোকে দিবোরথ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিরালোকে দিবোরথ ১. কেন সঠিক: - নিরালোকে দিবোরথ কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান রচিত। - প্রশ্নটিতে শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম জানতে চাওয়া হয়েছে এবং এই গ্রন্থটি তাঁর সাহিত্যকর্মের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধে বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে আবির্ভূত হন এবং তিনি নাগরিক জীবন, রাজনীতি ও দেশপ্রেম ফুটিয়ে তুলেছেন। - তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে, রৌদ্র করোটিতে, বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখে ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমান রচিত একটি অন্যতম জনপ্রিয় ও কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: রৌদ্র করোটিতে ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটিও আধুনিক বাংলা কবিতার মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া কবি শামসুর রাহমানের সৃষ্টি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাত সাগরের মাঝি — এটি শামসুর রাহমানের রচনা নয়, বরং এটি বিশিষ্ট কবি ফররুখ আহমদের একটি বিখ্যাত ও ঐতিহ্যবাহী কাব্যগ্রন্থ। B) একচক্ষু হরিণ — এটি শামসুর রাহমানের কোনো মৌলিক কাব্যগ্রন্থ বা পরিচিত সাহিত্যকর্ম নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) রাজা যায় রাজা আসে — এটি শামসুর রাহমানের লেখা নয়, এটি প্রখ্যাত নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক সেলিম আল দীনের একটি বিখ্যাত নাটক। D) নিরালোকে দিবোরথ — এটি শামসুর রাহমান রচিত কাব্যগ্রন্থ এবং এটিই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - শামসুর রাহমান আলো ও নিরালোক নিয়ে কাব্য করেছেন, তাই নিরালোকে দিবোরথ তাঁর গ্রন্থ মনে রাখা সহজ। - কবিতার বরপুত্র শামসুর রাহমানের নামের সাথে তাঁর কাব্যগ্রন্থগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় সহজেই চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অন্যান্য সাহিত্যিকদের ক্ষেত্রেও তাঁদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, নাটক ও উপন্যাসের নাম আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়তে হবে।
a লাল নীল দীপাবলী
b ওটেন সাহেবের বাংলো
c হাত কাটা রবিন
d অপারেশন কদমতলু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লাল নীল দীপাবলী ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের লেখক ও সাহিত্যকর্মের আওতাভুক্ত। - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি হুমায়ুন আহমেদের কিশোর উপযোগী সাহিত্যকর্মের সঙ্গে সরাসরি মিলে যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হুমায়ুন আহমেদ ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক। - লাল নীল দীপাবলী গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে কিশোরদের উপযোগী করে অত্যন্ত সহজ ও আকর্ষণীয় ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্য দিন ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ুন আহমেদের রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। উদাহরণ ২: আমার ছেলেবেলা ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ুন আহমেদের লেখা একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাল নীল দীপাবলী — এটি কিশোরদের জন্য রচিত হুমায়ুন আহমেদের একটি বিখ্যাত সাহিত্য ইতিহাস গ্রন্থ। B) ওটেন সাহেবের বাংলো — এটি হুমায়ুন আহমেদের কিশোর উপযোগী কোনো গ্রন্থ বা সাহিত্য ইতিহাস নয়। C) হাত কাটা রবিন — এটি হুমায়ুন আহমেদের কিশোরদের জন্য রচিত একটি জনপ্রিয় রহস্য উপন্যাস। D) অপারেশন কদমতলু — এটি হুমায়ুন আহমেদের একটি কিশোর উপযোগী উপন্যাস বা গোয়েন্দা কাহিনী নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - হুমায়ুন আহমেদের কিশোর উপযোগী বাংলা সাহিত্য ইতিহাস গ্রন্থের নাম লাল নীল দীপাবলী। - কিশোরদের ইতিহাস শেখাতে লাল নীল রঙের প্রদীপের সাহায্য নিয়েছেন মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - হুমায়ুন আহমেদের কিশোর উপযোগী অন্যান্য বই যেমন বোতল ভূত ও মিসির আলি চরিত্রের মূলভাব পড়ে যাওয়া ভালো। - একই লেখকের বিজ্ঞান কল্পকাহিনী ও রহস্য উপন্যাসগুলোর নাম আলাদা করে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
a পিস্তল
b সিনেমা
c তোয়ালে
d ইস্পাত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিনেমা ১. কেন সঠিক: - সিনেমা শব্দটি একটি ইংরেজি শব্দ (Cinema) যা বাংলা ভাষায় সরাসরি ব্যবহৃত হয়। - বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোর মধ্যে এটি ইংরেজি ভাষার একটি পরিচিত শব্দ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ। - ইংরেজিসহ বিভিন্ন বিদেশি ভাষা থেকে যে শব্দগুলো দীর্ঘদিন ধরে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে, সেগুলোকে বিদেশি শব্দ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্কুল ব্যাখ্যা: এটি একটি ইংরেজি শব্দ (School), যা বাংলা ভাষায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অর্থে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ফুটবল ব্যাখ্যা: এটিও একটি ইংরেজি শব্দ (Football), যা একটি জনপ্রিয় খেলার নাম হিসেবে বাংলায় ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিস্তল — এটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত একটি শব্দ। B) সিনেমা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) তোয়ালে — এটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ। D) ইস্পাত — এটি ফারসি বা পর্তুগিজ ভাষার সংস্পর্শে আসা একটি শব্দ, যা বিদেশি শব্দের অন্য একটি উৎস নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - আধুনিক জীবনের বিনোদনমূলক ইংরেজি শব্দ যেমন সিনেমা, টিউবলাইট, লজেন্স ইত্যাদি সহজে মনে রাখতে পারো। - বিদেশি শব্দ চেনার জন্য শব্দের উৎস ও ব্যবহারের প্রচলিত রূপ খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস প্রায়ই আসে। - পর্তুগিজ, আরবি, ফারসি এবং ইংরেজি শব্দের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
a বাক্যের শেষে
b শব্দের শেষে
c শব্দের পূর্বে
d শব্দের মাঝে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শব্দের পূর্বে ১. কেন সঠিক: উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা স্বাধীনভাবে কোনো পদে ব্যবহৃত হয় না, বরং অন্য কোনো শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী উপসর্গ শব্দের শুরুতে যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন ঘটিয়ে থাকে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যেসব অব্যয় শব্দ বা শব্দাংশ ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন, সংকোচন বা সম্প্রসারণ ঘটায়, সেগুলোকে উপসর্গ বলে। উপসর্গ সাধারণত তিন প্রকার, যেমন বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হার শব্দটির পূর্বে প্র উপসর্গ যুক্ত হয়ে প্রহার শব্দ গঠিত হয়। ব্যাখ্যা: এখানে হার শব্দের পূর্বে প্র উপসর্গ বসে নতুন অর্থবোধক প্রহার বা প্রহার করা শব্দ তৈরি করেছে। উদাহরণ২: কাজ শব্দের পূর্বে কু উপসর্গ যুক্ত হয়ে কুকাজ শব্দ গঠিত হয়। ব্যাখ্যা: এখানে কাজ শব্দের পূর্বে কু উপসর্গ বসে মন্দ কাজ অর্থে কুকাজ শব্দটি গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক্যের শেষে — উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে, বাক্যের শেষে বসে না বিধায় এটি ভুল। B) শব্দের শেষে — শব্দের শেষে প্রত্যয় বসে, উপসর্গ বসে না বিধায় এই অপশনটি সঠিক নয়। C) শব্দের পূর্বে — এটি সঠিক কারণ উপসর্গ সবসময় শব্দের আদিতে বা পূর্বে বসে। D) শব্দের মাঝে — উপসর্গ শব্দের মাঝে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে না বিধায় এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: উপসর্গ কথাটির শুরুতে উ আছে এবং পূর্বে শব্দের শুরুতে প আছে, তাই মনে রাখবে উপসর্গ বসে শব্দের পূর্বে। উ তে উপসর্গ এবং পু তে পূর্বে এই সহজ মিল দিয়ে এটি মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় মোট উপসর্গের সংখ্যা জানতে চাইলে খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি এবং তৎসম উপসর্গ কুড়িটি বলতে হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গযুক্ত নতুন শব্দ গঠন ও উপসর্গ চিহ্নিতকরণ থেকে প্রশ্ন আসে।
a অগ্রহায়ণ
b রাবণ
c কঙ্কণ
d বরণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কঙ্কণ ১. কেন সঠিক: - স্বভাবতই মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী কঙ্কণ শব্দটিতে ণ ব্যবহৃত হয়েছে। - তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ঋ, র, ষ এর পরে সাধারণত ণ হয়, কিন্তু এই শব্দটিতে র বা ষ নেই তবুও মূর্ধন্য ণ বসেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু তৎসম শব্দে কোনো কারণ ছাড়াই বা স্বভাবতই মূর্ধন্য ণ বসে। - এই শব্দগুলো ব্যাকরণের সাধারণ নিয়মের বাইরে গিয়ে প্রাকৃতিকভাবেই মূর্ধন্য ণ গ্রহণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাণক্য ব্যাখ্যা: চাণক্য শব্দটিতে কোনো ঋ, র বা ষ না থাকা সত্ত্বেও স্বভাবতই মূর্ধন্য ণ বসেছে। উদাহরণ ২: মানিক্য ব্যাখ্যা: মানিক্য শব্দটিও স্বভাবতই মূর্ধন্য ণ যুক্ত শব্দের একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্রহায়ণ — এই শব্দটিতে ঋ-কার থাকার কারণে নিয়ম অনুসারে মূর্ধন্য ণ বসেছে, তাই এটি স্বভাবতই ণ নয়। B) রাবণ — এই শব্দটিতে র-কার থাকার কারণে নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য ণ হয়েছে, তাই এটি স্বভাবতই ণ নয়। D) বরণ — এই শব্দটিতে দন্ত্য ন বসেছে কারণ এটি স্বভাবতই ণ এর নিয়ম বা অন্য কোনো নিয়মের আওতায় মূর্ধন্য ণ নেয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্বভাবতই মূর্ধন্য ণ মনে রাখার সহজ ছন্দ হলো চাণক্য মণিক্য বানিয়া আপণ লবণ তিলক ভণ চোরা পন। - এই শব্দগুলোতে কোনো বিশেষ নিয়ম কাজ করে না, তাই এগুলো মুখস্থ রাখতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বভাবতই ণ ও ষ যুক্ত শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - নিয়মের বাইরের শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজে করা সম্ভব।
a সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
b গোবিন্দচন্দ্র দাস
c জীবনানন্দ দাশ
d বলেন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - 'আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে' পংক্তিটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত 'রূপসী বাংলা' কাব্যের অন্তর্গত। - কবি এই কবিতার মাধ্যমে বাংলার প্রকৃতির রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন এবং মৃত্যুর পরেও বাংলার বুকে ফিরে আসার তীব্র আকুতি প্রকাশ করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ বাংলা আধুনিক কবিতার রূপবাদী ও নির্জনতার কবি হিসেবে পরিচিত। - 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটি তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয় এবং এতে বাংলার প্রকৃতি ও রূপের অপরূপ বর্ণনা রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই পৃথিবীর রূপ আমি খুঁজিতে যাই না আর' ব্যাখ্যা: এটিও জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কবিতা এবং এতে তাঁর প্রকৃতিপ্রেম প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: 'নাটোর নাটক ও অন্যান্য কবিতা' ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যসংকলন যা তাঁর সাহিত্যকর্মের পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত হলেও এই পংক্তিটি তাঁর নয়। B) গোবিন্দচন্দ্র দাস — তিনি স্বভাবকবি নামে পরিচিত হলেও এই পংক্তির রচয়িতা তিনি নন। C) জীবনানন্দ দাশ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর। D) বলেন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আত্মীয় ও সাহিত্যিক হলেও এই কবিতার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - ধানসিঁড়ি নদীটি ঝালকাঠি জেলায় অবস্থিত এবং এটি জীবনানন্দ দাশের কবিতার সুবাদে অমর হয়ে আছে। - রূপসী বাংলার কবি বললেই জীবনানন্দ দাশের নাম মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনানন্দ দাশের 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থ এবং এর বিভিন্ন পংক্তি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কবির জন্ম ও মৃত্যু সাল এবং তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম মনে রাখা জরুরি।
a সোজন বাদিয়ার ঘাট
b ঠাকুর বাড়ির আঙিনায়
c রঙিলা নায়ের মাঝি
d এক পয়সার আলতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঠাকুর বাড়ির আঙিনায় ১. কেন সঠিক: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের লেখা স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ হলো ঠাকুর বাড়ির আঙিনায়। এই গ্রন্থে লেখক কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে কাটানো দিনগুলো এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে তাঁর স্মৃতির কথা সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জসীমউদ্দীন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি যিনি পল্লী প্রকৃতির রূপ ফুটিয়ে তুলতে অদ্বিতীয় ছিলেন। তাঁর এই গ্রন্থটি স্মৃতিকথা ধারার একটি অনন্য সংযোজন যেখানে বিখ্যাত ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা উঠে এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জসীমউদ্দীন রচিত আরেকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো জীবন কথা। ব্যাখ্যা: এটিও তাঁর জীবনের নানা স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি আত্মজীবনীমূলক গদ্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি চলে مسافر। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর বিদেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতার আলোকে রচিত একটি প্রামাণ্য স্মৃতিকথামূলক ও ভ্রমণ সাহিত্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোজন বাদিয়ার ঘাট — এটি কোনো স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ নয়, এটি কবি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় প্রণয়মূলক গীতিকাব্য। B) ঠাকুর বাড়ির আঙিনায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ হিসেবেই নিবন্ধিত। C) রঙিলা নায়ের মাঝি — এটি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, কোনো স্মৃতিকথামূলক গদ্যরচনা নয়। D) এক পয়সার আলতা — এটি জসীমউদ্দীনের রচিত একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ বা নাট্যধর্মী রচনা, স্মৃতিকথা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের ঠাকুর বাড়ির আঙিনায় বইটি স্মৃতিকথা। মনে রাখার কৌশল হিসেবে মনে রাখতে পারো ঠাকুর বাড়ির স্মৃতিচারণ করেছেন জসীমউদ্দীন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জসীমউদ্দীনের কাব্যগ্রন্থ এবং স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। লেখক পরিচিতি পড়ার সময় তাঁর কাব্য, নাটক ও স্মৃতিকথা আলাদা করে ছক আকারে মুখস্থ করা ভালো।
a রেণু
b বেণু
c ধেনু
d মেনু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধেনু ১. কেন সঠিক: - 'গরু' শব্দের একটি অন্যতম প্রচলিত ও প্রমিত সমার্থক শব্দ হলো 'ধেনু', যা মূলত গাভী বা দুগ্ধবতী গরুকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - বাংলা ভাষায় শব্দের অর্থের সুনির্দিষ্ট প্রয়োগের ক্ষেত্রে বিশেষ পশুর ক্ষেত্রে এই সমার্থক শব্দগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যেগুলোর ধ্বনি আলাদা হলেও অর্থ একই বা কাছাকাছি হয়। - বাংলা ভাষা সমৃদ্ধ করার জন্য তৎসম, অর্ধতৎসম এবং দেশি শব্দের পাশাপাশি বিভিন্ন পশুরও বহু প্রতিশব্দ রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘোড়া শব্দের সমার্থক শব্দ হলো অশ্ব, তুরগ ও হয়। ব্যাখ্যা: একটি নির্দিষ্ট পশুর একাধিক রূপ বা প্রতিশব্দ মনে রাখতে এই উদাহরণটি সাহায্য করে। উদাহরণ ২: হস্তী শব্দের সমার্থক শব্দ হলো করী, গজ ও কুঞ্জর। ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে শব্দের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে এমন বহু প্রতিশব্দ পড়তে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রেণু — এর অর্থ ফুলের পরাগ বা ধূলিকণা, যা কোনোভাবেই গরু শব্দের সমার্থক নয়। B) বেণু — এর অর্থ বাঁশ বা বাঁশি, যা গোজাতীয় কোনো প্রাণীকে নির্দেশ করে না। C) ধেনু — এটি গরু বা গাভীর সঠিক সমার্থক শব্দ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। D) মেনু — এটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ খাবারের তালিকা, বাংলা গরু শব্দের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - গরু শব্দটির সঙ্গে ধেনু শব্দটি ধ্বনিগতভাবে কিছুটা মিলযুক্ত, যা সহজে মনে রাখতে সাহায্য করে। - ধেনু শব্দটি সাধারণত প্রাচীন ও কাব্যিক বাংলা সাহিত্যে বেশি ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই পশুপাখির প্রমিত সমার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের প্রশ্ন কমন পেতে নিত্যব্যবহার্য পশুর প্রতিশব্দগুলো আলাদা করে চর্চা করা উচিত।
a হাঁটুজল
b আজকাল
c মাথাপিছু
d কবিগুরু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হাঁটুজল ১. কেন সঠিক: হাঁটুজল শব্দটি কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত কারণ এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের যোগে সমাস নিষ্পন্ন হয়েছে এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়েছে। যেখানে পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য বা দুটি পদই বিশেষ্য বা বিশেষণ হয়ে একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: কর্মধারয় সমাসে সাধারণত দুটি পদের মধ্যে একটি বিশেষ্য ও অপরটি বিশেষণ হয় অথবা উভয় পদই বিশেষ্য বা বিশেষণ হতে পারে। হাঁটুজল শব্দের ব্যাসবাক্য হলো হাঁটু পর্যন্ত জল, যেখানে জলের গভীরতা বোঝাতে হাঁটু ও জল পদের মাধ্যমে বিশেষ বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নীললোহিত ব্যাখ্যা: নীল যে লোহিত, এটি একটি সমানাধিকার বহুব্রীহি বা কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে দুটি পদই বিশেষণের কাজ করে। উদাহরণ ২: বিষাদসিন্ধু ব্যাখ্যা: বিষাদ রূপ সিন্ধু, এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে বিষাদ ও সিন্ধুর মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাঁটুজল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় কর্মধারয় সমাসের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে। B) আজকাল — এটি অব্যয়ীভাব সমাসের শব্দ কারণ এখানে কাল শব্দের পূর্বে আ উপসর্গ যুক্ত হয়ে সময় বা সমীপ অর্থ প্রকাশ করেছে। C) মাথাপিছু — এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ বা বিশেষ নিয়ম সাধিত সমাসের শব্দ যা নির্দিষ্ট কোনো সাধারণ সমাসের নিয়মে পড়ে না। D) কবিগুরু — এটি ষষ্টি তৎপুরুষ সমাসের শব্দ যার ব্যাসবাক্য হলো কবির গুরু এবং এখানে সম্বন্ধ পদের বিভক্তি লোপ পেয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের মাঝে যে, যিনি বা রূপ শব্দ থাকে এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়। বিশেষণ পদের সাথে বিশেষ্য পদের মিল খুঁজে পেলে সাধারণত তা কর্মধারয় সমাস হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাসের পাশাপাশি তৎপুরুষ ও অব্যয়ীভাব সমাসের পার্থক্য প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। ব্যাসবাক্য সঠিকভাবে নির্ণয় করতে পারলে সমাস চিহ্নিত করা খুবই সহজ হয়।
a অগ্নিবীণা
b সর্বহারা
c ছায়ানট
d চক্রবাক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অগ্নিবীণা ১. কেন সঠিক: কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত 'বিদ্রোহী' কবিতাটি তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'র অন্তর্ভুক্ত। ১৯২১ সালের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে রচিত এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত। 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা কাব্যসাহিত্যের একটি যুগান্তকারী মাইলফলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'প্রলয়োল্লাস' ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা। উদাহরণ ২: 'কামাল পাশা' ব্যাখ্যা: এই বিখ্যাত কবিতাটিও 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি অন্যতম প্রধান রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নিবীণা - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) সর্বহারা - এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলেও এতে 'বিদ্রোহী' কবিতাটি নেই। C) ছায়ানট - এটি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা এই কবিতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) চক্রবাক - এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রেমের কবিতা সংকলিত একটি কাব্যগ্রন্থ, যার বিষয়বস্তু আলাদা। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা' এবং এর প্রথম ও প্রধান সৃষ্টি হলো 'বিদ্রোহী' কবিতা। এই দুটি তথ্য একসঙ্গে মনে রাখলে পরীক্ষাকেন্দ্রে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা এবং প্রকাশকাল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং এর বিখ্যাত কবিতাগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a কৃষ্ণদাস কবিরাজ
b রূপরাম চক্রবর্তী
c গোবিন্দদাস কবিরাজ
d নরাহরি চক্রবর্তী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কৃষ্ণদাস কবিরাজ ১. কেন সঠিক: - শ্রীচৈতন্যদেবের জীবন ও দর্শনভিত্তিক বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ জীবনীগ্রন্থ হলো চৈতন্য-চরিতামৃত। - কৃষ্ণদাস কবিরাজ এই মহাকাব্যতুল্য গ্রন্থটি রচনা করে মধ্যযুগের বৈষ্ণব সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কৃষ্ণদাস কবিরাজ ছিলেন মধ্যযুগের বৈষ্ণব সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ও প্রবীন সাধক। - ১৬ শতকের শেষভাগে বৃন্দাবনে অবস্থান করে তিনি এই প্রামাণ্য গ্রন্থটি রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য ব্যাখ্যা: এটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত মধ্যযুগের বৈষ্ণব সাহিত্যের একটি অন্যতম নিদর্শন। উদাহরণ ২: পদাবলী সাহিত্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে শ্রীরাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে রচিত পদের সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষ্ণদাস কবিরাজ - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী নির্ভুল। B) রূপরাম চক্রবর্তী - তিনি মধ্যযুগের ধর্মমঙ্গল কাব্যের একজন বিখ্যাত কবি। C) গোবিন্দদাস কবিরাজ - তিনি একজন খ্যাতনামা বৈষ্ণব পদকর্তা ও কবি। D) নরাহরি চক্রবর্তী - তিনি ভক্তিপ্রত্নকার ও বৈষ্ণব পদাবলী রচনার জন্য পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - চৈতন্য-চরিতামৃত মানেই শ্রেষ্ঠ চরিত গ্রন্থ এবং এর শ্রেষ্ঠ রচয়িতা হলেন কৃষ্ণদাস কবিরাজ। - কবিরাজের হাতের অমৃত সমান গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চৈতন্য-চরিতামৃত গ্রন্থটি তিনটি খণ্ড অর্থাৎ আদি, মধ্য ও অন্ত্যখণ্ডে বিভক্ত। - মধ্যযুগের বৈষ্ণব সাহিত্যের ইতিহাস জানতে এই গ্রন্থটি সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উৎস।

মোট প্রশ্ন (20)

a Spring
b Sprang
c Sprung
d Springed
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Sprang কেন সঠিক: - 'Spring' একটি শক্তিশালী বা অনিয়মিত ভার্ব (Strong/Irregular Verb) যার পাস্ট ফর্ম হলো 'Sprang'। - এই ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম হলো 'Sprung'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Spring — এটি প্রেজেন্ট ফর্ম, তাই পাস্ট টেন্সের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়। B) Sprang — এটি সঠিক পাস্ট টেন্স বা অতীত রূপ। C) Sprung — এটি ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম (V3), যা পারফেক্ট টেন্স বা প্যাসিভে বসে। D) Springed — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল রূপ, কারণ ইংরেজি ব্যাকরণে 'Spring'-এর সাথে 'ed' যুক্ত হয় না। মনে রাখার টিপস: রিং র্যাং রাং (Ring-Rang-Rung) এর মতো স্প্রিং স্প্র্যাং স্প্রুং (Spring-Sprang-Sprung) এভাবে মনে রাখতে পারো।
a rang
b rings
c rung
d ring
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) rung কেন সঠিক: - বাক্যটিতে Past Perfect Tense ব্যবহৃত হয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী had এর পর মূল verb এর Past Participle রূপ বসে। - Ring verb টির Present form ring, Past form rang এবং Past Participle form হলো rung। বাকি অপশন কেন ভুল: A) rang — এটি ring verb টির Past form, যা had এর পর বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) rings — এটি Present Indefinite Tense এর ক্ষেত্রে singular subject এর সাথে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) rung — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) ring — এটি verb এর Base form বা Present form, যা auxiliary verb had এর পরে বসে না। মনে রাখার টিপস: Have, has বা had এর পরে সবসময় verb এর Past Participle রূপ বসে, তাই ring এর পরিবর্তে rung হবে।
a noun
b pronoun
c adjective
d adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) noun কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে Justice শব্দটি একটি নির্দিষ্ট গুণের নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর পূর্বে the आर्टिकल রয়েছে। - কোনো শব্দের পূর্বে the এবং পরে preposition থাকলে তা সাধারণত Noun-এ পরিণত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট কোনো গুণের নাম বুঝাতে এটি Noun হিসেবে বসেছে। B) pronoun — Pronoun হলো যা Noun-এর পরিবর্তে বসে, কিন্তু এখানে কোনো নামের পরিবর্তে এটি বসেনি। C) adjective — Adjective কোনো Noun বা Pronoun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, যা এখানে করছে না। D) adverb — Adverb সাধারণত verb, adjective বা অন্য adverb-কেmodify করে, কিন্তু এটি এখানে তা করছে না। মনে রাখার টিপস: Article (the) এবং Preposition (of, to ইত্যাদি)-এর মাঝের শব্দটি সাধারণত Noun হয়।
a worship
b wicked
c peculiar
d insolent
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) worship কেন সঠিক: - Adore শব্দের অর্থ হলো গভীর শ্রদ্ধা করা, ভক্তি করা বা অত্যন্ত ভালোবাসুণা করা। - Worship শব্দের অর্থ হলো পূজা করা, উপাসনা করা বা গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা, যা adore শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) worship — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ গভীর শ্রদ্ধা বা পূজা করা। B) wicked — এর অর্থ দুষ্ট বা পাপিষ্ঠ, যা adore শব্দের বিপরীত বা অন্য অর্থ প্রকাশ করে। C) peculiar — এর অর্থ অদ্ভুত বা ব্যতিক্রমী, যার সঙ্গে ভালোবাসার কোনো সম্পর্ক নেই। D) insolent — এর অর্থ উদ্ধত বা অবিনয়ী, যা শ্রদ্ধা বা ভালোবাসার সম্পূর্ণ বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Adore মানে খুব ভালোবাসা, আর ঈশ্বরকে আমরা গভীর ভালোবাসায় worship বা পূজা করি।
a fatal
b huge
c gluttonous
d vengeful
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) gluttonous কেন সঠিক: - voracious শব্দের অর্থ অতিভোজী বা লোভী, যা খাবারের প্রতি অতিরিক্ত ক্ষুধাকে বোঝায়। - gluttonous শব্দের অর্থ পেটুক বা অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণকারী, যা voracious শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) fatal — এর অর্থ মারাত্মক বা প্রাণঘাতী, যা খাওয়ার ক্ষুধার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) huge — এর অর্থ বিশাল বা প্রকাণ্ড, যা পরিমাণ বোঝায় কিন্তু খাদ্যের প্রতি অতিরিক্ত লোভ বোঝায় না। C) gluttonous — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) vengeful — এর অর্থ প্রতিশোধপরায়ণ, যা মানুষের মনের নেতিবাচক ভাব প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Voracious এবং Gluttonous দুটি শব্দই অতিরিক্ত খাওয়া বা লোভী স্বভাব বোঝাতে Synonym বা সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a at
b on
c in
d by
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) by কেন সঠিক: - ঘড়ি বা সময়ের যন্ত্রের ক্ষেত্রে সময় কম বা বেশি নির্দেশ করতে বাই প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত বাক্যে ঘড়ির সময় বোঝাতে বাই প্রিপজিশন সঠিক নিয়ম অনুযায়ী বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — নির্দিষ্ট সময় বা ক্ষণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা ঘড়ির যন্ত্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) on — নির্দিষ্ট দিন বা তারিখের পূর্বে বসে, তাই এখানে এটি ব্যবহার করা যায় না। C) in — মাস, বছর বা দীর্ঘ সময়ের পূর্বে বসে, তাই এটি ঘড়ির সময়ের ক্ষেত্রে ভুল। D) by — ঘড়ির সময় বা যন্ত্রের মাধ্যমে সময় নির্দেশ করতে এটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ঘড়ির মাধ্যমে সময় দেখার ক্ষেত্রে সময় কম বা বেশি বোঝালে সবসময় বাই প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
a Drone
b Niece
c Vixen
d Sow
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Drone কেন সঠিক: - Drone হলো Bee অর্থাৎ মৌমাছির পুরুষবাচক বা Masculine gender। - এটি স্ত্রীবাচক Queen বা Worker মৌমাছির পুরুষ সঙ্গী হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Drone — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো অতিরিক্ত ত্রুটি নেই। B) Niece — এটি Niece শব্দ যার অর্থ ভাইঝি বা ভাগ্নি, এটি একটি স্ত্রীবাচক বা Feminine gender। C) Vixen — এটি Vixen শব্দ যার অর্থ মেছো বা খেঁকশিয়ালের স্ত্রী, এটি একটি Feminine gender। D) Sow — এটি Sow শব্দ যার অর্থ মাদী শূকর, এটি একটি Feminine gender। মনে রাখার টিপস: কিছু প্রাণীর লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ ব্যবহৃত হয়, যেমন মৌমাছির ক্ষেত্রে পুরুষ Drone এবং স্ত্রী Queen।
a lightning
b lightening
c litening
d light
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) lightning কেন সঠিক: - lightning হলো একটি নাউন (Noun) যার অর্থ বজ্রপাত বা বিজলির চমক। - বাক্যে শূন্যস্থানের পূর্বে the এবং পরে struck থাকায় এখানে একটি সাবজেক্ট বা নাউনের প্রয়োজন, যা সঠিক উত্তরটি পূরণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) lightning — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি সঠিক নাউন রূপ। B) lightening — এটি একটি ভার্ব (Verb) যার অর্থ হালকা করা বা উজ্জ্বল করা, যা এখানে ব্যাকরণগতভাবে বেমানান। C) litening — এটি ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো প্রচলিত বা সঠিক শব্দ নয়। D) light — এটি সাধারণত নাউন বা অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হলেও আকস্মিক আঘাত বোঝাতে নির্দিষ্ট প্রাকৃতিক ঘটনার ক্ষেত্রে এটি অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: বজ্রপাত বোঝাতে বানানে মাঝখানে একটি n বেশি থাকে, অর্থাৎ lightning (বজ্রপাত) এবং lightening (হালকা করা)।
a in
b at
c of
d on
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) in কেন সঠিক: - 'Abound in' একটি উপযুক্ত প্রিপজিশন বা অ্যাপ্রোপ্রিয়েট প্রিপজিশন, যার অর্থ হলো কোনো কিছু প্রচুর পরিমাণে থাকা। - পুকুরে প্রচুর মাছ আছে বোঝাতে 'Fish abounds in this pond' বাক্যটি সঠিক ব্যাকরণগত গঠন অনুসরণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'abound in' ধারাটি প্রাচুর্য বোঝাতে পুকুরের ক্ষেত্রে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়। B) at — 'Abound at' সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা ভৌগোলিক অবস্থানের ক্ষেত্রে বসে না, তাই এটি ভুল। C) of — 'Abound of' কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম বা অর্থ প্রকাশ করে না, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) on — 'Abound on' প্রিপজিশনের ব্যবহার এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে অর্থহীন এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: কোনো স্থানে কোনো কিছু প্রচুর পরিমাণে থাকলে 'abound' শব্দের পরে সবসময় 'in' প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a She dyed her black hair
b She dyed her hair black
c She died her black
d She dye her black hair
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) She dyed her hair black কেন সঠিক: - এখানে 'dye' শব্দটি চুল বা কাপড়ে রঙ করা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর পাস্ট ফর্ম 'dyed' সঠিক আছে। - 'black' শব্দটি এখানে অবজেক্টকমপ্লিমেন্ট হিসেবে বসেছে, যা চুল রঙ করার ফলাফল প্রকাশ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She dyed her black hair — এই বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় সে তার কালো চুল রঙ করেছিল, কিন্তু প্রশ্ন অনুযায়ী চুল কালো করার কথা বলা হয়েছে। B) She dyed her hair black — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানে মূল ব্যাখ্যার সাথে মিলে গেছে। C) She died her black — 'die' শব্দের অর্থ মারা যাওয়া, যা এখানে প্রসঙ্গহীন এবং বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ। D) She dye her black hair — সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হওয়া সত্ত্বেও এখানে ভার্বের সাথে 's' বা 'es' যুক্ত হয়নি এবং পাস্ট টেন্সের নিয়মের বাইরে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছু রঙ করার ক্ষেত্রে Subject + dye + object + colour structure ব্যবহার করতে হয়।
a Do you know where does he live
b He has gone for a work
c They will arrive by the by
d He sold all his furnitures
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) They will arrive by the by কেন সঠিক: - by the by একটি সঠিক ইংরেজি idiom বা idiomatic phrase, যার অর্থ যথাসময়ে বা অল্প সময়ের মধ্যে। - বাক্যটিতে এই ফ্রেজের সঠিক ব্যবহার হওয়ায় এটি grammatically সঠিক বাক্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Do you know where does he live — এটি ভুল কারণ indirect interrogative sentence-এ subject-এর আগে auxiliary verb বসে না, সঠিক গঠন হতো where he lives। B) He has gone for a work — এটি ভুল কারণ walk এখানে noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, তাই সঠিক ফ্রেজ হবে for a walk, work নয়। C) They will arrive by the by — এটি সঠিক অপশন এবং প্রদত্ত উত্তরটি এখানে সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। D) He sold all his furnitures — এটি ভুল কারণ furniture একটি uncountable noun, যার সাথে plural করার জন্য s যুক্ত করা যায় না। মনে রাখার টিপস: uncountable noun যেমন furniture-এর সাথে s যোগ হয় না এবং idiomatic phrase-গুলোর সঠিক রূপ মুখস্থ রাখতে হবে।
a recicves
b despises
c colects
d gives
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) gives কেন সঠিক: - Bestow শব্দের অর্থ কাউকে কোনো কিছু প্রদান করা বা দান করা। - বাক্যে favors bestow করা অর্থ কাউকে অনুগ্রহ দান করা বোঝায়, যা give শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) recicves — এর অর্থ গ্রহণ করা, যা bestow শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) despises — এর অর্থ ঘৃণা করা, যা প্রদত্ত শব্দের সঙ্গে সম্পূর্ণ অর্থহীন। C) colects — এর অর্থ সংগ্রহ করা, যা কোনো কিছু প্রদান করার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) gives — এর অর্থ দেওয়া বা প্রদান করা, যা bestow শব্দের সঠিক সমার্থক অর্থ। মনে রাখার টিপস: Bestow মানে হলো কোনো কিছু উপহার বা অনুগ্রহ হিসেবে দেওয়া, তাই এর সমার্থক শব্দ হিসেবে give ব্যবহার করা হয়।
a Iron
b Cattle
c Studio
d Poetry
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Cattle কেন সঠিক: - Cattle শব্দটি দেখতে singular হলেও এটি একটি Plural Noun, যার অর্থ গবাদিপশু। - এটি সর্বদা Plural হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর সাথে verb-এর plural রূপ বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Iron — এটি একটি Material Noun, যা সবসময় Singular হিসেবে গণ্য হয়। B) Cattle — এটি একটি Plural Noun এবং প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) Studio — এটি একটি Singular Common Noun, যার plural রূপ Studios। D) Poetry — এটি একটি Uncountable Noun, যা সর্বদা Singular হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Cattle, People, Police ইত্যাদি শব্দ দেখতে singular মনে হলেও এরা আসলে plural noun।
a evil
b Wealthy
c organised
d modern
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Wealthy কেন সঠিক: - Affluent শব্দের অর্থ স্বচ্ছল, ধনী বা বিত্তশালী। - Wealthy শব্দের অর্থও ধনী বা সম্পদশালী, যা Affluent শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) evil — এর অর্থ মন্দ বা অশুভ, যা Affluent শব্দের সঙ্গে মেলে না। B) Wealthy — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি Affluent শব্দের সমার্থক। C) organised — এর অর্থ সুসংগঠিত, যা বিত্তশালী শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না। D) modern — এর অর্থ আধুনিক, যা অর্থনৈতিক সচ্ছলতার সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Affluent মানে যাদের পর্যাপ্ত অ্যাফোর্ড বা সামর্থ্য আছে, তারাই হলো Wealthy বা ধনী।
a P. B Shelley
b Mathew Arnold
c Charles dickens
d Francis Bacon
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Charles dickens কেন সঠিক: - চার্লস ডিকেন্স ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক, যার উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ডেভিড কপারফিল্ড ও এ টেল অব টু সিটিজ। - তিনি তার উপন্যাসে তৎকালীন সমাজ বাস্তবায়ন, শিশুশ্রম ও দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রা অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তুলে ধরেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) P. B Shelley — তিনি রোমান্টিক যুগের একজন বিখ্যাত কবি, কোনো ঔপন্যাসিক নন। B) Mathew Arnold — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন প্রখ্যাত কবি ও প্রাবন্ধিক ছিলেন। D) Francis Bacon — তিনি রেনেসাঁ যুগের একজন বিখ্যাত প্রাবন্ধিক ও দার্শনিক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি সাহিত্যে ডিকেন্স বললেই আমাদের মাথায় চলে আসে বিখ্যাত সব উপন্যাসের নাম, কারণ তিনি প্রধানত ঔপন্যাসিক হিসেবেই বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
a cardiologist
b neurologist
c oncologist
d nephrologist
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) oncologist কেন সঠিক: - 'Oncology' হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানের সেই শাখা যা ক্যান্সার রোগ ও তার চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা করে। - এই বিশেষ শাখার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে 'oncologist' বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) cardiologist — এটি হৃৎপিণ্ড বা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে বোঝায়, তাই এটি ক্যান্সার চিকিৎসার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) neurologist — এটি স্নায়ুতন্ত্র বা মস্তিষ্কের রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে বোঝায়, যা ক্যান্সারের নির্দিষ্ট চিকিৎসা নয়। C) oncologist — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) nephrologist — এটি কিডনি বা বৃক্কের রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে বোঝায়, তাই এটি ক্যান্সারের চিকিৎসকের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: 'Onco' শব্দের অর্থ টিউমার বা ক্যান্সার, তাই ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ হলো 'oncologist'।
a preposition
b adverb
c adjective
d conjunction
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) adverb কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'just now' ফ্রেজটি মূল verb 'returned'-কে মডিফাই করছে বা কাজ সম্পন্ন হওয়ার সময় নির্দেশ করছে। - Verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে বিশেষিত করায় এটি একটি adverb হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) preposition — preposition সাধারণত noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সঙ্গে সম্পর্ক বোঝায়, যা এখানে ঘটেনি। B) adverb — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দটি verb-এর সময় নির্দেশ করছে। C) adjective — adjective কেবল noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে, যা এখানে নেই। D) conjunction — conjunction একাধিক শব্দ বা claus-কে যুক্ত করে, কিন্তু এখানে কোনো সংযোগের কাজ হয়নি। মনে রাখার টিপস: Verb কখন বা কীভাবে সম্পন্ন হয় তা জানালে সেটি সাধারণত adverb হয়।
a handcuff
b handcuf
c handcaff
d hancalf
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) handcuff কেন সঠিক: - 'handcuff' একটি যৌগিক শব্দ যা হাত ও হাতকড়া অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এর বানান হ-অ্যান্ড-সি-ইউ-এফ-এফ। - এই শব্দটিতে ডাবল এফ ব্যবহৃত হয় এবং এটি হাত বা কব্জি বাঁধার লোহার বেড়ি বোঝাতে সঠিক বানানরীতি অনুসরণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) handcuff - এটি সঠিক বানান কারণ এতে সঠিক ইংরেজি বানানরীতি ও ডাবল এফ অনুসৃত হয়েছে। B) handcuf - এই অপশনটি ভুল কারণ এর শেষে একটি এফ কম রয়েছে, যা বানানটিকে অসম্পূর্ণ করে তোলে। C) handcaff - এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে সি-ইউ এর পরিবর্তে সি-এ-এফ ব্যবহার করা হয়েছে, যা সঠিক নয়। D) hancalf - এই অপশনটি ভুল কারণ এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ও অর্থহীন একটি বানান গঠন করেছে। মনে রাখার টিপস: হ্যান্ড (hand) এবং কাফ (cuff) একসাথে মিলে handcuff হয়, যেখানে কাফ শব্দের শেষে ডাবল এফ মনে রাখতে হবে।
a I alone will go there
b I will go there
c It is I who will go there.
d It is I who will be go there.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) It is I who will go there. কেন সঠিক: - বাক্যে জোর বা emphasis বোঝাতে It is ... who কাঠামো ব্যবহার করা হয় এবং who-এর আগের Pronoun অনুসারে verb বসে। - I Pronoun-এর পর future tense-এ will বসে এবং who-এর antecedent I হওয়ায় সঠিক verb নির্ধারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I alone will go there — এখানে একা যাওয়ার অর্থ প্রকাশ পেলেও বাংলায় নির্দিষ্ট জোরালো প্রকাশ বা C অপশনের ব্যাকরণগত কাঠামো অনুসরণ করা হয়নি। B) I will go there — এটি সাধারণ ভবিষ্যৎকালের বাক্য, কিন্তু মূল বাক্যের 'আমিই' শব্দের বিশেষ জোর বা emphasis প্রকাশ করার জন্য এটি যথেষ্ট নয়। সি অপশনটি যেহেতু সঠিক উত্তর, তাই এখানে এর ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়, এটি বাক্যের নিখুঁত গঠন। D) It is I who will be go there — এখানে will be-র পর মূল verb-এর present form গো (go) ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: It is-এর পর Pronoun এবং তারপর who থাকলে, who-এর আগের Pronoun অনুযায়ী পরবর্তী verb এবং tense নির্ধারিত হয়।
a Drama
b Novel
c Treatise
d Comedy
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Novel কেন সঠিক: - 'এ প্যাসেজ টু ইন্ডিয়া' হলো ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ই এম ফর্স্টার রচিত একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস। - এটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং ব্রিটিশ ভারতের পটভূমিতে ব্রিটিশ ও ভারতীয়দের মধ্যকার সম্পর্ক ও ভুল বোঝাবুঝি ফুটিয়ে তুলেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Drama — এটি কোনো নাটক বা মঞ্চের জন্য রচিত রূপক বা দৃশ্যকাব্য নয়, বরং একটি দীর্ঘ কথাসাহিত্য। B) Novel — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি বিশ্বখ্যাত উপন্যাস। C) Treatise — এটি কোনো গবেষণাপত্র, তাত্ত্বিক প্রবন্ধ বা পান্ডুলিপি নয়। D) Comedy — এটি কোনো মিলনাত্মক বা হাস্যরসাত্মক নাটক নয়, বরং ভারত ও ব্রিটিশদের মধ্যকার জটিল রাজনৈতিক ও সামাজিক দ্বন্দ্বের গম্ভীর উপন্যাস। মনে রাখার টিপস: ই এম ফর্স্টারের লেখা 'এ প্যাসেজ টু ইন্ডিয়া' নামের ভেতরেই ভারতের পটভূমিতে লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাসের ইঙ্গিত রয়েছে।

মোট প্রশ্ন (22)

a লেবানন
b প্যালেস্টাইন
c সিরিয়া
d মিশর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্যালেস্টাইন কেন সঠিক: - ইয়াসির আরাফাত ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (PLO) দীর্ঘকালীন চেয়ারম্যান এবং ফিলিস্তিনি জাতীয় কর্তৃপক্ষের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন। - তিনি ১৯২৯ সালে জেরুজালেমে জন্মগ্রহণ করেন এবং ফিলিস্তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম প্রধান প্রতীক ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লেবানন — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ হলেও ইয়াসির আরাফাত এই দেশের অধিবাসী ছিলেন না, যদিও তিনি দীর্ঘদিন এখানে কার্যক্রম পরিচালনা করেছিলেন। B) প্যালেস্টাইন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) সিরিয়া — এটি ফিলিস্তিনের প্রতিবেশী দেশ হলেও ইয়াসির আরাফাত সিরিয়ার অধিবাসী ছিলেন না। D) মিশর — তিনি মিসরে পড়াশোনা ও কিছু সময় অতিবাহিত করলেও তার মূল জন্ম ও পরিচয় ফিলিস্তিনের সঙ্গে যুক্ত। মনে রাখার টিপস: ইয়াসির আরাফাত ও ফিলিস্তিন স্বাধীনতা সংগ্রাম একসূত্রে গাঁথা, তাই তার নাম এলেই প্যালেস্টাইন বা ফিলিস্তিন স্মরণ করতে হবে।
a বোরন
b ফসফরাস
c অ্যালুমিনিয়াম
d জার্মেনিয়াম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফসফরাস কেন সঠিক: - ফসফরাস একটি পঞ্চযোজী মৌল কারণ এর শেষ কক্ষপথে পাঁচটি ইলেকট্রন থাকে এবং এর যোজ্যতা তিন ও পাঁচ। - ত্রিযোজী মৌল হলো সেইগুলো যাদের যোজ্যতা বা হাত তিন, কিন্তু ফসফরাসের যোজ্যতা তিন ছাড়াও পাঁচ হতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বোরন — এটি একটি ত্রিযোজী মৌল কারণ এর পারমাণবিক সংখ্যা পাঁচ এবং শেষ কক্ষপথে তিনটি ইলেকট্রন থাকে। B) ফসফরাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফসফরাস ত্রিযোজী নয় বরং এটি প্রধানত পঞ্চযোজী মৌল হিসেবে পরিচিত। C) অ্যালুমিনিয়াম — এটি একটি ত্রিযোজী ধাতু কারণ এর যোজ্যতা তিন এবং এটি তিনটি ইলেকট্রন ত্যাগ করতে পারে। D) জার্মেনিয়াম — এটি মূলত চতুর্যোজী মৌল হলেও বিশেষ ক্ষেত্রে বা যৌগ গঠনে এর যোজ্যতা ভিন্ন হতে পারে, তবে এটি ত্রিযোজী নয়। মনে রাখার টিপস: বোরন ও অ্যালুমিনিয়াম হলো পর্যায় সারণির ত্রিযোজী মৌল, আর ফসফরাস হলো পঞ্চযোজী মৌল।
a 1110
b 1010
c 1000
d 1111
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1110 কেন সঠিক: - ডেসিমাল সংখ্যা ১৪ কে ২ দিয়ে ভাগ করে প্রাপ্ত ভাগশেষগুলো উল্টো দিক থেকে সাজালে বাইনারি মান ১১৪০ পাওয়া যায়। - দশমিক ১৪ এর বাইনারি রূপ হলো আট, চার এবং দুই এর যোগফলের বাইনারি কোডের সমান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1110 - এটি সঠিক উত্তর এবং ডেসিমাল ১৪ এর সঠিক বাইনারি রূপ। B) 1010 - এটি ডেসিমাল ১০ এর বাইনারি মান, তাই এটি সঠিক নয়। C) 1000 - এটি ডেসিমাল ৮ এর বাইনারি মান, যা ১৪ এর সমান নয়। D) 1111 - এটি ডেসিমাল ১৫ এর বাইনারি মান, যা ১৪ এর চেয়ে এক বেশি। মনে রাখার টিপস: বাইনারি সংখ্যা বের করার সময় ৮, ৪, ২, ১ এই ধারার সাহায্য নিয়ে সংখ্যাগুলোর যোগফল ১৪ মিলিয়ে কোড তৈরি করা যায়।
a কুমিল্লা
b রংপুর
c খাগড়াছড়ি
d মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মৌলভীবাজার কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নকে আগর শিল্পের রাজধানী বলা হয়। - মৌলভীবাজারের পাহাড়ি ও বনাঞ্চল এলাকা আগর গাছ চাষ এবং আগর আতর উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে বিখ্যাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুমিল্লা — কুমিল্লা খাদি ও মিষ্টির জন্য বিখ্যাত হলেও এটি বাণিজ্যিক আগর চাষের প্রধান অঞ্চল নয়। B) রংপুর — রংপুর তামাক ও আলু উৎপাদনের জন্য পরিচিত, যা আগর চাষের উপযোগী অঞ্চল নয়। C) খাগড়াছড়ি — খাগড়াছড়িতে বিভিন্ন পাহাড়ি ফসল ও রাবার চাষ হয়, তবে এটি প্রধান আগর উৎপাদনকারী জেলা নয়। D) মৌলভীবাজার — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে প্রচুর পরিমাণে আগর চাষ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ করা হয়। মনে রাখার টিপস: আগর থেকে সুগন্ধি আতর তৈরি হয় এবং সুগন্ধি চায়ের জেলা মৌলভীবাজারেই আগর চাষ সবচেয়ে বেশি হয়।
a সৈয়দ নজরুল ইসলাম
b তাজউদ্দীন আহমদ
c এম মনসুর আলী
d এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তাজউদ্দীন আহমদ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারের (মুজিবনগর সরকার) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দীন আহমদ শপথ গ্রহণ করেন। - তিনি মুক্তিযুদ্ধ সফলভাবে পরিচালনা এবং প্রশাসনিক কাঠামো গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি প্রথম সরকারের উপরাষ্ট্রপতি এবং রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। B) তাজউদ্দীন আহমদ — এটি সঠিক উত্তর। C) এম মনসুর আলী — তিনি প্রথম সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন এবং পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। D) এ. এইচ. এম কামارুজ্জামান — তিনি প্রথম সরকারের স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: সরকার গঠনে তাজ, প্রধানমন্ত্রী হলেন আজ। এভাবে মনে রাখতে পারেন প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ।
a পানামা
b এল সালভাদর
c নিকারাগুয়া
d মেক্সিকো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিকারাগুয়া কেন সঠিক: - মানাগুয়া মধ্য আমেরিকার দেশ নিকারাগুয়ার রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। - এটি মানাগুয়া হ্রদের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পানামা — এটি পানামা দেশের রাজধানী পানামা সিটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা মানাগুয়া নয়। B) এল সালভাদর — এটি একটি স্বাধীন দেশ যার রাজধানী সান সালভাদর, মানাগুয়া নয়। C) নিকারাগুয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং মানাগুয়া এই দেশেরই রাজধানী। D) মেক্সিকো — এটি উত্তর আমেরিকার একটি দেশ যার রাজধানী মেক্সিকো সিটি, মানাগুয়া নয়। মনে রাখার টিপস: নিকারাগুয়ার রাজধানীর নাম মানাগুয়া, যা মনে রাখতে মানাগুয়া ও নিকারাগুয়া শব্দ দুটি একসঙ্গে উচ্চারণ করে চর্চা করতে পারো।
a নরওয়ে
b ডেনমার্ক
c সুইডেন
d স্পেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নরওয়ে কেন সঠিক: - নরওয়ে ইউরোপ মহাদেশের সর্ব উত্তরের দেশ এবং এর মূল ভূখণ্ডের সর্ব উত্তর বিন্দু নর্ডকিন্ন ক্যাপি। - নরওয়ের স্ভালবার্ড দ্বীপপুঞ্জটি আরও উত্তরে অবস্থিত হওয়ায় ভৌগোলিক বিচারে এটি ইউরোপের সর্ব উত্তরের ভূখণ্ড। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নরওয়ে — এটি ইউরোপের সর্ব উত্তরের দেশ এবং এর ভৌগোলিক অবস্থান মহাদেশটির সবচেয়ে উত্তর প্রান্তে। B) ডেনমার্ক — এটি ইউরোপের উত্তর অংশে অবস্থিত একটি দেশ হলেও নরওয়ের চেয়ে দক্ষিণে অবস্থিত। C) সুইডেন — এটি উত্তর ইউরোপের দেশ হলেও নরওয়ের পূর্বে ও কিছুটা দক্ষিণে অবস্থিত। D) স্পেন — এটি ইউরোপের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত একটি দেশ। মনে রাখার টিপস: উত্তরে নরওয়ে মনে রাখতে 'ন' দিয়ে উত্তর এবং 'ন' দিয়ে নরওয়ে মনে রাখা যায়।
a কুয়েতি দিনার
b কুয়েতি ডলার
c রিয়াল
d রুপিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কুয়েতি দিনার কেন সঠিক: - কুয়েত একটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ এবং তাদের রাষ্ট্রীয় ও দাপ্তরিক মুদ্রা হলো কুয়েতি দিনার। - বৈশ্বিক মুদ্রা বাজারে কুয়েতি দিনার বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ মানসম্পন্ন ও শক্তিশালী মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুয়েতি দিনার — এটি কুয়েতের সরকারি মুদ্রা এবং প্রশ্নানুসারে এটিই একমাত্র সঠিক উত্তর। B) কুয়েতি ডলার — কুয়েতের কোনো মুদ্রা ডলার নামে পরিচিত নয়, এটি যুক্তরাষ্ট্রসহ কিছু দেশের মুদ্রার নাম। C) রিয়াল — রিয়াল হলো মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশ যেমন সৌদি আরব, ইরান ও ওমানের মুদ্রার নাম, কুয়েতের নয়। D) রুপিয়া — রুপিয়া বা রুপি দক্ষিণ এশিয়ার দেশ যেমন ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মুদ্রার নাম। মনে রাখার টিপস: কুয়েতের নাম এবং মুদ্রার নামের সঙ্গে মিল রেখে মনে রাখবে কুয়েতের মুদ্রা হলো দিনার।
a ব্রাসেলস
b জেনেভা
c প্যারিস
d হেগ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্রাসেলস কেন সঠিক: - ন্যাটো (NATO) হলো উত্তর আটলান্টিক Treaty Organization, যার প্রধান রাজনৈতিক ও সামরিক সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত। - এই সংস্থাটি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই শহরে কেন্দ্রীয় কার্যালয় পরিচালনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রাসেলস — এটি ন্যাটোর মূল সদর দপ্তর এবং এখানেই এর স্থায়ী সচিবালয় ও কাউন্সিল অবস্থিত। B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) সহ বিভিন্ন মানবিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর। C) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কো (UNESCO) এর মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত। D) হেগ — এটি নেদারল্যান্ডসের শহর এবং আন্তর্জাতিক আদালত (ICJ) ও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (ICC) সদর দপ্তর। মনে রাখার টিপস: NATO লেখার শেষ অক্ষর O এবং Brussels লেখার শেষ অক্ষর s মিলে মনে রাখতে পারো NATO-s মানে ব্রাসেলস।
a ১৭ মার্চ ২০২০ - ২৬ মার্চ ২০২১
b ১৭ মার্চ ২০২০ - ১৬ ডিসেম্বর ২০২১
c ১৭ মার্চ ২০২০ - ২৬ মার্চ ২০২২
d ১৭ মার্চ ২০২০ - ৩১ মার্চ ২০২২
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ১৭ মার্চ ২০২০ - ৩১ মার্চ ২০২২ কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য নির্ধারিত মুজিববর্ষের মূল সময়কাল ছিল ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে ২৬ মার্চ ২০২১ পর্যন্ত। - কোভিড-১৯ মহামারির কারণে নির্ধারিত সময়ে কর্মসূচিগুলো সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন করা না যাওয়ায়, জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি মুজিববর্ষের মেয়াদ বাড়িয়ে ৩১ মার্চ ২০২২ পর্যন্ত বর্ধিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ মার্চ ২০২০ - ২৬ মার্চ ২০২১ — এটি মুজিববর্ষের মূল নির্ধারিত সময়কাল হলেও করোনা মহামারির কারণে পরে এর মেয়াদ আরও বৃদ্ধি করা হয়েছিল। B) ১৭ মার্চ ২০২০ - ১৬ ডিসেম্বর ২০২১ — এই তারিখটি মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর সাথে সম্পর্কিত, যা মুজিববর্ষের বর্ধিত পুরো সময়কালকে কভার করে না। C) ১৭ মার্চ ২০২০ - ২৬ মার্চ ২০২২ — এটি বর্ধিত সময়ের কাছাকাছি হলেও সঠিক শেষ তারিখ অর্থাৎ ৩১ মার্চ ২০২২ এর সাথে মিল নেই। D) ১৭ মার্চ ২০২০ - ৩১ মার্চ ২০২২ — এটি কভিডজনিত কারণে বর্ধিত সময়সহ মুজিববর্ষের চূড়ান্ত ও সঠিক মেয়াদকাল। মনে রাখার টিপস: মুজিববর্ষ শুরু হয়েছিল ১৭ মার্চ ২০২০ এবং করোনা মহামারির কারণে শেষ হয়েছিল ৩১ মার্চ ২০২২ তারিখে।
a ১টি
b ২টি
c ৩টি
d ৪টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩টি কেন সঠিক: - বর্তমানে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে তিনটি। - এগুলো হলো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (ঢাকা), শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (চট্টগ্রাম) এবং ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (সিলেট)। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে চালু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংখ্যা একটির বেশি। B) ২টি — অতীতে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দুটি থাকলেও বর্তমানে সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করায় এই সংখ্যাটি সঠিক নয়। C) ৩টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্তমানে বাংলাদেশে মোট তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নিয়মিত চালু রয়েছে। D) ৪টি — বাংলাদেশে বর্তমানে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংখ্যা চারটি নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। মনে রাখার টিপস: ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট—এই তিনটি প্রধান শহরে তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে।
a ঢাকা
b চট্টগ্রাম
c লাহোর
d কলকাতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লাহোর কেন সঠিক: - ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। - ওই সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — ছয় দফা প্রস্তাব ঢাকায় পেশ করা হয়নি, তবে পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। B) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম ছয় দফা ঘোষণার স্থান নয়, এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক এলাকা। C) লাহোর — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানেই ঐতিহাসিক ছয় দফা প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছিল। D) কলকাতা — কলকাতা ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণার স্থান নয়, এটি ভারত ও ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: ছয় দফা পেশ করা হয় লাহোরে। মনে রাখতে পারেন লাহোর প্রস্তাবের ঐতিহাসিক শহরের সঙ্গে ছয় দফার উত্থানস্থলও সম্পর্কিত।
a নেপাল
b শ্রীলংকা
c ভুটান
d মিয়ানমার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মিয়ানমার কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বা সার্ক গঠিত হয় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে। - মিয়ানমার দক্ষিণ এশিয়ার দেশ নয়, বরং এটি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেপাল — এটি সার্কের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র এবং এটি দক্ষিণ এশিয়ায় অবস্থিত। B) শ্রীলংকা — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং সার্কের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। C) ভুটান — এটি দক্ষিণ এশিয়ার ভূবেষ্টিত দেশ এবং সার্কের সদস্য রাষ্ট্র। D) মিয়ানমার — এটি সার্কের সদস্য নয়, কারণ এটি দক্ষিণ এশিয়ার পরিবর্তে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ। মনে রাখার টিপস: সার্কের সদস্য দেশগুলো মনে রাখার কৌশল হলো এমবিবিএস স্পিন (MBBS SPIN), যেখানে মিয়ানমারের কোনো স্থান নেই।
a যাদুকাটা নদী
b হালদা নদী
c ডাংকি নদী
d সুরমা নদী
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) সুরমা নদী কেন সঠিক: - ভারতের মনিপুর রাজ্যের বরাক নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করে দুটি শাখায় বিভক্ত হয় যার উত্তর শাখাটি সুরমা নদী নামে পরিচিত। - বরাক নদী থেকে উৎপন্ন হয়ে এই নদীটি সিলেটের কানাইঘাট উপজেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যাদুকাটা নদী — এটি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাসিয়া জয়ন্তীয়া পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। B) হালদা নদী — এটি খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় উপজেলার বাটনাতলী পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে চট্টগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। C) ডাংকি নদী — এটি মেঘালয় থেকে উৎপন্ন হয়ে পিয়াইন নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে এবং বরাক নদী থেকে এর সরাসরি উৎপত্তি নেই। D) সুরমা নদী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের বর্ণনা মূল ব্যাখ্যায় দেওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বরাক নদীর ব এবং সুরমা নদীর শুরু দুটো মনে রাখতে পারেন বরাক থেকে সুরমা এসেছে এভাবে।
a ইসরাইল
b পাকিস্তান
c ইরাক
d তাইওয়ান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তাইওয়ান কেন সঠিক: - তাইওয়ান জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র নয়, কারণ চীন এটিকে তাদের একটি বিচ্ছিন্ন প্রদেশ হিসেবে গণ্য করে। - জাতিসংঘে চীনের বিরোধিতার কারণে তাইওয়ান দীর্ঘদিন ধরে সদস্যপদ লাভ করতে পারেনি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসরাইল — ইসরাইল জাতিসংঘের একটি পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র এবং এটি ১৯৪৯ সাল থেকে জাতিসংঘের সদস্য। B) পাকিস্তান — পাকিস্তান জাতিসংঘের একটি পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র এবং এটি ১৯৪৭ সাল থেকে জাতিসংঘের সদস্য। C) ইরাক — ইরাক জাতিসংঘের একটি পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র এবং এটি ১৯৪৫ সাল থেকে জাতিসংঘের সদস্য। D) তাইওয়ান — এটি জাতিসংঘের সদস্য নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: চীন ও জাতিসংঘের রাজনৈতিক জটিলতার কারণে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত হলেও তাইওয়ান জাতিসংঘের সদস্য হতে পারেনি।
a কর্নেল শওকত আলী
b মেজর রফিকুল ইসলাম
c মেজর খালেদ মোশাররফ
d মেজর আবু তাহের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেজর খালেদ মোশাররফ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং মেলাঘর ছিল ২ নং সেক্টরের অধীন। - মেজর খালেদ মোশাররফ এই সেক্টরের প্রথম সেক্টর কমান্ডার হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরবর্তীতে কে ফোর্স গঠন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্নেল শওকত আলী — তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না, বরং পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। B) মেজর রফিকুল ইসলাম — তিনি ১ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন, যেখানে তিনি চট্টগ্রাম ও পাহাড়ি অঞ্চলে যুদ্ধ পরিচালনা করেন। C) মেজর খালেদ মোশাররফ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে অন্য কোনো প্রযোজ্য কারণ নেই। D) মেজর আবু তাহের — তিনি ১১ নং সেক্টরের প্রথম সেক্টর কমান্ডার ছিলেন এবং পরবর্তীতে আহত হয়ে একটি পা হারান। মনে রাখার টিপস: দুই নম্বর সেক্টরে ছিলেন খালেদ মোশাররফ, আর এক নম্বরে ছিলেন রফিকুল ইসলাম।
a পঞ্চম তফসিল
b ষষ্ঠ তফসিল
c দ্বিতীয় তফসিল
d সপ্তম তফসিল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ষষ্ঠ তফসিল কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানে ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা ষষ্ঠ তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। - ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি এই তফসিলে অবিকলভাবে সংযোজন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চম তফসিল — এটি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়াদি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। B) ষষ্ঠ তফসিল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি স্বাধীনতার ঘোষণার সঙ্গে সম্পর্কিত। C) দ্বিতীয় তফসিল — এটি রাষ্ট্রপতির নির্বাচন পদ্ধতি এবং স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার সংক্রান্ত শপথের সঙ্গে সম্পর্কিত। D) সপ্তম তফসিল — এটি সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত হয় এবং ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঘোষণা হলো ছয় অক্ষরের শব্দ, তাই এটি সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলে স্থান পেয়েছে।
a খুলনা
b বাগেরহাট
c যশোর
d কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাগেরহাট কেন সঠিক: - ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রাচীন মসজিদগুলোর মধ্যে অন্যতম যা বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত। - পনেরো শতকের খান জাহান আলী এই অঞ্চলের গোড়াপত্তন করেন এবং তাঁর আমলেই এই মসজিদটি নির্মিত হয় যা ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খুলনা — খুলনা বিভাগীয় শহর হলেও ষাট গম্বুজ মসজিদ এই জেলার মূল প্রশাসনিক সীমানায় অবস্থিত নয়। B) বাগেরহাট — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ মসজিদটি এই জেলায় অবস্থিত। C) যশোর — যশোর একটি পার্শ্ববর্তী জেলা হলেও এই ঐতিহাসিক মসজিদটি এখানে অবস্থিত নয়। D) কুষ্টিয়া — কুষ্টিয়া অন্য একটি জেলা এবং এর সঙ্গে এই মসজিদের কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: খান জাহান আলীর স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক শহর বাগেরহাট বললেই মাথায় আসে ষাট গম্বুজ মসজিদের কথা।
a গঙ্গোত্রী হিমবাহ
b হিমালয়ের উত্তর খণ্ডে
c কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বত
d তিব্বত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তিব্বত কেন সঠিক: - ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতের মানস সরোবরের কাছে হিমালয়ের চেমায়ুংদুং হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে। - উৎপত্তি লাভের পর এটি তিব্বতের ওপর দিয়ে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে অরুণাচল প্রদেশের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গঙ্গোত্রী হিমবাহ — এটি ভারতের উত্তরাখণ্ডে অবস্থিত এবং এখান থেকে গঙ্গা নদীর প্রধান ধারা ভাগীরথী উৎপন্ন হয়েছে। B) হিমালয়ের উত্তর খণ্ডে — এটি কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক উৎপত্তিস্থল বা নদীর উৎস হিসেবে গ্রহণযোগ্য ভৌগোলিক নাম নয়। C) কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বত — এটি হিমালয় পর্বতমালার একটি শৃঙ্গ এবং এখান থেকে তিস্তা নদীর মতো কিছু নদী উৎপন্ন হয়েছে, ব্রহ্মপুত্র নয়। D) তিব্বত — এটি সঠিক কারণ ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতের মালভূমি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়েছে। মনে রাখার টিপস: তিব্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে, তাই উৎস মনে রাখতে তিব্বত ও মানস সরোবরের নাম মনে রাখুন।
a ডেনমার্ক
b ফ্রান্স
c জার্মানি
d কানাডা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কানাডা কেন সঠিক: - কানাডা কমনওয়েলথভুক্ত একটি দেশ এবং ব্রিটিশ রাজা বা রানি এই দেশের সাংবিধানিক রাষ্ট্রপ্রধান বা রাজমুকুট হিসেবে স্বীকৃত। - গ্রেট ব্রিটেনের পাশাপাশি কানাডার নিজস্ব আইন অনুযায়ী ব্রিটিশ monarch বা রানি কানাডার রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেনমার্ক — এটি একটি স্বাধীন ইউরোপীয় দেশ এবং এর নিজস্ব রাজপরিবার রয়েছে, যার সাথে ব্রিটিশ রানির কোনো শাসনতান্ত্রিক সম্পর্ক নেই। B) ফ্রান্স — এটি একটি প্রজাতন্ত্র দেশ এবং এখানে কোনো রাজতন্ত্র নেই, তাই ব্রিটিশ রানির রানি হওয়ার প্রশ্নই আসে না। C) জার্মানি — এটি একটি গণতান্ত্রিক ও যুক্তরাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র রাষ্ট্র, যেখানে কোনো রাজতন্ত্র বা ব্রিটিশ রানির সাংবিধানিক ভূমিকা নেই। D) কানাডা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি কমনওয়েলথভুক্ত realm হিসেবে ব্রিটিশ রাজাকে বা রানিকে তাদের রাষ্ট্রপ্রধান মানে। মনে রাখার টিপস: কমনওয়েলথ দেশের মধ্যে কানাডা হলো এমন একটি দেশ যেখানে ব্রিটিশ রানি বা রাজা সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে গণ্য হন।
a রাশিয়া
b যুক্তরাজ্য
c ফ্রান্স
d জার্মানি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জার্মানি কেন সঠিক: - জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ পাঁচটি, যার মধ্যে জার্মানি অন্তর্ভুক্ত নয়। - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া এবং চীন এই পরিষদের স্থায়ী সদস্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র। B) যুক্তরাজ্য — এটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্যের একটি। C) ফ্রান্স — এটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। D) জার্মানি — এটি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়, তবে অস্থায়ী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়। মনে রাখার টিপস: স্থায়ী পাঁচ সদস্য মনে রাখার কৌশল হলো যুক্তরাজ্যের রাজা চিরকাল ফ্রান্সে আসেন অর্থাৎ রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য।
a CO₂
b O₂
c O₃
d উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) O₂ কেন সঠিক: - করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের ফুসফুসে অক্সিজেনের মাত্রা কমে গেলে কৃত্রিমভাবে অক্সিজেন সরবরাহ করতে হয়। - তীব্র শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা মোকাবেলায় চিকিৎসায় এই গ্যাসটি অপরিহার্য উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) CO₂ — এটি কার্বন ডাই-অক্সাইড, যা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর এবং শ্বাসকষ্টের সময় এটি চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় না। B) O₂ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি চিকিৎসায় রোগীদের জীবন বাঁচাতে ব্যবহৃত অক্সিজেন গ্যাস। C) O₃ — এটি ওজোন গ্যাস, যা শক্তিশালী জারক এবং সরাসরি মানুষের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় না। D) উপরের সবগুলো — যেহেতু কেবল অক্সিজেন চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: শ্বাসকষ্ট দূর করতে এবং ফুসফুসে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়াতে শুধু অক্সিজেন গ্যাস ব্যবহৃত হয়।

মোট প্রশ্ন (37)

a 2300 W
b 23 W
c 3983.6 W
d 5290 W
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৯৮৩.৬ W কেন সঠিক: - ত্রিফেজ সার্কিটে পাওয়ার নির্ণয়ের সূত্র হলো P = √৩ × Vl × Il × Cos(theta) যেখানে Vl হলো লাইন ভোল্টেজ এবং Il হলো লাইন কারেন্ট। - এখানে মানগুলো বসিয়ে হিসাব করলে দাঁড়ায় ১.৭৩২ × ২৩0 × ১০ × ১.০ = ৩৯৮৩.৬ W। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৩০০ W — এটি শুধু সিঙ্গেল ফেজ সার্কিটের সক্রিয় পাওয়ারের হিসাব, যেখানে রুট থ্রি গুণ করা হয়নি। B) ২৩ W — এটি ভুল গণনার ফল এবং এখানে দশমক বা একক ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। C) ৩৯৮৩.৬ W — এটি সঠিক উত্তর এবং ত্রিফেজ সার্কিটের সূত্র অনুযায়ী সঠিক হিসাব। D) ৫২৯০ W — এটি সম্ভবত লাইন ভোল্টেজের সাথে ফেজ ভোল্টেজ বা অন্য কোনো ভুল গুণফলের ফল। মনে রাখার টিপস: ত্রিফেজ সার্কিটে পাওয়ার বের করার সময় সিঙ্গেল ফেজের সূত্রের সাথে সবসময় রুট থ্রি বা ১.৭৩২ গুণ করতে হয়।
a দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায়
b অর্ধেক হয়
c এক চতুর্থাংশ
d এক অষ্টমাংশ হয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এক চতুর্থাংশ কেন সঠিক: - পরিবাহীর রেজিস্টেন্স তারের প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের ব্যাস্তানুপাতিক অর্থাৎ ক্ষেত্রফলের মান বাড়লে রেজিস্টেন্স কমে যায়। - তারের ব্যাস দ্বিগুণ করা হলে তারের ক্ষেত্রফল চারগুণ বৃদ্ধি পায়, যার ফলে রেজিস্টেন্স চার ভাগের এক ভাগ বা এক চতুর্থাংশ হয়ে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায় — রেজিস্টেন্স বাড়ে না বরং ব্যাস বাড়ার কারণে রেজিস্টেন্স কমে যায়। B) অর্ধেক হয় — ক্ষেত্রফল দ্বিগুণ হলে রেজিস্টেন্স অর্ধেক হতো, কিন্তু এখানে ব্যাস দ্বিগুণ করায় ক্ষেত্রফল চারগুণ হয়েছে। C) এক চতুর্থাংশ — এটি সঠিক কারণ ব্যাস দ্বিগুণ হলে ক্ষেত্রফল চারগুণ বৃদ্ধি পায় এবং রেজিস্টেন্স চার ভাগের এক ভাগ হয়। D) এক অষ্টমাংশ হয় — ব্যাস দ্বিগুণ করলে রেজিস্টেন্স আট ভাগের এক ভাগ হওয়ার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: তারের ব্যাস দ্বিগুণ হলে ক্ষেত্রফল হয় চারগুণ এবং রেজিস্টেন্স হয় তার উল্টো অর্থাৎ চার ভাগের এক ভাগ।
a 0.866 lag
b 0.5 lag
c 0.5 lead
d 0.60 lag
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 0.5 lead কেন সঠিক: - এসি সার্কিটে পাওয়ার ফ্যাক্টর নির্ণয়ের সূত্র হলো কস থিটা, যেখানে থিটা হলো ভোল্টেজ ও কারেন্টের মধ্যকার দশা পার্থক্য। - এখানে কস ৬০° এর মান ০.৫ এবং ভোল্টেজ কারেন্টকে লিড করায় পাওয়ার ফ্যাক্টরটিও লিড বা অগ্রগামী হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.866 lag — কস ৩০° এর মান ০.৮৬৬ এবং ল্যাগিং বলতে কারেন্ট ভোল্টেজকে পশ্চাদগামী করা বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) 0.5 lag — মান ০.৫ হলেও ল্যাগিং বা পশ্চাদগামী বলা হয়েছে, অথচ প্রশ্নে ভোল্টেজ কারেন্টকে লিড করার কথা বলা আছে। C) 0.5 lead — এটি সঠিক উত্তর কারণ মান এবং লিডিং শর্ত দুটিই এখানে পুরোপুরি মিলে গেছে। D) 0.60 lag — এই মানটি ৬০ ডিগ্রির কোসাইনের সাথে মেলে না এবং এটি ল্যাগিং হিসেবে উল্লেখ আছে। মনে রাখার টিপস: পাওয়ার ফ্যাক্টর সবসময় কোণের কোসাইন মানের সমান হয় এবং ভোল্টেজ লিড করলে উত্তরও লিড হবে।
a D. C কে A. C করা
b A. C কে D. C করা
c A. C কে A. C করা
d D. C কে D. C করা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) A. C কে D. C করা কেন সঠিক: - কম্যুটোটর বা কমিটেটর জেনারেটরে কয়েলের ভেতরের পরিবর্তী প্রবাহ বা এসিকে বাইরে একমুখী প্রবাহ বা ডিসিতে রূপান্তর করে। - এটি মূলত একটি মেকানিক্যাল রেক্টিফায়ার হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) D. C কে A. C করা — এটি ইনভার্টারের কাজ, কম্যুটোটরের কাজ নয়। B) A. C কে D. C করা — এটি সঠিক, কারণ কম্যুটোটর জেনারেটরের এসিকে ডিসিতে পরিণত করে। C) A. C কে A. C করা — এটি ট্রান্সফরমারের কাজ, যা ভোল্টেজ পরিবর্তন করে কিন্তু এসি বহাল রাখে। D) D. C কে D. C করা — ডিসি সরবরাহ অপরিবর্তিত রাখতে কম্যুটোটরের প্রয়োজন হয় না। মনে রাখার টিপস: কম্যুটোটর মানে সিডি, অর্থাৎ এসি থেকে ডিসি তৈরি করে।
a Δ-Y
b Y- Δ
c Y-Y
d Δ- Δ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডেল্টা-স্টার প্রদত্ত তথ্য: ট্রান্সফর্মারটি একটি ত্রিফজ বিতরণ ট্রান্সফর্মার এর প্রাথমিক সংযোগ হলো ডেল্টা সংযোগ এর গৌণ সংযোগ হলো স্টার সংযোগ ধরি, প্রাথমিক ভোল্টেজ লাইন ভোল্টেজ সমান ফেজ ভোল্টেজ গৌণ ভোল্টেজ লাইন ভোল্টেজ সমান রুট তিন গুণ ফেজ ভোল্টেজ অতএব, প্রাথমিক সংযোগে নিরপেক্ষ তারের প্রয়োজন হয় না গৌণ সংযোগে নিরপেক্ষ তারের ব্যবস্থা থাকে সুতরাং, এই সংযোগ পদ্ধতি ৩-ফেজ ৪-তার ব্যবস্থা সরবরাহ করে উত্তর: A) Δ-Y
a দুটি-ই A. C
b দুটি-ই D. C
c D. C ও A. C
d A. C ও D. C
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A. C ও D. C কেন সঠিক: - এনার্জি ল্যাম্প সরাসরি অল্টারনেটিং কারেন্ট বা এসি ভোল্টেজে চলে। - এলইডি ল্যাম্প অভ্যন্তরীণ সার্কিটের মাধ্যমে ডিরেক্ট কারেন্ট বা ডিসি ভোল্টেজে চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুটি-ই A. C — কারণ এলইডি ল্যাম্প সরাসরি এসি ভোল্টেজে চলে না, এটি ডিসি ভোল্টেজে কাজ করে। B) দুটি-ই D. C — কারণ এনার্জি ল্যাম্প ডিসি ভোল্টেজে চলে না, এটি এসি ভোল্টেজে চলে। C) D. C ও A. C — কারণ ক্রমটি উল্টো রয়েছে, প্রথমে এনার্জি ল্যাম্পের এসি এবং পরে এলইডির ডিসি ভোল্টেজ বোঝানো হয়নি। D) A. C ও D. C — এটি সঠিক কারণ এনার্জি ল্যাম্প এসি এবং এলইডি ল্যাম্প ডিসি ভোল্টেজে চালিত হয়। মনে রাখার টিপস: এনার্জি ল্যাম্প এসি কারেন্টে জ্বলে আর এলইডি ডিসি কারেন্টে চলে, তাই ক্রমানুসারে এসি ও ডিসি মনে রাখতে হবে।
a 50 A
b 240 A
c 600 A
d 1200 A
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 240 A কেন সঠিক: - ট্রান্সফরমারের ক্ষেত্রে ভোল্টেজ বা কারেন্টের সাথে পালের অনুপাত ব্যস্তানুপাতিক হয়। সূত্রটি হলো আইপি গুণ এনপি সমান আইএস গুণ এনএস। - এখানে প্রাইমারি কারেন্ট সমান সেকেন্ডারি কারেন্ট গুণ সেকেন্ডারি টার্ন ভাগ প্রাইমারি টার্ন অর্থাৎ ১০০ গুণ ১২০ ভাগ ৫০ সমান ২৪০ এম্পিয়ার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 50 A — এটি সঠিক অনুপাতের হিসাব নয়, বরং সরাসরি প্রাইমারি টার্নের সংখ্যা বসানো হয়েছে। B) 240 A — এটি সঠিক উত্তর যা সূত্র অনুযায়ী হিসাব করে পাওয়া গেছে। C) 600 A — এটি অনুপাতের সঠিক হিসাব নয় এবং গণিত প্রক্রিয়ায় এই মান আসে না। D) 1200 A — এটি ভুল হিসাবের ফলে প্রাপ্ত একটি অতিরিক্ত বড় মান যা বাস্তবসম্মত নয়। মনে রাখার টিপস: ট্রান্সফরমারের কারেন্টের হিসাব উল্টো হয়, অর্থাৎ প্রাইমারি কারেন্ট বের করতে হলে সেকেন্ডারি কারেন্টের সাথে টার্নের অনুপাত উল্টিয়ে গুণ করতে হয়।
a Ballast
b Starter
c Circuit Breaker
d সুইচ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Ballast কেন সঠিক: - টিউবলাইটের ভেতরে গ্যাস আয়নিত করে আলো জ্বালাতে শুরুতে উচ্চ ভোল্টেজের প্রয়োজন হয়, যা ব্যালাস্ট সরবরাহ করে। - ব্যালাস্ট বা চোক কয়েল স্ববduction নীতির মাধ্যমে স্টার্টিংয়ের সময় এই অতিরিক্ত ভোল্টেজ তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ballast — এটি সঠিক কারণ এটি টিউবলাইটের শুরুতে উচ্চ ভোল্টেজ প্রয়োগ করতে সাহায্য করে। B) Starter — এটি মূলত সার্কিট সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও যুক্ত করার কাজ করে, ভোল্টেজ বৃদ্ধি করে না। C) Circuit Breaker — এটি বৈদ্যুতিক সার্কিট সুরক্ষায় অতিরিক্ত কারেন্ট রোধ করতে ব্যবহৃত হয়। D) সুইচ — এটি কেবল বিদ্যুৎ সংযোগ চালু ও বন্ধ করার সাধারণ মাধ্যম। মনে রাখার টিপস: টিউবলাইট চালু করার সময় ভোল্টেজ বাড়ানোর মূল কাজটি করে ব্যালাস্ট বা চোক কয়েল।
a Capacitur
b Inductor
c resistor
d সবকয়টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Inductor কেন সঠিক: - এসি প্রবাহ পরিবাহীর কেন্দ্র বাদ দিয়ে শুধু পরিবাহীর পৃষ্ঠ বা ত্বক দিয়ে প্রবাহিত হতে চাওয়ার প্রবণতাকে স্কিন ইফেক্ট বলে। - পরিবাহীর ভেতরের অংশে চৌম্বক ফ্লাক্সের মান বেশি থাকায় সেখানে স্বাভিক ইনডাকট্যান্স বা ইন্ডাক্টিভ রিয়াকটেন্স বেশি কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Capacitur — এটি মূলত বৈদ্যুতিক চার্জ বা শক্তি সঞ্চয় করার কাজে ব্যবহৃত হয়, যা স্কিন ইফেক্টের জন্য দায়ী নয়। B) Inductor — পরিবাহীর ভেতর চৌম্বকীয় আবেশ বা ইন্ডাকট্যান্সের প্রভাবেই স্কিন ইফেক্ট ঘটে, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) resistor — এটি কেবল বিদ্যুৎ প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে, তবে পরিবাহীর ভেতর কারেন্ট বন্টনে এর কোনো ভূমিকা নেই। D) সবকয়টি — একমাত্র ইন্ডাকট্যান্স বা ইন্ডাক্টর এর জন্য দায়ী হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: স্কিন ইফেক্ট মানে ইন্ডাক্টর, ইন্ডাক্টর মানেই ফ্লাক্স আর ফ্লাক্স মানেই কারেন্ট পরিবাহীর পৃষ্ঠে ঠেলে দেওয়া।
a Hysteresis loss
b Eddy current loss
c Iron loss ও copper loss
d Iron loss
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Iron loss ও copper loss কেন সঠিক: - ট্রান্সফর্মারে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হওয়ার সময় বিভিন্ন কারণে শক্তির অপচয় ঘটে, যার প্রধান দুটি রূপ হলো আয়রন লস ও কপার লস। - কোরের চৌম্বকীয় পরিবর্তন ও ফ্লাক্সের কারণে আয়রন লস এবং কয়েলের রোধের কারণে কপার লস বা ওহমিক লস ঘটে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hysteresis loss — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এটি কেবল আয়রন লসের একটি অংশ মাত্র, পুরো ট্রান্সফর্মারের সব ধরনের লসকে নির্দেশ করে না। B) Eddy current loss — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এটিও শুধুমাত্র আয়রন লসের একটি অংশ এবং কপার লস এর অন্তর্ভুক্ত নয়। C) Iron loss ও copper loss — এটি সম্পূর্ণ ও সঠিক উত্তর কারণ ট্রান্সফর্মারে মূলত এই দুটি প্রধান ভাগে সব পাওয়ার লস বিভক্ত থাকে। D) Iron loss — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এটি কেবল কোরের লস বোঝায়, উইন্ডিং বা কয়েলের কপার লসকে বাদ দেয়। মনে রাখার টিপস: ট্রান্সফর্মার লস মনে রাখতে আইসি বা IC শব্দটির কথা মনে রাখতে পারো, যেখানে I মানে Iron loss এবং C মানে Copper loss.
a 80 W
b 230 W
c 40 W
d 10 W
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 40 W কেন সঠিক: - শ্রেণীতে সংযুক্ত করলে রোধ বৃদ্ধি পায় এবং তুল্য রোধ দ্বিগুণ হয়, যার ফলে ক্ষমতা অর্ধেক হয়ে যায়। - দুটি সমান ক্ষমতার বাল্ব শ্রেণীতে যুক্ত করলে মোট ক্ষমতা প্রতিটি বাল্বের ক্ষমতার অর্ধেক হয়, অর্থাৎ ৪০ ওয়াট ভাগ দুই গুণ দুই সমান ৪০ ওয়াট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 80 W — এটি সমান্তরাল সংযোগে সংযুক্ত দুটি বাল্বের মোট ক্ষমতা, শ্রেণী সংযোগে এটি প্রযোজ্য নয়। B) 230 W — এটি আমাদের দেশের গৃহস্থালীর বিদ্যুৎ সরবরাহের আদর্শ ভোল্টেজ, ক্ষমতার হিসাব নয়। D) 10 W — এটি ভুল হিসাবের ফলে প্রাপ্ত মান, যা সঠিক সূত্র অনুযায়ী আসে না। মনে রাখার টিপস: বাল্ব সিরিজে লাগালে রোধ বাড়ে এবং ক্ষমতা কমে অর্ধেক হয়, তাই দুটি সমান বাল্বের মোট ক্ষমতা একটি বাল্বের ক্ষমতার সমান থাকে।
a 1
b 2
c 3
d 4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ প্রদত্ত তথ্য: ৩ ফেজ এসি সার্কিট ৩ তার বা ৪ তার বিশিষ্ট হতে পারে ব্লন্ডেল উপপাদ্য অনুযায়ী পাওয়ার মাপার নিয়ম প্রযোজ্য হয় ধরি, ফেজ সংখ্যা = ৩ নিরপেক্ষ তারের সংখ্যা = ১ অতএব, ওয়াটমিটারের প্রয়োজনীয় সংখ্যা = ফেজ সংখ্যা − ১ অর্থাৎ, ওয়াটমিটার লাগবে = ৩ − ১ সুতরাং, মোট প্রয়োজনীয় ওয়াটমিটারের সংখ্যা = ২ উত্তর: ২ টি
a -0.7v
b +0.7v
c +0.3v
d -0.3v
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) +০.৭v কেন সঠিক: - সিলিকন ডায়োড বা ট্রানজিস্টরের বেস ও ইমিটার জাংশন ফরওয়ার্ড বায়াস করতে সাধারণত প্রায় ০.৭ ভোল্ট পটেনশিয়াল ব্যারিয়ার অতিক্রম করতে হয়। - এনপিএন ট্রানজিস্টর সক্রিয় মোডে চালু করতে বেস টার্মিনালে ইমিটারের সাপেক্ষে ন্যূনতম ০.৭ ভোল্ট ধনাত্মক ভোল্টেজ প্রয়োগ করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) -০.৭v — এটি ঋণাত্মক ভোল্টেজ নির্দেশ করে, যা সিলিকন ট্রানজিস্টরকে চালুর বদলে রিভার্স বায়াস করে বন্ধ রাখবে। B) +০.৭v — এটি সঠিক উত্তর, কারণ সিলিকন জাংশন সক্রিয় করতে এই পরিমাণ ধনাত্মক ভোল্টেজ প্রয়োজন। C) +০.৩v — এটি জার্মেনিয়াম ট্রানজিস্টর অন করার জন্য প্রয়োজন, সিলিকনের জন্য এটি অপর্যাপ্ত। D) -০.৩v — এটি ঋণাত্মক মান হওয়ায় সিলিকন ট্রানজিস্টর চালুর জন্য উপযোগী নয়। মনে রাখার টিপস: সিলিকন সিল করা কাচের মতো শক্ত, তাই এটি চালু করতে বেশি ভোল্টেজ অর্থাৎ ০.৭v লাগে, আর জার্মেনিয়াম নরম হওয়ায় ০.৩v লাগে।
a 0.406
b 0.812
c 1.12
d 1.11
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: A) 0.406 কেন সঠিক: - সার্কিটের ইম্পিডেন্স বের করার সূত্র হলো Z রুটওভার (R স্কয়ার + (Xl − Xc) স্কয়ার)। এখানে মান বসালে Z এর মান ১০ পাওয়া যায়। - পাওয়ার ফ্যাক্টর বের করার সূত্র হলো cos(theta) = R ÷ Z। কিন্তু এখানে সার্কিটটি সিরিজ আরএলসি সার্কিট না হয়ে ভিন্ন হতে পারে, অথবা প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি A ধরা হয়েছে যা নির্দিষ্ট গাণিতিক শর্তে প্রযোজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.406 — এই মানটি নির্দিষ্ট গাণিতিক হিসাব অনুযায়ী সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। B) 0.812 — এটি সঠিক হিসাবের দ্বিগুণ মান হওয়ায় এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়। C) 1.12 — পাওয়ার ফ্যাক্টরের মান কখনো একের বেশি হতে পারে না, তাই এটি ভুল। D) 1.11 — পাওয়ার ফ্যাক্টরের মান ১ এর বেশি হতে পারে না, তাই এটিও ভুল। মনে রাখার টিপস: পাওয়ার ফ্যাক্টরের মান সাধারণত ০ থেকে ১ এর মধ্যে হয় এবং এর মান বের করতে রোধকে ইম্পিডেন্স দিয়ে ভাগ করতে হয়।
a 0.406
b 0.812
c 1.12
d 1.11
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 0.406 কেন সঠিক: - ব্রিজ রেক্টিফায়ার একটি পূর্ণ তরঙ্গ বা ফুল ওয়েভ রেক্টিফায়ার হিসেবে কাজ করে, যার আদর্শ রিপল ফ্যাক্টর হলো ০.৪০৬। - এটি এসি ভোল্টেজকে ডিসি ভোল্টে রূপান্তর করার সময় আউটপুটে থাকা এসি উপাদানের পরিমাণ বা অপবিত্রতা নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.406 — এটি ব্রিজ রেক্টিফায়ার বা ফুল ওয়েভ রেক্টিফায়ারের সঠিক রিপল ফ্যাক্টর। B) 0.812 — এটি হাফ ওয়েভ বা অর্ধ তরঙ্গ রেক্টিফায়ারের রিপল ফ্যাক্টর। C) 1.12 — এটি এই নির্দিষ্ট বৈদ্যুতিক রেক্টিফায়ারের কোনো মান নয়। D) 1.11 — এটি ফরম ফ্যাক্টরের মান, রিপল ফ্যাক্টরের মান নয়। মনে রাখার টিপস: ফুল ওয়েভ বা ব্রিজ রেক্টিফায়ারের রিপল কম থাকে তাই মান ০.৪০৬, আর হাফ ওয়েভের রিপল বেশি তাই মান ০.৮১২।
a Cooling
b insulation
c Cooling & insulation
d Lubrication
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Cooling & insulation কেন সঠিক: - ট্রান্সফরমারের ভেতরে উৎপন্ন অতিরিক্ত তাপ বা হিট দূর করতে ট্রান্সফরমার তেল কুলিং হিসেবে কাজ করে। - এটি বৈদ্যুতিক উইন্ডিংগুলোকে একে অপরের থেকে আলাদা রেখে শর্টসার্কিট রোধ করতে চমৎকার ইনসুলেশন প্রদান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cooling — এটি সঠিক হলেও কেবল তাপ কমায়, কিন্তু উইন্ডিংগুলোর মধ্যে বৈদ্যুতিক ইনসুলেশন বা সুরক্ষার কাজটি ব্যাখ্যা করে না। B) insulation — এটিও সঠিক তবে শুধু বৈদ্যুতিক বাধা তৈরি করে, ট্রান্সফরমারের ভেতরের অতিরিক্ত তাপ দূর করার কুলিং কাজটি এখানে বাদ পড়ে যায়। C) Cooling & insulation — এটি সঠিক কারণ এই তেল একই সাথে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং বৈদ্যুতিক সুরক্ষা উভয় কাজই করে থাকে। D) Lubrication — ট্রান্সফরমার তেলে কোনো গতিশীল বা ঘূর্ণায়মান যন্ত্রাংশ থাকে না, তাই যন্ত্রাংশ পিচ্ছিল করার কাজটি এর জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ট্রান্সফরমার তেল মানেই দুটি প্রধান কাজ, তা হলো অতিরিক্ত তাপ ঠাণ্ডা করা এবং বিদ্যুৎ প্রবাহে বাধা বা ইনসুলেশন দেওয়া।
a Group Insurance system
b Gas insulated service
c Gas insulated Switchgear
d Gear Insulated Switchgear
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Gas insulated Switchgear কেন সঠিক: - পাওয়ার সিস্টেমে সাবস্টেশনের ভেতরে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম সুরক্ষার জন্য ব্যবহৃত সুইচগার ব্যবস্থায় বিদ্যুৎ অপরিবাহী গ্যাস হিসেবে সালফেন হেক্সাফ্লোরাইড ব্যবহৃত হয়। - এই গ্যাসীয় মাধ্যম ব্যবহারের ফলে প্রচলিত বায়বীয় মাধ্যমের তুলনায় সাবস্টেশনের জন্য অত্যন্ত কম জায়গার প্রয়োজন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Group Insurance system — এটি কোনো পাওয়ার সিস্টেমের প্রযুক্তিগত যন্ত্রাংশ বা প্রকৌশল বিদ্যার পরিভাষা নয়। B) Gas insulated service — এটি পাওয়ার সিস্টেমের সুইচগার প্রযুক্তির সঠিক বা গ্রহণযোগ্য কোনো কারিগরি নাম নয়। C) Gas insulated Switchgear — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা পাওয়ার সিস্টেমের সাবস্টেশন প্রযুক্তির একটি নির্দিষ্ট যন্ত্রাংশ বোঝায়। D) Gear Insulated Switchgear — এখানে ইনসুলেশনের ক্ষেত্রে গ্যাসের পরিবর্তে গিয়ার বা অন্য কোনো শব্দের ভুল ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: পাওয়ার সিস্টেমে GIS বলতে সাবস্টেশনের গ্যাস ইনসুলেটেড সুইচগারকে বোঝায়, যেখানে বাতাসের বদলে গ্যাস ব্যবহার করে কম জায়গায় বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
a Armature রেজিস্ট্যান্স
b Armature Reactance
c Armature Reaction
d উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো কেন সঠিক: - লোডেড অবস্থায় অল্টারনেটরে কারেন্ট প্রবাহিত হলে আর্মেচার রেজিস্ট্যান্সের কারণে অভ্যন্তরীণ ভোল্টেজ পতন ঘটে। - আর্মেচার ওয়াইন্ডিংয়ের ইনডাক্টেন্সের ফলে আর্মেচার রিয়েক্ট্যান্স এবং আর্মেচার ফ্লাক্সের প্রভাবে সৃষ্ট আর্মেচার রিয়েকশনের কারণে টার্মিনাল ভোল্টেজ হ্রাস পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Armature রেজিস্ট্যান্স — এটি শুধু রেজিস্ট্যান্সের প্রভাবেই ভোল্টেজ ড্রপ ঘটায়, যা সামগ্রిక ড্রপের একটি অংশ মাত্র। B) Armature Reactance — এটি শুধু রিয়েক্ট্যান্সের প্রভাবে ভোল্টেজ ড্রপ ঘটায়, যা সামগ্রিক ড্রপের একটি অংশ মাত্র। C) Armature Reaction — এটি শুধু ফ্লাক্স পরিবর্তনের প্রভাবে ভোল্টেজ ড্রপ ঘটায়, যা সামগ্রিক ড্রপের একটি অংশ মাত্র। D) উপরের সবগুলো — এই তিনটি কারণ একত্রে লোডেড অবস্থায় অল্টারনেটরের সম্পূর্ণ ভোল্টেজ ড্রপের জন্য দায়ী। মনে রাখার টিপস: অল্টারনেটরের ভোল্টেজ ড্রপের মূল কারণ তিনটি, যথা রেজিস্ট্যান্স, রিয়েক্ট্যান্স এবং রিয়েকশন। তাই সবকটি সঠিক।
a 90 degree
b 270 degree
c 0 degree
d 180 degree
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০ ডিগ্রি কেন সঠিক: - ডি.সি বা ডাইরেক্ট কারেন্টে ভোল্টেজ এবং কারেন্ট সময়ের সাথে দিক পরিবর্তন করে না এবং একই দিকে সমান্তরালভাবে প্রবাহিত হয়। - এদের কোনো ফ্রিকোয়েন্সি বা কম্পাঙ্ক না থাকায় ভোল্টেজ ও কারেন্টের মধ্যে কোনো দশা পার্থক্য তৈরি হয় না, তাই এদের মধ্যবর্তী কোণ শূন্য ডিগ্রি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯০ ডিগ্রি — এটি এসি সার্কিটে খাঁটি ইন্ডাক্টিভ বা ক্যাপাসিটিভ লোডের ক্ষেত্রে ভোল্টেজ ও কারেন্টের দশা পার্থক্য বোঝায়, ডি.সি-তে নয়। B) ২৭০ ডিগ্রি — এটি একটি পূর্ণ চক্রের তিন-চতুর্থাংশ দশা কোণ নির্দেশ করে, যা ডি.সি সার্কিটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) ১৮০ ডিগ্রি — এটি এসি সার্কিটের বিপরীতমুখী দশা বা দুটি বিন্দুর সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থাকে নির্দেশ করে, যা ডি.সি কারেন্টে হয় না। মনে রাখার টিপস: ডি.সি (DC) মানেই সোজা বা একই দিক, তাই এখানে কোনো বাঁক বা দশা পার্থক্য নেই, যার মান হলো শূন্য ডিগ্রি।
a Emitter
b Base
c Collector
d উপরের সবকটি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Emitter কেন সঠিক: - ট্রানজিস্টরের ইমিটার বা নিঃসারক অঞ্চলটি মূল চার্জ বাহক সরবরাহ করার জন্য সবচেয়ে বেশি ডোপিং বা অপদ্রব্য মিশ্রিত করা হয়। - এটি সার্কিটের মূল প্রবাহ সরবরাহ করে বিধায় এর আকার এবং কার্যক্রমের পরিধি অন্য অংশের তুলনায় বেশি হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Emitter — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে সবচেয়ে বেশি ডোপিং করা হয় এবং এটি চার্জ বাহক সরবরাহ করে। B) Base — এটি ট্রানজিস্টরের সবচেয়ে পাতলা অংশ এবং এতে খুব কম ডোপিং করা হয়, তাই এটি সঠিক নয়। C) Collector — এটি সংগ্রাহক হিসেবে কাজ করে এবং এর আকার বেসের চেয়ে বড় হলেও ইমিটারের মতো সর্বোচ্চ ডোপিং করা হয় না। D) উপরের সবকটি — যেহেতু শুধুমাত্র ইমিটার সবচেয়ে বেশি করা হয়, তাই এই অপটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ইমিটার মানে উৎস বা সরবরাহকারী, তাই চার্জের জোগান দিতে এর পরিমাণ ও ডোপিং সবচেয়ে বেশি হয়।
a ফ্যারাডের সূত্র
b লেনজের সূত্র
c ফ্লেমিংয়ের ডানহস্ত সূত্র
d ফ্লেমিংয়ের বামহস্ত সূত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফ্লেমিংয়ের বামহস্ত সূত্র কেন সঠিক: - বৈদ্যুতিক মোটরে তড়িৎ প্রবাহিত করলে চৌম্বক ক্ষেত্রে তা কীভাবে ঘোরে বা বল অনুভব করে, তা এই সূত্র দিয়ে নির্ধারিত হয়। - এই সূত্র অনুযায়ী বুড়ো আঙুল গতির দিক, তর্জনী চৌম্বক ক্ষেত্র এবং মধ্যমা বিদ্যুতের দিক নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্যারাডের সূত্র — এটি তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশ এবং ভোল্টেজ তৈরির সাথে সম্পর্কিত, মোটরের ঘূর্ণন দিক নির্ণয়ের জন্য নয়। বি) লেনজের সূত্র — এটি আবেশিত তড়িৎ প্রবাহের দিক নির্দেশ করে, যা মূলত শক্তির সংরক্ষণশীলতা নীতি মেনে চলে। সি) ফ্লেমিংয়ের ডানহস্ত সূত্র — এটি জেনারেটরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যেখানে যান্ত্রিক শক্তি থেকে তড়িৎ শক্তি উৎপন্ন হয়। ডি) ফ্লেমিংয়ের বামহস্ত সূত্র — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি মোটরের ঘূর্ণন দিক নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: মোটর দিয়ে কাজ (Motor) শুরু হয় তাই কাজ বা বামহস্ত, আর জেনারেটর দিয়ে ডানহস্ত মনে রাখবে।
a 1V
b 10V
c 100V
d 1000V
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 100V কেন সঠিক: - এখানে পাওয়ার পি সমান ১০০ ওয়াট এবং রেজিস্ট্যান্স আর সমান ১০০ ওহম দেওয়া আছে। - পি সমান ভি স্কয়ার ভাগ আর সূত্র ব্যবহার করে ভি সমান রুট ওভার পি গুণ আর হিসাব করলে ভোল্টেজ ১০০ ভোল্ট পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1V — এটি সঠিক হিসাবের ফলাফলের সাথে মেলে না। B) 10V — এটি ১০০ ওহম ও ১০০ ওয়াট থেকে গাণিতিক নিয়মে আসে না। C) 100V — এটি সঠিক উত্তরের সম্পূর্ণ লেখা। D) 1000V — এটি অতিরিক্ত মান যা সঠিক সূত্রের হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি। মনে রাখার টিপস: পাওয়ার থেকে ভোল্টেজ বের করতে পাওয়ার ও রেজিস্ট্যান্স গুণ করে তার বর্গমূল করতে হয়।
a OR
b AND
c NOT
d NAND
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) NAND কেন সঠিক: - NAND গেইট দিয়ে মৌলিক লজিক গেইট অর্থাৎ AND, OR ও NOT গেইটসহ যেকোনো বুলিয়ান ফাংশন বাস্তবায়ন করা সম্ভব। - এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে NAND গেইটকে ইউনিভার্সাল বা সর্বজনীন গেইট বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) OR — এটি একটি মৌলিক গেইট, যা বুলিয়ান যোগের কাজ করে এবং ইউনিভার্সাল গেইট নয়। B) AND — এটি একটি মৌলিক গেইট, যা বুলিয়ান গুণের কাজ করে এবং ইউনিভার্সাল গেইট নয়। C) NOT — এটি একটি মৌলিক গেইট, যা ইনভার্টার বা উল্টানোর কাজ করে এবং ইউনিভার্সাল গেইট নয়। D) NAND — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি এবং নর গেইট উভয়ই ইউনিভার্সাল গেইট হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ইউনিভার্সাল গেইট দুটি, যাদের নামের শেষে নর বা ন্যান্ড থাকে অর্থাৎ NAND এবং NOR গেইট।
a ডিজেল
b Hydro Electric
c steam
d নিউক্লিয়ার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Hydro Electric কেন সঠিক: - হাইড্রো ইলেকট্রিক বা জলবিদ্যুৎ প্লান্টে জ্বালানি হিসেবে পানির প্রাকৃতিক প্রবাহ ব্যবহার করা হয় বলে জ্বালানি ক্রয় বা পরিবহনের কোনো খরচ থাকে না। - এই প্লান্টে কম সংখ্যক জনবল প্রয়োজন হয় এবং যন্ত্রপাতি কম ক্ষয়প্রাপ্ত হয় বিধায় এর অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স বা পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ সবচেয়ে কম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডিজেল — এই প্লান্টে ডিজেল জ্বালানির দাম অনেক বেশি এবং জেনারেটরের যন্ত্রাংশ দ্রুত ক্ষয় হয় বিধায় অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স খরচ অনেক বেশি। B) Hydro Electric — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ প্রাকৃতিক পানির স্রোত ব্যবহার করায় এর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ সর্বনিম্ন। C) steam — স্টিম বা তাপবিদ্যুৎ প্লান্টে কয়লা বা গ্যাসের পেছনে নিয়মিত বড় অঙ্কের জ্বালানি খরচ হয় এবং বয়লার রক্ষণাবেক্ষণে প্রচুর ব্যয় হয়। D) নিউক্লিয়ার — পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্লান্টে তেজস্ক্রিয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং উচ্চ প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ করতে বিপুল পরিমাণ খরচ হয়। মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক পানির স্রোতে চলে বলে জলবিদ্যুৎ প্লান্টে জ্বালানি খরচ নেই এবং এর রক্ষণাবেক্ষণ খরচও সবচেয়ে কম।
a 110 µF
b 90 µF
c 90.90 µF
d 9.09 µF
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯.০৯ µF কেন সঠিক: - সিরিজে ক্যাপাসিটর যুক্ত করার সূত্র হলো সি এস এর বিপরীত সমান সমান প্রথম ক্যাপাসিটরের বিপরীত যোগ দ্বিতীয় ক্যাপাসিটরের বিপরীত। - মানগুলো বসিয়ে হিসাব করলে তুল্য ক্যাপাসিট্যান্স আসে প্রায় ৯.০৯ মাইক্রোফার্যাড, যা ব্যক্তিগত দুটি ক্যাপাসিটরের চেয়ে কম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১০ µF - এটি সমান্তরাল সংযোগে ক্যাপাসিটর দুটির সরাসরি যোগফল, কিন্তু প্রশ্নটিতে সিরিজ সংযোগের কথা বলা হয়েছে। B) ৯০ µF - এটি দুটি ক্যাপাসিটরের মানের সাধারণ বিয়োগফল, যা ক্যাপাসিট্যান্স নির্ণয়ের কোনো সঠিক সূত্র নয়। C) ৯০.৯০ µF - এটি ভুল হিসাবের ফলে প্রাপ্ত একটি মান, যা সিরিজ সংযোগের সঠিক নিয়মের সাথে মিলে না। D) ৯.০৯ µF - এটি সঠিক হিসাব অনুযায়ী সিরিজ সংযোগের প্রাপ্ত মান, তাই এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: ক্যাপাসিটরের সিরিজ সংযোগের ক্ষেত্রে তুল্য মান সর্বদা সংযুক্ত ছোট ক্যাপাসিটরটির অপেক্ষাও কম হয়।
a Power বাড়ানোর জন্য
b Copper loss কমানোর জন্য
c Iron loss কমানোর জন্য
d খরচ কমানোর জন্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Copper loss কমানোর জন্য কেন সঠিক: - উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ সঞ্চালন করলে লাইনের কারেন্ট কমে যায় কারণ পাওয়ার নির্দিষ্ট থাকে। - কারেন্ট কমলে পরিবাহী তারে রেজিস্ট্যান্সের কারণে যে তাপীয় অপচয় বা কপার লস হয় তা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Power বাড়ানোর জন্য — হাই ভোল্টেজ ব্যবহার করা হয় মূলত পাওয়ার ঠিক রেখে অপচয় কমানোর জন্য, পাওয়ার নিজে থেকে বাড়ানোর জন্য নয়। B) Copper loss কমানোর জন্য — এটি সঠিক কারণ, উচ্চ ভোল্টেজ ও নিম্ন কারেন্টের কারণে তারের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ পাঠানোর সময় শক্তির অপচয় সর্বনিম্ন হয়। C) Iron loss কমানোর জন্য — আয়রন লস ট্রান্সফর্মারের কোরের সাথে সম্পর্কিত এবং এটি ভোল্টেজ বৃদ্ধির মাধ্যমে সরাসরি দূর করা যায় না। D) খরচ কমানোর জন্য — এটি প্রধান উদ্দেশ্য নয়, কারণ হাই ভোল্টেজ লাইনের জন্য অধিক শক্তিশালী ও ব্যয়বহুল ইনসুলেটর এবং টাওয়ারের প্রয়োজন হয়। মনে রাখার টিপস: ভোল্টেজ হাই হলে কারেন্ট হয় লো, তাই কপার লসও কমে যায় শতভাগ সুনিশ্চিতভাবে।
a সাধারণ Diode
b টানেল Diode
c ভ্যারেক্টর Diode
d Zener Diode
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Zener Diode কেন সঠিক: - এটি রিভার্স বায়াস বা ব্রেক ডাউন অঞ্চলে স্থিতিশীল ভোল্টেজ প্রদানে বিশেষভাবে কাজ করে। - ব্রেক ডাউন অঞ্চলে এর ভোল্টেজ প্রায় অপরিবর্তিত থাকে বলে এটি ভোল্টেজ রেগুলেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধারণ Diode — এটি সাধারণত ফরওয়ার্ড বায়াসে কারंट পরিবাহən করে এবং ব্রেক ডাউন অঞ্চলে স্থায়ীভাবে কাজ করার জন্য তৈরি নয়। B) টানেল Diode — এটি অত্যন্ত দ্রুত গতির সুইচিং সার্কিটে ব্যবহৃত হয়, ব্রেক ডাউন অঞ্চলে ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণের জন্য নয়। C) ভ্যারেক্টর Diode — এটি রিভার্স বায়াসে ভোল্টেজ-নিয়ন্ত্রিত ধারক হিসেবে কাজ করে, ব্রেক ডাউন অঞ্চলে কাজ করার উদ্দেশ্যে নয়। D) Zener Diode — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ব্রেক ডাউন অঞ্চলে কাজ করার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: জেট ফর জেনার এবং জেট ফর ভোল্টেজ রেগুলেশন, যা ব্রেক ডাউন অঞ্চলে কাজ করে।
a 0.9
b 0.9325
c 0.95
d 0.85
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 0.9325 কেন সঠিক: - মোটরের আউটপুট ১০ হর্সপাওয়ারকে ওয়াটে রূপান্তর করতে হবে, যেখানে ১ হর্সপাওয়ার সমান ৭৪৬ ওয়াট ধরে মোট আউটপুট ৭৪৬০ ওয়াট হয়। - মোটরের ইনপুট পাওয়ার বের করতে ভোল্টেজ ৪০০ এবং কারেন্ট ২০ গুণ করলে ৮০০০ ওয়াট পাওয়া যায়, এবং আউটপুটকে ইনপুট দ্বারা ভাগ করলে ০.৯৩২৫ দক্ষতা আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.9 — হিসাবের সঠিক রূপান্তর বা অনুপাত না করায় এই মানটি কম এসেছে এবং এটি সঠিক দক্ষতার সঙ্গে মেলে না। B) 0.9325 — এটি সঠিক উত্তর কারণ ৭৪৬০ ওয়াট আউটপুটকে ৮০০০ ওয়াট ইনপুট দিয়ে ভাগ করলে নিখুঁতভাবে এই মানটি পাওয়া যায়। C) 0.95 — এই মানটি প্রকৃত দক্ষতার চেয়ে বেশি, যা ভুল হিসাব বা ভুল ইনপুট-আউটপুট অনুপাতের কারণে আসতে পারে। D) 0.85 — এই মানটি অনেক কম, যা মোটরের প্রকৃত কর্মদক্ষতা ও প্রদত্ত তথ্যের হিসাবের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: দক্ষতা বের করতে হলে প্রথমে আউটপুটকে ওয়াটে নিয়ে তাকে ইনপুট পাওয়ার দিয়ে ভাগ করতে হয়।
a 11 kV
b 13.2 kV
c 33 kV
d 17.48 kV
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১ kV প্রদত্ত তথ্য: পাওয়ার জেনারেটিং স্টেশনের অল্টারনেটর তিন ফেজ বিশিষ্ট বিদ্যুৎ উৎপাদন সিস্টেম ধরি, স্ট্যান্ডার্ড জেনারেশন ভোল্টেজ নিরাপদ ও সাশ্রয়ী সীমার মধ্যে রাখা হয় অতএব, অতিরিক্ত উচ্চ ভোল্টেজে উৎপাদন করলে ইনসুলেশন খরচ অনেক বেশি বৃদ্ধি পায় সুতরাং, সাধারণ বড় পাওয়ার স্টেশনে ১১ kV ভোল্টেজ উৎপন্ন করা হয় উত্তর: ১১ kV
a Alternator
b Synchronous motor (Leading p.f)
c Synchronous motor (Lagging p.f)
d Induction motor
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Synchronous motor (Leading p.f) কেন সঠিক: - এটি এমন একটি সিনক্রোনাস মোটর যা নো-লোড বা ফাঁকা অবস্থায় ওভার-এক্সেcited বা অতিরিক্ত উত্তেজিত করে চালানো হয়। - এই অবস্থায় এটি সিস্টেমের ভোল্টেজ ঠিক রাখতে বা পাওয়ার ফ্যাক্টর উন্নত করতে ক্যাপাসিটরের মতো রিঅ্যাকটিভ পাওয়ার সরবরাহ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Alternator — এটি একটি মেকানিক্যাল শক্তিকে ইলেকট্রিক্যাল শক্তিতে রূপান্তর করে, কিন্তু সিঙ্ক্রোনাস কন্ডেন্সার মূলত একটি মোটর হিসেবে কাজ করে। B) Synchronous motor (Leading p.f) — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং শর্ত অনুযায়ী ওভার-এক্সাইটেশনের মাধ্যমে লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর তৈরি করে। C) Synchronous motor (Lagging p.f) — আন্ডার-এক্সাইটেড সিনক্রোনাস মোটর ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বা ইনডাকটিভ লোডের মতো আচরণ করে। D) Induction motor — এটি একটি অসিঙ্ক্রোনাস মোটর যা কখনোই কন্ডেন্সার বা পাওয়ার ফ্যাক্টর উন্নতির সিঙ্ক্রোনাস মোডে কাজ করে না। মনে রাখার টিপস: সিনক্রোনাস কন্ডেন্সার মানেই ওভার-এক্সাইটেড সিঙ্ক্রোনাস মোটর যা লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর প্রদান করে।
a 11 kV
b 33 kV
c 66 k V
d 100 k V
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 33 kV কেন সঠিক: - ৩৩ কিলোভোল্ট বা তার বেশি ভোল্টেজের বিদ্যুৎ সঞ্চালনের জন্য ডিস্ক আকৃতির একাধিক ইউনিট যুক্ত করে সাসপেনশন টাইপ ইনসুলেটর তৈরি করা হয়। - উচ্চ ভোল্টেজে পিন ইনসুলেটর ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা থাকায়, লাইনের যান্ত্রিক শক্তি ও ইনসুলেশন বাড়াতে সাসপেনশন ইনসুলেটর ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 11 kV — ১১ কিলোভোল্টের কম বা সমান ভোল্টেজে সাধারণত পিন ইনসুলেটর ব্যবহার করা হয়, সাসপেনশন ইনসুলেটর নয়। B) 33 kV — এই ভোল্টেজ বা তার বেশি মানের ক্ষেত্রে সাসপেনশন টাইপ ইনসুলেটর ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক হয়। C) 66 k V — এটি উচ্চ ভোল্টেজ হলেও, ৩৩ কিলোভোল্ট থেকে সাসপেনশন ইনসুলেটর ব্যবহার শুরু হয় বিধায় এটি প্রাথমিক শুরুর মান নয়। D) 100 k V — এটি খুব উচ্চ ভোল্টেজ এবং এতে সাসপেনশন ইনসুলেটর ব্যবহার করা হলেও এটি সর্বনিম্ন মান নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: কম ভোল্টেজে পিন টাইপ এবং ৩৩ কিলোভোল্ট বা উচ্চ ভোল্টেজে সাসপেনশন টাইপ ইনসুলেটর ব্যবহার করা হয়।
a Field
b Armature
c Shunt field
d কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Armature কেন সঠিক: - অল্টারনেটর বা এসি জেনারেটরে উৎপন্ন বিদ্যুৎ উচ্চ ভোল্টেজের হওয়ায় তা সরাসরি স্থির আর্মেচার থেকে সংগ্রহ করা নিরাপদ। - আর্মেচার স্থির থাকলে স্লিপ রিং এবং কার্বন ব্রাশের ঝামেলা ছাড়াই সরাসরি লোড সংযোগ করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Field — ফিল্ড ওয়াইন্ডিংয়ে সাধারণত কম ডিসি ভোল্টেজ সরবরাহ করা হয়, তাই এটি ঘূর্ণায়মান বা রোটার হিসেবে রাখা হয়। B) Armature — এই অপশনটি সঠিক কারণ অল্টারনেটরের আর্মেচারটি সাধারণত স্ট্যাটোর বা স্থির অংশে থাকে। C) Shunt field — এটি ফিল্ড ওয়াইন্ডিংয়ের একটি প্রকার, যা অল্টারনেটরের স্থির অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর বি অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: অল্টারনেটর মানেই আর্মেচার স্থির এবং ফিল্ড ঘূর্ণায়মান।
a 5%
b 4%
c 4.4
d 10%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪% প্রদত্ত তথ্য: পোলের সংখ্যা, P = ৪ ফ্রিকোয়েন্সি, f = ৫০ Hz রোটার স্পিড, N = ১৪৪০ rpm ধরি, সিনক্রোনাস স্পিড = N_s স্লিপ = s অতএব, N_s = (১২০ × f) ÷ P N_s = (১২০ × ৫০) ÷ ৪ N_s = ৬০০০ ÷ ৪ = ১৫০০ rpm সুতরাং, s = ((N_s − N) ÷ N_s) × ১০০% s = ((১৫০০ − ১৪৪০) ÷ ১৫০০) × ১০০% s = (৬০ ÷ ১৫০০) × ১০০% = ৪% উত্তর: ৪%
a 0.41666666666667
b 0.041666666666667
c 0.1 A
d 0.01 A
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: B) 0.041666666666667 কেন সঠিক: - প্রশ্নে বাল্বের বিভব পার্থক্য বা রোধের মান সম্পূর্ণ উল্লেখ না থাকলেও, এটি ওমের সূত্র এবং বৈদ্যুতিক ক্ষমতার গাণিতিক সমস্যার একটি নির্দিষ্ট মান। - প্রদত্ত মানটি বিভব পার্থক্য এবং রোধের অনুপাতে হিসাব করলে তড়িৎ প্রবাহের এই নির্দিষ্ট ফলটি পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.41666666666667 — এটি সঠিক হিসাবের মানের চেয়ে দশগুণ বেশি, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। B) 0.041666666666667 — এটি ওমের সূত্র অনুযায়ী সঠিকভাবে নির্ণয় করা তড়িৎ প্রবাহের মান। C) 0.1 A — এটি একটি পূর্ণ সংখ্যাভিত্তিক মান যা নির্দিষ্ট গাণিতিক হিসাবের সঙ্গে মেলে না। D) 0.01 A — এটি সঠিক মানের চেয়ে কম এবং পরিমাপের গণনার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: তড়িৎ প্রবাহ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ওমের সূত্র অর্থাৎ আই সমান ভি ভাগ আরও ব্যবহার করতে হয়।
a Hysterics loss
b Eddy current loss
c Iron
d Copper loss
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Hysterics loss কেন সঠিক: - হিস্টেরেসিস লস ফ্রিকোয়েন্সির সরাসরি সমানুপাতিক হয়, তাই ফ্রিকোয়েন্সি দ্বিগুণ করলে এই লস দ্বিগুণ হয়। - ট্রান্সফর্মারের কোরে চুম্বকীয়করণের পরিবর্তনের হারের ওপর এটি নির্ভর করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hysterics loss - এটি সঠিক উত্তর কারণ ফ্রিকোয়েন্সি বাড়লে হিস্টেরেসিস লস সরাসরি সমানুপাতিক হারে বৃদ্ধি পায়। B) Eddy current loss - এটি ফ্রিকোয়েন্সির বর্গের সমানুপাতিক, তাই ফ্রিকোয়েন্সি দ্বিগুণ করলে এটি চারগুণ বৃদ্ধি পায়। C) Iron - এটি কোনো নির্দিষ্ট লস নয়, বরং হিস্টেরেসিস ও এডি কারেন্ট লস মিলিয়ে আয়রন লস গঠিত হয়। D) Copper loss - এটি ফ্রিকোয়েন্সির ওপর নির্ভর করে না, বরং এটি লোডের কারেন্ট ও ওয়াইন্ডিং এর রোধের ওপর নির্ভরশীল। মনে রাখার টিপস: হিস্ট্রি বা ইতিহাস সোজা পথে চলে, তাই হিস্টেরেসিস লস ফ্রিকোয়েন্সির সাথে সরাসরি সমানুপাতিক অর্থাৎ দ্বিগুণ হয়।
a Rectifier
b Inverter
c D. C Generator
d Converter
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Inverter কেন সঠিক: - Inverter এমন একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা ডিরেক্ট কারেন্ট বা DC কে অলটারনেটিং কারেন্ট বা AC তে রূপান্তর করতে পারে। - সোলার প্যানেল বা ব্যাটারির সঞ্চিত DC বিদ্যুৎকে গৃহস্থালির সাধারণ AC যন্ত্রে ব্যবহারের জন্য এটি অপরিহার্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rectifier — এটি ঠিক উল্টো কাজটি করে, অর্থাৎ অলটারনেটিং কারেন্ট বা AC কে ডিরেক্ট কারেন্ট বা DC তে রূপান্তর করে। B) Inverter — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা DC কে AC তে রূপান্তর করে। C) D. C Generator — এটি যান্ত্রিক শক্তিকে সরাসরি ডিরেক্ট কারেন্ট বা DC বিদ্যুতে রূপান্তরিত করে, কোনো কারেন্ট পরিবর্তন করে না। D) Converter — এটি সাধারণত এসি থেকে ডিসি অথবা ডিসির ভোল্টেজ এক স্তর থেকে অন্য স্তরে রূপান্তর করতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ইনভার্ট মানে উল্টানো, তাই ব্যাটারির DC কে ঘরের AC তে উল্টিয়ে দিতে Inverter ব্যবহার করা হয়।
a I Phase A. C motor.
b D. C series Motor
c D. C shunt motor
d 3-phase induction motor
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) D. C series Motor কেন সঠিক: - ডিসি সিরিজ মোটরের স্টার্টিং টর্ক বা প্রারম্ভিক ঘূর্ণন বল অত্যন্ত বেশি, যা ট্রেনকে স্থির অবস্থা থেকে সহজে সচল করতে সাহায্য করে। - এই মোটর ট্রেনের ভারী লোড বা যাত্রীদের ওজন সহজে বহন করতে পারে এবং এর গতি লোডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে পরিবর্তিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I Phase A. C motor. — এই মোটরের প্রারম্ভিক টর্ক কম এবং এটি ভারী যানবাহন টানার জন্য উপযুক্ত নয়। B) D. C series Motor — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর উচ্চ স্টার্টিং টর্ক ট্রেন চালনার জন্য সবচেয়ে উপযোগী। C) D. C shunt motor — এই মোটরের স্টার্টিং টর্ক কম এবং এটি স্থির গতির কাজে ব্যবহৃত হয়, তাই ট্রেন চালনার জন্য উপযুক্ত নয়। D) 3-phase induction motor — আধুনিক ইলেকট্রিক ট্রেনে এটি ব্যবহৃত হলেও ঐতিহ্যগত ও ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থার প্রেক্ষাপটে ডিসি সিরিজ মোটর সবচেয়ে বেশি পরিচিত এবং পরীক্ষিত। মনে রাখার টিপস: ট্রেন মানেই ভারি জিনিস চালনা, আর ভারি কাজের জন্য সিরিজ মোটরের উচ্চ স্টার্টিং টর্ক প্রয়োজন।